উইকিউক্তি bnwikiquote https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8_%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE MediaWiki 1.46.0-wmf.24 first-letter মিডিয়া বিশেষ আলাপ ব্যবহারকারী ব্যবহারকারী আলাপ উইকিউক্তি উইকিউক্তি আলোচনা চিত্র চিত্র আলোচনা মিডিয়াউইকি মিডিয়াউইকি আলোচনা টেমপ্লেট টেমপ্লেট আলোচনা সাহায্য সাহায্য আলোচনা বিষয়শ্রেণী বিষয়শ্রেণী আলোচনা TimedText TimedText talk মডিউল মডিউল আলাপ Event Event talk কাজী নজরুল ইসলাম 0 276 79758 77668 2026-04-22T14:15:24Z Ashik212072 5517 79758 wikitext text/x-wiki '''কাজী নজরুল ইসলাম''' (২৪ মে ১৮৯৯ – ২৯ আগস্ট ১৯৭৬) ছিলেন একজন বাঙালি কবি, প্রাবন্ধিক, সাংবাদিক ও সঙ্গীতজ্ঞ, যিনি “বিদ্রোহী কবি” নামে সুপরিচিত। তিনি ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন এবং তার লেখনীতে সাম্য, মানবতা, স্বাধীনতা ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের জোরালো আহ্বান পাওয়া যায়। নজরুলের গদ্য রচনাগুলোতে ধর্মীয় কুসংস্কার, সামাজিক বৈষম্য এবং রাজনৈতিক নিপীড়নের বিরুদ্ধে স্পষ্ট অবস্থান দেখা যায়। তিনি হিন্দু-মুসলিম সম্প্রীতির একজন দৃঢ় প্রবক্তা ছিলেন এবং মানুষের মধ্যে ভেদাভেদ দূর করে সাম্যের সমাজ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখতেন। বাংলা সাহিত্যে তার অবদান অনন্য, এবং তিনি আজও স্বাধীনতা ও মানবাধিকারের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত। == উক্তি == * “বাঙালি যেদিন ঐক্যবদ্ধ হয়ে বলতে পারবে ‘বাঙালির বাংলা’, সেদিন তারা অসাধ্য সাধন করবে।” : — ‘বাঙালির বাংলা’ প্রবন্ধ, নজরুল-রচনাবলী, জন্মশতবর্ষ সংস্করণ, সপ্তম খণ্ড, বাংলা একাডেমী, ঢাকা, পৃষ্ঠা ৫৬ * “বার্ধক্য তাহাই যাহা পুরাতনকে, মিথ্যাকে, মৃত্যুকে আকড়াইয়া পড়িয়া থাকে।” : — ‘যৌবনের গান’, নজরুল-রচনাবলী, বাংলা একাডেমী, ঢাকা * “ধর্ম মানুষের জন্য; মানুষ কখনোই ধর্মের জন্য নয়।” : — প্রবন্ধ সংকলন, নজরুল-রচনাবলী, বাংলা একাডেমী, ঢাকা * “মানুষের মাঝে ভেদাভেদ সৃষ্টি করে যে ধর্ম, তা প্রকৃত ধর্ম নয়।” : — প্রবন্ধ সংকলন, নজরুল-রচনাবলী, বাংলা একাডেমী, ঢাকা * “স্বাধীনতা মানুষের জন্মগত অধিকার, একে দমিয়ে রাখা অন্যায়।” : — প্রবন্ধ, নজরুল-রচনাবলী, বাংলা একাডেমী, ঢাকা 7hnj7n3m0fq5iheymnwxk7t05adc79z 79770 79758 2026-04-22T14:56:05Z Nil Nandy 2294 Reverted 1 edit by [[Special:Contributions/Ashik212072|Ashik212072]] ([[User talk:Ashik212072|talk]]) (TwinkleGlobal) 79770 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:Nazrul Colorize.jpg|thumb|মহা - বিদ্রোহী রণক্লান্ত<br />আমি সেই [[দিন]] হব শান্ত।<br />যবে উৎপীড়িতের ক্রন্দন-রোল আকাশে-বাতাসে ধ্বনিবে না,<br /> অত্যাচারীর খড়গ কৃপাণ, রণ-ভূমে রণিবে না ~ নজরুল]] '''[[:w:কাজী নজরুল ইসলাম|কাজী নজরুল ইসলাম]]''' (২৪ মে ১৮৯৯ – ২৯ আগস্ট ১৯৭৬; ১১ [[জ্যৈষ্ঠ]] ১৩০৬ – ১২ [[ভাদ্র]] ১৩৮৩ বঙ্গাব্দ) রাঢ় বাংলায় [[জন্ম]] নেওয়া একজন [[বাঙালি]] কবি এবং পরবর্তী কালে বাংলাদেশের জাতীয় কবি। তিনি ছিলেন বিংশ শতাব্দীর অন্যতম অগ্রণী বাঙালি কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, সঙ্গীতজ্ঞ ও দার্শনিক যিনি বাংলা কাব্যে অগ্রগামী ভূমিকা রাখার পাশাপাশি প্রগতিশীল প্রণোদনার জন্য সর্বাধিক পরিচিত।তিনি বৃটিশ বিরোধীও ছিলেন।আজও তার ঐতিহ্য মানুষ ধরে রাখে। ==উক্তি== * মস‍্জিদেরই পাশে আমার কবর দিও ভাই,<br />যেন গোরে থেকেও মোয়াজ্জিনের আজান শ‍ুন‍্তে পাই॥<br /> আমার গোরের পাশ দিয়ে ভাই নামাজীরা যাবে,<br /> পবিত্র সেই পায়ের ধ্বনি এ বান্দা শুনতে পাবে।<br /> গোর আজাব থেকে এ গুনাহ্‌গার পাইবে রেহাই॥ ** নজরুল-রচনাবলী, জন্মশতবর্ষ সংস্করণ, দশম খণ্ড, প্রকাশক- বাংলা একাডেমী, ঢাকা, পৃষ্ঠা ২১৫ * 'বার্ধক্য তাহাই যাহা পুরাতনকে, মিথ্যাকে ,মৃত্যুকে আকড়াইয়া পড়িয়া থাকে' ** 'যৌবনের গান ' * মিথ্যা শুনিনি ভাই,<br>এই হৃদয়ের চেয়ে বড় কোনো মন্দির-কাবা নাই। ** ‘সাম্যবাদী’ কবিতা, নজরুল-রচনাবলী, জন্মশতবর্ষ সংস্করণ, দ্বিতীয় খণ্ড, প্রকাশক- বাংলা একাডেমী, ঢাকা, পৃষ্ঠা ৮০ * পূজিছে গ্রন্থ ভণ্ডের দল!– মূর্খরা সব শোনো,<br>মানুষ এনেছে গ্রন্থ;– গ্রন্থ আনেনি মানুষ কোনো! ** ‘মানুষ’ কবিতা, নজরুল-রচনাবলী, জন্মশতবর্ষ সংস্করণ, দ্বিতীয় খণ্ড, প্রকাশক- বাংলা একাডেমী, ঢাকা, পৃষ্ঠা ৮২ * বল বীর—<br>বল উন্নত মম শির!<br>শির নেহারি আমারি, নত-শির ওই শিখর হিমাদ্রির! ** ‘বিদ্রোহী’ কবিতা, অগ্নি-বীণা - নজরুল ইসলাম, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশক- আর্য্য পাবলিশিং হাউস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৫ *[[বাঙালি জাতি|বাঙালি]] যেদিন ঐক্যবদ্ধ হয়ে বলতে পারবে ‘'''বাঙালির বাংলা'''’ সেদিন তারা অসাধ্য সাধন করবে। ** ‘বাঙালির বাংলা’ প্রবন্ধ, নজরুল-রচনাবলী, জন্মশতবর্ষ সংস্করণ, সপ্তম খণ্ড, প্রকাশক- বাংলা একাডেমী, ঢাকা, পৃষ্ঠা ৫৬ ***{{ওয়েব উদ্ধৃতি|শিরোনাম=বাঙালির ঐক্যের প্রতীক নজরুল|ইউআরএল=https://www.bhorerkagoj.com/print-edition/2022/05/27/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%99%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%90%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a7%80%e0%a6%95-%e0%a6%a8%e0%a6%9c/|সংগ্রহের-তারিখ=2022-10-10|ওয়েবসাইট=[[w:bn:ভোরের কাগজ|ভোরের কাগজ]]}} * কারার ঐ লৌহ-কবাট<br> ভেঙে ফেল, কর রে লোপাট<br>রক্ত-জমাট<br>শিকল পূজোর পাষাণ-বেদী! **''ভাঙ্গার গান'' কাব্যগ্রন্থ, নজরুল-রচনাবলী, জন্মশতবর্ষ সংস্করণ, প্রথম খণ্ড, প্রকাশক- বাংলা একাডেমী, ঢাকা, পৃষ্ঠা ১৫৯ * ফাঁসির মঞ্চে গেয়ে গেল যারা জীবনের জয়গান,<br>আসি অলক্ষ্যে দাঁড়ায়েছে তারা, দিবে কোন বলিদান? ** ‘সর্বহারা’ কাব্যের ‘কান্ডারী হুঁশিয়ার’, নজরুল-রচনাবলী, জন্মশতবর্ষ সংস্করণ, দ্বিতীয় খণ্ড, প্রকাশক- বাংলা একাডেমী, ঢাকা, পৃষ্ঠা ১২৩ * আমি বন্ধন-হারা কুমারীর বেণী, তন্বি-নয়নে বহ্নি,<br> আমি ষোড়শীর হৃদি-সরসিজ প্রেম-উদ্দাম, আমি ধন্যি! ** ‘বিদ্রোহী’ কবিতা, অগ্নি-বীণা - নজরুল ইসলাম, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশক- আর্য্য পাবলিশিং হাউস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৮ *নিজে নিষ্ক্রিয় থেকে অন্য একজন মহাপুরুষকে প্রাণপণে ভক্তি করলেই যদি দেশ উদ্ধার হয়ে যেত,তাহলে এই দেশ এতদিন পরাধীন থাকত না। **''আমার পথ'' প্রবন্ধ, ''রুদ্র-মঙ্গল'', নজরুল-রচনাবলী, জন্মশতবর্ষ সংস্করণ, দ্বিতীয় খণ্ড, প্রকাশক- বাংলা একাডেমী, ঢাকা, পৃষ্ঠা ৪২১ * ভুলের মধ্য দিয়ে গিয়েই তবে সত্যকে পাওয়া যায়। ** ''আমার পথ'' প্রবন্ধ, ''রুদ্র-মঙ্গল'', নজরুল-রচনাবলী, জন্মশতবর্ষ সংস্করণ, দ্বিতীয় খণ্ড, প্রকাশক- বাংলা একাডেমী, ঢাকা, পৃষ্ঠা ৪২২ * আত্মাকে চিনলেই আত্মনির্ভরতা আসে। ** ''আমার পথ'' প্রবন্ধ, ''রুদ্র-মঙ্গল'', নজরুল-রচনাবলী, জন্মশতবর্ষ সংস্করণ, দ্বিতীয় খণ্ড, প্রকাশক- বাংলা একাডেমী, ঢাকা, পৃষ্ঠা ৪২১ * যার নিজের [[ধর্ম|ধর্মে]] [[বিশ্বাস]] আছে, যে নিজের ধর্মের সত্যকে চিনেছে, সে কখনো অন্য ধর্মকে ঘৃণা করতে পারে না। ** ''আমার পথ'' প্রবন্ধ'', রুদ্র-মঙ্গল'', নজরুল-রচনাবলী, জন্মশতবর্ষ সংস্করণ, দ্বিতীয় খণ্ড, প্রকাশক- বাংলা একাডেমী, ঢাকা, পৃষ্ঠা ৪২২ * আমি বিদ্রোহী ভৃগু, ভগবান-বুকে এঁকে দিই পদ-চিহ্ন ** ‘বিদ্রোহী’ কবিতা, অগ্নি-বীণা - নজরুল ইসলাম, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশক- আর্য্য পাবলিশিং হাউস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১১ * আমি বেদুঈন, আমি চেঙ্গিস্,<br>আমি আপনারে ছাড়া করি না কাহারে কুর্ণিশ! ** ‘বিদ্রোহী’ কবিতা, অগ্নি-বীণা - নজরুল ইসলাম, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশক- আর্য্য পাবলিশিং হাউস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭ * মহা– বিদ্রোহী রণ-ক্লান্ত<br>আমি সেই দিন হব শান্ত,<br>যবে উৎপীড়িতের ক্রন্দন-রোল আকাশে বাতাসে ধ্বনিবে না,<br>অত্যাচারীর খড়গ কৃপাণ ভীম রণ-ভূমে রণিবে না,<br>বিদ্রোহী রণ-ক্লান্ত<br>আমি সেই দিন হব শান্ত! ** ‘বিদ্রোহী’ কবিতা, অগ্নি-বীণা - নজরুল ইসলাম, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশক- আর্য্য পাবলিশিং হাউস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১০–১১ * কত মোহররম এলো, গেল চলে বহু কাল—<br>ভুলি নি গো আজো সেই শহীদের লোহু লাল!<br>মুস্‌লিম! তোরা আজ ‘জয়নাল আবেদীন,’<br>‘ওয়া হোসেনা—ওয়া হোসেন।’ কেঁদে তাই যাবে দিন।<br>ফিরে এল আজ সেই মহরম মাহিনা<br>ত্যাগ চাই মর্সিয়া-ক্রন্দন চাহি না! ** ‘মোহররম’ কবিতা, অগ্নি-বীণা - নজরুল ইসলাম, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশক- আর্য্য পাবলিশিং হাউস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৫৭–৫৮ * আমার যাবার সময় হল<br>দাও বিদায়।<br>মোছ আঁখি দুয়ার খোলো<br>দাও বিদায়। ** নজরুল-রচনাবলী, জন্মশতবর্ষ সংস্করণ, সপ্তম খণ্ড, প্রকাশক- বাংলা একাডেমী, ঢাকা, পৃষ্ঠা ১৫৬ * যেদিন আমি হারিয়ে যাব, বুঝবে সেদিন বুঝবে!<br>অস্তপারের সন্ধ্যাতারায় আমার খবর পুছবে—<br>বুঝবে সেদিন বুঝবে। ** ‘অভিশাপ’ কবিতা, দোলন-চাঁপা কাব্যগ্রন্থ, নজরুল-রচনাবলী, জন্মশতবর্ষ সংস্করণ, প্রথম খণ্ড, প্রকাশক- বাংলা একাডেমী, ঢাকা, পৃষ্ঠা ৮৫ * তুমি সুন্দর, তাই চেয়ে থাকি প্রিয়, সে কি মোর অপরাধ?<br>চাঁদেরে হেরিয়া কাঁদে চকোরিণী, বলে না তো কিছু চাঁদ।৷ ** বুলবুল কাব্যগ্রন্থ, নজরুল-রচনাবলী, জন্মশতবর্ষ সংস্করণ, ষষ্ঠ খণ্ড, প্রকাশক- বাংলা একাডেমী, ঢাকা, পৃষ্ঠা ২৭৩ * হয়তো তোমার পাব দেখা,<br>যেখানে ঐ নত [[আকাশ]] চুমছে বনের সবুজ রেখা।৷ ** ‘আশা’ কবিতা, ‘ছায়ানট’ কাব্যগ্রন্থ, নজরুল-রচনাবলী, জন্মশতবর্ষ সংস্করণ, দ্বিতীয় খণ্ড, প্রকাশক- বাংলা একাডেমী, ঢাকা, পৃষ্ঠা ৩৪ * হেথা সবে সম পাপী<br> আপন পাপের বাটখারা দিয়ে অন্যের পাপ মাপি! ** ‘পাপ’ কবিতা, ‘সাম্যবাদী’ কাব্যগ্রন্থ, নজরুল-রচনাবলী, জন্মশতবর্ষ সংস্করণ, দ্বিতীয় খণ্ড, প্রকাশক- বাংলা একাডেমী, ঢাকা, পৃষ্ঠা ৮৪ * [[ভালোবাসা]] দিয়ে [[ভালোবাসা]] না পেলে তার [[জীবন]] দুঃখের ও জড়তার। * ভালোবাসাকে যে জীবনে অপমান করে সে জীবনে আর ভালোবাসা পায় না। * তোমারে যে চাহিয়াছে ভুলে একদিন, সে জানে তোমারে ভোলা কি কঠিন। * মৃত্যুর যন্ত্রণার চেয়ে বিরহের যন্ত্রণা যে কতো কঠিন,<br>কতো ভয়ানক তা একমাত্র ভুক্তভোগীই অনুভব করতে পারে। *একটা ধর্ম কখনো সঙ্কীর্ণ, অনুদার হইতে পারে না। ধর্ম সত্যের উপর প্রতিষ্ঠিত এবং সত্য চিরদিনই বিশ্বের সকলের কাছে সমান সত্য। কোন ধর্ম শুধু কোন এক বিশিষ্ট সম্প্রদায়ের জন্য নয়। তাহা বিশ্বের। **‘ছুঁৎমার্গ’ প্রবন্ধ ==কাজী নজরুল ইসলামকে নিয়ে উক্তি== * কবি নজরুল যে-স্বপ্ন দেখেছিলেন, সেটা শুধু তার নিজের স্বপ্ন নয় —সমগ্র বাঙালী জাতির স্বপ্ন। **[[সুভাষচন্দ্র বসু]], নজরুল স্মৃতি- বিশ্বনাথ দে সম্পাদিত, প্রকাশক- সাহিত্যম্, কলিকাতা, পৃষ্ঠা ২ * কবিরা সাধারণত কোমল ও ভীরু, কিন্তু নজরুল তা নন। কারাগারে শৃঙ্খল পরে বুকের রক্ত দিয়ে তিনি যা লিখেছেন, তা বাঙালীর প্রাণে এক নৃতন স্পন্দন জাগিয়ে তুলেছে। **[[প্রফুল্ল চন্দ্র রায়]], নজরুল স্মৃতি- বিশ্বনাথ দে সম্পাদিত, প্রকাশক- সাহিত্যম্, কলিকাতা, পৃষ্ঠা ৪ * ভুল হয়ে গেছে বিলকুল<br> আর সব কিছু ভাগ হয়ে গেছে<br>ভাগ হয়নিকো নজরুল। **অন্নদাশঙ্কর রায় * [[জীবনানন্দ দাশ]] বলতেন নজরুল ইসলামের আত্মপ্রত্যয় ছিল। পরিকীর্তিত সৎ প্রেরণাই মানুষের ও শেষ বিশ্লেষণে মানুষ সমাজের মর্মকথা এই ঘোষণায় তার অপূর্ব বিশ্বাস ছিল। মনুষ্যজীবনের পরিবর্তিত অমূল্য জিনিসগুলোর উত্তরোত্তর মূল্যনাশের [[ব্যথা]] তাঁকে সন্তপ্ত করেছিল। .. তাঁর জনপ্রেম, দেশপ্রেম পূর্বোক্ত শতাব্দীর বৃহৎ ধারার সঙ্গে সত্যিই একাত্ম। পরবর্তী কবিরা এ সৌভাগ্য থেকে অনেকটা বঞ্চিত বলে আজ পর্যন্ত নজরুলকেই সত্যিকারের দেশ ও দেশীয়দের বন্ধু কবি বলে জনসাধারণ চিনে নিবে। ” “জন ও জনতার বন্ধু ও দেশপ্রেমিক কবি নজরুল। ” == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} {{উইকিসংকলন লেখক}} {{কমন্স বিষয়শ্রেণী| Kazi Nazrul Islam}} * [https://archive.org/search.php?query=%28%28subject%3A%22Islam%2C%20Kazi%20Nazrul%22%20OR%20subject%3A%22Islam%2C%20Kazi%20N%2E%22%20OR%20subject%3A%22Islam%2C%20K%2E%20N%2E%22%20OR%20subject%3A%22Kazi%20Nazrul%20Islam%22%20OR%20subject%3A%22Kazi%20N%2E%20Islam%22%20OR%20subject%3A%22K%2E%20N%2E%20Islam%22%20OR%20subject%3A%22Islam%2C%20Kazi%22%20OR%20subject%3A%22Kazi%20Islam%22%20OR%20creator%3A%22Kazi%20Nazrul%20Islam%22%20OR%20creator%3A%22Kazi%20N%2E%20Islam%22%20OR%20creator%3A%22K%2E%20N%2E%20Islam%22%20OR%20creator%3A%22K%2E%20Nazrul%20Islam%22%20OR%20creator%3A%22Islam%2C%20Kazi%20Nazrul%22%20OR%20creator%3A%22Islam%2C%20Kazi%20N%2E%22%20OR%20creator%3A%22Islam%2C%20K%2E%20N%2E%22%20OR%20creator%3A%22Islam%2C%20K%2E%20Nazrul%22%20OR%20creator%3A%22Kazi%20Islam%22%20OR%20creator%3A%22Islam%2C%20Kazi%22%20OR%20title%3A%22Kazi%20Nazrul%20Islam%22%20OR%20title%3A%22Kazi%20N%2E%20Islam%22%20OR%20title%3A%22K%2E%20N%2E%20Islam%22%20OR%20title%3A%22Kazi%20Islam%22%20OR%20description%3A%22Kazi%20Nazrul%20Islam%22%20OR%20description%3A%22Kazi%20N%2E%20Islam%22%20OR%20description%3A%22K%2E%20N%2E%20Islam%22%20OR%20description%3A%22Islam%2C%20Kazi%20Nazrul%22%20OR%20description%3A%22Islam%2C%20Kazi%20N%2E%22%20OR%20description%3A%22Kazi%20Islam%22%20OR%20description%3A%22Islam%2C%20Kazi%22%29%20OR%20%28%221899-1976%22%20AND%20Islam%29%29%20AND%20%28-mediatype:software%29 ইন্টারনেট আর্কাইভে নজরুল ইসলাম] * [https://books.google.com/books?&as_auth=%22Nazrul+Islam+%28Kazi%29%22 নজরুল ইসলাম, গুগল বুকসে] * [http://www.kazinazrulislam.org/ কাজী নজরুল [[ইসলাম]] প্রোফাইল (বাংলায়)] [[বিষয়শ্রেণী:১৮৯৯-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৭৬-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের ঔপন্যাসিক]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের গায়ক]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের সঙ্গীতজ্ঞ]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের কবি]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের দার্শনিক]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় মুসলিম]] [[বিষয়শ্রেণী:বিপ্লবী]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের মুসলিম]] [[বিষয়শ্রেণী:রাজনৈতিক সক্রিয়কর্মী]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের কবি]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় সঙ্গীতশিল্পী]] [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি কবি]] [[বিষয়শ্রেণী:অনুবাদক]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় প্রাবন্ধিক]] fx6hi8h5pl29as1rlquhiuf5dwggj1g ব্যবহারকারী আলাপ:MS Sakib 3 765 79796 79357 2026-04-22T16:14:08Z ARI 356 /* মোপলা বিদ্রোহ */ নতুন অনুচ্ছেদ 79796 wikitext text/x-wiki == আন্তঃভাষা সংযোগ == টেমপ্লেট/মডিউল তৈরি করলে সেগুলোতে উইকিউপাত্ত সংযোগ দিয়ে দিয়ো। [[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) ২১:৩৪, ১১ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি) == ঠিক করেছি! == [[সাওম]] এবং [[আগুন]] নিবন্ধ ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:Rifat008|Rifat008]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Rifat008|আলাপ]]) ১২:৪৫, ১ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Rifat008|Rifat008]] গৃহীত হয়েছে। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#FBB117;color:#7E2217">MS Sakib&nbsp;</b>]][[User talk:MS Sakib|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ১৫:০৯, ১ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) == আবুবকর সিদ্দিক == [[আবুবকর সিদ্দিক]] উক্তি আরো যুক্ত করা হয়ছে এখম সম্ভব ১৫০ শব্দ হবে। যদি আবার একটু দেখতেন। [[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন|মোহাম্মদ জনি হোসেন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:মোহাম্মদ জনি হোসেন|আলাপ]]) ১৪:২৮, ১ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন|মোহাম্মদ জনি হোসেন]], গৃহীত হয়েছে। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#FBB117;color:#7E2217">MS Sakib&nbsp;</b>]][[User talk:MS Sakib|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ১৫:০৯, ১ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) == ১৫০ শব্দের অধিক করেছি == ' শকুনি ' পেজে উক্তি আরো যোগ করা হয়েছে এবং ১৫০ চেয়ে বেশি শব্দ হয়েছে। প্লিজ চেক করে পয়েন্ট এড করে দিয়েন। ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Devshekhar97|Devshekhar97]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Devshekhar97|আলাপ]]) ১০:৩০, ৫ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Devshekhar97|Devshekhar97]] "শকুনি সম্পর্কে উক্তি"টা <s>লার</s>কার উক্তি? উৎস প্রয়োজন। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#FBB117;color:#7E2217">MS Sakib&nbsp;</b>]][[User talk:MS Sakib|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ২১:১৯, ৫ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) ::আপনি কি বুঝাতে চেয়েছেন উক্ত সেকশানে লেখাটা কার বা কথা থেকে উল্লেখ করেছি? ::এমন হলে এটা আমি লিখেছি। নাকি উক্ত অংশ টি বাদ দিয়ে দিব? [[ব্যবহারকারী:Devshekhar97|Devshekhar97]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Devshekhar97|আলাপ]]) ১১:৫০, ৬ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:Devshekhar97|Devshekhar97]] কারো সম্পর্কে নিজের উক্তি যোগ করা যাবে না। বিখ্যাত ব্যক্তিদের উক্তি যোগ করতে হবে। এটা বাদ দিন। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#FBB117;color:#7E2217">MS Sakib&nbsp;</b>]][[User talk:MS Sakib|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ১১:৫২, ৬ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) ::::ও জানতাম না ।বাদ দিয়েছি। চেক করেন।।ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Devshekhar97|Devshekhar97]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Devshekhar97|আলাপ]]) ১৩:১৪, ৬ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) :::::@[[ব্যবহারকারী:Devshekhar97|Devshekhar97]] ১৫০ শব্দ হয়নি। তাছাড়া উক্তির চেয়ে ভূমিকার আকার বেশি। আরও কয়েকটা উক্তি যোগ করুন। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#FBB117;color:#7E2217">MS Sakib&nbsp;</b>]][[User talk:MS Sakib|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ১৪:৫৩, ৬ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) == উক্তি প্রতিযোগিতার নিয়মে একটি সংশোধনী আনা হয়েছে == সুপ্রিয় MS Sakib, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ ও ৩০ এপ্রিল শেষ দিন পর্যন্ত অংশ নেওয়া অব্যাহত রাখুন। আপনার অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে প্রতিযোগিতার নিয়মে একটি সংশোধনী আনা হয়েছে: প্রতিযোগিতায় এখন থেকে '''নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র নিয়ে উক্তির পাতা তৈরি করা যাবে না''' অর্থাৎ <u>নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র ছাড়া অন্য উল্লেখযোগ্য যেকোনও কিছু নিয়ে উক্তির পাতা তৈরি করা যাবে</u>। ;কেন নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র বাদ দেওয়া হয়েছে? :প্রতিযোগিতা শুরুর পর অনেকেই নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র নিয়ে উক্তির পাতা বানিয়েছেন। তবে লক্ষ্য করা গেছে যে, অনেকে শব্দ সংখ্যা বাড়াতে পুরো নাটক, উপন্যাস তুলে দিচ্ছেন। যা কোন ক্রমে কাম্য নয়। এটি অন্য প্রতিযোগীদের প্রতিও সুবিচার করা হয় না। ; আমি যে নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র জমা দিয়েছি তার কী হবে? : যারা এই ঘোষণার পূর্বে অর্থাৎ ৬ এপ্রিল বা তার আগে এই জাতীয় উক্তির পাতা জমা দিয়েছেন সেগুলি গৃহীত হবে (অবশ্যই সংশোধনপূর্বক)। আরেকটি বিষয়ের প্রতি আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। এটাও লক্ষ্য করা গেছে যে অনেকে উক্তির উৎস দিচ্ছেন না। দয়া করে উক্তির উৎস দিতে ভুলবেন না। দয়া করে উদাহরণ হিসেবে [[চঞ্চল চৌধুরী]], [[নোম চম্‌স্কি]] পাতায় কীভাবে উক্তি ও উক্তির উৎস দেওয়া হয়েছে তা দেখুন। আপনার কোনও জিজ্ঞাসা থাকলে আমাকে উল্লেখ করে জিজ্ঞাসা করুন। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৯:৪৭, ৬ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) <!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:%E0%A6%86%E0%A6%AB%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8/%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE&oldid=31634-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন --> == জুলুম == [[জুলুম]] ভুক্তি আরও ৩ উক্তি যুক্ত করা হয়ছে, [[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন|মোহাম্মদ জনি হোসেন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:মোহাম্মদ জনি হোসেন|আলাপ]]) ১৪:১৩, ১৮ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) == MS Sakib ভাইয়া আপনার কথা মতো কবিতা টেমপ্লেট যোগ করেছি == MS Sakib ভাইয়া আপনার কথা মতো খান আতাউর রহমান পৃষ্ঠায় কবিতা টেমপ্লেট যোগ করেছি। অনুগ্রহ করে একবার দেখে নেবেন। ধন্যবাদ! [[ব্যবহারকারী:HridoyKundu|HridoyKundu]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:HridoyKundu|আলাপ]]) ১৩:৪৯, ৩০ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:HridoyKundu|HridoyKundu]] হ্যাঁ, ঠিকমতোই করেছেন। সংশোধনের জন্যে ধন্যবাদ। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#FBB117;color:#7E2217">MS Sakib&nbsp;</b>]][[User talk:MS Sakib|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ১৬:২৫, ৩০ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) ::আপনাকেও ধন্যবাদ😁 [[ব্যবহারকারী:HridoyKundu|HridoyKundu]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:HridoyKundu|আলাপ]]) ০৬:০৪, ১ মে ২০২৪ (ইউটিসি) == পাতা তৈরি প্রসংঙ্গে == অনিতা আগ্নেহোত্রী পাতায় তো যোগ করা উক্তি ঠিক ছিলো। তবে কেনো আমাকে পয়েন্ট দেওয়া হলো না? [[ব্যবহারকারী:অজয় অধিকারী|অজয় অধিকারী]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:অজয় অধিকারী|আলাপ]]) ০৬:৪২, ৪ মে ২০২৪ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:অজয় অধিকারী|অজয় অধিকারী]] আপনি কেবল একটি উক্তি যোগ করেছেন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪|প্রতিযোগিতার নিয়ম]] অনুসারে কমপক্ষে তিনটি উক্তি এবং কমপক্ষে ১৫০ শব্দ থাকতে হবে প্রতিটি ভুক্তিতে। তাই গৃহীত হয়নি। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#FBB117;color:#7E2217">MS Sakib&nbsp;</b>]][[User talk:MS Sakib|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ১৪:৪৯, ৪ মে ২০২৪ (ইউটিসি) ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:অজয় অধিকারী|অজয় অধিকারী]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:অজয় অধিকারী|আলাপ]]) ০৯:৪০, ৫ মে ২০২৪ (ইউটিসি) == ৩-৪ টি উক্তি একই উৎস থেকে হওয়ায় আমি বারবার একই উৎস দিই নাই == সুধী, আশা করি ভালো আছেন। রফিকুল ইসলাম (অধ্যাপক) পাতায় সংশোধনী আনা বলার জন্য ধন্যবাদ। আপনি যা উল্লেখ করেছিলেন "যেসব উক্তির উৎস নেই, সেগুলো যোগ করুন।" আমি মূলত ৩-৪ টি উক্তি একই উৎস থেকে হওয়ায় আমি বারবার একই উৎস দিই নাই। তাই একই উৎস থেকে পর পর উক্তিগুলো দেওয়ার পর আমি প্রত্যেকটা শেষের উক্তিতে উৎস যোগ করেছিলাম। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:HridoyKundu|HridoyKundu]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:HridoyKundu|আলাপ]]) ০৩:৫৭, ৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি) :bhai compition er rerult kobe diben [[ব্যবহারকারী:Md Rafiqul Islam Siyam334|Md Rafiqul Islam Siyam334]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Rafiqul Islam Siyam334|আলাপ]]) ০৯:৩৭, ৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:HridoyKundu|HridoyKundu]] ধন্যবাদ। বুঝতে পেরেছি। ::@[[ব্যবহারকারী:Md Rafiqul Islam Siyam334|Md Rafiqul Islam Siyam334]]: [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪/পরিসংখ্যান|এই পাতায়]] শব্দগণনার কাজ শুরু হয়েছে। শব্দগণনা শেষ হলেই ফলাফল পেয়ে যাবেন। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#FBB117;color:#7E2217">MS Sakib&nbsp;</b>]][[User talk:MS Sakib|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ১০:৫৮, ৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি) == উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪: ফরম পূরণ করুন == সুপ্রিয় MS Sakib, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪/পরিসংখ্যান#ফলাফল|শীর্ষ ২০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLScZptwVHdLgFGVAjzk79Ew7MjAcCUyL1PigcfsNwxBn5VeC6w/viewform?usp=sf_link এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৪:২৭, ১৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি) == নারীবাণী ২০২৪ পদক == {| style="background-color: #fee5e5; border: 2px solid #754796;" |rowspan="2" style="vertical-align: middle; padding: 5px;" | [[File:Shesaid project Barnstar.png|100px|link=]] |style="font-size: x-large; padding: 3px 3px 0 3px; height: 1.5em; color:#642882;" | '''#নারীবাণী পদক |- |style="vertical-align: middle; padding: 3px;" | '''সুপ্রিয় MS Sakib!,<br>''' '''[[উইকিউক্তি:নারীবাণী|<nowiki>#</nowiki>নারীবাণী ২০২৪]]''' প্রকল্পে অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ! এই প্রকল্পে আপনি ৩টি নতুন ভুক্তি তৈরি করেছেন। প্রকল্পে অংশ নিয়ে নতুন ভুক্তি তৈরির জন্য আপনাকে এই পদক প্রদান করা হয়েছে। আশা করি, আপনার আগামীর যাত্রা শুভ হোক, আরো সাফল্যমণ্ডিত হোক।'''</br></br>শুভেচ্ছান্তে, </br> নারীবাণী আয়োজকবৃন্দ''' |} == উক্তি জমা দিয়েছি দেখেন == ভাই আমি উক্তি পেজ জমা দিয়েছি , আমার পরে যারা জমা দিয়েছে সেগুলো এপ্রুভ হচ্ছে কিন্তু আমারটা এখনো পেন্ডিং পরে আছে। একটু দেখবেন প্লিজ। [[ব্যবহারকারী:Md Shuvo Sheikh|Md Shuvo Sheikh]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Shuvo Sheikh|আলাপ]]) ০৫:৫৯, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :অপেক্ষা করুন, আপনার ভুক্তি পর্যালোচনা করা হবে। [[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Mobashir Hossain|আলাপ]]) ০৬:৫৬, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::ঠিক আছে ভাই, ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:Md Shuvo Sheikh|Md Shuvo Sheikh]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Shuvo Sheikh|আলাপ]]) ১৪:৩৭, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:Md Shuvo Sheikh|Md Shuvo Sheikh]] আরেকটা ব্যাপার সেটা হলো ফলাফল ৭ই মের পরে দিবে আর প্রতিযোগিতা ৭ই মে পর্যন্ত থাকবে। তাই তাড়াহুড়ার কিছুই নাই। [[User:Md Mobashir Hossain|মোবাশশির]] <small>[[User Talk:Md Mobashir Hossain|বার্তা দিন]]</small> ১৪:৩৯, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::::আপনি কি পর্যালোচনা কমিটিতে আছেন? ::::আপনি নিজেও তো মনে হয় উক্তি জমা দিচ্ছেন। [[ব্যবহারকারী:Md Shuvo Sheikh|Md Shuvo Sheikh]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Shuvo Sheikh|আলাপ]]) ১৬:৩৫, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :::::@[[ব্যবহারকারী:Md Shuvo Sheikh|Md Shuvo Sheikh]], শেষ প্রশ্নটা কি মোবাশশিরকে করেছেন? ওনি পর্যালোচক দলে নেই, প্রতিযোগী হিসেবে অংশগ্রহণ করেছে। :::::দ্বিতীয়ত, ওনার উত্তরটা সঠিক। সব নিবন্ধই পর্যালোচনা করা হবে; অনেক সময় আছে, তাই তাড়াহুড়োর কিছু নেই। আপনি বেশি বেশি মানসম্মত পাতা তৈরি করে প্রতিযোগিতা চালিয়ে যান। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ২১:৪০, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::::::জ্বী মোবাশশিরকে করেছিলাম। ::::::ঠিক আছে ধন্যবাদ ভাই, অপেক্ষায় রইলাম। পর্যালোচনা করলে কাজের আগ্রহ বাড়ে, এই জন্য আপনাকে নক দিয়েছিলাম আর কি। [[ব্যবহারকারী:Md Shuvo Sheikh|Md Shuvo Sheikh]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Shuvo Sheikh|আলাপ]]) ০৭:১৮, ১৬ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :2000 [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-22362-67|&#126;2026-22362-67]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-22362-67|আলাপ]]) ২২:২৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == ২ টা নিবন্ধ একই == [[নিউজিল্যান্ড]] ও [[নেদারল্যান্ডস]] একই নিবন্ধ হয়ে গেলো মনে হয় একটু দেখা অনুরোধ। [[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন|মোহাম্মদ জনি হোসেন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:মোহাম্মদ জনি হোসেন|আলাপ]]) ১৪:৫৩, ২০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী: Malihamoni| Malihamoni]], আপনি [[নেদারল্যান্ডস]] নিবন্ধে [[নিউজিল্যান্ড]]-এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট উক্তি লিখেছেন। অনুগ্রহপূর্বক [[নেদারল্যান্ডস]] পাতাটি পুরোপুরি খালি করে এখানে [[:en:Netherlands]] থেকে লেখা অনুবাদ করুন। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৫:৩৭, ২০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == পুনরায় পর্যবেক্ষণের আবেদন == প্রিয় প্রশাসক, চিহ্নিত করা সমস্যাগুলো সংশোধন করা হয়েছে । *[[শিমন পেরেজ]] *[[শার্লমাইন]] *[[সিঙ্গাপুর]] [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১৩:২৪, ৭ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] শিমন পেরেজে সব লিংক যোগ করা হয়নি! একবার পুনঃপর্যালোচনার পর ত্রুটি থাকলে গ্রহণ করার সুযোগ নেই। তবুও আপনাকে এগুলো সব বাকি সব দ্রুত সংশোধনের সুযোগ দিচ্ছি। আপনার বিভিন্ন পাতায় অপরিশোধিত AI অনুবাদ, লিংক ঘাটতি সহ নানান ত্রুটি আছে। সবগুলো দ্রুত ঠিক করুন। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৫:৩০, ৮ মে ২০২৫ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] সিঙ্গাপুরেও লিংক যুক্ত কতা হয়নি। উক্তিগুলো যাচাইযোগ্য নয়। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৫:৩২, ৮ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == লিন্ডন বি. জনসন == [[লিন্ডন বি. জনসন]] পাতাটিতে যেসব সংখ্যা রয়েছে তার অনেকগুলো ইংরেজিতে রয়েছে, বাংলা করা প্রয়োজন। –– [[ব্যবহারকারী:Tahmid|তাহমিদ]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tahmid|আলাপ]]) ১৩:০৬, ৮ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Tahmid|Tahmid]] অনেক ধন্যবাদ। ঠিক করা হয়েছে। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৫:৪৮, ৮ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == অপসারণ কেনো? যুক্তি প্রয়োজন == ভাই, আপনি [[ফ্রেডরিক ডগলাস]] পাতাটিতে অপসারণের ট্যাগ লাগিয়েছেন। কিন্তু কারণ দেখতে পাচ্ছিনা। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১৪:৫৩, ১২ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]]: ও হ্যাঁ। [[ব্যবহারকারী আলাপ:Dr. Mosaddek Khondoker]] অর্থাৎ, প্রণেতাই বলেছিল অপসারণ করতে। তার ভাষ্যমতে সে এই পাতায় কোনো সংশোধনই করতে পারেনি। [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন]] পাতাটিকেও সে ডিলেট করে দিতে বলেছে। এগুলোতে সে যান্ত্রিকতা সংশোধনের সময় বা সুযোগ পায়নি। বিষয়টি পর্যালোচনা করে দেখুন। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ২০:৪৪, ১২ মে ২০২৫ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] আমার মনে হয়, আন্তঃউইকি সংযোগ দিয়ে রাখা যেতে পারে; ভবিষ্যতে যদি কেউ সম্পাদনা করতে চায়; করতে পারবে। এগুলি তো ইংরেজি থেকেই অনুবাদ করা হয়েছে। প্রতিযোগিতার বিষয় তো ভিন্ন। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ০৫:০১, ১৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] রাখা যেতে পারে। তবে [[ফ্রেডরিক ডগলাস]] পুরোপুরি অপরিশোধিত পাতা। এটা অপসারণ করলেই ভালো হবে আমার মতে। বিশেষত প্রণেতাই যখন রাখতে চাচ্ছে না। db-author বিবেচনা করতে পারেন। :::@[[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]]। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৬:০১, ১৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == পুনরায় পর্যালোচনার আবেদন == [[মারিয়া রেসা]] এবং [[শিমন পেরেজ]] পাতা গুলোতে চিহ্নিত ভূল গুলো সংশোধন করা হয়েছে। এবার গ্রহণ করতে পারেন। [[আপনার মেসেজ ছিল "তথ্যসূত্রগুলোতে লিংক যোগ করা হয়নি। দ্রুত ইংরেজি পাতা থেকে লিংকগুলো কপি করে বসিয়ে আমাকে জানান। তারপর গ্রহণ করে নিব।"]] [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১১:২৯, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] দুঃখিত। যান্ত্রিক হওয়ায় একটাও গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৭:৫৩, ১৫ মে ২০২৫ (ইউটিসি) ::ঠিক আছে। আচ্ছা [[জন হার্ভে কেলোগ]] এই পাতাটিতে এত বড় অনুবাদ কিভাবে করেছে এবং কি কি উপায়ে আমি অনুবাদ করতে পারি। [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১৭:৫৭, ১৫ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == পুনঃপর্যালোচনা == [[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain]] -এর [[সুইডেন]] এবং [[ব্যবহারকারী: MD Sahib]] -এর [[প্রবীণ তোগাড়িয়া]] গৃহীত হয়েছে। ফলাফলে যোগ করে দিবেন। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS|আলাপ]]) ১৭:৩৭, ১৫ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == উক্তি প্রতিযোগিতা সম্পর্কে == ছাকিব ভাই, শুভেচ্ছা নিবেন। আশা করি ভালো আছেন। আপনি দেখলাম, উক্তি প্রতিযোগিতা নিয়ে কাজ করছেন। দেখে ভালো লাগলো। ব্যস্ততার কারণে আমি এবারও আপনার সাথ দিতে পারছিনা সেজন্য দুঃখ প্রকাশ করছি। আমি একটা বিশেষ দিকে নজর দেয়ার জন্য অনুরোধ করবো, যেটা আপনি ইতোমধ্যে নীতিমালায় যুক্ত করেছেন। কিন্তু গত বছরের প্রতিযোগিতায় অনেক বেশি হ্যালুসিনিটেড সূত্র দিয়ে পাতা তৈরি করা হয়েছিল ও গৃহীত হয়েছিল, যেগুলি আমি সময়ে সময়ে অপসারণ করছি ও করে যাচ্ছি। এমনকি, কিছুদিন আগে এর চেয়েও মারাত্মক বিষয় নজরে এসেছে, একজন অবদানকারীর সবগুলি অবদানই এআইয়ের ছিল, যেটা আলোচনাসভায় একজন ভিন্নভাষী দৃষ্টি আকর্ষণ করলে আমি ১০টার মতো পাতা অপসারণ করি। বিষয়টা কীভাবে সুরাহা করা যায়, সেটার দিকে বিশেষ নজর দেয়ার অনুরোধ থাকবে। (এআইকে পুরোপুরি বাদ দেয়া যায় কিনা যে, এআই যুক্ত হলে পাতা অপসারিত হবে; বা এই ধরনের। কারণ, এআই অনেক বেশি হ্যালুসিনিটেড তথ্য যুক্ত করে। এমনকি আমি কয়েক দিন আগেও জেমিনাইয়ের লেটেস্ট প্রো সংস্করণ দিয়ে চেষ্টা করে দেখেছি। প্রথমে ঠিক থাকলেও হঠাৎ মিথ্যা তথ্য দেয়া শুরু করে, সেটাও খুবই পাণ্ডিত্যের সাথে। বিষয়টা নিয়ে কী করবো, আমি সময় করে ভাবতে পারিনি, কিন্তু আজকে আপনার কাজ দেখে মনে এলো। সেজন্য উল্লেখ করলাম।) আপনাকে আবারও ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ২২:০৩, ২২ মার্চ ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] অসংখ্য ধন্যবাদ। প্রতিযোগিতায় আপনাকে পেলে ভালো লাগতো, তবে ব্যক্তিগত ব্যস্ততার বিষয়টি বুঝতে পেরেছি। :আমি আপাতত আগের প্রতিযোগিতার পাতাগুলো কপি-পেস্ট করেছি। তবে সেগুলো ধাপে ধাপে সংশোধন ও হালনাগাদ করা হবে। গতবারের অভিজ্ঞতা থেকে আপনার উদ্‌বেগ আমারও নজর এড়ায়নি। এআই ব্যবহারের নীতিমালা আরও কিছুটা কঠোর করার পরিকল্পনা আছে। তবে সহ-প্রকল্পে অনুবাদ সরঞ্জাম না থাকায় অনুবাদের ক্ষেত্রে এআই সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করার সময় হয়তো এখনও আসেনি। :প্রাথমিকভাবে আমি যা ভাবছি: :* সম্পূর্ণ এআই-জেনারেটেড উক্তি সরাসরি বাতিল করা হবে, সংশোধনের সুযোগ দেওয়া হবে না। :* অনুবাদের ক্ষেত্রে যদি এআই-জনিত সাধারণ ভুল (যেমন ইংরেজি উইকিলিংক, -এর/-এ/-তে ত্রুটি ইত্যাদি) পাওয়া যায়, সেক্ষেত্রেও সরাসরি বাতিল করা হবে :* তবে যদি পাতার কাঠামো ঠিকঠাক থাকে এবং কেবল যান্ত্রিকতা বা ছোটখাটো সমস্যা থাকে, তাহলে সংশোধনের সুযোগ দেওয়া হবে। :শাস্তিমূলক দিক: :* ৩টি সম্পূর্ণ এআই-জেনারেটেড পাতা হলে প্রতিযোগী সরাসরি অযোগ্য :* ৫টি ত্রুটিপূর্ণ/অপরিশোধিত এআই অনুবাদ হলে প্রতিযোগিকে একটি সতর্কতা সাপেক্ষে অযোগ্য ঘোষণা :* কাঠামো সঠিক, কিন্তু এআই-নির্ভর যান্ত্রিকতা থাকলে ৩ থেকে ৫টা সতর্কতার পর অযোগ্য ঘোষণা। :এটি আপাতত একটি খসড়া পরিকল্পনা। এ বিষয়ে আপনার কোনো পরামর্শ থাকলে জানানোর অনুরোধ রইল। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১১:৫৫, ২৩ মার্চ ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] ধন্যবাদ! আপনার চিন্তা ঠিক আছে, পুরোপুরি বাদ দেয়া সম্ভব না। আসলে আমিও এটাই ভাবছিলাম, কিন্তু কী করা যায়, সেটা নিয়ে বেশি সময় দেয়া হয়নি। আপনার এই চিন্তায় আমার সমর্থন থাকবে। আবারও ধন্যবাদ ভাই। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১৪:০৮, ২৩ মার্চ ২০২৬ (ইউটিসি) == Khokon == [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-20837-51|&#126;2026-20837-51]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-20837-51|আলাপ]]) ১৩:২৩, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পুনঃ পর্যালোচনা == আপনার নির্দেশনা অনুযায়ী নিম্নোক্ত নিবন্ধসমূহ সংশোধন করা হয়েছে, * [[প্রণব মুখোপাধ্যায়]] * [[উভকামিতা]] * [[সমকামী যৌন চর্চা]] [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ০৪:৫৭, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পুনঃ পর্যালোচনা == @[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] [[ডেনিস রিচি]] পাতাটি সংশোধন করা হয়েছে পুনরায় পর্যালোচনার জন্য অনুরোধ রইল। ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০৫:০১, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == হুগো দ্য ভ্রিস পর্যালোচনা প্রসঙ্গে == @[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬ এর নীতিমালা অনুসারে অন্তত ৩টি উক্তি থাকতে হবে। আপনি টুলফোর্জেও [[হুগো দ্য ভ্রিস]] এজন্যই গ্রহণ করেননি। তবে এখানে তো তাঁর সম্পর্কে ১টি উক্তি আছে। মোট ৩টি উক্তিই তো হয়। আর ইংরেজি উইকিউক্তিতেও এই মোট ৩টিই ছিল। তাই অনুগ্রহ করে এটিকে গ্রহণ করে নিন অথবা দ্বিমত/অসুবিধা থাকলে জানান। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৬:৫৪, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] আপনি কি এটি পুনঃপর্যালোচনা করেছেন? করে একটু জানালে ভালো হয়। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১১:৩১, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] এভাবে কাউকে বার বার মেনশন দেয়া হতে বিরত থাকুন। আপনি এত পূর্বেও একাধিক ব্যবহারকারীর আলাপ পাতায় ব্যবহারকারীকে একাধিক বার মেনসন করেছেন। [[ব্যবহারকারী:R1F4T|R1F4T]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:R1F4T|আলাপ]]) ১২:১৮, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:R1F4T|R1F4T]] আপনি বার বার আমাকে বিরক্ত করা থেকে বিরত থাকুন। আপনি আমাকে একবার সতর্ক করেছেন, আমি আর কাউকে বার বার মেনশন করিনি। তবে আপনি আগের আলোচনাগুলোতে বার বার গিয়ে মেনশন করে সতর্ক বার্তা দিচ্ছেন। দেওয়ার আগে লক্ষ করুন মেনশন আমি কবে করেছিলাম এবং আপনার সতর্কতার পর আমি কাউকে মেনশন করছি কি-না। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১০:৫৯, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] পাতাতে দুটো উক্তিই আছে। শুরুর ভূমিকাংশটা ব্যক্তির পরিচিত। এটা কোনও উক্তি না। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১১:২০, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::::@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] তবে ইংরেজি উইকিপিডিয়াতে যতগুলো ছিল আমি ততগুলোই অনুবাদ করেছি। আমি আর কোথায় পাবো? — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১১:৩২, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] এক্ষেত্রে কিছুই করার নেই। নির্দেশনায় স্পষ্টভাবে বলা আছে ৩টা উক্তি থাকা বাধ্যতামূলক। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৪:২৯, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[ই. ও. উইলসন]] == @[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] পাতাটি সংশোধন করেছি অনুগ্রহ করে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন। [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০২:৩০, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[মোপলা বিদ্রোহ]] == @[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] পাতাটি সংশোধন করা হয়েছে, পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ রইল। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ১৬:১৪, ২২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) s286bsdmhwfpjih5jlyrybuzwyddpcu 79855 79796 2026-04-23T00:03:01Z ARI 356 /* হুগো দ্য ভ্রিস পর্যালোচনা প্রসঙ্গে */ উত্তর 79855 wikitext text/x-wiki == আন্তঃভাষা সংযোগ == টেমপ্লেট/মডিউল তৈরি করলে সেগুলোতে উইকিউপাত্ত সংযোগ দিয়ে দিয়ো। [[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) ২১:৩৪, ১১ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি) == ঠিক করেছি! == [[সাওম]] এবং [[আগুন]] নিবন্ধ ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:Rifat008|Rifat008]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Rifat008|আলাপ]]) ১২:৪৫, ১ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Rifat008|Rifat008]] গৃহীত হয়েছে। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#FBB117;color:#7E2217">MS Sakib&nbsp;</b>]][[User talk:MS Sakib|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ১৫:০৯, ১ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) == আবুবকর সিদ্দিক == [[আবুবকর সিদ্দিক]] উক্তি আরো যুক্ত করা হয়ছে এখম সম্ভব ১৫০ শব্দ হবে। যদি আবার একটু দেখতেন। [[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন|মোহাম্মদ জনি হোসেন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:মোহাম্মদ জনি হোসেন|আলাপ]]) ১৪:২৮, ১ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন|মোহাম্মদ জনি হোসেন]], গৃহীত হয়েছে। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#FBB117;color:#7E2217">MS Sakib&nbsp;</b>]][[User talk:MS Sakib|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ১৫:০৯, ১ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) == ১৫০ শব্দের অধিক করেছি == ' শকুনি ' পেজে উক্তি আরো যোগ করা হয়েছে এবং ১৫০ চেয়ে বেশি শব্দ হয়েছে। প্লিজ চেক করে পয়েন্ট এড করে দিয়েন। ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Devshekhar97|Devshekhar97]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Devshekhar97|আলাপ]]) ১০:৩০, ৫ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Devshekhar97|Devshekhar97]] "শকুনি সম্পর্কে উক্তি"টা <s>লার</s>কার উক্তি? উৎস প্রয়োজন। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#FBB117;color:#7E2217">MS Sakib&nbsp;</b>]][[User talk:MS Sakib|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ২১:১৯, ৫ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) ::আপনি কি বুঝাতে চেয়েছেন উক্ত সেকশানে লেখাটা কার বা কথা থেকে উল্লেখ করেছি? ::এমন হলে এটা আমি লিখেছি। নাকি উক্ত অংশ টি বাদ দিয়ে দিব? [[ব্যবহারকারী:Devshekhar97|Devshekhar97]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Devshekhar97|আলাপ]]) ১১:৫০, ৬ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:Devshekhar97|Devshekhar97]] কারো সম্পর্কে নিজের উক্তি যোগ করা যাবে না। বিখ্যাত ব্যক্তিদের উক্তি যোগ করতে হবে। এটা বাদ দিন। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#FBB117;color:#7E2217">MS Sakib&nbsp;</b>]][[User talk:MS Sakib|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ১১:৫২, ৬ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) ::::ও জানতাম না ।বাদ দিয়েছি। চেক করেন।।ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Devshekhar97|Devshekhar97]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Devshekhar97|আলাপ]]) ১৩:১৪, ৬ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) :::::@[[ব্যবহারকারী:Devshekhar97|Devshekhar97]] ১৫০ শব্দ হয়নি। তাছাড়া উক্তির চেয়ে ভূমিকার আকার বেশি। আরও কয়েকটা উক্তি যোগ করুন। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#FBB117;color:#7E2217">MS Sakib&nbsp;</b>]][[User talk:MS Sakib|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ১৪:৫৩, ৬ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) == উক্তি প্রতিযোগিতার নিয়মে একটি সংশোধনী আনা হয়েছে == সুপ্রিয় MS Sakib, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ ও ৩০ এপ্রিল শেষ দিন পর্যন্ত অংশ নেওয়া অব্যাহত রাখুন। আপনার অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে প্রতিযোগিতার নিয়মে একটি সংশোধনী আনা হয়েছে: প্রতিযোগিতায় এখন থেকে '''নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র নিয়ে উক্তির পাতা তৈরি করা যাবে না''' অর্থাৎ <u>নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র ছাড়া অন্য উল্লেখযোগ্য যেকোনও কিছু নিয়ে উক্তির পাতা তৈরি করা যাবে</u>। ;কেন নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র বাদ দেওয়া হয়েছে? :প্রতিযোগিতা শুরুর পর অনেকেই নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র নিয়ে উক্তির পাতা বানিয়েছেন। তবে লক্ষ্য করা গেছে যে, অনেকে শব্দ সংখ্যা বাড়াতে পুরো নাটক, উপন্যাস তুলে দিচ্ছেন। যা কোন ক্রমে কাম্য নয়। এটি অন্য প্রতিযোগীদের প্রতিও সুবিচার করা হয় না। ; আমি যে নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র জমা দিয়েছি তার কী হবে? : যারা এই ঘোষণার পূর্বে অর্থাৎ ৬ এপ্রিল বা তার আগে এই জাতীয় উক্তির পাতা জমা দিয়েছেন সেগুলি গৃহীত হবে (অবশ্যই সংশোধনপূর্বক)। আরেকটি বিষয়ের প্রতি আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। এটাও লক্ষ্য করা গেছে যে অনেকে উক্তির উৎস দিচ্ছেন না। দয়া করে উক্তির উৎস দিতে ভুলবেন না। দয়া করে উদাহরণ হিসেবে [[চঞ্চল চৌধুরী]], [[নোম চম্‌স্কি]] পাতায় কীভাবে উক্তি ও উক্তির উৎস দেওয়া হয়েছে তা দেখুন। আপনার কোনও জিজ্ঞাসা থাকলে আমাকে উল্লেখ করে জিজ্ঞাসা করুন। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৯:৪৭, ৬ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) <!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:%E0%A6%86%E0%A6%AB%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8/%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE&oldid=31634-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন --> == জুলুম == [[জুলুম]] ভুক্তি আরও ৩ উক্তি যুক্ত করা হয়ছে, [[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন|মোহাম্মদ জনি হোসেন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:মোহাম্মদ জনি হোসেন|আলাপ]]) ১৪:১৩, ১৮ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) == MS Sakib ভাইয়া আপনার কথা মতো কবিতা টেমপ্লেট যোগ করেছি == MS Sakib ভাইয়া আপনার কথা মতো খান আতাউর রহমান পৃষ্ঠায় কবিতা টেমপ্লেট যোগ করেছি। অনুগ্রহ করে একবার দেখে নেবেন। ধন্যবাদ! [[ব্যবহারকারী:HridoyKundu|HridoyKundu]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:HridoyKundu|আলাপ]]) ১৩:৪৯, ৩০ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:HridoyKundu|HridoyKundu]] হ্যাঁ, ঠিকমতোই করেছেন। সংশোধনের জন্যে ধন্যবাদ। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#FBB117;color:#7E2217">MS Sakib&nbsp;</b>]][[User talk:MS Sakib|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ১৬:২৫, ৩০ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) ::আপনাকেও ধন্যবাদ😁 [[ব্যবহারকারী:HridoyKundu|HridoyKundu]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:HridoyKundu|আলাপ]]) ০৬:০৪, ১ মে ২০২৪ (ইউটিসি) == পাতা তৈরি প্রসংঙ্গে == অনিতা আগ্নেহোত্রী পাতায় তো যোগ করা উক্তি ঠিক ছিলো। তবে কেনো আমাকে পয়েন্ট দেওয়া হলো না? [[ব্যবহারকারী:অজয় অধিকারী|অজয় অধিকারী]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:অজয় অধিকারী|আলাপ]]) ০৬:৪২, ৪ মে ২০২৪ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:অজয় অধিকারী|অজয় অধিকারী]] আপনি কেবল একটি উক্তি যোগ করেছেন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪|প্রতিযোগিতার নিয়ম]] অনুসারে কমপক্ষে তিনটি উক্তি এবং কমপক্ষে ১৫০ শব্দ থাকতে হবে প্রতিটি ভুক্তিতে। তাই গৃহীত হয়নি। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#FBB117;color:#7E2217">MS Sakib&nbsp;</b>]][[User talk:MS Sakib|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ১৪:৪৯, ৪ মে ২০২৪ (ইউটিসি) ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:অজয় অধিকারী|অজয় অধিকারী]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:অজয় অধিকারী|আলাপ]]) ০৯:৪০, ৫ মে ২০২৪ (ইউটিসি) == ৩-৪ টি উক্তি একই উৎস থেকে হওয়ায় আমি বারবার একই উৎস দিই নাই == সুধী, আশা করি ভালো আছেন। রফিকুল ইসলাম (অধ্যাপক) পাতায় সংশোধনী আনা বলার জন্য ধন্যবাদ। আপনি যা উল্লেখ করেছিলেন "যেসব উক্তির উৎস নেই, সেগুলো যোগ করুন।" আমি মূলত ৩-৪ টি উক্তি একই উৎস থেকে হওয়ায় আমি বারবার একই উৎস দিই নাই। তাই একই উৎস থেকে পর পর উক্তিগুলো দেওয়ার পর আমি প্রত্যেকটা শেষের উক্তিতে উৎস যোগ করেছিলাম। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:HridoyKundu|HridoyKundu]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:HridoyKundu|আলাপ]]) ০৩:৫৭, ৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি) :bhai compition er rerult kobe diben [[ব্যবহারকারী:Md Rafiqul Islam Siyam334|Md Rafiqul Islam Siyam334]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Rafiqul Islam Siyam334|আলাপ]]) ০৯:৩৭, ৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:HridoyKundu|HridoyKundu]] ধন্যবাদ। বুঝতে পেরেছি। ::@[[ব্যবহারকারী:Md Rafiqul Islam Siyam334|Md Rafiqul Islam Siyam334]]: [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪/পরিসংখ্যান|এই পাতায়]] শব্দগণনার কাজ শুরু হয়েছে। শব্দগণনা শেষ হলেই ফলাফল পেয়ে যাবেন। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#FBB117;color:#7E2217">MS Sakib&nbsp;</b>]][[User talk:MS Sakib|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ১০:৫৮, ৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি) == উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪: ফরম পূরণ করুন == সুপ্রিয় MS Sakib, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪/পরিসংখ্যান#ফলাফল|শীর্ষ ২০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLScZptwVHdLgFGVAjzk79Ew7MjAcCUyL1PigcfsNwxBn5VeC6w/viewform?usp=sf_link এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৪:২৭, ১৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি) == নারীবাণী ২০২৪ পদক == {| style="background-color: #fee5e5; border: 2px solid #754796;" |rowspan="2" style="vertical-align: middle; padding: 5px;" | [[File:Shesaid project Barnstar.png|100px|link=]] |style="font-size: x-large; padding: 3px 3px 0 3px; height: 1.5em; color:#642882;" | '''#নারীবাণী পদক |- |style="vertical-align: middle; padding: 3px;" | '''সুপ্রিয় MS Sakib!,<br>''' '''[[উইকিউক্তি:নারীবাণী|<nowiki>#</nowiki>নারীবাণী ২০২৪]]''' প্রকল্পে অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ! এই প্রকল্পে আপনি ৩টি নতুন ভুক্তি তৈরি করেছেন। প্রকল্পে অংশ নিয়ে নতুন ভুক্তি তৈরির জন্য আপনাকে এই পদক প্রদান করা হয়েছে। আশা করি, আপনার আগামীর যাত্রা শুভ হোক, আরো সাফল্যমণ্ডিত হোক।'''</br></br>শুভেচ্ছান্তে, </br> নারীবাণী আয়োজকবৃন্দ''' |} == উক্তি জমা দিয়েছি দেখেন == ভাই আমি উক্তি পেজ জমা দিয়েছি , আমার পরে যারা জমা দিয়েছে সেগুলো এপ্রুভ হচ্ছে কিন্তু আমারটা এখনো পেন্ডিং পরে আছে। একটু দেখবেন প্লিজ। [[ব্যবহারকারী:Md Shuvo Sheikh|Md Shuvo Sheikh]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Shuvo Sheikh|আলাপ]]) ০৫:৫৯, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :অপেক্ষা করুন, আপনার ভুক্তি পর্যালোচনা করা হবে। [[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Mobashir Hossain|আলাপ]]) ০৬:৫৬, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::ঠিক আছে ভাই, ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:Md Shuvo Sheikh|Md Shuvo Sheikh]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Shuvo Sheikh|আলাপ]]) ১৪:৩৭, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:Md Shuvo Sheikh|Md Shuvo Sheikh]] আরেকটা ব্যাপার সেটা হলো ফলাফল ৭ই মের পরে দিবে আর প্রতিযোগিতা ৭ই মে পর্যন্ত থাকবে। তাই তাড়াহুড়ার কিছুই নাই। [[User:Md Mobashir Hossain|মোবাশশির]] <small>[[User Talk:Md Mobashir Hossain|বার্তা দিন]]</small> ১৪:৩৯, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::::আপনি কি পর্যালোচনা কমিটিতে আছেন? ::::আপনি নিজেও তো মনে হয় উক্তি জমা দিচ্ছেন। [[ব্যবহারকারী:Md Shuvo Sheikh|Md Shuvo Sheikh]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Shuvo Sheikh|আলাপ]]) ১৬:৩৫, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :::::@[[ব্যবহারকারী:Md Shuvo Sheikh|Md Shuvo Sheikh]], শেষ প্রশ্নটা কি মোবাশশিরকে করেছেন? ওনি পর্যালোচক দলে নেই, প্রতিযোগী হিসেবে অংশগ্রহণ করেছে। :::::দ্বিতীয়ত, ওনার উত্তরটা সঠিক। সব নিবন্ধই পর্যালোচনা করা হবে; অনেক সময় আছে, তাই তাড়াহুড়োর কিছু নেই। আপনি বেশি বেশি মানসম্মত পাতা তৈরি করে প্রতিযোগিতা চালিয়ে যান। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ২১:৪০, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::::::জ্বী মোবাশশিরকে করেছিলাম। ::::::ঠিক আছে ধন্যবাদ ভাই, অপেক্ষায় রইলাম। পর্যালোচনা করলে কাজের আগ্রহ বাড়ে, এই জন্য আপনাকে নক দিয়েছিলাম আর কি। [[ব্যবহারকারী:Md Shuvo Sheikh|Md Shuvo Sheikh]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Shuvo Sheikh|আলাপ]]) ০৭:১৮, ১৬ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :2000 [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-22362-67|&#126;2026-22362-67]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-22362-67|আলাপ]]) ২২:২৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == ২ টা নিবন্ধ একই == [[নিউজিল্যান্ড]] ও [[নেদারল্যান্ডস]] একই নিবন্ধ হয়ে গেলো মনে হয় একটু দেখা অনুরোধ। [[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন|মোহাম্মদ জনি হোসেন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:মোহাম্মদ জনি হোসেন|আলাপ]]) ১৪:৫৩, ২০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী: Malihamoni| Malihamoni]], আপনি [[নেদারল্যান্ডস]] নিবন্ধে [[নিউজিল্যান্ড]]-এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট উক্তি লিখেছেন। অনুগ্রহপূর্বক [[নেদারল্যান্ডস]] পাতাটি পুরোপুরি খালি করে এখানে [[:en:Netherlands]] থেকে লেখা অনুবাদ করুন। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৫:৩৭, ২০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == পুনরায় পর্যবেক্ষণের আবেদন == প্রিয় প্রশাসক, চিহ্নিত করা সমস্যাগুলো সংশোধন করা হয়েছে । *[[শিমন পেরেজ]] *[[শার্লমাইন]] *[[সিঙ্গাপুর]] [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১৩:২৪, ৭ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] শিমন পেরেজে সব লিংক যোগ করা হয়নি! একবার পুনঃপর্যালোচনার পর ত্রুটি থাকলে গ্রহণ করার সুযোগ নেই। তবুও আপনাকে এগুলো সব বাকি সব দ্রুত সংশোধনের সুযোগ দিচ্ছি। আপনার বিভিন্ন পাতায় অপরিশোধিত AI অনুবাদ, লিংক ঘাটতি সহ নানান ত্রুটি আছে। সবগুলো দ্রুত ঠিক করুন। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৫:৩০, ৮ মে ২০২৫ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] সিঙ্গাপুরেও লিংক যুক্ত কতা হয়নি। উক্তিগুলো যাচাইযোগ্য নয়। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৫:৩২, ৮ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == লিন্ডন বি. জনসন == [[লিন্ডন বি. জনসন]] পাতাটিতে যেসব সংখ্যা রয়েছে তার অনেকগুলো ইংরেজিতে রয়েছে, বাংলা করা প্রয়োজন। –– [[ব্যবহারকারী:Tahmid|তাহমিদ]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tahmid|আলাপ]]) ১৩:০৬, ৮ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Tahmid|Tahmid]] অনেক ধন্যবাদ। ঠিক করা হয়েছে। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৫:৪৮, ৮ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == অপসারণ কেনো? যুক্তি প্রয়োজন == ভাই, আপনি [[ফ্রেডরিক ডগলাস]] পাতাটিতে অপসারণের ট্যাগ লাগিয়েছেন। কিন্তু কারণ দেখতে পাচ্ছিনা। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১৪:৫৩, ১২ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]]: ও হ্যাঁ। [[ব্যবহারকারী আলাপ:Dr. Mosaddek Khondoker]] অর্থাৎ, প্রণেতাই বলেছিল অপসারণ করতে। তার ভাষ্যমতে সে এই পাতায় কোনো সংশোধনই করতে পারেনি। [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন]] পাতাটিকেও সে ডিলেট করে দিতে বলেছে। এগুলোতে সে যান্ত্রিকতা সংশোধনের সময় বা সুযোগ পায়নি। বিষয়টি পর্যালোচনা করে দেখুন। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ২০:৪৪, ১২ মে ২০২৫ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] আমার মনে হয়, আন্তঃউইকি সংযোগ দিয়ে রাখা যেতে পারে; ভবিষ্যতে যদি কেউ সম্পাদনা করতে চায়; করতে পারবে। এগুলি তো ইংরেজি থেকেই অনুবাদ করা হয়েছে। প্রতিযোগিতার বিষয় তো ভিন্ন। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ০৫:০১, ১৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] রাখা যেতে পারে। তবে [[ফ্রেডরিক ডগলাস]] পুরোপুরি অপরিশোধিত পাতা। এটা অপসারণ করলেই ভালো হবে আমার মতে। বিশেষত প্রণেতাই যখন রাখতে চাচ্ছে না। db-author বিবেচনা করতে পারেন। :::@[[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]]। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৬:০১, ১৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == পুনরায় পর্যালোচনার আবেদন == [[মারিয়া রেসা]] এবং [[শিমন পেরেজ]] পাতা গুলোতে চিহ্নিত ভূল গুলো সংশোধন করা হয়েছে। এবার গ্রহণ করতে পারেন। [[আপনার মেসেজ ছিল "তথ্যসূত্রগুলোতে লিংক যোগ করা হয়নি। দ্রুত ইংরেজি পাতা থেকে লিংকগুলো কপি করে বসিয়ে আমাকে জানান। তারপর গ্রহণ করে নিব।"]] [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১১:২৯, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] দুঃখিত। যান্ত্রিক হওয়ায় একটাও গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৭:৫৩, ১৫ মে ২০২৫ (ইউটিসি) ::ঠিক আছে। আচ্ছা [[জন হার্ভে কেলোগ]] এই পাতাটিতে এত বড় অনুবাদ কিভাবে করেছে এবং কি কি উপায়ে আমি অনুবাদ করতে পারি। [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১৭:৫৭, ১৫ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == পুনঃপর্যালোচনা == [[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain]] -এর [[সুইডেন]] এবং [[ব্যবহারকারী: MD Sahib]] -এর [[প্রবীণ তোগাড়িয়া]] গৃহীত হয়েছে। ফলাফলে যোগ করে দিবেন। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS|আলাপ]]) ১৭:৩৭, ১৫ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == উক্তি প্রতিযোগিতা সম্পর্কে == ছাকিব ভাই, শুভেচ্ছা নিবেন। আশা করি ভালো আছেন। আপনি দেখলাম, উক্তি প্রতিযোগিতা নিয়ে কাজ করছেন। দেখে ভালো লাগলো। ব্যস্ততার কারণে আমি এবারও আপনার সাথ দিতে পারছিনা সেজন্য দুঃখ প্রকাশ করছি। আমি একটা বিশেষ দিকে নজর দেয়ার জন্য অনুরোধ করবো, যেটা আপনি ইতোমধ্যে নীতিমালায় যুক্ত করেছেন। কিন্তু গত বছরের প্রতিযোগিতায় অনেক বেশি হ্যালুসিনিটেড সূত্র দিয়ে পাতা তৈরি করা হয়েছিল ও গৃহীত হয়েছিল, যেগুলি আমি সময়ে সময়ে অপসারণ করছি ও করে যাচ্ছি। এমনকি, কিছুদিন আগে এর চেয়েও মারাত্মক বিষয় নজরে এসেছে, একজন অবদানকারীর সবগুলি অবদানই এআইয়ের ছিল, যেটা আলোচনাসভায় একজন ভিন্নভাষী দৃষ্টি আকর্ষণ করলে আমি ১০টার মতো পাতা অপসারণ করি। বিষয়টা কীভাবে সুরাহা করা যায়, সেটার দিকে বিশেষ নজর দেয়ার অনুরোধ থাকবে। (এআইকে পুরোপুরি বাদ দেয়া যায় কিনা যে, এআই যুক্ত হলে পাতা অপসারিত হবে; বা এই ধরনের। কারণ, এআই অনেক বেশি হ্যালুসিনিটেড তথ্য যুক্ত করে। এমনকি আমি কয়েক দিন আগেও জেমিনাইয়ের লেটেস্ট প্রো সংস্করণ দিয়ে চেষ্টা করে দেখেছি। প্রথমে ঠিক থাকলেও হঠাৎ মিথ্যা তথ্য দেয়া শুরু করে, সেটাও খুবই পাণ্ডিত্যের সাথে। বিষয়টা নিয়ে কী করবো, আমি সময় করে ভাবতে পারিনি, কিন্তু আজকে আপনার কাজ দেখে মনে এলো। সেজন্য উল্লেখ করলাম।) আপনাকে আবারও ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ২২:০৩, ২২ মার্চ ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] অসংখ্য ধন্যবাদ। প্রতিযোগিতায় আপনাকে পেলে ভালো লাগতো, তবে ব্যক্তিগত ব্যস্ততার বিষয়টি বুঝতে পেরেছি। :আমি আপাতত আগের প্রতিযোগিতার পাতাগুলো কপি-পেস্ট করেছি। তবে সেগুলো ধাপে ধাপে সংশোধন ও হালনাগাদ করা হবে। গতবারের অভিজ্ঞতা থেকে আপনার উদ্‌বেগ আমারও নজর এড়ায়নি। এআই ব্যবহারের নীতিমালা আরও কিছুটা কঠোর করার পরিকল্পনা আছে। তবে সহ-প্রকল্পে অনুবাদ সরঞ্জাম না থাকায় অনুবাদের ক্ষেত্রে এআই সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করার সময় হয়তো এখনও আসেনি। :প্রাথমিকভাবে আমি যা ভাবছি: :* সম্পূর্ণ এআই-জেনারেটেড উক্তি সরাসরি বাতিল করা হবে, সংশোধনের সুযোগ দেওয়া হবে না। :* অনুবাদের ক্ষেত্রে যদি এআই-জনিত সাধারণ ভুল (যেমন ইংরেজি উইকিলিংক, -এর/-এ/-তে ত্রুটি ইত্যাদি) পাওয়া যায়, সেক্ষেত্রেও সরাসরি বাতিল করা হবে :* তবে যদি পাতার কাঠামো ঠিকঠাক থাকে এবং কেবল যান্ত্রিকতা বা ছোটখাটো সমস্যা থাকে, তাহলে সংশোধনের সুযোগ দেওয়া হবে। :শাস্তিমূলক দিক: :* ৩টি সম্পূর্ণ এআই-জেনারেটেড পাতা হলে প্রতিযোগী সরাসরি অযোগ্য :* ৫টি ত্রুটিপূর্ণ/অপরিশোধিত এআই অনুবাদ হলে প্রতিযোগিকে একটি সতর্কতা সাপেক্ষে অযোগ্য ঘোষণা :* কাঠামো সঠিক, কিন্তু এআই-নির্ভর যান্ত্রিকতা থাকলে ৩ থেকে ৫টা সতর্কতার পর অযোগ্য ঘোষণা। :এটি আপাতত একটি খসড়া পরিকল্পনা। এ বিষয়ে আপনার কোনো পরামর্শ থাকলে জানানোর অনুরোধ রইল। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১১:৫৫, ২৩ মার্চ ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] ধন্যবাদ! আপনার চিন্তা ঠিক আছে, পুরোপুরি বাদ দেয়া সম্ভব না। আসলে আমিও এটাই ভাবছিলাম, কিন্তু কী করা যায়, সেটা নিয়ে বেশি সময় দেয়া হয়নি। আপনার এই চিন্তায় আমার সমর্থন থাকবে। আবারও ধন্যবাদ ভাই। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১৪:০৮, ২৩ মার্চ ২০২৬ (ইউটিসি) == Khokon == [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-20837-51|&#126;2026-20837-51]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-20837-51|আলাপ]]) ১৩:২৩, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পুনঃ পর্যালোচনা == আপনার নির্দেশনা অনুযায়ী নিম্নোক্ত নিবন্ধসমূহ সংশোধন করা হয়েছে, * [[প্রণব মুখোপাধ্যায়]] * [[উভকামিতা]] * [[সমকামী যৌন চর্চা]] [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ০৪:৫৭, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পুনঃ পর্যালোচনা == @[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] [[ডেনিস রিচি]] পাতাটি সংশোধন করা হয়েছে পুনরায় পর্যালোচনার জন্য অনুরোধ রইল। ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০৫:০১, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == হুগো দ্য ভ্রিস পর্যালোচনা প্রসঙ্গে == @[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬ এর নীতিমালা অনুসারে অন্তত ৩টি উক্তি থাকতে হবে। আপনি টুলফোর্জেও [[হুগো দ্য ভ্রিস]] এজন্যই গ্রহণ করেননি। তবে এখানে তো তাঁর সম্পর্কে ১টি উক্তি আছে। মোট ৩টি উক্তিই তো হয়। আর ইংরেজি উইকিউক্তিতেও এই মোট ৩টিই ছিল। তাই অনুগ্রহ করে এটিকে গ্রহণ করে নিন অথবা দ্বিমত/অসুবিধা থাকলে জানান। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৬:৫৪, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] আপনি কি এটি পুনঃপর্যালোচনা করেছেন? করে একটু জানালে ভালো হয়। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১১:৩১, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] এভাবে কাউকে বার বার মেনশন দেয়া হতে বিরত থাকুন। আপনি এত পূর্বেও একাধিক ব্যবহারকারীর আলাপ পাতায় ব্যবহারকারীকে একাধিক বার মেনসন করেছেন। [[ব্যবহারকারী:R1F4T|R1F4T]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:R1F4T|আলাপ]]) ১২:১৮, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:R1F4T|R1F4T]] আপনি বার বার আমাকে বিরক্ত করা থেকে বিরত থাকুন। আপনি আমাকে একবার সতর্ক করেছেন, আমি আর কাউকে বার বার মেনশন করিনি। তবে আপনি আগের আলোচনাগুলোতে বার বার গিয়ে মেনশন করে সতর্ক বার্তা দিচ্ছেন। দেওয়ার আগে লক্ষ করুন মেনশন আমি কবে করেছিলাম এবং আপনার সতর্কতার পর আমি কাউকে মেনশন করছি কি-না। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১০:৫৯, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] পাতাতে দুটো উক্তিই আছে। শুরুর ভূমিকাংশটা ব্যক্তির পরিচিত। এটা কোনও উক্তি না। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১১:২০, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::::@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] তবে ইংরেজি উইকিপিডিয়াতে যতগুলো ছিল আমি ততগুলোই অনুবাদ করেছি। আমি আর কোথায় পাবো? — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১১:৩২, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] এক্ষেত্রে কিছুই করার নেই। নির্দেশনায় স্পষ্টভাবে বলা আছে ৩টা উক্তি থাকা বাধ্যতামূলক। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৪:২৯, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] ইন্টারনেট ঘেঁটে একটি উক্তি খুঁজে বের করুন ও সুত্রসহ যোগ করুন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ০০:০৩, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[ই. ও. উইলসন]] == @[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] পাতাটি সংশোধন করেছি অনুগ্রহ করে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন। [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০২:৩০, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[মোপলা বিদ্রোহ]] == @[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] পাতাটি সংশোধন করা হয়েছে, পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ রইল। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ১৬:১৪, ২২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) c6lfw3av1ecugeq6z6fm240ilp1v8qm 79981 79855 2026-04-23T08:32:25Z Anaf Ibn Shahibul 4193 /* হুগো দ্য ভ্রিস পর্যালোচনা প্রসঙ্গে */ উত্তর 79981 wikitext text/x-wiki == আন্তঃভাষা সংযোগ == টেমপ্লেট/মডিউল তৈরি করলে সেগুলোতে উইকিউপাত্ত সংযোগ দিয়ে দিয়ো। [[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) ২১:৩৪, ১১ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি) == ঠিক করেছি! == [[সাওম]] এবং [[আগুন]] নিবন্ধ ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:Rifat008|Rifat008]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Rifat008|আলাপ]]) ১২:৪৫, ১ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Rifat008|Rifat008]] গৃহীত হয়েছে। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#FBB117;color:#7E2217">MS Sakib&nbsp;</b>]][[User talk:MS Sakib|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ১৫:০৯, ১ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) == আবুবকর সিদ্দিক == [[আবুবকর সিদ্দিক]] উক্তি আরো যুক্ত করা হয়ছে এখম সম্ভব ১৫০ শব্দ হবে। যদি আবার একটু দেখতেন। [[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন|মোহাম্মদ জনি হোসেন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:মোহাম্মদ জনি হোসেন|আলাপ]]) ১৪:২৮, ১ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন|মোহাম্মদ জনি হোসেন]], গৃহীত হয়েছে। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#FBB117;color:#7E2217">MS Sakib&nbsp;</b>]][[User talk:MS Sakib|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ১৫:০৯, ১ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) == ১৫০ শব্দের অধিক করেছি == ' শকুনি ' পেজে উক্তি আরো যোগ করা হয়েছে এবং ১৫০ চেয়ে বেশি শব্দ হয়েছে। প্লিজ চেক করে পয়েন্ট এড করে দিয়েন। ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Devshekhar97|Devshekhar97]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Devshekhar97|আলাপ]]) ১০:৩০, ৫ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Devshekhar97|Devshekhar97]] "শকুনি সম্পর্কে উক্তি"টা <s>লার</s>কার উক্তি? উৎস প্রয়োজন। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#FBB117;color:#7E2217">MS Sakib&nbsp;</b>]][[User talk:MS Sakib|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ২১:১৯, ৫ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) ::আপনি কি বুঝাতে চেয়েছেন উক্ত সেকশানে লেখাটা কার বা কথা থেকে উল্লেখ করেছি? ::এমন হলে এটা আমি লিখেছি। নাকি উক্ত অংশ টি বাদ দিয়ে দিব? [[ব্যবহারকারী:Devshekhar97|Devshekhar97]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Devshekhar97|আলাপ]]) ১১:৫০, ৬ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:Devshekhar97|Devshekhar97]] কারো সম্পর্কে নিজের উক্তি যোগ করা যাবে না। বিখ্যাত ব্যক্তিদের উক্তি যোগ করতে হবে। এটা বাদ দিন। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#FBB117;color:#7E2217">MS Sakib&nbsp;</b>]][[User talk:MS Sakib|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ১১:৫২, ৬ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) ::::ও জানতাম না ।বাদ দিয়েছি। চেক করেন।।ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Devshekhar97|Devshekhar97]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Devshekhar97|আলাপ]]) ১৩:১৪, ৬ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) :::::@[[ব্যবহারকারী:Devshekhar97|Devshekhar97]] ১৫০ শব্দ হয়নি। তাছাড়া উক্তির চেয়ে ভূমিকার আকার বেশি। আরও কয়েকটা উক্তি যোগ করুন। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#FBB117;color:#7E2217">MS Sakib&nbsp;</b>]][[User talk:MS Sakib|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ১৪:৫৩, ৬ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) == উক্তি প্রতিযোগিতার নিয়মে একটি সংশোধনী আনা হয়েছে == সুপ্রিয় MS Sakib, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ ও ৩০ এপ্রিল শেষ দিন পর্যন্ত অংশ নেওয়া অব্যাহত রাখুন। আপনার অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে প্রতিযোগিতার নিয়মে একটি সংশোধনী আনা হয়েছে: প্রতিযোগিতায় এখন থেকে '''নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র নিয়ে উক্তির পাতা তৈরি করা যাবে না''' অর্থাৎ <u>নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র ছাড়া অন্য উল্লেখযোগ্য যেকোনও কিছু নিয়ে উক্তির পাতা তৈরি করা যাবে</u>। ;কেন নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র বাদ দেওয়া হয়েছে? :প্রতিযোগিতা শুরুর পর অনেকেই নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র নিয়ে উক্তির পাতা বানিয়েছেন। তবে লক্ষ্য করা গেছে যে, অনেকে শব্দ সংখ্যা বাড়াতে পুরো নাটক, উপন্যাস তুলে দিচ্ছেন। যা কোন ক্রমে কাম্য নয়। এটি অন্য প্রতিযোগীদের প্রতিও সুবিচার করা হয় না। ; আমি যে নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র জমা দিয়েছি তার কী হবে? : যারা এই ঘোষণার পূর্বে অর্থাৎ ৬ এপ্রিল বা তার আগে এই জাতীয় উক্তির পাতা জমা দিয়েছেন সেগুলি গৃহীত হবে (অবশ্যই সংশোধনপূর্বক)। আরেকটি বিষয়ের প্রতি আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। এটাও লক্ষ্য করা গেছে যে অনেকে উক্তির উৎস দিচ্ছেন না। দয়া করে উক্তির উৎস দিতে ভুলবেন না। দয়া করে উদাহরণ হিসেবে [[চঞ্চল চৌধুরী]], [[নোম চম্‌স্কি]] পাতায় কীভাবে উক্তি ও উক্তির উৎস দেওয়া হয়েছে তা দেখুন। আপনার কোনও জিজ্ঞাসা থাকলে আমাকে উল্লেখ করে জিজ্ঞাসা করুন। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৯:৪৭, ৬ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) <!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:%E0%A6%86%E0%A6%AB%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8/%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE&oldid=31634-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন --> == জুলুম == [[জুলুম]] ভুক্তি আরও ৩ উক্তি যুক্ত করা হয়ছে, [[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন|মোহাম্মদ জনি হোসেন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:মোহাম্মদ জনি হোসেন|আলাপ]]) ১৪:১৩, ১৮ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) == MS Sakib ভাইয়া আপনার কথা মতো কবিতা টেমপ্লেট যোগ করেছি == MS Sakib ভাইয়া আপনার কথা মতো খান আতাউর রহমান পৃষ্ঠায় কবিতা টেমপ্লেট যোগ করেছি। অনুগ্রহ করে একবার দেখে নেবেন। ধন্যবাদ! [[ব্যবহারকারী:HridoyKundu|HridoyKundu]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:HridoyKundu|আলাপ]]) ১৩:৪৯, ৩০ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:HridoyKundu|HridoyKundu]] হ্যাঁ, ঠিকমতোই করেছেন। সংশোধনের জন্যে ধন্যবাদ। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#FBB117;color:#7E2217">MS Sakib&nbsp;</b>]][[User talk:MS Sakib|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ১৬:২৫, ৩০ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) ::আপনাকেও ধন্যবাদ😁 [[ব্যবহারকারী:HridoyKundu|HridoyKundu]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:HridoyKundu|আলাপ]]) ০৬:০৪, ১ মে ২০২৪ (ইউটিসি) == পাতা তৈরি প্রসংঙ্গে == অনিতা আগ্নেহোত্রী পাতায় তো যোগ করা উক্তি ঠিক ছিলো। তবে কেনো আমাকে পয়েন্ট দেওয়া হলো না? [[ব্যবহারকারী:অজয় অধিকারী|অজয় অধিকারী]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:অজয় অধিকারী|আলাপ]]) ০৬:৪২, ৪ মে ২০২৪ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:অজয় অধিকারী|অজয় অধিকারী]] আপনি কেবল একটি উক্তি যোগ করেছেন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪|প্রতিযোগিতার নিয়ম]] অনুসারে কমপক্ষে তিনটি উক্তি এবং কমপক্ষে ১৫০ শব্দ থাকতে হবে প্রতিটি ভুক্তিতে। তাই গৃহীত হয়নি। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#FBB117;color:#7E2217">MS Sakib&nbsp;</b>]][[User talk:MS Sakib|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ১৪:৪৯, ৪ মে ২০২৪ (ইউটিসি) ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:অজয় অধিকারী|অজয় অধিকারী]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:অজয় অধিকারী|আলাপ]]) ০৯:৪০, ৫ মে ২০২৪ (ইউটিসি) == ৩-৪ টি উক্তি একই উৎস থেকে হওয়ায় আমি বারবার একই উৎস দিই নাই == সুধী, আশা করি ভালো আছেন। রফিকুল ইসলাম (অধ্যাপক) পাতায় সংশোধনী আনা বলার জন্য ধন্যবাদ। আপনি যা উল্লেখ করেছিলেন "যেসব উক্তির উৎস নেই, সেগুলো যোগ করুন।" আমি মূলত ৩-৪ টি উক্তি একই উৎস থেকে হওয়ায় আমি বারবার একই উৎস দিই নাই। তাই একই উৎস থেকে পর পর উক্তিগুলো দেওয়ার পর আমি প্রত্যেকটা শেষের উক্তিতে উৎস যোগ করেছিলাম। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:HridoyKundu|HridoyKundu]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:HridoyKundu|আলাপ]]) ০৩:৫৭, ৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি) :bhai compition er rerult kobe diben [[ব্যবহারকারী:Md Rafiqul Islam Siyam334|Md Rafiqul Islam Siyam334]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Rafiqul Islam Siyam334|আলাপ]]) ০৯:৩৭, ৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:HridoyKundu|HridoyKundu]] ধন্যবাদ। বুঝতে পেরেছি। ::@[[ব্যবহারকারী:Md Rafiqul Islam Siyam334|Md Rafiqul Islam Siyam334]]: [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪/পরিসংখ্যান|এই পাতায়]] শব্দগণনার কাজ শুরু হয়েছে। শব্দগণনা শেষ হলেই ফলাফল পেয়ে যাবেন। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#FBB117;color:#7E2217">MS Sakib&nbsp;</b>]][[User talk:MS Sakib|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ১০:৫৮, ৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি) == উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪: ফরম পূরণ করুন == সুপ্রিয় MS Sakib, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪/পরিসংখ্যান#ফলাফল|শীর্ষ ২০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLScZptwVHdLgFGVAjzk79Ew7MjAcCUyL1PigcfsNwxBn5VeC6w/viewform?usp=sf_link এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৪:২৭, ১৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি) == নারীবাণী ২০২৪ পদক == {| style="background-color: #fee5e5; border: 2px solid #754796;" |rowspan="2" style="vertical-align: middle; padding: 5px;" | [[File:Shesaid project Barnstar.png|100px|link=]] |style="font-size: x-large; padding: 3px 3px 0 3px; height: 1.5em; color:#642882;" | '''#নারীবাণী পদক |- |style="vertical-align: middle; padding: 3px;" | '''সুপ্রিয় MS Sakib!,<br>''' '''[[উইকিউক্তি:নারীবাণী|<nowiki>#</nowiki>নারীবাণী ২০২৪]]''' প্রকল্পে অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ! এই প্রকল্পে আপনি ৩টি নতুন ভুক্তি তৈরি করেছেন। প্রকল্পে অংশ নিয়ে নতুন ভুক্তি তৈরির জন্য আপনাকে এই পদক প্রদান করা হয়েছে। আশা করি, আপনার আগামীর যাত্রা শুভ হোক, আরো সাফল্যমণ্ডিত হোক।'''</br></br>শুভেচ্ছান্তে, </br> নারীবাণী আয়োজকবৃন্দ''' |} == উক্তি জমা দিয়েছি দেখেন == ভাই আমি উক্তি পেজ জমা দিয়েছি , আমার পরে যারা জমা দিয়েছে সেগুলো এপ্রুভ হচ্ছে কিন্তু আমারটা এখনো পেন্ডিং পরে আছে। একটু দেখবেন প্লিজ। [[ব্যবহারকারী:Md Shuvo Sheikh|Md Shuvo Sheikh]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Shuvo Sheikh|আলাপ]]) ০৫:৫৯, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :অপেক্ষা করুন, আপনার ভুক্তি পর্যালোচনা করা হবে। [[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Mobashir Hossain|আলাপ]]) ০৬:৫৬, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::ঠিক আছে ভাই, ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:Md Shuvo Sheikh|Md Shuvo Sheikh]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Shuvo Sheikh|আলাপ]]) ১৪:৩৭, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:Md Shuvo Sheikh|Md Shuvo Sheikh]] আরেকটা ব্যাপার সেটা হলো ফলাফল ৭ই মের পরে দিবে আর প্রতিযোগিতা ৭ই মে পর্যন্ত থাকবে। তাই তাড়াহুড়ার কিছুই নাই। [[User:Md Mobashir Hossain|মোবাশশির]] <small>[[User Talk:Md Mobashir Hossain|বার্তা দিন]]</small> ১৪:৩৯, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::::আপনি কি পর্যালোচনা কমিটিতে আছেন? ::::আপনি নিজেও তো মনে হয় উক্তি জমা দিচ্ছেন। [[ব্যবহারকারী:Md Shuvo Sheikh|Md Shuvo Sheikh]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Shuvo Sheikh|আলাপ]]) ১৬:৩৫, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :::::@[[ব্যবহারকারী:Md Shuvo Sheikh|Md Shuvo Sheikh]], শেষ প্রশ্নটা কি মোবাশশিরকে করেছেন? ওনি পর্যালোচক দলে নেই, প্রতিযোগী হিসেবে অংশগ্রহণ করেছে। :::::দ্বিতীয়ত, ওনার উত্তরটা সঠিক। সব নিবন্ধই পর্যালোচনা করা হবে; অনেক সময় আছে, তাই তাড়াহুড়োর কিছু নেই। আপনি বেশি বেশি মানসম্মত পাতা তৈরি করে প্রতিযোগিতা চালিয়ে যান। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ২১:৪০, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::::::জ্বী মোবাশশিরকে করেছিলাম। ::::::ঠিক আছে ধন্যবাদ ভাই, অপেক্ষায় রইলাম। পর্যালোচনা করলে কাজের আগ্রহ বাড়ে, এই জন্য আপনাকে নক দিয়েছিলাম আর কি। [[ব্যবহারকারী:Md Shuvo Sheikh|Md Shuvo Sheikh]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Shuvo Sheikh|আলাপ]]) ০৭:১৮, ১৬ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :2000 [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-22362-67|&#126;2026-22362-67]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-22362-67|আলাপ]]) ২২:২৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == ২ টা নিবন্ধ একই == [[নিউজিল্যান্ড]] ও [[নেদারল্যান্ডস]] একই নিবন্ধ হয়ে গেলো মনে হয় একটু দেখা অনুরোধ। [[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন|মোহাম্মদ জনি হোসেন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:মোহাম্মদ জনি হোসেন|আলাপ]]) ১৪:৫৩, ২০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী: Malihamoni| Malihamoni]], আপনি [[নেদারল্যান্ডস]] নিবন্ধে [[নিউজিল্যান্ড]]-এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট উক্তি লিখেছেন। অনুগ্রহপূর্বক [[নেদারল্যান্ডস]] পাতাটি পুরোপুরি খালি করে এখানে [[:en:Netherlands]] থেকে লেখা অনুবাদ করুন। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৫:৩৭, ২০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == পুনরায় পর্যবেক্ষণের আবেদন == প্রিয় প্রশাসক, চিহ্নিত করা সমস্যাগুলো সংশোধন করা হয়েছে । *[[শিমন পেরেজ]] *[[শার্লমাইন]] *[[সিঙ্গাপুর]] [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১৩:২৪, ৭ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] শিমন পেরেজে সব লিংক যোগ করা হয়নি! একবার পুনঃপর্যালোচনার পর ত্রুটি থাকলে গ্রহণ করার সুযোগ নেই। তবুও আপনাকে এগুলো সব বাকি সব দ্রুত সংশোধনের সুযোগ দিচ্ছি। আপনার বিভিন্ন পাতায় অপরিশোধিত AI অনুবাদ, লিংক ঘাটতি সহ নানান ত্রুটি আছে। সবগুলো দ্রুত ঠিক করুন। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৫:৩০, ৮ মে ২০২৫ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] সিঙ্গাপুরেও লিংক যুক্ত কতা হয়নি। উক্তিগুলো যাচাইযোগ্য নয়। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৫:৩২, ৮ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == লিন্ডন বি. জনসন == [[লিন্ডন বি. জনসন]] পাতাটিতে যেসব সংখ্যা রয়েছে তার অনেকগুলো ইংরেজিতে রয়েছে, বাংলা করা প্রয়োজন। –– [[ব্যবহারকারী:Tahmid|তাহমিদ]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tahmid|আলাপ]]) ১৩:০৬, ৮ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Tahmid|Tahmid]] অনেক ধন্যবাদ। ঠিক করা হয়েছে। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৫:৪৮, ৮ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == অপসারণ কেনো? যুক্তি প্রয়োজন == ভাই, আপনি [[ফ্রেডরিক ডগলাস]] পাতাটিতে অপসারণের ট্যাগ লাগিয়েছেন। কিন্তু কারণ দেখতে পাচ্ছিনা। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১৪:৫৩, ১২ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]]: ও হ্যাঁ। [[ব্যবহারকারী আলাপ:Dr. Mosaddek Khondoker]] অর্থাৎ, প্রণেতাই বলেছিল অপসারণ করতে। তার ভাষ্যমতে সে এই পাতায় কোনো সংশোধনই করতে পারেনি। [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন]] পাতাটিকেও সে ডিলেট করে দিতে বলেছে। এগুলোতে সে যান্ত্রিকতা সংশোধনের সময় বা সুযোগ পায়নি। বিষয়টি পর্যালোচনা করে দেখুন। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ২০:৪৪, ১২ মে ২০২৫ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] আমার মনে হয়, আন্তঃউইকি সংযোগ দিয়ে রাখা যেতে পারে; ভবিষ্যতে যদি কেউ সম্পাদনা করতে চায়; করতে পারবে। এগুলি তো ইংরেজি থেকেই অনুবাদ করা হয়েছে। প্রতিযোগিতার বিষয় তো ভিন্ন। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ০৫:০১, ১৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] রাখা যেতে পারে। তবে [[ফ্রেডরিক ডগলাস]] পুরোপুরি অপরিশোধিত পাতা। এটা অপসারণ করলেই ভালো হবে আমার মতে। বিশেষত প্রণেতাই যখন রাখতে চাচ্ছে না। db-author বিবেচনা করতে পারেন। :::@[[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]]। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৬:০১, ১৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == পুনরায় পর্যালোচনার আবেদন == [[মারিয়া রেসা]] এবং [[শিমন পেরেজ]] পাতা গুলোতে চিহ্নিত ভূল গুলো সংশোধন করা হয়েছে। এবার গ্রহণ করতে পারেন। [[আপনার মেসেজ ছিল "তথ্যসূত্রগুলোতে লিংক যোগ করা হয়নি। দ্রুত ইংরেজি পাতা থেকে লিংকগুলো কপি করে বসিয়ে আমাকে জানান। তারপর গ্রহণ করে নিব।"]] [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১১:২৯, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] দুঃখিত। যান্ত্রিক হওয়ায় একটাও গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৭:৫৩, ১৫ মে ২০২৫ (ইউটিসি) ::ঠিক আছে। আচ্ছা [[জন হার্ভে কেলোগ]] এই পাতাটিতে এত বড় অনুবাদ কিভাবে করেছে এবং কি কি উপায়ে আমি অনুবাদ করতে পারি। [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১৭:৫৭, ১৫ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == পুনঃপর্যালোচনা == [[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain]] -এর [[সুইডেন]] এবং [[ব্যবহারকারী: MD Sahib]] -এর [[প্রবীণ তোগাড়িয়া]] গৃহীত হয়েছে। ফলাফলে যোগ করে দিবেন। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS|আলাপ]]) ১৭:৩৭, ১৫ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == উক্তি প্রতিযোগিতা সম্পর্কে == ছাকিব ভাই, শুভেচ্ছা নিবেন। আশা করি ভালো আছেন। আপনি দেখলাম, উক্তি প্রতিযোগিতা নিয়ে কাজ করছেন। দেখে ভালো লাগলো। ব্যস্ততার কারণে আমি এবারও আপনার সাথ দিতে পারছিনা সেজন্য দুঃখ প্রকাশ করছি। আমি একটা বিশেষ দিকে নজর দেয়ার জন্য অনুরোধ করবো, যেটা আপনি ইতোমধ্যে নীতিমালায় যুক্ত করেছেন। কিন্তু গত বছরের প্রতিযোগিতায় অনেক বেশি হ্যালুসিনিটেড সূত্র দিয়ে পাতা তৈরি করা হয়েছিল ও গৃহীত হয়েছিল, যেগুলি আমি সময়ে সময়ে অপসারণ করছি ও করে যাচ্ছি। এমনকি, কিছুদিন আগে এর চেয়েও মারাত্মক বিষয় নজরে এসেছে, একজন অবদানকারীর সবগুলি অবদানই এআইয়ের ছিল, যেটা আলোচনাসভায় একজন ভিন্নভাষী দৃষ্টি আকর্ষণ করলে আমি ১০টার মতো পাতা অপসারণ করি। বিষয়টা কীভাবে সুরাহা করা যায়, সেটার দিকে বিশেষ নজর দেয়ার অনুরোধ থাকবে। (এআইকে পুরোপুরি বাদ দেয়া যায় কিনা যে, এআই যুক্ত হলে পাতা অপসারিত হবে; বা এই ধরনের। কারণ, এআই অনেক বেশি হ্যালুসিনিটেড তথ্য যুক্ত করে। এমনকি আমি কয়েক দিন আগেও জেমিনাইয়ের লেটেস্ট প্রো সংস্করণ দিয়ে চেষ্টা করে দেখেছি। প্রথমে ঠিক থাকলেও হঠাৎ মিথ্যা তথ্য দেয়া শুরু করে, সেটাও খুবই পাণ্ডিত্যের সাথে। বিষয়টা নিয়ে কী করবো, আমি সময় করে ভাবতে পারিনি, কিন্তু আজকে আপনার কাজ দেখে মনে এলো। সেজন্য উল্লেখ করলাম।) আপনাকে আবারও ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ২২:০৩, ২২ মার্চ ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] অসংখ্য ধন্যবাদ। প্রতিযোগিতায় আপনাকে পেলে ভালো লাগতো, তবে ব্যক্তিগত ব্যস্ততার বিষয়টি বুঝতে পেরেছি। :আমি আপাতত আগের প্রতিযোগিতার পাতাগুলো কপি-পেস্ট করেছি। তবে সেগুলো ধাপে ধাপে সংশোধন ও হালনাগাদ করা হবে। গতবারের অভিজ্ঞতা থেকে আপনার উদ্‌বেগ আমারও নজর এড়ায়নি। এআই ব্যবহারের নীতিমালা আরও কিছুটা কঠোর করার পরিকল্পনা আছে। তবে সহ-প্রকল্পে অনুবাদ সরঞ্জাম না থাকায় অনুবাদের ক্ষেত্রে এআই সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করার সময় হয়তো এখনও আসেনি। :প্রাথমিকভাবে আমি যা ভাবছি: :* সম্পূর্ণ এআই-জেনারেটেড উক্তি সরাসরি বাতিল করা হবে, সংশোধনের সুযোগ দেওয়া হবে না। :* অনুবাদের ক্ষেত্রে যদি এআই-জনিত সাধারণ ভুল (যেমন ইংরেজি উইকিলিংক, -এর/-এ/-তে ত্রুটি ইত্যাদি) পাওয়া যায়, সেক্ষেত্রেও সরাসরি বাতিল করা হবে :* তবে যদি পাতার কাঠামো ঠিকঠাক থাকে এবং কেবল যান্ত্রিকতা বা ছোটখাটো সমস্যা থাকে, তাহলে সংশোধনের সুযোগ দেওয়া হবে। :শাস্তিমূলক দিক: :* ৩টি সম্পূর্ণ এআই-জেনারেটেড পাতা হলে প্রতিযোগী সরাসরি অযোগ্য :* ৫টি ত্রুটিপূর্ণ/অপরিশোধিত এআই অনুবাদ হলে প্রতিযোগিকে একটি সতর্কতা সাপেক্ষে অযোগ্য ঘোষণা :* কাঠামো সঠিক, কিন্তু এআই-নির্ভর যান্ত্রিকতা থাকলে ৩ থেকে ৫টা সতর্কতার পর অযোগ্য ঘোষণা। :এটি আপাতত একটি খসড়া পরিকল্পনা। এ বিষয়ে আপনার কোনো পরামর্শ থাকলে জানানোর অনুরোধ রইল। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১১:৫৫, ২৩ মার্চ ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] ধন্যবাদ! আপনার চিন্তা ঠিক আছে, পুরোপুরি বাদ দেয়া সম্ভব না। আসলে আমিও এটাই ভাবছিলাম, কিন্তু কী করা যায়, সেটা নিয়ে বেশি সময় দেয়া হয়নি। আপনার এই চিন্তায় আমার সমর্থন থাকবে। আবারও ধন্যবাদ ভাই। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১৪:০৮, ২৩ মার্চ ২০২৬ (ইউটিসি) == Khokon == [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-20837-51|&#126;2026-20837-51]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-20837-51|আলাপ]]) ১৩:২৩, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পুনঃ পর্যালোচনা == আপনার নির্দেশনা অনুযায়ী নিম্নোক্ত নিবন্ধসমূহ সংশোধন করা হয়েছে, * [[প্রণব মুখোপাধ্যায়]] * [[উভকামিতা]] * [[সমকামী যৌন চর্চা]] [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ০৪:৫৭, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পুনঃ পর্যালোচনা == @[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] [[ডেনিস রিচি]] পাতাটি সংশোধন করা হয়েছে পুনরায় পর্যালোচনার জন্য অনুরোধ রইল। ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০৫:০১, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == হুগো দ্য ভ্রিস পর্যালোচনা প্রসঙ্গে == @[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬ এর নীতিমালা অনুসারে অন্তত ৩টি উক্তি থাকতে হবে। আপনি টুলফোর্জেও [[হুগো দ্য ভ্রিস]] এজন্যই গ্রহণ করেননি। তবে এখানে তো তাঁর সম্পর্কে ১টি উক্তি আছে। মোট ৩টি উক্তিই তো হয়। আর ইংরেজি উইকিউক্তিতেও এই মোট ৩টিই ছিল। তাই অনুগ্রহ করে এটিকে গ্রহণ করে নিন অথবা দ্বিমত/অসুবিধা থাকলে জানান। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৬:৫৪, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] আপনি কি এটি পুনঃপর্যালোচনা করেছেন? করে একটু জানালে ভালো হয়। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১১:৩১, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] এভাবে কাউকে বার বার মেনশন দেয়া হতে বিরত থাকুন। আপনি এত পূর্বেও একাধিক ব্যবহারকারীর আলাপ পাতায় ব্যবহারকারীকে একাধিক বার মেনসন করেছেন। [[ব্যবহারকারী:R1F4T|R1F4T]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:R1F4T|আলাপ]]) ১২:১৮, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:R1F4T|R1F4T]] আপনি বার বার আমাকে বিরক্ত করা থেকে বিরত থাকুন। আপনি আমাকে একবার সতর্ক করেছেন, আমি আর কাউকে বার বার মেনশন করিনি। তবে আপনি আগের আলোচনাগুলোতে বার বার গিয়ে মেনশন করে সতর্ক বার্তা দিচ্ছেন। দেওয়ার আগে লক্ষ করুন মেনশন আমি কবে করেছিলাম এবং আপনার সতর্কতার পর আমি কাউকে মেনশন করছি কি-না। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১০:৫৯, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] পাতাতে দুটো উক্তিই আছে। শুরুর ভূমিকাংশটা ব্যক্তির পরিচিত। এটা কোনও উক্তি না। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১১:২০, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::::@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] তবে ইংরেজি উইকিপিডিয়াতে যতগুলো ছিল আমি ততগুলোই অনুবাদ করেছি। আমি আর কোথায় পাবো? — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১১:৩২, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] এক্ষেত্রে কিছুই করার নেই। নির্দেশনায় স্পষ্টভাবে বলা আছে ৩টা উক্তি থাকা বাধ্যতামূলক। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৪:২৯, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::::::@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] আমি ইন্টারনেট থেকে সূত্রসহ আরো একটি উক্তি যুক্ত করেছি। অনুগ্রহ করে পুনঃপর্যালোচনা করুন। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:৩২, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] ইন্টারনেট ঘেঁটে একটি উক্তি খুঁজে বের করুন ও সুত্রসহ যোগ করুন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ০০:০৩, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[ই. ও. উইলসন]] == @[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] পাতাটি সংশোধন করেছি অনুগ্রহ করে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন। [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০২:৩০, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[মোপলা বিদ্রোহ]] == @[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] পাতাটি সংশোধন করা হয়েছে, পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ রইল। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ১৬:১৪, ২২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) l27ayyyyw64jxfcmnh7fw9kdlpydjiq 79982 79981 2026-04-23T08:32:53Z Anaf Ibn Shahibul 4193 /* হুগো দ্য ভ্রিস পর্যালোচনা প্রসঙ্গে */ উত্তর 79982 wikitext text/x-wiki == আন্তঃভাষা সংযোগ == টেমপ্লেট/মডিউল তৈরি করলে সেগুলোতে উইকিউপাত্ত সংযোগ দিয়ে দিয়ো। [[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) ২১:৩৪, ১১ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি) == ঠিক করেছি! == [[সাওম]] এবং [[আগুন]] নিবন্ধ ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:Rifat008|Rifat008]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Rifat008|আলাপ]]) ১২:৪৫, ১ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Rifat008|Rifat008]] গৃহীত হয়েছে। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#FBB117;color:#7E2217">MS Sakib&nbsp;</b>]][[User talk:MS Sakib|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ১৫:০৯, ১ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) == আবুবকর সিদ্দিক == [[আবুবকর সিদ্দিক]] উক্তি আরো যুক্ত করা হয়ছে এখম সম্ভব ১৫০ শব্দ হবে। যদি আবার একটু দেখতেন। [[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন|মোহাম্মদ জনি হোসেন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:মোহাম্মদ জনি হোসেন|আলাপ]]) ১৪:২৮, ১ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন|মোহাম্মদ জনি হোসেন]], গৃহীত হয়েছে। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#FBB117;color:#7E2217">MS Sakib&nbsp;</b>]][[User talk:MS Sakib|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ১৫:০৯, ১ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) == ১৫০ শব্দের অধিক করেছি == ' শকুনি ' পেজে উক্তি আরো যোগ করা হয়েছে এবং ১৫০ চেয়ে বেশি শব্দ হয়েছে। প্লিজ চেক করে পয়েন্ট এড করে দিয়েন। ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Devshekhar97|Devshekhar97]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Devshekhar97|আলাপ]]) ১০:৩০, ৫ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Devshekhar97|Devshekhar97]] "শকুনি সম্পর্কে উক্তি"টা <s>লার</s>কার উক্তি? উৎস প্রয়োজন। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#FBB117;color:#7E2217">MS Sakib&nbsp;</b>]][[User talk:MS Sakib|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ২১:১৯, ৫ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) ::আপনি কি বুঝাতে চেয়েছেন উক্ত সেকশানে লেখাটা কার বা কথা থেকে উল্লেখ করেছি? ::এমন হলে এটা আমি লিখেছি। নাকি উক্ত অংশ টি বাদ দিয়ে দিব? [[ব্যবহারকারী:Devshekhar97|Devshekhar97]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Devshekhar97|আলাপ]]) ১১:৫০, ৬ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:Devshekhar97|Devshekhar97]] কারো সম্পর্কে নিজের উক্তি যোগ করা যাবে না। বিখ্যাত ব্যক্তিদের উক্তি যোগ করতে হবে। এটা বাদ দিন। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#FBB117;color:#7E2217">MS Sakib&nbsp;</b>]][[User talk:MS Sakib|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ১১:৫২, ৬ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) ::::ও জানতাম না ।বাদ দিয়েছি। চেক করেন।।ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Devshekhar97|Devshekhar97]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Devshekhar97|আলাপ]]) ১৩:১৪, ৬ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) :::::@[[ব্যবহারকারী:Devshekhar97|Devshekhar97]] ১৫০ শব্দ হয়নি। তাছাড়া উক্তির চেয়ে ভূমিকার আকার বেশি। আরও কয়েকটা উক্তি যোগ করুন। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#FBB117;color:#7E2217">MS Sakib&nbsp;</b>]][[User talk:MS Sakib|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ১৪:৫৩, ৬ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) == উক্তি প্রতিযোগিতার নিয়মে একটি সংশোধনী আনা হয়েছে == সুপ্রিয় MS Sakib, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ ও ৩০ এপ্রিল শেষ দিন পর্যন্ত অংশ নেওয়া অব্যাহত রাখুন। আপনার অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে প্রতিযোগিতার নিয়মে একটি সংশোধনী আনা হয়েছে: প্রতিযোগিতায় এখন থেকে '''নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র নিয়ে উক্তির পাতা তৈরি করা যাবে না''' অর্থাৎ <u>নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র ছাড়া অন্য উল্লেখযোগ্য যেকোনও কিছু নিয়ে উক্তির পাতা তৈরি করা যাবে</u>। ;কেন নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র বাদ দেওয়া হয়েছে? :প্রতিযোগিতা শুরুর পর অনেকেই নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র নিয়ে উক্তির পাতা বানিয়েছেন। তবে লক্ষ্য করা গেছে যে, অনেকে শব্দ সংখ্যা বাড়াতে পুরো নাটক, উপন্যাস তুলে দিচ্ছেন। যা কোন ক্রমে কাম্য নয়। এটি অন্য প্রতিযোগীদের প্রতিও সুবিচার করা হয় না। ; আমি যে নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র জমা দিয়েছি তার কী হবে? : যারা এই ঘোষণার পূর্বে অর্থাৎ ৬ এপ্রিল বা তার আগে এই জাতীয় উক্তির পাতা জমা দিয়েছেন সেগুলি গৃহীত হবে (অবশ্যই সংশোধনপূর্বক)। আরেকটি বিষয়ের প্রতি আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। এটাও লক্ষ্য করা গেছে যে অনেকে উক্তির উৎস দিচ্ছেন না। দয়া করে উক্তির উৎস দিতে ভুলবেন না। দয়া করে উদাহরণ হিসেবে [[চঞ্চল চৌধুরী]], [[নোম চম্‌স্কি]] পাতায় কীভাবে উক্তি ও উক্তির উৎস দেওয়া হয়েছে তা দেখুন। আপনার কোনও জিজ্ঞাসা থাকলে আমাকে উল্লেখ করে জিজ্ঞাসা করুন। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৯:৪৭, ৬ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) <!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:%E0%A6%86%E0%A6%AB%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8/%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE&oldid=31634-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন --> == জুলুম == [[জুলুম]] ভুক্তি আরও ৩ উক্তি যুক্ত করা হয়ছে, [[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন|মোহাম্মদ জনি হোসেন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:মোহাম্মদ জনি হোসেন|আলাপ]]) ১৪:১৩, ১৮ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) == MS Sakib ভাইয়া আপনার কথা মতো কবিতা টেমপ্লেট যোগ করেছি == MS Sakib ভাইয়া আপনার কথা মতো খান আতাউর রহমান পৃষ্ঠায় কবিতা টেমপ্লেট যোগ করেছি। অনুগ্রহ করে একবার দেখে নেবেন। ধন্যবাদ! [[ব্যবহারকারী:HridoyKundu|HridoyKundu]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:HridoyKundu|আলাপ]]) ১৩:৪৯, ৩০ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:HridoyKundu|HridoyKundu]] হ্যাঁ, ঠিকমতোই করেছেন। সংশোধনের জন্যে ধন্যবাদ। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#FBB117;color:#7E2217">MS Sakib&nbsp;</b>]][[User talk:MS Sakib|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ১৬:২৫, ৩০ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) ::আপনাকেও ধন্যবাদ😁 [[ব্যবহারকারী:HridoyKundu|HridoyKundu]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:HridoyKundu|আলাপ]]) ০৬:০৪, ১ মে ২০২৪ (ইউটিসি) == পাতা তৈরি প্রসংঙ্গে == অনিতা আগ্নেহোত্রী পাতায় তো যোগ করা উক্তি ঠিক ছিলো। তবে কেনো আমাকে পয়েন্ট দেওয়া হলো না? [[ব্যবহারকারী:অজয় অধিকারী|অজয় অধিকারী]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:অজয় অধিকারী|আলাপ]]) ০৬:৪২, ৪ মে ২০২৪ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:অজয় অধিকারী|অজয় অধিকারী]] আপনি কেবল একটি উক্তি যোগ করেছেন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪|প্রতিযোগিতার নিয়ম]] অনুসারে কমপক্ষে তিনটি উক্তি এবং কমপক্ষে ১৫০ শব্দ থাকতে হবে প্রতিটি ভুক্তিতে। তাই গৃহীত হয়নি। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#FBB117;color:#7E2217">MS Sakib&nbsp;</b>]][[User talk:MS Sakib|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ১৪:৪৯, ৪ মে ২০২৪ (ইউটিসি) ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:অজয় অধিকারী|অজয় অধিকারী]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:অজয় অধিকারী|আলাপ]]) ০৯:৪০, ৫ মে ২০২৪ (ইউটিসি) == ৩-৪ টি উক্তি একই উৎস থেকে হওয়ায় আমি বারবার একই উৎস দিই নাই == সুধী, আশা করি ভালো আছেন। রফিকুল ইসলাম (অধ্যাপক) পাতায় সংশোধনী আনা বলার জন্য ধন্যবাদ। আপনি যা উল্লেখ করেছিলেন "যেসব উক্তির উৎস নেই, সেগুলো যোগ করুন।" আমি মূলত ৩-৪ টি উক্তি একই উৎস থেকে হওয়ায় আমি বারবার একই উৎস দিই নাই। তাই একই উৎস থেকে পর পর উক্তিগুলো দেওয়ার পর আমি প্রত্যেকটা শেষের উক্তিতে উৎস যোগ করেছিলাম। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:HridoyKundu|HridoyKundu]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:HridoyKundu|আলাপ]]) ০৩:৫৭, ৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি) :bhai compition er rerult kobe diben [[ব্যবহারকারী:Md Rafiqul Islam Siyam334|Md Rafiqul Islam Siyam334]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Rafiqul Islam Siyam334|আলাপ]]) ০৯:৩৭, ৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:HridoyKundu|HridoyKundu]] ধন্যবাদ। বুঝতে পেরেছি। ::@[[ব্যবহারকারী:Md Rafiqul Islam Siyam334|Md Rafiqul Islam Siyam334]]: [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪/পরিসংখ্যান|এই পাতায়]] শব্দগণনার কাজ শুরু হয়েছে। শব্দগণনা শেষ হলেই ফলাফল পেয়ে যাবেন। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#FBB117;color:#7E2217">MS Sakib&nbsp;</b>]][[User talk:MS Sakib|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ১০:৫৮, ৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি) == উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪: ফরম পূরণ করুন == সুপ্রিয় MS Sakib, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪/পরিসংখ্যান#ফলাফল|শীর্ষ ২০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLScZptwVHdLgFGVAjzk79Ew7MjAcCUyL1PigcfsNwxBn5VeC6w/viewform?usp=sf_link এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৪:২৭, ১৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি) == নারীবাণী ২০২৪ পদক == {| style="background-color: #fee5e5; border: 2px solid #754796;" |rowspan="2" style="vertical-align: middle; padding: 5px;" | [[File:Shesaid project Barnstar.png|100px|link=]] |style="font-size: x-large; padding: 3px 3px 0 3px; height: 1.5em; color:#642882;" | '''#নারীবাণী পদক |- |style="vertical-align: middle; padding: 3px;" | '''সুপ্রিয় MS Sakib!,<br>''' '''[[উইকিউক্তি:নারীবাণী|<nowiki>#</nowiki>নারীবাণী ২০২৪]]''' প্রকল্পে অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ! এই প্রকল্পে আপনি ৩টি নতুন ভুক্তি তৈরি করেছেন। প্রকল্পে অংশ নিয়ে নতুন ভুক্তি তৈরির জন্য আপনাকে এই পদক প্রদান করা হয়েছে। আশা করি, আপনার আগামীর যাত্রা শুভ হোক, আরো সাফল্যমণ্ডিত হোক।'''</br></br>শুভেচ্ছান্তে, </br> নারীবাণী আয়োজকবৃন্দ''' |} == উক্তি জমা দিয়েছি দেখেন == ভাই আমি উক্তি পেজ জমা দিয়েছি , আমার পরে যারা জমা দিয়েছে সেগুলো এপ্রুভ হচ্ছে কিন্তু আমারটা এখনো পেন্ডিং পরে আছে। একটু দেখবেন প্লিজ। [[ব্যবহারকারী:Md Shuvo Sheikh|Md Shuvo Sheikh]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Shuvo Sheikh|আলাপ]]) ০৫:৫৯, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :অপেক্ষা করুন, আপনার ভুক্তি পর্যালোচনা করা হবে। [[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Mobashir Hossain|আলাপ]]) ০৬:৫৬, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::ঠিক আছে ভাই, ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:Md Shuvo Sheikh|Md Shuvo Sheikh]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Shuvo Sheikh|আলাপ]]) ১৪:৩৭, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:Md Shuvo Sheikh|Md Shuvo Sheikh]] আরেকটা ব্যাপার সেটা হলো ফলাফল ৭ই মের পরে দিবে আর প্রতিযোগিতা ৭ই মে পর্যন্ত থাকবে। তাই তাড়াহুড়ার কিছুই নাই। [[User:Md Mobashir Hossain|মোবাশশির]] <small>[[User Talk:Md Mobashir Hossain|বার্তা দিন]]</small> ১৪:৩৯, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::::আপনি কি পর্যালোচনা কমিটিতে আছেন? ::::আপনি নিজেও তো মনে হয় উক্তি জমা দিচ্ছেন। [[ব্যবহারকারী:Md Shuvo Sheikh|Md Shuvo Sheikh]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Shuvo Sheikh|আলাপ]]) ১৬:৩৫, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :::::@[[ব্যবহারকারী:Md Shuvo Sheikh|Md Shuvo Sheikh]], শেষ প্রশ্নটা কি মোবাশশিরকে করেছেন? ওনি পর্যালোচক দলে নেই, প্রতিযোগী হিসেবে অংশগ্রহণ করেছে। :::::দ্বিতীয়ত, ওনার উত্তরটা সঠিক। সব নিবন্ধই পর্যালোচনা করা হবে; অনেক সময় আছে, তাই তাড়াহুড়োর কিছু নেই। আপনি বেশি বেশি মানসম্মত পাতা তৈরি করে প্রতিযোগিতা চালিয়ে যান। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ২১:৪০, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::::::জ্বী মোবাশশিরকে করেছিলাম। ::::::ঠিক আছে ধন্যবাদ ভাই, অপেক্ষায় রইলাম। পর্যালোচনা করলে কাজের আগ্রহ বাড়ে, এই জন্য আপনাকে নক দিয়েছিলাম আর কি। [[ব্যবহারকারী:Md Shuvo Sheikh|Md Shuvo Sheikh]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Shuvo Sheikh|আলাপ]]) ০৭:১৮, ১৬ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :2000 [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-22362-67|&#126;2026-22362-67]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-22362-67|আলাপ]]) ২২:২৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == ২ টা নিবন্ধ একই == [[নিউজিল্যান্ড]] ও [[নেদারল্যান্ডস]] একই নিবন্ধ হয়ে গেলো মনে হয় একটু দেখা অনুরোধ। [[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন|মোহাম্মদ জনি হোসেন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:মোহাম্মদ জনি হোসেন|আলাপ]]) ১৪:৫৩, ২০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী: Malihamoni| Malihamoni]], আপনি [[নেদারল্যান্ডস]] নিবন্ধে [[নিউজিল্যান্ড]]-এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট উক্তি লিখেছেন। অনুগ্রহপূর্বক [[নেদারল্যান্ডস]] পাতাটি পুরোপুরি খালি করে এখানে [[:en:Netherlands]] থেকে লেখা অনুবাদ করুন। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৫:৩৭, ২০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == পুনরায় পর্যবেক্ষণের আবেদন == প্রিয় প্রশাসক, চিহ্নিত করা সমস্যাগুলো সংশোধন করা হয়েছে । *[[শিমন পেরেজ]] *[[শার্লমাইন]] *[[সিঙ্গাপুর]] [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১৩:২৪, ৭ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] শিমন পেরেজে সব লিংক যোগ করা হয়নি! একবার পুনঃপর্যালোচনার পর ত্রুটি থাকলে গ্রহণ করার সুযোগ নেই। তবুও আপনাকে এগুলো সব বাকি সব দ্রুত সংশোধনের সুযোগ দিচ্ছি। আপনার বিভিন্ন পাতায় অপরিশোধিত AI অনুবাদ, লিংক ঘাটতি সহ নানান ত্রুটি আছে। সবগুলো দ্রুত ঠিক করুন। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৫:৩০, ৮ মে ২০২৫ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] সিঙ্গাপুরেও লিংক যুক্ত কতা হয়নি। উক্তিগুলো যাচাইযোগ্য নয়। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৫:৩২, ৮ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == লিন্ডন বি. জনসন == [[লিন্ডন বি. জনসন]] পাতাটিতে যেসব সংখ্যা রয়েছে তার অনেকগুলো ইংরেজিতে রয়েছে, বাংলা করা প্রয়োজন। –– [[ব্যবহারকারী:Tahmid|তাহমিদ]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tahmid|আলাপ]]) ১৩:০৬, ৮ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Tahmid|Tahmid]] অনেক ধন্যবাদ। ঠিক করা হয়েছে। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৫:৪৮, ৮ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == অপসারণ কেনো? যুক্তি প্রয়োজন == ভাই, আপনি [[ফ্রেডরিক ডগলাস]] পাতাটিতে অপসারণের ট্যাগ লাগিয়েছেন। কিন্তু কারণ দেখতে পাচ্ছিনা। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১৪:৫৩, ১২ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]]: ও হ্যাঁ। [[ব্যবহারকারী আলাপ:Dr. Mosaddek Khondoker]] অর্থাৎ, প্রণেতাই বলেছিল অপসারণ করতে। তার ভাষ্যমতে সে এই পাতায় কোনো সংশোধনই করতে পারেনি। [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন]] পাতাটিকেও সে ডিলেট করে দিতে বলেছে। এগুলোতে সে যান্ত্রিকতা সংশোধনের সময় বা সুযোগ পায়নি। বিষয়টি পর্যালোচনা করে দেখুন। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ২০:৪৪, ১২ মে ২০২৫ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] আমার মনে হয়, আন্তঃউইকি সংযোগ দিয়ে রাখা যেতে পারে; ভবিষ্যতে যদি কেউ সম্পাদনা করতে চায়; করতে পারবে। এগুলি তো ইংরেজি থেকেই অনুবাদ করা হয়েছে। প্রতিযোগিতার বিষয় তো ভিন্ন। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ০৫:০১, ১৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] রাখা যেতে পারে। তবে [[ফ্রেডরিক ডগলাস]] পুরোপুরি অপরিশোধিত পাতা। এটা অপসারণ করলেই ভালো হবে আমার মতে। বিশেষত প্রণেতাই যখন রাখতে চাচ্ছে না। db-author বিবেচনা করতে পারেন। :::@[[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]]। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৬:০১, ১৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == পুনরায় পর্যালোচনার আবেদন == [[মারিয়া রেসা]] এবং [[শিমন পেরেজ]] পাতা গুলোতে চিহ্নিত ভূল গুলো সংশোধন করা হয়েছে। এবার গ্রহণ করতে পারেন। [[আপনার মেসেজ ছিল "তথ্যসূত্রগুলোতে লিংক যোগ করা হয়নি। দ্রুত ইংরেজি পাতা থেকে লিংকগুলো কপি করে বসিয়ে আমাকে জানান। তারপর গ্রহণ করে নিব।"]] [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১১:২৯, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] দুঃখিত। যান্ত্রিক হওয়ায় একটাও গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৭:৫৩, ১৫ মে ২০২৫ (ইউটিসি) ::ঠিক আছে। আচ্ছা [[জন হার্ভে কেলোগ]] এই পাতাটিতে এত বড় অনুবাদ কিভাবে করেছে এবং কি কি উপায়ে আমি অনুবাদ করতে পারি। [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১৭:৫৭, ১৫ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == পুনঃপর্যালোচনা == [[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain]] -এর [[সুইডেন]] এবং [[ব্যবহারকারী: MD Sahib]] -এর [[প্রবীণ তোগাড়িয়া]] গৃহীত হয়েছে। ফলাফলে যোগ করে দিবেন। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS|আলাপ]]) ১৭:৩৭, ১৫ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == উক্তি প্রতিযোগিতা সম্পর্কে == ছাকিব ভাই, শুভেচ্ছা নিবেন। আশা করি ভালো আছেন। আপনি দেখলাম, উক্তি প্রতিযোগিতা নিয়ে কাজ করছেন। দেখে ভালো লাগলো। ব্যস্ততার কারণে আমি এবারও আপনার সাথ দিতে পারছিনা সেজন্য দুঃখ প্রকাশ করছি। আমি একটা বিশেষ দিকে নজর দেয়ার জন্য অনুরোধ করবো, যেটা আপনি ইতোমধ্যে নীতিমালায় যুক্ত করেছেন। কিন্তু গত বছরের প্রতিযোগিতায় অনেক বেশি হ্যালুসিনিটেড সূত্র দিয়ে পাতা তৈরি করা হয়েছিল ও গৃহীত হয়েছিল, যেগুলি আমি সময়ে সময়ে অপসারণ করছি ও করে যাচ্ছি। এমনকি, কিছুদিন আগে এর চেয়েও মারাত্মক বিষয় নজরে এসেছে, একজন অবদানকারীর সবগুলি অবদানই এআইয়ের ছিল, যেটা আলোচনাসভায় একজন ভিন্নভাষী দৃষ্টি আকর্ষণ করলে আমি ১০টার মতো পাতা অপসারণ করি। বিষয়টা কীভাবে সুরাহা করা যায়, সেটার দিকে বিশেষ নজর দেয়ার অনুরোধ থাকবে। (এআইকে পুরোপুরি বাদ দেয়া যায় কিনা যে, এআই যুক্ত হলে পাতা অপসারিত হবে; বা এই ধরনের। কারণ, এআই অনেক বেশি হ্যালুসিনিটেড তথ্য যুক্ত করে। এমনকি আমি কয়েক দিন আগেও জেমিনাইয়ের লেটেস্ট প্রো সংস্করণ দিয়ে চেষ্টা করে দেখেছি। প্রথমে ঠিক থাকলেও হঠাৎ মিথ্যা তথ্য দেয়া শুরু করে, সেটাও খুবই পাণ্ডিত্যের সাথে। বিষয়টা নিয়ে কী করবো, আমি সময় করে ভাবতে পারিনি, কিন্তু আজকে আপনার কাজ দেখে মনে এলো। সেজন্য উল্লেখ করলাম।) আপনাকে আবারও ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ২২:০৩, ২২ মার্চ ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] অসংখ্য ধন্যবাদ। প্রতিযোগিতায় আপনাকে পেলে ভালো লাগতো, তবে ব্যক্তিগত ব্যস্ততার বিষয়টি বুঝতে পেরেছি। :আমি আপাতত আগের প্রতিযোগিতার পাতাগুলো কপি-পেস্ট করেছি। তবে সেগুলো ধাপে ধাপে সংশোধন ও হালনাগাদ করা হবে। গতবারের অভিজ্ঞতা থেকে আপনার উদ্‌বেগ আমারও নজর এড়ায়নি। এআই ব্যবহারের নীতিমালা আরও কিছুটা কঠোর করার পরিকল্পনা আছে। তবে সহ-প্রকল্পে অনুবাদ সরঞ্জাম না থাকায় অনুবাদের ক্ষেত্রে এআই সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করার সময় হয়তো এখনও আসেনি। :প্রাথমিকভাবে আমি যা ভাবছি: :* সম্পূর্ণ এআই-জেনারেটেড উক্তি সরাসরি বাতিল করা হবে, সংশোধনের সুযোগ দেওয়া হবে না। :* অনুবাদের ক্ষেত্রে যদি এআই-জনিত সাধারণ ভুল (যেমন ইংরেজি উইকিলিংক, -এর/-এ/-তে ত্রুটি ইত্যাদি) পাওয়া যায়, সেক্ষেত্রেও সরাসরি বাতিল করা হবে :* তবে যদি পাতার কাঠামো ঠিকঠাক থাকে এবং কেবল যান্ত্রিকতা বা ছোটখাটো সমস্যা থাকে, তাহলে সংশোধনের সুযোগ দেওয়া হবে। :শাস্তিমূলক দিক: :* ৩টি সম্পূর্ণ এআই-জেনারেটেড পাতা হলে প্রতিযোগী সরাসরি অযোগ্য :* ৫টি ত্রুটিপূর্ণ/অপরিশোধিত এআই অনুবাদ হলে প্রতিযোগিকে একটি সতর্কতা সাপেক্ষে অযোগ্য ঘোষণা :* কাঠামো সঠিক, কিন্তু এআই-নির্ভর যান্ত্রিকতা থাকলে ৩ থেকে ৫টা সতর্কতার পর অযোগ্য ঘোষণা। :এটি আপাতত একটি খসড়া পরিকল্পনা। এ বিষয়ে আপনার কোনো পরামর্শ থাকলে জানানোর অনুরোধ রইল। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১১:৫৫, ২৩ মার্চ ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] ধন্যবাদ! আপনার চিন্তা ঠিক আছে, পুরোপুরি বাদ দেয়া সম্ভব না। আসলে আমিও এটাই ভাবছিলাম, কিন্তু কী করা যায়, সেটা নিয়ে বেশি সময় দেয়া হয়নি। আপনার এই চিন্তায় আমার সমর্থন থাকবে। আবারও ধন্যবাদ ভাই। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১৪:০৮, ২৩ মার্চ ২০২৬ (ইউটিসি) == Khokon == [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-20837-51|&#126;2026-20837-51]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-20837-51|আলাপ]]) ১৩:২৩, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পুনঃ পর্যালোচনা == আপনার নির্দেশনা অনুযায়ী নিম্নোক্ত নিবন্ধসমূহ সংশোধন করা হয়েছে, * [[প্রণব মুখোপাধ্যায়]] * [[উভকামিতা]] * [[সমকামী যৌন চর্চা]] [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ০৪:৫৭, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পুনঃ পর্যালোচনা == @[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] [[ডেনিস রিচি]] পাতাটি সংশোধন করা হয়েছে পুনরায় পর্যালোচনার জন্য অনুরোধ রইল। ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০৫:০১, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == হুগো দ্য ভ্রিস পর্যালোচনা প্রসঙ্গে == @[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬ এর নীতিমালা অনুসারে অন্তত ৩টি উক্তি থাকতে হবে। আপনি টুলফোর্জেও [[হুগো দ্য ভ্রিস]] এজন্যই গ্রহণ করেননি। তবে এখানে তো তাঁর সম্পর্কে ১টি উক্তি আছে। মোট ৩টি উক্তিই তো হয়। আর ইংরেজি উইকিউক্তিতেও এই মোট ৩টিই ছিল। তাই অনুগ্রহ করে এটিকে গ্রহণ করে নিন অথবা দ্বিমত/অসুবিধা থাকলে জানান। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৬:৫৪, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] আপনি কি এটি পুনঃপর্যালোচনা করেছেন? করে একটু জানালে ভালো হয়। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১১:৩১, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] এভাবে কাউকে বার বার মেনশন দেয়া হতে বিরত থাকুন। আপনি এত পূর্বেও একাধিক ব্যবহারকারীর আলাপ পাতায় ব্যবহারকারীকে একাধিক বার মেনসন করেছেন। [[ব্যবহারকারী:R1F4T|R1F4T]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:R1F4T|আলাপ]]) ১২:১৮, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:R1F4T|R1F4T]] আপনি বার বার আমাকে বিরক্ত করা থেকে বিরত থাকুন। আপনি আমাকে একবার সতর্ক করেছেন, আমি আর কাউকে বার বার মেনশন করিনি। তবে আপনি আগের আলোচনাগুলোতে বার বার গিয়ে মেনশন করে সতর্ক বার্তা দিচ্ছেন। দেওয়ার আগে লক্ষ করুন মেনশন আমি কবে করেছিলাম এবং আপনার সতর্কতার পর আমি কাউকে মেনশন করছি কি-না। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১০:৫৯, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] পাতাতে দুটো উক্তিই আছে। শুরুর ভূমিকাংশটা ব্যক্তির পরিচিত। এটা কোনও উক্তি না। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১১:২০, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::::@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] তবে ইংরেজি উইকিপিডিয়াতে যতগুলো ছিল আমি ততগুলোই অনুবাদ করেছি। আমি আর কোথায় পাবো? — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১১:৩২, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] এক্ষেত্রে কিছুই করার নেই। নির্দেশনায় স্পষ্টভাবে বলা আছে ৩টা উক্তি থাকা বাধ্যতামূলক। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৪:২৯, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::::::@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] আমি ইন্টারনেট থেকে সূত্রসহ আরো একটি উক্তি যুক্ত করেছি। অনুগ্রহ করে পুনঃপর্যালোচনা করুন। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:৩২, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] ইন্টারনেট ঘেঁটে একটি উক্তি খুঁজে বের করুন ও সুত্রসহ যোগ করুন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ০০:০৩, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ধন্যবাদ। যোগ করেছি — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:৩২, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[ই. ও. উইলসন]] == @[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] পাতাটি সংশোধন করেছি অনুগ্রহ করে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন। [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০২:৩০, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[মোপলা বিদ্রোহ]] == @[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] পাতাটি সংশোধন করা হয়েছে, পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ রইল। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ১৬:১৪, ২২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) 5412iwlhrypwdgofpj7u3n0hy3fqjzc ব্যবহারকারী আলাপ:ARI 3 4407 79885 79438 2026-04-23T05:47:34Z Anaf Ibn Shahibul 4193 /* কেমব্রিজ গান */ নতুন অনুচ্ছেদ 79885 wikitext text/x-wiki == উইকিউক্তিতে স্বাগত == <div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;"> সুপ্রিয় Arijit Kisku,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন! * উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন। ** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন। * উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন। * পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন। * পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন। * [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন! কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম! &mdash; [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটির পক্ষে]],<br />≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:Md.Farhan Mahmud|<b style="background-color:green;color:white">ফারহান&nbsp;</b>]][[User talk:Md.Farhan Mahmud|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ০৪:১১, ১৪ নভেম্বর ২০২২ (ইউটিসি) </div> "বিশ্ব হিন্দু পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শ্রী মিলিন্দ পরাণ্ডে আজ বলেন," এরকম একটি অপ্রয়োজনীয় অংশ আছে। এছাড়া কিছু কিছু উক্তি গুরুত্বপূর্ণ কিছু মনে হচ্ছে না। গ্রহণ করে নিচ্ছি। কিন্তু সংশোধনের অনুরোধ রইল।[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS|আলাপ]]) ১৩:৩৫, ৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ইংরেজি থেকে ডিরেক্ট অনুবাদ। অনুবাদের ক্ষেত্রে কি যাচাই-বাছাই করতে হবে? [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ১৫:৫০, ৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] হ্যাঁ, ইংরেজিতে থাকা সবকিছুই তো ১০০% সঠিক না। আমরা যদি সঠিকটা বুঝতে পারি, তাহলে সেটাই করা উচিত। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS|আলাপ]]) ০৭:০৭, ৮ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ==[[চরক]]== নিবন্ধটিতে সম্পাদনা প্রয়োজন। সব ঠিক করে আমাকে মেনশন করে জানান।[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১২:০৬, ১১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] আমার যে জিনিসগুলো চোখে পড়েছে, সেগুলি আমি সম্পাদনা করেছি। অন্য নির্দিষ্ট কিছু সম্পাদনা করার প্রয়োজন হলে অনুগ্রহ করে উল্লেখ করুন। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ২২:৫৬, ১১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == [[ভারতে বর্ণপ্রথা]] == কিছুটা যান্ত্রিকতা আছে। উক্তির কাঠামো ঠিক রেখে যান্ত্রিকতা সংশোধন করে জানান, আমি গ্রহণ করে নিব। আর হ্যাঁ, "এলস্ট, কনরাড" ব্যক্তির যেসব উক্তি আছে, সেগুলোকে [[কোনরাড এলস্ট]] পাতার সঙ্গে লিংক করুন।≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৯:৪১, ২০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] যেগুলি আমি খেয়াল করেছি সেগুলি সংশোধন করেছি। অন্যান্য যে কোনও সম্পাদনার প্রয়োজন থাকলে অনুগ্রহ করে উল্লেখ করুন। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ০৩:১৮, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ধন্যবাদ। গৃহীত হয়েছে। ব্যক্তির নাম প্রচলিত বাংলা ফরম্যাটে লেখার চেষ্টা করবেন। কোনরাড এলস্টের মতোই। আরেকটা উদাহরণ দেখলাম, [[মালহোত্রা, আর.]]। এভাবে লিংক করলে তো সঠিক লক্ষ্যে পৌঁছানো যাবে না; [[রাজিব মালহোত্রা]] এভাবে লিখবেন। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১০:২২, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :::আচ্ছা, পরবর্তীতে খেয়াল রাখবো। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ১১:০৪, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন == সুপ্রিয় {{BASEPAGENAME}}, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/ফলাফল|শীর্ষ ১০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSeDWCveBqp7ID0VVW0ipXM-WXeCqE7u-xHQCU_d7FRYo-9vAA/viewform?usp=dialog এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। - ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৮:৩১, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি) <!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:MS_Sakib/%E0%A6%97%E0%A6%A3_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE&oldid=67623-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন --> :দুঃখিত, ভুল ফর্মের লিংক দেওয়া হয়েছিল। এখন ঠিক করা হয়েছে। পুনরায় পুরণ করার অনুরোধ করছি। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৯:০২, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == [[নির্বাচন]] == পাতাটি অসম্পূর্ণ। অনুগ্রহ করে সম্পূর্ণ করুন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৯:৫৯, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৬:২৯, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ধন্যবাদ। পর্যালোচনা করা হবে। যেহেতু পাতা খুব বড় তাই কয়েকদিন সময় লাগতে পারে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৮:৪৭, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পাতা ঠিক করেছি == আলেকজান্ডার ফ্লেমিং নামক পাতাটা ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32|আলাপ]]) ১১:৫১, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২৩:২০, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পুনঃপর্যালোচনা == [[আবি আহমেদ]] এবং [[পিটার আগ্রি]] পাতা দুটি সংশোধন করা হয়েছে। পুনরায় পর্যালোচনার অনুরোধ। [[ব্যবহারকারী:Borhan|Borhan]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Borhan|আলাপ]]) ০৪:৪৪, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Borhan|Borhan]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২২:২৩, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পুনঃপর্যালোচনা == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] [[আহমেদ জেওয়াইল]] পুনরায় দেখার অনুরোধ রইল।[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০২:২৭, ৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০২:২৯, ৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == যান্ত্রিক অনুবাদ প্রসঙ্গে == আমি ডেভিড হিউম নামক উক্তির পাতাটি তৈরী করেছিলাম। কিছু জায়গায় যান্ত্রিকতার কথা বলা হয়েছে।যদি নির্দিষ্ট জায়গাগুলো চিহ্নিত করে দেন, তবে সে ক্ষেত্রে উক্তির পাতাটি সংশোধন করা সহজ হবে।<br> ধন্যবাদ।<br>[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০০:৪৫, ৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] প্রথমত, লেখার ফর্ম্যাটিংয়ে ভুল, আপনি '''বোল্ড''', ''ইটালিক'' ঠিকঠাক অনুসরণ করেননি; দ্বিতীয়ত সুত্রগুলো আসল ইংরেজির মতো করে বাংলাতে বসানোর চেষ্টা করুন; তৃতীয়ত বিভিন্ন জায়গায় বাক্যগুলো পড়তে অস্বাভাবিক লাগছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০১:৫০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::পয়েন্টগুলো ধরিয়ে দেওয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। '''তবে ২য় পয়েন্টটি বুঝতে কিছুটা সমস্যা হয়েছে - '''আপনি কি সূত্রগুলোর ক্ষেত্রে ইংরেজি হরফ ও সংখ্যাগুলো (যেমন- Book 1, Section 3, Page 45) বাংলায় (১ম খণ্ড, ৩য় অনুচ্ছেদ, পৃষ্ঠা ৪৫) রূপান্তর করতে বলছেন? নাকি বইয়ের নামের বাংলা অনুবাদের কথা বুঝিয়েছেন?<br>বিষয়টি নিশ্চিত করলে আমার জন্য পাতাটি নিখুঁতভাবে সংশোধন করা সহজ হবে। ::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০৬:৩৫, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] <code><span style="color:red;"><nowiki>** [[Amos Bronson Alcott|Amos Alcott]], ''[https://books.google.it/books?id=fzRaAAAAMAAJ Journals]'', Port Washington, NY: Kennikat Press, 1938, Volume 1, p. 115.</nowiki></code> → <code><span style="color:green;"><nowiki>** আমোস অলকট, ''[https://books.google.it/books?id=fzRaAAAAMAAJ জার্নালস]'', পোর্ট ওয়াশিংটন, এনওয়াই: কেনিকাট প্রেস, ১৯৩৮, খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ১১৫।</nowiki></code> <p> আমার মনে হয় আপনার লাইন অনেক বাদ আছে, ইংরেজির থেকে বাংলাতে অনেক লাইন কমে গেছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৯:২০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::এক দুটি লিঙ্ক বাদ পড়তে পারে তবে একটি উক্তিও বাদ পড়েনি। কয়েকবার রিভিশন দিয়েছি। লিঙ্কগুলো চেক করে জানাব। ::::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১০:৩৫, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::ইংলিশ পাতার সাথে মিলাতে গেলেই দেখা যায় বাংলা পাতায় অনেক অপ্রয়োজনীয় '''বোল্ড''' ''ইটালিক ''দেখা যাওয়ার কারনে দেখতে বেখাপ্পা লাগছে। আবার দেখেছি এটি নিয়মেও রয়েছে যে অপ্রয়োজনীয় বোল্ড ইটালিক করা যাবেনা। সেজন্যই লেখার ফর্ম্যাটিংয়ে কিছু জায়গায় ইচ্ছে করেই '''বোল্ড''' ''ইটালিক'' বাদ দিয়েছি (শুধু সুত্রগুলো ছাড়া)। আশা করি এটি মার্জনা করে নিবেন। ::'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৩:০৭, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)''' :::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] পাতার অনুচ্ছেদগুলো আবার ইংরেজির সাথে মিলিয়ে দেখুন, অসঙ্গতি আছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৪:৪০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::ইংলিশ পাতার সঙ্গে মিলিয়ে পুনরায় কিছু উক্তি ও সুত্র সংশোধন করেছি। কিছু সুত্রে থাকা অতিরিক্ত তথ্য ইংলিশ উইকিলিঙ্ক থেকে মিলিয়ে দেওয়া হয়েছে, যেহেতু ইংলিশ উইকিলিঙ্ক দেওয়া নিষেধ। গত সাত দিনের ধারাবাহিক একটানা সম্পাদনার পর আশা করছি পাতাটি যথার্থ সংশোধিত হয়েছে। গ্রহণ করার বিনীত অনুরোধ রইলো। ::::ধন্যবাদ। ::::'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৫:১৯, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)''' :::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] আর একটি সংশোধন প্রয়োজন, সম্পূর্ণ নিবন্ধে অতিরিক্ত — (em dash) ব্যবহার করেছেন, যেগুলো খুবই দৃষ্টিকটূ এবং যান্ত্রিক অনুবাদের লক্ষণ। এগুলো সংশোধন করে জানান, গ্রহণ করে নেব। ধন্যবাদ! [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২৩:৩৭, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::অবশ্যই। সংশোধন করে জানাচ্ছি। [[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ২৩:৪৩, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ::::::অপ্রাসঙ্গিক এম-ড্যাশ (—) অপসারণ করে সংশোধিত করা হয়েছে ~! ::::::'''''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০০:২৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)''''' :::::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০১:২৪, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ::::::::আমার তৈরী করা [[ফজলে রাব্বী]] পাতাটি একটু পর্যালোচনা করে দেখবেন। @[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ভাই বলেছিলেন অল্প সংশোধনের পর [[ফজলে রাব্বী]] নিবন্ধটি গ্রহন করে নিবেন। কিন্তু তিনি বোধহয় গত ৩দিন অফলাইনে থাকায় তা পর্যালোচিত হয়নি। ::::::::'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১২:৩৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)';' :::::::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ধৈর্য ধরুন। পর্যালোচকরা মানুষ। তাদের ব্যক্তিগত জীবন আছে। আবার টেকনিক্যাল ত্রুটির কারণে অনেক সময় নোটিফিকেশন ঠিকমতো আসেনা। আপনি যেদিন সংশোধন করে জানিয়েছেন সেদিন আমাকে মেনশন না করায় নোটিফিকেশন পাইনি। পরের দিন মেনশন করায় নোটিফিকেশন পাওয়ার পর আজ পর্যালোচনা করবো বলে ঠিক করেছি। প্রতিযোগিতায় সব পাতাই পর্যালোচনা হবে, তাই তাড়াহুড়ার কিছু নেই। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৪:০৪, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::::::অবশ্যই। ::::::::::গ্রহণ করে নেওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি। ::::::::::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৭:৪৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == যান্ত্রিক অনুবাদ সংশোধন == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] আমি আপনার নির্দেশনা অনুযায়ী [[জন চার্লস পোলানি]],[[লেয়োঁ ফুকো]] এবং [[এ. সি. বেনসন]] নিবন্ধগুলো সংশোধন করেছি। এখন আর যান্ত্রিকতা নেই। তাই পুনঃপর্যালোচনা করে গ্রহণ করার অনুরোধ করছি। ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৩:২৫, ১২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[আন্তর্জাতিক আইন]] == নিবন্ধটি ভুলবসত বেখেয়ালে অসম্পূর্ণ ছিল, পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ রইল। [[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tanbiruzzaman|আলাপ]]) ০৬:২৪, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১১:১৯, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] [[পরকাল সম্পর্কে কুরআন]] নিবন্ধে অতিরিক্ত এম ড্যাশ খুব দৃষ্টিকটূ লাগছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৫:৩৯, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::সংশোধন করেছি। [[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tanbiruzzaman|আলাপ]]) ১৬:২৮, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৬:৫৭, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পুনঃ পর্যালোচনা == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]], [[শাহ বানু মামলা]] পাতার সর্বশেষ সূত্র ঠিক করা হয়েছে। [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] আর [[বিহার]] দুই পাতার সূত্রে সমস্যা কোথায় আমি বুঝতে পারছি না। অনুগ্রহ করে বুঝিয়ে বললে ভালো হয়। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ০৯:৫৪, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] নিবন্ধের একটি তথ্যসূত্রও কাজ করছেনা। খুব সম্ভবত এটাই জেনারেটেড<br>[[বিহার]] নিবন্ধের সূত্রে লিংক যোগ করুন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৩:৩৯, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] আর [[বিহার]] দুটি পাতায়ই তথ্যসূত্র ঠিক করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৭:০৭, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::এবং [[স্মৃতি ইরানি]] পাতায়ও। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৭:০৮, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ৩টি নিবন্ধই {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২২:৩৫, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == দ্রৌপদী == [[দ্রৌপদী]] নিবন্ধের লেখাগুলো লিংক করা হয়নি। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৫:৪০, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] বেশিরভাগ লিংক-ই উইকিপিডিয়া লিংক। যেগুলো উইকিউক্তি লিংক সেগুলো সব যোগ করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২২:৩০, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পুনঃ পর্যালোচনা == [[জন টিন্ডাল]] পাতাটি সংশোধন করেছি। অনুগ্রহ করে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন। ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ১৫:০৮, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৩:২১, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == উইলিয়াম শকলি পুনঃপর্যালোচনা == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] আমি [[উইলিয়াম শকলি]] নিবন্ধটিকে সংশোধন করেছি এবং পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ করছি। ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৪:২২, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == সীতা রাম গোয়েল == পাতা অসম্পূর্ণ [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৮:৪১, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[কেমব্রিজ গান]] == এই নিবন্ধটি গ্রহণযোগ্য নয় কেন তা জানালে ভালো হয়। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৫:৪৭, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ak04xkz5jh0zgxehy7xmjyntozsf68i 79935 79885 2026-04-23T07:16:09Z Anaf Ibn Shahibul 4193 /* মুহাম্মদ মাহদি আল-জাওয়াহিরি */ নতুন অনুচ্ছেদ 79935 wikitext text/x-wiki == উইকিউক্তিতে স্বাগত == <div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;"> সুপ্রিয় Arijit Kisku,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন! * উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন। ** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন। * উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন। * পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন। * পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন। * [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন! কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম! &mdash; [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটির পক্ষে]],<br />≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:Md.Farhan Mahmud|<b style="background-color:green;color:white">ফারহান&nbsp;</b>]][[User talk:Md.Farhan Mahmud|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ০৪:১১, ১৪ নভেম্বর ২০২২ (ইউটিসি) </div> "বিশ্ব হিন্দু পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শ্রী মিলিন্দ পরাণ্ডে আজ বলেন," এরকম একটি অপ্রয়োজনীয় অংশ আছে। এছাড়া কিছু কিছু উক্তি গুরুত্বপূর্ণ কিছু মনে হচ্ছে না। গ্রহণ করে নিচ্ছি। কিন্তু সংশোধনের অনুরোধ রইল।[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS|আলাপ]]) ১৩:৩৫, ৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ইংরেজি থেকে ডিরেক্ট অনুবাদ। অনুবাদের ক্ষেত্রে কি যাচাই-বাছাই করতে হবে? [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ১৫:৫০, ৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] হ্যাঁ, ইংরেজিতে থাকা সবকিছুই তো ১০০% সঠিক না। আমরা যদি সঠিকটা বুঝতে পারি, তাহলে সেটাই করা উচিত। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS|আলাপ]]) ০৭:০৭, ৮ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ==[[চরক]]== নিবন্ধটিতে সম্পাদনা প্রয়োজন। সব ঠিক করে আমাকে মেনশন করে জানান।[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১২:০৬, ১১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] আমার যে জিনিসগুলো চোখে পড়েছে, সেগুলি আমি সম্পাদনা করেছি। অন্য নির্দিষ্ট কিছু সম্পাদনা করার প্রয়োজন হলে অনুগ্রহ করে উল্লেখ করুন। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ২২:৫৬, ১১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == [[ভারতে বর্ণপ্রথা]] == কিছুটা যান্ত্রিকতা আছে। উক্তির কাঠামো ঠিক রেখে যান্ত্রিকতা সংশোধন করে জানান, আমি গ্রহণ করে নিব। আর হ্যাঁ, "এলস্ট, কনরাড" ব্যক্তির যেসব উক্তি আছে, সেগুলোকে [[কোনরাড এলস্ট]] পাতার সঙ্গে লিংক করুন।≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৯:৪১, ২০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] যেগুলি আমি খেয়াল করেছি সেগুলি সংশোধন করেছি। অন্যান্য যে কোনও সম্পাদনার প্রয়োজন থাকলে অনুগ্রহ করে উল্লেখ করুন। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ০৩:১৮, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ধন্যবাদ। গৃহীত হয়েছে। ব্যক্তির নাম প্রচলিত বাংলা ফরম্যাটে লেখার চেষ্টা করবেন। কোনরাড এলস্টের মতোই। আরেকটা উদাহরণ দেখলাম, [[মালহোত্রা, আর.]]। এভাবে লিংক করলে তো সঠিক লক্ষ্যে পৌঁছানো যাবে না; [[রাজিব মালহোত্রা]] এভাবে লিখবেন। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১০:২২, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :::আচ্ছা, পরবর্তীতে খেয়াল রাখবো। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ১১:০৪, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন == সুপ্রিয় {{BASEPAGENAME}}, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/ফলাফল|শীর্ষ ১০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSeDWCveBqp7ID0VVW0ipXM-WXeCqE7u-xHQCU_d7FRYo-9vAA/viewform?usp=dialog এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। - ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৮:৩১, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি) <!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:MS_Sakib/%E0%A6%97%E0%A6%A3_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE&oldid=67623-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন --> :দুঃখিত, ভুল ফর্মের লিংক দেওয়া হয়েছিল। এখন ঠিক করা হয়েছে। পুনরায় পুরণ করার অনুরোধ করছি। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৯:০২, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == [[নির্বাচন]] == পাতাটি অসম্পূর্ণ। অনুগ্রহ করে সম্পূর্ণ করুন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৯:৫৯, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৬:২৯, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ধন্যবাদ। পর্যালোচনা করা হবে। যেহেতু পাতা খুব বড় তাই কয়েকদিন সময় লাগতে পারে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৮:৪৭, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পাতা ঠিক করেছি == আলেকজান্ডার ফ্লেমিং নামক পাতাটা ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32|আলাপ]]) ১১:৫১, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২৩:২০, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পুনঃপর্যালোচনা == [[আবি আহমেদ]] এবং [[পিটার আগ্রি]] পাতা দুটি সংশোধন করা হয়েছে। পুনরায় পর্যালোচনার অনুরোধ। [[ব্যবহারকারী:Borhan|Borhan]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Borhan|আলাপ]]) ০৪:৪৪, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Borhan|Borhan]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২২:২৩, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পুনঃপর্যালোচনা == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] [[আহমেদ জেওয়াইল]] পুনরায় দেখার অনুরোধ রইল।[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০২:২৭, ৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০২:২৯, ৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == যান্ত্রিক অনুবাদ প্রসঙ্গে == আমি ডেভিড হিউম নামক উক্তির পাতাটি তৈরী করেছিলাম। কিছু জায়গায় যান্ত্রিকতার কথা বলা হয়েছে।যদি নির্দিষ্ট জায়গাগুলো চিহ্নিত করে দেন, তবে সে ক্ষেত্রে উক্তির পাতাটি সংশোধন করা সহজ হবে।<br> ধন্যবাদ।<br>[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০০:৪৫, ৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] প্রথমত, লেখার ফর্ম্যাটিংয়ে ভুল, আপনি '''বোল্ড''', ''ইটালিক'' ঠিকঠাক অনুসরণ করেননি; দ্বিতীয়ত সুত্রগুলো আসল ইংরেজির মতো করে বাংলাতে বসানোর চেষ্টা করুন; তৃতীয়ত বিভিন্ন জায়গায় বাক্যগুলো পড়তে অস্বাভাবিক লাগছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০১:৫০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::পয়েন্টগুলো ধরিয়ে দেওয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। '''তবে ২য় পয়েন্টটি বুঝতে কিছুটা সমস্যা হয়েছে - '''আপনি কি সূত্রগুলোর ক্ষেত্রে ইংরেজি হরফ ও সংখ্যাগুলো (যেমন- Book 1, Section 3, Page 45) বাংলায় (১ম খণ্ড, ৩য় অনুচ্ছেদ, পৃষ্ঠা ৪৫) রূপান্তর করতে বলছেন? নাকি বইয়ের নামের বাংলা অনুবাদের কথা বুঝিয়েছেন?<br>বিষয়টি নিশ্চিত করলে আমার জন্য পাতাটি নিখুঁতভাবে সংশোধন করা সহজ হবে। ::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০৬:৩৫, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] <code><span style="color:red;"><nowiki>** [[Amos Bronson Alcott|Amos Alcott]], ''[https://books.google.it/books?id=fzRaAAAAMAAJ Journals]'', Port Washington, NY: Kennikat Press, 1938, Volume 1, p. 115.</nowiki></code> → <code><span style="color:green;"><nowiki>** আমোস অলকট, ''[https://books.google.it/books?id=fzRaAAAAMAAJ জার্নালস]'', পোর্ট ওয়াশিংটন, এনওয়াই: কেনিকাট প্রেস, ১৯৩৮, খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ১১৫।</nowiki></code> <p> আমার মনে হয় আপনার লাইন অনেক বাদ আছে, ইংরেজির থেকে বাংলাতে অনেক লাইন কমে গেছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৯:২০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::এক দুটি লিঙ্ক বাদ পড়তে পারে তবে একটি উক্তিও বাদ পড়েনি। কয়েকবার রিভিশন দিয়েছি। লিঙ্কগুলো চেক করে জানাব। ::::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১০:৩৫, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::ইংলিশ পাতার সাথে মিলাতে গেলেই দেখা যায় বাংলা পাতায় অনেক অপ্রয়োজনীয় '''বোল্ড''' ''ইটালিক ''দেখা যাওয়ার কারনে দেখতে বেখাপ্পা লাগছে। আবার দেখেছি এটি নিয়মেও রয়েছে যে অপ্রয়োজনীয় বোল্ড ইটালিক করা যাবেনা। সেজন্যই লেখার ফর্ম্যাটিংয়ে কিছু জায়গায় ইচ্ছে করেই '''বোল্ড''' ''ইটালিক'' বাদ দিয়েছি (শুধু সুত্রগুলো ছাড়া)। আশা করি এটি মার্জনা করে নিবেন। ::'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৩:০৭, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)''' :::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] পাতার অনুচ্ছেদগুলো আবার ইংরেজির সাথে মিলিয়ে দেখুন, অসঙ্গতি আছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৪:৪০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::ইংলিশ পাতার সঙ্গে মিলিয়ে পুনরায় কিছু উক্তি ও সুত্র সংশোধন করেছি। কিছু সুত্রে থাকা অতিরিক্ত তথ্য ইংলিশ উইকিলিঙ্ক থেকে মিলিয়ে দেওয়া হয়েছে, যেহেতু ইংলিশ উইকিলিঙ্ক দেওয়া নিষেধ। গত সাত দিনের ধারাবাহিক একটানা সম্পাদনার পর আশা করছি পাতাটি যথার্থ সংশোধিত হয়েছে। গ্রহণ করার বিনীত অনুরোধ রইলো। ::::ধন্যবাদ। ::::'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৫:১৯, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)''' :::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] আর একটি সংশোধন প্রয়োজন, সম্পূর্ণ নিবন্ধে অতিরিক্ত — (em dash) ব্যবহার করেছেন, যেগুলো খুবই দৃষ্টিকটূ এবং যান্ত্রিক অনুবাদের লক্ষণ। এগুলো সংশোধন করে জানান, গ্রহণ করে নেব। ধন্যবাদ! [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২৩:৩৭, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::অবশ্যই। সংশোধন করে জানাচ্ছি। [[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ২৩:৪৩, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ::::::অপ্রাসঙ্গিক এম-ড্যাশ (—) অপসারণ করে সংশোধিত করা হয়েছে ~! ::::::'''''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০০:২৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)''''' :::::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০১:২৪, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ::::::::আমার তৈরী করা [[ফজলে রাব্বী]] পাতাটি একটু পর্যালোচনা করে দেখবেন। @[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ভাই বলেছিলেন অল্প সংশোধনের পর [[ফজলে রাব্বী]] নিবন্ধটি গ্রহন করে নিবেন। কিন্তু তিনি বোধহয় গত ৩দিন অফলাইনে থাকায় তা পর্যালোচিত হয়নি। ::::::::'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১২:৩৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)';' :::::::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ধৈর্য ধরুন। পর্যালোচকরা মানুষ। তাদের ব্যক্তিগত জীবন আছে। আবার টেকনিক্যাল ত্রুটির কারণে অনেক সময় নোটিফিকেশন ঠিকমতো আসেনা। আপনি যেদিন সংশোধন করে জানিয়েছেন সেদিন আমাকে মেনশন না করায় নোটিফিকেশন পাইনি। পরের দিন মেনশন করায় নোটিফিকেশন পাওয়ার পর আজ পর্যালোচনা করবো বলে ঠিক করেছি। প্রতিযোগিতায় সব পাতাই পর্যালোচনা হবে, তাই তাড়াহুড়ার কিছু নেই। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৪:০৪, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::::::অবশ্যই। ::::::::::গ্রহণ করে নেওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি। ::::::::::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৭:৪৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == যান্ত্রিক অনুবাদ সংশোধন == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] আমি আপনার নির্দেশনা অনুযায়ী [[জন চার্লস পোলানি]],[[লেয়োঁ ফুকো]] এবং [[এ. সি. বেনসন]] নিবন্ধগুলো সংশোধন করেছি। এখন আর যান্ত্রিকতা নেই। তাই পুনঃপর্যালোচনা করে গ্রহণ করার অনুরোধ করছি। ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৩:২৫, ১২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[আন্তর্জাতিক আইন]] == নিবন্ধটি ভুলবসত বেখেয়ালে অসম্পূর্ণ ছিল, পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ রইল। [[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tanbiruzzaman|আলাপ]]) ০৬:২৪, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১১:১৯, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] [[পরকাল সম্পর্কে কুরআন]] নিবন্ধে অতিরিক্ত এম ড্যাশ খুব দৃষ্টিকটূ লাগছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৫:৩৯, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::সংশোধন করেছি। [[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tanbiruzzaman|আলাপ]]) ১৬:২৮, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৬:৫৭, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পুনঃ পর্যালোচনা == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]], [[শাহ বানু মামলা]] পাতার সর্বশেষ সূত্র ঠিক করা হয়েছে। [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] আর [[বিহার]] দুই পাতার সূত্রে সমস্যা কোথায় আমি বুঝতে পারছি না। অনুগ্রহ করে বুঝিয়ে বললে ভালো হয়। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ০৯:৫৪, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] নিবন্ধের একটি তথ্যসূত্রও কাজ করছেনা। খুব সম্ভবত এটাই জেনারেটেড<br>[[বিহার]] নিবন্ধের সূত্রে লিংক যোগ করুন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৩:৩৯, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] আর [[বিহার]] দুটি পাতায়ই তথ্যসূত্র ঠিক করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৭:০৭, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::এবং [[স্মৃতি ইরানি]] পাতায়ও। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৭:০৮, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ৩টি নিবন্ধই {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২২:৩৫, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == দ্রৌপদী == [[দ্রৌপদী]] নিবন্ধের লেখাগুলো লিংক করা হয়নি। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৫:৪০, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] বেশিরভাগ লিংক-ই উইকিপিডিয়া লিংক। যেগুলো উইকিউক্তি লিংক সেগুলো সব যোগ করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২২:৩০, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পুনঃ পর্যালোচনা == [[জন টিন্ডাল]] পাতাটি সংশোধন করেছি। অনুগ্রহ করে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন। ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ১৫:০৮, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৩:২১, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == উইলিয়াম শকলি পুনঃপর্যালোচনা == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] আমি [[উইলিয়াম শকলি]] নিবন্ধটিকে সংশোধন করেছি এবং পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ করছি। ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৪:২২, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == সীতা রাম গোয়েল == পাতা অসম্পূর্ণ [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৮:৪১, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[কেমব্রিজ গান]] == এই নিবন্ধটি গ্রহণযোগ্য নয় কেন তা জানালে ভালো হয়। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৫:৪৭, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[মুহাম্মদ মাহদি আল-জাওয়াহিরি]] == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] সূত্রের লিংক যুক্ত করেছি। এবার অনুগ্রহ করে এটিকে গ্রহণ করে নিন। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৭:১৬, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) 4x0azlh3z87bs4oger3tbbrxx3qhaaa 79936 79935 2026-04-23T07:17:29Z Anaf Ibn Shahibul 4193 /* উইলিয়াম শকলি পুনঃপর্যালোচনা */ উত্তর 79936 wikitext text/x-wiki == উইকিউক্তিতে স্বাগত == <div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;"> সুপ্রিয় Arijit Kisku,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন! * উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন। ** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন। * উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন। * পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন। * পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন। * [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন! কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম! &mdash; [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটির পক্ষে]],<br />≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:Md.Farhan Mahmud|<b style="background-color:green;color:white">ফারহান&nbsp;</b>]][[User talk:Md.Farhan Mahmud|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ০৪:১১, ১৪ নভেম্বর ২০২২ (ইউটিসি) </div> "বিশ্ব হিন্দু পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শ্রী মিলিন্দ পরাণ্ডে আজ বলেন," এরকম একটি অপ্রয়োজনীয় অংশ আছে। এছাড়া কিছু কিছু উক্তি গুরুত্বপূর্ণ কিছু মনে হচ্ছে না। গ্রহণ করে নিচ্ছি। কিন্তু সংশোধনের অনুরোধ রইল।[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS|আলাপ]]) ১৩:৩৫, ৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ইংরেজি থেকে ডিরেক্ট অনুবাদ। অনুবাদের ক্ষেত্রে কি যাচাই-বাছাই করতে হবে? [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ১৫:৫০, ৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] হ্যাঁ, ইংরেজিতে থাকা সবকিছুই তো ১০০% সঠিক না। আমরা যদি সঠিকটা বুঝতে পারি, তাহলে সেটাই করা উচিত। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS|আলাপ]]) ০৭:০৭, ৮ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ==[[চরক]]== নিবন্ধটিতে সম্পাদনা প্রয়োজন। সব ঠিক করে আমাকে মেনশন করে জানান।[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১২:০৬, ১১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] আমার যে জিনিসগুলো চোখে পড়েছে, সেগুলি আমি সম্পাদনা করেছি। অন্য নির্দিষ্ট কিছু সম্পাদনা করার প্রয়োজন হলে অনুগ্রহ করে উল্লেখ করুন। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ২২:৫৬, ১১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == [[ভারতে বর্ণপ্রথা]] == কিছুটা যান্ত্রিকতা আছে। উক্তির কাঠামো ঠিক রেখে যান্ত্রিকতা সংশোধন করে জানান, আমি গ্রহণ করে নিব। আর হ্যাঁ, "এলস্ট, কনরাড" ব্যক্তির যেসব উক্তি আছে, সেগুলোকে [[কোনরাড এলস্ট]] পাতার সঙ্গে লিংক করুন।≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৯:৪১, ২০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] যেগুলি আমি খেয়াল করেছি সেগুলি সংশোধন করেছি। অন্যান্য যে কোনও সম্পাদনার প্রয়োজন থাকলে অনুগ্রহ করে উল্লেখ করুন। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ০৩:১৮, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ধন্যবাদ। গৃহীত হয়েছে। ব্যক্তির নাম প্রচলিত বাংলা ফরম্যাটে লেখার চেষ্টা করবেন। কোনরাড এলস্টের মতোই। আরেকটা উদাহরণ দেখলাম, [[মালহোত্রা, আর.]]। এভাবে লিংক করলে তো সঠিক লক্ষ্যে পৌঁছানো যাবে না; [[রাজিব মালহোত্রা]] এভাবে লিখবেন। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১০:২২, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :::আচ্ছা, পরবর্তীতে খেয়াল রাখবো। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ১১:০৪, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন == সুপ্রিয় {{BASEPAGENAME}}, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/ফলাফল|শীর্ষ ১০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSeDWCveBqp7ID0VVW0ipXM-WXeCqE7u-xHQCU_d7FRYo-9vAA/viewform?usp=dialog এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। - ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৮:৩১, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি) <!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:MS_Sakib/%E0%A6%97%E0%A6%A3_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE&oldid=67623-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন --> :দুঃখিত, ভুল ফর্মের লিংক দেওয়া হয়েছিল। এখন ঠিক করা হয়েছে। পুনরায় পুরণ করার অনুরোধ করছি। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৯:০২, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == [[নির্বাচন]] == পাতাটি অসম্পূর্ণ। অনুগ্রহ করে সম্পূর্ণ করুন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৯:৫৯, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৬:২৯, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ধন্যবাদ। পর্যালোচনা করা হবে। যেহেতু পাতা খুব বড় তাই কয়েকদিন সময় লাগতে পারে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৮:৪৭, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পাতা ঠিক করেছি == আলেকজান্ডার ফ্লেমিং নামক পাতাটা ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32|আলাপ]]) ১১:৫১, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২৩:২০, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পুনঃপর্যালোচনা == [[আবি আহমেদ]] এবং [[পিটার আগ্রি]] পাতা দুটি সংশোধন করা হয়েছে। পুনরায় পর্যালোচনার অনুরোধ। [[ব্যবহারকারী:Borhan|Borhan]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Borhan|আলাপ]]) ০৪:৪৪, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Borhan|Borhan]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২২:২৩, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পুনঃপর্যালোচনা == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] [[আহমেদ জেওয়াইল]] পুনরায় দেখার অনুরোধ রইল।[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০২:২৭, ৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০২:২৯, ৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == যান্ত্রিক অনুবাদ প্রসঙ্গে == আমি ডেভিড হিউম নামক উক্তির পাতাটি তৈরী করেছিলাম। কিছু জায়গায় যান্ত্রিকতার কথা বলা হয়েছে।যদি নির্দিষ্ট জায়গাগুলো চিহ্নিত করে দেন, তবে সে ক্ষেত্রে উক্তির পাতাটি সংশোধন করা সহজ হবে।<br> ধন্যবাদ।<br>[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০০:৪৫, ৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] প্রথমত, লেখার ফর্ম্যাটিংয়ে ভুল, আপনি '''বোল্ড''', ''ইটালিক'' ঠিকঠাক অনুসরণ করেননি; দ্বিতীয়ত সুত্রগুলো আসল ইংরেজির মতো করে বাংলাতে বসানোর চেষ্টা করুন; তৃতীয়ত বিভিন্ন জায়গায় বাক্যগুলো পড়তে অস্বাভাবিক লাগছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০১:৫০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::পয়েন্টগুলো ধরিয়ে দেওয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। '''তবে ২য় পয়েন্টটি বুঝতে কিছুটা সমস্যা হয়েছে - '''আপনি কি সূত্রগুলোর ক্ষেত্রে ইংরেজি হরফ ও সংখ্যাগুলো (যেমন- Book 1, Section 3, Page 45) বাংলায় (১ম খণ্ড, ৩য় অনুচ্ছেদ, পৃষ্ঠা ৪৫) রূপান্তর করতে বলছেন? নাকি বইয়ের নামের বাংলা অনুবাদের কথা বুঝিয়েছেন?<br>বিষয়টি নিশ্চিত করলে আমার জন্য পাতাটি নিখুঁতভাবে সংশোধন করা সহজ হবে। ::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০৬:৩৫, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] <code><span style="color:red;"><nowiki>** [[Amos Bronson Alcott|Amos Alcott]], ''[https://books.google.it/books?id=fzRaAAAAMAAJ Journals]'', Port Washington, NY: Kennikat Press, 1938, Volume 1, p. 115.</nowiki></code> → <code><span style="color:green;"><nowiki>** আমোস অলকট, ''[https://books.google.it/books?id=fzRaAAAAMAAJ জার্নালস]'', পোর্ট ওয়াশিংটন, এনওয়াই: কেনিকাট প্রেস, ১৯৩৮, খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ১১৫।</nowiki></code> <p> আমার মনে হয় আপনার লাইন অনেক বাদ আছে, ইংরেজির থেকে বাংলাতে অনেক লাইন কমে গেছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৯:২০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::এক দুটি লিঙ্ক বাদ পড়তে পারে তবে একটি উক্তিও বাদ পড়েনি। কয়েকবার রিভিশন দিয়েছি। লিঙ্কগুলো চেক করে জানাব। ::::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১০:৩৫, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::ইংলিশ পাতার সাথে মিলাতে গেলেই দেখা যায় বাংলা পাতায় অনেক অপ্রয়োজনীয় '''বোল্ড''' ''ইটালিক ''দেখা যাওয়ার কারনে দেখতে বেখাপ্পা লাগছে। আবার দেখেছি এটি নিয়মেও রয়েছে যে অপ্রয়োজনীয় বোল্ড ইটালিক করা যাবেনা। সেজন্যই লেখার ফর্ম্যাটিংয়ে কিছু জায়গায় ইচ্ছে করেই '''বোল্ড''' ''ইটালিক'' বাদ দিয়েছি (শুধু সুত্রগুলো ছাড়া)। আশা করি এটি মার্জনা করে নিবেন। ::'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৩:০৭, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)''' :::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] পাতার অনুচ্ছেদগুলো আবার ইংরেজির সাথে মিলিয়ে দেখুন, অসঙ্গতি আছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৪:৪০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::ইংলিশ পাতার সঙ্গে মিলিয়ে পুনরায় কিছু উক্তি ও সুত্র সংশোধন করেছি। কিছু সুত্রে থাকা অতিরিক্ত তথ্য ইংলিশ উইকিলিঙ্ক থেকে মিলিয়ে দেওয়া হয়েছে, যেহেতু ইংলিশ উইকিলিঙ্ক দেওয়া নিষেধ। গত সাত দিনের ধারাবাহিক একটানা সম্পাদনার পর আশা করছি পাতাটি যথার্থ সংশোধিত হয়েছে। গ্রহণ করার বিনীত অনুরোধ রইলো। ::::ধন্যবাদ। ::::'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৫:১৯, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)''' :::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] আর একটি সংশোধন প্রয়োজন, সম্পূর্ণ নিবন্ধে অতিরিক্ত — (em dash) ব্যবহার করেছেন, যেগুলো খুবই দৃষ্টিকটূ এবং যান্ত্রিক অনুবাদের লক্ষণ। এগুলো সংশোধন করে জানান, গ্রহণ করে নেব। ধন্যবাদ! [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২৩:৩৭, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::অবশ্যই। সংশোধন করে জানাচ্ছি। [[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ২৩:৪৩, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ::::::অপ্রাসঙ্গিক এম-ড্যাশ (—) অপসারণ করে সংশোধিত করা হয়েছে ~! ::::::'''''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০০:২৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)''''' :::::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০১:২৪, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ::::::::আমার তৈরী করা [[ফজলে রাব্বী]] পাতাটি একটু পর্যালোচনা করে দেখবেন। @[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ভাই বলেছিলেন অল্প সংশোধনের পর [[ফজলে রাব্বী]] নিবন্ধটি গ্রহন করে নিবেন। কিন্তু তিনি বোধহয় গত ৩দিন অফলাইনে থাকায় তা পর্যালোচিত হয়নি। ::::::::'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১২:৩৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)';' :::::::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ধৈর্য ধরুন। পর্যালোচকরা মানুষ। তাদের ব্যক্তিগত জীবন আছে। আবার টেকনিক্যাল ত্রুটির কারণে অনেক সময় নোটিফিকেশন ঠিকমতো আসেনা। আপনি যেদিন সংশোধন করে জানিয়েছেন সেদিন আমাকে মেনশন না করায় নোটিফিকেশন পাইনি। পরের দিন মেনশন করায় নোটিফিকেশন পাওয়ার পর আজ পর্যালোচনা করবো বলে ঠিক করেছি। প্রতিযোগিতায় সব পাতাই পর্যালোচনা হবে, তাই তাড়াহুড়ার কিছু নেই। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৪:০৪, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::::::অবশ্যই। ::::::::::গ্রহণ করে নেওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি। ::::::::::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৭:৪৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == যান্ত্রিক অনুবাদ সংশোধন == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] আমি আপনার নির্দেশনা অনুযায়ী [[জন চার্লস পোলানি]],[[লেয়োঁ ফুকো]] এবং [[এ. সি. বেনসন]] নিবন্ধগুলো সংশোধন করেছি। এখন আর যান্ত্রিকতা নেই। তাই পুনঃপর্যালোচনা করে গ্রহণ করার অনুরোধ করছি। ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৩:২৫, ১২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[আন্তর্জাতিক আইন]] == নিবন্ধটি ভুলবসত বেখেয়ালে অসম্পূর্ণ ছিল, পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ রইল। [[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tanbiruzzaman|আলাপ]]) ০৬:২৪, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১১:১৯, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] [[পরকাল সম্পর্কে কুরআন]] নিবন্ধে অতিরিক্ত এম ড্যাশ খুব দৃষ্টিকটূ লাগছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৫:৩৯, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::সংশোধন করেছি। [[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tanbiruzzaman|আলাপ]]) ১৬:২৮, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৬:৫৭, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পুনঃ পর্যালোচনা == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]], [[শাহ বানু মামলা]] পাতার সর্বশেষ সূত্র ঠিক করা হয়েছে। [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] আর [[বিহার]] দুই পাতার সূত্রে সমস্যা কোথায় আমি বুঝতে পারছি না। অনুগ্রহ করে বুঝিয়ে বললে ভালো হয়। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ০৯:৫৪, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] নিবন্ধের একটি তথ্যসূত্রও কাজ করছেনা। খুব সম্ভবত এটাই জেনারেটেড<br>[[বিহার]] নিবন্ধের সূত্রে লিংক যোগ করুন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৩:৩৯, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] আর [[বিহার]] দুটি পাতায়ই তথ্যসূত্র ঠিক করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৭:০৭, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::এবং [[স্মৃতি ইরানি]] পাতায়ও। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৭:০৮, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ৩টি নিবন্ধই {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২২:৩৫, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == দ্রৌপদী == [[দ্রৌপদী]] নিবন্ধের লেখাগুলো লিংক করা হয়নি। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৫:৪০, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] বেশিরভাগ লিংক-ই উইকিপিডিয়া লিংক। যেগুলো উইকিউক্তি লিংক সেগুলো সব যোগ করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২২:৩০, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পুনঃ পর্যালোচনা == [[জন টিন্ডাল]] পাতাটি সংশোধন করেছি। অনুগ্রহ করে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন। ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ১৫:০৮, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৩:২১, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == উইলিয়াম শকলি পুনঃপর্যালোচনা == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] আমি [[উইলিয়াম শকলি]] নিবন্ধটিকে সংশোধন করেছি এবং পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ করছি। ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৪:২২, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] আমি দেখলাম আপনি নতুন কিছু পাতা পর্যালোচনা করেছেন। এই নিবন্ধটি অনুগ্রহ করে পুনঃপর্যালোচনা করুন। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৭:১৭, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == সীতা রাম গোয়েল == পাতা অসম্পূর্ণ [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৮:৪১, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[কেমব্রিজ গান]] == এই নিবন্ধটি গ্রহণযোগ্য নয় কেন তা জানালে ভালো হয়। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৫:৪৭, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[মুহাম্মদ মাহদি আল-জাওয়াহিরি]] == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] সূত্রের লিংক যুক্ত করেছি। এবার অনুগ্রহ করে এটিকে গ্রহণ করে নিন। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৭:১৬, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) t9q779bf1l3z1ux16ka519hk5pn3ucz 79958 79936 2026-04-23T08:00:36Z ARI 356 /* কেমব্রিজ গান */ উত্তর 79958 wikitext text/x-wiki == উইকিউক্তিতে স্বাগত == <div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;"> সুপ্রিয় Arijit Kisku,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন! * উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন। ** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন। * উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন। * পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন। * পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন। * [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন! কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম! &mdash; [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটির পক্ষে]],<br />≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:Md.Farhan Mahmud|<b style="background-color:green;color:white">ফারহান&nbsp;</b>]][[User talk:Md.Farhan Mahmud|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ০৪:১১, ১৪ নভেম্বর ২০২২ (ইউটিসি) </div> "বিশ্ব হিন্দু পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শ্রী মিলিন্দ পরাণ্ডে আজ বলেন," এরকম একটি অপ্রয়োজনীয় অংশ আছে। এছাড়া কিছু কিছু উক্তি গুরুত্বপূর্ণ কিছু মনে হচ্ছে না। গ্রহণ করে নিচ্ছি। কিন্তু সংশোধনের অনুরোধ রইল।[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS|আলাপ]]) ১৩:৩৫, ৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ইংরেজি থেকে ডিরেক্ট অনুবাদ। অনুবাদের ক্ষেত্রে কি যাচাই-বাছাই করতে হবে? [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ১৫:৫০, ৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] হ্যাঁ, ইংরেজিতে থাকা সবকিছুই তো ১০০% সঠিক না। আমরা যদি সঠিকটা বুঝতে পারি, তাহলে সেটাই করা উচিত। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS|আলাপ]]) ০৭:০৭, ৮ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ==[[চরক]]== নিবন্ধটিতে সম্পাদনা প্রয়োজন। সব ঠিক করে আমাকে মেনশন করে জানান।[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১২:০৬, ১১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] আমার যে জিনিসগুলো চোখে পড়েছে, সেগুলি আমি সম্পাদনা করেছি। অন্য নির্দিষ্ট কিছু সম্পাদনা করার প্রয়োজন হলে অনুগ্রহ করে উল্লেখ করুন। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ২২:৫৬, ১১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == [[ভারতে বর্ণপ্রথা]] == কিছুটা যান্ত্রিকতা আছে। উক্তির কাঠামো ঠিক রেখে যান্ত্রিকতা সংশোধন করে জানান, আমি গ্রহণ করে নিব। আর হ্যাঁ, "এলস্ট, কনরাড" ব্যক্তির যেসব উক্তি আছে, সেগুলোকে [[কোনরাড এলস্ট]] পাতার সঙ্গে লিংক করুন।≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৯:৪১, ২০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] যেগুলি আমি খেয়াল করেছি সেগুলি সংশোধন করেছি। অন্যান্য যে কোনও সম্পাদনার প্রয়োজন থাকলে অনুগ্রহ করে উল্লেখ করুন। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ০৩:১৮, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ধন্যবাদ। গৃহীত হয়েছে। ব্যক্তির নাম প্রচলিত বাংলা ফরম্যাটে লেখার চেষ্টা করবেন। কোনরাড এলস্টের মতোই। আরেকটা উদাহরণ দেখলাম, [[মালহোত্রা, আর.]]। এভাবে লিংক করলে তো সঠিক লক্ষ্যে পৌঁছানো যাবে না; [[রাজিব মালহোত্রা]] এভাবে লিখবেন। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১০:২২, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :::আচ্ছা, পরবর্তীতে খেয়াল রাখবো। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ১১:০৪, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন == সুপ্রিয় {{BASEPAGENAME}}, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/ফলাফল|শীর্ষ ১০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSeDWCveBqp7ID0VVW0ipXM-WXeCqE7u-xHQCU_d7FRYo-9vAA/viewform?usp=dialog এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। - ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৮:৩১, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি) <!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:MS_Sakib/%E0%A6%97%E0%A6%A3_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE&oldid=67623-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন --> :দুঃখিত, ভুল ফর্মের লিংক দেওয়া হয়েছিল। এখন ঠিক করা হয়েছে। পুনরায় পুরণ করার অনুরোধ করছি। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৯:০২, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == [[নির্বাচন]] == পাতাটি অসম্পূর্ণ। অনুগ্রহ করে সম্পূর্ণ করুন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৯:৫৯, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৬:২৯, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ধন্যবাদ। পর্যালোচনা করা হবে। যেহেতু পাতা খুব বড় তাই কয়েকদিন সময় লাগতে পারে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৮:৪৭, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পাতা ঠিক করেছি == আলেকজান্ডার ফ্লেমিং নামক পাতাটা ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32|আলাপ]]) ১১:৫১, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২৩:২০, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পুনঃপর্যালোচনা == [[আবি আহমেদ]] এবং [[পিটার আগ্রি]] পাতা দুটি সংশোধন করা হয়েছে। পুনরায় পর্যালোচনার অনুরোধ। [[ব্যবহারকারী:Borhan|Borhan]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Borhan|আলাপ]]) ০৪:৪৪, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Borhan|Borhan]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২২:২৩, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পুনঃপর্যালোচনা == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] [[আহমেদ জেওয়াইল]] পুনরায় দেখার অনুরোধ রইল।[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০২:২৭, ৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০২:২৯, ৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == যান্ত্রিক অনুবাদ প্রসঙ্গে == আমি ডেভিড হিউম নামক উক্তির পাতাটি তৈরী করেছিলাম। কিছু জায়গায় যান্ত্রিকতার কথা বলা হয়েছে।যদি নির্দিষ্ট জায়গাগুলো চিহ্নিত করে দেন, তবে সে ক্ষেত্রে উক্তির পাতাটি সংশোধন করা সহজ হবে।<br> ধন্যবাদ।<br>[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০০:৪৫, ৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] প্রথমত, লেখার ফর্ম্যাটিংয়ে ভুল, আপনি '''বোল্ড''', ''ইটালিক'' ঠিকঠাক অনুসরণ করেননি; দ্বিতীয়ত সুত্রগুলো আসল ইংরেজির মতো করে বাংলাতে বসানোর চেষ্টা করুন; তৃতীয়ত বিভিন্ন জায়গায় বাক্যগুলো পড়তে অস্বাভাবিক লাগছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০১:৫০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::পয়েন্টগুলো ধরিয়ে দেওয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। '''তবে ২য় পয়েন্টটি বুঝতে কিছুটা সমস্যা হয়েছে - '''আপনি কি সূত্রগুলোর ক্ষেত্রে ইংরেজি হরফ ও সংখ্যাগুলো (যেমন- Book 1, Section 3, Page 45) বাংলায় (১ম খণ্ড, ৩য় অনুচ্ছেদ, পৃষ্ঠা ৪৫) রূপান্তর করতে বলছেন? নাকি বইয়ের নামের বাংলা অনুবাদের কথা বুঝিয়েছেন?<br>বিষয়টি নিশ্চিত করলে আমার জন্য পাতাটি নিখুঁতভাবে সংশোধন করা সহজ হবে। ::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০৬:৩৫, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] <code><span style="color:red;"><nowiki>** [[Amos Bronson Alcott|Amos Alcott]], ''[https://books.google.it/books?id=fzRaAAAAMAAJ Journals]'', Port Washington, NY: Kennikat Press, 1938, Volume 1, p. 115.</nowiki></code> → <code><span style="color:green;"><nowiki>** আমোস অলকট, ''[https://books.google.it/books?id=fzRaAAAAMAAJ জার্নালস]'', পোর্ট ওয়াশিংটন, এনওয়াই: কেনিকাট প্রেস, ১৯৩৮, খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ১১৫।</nowiki></code> <p> আমার মনে হয় আপনার লাইন অনেক বাদ আছে, ইংরেজির থেকে বাংলাতে অনেক লাইন কমে গেছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৯:২০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::এক দুটি লিঙ্ক বাদ পড়তে পারে তবে একটি উক্তিও বাদ পড়েনি। কয়েকবার রিভিশন দিয়েছি। লিঙ্কগুলো চেক করে জানাব। ::::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১০:৩৫, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::ইংলিশ পাতার সাথে মিলাতে গেলেই দেখা যায় বাংলা পাতায় অনেক অপ্রয়োজনীয় '''বোল্ড''' ''ইটালিক ''দেখা যাওয়ার কারনে দেখতে বেখাপ্পা লাগছে। আবার দেখেছি এটি নিয়মেও রয়েছে যে অপ্রয়োজনীয় বোল্ড ইটালিক করা যাবেনা। সেজন্যই লেখার ফর্ম্যাটিংয়ে কিছু জায়গায় ইচ্ছে করেই '''বোল্ড''' ''ইটালিক'' বাদ দিয়েছি (শুধু সুত্রগুলো ছাড়া)। আশা করি এটি মার্জনা করে নিবেন। ::'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৩:০৭, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)''' :::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] পাতার অনুচ্ছেদগুলো আবার ইংরেজির সাথে মিলিয়ে দেখুন, অসঙ্গতি আছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৪:৪০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::ইংলিশ পাতার সঙ্গে মিলিয়ে পুনরায় কিছু উক্তি ও সুত্র সংশোধন করেছি। কিছু সুত্রে থাকা অতিরিক্ত তথ্য ইংলিশ উইকিলিঙ্ক থেকে মিলিয়ে দেওয়া হয়েছে, যেহেতু ইংলিশ উইকিলিঙ্ক দেওয়া নিষেধ। গত সাত দিনের ধারাবাহিক একটানা সম্পাদনার পর আশা করছি পাতাটি যথার্থ সংশোধিত হয়েছে। গ্রহণ করার বিনীত অনুরোধ রইলো। ::::ধন্যবাদ। ::::'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৫:১৯, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)''' :::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] আর একটি সংশোধন প্রয়োজন, সম্পূর্ণ নিবন্ধে অতিরিক্ত — (em dash) ব্যবহার করেছেন, যেগুলো খুবই দৃষ্টিকটূ এবং যান্ত্রিক অনুবাদের লক্ষণ। এগুলো সংশোধন করে জানান, গ্রহণ করে নেব। ধন্যবাদ! [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২৩:৩৭, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::অবশ্যই। সংশোধন করে জানাচ্ছি। [[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ২৩:৪৩, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ::::::অপ্রাসঙ্গিক এম-ড্যাশ (—) অপসারণ করে সংশোধিত করা হয়েছে ~! ::::::'''''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০০:২৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)''''' :::::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০১:২৪, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ::::::::আমার তৈরী করা [[ফজলে রাব্বী]] পাতাটি একটু পর্যালোচনা করে দেখবেন। @[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ভাই বলেছিলেন অল্প সংশোধনের পর [[ফজলে রাব্বী]] নিবন্ধটি গ্রহন করে নিবেন। কিন্তু তিনি বোধহয় গত ৩দিন অফলাইনে থাকায় তা পর্যালোচিত হয়নি। ::::::::'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১২:৩৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)';' :::::::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ধৈর্য ধরুন। পর্যালোচকরা মানুষ। তাদের ব্যক্তিগত জীবন আছে। আবার টেকনিক্যাল ত্রুটির কারণে অনেক সময় নোটিফিকেশন ঠিকমতো আসেনা। আপনি যেদিন সংশোধন করে জানিয়েছেন সেদিন আমাকে মেনশন না করায় নোটিফিকেশন পাইনি। পরের দিন মেনশন করায় নোটিফিকেশন পাওয়ার পর আজ পর্যালোচনা করবো বলে ঠিক করেছি। প্রতিযোগিতায় সব পাতাই পর্যালোচনা হবে, তাই তাড়াহুড়ার কিছু নেই। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৪:০৪, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::::::অবশ্যই। ::::::::::গ্রহণ করে নেওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি। ::::::::::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৭:৪৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == যান্ত্রিক অনুবাদ সংশোধন == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] আমি আপনার নির্দেশনা অনুযায়ী [[জন চার্লস পোলানি]],[[লেয়োঁ ফুকো]] এবং [[এ. সি. বেনসন]] নিবন্ধগুলো সংশোধন করেছি। এখন আর যান্ত্রিকতা নেই। তাই পুনঃপর্যালোচনা করে গ্রহণ করার অনুরোধ করছি। ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৩:২৫, ১২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[আন্তর্জাতিক আইন]] == নিবন্ধটি ভুলবসত বেখেয়ালে অসম্পূর্ণ ছিল, পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ রইল। [[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tanbiruzzaman|আলাপ]]) ০৬:২৪, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১১:১৯, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] [[পরকাল সম্পর্কে কুরআন]] নিবন্ধে অতিরিক্ত এম ড্যাশ খুব দৃষ্টিকটূ লাগছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৫:৩৯, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::সংশোধন করেছি। [[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tanbiruzzaman|আলাপ]]) ১৬:২৮, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৬:৫৭, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পুনঃ পর্যালোচনা == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]], [[শাহ বানু মামলা]] পাতার সর্বশেষ সূত্র ঠিক করা হয়েছে। [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] আর [[বিহার]] দুই পাতার সূত্রে সমস্যা কোথায় আমি বুঝতে পারছি না। অনুগ্রহ করে বুঝিয়ে বললে ভালো হয়। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ০৯:৫৪, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] নিবন্ধের একটি তথ্যসূত্রও কাজ করছেনা। খুব সম্ভবত এটাই জেনারেটেড<br>[[বিহার]] নিবন্ধের সূত্রে লিংক যোগ করুন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৩:৩৯, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] আর [[বিহার]] দুটি পাতায়ই তথ্যসূত্র ঠিক করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৭:০৭, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::এবং [[স্মৃতি ইরানি]] পাতায়ও। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৭:০৮, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ৩টি নিবন্ধই {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২২:৩৫, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == দ্রৌপদী == [[দ্রৌপদী]] নিবন্ধের লেখাগুলো লিংক করা হয়নি। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৫:৪০, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] বেশিরভাগ লিংক-ই উইকিপিডিয়া লিংক। যেগুলো উইকিউক্তি লিংক সেগুলো সব যোগ করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২২:৩০, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পুনঃ পর্যালোচনা == [[জন টিন্ডাল]] পাতাটি সংশোধন করেছি। অনুগ্রহ করে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন। ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ১৫:০৮, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৩:২১, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == উইলিয়াম শকলি পুনঃপর্যালোচনা == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] আমি [[উইলিয়াম শকলি]] নিবন্ধটিকে সংশোধন করেছি এবং পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ করছি। ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৪:২২, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] আমি দেখলাম আপনি নতুন কিছু পাতা পর্যালোচনা করেছেন। এই নিবন্ধটি অনুগ্রহ করে পুনঃপর্যালোচনা করুন। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৭:১৭, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == সীতা রাম গোয়েল == পাতা অসম্পূর্ণ [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৮:৪১, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[কেমব্রিজ গান]] == এই নিবন্ধটি গ্রহণযোগ্য নয় কেন তা জানালে ভালো হয়। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৫:৪৭, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] প্রতিযোগিতার নির্দেশনা অনুসারে <code><b>নাটক, চলচ্চিত্র, গান, বই, গল্প, কবিতা, উপন্যাস</b></code> গ্রহণযোগ্য নয়। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৮:০০, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[মুহাম্মদ মাহদি আল-জাওয়াহিরি]] == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] সূত্রের লিংক যুক্ত করেছি। এবার অনুগ্রহ করে এটিকে গ্রহণ করে নিন। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৭:১৬, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) nmg5puvodjgzisa5po521gr5oh3ezp5 79960 79958 2026-04-23T08:02:50Z ARI 356 /* মুহাম্মদ মাহদি আল-জাওয়াহিরি */ উত্তর 79960 wikitext text/x-wiki == উইকিউক্তিতে স্বাগত == <div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;"> সুপ্রিয় Arijit Kisku,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন! * উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন। ** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন। * উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন। * পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন। * পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন। * [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন! কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম! &mdash; [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটির পক্ষে]],<br />≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:Md.Farhan Mahmud|<b style="background-color:green;color:white">ফারহান&nbsp;</b>]][[User talk:Md.Farhan Mahmud|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ০৪:১১, ১৪ নভেম্বর ২০২২ (ইউটিসি) </div> "বিশ্ব হিন্দু পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শ্রী মিলিন্দ পরাণ্ডে আজ বলেন," এরকম একটি অপ্রয়োজনীয় অংশ আছে। এছাড়া কিছু কিছু উক্তি গুরুত্বপূর্ণ কিছু মনে হচ্ছে না। গ্রহণ করে নিচ্ছি। কিন্তু সংশোধনের অনুরোধ রইল।[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS|আলাপ]]) ১৩:৩৫, ৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ইংরেজি থেকে ডিরেক্ট অনুবাদ। অনুবাদের ক্ষেত্রে কি যাচাই-বাছাই করতে হবে? [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ১৫:৫০, ৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] হ্যাঁ, ইংরেজিতে থাকা সবকিছুই তো ১০০% সঠিক না। আমরা যদি সঠিকটা বুঝতে পারি, তাহলে সেটাই করা উচিত। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS|আলাপ]]) ০৭:০৭, ৮ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ==[[চরক]]== নিবন্ধটিতে সম্পাদনা প্রয়োজন। সব ঠিক করে আমাকে মেনশন করে জানান।[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১২:০৬, ১১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] আমার যে জিনিসগুলো চোখে পড়েছে, সেগুলি আমি সম্পাদনা করেছি। অন্য নির্দিষ্ট কিছু সম্পাদনা করার প্রয়োজন হলে অনুগ্রহ করে উল্লেখ করুন। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ২২:৫৬, ১১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == [[ভারতে বর্ণপ্রথা]] == কিছুটা যান্ত্রিকতা আছে। উক্তির কাঠামো ঠিক রেখে যান্ত্রিকতা সংশোধন করে জানান, আমি গ্রহণ করে নিব। আর হ্যাঁ, "এলস্ট, কনরাড" ব্যক্তির যেসব উক্তি আছে, সেগুলোকে [[কোনরাড এলস্ট]] পাতার সঙ্গে লিংক করুন।≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৯:৪১, ২০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] যেগুলি আমি খেয়াল করেছি সেগুলি সংশোধন করেছি। অন্যান্য যে কোনও সম্পাদনার প্রয়োজন থাকলে অনুগ্রহ করে উল্লেখ করুন। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ০৩:১৮, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ধন্যবাদ। গৃহীত হয়েছে। ব্যক্তির নাম প্রচলিত বাংলা ফরম্যাটে লেখার চেষ্টা করবেন। কোনরাড এলস্টের মতোই। আরেকটা উদাহরণ দেখলাম, [[মালহোত্রা, আর.]]। এভাবে লিংক করলে তো সঠিক লক্ষ্যে পৌঁছানো যাবে না; [[রাজিব মালহোত্রা]] এভাবে লিখবেন। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১০:২২, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :::আচ্ছা, পরবর্তীতে খেয়াল রাখবো। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ১১:০৪, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন == সুপ্রিয় {{BASEPAGENAME}}, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/ফলাফল|শীর্ষ ১০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSeDWCveBqp7ID0VVW0ipXM-WXeCqE7u-xHQCU_d7FRYo-9vAA/viewform?usp=dialog এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। - ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৮:৩১, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি) <!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:MS_Sakib/%E0%A6%97%E0%A6%A3_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE&oldid=67623-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন --> :দুঃখিত, ভুল ফর্মের লিংক দেওয়া হয়েছিল। এখন ঠিক করা হয়েছে। পুনরায় পুরণ করার অনুরোধ করছি। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৯:০২, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == [[নির্বাচন]] == পাতাটি অসম্পূর্ণ। অনুগ্রহ করে সম্পূর্ণ করুন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৯:৫৯, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৬:২৯, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ধন্যবাদ। পর্যালোচনা করা হবে। যেহেতু পাতা খুব বড় তাই কয়েকদিন সময় লাগতে পারে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৮:৪৭, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পাতা ঠিক করেছি == আলেকজান্ডার ফ্লেমিং নামক পাতাটা ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32|আলাপ]]) ১১:৫১, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২৩:২০, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পুনঃপর্যালোচনা == [[আবি আহমেদ]] এবং [[পিটার আগ্রি]] পাতা দুটি সংশোধন করা হয়েছে। পুনরায় পর্যালোচনার অনুরোধ। [[ব্যবহারকারী:Borhan|Borhan]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Borhan|আলাপ]]) ০৪:৪৪, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Borhan|Borhan]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২২:২৩, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পুনঃপর্যালোচনা == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] [[আহমেদ জেওয়াইল]] পুনরায় দেখার অনুরোধ রইল।[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০২:২৭, ৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০২:২৯, ৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == যান্ত্রিক অনুবাদ প্রসঙ্গে == আমি ডেভিড হিউম নামক উক্তির পাতাটি তৈরী করেছিলাম। কিছু জায়গায় যান্ত্রিকতার কথা বলা হয়েছে।যদি নির্দিষ্ট জায়গাগুলো চিহ্নিত করে দেন, তবে সে ক্ষেত্রে উক্তির পাতাটি সংশোধন করা সহজ হবে।<br> ধন্যবাদ।<br>[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০০:৪৫, ৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] প্রথমত, লেখার ফর্ম্যাটিংয়ে ভুল, আপনি '''বোল্ড''', ''ইটালিক'' ঠিকঠাক অনুসরণ করেননি; দ্বিতীয়ত সুত্রগুলো আসল ইংরেজির মতো করে বাংলাতে বসানোর চেষ্টা করুন; তৃতীয়ত বিভিন্ন জায়গায় বাক্যগুলো পড়তে অস্বাভাবিক লাগছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০১:৫০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::পয়েন্টগুলো ধরিয়ে দেওয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। '''তবে ২য় পয়েন্টটি বুঝতে কিছুটা সমস্যা হয়েছে - '''আপনি কি সূত্রগুলোর ক্ষেত্রে ইংরেজি হরফ ও সংখ্যাগুলো (যেমন- Book 1, Section 3, Page 45) বাংলায় (১ম খণ্ড, ৩য় অনুচ্ছেদ, পৃষ্ঠা ৪৫) রূপান্তর করতে বলছেন? নাকি বইয়ের নামের বাংলা অনুবাদের কথা বুঝিয়েছেন?<br>বিষয়টি নিশ্চিত করলে আমার জন্য পাতাটি নিখুঁতভাবে সংশোধন করা সহজ হবে। ::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০৬:৩৫, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] <code><span style="color:red;"><nowiki>** [[Amos Bronson Alcott|Amos Alcott]], ''[https://books.google.it/books?id=fzRaAAAAMAAJ Journals]'', Port Washington, NY: Kennikat Press, 1938, Volume 1, p. 115.</nowiki></code> → <code><span style="color:green;"><nowiki>** আমোস অলকট, ''[https://books.google.it/books?id=fzRaAAAAMAAJ জার্নালস]'', পোর্ট ওয়াশিংটন, এনওয়াই: কেনিকাট প্রেস, ১৯৩৮, খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ১১৫।</nowiki></code> <p> আমার মনে হয় আপনার লাইন অনেক বাদ আছে, ইংরেজির থেকে বাংলাতে অনেক লাইন কমে গেছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৯:২০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::এক দুটি লিঙ্ক বাদ পড়তে পারে তবে একটি উক্তিও বাদ পড়েনি। কয়েকবার রিভিশন দিয়েছি। লিঙ্কগুলো চেক করে জানাব। ::::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১০:৩৫, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::ইংলিশ পাতার সাথে মিলাতে গেলেই দেখা যায় বাংলা পাতায় অনেক অপ্রয়োজনীয় '''বোল্ড''' ''ইটালিক ''দেখা যাওয়ার কারনে দেখতে বেখাপ্পা লাগছে। আবার দেখেছি এটি নিয়মেও রয়েছে যে অপ্রয়োজনীয় বোল্ড ইটালিক করা যাবেনা। সেজন্যই লেখার ফর্ম্যাটিংয়ে কিছু জায়গায় ইচ্ছে করেই '''বোল্ড''' ''ইটালিক'' বাদ দিয়েছি (শুধু সুত্রগুলো ছাড়া)। আশা করি এটি মার্জনা করে নিবেন। ::'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৩:০৭, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)''' :::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] পাতার অনুচ্ছেদগুলো আবার ইংরেজির সাথে মিলিয়ে দেখুন, অসঙ্গতি আছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৪:৪০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::ইংলিশ পাতার সঙ্গে মিলিয়ে পুনরায় কিছু উক্তি ও সুত্র সংশোধন করেছি। কিছু সুত্রে থাকা অতিরিক্ত তথ্য ইংলিশ উইকিলিঙ্ক থেকে মিলিয়ে দেওয়া হয়েছে, যেহেতু ইংলিশ উইকিলিঙ্ক দেওয়া নিষেধ। গত সাত দিনের ধারাবাহিক একটানা সম্পাদনার পর আশা করছি পাতাটি যথার্থ সংশোধিত হয়েছে। গ্রহণ করার বিনীত অনুরোধ রইলো। ::::ধন্যবাদ। ::::'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৫:১৯, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)''' :::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] আর একটি সংশোধন প্রয়োজন, সম্পূর্ণ নিবন্ধে অতিরিক্ত — (em dash) ব্যবহার করেছেন, যেগুলো খুবই দৃষ্টিকটূ এবং যান্ত্রিক অনুবাদের লক্ষণ। এগুলো সংশোধন করে জানান, গ্রহণ করে নেব। ধন্যবাদ! [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২৩:৩৭, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::অবশ্যই। সংশোধন করে জানাচ্ছি। [[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ২৩:৪৩, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ::::::অপ্রাসঙ্গিক এম-ড্যাশ (—) অপসারণ করে সংশোধিত করা হয়েছে ~! ::::::'''''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০০:২৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)''''' :::::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০১:২৪, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ::::::::আমার তৈরী করা [[ফজলে রাব্বী]] পাতাটি একটু পর্যালোচনা করে দেখবেন। @[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ভাই বলেছিলেন অল্প সংশোধনের পর [[ফজলে রাব্বী]] নিবন্ধটি গ্রহন করে নিবেন। কিন্তু তিনি বোধহয় গত ৩দিন অফলাইনে থাকায় তা পর্যালোচিত হয়নি। ::::::::'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১২:৩৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)';' :::::::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ধৈর্য ধরুন। পর্যালোচকরা মানুষ। তাদের ব্যক্তিগত জীবন আছে। আবার টেকনিক্যাল ত্রুটির কারণে অনেক সময় নোটিফিকেশন ঠিকমতো আসেনা। আপনি যেদিন সংশোধন করে জানিয়েছেন সেদিন আমাকে মেনশন না করায় নোটিফিকেশন পাইনি। পরের দিন মেনশন করায় নোটিফিকেশন পাওয়ার পর আজ পর্যালোচনা করবো বলে ঠিক করেছি। প্রতিযোগিতায় সব পাতাই পর্যালোচনা হবে, তাই তাড়াহুড়ার কিছু নেই। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৪:০৪, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::::::অবশ্যই। ::::::::::গ্রহণ করে নেওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি। ::::::::::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৭:৪৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == যান্ত্রিক অনুবাদ সংশোধন == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] আমি আপনার নির্দেশনা অনুযায়ী [[জন চার্লস পোলানি]],[[লেয়োঁ ফুকো]] এবং [[এ. সি. বেনসন]] নিবন্ধগুলো সংশোধন করেছি। এখন আর যান্ত্রিকতা নেই। তাই পুনঃপর্যালোচনা করে গ্রহণ করার অনুরোধ করছি। ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৩:২৫, ১২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[আন্তর্জাতিক আইন]] == নিবন্ধটি ভুলবসত বেখেয়ালে অসম্পূর্ণ ছিল, পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ রইল। [[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tanbiruzzaman|আলাপ]]) ০৬:২৪, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১১:১৯, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] [[পরকাল সম্পর্কে কুরআন]] নিবন্ধে অতিরিক্ত এম ড্যাশ খুব দৃষ্টিকটূ লাগছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৫:৩৯, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::সংশোধন করেছি। [[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tanbiruzzaman|আলাপ]]) ১৬:২৮, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৬:৫৭, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পুনঃ পর্যালোচনা == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]], [[শাহ বানু মামলা]] পাতার সর্বশেষ সূত্র ঠিক করা হয়েছে। [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] আর [[বিহার]] দুই পাতার সূত্রে সমস্যা কোথায় আমি বুঝতে পারছি না। অনুগ্রহ করে বুঝিয়ে বললে ভালো হয়। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ০৯:৫৪, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] নিবন্ধের একটি তথ্যসূত্রও কাজ করছেনা। খুব সম্ভবত এটাই জেনারেটেড<br>[[বিহার]] নিবন্ধের সূত্রে লিংক যোগ করুন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৩:৩৯, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] আর [[বিহার]] দুটি পাতায়ই তথ্যসূত্র ঠিক করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৭:০৭, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::এবং [[স্মৃতি ইরানি]] পাতায়ও। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৭:০৮, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ৩টি নিবন্ধই {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২২:৩৫, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == দ্রৌপদী == [[দ্রৌপদী]] নিবন্ধের লেখাগুলো লিংক করা হয়নি। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৫:৪০, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] বেশিরভাগ লিংক-ই উইকিপিডিয়া লিংক। যেগুলো উইকিউক্তি লিংক সেগুলো সব যোগ করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২২:৩০, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পুনঃ পর্যালোচনা == [[জন টিন্ডাল]] পাতাটি সংশোধন করেছি। অনুগ্রহ করে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন। ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ১৫:০৮, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৩:২১, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == উইলিয়াম শকলি পুনঃপর্যালোচনা == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] আমি [[উইলিয়াম শকলি]] নিবন্ধটিকে সংশোধন করেছি এবং পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ করছি। ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৪:২২, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] আমি দেখলাম আপনি নতুন কিছু পাতা পর্যালোচনা করেছেন। এই নিবন্ধটি অনুগ্রহ করে পুনঃপর্যালোচনা করুন। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৭:১৭, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == সীতা রাম গোয়েল == পাতা অসম্পূর্ণ [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৮:৪১, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[কেমব্রিজ গান]] == এই নিবন্ধটি গ্রহণযোগ্য নয় কেন তা জানালে ভালো হয়। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৫:৪৭, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] প্রতিযোগিতার নির্দেশনা অনুসারে <code><b>নাটক, চলচ্চিত্র, গান, বই, গল্প, কবিতা, উপন্যাস</b></code> গ্রহণযোগ্য নয়। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৮:০০, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[মুহাম্মদ মাহদি আল-জাওয়াহিরি]] == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] সূত্রের লিংক যুক্ত করেছি। এবার অনুগ্রহ করে এটিকে গ্রহণ করে নিন। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৭:১৬, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :{{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৮:০২, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) 0lrypwl8x3wobacn7nz16cq1lhdk0ao 79962 79960 2026-04-23T08:04:08Z ARI 356 /* উইলিয়াম শকলি পুনঃপর্যালোচনা */ উত্তর 79962 wikitext text/x-wiki == উইকিউক্তিতে স্বাগত == <div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;"> সুপ্রিয় Arijit Kisku,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন! * উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন। ** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন। * উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন। * পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন। * পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন। * [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন! কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম! &mdash; [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটির পক্ষে]],<br />≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:Md.Farhan Mahmud|<b style="background-color:green;color:white">ফারহান&nbsp;</b>]][[User talk:Md.Farhan Mahmud|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ০৪:১১, ১৪ নভেম্বর ২০২২ (ইউটিসি) </div> "বিশ্ব হিন্দু পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শ্রী মিলিন্দ পরাণ্ডে আজ বলেন," এরকম একটি অপ্রয়োজনীয় অংশ আছে। এছাড়া কিছু কিছু উক্তি গুরুত্বপূর্ণ কিছু মনে হচ্ছে না। গ্রহণ করে নিচ্ছি। কিন্তু সংশোধনের অনুরোধ রইল।[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS|আলাপ]]) ১৩:৩৫, ৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ইংরেজি থেকে ডিরেক্ট অনুবাদ। অনুবাদের ক্ষেত্রে কি যাচাই-বাছাই করতে হবে? [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ১৫:৫০, ৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] হ্যাঁ, ইংরেজিতে থাকা সবকিছুই তো ১০০% সঠিক না। আমরা যদি সঠিকটা বুঝতে পারি, তাহলে সেটাই করা উচিত। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS|আলাপ]]) ০৭:০৭, ৮ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ==[[চরক]]== নিবন্ধটিতে সম্পাদনা প্রয়োজন। সব ঠিক করে আমাকে মেনশন করে জানান।[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১২:০৬, ১১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] আমার যে জিনিসগুলো চোখে পড়েছে, সেগুলি আমি সম্পাদনা করেছি। অন্য নির্দিষ্ট কিছু সম্পাদনা করার প্রয়োজন হলে অনুগ্রহ করে উল্লেখ করুন। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ২২:৫৬, ১১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == [[ভারতে বর্ণপ্রথা]] == কিছুটা যান্ত্রিকতা আছে। উক্তির কাঠামো ঠিক রেখে যান্ত্রিকতা সংশোধন করে জানান, আমি গ্রহণ করে নিব। আর হ্যাঁ, "এলস্ট, কনরাড" ব্যক্তির যেসব উক্তি আছে, সেগুলোকে [[কোনরাড এলস্ট]] পাতার সঙ্গে লিংক করুন।≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৯:৪১, ২০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] যেগুলি আমি খেয়াল করেছি সেগুলি সংশোধন করেছি। অন্যান্য যে কোনও সম্পাদনার প্রয়োজন থাকলে অনুগ্রহ করে উল্লেখ করুন। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ০৩:১৮, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ধন্যবাদ। গৃহীত হয়েছে। ব্যক্তির নাম প্রচলিত বাংলা ফরম্যাটে লেখার চেষ্টা করবেন। কোনরাড এলস্টের মতোই। আরেকটা উদাহরণ দেখলাম, [[মালহোত্রা, আর.]]। এভাবে লিংক করলে তো সঠিক লক্ষ্যে পৌঁছানো যাবে না; [[রাজিব মালহোত্রা]] এভাবে লিখবেন। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১০:২২, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :::আচ্ছা, পরবর্তীতে খেয়াল রাখবো। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ১১:০৪, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন == সুপ্রিয় {{BASEPAGENAME}}, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/ফলাফল|শীর্ষ ১০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSeDWCveBqp7ID0VVW0ipXM-WXeCqE7u-xHQCU_d7FRYo-9vAA/viewform?usp=dialog এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। - ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৮:৩১, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি) <!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:MS_Sakib/%E0%A6%97%E0%A6%A3_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE&oldid=67623-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন --> :দুঃখিত, ভুল ফর্মের লিংক দেওয়া হয়েছিল। এখন ঠিক করা হয়েছে। পুনরায় পুরণ করার অনুরোধ করছি। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৯:০২, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == [[নির্বাচন]] == পাতাটি অসম্পূর্ণ। অনুগ্রহ করে সম্পূর্ণ করুন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৯:৫৯, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৬:২৯, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ধন্যবাদ। পর্যালোচনা করা হবে। যেহেতু পাতা খুব বড় তাই কয়েকদিন সময় লাগতে পারে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৮:৪৭, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পাতা ঠিক করেছি == আলেকজান্ডার ফ্লেমিং নামক পাতাটা ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32|আলাপ]]) ১১:৫১, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২৩:২০, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পুনঃপর্যালোচনা == [[আবি আহমেদ]] এবং [[পিটার আগ্রি]] পাতা দুটি সংশোধন করা হয়েছে। পুনরায় পর্যালোচনার অনুরোধ। [[ব্যবহারকারী:Borhan|Borhan]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Borhan|আলাপ]]) ০৪:৪৪, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Borhan|Borhan]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২২:২৩, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পুনঃপর্যালোচনা == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] [[আহমেদ জেওয়াইল]] পুনরায় দেখার অনুরোধ রইল।[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০২:২৭, ৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০২:২৯, ৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == যান্ত্রিক অনুবাদ প্রসঙ্গে == আমি ডেভিড হিউম নামক উক্তির পাতাটি তৈরী করেছিলাম। কিছু জায়গায় যান্ত্রিকতার কথা বলা হয়েছে।যদি নির্দিষ্ট জায়গাগুলো চিহ্নিত করে দেন, তবে সে ক্ষেত্রে উক্তির পাতাটি সংশোধন করা সহজ হবে।<br> ধন্যবাদ।<br>[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০০:৪৫, ৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] প্রথমত, লেখার ফর্ম্যাটিংয়ে ভুল, আপনি '''বোল্ড''', ''ইটালিক'' ঠিকঠাক অনুসরণ করেননি; দ্বিতীয়ত সুত্রগুলো আসল ইংরেজির মতো করে বাংলাতে বসানোর চেষ্টা করুন; তৃতীয়ত বিভিন্ন জায়গায় বাক্যগুলো পড়তে অস্বাভাবিক লাগছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০১:৫০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::পয়েন্টগুলো ধরিয়ে দেওয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। '''তবে ২য় পয়েন্টটি বুঝতে কিছুটা সমস্যা হয়েছে - '''আপনি কি সূত্রগুলোর ক্ষেত্রে ইংরেজি হরফ ও সংখ্যাগুলো (যেমন- Book 1, Section 3, Page 45) বাংলায় (১ম খণ্ড, ৩য় অনুচ্ছেদ, পৃষ্ঠা ৪৫) রূপান্তর করতে বলছেন? নাকি বইয়ের নামের বাংলা অনুবাদের কথা বুঝিয়েছেন?<br>বিষয়টি নিশ্চিত করলে আমার জন্য পাতাটি নিখুঁতভাবে সংশোধন করা সহজ হবে। ::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০৬:৩৫, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] <code><span style="color:red;"><nowiki>** [[Amos Bronson Alcott|Amos Alcott]], ''[https://books.google.it/books?id=fzRaAAAAMAAJ Journals]'', Port Washington, NY: Kennikat Press, 1938, Volume 1, p. 115.</nowiki></code> → <code><span style="color:green;"><nowiki>** আমোস অলকট, ''[https://books.google.it/books?id=fzRaAAAAMAAJ জার্নালস]'', পোর্ট ওয়াশিংটন, এনওয়াই: কেনিকাট প্রেস, ১৯৩৮, খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ১১৫।</nowiki></code> <p> আমার মনে হয় আপনার লাইন অনেক বাদ আছে, ইংরেজির থেকে বাংলাতে অনেক লাইন কমে গেছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৯:২০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::এক দুটি লিঙ্ক বাদ পড়তে পারে তবে একটি উক্তিও বাদ পড়েনি। কয়েকবার রিভিশন দিয়েছি। লিঙ্কগুলো চেক করে জানাব। ::::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১০:৩৫, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::ইংলিশ পাতার সাথে মিলাতে গেলেই দেখা যায় বাংলা পাতায় অনেক অপ্রয়োজনীয় '''বোল্ড''' ''ইটালিক ''দেখা যাওয়ার কারনে দেখতে বেখাপ্পা লাগছে। আবার দেখেছি এটি নিয়মেও রয়েছে যে অপ্রয়োজনীয় বোল্ড ইটালিক করা যাবেনা। সেজন্যই লেখার ফর্ম্যাটিংয়ে কিছু জায়গায় ইচ্ছে করেই '''বোল্ড''' ''ইটালিক'' বাদ দিয়েছি (শুধু সুত্রগুলো ছাড়া)। আশা করি এটি মার্জনা করে নিবেন। ::'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৩:০৭, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)''' :::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] পাতার অনুচ্ছেদগুলো আবার ইংরেজির সাথে মিলিয়ে দেখুন, অসঙ্গতি আছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৪:৪০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::ইংলিশ পাতার সঙ্গে মিলিয়ে পুনরায় কিছু উক্তি ও সুত্র সংশোধন করেছি। কিছু সুত্রে থাকা অতিরিক্ত তথ্য ইংলিশ উইকিলিঙ্ক থেকে মিলিয়ে দেওয়া হয়েছে, যেহেতু ইংলিশ উইকিলিঙ্ক দেওয়া নিষেধ। গত সাত দিনের ধারাবাহিক একটানা সম্পাদনার পর আশা করছি পাতাটি যথার্থ সংশোধিত হয়েছে। গ্রহণ করার বিনীত অনুরোধ রইলো। ::::ধন্যবাদ। ::::'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৫:১৯, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)''' :::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] আর একটি সংশোধন প্রয়োজন, সম্পূর্ণ নিবন্ধে অতিরিক্ত — (em dash) ব্যবহার করেছেন, যেগুলো খুবই দৃষ্টিকটূ এবং যান্ত্রিক অনুবাদের লক্ষণ। এগুলো সংশোধন করে জানান, গ্রহণ করে নেব। ধন্যবাদ! [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২৩:৩৭, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::অবশ্যই। সংশোধন করে জানাচ্ছি। [[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ২৩:৪৩, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ::::::অপ্রাসঙ্গিক এম-ড্যাশ (—) অপসারণ করে সংশোধিত করা হয়েছে ~! ::::::'''''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০০:২৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)''''' :::::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০১:২৪, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ::::::::আমার তৈরী করা [[ফজলে রাব্বী]] পাতাটি একটু পর্যালোচনা করে দেখবেন। @[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ভাই বলেছিলেন অল্প সংশোধনের পর [[ফজলে রাব্বী]] নিবন্ধটি গ্রহন করে নিবেন। কিন্তু তিনি বোধহয় গত ৩দিন অফলাইনে থাকায় তা পর্যালোচিত হয়নি। ::::::::'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১২:৩৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)';' :::::::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ধৈর্য ধরুন। পর্যালোচকরা মানুষ। তাদের ব্যক্তিগত জীবন আছে। আবার টেকনিক্যাল ত্রুটির কারণে অনেক সময় নোটিফিকেশন ঠিকমতো আসেনা। আপনি যেদিন সংশোধন করে জানিয়েছেন সেদিন আমাকে মেনশন না করায় নোটিফিকেশন পাইনি। পরের দিন মেনশন করায় নোটিফিকেশন পাওয়ার পর আজ পর্যালোচনা করবো বলে ঠিক করেছি। প্রতিযোগিতায় সব পাতাই পর্যালোচনা হবে, তাই তাড়াহুড়ার কিছু নেই। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৪:০৪, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::::::অবশ্যই। ::::::::::গ্রহণ করে নেওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি। ::::::::::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৭:৪৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == যান্ত্রিক অনুবাদ সংশোধন == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] আমি আপনার নির্দেশনা অনুযায়ী [[জন চার্লস পোলানি]],[[লেয়োঁ ফুকো]] এবং [[এ. সি. বেনসন]] নিবন্ধগুলো সংশোধন করেছি। এখন আর যান্ত্রিকতা নেই। তাই পুনঃপর্যালোচনা করে গ্রহণ করার অনুরোধ করছি। ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৩:২৫, ১২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[আন্তর্জাতিক আইন]] == নিবন্ধটি ভুলবসত বেখেয়ালে অসম্পূর্ণ ছিল, পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ রইল। [[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tanbiruzzaman|আলাপ]]) ০৬:২৪, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১১:১৯, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] [[পরকাল সম্পর্কে কুরআন]] নিবন্ধে অতিরিক্ত এম ড্যাশ খুব দৃষ্টিকটূ লাগছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৫:৩৯, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::সংশোধন করেছি। [[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tanbiruzzaman|আলাপ]]) ১৬:২৮, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৬:৫৭, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পুনঃ পর্যালোচনা == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]], [[শাহ বানু মামলা]] পাতার সর্বশেষ সূত্র ঠিক করা হয়েছে। [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] আর [[বিহার]] দুই পাতার সূত্রে সমস্যা কোথায় আমি বুঝতে পারছি না। অনুগ্রহ করে বুঝিয়ে বললে ভালো হয়। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ০৯:৫৪, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] নিবন্ধের একটি তথ্যসূত্রও কাজ করছেনা। খুব সম্ভবত এটাই জেনারেটেড<br>[[বিহার]] নিবন্ধের সূত্রে লিংক যোগ করুন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৩:৩৯, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] আর [[বিহার]] দুটি পাতায়ই তথ্যসূত্র ঠিক করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৭:০৭, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::এবং [[স্মৃতি ইরানি]] পাতায়ও। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৭:০৮, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ৩টি নিবন্ধই {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২২:৩৫, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == দ্রৌপদী == [[দ্রৌপদী]] নিবন্ধের লেখাগুলো লিংক করা হয়নি। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৫:৪০, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] বেশিরভাগ লিংক-ই উইকিপিডিয়া লিংক। যেগুলো উইকিউক্তি লিংক সেগুলো সব যোগ করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২২:৩০, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পুনঃ পর্যালোচনা == [[জন টিন্ডাল]] পাতাটি সংশোধন করেছি। অনুগ্রহ করে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন। ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ১৫:০৮, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৩:২১, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == উইলিয়াম শকলি পুনঃপর্যালোচনা == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] আমি [[উইলিয়াম শকলি]] নিবন্ধটিকে সংশোধন করেছি এবং পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ করছি। ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৪:২২, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] আমি দেখলাম আপনি নতুন কিছু পাতা পর্যালোচনা করেছেন। এই নিবন্ধটি অনুগ্রহ করে পুনঃপর্যালোচনা করুন। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৭:১৭, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::{{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৮:০৪, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == সীতা রাম গোয়েল == পাতা অসম্পূর্ণ [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৮:৪১, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[কেমব্রিজ গান]] == এই নিবন্ধটি গ্রহণযোগ্য নয় কেন তা জানালে ভালো হয়। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৫:৪৭, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] প্রতিযোগিতার নির্দেশনা অনুসারে <code><b>নাটক, চলচ্চিত্র, গান, বই, গল্প, কবিতা, উপন্যাস</b></code> গ্রহণযোগ্য নয়। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৮:০০, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[মুহাম্মদ মাহদি আল-জাওয়াহিরি]] == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] সূত্রের লিংক যুক্ত করেছি। এবার অনুগ্রহ করে এটিকে গ্রহণ করে নিন। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৭:১৬, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :{{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৮:০২, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) gcfptho68ejpok10pvfkfycrjuggq6f 79977 79962 2026-04-23T08:24:24Z Anaf Ibn Shahibul 4193 /* উইলিয়াম শকলি পুনঃপর্যালোচনা */ উত্তর 79977 wikitext text/x-wiki == উইকিউক্তিতে স্বাগত == <div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;"> সুপ্রিয় Arijit Kisku,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন! * উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন। ** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন। * উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন। * পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন। * পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন। * [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন! কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম! &mdash; [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটির পক্ষে]],<br />≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:Md.Farhan Mahmud|<b style="background-color:green;color:white">ফারহান&nbsp;</b>]][[User talk:Md.Farhan Mahmud|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ০৪:১১, ১৪ নভেম্বর ২০২২ (ইউটিসি) </div> "বিশ্ব হিন্দু পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শ্রী মিলিন্দ পরাণ্ডে আজ বলেন," এরকম একটি অপ্রয়োজনীয় অংশ আছে। এছাড়া কিছু কিছু উক্তি গুরুত্বপূর্ণ কিছু মনে হচ্ছে না। গ্রহণ করে নিচ্ছি। কিন্তু সংশোধনের অনুরোধ রইল।[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS|আলাপ]]) ১৩:৩৫, ৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ইংরেজি থেকে ডিরেক্ট অনুবাদ। অনুবাদের ক্ষেত্রে কি যাচাই-বাছাই করতে হবে? [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ১৫:৫০, ৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] হ্যাঁ, ইংরেজিতে থাকা সবকিছুই তো ১০০% সঠিক না। আমরা যদি সঠিকটা বুঝতে পারি, তাহলে সেটাই করা উচিত। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS|আলাপ]]) ০৭:০৭, ৮ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ==[[চরক]]== নিবন্ধটিতে সম্পাদনা প্রয়োজন। সব ঠিক করে আমাকে মেনশন করে জানান।[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১২:০৬, ১১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] আমার যে জিনিসগুলো চোখে পড়েছে, সেগুলি আমি সম্পাদনা করেছি। অন্য নির্দিষ্ট কিছু সম্পাদনা করার প্রয়োজন হলে অনুগ্রহ করে উল্লেখ করুন। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ২২:৫৬, ১১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == [[ভারতে বর্ণপ্রথা]] == কিছুটা যান্ত্রিকতা আছে। উক্তির কাঠামো ঠিক রেখে যান্ত্রিকতা সংশোধন করে জানান, আমি গ্রহণ করে নিব। আর হ্যাঁ, "এলস্ট, কনরাড" ব্যক্তির যেসব উক্তি আছে, সেগুলোকে [[কোনরাড এলস্ট]] পাতার সঙ্গে লিংক করুন।≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৯:৪১, ২০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] যেগুলি আমি খেয়াল করেছি সেগুলি সংশোধন করেছি। অন্যান্য যে কোনও সম্পাদনার প্রয়োজন থাকলে অনুগ্রহ করে উল্লেখ করুন। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ০৩:১৮, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ধন্যবাদ। গৃহীত হয়েছে। ব্যক্তির নাম প্রচলিত বাংলা ফরম্যাটে লেখার চেষ্টা করবেন। কোনরাড এলস্টের মতোই। আরেকটা উদাহরণ দেখলাম, [[মালহোত্রা, আর.]]। এভাবে লিংক করলে তো সঠিক লক্ষ্যে পৌঁছানো যাবে না; [[রাজিব মালহোত্রা]] এভাবে লিখবেন। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১০:২২, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :::আচ্ছা, পরবর্তীতে খেয়াল রাখবো। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ১১:০৪, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন == সুপ্রিয় {{BASEPAGENAME}}, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/ফলাফল|শীর্ষ ১০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSeDWCveBqp7ID0VVW0ipXM-WXeCqE7u-xHQCU_d7FRYo-9vAA/viewform?usp=dialog এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। - ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৮:৩১, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি) <!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:MS_Sakib/%E0%A6%97%E0%A6%A3_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE&oldid=67623-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন --> :দুঃখিত, ভুল ফর্মের লিংক দেওয়া হয়েছিল। এখন ঠিক করা হয়েছে। পুনরায় পুরণ করার অনুরোধ করছি। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৯:০২, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == [[নির্বাচন]] == পাতাটি অসম্পূর্ণ। অনুগ্রহ করে সম্পূর্ণ করুন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৯:৫৯, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৬:২৯, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ধন্যবাদ। পর্যালোচনা করা হবে। যেহেতু পাতা খুব বড় তাই কয়েকদিন সময় লাগতে পারে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৮:৪৭, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পাতা ঠিক করেছি == আলেকজান্ডার ফ্লেমিং নামক পাতাটা ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32|আলাপ]]) ১১:৫১, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২৩:২০, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পুনঃপর্যালোচনা == [[আবি আহমেদ]] এবং [[পিটার আগ্রি]] পাতা দুটি সংশোধন করা হয়েছে। পুনরায় পর্যালোচনার অনুরোধ। [[ব্যবহারকারী:Borhan|Borhan]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Borhan|আলাপ]]) ০৪:৪৪, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Borhan|Borhan]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২২:২৩, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পুনঃপর্যালোচনা == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] [[আহমেদ জেওয়াইল]] পুনরায় দেখার অনুরোধ রইল।[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০২:২৭, ৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০২:২৯, ৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == যান্ত্রিক অনুবাদ প্রসঙ্গে == আমি ডেভিড হিউম নামক উক্তির পাতাটি তৈরী করেছিলাম। কিছু জায়গায় যান্ত্রিকতার কথা বলা হয়েছে।যদি নির্দিষ্ট জায়গাগুলো চিহ্নিত করে দেন, তবে সে ক্ষেত্রে উক্তির পাতাটি সংশোধন করা সহজ হবে।<br> ধন্যবাদ।<br>[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০০:৪৫, ৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] প্রথমত, লেখার ফর্ম্যাটিংয়ে ভুল, আপনি '''বোল্ড''', ''ইটালিক'' ঠিকঠাক অনুসরণ করেননি; দ্বিতীয়ত সুত্রগুলো আসল ইংরেজির মতো করে বাংলাতে বসানোর চেষ্টা করুন; তৃতীয়ত বিভিন্ন জায়গায় বাক্যগুলো পড়তে অস্বাভাবিক লাগছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০১:৫০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::পয়েন্টগুলো ধরিয়ে দেওয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। '''তবে ২য় পয়েন্টটি বুঝতে কিছুটা সমস্যা হয়েছে - '''আপনি কি সূত্রগুলোর ক্ষেত্রে ইংরেজি হরফ ও সংখ্যাগুলো (যেমন- Book 1, Section 3, Page 45) বাংলায় (১ম খণ্ড, ৩য় অনুচ্ছেদ, পৃষ্ঠা ৪৫) রূপান্তর করতে বলছেন? নাকি বইয়ের নামের বাংলা অনুবাদের কথা বুঝিয়েছেন?<br>বিষয়টি নিশ্চিত করলে আমার জন্য পাতাটি নিখুঁতভাবে সংশোধন করা সহজ হবে। ::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০৬:৩৫, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] <code><span style="color:red;"><nowiki>** [[Amos Bronson Alcott|Amos Alcott]], ''[https://books.google.it/books?id=fzRaAAAAMAAJ Journals]'', Port Washington, NY: Kennikat Press, 1938, Volume 1, p. 115.</nowiki></code> → <code><span style="color:green;"><nowiki>** আমোস অলকট, ''[https://books.google.it/books?id=fzRaAAAAMAAJ জার্নালস]'', পোর্ট ওয়াশিংটন, এনওয়াই: কেনিকাট প্রেস, ১৯৩৮, খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ১১৫।</nowiki></code> <p> আমার মনে হয় আপনার লাইন অনেক বাদ আছে, ইংরেজির থেকে বাংলাতে অনেক লাইন কমে গেছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৯:২০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::এক দুটি লিঙ্ক বাদ পড়তে পারে তবে একটি উক্তিও বাদ পড়েনি। কয়েকবার রিভিশন দিয়েছি। লিঙ্কগুলো চেক করে জানাব। ::::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১০:৩৫, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::ইংলিশ পাতার সাথে মিলাতে গেলেই দেখা যায় বাংলা পাতায় অনেক অপ্রয়োজনীয় '''বোল্ড''' ''ইটালিক ''দেখা যাওয়ার কারনে দেখতে বেখাপ্পা লাগছে। আবার দেখেছি এটি নিয়মেও রয়েছে যে অপ্রয়োজনীয় বোল্ড ইটালিক করা যাবেনা। সেজন্যই লেখার ফর্ম্যাটিংয়ে কিছু জায়গায় ইচ্ছে করেই '''বোল্ড''' ''ইটালিক'' বাদ দিয়েছি (শুধু সুত্রগুলো ছাড়া)। আশা করি এটি মার্জনা করে নিবেন। ::'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৩:০৭, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)''' :::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] পাতার অনুচ্ছেদগুলো আবার ইংরেজির সাথে মিলিয়ে দেখুন, অসঙ্গতি আছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৪:৪০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::ইংলিশ পাতার সঙ্গে মিলিয়ে পুনরায় কিছু উক্তি ও সুত্র সংশোধন করেছি। কিছু সুত্রে থাকা অতিরিক্ত তথ্য ইংলিশ উইকিলিঙ্ক থেকে মিলিয়ে দেওয়া হয়েছে, যেহেতু ইংলিশ উইকিলিঙ্ক দেওয়া নিষেধ। গত সাত দিনের ধারাবাহিক একটানা সম্পাদনার পর আশা করছি পাতাটি যথার্থ সংশোধিত হয়েছে। গ্রহণ করার বিনীত অনুরোধ রইলো। ::::ধন্যবাদ। ::::'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৫:১৯, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)''' :::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] আর একটি সংশোধন প্রয়োজন, সম্পূর্ণ নিবন্ধে অতিরিক্ত — (em dash) ব্যবহার করেছেন, যেগুলো খুবই দৃষ্টিকটূ এবং যান্ত্রিক অনুবাদের লক্ষণ। এগুলো সংশোধন করে জানান, গ্রহণ করে নেব। ধন্যবাদ! [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২৩:৩৭, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::অবশ্যই। সংশোধন করে জানাচ্ছি। [[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ২৩:৪৩, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ::::::অপ্রাসঙ্গিক এম-ড্যাশ (—) অপসারণ করে সংশোধিত করা হয়েছে ~! ::::::'''''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০০:২৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)''''' :::::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০১:২৪, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ::::::::আমার তৈরী করা [[ফজলে রাব্বী]] পাতাটি একটু পর্যালোচনা করে দেখবেন। @[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ভাই বলেছিলেন অল্প সংশোধনের পর [[ফজলে রাব্বী]] নিবন্ধটি গ্রহন করে নিবেন। কিন্তু তিনি বোধহয় গত ৩দিন অফলাইনে থাকায় তা পর্যালোচিত হয়নি। ::::::::'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১২:৩৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)';' :::::::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ধৈর্য ধরুন। পর্যালোচকরা মানুষ। তাদের ব্যক্তিগত জীবন আছে। আবার টেকনিক্যাল ত্রুটির কারণে অনেক সময় নোটিফিকেশন ঠিকমতো আসেনা। আপনি যেদিন সংশোধন করে জানিয়েছেন সেদিন আমাকে মেনশন না করায় নোটিফিকেশন পাইনি। পরের দিন মেনশন করায় নোটিফিকেশন পাওয়ার পর আজ পর্যালোচনা করবো বলে ঠিক করেছি। প্রতিযোগিতায় সব পাতাই পর্যালোচনা হবে, তাই তাড়াহুড়ার কিছু নেই। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৪:০৪, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::::::অবশ্যই। ::::::::::গ্রহণ করে নেওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি। ::::::::::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৭:৪৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == যান্ত্রিক অনুবাদ সংশোধন == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] আমি আপনার নির্দেশনা অনুযায়ী [[জন চার্লস পোলানি]],[[লেয়োঁ ফুকো]] এবং [[এ. সি. বেনসন]] নিবন্ধগুলো সংশোধন করেছি। এখন আর যান্ত্রিকতা নেই। তাই পুনঃপর্যালোচনা করে গ্রহণ করার অনুরোধ করছি। ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৩:২৫, ১২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[আন্তর্জাতিক আইন]] == নিবন্ধটি ভুলবসত বেখেয়ালে অসম্পূর্ণ ছিল, পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ রইল। [[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tanbiruzzaman|আলাপ]]) ০৬:২৪, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১১:১৯, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] [[পরকাল সম্পর্কে কুরআন]] নিবন্ধে অতিরিক্ত এম ড্যাশ খুব দৃষ্টিকটূ লাগছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৫:৩৯, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::সংশোধন করেছি। [[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tanbiruzzaman|আলাপ]]) ১৬:২৮, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৬:৫৭, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পুনঃ পর্যালোচনা == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]], [[শাহ বানু মামলা]] পাতার সর্বশেষ সূত্র ঠিক করা হয়েছে। [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] আর [[বিহার]] দুই পাতার সূত্রে সমস্যা কোথায় আমি বুঝতে পারছি না। অনুগ্রহ করে বুঝিয়ে বললে ভালো হয়। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ০৯:৫৪, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] নিবন্ধের একটি তথ্যসূত্রও কাজ করছেনা। খুব সম্ভবত এটাই জেনারেটেড<br>[[বিহার]] নিবন্ধের সূত্রে লিংক যোগ করুন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৩:৩৯, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] আর [[বিহার]] দুটি পাতায়ই তথ্যসূত্র ঠিক করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৭:০৭, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::এবং [[স্মৃতি ইরানি]] পাতায়ও। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৭:০৮, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ৩টি নিবন্ধই {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২২:৩৫, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == দ্রৌপদী == [[দ্রৌপদী]] নিবন্ধের লেখাগুলো লিংক করা হয়নি। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৫:৪০, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] বেশিরভাগ লিংক-ই উইকিপিডিয়া লিংক। যেগুলো উইকিউক্তি লিংক সেগুলো সব যোগ করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২২:৩০, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পুনঃ পর্যালোচনা == [[জন টিন্ডাল]] পাতাটি সংশোধন করেছি। অনুগ্রহ করে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন। ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ১৫:০৮, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৩:২১, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == উইলিয়াম শকলি পুনঃপর্যালোচনা == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] আমি [[উইলিয়াম শকলি]] নিবন্ধটিকে সংশোধন করেছি এবং পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ করছি। ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৪:২২, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] আমি দেখলাম আপনি নতুন কিছু পাতা পর্যালোচনা করেছেন। এই নিবন্ধটি অনুগ্রহ করে পুনঃপর্যালোচনা করুন। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৭:১৭, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::{{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৮:০৪, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:২৪, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == সীতা রাম গোয়েল == পাতা অসম্পূর্ণ [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৮:৪১, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[কেমব্রিজ গান]] == এই নিবন্ধটি গ্রহণযোগ্য নয় কেন তা জানালে ভালো হয়। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৫:৪৭, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] প্রতিযোগিতার নির্দেশনা অনুসারে <code><b>নাটক, চলচ্চিত্র, গান, বই, গল্প, কবিতা, উপন্যাস</b></code> গ্রহণযোগ্য নয়। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৮:০০, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[মুহাম্মদ মাহদি আল-জাওয়াহিরি]] == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] সূত্রের লিংক যুক্ত করেছি। এবার অনুগ্রহ করে এটিকে গ্রহণ করে নিন। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৭:১৬, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :{{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৮:০২, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ixdcpoi5ey9md2qsbon02f3roitg4gg 79978 79977 2026-04-23T08:24:43Z Anaf Ibn Shahibul 4193 /* মুহাম্মদ মাহদি আল-জাওয়াহিরি */ উত্তর 79978 wikitext text/x-wiki == উইকিউক্তিতে স্বাগত == <div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;"> সুপ্রিয় Arijit Kisku,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন! * উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন। ** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন। * উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন। * পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন। * পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন। * [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন! কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম! &mdash; [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটির পক্ষে]],<br />≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:Md.Farhan Mahmud|<b style="background-color:green;color:white">ফারহান&nbsp;</b>]][[User talk:Md.Farhan Mahmud|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ০৪:১১, ১৪ নভেম্বর ২০২২ (ইউটিসি) </div> "বিশ্ব হিন্দু পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শ্রী মিলিন্দ পরাণ্ডে আজ বলেন," এরকম একটি অপ্রয়োজনীয় অংশ আছে। এছাড়া কিছু কিছু উক্তি গুরুত্বপূর্ণ কিছু মনে হচ্ছে না। গ্রহণ করে নিচ্ছি। কিন্তু সংশোধনের অনুরোধ রইল।[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS|আলাপ]]) ১৩:৩৫, ৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ইংরেজি থেকে ডিরেক্ট অনুবাদ। অনুবাদের ক্ষেত্রে কি যাচাই-বাছাই করতে হবে? [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ১৫:৫০, ৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] হ্যাঁ, ইংরেজিতে থাকা সবকিছুই তো ১০০% সঠিক না। আমরা যদি সঠিকটা বুঝতে পারি, তাহলে সেটাই করা উচিত। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS|আলাপ]]) ০৭:০৭, ৮ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ==[[চরক]]== নিবন্ধটিতে সম্পাদনা প্রয়োজন। সব ঠিক করে আমাকে মেনশন করে জানান।[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১২:০৬, ১১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] আমার যে জিনিসগুলো চোখে পড়েছে, সেগুলি আমি সম্পাদনা করেছি। অন্য নির্দিষ্ট কিছু সম্পাদনা করার প্রয়োজন হলে অনুগ্রহ করে উল্লেখ করুন। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ২২:৫৬, ১১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == [[ভারতে বর্ণপ্রথা]] == কিছুটা যান্ত্রিকতা আছে। উক্তির কাঠামো ঠিক রেখে যান্ত্রিকতা সংশোধন করে জানান, আমি গ্রহণ করে নিব। আর হ্যাঁ, "এলস্ট, কনরাড" ব্যক্তির যেসব উক্তি আছে, সেগুলোকে [[কোনরাড এলস্ট]] পাতার সঙ্গে লিংক করুন।≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৯:৪১, ২০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] যেগুলি আমি খেয়াল করেছি সেগুলি সংশোধন করেছি। অন্যান্য যে কোনও সম্পাদনার প্রয়োজন থাকলে অনুগ্রহ করে উল্লেখ করুন। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ০৩:১৮, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ধন্যবাদ। গৃহীত হয়েছে। ব্যক্তির নাম প্রচলিত বাংলা ফরম্যাটে লেখার চেষ্টা করবেন। কোনরাড এলস্টের মতোই। আরেকটা উদাহরণ দেখলাম, [[মালহোত্রা, আর.]]। এভাবে লিংক করলে তো সঠিক লক্ষ্যে পৌঁছানো যাবে না; [[রাজিব মালহোত্রা]] এভাবে লিখবেন। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১০:২২, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :::আচ্ছা, পরবর্তীতে খেয়াল রাখবো। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ১১:০৪, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন == সুপ্রিয় {{BASEPAGENAME}}, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/ফলাফল|শীর্ষ ১০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSeDWCveBqp7ID0VVW0ipXM-WXeCqE7u-xHQCU_d7FRYo-9vAA/viewform?usp=dialog এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। - ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৮:৩১, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি) <!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:MS_Sakib/%E0%A6%97%E0%A6%A3_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE&oldid=67623-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন --> :দুঃখিত, ভুল ফর্মের লিংক দেওয়া হয়েছিল। এখন ঠিক করা হয়েছে। পুনরায় পুরণ করার অনুরোধ করছি। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৯:০২, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == [[নির্বাচন]] == পাতাটি অসম্পূর্ণ। অনুগ্রহ করে সম্পূর্ণ করুন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৯:৫৯, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৬:২৯, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ধন্যবাদ। পর্যালোচনা করা হবে। যেহেতু পাতা খুব বড় তাই কয়েকদিন সময় লাগতে পারে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৮:৪৭, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পাতা ঠিক করেছি == আলেকজান্ডার ফ্লেমিং নামক পাতাটা ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32|আলাপ]]) ১১:৫১, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২৩:২০, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পুনঃপর্যালোচনা == [[আবি আহমেদ]] এবং [[পিটার আগ্রি]] পাতা দুটি সংশোধন করা হয়েছে। পুনরায় পর্যালোচনার অনুরোধ। [[ব্যবহারকারী:Borhan|Borhan]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Borhan|আলাপ]]) ০৪:৪৪, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Borhan|Borhan]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২২:২৩, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পুনঃপর্যালোচনা == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] [[আহমেদ জেওয়াইল]] পুনরায় দেখার অনুরোধ রইল।[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০২:২৭, ৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০২:২৯, ৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == যান্ত্রিক অনুবাদ প্রসঙ্গে == আমি ডেভিড হিউম নামক উক্তির পাতাটি তৈরী করেছিলাম। কিছু জায়গায় যান্ত্রিকতার কথা বলা হয়েছে।যদি নির্দিষ্ট জায়গাগুলো চিহ্নিত করে দেন, তবে সে ক্ষেত্রে উক্তির পাতাটি সংশোধন করা সহজ হবে।<br> ধন্যবাদ।<br>[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০০:৪৫, ৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] প্রথমত, লেখার ফর্ম্যাটিংয়ে ভুল, আপনি '''বোল্ড''', ''ইটালিক'' ঠিকঠাক অনুসরণ করেননি; দ্বিতীয়ত সুত্রগুলো আসল ইংরেজির মতো করে বাংলাতে বসানোর চেষ্টা করুন; তৃতীয়ত বিভিন্ন জায়গায় বাক্যগুলো পড়তে অস্বাভাবিক লাগছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০১:৫০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::পয়েন্টগুলো ধরিয়ে দেওয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। '''তবে ২য় পয়েন্টটি বুঝতে কিছুটা সমস্যা হয়েছে - '''আপনি কি সূত্রগুলোর ক্ষেত্রে ইংরেজি হরফ ও সংখ্যাগুলো (যেমন- Book 1, Section 3, Page 45) বাংলায় (১ম খণ্ড, ৩য় অনুচ্ছেদ, পৃষ্ঠা ৪৫) রূপান্তর করতে বলছেন? নাকি বইয়ের নামের বাংলা অনুবাদের কথা বুঝিয়েছেন?<br>বিষয়টি নিশ্চিত করলে আমার জন্য পাতাটি নিখুঁতভাবে সংশোধন করা সহজ হবে। ::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০৬:৩৫, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] <code><span style="color:red;"><nowiki>** [[Amos Bronson Alcott|Amos Alcott]], ''[https://books.google.it/books?id=fzRaAAAAMAAJ Journals]'', Port Washington, NY: Kennikat Press, 1938, Volume 1, p. 115.</nowiki></code> → <code><span style="color:green;"><nowiki>** আমোস অলকট, ''[https://books.google.it/books?id=fzRaAAAAMAAJ জার্নালস]'', পোর্ট ওয়াশিংটন, এনওয়াই: কেনিকাট প্রেস, ১৯৩৮, খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ১১৫।</nowiki></code> <p> আমার মনে হয় আপনার লাইন অনেক বাদ আছে, ইংরেজির থেকে বাংলাতে অনেক লাইন কমে গেছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৯:২০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::এক দুটি লিঙ্ক বাদ পড়তে পারে তবে একটি উক্তিও বাদ পড়েনি। কয়েকবার রিভিশন দিয়েছি। লিঙ্কগুলো চেক করে জানাব। ::::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১০:৩৫, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::ইংলিশ পাতার সাথে মিলাতে গেলেই দেখা যায় বাংলা পাতায় অনেক অপ্রয়োজনীয় '''বোল্ড''' ''ইটালিক ''দেখা যাওয়ার কারনে দেখতে বেখাপ্পা লাগছে। আবার দেখেছি এটি নিয়মেও রয়েছে যে অপ্রয়োজনীয় বোল্ড ইটালিক করা যাবেনা। সেজন্যই লেখার ফর্ম্যাটিংয়ে কিছু জায়গায় ইচ্ছে করেই '''বোল্ড''' ''ইটালিক'' বাদ দিয়েছি (শুধু সুত্রগুলো ছাড়া)। আশা করি এটি মার্জনা করে নিবেন। ::'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৩:০৭, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)''' :::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] পাতার অনুচ্ছেদগুলো আবার ইংরেজির সাথে মিলিয়ে দেখুন, অসঙ্গতি আছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৪:৪০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::ইংলিশ পাতার সঙ্গে মিলিয়ে পুনরায় কিছু উক্তি ও সুত্র সংশোধন করেছি। কিছু সুত্রে থাকা অতিরিক্ত তথ্য ইংলিশ উইকিলিঙ্ক থেকে মিলিয়ে দেওয়া হয়েছে, যেহেতু ইংলিশ উইকিলিঙ্ক দেওয়া নিষেধ। গত সাত দিনের ধারাবাহিক একটানা সম্পাদনার পর আশা করছি পাতাটি যথার্থ সংশোধিত হয়েছে। গ্রহণ করার বিনীত অনুরোধ রইলো। ::::ধন্যবাদ। ::::'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৫:১৯, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)''' :::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] আর একটি সংশোধন প্রয়োজন, সম্পূর্ণ নিবন্ধে অতিরিক্ত — (em dash) ব্যবহার করেছেন, যেগুলো খুবই দৃষ্টিকটূ এবং যান্ত্রিক অনুবাদের লক্ষণ। এগুলো সংশোধন করে জানান, গ্রহণ করে নেব। ধন্যবাদ! [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২৩:৩৭, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::অবশ্যই। সংশোধন করে জানাচ্ছি। [[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ২৩:৪৩, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ::::::অপ্রাসঙ্গিক এম-ড্যাশ (—) অপসারণ করে সংশোধিত করা হয়েছে ~! ::::::'''''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০০:২৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)''''' :::::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০১:২৪, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ::::::::আমার তৈরী করা [[ফজলে রাব্বী]] পাতাটি একটু পর্যালোচনা করে দেখবেন। @[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ভাই বলেছিলেন অল্প সংশোধনের পর [[ফজলে রাব্বী]] নিবন্ধটি গ্রহন করে নিবেন। কিন্তু তিনি বোধহয় গত ৩দিন অফলাইনে থাকায় তা পর্যালোচিত হয়নি। ::::::::'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১২:৩৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)';' :::::::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ধৈর্য ধরুন। পর্যালোচকরা মানুষ। তাদের ব্যক্তিগত জীবন আছে। আবার টেকনিক্যাল ত্রুটির কারণে অনেক সময় নোটিফিকেশন ঠিকমতো আসেনা। আপনি যেদিন সংশোধন করে জানিয়েছেন সেদিন আমাকে মেনশন না করায় নোটিফিকেশন পাইনি। পরের দিন মেনশন করায় নোটিফিকেশন পাওয়ার পর আজ পর্যালোচনা করবো বলে ঠিক করেছি। প্রতিযোগিতায় সব পাতাই পর্যালোচনা হবে, তাই তাড়াহুড়ার কিছু নেই। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৪:০৪, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::::::অবশ্যই। ::::::::::গ্রহণ করে নেওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি। ::::::::::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৭:৪৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == যান্ত্রিক অনুবাদ সংশোধন == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] আমি আপনার নির্দেশনা অনুযায়ী [[জন চার্লস পোলানি]],[[লেয়োঁ ফুকো]] এবং [[এ. সি. বেনসন]] নিবন্ধগুলো সংশোধন করেছি। এখন আর যান্ত্রিকতা নেই। তাই পুনঃপর্যালোচনা করে গ্রহণ করার অনুরোধ করছি। ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৩:২৫, ১২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[আন্তর্জাতিক আইন]] == নিবন্ধটি ভুলবসত বেখেয়ালে অসম্পূর্ণ ছিল, পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ রইল। [[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tanbiruzzaman|আলাপ]]) ০৬:২৪, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১১:১৯, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] [[পরকাল সম্পর্কে কুরআন]] নিবন্ধে অতিরিক্ত এম ড্যাশ খুব দৃষ্টিকটূ লাগছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৫:৩৯, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::সংশোধন করেছি। [[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tanbiruzzaman|আলাপ]]) ১৬:২৮, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৬:৫৭, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পুনঃ পর্যালোচনা == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]], [[শাহ বানু মামলা]] পাতার সর্বশেষ সূত্র ঠিক করা হয়েছে। [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] আর [[বিহার]] দুই পাতার সূত্রে সমস্যা কোথায় আমি বুঝতে পারছি না। অনুগ্রহ করে বুঝিয়ে বললে ভালো হয়। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ০৯:৫৪, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] নিবন্ধের একটি তথ্যসূত্রও কাজ করছেনা। খুব সম্ভবত এটাই জেনারেটেড<br>[[বিহার]] নিবন্ধের সূত্রে লিংক যোগ করুন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৩:৩৯, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] আর [[বিহার]] দুটি পাতায়ই তথ্যসূত্র ঠিক করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৭:০৭, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::এবং [[স্মৃতি ইরানি]] পাতায়ও। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৭:০৮, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ৩টি নিবন্ধই {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২২:৩৫, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == দ্রৌপদী == [[দ্রৌপদী]] নিবন্ধের লেখাগুলো লিংক করা হয়নি। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৫:৪০, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] বেশিরভাগ লিংক-ই উইকিপিডিয়া লিংক। যেগুলো উইকিউক্তি লিংক সেগুলো সব যোগ করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২২:৩০, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পুনঃ পর্যালোচনা == [[জন টিন্ডাল]] পাতাটি সংশোধন করেছি। অনুগ্রহ করে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন। ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ১৫:০৮, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৩:২১, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == উইলিয়াম শকলি পুনঃপর্যালোচনা == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] আমি [[উইলিয়াম শকলি]] নিবন্ধটিকে সংশোধন করেছি এবং পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ করছি। ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৪:২২, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] আমি দেখলাম আপনি নতুন কিছু পাতা পর্যালোচনা করেছেন। এই নিবন্ধটি অনুগ্রহ করে পুনঃপর্যালোচনা করুন। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৭:১৭, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::{{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৮:০৪, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:২৪, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == সীতা রাম গোয়েল == পাতা অসম্পূর্ণ [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৮:৪১, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[কেমব্রিজ গান]] == এই নিবন্ধটি গ্রহণযোগ্য নয় কেন তা জানালে ভালো হয়। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৫:৪৭, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] প্রতিযোগিতার নির্দেশনা অনুসারে <code><b>নাটক, চলচ্চিত্র, গান, বই, গল্প, কবিতা, উপন্যাস</b></code> গ্রহণযোগ্য নয়। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৮:০০, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[মুহাম্মদ মাহদি আল-জাওয়াহিরি]] == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] সূত্রের লিংক যুক্ত করেছি। এবার অনুগ্রহ করে এটিকে গ্রহণ করে নিন। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৭:১৬, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :{{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৮:০২, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:২৪, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) q8z7lj4b7q812tott1qt2n0kyfuh9oh 79979 79978 2026-04-23T08:25:05Z Anaf Ibn Shahibul 4193 /* কেমব্রিজ গান */ উত্তর 79979 wikitext text/x-wiki == উইকিউক্তিতে স্বাগত == <div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;"> সুপ্রিয় Arijit Kisku,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন! * উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন। ** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন। * উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন। * পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন। * পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন। * [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন! কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম! &mdash; [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটির পক্ষে]],<br />≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:Md.Farhan Mahmud|<b style="background-color:green;color:white">ফারহান&nbsp;</b>]][[User talk:Md.Farhan Mahmud|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ০৪:১১, ১৪ নভেম্বর ২০২২ (ইউটিসি) </div> "বিশ্ব হিন্দু পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শ্রী মিলিন্দ পরাণ্ডে আজ বলেন," এরকম একটি অপ্রয়োজনীয় অংশ আছে। এছাড়া কিছু কিছু উক্তি গুরুত্বপূর্ণ কিছু মনে হচ্ছে না। গ্রহণ করে নিচ্ছি। কিন্তু সংশোধনের অনুরোধ রইল।[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS|আলাপ]]) ১৩:৩৫, ৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ইংরেজি থেকে ডিরেক্ট অনুবাদ। অনুবাদের ক্ষেত্রে কি যাচাই-বাছাই করতে হবে? [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ১৫:৫০, ৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] হ্যাঁ, ইংরেজিতে থাকা সবকিছুই তো ১০০% সঠিক না। আমরা যদি সঠিকটা বুঝতে পারি, তাহলে সেটাই করা উচিত। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS|আলাপ]]) ০৭:০৭, ৮ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ==[[চরক]]== নিবন্ধটিতে সম্পাদনা প্রয়োজন। সব ঠিক করে আমাকে মেনশন করে জানান।[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১২:০৬, ১১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] আমার যে জিনিসগুলো চোখে পড়েছে, সেগুলি আমি সম্পাদনা করেছি। অন্য নির্দিষ্ট কিছু সম্পাদনা করার প্রয়োজন হলে অনুগ্রহ করে উল্লেখ করুন। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ২২:৫৬, ১১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == [[ভারতে বর্ণপ্রথা]] == কিছুটা যান্ত্রিকতা আছে। উক্তির কাঠামো ঠিক রেখে যান্ত্রিকতা সংশোধন করে জানান, আমি গ্রহণ করে নিব। আর হ্যাঁ, "এলস্ট, কনরাড" ব্যক্তির যেসব উক্তি আছে, সেগুলোকে [[কোনরাড এলস্ট]] পাতার সঙ্গে লিংক করুন।≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৯:৪১, ২০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] যেগুলি আমি খেয়াল করেছি সেগুলি সংশোধন করেছি। অন্যান্য যে কোনও সম্পাদনার প্রয়োজন থাকলে অনুগ্রহ করে উল্লেখ করুন। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ০৩:১৮, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ধন্যবাদ। গৃহীত হয়েছে। ব্যক্তির নাম প্রচলিত বাংলা ফরম্যাটে লেখার চেষ্টা করবেন। কোনরাড এলস্টের মতোই। আরেকটা উদাহরণ দেখলাম, [[মালহোত্রা, আর.]]। এভাবে লিংক করলে তো সঠিক লক্ষ্যে পৌঁছানো যাবে না; [[রাজিব মালহোত্রা]] এভাবে লিখবেন। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১০:২২, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :::আচ্ছা, পরবর্তীতে খেয়াল রাখবো। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ১১:০৪, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন == সুপ্রিয় {{BASEPAGENAME}}, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/ফলাফল|শীর্ষ ১০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSeDWCveBqp7ID0VVW0ipXM-WXeCqE7u-xHQCU_d7FRYo-9vAA/viewform?usp=dialog এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। - ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৮:৩১, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি) <!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:MS_Sakib/%E0%A6%97%E0%A6%A3_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE&oldid=67623-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন --> :দুঃখিত, ভুল ফর্মের লিংক দেওয়া হয়েছিল। এখন ঠিক করা হয়েছে। পুনরায় পুরণ করার অনুরোধ করছি। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৯:০২, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == [[নির্বাচন]] == পাতাটি অসম্পূর্ণ। অনুগ্রহ করে সম্পূর্ণ করুন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৯:৫৯, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৬:২৯, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ধন্যবাদ। পর্যালোচনা করা হবে। যেহেতু পাতা খুব বড় তাই কয়েকদিন সময় লাগতে পারে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৮:৪৭, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পাতা ঠিক করেছি == আলেকজান্ডার ফ্লেমিং নামক পাতাটা ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32|আলাপ]]) ১১:৫১, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২৩:২০, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পুনঃপর্যালোচনা == [[আবি আহমেদ]] এবং [[পিটার আগ্রি]] পাতা দুটি সংশোধন করা হয়েছে। পুনরায় পর্যালোচনার অনুরোধ। [[ব্যবহারকারী:Borhan|Borhan]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Borhan|আলাপ]]) ০৪:৪৪, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Borhan|Borhan]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২২:২৩, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পুনঃপর্যালোচনা == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] [[আহমেদ জেওয়াইল]] পুনরায় দেখার অনুরোধ রইল।[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০২:২৭, ৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০২:২৯, ৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == যান্ত্রিক অনুবাদ প্রসঙ্গে == আমি ডেভিড হিউম নামক উক্তির পাতাটি তৈরী করেছিলাম। কিছু জায়গায় যান্ত্রিকতার কথা বলা হয়েছে।যদি নির্দিষ্ট জায়গাগুলো চিহ্নিত করে দেন, তবে সে ক্ষেত্রে উক্তির পাতাটি সংশোধন করা সহজ হবে।<br> ধন্যবাদ।<br>[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০০:৪৫, ৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] প্রথমত, লেখার ফর্ম্যাটিংয়ে ভুল, আপনি '''বোল্ড''', ''ইটালিক'' ঠিকঠাক অনুসরণ করেননি; দ্বিতীয়ত সুত্রগুলো আসল ইংরেজির মতো করে বাংলাতে বসানোর চেষ্টা করুন; তৃতীয়ত বিভিন্ন জায়গায় বাক্যগুলো পড়তে অস্বাভাবিক লাগছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০১:৫০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::পয়েন্টগুলো ধরিয়ে দেওয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। '''তবে ২য় পয়েন্টটি বুঝতে কিছুটা সমস্যা হয়েছে - '''আপনি কি সূত্রগুলোর ক্ষেত্রে ইংরেজি হরফ ও সংখ্যাগুলো (যেমন- Book 1, Section 3, Page 45) বাংলায় (১ম খণ্ড, ৩য় অনুচ্ছেদ, পৃষ্ঠা ৪৫) রূপান্তর করতে বলছেন? নাকি বইয়ের নামের বাংলা অনুবাদের কথা বুঝিয়েছেন?<br>বিষয়টি নিশ্চিত করলে আমার জন্য পাতাটি নিখুঁতভাবে সংশোধন করা সহজ হবে। ::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০৬:৩৫, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] <code><span style="color:red;"><nowiki>** [[Amos Bronson Alcott|Amos Alcott]], ''[https://books.google.it/books?id=fzRaAAAAMAAJ Journals]'', Port Washington, NY: Kennikat Press, 1938, Volume 1, p. 115.</nowiki></code> → <code><span style="color:green;"><nowiki>** আমোস অলকট, ''[https://books.google.it/books?id=fzRaAAAAMAAJ জার্নালস]'', পোর্ট ওয়াশিংটন, এনওয়াই: কেনিকাট প্রেস, ১৯৩৮, খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ১১৫।</nowiki></code> <p> আমার মনে হয় আপনার লাইন অনেক বাদ আছে, ইংরেজির থেকে বাংলাতে অনেক লাইন কমে গেছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৯:২০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::এক দুটি লিঙ্ক বাদ পড়তে পারে তবে একটি উক্তিও বাদ পড়েনি। কয়েকবার রিভিশন দিয়েছি। লিঙ্কগুলো চেক করে জানাব। ::::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১০:৩৫, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::ইংলিশ পাতার সাথে মিলাতে গেলেই দেখা যায় বাংলা পাতায় অনেক অপ্রয়োজনীয় '''বোল্ড''' ''ইটালিক ''দেখা যাওয়ার কারনে দেখতে বেখাপ্পা লাগছে। আবার দেখেছি এটি নিয়মেও রয়েছে যে অপ্রয়োজনীয় বোল্ড ইটালিক করা যাবেনা। সেজন্যই লেখার ফর্ম্যাটিংয়ে কিছু জায়গায় ইচ্ছে করেই '''বোল্ড''' ''ইটালিক'' বাদ দিয়েছি (শুধু সুত্রগুলো ছাড়া)। আশা করি এটি মার্জনা করে নিবেন। ::'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৩:০৭, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)''' :::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] পাতার অনুচ্ছেদগুলো আবার ইংরেজির সাথে মিলিয়ে দেখুন, অসঙ্গতি আছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৪:৪০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::ইংলিশ পাতার সঙ্গে মিলিয়ে পুনরায় কিছু উক্তি ও সুত্র সংশোধন করেছি। কিছু সুত্রে থাকা অতিরিক্ত তথ্য ইংলিশ উইকিলিঙ্ক থেকে মিলিয়ে দেওয়া হয়েছে, যেহেতু ইংলিশ উইকিলিঙ্ক দেওয়া নিষেধ। গত সাত দিনের ধারাবাহিক একটানা সম্পাদনার পর আশা করছি পাতাটি যথার্থ সংশোধিত হয়েছে। গ্রহণ করার বিনীত অনুরোধ রইলো। ::::ধন্যবাদ। ::::'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৫:১৯, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)''' :::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] আর একটি সংশোধন প্রয়োজন, সম্পূর্ণ নিবন্ধে অতিরিক্ত — (em dash) ব্যবহার করেছেন, যেগুলো খুবই দৃষ্টিকটূ এবং যান্ত্রিক অনুবাদের লক্ষণ। এগুলো সংশোধন করে জানান, গ্রহণ করে নেব। ধন্যবাদ! [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২৩:৩৭, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::অবশ্যই। সংশোধন করে জানাচ্ছি। [[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ২৩:৪৩, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ::::::অপ্রাসঙ্গিক এম-ড্যাশ (—) অপসারণ করে সংশোধিত করা হয়েছে ~! ::::::'''''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০০:২৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)''''' :::::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০১:২৪, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ::::::::আমার তৈরী করা [[ফজলে রাব্বী]] পাতাটি একটু পর্যালোচনা করে দেখবেন। @[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ভাই বলেছিলেন অল্প সংশোধনের পর [[ফজলে রাব্বী]] নিবন্ধটি গ্রহন করে নিবেন। কিন্তু তিনি বোধহয় গত ৩দিন অফলাইনে থাকায় তা পর্যালোচিত হয়নি। ::::::::'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১২:৩৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)';' :::::::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ধৈর্য ধরুন। পর্যালোচকরা মানুষ। তাদের ব্যক্তিগত জীবন আছে। আবার টেকনিক্যাল ত্রুটির কারণে অনেক সময় নোটিফিকেশন ঠিকমতো আসেনা। আপনি যেদিন সংশোধন করে জানিয়েছেন সেদিন আমাকে মেনশন না করায় নোটিফিকেশন পাইনি। পরের দিন মেনশন করায় নোটিফিকেশন পাওয়ার পর আজ পর্যালোচনা করবো বলে ঠিক করেছি। প্রতিযোগিতায় সব পাতাই পর্যালোচনা হবে, তাই তাড়াহুড়ার কিছু নেই। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৪:০৪, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::::::::অবশ্যই। ::::::::::গ্রহণ করে নেওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি। ::::::::::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৭:৪৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == যান্ত্রিক অনুবাদ সংশোধন == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] আমি আপনার নির্দেশনা অনুযায়ী [[জন চার্লস পোলানি]],[[লেয়োঁ ফুকো]] এবং [[এ. সি. বেনসন]] নিবন্ধগুলো সংশোধন করেছি। এখন আর যান্ত্রিকতা নেই। তাই পুনঃপর্যালোচনা করে গ্রহণ করার অনুরোধ করছি। ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৩:২৫, ১২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[আন্তর্জাতিক আইন]] == নিবন্ধটি ভুলবসত বেখেয়ালে অসম্পূর্ণ ছিল, পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ রইল। [[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tanbiruzzaman|আলাপ]]) ০৬:২৪, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১১:১৯, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] [[পরকাল সম্পর্কে কুরআন]] নিবন্ধে অতিরিক্ত এম ড্যাশ খুব দৃষ্টিকটূ লাগছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৫:৩৯, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::সংশোধন করেছি। [[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tanbiruzzaman|আলাপ]]) ১৬:২৮, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৬:৫৭, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পুনঃ পর্যালোচনা == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]], [[শাহ বানু মামলা]] পাতার সর্বশেষ সূত্র ঠিক করা হয়েছে। [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] আর [[বিহার]] দুই পাতার সূত্রে সমস্যা কোথায় আমি বুঝতে পারছি না। অনুগ্রহ করে বুঝিয়ে বললে ভালো হয়। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ০৯:৫৪, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] নিবন্ধের একটি তথ্যসূত্রও কাজ করছেনা। খুব সম্ভবত এটাই জেনারেটেড<br>[[বিহার]] নিবন্ধের সূত্রে লিংক যোগ করুন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৩:৩৯, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] আর [[বিহার]] দুটি পাতায়ই তথ্যসূত্র ঠিক করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৭:০৭, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::এবং [[স্মৃতি ইরানি]] পাতায়ও। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৭:০৮, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ৩টি নিবন্ধই {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২২:৩৫, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == দ্রৌপদী == [[দ্রৌপদী]] নিবন্ধের লেখাগুলো লিংক করা হয়নি। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৫:৪০, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] বেশিরভাগ লিংক-ই উইকিপিডিয়া লিংক। যেগুলো উইকিউক্তি লিংক সেগুলো সব যোগ করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২২:৩০, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পুনঃ পর্যালোচনা == [[জন টিন্ডাল]] পাতাটি সংশোধন করেছি। অনুগ্রহ করে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন। ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ১৫:০৮, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৩:২১, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == উইলিয়াম শকলি পুনঃপর্যালোচনা == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] আমি [[উইলিয়াম শকলি]] নিবন্ধটিকে সংশোধন করেছি এবং পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ করছি। ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৪:২২, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] আমি দেখলাম আপনি নতুন কিছু পাতা পর্যালোচনা করেছেন। এই নিবন্ধটি অনুগ্রহ করে পুনঃপর্যালোচনা করুন। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৭:১৭, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::{{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৮:০৪, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:২৪, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == সীতা রাম গোয়েল == পাতা অসম্পূর্ণ [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৮:৪১, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[কেমব্রিজ গান]] == এই নিবন্ধটি গ্রহণযোগ্য নয় কেন তা জানালে ভালো হয়। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৫:৪৭, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] প্রতিযোগিতার নির্দেশনা অনুসারে <code><b>নাটক, চলচ্চিত্র, গান, বই, গল্প, কবিতা, উপন্যাস</b></code> গ্রহণযোগ্য নয়। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৮:০০, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::ঠিক আছে — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:২৫, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[মুহাম্মদ মাহদি আল-জাওয়াহিরি]] == @[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] সূত্রের লিংক যুক্ত করেছি। এবার অনুগ্রহ করে এটিকে গ্রহণ করে নিন। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৭:১৬, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :{{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৮:০২, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:২৪, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) 6aoh0kx6otyiqtbid7a5hqk9brednzx ব্যবহারকারী:R1F4T/common.js 2 6985 79787 73591 2026-04-22T15:34:14Z R1F4T 1240 [[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান/bnwq-tools.js]] ইনস্টল করা হয়েছে ([[User:Rifat008/স্ক্রিপ্ট ইনস্টলার|স্ক্রিপ্ট ইনস্টলার]]) 79787 javascript text/javascript importScript('ব্যবহারকারী:Md.Farhan Mahmud/ট্যাগ সংযোজন.js'); // পিছন সংযোগ: [[ব্যবহারকারী:Md.Farhan Mahmud/ট্যাগ সংযোজন.js]] importScript('ব্যবহারকারী:R1F4T/script-installer.js'); // পিছন সংযোগ: [[ব্যবহারকারী:R1F4T/script-installer.js]] importScript('ব্যবহারকারী:Md.Farhan Mahmud/notice.js'); // পিছন সংযোগ: [[ব্যবহারকারী:Md.Farhan Mahmud/notice.js]] mw.loader.load('//bn.wikipedia.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80%3AR1F4T%2FTwinkleMobile.js&action=raw&ctype=text/javascript'); let classi= ".page-heading"; // Check if we are on the "প্রধান পাতা" page using MediaWiki config if (mw.config.get('wgTitle') === "প্রধান পাতা") { // Ensure that the .mw-welcome element exists var welcomeElement = document.querySelector(classi); if (welcomeElement) { // Set custom text for the .mw-welcome element on "প্রধান পাতা" welcomeElement.innerText ='' //"Welcome to the প্রধান পাতা!"; } } else { // Do nothing on other pages, so the default content shows } // Revert to default content (do nothing on other pages) // This ensures the importScript('ব্যবহারকারী:ARI/BNQuoteSorter.js'); // পিছন সংযোগ: [[ব্যবহারকারী:ARI/BNQuoteSorter.js]] importScript('ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান/অপসারণ প্রস্তাবনা.js'); // পিছন সংযোগ: [[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান/অপসারণ প্রস্তাবনা.js]] importScript('ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান/bnwq-tools.js'); // পিছন সংযোগ: [[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান/bnwq-tools.js]] lwhflm6zwehglua8fg1n6mbk3brt60m ভারতীয় জনতা পার্টি 0 8006 79753 50248 2026-04-22T13:53:00Z Tuhin 172 হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:হিন্দু জাতীয়তাবাদ]] যোগ 79753 wikitext text/x-wiki '''ভারতীয় জনতা পার্টি''' বা '''বিজেপি''' হলো ভারতের রাজনৈতিক ব্যবস্থার প্রধান দুটি দলের অন্যতম (অপর দলটি হলো ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস)। ২০১৪ সালের হিসেব অনুসারে, ভারতের সংসদ ও রাজ্য বিধানসভাগুলির প্রতিনিধি সংখ্যার দিক থেকে এটি ভারতের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল। প্রাথমিক সদস্যপদের দিক থেকে এটি বিশ্বের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল। বিজেপি একটি দক্ষিণপন্থী রাজনৈতিক দল। জাতীয়তাবাদী সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের সঙ্গে এই দলের আদর্শগত ও সংগঠনগত নৈকট্য রয়েছে। == উক্তি == * ভারত বলতে যা বোঝায়, বিজেপি সেই পরিসরকে ছোট করে দিয়েছে। বিজেপি প্রবলভাবে এক হিন্দু ভারত এবং শুধু হিন্দি বলা ভারতের জন্ম দিয়েছে। এটা খুবই দুঃখজনক হবে যদি বিজেপিবিরোধী কোনো শক্তি এই দেশে উঠে না আসে। ** [[অমর্ত্য সেন]]। [https://www.prothomalo.com/world/india/cgrkg7h8hb] == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের রাজনৈতিক দল]] [[বিষয়শ্রেণী:হিন্দু জাতীয়তাবাদ]] 2xlyvxuaj4n0g3mc05zivunp5pf1fh1 রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ 0 8009 79925 43697 2026-04-23T07:05:13Z Tuhin 172 হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের রাজনীতি]] যোগ 79925 wikitext text/x-wiki '''রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ''' (সংক্ষেপে: আরএসএস) ভারতের একটি হিন্দু জাতীয়তাবাদী, স্বেচ্ছা-সেবক আধাসামরিক সংগঠন। আরএসএস সংঘ পরিবার নামে হিন্দু জাতীয়তাবাদী গোষ্ঠীর একটি অংশ। ১৯২৫ সালে নাগপুর-বাসী ডাক্তার কে. বি. হেডগেওয়ার একটি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন রূপে আরএসএস প্রতিষ্ঠা করেন। উদ্দেশ্য ছিল ভারতে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিকতা ও মুসলিম বিচ্ছিন্নতাবাদের বিরোধিতা। আরএসএস-এর বর্তমান ''সরসঙ্ঘচালক'' হলেন মোহন ভাগবত। ==উক্তি == == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের রাজনীতি]] mus42cqinolvdlwo0honmy5yt0phlqa 79926 79925 2026-04-23T07:05:26Z Tuhin 172 হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:হিন্দু জাতীয়তাবাদ]] যোগ 79926 wikitext text/x-wiki '''রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ''' (সংক্ষেপে: আরএসএস) ভারতের একটি হিন্দু জাতীয়তাবাদী, স্বেচ্ছা-সেবক আধাসামরিক সংগঠন। আরএসএস সংঘ পরিবার নামে হিন্দু জাতীয়তাবাদী গোষ্ঠীর একটি অংশ। ১৯২৫ সালে নাগপুর-বাসী ডাক্তার কে. বি. হেডগেওয়ার একটি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন রূপে আরএসএস প্রতিষ্ঠা করেন। উদ্দেশ্য ছিল ভারতে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিকতা ও মুসলিম বিচ্ছিন্নতাবাদের বিরোধিতা। আরএসএস-এর বর্তমান ''সরসঙ্ঘচালক'' হলেন মোহন ভাগবত। ==উক্তি == == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের রাজনীতি]] [[বিষয়শ্রেণী:হিন্দু জাতীয়তাবাদ]] mmjk1uc40421k5t524h2tnz4tekis5d উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬ 4 11849 79788 74499 2026-04-22T15:37:54Z R1F4T 1240 79788 wikitext text/x-wiki {{প্রতিযোগিতা |নাম=উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬ |বামের_লোগো=Wikiquote-logo-bn.svg |ডানের_লোগো=Bangla WikiConnect Logo - BN.svg |ট্যাগলাইন=উক্তির ভুক্তিসংখ্যা বৃদ্ধি করে বাংলা উইকিউক্তির মানোন্নয়ন |আয়োজক=[[m:Bangla WikiConnect/bn|বাংলা উইকিসংযোগ]] |ইমেইল= connect{{@}}bnwp.org |হ্যাশট্যাগ= |শুরু=১ এপ্রিল ২০২৬ |শেষ= ৩০ এপ্রিল ২০২৬ |বিবরণ=বাংলা উইকিউক্তিতে বর্তমানে {{NUMBEROFARTICLES}}টি উক্তির পাতা রয়েছে, আরও উক্তির পাতা যোগ করে বাংলা উইকিউক্তির মান বৃদ্ধি করাই এই প্রতিযোগিতার উদ্দেশ্য। </br><u>প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার পদ্ধতি সহজ</u>: </br> #আপনার পছন্দমতো (নাটক, চলচ্চিত্র, গান, বই, গল্প, কবিতা, উপন্যাস ব্যতীত) অথবা [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/নিবন্ধ তালিকা|এখানের নিবন্ধ তালিকা]] থেকে এক বা একাধিক পাতা তৈরি করুন (নতুনরা [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/কীভাবে|টিউটোরিয়াল]] দেখে নিন) </br> #[https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026 সেগুলি এখানে জমা দিন]। কোনও সাহায্য লাগলে '''[[উইকিউক্তি আলোচনা:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬|এখানে জানান]]'''। |নীতিমালা= * নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র ব্যতীত উল্লেখযোগ্য '''যেকোনও কিছু নিয়ে''' উক্তির পাতা তৈরি করা যাবে। (এই প্রতিযোগিতার বিষয়বস্তু নির্ধারিত নয়; উল্লিখিত বিষয়াবলি ব্যতীত যেকোনো বিষয়ে নতুন ভুক্তি তৈরি বা অনুবাদ করতে পারেন। আপনি নিজ থেকে বিষয় নির্ধারণ করতে না পারলে, '''[[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/নিবন্ধ তালিকা|এখানের নিবন্ধের তালিকা]]''' থেকে কোনও ভুক্তি তৈরি করতে পারেন।) ** বাঙালি ব্যক্তি হলে আপনি তার উক্তি কপি করে তুলে দিতে পারেন (তবে এতটা বেশি করবেন না যা কপিরাইট লঙ্ঘনের পর্যায়ে চলে যায়)। ** বিদেশি ব্যক্তি হলে উক্তি অনুবাদ করে যোগ করতে হবে। তবে অনুবাদ অবশ্যই যান্ত্রিকতা ও AI-এর প্রভাবমুক্ত হতে হবে। ***অনুবাদের ক্ষেত্রে '''সম্পূর্ণ নিবন্ধ''' অনুবাদ করা বাধ্যতামূলক। ** উক্তিতে উক্তিটি কোথা থেকে পেয়েছেন সেই উৎস প্রদান করতে হবে (উদাহরণ হিসেবে [[আবুল হোসেন]], [[নোম চম্‌স্কি]] পাতায় কীভাবে উক্তি ও উক্তির উৎস দেওয়া হয়েছে তা দেখুন)। * প্রতিটি নতুন সৃষ্ট পাতায় কমপক্ষে ১৫০টি শব্দ থাকতে হবে ও '''কমপক্ষে ৩ বা ততোধিক''' উক্তি থাকতে হবে। * বিশ্বের যেকোনও স্থান থেকে অংশ নেওয়া যাবে, অংশ নিতে আপনার অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করুন (আপনার অ্যাকাউন্ট না থাকলে {{plainlink|1=https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=বিশেষ:অ্যাকাউন্ট_তৈরি&returnto=উইকিউক্তি%3Aউক্তি+প্রতিযোগিতা+২০২৬ |2=এখানে ক্লিক করে}} একটি তৈরি করে নিন)। * পর্যালোচকরাও এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবেন, তবে কখনোই নিজের তৈরি পাতা নিজে পর্যালোচনা করতে পারবেন না। * পর্যালোচনা [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পর্যালোচনা নীতিমালা|এই নীতিমালা]] অনুসারে করা হবে এবং কোনও দ্বন্দ্ব নিরসনে আয়োজকের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত। |পুরস্কার=যোগকৃত '''মোট শব্দ সংখ্যার ভিত্তিতে পুরস্কারের ক্রম''' নির্ধারণ করা হবে (উদাহরণ: "ক" ব্যক্তি ৫০০ শব্দের ২টি নিবন্ধ জমা দিয়েছেন, ঐ দুই নিবন্ধে মোট ১০০০ শব্দ রয়েছে (৫০০ + ৫০০ = ১০০০ শব্দ)। "খ" ব্যক্তি ২০০ শব্দের ৪টি নিবন্ধ জমা দিয়েছেন, ঐ চারটি নিবন্ধে মোট ৮০০ শব্দ রয়েছে (২০০ + ২০০ + ২০০ + ২০০ = ৮০০ শব্দ)। তাহলে "ক" ব্যক্তি প্রথম হবেন, "খ" ব্যক্তি দ্বিতীয় হবেন (এভাবে ১০ম পর্যন্ত)। এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে কে কতটি পাতা সৃষ্টি করেছে তা {{plainlink|1=https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026|2=এখানে দেখুন}} ও একে অপরকে ছাড়িয়ে যেতে প্রতিযোগিতা করুন। * '''১ম পুরস্কার : ৬০০০ টাকা''' সমমূল্যের গিফট ভাউচার। * '''২য় পুরস্কার : ৪০০০ টাকা''' সমমূল্যের গিফট ভাউচার। * '''৩য় পুরস্কার : ৩০০০ টাকা''' সমমূল্যের গিফট ভাউচার। * ৪র্থ পুরস্কার : ২৫০০ টাকা সমমূল্যের গিফট ভাউচার। * ৫ম পুরস্কার : ২০০০ টাকা সমমূল্যের গিফট ভাউচার। * ৬ষ্ঠ–১০ম পুরস্কার : ৫০০ টাকা সমমূল্যের গিফট ভাউচার। * শীর্ষ ১০ জনকে মুদ্রিত সনদপত্র এবং ন্যূনতম ১টি পাতা গৃহীত হলে অনলাইন সনদ দেওয়া হবে। : ''উপরে বাংলাদেশী টাকার হিসাব অনুসারে দেওয়া হয়েছে। আপনি ভারতীয় হলে তা আপনার স্থানীয় মুদ্রা অনুযায়ী সামঞ্জস্য করে দেওয়া হবে।'' |ক্যাপশন=উক্তির ভুক্তি বৃদ্ধি করে উইকিউক্তির মান বৃদ্ধি করুন |জমাদান= https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026 |অংশগ্রহণ= নিচের বোতামে ক্লিক করে প্রতিযোগিতায় আপনার নাম যোগ করুন (''লক্ষ্য করুন, নাম যোগ করা মানে এই নয় যে আপনি নিশ্চিত পুরস্কার পাবেন। পুরস্কার পেতে আপনাকে অবশ্যই আপনার পছন্দমতো অথবা '''[[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/নিবন্ধ তালিকা|এখানের নিবন্ধের তালিকা]]''' থেকে একাধিক ভুক্তি তৈরি করতে হবে ও জমা দিতে হবে'')। <inputbox> type = comment default = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী page = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী preload = টেমপ্লেট:আমি editintro = টেমপ্লেট:সম্মিলন/অংশগ্রহণ/সম্পাদনা-ভূমিকা nosummary=true hidden = yes buttonlabel = নাম যোগ করতে এখানে ক্লিক করুন minor = true break = no </inputbox> |পর্যালোচক= {{Div col|colwidth=30em|rules=yes|small=yes}} * [[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] (আয়োজক) * [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] * [[ব্যবহারকারী:MdsShakil|MdsShakil]] * [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] * [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] * [[ব্যবহারকারী:Tahmid|Tahmid]] * [[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] {{Div col end}} |আরও=;ইন্টারনেট সহায়তা প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে আপনার যদি ইন্টারনেট সহায়তার প্রয়োজন হয়, দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSeNix2CerC-Iu9o3DgdWBT3VNwVWvyWwR7RrtV_rHyGDTfo9w/viewform?usp=dialog এই গুগল ফর্মটি]''' পূরণ করুন। কিছু কথা: * আবেদনের পূর্বে অন্তত ৩টি ভুক্তি জমা দিতে হবে। * কাকে ইন্টারনেট সহায়তা দেওয়া হচ্ছে, তা প্রকাশ করা হবে না। সুতরাং আবেদন করতে সংকোচবোধ করবেন না। * ইন্টারনেট সহায়তা দেওয়ার ব্যাপারে আয়োজকদলের সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। }} {{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা/নিচ}} {{উইকিউক্তি প্রতিযোগিতা}} [[বিষয়শ্রেণী:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬]] n0isslmxrw8vos9ao0181n8w3mru36q উইকিউক্তি আলোচনা:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬ 5 11851 79785 79692 2026-04-22T15:31:01Z ~2026-24731-84 5520 /* আমি ভাংলা ইংরেজি সিখবো */ নতুন অনুচ্ছেদ 79785 wikitext text/x-wiki {{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=500x}} {{আলাপ পাতা}} == "Misattributed" শিরোনাম == "Misattributed" শিরোনামের অংশগুলোও কি অনুবাদ করতে হবে? উদাহরণস্বরূপ: [[:en:Ibrahim Traoré]], এইখানে "Misattributed" শিরোনামের একটা সেকশন আছে, অর্থাৎ সেখানের উক্তিগুলো সম্পূর্ণরূপে সঠিক নাও হতে পারে। এক্ষেত্রে কি এই সেকশনও অনুবাদ করবো? নাকি উপেক্ষা করবো?? ধন্যবাদ ~ [[ব্যবহারকারী:Raihanur|Raihanur]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Raihanur|আলাপ]]) ২১:২১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :এইখানে উক্তিগুলো মিথ্যাও হতে পারে। সঠিক প্রমাণ নেই এখনো। আপনি আপনার নজরতালিকায় ঐ পাতাটি রেখে দিতে পারেন এবং পরবর্তীতে অনুবাদ করে দিতে পারেন যদি সত্যতা যাচাই হয়। [[ব্যবহারকারী:JIBON|মানিক]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:JIBON|আলাপ]]) ১৫:৫২, ৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == বাংলা উক্তিতে ইংরেজি শব্দ == বাংলা উক্তির মধ্যে ইংরেজি হরফে ইংরেজি শব্দ থাকলে কী করব? অনুবাদ করব, নাকি প্রতিবর্ণীকরণ করব, নাকি ঐ রকমই রেখে দেব? [[ব্যবহারকারী আলাপ:Nil Nandy|নীল নন্দী]] ১২:৫৯, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == Ict == Ict [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-24477-23|&#126;2026-24477-23]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-24477-23|আলাপ]]) ১৩:৪৪, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == Deposite korsi tk ashe nai == 500 [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-24512-77|&#126;2026-24512-77]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-24512-77|আলাপ]]) ২১:২৮, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == mim == আমি কাজ করতে চাই আমার টাকা লাগে টাকা [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-24621-36|&#126;2026-24621-36]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-24621-36|আলাপ]]) ০৮:২৮, ২২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) মোঃ জাহিদুল ইসলাম @[[মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম ]] [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-24531-46|&#126;2026-24531-46]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-24531-46|আলাপ]]) ১০:৩৩, ২২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == "জয় বাংলা" স্লোগান বাঙালির প্রাণ ভোমরা == জয় বাংলা” ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী যোদ্ধাদের স্লোগান ছিল। মুক্তিযোদ্ধাদের সাহস যোগাতো এই স্লোগান। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় এই স্লোগান ছিল বাঙালির সাহস, ঐক্য ও স্বাধীনতার আহ্বান। শরীর কে চাঙা করতে, শরীরে শক্তি যোগাতে এই “জয় বাংলা” মন্ত্র শক্তির মত কাজ করতো। এই স্লোগান প্রেরণা জোগায় দেশপ্রেমের এবং এটি হৃদয়ের গভীর থেকে উঠে আসে, প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে ছড়িয়ে পড়ে জাতীয়তার প্রতীক বহন করে। “জয় বাংলা” শুধু মাত্র দুটো শব্দ না বাংলার বাঙালির “প্রাণ ভোমরা” এই স্লোগান। কিন্তু আওয়ামী লীগ এই স্লোগান কে কলুষিত করে ফেলেছে। কাজী নজরুল ইসলাম এর ভাঙার গান কাব্য গ্রন্থে পূর্ণ—অভিনন্দন কবিতায় ব্যবহার করেন এই জয় বাংলা শব্দ দুটো। তার পর থেকে শব্দ দুটো আর শব্দ থাকেনি প্রেরণার স্লোগান হয়ে উঠে। মুক্তিযোদ্ধারা কোন এলাকায় যুদ্ধে জয় পেলে তারা এই জয় বাংলা স্লোগান বিজয় উৎযাপন করতো। ১৯৭০ সালে ১৯ জানুয়ারি পল্টনের এক জনসভায় ছাত্রনেতা “সিরাজুল আলম খান” সর্বপ্রথম এই জয়বাংলা শব্দ দুটো কোন রাজনৈতিক বক্তৃতায় ব্যবহার করেন। তার আগে ১৯৬৯ সালে ১৫ই সেপ্টেম্বর মধুর ক্যান্টিনে তৎকালীন সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ এর আয়োজিত এক সভায় রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র আফতাব আহমেদ ও চিশতি হেলালুর রহমান এই জয় বাংলা স্লোগান উচ্চারণ করেন। ১৯৭১ সালে ৭ই মার্চ এর ভাষণে শেখ মুজিবুর রহমান “জয় বাংলা” স্লোগান ব্যবহার করে “জয় বাংলা জয় পাকিস্তান” বলে ভাষণ শেষ করেন। তারপর ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিযোদ্ধারা ব্যবহার করে। ১৯৭১ সালের ২৭ শে মার্চ অস্থায়ী কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র থেকে যে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন তার শেষেও তিনি জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে ঘোষণাপত্র শেষ করেন। তারপর থেকে সব স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে জয় বাংলা স্লোগান ব্যবহার করা শুরু করেন। স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র স্বাক্ষর সঙ্গীত হিসাবে “জয় বাংলা, বাংলার জয়”। তার পর থেকে এই জয় বাংলা স্লোগান জনপ্রিয়তার তুঙ্গে উঠে আসে। মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তি যোদ্ধারা বিভিন্ন অঞ্চল জয়ের পর বিজয় উল্লাস করার জন্য এই জয় বাংলা স্লোগান দিতো। ২০২০ সালের ১০ই মার্চ হাইকোর্টের দেওয়া রায়, জাতীয় স্লোগান হিসাবে ব্যবহার করার জন্য রায় প্রদান করেন। কিন্তু এই “জয় বাংলা” স্লোগান যখন থেকে বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংগঠন আওয়ামী লীগ তাদের দলীও কার্যক্রম এর সাথে ব্যবহার করা শুরু করে তারপর থেকে এই স্লোগান আর জাতীয় থাকে না। এটা তখন শুধু মাত্র রাজনৈতিক সংগঠন আওয়ামী লীগ এর স্লোগান হয়ে যায়। জয় বাংলা স্লোগান দেশের আপামর জনগণের ইমোশন, প্রেরণা, শক্তি, দেশপ্রেম জাগানো মুলমন্ত্র ছিল। [[ব্যবহারকারী:ফারুক ফরায়েজি|ফারুক ফরায়েজি]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ফারুক ফরায়েজি|আলাপ]]) ১১:১০, ২২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == আমি ভাংলা ইংরেজি সিখবো == আমি বাংলা ইংরেজি সিখবো [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-24731-84|&#126;2026-24731-84]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-24731-84|আলাপ]]) ১৫:৩১, ২২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) b9zgsojkj1m2wg1cnnuom6vq95jvj56 79808 79785 2026-04-22T17:30:43Z ~2026-24824-13 5528 5 79808 wikitext text/x-wiki {{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=500x}} {{আলাপ পাতা}} == "Misattributed" শিরোনাম == "Misattributed" শিরোনামের অংশগুলোও কি অনুবাদ করতে হবে? উদাহরণস্বরূপ: [[:en:Ibrahim Traoré]], এইখানে "Misattributed" শিরোনামের একটা সেকশন আছে, অর্থাৎ সেখানের উক্তিগুলো সম্পূর্ণরূপে সঠিক নাও হতে পারে। এক্ষেত্রে কি এই সেকশনও অনুবাদ করবো? নাকি উপেক্ষা করবো?? ধন্যবাদ ~ [[ব্যবহারকারী:Raihanur|Raihanur]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Raihanur|আলাপ]]) ২১:২১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :এইখানে উক্তিগুলো মিথ্যাও হতে পারে। সঠিক প্রমাণ নেই এখনো। আপনি আপনার নজরতালিকায় ঐ পাতাটি রেখে দিতে পারেন এবং পরবর্তীতে অনুবাদ করে দিতে পারেন যদি সত্যতা যাচাই হয়। [[ব্যবহারকারী:JIBON|মানিক]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:JIBON|আলাপ]]) ১৫:৫২, ৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == বাংলা উক্তিতে ইংরেজি শব্দ == বাংলা উক্তির মধ্যে ইংরেজি হরফে ইংরেজি শব্দ থাকলে কী করব? অনুবাদ করব, নাকি প্রতিবর্ণীকরণ করব, নাকি ঐ রকমই রেখে দেব? [[ব্যবহারকারী আলাপ:Nil Nandy|নীল নন্দী]] ১২:৫৯, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == Ict == Ict [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-24477-23|&#126;2026-24477-23]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-24477-23|আলাপ]]) ১৩:৪৪, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == Deposite korsi tk ashe nai == 500 [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-24512-77|&#126;2026-24512-77]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-24512-77|আলাপ]]) ২১:২৮, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == mim == আমি কাজ করতে চাই আমার টাকা লাগে টাকা [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-24621-36|&#126;2026-24621-36]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-24621-36|আলাপ]]) ০৮:২৮, ২২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) মোঃ জাহিদুল ইসলাম @[[মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম ]] [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-24531-46|&#126;2026-24531-46]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-24531-46|আলাপ]]) ১০:৩৩, ২২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == "জয় বাংলা" স্লোগান বাঙালির প্রাণ ভোমরা == জয় বাংলা” ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী যোদ্ধাদের স্লোগান ছিল। মুক্তিযোদ্ধাদের সাহস যোগাতো এই স্লোগান। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় এই স্লোগান ছিল বাঙালির সাহস, ঐক্য ও স্বাধীনতার আহ্বান। শরীর কে চাঙা করতে, শরীরে শক্তি যোগাতে এই “জয় বাংলা” মন্ত্র শক্তির মত কাজ করতো। এই স্লোগান প্রেরণা জোগায় দেশপ্রেমের এবং এটি হৃদয়ের গভীর থেকে উঠে আসে, প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে ছড়িয়ে পড়ে জাতীয়তার প্রতীক বহন করে। “জয় বাংলা” শুধু মাত্র দুটো শব্দ না বাংলার বাঙালির “প্রাণ ভোমরা” এই স্লোগান। কিন্তু আওয়ামী লীগ এই স্লোগান কে কলুষিত করে ফেলেছে। কাজী নজরুল ইসলাম এর ভাঙার গান কাব্য গ্রন্থে পূর্ণ—অভিনন্দন কবিতায় ব্যবহার করেন এই জয় বাংলা শব্দ দুটো। তার পর থেকে শব্দ দুটো আর শব্দ থাকেনি প্রেরণার স্লোগান হয়ে উঠে। মুক্তিযোদ্ধারা কোন এলাকায় যুদ্ধে জয় পেলে তারা এই জয় বাংলা স্লোগান বিজয় উৎযাপন করতো। ১৯৭০ সালে ১৯ জানুয়ারি পল্টনের এক জনসভায় ছাত্রনেতা “সিরাজুল আলম খান” সর্বপ্রথম এই জয়বাংলা শব্দ দুটো কোন রাজনৈতিক বক্তৃতায় ব্যবহার করেন। তার আগে ১৯৬৯ সালে ১৫ই সেপ্টেম্বর মধুর ক্যান্টিনে তৎকালীন সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ এর আয়োজিত এক সভায় রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র আফতাব আহমেদ ও চিশতি হেলালুর রহমান এই জয় বাংলা স্লোগান উচ্চারণ করেন। ১৯৭১ সালে ৭ই মার্চ এর ভাষণে শেখ মুজিবুর রহমান “জয় বাংলা” স্লোগান ব্যবহার করে “জয় বাংলা জয় পাকিস্তান” বলে ভাষণ শেষ করেন। তারপর ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিযোদ্ধারা ব্যবহার করে। ১৯৭১ সালের ২৭ শে মার্চ অস্থায়ী কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র থেকে যে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন তার শেষেও তিনি জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে ঘোষণাপত্র শেষ করেন। তারপর থেকে সব স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে জয় বাংলা স্লোগান ব্যবহার করা শুরু করেন। স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র স্বাক্ষর সঙ্গীত হিসাবে “জয় বাংলা, বাংলার জয়”। তার পর থেকে এই জয় বাংলা স্লোগান জনপ্রিয়তার তুঙ্গে উঠে আসে। মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তি যোদ্ধারা বিভিন্ন অঞ্চল জয়ের পর বিজয় উল্লাস করার জন্য এই জয় বাংলা স্লোগান দিতো। ২০২০ সালের ১০ই মার্চ হাইকোর্টের দেওয়া রায়, জাতীয় স্লোগান হিসাবে ব্যবহার করার জন্য রায় প্রদান করেন। কিন্তু এই “জয় বাংলা” স্লোগান যখন থেকে বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংগঠন আওয়ামী লীগ তাদের দলীও কার্যক্রম এর সাথে ব্যবহার করা শুরু করে তারপর থেকে এই স্লোগান আর জাতীয় থাকে না। এটা তখন শুধু মাত্র রাজনৈতিক সংগঠন আওয়ামী লীগ এর স্লোগান হয়ে যায়। জয় বাংলা স্লোগান দেশের আপামর জনগণের ইমোশন, প্রেরণা, শক্তি, দেশপ্রেম জাগানো মুলমন্ত্র ছিল। [[ব্যবহারকারী:ফারুক ফরায়েজি|ফারুক ফরায়েজি]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ফারুক ফরায়েজি|আলাপ]]) ১১:১০, ২২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == আমি ভাংলা ইংরেজি সিখবো == আমি বাংলা ইংরেজি সিখবো [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-24731-84|&#126;2026-24731-84]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-24731-84|আলাপ]]) ১৫:৩১, ২২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) Atiur Rahaman Balancha chakulia uttr dinajpur [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-24824-13|&#126;2026-24824-13]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-24824-13|আলাপ]]) ১৭:৩০, ২২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) polu477v8xjt78qp6dnihmxgr24eoxe 79833 79808 2026-04-22T22:01:38Z ~2026-24732-84 5530 /* "জয় বাংলা" স্লোগান বাঙালির প্রাণ ভোমরা */ উত্তর 79833 wikitext text/x-wiki {{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=500x}} {{আলাপ পাতা}} == "Misattributed" শিরোনাম == "Misattributed" শিরোনামের অংশগুলোও কি অনুবাদ করতে হবে? উদাহরণস্বরূপ: [[:en:Ibrahim Traoré]], এইখানে "Misattributed" শিরোনামের একটা সেকশন আছে, অর্থাৎ সেখানের উক্তিগুলো সম্পূর্ণরূপে সঠিক নাও হতে পারে। এক্ষেত্রে কি এই সেকশনও অনুবাদ করবো? নাকি উপেক্ষা করবো?? ধন্যবাদ ~ [[ব্যবহারকারী:Raihanur|Raihanur]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Raihanur|আলাপ]]) ২১:২১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :এইখানে উক্তিগুলো মিথ্যাও হতে পারে। সঠিক প্রমাণ নেই এখনো। আপনি আপনার নজরতালিকায় ঐ পাতাটি রেখে দিতে পারেন এবং পরবর্তীতে অনুবাদ করে দিতে পারেন যদি সত্যতা যাচাই হয়। [[ব্যবহারকারী:JIBON|মানিক]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:JIBON|আলাপ]]) ১৫:৫২, ৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == বাংলা উক্তিতে ইংরেজি শব্দ == বাংলা উক্তির মধ্যে ইংরেজি হরফে ইংরেজি শব্দ থাকলে কী করব? অনুবাদ করব, নাকি প্রতিবর্ণীকরণ করব, নাকি ঐ রকমই রেখে দেব? [[ব্যবহারকারী আলাপ:Nil Nandy|নীল নন্দী]] ১২:৫৯, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == Ict == Ict [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-24477-23|&#126;2026-24477-23]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-24477-23|আলাপ]]) ১৩:৪৪, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == Deposite korsi tk ashe nai == 500 [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-24512-77|&#126;2026-24512-77]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-24512-77|আলাপ]]) ২১:২৮, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == mim == আমি কাজ করতে চাই আমার টাকা লাগে টাকা [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-24621-36|&#126;2026-24621-36]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-24621-36|আলাপ]]) ০৮:২৮, ২২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) মোঃ জাহিদুল ইসলাম @[[মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম ]] [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-24531-46|&#126;2026-24531-46]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-24531-46|আলাপ]]) ১০:৩৩, ২২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == "জয় বাংলা" স্লোগান বাঙালির প্রাণ ভোমরা == জয় বাংলা” ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী যোদ্ধাদের স্লোগান ছিল। মুক্তিযোদ্ধাদের সাহস যোগাতো এই স্লোগান। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় এই স্লোগান ছিল বাঙালির সাহস, ঐক্য ও স্বাধীনতার আহ্বান। শরীর কে চাঙা করতে, শরীরে শক্তি যোগাতে এই “জয় বাংলা” মন্ত্র শক্তির মত কাজ করতো। এই স্লোগান প্রেরণা জোগায় দেশপ্রেমের এবং এটি হৃদয়ের গভীর থেকে উঠে আসে, প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে ছড়িয়ে পড়ে জাতীয়তার প্রতীক বহন করে। “জয় বাংলা” শুধু মাত্র দুটো শব্দ না বাংলার বাঙালির “প্রাণ ভোমরা” এই স্লোগান। কিন্তু আওয়ামী লীগ এই স্লোগান কে কলুষিত করে ফেলেছে। কাজী নজরুল ইসলাম এর ভাঙার গান কাব্য গ্রন্থে পূর্ণ—অভিনন্দন কবিতায় ব্যবহার করেন এই জয় বাংলা শব্দ দুটো। তার পর থেকে শব্দ দুটো আর শব্দ থাকেনি প্রেরণার স্লোগান হয়ে উঠে। মুক্তিযোদ্ধারা কোন এলাকায় যুদ্ধে জয় পেলে তারা এই জয় বাংলা স্লোগান বিজয় উৎযাপন করতো। ১৯৭০ সালে ১৯ জানুয়ারি পল্টনের এক জনসভায় ছাত্রনেতা “সিরাজুল আলম খান” সর্বপ্রথম এই জয়বাংলা শব্দ দুটো কোন রাজনৈতিক বক্তৃতায় ব্যবহার করেন। তার আগে ১৯৬৯ সালে ১৫ই সেপ্টেম্বর মধুর ক্যান্টিনে তৎকালীন সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ এর আয়োজিত এক সভায় রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র আফতাব আহমেদ ও চিশতি হেলালুর রহমান এই জয় বাংলা স্লোগান উচ্চারণ করেন। ১৯৭১ সালে ৭ই মার্চ এর ভাষণে শেখ মুজিবুর রহমান “জয় বাংলা” স্লোগান ব্যবহার করে “জয় বাংলা জয় পাকিস্তান” বলে ভাষণ শেষ করেন। তারপর ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিযোদ্ধারা ব্যবহার করে। ১৯৭১ সালের ২৭ শে মার্চ অস্থায়ী কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র থেকে যে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন তার শেষেও তিনি জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে ঘোষণাপত্র শেষ করেন। তারপর থেকে সব স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে জয় বাংলা স্লোগান ব্যবহার করা শুরু করেন। স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র স্বাক্ষর সঙ্গীত হিসাবে “জয় বাংলা, বাংলার জয়”। তার পর থেকে এই জয় বাংলা স্লোগান জনপ্রিয়তার তুঙ্গে উঠে আসে। মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তি যোদ্ধারা বিভিন্ন অঞ্চল জয়ের পর বিজয় উল্লাস করার জন্য এই জয় বাংলা স্লোগান দিতো। ২০২০ সালের ১০ই মার্চ হাইকোর্টের দেওয়া রায়, জাতীয় স্লোগান হিসাবে ব্যবহার করার জন্য রায় প্রদান করেন। কিন্তু এই “জয় বাংলা” স্লোগান যখন থেকে বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংগঠন আওয়ামী লীগ তাদের দলীও কার্যক্রম এর সাথে ব্যবহার করা শুরু করে তারপর থেকে এই স্লোগান আর জাতীয় থাকে না। এটা তখন শুধু মাত্র রাজনৈতিক সংগঠন আওয়ামী লীগ এর স্লোগান হয়ে যায়। জয় বাংলা স্লোগান দেশের আপামর জনগণের ইমোশন, প্রেরণা, শক্তি, দেশপ্রেম জাগানো মুলমন্ত্র ছিল। [[ব্যবহারকারী:ফারুক ফরায়েজি|ফারুক ফরায়েজি]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ফারুক ফরায়েজি|আলাপ]]) ১১:১০, ২২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :বালের স্লোগান [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-24732-84|&#126;2026-24732-84]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-24732-84|আলাপ]]) ২২:০১, ২২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == আমি ভাংলা ইংরেজি সিখবো == আমি বাংলা ইংরেজি সিখবো [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-24731-84|&#126;2026-24731-84]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-24731-84|আলাপ]]) ১৫:৩১, ২২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) Atiur Rahaman Balancha chakulia uttr dinajpur [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-24824-13|&#126;2026-24824-13]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-24824-13|আলাপ]]) ১৭:৩০, ২২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) bgo3o292yxsod5ka4mihtwzw07dcx7n 79838 79833 2026-04-22T22:25:49Z ARI 356 পরিষ্কার 79838 wikitext text/x-wiki {{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=500x}} {{আলাপ পাতা}} == "Misattributed" শিরোনাম == "Misattributed" শিরোনামের অংশগুলোও কি অনুবাদ করতে হবে? উদাহরণস্বরূপ: [[:en:Ibrahim Traoré]], এইখানে "Misattributed" শিরোনামের একটা সেকশন আছে, অর্থাৎ সেখানের উক্তিগুলো সম্পূর্ণরূপে সঠিক নাও হতে পারে। এক্ষেত্রে কি এই সেকশনও অনুবাদ করবো? নাকি উপেক্ষা করবো?? ধন্যবাদ ~ [[ব্যবহারকারী:Raihanur|Raihanur]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Raihanur|আলাপ]]) ২১:২১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :এইখানে উক্তিগুলো মিথ্যাও হতে পারে। সঠিক প্রমাণ নেই এখনো। আপনি আপনার নজরতালিকায় ঐ পাতাটি রেখে দিতে পারেন এবং পরবর্তীতে অনুবাদ করে দিতে পারেন যদি সত্যতা যাচাই হয়। [[ব্যবহারকারী:JIBON|মানিক]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:JIBON|আলাপ]]) ১৫:৫২, ৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == বাংলা উক্তিতে ইংরেজি শব্দ == বাংলা উক্তির মধ্যে ইংরেজি হরফে ইংরেজি শব্দ থাকলে কী করব? অনুবাদ করব, নাকি প্রতিবর্ণীকরণ করব, নাকি ঐ রকমই রেখে দেব? [[ব্যবহারকারী আলাপ:Nil Nandy|নীল নন্দী]] ১২:৫৯, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) 8d7l2hb5uaz1q8xjykcaqh7hj4paej3 79839 79838 2026-04-22T22:28:48Z ARI 356 /* বাংলা উক্তিতে ইংরেজি শব্দ */ উত্তর 79839 wikitext text/x-wiki {{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=500x}} {{আলাপ পাতা}} == "Misattributed" শিরোনাম == "Misattributed" শিরোনামের অংশগুলোও কি অনুবাদ করতে হবে? উদাহরণস্বরূপ: [[:en:Ibrahim Traoré]], এইখানে "Misattributed" শিরোনামের একটা সেকশন আছে, অর্থাৎ সেখানের উক্তিগুলো সম্পূর্ণরূপে সঠিক নাও হতে পারে। এক্ষেত্রে কি এই সেকশনও অনুবাদ করবো? নাকি উপেক্ষা করবো?? ধন্যবাদ ~ [[ব্যবহারকারী:Raihanur|Raihanur]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Raihanur|আলাপ]]) ২১:২১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :এইখানে উক্তিগুলো মিথ্যাও হতে পারে। সঠিক প্রমাণ নেই এখনো। আপনি আপনার নজরতালিকায় ঐ পাতাটি রেখে দিতে পারেন এবং পরবর্তীতে অনুবাদ করে দিতে পারেন যদি সত্যতা যাচাই হয়। [[ব্যবহারকারী:JIBON|মানিক]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:JIBON|আলাপ]]) ১৫:৫২, ৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == বাংলা উক্তিতে ইংরেজি শব্দ == বাংলা উক্তির মধ্যে ইংরেজি হরফে ইংরেজি শব্দ থাকলে কী করব? অনুবাদ করব, নাকি প্রতিবর্ণীকরণ করব, নাকি ঐ রকমই রেখে দেব? [[ব্যবহারকারী আলাপ:Nil Nandy|নীল নন্দী]] ১২:৫৯, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Nil Nandy|Nil Nandy]] প্রতিবর্ণীকরণ করুন। যদি একটি সম্পূর্ণ বাক্য থাকে, যেমন আছে তেমন রেখে দিন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ২২:২৮, ২২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) g3qiry2zvjci0yoy40jgptvukosz6zm 79842 79839 2026-04-22T22:40:27Z ~2026-24747-47 5531 /* নৈতিকতা */ নতুন অনুচ্ছেদ 79842 wikitext text/x-wiki {{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=500x}} {{আলাপ পাতা}} == "Misattributed" শিরোনাম == "Misattributed" শিরোনামের অংশগুলোও কি অনুবাদ করতে হবে? উদাহরণস্বরূপ: [[:en:Ibrahim Traoré]], এইখানে "Misattributed" শিরোনামের একটা সেকশন আছে, অর্থাৎ সেখানের উক্তিগুলো সম্পূর্ণরূপে সঠিক নাও হতে পারে। এক্ষেত্রে কি এই সেকশনও অনুবাদ করবো? নাকি উপেক্ষা করবো?? ধন্যবাদ ~ [[ব্যবহারকারী:Raihanur|Raihanur]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Raihanur|আলাপ]]) ২১:২১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :এইখানে উক্তিগুলো মিথ্যাও হতে পারে। সঠিক প্রমাণ নেই এখনো। আপনি আপনার নজরতালিকায় ঐ পাতাটি রেখে দিতে পারেন এবং পরবর্তীতে অনুবাদ করে দিতে পারেন যদি সত্যতা যাচাই হয়। [[ব্যবহারকারী:JIBON|মানিক]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:JIBON|আলাপ]]) ১৫:৫২, ৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == বাংলা উক্তিতে ইংরেজি শব্দ == বাংলা উক্তির মধ্যে ইংরেজি হরফে ইংরেজি শব্দ থাকলে কী করব? অনুবাদ করব, নাকি প্রতিবর্ণীকরণ করব, নাকি ঐ রকমই রেখে দেব? [[ব্যবহারকারী আলাপ:Nil Nandy|নীল নন্দী]] ১২:৫৯, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Nil Nandy|Nil Nandy]] প্রতিবর্ণীকরণ করুন। যদি একটি সম্পূর্ণ বাক্য থাকে, যেমন আছে তেমন রেখে দিন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ২২:২৮, ২২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == নৈতিকতা == আসলে নৈতিকতা কোনো কঠিন বইয়ের সংজ্ঞা নয়, এটা হলো আমাদের ভেতরে থাকা সেই কম্পাস যা আমাদের বলে দেয় কোনটা ঠিক আর কোনটা ভুল। যখন অন্ধকার ঘরে কেউ দেখছে না, তখন আপনি কেমন আচরণ করছেন—সেটাই আপনার আসল নৈতিকতা। সহজ করে বললে, নৈতিকতা হলো সেই বোধ যেটা আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, শুধু নিজের ভালোটা দেখলেই হয় না, আমার কাজের ফলে অন্য কারো ক্ষতি হচ্ছে কি না সেটাও দেখা জরুরি। এটা অনেকটা সমাজের অলিখিত নিয়মের মতো, যা আমাদের একে অপরের ওপর আস্থা রাখতে শেখায়। আমি সবসময় একটা কথা বিশ্বাস করি—আইন আমাদের বাধ্য করে, কিন্তু নৈতিকতা আমাদের মানুষ হিসেবে গড়ে তোলে। আইন হয়তো আপনাকে চুরি করতে বাধা দেবে শাস্তির ভয়ে, কিন্তু নৈতিকতা আপনাকে চুরি করতে বাধা দেবে কারণ আপনার বিবেক বলবে এটা অন্যায়। দিনশেষে, নৈতিকতা মানে হলো আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের চোখের দিকে তাকাতে পারা এবং শান্তিতে ঘুমাতে যাওয়া। এটা কোনো স্থির বিষয় নয়, মানুষের অভিজ্ঞতা আর সময়ের সাথে সাথে এই বোধটা আরও পরিপক্ক হয়। আপনার কি মনে হয় না যে, দিন দিন আমাদের চারপাশের এই সহজ বোধটুকু কমে যাচ্ছে? [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-24747-47|&#126;2026-24747-47]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-24747-47|আলাপ]]) ২২:৪০, ২২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) gl0wevx4d7hj0b48zmpt5jbin7l2xou 79857 79842 2026-04-23T00:09:29Z ~2026-24822-42 5532 /* MD Arafat */ নতুন অনুচ্ছেদ 79857 wikitext text/x-wiki {{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=500x}} {{আলাপ পাতা}} == "Misattributed" শিরোনাম == "Misattributed" শিরোনামের অংশগুলোও কি অনুবাদ করতে হবে? উদাহরণস্বরূপ: [[:en:Ibrahim Traoré]], এইখানে "Misattributed" শিরোনামের একটা সেকশন আছে, অর্থাৎ সেখানের উক্তিগুলো সম্পূর্ণরূপে সঠিক নাও হতে পারে। এক্ষেত্রে কি এই সেকশনও অনুবাদ করবো? নাকি উপেক্ষা করবো?? ধন্যবাদ ~ [[ব্যবহারকারী:Raihanur|Raihanur]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Raihanur|আলাপ]]) ২১:২১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :এইখানে উক্তিগুলো মিথ্যাও হতে পারে। সঠিক প্রমাণ নেই এখনো। আপনি আপনার নজরতালিকায় ঐ পাতাটি রেখে দিতে পারেন এবং পরবর্তীতে অনুবাদ করে দিতে পারেন যদি সত্যতা যাচাই হয়। [[ব্যবহারকারী:JIBON|মানিক]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:JIBON|আলাপ]]) ১৫:৫২, ৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == বাংলা উক্তিতে ইংরেজি শব্দ == বাংলা উক্তির মধ্যে ইংরেজি হরফে ইংরেজি শব্দ থাকলে কী করব? অনুবাদ করব, নাকি প্রতিবর্ণীকরণ করব, নাকি ঐ রকমই রেখে দেব? [[ব্যবহারকারী আলাপ:Nil Nandy|নীল নন্দী]] ১২:৫৯, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Nil Nandy|Nil Nandy]] প্রতিবর্ণীকরণ করুন। যদি একটি সম্পূর্ণ বাক্য থাকে, যেমন আছে তেমন রেখে দিন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ২২:২৮, ২২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == নৈতিকতা == আসলে নৈতিকতা কোনো কঠিন বইয়ের সংজ্ঞা নয়, এটা হলো আমাদের ভেতরে থাকা সেই কম্পাস যা আমাদের বলে দেয় কোনটা ঠিক আর কোনটা ভুল। যখন অন্ধকার ঘরে কেউ দেখছে না, তখন আপনি কেমন আচরণ করছেন—সেটাই আপনার আসল নৈতিকতা। সহজ করে বললে, নৈতিকতা হলো সেই বোধ যেটা আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, শুধু নিজের ভালোটা দেখলেই হয় না, আমার কাজের ফলে অন্য কারো ক্ষতি হচ্ছে কি না সেটাও দেখা জরুরি। এটা অনেকটা সমাজের অলিখিত নিয়মের মতো, যা আমাদের একে অপরের ওপর আস্থা রাখতে শেখায়। আমি সবসময় একটা কথা বিশ্বাস করি—আইন আমাদের বাধ্য করে, কিন্তু নৈতিকতা আমাদের মানুষ হিসেবে গড়ে তোলে। আইন হয়তো আপনাকে চুরি করতে বাধা দেবে শাস্তির ভয়ে, কিন্তু নৈতিকতা আপনাকে চুরি করতে বাধা দেবে কারণ আপনার বিবেক বলবে এটা অন্যায়। দিনশেষে, নৈতিকতা মানে হলো আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের চোখের দিকে তাকাতে পারা এবং শান্তিতে ঘুমাতে যাওয়া। এটা কোনো স্থির বিষয় নয়, মানুষের অভিজ্ঞতা আর সময়ের সাথে সাথে এই বোধটা আরও পরিপক্ক হয়। আপনার কি মনে হয় না যে, দিন দিন আমাদের চারপাশের এই সহজ বোধটুকু কমে যাচ্ছে? [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-24747-47|&#126;2026-24747-47]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-24747-47|আলাপ]]) ২২:৪০, ২২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == MD Arafat == Aরাফাত [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-24822-42|&#126;2026-24822-42]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-24822-42|আলাপ]]) ০০:০৯, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) 89wgtkp76wtevybs164sjbainfpap9m 79868 79857 2026-04-23T01:21:52Z ~2026-24695-96 5535 /* Juyel rana */ নতুন অনুচ্ছেদ 79868 wikitext text/x-wiki {{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=500x}} {{আলাপ পাতা}} == "Misattributed" শিরোনাম == "Misattributed" শিরোনামের অংশগুলোও কি অনুবাদ করতে হবে? উদাহরণস্বরূপ: [[:en:Ibrahim Traoré]], এইখানে "Misattributed" শিরোনামের একটা সেকশন আছে, অর্থাৎ সেখানের উক্তিগুলো সম্পূর্ণরূপে সঠিক নাও হতে পারে। এক্ষেত্রে কি এই সেকশনও অনুবাদ করবো? নাকি উপেক্ষা করবো?? ধন্যবাদ ~ [[ব্যবহারকারী:Raihanur|Raihanur]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Raihanur|আলাপ]]) ২১:২১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :এইখানে উক্তিগুলো মিথ্যাও হতে পারে। সঠিক প্রমাণ নেই এখনো। আপনি আপনার নজরতালিকায় ঐ পাতাটি রেখে দিতে পারেন এবং পরবর্তীতে অনুবাদ করে দিতে পারেন যদি সত্যতা যাচাই হয়। [[ব্যবহারকারী:JIBON|মানিক]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:JIBON|আলাপ]]) ১৫:৫২, ৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == বাংলা উক্তিতে ইংরেজি শব্দ == বাংলা উক্তির মধ্যে ইংরেজি হরফে ইংরেজি শব্দ থাকলে কী করব? অনুবাদ করব, নাকি প্রতিবর্ণীকরণ করব, নাকি ঐ রকমই রেখে দেব? [[ব্যবহারকারী আলাপ:Nil Nandy|নীল নন্দী]] ১২:৫৯, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Nil Nandy|Nil Nandy]] প্রতিবর্ণীকরণ করুন। যদি একটি সম্পূর্ণ বাক্য থাকে, যেমন আছে তেমন রেখে দিন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ২২:২৮, ২২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == নৈতিকতা == আসলে নৈতিকতা কোনো কঠিন বইয়ের সংজ্ঞা নয়, এটা হলো আমাদের ভেতরে থাকা সেই কম্পাস যা আমাদের বলে দেয় কোনটা ঠিক আর কোনটা ভুল। যখন অন্ধকার ঘরে কেউ দেখছে না, তখন আপনি কেমন আচরণ করছেন—সেটাই আপনার আসল নৈতিকতা। সহজ করে বললে, নৈতিকতা হলো সেই বোধ যেটা আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, শুধু নিজের ভালোটা দেখলেই হয় না, আমার কাজের ফলে অন্য কারো ক্ষতি হচ্ছে কি না সেটাও দেখা জরুরি। এটা অনেকটা সমাজের অলিখিত নিয়মের মতো, যা আমাদের একে অপরের ওপর আস্থা রাখতে শেখায়। আমি সবসময় একটা কথা বিশ্বাস করি—আইন আমাদের বাধ্য করে, কিন্তু নৈতিকতা আমাদের মানুষ হিসেবে গড়ে তোলে। আইন হয়তো আপনাকে চুরি করতে বাধা দেবে শাস্তির ভয়ে, কিন্তু নৈতিকতা আপনাকে চুরি করতে বাধা দেবে কারণ আপনার বিবেক বলবে এটা অন্যায়। দিনশেষে, নৈতিকতা মানে হলো আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের চোখের দিকে তাকাতে পারা এবং শান্তিতে ঘুমাতে যাওয়া। এটা কোনো স্থির বিষয় নয়, মানুষের অভিজ্ঞতা আর সময়ের সাথে সাথে এই বোধটা আরও পরিপক্ক হয়। আপনার কি মনে হয় না যে, দিন দিন আমাদের চারপাশের এই সহজ বোধটুকু কমে যাচ্ছে? [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-24747-47|&#126;2026-24747-47]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-24747-47|আলাপ]]) ২২:৪০, ২২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == MD Arafat == Aরাফাত [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-24822-42|&#126;2026-24822-42]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-24822-42|আলাপ]]) ০০:০৯, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == Juyel rana == okzz [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-24695-96|&#126;2026-24695-96]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-24695-96|আলাপ]]) ০১:২১, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) 88d6strk9wdfod8uzkoua377diduou9 79869 79868 2026-04-23T01:38:43Z ~2026-24879-87 5536 79869 wikitext text/x-wiki {{উইকিউক্তিুউক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=50ও0x}} বুো == "Misattributed" শিরোনাম == "Misattributed" শিরোনামের অংশগুলোও কি অনুবাদ করতে হবে? উদাহরণস্বরূপ: [[:en:Ibrahim Traoré]], এইখানে "Misattributed" শিরোনামের একটা সেকশন আছে, অর্থাৎ সেখানের উক্তিগুলো সম্পূর্ণরূপে সঠিক নাও হতে পারে। এক্ষেত্রে কি এই সেকশনও অনুবাদ করবো? নাকি উপেক্ষা করবো?? ধন্যবাদ ~ [[ব্যবহারকারী:Raihanur|Raihanur]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Raihanur|আলাপ]]) ২১:২১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :এইখানে উক্তিগুলো মিথ্যাও হতে পারে। সঠিক প্রমাণ নেই এখনো। আপনি আপনার নজরতালিকায় ঐ পাতাটি রেখে দিতে পারেন এবং পরবর্তীতে অনুবাদ করে দিতে পারেন যদি সত্যতা যাচাই হয়। [[ব্যবহারকারী:JIBON|মানিক]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:JIBON|আলাপ]]) ১৫:৫২, ৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == বাংলা উক্তিতে ইংরেজি শব্দ == বাংলা উক্তির মধ্যে ইংরেজি হরফে ইংরেজি শব্দ থাকলে কী করব? অনুবাদ করব, নাকি প্রতিবর্ণীকরণ করব, নাকি ঐ রকমই রেখে দেব? [[ব্যবহারকারী আলাপ:Nil Nandy|নীল নন্দী]] ১২:৫৯, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Nil Nandy|Nil Nandy]] প্রতিবর্ণীকরণ করুন। যদি একটি সম্পূর্ণ বাক্য থাকে, যেমন আছে তেমন রেখে দিন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ২২:২৮, ২২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == নৈতিকতা == আসলে নৈতিকতা কোনো কঠিন বইয়ের সংজ্ঞা নয়, এটা হলো আমাদের ভেতরে থাকা সেই কম্পাস যা আমাদের বলে দেয় কোনটা ঠিক আর কোনটা ভুল। যখন অন্ধকার ঘরে কেউ দেখছে না, তখন আপনি কেমন আচরণ করছেন—সেটাই আপনার আসল নৈতিকতা। সহজ করে বললে, নৈতিকতা হলো সেই বোধ যেটা আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, শুধু নিজের ভালোটা দেখলেই হয় না, আমার কাজের ফলে অন্য কারো ক্ষতি হচ্ছে কি না সেটাও দেখা জরুরি। এটা অনেকটা সমাজের অলিখিত নিয়মের মতো, যা আমাদের একে অপরের ওপর আস্থা রাখতে শেখায়। আমি সবসময় একটা কথা বিশ্বাস করি—আইন আমাদের বাধ্য করে, কিন্তু নৈতিকতা আমাদের মানুষ হিসেবে গড়ে তোলে। আইন হয়তো আপনাকে চুরি করতে বাধা দেবে শাস্তির ভয়ে, কিন্তু নৈতিকতা আপনাকে চুরি করতে বাধা দেবে কারণ আপনার বিবেক বলবে এটা অন্যায়। দিনশেষে, নৈতিকতা মানে হলো আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের চোখের দিকে তাকাতে পারা এবং শান্তিতে ঘুমাতে যাওয়া। এটা কোনো স্থির বিষয় নয়, মানুষের অভিজ্ঞতা আর সময়ের সাথে সাথে এই বোধটা আরও পরিপক্ক হয়। আপনার কি মনে হয় না যে, দিন দিন আমাদের চারপাশের এই সহজ বোধটুকু কমে যাচ্ছে? [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-24747-47|&#126;2026-24747-47]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-24747-47|আলাপ]]) ২২:৪০, ২২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == MD Arafat == Aরাফাত [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-24822-42|&#126;2026-24822-42]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-24822-42|আলাপ]]) ০০:০৯, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == Juyel rana == okzz [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-24695-96|&#126;2026-24695-96]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-24695-96|আলাপ]]) ০১:২১, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) su6ge2nfx30izjb7fd8a4po1n8lrri5 79870 79869 2026-04-23T02:50:49Z JIBON 2570 পাতা পরিষ্কার করা হলো 79870 wikitext text/x-wiki {{উইকিউক্তিুউক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=50ও0x}} বুো == "Misattributed" শিরোনাম == "Misattributed" শিরোনামের অংশগুলোও কি অনুবাদ করতে হবে? উদাহরণস্বরূপ: [[:en:Ibrahim Traoré]], এইখানে "Misattributed" শিরোনামের একটা সেকশন আছে, অর্থাৎ সেখানের উক্তিগুলো সম্পূর্ণরূপে সঠিক নাও হতে পারে। এক্ষেত্রে কি এই সেকশনও অনুবাদ করবো? নাকি উপেক্ষা করবো?? ধন্যবাদ ~ [[ব্যবহারকারী:Raihanur|Raihanur]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Raihanur|আলাপ]]) ২১:২১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :এইখানে উক্তিগুলো মিথ্যাও হতে পারে। সঠিক প্রমাণ নেই এখনো। আপনি আপনার নজরতালিকায় ঐ পাতাটি রেখে দিতে পারেন এবং পরবর্তীতে অনুবাদ করে দিতে পারেন যদি সত্যতা যাচাই হয়। [[ব্যবহারকারী:JIBON|মানিক]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:JIBON|আলাপ]]) ১৫:৫২, ৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == বাংলা উক্তিতে ইংরেজি শব্দ == বাংলা উক্তির মধ্যে ইংরেজি হরফে ইংরেজি শব্দ থাকলে কী করব? অনুবাদ করব, নাকি প্রতিবর্ণীকরণ করব, নাকি ঐ রকমই রেখে দেব? [[ব্যবহারকারী আলাপ:Nil Nandy|নীল নন্দী]] ১২:৫৯, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Nil Nandy|Nil Nandy]] প্রতিবর্ণীকরণ করুন। যদি একটি সম্পূর্ণ বাক্য থাকে, যেমন আছে তেমন রেখে দিন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ২২:২৮, ২২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) d981hm9pn9kkvy2nzseq0zvdurzj2xk 79876 79870 2026-04-23T04:12:23Z ~2026-24684-46 5540 /* বাংলা উক্তিতে ইংরেজি শব্দ */ esd 79876 wikitext text/x-wiki {{উইকিউক্তিুউক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=50ও0x}} বুো == "Misattributed" শিরোনাম == "Misattributed" শিরোনামের অংশগুলোও কি অনুবাদ করতে হবে? উদাহরণস্বরূপ: [[:en:Ibrahim Traoré]], এইখানে "Misattributed" শিরোনামের একটা সেকশন আছে, অর্থাৎ সেখানের উক্তিগুলো সম্পূর্ণরূপে সঠিক নাও হতে পারে। এক্ষেত্রে কি এই সেকশনও অনুবাদ করবো? নাকি উপেক্ষা করবো?? ধন্যবাদ ~ [[ব্যবহারকারী:Raihanur|Raihanur]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Raihanur|আলাপ]]) ২১:২১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :এইখানে উক্তিগুলো মিথ্যাও হতে পারে। সঠিক প্রমাণ নেই এখনো। আপনি আপনার নজরতালিকায় ঐ পাতাটি রেখে দিতে পারেন এবং পরবর্তীতে অনুবাদ করে দিতে পারেন যদি সত্যতা যাচাই হয়। [[ব্যবহারকারী:JIBON|মানিক]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:JIBON|আলাপ]]) ১৫:৫২, ৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == বাংলা উক্তিতে ইংরেজি শব্দ == বাংলা উক্তির মধ্যে ইংরেজি হরফে ইংরেজি শব্দ থাকলে কী করব? অনুবাদ করব, নাকি প্রতিবর্ণীকরণ করব, নাকি ঐ রকমই রেখে দেব? [[ব্যবহারকারী আলাপ:Nil Nandy|নীল নন্দী]] ১২:৫৯, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Nil Nandy|Nil Nandy]] প্রতিবর্ণীকরণ করুন। যদি একটি সম্পূর্ণ বাক্য থাকে, যেমন আছে তেমন রেখে দিন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ২২:২৮, ২২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :ygcrtf [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-24684-46|&#126;2026-24684-46]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-24684-46|আলাপ]]) ০৪:১২, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) bjh8wc0yr1823owrw7piavwree2bwma উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী 4 11853 79709 79708 2026-04-22T12:05:59Z Sahem Sk 5515 79709 wikitext text/x-wiki {{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=6}} <inputbox> type = comment default = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী page = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী preload = টেমপ্লেট:আমি editintro = টেমপ্লেট:সম্মিলন/অংশগ্রহণ/সম্পাদনা-ভূমিকা nosummary=true hidden = yes buttonlabel =নাম যোগ করতে এখানে ক্লিক করুন minor = true break = no </inputbox> {{div col}} <!-- ------------------------------- এই লাইনের উপর সম্পাদনা করবেন না। --------------------------------------------------- সবার নিচে আপনার ব্যবহারকারী নাম অন্যদের মত করে যুক্ত করুন। উদাহরণ: # {{ব্যবহারকারী|আপনার ব্যবহারকারী নাম}} ---> <!-- দয়া করে * কে # দিয়ে পরিবর্তন করবেন না --> <!-- আপনার নাম যোগ করার আগে নিচের কিছু বিষয় খেয়াল রাখবেন ১. এখানে আপনার নাম যোগ করার জন্য # {{ব্যবহারকারী|{{subst:সংশোধনের_ব্যবহারকারী}}}}{{subst:^| এসব কিছু করার দরকার নেই। ২. আপনাকে এখানে কিছু লিখতে হবে না ;) কেবল নিচে যান ও "পরিবর্তন প্রকাশ করুন" ক্লিক করুন। আপনার নাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে যোগ হবে। ৩. নাম যোগের পর অন্তত একটি নিবন্ধ অনুবাদ করতে ভুলবেন না। অন্যথায় আপনি পুরস্কার পাবার অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন --> <!-- এই অংশের পর থেকে আপনার নাম লিখুন --> * {{ব্যবহারকারী|Dhanaranjan Barman}} * {{ব্যবহারকারী|NusJaS}} * {{ব্যবহারকারী|MS Sakib}} * {{ব্যবহারকারী|ARI}} * {{ব্যবহারকারী|Shahriar Kabir Pavel}} * {{ব্যবহারকারী|Hmm123india}} * {{ব্যবহারকারী|Tausheef Hassan}} * {{ব্যবহারকারী|ফারদিন}} * {{ব্যবহারকারী|Sumanta3023}} * {{ব্যবহারকারী|MdsShakil}} * {{ব্যবহারকারী|Salil Kumar Mukherjee}} * {{ব্যবহারকারী|Mojibrsm}} * {{ব্যবহারকারী|Md Ataul Haque Shaheen}} * {{ব্যবহারকারী|MD AZAHAR ALl}} * {{ব্যবহারকারী|Md Sadek Ahmed (Abdullah)}} * {{ব্যবহারকারী|Anaf Ibn Shahibul}} * {{ব্যবহারকারী|S M Mominul I A J}} * {{ব্যবহারকারী|Amirhusenjihed}} * {{ব্যবহারকারী|মুসাঈদ আনসারী ফাহিম}} * {{ব্যবহারকারী|Firuz Ahmmed}} * {{ব্যবহারকারী|Tanvir 360}} * {{ব্যবহারকারী|MahdiRiyadX}} * {{ব্যবহারকারী|NotNahid}} * {{ব্যবহারকারী|Sohini Biswas 2004}} * {{ব্যবহারকারী|মো: মুশফিকুর রহমান}} * {{ব্যবহারকারী|মোছা:লাভলি বেগম}} * {{ব্যবহারকারী|Nil Nandy}} * {{ব্যবহারকারী|MM Tarif}} * {{ব্যবহারকারী|Mohammed Iftakhar Alam}} * {{ব্যবহারকারী|MD Sahib}} * {{ব্যবহারকারী|Diponbd24}} * {{ব্যবহারকারী|Shahriar AhmedSayem}} * {{ব্যবহারকারী|Arhanahmedanondo}} * {{ব্যবহারকারী|Sujon shill}} * {{ব্যবহারকারী|Oindrojalik Watch}} * {{ব্যবহারকারী|MazeduHaque}} * {{ব্যবহারকারী|Supriti2026}} * {{ব্যবহারকারী|Aminu Islam441}} * {{ব্যবহারকারী|Tanbiruzzaman}} * {{ব্যবহারকারী|Raihanur}} * {{ব্যবহারকারী|Ruposhi88.has}} * {{ব্যবহারকারী|MD SAJJAT CHOWDHORY}} * {{ব্যবহারকারী|Rayhan Ahmed Arafat}} * {{ব্যবহারকারী|Aminul Islam}} * {{ব্যবহারকারী|মো.খাইরুল ইসলাম}} * {{ব্যবহারকারী|RushanSheikhRussu34}} * {{ব্যবহারকারী|নিয়াজ ইসলাম}} * {{ব্যবহারকারী|MdTajkar Uddin}} * {{ব্যবহারকারী|Mst.Maria Parvin}} * {{ব্যবহারকারী|MD RADWAN ISLAM ROHAN}} * {{ব্যবহারকারী|Borhan}} * {{ব্যবহারকারী|Tamaliya Das Gupta}} * {{ব্যবহারকারী|Akash Ahmed Jhon}} * {{ব্যবহারকারী|Md.sarif reza}} * {{ব্যবহারকারী|MD.AL-AMIN MONDAL}} * {{ব্যবহারকারী|Asad.fr}} * {{ব্যবহারকারী|MD RADWAN ISLAM}} * {{ব্যবহারকারী|ASM Shamimul Islam}} * {{ব্যবহারকারী|মোঃ তানভীর বানান}} * {{ব্যবহারকারী|মোহাম্মদ জনি হোসেন}} * {{ব্যবহারকারী|Red1Ferdous}} * {{ব্যবহারকারী|AKM Mahinur Rahman}} * {{ব্যবহারকারী|Writer Debraj Saha}} * {{ব্যবহারকারী|Kaustav Chowdhury}} * {{ব্যবহারকারী|JIBON}} * {{ব্যবহারকারী|SHEIKH}} * {{ব্যবহারকারী|Md Samiun}} * {{ব্যবহারকারী|Mksh46}} * {{ব্যবহারকারী|Kiran khaskil}} * {{ব্যবহারকারী|কামরুল ইসলাম মজুমদার}} * {{ব্যবহারকারী|Nazma Bugam}} * {{ব্যবহারকারী|Mili Ahmed}} * {{ব্যবহারকারী|Manik19}} * {{ব্যবহারকারী|Kamrul bin Jamal}} * {{ব্যবহারকারী|MD sumon k}} * {{ব্যবহারকারী|Nayeem Hossain55}} * {{ব্যবহারকারী|Talha toha}} * {{ব্যবহারকারী|Shri Avishek Roy}} * {{ব্যবহারকারী|Md Yasin Omor}} * {{ব্যবহারকারী|Wizene}} * {{ব্যবহারকারী|Shovu55}} * {{ব্যবহারকারী|Afiya07}} * {{ব্যবহারকারী|সানজার আল ইসলাম}} * {{ব্যবহারকারী|Bayejid-wiki}} * {{ব্যবহারকারী|Md. Rayan Alam Rifat}} * {{ব্যবহারকারী|Ahnaf Mosaddek}} * {{ব্যবহারকারী|Mdhabib}} * {{ব্যবহারকারী|Md Emon090}} * {{ব্যবহারকারী|BEnjOhiR}} * {{ব্যবহারকারী|Md shakhhawat Hossain}} * {{ব্যবহারকারী|Sheikh Mohammad Alimul Islam}} * {{ব্যবহারকারী|Rumman Chowdhury 20}} * {{ব্যবহারকারী|Vugon kumar}} * {{ব্যবহারকারী|ExceptionistSagar}} * {{ব্যবহারকারী|দীপক মণ্ডল}} * {{ব্যবহারকারী|Shourav chandra saha}} * {{ব্যবহারকারী|চৌধুরী প্রবীর}} * {{ব্যবহারকারী|Akifa Shazzad Prova}} * {{ব্যবহারকারী|MD Jubayer 2012}} * {{ব্যবহারকারী|Outsourcingbsl}} * {{ব্যবহারকারী|নুর সাঈদ|নুর সাঈদ}} * {{ব্যবহারকারী|মাধুর্য বর্মন}} * {{ব্যবহারকারী|Pabel khan (Sergio)}} * {{ব্যবহারকারী|রাকিবুল হাসান রাসেল}} * {{ব্যবহারকারী|Prottasha Sparrow}} * {{ব্যবহারকারী|Mohammad Shakowat}} * {{ব্যবহারকারী|Ridoy Khan Rid}} * {{ব্যবহারকারী|Usarker}} * {{ব্যবহারকারী|M231991d}} * {{ব্যবহারকারী|Ridoy Khan Rid}} * {{ব্যবহারকারী|Rasel Mehedi}} * {{ব্যবহারকারী|ENGR MD. LITON SIKDER}} * {{ব্যবহারকারী|মোঃরাজুমিয়া}} * {{ব্যবহারকারী|Mohammad Kausar Al Qadri}} * {{ব্যবহারকারী|SSSinha14}} * {{ব্যবহারকারী|Nafiz khane}} * {{ব্যবহারকারী|Md Mahin Faysal}} * {{ব্যবহারকারী|TechnoBloxy}} * {{ব্যবহারকারী|Md Abdullah Al Nibir}} * {{ব্যবহারকারী|আরিফ শাহ}} * {{ব্যবহারকারী|মো সজীব সরকার}} * {{ব্যবহারকারী|Minhaz Shakil}} * {{ব্যবহারকারী|রিয়ান}} * {{ব্যবহারকারী|Premkumar samanta}} * {{ব্যবহারকারী|রাইয়ান মাহফুজ}} * {{ব্যবহারকারী|তাসনিম সাজিদ নিবিড়}} * {{ব্যবহারকারী|Jemynokrek}} * {{ব্যবহারকারী|S.M Hasibul Hasan}} * {{ব্যবহারকারী|MdMarufHossen71}} * {{ব্যবহারকারী|Ashrafulalambd1}} * {{ব্যবহারকারী|Siyan BD}} * {{ব্যবহারকারী|Trisha Mazumder}} * {{ব্যবহারকারী|Hridoy The Heart}} * {{ব্যবহারকারী|Sunil Baran Mishra}} * {{ব্যবহারকারী|Jemynokrek}} * {{ব্যবহারকারী|Jemynokrek}} * {{ব্যবহারকারী|Md. Muqtadir Fuad}} * {{ব্যবহারকারী|Ak mahmudul sharif}} * {{ব্যবহারকারী|Ridoy Khan Rid}} * {{ব্যবহারকারী|Jemynokrek}} * {{ব্যবহারকারী|Jemynokrek}} * {{Neme: Ridoy khan rid|{{Designation: Senior News Video Editor | Ridoy Khan Rid | Journalists}}}}{{subst:^| এখানে কিছু ধরার দরকার নেই। File:Ridoy Khan Rid|10px|বুড়ো আঙুল|alt=journalist, Ridoy Khan Rid, senior news video editor|senior news video editor Senior News Video Editor | Ridoy Khan Rid | Journalists @ridoykhanrid.online @journalist @ridoykhan @rid @videoeditor * {{ব্যবহারকারী|Rashed kha}} * {{ব্যবহারকারী|Anik Kanti Dey}} '''আনোয়ারা বেগম''' একজন শিক্ষাবিদ, সমাজসেবী ও নারীশিক্ষা উন্নয়নে অবদান রাখা ব্যক্তিত্ব। ==উক্তি== * "শিক্ষা মানুষকে আলোকিত করে এবং সমাজকে এগিয়ে নিয়ে যায়।" * "নারীশিক্ষা নিশ্চিত হলে জাতির উন্নয়ন ত্বরান্বিত হয়।" * "জ্ঞানই মানুষের সবচেয়ে বড় শক্তি।" * "সততা, পরিশ্রম ও শিক্ষা সফলতার মূল ভিত্তি।" * {{ব্যবহারকারী|Muhammad Fahim Faisal}} * {{ব্যবহারকারী|Muhammad Fahim Faisal}} * {{ব্যবহারকারী|সাজ্জাদ হোসেন-346}} “জীবনে মানুষ কতবার পড়ে গেল, সেটি বড় কথা নয়; বড় কথা হলো সে কতবার উঠে দাঁড়াল। কারণ ব্যর্থতা মানুষকে থামিয়ে দেওয়ার জন্য আসে না, বরং তাকে আরও শক্তিশালী করে তোলার জন্য আসে। যে মানুষ নিজের স্বপ্নকে বিশ্বাস করে, পরিশ্রম করতে জানে এবং ধৈর্য ধরে এগিয়ে যায়, তার পথ যত কঠিনই হোক না কেন, একদিন সে সফল হবেই। পৃথিবীর প্রতিটি বড় সাফল্যের পেছনে রয়েছে অসংখ্য ছোট ছোট চেষ্টা, ত্যাগ আর অপেক্ষা। তাই কখনো নিজেকে ছোট ভাবা উচিত নয় এবং কখনো আশা হারানো উচিত নয়। কারণ মানুষের ভেতরের সাহসই তার সবচেয়ে বড় শক্তি, আর সেই শক্তিই তাকে একদিন সবার থেকে আলাদা করে তোলে।” “যে মানুষ সততা ধরে রাখতে পারে, সে হারলেও একদিন সম্মানের সঙ্গে জিতে যায়।”“জীবনে মানুষ কতবার পড়ে গেল, সেটি বড় কথা নয়; বড় কথা হলো সে কতবার উঠে দাঁড়াল। কারণ ব্যর্থতা মানুষকে থামিয়ে দেওয়ার জন্য আসে না, বরং তাকে আরও শক্তিশালী করে তোলার জন্য আসে। যে মানুষ নিজের স্বপ্নকে বিশ্বাস করে, পরিশ্রম করতে জানে এবং ধৈর্য ধরে এগিয়ে যায়, তার পথ যত কঠিনই হোক না কেন, একদিন সে সফল হবেই। পৃথিবীর প্রতিটি বড় সাফল্যের পেছনে রয়েছে অসংখ্য ছোট ছোট চেষ্টা, ত্যাগ আর অপেক্ষা। তাই কখনো নিজেকে ছোট ভাবা উচিত নয় এবং কখনো আশা হারানো উচিত নয়। কারণ মানুষের ভেতরের সাহসই তার সবচেয়ে বড় শক্তি, আর সেই শক্তিই তাকে একদিন সবার থেকে আলাদা করে তোলে।” “মানুষের সবচেয়ে বড় শক্তি তার জ্ঞান নয়, তার সাহস। কারণ জ্ঞান পথ দেখায়, কিন্তু সাহস মানুষকে সেই পথে এগিয়ে যেতে সাহায্য করে। জীবনে যত বাধাই আসুক না কেন, যে মানুষ নিজের ওপর বিশ্বাস রাখে এবং পরিশ্রম করে, সে একদিন অবশ্যই সফল হয়। ব্যর্থতা কখনো শেষ নয়, বরং নতুনভাবে শুরু করার সুযোগ। তাই কখনো হতাশ হওয়া উচিত নয়, কারণ অন্ধকার যত গভীরই হোক, তার পরেই আলো আসে।” * {{ব্যবহারকারী|মোঃ আরিয়ান}} * {{ব্যবহারকারী|ফারুক ফরায়েজি}} * {{ব্যবহারকারী|Rana mundari}} * {{ব্যবহারকারী|Sahem Sk}} n4fa5f9oa7i3r3psttjwk7gw64f4mux 79755 79709 2026-04-22T13:57:57Z Ashik212072 5517 79755 wikitext text/x-wiki {{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=6}} <inputbox> type = comment default = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী page = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী preload = টেমপ্লেট:আমি editintro = টেমপ্লেট:সম্মিলন/অংশগ্রহণ/সম্পাদনা-ভূমিকা nosummary=true hidden = yes buttonlabel =নাম যোগ করতে এখানে ক্লিক করুন minor = true break = no </inputbox> {{div col}} <!-- ------------------------------- এই লাইনের উপর সম্পাদনা করবেন না। --------------------------------------------------- সবার নিচে আপনার ব্যবহারকারী নাম অন্যদের মত করে যুক্ত করুন। উদাহরণ: # {{ব্যবহারকারী|আপনার ব্যবহারকারী নাম}} ---> <!-- দয়া করে * কে # দিয়ে পরিবর্তন করবেন না --> <!-- আপনার নাম যোগ করার আগে নিচের কিছু বিষয় খেয়াল রাখবেন ১. এখানে আপনার নাম যোগ করার জন্য # {{ব্যবহারকারী|{{subst:সংশোধনের_ব্যবহারকারী}}}}{{subst:^| এসব কিছু করার দরকার নেই। ২. আপনাকে এখানে কিছু লিখতে হবে না ;) কেবল নিচে যান ও "পরিবর্তন প্রকাশ করুন" ক্লিক করুন। আপনার নাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে যোগ হবে। ৩. নাম যোগের পর অন্তত একটি নিবন্ধ অনুবাদ করতে ভুলবেন না। অন্যথায় আপনি পুরস্কার পাবার অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন --> <!-- এই অংশের পর থেকে আপনার নাম লিখুন --> * {{ব্যবহারকারী|Dhanaranjan Barman}} * {{ব্যবহারকারী|NusJaS}} * {{ব্যবহারকারী|MS Sakib}} * {{ব্যবহারকারী|ARI}} * {{ব্যবহারকারী|Shahriar Kabir Pavel}} * {{ব্যবহারকারী|Hmm123india}} * {{ব্যবহারকারী|Tausheef Hassan}} * {{ব্যবহারকারী|ফারদিন}} * {{ব্যবহারকারী|Sumanta3023}} * {{ব্যবহারকারী|MdsShakil}} * {{ব্যবহারকারী|Salil Kumar Mukherjee}} * {{ব্যবহারকারী|Mojibrsm}} * {{ব্যবহারকারী|Md Ataul Haque Shaheen}} * {{ব্যবহারকারী|MD AZAHAR ALl}} * {{ব্যবহারকারী|Md Sadek Ahmed (Abdullah)}} * {{ব্যবহারকারী|Anaf Ibn Shahibul}} * {{ব্যবহারকারী|S M Mominul I A J}} * {{ব্যবহারকারী|Amirhusenjihed}} * {{ব্যবহারকারী|মুসাঈদ আনসারী ফাহিম}} * {{ব্যবহারকারী|Firuz Ahmmed}} * {{ব্যবহারকারী|Tanvir 360}} * {{ব্যবহারকারী|MahdiRiyadX}} * {{ব্যবহারকারী|NotNahid}} * {{ব্যবহারকারী|Sohini Biswas 2004}} * {{ব্যবহারকারী|মো: মুশফিকুর রহমান}} * {{ব্যবহারকারী|মোছা:লাভলি বেগম}} * {{ব্যবহারকারী|Nil Nandy}} * {{ব্যবহারকারী|MM Tarif}} * {{ব্যবহারকারী|Mohammed Iftakhar Alam}} * {{ব্যবহারকারী|MD Sahib}} * {{ব্যবহারকারী|Diponbd24}} * {{ব্যবহারকারী|Shahriar AhmedSayem}} * {{ব্যবহারকারী|Arhanahmedanondo}} * {{ব্যবহারকারী|Sujon shill}} * {{ব্যবহারকারী|Oindrojalik Watch}} * {{ব্যবহারকারী|MazeduHaque}} * {{ব্যবহারকারী|Supriti2026}} * {{ব্যবহারকারী|Aminu Islam441}} * {{ব্যবহারকারী|Tanbiruzzaman}} * {{ব্যবহারকারী|Raihanur}} * {{ব্যবহারকারী|Ruposhi88.has}} * {{ব্যবহারকারী|MD SAJJAT CHOWDHORY}} * {{ব্যবহারকারী|Rayhan Ahmed Arafat}} * {{ব্যবহারকারী|Aminul Islam}} * {{ব্যবহারকারী|মো.খাইরুল ইসলাম}} * {{ব্যবহারকারী|RushanSheikhRussu34}} * {{ব্যবহারকারী|নিয়াজ ইসলাম}} * {{ব্যবহারকারী|MdTajkar Uddin}} * {{ব্যবহারকারী|Mst.Maria Parvin}} * {{ব্যবহারকারী|MD RADWAN ISLAM ROHAN}} * {{ব্যবহারকারী|Borhan}} * {{ব্যবহারকারী|Tamaliya Das Gupta}} * {{ব্যবহারকারী|Akash Ahmed Jhon}} * {{ব্যবহারকারী|Md.sarif reza}} * {{ব্যবহারকারী|MD.AL-AMIN MONDAL}} * {{ব্যবহারকারী|Asad.fr}} * {{ব্যবহারকারী|MD RADWAN ISLAM}} * {{ব্যবহারকারী|ASM Shamimul Islam}} * {{ব্যবহারকারী|মোঃ তানভীর বানান}} * {{ব্যবহারকারী|মোহাম্মদ জনি হোসেন}} * {{ব্যবহারকারী|Red1Ferdous}} * {{ব্যবহারকারী|AKM Mahinur Rahman}} * {{ব্যবহারকারী|Writer Debraj Saha}} * {{ব্যবহারকারী|Kaustav Chowdhury}} * {{ব্যবহারকারী|JIBON}} * {{ব্যবহারকারী|SHEIKH}} * {{ব্যবহারকারী|Md Samiun}} * {{ব্যবহারকারী|Mksh46}} * {{ব্যবহারকারী|Kiran khaskil}} * {{ব্যবহারকারী|কামরুল ইসলাম মজুমদার}} * {{ব্যবহারকারী|Nazma Bugam}} * {{ব্যবহারকারী|Mili Ahmed}} * {{ব্যবহারকারী|Manik19}} * {{ব্যবহারকারী|Kamrul bin Jamal}} * {{ব্যবহারকারী|MD sumon k}} * {{ব্যবহারকারী|Nayeem Hossain55}} * {{ব্যবহারকারী|Talha toha}} * {{ব্যবহারকারী|Shri Avishek Roy}} * {{ব্যবহারকারী|Md Yasin Omor}} * {{ব্যবহারকারী|Wizene}} * {{ব্যবহারকারী|Shovu55}} * {{ব্যবহারকারী|Afiya07}} * {{ব্যবহারকারী|সানজার আল ইসলাম}} * {{ব্যবহারকারী|Bayejid-wiki}} * {{ব্যবহারকারী|Md. Rayan Alam Rifat}} * {{ব্যবহারকারী|Ahnaf Mosaddek}} * {{ব্যবহারকারী|Mdhabib}} * {{ব্যবহারকারী|Md Emon090}} * {{ব্যবহারকারী|BEnjOhiR}} * {{ব্যবহারকারী|Md shakhhawat Hossain}} * {{ব্যবহারকারী|Sheikh Mohammad Alimul Islam}} * {{ব্যবহারকারী|Rumman Chowdhury 20}} * {{ব্যবহারকারী|Vugon kumar}} * {{ব্যবহারকারী|ExceptionistSagar}} * {{ব্যবহারকারী|দীপক মণ্ডল}} * {{ব্যবহারকারী|Shourav chandra saha}} * {{ব্যবহারকারী|চৌধুরী প্রবীর}} * {{ব্যবহারকারী|Akifa Shazzad Prova}} * {{ব্যবহারকারী|MD Jubayer 2012}} * {{ব্যবহারকারী|Outsourcingbsl}} * {{ব্যবহারকারী|নুর সাঈদ|নুর সাঈদ}} * {{ব্যবহারকারী|মাধুর্য বর্মন}} * {{ব্যবহারকারী|Pabel khan (Sergio)}} * {{ব্যবহারকারী|রাকিবুল হাসান রাসেল}} * {{ব্যবহারকারী|Prottasha Sparrow}} * {{ব্যবহারকারী|Mohammad Shakowat}} * {{ব্যবহারকারী|Ridoy Khan Rid}} * {{ব্যবহারকারী|Usarker}} * {{ব্যবহারকারী|M231991d}} * {{ব্যবহারকারী|Ridoy Khan Rid}} * {{ব্যবহারকারী|Rasel Mehedi}} * {{ব্যবহারকারী|ENGR MD. LITON SIKDER}} * {{ব্যবহারকারী|মোঃরাজুমিয়া}} * {{ব্যবহারকারী|Mohammad Kausar Al Qadri}} * {{ব্যবহারকারী|SSSinha14}} * {{ব্যবহারকারী|Nafiz khane}} * {{ব্যবহারকারী|Md Mahin Faysal}} * {{ব্যবহারকারী|TechnoBloxy}} * {{ব্যবহারকারী|Md Abdullah Al Nibir}} * {{ব্যবহারকারী|আরিফ শাহ}} * {{ব্যবহারকারী|মো সজীব সরকার}} * {{ব্যবহারকারী|Minhaz Shakil}} * {{ব্যবহারকারী|রিয়ান}} * {{ব্যবহারকারী|Premkumar samanta}} * {{ব্যবহারকারী|রাইয়ান মাহফুজ}} * {{ব্যবহারকারী|তাসনিম সাজিদ নিবিড়}} * {{ব্যবহারকারী|Jemynokrek}} * {{ব্যবহারকারী|S.M Hasibul Hasan}} * {{ব্যবহারকারী|MdMarufHossen71}} * {{ব্যবহারকারী|Ashrafulalambd1}} * {{ব্যবহারকারী|Siyan BD}} * {{ব্যবহারকারী|Trisha Mazumder}} * {{ব্যবহারকারী|Hridoy The Heart}} * {{ব্যবহারকারী|Sunil Baran Mishra}} * {{ব্যবহারকারী|Jemynokrek}} * {{ব্যবহারকারী|Jemynokrek}} * {{ব্যবহারকারী|Md. Muqtadir Fuad}} * {{ব্যবহারকারী|Ak mahmudul sharif}} * {{ব্যবহারকারী|Ridoy Khan Rid}} * {{ব্যবহারকারী|Jemynokrek}} * {{ব্যবহারকারী|Jemynokrek}} * {{Neme: Ridoy khan rid|{{Designation: Senior News Video Editor | Ridoy Khan Rid | Journalists}}}}{{subst:^| এখানে কিছু ধরার দরকার নেই। File:Ridoy Khan Rid|10px|বুড়ো আঙুল|alt=journalist, Ridoy Khan Rid, senior news video editor|senior news video editor Senior News Video Editor | Ridoy Khan Rid | Journalists @ridoykhanrid.online @journalist @ridoykhan @rid @videoeditor * {{ব্যবহারকারী|Rashed kha}} * {{ব্যবহারকারী|Anik Kanti Dey}} '''আনোয়ারা বেগম''' একজন শিক্ষাবিদ, সমাজসেবী ও নারীশিক্ষা উন্নয়নে অবদান রাখা ব্যক্তিত্ব। ==উক্তি== * "শিক্ষা মানুষকে আলোকিত করে এবং সমাজকে এগিয়ে নিয়ে যায়।" * "নারীশিক্ষা নিশ্চিত হলে জাতির উন্নয়ন ত্বরান্বিত হয়।" * "জ্ঞানই মানুষের সবচেয়ে বড় শক্তি।" * "সততা, পরিশ্রম ও শিক্ষা সফলতার মূল ভিত্তি।" * {{ব্যবহারকারী|Muhammad Fahim Faisal}} * {{ব্যবহারকারী|Muhammad Fahim Faisal}} * {{ব্যবহারকারী|সাজ্জাদ হোসেন-346}} “জীবনে মানুষ কতবার পড়ে গেল, সেটি বড় কথা নয়; বড় কথা হলো সে কতবার উঠে দাঁড়াল। কারণ ব্যর্থতা মানুষকে থামিয়ে দেওয়ার জন্য আসে না, বরং তাকে আরও শক্তিশালী করে তোলার জন্য আসে। যে মানুষ নিজের স্বপ্নকে বিশ্বাস করে, পরিশ্রম করতে জানে এবং ধৈর্য ধরে এগিয়ে যায়, তার পথ যত কঠিনই হোক না কেন, একদিন সে সফল হবেই। পৃথিবীর প্রতিটি বড় সাফল্যের পেছনে রয়েছে অসংখ্য ছোট ছোট চেষ্টা, ত্যাগ আর অপেক্ষা। তাই কখনো নিজেকে ছোট ভাবা উচিত নয় এবং কখনো আশা হারানো উচিত নয়। কারণ মানুষের ভেতরের সাহসই তার সবচেয়ে বড় শক্তি, আর সেই শক্তিই তাকে একদিন সবার থেকে আলাদা করে তোলে।” “যে মানুষ সততা ধরে রাখতে পারে, সে হারলেও একদিন সম্মানের সঙ্গে জিতে যায়।”“জীবনে মানুষ কতবার পড়ে গেল, সেটি বড় কথা নয়; বড় কথা হলো সে কতবার উঠে দাঁড়াল। কারণ ব্যর্থতা মানুষকে থামিয়ে দেওয়ার জন্য আসে না, বরং তাকে আরও শক্তিশালী করে তোলার জন্য আসে। যে মানুষ নিজের স্বপ্নকে বিশ্বাস করে, পরিশ্রম করতে জানে এবং ধৈর্য ধরে এগিয়ে যায়, তার পথ যত কঠিনই হোক না কেন, একদিন সে সফল হবেই। পৃথিবীর প্রতিটি বড় সাফল্যের পেছনে রয়েছে অসংখ্য ছোট ছোট চেষ্টা, ত্যাগ আর অপেক্ষা। তাই কখনো নিজেকে ছোট ভাবা উচিত নয় এবং কখনো আশা হারানো উচিত নয়। কারণ মানুষের ভেতরের সাহসই তার সবচেয়ে বড় শক্তি, আর সেই শক্তিই তাকে একদিন সবার থেকে আলাদা করে তোলে।” “মানুষের সবচেয়ে বড় শক্তি তার জ্ঞান নয়, তার সাহস। কারণ জ্ঞান পথ দেখায়, কিন্তু সাহস মানুষকে সেই পথে এগিয়ে যেতে সাহায্য করে। জীবনে যত বাধাই আসুক না কেন, যে মানুষ নিজের ওপর বিশ্বাস রাখে এবং পরিশ্রম করে, সে একদিন অবশ্যই সফল হয়। ব্যর্থতা কখনো শেষ নয়, বরং নতুনভাবে শুরু করার সুযোগ। তাই কখনো হতাশ হওয়া উচিত নয়, কারণ অন্ধকার যত গভীরই হোক, তার পরেই আলো আসে।” * {{ব্যবহারকারী|মোঃ আরিয়ান}} * {{ব্যবহারকারী|ফারুক ফরায়েজি}} * {{ব্যবহারকারী|Rana mundari}} * {{ব্যবহারকারী|Sahem Sk}} * {{ব্যবহারকারী|Ashik212072}} 1pzrqilqzo35i3d76ocgupyadf2pxfz 79756 79755 2026-04-22T14:02:23Z Ashik212072 5517 79756 wikitext text/x-wiki {{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=6}} <inputbox> type = comment default = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী page = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী preload = টেমপ্লেট:আমি editintro = টেমপ্লেট:সম্মিলন/অংশগ্রহণ/সম্পাদনা-ভূমিকা nosummary=true hidden = yes buttonlabel =নাম যোগ করতে এখানে ক্লিক করুন minor = true break = no </inputbox> {{div col}} <!-- ------------------------------- এই লাইনের উপর সম্পাদনা করবেন না। --------------------------------------------------- সবার নিচে আপনার ব্যবহারকারী নাম অন্যদের মত করে যুক্ত করুন। উদাহরণ: # {{ব্যবহারকারী|আপনার ব্যবহারকারী নাম}} ---> <!-- দয়া করে * কে # দিয়ে পরিবর্তন করবেন না --> <!-- আপনার নাম যোগ করার আগে নিচের কিছু বিষয় খেয়াল রাখবেন ১. এখানে আপনার নাম যোগ করার জন্য # {{ব্যবহারকারী|{{subst:সংশোধনের_ব্যবহারকারী}}}}{{subst:^| এসব কিছু করার দরকার নেই। ২. আপনাকে এখানে কিছু লিখতে হবে না ;) কেবল নিচে যান ও "পরিবর্তন প্রকাশ করুন" ক্লিক করুন। আপনার নাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে যোগ হবে। ৩. নাম যোগের পর অন্তত একটি নিবন্ধ অনুবাদ করতে ভুলবেন না। অন্যথায় আপনি পুরস্কার পাবার অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন --> <!-- এই অংশের পর থেকে আপনার নাম লিখুন --> * {{ব্যবহারকারী|Dhanaranjan Barman}} * {{ব্যবহারকারী|NusJaS}} * {{ব্যবহারকারী|MS Sakib}} * {{ব্যবহারকারী|ARI}} * {{ব্যবহারকারী|Shahriar Kabir Pavel}} * {{ব্যবহারকারী|Hmm123india}} * {{ব্যবহারকারী|Tausheef Hassan}} * {{ব্যবহারকারী|ফারদিন}} * {{ব্যবহারকারী|Sumanta3023}} * {{ব্যবহারকারী|MdsShakil}} * {{ব্যবহারকারী|Salil Kumar Mukherjee}} * {{ব্যবহারকারী|Mojibrsm}} * {{ব্যবহারকারী|Md Ataul Haque Shaheen}} * {{ব্যবহারকারী|MD AZAHAR ALl}} * {{ব্যবহারকারী|Md Sadek Ahmed (Abdullah)}} * {{ব্যবহারকারী|Anaf Ibn Shahibul}} * {{ব্যবহারকারী|S M Mominul I A J}} * {{ব্যবহারকারী|Amirhusenjihed}} * {{ব্যবহারকারী|মুসাঈদ আনসারী ফাহিম}} * {{ব্যবহারকারী|Firuz Ahmmed}} * {{ব্যবহারকারী|Tanvir 360}} * {{ব্যবহারকারী|MahdiRiyadX}} * {{ব্যবহারকারী|NotNahid}} * {{ব্যবহারকারী|Sohini Biswas 2004}} * {{ব্যবহারকারী|মো: মুশফিকুর রহমান}} * {{ব্যবহারকারী|মোছা:লাভলি বেগম}} * {{ব্যবহারকারী|Nil Nandy}} * {{ব্যবহারকারী|MM Tarif}} * {{ব্যবহারকারী|Mohammed Iftakhar Alam}} * {{ব্যবহারকারী|MD Sahib}} * {{ব্যবহারকারী|Diponbd24}} * {{ব্যবহারকারী|Shahriar AhmedSayem}} * {{ব্যবহারকারী|Arhanahmedanondo}} * {{ব্যবহারকারী|Sujon shill}} * {{ব্যবহারকারী|Oindrojalik Watch}} * {{ব্যবহারকারী|MazeduHaque}} * {{ব্যবহারকারী|Supriti2026}} * {{ব্যবহারকারী|Aminu Islam441}} * {{ব্যবহারকারী|Tanbiruzzaman}} * {{ব্যবহারকারী|Raihanur}} * {{ব্যবহারকারী|Ruposhi88.has}} * {{ব্যবহারকারী|MD SAJJAT CHOWDHORY}} * {{ব্যবহারকারী|Rayhan Ahmed Arafat}} * {{ব্যবহারকারী|Aminul Islam}} * {{ব্যবহারকারী|মো.খাইরুল ইসলাম}} * {{ব্যবহারকারী|RushanSheikhRussu34}} * {{ব্যবহারকারী|নিয়াজ ইসলাম}} * {{ব্যবহারকারী|MdTajkar Uddin}} * {{ব্যবহারকারী|Mst.Maria Parvin}} * {{ব্যবহারকারী|MD RADWAN ISLAM ROHAN}} * {{ব্যবহারকারী|Borhan}} * {{ব্যবহারকারী|Tamaliya Das Gupta}} * {{ব্যবহারকারী|Akash Ahmed Jhon}} * {{ব্যবহারকারী|Md.sarif reza}} * {{ব্যবহারকারী|MD.AL-AMIN MONDAL}} * {{ব্যবহারকারী|Asad.fr}} * {{ব্যবহারকারী|MD RADWAN ISLAM}} * {{ব্যবহারকারী|ASM Shamimul Islam}} * {{ব্যবহারকারী|মোঃ তানভীর বানান}} * {{ব্যবহারকারী|মোহাম্মদ জনি হোসেন}} * {{ব্যবহারকারী|Red1Ferdous}} * {{ব্যবহারকারী|AKM Mahinur Rahman}} * {{ব্যবহারকারী|Writer Debraj Saha}} * {{ব্যবহারকারী|Kaustav Chowdhury}} * {{ব্যবহারকারী|JIBON}} * {{ব্যবহারকারী|SHEIKH}} * {{ব্যবহারকারী|Md Samiun}} * {{ব্যবহারকারী|Mksh46}} * {{ব্যবহারকারী|Kiran khaskil}} * {{ব্যবহারকারী|কামরুল ইসলাম মজুমদার}} * {{ব্যবহারকারী|Nazma Bugam}} * {{ব্যবহারকারী|Mili Ahmed}} * {{ব্যবহারকারী|Manik19}} * {{ব্যবহারকারী|Kamrul bin Jamal}} * {{ব্যবহারকারী|MD sumon k}} * {{ব্যবহারকারী|Nayeem Hossain55}} * {{ব্যবহারকারী|Talha toha}} * {{ব্যবহারকারী|Shri Avishek Roy}} * {{ব্যবহারকারী|Md Yasin Omor}} * {{ব্যবহারকারী|Wizene}} * {{ব্যবহারকারী|Shovu55}} * {{ব্যবহারকারী|Afiya07}} * {{ব্যবহারকারী|সানজার আল ইসলাম}} * {{ব্যবহারকারী|Bayejid-wiki}} * {{ব্যবহারকারী|Md. Rayan Alam Rifat}} * {{ব্যবহারকারী|Ahnaf Mosaddek}} * {{ব্যবহারকারী|Mdhabib}} * {{ব্যবহারকারী|Md Emon090}} * {{ব্যবহারকারী|BEnjOhiR}} * {{ব্যবহারকারী|Md shakhhawat Hossain}} * {{ব্যবহারকারী|Sheikh Mohammad Alimul Islam}} * {{ব্যবহারকারী|Rumman Chowdhury 20}} * {{ব্যবহারকারী|Vugon kumar}} * {{ব্যবহারকারী|ExceptionistSagar}} * {{ব্যবহারকারী|দীপক মণ্ডল}} * {{ব্যবহারকারী|Shourav chandra saha}} * {{ব্যবহারকারী|চৌধুরী প্রবীর}} * {{ব্যবহারকারী|Akifa Shazzad Prova}} * {{ব্যবহারকারী|MD Jubayer 2012}} * {{ব্যবহারকারী|Outsourcingbsl}} * {{ব্যবহারকারী|নুর সাঈদ|নুর সাঈদ}} * {{ব্যবহারকারী|মাধুর্য বর্মন}} * {{ব্যবহারকারী|Pabel khan (Sergio)}} * {{ব্যবহারকারী|রাকিবুল হাসান রাসেল}} * {{ব্যবহারকারী|Prottasha Sparrow}} * {{ব্যবহারকারী|Mohammad Shakowat}} * {{ব্যবহারকারী|Ridoy Khan Rid}} * {{ব্যবহারকারী|Usarker}} * {{ব্যবহারকারী|M231991d}} * {{ব্যবহারকারী|Ridoy Khan Rid}} * {{ব্যবহারকারী|Rasel Mehedi}} * {{ব্যবহারকারী|ENGR MD. LITON SIKDER}} * {{ব্যবহারকারী|মোঃরাজুমিয়া}} * {{ব্যবহারকারী|Mohammad Kausar Al Qadri}} * {{ব্যবহারকারী|SSSinha14}} * {{ব্যবহারকারী|Nafiz khane}} * {{ব্যবহারকারী|Md Mahin Faysal}} * {{ব্যবহারকারী|TechnoBloxy}} * {{ব্যবহারকারী|Md Abdullah Al Nibir}} * {{ব্যবহারকারী|আরিফ শাহ}} * {{ব্যবহারকারী|মো সজীব সরকার}} * {{ব্যবহারকারী|Minhaz Shakil}} * {{ব্যবহারকারী|রিয়ান}} * {{ব্যবহারকারী|Premkumar samanta}} * {{ব্যবহারকারী|রাইয়ান মাহফুজ}} * {{ব্যবহারকারী|তাসনিম সাজিদ নিবিড়}} * {{ব্যবহারকারী|Jemynokrek}} * {{ব্যবহারকারী|S.M Hasibul Hasan}} * {{ব্যবহারকারী|MdMarufHossen71}} * {{ব্যবহারকারী|Ashrafulalambd1}} * {{ব্যবহারকারী|Siyan BD}} * {{ব্যবহারকারী|Trisha Mazumder}} * {{ব্যবহারকারী|Hridoy The Heart}} * {{ব্যবহারকারী|Sunil Baran Mishra}} * {{ব্যবহারকারী|Jemynokrek}} * {{ব্যবহারকারী|Jemynokrek}} * {{ব্যবহারকারী|Md. Muqtadir Fuad}} * {{ব্যবহারকারী|Ak mahmudul sharif}} * {{ব্যবহারকারী|Ridoy Khan Rid}} * {{ব্যবহারকারী|Jemynokrek}} * {{ব্যবহারকারী|Jemynokrek}} * {{Neme: Ridoy khan rid|{{Designation: Senior News Video Editor | Ridoy Khan Rid | Journalists}}}}{{subst:^| এখানে কিছু ধরার দরকার নেই। File:Ridoy Khan Rid|10px|বুড়ো আঙুল|alt=journalist, Ridoy Khan Rid, senior news video editor|senior news video editor Senior News Video Editor | Ridoy Khan Rid | Journalists @ridoykhanrid.online @journalist @ridoykhan @rid @videoeditor * {{ব্যবহারকারী|Rashed kha}} * {{ব্যবহারকারী|Anik Kanti Dey}} '''আনোয়ারা বেগম''' একজন শিক্ষাবিদ, সমাজসেবী ও নারীশিক্ষা উন্নয়নে অবদান রাখা ব্যক্তিত্ব। ==উক্তি== * "শিক্ষা মানুষকে আলোকিত করে এবং সমাজকে এগিয়ে নিয়ে যায়।" * "নারীশিক্ষা নিশ্চিত হলে জাতির উন্নয়ন ত্বরান্বিত হয়।" * "জ্ঞানই মানুষের সবচেয়ে বড় শক্তি।" * "সততা, পরিশ্রম ও শিক্ষা সফলতার মূল ভিত্তি।" * {{ব্যবহারকারী|Muhammad Fahim Faisal}} * {{ব্যবহারকারী|Muhammad Fahim Faisal}} * {{ব্যবহারকারী|সাজ্জাদ হোসেন-346}} “জীবনে মানুষ কতবার পড়ে গেল, সেটি বড় কথা নয়; বড় কথা হলো সে কতবার উঠে দাঁড়াল। কারণ ব্যর্থতা মানুষকে থামিয়ে দেওয়ার জন্য আসে না, বরং তাকে আরও শক্তিশালী করে তোলার জন্য আসে। যে মানুষ নিজের স্বপ্নকে বিশ্বাস করে, পরিশ্রম করতে জানে এবং ধৈর্য ধরে এগিয়ে যায়, তার পথ যত কঠিনই হোক না কেন, একদিন সে সফল হবেই। পৃথিবীর প্রতিটি বড় সাফল্যের পেছনে রয়েছে অসংখ্য ছোট ছোট চেষ্টা, ত্যাগ আর অপেক্ষা। তাই কখনো নিজেকে ছোট ভাবা উচিত নয় এবং কখনো আশা হারানো উচিত নয়। কারণ মানুষের ভেতরের সাহসই তার সবচেয়ে বড় শক্তি, আর সেই শক্তিই তাকে একদিন সবার থেকে আলাদা করে তোলে।” “যে মানুষ সততা ধরে রাখতে পারে, সে হারলেও একদিন সম্মানের সঙ্গে জিতে যায়।”“জীবনে মানুষ কতবার পড়ে গেল, সেটি বড় কথা নয়; বড় কথা হলো সে কতবার উঠে দাঁড়াল। কারণ ব্যর্থতা মানুষকে থামিয়ে দেওয়ার জন্য আসে না, বরং তাকে আরও শক্তিশালী করে তোলার জন্য আসে। যে মানুষ নিজের স্বপ্নকে বিশ্বাস করে, পরিশ্রম করতে জানে এবং ধৈর্য ধরে এগিয়ে যায়, তার পথ যত কঠিনই হোক না কেন, একদিন সে সফল হবেই। পৃথিবীর প্রতিটি বড় সাফল্যের পেছনে রয়েছে অসংখ্য ছোট ছোট চেষ্টা, ত্যাগ আর অপেক্ষা। তাই কখনো নিজেকে ছোট ভাবা উচিত নয় এবং কখনো আশা হারানো উচিত নয়। কারণ মানুষের ভেতরের সাহসই তার সবচেয়ে বড় শক্তি, আর সেই শক্তিই তাকে একদিন সবার থেকে আলাদা করে তোলে।” “মানুষের সবচেয়ে বড় শক্তি তার জ্ঞান নয়, তার সাহস। কারণ জ্ঞান পথ দেখায়, কিন্তু সাহস মানুষকে সেই পথে এগিয়ে যেতে সাহায্য করে। জীবনে যত বাধাই আসুক না কেন, যে মানুষ নিজের ওপর বিশ্বাস রাখে এবং পরিশ্রম করে, সে একদিন অবশ্যই সফল হয়। ব্যর্থতা কখনো শেষ নয়, বরং নতুনভাবে শুরু করার সুযোগ। তাই কখনো হতাশ হওয়া উচিত নয়, কারণ অন্ধকার যত গভীরই হোক, তার পরেই আলো আসে।” * {{ব্যবহারকারী|মোঃ আরিয়ান}} * {{ব্যবহারকারী|ফারুক ফরায়েজি}} * {{ব্যবহারকারী|Rana mundari}} * {{ব্যবহারকারী|Sahem Sk}} * {{ব্যবহারকারী|Ashik212072}} '''কাজী নজরুল ইসলাম''' * “বাঙালি যেদিন ঐক্যবদ্ধ হয়ে বলতে পারবে ‘বাঙালির বাংলা’, সেদিন তারা অসাধ্য সাধন করবে।” : — ‘বাঙালির বাংলা’ প্রবন্ধ, নজরুল-রচনাবলী, জন্মশতবর্ষ সংস্করণ, সপ্তম খণ্ড, বাংলা একাডেমী, ঢাকা, পৃষ্ঠা ৫৬ * “বার্ধক্য তাহাই যাহা পুরাতনকে, মিথ্যাকে, মৃত্যুকে আকড়াইয়া পড়িয়া থাকে।” : — ‘যৌবনের গান’, নজরুল-রচনাবলী, বাংলা একাডেমী, ঢাকা * “ধর্ম মানুষের জন্য; মানুষ কখনোই ধর্মের জন্য নয়।” : — প্রবন্ধ সংকলন, নজরুল-রচনাবলী, বাংলা একাডেমী, ঢাকা * “মানুষের মাঝে ভেদাভেদ সৃষ্টি করে যে ধর্ম, তা প্রকৃত ধর্ম নয়।” : — প্রবন্ধ সংকলন, নজরুল-রচনাবলী, বাংলা একাডেমী, ঢাকা * “স্বাধীনতা মানুষের জন্মগত অধিকার, একে দমিয়ে রাখা অন্যায়।” : — প্রবন্ধ, নজরুল-রচনাবলী, বাংলা একাডেমী, ঢাকা 2ye3m39ckoq8epjnet9flyldsgdq0kx 79772 79756 2026-04-22T14:57:02Z Nil Nandy 2294 [[Special:Contributions/Ashik212072|Ashik212072]] ([[User talk:Ashik212072|আলাপ]])-এর সম্পাদিত [[Special:Diff/79756|79756]] নম্বর সংশোধনটি বাতিল করা হয়েছে 79772 wikitext text/x-wiki {{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=6}} <inputbox> type = comment default = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী page = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী preload = টেমপ্লেট:আমি editintro = টেমপ্লেট:সম্মিলন/অংশগ্রহণ/সম্পাদনা-ভূমিকা nosummary=true hidden = yes buttonlabel =নাম যোগ করতে এখানে ক্লিক করুন minor = true break = no </inputbox> {{div col}} <!-- ------------------------------- এই লাইনের উপর সম্পাদনা করবেন না। --------------------------------------------------- সবার নিচে আপনার ব্যবহারকারী নাম অন্যদের মত করে যুক্ত করুন। উদাহরণ: # {{ব্যবহারকারী|আপনার ব্যবহারকারী নাম}} ---> <!-- দয়া করে * কে # দিয়ে পরিবর্তন করবেন না --> <!-- আপনার নাম যোগ করার আগে নিচের কিছু বিষয় খেয়াল রাখবেন ১. এখানে আপনার নাম যোগ করার জন্য # {{ব্যবহারকারী|{{subst:সংশোধনের_ব্যবহারকারী}}}}{{subst:^| এসব কিছু করার দরকার নেই। ২. আপনাকে এখানে কিছু লিখতে হবে না ;) কেবল নিচে যান ও "পরিবর্তন প্রকাশ করুন" ক্লিক করুন। আপনার নাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে যোগ হবে। ৩. নাম যোগের পর অন্তত একটি নিবন্ধ অনুবাদ করতে ভুলবেন না। অন্যথায় আপনি পুরস্কার পাবার অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন --> <!-- এই অংশের পর থেকে আপনার নাম লিখুন --> * {{ব্যবহারকারী|Dhanaranjan Barman}} * {{ব্যবহারকারী|NusJaS}} * {{ব্যবহারকারী|MS Sakib}} * {{ব্যবহারকারী|ARI}} * {{ব্যবহারকারী|Shahriar Kabir Pavel}} * {{ব্যবহারকারী|Hmm123india}} * {{ব্যবহারকারী|Tausheef Hassan}} * {{ব্যবহারকারী|ফারদিন}} * {{ব্যবহারকারী|Sumanta3023}} * {{ব্যবহারকারী|MdsShakil}} * {{ব্যবহারকারী|Salil Kumar Mukherjee}} * {{ব্যবহারকারী|Mojibrsm}} * {{ব্যবহারকারী|Md Ataul Haque Shaheen}} * {{ব্যবহারকারী|MD AZAHAR ALl}} * {{ব্যবহারকারী|Md Sadek Ahmed (Abdullah)}} * {{ব্যবহারকারী|Anaf Ibn Shahibul}} * {{ব্যবহারকারী|S M Mominul I A J}} * {{ব্যবহারকারী|Amirhusenjihed}} * {{ব্যবহারকারী|মুসাঈদ আনসারী ফাহিম}} * {{ব্যবহারকারী|Firuz Ahmmed}} * {{ব্যবহারকারী|Tanvir 360}} * {{ব্যবহারকারী|MahdiRiyadX}} * {{ব্যবহারকারী|NotNahid}} * {{ব্যবহারকারী|Sohini Biswas 2004}} * {{ব্যবহারকারী|মো: মুশফিকুর রহমান}} * {{ব্যবহারকারী|মোছা:লাভলি বেগম}} * {{ব্যবহারকারী|Nil Nandy}} * {{ব্যবহারকারী|MM Tarif}} * {{ব্যবহারকারী|Mohammed Iftakhar Alam}} * {{ব্যবহারকারী|MD Sahib}} * {{ব্যবহারকারী|Diponbd24}} * {{ব্যবহারকারী|Shahriar AhmedSayem}} * {{ব্যবহারকারী|Arhanahmedanondo}} * {{ব্যবহারকারী|Sujon shill}} * {{ব্যবহারকারী|Oindrojalik Watch}} * {{ব্যবহারকারী|MazeduHaque}} * {{ব্যবহারকারী|Supriti2026}} * {{ব্যবহারকারী|Aminu Islam441}} * {{ব্যবহারকারী|Tanbiruzzaman}} * {{ব্যবহারকারী|Raihanur}} * {{ব্যবহারকারী|Ruposhi88.has}} * {{ব্যবহারকারী|MD SAJJAT CHOWDHORY}} * {{ব্যবহারকারী|Rayhan Ahmed Arafat}} * {{ব্যবহারকারী|Aminul Islam}} * {{ব্যবহারকারী|মো.খাইরুল ইসলাম}} * {{ব্যবহারকারী|RushanSheikhRussu34}} * {{ব্যবহারকারী|নিয়াজ ইসলাম}} * {{ব্যবহারকারী|MdTajkar Uddin}} * {{ব্যবহারকারী|Mst.Maria Parvin}} * {{ব্যবহারকারী|MD RADWAN ISLAM ROHAN}} * {{ব্যবহারকারী|Borhan}} * {{ব্যবহারকারী|Tamaliya Das Gupta}} * {{ব্যবহারকারী|Akash Ahmed Jhon}} * {{ব্যবহারকারী|Md.sarif reza}} * {{ব্যবহারকারী|MD.AL-AMIN MONDAL}} * {{ব্যবহারকারী|Asad.fr}} * {{ব্যবহারকারী|MD RADWAN ISLAM}} * {{ব্যবহারকারী|ASM Shamimul Islam}} * {{ব্যবহারকারী|মোঃ তানভীর বানান}} * {{ব্যবহারকারী|মোহাম্মদ জনি হোসেন}} * {{ব্যবহারকারী|Red1Ferdous}} * {{ব্যবহারকারী|AKM Mahinur Rahman}} * {{ব্যবহারকারী|Writer Debraj Saha}} * {{ব্যবহারকারী|Kaustav Chowdhury}} * {{ব্যবহারকারী|JIBON}} * {{ব্যবহারকারী|SHEIKH}} * {{ব্যবহারকারী|Md Samiun}} * {{ব্যবহারকারী|Mksh46}} * {{ব্যবহারকারী|Kiran khaskil}} * {{ব্যবহারকারী|কামরুল ইসলাম মজুমদার}} * {{ব্যবহারকারী|Nazma Bugam}} * {{ব্যবহারকারী|Mili Ahmed}} * {{ব্যবহারকারী|Manik19}} * {{ব্যবহারকারী|Kamrul bin Jamal}} * {{ব্যবহারকারী|MD sumon k}} * {{ব্যবহারকারী|Nayeem Hossain55}} * {{ব্যবহারকারী|Talha toha}} * {{ব্যবহারকারী|Shri Avishek Roy}} * {{ব্যবহারকারী|Md Yasin Omor}} * {{ব্যবহারকারী|Wizene}} * {{ব্যবহারকারী|Shovu55}} * {{ব্যবহারকারী|Afiya07}} * {{ব্যবহারকারী|সানজার আল ইসলাম}} * {{ব্যবহারকারী|Bayejid-wiki}} * {{ব্যবহারকারী|Md. Rayan Alam Rifat}} * {{ব্যবহারকারী|Ahnaf Mosaddek}} * {{ব্যবহারকারী|Mdhabib}} * {{ব্যবহারকারী|Md Emon090}} * {{ব্যবহারকারী|BEnjOhiR}} * {{ব্যবহারকারী|Md shakhhawat Hossain}} * {{ব্যবহারকারী|Sheikh Mohammad Alimul Islam}} * {{ব্যবহারকারী|Rumman Chowdhury 20}} * {{ব্যবহারকারী|Vugon kumar}} * {{ব্যবহারকারী|ExceptionistSagar}} * {{ব্যবহারকারী|দীপক মণ্ডল}} * {{ব্যবহারকারী|Shourav chandra saha}} * {{ব্যবহারকারী|চৌধুরী প্রবীর}} * {{ব্যবহারকারী|Akifa Shazzad Prova}} * {{ব্যবহারকারী|MD Jubayer 2012}} * {{ব্যবহারকারী|Outsourcingbsl}} * {{ব্যবহারকারী|নুর সাঈদ|নুর সাঈদ}} * {{ব্যবহারকারী|মাধুর্য বর্মন}} * {{ব্যবহারকারী|Pabel khan (Sergio)}} * {{ব্যবহারকারী|রাকিবুল হাসান রাসেল}} * {{ব্যবহারকারী|Prottasha Sparrow}} * {{ব্যবহারকারী|Mohammad Shakowat}} * {{ব্যবহারকারী|Ridoy Khan Rid}} * {{ব্যবহারকারী|Usarker}} * {{ব্যবহারকারী|M231991d}} * {{ব্যবহারকারী|Ridoy Khan Rid}} * {{ব্যবহারকারী|Rasel Mehedi}} * {{ব্যবহারকারী|ENGR MD. LITON SIKDER}} * {{ব্যবহারকারী|মোঃরাজুমিয়া}} * {{ব্যবহারকারী|Mohammad Kausar Al Qadri}} * {{ব্যবহারকারী|SSSinha14}} * {{ব্যবহারকারী|Nafiz khane}} * {{ব্যবহারকারী|Md Mahin Faysal}} * {{ব্যবহারকারী|TechnoBloxy}} * {{ব্যবহারকারী|Md Abdullah Al Nibir}} * {{ব্যবহারকারী|আরিফ শাহ}} * {{ব্যবহারকারী|মো সজীব সরকার}} * {{ব্যবহারকারী|Minhaz Shakil}} * {{ব্যবহারকারী|রিয়ান}} * {{ব্যবহারকারী|Premkumar samanta}} * {{ব্যবহারকারী|রাইয়ান মাহফুজ}} * {{ব্যবহারকারী|তাসনিম সাজিদ নিবিড়}} * {{ব্যবহারকারী|Jemynokrek}} * {{ব্যবহারকারী|S.M Hasibul Hasan}} * {{ব্যবহারকারী|MdMarufHossen71}} * {{ব্যবহারকারী|Ashrafulalambd1}} * {{ব্যবহারকারী|Siyan BD}} * {{ব্যবহারকারী|Trisha Mazumder}} * {{ব্যবহারকারী|Hridoy The Heart}} * {{ব্যবহারকারী|Sunil Baran Mishra}} * {{ব্যবহারকারী|Jemynokrek}} * {{ব্যবহারকারী|Jemynokrek}} * {{ব্যবহারকারী|Md. Muqtadir Fuad}} * {{ব্যবহারকারী|Ak mahmudul sharif}} * {{ব্যবহারকারী|Ridoy Khan Rid}} * {{ব্যবহারকারী|Jemynokrek}} * {{ব্যবহারকারী|Jemynokrek}} * {{Neme: Ridoy khan rid|{{Designation: Senior News Video Editor | Ridoy Khan Rid | Journalists}}}}{{subst:^| এখানে কিছু ধরার দরকার নেই। File:Ridoy Khan Rid|10px|বুড়ো আঙুল|alt=journalist, Ridoy Khan Rid, senior news video editor|senior news video editor Senior News Video Editor | Ridoy Khan Rid | Journalists @ridoykhanrid.online @journalist @ridoykhan @rid @videoeditor * {{ব্যবহারকারী|Rashed kha}} * {{ব্যবহারকারী|Anik Kanti Dey}} '''আনোয়ারা বেগম''' একজন শিক্ষাবিদ, সমাজসেবী ও নারীশিক্ষা উন্নয়নে অবদান রাখা ব্যক্তিত্ব। ==উক্তি== * "শিক্ষা মানুষকে আলোকিত করে এবং সমাজকে এগিয়ে নিয়ে যায়।" * "নারীশিক্ষা নিশ্চিত হলে জাতির উন্নয়ন ত্বরান্বিত হয়।" * "জ্ঞানই মানুষের সবচেয়ে বড় শক্তি।" * "সততা, পরিশ্রম ও শিক্ষা সফলতার মূল ভিত্তি।" * {{ব্যবহারকারী|Muhammad Fahim Faisal}} * {{ব্যবহারকারী|Muhammad Fahim Faisal}} * {{ব্যবহারকারী|সাজ্জাদ হোসেন-346}} “জীবনে মানুষ কতবার পড়ে গেল, সেটি বড় কথা নয়; বড় কথা হলো সে কতবার উঠে দাঁড়াল। কারণ ব্যর্থতা মানুষকে থামিয়ে দেওয়ার জন্য আসে না, বরং তাকে আরও শক্তিশালী করে তোলার জন্য আসে। যে মানুষ নিজের স্বপ্নকে বিশ্বাস করে, পরিশ্রম করতে জানে এবং ধৈর্য ধরে এগিয়ে যায়, তার পথ যত কঠিনই হোক না কেন, একদিন সে সফল হবেই। পৃথিবীর প্রতিটি বড় সাফল্যের পেছনে রয়েছে অসংখ্য ছোট ছোট চেষ্টা, ত্যাগ আর অপেক্ষা। তাই কখনো নিজেকে ছোট ভাবা উচিত নয় এবং কখনো আশা হারানো উচিত নয়। কারণ মানুষের ভেতরের সাহসই তার সবচেয়ে বড় শক্তি, আর সেই শক্তিই তাকে একদিন সবার থেকে আলাদা করে তোলে।” “যে মানুষ সততা ধরে রাখতে পারে, সে হারলেও একদিন সম্মানের সঙ্গে জিতে যায়।”“জীবনে মানুষ কতবার পড়ে গেল, সেটি বড় কথা নয়; বড় কথা হলো সে কতবার উঠে দাঁড়াল। কারণ ব্যর্থতা মানুষকে থামিয়ে দেওয়ার জন্য আসে না, বরং তাকে আরও শক্তিশালী করে তোলার জন্য আসে। যে মানুষ নিজের স্বপ্নকে বিশ্বাস করে, পরিশ্রম করতে জানে এবং ধৈর্য ধরে এগিয়ে যায়, তার পথ যত কঠিনই হোক না কেন, একদিন সে সফল হবেই। পৃথিবীর প্রতিটি বড় সাফল্যের পেছনে রয়েছে অসংখ্য ছোট ছোট চেষ্টা, ত্যাগ আর অপেক্ষা। তাই কখনো নিজেকে ছোট ভাবা উচিত নয় এবং কখনো আশা হারানো উচিত নয়। কারণ মানুষের ভেতরের সাহসই তার সবচেয়ে বড় শক্তি, আর সেই শক্তিই তাকে একদিন সবার থেকে আলাদা করে তোলে।” “মানুষের সবচেয়ে বড় শক্তি তার জ্ঞান নয়, তার সাহস। কারণ জ্ঞান পথ দেখায়, কিন্তু সাহস মানুষকে সেই পথে এগিয়ে যেতে সাহায্য করে। জীবনে যত বাধাই আসুক না কেন, যে মানুষ নিজের ওপর বিশ্বাস রাখে এবং পরিশ্রম করে, সে একদিন অবশ্যই সফল হয়। ব্যর্থতা কখনো শেষ নয়, বরং নতুনভাবে শুরু করার সুযোগ। তাই কখনো হতাশ হওয়া উচিত নয়, কারণ অন্ধকার যত গভীরই হোক, তার পরেই আলো আসে।” * {{ব্যবহারকারী|মোঃ আরিয়ান}} * {{ব্যবহারকারী|ফারুক ফরায়েজি}} * {{ব্যবহারকারী|Rana mundari}} * {{ব্যবহারকারী|Sahem Sk}} * {{ব্যবহারকারী|Ashik212072}} 1pzrqilqzo35i3d76ocgupyadf2pxfz 79880 79772 2026-04-23T04:52:27Z MojahidShaikh1 5541 79880 wikitext text/x-wiki {{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=6}} <inputbox> type = comment default = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী page = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী preload = টেমপ্লেট:আমি editintro = টেমপ্লেট:সম্মিলন/অংশগ্রহণ/সম্পাদনা-ভূমিকা nosummary=true hidden = yes buttonlabel =নাম যোগ করতে এখানে ক্লিক করুন minor = true break = no </inputbox> {{div col}} <!-- ------------------------------- এই লাইনের উপর সম্পাদনা করবেন না। --------------------------------------------------- সবার নিচে আপনার ব্যবহারকারী নাম অন্যদের মত করে যুক্ত করুন। উদাহরণ: # {{ব্যবহারকারী|আপনার ব্যবহারকারী নাম}} ---> <!-- দয়া করে * কে # দিয়ে পরিবর্তন করবেন না --> <!-- আপনার নাম যোগ করার আগে নিচের কিছু বিষয় খেয়াল রাখবেন ১. এখানে আপনার নাম যোগ করার জন্য # {{ব্যবহারকারী|{{subst:সংশোধনের_ব্যবহারকারী}}}}{{subst:^| এসব কিছু করার দরকার নেই। ২. আপনাকে এখানে কিছু লিখতে হবে না ;) কেবল নিচে যান ও "পরিবর্তন প্রকাশ করুন" ক্লিক করুন। আপনার নাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে যোগ হবে। ৩. নাম যোগের পর অন্তত একটি নিবন্ধ অনুবাদ করতে ভুলবেন না। অন্যথায় আপনি পুরস্কার পাবার অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন --> <!-- এই অংশের পর থেকে আপনার নাম লিখুন --> * {{ব্যবহারকারী|Dhanaranjan Barman}} * {{ব্যবহারকারী|NusJaS}} * {{ব্যবহারকারী|MS Sakib}} * {{ব্যবহারকারী|ARI}} * {{ব্যবহারকারী|Shahriar Kabir Pavel}} * {{ব্যবহারকারী|Hmm123india}} * {{ব্যবহারকারী|Tausheef Hassan}} * {{ব্যবহারকারী|ফারদিন}} * {{ব্যবহারকারী|Sumanta3023}} * {{ব্যবহারকারী|MdsShakil}} * {{ব্যবহারকারী|Salil Kumar Mukherjee}} * {{ব্যবহারকারী|Mojibrsm}} * {{ব্যবহারকারী|Md Ataul Haque Shaheen}} * {{ব্যবহারকারী|MD AZAHAR ALl}} * {{ব্যবহারকারী|Md Sadek Ahmed (Abdullah)}} * {{ব্যবহারকারী|Anaf Ibn Shahibul}} * {{ব্যবহারকারী|S M Mominul I A J}} * {{ব্যবহারকারী|Amirhusenjihed}} * {{ব্যবহারকারী|মুসাঈদ আনসারী ফাহিম}} * {{ব্যবহারকারী|Firuz Ahmmed}} * {{ব্যবহারকারী|Tanvir 360}} * {{ব্যবহারকারী|MahdiRiyadX}} * {{ব্যবহারকারী|NotNahid}} * {{ব্যবহারকারী|Sohini Biswas 2004}} * {{ব্যবহারকারী|মো: মুশফিকুর রহমান}} * {{ব্যবহারকারী|মোছা:লাভলি বেগম}} * {{ব্যবহারকারী|Nil Nandy}} * {{ব্যবহারকারী|MM Tarif}} * {{ব্যবহারকারী|Mohammed Iftakhar Alam}} * {{ব্যবহারকারী|MD Sahib}} * {{ব্যবহারকারী|Diponbd24}} * {{ব্যবহারকারী|Shahriar AhmedSayem}} * {{ব্যবহারকারী|Arhanahmedanondo}} * {{ব্যবহারকারী|Sujon shill}} * {{ব্যবহারকারী|Oindrojalik Watch}} * {{ব্যবহারকারী|MazeduHaque}} * {{ব্যবহারকারী|Supriti2026}} * {{ব্যবহারকারী|Aminu Islam441}} * {{ব্যবহারকারী|Tanbiruzzaman}} * {{ব্যবহারকারী|Raihanur}} * {{ব্যবহারকারী|Ruposhi88.has}} * {{ব্যবহারকারী|MD SAJJAT CHOWDHORY}} * {{ব্যবহারকারী|Rayhan Ahmed Arafat}} * {{ব্যবহারকারী|Aminul Islam}} * {{ব্যবহারকারী|মো.খাইরুল ইসলাম}} * {{ব্যবহারকারী|RushanSheikhRussu34}} * {{ব্যবহারকারী|নিয়াজ ইসলাম}} * {{ব্যবহারকারী|MdTajkar Uddin}} * {{ব্যবহারকারী|Mst.Maria Parvin}} * {{ব্যবহারকারী|MD RADWAN ISLAM ROHAN}} * {{ব্যবহারকারী|Borhan}} * {{ব্যবহারকারী|Tamaliya Das Gupta}} * {{ব্যবহারকারী|Akash Ahmed Jhon}} * {{ব্যবহারকারী|Md.sarif reza}} * {{ব্যবহারকারী|MD.AL-AMIN MONDAL}} * {{ব্যবহারকারী|Asad.fr}} * {{ব্যবহারকারী|MD RADWAN ISLAM}} * {{ব্যবহারকারী|ASM Shamimul Islam}} * {{ব্যবহারকারী|মোঃ তানভীর বানান}} * {{ব্যবহারকারী|মোহাম্মদ জনি হোসেন}} * {{ব্যবহারকারী|Red1Ferdous}} * {{ব্যবহারকারী|AKM Mahinur Rahman}} * {{ব্যবহারকারী|Writer Debraj Saha}} * {{ব্যবহারকারী|Kaustav Chowdhury}} * {{ব্যবহারকারী|JIBON}} * {{ব্যবহারকারী|SHEIKH}} * {{ব্যবহারকারী|Md Samiun}} * {{ব্যবহারকারী|Mksh46}} * {{ব্যবহারকারী|Kiran khaskil}} * {{ব্যবহারকারী|কামরুল ইসলাম মজুমদার}} * {{ব্যবহারকারী|Nazma Bugam}} * {{ব্যবহারকারী|Mili Ahmed}} * {{ব্যবহারকারী|Manik19}} * {{ব্যবহারকারী|Kamrul bin Jamal}} * {{ব্যবহারকারী|MD sumon k}} * {{ব্যবহারকারী|Nayeem Hossain55}} * {{ব্যবহারকারী|Talha toha}} * {{ব্যবহারকারী|Shri Avishek Roy}} * {{ব্যবহারকারী|Md Yasin Omor}} * {{ব্যবহারকারী|Wizene}} * {{ব্যবহারকারী|Shovu55}} * {{ব্যবহারকারী|Afiya07}} * {{ব্যবহারকারী|সানজার আল ইসলাম}} * {{ব্যবহারকারী|Bayejid-wiki}} * {{ব্যবহারকারী|Md. Rayan Alam Rifat}} * {{ব্যবহারকারী|Ahnaf Mosaddek}} * {{ব্যবহারকারী|Mdhabib}} * {{ব্যবহারকারী|Md Emon090}} * {{ব্যবহারকারী|BEnjOhiR}} * {{ব্যবহারকারী|Md shakhhawat Hossain}} * {{ব্যবহারকারী|Sheikh Mohammad Alimul Islam}} * {{ব্যবহারকারী|Rumman Chowdhury 20}} * {{ব্যবহারকারী|Vugon kumar}} * {{ব্যবহারকারী|ExceptionistSagar}} * {{ব্যবহারকারী|দীপক মণ্ডল}} * {{ব্যবহারকারী|Shourav chandra saha}} * {{ব্যবহারকারী|চৌধুরী প্রবীর}} * {{ব্যবহারকারী|Akifa Shazzad Prova}} * {{ব্যবহারকারী|MD Jubayer 2012}} * {{ব্যবহারকারী|Outsourcingbsl}} * {{ব্যবহারকারী|নুর সাঈদ|নুর সাঈদ}} * {{ব্যবহারকারী|মাধুর্য বর্মন}} * {{ব্যবহারকারী|Pabel khan (Sergio)}} * {{ব্যবহারকারী|রাকিবুল হাসান রাসেল}} * {{ব্যবহারকারী|Prottasha Sparrow}} * {{ব্যবহারকারী|Mohammad Shakowat}} * {{ব্যবহারকারী|Ridoy Khan Rid}} * {{ব্যবহারকারী|Usarker}} * {{ব্যবহারকারী|M231991d}} * {{ব্যবহারকারী|Ridoy Khan Rid}} * {{ব্যবহারকারী|Rasel Mehedi}} * {{ব্যবহারকারী|ENGR MD. LITON SIKDER}} * {{ব্যবহারকারী|মোঃরাজুমিয়া}} * {{ব্যবহারকারী|Mohammad Kausar Al Qadri}} * {{ব্যবহারকারী|SSSinha14}} * {{ব্যবহারকারী|Nafiz khane}} * {{ব্যবহারকারী|Md Mahin Faysal}} * {{ব্যবহারকারী|TechnoBloxy}} * {{ব্যবহারকারী|Md Abdullah Al Nibir}} * {{ব্যবহারকারী|আরিফ শাহ}} * {{ব্যবহারকারী|মো সজীব সরকার}} * {{ব্যবহারকারী|Minhaz Shakil}} * {{ব্যবহারকারী|রিয়ান}} * {{ব্যবহারকারী|Premkumar samanta}} * {{ব্যবহারকারী|রাইয়ান মাহফুজ}} * {{ব্যবহারকারী|তাসনিম সাজিদ নিবিড়}} * {{ব্যবহারকারী|Jemynokrek}} * {{ব্যবহারকারী|S.M Hasibul Hasan}} * {{ব্যবহারকারী|MdMarufHossen71}} * {{ব্যবহারকারী|Ashrafulalambd1}} * {{ব্যবহারকারী|Siyan BD}} * {{ব্যবহারকারী|Trisha Mazumder}} * {{ব্যবহারকারী|Hridoy The Heart}} * {{ব্যবহারকারী|Sunil Baran Mishra}} * {{ব্যবহারকারী|Jemynokrek}} * {{ব্যবহারকারী|Jemynokrek}} * {{ব্যবহারকারী|Md. Muqtadir Fuad}} * {{ব্যবহারকারী|Ak mahmudul sharif}} * {{ব্যবহারকারী|Ridoy Khan Rid}} * {{ব্যবহারকারী|Jemynokrek}} * {{ব্যবহারকারী|Jemynokrek}} * {{Neme: Ridoy khan rid|{{Designation: Senior News Video Editor | Ridoy Khan Rid | Journalists}}}}{{subst:^| এখানে কিছু ধরার দরকার নেই। File:Ridoy Khan Rid|10px|বুড়ো আঙুল|alt=journalist, Ridoy Khan Rid, senior news video editor|senior news video editor Senior News Video Editor | Ridoy Khan Rid | Journalists @ridoykhanrid.online @journalist @ridoykhan @rid @videoeditor * {{ব্যবহারকারী|Rashed kha}} * {{ব্যবহারকারী|Anik Kanti Dey}} '''আনোয়ারা বেগম''' একজন শিক্ষাবিদ, সমাজসেবী ও নারীশিক্ষা উন্নয়নে অবদান রাখা ব্যক্তিত্ব। ==উক্তি== * "শিক্ষা মানুষকে আলোকিত করে এবং সমাজকে এগিয়ে নিয়ে যায়।" * "নারীশিক্ষা নিশ্চিত হলে জাতির উন্নয়ন ত্বরান্বিত হয়।" * "জ্ঞানই মানুষের সবচেয়ে বড় শক্তি।" * "সততা, পরিশ্রম ও শিক্ষা সফলতার মূল ভিত্তি।" * {{ব্যবহারকারী|Muhammad Fahim Faisal}} * {{ব্যবহারকারী|Muhammad Fahim Faisal}} * {{ব্যবহারকারী|সাজ্জাদ হোসেন-346}} “জীবনে মানুষ কতবার পড়ে গেল, সেটি বড় কথা নয়; বড় কথা হলো সে কতবার উঠে দাঁড়াল। কারণ ব্যর্থতা মানুষকে থামিয়ে দেওয়ার জন্য আসে না, বরং তাকে আরও শক্তিশালী করে তোলার জন্য আসে। যে মানুষ নিজের স্বপ্নকে বিশ্বাস করে, পরিশ্রম করতে জানে এবং ধৈর্য ধরে এগিয়ে যায়, তার পথ যত কঠিনই হোক না কেন, একদিন সে সফল হবেই। পৃথিবীর প্রতিটি বড় সাফল্যের পেছনে রয়েছে অসংখ্য ছোট ছোট চেষ্টা, ত্যাগ আর অপেক্ষা। তাই কখনো নিজেকে ছোট ভাবা উচিত নয় এবং কখনো আশা হারানো উচিত নয়। কারণ মানুষের ভেতরের সাহসই তার সবচেয়ে বড় শক্তি, আর সেই শক্তিই তাকে একদিন সবার থেকে আলাদা করে তোলে।” “যে মানুষ সততা ধরে রাখতে পারে, সে হারলেও একদিন সম্মানের সঙ্গে জিতে যায়।”“জীবনে মানুষ কতবার পড়ে গেল, সেটি বড় কথা নয়; বড় কথা হলো সে কতবার উঠে দাঁড়াল। কারণ ব্যর্থতা মানুষকে থামিয়ে দেওয়ার জন্য আসে না, বরং তাকে আরও শক্তিশালী করে তোলার জন্য আসে। যে মানুষ নিজের স্বপ্নকে বিশ্বাস করে, পরিশ্রম করতে জানে এবং ধৈর্য ধরে এগিয়ে যায়, তার পথ যত কঠিনই হোক না কেন, একদিন সে সফল হবেই। পৃথিবীর প্রতিটি বড় সাফল্যের পেছনে রয়েছে অসংখ্য ছোট ছোট চেষ্টা, ত্যাগ আর অপেক্ষা। তাই কখনো নিজেকে ছোট ভাবা উচিত নয় এবং কখনো আশা হারানো উচিত নয়। কারণ মানুষের ভেতরের সাহসই তার সবচেয়ে বড় শক্তি, আর সেই শক্তিই তাকে একদিন সবার থেকে আলাদা করে তোলে।” “মানুষের সবচেয়ে বড় শক্তি তার জ্ঞান নয়, তার সাহস। কারণ জ্ঞান পথ দেখায়, কিন্তু সাহস মানুষকে সেই পথে এগিয়ে যেতে সাহায্য করে। জীবনে যত বাধাই আসুক না কেন, যে মানুষ নিজের ওপর বিশ্বাস রাখে এবং পরিশ্রম করে, সে একদিন অবশ্যই সফল হয়। ব্যর্থতা কখনো শেষ নয়, বরং নতুনভাবে শুরু করার সুযোগ। তাই কখনো হতাশ হওয়া উচিত নয়, কারণ অন্ধকার যত গভীরই হোক, তার পরেই আলো আসে।” * {{ব্যবহারকারী|মোঃ আরিয়ান}} * {{ব্যবহারকারী|ফারুক ফরায়েজি}} * {{ব্যবহারকারী|Rana mundari}} * {{ব্যবহারকারী|Sahem Sk}} * {{ব্যবহারকারী|Ashik212072}} * {{ব্যবহারকারী|MojahidShaikh1}} 9jg988y14uteoymqhpi2kyy7idvd5wq 79921 79880 2026-04-23T06:55:13Z Shahjalal84 5547 79921 wikitext text/x-wiki {{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=6}} <inputbox> type = comment default = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী page = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী preload = টেমপ্লেট:আমি editintro = টেমপ্লেট:সম্মিলন/অংশগ্রহণ/সম্পাদনা-ভূমিকা nosummary=true hidden = yes buttonlabel =নাম যোগ করতে এখানে ক্লিক করুন minor = true break = no </inputbox> {{div col}} <!-- ------------------------------- এই লাইনের উপর সম্পাদনা করবেন না। --------------------------------------------------- সবার নিচে আপনার ব্যবহারকারী নাম অন্যদের মত করে যুক্ত করুন। উদাহরণ: # {{ব্যবহারকারী|আপনার ব্যবহারকারী নাম}} ---> <!-- দয়া করে * কে # দিয়ে পরিবর্তন করবেন না --> <!-- আপনার নাম যোগ করার আগে নিচের কিছু বিষয় খেয়াল রাখবেন ১. এখানে আপনার নাম যোগ করার জন্য # {{ব্যবহারকারী|{{subst:সংশোধনের_ব্যবহারকারী}}}}{{subst:^| এসব কিছু করার দরকার নেই। ২. আপনাকে এখানে কিছু লিখতে হবে না ;) কেবল নিচে যান ও "পরিবর্তন প্রকাশ করুন" ক্লিক করুন। আপনার নাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে যোগ হবে। ৩. নাম যোগের পর অন্তত একটি নিবন্ধ অনুবাদ করতে ভুলবেন না। অন্যথায় আপনি পুরস্কার পাবার অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন --> <!-- এই অংশের পর থেকে আপনার নাম লিখুন --> * {{ব্যবহারকারী|Dhanaranjan Barman}} * {{ব্যবহারকারী|NusJaS}} * {{ব্যবহারকারী|MS Sakib}} * {{ব্যবহারকারী|ARI}} * {{ব্যবহারকারী|Shahriar Kabir Pavel}} * {{ব্যবহারকারী|Hmm123india}} * {{ব্যবহারকারী|Tausheef Hassan}} * {{ব্যবহারকারী|ফারদিন}} * {{ব্যবহারকারী|Sumanta3023}} * {{ব্যবহারকারী|MdsShakil}} * {{ব্যবহারকারী|Salil Kumar Mukherjee}} * {{ব্যবহারকারী|Mojibrsm}} * {{ব্যবহারকারী|Md Ataul Haque Shaheen}} * {{ব্যবহারকারী|MD AZAHAR ALl}} * {{ব্যবহারকারী|Md Sadek Ahmed (Abdullah)}} * {{ব্যবহারকারী|Anaf Ibn Shahibul}} * {{ব্যবহারকারী|S M Mominul I A J}} * {{ব্যবহারকারী|Amirhusenjihed}} * {{ব্যবহারকারী|মুসাঈদ আনসারী ফাহিম}} * {{ব্যবহারকারী|Firuz Ahmmed}} * {{ব্যবহারকারী|Tanvir 360}} * {{ব্যবহারকারী|MahdiRiyadX}} * {{ব্যবহারকারী|NotNahid}} * {{ব্যবহারকারী|Sohini Biswas 2004}} * {{ব্যবহারকারী|মো: মুশফিকুর রহমান}} * {{ব্যবহারকারী|মোছা:লাভলি বেগম}} * {{ব্যবহারকারী|Nil Nandy}} * {{ব্যবহারকারী|MM Tarif}} * {{ব্যবহারকারী|Mohammed Iftakhar Alam}} * {{ব্যবহারকারী|MD Sahib}} * {{ব্যবহারকারী|Diponbd24}} * {{ব্যবহারকারী|Shahriar AhmedSayem}} * {{ব্যবহারকারী|Arhanahmedanondo}} * {{ব্যবহারকারী|Sujon shill}} * {{ব্যবহারকারী|Oindrojalik Watch}} * {{ব্যবহারকারী|MazeduHaque}} * {{ব্যবহারকারী|Supriti2026}} * {{ব্যবহারকারী|Aminu Islam441}} * {{ব্যবহারকারী|Tanbiruzzaman}} * {{ব্যবহারকারী|Raihanur}} * {{ব্যবহারকারী|Ruposhi88.has}} * {{ব্যবহারকারী|MD SAJJAT CHOWDHORY}} * {{ব্যবহারকারী|Rayhan Ahmed Arafat}} * {{ব্যবহারকারী|Aminul Islam}} * {{ব্যবহারকারী|মো.খাইরুল ইসলাম}} * {{ব্যবহারকারী|RushanSheikhRussu34}} * {{ব্যবহারকারী|নিয়াজ ইসলাম}} * {{ব্যবহারকারী|MdTajkar Uddin}} * {{ব্যবহারকারী|Mst.Maria Parvin}} * {{ব্যবহারকারী|MD RADWAN ISLAM ROHAN}} * {{ব্যবহারকারী|Borhan}} * {{ব্যবহারকারী|Tamaliya Das Gupta}} * {{ব্যবহারকারী|Akash Ahmed Jhon}} * {{ব্যবহারকারী|Md.sarif reza}} * {{ব্যবহারকারী|MD.AL-AMIN MONDAL}} * {{ব্যবহারকারী|Asad.fr}} * {{ব্যবহারকারী|MD RADWAN ISLAM}} * {{ব্যবহারকারী|ASM Shamimul Islam}} * {{ব্যবহারকারী|মোঃ তানভীর বানান}} * {{ব্যবহারকারী|মোহাম্মদ জনি হোসেন}} * {{ব্যবহারকারী|Red1Ferdous}} * {{ব্যবহারকারী|AKM Mahinur Rahman}} * {{ব্যবহারকারী|Writer Debraj Saha}} * {{ব্যবহারকারী|Kaustav Chowdhury}} * {{ব্যবহারকারী|JIBON}} * {{ব্যবহারকারী|SHEIKH}} * {{ব্যবহারকারী|Md Samiun}} * {{ব্যবহারকারী|Mksh46}} * {{ব্যবহারকারী|Kiran khaskil}} * {{ব্যবহারকারী|কামরুল ইসলাম মজুমদার}} * {{ব্যবহারকারী|Nazma Bugam}} * {{ব্যবহারকারী|Mili Ahmed}} * {{ব্যবহারকারী|Manik19}} * {{ব্যবহারকারী|Kamrul bin Jamal}} * {{ব্যবহারকারী|MD sumon k}} * {{ব্যবহারকারী|Nayeem Hossain55}} * {{ব্যবহারকারী|Talha toha}} * {{ব্যবহারকারী|Shri Avishek Roy}} * {{ব্যবহারকারী|Md Yasin Omor}} * {{ব্যবহারকারী|Wizene}} * {{ব্যবহারকারী|Shovu55}} * {{ব্যবহারকারী|Afiya07}} * {{ব্যবহারকারী|সানজার আল ইসলাম}} * {{ব্যবহারকারী|Bayejid-wiki}} * {{ব্যবহারকারী|Md. Rayan Alam Rifat}} * {{ব্যবহারকারী|Ahnaf Mosaddek}} * {{ব্যবহারকারী|Mdhabib}} * {{ব্যবহারকারী|Md Emon090}} * {{ব্যবহারকারী|BEnjOhiR}} * {{ব্যবহারকারী|Md shakhhawat Hossain}} * {{ব্যবহারকারী|Sheikh Mohammad Alimul Islam}} * {{ব্যবহারকারী|Rumman Chowdhury 20}} * {{ব্যবহারকারী|Vugon kumar}} * {{ব্যবহারকারী|ExceptionistSagar}} * {{ব্যবহারকারী|দীপক মণ্ডল}} * {{ব্যবহারকারী|Shourav chandra saha}} * {{ব্যবহারকারী|চৌধুরী প্রবীর}} * {{ব্যবহারকারী|Akifa Shazzad Prova}} * {{ব্যবহারকারী|MD Jubayer 2012}} * {{ব্যবহারকারী|Outsourcingbsl}} * {{ব্যবহারকারী|নুর সাঈদ|নুর সাঈদ}} * {{ব্যবহারকারী|মাধুর্য বর্মন}} * {{ব্যবহারকারী|Pabel khan (Sergio)}} * {{ব্যবহারকারী|রাকিবুল হাসান রাসেল}} * {{ব্যবহারকারী|Prottasha Sparrow}} * {{ব্যবহারকারী|Mohammad Shakowat}} * {{ব্যবহারকারী|Ridoy Khan Rid}} * {{ব্যবহারকারী|Usarker}} * {{ব্যবহারকারী|M231991d}} * {{ব্যবহারকারী|Ridoy Khan Rid}} * {{ব্যবহারকারী|Rasel Mehedi}} * {{ব্যবহারকারী|ENGR MD. LITON SIKDER}} * {{ব্যবহারকারী|মোঃরাজুমিয়া}} * {{ব্যবহারকারী|Mohammad Kausar Al Qadri}} * {{ব্যবহারকারী|SSSinha14}} * {{ব্যবহারকারী|Nafiz khane}} * {{ব্যবহারকারী|Md Mahin Faysal}} * {{ব্যবহারকারী|TechnoBloxy}} * {{ব্যবহারকারী|Md Abdullah Al Nibir}} * {{ব্যবহারকারী|আরিফ শাহ}} * {{ব্যবহারকারী|মো সজীব সরকার}} * {{ব্যবহারকারী|Minhaz Shakil}} * {{ব্যবহারকারী|রিয়ান}} * {{ব্যবহারকারী|Premkumar samanta}} * {{ব্যবহারকারী|রাইয়ান মাহফুজ}} * {{ব্যবহারকারী|তাসনিম সাজিদ নিবিড়}} * {{ব্যবহারকারী|Jemynokrek}} * {{ব্যবহারকারী|S.M Hasibul Hasan}} * {{ব্যবহারকারী|MdMarufHossen71}} * {{ব্যবহারকারী|Ashrafulalambd1}} * {{ব্যবহারকারী|Siyan BD}} * {{ব্যবহারকারী|Trisha Mazumder}} * {{ব্যবহারকারী|Hridoy The Heart}} * {{ব্যবহারকারী|Sunil Baran Mishra}} * {{ব্যবহারকারী|Jemynokrek}} * {{ব্যবহারকারী|Jemynokrek}} * {{ব্যবহারকারী|Md. Muqtadir Fuad}} * {{ব্যবহারকারী|Ak mahmudul sharif}} * {{ব্যবহারকারী|Ridoy Khan Rid}} * {{ব্যবহারকারী|Jemynokrek}} * {{ব্যবহারকারী|Jemynokrek}} * {{Neme: Ridoy khan rid|{{Designation: Senior News Video Editor | Ridoy Khan Rid | Journalists}}}}{{subst:^| এখানে কিছু ধরার দরকার নেই। File:Ridoy Khan Rid|10px|বুড়ো আঙুল|alt=journalist, Ridoy Khan Rid, senior news video editor|senior news video editor Senior News Video Editor | Ridoy Khan Rid | Journalists @ridoykhanrid.online @journalist @ridoykhan @rid @videoeditor * {{ব্যবহারকারী|Rashed kha}} * {{ব্যবহারকারী|Anik Kanti Dey}} '''আনোয়ারা বেগম''' একজন শিক্ষাবিদ, সমাজসেবী ও নারীশিক্ষা উন্নয়নে অবদান রাখা ব্যক্তিত্ব। ==উক্তি== * "শিক্ষা মানুষকে আলোকিত করে এবং সমাজকে এগিয়ে নিয়ে যায়।" * "নারীশিক্ষা নিশ্চিত হলে জাতির উন্নয়ন ত্বরান্বিত হয়।" * "জ্ঞানই মানুষের সবচেয়ে বড় শক্তি।" * "সততা, পরিশ্রম ও শিক্ষা সফলতার মূল ভিত্তি।" * {{ব্যবহারকারী|Muhammad Fahim Faisal}} * {{ব্যবহারকারী|Muhammad Fahim Faisal}} * {{ব্যবহারকারী|সাজ্জাদ হোসেন-346}} “জীবনে মানুষ কতবার পড়ে গেল, সেটি বড় কথা নয়; বড় কথা হলো সে কতবার উঠে দাঁড়াল। কারণ ব্যর্থতা মানুষকে থামিয়ে দেওয়ার জন্য আসে না, বরং তাকে আরও শক্তিশালী করে তোলার জন্য আসে। যে মানুষ নিজের স্বপ্নকে বিশ্বাস করে, পরিশ্রম করতে জানে এবং ধৈর্য ধরে এগিয়ে যায়, তার পথ যত কঠিনই হোক না কেন, একদিন সে সফল হবেই। পৃথিবীর প্রতিটি বড় সাফল্যের পেছনে রয়েছে অসংখ্য ছোট ছোট চেষ্টা, ত্যাগ আর অপেক্ষা। তাই কখনো নিজেকে ছোট ভাবা উচিত নয় এবং কখনো আশা হারানো উচিত নয়। কারণ মানুষের ভেতরের সাহসই তার সবচেয়ে বড় শক্তি, আর সেই শক্তিই তাকে একদিন সবার থেকে আলাদা করে তোলে।” “যে মানুষ সততা ধরে রাখতে পারে, সে হারলেও একদিন সম্মানের সঙ্গে জিতে যায়।”“জীবনে মানুষ কতবার পড়ে গেল, সেটি বড় কথা নয়; বড় কথা হলো সে কতবার উঠে দাঁড়াল। কারণ ব্যর্থতা মানুষকে থামিয়ে দেওয়ার জন্য আসে না, বরং তাকে আরও শক্তিশালী করে তোলার জন্য আসে। যে মানুষ নিজের স্বপ্নকে বিশ্বাস করে, পরিশ্রম করতে জানে এবং ধৈর্য ধরে এগিয়ে যায়, তার পথ যত কঠিনই হোক না কেন, একদিন সে সফল হবেই। পৃথিবীর প্রতিটি বড় সাফল্যের পেছনে রয়েছে অসংখ্য ছোট ছোট চেষ্টা, ত্যাগ আর অপেক্ষা। তাই কখনো নিজেকে ছোট ভাবা উচিত নয় এবং কখনো আশা হারানো উচিত নয়। কারণ মানুষের ভেতরের সাহসই তার সবচেয়ে বড় শক্তি, আর সেই শক্তিই তাকে একদিন সবার থেকে আলাদা করে তোলে।” “মানুষের সবচেয়ে বড় শক্তি তার জ্ঞান নয়, তার সাহস। কারণ জ্ঞান পথ দেখায়, কিন্তু সাহস মানুষকে সেই পথে এগিয়ে যেতে সাহায্য করে। জীবনে যত বাধাই আসুক না কেন, যে মানুষ নিজের ওপর বিশ্বাস রাখে এবং পরিশ্রম করে, সে একদিন অবশ্যই সফল হয়। ব্যর্থতা কখনো শেষ নয়, বরং নতুনভাবে শুরু করার সুযোগ। তাই কখনো হতাশ হওয়া উচিত নয়, কারণ অন্ধকার যত গভীরই হোক, তার পরেই আলো আসে।” * {{ব্যবহারকারী|মোঃ আরিয়ান}} * {{ব্যবহারকারী|ফারুক ফরায়েজি}} * {{ব্যবহারকারী|Rana mundari}} * {{ব্যবহারকারী|Sahem Sk}} * {{ব্যবহারকারী|Ashik212072}} * {{ব্যবহারকারী|MojahidShaikh1}} * {{ব্যবহারকারী|Shahjalal84}} 6mrhvo1ppmcnp94hod77ed1g8rzozpt ব্যবহারকারী:ARI/common.js 2 11858 79856 76781 2026-04-23T00:08:36Z ARI 356 79856 javascript text/javascript importScript('ব্যবহারকারী:ARI/test.js'); importScript('ব্যবহারকারী:ARI/CatLinker.js'); mw.loader.load('//bn.wikiquote.org/w/index.php?title=ব্যবহারকারী:ARI/WDConnect.js&action=raw&ctype=text/javascript'); // [[ব্যবহারকারী:ARI/WDConnect.js]] //BNWQ Tools mw.loader.load('//bn.wikiquote.org/w/index.php?title=ব্যবহারকারী:খাত্তাব_হাসান/bnwq-tools.js&action=raw&ctype=text/javascript'); mw.loader.load('//bn.m.wikiquote.org/w/index.php?title=User%3ARifat008%2Fscript-installer.js&action=raw&ctype=text/javascript'); mw.loader.load('//bn.m.wikiquote.org/w/index.php?title=User%3ARifat008%2Fscript-installer.js&action=raw&ctype=text/javascript'); 797xi1jf39mfcarkvv0vikj1g11kjwi ব্যবহারকারী:ARI/খেলাঘর 2 11860 79854 79068 2026-04-22T23:58:46Z ARI 356 হালনাগাদ 79854 wikitext text/x-wiki {| class="wikitable sortable" |- ! ক্রম ! ব্যবহারকারী ! নিবন্ধ ! মোট শব্দ ! বিস্তারিত |- | '''১''' | '''ARI''' | '''১৪''' | '''২,০৮,০৭৯''' | <div class="mw-collapsible mw-collapsed"> গৃহীত: ১,৮৯,২৮৬<br> অপর্যালোচিত: ০<br> বাতিল: ১৮,৭৯৩ </div> |- | '''২''' | '''Tuhin''' | '''১৩৭''' | '''৯৯,৭৬৪''' | <div class="mw-collapsible mw-collapsed"> গৃহীত: ৮০,৩৫১<br> অপর্যালোচিত: ১১,৯৫৮<br> বাতিল: ৭,৪৫৫ </div> |- | '''৩''' | '''Oindrojalik Watch''' | '''১৩''' | '''৭২,০৮৭''' | <div class="mw-collapsible mw-collapsed"> গৃহীত: ৭২,০৮৭<br> অপর্যালোচিত: ০<br> বাতিল: ০ </div> |- | '''৪''' | '''Sumanta3023''' | '''৬৪''' | '''৯২,৬৪৮''' | <div class="mw-collapsible mw-collapsed"> গৃহীত: ৬৬,৫৬৬<br> অপর্যালোচিত: ২,১৩১<br> বাতিল: ২৩,৯৫১ </div> |- | '''৫''' | '''Tanbiruzzaman''' | '''৯''' | '''৪০,৬৬৩''' | <div class="mw-collapsible mw-collapsed"> গৃহীত: ৪০,৬৬৩<br> অপর্যালোচিত: ০<br> বাতিল: ০ </div> |- | '''৬''' | '''Nil Nandy''' | '''২০''' | '''৪০,১৮০''' | <div class="mw-collapsible mw-collapsed"> গৃহীত: ৪০,১৮০<br> অপর্যালোচিত: ০<br> বাতিল: ০ </div> |- | '''৭''' | '''SMontaha32''' | '''১৭''' | '''২৯,৬৮৯''' | <div class="mw-collapsible mw-collapsed"> গৃহীত: ২১,০১৩<br> অপর্যালোচিত: ৩,০৫১<br> বাতিল: ৫,৬২৫ </div> |- | '''৮''' | '''R1F4T''' | '''১৭''' | '''২,২৬,৫৩৯''' | <div class="mw-collapsible mw-collapsed"> গৃহীত: ১৮,৬১৩<br> অপর্যালোচিত: ৪১৫<br> বাতিল: ২,০৭,৫১১ </div> |- | '''৯''' | '''Salil Kumar Mukherjee''' | '''১১''' | '''২১,১৬৩''' | <div class="mw-collapsible mw-collapsed"> গৃহীত: ১২,৮৮০<br> অপর্যালোচিত: ১,৩৪৫<br> বাতিল: ৬,৯৩৮ </div> |- | '''১০''' | '''Anaf Ibn Shahibul''' | '''৩৪''' | '''৪২,২৩৬''' | <div class="mw-collapsible mw-collapsed"> গৃহীত: ১২,৩৮৮<br> অপর্যালোচিত: ০<br> বাতিল: ২৯,৮৪৮ </div> |- | ১১ | Anik Kanti Dey | ৮ | ১০,৪৬৮ | <div class="mw-collapsible mw-collapsed"> গৃহীত: ৬,২২১<br> অপর্যালোচিত: ৪,২৪৭<br> বাতিল: ০ </div> |- | ১২ | মোহাম্মদ জনি হোসেন | ২৩ | ৬,৩৩৩ | <div class="mw-collapsible mw-collapsed"> গৃহীত: ৫,৩২১<br> অপর্যালোচিত: ০<br> বাতিল: ১,০১২ </div> |- | ১৩ | JIBON | ৫ | ৫,৫৫৪ | <div class="mw-collapsible mw-collapsed"> গৃহীত: ৪,৭৩২<br> অপর্যালোচিত: ০<br> বাতিল: ৮২২ </div> |- | ১৪ | Humaira.thithi | ৮ | ৩,৭১০ | <div class="mw-collapsible mw-collapsed"> গৃহীত: ২,৭৮৭<br> অপর্যালোচিত: ০<br> বাতিল: ৯২৩ </div> |- | ১৫ | Amirhusenjihed | ৩ | ৩,০৬৪ | <div class="mw-collapsible mw-collapsed"> গৃহীত: ২,৫৬৯<br> অপর্যালোচিত: ০<br> বাতিল: ৪৯৫ </div> |- | ১৬ | Rasel Mehedi | ১০ | ২,৪৬৮ | <div class="mw-collapsible mw-collapsed"> গৃহীত: ২,২২২<br> অপর্যালোচিত: ০<br> বাতিল: ২৪৬ </div> |- | ১৭ | Asikur Rahman | ৬ | ২,২২৯ | <div class="mw-collapsible mw-collapsed"> গৃহীত: ১,৭৯৭<br> অপর্যালোচিত: ৪৩২<br> বাতিল: ০ </div> |- | ১৮ | Borhan | ৬ | ১,৬৬২ | <div class="mw-collapsible mw-collapsed"> গৃহীত: ১,৬৬২<br> অপর্যালোচিত: ০<br> বাতিল: ০ </div> |- | ১৯ | Md. Muqtadir Fuad | ৯ | ৩,০২০ | <div class="mw-collapsible mw-collapsed"> গৃহীত: ১,৫৯৯<br> অপর্যালোচিত: ১,৪২১<br> বাতিল: ০ </div> |- | ২০ | Raihanur | ৩ | ১,৫৪২ | <div class="mw-collapsible mw-collapsed"> গৃহীত: ১,৫৪২<br> অপর্যালোচিত: ০<br> বাতিল: ০ </div> |- | ২১ | Firuz Ahmmed | ৪ | ২,১৯৭ | <div class="mw-collapsible mw-collapsed"> গৃহীত: ১,১১৭<br> অপর্যালোচিত: ০<br> বাতিল: ১,০৮০ </div> |- | ২২ | নিয়াজ ইসলাম | ২ | ৭৫৬ | <div class="mw-collapsible mw-collapsed"> গৃহীত: ৭৫৬<br> অপর্যালোচিত: ০<br> বাতিল: ০ </div> |- | ২৩ | Asad.fr | ৩ | ৩,২৯৯ | <div class="mw-collapsible mw-collapsed"> গৃহীত: ৩৬৪<br> অপর্যালোচিত: ০<br> বাতিল: ২,৯৩৫ </div> |- | ২৪ | Md. Rayan Alam Rifat | ১ | ১৮০ | <div class="mw-collapsible mw-collapsed"> গৃহীত: ১৮০<br> অপর্যালোচিত: ০<br> বাতিল: ০ </div> |- | ২৫ | Siyan BD | ১২ | ১,৫৬৯ | <div class="mw-collapsible mw-collapsed"> গৃহীত: ১৬১<br> অপর্যালোচিত: ০<br> বাতিল: ১,৪০৮ </div> |- | ২৬ | Muhammad Fahim Faisal | ৩ | ১,০৬৪ | <div class="mw-collapsible mw-collapsed"> গৃহীত: ০<br> অপর্যালোচিত: ৫৫৬<br> বাতিল: ৫০৮ </div> |- | ২৭ | Trisha Mazumder | ১ | ০ | <div class="mw-collapsible mw-collapsed"> গৃহীত: ০<br> অপর্যালোচিত: ০<br> বাতিল: ০ </div> |- | ২৮ | MdMarufHossen71 | ২ | ৪৯৮ | <div class="mw-collapsible mw-collapsed"> গৃহীত: ০<br> অপর্যালোচিত: ০<br> বাতিল: ৪৯৮ </div> |- | ২৯ | Usarker | ৩ | ১,৪৩৮ | <div class="mw-collapsible mw-collapsed"> গৃহীত: ০<br> অপর্যালোচিত: ০<br> বাতিল: ১,৪৩৮ </div> |- | ৩০ | রাকিবুল হাসান রাসেল | ১ | ৮৫ | <div class="mw-collapsible mw-collapsed"> গৃহীত: ০<br> অপর্যালোচিত: ০<br> বাতিল: ৮৫ </div> |- | ৩১ | MD RADWAN ISLAM | ৬ | ২৭৪ | <div class="mw-collapsible mw-collapsed"> গৃহীত: ০<br> অপর্যালোচিত: ০<br> বাতিল: ২৭৪ </div> |- | ৩২ | AKM Mahinur Rahman | ২ | ৪১৯ | <div class="mw-collapsible mw-collapsed"> গৃহীত: ০<br> অপর্যালোচিত: ০<br> বাতিল: ৪১৯ </div> |- | ৩৩ | MD RADWAN ISLAM ROHAN | ৫ | ৬১৫ | <div class="mw-collapsible mw-collapsed"> গৃহীত: ০<br> অপর্যালোচিত: ০<br> বাতিল: ৬১৫ </div> |- | ৩৪ | ShahinurWrites | ১ | ০ | <div class="mw-collapsible mw-collapsed"> গৃহীত: ০<br> অপর্যালোচিত: ০<br> বাতিল: ০ </div> |- | ৩৫ | Abdullah Al Shishir | ১ | ০ | <div class="mw-collapsible mw-collapsed"> গৃহীত: ০<br> অপর্যালোচিত: ০<br> বাতিল: ০ </div> |- | ৩৬ | চ্যাম্পিয়ন স্টার ১ | ১ | ৩১২ | <div class="mw-collapsible mw-collapsed"> গৃহীত: ০<br> অপর্যালোচিত: ০<br> বাতিল: ৩১২ </div> |} ; পর্যালোচক {| class="wikitable" |- ! ক্রম !! নাম !! মোট !! গৃহীত !! বাতিল |- | '''১''' || '''Mehedi Abedin''' || '''১২০''' || ৯৭ || ২৩ |- | '''২''' || '''ARI''' || '''১১৯''' || ৯২ || ২৭ |- | '''৩''' || '''NusJaS''' || '''৯৫''' || ৭৬ || ১৯ |- | '''৪''' || '''MS Sakib''' || '''৮২''' || ৫৩ || ২৯ |- | '''৫''' || '''MdsShakil''' || '''২৩''' || ২০ || ৩ |- | '''৬''' || '''Tahmid''' || '''১৪''' || ১০ || ৪ |- | '''৭''' || '''Yahya''' || '''৫''' || ৪ || ১ |- ! মোট || || ৪৫৮ || ৩৫২ || ১০৬ |} ---- সর্বশেষ হালনাগাদ ২৩:৫৮, ২২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) amareiy99efrpqkwhua30w8za51a66e ময়ূর 0 11997 79732 79705 2026-04-22T13:01:56Z Salil Kumar Mukherjee 39 উক্তি যোগ 79732 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} [[চিত্র:Paonroue.JPG|thumb|300px|ময়ূর]] '''[[:w:ময়ূর|ময়ূর]]''' হলো ফ্যাজিয়ানিডি পরিবারের অন্তর্ভুক্ত অত্যন্ত সুন্দর একটি পাখি। এশিয়ায় পাভো গণের মোট দুইটি প্রজাতির এবং আফ্রিকায় আফ্রোপাভো গণের একটি ময়ূরের প্রজাতি দেখা যায়। এশিয়ার প্রজাতি দুইটি হলো নীল ময়ূর আর সবুজ ময়ূর। আফ্রিকার প্রজাতিটির নাম কঙ্গো ময়ূর। নীল ময়ূর সমগ্র ভারতীয় উপমহাদেশেই দেখা যায়। আর সবুজ ময়ূর মায়ানমার থেকে জাভা পর্যন্ত বিস্তৃত। ময়ূর বন্য পাখি এবং মাটির গর্তে বাস করে কিন্তু গাছে বিশ্রাম করে। আশঙ্কাজনক হারে বিশ্বব্যাপী ময়ূরের সংখ্যা কমে যাচ্ছে বলে এরা বিপন্ন প্রজাতি হিসেবে বিবেচিত। == উক্তি == * ময়ূর নাচে কোকিল ডাকে কিন্তু মানুষ ঐটুকু দেখেই খুসি হ’য়ে নকল নিতে বসে না—সে নিজের নাচ নিজের সাড়া খুঁজে খুঁজে বার করে। তার নাচ ময়ুরের নাচের তার সাড়া কোকিলের সাড়ার প্রতিধ্বনি করে না, নতুন সুরে নতুন ছন্দে প্রকাশ পায়। ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], রূপবিদ্যা, বাগেশ্বরী শিল্প-প্রবন্ধাবলী- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশনা সংস্থা, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৫৭ * সীতা, পূর্ব্বে পঞ্চবটী বাসকালে একটি ময়ূরশিশু প্রতিপালন করিয়াছিলেন। একটি কদম্ববৃক্ষ সীতা স্বহস্তে রোপণ করিয়া, স্বয়ং বর্দ্ধিত করিয়াছিলেন। রাম দেখিলেন, যে সেই কদম্ববৃক্ষে দুই একটি নবকুসুমোদ্গম হইয়াছে। তদুপরি আরোহণ করিয়া সীতাপালিত সেই ময়ূরটি নৃত্যান্তে ময়ূরী সঙ্গে রব করিতেছিল। বাসন্তী রামকে সেই ময়ূরটী দেখাইলেন। দেখিয়া রামের মনে পড়িল, সীতা তাহাকে করতালী দিয়া নাচাইতেন, নাচাইবার সময়ে তালের সহিত সীতার চক্ষুও পল্লবমধ্যে ঘুরিত। * [[বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়]], উত্তরচরিত, বিবিধ সমালোচন- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, প্রকাশস্থান- কাঁঠালপাড়া, প্রকাশসাল- ১৮৭৬ খ্রিস্টাব্দ (১২৮৩ বঙ্গাব্দ), প্রকাশসাল- ১৯৯৮ খ্রিস্টাব্দ (১৪০৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৩ * হঠাৎ গৃহপালিত ময়ূরের ডাক শুনিয়া আমার বন্ধু বলিয়া উঠিলেন— আমি ঐ ময়ূরের ডাক সহ্য করিতে পারি না; কবিরা কেকারবকে কেন যে তাঁদের কাব্যে স্থান দিয়াছেন, বুঝিবার জো নাই। কবি যখন বসন্তের কুহুস্বর এবং বর্ষার কেকা—দুটাকেই সমান আদর দিয়াছেন, তখন হঠাৎ মনে হইতে পারে, কবির বুঝি কৈবল্যদশাপ্রাপ্তি হইয়াছে, তাহার কাছে ভালো ও মন্দ, ললিত কর্কশের ভেদ লুপ্ত। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], কেকাধ্বনি, বিচিত্র প্রবন্ধ-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৩৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৫৫ * ময়ূরের ছবি দেখিতে সকলে তাহার উপর ঝুঁকিয়া পড়িলেন। ছবি দেখিয়া লম্বোদর একটু হাসিলেন,—কুপিত হইয়া ডমরুধর বলিলেন,— “হাসিও না। এ তোমাদের পৃথিবীর ক্যাক্-কেঁকে প্যাকম-ধরা ময়ূর নহে। এ আসল কার্ত্তিকের কৈলাসি ময়ূর।”<br>তাহার পর ডমরুধর পুনরায় গল্প আরম্ভ করিলেন—গণেশ, লক্ষ্মী, দুর্গা ও সরস্বতীকে প্রণাম করিয়া আমি ময়ূরের পিঠে চড়িয়া বসিলাম। তাহাকে আকাশের দিকে চালাইতে চেষ্টা করিলাম। ময়ূর উপরে উঠিল না। তখন দেবী হাসিয়া বলিলেন,— মন্ত্র না পড়িলে নরলোককে লইয়া ময়ূর উপরে উঠিবে না। ** [[ত্রৈলক্যনাথ মুখোপাধ্যায়|ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়]], ডমরুধরের সিদ্ধিলাভ, ডমরু-চরিত - ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়, দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ, কলকাতা, প্রকাশসাল - ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৯২ * ময়ূরের আনয়নে বিলম্ব দেখিয়া, কুপিত হইয়া বালক কহিল এখনও ময়ূর দিলে না; তবে আমি ইহাকে ছাড়িব না; এই বলিয়া সিংহশিশুকে অত্যন্ত বলপূর্ব্বক আকর্ষণ করিতে লাগিল। তাপসী চেষ্টা পাইলেন কিন্তু তাহার হস্ত হইতে সিংহশাবক ছাড়াইতে পারিলেন না। ** [[ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর]]. শকুন্তলা, সপ্তম অঙ্ক, শকুন্তলা- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৫৪ খ্রিস্টাব্দ (১২৬১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১০১ * ময়ূর নিজের আনন্দে তার চিত্র-বিচিত্র কলাপ বিস্তার করে, বাগানের শোভা কি বনের শোভা কি খাঁচার শোভা তাতে হ’ল কি না হ’ল ময়ূরের মনে একথা উদয়ও হ’ল না; এতটা স্বাধীনতা মানুষ শিল্পে চায় কিন্তু পেলে কই? ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], শিল্পশাস্ত্রের ক্রিয়াকাণ্ড, বাগেশ্বরী শিল্প-প্রবন্ধাবলী- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশনা সংস্থা, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪৮ * আজ ধায় স্বদেশের পানে, তরুশাখে<br>কলাপী ময়ূর ডাকে ময়ূরী প্রিয়াকে<br>কেকা কলরবে, ত্যজি ভূতল শয়নে<br>ধরনী দাড়াইল মুক্ত বাতায়নে ** [[প্রিয়ম্বদা দেবী]], বর্ষারম্ভে প্রকৃতির প্রতি, রেণু - প্রিয়ম্বদা দেবী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশক ও মুদ্রক- নববিভাকর প্রেস, প্রকাশসাল- ১৯০৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩১৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৫ * এত ময়ূরের ঝাঁক্‌ আমি কখনও দেখি নাই—আর এমন সুন্দর ময়ূর। পথের মধ্যেই ময়ূরেরা বিচরণ করিতেছে এবং তাহদের মণিময় পাখা সূর্য্যালোকে ঝিক্‌ ঝিক্‌ করিতেছে। এই ময়ূরেরা মুক্ত অথচ পোষা, ইহারা কাহারও সম্পত্তি নহে এবং বিশ্বস্ত ভাবে লোকের মধ্যে বাস করিতেছে। সকল প্রকার নিরীহ জীবজন্তু হিন্দুদিগের নিকট পবিত্র; ময়ূরও এই কারণে হিন্দুদিগের সেব্য—তাহাদিগকে ছোলা খাইতে দেওয়া লোকে পুণ্য কার্য্য বলিয়া মনে করে। আমার ভৃত্য ছেদিলাল, আমাকে গম্ভীর ভাবে বলিল, “এই ময়ূরেরা কাহারও কিছু হানি করে না, কিন্তু ইংরাজেরা এমনি দুষ্ট, ইহাদিগকে পাথর ছুঁড়িয়া মারে।” ** আঁদ্রে শেভ্রিয়োঁ, ভারতবর্ষে—জয়পুর, ভারতবর্ষে- আঁদ্রে শেভ্রিয়োঁ, অনুবাদক- জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশসাল- ১৯০৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩১০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৫৫ *পুষিয়াছি সারী শুক, ময়ূর ময়ূরী<br>কুঞ্জবনে; অলিকুল গুঞ্জরে সতত;<br>কুহরে কোকিল ডালে; ফোটে ফুলরাজী।<br>কিন্তু শোভাহীন বন প্রভুর বিহনে! ** [[মাইকেল মধুসূদন দত্ত]], বীরাঙ্গনা কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত, তৃতীয় সর্গ, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৬৮ খ্রিস্টাব্দ (১২৭৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২২ * ময়ূরের স্বভাব এই যে, সে রাত্রি যাপনের নিমিত্ত একটি উপযোগী বাসযষ্টি বাছিয়া লয়; প্রতি সন্ধ্যায় সেই নির্দ্দিষ্টস্থানে আশ্রয় লইবার নিমিত্ত উপস্থিত হয়;—বিহঙ্গতত্ত্ববিদ্‌গণ ইহা বিশেষরূপে লক্ষ্য করিয়াছেন। গৃহপালিত ময়ূরগণের বাসযষ্টির ব্যবস্থা নির্দ্দেশ করিয়া কবি তাৎকালিক পক্ষিপালন-প্রথার সুস্পষ্ট আভাস দিয়াছেন। আর্য্যাবর্ত্তে গৃহপালিত ময়ূরটিকে গৃহস্থ কুলবধূ কেমন করিয়া বলয়শিঞ্জিতে নাচাইয়া থাকেন, তাহার জন্য সাক্ষ্য লইতে আমাদের পাঠকপাঠিকাকে পাশ্চাত্য ornithologistএর নিকটে যাইতে হইবে না, কিন্তু গৃহের বাহিরে ময়ূরীর সম্মুখে ময়ূর কলাপবিস্তার করিয়া কেমন নৃত্য করে, তাহা দেখিয়া অনেক বিদেশী পক্ষিতত্ত্ববিৎ মুগ্ধ হইয়ছেন। ** [[সত্যচরণ লাহা]], মেঘদূতের পক্ষিতত্ত্ব, পাখীর কথা - সত্যচরণ লাহা, তৃতীয় ভাগ, প্রকাশক- বেঙ্গল বুক কোম্পানী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯২১ খ্রিস্টাব্দ (১৩২৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৫২ * সোনার স্বপ্ন যেন আর-একবার ধরা দেবে দেবে করলে, যেখানে সোনার হরিণ থাকে। অলকার রঙছুট ময়ূরী এল। সে-জগতে সে রঙের অপেক্ষ রাখে না। সেই যে কুঞ্জে নূপুর বাজে সেখানে রঙছুট ময়ূরী খেলা করে। বিরহের গভীর সুর বাজে। মনময়ূরী একলা। শক্ত পাথরে মন-পাখি বাধছে বাসা। ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], জোড়াসাঁকোর ধারে, জোড়াসাঁকোর ধারে- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৫০-১৫১ * দীর্ঘশ্বাস ফেলে বিশ্বামিত্র বললেন, ঠিক কথা। আমি তোমার পিতা নই, মেনকাও তোমার মাতা নয়, যারা তোমাকে ত্যাগ করেছিল তাদের সঙ্গে তোমার সম্পর্ক নেই। যাঁরা তোমাকে আজন্ম পালন করেছেন তাঁদেরই তুমি কন্যা। খুকী, তুমি কি খেলনা চাও বল, রূপোর রাজহাঁস, সোনার হরিণ, পান্না-নীলার ময়ূর—<br>অনসূয়া ঠোঁট বেকিয়ে বলল, ভারী তো। আমাদের আসল হাঁস হরিণ ময়ূর আছে।<br>প্রিয়ংবদা বলল, আমাদের হাঁস প্যাঁক প্যাঁক করে, হরিণ লাফায়, ময়ূর নাচে। তোমার হাঁস হরিণ ময়ূর তা পারে?<br>বিশ্বামিত্র বললেন, না, শুধু ঝকমক করে। ** [[রাজশেখর বসু]], কর্দম মেখলা, চমৎকুমারী ইত্যাদি গল্প - পরশুরাম, প্রথম সংস্করণ, প্রকাশক- এম. সি. সরকার এণ্ড সন্স লিমিটেড, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৯ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৭-১৮ * আমি বলিলাম, —“যদি বর দিবেই, তবে কার্তিকের ময়ূরটী আমাকে প্রদান কর। উহার পিঠে চড়িয়া আমি আকাশ ভ্রমণ করিব।”<br>দেবী বলিলেন,—“ছি বাছা, ও কথা বলিও না। কার্ত্তিক ছেলে মানুষ। তাহার ময়ূরটি দিলে সে কাঁদিবে।”<br>আমি উত্তর করিলাম, —“অন্য বর চাই না মা! নিদেন সকাল হইতে সন্ধ্যা পর্যন্ত একদিনের জন্য ময়ূরটীকে দাও, মা! তাহার পিঠে চড়িয়া সমস্ত দিন আকাশ ভ্রমণ করিয়া সন্ধ্যা বেলা তোমাদের ময়ূর তোমাদিগকে ফিরাইয়া দিব। যদি না দাও, তবে পুনরায় আমি এই তপে বসিলাম।” ** [[ত্রৈলক্যনাথ মুখোপাধ্যায়|ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়]], ডমরুধরের সিদ্ধিলাভ, ডমরু-চরিত - ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়, দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ, কলকাতা, প্রকাশসাল - ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৯১ * বনের তপস্বিনীরা কত ছেড়ে দিতে বলছিলেন, কত মাটীর ময়ূরের লোভ দেখাচ্ছিলেন, শিশু কিছুতে শুনছিল না। এমন সময় রাজা সেখানে এলেন, সিংহ-শিশুকে ছাড়িয়ে সেই রাজ-শিশুকে কোলে নিলেন; দুষ্ট শিশু রাজার কোলে শান্ত হ’ল। সেই রাজশিশুকে কোলে করে রাজার বুক যেন জুড়িয়ে গেল। রাজা তো জানেন না যে এ শিশু তাঁ’রই পুত্র; ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], শকুন্তলা - অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, দ্বিতীয় সংস্করণ, আদি ব্রাহ্মসমাজ সংস্করণ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯০২ খ্রিস্টাব্দ (১৩০৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩০-৩১ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} {{উইকিঅভিধান}} == আরও দেখুন == * [[বাবুই]] * [[কোকিল]] * [[বক]] * [[চাতক]] [[বিষয়শ্রেণী:পাখি]] dw9uydyzyryicnkk7baztccw2dp2dbh 79740 79732 2026-04-22T13:17:35Z Salil Kumar Mukherjee 39 উক্তি যোগ 79740 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} [[চিত্র:Paonroue.JPG|thumb|300px|ময়ূর]] '''[[:w:ময়ূর|ময়ূর]]''' হলো ফ্যাজিয়ানিডি পরিবারের অন্তর্ভুক্ত অত্যন্ত সুন্দর একটি পাখি। এশিয়ায় পাভো গণের মোট দুইটি প্রজাতির এবং আফ্রিকায় আফ্রোপাভো গণের একটি ময়ূরের প্রজাতি দেখা যায়। এশিয়ার প্রজাতি দুইটি হলো নীল ময়ূর আর সবুজ ময়ূর। আফ্রিকার প্রজাতিটির নাম কঙ্গো ময়ূর। নীল ময়ূর সমগ্র ভারতীয় উপমহাদেশেই দেখা যায়। আর সবুজ ময়ূর মায়ানমার থেকে জাভা পর্যন্ত বিস্তৃত। ময়ূর বন্য পাখি এবং মাটির গর্তে বাস করে কিন্তু গাছে বিশ্রাম করে। আশঙ্কাজনক হারে বিশ্বব্যাপী ময়ূরের সংখ্যা কমে যাচ্ছে বলে এরা বিপন্ন প্রজাতি হিসেবে বিবেচিত। == উক্তি == * ময়ূর নাচে কোকিল ডাকে কিন্তু মানুষ ঐটুকু দেখেই খুসি হ’য়ে নকল নিতে বসে না—সে নিজের নাচ নিজের সাড়া খুঁজে খুঁজে বার করে। তার নাচ ময়ুরের নাচের তার সাড়া কোকিলের সাড়ার প্রতিধ্বনি করে না, নতুন সুরে নতুন ছন্দে প্রকাশ পায়। ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], রূপবিদ্যা, বাগেশ্বরী শিল্প-প্রবন্ধাবলী- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশনা সংস্থা, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৫৭ * সীতা, পূর্ব্বে পঞ্চবটী বাসকালে একটি ময়ূরশিশু প্রতিপালন করিয়াছিলেন। একটি কদম্ববৃক্ষ সীতা স্বহস্তে রোপণ করিয়া, স্বয়ং বর্দ্ধিত করিয়াছিলেন। রাম দেখিলেন, যে সেই কদম্ববৃক্ষে দুই একটি নবকুসুমোদ্গম হইয়াছে। তদুপরি আরোহণ করিয়া সীতাপালিত সেই ময়ূরটি নৃত্যান্তে ময়ূরী সঙ্গে রব করিতেছিল। বাসন্তী রামকে সেই ময়ূরটী দেখাইলেন। দেখিয়া রামের মনে পড়িল, সীতা তাহাকে করতালী দিয়া নাচাইতেন, নাচাইবার সময়ে তালের সহিত সীতার চক্ষুও পল্লবমধ্যে ঘুরিত। * [[বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়]], উত্তরচরিত, বিবিধ সমালোচন- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, প্রকাশস্থান- কাঁঠালপাড়া, প্রকাশসাল- ১৮৭৬ খ্রিস্টাব্দ (১২৮৩ বঙ্গাব্দ), প্রকাশসাল- ১৯৯৮ খ্রিস্টাব্দ (১৪০৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৩ * হঠাৎ গৃহপালিত ময়ূরের ডাক শুনিয়া আমার বন্ধু বলিয়া উঠিলেন— আমি ঐ ময়ূরের ডাক সহ্য করিতে পারি না; কবিরা কেকারবকে কেন যে তাঁদের কাব্যে স্থান দিয়াছেন, বুঝিবার জো নাই। কবি যখন বসন্তের কুহুস্বর এবং বর্ষার কেকা—দুটাকেই সমান আদর দিয়াছেন, তখন হঠাৎ মনে হইতে পারে, কবির বুঝি কৈবল্যদশাপ্রাপ্তি হইয়াছে, তাহার কাছে ভালো ও মন্দ, ললিত কর্কশের ভেদ লুপ্ত। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], কেকাধ্বনি, বিচিত্র প্রবন্ধ-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৩৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৫৫ * একটি ময়ুর তার পেখমের সবটুকু অভ্র ও আবীর দিয়েছে আমাকে।<br>একটি ময়ূর তার হৃদয়ের বিছানা বালিশে<br>মশারির টাঙানো খাটে, দরজায়, জানালায়, নীল আয়নায়<br>অতিথিশালার মতো যখন-তখন এসে ঘুমোবার, হেঁটে বেড়াবার<br>সুখটুকু, স্বাধীনতাটুকু<br>সোনার চাবির মতো হাতে তুলে দিয়েছে স্বেচ্ছায়। ** [[পূর্ণেন্দু পত্রী]], ময়ূর দিয়েছে, হে সময় অশ্বারোহী হও (কাব্যগ্রন্থ)[https://banglarkobita.com/poem/famous/1313/%E0%A6%AE%E0%A7%9F%E0%A7%82%E0%A6%B0%20%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A7%82%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A3%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%81%20%E0%A6%AA%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80] * ময়ূরের ছবি দেখিতে সকলে তাহার উপর ঝুঁকিয়া পড়িলেন। ছবি দেখিয়া লম্বোদর একটু হাসিলেন,—কুপিত হইয়া ডমরুধর বলিলেন,— “হাসিও না। এ তোমাদের পৃথিবীর ক্যাক্-কেঁকে প্যাকম-ধরা ময়ূর নহে। এ আসল কার্ত্তিকের কৈলাসি ময়ূর।”<br>তাহার পর ডমরুধর পুনরায় গল্প আরম্ভ করিলেন—গণেশ, লক্ষ্মী, দুর্গা ও সরস্বতীকে প্রণাম করিয়া আমি ময়ূরের পিঠে চড়িয়া বসিলাম। তাহাকে আকাশের দিকে চালাইতে চেষ্টা করিলাম। ময়ূর উপরে উঠিল না। তখন দেবী হাসিয়া বলিলেন,— মন্ত্র না পড়িলে নরলোককে লইয়া ময়ূর উপরে উঠিবে না। ** [[ত্রৈলক্যনাথ মুখোপাধ্যায়|ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়]], ডমরুধরের সিদ্ধিলাভ, ডমরু-চরিত - ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়, দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ, কলকাতা, প্রকাশসাল - ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৯২ * ময়ূরের আনয়নে বিলম্ব দেখিয়া, কুপিত হইয়া বালক কহিল এখনও ময়ূর দিলে না; তবে আমি ইহাকে ছাড়িব না; এই বলিয়া সিংহশিশুকে অত্যন্ত বলপূর্ব্বক আকর্ষণ করিতে লাগিল। তাপসী চেষ্টা পাইলেন কিন্তু তাহার হস্ত হইতে সিংহশাবক ছাড়াইতে পারিলেন না। ** [[ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর]]. শকুন্তলা, সপ্তম অঙ্ক, শকুন্তলা- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৫৪ খ্রিস্টাব্দ (১২৬১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১০১ * ময়ূর নিজের আনন্দে তার চিত্র-বিচিত্র কলাপ বিস্তার করে, বাগানের শোভা কি বনের শোভা কি খাঁচার শোভা তাতে হ’ল কি না হ’ল ময়ূরের মনে একথা উদয়ও হ’ল না; এতটা স্বাধীনতা মানুষ শিল্পে চায় কিন্তু পেলে কই? ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], শিল্পশাস্ত্রের ক্রিয়াকাণ্ড, বাগেশ্বরী শিল্প-প্রবন্ধাবলী- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশনা সংস্থা, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪৮ * আজ ধায় স্বদেশের পানে, তরুশাখে<br>কলাপী ময়ূর ডাকে ময়ূরী প্রিয়াকে<br>কেকা কলরবে, ত্যজি ভূতল শয়নে<br>ধরনী দাড়াইল মুক্ত বাতায়নে ** [[প্রিয়ম্বদা দেবী]], বর্ষারম্ভে প্রকৃতির প্রতি, রেণু - প্রিয়ম্বদা দেবী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশক ও মুদ্রক- নববিভাকর প্রেস, প্রকাশসাল- ১৯০৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩১৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৫ * এত ময়ূরের ঝাঁক্‌ আমি কখনও দেখি নাই—আর এমন সুন্দর ময়ূর। পথের মধ্যেই ময়ূরেরা বিচরণ করিতেছে এবং তাহদের মণিময় পাখা সূর্য্যালোকে ঝিক্‌ ঝিক্‌ করিতেছে। এই ময়ূরেরা মুক্ত অথচ পোষা, ইহারা কাহারও সম্পত্তি নহে এবং বিশ্বস্ত ভাবে লোকের মধ্যে বাস করিতেছে। সকল প্রকার নিরীহ জীবজন্তু হিন্দুদিগের নিকট পবিত্র; ময়ূরও এই কারণে হিন্দুদিগের সেব্য—তাহাদিগকে ছোলা খাইতে দেওয়া লোকে পুণ্য কার্য্য বলিয়া মনে করে। আমার ভৃত্য ছেদিলাল, আমাকে গম্ভীর ভাবে বলিল, “এই ময়ূরেরা কাহারও কিছু হানি করে না, কিন্তু ইংরাজেরা এমনি দুষ্ট, ইহাদিগকে পাথর ছুঁড়িয়া মারে।” ** আঁদ্রে শেভ্রিয়োঁ, ভারতবর্ষে—জয়পুর, ভারতবর্ষে- আঁদ্রে শেভ্রিয়োঁ, অনুবাদক- জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশসাল- ১৯০৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩১০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৫৫ *পুষিয়াছি সারী শুক, ময়ূর ময়ূরী<br>কুঞ্জবনে; অলিকুল গুঞ্জরে সতত;<br>কুহরে কোকিল ডালে; ফোটে ফুলরাজী।<br>কিন্তু শোভাহীন বন প্রভুর বিহনে! ** [[মাইকেল মধুসূদন দত্ত]], বীরাঙ্গনা কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত, তৃতীয় সর্গ, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৬৮ খ্রিস্টাব্দ (১২৭৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২২ * ময়ূরের স্বভাব এই যে, সে রাত্রি যাপনের নিমিত্ত একটি উপযোগী বাসযষ্টি বাছিয়া লয়; প্রতি সন্ধ্যায় সেই নির্দ্দিষ্টস্থানে আশ্রয় লইবার নিমিত্ত উপস্থিত হয়;—বিহঙ্গতত্ত্ববিদ্‌গণ ইহা বিশেষরূপে লক্ষ্য করিয়াছেন। গৃহপালিত ময়ূরগণের বাসযষ্টির ব্যবস্থা নির্দ্দেশ করিয়া কবি তাৎকালিক পক্ষিপালন-প্রথার সুস্পষ্ট আভাস দিয়াছেন। আর্য্যাবর্ত্তে গৃহপালিত ময়ূরটিকে গৃহস্থ কুলবধূ কেমন করিয়া বলয়শিঞ্জিতে নাচাইয়া থাকেন, তাহার জন্য সাক্ষ্য লইতে আমাদের পাঠকপাঠিকাকে পাশ্চাত্য ornithologistএর নিকটে যাইতে হইবে না, কিন্তু গৃহের বাহিরে ময়ূরীর সম্মুখে ময়ূর কলাপবিস্তার করিয়া কেমন নৃত্য করে, তাহা দেখিয়া অনেক বিদেশী পক্ষিতত্ত্ববিৎ মুগ্ধ হইয়ছেন। ** [[সত্যচরণ লাহা]], মেঘদূতের পক্ষিতত্ত্ব, পাখীর কথা - সত্যচরণ লাহা, তৃতীয় ভাগ, প্রকাশক- বেঙ্গল বুক কোম্পানী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯২১ খ্রিস্টাব্দ (১৩২৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৫২ * সোনার স্বপ্ন যেন আর-একবার ধরা দেবে দেবে করলে, যেখানে সোনার হরিণ থাকে। অলকার রঙছুট ময়ূরী এল। সে-জগতে সে রঙের অপেক্ষ রাখে না। সেই যে কুঞ্জে নূপুর বাজে সেখানে রঙছুট ময়ূরী খেলা করে। বিরহের গভীর সুর বাজে। মনময়ূরী একলা। শক্ত পাথরে মন-পাখি বাধছে বাসা। ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], জোড়াসাঁকোর ধারে, জোড়াসাঁকোর ধারে- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৫০-১৫১ * দীর্ঘশ্বাস ফেলে বিশ্বামিত্র বললেন, ঠিক কথা। আমি তোমার পিতা নই, মেনকাও তোমার মাতা নয়, যারা তোমাকে ত্যাগ করেছিল তাদের সঙ্গে তোমার সম্পর্ক নেই। যাঁরা তোমাকে আজন্ম পালন করেছেন তাঁদেরই তুমি কন্যা। খুকী, তুমি কি খেলনা চাও বল, রূপোর রাজহাঁস, সোনার হরিণ, পান্না-নীলার ময়ূর—<br>অনসূয়া ঠোঁট বেকিয়ে বলল, ভারী তো। আমাদের আসল হাঁস হরিণ ময়ূর আছে।<br>প্রিয়ংবদা বলল, আমাদের হাঁস প্যাঁক প্যাঁক করে, হরিণ লাফায়, ময়ূর নাচে। তোমার হাঁস হরিণ ময়ূর তা পারে?<br>বিশ্বামিত্র বললেন, না, শুধু ঝকমক করে। ** [[রাজশেখর বসু]], কর্দম মেখলা, চমৎকুমারী ইত্যাদি গল্প - পরশুরাম, প্রথম সংস্করণ, প্রকাশক- এম. সি. সরকার এণ্ড সন্স লিমিটেড, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৯ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৭-১৮ * আমি বলিলাম, —“যদি বর দিবেই, তবে কার্তিকের ময়ূরটী আমাকে প্রদান কর। উহার পিঠে চড়িয়া আমি আকাশ ভ্রমণ করিব।”<br>দেবী বলিলেন,—“ছি বাছা, ও কথা বলিও না। কার্ত্তিক ছেলে মানুষ। তাহার ময়ূরটি দিলে সে কাঁদিবে।”<br>আমি উত্তর করিলাম, —“অন্য বর চাই না মা! নিদেন সকাল হইতে সন্ধ্যা পর্যন্ত একদিনের জন্য ময়ূরটীকে দাও, মা! তাহার পিঠে চড়িয়া সমস্ত দিন আকাশ ভ্রমণ করিয়া সন্ধ্যা বেলা তোমাদের ময়ূর তোমাদিগকে ফিরাইয়া দিব। যদি না দাও, তবে পুনরায় আমি এই তপে বসিলাম।” ** [[ত্রৈলক্যনাথ মুখোপাধ্যায়|ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়]], ডমরুধরের সিদ্ধিলাভ, ডমরু-চরিত - ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়, দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ, কলকাতা, প্রকাশসাল - ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৯১ * বনের তপস্বিনীরা কত ছেড়ে দিতে বলছিলেন, কত মাটীর ময়ূরের লোভ দেখাচ্ছিলেন, শিশু কিছুতে শুনছিল না। এমন সময় রাজা সেখানে এলেন, সিংহ-শিশুকে ছাড়িয়ে সেই রাজ-শিশুকে কোলে নিলেন; দুষ্ট শিশু রাজার কোলে শান্ত হ’ল। সেই রাজশিশুকে কোলে করে রাজার বুক যেন জুড়িয়ে গেল। রাজা তো জানেন না যে এ শিশু তাঁ’রই পুত্র; ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], শকুন্তলা - অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, দ্বিতীয় সংস্করণ, আদি ব্রাহ্মসমাজ সংস্করণ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯০২ খ্রিস্টাব্দ (১৩০৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩০-৩১ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} {{উইকিঅভিধান}} == আরও দেখুন == * [[বাবুই]] * [[কোকিল]] * [[বক]] * [[চাতক]] [[বিষয়শ্রেণী:পাখি]] 2hkjswkvwpb34gz39soz9n6b4xqg0sw 79759 79740 2026-04-22T14:16:59Z Salil Kumar Mukherjee 39 উক্তি যোগ 79759 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} [[চিত্র:Paonroue.JPG|thumb|300px|ময়ূর]] '''[[:w:ময়ূর|ময়ূর]]''' হলো ফ্যাজিয়ানিডি পরিবারের অন্তর্ভুক্ত অত্যন্ত সুন্দর একটি পাখি। এশিয়ায় পাভো গণের মোট দুইটি প্রজাতির এবং আফ্রিকায় আফ্রোপাভো গণের একটি ময়ূরের প্রজাতি দেখা যায়। এশিয়ার প্রজাতি দুইটি হলো নীল ময়ূর আর সবুজ ময়ূর। আফ্রিকার প্রজাতিটির নাম কঙ্গো ময়ূর। নীল ময়ূর সমগ্র ভারতীয় উপমহাদেশেই দেখা যায়। আর সবুজ ময়ূর মায়ানমার থেকে জাভা পর্যন্ত বিস্তৃত। ময়ূর বন্য পাখি এবং মাটির গর্তে বাস করে কিন্তু গাছে বিশ্রাম করে। আশঙ্কাজনক হারে বিশ্বব্যাপী ময়ূরের সংখ্যা কমে যাচ্ছে বলে এরা বিপন্ন প্রজাতি হিসেবে বিবেচিত। == উক্তি == * ময়ূর নাচে কোকিল ডাকে কিন্তু মানুষ ঐটুকু দেখেই খুসি হ’য়ে নকল নিতে বসে না—সে নিজের নাচ নিজের সাড়া খুঁজে খুঁজে বার করে। তার নাচ ময়ুরের নাচের তার সাড়া কোকিলের সাড়ার প্রতিধ্বনি করে না, নতুন সুরে নতুন ছন্দে প্রকাশ পায়। ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], রূপবিদ্যা, বাগেশ্বরী শিল্প-প্রবন্ধাবলী- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশনা সংস্থা, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৫৭ * সীতা, পূর্ব্বে পঞ্চবটী বাসকালে একটি ময়ূরশিশু প্রতিপালন করিয়াছিলেন। একটি কদম্ববৃক্ষ সীতা স্বহস্তে রোপণ করিয়া, স্বয়ং বর্দ্ধিত করিয়াছিলেন। রাম দেখিলেন, যে সেই কদম্ববৃক্ষে দুই একটি নবকুসুমোদ্গম হইয়াছে। তদুপরি আরোহণ করিয়া সীতাপালিত সেই ময়ূরটি নৃত্যান্তে ময়ূরী সঙ্গে রব করিতেছিল। বাসন্তী রামকে সেই ময়ূরটী দেখাইলেন। দেখিয়া রামের মনে পড়িল, সীতা তাহাকে করতালী দিয়া নাচাইতেন, নাচাইবার সময়ে তালের সহিত সীতার চক্ষুও পল্লবমধ্যে ঘুরিত। * [[বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়]], উত্তরচরিত, বিবিধ সমালোচন- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, প্রকাশস্থান- কাঁঠালপাড়া, প্রকাশসাল- ১৮৭৬ খ্রিস্টাব্দ (১২৮৩ বঙ্গাব্দ), প্রকাশসাল- ১৯৯৮ খ্রিস্টাব্দ (১৪০৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৩ * হঠাৎ গৃহপালিত ময়ূরের ডাক শুনিয়া আমার বন্ধু বলিয়া উঠিলেন— আমি ঐ ময়ূরের ডাক সহ্য করিতে পারি না; কবিরা কেকারবকে কেন যে তাঁদের কাব্যে স্থান দিয়াছেন, বুঝিবার জো নাই। কবি যখন বসন্তের কুহুস্বর এবং বর্ষার কেকা—দুটাকেই সমান আদর দিয়াছেন, তখন হঠাৎ মনে হইতে পারে, কবির বুঝি কৈবল্যদশাপ্রাপ্তি হইয়াছে, তাহার কাছে ভালো ও মন্দ, ললিত কর্কশের ভেদ লুপ্ত। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], কেকাধ্বনি, বিচিত্র প্রবন্ধ-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৩৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৫৫ * একটি ময়ুর তার পেখমের সবটুকু অভ্র ও আবীর দিয়েছে আমাকে।<br>একটি ময়ূর তার হৃদয়ের বিছানা বালিশে<br>মশারির টাঙানো খাটে, দরজায়, জানালায়, নীল আয়নায়<br>অতিথিশালার মতো যখন-তখন এসে ঘুমোবার, হেঁটে বেড়াবার<br>সুখটুকু, স্বাধীনতাটুকু<br>সোনার চাবির মতো হাতে তুলে দিয়েছে স্বেচ্ছায়। ** [[পূর্ণেন্দু পত্রী]], ময়ূর দিয়েছে, হে সময় অশ্বারোহী হও (কাব্যগ্রন্থ)[https://banglarkobita.com/poem/famous/1313/%E0%A6%AE%E0%A7%9F%E0%A7%82%E0%A6%B0%20%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A7%82%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A3%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%81%20%E0%A6%AA%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80] * ময়ূরের ছবি দেখিতে সকলে তাহার উপর ঝুঁকিয়া পড়িলেন। ছবি দেখিয়া লম্বোদর একটু হাসিলেন,—কুপিত হইয়া ডমরুধর বলিলেন,— “হাসিও না। এ তোমাদের পৃথিবীর ক্যাক্-কেঁকে প্যাকম-ধরা ময়ূর নহে। এ আসল কার্ত্তিকের কৈলাসি ময়ূর।”<br>তাহার পর ডমরুধর পুনরায় গল্প আরম্ভ করিলেন—গণেশ, লক্ষ্মী, দুর্গা ও সরস্বতীকে প্রণাম করিয়া আমি ময়ূরের পিঠে চড়িয়া বসিলাম। তাহাকে আকাশের দিকে চালাইতে চেষ্টা করিলাম। ময়ূর উপরে উঠিল না। তখন দেবী হাসিয়া বলিলেন,— মন্ত্র না পড়িলে নরলোককে লইয়া ময়ূর উপরে উঠিবে না। ** [[ত্রৈলক্যনাথ মুখোপাধ্যায়|ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়]], ডমরুধরের সিদ্ধিলাভ, ডমরু-চরিত - ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়, দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ, কলকাতা, প্রকাশসাল - ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৯২ * ময়ূরের আনয়নে বিলম্ব দেখিয়া, কুপিত হইয়া বালক কহিল এখনও ময়ূর দিলে না; তবে আমি ইহাকে ছাড়িব না; এই বলিয়া সিংহশিশুকে অত্যন্ত বলপূর্ব্বক আকর্ষণ করিতে লাগিল। তাপসী চেষ্টা পাইলেন কিন্তু তাহার হস্ত হইতে সিংহশাবক ছাড়াইতে পারিলেন না। ** [[ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর]]. শকুন্তলা, সপ্তম অঙ্ক, শকুন্তলা- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৫৪ খ্রিস্টাব্দ (১২৬১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১০১ * ময়ূর নিজের আনন্দে তার চিত্র-বিচিত্র কলাপ বিস্তার করে, বাগানের শোভা কি বনের শোভা কি খাঁচার শোভা তাতে হ’ল কি না হ’ল ময়ূরের মনে একথা উদয়ও হ’ল না; এতটা স্বাধীনতা মানুষ শিল্পে চায় কিন্তু পেলে কই? ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], শিল্পশাস্ত্রের ক্রিয়াকাণ্ড, বাগেশ্বরী শিল্প-প্রবন্ধাবলী- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশনা সংস্থা, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪৮ * আজ ধায় স্বদেশের পানে, তরুশাখে<br>কলাপী ময়ূর ডাকে ময়ূরী প্রিয়াকে<br>কেকা কলরবে, ত্যজি ভূতল শয়নে<br>ধরনী দাড়াইল মুক্ত বাতায়নে ** [[প্রিয়ম্বদা দেবী]], বর্ষারম্ভে প্রকৃতির প্রতি, রেণু - প্রিয়ম্বদা দেবী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশক ও মুদ্রক- নববিভাকর প্রেস, প্রকাশসাল- ১৯০৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩১৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৫ * এত ময়ূরের ঝাঁক্‌ আমি কখনও দেখি নাই—আর এমন সুন্দর ময়ূর। পথের মধ্যেই ময়ূরেরা বিচরণ করিতেছে এবং তাহদের মণিময় পাখা সূর্য্যালোকে ঝিক্‌ ঝিক্‌ করিতেছে। এই ময়ূরেরা মুক্ত অথচ পোষা, ইহারা কাহারও সম্পত্তি নহে এবং বিশ্বস্ত ভাবে লোকের মধ্যে বাস করিতেছে। সকল প্রকার নিরীহ জীবজন্তু হিন্দুদিগের নিকট পবিত্র; ময়ূরও এই কারণে হিন্দুদিগের সেব্য—তাহাদিগকে ছোলা খাইতে দেওয়া লোকে পুণ্য কার্য্য বলিয়া মনে করে। আমার ভৃত্য ছেদিলাল, আমাকে গম্ভীর ভাবে বলিল, “এই ময়ূরেরা কাহারও কিছু হানি করে না, কিন্তু ইংরাজেরা এমনি দুষ্ট, ইহাদিগকে পাথর ছুঁড়িয়া মারে।” ** আঁদ্রে শেভ্রিয়োঁ, ভারতবর্ষে—জয়পুর, ভারতবর্ষে- আঁদ্রে শেভ্রিয়োঁ, অনুবাদক- জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশসাল- ১৯০৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩১০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৫৫ *পুষিয়াছি সারী শুক, ময়ূর ময়ূরী<br>কুঞ্জবনে; অলিকুল গুঞ্জরে সতত;<br>কুহরে কোকিল ডালে; ফোটে ফুলরাজী।<br>কিন্তু শোভাহীন বন প্রভুর বিহনে! ** [[মাইকেল মধুসূদন দত্ত]], বীরাঙ্গনা কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত, তৃতীয় সর্গ, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৬৮ খ্রিস্টাব্দ (১২৭৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২২ * ময়ূরের স্বভাব এই যে, সে রাত্রি যাপনের নিমিত্ত একটি উপযোগী বাসযষ্টি বাছিয়া লয়; প্রতি সন্ধ্যায় সেই নির্দ্দিষ্টস্থানে আশ্রয় লইবার নিমিত্ত উপস্থিত হয়;—বিহঙ্গতত্ত্ববিদ্‌গণ ইহা বিশেষরূপে লক্ষ্য করিয়াছেন। গৃহপালিত ময়ূরগণের বাসযষ্টির ব্যবস্থা নির্দ্দেশ করিয়া কবি তাৎকালিক পক্ষিপালন-প্রথার সুস্পষ্ট আভাস দিয়াছেন। আর্য্যাবর্ত্তে গৃহপালিত ময়ূরটিকে গৃহস্থ কুলবধূ কেমন করিয়া বলয়শিঞ্জিতে নাচাইয়া থাকেন, তাহার জন্য সাক্ষ্য লইতে আমাদের পাঠকপাঠিকাকে পাশ্চাত্য ornithologistএর নিকটে যাইতে হইবে না, কিন্তু গৃহের বাহিরে ময়ূরীর সম্মুখে ময়ূর কলাপবিস্তার করিয়া কেমন নৃত্য করে, তাহা দেখিয়া অনেক বিদেশী পক্ষিতত্ত্ববিৎ মুগ্ধ হইয়ছেন। ** [[সত্যচরণ লাহা]], মেঘদূতের পক্ষিতত্ত্ব, পাখীর কথা - সত্যচরণ লাহা, তৃতীয় ভাগ, প্রকাশক- বেঙ্গল বুক কোম্পানী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯২১ খ্রিস্টাব্দ (১৩২৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৫২ * সোনার স্বপ্ন যেন আর-একবার ধরা দেবে দেবে করলে, যেখানে সোনার হরিণ থাকে। অলকার রঙছুট ময়ূরী এল। সে-জগতে সে রঙের অপেক্ষ রাখে না। সেই যে কুঞ্জে নূপুর বাজে সেখানে রঙছুট ময়ূরী খেলা করে। বিরহের গভীর সুর বাজে। মনময়ূরী একলা। শক্ত পাথরে মন-পাখি বাধছে বাসা। ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], জোড়াসাঁকোর ধারে, জোড়াসাঁকোর ধারে- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৫০-১৫১ * দীর্ঘশ্বাস ফেলে বিশ্বামিত্র বললেন, ঠিক কথা। আমি তোমার পিতা নই, মেনকাও তোমার মাতা নয়, যারা তোমাকে ত্যাগ করেছিল তাদের সঙ্গে তোমার সম্পর্ক নেই। যাঁরা তোমাকে আজন্ম পালন করেছেন তাঁদেরই তুমি কন্যা। খুকী, তুমি কি খেলনা চাও বল, রূপোর রাজহাঁস, সোনার হরিণ, পান্না-নীলার ময়ূর—<br>অনসূয়া ঠোঁট বেকিয়ে বলল, ভারী তো। আমাদের আসল হাঁস হরিণ ময়ূর আছে।<br>প্রিয়ংবদা বলল, আমাদের হাঁস প্যাঁক প্যাঁক করে, হরিণ লাফায়, ময়ূর নাচে। তোমার হাঁস হরিণ ময়ূর তা পারে?<br>বিশ্বামিত্র বললেন, না, শুধু ঝকমক করে। ** [[রাজশেখর বসু]], কর্দম মেখলা, চমৎকুমারী ইত্যাদি গল্প - পরশুরাম, প্রথম সংস্করণ, প্রকাশক- এম. সি. সরকার এণ্ড সন্স লিমিটেড, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৯ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৭-১৮ * খ্রীঃ পূঃ চতুর্থ-পঞ্চম শতাব্দীতে গ্রীক্ সাহিত্যে ময়ূরের পরিচয় পাওয়া যায়। আরিষ্টোফেনিসের নাটক ইহার প্রমাণ। রোমে ধনী গৃহস্থ ও কোন কোন সম্রাট্ শিখীকে ভোজ্যদ্রব্য না করিলে আনন্দবোধ করিতেন না। প্লিনির পুস্তকে দেখা যায় যে, কেহ কেহ ময়ূরকে বাড়ীতে অতি যত্ন করিয়া পুষিত এবং কিছুদিন পরে তাহারা সেই সকল গৃহপালিত হৃষ্টপুষ্ট শিখী ভক্ষ্যহিসাবে বিক্রয় করিয়া প্রচুর অর্থ উপার্জ্জন করিত। অতএব ইহা স্পষ্টই প্রতীয়মান হয় যে, ময়ূর বহুকাল হইতে মানবগৃহে পালিত হইয়া আসিতেছে। আবার ময়ূরের পুচ্ছ ডাকাতের আভরণ বলিয়া নাটকের মধ্যে উল্লেখ দেখিয়াছি। ** [[সত্যচরণ লাহা]], ময়ূর, পাখীর কথা - সত্যচরণ লাহা, তৃতীয় ভাগ, প্রকাশক- বেঙ্গল বুক কোম্পানী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯২১ খ্রিস্টাব্দ (১৩২৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৩১ * আমি বলিলাম, —“যদি বর দিবেই, তবে কার্তিকের ময়ূরটী আমাকে প্রদান কর। উহার পিঠে চড়িয়া আমি আকাশ ভ্রমণ করিব।”<br>দেবী বলিলেন,—“ছি বাছা, ও কথা বলিও না। কার্ত্তিক ছেলে মানুষ। তাহার ময়ূরটি দিলে সে কাঁদিবে।”<br>আমি উত্তর করিলাম, —“অন্য বর চাই না মা! নিদেন সকাল হইতে সন্ধ্যা পর্যন্ত একদিনের জন্য ময়ূরটীকে দাও, মা! তাহার পিঠে চড়িয়া সমস্ত দিন আকাশ ভ্রমণ করিয়া সন্ধ্যা বেলা তোমাদের ময়ূর তোমাদিগকে ফিরাইয়া দিব। যদি না দাও, তবে পুনরায় আমি এই তপে বসিলাম।” ** [[ত্রৈলক্যনাথ মুখোপাধ্যায়|ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়]], ডমরুধরের সিদ্ধিলাভ, ডমরু-চরিত - ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়, দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ, কলকাতা, প্রকাশসাল - ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৯১ * বনের তপস্বিনীরা কত ছেড়ে দিতে বলছিলেন, কত মাটীর ময়ূরের লোভ দেখাচ্ছিলেন, শিশু কিছুতে শুনছিল না। এমন সময় রাজা সেখানে এলেন, সিংহ-শিশুকে ছাড়িয়ে সেই রাজ-শিশুকে কোলে নিলেন; দুষ্ট শিশু রাজার কোলে শান্ত হ’ল। সেই রাজশিশুকে কোলে করে রাজার বুক যেন জুড়িয়ে গেল। রাজা তো জানেন না যে এ শিশু তাঁ’রই পুত্র; ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], শকুন্তলা - অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, দ্বিতীয় সংস্করণ, আদি ব্রাহ্মসমাজ সংস্করণ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯০২ খ্রিস্টাব্দ (১৩০৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩০-৩১ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} {{উইকিঅভিধান}} == আরও দেখুন == * [[বাবুই]] * [[কোকিল]] * [[বক]] * [[চাতক]] [[বিষয়শ্রেণী:পাখি]] gdujgijiiub86fyg9sbs1idpryih8k1 79760 79759 2026-04-22T14:26:00Z Salil Kumar Mukherjee 39 উক্তি যোগ 79760 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} [[চিত্র:Paonroue.JPG|thumb|300px|ময়ূর]] '''[[:w:ময়ূর|ময়ূর]]''' হলো ফ্যাজিয়ানিডি পরিবারের অন্তর্ভুক্ত অত্যন্ত সুন্দর একটি পাখি। এশিয়ায় পাভো গণের মোট দুইটি প্রজাতির এবং আফ্রিকায় আফ্রোপাভো গণের একটি ময়ূরের প্রজাতি দেখা যায়। এশিয়ার প্রজাতি দুইটি হলো নীল ময়ূর আর সবুজ ময়ূর। আফ্রিকার প্রজাতিটির নাম কঙ্গো ময়ূর। নীল ময়ূর সমগ্র ভারতীয় উপমহাদেশেই দেখা যায়। আর সবুজ ময়ূর মায়ানমার থেকে জাভা পর্যন্ত বিস্তৃত। ময়ূর বন্য পাখি এবং মাটির গর্তে বাস করে কিন্তু গাছে বিশ্রাম করে। আশঙ্কাজনক হারে বিশ্বব্যাপী ময়ূরের সংখ্যা কমে যাচ্ছে বলে এরা বিপন্ন প্রজাতি হিসেবে বিবেচিত। == উক্তি == * ময়ূর নাচে কোকিল ডাকে কিন্তু মানুষ ঐটুকু দেখেই খুসি হ’য়ে নকল নিতে বসে না—সে নিজের নাচ নিজের সাড়া খুঁজে খুঁজে বার করে। তার নাচ ময়ুরের নাচের তার সাড়া কোকিলের সাড়ার প্রতিধ্বনি করে না, নতুন সুরে নতুন ছন্দে প্রকাশ পায়। ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], রূপবিদ্যা, বাগেশ্বরী শিল্প-প্রবন্ধাবলী- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশনা সংস্থা, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৫৭ * সীতা, পূর্ব্বে পঞ্চবটী বাসকালে একটি ময়ূরশিশু প্রতিপালন করিয়াছিলেন। একটি কদম্ববৃক্ষ সীতা স্বহস্তে রোপণ করিয়া, স্বয়ং বর্দ্ধিত করিয়াছিলেন। রাম দেখিলেন, যে সেই কদম্ববৃক্ষে দুই একটি নবকুসুমোদ্গম হইয়াছে। তদুপরি আরোহণ করিয়া সীতাপালিত সেই ময়ূরটি নৃত্যান্তে ময়ূরী সঙ্গে রব করিতেছিল। বাসন্তী রামকে সেই ময়ূরটী দেখাইলেন। দেখিয়া রামের মনে পড়িল, সীতা তাহাকে করতালী দিয়া নাচাইতেন, নাচাইবার সময়ে তালের সহিত সীতার চক্ষুও পল্লবমধ্যে ঘুরিত। * [[বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়]], উত্তরচরিত, বিবিধ সমালোচন- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, প্রকাশস্থান- কাঁঠালপাড়া, প্রকাশসাল- ১৮৭৬ খ্রিস্টাব্দ (১২৮৩ বঙ্গাব্দ), প্রকাশসাল- ১৯৯৮ খ্রিস্টাব্দ (১৪০৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৩ * হঠাৎ গৃহপালিত ময়ূরের ডাক শুনিয়া আমার বন্ধু বলিয়া উঠিলেন— আমি ঐ ময়ূরের ডাক সহ্য করিতে পারি না; কবিরা কেকারবকে কেন যে তাঁদের কাব্যে স্থান দিয়াছেন, বুঝিবার জো নাই। কবি যখন বসন্তের কুহুস্বর এবং বর্ষার কেকা—দুটাকেই সমান আদর দিয়াছেন, তখন হঠাৎ মনে হইতে পারে, কবির বুঝি কৈবল্যদশাপ্রাপ্তি হইয়াছে, তাহার কাছে ভালো ও মন্দ, ললিত কর্কশের ভেদ লুপ্ত। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], কেকাধ্বনি, বিচিত্র প্রবন্ধ-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৩৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৫৫ * একটি ময়ুর তার পেখমের সবটুকু অভ্র ও আবীর দিয়েছে আমাকে।<br>একটি ময়ূর তার হৃদয়ের বিছানা বালিশে<br>মশারির টাঙানো খাটে, দরজায়, জানালায়, নীল আয়নায়<br>অতিথিশালার মতো যখন-তখন এসে ঘুমোবার, হেঁটে বেড়াবার<br>সুখটুকু, স্বাধীনতাটুকু<br>সোনার চাবির মতো হাতে তুলে দিয়েছে স্বেচ্ছায়। ** [[পূর্ণেন্দু পত্রী]], ময়ূর দিয়েছে, হে সময় অশ্বারোহী হও (কাব্যগ্রন্থ)[https://banglarkobita.com/poem/famous/1313/%E0%A6%AE%E0%A7%9F%E0%A7%82%E0%A6%B0%20%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A7%82%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A3%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%81%20%E0%A6%AA%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80] * ময়ূরের ছবি দেখিতে সকলে তাহার উপর ঝুঁকিয়া পড়িলেন। ছবি দেখিয়া লম্বোদর একটু হাসিলেন,—কুপিত হইয়া ডমরুধর বলিলেন,— “হাসিও না। এ তোমাদের পৃথিবীর ক্যাক্-কেঁকে প্যাকম-ধরা ময়ূর নহে। এ আসল কার্ত্তিকের কৈলাসি ময়ূর।”<br>তাহার পর ডমরুধর পুনরায় গল্প আরম্ভ করিলেন—গণেশ, লক্ষ্মী, দুর্গা ও সরস্বতীকে প্রণাম করিয়া আমি ময়ূরের পিঠে চড়িয়া বসিলাম। তাহাকে আকাশের দিকে চালাইতে চেষ্টা করিলাম। ময়ূর উপরে উঠিল না। তখন দেবী হাসিয়া বলিলেন,— মন্ত্র না পড়িলে নরলোককে লইয়া ময়ূর উপরে উঠিবে না। ** [[ত্রৈলক্যনাথ মুখোপাধ্যায়|ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়]], ডমরুধরের সিদ্ধিলাভ, ডমরু-চরিত - ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়, দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ, কলকাতা, প্রকাশসাল - ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৯২ * ময়ূরের আনয়নে বিলম্ব দেখিয়া, কুপিত হইয়া বালক কহিল এখনও ময়ূর দিলে না; তবে আমি ইহাকে ছাড়িব না; এই বলিয়া সিংহশিশুকে অত্যন্ত বলপূর্ব্বক আকর্ষণ করিতে লাগিল। তাপসী চেষ্টা পাইলেন কিন্তু তাহার হস্ত হইতে সিংহশাবক ছাড়াইতে পারিলেন না। ** [[ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর]]. শকুন্তলা, সপ্তম অঙ্ক, শকুন্তলা- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৫৪ খ্রিস্টাব্দ (১২৬১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১০১ * হৃদয় আমার নাচে রে আজিকে ময়ূরের মতাে নাচে রে।<br>শত বরনের ভাব-উচ্ছ্বাস কলাপের মতাে করেছে বিকাশ,<br>আকুল পরান আকাশে চাহিয়া উল্লাসে কারে যাচে রে॥ ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], গীতবিতান- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৯৩ খ্রিস্টাব্দ (১৪০০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৪৭০ * ময়ূর নিজের আনন্দে তার চিত্র-বিচিত্র কলাপ বিস্তার করে, বাগানের শোভা কি বনের শোভা কি খাঁচার শোভা তাতে হ’ল কি না হ’ল ময়ূরের মনে একথা উদয়ও হ’ল না; এতটা স্বাধীনতা মানুষ শিল্পে চায় কিন্তু পেলে কই? ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], শিল্পশাস্ত্রের ক্রিয়াকাণ্ড, বাগেশ্বরী শিল্প-প্রবন্ধাবলী- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশনা সংস্থা, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪৮ * আজ ধায় স্বদেশের পানে, তরুশাখে<br>কলাপী ময়ূর ডাকে ময়ূরী প্রিয়াকে<br>কেকা কলরবে, ত্যজি ভূতল শয়নে<br>ধরনী দাড়াইল মুক্ত বাতায়নে ** [[প্রিয়ম্বদা দেবী]], বর্ষারম্ভে প্রকৃতির প্রতি, রেণু - প্রিয়ম্বদা দেবী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশক ও মুদ্রক- নববিভাকর প্রেস, প্রকাশসাল- ১৯০৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩১৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৫ * এত ময়ূরের ঝাঁক্‌ আমি কখনও দেখি নাই—আর এমন সুন্দর ময়ূর। পথের মধ্যেই ময়ূরেরা বিচরণ করিতেছে এবং তাহদের মণিময় পাখা সূর্য্যালোকে ঝিক্‌ ঝিক্‌ করিতেছে। এই ময়ূরেরা মুক্ত অথচ পোষা, ইহারা কাহারও সম্পত্তি নহে এবং বিশ্বস্ত ভাবে লোকের মধ্যে বাস করিতেছে। সকল প্রকার নিরীহ জীবজন্তু হিন্দুদিগের নিকট পবিত্র; ময়ূরও এই কারণে হিন্দুদিগের সেব্য—তাহাদিগকে ছোলা খাইতে দেওয়া লোকে পুণ্য কার্য্য বলিয়া মনে করে। আমার ভৃত্য ছেদিলাল, আমাকে গম্ভীর ভাবে বলিল, “এই ময়ূরেরা কাহারও কিছু হানি করে না, কিন্তু ইংরাজেরা এমনি দুষ্ট, ইহাদিগকে পাথর ছুঁড়িয়া মারে।” ** আঁদ্রে শেভ্রিয়োঁ, ভারতবর্ষে—জয়পুর, ভারতবর্ষে- আঁদ্রে শেভ্রিয়োঁ, অনুবাদক- জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশসাল- ১৯০৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩১০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৫৫ *পুষিয়াছি সারী শুক, ময়ূর ময়ূরী<br>কুঞ্জবনে; অলিকুল গুঞ্জরে সতত;<br>কুহরে কোকিল ডালে; ফোটে ফুলরাজী।<br>কিন্তু শোভাহীন বন প্রভুর বিহনে! ** [[মাইকেল মধুসূদন দত্ত]], বীরাঙ্গনা কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত, তৃতীয় সর্গ, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৬৮ খ্রিস্টাব্দ (১২৭৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২২ * ময়ূরের স্বভাব এই যে, সে রাত্রি যাপনের নিমিত্ত একটি উপযোগী বাসযষ্টি বাছিয়া লয়; প্রতি সন্ধ্যায় সেই নির্দ্দিষ্টস্থানে আশ্রয় লইবার নিমিত্ত উপস্থিত হয়;—বিহঙ্গতত্ত্ববিদ্‌গণ ইহা বিশেষরূপে লক্ষ্য করিয়াছেন। গৃহপালিত ময়ূরগণের বাসযষ্টির ব্যবস্থা নির্দ্দেশ করিয়া কবি তাৎকালিক পক্ষিপালন-প্রথার সুস্পষ্ট আভাস দিয়াছেন। আর্য্যাবর্ত্তে গৃহপালিত ময়ূরটিকে গৃহস্থ কুলবধূ কেমন করিয়া বলয়শিঞ্জিতে নাচাইয়া থাকেন, তাহার জন্য সাক্ষ্য লইতে আমাদের পাঠকপাঠিকাকে পাশ্চাত্য ornithologistএর নিকটে যাইতে হইবে না, কিন্তু গৃহের বাহিরে ময়ূরীর সম্মুখে ময়ূর কলাপবিস্তার করিয়া কেমন নৃত্য করে, তাহা দেখিয়া অনেক বিদেশী পক্ষিতত্ত্ববিৎ মুগ্ধ হইয়ছেন। ** [[সত্যচরণ লাহা]], মেঘদূতের পক্ষিতত্ত্ব, পাখীর কথা - সত্যচরণ লাহা, তৃতীয় ভাগ, প্রকাশক- বেঙ্গল বুক কোম্পানী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯২১ খ্রিস্টাব্দ (১৩২৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৫২ * সোনার স্বপ্ন যেন আর-একবার ধরা দেবে দেবে করলে, যেখানে সোনার হরিণ থাকে। অলকার রঙছুট ময়ূরী এল। সে-জগতে সে রঙের অপেক্ষ রাখে না। সেই যে কুঞ্জে নূপুর বাজে সেখানে রঙছুট ময়ূরী খেলা করে। বিরহের গভীর সুর বাজে। মনময়ূরী একলা। শক্ত পাথরে মন-পাখি বাধছে বাসা। ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], জোড়াসাঁকোর ধারে, জোড়াসাঁকোর ধারে- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৫০-১৫১ * দীর্ঘশ্বাস ফেলে বিশ্বামিত্র বললেন, ঠিক কথা। আমি তোমার পিতা নই, মেনকাও তোমার মাতা নয়, যারা তোমাকে ত্যাগ করেছিল তাদের সঙ্গে তোমার সম্পর্ক নেই। যাঁরা তোমাকে আজন্ম পালন করেছেন তাঁদেরই তুমি কন্যা। খুকী, তুমি কি খেলনা চাও বল, রূপোর রাজহাঁস, সোনার হরিণ, পান্না-নীলার ময়ূর—<br>অনসূয়া ঠোঁট বেকিয়ে বলল, ভারী তো। আমাদের আসল হাঁস হরিণ ময়ূর আছে।<br>প্রিয়ংবদা বলল, আমাদের হাঁস প্যাঁক প্যাঁক করে, হরিণ লাফায়, ময়ূর নাচে। তোমার হাঁস হরিণ ময়ূর তা পারে?<br>বিশ্বামিত্র বললেন, না, শুধু ঝকমক করে। ** [[রাজশেখর বসু]], কর্দম মেখলা, চমৎকুমারী ইত্যাদি গল্প - পরশুরাম, প্রথম সংস্করণ, প্রকাশক- এম. সি. সরকার এণ্ড সন্স লিমিটেড, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৯ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৭-১৮ * খ্রীঃ পূঃ চতুর্থ-পঞ্চম শতাব্দীতে গ্রীক্ সাহিত্যে ময়ূরের পরিচয় পাওয়া যায়। আরিষ্টোফেনিসের নাটক ইহার প্রমাণ। রোমে ধনী গৃহস্থ ও কোন কোন সম্রাট্ শিখীকে ভোজ্যদ্রব্য না করিলে আনন্দবোধ করিতেন না। প্লিনির পুস্তকে দেখা যায় যে, কেহ কেহ ময়ূরকে বাড়ীতে অতি যত্ন করিয়া পুষিত এবং কিছুদিন পরে তাহারা সেই সকল গৃহপালিত হৃষ্টপুষ্ট শিখী ভক্ষ্যহিসাবে বিক্রয় করিয়া প্রচুর অর্থ উপার্জ্জন করিত। অতএব ইহা স্পষ্টই প্রতীয়মান হয় যে, ময়ূর বহুকাল হইতে মানবগৃহে পালিত হইয়া আসিতেছে। আবার ময়ূরের পুচ্ছ ডাকাতের আভরণ বলিয়া নাটকের মধ্যে উল্লেখ দেখিয়াছি। ** [[সত্যচরণ লাহা]], ময়ূর, পাখীর কথা - সত্যচরণ লাহা, তৃতীয় ভাগ, প্রকাশক- বেঙ্গল বুক কোম্পানী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯২১ খ্রিস্টাব্দ (১৩২৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৩১ * আমি বলিলাম, —“যদি বর দিবেই, তবে কার্তিকের ময়ূরটী আমাকে প্রদান কর। উহার পিঠে চড়িয়া আমি আকাশ ভ্রমণ করিব।”<br>দেবী বলিলেন,—“ছি বাছা, ও কথা বলিও না। কার্ত্তিক ছেলে মানুষ। তাহার ময়ূরটি দিলে সে কাঁদিবে।”<br>আমি উত্তর করিলাম, —“অন্য বর চাই না মা! নিদেন সকাল হইতে সন্ধ্যা পর্যন্ত একদিনের জন্য ময়ূরটীকে দাও, মা! তাহার পিঠে চড়িয়া সমস্ত দিন আকাশ ভ্রমণ করিয়া সন্ধ্যা বেলা তোমাদের ময়ূর তোমাদিগকে ফিরাইয়া দিব। যদি না দাও, তবে পুনরায় আমি এই তপে বসিলাম।” ** [[ত্রৈলক্যনাথ মুখোপাধ্যায়|ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়]], ডমরুধরের সিদ্ধিলাভ, ডমরু-চরিত - ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়, দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ, কলকাতা, প্রকাশসাল - ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৯১ * বনের তপস্বিনীরা কত ছেড়ে দিতে বলছিলেন, কত মাটীর ময়ূরের লোভ দেখাচ্ছিলেন, শিশু কিছুতে শুনছিল না। এমন সময় রাজা সেখানে এলেন, সিংহ-শিশুকে ছাড়িয়ে সেই রাজ-শিশুকে কোলে নিলেন; দুষ্ট শিশু রাজার কোলে শান্ত হ’ল। সেই রাজশিশুকে কোলে করে রাজার বুক যেন জুড়িয়ে গেল। রাজা তো জানেন না যে এ শিশু তাঁ’রই পুত্র; ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], শকুন্তলা - অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, দ্বিতীয় সংস্করণ, আদি ব্রাহ্মসমাজ সংস্করণ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯০২ খ্রিস্টাব্দ (১৩০৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩০-৩১ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} {{উইকিঅভিধান}} == আরও দেখুন == * [[বাবুই]] * [[কোকিল]] * [[বক]] * [[চাতক]] [[বিষয়শ্রেণী:পাখি]] gecxkqmvng0ecszx9rwkdadf1f3g2m7 79761 79760 2026-04-22T14:29:11Z Salil Kumar Mukherjee 39 সংযোজন 79761 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} [[চিত্র:Paonroue.JPG|thumb|300px|হৃদয় আমার নাচে রে আজিকে ময়ূরের মতাে নাচে রে।<br>—[[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]]]] '''[[:w:ময়ূর|ময়ূর]]''' হলো ফ্যাজিয়ানিডি পরিবারের অন্তর্ভুক্ত অত্যন্ত সুন্দর একটি পাখি। এশিয়ায় পাভো গণের মোট দুইটি প্রজাতির এবং আফ্রিকায় আফ্রোপাভো গণের একটি ময়ূরের প্রজাতি দেখা যায়। এশিয়ার প্রজাতি দুইটি হলো নীল ময়ূর আর সবুজ ময়ূর। আফ্রিকার প্রজাতিটির নাম কঙ্গো ময়ূর। নীল ময়ূর সমগ্র ভারতীয় উপমহাদেশেই দেখা যায়। আর সবুজ ময়ূর মায়ানমার থেকে জাভা পর্যন্ত বিস্তৃত। ময়ূর বন্য পাখি এবং মাটির গর্তে বাস করে কিন্তু গাছে বিশ্রাম করে। আশঙ্কাজনক হারে বিশ্বব্যাপী ময়ূরের সংখ্যা কমে যাচ্ছে বলে এরা বিপন্ন প্রজাতি হিসেবে বিবেচিত। == উক্তি == * ময়ূর নাচে কোকিল ডাকে কিন্তু মানুষ ঐটুকু দেখেই খুসি হ’য়ে নকল নিতে বসে না—সে নিজের নাচ নিজের সাড়া খুঁজে খুঁজে বার করে। তার নাচ ময়ুরের নাচের তার সাড়া কোকিলের সাড়ার প্রতিধ্বনি করে না, নতুন সুরে নতুন ছন্দে প্রকাশ পায়। ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], রূপবিদ্যা, বাগেশ্বরী শিল্প-প্রবন্ধাবলী- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশনা সংস্থা, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৫৭ * সীতা, পূর্ব্বে পঞ্চবটী বাসকালে একটি ময়ূরশিশু প্রতিপালন করিয়াছিলেন। একটি কদম্ববৃক্ষ সীতা স্বহস্তে রোপণ করিয়া, স্বয়ং বর্দ্ধিত করিয়াছিলেন। রাম দেখিলেন, যে সেই কদম্ববৃক্ষে দুই একটি নবকুসুমোদ্গম হইয়াছে। তদুপরি আরোহণ করিয়া সীতাপালিত সেই ময়ূরটি নৃত্যান্তে ময়ূরী সঙ্গে রব করিতেছিল। বাসন্তী রামকে সেই ময়ূরটী দেখাইলেন। দেখিয়া রামের মনে পড়িল, সীতা তাহাকে করতালী দিয়া নাচাইতেন, নাচাইবার সময়ে তালের সহিত সীতার চক্ষুও পল্লবমধ্যে ঘুরিত। ** [[বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়]], উত্তরচরিত, বিবিধ সমালোচন- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, প্রকাশস্থান- কাঁঠালপাড়া, প্রকাশসাল- ১৮৭৬ খ্রিস্টাব্দ (১২৮৩ বঙ্গাব্দ), প্রকাশসাল- ১৯৯৮ খ্রিস্টাব্দ (১৪০৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৩ * হঠাৎ গৃহপালিত ময়ূরের ডাক শুনিয়া আমার বন্ধু বলিয়া উঠিলেন— আমি ঐ ময়ূরের ডাক সহ্য করিতে পারি না; কবিরা কেকারবকে কেন যে তাঁদের কাব্যে স্থান দিয়াছেন, বুঝিবার জো নাই। কবি যখন বসন্তের কুহুস্বর এবং বর্ষার কেকা—দুটাকেই সমান আদর দিয়াছেন, তখন হঠাৎ মনে হইতে পারে, কবির বুঝি কৈবল্যদশাপ্রাপ্তি হইয়াছে, তাহার কাছে ভালো ও মন্দ, ললিত কর্কশের ভেদ লুপ্ত। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], কেকাধ্বনি, বিচিত্র প্রবন্ধ-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৩৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৫৫ * একটি ময়ুর তার পেখমের সবটুকু অভ্র ও আবীর দিয়েছে আমাকে।<br>একটি ময়ূর তার হৃদয়ের বিছানা বালিশে<br>মশারির টাঙানো খাটে, দরজায়, জানালায়, নীল আয়নায়<br>অতিথিশালার মতো যখন-তখন এসে ঘুমোবার, হেঁটে বেড়াবার<br>সুখটুকু, স্বাধীনতাটুকু<br>সোনার চাবির মতো হাতে তুলে দিয়েছে স্বেচ্ছায়। ** [[পূর্ণেন্দু পত্রী]], ময়ূর দিয়েছে, হে সময় অশ্বারোহী হও (কাব্যগ্রন্থ)[https://banglarkobita.com/poem/famous/1313/%E0%A6%AE%E0%A7%9F%E0%A7%82%E0%A6%B0%20%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A7%82%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A3%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%81%20%E0%A6%AA%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80] * ময়ূরের ছবি দেখিতে সকলে তাহার উপর ঝুঁকিয়া পড়িলেন। ছবি দেখিয়া লম্বোদর একটু হাসিলেন,—কুপিত হইয়া ডমরুধর বলিলেন,— “হাসিও না। এ তোমাদের পৃথিবীর ক্যাক্-কেঁকে প্যাকম-ধরা ময়ূর নহে। এ আসল কার্ত্তিকের কৈলাসি ময়ূর।”<br>তাহার পর ডমরুধর পুনরায় গল্প আরম্ভ করিলেন—গণেশ, লক্ষ্মী, দুর্গা ও সরস্বতীকে প্রণাম করিয়া আমি ময়ূরের পিঠে চড়িয়া বসিলাম। তাহাকে আকাশের দিকে চালাইতে চেষ্টা করিলাম। ময়ূর উপরে উঠিল না। তখন দেবী হাসিয়া বলিলেন,— মন্ত্র না পড়িলে নরলোককে লইয়া ময়ূর উপরে উঠিবে না। ** [[ত্রৈলক্যনাথ মুখোপাধ্যায়|ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়]], ডমরুধরের সিদ্ধিলাভ, ডমরু-চরিত - ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়, দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ, কলকাতা, প্রকাশসাল - ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৯২ * ময়ূরের আনয়নে বিলম্ব দেখিয়া, কুপিত হইয়া বালক কহিল এখনও ময়ূর দিলে না; তবে আমি ইহাকে ছাড়িব না; এই বলিয়া সিংহশিশুকে অত্যন্ত বলপূর্ব্বক আকর্ষণ করিতে লাগিল। তাপসী চেষ্টা পাইলেন কিন্তু তাহার হস্ত হইতে সিংহশাবক ছাড়াইতে পারিলেন না। ** [[ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর]]. শকুন্তলা, সপ্তম অঙ্ক, শকুন্তলা- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৫৪ খ্রিস্টাব্দ (১২৬১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১০১ * হৃদয় আমার নাচে রে আজিকে ময়ূরের মতাে নাচে রে।<br>শত বরনের ভাব-উচ্ছ্বাস কলাপের মতাে করেছে বিকাশ,<br>আকুল পরান আকাশে চাহিয়া উল্লাসে কারে যাচে রে॥ ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], গীতবিতান- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৯৩ খ্রিস্টাব্দ (১৪০০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৪৭০ * ময়ূর নিজের আনন্দে তার চিত্র-বিচিত্র কলাপ বিস্তার করে, বাগানের শোভা কি বনের শোভা কি খাঁচার শোভা তাতে হ’ল কি না হ’ল ময়ূরের মনে একথা উদয়ও হ’ল না; এতটা স্বাধীনতা মানুষ শিল্পে চায় কিন্তু পেলে কই? ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], শিল্পশাস্ত্রের ক্রিয়াকাণ্ড, বাগেশ্বরী শিল্প-প্রবন্ধাবলী- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশনা সংস্থা, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪৮ * আজ ধায় স্বদেশের পানে, তরুশাখে<br>কলাপী ময়ূর ডাকে ময়ূরী প্রিয়াকে<br>কেকা কলরবে, ত্যজি ভূতল শয়নে<br>ধরনী দাড়াইল মুক্ত বাতায়নে ** [[প্রিয়ম্বদা দেবী]], বর্ষারম্ভে প্রকৃতির প্রতি, রেণু - প্রিয়ম্বদা দেবী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশক ও মুদ্রক- নববিভাকর প্রেস, প্রকাশসাল- ১৯০৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩১৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৫ * এত ময়ূরের ঝাঁক্‌ আমি কখনও দেখি নাই—আর এমন সুন্দর ময়ূর। পথের মধ্যেই ময়ূরেরা বিচরণ করিতেছে এবং তাহদের মণিময় পাখা সূর্য্যালোকে ঝিক্‌ ঝিক্‌ করিতেছে। এই ময়ূরেরা মুক্ত অথচ পোষা, ইহারা কাহারও সম্পত্তি নহে এবং বিশ্বস্ত ভাবে লোকের মধ্যে বাস করিতেছে। সকল প্রকার নিরীহ জীবজন্তু হিন্দুদিগের নিকট পবিত্র; ময়ূরও এই কারণে হিন্দুদিগের সেব্য—তাহাদিগকে ছোলা খাইতে দেওয়া লোকে পুণ্য কার্য্য বলিয়া মনে করে। আমার ভৃত্য ছেদিলাল, আমাকে গম্ভীর ভাবে বলিল, “এই ময়ূরেরা কাহারও কিছু হানি করে না, কিন্তু ইংরাজেরা এমনি দুষ্ট, ইহাদিগকে পাথর ছুঁড়িয়া মারে।” ** আঁদ্রে শেভ্রিয়োঁ, ভারতবর্ষে—জয়পুর, ভারতবর্ষে- আঁদ্রে শেভ্রিয়োঁ, অনুবাদক- জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশসাল- ১৯০৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩১০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৫৫ *পুষিয়াছি সারী শুক, ময়ূর ময়ূরী<br>কুঞ্জবনে; অলিকুল গুঞ্জরে সতত;<br>কুহরে কোকিল ডালে; ফোটে ফুলরাজী।<br>কিন্তু শোভাহীন বন প্রভুর বিহনে! ** [[মাইকেল মধুসূদন দত্ত]], বীরাঙ্গনা কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত, তৃতীয় সর্গ, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৬৮ খ্রিস্টাব্দ (১২৭৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২২ * ময়ূরের স্বভাব এই যে, সে রাত্রি যাপনের নিমিত্ত একটি উপযোগী বাসযষ্টি বাছিয়া লয়; প্রতি সন্ধ্যায় সেই নির্দ্দিষ্টস্থানে আশ্রয় লইবার নিমিত্ত উপস্থিত হয়;—বিহঙ্গতত্ত্ববিদ্‌গণ ইহা বিশেষরূপে লক্ষ্য করিয়াছেন। গৃহপালিত ময়ূরগণের বাসযষ্টির ব্যবস্থা নির্দ্দেশ করিয়া কবি তাৎকালিক পক্ষিপালন-প্রথার সুস্পষ্ট আভাস দিয়াছেন। আর্য্যাবর্ত্তে গৃহপালিত ময়ূরটিকে গৃহস্থ কুলবধূ কেমন করিয়া বলয়শিঞ্জিতে নাচাইয়া থাকেন, তাহার জন্য সাক্ষ্য লইতে আমাদের পাঠকপাঠিকাকে পাশ্চাত্য ornithologistএর নিকটে যাইতে হইবে না, কিন্তু গৃহের বাহিরে ময়ূরীর সম্মুখে ময়ূর কলাপবিস্তার করিয়া কেমন নৃত্য করে, তাহা দেখিয়া অনেক বিদেশী পক্ষিতত্ত্ববিৎ মুগ্ধ হইয়ছেন। ** [[সত্যচরণ লাহা]], মেঘদূতের পক্ষিতত্ত্ব, পাখীর কথা - সত্যচরণ লাহা, তৃতীয় ভাগ, প্রকাশক- বেঙ্গল বুক কোম্পানী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯২১ খ্রিস্টাব্দ (১৩২৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৫২ * সোনার স্বপ্ন যেন আর-একবার ধরা দেবে দেবে করলে, যেখানে সোনার হরিণ থাকে। অলকার রঙছুট ময়ূরী এল। সে-জগতে সে রঙের অপেক্ষ রাখে না। সেই যে কুঞ্জে নূপুর বাজে সেখানে রঙছুট ময়ূরী খেলা করে। বিরহের গভীর সুর বাজে। মনময়ূরী একলা। শক্ত পাথরে মন-পাখি বাধছে বাসা। ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], জোড়াসাঁকোর ধারে, জোড়াসাঁকোর ধারে- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৫০-১৫১ * দীর্ঘশ্বাস ফেলে বিশ্বামিত্র বললেন, ঠিক কথা। আমি তোমার পিতা নই, মেনকাও তোমার মাতা নয়, যারা তোমাকে ত্যাগ করেছিল তাদের সঙ্গে তোমার সম্পর্ক নেই। যাঁরা তোমাকে আজন্ম পালন করেছেন তাঁদেরই তুমি কন্যা। খুকী, তুমি কি খেলনা চাও বল, রূপোর রাজহাঁস, সোনার হরিণ, পান্না-নীলার ময়ূর—<br>অনসূয়া ঠোঁট বেকিয়ে বলল, ভারী তো। আমাদের আসল হাঁস হরিণ ময়ূর আছে।<br>প্রিয়ংবদা বলল, আমাদের হাঁস প্যাঁক প্যাঁক করে, হরিণ লাফায়, ময়ূর নাচে। তোমার হাঁস হরিণ ময়ূর তা পারে?<br>বিশ্বামিত্র বললেন, না, শুধু ঝকমক করে। ** [[রাজশেখর বসু]], কর্দম মেখলা, চমৎকুমারী ইত্যাদি গল্প - পরশুরাম, প্রথম সংস্করণ, প্রকাশক- এম. সি. সরকার এণ্ড সন্স লিমিটেড, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৯ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৭-১৮ * খ্রীঃ পূঃ চতুর্থ-পঞ্চম শতাব্দীতে গ্রীক্ সাহিত্যে ময়ূরের পরিচয় পাওয়া যায়। আরিষ্টোফেনিসের নাটক ইহার প্রমাণ। রোমে ধনী গৃহস্থ ও কোন কোন সম্রাট্ শিখীকে ভোজ্যদ্রব্য না করিলে আনন্দবোধ করিতেন না। প্লিনির পুস্তকে দেখা যায় যে, কেহ কেহ ময়ূরকে বাড়ীতে অতি যত্ন করিয়া পুষিত এবং কিছুদিন পরে তাহারা সেই সকল গৃহপালিত হৃষ্টপুষ্ট শিখী ভক্ষ্যহিসাবে বিক্রয় করিয়া প্রচুর অর্থ উপার্জ্জন করিত। অতএব ইহা স্পষ্টই প্রতীয়মান হয় যে, ময়ূর বহুকাল হইতে মানবগৃহে পালিত হইয়া আসিতেছে। আবার ময়ূরের পুচ্ছ ডাকাতের আভরণ বলিয়া নাটকের মধ্যে উল্লেখ দেখিয়াছি। ** [[সত্যচরণ লাহা]], ময়ূর, পাখীর কথা - সত্যচরণ লাহা, তৃতীয় ভাগ, প্রকাশক- বেঙ্গল বুক কোম্পানী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯২১ খ্রিস্টাব্দ (১৩২৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৩১ * আমি বলিলাম, —“যদি বর দিবেই, তবে কার্তিকের ময়ূরটী আমাকে প্রদান কর। উহার পিঠে চড়িয়া আমি আকাশ ভ্রমণ করিব।”<br>দেবী বলিলেন,—“ছি বাছা, ও কথা বলিও না। কার্ত্তিক ছেলে মানুষ। তাহার ময়ূরটি দিলে সে কাঁদিবে।”<br>আমি উত্তর করিলাম, —“অন্য বর চাই না মা! নিদেন সকাল হইতে সন্ধ্যা পর্যন্ত একদিনের জন্য ময়ূরটীকে দাও, মা! তাহার পিঠে চড়িয়া সমস্ত দিন আকাশ ভ্রমণ করিয়া সন্ধ্যা বেলা তোমাদের ময়ূর তোমাদিগকে ফিরাইয়া দিব। যদি না দাও, তবে পুনরায় আমি এই তপে বসিলাম।” ** [[ত্রৈলক্যনাথ মুখোপাধ্যায়|ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়]], ডমরুধরের সিদ্ধিলাভ, ডমরু-চরিত - ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়, দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ, কলকাতা, প্রকাশসাল - ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৯১ * বনের তপস্বিনীরা কত ছেড়ে দিতে বলছিলেন, কত মাটীর ময়ূরের লোভ দেখাচ্ছিলেন, শিশু কিছুতে শুনছিল না। এমন সময় রাজা সেখানে এলেন, সিংহ-শিশুকে ছাড়িয়ে সেই রাজ-শিশুকে কোলে নিলেন; দুষ্ট শিশু রাজার কোলে শান্ত হ’ল। সেই রাজশিশুকে কোলে করে রাজার বুক যেন জুড়িয়ে গেল। রাজা তো জানেন না যে এ শিশু তাঁ’রই পুত্র; ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], শকুন্তলা - অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, দ্বিতীয় সংস্করণ, আদি ব্রাহ্মসমাজ সংস্করণ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯০২ খ্রিস্টাব্দ (১৩০৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩০-৩১ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} {{উইকিঅভিধান}} == আরও দেখুন == * [[বাবুই]] * [[কোকিল]] * [[বক]] * [[চাতক]] [[বিষয়শ্রেণী:পাখি]] 71dds6up0y205s5h53164813gpbji3a 79763 79761 2026-04-22T14:29:39Z Salil Kumar Mukherjee 39 ট্যাগ যোগ 79763 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:Paonroue.JPG|thumb|300px|হৃদয় আমার নাচে রে আজিকে ময়ূরের মতাে নাচে রে।<br>—[[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]]]] '''[[:w:ময়ূর|ময়ূর]]''' হলো ফ্যাজিয়ানিডি পরিবারের অন্তর্ভুক্ত অত্যন্ত সুন্দর একটি পাখি। এশিয়ায় পাভো গণের মোট দুইটি প্রজাতির এবং আফ্রিকায় আফ্রোপাভো গণের একটি ময়ূরের প্রজাতি দেখা যায়। এশিয়ার প্রজাতি দুইটি হলো নীল ময়ূর আর সবুজ ময়ূর। আফ্রিকার প্রজাতিটির নাম কঙ্গো ময়ূর। নীল ময়ূর সমগ্র ভারতীয় উপমহাদেশেই দেখা যায়। আর সবুজ ময়ূর মায়ানমার থেকে জাভা পর্যন্ত বিস্তৃত। ময়ূর বন্য পাখি এবং মাটির গর্তে বাস করে কিন্তু গাছে বিশ্রাম করে। আশঙ্কাজনক হারে বিশ্বব্যাপী ময়ূরের সংখ্যা কমে যাচ্ছে বলে এরা বিপন্ন প্রজাতি হিসেবে বিবেচিত। == উক্তি == * ময়ূর নাচে কোকিল ডাকে কিন্তু মানুষ ঐটুকু দেখেই খুসি হ’য়ে নকল নিতে বসে না—সে নিজের নাচ নিজের সাড়া খুঁজে খুঁজে বার করে। তার নাচ ময়ুরের নাচের তার সাড়া কোকিলের সাড়ার প্রতিধ্বনি করে না, নতুন সুরে নতুন ছন্দে প্রকাশ পায়। ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], রূপবিদ্যা, বাগেশ্বরী শিল্প-প্রবন্ধাবলী- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশনা সংস্থা, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৫৭ * সীতা, পূর্ব্বে পঞ্চবটী বাসকালে একটি ময়ূরশিশু প্রতিপালন করিয়াছিলেন। একটি কদম্ববৃক্ষ সীতা স্বহস্তে রোপণ করিয়া, স্বয়ং বর্দ্ধিত করিয়াছিলেন। রাম দেখিলেন, যে সেই কদম্ববৃক্ষে দুই একটি নবকুসুমোদ্গম হইয়াছে। তদুপরি আরোহণ করিয়া সীতাপালিত সেই ময়ূরটি নৃত্যান্তে ময়ূরী সঙ্গে রব করিতেছিল। বাসন্তী রামকে সেই ময়ূরটী দেখাইলেন। দেখিয়া রামের মনে পড়িল, সীতা তাহাকে করতালী দিয়া নাচাইতেন, নাচাইবার সময়ে তালের সহিত সীতার চক্ষুও পল্লবমধ্যে ঘুরিত। ** [[বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়]], উত্তরচরিত, বিবিধ সমালোচন- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, প্রকাশস্থান- কাঁঠালপাড়া, প্রকাশসাল- ১৮৭৬ খ্রিস্টাব্দ (১২৮৩ বঙ্গাব্দ), প্রকাশসাল- ১৯৯৮ খ্রিস্টাব্দ (১৪০৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৩ * হঠাৎ গৃহপালিত ময়ূরের ডাক শুনিয়া আমার বন্ধু বলিয়া উঠিলেন— আমি ঐ ময়ূরের ডাক সহ্য করিতে পারি না; কবিরা কেকারবকে কেন যে তাঁদের কাব্যে স্থান দিয়াছেন, বুঝিবার জো নাই। কবি যখন বসন্তের কুহুস্বর এবং বর্ষার কেকা—দুটাকেই সমান আদর দিয়াছেন, তখন হঠাৎ মনে হইতে পারে, কবির বুঝি কৈবল্যদশাপ্রাপ্তি হইয়াছে, তাহার কাছে ভালো ও মন্দ, ললিত কর্কশের ভেদ লুপ্ত। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], কেকাধ্বনি, বিচিত্র প্রবন্ধ-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৩৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৫৫ * একটি ময়ুর তার পেখমের সবটুকু অভ্র ও আবীর দিয়েছে আমাকে।<br>একটি ময়ূর তার হৃদয়ের বিছানা বালিশে<br>মশারির টাঙানো খাটে, দরজায়, জানালায়, নীল আয়নায়<br>অতিথিশালার মতো যখন-তখন এসে ঘুমোবার, হেঁটে বেড়াবার<br>সুখটুকু, স্বাধীনতাটুকু<br>সোনার চাবির মতো হাতে তুলে দিয়েছে স্বেচ্ছায়। ** [[পূর্ণেন্দু পত্রী]], ময়ূর দিয়েছে, হে সময় অশ্বারোহী হও (কাব্যগ্রন্থ)[https://banglarkobita.com/poem/famous/1313/%E0%A6%AE%E0%A7%9F%E0%A7%82%E0%A6%B0%20%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A7%82%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A3%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%81%20%E0%A6%AA%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80] * ময়ূরের ছবি দেখিতে সকলে তাহার উপর ঝুঁকিয়া পড়িলেন। ছবি দেখিয়া লম্বোদর একটু হাসিলেন,—কুপিত হইয়া ডমরুধর বলিলেন,— “হাসিও না। এ তোমাদের পৃথিবীর ক্যাক্-কেঁকে প্যাকম-ধরা ময়ূর নহে। এ আসল কার্ত্তিকের কৈলাসি ময়ূর।”<br>তাহার পর ডমরুধর পুনরায় গল্প আরম্ভ করিলেন—গণেশ, লক্ষ্মী, দুর্গা ও সরস্বতীকে প্রণাম করিয়া আমি ময়ূরের পিঠে চড়িয়া বসিলাম। তাহাকে আকাশের দিকে চালাইতে চেষ্টা করিলাম। ময়ূর উপরে উঠিল না। তখন দেবী হাসিয়া বলিলেন,— মন্ত্র না পড়িলে নরলোককে লইয়া ময়ূর উপরে উঠিবে না। ** [[ত্রৈলক্যনাথ মুখোপাধ্যায়|ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়]], ডমরুধরের সিদ্ধিলাভ, ডমরু-চরিত - ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়, দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ, কলকাতা, প্রকাশসাল - ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৯২ * ময়ূরের আনয়নে বিলম্ব দেখিয়া, কুপিত হইয়া বালক কহিল এখনও ময়ূর দিলে না; তবে আমি ইহাকে ছাড়িব না; এই বলিয়া সিংহশিশুকে অত্যন্ত বলপূর্ব্বক আকর্ষণ করিতে লাগিল। তাপসী চেষ্টা পাইলেন কিন্তু তাহার হস্ত হইতে সিংহশাবক ছাড়াইতে পারিলেন না। ** [[ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর]]. শকুন্তলা, সপ্তম অঙ্ক, শকুন্তলা- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৫৪ খ্রিস্টাব্দ (১২৬১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১০১ * হৃদয় আমার নাচে রে আজিকে ময়ূরের মতাে নাচে রে।<br>শত বরনের ভাব-উচ্ছ্বাস কলাপের মতাে করেছে বিকাশ,<br>আকুল পরান আকাশে চাহিয়া উল্লাসে কারে যাচে রে॥ ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], গীতবিতান- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৯৩ খ্রিস্টাব্দ (১৪০০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৪৭০ * ময়ূর নিজের আনন্দে তার চিত্র-বিচিত্র কলাপ বিস্তার করে, বাগানের শোভা কি বনের শোভা কি খাঁচার শোভা তাতে হ’ল কি না হ’ল ময়ূরের মনে একথা উদয়ও হ’ল না; এতটা স্বাধীনতা মানুষ শিল্পে চায় কিন্তু পেলে কই? ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], শিল্পশাস্ত্রের ক্রিয়াকাণ্ড, বাগেশ্বরী শিল্প-প্রবন্ধাবলী- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশনা সংস্থা, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪৮ * আজ ধায় স্বদেশের পানে, তরুশাখে<br>কলাপী ময়ূর ডাকে ময়ূরী প্রিয়াকে<br>কেকা কলরবে, ত্যজি ভূতল শয়নে<br>ধরনী দাড়াইল মুক্ত বাতায়নে ** [[প্রিয়ম্বদা দেবী]], বর্ষারম্ভে প্রকৃতির প্রতি, রেণু - প্রিয়ম্বদা দেবী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশক ও মুদ্রক- নববিভাকর প্রেস, প্রকাশসাল- ১৯০৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩১৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৫ * এত ময়ূরের ঝাঁক্‌ আমি কখনও দেখি নাই—আর এমন সুন্দর ময়ূর। পথের মধ্যেই ময়ূরেরা বিচরণ করিতেছে এবং তাহদের মণিময় পাখা সূর্য্যালোকে ঝিক্‌ ঝিক্‌ করিতেছে। এই ময়ূরেরা মুক্ত অথচ পোষা, ইহারা কাহারও সম্পত্তি নহে এবং বিশ্বস্ত ভাবে লোকের মধ্যে বাস করিতেছে। সকল প্রকার নিরীহ জীবজন্তু হিন্দুদিগের নিকট পবিত্র; ময়ূরও এই কারণে হিন্দুদিগের সেব্য—তাহাদিগকে ছোলা খাইতে দেওয়া লোকে পুণ্য কার্য্য বলিয়া মনে করে। আমার ভৃত্য ছেদিলাল, আমাকে গম্ভীর ভাবে বলিল, “এই ময়ূরেরা কাহারও কিছু হানি করে না, কিন্তু ইংরাজেরা এমনি দুষ্ট, ইহাদিগকে পাথর ছুঁড়িয়া মারে।” ** আঁদ্রে শেভ্রিয়োঁ, ভারতবর্ষে—জয়পুর, ভারতবর্ষে- আঁদ্রে শেভ্রিয়োঁ, অনুবাদক- জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশসাল- ১৯০৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩১০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৫৫ *পুষিয়াছি সারী শুক, ময়ূর ময়ূরী<br>কুঞ্জবনে; অলিকুল গুঞ্জরে সতত;<br>কুহরে কোকিল ডালে; ফোটে ফুলরাজী।<br>কিন্তু শোভাহীন বন প্রভুর বিহনে! ** [[মাইকেল মধুসূদন দত্ত]], বীরাঙ্গনা কাব্য - মাইকেল মধুসূদন দত্ত, তৃতীয় সর্গ, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৬৮ খ্রিস্টাব্দ (১২৭৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২২ * ময়ূরের স্বভাব এই যে, সে রাত্রি যাপনের নিমিত্ত একটি উপযোগী বাসযষ্টি বাছিয়া লয়; প্রতি সন্ধ্যায় সেই নির্দ্দিষ্টস্থানে আশ্রয় লইবার নিমিত্ত উপস্থিত হয়;—বিহঙ্গতত্ত্ববিদ্‌গণ ইহা বিশেষরূপে লক্ষ্য করিয়াছেন। গৃহপালিত ময়ূরগণের বাসযষ্টির ব্যবস্থা নির্দ্দেশ করিয়া কবি তাৎকালিক পক্ষিপালন-প্রথার সুস্পষ্ট আভাস দিয়াছেন। আর্য্যাবর্ত্তে গৃহপালিত ময়ূরটিকে গৃহস্থ কুলবধূ কেমন করিয়া বলয়শিঞ্জিতে নাচাইয়া থাকেন, তাহার জন্য সাক্ষ্য লইতে আমাদের পাঠকপাঠিকাকে পাশ্চাত্য ornithologistএর নিকটে যাইতে হইবে না, কিন্তু গৃহের বাহিরে ময়ূরীর সম্মুখে ময়ূর কলাপবিস্তার করিয়া কেমন নৃত্য করে, তাহা দেখিয়া অনেক বিদেশী পক্ষিতত্ত্ববিৎ মুগ্ধ হইয়ছেন। ** [[সত্যচরণ লাহা]], মেঘদূতের পক্ষিতত্ত্ব, পাখীর কথা - সত্যচরণ লাহা, তৃতীয় ভাগ, প্রকাশক- বেঙ্গল বুক কোম্পানী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯২১ খ্রিস্টাব্দ (১৩২৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৫২ * সোনার স্বপ্ন যেন আর-একবার ধরা দেবে দেবে করলে, যেখানে সোনার হরিণ থাকে। অলকার রঙছুট ময়ূরী এল। সে-জগতে সে রঙের অপেক্ষ রাখে না। সেই যে কুঞ্জে নূপুর বাজে সেখানে রঙছুট ময়ূরী খেলা করে। বিরহের গভীর সুর বাজে। মনময়ূরী একলা। শক্ত পাথরে মন-পাখি বাধছে বাসা। ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], জোড়াসাঁকোর ধারে, জোড়াসাঁকোর ধারে- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৫০-১৫১ * দীর্ঘশ্বাস ফেলে বিশ্বামিত্র বললেন, ঠিক কথা। আমি তোমার পিতা নই, মেনকাও তোমার মাতা নয়, যারা তোমাকে ত্যাগ করেছিল তাদের সঙ্গে তোমার সম্পর্ক নেই। যাঁরা তোমাকে আজন্ম পালন করেছেন তাঁদেরই তুমি কন্যা। খুকী, তুমি কি খেলনা চাও বল, রূপোর রাজহাঁস, সোনার হরিণ, পান্না-নীলার ময়ূর—<br>অনসূয়া ঠোঁট বেকিয়ে বলল, ভারী তো। আমাদের আসল হাঁস হরিণ ময়ূর আছে।<br>প্রিয়ংবদা বলল, আমাদের হাঁস প্যাঁক প্যাঁক করে, হরিণ লাফায়, ময়ূর নাচে। তোমার হাঁস হরিণ ময়ূর তা পারে?<br>বিশ্বামিত্র বললেন, না, শুধু ঝকমক করে। ** [[রাজশেখর বসু]], কর্দম মেখলা, চমৎকুমারী ইত্যাদি গল্প - পরশুরাম, প্রথম সংস্করণ, প্রকাশক- এম. সি. সরকার এণ্ড সন্স লিমিটেড, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৯ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৭-১৮ * খ্রীঃ পূঃ চতুর্থ-পঞ্চম শতাব্দীতে গ্রীক্ সাহিত্যে ময়ূরের পরিচয় পাওয়া যায়। আরিষ্টোফেনিসের নাটক ইহার প্রমাণ। রোমে ধনী গৃহস্থ ও কোন কোন সম্রাট্ শিখীকে ভোজ্যদ্রব্য না করিলে আনন্দবোধ করিতেন না। প্লিনির পুস্তকে দেখা যায় যে, কেহ কেহ ময়ূরকে বাড়ীতে অতি যত্ন করিয়া পুষিত এবং কিছুদিন পরে তাহারা সেই সকল গৃহপালিত হৃষ্টপুষ্ট শিখী ভক্ষ্যহিসাবে বিক্রয় করিয়া প্রচুর অর্থ উপার্জ্জন করিত। অতএব ইহা স্পষ্টই প্রতীয়মান হয় যে, ময়ূর বহুকাল হইতে মানবগৃহে পালিত হইয়া আসিতেছে। আবার ময়ূরের পুচ্ছ ডাকাতের আভরণ বলিয়া নাটকের মধ্যে উল্লেখ দেখিয়াছি। ** [[সত্যচরণ লাহা]], ময়ূর, পাখীর কথা - সত্যচরণ লাহা, তৃতীয় ভাগ, প্রকাশক- বেঙ্গল বুক কোম্পানী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯২১ খ্রিস্টাব্দ (১৩২৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৩১ * আমি বলিলাম, —“যদি বর দিবেই, তবে কার্তিকের ময়ূরটী আমাকে প্রদান কর। উহার পিঠে চড়িয়া আমি আকাশ ভ্রমণ করিব।”<br>দেবী বলিলেন,—“ছি বাছা, ও কথা বলিও না। কার্ত্তিক ছেলে মানুষ। তাহার ময়ূরটি দিলে সে কাঁদিবে।”<br>আমি উত্তর করিলাম, —“অন্য বর চাই না মা! নিদেন সকাল হইতে সন্ধ্যা পর্যন্ত একদিনের জন্য ময়ূরটীকে দাও, মা! তাহার পিঠে চড়িয়া সমস্ত দিন আকাশ ভ্রমণ করিয়া সন্ধ্যা বেলা তোমাদের ময়ূর তোমাদিগকে ফিরাইয়া দিব। যদি না দাও, তবে পুনরায় আমি এই তপে বসিলাম।” ** [[ত্রৈলক্যনাথ মুখোপাধ্যায়|ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়]], ডমরুধরের সিদ্ধিলাভ, ডমরু-চরিত - ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়, দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ, কলকাতা, প্রকাশসাল - ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৯১ * বনের তপস্বিনীরা কত ছেড়ে দিতে বলছিলেন, কত মাটীর ময়ূরের লোভ দেখাচ্ছিলেন, শিশু কিছুতে শুনছিল না। এমন সময় রাজা সেখানে এলেন, সিংহ-শিশুকে ছাড়িয়ে সেই রাজ-শিশুকে কোলে নিলেন; দুষ্ট শিশু রাজার কোলে শান্ত হ’ল। সেই রাজশিশুকে কোলে করে রাজার বুক যেন জুড়িয়ে গেল। রাজা তো জানেন না যে এ শিশু তাঁ’রই পুত্র; ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], শকুন্তলা - অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, দ্বিতীয় সংস্করণ, আদি ব্রাহ্মসমাজ সংস্করণ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯০২ খ্রিস্টাব্দ (১৩০৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩০-৩১ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} {{উইকিঅভিধান}} == আরও দেখুন == * [[বাবুই]] * [[কোকিল]] * [[বক]] * [[চাতক]] [[বিষয়শ্রেণী:পাখি]] 5ropvdj79km6rdvdhkqlnohfztdfeng দিগন্ত 0 12001 79766 73616 2026-04-22T14:42:28Z Salil Kumar Mukherjee 39 উক্তি যোগ 79766 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} [[চিত্র:Sureal Horizon.jpg|thumb|300px|দিগন্ত]] '''[[:w:দিগন্ত|দিগন্ত]]''' বা '''দিকচক্রবাল''' বলতে সাধারণ দৃষ্টিতে পৃথিবী ও আকাশের সীমারেখাটিকে বোঝায়। অধিকাংশ স্থানে প্রকৃত দিগন্তরেখাটি গাছপালা, বাড়িঘর ইত্যাদির দ্বারা দৃষ্টিসীমার বাইরে থেকে যায়। কোনো নির্দিষ্ট একটি অবস্থান থেকে আমাদের দৃষ্টিসীমার মধ্যে যে স্থানে আকাশ এবং ভূপৃষ্ঠ সংযোগের দরুণ যে বৃত্তচাপীয় কাল্পনিক আপেক্ষিক সীমারেখা সৃষ্টি হয় তাকে দিগন্তরেখা বলে। আপাতদৃষ্টিতে এটি দিকের শেষ সীমা যেখানে পৃথিবীর সীমা আকাশের সঙ্গে মিশেছে বলে মনে হয়। == উক্তি == * আজি হেমন্তের শান্তি ব্যাপ্ত চরাচরে<br/>জনশূন্য ক্ষেত্র মাঝে দীপ্ত দ্বিপ্রহরে<br/>শব্দহীন গতিহীন স্তব্ধতা উদার<br/>রয়েছে পড়িয়া শ্রান্ত দিগন্ত প্রসার<br/>স্বর্ণশ্যাম ডানা মেলি। **[[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/নৈবেদ্য/২৩ নৈবেদ্য]) * জনতা মনে করে তারা সবকিছু জানে ও বোঝে, কিন্তু তারা যত বোকা হয়, তাদের দিগন্ত ততই প্রসারিত বলে মনে হয়। ** [[আন্তন চেখভ]], পত্রালাপ, ৩০ মে, ১৮৮৮ * জনসমুদ্রে নেমেছে জোয়ার,<br>হৃদয়ে আমার চড়া।<br>চোরাবালি আমি দূরদিগন্তে ডাকি—<br>কোথায় ঘোড়সওয়ার? ** [[বিষ্ণু দে]], ঘােড়সওয়ার, চোরাবালি- বিষ্ণু দে, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৩৪৪ বঙ্গাব্দ, পৃষ্ঠা ১১ * আমাদের যাহা কিছু উত্তম, যাহা কিছু সৎ, উদার, অপূর্ব্ব ও অনুপম, তাহা বঙ্গভাষাতে লিপিবদ্ধ করিব, বাঙ্গালার সম্পত্তি বাঙ্গালার মাতৃভাষার ভাণ্ডারেই সঞ্চিত রাখিব, স্বহস্তে দেশকে বঞ্চিত করিয়া দেশের ধন বিদেশে বিলাইয়া দিব না, এমন করিয়া ধনের উপচয় করিব—বৃদ্ধি করিব, যাহাতে জলধির জলের ন্যায় আমার মাতৃভাষার ভাণ্ডারের সঞ্চিত ধনরাশি, যে যত পারে গ্রহণ করিলেও, কদাচ ক্ষয়প্রাপ্ত হইবে না। ঊষার অরুণচ্ছটায় যেমন দিগন্ত উদ্ভাসিত হয়, তেমনই আমার মাতৃভাষার আলোকচ্ছটায় পৃথিবীর এক প্রান্ত হইতে অপর প্রান্ত পর্য্যন্ত আলোকিত হইবে—ভাস্বর হইবে। ** [[আশুতোষ মুখোপাধ্যায়]], জাতীয় সাহিত্য - আশুতোষ মুখোপাধ্যায়, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৩৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১২৮ *সমুদ্রের ধারের জমিতেই নারিকেলের সহজ আবাস। আমাদের আশ্রমের মাঠ সেই সমুদ্রকূল থেকে বহুদূরে। এখানে অনেক যত্নে একটি নারিকেলকে পালন করে তোলা হয়েছে- সে নিঃসঙ্গ, নিষ্ফল, নিস্তেজ। তাকে দেখে মনে হয়, সে যেন প্রাণপণে ঋজু হয়ে দাঁড়িয়ে দিগন্ত অতিক্রম করে কোনো-এক আকাঙ্ক্ষার ধনকে দেখবার চেষ্টা করছে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]],বনবাণী ,১৯৬৮ (পৃ. ৩৯) * চোরাবালি ডাকি দূর দিগন্তে<br>কোথায় পুরুষকার?<br>হে প্রিয় আমার, প্রিয়তম মাের!<br>আয়ােজন কাঁপে কামনার ঘোর,<br>অঙ্গে আমার দেবে না অঙ্গীকার? ** [[বিষ্ণু দে]], ঘােড়সওয়ার, চোরাবালি- বিষ্ণু দে, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৩৪৪ বঙ্গাব্দ, পৃষ্ঠা ১২ * তারপর জীবনের ফাটলে-ফাটলে<br>কুয়াশা জড়ায়,<br>কুয়াশার মতো কথা হৃদয়ের দিগন্তে ছড়ায়। ** [[প্রেমেন্দ্র মিত্র]], কথা, প্রেমেন্দ্র মিত্রের সমগ্র কবিতা, প্রথম সংস্করণ, প্রকাশক- গ্রন্থালয় প্রাইভেট লিমিটেড, কলকাতা, প্রকাশসাল- ৮ মে ১৯৮৯ খ্রিস্টাব্দ (২৫ বৈশাখ ১৩৯৬বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৮৯ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} {{উইকিঅভিধান}} [[বিষয়শ্রেণী:বিষয়বস্তু]] [[বিষয়শ্রেণী:বিশ্বতত্ত্ব]] sfa345v1s5zbat18zelkj0imbdppbaj 79767 79766 2026-04-22T14:50:13Z Salil Kumar Mukherjee 39 উক্তি যোগ 79767 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} [[চিত্র:Sureal Horizon.jpg|thumb|300px|দিগন্ত]] '''[[:w:দিগন্ত|দিগন্ত]]''' বা '''দিকচক্রবাল''' বলতে সাধারণ দৃষ্টিতে পৃথিবী ও আকাশের সীমারেখাটিকে বোঝায়। অধিকাংশ স্থানে প্রকৃত দিগন্তরেখাটি গাছপালা, বাড়িঘর ইত্যাদির দ্বারা দৃষ্টিসীমার বাইরে থেকে যায়। কোনো নির্দিষ্ট একটি অবস্থান থেকে আমাদের দৃষ্টিসীমার মধ্যে যে স্থানে আকাশ এবং ভূপৃষ্ঠ সংযোগের দরুণ যে বৃত্তচাপীয় কাল্পনিক আপেক্ষিক সীমারেখা সৃষ্টি হয় তাকে দিগন্তরেখা বলে। আপাতদৃষ্টিতে এটি দিকের শেষ সীমা যেখানে পৃথিবীর সীমা আকাশের সঙ্গে মিশেছে বলে মনে হয়। == উক্তি == * আজি হেমন্তের শান্তি ব্যাপ্ত চরাচরে<br/>জনশূন্য ক্ষেত্র মাঝে দীপ্ত দ্বিপ্রহরে<br/>শব্দহীন গতিহীন স্তব্ধতা উদার<br/>রয়েছে পড়িয়া শ্রান্ত দিগন্ত প্রসার<br/>স্বর্ণশ্যাম ডানা মেলি। **[[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/নৈবেদ্য/২৩ নৈবেদ্য]) * জনতা মনে করে তারা সবকিছু জানে ও বোঝে, কিন্তু তারা যত বোকা হয়, তাদের দিগন্ত ততই প্রসারিত বলে মনে হয়। ** [[আন্তন চেখভ]], পত্রালাপ, ৩০ মে, ১৮৮৮ * জনসমুদ্রে নেমেছে জোয়ার,<br>হৃদয়ে আমার চড়া।<br>চোরাবালি আমি দূরদিগন্তে ডাকি—<br>কোথায় ঘোড়সওয়ার? ** [[বিষ্ণু দে]], ঘােড়সওয়ার, চোরাবালি- বিষ্ণু দে, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৩৪৪ বঙ্গাব্দ, পৃষ্ঠা ১১ * আমাদের যাহা কিছু উত্তম, যাহা কিছু সৎ, উদার, অপূর্ব্ব ও অনুপম, তাহা বঙ্গভাষাতে লিপিবদ্ধ করিব, বাঙ্গালার সম্পত্তি বাঙ্গালার মাতৃভাষার ভাণ্ডারেই সঞ্চিত রাখিব, স্বহস্তে দেশকে বঞ্চিত করিয়া দেশের ধন বিদেশে বিলাইয়া দিব না, এমন করিয়া ধনের উপচয় করিব—বৃদ্ধি করিব, যাহাতে জলধির জলের ন্যায় আমার মাতৃভাষার ভাণ্ডারের সঞ্চিত ধনরাশি, যে যত পারে গ্রহণ করিলেও, কদাচ ক্ষয়প্রাপ্ত হইবে না। ঊষার অরুণচ্ছটায় যেমন দিগন্ত উদ্ভাসিত হয়, তেমনই আমার মাতৃভাষার আলোকচ্ছটায় পৃথিবীর এক প্রান্ত হইতে অপর প্রান্ত পর্য্যন্ত আলোকিত হইবে—ভাস্বর হইবে। ** [[আশুতোষ মুখোপাধ্যায়]], জাতীয় সাহিত্য - আশুতোষ মুখোপাধ্যায়, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৩৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১২৮ *সমুদ্রের ধারের জমিতেই নারিকেলের সহজ আবাস। আমাদের আশ্রমের মাঠ সেই সমুদ্রকূল থেকে বহুদূরে। এখানে অনেক যত্নে একটি নারিকেলকে পালন করে তোলা হয়েছে- সে নিঃসঙ্গ, নিষ্ফল, নিস্তেজ। তাকে দেখে মনে হয়, সে যেন প্রাণপণে ঋজু হয়ে দাঁড়িয়ে দিগন্ত অতিক্রম করে কোনো-এক আকাঙ্ক্ষার ধনকে দেখবার চেষ্টা করছে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]],বনবাণী ,১৯৬৮ (পৃ. ৩৯) * আলবার্ট আইনস্টাইনের কাজের মাধ্যমে মানবজাতির দিগন্ত অসীমভাবে প্রসারিত হয়েছে এবং একই সাথে, মহাবিশ্ব সম্পর্কে আমাদের উপলব্ধি এমন এক পূর্ণতা ও সামঞ্জস্য লাভ করেছে যা পূর্বে কেবলই একটি স্বপ্ন ছিল। ** [[নিলস বোর]], ''নিউ ইয়র্ক টাইমস'', ১৯ এপ্রিল, ১৯৫৫, পাইস-এর ''আই ট্রাস্ট মাই ইনটুইশন'', হাইডেলবার্গ, ১৯৯৫, পৃষ্ঠা ২৪৩-এ উদ্ধৃত, যা আবার অ্যালিস ক্যালাপ্রাইস (সম্পাদিত): ''আইনস্টাইন সেজ'', পাইপার-ভারলাগ, মিউনিখ, জুরিখ ১৯৯৬, আইএসবিএন ৩-৪৯২-০৩৯৩৫-৯, পৃষ্ঠা ২৪৩-এ উদ্ধৃত। * চোরাবালি ডাকি দূর দিগন্তে<br>কোথায় পুরুষকার?<br>হে প্রিয় আমার, প্রিয়তম মাের!<br>আয়ােজন কাঁপে কামনার ঘোর,<br>অঙ্গে আমার দেবে না অঙ্গীকার? ** [[বিষ্ণু দে]], ঘােড়সওয়ার, চোরাবালি- বিষ্ণু দে, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৩৪৪ বঙ্গাব্দ, পৃষ্ঠা ১২ * তারপর জীবনের ফাটলে-ফাটলে<br>কুয়াশা জড়ায়,<br>কুয়াশার মতো কথা হৃদয়ের দিগন্তে ছড়ায়। ** [[প্রেমেন্দ্র মিত্র]], কথা, প্রেমেন্দ্র মিত্রের সমগ্র কবিতা, প্রথম সংস্করণ, প্রকাশক- গ্রন্থালয় প্রাইভেট লিমিটেড, কলকাতা, প্রকাশসাল- ৮ মে ১৯৮৯ খ্রিস্টাব্দ (২৫ বৈশাখ ১৩৯৬বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৮৯ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} {{উইকিঅভিধান}} [[বিষয়শ্রেণী:বিষয়বস্তু]] [[বিষয়শ্রেণী:বিশ্বতত্ত্ব]] lojqzr85ze97b1uwnu3jej4lihnv7f5 79878 79767 2026-04-23T04:36:49Z Salil Kumar Mukherjee 39 উক্তি যোগ 79878 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} [[চিত্র:Sureal Horizon.jpg|thumb|300px|দিগন্ত]] '''[[:w:দিগন্ত|দিগন্ত]]''' বা '''দিকচক্রবাল''' বলতে সাধারণ দৃষ্টিতে পৃথিবী ও আকাশের সীমারেখাটিকে বোঝায়। অধিকাংশ স্থানে প্রকৃত দিগন্তরেখাটি গাছপালা, বাড়িঘর ইত্যাদির দ্বারা দৃষ্টিসীমার বাইরে থেকে যায়। কোনো নির্দিষ্ট একটি অবস্থান থেকে আমাদের দৃষ্টিসীমার মধ্যে যে স্থানে আকাশ এবং ভূপৃষ্ঠ সংযোগের দরুণ যে বৃত্তচাপীয় কাল্পনিক আপেক্ষিক সীমারেখা সৃষ্টি হয় তাকে দিগন্তরেখা বলে। আপাতদৃষ্টিতে এটি দিকের শেষ সীমা যেখানে পৃথিবীর সীমা আকাশের সঙ্গে মিশেছে বলে মনে হয়। == উক্তি == * আজি হেমন্তের শান্তি ব্যাপ্ত চরাচরে<br/>জনশূন্য ক্ষেত্র মাঝে দীপ্ত দ্বিপ্রহরে<br/>শব্দহীন গতিহীন স্তব্ধতা উদার<br/>রয়েছে পড়িয়া শ্রান্ত দিগন্ত প্রসার<br/>স্বর্ণশ্যাম ডানা মেলি। **[[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/নৈবেদ্য/২৩ নৈবেদ্য]) * জনতা মনে করে তারা সবকিছু জানে ও বোঝে, কিন্তু তারা যত বোকা হয়, তাদের দিগন্ত ততই প্রসারিত বলে মনে হয়। ** [[আন্তন চেখভ]], পত্রালাপ, ৩০ মে, ১৮৮৮ * জনসমুদ্রে নেমেছে জোয়ার,<br>হৃদয়ে আমার চড়া।<br>চোরাবালি আমি দূরদিগন্তে ডাকি—<br>কোথায় ঘোড়সওয়ার? ** [[বিষ্ণু দে]], ঘােড়সওয়ার, চোরাবালি- বিষ্ণু দে, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৩৪৪ বঙ্গাব্দ, পৃষ্ঠা ১১ * আমাদের যাহা কিছু উত্তম, যাহা কিছু সৎ, উদার, অপূর্ব্ব ও অনুপম, তাহা বঙ্গভাষাতে লিপিবদ্ধ করিব, বাঙ্গালার সম্পত্তি বাঙ্গালার মাতৃভাষার ভাণ্ডারেই সঞ্চিত রাখিব, স্বহস্তে দেশকে বঞ্চিত করিয়া দেশের ধন বিদেশে বিলাইয়া দিব না, এমন করিয়া ধনের উপচয় করিব—বৃদ্ধি করিব, যাহাতে জলধির জলের ন্যায় আমার মাতৃভাষার ভাণ্ডারের সঞ্চিত ধনরাশি, যে যত পারে গ্রহণ করিলেও, কদাচ ক্ষয়প্রাপ্ত হইবে না। ঊষার অরুণচ্ছটায় যেমন দিগন্ত উদ্ভাসিত হয়, তেমনই আমার মাতৃভাষার আলোকচ্ছটায় পৃথিবীর এক প্রান্ত হইতে অপর প্রান্ত পর্য্যন্ত আলোকিত হইবে—ভাস্বর হইবে। ** [[আশুতোষ মুখোপাধ্যায়]], জাতীয় সাহিত্য - আশুতোষ মুখোপাধ্যায়, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৩৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১২৮ * পাহাড়ের চারপাশের বাতাস প্রতিধ্বনিত, পূজনীয়, কিংবদন্তিতুল্য, নিষিদ্ধ। পাহাড়ে প্রবেশ নিষিদ্ধ। আত্মার গভীরে পাহাড়ের এক বিশেষ স্থান রয়েছে। এটি এমন কিছুর দিগন্ত যা ক্রমাগত দূরে সরে যায়। এটি এক অনন্ত দিগন্তের অনুভূতি জাগিয়ে তোলে। ** ''দ্য নাভেল অফ লিম্বো'', এরপর দি নার্ভ-ওয়েজার এবং অন্যান্য রচনা, আন্তোনিন আর্তো, গ্যালিমার্ড, সংকলন "পোয়েট্রি/গ্যালিমার্ড", ১৯৫৬, অংশ দি নাভেল অফ লিম্বো, "একটি শারীরিক অবস্থার বর্ণনা", পৃ. ৬৬ *সমুদ্রের ধারের জমিতেই নারিকেলের সহজ আবাস। আমাদের আশ্রমের মাঠ সেই সমুদ্রকূল থেকে বহুদূরে। এখানে অনেক যত্নে একটি নারিকেলকে পালন করে তোলা হয়েছে- সে নিঃসঙ্গ, নিষ্ফল, নিস্তেজ। তাকে দেখে মনে হয়, সে যেন প্রাণপণে ঋজু হয়ে দাঁড়িয়ে দিগন্ত অতিক্রম করে কোনো-এক আকাঙ্ক্ষার ধনকে দেখবার চেষ্টা করছে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]],বনবাণী ,১৯৬৮ (পৃ. ৩৯) * আলবার্ট আইনস্টাইনের কাজের মাধ্যমে মানবজাতির দিগন্ত অসীমভাবে প্রসারিত হয়েছে এবং একই সাথে, মহাবিশ্ব সম্পর্কে আমাদের উপলব্ধি এমন এক পূর্ণতা ও সামঞ্জস্য লাভ করেছে যা পূর্বে কেবলই একটি স্বপ্ন ছিল। ** [[নিলস বোর]], ''নিউ ইয়র্ক টাইমস'', ১৯ এপ্রিল, ১৯৫৫, পাইস-এর ''আই ট্রাস্ট মাই ইনটুইশন'', হাইডেলবার্গ, ১৯৯৫, পৃষ্ঠা ২৪৩-এ উদ্ধৃত, যা আবার অ্যালিস ক্যালাপ্রাইস (সম্পাদিত): ''আইনস্টাইন সেজ'', পাইপার-ভারলাগ, মিউনিখ, জুরিখ ১৯৯৬, আইএসবিএন ৩-৪৯২-০৩৯৩৫-৯, পৃষ্ঠা ২৪৩-এ উদ্ধৃত। * চোরাবালি ডাকি দূর দিগন্তে<br>কোথায় পুরুষকার?<br>হে প্রিয় আমার, প্রিয়তম মাের!<br>আয়ােজন কাঁপে কামনার ঘোর,<br>অঙ্গে আমার দেবে না অঙ্গীকার? ** [[বিষ্ণু দে]], ঘােড়সওয়ার, চোরাবালি- বিষ্ণু দে, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৩৪৪ বঙ্গাব্দ, পৃষ্ঠা ১২ * তারপর জীবনের ফাটলে-ফাটলে<br>কুয়াশা জড়ায়,<br>কুয়াশার মতো কথা হৃদয়ের দিগন্তে ছড়ায়। ** [[প্রেমেন্দ্র মিত্র]], কথা, প্রেমেন্দ্র মিত্রের সমগ্র কবিতা, প্রথম সংস্করণ, প্রকাশক- গ্রন্থালয় প্রাইভেট লিমিটেড, কলকাতা, প্রকাশসাল- ৮ মে ১৯৮৯ খ্রিস্টাব্দ (২৫ বৈশাখ ১৩৯৬বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৮৯ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} {{উইকিঅভিধান}} [[বিষয়শ্রেণী:বিষয়বস্তু]] [[বিষয়শ্রেণী:বিশ্বতত্ত্ব]] 11qvixi4m8bcxp48kujyrj9yfa7uytu 79879 79878 2026-04-23T04:45:49Z Salil Kumar Mukherjee 39 উদ্ধৃতি সংশোধন 79879 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} [[চিত্র:Sureal Horizon.jpg|thumb|300px|দিগন্ত]] '''[[:w:দিগন্ত|দিগন্ত]]''' বা '''দিকচক্রবাল''' বলতে সাধারণ দৃষ্টিতে পৃথিবী ও আকাশের সীমারেখাটিকে বোঝায়। অধিকাংশ স্থানে প্রকৃত দিগন্তরেখাটি গাছপালা, বাড়িঘর ইত্যাদির দ্বারা দৃষ্টিসীমার বাইরে থেকে যায়। কোনো নির্দিষ্ট একটি অবস্থান থেকে আমাদের দৃষ্টিসীমার মধ্যে যে স্থানে আকাশ এবং ভূপৃষ্ঠ সংযোগের দরুণ যে বৃত্তচাপীয় কাল্পনিক আপেক্ষিক সীমারেখা সৃষ্টি হয় তাকে দিগন্তরেখা বলে। আপাতদৃষ্টিতে এটি দিকের শেষ সীমা যেখানে পৃথিবীর সীমা আকাশের সঙ্গে মিশেছে বলে মনে হয়। == উক্তি == * আজি হেমন্তের শান্তি ব্যাপ্ত চরাচরে<br/>জনশূন্য ক্ষেত্র মাঝে দীপ্ত দ্বিপ্রহরে<br/>শব্দহীন গতিহীন স্তব্ধতা উদার<br/>রয়েছে পড়িয়া শ্রান্ত দিগন্ত প্রসার<br/>স্বর্ণশ্যাম ডানা মেলি। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], নৈবেদ্য-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৪ * জনতা মনে করে তারা সবকিছু জানে ও বোঝে, কিন্তু তারা যত বোকা হয়, তাদের দিগন্ত ততই প্রসারিত বলে মনে হয়। ** [[আন্তন চেখভ]], পত্রালাপ, ৩০ মে, ১৮৮৮ * জনসমুদ্রে নেমেছে জোয়ার,<br>হৃদয়ে আমার চড়া।<br>চোরাবালি আমি দূরদিগন্তে ডাকি—<br>কোথায় ঘোড়সওয়ার? ** [[বিষ্ণু দে]], ঘােড়সওয়ার, চোরাবালি- বিষ্ণু দে, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৩৪৪ বঙ্গাব্দ, পৃষ্ঠা ১১ * আমাদের যাহা কিছু উত্তম, যাহা কিছু সৎ, উদার, অপূর্ব্ব ও অনুপম, তাহা বঙ্গভাষাতে লিপিবদ্ধ করিব, বাঙ্গালার সম্পত্তি বাঙ্গালার মাতৃভাষার ভাণ্ডারেই সঞ্চিত রাখিব, স্বহস্তে দেশকে বঞ্চিত করিয়া দেশের ধন বিদেশে বিলাইয়া দিব না, এমন করিয়া ধনের উপচয় করিব—বৃদ্ধি করিব, যাহাতে জলধির জলের ন্যায় আমার মাতৃভাষার ভাণ্ডারের সঞ্চিত ধনরাশি, যে যত পারে গ্রহণ করিলেও, কদাচ ক্ষয়প্রাপ্ত হইবে না। ঊষার অরুণচ্ছটায় যেমন দিগন্ত উদ্ভাসিত হয়, তেমনই আমার মাতৃভাষার আলোকচ্ছটায় পৃথিবীর এক প্রান্ত হইতে অপর প্রান্ত পর্য্যন্ত আলোকিত হইবে—ভাস্বর হইবে। ** [[আশুতোষ মুখোপাধ্যায়]], জাতীয় সাহিত্য - আশুতোষ মুখোপাধ্যায়, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৩৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১২৮ * পাহাড়ের চারপাশের বাতাস প্রতিধ্বনিত, পূজনীয়, কিংবদন্তিতুল্য, নিষিদ্ধ। পাহাড়ে প্রবেশ নিষিদ্ধ। আত্মার গভীরে পাহাড়ের এক বিশেষ স্থান রয়েছে। এটি এমন কিছুর দিগন্ত যা ক্রমাগত দূরে সরে যায়। এটি এক অনন্ত দিগন্তের অনুভূতি জাগিয়ে তোলে। ** ''দ্য নাভেল অফ লিম্বো'', এরপর দি নার্ভ-ওয়েজার এবং অন্যান্য রচনা, আন্তোনিন আর্তো, গ্যালিমার্ড, সংকলন "পোয়েট্রি/গ্যালিমার্ড", ১৯৫৬, অংশ দি নাভেল অফ লিম্বো, "একটি শারীরিক অবস্থার বর্ণনা", পৃ. ৬৬ * সমুদ্রের ধারের জমিতেই নারিকেলের সহজ আবাস। আমাদের আশ্রমের মাঠ সেই সমুদ্রকূল থেকে বহুদূরে। এখানে অনেক যত্নে একটি নারিকেলকে পালন করে তোলা হয়েছে- সে নিঃসঙ্গ, নিষ্ফল, নিস্তেজ। তাকে দেখে মনে হয়, সে যেন প্রাণপণে ঋজু হয়ে দাঁড়িয়ে দিগন্ত অতিক্রম করে কোনো-এক আকাঙ্ক্ষার ধনকে দেখবার চেষ্টা করছে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], নবীন, বনবাণী-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৭৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৯ * আলবার্ট আইনস্টাইনের কাজের মাধ্যমে মানবজাতির দিগন্ত অসীমভাবে প্রসারিত হয়েছে এবং একই সাথে, মহাবিশ্ব সম্পর্কে আমাদের উপলব্ধি এমন এক পূর্ণতা ও সামঞ্জস্য লাভ করেছে যা পূর্বে কেবলই একটি স্বপ্ন ছিল। ** [[নিলস বোর]], ''নিউ ইয়র্ক টাইমস'', ১৯ এপ্রিল, ১৯৫৫, পাইস-এর ''আই ট্রাস্ট মাই ইনটুইশন'', হাইডেলবার্গ, ১৯৯৫, পৃষ্ঠা ২৪৩-এ উদ্ধৃত, যা আবার অ্যালিস ক্যালাপ্রাইস (সম্পাদিত): ''আইনস্টাইন সেজ'', পাইপার-ভারলাগ, মিউনিখ, জুরিখ ১৯৯৬, আইএসবিএন ৩-৪৯২-০৩৯৩৫-৯, পৃষ্ঠা ২৪৩-এ উদ্ধৃত। * চোরাবালি ডাকি দূর দিগন্তে<br>কোথায় পুরুষকার?<br>হে প্রিয় আমার, প্রিয়তম মাের!<br>আয়ােজন কাঁপে কামনার ঘোর,<br>অঙ্গে আমার দেবে না অঙ্গীকার? ** [[বিষ্ণু দে]], ঘােড়সওয়ার, চোরাবালি- বিষ্ণু দে, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৩৪৪ বঙ্গাব্দ, পৃষ্ঠা ১২ * তারপর জীবনের ফাটলে-ফাটলে<br>কুয়াশা জড়ায়,<br>কুয়াশার মতো কথা হৃদয়ের দিগন্তে ছড়ায়। ** [[প্রেমেন্দ্র মিত্র]], কথা, প্রেমেন্দ্র মিত্রের সমগ্র কবিতা, প্রথম সংস্করণ, প্রকাশক- গ্রন্থালয় প্রাইভেট লিমিটেড, কলকাতা, প্রকাশসাল- ৮ মে ১৯৮৯ খ্রিস্টাব্দ (২৫ বৈশাখ ১৩৯৬বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৮৯ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} {{উইকিঅভিধান}} [[বিষয়শ্রেণী:বিষয়বস্তু]] [[বিষয়শ্রেণী:বিশ্বতত্ত্ব]] m1pkjhaxcr96rlmndout3rbv1euyx95 79881 79879 2026-04-23T04:52:47Z Salil Kumar Mukherjee 39 উক্তি যোগ 79881 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} [[চিত্র:Sureal Horizon.jpg|thumb|300px|দিগন্ত]] '''[[:w:দিগন্ত|দিগন্ত]]''' বা '''দিকচক্রবাল''' বলতে সাধারণ দৃষ্টিতে পৃথিবী ও আকাশের সীমারেখাটিকে বোঝায়। অধিকাংশ স্থানে প্রকৃত দিগন্তরেখাটি গাছপালা, বাড়িঘর ইত্যাদির দ্বারা দৃষ্টিসীমার বাইরে থেকে যায়। কোনো নির্দিষ্ট একটি অবস্থান থেকে আমাদের দৃষ্টিসীমার মধ্যে যে স্থানে আকাশ এবং ভূপৃষ্ঠ সংযোগের দরুণ যে বৃত্তচাপীয় কাল্পনিক আপেক্ষিক সীমারেখা সৃষ্টি হয় তাকে দিগন্তরেখা বলে। আপাতদৃষ্টিতে এটি দিকের শেষ সীমা যেখানে পৃথিবীর সীমা আকাশের সঙ্গে মিশেছে বলে মনে হয়। == উক্তি == * আজি হেমন্তের শান্তি ব্যাপ্ত চরাচরে<br/>জনশূন্য ক্ষেত্র মাঝে দীপ্ত দ্বিপ্রহরে<br/>শব্দহীন গতিহীন স্তব্ধতা উদার<br/>রয়েছে পড়িয়া শ্রান্ত দিগন্ত প্রসার<br/>স্বর্ণশ্যাম ডানা মেলি। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], নৈবেদ্য-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৪ * জনতা মনে করে তারা সবকিছু জানে ও বোঝে, কিন্তু তারা যত বোকা হয়, তাদের দিগন্ত ততই প্রসারিত বলে মনে হয়। ** [[আন্তন চেখভ]], পত্রালাপ, ৩০ মে, ১৮৮৮ * জনসমুদ্রে নেমেছে জোয়ার,<br>হৃদয়ে আমার চড়া।<br>চোরাবালি আমি দূরদিগন্তে ডাকি—<br>কোথায় ঘোড়সওয়ার? ** [[বিষ্ণু দে]], ঘােড়সওয়ার, চোরাবালি- বিষ্ণু দে, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৩৪৪ বঙ্গাব্দ, পৃষ্ঠা ১১ * আমাদের যাহা কিছু উত্তম, যাহা কিছু সৎ, উদার, অপূর্ব্ব ও অনুপম, তাহা বঙ্গভাষাতে লিপিবদ্ধ করিব, বাঙ্গালার সম্পত্তি বাঙ্গালার মাতৃভাষার ভাণ্ডারেই সঞ্চিত রাখিব, স্বহস্তে দেশকে বঞ্চিত করিয়া দেশের ধন বিদেশে বিলাইয়া দিব না, এমন করিয়া ধনের উপচয় করিব—বৃদ্ধি করিব, যাহাতে জলধির জলের ন্যায় আমার মাতৃভাষার ভাণ্ডারের সঞ্চিত ধনরাশি, যে যত পারে গ্রহণ করিলেও, কদাচ ক্ষয়প্রাপ্ত হইবে না। ঊষার অরুণচ্ছটায় যেমন দিগন্ত উদ্ভাসিত হয়, তেমনই আমার মাতৃভাষার আলোকচ্ছটায় পৃথিবীর এক প্রান্ত হইতে অপর প্রান্ত পর্য্যন্ত আলোকিত হইবে—ভাস্বর হইবে। ** [[আশুতোষ মুখোপাধ্যায়]], জাতীয় সাহিত্য - আশুতোষ মুখোপাধ্যায়, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৩৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১২৮ * পাহাড়ের চারপাশের বাতাস প্রতিধ্বনিত, পূজনীয়, কিংবদন্তিতুল্য, নিষিদ্ধ। পাহাড়ে প্রবেশ নিষিদ্ধ। আত্মার গভীরে পাহাড়ের এক বিশেষ স্থান রয়েছে। এটি এমন কিছুর দিগন্ত যা ক্রমাগত দূরে সরে যায়। এটি এক অনন্ত দিগন্তের অনুভূতি জাগিয়ে তোলে। ** ''দ্য নাভেল অফ লিম্বো'', এরপর দি নার্ভ-ওয়েজার এবং অন্যান্য রচনা, আন্তোনিন আর্তো, গ্যালিমার্ড, সংকলন "পোয়েট্রি/গ্যালিমার্ড", ১৯৫৬, অংশ দি নাভেল অফ লিম্বো, "একটি শারীরিক অবস্থার বর্ণনা", পৃ. ৬৬ * আমরা বন্দী থাকবো না তোমাদের পকেটে পকেটে,<br>আমরা বেরিয়ে পড়ব, আমরা ছড়িয়ে পড়ব<br>শহরে, গঞ্জে, গ্রামে—দিগন্ত থেকে দিগন্তে। ** [[সুকান্ত ভট্টাচার্য]], দেশলাই কাঠি, ছাড়পত্র কাব্যগ্রন্থ, সুকান্ত সমগ্র- সুকান্ত ভট্টাচার্য, প্রকাশক- সারস্বত লাইব্রেরী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৫৫-৫৬ * সমুদ্রের ধারের জমিতেই নারিকেলের সহজ আবাস। আমাদের আশ্রমের মাঠ সেই সমুদ্রকূল থেকে বহুদূরে। এখানে অনেক যত্নে একটি নারিকেলকে পালন করে তোলা হয়েছে- সে নিঃসঙ্গ, নিষ্ফল, নিস্তেজ। তাকে দেখে মনে হয়, সে যেন প্রাণপণে ঋজু হয়ে দাঁড়িয়ে দিগন্ত অতিক্রম করে কোনো-এক আকাঙ্ক্ষার ধনকে দেখবার চেষ্টা করছে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], নবীন, বনবাণী-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৭৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৯ * আলবার্ট আইনস্টাইনের কাজের মাধ্যমে মানবজাতির দিগন্ত অসীমভাবে প্রসারিত হয়েছে এবং একই সাথে, মহাবিশ্ব সম্পর্কে আমাদের উপলব্ধি এমন এক পূর্ণতা ও সামঞ্জস্য লাভ করেছে যা পূর্বে কেবলই একটি স্বপ্ন ছিল। ** [[নিলস বোর]], ''নিউ ইয়র্ক টাইমস'', ১৯ এপ্রিল, ১৯৫৫, পাইস-এর ''আই ট্রাস্ট মাই ইনটুইশন'', হাইডেলবার্গ, ১৯৯৫, পৃষ্ঠা ২৪৩-এ উদ্ধৃত, যা আবার অ্যালিস ক্যালাপ্রাইস (সম্পাদিত): ''আইনস্টাইন সেজ'', পাইপার-ভারলাগ, মিউনিখ, জুরিখ ১৯৯৬, আইএসবিএন ৩-৪৯২-০৩৯৩৫-৯, পৃষ্ঠা ২৪৩-এ উদ্ধৃত। * চোরাবালি ডাকি দূর দিগন্তে<br>কোথায় পুরুষকার?<br>হে প্রিয় আমার, প্রিয়তম মাের!<br>আয়ােজন কাঁপে কামনার ঘোর,<br>অঙ্গে আমার দেবে না অঙ্গীকার? ** [[বিষ্ণু দে]], ঘােড়সওয়ার, চোরাবালি- বিষ্ণু দে, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৩৪৪ বঙ্গাব্দ, পৃষ্ঠা ১২ * তারপর জীবনের ফাটলে-ফাটলে<br>কুয়াশা জড়ায়,<br>কুয়াশার মতো কথা হৃদয়ের দিগন্তে ছড়ায়। ** [[প্রেমেন্দ্র মিত্র]], কথা, প্রেমেন্দ্র মিত্রের সমগ্র কবিতা, প্রথম সংস্করণ, প্রকাশক- গ্রন্থালয় প্রাইভেট লিমিটেড, কলকাতা, প্রকাশসাল- ৮ মে ১৯৮৯ খ্রিস্টাব্দ (২৫ বৈশাখ ১৩৯৬বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৮৯ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} {{উইকিঅভিধান}} [[বিষয়শ্রেণী:বিষয়বস্তু]] [[বিষয়শ্রেণী:বিশ্বতত্ত্ব]] sj7k4yles4b94l4ilr46xtl71h78a8z 79886 79881 2026-04-23T06:00:52Z Salil Kumar Mukherjee 39 উক্তি যোগ 79886 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} [[চিত্র:Sureal Horizon.jpg|thumb|300px|দিগন্ত]] '''[[:w:দিগন্ত|দিগন্ত]]''' বা '''দিকচক্রবাল''' বলতে সাধারণ দৃষ্টিতে পৃথিবী ও আকাশের সীমারেখাটিকে বোঝায়। অধিকাংশ স্থানে প্রকৃত দিগন্তরেখাটি গাছপালা, বাড়িঘর ইত্যাদির দ্বারা দৃষ্টিসীমার বাইরে থেকে যায়। কোনো নির্দিষ্ট একটি অবস্থান থেকে আমাদের দৃষ্টিসীমার মধ্যে যে স্থানে আকাশ এবং ভূপৃষ্ঠ সংযোগের দরুণ যে বৃত্তচাপীয় কাল্পনিক আপেক্ষিক সীমারেখা সৃষ্টি হয় তাকে দিগন্তরেখা বলে। আপাতদৃষ্টিতে এটি দিকের শেষ সীমা যেখানে পৃথিবীর সীমা আকাশের সঙ্গে মিশেছে বলে মনে হয়। == উক্তি == * আজি হেমন্তের শান্তি ব্যাপ্ত চরাচরে<br/>জনশূন্য ক্ষেত্র মাঝে দীপ্ত দ্বিপ্রহরে<br/>শব্দহীন গতিহীন স্তব্ধতা উদার<br/>রয়েছে পড়িয়া শ্রান্ত দিগন্ত প্রসার<br/>স্বর্ণশ্যাম ডানা মেলি। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], নৈবেদ্য-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৪ * জনতা মনে করে তারা সবকিছু জানে ও বোঝে, কিন্তু তারা যত বোকা হয়, তাদের দিগন্ত ততই প্রসারিত বলে মনে হয়। ** [[আন্তন চেখভ]], পত্রালাপ, ৩০ মে, ১৮৮৮ * জনসমুদ্রে নেমেছে জোয়ার,<br>হৃদয়ে আমার চড়া।<br>চোরাবালি আমি দূরদিগন্তে ডাকি—<br>কোথায় ঘোড়সওয়ার? ** [[বিষ্ণু দে]], ঘােড়সওয়ার, চোরাবালি- বিষ্ণু দে, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৩৪৪ বঙ্গাব্দ, পৃষ্ঠা ১১ * আমাদের যাহা কিছু উত্তম, যাহা কিছু সৎ, উদার, অপূর্ব্ব ও অনুপম, তাহা বঙ্গভাষাতে লিপিবদ্ধ করিব, বাঙ্গালার সম্পত্তি বাঙ্গালার মাতৃভাষার ভাণ্ডারেই সঞ্চিত রাখিব, স্বহস্তে দেশকে বঞ্চিত করিয়া দেশের ধন বিদেশে বিলাইয়া দিব না, এমন করিয়া ধনের উপচয় করিব—বৃদ্ধি করিব, যাহাতে জলধির জলের ন্যায় আমার মাতৃভাষার ভাণ্ডারের সঞ্চিত ধনরাশি, যে যত পারে গ্রহণ করিলেও, কদাচ ক্ষয়প্রাপ্ত হইবে না। ঊষার অরুণচ্ছটায় যেমন দিগন্ত উদ্ভাসিত হয়, তেমনই আমার মাতৃভাষার আলোকচ্ছটায় পৃথিবীর এক প্রান্ত হইতে অপর প্রান্ত পর্য্যন্ত আলোকিত হইবে—ভাস্বর হইবে। ** [[আশুতোষ মুখোপাধ্যায়]], জাতীয় সাহিত্য - আশুতোষ মুখোপাধ্যায়, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৩৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১২৮ * পাহাড়ের চারপাশের বাতাস প্রতিধ্বনিত, পূজনীয়, কিংবদন্তিতুল্য, নিষিদ্ধ। পাহাড়ে প্রবেশ নিষিদ্ধ। আত্মার গভীরে পাহাড়ের এক বিশেষ স্থান রয়েছে। এটি এমন কিছুর দিগন্ত যা ক্রমাগত দূরে সরে যায়। এটি এক অনন্ত দিগন্তের অনুভূতি জাগিয়ে তোলে। ** ''দ্য নাভেল অফ লিম্বো'', এরপর দি নার্ভ-ওয়েজার এবং অন্যান্য রচনা, আন্তোনিন আর্তো, গ্যালিমার্ড, সংকলন "পোয়েট্রি/গ্যালিমার্ড", ১৯৫৬, অংশ দি নাভেল অফ লিম্বো, "একটি শারীরিক অবস্থার বর্ণনা", পৃ. ৬৬ * আমরা বন্দী থাকবো না তোমাদের পকেটে পকেটে,<br>আমরা বেরিয়ে পড়ব, আমরা ছড়িয়ে পড়ব<br>শহরে, গঞ্জে, গ্রামে—দিগন্ত থেকে দিগন্তে। ** [[সুকান্ত ভট্টাচার্য]], দেশলাই কাঠি, ছাড়পত্র কাব্যগ্রন্থ, সুকান্ত সমগ্র- সুকান্ত ভট্টাচার্য, প্রকাশক- সারস্বত লাইব্রেরী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৫৫-৫৬ * সমুদ্রের ধারের জমিতেই নারিকেলের সহজ আবাস। আমাদের আশ্রমের মাঠ সেই সমুদ্রকূল থেকে বহুদূরে। এখানে অনেক যত্নে একটি নারিকেলকে পালন করে তোলা হয়েছে- সে নিঃসঙ্গ, নিষ্ফল, নিস্তেজ। তাকে দেখে মনে হয়, সে যেন প্রাণপণে ঋজু হয়ে দাঁড়িয়ে দিগন্ত অতিক্রম করে কোনো-এক আকাঙ্ক্ষার ধনকে দেখবার চেষ্টা করছে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], নবীন, বনবাণী-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৭৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৯ * আলবার্ট আইনস্টাইনের কাজের মাধ্যমে মানবজাতির দিগন্ত অসীমভাবে প্রসারিত হয়েছে এবং একই সাথে, মহাবিশ্ব সম্পর্কে আমাদের উপলব্ধি এমন এক পূর্ণতা ও সামঞ্জস্য লাভ করেছে যা পূর্বে কেবলই একটি স্বপ্ন ছিল। ** [[নিলস বোর]], ''নিউ ইয়র্ক টাইমস'', ১৯ এপ্রিল, ১৯৫৫, পাইস-এর ''আই ট্রাস্ট মাই ইনটুইশন'', হাইডেলবার্গ, ১৯৯৫, পৃষ্ঠা ২৪৩-এ উদ্ধৃত, যা আবার অ্যালিস ক্যালাপ্রাইস (সম্পাদিত): ''আইনস্টাইন সেজ'', পাইপার-ভারলাগ, মিউনিখ, জুরিখ ১৯৯৬, আইএসবিএন ৩-৪৯২-০৩৯৩৫-৯, পৃষ্ঠা ২৪৩-এ উদ্ধৃত। * তোমার জগৎ-জমিদারীর সীমা বাড়াইতে আরম্ভ কর। আফিসের দেয়াল অতিক্রম করিয়া দিগন্ত পর্য্যন্ত লইয়া যাও, দিগন্ত অতিক্রম করিয়া সমস্ত পৃথিবী পর্যন্ত বেষ্টন কর, পৃথিবী অতিক্রম করিয়া জ্যোতিষ্ক মণ্ডলে যাও এবং সমস্তু জগৎ অতিক্রম করিয়া অসীমের দিকে সীমা অগ্রসর করিতে থাক। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], জগতের জমিদারী, বিবিধ প্রসঙ্গ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- আদি ব্রাহ্মসমাজ যন্ত্র, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৮৩ খ্রিস্টাব্দ (১২৯০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১২৭-১২৮ * চোরাবালি ডাকি দূর দিগন্তে<br>কোথায় পুরুষকার?<br>হে প্রিয় আমার, প্রিয়তম মাের!<br>আয়ােজন কাঁপে কামনার ঘোর,<br>অঙ্গে আমার দেবে না অঙ্গীকার? ** [[বিষ্ণু দে]], ঘােড়সওয়ার, চোরাবালি- বিষ্ণু দে, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৩৪৪ বঙ্গাব্দ, পৃষ্ঠা ১২ * তারপর জীবনের ফাটলে-ফাটলে<br>কুয়াশা জড়ায়,<br>কুয়াশার মতো কথা হৃদয়ের দিগন্তে ছড়ায়। ** [[প্রেমেন্দ্র মিত্র]], কথা, প্রেমেন্দ্র মিত্রের সমগ্র কবিতা, প্রথম সংস্করণ, প্রকাশক- গ্রন্থালয় প্রাইভেট লিমিটেড, কলকাতা, প্রকাশসাল- ৮ মে ১৯৮৯ খ্রিস্টাব্দ (২৫ বৈশাখ ১৩৯৬বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৮৯ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} {{উইকিঅভিধান}} [[বিষয়শ্রেণী:বিষয়বস্তু]] [[বিষয়শ্রেণী:বিশ্বতত্ত্ব]] hozsfcb72qvwueyuob5ahpb7wzkhag1 79887 79886 2026-04-23T06:07:20Z Salil Kumar Mukherjee 39 উক্তি যোগ 79887 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} [[চিত্র:Sureal Horizon.jpg|thumb|300px|দিগন্ত]] '''[[:w:দিগন্ত|দিগন্ত]]''' বা '''দিকচক্রবাল''' বলতে সাধারণ দৃষ্টিতে পৃথিবী ও আকাশের সীমারেখাটিকে বোঝায়। অধিকাংশ স্থানে প্রকৃত দিগন্তরেখাটি গাছপালা, বাড়িঘর ইত্যাদির দ্বারা দৃষ্টিসীমার বাইরে থেকে যায়। কোনো নির্দিষ্ট একটি অবস্থান থেকে আমাদের দৃষ্টিসীমার মধ্যে যে স্থানে আকাশ এবং ভূপৃষ্ঠ সংযোগের দরুণ যে বৃত্তচাপীয় কাল্পনিক আপেক্ষিক সীমারেখা সৃষ্টি হয় তাকে দিগন্তরেখা বলে। আপাতদৃষ্টিতে এটি দিকের শেষ সীমা যেখানে পৃথিবীর সীমা আকাশের সঙ্গে মিশেছে বলে মনে হয়। == উক্তি == * আজি হেমন্তের শান্তি ব্যাপ্ত চরাচরে<br/>জনশূন্য ক্ষেত্র মাঝে দীপ্ত দ্বিপ্রহরে<br/>শব্দহীন গতিহীন স্তব্ধতা উদার<br/>রয়েছে পড়িয়া শ্রান্ত দিগন্ত প্রসার<br/>স্বর্ণশ্যাম ডানা মেলি। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], নৈবেদ্য-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৪ * জনতা মনে করে তারা সবকিছু জানে ও বোঝে, কিন্তু তারা যত বোকা হয়, তাদের দিগন্ত ততই প্রসারিত বলে মনে হয়। ** [[আন্তন চেখভ]], পত্রালাপ, ৩০ মে, ১৮৮৮ * অস্তগামী সূর্য্যের আভায় সীমাহীন সমুদ্র উদ্ভাসিত প্লাবিত; তরঙ্গরাশির সহিত আলোকের ওঠা পড়ার খেলা! পশ্চিম দিগন্ত অস্তগামী সূর্য্যের কিরণে রক্ত-গোলাপের আভায় রঙিন। আবার পরক্ষণে দেখিতে পাইবেন, শান্ত পদক্ষেপে আকাশে সন্ধ্যার আগমন অর্দ্ধঘণ্টায় দিগন্ত আঁধার আচ্ছন্ন হইয়া গিয়া শুধু ইতস্ততঃ স্বর্গীয় আলোকণিকার জ্যোতি! ইহা এত সুন্দর এমন নয়নাভিরাম ও প্রাণস্পর্শী! ** [[সুভাষচন্দ্র বসু]], শরৎচন্দ্র বসুকে লিখিত পত্র, পত্রাবলী (১৯১২-১৯৩২)-সুভাষচন্দ্র বসু, প্রকাশক- এম. সি. সরকার এন্ড সন্স লিমিটেড, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৯ * জনসমুদ্রে নেমেছে জোয়ার,<br>হৃদয়ে আমার চড়া।<br>চোরাবালি আমি দূরদিগন্তে ডাকি—<br>কোথায় ঘোড়সওয়ার? ** [[বিষ্ণু দে]], ঘােড়সওয়ার, চোরাবালি- বিষ্ণু দে, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৩৪৪ বঙ্গাব্দ, পৃষ্ঠা ১১ * আমাদের যাহা কিছু উত্তম, যাহা কিছু সৎ, উদার, অপূর্ব্ব ও অনুপম, তাহা বঙ্গভাষাতে লিপিবদ্ধ করিব, বাঙ্গালার সম্পত্তি বাঙ্গালার মাতৃভাষার ভাণ্ডারেই সঞ্চিত রাখিব, স্বহস্তে দেশকে বঞ্চিত করিয়া দেশের ধন বিদেশে বিলাইয়া দিব না, এমন করিয়া ধনের উপচয় করিব—বৃদ্ধি করিব, যাহাতে জলধির জলের ন্যায় আমার মাতৃভাষার ভাণ্ডারের সঞ্চিত ধনরাশি, যে যত পারে গ্রহণ করিলেও, কদাচ ক্ষয়প্রাপ্ত হইবে না। ঊষার অরুণচ্ছটায় যেমন দিগন্ত উদ্ভাসিত হয়, তেমনই আমার মাতৃভাষার আলোকচ্ছটায় পৃথিবীর এক প্রান্ত হইতে অপর প্রান্ত পর্য্যন্ত আলোকিত হইবে—ভাস্বর হইবে। ** [[আশুতোষ মুখোপাধ্যায়]], জাতীয় সাহিত্য - আশুতোষ মুখোপাধ্যায়, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৩৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১২৮ * পাহাড়ের চারপাশের বাতাস প্রতিধ্বনিত, পূজনীয়, কিংবদন্তিতুল্য, নিষিদ্ধ। পাহাড়ে প্রবেশ নিষিদ্ধ। আত্মার গভীরে পাহাড়ের এক বিশেষ স্থান রয়েছে। এটি এমন কিছুর দিগন্ত যা ক্রমাগত দূরে সরে যায়। এটি এক অনন্ত দিগন্তের অনুভূতি জাগিয়ে তোলে। ** ''দ্য নাভেল অফ লিম্বো'', এরপর দি নার্ভ-ওয়েজার এবং অন্যান্য রচনা, আন্তোনিন আর্তো, গ্যালিমার্ড, সংকলন "পোয়েট্রি/গ্যালিমার্ড", ১৯৫৬, অংশ দি নাভেল অফ লিম্বো, "একটি শারীরিক অবস্থার বর্ণনা", পৃ. ৬৬ * আমরা বন্দী থাকবো না তোমাদের পকেটে পকেটে,<br>আমরা বেরিয়ে পড়ব, আমরা ছড়িয়ে পড়ব<br>শহরে, গঞ্জে, গ্রামে—দিগন্ত থেকে দিগন্তে। ** [[সুকান্ত ভট্টাচার্য]], দেশলাই কাঠি, ছাড়পত্র কাব্যগ্রন্থ, সুকান্ত সমগ্র- সুকান্ত ভট্টাচার্য, প্রকাশক- সারস্বত লাইব্রেরী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৫৫-৫৬ * সমুদ্রের ধারের জমিতেই নারিকেলের সহজ আবাস। আমাদের আশ্রমের মাঠ সেই সমুদ্রকূল থেকে বহুদূরে। এখানে অনেক যত্নে একটি নারিকেলকে পালন করে তোলা হয়েছে- সে নিঃসঙ্গ, নিষ্ফল, নিস্তেজ। তাকে দেখে মনে হয়, সে যেন প্রাণপণে ঋজু হয়ে দাঁড়িয়ে দিগন্ত অতিক্রম করে কোনো-এক আকাঙ্ক্ষার ধনকে দেখবার চেষ্টা করছে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], নবীন, বনবাণী-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৭৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৯ * আলবার্ট আইনস্টাইনের কাজের মাধ্যমে মানবজাতির দিগন্ত অসীমভাবে প্রসারিত হয়েছে এবং একই সাথে, মহাবিশ্ব সম্পর্কে আমাদের উপলব্ধি এমন এক পূর্ণতা ও সামঞ্জস্য লাভ করেছে যা পূর্বে কেবলই একটি স্বপ্ন ছিল। ** [[নিলস বোর]], ''নিউ ইয়র্ক টাইমস'', ১৯ এপ্রিল, ১৯৫৫, পাইস-এর ''আই ট্রাস্ট মাই ইনটুইশন'', হাইডেলবার্গ, ১৯৯৫, পৃষ্ঠা ২৪৩-এ উদ্ধৃত, যা আবার অ্যালিস ক্যালাপ্রাইস (সম্পাদিত): ''আইনস্টাইন সেজ'', পাইপার-ভারলাগ, মিউনিখ, জুরিখ ১৯৯৬, আইএসবিএন ৩-৪৯২-০৩৯৩৫-৯, পৃষ্ঠা ২৪৩-এ উদ্ধৃত। * তোমার জগৎ-জমিদারীর সীমা বাড়াইতে আরম্ভ কর। আফিসের দেয়াল অতিক্রম করিয়া দিগন্ত পর্য্যন্ত লইয়া যাও, দিগন্ত অতিক্রম করিয়া সমস্ত পৃথিবী পর্যন্ত বেষ্টন কর, পৃথিবী অতিক্রম করিয়া জ্যোতিষ্ক মণ্ডলে যাও এবং সমস্তু জগৎ অতিক্রম করিয়া অসীমের দিকে সীমা অগ্রসর করিতে থাক। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], জগতের জমিদারী, বিবিধ প্রসঙ্গ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- আদি ব্রাহ্মসমাজ যন্ত্র, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৮৩ খ্রিস্টাব্দ (১২৯০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১২৭-১২৮ * চোরাবালি ডাকি দূর দিগন্তে<br>কোথায় পুরুষকার?<br>হে প্রিয় আমার, প্রিয়তম মাের!<br>আয়ােজন কাঁপে কামনার ঘোর,<br>অঙ্গে আমার দেবে না অঙ্গীকার? ** [[বিষ্ণু দে]], ঘােড়সওয়ার, চোরাবালি- বিষ্ণু দে, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৩৪৪ বঙ্গাব্দ, পৃষ্ঠা ১২ * তারপর জীবনের ফাটলে-ফাটলে<br>কুয়াশা জড়ায়,<br>কুয়াশার মতো কথা হৃদয়ের দিগন্তে ছড়ায়। ** [[প্রেমেন্দ্র মিত্র]], কথা, প্রেমেন্দ্র মিত্রের সমগ্র কবিতা, প্রথম সংস্করণ, প্রকাশক- গ্রন্থালয় প্রাইভেট লিমিটেড, কলকাতা, প্রকাশসাল- ৮ মে ১৯৮৯ খ্রিস্টাব্দ (২৫ বৈশাখ ১৩৯৬বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৮৯ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} {{উইকিঅভিধান}} [[বিষয়শ্রেণী:বিষয়বস্তু]] [[বিষয়শ্রেণী:বিশ্বতত্ত্ব]] 38gbkwcvriezwc3f5bhdd3gm2hokbb7 79894 79887 2026-04-23T06:14:02Z Salil Kumar Mukherjee 39 সংযোজন 79894 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} [[চিত্র:Sureal Horizon.jpg|thumb|300px|পশ্চিম দিগন্ত অস্তগামী সূর্য্যের কিরণে রক্ত-গোলাপের আভায় রঙিন। আবার পরক্ষণে দেখিতে পাইবেন, শান্ত পদক্ষেপে আকাশে সন্ধ্যার আগমন অর্দ্ধঘণ্টায় দিগন্ত আঁধার আচ্ছন্ন হইয়া গিয়া শুধু ইতস্ততঃ স্বর্গীয় আলোকণিকার জ্যোতি! ইহা এত সুন্দর এমন নয়নাভিরাম ও প্রাণস্পর্শী!<br>—[[সুভাষচন্দ্র বসু]]]] '''[[:w:দিগন্ত|দিগন্ত]]''' বা '''দিকচক্রবাল''' বলতে সাধারণ দৃষ্টিতে পৃথিবী ও আকাশের সীমারেখাটিকে বোঝায়। অধিকাংশ স্থানে প্রকৃত দিগন্তরেখাটি গাছপালা, বাড়িঘর ইত্যাদির দ্বারা দৃষ্টিসীমার বাইরে থেকে যায়। কোনো নির্দিষ্ট একটি অবস্থান থেকে আমাদের দৃষ্টিসীমার মধ্যে যে স্থানে আকাশ এবং ভূপৃষ্ঠ সংযোগের দরুণ যে বৃত্তচাপীয় কাল্পনিক আপেক্ষিক সীমারেখা সৃষ্টি হয় তাকে দিগন্তরেখা বলে। আপাতদৃষ্টিতে এটি দিকের শেষ সীমা যেখানে পৃথিবীর সীমা আকাশের সঙ্গে মিশেছে বলে মনে হয়। == উক্তি == * আজি হেমন্তের শান্তি ব্যাপ্ত চরাচরে<br/>জনশূন্য ক্ষেত্র মাঝে দীপ্ত দ্বিপ্রহরে<br/>শব্দহীন গতিহীন স্তব্ধতা উদার<br/>রয়েছে পড়িয়া শ্রান্ত দিগন্ত প্রসার<br/>স্বর্ণশ্যাম ডানা মেলি। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], নৈবেদ্য-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৪ * জনতা মনে করে তারা সবকিছু জানে ও বোঝে, কিন্তু তারা যত বোকা হয়, তাদের দিগন্ত ততই প্রসারিত বলে মনে হয়। ** [[আন্তন চেখভ]], পত্রালাপ, ৩০ মে, ১৮৮৮ * অস্তগামী সূর্য্যের আভায় সীমাহীন সমুদ্র উদ্ভাসিত প্লাবিত; তরঙ্গরাশির সহিত আলোকের ওঠা পড়ার খেলা! পশ্চিম দিগন্ত অস্তগামী সূর্য্যের কিরণে রক্ত-গোলাপের আভায় রঙিন। আবার পরক্ষণে দেখিতে পাইবেন, শান্ত পদক্ষেপে আকাশে সন্ধ্যার আগমন অর্দ্ধঘণ্টায় দিগন্ত আঁধার আচ্ছন্ন হইয়া গিয়া শুধু ইতস্ততঃ স্বর্গীয় আলোকণিকার জ্যোতি! ইহা এত সুন্দর এমন নয়নাভিরাম ও প্রাণস্পর্শী! ** [[সুভাষচন্দ্র বসু]], শরৎচন্দ্র বসুকে লিখিত পত্র, পত্রাবলী (১৯১২-১৯৩২)-সুভাষচন্দ্র বসু, প্রকাশক- এম. সি. সরকার এন্ড সন্স লিমিটেড, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৯ * জনসমুদ্রে নেমেছে জোয়ার,<br>হৃদয়ে আমার চড়া।<br>চোরাবালি আমি দূরদিগন্তে ডাকি—<br>কোথায় ঘোড়সওয়ার? ** [[বিষ্ণু দে]], ঘােড়সওয়ার, চোরাবালি- বিষ্ণু দে, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৩৪৪ বঙ্গাব্দ, পৃষ্ঠা ১১ * আমাদের যাহা কিছু উত্তম, যাহা কিছু সৎ, উদার, অপূর্ব্ব ও অনুপম, তাহা বঙ্গভাষাতে লিপিবদ্ধ করিব, বাঙ্গালার সম্পত্তি বাঙ্গালার মাতৃভাষার ভাণ্ডারেই সঞ্চিত রাখিব, স্বহস্তে দেশকে বঞ্চিত করিয়া দেশের ধন বিদেশে বিলাইয়া দিব না, এমন করিয়া ধনের উপচয় করিব—বৃদ্ধি করিব, যাহাতে জলধির জলের ন্যায় আমার মাতৃভাষার ভাণ্ডারের সঞ্চিত ধনরাশি, যে যত পারে গ্রহণ করিলেও, কদাচ ক্ষয়প্রাপ্ত হইবে না। ঊষার অরুণচ্ছটায় যেমন দিগন্ত উদ্ভাসিত হয়, তেমনই আমার মাতৃভাষার আলোকচ্ছটায় পৃথিবীর এক প্রান্ত হইতে অপর প্রান্ত পর্য্যন্ত আলোকিত হইবে—ভাস্বর হইবে। ** [[আশুতোষ মুখোপাধ্যায়]], জাতীয় সাহিত্য - আশুতোষ মুখোপাধ্যায়, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৩৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১২৮ * পাহাড়ের চারপাশের বাতাস প্রতিধ্বনিত, পূজনীয়, কিংবদন্তিতুল্য, নিষিদ্ধ। পাহাড়ে প্রবেশ নিষিদ্ধ। আত্মার গভীরে পাহাড়ের এক বিশেষ স্থান রয়েছে। এটি এমন কিছুর দিগন্ত যা ক্রমাগত দূরে সরে যায়। এটি এক অনন্ত দিগন্তের অনুভূতি জাগিয়ে তোলে। ** ''দ্য নাভেল অফ লিম্বো'', এরপর দি নার্ভ-ওয়েজার এবং অন্যান্য রচনা, আন্তোনিন আর্তো, গ্যালিমার্ড, সংকলন "পোয়েট্রি/গ্যালিমার্ড", ১৯৫৬, অংশ দি নাভেল অফ লিম্বো, "একটি শারীরিক অবস্থার বর্ণনা", পৃ. ৬৬ * আমরা বন্দী থাকবো না তোমাদের পকেটে পকেটে,<br>আমরা বেরিয়ে পড়ব, আমরা ছড়িয়ে পড়ব<br>শহরে, গঞ্জে, গ্রামে—দিগন্ত থেকে দিগন্তে। ** [[সুকান্ত ভট্টাচার্য]], দেশলাই কাঠি, ছাড়পত্র কাব্যগ্রন্থ, সুকান্ত সমগ্র- সুকান্ত ভট্টাচার্য, প্রকাশক- সারস্বত লাইব্রেরী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৫৫-৫৬ * সমুদ্রের ধারের জমিতেই নারিকেলের সহজ আবাস। আমাদের আশ্রমের মাঠ সেই সমুদ্রকূল থেকে বহুদূরে। এখানে অনেক যত্নে একটি নারিকেলকে পালন করে তোলা হয়েছে- সে নিঃসঙ্গ, নিষ্ফল, নিস্তেজ। তাকে দেখে মনে হয়, সে যেন প্রাণপণে ঋজু হয়ে দাঁড়িয়ে দিগন্ত অতিক্রম করে কোনো-এক আকাঙ্ক্ষার ধনকে দেখবার চেষ্টা করছে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], নবীন, বনবাণী-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৭৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৯ * আলবার্ট আইনস্টাইনের কাজের মাধ্যমে মানবজাতির দিগন্ত অসীমভাবে প্রসারিত হয়েছে এবং একই সাথে, মহাবিশ্ব সম্পর্কে আমাদের উপলব্ধি এমন এক পূর্ণতা ও সামঞ্জস্য লাভ করেছে যা পূর্বে কেবলই একটি স্বপ্ন ছিল। ** [[নিলস বোর]], ''নিউ ইয়র্ক টাইমস'', ১৯ এপ্রিল, ১৯৫৫, পাইস-এর ''আই ট্রাস্ট মাই ইনটুইশন'', হাইডেলবার্গ, ১৯৯৫, পৃষ্ঠা ২৪৩-এ উদ্ধৃত, যা আবার অ্যালিস ক্যালাপ্রাইস (সম্পাদিত): ''আইনস্টাইন সেজ'', পাইপার-ভারলাগ, মিউনিখ, জুরিখ ১৯৯৬, আইএসবিএন ৩-৪৯২-০৩৯৩৫-৯, পৃষ্ঠা ২৪৩-এ উদ্ধৃত। * তোমার জগৎ-জমিদারীর সীমা বাড়াইতে আরম্ভ কর। আফিসের দেয়াল অতিক্রম করিয়া দিগন্ত পর্য্যন্ত লইয়া যাও, দিগন্ত অতিক্রম করিয়া সমস্ত পৃথিবী পর্যন্ত বেষ্টন কর, পৃথিবী অতিক্রম করিয়া জ্যোতিষ্ক মণ্ডলে যাও এবং সমস্তু জগৎ অতিক্রম করিয়া অসীমের দিকে সীমা অগ্রসর করিতে থাক। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], জগতের জমিদারী, বিবিধ প্রসঙ্গ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- আদি ব্রাহ্মসমাজ যন্ত্র, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৮৩ খ্রিস্টাব্দ (১২৯০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১২৭-১২৮ * চোরাবালি ডাকি দূর দিগন্তে<br>কোথায় পুরুষকার?<br>হে প্রিয় আমার, প্রিয়তম মাের!<br>আয়ােজন কাঁপে কামনার ঘোর,<br>অঙ্গে আমার দেবে না অঙ্গীকার? ** [[বিষ্ণু দে]], ঘােড়সওয়ার, চোরাবালি- বিষ্ণু দে, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৩৪৪ বঙ্গাব্দ, পৃষ্ঠা ১২ * তারপর জীবনের ফাটলে-ফাটলে<br>কুয়াশা জড়ায়,<br>কুয়াশার মতো কথা হৃদয়ের দিগন্তে ছড়ায়। ** [[প্রেমেন্দ্র মিত্র]], কথা, প্রেমেন্দ্র মিত্রের সমগ্র কবিতা, প্রথম সংস্করণ, প্রকাশক- গ্রন্থালয় প্রাইভেট লিমিটেড, কলকাতা, প্রকাশসাল- ৮ মে ১৯৮৯ খ্রিস্টাব্দ (২৫ বৈশাখ ১৩৯৬বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৮৯ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} {{উইকিঅভিধান}} [[বিষয়শ্রেণী:বিষয়বস্তু]] [[বিষয়শ্রেণী:বিশ্বতত্ত্ব]] rcjjm8qkv4bfgv1gpy35i4nblfu9oo3 79907 79894 2026-04-23T06:35:47Z Salil Kumar Mukherjee 39 উক্তি যোগ 79907 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} [[চিত্র:Sureal Horizon.jpg|thumb|300px|পশ্চিম দিগন্ত অস্তগামী সূর্য্যের কিরণে রক্ত-গোলাপের আভায় রঙিন। আবার পরক্ষণে দেখিতে পাইবেন, শান্ত পদক্ষেপে আকাশে সন্ধ্যার আগমন অর্দ্ধঘণ্টায় দিগন্ত আঁধার আচ্ছন্ন হইয়া গিয়া শুধু ইতস্ততঃ স্বর্গীয় আলোকণিকার জ্যোতি! ইহা এত সুন্দর এমন নয়নাভিরাম ও প্রাণস্পর্শী!<br>—[[সুভাষচন্দ্র বসু]]]] '''[[:w:দিগন্ত|দিগন্ত]]''' বা '''দিকচক্রবাল''' বলতে সাধারণ দৃষ্টিতে পৃথিবী ও আকাশের সীমারেখাটিকে বোঝায়। অধিকাংশ স্থানে প্রকৃত দিগন্তরেখাটি গাছপালা, বাড়িঘর ইত্যাদির দ্বারা দৃষ্টিসীমার বাইরে থেকে যায়। কোনো নির্দিষ্ট একটি অবস্থান থেকে আমাদের দৃষ্টিসীমার মধ্যে যে স্থানে আকাশ এবং ভূপৃষ্ঠ সংযোগের দরুণ যে বৃত্তচাপীয় কাল্পনিক আপেক্ষিক সীমারেখা সৃষ্টি হয় তাকে দিগন্তরেখা বলে। আপাতদৃষ্টিতে এটি দিকের শেষ সীমা যেখানে পৃথিবীর সীমা আকাশের সঙ্গে মিশেছে বলে মনে হয়। == উক্তি == * আজি হেমন্তের শান্তি ব্যাপ্ত চরাচরে<br/>জনশূন্য ক্ষেত্র মাঝে দীপ্ত দ্বিপ্রহরে<br/>শব্দহীন গতিহীন স্তব্ধতা উদার<br/>রয়েছে পড়িয়া শ্রান্ত দিগন্ত প্রসার<br/>স্বর্ণশ্যাম ডানা মেলি। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], নৈবেদ্য-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৪ * জনতা মনে করে তারা সবকিছু জানে ও বোঝে, কিন্তু তারা যত বোকা হয়, তাদের দিগন্ত ততই প্রসারিত বলে মনে হয়। ** [[আন্তন চেখভ]], পত্রালাপ, ৩০ মে, ১৮৮৮ * অস্তগামী সূর্য্যের আভায় সীমাহীন সমুদ্র উদ্ভাসিত প্লাবিত; তরঙ্গরাশির সহিত আলোকের ওঠা পড়ার খেলা! পশ্চিম দিগন্ত অস্তগামী সূর্য্যের কিরণে রক্ত-গোলাপের আভায় রঙিন। আবার পরক্ষণে দেখিতে পাইবেন, শান্ত পদক্ষেপে আকাশে সন্ধ্যার আগমন অর্দ্ধঘণ্টায় দিগন্ত আঁধার আচ্ছন্ন হইয়া গিয়া শুধু ইতস্ততঃ স্বর্গীয় আলোকণিকার জ্যোতি! ইহা এত সুন্দর এমন নয়নাভিরাম ও প্রাণস্পর্শী! ** [[সুভাষচন্দ্র বসু]], শরৎচন্দ্র বসুকে লিখিত পত্র, পত্রাবলী (১৯১২-১৯৩২)-সুভাষচন্দ্র বসু, প্রকাশক- এম. সি. সরকার এন্ড সন্স লিমিটেড, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৯ * জনসমুদ্রে নেমেছে জোয়ার,<br>হৃদয়ে আমার চড়া।<br>চোরাবালি আমি দূরদিগন্তে ডাকি—<br>কোথায় ঘোড়সওয়ার? ** [[বিষ্ণু দে]], ঘােড়সওয়ার, চোরাবালি- বিষ্ণু দে, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৩৪৪ বঙ্গাব্দ, পৃষ্ঠা ১১ * আমাদের যাহা কিছু উত্তম, যাহা কিছু সৎ, উদার, অপূর্ব্ব ও অনুপম, তাহা বঙ্গভাষাতে লিপিবদ্ধ করিব, বাঙ্গালার সম্পত্তি বাঙ্গালার মাতৃভাষার ভাণ্ডারেই সঞ্চিত রাখিব, স্বহস্তে দেশকে বঞ্চিত করিয়া দেশের ধন বিদেশে বিলাইয়া দিব না, এমন করিয়া ধনের উপচয় করিব—বৃদ্ধি করিব, যাহাতে জলধির জলের ন্যায় আমার মাতৃভাষার ভাণ্ডারের সঞ্চিত ধনরাশি, যে যত পারে গ্রহণ করিলেও, কদাচ ক্ষয়প্রাপ্ত হইবে না। ঊষার অরুণচ্ছটায় যেমন দিগন্ত উদ্ভাসিত হয়, তেমনই আমার মাতৃভাষার আলোকচ্ছটায় পৃথিবীর এক প্রান্ত হইতে অপর প্রান্ত পর্য্যন্ত আলোকিত হইবে—ভাস্বর হইবে। ** [[আশুতোষ মুখোপাধ্যায়]], জাতীয় সাহিত্য - আশুতোষ মুখোপাধ্যায়, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৩৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১২৮ * পাহাড়ের চারপাশের বাতাস প্রতিধ্বনিত, পূজনীয়, কিংবদন্তিতুল্য, নিষিদ্ধ। পাহাড়ে প্রবেশ নিষিদ্ধ। আত্মার গভীরে পাহাড়ের এক বিশেষ স্থান রয়েছে। এটি এমন কিছুর দিগন্ত যা ক্রমাগত দূরে সরে যায়। এটি এক অনন্ত দিগন্তের অনুভূতি জাগিয়ে তোলে। ** ''দ্য নাভেল অফ লিম্বো'', এরপর দি নার্ভ-ওয়েজার এবং অন্যান্য রচনা, আন্তোনিন আর্তো, গ্যালিমার্ড, সংকলন "পোয়েট্রি/গ্যালিমার্ড", ১৯৫৬, অংশ দি নাভেল অফ লিম্বো, "একটি শারীরিক অবস্থার বর্ণনা", পৃ. ৬৬ * আমরা বন্দী থাকবো না তোমাদের পকেটে পকেটে,<br>আমরা বেরিয়ে পড়ব, আমরা ছড়িয়ে পড়ব<br>শহরে, গঞ্জে, গ্রামে—দিগন্ত থেকে দিগন্তে। ** [[সুকান্ত ভট্টাচার্য]], দেশলাই কাঠি, ছাড়পত্র কাব্যগ্রন্থ, সুকান্ত সমগ্র- সুকান্ত ভট্টাচার্য, প্রকাশক- সারস্বত লাইব্রেরী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৫৫-৫৬ * সমুদ্রের ধারের জমিতেই নারিকেলের সহজ আবাস। আমাদের আশ্রমের মাঠ সেই সমুদ্রকূল থেকে বহুদূরে। এখানে অনেক যত্নে একটি নারিকেলকে পালন করে তোলা হয়েছে- সে নিঃসঙ্গ, নিষ্ফল, নিস্তেজ। তাকে দেখে মনে হয়, সে যেন প্রাণপণে ঋজু হয়ে দাঁড়িয়ে দিগন্ত অতিক্রম করে কোনো-এক আকাঙ্ক্ষার ধনকে দেখবার চেষ্টা করছে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], নবীন, বনবাণী-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৭৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৯ * আলবার্ট আইনস্টাইনের কাজের মাধ্যমে মানবজাতির দিগন্ত অসীমভাবে প্রসারিত হয়েছে এবং একই সাথে, মহাবিশ্ব সম্পর্কে আমাদের উপলব্ধি এমন এক পূর্ণতা ও সামঞ্জস্য লাভ করেছে যা পূর্বে কেবলই একটি স্বপ্ন ছিল। ** [[নিলস বোর]], ''নিউ ইয়র্ক টাইমস'', ১৯ এপ্রিল, ১৯৫৫, পাইস-এর ''আই ট্রাস্ট মাই ইনটুইশন'', হাইডেলবার্গ, ১৯৯৫, পৃষ্ঠা ২৪৩-এ উদ্ধৃত, যা আবার অ্যালিস ক্যালাপ্রাইস (সম্পাদিত): ''আইনস্টাইন সেজ'', পাইপার-ভারলাগ, মিউনিখ, জুরিখ ১৯৯৬, আইএসবিএন ৩-৪৯২-০৩৯৩৫-৯, পৃষ্ঠা ২৪৩-এ উদ্ধৃত। * রানার চলেছে, রানার!<br>রাত্রির পথে পথে চলে কোনো নিষেধ জানে না মানার।<br>দিগন্ত থেকে দিগন্তে ছোটে রানার—<br>কাজ নিয়েছে সে নতুন খবর আনার। ** [[সুকান্ত ভট্টাচার্য]], রানার, ছাড়পত্র কাব্যগ্রন্থ, সুকান্ত সমগ্র- সুকান্ত ভট্টাচার্য, প্রকাশক- সারস্বত লাইব্রেরী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭৬ * তোমার জগৎ-জমিদারীর সীমা বাড়াইতে আরম্ভ কর। আফিসের দেয়াল অতিক্রম করিয়া দিগন্ত পর্য্যন্ত লইয়া যাও, দিগন্ত অতিক্রম করিয়া সমস্ত পৃথিবী পর্যন্ত বেষ্টন কর, পৃথিবী অতিক্রম করিয়া জ্যোতিষ্ক মণ্ডলে যাও এবং সমস্তু জগৎ অতিক্রম করিয়া অসীমের দিকে সীমা অগ্রসর করিতে থাক। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], জগতের জমিদারী, বিবিধ প্রসঙ্গ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- আদি ব্রাহ্মসমাজ যন্ত্র, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৮৩ খ্রিস্টাব্দ (১২৯০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১২৭-১২৮ * চোরাবালি ডাকি দূর দিগন্তে<br>কোথায় পুরুষকার?<br>হে প্রিয় আমার, প্রিয়তম মাের!<br>আয়ােজন কাঁপে কামনার ঘোর,<br>অঙ্গে আমার দেবে না অঙ্গীকার? ** [[বিষ্ণু দে]], ঘােড়সওয়ার, চোরাবালি- বিষ্ণু দে, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৩৪৪ বঙ্গাব্দ, পৃষ্ঠা ১২ * তারপর জীবনের ফাটলে-ফাটলে<br>কুয়াশা জড়ায়,<br>কুয়াশার মতো কথা হৃদয়ের দিগন্তে ছড়ায়। ** [[প্রেমেন্দ্র মিত্র]], কথা, প্রেমেন্দ্র মিত্রের সমগ্র কবিতা, প্রথম সংস্করণ, প্রকাশক- গ্রন্থালয় প্রাইভেট লিমিটেড, কলকাতা, প্রকাশসাল- ৮ মে ১৯৮৯ খ্রিস্টাব্দ (২৫ বৈশাখ ১৩৯৬বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৮৯ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} {{উইকিঅভিধান}} [[বিষয়শ্রেণী:বিষয়বস্তু]] [[বিষয়শ্রেণী:বিশ্বতত্ত্ব]] cj68fdbuqsm9svjdnue0rcbc08748ut 79912 79907 2026-04-23T06:41:14Z Salil Kumar Mukherjee 39 উক্তি যোগ 79912 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} [[চিত্র:Sureal Horizon.jpg|thumb|300px|পশ্চিম দিগন্ত অস্তগামী সূর্য্যের কিরণে রক্ত-গোলাপের আভায় রঙিন। আবার পরক্ষণে দেখিতে পাইবেন, শান্ত পদক্ষেপে আকাশে সন্ধ্যার আগমন অর্দ্ধঘণ্টায় দিগন্ত আঁধার আচ্ছন্ন হইয়া গিয়া শুধু ইতস্ততঃ স্বর্গীয় আলোকণিকার জ্যোতি! ইহা এত সুন্দর এমন নয়নাভিরাম ও প্রাণস্পর্শী!<br>—[[সুভাষচন্দ্র বসু]]]] '''[[:w:দিগন্ত|দিগন্ত]]''' বা '''দিকচক্রবাল''' বলতে সাধারণ দৃষ্টিতে পৃথিবী ও আকাশের সীমারেখাটিকে বোঝায়। অধিকাংশ স্থানে প্রকৃত দিগন্তরেখাটি গাছপালা, বাড়িঘর ইত্যাদির দ্বারা দৃষ্টিসীমার বাইরে থেকে যায়। কোনো নির্দিষ্ট একটি অবস্থান থেকে আমাদের দৃষ্টিসীমার মধ্যে যে স্থানে আকাশ এবং ভূপৃষ্ঠ সংযোগের দরুণ যে বৃত্তচাপীয় কাল্পনিক আপেক্ষিক সীমারেখা সৃষ্টি হয় তাকে দিগন্তরেখা বলে। আপাতদৃষ্টিতে এটি দিকের শেষ সীমা যেখানে পৃথিবীর সীমা আকাশের সঙ্গে মিশেছে বলে মনে হয়। == উক্তি == * আজি হেমন্তের শান্তি ব্যাপ্ত চরাচরে<br/>জনশূন্য ক্ষেত্র মাঝে দীপ্ত দ্বিপ্রহরে<br/>শব্দহীন গতিহীন স্তব্ধতা উদার<br/>রয়েছে পড়িয়া শ্রান্ত দিগন্ত প্রসার<br/>স্বর্ণশ্যাম ডানা মেলি। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], নৈবেদ্য-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৪ * জনতা মনে করে তারা সবকিছু জানে ও বোঝে, কিন্তু তারা যত বোকা হয়, তাদের দিগন্ত ততই প্রসারিত বলে মনে হয়। ** [[আন্তন চেখভ]], পত্রালাপ, ৩০ মে, ১৮৮৮ * অস্তগামী সূর্য্যের আভায় সীমাহীন সমুদ্র উদ্ভাসিত প্লাবিত; তরঙ্গরাশির সহিত আলোকের ওঠা পড়ার খেলা! পশ্চিম দিগন্ত অস্তগামী সূর্য্যের কিরণে রক্ত-গোলাপের আভায় রঙিন। আবার পরক্ষণে দেখিতে পাইবেন, শান্ত পদক্ষেপে আকাশে সন্ধ্যার আগমন অর্দ্ধঘণ্টায় দিগন্ত আঁধার আচ্ছন্ন হইয়া গিয়া শুধু ইতস্ততঃ স্বর্গীয় আলোকণিকার জ্যোতি! ইহা এত সুন্দর এমন নয়নাভিরাম ও প্রাণস্পর্শী! ** [[সুভাষচন্দ্র বসু]], শরৎচন্দ্র বসুকে লিখিত পত্র, পত্রাবলী (১৯১২-১৯৩২)-সুভাষচন্দ্র বসু, প্রকাশক- এম. সি. সরকার এন্ড সন্স লিমিটেড, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৯ * জনসমুদ্রে নেমেছে জোয়ার,<br>হৃদয়ে আমার চড়া।<br>চোরাবালি আমি দূরদিগন্তে ডাকি—<br>কোথায় ঘোড়সওয়ার? ** [[বিষ্ণু দে]], ঘােড়সওয়ার, চোরাবালি- বিষ্ণু দে, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৩৪৪ বঙ্গাব্দ, পৃষ্ঠা ১১ * আমাদের যাহা কিছু উত্তম, যাহা কিছু সৎ, উদার, অপূর্ব্ব ও অনুপম, তাহা বঙ্গভাষাতে লিপিবদ্ধ করিব, বাঙ্গালার সম্পত্তি বাঙ্গালার মাতৃভাষার ভাণ্ডারেই সঞ্চিত রাখিব, স্বহস্তে দেশকে বঞ্চিত করিয়া দেশের ধন বিদেশে বিলাইয়া দিব না, এমন করিয়া ধনের উপচয় করিব—বৃদ্ধি করিব, যাহাতে জলধির জলের ন্যায় আমার মাতৃভাষার ভাণ্ডারের সঞ্চিত ধনরাশি, যে যত পারে গ্রহণ করিলেও, কদাচ ক্ষয়প্রাপ্ত হইবে না। ঊষার অরুণচ্ছটায় যেমন দিগন্ত উদ্ভাসিত হয়, তেমনই আমার মাতৃভাষার আলোকচ্ছটায় পৃথিবীর এক প্রান্ত হইতে অপর প্রান্ত পর্য্যন্ত আলোকিত হইবে—ভাস্বর হইবে। ** [[আশুতোষ মুখোপাধ্যায়]], জাতীয় সাহিত্য - আশুতোষ মুখোপাধ্যায়, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৩৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১২৮ * পাহাড়ের চারপাশের বাতাস প্রতিধ্বনিত, পূজনীয়, কিংবদন্তিতুল্য, নিষিদ্ধ। পাহাড়ে প্রবেশ নিষিদ্ধ। আত্মার গভীরে পাহাড়ের এক বিশেষ স্থান রয়েছে। এটি এমন কিছুর দিগন্ত যা ক্রমাগত দূরে সরে যায়। এটি এক অনন্ত দিগন্তের অনুভূতি জাগিয়ে তোলে। ** ''দ্য নাভেল অফ লিম্বো'', এরপর দি নার্ভ-ওয়েজার এবং অন্যান্য রচনা, আন্তোনিন আর্তো, গ্যালিমার্ড, সংকলন "পোয়েট্রি/গ্যালিমার্ড", ১৯৫৬, অংশ দি নাভেল অফ লিম্বো, "একটি শারীরিক অবস্থার বর্ণনা", পৃ. ৬৬ * আমরা বন্দী থাকবো না তোমাদের পকেটে পকেটে,<br>আমরা বেরিয়ে পড়ব, আমরা ছড়িয়ে পড়ব<br>শহরে, গঞ্জে, গ্রামে—দিগন্ত থেকে দিগন্তে। ** [[সুকান্ত ভট্টাচার্য]], দেশলাই কাঠি, ছাড়পত্র কাব্যগ্রন্থ, সুকান্ত সমগ্র- সুকান্ত ভট্টাচার্য, প্রকাশক- সারস্বত লাইব্রেরী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৫৫-৫৬ * সমুদ্রের ধারের জমিতেই নারিকেলের সহজ আবাস। আমাদের আশ্রমের মাঠ সেই সমুদ্রকূল থেকে বহুদূরে। এখানে অনেক যত্নে একটি নারিকেলকে পালন করে তোলা হয়েছে- সে নিঃসঙ্গ, নিষ্ফল, নিস্তেজ। তাকে দেখে মনে হয়, সে যেন প্রাণপণে ঋজু হয়ে দাঁড়িয়ে দিগন্ত অতিক্রম করে কোনো-এক আকাঙ্ক্ষার ধনকে দেখবার চেষ্টা করছে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], নবীন, বনবাণী-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৭৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৯ * আলবার্ট আইনস্টাইনের কাজের মাধ্যমে মানবজাতির দিগন্ত অসীমভাবে প্রসারিত হয়েছে এবং একই সাথে, মহাবিশ্ব সম্পর্কে আমাদের উপলব্ধি এমন এক পূর্ণতা ও সামঞ্জস্য লাভ করেছে যা পূর্বে কেবলই একটি স্বপ্ন ছিল। ** [[নিলস বোর]], ''নিউ ইয়র্ক টাইমস'', ১৯ এপ্রিল, ১৯৫৫, পাইস-এর ''আই ট্রাস্ট মাই ইনটুইশন'', হাইডেলবার্গ, ১৯৯৫, পৃষ্ঠা ২৪৩-এ উদ্ধৃত, যা আবার অ্যালিস ক্যালাপ্রাইস (সম্পাদিত): ''আইনস্টাইন সেজ'', পাইপার-ভারলাগ, মিউনিখ, জুরিখ ১৯৯৬, আইএসবিএন ৩-৪৯২-০৩৯৩৫-৯, পৃষ্ঠা ২৪৩-এ উদ্ধৃত। * রানার চলেছে, রানার!<br>রাত্রির পথে পথে চলে কোনো নিষেধ জানে না মানার।<br>দিগন্ত থেকে দিগন্তে ছোটে রানার—<br>কাজ নিয়েছে সে নতুন খবর আনার। ** [[সুকান্ত ভট্টাচার্য]], রানার, ছাড়পত্র কাব্যগ্রন্থ, সুকান্ত সমগ্র- সুকান্ত ভট্টাচার্য, প্রকাশক- সারস্বত লাইব্রেরী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭৬ * তোমার জগৎ-জমিদারীর সীমা বাড়াইতে আরম্ভ কর। আফিসের দেয়াল অতিক্রম করিয়া দিগন্ত পর্য্যন্ত লইয়া যাও, দিগন্ত অতিক্রম করিয়া সমস্ত পৃথিবী পর্যন্ত বেষ্টন কর, পৃথিবী অতিক্রম করিয়া জ্যোতিষ্ক মণ্ডলে যাও এবং সমস্তু জগৎ অতিক্রম করিয়া অসীমের দিকে সীমা অগ্রসর করিতে থাক। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], জগতের জমিদারী, বিবিধ প্রসঙ্গ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- আদি ব্রাহ্মসমাজ যন্ত্র, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৮৩ খ্রিস্টাব্দ (১২৯০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১২৭-১২৮ * চোরাবালি ডাকি দূর দিগন্তে<br>কোথায় পুরুষকার?<br>হে প্রিয় আমার, প্রিয়তম মাের!<br>আয়ােজন কাঁপে কামনার ঘোর,<br>অঙ্গে আমার দেবে না অঙ্গীকার? ** [[বিষ্ণু দে]], ঘােড়সওয়ার, চোরাবালি- বিষ্ণু দে, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৩৪৪ বঙ্গাব্দ, পৃষ্ঠা ১২ * তারপর জীবনের ফাটলে-ফাটলে<br>কুয়াশা জড়ায়,<br>কুয়াশার মতো কথা হৃদয়ের দিগন্তে ছড়ায়। ** [[প্রেমেন্দ্র মিত্র]], কথা, প্রেমেন্দ্র মিত্রের সমগ্র কবিতা, প্রথম সংস্করণ, প্রকাশক- গ্রন্থালয় প্রাইভেট লিমিটেড, কলকাতা, প্রকাশসাল- ৮ মে ১৯৮৯ খ্রিস্টাব্দ (২৫ বৈশাখ ১৩৯৬বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৮৯ * হে অভুক্ত ক্ষুদিত শ্বাপদ—<br>তোমার উদ্যত থাবা, সংঘবদ্ধ প্রতিটি নখর<br>এখনো হয় নি নিরাপদ।<br>দিগন্তে দিগন্তে তাই ধ্বনিত গর্জন<br>তুমি চাও শোণিতের স্বাদ—<br>যে স্বাদ জেনেছে স্তালিনগ্রাদ। ** [[সুকান্ত ভট্টাচার্য]], চট্টগ্রাম: ১৯৪৩, ছাড়পত্র কাব্যগ্রন্থ, সুকান্ত সমগ্র- সুকান্ত ভট্টাচার্য, প্রকাশক- সারস্বত লাইব্রেরী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৬০ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} {{উইকিঅভিধান}} [[বিষয়শ্রেণী:বিষয়বস্তু]] [[বিষয়শ্রেণী:বিশ্বতত্ত্ব]] 41bmc2ovgblkdw1vjdnq5b0pehzo04c 79915 79912 2026-04-23T06:47:16Z Salil Kumar Mukherjee 39 উক্তি যোগ 79915 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} [[চিত্র:Sureal Horizon.jpg|thumb|300px|পশ্চিম দিগন্ত অস্তগামী সূর্য্যের কিরণে রক্ত-গোলাপের আভায় রঙিন। আবার পরক্ষণে দেখিতে পাইবেন, শান্ত পদক্ষেপে আকাশে সন্ধ্যার আগমন অর্দ্ধঘণ্টায় দিগন্ত আঁধার আচ্ছন্ন হইয়া গিয়া শুধু ইতস্ততঃ স্বর্গীয় আলোকণিকার জ্যোতি! ইহা এত সুন্দর এমন নয়নাভিরাম ও প্রাণস্পর্শী!<br>—[[সুভাষচন্দ্র বসু]]]] '''[[:w:দিগন্ত|দিগন্ত]]''' বা '''দিকচক্রবাল''' বলতে সাধারণ দৃষ্টিতে পৃথিবী ও আকাশের সীমারেখাটিকে বোঝায়। অধিকাংশ স্থানে প্রকৃত দিগন্তরেখাটি গাছপালা, বাড়িঘর ইত্যাদির দ্বারা দৃষ্টিসীমার বাইরে থেকে যায়। কোনো নির্দিষ্ট একটি অবস্থান থেকে আমাদের দৃষ্টিসীমার মধ্যে যে স্থানে আকাশ এবং ভূপৃষ্ঠ সংযোগের দরুণ যে বৃত্তচাপীয় কাল্পনিক আপেক্ষিক সীমারেখা সৃষ্টি হয় তাকে দিগন্তরেখা বলে। আপাতদৃষ্টিতে এটি দিকের শেষ সীমা যেখানে পৃথিবীর সীমা আকাশের সঙ্গে মিশেছে বলে মনে হয়। == উক্তি == * আজি হেমন্তের শান্তি ব্যাপ্ত চরাচরে<br/>জনশূন্য ক্ষেত্র মাঝে দীপ্ত দ্বিপ্রহরে<br/>শব্দহীন গতিহীন স্তব্ধতা উদার<br/>রয়েছে পড়িয়া শ্রান্ত দিগন্ত প্রসার<br/>স্বর্ণশ্যাম ডানা মেলি। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], নৈবেদ্য-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৪ * জনতা মনে করে তারা সবকিছু জানে ও বোঝে, কিন্তু তারা যত বোকা হয়, তাদের দিগন্ত ততই প্রসারিত বলে মনে হয়। ** [[আন্তন চেখভ]], পত্রালাপ, ৩০ মে, ১৮৮৮ * অস্তগামী সূর্য্যের আভায় সীমাহীন সমুদ্র উদ্ভাসিত প্লাবিত; তরঙ্গরাশির সহিত আলোকের ওঠা পড়ার খেলা! পশ্চিম দিগন্ত অস্তগামী সূর্য্যের কিরণে রক্ত-গোলাপের আভায় রঙিন। আবার পরক্ষণে দেখিতে পাইবেন, শান্ত পদক্ষেপে আকাশে সন্ধ্যার আগমন অর্দ্ধঘণ্টায় দিগন্ত আঁধার আচ্ছন্ন হইয়া গিয়া শুধু ইতস্ততঃ স্বর্গীয় আলোকণিকার জ্যোতি! ইহা এত সুন্দর এমন নয়নাভিরাম ও প্রাণস্পর্শী! ** [[সুভাষচন্দ্র বসু]], শরৎচন্দ্র বসুকে লিখিত পত্র, পত্রাবলী (১৯১২-১৯৩২)-সুভাষচন্দ্র বসু, প্রকাশক- এম. সি. সরকার এন্ড সন্স লিমিটেড, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৯ * জনসমুদ্রে নেমেছে জোয়ার,<br>হৃদয়ে আমার চড়া।<br>চোরাবালি আমি দূরদিগন্তে ডাকি—<br>কোথায় ঘোড়সওয়ার? ** [[বিষ্ণু দে]], ঘােড়সওয়ার, চোরাবালি- বিষ্ণু দে, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৩৪৪ বঙ্গাব্দ, পৃষ্ঠা ১১ * আমাদের যাহা কিছু উত্তম, যাহা কিছু সৎ, উদার, অপূর্ব্ব ও অনুপম, তাহা বঙ্গভাষাতে লিপিবদ্ধ করিব, বাঙ্গালার সম্পত্তি বাঙ্গালার মাতৃভাষার ভাণ্ডারেই সঞ্চিত রাখিব, স্বহস্তে দেশকে বঞ্চিত করিয়া দেশের ধন বিদেশে বিলাইয়া দিব না, এমন করিয়া ধনের উপচয় করিব—বৃদ্ধি করিব, যাহাতে জলধির জলের ন্যায় আমার মাতৃভাষার ভাণ্ডারের সঞ্চিত ধনরাশি, যে যত পারে গ্রহণ করিলেও, কদাচ ক্ষয়প্রাপ্ত হইবে না। ঊষার অরুণচ্ছটায় যেমন দিগন্ত উদ্ভাসিত হয়, তেমনই আমার মাতৃভাষার আলোকচ্ছটায় পৃথিবীর এক প্রান্ত হইতে অপর প্রান্ত পর্য্যন্ত আলোকিত হইবে—ভাস্বর হইবে। ** [[আশুতোষ মুখোপাধ্যায়]], জাতীয় সাহিত্য - আশুতোষ মুখোপাধ্যায়, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৩৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১২৮ * আমরা যেমন দিগন্ত পর্যন্ত সমুদ্রে প্রসারিত দেখিতে পাই, কিন্তু সমুদ্রের সীমা সেই খানেই নয়, তাহা অতিক্রম করিয়াও সমুদ্র আছে; তেমনি আমরা যাহাকে স্তব্ধতার দিগন্ত বলি, তাহার পরপারেও শব্দের সমুদ্র আছে, তাহা আমাদের শ্রবণের অতীত। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], বধিরতার সুখ, বিবিধ প্রসঙ্গ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- আদি ব্রাহ্মসমাজ যন্ত্র, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৮৩ খ্রিস্টাব্দ (১২৯০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৬৪ * পাহাড়ের চারপাশের বাতাস প্রতিধ্বনিত, পূজনীয়, কিংবদন্তিতুল্য, নিষিদ্ধ। পাহাড়ে প্রবেশ নিষিদ্ধ। আত্মার গভীরে পাহাড়ের এক বিশেষ স্থান রয়েছে। এটি এমন কিছুর দিগন্ত যা ক্রমাগত দূরে সরে যায়। এটি এক অনন্ত দিগন্তের অনুভূতি জাগিয়ে তোলে। ** ''দ্য নাভেল অফ লিম্বো'', এরপর দি নার্ভ-ওয়েজার এবং অন্যান্য রচনা, আন্তোনিন আর্তো, গ্যালিমার্ড, সংকলন "পোয়েট্রি/গ্যালিমার্ড", ১৯৫৬, অংশ দি নাভেল অফ লিম্বো, "একটি শারীরিক অবস্থার বর্ণনা", পৃ. ৬৬ * আমরা বন্দী থাকবো না তোমাদের পকেটে পকেটে,<br>আমরা বেরিয়ে পড়ব, আমরা ছড়িয়ে পড়ব<br>শহরে, গঞ্জে, গ্রামে—দিগন্ত থেকে দিগন্তে। ** [[সুকান্ত ভট্টাচার্য]], দেশলাই কাঠি, ছাড়পত্র কাব্যগ্রন্থ, সুকান্ত সমগ্র- সুকান্ত ভট্টাচার্য, প্রকাশক- সারস্বত লাইব্রেরী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৫৫-৫৬ * সমুদ্রের ধারের জমিতেই নারিকেলের সহজ আবাস। আমাদের আশ্রমের মাঠ সেই সমুদ্রকূল থেকে বহুদূরে। এখানে অনেক যত্নে একটি নারিকেলকে পালন করে তোলা হয়েছে- সে নিঃসঙ্গ, নিষ্ফল, নিস্তেজ। তাকে দেখে মনে হয়, সে যেন প্রাণপণে ঋজু হয়ে দাঁড়িয়ে দিগন্ত অতিক্রম করে কোনো-এক আকাঙ্ক্ষার ধনকে দেখবার চেষ্টা করছে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], নবীন, বনবাণী-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৭৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৯ * আলবার্ট আইনস্টাইনের কাজের মাধ্যমে মানবজাতির দিগন্ত অসীমভাবে প্রসারিত হয়েছে এবং একই সাথে, মহাবিশ্ব সম্পর্কে আমাদের উপলব্ধি এমন এক পূর্ণতা ও সামঞ্জস্য লাভ করেছে যা পূর্বে কেবলই একটি স্বপ্ন ছিল। ** [[নিলস বোর]], ''নিউ ইয়র্ক টাইমস'', ১৯ এপ্রিল, ১৯৫৫, পাইস-এর ''আই ট্রাস্ট মাই ইনটুইশন'', হাইডেলবার্গ, ১৯৯৫, পৃষ্ঠা ২৪৩-এ উদ্ধৃত, যা আবার অ্যালিস ক্যালাপ্রাইস (সম্পাদিত): ''আইনস্টাইন সেজ'', পাইপার-ভারলাগ, মিউনিখ, জুরিখ ১৯৯৬, আইএসবিএন ৩-৪৯২-০৩৯৩৫-৯, পৃষ্ঠা ২৪৩-এ উদ্ধৃত। * রানার চলেছে, রানার!<br>রাত্রির পথে পথে চলে কোনো নিষেধ জানে না মানার।<br>দিগন্ত থেকে দিগন্তে ছোটে রানার—<br>কাজ নিয়েছে সে নতুন খবর আনার। ** [[সুকান্ত ভট্টাচার্য]], রানার, ছাড়পত্র কাব্যগ্রন্থ, সুকান্ত সমগ্র- সুকান্ত ভট্টাচার্য, প্রকাশক- সারস্বত লাইব্রেরী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭৬ * তোমার জগৎ-জমিদারীর সীমা বাড়াইতে আরম্ভ কর। আফিসের দেয়াল অতিক্রম করিয়া দিগন্ত পর্য্যন্ত লইয়া যাও, দিগন্ত অতিক্রম করিয়া সমস্ত পৃথিবী পর্যন্ত বেষ্টন কর, পৃথিবী অতিক্রম করিয়া জ্যোতিষ্ক মণ্ডলে যাও এবং সমস্তু জগৎ অতিক্রম করিয়া অসীমের দিকে সীমা অগ্রসর করিতে থাক। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], জগতের জমিদারী, বিবিধ প্রসঙ্গ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- আদি ব্রাহ্মসমাজ যন্ত্র, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৮৩ খ্রিস্টাব্দ (১২৯০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১২৭-১২৮ * চোরাবালি ডাকি দূর দিগন্তে<br>কোথায় পুরুষকার?<br>হে প্রিয় আমার, প্রিয়তম মাের!<br>আয়ােজন কাঁপে কামনার ঘোর,<br>অঙ্গে আমার দেবে না অঙ্গীকার? ** [[বিষ্ণু দে]], ঘােড়সওয়ার, চোরাবালি- বিষ্ণু দে, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৩৪৪ বঙ্গাব্দ, পৃষ্ঠা ১২ * তারপর জীবনের ফাটলে-ফাটলে<br>কুয়াশা জড়ায়,<br>কুয়াশার মতো কথা হৃদয়ের দিগন্তে ছড়ায়। ** [[প্রেমেন্দ্র মিত্র]], কথা, প্রেমেন্দ্র মিত্রের সমগ্র কবিতা, প্রথম সংস্করণ, প্রকাশক- গ্রন্থালয় প্রাইভেট লিমিটেড, কলকাতা, প্রকাশসাল- ৮ মে ১৯৮৯ খ্রিস্টাব্দ (২৫ বৈশাখ ১৩৯৬বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৮৯ * হে অভুক্ত ক্ষুদিত শ্বাপদ—<br>তোমার উদ্যত থাবা, সংঘবদ্ধ প্রতিটি নখর<br>এখনো হয় নি নিরাপদ।<br>দিগন্তে দিগন্তে তাই ধ্বনিত গর্জন<br>তুমি চাও শোণিতের স্বাদ—<br>যে স্বাদ জেনেছে স্তালিনগ্রাদ। ** [[সুকান্ত ভট্টাচার্য]], চট্টগ্রাম: ১৯৪৩, ছাড়পত্র কাব্যগ্রন্থ, সুকান্ত সমগ্র- সুকান্ত ভট্টাচার্য, প্রকাশক- সারস্বত লাইব্রেরী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৬০ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} {{উইকিঅভিধান}} [[বিষয়শ্রেণী:বিষয়বস্তু]] [[বিষয়শ্রেণী:বিশ্বতত্ত্ব]] h55rijj9vdx7lo4x97afsxbeahomgql 79919 79915 2026-04-23T06:54:06Z Salil Kumar Mukherjee 39 উক্তি যোগ 79919 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} [[চিত্র:Sureal Horizon.jpg|thumb|300px|পশ্চিম দিগন্ত অস্তগামী সূর্য্যের কিরণে রক্ত-গোলাপের আভায় রঙিন। আবার পরক্ষণে দেখিতে পাইবেন, শান্ত পদক্ষেপে আকাশে সন্ধ্যার আগমন অর্দ্ধঘণ্টায় দিগন্ত আঁধার আচ্ছন্ন হইয়া গিয়া শুধু ইতস্ততঃ স্বর্গীয় আলোকণিকার জ্যোতি! ইহা এত সুন্দর এমন নয়নাভিরাম ও প্রাণস্পর্শী!<br>—[[সুভাষচন্দ্র বসু]]]] '''[[:w:দিগন্ত|দিগন্ত]]''' বা '''দিকচক্রবাল''' বলতে সাধারণ দৃষ্টিতে পৃথিবী ও আকাশের সীমারেখাটিকে বোঝায়। অধিকাংশ স্থানে প্রকৃত দিগন্তরেখাটি গাছপালা, বাড়িঘর ইত্যাদির দ্বারা দৃষ্টিসীমার বাইরে থেকে যায়। কোনো নির্দিষ্ট একটি অবস্থান থেকে আমাদের দৃষ্টিসীমার মধ্যে যে স্থানে আকাশ এবং ভূপৃষ্ঠ সংযোগের দরুণ যে বৃত্তচাপীয় কাল্পনিক আপেক্ষিক সীমারেখা সৃষ্টি হয় তাকে দিগন্তরেখা বলে। আপাতদৃষ্টিতে এটি দিকের শেষ সীমা যেখানে পৃথিবীর সীমা আকাশের সঙ্গে মিশেছে বলে মনে হয়। == উক্তি == * আজি হেমন্তের শান্তি ব্যাপ্ত চরাচরে<br/>জনশূন্য ক্ষেত্র মাঝে দীপ্ত দ্বিপ্রহরে<br/>শব্দহীন গতিহীন স্তব্ধতা উদার<br/>রয়েছে পড়িয়া শ্রান্ত দিগন্ত প্রসার<br/>স্বর্ণশ্যাম ডানা মেলি। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], নৈবেদ্য-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৪ * জনতা মনে করে তারা সবকিছু জানে ও বোঝে, কিন্তু তারা যত বোকা হয়, তাদের দিগন্ত ততই প্রসারিত বলে মনে হয়। ** [[আন্তন চেখভ]], পত্রালাপ, ৩০ মে, ১৮৮৮ * অস্তগামী সূর্য্যের আভায় সীমাহীন সমুদ্র উদ্ভাসিত প্লাবিত; তরঙ্গরাশির সহিত আলোকের ওঠা পড়ার খেলা! পশ্চিম দিগন্ত অস্তগামী সূর্য্যের কিরণে রক্ত-গোলাপের আভায় রঙিন। আবার পরক্ষণে দেখিতে পাইবেন, শান্ত পদক্ষেপে আকাশে সন্ধ্যার আগমন অর্দ্ধঘণ্টায় দিগন্ত আঁধার আচ্ছন্ন হইয়া গিয়া শুধু ইতস্ততঃ স্বর্গীয় আলোকণিকার জ্যোতি! ইহা এত সুন্দর এমন নয়নাভিরাম ও প্রাণস্পর্শী! ** [[সুভাষচন্দ্র বসু]], শরৎচন্দ্র বসুকে লিখিত পত্র, পত্রাবলী (১৯১২-১৯৩২)-সুভাষচন্দ্র বসু, প্রকাশক- এম. সি. সরকার এন্ড সন্স লিমিটেড, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৯ * জনসমুদ্রে নেমেছে জোয়ার,<br>হৃদয়ে আমার চড়া।<br>চোরাবালি আমি দূরদিগন্তে ডাকি—<br>কোথায় ঘোড়সওয়ার? ** [[বিষ্ণু দে]], ঘােড়সওয়ার, চোরাবালি- বিষ্ণু দে, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৩৪৪ বঙ্গাব্দ, পৃষ্ঠা ১১ * আমাদের যাহা কিছু উত্তম, যাহা কিছু সৎ, উদার, অপূর্ব্ব ও অনুপম, তাহা বঙ্গভাষাতে লিপিবদ্ধ করিব, বাঙ্গালার সম্পত্তি বাঙ্গালার মাতৃভাষার ভাণ্ডারেই সঞ্চিত রাখিব, স্বহস্তে দেশকে বঞ্চিত করিয়া দেশের ধন বিদেশে বিলাইয়া দিব না, এমন করিয়া ধনের উপচয় করিব—বৃদ্ধি করিব, যাহাতে জলধির জলের ন্যায় আমার মাতৃভাষার ভাণ্ডারের সঞ্চিত ধনরাশি, যে যত পারে গ্রহণ করিলেও, কদাচ ক্ষয়প্রাপ্ত হইবে না। ঊষার অরুণচ্ছটায় যেমন দিগন্ত উদ্ভাসিত হয়, তেমনই আমার মাতৃভাষার আলোকচ্ছটায় পৃথিবীর এক প্রান্ত হইতে অপর প্রান্ত পর্য্যন্ত আলোকিত হইবে—ভাস্বর হইবে। ** [[আশুতোষ মুখোপাধ্যায়]], জাতীয় সাহিত্য - আশুতোষ মুখোপাধ্যায়, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৩৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১২৮ * আমরা যেমন দিগন্ত পর্যন্ত সমুদ্রে প্রসারিত দেখিতে পাই, কিন্তু সমুদ্রের সীমা সেই খানেই নয়, তাহা অতিক্রম করিয়াও সমুদ্র আছে; তেমনি আমরা যাহাকে স্তব্ধতার দিগন্ত বলি, তাহার পরপারেও শব্দের সমুদ্র আছে, তাহা আমাদের শ্রবণের অতীত। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], বধিরতার সুখ, বিবিধ প্রসঙ্গ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- আদি ব্রাহ্মসমাজ যন্ত্র, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৮৩ খ্রিস্টাব্দ (১২৯০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৬৪ * পাহাড়ের চারপাশের বাতাস প্রতিধ্বনিত, পূজনীয়, কিংবদন্তিতুল্য, নিষিদ্ধ। পাহাড়ে প্রবেশ নিষিদ্ধ। আত্মার গভীরে পাহাড়ের এক বিশেষ স্থান রয়েছে। এটি এমন কিছুর দিগন্ত যা ক্রমাগত দূরে সরে যায়। এটি এক অনন্ত দিগন্তের অনুভূতি জাগিয়ে তোলে। ** ''দ্য নাভেল অফ লিম্বো'', এরপর দি নার্ভ-ওয়েজার এবং অন্যান্য রচনা, আন্তোনিন আর্তো, গ্যালিমার্ড, সংকলন "পোয়েট্রি/গ্যালিমার্ড", ১৯৫৬, অংশ দি নাভেল অফ লিম্বো, "একটি শারীরিক অবস্থার বর্ণনা", পৃ. ৬৬ * আমরা বন্দী থাকবো না তোমাদের পকেটে পকেটে,<br>আমরা বেরিয়ে পড়ব, আমরা ছড়িয়ে পড়ব<br>শহরে, গঞ্জে, গ্রামে—দিগন্ত থেকে দিগন্তে। ** [[সুকান্ত ভট্টাচার্য]], দেশলাই কাঠি, ছাড়পত্র কাব্যগ্রন্থ, সুকান্ত সমগ্র- সুকান্ত ভট্টাচার্য, প্রকাশক- সারস্বত লাইব্রেরী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৫৫-৫৬ * সমুদ্রের ধারের জমিতেই নারিকেলের সহজ আবাস। আমাদের আশ্রমের মাঠ সেই সমুদ্রকূল থেকে বহুদূরে। এখানে অনেক যত্নে একটি নারিকেলকে পালন করে তোলা হয়েছে- সে নিঃসঙ্গ, নিষ্ফল, নিস্তেজ। তাকে দেখে মনে হয়, সে যেন প্রাণপণে ঋজু হয়ে দাঁড়িয়ে দিগন্ত অতিক্রম করে কোনো-এক আকাঙ্ক্ষার ধনকে দেখবার চেষ্টা করছে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], নবীন, বনবাণী-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৭৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৯ * আলবার্ট আইনস্টাইনের কাজের মাধ্যমে মানবজাতির দিগন্ত অসীমভাবে প্রসারিত হয়েছে এবং একই সাথে, মহাবিশ্ব সম্পর্কে আমাদের উপলব্ধি এমন এক পূর্ণতা ও সামঞ্জস্য লাভ করেছে যা পূর্বে কেবলই একটি স্বপ্ন ছিল। ** [[নিলস বোর]], ''নিউ ইয়র্ক টাইমস'', ১৯ এপ্রিল, ১৯৫৫, পাইস-এর ''আই ট্রাস্ট মাই ইনটুইশন'', হাইডেলবার্গ, ১৯৯৫, পৃষ্ঠা ২৪৩-এ উদ্ধৃত, যা আবার অ্যালিস ক্যালাপ্রাইস (সম্পাদিত): ''আইনস্টাইন সেজ'', পাইপার-ভারলাগ, মিউনিখ, জুরিখ ১৯৯৬, আইএসবিএন ৩-৪৯২-০৩৯৩৫-৯, পৃষ্ঠা ২৪৩-এ উদ্ধৃত। * রানার চলেছে, রানার!<br>রাত্রির পথে পথে চলে কোনো নিষেধ জানে না মানার।<br>দিগন্ত থেকে দিগন্তে ছোটে রানার—<br>কাজ নিয়েছে সে নতুন খবর আনার। ** [[সুকান্ত ভট্টাচার্য]], রানার, ছাড়পত্র কাব্যগ্রন্থ, সুকান্ত সমগ্র- সুকান্ত ভট্টাচার্য, প্রকাশক- সারস্বত লাইব্রেরী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭৬ * তোমার জগৎ-জমিদারীর সীমা বাড়াইতে আরম্ভ কর। আফিসের দেয়াল অতিক্রম করিয়া দিগন্ত পর্য্যন্ত লইয়া যাও, দিগন্ত অতিক্রম করিয়া সমস্ত পৃথিবী পর্যন্ত বেষ্টন কর, পৃথিবী অতিক্রম করিয়া জ্যোতিষ্ক মণ্ডলে যাও এবং সমস্তু জগৎ অতিক্রম করিয়া অসীমের দিকে সীমা অগ্রসর করিতে থাক। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], জগতের জমিদারী, বিবিধ প্রসঙ্গ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- আদি ব্রাহ্মসমাজ যন্ত্র, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৮৩ খ্রিস্টাব্দ (১২৯০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১২৭-১২৮ * চোরাবালি ডাকি দূর দিগন্তে<br>কোথায় পুরুষকার?<br>হে প্রিয় আমার, প্রিয়তম মাের!<br>আয়ােজন কাঁপে কামনার ঘোর,<br>অঙ্গে আমার দেবে না অঙ্গীকার? ** [[বিষ্ণু দে]], ঘােড়সওয়ার, চোরাবালি- বিষ্ণু দে, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৩৪৪ বঙ্গাব্দ, পৃষ্ঠা ১২ * তারপর জীবনের ফাটলে-ফাটলে<br>কুয়াশা জড়ায়,<br>কুয়াশার মতো কথা হৃদয়ের দিগন্তে ছড়ায়। ** [[প্রেমেন্দ্র মিত্র]], কথা, প্রেমেন্দ্র মিত্রের সমগ্র কবিতা, প্রথম সংস্করণ, প্রকাশক- গ্রন্থালয় প্রাইভেট লিমিটেড, কলকাতা, প্রকাশসাল- ৮ মে ১৯৮৯ খ্রিস্টাব্দ (২৫ বৈশাখ ১৩৯৬বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৮৯ * সূর্য্য আজ মেঘের মধ্যেই উঠিয়াছে, মেঘের মধ্যেই অস্ত গেল। কখন যে দিনের অবসান হইল, ও সন্ধ্যার আরম্ভ হইল বুঝা গেল না। বিকালের দিকে পশ্চিমের মুখে একটুখানি সােনার রেখা ফুঠিয়াছিল, কিন্তু দিন শেষ হতে না হইতেই মিলাইয়া গেল। আঁধারের উপর আঁধার ঘনাইতে লাগিল। দিগন্ত হইতে দিগন্ত আচ্ছন্ন হইয়া গেল। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], বৌ-ঠাকুরাণীর হাট, পঞ্চবিংশ পরিচ্ছেদ, বৌ-ঠাকুরাণীর হাট - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান পাবলিশিং হাউস, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১০ খ্রিস্টাব্দ (১৩১৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩৫ * হে অভুক্ত ক্ষুদিত শ্বাপদ—<br>তোমার উদ্যত থাবা, সংঘবদ্ধ প্রতিটি নখর<br>এখনো হয় নি নিরাপদ।<br>দিগন্তে দিগন্তে তাই ধ্বনিত গর্জন<br>তুমি চাও শোণিতের স্বাদ—<br>যে স্বাদ জেনেছে স্তালিনগ্রাদ। ** [[সুকান্ত ভট্টাচার্য]], চট্টগ্রাম: ১৯৪৩, ছাড়পত্র কাব্যগ্রন্থ, সুকান্ত সমগ্র- সুকান্ত ভট্টাচার্য, প্রকাশক- সারস্বত লাইব্রেরী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৬০ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} {{উইকিঅভিধান}} [[বিষয়শ্রেণী:বিষয়বস্তু]] [[বিষয়শ্রেণী:বিশ্বতত্ত্ব]] d40hlzgympk9vo2141up99u1ooybakq 79924 79919 2026-04-23T07:05:10Z Salil Kumar Mukherjee 39 উক্তি যোগ 79924 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} [[চিত্র:Sureal Horizon.jpg|thumb|300px|পশ্চিম দিগন্ত অস্তগামী সূর্য্যের কিরণে রক্ত-গোলাপের আভায় রঙিন। আবার পরক্ষণে দেখিতে পাইবেন, শান্ত পদক্ষেপে আকাশে সন্ধ্যার আগমন অর্দ্ধঘণ্টায় দিগন্ত আঁধার আচ্ছন্ন হইয়া গিয়া শুধু ইতস্ততঃ স্বর্গীয় আলোকণিকার জ্যোতি! ইহা এত সুন্দর এমন নয়নাভিরাম ও প্রাণস্পর্শী!<br>—[[সুভাষচন্দ্র বসু]]]] '''[[:w:দিগন্ত|দিগন্ত]]''' বা '''দিকচক্রবাল''' বলতে সাধারণ দৃষ্টিতে পৃথিবী ও আকাশের সীমারেখাটিকে বোঝায়। অধিকাংশ স্থানে প্রকৃত দিগন্তরেখাটি গাছপালা, বাড়িঘর ইত্যাদির দ্বারা দৃষ্টিসীমার বাইরে থেকে যায়। কোনো নির্দিষ্ট একটি অবস্থান থেকে আমাদের দৃষ্টিসীমার মধ্যে যে স্থানে আকাশ এবং ভূপৃষ্ঠ সংযোগের দরুণ যে বৃত্তচাপীয় কাল্পনিক আপেক্ষিক সীমারেখা সৃষ্টি হয় তাকে দিগন্তরেখা বলে। আপাতদৃষ্টিতে এটি দিকের শেষ সীমা যেখানে পৃথিবীর সীমা আকাশের সঙ্গে মিশেছে বলে মনে হয়। == উক্তি == * আজি হেমন্তের শান্তি ব্যাপ্ত চরাচরে<br/>জনশূন্য ক্ষেত্র মাঝে দীপ্ত দ্বিপ্রহরে<br/>শব্দহীন গতিহীন স্তব্ধতা উদার<br/>রয়েছে পড়িয়া শ্রান্ত দিগন্ত প্রসার<br/>স্বর্ণশ্যাম ডানা মেলি। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], নৈবেদ্য-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৪ * জনতা মনে করে তারা সবকিছু জানে ও বোঝে, কিন্তু তারা যত বোকা হয়, তাদের দিগন্ত ততই প্রসারিত বলে মনে হয়। ** [[আন্তন চেখভ]], পত্রালাপ, ৩০ মে, ১৮৮৮ * অস্তগামী সূর্য্যের আভায় সীমাহীন সমুদ্র উদ্ভাসিত প্লাবিত; তরঙ্গরাশির সহিত আলোকের ওঠা পড়ার খেলা! পশ্চিম দিগন্ত অস্তগামী সূর্য্যের কিরণে রক্ত-গোলাপের আভায় রঙিন। আবার পরক্ষণে দেখিতে পাইবেন, শান্ত পদক্ষেপে আকাশে সন্ধ্যার আগমন অর্দ্ধঘণ্টায় দিগন্ত আঁধার আচ্ছন্ন হইয়া গিয়া শুধু ইতস্ততঃ স্বর্গীয় আলোকণিকার জ্যোতি! ইহা এত সুন্দর এমন নয়নাভিরাম ও প্রাণস্পর্শী! ** [[সুভাষচন্দ্র বসু]], শরৎচন্দ্র বসুকে লিখিত পত্র, পত্রাবলী (১৯১২-১৯৩২)-সুভাষচন্দ্র বসু, প্রকাশক- এম. সি. সরকার এন্ড সন্স লিমিটেড, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৯ * জনসমুদ্রে নেমেছে জোয়ার,<br>হৃদয়ে আমার চড়া।<br>চোরাবালি আমি দূরদিগন্তে ডাকি—<br>কোথায় ঘোড়সওয়ার? ** [[বিষ্ণু দে]], ঘােড়সওয়ার, চোরাবালি- বিষ্ণু দে, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৩৪৪ বঙ্গাব্দ, পৃষ্ঠা ১১ * আমাদের যাহা কিছু উত্তম, যাহা কিছু সৎ, উদার, অপূর্ব্ব ও অনুপম, তাহা বঙ্গভাষাতে লিপিবদ্ধ করিব, বাঙ্গালার সম্পত্তি বাঙ্গালার মাতৃভাষার ভাণ্ডারেই সঞ্চিত রাখিব, স্বহস্তে দেশকে বঞ্চিত করিয়া দেশের ধন বিদেশে বিলাইয়া দিব না, এমন করিয়া ধনের উপচয় করিব—বৃদ্ধি করিব, যাহাতে জলধির জলের ন্যায় আমার মাতৃভাষার ভাণ্ডারের সঞ্চিত ধনরাশি, যে যত পারে গ্রহণ করিলেও, কদাচ ক্ষয়প্রাপ্ত হইবে না। ঊষার অরুণচ্ছটায় যেমন দিগন্ত উদ্ভাসিত হয়, তেমনই আমার মাতৃভাষার আলোকচ্ছটায় পৃথিবীর এক প্রান্ত হইতে অপর প্রান্ত পর্য্যন্ত আলোকিত হইবে—ভাস্বর হইবে। ** [[আশুতোষ মুখোপাধ্যায়]], জাতীয় সাহিত্য - আশুতোষ মুখোপাধ্যায়, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৩৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১২৮ * আমরা যেমন দিগন্ত পর্যন্ত সমুদ্রে প্রসারিত দেখিতে পাই, কিন্তু সমুদ্রের সীমা সেই খানেই নয়, তাহা অতিক্রম করিয়াও সমুদ্র আছে; তেমনি আমরা যাহাকে স্তব্ধতার দিগন্ত বলি, তাহার পরপারেও শব্দের সমুদ্র আছে, তাহা আমাদের শ্রবণের অতীত। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], বধিরতার সুখ, বিবিধ প্রসঙ্গ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- আদি ব্রাহ্মসমাজ যন্ত্র, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৮৩ খ্রিস্টাব্দ (১২৯০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৬৪ * পাহাড়ের চারপাশের বাতাস প্রতিধ্বনিত, পূজনীয়, কিংবদন্তিতুল্য, নিষিদ্ধ। পাহাড়ে প্রবেশ নিষিদ্ধ। আত্মার গভীরে পাহাড়ের এক বিশেষ স্থান রয়েছে। এটি এমন কিছুর দিগন্ত যা ক্রমাগত দূরে সরে যায়। এটি এক অনন্ত দিগন্তের অনুভূতি জাগিয়ে তোলে। ** ''দ্য নাভেল অফ লিম্বো'', এরপর দি নার্ভ-ওয়েজার এবং অন্যান্য রচনা, আন্তোনিন আর্তো, গ্যালিমার্ড, সংকলন "পোয়েট্রি/গ্যালিমার্ড", ১৯৫৬, অংশ দি নাভেল অফ লিম্বো, "একটি শারীরিক অবস্থার বর্ণনা", পৃ. ৬৬ * আমরা বন্দী থাকবো না তোমাদের পকেটে পকেটে,<br>আমরা বেরিয়ে পড়ব, আমরা ছড়িয়ে পড়ব<br>শহরে, গঞ্জে, গ্রামে—দিগন্ত থেকে দিগন্তে। ** [[সুকান্ত ভট্টাচার্য]], দেশলাই কাঠি, ছাড়পত্র কাব্যগ্রন্থ, সুকান্ত সমগ্র- সুকান্ত ভট্টাচার্য, প্রকাশক- সারস্বত লাইব্রেরী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৫৫-৫৬ * সমুদ্রের ধারের জমিতেই নারিকেলের সহজ আবাস। আমাদের আশ্রমের মাঠ সেই সমুদ্রকূল থেকে বহুদূরে। এখানে অনেক যত্নে একটি নারিকেলকে পালন করে তোলা হয়েছে- সে নিঃসঙ্গ, নিষ্ফল, নিস্তেজ। তাকে দেখে মনে হয়, সে যেন প্রাণপণে ঋজু হয়ে দাঁড়িয়ে দিগন্ত অতিক্রম করে কোনো-এক আকাঙ্ক্ষার ধনকে দেখবার চেষ্টা করছে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], নবীন, বনবাণী-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৭৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৯ * আলবার্ট আইনস্টাইনের কাজের মাধ্যমে মানবজাতির দিগন্ত অসীমভাবে প্রসারিত হয়েছে এবং একই সাথে, মহাবিশ্ব সম্পর্কে আমাদের উপলব্ধি এমন এক পূর্ণতা ও সামঞ্জস্য লাভ করেছে যা পূর্বে কেবলই একটি স্বপ্ন ছিল। ** [[নিলস বোর]], ''নিউ ইয়র্ক টাইমস'', ১৯ এপ্রিল, ১৯৫৫, পাইস-এর ''আই ট্রাস্ট মাই ইনটুইশন'', হাইডেলবার্গ, ১৯৯৫, পৃষ্ঠা ২৪৩-এ উদ্ধৃত, যা আবার অ্যালিস ক্যালাপ্রাইস (সম্পাদিত): ''আইনস্টাইন সেজ'', পাইপার-ভারলাগ, মিউনিখ, জুরিখ ১৯৯৬, আইএসবিএন ৩-৪৯২-০৩৯৩৫-৯, পৃষ্ঠা ২৪৩-এ উদ্ধৃত। * রানার চলেছে, রানার!<br>রাত্রির পথে পথে চলে কোনো নিষেধ জানে না মানার।<br>দিগন্ত থেকে দিগন্তে ছোটে রানার—<br>কাজ নিয়েছে সে নতুন খবর আনার। ** [[সুকান্ত ভট্টাচার্য]], রানার, ছাড়পত্র কাব্যগ্রন্থ, সুকান্ত সমগ্র- সুকান্ত ভট্টাচার্য, প্রকাশক- সারস্বত লাইব্রেরী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭৬ * তোমার জগৎ-জমিদারীর সীমা বাড়াইতে আরম্ভ কর। আফিসের দেয়াল অতিক্রম করিয়া দিগন্ত পর্য্যন্ত লইয়া যাও, দিগন্ত অতিক্রম করিয়া সমস্ত পৃথিবী পর্যন্ত বেষ্টন কর, পৃথিবী অতিক্রম করিয়া জ্যোতিষ্ক মণ্ডলে যাও এবং সমস্তু জগৎ অতিক্রম করিয়া অসীমের দিকে সীমা অগ্রসর করিতে থাক। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], জগতের জমিদারী, বিবিধ প্রসঙ্গ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- আদি ব্রাহ্মসমাজ যন্ত্র, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৮৩ খ্রিস্টাব্দ (১২৯০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১২৭-১২৮ * চোরাবালি ডাকি দূর দিগন্তে<br>কোথায় পুরুষকার?<br>হে প্রিয় আমার, প্রিয়তম মাের!<br>আয়ােজন কাঁপে কামনার ঘোর,<br>অঙ্গে আমার দেবে না অঙ্গীকার? ** [[বিষ্ণু দে]], ঘােড়সওয়ার, চোরাবালি- বিষ্ণু দে, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৩৪৪ বঙ্গাব্দ, পৃষ্ঠা ১২ * মৃত্যুর কথা অনেকবার মনে হল। চারিদিকেই ত মৃত্যু, দিগন্ত থেকে দিগন্ত পর্য্যন্ত মৃত্যু—আমার প্রাণ এর মধ্যে এতটুকু। এই অতি ছোটটার উপরেই কি সমস্ত আস্থা রাখব, আর এই এত বড়টাকে কিছু বিশ্বাস করব না?―বড়র উপরে ভরসা রাখাই ভাল। * [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], জাপান-যাত্রী - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান পাবলিশিং হাউস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১৯ খ্রিস্টাব্দ (১৩২৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৭-১৮ * তারপর জীবনের ফাটলে-ফাটলে<br>কুয়াশা জড়ায়,<br>কুয়াশার মতো কথা হৃদয়ের দিগন্তে ছড়ায়। ** [[প্রেমেন্দ্র মিত্র]], কথা, প্রেমেন্দ্র মিত্রের সমগ্র কবিতা, প্রথম সংস্করণ, প্রকাশক- গ্রন্থালয় প্রাইভেট লিমিটেড, কলকাতা, প্রকাশসাল- ৮ মে ১৯৮৯ খ্রিস্টাব্দ (২৫ বৈশাখ ১৩৯৬বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৮৯ * সূর্য্য আজ মেঘের মধ্যেই উঠিয়াছে, মেঘের মধ্যেই অস্ত গেল। কখন যে দিনের অবসান হইল, ও সন্ধ্যার আরম্ভ হইল বুঝা গেল না। বিকালের দিকে পশ্চিমের মুখে একটুখানি সােনার রেখা ফুঠিয়াছিল, কিন্তু দিন শেষ হতে না হইতেই মিলাইয়া গেল। আঁধারের উপর আঁধার ঘনাইতে লাগিল। দিগন্ত হইতে দিগন্ত আচ্ছন্ন হইয়া গেল। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], বৌ-ঠাকুরাণীর হাট, পঞ্চবিংশ পরিচ্ছেদ, বৌ-ঠাকুরাণীর হাট - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান পাবলিশিং হাউস, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১০ খ্রিস্টাব্দ (১৩১৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩৫ * হে অভুক্ত ক্ষুদিত শ্বাপদ—<br>তোমার উদ্যত থাবা, সংঘবদ্ধ প্রতিটি নখর<br>এখনো হয় নি নিরাপদ।<br>দিগন্তে দিগন্তে তাই ধ্বনিত গর্জন<br>তুমি চাও শোণিতের স্বাদ—<br>যে স্বাদ জেনেছে স্তালিনগ্রাদ। ** [[সুকান্ত ভট্টাচার্য]], চট্টগ্রাম: ১৯৪৩, ছাড়পত্র কাব্যগ্রন্থ, সুকান্ত সমগ্র- সুকান্ত ভট্টাচার্য, প্রকাশক- সারস্বত লাইব্রেরী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৬০ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} {{উইকিঅভিধান}} [[বিষয়শ্রেণী:বিষয়বস্তু]] [[বিষয়শ্রেণী:বিশ্বতত্ত্ব]] m2qwwdaz5aarad6oos8z87dq1j65zhq 79931 79924 2026-04-23T07:13:15Z Salil Kumar Mukherjee 39 উক্তি যোগ 79931 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} [[চিত্র:Sureal Horizon.jpg|thumb|300px|পশ্চিম দিগন্ত অস্তগামী সূর্য্যের কিরণে রক্ত-গোলাপের আভায় রঙিন। আবার পরক্ষণে দেখিতে পাইবেন, শান্ত পদক্ষেপে আকাশে সন্ধ্যার আগমন অর্দ্ধঘণ্টায় দিগন্ত আঁধার আচ্ছন্ন হইয়া গিয়া শুধু ইতস্ততঃ স্বর্গীয় আলোকণিকার জ্যোতি! ইহা এত সুন্দর এমন নয়নাভিরাম ও প্রাণস্পর্শী!<br>—[[সুভাষচন্দ্র বসু]]]] '''[[:w:দিগন্ত|দিগন্ত]]''' বা '''দিকচক্রবাল''' বলতে সাধারণ দৃষ্টিতে পৃথিবী ও আকাশের সীমারেখাটিকে বোঝায়। অধিকাংশ স্থানে প্রকৃত দিগন্তরেখাটি গাছপালা, বাড়িঘর ইত্যাদির দ্বারা দৃষ্টিসীমার বাইরে থেকে যায়। কোনো নির্দিষ্ট একটি অবস্থান থেকে আমাদের দৃষ্টিসীমার মধ্যে যে স্থানে আকাশ এবং ভূপৃষ্ঠ সংযোগের দরুণ যে বৃত্তচাপীয় কাল্পনিক আপেক্ষিক সীমারেখা সৃষ্টি হয় তাকে দিগন্তরেখা বলে। আপাতদৃষ্টিতে এটি দিকের শেষ সীমা যেখানে পৃথিবীর সীমা আকাশের সঙ্গে মিশেছে বলে মনে হয়। == উক্তি == * আজি হেমন্তের শান্তি ব্যাপ্ত চরাচরে<br/>জনশূন্য ক্ষেত্র মাঝে দীপ্ত দ্বিপ্রহরে<br/>শব্দহীন গতিহীন স্তব্ধতা উদার<br/>রয়েছে পড়িয়া শ্রান্ত দিগন্ত প্রসার<br/>স্বর্ণশ্যাম ডানা মেলি। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], নৈবেদ্য-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৪ * জনতা মনে করে তারা সবকিছু জানে ও বোঝে, কিন্তু তারা যত বোকা হয়, তাদের দিগন্ত ততই প্রসারিত বলে মনে হয়। ** [[আন্তন চেখভ]], পত্রালাপ, ৩০ মে, ১৮৮৮ * অস্তগামী সূর্য্যের আভায় সীমাহীন সমুদ্র উদ্ভাসিত প্লাবিত; তরঙ্গরাশির সহিত আলোকের ওঠা পড়ার খেলা! পশ্চিম দিগন্ত অস্তগামী সূর্য্যের কিরণে রক্ত-গোলাপের আভায় রঙিন। আবার পরক্ষণে দেখিতে পাইবেন, শান্ত পদক্ষেপে আকাশে সন্ধ্যার আগমন অর্দ্ধঘণ্টায় দিগন্ত আঁধার আচ্ছন্ন হইয়া গিয়া শুধু ইতস্ততঃ স্বর্গীয় আলোকণিকার জ্যোতি! ইহা এত সুন্দর এমন নয়নাভিরাম ও প্রাণস্পর্শী! ** [[সুভাষচন্দ্র বসু]], শরৎচন্দ্র বসুকে লিখিত পত্র, পত্রাবলী (১৯১২-১৯৩২)-সুভাষচন্দ্র বসু, প্রকাশক- এম. সি. সরকার এন্ড সন্স লিমিটেড, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৯ * জনসমুদ্রে নেমেছে জোয়ার,<br>হৃদয়ে আমার চড়া।<br>চোরাবালি আমি দূরদিগন্তে ডাকি—<br>কোথায় ঘোড়সওয়ার? ** [[বিষ্ণু দে]], ঘােড়সওয়ার, চোরাবালি- বিষ্ণু দে, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৩৪৪ বঙ্গাব্দ, পৃষ্ঠা ১১ * আমাদের যাহা কিছু উত্তম, যাহা কিছু সৎ, উদার, অপূর্ব্ব ও অনুপম, তাহা বঙ্গভাষাতে লিপিবদ্ধ করিব, বাঙ্গালার সম্পত্তি বাঙ্গালার মাতৃভাষার ভাণ্ডারেই সঞ্চিত রাখিব, স্বহস্তে দেশকে বঞ্চিত করিয়া দেশের ধন বিদেশে বিলাইয়া দিব না, এমন করিয়া ধনের উপচয় করিব—বৃদ্ধি করিব, যাহাতে জলধির জলের ন্যায় আমার মাতৃভাষার ভাণ্ডারের সঞ্চিত ধনরাশি, যে যত পারে গ্রহণ করিলেও, কদাচ ক্ষয়প্রাপ্ত হইবে না। ঊষার অরুণচ্ছটায় যেমন দিগন্ত উদ্ভাসিত হয়, তেমনই আমার মাতৃভাষার আলোকচ্ছটায় পৃথিবীর এক প্রান্ত হইতে অপর প্রান্ত পর্য্যন্ত আলোকিত হইবে—ভাস্বর হইবে। ** [[আশুতোষ মুখোপাধ্যায়]], জাতীয় সাহিত্য - আশুতোষ মুখোপাধ্যায়, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৩৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১২৮ * আমরা যেমন দিগন্ত পর্যন্ত সমুদ্রে প্রসারিত দেখিতে পাই, কিন্তু সমুদ্রের সীমা সেই খানেই নয়, তাহা অতিক্রম করিয়াও সমুদ্র আছে; তেমনি আমরা যাহাকে স্তব্ধতার দিগন্ত বলি, তাহার পরপারেও শব্দের সমুদ্র আছে, তাহা আমাদের শ্রবণের অতীত। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], বধিরতার সুখ, বিবিধ প্রসঙ্গ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- আদি ব্রাহ্মসমাজ যন্ত্র, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৮৩ খ্রিস্টাব্দ (১২৯০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৬৪ * পাহাড়ের চারপাশের বাতাস প্রতিধ্বনিত, পূজনীয়, কিংবদন্তিতুল্য, নিষিদ্ধ। পাহাড়ে প্রবেশ নিষিদ্ধ। আত্মার গভীরে পাহাড়ের এক বিশেষ স্থান রয়েছে। এটি এমন কিছুর দিগন্ত যা ক্রমাগত দূরে সরে যায়। এটি এক অনন্ত দিগন্তের অনুভূতি জাগিয়ে তোলে। ** ''দ্য নাভেল অফ লিম্বো'', এরপর দি নার্ভ-ওয়েজার এবং অন্যান্য রচনা, আন্তোনিন আর্তো, গ্যালিমার্ড, সংকলন "পোয়েট্রি/গ্যালিমার্ড", ১৯৫৬, অংশ দি নাভেল অফ লিম্বো, "একটি শারীরিক অবস্থার বর্ণনা", পৃ. ৬৬ * দেখিছে লুটায় ঢেউ, আবার লুটায়<br>দিগন্তে খেলায়ে পুনঃ দিগন্তে মিলায়।<br>দেখে শূন্য নেত্রতুলি—খণ্ডখণ্ড মেঘগুলি<br>জ্যোছনা মাখিয়া গায়ে উড়ে উড়ে যায়। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], চতুর্থ সর্গ, বন-ফুল - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- গুপ্তপ্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৭৯ খ্রিস্টাব্দ (১২৮৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৪৩ * আমরা বন্দী থাকবো না তোমাদের পকেটে পকেটে,<br>আমরা বেরিয়ে পড়ব, আমরা ছড়িয়ে পড়ব<br>শহরে, গঞ্জে, গ্রামে—দিগন্ত থেকে দিগন্তে। ** [[সুকান্ত ভট্টাচার্য]], দেশলাই কাঠি, ছাড়পত্র কাব্যগ্রন্থ, সুকান্ত সমগ্র- সুকান্ত ভট্টাচার্য, প্রকাশক- সারস্বত লাইব্রেরী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৫৫-৫৬ * সমুদ্রের ধারের জমিতেই নারিকেলের সহজ আবাস। আমাদের আশ্রমের মাঠ সেই সমুদ্রকূল থেকে বহুদূরে। এখানে অনেক যত্নে একটি নারিকেলকে পালন করে তোলা হয়েছে- সে নিঃসঙ্গ, নিষ্ফল, নিস্তেজ। তাকে দেখে মনে হয়, সে যেন প্রাণপণে ঋজু হয়ে দাঁড়িয়ে দিগন্ত অতিক্রম করে কোনো-এক আকাঙ্ক্ষার ধনকে দেখবার চেষ্টা করছে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], নবীন, বনবাণী-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৭৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৯ * আলবার্ট আইনস্টাইনের কাজের মাধ্যমে মানবজাতির দিগন্ত অসীমভাবে প্রসারিত হয়েছে এবং একই সাথে, মহাবিশ্ব সম্পর্কে আমাদের উপলব্ধি এমন এক পূর্ণতা ও সামঞ্জস্য লাভ করেছে যা পূর্বে কেবলই একটি স্বপ্ন ছিল। ** [[নিলস বোর]], ''নিউ ইয়র্ক টাইমস'', ১৯ এপ্রিল, ১৯৫৫, পাইস-এর ''আই ট্রাস্ট মাই ইনটুইশন'', হাইডেলবার্গ, ১৯৯৫, পৃষ্ঠা ২৪৩-এ উদ্ধৃত, যা আবার অ্যালিস ক্যালাপ্রাইস (সম্পাদিত): ''আইনস্টাইন সেজ'', পাইপার-ভারলাগ, মিউনিখ, জুরিখ ১৯৯৬, আইএসবিএন ৩-৪৯২-০৩৯৩৫-৯, পৃষ্ঠা ২৪৩-এ উদ্ধৃত। * রানার চলেছে, রানার!<br>রাত্রির পথে পথে চলে কোনো নিষেধ জানে না মানার।<br>দিগন্ত থেকে দিগন্তে ছোটে রানার—<br>কাজ নিয়েছে সে নতুন খবর আনার। ** [[সুকান্ত ভট্টাচার্য]], রানার, ছাড়পত্র কাব্যগ্রন্থ, সুকান্ত সমগ্র- সুকান্ত ভট্টাচার্য, প্রকাশক- সারস্বত লাইব্রেরী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭৬ * তোমার জগৎ-জমিদারীর সীমা বাড়াইতে আরম্ভ কর। আফিসের দেয়াল অতিক্রম করিয়া দিগন্ত পর্য্যন্ত লইয়া যাও, দিগন্ত অতিক্রম করিয়া সমস্ত পৃথিবী পর্যন্ত বেষ্টন কর, পৃথিবী অতিক্রম করিয়া জ্যোতিষ্ক মণ্ডলে যাও এবং সমস্তু জগৎ অতিক্রম করিয়া অসীমের দিকে সীমা অগ্রসর করিতে থাক। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], জগতের জমিদারী, বিবিধ প্রসঙ্গ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- আদি ব্রাহ্মসমাজ যন্ত্র, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৮৩ খ্রিস্টাব্দ (১২৯০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১২৭-১২৮ * চোরাবালি ডাকি দূর দিগন্তে<br>কোথায় পুরুষকার?<br>হে প্রিয় আমার, প্রিয়তম মাের!<br>আয়ােজন কাঁপে কামনার ঘোর,<br>অঙ্গে আমার দেবে না অঙ্গীকার? ** [[বিষ্ণু দে]], ঘােড়সওয়ার, চোরাবালি- বিষ্ণু দে, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৩৪৪ বঙ্গাব্দ, পৃষ্ঠা ১২ * মৃত্যুর কথা অনেকবার মনে হল। চারিদিকেই ত মৃত্যু, দিগন্ত থেকে দিগন্ত পর্য্যন্ত মৃত্যু—আমার প্রাণ এর মধ্যে এতটুকু। এই অতি ছোটটার উপরেই কি সমস্ত আস্থা রাখব, আর এই এত বড়টাকে কিছু বিশ্বাস করব না?―বড়র উপরে ভরসা রাখাই ভাল। * [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], জাপান-যাত্রী - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান পাবলিশিং হাউস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১৯ খ্রিস্টাব্দ (১৩২৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৭-১৮ * তারপর জীবনের ফাটলে-ফাটলে<br>কুয়াশা জড়ায়,<br>কুয়াশার মতো কথা হৃদয়ের দিগন্তে ছড়ায়। ** [[প্রেমেন্দ্র মিত্র]], কথা, প্রেমেন্দ্র মিত্রের সমগ্র কবিতা, প্রথম সংস্করণ, প্রকাশক- গ্রন্থালয় প্রাইভেট লিমিটেড, কলকাতা, প্রকাশসাল- ৮ মে ১৯৮৯ খ্রিস্টাব্দ (২৫ বৈশাখ ১৩৯৬বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৮৯ * সূর্য্য আজ মেঘের মধ্যেই উঠিয়াছে, মেঘের মধ্যেই অস্ত গেল। কখন যে দিনের অবসান হইল, ও সন্ধ্যার আরম্ভ হইল বুঝা গেল না। বিকালের দিকে পশ্চিমের মুখে একটুখানি সােনার রেখা ফুঠিয়াছিল, কিন্তু দিন শেষ হতে না হইতেই মিলাইয়া গেল। আঁধারের উপর আঁধার ঘনাইতে লাগিল। দিগন্ত হইতে দিগন্ত আচ্ছন্ন হইয়া গেল। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], বৌ-ঠাকুরাণীর হাট, পঞ্চবিংশ পরিচ্ছেদ, বৌ-ঠাকুরাণীর হাট - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান পাবলিশিং হাউস, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১০ খ্রিস্টাব্দ (১৩১৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩৫ * হে অভুক্ত ক্ষুদিত শ্বাপদ—<br>তোমার উদ্যত থাবা, সংঘবদ্ধ প্রতিটি নখর<br>এখনো হয় নি নিরাপদ।<br>দিগন্তে দিগন্তে তাই ধ্বনিত গর্জন<br>তুমি চাও শোণিতের স্বাদ—<br>যে স্বাদ জেনেছে স্তালিনগ্রাদ। ** [[সুকান্ত ভট্টাচার্য]], চট্টগ্রাম: ১৯৪৩, ছাড়পত্র কাব্যগ্রন্থ, সুকান্ত সমগ্র- সুকান্ত ভট্টাচার্য, প্রকাশক- সারস্বত লাইব্রেরী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৬০ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} {{উইকিঅভিধান}} [[বিষয়শ্রেণী:বিষয়বস্তু]] [[বিষয়শ্রেণী:বিশ্বতত্ত্ব]] rup3czaduxaz3yfu6rmzx9j9ov6amem 79941 79931 2026-04-23T07:32:02Z Salil Kumar Mukherjee 39 উক্তি যোগ 79941 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} [[চিত্র:Sureal Horizon.jpg|thumb|300px|পশ্চিম দিগন্ত অস্তগামী সূর্য্যের কিরণে রক্ত-গোলাপের আভায় রঙিন। আবার পরক্ষণে দেখিতে পাইবেন, শান্ত পদক্ষেপে আকাশে সন্ধ্যার আগমন অর্দ্ধঘণ্টায় দিগন্ত আঁধার আচ্ছন্ন হইয়া গিয়া শুধু ইতস্ততঃ স্বর্গীয় আলোকণিকার জ্যোতি! ইহা এত সুন্দর এমন নয়নাভিরাম ও প্রাণস্পর্শী!<br>—[[সুভাষচন্দ্র বসু]]]] '''[[:w:দিগন্ত|দিগন্ত]]''' বা '''দিকচক্রবাল''' বলতে সাধারণ দৃষ্টিতে পৃথিবী ও আকাশের সীমারেখাটিকে বোঝায়। অধিকাংশ স্থানে প্রকৃত দিগন্তরেখাটি গাছপালা, বাড়িঘর ইত্যাদির দ্বারা দৃষ্টিসীমার বাইরে থেকে যায়। কোনো নির্দিষ্ট একটি অবস্থান থেকে আমাদের দৃষ্টিসীমার মধ্যে যে স্থানে আকাশ এবং ভূপৃষ্ঠ সংযোগের দরুণ যে বৃত্তচাপীয় কাল্পনিক আপেক্ষিক সীমারেখা সৃষ্টি হয় তাকে দিগন্তরেখা বলে। আপাতদৃষ্টিতে এটি দিকের শেষ সীমা যেখানে পৃথিবীর সীমা আকাশের সঙ্গে মিশেছে বলে মনে হয়। == উক্তি == * আজি হেমন্তের শান্তি ব্যাপ্ত চরাচরে<br/>জনশূন্য ক্ষেত্র মাঝে দীপ্ত দ্বিপ্রহরে<br/>শব্দহীন গতিহীন স্তব্ধতা উদার<br/>রয়েছে পড়িয়া শ্রান্ত দিগন্ত প্রসার<br/>স্বর্ণশ্যাম ডানা মেলি। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], নৈবেদ্য-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৪ * জনতা মনে করে তারা সবকিছু জানে ও বোঝে, কিন্তু তারা যত বোকা হয়, তাদের দিগন্ত ততই প্রসারিত বলে মনে হয়। ** [[আন্তন চেখভ]], পত্রালাপ, ৩০ মে, ১৮৮৮ * অস্তগামী সূর্য্যের আভায় সীমাহীন সমুদ্র উদ্ভাসিত প্লাবিত; তরঙ্গরাশির সহিত আলোকের ওঠা পড়ার খেলা! পশ্চিম দিগন্ত অস্তগামী সূর্য্যের কিরণে রক্ত-গোলাপের আভায় রঙিন। আবার পরক্ষণে দেখিতে পাইবেন, শান্ত পদক্ষেপে আকাশে সন্ধ্যার আগমন অর্দ্ধঘণ্টায় দিগন্ত আঁধার আচ্ছন্ন হইয়া গিয়া শুধু ইতস্ততঃ স্বর্গীয় আলোকণিকার জ্যোতি! ইহা এত সুন্দর এমন নয়নাভিরাম ও প্রাণস্পর্শী! ** [[সুভাষচন্দ্র বসু]], শরৎচন্দ্র বসুকে লিখিত পত্র, পত্রাবলী (১৯১২-১৯৩২)-সুভাষচন্দ্র বসু, প্রকাশক- এম. সি. সরকার এন্ড সন্স লিমিটেড, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৯ * জনসমুদ্রে নেমেছে জোয়ার,<br>হৃদয়ে আমার চড়া।<br>চোরাবালি আমি দূরদিগন্তে ডাকি—<br>কোথায় ঘোড়সওয়ার? ** [[বিষ্ণু দে]], ঘােড়সওয়ার, চোরাবালি- বিষ্ণু দে, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৩৪৪ বঙ্গাব্দ, পৃষ্ঠা ১১ * আমাদের যাহা কিছু উত্তম, যাহা কিছু সৎ, উদার, অপূর্ব্ব ও অনুপম, তাহা বঙ্গভাষাতে লিপিবদ্ধ করিব, বাঙ্গালার সম্পত্তি বাঙ্গালার মাতৃভাষার ভাণ্ডারেই সঞ্চিত রাখিব, স্বহস্তে দেশকে বঞ্চিত করিয়া দেশের ধন বিদেশে বিলাইয়া দিব না, এমন করিয়া ধনের উপচয় করিব—বৃদ্ধি করিব, যাহাতে জলধির জলের ন্যায় আমার মাতৃভাষার ভাণ্ডারের সঞ্চিত ধনরাশি, যে যত পারে গ্রহণ করিলেও, কদাচ ক্ষয়প্রাপ্ত হইবে না। ঊষার অরুণচ্ছটায় যেমন দিগন্ত উদ্ভাসিত হয়, তেমনই আমার মাতৃভাষার আলোকচ্ছটায় পৃথিবীর এক প্রান্ত হইতে অপর প্রান্ত পর্য্যন্ত আলোকিত হইবে—ভাস্বর হইবে। ** [[আশুতোষ মুখোপাধ্যায়]], জাতীয় সাহিত্য - আশুতোষ মুখোপাধ্যায়, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৩৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১২৮ * আমরা যেমন দিগন্ত পর্যন্ত সমুদ্রে প্রসারিত দেখিতে পাই, কিন্তু সমুদ্রের সীমা সেই খানেই নয়, তাহা অতিক্রম করিয়াও সমুদ্র আছে; তেমনি আমরা যাহাকে স্তব্ধতার দিগন্ত বলি, তাহার পরপারেও শব্দের সমুদ্র আছে, তাহা আমাদের শ্রবণের অতীত। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], বধিরতার সুখ, বিবিধ প্রসঙ্গ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- আদি ব্রাহ্মসমাজ যন্ত্র, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৮৩ খ্রিস্টাব্দ (১২৯০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৬৪ * পাহাড়ের চারপাশের বাতাস প্রতিধ্বনিত, পূজনীয়, কিংবদন্তিতুল্য, নিষিদ্ধ। পাহাড়ে প্রবেশ নিষিদ্ধ। আত্মার গভীরে পাহাড়ের এক বিশেষ স্থান রয়েছে। এটি এমন কিছুর দিগন্ত যা ক্রমাগত দূরে সরে যায়। এটি এক অনন্ত দিগন্তের অনুভূতি জাগিয়ে তোলে। ** ''দ্য নাভেল অফ লিম্বো'', এরপর দি নার্ভ-ওয়েজার এবং অন্যান্য রচনা, আন্তোনিন আর্তো, গ্যালিমার্ড, সংকলন "পোয়েট্রি/গ্যালিমার্ড", ১৯৫৬, অংশ দি নাভেল অফ লিম্বো, "একটি শারীরিক অবস্থার বর্ণনা", পৃ. ৬৬ * দেখিছে লুটায় ঢেউ, আবার লুটায়<br>দিগন্তে খেলায়ে পুনঃ দিগন্তে মিলায়।<br>দেখে শূন্য নেত্রতুলি—খণ্ডখণ্ড মেঘগুলি<br>জ্যোছনা মাখিয়া গায়ে উড়ে উড়ে যায়। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], চতুর্থ সর্গ, বন-ফুল - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- গুপ্তপ্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৭৯ খ্রিস্টাব্দ (১২৮৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৪৩ * আমরা বন্দী থাকবো না তোমাদের পকেটে পকেটে,<br>আমরা বেরিয়ে পড়ব, আমরা ছড়িয়ে পড়ব<br>শহরে, গঞ্জে, গ্রামে—দিগন্ত থেকে দিগন্তে। ** [[সুকান্ত ভট্টাচার্য]], দেশলাই কাঠি, ছাড়পত্র কাব্যগ্রন্থ, সুকান্ত সমগ্র- সুকান্ত ভট্টাচার্য, প্রকাশক- সারস্বত লাইব্রেরী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৫৫-৫৬ * সমুদ্রের ধারের জমিতেই নারিকেলের সহজ আবাস। আমাদের আশ্রমের মাঠ সেই সমুদ্রকূল থেকে বহুদূরে। এখানে অনেক যত্নে একটি নারিকেলকে পালন করে তোলা হয়েছে- সে নিঃসঙ্গ, নিষ্ফল, নিস্তেজ। তাকে দেখে মনে হয়, সে যেন প্রাণপণে ঋজু হয়ে দাঁড়িয়ে দিগন্ত অতিক্রম করে কোনো-এক আকাঙ্ক্ষার ধনকে দেখবার চেষ্টা করছে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], নবীন, বনবাণী-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৭৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৯ * আলবার্ট আইনস্টাইনের কাজের মাধ্যমে মানবজাতির দিগন্ত অসীমভাবে প্রসারিত হয়েছে এবং একই সাথে, মহাবিশ্ব সম্পর্কে আমাদের উপলব্ধি এমন এক পূর্ণতা ও সামঞ্জস্য লাভ করেছে যা পূর্বে কেবলই একটি স্বপ্ন ছিল। ** [[নিলস বোর]], ''নিউ ইয়র্ক টাইমস'', ১৯ এপ্রিল, ১৯৫৫, পাইস-এর ''আই ট্রাস্ট মাই ইনটুইশন'', হাইডেলবার্গ, ১৯৯৫, পৃষ্ঠা ২৪৩-এ উদ্ধৃত, যা আবার অ্যালিস ক্যালাপ্রাইস (সম্পাদিত): ''আইনস্টাইন সেজ'', পাইপার-ভারলাগ, মিউনিখ, জুরিখ ১৯৯৬, আইএসবিএন ৩-৪৯২-০৩৯৩৫-৯, পৃষ্ঠা ২৪৩-এ উদ্ধৃত। * রানার চলেছে, রানার!<br>রাত্রির পথে পথে চলে কোনো নিষেধ জানে না মানার।<br>দিগন্ত থেকে দিগন্তে ছোটে রানার—<br>কাজ নিয়েছে সে নতুন খবর আনার। ** [[সুকান্ত ভট্টাচার্য]], রানার, ছাড়পত্র কাব্যগ্রন্থ, সুকান্ত সমগ্র- সুকান্ত ভট্টাচার্য, প্রকাশক- সারস্বত লাইব্রেরী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭৬ * তোমার জগৎ-জমিদারীর সীমা বাড়াইতে আরম্ভ কর। আফিসের দেয়াল অতিক্রম করিয়া দিগন্ত পর্য্যন্ত লইয়া যাও, দিগন্ত অতিক্রম করিয়া সমস্ত পৃথিবী পর্যন্ত বেষ্টন কর, পৃথিবী অতিক্রম করিয়া জ্যোতিষ্ক মণ্ডলে যাও এবং সমস্তু জগৎ অতিক্রম করিয়া অসীমের দিকে সীমা অগ্রসর করিতে থাক। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], জগতের জমিদারী, বিবিধ প্রসঙ্গ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- আদি ব্রাহ্মসমাজ যন্ত্র, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৮৩ খ্রিস্টাব্দ (১২৯০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১২৭-১২৮ * একজন বিশিষ্ট নেতা ডা. আলম একদিন কলিকাতায় যতীন্দ্রনাথের কথা বলিতে গিয়া আমাদের বলিয়াছিলেন যে সূর্য পূর্ব দিগন্তে উদিত হইয়া পশ্চিম দিগন্তে অস্ত যায় এবং সূর্যাস্তের পর চন্দ্র পশ্চিম দিগন্তে উদিত হইয়া পূর্ব দিগন্তের দিকে অগ্রসর হয়। যতীনের জীবন ও মৃত্যুকে ইহার সঙ্গে তুলনা করা চলে। ** [[সুভাষচন্দ্র বসু]], তরুণের আহ্বান - সুভাষচন্দ্র বসু, প্রকাশক- জয়শ্রী প্রকাশন, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল-১৯৫৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১০৯ * চোরাবালি ডাকি দূর দিগন্তে<br>কোথায় পুরুষকার?<br>হে প্রিয় আমার, প্রিয়তম মাের!<br>আয়ােজন কাঁপে কামনার ঘোর,<br>অঙ্গে আমার দেবে না অঙ্গীকার? ** [[বিষ্ণু দে]], ঘােড়সওয়ার, চোরাবালি- বিষ্ণু দে, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৩৪৪ বঙ্গাব্দ, পৃষ্ঠা ১২ * মৃত্যুর কথা অনেকবার মনে হল। চারিদিকেই ত মৃত্যু, দিগন্ত থেকে দিগন্ত পর্য্যন্ত মৃত্যু—আমার প্রাণ এর মধ্যে এতটুকু। এই অতি ছোটটার উপরেই কি সমস্ত আস্থা রাখব, আর এই এত বড়টাকে কিছু বিশ্বাস করব না?―বড়র উপরে ভরসা রাখাই ভাল। * [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], জাপান-যাত্রী - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান পাবলিশিং হাউস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১৯ খ্রিস্টাব্দ (১৩২৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৭-১৮ * তারপর জীবনের ফাটলে-ফাটলে<br>কুয়াশা জড়ায়,<br>কুয়াশার মতো কথা হৃদয়ের দিগন্তে ছড়ায়। ** [[প্রেমেন্দ্র মিত্র]], কথা, প্রেমেন্দ্র মিত্রের সমগ্র কবিতা, প্রথম সংস্করণ, প্রকাশক- গ্রন্থালয় প্রাইভেট লিমিটেড, কলকাতা, প্রকাশসাল- ৮ মে ১৯৮৯ খ্রিস্টাব্দ (২৫ বৈশাখ ১৩৯৬বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৮৯ * সূর্য্য আজ মেঘের মধ্যেই উঠিয়াছে, মেঘের মধ্যেই অস্ত গেল। কখন যে দিনের অবসান হইল, ও সন্ধ্যার আরম্ভ হইল বুঝা গেল না। বিকালের দিকে পশ্চিমের মুখে একটুখানি সােনার রেখা ফুঠিয়াছিল, কিন্তু দিন শেষ হতে না হইতেই মিলাইয়া গেল। আঁধারের উপর আঁধার ঘনাইতে লাগিল। দিগন্ত হইতে দিগন্ত আচ্ছন্ন হইয়া গেল। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], বৌ-ঠাকুরাণীর হাট, পঞ্চবিংশ পরিচ্ছেদ, বৌ-ঠাকুরাণীর হাট - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান পাবলিশিং হাউস, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১০ খ্রিস্টাব্দ (১৩১৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩৫ * হে অভুক্ত ক্ষুদিত শ্বাপদ—<br>তোমার উদ্যত থাবা, সংঘবদ্ধ প্রতিটি নখর<br>এখনো হয় নি নিরাপদ।<br>দিগন্তে দিগন্তে তাই ধ্বনিত গর্জন<br>তুমি চাও শোণিতের স্বাদ—<br>যে স্বাদ জেনেছে স্তালিনগ্রাদ। ** [[সুকান্ত ভট্টাচার্য]], চট্টগ্রাম: ১৯৪৩, ছাড়পত্র কাব্যগ্রন্থ, সুকান্ত সমগ্র- সুকান্ত ভট্টাচার্য, প্রকাশক- সারস্বত লাইব্রেরী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৬০ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} {{উইকিঅভিধান}} [[বিষয়শ্রেণী:বিষয়বস্তু]] [[বিষয়শ্রেণী:বিশ্বতত্ত্ব]] nras59n9h96llr54flt64lm26ue7s97 79943 79941 2026-04-23T07:42:31Z Salil Kumar Mukherjee 39 উক্তি যোগ 79943 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} [[চিত্র:Sureal Horizon.jpg|thumb|300px|পশ্চিম দিগন্ত অস্তগামী সূর্য্যের কিরণে রক্ত-গোলাপের আভায় রঙিন। আবার পরক্ষণে দেখিতে পাইবেন, শান্ত পদক্ষেপে আকাশে সন্ধ্যার আগমন অর্দ্ধঘণ্টায় দিগন্ত আঁধার আচ্ছন্ন হইয়া গিয়া শুধু ইতস্ততঃ স্বর্গীয় আলোকণিকার জ্যোতি! ইহা এত সুন্দর এমন নয়নাভিরাম ও প্রাণস্পর্শী!<br>—[[সুভাষচন্দ্র বসু]]]] '''[[:w:দিগন্ত|দিগন্ত]]''' বা '''দিকচক্রবাল''' বলতে সাধারণ দৃষ্টিতে পৃথিবী ও আকাশের সীমারেখাটিকে বোঝায়। অধিকাংশ স্থানে প্রকৃত দিগন্তরেখাটি গাছপালা, বাড়িঘর ইত্যাদির দ্বারা দৃষ্টিসীমার বাইরে থেকে যায়। কোনো নির্দিষ্ট একটি অবস্থান থেকে আমাদের দৃষ্টিসীমার মধ্যে যে স্থানে আকাশ এবং ভূপৃষ্ঠ সংযোগের দরুণ যে বৃত্তচাপীয় কাল্পনিক আপেক্ষিক সীমারেখা সৃষ্টি হয় তাকে দিগন্তরেখা বলে। আপাতদৃষ্টিতে এটি দিকের শেষ সীমা যেখানে পৃথিবীর সীমা আকাশের সঙ্গে মিশেছে বলে মনে হয়। == উক্তি == * আজি হেমন্তের শান্তি ব্যাপ্ত চরাচরে<br/>জনশূন্য ক্ষেত্র মাঝে দীপ্ত দ্বিপ্রহরে<br/>শব্দহীন গতিহীন স্তব্ধতা উদার<br/>রয়েছে পড়িয়া শ্রান্ত দিগন্ত প্রসার<br/>স্বর্ণশ্যাম ডানা মেলি। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], নৈবেদ্য-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৪ * জনতা মনে করে তারা সবকিছু জানে ও বোঝে, কিন্তু তারা যত বোকা হয়, তাদের দিগন্ত ততই প্রসারিত বলে মনে হয়। ** [[আন্তন চেখভ]], পত্রালাপ, ৩০ মে, ১৮৮৮ * অস্তগামী সূর্য্যের আভায় সীমাহীন সমুদ্র উদ্ভাসিত প্লাবিত; তরঙ্গরাশির সহিত আলোকের ওঠা পড়ার খেলা! পশ্চিম দিগন্ত অস্তগামী সূর্য্যের কিরণে রক্ত-গোলাপের আভায় রঙিন। আবার পরক্ষণে দেখিতে পাইবেন, শান্ত পদক্ষেপে আকাশে সন্ধ্যার আগমন অর্দ্ধঘণ্টায় দিগন্ত আঁধার আচ্ছন্ন হইয়া গিয়া শুধু ইতস্ততঃ স্বর্গীয় আলোকণিকার জ্যোতি! ইহা এত সুন্দর এমন নয়নাভিরাম ও প্রাণস্পর্শী! ** [[সুভাষচন্দ্র বসু]], শরৎচন্দ্র বসুকে লিখিত পত্র, পত্রাবলী (১৯১২-১৯৩২)-সুভাষচন্দ্র বসু, প্রকাশক- এম. সি. সরকার এন্ড সন্স লিমিটেড, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৯ * জনসমুদ্রে নেমেছে জোয়ার,<br>হৃদয়ে আমার চড়া।<br>চোরাবালি আমি দূরদিগন্তে ডাকি—<br>কোথায় ঘোড়সওয়ার? ** [[বিষ্ণু দে]], ঘােড়সওয়ার, চোরাবালি- বিষ্ণু দে, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৩৪৪ বঙ্গাব্দ, পৃষ্ঠা ১১ * আমাদের যাহা কিছু উত্তম, যাহা কিছু সৎ, উদার, অপূর্ব্ব ও অনুপম, তাহা বঙ্গভাষাতে লিপিবদ্ধ করিব, বাঙ্গালার সম্পত্তি বাঙ্গালার মাতৃভাষার ভাণ্ডারেই সঞ্চিত রাখিব, স্বহস্তে দেশকে বঞ্চিত করিয়া দেশের ধন বিদেশে বিলাইয়া দিব না, এমন করিয়া ধনের উপচয় করিব—বৃদ্ধি করিব, যাহাতে জলধির জলের ন্যায় আমার মাতৃভাষার ভাণ্ডারের সঞ্চিত ধনরাশি, যে যত পারে গ্রহণ করিলেও, কদাচ ক্ষয়প্রাপ্ত হইবে না। ঊষার অরুণচ্ছটায় যেমন দিগন্ত উদ্ভাসিত হয়, তেমনই আমার মাতৃভাষার আলোকচ্ছটায় পৃথিবীর এক প্রান্ত হইতে অপর প্রান্ত পর্য্যন্ত আলোকিত হইবে—ভাস্বর হইবে। ** [[আশুতোষ মুখোপাধ্যায়]], জাতীয় সাহিত্য - আশুতোষ মুখোপাধ্যায়, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৩৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১২৮ * আমরা যেমন দিগন্ত পর্যন্ত সমুদ্রে প্রসারিত দেখিতে পাই, কিন্তু সমুদ্রের সীমা সেই খানেই নয়, তাহা অতিক্রম করিয়াও সমুদ্র আছে; তেমনি আমরা যাহাকে স্তব্ধতার দিগন্ত বলি, তাহার পরপারেও শব্দের সমুদ্র আছে, তাহা আমাদের শ্রবণের অতীত। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], বধিরতার সুখ, বিবিধ প্রসঙ্গ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- আদি ব্রাহ্মসমাজ যন্ত্র, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৮৩ খ্রিস্টাব্দ (১২৯০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৬৪ * একটু তোরা বোস্ না রে।<br>দিগন্তে ঐ দুর সীমানায়<br>খোলা মাঠের কানায় কানায়<br>দুধের যেন বান ডাকে আজ<br>ঝল‍্মলানো রোশনারে,— ** [[সুনির্মল বসু]], ফিনিক-ফোটা জ্যোৎস্নাতে, সুনির্মল বসুর শ্রেষ্ঠ কবিতা- সুনির্মল বসু, প্রকাশক- মিত্র ও ঘোষ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯২৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৩ * পাহাড়ের চারপাশের বাতাস প্রতিধ্বনিত, পূজনীয়, কিংবদন্তিতুল্য, নিষিদ্ধ। পাহাড়ে প্রবেশ নিষিদ্ধ। আত্মার গভীরে পাহাড়ের এক বিশেষ স্থান রয়েছে। এটি এমন কিছুর দিগন্ত যা ক্রমাগত দূরে সরে যায়। এটি এক অনন্ত দিগন্তের অনুভূতি জাগিয়ে তোলে। ** ''দ্য নাভেল অফ লিম্বো'', এরপর দি নার্ভ-ওয়েজার এবং অন্যান্য রচনা, আন্তোনিন আর্তো, গ্যালিমার্ড, সংকলন "পোয়েট্রি/গ্যালিমার্ড", ১৯৫৬, অংশ দি নাভেল অফ লিম্বো, "একটি শারীরিক অবস্থার বর্ণনা", পৃ. ৬৬ * দেখিছে লুটায় ঢেউ, আবার লুটায়<br>দিগন্তে খেলায়ে পুনঃ দিগন্তে মিলায়।<br>দেখে শূন্য নেত্রতুলি—খণ্ডখণ্ড মেঘগুলি<br>জ্যোছনা মাখিয়া গায়ে উড়ে উড়ে যায়। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], চতুর্থ সর্গ, বন-ফুল - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- গুপ্তপ্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৭৯ খ্রিস্টাব্দ (১২৮৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৪৩ * আমরা বন্দী থাকবো না তোমাদের পকেটে পকেটে,<br>আমরা বেরিয়ে পড়ব, আমরা ছড়িয়ে পড়ব<br>শহরে, গঞ্জে, গ্রামে—দিগন্ত থেকে দিগন্তে। ** [[সুকান্ত ভট্টাচার্য]], দেশলাই কাঠি, ছাড়পত্র কাব্যগ্রন্থ, সুকান্ত সমগ্র- সুকান্ত ভট্টাচার্য, প্রকাশক- সারস্বত লাইব্রেরী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৫৫-৫৬ * সমুদ্রের ধারের জমিতেই নারিকেলের সহজ আবাস। আমাদের আশ্রমের মাঠ সেই সমুদ্রকূল থেকে বহুদূরে। এখানে অনেক যত্নে একটি নারিকেলকে পালন করে তোলা হয়েছে- সে নিঃসঙ্গ, নিষ্ফল, নিস্তেজ। তাকে দেখে মনে হয়, সে যেন প্রাণপণে ঋজু হয়ে দাঁড়িয়ে দিগন্ত অতিক্রম করে কোনো-এক আকাঙ্ক্ষার ধনকে দেখবার চেষ্টা করছে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], নবীন, বনবাণী-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৭৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৯ * আলবার্ট আইনস্টাইনের কাজের মাধ্যমে মানবজাতির দিগন্ত অসীমভাবে প্রসারিত হয়েছে এবং একই সাথে, মহাবিশ্ব সম্পর্কে আমাদের উপলব্ধি এমন এক পূর্ণতা ও সামঞ্জস্য লাভ করেছে যা পূর্বে কেবলই একটি স্বপ্ন ছিল। ** [[নিলস বোর]], ''নিউ ইয়র্ক টাইমস'', ১৯ এপ্রিল, ১৯৫৫, পাইস-এর ''আই ট্রাস্ট মাই ইনটুইশন'', হাইডেলবার্গ, ১৯৯৫, পৃষ্ঠা ২৪৩-এ উদ্ধৃত, যা আবার অ্যালিস ক্যালাপ্রাইস (সম্পাদিত): ''আইনস্টাইন সেজ'', পাইপার-ভারলাগ, মিউনিখ, জুরিখ ১৯৯৬, আইএসবিএন ৩-৪৯২-০৩৯৩৫-৯, পৃষ্ঠা ২৪৩-এ উদ্ধৃত। * রানার চলেছে, রানার!<br>রাত্রির পথে পথে চলে কোনো নিষেধ জানে না মানার।<br>দিগন্ত থেকে দিগন্তে ছোটে রানার—<br>কাজ নিয়েছে সে নতুন খবর আনার। ** [[সুকান্ত ভট্টাচার্য]], রানার, ছাড়পত্র কাব্যগ্রন্থ, সুকান্ত সমগ্র- সুকান্ত ভট্টাচার্য, প্রকাশক- সারস্বত লাইব্রেরী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭৬ * তোমার জগৎ-জমিদারীর সীমা বাড়াইতে আরম্ভ কর। আফিসের দেয়াল অতিক্রম করিয়া দিগন্ত পর্য্যন্ত লইয়া যাও, দিগন্ত অতিক্রম করিয়া সমস্ত পৃথিবী পর্যন্ত বেষ্টন কর, পৃথিবী অতিক্রম করিয়া জ্যোতিষ্ক মণ্ডলে যাও এবং সমস্তু জগৎ অতিক্রম করিয়া অসীমের দিকে সীমা অগ্রসর করিতে থাক। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], জগতের জমিদারী, বিবিধ প্রসঙ্গ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- আদি ব্রাহ্মসমাজ যন্ত্র, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৮৩ খ্রিস্টাব্দ (১২৯০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১২৭-১২৮ * একজন বিশিষ্ট নেতা ডা. আলম একদিন কলিকাতায় যতীন্দ্রনাথের কথা বলিতে গিয়া আমাদের বলিয়াছিলেন যে সূর্য পূর্ব দিগন্তে উদিত হইয়া পশ্চিম দিগন্তে অস্ত যায় এবং সূর্যাস্তের পর চন্দ্র পশ্চিম দিগন্তে উদিত হইয়া পূর্ব দিগন্তের দিকে অগ্রসর হয়। যতীনের জীবন ও মৃত্যুকে ইহার সঙ্গে তুলনা করা চলে। ** [[সুভাষচন্দ্র বসু]], তরুণের আহ্বান - সুভাষচন্দ্র বসু, প্রকাশক- জয়শ্রী প্রকাশন, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল-১৯৫৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১০৯ * চোরাবালি ডাকি দূর দিগন্তে<br>কোথায় পুরুষকার?<br>হে প্রিয় আমার, প্রিয়তম মাের!<br>আয়ােজন কাঁপে কামনার ঘোর,<br>অঙ্গে আমার দেবে না অঙ্গীকার? ** [[বিষ্ণু দে]], ঘােড়সওয়ার, চোরাবালি- বিষ্ণু দে, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৩৪৪ বঙ্গাব্দ, পৃষ্ঠা ১২ * মৃত্যুর কথা অনেকবার মনে হল। চারিদিকেই ত মৃত্যু, দিগন্ত থেকে দিগন্ত পর্য্যন্ত মৃত্যু—আমার প্রাণ এর মধ্যে এতটুকু। এই অতি ছোটটার উপরেই কি সমস্ত আস্থা রাখব, আর এই এত বড়টাকে কিছু বিশ্বাস করব না?―বড়র উপরে ভরসা রাখাই ভাল। * [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], জাপান-যাত্রী - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান পাবলিশিং হাউস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১৯ খ্রিস্টাব্দ (১৩২৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৭-১৮ * তারপর জীবনের ফাটলে-ফাটলে<br>কুয়াশা জড়ায়,<br>কুয়াশার মতো কথা হৃদয়ের দিগন্তে ছড়ায়। ** [[প্রেমেন্দ্র মিত্র]], কথা, প্রেমেন্দ্র মিত্রের সমগ্র কবিতা, প্রথম সংস্করণ, প্রকাশক- গ্রন্থালয় প্রাইভেট লিমিটেড, কলকাতা, প্রকাশসাল- ৮ মে ১৯৮৯ খ্রিস্টাব্দ (২৫ বৈশাখ ১৩৯৬বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৮৯ * সূর্য্য আজ মেঘের মধ্যেই উঠিয়াছে, মেঘের মধ্যেই অস্ত গেল। কখন যে দিনের অবসান হইল, ও সন্ধ্যার আরম্ভ হইল বুঝা গেল না। বিকালের দিকে পশ্চিমের মুখে একটুখানি সােনার রেখা ফুঠিয়াছিল, কিন্তু দিন শেষ হতে না হইতেই মিলাইয়া গেল। আঁধারের উপর আঁধার ঘনাইতে লাগিল। দিগন্ত হইতে দিগন্ত আচ্ছন্ন হইয়া গেল। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], বৌ-ঠাকুরাণীর হাট, পঞ্চবিংশ পরিচ্ছেদ, বৌ-ঠাকুরাণীর হাট - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান পাবলিশিং হাউস, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১০ খ্রিস্টাব্দ (১৩১৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩৫ * হে অভুক্ত ক্ষুদিত শ্বাপদ—<br>তোমার উদ্যত থাবা, সংঘবদ্ধ প্রতিটি নখর<br>এখনো হয় নি নিরাপদ।<br>দিগন্তে দিগন্তে তাই ধ্বনিত গর্জন<br>তুমি চাও শোণিতের স্বাদ—<br>যে স্বাদ জেনেছে স্তালিনগ্রাদ। ** [[সুকান্ত ভট্টাচার্য]], চট্টগ্রাম: ১৯৪৩, ছাড়পত্র কাব্যগ্রন্থ, সুকান্ত সমগ্র- সুকান্ত ভট্টাচার্য, প্রকাশক- সারস্বত লাইব্রেরী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৬০ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} {{উইকিঅভিধান}} [[বিষয়শ্রেণী:বিষয়বস্তু]] [[বিষয়শ্রেণী:বিশ্বতত্ত্ব]] kru4gxaukrdgqbnv81bmmamkmwg7vqc 79950 79943 2026-04-23T07:49:00Z Salil Kumar Mukherjee 39 উক্তি যোগ 79950 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} [[চিত্র:Sureal Horizon.jpg|thumb|300px|পশ্চিম দিগন্ত অস্তগামী সূর্য্যের কিরণে রক্ত-গোলাপের আভায় রঙিন। আবার পরক্ষণে দেখিতে পাইবেন, শান্ত পদক্ষেপে আকাশে সন্ধ্যার আগমন অর্দ্ধঘণ্টায় দিগন্ত আঁধার আচ্ছন্ন হইয়া গিয়া শুধু ইতস্ততঃ স্বর্গীয় আলোকণিকার জ্যোতি! ইহা এত সুন্দর এমন নয়নাভিরাম ও প্রাণস্পর্শী!<br>—[[সুভাষচন্দ্র বসু]]]] '''[[:w:দিগন্ত|দিগন্ত]]''' বা '''দিকচক্রবাল''' বলতে সাধারণ দৃষ্টিতে পৃথিবী ও আকাশের সীমারেখাটিকে বোঝায়। অধিকাংশ স্থানে প্রকৃত দিগন্তরেখাটি গাছপালা, বাড়িঘর ইত্যাদির দ্বারা দৃষ্টিসীমার বাইরে থেকে যায়। কোনো নির্দিষ্ট একটি অবস্থান থেকে আমাদের দৃষ্টিসীমার মধ্যে যে স্থানে আকাশ এবং ভূপৃষ্ঠ সংযোগের দরুণ যে বৃত্তচাপীয় কাল্পনিক আপেক্ষিক সীমারেখা সৃষ্টি হয় তাকে দিগন্তরেখা বলে। আপাতদৃষ্টিতে এটি দিকের শেষ সীমা যেখানে পৃথিবীর সীমা আকাশের সঙ্গে মিশেছে বলে মনে হয়। == উক্তি == * আজি হেমন্তের শান্তি ব্যাপ্ত চরাচরে<br/>জনশূন্য ক্ষেত্র মাঝে দীপ্ত দ্বিপ্রহরে<br/>শব্দহীন গতিহীন স্তব্ধতা উদার<br/>রয়েছে পড়িয়া শ্রান্ত দিগন্ত প্রসার<br/>স্বর্ণশ্যাম ডানা মেলি। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], নৈবেদ্য-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৪ * জনতা মনে করে তারা সবকিছু জানে ও বোঝে, কিন্তু তারা যত বোকা হয়, তাদের দিগন্ত ততই প্রসারিত বলে মনে হয়। ** [[আন্তন চেখভ]], পত্রালাপ, ৩০ মে, ১৮৮৮ * অস্তগামী সূর্য্যের আভায় সীমাহীন সমুদ্র উদ্ভাসিত প্লাবিত; তরঙ্গরাশির সহিত আলোকের ওঠা পড়ার খেলা! পশ্চিম দিগন্ত অস্তগামী সূর্য্যের কিরণে রক্ত-গোলাপের আভায় রঙিন। আবার পরক্ষণে দেখিতে পাইবেন, শান্ত পদক্ষেপে আকাশে সন্ধ্যার আগমন অর্দ্ধঘণ্টায় দিগন্ত আঁধার আচ্ছন্ন হইয়া গিয়া শুধু ইতস্ততঃ স্বর্গীয় আলোকণিকার জ্যোতি! ইহা এত সুন্দর এমন নয়নাভিরাম ও প্রাণস্পর্শী! ** [[সুভাষচন্দ্র বসু]], শরৎচন্দ্র বসুকে লিখিত পত্র, পত্রাবলী (১৯১২-১৯৩২)-সুভাষচন্দ্র বসু, প্রকাশক- এম. সি. সরকার এন্ড সন্স লিমিটেড, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৯ * জনসমুদ্রে নেমেছে জোয়ার,<br>হৃদয়ে আমার চড়া।<br>চোরাবালি আমি দূরদিগন্তে ডাকি—<br>কোথায় ঘোড়সওয়ার? ** [[বিষ্ণু দে]], ঘােড়সওয়ার, চোরাবালি- বিষ্ণু দে, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৩৪৪ বঙ্গাব্দ, পৃষ্ঠা ১১ * তাদের নজরে পড়ল, দূরের সেই পাহাড়ের চূড়াটার দিকে। সেখানে যেন একটা প্রকাণ্ড অগ্নিলীলা সুরু হয়েচে। রাঙা হয়ে উঠেচে সমস্ত দিগন্ত সেই প্রলয়ের আলোয়, আগুন-রাঙা মেঘ ফুঁসিয়ে উঠেচে পাহাড়ের চূড়ো থেকে দু’হাজার, আড়াই হাজার ফুট পর্য্যন্ত উঁচুতে—সঙ্গে সঙ্গে কি বিশ্রী নিঃশ্বাস রোধকারী গন্ধকের উত্‍কট গন্ধ বাতাসে! ** [[বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়]], অষ্টম পরিচ্ছেদ, চাঁদের পাহাড় - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রকাশক- এম. সি. সরকার এন্ড সন্স লিমিটেড, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১১৩ * আমাদের যাহা কিছু উত্তম, যাহা কিছু সৎ, উদার, অপূর্ব্ব ও অনুপম, তাহা বঙ্গভাষাতে লিপিবদ্ধ করিব, বাঙ্গালার সম্পত্তি বাঙ্গালার মাতৃভাষার ভাণ্ডারেই সঞ্চিত রাখিব, স্বহস্তে দেশকে বঞ্চিত করিয়া দেশের ধন বিদেশে বিলাইয়া দিব না, এমন করিয়া ধনের উপচয় করিব—বৃদ্ধি করিব, যাহাতে জলধির জলের ন্যায় আমার মাতৃভাষার ভাণ্ডারের সঞ্চিত ধনরাশি, যে যত পারে গ্রহণ করিলেও, কদাচ ক্ষয়প্রাপ্ত হইবে না। ঊষার অরুণচ্ছটায় যেমন দিগন্ত উদ্ভাসিত হয়, তেমনই আমার মাতৃভাষার আলোকচ্ছটায় পৃথিবীর এক প্রান্ত হইতে অপর প্রান্ত পর্য্যন্ত আলোকিত হইবে—ভাস্বর হইবে। ** [[আশুতোষ মুখোপাধ্যায়]], জাতীয় সাহিত্য - আশুতোষ মুখোপাধ্যায়, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৩৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১২৮ * আমরা যেমন দিগন্ত পর্যন্ত সমুদ্রে প্রসারিত দেখিতে পাই, কিন্তু সমুদ্রের সীমা সেই খানেই নয়, তাহা অতিক্রম করিয়াও সমুদ্র আছে; তেমনি আমরা যাহাকে স্তব্ধতার দিগন্ত বলি, তাহার পরপারেও শব্দের সমুদ্র আছে, তাহা আমাদের শ্রবণের অতীত। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], বধিরতার সুখ, বিবিধ প্রসঙ্গ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- আদি ব্রাহ্মসমাজ যন্ত্র, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৮৩ খ্রিস্টাব্দ (১২৯০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৬৪ * একটু তোরা বোস্ না রে।<br>দিগন্তে ঐ দুর সীমানায়<br>খোলা মাঠের কানায় কানায়<br>দুধের যেন বান ডাকে আজ<br>ঝল‍্মলানো রোশনারে,— ** [[সুনির্মল বসু]], ফিনিক-ফোটা জ্যোৎস্নাতে, সুনির্মল বসুর শ্রেষ্ঠ কবিতা- সুনির্মল বসু, প্রকাশক- মিত্র ও ঘোষ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯২৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৩ * পাহাড়ের চারপাশের বাতাস প্রতিধ্বনিত, পূজনীয়, কিংবদন্তিতুল্য, নিষিদ্ধ। পাহাড়ে প্রবেশ নিষিদ্ধ। আত্মার গভীরে পাহাড়ের এক বিশেষ স্থান রয়েছে। এটি এমন কিছুর দিগন্ত যা ক্রমাগত দূরে সরে যায়। এটি এক অনন্ত দিগন্তের অনুভূতি জাগিয়ে তোলে। ** ''দ্য নাভেল অফ লিম্বো'', এরপর দি নার্ভ-ওয়েজার এবং অন্যান্য রচনা, আন্তোনিন আর্তো, গ্যালিমার্ড, সংকলন "পোয়েট্রি/গ্যালিমার্ড", ১৯৫৬, অংশ দি নাভেল অফ লিম্বো, "একটি শারীরিক অবস্থার বর্ণনা", পৃ. ৬৬ * দেখিছে লুটায় ঢেউ, আবার লুটায়<br>দিগন্তে খেলায়ে পুনঃ দিগন্তে মিলায়।<br>দেখে শূন্য নেত্রতুলি—খণ্ডখণ্ড মেঘগুলি<br>জ্যোছনা মাখিয়া গায়ে উড়ে উড়ে যায়। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], চতুর্থ সর্গ, বন-ফুল - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- গুপ্তপ্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৭৯ খ্রিস্টাব্দ (১২৮৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৪৩ * আমরা বন্দী থাকবো না তোমাদের পকেটে পকেটে,<br>আমরা বেরিয়ে পড়ব, আমরা ছড়িয়ে পড়ব<br>শহরে, গঞ্জে, গ্রামে—দিগন্ত থেকে দিগন্তে। ** [[সুকান্ত ভট্টাচার্য]], দেশলাই কাঠি, ছাড়পত্র কাব্যগ্রন্থ, সুকান্ত সমগ্র- সুকান্ত ভট্টাচার্য, প্রকাশক- সারস্বত লাইব্রেরী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৫৫-৫৬ * সমুদ্রের ধারের জমিতেই নারিকেলের সহজ আবাস। আমাদের আশ্রমের মাঠ সেই সমুদ্রকূল থেকে বহুদূরে। এখানে অনেক যত্নে একটি নারিকেলকে পালন করে তোলা হয়েছে- সে নিঃসঙ্গ, নিষ্ফল, নিস্তেজ। তাকে দেখে মনে হয়, সে যেন প্রাণপণে ঋজু হয়ে দাঁড়িয়ে দিগন্ত অতিক্রম করে কোনো-এক আকাঙ্ক্ষার ধনকে দেখবার চেষ্টা করছে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], নবীন, বনবাণী-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৭৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৯ * আলবার্ট আইনস্টাইনের কাজের মাধ্যমে মানবজাতির দিগন্ত অসীমভাবে প্রসারিত হয়েছে এবং একই সাথে, মহাবিশ্ব সম্পর্কে আমাদের উপলব্ধি এমন এক পূর্ণতা ও সামঞ্জস্য লাভ করেছে যা পূর্বে কেবলই একটি স্বপ্ন ছিল। ** [[নিলস বোর]], ''নিউ ইয়র্ক টাইমস'', ১৯ এপ্রিল, ১৯৫৫, পাইস-এর ''আই ট্রাস্ট মাই ইনটুইশন'', হাইডেলবার্গ, ১৯৯৫, পৃষ্ঠা ২৪৩-এ উদ্ধৃত, যা আবার অ্যালিস ক্যালাপ্রাইস (সম্পাদিত): ''আইনস্টাইন সেজ'', পাইপার-ভারলাগ, মিউনিখ, জুরিখ ১৯৯৬, আইএসবিএন ৩-৪৯২-০৩৯৩৫-৯, পৃষ্ঠা ২৪৩-এ উদ্ধৃত। * রানার চলেছে, রানার!<br>রাত্রির পথে পথে চলে কোনো নিষেধ জানে না মানার।<br>দিগন্ত থেকে দিগন্তে ছোটে রানার—<br>কাজ নিয়েছে সে নতুন খবর আনার। ** [[সুকান্ত ভট্টাচার্য]], রানার, ছাড়পত্র কাব্যগ্রন্থ, সুকান্ত সমগ্র- সুকান্ত ভট্টাচার্য, প্রকাশক- সারস্বত লাইব্রেরী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭৬ * তোমার জগৎ-জমিদারীর সীমা বাড়াইতে আরম্ভ কর। আফিসের দেয়াল অতিক্রম করিয়া দিগন্ত পর্য্যন্ত লইয়া যাও, দিগন্ত অতিক্রম করিয়া সমস্ত পৃথিবী পর্যন্ত বেষ্টন কর, পৃথিবী অতিক্রম করিয়া জ্যোতিষ্ক মণ্ডলে যাও এবং সমস্তু জগৎ অতিক্রম করিয়া অসীমের দিকে সীমা অগ্রসর করিতে থাক। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], জগতের জমিদারী, বিবিধ প্রসঙ্গ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- আদি ব্রাহ্মসমাজ যন্ত্র, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৮৩ খ্রিস্টাব্দ (১২৯০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১২৭-১২৮ * একজন বিশিষ্ট নেতা ডা. আলম একদিন কলিকাতায় যতীন্দ্রনাথের কথা বলিতে গিয়া আমাদের বলিয়াছিলেন যে সূর্য পূর্ব দিগন্তে উদিত হইয়া পশ্চিম দিগন্তে অস্ত যায় এবং সূর্যাস্তের পর চন্দ্র পশ্চিম দিগন্তে উদিত হইয়া পূর্ব দিগন্তের দিকে অগ্রসর হয়। যতীনের জীবন ও মৃত্যুকে ইহার সঙ্গে তুলনা করা চলে। ** [[সুভাষচন্দ্র বসু]], তরুণের আহ্বান - সুভাষচন্দ্র বসু, প্রকাশক- জয়শ্রী প্রকাশন, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল-১৯৫৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১০৯ * চোরাবালি ডাকি দূর দিগন্তে<br>কোথায় পুরুষকার?<br>হে প্রিয় আমার, প্রিয়তম মাের!<br>আয়ােজন কাঁপে কামনার ঘোর,<br>অঙ্গে আমার দেবে না অঙ্গীকার? ** [[বিষ্ণু দে]], ঘােড়সওয়ার, চোরাবালি- বিষ্ণু দে, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৩৪৪ বঙ্গাব্দ, পৃষ্ঠা ১২ * মৃত্যুর কথা অনেকবার মনে হল। চারিদিকেই ত মৃত্যু, দিগন্ত থেকে দিগন্ত পর্য্যন্ত মৃত্যু—আমার প্রাণ এর মধ্যে এতটুকু। এই অতি ছোটটার উপরেই কি সমস্ত আস্থা রাখব, আর এই এত বড়টাকে কিছু বিশ্বাস করব না?―বড়র উপরে ভরসা রাখাই ভাল। * [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], জাপান-যাত্রী - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান পাবলিশিং হাউস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১৯ খ্রিস্টাব্দ (১৩২৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৭-১৮ * তারপর জীবনের ফাটলে-ফাটলে<br>কুয়াশা জড়ায়,<br>কুয়াশার মতো কথা হৃদয়ের দিগন্তে ছড়ায়। ** [[প্রেমেন্দ্র মিত্র]], কথা, প্রেমেন্দ্র মিত্রের সমগ্র কবিতা, প্রথম সংস্করণ, প্রকাশক- গ্রন্থালয় প্রাইভেট লিমিটেড, কলকাতা, প্রকাশসাল- ৮ মে ১৯৮৯ খ্রিস্টাব্দ (২৫ বৈশাখ ১৩৯৬বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৮৯ * সূর্য্য আজ মেঘের মধ্যেই উঠিয়াছে, মেঘের মধ্যেই অস্ত গেল। কখন যে দিনের অবসান হইল, ও সন্ধ্যার আরম্ভ হইল বুঝা গেল না। বিকালের দিকে পশ্চিমের মুখে একটুখানি সােনার রেখা ফুঠিয়াছিল, কিন্তু দিন শেষ হতে না হইতেই মিলাইয়া গেল। আঁধারের উপর আঁধার ঘনাইতে লাগিল। দিগন্ত হইতে দিগন্ত আচ্ছন্ন হইয়া গেল। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], বৌ-ঠাকুরাণীর হাট, পঞ্চবিংশ পরিচ্ছেদ, বৌ-ঠাকুরাণীর হাট - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান পাবলিশিং হাউস, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১০ খ্রিস্টাব্দ (১৩১৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩৫ * হে অভুক্ত ক্ষুদিত শ্বাপদ—<br>তোমার উদ্যত থাবা, সংঘবদ্ধ প্রতিটি নখর<br>এখনো হয় নি নিরাপদ।<br>দিগন্তে দিগন্তে তাই ধ্বনিত গর্জন<br>তুমি চাও শোণিতের স্বাদ—<br>যে স্বাদ জেনেছে স্তালিনগ্রাদ। ** [[সুকান্ত ভট্টাচার্য]], চট্টগ্রাম: ১৯৪৩, ছাড়পত্র কাব্যগ্রন্থ, সুকান্ত সমগ্র- সুকান্ত ভট্টাচার্য, প্রকাশক- সারস্বত লাইব্রেরী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৬০ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} {{উইকিঅভিধান}} [[বিষয়শ্রেণী:বিষয়বস্তু]] [[বিষয়শ্রেণী:বিশ্বতত্ত্ব]] mzglr75evsxrr28pycanrel42gjb4m1 79951 79950 2026-04-23T07:50:05Z Salil Kumar Mukherjee 39 ট্যাগ বাতিল 79951 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:Sureal Horizon.jpg|thumb|300px|পশ্চিম দিগন্ত অস্তগামী সূর্য্যের কিরণে রক্ত-গোলাপের আভায় রঙিন। আবার পরক্ষণে দেখিতে পাইবেন, শান্ত পদক্ষেপে আকাশে সন্ধ্যার আগমন অর্দ্ধঘণ্টায় দিগন্ত আঁধার আচ্ছন্ন হইয়া গিয়া শুধু ইতস্ততঃ স্বর্গীয় আলোকণিকার জ্যোতি! ইহা এত সুন্দর এমন নয়নাভিরাম ও প্রাণস্পর্শী!<br>—[[সুভাষচন্দ্র বসু]]]] '''[[:w:দিগন্ত|দিগন্ত]]''' বা '''দিকচক্রবাল''' বলতে সাধারণ দৃষ্টিতে পৃথিবী ও আকাশের সীমারেখাটিকে বোঝায়। অধিকাংশ স্থানে প্রকৃত দিগন্তরেখাটি গাছপালা, বাড়িঘর ইত্যাদির দ্বারা দৃষ্টিসীমার বাইরে থেকে যায়। কোনো নির্দিষ্ট একটি অবস্থান থেকে আমাদের দৃষ্টিসীমার মধ্যে যে স্থানে আকাশ এবং ভূপৃষ্ঠ সংযোগের দরুণ যে বৃত্তচাপীয় কাল্পনিক আপেক্ষিক সীমারেখা সৃষ্টি হয় তাকে দিগন্তরেখা বলে। আপাতদৃষ্টিতে এটি দিকের শেষ সীমা যেখানে পৃথিবীর সীমা আকাশের সঙ্গে মিশেছে বলে মনে হয়। == উক্তি == * আজি হেমন্তের শান্তি ব্যাপ্ত চরাচরে<br/>জনশূন্য ক্ষেত্র মাঝে দীপ্ত দ্বিপ্রহরে<br/>শব্দহীন গতিহীন স্তব্ধতা উদার<br/>রয়েছে পড়িয়া শ্রান্ত দিগন্ত প্রসার<br/>স্বর্ণশ্যাম ডানা মেলি। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], নৈবেদ্য-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৪ * জনতা মনে করে তারা সবকিছু জানে ও বোঝে, কিন্তু তারা যত বোকা হয়, তাদের দিগন্ত ততই প্রসারিত বলে মনে হয়। ** [[আন্তন চেখভ]], পত্রালাপ, ৩০ মে, ১৮৮৮ * অস্তগামী সূর্য্যের আভায় সীমাহীন সমুদ্র উদ্ভাসিত প্লাবিত; তরঙ্গরাশির সহিত আলোকের ওঠা পড়ার খেলা! পশ্চিম দিগন্ত অস্তগামী সূর্য্যের কিরণে রক্ত-গোলাপের আভায় রঙিন। আবার পরক্ষণে দেখিতে পাইবেন, শান্ত পদক্ষেপে আকাশে সন্ধ্যার আগমন অর্দ্ধঘণ্টায় দিগন্ত আঁধার আচ্ছন্ন হইয়া গিয়া শুধু ইতস্ততঃ স্বর্গীয় আলোকণিকার জ্যোতি! ইহা এত সুন্দর এমন নয়নাভিরাম ও প্রাণস্পর্শী! ** [[সুভাষচন্দ্র বসু]], শরৎচন্দ্র বসুকে লিখিত পত্র, পত্রাবলী (১৯১২-১৯৩২)-সুভাষচন্দ্র বসু, প্রকাশক- এম. সি. সরকার এন্ড সন্স লিমিটেড, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৯ * জনসমুদ্রে নেমেছে জোয়ার,<br>হৃদয়ে আমার চড়া।<br>চোরাবালি আমি দূরদিগন্তে ডাকি—<br>কোথায় ঘোড়সওয়ার? ** [[বিষ্ণু দে]], ঘােড়সওয়ার, চোরাবালি- বিষ্ণু দে, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৩৪৪ বঙ্গাব্দ, পৃষ্ঠা ১১ * তাদের নজরে পড়ল, দূরের সেই পাহাড়ের চূড়াটার দিকে। সেখানে যেন একটা প্রকাণ্ড অগ্নিলীলা সুরু হয়েচে। রাঙা হয়ে উঠেচে সমস্ত দিগন্ত সেই প্রলয়ের আলোয়, আগুন-রাঙা মেঘ ফুঁসিয়ে উঠেচে পাহাড়ের চূড়ো থেকে দু’হাজার, আড়াই হাজার ফুট পর্য্যন্ত উঁচুতে—সঙ্গে সঙ্গে কি বিশ্রী নিঃশ্বাস রোধকারী গন্ধকের উত্‍কট গন্ধ বাতাসে! ** [[বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়]], অষ্টম পরিচ্ছেদ, চাঁদের পাহাড় - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রকাশক- এম. সি. সরকার এন্ড সন্স লিমিটেড, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১১৩ * আমাদের যাহা কিছু উত্তম, যাহা কিছু সৎ, উদার, অপূর্ব্ব ও অনুপম, তাহা বঙ্গভাষাতে লিপিবদ্ধ করিব, বাঙ্গালার সম্পত্তি বাঙ্গালার মাতৃভাষার ভাণ্ডারেই সঞ্চিত রাখিব, স্বহস্তে দেশকে বঞ্চিত করিয়া দেশের ধন বিদেশে বিলাইয়া দিব না, এমন করিয়া ধনের উপচয় করিব—বৃদ্ধি করিব, যাহাতে জলধির জলের ন্যায় আমার মাতৃভাষার ভাণ্ডারের সঞ্চিত ধনরাশি, যে যত পারে গ্রহণ করিলেও, কদাচ ক্ষয়প্রাপ্ত হইবে না। ঊষার অরুণচ্ছটায় যেমন দিগন্ত উদ্ভাসিত হয়, তেমনই আমার মাতৃভাষার আলোকচ্ছটায় পৃথিবীর এক প্রান্ত হইতে অপর প্রান্ত পর্য্যন্ত আলোকিত হইবে—ভাস্বর হইবে। ** [[আশুতোষ মুখোপাধ্যায়]], জাতীয় সাহিত্য - আশুতোষ মুখোপাধ্যায়, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৩৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১২৮ * আমরা যেমন দিগন্ত পর্যন্ত সমুদ্রে প্রসারিত দেখিতে পাই, কিন্তু সমুদ্রের সীমা সেই খানেই নয়, তাহা অতিক্রম করিয়াও সমুদ্র আছে; তেমনি আমরা যাহাকে স্তব্ধতার দিগন্ত বলি, তাহার পরপারেও শব্দের সমুদ্র আছে, তাহা আমাদের শ্রবণের অতীত। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], বধিরতার সুখ, বিবিধ প্রসঙ্গ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- আদি ব্রাহ্মসমাজ যন্ত্র, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৮৩ খ্রিস্টাব্দ (১২৯০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৬৪ * একটু তোরা বোস্ না রে।<br>দিগন্তে ঐ দুর সীমানায়<br>খোলা মাঠের কানায় কানায়<br>দুধের যেন বান ডাকে আজ<br>ঝল‍্মলানো রোশনারে,— ** [[সুনির্মল বসু]], ফিনিক-ফোটা জ্যোৎস্নাতে, সুনির্মল বসুর শ্রেষ্ঠ কবিতা- সুনির্মল বসু, প্রকাশক- মিত্র ও ঘোষ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯২৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৩ * পাহাড়ের চারপাশের বাতাস প্রতিধ্বনিত, পূজনীয়, কিংবদন্তিতুল্য, নিষিদ্ধ। পাহাড়ে প্রবেশ নিষিদ্ধ। আত্মার গভীরে পাহাড়ের এক বিশেষ স্থান রয়েছে। এটি এমন কিছুর দিগন্ত যা ক্রমাগত দূরে সরে যায়। এটি এক অনন্ত দিগন্তের অনুভূতি জাগিয়ে তোলে। ** ''দ্য নাভেল অফ লিম্বো'', এরপর দি নার্ভ-ওয়েজার এবং অন্যান্য রচনা, আন্তোনিন আর্তো, গ্যালিমার্ড, সংকলন "পোয়েট্রি/গ্যালিমার্ড", ১৯৫৬, অংশ দি নাভেল অফ লিম্বো, "একটি শারীরিক অবস্থার বর্ণনা", পৃ. ৬৬ * দেখিছে লুটায় ঢেউ, আবার লুটায়<br>দিগন্তে খেলায়ে পুনঃ দিগন্তে মিলায়।<br>দেখে শূন্য নেত্রতুলি—খণ্ডখণ্ড মেঘগুলি<br>জ্যোছনা মাখিয়া গায়ে উড়ে উড়ে যায়। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], চতুর্থ সর্গ, বন-ফুল - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- গুপ্তপ্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৭৯ খ্রিস্টাব্দ (১২৮৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৪৩ * আমরা বন্দী থাকবো না তোমাদের পকেটে পকেটে,<br>আমরা বেরিয়ে পড়ব, আমরা ছড়িয়ে পড়ব<br>শহরে, গঞ্জে, গ্রামে—দিগন্ত থেকে দিগন্তে। ** [[সুকান্ত ভট্টাচার্য]], দেশলাই কাঠি, ছাড়পত্র কাব্যগ্রন্থ, সুকান্ত সমগ্র- সুকান্ত ভট্টাচার্য, প্রকাশক- সারস্বত লাইব্রেরী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৫৫-৫৬ * সমুদ্রের ধারের জমিতেই নারিকেলের সহজ আবাস। আমাদের আশ্রমের মাঠ সেই সমুদ্রকূল থেকে বহুদূরে। এখানে অনেক যত্নে একটি নারিকেলকে পালন করে তোলা হয়েছে- সে নিঃসঙ্গ, নিষ্ফল, নিস্তেজ। তাকে দেখে মনে হয়, সে যেন প্রাণপণে ঋজু হয়ে দাঁড়িয়ে দিগন্ত অতিক্রম করে কোনো-এক আকাঙ্ক্ষার ধনকে দেখবার চেষ্টা করছে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], নবীন, বনবাণী-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৭৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৯ * আলবার্ট আইনস্টাইনের কাজের মাধ্যমে মানবজাতির দিগন্ত অসীমভাবে প্রসারিত হয়েছে এবং একই সাথে, মহাবিশ্ব সম্পর্কে আমাদের উপলব্ধি এমন এক পূর্ণতা ও সামঞ্জস্য লাভ করেছে যা পূর্বে কেবলই একটি স্বপ্ন ছিল। ** [[নিলস বোর]], ''নিউ ইয়র্ক টাইমস'', ১৯ এপ্রিল, ১৯৫৫, পাইস-এর ''আই ট্রাস্ট মাই ইনটুইশন'', হাইডেলবার্গ, ১৯৯৫, পৃষ্ঠা ২৪৩-এ উদ্ধৃত, যা আবার অ্যালিস ক্যালাপ্রাইস (সম্পাদিত): ''আইনস্টাইন সেজ'', পাইপার-ভারলাগ, মিউনিখ, জুরিখ ১৯৯৬, আইএসবিএন ৩-৪৯২-০৩৯৩৫-৯, পৃষ্ঠা ২৪৩-এ উদ্ধৃত। * রানার চলেছে, রানার!<br>রাত্রির পথে পথে চলে কোনো নিষেধ জানে না মানার।<br>দিগন্ত থেকে দিগন্তে ছোটে রানার—<br>কাজ নিয়েছে সে নতুন খবর আনার। ** [[সুকান্ত ভট্টাচার্য]], রানার, ছাড়পত্র কাব্যগ্রন্থ, সুকান্ত সমগ্র- সুকান্ত ভট্টাচার্য, প্রকাশক- সারস্বত লাইব্রেরী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭৬ * তোমার জগৎ-জমিদারীর সীমা বাড়াইতে আরম্ভ কর। আফিসের দেয়াল অতিক্রম করিয়া দিগন্ত পর্য্যন্ত লইয়া যাও, দিগন্ত অতিক্রম করিয়া সমস্ত পৃথিবী পর্যন্ত বেষ্টন কর, পৃথিবী অতিক্রম করিয়া জ্যোতিষ্ক মণ্ডলে যাও এবং সমস্তু জগৎ অতিক্রম করিয়া অসীমের দিকে সীমা অগ্রসর করিতে থাক। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], জগতের জমিদারী, বিবিধ প্রসঙ্গ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- আদি ব্রাহ্মসমাজ যন্ত্র, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৮৮৩ খ্রিস্টাব্দ (১২৯০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১২৭-১২৮ * একজন বিশিষ্ট নেতা ডা. আলম একদিন কলিকাতায় যতীন্দ্রনাথের কথা বলিতে গিয়া আমাদের বলিয়াছিলেন যে সূর্য পূর্ব দিগন্তে উদিত হইয়া পশ্চিম দিগন্তে অস্ত যায় এবং সূর্যাস্তের পর চন্দ্র পশ্চিম দিগন্তে উদিত হইয়া পূর্ব দিগন্তের দিকে অগ্রসর হয়। যতীনের জীবন ও মৃত্যুকে ইহার সঙ্গে তুলনা করা চলে। ** [[সুভাষচন্দ্র বসু]], তরুণের আহ্বান - সুভাষচন্দ্র বসু, প্রকাশক- জয়শ্রী প্রকাশন, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল-১৯৫৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১০৯ * চোরাবালি ডাকি দূর দিগন্তে<br>কোথায় পুরুষকার?<br>হে প্রিয় আমার, প্রিয়তম মাের!<br>আয়ােজন কাঁপে কামনার ঘোর,<br>অঙ্গে আমার দেবে না অঙ্গীকার? ** [[বিষ্ণু দে]], ঘােড়সওয়ার, চোরাবালি- বিষ্ণু দে, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৩৪৪ বঙ্গাব্দ, পৃষ্ঠা ১২ * মৃত্যুর কথা অনেকবার মনে হল। চারিদিকেই ত মৃত্যু, দিগন্ত থেকে দিগন্ত পর্য্যন্ত মৃত্যু—আমার প্রাণ এর মধ্যে এতটুকু। এই অতি ছোটটার উপরেই কি সমস্ত আস্থা রাখব, আর এই এত বড়টাকে কিছু বিশ্বাস করব না?―বড়র উপরে ভরসা রাখাই ভাল। * [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], জাপান-যাত্রী - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান পাবলিশিং হাউস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১৯ খ্রিস্টাব্দ (১৩২৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৭-১৮ * তারপর জীবনের ফাটলে-ফাটলে<br>কুয়াশা জড়ায়,<br>কুয়াশার মতো কথা হৃদয়ের দিগন্তে ছড়ায়। ** [[প্রেমেন্দ্র মিত্র]], কথা, প্রেমেন্দ্র মিত্রের সমগ্র কবিতা, প্রথম সংস্করণ, প্রকাশক- গ্রন্থালয় প্রাইভেট লিমিটেড, কলকাতা, প্রকাশসাল- ৮ মে ১৯৮৯ খ্রিস্টাব্দ (২৫ বৈশাখ ১৩৯৬বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৮৯ * সূর্য্য আজ মেঘের মধ্যেই উঠিয়াছে, মেঘের মধ্যেই অস্ত গেল। কখন যে দিনের অবসান হইল, ও সন্ধ্যার আরম্ভ হইল বুঝা গেল না। বিকালের দিকে পশ্চিমের মুখে একটুখানি সােনার রেখা ফুঠিয়াছিল, কিন্তু দিন শেষ হতে না হইতেই মিলাইয়া গেল। আঁধারের উপর আঁধার ঘনাইতে লাগিল। দিগন্ত হইতে দিগন্ত আচ্ছন্ন হইয়া গেল। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], বৌ-ঠাকুরাণীর হাট, পঞ্চবিংশ পরিচ্ছেদ, বৌ-ঠাকুরাণীর হাট - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান পাবলিশিং হাউস, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১০ খ্রিস্টাব্দ (১৩১৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩৫ * হে অভুক্ত ক্ষুদিত শ্বাপদ—<br>তোমার উদ্যত থাবা, সংঘবদ্ধ প্রতিটি নখর<br>এখনো হয় নি নিরাপদ।<br>দিগন্তে দিগন্তে তাই ধ্বনিত গর্জন<br>তুমি চাও শোণিতের স্বাদ—<br>যে স্বাদ জেনেছে স্তালিনগ্রাদ। ** [[সুকান্ত ভট্টাচার্য]], চট্টগ্রাম: ১৯৪৩, ছাড়পত্র কাব্যগ্রন্থ, সুকান্ত সমগ্র- সুকান্ত ভট্টাচার্য, প্রকাশক- সারস্বত লাইব্রেরী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৬০ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} {{উইকিঅভিধান}} [[বিষয়শ্রেণী:বিষয়বস্তু]] [[বিষয়শ্রেণী:বিশ্বতত্ত্ব]] eqb0585zqw8xtafmbf8tviulmv2t0rt ব্লেজ পাসকাল 0 12088 79725 79243 2026-04-22T12:40:30Z SMontaha32 3112 79725 wikitext text/x-wiki [[File:Blaise Pascal Versailles.JPG|thumb|[[দর্শন|দর্শনের]] গুরুত্ব কমিয়ে দেখা এক ধরনের [[সত্য|প্রকৃত]] দার্শনিকতা।]] '''ব্লেইজ পাস্কাল''' (১৯ জুন ১৬২৩ – ১৯ আগস্ট ১৬৬২) ছিলেন একজন ফরাসি [[গণিতবিদ]], যুক্তিবিদ, পদার্থবিদ এবং ধর্মতত্ত্ববিদ। :'''দ্রষ্টব্য: ''পঁসে'' থেকে নেওয়া সব উক্তি ওই পাতায় পাওয়া যাবে।''' == উক্তি == [[File:Blaise Pascal 2.jpg|thumb|মানুষ সাধারণত প্রমাণের ভিত্তিতে নয় বরং যা তাদের কাছে আকর্ষণীয় মনে হয় তার ভিত্তিতেই কোনো কিছু [[বিশ্বাস|বিশ্বাস করে]]।]] [[File:Blaise_pascal.jpg|thumb|দৃশ্যমান বিষয়ের অস্থিরতা সবসময় আমাদের যুক্তিকে হতাশ করে।]] [[File:Pascal Pajou Louvre RF2981.jpg|thumb|কোনো কাজ শেষ করার পরপরই তা দেখলে আমরা এতে খুব বেশি মগ্ন থাকি। আবার অনেক পরে দেখলে আমরা এর যোগসূত্র খুঁজে পাই না।]] * বার্ধক্য যেমন শৈশব থেকে জীবনের সবচেয়ে দূরবর্তী সময়, তেমনি এই বিশ্বজনীন মানুষের ক্ষেত্রেও কি তার জন্মের নিকটবর্তী সময়ের চেয়ে দূরবর্তী সময়ে বার্ধক্য খোঁজা উচিত নয়? ** ''প্রিফেস টু দ্য ট্রিটিজ অন ভ্যাকুয়াম'' (১৬৫১) * {{anchor|Pascal plus longue}}''আমি এটিকে দীর্ঘতর করেছি কারণ এটি ছোট করার জন্য আমার সময় ছিল না.'' ** '''আমি আরও ছোট চিঠি লিখতাম, কিন্তু আমার হাতে পর্যাপ্ত সময় ছিল না।''' *** ''প্রোভিনশিয়াল লেটার্স'': [https://ebooks.adelaide.edu.au/p/pascal/blaise/p27pr/part17.html ১৬তম চিঠি (৪ ডিসেম্বর ১৬৫৬)] ** আক্ষরিক অর্থ: '''আমি এই চিঠিটি দীর্ঘ করেছি কারণ এটি ছোট করার মতো অবসর আমার ছিল না।''' ** এ ধরনের উক্তি মার্ক টোয়েন, টি. এস. এলিয়ট, সিসেরোসহ অন্যদের নামেও প্রচলিত। তবে ‘কোট ইনভেস্টিগেটরের’ নিবন্ধ অনুযায়ী পাস্কালের এই উক্তিটিই সম্ভবত মূল উৎস। * '''মানুষ সাধারণত প্রমাণের ভিত্তিতে নয়, বরং যা তাদের কাছে আকর্ষণীয় মনে হয় তার ভিত্তিতেই কোনো কিছু বিশ্বাস করে।''' ** ''দ্য আর্ট অব পারসুয়েশন'' (১৬৫৮ সালে লেখা; মরণোত্তর প্রকাশিত)। * মুহাম্মদ তার শত্রুদের হত্যার মাধ্যমে একটি ধর্ম প্রতিষ্ঠা করেছেন; অন্যদিকে যিশু খ্রিস্ট তার অনুসারীদের প্রাণ উৎসর্গ করার নির্দেশ দিয়ে ধর্ম প্রতিষ্ঠা করেছেন। ** [http://books.google.pt/books?id=MGkNAAAAYAAJ&pg=PA202&dq=%22Mahomet+established+a%22&hl=pt-PT&sa=X&ei=oZmPU-fCDemp7Ab7s4HQAg&ved=0CCsQ6AEwAA#v=onepage&q=%22Mahomet%20established%20a%20religion%22&f=false ''থটস অন রিলিজিয়ন অ্যান্ড ফিলোসফি''] (ডব্লিউ. কলিন্স, ১৮৩৮), অধ্যায় ১৬, পৃষ্ঠা ২০২। ** '''আগুন। ইব্রাহিমের ঈশ্বর, ইসহাকের ঈশ্বর, ইয়াকুবের ঈশ্বর। দার্শনিক বা পণ্ডিতদের ঈশ্বর নন। নিশ্চয়তা। নিশ্চয়তা। অনুভূতি। আনন্দ। শান্তি।''' ** পাস্কালের মৃত্যুর পর তার কোটের আস্তরে সেলাই করা একটি চর্মকাগজে এই নোটটি পাওয়া যায়। * যখন আমি আমার ক্ষণস্থায়ী জীবনের কথা ভাবি যা আগের এবং পরের অনন্তকালের মধ্যে বিলীন, তখন আমার ক্ষুদ্র অস্তিত্ব আমাকে আতঙ্কিত করে। আমি অনন্ত বিশালতার মাঝে এক নগণ্য স্থান জুড়ে আছি যার সম্পর্কে আমি কিছুই জানি না এবং যা আমার সম্পর্কে কিছুই জানে না। আমি অবাক হই যে কেন আমি অন্য কোথাও না হয়ে এখানে আছি। এখন না হয়ে কেন তখন জন্মাইনি তারও কোনো কারণ নেই। কে আমাকে এখানে পাঠিয়েছেন? কার নির্দেশে এই স্থান ও সময় আমার জন্য নির্ধারিত হয়েছে? ** "মানুষের সীমাবদ্ধতা", ''দ্য থটস অব ব্লেইজ পাস্কাল'' (১৮৮৫)। * এই অনন্ত মহাশূন্যের চিরন্তন নিস্তব্ধতা আমাকে আতঙ্কিত করে। === ''ডিসকোর্সেস অন দ্য কন্ডিশন অব দ্য গ্রেট'' === * আপনার প্রকৃত অবস্থা বুঝতে এই উদাহরণটি কল্পনা করুন। এক ব্যক্তি ঝড়ের কবলে পড়ে এক অজানা দ্বীপে পৌঁছান। দ্বীপবাসীরা তাদের হারিয়ে যাওয়া রাজাকে খুঁজছিল। ওই ব্যক্তির চেহারা ও গড়ন রাজার মতো হওয়ায় সবাই তাকে রাজা হিসেবে মেনে নেয়। * তার মনে দুটি ভাবনা কাজ করছিল। একটি হলো রাজার মতো কাজ করা এবং অন্যটি হলো তার আসল অবস্থা সম্পর্কে সচেতন থাকা। সে জানত যে কেবল দুর্ঘটনাবশত সে এই অবস্থায় পৌঁছেছে। * '''ভাববেন না যে আপনি যে সম্পদের মালিক হয়েছেন তা ওই ব্যক্তির রাজা হওয়ার চেয়ে কম আকস্মিক কিছু।''' * আইনপ্রণেতারা যদি নিয়ম করতেন যে এই সম্পদ মৃত্যুর পর রাষ্ট্রের কাছে ফিরে যাবে তবে আপনার অভিযোগ করার কোনো উপায় থাকত না। * '''প্রাকৃতিক অধিকার নয় বরং মানবিক ব্যবস্থার মাধ্যমেই আপনি আপনার সম্পত্তির মালিক হয়েছেন।''' * আপনার এই অধিকার কোনো ব্যক্তিগত যোগ্যতা বা গুণের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়নি। আপনার আত্মা বা শরীর একজন মাঝির বা একজন সামন্ত প্রভুর হওয়ার ক্ষেত্রে প্রাকৃতিক কোনো পার্থক্য নেই। কোনো প্রাকৃতিক বন্ধনই এগুলোকে নির্দিষ্ট একটি অবস্থার সাথে আটকে রাখে না। * '''সামাজিকভাবে পদমর্যাদা অনুযায়ী চললেও মনের ভেতরে আপনার স্বীকার করা উচিত যে আপনি জন্মগতভাবে অন্যদের চেয়ে শ্রেষ্ঠ নন।''' * '''জনসাধারণের ভাবনা যদি আপনাকে সাধারণ মানুষের উপরে তুলে ধরে, তবে আপনার ভেতরের ভাবনাটি যেন আপনাকে নম্র রাখে এবং সবার সাথে সমান অবস্থানে ধরে রাখে। এটিই আপনার স্বাভাবিক অবস্থা।''' * নিজেকে অন্যের চেয়ে উচ্চতর ভেবে ভুল করবেন না। * জনগণের ভুলে রাজা হওয়া ব্যক্তি যদি নিজের স্বাভাবিক অবস্থা ভুলে নিজেকে যোগ্য ভাবতে শুরু করেন। তবে আপনি তার নির্বুদ্ধিতা ও মূর্খতা দেখে অবাক হবেন। কিন্তু নিজেদের স্বাভাবিক অবস্থা ভুলে থাকা উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও কি একই কথা খাটে না? * উচ্চবিত্তদের সব বাড়াবাড়ি, সহিংসতা এবং অহংকার আসে নিজেদের পরিচয় সম্পর্কে অজ্ঞতা থেকে। যারা মনেপ্রাণে নিজেদের সবার সমান মনে করে, তাদের পক্ষে শ্রেষ্ঠত্বের বড়াই করা কঠিন। শ্রেষ্ঠত্বের এই ভ্রম বজায় রাখতে হলে একজনকে নিজের আসল পরিচয় ভুলতে হয়। * '''আপনি যদি আমার কাছে শ্রদ্ধা আশা করেন, তবে আমাকে আপনার এমন গুণ দেখান যা শ্রদ্ধার যোগ্য। আপনি তা দেখাতে পারলে আমি আপনাকে শ্রদ্ধা করব এবং তা ন্যায়সংগত হবে। কিন্তু আপনি তা না করলে আমার কাছে শ্রদ্ধা দাবি করা আপনার অন্যায় হবে। আপনি পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ রাজপুত্র হলেও আপনি তাতে সফল হবেন না।''' * '''আপনার মতে একজন বড় অভিজাত হওয়ার মানে কী? এর অর্থ হলো মানুষের কাঙ্ক্ষিত অনেক কিছুর মালিক হওয়া এবং অনেকের চাহিদা পূরণ করতে পারা। এই অভাব ও চাহিাই মানুষকে আপনার দিকে টানে এবং আপনার বশ্যতা স্বীকার করতে বাধ্য করে। এগুলো না থাকলে তারা আপনার দিকে ফিরেও তাকাত না।''' * ঈশ্বর ভালোবাসায় পূর্ণ মানুষ দ্বারা পরিবেষ্টিত যারা তার কাছে ভালোবাসা চায়। তাই তিনি মূলত ভালোবাসার রাজা। * একইভাবে আপনিও একদল আগ্রহী মানুষ দ্বারা পরিবেষ্টিত। তারা আপনার কাছে তাদের চাহিদা মেটানোর সুযোগ চায়। তাই আপনি মূলত আকাঙ্ক্ষা বা চাহিদার রাজা। মানুষ যা চায় তার মালিকানাই আপনার ক্ষমতার উৎস। * আপনার প্রাকৃতিক শক্তি বা ক্ষমতার কারণে মানুষ আপনার বশ্যতা স্বীকার করতে বাধ্য হয়নি। তাই শক্তি দিয়ে তাদের শাসন করবেন না বা তাদের সাথে রূঢ় আচরণ করবেন না। তাদের যুক্তিসঙ্গত চাহিদাগুলো পূরণ করুন। মানুষের উপকার করার মাধ্যমে আনন্দ খুঁজলে আপনি আকাঙ্ক্ষার প্রকৃত রাজা হতে পারবেন। * কিছু মানুষ লোভ, নৃশংসতা, সহিংসতা বা ব্যভিচারের মাধ্যমে কত অনর্থকভাবে নিজেকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেয়! নিজেকে ধ্বংসের পথে নিয়ে যাওয়া সবসময়ই চরম বোকামি। মানুষের উচিত আকাঙ্ক্ষা ও এর রাজত্বকে তুচ্ছ করে সেই ভালোবাসার রাজ্যের আকাঙ্ক্ষা করা, যেখানে সবাই ভালোবাসা ছাড়া আর কিছুই চায় না। === ''কনভারসেশন অন এপিকটেটাস অ্যান্ড মনটেইন'' === * আমি দেখেছি যে তারা এপিকটেটাস ও মনটেইন বিশ্বের দুটি বিখ্যাত মতবাদের শ্রেষ্ঠ রক্ষক এবং যুক্তিপূর্ণ। তাদের দেখানো পথ দুটি হলো, হয় ঈশ্বর আছেন এবং তিনিই পরম কল্যাণ। অথবা তিনি অনিশ্চিত এবং তখন প্রকৃত কল্যাণও অনিশ্চিত। * আমি যেমন এই গবেষণায় দেখানোর চেষ্টা করেছি, প্রকৃতিতে তার প্রতিটি কাজের মাধ্যমে ঈশ্বরের অস্তিত্ব প্রমাণের চেষ্টার চেয়ে মানুষের মনের সেই চেষ্টাকে বিবেচনা করা অনেক বেশি ন্যায়সংগত। * এই দুই মতবাদের ভুলের মূল কারণ হলো তারা মানুষের বর্তমান অবস্থা যে সৃষ্টির সময়ের চেয়ে ভিন্ন, তা জানতেন না। এক পক্ষ মানুষের আদি মহত্ত্ব দেখে তার বর্তমান কলুষতা ভুলে প্রকৃতির ওপর অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী হয়ে অহংকারের জন্ম দেয়। অন্য পক্ষ বর্তমান দুর্দশা দেখে আদি মর্যাদা ভুলে হতাশায় ডুবে যায়। * মানুষের এই দুই অবস্থা। মহত্ত্ব ও দুর্বলতা। একসাথে না জানলে মানুষ হয় অহংকারী নতুবা অলস হয়ে পড়ে। ঐশ্বরিক অনুগ্রহ পাওয়ার আগে সব মানুষই এই দুই দোষের শিকার হয়। * একজন মানুষের কর্তব্য জানলেও তার অক্ষমতা সম্পর্কে অজ্ঞ হওয়ায় সে উদ্ধত হয়। অন্যজন অক্ষমতা জানলেও কর্তব্য সম্পর্কে অজ্ঞ হওয়ায় অলস হয়ে পড়ে। সুসমাচারের সত্য এই দুই বৈপরীত্যের মধ্যে সামঞ্জস্য বিধান করে। এটি সত্যকে গ্রহণ করে এবং মিথ্যাকে বর্জন করে এক স্বর্গীয় প্রজ্ঞা তৈরি করে। * জগতের দার্শনিকরা একই বিষয়ের মধ্যে বৈপরীত্য খোঁজেন। অন্যদিকে বিশ্বাস আমাদের শেখায় বৈপরীত্যগুলোকে ভিন্ন ভিন্ন বিষয়ের ওপর স্থাপন করতে। মানুষের সব দুর্বলতা তার প্রকৃতির অংশ এবং সব শক্তি ঐশ্বরিক অনুগ্রহের দান। এটিই সেই বিস্ময়কর ও নতুন মিলন যা কেবল ঈশ্বরই শেখাতে পারেন। === ''অন দ্য স্পিরিট অব জিওমেট্রি'' === * সরাসরি সত্যের মালিক হওয়ার বিশ্বাস মানুষের এক স্বাভাবিক মানসিক ব্যাধি। *** ১ম বিভাগ === ''দ্য আর্ট অব পারসুয়েশন'' === * মতবাদগুলো আত্মার দুটি প্রধান ক্ষমতার মাধ্যমে গৃহীত হয়: বুদ্ধি এবং ইচ্ছা। * মানুষ প্রমাণের চেয়ে আকর্ষণের মাধ্যমে বিশ্বাস করতে বেশি পছন্দ করে। এটি একটি নীচ ও অপ্রাসঙ্গিক পথ, তাই সবাই একে অস্বীকার করে। প্রত্যেকেই দাবি করে যে সে যা জানে কেবল তা-ই বিশ্বাস ও ভালোবাসা করে। * আমি এখানে ঐশ্বরিক সত্যের কথা বলছি না কারণ তা প্রকৃতির ঊর্ধ্বে। কেবল ঈশ্বরই আত্মায় সেই সত্য স্থাপন করতে পারেন। তিনি চেয়েছেন সেই সত্য যেন মন থেকে হৃদয়ে না এসে বরং হৃদয় থেকে মনে প্রবেশ করে। এটি মানুষের অহংকারী যুক্তিকে দমন করে এবং কলুষিত ইচ্ছাকে এটি পরিশোধিত করে। * '''পার্থিব জিনিসের ক্ষেত্রে আমরা বলি যে কোনো কিছু ভালোবাসার আগে তা জানতে হয়। অন্যদিকে পবিত্র জিনিসের ক্ষেত্রে মহাত্মারা বলেন যে কোনো কিছু জানার আগে তাকে ভালোবাসতে হয়। কেবল ভালোবাসার মাধ্যমেই আমরা সত্যে প্রবেশ করতে পারি।''' * তারা মানুষ ঐশ্বরিক নিয়মকে কলুষিত করেছে। কারণ মানুষ সাধারণত যা তাকে আনন্দ দেয় তা ছাড়া অন্য কিছু খুব কমই বিশ্বাস করে। * ঈশ্বর মানুষের বুদ্ধিতে তখনই আলো দান করেন যখন তিনি মানুষের জেদি ইচ্ছাকে স্বর্গীয় নম্রতা দিয়ে জয় করেন। * মন এবং হৃদয় হলো সত্য প্রবেশের দুটি পথ। তবে বুদ্ধির চেয়ে ইচ্ছার খামখেয়ালিপনায় অনেক বেশি সত্য (বা মিথ্যা) আত্মায় প্রবেশ করে। * বেশ কিছু বিশেষ নীতি সত্যের মতোই জোরালোভাবে মানুষকে বিশ্বাসের দিকে টানে, যদিও সেগুলো আসলে মিথ্যা। * কোনো বিষয় তাকে পরম আনন্দের দিকে নিয়ে যেতে পারে। আত্মা এটি বুঝতে পারার সাথে সাথেই তা সানন্দে গ্রহণ করে। * সত্য ও আনন্দের মধ্যে যখন দ্বন্দ্ব বাধে, তখন জয়-পরাজয় অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। এটি বোঝার জন্য মানুষের অন্তরের গহীন খবর জানা প্রয়োজন যা মানুষ নিজেও সবসময় জানে না। *কাউকে রাজি করাতে হলে ওই ব্যক্তির মন এবং হৃদয় সম্পর্কে জানা জরুরি। তার মূলনীতিগুলো কী এবং সে কী ভালোবাসে তা বুঝতে হবে। *প্ররোচনা বা প্রবোধ দেওয়ার শিল্প যতটা না বোঝানোর, তার চেয়ে বেশি তুষ্ট করার। কারণ মানুষ যুক্তির চেয়ে খামখেয়ালিপনা দ্বারা বেশি পরিচালিত হয়! * আনন্দের উৎসগুলো স্থির নয়। প্রতিটি মানুষের ক্ষেত্রে এগুলো ভিন্ন এবং সময়ে সময়ে পরিবর্তনশীল। একজন মানুষ ভিন্ন সময়ে নিজের চেয়েও অনেক বেশি আলাদা হয়ে যায়। * এমন কোনো সত্য নেই যা নিয়ে আমরা সবসময় একমত থাকি। আবার আমাদের আনন্দের বিষয়গুলোও প্রতি ঘণ্টায় বদলে যায়। মানুষের খামখেয়ালিপনা অনুযায়ী কথা বলার কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম আছে কি না আমি জানি না। * প্রমাণ বা যুক্তির নিখুঁত পদ্ধতি তিনটি প্রধান অংশ নিয়ে গঠিত। স্পষ্ট সংজ্ঞার মাধ্যমে পদের ব্যাখ্যা দেওয়া, প্রমাণিত নীতি বা স্বতঃসিদ্ধ প্রস্তাব করা এবং প্রমাণের সময় পদের বদলে সবসময় তার সংজ্ঞা ব্যবহার করা। * যদি ভিত্তি মজবুত না হয়, তবে অট্টালিকাও নিরাপদ হয় না। * সংজ্ঞায়ন, স্বতঃসিদ্ধ সত্য এবং প্রমাণের নিখুঁত পদ্ধতির জন্য জ্যামিতিক প্রমাণের কিছু নিয়মই যথেষ্ট। *সংজ্ঞায়নের নিয়ম: ১. কোনো সুপরিচিত বিষয়কে সংজ্ঞায়িত করতে যাবেন না যা ব্যাখ্যা করার জন্য আরও স্পষ্ট শব্দ নেই। ২. অস্পষ্ট বা দ্ব্যর্থবোধক কোনো শব্দকে সংজ্ঞা ছাড়া রাখবেন না। ৩. সংজ্ঞায় কেবল পরিচিত বা আগে ব্যাখ্যা করা হয়েছে এমন শব্দই ব্যবহার করবেন। *স্বতঃসিদ্ধ সত্যের নিয়ম: ১. প্রয়োজনীয় কোনো নীতি বা বিষয় যত স্পষ্টই হোক না কেন, তা জিজ্ঞাসা করা থেকে বিরত থাকবেন না। ২. কেবল নিজের মধ্যে স্পষ্ট বিষয়গুলোই স্বতঃসিদ্ধ হিসেবে দাবি করবেন। *প্রমাণের নিয়ম: ১. খুব বেশি স্পষ্ট কোনো বিষয় প্রমাণ করতে যাবেন না যা প্রমাণ করার মতো সহজ কিছু আর নেই। ২. সব অস্পষ্ট প্রস্তাবনা প্রমাণ করুন এবং প্রমাণের ক্ষেত্রে কেবল খুব স্পষ্ট স্বতঃসিদ্ধ বা আগে প্রমাণিত প্রস্তাবনা ব্যবহার করুন। ৩. দ্ব্যর্থতা এড়াতে প্রমাণের সময় মানসিক ভাবে পদের জায়গায় তার সংজ্ঞা বসান। * ওপরের আটটি নিয়ম যে কোনো মজবুত প্রমাণের জন্য যথেষ্ট। এর মধ্যে পাঁচটি নিয়ম অপরিহার্য যা ছাড়া কোনো প্রমাণ সম্পন্ন করা সম্ভব নয়। * নিয়মের অভাব বা কঠিন অনুশীলনের কারণে এগুলো অনেকের কাছেই অপরিচিত। *এই নিয়মগুলো খুব সাধারণ। এমন আপত্তির বিপরীতে আমার কথা হলো,জ্যামিতিবিদরা ছাড়া পুরো জাতির মধ্যে খুব কম মানুষই এই নিয়মগুলো জানে। * যারা এই নিয়মগুলো আয়ত্ত করেছেন, তারা বুঝতে পারবেন যে সাধারণ যুক্তিবিদরা যা লিখেছেন তার সাথে এর পার্থক্য কতটা বিশাল। * একই কথা যারা বলেন, তারা সবাই বিষয়টিকে একইভাবে ধারণ করেন না। একজন মানুষের সামর্থ্য কেবল তার একটি ভালো উক্তি শুনে বিচার করা উচিত নয়। আমাদের উচিত তার মনের গভীরে প্রবেশ করা। অনেক সময় দেখা যায় সে নিজেই তার ওই ভালো চিন্তাটি বিশ্বাস করে না এবং কোনো তুচ্ছ বিষয়ের দিকে ঝুঁকে পড়ে। *'বস্তু প্রাকৃতিকভাবেই চিন্তায় অক্ষম' এবং'আমি চিন্তা করি, তাই আমি আছি'। রেনে দেকার্ত এবং সেন্ট অগাস্টিনের কাছে কি এই নীতি দুটি আসলে একই ছিল? অগাস্টিন বারোশ বছর আগেই একই কথা বলেছিলেন। আমি বলছি না দেকার্ত এর রচয়িতা নন। তবে কেবল কোনো কথা বলা এবং সেই কথা থেকে চমৎকার সব সিদ্ধান্ত বের করে একটি পূর্ণাঙ্গ আধিভৌতিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার মধ্যে বিশাল পার্থক্য আছে। * কোনো এক ব্যক্তি নিজের অজান্তেই একটি চমৎকার কথা বলতে পারেন। কিন্তু অন্য কেউ হয়তো সেই একই কথার মধ্যে অসামান্য সব সিদ্ধান্তের সমাহার খুঁজে পান। ফলস্বরূপ উক্তিটি আর আগের মতো থাকে না। কোনো উক্তি যেখান থেকে শেখা হয়েছে তার প্রতি ঋণ ঠিক ততটুকুই, যতটুকু একটি সুন্দর গাছ সেই ব্যক্তির প্রতি ঋণী যে অনিচ্ছাকৃত ভাবে উর্বর মাটিতে বীজ ফেলেছিল। * যুক্তিবিদ্যা হয়তো জ্যামিতির নিয়মগুলো ধার করেছে কিন্তু সেগুলোর শক্তি বুঝতে পারেনি। এই বিজ্ঞানই যুক্তি পরিচালনার সঠিক পদ্ধতি শেখায়। * ভুল না করার পদ্ধতি সবাই খোঁজে। যুক্তিবিদরা পথ দেখানোর দাবি করেন কিন্তু কেবল জ্যামিতিবিদরাই তা অর্জন করতে পারেন। বিজ্ঞান এবং এর অনুসরণ ছাড়া আর কোনো প্রকৃত প্রমাণ নেই। * ভালো জিনিস সবখানেই আছে, কেবল সেগুলো বেছে নেওয়া প্রয়োজন। এটি নিশ্চিত যে সেগুলো প্রাকৃতিক এবং সবার নাগালের মধ্যেই থাকে। *শ্রেষ্ঠত্ব কোনো অসাধারণ বা কাল্পনিক জিনিসের মধ্যে নেই। একে পেতে হলে আমাদের অনেক সময় নিচু হতে হয়। * শ্রেষ্ঠ বই সেগুলোই যা পড়ার পর পাঠকের মনে হয় তিনি নিজেও তা লিখতে পারতেন। *প্রকৃতিই একমাত্র ভালো যা সবার কাছে পরিচিত এবং সাধারণ। * আমি নিশ্চিত যে এই নিয়মগুলো সহজ, কৃত্রিমতাহীন এবং স্বাভাবিক। * মনকে জোর করা উচিত নয়। কৃত্রিম আচরণ সলিড খাবারের বদলে মনকে কেবল অন্তঃসারশূন্য অহংকারে পূর্ণ করে। * মানুষের একটি প্রধান ভুল হলো তারা মনে করে ভালো জিনিসগুলো দুর্লভ এবং উঁচু স্তরের। তারা এগুলোকে 'মহান, উচ্চ বা মহৎ' নাম দেয়। আমি এগুলোকে 'সাধারণ ও পরিচিত' বলতে পছন্দ করি। কারণ এই নামগুলোই বেশি মানানসই। আমি আড়ম্বরপূর্ণ শব্দ অপছন্দ করি। == পাস্কাল সম্পর্কে উক্তি == * {{w|প্রোভিনশিয়াল লেটার্স|''প্রোভিনশিয়াল লেটার্স''}} এবং ছোটখাটো ধর্মীয় রচনাগুলো লেখার পরের বছরগুলোতে পাস্কাল খ্রিস্টধর্মের প্রসারে নিজের জীবন উৎসর্গ করতে শুরু করেন। এই কার্যক্রমের মূলে ছিল তার বিখ্যাত কাজ পঁসে। এটি মূলত ১৬৫৭ থেকে ১৬৫৮ সালের দিকে লেখা। অনেক সমালোচকের মতে, এটি অজ্ঞেয়বাদী ও নাস্তিকদের ধর্মীয় বিশ্বাসে ফিরিয়ে আনার সবচেয়ে উচ্চাভিলাষী প্রচেষ্টাগুলোর একটি। তবে এটি মূলত একটি অসমাপ্ত কাজ। ** {{w|ডোনাল্ড অ্যাডামসন}}, ''ব্লেইজ পাস্কাল: গণিতবিদ, পদার্থবিদ এবং ঈশ্বর চিন্তক'' (১৯৯৪)। * আমি খুব ভাগ্যবান ছিলাম। শৈশবে কৌতূহলী হওয়ার পাশাপাশি আমি কিছুটা শারীরিক প্রতিবন্ধকতার শিকার ছিলাম। তাই হাতের কাছে যা পেতাম তা-ই পড়তাম। আমার স্মরণশক্তি এবং কাজ করার শক্তিও প্রচুর। এটি একটি আশীর্বাদ। আমি এখনও নতুন কিছু শেখার জন্য তৃষ্ণার্ত। সব তরুণের মধ্যে এই গুণ থাকে না। তাদের অবশ্যই বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়া উচিত এবং মানবজাতির মহান চিন্তাগুলোর সাথে পরিচিত হওয়া উচিত। প্রত্যেকেরই ভাবা উচিত "আমি কেন এখানে? এই পৃথিবীতে আমার কাজ কী?" অ্যারিস্টটল এবং প্লেটোকে জানা খুব জরুরি। জীবনকে সহজ করতে হলে লিওপোল্ড এবং পাস্কালকে জানা একান্ত প্রয়োজন। ** মায়া অ্যাঞ্জেলের সাথে কথোপকথন (১৯৮৯), ১৯৮৬ সালের সাক্ষাৎকার। * এটি তাৎপর্যপূর্ণ যে আমরা ব্লেইজ পাস্কালের মেধার মাধ্যমেই ''পুনরাবৃত্তি নীতির'' প্রথম সুষ্পষ্ট ধারণা পাই। ১৬৫৪ সালে প্রকাশিত ''দ্য অ্যারিথমেটিক ট্রায়াঙ্গেল'' নামক একটি গবেষণাপত্রে তিনি এই নীতি ব্যাখ্যা করেন। পাস্কাল ও [[পিয়ের দ্য ফের্মা|ফের্মার]] মধ্যে জুয়া খেলার সমস্যা নিয়ে আদান-প্রদান করা চিঠিপত্রেই এই কাজের মূল নির্যাস ছিল। এই যোগাযোগ থেকেই আধুনিক সম্ভাবনা তত্ত্ব গড়ে উঠেছে। এটি বিস্ময়কর যে বিশুদ্ধ গণিতের ভিত্তি এবং সব ডিডাক্টিভ বিজ্ঞানের মূল আধার এই তত্ত্ব দুটি জুয়াড়িদের একটি অসমাপ্ত খেলার বাজি ভাগ করার কৌশল খুঁজতে গিয়ে আবিষ্কৃত হয়েছিল। ** টোবিয়াস ড্যান্টজিগ, ''নাম্বার: দ্য ল্যাঙ্গুয়েজ অব সায়েন্স'' (১৯৩০)। * একটি কার্যকর ধর্ম সম্পর্কে পাস্কাল যা বলেছিলেন তা যেকোনো কার্যকর মতবাদের ক্ষেত্রেই সত্য: একে অবশ্যই "প্রকৃতি, সাধারণ জ্ঞান এবং আনন্দের প্রতিকূলে" হতে হবে। ** এরিক হোফার, ''দ্য ট্রু বিলিভার'' (১৯৫১)। * মানুষ অসীমভাবে মানুষকে ছাড়িয়ে যায়। ** পোপ পল ষষ্ঠ, ''এনসাইক্লিক্যাল পপুলোরাম প্রগ্রেসীয়'' (১৯৬৭)। * পাস্কাল অবজ্ঞার সাথে বলেছিলেন যে সাধারণ শ্রমিকরা তথাকথিত 'দার্শনিকদের' ভুল ধরিয়ে দিতে সক্ষম হয়েছে। মূলত এই অশিক্ষিত মানুষরাই 'নিজেদের চোখে দেখা এবং হাতে স্পর্শ করা' বিষয়গুলো বিশ্বাস করতে বেশি প্রস্তুত ছিল। ** রেইজার হুইকাস, ''রিলিজিয়ন অ্যান্ড দ্য রাইজ অব মডার্ন সায়েন্স'' (২০০০)। * দর্শনচর্চা মানেই হলো মানুষের গুরুত্ব এবং তার মর্যাদাকে পুনপ্রতিষ্ঠা করা। সক্রেটিসের অন্বেষণ এবং বিজ্ঞানের কার্তেসীয় বিপ্লবের মুখে পাস্কালের উদ্বেগের মূল অর্থ ছিল এটাই। এই বিচারে পাস্কাল [[সক্রেটিস|সক্রেটিসের]] চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ একজন দার্শনিক। বিজ্ঞান মানুষকে সৃষ্টির সেরা জীব থেকে সরিয়ে দেওয়ার যে দাবি করেছিল, পাস্কালই প্রথম তার তীব্র প্রতিবাদ জানান। কেন বিজ্ঞান মানুষের হৃদয়ে আনন্দ দিতে বা জীবনের অর্থ খুঁজে পেতে ব্যর্থ, তা পাস্কালের চেয়ে ভালো কেউ প্রমাণ করতে পারেনি। ** থমাস মোলনার, ''দ্য ডিক্লাইন অব দ্য ইন্টেলেকচুয়াল'' (১৯৬১)। * পাস্কাল কোনো কূপমণ্ডূক ছিলেন না। তবে তিনি পরিমাপ করেছিলেন যে বিজ্ঞান মানুষের ভাগ্যের সমস্যার ক্ষেত্রে কতটা অপ্রাসঙ্গিক হতে পারে। বিজ্ঞান মানুষের অভিজ্ঞতার সীমাবদ্ধতা ও অপূর্ণতাকে উপেক্ষা করে যে সত্যের দাবি করে, তা বাস্তবসম্মত নয়। বরং আমাদের সহজাত সামর্থ্যগুলোই অস্তিত্বের লড়াইয়ে টিকে থাকার একমাত্র ও অপরিহার্য হাতিয়ার। ** থমাস মোলনার, ''দ্য ডিক্লাইন অব দ্য ইন্টেলেকচুয়াল'' (১৯৬১)। * পাস্কাল হলেন দেকার্তের একজন বিচক্ষণ সমালোচক। তিনি দেকার্তের সবকিছুর বিরোধিতা না করলেও মৌলিক কিছু পয়েন্টে দ্বিমত পোষণ করেছেন। প্রথমত, তিনি বুঝেছিলেন যে দেকার্তের নিশ্চিত জ্ঞানের আকাঙ্ক্ষা ছিল একটি ভ্রান্ত মানদণ্ডের ওপর ভিত্তি করে। দেকার্ত এমন কিছু দিয়ে শুরু করতে চেয়েছিলেন যা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই, যার ফলে তিনি বিশ্বাস করতেন সব প্রকৃত জ্ঞানই প্রযুক্তিগত। পাস্কাল তার সম্ভাব্যতা তত্ত্বের মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত এড়িয়ে গেছেন। দ্বিতীয়ত, পাস্কাল উপলব্ধি করেছিলেন যে যেকোনো বাস্তব কাজে কার্তেসীয় যুক্তিই একমাত্র উৎস নয়। মানুষের মন কোনো সচেতন বা সূত্রবদ্ধ কৌশলের ওপর পুরোপুরি নির্ভরশীল নয়। অনেক সময় মন কোনো কৌশল ছাড়াই স্বাভাবিকভাবে কাজ করে। অনুসন্ধানের নিয়মগুলো অতিরিক্ত সুনির্দিষ্ট করতে গিয়ে পদ্ধতির ওপর গুরুত্ব দিলে প্রকৃত অনুসন্ধান বাধাগ্রস্ত হয়। আধুনিক দর্শনের ইতিহাসের বড় একটি অংশ এই প্রশ্নকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হয়েছে। ** মাইকেল ওকশট, ''র‍্যাশনালিজম ইন পলিটিক্স অ্যান্ড আদার এসেস'' (১৯৬২)। * পাস্কালের 'পঁসে' থেকে কিছু অংশ বেছে নিয়ে প্রমাণ করার চেষ্টা করা হয়েছে যে তিনি বিশ্বাসের কাছে যুক্তিকে বিসর্জন দিয়ে দর্শনের সম্ভাবনা অস্বীকার করেছেন। আমি দেখাতে চাই যে পাস্কাল সংশয়বাদী ছিলেন না। তার এই কাজে স্পিনোজা বা লাইবনিজের মতো বিস্তারিত কোনো সিস্টেম না থাকলেও একটি প্রকৃত দর্শনের মূলনীতিগুলো বিদ্যমান। এই ধারণাগুলো পাস্কালের বিশ্বাসের সাথে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ। খ্রিস্টধর্ম এবং দর্শনের উচ্চতর দিকগুলোর মধ্যে সমন্বয় সাধনের জন্য এর চেয়ে ভালো পথ আর নেই। ** ফেলিক্স রাভেইসন, ''সাজি ফিলোসোফিচি'' (১৯১৭)। * পাস্কাল গণিতের বিষয়বস্তুর সাথে অন্যান্য বিষয়ের পার্থক্য ফুটিয়ে তুলেছেন। তিনি বিষয়গুলোকে কোনো সাধারণ নামে না ডেকে বরং বর্ণনা করেছেন। তার সময়ের ভাষায় বললে এগুলো ছিল নান্দনিক ও নৈতিক প্রকৃতির। মনের যে অনুষদগুলো এই দুই ধরনের বিষয়ের সাথে যুক্ত, তিনি সেগুলোর বৈশিষ্ট্যও তুলে ধরেছেন। বস্তু ও আত্মার পার্থক্যের মতো এই দুই জগতের তফাত পাস্কালের চেয়ে স্পষ্ট করে আর কেউ বুঝতে পারেনি। ** ফেলিক্স রাভেইসন, ''সাজি ফিলোসোফিচি'' (১৯১৭)। * পাস্কালই একমাত্র মহান গণিতবিদ যিনি লেখক হিসেবেও সমভাবে বিখ্যাত। তার জ্যানসেনবাদী আদর্শের একটি স্থায়ী প্রভাব হলো গণপরিবহন ব্যবস্থা। মৃত্যুর কিছুদিন আগে পাস্কাল বিশ্বে প্রথমবারের মতো ওমনিবাস সার্ভিস চালু হতে দেখেন। প্যারিসের নির্দিষ্ট রুটে ৫ স্যু ভাড়ায় এই কোচগুলো চলত। এই আয়ের লাভ দরিদ্রদের সাহায্যের জন্য দেওয়া হতো। ** জন স্টিলওয়েল, ''ম্যাথমেটিক্স অ্যান্ড ইটস হিস্ট্রি'' (১৯৮৯)। * জীবন্ত দেহকে একটি যন্ত্র হিসেবে বিবেচনা করা পাস্কালের কাছে অত্যন্ত অগ্রহণযোগ্য ও হাস্যকর মনে হতো। ** [[w:ডি'আর্সি ওয়েন্টওয়ার্থ থম্পসন|ডি'আর্সি ওয়েন্টওয়ার্থ থম্পসন]], ''অন গ্রোথ অ্যান্ড ফর্ম'' (১৯১৭)। * পাস্কালের বিপরীতে আমি বলি: ইব্রাহিম, ইসহাক ও ইয়াকুবের ঈশ্বর এবং দার্শনিকদের ঈশ্বর একই। ** পল টিলিচ, ''বিবলিক্যাল রিলিজিয়ন অ্যান্ড দ্য সার্চ ফর আলটিমেট রিয়েলিটি''। * পাস্কালের 'থটস' বা 'পঁসে' কোনো সাধারণ বই নয়। এই মহান ব্যক্তি তার শক্তিশালী মনে যখন যা আসত তা-ই কাগজে লিখে রাখতেন। গুরুতর অসুস্থতা তাকে নিষ্ক্রিয় করে দেওয়ার আগ পর্যন্ত তিনি এটি চালিয়ে গেছেন। পরবর্তীকালে এই ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা চিন্তাগুলোকে সুশৃঙ্খল করার জন্য অনেক চেষ্টা করা হয়েছে এবং কিছু ক্ষেত্রে সাফল্যও মিলেছে। তবে কখনও কখনও লেখকের মূল উদ্দেশ্য ভুলভাবেও ব্যাখ্যা করা হয়েছে। ** আলেকজান্ডার রডলফ ভিনেট, ''স্টাডিজ অন পাস্কাল'' (১৮৫৯)। * পাস্কাল ধর্মের পক্ষে বিশেষ কিছুই প্রমাণ করতে পারেননি। বরং তিনি এটিই দেখিয়েছেন যে একজন প্রতিভাবান মানুষও কোনো কোনো বিষয়ে বোকা হতে পারেন। যখন কেউ নিজের কুসংস্কারের কথা শোনার মতো দুর্বল হয়ে পড়ে, তখন সে শিশুর মতোই আচরণ করে। ** ব্যারন ডি'হোলবাখ, ''গুড সেন্স উইদাউট গড'' (১৭৭২)। == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} * [http://www.gutenberg.org/browse/authors/p#a7913 প্রজেক্ট গুটেনবার্গে ব্লেইজ প্যাস্কেল] * [http://btr360.com/2015/06/19/124-thoughts-of-blaise-pascal-free-book/ ব্লেইজ প্যাস্কেলের ১২৪টি উক্তি] [[বিষয়শ্রেণী:১৬২৩-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:১৬৬২-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:প্রবচনকারক]] [[বিষয়শ্রেণী:খ্রিস্টীয় ধর্মতাত্ত্বিক]] [[বিষয়শ্রেণী:সমালোচক]] [[বিষয়শ্রেণী:মানবতাবাদী]] [[বিষয়শ্রেণী:আবিষ্কারক]] [[বিষয়শ্রেণী:ফরাসি যুক্তিবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:ফরাসি গণিতবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:রহস্যবাদী]] [[বিষয়শ্রেণী:ফরাসি দার্শনিক]] [[বিষয়শ্রেণী:দার্শনিক হতাশাবাদী]] [[বিষয়শ্রেণী:ফরাসি পদার্থবিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:ফরাসি ক্যাথলিক]] [[বিষয়শ্রেণী:ফরাসি ধর্মতত্ত্ববিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:অ-কল্পকাহিনী লেখক]] 23nh59dgkwkib05n7c1mmkbpjn0uqqp জলধর সেন 0 12129 79797 76111 2026-04-22T16:15:01Z Salil Kumar Mukherjee 39 উক্তি যোগ 79797 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} [[চিত্র:Portrait of Jaladhar Sen.jpg|thumb|300px|জলধর সেন]] '''[[:w:জলধর সেন|জলধর সেন]]''' (১৩ মার্চ ১৮৬০ – ১৫ মার্চ ১৯৩৯) ছিলেন একজন বাঙালি লেখক, কবি, সম্পাদক এবং একজন জনহিতৈষী, পর্যটক, সমাজকর্মী, শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক। তিনি ''গ্রামবার্তা'', ''সাপ্তাহিক বসুমতী'', ''হিতবাদী'', ''সুলভ সমাচার'' প্রভৃতি সাময়িক পত্রিকাতে সম্পাদক বা সহ-সম্পাদক হিসাবে যুক্ত ছিলেন। পরে ১৩২০ বঙ্গাব্দ থেকে ১৩৪৫ বঙ্গাব্দ পর্যন্ত দীর্ঘ ২৬ বছর তিনি ভারতবর্ষ মাসিক পত্রিকা সম্পাদনা করেন। তিনি উপন্যাস, ভ্রমণকাহিনী, সামাজিক বার্তা, শিশুদের জন্য বই এবং জীবনী সহ প্রায় ৪২টি বই লিখেছেন। গল্পের বইয়ের মধ্যে রয়েছে ''নৈবেদ্য'', ''কাঙ্গালের ঠাকুর'', ''বড় মানুষ'' ইত্যাদি। তার রচিত উপন্যাসগুলি হলো ''দুঃখিনী'', ''অভাগী'', ''উৎস'', ''বড়বাড়ী'', ''হরিশ ভাণ্ডারী'' প্রভৃতি। ভ্রমণকাহিনীর মধ্যে রয়েছে ''প্রবাস-চিত্র'' এবং ''হিমালয়'' ; ''কাঙ্গাল হরিনাথ'' তার জীবনীমূলক লেখা। তার সাহিত্যকর্মের জন্য ব্রিটিশ সরকার 'রায় বাহাদুর' উপাধি দেয়। == উক্তি == * মেজের এক কোণ হইতে কেবল একটা কাতরোক্তি শুনিতে পাওয়া যাইতেছিল। একজনের হাতে একটা দিয়াশলাই ছিল; সে একটা কাঠি জ্বালিতেই ঘরের মধ্যের অন্ধকার দূর হইল। সকলে সভয়ে দেখিল, মানদা ঘরের মেজের উপর পড়িয়া আছেন। তাঁহারই কণ্ঠ হইতে অব্যক্ত কাতরোক্তি বাহির হইতেছে। ঘরের চারিদিকে দেখিবার পূর্ব্বেই দিয়াশলাই নিবিয়া গেল। চণ্ডী বাবু বলিলেন “খবরদার, তোমরা দোর আগ্‌লে, দাঁড়াও, পাজিটা যেন পালাতে না পারে। আর একটা দিয়াশলাই জ্বাল।” ** ষোল আনি- জলধর সেন, প্রকাশক- গুরুদাস চট্টোপাধ্যায় এণ্ড সন্স, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯২০ খ্রিস্টাব্দ (১৩২৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩ * মানুষ পৃথিবীতে নিজের তৃপ্তির জন্যই ব্যাকুল; অন্যে যখন ঘুরিতে ঘুরিতে তাহার পথে আসিয়া পড়ে, তখন সে তাহাকে সঙ্গিরূপে গ্রহণ করিয়া ঈপ্সিত পথে অগ্রসর হয়। কিন্তু যে কুহকমন্ত্র সে অপরের হৃদয়াকর্ষণের জন্য প্রয়োগ করে, কখন কখন তাহা ছিন্নতার বীণার তানলয়হীন ধ্বনির ন্যায় শ্রুতিকঠোর হয়। যে বীণার সহায়তায় আমার আকাঙ্ক্ষাপীড়িত হৃদয়ের হাহাকার সঙ্গীতরূপে উচ্ছ্বসিত করিয়া তুলিয়াছিলাম, সে বীণা আমার ভাঙ্গিয়া গিয়াছে; সে আগ্রহ, সে আন্তরিকতা আমার নাই; কেবল দগ্ধস্মৃতির অন্তর্জ্বালা সেই বহুদূরান্তর-ন্যস্ত হিমাচলের বৃক্ষলতাবর্জ্জিত, ধূসর, অপরিবর্ত্তনীয়, চির-উদাসীন প্রস্তরস্তূপের ন্যায় বক্ষের মধ্যে নিরস্তর বিদ্যমান রহিয়াছে; তাহাতে অশ্রু শুকাইয়া যায়। ** হিমালয়ের স্মৃতি, পুরাতন পঞ্জিকা - জলধর সেন, প্রকাশক- গুরুদাস চট্টোপাধ্যায় এণ্ড সন্স, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯০৯ খ্রিস্টাব্দ (১৩১৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৮০ * ‘দুঃখিনী’ প্রকাশ হ’ল– তুমি নাই কাছে,<br>তব স্নেহ ছায়া সম ফিরে তার পাছে।<br>ভুলিনি অস্তিম সাধ— "দাদা! দুঃখিনীরে<br>মেজে ঘসে রং দিয়ে এনো না বাহিরে।”<br>অনাঘ্রাত কুসুমের আদিম সজ্জায়,<br>সে লুকাবে তোরি বুকে সোহাগে লজ্জায়। ** ‘দুঃখিনী’ উপন্যাসের উৎসর্গ পত্রে অকাল প্রয়াত অনুজ শশধর সেনের উদ্দেশ্যে লিখিত কবিতার অংশ, দুঃখিনী - জলধর সেন, প্রকাশক- গুরুদাস চট্টোপাধ্যায় এণ্ড সন্স, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯০৯ খ্রিস্টাব্দ (১৩১৬ বঙ্গাব্দ) * সেকালে কলিকাতা সহরে মোটরের নামও কেউ জানতো না; ঘোড়া গাড়ীর প্রচলনও খুব কমই ছিল। তখন বড়মানুষেরা পালকি চড়ে যাতায়াত করতেন। আর সে সব পাল‍্কির বাহারও খুব ছিল; বড়মানুষদের বড় বড় পাল‍্কি, রূপো বাঁধানো ডাণ্ডা, মকর-হাঙ্গর-মুখো সাজ। আট জন বারো জন, ষোল জন বেহারা না হ’লে পালকী বইবার যো ছিল না! * যমজয়ী চূড়ামণি দত্ত, সেকালের কথা - জলধর সেন, প্রকাশক- গুরুদাস চট্টোপাধ্যায় এণ্ড সন্স, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৩০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৫-৬ * কমলা আর কথা বলিবার অবকাশ পাইলেন না। হরিনাথ তখন অতি ধীরস্বরে বলিল, “সর্দারের পো, ভাই অমন ক’রে কি কথা বলতে আছে? যে মুখে হরিনাম করতে হবে, আল্লার নাম করতে হবে ব’লে এত দুর্লভ মানবজন্ম পেয়েছি, সে মুখ দিয়ে কি কুচ্ছ কথা বার করতে হয় ভাই! তুমি মুসলমান হলেও আমার দয়াল হরির দাস; আমিও তাঁরই দাস বলেই ত মনে ভাবি। তুমি যে আমার হরির সম্পর্কে ভাই হও। ভাই হয়ে কি বোনের কথা অমন করে বল্তে হয়? আর অমন কথা বলে হরিমন্দির অপবিত্র করো না। এস তোমাকে ভাই বলে, হরিদাস বলে বুক নিই।” এই বলিয়া হরিনাথ ছলিম সর্দারকে আলিঙ্গন করিয়া উচ্চৈঃম্বরে বলিতে লাগিল,“হরি হরিবোল” হরি হরিবোল।” ** বিচার, জলধর সেনের নির্বাচিত গল্প, সংকলন ও সম্পাদনা- ড. সুবিমল মিশ্র, প্রকাশক- বাণী প্রকাশন, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- জানুয়ারি ২০০২, পৃষ্ঠা ১৫৪ * তাহার পর আর কি! এই চরের হাঙ্গামা ও খুন লইয়া তুমুল ব্যাপার আরম্ভ হইল। মনোহরপুরে সংবাদ পৌঁছিল। তারক দাঙ্গা ও খুনের সংবাদ পাইলেন, কিন্তু কার্ত্তিকের কোন সংবাদ পাইলেন না। নায়েবের পত্রে কার্ত্তিকের কোন প্রসঙ্গই নাই। যে সকল পত্র আসিতে লাগিল, তাহা সকলই কার্ত্তিকের নামে। তারক বুঝিতে পারিলেন যে, কার্ত্তিক ব্যাপার গুরুতর দেখিয়া গা-ঢাকা দিয়াছেন। ** বড়বাড়ী, বড়বাড়ী - জলধর সেন, প্রকাশক- গুরুদাস চট্টোপাধ্যায় এণ্ড সন্স, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯২৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৪৮-৪৯ ==জলধর সেনকে নিয়ে উক্তি== * জলধরবাবুর লেখনী ছিল বড় মিষ্ট, বড় দরদী; তাই অতি অনায়াসেই পাঠকদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ আত্মীয়তার সম্বন্ধ স্থাপন করতে পারত। স্বচ্ছ, সরল, সরস ভাষা—যেন সোজা তাঁর প্রাণের ভিতর থেকেই বেরিয়ে এসে ঝ’রে পড়ত লেখনীমুখ দিয়ে, কোনরকম কৃত্রিমতার ধার না ধেরেই। ** [[হেমেন্দ্রকুমার রায়]], জলধর সেন, যাঁদের দেখেছি - হেমেন্দ্রকুমার রায়, প্রথম সংস্করণ, প্রকাশক— নিউ এজ পাবলিশার্স লিমিটেড, কলিকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৫৯ * জলধরের রচনায় বিশেষ গুণ সারল্য ও স্বচ্ছতা। পল্লীগ্রামের দরিদ্র ভদ্রজীবনের আর্থিক ও সামাজিক দুঃখ বেদনা ইহার গল্প-উপন্যাসের বিশেষ বস্তু। ** [[সুকুমার সেন]], বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস - শ্রীসুকুমার সেন, পঞ্চম খণ্ড, ষষ্ঠ মুদ্রণ, প্রকাশক- আনন্দ পাবলিশার্স, কলিকাতা, প্রকাশসাল- ২০১০, পৃষ্ঠা ৪৫ * জলধরবাবুর প্রসাদগুণে পরিপূর্ণ দরদী ভাষায় হিমালয়ের ভ্রমণকাহিনীগুলি যখন মাসিক পত্রিকায় প্রকাশিত হ’তে লাগল, পাঠকসমাজ তা গ্রহণ করলে সাগ্রহ আনন্দে। তার আগে আর কোন ভ্রমণকাহিনী এত আদর পায় নি, এত লোকপ্রিয় হয় নি। সেই সময়েই তিনি সাহিত্যক্ষেত্রে লাভ করেন নিজের ন্যায্য আসন। কিন্তু কেবল ভ্রমণকাহিনী নয়, ছোটগল্প রচনাতেও প্রকাশ পেত তাঁর যথেষ্ট মুনশীয়ানা। এক্ষেত্রে তাঁর আন্তরিকতাপূর্ণ ভাষা পাঠকদের আকৃষ্ট করত তো বটেই, তার উপরে বোঝা যেত, ছোটগল্পের আর্টও তাঁর ভালোরকমই জানা আছে। ** [[হেমেন্দ্রকুমার রায়]], জলধর সেন, যাঁদের দেখেছি - হেমেন্দ্রকুমার রায়, প্রথম সংস্করণ, প্রকাশক— নিউ এজ পাবলিশার্স লিমিটেড, কলিকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৫৯-১৬০ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} {{উইকিসংকলন লেখক}} {{কমন্স বিষয়শ্রেণী|Jaladhar Sen}} [[বিষয়শ্রেণী:১৮৬০-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৯-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি ঔপন্যাসিক]] [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি হিন্দু]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯শ শতাব্দীর বাঙালি]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের লেখক]] mwmnednxxpe995latkedx61seuot7qy 79816 79797 2026-04-22T18:20:35Z Salil Kumar Mukherjee 39 উক্তি যোগ 79816 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} [[চিত্র:Portrait of Jaladhar Sen.jpg|thumb|300px|জলধর সেন]] '''[[:w:জলধর সেন|জলধর সেন]]''' (১৩ মার্চ ১৮৬০ – ১৫ মার্চ ১৯৩৯) ছিলেন একজন বাঙালি লেখক, কবি, সম্পাদক এবং একজন জনহিতৈষী, পর্যটক, সমাজকর্মী, শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক। তিনি ''গ্রামবার্তা'', ''সাপ্তাহিক বসুমতী'', ''হিতবাদী'', ''সুলভ সমাচার'' প্রভৃতি সাময়িক পত্রিকাতে সম্পাদক বা সহ-সম্পাদক হিসাবে যুক্ত ছিলেন। পরে ১৩২০ বঙ্গাব্দ থেকে ১৩৪৫ বঙ্গাব্দ পর্যন্ত দীর্ঘ ২৬ বছর তিনি ভারতবর্ষ মাসিক পত্রিকা সম্পাদনা করেন। তিনি উপন্যাস, ভ্রমণকাহিনী, সামাজিক বার্তা, শিশুদের জন্য বই এবং জীবনী সহ প্রায় ৪২টি বই লিখেছেন। গল্পের বইয়ের মধ্যে রয়েছে ''নৈবেদ্য'', ''কাঙ্গালের ঠাকুর'', ''বড় মানুষ'' ইত্যাদি। তার রচিত উপন্যাসগুলি হলো ''দুঃখিনী'', ''অভাগী'', ''উৎস'', ''বড়বাড়ী'', ''হরিশ ভাণ্ডারী'' প্রভৃতি। ভ্রমণকাহিনীর মধ্যে রয়েছে ''প্রবাস-চিত্র'' এবং ''হিমালয়'' ; ''কাঙ্গাল হরিনাথ'' তার জীবনীমূলক লেখা। তার সাহিত্যকর্মের জন্য ব্রিটিশ সরকার 'রায় বাহাদুর' উপাধি দেয়। == উক্তি == * মেজের এক কোণ হইতে কেবল একটা কাতরোক্তি শুনিতে পাওয়া যাইতেছিল। একজনের হাতে একটা দিয়াশলাই ছিল; সে একটা কাঠি জ্বালিতেই ঘরের মধ্যের অন্ধকার দূর হইল। সকলে সভয়ে দেখিল, মানদা ঘরের মেজের উপর পড়িয়া আছেন। তাঁহারই কণ্ঠ হইতে অব্যক্ত কাতরোক্তি বাহির হইতেছে। ঘরের চারিদিকে দেখিবার পূর্ব্বেই দিয়াশলাই নিবিয়া গেল। চণ্ডী বাবু বলিলেন “খবরদার, তোমরা দোর আগ্‌লে, দাঁড়াও, পাজিটা যেন পালাতে না পারে। আর একটা দিয়াশলাই জ্বাল।” ** ষোল আনি- জলধর সেন, প্রকাশক- গুরুদাস চট্টোপাধ্যায় এণ্ড সন্স, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯২০ খ্রিস্টাব্দ (১৩২৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩ * মানুষ পৃথিবীতে নিজের তৃপ্তির জন্যই ব্যাকুল; অন্যে যখন ঘুরিতে ঘুরিতে তাহার পথে আসিয়া পড়ে, তখন সে তাহাকে সঙ্গিরূপে গ্রহণ করিয়া ঈপ্সিত পথে অগ্রসর হয়। কিন্তু যে কুহকমন্ত্র সে অপরের হৃদয়াকর্ষণের জন্য প্রয়োগ করে, কখন কখন তাহা ছিন্নতার বীণার তানলয়হীন ধ্বনির ন্যায় শ্রুতিকঠোর হয়। যে বীণার সহায়তায় আমার আকাঙ্ক্ষাপীড়িত হৃদয়ের হাহাকার সঙ্গীতরূপে উচ্ছ্বসিত করিয়া তুলিয়াছিলাম, সে বীণা আমার ভাঙ্গিয়া গিয়াছে; সে আগ্রহ, সে আন্তরিকতা আমার নাই; কেবল দগ্ধস্মৃতির অন্তর্জ্বালা সেই বহুদূরান্তর-ন্যস্ত হিমাচলের বৃক্ষলতাবর্জ্জিত, ধূসর, অপরিবর্ত্তনীয়, চির-উদাসীন প্রস্তরস্তূপের ন্যায় বক্ষের মধ্যে নিরস্তর বিদ্যমান রহিয়াছে; তাহাতে অশ্রু শুকাইয়া যায়। ** হিমালয়ের স্মৃতি, পুরাতন পঞ্জিকা - জলধর সেন, প্রকাশক- গুরুদাস চট্টোপাধ্যায় এণ্ড সন্স, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯০৯ খ্রিস্টাব্দ (১৩১৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৮০ * ‘দুঃখিনী’ প্রকাশ হ’ল– তুমি নাই কাছে,<br>তব স্নেহ ছায়া সম ফিরে তার পাছে।<br>ভুলিনি অস্তিম সাধ— "দাদা! দুঃখিনীরে<br>মেজে ঘসে রং দিয়ে এনো না বাহিরে।”<br>অনাঘ্রাত কুসুমের আদিম সজ্জায়,<br>সে লুকাবে তোরি বুকে সোহাগে লজ্জায়। ** ‘দুঃখিনী’ উপন্যাসের উৎসর্গ পত্রে অকাল প্রয়াত অনুজ শশধর সেনের উদ্দেশ্যে লিখিত কবিতার অংশ, দুঃখিনী - জলধর সেন, প্রকাশক- গুরুদাস চট্টোপাধ্যায় এণ্ড সন্স, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯০৯ খ্রিস্টাব্দ (১৩১৬ বঙ্গাব্দ) * সেকালে কলিকাতা সহরে মোটরের নামও কেউ জানতো না; ঘোড়া গাড়ীর প্রচলনও খুব কমই ছিল। তখন বড়মানুষেরা পালকি চড়ে যাতায়াত করতেন। আর সে সব পাল‍্কির বাহারও খুব ছিল; বড়মানুষদের বড় বড় পাল‍্কি, রূপো বাঁধানো ডাণ্ডা, মকর-হাঙ্গর-মুখো সাজ। আট জন বারো জন, ষোল জন বেহারা না হ’লে পালকী বইবার যো ছিল না! ** যমজয়ী চূড়ামণি দত্ত, সেকালের কথা - জলধর সেন, প্রকাশক- গুরুদাস চট্টোপাধ্যায় এণ্ড সন্স, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৩০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৫-৬ * কমলা আর কথা বলিবার অবকাশ পাইলেন না। হরিনাথ তখন অতি ধীরস্বরে বলিল, “সর্দারের পো, ভাই অমন ক’রে কি কথা বলতে আছে? যে মুখে হরিনাম করতে হবে, আল্লার নাম করতে হবে ব’লে এত দুর্লভ মানবজন্ম পেয়েছি, সে মুখ দিয়ে কি কুচ্ছ কথা বার করতে হয় ভাই! তুমি মুসলমান হলেও আমার দয়াল হরির দাস; আমিও তাঁরই দাস বলেই ত মনে ভাবি। তুমি যে আমার হরির সম্পর্কে ভাই হও। ভাই হয়ে কি বোনের কথা অমন করে বল্তে হয়? আর অমন কথা বলে হরিমন্দির অপবিত্র করো না। এস তোমাকে ভাই বলে, হরিদাস বলে বুক নিই।” এই বলিয়া হরিনাথ ছলিম সর্দারকে আলিঙ্গন করিয়া উচ্চৈঃম্বরে বলিতে লাগিল,“হরি হরিবোল” হরি হরিবোল।” ** বিচার, জলধর সেনের নির্বাচিত গল্প, সংকলন ও সম্পাদনা- ড. সুবিমল মিশ্র, প্রকাশক- বাণী প্রকাশন, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- জানুয়ারি ২০০২, পৃষ্ঠা ১৫৪ * তাহার পর আর কি! এই চরের হাঙ্গামা ও খুন লইয়া তুমুল ব্যাপার আরম্ভ হইল। মনোহরপুরে সংবাদ পৌঁছিল। তারক দাঙ্গা ও খুনের সংবাদ পাইলেন, কিন্তু কার্ত্তিকের কোন সংবাদ পাইলেন না। নায়েবের পত্রে কার্ত্তিকের কোন প্রসঙ্গই নাই। যে সকল পত্র আসিতে লাগিল, তাহা সকলই কার্ত্তিকের নামে। তারক বুঝিতে পারিলেন যে, কার্ত্তিক ব্যাপার গুরুতর দেখিয়া গা-ঢাকা দিয়াছেন। ** বড়বাড়ী, বড়বাড়ী - জলধর সেন, প্রকাশক- গুরুদাস চট্টোপাধ্যায় এণ্ড সন্স, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯২৬ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩৩ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৪৮-৪৯ * এতদিন পরেও আজ আপনাদের কাছে সেই ভাতার-মারীর মাঠের করুণ কাহিনী বলবার সময় সেই দৃশ্যই আমার চোখের সুমুখে ভেসে উঠছে— সেই মহেশের প্রাণপণ আর্ত্তনাদ— জল! জল! একটু জল! অনেক কাল আগে কারবালার প্রান্তরে একদিন এমনই ভাবে জল, জল, একবিন্দু জল ব’লে হৃদয়ভেদী আর্তনাদ উঠেছিল;—আর এই নির্জ্জন প্রান্তরের মধ্যে এই ভাতার-মারীর মাঠেও একদিন সেই কাতর ধ্বনি ‘জল, জল একবিন্দু জল’ মহেশের মুখ থেকে শেষ উচ্চারিত হয়েছিল। কারবালা জগতের ইতিহাসে অমর হয়ে আছে, আর এই ভাতার-মারীর মাঠে মহেশের প্রাণ-দানের কথা— সতী-সাধ্বী হরিমতির স্বামীর বুকের উপর প্রাণ-ত্যাগের কাহিনী সেই ভাতারমারীর মাঠের মধ্যে হায় হায় ক’রে প্রতিধ্বনিত হচ্চে। ** ভাতার-মারীর মাঠ, সেকালের কথা - জলধর সেন, প্রকাশক- গুরুদাস চট্টোপাধ্যায় এণ্ড সন্স, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৩০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৮০ ==জলধর সেনকে নিয়ে উক্তি== * জলধরবাবুর লেখনী ছিল বড় মিষ্ট, বড় দরদী; তাই অতি অনায়াসেই পাঠকদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ আত্মীয়তার সম্বন্ধ স্থাপন করতে পারত। স্বচ্ছ, সরল, সরস ভাষা—যেন সোজা তাঁর প্রাণের ভিতর থেকেই বেরিয়ে এসে ঝ’রে পড়ত লেখনীমুখ দিয়ে, কোনরকম কৃত্রিমতার ধার না ধেরেই। ** [[হেমেন্দ্রকুমার রায়]], জলধর সেন, যাঁদের দেখেছি - হেমেন্দ্রকুমার রায়, প্রথম সংস্করণ, প্রকাশক— নিউ এজ পাবলিশার্স লিমিটেড, কলিকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৫৯ * জলধরের রচনায় বিশেষ গুণ সারল্য ও স্বচ্ছতা। পল্লীগ্রামের দরিদ্র ভদ্রজীবনের আর্থিক ও সামাজিক দুঃখ বেদনা ইহার গল্প-উপন্যাসের বিশেষ বস্তু। ** [[সুকুমার সেন]], বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস - শ্রীসুকুমার সেন, পঞ্চম খণ্ড, ষষ্ঠ মুদ্রণ, প্রকাশক- আনন্দ পাবলিশার্স, কলিকাতা, প্রকাশসাল- ২০১০, পৃষ্ঠা ৪৫ * জলধরবাবুর প্রসাদগুণে পরিপূর্ণ দরদী ভাষায় হিমালয়ের ভ্রমণকাহিনীগুলি যখন মাসিক পত্রিকায় প্রকাশিত হ’তে লাগল, পাঠকসমাজ তা গ্রহণ করলে সাগ্রহ আনন্দে। তার আগে আর কোন ভ্রমণকাহিনী এত আদর পায় নি, এত লোকপ্রিয় হয় নি। সেই সময়েই তিনি সাহিত্যক্ষেত্রে লাভ করেন নিজের ন্যায্য আসন। কিন্তু কেবল ভ্রমণকাহিনী নয়, ছোটগল্প রচনাতেও প্রকাশ পেত তাঁর যথেষ্ট মুনশীয়ানা। এক্ষেত্রে তাঁর আন্তরিকতাপূর্ণ ভাষা পাঠকদের আকৃষ্ট করত তো বটেই, তার উপরে বোঝা যেত, ছোটগল্পের আর্টও তাঁর ভালোরকমই জানা আছে। ** [[হেমেন্দ্রকুমার রায়]], জলধর সেন, যাঁদের দেখেছি - হেমেন্দ্রকুমার রায়, প্রথম সংস্করণ, প্রকাশক— নিউ এজ পাবলিশার্স লিমিটেড, কলিকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৫৯-১৬০ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} {{উইকিসংকলন লেখক}} {{কমন্স বিষয়শ্রেণী|Jaladhar Sen}} [[বিষয়শ্রেণী:১৮৬০-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৯-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি ঔপন্যাসিক]] [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি হিন্দু]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯শ শতাব্দীর বাঙালি]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের লেখক]] 0o300lxt6o0ir5hvcmur86ghyidoi6k আর্নেস্ট হেমিংওয়ে 0 12487 79721 79256 2026-04-22T12:32:27Z SMontaha32 3112 79721 wikitext text/x-wiki [[File:Ernest Hemingway 1950.jpg|thumb|right|সত্যিই একটি মজার বই লিখতে হলে একজন মানুষকে অনেক ধকল সহ্য করতে হয়।]] '''আর্নেস্ট মিলার হেমিংওয়ে''' (২১ জুলাই, ১৮৯৯ – ২ জুলাই, ১৯৬১) ছিলেন একজন আমেরিকান ঔপন্যাসিক, ছোটগল্প লেখক এবং সাংবাদিক। তার মিতব্যয়ী এবং [[w:আইসবার্গ তত্ত্ব|সংক্ষিপ্ত]] লিখনশৈলী [[w:সাহিত্যে 20 শতক|বিংশ শতাব্দীর কথাসাহিত্যে]] গভীর প্রভাব ফেলেছিল। অন্যদিকে, তার রোমাঞ্চকর জীবন ও জনমানসে থাকা তার ভাবমূর্তি পরবর্তী প্রজন্মকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করেছে। হেমিংওয়ে ১৯২০ দশকের মাঝামাঝি থেকে ১৯৫০ দশকের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে তার অধিকাংশ কাজ সম্পন্ন করেন এবং ১৯৫৪ সালে [[w:সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার|সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার]] লাভ করেন। তিনি সাতটি উপন্যাস, ছয়টি ছোটগল্প সংকলন এবং দুটি নন-ফিকশন গ্রন্থ প্রকাশ করেছিলেন। তার মৃত্যুর পর আরও তিনটি উপন্যাস, চারটি ছোটগল্প সংকলন এবং তিনটি নন-ফিকশন গ্রন্থ প্রকাশিত হয়। তার অনেক কাজই [[w:আমেরিকান সাহিত্য|আমেরিকান সাহিত্যের]] ধ্রুপদী নিদর্শন হিসেবে বিবেচিত হয়। = উক্তি = * মোহমুক্ত যৌবনের সেই সুখী দিনগুলোতে মৃত্যুবরণ করা এবং আলোর দ্যুতির মাঝে বিদায় নেওয়া অনেক ভালো। শরীর জরাজীর্ণ ও বৃদ্ধ হওয়া এবং সব মোহ ভেঙে যাওয়ার চেয়ে এটি অনেক শ্রেয়। ** পরিবারের কাছে লেখা চিঠি (১৮ অক্টোবর ১৯১৮)। কার্লোস বেকার সম্পাদিত ''আর্নেস্ট হেমিংওয়ে: সিলেক্টেড লেটারস ১৯১৭–১৯৬১'' (১৯৮১) প্রকাশিত। এটি ১৬ নভেম্বর ১৯১৮ সালে ''দ্য ওক পার্কার'' (ওক পার্ক, ইলিনয়ে) প্রকাশিত হয়েছিল। সেই সময়ে হেমিংওয়ের বয়স ছিল মাত্র ১৯ বছর। রেড ক্রসের স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে সম্মুখ সমরে কাজ করার সময় আহত হয়ে তিনি তখন সুস্থ হচ্ছিলেন। * সুইজারল্যান্ড একটি ছোট ও খাড়া দেশ। এটি আড়াআড়ি প্রসারের চেয়ে উঁচু-নিচুই বেশি। এখানে সব জায়গায় কুক্কু ঘড়ির স্থাপত্যশৈলীতে তৈরি বড় বড় বাদামী রঙের হোটেল ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। ** ''দ্য টরন্টো স্টার উইকলি'' (৪ মার্চ ১৯২২) * মাছ ধরার সময় ঠিক পেছনে কেউ দাঁড়িয়ে থাকা আর প্রেমিকার কাছে চিঠি লেখার সময় কেউ ঘাড়ের ওপর দিয়ে উঁকি দেওয়া, দুটোই সমান বিরক্তিকর। ** "ইউরোপে ট্রাউট মাছ ধরা", ''দ্য টরন্টো স্টার উইকলি'' (১৭ নভেম্বর ১৯২৩) * সাহিত্য গোল্লায় যাক। ** এজরা পাউন্ডের কাছে লেখা চিঠি (১৯২৪)। কার্লোস বেকার সম্পাদিত ''আর্নেস্ট হেমিংওয়ে: সিলেক্টেড লেটারস ১৯১৭–১৯৬১'' (১৯৮১), পৃষ্ঠা ১১৩ প্রকাশিত। * '''একটি সত্যিকারের হাসির বই লিখতে হলে একজন মানুষকে অনেক কষ্ট সইতে হয়।''' ** চিঠি (৬ ডিসেম্বর ১৯২৪)। কার্লোস বেকার সম্পাদিত ''আর্নেস্ট হেমিংওয়ে: সিলেক্টেড লেটারস ১৯১৭–১৯৬১'' (১৯৮১) প্রকাশিত। [[File:Ernest_Hemingway_1923_passport_photo.jpg|thumb|right|যুগ চেয়েছিল আমরা নাচি<br>আর আমাদের লোহার প্যান্টে আটকে দিল।<br>অবশেষে যুগকে তাই দেওয়া হলো<br>যা সে দাবি করেছিল।]] * ''যুগ চেয়েছিল আমরা নাচি<br>আর আমাদের লোহার প্যান্টে আটকে দিল।<br>অবশেষে যুগকে তাই দেওয়া হলো<br>যা সে দাবি করেছিল।'' ** "দ্য এজ ডিমান্ডেড", ''ডার কুয়ারশনিট'' (ফেব্রুয়ারি ১৯২৫)। নোয়েল রাইলি ফিচ-এর ''সিলভিয়া বিচ অ্যান্ড দ্য লস্ট জেনারেশন'' (১৯৮৩) উদ্ধৃত। * বিরামচিহ্ন সম্পর্কে আমার ধারণা হলো এটি যতটা সম্ভব প্রচলিত হওয়া উচিত। গল্ফ খেলায় যদি পুটিং গ্রিনে ক্রোকেট ম্যালট বা বিলিয়ার্ড কিউ ব্যবহার করতে দেওয়া হতো, তবে খেলার মজা নষ্ট হয়ে যেত। নিজের উদ্ভাবন নিয়ে আসার আগে সাধারণ সরঞ্জাম দিয়ে আপনি যে অন্যদের চেয়ে ভালো করতে পারেন, তা প্রমাণ করা উচিত। ** চিঠি (১৫ মে ১৯২৫)। কার্লোস বেকার সম্পাদিত ''আর্নেস্ট হেমিংওয়ে: সিলেক্টেড লেটারস ১৯১৭–১৯৬১'' (১৯৮১) প্রকাশিত। * '''ঈশ্বর জানেন, যাদের কাজই হলো বিভিন্ন বিষয়ে নিজেদের দৃষ্টিভঙ্গি জাহির করা, সেই পেশাদার সমালোচকরা আমাকে অসুস্থ করে তোলে; তারা সাহিত্যের তাঁবেদার নপুংসক।''' তারা এমনকি বারবনিতাও হতে পারে না। তারা সবাই গুণী এবং বন্ধ্যা। তারা অত্যন্ত হিতৈষী এবং উচ্চমনা হলেও আসলে সবাই চাটুকার। ** [[w:শেরউড অ্যান্ডারসন|শেরউড অ্যান্ডারসনের]] কাছে লেখা চিঠি (২৩ মে ১৯২৫); কার্লোস বেকার সম্পাদিত ''আর্নেস্ট হেমিংওয়ে: সিলেক্টেড লেটারস ১৯১৭–১৯৬১'' (১৯৮১) প্রকাশিত। * আমি ভাবি তোমার স্বর্গের ধারণা কেমন হবে। ধনী একপত্নীনিষ্টদের দিয়ে ঠাসা এক সুন্দর শূন্যতা। সেখানে সব ক্ষমতাধর ও সম্ভ্রান্ত পরিবারের সদস্যরা মদ্যপান করে নিজেদের মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেবে। আর নরক সম্ভবত হবে মদহীন এবং পেটের ব্যথায় ভোগা দরিদ্র বহুপত্নীনিষ্টদের দিয়ে ঠাসা এক কুৎসিত শূন্যতা। ** এফ. স্কট ফিটজেরাল্ডের কাছে লেখা চিঠি (১ জুলাই ১৯২৫)। কার্লোস বেকার সম্পাদিত ''আর্নেস্ট হেমিংওয়ে: সিলেক্টেড লেটারস ১৯১৭–১৯৬১'' (১৯৮১) প্রকাশিত। * আমার কাছে স্বর্গ মানে হবে একটি বড় ষাঁড়ের লড়াইয়ের মাঠ। সেখানে আমার জন্য দুটি আসন বরাদ্দ থাকবে। বাইরে একটি ট্রাউট মাছ ধরার নদী থাকবে যেখানে অন্য কারও মাছ ধরার অনুমতি থাকবে না। শহরে দুটি সুন্দর বাড়ি থাকবে। একটিতে স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে একপত্নীনিষ্ঠভাবে সুখে থাকব। অন্য বাড়িতে নয়টি ভিন্ন তলায় আমার নয়জন সুন্দরী রক্ষিতা থাকবে। একটি বাড়িতে প্রতিটি তলার টয়লেটে নরম টিস্যু পেপারে ছাপা ''[[w:দ্যা ডায়াল|ডায়াল]]'' পত্রিকার কপি থাকবে। অন্য বাড়িতে আমরা ''[[w:দ্যা আমেরিকান মার্কারি|আমেরিকান মার্কারি]]'' এবং ''নিউ রিপাবলিক'' ব্যবহার করব। ** এফ. স্কট ফিটজেরাল্ডের কাছে লেখা চিঠি (১ জুলাই ১৯২৫)। কার্লোস বেকার সম্পাদিত ''আর্নেস্ট হেমিংওয়ে: সিলেক্টেড লেটারস ১৯১৭–১৯৬১'' (১৯৮১) প্রকাশিত। * স্পেনের পামপ্লোনার হোটেল কুইন্টানায় আমাকে লিখো। নাকি তোমার চিঠি লিখতে ভালো লাগে না? আমার লাগে, কারণ কাজ থেকে দূরে থাকার এটি একটি চমৎকার উপায়। এতে মনে হয় কিছু একটা করা হয়েছে। ** এফ. স্কট ফিটজেরাল্ডের কাছে লেখা চিঠি (১ জুলাই ১৯২৫)। কার্লোস বেকার সম্পাদিত ''আর্নেস্ট হেমিংওয়ে: সিলেক্টেড লেটারস ১৯১৭–১৯৬১'' (১৯৮১) প্রকাশিত। * আমি গালিগালাজ কমানোর চেষ্টা করেছি। তবে বইটি লেখার সময় আমি এত গালি কমিয়েছি যে এখন আর কমানোর কিছু নেই। সম্ভবত আমাদের এটিকে একটি অশ্লীল বই হিসেবেই ধরে নিতে হবে। আশা করি পরবর্তী বইটি কম অশ্লীল বা হয়তো বেশি পবিত্র হবে। ** তাঁর বই ''দ্য সান অলসো রাইজেস'' সম্পর্কে লেখা চিঠি (২১ আগস্ট ১৯২৬)। কার্লোস বেকার সম্পাদিত ''আর্নেস্ট হেমিংওয়ে: সিলেক্টেড লেটারস ১৯১৭–১৯৬১'' (১৯৮১) প্রকাশিত। [[File:Ernest and Pauline Hemingway, Paris, 1927.jpg|thumb|right|শরৎকালে যুদ্ধ সবসময়ই ছিল কিন্তু আমরা আর যুদ্ধে যেতাম না।]] * '''শরৎকালে যুদ্ধ সবসময়ই ছিল কিন্তু আমরা আর যুদ্ধে যেতাম না।''' ** ''মেন উইদাউট উইমেন'' (১৯২৭) বইয়ের "ইন অ্যানাদার কান্ট্রি" গল্পে। * '''‘এটি তার আত্মরক্ষার বোধ।’ ‘ইতালীয়দের মহান বোধ।’ ‘ইতালীয়দের শ্রেষ্ঠ বোধ।’''' ** ''মেন উইদাউট উইমেন'' (১৯২৭) বইয়ের "কে টি ডিচে লা পাত্রিয়া?" গল্পে। * শোনো ফিটজ, আমি সেই বাইবেলটি পুরোটা পড়েছি। এটি খুব ছোট অক্ষরে ছাপা ছিল। ‘একলেসিয়াস্টিকস’ বইটি পেয়ে আমি উপস্থিত সবার সামনে সেটি জোরে জোরে পড়লাম। শীঘ্রই আমি একা হয়ে গেলাম এবং সেই অভিশপ্ত বাইবেলকে গালি দিতে শুরু করলাম। কারণ এতে কোনো শিরোনাম ছিল না। যদিও তোমার শোনা প্রায় প্রতিটি ভালো শিরোনামের উৎস আমি সেখানেই পেয়েছি। কিন্তু কিপলিং সহ অন্য ছেলেরা আমার আগেই সেখানে পৌঁছে সব ভালো শিরোনামগুলো হাতিয়ে নিয়েছে। তাই আমি বইটির নাম দিলাম ''মেন উইদাউট উইমেন''। আশা করি ভ্যাসার কলেজের মেয়েদের কাছে এটি ভালো বিক্রি হবে। ** এফ. স্কট ফিটজেরাল্ডের কাছে লেখা চিঠি (১৫ সেপ্টেম্বর ১৯২৭)। কার্লোস বেকার সম্পাদিত ''আর্নেস্ট হেমিংওয়ে: সিলেক্টেড লেটারস ১৯১৭–১৯৬১'' (১৯৮১) প্রকাশিত। [[File:ErnestHemingway.jpg|thumb|right|একটি বইয়ের ভালো অংশগুলো লেখকের ভাগ্যক্রমে শোনা কোনো কথা হতে পারে। আবার এটি তার অভিশপ্ত জীবনের ধ্বংসস্তূপও হতে পারে, দুটোই সমান মূল্যবান।]] * '''একটি বইয়ের ভালো অংশগুলো লেখকের ভাগ্যক্রমে শোনা কোনো কথা হতে পারে। আবার এটি তার অভিশপ্ত জীবনের ধ্বংসস্তূপও হতে পারে, দুটোই সমান মূল্যবান।''' ** এফ. স্কট ফিটজেরাল্ডের কাছে লেখা চিঠি (৪ সেপ্টেম্বর ১৯২৯) কার্লোস বেকার সম্পাদিত ''আর্নেস্ট হেমিংওয়ে: সিলেক্টেড লেটারস ১৯১৭–১৯৬১'' (১৯৮১) প্রকাশিত। * লেখাটি আদৌ ভালো হচ্ছে কি না, এই নিয়ে যে ভয়াবহ বিষণ্ণতা তৈরি হয়, তাকেই বলা হয় 'শিল্পীর পুরস্কার'। ** এফ. স্কট ফিটজেরাল্ডের কাছে লেখা চিঠি (১৩ সেপ্টেম্বর ১৯২৯) কার্লোস বেকার সম্পাদিত ''আর্নেস্ট হেমিংওয়ে: সিলেক্টেড লেটারস ১৯১৭–১৯৬১'' (১৯৮১) প্রকাশিত। * '''চাপের মুখেও মার্জিত থাকা''' ** এফ. স্কট ফিটজেরাল্ডের কাছে লেখা একটি চিঠিতে (২০ এপ্রিল ১৯২৬) হেমিংওয়ের বিখ্যাত উক্তি। এটি কার্লোস বেকার সম্পাদিত ''আর্নেস্ট হেমিংওয়ে: সিলেক্টেড লেটারস ১৯১৭–১৯৬১'' (১৯৮১) প্রকাশিত হয়েছে। চিঠিতে তিনি লিখেছিলেন যে তিনি "সাহস নয়, অন্য কিছুর কথা বোঝাচ্ছেন।" পরবর্তীতে ডরোথি পার্কার ৩০ নভেম্বর ১৯২৯ ''নিউ ইয়র্কার'' পত্রিকায় হেমিংওয়ের জীবনচিত্র "দ্য আর্টিস্টস রিওয়ার্ডে" এই শব্দগুচ্ছ ব্যবহার করেন: "‘সাহস’ বলতে আপনি ঠিক কী বোঝাতে চেয়েছেন?" আর্নেস্ট হেমিংওয়ে বলেছিলেন, "আমি চাপের মুখে মার্জিত থাকার কথা বুঝিয়েছি।" * আমি জানি সন্ন্যাসীরা রাতে মৈথুন করে <br> পোষা বিড়ালরা সঙ্গম করে <br> কিছু মেয়ে কামড় দেয় <br> তবুও <br> সব ঠিক করতে <br> আমি কী করতে পারি? ** ''দ্য সাপ্রেসড পোয়েমস'' (১৯২৯) বইয়ের "দ্য আর্নেস্ট লিবারেলস ল্যামেন্ট" (১৯২৪)। [[File:4th Infantry Division SSI.svg|thumb|ঠিক|আমি পাঁচজন নারী, [[w:দ্বিতীয় স্প্যানিশ প্রজাতন্ত্র|স্পেনীয় প্রজাতন্ত্র]] এবং [[w:চতুর্থ পদাতিক ডিভিশন (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র)|চতুর্থ পদাতিক ডিভিশনের]] প্রেমে (সত্যিই) পড়েছি।]] * আমি পাঁচজন নারী, [[w:দ্বিতীয় স্প্যানিশ প্রজাতন্ত্র|স্পেনীয় প্রজাতন্ত্র]] এবং [[w:চতুর্থ পদাতিক ডিভিশন (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র)|চতুর্থ পদাতিক ডিভিশনের]] প্রেমে (সত্যিই) পড়েছি। ** [[w:মার্লিন ডিয়েট্রিচের|মার্লিন ডিয়েট্রিচের]] কাছে লেখা চিঠি (১ জুলাই ১৯৩০) ** [https://www.telegraph.co.uk/news/worldnews/1547504/Hemingway-and-Dietrich-letters.html?service=print "হেমিংওয়ে এবং ডিয়েট্রিচ-এর চিঠি"], ''দ্য টেলিগ্রাফ'' (৩ এপ্রিল ২০০৭) * '''বিশাল কিছু করা পরিহার করো। মহাকাব্যিক চিন্তা বর্জন করো। যেসব ছেলেরা বড় ছবি আঁকতে পারে, তারা দারুণ ছোট ছবিও আঁকতে পারে।''' ** চিঠি (৫–৬ জানুয়ারি ১৯৩২)। কার্লোস বেকার সম্পাদিত ''আর্নেস্ট হেমিংওয়ে: সিলেক্টেড লেটারস ১৯১৭–১৯৬১'' (১৯৮১) প্রকাশিত। * উড়ন্ত একটি পাখি শিকার করতে পারলে আপনি সব উড়ন্ত পাখিই শিকার করেছেন। তারা সবাই আলাদা এবং আলাদাভাবে ওড়ে। তবে অনুভূতিটা একই এবং শেষেরটি প্রথমটির মতোই ভালো। ** ''উইনার টেক নাথিং'' (১৯৩২) বইয়ের "ফাদারস অ্যান্ড সানস" গল্পের নিক অ্যাডামস। * '''আমাদের নাথিং যিনি নাথিংয়ে আছেন, নাথিং-ই হোক তোমার নাম, তোমার রাজ্য হোক নাথিং, তোমার ইচ্ছা যেন নাথিং হয় যেমনটা নাথিংয়ে আছে।''' আমাদের প্রতিদিনের নাথিং আমাদের দাও। আমাদের নাথিং আমাদের কাছে ফিরিয়ে দাও যেমনটা আমরা আমাদের নাথিংদের দিই। আমাদের নাথিংয়ে ফেলো না বরং নাথিং থেকে মুক্তি দাও। শোনো হে শূন্যতা, তুমি শূন্যতায় পূর্ণ। ** ''উইনার টেক নাথিং'' (১৯৩২) বইয়ের "আ ক্লিন, ওয়েল-লাইটেড প্লেস" গল্পের বৃদ্ধ ওয়েটার। * '''সেরা সময়ে আমাদের এটাই করার কথা—সবকিছু কল্পনা করে নেওয়া। তবে এমন সত্যভাবে কল্পনা করা যাতে পরে ঠিক সেভাবেই ঘটে।''' ** এফ. স্কট ফিটজেরাল্ডের কাছে লেখা চিঠি (২৮ মে ১৯৩৪)। কার্লোস বেকার সম্পাদিত ''আর্নেস্ট হেমিংওয়ে: সিলেক্টেড লেটারস ১৯১৭–১৯৬১'' (১৯৮১) প্রকাশিত। * এই তো লেখাটি। আপনি যদি 'ব্যভিচার করা' শব্দটি ব্যবহার করতে না পারেন, তবে কি 'সহবাস করা' লিখতে পারেন? তাও না পারলে 'সহ-অভ্যাস' কি লেখা যাবে? সেটিও সম্ভব না হলে সম্ভবত 'পরিপূর্ণ' বলতে হবে। আপনার নিজস্ব রুচি ও বিচারবুদ্ধি ব্যবহার করুন। ** এস্কয়ার সম্পাদক আর্নল্ড গিনরিচের কাছে লেখা চিঠি (১১ এপ্রিল ১৯৩৫)। কার্লোস বেকার সম্পাদিত ''আর্নেস্ট হেমিংওয়ে: সিলেক্টেড লেটারস ১৯১৭–১৯৬১'' (১৯৮১) প্রকাশিত। * তুমি কি পান করো না? আমি লক্ষ্য করেছি তুমি বোতল সম্পর্কে তাচ্ছিল্য করে কথা বলো। আমি পনেরো বছর বয়স থেকে পান করছি এবং খুব কম জিনিসই আমাকে এর চেয়ে বেশি আনন্দ দিয়েছে। যখন তুমি সারাদিন মাথা খাটিয়ে কঠোর পরিশ্রম করো এবং জানো যে পরের দিন আবারও কাজ করতে হবে, তখন হুইস্কির মতো আর কী তোমার চিন্তাভাবনা বদলে দিতে পারে? যখন তোমার শীত লাগে এবং তুমি ভিজে যাও, তখন আর কী তোমাকে উষ্ণ করতে পারে? আক্রমণের আগে রাম যে সাময়িক প্রশান্তি দেয়, তা কি অন্য কিছু দিতে পারে? এটি কেবল লেখার সময় বা লড়াই করার সময় ভালো নয়। ওই কাজগুলো মাথা ঠান্ডা রেখে করতে হয়। কিন্তু এটি আমার লক্ষ্যভেদে সাহায্য করে। আধুনিক জীবনও অনেক সময় একটি যান্ত্রিক নিপীড়ন আর মদ হলো একমাত্র যান্ত্রিক মুক্তি। ** সমালোচক, কবি ও অনুবাদক ইভান কাশকিন-এর কাছে লেখা চিঠির পুনশ্চ (১৯ আগস্ট ১৯৩৫)। কার্লোস বেকার সম্পাদিত ''আর্নেস্ট হেমিংওয়ে: সিলেক্টেড লেটারস ১৯১৭–১৯৬১'' (১৯৮১) প্রকাশিত। * সবাই এখন এই বলে ভয় দেখানোর চেষ্টা করে যে কমিউনিস্ট না হলে বা মার্ক্সবাদী দৃষ্টিভঙ্গি না থাকলে কোনো বন্ধু থাকবে না এবং একা থাকতে হবে। তারা মনে করে একা থাকা খুব ভয়াবহ কিছু। আমি অনেক বন্ধুর চেয়ে একজন সৎ বন্ধু থাকাকেই শ্রেয় মনে করি। ** ইভান কাশকিনের কাছে লেখা চিঠি, ১৯ আগস্ট ১৯৩৫। স্যান্ড্রা স্প্যানিয়ার, ভার্না কেল এবং মিরিয়াম বি. ম্যান্ডেল সম্পাদিত ''দ্য লেটারস অফ আর্নেস্ট হেমিংওয়ে, ভলিউম ৬, ১৯৩৪-১৯৩৬'', কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস, ২০২৪, পৃষ্ঠা ৩৩৩। * আমি এখন কমিউনিস্ট হতে পারছি না কারণ আমি কেবল একটি জিনিসেই বিশ্বাস করি স্বাধীনতা। প্রথমে আমি নিজের খেয়াল রাখব এবং কাজ করব। তারপর পরিবারের যত্ন নেব। এরপর প্রতিবেশীকে সাহায্য করব। কিন্তু রাষ্ট্র নিয়ে আমার কোনো মাথাব্যথা নেই। রাষ্ট্র মানেই আমার কাছে অন্যায্য কর। আমি সরকারের ন্যূনতম হস্তক্ষেপে বিশ্বাসী। ** ইভান কাশকিনের কাছে লেখা চিঠি, ১৯ আগস্ট ১৯৩৫। ''দ্য লেটারস অফ আর্নেস্ট হেমিংওয়ে, ভলিউম ৬'', পৃষ্ঠা ৩৩৩। * একজন লেখক একজন জিপসির মতো। কোনো সরকারের প্রতি তার আনুগত্য নেই। তিনি ভালো লেখক হলে কখনোই নিজের দেশের সরকারকে পছন্দ করবেন না। তার হাত সরকারের বিরুদ্ধে থাকবে এবং সরকারও তার বিরোধী হবে। ব্যুরোক্রাসি সম্পর্কে কেউ একবার ভালোভাবে জানলে সে এটিকে ঘৃণা করবেই। কারণ একটি নির্দিষ্ট আকারের পর এটি অন্যায্য হতে বাধ্য। ** ইভান কাশকিনের কাছে লেখা চিঠি, ১৯ আগস্ট ১৯৩৫। ''দ্য লেটারস অফ আর্নেস্ট হেমিংওয়ে, ভলিউম ৬'', পৃষ্ঠা ৩৩৪। * আমি অনেক দেশপ্রেমিক দেখেছি। অনেক বেশি আঘাত পেলে তারা সাধারণ মানুষের মতোই মারা যায়। মৃত্যুর পর তাদের দেশপ্রেম কেবল লোকগাথার জন্য ভালো থাকে। কিন্তু এটি তাদের গদ্যের জন্য ক্ষতিকর এবং তাদের দিয়ে খারাপ কবিতা লেখায়। আপনি যদি মহান দেশপ্রেমিক হতে চান, তবে জীবন ও কাজ পচে যাওয়ার আগেই মৃত্যুবরণ করা ভালো। ** চিঠি (১২ জানুয়ারি ১৯৩৬)। কার্লোস বেকার সম্পাদিত ''আর্নেস্ট হেমিংওয়ে: সিলেক্টেড লেটারস ১৯১৭–১৯৬১'' (১৯৮১) প্রকাশিত। * নিশ্চিতভাবেই মানুষ শিকারের মতো অন্য কোনো শিকার নেই। যারা দীর্ঘকাল সশস্ত্র মানুষ শিকার করেছেন এবং এটি পছন্দ করেছেন, তারা পরবর্তীতে অন্য কিছুতে আর আনন্দ পান না। ** "অন দ্য ব্লু ওয়াটার" (এপ্রিল ১৯৩৬)-এর ভূমিকা। [[File:View of Gillmans point and Stella point Mt. Kilimanjaro.JPG|thumb|right|কিলিমাঞ্জারো ১৯,৭১০ ফুট উঁচু একটি তুষারাবৃত পাহাড়। বলা হয় এটি আফ্রিকার সর্বোচ্চ পর্বত। মাসাইরা এর পশ্চিম চূড়াকে বলে "নগাজে নগাই" বা ঈশ্বরের ঘর। পশ্চিম চূড়ার কাছে একটি চিতাবাঘের শুকনো ও হিমায়িত মৃতদেহ পড়ে আছে। চিতাবাঘটি ওই উচ্চতায় কী খুঁজছিল, তা কেউ ব্যাখ্যা করতে পারেনি।]] * '''কিলিমাঞ্জারো ১৯,৭১০ ফুট উঁচু একটি তুষারাবৃত পাহাড়। বলা হয় এটি আফ্রিকার সর্বোচ্চ পর্বত। মাসাইরা এর পশ্চিম চূড়াকে বলে "নগাজে নগাই" বা ঈশ্বরের ঘর। পশ্চিম চূড়ার কাছে একটি চিতাবাঘের শুকনো ও হিমায়িত মৃতদেহ পড়ে আছে। চিতাবাঘটি ওই উচ্চতায় কী খুঁজছিল, তা কেউ ব্যাখ্যা করতে পারেনি।''' ** "দ্য স্নোস অফ কিলিমাঞ্জারো", প্রথমে ''এস্কয়ারে'' (আগস্ট ১৯৩৬) প্রকাশিত। পরে ''দ্য ফিফথ কলাম অ্যান্ড দ্য ফার্স্ট ফর্টি-নাইন স্টোরিজ'' (১৯৩৮) প্রকাশিত। * আপনি যেভাবে জীবনধারণ করেন, সেখানেই আপনার প্রতিভা লুকিয়ে থাকে। ** "দ্য স্নোস অফ কিলিমাঞ্জারো", প্রথমে ''এস্কয়ার'' (আগস্ট ১৯৩৬) প্রকাশিত। * ধনীরা খুব একঘেয়ে ছিল। তারা খুব বেশি মদ খেত অথবা খুব বেশি ব্যাকগ্যামন খেলত। তারা বিরক্তিকর এবং একই কথার পুনরাবৃত্তি করত। তার বেচারা জুলিয়ান এবং ধনীদের প্রতি তার রোমান্টিক ভক্তির কথা মনে পড়ল। জুলিয়ান একবার একটি গল্প শুরু করেছিল এভাবে, "খুব ধনীরা তোমাদের এবং আমার থেকে আলাদা।" আর কেউ একজন জুলিয়ানকে বলেছিল, '''"হ্যাঁ, তাদের কাছে টাকা বেশি আছে।"''' ** "দ্য স্নোস অফ কিলিমাঞ্জারো", প্রথমে ''এস্কয়ারে'' (আগস্ট ১৯৩৬) প্রকাশিত। মূলত ''এস্কয়ারে'' "জুলিয়ান" হিসেবে এফ. স্কট ফিটজেরাল্ডের নাম উল্লেখ ছিল। ফিটজেরাল্ড "দ্য রিচ বয়" (১৯২৬) গল্পে লিখেছিলেন: "আমি তোমাদের ধনীদের সম্পর্কে বলি। তারা তোমাদের এবং আমার থেকে আলাদা..."। ফিটজেরাল্ড এর জবাবে একটি চিঠিতে (আগস্ট ১৯৩৬) লিখেছিলেন: "আভিজাত্য বা আকর্ষণ না থাকলে সম্পদ আমাকে কখনোই মুগ্ধ করেনি।" * এজরা অর্ধেক সময় সঠিক ছিলেন। আর যখন তিনি ভুল করতেন, তখন তিনি এতটাই ভুল থাকতেন যে এই নিয়ে কোনো সন্দেহ থাকত না। ** এজরা পাউন্ড সম্পর্কে, ''দ্য নিউ রিপাবলিক'' (১১ নভেম্বর ১৯৩৬)-এ উদ্ধৃত। * মাছ শিকারীরা মাছের সাথে তাদের লড়াইকে রোমান্টিক করে তুলতে পছন্দ করে। তারা ভুলে যায় যে মাছটির মুখে, গলায় বা পেটে একটি বড়শি বিঁধে আছে। মাছটির এই বীরত্ব আসলে এক চরম আতঙ্ক। বাঁচার জন্য সে ছুটে চলে, লাফ দেয় এবং শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত টানতে থাকে। শিকারীর জন্য এটিই যথেষ্ট সুবিধা যে বড়শিটি তার নিজের মুখে না লেগে মাছের মুখে লেগেছে। ** এস. কিপ ফারিংটন জুনিয়রের ''আটলান্টিক গেম ফিশিং'' (১৯৩৭)-এর ভূমিকা। * সরকার ব্যবস্থার কেবল একটি রূপ ভালো লেখক তৈরি করতে পারে না, আর সেটি হলো [[w:ফ্যাসিবাদ|ফ্যাসিবাদ]]। '''কারণ ফ্যাসিবাদ হলো গুন্ডাদের বলা একটি মিথ্যা।''' একজন লেখক যিনি মিথ্যা বলবেন না, তিনি ফ্যাসিবাদের অধীনে থাকতে বা কাজ করতে পারেন না। যেহেতু ফ্যাসিবাদ একটি মিথ্যা, তাই এটি সাহিত্যিকভাবে বন্ধ্যা হতে বাধ্য। যখন এটি শেষ হবে, তখন খুনের রক্তক্ষয়ী ইতিহাস ছাড়া এর আর কোনো ইতিহাস থাকবে না। ** নিউ ইয়র্ক সিটিতে আমেরিকান রাইটার্স কংগ্রেসের ভাষণ (১৯৩৭)। ''নিউ মাসেস'' (২২ জুন ১৯৩৭) পুনর্মুদ্রিত। * আমাদের মৃতরা এখন স্পেনের মাটির অংশ। আর স্পেনের মাটি কখনোই মরতে পারে না। ** "অন দ্য আমেরিকান ডেড ইন স্পেন", ''নিউ মাসেস'' (১৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৩৯)। * যতক্ষণ আমাদের মৃতরা স্পেনের মাটিতে বেঁচে থাকবে, ততক্ষণ স্পেনে কোনো স্বৈরতন্ত্র জয়ী হতে পারবে না। মাটি যতদিন থাকবে, তারাও ততদিন থাকবে। ** "অন দ্য আমেরিকান ডেড ইন স্পেন", ''নিউ মাসেস'' (১৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৩৯)। * মৃতদের জেগে ওঠার প্রয়োজন নেই। তারা এখন মাটির অংশ আর মাটি কখনোই জয় করা যায় না। কারণ মাটি চিরস্থায়ী... যারা সম্মানের সাথে এতে প্রবেশ করেছেন আর স্পেনে মৃতদের চেয়ে বেশি সম্মানের সাথে কেউ মাটিতে প্রবেশ করেনি। তারা ইতোমধ্যে অমরত্ব অর্জন করেছেন। ** "অন দ্য আমেরিকান ডেড ইন স্পেন", ''নিউ মাসেস'' (১৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৩৯)। [[File:Ernest Hemingway with Colonel Charles T. (Buck) Lanham September 18, 1944 - NARA - 192699.jpg|thumb|right|এমন কিছু ঘটনা আছে যা এতটাই মহান যে কোনো লেখক তাতে অংশগ্রহণ করলে তার দায়িত্ব হলো সেগুলো সত্যভাবে লেখা। উদ্ভাবনের মাধ্যমে সেগুলো পরিবর্তনের ধৃষ্টতা দেখানো তার উচিত নয়।]] * '''এমন কিছু ঘটনা আছে যা এতটাই মহান যে কোনো লেখক তাতে অংশগ্রহণ করলে তার দায়িত্ব হলো সেগুলো সত্যভাবে লেখা। উদ্ভাবনের মাধ্যমে সেগুলো পরিবর্তনের ধৃষ্টতা দেখানো তার উচিত নয়।''' ** গুস্তাভ রেগলারের ''দ্য গ্রেট ক্রুসেড'' (১৯৪০) প্রস্তাবনা। * আমি ঈশ্বরের মতো লিখতে পছন্দ করি না। কিন্তু আপনি কখনোই তা করেন না বলেই সমালোচকরা ভাবেন যে আপনি তা করতে পারেন না। ** চিঠি (২৬ আগস্ট ১৯৪০)। কার্লোস বেকার সম্পাদিত ''আর্নেস্ট হেমিংওয়ে: সিলেক্টেড লেটারস ১৯১৭–১৯৬১'' (১৯৮১) প্রকাশিত। * [[w:মাইক গোল্ড|মাইক গোল্ড]]কে গিয়ে বলো, আর্নেস্ট হেমিংওয়ে তাকে গোল্লায় যেতে বলেছে। ** ''ফর হুম দ্য বেল টোলস'' উপন্যাসে হেমিংওয়ের স্পেনীয় গৃহযুদ্ধের চিত্রায়নের সমালোচনা করায় কমিউনিস্ট লেখক মাইক গোল্ডের প্রতি প্রতিক্রিয়া। কার্লোস বেকারের ''আর্নেস্ট হেমিংওয়ে: এ লাইফ'', নিউ ইয়র্ক, স্ক্রিবনার্স, ১৯৬৯, পৃষ্ঠা ৪৫৯ উদ্ধৃত। * কাপুরুষতা আতঙ্ক থেকে আলাদা। এটি আসলে কল্পনাশক্তি থামিয়ে দেওয়ার অক্ষমতা ছাড়া আর কিছুই নয়। ** ''মেন অ্যাট ওয়ার'' (১৯৪২) ভূমিকা। * যুদ্ধ শুরু হয়ে গেলে কেবল একটি কাজই করার থাকে। সেটি জিততে হবে। কারণ পরাজয় যুদ্ধের চেয়েও খারাপ কিছু বয়ে আনে। ** ''মেন অ্যাট ওয়ার'' (১৯৪২) ভূমিকা। * '''যেখানে যাওয়ার প্রয়োজন সেখানে গিয়ে, যা করার দরকার তা করে এবং যা দেখার কথা তা দেখে আপনি আপনার লেখার সরঞ্জামকে ভোঁতা করে ফেলেন। তবুও অব্যবহৃত চকচকে সরঞ্জামের চেয়ে আমি বাঁকা ও ভোঁতা সরঞ্জামই পছন্দ করি। কারণ আমি জানি আমাকে আবার শাণপাথরে ঘষে এটিকে ধারালো করতে হবে। আমি অন্তত জানি আমার কাছে লেখার মতো কিছু আছে। আলমারিতে তেল দিয়ে রাখা অব্যবহৃত মসৃণ সরঞ্জামের কোনো মূল্য নেই।''' ** ''দ্য ফার্স্ট ফর্টি-নাইন স্টোরিজ'' (১৯৪৪)-এর প্রস্তাবনা। * '''সারাজীবন আমি শব্দের দিকে এমনভাবে তাকিয়েছি যেন আমি সেগুলো প্রথমবার দেখছি।''' ** চিঠি (৯ এপ্রিল ১৯৪৫)। কার্লোস বেকার সম্পাদিত ''আর্নেস্ট হেমিংওয়ে: সিলেক্টেড লেটারস ১৯১৭–১৯৬১'' (১৯৮১) প্রকাশিত। * '''গেটিসবার্গ অ্যাড্রেস এমনি এমনি এত ছোট হয়নি।''' গদ্য লেখার নিয়মগুলো উড্ডয়ন, গণিত বা পদার্থবিজ্ঞানের নিয়মের মতোই অপরিবর্তনীয়। ** চিঠি (২৩ জুলাই ১৯৪৫)। কার্লোস বেকার সম্পাদিত ''আর্নেস্ট হেমিংওয়ে: সিলেক্টেড লেটারস ১৯১৭–১৯৬১'' (১৯৮১) প্রকাশিত। * নিজের কাজ নিয়ে কথা বলা বা লেখা খুব কঠিন। যদি সেটি ভালো হয় তবে আপনি নিজেই তা জানেন। কিন্তু নিজে থেকে তা বলতে গেলে নিজেকে খুব নিচু মনে হয়। ** ম্যালকম কাউলির কাছে লেখা চিঠি (১৭ অক্টোবর ১৯৪৫)। কার্লোস বেকার সম্পাদিত ''আর্নেস্ট হেমিংওয়ে: সিলেক্টেড লেটারস ১৯১৭–১৯৬১'' (১৯৮১) প্রকাশিত। * তোমার কি মনে আছে বৃদ্ধ [[w:Ford Madox Ford|ফোর্ড]] সবসময় কীভাবে লিখতেন যে লেখার সময় [[w:Joseph Conrad|কনরাড]] কত কষ্ট পেতেন? তিনি একে 'কুকুরের কাজ' বলতেন। তুমি কি লেখার সময় কষ্ট পাও? আমি মোটেও পাই না। যখন না লিখি তখন খুব কষ্ট হয়। লেখার পর নিজেকে খালি মনে হয়। কিন্তু লেখার সময়ের মতো ভালো আর কখনোই লাগে না। ** ম্যালকম কাউলি-র কাছে লেখা চিঠি (১৪ নভেম্বর ১৯৪৫); কার্লোস বেকার সম্পাদিত ''আর্নেস্ট হেমিংওয়ে: সিলেক্টেড লেটারস ১৯১৭–১৯৬১'' (১৯৮১)-এ প্রকাশিত। * '''সহজভাবে লেখা গদ্য পড়া খুব কঠিন।''' ** [[w:Samuel Putnam|স্যামুয়েল পুটনাম]]-এর ''প্যারিস ওয়াজ আওয়ার মিস্ট্রেস'' (১৯৪৭), পৃষ্ঠা ১২৮-এ উদ্ধৃত। * '''অল্প কিছু মানুষের মনে রাখার জন্য একবার করাই যথেষ্ট।''' কিন্তু যদি আপনি বছরের পর বছর এটি করেন, তবে অনেক মানুষ আপনাকে মনে রাখবে। তারা তাদের সন্তানদের বলবে আর তাদের নাতি-নাতনিরাও মনে রাখবে। বইয়ের ক্ষেত্রে তারা সেগুলো পড়তে পারবে। '''আর যদি এটি যথেষ্ট ভালো হয়, তবে মানুষ যতদিন থাকবে এটিও ততদিন টিকে থাকবে।''' ** ম্যালকম কাউলি-র "পোট্রেট অফ মিস্টার পাপা", ''লাইফ'' ম্যাগাজিন (১০ জানুয়ারি ১৯৪৯)-এ উদ্ধৃত। [[File:Leo Tolstoy by Ilya Yefimovich Repin.png|thumb|right|আমি মিস্টার [[Stendhal|স্টেন্ডাল]]-এর সাথে দুটি ড্র করেছি এবং আমার মনে হয় শেষটিতে আমি একটু এগিয়ে ছিলাম। কিন্তু পাগল না হলে বা আরও দক্ষ না হয়ে আমি মিস্টার [[Leo Tolstoy|টলস্টয়]]-এর সাথে রিংয়ে নামব না।]] * স্কট সাহিত্যকে খুব গুরুত্বের সাথে নিয়েছিল। সে কখনোই বুঝতে পারেনি যে এটি কেবল যতটা সম্ভব ভালো লেখা এবং যা শুরু করেছ তা শেষ করা। ** আর্থার মিজেনার-এর কাছে লেখা চিঠি (১২ মে ১৯৫০); কার্লোস বেকার সম্পাদিত ''আর্নেস্ট হেমিংওয়ে: সিলেক্টেড লেটারস ১৯১৭–১৯৬১'' (১৯৮১)-এ প্রকাশিত। * আমি খুব শান্তভাবে শুরু করেছিলাম এবং মিস্টার [[Ivan Turgenev|তুর্গেনেভ]]-কে হারিয়েছিলাম। তারপর কঠোর পরিশ্রম করে মিস্টার [[Guy de Maupassant|দ্য মোপাসঁ]]-কেও হারালাম। আমি মিস্টার [[Stendhal|স্টেন্ডাল]]-এর সাথে দুটি ড্র করেছি এবং আমার মনে হয় শেষটিতে আমি একটু এগিয়ে ছিলাম। '''কিন্তু পাগল না হলে বা আরও দক্ষ না হয়ে আমি মিস্টার [[Leo Tolstoy|টলস্টয়]]-এর সাথে রিংয়ে নামব না।''' ** উৎস: লিলিয়ান রস-এর হেমিংওয়ে প্রোফাইলে উদ্ধৃত, যা প্রথম ''দ্য নিউ ইয়র্কার'' (১৩ মে ১৯৫০)-এ প্রকাশিত হয়। পরে এটি ''পোট্রেট অফ হেমিংওয়ে'' (১৯৬১) নামে ছোট বই হিসেবে প্রকাশিত হয়। * '''যুদ্ধ হলো আবর্জনা। সাধারণ জীবনই হলো কঠিন অংশ।''' যুদ্ধে শুধু চিন্তামুক্ত থাকতে হয় আর মানচিত্র ও স্থানাঙ্ক পড়তে জানতে হয়। ** [[w:Marlene Dietrich|মার্লিন ডিয়েট্রিচ]]-এর কাছে লেখা চিঠি (২৭ জুন ১৯৫০) ** [https://www.telegraph.co.uk/news/worldnews/1547504/Hemingway-and-Dietrich-letters.html?service=print "হেমিংওয়ে এবং ডিয়েট্রিচ-এর চিঠি"], ''দ্য টেলিগ্রাফ'' (৩ এপ্রিল ২০০৭) * লেখালেখি এবং ভ্রমণ আপনার মনকে প্রসারিত না করলেও আপনার শরীরকে ভারী করে তোলে। আমি দাঁড়িয়ে লিখতে পছন্দ করি। ** চিঠি (৯ জুলাই ১৯৫০); কার্লোস বেকার সম্পাদিত ''আর্নেস্ট হেমিংওয়ে: সিলেক্টেড লেটারস ১৯১৭–১৯৬১'' (১৯৮১)-এ প্রকাশিত। * জীবিত লেখকদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে লেখা বা তাদের মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ করার আমি বিরোধী। সমালোচনা এখন জুনিয়র এফবিআই অফিসার, ফ্রয়েড ও ইয়ুং-এর পরিত্যক্ত অংশ এবং এক ধরনের ছিদ্রান্বেষী কলামিস্টদের মিশ্রণে পরিণত হয়েছে। '''প্রত্যেক তরুণ ইংরেজি শিক্ষক এখন এই নোংরা বিছানার চাদরে সোনা খুঁজে পায়। একই লেখকের চারটি বৈধ শয্যার নোংরা চাদর নিয়ে তারা কী করতে পারে তা কল্পনা করলেই বুঝবেন কেন তারা এত লালায়িত।''' ** চিঠি (২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২); কার্লোস বেকার সম্পাদিত ''আর্নেস্ট হেমিংওয়ে: সিলেক্টেড লেটারস ১৯১৭–১৯৬১'' (১৯৮১)-এ প্রকাশিত। * সেরা কাজের জন্য আমার এখনও পর্যাপ্ত স্বাস্থ্যকর বিশ্রামের প্রয়োজন। আমার স্বাস্থ্যই আমার প্রধান পুঁজি আর আমি একে বুদ্ধিমত্তার সাথে পরিচালনা করতে চাই। ** চিঠি (২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২); কার্লোস বেকার সম্পাদিত ''আর্নেস্ট হেমিংওয়ে: সিলেক্টেড লেটারস ১৯১৭–১৯৬১'' (১৯৮১)-এ প্রকাশিত। [[File:El Greco 016.jpg|thumb|right|প্রভু যদি ক্রুশবিদ্ধ অবস্থায় থাকতেন তবে আমি তাঁকে নিয়ে মজা করতাম না। কিন্তু মন্দির থেকে অর্থবিনিময়কারীদের তাড়িয়ে দেওয়ার সময় তাঁর সাথে দেখা হলে আমি অবশ্যই তাঁকে নিয়ে রসিকতা করার চেষ্টা করতাম।]] * '''আপনি জানেন অনেক সমালোচনা এমন সব লোকেরা লেখেন যারা খুব কেতাবি। তারা মনে করেন রসিকতা করা বা ভাঁড়ামি করা আপনার অযোগ্যতার লক্ষণ।''' প্রভু যদি ক্রুশবিদ্ধ অবস্থায় থাকতেন তবে আমি তাঁকে নিয়ে মজা করতাম না। কিন্তু মন্দির থেকে অর্থবিনিময়কারীদের তাড়িয়ে দেওয়ার সময় তাঁর সাথে দেখা হলে আমি অবশ্যই তাঁকে নিয়ে রসিকতা করার চেষ্টা করতাম। ** চিঠি (২১ জুন ১৯৫২); কার্লোস বেকার সম্পাদিত ''আর্নেস্ট হেমিংওয়ে: সিলেক্টেড লেটারস ১৯১৭–১৯৬১'' (১৯৮১)-এ প্রকাশিত। * আরেকটি রহস্য আছে। এতে কোনো প্রতীকবাদ (symbolism) নেই। সাগর মানে সাগরই। বৃদ্ধ মানে একজন বৃদ্ধ। ছেলেটি একটি ছেলেই আর মাছটি কেবল একটি মাছ। হাঙ্গরগুলো সব হাঙ্গরই, কেউ ভালো বা খারাপ নয়। লোকে যে প্রতীকবাদের কথা বলে সেগুলো সব বাজে। যা এর বাইরে আছে তা হলো আপনার দেখা সেই সত্য যা আপনি জানেন। ** বার্নার্ড বেরেনসন-এর কাছে লেখা চিঠি (১৩ সেপ্টেম্বর ১৯৫২); কার্লোস বেকার সম্পাদিত ''আর্নেস্ট হেমিংওয়ে: সিলেক্টেড লেটারস ১৯১৭–১৯৬১'' (১৯৮১)-এ প্রকাশিত। * বই প্রকাশ করা লেখার জন্য খুব ক্ষতিকর। এটি অতিরিক্ত প্রেম করার চেয়েও খারাপ। কারণ অতিরিক্ত প্রেম করলে অন্তত এক ধরনের অদ্ভুত স্বচ্ছতা পাওয়া যায়। এক ধরনের খুব পরিষ্কার ও গভীর আলো। ** বার্নার্ড বেরেনসন-এর কাছে লেখা চিঠি (২ অক্টোবর ১৯৫২); কার্লোস বেকার সম্পাদিত ''আর্নেস্ট হেমিংওয়ে: সিলেক্টেড লেটারস ১৯১৭–১৯৬১'' (১৯৮১)-এ প্রকাশিত। * আসলে যদি কোনো লেখকের অভিধানের প্রয়োজন হয়, তবে তার লেখা উচিত নয়। তার অন্তত তিনবার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত অভিধান পড়া উচিত ছিল এবং তারপর এটি এমন কাউকে ধার দেওয়া উচিত ছিল যার এটি প্রয়োজন। কেবল নির্দিষ্ট কিছু শব্দই কার্যকর আর উপমা (similies) হলো ত্রুটিপূর্ণ গোলাবারুদের মতো। ** চিঠি (২০ মার্চ ১৯৫৩); কার্লোস বেকার সম্পাদিত ''আর্নেস্ট হেমিংওয়ে: সিলেক্টেড লেটারস ১৯১৭–১৯৬১'' (১৯৮১)-এ প্রকাশিত। [[File:Ernest_Hemingway_with_sons_Patrick_and_Gregory_with_kittens_in_Finca_Vigia,_Cuba.jpg|thumb|right|তুমি নিজের ভাগ্য নিজেই তৈরি করো, গিগ। তুমি কি জানো কিসে একজন ভালো পরাজয়কারী তৈরি হয়? অভ্যাসে।]] * '''আপনি জানেন যে কথাসাহিত্য বা গদ্য সম্ভবত লেখালেখির সবচেয়ে কঠিন কাজ। আপনার কাছে কোনো পুরোনো গুরুত্বপূর্ণ রেফারেন্স নেই। আপনার আছে শুধু এক টুকরো সাদা কাগজ, একটি পেন্সিল আর যা সত্য হতে পারে তার চেয়েও বেশি সত্য কিছু উদ্ভাবন করার দায়িত্ব।''' আপনাকে অদৃশ্য কিছুকে পুরোপুরি দৃশ্যমান করতে হবে এবং এটি এমনভাবে করতে হবে যেন পাঠকের কাছে এটি স্বাভাবিক মনে হয় এবং তার অভিজ্ঞতার অংশ হয়ে ওঠে। ** বার্নার্ড বেরেনসন-এর কাছে লেখা চিঠি (২৪ সেপ্টেম্বর ১৯৫৪); কার্লোস বেকার সম্পাদিত ''আর্নেস্ট হেমিংওয়ে: সিলেক্টেড লেটারস ১৯১৭–১৯৬১'' (১৯৮১)-এ প্রকাশিত। * একজন নোবেল বিজয়ী হিসেবে আমি কেবল আফসোস করতে পারি যে পুরস্কারটি কখনোই [[Mark Twain|মার্ক টোয়েন]] বা [[Henry James|হেনরি জেমস]]-কে দেওয়া হয়নি। এদের চেয়েও বড় লেখকরা এই পুরস্কার পাননি। আজ আমি আরও বেশি খুশি হতাম যদি এই পুরস্কার সেই চমৎকার লেখিকা [[Isak Dinesen|আইজাক ডিনেসেন]]-কে দেওয়া হতো। ** ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস বুক রিভিউ'' (৭ নভেম্বর ১৯৫৪)-এ উদ্ধৃত। * আমি যদি বিমান সম্পর্কে লেখার মতো ভালো লিখতে পারতাম! [[William Faulkner|ফকনার]] ''পাইলন''-এ এটি খুব ভালো করেছেন। অন্য কেউ যা করে ফেলেছে আপনি তা করতে পারেন না, যদিও তারা না করলে হয়তো আপনিই তা করতেন। ** চিঠি (৩ জুলাই ১৯৫৬); কার্লোস বেকার সম্পাদিত ''আর্নেস্ট হেমিংওয়ে: সিলেক্টেড লেটারস ১৯১৭–১৯৬১'' (১৯৮১)-এ প্রকাশিত। * '''[[Ezra Pound|পাউন্ড]] পাগল। সব কবিরাই তাই... তাদের হতে হয়।''' পাউন্ডের মতো একজন কবিকে আপনি পাগলাগারদে রাখতে পারেন না। ইতিহাসের স্বার্থে আমাদের তাকে সেখানে রাখা উচিত নয়। ** ''দ্য নিউ ইয়র্ক পোস্ট'' (২৪ জানুয়ারি ১৯৫৭)-এ উদ্ধৃত। * সাইকেল চালিয়ে আপনি একটি দেশের ভূপ্রকৃতি সবচেয়ে ভালো বুঝতে পারেন। কারণ আপনাকে পাহাড়ে উঠার সময় ঘাম ঝরাতে হয় এবং নামার সময় গতি উপভোগ করতে পারেন। আপনি সেগুলোকে ঠিক তেমনভাবেই মনে রাখেন যেমনটা তারা বাস্তবে। মোটরে করে গেলে শুধু উঁচু পাহাড়ই আপনাকে মুগ্ধ করবে এবং যে দেশের মধ্য দিয়ে গেছেন তা সম্পর্কে আপনার সঠিক কোনো ধারণা থাকবে না। ** {{cite book |title=By-Line, Ernest Hemingway: Selected Articles and Dispatches of Four Decades by Ernest Hemingway |editor-last=White |editor-first=William |year=1967 |publisher=Charles Scribner's Sons |location=New York |page=364 }} * '''আমরা সবাই এমন এক শিল্পের শিক্ষানবিশ যেখানে কেউ কখনোই ওস্তাদ হতে পারে না।''' ** ''নিউ ইয়র্ক জার্নাল-আমেরিকান'' (১১ জুলাই ১৯৬১) * '''তোমার ব্যক্তিগত ট্র্যাজেডির কথা ভুলে যাও। আমরা সবাই শুরু থেকেই অভিশপ্ত। গুরুত্বের সাথে লিখতে হলে তোমাকে অবশ্যই প্রচণ্ড আঘাত পেতে হবে। কিন্তু যখন তুমি সেই অভিশপ্ত আঘাত পাবে, তখন সেটিকে ব্যবহার করো—একে নিয়ে কারচুপি করো না।''' ** এফ স্কট ফিটজেরাল্ড-এর কাছে লেখা চিঠি; অ্যান্ড্রু টার্নবুল-এর ''স্কট ফিটজেরাল্ড'' (১৯৬২), অধ্যায় ১৪-তে উদ্ধৃত। * আপনার সাফল্য যদি আসে, তবে তা ভুল কারণে আসবে। আপনি যদি জনপ্রিয় হন তবে তা সবসময় আপনার কাজের সবচেয়ে খারাপ দিকগুলোর কারণে হবে। ** মর্লি ক্যালাগান-এর ''দ্যাট সামার ইন প্যারিস'' (১৯৬৩), অধ্যায় ১৩-তে উদ্ধৃত। [[File:ErnestHemingwayBabyPicture.jpg|thumb|right|আপনার যে লিখতে শিখতে হয়েছে, তা তাদের জানার দরকার নেই। তাদের ভাবতে দিন আপনি ওভাবেই জন্মেছেন।]] * আমি শিখেছি আমার লেখার উৎস বা কুয়োকে কখনোই পুরোপুরি খালি করতে নেই। যখন কুয়োর গভীরে কিছু অবশিষ্ট থাকে তখনই আমি লেখা বন্ধ করি। রাতে ঝরনার পানিতে এটি আবার পূর্ণ হতে দিই। ** লিলিয়ান রস-এর ''রিপোর্টিং'' (১৯৬৪)-এ উদ্ধৃত। * যখন আমার কোনো আইডিয়া থাকে, তখন আমি অ্যালকোহল স্টোভের শিখা কমানোর মতো এর শিখা সবচেয়ে নিচে নামিয়ে দিই। তারপর এটি বিস্ফোরিত হয় আর সেটিই হয় আমার আইডিয়া। ** জেমস মেলো-র ''চার্মড সার্কেল: গারট্রুড স্টেইন অ্যান্ড কোং'' (১৯৭৪)-এ উদ্ধৃত। * তুমি নিজের ভাগ্য নিজেই তৈরি করো, গিগ। তুমি কি জানো কিসে একজন ভালো পরাজয়কারী তৈরি হয়? অভ্যাসে। ** তাঁর ছেলে গ্রিগোরির সাথে কথোপকথন; গ্রিগোরি এইচ. হেমিংওয়ে-র ''পাপা, আ পার্সোনাল মেময়ার'' (১৯৭৬), পৃষ্ঠা ৪-এ উদ্ধৃত। * '''আপনার যে লিখতে শিখতে হয়েছে, তা তাদের জানার দরকার নেই। তাদের ভাবতে দিন আপনি ওভাবেই জন্মেছেন।''' ** লেখক হিসেবে তাঁর প্রথম দুই বছরের কাজ থাকা স্যুটকেস হারানোর ঘটনা সম্পর্কে। আর্নল্ড স্যামুয়েলসন-এর ''উইথ হেমিংওয়ে'' (১৯৮৪)-এ উদ্ধৃত। * তুমি একটি মে মাছের (May fly) মতো সুন্দর। ** তাঁর ভবিষ্যৎ স্ত্রী মেরি ওয়েলশ-কে বলা কথা (২৬ নভেম্বর ১৯৮৬)। * মাতাল অবস্থায় যা করবে বলে কথা দিয়েছ, সবসময় সচেতন অবস্থায় তা করো। এটি তোমাকে মুখ বন্ধ রাখতে শেখাবে! ** প্রকাশক চার্লস স্ক্রিবনার চতুর্থ-এর কাছে পাঠানো "জীবনের কিছু নিয়ম" থেকে। স্ক্রিবনারের স্মৃতিকথা ''ইন দ্য কোম্পানি অফ রাইটার্স'' (নিউ ইয়র্ক: স্ক্রিবনার, ১৯৯১), পৃষ্ঠা ৬৪-তে উদ্ধৃত। ===[[w:In Our Time (short story collection)|''ইন আওয়ার টাইম'' (ছোটগল্প সংকলন)]] (১৯২৫)=== * সবাই মাতাল ছিল। অন্ধকারে রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় পুরো ব্যাটারিই মাতাল ছিল। আমরা শ্যাম্পেনের দিকে যাচ্ছিলাম। লেফটেন্যান্ট তার ঘোড়ায় চড়ে মাঠের দিকে যাচ্ছিলেন আর বলছিলেন, "আমি মাতাল, বন্ধু। ওহ, আমি পুরোপুরি বুঁদ হয়ে আছি।" ** অধ্যায় ১ * যখন ফোসল্টায় বোমাবর্ষণে পরিখাগুলো ধ্বংস হয়ে যাচ্ছিল, সে মাটিতে শুয়ে ঘেমে একাকার হয়ে প্রার্থনা করছিল—ওহ যিশু খ্রিস্ট আমাকে এখান থেকে বের করো। প্রিয় যিশু দয়া করে আমাকে বাঁচাও। যিশু দয়া করো, দয়া করো। তুমি যদি আমাকে মৃত্যু থেকে বাঁচাও তবে তুমি যা বলবে আমি তাই করব। আমি তোমাকে বিশ্বাস করি এবং সারা বিশ্বের মানুষকে বলব যে তুমিই একমাত্র গুরুত্বপূর্ণ। দয়া করে যিশু। শেলিং আরও দূরে সরে গেল। আমরা পরিখার কাজে হাত দিলাম। সকালে সূর্য উঠল। দিনটি ছিল গরম, গুমোট এবং শান্ত। পরের রাতে মেস্ট্রেতে ভিলা রোসার যে মেয়েটির সাথে সে উপরে গিয়েছিল, তাকে সে যিশুর কথা কিছু বলেনি। সে কাউকেই কিছু বলেনি। ** অধ্যায় ৮ * মিলানের এক তপ্ত সন্ধ্যায় তারা তাকে ছাদের ওপর নিয়ে গেল। সেখান থেকে সে পুরো শহরের ওপর দিয়ে তাকাতে পারল। আকাশে চিমনি সুইফট পাখিরা উড়ছিল। কিছুক্ষণ পর অন্ধকার হয়ে এল এবং সার্চলাইটগুলো জ্বলে উঠল। অন্যেরা বোতলগুলো নিয়ে নিচে নেমে গেল। সে এবং অ্যাগ বারান্দা থেকে তাদের আওয়াজ শুনতে পাচ্ছিল। অ্যাগ বিছানায় বসল। সেই তপ্ত রাতে তাকে খুব সতেজ লাগছিল। ** অধ্যায় ১০ * আমি রাস্তা দিয়ে ড্রামের শব্দ শুনতে পেলাম। এরপর বাঁশি এবং পাইপের শব্দ শোনা গেল। তারপর তারা মোড় ঘুরে নাচে মেতে উঠল। রাস্তা তাদের দিয়ে ঠাসা ছিল। মায়েরা তাকে দেখল এবং তারপর আমিও তাকে দেখলাম। যখন তারা সুর থামাল, সে সবার সাথে রাস্তায় কুঁকড়ে বসে পড়ল। আবার শুরু হতেই সে লাফিয়ে উঠে তাদের সাথে নাচতে নাচতে রাস্তার দিকে চলে গেল। সে সত্যিই মাতাল ছিল। মায়েরা বলল, 'তুমি ওর পেছনে যাও, ও আমাকে ঘৃণা করে'। ** অধ্যায় ১৫ * সকাল ছয়টায় কাউন্টি জেলের করিডোরে স্যাম কার্ডিনেল্লাকে ফাঁসি দেওয়া হলো। করিডোরটি ছিল উঁচু এবং সরু। এর দুপাশে সারিবদ্ধ কক্ষ ছিল। ফাঁসি দেখার জন্য সব কক্ষে মানুষ ছিল। উপরের পাঁচটি কক্ষে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত পাঁচজন মানুষ ছিল। তাদের মধ্যে তিনজন ছিল কৃষ্ণাঙ্গ। তারা খুব ভয় পেয়েছিল। শ্বেতাঙ্গদের একজন খাটে মাথা নিচু করে বসে ছিল। অন্যজন কম্বল মুড়ি দিয়ে শুয়ে ছিল। তারা দেয়ালের একটি দরজা দিয়ে ফাঁসির মঞ্চে এল। দুই যাজকসহ তারা ছয়-সাতজন ছিল। তারা স্যাম কার্ডিনেল্লাকে বহন করে আনছিল। ভোর চারটা থেকে তার এই অবস্থা ছিল। যখন তারা তার পা বাঁধছিল, দুইজন গার্ড তাকে ধরে রেখেছিল এবং দুইজন যাজক তার কানে কানে কথা বলছিলেন। একজন যাজক বললেন, "ছেলে আমার, পুরুষ হও।" ** অধ্যায় ১৭ * রাজা বাগানে কাজ করছিলেন। তিনি আমাকে দেখে খুব খুশি হলেন। আমরা বাগান দিয়ে হাঁটলাম। তিনি বললেন, ইনি রাণী। তিনি একটি গোলাপ গাছ ছাঁটছিলেন। রাণী বললেন, ওহ কেমন আছেন? আমরা একটি বড় গাছের নিচের টেবিলে বসলাম। রাজা হুইস্কি এবং সোডার অর্ডার দিলেন। তিনি বললেন, আমাদের অন্তত ভালো হুইস্কি আছে। ** অধ্যায় ১৮ ===''[[w:The Torrents of Spring|দ্য টরেন্টস অফ স্প্রিং]]'' (1926)=== * যোগী জনসন মিশিগানের একটি বড় পাম্প কারখানার জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে ছিলেন। শীঘ্রই বসন্ত আসবে। এই লেখক হাচিনসন যা বলেছিলেন, 'শীত এলে কি বসন্ত খুব দূরে থাকতে পারে?' তা কি এই বছরও সত্যি হবে? যোগী জনসন ভাবলেন। ** খণ্ড ১, অধ্যায় ১ ** যোগী জনসন যে লাইনটি উদ্ধৃত করেছেন তা আসলে [[Percy Bysshe Shelley|পার্সি বিশি শেলি]]-র ''[[w:Ode to the West Wind|ওড টু দ্য ওয়েস্ট উইন্ড]]'' থেকে নেওয়া। * এভাবে উল্টো দিক থেকে শুরু করে লেখা খুব কঠিন। লেখক আশা করেন পাঠক এটি বুঝতে পারবেন এবং এই ছোট্ট ব্যাখ্যার জন্য অসন্তুষ্ট হবেন না। পাঠক যা কিছু লিখেছেন তা পড়তে পারলে আমি খুশি হতাম। পাঠকদের কেউ যদি সমালোচনা বা উপদেশের জন্য তাদের লেখা পাঠাতে চান, তবে আমি প্রতিদিন বিকেলে [[w:Le Dôme Café|ক্যাফে দু দোম]]-এ হ্যারল্ড স্টার্নস এবং [[Sinclair Lewis|সিনক্লেয়ার লুইস]]-এর সাথে শিল্প নিয়ে আলোচনা করি। পাঠক তার লেখা সাথে আনতে পারেন অথবা আমার ব্যাংকের ঠিকানায় পাঠাতে পারেন, যদি আমার কোনো ব্যাংক থাকে। ** খণ্ড ২, অধ্যায় ৫ * রেড ডগ হাসলেন। 'আমি তোমাকে আমার বন্ধুদের সাথে পরিচয় করিয়ে দিতে চাই—মিস্টার সিটিং বুল, মিস্টার পয়জনড বাফেলো এবং চিফ রানিং স্কঙ্ক-ব্যাকওয়ার্ডস।'<br>যোগী করমর্দন করে বললেন, '[[Sitting Bull|সিটিং বুল]] নামটি আমার চেনা।'<br>মিস্টার সিটিং বুল বললেন, 'ওহ, আমি সেই সব সিটিং বুলদের একজন নই।' ** খণ্ড ৩, অধ্যায় ২ ===''[[w:The Sun Also Rises|দ্য সান অলসো রাইজেস]]'' (১৯২৬)=== * 'শোনো জেক... তোমার কি কখনো মনে হয় না যে তোমার জীবনটা এমনিতেই কেটে যাচ্ছে আর তুমি এর কোনো সুযোগ নিচ্ছ না?' ** রবার্ট কোহন থেকে জেক বার্নস, খণ্ড ১, অধ্যায় ২। * আমি শুধু চেষ্টা করি মানুষের জন্য ঝামেলা না করতে। ইংল্যান্ডে পাঠানোর সময় ব্রেটের সাথে দেখা না হলে হয়তো আমার কোনো সমস্যা হতো না। সম্ভবত সে শুধু তাই চেয়েছিল যা সে পেতে পারে না। ** খণ্ড ১, অধ্যায় ৪। * এক বোতল ওয়াইন খুব ভালো সঙ্গী ছিল। * ঠিক আছে। তোমার পথেই চলো। নরকের রাস্তা কেনা হয়নি এমন স্টাফ করা কুকুরে ভরা। এটা আমার দোষ না। * প্রিয়তমা, এই ওয়াইনটি টোস্ট পানের জন্য অনেক বেশি ভালো। তুমি এমন ওয়াইনের সাথে আবেগকে মেশাতে পারো না। তাহলে তুমি স্বাদ হারাবে। ** কাউন্ট মিপিপোপোলাস, খণ্ড ১, অধ্যায় ৭। [[File:HemingwayLoeb.jpg|thumb|right|তুমি একজন প্রবাসী, বোঝো? তুমি ক্যাফেগুলোতে ঘুরে বেড়াও।]] * তুমি একজন প্রবাসী। তুমি মাটির সাথে যোগাযোগ হারিয়ে ফেলেছ। তুমি শৌখিন হয়ে গেছ। নকল ইউরোপীয় মানদণ্ড তোমাকে নষ্ট করে দিয়েছে। তুমি মদ্যপান করে নিজেকে ধ্বংস করছ। তুমি যৌনতা নিয়ে আচ্ছন্ন। তুমি কাজ না করে শুধু কথা বলে সময় কাটাও। তুমি একজন প্রবাসী, বোঝো? তুমি ক্যাফেগুলোতে ঘুরে বেড়াও। ** বিল গর্ডন থেকে জেক বার্নস, খণ্ড ২, অধ্যায় ১২। * '''‘তুমি কীভাবে দেউলিয়া হলে?’ বিল জিজ্ঞেস করল।<br>মাইক বলল, ‘দুইভাবে। ধীরে ধীরে এবং তারপর হঠাৎ করে।’''' ** খণ্ড ২, অধ্যায় ১৩। * 'জানো, দুশ্চরিত্র না হওয়ার সিদ্ধান্ত নিলে মনটা বেশ ভালো লাগে।'<br>'হ্যাঁ।'<br>'ঈশ্বরের বদলে এটাই আমাদের কাছে আছে।' ** লেডি ব্রেট অ্যাশলে থেকে জেক বার্নস, খণ্ড ৩, অধ্যায় ১৯। * 'ওহ জেক,' ব্রেট বলল, 'আমরা একসাথে কত চমৎকার সময় কাটাতে পারতাম।'<br>সামনে খাকি পোশাক পরা একজন মাউন্টেড পুলিশ যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করছিলেন। তিনি তার লাঠি তুললেন। গাড়িটি হঠাৎ গতি কমিয়ে দিলে ব্রেট আমার গায়ে এসে পড়ল।<br>'হ্যাঁ,' আমি বললাম। 'এমনটা ভাবতেও কি ভালো লাগে না?' ** খণ্ড ৩, অধ্যায় ১৯ (উপন্যাসের শেষ লাইন)। ===''[[w:Men Without Women (short story collection)|মেন উইদাউট উইমেন (ছোটগল্প সংকলন)]]'' (১৯২৭)=== * চারবার সে ষাঁড়টির সাথে কেপটি ঘোরাল এবং প্রতিবারই ষাঁড়টিকে আবার আক্রমণ করতে বাধ্য করল। পঞ্চম ঘূর্ণনের শেষে সে কেপটি নিজের কোমরের কাছে ধরে ঘুরল। কেপটি একজন ব্যালে নর্তকীর স্কার্টের মতো ছড়িয়ে পড়ল এবং ষাঁড়টিকে নিজের চারদিকে বেল্টের মতো পেঁচিয়ে ফেলল। তারপর সে সরে এল। ষাঁড়টি তখন সাদা ঘোড়ায় চড়া জুরিতোর মুখোমুখি। জুরিতো টুপি নামিয়ে সামনের দিকে ঝুঁকে লম্বা লাঠিটি তাক করে আছেন। ** দ্য আনডিফিটেড (The Undefeated) * ছেলেরা শুরুতে আমার মেডেলগুলো নিয়ে খুব বিনয়ী ছিল এবং সেগুলো কীভাবে পেলাম তা জিজ্ঞেস করত। আমি তাদের কাগজগুলো দেখালাম যেখানে খুব সুন্দর ভাষায় ভ্রাতৃত্ব এবং আত্মত্যাগের কথা লেখা ছিল। কিন্তু বিশেষণগুলো বাদ দিলে সেখানে আসলে বলা হয়েছে যে আমি আমেরিকান বলেই মেডেলগুলো পেয়েছি। এরপর আমার প্রতি তাদের আচরণ কিছুটা বদলে গেল, যদিও বাইরের লোকেদের বিরুদ্ধে আমি তাদের বন্ধুই ছিলাম। ** ইন অ্যানাদার কান্ট্রি (In Another Country) * আমরা অপেক্ষা করে দেখব। ছায়ায় ফিরে এসো, সে বলল। তোমার এমন মনে করা উচিত নয়।<br>মেয়েটি বলল, আমার কিছু মনে হচ্ছে না। আমি শুধু জানি।<br>আমি চাই না তুমি এমন কিছু করো যা তুমি চাও না——<br>এমনকি যা আমার জন্য ভালো নয় তাও, মেয়েটি বলল। আমি জানি। আমরা কি আরেকটা বিয়ার পেতে পারি?<br>ঠিক আছে। কিন্তু তোমাকে বুঝতে হবে——<br>আমি বুঝি, মেয়েটি বলল। আমরা কি কথা বলা বন্ধ করতে পারি?<br>তারা টেবিলে বসল। মেয়েটি উপত্যকার শুকনো পাহাড়ের দিকে তাকাল। পুরুষটি তার দিকে এবং টেবিলের দিকে তাকাল। <br>তোমাকে বুঝতে হবে, সে বলল, তুমি না চাইলে আমি এটা করতে চাই না।<br>তোমার কাছে এর কোনো মানে থাকলে আমি এটা করতে রাজি।<br>তোমার কাছে এর কি কোনো মানে নেই? আমরা ঠিকই থাকতাম।<br>অবশ্যই মানে আছে। কিন্তু আমি তুমি ছাড়া কাউকে চাই না। আর আমি জানি এটা খুব সহজ।<br>হ্যাঁ, তুমি জানো এটা খুব সহজ।<br>তোমার জন্য এটা বলা সহজ কিন্তু আমি এটা জানি।<br>তুমি কি এখন আমার জন্য কিছু করবে?<br>আমি তোমার জন্য সব করতে পারি।<br>তুমি কি দয়া করে দয়া করে দয়া করে দয়া করে দয়া করে দয়া করে কথা বলা বন্ধ করবে? ** হিলস লাইক হোয়াইট এলিফ্যান্টস (Hills Like White Elephants) * সকালে প্রচণ্ড বাতাস বইছিল এবং সমুদ্রের ঢেউ তটে আছড়ে পড়ছিল। তার হৃদয় ভেঙে গেছে—একথা মনে করার অনেক আগেই তার ঘুম ভেঙে গিয়েছিল। ** টেন ইন্ডিয়ানস (Ten Indians) ===''[[w:A Farewell to Arms|এ ফেয়ারওয়েল টু আর্মস]]'' (১৯২৯)=== [[File:Auteurs, Oorlogsgewonden De beroemde Amerikaanse schrijver Ernest Hemingway (1899-1961) als, SFA002024611.jpg|thumb|right|পৃথিবী সবাইকে ভেঙে দেয় এবং পরবর্তীতে অনেকেই সেই ভাঙা জায়গাগুলোতে শক্তিশালী হয়ে ওঠে। কিন্তু যারা ভাঙতে চায় না, পৃথিবী তাদের মেরে ফেলে।]] * সব চিন্তাশীল মানুষই নাস্তিক। ** অধ্যায় ২ * আমি লক্ষ্য করেছি যে যেসব ডাক্তার চিকিৎসা পেশায় ব্যর্থ হন, তারা একে অপরের সঙ্গ খোঁজেন এবং পরামর্শে সহায়তা করেন। যে ডাক্তার আপনার অ্যাপেন্ডিক্স ঠিকমতো কাটতে পারেন না, তিনি আপনাকে এমন একজন ডাক্তারের কাছে পাঠাবেন যিনি আপনার টনসিল সফলভাবে অপসারণ করতে পারবেন না। ** অধ্যায় ১৫ * তুমিই আমার ধর্ম। আমার যা আছে তার সবটুকুই তুমি। ** ক্যাথরিন, অধ্যায় ১৮। * যখন হারানোর কিছু থাকে না, তখন জীবন পরিচালনা করা কঠিন নয়। ** অধ্যায় ২১ * '''পবিত্র, গৌরবময় ও ত্যাগ এবং ‘বৃথা’—এই শব্দগুলো আমাকে সবসময় লজ্জিত করত।''' আমরা বৃষ্টির মধ্যে দাঁড়িয়ে শব্দগুলো শুনেছিলাম। আমরা সেগুলো ইশতেহারেও পড়েছিলাম। আমি পবিত্র কিছু দেখিনি। যেসব জিনিস গৌরবময় ছিল তার কোনো গৌরব ছিল না। আর সেই ত্যাগগুলো ছিল শিকাগোর কসাইখানার মতো—যেখানে মাংসগুলো মাটি চাপা দেওয়া ছাড়া আর কিছুই করা হয়নি। ** অধ্যায় ২৭ * '''পৃথিবী সবাইকে ভেঙে দেয় এবং পরবর্তীতে অনেকেই সেই ভাঙা জায়গাগুলোতে শক্তিশালী হয়ে ওঠে। কিন্তু যারা ভাঙতে চায় না, পৃথিবী তাদের মেরে ফেলে। এটি খুব ভালো, খুব ভদ্র এবং খুব সাহসী—সবাইকেই সমানভাবে মেরে ফেলে। আপনি যদি এদের কেউ না হন তবে নিশ্চিত থাকুন এটি আপনাকেও মারবে, তবে হয়তো খুব তাড়াহুড়ো করবে না।''' ** অধ্যায় ৩৪ * না, এটি একটি বড় ভুল ধারণা: বৃদ্ধদের প্রজ্ঞা। '''তারা জ্ঞানী হয় না। তারা সতর্ক হয়।''' ** অধ্যায় ৩৫ * 'প্রিয়তম, তুমি কি দাড়ি রাখতে চাও?'<br>'তুমি কি চাও আমি রাখি?'<br>'মজা হতে পারে। আমি তোমাকে দাড়ি সহ দেখতে চাই।'<br>''''ঠিক আছে। আমি দাড়ি রাখব। এখনই শুরু করছি। এটি ভালো বুদ্ধি। অন্তত কিছু একটা করার থাকবে।' ''' ** ক্যাথরিন এবং হেনরি দাড়ি রাখা নিয়ে আলোচনা করছেন, অধ্যায় ৩৮। * গল্পের সবটুকু এটুকুই। ক্যাথরিন মারা গেছে, তুমিও মরবে এবং আমিও মরব—এর বেশি আমি তোমাকে আর কোনো প্রতিশ্রুতি দিতে পারি না। ** উপন্যাসের একটি বিকল্প সমাপ্তি, ''এ ফেয়ারওয়েল টু আর্মস: দ্য স্পেশাল এডিশন'' (২০১৩)-এ প্রকাশিত। ===''[[w:Death in the Afternoon|ডেথ ইন দ্য আফটারনুন]]'' (১৯৩২)=== [[File:Joselito (cropped).png|thumb|right|মহান শিল্পী যা করা হয়েছে বা জানা গেছে তার বাইরে গিয়ে নতুন কিছু সৃষ্টি করেন।]] * নৈতিকতা সম্পর্কে আমি শুধু জানি যে—যা করার পর আপনার ভালো বোধ হয় তা নৈতিক, আর যা করার পর খারাপ লাগে তা অনৈতিক। ** অধ্যায় ১ * এটাও মনে রেখো: সব খারাপ লেখকই মহাকাব্যের প্রেমে পড়ে। ** অধ্যায় ৫ * '''অযথা ব্যবহারের ফলে আমাদের সব শব্দের ধার কমে গেছে।''' ** অধ্যায় ৭ * '''ক্ষয়িষ্ণুতা (Decadence) শব্দটি ব্যবহার করা কঠিন। কারণ এটি এখন সমালোচকদের কাছে গালিগালাজের মতো হয়ে গেছে। তারা যা বোঝেন না বা যা তাদের নৈতিক ধারণার বাইরে, তাকেই তারা এই নামে ডাকেন।''' ** অধ্যায় ৭ * [[Bullfighting|ষাঁড়ের লড়াই]] হলো একমাত্র শিল্প যেখানে শিল্পী মৃত্যুর ঝুঁকিতে থাকেন। পারফরম্যান্স কতটা উজ্জ্বল হবে তা যোদ্ধার সম্মানের ওপর নির্ভর করে। ** অধ্যায় ৯ * একজন স্প্যানিয়ার্ড যতই অসৎ হোক না কেন, তার কাছে সম্মান হলো পানি, ওয়াইন বা জলপাই তেলের মতোই বাস্তব। পকেটমার বা বারবনিতাদের মধ্যেও সম্মানবোধ আছে। শুধু তাদের মানদণ্ডগুলো আলাদা। ** অধ্যায় ৯ * কিন্তু একজন ত্রাতা বা মসিহার জন্য অপেক্ষা করা দীর্ঘ সময়ের ব্যাপার এবং আপনি অনেক ভুয়া মসিহা পাবেন। ** অধ্যায় ৯ * '''ব্যক্তিগতভাবে একজন মহান শিল্পী যখন আসেন, তিনি তার শিল্প সম্পর্কে এ পর্যন্ত আবিষ্কৃত বা পরিচিত সবকিছু ব্যবহার করেন। তিনি খুব অল্প সময়ের মধ্যে সবকিছু গ্রহণ বা বর্জন করতে পারেন। সাধারণ মানুষের যা শিখতে সারাজীবন লাগে, মহান শিল্পী তা মুহূর্তেই আয়ত্ত করেন। এরপর তিনি জানা বা করার বাইরে গিয়ে নিজের কিছু তৈরি করেন।''' ** অধ্যায় ১০ * জীবনের কোনো কিছুরই প্রতিকার নেই। মৃত্যু হলো সব দুর্ভাগ্যের একমাত্র মহৌষধ। ** অধ্যায় ১০ * '''আত্মহত্যাকারী ছাড়া মৃত্যুর সময় সেই ব্যক্তির চেয়ে একা আর কেউ নেই, যে একজন ভালো স্ত্রীর সাথে অনেক বছর কাটিয়ে তাকে হারিয়ে বেঁচে আছে। যদি দুইজন মানুষ একে অপরকে ভালোবাসে, তবে এর কোনো সুখকর সমাপ্তি হতে পারে না।''' ** অধ্যায় ১১ * মাদাম, এটি একটি পুরোনো শব্দ এবং প্রত্যেকে একে নতুনভাবে গ্রহণ করে নিজেই এর ব্যবহার শেষ করে দেয়। এটি এমন একটি শব্দ যা বাতাসের মতো অর্থে পরিপূর্ণ হয় এবং তত দ্রুতই তা বেরিয়ে যায়। যদি আপনি এটি না পেয়ে থাকেন তবে আপনার কাছে এর কোনো অস্তিত্ব নেই। সবাই এটি নিয়ে কথা বলে কিন্তু যারা এটি পেয়েছে তাদের মাঝে এর চিহ্ন থাকে। আমি এটি নিয়ে আর কথা বলতে চাই না কারণ এটি নিয়ে কথা বলা সবচেয়ে হাস্যকর ব্যাপার। কেবল বোকারাই বারবার এর মধ্য দিয়ে যায়। ** অধ্যায় ১১ * '''মাদাম, সব গল্প যথেষ্ট দীর্ঘ হলে শেষ পর্যন্ত মৃত্যুতেই শেষ হয়। আর যিনি আপনার কাছ থেকে তা গোপন করেন, তিনি প্রকৃত গল্পকার নন।''' ** অধ্যায় ১১ * কোনো লেখককে ব্যক্তিগতভাবে চেনা সবসময়ই একটি ভুল। ** অধ্যায় ১২ * গদ্য হলো স্থাপত্য, এটি অন্দরসজ্জা নয়। বারোক যুগের অবসান ঘটেছে। ** অধ্যায় ১৬ * '''গদ্যের একজন লেখক যদি তার বিষয়বস্তু সম্পর্কে যথেষ্ট জানেন, তবে তিনি অনেক কিছু বাদ দিতে পারেন। লেখক যদি যথেষ্ট সত্যভাবে লেখেন, তবে পাঠক সেই বাদ দেওয়া বিষয়গুলো অনুভব করতে পারবেন। একটি আইসবার্গের গতির গাম্ভীর্য হলো এর মাত্র আট ভাগের এক ভাগ পানির উপরে থাকে। কিন্তু কোনো লেখক যদি না জানার কারণে কিছু বাদ দেন, তবে তার লেখায় শুধু শূন্যস্থান তৈরি হয়।''' ** অধ্যায় ১৬ ** হেমিংওয়ের বিখ্যাত [[w:Iceberg Theory|আইসবার্গ তত্ত্ব]]। * '''একজন সিরিয়াস লেখককে নিরস লেখকের সাথে গুলিয়ে ফেলবেন না।''' একজন সিরিয়াস লেখক বাজপাখি বা চিল হতে পারেন কিন্তু নিরস লেখক সবসময়ই একটি পেঁচা। ** অধ্যায় ১৬ * উপন্যাস লেখার সময় লেখকের জীবন্ত মানুষ তৈরি করা উচিত; চরিত্র নয়। '''চরিত্র মানেই একটি ক্যারিকেচার।''' ** অধ্যায় ১৬ [[File:Joselito el Gallo banderillea con facilidad (cropped).jpg|thumb|right|এমন কিছু জিনিস আছে যা দ্রুত শেখা যায় না। আমাদের যা কিছু আছে—সেই সময় দিয়েই তা অর্জন করতে হয়।]] * '''এমন কিছু জিনিস আছে যা দ্রুত শেখা যায় না। আমাদের যা কিছু আছে—সেই সময় দিয়েই তা অর্জন করতে হয়। এগুলো খুবই সাধারণ জিনিস। এগুলো জানতে একজন মানুষের সারাজীবন লাগে বলেই জীবন থেকে পাওয়া এই সামান্য নতুন জ্ঞান খুব ব্যয়বহুল এবং এটিই তার রেখে যাওয়া একমাত্র উত্তরাধিকার।''' ** অধ্যায় ১৬ * মানুষ যখন মৃত্যুর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে, তখন সে নিজের মধ্যে ঐশ্বরিক ক্ষমতা অনুভব করে আনন্দ পায়; আর তা হলো মৃত্যু দেওয়ার ক্ষমতা। ** অধ্যায় ১৯ * সবচেয়ে বড় কাজ হলো টিকে থাকা এবং কাজ শেষ করা। দেখা, শোনা, শেখা ও বোঝা; এবং যখন আপনি কিছু জানেন তখনই লেখা; তার আগে নয় এবং তার অনেক পরেও নয়। ** অধ্যায় ২০ === ''এ লেটার ফ্রম কিউবা'' (১৯৩৪) === * '''সব ভালো বইয়ের মধ্যে একটি মিল আছে। সেগুলো বাস্তবে যা ঘটেছে তার চেয়েও বেশি সত্য। একটি বই পড়া শেষ করার পর আপনার মনে হবে সব আপনার সাথেই ঘটেছে। তখন সব আপনার হয়ে যায়—ভালো ও মন্দ, আনন্দ, অনুশোচনা ও দুঃখ, মানুষ ও স্থান এবং আবহাওয়া কেমন ছিল।''' আপনি যদি মানুষকে তা দিতে পারেন তবেই আপনি একজন লেখক। * '''মানুষের সম্পর্কে সহজ ও সৎ গদ্য লেখা সবচেয়ে কঠিন কাজ। প্রথমে আপনাকে বিষয়টি জানতে হবে; তারপর আপনাকে জানতে হবে কীভাবে লিখতে হয়।''' উভয়ই শিখতে সারাজীবন লাগে। কেউ যদি রাজনীতির মাধ্যমে এর থেকে মুক্তি পেতে চায়, তবে সে আসলে ফাঁকি দিচ্ছে। সহজ পথগুলো অনেক সহজ হলেও মূল কাজটি করা খুব কঠিন। * এখন একজন লেখক রাজনৈতিক উদ্দেশ্যকে সমর্থন করে, তার জন্য কাজ করে এবং তাতে বিশ্বাসের পেশা তৈরি করে বেঁচে থাকতে থাকতে একটি সুন্দর ক্যারিয়ার গড়তে পারেন। রাজনীতি হলো প্রতিদান ছাড়া কঠোর পরিশ্রম করা অথবা কিছু সময়ের জন্য সামান্য বেতনে কাজ করা, এই আশায় যে পরে সম্পদ পাওয়া যাবে। একজন মানুষ ফ্যাসিস্ট বা কমিউনিস্ট হতে পারেন এবং তার দল ক্ষমতায় গেলে তিনি রাষ্ট্রদূত হতে পারেন অথবা সরকার তার বইয়ের লাখ লাখ কপি ছাপাতে পারে। * ব্যক্তিগত কলামিস্টরা হলো শিয়ালের মতো। কোনো শিয়াল একবার মাংসের স্বাদ পেলে আর ঘাস খেয়ে বাঁচে না—তা সে মাংস যে-ই শিকার করুক না কেন। * বইটি যদি ভালো হয়, আপনার জানা কোনো বিষয় নিয়ে হয় এবং সত্যভাবে লেখা হয়, তবে সমালোচকদের চিৎকার করতে দিন। সেই চিৎকার হবে তুষারপাতের রাতে নেকড়ের ডাকের মতো। আপনি যখন নিজের পরিশ্রমে গড়া কেবিনে থাকবেন তখন সেই শব্দ আপনার কাছে মধুর মনে হবে। * যেসব সমালোচক আপনাকে আবিষ্কার করে খ্যাতি অর্জন করতে পারেননি, তারা আপনার ব্যর্থতা এবং সৃজনশীলতা ফুরিয়ে যাওয়ার ভবিষ্যদ্বাণী করে খ্যাতি পেতে চান। রাজনৈতিক যোগসূত্র না থাকলে কেউই আপনার ভালো চাইবে না। রাজনৈতিক যোগসূত্র থাকলে তারা আপনার পাশে দাঁড়াবে এবং হোমার, বালজাক বা জোলার সাথে আপনার তুলনা করবে। === ''নোটস অন দ্য নেক্সট ওয়ার'' (১৯৩৫) === [[File:Dead German soldier in Cherbourg.jpg|thumb|right|ভয়াবহতার কোনো তালিকা মানুষকে যুদ্ধ থেকে দূরে রাখতে পারেনি। যুদ্ধের আগে আপনি সবসময় ভাবেন যে আপনি মরবেন না। কিন্তু আপনি মরবেন ভাই, যদি আপনি যথেষ্ট সময় যুদ্ধে থাকেন।]] [[File:Destruction in a Berlin street.jpg|thumb|right|একটি অব্যবস্থাপিত জাতির প্রথম সমাধান হলো মুদ্রাস্ফীতি; দ্বিতীয়টি হলো যুদ্ধ। উভয়ই সাময়িক সমৃদ্ধি আনলেও স্থায়ী ধ্বংস বয়ে আনে।]] * '''যুদ্ধ আর কেবল অর্থনৈতিক শক্তির প্রভাবে হয় না। যুদ্ধ এখন তৈরি বা পরিকল্পনা করেন একক ব্যক্তি, জনমোহিনী নেতা এবং স্বৈরশাসকরা। তারা মানুষের দেশপ্রেমকে পুঁজি করে তাদের বিভ্রান্ত করেন। যখন তাদের সব সংস্কার ব্যর্থ হয়, তখন তারা যুদ্ধকেই সমাধান হিসেবে দেখায়।''' * আমেরিকায় আমাদের দেখা উচিত কোনো মানুষকে যেন এই দেশকে যুদ্ধে নামানোর ক্ষমতা না দেওয়া হয়। কারণ সংকটের সময় ওই পদে কে থাকবেন তা আপনি জানেন না। * '''পুরোনো দিনে লেখা হতো যে দেশের জন্য প্রাণ দেওয়া মধুর ও শোভনীয়। কিন্তু আধুনিক যুদ্ধে আপনার মৃত্যুর মধ্যে মধুর বা শোভনীয় কিছু নেই। আপনি কোনো কারণ ছাড়াই কুকুরের মতো মরবেন।''' ** ''Dulce et decorum est pro patria mori.'' দেশের জন্য মৃত্যু মধুর ও গৌরবময়। ~ [[Horace|হোরাস]]। * মাথায় আঘাত লাগলে আপনি দ্রুত মারা যাবেন। কিন্তু মাথায় আঘাত না লাগলে বুকে বা পেটে আঘাত লাগতে পারে। তখন আপনি যন্ত্রণায় চিৎকার করবেন। উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন বোমার আঘাতে আপনি হয়তো দেখবেন আপনার পা নেই। কেউ আপনার বুট খুললে হয়তো দেখা যাবে তার ভেতরে আপনার পা থেঁতলে গেছে। আপনি পুড়ে যাবেন বা শ্বাসরোধ হয়ে মারা যাবেন। এর কোনোটার মধ্যেই মাধুর্য নেই। '''ভয়াবহতার কোনো তালিকা মানুষকে যুদ্ধ থেকে দূরে রাখতে পারেনি। যুদ্ধের আগে আপনি সবসময় ভাবেন যে আপনি মরবেন না। কিন্তু আপনি মরবেন ভাই, যদি আপনি যথেষ্ট সময় যুদ্ধে থাকেন।''' * '''একটি অব্যবস্থাপিত জাতির প্রথম সমাধান হলো মুদ্রাস্ফীতি; দ্বিতীয়টি হলো যুদ্ধ। উভয়ই সাময়িক সমৃদ্ধি আনলেও স্থায়ী ধ্বংস বয়ে আনে। তবে উভয়ই রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সুবিধাবাদীদের আশ্রয়স্থল।''' ===''[[w:Green Hills of Africa|গ্রিন হিলস অফ আফ্রিকা]]'' (১৯৩৫)=== [[File:Huckleberry Finn book.JPG|thumb|right|আধুনিক আমেরিকান সাহিত্যের সবটুকুই [[Mark Twain|মার্ক টোয়েন]]-এর ''হাকলবেরি ফিন'' নামক একটি বই থেকে এসেছে।]] * '''আধুনিক আমেরিকান সাহিত্যের সবটুকুই [[Mark Twain|মার্ক টোয়েন]]-এর ''[[Huckleberry Finn|হাকলবেরি ফিন]]'' নামক একটি বই থেকে এসেছে।''' আপনি যদি এটি পড়েন তবে যেখানে নিগার জিমকে ছেলেদের কাছ থেকে চুরি করা হয়, সেখানে আপনাকে থামতে হবে। সেটিই আসল সমাপ্তি। বাকিটা কেবল ফাঁকি। কিন্তু '''এটি আমাদের সেরা বই। আমেরিকান সব লেখাই এখান থেকে এসেছে। আগে কিছু ছিল না। পরেও এর মতো ভালো আর কিছু হয়নি।''' ** খণ্ড ১, অধ্যায় ১ * আমার জীবন ভালো কিন্তু আমাকে লিখতে হয়। কারণ আমি নির্দিষ্ট পরিমাণ না লিখলে বাকি জীবনটা উপভোগ করতে পারি না। ** খণ্ড ১, অধ্যায় ১ * সাইবেরিয়ায় পাঠানোর ফলেই [[Dostoevsky|দস্তয়েভস্কি]] তৈরি হয়েছিলেন। '''অন্যায়-অবিচারের মাধ্যমেই লেখক তৈরি হন যেমনটা তলোয়ার তৈরি হয় আগুনের তাপে।''' ** খণ্ড ২, অধ্যায় ২ * শরৎকালে ইতালি, স্পেন, উত্তর মিশিগান এবং কিউবার উপসাগরের আকাশ সবচেয়ে সুন্দর ছিল। ** খণ্ড ২, অধ্যায় ২ * বৃষ্টি এমন এক সুন্দর শব্দ তৈরি করছিল যা আমাদের মতো যারা ঘরের বাইরে বেশি থাকে তাদের কাছে খুব প্রিয়। ** খণ্ড ৩, অধ্যায় ১ * মাসাইদের সেই দৃষ্টিভঙ্গি ছিল যা ভাই তৈরি করে। আপনি যেখান থেকেই আসুন না কেন, তারা আপনাকে মাসাই হিসেবে গ্রহণ করে নেয়। এই দৃষ্টিভঙ্গি কেবল ইংরেজ, হাঙ্গেরীয় বা স্প্যানিশদের সেরাদের মধ্যেই পাওয়া যায়। এটি আভিজাত্যের একটি চিহ্ন। এটি একটি অজ্ঞ দৃষ্টিভঙ্গি এবং যারা এটি ধারণ করে তারা টিকে থাকে না। কিন্তু এমন মানুষের দেখা পাওয়ার চেয়ে আনন্দদায়ক আর কিছু হয় না। ** খণ্ড ৪, অধ্যায় ১ ===''[[w: To Have and Have Not|টু হ্যাভ অ্যান্ড হ্যাভ নট]]'' (১৯৩৭)=== * আমি তোমার প্রতি এতই আবেগপ্রবণ ছিলাম যে তোমার জন্য যে কারও মন ভাঙতে পারতাম। আমি একটা আস্ত বোকা ছিলাম। আমি নিজের মনও ভেঙেছি। আমি যা কিছু বিশ্বাস করতাম এবং যা কিছু ভালোবাসতাম—সব তোমার জন্য ছেড়েছি। কারণ তুমি খুব চমৎকার ছিলে এবং আমাকে এত ভালোবাসতে যে ভালোবাসা ছাড়া আর কিছুই গুরুত্বপূর্ণ ছিল না। ভালোবাসা ছিল সবচেয়ে বড় জিনিস, তাই না? ভালোবাসা হলো একটি নোংরা মিথ্যা। আমি তোমার সাথে আর নেই আর ভালোবাসার সাথেও নেই। তোমার ওই বিচ্ছিরি ভালোবাসার নিকুচি করি। ** অধ্যায় ২১-এ হেলেন গর্ডন তার স্বামী রিচার্ড গর্ডনকে বলছেন। * '''চার নম্বর জেটিতে একটি ৩৪ ফুট দীর্ঘ ইয়ট আছে। সেখানে ৩২৪ জন এস্তোনিয়ানদের মধ্যে দুইজন আছে। তারা ২৮ থেকে ৩৬ ফুট লম্বা নৌকায় করে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ঘুরে বেড়ায় এবং এস্তোনিয়ান পত্রিকায় নিবন্ধ পাঠায়।''' এই নিবন্ধগুলো এস্তোনিয়ায় খুব জনপ্রিয়। প্রতিটি কলামের জন্য তারা এক ডলার থেকে এক ডলার ত্রিশ সেন্ট পায়। আমেরিকান সংবাদপত্রে বেসবল বা ফুটবল খবরের যে গুরুত্ব, সেখানে এই ‘সাগা’ গুলোর গুরুত্ব তেমনই। '''দক্ষিণের পানিতে এমন কোনো ইয়ট বেসিন নেই যেখানে অন্তত দুইজন তামাটে চামড়ার এস্তোনিয়ান পাওয়া যাবে না যারা তাদের শেষ নিবন্ধের চেকের জন্য অপেক্ষা করছে।''' চেক এলে তারা অন্য বন্দরে চলে যাবে এবং নতুন গল্প লিখবে। তারা খুব সুখী। ** অধ্যায় ২৪ ** প্রায়শই ভুলভাবে উদ্ধৃত করা হয় এভাবে: "বিশ্বের প্রতিটি বন্দরে অন্তত দুইজন এস্তোনিয়ান খুঁজে পাওয়া যাবে।" === ''[[w: For Whom the Bell Tolls|ফর হুম দ্য বেল টোলস]]'' (১৯৪০) === [[File:La Pasionaria, statue - geograph.org.uk - 3443952 (cropped).jpg|thumb|right|আমরা এখানে জিতলে সব জায়গায় জিতব। পৃথিবী একটি সুন্দর জায়গা এবং এর জন্য লড়াই করা সার্থক। আমি এটি ছেড়ে যেতে চাই না।]] [[File:RepublicanWoman1936GTaro.jpg|thumb|right|আজকের দিনটি সব দিনের মধ্যে একটি দিন মাত্র। কিন্তু ভবিষ্যতে কী ঘটবে তা নির্ভর করে আজ আপনি কী করছেন তার ওপর। সারা বছর এভাবেই চলেছে। যুদ্ধের সবটুকুই এমন।]] * "শুধু আমাকে [[kiss|চুমু]] দাও।" সে তার গালে চুমু দিল। "না।" "নাকগুলো কোথায় যায়? আমি সবসময় ভাবতাম চুমু খাওয়ার সময় নাকগুলো কোথায় যায়।" "দেখো, তোমার মাথাটা ঘোরাও" আর তখন তাদের মুখ একে অপরের সাথে লেগে গেল। ** অধ্যায় ৭ * আমি স্পেনীয় নারীদের কোনো রোমান্টিক মহিমা দিতে চাই না। কিন্তু আমি যখন মারিয়ার সাথে থাকি, আমি তাকে এতই ভালোবাসি যে আমার মনে হয় আমি মরে যাব। আমি আগে কখনো এমনটা বিশ্বাস করিনি। ** অধ্যায় ১৩ * কী এক বিচিত্র ব্যাপার। আপনি সারাজীবন চলেন আর মনে হয় সবকিছুর একটি অর্থ আছে কিন্তু শেষে দেখা যায় কিছুরই কোনো মানে নেই। এমনটা আগে কখনো হয়নি। আপনি ভাবেন এটি আপনি কখনোই পাবেন না। আর তারপর এই বিচ্ছিরি শোতে, একটি ব্রিজ উড়িয়ে দেওয়ার জন্য মারিয়ার মতো একটি মেয়ের দেখা পান। ** অধ্যায় ১৩ * তার জন্য এটি ছিল এক অন্ধকার পথ যা কোথাও যায় না। মাটি শক্তভাবে ধরে সে অন্ধকারের দিকে যাচ্ছিল। সময় যেন পুরোপুরি থমকে গেল এবং তারা দুজনেই সেখানে ছিল। সে অনুভব করল মাটি তাদের নিচ থেকে সরে যাচ্ছে। ** অধ্যায় ১৩ * আদেশ পাওয়ার পর সবাই যদি বলত এটি পালন করা অসম্ভব, তবে আমাদের কী হতো? আদেশ আসার পর আপনি যদি শুধু বলতেন "অসম্ভব", তবে আমরা কোথায় থাকতাম? ** অধ্যায় ১৩ * তারপর তারা স্রোতের পাশ দিয়ে হাঁটছিল। সে বলল, “মারিয়া, আমি তোমাকে ভালোবাসি। তুমি এতই প্রিয় আর এতই সুন্দর। তোমার সাথে থাকলে আমার মনে হয় আমি মরে যাব যখন তোমাকে ভালোবাসি।” সে বলল, “ওহ, আমি প্রতিবার মরি। তুমি কি মরো না?” “না। প্রায়। '''কিন্তু তুমি কি মাটি সরে যেতে অনুভব করেছ?'''” “হ্যাঁ। যেমনটা আমি মরেছিলাম। দয়া করে তোমার হাত আমার কাঁধে রাখো।” ** অধ্যায় ১৩ * 'কিন্তু তোমাদের দেশে কি অনেক ফ্যাসিস্ট নেই?' <br> 'অনেকে আছে যারা জানে না তারা ফ্যাসিস্ট। সময় এলে তারা তা বুঝতে পারবে'। ** অধ্যায় ১৬ * সে ছিল একজন কাপুরুষ আর এটিই ছিল যে কারও জন্য সবচেয়ে বড় দুর্ভাগ্য। ** অধ্যায় ৩০ * আগামীকাল আসুক এবং আমি যেন সেখানে থাকি। ** অধ্যায় ৩৪ * আমরা এখানে জিতলে সব জায়গায় জিতব। পৃথিবী একটি সুন্দর জায়গা এবং এর জন্য লড়াই করা সার্থক। আমি এটি ছেড়ে যেতে চাই না। ** অধ্যায় ৪৩ * এমন কোনো 'একটি' জিনিস নেই যা সত্য। সবটুকুই সত্য। ** অধ্যায় ৪৩ * মৃত্যু তখনই খারাপ যখন এটি দীর্ঘ সময় নেয় এবং আপনাকে এতটাই আঘাত করে যে আপনি লজ্জিত বোধ করেন। ** অধ্যায় ৪৩ * আজকের দিনটি সব দিনের মধ্যে একটি দিন মাত্র। কিন্তু ভবিষ্যতে কী ঘটবে তা নির্ভর করে আজ আপনি কী করছেন তার ওপর। সারা বছর এভাবেই চলেছে। যুদ্ধের সবটুকুই এমন। ** অধ্যায় ৪৩ === ''ট্রেজারি ফর দ্য ফ্রি ওয়ার্ল্ড''-এর ভূমিকা (১৯৪৬) === * আমরা এমন এক সময় থেকে বেরিয়ে এসেছি যখন আনুগত্য ও সাহস সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল। এখন আমরা এমন এক কঠিন সময়ে প্রবেশ করেছি যখন বিশ্বকে বোঝার দায়িত্ব তার জন্য লড়াই করার চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ। * আমরা যদি বিশ্বকে বুঝতে না শিখি এবং অন্য দেশের মানুষের অধিকার ও কর্তব্যকে সম্মান না করি, তবে আমাদের ক্ষমতা বিশ্বের জন্য ফ্যাসিবাদের মতোই বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে। * '''কোনো অস্ত্র কখনোই কোনো নৈতিক সমস্যার সমাধান করতে পারেনি। এটি একটি সমাধান চাপিয়ে দিতে পারে কিন্তু এটি ন্যায়সঙ্গত হবে কি না তার নিশ্চয়তা দিতে পারে না। আপনি আপনার প্রতিপক্ষকে নিশ্চিহ্ন করতে পারেন। কিন্তু আপনি যদি তা অন্যায়ভাবে করেন তবে আপনি নিজেও নিশ্চিহ্ন হওয়ার যোগ্য হয়ে উঠবেন।''' * '''আগ্রাসী যুদ্ধ হলো বিশ্বের সব ভালো জিনিসের বিরুদ্ধে একটি বড় অপরাধ। আত্মরক্ষামূলক যুদ্ধ একটি প্রয়োজনীয় পাল্টা অপরাধ। কিন্তু কখনোই ভাববেন না যে যুদ্ধ অপরাধ নয়—তা সে যতই প্রয়োজনীয় বা ন্যায়সঙ্গত হোক না কেন। পদাতিক বাহিনী আর মৃতদের জিজ্ঞেস করে দেখুন।''' * আমরা এই যুদ্ধে লড়াই করেছি এবং জিতেছি। এখন আমাদের কপট বা প্রতিহিংসাপরায়ণ হওয়া উচিত নয়। আমাদের শত্রুদের এমনভাবে শিক্ষিত করতে হবে যাতে তারা আর যুদ্ধ করতে না পারে। আমাদের সব দেশের মানুষের সাথে শান্তিতে বসবাস করতে শিখতে হবে। এর জন্য আমাদের নিজেদেরও শিক্ষিত করতে হবে। ===''[[w:Across the River and into the Trees|অ্যাক্রস দ্য রিভার অ্যান্ড ইনটু দ্য ট্রিজ]]'' (১৯৫০)=== * তারা দিনের আলোর দুই ঘণ্টা আগে যাত্রা শুরু করল। শুরুতে খালের বরফ ভাঙার প্রয়োজন ছিল না কারণ অন্য নৌকাগুলো আগেই চলে গিয়েছিল। অন্ধকারে দেখা যাচ্ছিল না কিন্তু পোলার তার লম্বা বৈঠা নিয়ে নৌকার পেছনে দাঁড়িয়ে ছিল। শিকারী একটি টুলের ওপর বসে ছিল যার নিচে তার দুপুরের খাবার ও কার্তুজ ছিল। নৌকার কোথাও হাঁস রাখা ছিল। সেই অন্ধকারে ডানা ঝাপটানোর শব্দ শুনে নৌকার কুকুরটি ভয়ে কাঁপছিল। ** অধ্যায় ১ (উপন্যাসের শুরুর অনুচ্ছেদ)। * 'আমাকে যুদ্ধ সম্পর্কে কিছু সত্য কথা বলো।'<br>'বলো যে তুমি আমাকে ভালোবাসো।'<br>'আমি তোমাকে ভালোবাসি,' মেয়েটি বলল। 'তুমি চাইলে এটি গাজেটিনোতে প্রকাশ করতে পারো। আমি তোমার শক্ত শরীর আর অদ্ভুত চোখগুলো ভালোবাসি যা আমাকে ভয় দেখায়। আমি তোমার হাত এবং তোমার সব ক্ষতগুলো ভালোবাসি।' ** অধ্যায় ১২-এ রেনাটা এবং কর্নেল রিচার্ড ক্যান্টওয়েল। * 'যারা একে অপরকে ভালোবাসে তাদের কী হয়?'<br>'আমার মনে হয় তাদের যা আছে তা-ই থাকে এবং তারা অন্যদের চেয়ে বেশি ভাগ্যবান। তারপর তাদের একজনের জন্য চিরস্থায়ী শূন্যতা তৈরি হয়।' ** অধ্যায় ৩৮-এ কর্নেল রিচার্ড ক্যান্টওয়েল এবং রেনাটা। ===''[[w:The Old Man and the Sea|দ্য ওল্ড ম্যান অ্যান্ড দ্য সি]]'' (১৯৫২)=== [[File:TheOldManGregorioFuentes.jpg|thumb|right|মানুষ পরাজয়ের জন্য তৈরি হয়নি। মানুষকে ধ্বংস করা যায়, কিন্তু পরাজিত করা যায় না।]] * তিনি ছিলেন এক বৃদ্ধ মানুষ, যিনি গালফ স্ট্রিমে একা এক ছোট নৌকায় মাছ ধরতেন। চুরাশি দিন ধরে তার জালে কোনো মাছ ধরা পড়েনি। প্রথম চল্লিশ দিন ছেলেটি তার সাথে ছিল। কিন্তু টানা চল্লিশ দিন কোনো মাছ না পাওয়ায় ছেলেটির বাবা-মা তাকে বলে যে, বৃদ্ধ মানুষটি এখন নিশ্চিতভাবে ও চিরতরে 'সালাও' হয়ে গেছেন, যার অর্থ হলো দুর্ভাগ্যগ্রস্তের চূড়ান্ত পর্যায়। তাদের নির্দেশে ছেলেটি অন্য একটি নৌকায় চলে যায়, যেটি প্রথম সপ্তাহেই তিনটি বড় মাছ ধরে। * “বয়স হলো আমার অ্যালার্ম ঘড়ি,” বৃদ্ধ বললেন। “বৃদ্ধরা কেন এত ভোরে ঘুম থেকে ওঠে? দিনটাকে কি একটু দীর্ঘ করার জন্য?” <br/>“আমি জানি না,” ছেলেটি বলল। “আমি শুধু জানি, কম বয়সী ছেলেরা দেরিতে এবং গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন থাকে।” * '''পৃথিবীর বুকে কাটানো প্রতিটি দিনই একটি ভালো দিন।''' * তিনি সমুদ্রকে সবসময় 'লা মার' (la mar) বলে ভাবতেন—স্প্যানিশ ভাষায় যারা সমুদ্রকে ভালোবাসে, তারা এই নামেই ডাকে। যারা তাকে ভালোবাসে, তারা মাঝে মাঝে তার সম্পর্কে খারাপ কথাও বলে, কিন্তু তা সবসময় এমনভাবে বলা হয় যেন সমুদ্র একজন নারী। কিছু কম বয়সী জেলে—যারা বড়শির ফ্লোট হিসেবে বয়া ব্যবহার করত অথবা হাঙরপ্রেমীদের প্রচুর টাকা থাকায় যাদের মোটর বোট কেনার সামর্থ্য ছিল—তারা তাকে 'এল মার' (el mar) বলত, যা পুংলিঙ্গবাচক। তারা তাকে একজন প্রতিযোগী, একটি জায়গা বা এমনকি শত্রু হিসেবে সম্বোধন করত। কিন্তু বৃদ্ধ মানুষটি তাকে সবসময় নারী হিসেবেই দেখতেন, যে কিনা মহান অনুগ্রহ দান করে আবার তা কেড়েও নিতে পারে। যদি সে কোনো বুনো বা নিষ্ঠুর কাজ করে থাকে, তবে তা তার অনিচ্ছাকৃত। বৃদ্ধ ভাবতেন, চাঁদের প্রভাব সমুদ্রের ওপর ঠিক একজন নারীর মতোই কাজ করে। * সে আমাকে যতটা পুরুষ বলে ভাবছে, আমি ঠিক ততটাই নিজেকে গড়ে তুলব। * মাথা ঠান্ডা রাখো এবং একজন পুরুষের মতো কষ্ট সহ্য করতে শেখো। অথবা একটা মাছের মতো, তিনি ভাবলেন। * “মাছ,” তিনি বললেন, “আমি তোমাকে খুব ভালোবাসি এবং শ্রদ্ধা করি। কিন্তু দিন শেষ হওয়ার আগেই আমি তোমাকে মেরে ফেলব।” * 'কিন্তু মানুষ পরাজয়ের জন্য তৈরি হয়নি,' তিনি বললেন। 'মানুষকে ধ্বংস করা যায়, কিন্তু পরাজিত করা যায় না।' * 'আই,' তিনি জোরে বলে উঠলেন। এই শব্দটির কোনো অনুবাদ নেই; সম্ভবত এটি এমন এক আর্তনাদ যা একজন মানুষ অনিচ্ছাকৃতভাবে করে, যখন সে অনুভব করে যে পেরেকটি তার হাতের তালু ভেদ করে কাঠের গভীরে ঢুকে যাচ্ছে। * এখন তোমার যা নেই, তা নিয়ে ভাবার সময় নয়। যা আছে তা দিয়ে কী করতে পারো, সেটা ভাবো। * প্রতিটি দিনই নতুন। ভাগ্যবান হওয়াটা ভালো। তবে আমি বরং নিখুঁত হতে চাই। তাহলে যখন ভাগ্য সহায় হবে, তুমি প্রস্তুত থাকবে। * মূল্যহীন কিছুর জন্য তুমি খুব একটা খারাপ করোনি। তবে এমন একটা সময় ছিল যখন আমি তোমাকে খুঁজে পাচ্ছিলাম না। * পরাজিত হলে সবকিছু খুব সহজ হয়ে যায়, তিনি ভাবলেন। আমি জানতাম না এটা এত সহজ। আর কী তোমাকে হারাল, তিনি ভাবলেন।<br/> “কিছুই না,” তিনি উচ্চস্বরে বললেন। “আমি অনেক দূরে চলে গিয়েছিলাম।” * সারা বছর ছোট মোটর বোটে যারা সমুদ্রে যায়, তারা বিপদ খোঁজে না। আপনি নিশ্চিত থাকতে পারেন যে, এক বছরের মধ্যে বিপদ আপনার কাছে নিজে থেকেই আসবে; তাই আপনি সবসময় যতটা সম্ভব তা এড়িয়ে চলার চেষ্টা করবেন। ** "অন দ্য ব্লু ওয়াটার" পরিশিষ্টে, যা মূলত এপ্রিল ১৯৩৬-এ এস্কোয়ার পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল। === নোবেল পুরস্কারের ভাষণ (১৯৫৪) === [[File:Hemingway's writing desk in Key West.jpg|thumb|right|একজন মানুষের লেখায় সবকিছু সাথে সাথে বোঝা না-ও যেতে পারে। লেখক যদি যথেষ্ট ভালো হন তবে তাকে প্রতিদিন অনন্তকালের মুখোমুখি হতে হবে।]] * '''যে লেখক নোবেল পাননি এমন মহান লেখকদের চেনেন, তিনি বিনীত হওয়া ছাড়া এই পুরস্কার গ্রহণ করতে পারেন না।''' সেই লেখকদের তালিকা করার প্রয়োজন নেই। প্রত্যেকে নিজের বিবেক ও জ্ঞান অনুযায়ী সেই তালিকা করতে পারেন। * '''একজন মানুষের লেখায় সবকিছু সাথে সাথে বোঝা না-ও যেতে পারে। এতে মাঝে মাঝে তিনি ভাগ্যবান হন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সবকিছু পরিষ্কার হয়ে যায় এবং তার কাজের গুণাগুণ দিয়েই তিনি টিকে থাকবেন অথবা বিস্মৃত হবেন।''' লেখালেখি আসলে একটি একাকী জীবন। লেখকদের সংগঠন এই একাকীত্ব কিছুটা কমায় কিন্তু এটি তার লেখার মান বাড়ায় কি না তাতে আমার সন্দেহ আছে। তিনি জনসমক্ষে যত বড় হন, তার একাকীত্ব তত কমে আর কাজও খারাপ হতে থাকে। কারণ তাকে একাই কাজ করতে হয়। একজন সত্যিকারের লেখকের জন্য প্রতিটি বই হওয়া উচিত একটি নতুন শুরু। যেখানে তিনি এমন কিছু করার চেষ্টা করবেন যা আগে কেউ করেনি বা যা করতে গিয়ে অন্যরা ব্যর্থ হয়েছে। তারপর ভাগ্য ভালো হলে তিনি সফল হবেন। * '''সাহিত্য লেখা কতই না সহজ হতো যদি আগে যা ভালো লেখা হয়েছে তা-ই অন্যভাবে লেখা যেত! অতীতে আমাদের অনেক মহান লেখক ছিলেন বলেই একজন লেখককে অনেক দূরে যেতে হয়, যেখানে তাকে সাহায্য করার কেউ থাকে না।''' * একজন লেখকের উচিত তার যা বলার আছে তা লিখে ফেলা, মুখে বলা নয়। === প্যারিস রিভিউ সাক্ষাৎকার (১৯৫৮) === [[File:Ernest and Mary Hemingway on safari, 1953-54.jpg|thumb|right|তুমি তোমার কল্পনাশক্তির মাধ্যমে এমন কিছু তৈরি করো যা কেবল কোনো কিছুর প্রতিচ্ছবি নয়, বরং বাস্তব ও জীবিত যেকোনো কিছুর চেয়েও সত্য এক নতুন সৃষ্টি। তুমি একে প্রাণ দাও এবং যদি তুমি যথেষ্ট দক্ষতায় তা করতে পারো, তবে তুমি একে অমরত্ব দাও।]] :<small>[[w:George Plimpton|জর্জ প্লিম্পটন]] কর্তৃক গৃহীত সাক্ষাৎকার, ''প্যারিস রিভিউ'', সংখ্যা ১৮ (বসন্ত ১৯৫৮); পরবর্তীতে ''রাইটার্স অ্যাট ওয়ার্ক, সেকেন্ড সিরিজ'' (১৯৬৩)-এ প্রকাশিত।</small> * '''মানুষ যদি তোমাকে একা থাকতে দেয় এবং বিরক্ত না করে, তবে তুমি যেকোনো সময় লিখতে পারো।''' অথবা বলা ভালো, যদি তুমি এ বিষয়ে যথেষ্ট কঠোর হতে পারো, তবেই তা সম্ভব। '''তবে ভালোবাসার সময় লেখালেখি সবচেয়ে ভালো হয়।''' * লেখালেখি যখন তোমার প্রধান নেশা ও পরম আনন্দের উৎস হয়ে ওঠে, তখন কেবল মৃত্যুই একে থামাতে পারে। * '''আমি বলতে পারি, অপেশাদাররা যাকে স্টাইল বলে, তা আসলে নতুন কিছু তৈরি করার প্রথম প্রচেষ্টায় অনিবার্যভাবে ঘটে যাওয়া কিছু অদক্ষতা মাত্র।''' * '''ঘটে যাওয়া বিষয়, বিদ্যমান বাস্তবতা এবং তোমার জানা ও অজানা সবকিছুর সমন্বয়ে তুমি তোমার কল্পনাশক্তির মাধ্যমে এমন কিছু তৈরি করো যা কেবল কোনো কিছুর প্রতিচ্ছবি নয়, বরং বাস্তব ও জীবিত যেকোনো কিছুর চেয়েও সত্য এক নতুন সৃষ্টি। তুমি একে প্রাণ দাও এবং যদি তুমি যথেষ্ট দক্ষতায় তা করতে পারো, তবে তুমি একে অমরত্ব দাও।''' একারণেই মানুষ লেখে এবং এর বাইরে আর কোনো কারণ নেই যা জানা যায়। কিন্তু অন্য যে কারণগুলো কেউ জানে না, সেগুলোর কী হবে? * '''একজন ভালো লেখকের জন্য সবচেয়ে প্রয়োজনীয় গুণ হলো নিজের ভেতরে থাকা একটি শক-প্রুফ ‘বাজে জিনিস শনাক্তকারী’ (shit detector)। এটিই লেখকের রাডার এবং সব মহান লেখকেরই এটি ছিল।''' * সম্মান বজায় রেখে টিকে থাকা—এই সেকেলে অথচ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শব্দটি একজন লেখকের জন্য এখনো আগের মতোই কঠিন ও অপরিহার্য। যারা দীর্ঘকাল টিকে থাকতে পারে না, তাদের মানুষ বেশি ভালোবাসে; কারণ তাদের সেই দীর্ঘ, নিরস, একটানা এবং কোনো ছাড় না দেওয়া লড়াইগুলো কাউকে দেখতে হয় না, যা তারা মৃত্যুর আগে নিজেদের বিশ্বাসের প্রতিফলন ঘটাতে গিয়ে করে থাকে। যারা খুব সহজে এবং যৌক্তিক কারণে আগেভাগে হাল ছেড়ে দেয় বা মারা যায়, তাদেরই মানুষ বেশি পছন্দ করে—কারণ তাদের বোঝা সহজ এবং তারা মানুষের মতো। ব্যর্থতা এবং খুব ভালোভাবে আড়াল করা কাপুরুষতা অনেক বেশি মানবিক ও প্রিয়। * রাজনীতিমনস্ক একজন লেখকের কাজের ক্ষেত্রে একটি বিষয়েই নিশ্চিত থাকা যায়—যদি তার কাজ টিকে যায়, তবে পড়ার সময় তোমাকে তার রাজনীতি এড়িয়ে যেতে হবে। তথাকথিত রাজনৈতিকভাবে যুক্ত অনেক লেখক প্রায়ই তাদের রাজনৈতিক অবস্থান পরিবর্তন করে... হয়তো একে সুখের সন্ধানের একটি রূপ হিসেবে সম্মান জানানো যেতে পারে। === ''[[w:A Moveable Feast|আ মুভেবল ফিস্ট]]'' (১৯৬৪) === [[File:La Rotonde-2.jpg|thumb|right|যদি তরুণ বয়সে প্যারিসে বসবাসের সৌভাগ্য আপনার হয়, তবে বাকি জীবন যেখানেই যান না কেন, সেই স্মৃতি আপনার সাথে থাকবে, কারণ প্যারিস হলো একটি চলমান উৎসব বা মুভেবল ফিস্ট।]] [[File:Amber Parade and preparation to common panoramic photo during III World Gdańsk Reunion - 36.jpg|thumb|right|চিন্তা কোরো না। তুমি আগেও লিখেছ এবং এখনো লিখবে। তোমাকে শুধু একটি সত্য বাক্য লিখতে হবে। তোমার জানা সবচেয়ে সত্য বাক্যটি লেখো।]] * '''যদি তরুণ বয়সে [[প্যারিস]]-এ বসবাসের সৌভাগ্য আপনার হয়, তবে বাকি জীবন যেখানেই যান না কেন, সেই স্মৃতি আপনার সাথে থাকবে, কারণ প্যারিস হলো একটি [[w:Moveable feast|চলমান উৎসব]]।''' ** শিরোনাম (Epigraph) * আমি যখন ঝিনুকের সেই সামুদ্রিক নোনতা স্বাদ নিচ্ছিলাম এবং সাথে হালকা ধাতব স্বাদটুকু ঠান্ডা সাদা ওয়াইনের চুমুকে ধুয়ে ফেলছিলাম—শুধু সামুদ্রিক স্বাদ আর রসালো ভাবটুকু রেখে—এবং যখন ঝিনুকের খোলস থেকে সেই ঠান্ডা নির্যাস পান করে মুচমুচে ওয়াইনের সাথে গলাধঃকরণ করছিলাম, তখন আমার মনের শূন্যতা দূর হয়েছিল এবং আমি আনন্দিত হয়ে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা করতে শুরু করেছিলাম। ** অধ্যায় ১ * আমি দাঁড়িয়ে প্যারিসের ছাদগুলোর দিকে তাকিয়ে ভাবতাম, "'''চিন্তা কোরো না।''' তুমি আগেও লিখেছ এবং এখনো লিখবে। '''তোমাকে শুধু একটি সত্য বাক্য লিখতে হবে। তোমার জানা সবচেয়ে সত্য বাক্যটি লেখো।'''" ** অধ্যায় ২ * দিন নষ্ট করার একমাত্র কারণ ছিল মানুষ.... বসন্তের মতোই চমৎকার খুব অল্প কিছু মানুষ ছাড়া, বাকি সবাই সুখের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। ** অধ্যায় ৫ * প্যারিসে যখন পেট ভরে খেতে পারতেন না, তখন খুব খিদে পেত। কারণ সব বেকারির দোকানের জানালায় চমৎকার সব খাবার সাজানো থাকত এবং মানুষ রাস্তার পাশের টেবিলে বসে খাবার খেত, ফলে আপনি খাবারগুলো দেখতে পেতেন এবং গন্ধ পেতেন। আপনি যখন সাংবাদিকতা ছেড়ে দিয়েছেন এবং এমন কিছু লিখছেন যা আমেরিকায় কেউ কিনবে না, আর বাড়িতে সবাইকে বলছেন যে কারো সাথে দুপুরের খাবার খাচ্ছেন—সেই সময় লুক্সেমবার্গ গার্ডেন ছিল সেরা জায়গা... '''সেখানে আপনি সবসময় লুক্সেমবার্গ মিউজিয়ামে যেতে পারতেন এবং আপনার পেট খালি থাকলে কিংবা আপনি ক্ষুধার্ত থাকলে সেখানকার সব ছবি আরও উজ্জ্বল, [[পরিষ্কার]] ও আরও [[সুন্দর]] লাগত।''' আমি ক্ষুধার্ত থাকা অবস্থাতেই [[পল সেজান|সেজান]]-কে আরও ভালোভাবে বুঝতে শিখেছিলাম এবং তিনি কীভাবে ল্যান্ডস্কেপ বা প্রাকৃতিক দৃশ্য তৈরি করতেন, তা সঠিকভাবে উপলব্ধি করতে পেরেছিলাম। ** অধ্যায় ৮: 'ক্ষুধা ছিল ভালো শৃঙ্খলা' * তারপর লিপস (Lipp's)-এ বসে আমি ভাবতে শুরু করলাম, কবে আমি প্রথমবারের মতো সব হারানোর গল্প লিখতে পেরেছিলাম। সেটি ছিল কর্টিনা ডি'আমপেজ্জোতে, বসন্তের স্কিইং শেষে হ্যাডলির সাথে যোগ দিতে সেখানে ফিরে যাওয়ার সময়—যে স্কিইং আমাকে রাইনল্যান্ড ও রুহরে কাজে যাওয়ার জন্য মাঝপথেই থামিয়ে দিতে হয়েছিল। এটি ছিল "আউট অফ সিজন" নামের খুব সাধারণ একটি গল্প। আমি গল্পের আসল শেষটুকু বাদ দিয়েছিলাম, যেখানে বৃদ্ধ লোকটি আত্মহত্যা করে। আমার নতুন তত্ত্ব ছিল—তুমি কোনো কিছু বাদ দিলে যদি জানো যে তা বাদ দিয়েছ, তবে সেই বাদ দেওয়া অংশটিই গল্পকে শক্তিশালী করবে এবং পাঠক যা বুঝতে পারছে তার চেয়েও বেশি কিছু অনুভব করতে বাধ্য করবে। ** অধ্যায় ৮ * '''লোকে বলে, আমরা ভবিষ্যতে কী করব তার বীজ আমাদের সবার মধ্যেই থাকে। তবে আমার সবসময় মনে হয়েছে, যারা জীবনে হাসিখুশি থাকে, তাদের সেই বীজের ওপরের মাটি অনেক ভালো ও উন্নত সারযুক্ত হয়।''' ** অধ্যায় ১১ * কিছু মানুষ তাদের মন্দের পরিচয় দেয় ঠিক যেমন একটি চমৎকার ঘোড়া তার বংশমর্যাদার পরিচয় দেয়। তাদের মধ্যে একধরনের কুৎসিত গাম্ভীর্য থাকে। ** অধ্যায় ১২ * আমার মনে হয় না এর চেয়ে জঘন্য দেখতে মানুষ আমি আগে কখনো দেখেছি.... কালো টুপির নিচে তার চোখগুলো ছিল একজন ব্যর্থ ধর্ষকের মতো। ** অধ্যায় ১২ * '''সত্যিই জঘন্য সব কাজের শুরু হয় কোনো এক পবিত্রতা থেকে।''' ** অধ্যায় ১৭; ভিন্ন রূপ: সব জঘন্য কাজের শুরু হয় পবিত্রতা থেকে। *** ''দ্য গার্ডেন অফ ইডেন'' (১৯৮৬) বইয়ের পর্যালোচনায় আর জেড শেপার্ডের উদ্ধৃতি অনুযায়ী, ''টাইম'' (২৬ মে ১৯৮৬) * '''তার প্রতিভা ছিল প্রজাপতির ডানার ধূলিকণায় তৈরি নকশার মতোই স্বাভাবিক।''' একসময় সে নিজেও তা প্রজাপতির মতোই বুঝত না এবং জানত না কখন সেই ডানা ঝাপটা লেগে নষ্ট হয়ে যেত। পরে সে তার ক্ষতিগ্রস্ত ডানা ও সেগুলোর গঠন সম্পর্কে সচেতন হয়ে ওঠে। সে চিন্তা করতে শেখে এবং এরপর আর উড়তে পারেনি, কারণ উড়ানোর সেই সহজাত ভালোবাসা হারিয়ে গিয়েছিল। সে কেবল মনে করতে পারত, একসময় সেই উড়াটা কতটা অনায়াস ছিল। ** [[এফ. স্কট ফিটজেরাল্ডের]] মূল্যায়ন, অধ্যায় ১৭ === ''পাপা হেমিংওয়ে'' (১৯৬৬) === :<small>[[w:A.E. Hotchner|এ. ই. হচনার]]-এর লেখা বই থেকে হেমিংওয়ের উদ্ধৃতিসমূহ (১৯৬৬ সংস্করণ)</small> * '''একটি যুদ্ধই পুরো অভিযান নির্ধারণ করে না, অথচ সমালোচকরা একটি ভালো বা মন্দ বইকে পুরো একটা যুদ্ধের মতো করে বিচার করেন।''' * 'কেন রে হতচ্ছাড়া, তুই এত দম্ভ করছিস? তুই সামান্য এক 'তুচ্ছ' ভালুক, তাও আবার কালো ভালুক—মেরু ভালুক বা গ্রিজলি তো দূরের কথা, যাদের কোনো গুরুত্বই নেই।' ** নিজের একটি অভিজ্ঞতার বর্ণনা, যেখানে তিনি একবার রাস্তা আটকে রাখা একটি কালো ভালুককে তাড়িয়ে দিয়েছিলেন। প্রথম অংশ, অধ্যায় ১ * '''গতি আর কাজকে কখনোই গুলিয়ে ফেলবে না।''' ** [[w:Marlene Dietrich|মার্লিন ডাইট্রিক]]-এর উদ্ধৃতি অনুযায়ী, তিনি আরও যোগ করেছিলেন, "এই পাঁচটি শব্দের মাধ্যমে তিনি আমাকে পুরো জীবনের দর্শন দিয়েছেন।" প্রথম অংশ, অধ্যায় ১ * বয়স বাড়ার সাথে সাথে ঝুঁকি নেওয়ার ক্ষেত্রে দ্বিধা সমানুপাতিক হারে বাড়তে থাকে। ** প্রথম অংশ, অধ্যায় ৩ * বেচারা [[William Faulkner|ফকনার]]! সে কি সত্যিই মনে করে বড় বড় শব্দ ব্যবহার করলেই বড় আবেগ তৈরি হয়? সে ভাবে আমি কঠিন শব্দগুলো জানি না। আমি সেগুলো সবই জানি। কিন্তু এর চেয়েও পুরনো, সহজ ও ভালো শব্দ আছে, আর আমি সেগুলোই ব্যবহার করি। ** ফকনার বলেছিলেন যে হেমিংওয়ে "এমন কোনো শব্দ ব্যবহার করেন না যা পাঠককে ডিকশনারি দেখতে বাধ্য করে"—এই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে হেমিংওয়ের প্রতিক্রিয়া। প্রথম অংশ, অধ্যায় ৪ * প্যারোডি হলো হতাশ লেখকদের শেষ আশ্রয়স্থল। যখন কেউ ''হার্ভার্ড ল্যাম্পুন''-এর সহযোগী সম্পাদক হয়, তখন সে প্যারোডি লেখে। সাহিত্যকর্ম যত মহান হয়, তার প্যারোডি তৈরি করা তত সহজ। প্যারোডি লেখার পরবর্তী ধাপ হলো প্রস্রাবখানার দেয়ালে অশালীন কিছু লেখা। ** প্রথম অংশ, অধ্যায় ৪ * আমার জীবনে একটি মাত্র বিয়ে নিয়ে আমার আক্ষেপ আছে। মনে পড়ে, বিয়ের লাইসেন্স পাওয়ার পর আমি লাইসেন্স অফিসের উল্টো দিকের বারে মদ খেতে গিয়েছিলাম। বারটেন্ডার জিজ্ঞেস করেছিল, "স্যার, কী নেবেন?" আমি বলেছিলাম, "এক গ্লাস হেমলক।" ** দ্বিতীয় অংশ, অধ্যায় ৫ * আমার জীবনে মাত্র তিনটি জিনিস করতে আমি সত্যিই পছন্দ করেছি—শিকার করা, লেখালেখি এবং ভালোবাসা। ** দ্বিতীয় অংশ, অধ্যায় ৫ * জীবনে খুব অল্প কিছু জিনিসের প্রতিই প্রকৃত ভালোবাসা থাকা সম্ভব। আমি জাগতিক জিনিস থেকে নিজেকে মুক্ত রেখেছি যাতে আমার ভালোবাসা কোনো জড় বস্তুর ওপর নষ্ট না হয়, যারা আমার অনুভূতির কোনো দাম দিতে পারে না। ** দ্বিতীয় অংশ, অধ্যায় ৫ * সফল বাবা হওয়ার একটি নিশ্চিত নিয়ম আছে: সন্তান হওয়ার পর প্রথম দুই বছর তার দিকে তাকাবে না। ** দ্বিতীয় অংশ, অধ্যায় ৫ * কোনো ব্যক্তি বিশ্বাসযোগ্য কি না তা জানার উপায় হলো তাকে বিশ্বাস করা। ** দ্বিতীয় অংশ, অধ্যায় ৬ * সব ভালো বইয়ের একটি সাধারণ বৈশিষ্ট্য আছে—সেগুলো বাস্তবে ঘটে যাওয়া ঘটনার চেয়েও বেশি সত্য। ** দ্বিতীয় অংশ, অধ্যায় ৭ - তার "আ লেটার ফ্রম কিউবা" (১৯৩৪) রচনার মন্তব্যের অনুরূপ। * মৃত্যুর ভয় সম্পদের বৃদ্ধির সাথে সমানুপাতিক হারে বাড়ে: মৃত্যুর গতিবিদ্যার ওপর হেমিংস্টাইনের সূত্র। ** দ্বিতীয় অংশ, অধ্যায় ৭ * সমস্যা নেই এমন কোনো নারীর খোঁজ কোরো না। সে তোমার জীবনের আনন্দ কেড়ে নেবে। বিছানায় যে নারী ভালো, সে একাকী বসবাস করতে পারে না। ** দ্বিতীয় অংশ, অধ্যায় ৭ * তবে সেই গল্পটিতে নারীদের সম্পর্কে আমি যে গঠনমূলক শিক্ষা পেয়েছিলাম তা হলো—তাদের সাথে যা-ই ঘটে থাকুক বা তারা যেমনই হয়ে যাক না কেন, সেসব উপেক্ষা করে তাদের সেরা দিনটিতে তারা যেমন ছিল, কেবল সেই স্মৃতিই ধরে রাখা উচিত। ** তার ছোটগল্প "[[w:A Clean, Well-Lighted Place|আ ক্লিন, ওয়েল-লাইটেড প্লেস]]" সম্পর্কে। দ্বিতীয় অংশ, অধ্যায় ৯ * মানুষের জীবনের সবচেয়ে খারাপ মৃত্যু হলো নিজের সত্তার কেন্দ্রবিন্দু হারিয়ে ফেলা। অবসর জীবন হলো ভাষার সবচেয়ে নোংরা শব্দ। ইচ্ছা বা ভাগ্য, যা-ই হোক না কেন, তুমি যা করছ এবং যা তোমাকে আজকের এই অবস্থানে এনেছে, তা থেকে অবসর নেওয়া মানে হলো নিজেই নিজের কবরে নেমে যাওয়া। ** তৃতীয় অংশ, অধ্যায় ১২ * এমন কোনো বই যদি তুমি লেখো যা তুমি বছরের পর বছর ধরে ভালোবেসেছ, আর তারপর সেটির এই করুণ দশা হতে দেখো, তবে তা অনেকটা নিজের বাবার বিয়ারের গ্লাসে প্রস্রাব করার মতো লাগে। ** ডেভিড ও. সেলজনিকের ''আ ফেয়ারওয়েল টু আর্মস'' (১৯৫৭)-এর রিমেক দেখার পর তার মন্তব্য। * আমার মস্তিষ্ক নষ্ট করে স্মৃতি মুছে ফেলার মানে কী? ওটাই তো আমার মূল সম্পদ, আর এটি আমাকে কাজের অযোগ্য করে তুলছে। '''চিকিৎসাটি ছিল দারুণ, কিন্তু আমরা রোগীকেই হারিয়ে ফেলেছি।''' হচ, এটা খুব খারাপ একটা ব্যাপার, ভয়ানক। ** বিষণ্নতার জন্য ইলেকট্রিক শক থেরাপি নেওয়ার পর। চতুর্থ অংশ, অধ্যায় ১৪ ===''[[w:Islands in the Stream|আইল্যান্ডস ইন দ্য স্ট্রিম]]'' (১৯৭০)=== * '''বন্দর এবং খোলা সমুদ্রের মধ্যবর্তী সরু ভূখণ্ডের সর্বোচ্চ স্থানে বাড়িটি নির্মিত হয়েছিল। তিনটি হারিকেন সহ্য করে টিকে থাকা বাড়িটি জাহাজের মতোই শক্তপোক্ত ছিল।'' বাড়ির চারপাশে ছিল লম্বা নারকেল গাছ, যেগুলো সমুদ্রের বাতাসে নুয়ে থাকত। সমুদ্রের দিকের দরজা দিয়ে বেরিয়ে ঢাল বেয়ে সাদা বালির ওপর দিয়ে হাঁটলেই গালফ স্ট্রিমে পৌঁছানো যেত। বাতাস না থাকলে দূর থেকে স্ট্রিমের পানি সাধারণত গাঢ় নীল দেখাত। কিন্তু কাছে গিয়ে দেখলে দেখা যেত, ঝকঝকে সাদা বালির ওপর পানির নিচে এক অদ্ভুত সবুজ আভা। কোনো বড় মাছ তীরে আসার অনেক আগেই তার ছায়া স্পষ্ট দেখা যেত। দিনের বেলা সেখানে গোসল করা ছিল নিরাপদ ও আনন্দদায়ক, কিন্তু রাতের বেলা সাঁতার কাটা বিপজ্জনক ছিল। রাতের আঁধারে হাঙ্গররা স্ট্রিমের কিনারে শিকারের খোঁজে চলে আসত। শান্ত রাতে বাড়ির ওপরের বারান্দা থেকে শিকার ধরার সময় মাছের ঝাঁপটানোর শব্দ শোনা যেত, আর সমুদ্র সৈকতে নেমে পানির ওপর তাদের দেহ থেকে তৈরি হওয়া ফসফরাসযুক্ত রেখা দেখা যেত। রাতে হাঙ্গররা কোনো কিছুকেই ভয় পেত না এবং বাকি সব প্রাণী তাদের ভয় পেত। কিন্তু দিনের বেলায় তারা ঝকঝকে সাদা বালির এলাকা থেকে দূরে থাকত; আর যদি কখনো চলে আসত, তবে অনেক দূর থেকেই তাদের ছায়া দেখা যেত। ** প্রথম অংশ: বিমিনি, অধ্যায় ১ (উপন্যাসের শুরুর দুটি অনুচ্ছেদ) * মন্দের বিরোধিতা করলেই যে তুমি ভালো হয়ে যাবে, তা কিন্তু নয়। আজ রাতে আমি মন্দের বিরোধিতা করছিলাম, আবার কিছুক্ষণ পরই আমি নিজেই মন্দের সাথে জড়িয়ে পড়লাম। ** প্রথম অংশ: বিমিনি, অধ্যায় ৪ * সুখকে অনেক সময় খুব নিরস মনে হয়। কিন্তু শুয়ে শুয়ে তার মনে হলো, এর কারণ হলো—সাধারণ মানুষেরাও কখনো কখনো খুব সুখী হয়, আর বুদ্ধিমান মানুষরা নিজেরাই নিজেদের এবং অন্যদের জীবন দুর্বিষহ করে তোলে। ** প্রথম অংশ: বিমিনি, অধ্যায় ৮ * 'এখন থেকে তুমি যা লিখবে, তা হবে সরাসরি, সহজ ও সুন্দর। এটাই শুরু।'<br>'যদি আমি নিজেই সরাসরি, সহজ ও সুন্দর না হই? তুমি কি মনে করো আমি এভাবে লিখতে পারব?'<br>'তুমি যেমন, ঠিক সেভাবেই লেখো, কিন্তু লেখাটা যেন সহজ ও সরাসরি হয়।' ** প্রথম অংশ: বিমিনি, অধ্যায় ১০ * 'ধুর ছাই,' এডি বলল। 'ওরা ডেভিকে কেন মারল?'<br>'চলো, এসব বাদ দিই, এডি,' থমাস হাডসন বলল। 'এসব আমাদের জানার অনেক বাইরের বিষয়।' ** প্রথম অংশ: বিমিনি, অধ্যায় ১৪। থমাস হাডসন জানতে পেরেছেন যে তার ছেলে ডেভিড ('ডেভি') ও অ্যান্ড্রু এবং তাদের মা গাড়ি দুর্ঘটনায় মারা গেছে। * সবকিছু পরিষ্কার করে নাও। তোমার ছেলে হারিয়েছে। ভালোবাসা হারিয়েছে। সম্মান বহু আগেই চলে গেছে। এখন শুধু তোমার দায়িত্ব পালন করো।<br>অবশ্যই, আর তোমার দায়িত্ব কী? যেটা আমি করব বলেছিলাম। আর যেসব কাজ তুমি অন্য কাউকে করবে বলে কথা দিয়েছিলে? ** দ্বিতীয় অংশ: কিউবা (বইয়ের শেষভাগের কাছাকাছি)। এখানে 'ছেলে' বলতে থমাস হাডসনের সর্বশেষ বেঁচে থাকা ছেলে টমকে বোঝানো হয়েছে, যে একজন ফাইটার পাইলট ছিল এবং যুদ্ধে মারা গিয়েছিল। * একজন মানুষের সম্বল কেবল তার অহংকার। কখনো কখনো তা এতটাই বেড়ে যায় যে সেটি পাপ হয়ে দাঁড়ায়। আমরা সবাই গর্বের বশবর্তী হয়ে এমন কাজ করেছি, যা আমরা জানতাম অসম্ভব। তখন আমরা পরোয়া করিনি। কিন্তু একজন মানুষের উচিত তার অহংকারকে বুদ্ধি ও সচেতনতা দিয়ে কাজে লাগানো। ** তৃতীয় অংশ: সাগরে, অধ্যায় ৬ * ঠিক আছে, আমি জানি আমার কী করতে হবে, তাই বিষয়টি সহজ। দায়িত্ববোধ একটি চমৎকার জিনিস। তরুণ টম মারা যাওয়ার পর দায়িত্ব ছাড়া আমার কী হতো, তা জানি না। সে নিজেকে বলল, 'তুমি ছবি আঁকতে পারতে। অথবা অন্য কোনো দরকারি কাজ করতে পারতে।' সে ভাবল, 'হয়তো, তবে দায়িত্ব পালন করাটা বেশি সহজ।' এটা কাজের কথা, সে ভাবল। এটি নিয়ে অন্য চিন্তা কোরো না। এটি সব শেষ করতে সাহায্য করে। শুধু এটুকুর জন্যই আমরা কাজ করে যাচ্ছি। এর বাইরে কী আছে, তা ঈশ্বরই জানেন। ** তৃতীয় অংশ: সাগরে, অধ্যায় ১৫ * পরিস্থিতি খুব খারাপ হয়ে পড়লে সবাই একে অপরের বন্ধু হয়ে যায়। ** তৃতীয় অংশ: সাগরে, অধ্যায় ১৭ * এখন টম নেই—সে নিজেকে বলল, 'যাক এসব।' এটি এমন কিছু যা সবার সাথেই ঘটে। এতদিন পর আমার এটি জেনে নেওয়া উচিত ছিল। যদিও এটিই একমাত্র চূড়ান্ত সত্য। সে নিজেকে জিজ্ঞেস করল, 'তুমি তা কীভাবে জানো?' কোথাও চলে যাওয়াটাও চূড়ান্ত হতে পারে। দরজা দিয়ে বেরিয়ে যাওয়াটাও চূড়ান্ত। যেকোনো ধরণের বিশ্বাসঘাতকতা চূড়ান্ত হতে পারে। অসততা চূড়ান্ত হতে পারে। আদর্শ বিসর্জন দেওয়াটা চূড়ান্ত। তবে তুমি কেবল বকছ। মৃত্যুই হলো একমাত্র চূড়ান্ত বাস্তবতা। ** তৃতীয় অংশ: সাগরে, অধ্যায় ১৯ * একজন মানুষের কাজের কাছে জীবন খুব তুচ্ছ বিষয়। আসল কথা হলো, তোমার সেই কাজের প্রয়োজন আছে। ** তৃতীয় অংশ: সাগরে, অধ্যায় ২১ * তোমাকে যারা ভালোবাসে, তাদের তুমি কখনোই বুঝতে পারবে না। ** তৃতীয় অংশ: সাগরে, অধ্যায় ২১ (উপন্যাসের শেষ বাক্য) ===''[[w:The Dangerous Summer|দ্য ডেঞ্জারাস সামার]]'' (১৯৮৫)=== * স্পেনে ফিরে যাওয়াটা ছিল অদ্ভুত এক অনুভূতি। আমার নিজের দেশ ছাড়া অন্য যেকোনো দেশের চেয়ে আমি এই দেশটিকে বেশি ভালোবাসতাম, কিন্তু কখনোই ভাবিনি যে এখানে ফিরে আসার অনুমতি পাব। এখানকার কোনো বন্ধু যতদিন জেলে ছিল, ততদিন আমি সেখানে ফিরে যাইনি। কিন্তু ১৯৫৩ সালের বসন্তকালে কিউবাতে থাকাকালীন আমি আমার এমন কয়েকজন ভালো বন্ধুর সাথে কথা বলি, যারা স্প্যানিশ গৃহযুদ্ধে বিপরীত পক্ষে লড়াই করেছিল। আফ্রিকা যাওয়ার পথে স্পেনে বিরতি দেওয়ার বিষয়ে তাদের সাথে আমার কথা হয় এবং তারা একমত হয় যে, আমি সম্মানের সাথেই স্পেনে ফিরতে পারি যদি আমি আমার লেখা কোনো কিছু প্রত্যাহার না করি এবং রাজনীতি নিয়ে মুখ না খুলি। ভিসা চাওয়ার কোনো প্রশ্নই ছিল না, কারণ আমেরিকান পর্যটকদের জন্য তখন ভিসার আর প্রয়োজন ছিল না। ** অধ্যায় ১ (বইয়ের প্রারম্ভিক অনুচ্ছেদ) * প্রচলিত আছে যে, যদি আপনি এক বছর ষাঁড়ের লড়াই (bullfighting) থেকে দূরে থাকতে পারেন, তবে আপনি চিরকালই দূরে থাকতে পারবেন। কথাটি পুরোপুরি সত্য নয়, তবে এর মধ্যে কিছুটা সত্যতা আছে। মেক্সিকোর লড়াইগুলো ছাড়া আমি চৌদ্দ বছর এই জগৎ থেকে দূরে ছিলাম। তবে সেই সময়টা যেন জেলের মতোই ছিল, যদিও আমি ভেতর থেকে নয়, বরং বাইরে থেকে বন্দি ছিলাম। ** অধ্যায় ১ * দুর্ভাগ্যবশত, আমি কখনোই আমার নিজেকে দেওয়া ভালো পরামর্শ বা আমার ভয়ের সতর্কবাণী মেনে চলতে শিখিনি। ** অধ্যায় ১ * সত্যিকারের সাহসী মানুষের মতোই আন্তোনিও খুব হাসিখুশি এবং গম্ভীর বিষয় নিয়ে মজা করতে পছন্দ করে। ** অধ্যায় ৩ ** হেমিংওয়ে এখানে তার বন্ধু বিখ্যাত মাতাদোর [[w:Antonio Ordóñez|আন্তোনিও অরদোনিয়েজ]]-এর বর্ণনা দিচ্ছেন। * যে মুখগুলো একসময় তরুণ ছিল, সেগুলো এখন আমার মতোই বৃদ্ধ হয়ে গেছে, কিন্তু আমরা কেমন ছিলাম তা সবাই মনে রেখেছে। চোখের চাহনি বদলায়নি এবং কেউ মোটা হয়নি। চোখ যা-ই দেখে থাকুক না কেন, কারোর মুখেই তিক্ততার ছাপ ছিল না। মুখের চারপাশের তিক্ত রেখাগুলো হলো পরাজয়ের প্রথম লক্ষণ। কেউই পরাজিত হয়নি। ** অধ্যায় ৯ ** সময়টি ১৯৫৯ সালের জুলাই মাস এবং হেমিংওয়ে পামপ্লোনার মার্সেলিয়ানোর বারে আছেন, যেখানে তিনি স্প্যানিশ গৃহযুদ্ধের আগে শেষবার গিয়েছিলেন। পরবর্তী অনুচ্ছেদে হেমিংওয়ে বৈপরীত্য দেখানোর জন্য বিশের কোঠার এক অপ্রীতিকর আমেরিকান সাংবাদিকের কথা উল্লেখ করেন, যার 'সুন্দর তরুণ মুখেই ওপরের ঠোঁটের চারপাশে তিক্ততার রেখা ফুটে উঠেছিল।' * আমরা মৃত্যু নিয়ে কথা বলেছি, কিন্তু তা নিয়ে হতাশ হইনি। আমি আন্তোনিওকে মৃত্যু সম্পর্কে আমার ভাবনা জানিয়েছি, যদিও তা নিরর্থক, কারণ আমাদের কেউই এ সম্পর্কে কিছু জানে না। ** অধ্যায় ৯ * যেকোনো মানুষই মৃত্যুর মুখোমুখি হতে পারে, কিন্তু নির্দিষ্ট কিছু ধ্রুপদী অঙ্গভঙ্গি করার সময় মৃত্যুকে যতটা সম্ভব কাছে ডেকে আনা এবং আধা টন ওজনের একটি প্রাণীকে, যাকে আপনি ভালোবাসেন, তাকে নিজের হাতে তলোয়ার দিয়ে আঘাত করা—কেবল মৃত্যুর মুখোমুখি হওয়ার চেয়েও অনেক বেশি জটিল। এটি প্রতিদিন একজন সৃজনশীল শিল্পী হিসেবে নিজের পারফরম্যান্সের মুখোমুখি হওয়া এবং একজন দক্ষ ঘাতক হিসেবে কাজ করার আবশ্যকতা। আন্তোনিওকে দ্রুত ও দয়াপরবশ হয়ে আঘাত করতে হতো, তবুও দিনে অন্তত দুবার হর্নের ওপর দিয়ে যাওয়ার সময় ষাঁড়টিকে তাকে আক্রমণের একটি পূর্ণ সুযোগ দিতে হতো। রিংয়ের ভেতর সব মাতাদোরই একে অপরকে সাহায্য করে। সমস্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও ঘৃণা থাকা সত্ত্বেও, এটিই সবচেয়ে কাছের ভ্রাতৃত্ব। কেবল মাতাদোররাই জানে তারা কতটা ঝুঁকি নেয় এবং ষাঁড় তার শিং দিয়ে তাদের শরীর ও মনের কী ক্ষতি করতে পারে। ** অধ্যায় ৯ * লড়াইয়ের আগে সবার শেষে, যখন শুভাকাঙ্ক্ষী ও অনুসারীরা চলে যেত, আন্তোনিও সবসময় প্রার্থনা করত। রিংয়ে সময় থাকলে প্রায় সবাই প্যালিও বা শোভাযাত্রার আগে একবার প্রার্থনা করতে চ্যাপেলে ঢুকে পড়ত। আন্তোনিও জানত যে আমি তার জন্য প্রার্থনা করতাম, নিজের জন্য নয়। আমি তখন লড়াই করছিলাম না, আর স্প্যানিশ গৃহযুদ্ধের সময় যখন অন্য মানুষদের ওপর ভয়াবহ সব ঘটনা ঘটতে দেখলাম, তখন থেকেই আমি নিজের জন্য প্রার্থনা করা ছেড়ে দিয়েছিলাম। আমার মনে হতো, নিজের জন্য প্রার্থনা করাটা স্বার্থপর ও আত্মকেন্দ্রিক। ** অধ্যায় ৯ * লুইস মিগুয়েলের ছিল শয়তানের মতো গর্ব এবং পরম শ্রেষ্ঠত্বের অনুভূতি, যা অনেক ক্ষেত্রেই যথার্থ ছিল। সে এত দীর্ঘ সময় ধরে বলে আসছিল যে সে সেরা, যে সে নিজেই তা বিশ্বাস করত। তাকে টিকে থাকার জন্য এটি বিশ্বাস করতেই হতো। এটি কেবল তার বিশ্বাসের বিষয় ছিল না, এটিই ছিল তার মূল বিশ্বাস। ** অধ্যায় ১০ ** [[w:Luis Miguel Dominguin|লুইস মিগুয়েল দোমিঙ্গিন]] ছিলেন অন্য একজন বিখ্যাত মাতাদোর এবং হেমিংওয়ের বন্ধু। * অ্যানেস্থেশিয়া থেকে জ্ঞান ফেরার পর সে প্রথমেই বলেছিল, 'আর্নেস্তো যদি লিখতে পারত, তবে কী মানুষই না সে হতে পারত!' ** অধ্যায় ১০ ** লুইস মিগুয়েল দোমিঙ্গিন ষাঁড়ের লড়াইয়ে আহত হওয়ার পর অস্ত্রোপচারের মধ্য দিয়ে গিয়েছিলেন। প্রসঙ্গ থেকে এটি স্পষ্ট যে হেমিংওয়ে সম্পর্কে তার এই মন্তব্যটি ছিল কৌতুকপূর্ণ। * একজন মাতাদোর কখনোই তার তৈরি করা শিল্পকর্মটি নিজে দেখতে পায় না। চিত্রশিল্পী বা লেখকের মতো তার ভুল সংশোধনের কোনো সুযোগ নেই। সঙ্গীতশিল্পীর মতো সে তা শুনতেও পায় না। সে কেবল তা অনুভব করতে পারে এবং দর্শকদের প্রতিক্রিয়া শুনতে পারে। যখন সে তা অনুভব করে এবং জানে যে এটি অসাধারণ হয়েছে, তখন তা তাকে এমনভাবে আচ্ছন্ন করে যে পৃথিবীর অন্য কোনো কিছু আর গুরুত্বপূর্ণ থাকে না। শিল্পকর্মটি করার সময় সে জানে যে তাকে তার দক্ষতা এবং প্রাণীটি সম্পর্কে তার জ্ঞানের সীমার মধ্যে থাকতে হবে। যে মাতাদোররা দৃশ্যত এটি নিয়ে চিন্তা করে, তাদের শীতল বলা হয়। আন্তোনিও শীতল ছিল না এবং জনতা এখন তারই। সে তাদের দিকে তাকাল এবং বিনীতভাবে, কিন্তু হীনম্মন্য না হয়ে, তাদের জানিয়ে দিল যে সে তা জানে। যখন সে হাতে ষাঁড়ের কান নিয়ে রিং প্রদক্ষিণ করছিল, তখন সে বিলবাও শহরের বিভিন্ন অংশের মানুষের দিকে তাকাল—যে শহরটিকে সে ভালোবাসত—আর তারা যখন তার সম্মানে দাঁড়িয়ে পড়ল, তখন সে খুশি হলো যে সে তাদের জয় করে নিয়েছে। ** অধ্যায় ১৩ ===''[[w:The Garden of Eden (novel)|দ্য গার্ডেন অফ ইডেন]]'' (১৯৮৬)=== * 'কিন্তু আমার খুব খিদে পায়,' সে বলল। 'তুমি কি মনে করো এটা স্বাভাবিক? ভালোবাসা করার সময় কি সবসময় এত খিদে পায়?'<br>'যখন তুমি কাউকে ভালোবাসো।' ** ক্যাথরিন এবং ডেভিড বোর্ন, অধ্যায় ১ * 'প্লিজ ডেভিড, আমাকে আমি যেমন, ঠিক তেমনভাবেই ভালোবাসো। দয়া করে বোঝো এবং আমাকে ভালোবাসো।' ** ক্যাথরিন, অধ্যায় ১ * 'আমি তার পরিবারকে বিয়ে করিনি।'<br>'অবশ্যই না। কিন্তু তুমি সবসময় তা-ই করো। সে জীবিত হোক বা মৃত।' ** ডেভিড এবং কর্নেল জন বয়েল, অধ্যায় ৭ * 'মনে রেখো, যতক্ষণ পর্যন্ত না ভুল হচ্ছে, ততক্ষণ সবকিছুই ঠিক। ভুল হলে তুমি ঠিকই বুঝতে পারবে।'<br>'তুমি কি তাই মনে করো?'<br>'আমি নিশ্চিত। যদি না-ও বোঝো, তাতে কিছু যায় আসে না। তখন আর কোনো কিছুই গুরুত্বপূর্ণ থাকবে না।' ** কর্নেল জন বয়েল এবং ডেভিড, অধ্যায় ৭ * ''''বুদ্ধিমান মানুষের মধ্যে সুখ পাওয়া আমার জানামতে সবচেয়ে দুর্লভ বিষয়।'''' ** মারিতা, অধ্যায় ১১ ===''[[w:True at First Light|ট্রু অ্যাট ফার্স্ট লাইট]]'' (১৯৯৯)=== * একজন পুরুষকে পুরুষের মতোই আচরণ করতে হবে। প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও তাকে সাহসের সাথে লড়াই করতে হবে, তবে সম্ভব হলে নিজের সুবিধাজনক অবস্থা বজায় রেখে। পরিণতির কথা চিন্তা না করেই তাকে লড়াই চালিয়ে যেতে হবে। যথাসম্ভব তাকে তার গোত্রীয় আইন ও প্রথা মেনে চলতে হবে এবং যখন তা সম্ভব হবে না, তখন গোত্রীয় শৃঙ্খলা মেনে নিতে হবে। তবে শিশুর মতো হৃদয়, সততা, সজীবতা ও মহত্ত্ব বজায় রাখা কোনো দোষের বিষয় নয়। ** অধ্যায় ১ * দেখেও না দেখার ভান করা একটি বড় অপরাধ এবং মানুষ খুব সহজেই এই ভুল করে ফেলে। এটি সবসময় কোনো খারাপ কিছুর সূচনা করে। আমি মনে করি, আমরা যদি পৃথিবীটাকে ঠিকমতো না দেখি, তবে এই পৃথিবীতে বেঁচে থাকার অধিকার আমাদের নেই। ** অধ্যায় ৯ * আফ্রিকাতে কোনো জিনিস ভোরের প্রথম আলোতে সত্য মনে হয়, আবার দুপুরের দিকেই তা মিথ্যা হয়ে যায়। তখন সেই তথ্যের প্রতি আপনার আর কোনো শ্রদ্ধা থাকে না, যেমনটা থাকে না রোদপোড়া লবণের মাঠের ওপারে দেখা সেই সুন্দর ও নিখুঁত হ্রদটির প্রতি। আপনি সকালে সেই মাঠটি পার হয়েছেন এবং জানেন যে সেখানে আসলে কোনো হ্রদ নেই। কিন্তু এখন সেটি সেখানে আছে—একেবারে সত্য, সুন্দর ও বিশ্বাসযোগ্য। ** অধ্যায় ১০ * আনন্দ পাওয়ার জন্য কোনো কিছু করা ছেড়ে দিলে, বেঁচে থাকার চেয়ে মরে যাওয়াই ভালো। ** অধ্যায় ১২ * মিস মেরির সাংবাদিক হওয়ার কারণে চমৎকার উদ্ভাবনী শক্তি ছিল। আমি তাকে কখনোই দুবার একই গল্প একইভাবে বলতে শুনিনি। সবসময় মনে হতো, তিনি যেন পরবর্তী সংস্করণের জন্য গল্পটি নতুন করে সাজাচ্ছেন। ** অধ্যায় ১২ * আমার সময়ে আমিও অন্য সবার মতো ভীত ছিলাম, হয়তো তাদের চেয়েও বেশি। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে ভয় পাওয়াকে এক ধরনের বোকামি হিসেবে দেখা শুরু করেছি—যেমনটি দেখা হয় ব্যাংক ওভারড্রাফট, কোনো যৌনরোগে আক্রান্ত হওয়া কিংবা ক্যান্ডি খাওয়ার মতো বিষয়গুলোকে। ভয় হলো শিশুদের অভ্যাস। যদিও আমি এর আগমন অনুভব করতে পছন্দ করতাম (যেমনটি মানুষ যেকোনো বদভ্যাসের ক্ষেত্রে করে), তবে প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষের জন্য এটি মানানসই নয়। ভয় পাওয়ার মতো একমাত্র জিনিস হলো প্রকৃত ও আসন্ন বিপদ, যা সম্পর্কে সচেতন থাকা উচিত; এবং আপনি যদি অন্যদের জন্য দায়িত্বশীল হন, তবে বোকামি করা চলবে না। ** অধ্যায় ১৭ {{disputed end}} {{Misattributed begin}} ==বিতর্কিত== * সবচেয়ে কষ্টদায়ক বিষয় হলো কাউকে খুব বেশি ভালোবাসার প্রক্রিয়ায় নিজেকে হারিয়ে ফেলা এবং এটি ভুলে যাওয়া যে তুমিও বিশেষ একজন। ** দাবি করা হয় যে এটি ''মেন উইদাউট ওম্যান'' বই থেকে নেওয়া, কিন্তু মূল বইয়ে এটি নেই। সম্ভবত ২০১১ সালে মার্ক চেরনফের লেখা একটি ব্লগ পোস্ট [http://www.marcandangel.com/2011/12/11/30-things-to-stop-doing-to-yourself/ ৩০ থিংস টু স্টপ ডুইং টু ইওরসেলফ]-এ এর উৎপত্তি। * আমি ঘুম ভালোবাসি। তুমি জানো, আমি জেগে থাকলে আমার জীবন ভেঙে পড়ার প্রবণতা দেখা দেয়? ** হেমিংওয়ের কোনো বই বা রচনায় এর কোনো উৎস খুঁজে পাওয়া যায়নি। সম্ভবত ২০০০ সালে ইউসেনেট গ্রুপ alt.support.depression-এর একটি পোস্ট থেকে এর উৎপত্তি। [https://groups.google.com/forum/#!original/alt.support.depression/wYH4aCNHyp4/_d50yuXTeHsJ লিঙ্ক] * মানুষ কোনো না কোনো কারণে তাদের অনুভূতি গোপন করে, কিন্তু বিড়াল তা করে না। ** এটি "মানুষ বিভিন্ন কারণে তাদের অনুভূতি লুকিয়ে রাখে, কিন্তু বিড়াল কখনোই তা করে না" বাক্যটির একটি ভুল সংস্করণ। এটি মূলত হেমিংওয়ের জীবনীকার ও ভাইয়ের মাধ্যমে পাওয়া একটি উদ্ধৃতি হিসেবে প্রচলিত। [https://quoteinvestigator.com/2026/03/24/cats-hide/]. {{disputed end}} {{Misattributed begin}} == ভুলভাবে আরোপিত == * যাত্রার শেষ গন্তব্য থাকাটা ভালো; তবে শেষ পর্যন্ত যাত্রাপথটিই আসল। ** [[Ursula K. Le Guin|আর্সুলা কে. লে গুইন]]-এর ''দ্য লেফট হ্যান্ড অফ ডার্কনেস'' (১৯৬৯), ১৫তম অধ্যায় "টু দ্য আইস"। ** আরও দেখুন: https://www.huffpost.com/entry/hemingways-stolen-quotati_b_6868994. ** পাঠান্তর: যাত্রার একটি শেষ গন্তব্য থাকা ভালো, কিন্তু শেষ পর্যন্ত যাত্রাপথটিই গুরুত্বপূর্ণ। * খেলাধুলা কেবল তিনটিই আছে: ষাঁড়ের লড়াই, মোটর রেসিং এবং পর্বতারোহণ; বাকি সবই স্রেফ গেম বা বিনোদন। ** ১৯৫৭ সালের [[w:Ken Purdy|কেন পার্ডি]]-এর একটি উদ্ধৃতির ওপর ভিত্তি করে, যা প্রথমবারের মতো [[w:Alfonso de Portago|আলফোনসো দে পোর্তাগো]]-এর সাথে মরণোত্তর প্রকাশিত একটি সাক্ষাৎকারে উল্লিখিত হয়েছিল: **:“আমি আমার একটি গল্পে একটি উদ্ধৃতি লিখেছি, এমন একটি কল্পকাহিনী যা এই গ্রীষ্মের আগে প্রকাশিত হবে না,” আমি পোর্তাগোকে বলেছিলাম, “আমি যখন লিখেছিলাম তখন মনে হয়েছিল এটি আপনিও বলতে পারতেন: সমস্ত খেলার মধ্যে কেবল ষাঁড়ের লড়াই, পর্বতারোহণ এবং মোটর রেসিংই মানুষকে সত্যিকারের পরীক্ষা করে, বাকি সবই কেবল বিনোদন। আপনি কি এমনটাই বলতেন?” **:“আমি আপনার সাথে শতভাগ একমত,” পোর্তাগো বলেছিলেন। **:*কেন ডব্লিউ. পার্ডি (আগস্ট ১৯৫৭) [https://archive.org/details/sim_car-and-driver_1957-08_3/page/n70 "পোর্তাগো; দ্য রিয়েল স্টোরি অফ দ্য সিজলিং স্প্যানিয়ার্ড"] ''স্পোর্টস কারস ইলাস্ট্রেটেড'' (জিফ-ডেভিস: নিউ ইয়র্ক) খণ্ড ৩, সংখ্যা ২, পৃষ্ঠা ৬৩। **:“তিনটি খেলা আছে যা মানুষের পরীক্ষা নেয়,” হেলমুট ওভডেনকে বলতে শুনেছিলেন তিনি, “ষাঁড়ের লড়াই, মোটর রেসিং, পর্বতারোহণ। বাকি সবই হলো বিনোদন।” **:*কেন ডব্লিউ. পার্ডি (২৭ জুলাই ১৯৫৭) [https://archive.org/details/sim_saturday-evening-post_1957-07-27_230_4/page/92 "ব্লাড স্পোর্ট"] ''দ্য স্যাটারডে ইভিনিং পোস্ট'' (কার্টিস: ফিলাডেলফিয়া) খণ্ড ২৩০, সংখ্যা ৪, পৃষ্ঠা ৯২। **হেমিংওয়ের প্রতি এর শুরুর দিকের একটি আরোপ দেখা যায় [[w:Gene Hill|জিন হিল]]-এর "হোয়াই" প্রবন্ধটিতে, যা ''গানস অ্যান্ড অ্যামো''-তে প্রকাশিত হয়েছিল এবং ১৯৭২ সালে ''আ হান্টারস ফায়ারসাইড বুক: টেলস অফ ডগস, ডাকস, বার্ডস অ্যান্ড গানস'' (উইনচেস্টার প্রেস: নিউ ইয়র্ক, পৃষ্ঠা ৯৬)-এ পুনর্মুদ্রিত হয়েছিল: **:আমি হেমিংওয়ের সাথে একমত পোষণ করি, যিনি বলেছিলেন যে কেবল পর্বতারোহণ, ষাঁড়ের লড়াই এবং অটোমোবাইল রেসিংই হলো খেলা এবং অন্য সবকিছু কেবল গেম। ** দেখুন ব্যারি পপিক (১৩ মে ২০১২) [https://www.barrypopik.com/index.php/new_york_city/entry/auto_racing_bullfighting_and_mountain_climbing_are_the_only_real_sports_all/ “অটো রেসিং, বুলফাইটিং, অ্যান্ড মাউন্টেন ক্লাইম্বিং আর দ্য অনলি রিয়েল স্পোর্টস—অল আদারস আর গেমস”] ''দ্য বিগ অ্যাপল'' {{Misattributed end}} = হেমিংওয়ে সম্পর্কে উক্তি = [[File:GoreVidal2008.jpg|thumb|right|আমেরিকান সমাজ, তা সাহিত্যিক হোক বা সাধারণ, সাধারণত রসবোধহীন। হেমিংওয়ের মতো কাউকে তৈরি করে আর সেই কৌতুকটি না বোঝা কোন সংস্কৃতির পক্ষেই বা সম্ভব? গোর ভিদাল]] * মুরগিটি কেন রাস্তা পার হয়েছিল?<br>হেমিংওয়ে: মরার জন্য। বৃষ্টিতে। ** বেনামী, বিখ্যাত লেখকদের স্টাইলে মুরগি রাস্তা পার হওয়া কৌতুকের উত্তর। ফিলিপ অ্যাডামস এবং প্যাট্রিস নিউয়েল (সম্পাদিত) ''দ্য জায়ান্ট পেঙ্গুইন বুক অব অস্ট্রেলিয়ান জোকস'' (১৯৯৯ [১৯৯৪]), পৃষ্ঠা ৪৪১ * যখন মানুষ আমেরিকান সাহিত্যের কথা বলে, তারা আসলে হেমিংওয়ে, ফকনার এবং পো-কে বোঝায়। আর যখন তারা নারীদের অন্তর্ভুক্ত করে, তখন তারা এমিলি ডিকিনসন এবং এডনা সেন্ট ভিনসেন্ট মিলের কথা বলে। সেই চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে বলা যে, 'আমি কথা বলব এবং আমাকে শোনা যাবে' এজন্য প্রচুর সাহসের প্রয়োজন। ** মায়া অ্যাঞ্জেলো, ১৯৮৮ সালের সাক্ষাৎকার, ''কনভারসেশনস উইথ মায়া অ্যাঞ্জেলো'' (১৯৮৯) * আমি মনে করি আমার অনেক দায়িত্ব আছে। কিন্তু হেমিংওয়ের কথায়, টিকে থাকা এবং নিজের কাজ শেষ করার চেয়ে বড় আর কোনো দায়িত্ব নেই। আমি একজন সৎ মানুষ এবং ভালো লেখক হতে চাই। ** জেমস বল্ডউইন, ''নোটস অব এ নেটিভ সন'' (১৯৫৫) * পেশাদার লেখক হওয়া দারুণ একটি কাজ। আপনি বাড়িতে কাজ করতে পারেন, নিজের বস নিজে হতে পারেন এবং যা খুশি পরতে পারেন। সত্য ঘটনা: আর্নেস্ট হেমিংওয়ে একটি পেঙ্গুইন পোশাক পরে ''দ্য সান অলসো রাইজেস'' লিখেছিলেন। ** ডেভ ব্যারি, ''ইউ ক্যান ডেট বয়েজ হোয়েন ইউ আর ফোরটি'' (২০১৪) * আমাদের নিচে ব্রিটিশ, কানাডিয়ান ব্যাটালিয়নের শত শত সৈন্য ছিল। একটি খাবার ট্রাক এসেছিল, তাদের খাওয়ানো হচ্ছিল। একটি নতুন ''ম্যাটফোর্ড'' রোডস্টার পাহাড়ের চারপাশ ঘুরে আমাদের কাছে এসে থামল এবং আমরা যাদের চিনতাম এমন দুজন মানুষ বের হয়ে এলেন। একজন ছিলেন লম্বা, চিকন, বাদামী কর্ডুরয় পরা, চোখে শিংয়ের ফ্রেমের চশমা। তার মুখটা লম্বা, কৃশকায়, ঠোঁট দৃঢ়, চেহারায় বিষণ্নতা। অন্যজন ছিলেন আরও লম্বা, ভারী, লালচে মুখের, আপনার দেখা অন্যতম বিশাল মানুষ। তিনি ইস্পাতের ফ্রেমের চশমা এবং ঘন গোঁফ পরেছিলেন। তারা ছিলেন ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের'' হার্বার্ট ম্যাথিউস এবং আর্নেস্ট হেমিংওয়ে এবং তাদের দেখে আমরা যেমন স্বস্তি পেয়েছিলাম, আমাদের দেখে তারাও ঠিক তেমনই স্বস্তি পেয়েছিলেন। ** আলভা বেসি, ''মেন ইন ব্যাটল: আ স্টোরি অব আমেরিকানস ইন স্পেন'' (১৯৩৯), পৃষ্ঠা ১৩৫ * হেমিংওয়ে শিশুর মতো আগ্রহী ছিলেন এবং নিউ ইয়র্কের একটি লেখক সম্মেলনে তাকে প্রথম দেখার কথা মনে পড়ে আমি হাসলাম। তিনি তার প্রথম জনসমক্ষে বক্তৃতা দিচ্ছিলেন এবং যখন তা ঠিকমতো পড়ছিল না। তখন তিনি এর ওপর রাগ করে যে বাক্যগুলো তোতলামি করেছিলেন তা প্রচণ্ড উত্তেজনার সাথে বারবার বলছিলেন। এখন তাকে বড় শিশুর মতো মনে হচ্ছিল এবং আপনার তাকে ভালো লাগবেই। তিনি শিশুর মতো প্রশ্ন করছিলেন: "তারপর কী? তারপর কী ঘটল? আর ''আপনি'' কী করলেন? আর ''তিনি'' কী বললেন? আর ''তারপর'' আপনি কী করলেন?" ম্যাথিউস কিছুই বলছিলেন না, তবে তিনি একটি ভাঁজ করা কাগজে নোট নিচ্ছিলেন। "আপনার নাম কী?" হেমিংওয়ে জিজ্ঞেস করলেন। আমি তাকে বললাম। "ওহ," তিনি বললেন, "আমি তোমাকে দেখে খুব খুশি। আমি তোমার লেখা পড়েছি।" আমি জানতাম তিনি আমাকে দেখে খুশি হয়েছেন। এটা আমাকে আনন্দিত করেছিল এবং আমি অতীতে তাকে ছাপায় সমালোচনা করার জন্য দুঃখিত বোধ করলাম। আমি আশা করলাম তিনি তা ভুলে গেছেন বা কখনো পড়েননি। "এই," তিনি পকেটে হাত দিয়ে বললেন। "আমার কাছে আরও আছে।" তিনি আমাকে ''লাকি স্ট্রাইক'' সিগারেটের একটি পুরো প্যাকেট দিলেন। ** আলভা বেসি, ''মেন ইন ব্যাটল'' (১৯৩৯), পৃষ্ঠা ১৩৬ * হেমিংওয়ে নিরুৎসাহিত মনে হননি কিন্তু ম্যাথিউস ছিলেন। হেমিংওয়ে বলেছিলেন, অবশ্যই তারা সমুদ্রে পৌঁছাবে, তবে তা নিয়ে চিন্তার কিছু নেই। এটা আগে থেকেই অনুমান করা হয়েছিল। এসবের ব্যবস্থা করা হবে। কাতালোনিয়া এবং স্পেনের বাকি অংশের মধ্যে যোগাযোগের জন্য ইতিমধ্যে পদ্ধতি তৈরি করা হয়েছে। জাহাজ, বিমান, সব ঠিক হয়ে যাবে। তিনি বলেছিলেন, রুজভেল্ট একটি অনানুষ্ঠানিক প্রস্তাব দিয়েছিলেন বা অন্তত তাকে তেমনটাই বলা হয়েছিল।যে ফ্রান্স যদি স্পেনে দুইশ বিমান পাঠায় তবে আমেরিকা ফ্রান্সে দুইশ বিমান পাঠাবে। রুজভেল্টের কাছ থেকে শোনা সেরা জিনিসগুলোর মধ্যে এটি একটি ছিল, কিন্তু সেগুলো কোথায়? ** আলভা বেসি, ''মেন ইন ব্যাটল'' (১৯৩৯), পৃষ্ঠা ১৩৮ * আমি যুদ্ধের উপন্যাস এবং পুরুষত্ব, যার মধ্যে হেমিংওয়েরটি সবচেয়ে প্রধানের প্রজন্মে বড় হয়েছি। ** হর্টেন্স ক্যালিশার, ''দ্য প্যারিস রিভিউ''তে সাক্ষাৎকার (১৯৮৭) * মি. থিওডোর এন. কফম্যান, একজন আমেরিকান বাসিন্দা, হিসাব করার চেষ্টা করেন তার পুস্তিকা ''জার্মানি অবশ্যই ধ্বংস হবে'' কতজন ডাক্তার এবং কত সময় লাগবে সব জার্মানকে নির্বীজ করতে। এই ধারণাটি আর্নেস্ট হেমিংওয়ে লুফে নিয়েছিলেন এবং ''মেন অ্যাট ওয়ারের'' ভূমিকায় পৃষ্ঠা xxiii-xxiv এর পক্ষে যুক্তি দিয়েছিলেন। (নিউ ইয়র্ক, ১৯৪২।) একজন "গণতন্ত্রী"কে আঁচড়ালে আপনি সব সময়ই একজন নাৎসি খুঁজে পাবেন। ** ফ্রান্সিস স্টুয়ার্ট ক্যাম্পবেল, এরিক ফন কুহনেল্ট-লেডিনের ছদ্মনাম, ''মেনাস অব দ্য হার্ড, অর, প্রকাস্টিস অ্যাট লার্জ'' (১৯৪৩), পৃষ্ঠা ২১৬ * হেমিংওয়ের কোনো সাহস নেই, তিনি কখনো গণ্ডির বাইরে পা রাখেননি। তিনি এমন কোনো শব্দ ব্যবহার করেননি যার জন্য পাঠককে অভিধান দেখতে হয় যে শব্দটি সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে কি না। ** উইলিয়াম ফকনার, মিসিসিপি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশ্নোত্তরের সময় (এপ্রিল ১৯৪৭) * আপনি যদি এমন নারীদের বোঝাতে চান যারা 'হি-ম্যান' বা পুরুষালি পুরুষদের পূজা করে যে আপনিও একজন পুরুষালি মানুষ এবং দুর্বল নন, তবে কী করবেন? একটি চ্যালেঞ্জিং গোঁফ রাখুন, যৌনতার ক্ষেত্রে নরক, অভিশাপ এবং সমগোত্রীয় বাক্যাংশে ভরা একটি রসবোধহীন বই লিখুন এবং তারপর স্পেনের অনুগতদের পক্ষে প্রকাশ্যে কথা বলুন। ** লিওনার্ড ফিনি, জেমস টি. কিনের প্রবন্ধে উদ্ধৃত, ''আমেরিকা অনলাইন'' (২৯ মার্চ, ২০২২) * আমি ফিটজেরাল্ড এবং হেমিংওয়েকে ভালোবাসি। বিশেষ করে গল্পগুলোর হেমিংওয়েকে... হেমিংওয়ে দ্বারা প্রভাবিত হওয়ার ক্ষেত্রে আমি একা ছিলাম না। আমার মনে হয় আধুনিক ইতালীয় সাহিত্যে তার বিশাল প্রভাব ছিল। ** নাতালিয়া গিনজবার্গ, ''সালমাগুন্ডি ম্যাগাজিনে'' সাক্ষাৎকার (১৯৯২) * তিনি এক ধরনের খিটখিটে স্বভাবের ছিলেন এবং আর্থিক বিষয়ে খুব খুঁতখুঁতে ছিলেন, যা আমার কাছে বিরক্তিকর মনে হয়েছিল। ** নাতালিয়া গিনজবার্গ, ''সালমাগুন্ডি ম্যাগাজিনে'' সাক্ষাৎকার (১৯৯২) * আমি এমন একটি বিশ্ব দেখতে চাই যেখানে পুরুষ লেখকরা পুরুষতান্ত্রিক পক্ষপাতহীনভাবে লিখবেন। যেখানে, উদাহরণস্বরূপ হেমিংওয়ের পুরুষতান্ত্রিক পুরাণ (এবং অন্যান্য সমসাময়িক আমেরিকান পুরুষ লেখকদের পুরাণ) জঙ্গি নারীবাদী কথাসাহিত্যের চরম বাড়াবাড়ির মতোই অদ্ভুত এবং হিস্টিরিয়াগ্রস্ত হিসেবে বিবেচিত হবে। এবং যেখানে চেতনা এত বেশি উভয়লিঙ্গ হয়ে উঠবে যে বিশেষণটি নিজেই বিভ্রান্তিকরভাবে অপ্রচলিত হয়ে যাবে। ** এরিকা জং''দ্য রাইটার অন হার ওয়ার্কে সম্পাদিত, (২০০০) * আমি এখন ''দ্য গার্ডেন অব ইডেনের'' পাণ্ডুলিপি পড়ার জন্য বোস্টনের জে.এফ.কে. লাইব্রেরিতে যাচ্ছি। সেটিই হেমিংওয়ের শেষ বই। প্রকাশিত সংস্করণটি পুরোটা নয়। এটি মাত্র ২৫০ পৃষ্ঠার। পাণ্ডুলিপিতে দুই হাজার পৃষ্ঠা আছে। হেমিংওয়ে এমন একটি ভাষা খোঁজার চেষ্টা করছিলেন যা সম্পর্ক এবং সম্প্রদায় নিয়ে। কোনো কোনো দিক থেকে তিনি ব্যর্থ হয়েছেন কারণ এখন তিনি বিখ্যাত পশু শিকার, ষাঁড়ের লড়াই এবং আত্মহত্যার জন্য। কিন্তু তিনি অন্য কিছুর দিকে হাত বাড়াচ্ছিলেন। তিনি বইটি পুড়িয়ে ফেলেননি। তিনি শুধু ওভাবেই ফেলে রেখেছিলেন। কিন্তু প্রকাশ করার মতো সাহস তার ছিল না। এর অনেকটা যৌন ভূমিকা নিয়ে, তাই আমি দেখতে চাই তিনি কী লক্ষ্য করছিলেন। তার কাছে উপন্যাসের গঠনের একটি মানচিত্র আছে এবং আমি আশা করি তিনি আমাকে এতদূর নিয়ে যাবেন এবং বাকি পথটা আমাকেই যেতে হবে... তিনি আমাদের পিতা। তিনি সবার "পাপা"। তিনি আমাদের বলেছিলেন যে তিনি তা, তাই আমি মনে করি তিনি তাই, তিনি হাসেন। তিনি কোনো এক ধরনের মানচিত্র রেখে গেছেন। যেমন আমি 'চায়না মেনে' বলেছি, আমার দাদা রেলপথকে একটি বার্তা হিসেবে রেখে গেছেন। তো, বাবা হেমিংওয়ে ''দ্য গার্ডেন অব ইডেন'' পাণ্ডুলিপি রেখে গেছেন, এবং আমি জানতে চাই আমার গন্তব্য কোথায়। ** ম্যাক্সিন হং কিংস্টন, ১৯৯১ সালের সাক্ষাৎকার, ''কনভারসেশনস উইথ ম্যাক্সিন হং কিংস্টন'' (১৯৯৮) * যুদ্ধের প্রতিবেদনের ইতিহাসে, ব্রিটিশ লেখক ফিলিপ নাইটলি, একজন স্প্যানিশ অনুগত সমর্থক, হেমিংওয়েকে "স্প্যানিশ গৃহযুদ্ধের সময় রিপাবলিকান পক্ষের 'অবিশ্বাস্য' উপাদানের কমিউনিস্ট নিপীড়ন, কারাবাস এবং সংক্ষিপ্ত বিচারের মাধ্যমে হত্যার রিপোর্ট করতে সম্পূর্ণ ব্যর্থতার" জন্য তিরস্কার করেছেন, "যখন তিনি জানতেন যে এটি ঘটছে এবং এটি প্রকাশ করলে হয়তো এর মতো আরও ভয়াবহ ঘটনা প্রতিরোধ করা যেত।" ** ফিলিপ নাইটলি, ''দ্য ফার্স্ট ক্যাজুয়ালটি'' (১৯৭৫), জ্যাক ক্যাশিলের ''হুডউইঙ্কড'' (২০০৫) উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৫৯ * আইজ্যাক কোটলারজের জন্য, অতীতকে পুনরায় ব্যাখ্যা করা একটি খারাপ বিবেকের সাথে হাতে হাত রেখে চলত। "পরবর্তীতে, যখন আমি হেমিংওয়ের ''ফর হুম দ্য বেল টোলস'' পড়লাম, আমি এমন একটি আলোকায়ন পেলাম যা অফিসিয়াল কল্পকাহিনীর সাথে মিলত না। যা আমাকে স্পেনের সেই ঘটনাগুলোর কথা মনে করিয়ে দিল যার কথা আমি শুনেছি কিন্তু তখন সেদিকে মনোযোগ দিইনি।" ** আইজ্যাক কোটলারজ, ''রেভল্যুশনারি ইডিশল্যান্ড: আ হিস্ট্রি অব জিউইশ র‍্যাডিক্যালিসম'' (২০১৬) উদ্ধৃত * মানুষের উচিত কোনো প্রাণী হত্যা না করেই জীবন-মৃত্যুর চক্রে তাদের স্থান খুঁজে বের করা। সমস্যা হলো এটি হেমিংওয়ের সেই কথার সাথে সম্পর্কিত: "আপনি ততক্ষণ পর্যন্ত পুরুষ হতে পারবেন না যতক্ষণ না আপনি অন্য একজনকে হত্যা করেছেন।" আমি বলি আজেবাজে কথা! বন্দুক ছাড়াই কেন চেষ্টা করছেন না? হয়তো সেখানে লিঙ্গগত কোনো পার্থক্য আছে। হয়তো একজন নারী তা করতে পারে এবং একজন পুরুষ পারে না। আমি এটা বলতে ঘৃণা করি কিন্তু আপনি অবাক হবেন। আমাদের সংস্কৃতিতে নারীদের শিকারি হওয়ার প্রবণতা নেই। এমনকি একজন মৎস্যজীবী নারীও বিরল। একটি প্রাণীর সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রাখা, বিশেষ করে যেটি অল্পকাল বাঁচে, তা মৃত্যুহারের একটি তীব্র, ধ্রুবক অনুস্মারক হতে পারে। ** উরসুলা কে. লে গুইন, ১৯৯৪ সালের সাক্ষাৎকার, ''কনভারসেশনস উইথ উরসুলা লে গুইন'' (২০০৮) * হেমিংওয়ে, স্টালিনবাদী অনুকূলতার মধুচন্দ্রিমা শেষ হওয়ার কয়েক বছর পরেই তার প্রাপ্য তিরস্কার পেয়েছিলেন। যখন তিনি, তার উপন্যাসে স্পেনের কমিউনিস্টদের সম্পর্কে খুব বেশি তথ্য ফাঁস করে দিয়েছিলেন। ** ইউজিন লিয়নস, ''রেড ডিকেড: দ্য স্টালিনিস্ট পেনিট্রেশন অব আমেরিকা'' (১৯৪১), পৃষ্ঠা ৩৩৬ * একটি আমেরিকান সাহিত্য ক্লাসে, অধ্যাপক আমাদের বলেছিলেন ''দ্য সান অলসো রাইজেস'' ইচ্ছা করেই বিরক্তিকর করা হয়েছে। সম্ভবত, হেমিংওয়ে ১৯২০ দশকের ইউরোপের অকেজো চপলতা ধরতে চেয়েছিলেন বা এমন কিছু। আমি অন্য কোথাও পড়েছিলাম যে হেমিংওয়ে সেই সময়ের প্রতিটি মিনিট উপভোগ করেছিলেন এবং যখন আমি তা বললাম, শিক্ষক উত্তর দিলেন, “এই ক্লাসে আমরা লেখকের অভিপ্রায়ের মধ্য দিয়ে এবং বইটি আসলে কী ছিল তার গভীরে যাই।”<br/>আমি যা শিখেছি। হেমিংওয়ের আসলে একটি হেমিংওয়ে ক্লাস নেওয়া উচিত ছিল। ** গেভিন ম্যাকইনেস, "১০ আনবিলিভেবল থিংস আই ওয়াজ টট ইন কলেজ", ''টাকিস ম্যাগ'' (২৫ নভেম্বর, ২০১০) * হেমিংওয়ের কথা বলতে গেলে, চল্লিশের দশকের শুরুতে আমি তাকে প্রথমবার পড়লাম, ঘণ্টা, বল আর ষাঁড় নিয়ে কিছু একটা ছিল আর তা ঘৃণা করলাম। ** ভ্লাদিমির নাবোকভ, ''দ্য কনটেম্পোরারি রাইটার: ইন্টারভিউস উইথ সিক্সটিন নভেলিস্টস অ্যান্ড পোয়েটস'' (১৯৭২) উদ্ধৃত * আর্নেস্ট হেমিংওয়ে লেখার আগে একটি আপেল খেতেন।<br>হয়তো এটি তার স্বচ্ছ,<br>ছোট বাক্যগুলোর ব্যাখ্যা হতে পারে। ** নাওমি শিহাব নাই, ''ভয়েসেস ইন দ্য এয়ার'' (২০১৮) * আমেরিকান সমাজ, তা সাহিত্যিক হোক বা সাধারণ, সাধারণত রসবোধহীন। হেমিংওয়ের মতো কাউকে তৈরি করে আর সেই কৌতুকটি না বোঝা কোন সংস্কৃতির পক্ষেই বা সম্ভব? ** গোর ভিদাল, "এডমন্ড উইলসন: দিস ক্রিটিক অ্যান্ড দিস জিন অ্যান্ড দিস শুজ", ''ইউনাইটেড স্টেটস — এসেস ১৯৫২–১৯৯২'' (১৯৯২) * আমি এখন ভাবি আর্নেস্ট হেমিংওয়ের অভিধানটি দেখতে কেমন ছিল, কারণ তিনি ছোট ছোট শব্দগুলো নিয়ে খুব ভালো চলতেন যা সবাই বানান করতে পারে এবং সত্যিকার অর্থে বুঝতে পারে। ** কার্ট ভনেগাট, ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসে'' বই পর্যালোচনা (১৯৬৮) * হেনরি জেমসকে অনুকরণ করতে হলে আপনাকে একজন দক্ষ লেখক হতে হবে। যেকোনো সাংবাদিক মি. হেমিংওয়ের একটি মোটামুটি চলনসই অনুকরণ তৈরি করতে পারে। তবে ''ফিয়েস্তা''তে আমাদের মুগ্ধ করেছিল শুধু কৌশলের উদ্ভাবনই নয়, এর মেজাজও। ইংরেজি সাহিত্য প্রথম শ্রেণির ফিলিস্টাইন ঔপন্যাসিকদের ক্ষেত্রে অদ্ভুতভাবে সমৃদ্ধ।উদাহরণস্বরূপ, রবার্ট স্মিথ সার্টিস এবং মি. পি. জি. উডহাউস। কিন্তু তাদের চরিত্রগুলো সবসময় সুখী ছিল। মি. হেমিংওয়ের মধ্যে বিষণ্নতা, ধ্বংসের অনুভূতি ছিল। তার নারী-পুরুষরা চিড়িয়াখানার খাঁচায় ঠাসা সেই বিশাল, আত্মাহীন বানরগুলোর মতোই দুঃখী। ** ইভলিন ওয়াহ, 'উইনার টেকস নাথিং', ''দ্য ট্যাবলেট'' (৩০ সেপ্টেম্বর, ১৯৫০) * ''ফর হুম দ্য বেল টোলস'' সমাজতন্ত্রীদের প্রত্যাশা অনুযায়ী ছিল না। তারা নৃশংসতার কথা অস্বীকার করতে ব্যস্ত ছিল। মি. হেমিংওয়ে বিস্তারিতভাবে তা বর্ণনা করেছেন। তারা রাশিয়ানদের উপস্থিতি অস্বীকার করেছিল। মি. হেমিংওয়ে আমাদের সরাসরি গেইলর্ড হোটেলের সদর দরজায় নিয়ে গেছেন। তিনি আন্দ্রে মার্টি এবং [[দলোরেস ইবারুরি|লা প্যাশনারিয়া]]কে যে কোনো ''দ্য নিউ ইয়র্কার'' সংবাদদাতার মতোই হাস্যকর করে তুলেছিলেন। সেই থেকে তিনি সমাজতন্ত্রীদের জন্য ব্যারিকেডের ভুল দিকে ছিলেন, যদিও তার স্পন্দিত বিপ্লবী হৃদয় তাকে সভ্যতা থেকে দূরে ঠেলে দিচ্ছিল। ** ইভলিন ওয়াহ, 'উইনার টেকস নাথিং', ''দ্য ট্যাবলেট'' (৩০ সেপ্টেম্বর, ১৯৫০) * সমস্ত আস্ফালন এবং গালিগালাজ আর হাতাহাতির পেছনে তার মধ্যে সৌজন্যবোধের একটি প্রাথমিক অনুভূতি ছিল।নারীদের প্রতি শ্রদ্ধা, দুর্বলদের প্রতি করুণা, সম্মানের প্রতি ভালোবাসা। যা সব সময়ই প্রকাশ পেত। ** ইভলিন ওয়াহ, 'উইনার টেকস নাথিং', ''দ্য ট্যাবলেট'' (৩০ সেপ্টেম্বর, ১৯৫০) * হেমিংওয়ের কথাই ধরুন। মানুষ সবসময় মনে করে যে তিনি সহজে পড়ার যোগ্য কারণ তিনি সংক্ষিপ্ত। তিনি সংক্ষিপ্ত নন। আমি সংক্ষিপ্ততা ঘৃণা করি। এটি খুব কঠিন। হেমিংওয়ে সহজে পড়ার কারণ হলো তিনি সব সময় নিজেকে পুনরাবৃত্তি করেন, 'এবং' ব্যবহার করে তা পূর্ণ করেন। ** টম উলফ, ''কনভারসেশনস উইথ টম উলফ'' (১৯৯০) = বহিঃসংযোগ = {{wikipedia}} {{commonscat}} * [http://www.pbs.org/hemingwayadventure মাইকেল পালিনের হেমিংওয়ে অ্যাডভেঞ্চার] * [http://www.cnn.com/SPECIALS/books/1999/hemingway/index.html সিএনএন: এ হেমিংওয়ে রেট্রোস্পেক্টিভ] * [http://www.hemingwaysociety.org দ্য হেমিংওয়ে সোসাইটি] * [http://nobelprize.org/nobel_prizes/literature/laureates/1954/hemingway-bio.html নোবেল পুরস্কারের অফিসিয়াল সাইটে সংক্ষিপ্ত জীবনী] * [http://www.sparknotes.com/lit/oldman/ দ্য ওল্ড ম্যান অ্যান্ড দ্য সি-এর স্পার্কনোটস] * [http://www.findagrave.com/cgi-bin/fg.cgi?page=gr&GRid=1232 হেমিংওয়ের সমাধিস্থল] * [http://www.humdrumming.co.uk/product_info.php?cPath=23&products_id=45 চার্লস হোয়াইটিংয়ের 'হেমিংওয়ে গোজ টু ওয়ার'] * [http://www.theparisreview.org/viewinterview.php/prmMID/4825 দ্য প্যারিস রিভিউর পূর্ণাঙ্গ সাক্ষাৎকার] [[বিষয়শ্রেণী:১৮৯৯-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৬১-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ঔপন্যাসিক]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ছোটগল্পকার]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রাবন্ধিক]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্মৃতিকথাকার]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাথলিক]] [[বিষয়শ্রেণী:ফ্যাসিবাদবিরোধী]] [[বিষয়শ্রেণী:স্প্যানিশ গৃহযুদ্ধের অংশগ্রহণকারী]] [[বিষয়শ্রেণী:শিকাগোর সাংবাদিক]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নন-ফিকশন লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:ভ্রমণ লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:সাহিত্যে নোবেল বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:আত্মহত্যাকারী]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নোবেল বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:শিকারী]] [[বিষয়শ্রেণী:পুলিৎজার পুরস্কার বিজয়ী]] b8qrglrqgcc2x4c7w6z7aw7506ifv9m প্যানডিজম 0 12591 79849 79390 2026-04-22T23:05:19Z ARI 356 পরিষ্কার; সংশোধন 79849 wikitext text/x-wiki [[File:Eagle nebula pillars complete.jpg|thumb|আমরা হলাম '''''[[:w:ঈশ্বর|ঈশ্বরের]]'''''-ই একটি অবশিষ্টাংশ। ~ '''''[[:w:স্কট অ্যাডামস|স্কট অ্যাডামস]]''''' ]] [[File:Planetary nebula & white dwarf formation.gif|thumb|"প্যানডিজম" শব্দটি ব্যবহার করেন এটা জোর দেওয়ার জন্য যে—প্রকৃতিবাদীদের মতো তারাও বিশ্বাস করেন যে ঈশ্বর কোনো ব্যক্তিসত্তা নন যিনি উপাসনা পাওয়ার ইচ্ছা পোষণ করেন। ~ '''''জন আর্মস্ট্রং''''']]'''[[:w:প্যানডিজম|প্যানডিজম]]''' (বা '''প্যান-ডিইজম''') হলো একটি ধর্মতাত্ত্বিক মতবাদ যা [[:w:সর্বেশ্বরবাদ|সর্বেশ্বরবাদ]] এবং [[w:প্রকৃতিবাদ_(দর্শন)|প্রকৃতিবাদের]] (ডিইজম) এক অনন্য সমন্বয়। এই মতবাদ অনুসারে, মহাবিশ্বের স্রষ্টা প্রকৃতপক্ষে নিজেই মহাবিশ্বে রূপান্তরিত হয়েছেন, এবং এর ফলে একটি পৃথক ও সচেতন সত্তা হিসেবে তাঁর পূর্বতন অস্তিত্বের অবসান ঘটেছে। প্রকৃতিবাদের প্রেক্ষিতে ঈশ্বর কেন মহাবিশ্ব সৃষ্টি করে তা পরিত্যাগ করবেন এবং সর্বেশ্বরবাদের প্রেক্ষিতে এই জগতের উৎপত্তি ও উদ্দেশ্য কী—তা ব্যাখ্যা করতেই প্যানডিজমের অবতারণা করা হয়। প্যানডিজম শব্দটি মূলত সর্বেশ্বরবাদ এবং প্রকৃতিবাদের মূল শব্দদ্বয়ের একটি সংকর রূপ, যা প্রাচীন গ্রীক শব্দ 'প্যান' ('''πᾶν'''; যার অর্থ 'সকল') এবং ল্যাটিন শব্দ 'ডিউস' ('''deus'''; যার অর্থ 'ঈশ্বর') এর সমন্বয়ে গঠিত। [[চিত্র:Hs-2001-16-p-full jpg.jpg|thumb|প্যানডিজম হলো এমন একটি [[:w:বিশ্বাস|বিশ্বাস]] যে, কোনো এক [[:w:ঈশ্বর|ঈশ্বর]] মহাবিশ্বে পরিণত হওয়ার জন্য নিজের ঈশ্বরত্ব বিসর্জন দিয়েছেন; এবং এই ধারণাটি মূলত [[:w:ঈশ্বরবাদ|ঈশ্বরবাদের]] [[:w:আদর্শ|আদর্শের]] ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত। ~ '''''অ্যালেক্স অ্যাশম্যান''''' ]] [[চিত্র:Bbrot225x225x24.PNG|thumb|[[:w:ঈশ্বর|ঈশ্বর]] নিজেকে অসংখ্য খণ্ডে বিভক্ত করেছেন যেন তিনি কিছু [[:w:বন্ধু|বন্ধু]] পেতে পারেন। এটি হয়তো সত্য নয়, তবে শুনতে বেশ ভালো লাগে—এবং অন্য যেকোনো [[:w:ধর্মতত্ত্ব|ধর্মতত্ত্বের]] মতোই এটি সমান অর্থবহ। ~ '''''রবার্ট এ. হাইনলাইন''''' ]] [[চিত্র:Uvsun trace big.jpg|thumb|[[:w:ঈশ্বর|ঈশ্বর]] সমগ্র [[:w:মহাবিশ্ব|মহাবিশ্বে]] রূপান্তরিত হয়েছেন। ''ঈশ্বরই হলেন এই মহাবিশ্ব'', এবং এর মধ্যকার সবকিছু। কিন্তু মহাবিশ্ব তা [[:w:জ্ঞান|জানে]] না, কারণ জানলে এই মহাকাব্যিক রহস্যের রোমাঞ্চ নষ্ট হয়ে যেত। এই মহাবিশ্ব হলো ঈশ্বরের এক বিশাল নাটক; আর ঈশ্বর নিজেই এখানে মঞ্চ, অভিনেতা এবং দর্শক। ~ '''''ওয়ারেন বি. শার্প''''' ]] [[চিত্র:Exploding planet.jpg|thumb|[[:w:ঈশ্বর|ঈশ্বর]] নিজেকে জাগতিক রূপে সার্থক করতে এবং এক [[:w:শাশ্বত|শাশ্বত]] ও [[:w:অসীম|অসীম]] লক্ষ্য পূরণ করতে এই [[:w:পৃথিবী|জগৎ]] হয়ে উঠেছেন। তাঁর সেই মহিমান্বিত লক্ষ্য অনুধাবনের উদ্দেশ্যেই তিনি এই মহাবিশ্বের রূপ ধারণ করেছেন। ~ '''''[[:w:হ্যারি ওয়াটন|হ্যারি ওয়াটন]]''''' ]] [[চিত্র:Hong Kong Budha.jpg|thumb|আমাদের এই জন্ম কেবলই এক সুপ্তাবস্থা আর বিস্মৃতি বৈ কিছু নয়... ~ '''''উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ''''' ]] == উক্তি == * আমি জিজ্ঞেস করলাম, "আচ্ছা তাহলে ঈশ্বরের উদ্দেশ্যটা আসলে কী? আপনার কাছে কি আদৌ এই প্রশ্নের কোনো উত্তর আছে নাকি শুধুই আপনি আমার সাথে তামাশাগিরি করছেন?"<br>"একজন সর্বশক্তিমান সত্তার জন্য আমি কেবল একটিই চ্যালেঞ্জ কল্পনা করতে পারি—আর তা হলো নিজেকে ধ্বংস করার চ্যালেঞ্জ!"<br>"আপনি কি মনে করেন ঈশ্বর কখনো আত্মহত্যা করে ফেলতে চাইবেন?" আমি আবারো জানতে চাইলাম।<br>"আমি বলছি না যে তিনি চাইবেন। আমি বলছি যে এটিই হয়তোএকমাত্র সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জ।"<br>"আমার মনে হয় একদম অস্তিত্বহীন হওয়ার চেয়ে ঈশ্বর বিদ্যমান থাকাকেই বেশি পছন্দ করবেন।"<br>"সেটা তুমি একজন মানব-প্রাণীর মতো করে ভাবছ, ঈশ্বরের মতো করে নয়। তোমারও আজরাঈলের ভয় রয়েছে, তাই তুমি ধরে নিচ্ছ যে ঈশ্বরও তোমার মতোই পছন্দ অপছন্দ ভাগ করে নেবেন। কিন্তু ঈশ্বরের তো কোনো ভয়ই নেই। বিদ্যমান থাকাটা তাঁর কাছে স্রেফ একটা পছন্দ ছাড়া আর কিছু নয়। আর সেখানে মৃত্যুর কোনো যন্ত্রণা নেই, নেই কোনো অপরাধবোধ, নেই অনুশোচনা কিংবা '''স্বজন হারানোর বেদনা'''! এগুলো শুধুই মানুষের অনুভূতি, ঈশ্বরের নয়। ঈশ্বর খুব সহজেই অস্তিত্ব বিলীন করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।"<br>আমিও ঘটাঘট করে বলে ফেললাম, "আপনার চিন্তা করার ধরন অনুযায়ী এখানে একটি সূক্ষ্ম যৌক্তিক সমস্যা আছে, ঈশ্বর যদি ভবিষ্যৎ জেনেই থাকেন, তবে তিনি ইতিমধ্যেই জানেন যে তিনি তাঁর অস্তিত্ব শেষ করার সিদ্ধান্ত নেবেন কি না, এবং তিনি এ কাজে সফলকাম হবেন কি না। ফলে এখানেও তো কোনো চ্যালেঞ্জ দেখতে পারছিনা।"<br>"তোমার চিন্তাশক্তি এখন স্বচ্ছ হচ্ছে," তিনি বললেন। "হ্যাঁ, স্বাভাবিক অবস্থায় তিনি তাঁর নিজের অস্তিত্বের ভবিষ্যৎ জানবেন। কিন্তু তাঁর সর্বশক্তিমান হওয়ার মধ্যে কি এটাও অন্তর্ভুক্ত যে তাঁর ক্ষমতা হারানোর পর কী ঘটবে—নাকি তাঁর ভবিষ্যতের জ্ঞান ঠিক সেই বিন্দুতেই শেষ হয়ে যাবে?"<br>আমি বললাম, "এটি পুরোপুরি একটি বাকহীন প্রশ্ন বলেই মনে হচ্ছে। আমার মনে হয় আপনি একটি কানাগলিতে এসে ঠেকেছেন!"<br>"হয়তো। কিন্তু এটি একটু চিন্তা করে দেখো তো। মহাপ্রাজ্ঞবান ঈশ্বর, যিনি এই প্রশ্নের উত্তর জানেন, তিনি প্রকৃতপক্ষে সকল কিছুই জানেন এবং তাঁর সবকিছুই নখদর্পনে রয়েছে। সে কারণেই তিনি কোনো কিছু করতে বা সৃষ্টি করতে অনুপ্রাণিত হবেন না। কোনোভাবেই কাজ করার কোনো উদ্দেশ্য থাকবে না। কিন্তু দয়ালু ঈশ্বর যার মনে একটি মাত্র প্রশ্ন খচখচ করছে—আমি যদি অস্তিত্বহীন হয়েই যাই তবে কী অকাল কান্ড ঘটবে? তিনি হয়তো তাঁর জ্ঞান পূর্ণ করার জন্য উত্তরটি খুঁজে পেতে উৎসাহিত হতে পারেন। আর যেহেতু তাঁর কোনো ভয়ই নেই এবং বিদ্যমান থাকার কোনো বিশেষ কারণও নেই, তাই তিনি এটি করে দেখতে পারেন।"<br>"আমরা এটিই বা কীভাবে জানব?"<br>"আমাদের কাছে উত্তরটি রয়েছে। সেটি হলো আমাদের এই 'অস্তিত্ব'। আমরা যে বিদ্যমান আছি, এটিই প্রমাণ করে যে ঈশ্বর কোনো না কোনোভাবে সেই কাজ করতে অনুপ্রাণিত হয়েছেন। আর যেহেতু কেবল আত্মধ্বংসের চ্যালেঞ্জই একজন সর্বশক্তিমান ঈশ্বরকে আগ্রহী করতে পারে, তাই এটা যুক্তিযুক্ত যে আমরা ঈ. . ."<br>আমি এবার মাঝপথেই বুইড়া ব্যাটার কথা থামিয়ে দিলাম এবং রকিং চেয়ার থেকে সোজা ওঠে দাঁড়ালাম। মনে হলো যেন আমার মেরুদণ্ড দিয়ে শীতল প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে, যা আমার ফুসফুসকে, ত্বককে শুধুই শিহরিত করে তুলছে! এমনকি আমার ঘাড়ের লোমগুলোও খাড়া হয়ে গেল! আমি আগুন পোহাতে আগুনের কুন্ডলীর আরও কাছে গিয়ে দাঁড়ালাম, যদিও তার উত্তাপ শুষে নেওয়ার ক্ষমতা আমার ছিল না।<br>"আপনি কি তাই বলছেন যা আমি ভাবছি?" আমার মগজ যেন প্রয়োজনের চেয়ে বেশি জ্ঞান গ্রহণ করে ওভারলোডেড হয়ে গেছিল! তথ্যের উপচে পড়া ভিড় সামলাতে আমার শরীর ঝাঁকিয়ে-বাকিয়ে নেওয়ার একটু প্রয়োজন পড়ল।<br>বৃদ্ধ শূন্য দৃষ্টিতে তাকিয়ে বলল, "আমরা আসলে ঈশ্বরের-ই একেকটি অংশমাত্র।" **'''''স্কট অ্যাডামস''''', ''গডস ডেব্রি'' (২০০১) পৃ. ৪২-৪৪। {{ISBN|0740721909}}। * [[:w:হিন্দুধর্ম|হিন্দুধর্ম]] হলো চিন্তাধারার এক বৈচিত্র্যময় জগত যেখানে [[:w:একেশ্বরবাদ|একেশ্বরবাদ]], [[:w:বহুদেববাদ|বহুদেববাদ]], [[:w:সর্বেশ্বরবাদ|সর্বেশ্বরবাদ]], প্যানডিজম, [[:w:অদ্বৈতবাদ|অদ্বৈতবাদ]] এবং [[:w:নিরীশ্বরবাদ|নিরীশ্বরবাদসহ]] আরও নানা বিশ্বাস বিদ্যমান। আর এখানে [[:w:ঈশ্বর|ঈশ্বরের]] ধারণা অত্যন্ত জটিল যা প্রতিটি ব্যক্তি এবং তাদের অনুসৃত ঐতিহ্য ও দর্শনের ওপর নির্ভর করে। ** '''''এডওয়ার্ড ডি. অ্যান্ড্রুস''''', ''রিজনিং উইথ দ্য ওয়ার্ল্ডস ভেরিয়াস রিলিজিয়নস: এক্সামিনিং অ্যান্ড ইভানজেলাইজিং আদার ফেইথস'' (২০১৮), পৃ. ৭১। * প্রথম অংশটি জীবন সম্পর্কে মনস্তাত্ত্বিক-ধর্মীয় বিশ্ববীক্ষার ঐতিহাসিক বিকাশের প্রকৃতি নিয়ে একটি প্রাথমিক আলোচনা। দ্বিতীয় অংশে প্রাচীন মিশরীয় ও ভারতীয়দের প্যানডিজম থেকে শুরু করে [[w:গট‌ফ্রিড_ভিলহেল্ম_লাইব‌নিৎস|গট‌ফ্রিড ভিলহেল্ম লাইবনিৎসের]] পূর্ব-স্থাপিত সামঞ্জস্য (প্রি-এস্টাবলিশড হারমনি; যা একটি একটি মেটাফিজিক্যাল তত্ত্ব) এবং বস্তুগত বাস্তবতার কঠোর স্বরূপ সংক্রান্ত দার্শনিক ঈশ্বরবাদী ও থিওসফিস্ট মতামতের ব্যবচ্ছেদ করা হয়েছে। তৃতীয় ও চূড়ান্ত অংশটি সেইসব অধি-ভৌতিক এবং ভৌত বিশ্ববীক্ষাকে একত্রিত করে, যা ভারতীয়দের মাধ্যমে [[:w:আদর্শবাদ|আদর্শবাদের]] সূচনা থেকে শুরু করে [[w:আর্টুর_শোপনহাউয়ার|আর্টুর শোপনহাউয়ার]], [[w:ফ্রিডরিখ_নিচে|ফ্রিডরিখ নিচে]], ইভি হার্টম্যান এবং ক্রিস্টোফ ইউকেন পর্যন্ত বিস্তৃত, যা স্পিনোজাবাদ থেকে সর্বাধুনিক নব্য-স্পিনোজাবাদ ও নব্য-আদর্শবাদ পর্যন্ত ধাবিত হয়েছে এবং পরিশেষে [[:w:অভিজ্ঞতাবাদ|অভিজ্ঞতাবাদ]] ও [[:w:দৃষ্টবাদ|দৃষ্টবাদের]] মধ্য দিয়ে প্রকৃত ভৌত মতবাদসমূহের (বস্তুবাদ, পরমাণুবাদ, শক্তি-সংক্রান্ত মতবাদ ইত্যাদি) আলোচনায় উপনীত হয়েছে। ** '''''আন্নালেন ডার ফিজিক''''' ("অ্যানালস অফ ফিজিক্স") (১৯১১) পৃ. ৫৮। * কখনো কখনো [[:w:সর্বেশ্বরবাদ|সর্বেশ্বরবাদীরা]] "প্যানডিজম" শব্দটি ব্যবহার করেন এটা জোর দেওয়ার জন্য যে—প্রকৃতিবাদীদের মতো তারাও এই ধারণায় বিশ্বাসী যে, [[:w:ঈশ্বর|ঈশ্বর]] কোনো ব্যক্তিসত্তা নন যিনি উপাসনা পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা পোষণ করেন। ** '''''জন আর্মস্ট্রং''''', ''[http://www.godvsthebible.com/chapter14.htm গড বনাম দ্য বাইবেল: হাউ গড'স ক্রিয়েশন ডিসক্রেডিট ক্রিশ্চিয়ান স্ক্রিপচার]'' (২০০৭)। ডিসেম্বর ২০০৭ সংখ্যায় আলেকজান্ডার সিউরানা (এম.টি.এস.) কর্তৃক উদ্ধৃত, "দ্য সুপিরিওরিটি অব আ ক্রিশ্চিয়ান ওয়ার্ল্ডভিউ," অ্যাক্টস ম্যাগাজিন, চার্চেস অব গড সেভেন্থ ডে, খণ্ড ৫৭, সংখ্যা ১০, পৃষ্ঠা ১১। * প্রকৃতিবাদ এবং সর্বেশ্বরবাদ—উভয় মতবাদেই তাঁর অবস্থান থাকায়, [[w:আলবার্ট_আইনস্টাইন|আইনস্টাইনকে]] সম্ভবত একজন প্যানডিজম পন্থী হিসেবে গণ্য করা যেতে পারে। এটি মূলত সর্বেশ্বরবাদ ও প্রকৃতিবাদের একটি সংকর রূপকে নির্দেশ করে, যা ২০১৩ সালে রাফায়েল লাটাস্টার অত্যন্ত নিপুণভাবে বর্ণনা করেছিলেন। ** '''''ডা. মাইকেল আরনহেইম''''', ''দ্য গড বুক'', ২০১৫, পৃষ্ঠা ৭২। * এই "পরিকল্পিত নিয়ম" বা "নির্ধারিত নিয়ম", যা তিনি অন্য জায়গায় উল্লেখ করেছেন। এগুলো কোথা থেকে এল? [[w:চার্লস_ডারউইন|চার্লস ডারউইন]] তাঁর এই বিশ্বাসকে গোপন করেননি যে, এগুলো একজন "সর্বজ্ঞ স্রষ্টা" দ্বারা নকশা করা হয়েছে। তাঁর ব্যবহৃত "ভালো কিংবা মন্দ যাই হোক" বাক্যাংশটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ এবং এটি ডারউইনকে এমন এক অবস্থানে দাঁড় করায় যা একজন নির্লিপ্ত ও নৈতিকতা-নিরপেক্ষ ঈশ্বরে বিশ্বাসী ব্যক্তির চেয়ে খুব একটা আলাদা নয়। তাই, ডারউইন হয়তো স্পষ্টভাবে প্রকৃতিবাদ সম্পর্কে সচেতন ছিলেন না, কিন্তু তাঁর নিজস্ব ধর্মীয় বিশ্বাসগুলো প্রকৃতিবাদ বা সম্ভবত প্যানডিজমের (যা এই অধ্যায়ে আগেও আলোচিত হয়েছে) সাথে চমৎকারভাবে মিলে যায়। ** '''''ডা. মাইকেল আরনহেইম''''', ''দ্য গড বুক'', ২০১৫, পৃষ্ঠা ১০৩-১০৪। * [[w:চার্লস_ডারউইন|চার্লস ডারউইন]] মাঝে মাঝে নিজেকে একজন [[:w:অজ্ঞেয়বাদ|অজ্ঞেয়বাদী]] হিসেবে বর্ণনা করতেন, তবে তাঁর প্রকাশিত ধর্মীয় বিশ্বাসগুলো সাধারণভাবে [[:w:ঈশ্বরবাদ|ঈশ্বরবাদের]] সাথে, অথবা সম্ভবত প্যানডিজমের সাথে অধিকতর সামঞ্জস্যপূর্ণ। ** '''''ডা. মাইকেল আর্নহেইম''''', ''দ্য গড বুক'' (২০১৫), পৃষ্ঠা ১০৫। * প্যানডিজম হলো এমন একটি [[:w:বিশ্বাস|বিশ্বাস]] যে, কোনো এক [[:w:ঈশ্বর|ঈশ্বর]] মহাবিশ্বে পরিণত হওয়ার জন্য নিজের ঈশ্বরত্ব বিসর্জন দিয়েছেন। এবং এই ধারণাটি মূলত [[:w:ঈশ্বরবাদ|ঈশ্বরবাদের]] [[:w:আদর্শ|আদর্শের]] ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত। ** '''''অ্যালেক্স অ্যাশম্যান''''', বিবিসি নিউজ, ''মেটাফিজিক্যাল ইজমস'' (৫ সেপ্টেম্বর ২০০৭)। * এটি দেখা যাবে যে, [[:w:বাস্তবতা|বাস্তবতার]] এই 'অপরিবর্তনীয়তা'র বিষয়টি যখন স্পষ্টভাবে অনুধাবন করা হয়, তখন তা অবশ্যই [[:w:সর্বেশ্বরবাদ|সর্বেশ্বরবাদের]] কিছু নির্দিষ্ট শাখার ত্রুটিপূর্ণ তত্ত্বগুলোকে খণ্ডন ও প্রত্যাখ্যান করতে সাহায্য করবে, যারা মনে করে যে "ঈশ্বর মহাবিশ্বে পরিবর্তিত হওয়ার মাধ্যমে নিজেই মহাবিশ্ব হয়ে ওঠেন।" এভাবে প্রকৃতিকে ঈশ্বরের সাথে অভিন্ন করার চেষ্টা করা হয়, যার ফলে [[w:আর্টুর_শোপনহাউয়ার|আর্টুর শোপনহাউয়ারের]] ভাষায়, "আপনি ঈশ্বরকেই বিদায় জানাচ্ছেন!" ঈশ্বর যদি নিজেকে এই বিস্তীর্ণ মহাবিশ্বে পরিবর্তিত করেন, তবে ঈশ্বর আর বিদ্যমান থাকেন না এবং তাঁকে নিয়ে আমাদের আর উদ্বিগ্ন হওয়ার প্রয়োজন পড়বে না! কারণ তিনি পরিবর্তনের মাধ্যমে আত্মহত্যা করে ফেলেছেন! ** '''''উইলিয়াম ওয়াকার অ্যাটকিনসন''''', ''মাস্টারি অফ বিয়িং'' (১৯১১), পৃষ্ঠা ৫৬। * হিগিন্স একটি প্রাচীন সর্বজনীন ধর্মের অস্তিত্ব উন্মোচনের দাবি করেছিলেন (যাকে তিনি প্যানডিজম নামেই অভিহিত করেছিলেন), যা থেকে নাকি জগতের সকল ধর্মীয় মতবাদের উৎপত্তি হয়েছিল। তাঁর মতে, এই ধর্মটি আজও একটি গোপন ও খণ্ডিত গোষ্ঠী হিসেবে টিকে আছে, যারা [[w:গ্রিস|গ্রিস]], [[w:মধ্যপ্রাচ্য|মধ্যপ্রাচ্য]] এবং বিশেষ করে [[w:ভারতীয়_উপমহাদেশ|ভারতীয় উপমহাদেশ]]—যেখানে এর আদি উৎস নিহিত। সেখানকার বিভিন্ন প্রান্তে তাদের সেই প্রাচীন বার্তাগুলো বহন করে চলেছে। ** '''''অ্যান্থনি অ্যাভেনি''''', ''অ্যাপোক্যালিপ্টিক এনজাইটি: রিলিজিয়ন, সায়েন্স, অ্যান্ড আমেরিকাস অবসেশন উইথ দ্য এন্ড অব দ্য ওয়ার্ল্ড'' (ইউনিভার্সিটি অফ কলোরাডো প্রেস, ২০১৬), পৃষ্ঠা ৯৮, ISBN 1607324717। * আজ আমরা জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ঐক্য এবং সাম্যের এক প্রবল জোয়ার প্রত্যক্ষ করছি। বাণিজ্যিক দুনিয়ায় আমরা দেখছি বিশাল সব ব্যবসায়িক একত্রীকরণ। অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে গোটা জাতিগুলো একজোট হচ্ছে। [[w:শ্রমিক_সংঘ|শ্রমজীবী মানুষের মাঝে ইউনিয়নগুলো]] উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং আরও শক্তিশালী হয়ে উঠছে। আর্থিক বিশ্বে একচেটিয়া [[w:একচেটিয়া_বাজার|একচেটিয়া আধিপত্যের]] প্রবণতা ক্রমেই স্পষ্ট হচ্ছে। ধর্মীয় জগতেও ঐক্যের এক মহাপ্রয়াসে অনেক বড় বড় আন্দোলন চলছে এই সময়ে এবং এটি কেবল খ্রিস্টীয় জগতের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই। রোমান গির্জা (চার্চ অফ রোম) তাদের বর্তমান কার্যক্রমকে বর্ণনা করতে "প্যানডিজম" শব্দটি ব্যবহার করে, যার লক্ষ্য হলো বিশ্বের অ-খ্রিস্টান ধর্মগুলোকে নিজেদের ছত্রছায়ায় নিয়ে আসা। রোম শেষ পর্যন্ত এই কাজে সফল হবে, কারণ সেই ভবিষ্যৎবাণীতে বলা আছে, '''"আর সমস্ত জগৎ সেই পশুর পশ্চাৎবর্ত্তী হইয়া আশ্চৰ্য্য জ্ঞান করিল!"''' (বাইবেল, অ্যাপোক্যালিপ্স ১৩:৩) ** '''''কনরাড বেকার''''', ''[https://web.archive.org/web/20060909220410/http://maranathamedia.com.au/start/index.php?option=com_docman&task=doc_view&gid=997 দ্য থ্রি পাওয়ার্স অব আর্মাগেডন: অ্যান এক্সপজিশন অব রিভিলেশন ১৬:১৩-১৬]'' (আর্কাইভ), পৃষ্ঠা ৭, ১২ আগস্ট, ২০০৫ (পিডিএফ)। * লেখক যেভাবে গ্রীক এবং খ্রিস্টীয় পৌরাণিক কাহিনীকে একত্রিত করেছেন তা বেশ সন্দেহজনক। যা শেষ পর্যন্ত এক ধরণের প্যানডিজমে রূপ নিয়েছে, যদিও সেই প্যানডিজম সর্বদা ঐশ্বরিক বিধাতার বা ডিভাইন প্রভিডেন্স উপস্থিতির মাধ্যমে সীমাবদ্ধ থাকে। ** '''''জোয়াকিন আলভারেজ বারিয়েন্টোস''''', ''লা নভেলা ডেল সিগলো XVIII'', পৃষ্ঠা ২৫৭ (১৯৯১)। * পাশ্চাত্য [[:w:সর্বেশ্বরবাদ|সর্বেশ্বরবাদ]] প্রসঙ্গে কেউ কেউ মনে করেন যে, "প্যানথেইজম" বা সর্বেশ্বরবাদ শব্দটি ভুলভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। যেহেতু থিওলজি হলো ধর্মতত্ত্বের অধ্যয়ন এবং "প্যান" অর্থ "সব", তাই প্যানথেইজম বলতে মূলত সকল ধর্মকে অনুসরণ করাকে বোঝায়। ফলে সমস্ত নামাঙ্কিত দেবতাকে অনুসরণ করার এই নীতিকে বরং "প্যান-ডি-ইজম" [Pan-De-ism] বলা উচিত। সুতরাং, প্যানথেইস্ট না কি প্যানডেইস্ট? সিদ্ধান্ত আপনার। ** '''''মাইলস ব্যাটি''''', ''টিচিং উইচক্র্যাফট: এ গাইড ফর টিচার্স অ্যান্ড স্টুডেন্টস অফ দ্য ওল্ড রিলিজিয়ন'' (২০০৯) পৃ. ৩৮। * [[:w:বাইবেল|বাইবেল]] যদি কেবল মানুষের লোকগাথা হয় এবং কোনো ঐশ্বরিক সত্য না হয়, তবে যারা বলে, "চলুন সব ধর্ম থেকে সেরাটা বেছে নিয়ে সেগুলোকে একীভূত করে প্যান-ডেইজম (Pan-Deism) বানাই। একক ঈশ্বর যেখানে অনেককে নিয়ে গঠিত একটি বৈশ্বিক ধর্ম", তাদের দেওয়ার মতো কোনো প্রকৃত উত্তর আমাদের কাছে থাকবে না। ** '''''জে. সিডলো ব্যাক্সটার''''', ''আওয়ার বাইবেল: দ্য মোস্ট ক্রিটিক্যাল ইস্যু'' (১৯৯১)। * অত্যন্ত মজার বিষয় হলো, ভ্যাটিকান কাউন্সিলের সময় 'ইকুমেনিকাল' (বিশ্বজনীন ঐক্য) শব্দটিকে এমনকি এর ধারণাটিকেও অ-খ্রিস্টান ধর্মগুলোর সাথে সম্পর্কের ক্ষেত্রে প্রসারিত করার এই ক্যাথলিক সদিচ্ছার বিরুদ্ধে ডব্লিউসিসি / WCC মহল থেকে সমালোচনা ধেয়ে এসেছিল। তখন মনে করা হয়েছিল যে, এই বিশ্বজনীন ঐক্যের ধারণাটি "প্যান-ডিইস্ট" (সর্ব-প্রকৃতিবাদী) এবং বিভিন্ন ধর্মীয় মতবাদের সংমিশ্রণজনিত প্রবণতা দ্বারা কলুষিত হচ্ছে। ** '''''বার্ট বেভারলি বিচ''''', ''ইকুমেনিজম: বুন অর বেন?'' (১৯৭৪), পৃষ্ঠা ২৫৯ (জর্জ এইচ. উইলিয়ামসের ''ডাইমেনশনস অব রোমান ক্যাথলিক ইকুমেনিজম'' (১৯৬৫), পৃষ্ঠা ৩১-৩২ থেকে উদ্ধৃত)। * হাইস্কুলের এক শিক্ষক একবার আমাকে বলেছিলেন যে, [[w:আদি_শঙ্কর|আদি শঙ্করাচার্য]] মনে করতেন ঈশ্বরই এই জগতে পরিণত হয়েছেন। শুরুতে কেবল ঈশ্বরই ছিলেন এবং তারপর তিনি নিজের থেকেই এই জগৎ সৃষ্টি করেছেন। সুতরাং, ঈশ্বরই জগতে রূপান্তরিত হয়েছেন। আর এখন ঈশ্বরের পৃথক কোনো অস্তিত্ব নেই। এটি অনেকটা চাল দিয়ে ইডলি (দক্ষিণ ভারতের একটি খাবার; যা আমাদের অনেকটা বাঙালিয়ানা '''[[w:চিতই_পিঠা|<nowiki/>'চিতই পিঠা]]'''<nowiki/>'র মতো) বানানোর মতো! চাল ফুরিয়ে গেছে, এখন কেবলি ইডলি পড়ে আছে। পরবর্তীতে, আমি যখন কারো কাছে আদি শঙ্করাচার্যের [[w:দর্শন|দর্শন]] হিসেবে এটি পুনরায় বললাম, তখন তিনি এত জোরে হেসে উঠলেন যে আমি বুঝতে পারলাম আমার কথায় কোথাও কোনো ভুল ছিল। কিন্তু ভুলটি কোথায় ছিল তা আমি জানতাম না, আর তিনিও আমাকে তা শুধরে দেননি। ** ''[[:w:ভগবদ্গীতা|ভগবদ্গীতা]] হোম স্টাডি'', ২০০০। * [[w:ক্যাথলিক_মণ্ডলী|রোমান ক্যাথলিক]] পণ্ডিতদের মধ্যে, যারা মূলত রোমান, [[w:পূর্বদেশীয়_সনাতনপন্থী_মণ্ডলী|অর্থোডক্স]] এবং অ্যাংলিকান গির্জাগুলোর পুনর্মিলনে আগ্রহী ছিলেন—তাদের মাঝেই আমি প্রথম এই বিশ্বজনীন ঐক্যের ধারণাকে 'প্যান-ডিইজম'-এ রূপান্তর হতে দেখি। [...] আমরা হয়তো প্রশ্ন করতে পারি যে, এই প্যান-ডিইস্ট আন্দোলনকে ত্বরান্বিত করার পেছনে রোমান কিউরিয়ার চূড়ান্ত লক্ষ্য আসলে কী। তারা রোমের এই বিশ্বজনীন ঐক্য এবং প্যান-ডিইজমের মাঝে বিশ্ব আধিপত্য বিস্তারের কোনো সুদূরপ্রসারী প্রকল্পকে সম্ভবত স্পষ্টভাবে শনাক্ত করতে পারেনি। ** ফাদার '''''চার্লস এ. বোল্টন''''', "বিয়ন্ড দ্য ইকুমেনিকাল: প্যান-ডিইজম?" শীর্ষক নিবন্ধ, ''ক্রিশ্চিয়ানিটি টুডে'', ১৯৬৩, পৃষ্ঠা ২১। * ফ্রান্সের প্রবীণ প্রজন্মের সর্বশ্রেষ্ঠ কবি [[w:ভিক্টর_হুগো|ভিক্টর হুগোর]] মধ্যে এক ধরণের দুর্বল প্যানথেইস্টিক ডিইজম বা সর্বেশ্বরবাদী ঈশ্বরবাদ পরিলক্ষিত হয়, যা তাঁর প্রবল [[:w:যুক্তিবাদ|যুক্তিবাদের]] বিপরীতে মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। আমরা এখনও তাঁর মধ্যে পূর্ববর্তী শতাব্দীর প্রভাব খুঁজে পাই। যেখানে ধর্মের ঊর্ধ্বে গিয়ে আধ্যাত্মিকতাকে মহিমান্বিত করা হয়েছে এবং বিশ্বাসের সেই ভালোবাসাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে যা মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে, সেইসব গোঁড়ামির বিপরীতে যা মানুষকে বিভক্ত ও বিচ্ছিন্ন করে দেয়। ** '''''জর্জ এম. ব্র্যান্ডেস''''', ''হেনরিক ইবসেন'' (১৯৯৯) পৃ. ৬৮। * একটি একক সত্তায় বিশ্বাস বিজ্ঞানের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে পারে যতক্ষণ পর্যন্ত সেই বিশ্বাসটি কেবল একটি 'আদি কারণ' (ফার্স্ট কজ) হিসেবে থাকে, যিনি পরবর্তীতে প্রাকৃতিক নিয়মের কোনো পরিবর্তন বা হস্তক্ষেপ করেন না। পাঠক এবং লেখক উভয়েরই নিজস্ব ব্যক্তিগত পছন্দ থাকতে পারে, তবে পরবর্তী বিশ্ববীক্ষা এবং চিন্তাধারার জন্য যা গুরুত্বপূর্ণ তা হলো—একদিকে একটি "পরম সত্তায়" বিশ্বাস করার ব্যাপক আকাঙ্ক্ষাকে জায়গা দেওয়া, আবার একই সাথে এমন কিছু গ্রহণ না করা যা প্রাকৃতিক শৃঙ্খলা ও কার্যকারণ সম্পর্ককে বিঘ্নিত করতে পারে। পরবর্তী বিশ্বাস ব্যবস্থাটি এমন একটি ছাতার মতো হওয়া উচিত যা [[:w:নিরীশ্বরবাদ|নিরীশ্বরবাদ]], [[:w:ঈশ্বরবাদ|ঈশ্বরবাদ]], [[:w:অজ্ঞেয়বাদ|অজ্ঞেয়বাদ]] এবং সর্বেশ্বর প্রকৃতবাদকে (অর্থাৎ, প্যান-ডিইজম) একই আবরণে ঢেকে নিতে পারে। কেবল এভাবেই আমরা মানবতাকে বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারের প্রকৃত যুগে নিয়ে আসতে পারি, একটি নতুন সভ্যতা গড়তে পারি এবং শেষ পর্যন্ত মানবজাতিকে এই সংকীর্ণ গ্রহের সীমানা ছাড়িয়ে মহাবিশ্বের সুদূর প্রান্তরে ছড়িয়ে দিতে পারি। ** '''''চার্লস ব্রাফ''''', ''আনটুইস্টিং দ্য সোশ্যাল সায়েন্সেস'' (২০০৬), পৃ. ১৪২। * পরবর্তী [বিশ্ববীক্ষা] বিশ্বাস ব্যবস্থাটি এমন একটি ছাতার মতো হতে পারে যা নিরীশ্বরবাদ, ঈশ্বরবাদ, অজ্ঞেয়বাদ এবং প্যান-ডিইজমকে অন্তর্ভুক্ত করবে। কারণ এই বিভিন্ন বিশ্বাসের মধ্যকার পার্থক্যগুলো তখন ম্লান হয়ে যায় যখন আমরা এমন কোনো "রহস্যময় সত্তার" প্রতি অসহিষ্ণু হই যে কার্যকারণ সম্পর্ক পরিবর্তন করতে পারে, যার ফলে আমাদের সেই বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে হস্তক্ষেপ ঘটে যা এই প্রাচীন সভ্যতাকে বদলে দেওয়ার জন্য এখন অত্যন্ত জরুরি। ** '''''চার্লস ব্রাফ''''', ''ডেস্টিনি অ্যান্ড সিভিলাইজেশন: দ্য ইভোল্যুশনারি এক্সপ্লানেশন অফ রিলিজিয়ন অ্যান্ড হিস্ট্রি'' (২০০৮), পৃ. ২১০। * মুক্তচিন্তক, সেই সকল মানুষ যাদের "আত্মা" সংক্রান্ত বিশ্বাস আধুনিক বিজ্ঞানের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। [[:w:ঈশ্বরবাদ|ঈশ্বরবাদ]] (ডিইজম), প্যান-ডিইজম, [[:w:অজ্ঞেয়বাদ|অজ্ঞেয়বাদ]] এবং [[:w:নিরীশ্বরবাদ|নিরীশ্বরবাদ]] বিজ্ঞানের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ; কিন্তু [[:w:আস্তিক্যবাদ|সেব্য-ঈশ্বরবাদ]] (থেইজম) নয়। ** '''''চার্লস ব্রাফ''''', ''ডেস্টিনি অ্যান্ড সিভিলাইজেশন: দ্য ইভোল্যুশনারি এক্সপ্লানেশন অফ রিলিজিয়ন অ্যান্ড হিস্ট্রি'' (২০০৮), পৃ. ২৯৫। * ঈশ্বরবাদ (ডিইজম) ও প্যান-ডিইজম এবং সেই সাথে অজ্ঞেয়বাদ ও নিরীশ্বরবাদ, এই সবই হলো 'অ-সেব্য-ঈশ্বরবাদী' (নন-থেইজম) মতবাদ! ** '''''চার্লস ব্রাফ''''', ''দ্য লাস্ট সিভিলাইজেশন'' (২০১০), পৃ. ২৪৬। * ঈশ্বরবাদের (ডিইজম) মতো প্যানডিজমেরও কোনো সুনির্দিষ্ট সেব্য-ঈশ্বরবাদী ধর্মবিশ্বাস বা ধর্মগ্রন্থ নেই যা এই বিশ্বাসকে একটি 'প্রথা' হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে। তাই এখানে এমন এক ঈশ্বরকে কল্পনা করার স্বাধীনতা রয়েছে যিনি এই 'চেতনাসম্পন্ন' মহাবিশ্ব, অথবা এমন এক ঈশ্বর যিনি এই 'চেতনাভিহীন' মহাবিশ্ব। অথবা ন্যূনতম প্রয়োজনীয় বৈশিষ্ট্যের সাথে সাংঘর্ষিক নয় এমন গুণাবলি আরোপ করে ঈশ্বরকে আরও নির্দিষ্টভাবে সংজ্ঞায়িত করার প্রচেষ্টাও চালানো সম্ভব। ** '''''রবার্ট জি. ব্রাউন, পিএইচডি''''', "প্যানডিজম," ''এ থিওরেম কনসার্নিং গড'' (২০০৯)। * বেদান্তিক হিন্দুধর্ম হলো একটি সুসংগঠিত অদ্বৈতবাদী প্যানডিজম এবং এটি শুরুতেই স্বীকার করে নেয় যে এর ধর্মগ্রন্থগুলো মূলত উপকথা ও কিংবদন্তি, যা থেকে রূপক অন্তর্দৃষ্টি আহরণ করতে হয়, এগুলো কোনো "ঐশ্বরিক সত্য" নয়। আর বৌদ্ধধর্ম কোনো ধর্ম নয়, বরং এটি মূলত একটি নিরীশ্বরবাদী মনস্তাত্ত্বিক-সামাজিক দর্শন যা দুর্ভাগ্যবশত বৈদিক হিন্দুধর্মের কিছু ধর্মীয় বিশ্বতত্ত্বকে অন্তর্ভুক্ত করে ফেলেছে। বিশেষ করে ক্রমিক পুনর্জন্মের ধারণাটি, যা সম্ভবত সত্য নয়। ** '''''রবার্ট জি. ব্রাউন, পিএইচডি''''', "এ পিউরলি গ্র্যাচুইটাস পোলেমিক অ্যাগেইনস্ট থেইজম," ''এ থিওরেম কনসার্নিং গড'' (২০০৯)। * আসুন অবশেষে আমরা সেই মৌলিক উপপাদ্যটি ব্যক্ত করি।<br><br>''যদি ঈশ্বরের অস্তিত্ব থাকে, তবে ঈশ্বর এবং এই মহাবিশ্ব অভিন্ন।''<br><br>অর্থাৎ, এই উপপাদ্যটি শর্তাধীন প্যানডিজমের একটি ঘোষণা। যদি আদৌ ঈশ্বরের কোনো অস্তিত্ব থেকে থাকে, তবে অস্তিত্বমান জাগতিক সবকিছুর সমষ্টিই হতে হবে সেই ঈশ্বর। ** '''''রবার্ট জি. ব্রাউন''''', পিএইচ.ডি., "[http://www.phy.duke.edu/~rgb/Philosophy/god_theorem/god_theorem/node6.html দ্য পান্ডিস্ট থিওরেম]," ''আ থিওরেম কনসার্নিং গড'', ২০০৯। * উপনিষদে বিশেষভাবে বর্ণিত খাঁটি বৈদান্তিক হিন্দুধর্ম হলো অদ্বৈতবাদী এবং এটি হয় প্যানডিজম নয়তো প্যানেন-ডিজমের অনুসারী, যেখানে ব্রহ্মই হলেন এই মহাবিশ্ব। আমরা (আত্মা বা "ঈশ্বর-আত্মা" হিসেবে) ব্রহ্মেরই অংশ এবং স্বয়ং ব্রহ্ম! যা মূলত পূর্ণতাকে উপলব্ধি করার জন্য সেই পূর্ণ সত্তা থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া কিছু অংশ মাত্র, যারা সর্বদা পুনরায় সেই পূর্ণতার সাথে মিলিত হতে এবং সর্বস্ব হিসেবে অস্তিত্বের এক পরম অবস্থায় ফিরে যেতে ব্যাকুল। উপনিষদে বর্ণিত ব্রহ্ম এমন কোনো সত্তা নন যাকে উপাসনা করা হয়, সেখানে এটি অত্যন্ত স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, ব্রহ্ম উপাসনার প্রতি উদাসীন এবং তিনি উপাসনার কোনো বস্তু নন। ** '''''রবার্ট জি. ব্রাউন''''', পিএইচ.ডি., "[http://www.phy.duke.edu/~rgb/Philosophy/god_theorem/god_theorem/node14.html হিন্দুইজম]," ''আ থিওরেম কনসার্নিং গড'', ২০০৯। * একজন প্রকৃতিবাদী বা ডিইস্ট যিনি এমন এক ঈশ্বরে বিশ্বাস করেন যিনি নিজেই মহাবিশ্ব, তিনি মূলত একজন প্যান্ডিস্ট (বা প্যান্ডিজম-বাদী)। এটি কেবল এই উপপাদ্যের সাথেই সংগতিপূর্ণ নয়, বরং তথ্য-তত্ত্বের (মানে ইনফরমেশন থিওরি) একটি প্রমাণিত উপপাদ্য হিসেবে এখন তাঁদের সেই শর্তাধীন বিশ্বাসকে নিশ্চিতভাবে সমর্থন করে। ** '''''রবার্ট জি. ব্রাউন''''', পিএইচ.ডি., "[http://www.phy.duke.edu/~rgb/Philosophy/god_theorem/god_theorem/node26.html ডিইজম]," ''আ থিওরেম কনসার্নিং গড'', ২০০৯। * মহাবিশ্ব নিয়ে গবেষণারত একজন প্যান্ডিস্ট বিজ্ঞানী বা দার্শনিক যে অপরিহার্যভাবে অযৌক্তিক হবেন—তা নয়। এমনকি নিজের কাজকে গভীরভাবে ভালোবাসেন এমন একজন নাস্তিক বিজ্ঞানী বা দার্শনিকের চেয়েও তাকে খুব একটা আলাদাভাবে শনাক্ত করা কঠিন। ** '''''রবার্ট জি. ব্রাউন''''', পিএইচ.ডি., "[http://www.phy.duke.edu/~rgb/Philosophy/god_theorem/god_theorem/node29.html কনসিস্টেন্সি উইথ ফিজিক্স অ্যান্ড ন্যাচারাল সায়েন্স]," ''আ থিওরেম কনসার্নিং গড'', ২০০৯। * আমাদের মধ্যে কেউ কেউ মনে করেন যে, উত্তর-আধুনিকতা বা পোস্ট-মডার্নিটি মূলত প্রচলিত বিশ্ববীক্ষার এক বৈপ্লবিক পরিবর্তনের প্রতিনিধিত্ব করে। যা জেমস এবং ওয়েবারের এক বিস্ময়কর সংমিশ্রণ হয়ে ওঠার মাধ্যমে আধুনিকতার মতোই অনন্য হিসেবে প্রমাণিত হতে পারে। যদি আমাদের এই ধারণা সঠিক হয়, তবে পরিবর্তিত দৃষ্টিভঙ্গি, পূর্বানুমান এবং মূল্যবোধগুলো একত্রে আমাদের জীবনযাত্রাকে এমনভাবে বদলে দিতে পারে, যা আমাদের মনন ও অস্তিত্বের ভূগোলকে রূপান্তরিত করবে। অর্থাৎ, আমরা যে বাস্তব ভৌগোলিক দৃশ্যপট এবং মানসিক মূল্যবোধের জগতে বসবাস করি, উভয়ই পরিবর্তিত হবে। এই চলমান রূপান্তরের একটি ক্রমবর্ধমান সাধারণ ফলাফল হলো, যা সম্ভবত উত্তর-শিল্পায়ন যুগের ধর্মনিরপেক্ষ সমাজগুলোর একটি লক্ষণ। আত্ম-অস্বীকৃতি থেকে অতিপ্রাকৃতকে অস্বীকার করার দিকে অগ্রসর হওয়া। এই বিবর্তনটি ভবিষ্যতের মনন ও অস্তিত্বের ভূগোলকে আমূল বদলে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়। কারণ এটি কার্যকারণের কেন্দ্রবিন্দুকে এক মহিমান্বিত দেবত্ব থেকে প্রকৃতির রাজত্বের দিকে সরিয়ে নিয়ে যায়। এই 'প্রকৃতি' শেষ পর্যন্ত কীভাবে সংজ্ঞায়িত হবে, তার ওপর ধর্মীয় এবং ধর্মনিরপেক্ষ বিশ্ববীক্ষার মধ্যকার কৃত্রিম পার্থক্যের এক ব্যাপক প্রভাব রয়েছে। লেভিনের মতে, "ধর্মনিরপেক্ষতা একটি ইতিবাচক বিষয়, নেতিবাচক নয়। এটি আধ্যাত্মিক জগত বা ধর্মের অস্বীকার নয়, বরং আমরা এখন যে জগতে বাস করছি তারই এক দৃঢ় স্বীকৃতি... এমন একটি জগত আমাদের সেই 'পূর্ণতা' এনে দিতে সক্ষম যা ধর্ম সর্বদা প্রতিশ্রুতি দিয়ে এসেছে।" অন্যদের কাছে এই "পূর্ণতা" আরও বেশি ধর্মীয়-ঘেঁষা সর্বেশ্বরবাদ (প্যানথেইজম) বা প্যানডিজমের মাঝে বিদ্যমান। প্যানডিজমের ক্ষেত্রে ঈশ্বর হলেন একটি জটিল মহাবিশ্বের চির-উন্মোচিত এক অভিব্যক্তি, যার একটি শনাক্তযোগ্য শুরু থাকলেও কোনো সুনির্দিষ্ট চূড়ান্ত লক্ষ্য বা উদ্দেশ্যমূলক গন্তব্যের (টেলিওলজিক্যাল ডিরেকশন) উপস্থিতি অপরিহার্য নয়। ** '''''মাইকেল এস. ব্রুনার''''', '''''জন ড্যাভেনপোর্ট''''', '''''জিম নরউইন''''', "অ্যান ইভলভিং ওয়ার্ল্ডভিউ: কালচার-শিফট ইন ইউনিভার্সিটি স্টুডেন্টস", জিম নরউইন সম্পাদিত, ''আ ওয়ার্ল্ড আফটার ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যান্ড কালচার-শিফট'' (স্প্রিঙ্গার, ২০১৩), পৃষ্ঠা ৪৬। * সৃষ্ট বুদ্ধিবৃত্তিক সত্তাসমূহের সকল কাজই কেবল ঈশ্বরের কাজ নয়। তিনি এমন এক মহাবিশ্ব সৃষ্টি করেছেন যেখানে প্রাণীরা তাদের নিজস্ব নৈতিক কাজের নিকটতম কারণ (প্রক্সিমেট কজ) হিসেবে স্বাধীনভাবে এবং দায়িত্বশীলতার সাথে কাজ করে বলে গণ্য হয়। যখন কোনো ব্যক্তি মন্দ কাজ করে, তখন সেখানে স্রষ্টা ও রক্ষক হিসেবে ঈশ্বর সক্রিয় থাকেন না। ঈশ্বর যদি প্রতিটি কাজের নিকটতম কারণ হতেন, তবে তা প্রতিটি ঘটনাকেই "ঈশ্বরের গতিশীল রূপ" (গড ইন মোশন) বানিয়ে দিত। যা প্রকৃতপক্ষে সর্বেশ্বরবাদ বা আরও নিখুঁতভাবে বললে প্যানডিজম ছাড়া আর কিছুই নয়। [তবে] স্রষ্টা তাঁর সৃষ্টি থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। এই দ্বিতীয় পর্যায়ের কারণগুলোর (সেকেন্ডারি কজেস) বাস্তবতা বা অস্তিত্বই খ্রিস্টীয় [[:w:আস্তিক্যবাদ|সেব্য-ঈশ্বরবাদকে]] প্যানডিজম থেকে পৃথক করে। ** '''''পাস্টর বব বারিজে''''', ''থিওলজি প্রোপার - লেসন ৪: দ্য ডিক্রিস অফ গড'' (১৯৯৭)। * কেন ঈশ্বরকে [[:w:পাপ|পাপের]] রচয়িতা হিসেবে অভিহিত করলে মহাবিশ্বের একটি প্যানডিস্টিক ধারণার প্রয়োজন পড়ে, যা কার্যত পাপ এবং নৈতিক আইনের বাস্তবতাকে বিলীন করে দেয়? ** '''''পাস্টর বব বারিজে''''', ''থিওলজি প্রোপার - লেসন ৪: দ্য ডিক্রিস অফ গড'' (১৯৯৭)। * [[w:জর্দানো_ব্রুনো|জর্দানো ব্রুনোর]] বিপরীতে, জোসেফ র‍্যাটজিঙ্গার সেই মতবাদটির সমালোচনা করেছেন যেটিকে অন্যান্য ভাষ্যকারগণ ব্রুনোর প্যানডিজম হিসেবে বর্ণনা করেছেন। ** '''''ড্যানিয়েল কার্ডো''''' এবং '''''উই মাইকেল ল্যাং''''', ''দ্য ক্যামব্রিজ কম্প্যানিয়ন টু জোসেফ র‍্যাটজিঙ্গার'' (২০২৩), পৃ. ২৬৬। * [[w:ম্যাথু_আর্নল্ড|ম্যাথু আর্নল্ডের]] ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতাকে সন্তুষ্ট করা সেই সত্তাটি যা-ই হোক না কেন, তিনি তাঁর 'লিটারেচার অ্যান্ড ডগমা' এবং 'গড অ্যান্ড দ্য বাইবেল' গ্রন্থে আমাদের যে ধর্মের কথা বলেছেন তা ঈশ্বরবাদ (ডিইজম) বা নিছক প্যান-ডিইজম নয়, বরং এক ধরণের লঘু [[:w:দৃষ্টবাদ|দৃষ্টবাদ]] বা পজিটিভিজম। একটি নৈতিক ব্যবস্থা হিসেবে এটি তাত্ত্বিকভাবে চমৎকার, তবে এর বাস্তব মূল্য অত্যন্ত প্রশ্নবিদ্ধ। [[w:র‍্যনে_দেকার্ত|রেনে দেকার্তের]] দার্শনিক অনুসন্ধান থেকে বেরিয়ে আসা ঈশ্বর সম্পর্কে '''[[w:ব্লেজ_পাস্কাল|ব্লেজ পাস্কাল]]''' মন্তব্য করেছিলেন যে— তিনি ছিলেন একজন অপ্রয়োজনীয় ঈশ্বর। আর কেউ আরও বেশি সত্যের সাথে বলতে পারে যে, আর্নল্ড যে ধর্মের প্রস্তাব দিয়েছেন তা গ্রহণ করার এবং সেই অনুযায়ী চলার সামর্থ্য যে মানুষের আছে, তার আসলে সেই ধর্মের সাহায্য বা উদ্দীপনার কোনো প্রয়োজন নেই। একটি [[:w:আদর্শবাদ|নৈতিক আদর্শবাদের]] মূল্যায়ন করতে হলে মানুষকে নিজেকেই আগে একজন নৈতিক আদর্শবাদী হতে হয়। ** '''''[[w:উইলিয়াম_হার্বার্ট_(উদ্ভিদবিজ্ঞানী)|উইলিয়াম হার্বাট ডসন]]''''', ''মাস্টারি অফ বিয়িং'' (১৯০৪, পুনর্মুদ্রিত ১৯৭৭), পৃষ্ঠা ২৫৬। * ঈশ্বর ''হলেন'' প্রবৃদ্ধি, ঈশ্বর ''হলেন'' কাঠামো বা জ্ঞান, ঈশ্বর একই সাথে সবকিছু আবার কিছুই নন। আর ইব্রাহিমীয় ধর্মগুলোর জন্য কিছুটা ধর্মদ্রোহী মনে হলেও উপলব্ধি করা, অর্থাৎ জ্ঞানার্জন করা, অর্থাৎ পদার্থের অংশ হওয়া, অর্থাৎ একটি মহাকর্ষীয় ক্ষেত্র তৈরি করা কাঠামোগত শক্তি হওয়া হলো আলোর মাধ্যমে ঈশ্বরের এক সত্তার সাথে অন্য সত্তার সম্পর্কিত হওয়ারই একটি দিক। আর সেই আলো অবশ্যই ঈশ্বর। এই বিচারে, এর অন্তর্নিহিত অধিবিদ্যা নিশ্চিতভাবেই প্যানডিস্টিক। ** '''''নিল ডগলাস''''', ''ফ্রিয়িং গ্রোথ - এ নিও-ক্যাপিটালিস্ট ম্যানিফেস্টো'' (২০০৯), পৃষ্ঠা ৮। * 'থার্ড টেস্টামেন্টের' বৈপ্লবিক প্যানডিস্টিক ধারণাগুলো কি কেবল একটি দানবের উদ্ভাবিত একগুচ্ছ মিথ্যা ছিল? ডামারাসের চ্যাম্পিয়ন করা ঈশ্বরবাদ (ডিইজম) এবং সর্বেশ্বরবাদের (প্যানথেইজম) মধ্যকার সেই সমন্বয় কি আসলেও কাল্পনিক ছিল, যেমনটি অ্যামল্ড প্যারামো সমর্থন করেছিলেন? ** '''''ম্যাথু জে. ড্রুরি''''', ''ইডেন²'' (২০১১), পৃষ্ঠা ২২৯। * এম্পু (উচ্চপদস্থ পুরোহিতের পদবি) সাধারণত একটি ঐতিহ্যবাহী 'পেদান্ডা কেতু' বা লাল রঙের লম্বা মুকুট এবং একটি গোলক ব্যবহার করেন। দ্বীপে অন্য এক ব্যক্তি পান্ডে অনুষ্ঠানগুলো পরিচালনা করেন। তিনি বৌদ্ধধর্ম, হিন্দুধর্ম এবং যদি একে এভাবে অভিহিত করা যায়—"প্যানডিজমের" এক অদ্ভুত সংমিশ্রণের প্রতিনিধিত্ব করেন। প্রায় ত্রিশ বছর আগে সিঙ্গরাজা পান্ডে সম্প্রদায়ের কিছু নেতা নিজেদের হিন্দুধর্ম থেকে ভিন্ন কিছু হিসেবে ঘোষণা করার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছিলেন। কারণ তারা মনে করতেন যে তাদের মৌলিক বিশ্বাসগুলো হিন্দুধর্ম থেকে এতটাই আলাদা যে একটি স্বতন্ত্র পরিচয় গঠন করা সমীচীন। ** '''''ফ্রেড বি. আইজম্যান, জুনিয়র''''', ''বালি: সেকালা অ্যান্ড নিস্কালা: এসেস অন রিলিজিয়ন, রিচুয়াল, অ্যান্ড আর্ট'' (১৯৮৯), পৃষ্ঠা ৮৯। {{ISBN|0945971036}}। * নিউ এজ মুভমেন্টের মধ্যে পুরোনো আধ্যাত্মিক এবং ধর্মীয় ঐতিহ্যের নানাবিধ উপাদান বিদ্যমান, যার বিস্তৃতি নাস্তিক্যবাদ ও একেশ্বরবাদ থেকে শুরু করে ধ্রুপদী সর্বেশ্বরবাদ, প্রাকৃতিক সর্বেশ্বরবাদ, প্যানডিজম এবং প্যানেনথিজম হয়ে বহুঈশ্বরবাদ পর্যন্ত, যা বিজ্ঞান এবং গায়া দর্শনের সাথে সমন্বিত। এর মধ্যে বিশেষভাবে [[w:পুরাজ্যোতির্বিদ্যা|প্রত্ন-জ্যোতির্বিদ্যা]], [[w:জ্যোতির্বিজ্ঞান|জ্যোতির্বিদ্যা]], বাস্তুসংস্থান, পরিবেশবাদ, গায়া হাইপোথিসিস, [[w:মনোবিজ্ঞান|মনোবিজ্ঞান]] এবং [[w:পদার্থবিজ্ঞান|পদার্থবিদ্যা]] অন্তর্ভুক্ত। ** '''''হেনরি হ্যারিসন এপস, জুনিয়র''''', ''এন্ড টাইমস অর্গানাইজেশনস, ডকট্রিনস অ্যান্ড বিলিফস'' (২০১২), পৃষ্ঠা ২২০। * ঈশ্বর যদি সবটুকু হন, সবকিছুকে ধারণ করেন, প্রতিটি শব্দকে গভীর কোনো শব্দ কিংবা ভালোবাসা নামক শব্দটিকেও আপন করে নেন, তবে ঈশ্বর সত্যিই মহান, বিশাল ও অসীম। আর এমন এক ঈশ্বরের ধারণায় নেজারের প্যানডিজম হলো কাব্যজগতের অন্যতম শক্তিশালী একটি কাব্যিক চিন্তা যা আমরা পেয়েছি। এই কবির কাছ থেকে, এই কাব্যিক স্রষ্টার কাছ থেকে আর কী-ই বা প্রত্যাশা করা যায়, যিনি বিশ বছরেরও কম সময়ের মধ্যে এমন মহান এক কাব্যিক আলোকবর্তিকার সান্নিধ্য পেয়েছেন? ** '''''ওটাভিও ডি ফারিয়া''''', "প্যানডিজমো এম কার্লোস নেজার", ''উলতিমা হোরা'', রিও ডি জেনিরো (১৭ মে, ১৯৭৮)। * এমন এক মতবাদ যা তার হঠকারী [[:w:আদর্শবাদ|আদর্শবাদের]] কারণে কেবল বিশ্বাসকেই নয়, বরং স্বয়ং যুক্তিকেও আঘাত করে ([[w:ইমানুয়েল_কান্ট|'''ইমানুয়েল কান্টের''']] ব্যবস্থা): সেই ফরাসি মনোবিদের বিপজ্জনক ভুলগুলো উন্মোচিত করা ধর্ম ও নৈতিকতা উভয়ের জন্যই জরুরি হবে, যিনি মানুষের মনকে প্রলুব্ধ করেছেন (ভিক্টর কাজিন); তিনি দেখিয়েছেন কীভাবে তাঁর দুঃসাহসিক দর্শন পবিত্র ধর্মতত্ত্বের দেয়াল ভেঙে নিজের কর্তৃত্বকে সবার উপরে স্থান দেয়। তিনি রহস্যময় বিষয়গুলোকে অপবিত্র করেন, কখনও সেগুলোকে অর্থহীন ঘোষণা করে, আবার কখনও সেগুলোকে সাধারণ ইঙ্গিত বা নিছক রূপকে পরিণত করে। একজন বিদগ্ধ সমালোচক যেমনটি লক্ষ্য করেছেন, এই দর্শন প্রত্যাদেশকে (রেভেলেশন) সহজাত চিন্তা ও বিচারহীন স্বীকৃতির সাথে স্থান পরিবর্তন করতে বাধ্য করে। এটি যুক্তিকে মানুষের ব্যক্তিত্বের বাইরে স্থাপন করে মানুষকে ঈশ্বরেরই এক খণ্ডাংশ হিসেবে ঘোষণা করে; যা এক ধরণের আধ্যাত্মিক প্যানডিজমের সূচনা করে। আমাদের কাছে এটি যেমন অযৌক্তিক, তেমনি সেই পরম সত্তার জন্যও অবমাননাকর, যা কি না তাঁর স্বাধীনতাকে মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ করে। ** '''''লুইগি ফেরারিজে''''', ''মেমোরি রিসগুয়ার্দান্টি লা ডটরিনা ফ্রেনোলজিকা'' (১৮৩৮), পৃ. ১৬। * গতকালের সেই 'প্যান-ডিইস্ট' বা প্যান্ডিস্টরা, যারা বৃক্ষ আর ঝরনার উপাসনা করত। আজ তারা বিভিন্ন পরিবেশবাদী সংগঠনের সদস্য হয়ে মূলত একই কাজ করে চলেছে। [[w:আল_গোর|আল গোর]] বা তাঁর মতো অন্যান্যরা, এমনকি সম্ভবত বনায়ন কর্মসূচিতে আগ্রহী বারাক ওবামা, হয়ে উঠেছেন তাদের বর্তমান যুগের ওঝা বা শামান। ** '''''মার্ক ফিঙ্কেলস্টেইন''''', [http://finkelblog.com/index.php/2009/04/11/happy-pan-deism-day-from-gail-collins/ "হ্যাপি প্যান-ডিইজম ডে ফ্রম গেইল কলিন্স"], (১১ এপ্রিল ২০০৯)। * প্যানডিজম হলো অন্য এক ধরনের বিশ্বাস যা দাবি করে যে, ঈশ্বর এবং মহাবিশ্ব অভিন্ন। তবে ঈশ্বর এখন আর এমন কোনো অবস্থায় বিদ্যমান নেই যেখানে তাঁর সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব। ফলস্বরূপ, এই তত্ত্বটি কেবল যুক্তির মাধ্যমেই প্রমাণ করা সম্ভব। প্যানডিজম পুরো মহাবিশ্বকে ঈশ্বরেরই অংশ হিসেবে দেখে এবং এখন এই মহাবিশ্বই হলো ঈশ্বরের পূর্ণ রূপ। তবে সময়ের কোনো এক পর্যায়ে এই মহাবিশ্ব পুনরায় সংকুচিত হয়ে সেই একক সত্তায় বিলীন হয়ে যাবে, যিনি স্বয়ং ঈশ্বর এবং যা কিছু আছে সবকিছুর স্রষ্টা। প্যানডিজম এই প্রশ্ন উত্থাপন করে যে ঈশ্বর কেন একটি মহাবিশ্ব সৃষ্টি করে তারপর তা পরিত্যাগ করবেন? যেহেতু এটি সর্বেশ্বরবাদের সাথে সম্পর্কিত, তাই এটি এই প্রশ্নটিও তোলে যে, এই মহাবিশ্বের উৎপত্তি কীভাবে হলো এবং এর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যই বা কী? ** '''''অ্যালান আর. ফুলার''''', ''থট: দ্য অনলি রিয়েলিটি''। ২০১০। পৃষ্ঠা ৭৯। * তদুপরি, তাঁর কর্ম থেকে এক ধরনের সর্বেশ্বরবাদ, বা বলা ভালো "প্যানডিজম" উন্মোচিত হয়। যেখানে [[w:নয়াপ্লাতোবাদ|নব্য-প্লেটোবাদী বা নয়াপ্লাতোবাদ]] অনুপ্রেরণা কঠোর খ্রিস্টীয় অর্থোডক্সির সাথে এক নিখুঁত পরিপূরক হিসেবে কাজ করে। ** '''''জঁ-জাক গাবুত''''', [[:w:জন স্কটাস এরিউজেনা|এরিউজেনা]] প্রসঙ্গে, "[https://books.google.com/books?id=50FDDwAAQBAJ&pg=PT23&dq=pand%C3%A9isme&hl=en&sa=X&ved=0ahUKEwiByZ3owbveAhULxVkKHQRbBscQ6AEINTAC#v=onepage&q=pand%C3%A9isme&f=false ওরিজিনস এত ফন্দামেন্ট স্পিরিচুয়েলস এত সোসিওলজিকস দে লা মেসোনেরি একোসাইস]" (২০১৭)। * আঠারো শতক এবং উনিশ শতকের শুরুর দিকে, [[:w:গোটে|গোটে]], [[:w:শেলিং|শেলিং]] এবং [[:w:কোলরিজ|কোলরিজের]] মতো লেখকদের কাছে [[w:বারুখ_স্পিনোজা|বারুখ স্পিনোজা]] এক প্রকার রহস্যময় সর্বেশ্বরবাদী প্রকৃতিবাদের (প্যানথেইস্ট ডিইজম) এক ধর্মনিরপেক্ষ সন্তে পরিণত হয়েছিলেন। ** '''''অ্যারন ভি. গ্যারেট''''', ''মিনিং ইন স্পিনোজা'স মেথড'' (২০০৩), পৃষ্ঠা ২। * তারপরও, যদি অর্ধ-দেবতা প্যান-এর আবির্ভাব ঘটে, তবে এর ফলাফল হবে 'প্যান-ডিইজম', যা মূলত প্যান্ডোরার বাক্স উন্মুক্ত করারই নামান্তর। ** ২০০৩, '''''জন জি''''', ''দ্য মেটাফিজিশিয়ানস ডেস্ক রেফারেন্স: ইনক্লুডিং দ্য রিভাইজড ফরমাল সিস্টেম অফ মেটাফিজিক্স'', পৃষ্ঠা ১৬৪। * [[:w:সর্বপ্রাণবাদ|সর্বপ্রাণবাদ]] সংক্রান্ত ধারণাগুলোর মধ্যে এমন কিছু বৈচিত্র্য খুঁজে পাওয়া যায় যা মানব চিন্তার ইতিহাসে নিজস্ব স্থান করে নিয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, [[:w:হিন্দুধর্ম|হিন্দুধর্মে]] বর্ণিত ''[[:w:লীলা|লীলা]]''-র ধারণাটি প্যানডিজমের ধারণার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। ** '''''জেমস বি. গ্ল্যাটফেল্ডার''''', '''ইনফরমেশন—কনশাসনেস—রিয়ালিটি': হাউ এ নিউ আন্ডারস্ট্যান্ডিং অফ দ্য ইউনিভার্স ক্যান হেল্প আনসার এজ-ওল্ড কোশ্চেনস অফ এক্সিস্টেন্স'' (২০১৯), পৃ. ৫৩৪। * কিন্তু ব্রুনো পুরোপুরি নাস্তিক বা সর্বেশ্বরবাদী ছিলেন না। তিনি সম্ভবত একটি নেতিবাচক ধর্মতত্ত্ব বা 'অ্যাপোফ্যাটিক ক্রিড' (''[[:w:নেতি-নেতি|ভিয়া নেগাটিভা]]'') অনুসরণ করতেন, যা তাঁকে একজন প্যানডেইস্ট হিসেবে অধিকতর গ্রহণযোগ্য করে তোলে। ** '''''তারিক গডার্ড''''', ''দ্য রিপিটার বুক অফ হিরোইজম'' (২০২২), পৃ. ২৫। * যদিও 'প্যান-' (pan-) শব্দাংশ দিয়ে গঠিত প্যানথেইজম, প্যানডিজম বা প্যানকুবার্নিজম—এর যেকোনোটিই অ্যানাক্সিম্যান্ডারকে বর্ণনা করার জন্য যথেষ্ট; তবুও এখানে আরও একটি বিষয় খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। এই বর্ণনাটি কি টেকনিক্যালি অ্যানাক্সিম্যান্ডারের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য? এখানে মূল বিষয় হলো সেই 'অ্যাপাইরন (গ্রিক দার্শনিক [[w:আনাক্সিমান্দ্রোস|আনাক্সিমান্দ্রোসের]] অ্যাপাইরন তত্ত্ব), যা সবকিছুকে পরিবেষ্টন করে রাখে এবং সবকিছুকে চালনা করে, আর এই 'অ্যাপাইরন'ই হলো ঐশ্বরিক। তাহলে 'কসমস' বা মহাবিশ্বের অবস্থান কী? স্পষ্টতই, কসমস সবকিছুকে পরিবেষ্টন করে থাকে না, কিন্তু এটি কি ঐশ্বরিক নয়? এটি কি কোনো চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে না? ** '''''অ্যান্ড্রু গ্রেগরি''''', ''অ্যানাক্সিম্যান্ডার: এ রি-অ্যাসেসমেন্ট'' (২০১৬), পৃ. ১০০। * [[w:প্লিনি_দ্য_এল্ডার|প্লিনি দ্য এল্ডারের]] ক্ষেত্রে, যাঁকে স্পিনোজাপন্থী না হলেও অন্তত একজন 'পান্ডিস্ট' হিসেবে অভিহিত করা যেতে পারে, প্রকৃতি হলো এমন কোনো সত্তা নয় যা জগৎ থেকে বিচ্ছিন্ন বা পৃথক। তাঁর দর্শনে প্রকৃতি হলো সমগ্র সৃষ্টিজগতের এক মূর্ত রূপ, এবং তাঁর দেবত্বের ধারণাটিও ঠিক একই উপাদানে গঠিত বলে প্রতীয়মান হয়। ** '''''গটফ্রিড গ্রোসে''''', ''[http://books.google.com/books?id=6ro9AAAAcAAJ&pg=PA165&dq=pandeisten&ei=YiknS8ydDo3iyATjvZnbCA&cd=2#v=onepage&q=pandeisten&f=false নাটুরগেশিখতে: মিট এরলাউটারনডেন আনমেরকুঙ্গেন]'' (প্রাকৃতিক ইতিহাস: টীকা সহ; [[:w:জ্যেষ্ঠ প্লিনি|জ্যেষ্ঠ প্লিনি]]-র 'প্রাকৃতিক ইতিহাস'-এর অনুবাদ ও ব্যাখ্যা), ১৭৮৭, পৃষ্ঠা ১৬৫। এটি এখন পর্যন্ত পাওয়া প্যানডিজমের প্রাচীনতম বিদ্যমান বর্ণনা। * আমরা গ্রিক এবং রোমান দার্শনিকদের সম্পর্কে কিছু বলতে পারি এবং তাঁদের প্যান্ডিস্ট ধর্মগুলোকে আমাদের বর্তমান ধর্মগুলোর সাথে তুলনা করতে পারি। উদাহরণস্বরূপ, [[w:এরিস্টটল|অ্যারিস্টটল]], [[w:প্লেটো|প্লেটো]], প্লটিনাস এবং অরেলিয়াস, তাঁরা সেন্ট অগাস্টিন এবং থমাস অ্যাকুইনাসের দেওয়া বিধানের বিপরীতে গিয়ে পুরুষ ও মহিলাদের আনন্দ অন্বেষণের অনুমতি দিয়েছিলেন। যাতে তাঁরা এই পৃথিবীতেই ব্যক্তিগত সুখ অর্জন করতে পারেন এবং স্রেফ যুক্তির চর্চাকেই পরম লক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করতে পারেন। ** '''''ওয়াল্টার গ্রুয়েন''''', পিএইচ.ডি., ''দ্য প্রমিস অফ হিউম্যান অটোনমি'' (২০১৭), পৃষ্ঠা ৩১। * ভারত ত্রিশ কোটি দেব-দেবীর পূজা করে। তার কাছে ঈশ্বরই সবকিছু, এবং সবকিছুই ঈশ্বর। আর তাই, সবকিছুই আরাধ্য হতে পারে। সাপ এবং দানবরা তার বিশেষ উপাস্য। ভারতের এই প্যান-ডিইজম মূলত এক বিশৃঙ্খল নরককুন্ড (প্যান্ডেমোনিয়াম)। ** '''''রেভারেন্ড হেনরি গ্র্যাটান গিনেস''''', "ফার্স্ট ইমপ্রেশনস অফ ইন্ডিয়া", ''দ্য মেডিকেল মিশনারি'' (১৮৯৭), পৃষ্ঠা ১২৫-১২৭। * সত্যি বলতে, একজন প্যানডেইস্ট এবং একজন নিরীশ্বরবাদীর মধ্যে পার্থক্য করার মতো সিনট্যাক্স, সেমান্টিক্স, প্রযুক্তিগত দিক বা আনুষ্ঠানিকতা (এবং সম্ভবত দাম্ভিকতা) ছাড়া আর কিছুই নেই। সকল "নিরীশ্বরবাদী" মূলত সেই একই ঈশ্বরে বিশ্বাস করেন যাতে প্যানডেইস্টরা বিশ্বাস করেন; কিন্তু অধিকাংশ ধর্মের চোখে তাঁদের সেই ব্যক্তিসত্ত্বাহীন 'ঈশ্বর' আদতে কোনো 'ঈশ্বরই' নন। ** '''''রেভ. কাইল লোগান হ্যামলিন''''', ''বেটার এ কম্প্যাশনেট অ্যাথিস্ট, দ্যান অ্যান অ্যাপাথেটিক ক্রিশ্চিয়ান'' (২০০৫), পৃষ্ঠা ১০। * আমরা কি কেবল আইনের শিকল দিয়ে আবদ্ধ থাকি বলেই পুণ্যবান? আমরা মানুষকে ভবিষ্যদ্বাণী করতে শুনি যে, এই যুদ্ধ মানেই খ্রিস্টধর্মের মৃত্যু এবং প্যানডিজমের যুগের সূচনা, অথবা সম্ভবত আমাদের আধুনিক সভ্যতা ও সংস্কৃতির ধ্বংস। আবার আমরা অনেককে এমন ভবিষ্যদ্বাণী করতেও শুনি যে, এই যুদ্ধের চূড়ান্ত ফলাফল মানবজাতির জন্য আশীর্বাদ বয়ে আনবে। ** '''''লুই এস. হার্ডিন''''', "দ্য কাইমেরিক্যাল অ্যাপ্লিকেশন অফ ম্যাকিয়াভেলি'স প্রিন্সিপলস", [[:w:ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়|''ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়'']] (মে ১৯১৫), পৃষ্ঠা ৪৬৩। * মুসলমানরা বড় শহরগুলোতে তাদের নিজস্ব ছোট জগত তৈরি করতে চাইলেও হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ সমাজের সাথে বারবার তাদের সংঘাত তৈরি হতো: হিন্দুদের বর্ণপ্রথা বনাম মুসলমানদের সমতাকামী সমাজ, হিন্দুদের নিরামিষভোজী বনাম মুসলমানদের মাংসাহার, এবং হিন্দুদের প্যানডিজম ও পীর-পূজার (সাধু ভক্তি) বিপরীতে মুসলমানদের একেশ্বরবাদ। ** '''''ইয়ুর্গেন হার্টম্যান''''', ''রিলিজিয়ন ইন ডার পলিটিক: ইউডেনটাম, ক্রিস্টেনটাম, ইসলাম'' (২০১৪), পৃষ্ঠা ২৩৭। * ঈশ্বর এই জগতকে তাঁর অস্তিত্বের বাইরে রাখেন। তিনি কেবল জগতের আদি কারণ হিসেবে গণ্য হন, কিন্তু কোনো অর্থেই তিনি নিজে কোনো কিছুর ফলাফল বা কার্যের বহিঃপ্রকাশ নন, তা সে নিজের পক্ষ থেকেই হোক কিংবা অন্য কিছুর। সর্বেশ্বরবাদ (যার চেয়ে "প্যানডিজম" শব্দটিই অধিকতর জুতসই, কারণ এখানে প্রকৃত অর্থে কোনো ব্যক্তিসত্তা বা 'থিয়স'-কে বর্ণনা করা হচ্ছে না) মূলত এটিই বোঝায় যে—ঈশ্বর হলেন সাধারণ কার্যকারণের এক অখণ্ড ও অবিভাজ্য সমষ্টি; যেখানে সাধারণ কার্যকারণের এই শৃঙ্খলের ঊর্ধ্বে স্বাধীন কোনো 'পরতম-কারণ' বা বিশেষ কোনো উচ্চতর শক্তির অস্তিত্ব নেই। ** প্রফেসর '''''[[:w:চার্লস হার্টশর্ন|চার্লস হার্টশর্ন]]''''', ''ম্যান'স ভিশন অফ গড অ্যান্ড দ্য লজিক অফ থেইজম'' (১৯৪১), পৃষ্ঠা ৩৪৭। {{ISBN|020800498X}}। * ঈশ্বর এভাবে সমগ্র বিশ্বকে নিজের সত্তার অন্তরালে ধারণ করেন। প্রকৃতপক্ষে তিনি হলেন মহাবিশ্বের সেই সমস্ত খণ্ডাংশের এক পূর্ণাঙ্গ সমষ্টি, যা নির্বিশেষে কার্য এবং কারণের সমন্বয় হিসেবে বিদ্যমান। এখন এ-আর বা এমন এক ধারণা যা কিছু ক্ষেত্রে পরম নিখুঁত এবং অন্য সব ক্ষেত্রে আপেক্ষিক পরিপূর্ণতাকে বোঝায়, তা এই প্রচলিত মতবাদগুলোর চেয়ে সমদূরত্বে অবস্থান করে। ঈশ্বরের দ্বিমুখী স্বরূপের এই দৃষ্টিভঙ্গির কল্যাণে, এটি প্রকৃতিবাদ (ডিইজম) বা প্যানডিজমের মধ্যকার ইতিবাচক সমস্ত উপাদানকে সুসংগতভাবে আলিঙ্গন করতে সক্ষম। এ-আর বলতে বোঝায় যে, ঈশ্বর তাঁর সত্তার এক দিক থেকে সমস্ত সাধারণ কার্যকারণের এক অখণ্ড সামগ্রিকতা। কিন্তু তাঁর সত্তার অন্য দিকটি হলো তাঁর সারমর্ম (যাকে 'এ' বা পরম নিখুঁত বলা হয়েছে), যা যেকোনো নির্দিষ্ট বা আকস্মিক অস্তিত্বের গোষ্ঠী থেকে বিমূর্তভাবে কল্পনা করা সম্ভব, যদিও এটি সেই আবশ্যকতা এবং শক্তি থেকে বিচ্যুত নয় যা প্রতিটি মুহূর্তে তাঁকে একীভূত পূর্ণতার মধ্য দিয়ে তাঁর নিজস্ব স্বরূপ প্রকাশে পর্যাপ্ত উপাদান সরবরাহ করে। ** প্রফেসর '''''[[:w:চার্লস হার্টশর্ন|চার্লস হার্টশর্ন]]''''', ''ম্যান'স ভিশন অফ গড অ্যান্ড দ্য লজিক অফ থেইজম'' (১৯৪১), পৃষ্ঠা ৩৪৮। {{ISBN|020800498X}}। * এই সূক্ষ্ম পার্থক্যগুলো কেবল তখনই অর্থবহ হয়ে ওঠে যখন এ-আর (কিছু ক্ষেত্রে পরম এবং অন্য ক্ষেত্রে আপেক্ষিক) ধারণাটিকে স্বতঃসিদ্ধ হিসেবে ধরে নেওয়া হয় (যেখানে স্পিনোজা ব্যর্থ হয়েছিলেন, কারণ তিনি কেবল পরম বা 'এ' অংশটিকে বিবেচনা করেছিলেন)। ঠিক যেভাবে এ-আর ধারণাটি পরিপূর্ণতার ইতিবাচক নির্যাসটুকু ধারণ করে, ঠিক তেমনি সি-ডব্লিউ /CW বা 'স্রষ্টা এবং তাঁর সৃষ্টি'-কে একই প্রাণের অংশ হিসেবে বিবেচনা করার ধারণাটি এক ‘পরম-পূর্ণতা’ গঠন করে। এই পরমসর্বেশ্বরবাদ বা প্যানেনথিজম মতবাদটি প্রকৃতিবাদ ওপ্যানডিজমের সেই স্বেচ্ছাচারী নেতিবাচক অংশগুলো বাদ দিয়ে তাদের সমস্ত নির্যাস ধারণ করে। সুতরাং, এই পরম-আপেক্ষিক পরমসর্বেশ্বরবাদ হলো সেই অনন্য মতবাদ যা প্রকৃতপক্ষে ঈশ্বরবাদী এবং ক্ষেত্রবিশেষে নাস্তিকদের অবচেতন আলোচনার সেই পূর্ণাঙ্গ রূপটিকে স্পষ্টভাবে ব্যক্ত করে। ** প্রফেসর '''''[[:w:চার্লস হার্টশর্ন|চার্লস হার্টশর্ন]]''''', ''ম্যান'স ভিশন অফ গড অ্যান্ড দ্য লজিক অফ থেইজম'' (১৯৪১), পৃষ্ঠা ৩৪৮। {{ISBN|020800498X}}। * [[:w:ঈশ্বর|ঈশ্বর]] নিজেকে অসংখ্য খণ্ডে বিভক্ত করেছেন যেন তিনি কিছু [[:w:বন্ধু|বন্ধু]] পেতে পারেন। এটি হয়তো সত্য নয়, তবে শুনতে বেশ ভালো লাগে এবং অন্য যেকোনো [[:w:ধর্মতত্ত্ব|ধর্মতত্ত্বের]] মতোই এটি সমান অর্থবহ। ** '''''রবার্ট এ. হাইনলাইন''''', অ্যাফোরিজমস অফ লাজারাস লং, ''টাইম এনাফ ফর লাভ'' (১৯৭৩), পৃষ্ঠা ২১৬। * ঈশ্বরকে সমস্ত কিছুর এক ঊর্ধ্বগামী সমষ্টি হিসেবে ভাবা যেতে পারে, যেখানে সেই 'সমগ্রতা' তার অংশগুলোর সমষ্টিকেও ছাড়িয়ে যায়, ঠিক একটি 'গেস্টাল্ট' বা পূর্ণাঙ্গ অবয়বের মতো। যদি 'দেব-দেবী' (বহুবচনে) বিদ্যমান থাকেন, তবে তাঁরা অস্তিত্বশীল হবেন সমস্ত কিছুর সেই সমষ্টিগত বহিঃপ্রকাশের উপ-বিভাগ হিসেবে। আমি মাঝে মাঝে নিজেকে একজন 'প্যানডেইস্ট' হিসেবে উল্লেখ করেছি, তবে মূলধারা বা এমনকি কোনো প্রযুক্তিগত শ্রেণীকরণও এড়িয়ে চলার চেষ্টা করি। কারণ লোকে তখন মনে করে যে তারা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই আপনার দৃষ্টিভঙ্গি বুঝে ফেলেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এর অর্থ হলো—কারো ধর্মীয় পরিচয়কে খ্রিস্টধর্মের সাথে পার্থক্যের মানদণ্ডে সংজ্ঞায়িত করা হয়, যাকে সেখানে আদর্শ ধর্মীয় মাপকাঠি হিসেবে ধরা হয়। আমি মনে করি এটি আদিবাসী আমেরিকানদের ঐতিহ্যগত পথকে বস্তুনিষ্ঠ করে তোলে এবং অধস্তন করে রাখে। তাই আমি প্রায়ই প্রকাশ্যে নিজেকে ঐতিহ্যগত সাধক বা 'প্যান-ডেইস্ট' হিসেবে পরিচয় দিই না। বরং আমি প্রায়ই 'নিরীশ্বরবাদী' তকমাটি পছন্দ করি, কারণ আমি মনে করি না যে আমার দৃষ্টিভঙ্গি মূলধারার আমেরিকার খ্রিস্টীয় 'ঈশ্বর' ধারণার সাথে মিলে যায়। তবুও, 'প্যান-ডিইজম'-এর মতো কিছু একটা আমার অনুভূত ঈশ্বরের স্বরূপকে কিছুটা হলেও ধারণ করতে পারে। সবকিছুই ঈশ্বর, ঈশ্বরের যেকোনো অংশই সেই সর্বজনীন ঐশ্বরিক প্রকৃতির অংশীদার। ** '''''থারম্যান 'লি' হেস্টার জুনিয়র''''', "নেটিভ আমেরিকান স্পিরিচুয়ালিটি", ইন গ্রাহাম অপ্পি, এন.এন. ট্রাকাকিস, ''ইন্টাররিলিজিয়াস ফিলোসফিক্যাল ডায়ালগস - ভলিউম ৩'' (২০১৭), পৃষ্ঠা ৪৬। * আমার স্থির বিশ্বাস এই যে, প্যানডিজম প্রকৃতপক্ষে একটি সুসংগঠিত ব্যবস্থা বা মতাদর্শ ছিল; এবং আমি যখন 'পান্ডিয়া দেশ' বা 'পান্ডিয়া সাম্রাজ্য' শব্দগুলো ব্যবহার করি, তখন আমি মূলত নিজেকে এমন এক ভঙ্গিতে প্রকাশ করি যা অনেকটা 'পোপীয় সাম্রাজ্য' বা 'পোপতন্ত্রের রাজ্য' বলার সমতুল্য। ঠিক যেভাবে আমরা বলে থাকি যে, গ্রিকদের চার্চে অনেক অসার আচার-অনুষ্ঠান প্রচলিত আছে, যার মাধ্যমে মূলত সমস্ত জাতির গ্রিক ধর্মাবলম্বীদের বোঝানো হয়। অথবা যেভাবে বলা হয় যে পোপের শাসনাধীন দেশগুলো কুসংস্কারে আচ্ছন্ন। একই সাথে, আমি বিনীতভাবে এটিও স্পষ্ট করতে চাই যে—আমি কৃষ্ণ-কন্যা পান্ডিয়ার সেই প্রাচীন সাম্রাজ্যের অস্তিত্বকে মোটেও অস্বীকার করছি না। এটি ঠিক তেমনই সত্য, যেমনটি অস্বীকার করা অসম্ভব যে ফ্রান্স নামক একটি রাজ্য ছিল যা চার্চের বা পোপের জ্যেষ্ঠ পুত্রের দ্বারা শাসিত হতো। ** '''''গডফ্রি হিগিন্স''''', ''[[:w:অ্যানাক্যালিপসিস|অ্যানাক্যালিপসিস: অ্যান অ্যাটেম্পট টু ড্র অ্যাসাইড দ্য ভেইল অফ দ্য সাইটিক আইসিস: অর অ্যান ইনকোয়ারি ইনটু দ্য অরিজিন অফ ল্যাঙ্গুয়েজেস, নেশনস অ্যান্ড রিলিজিয়নস]]'' (১৮৩৩), পৃষ্ঠা ৪৩৯। খণ্ড ১ {{ISBN|0766126439}}; খণ্ড ২ {{ISBN|0766126447}}; (১৯৭২ সংস্করণ) - ASIN: B0006Y9FEM। **(দ্রষ্টব্য: এই অংশটি মূলত '''''[[:w:জন ব্যালু নিউব্রো|জন ব্যালু নিউব্রো]]'''''-র ''[[:w:ওয়াস্পে বাইবেল|ওয়াস্পে বাইবেল]]'' (১৮৮২, পুনর্মুদ্রিত ১৯৯৮), পৃষ্ঠা ৮৭৪-এ ব্যাপকভাবে পুনরুৎপাদন করা হয়েছে)। * আমরা ইতিপূর্বে প্রত্যক্ষ করেছি যে, শ্রীকৃষ্ণের অনেক পুত্র সন্তান থাকা সত্ত্বেও তিনি তাঁর সেই সুবিশাল সাম্রাজ্যটি তাঁর কন্যা পান্ডিয়ার হাতে ন্যস্ত করে গিয়েছিলেন, যে সাম্রাজ্যের বিস্তৃতি ছিল সিন্ধু নদের উৎস মুখ থেকে শুরু করে কুমারিকা অন্তরীপ পর্যন্ত (যেহেতু আমরা এই বিন্দুর সন্নিকটেই 'রেজিও পান্ডিওনিস' এর অস্তিত্ব খুঁজে পাই)। তবে, বুদ্ধের মূর্তিকে নিরন্তর নয়টি ফণা তোলা সাপের ছায়াতলে সযত্নে রক্ষিত হতে দেখে আমি এই সিদ্ধান্তে উপনীত হতে বাধ্য হচ্ছি যে এই প্যানডিজম মূলত এমন একটি গূঢ় মতবাদ ছিল, যা বৌদ্ধ এবং ব্রাহ্মণ উভয় সম্প্রদায়ের দ্বারাই পরম শ্রদ্ধায় গৃহীত হয়েছিল। ** '''''[[:w:গডফ্রি হিগিন্স|গডফ্রি হিগিন্স]]''''', ''[[:w:অ্যানাক্যালিপসিস|অ্যানাক্যালিপসিস: অ্যান অ্যাটেম্পট টু ড্র অ্যাসাইড দ্য ভেইল অফ দ্য সাইটিক আইসিস: অর অ্যান ইনকোয়ারি ইনটু দ্য অরিজিন অফ ল্যাঙ্গুয়েজেস, নেশনস অ্যান্ড রিলিজিয়নস]]'' (১৮৩৩), পৃষ্ঠা ৪৩৯। খণ্ড ১। {{ISBN|0766126439}}; খণ্ড ২ {{ISBN|0766126447}}; (১৯৭২ সংস্করণ) - ASIN: B0006Y9FEM। **(দ্রষ্টব্য: এই অংশটিও মূলত '''''[[:w:জন ব্যালু নিউব্রো|জন ব্যালু নিউব্রো]]'''''-র ''[[:w:ওয়াস্পে বাইবেল|ওয়াস্পে বাইবেল]]'' (১৮৮২, পুনর্মুদ্রিত ১৯৯৮), পৃষ্ঠা ৮৭৪-এ ব্যাপকভাবে পুনরুৎপাদন করা হয়েছে)। * সেই অর্থে খ্রিস্টধর্মের সুপ্ত যুক্তিবাদ আধুনিক বিশ্বের প্রাত্যহিক অভিজ্ঞতায় গভীরভাবে মিশে গেছে।এর মূল্যবোধগুলো এখন পরিবার, সুশীল সমাজ এবং রাষ্ট্রের বিভিন্নরূপে মূর্ত হয়ে উঠেছে। [[:w:ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস|এঙ্গেলস]] বিশেষত এই সমস্ত কিছুর মধ্যে আধুনিক সর্বেশ্বরবাদের (বা বলা ভালো, প্যানডিজমের) একটি ধারণা খুঁজে পেয়েছিলেন। যেখানে দেবত্ব বা ঈশ্বরত্বের সাথে প্রগতিশীল মানবতার এক মিলন ঘটে। এটি ছিল একটি আনন্দময় দ্বান্দ্বিক সংশ্লেষণ, যা তাঁকে ধর্মপ্রাণ আকুতি এবং বিচ্ছিন্নতার সেই 'পিয়েটিস্ট' মানসিকতার স্থির বৈপরীত্য থেকে মুক্তি দিয়েছিল। গ্র্যাবার ভাইদের কাছে লেখা তাঁর শেষ চিঠিগুলোর একটিতে এঙ্গেলস লিখেছিলেন, "স্ট্রাউসের মাধ্যমে আমি এখন হেগেলীয়বাদের সোজা পথে প্রবেশ করেছি। হেগেলের ঈশ্বরের ধারণাটি ইতিমধ্যেই আমার হয়ে গেছে, আর এভাবেই আমি 'আধুনিক সর্বেশ্বরবাদীদের' দলে যোগ দিচ্ছি।" ** '''''ট্রিস্ট্রাম হান্ট''''', ''মার্ক্স'স জেনারেল: দ্য রিভোল্যুশনারি লাইফ অফ ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস'' (২০১০), পৃষ্ঠা ৪৩। * আমি সবসময় ঈশ্বরের এমন এক ধারণা পছন্দ করি যা মানুষের চিন্তাশক্তির একদম ঊর্ধ্বে। আমার মনে হয় আমেরিকানদের জন্য সেখানে সর্বেশ্বরবাদী, ঈশ্বরবাদী এবং রেড ইন্ডিয়ানদের বিশ্বাসের সমন্বয়ে গঠিত একটি ধর্ম বিদ্যমান। এটি আমার কাছে অত্যন্ত সত্য বলে মনে হয়। ** '''''ফিল জ্যাকসন''''', ''শিকাগো ট্রিবিউনের'' মাইকেল হার্সলি কর্তৃক ধর্ম বিষয়ে সাক্ষাৎকার, “ফর বুলস কোচ, গড ইজ নো গেম,” ২৭ এপ্রিল ১৯৯০। * এমনকি সেই সমস্ত [[:w:অটিজম|অটিস্টিক]] ব্যক্তিরা, যারা ধর্মের প্রতি অনুরাগী, তারাও তাদের ধর্মীয় বিশ্বাসগুলোকে এমনভাবে গঠন করার প্রবণতা দেখান যা তাদের মূর্ত ও বাস্তবসম্মত চিন্তাধারার সাথে ঘনিষ্ঠভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়। তারা মূলত ধর্মতত্ত্বের জটিল তাত্ত্বিক আলোচনার চেয়ে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান এবং ঐতিহ্যের মাঝে মানসিক প্রশান্তি খুঁজতেই বেশি পছন্দ করেন। মহাবিশ্বের সৃষ্টি বা নৈতিক শাসনের সাথে জড়িত কোনো মানুষের মতো ঈশ্বরকে আলিঙ্গন করার পরিবর্তে, তারা প্রায়শই দেবত্বকে মহাজাগতিক নিয়মাবলির এক মূর্ত প্রকাশ হিসেবে কল্পনা করেন। যা মূলত ধ্রুপদী প্রকৃতিবাদের চেয়ে সর্বেশ্বরবাদ বা প্যানডিজমের দিকেই বেশি ঝুঁকে থাকে। তাঁদের ঈশ্বর সাধারণত কোনো সচেতন বা উদ্দেশ্যমূলক স্রষ্টা নন, বরং প্রকৃতি বা পদার্থবিজ্ঞানের অমোঘ নিয়মাবলিরই এক অনিবার্য বহিঃপ্রকাশ মাত্র। ** '''''মার্টিন ডি. জনসন''''', ''দ্য অ্যাথিস্ট'স সারভাইভাল গাইড'' (২০২৪), পৃষ্ঠা ৮৯, ISBN: ৯৭৯-৮-২১৮-৪৮৪৩১-৬। * প্যান্ডিস্ট দৃষ্টিভঙ্গির সত্তাতাত্ত্বিক বৈধতাকে সরিয়ে রাখলেও, চেতনার সেই সুকঠিন সমস্যা বা "হার্ড প্রবলেম অফ কনশাসনেস" নিয়ে যে দীর্ঘস্থায়ী এবং উত্তপ্ত বিতর্ক চলছে, তার প্রতিটি পক্ষই যেন একই সাথে সঠিক বলে প্রতীয়মান হয়। এই ধারণাটি বাস্তবসম্মত হোক বা না হোক, স্রেফ এই সত্যটুকুই অত্যন্ত বিস্ময়কর যে, এমন একটি দার্শনিক ব্যবস্থার কথা কল্পনা করা সম্ভব যেখানে আপাতদৃষ্টিতে পরস্পরবিরোধী এই দৃষ্টিভঙ্গিগুলো আর একে অপরের সাথে কোনো দ্বন্দ্বে জড়ায় না। ** '''''বার্নার্ডো কাস্ট্রাপ''''', পিএইচ.ডি., ''[http://www.bernardokastrup.com/2010/03/consciousness-and-pandeism.html দ্য প্যারালালস অফ প্যানডিজম]'' (২০১০)। * আর তুমি তো অনাদিকাল থেকেই ছিলে এবং অনন্তকাল ধরে থাকবে; নিরপরাধ আলমারির দরজায় তোমার পায়ের এই সমস্ত দুশ্চিন্তাগ্রস্ত আঘাত। এগুলো তো ছিল স্রেফ সেই 'শূন্যতা'-র এক মহাজাগতিক অভিনয়, যেখানে সে একজন মানুষের রূপ ধরে নিজেকেই না চেনার ভান করছিল। ** '''''[[w:জ্যাক_কেরোয়াক|জ্যাক কেরুয়াক]]''''', ''ডেসোলেশন অ্যাঞ্জেলস'', ১৯৬৫, পৃষ্ঠা ৬। * লেখক দৃশ্যত ধর্মীয়, যুক্তিনির্ভর এবং বৈজ্ঞানিক ভিত্তি সম্পন্ন জীবনদর্শনগুলোকে আলাদাভাবে ভাগ করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তিনি তাঁর সংগৃহীত তথ্য-উপাত্তের ভারে এতটাই অভিভূত হয়ে পড়েছিলেন যে, শেষ পর্যন্ত তাঁর শ্রেণীকরণের মূল নীতিটি কেবল অস্পষ্টভাবেই ফুটে উঠেছে। সম্ভবত এটাই সেই কদর্য গ্রীক-ল্যাটিন মিশ্র শব্দ প্যানডিজমের উৎস। ২২৮ নম্বর পৃষ্ঠায় তিনি এটিকে আরও বেশি অধিভৌতিক প্রকৃতির সর্বেশ্বরবাদ বা প্যানথেইজম থেকে আলাদা হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন, একটি উন্নত ও একীভূত 'সর্বপ্রাণবাদ' বা অ্যানিমিজম হিসেবে, যা একটি জনপ্রিয় ধর্মীয় বিশ্বদর্শন। এই ধার করা শব্দটির কথা মনে রাখলে আমরা শব্দটির ব্যবহারের বিশাল ব্যাপ্তি দেখে বিস্মিত হই। ২৮৪ নম্বর পৃষ্ঠা অনুযায়ী জন স্কটাস এরিজেনা হলেন পুরোপুরি একজন প্যানডেইস্ট, ৩০০ নম্বর পৃষ্ঠায় আনসেলম অফ ক্যান্টারবেরিকে 'অর্ধ-প্যানডেইস্ট' বলা হয়েছে। এমনকি নিকোলাস অফ কুসা এবং জর্দানো ব্রুনো, এমনকি মেন্ডেলসোহন ও লেসিং-এর মধ্যেও এক ধরণের প্যানডিজম খুঁজে পাওয়া গেছে। ** '''''অটো কার্ন''''', পর্যালোচক, [[:w:এমিল শুরার|এমিল শুরার]] ও [[:w:আডলফ ফন হারনাক|আডলফ ফন হারনাক]] সম্পাদিত, ''থিওলজিশ লিতেরাaturজাইতুং'', খণ্ড ৩৫ (১৯১০)। * জেনোফেনিস... তাঁর নিজস্ব ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি সম্পর্কে অত্যন্ত বিস্তারিতভাবে লিখেছিলেন, যা ছিল মূলত একটি প্যান্ডিস্ট চরিত্রের বহিঃপ্রকাশ। তাঁর এই দর্শনটি ছিল সেই সময়ে প্রচলিত ও প্রভাবশালী বহুবিধ নরত্বারোপিত দেব-দেবীর উপাসনা ও আরাধনার সম্পূর্ণ বিপরীত এক অনন্য চিন্তাধারা। ** '''''পিম দে ক্লার্ক''''', "[http://www.pimdeklerk-palynology.eu/2500_yr_palaeoecology_-_de_Klerk_2017.pdf ২৫০০ ইয়ার্স অব প্যালিয়েকোলজি: আ নোট অন দ্য ওয়ার্ক অব জেনোফেনিস অব কলোফন (আনুমানিক ৫৭০-৪৭৫ খ্রিস্টপূর্বাব্দ)]," ''জার্নাল অব জিওগ্রাফি, এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড আর্থ সায়েন্স ইন্টারন্যাশনাল'' (৫ এপ্রিল ২০১৭)। * সর্বেশ্বরবাদ ও প্যানডিজম, অদ্বৈতবাদ ও দ্বৈতবাদ - এই সমস্ত কিছুই মূলত সেই 'পরম জ্যোতি' বা দিব্য-আলোর বিভিন্ন রূপান্তর মাত্র। এগুলো সেই পরম সত্তারই মৌলিক ধারণার বিচিত্র সব আলোকচ্ছটা, যা মানুষের আত্মার গভীরে প্রতিফলিত হয়ে এক প্রতিবিম্ব তৈরি করে। এই প্রতিবিম্বের উপলব্ধি প্রতিটি ব্যক্তির চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য, পারিবারিক ঐতিহ্য এবং সামাজিক পরিবেশের দ্বারা নির্ধারিত বোধশক্তির মাধ্যমে ভিন্ন ভিন্ন রূপে প্রকাশিত হয়। ** '''''পল ফ্রেডরিখ কোহলার''''', ''কুলতুরওয়েগ উন্ড এরকেন্টনিস: আইনি ক্রিটিশ উমশাউ ইন ডেন প্রবলেমেন ডেস রিলিজিয়াসেন উন্ড গেইস্টিগেন লেবেনস'' (১৯১৬), পৃষ্ঠা ১৯৩। * "নিউ এজ" বা নতুন যুগের মহাজাগতিক তত্ত্বগুলো বস্তুবাদ, প্রকৃতিবাদ এবং ভৌতবাদকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে। এই তত্ত্বগুলো সাধারণত সর্বেশ্বরবাদী অথবা পান্ডিস্ট ঘরানার হয়ে থাকে। তারা প্রায়শই কোয়ান্টাম পদার্থবিজ্ঞান এবং চেতনা বিষয়ক গবেষণাগুলোকে নিজেদের আয়ত্তে আনার চেষ্টা করে, যাতে মহাবিশ্ব সম্পর্কে তাদের নিজস্ব দার্শনিক ধারণাগুলোকে আরও জোরালোভাবে চিত্রিত করা যায়। ** '''''আল ক্রেস্তা''''', ''ডেঞ্জারস টু দ্য ফেইথ: রিকগনাইজিং ক্যাথলিকিজম'স টুয়েন্টি ফার্স্ট সেঞ্চুরি অপোনেন্টস'', "সায়েন্স অ্যান্ড ওয়ারফেয়ার উইথ রিলিজিয়ন" (২০১৩), পৃষ্ঠা ২৫৫-২৫৬, টীকা ৩০, {{ISBN|1592767257}}। * [[w:বিশ্ব_স্বাস্থ্য_সংস্থা|WHO বা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা]] এবং এমএসএফের মতো সংস্থাগুলো দারুণ কাজ করে, কিন্তু একটি টেকসই কর্মসূচি গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় দীর্ঘমেয়াদী প্রতিশ্রুতি এবং তৃণমূল পর্যায়ের সংগঠনের প্রায়ই তাদের অভাব থাকে। হলি ফ্যামিলির মতো [[:w:খ্রিস্টীয় ধর্মপ্রচারক|মিশনারি]] এবং হাসপাতালগুলোও অবদান রেখেছে এবং তারা অর্থনীতি-ভিত্তিক সহায়তা (যেমন কর্মসংস্থান খুঁজে দেওয়া) প্রদানের প্রয়োজনীয়তা স্বীকার করে; কিন্তু সেন্ট স্টিফেনস সম্প্রদায়ের মতো তেজ ও উদ্দীপনার অভাব তাদের মধ্যে স্পষ্ট। সরকারও খুব সামান্যই কাজ করে, তবে অনুমোদন বা সম্মতির ক্ষেত্রে তারা সাধারণত সেন্ট স্টিফেনসকে সহযোগিতা করে, এর আংশিক কারণ হলো এই প্রতিষ্ঠানটি স্বয়ং [[:w:ভারত সরকার|ভারত সরকারের]] চেয়েও প্রাচীন, আর আংশিক কারণ হলো এর ধর্মনিরপেক্ষতার চমৎকার সুনাম। প্রকৃতপক্ষে, এখানকার অধিকাংশ কর্মীই হয় [[:w:হিন্দুধর্ম|হিন্দু]] নয়তো [[:w:ইসলাম|মুসলমান]], কিন্তু তাঁরা প্যান-ডেইস্ট ধারণায় পরিপূর্ণ। এমনকি জহির আমার সাথে কথা বলার সময় "আল্লাহ" শব্দের পরিবর্তে ইচ্ছাকৃতভাবে খ্রিস্টীয় শব্দ "গড" (ঈশ্বর) ব্যবহার করেছিলেন। ** '''''পল লা পোর্টে''''', ''সোশ্যাল ওয়ার্ক অ্যান্ড আদার এক্সপেরিয়েন্স ইন ইন্ডিয়া'' (২০০৩)। * যদি ঐশ্বরিক বিবর্তন বা 'হয়ে ওঠা' সম্পূর্ণ হতো, তবে ঈশ্বরের ''কেনোসিস,''অর্থাৎ ভালোবাসার খাতিরে ঈশ্বরের নিজেকে শূন্য করে দেওয়া; তা হতো চূড়ান্ত। এই প্যানডিস্টিক দৃষ্টিভঙ্গিতে, ঈশ্বর যা হয়ে উঠবেন তার বাইরে তাঁর আর কিছুই আলাদা বা বিচ্ছিন্ন হিসেবে অবশিষ্ট থাকবে না। ঈশ্বরের যেকোনো পৃথক অস্তিত্ব মূলত বাস্তবায়িত প্রপঞ্চগুলোর (অ্যাকচুয়ালাইজড ফেনোমেনা) জীবন ও ভাগ্যে তাঁর নিঃশর্ত অংশগ্রহণের সাথে অসংগতিপূর্ণ হবে। ** '''''উইলিয়াম সি. লেন''''', "লাইবনিৎস'স বেস্ট ওয়ার্ল্ড ক্লেইম রিস্ট্রাকচারড", ''আমেরিকান ফিলোসফিক্যাল জার্নাল'' (জানুয়ারি ২০১০), খণ্ড ৪৭, পৃষ্ঠা ৬৭। * প্যানডিজম দর্শনে ঈশ্বর কোনো তদারকি বা রক্ষণাবেক্ষণকারী স্বর্গীয় শক্তি নন, যিনি পার্থিব জগতের দৈনন্দিন ও মুহূর্তের ঘটনাপ্রবাহে হস্তক্ষেপ করার ক্ষমতা রাখেন। ঈশ্বর যেহেতু আর এই জগতের 'ঊর্ধ্বে' কোনো পৃথক সত্তা হিসেবে বিদ্যমান নেই, তাই তিনি উপর থেকে কোনো হস্তক্ষেপ করতে 'পারেন না' এবং তেমনটি করতে ব্যর্থ হওয়ার জন্য তাঁকে কোনোভাবেই দায়ী করা যায় না। বরং, সেই হরিণশাবক থেকে শুরু করে জগতের প্রতিটি প্রাণীর প্রতিটি দুঃখ ও যাতনা ঈশ্বর নিজেই নিজের সত্তার অভ্যন্তরে 'ধারণ' করেন।<br><br>তবুও, একজন সংশয়বাদী প্রশ্ন করতে পারেন, "কেন জগতে 'এত বেশি' দুঃখ-কষ্টের উপস্থিতি থাকতে হবে? কেন জগতের নকশাটি এমন হলো না যেখানে দুঃখের কারণ হওয়া ঘটনাগুলোকে বাদ দেওয়া যেত বা সংশোধন করা যেত?" প্যানডিজমে এর উত্তরটি অত্যন্ত স্বচ্ছঃ "একটি জগতকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে হলে তথ্যের আদান-প্রদান বা লেনদেনের মধ্য দিয়ে যেতে হয়। আর তথ্যের এই নির্ভরযোগ্য প্রবাহ বজায় রাখার জন্য প্রয়োজন অপেক্ষাকৃত সরল এবং সুষম নিয়মাবলি। দুঃখদায়ক ঘটনাগুলোকে এড়িয়ে যাওয়ার জন্য অথবা তাদের প্রাকৃতিক ফলাফলগুলোকে (অর্থাৎ সরল নিয়মের অধীনে যে ফলাফল হওয়ার কথা ছিল) পরিবর্তন করার জন্য যদি কোনো বিশেষ নিয়ম তৈরি করা হতো, তবে সেই নিয়মাবলি হয়ে উঠত অত্যন্ত জটিল এবং সেখানে অগণিত ব্যতিক্রমের সৃষ্টি হতো যা মহাবিশ্বের স্বাভাবিক ছন্দকে ব্যাহত করত।" ** '''''উইলিয়াম সি. লেন''''', "[http://apq.press.illinois.edu/47/1/lane.html লাইবনিজ'স বেস্ট ওয়ার্ল্ড ক্লেইম রিস্ট্রাকচারড]," ''আমেরিকান ফিলোসফিক্যাল জার্নাল'', জানুয়ারি ২০১০, খণ্ড ৪৭, সংখ্যা ১, পৃষ্ঠা ৭৬–৭৭। * এই এক ঈশ্বর হতে পারেন প্রকৃতিবাদী কিংবা সর্বেশ্বরবাদী বা প্যানথেইস্ট ঘরানার। ঈশ্বর কেন আপাতদৃষ্টিতে আমাদের আমাদের ভাগ্যের ওপর ছেড়ে দিয়েছেন, তা ব্যাখ্যা করার ক্ষেত্রে প্রকৃতিবাদ হয়তো শ্রেষ্ঠ হতে পারে। আবার অন্যদিকে সর্বেশ্বরবাদ হতে পারে অধিকতর যৌক্তিক বিকল্প, কারণ এটি সত্তাতাত্ত্বিক যুক্তির সেই 'সর্বোত্তম মহান সত্তা'র ধারণার সাথে চমৎকারভাবে মিলে যায় এবং 'শূন্য থেকে সৃষ্টি'র মতো অপ্রমাণিত কোনো ধারণার ওপর নির্ভর করে না। এই দুইয়ের সংমিশ্রণে গড়ে ওঠা "[[প্যানডিজম]]" হতে পারে সম্ভাব্য সকল ঈশ্বর-তত্ত্বের মধ্যে সবচেয়ে যুক্তিযুক্ত ও শক্তিশালী ধারণা। ** '''''রাফায়েল লাটাস্টার''''', ''দেয়ার ওয়াজ নো জেসাস, দেয়ার ইজ নো গড: আ স্কলারলি এক্সামিনেশন অব দ্য সায়েন্টিফিক, হিস্টোরিক্যাল, অ্যান্ড ফিলোসফিক্যাল এভিডেন্স অ্যান্ড আর্গুমেন্টস ফর মনোহেইজম'', পৃষ্ঠা ১৬৫, ২০১৩। * চিন্তাবিদদের ওপরই ছেড়ে দেওয়া হোক—তাঁরা [[w:আস্তিক্যবাদ|আস্তিক]], [[w:সর্বেশ্বরবাদ|সর্বেশ্বরবাদী]], [[w:নাস্তিক্যবাদ|নাস্তিক]], [[w:ঈশ্বরবাদ|ঈশ্বরবাদী]] (এবং কেন প্যানডেইস্ট নয়?) যা-ই হতে চান না কেন। কিন্তু সাধারণ মানুষের কাছে ঈশ্বর কিংবা অমরত্ব নিয়ে কোনো প্রচারণা চালানো উচিত নয়। ** '''''মোরিৎজ লাজারাস''''' এবং '''''হেম্যান স্টাইনথাল''''', ''সাইটশ্রিফট ফুর ফোলকারপসাইকোলজি উন্ড স্প্রাখউইসেনশাফট'' (১৮৫৯), পৃ. ২৬২-৬৩। * কায়রো প্রতীয়মান রূপ এবং তথাকথিত "দার্শনিক চিন্তাভাবনা" যা তার আড়ালে খুঁজতে চায়, এই দুইয়ের মধ্যকার পার্থক্যটি এড়িয়ে চলেন। জিনিসগুলো যেমন দেখায়, তাঁর কাছে সেগুলো ঠিক তেমনই। তাঁর প্যান-ডিইজম মূলত [[w:অধিবিদ্যা|বস্তু-অধিবিদ্যার বা থিং-মেটাফিজিক্সের]] ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত, যা বিংশ শতাব্দীর আধুনিক কাব্যের ধারায় একটি নতুন ঘরানা তৈরি করেছিল। ** '''''ফন মার্টিন লুডকে''''', "আইন মডার্নার হুটার ডার ডিঙ্গে; ডি এন্টডেকুং ডার গ্রোসেন পর্তুগিজেন গেট ওয়েইটার: ফার্নান্দো পেসোয়া হাট ইন ডার পোয়েজি আলবার্তো কায়রোস সাইনেন মিস্টার গেসেহেন", ''ফ্রাঙ্কফুর্টার রুন্ডশাউ'' (১৮ আগস্ট ২০০৪)। * একবার কল্পনা করুন যে, আমরা প্রকৃতির সেই পরম ও সর্বজনীন নিয়মটির সন্ধান পেয়ে গিয়েছি যার অন্বেষণে আমরা নিরন্তর ছুটে চলেছি এবং শেষ পর্যন্ত অত্যন্ত গর্বের সাথে আমরা এটি নিশ্চিত করতে পারলাম যে এই মহাবিশ্ব ঠিক এভাবেই গঠিত এবং অন্য কোনোভাবে নয়। কিন্তু ঠিক সেই মুহূর্তেই একটি নতুন ও গভীরতর প্রশ্নের উদয় হবে। এই সুনির্দিষ্ট নিয়মের অন্তরালে আসলে কী লুকিয়ে আছে? কেন এই মহাবিশ্ব ঠিক এভাবেই সুসংগঠিত হলো, অন্য কোনো উপায়ে নয় কেন? এই 'কেন'-র উত্তর খুঁজতে গেলেই আমরা প্রাকৃতিক বিজ্ঞানের সুনির্দিষ্ট সীমা অতিক্রম করে ধর্মের রহস্যময় জগতে প্রবেশ করি! একজন বিশেষজ্ঞ হিসেবে একজন [[w:পদার্থবিজ্ঞানী|পদার্থবিদের]] উত্তর দেওয়া উচিত, "আমরা জানি না, এবং হয়তো আমরা কোনোদিনই তা জানতে পারব না।" অনেকে হয়তো বলবেন যে, ঈশ্বরই এই অমোঘ নিয়মটি নির্ধারণ করেছেন এবং এভাবেই তিনি মহাবিশ্ব সৃষ্টি করেছেন। তবে একজন প্যান্ডিস্ট হয়তো ভিন্নভাবে বলবেন যে, "প্রকৃতির এই সর্বজনীন ও সর্বব্যাপী নিয়মটিই হলো স্বয়ং ঈশ্বর!" ** সাওদ-অয়েস্ট ব্রডকাস্ট | SWR2 Aula - পাণ্ডুলিপি সেবা (একটি কথোপকথনের অনুলিপি) "গড প্লাস বিগ ব্যাং = এক্স: অ্যাস্ট্রোফিজিক্স অ্যান্ড ফেইথ (২)" আলোচক: প্রফেসর '''''হান্স কুং''''' এবং প্রফেসর '''''হারাল্ড লেশ''''', সম্পাদক: রালফ ক্যাসপারি, সম্প্রচারিত: ১৬ মে ২০১০, রবিবার। [http://swrmediathek.de/player.htm?show=73ab41a0-dac5-11df-950c-0026b975f2e6 ১৯৭০ সালের নোবেল বিজয়ী হানেস আলফভেনের উক্তিটি জ্যোতির্পদার্থবিদ হারাল্ড লেশ কর্তৃক উদ্ধৃত, ১:৩২ সেকেন্ডে]। * সময়ের সাথে সাথে ঈশ্বরবাদের বা ডিইজমের ছত্রছায়ায় আরও কিছু মতবাদ গড়ে উঠেছে। যার মধ্যে রয়েছে [[w:খ্রিস্টধর্মে_ঈশ্বর|খ্রিস্টীয় ঈশ্বরবাদ]], যা ডিইজমের মূলনীতির সাথে [[:w:যিশু|নাজারেথের যিশুর]] নৈতিক শিক্ষার সমন্বয় ঘটায়। এবং প্যানডিজম এমন একটি বিশ্বাস যা মনে করে ঈশ্বর স্বয়ং এই সমগ্র মহাবিশ্বে পরিণত হয়েছেন এবং পৃথক কোনো সত্তা হিসেবে তাঁর আর কোনো অস্তিত্ব নেই। ** ডগলাস ম্যাকগোয়ান, "[[:w:মাদার নেচার নেটওয়ার্ক|মাদার নেচার নেটওয়ার্ক]]", ২১ মে ২০১৫। * এখানে যাকে "ঐশ্বরিক আধ্যাত্মিকতা" হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, তা আসলে পদার্থের নিজস্ব স্ব-সংগঠিত হওয়ার সহজাত প্রবণতা ও ঝোঁক ছাড়া আর কিছুই নয়। মহাবিশ্বের প্রসারণ যখন তার সীমায় পৌঁছাবে এবং 'বিগ ক্রাঞ্চ' বা চূড়ান্ত সংকোচনের দশা শুরু হবে, তখন অবশ্যই এর "মৃত্যু" ঘটা সম্ভব। এভাবেই গাইয়া মহাবিশ্বের সমাপ্তি ঘটে। এখানে আমি অবশ্যই [[:w:হেরাক্লিটাস|হেরাক্লিটাস]], [[w:বৈরাগ্যদর্শন|স্টোইকবাদী বা '''বৈরাগ্যদর্শন''']], [[w:জর্দানো_ব্রুনো|ব্রুনো]], [[:w:ইয়োহান গটলিব ফিকটে|ফিকটে]], শেলিং, [[:w:ইয়োহান ভল্ফগাং ফন গ্যোটে|গ্যোটে]] এবং হেগেলের পক্ষ নেব। মন শাশ্বত, মনের মৃত্যু নেই, মনই হলো মহাবিশ্ব। প্যানডিস্টিক ঈশ্বর অনেকটা স্যামন মাছের মতো, যিনি বংশবিস্তার (বা সৃষ্টির) পর মৃত্যুবরণ করেন। তাঁরা [[w:ফ্রিডরিখ_নিচে|ফ্রিডরিখ নিচের]] পক্ষ নেন—ঈশ্বর মৃত, পার্থক্য শুধু এটুকুই যে, ফ্রিডরিখ নিচের কাছে কোনো 'ঈশ্বর' কখনোই ছিল না! ** '''''প্রফেসর র‍্যামন জি. মেন্ডোজা''''', ''হিস্ট্রি অফ আইডিয়াস: প্যানথেইজম'' (১৯৯৬)। * অলসনের মতে, কার্ল জ্যাসপার্সের 'সাইফার' বা সংকেত বিষয়ক ধারণাটি প্রতীক গঠনের ক্ষেত্রে ব্যক্তির অভিজ্ঞতা এবং সেই প্রতীক ব্যাখ্যার সাথে জড়িত সক্রিয়তার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করে। এটি খ্রিস্টীয় ধর্মতত্ত্বের চেয়ে ভিন্ন, যেখানে ধর্মীয় প্রতীকী দিক এবং ব্যক্তির ভূমিকার ওপর গুরুত্বের ভারসাম্যটি অন্যভাবে নির্ধারিত হয়। অলসনের অভিমত হলো প্যানডিজমের ভীতি অথবা বিশ্বাসকে স্রেফ বাহ্যিক উপায়ের স্তরে নামিয়ে আনার প্রবণতা শেষ পর্যন্ত এই উপায়গুলোকে নিছক ব্যক্তিনিষ্ঠ এবং পরিবর্তনশীল বৈধতা হিসেবে দেখার দিকে ঠেলে দিতে পারে। মূলত এই আশঙ্কার কারণেই ক্যাথলিক চার্চ ব্যক্তির ধর্মীয় অভিজ্ঞতার তুলনায় প্রতীকের নিজস্ব বস্তুনিষ্ঠ সত্যতার ওপর অধিকতর জোর প্রদান করেছিল। ** '''''রনি মিরন''''', ''কার্ল জ্যাসপার্স: ফ্রম সেলফহুড টু বিয়িং'' (রডোপি ২০১২), পৃষ্ঠা ২৪৯, ISBN 9042035315। * এই স্থানটি যেন এক অলৌকিক শক্তি নিংড়ে বের করে দিচ্ছে, মনে হচ্ছে আপনার চারপাশের প্রতিটি বস্তুর ভেতরে অগণিত আত্মার স্পন্দন বয়ে চলেছে। আমি জানি না এটি প্যানডিজম নাকি সর্বেশ্বরবাদের দর্শন, কিন্তু এই মুহূর্তের গভীর প্রশান্তিতে আমার তাতে খুব একটা কিছু আসে-যায় না। ** '''''পিটার মুর''''', ''ভালহাল্লা অ্যান্ড দ্য ফজর্ড: আ স্পিরিচুয়াল মোটরসাইকেল জার্নি'' (২০১৪), পৃষ্ঠা ১৯। * একটি ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি আমি বেশ আকর্ষণীয় বলে মনে করি, আর তা হলো প্যানডিজম। এই মতবাদ অনুযায়ী ঈশ্বর এককালে অস্তিত্বমান ছিলেন এবং তিনিই ছিলেন একমাত্র সত্তা, কিন্তু পরবর্তীতে তিনি নিজেকে এই মহাবিশ্বে রূপান্তরিত করেছেন এবং ফলে এখন আর তাঁর পৃথক কোনো অস্তিত্ব নেই। ঈশ্বরের এমনটি করার মূল কারণ ছিল মূলত আনন্দ লাভ করা অথবা কী ঘটে তা প্রত্যক্ষ করা। আর সম্ভবত কোনো এক সময়ে এই মহাবিশ্ব পুনরায় নিজেকে ঈশ্বরে রূপান্তরিত করবে, যা অনেকটা নির্বাণ বা স্বর্গের মতো হবে। কিন্তু পরিশেষে ঈশ্বর আবারও একঘেয়েমিতে আক্রান্ত হবেন এবং পুনরায় এই চক্রের সূচনা করবেন। আমার বোধগম্যতায়, এটি হিন্দু মহাজাগতিক দর্শনের কিছু অংশের সাথে বেশ সাদৃশ্যপূর্ণ। ** '''''হেড্ডা হ্যাসেল মর্চ''''', "[https://blogs.scientificamerican.com/cross-check/beyond-physicalism/ বিয়ন্ড ফিজিকালিজম: ফিলোসফার হেড্ডা হ্যাসেল মর্চ ডিফেন্ডস দ্য আইডিয়া দ্যাট কনশাসনেস পারভেডস দ্য কসমস]", [[:w:জন হোরগান|জন হোরগান]], ''সায়েন্টিফিক আমেরিকান'', ৯ ডিসেম্বর, ২০১৯। * সকল [[w:অদ্বৈতবাদ_(অদ্বৈত_চেতনা)|অদ্বৈতবাদীই]] যে সর্বেশ্বরবাদী হবেন, এমন কোনো কথা নেই। একান্ত অদ্বৈতবাদীরা বিশ্বাস করেন যে, মহাবিশ্ব বা সর্বেশ্বরবাদীদের সেই ঈশ্বরের আদতে কোনো অস্তিত্বই নেই। এর বাইরেও, অদ্বৈতবাদীরা [[w:প্রকৃতিবাদ_(দর্শন)|প্রকৃতিবাদী]], প্যান্ডিস্ট, ঈশ্বরবাদী অথবা পরমসর্বেশ্বরবাদী বা প্যানেনথেইস্ট হতে পারেন। যারা এমন কোনো এক একক ঈশ্বরে বিশ্বাস করেন যিনি সর্বশক্তিমান ও সর্বব্যাপী এই দুনিয়াতে এবং যিনি একই সাথে সৃষ্টির ঊর্ধ্বে তথা ট্রান্সেন্ডেন্ট এবং সৃষ্টির ভেতরে বা ইম্যানেন্ট হিসেবে বিরাজমান! ** '''''থেরেসা জে. মরিস''''', ''নোয়িং কসমোলজি: অ্যাসেনশন এজ'' (২০১৪), পৃষ্ঠা ৮৫। * '''Anacalypsis (অ্যানাক্যালিপসিস)''' গ্রন্থে উপস্থাপিত তত্ত্বটি হলো— একটি গোপন ধর্মীয় গোষ্ঠী, যাকে হিগিন্স 'প্যানডিজম' নামে অভিহিত করেছেন, তা প্রাচীনকাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত টিকে আছে; যা অন্তত [[:w:গ্রিস|গ্রিস]] থেকে [[:w:ভারত|ভারত]] পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল এবং সম্ভবত সমগ্র বিশ্বকেই একসময় আবৃত করেছিল। ** '''''সুজান ওলসন''''', ''জিসাস ইন কাশ্মীর: দ্য লস্ট টম্ব'' (২০১৯), পৃ. ৩৯২। * [[:w:দর্শনের ইতিহাস|দর্শনের]] পাইথাগোরীয় ঐতিহ্যের কেন্দ্রে এখানে 'Psyche' / সাইকি বা আত্মার অন্য একটি রূপ দেখা যায়। যা মাইলেসিয়ানদের উত্তরাধিকার হিসেবে প্রাপ্ত সর্বপ্রাণবাদ বা প্যান-ডিইজমের কাছে খুব সামান্যই ঋণী বলে মনে হয়। ** '''''প্রফেসর ফ্রান্সিস ই. পিটার্স''''', ''গ্রিক ফিলোসফিক্যাল টার্মস: এ হিস্টোরিক্যাল লেক্সিকন'' (১৯৬৭), পৃ. ১৬৯। * ওল্ড টেস্টামেন্টের কিছু নির্দিষ্ট অনুচ্ছেদে ব্যবিলনের ধারণাটি এই জগতের অহংকারী এবং ঈশ্বর-বিরোধী শক্তির একটি আদিপ্রতীক (আর্কিটাইপ) হিসেবে আবির্ভূত হয়। নিউ টেস্টামেন্টে এটি আরও স্পষ্টভাবে খ্রিস্টধর্ম এবং পৌত্তলিকতার (প্যাগানিজম) সমন্বয়ে গঠিত এক ধরণের প্যান-ডিইজম হিসেবে ফুটে ওঠে; যা পশুর পিঠে চড়ে থাকা মহিলার বর্ণনার মাধ্যমে প্রতীকিভাবে নির্দেশ করা হয়েছে। ** '''''চার্লস এফ. ফাইফার''''', '''''হাওয়ার্ড ফ্রেডেরিক ভস''''' এবং '''''জন রিম''''', ''দ্য ওয়াইক্লিফ বাইবেল এনসাইক্লোপিডিয়া'' (১৯৭৫), পৃষ্ঠা ১৯০। * ওটাভিও দে ফারিয়া অত্যন্ত সঙ্গত কারণেই কার্লোস নেজারের রচনার মাঝে এক ধরনের প্যানডিজমের উপস্থিতি নিয়ে আলোচনা করতে পারতেন। এটি কোনো সাধারণ সর্বেশ্বরবাদী কবিতা নয়, বরং প্রকৃত অর্থেই একটি পান্ডিস্ট কাব্য। আমি বলতে চাইছি, এটি এমন এক মহাজাগতিক সৃষ্টিতত্ত্ব এবং এক সর্বজনীন গীতিমালা, যা একই সাথে মানবসত্তা এবং পবিত্র আত্মার জয়গান গায়। তবে এখানে সেই পবিত্র স্বর্গীয় সত্তার উপস্থিতি মূলত মানুষেরই অস্তিত্বের অভ্যন্তরে নিহিত। ** '''''জিওভানি পন্টিয়েরো''''', ''কার্লোস নেজার, পোয়েটা ই পেনসাডোর'', ১৯৮৩, পৃষ্ঠা ৩৪৯। * অধিবিদ্যা বা মেটাফিজিক্স হলো প্রকৃতিবাদী (পান্ডিস্ট) ঘরানার একটি দর্শন, যা শেষ পর্যন্ত ভাববাদের (আইডিয়ালিজম) দিকে ধাবিত হয়ে নিজের মৌলিকত্ব হারায়। ** '''''কার্লোস উইসে পোর্টোকারেরো''''', ''সিস্টেমাস ফিলোসোফিকোস দে লা ইন্ডিয়া'' (ভারতের দার্শনিক পদ্ধতি), নভেম্বর ১৮৭৭, পঞ্চম খণ্ড। * ব্রুনো কল্পনা করতেন যে প্রতিটি গ্রহ এবং নক্ষত্রের নিজস্ব আত্মা রয়েছে (যা মূলত তাদের সবার একই 'গাঠনিক উপাদানের' অন্তর্গত হওয়ার ধারণার একটি অংশ) এবং তিনি তাঁর এই মহাজাগতিক তত্ত্বকে একটি প্রাণবাদী (অ্যানিমিস্ট) অথবা পান্ডিস্ট ধর্মতত্ত্বকে এগিয়ে নেওয়ার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছিলেন। ** '''''কোরি এস. পাওয়েল''''', "ডিফেন্ডিং জর্দানো ব্রুনো: আ রেসপন্স ফ্রম দ্য কো-রাইটার অব 'কসমস'", ডিসকভার, ১৩ মার্চ, ২০১৪। * বর্তমান সময়ের একটি অত্যন্ত বিভ্রান্তিকর ধর্মীয় ধারণা, যা মূলত অসচেতন এবং মুক্তি না পাওয়া মানুষদের লক্ষ্য করে প্রচারিত হচ্ছে, তা হলো— 'প্যানডিজম'। এই শব্দটি মূলত প্যানথেইজম (সর্বেশ্বরবাদ) এবং ঈশ্বরবাদের সমন্বয়ে গঠিত। প্যানথেইজম প্রচার করে যে ঈশ্বর সবকিছুর মধ্যেই বিরাজমান। আর ডিইজম বা ঈশ্বরবাদ বলতে বোঝায় যে, ঈশ্বর কোনোভাবে তাঁর সৃষ্টির সাথে আর জড়িত নন। এই ভ্রান্ত ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গির কারণেই অনেকে বিশ্বাস করতে শুরু করেছেন যে— মহাবিশ্বের স্রষ্টা ঈশ্বরের আর কোনো পৃথক অস্তিত্ব নেই, কারণ তিনি নিজেই মহাবিশ্বে পরিণত হয়েছেন এবং এখন তিনি নিজেই এই মহাবিশ্ব। অনেক মুক্তিহীন মানুষই এখন মনে করেন যে, এই মহাবিশ্বই মানুষের ব্যাপারে সমস্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। ** '''''ব্রেন্ট প্রাইস, ডি.মিন.''''', ''বি প্রিপেয়ার্ড ইভানজেলিজম: দ্য পার্সোনাল ইভানজেলিজম গেম চেঞ্জার'' (২০২২), পৃষ্ঠা ১৩৭। * রাজনৈতিক ধর্মতত্ত্বের মৌলিক প্রশ্নগুলো হলোঃ হেগেলীয় ধারার যেকোনো ধর্মতাত্ত্বিক ইমানেন্টিজম (অন্তর্নিহিত সত্তাবাদ) এবং প্যানডিজমের বিরুদ্ধে বিতর্ক। রাজনৈতিক বহুত্ববাদের সমার্থক হিসেবে পলিডিজম বা বহু-ঈশ্বরবাদের বিরুদ্ধে বিতর্ক এবং প্রতিটি নিরীশ্বরবাদসহ এর আধুনিক রূপ বস্তুবাদ ও সায়েন্টিজম বা বিজ্ঞানবাদের বিরুদ্ধে বিতর্ক। ** '''''ইউজেন পুসিচ''''', ''ফ্রানকুস্কা রেভোলুসিজা - লজুডস্কা প্রাভা ই পলিটিকা ডেমোক্রাসিজা'', পৃষ্ঠা ২৭০ (১৯৯১)। * কিন্তু সেই দুঃস্বপ্নটি যদি সত্যের কোনো অলীক দর্শনও হয়ে থাকে, তবুও মিস্টার মন্ড ঈশ্বরে বিশ্বাস রাখতে পারেন। কারণ তিনি দাবি করেন যে ঈশ্বরই একসময় এই মহাবিশ্বে রূপান্তরিত হয়েছেন। অতএব, এই মহাবিশ্বই হলো ঈশ্বর।<br>না। মহাবিশ্বে রূপান্তরিত হওয়ার মাধ্যমে ঈশ্বর প্রকৃতপক্ষে তাঁর রাজকীয় ক্ষমতা বিসর্জন দিয়েছেন। ঈশ্বর হিসেবে তিনি নিজেকেই নিজে বিনাশ করেছেন। তিনি পূর্বে যা ছিলেন অর্থাৎ তাঁর সেই প্রকৃত সত্তা, তাকে তিনি শূন্যতায় পর্যবসিত করেছেন এবং এর ফলে তাঁর নিজের সাথে সংশ্লিষ্ট সমস্ত ঈশ্বরীয় গুণাবলি চিরতরে হারিয়েছেন। যে মহাবিশ্বে তিনি আজ পরিণত হয়েছেন, তা একই সাথে তাঁর সমাধি হিসেবেও গণ্য। এই মহাবিশ্বের অভ্যন্তরে বা এর ওপর তাঁর এখন আর কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। ঈশ্বর হিসেবে সেই 'ঈশ্বর' আজ মৃত। ** '''''সাইমন রেভেন''''', ''দ্য সারভাইভারস (রেভেনের উপন্যাস)'', ১৯৭৬, পৃষ্ঠা ৯০। * এই সহাবস্থানের প্রকৃত তাৎপর্য তখনই স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয়, যখন কেউ সেই আমূল 'প্যান-সাইক' বা সর্ব-মনস্তাত্ত্বিক অবস্থানটি বিবেচনা করেন। যেখানে মনে করা হয় যে জড় পদার্থের প্রতিটি কণার একটি 'মনস্তাত্ত্বিক' গুণ রয়েছে। অথবা সেই পান্ডিস্ট অবস্থানটি গুরুত্ব পায় যেখানে কোনো এক 'পরম চেতনা' জগতের সমস্ত জড় পদার্থের সাথে নিরন্তর মিথস্ক্রিয়া চালিয়ে যাচ্ছে। ** '''''মাইকেল পি. রেমলার''''', ''দ্য মেকানিজম, মেটাফিজিক্স, অ্যান্ড হিস্ট্রি অব কনশাসনেস ইন দ্য ওয়ার্ল্ড'', ২০২০, পৃষ্ঠা ৫০। * প্যানডিজমের যুক্তিকাঠামো অনুযায়ী, এক সর্বশক্তিমান এবং পরম দয়ালু ঈশ্বর এই মহাবিশ্ব সৃষ্টি করেন এবং সেই সৃষ্টিপ্রক্রিয়ার মাঝেই তিনি নিজেই মহাবিশ্বে রূপান্তরিত হন। আর এর ফলে মানুষের জাগতিক বিষয়াবলীতে হস্তক্ষেপ করার যাবতীয় ক্ষমতা তিনি চিরতরে হারিয়ে ফেলেন। ** '''''সাল রেস্টিভো''''', ''সোসাইটি অ্যান্ড দ্য ডেথ অব গড'', ২০২১, পৃষ্ঠা ১২৩। * "পোপ পলের অবস্থান প্রায় একটি প্যান-ডিইজমের কাছাকাছি চলে এসেছিল। আর এই প্যান-ডিইজম হলো গ্রিক চিন্তাধারার ভাইরাসের এক যৌক্তিক পরিণতি।" ** '''''রৌসাস জন রাশদুনি''''', ''দ্য ওয়ান অ্যান্ড দ্য মেনি: স্টাডিজ ইন দ্য ফিলোসফি অফ অর্ডার অ্যান্ড আলটিমেসি'' (১৯৭১), অধ্যায় ৮-৭, পৃ. ১৪২। * "কিন্তু একজন একনিষ্ঠ আদর্শবাদী, যিনি বিশ্বাসে অন্তর্নিহিতভাবে একজন প্যান-ডেইস্ট এবং পৃথিবী ও সময়ের সমস্যাগুলো নিয়ে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। তিনি একজন গিবেলাইন পোপ হতে পারেন। আর শেষ পর্যন্ত দান্তের সেই গিবেলাইনরাই জয়ী হয়েছে!" ** '''''রৌসাস জন রাশদুনি''''', ''দ্য ওয়ান অ্যান্ড দ্য মেনি: স্টাডিজ ইন দ্য ফিলোসফি অফ অর্ডার অ্যান্ড আলটিমেসি'' (১৯৭১), অধ্যায় ৮-৭, পৃ. ১৪৩। * মহাবিশ্ব কেবল ঈশ্বরই নয়, বরং একজন ব্যক্তিও এমন মতবাদকে বলা হয় "প্যানডিজম"। আপনি কি [[:w:উইলিয়াম জেমস|উইলিয়াম জেমসের]] সাথে একমত যে, মহাবিশ্বকে একজন ব্যক্তি হিসেবে দেখা আপনার জীবনকে অর্থবহ করে তুলতে সাহায্য করবে? ** '''''থিওডোর শিক''''' এবং '''''লুইস ভন''''', ''ডুইং ফিলোসফি: অ্যান ইন্ট্রোডাকশন থ্রু থট এক্সপেরিমেন্টস'', ৫ম সংস্করণ (২০১৩), পৃ. ৫০৬। * জুবাল—এই উপাসক গোষ্ঠী এবং আমলাতন্ত্রে ঠাসা পৃথিবীতে একজন একনিষ্ঠ ও প্রচণ্ড ব্যক্তিবাদী চরিত্র। উপন্যাসের সমাপ্তিলগ্নে দেখা যায় যে, জিল কিংবা মাইক নয়, বরং তিনিই সেই ব্যক্তি যিনি আজও এক 'অচেনা আগন্তুক' হয়ে অবাস্তব সব লক্ষ্য বা ছায়ার সাথে লড়াই করে চলেছেন। তিনি তাঁর নিজস্ব স্বাধীন ইচ্ছাশক্তিতে মনেপ্রাণে বিশ্বাস করেন, যা মাইক, জিল এবং ফস্টারপন্থীরা একটি পান্ডিস্ট আকাঙ্ক্ষা বা 'তুমিই ঈশ্বর!' এই বাণীর দ্বারা ভুলভাবে ব্যাখ্যা করেন। অন্যদিকে মাইক, মানবীয় বিশ্বাসের সাথে তাঁর মার্সিয়ান বা মঙ্গলগ্রহীয় বিশ্বাসের এক সমন্বয় খুঁজে পাওয়ার দাবি করলেও, শেষ পর্যন্ত অত্যন্ত সহজেই নিজের পুরনো বিশ্বাসগুলো ত্যাগ করে মানুষের বিশ্বাসকেই আপন করে নেন। ** '''''ড্যান স্নাইডার''''', ''[[:w:রবার্ট এ. হাইনলেইন|রবার্ট এ. হাইনলেইনের]] [[:w:স্ট্রেঞ্জার ইন আ স্ট্রেঞ্জ ল্যান্ড|স্ট্রেঞ্জার ইন আ স্ট্রেঞ্জ ল্যান্ড]] (দ্য আনকাট ভার্সন) এর পর্যালোচনা'' (২৯ জুলাই ২০০৫) [http://www.hackwriters.com/strangerH.htm]। * নৈতিকতা সম্পর্কে প্রাচ্যের দৃষ্টিভঙ্গি মূলত বাস্তবতার এক মৌলিক ও সম্পূর্ণ ভিন্ন ধারণা থেকে উৎসারিত হয়েছে। আমরা যারা পাশ্চাত্যবাসী, তারা মহাবিশ্বকে ঈশ্বরের একটি 'সৃষ্টি' হিসেবে গণ্য করি। যা অনেকটা কোনো আবিষ্কার বা পণ্যের মতো। মহাবিশ্ব সৃষ্টি করার পর, ঈশ্বর নিজেকে এর তদারকি ও ব্যবস্থাপনার কাজে নিয়োজিত করেছেন। আমরা ঈশ্বরকে আমাদের 'অভিভাবক' বা 'মনিব' হিসেবে দেখি। তিনি মহাবিশ্ব সৃষ্টি করেছেন, তিনি এখানে উপস্থিত আছেন, তিনি এর প্রতিটি অংশ পরিচালনা করেন, কিন্তু তাসত্ত্বেও তিনি এর থেকে সম্পূর্ণ পৃথক। এটি অনেকটা এমন যে, তিনি পুরো মহাবিশ্বে ভিডিও ক্যামেরা স্থাপন করেছেন, যাতে তিনি যা কিছু ঘটছে সব দেখতে পান এবং নিজের ইচ্ছামতো যেকোনো ঘটনা ঘটাতে পারেন। কিন্তু নিজে সেই ঘটনার অংশ নন। তবে প্রাচ্যের দৃষ্টিভঙ্গি একেবারেই আলাদা। উদাহরণস্বরূপঃ একজন হিন্দুর কাছে ঈশ্বর মহাবিশ্ব 'সৃষ্টি' করেননি, বরং ঈশ্বর নিজেই মহাবিশ্বে 'রূপান্তরিত' হয়েছেন। এরপর তিনি ভুলে গিয়েছেন যে তিনি নিজেই এই মহাবিশ্ব হয়ে উঠেছেন। ঈশ্বর কেন এমনটি করবেন? মূলত আনন্দ এবং বিনোদনের জন্য! আপনি একটি মহাবিশ্ব তৈরি করলেন, যা নিজেই অত্যন্ত রোমাঞ্চকর এক ব্যাপার। কিন্তু তারপর কী? আপনি কি স্রেফ হাত গুটিয়ে বসে থেকে আপনার সৃষ্টি করা মহাবিশ্বকে মজা করতে দেখবেন? নাকি আপনি নিজেই সেই সমস্ত আনন্দ উপভোগ করতে চাইবেন। আর এটি অর্জনের জন্যই ঈশ্বর স্বয়ং সমগ্র মহাবিশ্বে রূপান্তরিত হয়েছেন। ঈশ্বরই হলেন এই মহাবিশ্ব এবং এর অন্তর্গত প্রতিটি অণু-পরমাণু। কিন্তু মহাবিশ্ব এই সত্যটি জানে না, কারণ তা জানলে এই নাটকের রহস্য ও উত্তেজনা নষ্ট হয়ে যাবে। এই মহাবিশ্ব হলো ঈশ্বরের এক মহাকাব্যিক নাটক, যেখানে ঈশ্বর নিজেই একাধারে মঞ্চ, অভিনেতা এবং দর্শক! এই মহাকাব্যিক নাটকের শিরোনাম হলো—"'''পরম অজানা পরিণতি"'''। এখানে আবেগ, প্রেম, ঘৃণা, ভালো-মন্দ এবং স্বাধীন ইচ্ছার মতো শক্তিশালী উপাদানগুলো যোগ করে দিন। তারপর দেখুন কী ঘটে! কেউই জানে না কী হবে, আর এই অনিশ্চয়তাই মহাবিশ্বকে প্রাণবন্ত ও আকর্ষণীয় করে রাখে। তবে পরিশেষে প্রত্যেকেই এক চমৎকার সময় অতিবাহিত করবে। এখানে প্রকৃতপক্ষে কোনো ভয় বা বিপদের অবকাশ নেই, কারণ প্রতিটি সত্তাই মূলত ঈশ্বর। আর ঈশ্বর আসলে স্রেফ খেলে যাচ্ছেন। ** '''''ওয়ারেন বি. শার্প''''', ''ফিলোসফি ফর দ্য সিরিয়াস হেরেটিক: দ্য লিমিটেশনস অব বিলিফ অ্যান্ড দ্য ডেরিভেশন অব ন্যাচারাল মোরাল প্রিন্সিপলস'' (২০০২), পৃষ্ঠা ৩৯৬ {{ISBN|0595215963}}। * এটি নিশ্চিত যে, এই ধারণাটি বিশ্বের দুই-তৃতীয়াংশের বেশি মানুষের ধর্মের অন্যতম মৌলিক নৈতিক ভিত্তি তৈরি করে। যেখানে প্রতিটি ধর্মের বিশেষ স্বভাবের দ্বারা এটি প্রভাবিত। যেমন খ্রিস্টধর্মে এক অতিমানবীয় [[:w:আদর্শবাদ|আদর্শবাদ]], বৌদ্ধধর্মে এক মানব-বিরোধী [[:w:শূন্যবাদ|নিহিলিজম]] বা শূন্যবাদ, এবং ভারতের ক্রমবর্ধমান [[w:ব্রাহ্মধর্ম|ব্রাহ্মধর্মে]] এক উদীয়মান অথচ সারগ্রাহী প্যানডিজম। আর যারা সর্বজনীন ভ্রাতৃত্বের এই আদর্শিক নীতি স্বীকার করেন, তাদের সাথে গ্রিক-রোমান এবং আধুনিক যুগের সেই নান্দনিক বৈজ্ঞানিক [[:w:প্রকৃতিবাদ|প্রকৃতিবাদকে]] যুক্ত করা প্রয়োজন যা মূলত সমগ্র ইউরোপীয় জনশিক্ষাকে অনুপ্রাণিত করে। আর যার বিরুদ্ধে পোপ দ্বিতীয় পল থেকে শুরু করে জোসেফ ডি মেস্ট্রের মতো গোঁড়া খ্রিস্টানরা সর্বদা অত্যন্ত যৌক্তিকভাবে প্রতিবাদ করে এসেছেন। ** '''''[[:w:গুস্তাভো উজিয়েলি|গুস্তাভো উজিয়েলি]]''''', ''রিচেরচে ইন্তোর্নো আ লিওনার্দো দা ভিঞ্চি'' (১৮৯৬), পৃষ্ঠা ৩৫। * '''在《撒忧的龙船河》里的撒忧文化, "撒忧"又叫"撒阳"、"撒野"、"撒尔嗬" ,就是生长在泛自然神论文化下的生殖崇拜符号, 撒野现象就是指土家情歌中那些强烈的生命冲动和人性张扬中所表现出来的野性美。''' ** "স্প্রেডিং ওরি অন দ্য ড্রাগন বোট রিভার" এ বর্ণিত 'S'''an Yu'''<nowiki/>' (যাকে san yang, san ye অথবা san er hu নামেও ডাকা হয়) বলতে মূলত প্যানডিজম বা সর্ব-প্রকৃতিবাদী সংস্কৃতির বলয়ে গড়ে ওঠা প্রজনন উপাসনাকে বোঝানো হয়েছে। যা মূলত গ্রাম্য জনপদগুলোর সেই রোমান্টিক প্রেমগীতিগুলোতে ফুটে ওঠা প্রাণের তীব্র স্পন্দন, গভীর মানবিকতা এবং আদিম বন্য সৌন্দর্যের এক বলিষ্ঠ বহিঃপ্রকাশ। *** '''''ওয়াং জুনকাং''''' (Wang Junkang), 叶梅研究专集 ''Ye Mei Special Collection'' (2007), পৃষ্ঠা ১৭৭। * '''在叶梅的早期小说里那种泛自然神论的浪漫精神随处可见,其目的是在张扬人性, 张扬泛自然神论下人性的自由'''。 ** ইয়ে মেই-এর প্রাথমিক পর্যায়ের উপন্যাসগুলোতে প্যানডিজমের সেই রোমান্টিক আধ্যাত্মিকতা বা জীবনবোধ প্রতিটি পাতায় লক্ষ্য করা যায়; যার প্রধান লক্ষ্যই ছিল মানবিকতার জয়গান গাওয়া এবং প্যানডিজমের সেই উদার দর্শনের অধীনে মানুষের ব্যক্তিগত ও চারিত্রিক স্বাধীনতার সপক্ষে এক জোরালো আহ্বান জানানো। ** '''''ওয়াং জুনকাং''''' (Wang Junkang), 叶梅研究专集 ''Ye Mei Special Collection'' (2007), পৃষ্ঠা ১৮৮। ** যিশু খ্রিস্ট এবং পবিত্র আত্মার প্রতি ঐকান্তিক মনোযোগ আমাদের সর্বেশ্বরবাদ (প্যানথেইজম), প্যানডিজম এবং বিবর্তনশীল ধর্মতত্ত্ব বা প্রসেস থিওলজির মতো মতবাদগুলোর প্রভাব থেকে মুক্তি প্রদান করে এবং এক গভীর আধ্যাত্মিক স্তরে নিয়ে যায়। ** '''''গ্রাহাম ওয়ার্ড''''', ''হাউ দ্য লাইট গেটস ইন: এথিক্যাল লাইফ ১'', পৃষ্ঠা ৩১৩, ২০১৬। * ঈশ্বর এই জগতকে সৃষ্টি করেননি, বরং তিনি নিজেই এই জগত বা মহাবিশ্বে রূপান্তরিত হয়েছেন। ঈশ্বর এই জগতের রূপ পরিগ্রহ করেছেন মূলত এক শাশ্বত এবং অসীম লক্ষ্যকে বস্তুগত আকারে উপলব্ধি করার জন্য। আর এই অবিনশ্বর ও অনন্ত উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের তাগিদেই তিনি স্বয়ং এই বিশ্ব চরাচরে পরিণত হয়েছেন। এখন একটি বিষয় বিশেষভাবে লক্ষণীয়—এই মহাবিশ্বে রূপান্তরিত হওয়ার জন্য ঈশ্বরকে প্রথমে একটি আদি ও মৌলিক ধারণার কথা চিন্তা করতে হয়েছিল। ফলস্বরূপ, এই ভাব বা ধারণাটি জগতের আবির্ভাবের পূর্বেই বিদ্যমান ছিল। একেই মূলত কার্য এবং কারণের মধ্যকার সম্পর্ক হিসেবে গণ্য করা হয়। এখানে 'কারণ' বা স্রষ্টাকে মনে করা হয় কার্যের পূর্ববর্তী এবং স্বাধীন একটি সত্তা; অন্যদিকে 'কার্য' বা এই জগতকে মনে করা হয় কারণের পরবর্তী এবং তার ওপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল একটি রূপান্তর। ** রাব্বি '''''[[:w:হ্যারি ওয়াটন|হ্যারি ওয়াটন]]''''', ''এ ট্রু মোনিস্টিক ফিলোসফি: কমপ্রিহেন্ডিং দ্য অ্যাবসোলিউট, গড, এক্সিস্টেন্স, ম্যান, সোসাইটি অ্যান্ড হিস্ট্রি'' (১৯৪৭), পৃষ্ঠা ২৩২। ASIN: B0006ARGQ0। * '''''Wenn auch nur durch einen Buchstaben (d statt th), unter­scheiden wir grundsätzlich Pandeismus vom Pantheismus.''''' ** যদিও পার্থক্যটি কেবল একটিমাত্র বর্ণের (অর্থাৎ ''''th'''<nowiki/>' এর স্থলে ''''d'''<nowiki/>'), তবুও আমরা প্যানডিজমকে সর্বেশ্বরবাদ বা প্যানথেইজম থেকে মৌলিকভাবে পৃথক বলে গণ্য করি। এটি কেবল ব্যাকরণগত কোনো পরিবর্তন নয়, বরং দর্শনের এক গভীরতর স্তরের ভিন্নতা প্রকাশ করে। ** '''''ম্যাক্স বার্নহার্ড ওয়াইনস্টেইন''''', ''ওয়েল্ট- উন্ড লেবেনসানশাউউঙেন, হারভোরগেগাঙেন আউস রিলিজিয়ন, ফিলোসফি উন্ড নাটুর এরকেন্টনিস'' ("ধর্ম, দর্শন এবং প্রকৃতিজ্ঞান থেকে উদ্ভূত বিশ্ব ও জীবনদর্শন") (১৯১০), পৃষ্ঠা ২২৭। * '''''Wir werden später sehen, daß die Indier auch den Pandeismus gelehrt haben. Der letzte Zustand besteht in dieser Lehre im Eingehen in die betreffende Gottheit, Brahma oder Wischnu. So sagt in der Bhagavad-Gîtâ Krishna-Wischnu, nach vielen Lehren über ein vollkommenes Dasein.''''' ** আমরা পরবর্তীতে এটি প্রত্যক্ষ করব যে, ভারতবর্ষের মানুষও প্যানডিজমের শিক্ষা প্রচার করেছিলেন। এই মতবাদ অনুযায়ী সৃষ্টির চূড়ান্ত অবস্থা বা পরিণতি হলো সংশ্লিষ্ট দেবতা, তা সে ব্রহ্মা হোক কিংবা বিষ্ণু। তাঁর সত্তার অভ্যন্তরে পুনরায় প্রবেশ করা বা লীন হওয়া। ভগবদ্গীতায় শ্রীকৃষ্ণ-বিষ্ণুও এক পরিপূর্ণ অস্তিত্ব সম্পর্কে বহুমুখী শিক্ষার পর ঠিক এই সত্যটিই ব্যক্ত করেছেন। ** '''''ম্যাক্স বার্নহার্ড ওয়াইনস্টেইন''''', ''ওয়েল্ট- উন্ড লেবেনসানশাউউঙেন, হারভোরগেগাঙেন আউস রিলিজিয়ন, ফিলোসফি উন্ড নাটুর এরকেন্টনিস'' ("ধর্ম, দর্শন এবং প্রকৃতিজ্ঞান থেকে উদ্ভূত বিশ্ব ও জীবনদর্শন"), পৃষ্ঠা ২১৩, ১৯১০। * '''在在这里,人与天是平等和谐的,这就是说,它是泛自然神论或是无神论的,这是中国人文思想的一大特色。''' ** এখানে মানুষ এবং দৈব সত্তার মধ্যে এক অপূর্ব সাম্য ও সম্প্রীতি বিদ্যমান, যেখানে তারা একে অপরের সমকক্ষ। অর্থাৎ সহজ কথায় বলতে গেলে, এটি হয় প্যানডিজম অথবা [[w:নাস্তিক্যবাদ|নাস্তিক্যবাদের]] এক অনন্য প্রতিফলন। যা প্রকৃতপক্ষে চীনা দার্শনিক চিন্তাধারার অন্যতম একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য হিসেবে স্বীকৃত। *** '''''ওয়েন চি''''' , 'লেকচারস অ্যাট পেকিং ইউনিভার্সিটি: থিংকিং অব অরা' (২০০২), পৃষ্ঠা ১২১। * জন্ম—সে তো ঘুমন্ত, কিছুই নয় বিস্মৃতি ছাড়া—<br>যে জীবনে হয় আত্মিক জাগরণ, সে তো শুধুই জৈবিক ধ্রুবতারা!<br>ভীন-প্রানীতে ছিল হয়তো তার আদি-আধার, হয়তো ছিল অঞ্জান গহীন জায়গার।<br>তবুও সে পূর্ণ বিস্মৃতির অতলে নয়,<br>অসীম শূন্যতার মাঝেও নয়,<br>মহিমার জ্যোতিকে করেছি সঙ্গী, করেছি আপনা-আলোকায়ন!<br>সেই পরম সত্তা থেকেই, যিনি চির নিত্য-আবাসন।<br>স্বর্গ যেন ছেলেবেলাকে আগলে রাখে—চির আবরণ!... ** '''''[[:w:উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ|উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ]]''''', ''[[:w:ওড: ইনটিমেশনস অফ ইমমর্টালিটি|ওড: ইনটিমেশনস অফ ইমমর্টালিটি ফ্রম রিকালেকশনস অফ আরলি চাইল্ডহুড]]'' (১৮০৭), স্তবক ৫, ''বাংলায় রুপান্তরঃ'' '''মাহমুদ''' । * ''Als Gesamtcharakteristik wählte H. sich die Bezeichnung eines neo-transzendentalen Subsistenz-Relationismus bzw. mehr inhaltlich: eines Hen-Pan-Deismus (nicht: -theismus); geschichtsphilosophisch schließt dies Atheismus, naturphilosophisch einen Quasi-Pantheismus - das Absolute als definitiver Prinzipiationsgrenzwert unter Gültigkeitsrücksichten - ein.'' ** এইচ. হারল্ড হয তাঁর দর্শনের যে মৌলিক ভিত্তিটি স্থাপন করেছেন, তাকে তিনি একটি অনন্য চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন '''<nowiki/>'নিও-ট্রান্সেন্ডেন্টাল সাবসিস্টেন্স রিলেশনিজম'<nowiki/>'''। আরও গভীর ও সারবস্তুগতভাবে বিশ্লেষণ করলে এর মূল নির্যাসটি দাঁড়ায় একটি সূক্ষ্ম '''<nowiki/>'হেন-প্যান-ডিইজম'<nowiki/>''' হিসেবে, যা প্রচলিত 'প্যান-থেইজম' বা সর্বেশ্বরবাদ থেকে সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র ও বিযুক্ত। ইতিহাসের দর্শনে এই মতবাদটি যথেষ্ট উদার, যা প্রয়োজনে নাস্তিক্যবাদ বা নিরীশ্বরবাদের যৌক্তিক উপাদানগুলোকেও নিজের ভেতরে ধারণ করতে সক্ষম। অন্যদিকে, যখন এটি প্রকৃতি-দর্শনের আলোকে ব্যাখ্যা করা হয়, তখন তা এক প্রকার '''Quasi-Pantheism''' বা '''<nowiki/>'কোয়াসি-প্যানথেইজম'''' বা আধা-সর্বেশ্বরবাদ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। এখানে 'পরম সত্তা' বা 'অ্যাবসলিউট' কে কেবল একটি বিমূর্ত ধারণা হিসেবে নয়, বরং যৌক্তিক বৈধতার নিরিখে একটি সুনির্দিষ্ট মূল নীতিগত সীমাবদ্ধতা কিংবা একটি অবিনশ্বর গাণিতিক ধ্রুবক হিসেবে বিবেচনা করা হয়, যা মহাবিশ্বের অস্তিত্বের মূল ছন্দ নিয়ন্ত্রণ করে। ** '''''কুর্ট ওয়াল্টার জেইডলার''''', [http://phaidon.philo.at/asp/hholz.htm আর্কাইভ ফ্যুর সিস্টেমেটিশ ফিলোসফি - হারাল্ড হোলজ] (২০০৩)। * '''泛自然神论的浪漫精神三峡文化的艺术原素是一种独特的理想浪漫精神,是纯朴粗犷、绚丽诡竒的。''' ** এটি মূলত সেই গভীর রোমান্টিক নির্যাস এবং উচ্চমার্গীয় আধ্যাত্মিক চেতনার এক অনন্য কাব্যিক উপস্থাপনা, যেখানে '''প্যানডিজম''' বা সর্ব-প্রকৃতিবাদের মূল দর্শনটি মূর্ত হয়ে ওঠে। এখানে স্রষ্টা এবং সৃষ্টিকে আলাদা করে দেখা হয় না, বরং মনে করা হয় প্রকৃতির প্রতিটি ধূলিকণায় এবং অরণ্যের গহীন নিস্তব্ধতায় সেই পরম সত্তাই বিলীন হয়ে আছে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এই রূপটি মোটেও কৃত্রিম নয়; বরং তা রুক্ষ সরলতার এক নিবিড় ও অবিচ্ছেদ্য সংমিশ্রণের মাধ্যমে গড়ে ওঠে, যা মানুষের আত্মাকে এক অদ্ভুত প্রশান্তি দান করে। এই সৌন্দর্য যেমন আড়ম্বরহীন ও অকৃত্রিম, ঠিক তেমনি এটি এক গভীর এবং বৈচিত্র্যময় রহস্যময়তায় ঘেরা—যা লৌকিক জগতের উর্ধ্বে গিয়ে এক অলৌকিক অনুভূতির জন্ম দেয়। এটি যেন এক শান্ত অথচ শক্তিশালী আহ্বান, যেখানে প্রকৃতির অনাড়ম্বর রুক্ষতা আর আধ্যাত্মিক রহস্য মিলেমিশে একাকার হয়ে একটি অখণ্ড সত্যের প্রকাশ ঘটায়। *** '''''ঝাং দাও কুই''''' (Zhang Dao Kui), 文化研究 ''কালচারাল স্টাডিজ'', ইস্যু ১-১২ (২০০১), পৃষ্ঠা ৬৫। * প্যানডিজম হলো সর্বেশ্বরবাদেরই বা '''Pantheism''' এর এমন একটি বিশেষ রূপান্তর যা নিজের ভেতর প্রকৃতিবাদের একটি সুনির্দিষ্ট কাঠামোকে ধারণ করে। এই মতবাদটি এই বিশ্বাস পোষণ করে যে, বর্তমান মহাবিশ্ব এবং ঈশ্বর প্রকৃতপক্ষে এক ও অভিন্ন সত্তা। তবে একই সাথে এই দর্শন এটিও জোরালোভাবে দাবি করে যে, এই দৃশ্যমান জগৎ রূপ পরিগ্রহ করার পূর্বে ঈশ্বর কেবল একটি বিমূর্ত ধারণা ছিলেন না। বরং তিনি ছিলেন এক পরম সচেতন, সংবেদনশীল এবং অসীম বুদ্ধিমান এক মহাশক্তি। তিনি সেই আদি ও অনাদি সত্তা, যিনি অত্যন্ত নিপুণ কারিগরি এবং সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার মাধ্যমে এই মহাবিশ্বের প্রতিটি কণা ও নক্ষত্ররাজির সূক্ষ্ম নকশা প্রণয়ন করেছিলেন। তাঁর সেই বুদ্ধিদীপ্ত সৃজনশীলতার মাধ্যমেই বিশৃঙ্খল মহাশূন্য এক সুশৃঙ্খল ও প্রাণবন্ত মহাবিশ্বে রূপান্তরিত হয়েছে, যা তাঁর অস্তিত্বের মহিমা ও নিপুণ শিল্পবোধেরই এক জীবন্ত প্রতিফলন। অর্থাৎ, সৃষ্টির আদিতে তিনি ছিলেন এক স্বতন্ত্র স্থপতি, যিনি পরবর্তীতে নিজ সৃষ্টির মাঝেই নিজেকে বিলীন করে দিয়েছেন। ** '''''রোনাল্ড আর. জলিঞ্জার''''', ''মেয়ার মরমনজম: ডিফেন্স অব মরমন থিওলজি'', পৃষ্ঠা ৬, ২০১০। == বহিঃ সংযোগ == {{wikipedia|Pandeism|প্যানডিজম (ইংরেজি উইকিপিডিয়া)}} {{wiktionary|pandeism|প্যানডিজম (উইকশনারি)}} [[বিষয়শ্রেণী:দর্শন]] [[বিষয়শ্রেণী:ধর্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:প্যানডিজম]] [[বিষয়শ্রেণী:প্রকৃতিবাদ]] [[বিষয়শ্রেণী:সর্বেশ্বরবাদ]] 7iwrzeu5v67usnqsd3ncgmp0lmfzyxj 79864 79849 2026-04-23T01:06:47Z Oindrojalik Watch 4169 79864 wikitext text/x-wiki [[File:Eagle nebula pillars complete.jpg|thumb|আমরা হলাম '''''[[:w:ঈশ্বর|ঈশ্বরের]]'''''-ই একটি অবশিষ্টাংশ। ~ '''''[[:w:স্কট অ্যাডামস|স্কট অ্যাডামস]]''''' ]] [[File:Planetary nebula & white dwarf formation.gif|thumb|"প্যানডিজম" শব্দটি ব্যবহার করেন এটা জোর দেওয়ার জন্য যে—প্রকৃতিবাদীদের মতো তারাও বিশ্বাস করেন যে ঈশ্বর কোনো ব্যক্তিসত্তা নন যিনি উপাসনা পাওয়ার ইচ্ছা পোষণ করেন। ~ '''''জন আর্মস্ট্রং''''']]'''[[:w:প্যানডিজম|প্যানডিজম]]''' (বা '''প্যান-ডিইজম''') হলো একটি ধর্মতাত্ত্বিক মতবাদ যা [[:w:সর্বেশ্বরবাদ|সর্বেশ্বরবাদ]] এবং [[w:প্রকৃতিবাদ_(দর্শন)|প্রকৃতিবাদের]] (ডিইজম) এক অনন্য সমন্বয়। এই মতবাদ অনুসারে, মহাবিশ্বের স্রষ্টা প্রকৃতপক্ষে নিজেই মহাবিশ্বে রূপান্তরিত হয়েছেন, এবং এর ফলে একটি পৃথক ও সচেতন সত্তা হিসেবে তাঁর পূর্বতন অস্তিত্বের অবসান ঘটেছে। প্রকৃতিবাদের প্রেক্ষিতে ঈশ্বর কেন মহাবিশ্ব সৃষ্টি করে তা পরিত্যাগ করবেন এবং সর্বেশ্বরবাদের প্রেক্ষিতে এই জগতের উৎপত্তি ও উদ্দেশ্য কী—তা ব্যাখ্যা করতেই প্যানডিজমের অবতারণা করা হয়। প্যানডিজম শব্দটি মূলত সর্বেশ্বরবাদ এবং প্রকৃতিবাদের মূল শব্দদ্বয়ের একটি সংকর রূপ, যা প্রাচীন গ্রীক শব্দ 'প্যান' ('''πᾶν'''; যার অর্থ 'সকল') এবং ল্যাটিন শব্দ 'ডিউস' ('''deus'''; যার অর্থ 'ঈশ্বর') এর সমন্বয়ে গঠিত। [[চিত্র:Hs-2001-16-p-full jpg.jpg|thumb|প্যানডিজম হলো এমন একটি [[:w:বিশ্বাস|বিশ্বাস]] যে, কোনো এক [[:w:ঈশ্বর|ঈশ্বর]] মহাবিশ্বে পরিণত হওয়ার জন্য নিজের ঈশ্বরত্ব বিসর্জন দিয়েছেন; এবং এই ধারণাটি মূলত [[:w:ঈশ্বরবাদ|ঈশ্বরবাদের]] [[:w:আদর্শ|আদর্শের]] ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত। ~ '''''অ্যালেক্স অ্যাশম্যান''''' ]] [[চিত্র:Bbrot225x225x24.PNG|thumb|[[:w:ঈশ্বর|ঈশ্বর]] নিজেকে অসংখ্য খণ্ডে বিভক্ত করেছেন যেন তিনি কিছু [[:w:বন্ধু|বন্ধু]] পেতে পারেন। এটি হয়তো সত্য নয়, তবে শুনতে বেশ ভালো লাগে—এবং অন্য যেকোনো [[:w:ধর্মতত্ত্ব|ধর্মতত্ত্বের]] মতোই এটি সমান অর্থবহ। ~ '''''রবার্ট এ. হাইনলাইন''''' ]] [[চিত্র:Uvsun trace big.jpg|thumb|[[:w:ঈশ্বর|ঈশ্বর]] সমগ্র [[:w:মহাবিশ্ব|মহাবিশ্বে]] রূপান্তরিত হয়েছেন। ''ঈশ্বরই হলেন এই মহাবিশ্ব'', এবং এর মধ্যকার সবকিছু। কিন্তু মহাবিশ্ব তা [[:w:জ্ঞান|জানে]] না, কারণ জানলে এই মহাকাব্যিক রহস্যের রোমাঞ্চ নষ্ট হয়ে যেত। এই মহাবিশ্ব হলো ঈশ্বরের এক বিশাল নাটক; আর ঈশ্বর নিজেই এখানে মঞ্চ, অভিনেতা এবং দর্শক। ~ '''''ওয়ারেন বি. শার্প''''' ]] [[চিত্র:Exploding planet.jpg|thumb|[[:w:ঈশ্বর|ঈশ্বর]] নিজেকে জাগতিক রূপে সার্থক করতে এবং এক [[:w:শাশ্বত|শাশ্বত]] ও [[:w:অসীম|অসীম]] লক্ষ্য পূরণ করতে এই [[:w:পৃথিবী|জগৎ]] হয়ে উঠেছেন। তাঁর সেই মহিমান্বিত লক্ষ্য অনুধাবনের উদ্দেশ্যেই তিনি এই মহাবিশ্বের রূপ ধারণ করেছেন। ~ '''''[[:w:হ্যারি ওয়াটন|হ্যারি ওয়াটন]]''''' ]] [[চিত্র:Hong Kong Budha.jpg|thumb|আমাদের এই জন্ম কেবলই এক সুপ্তাবস্থা আর বিস্মৃতি বৈ কিছু নয়... ~ '''''উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ''''' ]] == উক্তি == * আমি জিজ্ঞেস করলাম, "আচ্ছা তাহলে ঈশ্বরের উদ্দেশ্যটা আসলে কী? আপনার কাছে কি আদৌ এই প্রশ্নের কোনো উত্তর আছে নাকি শুধুই আপনি আমার সাথে তামাশাগিরি করছেন?"<br>"একজন সর্বশক্তিমান সত্তার জন্য আমি কেবল একটিই চ্যালেঞ্জ কল্পনা করতে পারি—আর তা হলো নিজেকে ধ্বংস করার চ্যালেঞ্জ!"<br>"আপনি কি মনে করেন ঈশ্বর কখনো আত্মহত্যা করে ফেলতে চাইবেন?" আমি আবারো জানতে চাইলাম।<br>"আমি বলছি না যে তিনি চাইবেন। আমি বলছি যে এটিই হয়তোএকমাত্র সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জ।"<br>"আমার মনে হয় একদম অস্তিত্বহীন হওয়ার চেয়ে ঈশ্বর বিদ্যমান থাকাকেই বেশি পছন্দ করবেন।"<br>"সেটা তুমি একজন মানব-প্রাণীর মতো করে ভাবছ, ঈশ্বরের মতো করে নয়। তোমারও আজরাঈলের ভয় রয়েছে, তাই তুমি ধরে নিচ্ছ যে ঈশ্বরও তোমার মতোই পছন্দ অপছন্দ ভাগ করে নেবেন। কিন্তু ঈশ্বরের তো কোনো ভয়ই নেই। বিদ্যমান থাকাটা তাঁর কাছে স্রেফ একটা পছন্দ ছাড়া আর কিছু নয়। আর সেখানে মৃত্যুর কোনো যন্ত্রণা নেই, নেই কোনো অপরাধবোধ, নেই অনুশোচনা কিংবা '''স্বজন হারানোর বেদনা'''! এগুলো শুধুই মানুষের অনুভূতি, ঈশ্বরের নয়। ঈশ্বর খুব সহজেই অস্তিত্ব বিলীন করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।"<br>আমিও ঘটাঘট করে বলে ফেললাম, "আপনার চিন্তা করার ধরন অনুযায়ী এখানে একটি সূক্ষ্ম যৌক্তিক সমস্যা আছে, ঈশ্বর যদি ভবিষ্যৎ জেনেই থাকেন, তবে তিনি ইতিমধ্যেই জানেন যে তিনি তাঁর অস্তিত্ব শেষ করার সিদ্ধান্ত নেবেন কি না, এবং তিনি এ কাজে সফলকাম হবেন কি না। ফলে এখানেও তো কোনো চ্যালেঞ্জ দেখতে পারছিনা।"<br>"তোমার চিন্তাশক্তি এখন স্বচ্ছ হচ্ছে," তিনি বললেন। "হ্যাঁ, স্বাভাবিক অবস্থায় তিনি তাঁর নিজের অস্তিত্বের ভবিষ্যৎ জানবেন। কিন্তু তাঁর সর্বশক্তিমান হওয়ার মধ্যে কি এটাও অন্তর্ভুক্ত যে তাঁর ক্ষমতা হারানোর পর কী ঘটবে—নাকি তাঁর ভবিষ্যতের জ্ঞান ঠিক সেই বিন্দুতেই শেষ হয়ে যাবে?"<br>আমি বললাম, "এটি পুরোপুরি একটি বাকহীন প্রশ্ন বলেই মনে হচ্ছে। আমার মনে হয় আপনি একটি কানাগলিতে এসে ঠেকেছেন!"<br>"হয়তো। কিন্তু এটি একটু চিন্তা করে দেখো তো। মহাপ্রাজ্ঞবান ঈশ্বর, যিনি এই প্রশ্নের উত্তর জানেন, তিনি প্রকৃতপক্ষে সকল কিছুই জানেন এবং তাঁর সবকিছুই নখদর্পনে রয়েছে। সে কারণেই তিনি কোনো কিছু করতে বা সৃষ্টি করতে অনুপ্রাণিত হবেন না। কোনোভাবেই কাজ করার কোনো উদ্দেশ্য থাকবে না। কিন্তু দয়ালু ঈশ্বর যার মনে একটি মাত্র প্রশ্ন খচখচ করছে—আমি যদি অস্তিত্বহীন হয়েই যাই তবে কী অকাল কান্ড ঘটবে? তিনি হয়তো তাঁর জ্ঞান পূর্ণ করার জন্য উত্তরটি খুঁজে পেতে উৎসাহিত হতে পারেন। আর যেহেতু তাঁর কোনো ভয়ই নেই এবং বিদ্যমান থাকার কোনো বিশেষ কারণও নেই, তাই তিনি এটি করে দেখতে পারেন।"<br>"আমরা এটিই বা কীভাবে জানব?"<br>"আমাদের কাছে উত্তরটি রয়েছে। সেটি হলো আমাদের এই 'অস্তিত্ব'। আমরা যে বিদ্যমান আছি, এটিই প্রমাণ করে যে ঈশ্বর কোনো না কোনোভাবে সেই কাজ করতে অনুপ্রাণিত হয়েছেন। আর যেহেতু কেবল আত্মধ্বংসের চ্যালেঞ্জই একজন সর্বশক্তিমান ঈশ্বরকে আগ্রহী করতে পারে, তাই এটা যুক্তিযুক্ত যে আমরা ঈ. . ."<br>আমি এবার মাঝপথেই বুইড়া ব্যাটার কথা থামিয়ে দিলাম এবং রকিং চেয়ার থেকে সোজা ওঠে দাঁড়ালাম। মনে হলো যেন আমার মেরুদণ্ড দিয়ে শীতল প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে, যা আমার ফুসফুসকে, ত্বককে শুধুই শিহরিত করে তুলছে! এমনকি আমার ঘাড়ের লোমগুলোও খাড়া হয়ে গেল! আমি আগুন পোহাতে আগুনের কুন্ডলীর আরও কাছে গিয়ে দাঁড়ালাম, যদিও তার উত্তাপ শুষে নেওয়ার ক্ষমতা আমার ছিল না।<br>"আপনি কি তাই বলছেন যা আমি ভাবছি?" আমার মগজ যেন প্রয়োজনের চেয়ে বেশি জ্ঞান গ্রহণ করে ওভারলোডেড হয়ে গেছিল! তথ্যের উপচে পড়া ভিড় সামলাতে আমার শরীর ঝাঁকিয়ে-বাকিয়ে নেওয়ার একটু প্রয়োজন পড়ল।<br>বৃদ্ধ শূন্য দৃষ্টিতে তাকিয়ে বলল, "আমরা আসলে ঈশ্বরের-ই একেকটি অংশমাত্র।" **'''''স্কট অ্যাডামস''''', ''গডস ডেব্রি'' (২০০১) পৃ. ৪২-৪৪। {{ISBN|0740721909}}। * [[:w:হিন্দুধর্ম|হিন্দুধর্ম]] হলো চিন্তাধারার এক বৈচিত্র্যময় জগত যেখানে [[:w:একেশ্বরবাদ|একেশ্বরবাদ]], [[:w:বহুদেববাদ|বহুদেববাদ]], [[:w:সর্বেশ্বরবাদ|সর্বেশ্বরবাদ]], প্যানডিজম, [[:w:অদ্বৈতবাদ|অদ্বৈতবাদ]] এবং [[:w:নিরীশ্বরবাদ|নিরীশ্বরবাদসহ]] আরও নানা বিশ্বাস বিদ্যমান। আর এখানে [[:w:ঈশ্বর|ঈশ্বরের]] ধারণা অত্যন্ত জটিল যা প্রতিটি ব্যক্তি এবং তাদের অনুসৃত ঐতিহ্য ও দর্শনের ওপর নির্ভর করে। ** '''''এডওয়ার্ড ডি. অ্যান্ড্রুস''''', ''রিজনিং উইথ দ্য ওয়ার্ল্ডস ভেরিয়াস রিলিজিয়নস: এক্সামিনিং অ্যান্ড ইভানজেলাইজিং আদার ফেইথস'' (২০১৮), পৃ. ৭১। * প্রথম অংশটি জীবন সম্পর্কে মনস্তাত্ত্বিক-ধর্মীয় বিশ্ববীক্ষার ঐতিহাসিক বিকাশের প্রকৃতি নিয়ে একটি প্রাথমিক আলোচনা। দ্বিতীয় অংশে প্রাচীন মিশরীয় ও ভারতীয়দের প্যানডিজম থেকে শুরু করে [[w:গট‌ফ্রিড_ভিলহেল্ম_লাইব‌নিৎস|গট‌ফ্রিড ভিলহেল্ম লাইবনিৎসের]] পূর্ব-স্থাপিত সামঞ্জস্য (প্রি-এস্টাবলিশড হারমনি; যা একটি একটি মেটাফিজিক্যাল তত্ত্ব) এবং বস্তুগত বাস্তবতার কঠোর স্বরূপ সংক্রান্ত দার্শনিক ঈশ্বরবাদী ও থিওসফিস্ট মতামতের ব্যবচ্ছেদ করা হয়েছে। তৃতীয় ও চূড়ান্ত অংশটি সেইসব অধি-ভৌতিক এবং ভৌত বিশ্ববীক্ষাকে একত্রিত করে, যা ভারতীয়দের মাধ্যমে [[:w:আদর্শবাদ|আদর্শবাদের]] সূচনা থেকে শুরু করে [[w:আর্টুর_শোপনহাউয়ার|আর্টুর শোপনহাউয়ার]], [[w:ফ্রিডরিখ_নিচে|ফ্রিডরিখ নিচে]], ইভি হার্টম্যান এবং ক্রিস্টোফ ইউকেন পর্যন্ত বিস্তৃত, যা স্পিনোজাবাদ থেকে সর্বাধুনিক নব্য-স্পিনোজাবাদ ও নব্য-আদর্শবাদ পর্যন্ত ধাবিত হয়েছে এবং পরিশেষে [[:w:অভিজ্ঞতাবাদ|অভিজ্ঞতাবাদ]] ও [[:w:দৃষ্টবাদ|দৃষ্টবাদের]] মধ্য দিয়ে প্রকৃত ভৌত মতবাদসমূহের (বস্তুবাদ, পরমাণুবাদ, শক্তি-সংক্রান্ত মতবাদ ইত্যাদি) আলোচনায় উপনীত হয়েছে। ** '''''আন্নালেন ডার ফিজিক''''' ("অ্যানালস অফ ফিজিক্স") (১৯১১) পৃ. ৫৮। * কখনো কখনো [[:w:সর্বেশ্বরবাদ|সর্বেশ্বরবাদীরা]] "প্যানডিজম" শব্দটি ব্যবহার করেন এটা জোর দেওয়ার জন্য যে—প্রকৃতিবাদীদের মতো তারাও এই ধারণায় বিশ্বাসী যে, [[:w:ঈশ্বর|ঈশ্বর]] কোনো ব্যক্তিসত্তা নন যিনি উপাসনা পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা পোষণ করেন। ** '''''জন আর্মস্ট্রং''''', ''[http://www.godvsthebible.com/chapter14.htm গড বনাম দ্য বাইবেল: হাউ গড'স ক্রিয়েশন ডিসক্রেডিট ক্রিশ্চিয়ান স্ক্রিপচার]'' (২০০৭)। ডিসেম্বর ২০০৭ সংখ্যায় আলেকজান্ডার সিউরানা (এম.টি.এস.) কর্তৃক উদ্ধৃত, "দ্য সুপিরিওরিটি অব আ ক্রিশ্চিয়ান ওয়ার্ল্ডভিউ," অ্যাক্টস ম্যাগাজিন, চার্চেস অব গড সেভেন্থ ডে, খণ্ড ৫৭, সংখ্যা ১০, পৃষ্ঠা ১১। * প্রকৃতিবাদ এবং সর্বেশ্বরবাদ—উভয় মতবাদেই তাঁর অবস্থান থাকায়, [[w:আলবার্ট_আইনস্টাইন|আইনস্টাইনকে]] সম্ভবত একজন প্যানডিজম পন্থী হিসেবে গণ্য করা যেতে পারে। এটি মূলত সর্বেশ্বরবাদ ও প্রকৃতিবাদের একটি সংকর রূপকে নির্দেশ করে, যা ২০১৩ সালে রাফায়েল লাটাস্টার অত্যন্ত নিপুণভাবে বর্ণনা করেছিলেন। ** '''''ডা. মাইকেল আরনহেইম''''', ''দ্য গড বুক'', ২০১৫, পৃষ্ঠা ৭২। * এই "পরিকল্পিত নিয়ম" বা "নির্ধারিত নিয়ম", যা তিনি অন্য জায়গায় উল্লেখ করেছেন। এগুলো কোথা থেকে এল? [[w:চার্লস_ডারউইন|চার্লস ডারউইন]] তাঁর এই বিশ্বাসকে গোপন করেননি যে, এগুলো একজন "সর্বজ্ঞ স্রষ্টা" দ্বারা নকশা করা হয়েছে। তাঁর ব্যবহৃত "ভালো কিংবা মন্দ যাই হোক" বাক্যাংশটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ এবং এটি ডারউইনকে এমন এক অবস্থানে দাঁড় করায় যা একজন নির্লিপ্ত ও নৈতিকতা-নিরপেক্ষ ঈশ্বরে বিশ্বাসী ব্যক্তির চেয়ে খুব একটা আলাদা নয়। তাই, ডারউইন হয়তো স্পষ্টভাবে প্রকৃতিবাদ সম্পর্কে সচেতন ছিলেন না, কিন্তু তাঁর নিজস্ব ধর্মীয় বিশ্বাসগুলো প্রকৃতিবাদ বা সম্ভবত প্যানডিজমের (যা এই অধ্যায়ে আগেও আলোচিত হয়েছে) সাথে চমৎকারভাবে মিলে যায়। ** '''''ডা. মাইকেল আরনহেইম''''', ''দ্য গড বুক'', ২০১৫, পৃষ্ঠা ১০৩-১০৪। * [[w:চার্লস_ডারউইন|চার্লস ডারউইন]] মাঝে মাঝে নিজেকে একজন [[:w:অজ্ঞেয়বাদ|অজ্ঞেয়বাদী]] হিসেবে বর্ণনা করতেন, তবে তাঁর প্রকাশিত ধর্মীয় বিশ্বাসগুলো সাধারণভাবে [[:w:ঈশ্বরবাদ|ঈশ্বরবাদের]] সাথে, অথবা সম্ভবত প্যানডিজমের সাথে অধিকতর সামঞ্জস্যপূর্ণ। ** '''''ডা. মাইকেল আর্নহেইম''''', ''দ্য গড বুক'' (২০১৫), পৃষ্ঠা ১০৫। * প্যানডিজম হলো এমন একটি [[:w:বিশ্বাস|বিশ্বাস]] যে, কোনো এক [[:w:ঈশ্বর|ঈশ্বর]] মহাবিশ্বে পরিণত হওয়ার জন্য নিজের ঈশ্বরত্ব বিসর্জন দিয়েছেন। এবং এই ধারণাটি মূলত [[:w:ঈশ্বরবাদ|ঈশ্বরবাদের]] [[:w:আদর্শ|আদর্শের]] ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত। ** '''''অ্যালেক্স অ্যাশম্যান''''', বিবিসি নিউজ, ''মেটাফিজিক্যাল ইজমস'' (৫ সেপ্টেম্বর ২০০৭)। * এটি দেখা যাবে যে, [[:w:বাস্তবতা|বাস্তবতার]] এই 'অপরিবর্তনীয়তা'র বিষয়টি যখন স্পষ্টভাবে অনুধাবন করা হয়, তখন তা অবশ্যই [[:w:সর্বেশ্বরবাদ|সর্বেশ্বরবাদের]] কিছু নির্দিষ্ট শাখার ত্রুটিপূর্ণ তত্ত্বগুলোকে খণ্ডন ও প্রত্যাখ্যান করতে সাহায্য করবে, যারা মনে করে যে "ঈশ্বর মহাবিশ্বে পরিবর্তিত হওয়ার মাধ্যমে নিজেই মহাবিশ্ব হয়ে ওঠেন।" এভাবে প্রকৃতিকে ঈশ্বরের সাথে অভিন্ন করার চেষ্টা করা হয়, যার ফলে [[w:আর্টুর_শোপনহাউয়ার|আর্টুর শোপনহাউয়ারের]] ভাষায়, "আপনি ঈশ্বরকেই বিদায় জানাচ্ছেন!" ঈশ্বর যদি নিজেকে এই বিস্তীর্ণ মহাবিশ্বে পরিবর্তিত করেন, তবে ঈশ্বর আর বিদ্যমান থাকেন না এবং তাঁকে নিয়ে আমাদের আর উদ্বিগ্ন হওয়ার প্রয়োজন পড়বে না! কারণ তিনি পরিবর্তনের মাধ্যমে আত্মহত্যা করে ফেলেছেন! ** '''''উইলিয়াম ওয়াকার অ্যাটকিনসন''''', ''মাস্টারি অফ বিয়িং'' (১৯১১), পৃষ্ঠা ৫৬। * হিগিন্স একটি প্রাচীন সর্বজনীন ধর্মের অস্তিত্ব উন্মোচনের দাবি করেছিলেন (যাকে তিনি প্যানডিজম নামেই অভিহিত করেছিলেন), যা থেকে নাকি জগতের সকল ধর্মীয় মতবাদের উৎপত্তি হয়েছিল। তাঁর মতে, এই ধর্মটি আজও একটি গোপন ও খণ্ডিত গোষ্ঠী হিসেবে টিকে আছে, যারা [[w:গ্রিস|গ্রিস]], [[w:মধ্যপ্রাচ্য|মধ্যপ্রাচ্য]] এবং বিশেষ করে [[w:ভারতীয়_উপমহাদেশ|ভারতীয় উপমহাদেশ]]—যেখানে এর আদি উৎস নিহিত। সেখানকার বিভিন্ন প্রান্তে তাদের সেই প্রাচীন বার্তাগুলো বহন করে চলেছে। ** '''''অ্যান্থনি অ্যাভেনি''''', ''অ্যাপোক্যালিপ্টিক এনজাইটি: রিলিজিয়ন, সায়েন্স, অ্যান্ড আমেরিকাস অবসেশন উইথ দ্য এন্ড অব দ্য ওয়ার্ল্ড'' (ইউনিভার্সিটি অফ কলোরাডো প্রেস, ২০১৬), পৃষ্ঠা ৯৮, ISBN 1607324717। * আজ আমরা জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ঐক্য এবং সাম্যের এক প্রবল জোয়ার প্রত্যক্ষ করছি। বাণিজ্যিক দুনিয়ায় আমরা দেখছি বিশাল সব ব্যবসায়িক একত্রীকরণ। অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে গোটা জাতিগুলো একজোট হচ্ছে। [[w:শ্রমিক_সংঘ|শ্রমজীবী মানুষের মাঝে ইউনিয়নগুলো]] উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং আরও শক্তিশালী হয়ে উঠছে। আর্থিক বিশ্বে একচেটিয়া [[w:একচেটিয়া_বাজার|একচেটিয়া আধিপত্যের]] প্রবণতা ক্রমেই স্পষ্ট হচ্ছে। ধর্মীয় জগতেও ঐক্যের এক মহাপ্রয়াসে অনেক বড় বড় আন্দোলন চলছে এই সময়ে এবং এটি কেবল খ্রিস্টীয় জগতের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই। রোমান গির্জা (চার্চ অফ রোম) তাদের বর্তমান কার্যক্রমকে বর্ণনা করতে "প্যানডিজম" শব্দটি ব্যবহার করে, যার লক্ষ্য হলো বিশ্বের অ-খ্রিস্টান ধর্মগুলোকে নিজেদের ছত্রছায়ায় নিয়ে আসা। রোম শেষ পর্যন্ত এই কাজে সফল হবে, কারণ সেই ভবিষ্যৎবাণীতে বলা আছে, '''"আর সমস্ত জগৎ সেই পশুর পশ্চাৎবর্ত্তী হইয়া আশ্চৰ্য্য জ্ঞান করিল!"''' (বাইবেল, অ্যাপোক্যালিপ্স ১৩:৩) ** '''''কনরাড বেকার''''', ''[https://web.archive.org/web/20060909220410/http://maranathamedia.com.au/start/index.php?option=com_docman&task=doc_view&gid=997 দ্য থ্রি পাওয়ার্স অব আর্মাগেডন: অ্যান এক্সপজিশন অব রিভিলেশন ১৬:১৩-১৬]'' (আর্কাইভ), পৃষ্ঠা ৭, ১২ আগস্ট, ২০০৫ (পিডিএফ)। * লেখক যেভাবে গ্রীক এবং খ্রিস্টীয় পৌরাণিক কাহিনীকে একত্রিত করেছেন তা বেশ সন্দেহজনক। যা শেষ পর্যন্ত এক ধরণের প্যানডিজমে রূপ নিয়েছে, যদিও সেই প্যানডিজম সর্বদা ঐশ্বরিক বিধাতার বা ডিভাইন প্রভিডেন্স উপস্থিতির মাধ্যমে সীমাবদ্ধ থাকে। ** '''''জোয়াকিন আলভারেজ বারিয়েন্টোস''''', ''লা নভেলা ডেল সিগলো XVIII'', পৃষ্ঠা ২৫৭ (১৯৯১)। * পাশ্চাত্য [[:w:সর্বেশ্বরবাদ|সর্বেশ্বরবাদ]] প্রসঙ্গে কেউ কেউ মনে করেন যে, "প্যানথেইজম" বা সর্বেশ্বরবাদ শব্দটি ভুলভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। যেহেতু থিওলজি হলো ধর্মতত্ত্বের অধ্যয়ন এবং "প্যান" অর্থ "সব", তাই প্যানথেইজম বলতে মূলত সকল ধর্মকে অনুসরণ করাকে বোঝায়। ফলে সমস্ত নামাঙ্কিত দেবতাকে অনুসরণ করার এই নীতিকে বরং "প্যান-ডি-ইজম" [Pan-De-ism] বলা উচিত। সুতরাং, প্যানথেইস্ট না কি প্যানডেইস্ট? সিদ্ধান্ত আপনার। ** '''''মাইলস ব্যাটি''''', ''টিচিং উইচক্র্যাফট: এ গাইড ফর টিচার্স অ্যান্ড স্টুডেন্টস অফ দ্য ওল্ড রিলিজিয়ন'' (২০০৯) পৃ. ৩৮। * [[:w:বাইবেল|বাইবেল]] যদি কেবল মানুষের লোকগাথা হয় এবং কোনো ঐশ্বরিক সত্য না হয়, তবে যারা বলে, "চলুন সব ধর্ম থেকে সেরাটা বেছে নিয়ে সেগুলোকে একীভূত করে প্যান-ডেইজম (Pan-Deism) বানাই। একক ঈশ্বর যেখানে অনেককে নিয়ে গঠিত একটি বৈশ্বিক ধর্ম", তাদের দেওয়ার মতো কোনো প্রকৃত উত্তর আমাদের কাছে থাকবে না। ** '''''জে. সিডলো ব্যাক্সটার''''', ''আওয়ার বাইবেল: দ্য মোস্ট ক্রিটিক্যাল ইস্যু'' (১৯৯১)। * অত্যন্ত মজার বিষয় হলো, ভ্যাটিকান কাউন্সিলের সময় 'ইকুমেনিকাল' (বিশ্বজনীন ঐক্য) শব্দটিকে এমনকি এর ধারণাটিকেও অ-খ্রিস্টান ধর্মগুলোর সাথে সম্পর্কের ক্ষেত্রে প্রসারিত করার এই ক্যাথলিক সদিচ্ছার বিরুদ্ধে ডব্লিউসিসি / WCC মহল থেকে সমালোচনা ধেয়ে এসেছিল। তখন মনে করা হয়েছিল যে, এই বিশ্বজনীন ঐক্যের ধারণাটি "প্যান-ডিইস্ট" (সর্ব-প্রকৃতিবাদী) এবং বিভিন্ন ধর্মীয় মতবাদের সংমিশ্রণজনিত প্রবণতা দ্বারা কলুষিত হচ্ছে। ** '''''বার্ট বেভারলি বিচ''''', ''ইকুমেনিজম: বুন অর বেন?'' (১৯৭৪), পৃষ্ঠা ২৫৯ (জর্জ এইচ. উইলিয়ামসের ''ডাইমেনশনস অব রোমান ক্যাথলিক ইকুমেনিজম'' (১৯৬৫), পৃষ্ঠা ৩১-৩২ থেকে উদ্ধৃত)। * হাইস্কুলের এক শিক্ষক একবার আমাকে বলেছিলেন যে, [[w:আদি_শঙ্কর|আদি শঙ্করাচার্য]] মনে করতেন ঈশ্বরই এই জগতে পরিণত হয়েছেন। শুরুতে কেবল ঈশ্বরই ছিলেন এবং তারপর তিনি নিজের থেকেই এই জগৎ সৃষ্টি করেছেন। সুতরাং, ঈশ্বরই জগতে রূপান্তরিত হয়েছেন। আর এখন ঈশ্বরের পৃথক কোনো অস্তিত্ব নেই। এটি অনেকটা চাল দিয়ে ইডলি (দক্ষিণ ভারতের একটি খাবার; যা আমাদের অনেকটা বাঙালিয়ানা '''[[w:চিতই_পিঠা|<nowiki/>'চিতই পিঠা]]'''<nowiki/>'র মতো) বানানোর মতো! চাল ফুরিয়ে গেছে, এখন কেবলি ইডলি পড়ে আছে। পরবর্তীতে, আমি যখন কারো কাছে আদি শঙ্করাচার্যের [[w:দর্শন|দর্শন]] হিসেবে এটি পুনরায় বললাম, তখন তিনি এত জোরে হেসে উঠলেন যে আমি বুঝতে পারলাম আমার কথায় কোথাও কোনো ভুল ছিল। কিন্তু ভুলটি কোথায় ছিল তা আমি জানতাম না, আর তিনিও আমাকে তা শুধরে দেননি। ** ''[[:w:ভগবদ্গীতা|ভগবদ্গীতা]] হোম স্টাডি'', ২০০০। * [[w:ক্যাথলিক_মণ্ডলী|রোমান ক্যাথলিক]] পণ্ডিতদের মধ্যে, যারা মূলত রোমান, [[w:পূর্বদেশীয়_সনাতনপন্থী_মণ্ডলী|অর্থোডক্স]] এবং অ্যাংলিকান গির্জাগুলোর পুনর্মিলনে আগ্রহী ছিলেন—তাদের মাঝেই আমি প্রথম এই বিশ্বজনীন ঐক্যের ধারণাকে 'প্যান-ডিইজম'-এ রূপান্তর হতে দেখি। [...] আমরা হয়তো প্রশ্ন করতে পারি যে, এই প্যান-ডিইস্ট আন্দোলনকে ত্বরান্বিত করার পেছনে রোমান কিউরিয়ার চূড়ান্ত লক্ষ্য আসলে কী। তারা রোমের এই বিশ্বজনীন ঐক্য এবং প্যান-ডিইজমের মাঝে বিশ্ব আধিপত্য বিস্তারের কোনো সুদূরপ্রসারী প্রকল্পকে সম্ভবত স্পষ্টভাবে শনাক্ত করতে পারেনি। ** ফাদার '''''চার্লস এ. বোল্টন''''', "বিয়ন্ড দ্য ইকুমেনিকাল: প্যান-ডিইজম?" শীর্ষক নিবন্ধ, ''ক্রিশ্চিয়ানিটি টুডে'', ১৯৬৩, পৃষ্ঠা ২১। * ফ্রান্সের প্রবীণ প্রজন্মের সর্বশ্রেষ্ঠ কবি [[w:ভিক্টর_হুগো|ভিক্টর হুগোর]] মধ্যে এক ধরণের দুর্বল প্যানথেইস্টিক ডিইজম বা সর্বেশ্বরবাদী ঈশ্বরবাদ পরিলক্ষিত হয়, যা তাঁর প্রবল [[:w:যুক্তিবাদ|যুক্তিবাদের]] বিপরীতে মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। আমরা এখনও তাঁর মধ্যে পূর্ববর্তী শতাব্দীর প্রভাব খুঁজে পাই। যেখানে ধর্মের ঊর্ধ্বে গিয়ে আধ্যাত্মিকতাকে মহিমান্বিত করা হয়েছে এবং বিশ্বাসের সেই ভালোবাসাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে যা মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে, সেইসব গোঁড়ামির বিপরীতে যা মানুষকে বিভক্ত ও বিচ্ছিন্ন করে দেয়। ** '''''জর্জ এম. ব্র্যান্ডেস''''', ''হেনরিক ইবসেন'' (১৯৯৯) পৃ. ৬৮। * একটি একক সত্তায় বিশ্বাস বিজ্ঞানের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে পারে যতক্ষণ পর্যন্ত সেই বিশ্বাসটি কেবল একটি 'আদি কারণ' (ফার্স্ট কজ) হিসেবে থাকে, যিনি পরবর্তীতে প্রাকৃতিক নিয়মের কোনো পরিবর্তন বা হস্তক্ষেপ করেন না। পাঠক এবং লেখক উভয়েরই নিজস্ব ব্যক্তিগত পছন্দ থাকতে পারে, তবে পরবর্তী বিশ্ববীক্ষা এবং চিন্তাধারার জন্য যা গুরুত্বপূর্ণ তা হলো—একদিকে একটি "পরম সত্তায়" বিশ্বাস করার ব্যাপক আকাঙ্ক্ষাকে জায়গা দেওয়া, আবার একই সাথে এমন কিছু গ্রহণ না করা যা প্রাকৃতিক শৃঙ্খলা ও কার্যকারণ সম্পর্ককে বিঘ্নিত করতে পারে। পরবর্তী বিশ্বাস ব্যবস্থাটি এমন একটি ছাতার মতো হওয়া উচিত যা [[:w:নিরীশ্বরবাদ|নিরীশ্বরবাদ]], [[:w:ঈশ্বরবাদ|ঈশ্বরবাদ]], [[:w:অজ্ঞেয়বাদ|অজ্ঞেয়বাদ]] এবং সর্বেশ্বর প্রকৃতবাদকে (অর্থাৎ, প্যান-ডিইজম) একই আবরণে ঢেকে নিতে পারে। কেবল এভাবেই আমরা মানবতাকে বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারের প্রকৃত যুগে নিয়ে আসতে পারি, একটি নতুন সভ্যতা গড়তে পারি এবং শেষ পর্যন্ত মানবজাতিকে এই সংকীর্ণ গ্রহের সীমানা ছাড়িয়ে মহাবিশ্বের সুদূর প্রান্তরে ছড়িয়ে দিতে পারি। ** '''''চার্লস ব্রাফ''''', ''আনটুইস্টিং দ্য সোশ্যাল সায়েন্সেস'' (২০০৬), পৃ. ১৪২। * পরবর্তী [বিশ্ববীক্ষা] বিশ্বাস ব্যবস্থাটি এমন একটি ছাতার মতো হতে পারে যা নিরীশ্বরবাদ, ঈশ্বরবাদ, অজ্ঞেয়বাদ এবং প্যান-ডিইজমকে অন্তর্ভুক্ত করবে। কারণ এই বিভিন্ন বিশ্বাসের মধ্যকার পার্থক্যগুলো তখন ম্লান হয়ে যায় যখন আমরা এমন কোনো "রহস্যময় সত্তার" প্রতি অসহিষ্ণু হই যে কার্যকারণ সম্পর্ক পরিবর্তন করতে পারে, যার ফলে আমাদের সেই বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে হস্তক্ষেপ ঘটে যা এই প্রাচীন সভ্যতাকে বদলে দেওয়ার জন্য এখন অত্যন্ত জরুরি। ** '''''চার্লস ব্রাফ''''', ''ডেস্টিনি অ্যান্ড সিভিলাইজেশন: দ্য ইভোল্যুশনারি এক্সপ্লানেশন অফ রিলিজিয়ন অ্যান্ড হিস্ট্রি'' (২০০৮), পৃ. ২১০। * মুক্তচিন্তক, সেই সকল মানুষ যাদের "আত্মা" সংক্রান্ত বিশ্বাস আধুনিক বিজ্ঞানের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। [[:w:ঈশ্বরবাদ|ঈশ্বরবাদ]] (ডিইজম), প্যান-ডিইজম, [[:w:অজ্ঞেয়বাদ|অজ্ঞেয়বাদ]] এবং [[:w:নিরীশ্বরবাদ|নিরীশ্বরবাদ]] বিজ্ঞানের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ; কিন্তু [[:w:আস্তিক্যবাদ|সেব্য-ঈশ্বরবাদ]] (থেইজম) নয়। ** '''''চার্লস ব্রাফ''''', ''ডেস্টিনি অ্যান্ড সিভিলাইজেশন: দ্য ইভোল্যুশনারি এক্সপ্লানেশন অফ রিলিজিয়ন অ্যান্ড হিস্ট্রি'' (২০০৮), পৃ. ২৯৫। * ঈশ্বরবাদ (ডিইজম) ও প্যান-ডিইজম এবং সেই সাথে অজ্ঞেয়বাদ ও নিরীশ্বরবাদ, এই সবই হলো 'অ-সেব্য-ঈশ্বরবাদী' (নন-থেইজম) মতবাদ! ** '''''চার্লস ব্রাফ''''', ''দ্য লাস্ট সিভিলাইজেশন'' (২০১০), পৃ. ২৪৬। * ঈশ্বরবাদের (ডিইজম) মতো প্যানডিজমেরও কোনো সুনির্দিষ্ট সেব্য-ঈশ্বরবাদী ধর্মবিশ্বাস বা ধর্মগ্রন্থ নেই যা এই বিশ্বাসকে একটি 'প্রথা' হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে। তাই এখানে এমন এক ঈশ্বরকে কল্পনা করার স্বাধীনতা রয়েছে যিনি এই 'চেতনাসম্পন্ন' মহাবিশ্ব, অথবা এমন এক ঈশ্বর যিনি এই 'চেতনাভিহীন' মহাবিশ্ব। অথবা ন্যূনতম প্রয়োজনীয় বৈশিষ্ট্যের সাথে সাংঘর্ষিক নয় এমন গুণাবলি আরোপ করে ঈশ্বরকে আরও নির্দিষ্টভাবে সংজ্ঞায়িত করার প্রচেষ্টাও চালানো সম্ভব। ** '''''রবার্ট জি. ব্রাউন, পিএইচডি''''', "প্যানডিজম," ''এ থিওরেম কনসার্নিং গড'' (২০০৯)। * বেদান্তিক হিন্দুধর্ম হলো একটি সুসংগঠিত অদ্বৈতবাদী প্যানডিজম এবং এটি শুরুতেই স্বীকার করে নেয় যে এর ধর্মগ্রন্থগুলো মূলত উপকথা ও কিংবদন্তি, যা থেকে রূপক অন্তর্দৃষ্টি আহরণ করতে হয়, এগুলো কোনো "ঐশ্বরিক সত্য" নয়। আর বৌদ্ধধর্ম কোনো ধর্ম নয়, বরং এটি মূলত একটি নিরীশ্বরবাদী মনস্তাত্ত্বিক-সামাজিক দর্শন যা দুর্ভাগ্যবশত বৈদিক হিন্দুধর্মের কিছু ধর্মীয় বিশ্বতত্ত্বকে অন্তর্ভুক্ত করে ফেলেছে। বিশেষ করে ক্রমিক পুনর্জন্মের ধারণাটি, যা সম্ভবত সত্য নয়। ** '''''রবার্ট জি. ব্রাউন, পিএইচডি''''', "এ পিউরলি গ্র্যাচুইটাস পোলেমিক অ্যাগেইনস্ট থেইজম," ''এ থিওরেম কনসার্নিং গড'' (২০০৯)। * আসুন অবশেষে আমরা সেই মৌলিক উপপাদ্যটি ব্যক্ত করি।<br><br>''যদি ঈশ্বরের অস্তিত্ব থাকে, তবে ঈশ্বর এবং এই মহাবিশ্ব অভিন্ন।''<br><br>অর্থাৎ, এই উপপাদ্যটি শর্তাধীন প্যানডিজমের একটি ঘোষণা। যদি আদৌ ঈশ্বরের কোনো অস্তিত্ব থেকে থাকে, তবে অস্তিত্বমান জাগতিক সবকিছুর সমষ্টিই হতে হবে সেই ঈশ্বর। ** '''''রবার্ট জি. ব্রাউন''''', পিএইচ.ডি., "[http://www.phy.duke.edu/~rgb/Philosophy/god_theorem/god_theorem/node6.html দ্য পান্ডিস্ট থিওরেম]," ''আ থিওরেম কনসার্নিং গড'', ২০০৯। * উপনিষদে বিশেষভাবে বর্ণিত খাঁটি বৈদান্তিক হিন্দুধর্ম হলো অদ্বৈতবাদী এবং এটি হয় প্যানডিজম নয়তো প্যানেন-ডিজমের অনুসারী, যেখানে ব্রহ্মই হলেন এই মহাবিশ্ব। আমরা (আত্মা বা "ঈশ্বর-আত্মা" হিসেবে) ব্রহ্মেরই অংশ এবং স্বয়ং ব্রহ্ম! যা মূলত পূর্ণতাকে উপলব্ধি করার জন্য সেই পূর্ণ সত্তা থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া কিছু অংশ মাত্র, যারা সর্বদা পুনরায় সেই পূর্ণতার সাথে মিলিত হতে এবং সর্বস্ব হিসেবে অস্তিত্বের এক পরম অবস্থায় ফিরে যেতে ব্যাকুল। উপনিষদে বর্ণিত ব্রহ্ম এমন কোনো সত্তা নন যাকে উপাসনা করা হয়, সেখানে এটি অত্যন্ত স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, ব্রহ্ম উপাসনার প্রতি উদাসীন এবং তিনি উপাসনার কোনো বস্তু নন। ** '''''রবার্ট জি. ব্রাউন''''', পিএইচ.ডি., "[http://www.phy.duke.edu/~rgb/Philosophy/god_theorem/god_theorem/node14.html হিন্দুইজম]," ''আ থিওরেম কনসার্নিং গড'', ২০০৯। * একজন প্রকৃতিবাদী বা ডিইস্ট যিনি এমন এক ঈশ্বরে বিশ্বাস করেন যিনি নিজেই মহাবিশ্ব, তিনি মূলত একজন প্যান্ডিস্ট (বা প্যান্ডিজম-বাদী)। এটি কেবল এই উপপাদ্যের সাথেই সংগতিপূর্ণ নয়, বরং তথ্য-তত্ত্বের (মানে ইনফরমেশন থিওরি) একটি প্রমাণিত উপপাদ্য হিসেবে এখন তাঁদের সেই শর্তাধীন বিশ্বাসকে নিশ্চিতভাবে সমর্থন করে। ** '''''রবার্ট জি. ব্রাউন''''', পিএইচ.ডি., "[http://www.phy.duke.edu/~rgb/Philosophy/god_theorem/god_theorem/node26.html ডিইজম]," ''আ থিওরেম কনসার্নিং গড'', ২০০৯। * মহাবিশ্ব নিয়ে গবেষণারত একজন প্যান্ডিস্ট বিজ্ঞানী বা দার্শনিক যে অপরিহার্যভাবে অযৌক্তিক হবেন—তা নয়। এমনকি নিজের কাজকে গভীরভাবে ভালোবাসেন এমন একজন নাস্তিক বিজ্ঞানী বা দার্শনিকের চেয়েও তাকে খুব একটা আলাদাভাবে শনাক্ত করা কঠিন। ** '''''রবার্ট জি. ব্রাউন''''', পিএইচ.ডি., "[http://www.phy.duke.edu/~rgb/Philosophy/god_theorem/god_theorem/node29.html কনসিস্টেন্সি উইথ ফিজিক্স অ্যান্ড ন্যাচারাল সায়েন্স]," ''আ থিওরেম কনসার্নিং গড'', ২০০৯। * আমাদের মধ্যে কেউ কেউ মনে করেন যে, উত্তর-আধুনিকতা বা পোস্ট-মডার্নিটি মূলত প্রচলিত বিশ্ববীক্ষার এক বৈপ্লবিক পরিবর্তনের প্রতিনিধিত্ব করে। যা জেমস এবং ওয়েবারের এক বিস্ময়কর সংমিশ্রণ হয়ে ওঠার মাধ্যমে আধুনিকতার মতোই অনন্য হিসেবে প্রমাণিত হতে পারে। যদি আমাদের এই ধারণা সঠিক হয়, তবে পরিবর্তিত দৃষ্টিভঙ্গি, পূর্বানুমান এবং মূল্যবোধগুলো একত্রে আমাদের জীবনযাত্রাকে এমনভাবে বদলে দিতে পারে, যা আমাদের মনন ও অস্তিত্বের ভূগোলকে রূপান্তরিত করবে। অর্থাৎ, আমরা যে বাস্তব ভৌগোলিক দৃশ্যপট এবং মানসিক মূল্যবোধের জগতে বসবাস করি, উভয়ই পরিবর্তিত হবে। এই চলমান রূপান্তরের একটি ক্রমবর্ধমান সাধারণ ফলাফল হলো, যা সম্ভবত উত্তর-শিল্পায়ন যুগের ধর্মনিরপেক্ষ সমাজগুলোর একটি লক্ষণ। আত্ম-অস্বীকৃতি থেকে অতিপ্রাকৃতকে অস্বীকার করার দিকে অগ্রসর হওয়া। এই বিবর্তনটি ভবিষ্যতের মনন ও অস্তিত্বের ভূগোলকে আমূল বদলে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়। কারণ এটি কার্যকারণের কেন্দ্রবিন্দুকে এক মহিমান্বিত দেবত্ব থেকে প্রকৃতির রাজত্বের দিকে সরিয়ে নিয়ে যায়। এই 'প্রকৃতি' শেষ পর্যন্ত কীভাবে সংজ্ঞায়িত হবে, তার ওপর ধর্মীয় এবং ধর্মনিরপেক্ষ বিশ্ববীক্ষার মধ্যকার কৃত্রিম পার্থক্যের এক ব্যাপক প্রভাব রয়েছে। লেভিনের মতে, "ধর্মনিরপেক্ষতা একটি ইতিবাচক বিষয়, নেতিবাচক নয়। এটি আধ্যাত্মিক জগত বা ধর্মের অস্বীকার নয়, বরং আমরা এখন যে জগতে বাস করছি তারই এক দৃঢ় স্বীকৃতি... এমন একটি জগত আমাদের সেই 'পূর্ণতা' এনে দিতে সক্ষম যা ধর্ম সর্বদা প্রতিশ্রুতি দিয়ে এসেছে।" অন্যদের কাছে এই "পূর্ণতা" আরও বেশি ধর্মীয়-ঘেঁষা সর্বেশ্বরবাদ (প্যানথেইজম) বা প্যানডিজমের মাঝে বিদ্যমান। প্যানডিজমের ক্ষেত্রে ঈশ্বর হলেন একটি জটিল মহাবিশ্বের চির-উন্মোচিত এক অভিব্যক্তি, যার একটি শনাক্তযোগ্য শুরু থাকলেও কোনো সুনির্দিষ্ট চূড়ান্ত লক্ষ্য বা উদ্দেশ্যমূলক গন্তব্যের (টেলিওলজিক্যাল ডিরেকশন) উপস্থিতি অপরিহার্য নয়। ** '''''মাইকেল এস. ব্রুনার''''', '''''জন ড্যাভেনপোর্ট''''', '''''জিম নরউইন''''', "অ্যান ইভলভিং ওয়ার্ল্ডভিউ: কালচার-শিফট ইন ইউনিভার্সিটি স্টুডেন্টস", জিম নরউইন সম্পাদিত, ''আ ওয়ার্ল্ড আফটার ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যান্ড কালচার-শিফট'' (স্প্রিঙ্গার, ২০১৩), পৃষ্ঠা ৪৬। * সৃষ্ট বুদ্ধিবৃত্তিক সত্তাসমূহের সকল কাজই কেবল ঈশ্বরের কাজ নয়। তিনি এমন এক মহাবিশ্ব সৃষ্টি করেছেন যেখানে প্রাণীরা তাদের নিজস্ব নৈতিক কাজের নিকটতম কারণ (প্রক্সিমেট কজ) হিসেবে স্বাধীনভাবে এবং দায়িত্বশীলতার সাথে কাজ করে বলে গণ্য হয়। যখন কোনো ব্যক্তি মন্দ কাজ করে, তখন সেখানে স্রষ্টা ও রক্ষক হিসেবে ঈশ্বর সক্রিয় থাকেন না। ঈশ্বর যদি প্রতিটি কাজের নিকটতম কারণ হতেন, তবে তা প্রতিটি ঘটনাকেই "ঈশ্বরের গতিশীল রূপ" (গড ইন মোশন) বানিয়ে দিত। যা প্রকৃতপক্ষে সর্বেশ্বরবাদ বা আরও নিখুঁতভাবে বললে প্যানডিজম ছাড়া আর কিছুই নয়। [তবে] স্রষ্টা তাঁর সৃষ্টি থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। এই দ্বিতীয় পর্যায়ের কারণগুলোর (সেকেন্ডারি কজেস) বাস্তবতা বা অস্তিত্বই খ্রিস্টীয় [[:w:আস্তিক্যবাদ|সেব্য-ঈশ্বরবাদকে]] প্যানডিজম থেকে পৃথক করে। ** '''''পাস্টর বব বারিজে''''', ''থিওলজি প্রোপার - লেসন ৪: দ্য ডিক্রিস অফ গড'' (১৯৯৭)। * কেন ঈশ্বরকে [[:w:পাপ|পাপের]] রচয়িতা হিসেবে অভিহিত করলে মহাবিশ্বের একটি প্যানডিস্টিক ধারণার প্রয়োজন পড়ে, যা কার্যত পাপ এবং নৈতিক আইনের বাস্তবতাকে বিলীন করে দেয়? ** '''''পাস্টর বব বারিজে''''', ''থিওলজি প্রোপার - লেসন ৪: দ্য ডিক্রিস অফ গড'' (১৯৯৭)। * [[w:জর্দানো_ব্রুনো|জর্দানো ব্রুনোর]] বিপরীতে, জোসেফ র‍্যাটজিঙ্গার সেই মতবাদটির সমালোচনা করেছেন যেটিকে অন্যান্য ভাষ্যকারগণ ব্রুনোর প্যানডিজম হিসেবে বর্ণনা করেছেন। ** '''''ড্যানিয়েল কার্ডো''''' এবং '''''উই মাইকেল ল্যাং''''', ''দ্য ক্যামব্রিজ কম্প্যানিয়ন টু জোসেফ র‍্যাটজিঙ্গার'' (২০২৩), পৃ. ২৬৬। * [[w:ম্যাথু_আর্নল্ড|ম্যাথু আর্নল্ডের]] ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতাকে সন্তুষ্ট করা সেই সত্তাটি যা-ই হোক না কেন, তিনি তাঁর 'লিটারেচার অ্যান্ড ডগমা' এবং 'গড অ্যান্ড দ্য বাইবেল' গ্রন্থে আমাদের যে ধর্মের কথা বলেছেন তা ঈশ্বরবাদ (ডিইজম) বা নিছক প্যান-ডিইজম নয়, বরং এক ধরণের লঘু [[:w:দৃষ্টবাদ|দৃষ্টবাদ]] বা পজিটিভিজম। একটি নৈতিক ব্যবস্থা হিসেবে এটি তাত্ত্বিকভাবে চমৎকার, তবে এর বাস্তব মূল্য অত্যন্ত প্রশ্নবিদ্ধ। [[w:র‍্যনে_দেকার্ত|রেনে দেকার্তের]] দার্শনিক অনুসন্ধান থেকে বেরিয়ে আসা ঈশ্বর সম্পর্কে '''[[w:ব্লেজ_পাস্কাল|ব্লেজ পাস্কাল]]''' মন্তব্য করেছিলেন যে— তিনি ছিলেন একজন অপ্রয়োজনীয় ঈশ্বর। আর কেউ আরও বেশি সত্যের সাথে বলতে পারে যে, আর্নল্ড যে ধর্মের প্রস্তাব দিয়েছেন তা গ্রহণ করার এবং সেই অনুযায়ী চলার সামর্থ্য যে মানুষের আছে, তার আসলে সেই ধর্মের সাহায্য বা উদ্দীপনার কোনো প্রয়োজন নেই। একটি [[:w:আদর্শবাদ|নৈতিক আদর্শবাদের]] মূল্যায়ন করতে হলে মানুষকে নিজেকেই আগে একজন নৈতিক আদর্শবাদী হতে হয়। ** '''''[[w:উইলিয়াম_হার্বার্ট_(উদ্ভিদবিজ্ঞানী)|উইলিয়াম হার্বাট ডসন]]''''', ''মাস্টারি অফ বিয়িং'' (১৯০৪, পুনর্মুদ্রিত ১৯৭৭), পৃষ্ঠা ২৫৬। * ঈশ্বর ''হলেন'' প্রবৃদ্ধি, ঈশ্বর ''হলেন'' কাঠামো বা জ্ঞান, ঈশ্বর একই সাথে সবকিছু আবার কিছুই নন। আর ইব্রাহিমীয় ধর্মগুলোর জন্য কিছুটা ধর্মদ্রোহী মনে হলেও উপলব্ধি করা, অর্থাৎ জ্ঞানার্জন করা, অর্থাৎ পদার্থের অংশ হওয়া, অর্থাৎ একটি মহাকর্ষীয় ক্ষেত্র তৈরি করা কাঠামোগত শক্তি হওয়া হলো আলোর মাধ্যমে ঈশ্বরের এক সত্তার সাথে অন্য সত্তার সম্পর্কিত হওয়ারই একটি দিক। আর সেই আলো অবশ্যই ঈশ্বর। এই বিচারে, এর অন্তর্নিহিত অধিবিদ্যা নিশ্চিতভাবেই প্যানডিস্টিক। ** '''''নিল ডগলাস''''', ''ফ্রিয়িং গ্রোথ - এ নিও-ক্যাপিটালিস্ট ম্যানিফেস্টো'' (২০০৯), পৃষ্ঠা ৮। * 'থার্ড টেস্টামেন্টের' বৈপ্লবিক প্যানডিস্টিক ধারণাগুলো কি কেবল একটি দানবের উদ্ভাবিত একগুচ্ছ মিথ্যা ছিল? ডামারাসের চ্যাম্পিয়ন করা ঈশ্বরবাদ (ডিইজম) এবং সর্বেশ্বরবাদের (প্যানথেইজম) মধ্যকার সেই সমন্বয় কি আসলেও কাল্পনিক ছিল, যেমনটি অ্যামল্ড প্যারামো সমর্থন করেছিলেন? ** '''''ম্যাথু জে. ড্রুরি''''', ''ইডেন²'' (২০১১), পৃষ্ঠা ২২৯। * এম্পু (উচ্চপদস্থ পুরোহিতের পদবি) সাধারণত একটি ঐতিহ্যবাহী 'পেদান্ডা কেতু' বা লাল রঙের লম্বা মুকুট এবং একটি গোলক ব্যবহার করেন। দ্বীপে অন্য এক ব্যক্তি পান্ডে অনুষ্ঠানগুলো পরিচালনা করেন। তিনি বৌদ্ধধর্ম, হিন্দুধর্ম এবং যদি একে এভাবে অভিহিত করা যায়—"প্যানডিজমের" এক অদ্ভুত সংমিশ্রণের প্রতিনিধিত্ব করেন। প্রায় ত্রিশ বছর আগে সিঙ্গরাজা পান্ডে সম্প্রদায়ের কিছু নেতা নিজেদের হিন্দুধর্ম থেকে ভিন্ন কিছু হিসেবে ঘোষণা করার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছিলেন। কারণ তারা মনে করতেন যে তাদের মৌলিক বিশ্বাসগুলো হিন্দুধর্ম থেকে এতটাই আলাদা যে একটি স্বতন্ত্র পরিচয় গঠন করা সমীচীন। ** '''''ফ্রেড বি. আইজম্যান, জুনিয়র''''', ''বালি: সেকালা অ্যান্ড নিস্কালা: এসেস অন রিলিজিয়ন, রিচুয়াল, অ্যান্ড আর্ট'' (১৯৮৯), পৃষ্ঠা ৮৯। {{ISBN|0945971036}}। * নিউ এজ মুভমেন্টের মধ্যে পুরোনো আধ্যাত্মিক এবং ধর্মীয় ঐতিহ্যের নানাবিধ উপাদান বিদ্যমান, যার বিস্তৃতি নাস্তিক্যবাদ ও একেশ্বরবাদ থেকে শুরু করে ধ্রুপদী সর্বেশ্বরবাদ, প্রাকৃতিক সর্বেশ্বরবাদ, প্যানডিজম এবং প্যানেনথিজম হয়ে বহুঈশ্বরবাদ পর্যন্ত, যা বিজ্ঞান এবং গায়া দর্শনের সাথে সমন্বিত। এর মধ্যে বিশেষভাবে [[w:পুরাজ্যোতির্বিদ্যা|প্রত্ন-জ্যোতির্বিদ্যা]], [[w:জ্যোতির্বিজ্ঞান|জ্যোতির্বিদ্যা]], বাস্তুসংস্থান, পরিবেশবাদ, গায়া হাইপোথিসিস, [[w:মনোবিজ্ঞান|মনোবিজ্ঞান]] এবং [[w:পদার্থবিজ্ঞান|পদার্থবিদ্যা]] অন্তর্ভুক্ত। ** '''''হেনরি হ্যারিসন এপস, জুনিয়র''''', ''এন্ড টাইমস অর্গানাইজেশনস, ডকট্রিনস অ্যান্ড বিলিফস'' (২০১২), পৃষ্ঠা ২২০। * ঈশ্বর যদি সবটুকু হন, সবকিছুকে ধারণ করেন, প্রতিটি শব্দকে গভীর কোনো শব্দ কিংবা ভালোবাসা নামক শব্দটিকেও আপন করে নেন, তবে ঈশ্বর সত্যিই মহান, বিশাল ও অসীম। আর এমন এক ঈশ্বরের ধারণায় নেজারের প্যানডিজম হলো কাব্যজগতের অন্যতম শক্তিশালী একটি কাব্যিক চিন্তা যা আমরা পেয়েছি। এই কবির কাছ থেকে, এই কাব্যিক স্রষ্টার কাছ থেকে আর কী-ই বা প্রত্যাশা করা যায়, যিনি বিশ বছরেরও কম সময়ের মধ্যে এমন মহান এক কাব্যিক আলোকবর্তিকার সান্নিধ্য পেয়েছেন? ** '''''ওটাভিও ডি ফারিয়া''''', "প্যানডিজমো এম কার্লোস নেজার", ''উলতিমা হোরা'', রিও ডি জেনিরো (১৭ মে, ১৯৭৮)। * এমন এক মতবাদ যা তার হঠকারী [[:w:আদর্শবাদ|আদর্শবাদের]] কারণে কেবল বিশ্বাসকেই নয়, বরং স্বয়ং যুক্তিকেও আঘাত করে ([[w:ইমানুয়েল_কান্ট|'''ইমানুয়েল কান্টের''']] ব্যবস্থা): সেই ফরাসি মনোবিদের বিপজ্জনক ভুলগুলো উন্মোচিত করা ধর্ম ও নৈতিকতা উভয়ের জন্যই জরুরি হবে, যিনি মানুষের মনকে প্রলুব্ধ করেছেন (ভিক্টর কাজিন); তিনি দেখিয়েছেন কীভাবে তাঁর দুঃসাহসিক দর্শন পবিত্র ধর্মতত্ত্বের দেয়াল ভেঙে নিজের কর্তৃত্বকে সবার উপরে স্থান দেয়। তিনি রহস্যময় বিষয়গুলোকে অপবিত্র করেন, কখনও সেগুলোকে অর্থহীন ঘোষণা করে, আবার কখনও সেগুলোকে সাধারণ ইঙ্গিত বা নিছক রূপকে পরিণত করে। একজন বিদগ্ধ সমালোচক যেমনটি লক্ষ্য করেছেন, এই দর্শন প্রত্যাদেশকে (রেভেলেশন) সহজাত চিন্তা ও বিচারহীন স্বীকৃতির সাথে স্থান পরিবর্তন করতে বাধ্য করে। এটি যুক্তিকে মানুষের ব্যক্তিত্বের বাইরে স্থাপন করে মানুষকে ঈশ্বরেরই এক খণ্ডাংশ হিসেবে ঘোষণা করে; যা এক ধরণের আধ্যাত্মিক প্যানডিজমের সূচনা করে। আমাদের কাছে এটি যেমন অযৌক্তিক, তেমনি সেই পরম সত্তার জন্যও অবমাননাকর, যা কি না তাঁর স্বাধীনতাকে মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ করে। ** '''''লুইগি ফেরারিজে''''', ''মেমোরি রিসগুয়ার্দান্টি লা ডটরিনা ফ্রেনোলজিকা'' (১৮৩৮), পৃ. ১৬। * গতকালের সেই 'প্যান-ডিইস্ট' বা প্যান্ডিস্টরা, যারা বৃক্ষ আর ঝরনার উপাসনা করত। আজ তারা বিভিন্ন পরিবেশবাদী সংগঠনের সদস্য হয়ে মূলত একই কাজ করে চলেছে। [[w:আল_গোর|আল গোর]] বা তাঁর মতো অন্যান্যরা, এমনকি সম্ভবত বনায়ন কর্মসূচিতে আগ্রহী বারাক ওবামা, হয়ে উঠেছেন তাদের বর্তমান যুগের ওঝা বা শামান। ** '''''মার্ক ফিঙ্কেলস্টেইন''''', [http://finkelblog.com/index.php/2009/04/11/happy-pan-deism-day-from-gail-collins/ "হ্যাপি প্যান-ডিইজম ডে ফ্রম গেইল কলিন্স"], (১১ এপ্রিল ২০০৯)। * প্যানডিজম হলো অন্য এক ধরনের বিশ্বাস যা দাবি করে যে, ঈশ্বর এবং মহাবিশ্ব অভিন্ন। তবে ঈশ্বর এখন আর এমন কোনো অবস্থায় বিদ্যমান নেই যেখানে তাঁর সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব। ফলস্বরূপ, এই তত্ত্বটি কেবল যুক্তির মাধ্যমেই প্রমাণ করা সম্ভব। প্যানডিজম পুরো মহাবিশ্বকে ঈশ্বরেরই অংশ হিসেবে দেখে এবং এখন এই মহাবিশ্বই হলো ঈশ্বরের পূর্ণ রূপ। তবে সময়ের কোনো এক পর্যায়ে এই মহাবিশ্ব পুনরায় সংকুচিত হয়ে সেই একক সত্তায় বিলীন হয়ে যাবে, যিনি স্বয়ং ঈশ্বর এবং যা কিছু আছে সবকিছুর স্রষ্টা। প্যানডিজম এই প্রশ্ন উত্থাপন করে যে ঈশ্বর কেন একটি মহাবিশ্ব সৃষ্টি করে তারপর তা পরিত্যাগ করবেন? যেহেতু এটি সর্বেশ্বরবাদের সাথে সম্পর্কিত, তাই এটি এই প্রশ্নটিও তোলে যে, এই মহাবিশ্বের উৎপত্তি কীভাবে হলো এবং এর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যই বা কী? ** '''''অ্যালান আর. ফুলার''''', ''থট: দ্য অনলি রিয়েলিটি''। ২০১০। পৃষ্ঠা ৭৯। * তদুপরি, তাঁর কর্ম থেকে এক ধরনের সর্বেশ্বরবাদ, বা বলা ভালো "প্যানডিজম" উন্মোচিত হয়। যেখানে [[w:নয়াপ্লাতোবাদ|নব্য-প্লেটোবাদী বা নয়াপ্লাতোবাদ]] অনুপ্রেরণা কঠোর খ্রিস্টীয় অর্থোডক্সির সাথে এক নিখুঁত পরিপূরক হিসেবে কাজ করে। ** '''''জঁ-জাক গাবুত''''', [[:w:জন স্কটাস এরিউজেনা|এরিউজেনা]] প্রসঙ্গে, "[https://books.google.com/books?id=50FDDwAAQBAJ&pg=PT23&dq=pand%C3%A9isme&hl=en&sa=X&ved=0ahUKEwiByZ3owbveAhULxVkKHQRbBscQ6AEINTAC#v=onepage&q=pand%C3%A9isme&f=false ওরিজিনস এত ফন্দামেন্ট স্পিরিচুয়েলস এত সোসিওলজিকস দে লা মেসোনেরি একোসাইস]" (২০১৭)। * আঠারো শতক এবং উনিশ শতকের শুরুর দিকে, [[:w:গোটে|গোটে]], [[:w:শেলিং|শেলিং]] এবং [[:w:কোলরিজ|কোলরিজের]] মতো লেখকদের কাছে [[w:বারুখ_স্পিনোজা|বারুখ স্পিনোজা]] এক প্রকার রহস্যময় সর্বেশ্বরবাদী প্রকৃতিবাদের (প্যানথেইস্ট ডিইজম) এক ধর্মনিরপেক্ষ সন্তে পরিণত হয়েছিলেন। ** '''''অ্যারন ভি. গ্যারেট''''', ''মিনিং ইন স্পিনোজা'স মেথড'' (২০০৩), পৃষ্ঠা ২। * তারপরও, যদি অর্ধ-দেবতা প্যান-এর আবির্ভাব ঘটে, তবে এর ফলাফল হবে 'প্যান-ডিইজম', যা মূলত প্যান্ডোরার বাক্স উন্মুক্ত করারই নামান্তর। ** ২০০৩, '''''জন জি''''', ''দ্য মেটাফিজিশিয়ানস ডেস্ক রেফারেন্স: ইনক্লুডিং দ্য রিভাইজড ফরমাল সিস্টেম অফ মেটাফিজিক্স'', পৃষ্ঠা ১৬৪। * [[:w:সর্বপ্রাণবাদ|সর্বপ্রাণবাদ]] সংক্রান্ত ধারণাগুলোর মধ্যে এমন কিছু বৈচিত্র্য খুঁজে পাওয়া যায় যা মানব চিন্তার ইতিহাসে নিজস্ব স্থান করে নিয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, [[:w:হিন্দুধর্ম|হিন্দুধর্মে]] বর্ণিত ''[[:w:লীলা|লীলা]]''-র ধারণাটি প্যানডিজমের ধারণার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। ** '''''জেমস বি. গ্ল্যাটফেল্ডার''''', '''ইনফরমেশন—কনশাসনেস—রিয়ালিটি': হাউ এ নিউ আন্ডারস্ট্যান্ডিং অফ দ্য ইউনিভার্স ক্যান হেল্প আনসার এজ-ওল্ড কোশ্চেনস অফ এক্সিস্টেন্স'' (২০১৯), পৃ. ৫৩৪। * কিন্তু ব্রুনো পুরোপুরি নাস্তিক বা সর্বেশ্বরবাদী ছিলেন না। তিনি সম্ভবত একটি নেতিবাচক ধর্মতত্ত্ব বা 'অ্যাপোফ্যাটিক ক্রিড' (''[[:w:নেতি-নেতি|ভিয়া নেগাটিভা]]'') অনুসরণ করতেন, যা তাঁকে একজন প্যানডেইস্ট হিসেবে অধিকতর গ্রহণযোগ্য করে তোলে। ** '''''তারিক গডার্ড''''', ''দ্য রিপিটার বুক অফ হিরোইজম'' (২০২২), পৃ. ২৫। * যদিও 'প্যান-' (pan-) শব্দাংশ দিয়ে গঠিত প্যানথেইজম, প্যানডিজম বা প্যানকুবার্নিজম—এর যেকোনোটিই অ্যানাক্সিম্যান্ডারকে বর্ণনা করার জন্য যথেষ্ট; তবুও এখানে আরও একটি বিষয় খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। এই বর্ণনাটি কি টেকনিক্যালি অ্যানাক্সিম্যান্ডারের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য? এখানে মূল বিষয় হলো সেই 'অ্যাপাইরন (গ্রিক দার্শনিক [[w:আনাক্সিমান্দ্রোস|আনাক্সিমান্দ্রোসের]] অ্যাপাইরন তত্ত্ব), যা সবকিছুকে পরিবেষ্টন করে রাখে এবং সবকিছুকে চালনা করে, আর এই 'অ্যাপাইরন'ই হলো ঐশ্বরিক। তাহলে 'কসমস' বা মহাবিশ্বের অবস্থান কী? স্পষ্টতই, কসমস সবকিছুকে পরিবেষ্টন করে থাকে না, কিন্তু এটি কি ঐশ্বরিক নয়? এটি কি কোনো চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে না? ** '''''অ্যান্ড্রু গ্রেগরি''''', ''অ্যানাক্সিম্যান্ডার: এ রি-অ্যাসেসমেন্ট'' (২০১৬), পৃ. ১০০। * [[w:প্লিনি_দ্য_এল্ডার|প্লিনি দ্য এল্ডারের]] ক্ষেত্রে, যাঁকে স্পিনোজাপন্থী না হলেও অন্তত একজন 'পান্ডিস্ট' হিসেবে অভিহিত করা যেতে পারে, প্রকৃতি হলো এমন কোনো সত্তা নয় যা জগৎ থেকে বিচ্ছিন্ন বা পৃথক। তাঁর দর্শনে প্রকৃতি হলো সমগ্র সৃষ্টিজগতের এক মূর্ত রূপ, এবং তাঁর দেবত্বের ধারণাটিও ঠিক একই উপাদানে গঠিত বলে প্রতীয়মান হয়। ** '''''গটফ্রিড গ্রোসে''''', ''[http://books.google.com/books?id=6ro9AAAAcAAJ&pg=PA165&dq=pandeisten&ei=YiknS8ydDo3iyATjvZnbCA&cd=2#v=onepage&q=pandeisten&f=false নাটুরগেশিখতে: মিট এরলাউটারনডেন আনমেরকুঙ্গেন]'' (প্রাকৃতিক ইতিহাস: টীকা সহ; [[:w:জ্যেষ্ঠ প্লিনি|জ্যেষ্ঠ প্লিনি]]-র 'প্রাকৃতিক ইতিহাস'-এর অনুবাদ ও ব্যাখ্যা), ১৭৮৭, পৃষ্ঠা ১৬৫। এটি এখন পর্যন্ত পাওয়া প্যানডিজমের প্রাচীনতম বিদ্যমান বর্ণনা। * আমরা গ্রিক এবং রোমান দার্শনিকদের সম্পর্কে কিছু বলতে পারি এবং তাঁদের প্যান্ডিস্ট ধর্মগুলোকে আমাদের বর্তমান ধর্মগুলোর সাথে তুলনা করতে পারি। উদাহরণস্বরূপ, [[w:এরিস্টটল|অ্যারিস্টটল]], [[w:প্লেটো|প্লেটো]], প্লটিনাস এবং অরেলিয়াস, তাঁরা সেন্ট অগাস্টিন এবং থমাস অ্যাকুইনাসের দেওয়া বিধানের বিপরীতে গিয়ে পুরুষ ও মহিলাদের আনন্দ অন্বেষণের অনুমতি দিয়েছিলেন। যাতে তাঁরা এই পৃথিবীতেই ব্যক্তিগত সুখ অর্জন করতে পারেন এবং স্রেফ যুক্তির চর্চাকেই পরম লক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করতে পারেন। ** '''''ওয়াল্টার গ্রুয়েন''''', পিএইচ.ডি., ''দ্য প্রমিস অফ হিউম্যান অটোনমি'' (২০১৭), পৃষ্ঠা ৩১। * ভারত ত্রিশ কোটি দেব-দেবীর পূজা করে। তার কাছে ঈশ্বরই সবকিছু, এবং সবকিছুই ঈশ্বর। আর তাই, সবকিছুই আরাধ্য হতে পারে। সাপ এবং দানবরা তার বিশেষ উপাস্য। ভারতের এই প্যান-ডিইজম মূলত এক বিশৃঙ্খল নরককুন্ড (প্যান্ডেমোনিয়াম)। ** '''''রেভারেন্ড হেনরি গ্র্যাটান গিনেস''''', "ফার্স্ট ইমপ্রেশনস অফ ইন্ডিয়া", ''দ্য মেডিকেল মিশনারি'' (১৮৯৭), পৃষ্ঠা ১২৫-১২৭। * সত্যি বলতে, একজন প্যানডেইস্ট এবং একজন নিরীশ্বরবাদীর মধ্যে পার্থক্য করার মতো সিনট্যাক্স, সেমান্টিক্স, প্রযুক্তিগত দিক বা আনুষ্ঠানিকতা (এবং সম্ভবত দাম্ভিকতা) ছাড়া আর কিছুই নেই। সকল "নিরীশ্বরবাদী" মূলত সেই একই ঈশ্বরে বিশ্বাস করেন যাতে প্যানডেইস্টরা বিশ্বাস করেন; কিন্তু অধিকাংশ ধর্মের চোখে তাঁদের সেই ব্যক্তিসত্ত্বাহীন 'ঈশ্বর' আদতে কোনো 'ঈশ্বরই' নন। ** '''''রেভ. কাইল লোগান হ্যামলিন''''', ''বেটার এ কম্প্যাশনেট অ্যাথিস্ট, দ্যান অ্যান অ্যাপাথেটিক ক্রিশ্চিয়ান'' (২০০৫), পৃষ্ঠা ১০। * আমরা কি কেবল আইনের শিকল দিয়ে আবদ্ধ থাকি বলেই পুণ্যবান? আমরা মানুষকে ভবিষ্যদ্বাণী করতে শুনি যে, এই যুদ্ধ মানেই খ্রিস্টধর্মের মৃত্যু এবং প্যানডিজমের যুগের সূচনা, অথবা সম্ভবত আমাদের আধুনিক সভ্যতা ও সংস্কৃতির ধ্বংস। আবার আমরা অনেককে এমন ভবিষ্যদ্বাণী করতেও শুনি যে, এই যুদ্ধের চূড়ান্ত ফলাফল মানবজাতির জন্য আশীর্বাদ বয়ে আনবে। ** '''''লুই এস. হার্ডিন''''', "দ্য কাইমেরিক্যাল অ্যাপ্লিকেশন অফ ম্যাকিয়াভেলি'স প্রিন্সিপলস", [[:w:ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়|''ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়'']] (মে ১৯১৫), পৃষ্ঠা ৪৬৩। * মুসলমানরা বড় শহরগুলোতে তাদের নিজস্ব ছোট জগত তৈরি করতে চাইলেও হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ সমাজের সাথে বারবার তাদের সংঘাত তৈরি হতো: হিন্দুদের বর্ণপ্রথা বনাম মুসলমানদের সমতাকামী সমাজ, হিন্দুদের নিরামিষভোজী বনাম মুসলমানদের মাংসাহার, এবং হিন্দুদের প্যানডিজম ও পীর-পূজার (সাধু ভক্তি) বিপরীতে মুসলমানদের একেশ্বরবাদ। ** '''''ইয়ুর্গেন হার্টম্যান''''', ''রিলিজিয়ন ইন ডার পলিটিক: ইউডেনটাম, ক্রিস্টেনটাম, ইসলাম'' (২০১৪), পৃষ্ঠা ২৩৭। * ঈশ্বর এই জগতকে তাঁর অস্তিত্বের বাইরে রাখেন। তিনি কেবল জগতের আদি কারণ হিসেবে গণ্য হন, কিন্তু কোনো অর্থেই তিনি নিজে কোনো কিছুর ফলাফল বা কার্যের বহিঃপ্রকাশ নন, তা সে নিজের পক্ষ থেকেই হোক কিংবা অন্য কিছুর। সর্বেশ্বরবাদ (যার চেয়ে "প্যানডিজম" শব্দটিই অধিকতর জুতসই, কারণ এখানে প্রকৃত অর্থে কোনো ব্যক্তিসত্তা বা 'থিয়স'-কে বর্ণনা করা হচ্ছে না) মূলত এটিই বোঝায় যে—ঈশ্বর হলেন সাধারণ কার্যকারণের এক অখণ্ড ও অবিভাজ্য সমষ্টি; যেখানে সাধারণ কার্যকারণের এই শৃঙ্খলের ঊর্ধ্বে স্বাধীন কোনো 'পরতম-কারণ' বা বিশেষ কোনো উচ্চতর শক্তির অস্তিত্ব নেই। ** প্রফেসর '''''[[:w:চার্লস হার্টশর্ন|চার্লস হার্টশর্ন]]''''', ''ম্যান'স ভিশন অফ গড অ্যান্ড দ্য লজিক অফ থেইজম'' (১৯৪১), পৃষ্ঠা ৩৪৭। {{ISBN|020800498X}}। * ঈশ্বর এভাবে সমগ্র বিশ্বকে নিজের সত্তার অন্তরালে ধারণ করেন। প্রকৃতপক্ষে তিনি হলেন মহাবিশ্বের সেই সমস্ত খণ্ডাংশের এক পূর্ণাঙ্গ সমষ্টি, যা নির্বিশেষে কার্য এবং কারণের সমন্বয় হিসেবে বিদ্যমান। এখন এ-আর বা এমন এক ধারণা যা কিছু ক্ষেত্রে পরম নিখুঁত এবং অন্য সব ক্ষেত্রে আপেক্ষিক পরিপূর্ণতাকে বোঝায়, তা এই প্রচলিত মতবাদগুলোর চেয়ে সমদূরত্বে অবস্থান করে। ঈশ্বরের দ্বিমুখী স্বরূপের এই দৃষ্টিভঙ্গির কল্যাণে, এটি প্রকৃতিবাদ (ডিইজম) বা প্যানডিজমের মধ্যকার ইতিবাচক সমস্ত উপাদানকে সুসংগতভাবে আলিঙ্গন করতে সক্ষম। এ-আর বলতে বোঝায় যে, ঈশ্বর তাঁর সত্তার এক দিক থেকে সমস্ত সাধারণ কার্যকারণের এক অখণ্ড সামগ্রিকতা। কিন্তু তাঁর সত্তার অন্য দিকটি হলো তাঁর সারমর্ম (যাকে 'এ' বা পরম নিখুঁত বলা হয়েছে), যা যেকোনো নির্দিষ্ট বা আকস্মিক অস্তিত্বের গোষ্ঠী থেকে বিমূর্তভাবে কল্পনা করা সম্ভব, যদিও এটি সেই আবশ্যকতা এবং শক্তি থেকে বিচ্যুত নয় যা প্রতিটি মুহূর্তে তাঁকে একীভূত পূর্ণতার মধ্য দিয়ে তাঁর নিজস্ব স্বরূপ প্রকাশে পর্যাপ্ত উপাদান সরবরাহ করে। ** প্রফেসর '''''[[:w:চার্লস হার্টশর্ন|চার্লস হার্টশর্ন]]''''', ''ম্যান'স ভিশন অফ গড অ্যান্ড দ্য লজিক অফ থেইজম'' (১৯৪১), পৃষ্ঠা ৩৪৮। {{ISBN|020800498X}}। * এই সূক্ষ্ম পার্থক্যগুলো কেবল তখনই অর্থবহ হয়ে ওঠে যখন এ-আর (কিছু ক্ষেত্রে পরম এবং অন্য ক্ষেত্রে আপেক্ষিক) ধারণাটিকে স্বতঃসিদ্ধ হিসেবে ধরে নেওয়া হয় (যেখানে স্পিনোজা ব্যর্থ হয়েছিলেন, কারণ তিনি কেবল পরম বা 'এ' অংশটিকে বিবেচনা করেছিলেন)। ঠিক যেভাবে এ-আর ধারণাটি পরিপূর্ণতার ইতিবাচক নির্যাসটুকু ধারণ করে, ঠিক তেমনি সি-ডব্লিউ /CW বা 'স্রষ্টা এবং তাঁর সৃষ্টি'-কে একই প্রাণের অংশ হিসেবে বিবেচনা করার ধারণাটি এক ‘পরম-পূর্ণতা’ গঠন করে। এই পরমসর্বেশ্বরবাদ বা প্যানেনথিজম মতবাদটি প্রকৃতিবাদ ওপ্যানডিজমের সেই স্বেচ্ছাচারী নেতিবাচক অংশগুলো বাদ দিয়ে তাদের সমস্ত নির্যাস ধারণ করে। সুতরাং, এই পরম-আপেক্ষিক পরমসর্বেশ্বরবাদ হলো সেই অনন্য মতবাদ যা প্রকৃতপক্ষে ঈশ্বরবাদী এবং ক্ষেত্রবিশেষে নাস্তিকদের অবচেতন আলোচনার সেই পূর্ণাঙ্গ রূপটিকে স্পষ্টভাবে ব্যক্ত করে। ** প্রফেসর '''''[[:w:চার্লস হার্টশর্ন|চার্লস হার্টশর্ন]]''''', ''ম্যান'স ভিশন অফ গড অ্যান্ড দ্য লজিক অফ থেইজম'' (১৯৪১), পৃষ্ঠা ৩৪৮। {{ISBN|020800498X}}। * [[:w:ঈশ্বর|ঈশ্বর]] নিজেকে অসংখ্য খণ্ডে বিভক্ত করেছেন যেন তিনি কিছু [[:w:বন্ধু|বন্ধু]] পেতে পারেন। এটি হয়তো সত্য নয়, তবে শুনতে বেশ ভালো লাগে এবং অন্য যেকোনো [[:w:ধর্মতত্ত্ব|ধর্মতত্ত্বের]] মতোই এটি সমান অর্থবহ। ** '''''রবার্ট এ. হাইনলাইন''''', অ্যাফোরিজমস অফ লাজারাস লং, ''টাইম এনাফ ফর লাভ'' (১৯৭৩), পৃষ্ঠা ২১৬। * ঈশ্বরকে সমস্ত কিছুর এক ঊর্ধ্বগামী সমষ্টি হিসেবে ভাবা যেতে পারে, যেখানে সেই 'সমগ্রতা' তার অংশগুলোর সমষ্টিকেও ছাড়িয়ে যায়, ঠিক একটি 'গেস্টাল্ট' বা পূর্ণাঙ্গ অবয়বের মতো। যদি 'দেব-দেবী' (বহুবচনে) বিদ্যমান থাকেন, তবে তাঁরা অস্তিত্বশীল হবেন সমস্ত কিছুর সেই সমষ্টিগত বহিঃপ্রকাশের উপ-বিভাগ হিসেবে। আমি মাঝে মাঝে নিজেকে একজন 'প্যানডেইস্ট' হিসেবে উল্লেখ করেছি, তবে মূলধারা বা এমনকি কোনো প্রযুক্তিগত শ্রেণীকরণও এড়িয়ে চলার চেষ্টা করি। কারণ লোকে তখন মনে করে যে তারা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই আপনার দৃষ্টিভঙ্গি বুঝে ফেলেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এর অর্থ হলো—কারো ধর্মীয় পরিচয়কে খ্রিস্টধর্মের সাথে পার্থক্যের মানদণ্ডে সংজ্ঞায়িত করা হয়, যাকে সেখানে আদর্শ ধর্মীয় মাপকাঠি হিসেবে ধরা হয়। আমি মনে করি এটি আদিবাসী আমেরিকানদের ঐতিহ্যগত পথকে বস্তুনিষ্ঠ করে তোলে এবং অধস্তন করে রাখে। তাই আমি প্রায়ই প্রকাশ্যে নিজেকে ঐতিহ্যগত সাধক বা 'প্যান-ডেইস্ট' হিসেবে পরিচয় দিই না। বরং আমি প্রায়ই 'নিরীশ্বরবাদী' তকমাটি পছন্দ করি, কারণ আমি মনে করি না যে আমার দৃষ্টিভঙ্গি মূলধারার আমেরিকার খ্রিস্টীয় 'ঈশ্বর' ধারণার সাথে মিলে যায়। তবুও, 'প্যান-ডিইজম'-এর মতো কিছু একটা আমার অনুভূত ঈশ্বরের স্বরূপকে কিছুটা হলেও ধারণ করতে পারে। সবকিছুই ঈশ্বর, ঈশ্বরের যেকোনো অংশই সেই সর্বজনীন ঐশ্বরিক প্রকৃতির অংশীদার। ** '''''থারম্যান 'লি' হেস্টার জুনিয়র''''', "নেটিভ আমেরিকান স্পিরিচুয়ালিটি", ইন গ্রাহাম অপ্পি, এন.এন. ট্রাকাকিস, ''ইন্টাররিলিজিয়াস ফিলোসফিক্যাল ডায়ালগস - ভলিউম ৩'' (২০১৭), পৃষ্ঠা ৪৬। * আমার স্থির বিশ্বাস এই যে, প্যানডিজম প্রকৃতপক্ষে একটি সুসংগঠিত ব্যবস্থা বা মতাদর্শ ছিল; এবং আমি যখন 'পান্ডিয়া দেশ' বা 'পান্ডিয়া সাম্রাজ্য' শব্দগুলো ব্যবহার করি, তখন আমি মূলত নিজেকে এমন এক ভঙ্গিতে প্রকাশ করি যা অনেকটা 'পোপীয় সাম্রাজ্য' বা 'পোপতন্ত্রের রাজ্য' বলার সমতুল্য। ঠিক যেভাবে আমরা বলে থাকি যে, গ্রিকদের চার্চে অনেক অসার আচার-অনুষ্ঠান প্রচলিত আছে, যার মাধ্যমে মূলত সমস্ত জাতির গ্রিক ধর্মাবলম্বীদের বোঝানো হয়। অথবা যেভাবে বলা হয় যে পোপের শাসনাধীন দেশগুলো কুসংস্কারে আচ্ছন্ন। একই সাথে, আমি বিনীতভাবে এটিও স্পষ্ট করতে চাই যে—আমি কৃষ্ণ-কন্যা পান্ডিয়ার সেই প্রাচীন সাম্রাজ্যের অস্তিত্বকে মোটেও অস্বীকার করছি না। এটি ঠিক তেমনই সত্য, যেমনটি অস্বীকার করা অসম্ভব যে ফ্রান্স নামক একটি রাজ্য ছিল যা চার্চের বা পোপের জ্যেষ্ঠ পুত্রের দ্বারা শাসিত হতো। ** '''''গডফ্রি হিগিন্স''''', ''[[:w:অ্যানাক্যালিপসিস|অ্যানাক্যালিপসিস: অ্যান অ্যাটেম্পট টু ড্র অ্যাসাইড দ্য ভেইল অফ দ্য সাইটিক আইসিস: অর অ্যান ইনকোয়ারি ইনটু দ্য অরিজিন অফ ল্যাঙ্গুয়েজেস, নেশনস অ্যান্ড রিলিজিয়নস]]'' (১৮৩৩), পৃষ্ঠা ৪৩৯। খণ্ড ১ {{ISBN|0766126439}}; খণ্ড ২ {{ISBN|0766126447}}; (১৯৭২ সংস্করণ) - ASIN: B0006Y9FEM। **(দ্রষ্টব্য: এই অংশটি মূলত '''''[[:w:জন ব্যালু নিউব্রো|জন ব্যালু নিউব্রো]]'''''-র ''[[:w:ওয়াস্পে বাইবেল|ওয়াস্পে বাইবেল]]'' (১৮৮২, পুনর্মুদ্রিত ১৯৯৮), পৃষ্ঠা ৮৭৪-এ ব্যাপকভাবে পুনরুৎপাদন করা হয়েছে)। * আমরা ইতিপূর্বে প্রত্যক্ষ করেছি যে, শ্রীকৃষ্ণের অনেক পুত্র সন্তান থাকা সত্ত্বেও তিনি তাঁর সেই সুবিশাল সাম্রাজ্যটি তাঁর কন্যা পান্ডিয়ার হাতে ন্যস্ত করে গিয়েছিলেন, যে সাম্রাজ্যের বিস্তৃতি ছিল সিন্ধু নদের উৎস মুখ থেকে শুরু করে কুমারিকা অন্তরীপ পর্যন্ত (যেহেতু আমরা এই বিন্দুর সন্নিকটেই 'রেজিও পান্ডিওনিস' এর অস্তিত্ব খুঁজে পাই)। তবে, বুদ্ধের মূর্তিকে নিরন্তর নয়টি ফণা তোলা সাপের ছায়াতলে সযত্নে রক্ষিত হতে দেখে আমি এই সিদ্ধান্তে উপনীত হতে বাধ্য হচ্ছি যে এই প্যানডিজম মূলত এমন একটি গূঢ় মতবাদ ছিল, যা বৌদ্ধ এবং ব্রাহ্মণ উভয় সম্প্রদায়ের দ্বারাই পরম শ্রদ্ধায় গৃহীত হয়েছিল। ** '''''[[:w:গডফ্রি হিগিন্স|গডফ্রি হিগিন্স]]''''', ''[[:w:অ্যানাক্যালিপসিস|অ্যানাক্যালিপসিস: অ্যান অ্যাটেম্পট টু ড্র অ্যাসাইড দ্য ভেইল অফ দ্য সাইটিক আইসিস: অর অ্যান ইনকোয়ারি ইনটু দ্য অরিজিন অফ ল্যাঙ্গুয়েজেস, নেশনস অ্যান্ড রিলিজিয়নস]]'' (১৮৩৩), পৃষ্ঠা ৪৩৯। খণ্ড ১। {{ISBN|0766126439}}; খণ্ড ২ {{ISBN|0766126447}}; (১৯৭২ সংস্করণ) - ASIN: B0006Y9FEM। **(দ্রষ্টব্য: এই অংশটিও মূলত '''''[[:w:জন ব্যালু নিউব্রো|জন ব্যালু নিউব্রো]]'''''-র ''[[:w:ওয়াস্পে বাইবেল|ওয়াস্পে বাইবেল]]'' (১৮৮২, পুনর্মুদ্রিত ১৯৯৮), পৃষ্ঠা ৮৭৪-এ ব্যাপকভাবে পুনরুৎপাদন করা হয়েছে)। * সেই অর্থে খ্রিস্টধর্মের সুপ্ত যুক্তিবাদ আধুনিক বিশ্বের প্রাত্যহিক অভিজ্ঞতায় গভীরভাবে মিশে গেছে।এর মূল্যবোধগুলো এখন পরিবার, সুশীল সমাজ এবং রাষ্ট্রের বিভিন্নরূপে মূর্ত হয়ে উঠেছে। [[:w:ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস|এঙ্গেলস]] বিশেষত এই সমস্ত কিছুর মধ্যে আধুনিক সর্বেশ্বরবাদের (বা বলা ভালো, প্যানডিজমের) একটি ধারণা খুঁজে পেয়েছিলেন। যেখানে দেবত্ব বা ঈশ্বরত্বের সাথে প্রগতিশীল মানবতার এক মিলন ঘটে। এটি ছিল একটি আনন্দময় দ্বান্দ্বিক সংশ্লেষণ, যা তাঁকে ধর্মপ্রাণ আকুতি এবং বিচ্ছিন্নতার সেই 'পিয়েটিস্ট' মানসিকতার স্থির বৈপরীত্য থেকে মুক্তি দিয়েছিল। গ্র্যাবার ভাইদের কাছে লেখা তাঁর শেষ চিঠিগুলোর একটিতে এঙ্গেলস লিখেছিলেন, "স্ট্রাউসের মাধ্যমে আমি এখন হেগেলীয়বাদের সোজা পথে প্রবেশ করেছি। হেগেলের ঈশ্বরের ধারণাটি ইতিমধ্যেই আমার হয়ে গেছে, আর এভাবেই আমি 'আধুনিক সর্বেশ্বরবাদীদের' দলে যোগ দিচ্ছি।" ** '''''ট্রিস্ট্রাম হান্ট''''', ''মার্ক্স'স জেনারেল: দ্য রিভোল্যুশনারি লাইফ অফ ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস'' (২০১০), পৃষ্ঠা ৪৩। * আমি সবসময় ঈশ্বরের এমন এক ধারণা পছন্দ করি যা মানুষের চিন্তাশক্তির একদম ঊর্ধ্বে। আমার মনে হয় আমেরিকানদের জন্য সেখানে সর্বেশ্বরবাদী, ঈশ্বরবাদী এবং রেড ইন্ডিয়ানদের বিশ্বাসের সমন্বয়ে গঠিত একটি ধর্ম বিদ্যমান। এটি আমার কাছে অত্যন্ত সত্য বলে মনে হয়। ** '''''ফিল জ্যাকসন''''', ''শিকাগো ট্রিবিউনের'' মাইকেল হার্সলি কর্তৃক ধর্ম বিষয়ে সাক্ষাৎকার, “ফর বুলস কোচ, গড ইজ নো গেম,” ২৭ এপ্রিল ১৯৯০। * এমনকি সেই সমস্ত [[:w:অটিজম|অটিস্টিক]] ব্যক্তিরা, যারা ধর্মের প্রতি অনুরাগী, তারাও তাদের ধর্মীয় বিশ্বাসগুলোকে এমনভাবে গঠন করার প্রবণতা দেখান যা তাদের মূর্ত ও বাস্তবসম্মত চিন্তাধারার সাথে ঘনিষ্ঠভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়। তারা মূলত ধর্মতত্ত্বের জটিল তাত্ত্বিক আলোচনার চেয়ে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান এবং ঐতিহ্যের মাঝে মানসিক প্রশান্তি খুঁজতেই বেশি পছন্দ করেন। মহাবিশ্বের সৃষ্টি বা নৈতিক শাসনের সাথে জড়িত কোনো মানুষের মতো ঈশ্বরকে আলিঙ্গন করার পরিবর্তে, তারা প্রায়শই দেবত্বকে মহাজাগতিক নিয়মাবলির এক মূর্ত প্রকাশ হিসেবে কল্পনা করেন। যা মূলত ধ্রুপদী প্রকৃতিবাদের চেয়ে সর্বেশ্বরবাদ বা প্যানডিজমের দিকেই বেশি ঝুঁকে থাকে। তাঁদের ঈশ্বর সাধারণত কোনো সচেতন বা উদ্দেশ্যমূলক স্রষ্টা নন, বরং প্রকৃতি বা পদার্থবিজ্ঞানের অমোঘ নিয়মাবলিরই এক অনিবার্য বহিঃপ্রকাশ মাত্র। ** '''''মার্টিন ডি. জনসন''''', ''দ্য অ্যাথিস্ট'স সারভাইভাল গাইড'' (২০২৪), পৃষ্ঠা ৮৯, ISBN: ৯৭৯-৮-২১৮-৪৮৪৩১-৬। * প্যান্ডিস্ট দৃষ্টিভঙ্গির সত্তাতাত্ত্বিক বৈধতাকে সরিয়ে রাখলেও, চেতনার সেই সুকঠিন সমস্যা বা "হার্ড প্রবলেম অফ কনশাসনেস" নিয়ে যে দীর্ঘস্থায়ী এবং উত্তপ্ত বিতর্ক চলছে, তার প্রতিটি পক্ষই যেন একই সাথে সঠিক বলে প্রতীয়মান হয়। এই ধারণাটি বাস্তবসম্মত হোক বা না হোক, স্রেফ এই সত্যটুকুই অত্যন্ত বিস্ময়কর যে, এমন একটি দার্শনিক ব্যবস্থার কথা কল্পনা করা সম্ভব যেখানে আপাতদৃষ্টিতে পরস্পরবিরোধী এই দৃষ্টিভঙ্গিগুলো আর একে অপরের সাথে কোনো দ্বন্দ্বে জড়ায় না। ** '''''বার্নার্ডো কাস্ট্রাপ''''', পিএইচ.ডি., ''[http://www.bernardokastrup.com/2010/03/consciousness-and-pandeism.html দ্য প্যারালালস অফ প্যানডিজম]'' (২০১০)। * আর তুমি তো অনাদিকাল থেকেই ছিলে এবং অনন্তকাল ধরে থাকবে; নিরপরাধ আলমারির দরজায় তোমার পায়ের এই সমস্ত দুশ্চিন্তাগ্রস্ত আঘাত। এগুলো তো ছিল স্রেফ সেই 'শূন্যতা'-র এক মহাজাগতিক অভিনয়, যেখানে সে একজন মানুষের রূপ ধরে নিজেকেই না চেনার ভান করছিল। ** '''''[[w:জ্যাক_কেরোয়াক|জ্যাক কেরুয়াক]]''''', ''ডেসোলেশন অ্যাঞ্জেলস'', ১৯৬৫, পৃষ্ঠা ৬। * লেখক দৃশ্যত ধর্মীয়, যুক্তিনির্ভর এবং বৈজ্ঞানিক ভিত্তি সম্পন্ন জীবনদর্শনগুলোকে আলাদাভাবে ভাগ করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তিনি তাঁর সংগৃহীত তথ্য-উপাত্তের ভারে এতটাই অভিভূত হয়ে পড়েছিলেন যে, শেষ পর্যন্ত তাঁর শ্রেণীকরণের মূল নীতিটি কেবল অস্পষ্টভাবেই ফুটে উঠেছে। সম্ভবত এটাই সেই কদর্য গ্রীক-ল্যাটিন মিশ্র শব্দ প্যানডিজমের উৎস। ২২৮ নম্বর পৃষ্ঠায় তিনি এটিকে আরও বেশি অধিভৌতিক প্রকৃতির সর্বেশ্বরবাদ বা প্যানথেইজম থেকে আলাদা হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন, একটি উন্নত ও একীভূত 'সর্বপ্রাণবাদ' বা অ্যানিমিজম হিসেবে, যা একটি জনপ্রিয় ধর্মীয় বিশ্বদর্শন। এই ধার করা শব্দটির কথা মনে রাখলে আমরা শব্দটির ব্যবহারের বিশাল ব্যাপ্তি দেখে বিস্মিত হই। ২৮৪ নম্বর পৃষ্ঠা অনুযায়ী জন স্কটাস এরিজেনা হলেন পুরোপুরি একজন প্যানডেইস্ট, ৩০০ নম্বর পৃষ্ঠায় আনসেলম অফ ক্যান্টারবেরিকে 'অর্ধ-প্যানডেইস্ট' বলা হয়েছে। এমনকি নিকোলাস অফ কুসা এবং জর্দানো ব্রুনো, এমনকি মেন্ডেলসোহন ও লেসিং-এর মধ্যেও এক ধরণের প্যানডিজম খুঁজে পাওয়া গেছে। ** '''''অটো কার্ন''''', পর্যালোচক, [[:w:এমিল শুরার|এমিল শুরার]] ও [[:w:আডলফ ফন হারনাক|আডলফ ফন হারনাক]] সম্পাদিত, ''থিওলজিশ লিতেরাaturজাইতুং'', খণ্ড ৩৫ (১৯১০)। * জেনোফেনিস... তাঁর নিজস্ব ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি সম্পর্কে অত্যন্ত বিস্তারিতভাবে লিখেছিলেন, যা ছিল মূলত একটি প্যান্ডিস্ট চরিত্রের বহিঃপ্রকাশ। তাঁর এই দর্শনটি ছিল সেই সময়ে প্রচলিত ও প্রভাবশালী বহুবিধ নরত্বারোপিত দেব-দেবীর উপাসনা ও আরাধনার সম্পূর্ণ বিপরীত এক অনন্য চিন্তাধারা। ** '''''পিম দে ক্লার্ক''''', "[http://www.pimdeklerk-palynology.eu/2500_yr_palaeoecology_-_de_Klerk_2017.pdf ২৫০০ ইয়ার্স অব প্যালিয়েকোলজি: আ নোট অন দ্য ওয়ার্ক অব জেনোফেনিস অব কলোফন (আনুমানিক ৫৭০-৪৭৫ খ্রিস্টপূর্বাব্দ)]," ''জার্নাল অব জিওগ্রাফি, এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড আর্থ সায়েন্স ইন্টারন্যাশনাল'' (৫ এপ্রিল ২০১৭)। * সর্বেশ্বরবাদ ও প্যানডিজম, অদ্বৈতবাদ ও দ্বৈতবাদ - এই সমস্ত কিছুই মূলত সেই 'পরম জ্যোতি' বা দিব্য-আলোর বিভিন্ন রূপান্তর মাত্র। এগুলো সেই পরম সত্তারই মৌলিক ধারণার বিচিত্র সব আলোকচ্ছটা, যা মানুষের আত্মার গভীরে প্রতিফলিত হয়ে এক প্রতিবিম্ব তৈরি করে। এই প্রতিবিম্বের উপলব্ধি প্রতিটি ব্যক্তির চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য, পারিবারিক ঐতিহ্য এবং সামাজিক পরিবেশের দ্বারা নির্ধারিত বোধশক্তির মাধ্যমে ভিন্ন ভিন্ন রূপে প্রকাশিত হয়। ** '''''পল ফ্রেডরিখ কোহলার''''', ''কুলতুরওয়েগ উন্ড এরকেন্টনিস: আইনি ক্রিটিশ উমশাউ ইন ডেন প্রবলেমেন ডেস রিলিজিয়াসেন উন্ড গেইস্টিগেন লেবেনস'' (১৯১৬), পৃষ্ঠা ১৯৩। * "নিউ এজ" বা নতুন যুগের মহাজাগতিক তত্ত্বগুলো বস্তুবাদ, প্রকৃতিবাদ এবং ভৌতবাদকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে। এই তত্ত্বগুলো সাধারণত সর্বেশ্বরবাদী অথবা পান্ডিস্ট ঘরানার হয়ে থাকে। তারা প্রায়শই কোয়ান্টাম পদার্থবিজ্ঞান এবং চেতনা বিষয়ক গবেষণাগুলোকে নিজেদের আয়ত্তে আনার চেষ্টা করে, যাতে মহাবিশ্ব সম্পর্কে তাদের নিজস্ব দার্শনিক ধারণাগুলোকে আরও জোরালোভাবে চিত্রিত করা যায়। ** '''''আল ক্রেস্তা''''', ''ডেঞ্জারস টু দ্য ফেইথ: রিকগনাইজিং ক্যাথলিকিজম'স টুয়েন্টি ফার্স্ট সেঞ্চুরি অপোনেন্টস'', "সায়েন্স অ্যান্ড ওয়ারফেয়ার উইথ রিলিজিয়ন" (২০১৩), পৃষ্ঠা ২৫৫-২৫৬, টীকা ৩০, {{ISBN|1592767257}}। * [[w:বিশ্ব_স্বাস্থ্য_সংস্থা|WHO বা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা]] এবং এমএসএফের মতো সংস্থাগুলো দারুণ কাজ করে, কিন্তু একটি টেকসই কর্মসূচি গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় দীর্ঘমেয়াদী প্রতিশ্রুতি এবং তৃণমূল পর্যায়ের সংগঠনের প্রায়ই তাদের অভাব থাকে। হলি ফ্যামিলির মতো [[:w:খ্রিস্টীয় ধর্মপ্রচারক|মিশনারি]] এবং হাসপাতালগুলোও অবদান রেখেছে এবং তারা অর্থনীতি-ভিত্তিক সহায়তা (যেমন কর্মসংস্থান খুঁজে দেওয়া) প্রদানের প্রয়োজনীয়তা স্বীকার করে; কিন্তু সেন্ট স্টিফেনস সম্প্রদায়ের মতো তেজ ও উদ্দীপনার অভাব তাদের মধ্যে স্পষ্ট। সরকারও খুব সামান্যই কাজ করে, তবে অনুমোদন বা সম্মতির ক্ষেত্রে তারা সাধারণত সেন্ট স্টিফেনসকে সহযোগিতা করে, এর আংশিক কারণ হলো এই প্রতিষ্ঠানটি স্বয়ং [[:w:ভারত সরকার|ভারত সরকারের]] চেয়েও প্রাচীন, আর আংশিক কারণ হলো এর ধর্মনিরপেক্ষতার চমৎকার সুনাম। প্রকৃতপক্ষে, এখানকার অধিকাংশ কর্মীই হয় [[:w:হিন্দুধর্ম|হিন্দু]] নয়তো [[:w:ইসলাম|মুসলমান]], কিন্তু তাঁরা প্যান-ডেইস্ট ধারণায় পরিপূর্ণ। এমনকি জহির আমার সাথে কথা বলার সময় "আল্লাহ" শব্দের পরিবর্তে ইচ্ছাকৃতভাবে খ্রিস্টীয় শব্দ "গড" (ঈশ্বর) ব্যবহার করেছিলেন। ** '''''পল লা পোর্টে''''', ''সোশ্যাল ওয়ার্ক অ্যান্ড আদার এক্সপেরিয়েন্স ইন ইন্ডিয়া'' (২০০৩)। * যদি ঐশ্বরিক বিবর্তন বা 'হয়ে ওঠা' সম্পূর্ণ হতো, তবে ঈশ্বরের ''কেনোসিস,''অর্থাৎ ভালোবাসার খাতিরে ঈশ্বরের নিজেকে শূন্য করে দেওয়া; তা হতো চূড়ান্ত। এই প্যানডিস্টিক দৃষ্টিভঙ্গিতে, ঈশ্বর যা হয়ে উঠবেন তার বাইরে তাঁর আর কিছুই আলাদা বা বিচ্ছিন্ন হিসেবে অবশিষ্ট থাকবে না। ঈশ্বরের যেকোনো পৃথক অস্তিত্ব মূলত বাস্তবায়িত প্রপঞ্চগুলোর (অ্যাকচুয়ালাইজড ফেনোমেনা) জীবন ও ভাগ্যে তাঁর নিঃশর্ত অংশগ্রহণের সাথে অসংগতিপূর্ণ হবে। ** '''''উইলিয়াম সি. লেন''''', "লাইবনিৎস'স বেস্ট ওয়ার্ল্ড ক্লেইম রিস্ট্রাকচারড", ''আমেরিকান ফিলোসফিক্যাল জার্নাল'' (জানুয়ারি ২০১০), খণ্ড ৪৭, পৃষ্ঠা ৬৭। * প্যানডিজম দর্শনে ঈশ্বর কোনো তদারকি বা রক্ষণাবেক্ষণকারী স্বর্গীয় শক্তি নন, যিনি পার্থিব জগতের দৈনন্দিন ও মুহূর্তের ঘটনাপ্রবাহে হস্তক্ষেপ করার ক্ষমতা রাখেন। ঈশ্বর যেহেতু আর এই জগতের 'ঊর্ধ্বে' কোনো পৃথক সত্তা হিসেবে বিদ্যমান নেই, তাই তিনি উপর থেকে কোনো হস্তক্ষেপ করতে 'পারেন না' এবং তেমনটি করতে ব্যর্থ হওয়ার জন্য তাঁকে কোনোভাবেই দায়ী করা যায় না। বরং, সেই হরিণশাবক থেকে শুরু করে জগতের প্রতিটি প্রাণীর প্রতিটি দুঃখ ও যাতনা ঈশ্বর নিজেই নিজের সত্তার অভ্যন্তরে 'ধারণ' করেন।<br><br>তবুও, একজন সংশয়বাদী প্রশ্ন করতে পারেন, "কেন জগতে 'এত বেশি' দুঃখ-কষ্টের উপস্থিতি থাকতে হবে? কেন জগতের নকশাটি এমন হলো না যেখানে দুঃখের কারণ হওয়া ঘটনাগুলোকে বাদ দেওয়া যেত বা সংশোধন করা যেত?" প্যানডিজমে এর উত্তরটি অত্যন্ত স্বচ্ছঃ "একটি জগতকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে হলে তথ্যের আদান-প্রদান বা লেনদেনের মধ্য দিয়ে যেতে হয়। আর তথ্যের এই নির্ভরযোগ্য প্রবাহ বজায় রাখার জন্য প্রয়োজন অপেক্ষাকৃত সরল এবং সুষম নিয়মাবলি। দুঃখদায়ক ঘটনাগুলোকে এড়িয়ে যাওয়ার জন্য অথবা তাদের প্রাকৃতিক ফলাফলগুলোকে (অর্থাৎ সরল নিয়মের অধীনে যে ফলাফল হওয়ার কথা ছিল) পরিবর্তন করার জন্য যদি কোনো বিশেষ নিয়ম তৈরি করা হতো, তবে সেই নিয়মাবলি হয়ে উঠত অত্যন্ত জটিল এবং সেখানে অগণিত ব্যতিক্রমের সৃষ্টি হতো যা মহাবিশ্বের স্বাভাবিক ছন্দকে ব্যাহত করত।" ** '''''উইলিয়াম সি. লেন''''', "[http://apq.press.illinois.edu/47/1/lane.html লাইবনিজ'স বেস্ট ওয়ার্ল্ড ক্লেইম রিস্ট্রাকচারড]," ''আমেরিকান ফিলোসফিক্যাল জার্নাল'', জানুয়ারি ২০১০, খণ্ড ৪৭, সংখ্যা ১, পৃষ্ঠা ৭৬–৭৭। * এই এক ঈশ্বর হতে পারেন প্রকৃতিবাদী কিংবা সর্বেশ্বরবাদী বা প্যানথেইস্ট ঘরানার। ঈশ্বর কেন আপাতদৃষ্টিতে আমাদের আমাদের ভাগ্যের ওপর ছেড়ে দিয়েছেন, তা ব্যাখ্যা করার ক্ষেত্রে প্রকৃতিবাদ হয়তো শ্রেষ্ঠ হতে পারে। আবার অন্যদিকে সর্বেশ্বরবাদ হতে পারে অধিকতর যৌক্তিক বিকল্প, কারণ এটি সত্তাতাত্ত্বিক যুক্তির সেই 'সর্বোত্তম মহান সত্তা'র ধারণার সাথে চমৎকারভাবে মিলে যায় এবং 'শূন্য থেকে সৃষ্টি'র মতো অপ্রমাণিত কোনো ধারণার ওপর নির্ভর করে না। এই দুইয়ের সংমিশ্রণে গড়ে ওঠা "[[প্যানডিজম]]" হতে পারে সম্ভাব্য সকল ঈশ্বর-তত্ত্বের মধ্যে সবচেয়ে যুক্তিযুক্ত ও শক্তিশালী ধারণা। ** '''''রাফায়েল লাটাস্টার''''', ''দেয়ার ওয়াজ নো জেসাস, দেয়ার ইজ নো গড: আ স্কলারলি এক্সামিনেশন অব দ্য সায়েন্টিফিক, হিস্টোরিক্যাল, অ্যান্ড ফিলোসফিক্যাল এভিডেন্স অ্যান্ড আর্গুমেন্টস ফর মনোহেইজম'', পৃষ্ঠা ১৬৫, ২০১৩। * চিন্তাবিদদের ওপরই ছেড়ে দেওয়া হোক—তাঁরা [[w:আস্তিক্যবাদ|আস্তিক]], [[w:সর্বেশ্বরবাদ|সর্বেশ্বরবাদী]], [[w:নাস্তিক্যবাদ|নাস্তিক]], [[w:ঈশ্বরবাদ|ঈশ্বরবাদী]] (এবং কেন প্যানডেইস্ট নয়?) যা-ই হতে চান না কেন। কিন্তু সাধারণ মানুষের কাছে ঈশ্বর কিংবা অমরত্ব নিয়ে কোনো প্রচারণা চালানো উচিত নয়। ** '''''মোরিৎজ লাজারাস''''' এবং '''''হেম্যান স্টাইনথাল''''', ''সাইটশ্রিফট ফুর ফোলকারপসাইকোলজি উন্ড স্প্রাখউইসেনশাফট'' (১৮৫৯), পৃ. ২৬২-৬৩। * কায়রো প্রতীয়মান রূপ এবং তথাকথিত "দার্শনিক চিন্তাভাবনা" যা তার আড়ালে খুঁজতে চায়, এই দুইয়ের মধ্যকার পার্থক্যটি এড়িয়ে চলেন। জিনিসগুলো যেমন দেখায়, তাঁর কাছে সেগুলো ঠিক তেমনই। তাঁর প্যান-ডিইজম মূলত [[w:অধিবিদ্যা|বস্তু-অধিবিদ্যার বা থিং-মেটাফিজিক্সের]] ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত, যা বিংশ শতাব্দীর আধুনিক কাব্যের ধারায় একটি নতুন ঘরানা তৈরি করেছিল। ** '''''ফন মার্টিন লুডকে''''', "আইন মডার্নার হুটার ডার ডিঙ্গে; ডি এন্টডেকুং ডার গ্রোসেন পর্তুগিজেন গেট ওয়েইটার: ফার্নান্দো পেসোয়া হাট ইন ডার পোয়েজি আলবার্তো কায়রোস সাইনেন মিস্টার গেসেহেন", ''ফ্রাঙ্কফুর্টার রুন্ডশাউ'' (১৮ আগস্ট ২০০৪)। * একবার কল্পনা করুন যে, আমরা প্রকৃতির সেই পরম ও সর্বজনীন নিয়মটির সন্ধান পেয়ে গিয়েছি যার অন্বেষণে আমরা নিরন্তর ছুটে চলেছি এবং শেষ পর্যন্ত অত্যন্ত গর্বের সাথে আমরা এটি নিশ্চিত করতে পারলাম যে এই মহাবিশ্ব ঠিক এভাবেই গঠিত এবং অন্য কোনোভাবে নয়। কিন্তু ঠিক সেই মুহূর্তেই একটি নতুন ও গভীরতর প্রশ্নের উদয় হবে। এই সুনির্দিষ্ট নিয়মের অন্তরালে আসলে কী লুকিয়ে আছে? কেন এই মহাবিশ্ব ঠিক এভাবেই সুসংগঠিত হলো, অন্য কোনো উপায়ে নয় কেন? এই 'কেন'-র উত্তর খুঁজতে গেলেই আমরা প্রাকৃতিক বিজ্ঞানের সুনির্দিষ্ট সীমা অতিক্রম করে ধর্মের রহস্যময় জগতে প্রবেশ করি! একজন বিশেষজ্ঞ হিসেবে একজন [[w:পদার্থবিজ্ঞানী|পদার্থবিদের]] উত্তর দেওয়া উচিত, "আমরা জানি না, এবং হয়তো আমরা কোনোদিনই তা জানতে পারব না।" অনেকে হয়তো বলবেন যে, ঈশ্বরই এই অমোঘ নিয়মটি নির্ধারণ করেছেন এবং এভাবেই তিনি মহাবিশ্ব সৃষ্টি করেছেন। তবে একজন প্যান্ডিস্ট হয়তো ভিন্নভাবে বলবেন যে, "প্রকৃতির এই সর্বজনীন ও সর্বব্যাপী নিয়মটিই হলো স্বয়ং ঈশ্বর!" ** সাওদ-অয়েস্ট ব্রডকাস্ট | SWR2 Aula - পাণ্ডুলিপি সেবা (একটি কথোপকথনের অনুলিপি) "গড প্লাস বিগ ব্যাং = এক্স: অ্যাস্ট্রোফিজিক্স অ্যান্ড ফেইথ (২)" আলোচক: প্রফেসর '''''হান্স কুং''''' এবং প্রফেসর '''''হারাল্ড লেশ''''', সম্পাদক: রালফ ক্যাসপারি, সম্প্রচারিত: ১৬ মে ২০১০, রবিবার। [http://swrmediathek.de/player.htm?show=73ab41a0-dac5-11df-950c-0026b975f2e6 ১৯৭০ সালের নোবেল বিজয়ী হানেস আলফভেনের উক্তিটি জ্যোতির্পদার্থবিদ হারাল্ড লেশ কর্তৃক উদ্ধৃত, ১:৩২ সেকেন্ডে]। * সময়ের সাথে সাথে ঈশ্বরবাদের বা ডিইজমের ছত্রছায়ায় আরও কিছু মতবাদ গড়ে উঠেছে। যার মধ্যে রয়েছে [[w:খ্রিস্টধর্মে_ঈশ্বর|খ্রিস্টীয় ঈশ্বরবাদ]], যা ডিইজমের মূলনীতির সাথে [[:w:যিশু|নাজারেথের যিশুর]] নৈতিক শিক্ষার সমন্বয় ঘটায়। এবং প্যানডিজম এমন একটি বিশ্বাস যা মনে করে ঈশ্বর স্বয়ং এই সমগ্র মহাবিশ্বে পরিণত হয়েছেন এবং পৃথক কোনো সত্তা হিসেবে তাঁর আর কোনো অস্তিত্ব নেই। ** ডগলাস ম্যাকগোয়ান, "[[:w:মাদার নেচার নেটওয়ার্ক|মাদার নেচার নেটওয়ার্ক]]", ২১ মে ২০১৫। * এখানে যাকে "ঐশ্বরিক আধ্যাত্মিকতা" হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, তা আসলে পদার্থের নিজস্ব স্ব-সংগঠিত হওয়ার সহজাত প্রবণতা ও ঝোঁক ছাড়া আর কিছুই নয়। মহাবিশ্বের প্রসারণ যখন তার সীমায় পৌঁছাবে এবং 'বিগ ক্রাঞ্চ' বা চূড়ান্ত সংকোচনের দশা শুরু হবে, তখন অবশ্যই এর "মৃত্যু" ঘটা সম্ভব। এভাবেই গাইয়া মহাবিশ্বের সমাপ্তি ঘটে। এখানে আমি অবশ্যই [[:w:হেরাক্লিটাস|হেরাক্লিটাস]], [[w:বৈরাগ্যদর্শন|স্টোইকবাদী বা '''বৈরাগ্যদর্শন''']], [[w:জর্দানো_ব্রুনো|ব্রুনো]], [[:w:ইয়োহান গটলিব ফিকটে|ফিকটে]], শেলিং, [[:w:ইয়োহান ভল্ফগাং ফন গ্যোটে|গ্যোটে]] এবং হেগেলের পক্ষ নেব। মন শাশ্বত, মনের মৃত্যু নেই, মনই হলো মহাবিশ্ব। প্যানডিস্টিক ঈশ্বর অনেকটা স্যামন মাছের মতো, যিনি বংশবিস্তার (বা সৃষ্টির) পর মৃত্যুবরণ করেন। তাঁরা [[w:ফ্রিডরিখ_নিচে|ফ্রিডরিখ নিচের]] পক্ষ নেন—ঈশ্বর মৃত, পার্থক্য শুধু এটুকুই যে, ফ্রিডরিখ নিচের কাছে কোনো 'ঈশ্বর' কখনোই ছিল না! ** '''''প্রফেসর র‍্যামন জি. মেন্ডোজা''''', ''হিস্ট্রি অফ আইডিয়াস: প্যানথেইজম'' (১৯৯৬)। * অলসনের মতে, কার্ল জ্যাসপার্সের 'সাইফার' বা সংকেত বিষয়ক ধারণাটি প্রতীক গঠনের ক্ষেত্রে ব্যক্তির অভিজ্ঞতা এবং সেই প্রতীক ব্যাখ্যার সাথে জড়িত সক্রিয়তার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করে। এটি খ্রিস্টীয় ধর্মতত্ত্বের চেয়ে ভিন্ন, যেখানে ধর্মীয় প্রতীকী দিক এবং ব্যক্তির ভূমিকার ওপর গুরুত্বের ভারসাম্যটি অন্যভাবে নির্ধারিত হয়। অলসনের অভিমত হলো প্যানডিজমের ভীতি অথবা বিশ্বাসকে স্রেফ বাহ্যিক উপায়ের স্তরে নামিয়ে আনার প্রবণতা শেষ পর্যন্ত এই উপায়গুলোকে নিছক ব্যক্তিনিষ্ঠ এবং পরিবর্তনশীল বৈধতা হিসেবে দেখার দিকে ঠেলে দিতে পারে। মূলত এই আশঙ্কার কারণেই ক্যাথলিক চার্চ ব্যক্তির ধর্মীয় অভিজ্ঞতার তুলনায় প্রতীকের নিজস্ব বস্তুনিষ্ঠ সত্যতার ওপর অধিকতর জোর প্রদান করেছিল। ** '''''রনি মিরন''''', ''কার্ল জ্যাসপার্স: ফ্রম সেলফহুড টু বিয়িং'' (রডোপি ২০১২), পৃষ্ঠা ২৪৯, ISBN 9042035315। * এই স্থানটি যেন এক অলৌকিক শক্তি নিংড়ে বের করে দিচ্ছে, মনে হচ্ছে আপনার চারপাশের প্রতিটি বস্তুর ভেতরে অগণিত আত্মার স্পন্দন বয়ে চলেছে। আমি জানি না এটি প্যানডিজম নাকি সর্বেশ্বরবাদের দর্শন, কিন্তু এই মুহূর্তের গভীর প্রশান্তিতে আমার তাতে খুব একটা কিছু আসে-যায় না। ** '''''পিটার মুর''''', ''ভালহাল্লা অ্যান্ড দ্য ফজর্ড: আ স্পিরিচুয়াল মোটরসাইকেল জার্নি'' (২০১৪), পৃষ্ঠা ১৯। * একটি ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি আমি বেশ আকর্ষণীয় বলে মনে করি, আর তা হলো প্যানডিজম। এই মতবাদ অনুযায়ী ঈশ্বর এককালে অস্তিত্বমান ছিলেন এবং তিনিই ছিলেন একমাত্র সত্তা, কিন্তু পরবর্তীতে তিনি নিজেকে এই মহাবিশ্বে রূপান্তরিত করেছেন এবং ফলে এখন আর তাঁর পৃথক কোনো অস্তিত্ব নেই। ঈশ্বরের এমনটি করার মূল কারণ ছিল মূলত আনন্দ লাভ করা অথবা কী ঘটে তা প্রত্যক্ষ করা। আর সম্ভবত কোনো এক সময়ে এই মহাবিশ্ব পুনরায় নিজেকে ঈশ্বরে রূপান্তরিত করবে, যা অনেকটা নির্বাণ বা স্বর্গের মতো হবে। কিন্তু পরিশেষে ঈশ্বর আবারও একঘেয়েমিতে আক্রান্ত হবেন এবং পুনরায় এই চক্রের সূচনা করবেন। আমার বোধগম্যতায়, এটি হিন্দু মহাজাগতিক দর্শনের কিছু অংশের সাথে বেশ সাদৃশ্যপূর্ণ। ** '''''হেড্ডা হ্যাসেল মর্চ''''', "[https://blogs.scientificamerican.com/cross-check/beyond-physicalism/ বিয়ন্ড ফিজিকালিজম: ফিলোসফার হেড্ডা হ্যাসেল মর্চ ডিফেন্ডস দ্য আইডিয়া দ্যাট কনশাসনেস পারভেডস দ্য কসমস]", [[:w:জন হোরগান|জন হোরগান]], ''সায়েন্টিফিক আমেরিকান'', ৯ ডিসেম্বর, ২০১৯। * সকল [[w:অদ্বৈতবাদ_(অদ্বৈত_চেতনা)|অদ্বৈতবাদীই]] যে সর্বেশ্বরবাদী হবেন, এমন কোনো কথা নেই। একান্ত অদ্বৈতবাদীরা বিশ্বাস করেন যে, মহাবিশ্ব বা সর্বেশ্বরবাদীদের সেই ঈশ্বরের আদতে কোনো অস্তিত্বই নেই। এর বাইরেও, অদ্বৈতবাদীরা [[w:প্রকৃতিবাদ_(দর্শন)|প্রকৃতিবাদী]], প্যান্ডিস্ট, ঈশ্বরবাদী অথবা পরমসর্বেশ্বরবাদী বা প্যানেনথেইস্ট হতে পারেন। যারা এমন কোনো এক একক ঈশ্বরে বিশ্বাস করেন যিনি সর্বশক্তিমান ও সর্বব্যাপী এই দুনিয়াতে এবং যিনি একই সাথে সৃষ্টির ঊর্ধ্বে তথা ট্রান্সেন্ডেন্ট এবং সৃষ্টির ভেতরে বা ইম্যানেন্ট হিসেবে বিরাজমান! ** '''''থেরেসা জে. মরিস''''', ''নোয়িং কসমোলজি: অ্যাসেনশন এজ'' (২০১৪), পৃষ্ঠা ৮৫। * '''Anacalypsis (অ্যানাক্যালিপসিস)''' গ্রন্থে উপস্থাপিত তত্ত্বটি হলো— একটি গোপন ধর্মীয় গোষ্ঠী, যাকে হিগিন্স 'প্যানডিজম' নামে অভিহিত করেছেন, তা প্রাচীনকাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত টিকে আছে; যা অন্তত [[:w:গ্রিস|গ্রিস]] থেকে [[:w:ভারত|ভারত]] পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল এবং সম্ভবত সমগ্র বিশ্বকেই একসময় আবৃত করেছিল। ** '''''সুজান ওলসন''''', ''জিসাস ইন কাশ্মীর: দ্য লস্ট টম্ব'' (২০১৯), পৃ. ৩৯২। * [[:w:দর্শনের ইতিহাস|দর্শনের]] পাইথাগোরীয় ঐতিহ্যের কেন্দ্রে এখানে 'Psyche' / সাইকি বা আত্মার অন্য একটি রূপ দেখা যায়। যা মাইলেসিয়ানদের উত্তরাধিকার হিসেবে প্রাপ্ত সর্বপ্রাণবাদ বা প্যান-ডিইজমের কাছে খুব সামান্যই ঋণী বলে মনে হয়। ** '''''প্রফেসর ফ্রান্সিস ই. পিটার্স''''', ''গ্রিক ফিলোসফিক্যাল টার্মস: এ হিস্টোরিক্যাল লেক্সিকন'' (১৯৬৭), পৃ. ১৬৯। * ওল্ড টেস্টামেন্টের কিছু নির্দিষ্ট অনুচ্ছেদে ব্যবিলনের ধারণাটি এই জগতের অহংকারী এবং ঈশ্বর-বিরোধী শক্তির একটি আদিপ্রতীক (আর্কিটাইপ) হিসেবে আবির্ভূত হয়। নিউ টেস্টামেন্টে এটি আরও স্পষ্টভাবে খ্রিস্টধর্ম এবং পৌত্তলিকতার (প্যাগানিজম) সমন্বয়ে গঠিত এক ধরণের প্যান-ডিইজম হিসেবে ফুটে ওঠে; যা পশুর পিঠে চড়ে থাকা মহিলার বর্ণনার মাধ্যমে প্রতীকিভাবে নির্দেশ করা হয়েছে। ** '''''চার্লস এফ. ফাইফার''''', '''''হাওয়ার্ড ফ্রেডেরিক ভস''''' এবং '''''জন রিম''''', ''দ্য ওয়াইক্লিফ বাইবেল এনসাইক্লোপিডিয়া'' (১৯৭৫), পৃষ্ঠা ১৯০। * ওটাভিও দে ফারিয়া অত্যন্ত সঙ্গত কারণেই কার্লোস নেজারের রচনার মাঝে এক ধরনের প্যানডিজমের উপস্থিতি নিয়ে আলোচনা করতে পারতেন। এটি কোনো সাধারণ সর্বেশ্বরবাদী কবিতা নয়, বরং প্রকৃত অর্থেই একটি পান্ডিস্ট কাব্য। আমি বলতে চাইছি, এটি এমন এক মহাজাগতিক সৃষ্টিতত্ত্ব এবং এক সর্বজনীন গীতিমালা, যা একই সাথে মানবসত্তা এবং পবিত্র আত্মার জয়গান গায়। তবে এখানে সেই পবিত্র স্বর্গীয় সত্তার উপস্থিতি মূলত মানুষেরই অস্তিত্বের অভ্যন্তরে নিহিত। ** '''''জিওভানি পন্টিয়েরো''''', ''কার্লোস নেজার, পোয়েটা ই পেনসাডোর'', ১৯৮৩, পৃষ্ঠা ৩৪৯। * অধিবিদ্যা বা মেটাফিজিক্স হলো প্রকৃতিবাদী (পান্ডিস্ট) ঘরানার একটি দর্শন, যা শেষ পর্যন্ত ভাববাদের (আইডিয়ালিজম) দিকে ধাবিত হয়ে নিজের মৌলিকত্ব হারায়। ** '''''কার্লোস উইসে পোর্টোকারেরো''''', ''সিস্টেমাস ফিলোসোফিকোস দে লা ইন্ডিয়া'' (ভারতের দার্শনিক পদ্ধতি), নভেম্বর ১৮৭৭, পঞ্চম খণ্ড। * ব্রুনো কল্পনা করতেন যে প্রতিটি গ্রহ এবং নক্ষত্রের নিজস্ব আত্মা রয়েছে (যা মূলত তাদের সবার একই 'গাঠনিক উপাদানের' অন্তর্গত হওয়ার ধারণার একটি অংশ) এবং তিনি তাঁর এই মহাজাগতিক তত্ত্বকে একটি প্রাণবাদী (অ্যানিমিস্ট) অথবা পান্ডিস্ট ধর্মতত্ত্বকে এগিয়ে নেওয়ার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছিলেন। ** '''''কোরি এস. পাওয়েল''''', "ডিফেন্ডিং জর্দানো ব্রুনো: আ রেসপন্স ফ্রম দ্য কো-রাইটার অব 'কসমস'", ডিসকভার, ১৩ মার্চ, ২০১৪। * বর্তমান সময়ের একটি অত্যন্ত বিভ্রান্তিকর ধর্মীয় ধারণা, যা মূলত অসচেতন এবং মুক্তি না পাওয়া মানুষদের লক্ষ্য করে প্রচারিত হচ্ছে, তা হলো— 'প্যানডিজম'। এই শব্দটি মূলত প্যানথেইজম (সর্বেশ্বরবাদ) এবং ঈশ্বরবাদের সমন্বয়ে গঠিত। প্যানথেইজম প্রচার করে যে ঈশ্বর সবকিছুর মধ্যেই বিরাজমান। আর ডিইজম বা ঈশ্বরবাদ বলতে বোঝায় যে, ঈশ্বর কোনোভাবে তাঁর সৃষ্টির সাথে আর জড়িত নন। এই ভ্রান্ত ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গির কারণেই অনেকে বিশ্বাস করতে শুরু করেছেন যে— মহাবিশ্বের স্রষ্টা ঈশ্বরের আর কোনো পৃথক অস্তিত্ব নেই, কারণ তিনি নিজেই মহাবিশ্বে পরিণত হয়েছেন এবং এখন তিনি নিজেই এই মহাবিশ্ব। অনেক মুক্তিহীন মানুষই এখন মনে করেন যে, এই মহাবিশ্বই মানুষের ব্যাপারে সমস্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। ** '''''ব্রেন্ট প্রাইস, ডি.মিন.''''', ''বি প্রিপেয়ার্ড ইভানজেলিজম: দ্য পার্সোনাল ইভানজেলিজম গেম চেঞ্জার'' (২০২২), পৃষ্ঠা ১৩৭। * রাজনৈতিক ধর্মতত্ত্বের মৌলিক প্রশ্নগুলো হলোঃ হেগেলীয় ধারার যেকোনো ধর্মতাত্ত্বিক ইমানেন্টিজম (অন্তর্নিহিত সত্তাবাদ) এবং প্যানডিজমের বিরুদ্ধে বিতর্ক। রাজনৈতিক বহুত্ববাদের সমার্থক হিসেবে পলিডিজম বা বহু-ঈশ্বরবাদের বিরুদ্ধে বিতর্ক এবং প্রতিটি নিরীশ্বরবাদসহ এর আধুনিক রূপ বস্তুবাদ ও সায়েন্টিজম বা বিজ্ঞানবাদের বিরুদ্ধে বিতর্ক। ** '''''ইউজেন পুসিচ''''', ''ফ্রানকুস্কা রেভোলুসিজা - লজুডস্কা প্রাভা ই পলিটিকা ডেমোক্রাসিজা'', পৃষ্ঠা ২৭০ (১৯৯১)। * কিন্তু সেই দুঃস্বপ্নটি যদি সত্যের কোনো অলীক দর্শনও হয়ে থাকে, তবুও মিস্টার মন্ড ঈশ্বরে বিশ্বাস রাখতে পারেন। কারণ তিনি দাবি করেন যে ঈশ্বরই একসময় এই মহাবিশ্বে রূপান্তরিত হয়েছেন। অতএব, এই মহাবিশ্বই হলো ঈশ্বর।<br>না। মহাবিশ্বে রূপান্তরিত হওয়ার মাধ্যমে ঈশ্বর প্রকৃতপক্ষে তাঁর রাজকীয় ক্ষমতা বিসর্জন দিয়েছেন। ঈশ্বর হিসেবে তিনি নিজেকেই নিজে বিনাশ করেছেন। তিনি পূর্বে যা ছিলেন অর্থাৎ তাঁর সেই প্রকৃত সত্তা, তাকে তিনি শূন্যতায় পর্যবসিত করেছেন এবং এর ফলে তাঁর নিজের সাথে সংশ্লিষ্ট সমস্ত ঈশ্বরীয় গুণাবলি চিরতরে হারিয়েছেন। যে মহাবিশ্বে তিনি আজ পরিণত হয়েছেন, তা একই সাথে তাঁর সমাধি হিসেবেও গণ্য। এই মহাবিশ্বের অভ্যন্তরে বা এর ওপর তাঁর এখন আর কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। ঈশ্বর হিসেবে সেই 'ঈশ্বর' আজ মৃত। ** '''''সাইমন রেভেন''''', ''দ্য সারভাইভারস (রেভেনের উপন্যাস)'', ১৯৭৬, পৃষ্ঠা ৯০। * এই সহাবস্থানের প্রকৃত তাৎপর্য তখনই স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয়, যখন কেউ সেই আমূল 'প্যান-সাইক' বা সর্ব-মনস্তাত্ত্বিক অবস্থানটি বিবেচনা করেন। যেখানে মনে করা হয় যে জড় পদার্থের প্রতিটি কণার একটি 'মনস্তাত্ত্বিক' গুণ রয়েছে। অথবা সেই পান্ডিস্ট অবস্থানটি গুরুত্ব পায় যেখানে কোনো এক 'পরম চেতনা' জগতের সমস্ত জড় পদার্থের সাথে নিরন্তর মিথস্ক্রিয়া চালিয়ে যাচ্ছে। ** '''''মাইকেল পি. রেমলার''''', ''দ্য মেকানিজম, মেটাফিজিক্স, অ্যান্ড হিস্ট্রি অব কনশাসনেস ইন দ্য ওয়ার্ল্ড'', ২০২০, পৃষ্ঠা ৫০। * প্যানডিজমের যুক্তিকাঠামো অনুযায়ী, এক সর্বশক্তিমান এবং পরম দয়ালু ঈশ্বর এই মহাবিশ্ব সৃষ্টি করেন এবং সেই সৃষ্টিপ্রক্রিয়ার মাঝেই তিনি নিজেই মহাবিশ্বে রূপান্তরিত হন। আর এর ফলে মানুষের জাগতিক বিষয়াবলীতে হস্তক্ষেপ করার যাবতীয় ক্ষমতা তিনি চিরতরে হারিয়ে ফেলেন। ** '''''সাল রেস্টিভো''''', ''সোসাইটি অ্যান্ড দ্য ডেথ অব গড'', ২০২১, পৃষ্ঠা ১২৩। * "পোপ পলের অবস্থান প্রায় একটি প্যান-ডিইজমের কাছাকাছি চলে এসেছিল। আর এই প্যান-ডিইজম হলো গ্রিক চিন্তাধারার ভাইরাসের এক যৌক্তিক পরিণতি।" ** '''''রৌসাস জন রাশদুনি''''', ''দ্য ওয়ান অ্যান্ড দ্য মেনি: স্টাডিজ ইন দ্য ফিলোসফি অফ অর্ডার অ্যান্ড আলটিমেসি'' (১৯৭১), অধ্যায় ৮-৭, পৃ. ১৪২। * "কিন্তু একজন একনিষ্ঠ আদর্শবাদী, যিনি বিশ্বাসে অন্তর্নিহিতভাবে একজন প্যান-ডেইস্ট এবং পৃথিবী ও সময়ের সমস্যাগুলো নিয়ে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। তিনি একজন গিবেলাইন পোপ হতে পারেন। আর শেষ পর্যন্ত দান্তের সেই গিবেলাইনরাই জয়ী হয়েছে!" ** '''''রৌসাস জন রাশদুনি''''', ''দ্য ওয়ান অ্যান্ড দ্য মেনি: স্টাডিজ ইন দ্য ফিলোসফি অফ অর্ডার অ্যান্ড আলটিমেসি'' (১৯৭১), অধ্যায় ৮-৭, পৃ. ১৪৩। * মহাবিশ্ব কেবল ঈশ্বরই নয়, বরং একজন ব্যক্তিও এমন মতবাদকে বলা হয় "প্যানডিজম"। আপনি কি [[:w:উইলিয়াম জেমস|উইলিয়াম জেমসের]] সাথে একমত যে, মহাবিশ্বকে একজন ব্যক্তি হিসেবে দেখা আপনার জীবনকে অর্থবহ করে তুলতে সাহায্য করবে? ** '''''থিওডোর শিক''''' এবং '''''লুইস ভন''''', ''ডুইং ফিলোসফি: অ্যান ইন্ট্রোডাকশন থ্রু থট এক্সপেরিমেন্টস'', ৫ম সংস্করণ (২০১৩), পৃ. ৫০৬। * জুবাল—এই উপাসক গোষ্ঠী এবং আমলাতন্ত্রে ঠাসা পৃথিবীতে একজন একনিষ্ঠ ও প্রচণ্ড ব্যক্তিবাদী চরিত্র। উপন্যাসের সমাপ্তিলগ্নে দেখা যায় যে, জিল কিংবা মাইক নয়, বরং তিনিই সেই ব্যক্তি যিনি আজও এক 'অচেনা আগন্তুক' হয়ে অবাস্তব সব লক্ষ্য বা ছায়ার সাথে লড়াই করে চলেছেন। তিনি তাঁর নিজস্ব স্বাধীন ইচ্ছাশক্তিতে মনেপ্রাণে বিশ্বাস করেন, যা মাইক, জিল এবং ফস্টারপন্থীরা একটি পান্ডিস্ট আকাঙ্ক্ষা বা 'তুমিই ঈশ্বর!' এই বাণীর দ্বারা ভুলভাবে ব্যাখ্যা করেন। অন্যদিকে মাইক, মানবীয় বিশ্বাসের সাথে তাঁর মার্সিয়ান বা মঙ্গলগ্রহীয় বিশ্বাসের এক সমন্বয় খুঁজে পাওয়ার দাবি করলেও, শেষ পর্যন্ত অত্যন্ত সহজেই নিজের পুরনো বিশ্বাসগুলো ত্যাগ করে মানুষের বিশ্বাসকেই আপন করে নেন। ** '''''ড্যান স্নাইডার''''', ''[[:w:রবার্ট এ. হাইনলেইন|রবার্ট এ. হাইনলেইনের]] [[:w:স্ট্রেঞ্জার ইন আ স্ট্রেঞ্জ ল্যান্ড|স্ট্রেঞ্জার ইন আ স্ট্রেঞ্জ ল্যান্ড]] (দ্য আনকাট ভার্সন) এর পর্যালোচনা'' (২৯ জুলাই ২০০৫) [http://www.hackwriters.com/strangerH.htm]। * নৈতিকতা সম্পর্কে প্রাচ্যের দৃষ্টিভঙ্গি মূলত বাস্তবতার এক মৌলিক ও সম্পূর্ণ ভিন্ন ধারণা থেকে উৎসারিত হয়েছে। আমরা যারা পাশ্চাত্যবাসী, তারা মহাবিশ্বকে ঈশ্বরের একটি 'সৃষ্টি' হিসেবে গণ্য করি। যা অনেকটা কোনো আবিষ্কার বা পণ্যের মতো। মহাবিশ্ব সৃষ্টি করার পর, ঈশ্বর নিজেকে এর তদারকি ও ব্যবস্থাপনার কাজে নিয়োজিত করেছেন। আমরা ঈশ্বরকে আমাদের 'অভিভাবক' বা 'মনিব' হিসেবে দেখি। তিনি মহাবিশ্ব সৃষ্টি করেছেন, তিনি এখানে উপস্থিত আছেন, তিনি এর প্রতিটি অংশ পরিচালনা করেন, কিন্তু তাসত্ত্বেও তিনি এর থেকে সম্পূর্ণ পৃথক। এটি অনেকটা এমন যে, তিনি পুরো মহাবিশ্বে ভিডিও ক্যামেরা স্থাপন করেছেন, যাতে তিনি যা কিছু ঘটছে সব দেখতে পান এবং নিজের ইচ্ছামতো যেকোনো ঘটনা ঘটাতে পারেন। কিন্তু নিজে সেই ঘটনার অংশ নন। তবে প্রাচ্যের দৃষ্টিভঙ্গি একেবারেই আলাদা। উদাহরণস্বরূপঃ একজন হিন্দুর কাছে ঈশ্বর মহাবিশ্ব 'সৃষ্টি' করেননি, বরং ঈশ্বর নিজেই মহাবিশ্বে 'রূপান্তরিত' হয়েছেন। এরপর তিনি ভুলে গিয়েছেন যে তিনি নিজেই এই মহাবিশ্ব হয়ে উঠেছেন। ঈশ্বর কেন এমনটি করবেন? মূলত আনন্দ এবং বিনোদনের জন্য! আপনি একটি মহাবিশ্ব তৈরি করলেন, যা নিজেই অত্যন্ত রোমাঞ্চকর এক ব্যাপার। কিন্তু তারপর কী? আপনি কি স্রেফ হাত গুটিয়ে বসে থেকে আপনার সৃষ্টি করা মহাবিশ্বকে মজা করতে দেখবেন? নাকি আপনি নিজেই সেই সমস্ত আনন্দ উপভোগ করতে চাইবেন। আর এটি অর্জনের জন্যই ঈশ্বর স্বয়ং সমগ্র মহাবিশ্বে রূপান্তরিত হয়েছেন। ঈশ্বরই হলেন এই মহাবিশ্ব এবং এর অন্তর্গত প্রতিটি অণু-পরমাণু। কিন্তু মহাবিশ্ব এই সত্যটি জানে না, কারণ তা জানলে এই নাটকের রহস্য ও উত্তেজনা নষ্ট হয়ে যাবে। এই মহাবিশ্ব হলো ঈশ্বরের এক মহাকাব্যিক নাটক, যেখানে ঈশ্বর নিজেই একাধারে মঞ্চ, অভিনেতা এবং দর্শক! এই মহাকাব্যিক নাটকের শিরোনাম হলো—"'''পরম অজানা পরিণতি"'''। এখানে আবেগ, প্রেম, ঘৃণা, ভালো-মন্দ এবং স্বাধীন ইচ্ছার মতো শক্তিশালী উপাদানগুলো যোগ করে দিন। তারপর দেখুন কী ঘটে! কেউই জানে না কী হবে, আর এই অনিশ্চয়তাই মহাবিশ্বকে প্রাণবন্ত ও আকর্ষণীয় করে রাখে। তবে পরিশেষে প্রত্যেকেই এক চমৎকার সময় অতিবাহিত করবে। এখানে প্রকৃতপক্ষে কোনো ভয় বা বিপদের অবকাশ নেই, কারণ প্রতিটি সত্তাই মূলত ঈশ্বর। আর ঈশ্বর আসলে স্রেফ খেলে যাচ্ছেন। ** '''''ওয়ারেন বি. শার্প''''', ''ফিলোসফি ফর দ্য সিরিয়াস হেরেটিক: দ্য লিমিটেশনস অব বিলিফ অ্যান্ড দ্য ডেরিভেশন অব ন্যাচারাল মোরাল প্রিন্সিপলস'' (২০০২), পৃষ্ঠা ৩৯৬ {{ISBN|0595215963}}। * এটি নিশ্চিত যে, এই ধারণাটি বিশ্বের দুই-তৃতীয়াংশের বেশি মানুষের ধর্মের অন্যতম মৌলিক নৈতিক ভিত্তি তৈরি করে। যেখানে প্রতিটি ধর্মের বিশেষ স্বভাবের দ্বারা এটি প্রভাবিত। যেমন খ্রিস্টধর্মে এক অতিমানবীয় [[:w:আদর্শবাদ|আদর্শবাদ]], বৌদ্ধধর্মে এক মানব-বিরোধী [[:w:শূন্যবাদ|নিহিলিজম]] বা শূন্যবাদ, এবং ভারতের ক্রমবর্ধমান [[w:ব্রাহ্মধর্ম|ব্রাহ্মধর্মে]] এক উদীয়মান অথচ সারগ্রাহী প্যানডিজম। আর যারা সর্বজনীন ভ্রাতৃত্বের এই আদর্শিক নীতি স্বীকার করেন, তাদের সাথে গ্রিক-রোমান এবং আধুনিক যুগের সেই নান্দনিক বৈজ্ঞানিক [[:w:প্রকৃতিবাদ|প্রকৃতিবাদকে]] যুক্ত করা প্রয়োজন যা মূলত সমগ্র ইউরোপীয় জনশিক্ষাকে অনুপ্রাণিত করে। আর যার বিরুদ্ধে পোপ দ্বিতীয় পল থেকে শুরু করে জোসেফ ডি মেস্ট্রের মতো গোঁড়া খ্রিস্টানরা সর্বদা অত্যন্ত যৌক্তিকভাবে প্রতিবাদ করে এসেছেন। ** '''''[[:w:গুস্তাভো উজিয়েলি|গুস্তাভো উজিয়েলি]]''''', ''রিচেরচে ইন্তোর্নো আ লিওনার্দো দা ভিঞ্চি'' (১৮৯৬), পৃষ্ঠা ৩৫। * '''在《撒忧的龙船河》里的撒忧文化, "撒忧"又叫"撒阳"、"撒野"、"撒尔嗬" ,就是生长在泛自然神论文化下的生殖崇拜符号, 撒野现象就是指土家情歌中那些强烈的生命冲动和人性张扬中所表现出来的野性美。''' ** "স্প্রেডিং ওরি অন দ্য ড্রাগন বোট রিভার" এ বর্ণিত 'S'''an Yu'''<nowiki/>' (যাকে san yang, san ye অথবা san er hu নামেও ডাকা হয়) বলতে মূলত প্যানডিজম বা সর্ব-প্রকৃতিবাদী সংস্কৃতির বলয়ে গড়ে ওঠা প্রজনন উপাসনাকে বোঝানো হয়েছে। যা মূলত গ্রাম্য জনপদগুলোর সেই রোমান্টিক প্রেমগীতিগুলোতে ফুটে ওঠা প্রাণের তীব্র স্পন্দন, গভীর মানবিকতা এবং আদিম বন্য সৌন্দর্যের এক বলিষ্ঠ বহিঃপ্রকাশ। *** '''''ওয়াং জুনকাং''''' (Wang Junkang), 叶梅研究专集 ''Ye Mei Special Collection'' (2007), পৃষ্ঠা ১৭৭। * '''在叶梅的早期小说里那种泛自然神论的浪漫精神随处可见,其目的是在张扬人性, 张扬泛自然神论下人性的自由'''。 ** ইয়ে মেই-এর প্রাথমিক পর্যায়ের উপন্যাসগুলোতে প্যানডিজমের সেই রোমান্টিক আধ্যাত্মিকতা বা জীবনবোধ প্রতিটি পাতায় লক্ষ্য করা যায়; যার প্রধান লক্ষ্যই ছিল মানবিকতার জয়গান গাওয়া এবং প্যানডিজমের সেই উদার দর্শনের অধীনে মানুষের ব্যক্তিগত ও চারিত্রিক স্বাধীনতার সপক্ষে এক জোরালো আহ্বান জানানো। ** '''''ওয়াং জুনকাং''''' (Wang Junkang), 叶梅研究专集 ''Ye Mei Special Collection'' (2007), পৃষ্ঠা ১৮৮। ** যিশু খ্রিস্ট এবং পবিত্র আত্মার প্রতি ঐকান্তিক মনোযোগ আমাদের সর্বেশ্বরবাদ (প্যানথেইজম), প্যানডিজম এবং বিবর্তনশীল ধর্মতত্ত্ব বা প্রসেস থিওলজির মতো মতবাদগুলোর প্রভাব থেকে মুক্তি প্রদান করে এবং এক গভীর আধ্যাত্মিক স্তরে নিয়ে যায়। ** '''''গ্রাহাম ওয়ার্ড''''', ''হাউ দ্য লাইট গেটস ইন: এথিক্যাল লাইফ ১'', পৃষ্ঠা ৩১৩, ২০১৬। * ঈশ্বর এই জগতকে সৃষ্টি করেননি, বরং তিনি নিজেই এই জগত বা মহাবিশ্বে রূপান্তরিত হয়েছেন। ঈশ্বর এই জগতের রূপ পরিগ্রহ করেছেন মূলত এক শাশ্বত এবং অসীম লক্ষ্যকে বস্তুগত আকারে উপলব্ধি করার জন্য। আর এই অবিনশ্বর ও অনন্ত উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের তাগিদেই তিনি স্বয়ং এই বিশ্ব চরাচরে পরিণত হয়েছেন। এখন একটি বিষয় বিশেষভাবে লক্ষণীয়—এই মহাবিশ্বে রূপান্তরিত হওয়ার জন্য ঈশ্বরকে প্রথমে একটি আদি ও মৌলিক ধারণার কথা চিন্তা করতে হয়েছিল। ফলস্বরূপ, এই ভাব বা ধারণাটি জগতের আবির্ভাবের পূর্বেই বিদ্যমান ছিল। একেই মূলত কার্য এবং কারণের মধ্যকার সম্পর্ক হিসেবে গণ্য করা হয়। এখানে 'কারণ' বা স্রষ্টাকে মনে করা হয় কার্যের পূর্ববর্তী এবং স্বাধীন একটি সত্তা; অন্যদিকে 'কার্য' বা এই জগতকে মনে করা হয় কারণের পরবর্তী এবং তার ওপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল একটি রূপান্তর। ** রাব্বি '''''[[:w:হ্যারি ওয়াটন|হ্যারি ওয়াটন]]''''', ''এ ট্রু মোনিস্টিক ফিলোসফি: কমপ্রিহেন্ডিং দ্য অ্যাবসোলিউট, গড, এক্সিস্টেন্স, ম্যান, সোসাইটি অ্যান্ড হিস্ট্রি'' (১৯৪৭), পৃষ্ঠা ২৩২। ASIN: B0006ARGQ0। * '''''Wenn auch nur durch einen Buchstaben (d statt th), unter­scheiden wir grundsätzlich Pandeismus vom Pantheismus.''''' ** যদিও পার্থক্যটি কেবল একটিমাত্র বর্ণের (অর্থাৎ ''''th'''<nowiki/>' এর স্থলে ''''d'''<nowiki/>'), তবুও আমরা প্যানডিজমকে সর্বেশ্বরবাদ বা প্যানথেইজম থেকে মৌলিকভাবে পৃথক বলে গণ্য করি। এটি কেবল ব্যাকরণগত কোনো পরিবর্তন নয়, বরং দর্শনের এক গভীরতর স্তরের ভিন্নতা প্রকাশ করে। ** '''''ম্যাক্স বার্নহার্ড ওয়াইনস্টেইন''''', ''ওয়েল্ট- উন্ড লেবেনসানশাউউঙেন, হারভোরগেগাঙেন আউস রিলিজিয়ন, ফিলোসফি উন্ড নাটুর এরকেন্টনিস'' ("ধর্ম, দর্শন এবং প্রকৃতিজ্ঞান থেকে উদ্ভূত বিশ্ব ও জীবনদর্শন") (১৯১০), পৃষ্ঠা ২২৭। * '''''Wir werden später sehen, daß die Indier auch den Pandeismus gelehrt haben. Der letzte Zustand besteht in dieser Lehre im Eingehen in die betreffende Gottheit, Brahma oder Wischnu. So sagt in der Bhagavad-Gîtâ Krishna-Wischnu, nach vielen Lehren über ein vollkommenes Dasein.''''' ** আমরা পরবর্তীতে এটি প্রত্যক্ষ করব যে, ভারতবর্ষের মানুষও প্যানডিজমের শিক্ষা প্রচার করেছিলেন। এই মতবাদ অনুযায়ী সৃষ্টির চূড়ান্ত অবস্থা বা পরিণতি হলো সংশ্লিষ্ট দেবতা, তা সে ব্রহ্মা হোক কিংবা বিষ্ণু। তাঁর সত্তার অভ্যন্তরে পুনরায় প্রবেশ করা বা লীন হওয়া। ভগবদ্গীতায় শ্রীকৃষ্ণ-বিষ্ণুও এক পরিপূর্ণ অস্তিত্ব সম্পর্কে বহুমুখী শিক্ষার পর ঠিক এই সত্যটিই ব্যক্ত করেছেন। ** '''''ম্যাক্স বার্নহার্ড ওয়াইনস্টেইন''''', ''ওয়েল্ট- উন্ড লেবেনসানশাউউঙেন, হারভোরগেগাঙেন আউস রিলিজিয়ন, ফিলোসফি উন্ড নাটুর এরকেন্টনিস'' ("ধর্ম, দর্শন এবং প্রকৃতিজ্ঞান থেকে উদ্ভূত বিশ্ব ও জীবনদর্শন"), পৃষ্ঠা ২১৩, ১৯১০। * '''在在这里,人与天是平等和谐的,这就是说,它是泛自然神论或是无神论的,这是中国人文思想的一大特色。''' ** এখানে মানুষ এবং দৈব সত্তার মধ্যে এক অপূর্ব সাম্য ও সম্প্রীতি বিদ্যমান, যেখানে তারা একে অপরের সমকক্ষ। অর্থাৎ সহজ কথায় বলতে গেলে, এটি হয় প্যানডিজম অথবা [[w:নাস্তিক্যবাদ|নাস্তিক্যবাদের]] এক অনন্য প্রতিফলন। যা প্রকৃতপক্ষে চীনা দার্শনিক চিন্তাধারার অন্যতম একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য হিসেবে স্বীকৃত। *** '''''ওয়েন চি''''' , 'লেকচারস অ্যাট পেকিং ইউনিভার্সিটি: থিংকিং অব অরা' (২০০২), পৃষ্ঠা ১২১। * ''জন্ম—সে তো ঘুমন্ত, কিছুই নয় বিস্মৃতি ছাড়া—<br>যে জীবনে হয় আত্মিক জাগরণ, সে তো শুধুই জৈবিক ধ্রুবতারা!<br>ভীন-প্রানীতে ছিল হয়তো তার আদি-আধার, হয়তো ছিল অঞ্জান গহীন জায়গার।<br>তবুও সে পূর্ণ বিস্মৃতির অতলে নয়,<br>অসীম শূন্যতার মাঝেও নয়,<br>মহিমার জ্যোতিকে করেছি সঙ্গী, করেছি আপনা-আলোকায়ন!<br>সেই পরম সত্তা থেকেই, যিনি চির নিত্য-আবাসন।<br>স্বর্গ যেন ছেলেবেলাকে আগলে রাখে—চির আবরণ!...'' ** '''''[[:w:উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ|উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ]]''''', ''[[:w:ওড: ইনটিমেশনস অফ ইমমর্টালিটি|ওড: ইনটিমেশনস অফ ইমমর্টালিটি ফ্রম রিকালেকশনস অফ আরলি চাইল্ডহুড]]'' (১৮০৭), স্তবক ৫, ''বাংলায় রুপান্তরঃ'' '''মাহমুদ''' । * ''Als Gesamtcharakteristik wählte H. sich die Bezeichnung eines neo-transzendentalen Subsistenz-Relationismus bzw. mehr inhaltlich: eines Hen-Pan-Deismus (nicht: -theismus); geschichtsphilosophisch schließt dies Atheismus, naturphilosophisch einen Quasi-Pantheismus - das Absolute als definitiver Prinzipiationsgrenzwert unter Gültigkeitsrücksichten - ein.'' ** এইচ. হারল্ড হয তাঁর দর্শনের যে মৌলিক ভিত্তিটি স্থাপন করেছেন, তাকে তিনি একটি অনন্য চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন '''<nowiki/>'নিও-ট্রান্সেন্ডেন্টাল সাবসিস্টেন্স রিলেশনিজম'<nowiki/>'''। আরও গভীর ও সারবস্তুগতভাবে বিশ্লেষণ করলে এর মূল নির্যাসটি দাঁড়ায় একটি সূক্ষ্ম '''<nowiki/>'হেন-প্যান-ডিইজম'<nowiki/>''' হিসেবে, যা প্রচলিত 'প্যান-থেইজম' বা সর্বেশ্বরবাদ থেকে সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র ও বিযুক্ত। ইতিহাসের দর্শনে এই মতবাদটি যথেষ্ট উদার, যা প্রয়োজনে নাস্তিক্যবাদ বা নিরীশ্বরবাদের যৌক্তিক উপাদানগুলোকেও নিজের ভেতরে ধারণ করতে সক্ষম। অন্যদিকে, যখন এটি প্রকৃতি-দর্শনের আলোকে ব্যাখ্যা করা হয়, তখন তা এক প্রকার '''Quasi-Pantheism''' বা '''<nowiki/>'কোয়াসি-প্যানথেইজম'''' বা আধা-সর্বেশ্বরবাদ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। এখানে 'পরম সত্তা' বা 'অ্যাবসলিউট' কে কেবল একটি বিমূর্ত ধারণা হিসেবে নয়, বরং যৌক্তিক বৈধতার নিরিখে একটি সুনির্দিষ্ট মূল নীতিগত সীমাবদ্ধতা কিংবা একটি অবিনশ্বর গাণিতিক ধ্রুবক হিসেবে বিবেচনা করা হয়, যা মহাবিশ্বের অস্তিত্বের মূল ছন্দ নিয়ন্ত্রণ করে। ** '''''কুর্ট ওয়াল্টার জেইডলার''''', [http://phaidon.philo.at/asp/hholz.htm আর্কাইভ ফ্যুর সিস্টেমেটিশ ফিলোসফি - হারাল্ড হোলজ] (২০০৩)। * '''泛自然神论的浪漫精神三峡文化的艺术原素是一种独特的理想浪漫精神,是纯朴粗犷、绚丽诡竒的。''' ** এটি মূলত সেই গভীর রোমান্টিক নির্যাস এবং উচ্চমার্গীয় আধ্যাত্মিক চেতনার এক অনন্য কাব্যিক উপস্থাপনা, যেখানে '''প্যানডিজম''' বা সর্ব-প্রকৃতিবাদের মূল দর্শনটি মূর্ত হয়ে ওঠে। এখানে স্রষ্টা এবং সৃষ্টিকে আলাদা করে দেখা হয় না, বরং মনে করা হয় প্রকৃতির প্রতিটি ধূলিকণায় এবং অরণ্যের গহীন নিস্তব্ধতায় সেই পরম সত্তাই বিলীন হয়ে আছে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এই রূপটি মোটেও কৃত্রিম নয়; বরং তা রুক্ষ সরলতার এক নিবিড় ও অবিচ্ছেদ্য সংমিশ্রণের মাধ্যমে গড়ে ওঠে, যা মানুষের আত্মাকে এক অদ্ভুত প্রশান্তি দান করে। এই সৌন্দর্য যেমন আড়ম্বরহীন ও অকৃত্রিম, ঠিক তেমনি এটি এক গভীর এবং বৈচিত্র্যময় রহস্যময়তায় ঘেরা—যা লৌকিক জগতের উর্ধ্বে গিয়ে এক অলৌকিক অনুভূতির জন্ম দেয়। এটি যেন এক শান্ত অথচ শক্তিশালী আহ্বান, যেখানে প্রকৃতির অনাড়ম্বর রুক্ষতা আর আধ্যাত্মিক রহস্য মিলেমিশে একাকার হয়ে একটি অখণ্ড সত্যের প্রকাশ ঘটায়। *** '''''ঝাং দাও কুই''''' (Zhang Dao Kui), 文化研究 ''কালচারাল স্টাডিজ'', ইস্যু ১-১২ (২০০১), পৃষ্ঠা ৬৫। * প্যানডিজম হলো সর্বেশ্বরবাদেরই বা '''Pantheism''' এর এমন একটি বিশেষ রূপান্তর যা নিজের ভেতর প্রকৃতিবাদের একটি সুনির্দিষ্ট কাঠামোকে ধারণ করে। এই মতবাদটি এই বিশ্বাস পোষণ করে যে, বর্তমান মহাবিশ্ব এবং ঈশ্বর প্রকৃতপক্ষে এক ও অভিন্ন সত্তা। তবে একই সাথে এই দর্শন এটিও জোরালোভাবে দাবি করে যে, এই দৃশ্যমান জগৎ রূপ পরিগ্রহ করার পূর্বে ঈশ্বর কেবল একটি বিমূর্ত ধারণা ছিলেন না। বরং তিনি ছিলেন এক পরম সচেতন, সংবেদনশীল এবং অসীম বুদ্ধিমান এক মহাশক্তি। তিনি সেই আদি ও অনাদি সত্তা, যিনি অত্যন্ত নিপুণ কারিগরি এবং সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার মাধ্যমে এই মহাবিশ্বের প্রতিটি কণা ও নক্ষত্ররাজির সূক্ষ্ম নকশা প্রণয়ন করেছিলেন। তাঁর সেই বুদ্ধিদীপ্ত সৃজনশীলতার মাধ্যমেই বিশৃঙ্খল মহাশূন্য এক সুশৃঙ্খল ও প্রাণবন্ত মহাবিশ্বে রূপান্তরিত হয়েছে, যা তাঁর অস্তিত্বের মহিমা ও নিপুণ শিল্পবোধেরই এক জীবন্ত প্রতিফলন। অর্থাৎ, সৃষ্টির আদিতে তিনি ছিলেন এক স্বতন্ত্র স্থপতি, যিনি পরবর্তীতে নিজ সৃষ্টির মাঝেই নিজেকে বিলীন করে দিয়েছেন। ** '''''রোনাল্ড আর. জলিঞ্জার''''', ''মেয়ার মরমনজম: ডিফেন্স অব মরমন থিওলজি'', পৃষ্ঠা ৬, ২০১০। == বহিঃ সংযোগ == {{wikipedia|Pandeism|প্যানডিজম (ইংরেজি উইকিপিডিয়া)}} {{wiktionary|pandeism|প্যানডিজম (উইকশনারি)}} [[বিষয়শ্রেণী:দর্শন]] [[বিষয়শ্রেণী:ধর্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:প্যানডিজম]] [[বিষয়শ্রেণী:প্রকৃতিবাদ]] [[বিষয়শ্রেণী:সর্বেশ্বরবাদ]] flehrc7d6or7qiqb3rg7iqdp0z6qdlp 79867 79864 2026-04-23T01:13:04Z Oindrojalik Watch 4169 /* উক্তি */ 79867 wikitext text/x-wiki [[File:Eagle nebula pillars complete.jpg|thumb|আমরা হলাম '''''[[:w:ঈশ্বর|ঈশ্বরের]]'''''-ই একটি অবশিষ্টাংশ। ~ '''''[[:w:স্কট অ্যাডামস|স্কট অ্যাডামস]]''''' ]] [[File:Planetary nebula & white dwarf formation.gif|thumb|"প্যানডিজম" শব্দটি ব্যবহার করেন এটা জোর দেওয়ার জন্য যে—প্রকৃতিবাদীদের মতো তারাও বিশ্বাস করেন যে ঈশ্বর কোনো ব্যক্তিসত্তা নন যিনি উপাসনা পাওয়ার ইচ্ছা পোষণ করেন। ~ '''''জন আর্মস্ট্রং''''']]'''[[:w:প্যানডিজম|প্যানডিজম]]''' (বা '''প্যান-ডিইজম''') হলো একটি ধর্মতাত্ত্বিক মতবাদ যা [[:w:সর্বেশ্বরবাদ|সর্বেশ্বরবাদ]] এবং [[w:প্রকৃতিবাদ_(দর্শন)|প্রকৃতিবাদের]] (ডিইজম) এক অনন্য সমন্বয়। এই মতবাদ অনুসারে, মহাবিশ্বের স্রষ্টা প্রকৃতপক্ষে নিজেই মহাবিশ্বে রূপান্তরিত হয়েছেন, এবং এর ফলে একটি পৃথক ও সচেতন সত্তা হিসেবে তাঁর পূর্বতন অস্তিত্বের অবসান ঘটেছে। প্রকৃতিবাদের প্রেক্ষিতে ঈশ্বর কেন মহাবিশ্ব সৃষ্টি করে তা পরিত্যাগ করবেন এবং সর্বেশ্বরবাদের প্রেক্ষিতে এই জগতের উৎপত্তি ও উদ্দেশ্য কী—তা ব্যাখ্যা করতেই প্যানডিজমের অবতারণা করা হয়। প্যানডিজম শব্দটি মূলত সর্বেশ্বরবাদ এবং প্রকৃতিবাদের মূল শব্দদ্বয়ের একটি সংকর রূপ, যা প্রাচীন গ্রীক শব্দ 'প্যান' ('''πᾶν'''; যার অর্থ 'সকল') এবং ল্যাটিন শব্দ 'ডিউস' ('''deus'''; যার অর্থ 'ঈশ্বর') এর সমন্বয়ে গঠিত। [[চিত্র:Hs-2001-16-p-full jpg.jpg|thumb|প্যানডিজম হলো এমন একটি [[:w:বিশ্বাস|বিশ্বাস]] যে, কোনো এক [[:w:ঈশ্বর|ঈশ্বর]] মহাবিশ্বে পরিণত হওয়ার জন্য নিজের ঈশ্বরত্ব বিসর্জন দিয়েছেন; এবং এই ধারণাটি মূলত [[:w:ঈশ্বরবাদ|ঈশ্বরবাদের]] [[:w:আদর্শ|আদর্শের]] ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত। ~ '''''অ্যালেক্স অ্যাশম্যান''''' ]] [[চিত্র:Bbrot225x225x24.PNG|thumb|[[:w:ঈশ্বর|ঈশ্বর]] নিজেকে অসংখ্য খণ্ডে বিভক্ত করেছেন যেন তিনি কিছু [[:w:বন্ধু|বন্ধু]] পেতে পারেন। এটি হয়তো সত্য নয়, তবে শুনতে বেশ ভালো লাগে—এবং অন্য যেকোনো [[:w:ধর্মতত্ত্ব|ধর্মতত্ত্বের]] মতোই এটি সমান অর্থবহ। ~ '''''রবার্ট এ. হাইনলাইন''''' ]] [[চিত্র:Uvsun trace big.jpg|thumb|[[:w:ঈশ্বর|ঈশ্বর]] সমগ্র [[:w:মহাবিশ্ব|মহাবিশ্বে]] রূপান্তরিত হয়েছেন। ''ঈশ্বরই হলেন এই মহাবিশ্ব'', এবং এর মধ্যকার সবকিছু। কিন্তু মহাবিশ্ব তা [[:w:জ্ঞান|জানে]] না, কারণ জানলে এই মহাকাব্যিক রহস্যের রোমাঞ্চ নষ্ট হয়ে যেত। এই মহাবিশ্ব হলো ঈশ্বরের এক বিশাল নাটক; আর ঈশ্বর নিজেই এখানে মঞ্চ, অভিনেতা এবং দর্শক। ~ '''''ওয়ারেন বি. শার্প''''' ]] [[চিত্র:Exploding planet.jpg|thumb|[[:w:ঈশ্বর|ঈশ্বর]] নিজেকে জাগতিক রূপে সার্থক করতে এবং এক [[:w:শাশ্বত|শাশ্বত]] ও [[:w:অসীম|অসীম]] লক্ষ্য পূরণ করতে এই [[:w:পৃথিবী|জগৎ]] হয়ে উঠেছেন। তাঁর সেই মহিমান্বিত লক্ষ্য অনুধাবনের উদ্দেশ্যেই তিনি এই মহাবিশ্বের রূপ ধারণ করেছেন। ~ '''''[[:w:হ্যারি ওয়াটন|হ্যারি ওয়াটন]]''''' ]] [[চিত্র:Hong Kong Budha.jpg|thumb|আমাদের এই জন্ম কেবলই এক সুপ্তাবস্থা আর বিস্মৃতি বৈ কিছু নয়... ~ '''''উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ''''' ]] == উক্তি == * আমি জিজ্ঞেস করলাম, "আচ্ছা তাহলে ঈশ্বরের উদ্দেশ্যটা আসলে কী? আপনার কাছে কি আদৌ এই প্রশ্নের কোনো উত্তর আছে নাকি শুধুই আপনি আমার সাথে তামাশাগিরি করছেন?"<br>"একজন সর্বশক্তিমান সত্তার জন্য আমি কেবল একটিই চ্যালেঞ্জ কল্পনা করতে পারি—আর তা হলো নিজেকে ধ্বংস করার চ্যালেঞ্জ!"<br>"আপনি কি মনে করেন ঈশ্বর কখনো আত্মহত্যা করে ফেলতে চাইবেন?" আমি আবারো জানতে চাইলাম।<br>"আমি বলছি না যে তিনি চাইবেন। আমি বলছি যে এটিই হয়তো একমাত্র সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জ।"<br>"আমার মনে হয় একদম অস্তিত্বহীন হওয়ার চেয়ে ঈশ্বর বিদ্যমান থাকাকেই বেশি পছন্দ করবেন।"<br>"সেটা তুমি একজন মানব-প্রাণীর মতো করে ভাবছ, ঈশ্বরের মতো করে নয়। তোমারও আজরাঈলের ভয় রয়েছে, তাই তুমি ধরে নিচ্ছ যে ঈশ্বরও তোমার মতোই পছন্দ অপছন্দ ভাগ করে নেবেন। কিন্তু ঈশ্বরের তো কোনো ভয়ই নেই। বিদ্যমান থাকাটা তাঁর কাছে স্রেফ একটা পছন্দ ছাড়া আর কিছু নয়। আর সেখানে মৃত্যুর কোনো যন্ত্রণা নেই, নেই কোনো অপরাধবোধ, নেই অনুশোচনা কিংবা '''স্বজন হারানোর বেদনা'''! এগুলো শুধুই মানুষের অনুভূতি, ঈশ্বরের নয়। ঈশ্বর খুব সহজেই অস্তিত্ব বিলীন করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।"<br>আমিও ঘটাঘট করে বলে ফেললাম, "আপনার চিন্তা করার ধরন অনুযায়ী এখানে একটি সূক্ষ্ম যৌক্তিক সমস্যা আছে, ঈশ্বর যদি ভবিষ্যৎ জেনেই থাকেন, তবে তিনি ইতিমধ্যেই জানেন যে তিনি তাঁর অস্তিত্ব শেষ করার সিদ্ধান্ত নেবেন কি না, এবং তিনি এ কাজে সফলকাম হবেন কি না। ফলে এখানেও তো কোনো চ্যালেঞ্জ দেখতে পারছিনা।"<br>"তোমার চিন্তাশক্তি এখন স্বচ্ছ হচ্ছে," তিনি বললেন। "হ্যাঁ, স্বাভাবিক অবস্থায় তিনি তাঁর নিজের অস্তিত্বের ভবিষ্যৎ জানবেন। কিন্তু তাঁর সর্বশক্তিমান হওয়ার মধ্যে কি এটাও অন্তর্ভুক্ত যে তাঁর ক্ষমতা হারানোর পর কী ঘটবে—নাকি তাঁর ভবিষ্যতের জ্ঞান ঠিক সেই বিন্দুতেই শেষ হয়ে যাবে?"<br>আমি বললাম, "এটি পুরোপুরি একটি বাকহীন প্রশ্ন বলেই মনে হচ্ছে। আমার মনে হয় আপনি একটি কানাগলিতে এসে ঠেকেছেন!"<br>"হয়তো। কিন্তু এটি একটু চিন্তা করে দেখো তো। মহাপ্রাজ্ঞবান ঈশ্বর, যিনি এই প্রশ্নের উত্তর জানেন, তিনি প্রকৃতপক্ষে সকল কিছুই জানেন এবং তাঁর সবকিছুই নখদর্পনে রয়েছে। সে কারণেই তিনি কোনো কিছু করতে বা সৃষ্টি করতে অনুপ্রাণিত হবেন না। কোনোভাবেই কাজ করার কোনো উদ্দেশ্য থাকবে না। কিন্তু দয়ালু ঈশ্বর যার মনে একটি মাত্র প্রশ্ন খচখচ করছে—আমি যদি অস্তিত্বহীন হয়েই যাই তবে কী অকাল কান্ড ঘটবে? তিনি হয়তো তাঁর জ্ঞান পূর্ণ করার জন্য উত্তরটি খুঁজে পেতে উৎসাহিত হতে পারেন। আর যেহেতু তাঁর কোনো ভয়ই নেই এবং বিদ্যমান থাকার কোনো বিশেষ কারণও নেই, তাই তিনি এটি করে দেখতে পারেন।"<br>"আমরা এটিই বা কীভাবে জানব?"<br>"আমাদের কাছে উত্তরটি রয়েছে। সেটি হলো আমাদের এই 'অস্তিত্ব'। আমরা যে বিদ্যমান আছি, এটিই প্রমাণ করে যে ঈশ্বর কোনো না কোনোভাবে সেই কাজ করতে অনুপ্রাণিত হয়েছেন। আর যেহেতু কেবল আত্মধ্বংসের চ্যালেঞ্জই একজন সর্বশক্তিমান ঈশ্বরকে আগ্রহী করতে পারে, তাই এটা যুক্তিযুক্ত যে আমরা ঈ. . ."<br>আমি এবার মাঝপথেই বুইড়া ব্যাটার কথা থামিয়ে দিলাম এবং রকিং চেয়ার থেকে সোজা ওঠে দাঁড়ালাম। মনে হলো যেন আমার মেরুদণ্ড দিয়ে শীতল প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে, যা আমার ফুসফুসকে, ত্বককে শুধুই শিহরিত করে তুলছে! এমনকি আমার ঘাড়ের লোমগুলোও খাড়া হয়ে গেল! আমি আগুন পোহাতে আগুনের কুন্ডলীর আরও কাছে গিয়ে দাঁড়ালাম, যদিও তার উত্তাপ শুষে নেওয়ার ক্ষমতা আমার ছিল না।<br>"আপনি কি তাই বলছেন যা আমি ভাবছি?" আমার মগজ যেন প্রয়োজনের চেয়ে বেশি জ্ঞান গ্রহণ করে ওভারলোডেড হয়ে গেছিল! তথ্যের উপচে পড়া ভিড় সামলাতে আমার শরীর ঝাঁকিয়ে-বাকিয়ে নেওয়ার একটু প্রয়োজন পড়ল।<br>বৃদ্ধ শূন্য দৃষ্টিতে তাকিয়ে বলল, "আমরা আসলে ঈশ্বরের-ই একেকটি অংশমাত্র।" **'''''স্কট অ্যাডামস''''', ''গডস ডেব্রি'' (২০০১) পৃ. ৪২-৪৪। {{ISBN|0740721909}}। * [[:w:হিন্দুধর্ম|হিন্দুধর্ম]] হলো চিন্তাধারার এক বৈচিত্র্যময় জগত যেখানে [[:w:একেশ্বরবাদ|একেশ্বরবাদ]], [[:w:বহুদেববাদ|বহুদেববাদ]], [[:w:সর্বেশ্বরবাদ|সর্বেশ্বরবাদ]], প্যানডিজম, [[:w:অদ্বৈতবাদ|অদ্বৈতবাদ]] এবং [[:w:নিরীশ্বরবাদ|নিরীশ্বরবাদসহ]] আরও নানা বিশ্বাস বিদ্যমান। আর এখানে [[:w:ঈশ্বর|ঈশ্বরের]] ধারণা অত্যন্ত জটিল যা প্রতিটি ব্যক্তি এবং তাদের অনুসৃত ঐতিহ্য ও দর্শনের ওপর নির্ভর করে। ** '''''এডওয়ার্ড ডি. অ্যান্ড্রুস''''', ''রিজনিং উইথ দ্য ওয়ার্ল্ডস ভেরিয়াস রিলিজিয়নস: এক্সামিনিং অ্যান্ড ইভানজেলাইজিং আদার ফেইথস'' (২০১৮), পৃ. ৭১। * প্রথম অংশটি জীবন সম্পর্কে মনস্তাত্ত্বিক-ধর্মীয় বিশ্ববীক্ষার ঐতিহাসিক বিকাশের প্রকৃতি নিয়ে একটি প্রাথমিক আলোচনা। দ্বিতীয় অংশে প্রাচীন মিশরীয় ও ভারতীয়দের প্যানডিজম থেকে শুরু করে [[w:গট‌ফ্রিড_ভিলহেল্ম_লাইব‌নিৎস|গট‌ফ্রিড ভিলহেল্ম লাইবনিৎসের]] পূর্ব-স্থাপিত সামঞ্জস্য (প্রি-এস্টাবলিশড হারমনি; যা একটি একটি মেটাফিজিক্যাল তত্ত্ব) এবং বস্তুগত বাস্তবতার কঠোর স্বরূপ সংক্রান্ত দার্শনিক ঈশ্বরবাদী ও থিওসফিস্ট মতামতের ব্যবচ্ছেদ করা হয়েছে। তৃতীয় ও চূড়ান্ত অংশটি সেইসব অধি-ভৌতিক এবং ভৌত বিশ্ববীক্ষাকে একত্রিত করে, যা ভারতীয়দের মাধ্যমে [[:w:আদর্শবাদ|আদর্শবাদের]] সূচনা থেকে শুরু করে [[w:আর্টুর_শোপনহাউয়ার|আর্টুর শোপনহাউয়ার]], [[w:ফ্রিডরিখ_নিচে|ফ্রিডরিখ নিচে]], ইভি হার্টম্যান এবং ক্রিস্টোফ ইউকেন পর্যন্ত বিস্তৃত, যা স্পিনোজাবাদ থেকে সর্বাধুনিক নব্য-স্পিনোজাবাদ ও নব্য-আদর্শবাদ পর্যন্ত ধাবিত হয়েছে এবং পরিশেষে [[:w:অভিজ্ঞতাবাদ|অভিজ্ঞতাবাদ]] ও [[:w:দৃষ্টবাদ|দৃষ্টবাদের]] মধ্য দিয়ে প্রকৃত ভৌত মতবাদসমূহের (বস্তুবাদ, পরমাণুবাদ, শক্তি-সংক্রান্ত মতবাদ ইত্যাদি) আলোচনায় উপনীত হয়েছে। ** '''''আন্নালেন ডার ফিজিক''''' ("অ্যানালস অফ ফিজিক্স") (১৯১১) পৃ. ৫৮। * কখনো কখনো [[:w:সর্বেশ্বরবাদ|সর্বেশ্বরবাদীরা]] "প্যানডিজম" শব্দটি ব্যবহার করেন এটা জোর দেওয়ার জন্য যে—প্রকৃতিবাদীদের মতো তারাও এই ধারণায় বিশ্বাসী যে, [[:w:ঈশ্বর|ঈশ্বর]] কোনো ব্যক্তিসত্তা নন যিনি উপাসনা পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা পোষণ করেন। ** '''''জন আর্মস্ট্রং''''', ''[http://www.godvsthebible.com/chapter14.htm গড বনাম দ্য বাইবেল: হাউ গড'স ক্রিয়েশন ডিসক্রেডিট ক্রিশ্চিয়ান স্ক্রিপচার]'' (২০০৭)। ডিসেম্বর ২০০৭ সংখ্যায় আলেকজান্ডার সিউরানা (এম.টি.এস.) কর্তৃক উদ্ধৃত, "দ্য সুপিরিওরিটি অব আ ক্রিশ্চিয়ান ওয়ার্ল্ডভিউ," অ্যাক্টস ম্যাগাজিন, চার্চেস অব গড সেভেন্থ ডে, খণ্ড ৫৭, সংখ্যা ১০, পৃষ্ঠা ১১। * প্রকৃতিবাদ এবং সর্বেশ্বরবাদ—উভয় মতবাদেই তাঁর অবস্থান থাকায়, [[w:আলবার্ট_আইনস্টাইন|আইনস্টাইনকে]] সম্ভবত একজন প্যানডিজম পন্থী হিসেবে গণ্য করা যেতে পারে। এটি মূলত সর্বেশ্বরবাদ ও প্রকৃতিবাদের একটি সংকর রূপকে নির্দেশ করে, যা ২০১৩ সালে রাফায়েল লাটাস্টার অত্যন্ত নিপুণভাবে বর্ণনা করেছিলেন। ** '''''ডা. মাইকেল আরনহেইম''''', ''দ্য গড বুক'', ২০১৫, পৃষ্ঠা ৭২। * এই "পরিকল্পিত নিয়ম" বা "নির্ধারিত নিয়ম", যা তিনি অন্য জায়গায় উল্লেখ করেছেন। এগুলো কোথা থেকে এল? [[w:চার্লস_ডারউইন|চার্লস ডারউইন]] তাঁর এই বিশ্বাসকে গোপন করেননি যে, এগুলো একজন "সর্বজ্ঞ স্রষ্টা" দ্বারা নকশা করা হয়েছে। তাঁর ব্যবহৃত "ভালো কিংবা মন্দ যাই হোক" বাক্যাংশটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ এবং এটি ডারউইনকে এমন এক অবস্থানে দাঁড় করায় যা একজন নির্লিপ্ত ও নৈতিকতা-নিরপেক্ষ ঈশ্বরে বিশ্বাসী ব্যক্তির চেয়ে খুব একটা আলাদা নয়। তাই, ডারউইন হয়তো স্পষ্টভাবে প্রকৃতিবাদ সম্পর্কে সচেতন ছিলেন না, কিন্তু তাঁর নিজস্ব ধর্মীয় বিশ্বাসগুলো প্রকৃতিবাদ বা সম্ভবত প্যানডিজমের (যা এই অধ্যায়ে আগেও আলোচিত হয়েছে) সাথে চমৎকারভাবে মিলে যায়। ** '''''ডা. মাইকেল আরনহেইম''''', ''দ্য গড বুক'', ২০১৫, পৃষ্ঠা ১০৩-১০৪। * [[w:চার্লস_ডারউইন|চার্লস ডারউইন]] মাঝে মাঝে নিজেকে একজন [[:w:অজ্ঞেয়বাদ|অজ্ঞেয়বাদী]] হিসেবে বর্ণনা করতেন, তবে তাঁর প্রকাশিত ধর্মীয় বিশ্বাসগুলো সাধারণভাবে [[:w:ঈশ্বরবাদ|ঈশ্বরবাদের]] সাথে, অথবা সম্ভবত প্যানডিজমের সাথে অধিকতর সামঞ্জস্যপূর্ণ। ** '''''ডা. মাইকেল আর্নহেইম''''', ''দ্য গড বুক'' (২০১৫), পৃষ্ঠা ১০৫। * প্যানডিজম হলো এমন একটি [[:w:বিশ্বাস|বিশ্বাস]] যে, কোনো এক [[:w:ঈশ্বর|ঈশ্বর]] মহাবিশ্বে পরিণত হওয়ার জন্য নিজের ঈশ্বরত্ব বিসর্জন দিয়েছেন। এবং এই ধারণাটি মূলত [[:w:ঈশ্বরবাদ|ঈশ্বরবাদের]] [[:w:আদর্শ|আদর্শের]] ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত। ** '''''অ্যালেক্স অ্যাশম্যান''''', বিবিসি নিউজ, ''মেটাফিজিক্যাল ইজমস'' (৫ সেপ্টেম্বর ২০০৭)। * এটি দেখা যাবে যে, [[:w:বাস্তবতা|বাস্তবতার]] এই 'অপরিবর্তনীয়তা'র বিষয়টি যখন স্পষ্টভাবে অনুধাবন করা হয়, তখন তা অবশ্যই [[:w:সর্বেশ্বরবাদ|সর্বেশ্বরবাদের]] কিছু নির্দিষ্ট শাখার ত্রুটিপূর্ণ তত্ত্বগুলোকে খণ্ডন ও প্রত্যাখ্যান করতে সাহায্য করবে, যারা মনে করে যে "ঈশ্বর মহাবিশ্বে পরিবর্তিত হওয়ার মাধ্যমে নিজেই মহাবিশ্ব হয়ে ওঠেন।" এভাবে প্রকৃতিকে ঈশ্বরের সাথে অভিন্ন করার চেষ্টা করা হয়, যার ফলে [[w:আর্টুর_শোপনহাউয়ার|আর্টুর শোপনহাউয়ারের]] ভাষায়, "আপনি ঈশ্বরকেই বিদায় জানাচ্ছেন!" ঈশ্বর যদি নিজেকে এই বিস্তীর্ণ মহাবিশ্বে পরিবর্তিত করেন, তবে ঈশ্বর আর বিদ্যমান থাকেন না এবং তাঁকে নিয়ে আমাদের আর উদ্বিগ্ন হওয়ার প্রয়োজন পড়বে না! কারণ তিনি পরিবর্তনের মাধ্যমে আত্মহত্যা করে ফেলেছেন! ** '''''উইলিয়াম ওয়াকার অ্যাটকিনসন''''', ''মাস্টারি অফ বিয়িং'' (১৯১১), পৃষ্ঠা ৫৬। * হিগিন্স একটি প্রাচীন সর্বজনীন ধর্মের অস্তিত্ব উন্মোচনের দাবি করেছিলেন (যাকে তিনি প্যানডিজম নামেই অভিহিত করেছিলেন), যা থেকে নাকি জগতের সকল ধর্মীয় মতবাদের উৎপত্তি হয়েছিল। তাঁর মতে, এই ধর্মটি আজও একটি গোপন ও খণ্ডিত গোষ্ঠী হিসেবে টিকে আছে, যারা [[w:গ্রিস|গ্রিস]], [[w:মধ্যপ্রাচ্য|মধ্যপ্রাচ্য]] এবং বিশেষ করে [[w:ভারতীয়_উপমহাদেশ|ভারতীয় উপমহাদেশ]]—যেখানে এর আদি উৎস নিহিত। সেখানকার বিভিন্ন প্রান্তে তাদের সেই প্রাচীন বার্তাগুলো বহন করে চলেছে। ** '''''অ্যান্থনি অ্যাভেনি''''', ''অ্যাপোক্যালিপ্টিক এনজাইটি: রিলিজিয়ন, সায়েন্স, অ্যান্ড আমেরিকাস অবসেশন উইথ দ্য এন্ড অব দ্য ওয়ার্ল্ড'' (ইউনিভার্সিটি অফ কলোরাডো প্রেস, ২০১৬), পৃষ্ঠা ৯৮, ISBN 1607324717। * আজ আমরা জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ঐক্য এবং সাম্যের এক প্রবল জোয়ার প্রত্যক্ষ করছি। বাণিজ্যিক দুনিয়ায় আমরা দেখছি বিশাল সব ব্যবসায়িক একত্রীকরণ। অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে গোটা জাতিগুলো একজোট হচ্ছে। [[w:শ্রমিক_সংঘ|শ্রমজীবী মানুষের মাঝে ইউনিয়নগুলো]] উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং আরও শক্তিশালী হয়ে উঠছে। আর্থিক বিশ্বে একচেটিয়া [[w:একচেটিয়া_বাজার|একচেটিয়া আধিপত্যের]] প্রবণতা ক্রমেই স্পষ্ট হচ্ছে। ধর্মীয় জগতেও ঐক্যের এক মহাপ্রয়াসে অনেক বড় বড় আন্দোলন চলছে এই সময়ে এবং এটি কেবল খ্রিস্টীয় জগতের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই। রোমান গির্জা (চার্চ অফ রোম) তাদের বর্তমান কার্যক্রমকে বর্ণনা করতে "প্যানডিজম" শব্দটি ব্যবহার করে, যার লক্ষ্য হলো বিশ্বের অ-খ্রিস্টান ধর্মগুলোকে নিজেদের ছত্রছায়ায় নিয়ে আসা। রোম শেষ পর্যন্ত এই কাজে সফল হবে, কারণ সেই ভবিষ্যৎবাণীতে বলা আছে, '''"আর সমস্ত জগৎ সেই পশুর পশ্চাৎবর্ত্তী হইয়া আশ্চৰ্য্য জ্ঞান করিল!"''' (বাইবেল, অ্যাপোক্যালিপ্স ১৩:৩) ** '''''কনরাড বেকার''''', ''[https://web.archive.org/web/20060909220410/http://maranathamedia.com.au/start/index.php?option=com_docman&task=doc_view&gid=997 দ্য থ্রি পাওয়ার্স অব আর্মাগেডন: অ্যান এক্সপজিশন অব রিভিলেশন ১৬:১৩-১৬]'' (আর্কাইভ), পৃষ্ঠা ৭, ১২ আগস্ট, ২০০৫ (পিডিএফ)। * লেখক যেভাবে গ্রীক এবং খ্রিস্টীয় পৌরাণিক কাহিনীকে একত্রিত করেছেন তা বেশ সন্দেহজনক। যা শেষ পর্যন্ত এক ধরণের প্যানডিজমে রূপ নিয়েছে, যদিও সেই প্যানডিজম সর্বদা ঐশ্বরিক বিধাতার বা ডিভাইন প্রভিডেন্স উপস্থিতির মাধ্যমে সীমাবদ্ধ থাকে। ** '''''জোয়াকিন আলভারেজ বারিয়েন্টোস''''', ''লা নভেলা ডেল সিগলো XVIII'', পৃষ্ঠা ২৫৭ (১৯৯১)। * পাশ্চাত্য [[:w:সর্বেশ্বরবাদ|সর্বেশ্বরবাদ]] প্রসঙ্গে কেউ কেউ মনে করেন যে, "প্যানথেইজম" বা সর্বেশ্বরবাদ শব্দটি ভুলভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। যেহেতু থিওলজি হলো ধর্মতত্ত্বের অধ্যয়ন এবং "প্যান" অর্থ "সব", তাই প্যানথেইজম বলতে মূলত সকল ধর্মকে অনুসরণ করাকে বোঝায়। ফলে সমস্ত নামাঙ্কিত দেবতাকে অনুসরণ করার এই নীতিকে বরং "প্যান-ডি-ইজম" [Pan-De-ism] বলা উচিত। সুতরাং, প্যানথেইস্ট না কি প্যানডেইস্ট? সিদ্ধান্ত আপনার। ** '''''মাইলস ব্যাটি''''', ''টিচিং উইচক্র্যাফট: এ গাইড ফর টিচার্স অ্যান্ড স্টুডেন্টস অফ দ্য ওল্ড রিলিজিয়ন'' (২০০৯) পৃ. ৩৮। * [[:w:বাইবেল|বাইবেল]] যদি কেবল মানুষের লোকগাথা হয় এবং কোনো ঐশ্বরিক সত্য না হয়, তবে যারা বলে, "চলুন সব ধর্ম থেকে সেরাটা বেছে নিয়ে সেগুলোকে একীভূত করে প্যান-ডেইজম (Pan-Deism) বানাই। একক ঈশ্বর যেখানে অনেককে নিয়ে গঠিত একটি বৈশ্বিক ধর্ম", তাদের দেওয়ার মতো কোনো প্রকৃত উত্তর আমাদের কাছে থাকবে না। ** '''''জে. সিডলো ব্যাক্সটার''''', ''আওয়ার বাইবেল: দ্য মোস্ট ক্রিটিক্যাল ইস্যু'' (১৯৯১)। * অত্যন্ত মজার বিষয় হলো, ভ্যাটিকান কাউন্সিলের সময় 'ইকুমেনিকাল' (বিশ্বজনীন ঐক্য) শব্দটিকে এমনকি এর ধারণাটিকেও অ-খ্রিস্টান ধর্মগুলোর সাথে সম্পর্কের ক্ষেত্রে প্রসারিত করার এই ক্যাথলিক সদিচ্ছার বিরুদ্ধে ডব্লিউসিসি / WCC মহল থেকে সমালোচনা ধেয়ে এসেছিল। তখন মনে করা হয়েছিল যে, এই বিশ্বজনীন ঐক্যের ধারণাটি "প্যান-ডিইস্ট" (সর্ব-প্রকৃতিবাদী) এবং বিভিন্ন ধর্মীয় মতবাদের সংমিশ্রণজনিত প্রবণতা দ্বারা কলুষিত হচ্ছে। ** '''''বার্ট বেভারলি বিচ''''', ''ইকুমেনিজম: বুন অর বেন?'' (১৯৭৪), পৃষ্ঠা ২৫৯ (জর্জ এইচ. উইলিয়ামসের ''ডাইমেনশনস অব রোমান ক্যাথলিক ইকুমেনিজম'' (১৯৬৫), পৃষ্ঠা ৩১-৩২ থেকে উদ্ধৃত)। * হাইস্কুলের এক শিক্ষক একবার আমাকে বলেছিলেন যে, [[w:আদি_শঙ্কর|আদি শঙ্করাচার্য]] মনে করতেন ঈশ্বরই এই জগতে পরিণত হয়েছেন। শুরুতে কেবল ঈশ্বরই ছিলেন এবং তারপর তিনি নিজের থেকেই এই জগৎ সৃষ্টি করেছেন। সুতরাং, ঈশ্বরই জগতে রূপান্তরিত হয়েছেন। আর এখন ঈশ্বরের পৃথক কোনো অস্তিত্ব নেই। এটি অনেকটা চাল দিয়ে ইডলি (দক্ষিণ ভারতের একটি খাবার; যা আমাদের অনেকটা বাঙালিয়ানা '''[[w:চিতই_পিঠা|<nowiki/>'চিতই পিঠা]]'''<nowiki/>'র মতো) বানানোর মতো! চাল ফুরিয়ে গেছে, এখন কেবলি ইডলি পড়ে আছে। পরবর্তীতে, আমি যখন কারো কাছে আদি শঙ্করাচার্যের [[w:দর্শন|দর্শন]] হিসেবে এটি পুনরায় বললাম, তখন তিনি এত জোরে হেসে উঠলেন যে আমি বুঝতে পারলাম আমার কথায় কোথাও কোনো ভুল ছিল। কিন্তু ভুলটি কোথায় ছিল তা আমি জানতাম না, আর তিনিও আমাকে তা শুধরে দেননি। ** ''[[:w:ভগবদ্গীতা|ভগবদ্গীতা]] হোম স্টাডি'', ২০০০। * [[w:ক্যাথলিক_মণ্ডলী|রোমান ক্যাথলিক]] পণ্ডিতদের মধ্যে, যারা মূলত রোমান, [[w:পূর্বদেশীয়_সনাতনপন্থী_মণ্ডলী|অর্থোডক্স]] এবং অ্যাংলিকান গির্জাগুলোর পুনর্মিলনে আগ্রহী ছিলেন—তাদের মাঝেই আমি প্রথম এই বিশ্বজনীন ঐক্যের ধারণাকে 'প্যান-ডিইজম'-এ রূপান্তর হতে দেখি। [...] আমরা হয়তো প্রশ্ন করতে পারি যে, এই প্যান-ডিইস্ট আন্দোলনকে ত্বরান্বিত করার পেছনে রোমান কিউরিয়ার চূড়ান্ত লক্ষ্য আসলে কী। তারা রোমের এই বিশ্বজনীন ঐক্য এবং প্যান-ডিইজমের মাঝে বিশ্ব আধিপত্য বিস্তারের কোনো সুদূরপ্রসারী প্রকল্পকে সম্ভবত স্পষ্টভাবে শনাক্ত করতে পারেনি। ** ফাদার '''''চার্লস এ. বোল্টন''''', "বিয়ন্ড দ্য ইকুমেনিকাল: প্যান-ডিইজম?" শীর্ষক নিবন্ধ, ''ক্রিশ্চিয়ানিটি টুডে'', ১৯৬৩, পৃষ্ঠা ২১। * ফ্রান্সের প্রবীণ প্রজন্মের সর্বশ্রেষ্ঠ কবি [[w:ভিক্টর_হুগো|ভিক্টর হুগোর]] মধ্যে এক ধরণের দুর্বল প্যানথেইস্টিক ডিইজম বা সর্বেশ্বরবাদী ঈশ্বরবাদ পরিলক্ষিত হয়, যা তাঁর প্রবল [[:w:যুক্তিবাদ|যুক্তিবাদের]] বিপরীতে মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। আমরা এখনও তাঁর মধ্যে পূর্ববর্তী শতাব্দীর প্রভাব খুঁজে পাই। যেখানে ধর্মের ঊর্ধ্বে গিয়ে আধ্যাত্মিকতাকে মহিমান্বিত করা হয়েছে এবং বিশ্বাসের সেই ভালোবাসাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে যা মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে, সেইসব গোঁড়ামির বিপরীতে যা মানুষকে বিভক্ত ও বিচ্ছিন্ন করে দেয়। ** '''''জর্জ এম. ব্র্যান্ডেস''''', ''হেনরিক ইবসেন'' (১৯৯৯) পৃ. ৬৮। * একটি একক সত্তায় বিশ্বাস বিজ্ঞানের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে পারে যতক্ষণ পর্যন্ত সেই বিশ্বাসটি কেবল একটি 'আদি কারণ' (ফার্স্ট কজ) হিসেবে থাকে, যিনি পরবর্তীতে প্রাকৃতিক নিয়মের কোনো পরিবর্তন বা হস্তক্ষেপ করেন না। পাঠক এবং লেখক উভয়েরই নিজস্ব ব্যক্তিগত পছন্দ থাকতে পারে, তবে পরবর্তী বিশ্ববীক্ষা এবং চিন্তাধারার জন্য যা গুরুত্বপূর্ণ তা হলো—একদিকে একটি "পরম সত্তায়" বিশ্বাস করার ব্যাপক আকাঙ্ক্ষাকে জায়গা দেওয়া, আবার একই সাথে এমন কিছু গ্রহণ না করা যা প্রাকৃতিক শৃঙ্খলা ও কার্যকারণ সম্পর্ককে বিঘ্নিত করতে পারে। পরবর্তী বিশ্বাস ব্যবস্থাটি এমন একটি ছাতার মতো হওয়া উচিত যা [[:w:নিরীশ্বরবাদ|নিরীশ্বরবাদ]], [[:w:ঈশ্বরবাদ|ঈশ্বরবাদ]], [[:w:অজ্ঞেয়বাদ|অজ্ঞেয়বাদ]] এবং সর্বেশ্বর প্রকৃতবাদকে (অর্থাৎ, প্যান-ডিইজম) একই আবরণে ঢেকে নিতে পারে। কেবল এভাবেই আমরা মানবতাকে বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারের প্রকৃত যুগে নিয়ে আসতে পারি, একটি নতুন সভ্যতা গড়তে পারি এবং শেষ পর্যন্ত মানবজাতিকে এই সংকীর্ণ গ্রহের সীমানা ছাড়িয়ে মহাবিশ্বের সুদূর প্রান্তরে ছড়িয়ে দিতে পারি। ** '''''চার্লস ব্রাফ''''', ''আনটুইস্টিং দ্য সোশ্যাল সায়েন্সেস'' (২০০৬), পৃ. ১৪২। * পরবর্তী [বিশ্ববীক্ষা] বিশ্বাস ব্যবস্থাটি এমন একটি ছাতার মতো হতে পারে যা নিরীশ্বরবাদ, ঈশ্বরবাদ, অজ্ঞেয়বাদ এবং প্যান-ডিইজমকে অন্তর্ভুক্ত করবে। কারণ এই বিভিন্ন বিশ্বাসের মধ্যকার পার্থক্যগুলো তখন ম্লান হয়ে যায় যখন আমরা এমন কোনো "রহস্যময় সত্তার" প্রতি অসহিষ্ণু হই যে কার্যকারণ সম্পর্ক পরিবর্তন করতে পারে, যার ফলে আমাদের সেই বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে হস্তক্ষেপ ঘটে যা এই প্রাচীন সভ্যতাকে বদলে দেওয়ার জন্য এখন অত্যন্ত জরুরি। ** '''''চার্লস ব্রাফ''''', ''ডেস্টিনি অ্যান্ড সিভিলাইজেশন: দ্য ইভোল্যুশনারি এক্সপ্লানেশন অফ রিলিজিয়ন অ্যান্ড হিস্ট্রি'' (২০০৮), পৃ. ২১০। * মুক্তচিন্তক, সেই সকল মানুষ যাদের "আত্মা" সংক্রান্ত বিশ্বাস আধুনিক বিজ্ঞানের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। [[:w:ঈশ্বরবাদ|ঈশ্বরবাদ]] (ডিইজম), প্যান-ডিইজম, [[:w:অজ্ঞেয়বাদ|অজ্ঞেয়বাদ]] এবং [[:w:নিরীশ্বরবাদ|নিরীশ্বরবাদ]] বিজ্ঞানের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ; কিন্তু [[:w:আস্তিক্যবাদ|সেব্য-ঈশ্বরবাদ]] (থেইজম) নয়। ** '''''চার্লস ব্রাফ''''', ''ডেস্টিনি অ্যান্ড সিভিলাইজেশন: দ্য ইভোল্যুশনারি এক্সপ্লানেশন অফ রিলিজিয়ন অ্যান্ড হিস্ট্রি'' (২০০৮), পৃ. ২৯৫। * ঈশ্বরবাদ (ডিইজম) ও প্যান-ডিইজম এবং সেই সাথে অজ্ঞেয়বাদ ও নিরীশ্বরবাদ, এই সবই হলো 'অ-সেব্য-ঈশ্বরবাদী' (নন-থেইজম) মতবাদ! ** '''''চার্লস ব্রাফ''''', ''দ্য লাস্ট সিভিলাইজেশন'' (২০১০), পৃ. ২৪৬। * ঈশ্বরবাদের (ডিইজম) মতো প্যানডিজমেরও কোনো সুনির্দিষ্ট সেব্য-ঈশ্বরবাদী ধর্মবিশ্বাস বা ধর্মগ্রন্থ নেই যা এই বিশ্বাসকে একটি 'প্রথা' হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে। তাই এখানে এমন এক ঈশ্বরকে কল্পনা করার স্বাধীনতা রয়েছে যিনি এই 'চেতনাসম্পন্ন' মহাবিশ্ব, অথবা এমন এক ঈশ্বর যিনি এই 'চেতনাভিহীন' মহাবিশ্ব। অথবা ন্যূনতম প্রয়োজনীয় বৈশিষ্ট্যের সাথে সাংঘর্ষিক নয় এমন গুণাবলি আরোপ করে ঈশ্বরকে আরও নির্দিষ্টভাবে সংজ্ঞায়িত করার প্রচেষ্টাও চালানো সম্ভব। ** '''''রবার্ট জি. ব্রাউন, পিএইচডি''''', "প্যানডিজম," ''এ থিওরেম কনসার্নিং গড'' (২০০৯)। * বেদান্তিক হিন্দুধর্ম হলো একটি সুসংগঠিত অদ্বৈতবাদী প্যানডিজম এবং এটি শুরুতেই স্বীকার করে নেয় যে এর ধর্মগ্রন্থগুলো মূলত উপকথা ও কিংবদন্তি, যা থেকে রূপক অন্তর্দৃষ্টি আহরণ করতে হয়, এগুলো কোনো "ঐশ্বরিক সত্য" নয়। আর বৌদ্ধধর্ম কোনো ধর্ম নয়, বরং এটি মূলত একটি নিরীশ্বরবাদী মনস্তাত্ত্বিক-সামাজিক দর্শন যা দুর্ভাগ্যবশত বৈদিক হিন্দুধর্মের কিছু ধর্মীয় বিশ্বতত্ত্বকে অন্তর্ভুক্ত করে ফেলেছে। বিশেষ করে ক্রমিক পুনর্জন্মের ধারণাটি, যা সম্ভবত সত্য নয়। ** '''''রবার্ট জি. ব্রাউন, পিএইচডি''''', "এ পিউরলি গ্র্যাচুইটাস পোলেমিক অ্যাগেইনস্ট থেইজম," ''এ থিওরেম কনসার্নিং গড'' (২০০৯)। * আসুন অবশেষে আমরা সেই মৌলিক উপপাদ্যটি ব্যক্ত করি।<br><br>''যদি ঈশ্বরের অস্তিত্ব থাকে, তবে ঈশ্বর এবং এই মহাবিশ্ব অভিন্ন।''<br><br>অর্থাৎ, এই উপপাদ্যটি শর্তাধীন প্যানডিজমের একটি ঘোষণা। যদি আদৌ ঈশ্বরের কোনো অস্তিত্ব থেকে থাকে, তবে অস্তিত্বমান জাগতিক সবকিছুর সমষ্টিই হতে হবে সেই ঈশ্বর। ** '''''রবার্ট জি. ব্রাউন''''', পিএইচ.ডি., "[http://www.phy.duke.edu/~rgb/Philosophy/god_theorem/god_theorem/node6.html দ্য পান্ডিস্ট থিওরেম]," ''আ থিওরেম কনসার্নিং গড'', ২০০৯। * উপনিষদে বিশেষভাবে বর্ণিত খাঁটি বৈদান্তিক হিন্দুধর্ম হলো অদ্বৈতবাদী এবং এটি হয় প্যানডিজম নয়তো প্যানেন-ডিজমের অনুসারী, যেখানে ব্রহ্মই হলেন এই মহাবিশ্ব। আমরা (আত্মা বা "ঈশ্বর-আত্মা" হিসেবে) ব্রহ্মেরই অংশ এবং স্বয়ং ব্রহ্ম! যা মূলত পূর্ণতাকে উপলব্ধি করার জন্য সেই পূর্ণ সত্তা থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া কিছু অংশ মাত্র, যারা সর্বদা পুনরায় সেই পূর্ণতার সাথে মিলিত হতে এবং সর্বস্ব হিসেবে অস্তিত্বের এক পরম অবস্থায় ফিরে যেতে ব্যাকুল। উপনিষদে বর্ণিত ব্রহ্ম এমন কোনো সত্তা নন যাকে উপাসনা করা হয়, সেখানে এটি অত্যন্ত স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, ব্রহ্ম উপাসনার প্রতি উদাসীন এবং তিনি উপাসনার কোনো বস্তু নন। ** '''''রবার্ট জি. ব্রাউন''''', পিএইচ.ডি., "[http://www.phy.duke.edu/~rgb/Philosophy/god_theorem/god_theorem/node14.html হিন্দুইজম]," ''আ থিওরেম কনসার্নিং গড'', ২০০৯। * একজন প্রকৃতিবাদী বা ডিইস্ট যিনি এমন এক ঈশ্বরে বিশ্বাস করেন যিনি নিজেই মহাবিশ্ব, তিনি মূলত একজন প্যান্ডিস্ট (বা প্যান্ডিজম-বাদী)। এটি কেবল এই উপপাদ্যের সাথেই সংগতিপূর্ণ নয়, বরং তথ্য-তত্ত্বের (মানে ইনফরমেশন থিওরি) একটি প্রমাণিত উপপাদ্য হিসেবে এখন তাঁদের সেই শর্তাধীন বিশ্বাসকে নিশ্চিতভাবে সমর্থন করে। ** '''''রবার্ট জি. ব্রাউন''''', পিএইচ.ডি., "[http://www.phy.duke.edu/~rgb/Philosophy/god_theorem/god_theorem/node26.html ডিইজম]," ''আ থিওরেম কনসার্নিং গড'', ২০০৯। * মহাবিশ্ব নিয়ে গবেষণারত একজন প্যান্ডিস্ট বিজ্ঞানী বা দার্শনিক যে অপরিহার্যভাবে অযৌক্তিক হবেন—তা নয়। এমনকি নিজের কাজকে গভীরভাবে ভালোবাসেন এমন একজন নাস্তিক বিজ্ঞানী বা দার্শনিকের চেয়েও তাকে খুব একটা আলাদাভাবে শনাক্ত করা কঠিন। ** '''''রবার্ট জি. ব্রাউন''''', পিএইচ.ডি., "[http://www.phy.duke.edu/~rgb/Philosophy/god_theorem/god_theorem/node29.html কনসিস্টেন্সি উইথ ফিজিক্স অ্যান্ড ন্যাচারাল সায়েন্স]," ''আ থিওরেম কনসার্নিং গড'', ২০০৯। * আমাদের মধ্যে কেউ কেউ মনে করেন যে, উত্তর-আধুনিকতা বা পোস্ট-মডার্নিটি মূলত প্রচলিত বিশ্ববীক্ষার এক বৈপ্লবিক পরিবর্তনের প্রতিনিধিত্ব করে। যা জেমস এবং ওয়েবারের এক বিস্ময়কর সংমিশ্রণ হয়ে ওঠার মাধ্যমে আধুনিকতার মতোই অনন্য হিসেবে প্রমাণিত হতে পারে। যদি আমাদের এই ধারণা সঠিক হয়, তবে পরিবর্তিত দৃষ্টিভঙ্গি, পূর্বানুমান এবং মূল্যবোধগুলো একত্রে আমাদের জীবনযাত্রাকে এমনভাবে বদলে দিতে পারে, যা আমাদের মনন ও অস্তিত্বের ভূগোলকে রূপান্তরিত করবে। অর্থাৎ, আমরা যে বাস্তব ভৌগোলিক দৃশ্যপট এবং মানসিক মূল্যবোধের জগতে বসবাস করি, উভয়ই পরিবর্তিত হবে। এই চলমান রূপান্তরের একটি ক্রমবর্ধমান সাধারণ ফলাফল হলো, যা সম্ভবত উত্তর-শিল্পায়ন যুগের ধর্মনিরপেক্ষ সমাজগুলোর একটি লক্ষণ। আত্ম-অস্বীকৃতি থেকে অতিপ্রাকৃতকে অস্বীকার করার দিকে অগ্রসর হওয়া। এই বিবর্তনটি ভবিষ্যতের মনন ও অস্তিত্বের ভূগোলকে আমূল বদলে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়। কারণ এটি কার্যকারণের কেন্দ্রবিন্দুকে এক মহিমান্বিত দেবত্ব থেকে প্রকৃতির রাজত্বের দিকে সরিয়ে নিয়ে যায়। এই 'প্রকৃতি' শেষ পর্যন্ত কীভাবে সংজ্ঞায়িত হবে, তার ওপর ধর্মীয় এবং ধর্মনিরপেক্ষ বিশ্ববীক্ষার মধ্যকার কৃত্রিম পার্থক্যের এক ব্যাপক প্রভাব রয়েছে। লেভিনের মতে, "ধর্মনিরপেক্ষতা একটি ইতিবাচক বিষয়, নেতিবাচক নয়। এটি আধ্যাত্মিক জগত বা ধর্মের অস্বীকার নয়, বরং আমরা এখন যে জগতে বাস করছি তারই এক দৃঢ় স্বীকৃতি... এমন একটি জগত আমাদের সেই 'পূর্ণতা' এনে দিতে সক্ষম যা ধর্ম সর্বদা প্রতিশ্রুতি দিয়ে এসেছে।" অন্যদের কাছে এই "পূর্ণতা" আরও বেশি ধর্মীয়-ঘেঁষা সর্বেশ্বরবাদ (প্যানথেইজম) বা প্যানডিজমের মাঝে বিদ্যমান। প্যানডিজমের ক্ষেত্রে ঈশ্বর হলেন একটি জটিল মহাবিশ্বের চির-উন্মোচিত এক অভিব্যক্তি, যার একটি শনাক্তযোগ্য শুরু থাকলেও কোনো সুনির্দিষ্ট চূড়ান্ত লক্ষ্য বা উদ্দেশ্যমূলক গন্তব্যের (টেলিওলজিক্যাল ডিরেকশন) উপস্থিতি অপরিহার্য নয়। ** '''''মাইকেল এস. ব্রুনার''''', '''''জন ড্যাভেনপোর্ট''''', '''''জিম নরউইন''''', "অ্যান ইভলভিং ওয়ার্ল্ডভিউ: কালচার-শিফট ইন ইউনিভার্সিটি স্টুডেন্টস", জিম নরউইন সম্পাদিত, ''আ ওয়ার্ল্ড আফটার ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যান্ড কালচার-শিফট'' (স্প্রিঙ্গার, ২০১৩), পৃষ্ঠা ৪৬। * সৃষ্ট বুদ্ধিবৃত্তিক সত্তাসমূহের সকল কাজই কেবল ঈশ্বরের কাজ নয়। তিনি এমন এক মহাবিশ্ব সৃষ্টি করেছেন যেখানে প্রাণীরা তাদের নিজস্ব নৈতিক কাজের নিকটতম কারণ (প্রক্সিমেট কজ) হিসেবে স্বাধীনভাবে এবং দায়িত্বশীলতার সাথে কাজ করে বলে গণ্য হয়। যখন কোনো ব্যক্তি মন্দ কাজ করে, তখন সেখানে স্রষ্টা ও রক্ষক হিসেবে ঈশ্বর সক্রিয় থাকেন না। ঈশ্বর যদি প্রতিটি কাজের নিকটতম কারণ হতেন, তবে তা প্রতিটি ঘটনাকেই "ঈশ্বরের গতিশীল রূপ" (গড ইন মোশন) বানিয়ে দিত। যা প্রকৃতপক্ষে সর্বেশ্বরবাদ বা আরও নিখুঁতভাবে বললে প্যানডিজম ছাড়া আর কিছুই নয়। [তবে] স্রষ্টা তাঁর সৃষ্টি থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। এই দ্বিতীয় পর্যায়ের কারণগুলোর (সেকেন্ডারি কজেস) বাস্তবতা বা অস্তিত্বই খ্রিস্টীয় [[:w:আস্তিক্যবাদ|সেব্য-ঈশ্বরবাদকে]] প্যানডিজম থেকে পৃথক করে। ** '''''পাস্টর বব বারিজে''''', ''থিওলজি প্রোপার - লেসন ৪: দ্য ডিক্রিস অফ গড'' (১৯৯৭)। * কেন ঈশ্বরকে [[:w:পাপ|পাপের]] রচয়িতা হিসেবে অভিহিত করলে মহাবিশ্বের একটি প্যানডিস্টিক ধারণার প্রয়োজন পড়ে, যা কার্যত পাপ এবং নৈতিক আইনের বাস্তবতাকে বিলীন করে দেয়? ** '''''পাস্টর বব বারিজে''''', ''থিওলজি প্রোপার - লেসন ৪: দ্য ডিক্রিস অফ গড'' (১৯৯৭)। * [[w:জর্দানো_ব্রুনো|জর্দানো ব্রুনোর]] বিপরীতে, জোসেফ র‍্যাটজিঙ্গার সেই মতবাদটির সমালোচনা করেছেন যেটিকে অন্যান্য ভাষ্যকারগণ ব্রুনোর প্যানডিজম হিসেবে বর্ণনা করেছেন। ** '''''ড্যানিয়েল কার্ডো''''' এবং '''''উই মাইকেল ল্যাং''''', ''দ্য ক্যামব্রিজ কম্প্যানিয়ন টু জোসেফ র‍্যাটজিঙ্গার'' (২০২৩), পৃ. ২৬৬। * [[w:ম্যাথু_আর্নল্ড|ম্যাথু আর্নল্ডের]] ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতাকে সন্তুষ্ট করা সেই সত্তাটি যা-ই হোক না কেন, তিনি তাঁর 'লিটারেচার অ্যান্ড ডগমা' এবং 'গড অ্যান্ড দ্য বাইবেল' গ্রন্থে আমাদের যে ধর্মের কথা বলেছেন তা ঈশ্বরবাদ (ডিইজম) বা নিছক প্যান-ডিইজম নয়, বরং এক ধরণের লঘু [[:w:দৃষ্টবাদ|দৃষ্টবাদ]] বা পজিটিভিজম। একটি নৈতিক ব্যবস্থা হিসেবে এটি তাত্ত্বিকভাবে চমৎকার, তবে এর বাস্তব মূল্য অত্যন্ত প্রশ্নবিদ্ধ। [[w:র‍্যনে_দেকার্ত|রেনে দেকার্তের]] দার্শনিক অনুসন্ধান থেকে বেরিয়ে আসা ঈশ্বর সম্পর্কে '''[[w:ব্লেজ_পাস্কাল|ব্লেজ পাস্কাল]]''' মন্তব্য করেছিলেন যে— তিনি ছিলেন একজন অপ্রয়োজনীয় ঈশ্বর। আর কেউ আরও বেশি সত্যের সাথে বলতে পারে যে, আর্নল্ড যে ধর্মের প্রস্তাব দিয়েছেন তা গ্রহণ করার এবং সেই অনুযায়ী চলার সামর্থ্য যে মানুষের আছে, তার আসলে সেই ধর্মের সাহায্য বা উদ্দীপনার কোনো প্রয়োজন নেই। একটি [[:w:আদর্শবাদ|নৈতিক আদর্শবাদের]] মূল্যায়ন করতে হলে মানুষকে নিজেকেই আগে একজন নৈতিক আদর্শবাদী হতে হয়। ** '''''[[w:উইলিয়াম_হার্বার্ট_(উদ্ভিদবিজ্ঞানী)|উইলিয়াম হার্বাট ডসন]]''''', ''মাস্টারি অফ বিয়িং'' (১৯০৪, পুনর্মুদ্রিত ১৯৭৭), পৃষ্ঠা ২৫৬। * ঈশ্বর ''হলেন'' প্রবৃদ্ধি, ঈশ্বর ''হলেন'' কাঠামো বা জ্ঞান, ঈশ্বর একই সাথে সবকিছু আবার কিছুই নন। আর ইব্রাহিমীয় ধর্মগুলোর জন্য কিছুটা ধর্মদ্রোহী মনে হলেও উপলব্ধি করা, অর্থাৎ জ্ঞানার্জন করা, অর্থাৎ পদার্থের অংশ হওয়া, অর্থাৎ একটি মহাকর্ষীয় ক্ষেত্র তৈরি করা কাঠামোগত শক্তি হওয়া হলো আলোর মাধ্যমে ঈশ্বরের এক সত্তার সাথে অন্য সত্তার সম্পর্কিত হওয়ারই একটি দিক। আর সেই আলো অবশ্যই ঈশ্বর। এই বিচারে, এর অন্তর্নিহিত অধিবিদ্যা নিশ্চিতভাবেই প্যানডিস্টিক। ** '''''নিল ডগলাস''''', ''ফ্রিয়িং গ্রোথ - এ নিও-ক্যাপিটালিস্ট ম্যানিফেস্টো'' (২০০৯), পৃষ্ঠা ৮। * 'থার্ড টেস্টামেন্টের' বৈপ্লবিক প্যানডিস্টিক ধারণাগুলো কি কেবল একটি দানবের উদ্ভাবিত একগুচ্ছ মিথ্যা ছিল? ডামারাসের চ্যাম্পিয়ন করা ঈশ্বরবাদ (ডিইজম) এবং সর্বেশ্বরবাদের (প্যানথেইজম) মধ্যকার সেই সমন্বয় কি আসলেও কাল্পনিক ছিল, যেমনটি অ্যামল্ড প্যারামো সমর্থন করেছিলেন? ** '''''ম্যাথু জে. ড্রুরি''''', ''ইডেন²'' (২০১১), পৃষ্ঠা ২২৯। * এম্পু (উচ্চপদস্থ পুরোহিতের পদবি) সাধারণত একটি ঐতিহ্যবাহী 'পেদান্ডা কেতু' বা লাল রঙের লম্বা মুকুট এবং একটি গোলক ব্যবহার করেন। দ্বীপে অন্য এক ব্যক্তি পান্ডে অনুষ্ঠানগুলো পরিচালনা করেন। তিনি বৌদ্ধধর্ম, হিন্দুধর্ম এবং যদি একে এভাবে অভিহিত করা যায়—"প্যানডিজমের" এক অদ্ভুত সংমিশ্রণের প্রতিনিধিত্ব করেন। প্রায় ত্রিশ বছর আগে সিঙ্গরাজা পান্ডে সম্প্রদায়ের কিছু নেতা নিজেদের হিন্দুধর্ম থেকে ভিন্ন কিছু হিসেবে ঘোষণা করার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছিলেন। কারণ তারা মনে করতেন যে তাদের মৌলিক বিশ্বাসগুলো হিন্দুধর্ম থেকে এতটাই আলাদা যে একটি স্বতন্ত্র পরিচয় গঠন করা সমীচীন। ** '''''ফ্রেড বি. আইজম্যান, জুনিয়র''''', ''বালি: সেকালা অ্যান্ড নিস্কালা: এসেস অন রিলিজিয়ন, রিচুয়াল, অ্যান্ড আর্ট'' (১৯৮৯), পৃষ্ঠা ৮৯। {{ISBN|0945971036}}। * নিউ এজ মুভমেন্টের মধ্যে পুরোনো আধ্যাত্মিক এবং ধর্মীয় ঐতিহ্যের নানাবিধ উপাদান বিদ্যমান, যার বিস্তৃতি নাস্তিক্যবাদ ও একেশ্বরবাদ থেকে শুরু করে ধ্রুপদী সর্বেশ্বরবাদ, প্রাকৃতিক সর্বেশ্বরবাদ, প্যানডিজম এবং প্যানেনথিজম হয়ে বহুঈশ্বরবাদ পর্যন্ত, যা বিজ্ঞান এবং গায়া দর্শনের সাথে সমন্বিত। এর মধ্যে বিশেষভাবে [[w:পুরাজ্যোতির্বিদ্যা|প্রত্ন-জ্যোতির্বিদ্যা]], [[w:জ্যোতির্বিজ্ঞান|জ্যোতির্বিদ্যা]], বাস্তুসংস্থান, পরিবেশবাদ, গায়া হাইপোথিসিস, [[w:মনোবিজ্ঞান|মনোবিজ্ঞান]] এবং [[w:পদার্থবিজ্ঞান|পদার্থবিদ্যা]] অন্তর্ভুক্ত। ** '''''হেনরি হ্যারিসন এপস, জুনিয়র''''', ''এন্ড টাইমস অর্গানাইজেশনস, ডকট্রিনস অ্যান্ড বিলিফস'' (২০১২), পৃষ্ঠা ২২০। * ঈশ্বর যদি সবটুকু হন, সবকিছুকে ধারণ করেন, প্রতিটি শব্দকে গভীর কোনো শব্দ কিংবা ভালোবাসা নামক শব্দটিকেও আপন করে নেন, তবে ঈশ্বর সত্যিই মহান, বিশাল ও অসীম। আর এমন এক ঈশ্বরের ধারণায় নেজারের প্যানডিজম হলো কাব্যজগতের অন্যতম শক্তিশালী একটি কাব্যিক চিন্তা যা আমরা পেয়েছি। এই কবির কাছ থেকে, এই কাব্যিক স্রষ্টার কাছ থেকে আর কী-ই বা প্রত্যাশা করা যায়, যিনি বিশ বছরেরও কম সময়ের মধ্যে এমন মহান এক কাব্যিক আলোকবর্তিকার সান্নিধ্য পেয়েছেন? ** '''''ওটাভিও ডি ফারিয়া''''', "প্যানডিজমো এম কার্লোস নেজার", ''উলতিমা হোরা'', রিও ডি জেনিরো (১৭ মে, ১৯৭৮)। * এমন এক মতবাদ যা তার হঠকারী [[:w:আদর্শবাদ|আদর্শবাদের]] কারণে কেবল বিশ্বাসকেই নয়, বরং স্বয়ং যুক্তিকেও আঘাত করে ([[w:ইমানুয়েল_কান্ট|'''ইমানুয়েল কান্টের''']] ব্যবস্থা): সেই ফরাসি মনোবিদের বিপজ্জনক ভুলগুলো উন্মোচিত করা ধর্ম ও নৈতিকতা উভয়ের জন্যই জরুরি হবে, যিনি মানুষের মনকে প্রলুব্ধ করেছেন (ভিক্টর কাজিন); তিনি দেখিয়েছেন কীভাবে তাঁর দুঃসাহসিক দর্শন পবিত্র ধর্মতত্ত্বের দেয়াল ভেঙে নিজের কর্তৃত্বকে সবার উপরে স্থান দেয়। তিনি রহস্যময় বিষয়গুলোকে অপবিত্র করেন, কখনও সেগুলোকে অর্থহীন ঘোষণা করে, আবার কখনও সেগুলোকে সাধারণ ইঙ্গিত বা নিছক রূপকে পরিণত করে। একজন বিদগ্ধ সমালোচক যেমনটি লক্ষ্য করেছেন, এই দর্শন প্রত্যাদেশকে (রেভেলেশন) সহজাত চিন্তা ও বিচারহীন স্বীকৃতির সাথে স্থান পরিবর্তন করতে বাধ্য করে। এটি যুক্তিকে মানুষের ব্যক্তিত্বের বাইরে স্থাপন করে মানুষকে ঈশ্বরেরই এক খণ্ডাংশ হিসেবে ঘোষণা করে; যা এক ধরণের আধ্যাত্মিক প্যানডিজমের সূচনা করে। আমাদের কাছে এটি যেমন অযৌক্তিক, তেমনি সেই পরম সত্তার জন্যও অবমাননাকর, যা কি না তাঁর স্বাধীনতাকে মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ করে। ** '''''লুইগি ফেরারিজে''''', ''মেমোরি রিসগুয়ার্দান্টি লা ডটরিনা ফ্রেনোলজিকা'' (১৮৩৮), পৃ. ১৬। * গতকালের সেই 'প্যান-ডিইস্ট' বা প্যান্ডিস্টরা, যারা বৃক্ষ আর ঝরনার উপাসনা করত। আজ তারা বিভিন্ন পরিবেশবাদী সংগঠনের সদস্য হয়ে মূলত একই কাজ করে চলেছে। [[w:আল_গোর|আল গোর]] বা তাঁর মতো অন্যান্যরা, এমনকি সম্ভবত বনায়ন কর্মসূচিতে আগ্রহী বারাক ওবামা, হয়ে উঠেছেন তাদের বর্তমান যুগের ওঝা বা শামান। ** '''''মার্ক ফিঙ্কেলস্টেইন''''', [http://finkelblog.com/index.php/2009/04/11/happy-pan-deism-day-from-gail-collins/ "হ্যাপি প্যান-ডিইজম ডে ফ্রম গেইল কলিন্স"], (১১ এপ্রিল ২০০৯)। * প্যানডিজম হলো অন্য এক ধরনের বিশ্বাস যা দাবি করে যে, ঈশ্বর এবং মহাবিশ্ব অভিন্ন। তবে ঈশ্বর এখন আর এমন কোনো অবস্থায় বিদ্যমান নেই যেখানে তাঁর সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব। ফলস্বরূপ, এই তত্ত্বটি কেবল যুক্তির মাধ্যমেই প্রমাণ করা সম্ভব। প্যানডিজম পুরো মহাবিশ্বকে ঈশ্বরেরই অংশ হিসেবে দেখে এবং এখন এই মহাবিশ্বই হলো ঈশ্বরের পূর্ণ রূপ। তবে সময়ের কোনো এক পর্যায়ে এই মহাবিশ্ব পুনরায় সংকুচিত হয়ে সেই একক সত্তায় বিলীন হয়ে যাবে, যিনি স্বয়ং ঈশ্বর এবং যা কিছু আছে সবকিছুর স্রষ্টা। প্যানডিজম এই প্রশ্ন উত্থাপন করে যে ঈশ্বর কেন একটি মহাবিশ্ব সৃষ্টি করে তারপর তা পরিত্যাগ করবেন? যেহেতু এটি সর্বেশ্বরবাদের সাথে সম্পর্কিত, তাই এটি এই প্রশ্নটিও তোলে যে, এই মহাবিশ্বের উৎপত্তি কীভাবে হলো এবং এর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যই বা কী? ** '''''অ্যালান আর. ফুলার''''', ''থট: দ্য অনলি রিয়েলিটি''। ২০১০। পৃষ্ঠা ৭৯। * তদুপরি, তাঁর কর্ম থেকে এক ধরনের সর্বেশ্বরবাদ, বা বলা ভালো "প্যানডিজম" উন্মোচিত হয়। যেখানে [[w:নয়াপ্লাতোবাদ|নব্য-প্লেটোবাদী বা নয়াপ্লাতোবাদ]] অনুপ্রেরণা কঠোর খ্রিস্টীয় অর্থোডক্সির সাথে এক নিখুঁত পরিপূরক হিসেবে কাজ করে। ** '''''জঁ-জাক গাবুত''''', [[:w:জন স্কটাস এরিউজেনা|এরিউজেনা]] প্রসঙ্গে, "[https://books.google.com/books?id=50FDDwAAQBAJ&pg=PT23&dq=pand%C3%A9isme&hl=en&sa=X&ved=0ahUKEwiByZ3owbveAhULxVkKHQRbBscQ6AEINTAC#v=onepage&q=pand%C3%A9isme&f=false ওরিজিনস এত ফন্দামেন্ট স্পিরিচুয়েলস এত সোসিওলজিকস দে লা মেসোনেরি একোসাইস]" (২০১৭)। * আঠারো শতক এবং উনিশ শতকের শুরুর দিকে, [[:w:গোটে|গোটে]], [[:w:শেলিং|শেলিং]] এবং [[:w:কোলরিজ|কোলরিজের]] মতো লেখকদের কাছে [[w:বারুখ_স্পিনোজা|বারুখ স্পিনোজা]] এক প্রকার রহস্যময় সর্বেশ্বরবাদী প্রকৃতিবাদের (প্যানথেইস্ট ডিইজম) এক ধর্মনিরপেক্ষ সন্তে পরিণত হয়েছিলেন। ** '''''অ্যারন ভি. গ্যারেট''''', ''মিনিং ইন স্পিনোজা'স মেথড'' (২০০৩), পৃষ্ঠা ২। * তারপরও, যদি অর্ধ-দেবতা প্যান-এর আবির্ভাব ঘটে, তবে এর ফলাফল হবে 'প্যান-ডিইজম', যা মূলত প্যান্ডোরার বাক্স উন্মুক্ত করারই নামান্তর। ** ২০০৩, '''''জন জি''''', ''দ্য মেটাফিজিশিয়ানস ডেস্ক রেফারেন্স: ইনক্লুডিং দ্য রিভাইজড ফরমাল সিস্টেম অফ মেটাফিজিক্স'', পৃষ্ঠা ১৬৪। * [[:w:সর্বপ্রাণবাদ|সর্বপ্রাণবাদ]] সংক্রান্ত ধারণাগুলোর মধ্যে এমন কিছু বৈচিত্র্য খুঁজে পাওয়া যায় যা মানব চিন্তার ইতিহাসে নিজস্ব স্থান করে নিয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, [[:w:হিন্দুধর্ম|হিন্দুধর্মে]] বর্ণিত ''[[:w:লীলা|লীলা]]''-র ধারণাটি প্যানডিজমের ধারণার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। ** '''''জেমস বি. গ্ল্যাটফেল্ডার''''', '''ইনফরমেশন—কনশাসনেস—রিয়ালিটি': হাউ এ নিউ আন্ডারস্ট্যান্ডিং অফ দ্য ইউনিভার্স ক্যান হেল্প আনসার এজ-ওল্ড কোশ্চেনস অফ এক্সিস্টেন্স'' (২০১৯), পৃ. ৫৩৪। * কিন্তু ব্রুনো পুরোপুরি নাস্তিক বা সর্বেশ্বরবাদী ছিলেন না। তিনি সম্ভবত একটি নেতিবাচক ধর্মতত্ত্ব বা 'অ্যাপোফ্যাটিক ক্রিড' (''[[:w:নেতি-নেতি|ভিয়া নেগাটিভা]]'') অনুসরণ করতেন, যা তাঁকে একজন প্যানডেইস্ট হিসেবে অধিকতর গ্রহণযোগ্য করে তোলে। ** '''''তারিক গডার্ড''''', ''দ্য রিপিটার বুক অফ হিরোইজম'' (২০২২), পৃ. ২৫। * যদিও 'প্যান-' (pan-) শব্দাংশ দিয়ে গঠিত প্যানথেইজম, প্যানডিজম বা প্যানকুবার্নিজম—এর যেকোনোটিই অ্যানাক্সিম্যান্ডারকে বর্ণনা করার জন্য যথেষ্ট; তবুও এখানে আরও একটি বিষয় খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। এই বর্ণনাটি কি টেকনিক্যালি অ্যানাক্সিম্যান্ডারের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য? এখানে মূল বিষয় হলো সেই 'অ্যাপাইরন (গ্রিক দার্শনিক [[w:আনাক্সিমান্দ্রোস|আনাক্সিমান্দ্রোসের]] অ্যাপাইরন তত্ত্ব), যা সবকিছুকে পরিবেষ্টন করে রাখে এবং সবকিছুকে চালনা করে, আর এই 'অ্যাপাইরন'ই হলো ঐশ্বরিক। তাহলে 'কসমস' বা মহাবিশ্বের অবস্থান কী? স্পষ্টতই, কসমস সবকিছুকে পরিবেষ্টন করে থাকে না, কিন্তু এটি কি ঐশ্বরিক নয়? এটি কি কোনো চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে না? ** '''''অ্যান্ড্রু গ্রেগরি''''', ''অ্যানাক্সিম্যান্ডার: এ রি-অ্যাসেসমেন্ট'' (২০১৬), পৃ. ১০০। * [[w:প্লিনি_দ্য_এল্ডার|প্লিনি দ্য এল্ডারের]] ক্ষেত্রে, যাঁকে স্পিনোজাপন্থী না হলেও অন্তত একজন 'পান্ডিস্ট' হিসেবে অভিহিত করা যেতে পারে, প্রকৃতি হলো এমন কোনো সত্তা নয় যা জগৎ থেকে বিচ্ছিন্ন বা পৃথক। তাঁর দর্শনে প্রকৃতি হলো সমগ্র সৃষ্টিজগতের এক মূর্ত রূপ, এবং তাঁর দেবত্বের ধারণাটিও ঠিক একই উপাদানে গঠিত বলে প্রতীয়মান হয়। ** '''''গটফ্রিড গ্রোসে''''', ''[http://books.google.com/books?id=6ro9AAAAcAAJ&pg=PA165&dq=pandeisten&ei=YiknS8ydDo3iyATjvZnbCA&cd=2#v=onepage&q=pandeisten&f=false নাটুরগেশিখতে: মিট এরলাউটারনডেন আনমেরকুঙ্গেন]'' (প্রাকৃতিক ইতিহাস: টীকা সহ; [[:w:জ্যেষ্ঠ প্লিনি|জ্যেষ্ঠ প্লিনি]]-র 'প্রাকৃতিক ইতিহাস'-এর অনুবাদ ও ব্যাখ্যা), ১৭৮৭, পৃষ্ঠা ১৬৫। এটি এখন পর্যন্ত পাওয়া প্যানডিজমের প্রাচীনতম বিদ্যমান বর্ণনা। * আমরা গ্রিক এবং রোমান দার্শনিকদের সম্পর্কে কিছু বলতে পারি এবং তাঁদের প্যান্ডিস্ট ধর্মগুলোকে আমাদের বর্তমান ধর্মগুলোর সাথে তুলনা করতে পারি। উদাহরণস্বরূপ, [[w:এরিস্টটল|অ্যারিস্টটল]], [[w:প্লেটো|প্লেটো]], প্লটিনাস এবং অরেলিয়াস, তাঁরা সেন্ট অগাস্টিন এবং থমাস অ্যাকুইনাসের দেওয়া বিধানের বিপরীতে গিয়ে পুরুষ ও মহিলাদের আনন্দ অন্বেষণের অনুমতি দিয়েছিলেন। যাতে তাঁরা এই পৃথিবীতেই ব্যক্তিগত সুখ অর্জন করতে পারেন এবং স্রেফ যুক্তির চর্চাকেই পরম লক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করতে পারেন। ** '''''ওয়াল্টার গ্রুয়েন''''', পিএইচ.ডি., ''দ্য প্রমিস অফ হিউম্যান অটোনমি'' (২০১৭), পৃষ্ঠা ৩১। * ভারত ত্রিশ কোটি দেব-দেবীর পূজা করে। তার কাছে ঈশ্বরই সবকিছু, এবং সবকিছুই ঈশ্বর। আর তাই, সবকিছুই আরাধ্য হতে পারে। সাপ এবং দানবরা তার বিশেষ উপাস্য। ভারতের এই প্যান-ডিইজম মূলত এক বিশৃঙ্খল নরককুন্ড (প্যান্ডেমোনিয়াম)। ** '''''রেভারেন্ড হেনরি গ্র্যাটান গিনেস''''', "ফার্স্ট ইমপ্রেশনস অফ ইন্ডিয়া", ''দ্য মেডিকেল মিশনারি'' (১৮৯৭), পৃষ্ঠা ১২৫-১২৭। * সত্যি বলতে, একজন প্যানডেইস্ট এবং একজন নিরীশ্বরবাদীর মধ্যে পার্থক্য করার মতো সিনট্যাক্স, সেমান্টিক্স, প্রযুক্তিগত দিক বা আনুষ্ঠানিকতা (এবং সম্ভবত দাম্ভিকতা) ছাড়া আর কিছুই নেই। সকল "নিরীশ্বরবাদী" মূলত সেই একই ঈশ্বরে বিশ্বাস করেন যাতে প্যানডেইস্টরা বিশ্বাস করেন; কিন্তু অধিকাংশ ধর্মের চোখে তাঁদের সেই ব্যক্তিসত্ত্বাহীন 'ঈশ্বর' আদতে কোনো 'ঈশ্বরই' নন। ** '''''রেভ. কাইল লোগান হ্যামলিন''''', ''বেটার এ কম্প্যাশনেট অ্যাথিস্ট, দ্যান অ্যান অ্যাপাথেটিক ক্রিশ্চিয়ান'' (২০০৫), পৃষ্ঠা ১০। * আমরা কি কেবল আইনের শিকল দিয়ে আবদ্ধ থাকি বলেই পুণ্যবান? আমরা মানুষকে ভবিষ্যদ্বাণী করতে শুনি যে, এই যুদ্ধ মানেই খ্রিস্টধর্মের মৃত্যু এবং প্যানডিজমের যুগের সূচনা, অথবা সম্ভবত আমাদের আধুনিক সভ্যতা ও সংস্কৃতির ধ্বংস। আবার আমরা অনেককে এমন ভবিষ্যদ্বাণী করতেও শুনি যে, এই যুদ্ধের চূড়ান্ত ফলাফল মানবজাতির জন্য আশীর্বাদ বয়ে আনবে। ** '''''লুই এস. হার্ডিন''''', "দ্য কাইমেরিক্যাল অ্যাপ্লিকেশন অফ ম্যাকিয়াভেলি'স প্রিন্সিপলস", [[:w:ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়|''ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়'']] (মে ১৯১৫), পৃষ্ঠা ৪৬৩। * মুসলমানরা বড় শহরগুলোতে তাদের নিজস্ব ছোট জগত তৈরি করতে চাইলেও হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ সমাজের সাথে বারবার তাদের সংঘাত তৈরি হতো: হিন্দুদের বর্ণপ্রথা বনাম মুসলমানদের সমতাকামী সমাজ, হিন্দুদের নিরামিষভোজী বনাম মুসলমানদের মাংসাহার, এবং হিন্দুদের প্যানডিজম ও পীর-পূজার (সাধু ভক্তি) বিপরীতে মুসলমানদের একেশ্বরবাদ। ** '''''ইয়ুর্গেন হার্টম্যান''''', ''রিলিজিয়ন ইন ডার পলিটিক: ইউডেনটাম, ক্রিস্টেনটাম, ইসলাম'' (২০১৪), পৃষ্ঠা ২৩৭। * ঈশ্বর এই জগতকে তাঁর অস্তিত্বের বাইরে রাখেন। তিনি কেবল জগতের আদি কারণ হিসেবে গণ্য হন, কিন্তু কোনো অর্থেই তিনি নিজে কোনো কিছুর ফলাফল বা কার্যের বহিঃপ্রকাশ নন, তা সে নিজের পক্ষ থেকেই হোক কিংবা অন্য কিছুর। সর্বেশ্বরবাদ (যার চেয়ে "প্যানডিজম" শব্দটিই অধিকতর জুতসই, কারণ এখানে প্রকৃত অর্থে কোনো ব্যক্তিসত্তা বা 'থিয়স'-কে বর্ণনা করা হচ্ছে না) মূলত এটিই বোঝায় যে—ঈশ্বর হলেন সাধারণ কার্যকারণের এক অখণ্ড ও অবিভাজ্য সমষ্টি; যেখানে সাধারণ কার্যকারণের এই শৃঙ্খলের ঊর্ধ্বে স্বাধীন কোনো 'পরতম-কারণ' বা বিশেষ কোনো উচ্চতর শক্তির অস্তিত্ব নেই। ** প্রফেসর '''''[[:w:চার্লস হার্টশর্ন|চার্লস হার্টশর্ন]]''''', ''ম্যান'স ভিশন অফ গড অ্যান্ড দ্য লজিক অফ থেইজম'' (১৯৪১), পৃষ্ঠা ৩৪৭। {{ISBN|020800498X}}। * ঈশ্বর এভাবে সমগ্র বিশ্বকে নিজের সত্তার অন্তরালে ধারণ করেন। প্রকৃতপক্ষে তিনি হলেন মহাবিশ্বের সেই সমস্ত খণ্ডাংশের এক পূর্ণাঙ্গ সমষ্টি, যা নির্বিশেষে কার্য এবং কারণের সমন্বয় হিসেবে বিদ্যমান। এখন এ-আর বা এমন এক ধারণা যা কিছু ক্ষেত্রে পরম নিখুঁত এবং অন্য সব ক্ষেত্রে আপেক্ষিক পরিপূর্ণতাকে বোঝায়, তা এই প্রচলিত মতবাদগুলোর চেয়ে সমদূরত্বে অবস্থান করে। ঈশ্বরের দ্বিমুখী স্বরূপের এই দৃষ্টিভঙ্গির কল্যাণে, এটি প্রকৃতিবাদ (ডিইজম) বা প্যানডিজমের মধ্যকার ইতিবাচক সমস্ত উপাদানকে সুসংগতভাবে আলিঙ্গন করতে সক্ষম। এ-আর বলতে বোঝায় যে, ঈশ্বর তাঁর সত্তার এক দিক থেকে সমস্ত সাধারণ কার্যকারণের এক অখণ্ড সামগ্রিকতা। কিন্তু তাঁর সত্তার অন্য দিকটি হলো তাঁর সারমর্ম (যাকে 'এ' বা পরম নিখুঁত বলা হয়েছে), যা যেকোনো নির্দিষ্ট বা আকস্মিক অস্তিত্বের গোষ্ঠী থেকে বিমূর্তভাবে কল্পনা করা সম্ভব, যদিও এটি সেই আবশ্যকতা এবং শক্তি থেকে বিচ্যুত নয় যা প্রতিটি মুহূর্তে তাঁকে একীভূত পূর্ণতার মধ্য দিয়ে তাঁর নিজস্ব স্বরূপ প্রকাশে পর্যাপ্ত উপাদান সরবরাহ করে। ** প্রফেসর '''''[[:w:চার্লস হার্টশর্ন|চার্লস হার্টশর্ন]]''''', ''ম্যান'স ভিশন অফ গড অ্যান্ড দ্য লজিক অফ থেইজম'' (১৯৪১), পৃষ্ঠা ৩৪৮। {{ISBN|020800498X}}। * এই সূক্ষ্ম পার্থক্যগুলো কেবল তখনই অর্থবহ হয়ে ওঠে যখন এ-আর (কিছু ক্ষেত্রে পরম এবং অন্য ক্ষেত্রে আপেক্ষিক) ধারণাটিকে স্বতঃসিদ্ধ হিসেবে ধরে নেওয়া হয় (যেখানে স্পিনোজা ব্যর্থ হয়েছিলেন, কারণ তিনি কেবল পরম বা 'এ' অংশটিকে বিবেচনা করেছিলেন)। ঠিক যেভাবে এ-আর ধারণাটি পরিপূর্ণতার ইতিবাচক নির্যাসটুকু ধারণ করে, ঠিক তেমনি সি-ডব্লিউ /CW বা 'স্রষ্টা এবং তাঁর সৃষ্টি'-কে একই প্রাণের অংশ হিসেবে বিবেচনা করার ধারণাটি এক ‘পরম-পূর্ণতা’ গঠন করে। এই পরমসর্বেশ্বরবাদ বা প্যানেনথিজম মতবাদটি প্রকৃতিবাদ ওপ্যানডিজমের সেই স্বেচ্ছাচারী নেতিবাচক অংশগুলো বাদ দিয়ে তাদের সমস্ত নির্যাস ধারণ করে। সুতরাং, এই পরম-আপেক্ষিক পরমসর্বেশ্বরবাদ হলো সেই অনন্য মতবাদ যা প্রকৃতপক্ষে ঈশ্বরবাদী এবং ক্ষেত্রবিশেষে নাস্তিকদের অবচেতন আলোচনার সেই পূর্ণাঙ্গ রূপটিকে স্পষ্টভাবে ব্যক্ত করে। ** প্রফেসর '''''[[:w:চার্লস হার্টশর্ন|চার্লস হার্টশর্ন]]''''', ''ম্যান'স ভিশন অফ গড অ্যান্ড দ্য লজিক অফ থেইজম'' (১৯৪১), পৃষ্ঠা ৩৪৮। {{ISBN|020800498X}}। * [[:w:ঈশ্বর|ঈশ্বর]] নিজেকে অসংখ্য খণ্ডে বিভক্ত করেছেন যেন তিনি কিছু [[:w:বন্ধু|বন্ধু]] পেতে পারেন। এটি হয়তো সত্য নয়, তবে শুনতে বেশ ভালো লাগে এবং অন্য যেকোনো [[:w:ধর্মতত্ত্ব|ধর্মতত্ত্বের]] মতোই এটি সমান অর্থবহ। ** '''''রবার্ট এ. হাইনলাইন''''', অ্যাফোরিজমস অফ লাজারাস লং, ''টাইম এনাফ ফর লাভ'' (১৯৭৩), পৃষ্ঠা ২১৬। * ঈশ্বরকে সমস্ত কিছুর এক ঊর্ধ্বগামী সমষ্টি হিসেবে ভাবা যেতে পারে, যেখানে সেই 'সমগ্রতা' তার অংশগুলোর সমষ্টিকেও ছাড়িয়ে যায়, ঠিক একটি 'গেস্টাল্ট' বা পূর্ণাঙ্গ অবয়বের মতো। যদি 'দেব-দেবী' (বহুবচনে) বিদ্যমান থাকেন, তবে তাঁরা অস্তিত্বশীল হবেন সমস্ত কিছুর সেই সমষ্টিগত বহিঃপ্রকাশের উপ-বিভাগ হিসেবে। আমি মাঝে মাঝে নিজেকে একজন 'প্যানডেইস্ট' হিসেবে উল্লেখ করেছি, তবে মূলধারা বা এমনকি কোনো প্রযুক্তিগত শ্রেণীকরণও এড়িয়ে চলার চেষ্টা করি। কারণ লোকে তখন মনে করে যে তারা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই আপনার দৃষ্টিভঙ্গি বুঝে ফেলেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এর অর্থ হলো—কারো ধর্মীয় পরিচয়কে খ্রিস্টধর্মের সাথে পার্থক্যের মানদণ্ডে সংজ্ঞায়িত করা হয়, যাকে সেখানে আদর্শ ধর্মীয় মাপকাঠি হিসেবে ধরা হয়। আমি মনে করি এটি আদিবাসী আমেরিকানদের ঐতিহ্যগত পথকে বস্তুনিষ্ঠ করে তোলে এবং অধস্তন করে রাখে। তাই আমি প্রায়ই প্রকাশ্যে নিজেকে ঐতিহ্যগত সাধক বা 'প্যান-ডেইস্ট' হিসেবে পরিচয় দিই না। বরং আমি প্রায়ই 'নিরীশ্বরবাদী' তকমাটি পছন্দ করি, কারণ আমি মনে করি না যে আমার দৃষ্টিভঙ্গি মূলধারার আমেরিকার খ্রিস্টীয় 'ঈশ্বর' ধারণার সাথে মিলে যায়। তবুও, 'প্যান-ডিইজম'-এর মতো কিছু একটা আমার অনুভূত ঈশ্বরের স্বরূপকে কিছুটা হলেও ধারণ করতে পারে। সবকিছুই ঈশ্বর, ঈশ্বরের যেকোনো অংশই সেই সর্বজনীন ঐশ্বরিক প্রকৃতির অংশীদার। ** '''''থারম্যান 'লি' হেস্টার জুনিয়র''''', "নেটিভ আমেরিকান স্পিরিচুয়ালিটি", ইন গ্রাহাম অপ্পি, এন.এন. ট্রাকাকিস, ''ইন্টাররিলিজিয়াস ফিলোসফিক্যাল ডায়ালগস - ভলিউম ৩'' (২০১৭), পৃষ্ঠা ৪৬। * আমার স্থির বিশ্বাস এই যে, প্যানডিজম প্রকৃতপক্ষে একটি সুসংগঠিত ব্যবস্থা বা মতাদর্শ ছিল; এবং আমি যখন 'পান্ডিয়া দেশ' বা 'পান্ডিয়া সাম্রাজ্য' শব্দগুলো ব্যবহার করি, তখন আমি মূলত নিজেকে এমন এক ভঙ্গিতে প্রকাশ করি যা অনেকটা 'পোপীয় সাম্রাজ্য' বা 'পোপতন্ত্রের রাজ্য' বলার সমতুল্য। ঠিক যেভাবে আমরা বলে থাকি যে, গ্রিকদের চার্চে অনেক অসার আচার-অনুষ্ঠান প্রচলিত আছে, যার মাধ্যমে মূলত সমস্ত জাতির গ্রিক ধর্মাবলম্বীদের বোঝানো হয়। অথবা যেভাবে বলা হয় যে পোপের শাসনাধীন দেশগুলো কুসংস্কারে আচ্ছন্ন। একই সাথে, আমি বিনীতভাবে এটিও স্পষ্ট করতে চাই যে—আমি কৃষ্ণ-কন্যা পান্ডিয়ার সেই প্রাচীন সাম্রাজ্যের অস্তিত্বকে মোটেও অস্বীকার করছি না। এটি ঠিক তেমনই সত্য, যেমনটি অস্বীকার করা অসম্ভব যে ফ্রান্স নামক একটি রাজ্য ছিল যা চার্চের বা পোপের জ্যেষ্ঠ পুত্রের দ্বারা শাসিত হতো। ** '''''গডফ্রি হিগিন্স''''', ''[[:w:অ্যানাক্যালিপসিস|অ্যানাক্যালিপসিস: অ্যান অ্যাটেম্পট টু ড্র অ্যাসাইড দ্য ভেইল অফ দ্য সাইটিক আইসিস: অর অ্যান ইনকোয়ারি ইনটু দ্য অরিজিন অফ ল্যাঙ্গুয়েজেস, নেশনস অ্যান্ড রিলিজিয়নস]]'' (১৮৩৩), পৃষ্ঠা ৪৩৯। খণ্ড ১ {{ISBN|0766126439}}; খণ্ড ২ {{ISBN|0766126447}}; (১৯৭২ সংস্করণ) - ASIN: B0006Y9FEM। **(দ্রষ্টব্য: এই অংশটি মূলত '''''[[:w:জন ব্যালু নিউব্রো|জন ব্যালু নিউব্রো]]'''''-র ''[[:w:ওয়াস্পে বাইবেল|ওয়াস্পে বাইবেল]]'' (১৮৮২, পুনর্মুদ্রিত ১৯৯৮), পৃষ্ঠা ৮৭৪-এ ব্যাপকভাবে পুনরুৎপাদন করা হয়েছে)। * আমরা ইতিপূর্বে প্রত্যক্ষ করেছি যে, শ্রীকৃষ্ণের অনেক পুত্র সন্তান থাকা সত্ত্বেও তিনি তাঁর সেই সুবিশাল সাম্রাজ্যটি তাঁর কন্যা পান্ডিয়ার হাতে ন্যস্ত করে গিয়েছিলেন, যে সাম্রাজ্যের বিস্তৃতি ছিল সিন্ধু নদের উৎস মুখ থেকে শুরু করে কুমারিকা অন্তরীপ পর্যন্ত (যেহেতু আমরা এই বিন্দুর সন্নিকটেই 'রেজিও পান্ডিওনিস' এর অস্তিত্ব খুঁজে পাই)। তবে, বুদ্ধের মূর্তিকে নিরন্তর নয়টি ফণা তোলা সাপের ছায়াতলে সযত্নে রক্ষিত হতে দেখে আমি এই সিদ্ধান্তে উপনীত হতে বাধ্য হচ্ছি যে এই প্যানডিজম মূলত এমন একটি গূঢ় মতবাদ ছিল, যা বৌদ্ধ এবং ব্রাহ্মণ উভয় সম্প্রদায়ের দ্বারাই পরম শ্রদ্ধায় গৃহীত হয়েছিল। ** '''''[[:w:গডফ্রি হিগিন্স|গডফ্রি হিগিন্স]]''''', ''[[:w:অ্যানাক্যালিপসিস|অ্যানাক্যালিপসিস: অ্যান অ্যাটেম্পট টু ড্র অ্যাসাইড দ্য ভেইল অফ দ্য সাইটিক আইসিস: অর অ্যান ইনকোয়ারি ইনটু দ্য অরিজিন অফ ল্যাঙ্গুয়েজেস, নেশনস অ্যান্ড রিলিজিয়নস]]'' (১৮৩৩), পৃষ্ঠা ৪৩৯। খণ্ড ১। {{ISBN|0766126439}}; খণ্ড ২ {{ISBN|0766126447}}; (১৯৭২ সংস্করণ) - ASIN: B0006Y9FEM। **(দ্রষ্টব্য: এই অংশটিও মূলত '''''[[:w:জন ব্যালু নিউব্রো|জন ব্যালু নিউব্রো]]'''''-র ''[[:w:ওয়াস্পে বাইবেল|ওয়াস্পে বাইবেল]]'' (১৮৮২, পুনর্মুদ্রিত ১৯৯৮), পৃষ্ঠা ৮৭৪-এ ব্যাপকভাবে পুনরুৎপাদন করা হয়েছে)। * সেই অর্থে খ্রিস্টধর্মের সুপ্ত যুক্তিবাদ আধুনিক বিশ্বের প্রাত্যহিক অভিজ্ঞতায় গভীরভাবে মিশে গেছে।এর মূল্যবোধগুলো এখন পরিবার, সুশীল সমাজ এবং রাষ্ট্রের বিভিন্নরূপে মূর্ত হয়ে উঠেছে। [[:w:ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস|এঙ্গেলস]] বিশেষত এই সমস্ত কিছুর মধ্যে আধুনিক সর্বেশ্বরবাদের (বা বলা ভালো, প্যানডিজমের) একটি ধারণা খুঁজে পেয়েছিলেন। যেখানে দেবত্ব বা ঈশ্বরত্বের সাথে প্রগতিশীল মানবতার এক মিলন ঘটে। এটি ছিল একটি আনন্দময় দ্বান্দ্বিক সংশ্লেষণ, যা তাঁকে ধর্মপ্রাণ আকুতি এবং বিচ্ছিন্নতার সেই 'পিয়েটিস্ট' মানসিকতার স্থির বৈপরীত্য থেকে মুক্তি দিয়েছিল। গ্র্যাবার ভাইদের কাছে লেখা তাঁর শেষ চিঠিগুলোর একটিতে এঙ্গেলস লিখেছিলেন, "স্ট্রাউসের মাধ্যমে আমি এখন হেগেলীয়বাদের সোজা পথে প্রবেশ করেছি। হেগেলের ঈশ্বরের ধারণাটি ইতিমধ্যেই আমার হয়ে গেছে, আর এভাবেই আমি 'আধুনিক সর্বেশ্বরবাদীদের' দলে যোগ দিচ্ছি।" ** '''''ট্রিস্ট্রাম হান্ট''''', ''মার্ক্স'স জেনারেল: দ্য রিভোল্যুশনারি লাইফ অফ ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস'' (২০১০), পৃষ্ঠা ৪৩। * আমি সবসময় ঈশ্বরের এমন এক ধারণা পছন্দ করি যা মানুষের চিন্তাশক্তির একদম ঊর্ধ্বে। আমার মনে হয় আমেরিকানদের জন্য সেখানে সর্বেশ্বরবাদী, ঈশ্বরবাদী এবং রেড ইন্ডিয়ানদের বিশ্বাসের সমন্বয়ে গঠিত একটি ধর্ম বিদ্যমান। এটি আমার কাছে অত্যন্ত সত্য বলে মনে হয়। ** '''''ফিল জ্যাকসন''''', ''শিকাগো ট্রিবিউনের'' মাইকেল হার্সলি কর্তৃক ধর্ম বিষয়ে সাক্ষাৎকার, “ফর বুলস কোচ, গড ইজ নো গেম,” ২৭ এপ্রিল ১৯৯০। * এমনকি সেই সমস্ত [[:w:অটিজম|অটিস্টিক]] ব্যক্তিরা, যারা ধর্মের প্রতি অনুরাগী, তারাও তাদের ধর্মীয় বিশ্বাসগুলোকে এমনভাবে গঠন করার প্রবণতা দেখান যা তাদের মূর্ত ও বাস্তবসম্মত চিন্তাধারার সাথে ঘনিষ্ঠভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়। তারা মূলত ধর্মতত্ত্বের জটিল তাত্ত্বিক আলোচনার চেয়ে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান এবং ঐতিহ্যের মাঝে মানসিক প্রশান্তি খুঁজতেই বেশি পছন্দ করেন। মহাবিশ্বের সৃষ্টি বা নৈতিক শাসনের সাথে জড়িত কোনো মানুষের মতো ঈশ্বরকে আলিঙ্গন করার পরিবর্তে, তারা প্রায়শই দেবত্বকে মহাজাগতিক নিয়মাবলির এক মূর্ত প্রকাশ হিসেবে কল্পনা করেন। যা মূলত ধ্রুপদী প্রকৃতিবাদের চেয়ে সর্বেশ্বরবাদ বা প্যানডিজমের দিকেই বেশি ঝুঁকে থাকে। তাঁদের ঈশ্বর সাধারণত কোনো সচেতন বা উদ্দেশ্যমূলক স্রষ্টা নন, বরং প্রকৃতি বা পদার্থবিজ্ঞানের অমোঘ নিয়মাবলিরই এক অনিবার্য বহিঃপ্রকাশ মাত্র। ** '''''মার্টিন ডি. জনসন''''', ''দ্য অ্যাথিস্ট'স সারভাইভাল গাইড'' (২০২৪), পৃষ্ঠা ৮৯, ISBN: ৯৭৯-৮-২১৮-৪৮৪৩১-৬। * প্যান্ডিস্ট দৃষ্টিভঙ্গির সত্তাতাত্ত্বিক বৈধতাকে সরিয়ে রাখলেও, চেতনার সেই সুকঠিন সমস্যা বা "হার্ড প্রবলেম অফ কনশাসনেস" নিয়ে যে দীর্ঘস্থায়ী এবং উত্তপ্ত বিতর্ক চলছে, তার প্রতিটি পক্ষই যেন একই সাথে সঠিক বলে প্রতীয়মান হয়। এই ধারণাটি বাস্তবসম্মত হোক বা না হোক, স্রেফ এই সত্যটুকুই অত্যন্ত বিস্ময়কর যে, এমন একটি দার্শনিক ব্যবস্থার কথা কল্পনা করা সম্ভব যেখানে আপাতদৃষ্টিতে পরস্পরবিরোধী এই দৃষ্টিভঙ্গিগুলো আর একে অপরের সাথে কোনো দ্বন্দ্বে জড়ায় না। ** '''''বার্নার্ডো কাস্ট্রাপ''''', পিএইচ.ডি., ''[http://www.bernardokastrup.com/2010/03/consciousness-and-pandeism.html দ্য প্যারালালস অফ প্যানডিজম]'' (২০১০)। * আর তুমি তো অনাদিকাল থেকেই ছিলে এবং অনন্তকাল ধরে থাকবে; নিরপরাধ আলমারির দরজায় তোমার পায়ের এই সমস্ত দুশ্চিন্তাগ্রস্ত আঘাত। এগুলো তো ছিল স্রেফ সেই 'শূন্যতা'-র এক মহাজাগতিক অভিনয়, যেখানে সে একজন মানুষের রূপ ধরে নিজেকেই না চেনার ভান করছিল। ** '''''[[w:জ্যাক_কেরোয়াক|জ্যাক কেরুয়াক]]''''', ''ডেসোলেশন অ্যাঞ্জেলস'', ১৯৬৫, পৃষ্ঠা ৬। * লেখক দৃশ্যত ধর্মীয়, যুক্তিনির্ভর এবং বৈজ্ঞানিক ভিত্তি সম্পন্ন জীবনদর্শনগুলোকে আলাদাভাবে ভাগ করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তিনি তাঁর সংগৃহীত তথ্য-উপাত্তের ভারে এতটাই অভিভূত হয়ে পড়েছিলেন যে, শেষ পর্যন্ত তাঁর শ্রেণীকরণের মূল নীতিটি কেবল অস্পষ্টভাবেই ফুটে উঠেছে। সম্ভবত এটাই সেই কদর্য গ্রীক-ল্যাটিন মিশ্র শব্দ প্যানডিজমের উৎস। ২২৮ নম্বর পৃষ্ঠায় তিনি এটিকে আরও বেশি অধিভৌতিক প্রকৃতির সর্বেশ্বরবাদ বা প্যানথেইজম থেকে আলাদা হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন, একটি উন্নত ও একীভূত 'সর্বপ্রাণবাদ' বা অ্যানিমিজম হিসেবে, যা একটি জনপ্রিয় ধর্মীয় বিশ্বদর্শন। এই ধার করা শব্দটির কথা মনে রাখলে আমরা শব্দটির ব্যবহারের বিশাল ব্যাপ্তি দেখে বিস্মিত হই। ২৮৪ নম্বর পৃষ্ঠা অনুযায়ী জন স্কটাস এরিজেনা হলেন পুরোপুরি একজন প্যানডেইস্ট, ৩০০ নম্বর পৃষ্ঠায় আনসেলম অফ ক্যান্টারবেরিকে 'অর্ধ-প্যানডেইস্ট' বলা হয়েছে। এমনকি নিকোলাস অফ কুসা এবং জর্দানো ব্রুনো, এমনকি মেন্ডেলসোহন ও লেসিং-এর মধ্যেও এক ধরণের প্যানডিজম খুঁজে পাওয়া গেছে। ** '''''অটো কার্ন''''', পর্যালোচক, [[:w:এমিল শুরার|এমিল শুরার]] ও [[:w:আডলফ ফন হারনাক|আডলফ ফন হারনাক]] সম্পাদিত, ''থিওলজিশ লিতেরাaturজাইতুং'', খণ্ড ৩৫ (১৯১০)। * জেনোফেনিস... তাঁর নিজস্ব ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি সম্পর্কে অত্যন্ত বিস্তারিতভাবে লিখেছিলেন, যা ছিল মূলত একটি প্যান্ডিস্ট চরিত্রের বহিঃপ্রকাশ। তাঁর এই দর্শনটি ছিল সেই সময়ে প্রচলিত ও প্রভাবশালী বহুবিধ নরত্বারোপিত দেব-দেবীর উপাসনা ও আরাধনার সম্পূর্ণ বিপরীত এক অনন্য চিন্তাধারা। ** '''''পিম দে ক্লার্ক''''', "[http://www.pimdeklerk-palynology.eu/2500_yr_palaeoecology_-_de_Klerk_2017.pdf ২৫০০ ইয়ার্স অব প্যালিয়েকোলজি: আ নোট অন দ্য ওয়ার্ক অব জেনোফেনিস অব কলোফন (আনুমানিক ৫৭০-৪৭৫ খ্রিস্টপূর্বাব্দ)]," ''জার্নাল অব জিওগ্রাফি, এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড আর্থ সায়েন্স ইন্টারন্যাশনাল'' (৫ এপ্রিল ২০১৭)। * সর্বেশ্বরবাদ ও প্যানডিজম, অদ্বৈতবাদ ও দ্বৈতবাদ - এই সমস্ত কিছুই মূলত সেই 'পরম জ্যোতি' বা দিব্য-আলোর বিভিন্ন রূপান্তর মাত্র। এগুলো সেই পরম সত্তারই মৌলিক ধারণার বিচিত্র সব আলোকচ্ছটা, যা মানুষের আত্মার গভীরে প্রতিফলিত হয়ে এক প্রতিবিম্ব তৈরি করে। এই প্রতিবিম্বের উপলব্ধি প্রতিটি ব্যক্তির চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য, পারিবারিক ঐতিহ্য এবং সামাজিক পরিবেশের দ্বারা নির্ধারিত বোধশক্তির মাধ্যমে ভিন্ন ভিন্ন রূপে প্রকাশিত হয়। ** '''''পল ফ্রেডরিখ কোহলার''''', ''কুলতুরওয়েগ উন্ড এরকেন্টনিস: আইনি ক্রিটিশ উমশাউ ইন ডেন প্রবলেমেন ডেস রিলিজিয়াসেন উন্ড গেইস্টিগেন লেবেনস'' (১৯১৬), পৃষ্ঠা ১৯৩। * "নিউ এজ" বা নতুন যুগের মহাজাগতিক তত্ত্বগুলো বস্তুবাদ, প্রকৃতিবাদ এবং ভৌতবাদকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে। এই তত্ত্বগুলো সাধারণত সর্বেশ্বরবাদী অথবা পান্ডিস্ট ঘরানার হয়ে থাকে। তারা প্রায়শই কোয়ান্টাম পদার্থবিজ্ঞান এবং চেতনা বিষয়ক গবেষণাগুলোকে নিজেদের আয়ত্তে আনার চেষ্টা করে, যাতে মহাবিশ্ব সম্পর্কে তাদের নিজস্ব দার্শনিক ধারণাগুলোকে আরও জোরালোভাবে চিত্রিত করা যায়। ** '''''আল ক্রেস্তা''''', ''ডেঞ্জারস টু দ্য ফেইথ: রিকগনাইজিং ক্যাথলিকিজম'স টুয়েন্টি ফার্স্ট সেঞ্চুরি অপোনেন্টস'', "সায়েন্স অ্যান্ড ওয়ারফেয়ার উইথ রিলিজিয়ন" (২০১৩), পৃষ্ঠা ২৫৫-২৫৬, টীকা ৩০, {{ISBN|1592767257}}। * [[w:বিশ্ব_স্বাস্থ্য_সংস্থা|WHO বা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা]] এবং এমএসএফের মতো সংস্থাগুলো দারুণ কাজ করে, কিন্তু একটি টেকসই কর্মসূচি গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় দীর্ঘমেয়াদী প্রতিশ্রুতি এবং তৃণমূল পর্যায়ের সংগঠনের প্রায়ই তাদের অভাব থাকে। হলি ফ্যামিলির মতো [[:w:খ্রিস্টীয় ধর্মপ্রচারক|মিশনারি]] এবং হাসপাতালগুলোও অবদান রেখেছে এবং তারা অর্থনীতি-ভিত্তিক সহায়তা (যেমন কর্মসংস্থান খুঁজে দেওয়া) প্রদানের প্রয়োজনীয়তা স্বীকার করে; কিন্তু সেন্ট স্টিফেনস সম্প্রদায়ের মতো তেজ ও উদ্দীপনার অভাব তাদের মধ্যে স্পষ্ট। সরকারও খুব সামান্যই কাজ করে, তবে অনুমোদন বা সম্মতির ক্ষেত্রে তারা সাধারণত সেন্ট স্টিফেনসকে সহযোগিতা করে, এর আংশিক কারণ হলো এই প্রতিষ্ঠানটি স্বয়ং [[:w:ভারত সরকার|ভারত সরকারের]] চেয়েও প্রাচীন, আর আংশিক কারণ হলো এর ধর্মনিরপেক্ষতার চমৎকার সুনাম। প্রকৃতপক্ষে, এখানকার অধিকাংশ কর্মীই হয় [[:w:হিন্দুধর্ম|হিন্দু]] নয়তো [[:w:ইসলাম|মুসলমান]], কিন্তু তাঁরা প্যান-ডেইস্ট ধারণায় পরিপূর্ণ। এমনকি জহির আমার সাথে কথা বলার সময় "আল্লাহ" শব্দের পরিবর্তে ইচ্ছাকৃতভাবে খ্রিস্টীয় শব্দ "গড" (ঈশ্বর) ব্যবহার করেছিলেন। ** '''''পল লা পোর্টে''''', ''সোশ্যাল ওয়ার্ক অ্যান্ড আদার এক্সপেরিয়েন্স ইন ইন্ডিয়া'' (২০০৩)। * যদি ঐশ্বরিক বিবর্তন বা 'হয়ে ওঠা' সম্পূর্ণ হতো, তবে ঈশ্বরের ''কেনোসিস,''অর্থাৎ ভালোবাসার খাতিরে ঈশ্বরের নিজেকে শূন্য করে দেওয়া; তা হতো চূড়ান্ত। এই প্যানডিস্টিক দৃষ্টিভঙ্গিতে, ঈশ্বর যা হয়ে উঠবেন তার বাইরে তাঁর আর কিছুই আলাদা বা বিচ্ছিন্ন হিসেবে অবশিষ্ট থাকবে না। ঈশ্বরের যেকোনো পৃথক অস্তিত্ব মূলত বাস্তবায়িত প্রপঞ্চগুলোর (অ্যাকচুয়ালাইজড ফেনোমেনা) জীবন ও ভাগ্যে তাঁর নিঃশর্ত অংশগ্রহণের সাথে অসংগতিপূর্ণ হবে। ** '''''উইলিয়াম সি. লেন''''', "লাইবনিৎস'স বেস্ট ওয়ার্ল্ড ক্লেইম রিস্ট্রাকচারড", ''আমেরিকান ফিলোসফিক্যাল জার্নাল'' (জানুয়ারি ২০১০), খণ্ড ৪৭, পৃষ্ঠা ৬৭। * প্যানডিজম দর্শনে ঈশ্বর কোনো তদারকি বা রক্ষণাবেক্ষণকারী স্বর্গীয় শক্তি নন, যিনি পার্থিব জগতের দৈনন্দিন ও মুহূর্তের ঘটনাপ্রবাহে হস্তক্ষেপ করার ক্ষমতা রাখেন। ঈশ্বর যেহেতু আর এই জগতের 'ঊর্ধ্বে' কোনো পৃথক সত্তা হিসেবে বিদ্যমান নেই, তাই তিনি উপর থেকে কোনো হস্তক্ষেপ করতে 'পারেন না' এবং তেমনটি করতে ব্যর্থ হওয়ার জন্য তাঁকে কোনোভাবেই দায়ী করা যায় না। বরং, সেই হরিণশাবক থেকে শুরু করে জগতের প্রতিটি প্রাণীর প্রতিটি দুঃখ ও যাতনা ঈশ্বর নিজেই নিজের সত্তার অভ্যন্তরে 'ধারণ' করেন।<br><br>তবুও, একজন সংশয়বাদী প্রশ্ন করতে পারেন, "কেন জগতে 'এত বেশি' দুঃখ-কষ্টের উপস্থিতি থাকতে হবে? কেন জগতের নকশাটি এমন হলো না যেখানে দুঃখের কারণ হওয়া ঘটনাগুলোকে বাদ দেওয়া যেত বা সংশোধন করা যেত?" প্যানডিজমে এর উত্তরটি অত্যন্ত স্বচ্ছঃ "একটি জগতকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে হলে তথ্যের আদান-প্রদান বা লেনদেনের মধ্য দিয়ে যেতে হয়। আর তথ্যের এই নির্ভরযোগ্য প্রবাহ বজায় রাখার জন্য প্রয়োজন অপেক্ষাকৃত সরল এবং সুষম নিয়মাবলি। দুঃখদায়ক ঘটনাগুলোকে এড়িয়ে যাওয়ার জন্য অথবা তাদের প্রাকৃতিক ফলাফলগুলোকে (অর্থাৎ সরল নিয়মের অধীনে যে ফলাফল হওয়ার কথা ছিল) পরিবর্তন করার জন্য যদি কোনো বিশেষ নিয়ম তৈরি করা হতো, তবে সেই নিয়মাবলি হয়ে উঠত অত্যন্ত জটিল এবং সেখানে অগণিত ব্যতিক্রমের সৃষ্টি হতো যা মহাবিশ্বের স্বাভাবিক ছন্দকে ব্যাহত করত।" ** '''''উইলিয়াম সি. লেন''''', "[http://apq.press.illinois.edu/47/1/lane.html লাইবনিজ'স বেস্ট ওয়ার্ল্ড ক্লেইম রিস্ট্রাকচারড]," ''আমেরিকান ফিলোসফিক্যাল জার্নাল'', জানুয়ারি ২০১০, খণ্ড ৪৭, সংখ্যা ১, পৃষ্ঠা ৭৬–৭৭। * এই এক ঈশ্বর হতে পারেন প্রকৃতিবাদী কিংবা সর্বেশ্বরবাদী বা প্যানথেইস্ট ঘরানার। ঈশ্বর কেন আপাতদৃষ্টিতে আমাদের আমাদের ভাগ্যের ওপর ছেড়ে দিয়েছেন, তা ব্যাখ্যা করার ক্ষেত্রে প্রকৃতিবাদ হয়তো শ্রেষ্ঠ হতে পারে। আবার অন্যদিকে সর্বেশ্বরবাদ হতে পারে অধিকতর যৌক্তিক বিকল্প, কারণ এটি সত্তাতাত্ত্বিক যুক্তির সেই 'সর্বোত্তম মহান সত্তা'র ধারণার সাথে চমৎকারভাবে মিলে যায় এবং 'শূন্য থেকে সৃষ্টি'র মতো অপ্রমাণিত কোনো ধারণার ওপর নির্ভর করে না। এই দুইয়ের সংমিশ্রণে গড়ে ওঠা "[[প্যানডিজম]]" হতে পারে সম্ভাব্য সকল ঈশ্বর-তত্ত্বের মধ্যে সবচেয়ে যুক্তিযুক্ত ও শক্তিশালী ধারণা। ** '''''রাফায়েল লাটাস্টার''''', ''দেয়ার ওয়াজ নো জেসাস, দেয়ার ইজ নো গড: আ স্কলারলি এক্সামিনেশন অব দ্য সায়েন্টিফিক, হিস্টোরিক্যাল, অ্যান্ড ফিলোসফিক্যাল এভিডেন্স অ্যান্ড আর্গুমেন্টস ফর মনোহেইজম'', পৃষ্ঠা ১৬৫, ২০১৩। * চিন্তাবিদদের ওপরই ছেড়ে দেওয়া হোক—তাঁরা [[w:আস্তিক্যবাদ|আস্তিক]], [[w:সর্বেশ্বরবাদ|সর্বেশ্বরবাদী]], [[w:নাস্তিক্যবাদ|নাস্তিক]], [[w:ঈশ্বরবাদ|ঈশ্বরবাদী]] (এবং কেন প্যানডেইস্ট নয়?) যা-ই হতে চান না কেন। কিন্তু সাধারণ মানুষের কাছে ঈশ্বর কিংবা অমরত্ব নিয়ে কোনো প্রচারণা চালানো উচিত নয়। ** '''''মোরিৎজ লাজারাস''''' এবং '''''হেম্যান স্টাইনথাল''''', ''সাইটশ্রিফট ফুর ফোলকারপসাইকোলজি উন্ড স্প্রাখউইসেনশাফট'' (১৮৫৯), পৃ. ২৬২-৬৩। * কায়রো প্রতীয়মান রূপ এবং তথাকথিত "দার্শনিক চিন্তাভাবনা" যা তার আড়ালে খুঁজতে চায়, এই দুইয়ের মধ্যকার পার্থক্যটি এড়িয়ে চলেন। জিনিসগুলো যেমন দেখায়, তাঁর কাছে সেগুলো ঠিক তেমনই। তাঁর প্যান-ডিইজম মূলত [[w:অধিবিদ্যা|বস্তু-অধিবিদ্যার বা থিং-মেটাফিজিক্সের]] ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত, যা বিংশ শতাব্দীর আধুনিক কাব্যের ধারায় একটি নতুন ঘরানা তৈরি করেছিল। ** '''''ফন মার্টিন লুডকে''''', "আইন মডার্নার হুটার ডার ডিঙ্গে; ডি এন্টডেকুং ডার গ্রোসেন পর্তুগিজেন গেট ওয়েইটার: ফার্নান্দো পেসোয়া হাট ইন ডার পোয়েজি আলবার্তো কায়রোস সাইনেন মিস্টার গেসেহেন", ''ফ্রাঙ্কফুর্টার রুন্ডশাউ'' (১৮ আগস্ট ২০০৪)। * একবার কল্পনা করুন যে, আমরা প্রকৃতির সেই পরম ও সর্বজনীন নিয়মটির সন্ধান পেয়ে গিয়েছি যার অন্বেষণে আমরা নিরন্তর ছুটে চলেছি এবং শেষ পর্যন্ত অত্যন্ত গর্বের সাথে আমরা এটি নিশ্চিত করতে পারলাম যে এই মহাবিশ্ব ঠিক এভাবেই গঠিত এবং অন্য কোনোভাবে নয়। কিন্তু ঠিক সেই মুহূর্তেই একটি নতুন ও গভীরতর প্রশ্নের উদয় হবে। এই সুনির্দিষ্ট নিয়মের অন্তরালে আসলে কী লুকিয়ে আছে? কেন এই মহাবিশ্ব ঠিক এভাবেই সুসংগঠিত হলো, অন্য কোনো উপায়ে নয় কেন? এই 'কেন'-র উত্তর খুঁজতে গেলেই আমরা প্রাকৃতিক বিজ্ঞানের সুনির্দিষ্ট সীমা অতিক্রম করে ধর্মের রহস্যময় জগতে প্রবেশ করি! একজন বিশেষজ্ঞ হিসেবে একজন [[w:পদার্থবিজ্ঞানী|পদার্থবিদের]] উত্তর দেওয়া উচিত, "আমরা জানি না, এবং হয়তো আমরা কোনোদিনই তা জানতে পারব না।" অনেকে হয়তো বলবেন যে, ঈশ্বরই এই অমোঘ নিয়মটি নির্ধারণ করেছেন এবং এভাবেই তিনি মহাবিশ্ব সৃষ্টি করেছেন। তবে একজন প্যান্ডিস্ট হয়তো ভিন্নভাবে বলবেন যে, "প্রকৃতির এই সর্বজনীন ও সর্বব্যাপী নিয়মটিই হলো স্বয়ং ঈশ্বর!" ** সাওদ-অয়েস্ট ব্রডকাস্ট | SWR2 Aula - পাণ্ডুলিপি সেবা (একটি কথোপকথনের অনুলিপি) "গড প্লাস বিগ ব্যাং = এক্স: অ্যাস্ট্রোফিজিক্স অ্যান্ড ফেইথ (২)" আলোচক: প্রফেসর '''''হান্স কুং''''' এবং প্রফেসর '''''হারাল্ড লেশ''''', সম্পাদক: রালফ ক্যাসপারি, সম্প্রচারিত: ১৬ মে ২০১০, রবিবার। [http://swrmediathek.de/player.htm?show=73ab41a0-dac5-11df-950c-0026b975f2e6 ১৯৭০ সালের নোবেল বিজয়ী হানেস আলফভেনের উক্তিটি জ্যোতির্পদার্থবিদ হারাল্ড লেশ কর্তৃক উদ্ধৃত, ১:৩২ সেকেন্ডে]। * সময়ের সাথে সাথে ঈশ্বরবাদের বা ডিইজমের ছত্রছায়ায় আরও কিছু মতবাদ গড়ে উঠেছে। যার মধ্যে রয়েছে [[w:খ্রিস্টধর্মে_ঈশ্বর|খ্রিস্টীয় ঈশ্বরবাদ]], যা ডিইজমের মূলনীতির সাথে [[:w:যিশু|নাজারেথের যিশুর]] নৈতিক শিক্ষার সমন্বয় ঘটায়। এবং প্যানডিজম এমন একটি বিশ্বাস যা মনে করে ঈশ্বর স্বয়ং এই সমগ্র মহাবিশ্বে পরিণত হয়েছেন এবং পৃথক কোনো সত্তা হিসেবে তাঁর আর কোনো অস্তিত্ব নেই। ** ডগলাস ম্যাকগোয়ান, "[[:w:মাদার নেচার নেটওয়ার্ক|মাদার নেচার নেটওয়ার্ক]]", ২১ মে ২০১৫। * এখানে যাকে "ঐশ্বরিক আধ্যাত্মিকতা" হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, তা আসলে পদার্থের নিজস্ব স্ব-সংগঠিত হওয়ার সহজাত প্রবণতা ও ঝোঁক ছাড়া আর কিছুই নয়। মহাবিশ্বের প্রসারণ যখন তার সীমায় পৌঁছাবে এবং 'বিগ ক্রাঞ্চ' বা চূড়ান্ত সংকোচনের দশা শুরু হবে, তখন অবশ্যই এর "মৃত্যু" ঘটা সম্ভব। এভাবেই গাইয়া মহাবিশ্বের সমাপ্তি ঘটে। এখানে আমি অবশ্যই [[:w:হেরাক্লিটাস|হেরাক্লিটাস]], [[w:বৈরাগ্যদর্শন|স্টোইকবাদী বা '''বৈরাগ্যদর্শন''']], [[w:জর্দানো_ব্রুনো|ব্রুনো]], [[:w:ইয়োহান গটলিব ফিকটে|ফিকটে]], শেলিং, [[:w:ইয়োহান ভল্ফগাং ফন গ্যোটে|গ্যোটে]] এবং হেগেলের পক্ষ নেব। মন শাশ্বত, মনের মৃত্যু নেই, মনই হলো মহাবিশ্ব। প্যানডিস্টিক ঈশ্বর অনেকটা স্যামন মাছের মতো, যিনি বংশবিস্তার (বা সৃষ্টির) পর মৃত্যুবরণ করেন। তাঁরা [[w:ফ্রিডরিখ_নিচে|ফ্রিডরিখ নিচের]] পক্ষ নেন—ঈশ্বর মৃত, পার্থক্য শুধু এটুকুই যে, ফ্রিডরিখ নিচের কাছে কোনো 'ঈশ্বর' কখনোই ছিল না! ** '''''প্রফেসর র‍্যামন জি. মেন্ডোজা''''', ''হিস্ট্রি অফ আইডিয়াস: প্যানথেইজম'' (১৯৯৬)। * অলসনের মতে, কার্ল জ্যাসপার্সের 'সাইফার' বা সংকেত বিষয়ক ধারণাটি প্রতীক গঠনের ক্ষেত্রে ব্যক্তির অভিজ্ঞতা এবং সেই প্রতীক ব্যাখ্যার সাথে জড়িত সক্রিয়তার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করে। এটি খ্রিস্টীয় ধর্মতত্ত্বের চেয়ে ভিন্ন, যেখানে ধর্মীয় প্রতীকী দিক এবং ব্যক্তির ভূমিকার ওপর গুরুত্বের ভারসাম্যটি অন্যভাবে নির্ধারিত হয়। অলসনের অভিমত হলো প্যানডিজমের ভীতি অথবা বিশ্বাসকে স্রেফ বাহ্যিক উপায়ের স্তরে নামিয়ে আনার প্রবণতা শেষ পর্যন্ত এই উপায়গুলোকে নিছক ব্যক্তিনিষ্ঠ এবং পরিবর্তনশীল বৈধতা হিসেবে দেখার দিকে ঠেলে দিতে পারে। মূলত এই আশঙ্কার কারণেই ক্যাথলিক চার্চ ব্যক্তির ধর্মীয় অভিজ্ঞতার তুলনায় প্রতীকের নিজস্ব বস্তুনিষ্ঠ সত্যতার ওপর অধিকতর জোর প্রদান করেছিল। ** '''''রনি মিরন''''', ''কার্ল জ্যাসপার্স: ফ্রম সেলফহুড টু বিয়িং'' (রডোপি ২০১২), পৃষ্ঠা ২৪৯, ISBN 9042035315। * এই স্থানটি যেন এক অলৌকিক শক্তি নিংড়ে বের করে দিচ্ছে, মনে হচ্ছে আপনার চারপাশের প্রতিটি বস্তুর ভেতরে অগণিত আত্মার স্পন্দন বয়ে চলেছে। আমি জানি না এটি প্যানডিজম নাকি সর্বেশ্বরবাদের দর্শন, কিন্তু এই মুহূর্তের গভীর প্রশান্তিতে আমার তাতে খুব একটা কিছু আসে-যায় না। ** '''''পিটার মুর''''', ''ভালহাল্লা অ্যান্ড দ্য ফজর্ড: আ স্পিরিচুয়াল মোটরসাইকেল জার্নি'' (২০১৪), পৃষ্ঠা ১৯। * একটি ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি আমি বেশ আকর্ষণীয় বলে মনে করি, আর তা হলো প্যানডিজম। এই মতবাদ অনুযায়ী ঈশ্বর এককালে অস্তিত্বমান ছিলেন এবং তিনিই ছিলেন একমাত্র সত্তা, কিন্তু পরবর্তীতে তিনি নিজেকে এই মহাবিশ্বে রূপান্তরিত করেছেন এবং ফলে এখন আর তাঁর পৃথক কোনো অস্তিত্ব নেই। ঈশ্বরের এমনটি করার মূল কারণ ছিল মূলত আনন্দ লাভ করা অথবা কী ঘটে তা প্রত্যক্ষ করা। আর সম্ভবত কোনো এক সময়ে এই মহাবিশ্ব পুনরায় নিজেকে ঈশ্বরে রূপান্তরিত করবে, যা অনেকটা নির্বাণ বা স্বর্গের মতো হবে। কিন্তু পরিশেষে ঈশ্বর আবারও একঘেয়েমিতে আক্রান্ত হবেন এবং পুনরায় এই চক্রের সূচনা করবেন। আমার বোধগম্যতায়, এটি হিন্দু মহাজাগতিক দর্শনের কিছু অংশের সাথে বেশ সাদৃশ্যপূর্ণ। ** '''''হেড্ডা হ্যাসেল মর্চ''''', "[https://blogs.scientificamerican.com/cross-check/beyond-physicalism/ বিয়ন্ড ফিজিকালিজম: ফিলোসফার হেড্ডা হ্যাসেল মর্চ ডিফেন্ডস দ্য আইডিয়া দ্যাট কনশাসনেস পারভেডস দ্য কসমস]", [[:w:জন হোরগান|জন হোরগান]], ''সায়েন্টিফিক আমেরিকান'', ৯ ডিসেম্বর, ২০১৯। * সকল [[w:অদ্বৈতবাদ_(অদ্বৈত_চেতনা)|অদ্বৈতবাদীই]] যে সর্বেশ্বরবাদী হবেন, এমন কোনো কথা নেই। একান্ত অদ্বৈতবাদীরা বিশ্বাস করেন যে, মহাবিশ্ব বা সর্বেশ্বরবাদীদের সেই ঈশ্বরের আদতে কোনো অস্তিত্বই নেই। এর বাইরেও, অদ্বৈতবাদীরা [[w:প্রকৃতিবাদ_(দর্শন)|প্রকৃতিবাদী]], প্যান্ডিস্ট, ঈশ্বরবাদী অথবা পরমসর্বেশ্বরবাদী বা প্যানেনথেইস্ট হতে পারেন। যারা এমন কোনো এক একক ঈশ্বরে বিশ্বাস করেন যিনি সর্বশক্তিমান ও সর্বব্যাপী এই দুনিয়াতে এবং যিনি একই সাথে সৃষ্টির ঊর্ধ্বে তথা ট্রান্সেন্ডেন্ট এবং সৃষ্টির ভেতরে বা ইম্যানেন্ট হিসেবে বিরাজমান! ** '''''থেরেসা জে. মরিস''''', ''নোয়িং কসমোলজি: অ্যাসেনশন এজ'' (২০১৪), পৃষ্ঠা ৮৫। * '''Anacalypsis (অ্যানাক্যালিপসিস)''' গ্রন্থে উপস্থাপিত তত্ত্বটি হলো— একটি গোপন ধর্মীয় গোষ্ঠী, যাকে হিগিন্স 'প্যানডিজম' নামে অভিহিত করেছেন, তা প্রাচীনকাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত টিকে আছে; যা অন্তত [[:w:গ্রিস|গ্রিস]] থেকে [[:w:ভারত|ভারত]] পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল এবং সম্ভবত সমগ্র বিশ্বকেই একসময় আবৃত করেছিল। ** '''''সুজান ওলসন''''', ''জিসাস ইন কাশ্মীর: দ্য লস্ট টম্ব'' (২০১৯), পৃ. ৩৯২। * [[:w:দর্শনের ইতিহাস|দর্শনের]] পাইথাগোরীয় ঐতিহ্যের কেন্দ্রে এখানে 'Psyche' / সাইকি বা আত্মার অন্য একটি রূপ দেখা যায়। যা মাইলেসিয়ানদের উত্তরাধিকার হিসেবে প্রাপ্ত সর্বপ্রাণবাদ বা প্যান-ডিইজমের কাছে খুব সামান্যই ঋণী বলে মনে হয়। ** '''''প্রফেসর ফ্রান্সিস ই. পিটার্স''''', ''গ্রিক ফিলোসফিক্যাল টার্মস: এ হিস্টোরিক্যাল লেক্সিকন'' (১৯৬৭), পৃ. ১৬৯। * ওল্ড টেস্টামেন্টের কিছু নির্দিষ্ট অনুচ্ছেদে ব্যবিলনের ধারণাটি এই জগতের অহংকারী এবং ঈশ্বর-বিরোধী শক্তির একটি আদিপ্রতীক (আর্কিটাইপ) হিসেবে আবির্ভূত হয়। নিউ টেস্টামেন্টে এটি আরও স্পষ্টভাবে খ্রিস্টধর্ম এবং পৌত্তলিকতার (প্যাগানিজম) সমন্বয়ে গঠিত এক ধরণের প্যান-ডিইজম হিসেবে ফুটে ওঠে; যা পশুর পিঠে চড়ে থাকা মহিলার বর্ণনার মাধ্যমে প্রতীকিভাবে নির্দেশ করা হয়েছে। ** '''''চার্লস এফ. ফাইফার''''', '''''হাওয়ার্ড ফ্রেডেরিক ভস''''' এবং '''''জন রিম''''', ''দ্য ওয়াইক্লিফ বাইবেল এনসাইক্লোপিডিয়া'' (১৯৭৫), পৃষ্ঠা ১৯০। * ওটাভিও দে ফারিয়া অত্যন্ত সঙ্গত কারণেই কার্লোস নেজারের রচনার মাঝে এক ধরনের প্যানডিজমের উপস্থিতি নিয়ে আলোচনা করতে পারতেন। এটি কোনো সাধারণ সর্বেশ্বরবাদী কবিতা নয়, বরং প্রকৃত অর্থেই একটি পান্ডিস্ট কাব্য। আমি বলতে চাইছি, এটি এমন এক মহাজাগতিক সৃষ্টিতত্ত্ব এবং এক সর্বজনীন গীতিমালা, যা একই সাথে মানবসত্তা এবং পবিত্র আত্মার জয়গান গায়। তবে এখানে সেই পবিত্র স্বর্গীয় সত্তার উপস্থিতি মূলত মানুষেরই অস্তিত্বের অভ্যন্তরে নিহিত। ** '''''জিওভানি পন্টিয়েরো''''', ''কার্লোস নেজার, পোয়েটা ই পেনসাডোর'', ১৯৮৩, পৃষ্ঠা ৩৪৯। * অধিবিদ্যা বা মেটাফিজিক্স হলো প্রকৃতিবাদী (পান্ডিস্ট) ঘরানার একটি দর্শন, যা শেষ পর্যন্ত ভাববাদের (আইডিয়ালিজম) দিকে ধাবিত হয়ে নিজের মৌলিকত্ব হারায়। ** '''''কার্লোস উইসে পোর্টোকারেরো''''', ''সিস্টেমাস ফিলোসোফিকোস দে লা ইন্ডিয়া'' (ভারতের দার্শনিক পদ্ধতি), নভেম্বর ১৮৭৭, পঞ্চম খণ্ড। * ব্রুনো কল্পনা করতেন যে প্রতিটি গ্রহ এবং নক্ষত্রের নিজস্ব আত্মা রয়েছে (যা মূলত তাদের সবার একই 'গাঠনিক উপাদানের' অন্তর্গত হওয়ার ধারণার একটি অংশ) এবং তিনি তাঁর এই মহাজাগতিক তত্ত্বকে একটি প্রাণবাদী (অ্যানিমিস্ট) অথবা পান্ডিস্ট ধর্মতত্ত্বকে এগিয়ে নেওয়ার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছিলেন। ** '''''কোরি এস. পাওয়েল''''', "ডিফেন্ডিং জর্দানো ব্রুনো: আ রেসপন্স ফ্রম দ্য কো-রাইটার অব 'কসমস'", ডিসকভার, ১৩ মার্চ, ২০১৪। * বর্তমান সময়ের একটি অত্যন্ত বিভ্রান্তিকর ধর্মীয় ধারণা, যা মূলত অসচেতন এবং মুক্তি না পাওয়া মানুষদের লক্ষ্য করে প্রচারিত হচ্ছে, তা হলো— 'প্যানডিজম'। এই শব্দটি মূলত প্যানথেইজম (সর্বেশ্বরবাদ) এবং ঈশ্বরবাদের সমন্বয়ে গঠিত। প্যানথেইজম প্রচার করে যে ঈশ্বর সবকিছুর মধ্যেই বিরাজমান। আর ডিইজম বা ঈশ্বরবাদ বলতে বোঝায় যে, ঈশ্বর কোনোভাবে তাঁর সৃষ্টির সাথে আর জড়িত নন। এই ভ্রান্ত ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গির কারণেই অনেকে বিশ্বাস করতে শুরু করেছেন যে— মহাবিশ্বের স্রষ্টা ঈশ্বরের আর কোনো পৃথক অস্তিত্ব নেই, কারণ তিনি নিজেই মহাবিশ্বে পরিণত হয়েছেন এবং এখন তিনি নিজেই এই মহাবিশ্ব। অনেক মুক্তিহীন মানুষই এখন মনে করেন যে, এই মহাবিশ্বই মানুষের ব্যাপারে সমস্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। ** '''''ব্রেন্ট প্রাইস, ডি.মিন.''''', ''বি প্রিপেয়ার্ড ইভানজেলিজম: দ্য পার্সোনাল ইভানজেলিজম গেম চেঞ্জার'' (২০২২), পৃষ্ঠা ১৩৭। * রাজনৈতিক ধর্মতত্ত্বের মৌলিক প্রশ্নগুলো হলোঃ হেগেলীয় ধারার যেকোনো ধর্মতাত্ত্বিক ইমানেন্টিজম (অন্তর্নিহিত সত্তাবাদ) এবং প্যানডিজমের বিরুদ্ধে বিতর্ক। রাজনৈতিক বহুত্ববাদের সমার্থক হিসেবে পলিডিজম বা বহু-ঈশ্বরবাদের বিরুদ্ধে বিতর্ক এবং প্রতিটি নিরীশ্বরবাদসহ এর আধুনিক রূপ বস্তুবাদ ও সায়েন্টিজম বা বিজ্ঞানবাদের বিরুদ্ধে বিতর্ক। ** '''''ইউজেন পুসিচ''''', ''ফ্রানকুস্কা রেভোলুসিজা - লজুডস্কা প্রাভা ই পলিটিকা ডেমোক্রাসিজা'', পৃষ্ঠা ২৭০ (১৯৯১)। * কিন্তু সেই দুঃস্বপ্নটি যদি সত্যের কোনো অলীক দর্শনও হয়ে থাকে, তবুও মিস্টার মন্ড ঈশ্বরে বিশ্বাস রাখতে পারেন। কারণ তিনি দাবি করেন যে ঈশ্বরই একসময় এই মহাবিশ্বে রূপান্তরিত হয়েছেন। অতএব, এই মহাবিশ্বই হলো ঈশ্বর।<br>না। মহাবিশ্বে রূপান্তরিত হওয়ার মাধ্যমে ঈশ্বর প্রকৃতপক্ষে তাঁর রাজকীয় ক্ষমতা বিসর্জন দিয়েছেন। ঈশ্বর হিসেবে তিনি নিজেকেই নিজে বিনাশ করেছেন। তিনি পূর্বে যা ছিলেন অর্থাৎ তাঁর সেই প্রকৃত সত্তা, তাকে তিনি শূন্যতায় পর্যবসিত করেছেন এবং এর ফলে তাঁর নিজের সাথে সংশ্লিষ্ট সমস্ত ঈশ্বরীয় গুণাবলি চিরতরে হারিয়েছেন। যে মহাবিশ্বে তিনি আজ পরিণত হয়েছেন, তা একই সাথে তাঁর সমাধি হিসেবেও গণ্য। এই মহাবিশ্বের অভ্যন্তরে বা এর ওপর তাঁর এখন আর কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। ঈশ্বর হিসেবে সেই 'ঈশ্বর' আজ মৃত। ** '''''সাইমন রেভেন''''', ''দ্য সারভাইভারস (রেভেনের উপন্যাস)'', ১৯৭৬, পৃষ্ঠা ৯০। * এই সহাবস্থানের প্রকৃত তাৎপর্য তখনই স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয়, যখন কেউ সেই আমূল 'প্যান-সাইক' বা সর্ব-মনস্তাত্ত্বিক অবস্থানটি বিবেচনা করেন। যেখানে মনে করা হয় যে জড় পদার্থের প্রতিটি কণার একটি 'মনস্তাত্ত্বিক' গুণ রয়েছে। অথবা সেই পান্ডিস্ট অবস্থানটি গুরুত্ব পায় যেখানে কোনো এক 'পরম চেতনা' জগতের সমস্ত জড় পদার্থের সাথে নিরন্তর মিথস্ক্রিয়া চালিয়ে যাচ্ছে। ** '''''মাইকেল পি. রেমলার''''', ''দ্য মেকানিজম, মেটাফিজিক্স, অ্যান্ড হিস্ট্রি অব কনশাসনেস ইন দ্য ওয়ার্ল্ড'', ২০২০, পৃষ্ঠা ৫০। * প্যানডিজমের যুক্তিকাঠামো অনুযায়ী, এক সর্বশক্তিমান এবং পরম দয়ালু ঈশ্বর এই মহাবিশ্ব সৃষ্টি করেন এবং সেই সৃষ্টিপ্রক্রিয়ার মাঝেই তিনি নিজেই মহাবিশ্বে রূপান্তরিত হন। আর এর ফলে মানুষের জাগতিক বিষয়াবলীতে হস্তক্ষেপ করার যাবতীয় ক্ষমতা তিনি চিরতরে হারিয়ে ফেলেন। ** '''''সাল রেস্টিভো''''', ''সোসাইটি অ্যান্ড দ্য ডেথ অব গড'', ২০২১, পৃষ্ঠা ১২৩। * "পোপ পলের অবস্থান প্রায় একটি প্যান-ডিইজমের কাছাকাছি চলে এসেছিল। আর এই প্যান-ডিইজম হলো গ্রিক চিন্তাধারার ভাইরাসের এক যৌক্তিক পরিণতি।" ** '''''রৌসাস জন রাশদুনি''''', ''দ্য ওয়ান অ্যান্ড দ্য মেনি: স্টাডিজ ইন দ্য ফিলোসফি অফ অর্ডার অ্যান্ড আলটিমেসি'' (১৯৭১), অধ্যায় ৮-৭, পৃ. ১৪২। * "কিন্তু একজন একনিষ্ঠ আদর্শবাদী, যিনি বিশ্বাসে অন্তর্নিহিতভাবে একজন প্যান-ডেইস্ট এবং পৃথিবী ও সময়ের সমস্যাগুলো নিয়ে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। তিনি একজন গিবেলাইন পোপ হতে পারেন। আর শেষ পর্যন্ত দান্তের সেই গিবেলাইনরাই জয়ী হয়েছে!" ** '''''রৌসাস জন রাশদুনি''''', ''দ্য ওয়ান অ্যান্ড দ্য মেনি: স্টাডিজ ইন দ্য ফিলোসফি অফ অর্ডার অ্যান্ড আলটিমেসি'' (১৯৭১), অধ্যায় ৮-৭, পৃ. ১৪৩। * মহাবিশ্ব কেবল ঈশ্বরই নয়, বরং একজন ব্যক্তিও এমন মতবাদকে বলা হয় "প্যানডিজম"। আপনি কি [[:w:উইলিয়াম জেমস|উইলিয়াম জেমসের]] সাথে একমত যে, মহাবিশ্বকে একজন ব্যক্তি হিসেবে দেখা আপনার জীবনকে অর্থবহ করে তুলতে সাহায্য করবে? ** '''''থিওডোর শিক''''' এবং '''''লুইস ভন''''', ''ডুইং ফিলোসফি: অ্যান ইন্ট্রোডাকশন থ্রু থট এক্সপেরিমেন্টস'', ৫ম সংস্করণ (২০১৩), পৃ. ৫০৬। * জুবাল—এই উপাসক গোষ্ঠী এবং আমলাতন্ত্রে ঠাসা পৃথিবীতে একজন একনিষ্ঠ ও প্রচণ্ড ব্যক্তিবাদী চরিত্র। উপন্যাসের সমাপ্তিলগ্নে দেখা যায় যে, জিল কিংবা মাইক নয়, বরং তিনিই সেই ব্যক্তি যিনি আজও এক 'অচেনা আগন্তুক' হয়ে অবাস্তব সব লক্ষ্য বা ছায়ার সাথে লড়াই করে চলেছেন। তিনি তাঁর নিজস্ব স্বাধীন ইচ্ছাশক্তিতে মনেপ্রাণে বিশ্বাস করেন, যা মাইক, জিল এবং ফস্টারপন্থীরা একটি পান্ডিস্ট আকাঙ্ক্ষা বা 'তুমিই ঈশ্বর!' এই বাণীর দ্বারা ভুলভাবে ব্যাখ্যা করেন। অন্যদিকে মাইক, মানবীয় বিশ্বাসের সাথে তাঁর মার্সিয়ান বা মঙ্গলগ্রহীয় বিশ্বাসের এক সমন্বয় খুঁজে পাওয়ার দাবি করলেও, শেষ পর্যন্ত অত্যন্ত সহজেই নিজের পুরনো বিশ্বাসগুলো ত্যাগ করে মানুষের বিশ্বাসকেই আপন করে নেন। ** '''''ড্যান স্নাইডার''''', ''[[:w:রবার্ট এ. হাইনলেইন|রবার্ট এ. হাইনলেইনের]] [[:w:স্ট্রেঞ্জার ইন আ স্ট্রেঞ্জ ল্যান্ড|স্ট্রেঞ্জার ইন আ স্ট্রেঞ্জ ল্যান্ড]] (দ্য আনকাট ভার্সন) এর পর্যালোচনা'' (২৯ জুলাই ২০০৫) [http://www.hackwriters.com/strangerH.htm]। * নৈতিকতা সম্পর্কে প্রাচ্যের দৃষ্টিভঙ্গি মূলত বাস্তবতার এক মৌলিক ও সম্পূর্ণ ভিন্ন ধারণা থেকে উৎসারিত হয়েছে। আমরা যারা পাশ্চাত্যবাসী, তারা মহাবিশ্বকে ঈশ্বরের একটি 'সৃষ্টি' হিসেবে গণ্য করি। যা অনেকটা কোনো আবিষ্কার বা পণ্যের মতো। মহাবিশ্ব সৃষ্টি করার পর, ঈশ্বর নিজেকে এর তদারকি ও ব্যবস্থাপনার কাজে নিয়োজিত করেছেন। আমরা ঈশ্বরকে আমাদের 'অভিভাবক' বা 'মনিব' হিসেবে দেখি। তিনি মহাবিশ্ব সৃষ্টি করেছেন, তিনি এখানে উপস্থিত আছেন, তিনি এর প্রতিটি অংশ পরিচালনা করেন, কিন্তু তাসত্ত্বেও তিনি এর থেকে সম্পূর্ণ পৃথক। এটি অনেকটা এমন যে, তিনি পুরো মহাবিশ্বে ভিডিও ক্যামেরা স্থাপন করেছেন, যাতে তিনি যা কিছু ঘটছে সব দেখতে পান এবং নিজের ইচ্ছামতো যেকোনো ঘটনা ঘটাতে পারেন। কিন্তু নিজে সেই ঘটনার অংশ নন। তবে প্রাচ্যের দৃষ্টিভঙ্গি একেবারেই আলাদা। উদাহরণস্বরূপঃ একজন হিন্দুর কাছে ঈশ্বর মহাবিশ্ব 'সৃষ্টি' করেননি, বরং ঈশ্বর নিজেই মহাবিশ্বে 'রূপান্তরিত' হয়েছেন। এরপর তিনি ভুলে গিয়েছেন যে তিনি নিজেই এই মহাবিশ্ব হয়ে উঠেছেন। ঈশ্বর কেন এমনটি করবেন? মূলত আনন্দ এবং বিনোদনের জন্য! আপনি একটি মহাবিশ্ব তৈরি করলেন, যা নিজেই অত্যন্ত রোমাঞ্চকর এক ব্যাপার। কিন্তু তারপর কী? আপনি কি স্রেফ হাত গুটিয়ে বসে থেকে আপনার সৃষ্টি করা মহাবিশ্বকে মজা করতে দেখবেন? নাকি আপনি নিজেই সেই সমস্ত আনন্দ উপভোগ করতে চাইবেন। আর এটি অর্জনের জন্যই ঈশ্বর স্বয়ং সমগ্র মহাবিশ্বে রূপান্তরিত হয়েছেন। ঈশ্বরই হলেন এই মহাবিশ্ব এবং এর অন্তর্গত প্রতিটি অণু-পরমাণু। কিন্তু মহাবিশ্ব এই সত্যটি জানে না, কারণ তা জানলে এই নাটকের রহস্য ও উত্তেজনা নষ্ট হয়ে যাবে। এই মহাবিশ্ব হলো ঈশ্বরের এক মহাকাব্যিক নাটক, যেখানে ঈশ্বর নিজেই একাধারে মঞ্চ, অভিনেতা এবং দর্শক! এই মহাকাব্যিক নাটকের শিরোনাম হলো—"'''পরম অজানা পরিণতি"'''। এখানে আবেগ, প্রেম, ঘৃণা, ভালো-মন্দ এবং স্বাধীন ইচ্ছার মতো শক্তিশালী উপাদানগুলো যোগ করে দিন। তারপর দেখুন কী ঘটে! কেউই জানে না কী হবে, আর এই অনিশ্চয়তাই মহাবিশ্বকে প্রাণবন্ত ও আকর্ষণীয় করে রাখে। তবে পরিশেষে প্রত্যেকেই এক চমৎকার সময় অতিবাহিত করবে। এখানে প্রকৃতপক্ষে কোনো ভয় বা বিপদের অবকাশ নেই, কারণ প্রতিটি সত্তাই মূলত ঈশ্বর। আর ঈশ্বর আসলে স্রেফ খেলে যাচ্ছেন। ** '''''ওয়ারেন বি. শার্প''''', ''ফিলোসফি ফর দ্য সিরিয়াস হেরেটিক: দ্য লিমিটেশনস অব বিলিফ অ্যান্ড দ্য ডেরিভেশন অব ন্যাচারাল মোরাল প্রিন্সিপলস'' (২০০২), পৃষ্ঠা ৩৯৬ {{ISBN|0595215963}}। * এটি নিশ্চিত যে, এই ধারণাটি বিশ্বের দুই-তৃতীয়াংশের বেশি মানুষের ধর্মের অন্যতম মৌলিক নৈতিক ভিত্তি তৈরি করে। যেখানে প্রতিটি ধর্মের বিশেষ স্বভাবের দ্বারা এটি প্রভাবিত। যেমন খ্রিস্টধর্মে এক অতিমানবীয় [[:w:আদর্শবাদ|আদর্শবাদ]], বৌদ্ধধর্মে এক মানব-বিরোধী [[:w:শূন্যবাদ|নিহিলিজম]] বা শূন্যবাদ, এবং ভারতের ক্রমবর্ধমান [[w:ব্রাহ্মধর্ম|ব্রাহ্মধর্মে]] এক উদীয়মান অথচ সারগ্রাহী প্যানডিজম। আর যারা সর্বজনীন ভ্রাতৃত্বের এই আদর্শিক নীতি স্বীকার করেন, তাদের সাথে গ্রিক-রোমান এবং আধুনিক যুগের সেই নান্দনিক বৈজ্ঞানিক [[:w:প্রকৃতিবাদ|প্রকৃতিবাদকে]] যুক্ত করা প্রয়োজন যা মূলত সমগ্র ইউরোপীয় জনশিক্ষাকে অনুপ্রাণিত করে। আর যার বিরুদ্ধে পোপ দ্বিতীয় পল থেকে শুরু করে জোসেফ ডি মেস্ট্রের মতো গোঁড়া খ্রিস্টানরা সর্বদা অত্যন্ত যৌক্তিকভাবে প্রতিবাদ করে এসেছেন। ** '''''[[:w:গুস্তাভো উজিয়েলি|গুস্তাভো উজিয়েলি]]''''', ''রিচেরচে ইন্তোর্নো আ লিওনার্দো দা ভিঞ্চি'' (১৮৯৬), পৃষ্ঠা ৩৫। * '''在《撒忧的龙船河》里的撒忧文化, "撒忧"又叫"撒阳"、"撒野"、"撒尔嗬" ,就是生长在泛自然神论文化下的生殖崇拜符号, 撒野现象就是指土家情歌中那些强烈的生命冲动和人性张扬中所表现出来的野性美。''' ** "স্প্রেডিং ওরি অন দ্য ড্রাগন বোট রিভার" এ বর্ণিত 'S'''an Yu'''<nowiki/>' (যাকে san yang, san ye অথবা san er hu নামেও ডাকা হয়) বলতে মূলত প্যানডিজম বা সর্ব-প্রকৃতিবাদী সংস্কৃতির বলয়ে গড়ে ওঠা প্রজনন উপাসনাকে বোঝানো হয়েছে। যা মূলত গ্রাম্য জনপদগুলোর সেই রোমান্টিক প্রেমগীতিগুলোতে ফুটে ওঠা প্রাণের তীব্র স্পন্দন, গভীর মানবিকতা এবং আদিম বন্য সৌন্দর্যের এক বলিষ্ঠ বহিঃপ্রকাশ। *** '''''ওয়াং জুনকাং''''' (Wang Junkang), 叶梅研究专集 ''Ye Mei Special Collection'' (2007), পৃষ্ঠা ১৭৭। * '''在叶梅的早期小说里那种泛自然神论的浪漫精神随处可见,其目的是在张扬人性, 张扬泛自然神论下人性的自由'''。 ** ইয়ে মেই-এর প্রাথমিক পর্যায়ের উপন্যাসগুলোতে প্যানডিজমের সেই রোমান্টিক আধ্যাত্মিকতা বা জীবনবোধ প্রতিটি পাতায় লক্ষ্য করা যায়; যার প্রধান লক্ষ্যই ছিল মানবিকতার জয়গান গাওয়া এবং প্যানডিজমের সেই উদার দর্শনের অধীনে মানুষের ব্যক্তিগত ও চারিত্রিক স্বাধীনতার সপক্ষে এক জোরালো আহ্বান জানানো। ** '''''ওয়াং জুনকাং''''' (Wang Junkang), 叶梅研究专集 ''Ye Mei Special Collection'' (2007), পৃষ্ঠা ১৮৮। ** যিশু খ্রিস্ট এবং পবিত্র আত্মার প্রতি ঐকান্তিক মনোযোগ আমাদের সর্বেশ্বরবাদ (প্যানথেইজম), প্যানডিজম এবং বিবর্তনশীল ধর্মতত্ত্ব বা প্রসেস থিওলজির মতো মতবাদগুলোর প্রভাব থেকে মুক্তি প্রদান করে এবং এক গভীর আধ্যাত্মিক স্তরে নিয়ে যায়। ** '''''গ্রাহাম ওয়ার্ড''''', ''হাউ দ্য লাইট গেটস ইন: এথিক্যাল লাইফ ১'', পৃষ্ঠা ৩১৩, ২০১৬। * ঈশ্বর এই জগতকে সৃষ্টি করেননি, বরং তিনি নিজেই এই জগত বা মহাবিশ্বে রূপান্তরিত হয়েছেন। ঈশ্বর এই জগতের রূপ পরিগ্রহ করেছেন মূলত এক শাশ্বত এবং অসীম লক্ষ্যকে বস্তুগত আকারে উপলব্ধি করার জন্য। আর এই অবিনশ্বর ও অনন্ত উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের তাগিদেই তিনি স্বয়ং এই বিশ্ব চরাচরে পরিণত হয়েছেন। এখন একটি বিষয় বিশেষভাবে লক্ষণীয়—এই মহাবিশ্বে রূপান্তরিত হওয়ার জন্য ঈশ্বরকে প্রথমে একটি আদি ও মৌলিক ধারণার কথা চিন্তা করতে হয়েছিল। ফলস্বরূপ, এই ভাব বা ধারণাটি জগতের আবির্ভাবের পূর্বেই বিদ্যমান ছিল। একেই মূলত কার্য এবং কারণের মধ্যকার সম্পর্ক হিসেবে গণ্য করা হয়। এখানে 'কারণ' বা স্রষ্টাকে মনে করা হয় কার্যের পূর্ববর্তী এবং স্বাধীন একটি সত্তা; অন্যদিকে 'কার্য' বা এই জগতকে মনে করা হয় কারণের পরবর্তী এবং তার ওপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল একটি রূপান্তর। ** রাব্বি '''''[[:w:হ্যারি ওয়াটন|হ্যারি ওয়াটন]]''''', ''এ ট্রু মোনিস্টিক ফিলোসফি: কমপ্রিহেন্ডিং দ্য অ্যাবসোলিউট, গড, এক্সিস্টেন্স, ম্যান, সোসাইটি অ্যান্ড হিস্ট্রি'' (১৯৪৭), পৃষ্ঠা ২৩২। ASIN: B0006ARGQ0। * '''''Wenn auch nur durch einen Buchstaben (d statt th), unter­scheiden wir grundsätzlich Pandeismus vom Pantheismus.''''' ** যদিও পার্থক্যটি কেবল একটিমাত্র বর্ণের (অর্থাৎ ''''th'''<nowiki/>' এর স্থলে ''''d'''<nowiki/>'), তবুও আমরা প্যানডিজমকে সর্বেশ্বরবাদ বা প্যানথেইজম থেকে মৌলিকভাবে পৃথক বলে গণ্য করি। এটি কেবল ব্যাকরণগত কোনো পরিবর্তন নয়, বরং দর্শনের এক গভীরতর স্তরের ভিন্নতা প্রকাশ করে। ** '''''ম্যাক্স বার্নহার্ড ওয়াইনস্টেইন''''', ''ওয়েল্ট- উন্ড লেবেনসানশাউউঙেন, হারভোরগেগাঙেন আউস রিলিজিয়ন, ফিলোসফি উন্ড নাটুর এরকেন্টনিস'' ("ধর্ম, দর্শন এবং প্রকৃতিজ্ঞান থেকে উদ্ভূত বিশ্ব ও জীবনদর্শন") (১৯১০), পৃষ্ঠা ২২৭। * '''''Wir werden später sehen, daß die Indier auch den Pandeismus gelehrt haben. Der letzte Zustand besteht in dieser Lehre im Eingehen in die betreffende Gottheit, Brahma oder Wischnu. So sagt in der Bhagavad-Gîtâ Krishna-Wischnu, nach vielen Lehren über ein vollkommenes Dasein.''''' ** আমরা পরবর্তীতে এটি প্রত্যক্ষ করব যে, ভারতবর্ষের মানুষও প্যানডিজমের শিক্ষা প্রচার করেছিলেন। এই মতবাদ অনুযায়ী সৃষ্টির চূড়ান্ত অবস্থা বা পরিণতি হলো সংশ্লিষ্ট দেবতা, তা সে ব্রহ্মা হোক কিংবা বিষ্ণু। তাঁর সত্তার অভ্যন্তরে পুনরায় প্রবেশ করা বা লীন হওয়া। ভগবদ্গীতায় শ্রীকৃষ্ণ-বিষ্ণুও এক পরিপূর্ণ অস্তিত্ব সম্পর্কে বহুমুখী শিক্ষার পর ঠিক এই সত্যটিই ব্যক্ত করেছেন। ** '''''ম্যাক্স বার্নহার্ড ওয়াইনস্টেইন''''', ''ওয়েল্ট- উন্ড লেবেনসানশাউউঙেন, হারভোরগেগাঙেন আউস রিলিজিয়ন, ফিলোসফি উন্ড নাটুর এরকেন্টনিস'' ("ধর্ম, দর্শন এবং প্রকৃতিজ্ঞান থেকে উদ্ভূত বিশ্ব ও জীবনদর্শন"), পৃষ্ঠা ২১৩, ১৯১০। * '''在在这里,人与天是平等和谐的,这就是说,它是泛自然神论或是无神论的,这是中国人文思想的一大特色。''' ** এখানে মানুষ এবং দৈব সত্তার মধ্যে এক অপূর্ব সাম্য ও সম্প্রীতি বিদ্যমান, যেখানে তারা একে অপরের সমকক্ষ। অর্থাৎ সহজ কথায় বলতে গেলে, এটি হয় প্যানডিজম অথবা [[w:নাস্তিক্যবাদ|নাস্তিক্যবাদের]] এক অনন্য প্রতিফলন। যা প্রকৃতপক্ষে চীনা দার্শনিক চিন্তাধারার অন্যতম একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য হিসেবে স্বীকৃত। *** '''''ওয়েন চি''''' , 'লেকচারস অ্যাট পেকিং ইউনিভার্সিটি: থিংকিং অব অরা' (২০০২), পৃষ্ঠা ১২১। * ''জন্ম—সে তো ঘুমন্ত, কিছুই নয় বিস্মৃতি ছাড়া—<br>যে জীবনে হয় আত্মিক জাগরণ, সে তো শুধুই জৈবিক ধ্রুবতারা!<br>ভীন-প্রানীতে ছিল হয়তো তার আদি-আধার, হয়তো ছিল অঞ্জান গহীন জায়গার।<br>তবুও সে পূর্ণ বিস্মৃতির অতলে নয়,<br>অসীম শূন্যতার মাঝেও নয়,<br>মহিমার জ্যোতিকে করেছি সঙ্গী, করেছি আপনা-আলোকায়ন!<br>সেই পরম সত্তা থেকেই, যিনি চির নিত্য-আবাসন।<br>স্বর্গ যেন ছেলেবেলাকে আগলে রাখে—চির আবরণ!...'' ** '''''[[:w:উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ|উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ]]''''', ''[[:w:ওড: ইনটিমেশনস অফ ইমমর্টালিটি|ওড: ইনটিমেশনস অফ ইমমর্টালিটি ফ্রম রিকালেকশনস অফ আরলি চাইল্ডহুড]]'' (১৮০৭), স্তবক ৫, ''বাংলায় রুপান্তরঃ'' '''মাহমুদ''' । * ''Als Gesamtcharakteristik wählte H. sich die Bezeichnung eines neo-transzendentalen Subsistenz-Relationismus bzw. mehr inhaltlich: eines Hen-Pan-Deismus (nicht: -theismus); geschichtsphilosophisch schließt dies Atheismus, naturphilosophisch einen Quasi-Pantheismus - das Absolute als definitiver Prinzipiationsgrenzwert unter Gültigkeitsrücksichten - ein.'' ** এইচ. হারল্ড হয তাঁর দর্শনের যে মৌলিক ভিত্তিটি স্থাপন করেছেন, তাকে তিনি একটি অনন্য চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন '''<nowiki/>'নিও-ট্রান্সেন্ডেন্টাল সাবসিস্টেন্স রিলেশনিজম'<nowiki/>'''। আরও গভীর ও সারবস্তুগতভাবে বিশ্লেষণ করলে এর মূল নির্যাসটি দাঁড়ায় একটি সূক্ষ্ম '''<nowiki/>'হেন-প্যান-ডিইজম'<nowiki/>''' হিসেবে, যা প্রচলিত 'প্যান-থেইজম' বা সর্বেশ্বরবাদ থেকে সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র ও বিযুক্ত। ইতিহাসের দর্শনে এই মতবাদটি যথেষ্ট উদার, যা প্রয়োজনে নাস্তিক্যবাদ বা নিরীশ্বরবাদের যৌক্তিক উপাদানগুলোকেও নিজের ভেতরে ধারণ করতে সক্ষম। অন্যদিকে, যখন এটি প্রকৃতি-দর্শনের আলোকে ব্যাখ্যা করা হয়, তখন তা এক প্রকার '''Quasi-Pantheism''' বা '''<nowiki/>'কোয়াসি-প্যানথেইজম'''' বা আধা-সর্বেশ্বরবাদ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। এখানে 'পরম সত্তা' বা 'অ্যাবসলিউট' কে কেবল একটি বিমূর্ত ধারণা হিসেবে নয়, বরং যৌক্তিক বৈধতার নিরিখে একটি সুনির্দিষ্ট মূল নীতিগত সীমাবদ্ধতা কিংবা একটি অবিনশ্বর গাণিতিক ধ্রুবক হিসেবে বিবেচনা করা হয়, যা মহাবিশ্বের অস্তিত্বের মূল ছন্দ নিয়ন্ত্রণ করে। ** '''''কুর্ট ওয়াল্টার জেইডলার''''', [http://phaidon.philo.at/asp/hholz.htm আর্কাইভ ফ্যুর সিস্টেমেটিশ ফিলোসফি - হারাল্ড হোলজ] (২০০৩)। * '''泛自然神论的浪漫精神三峡文化的艺术原素是一种独特的理想浪漫精神,是纯朴粗犷、绚丽诡竒的。''' ** এটি মূলত সেই গভীর রোমান্টিক নির্যাস এবং উচ্চমার্গীয় আধ্যাত্মিক চেতনার এক অনন্য কাব্যিক উপস্থাপনা, যেখানে '''প্যানডিজম''' বা সর্ব-প্রকৃতিবাদের মূল দর্শনটি মূর্ত হয়ে ওঠে। এখানে স্রষ্টা এবং সৃষ্টিকে আলাদা করে দেখা হয় না, বরং মনে করা হয় প্রকৃতির প্রতিটি ধূলিকণায় এবং অরণ্যের গহীন নিস্তব্ধতায় সেই পরম সত্তাই বিলীন হয়ে আছে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এই রূপটি মোটেও কৃত্রিম নয়; বরং তা রুক্ষ সরলতার এক নিবিড় ও অবিচ্ছেদ্য সংমিশ্রণের মাধ্যমে গড়ে ওঠে, যা মানুষের আত্মাকে এক অদ্ভুত প্রশান্তি দান করে। এই সৌন্দর্য যেমন আড়ম্বরহীন ও অকৃত্রিম, ঠিক তেমনি এটি এক গভীর এবং বৈচিত্র্যময় রহস্যময়তায় ঘেরা—যা লৌকিক জগতের উর্ধ্বে গিয়ে এক অলৌকিক অনুভূতির জন্ম দেয়। এটি যেন এক শান্ত অথচ শক্তিশালী আহ্বান, যেখানে প্রকৃতির অনাড়ম্বর রুক্ষতা আর আধ্যাত্মিক রহস্য মিলেমিশে একাকার হয়ে একটি অখণ্ড সত্যের প্রকাশ ঘটায়। *** '''''ঝাং দাও কুই''''' (Zhang Dao Kui), 文化研究 ''কালচারাল স্টাডিজ'', ইস্যু ১-১২ (২০০১), পৃষ্ঠা ৬৫। * প্যানডিজম হলো সর্বেশ্বরবাদেরই বা '''Pantheism''' এর এমন একটি বিশেষ রূপান্তর যা নিজের ভেতর প্রকৃতিবাদের একটি সুনির্দিষ্ট কাঠামোকে ধারণ করে। এই মতবাদটি এই বিশ্বাস পোষণ করে যে, বর্তমান মহাবিশ্ব এবং ঈশ্বর প্রকৃতপক্ষে এক ও অভিন্ন সত্তা। তবে একই সাথে এই দর্শন এটিও জোরালোভাবে দাবি করে যে, এই দৃশ্যমান জগৎ রূপ পরিগ্রহ করার পূর্বে ঈশ্বর কেবল একটি বিমূর্ত ধারণা ছিলেন না। বরং তিনি ছিলেন এক পরম সচেতন, সংবেদনশীল এবং অসীম বুদ্ধিমান এক মহাশক্তি। তিনি সেই আদি ও অনাদি সত্তা, যিনি অত্যন্ত নিপুণ কারিগরি এবং সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার মাধ্যমে এই মহাবিশ্বের প্রতিটি কণা ও নক্ষত্ররাজির সূক্ষ্ম নকশা প্রণয়ন করেছিলেন। তাঁর সেই বুদ্ধিদীপ্ত সৃজনশীলতার মাধ্যমেই বিশৃঙ্খল মহাশূন্য এক সুশৃঙ্খল ও প্রাণবন্ত মহাবিশ্বে রূপান্তরিত হয়েছে, যা তাঁর অস্তিত্বের মহিমা ও নিপুণ শিল্পবোধেরই এক জীবন্ত প্রতিফলন। অর্থাৎ, সৃষ্টির আদিতে তিনি ছিলেন এক স্বতন্ত্র স্থপতি, যিনি পরবর্তীতে নিজ সৃষ্টির মাঝেই নিজেকে বিলীন করে দিয়েছেন। ** '''''রোনাল্ড আর. জলিঞ্জার''''', ''মেয়ার মরমনজম: ডিফেন্স অব মরমন থিওলজি'', পৃষ্ঠা ৬, ২০১০। == বহিঃ সংযোগ == {{wikipedia|Pandeism|প্যানডিজম (ইংরেজি উইকিপিডিয়া)}} {{wiktionary|pandeism|প্যানডিজম (উইকশনারি)}} [[বিষয়শ্রেণী:দর্শন]] [[বিষয়শ্রেণী:ধর্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:প্যানডিজম]] [[বিষয়শ্রেণী:প্রকৃতিবাদ]] [[বিষয়শ্রেণী:সর্বেশ্বরবাদ]] 3zjeqg5mi7nbfi8yta7oh0qumhv355e মহত্ত্ব 0 12624 79874 78621 2026-04-23T03:47:38Z Oindrojalik Watch 4169 79874 wikitext text/x-wiki <div style="text-align: center; border: 2px dashed #f0ad4e; padding: 15px; background-color: #fcf8e3; margin-bottom: 20px;"> [[File:Under-Construction-Bulldozer.gif|355px]] <div style="font-weight: bold; font-size: 18px; color: #8a6d3b; margin-top: 10px;">UNDER CONSTRUCTION</div> <div style="font-size: 16px; color: #8a6d3b;">This page is currently being built by '''[https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:Oindrojalik_Watch Oindrojalik Watch]'''.</div> </div> [[File:James Anthony Froude by Sir George Reid.jpg|thumb|right|যা মানবিক গুণাবলি এবং মহত্ত্বকে সংজ্ঞায়িত করে, তা নিশ্চিতভাবেই মানুষের কেবল নিজ স্বার্থ চরিতার্থ করার প্রজ্ঞা নয়। বরং এটি হলো আত্মবিস্মৃতি এবং আত্মত্যাগ। এটি হলো ব্যক্তিগত সুখ, ভোগ-বিলাস কিংবা নিকট বা দূরবর্তী ব্যক্তিগত লাভের প্রতি অনীহা—কারণ অন্য কোনো আচরণের পথই অধিকতর ন্যায়সঙ্গত। ~ '''''[[:w:জেমস অ্যান্থনি ফ্রুড|জেমস অ্যান্থনি ফ্রুড]]''''']] [[File:Raffael 069.jpg|thumb|আমার মতে তারাই সবচেয়ে উত্তম জীবন অতিবাহিত করেন, যারা নিজেকে যথাসম্ভব ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে সচেষ্ট থাকেন। আর তাদের জীবনই সবচেয়ে আনন্দময় যারা সচেতন যে তাঁরা ক্রমশ গুণাবলিতে বিকশিত হচ্ছেন। ~ '''''[[:w:জেনোফন|জেনোফন]]''''']] [[File:Pico2.jpg|thumb|ইচ্ছাশক্তির আকাঙ্ক্ষা কোনো সাধারণ ভালোয় তৃপ্ত হয় না, যতক্ষণ পর্যন্ত আমরা বিশ্বাস করি যে এর বাইরেও আরও শ্রেষ্ঠ কিছু রয়েছে। তাই, ইচ্ছাশক্তি কেবল সেই পরম মঙ্গলের দ্বারাই সন্তুষ্ট হয় যার ঊর্ধ্বে আর কোনো কল্যাণ নেই। সেই পরম কল্যাণ অসীম ঈশ্বর ছাড়া আর কী-ই বা হতে পারে? ~ '''''[[:w:মার্সিলিও ফিচিনো|মার্সিলিও ফিচিনো]]''''']] [[File:1908РепинТолстой.JPG|thumb|গুণাবলি বা মঙ্গলের অন্বেষণে আমি ছিলাম একা, একদম একা। প্রতিবারই যখন আমি আমার অন্তরের গভীরতম আকুতি। অর্থাৎ নৈতিকভাবে ভালো হওয়ার ইচ্ছা ব্যক্ত করার চেষ্টা করেছি, তখনই আমাকে ঘৃণা ও অবজ্ঞার সম্মুখীন হতে হয়েছে; অথচ যেইমাত্র আমি নীচ লালসার কাছে নতি স্বীকার করেছি, তখনই আমাকে প্রশংসা ও উৎসাহ দেওয়া হয়েছে। ~ '''''[[:w:লিও তলস্তয়|লিও তলস্তয়]]''''']] [[File:Chapel of our Lady of the Rosary of Santi Giovanni e Paolo (Venice) - Isaiah by Vittoria.jpg|thumb|সৎ কাজ করতে শেখো। ন্যায়ের অন্বেষণ করো, নির্মমদের তিরস্কার করো, অনাথদের রক্ষা করো, বিধবাদের পক্ষে দাঁড়াও। ~ [[w:ঈসা|ঈসা]] ১:১৭]]'''[[:w:মহত্ত্ব|মহত্ত্ব]]''' বা '''[[:w:মঙ্গল|মঙ্গল]]''' বলতে এমন কিছু গুণাবলিকে বোঝায় যা কাঙ্ক্ষিত, সুস্থ বা যথাযথ; যা মূলত অনাকাঙ্ক্ষিত মন্দ, ক্ষতিকর কিংবা [[:w:পাপ|অশুভ]] গুণের বিপরীত। [[:w:ধর্ম|ধর্ম]], [[:w:নীতিশাস্ত্র|নীতিশাস্ত্র]], [[:w:দর্শন|দর্শন]] এবং [[:w:মনোবিজ্ঞান|মনোবিজ্ঞানে]] "[[:w:ভালো ও মন্দ|ভালো ও মন্দ]]" একটি অত্যন্ত সাধারণ [[:w:দ্বিবিভাজন|দ্বিবিভাজন]]। __NOTOC__ {{TOCalpha|''[[#Hoyt's New Cyclopedia Of Practical Quotations|হয়েট'স নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস]]'' · ''[[#Dictionary of Burning Words of Brilliant Writers (1895)|ডিকশনারি অফ বার্নিং ওয়ার্ডস অফ ব্রিলিয়ান্ট রাইটার্স]]''}} == A == * সেই [[:w:অসীম|অসীম]], যা থেকে আমাদের কর্ম জন্য উদ্দীপনা জন্মায়, তা কেবল সর্বোচ্চ মহত্ত্বই নয়, বরং মহত্ত্বের চেয়েও উচ্চতর কিছু। ** '''''ফেলিক্স অ্যাডলার''''', ''লাইফ অ্যান্ড ডেসটিনি'' (১৯১৩), বিভাগ ২: ধর্ম। * পৃথিবী কীভাবে সৃষ্টি হয়েছে তা আমরা জানি অথবা না-ই জানি, তাতে আমাদের কিছু আসে যায় না—সৎ কাজ সবসময়ই সৎ। ** '''''ফেলিক্স অ্যাডলার''''', ''লাইফ অ্যান্ড ডেসটিনি'' (১৯১৩), বিভাগ ৯: নৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি। * আমাদের অনুভব করা প্রয়োজন যে কোনো প্রচেষ্টাই কখনো বৃথা যায় না। মঙ্গলের পানে প্রতিটি সৎ পদক্ষেপই অবধারিতভাবে সার্থক এবং এই মহাবিশ্ব এক পরম লক্ষ্যের দিকেই ধাবিত হচ্ছে। আর এই বিশ্বাস অর্জনের কেবল একটিই পথ আছে। মঙ্গল বা শুভ, এর প্রকৃতি অনুধাবন করা সম্ভব নয় যদি আপনি এর থেকে দূরে দাঁড়িয়ে কেবল জল্পনা-কল্পনা করেন। মহত্ত্বকে যাপন করুন, তবেই আপনি এতে বিশ্বাস করতে পারবেন। জগতের কল্যাণমুখী ধারায় নিজেকে সঁপে দিন, তবেই আপনি এর স্রোতের শক্তি এবং অভিমুখ অনুভব করতে পারবেন। [...] সৎ জীবন যাপনের নিরন্তর প্রচেষ্টার মাধ্যমেই আমরা আমাদের নৈতিক সুস্থতা বজায় রাখি। বাইরে থেকে নয়, বরং ভেতর থেকেই সেই ঐশ্বরিক ধারা প্রবাহিত হয় যা আত্মাকে পুনরুজ্জীবিত করে। ** '''''ফেলিক্স অ্যাডলার''''', ''লাইফ অ্যান্ড ডেসটিনি'' (১৯১৩)। * আমি দেবদূতদের বিশ্বাস করি এবং বিশ্বাস করি যা কিছু দেখি তার মধ্যেই ভালো কিছু আছে। ** '''''বেনি অ্যান্ডারসন''''' এবং '''''বিয়র্ন উলভেয়াস''''', "[[:w:আই হ্যাভ এ ড্রিম (গান)|আই হ্যাভ এ ড্রিম]]", ব্র্যান্ড [[:w:আব্বা (ব্যান্ড)|আব্বা]]-র অ্যালবাম ''[[:w:ভুলে-ভু|ভুলে-ভু]]'' (১৯৭৯)। * মানুষের কর্ম পরিচালনা যদি আত্মার এমন এক [[w:সক্রিয়তাবাদ|সক্রিয়তা]] হয় যা কোনো [[w:যৌক্তিক_ইতিবাদ|যৌক্তিক নীতি]] অনুসরণ করে, এবং আমরা যদি মানুষের কাজকে এক বিশেষ ধরণের জীবন হিসেবে সংজ্ঞায়িত করি যা যৌক্তিক নীতিসম্পন্ন আত্মার ক্রিয়াকলাপের সমষ্টি এবং একজন ভালো মানুষের কাজ যদি হয় সেই কাজগুলোরই সৎ ও মহৎ সম্পাদন। যদি কোনো কাজ তখনই সুসম্পন্ন হয় যখন তা যথাযথ উৎকর্ষের সাথে সম্পাদিত হয়। যদি বিষয়টি এমনই হয়, তবে মানুষের জন্য পরম কল্যাণ হলো গুণের সাথে সামঞ্জস্য রেখে আত্মার সক্রিয়তা, আর যদি গুণ একাধিক হয়, তবে শ্রেষ্ঠ ও পূর্ণাঙ্গ গুণের সাথে সংগতিপূর্ণ সক্রিয়তাই কাম্য। ** '''''[[:w:অ্যারিস্টটল|অ্যারিস্টটল]]''''', ''নিকোমেকিয়ান এথিক্স'', বই ১, অধ্যায় ৭। == B == * মানুষ কখনোই ভালো ছিল না, তারা ভালো নয় এবং তারা হয়তো কখনোই ভালো হবে না। ** '''''কার্ল বার্থ''''', ''টাইম'' (১২ এপ্রিল ১৯৫৪)। * ভালো (বিশেষণ): হে মহোদয়, বর্তমান লেখকের যোগ্যতার বিষয়ে সচেতন হোন। হে মহাশয়, তাঁকে একা থাকতে দেওয়ার সুবিধার বিষয়ে সজাগ থাকুন। ** '''''অ্যামব্রোস বিয়ার্স''''', ''দ্য সিনিক'স ওয়ার্ড বুক'' (১৯০৬); ''দ্য ডেভিল'স ডিকশনারি'' (১৯১১) নামে পুনর্প্রকাশিত। * যে অন্যের মঙ্গল করতে চায়, তাকে তা করতে হবে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র খুঁটিনাটি বিষয়ের মাধ্যমে। সাধারণ বা সামগ্রিক মঙ্গলের বুলি হলো বদমাশ, ভণ্ড এবং চাটুকারদের অজুহাত। কারণ শিল্প ও বিজ্ঞান কেবল সূক্ষ্মভাবে সুসংগঠিত খুঁটিনাটি বিষয়ের মাধ্যমেই টিকে থাকতে পারে। ** '''''উইলিয়াম ব্ল্যাক''''', ''[[:w:জেরুজালেম দ্য ইমানেশন অফ দ্য জায়ান্ট অ্যালবিয়ন|জেরুজালেম দ্য ইমানেশন অফ দ্য জায়ান্ট অ্যালবিয়ন]]'' (১৮০৩-১৮২০)। * মহত্ত্ব ততক্ষণই সুন্দর যতক্ষণ তা সঠিক পরিমাপ, সামগ্রিক ভারসাম্য এবং গুণের সুনির্দিষ্ট নিয়ম দ্বারা প্রতিষ্ঠিত মধ্যপন্থা বা ছন্দিক বৈশিষ্ট্য দ্বারা পরিচালিত হয়। ** '''''রেমো বোদেই''''', ''লে ফর্মে ডেল বেলো'' (২০১৭)। * ভালো কিছু করার ক্ষমতা আমাদের সবারই আছে; এবং আমাদের যতটুকু [[:w:ক্ষমতা|ক্ষমতা]] আছে। তা যতই সামান্য হোক না কেন—যদি আমরা তার সবটুকু দিয়ে চেষ্টা করি, তবে আমরা আমাদের ভূমিকা পালন করেছি। আর আমরা হয়তো সেই সব ব্যক্তিদের মতোই পূর্ণতার কাছাকাছি পৌঁছাতে পারব যাদের প্রভাব রাজ্যজুড়ে বিস্তৃত এবং যাদের সৎ কাজ হাজার হাজার মানুষের কাছে প্রশংসিত। ** '''''জেন বাউডলার''''', ''অন ক্রিশ্চিয়ান পারফেকশন''। * আমাদের বাড়িটি কত বড় ছিল তা গুরুত্বপূর্ণ ছিল না; গুরুত্বপূর্ণ ছিল এতে ভালোবাসা ছিল কি না। আমাদের পাড়াটি ধনী না অন্য কিছু ছিল তাতে কিছু যায় আসত না; গুরুত্বপূর্ণ ছিল প্রতিবেশীরা একে অপরের সাথে কথা বলত কি না, একে অপরের খেয়াল রাখত কি না। যে মহানুভবতা আমাকে মানুষের ওপর এবং এই পৃথিবীর মৌলিক মহত্ত্বের ওপর বিশ্বাস রাখতে শিখিয়েছিল, তা ডলারে পরিমাপ করা সম্ভব ছিল না। বরং তার মূল্য পরিশোধ করা হতো আলিঙ্গন, আইসক্রিম কোণ এবং বাড়ির কাজে সাহায্যের মাধ্যমে। ** '''''[[:w:পিটার বাফেট|পিটার বাফেট]]''''', {{cite book|url=https://books.google.com/books?id=a1537l253csC&pg=PA12|title = লাইফ ইজ হোয়াট ইউ মেক ইট|isbn = 9780307464729|year = 2011}} == C == * আমরা কি এমন কোনো সম্মোহিত অবস্থায় পড়েছি যা আমাদের নিকৃষ্ট বা ক্ষতিকর বিষয়গুলোকে অনিবার্য হিসেবে মেনে নিতে বাধ্য করছে? যেন আমরা সেই ভালো বা মঙ্গলের দাবি জানানোর ইচ্ছা কিংবা দূরদৃষ্টি, উভয়ই হারিয়ে ফেলেছি? ** '''''[[:w:র‍্যাচেল কারসন|র‍্যাচেল কারসন]]''''' সাইলেন্ট স্প্রিং (১৯৬২) * মহত্ত্ব সব সময়ই একটি সম্পদ। একজন মানুষ যিনি সৎ, বন্ধুসুলভ এবং পরোপকারী, তিনি হয়তো কখনোই বিখ্যাত হবেন না, কিন্তু যারা তাঁকে চেনেন তাঁরা সবাই তাঁকে শ্রদ্ধা করবেন এবং পছন্দ করবেন। তিনি সাফল্যের জন্য একটি মজবুত ভিত্তি স্থাপন করেছেন এবং তিনি একটি সার্থকময় জীবন অতিবাহিত করবেন। ** '''''হারবার্ট এন. ক্যাসন''''' ইন: ''ফোর্বস'' (১৯৪৮). পৃ. ৪২. * কেউ কি ভালো জিনিসের আকাঙ্ক্ষা খুব বেশি করতে পারে? ** '''''মিগুয়েল ডি সেরভান্তেস''''', ''ডন কিহোতে'' (১৬০৫-১৫), পার্ট I, বুক I, চ্যাপ্টার VI.// '''''[[:w:উইলিয়াম শেক্সপিয়র|উইলিয়াম শেক্সপিয়র]]''''', ''অ্যাজ ইউ লাইক ইট'', অ্যাক্ট IV, সিন ১, লাইন ১২৩. * যে ব্যক্তি পরম কল্যাণকে এমনভাবে ব্যাখ্যা করে যা তাকে গুণ বা পুণ্য থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেয়, এবং যা ন্যায়ের মানদণ্ড দিয়ে নয় বরং নিজের সুবিধার মাপকাঠিতে পরিমাপ করে। আমি বলি, সে যদি নিজের দর্শনে অটল থাকে এবং মাঝেমধ্যে তার সহজাত মহত্ত্বের কাছে পরাজিত না হয়, তবে সে বন্ধুত্ব, ন্যায়বিচার কিংবা উদারতা—কোনোটিরই চর্চা করতে পারবে না। ** '''''[[:w:সিসেরো|সিসেরো]]''''', ''ডি অফিসিস'' * অধিকাংশ মানুষই মন্দ। তারা শক্তিশালী হলে [[:w:দুর্বল|দুর্বলদের]] কাছ থেকে কেড়ে নেয়। ভালো মানুষরা সবাই দুর্বল; তারা ভালো কারণ তারা মন্দ হওয়ার মতো যথেষ্ট শক্তিশালী নয়। ** '''''কমোরো''''', উত্তর উগান্ডার একজন প্রধান, অভিযাত্রী '''''[[:w:স্যামুয়েল বেকার|স্যামুয়েল বেকার]]'''''-এর সাথে আলাপকালে ১৮৬৪ সালে। [http://www.gutenberg.org/dirs/etext02/ithoa10.txt ''ইন দ্য হার্ট অফ আফ্রিকা''.] চ্যাপ্টার, XVI. * কত সাধারণ আনন্দ থেকে আমি নিজেকে বঞ্চিত করেছি, কারণ আমি ভেবেছিলাম সেটাই বোধহয় মহত্ত্ব। আমি কতটা বোকা ছিলাম যে এটি একেবারে অন্য কিছু। তা উপলব্ধি করতে আমার পৃথিবীর শেষ দিন পর্যন্ত সময় লেগে গেল। ** '''''[[:w:কেটি কয়েল|কেটি কয়েল]]''''', ''ভিভিয়ান অ্যাপল নিডস এ মিরাকল'' (২০১৪), <small> {{ISBN|978-0-544-39042-3}}, </small> পৃ. ১৮০ * যারা সব সময় ভালো করতে ঘুরে বেড়ায়, তাদের মতো এতো বেশি ক্ষতি আর কেউ করে না। ** '''''ম্যান্ডেল ক্রাইটন''''', [[:w:লুইস ক্রাইটন|লুইস ক্রাইটন]] কর্তৃক উদ্ধৃত, ''লাইফ অ্যান্ড লেটারস অফ ম্যান্ডেল ক্রাইটন'', [http://books.google.com/books?id=XFrIeWud0_wC&q=%22no+people+do+so+much+harm+as+those+who+go+about+doing+good%22&pg=PA501#v=onepage ভলিউম. ২]. (১৯০৫) * আজ আমাকে এমনকি আমার [[w:একে-৪৭|এ.কে. ৪৭]] রাইফেল ব্যবহার করতে হয়নি আমাকে বলতেই হচ্ছে যে দিনটি একটি শুভ দিন ছিল। ** '''''[[:w:আইস কিউব|আইস কিউব]]''''', ''[[:w:ইট ওয়াজ এ গুড ডে|ইট ওয়াজ এ গুড ডে]]'', ''[[:w:দ্য প্রেডেটর (১৯৯২ অ্যালবাম)|দ্য প্রেডেটর]]'' অ্যালবাম থেকে, (ফেব্রুয়ারি ২৩, ১৯৯২). == D == * নিশ্চয়ই মহত্ত্ব এবং [[:w:করুণা|করুণা]] আমার [[:w:জীবন|জীবনের]] প্রতিটি দিন আমাকে অনুসরণ করবে এবং আমি চিরকাল প্রভুর গৃহে বসবাস করব। ** '''''[[w:দাউদ|দাউদ]]''''', [[:w:সামসংহিতা|সামসংহিতা]] ২৩:৬. == E == * কেবল সেই সামান্য সংখ্যক মানুষই মহত্ত্বে বিশ্বাস করেন যারা নিজেরা এটি চর্চা করেন। ** '''''মারি ফন এবনার-এশেনবাখ''''', ''অ্যাফোরিজমস'', ডি. স্ক্রেস এবং ডব্লিউ. মিডারের অনুবাদ. (রিভারসাইড, ক্যালিফোর্নিয়া: ১৯৯৪), পৃ. ২৯. * যাকে প্রকৃত মানুষ হতে হবে, তাকে অবশ্যই প্রচলিত প্রথার অবাধ্য হতে হবে ... মহত্ত্ব নামের দ্বারা সে যেন বাধাগ্রস্ত না হয়, বরং তাকে অন্বেষণ করতে হবে তা আদেও মহত্ত্ব কি না। ** '''''[[:w:র‍্যালফ ওয়াল্ডো এমারসন|র‍্যালফ ওয়াল্ডো এমারসন]]''''', “সেলফ-রিলায়েন্স,” ''এসেস: ফার্স্ট সিরিজ'' (১৮৮৩), পৃ. ৫১-৫২. == F == * মানুষের ইচ্ছাশক্তির আকাঙ্ক্ষা কোনো সাধারণ পার্থিব মঙ্গল বা ভালোয় তৃপ্ত হয় না, যতক্ষণ পর্যন্ত আমরা মনে করি যে এর বাইরেও আরও শ্রেষ্ঠ কিছু পাওয়ার সম্ভাবনা অবশিষ্ট রয়েছে। তাই, মানুষের এই ইচ্ছাশক্তি কেবল সেই একটি পরম মঙ্গলের দ্বারাই পরিপূর্ণতা লাভ করে, যার ঊর্ধ্বে আর কোনো উচ্চতর কল্যাণ থাকা সম্ভব নয়। এই পরম মঙ্গল আসলে সেই অসীম ও সীমাহীন ঈশ্বর ছাড়া আর কী-ই বা হতে পারে? ** '''''মারসিলিও ফিচিনো''''', ''ফাইভ কোয়েশ্চেনস কনসার্নিং দ্য মাইন্ড'' (১৪৯৫), জে. এল. বারোজ কর্তৃক অনূদিত, ''দ্য রেনেসাঁ ফিলোসফি অফ ম্যান'' (১৯৪৮) গ্রন্থে, পৃ. ২০১ * যা মূলত একজন উচ্চস্তরের মানুষকে নিম্নস্তরের মানুষ থেকে বিশেষভাবে পৃথক করে দেয়; যা মানবিক মহত্ত্ব এবং মানুষের আভিজাত্যকে সংজ্ঞায়িত করে। তা নিশ্চিতভাবেই কেবল সেই প্রজ্ঞা বা জ্ঞানের মাত্রা নয় যার মাধ্যমে মানুষ নিজের ব্যক্তিগত লাভের অন্বেষণ করে। বরং এটি হলো আত্মবিস্মৃতি এবং নিঃস্বার্থ আত্মত্যাগ। এটি হলো ব্যক্তিগত সুখ, ইন্দ্রিয়বিলাস কিংবা বর্তমান বা ভবিষ্যতের ব্যক্তিগত লাভের প্রতি চরম অনীহা। কারণ অন্য কোনো আচরণের পথই নৈতিকভাবে অধিকতর ন্যায়সঙ্গত ও সঠিক। ** '''''জেমস অ্যান্থনি ফ্রুড''''', ''শর্ট স্টাডিজ অন গ্রেট সাবজেক্টস'' (১৯০৭), পৃ. ১৯ == G == * কেবল মধ্যম সারির লোকেরাই সর্বদা তাদের সম্ভাব্য শ্রেষ্ঠ রূপটি বজায় রাখতে পারে। ** জিন জিরাডক্স, [[:w:ভিক্টোরিয়া প্রিন্সিপাল|ভিক্টোরিয়া প্রিন্সিপালের]] ''দ্য বিউটি প্রিন্সিপাল'' (১৯৮৪) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ১১৭ * আমি এই [[:w:পৃথিবী|পৃথিবী]] দিয়ে কেবল একবারই যাওয়ার প্রত্যাশা করি। অতএব, আমি যদি কোনো মহৎ কাজ করতে পারি কিংবা কোনো সহজীবীর প্রতি কোনো [[:w:দয়া|দয়া]] বা সহানুভূতি প্রদর্শন করতে পারি, তবে তা এখনই করতে দেওয়া হোক। আমি যেন তা স্থগিত না করি কিংবা অবহেলায় এড়িয়ে না যাই, কারণ আমি এই পথ দিয়ে পুনরায় আর কখনো ফিরে আসব না। ** '''''স্টিফেন গ্রেললেটের''''' প্রতি আরোপিত। এই উক্তির বিভিন্ন পাঠ অন্তত ১৮৬৯ সাল থেকে Quaker বা কোয়েকার প্রবচন হিসেবে ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয়ে আসছে এবং অন্তত ১৮৯৩ সাল থেকে গ্রেললেটের নাম এর সাথে যুক্ত হয়েছে। ডব্লিউ. গার্নি বেনহ্যাম তাঁর ''বেনহ্যাম'স বুক অফ কোটেশনস, প্রভার্বস, অ্যান্ড হাউসহোল্ড ওয়ার্ডস'' (১৯০৭) গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন যে, যদিও এটি মাঝেমধ্যে অন্যদের প্রতিও আরোপিত হয়, তবে "স্টিফেন গ্রেললেটের লেখক হওয়ার সপক্ষে কিছু প্রমাণ রয়েছে, যদিও তাঁর কোনো মুদ্রিত গ্রন্থে এই অংশটি পাওয়া যায় না।" এটি অন্তত ১৮৫৯ সালের দিকে একটি [[:w:অজ্ঞাত|অজ্ঞাতনামা]] [[:w:প্রবাদ|প্রবাদ]] হিসেবে প্রকাশিত হয়েছিল বলে মনে করা হয়, যখন এটি 'হাউসহোল্ড ওয়ার্ডস: এ উইকলি জার্নাল'-এ আবির্ভূত হয়। == I == * সৎ কাজ করতে শেখো। ন্যায়ের অন্বেষণ করো, যারা নির্মম তাদের তিরস্কার করো, অনাথদের অধিকার রক্ষা করো এবং বিধবাদের পক্ষে লড়াই করো। ** [[w:ঈসা|ঈসা]] ১:১৭ == K == * এটি বেশ স্বাভাবিক যে আধুনিক নাটকে মন্দ বা অশুভ শক্তিকে সর্বদা উজ্জ্বলতম প্রতিভা বা মেধার মাধ্যমে উপস্থাপন করা হয়; আর যা ভালো কিংবা সৎ, তাকে তুলে ধরা হয় অতি সাধারণ একজন মুদি দোকানের কর্মচারীর মাধ্যমে। দর্শকরা একে একটি স্বাভাবিক ব্যাপার হিসেবেই গ্রহণ করেন এবং নাটক থেকে তারা আগে থেকেই যা জানতেন সেটিই নতুন করে শেখেন যে—নিজেদের একজন মুদি কর্মচারীর কাতারে নিয়ে যাওয়াটা আসলে তাঁদের মর্যাদার অনেক নিচে। ** সোরেন কিয়ের্কেগার্ড, ''আইদার/অর'', পার্ট II, সোয়েনসন ১৯৪৪, ১৯৭১ পৃ. ২৩২ * আমরা নিজেদের ভালো-মন্দের বিচারক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করি, যদিও আমাদের মহত্ত্বের মানদণ্ডগুলো প্রায়ই আমাদের সংকীর্ণ স্বার্থ এবং আমাদের ব্যক্তিগত চাওয়া-পাওয়ার দ্বারা পরিচালিত হয়। ** '''''রবিন ওয়াল কিমারার''''', {{cite book |title=[[:w:ব্রেডিং সুইটগ্রাস|ব্রেডিং সুইটগ্রাস]]: ইনডিজেনাস উইজডম, সায়েন্টিফিক নলেজ অ্যান্ড দ্য টিচিংস অফ প্ল্যান্টস |date=১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ |publisher=মিল্কউইড এডিশনস |isbn=978-1-57131-871-8 |page=৯২}} == L == * আমি এ যাবৎকাল পর্যন্ত যত প্রকার আনন্দের কথা জানি, তার মধ্যে শ্রেষ্ঠতম হলো—গোপনে কোনো মহৎ কাজ বা ভালো কাজ করা এবং ঘটনাক্রমে সেটি অন্য কারো কাছে জানাজানি হয়ে যাওয়া। ** '''''[[:w:চার্লস ল্যাম্ব|চার্লস ল্যাম্ব]]''''', ''[[:w:অ্যাথেনিয়াম (সাময়িকী)|দ্য অ্যাথেনিয়াম]]'' ম্যাগাজিনের (৪ জানুয়ারি ১৮৩৪) "টেবিল টক"-এ [http://books.google.com/books?id=LIxUAAAAcAAJ&q=%22greatest+pleasure+I+know+is+to+do+a+good+action+by+stealth+and+to+have+it+found+out+by+accident%22&pg=PA14#v=onepage উদ্ধৃত]। * মহত্ত্ব বা ধার্মিকতা মানুষকে যতটা নিশ্চিতভাবে সুখী করে তোলে, সুখ মানুষকে তার চেয়ে কোনো অংশে কম নিশ্চিতভাবে মহৎ বা ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তোলে না। ** '''''[[:w:ওয়াল্টার সেভেজ ল্যান্ডর|ওয়াল্টার সেভেজ ল্যান্ডর]]''''', ''ইমাজিনারি কনভারসেশনস'', 'লর্ড ব্রুক অ্যান্ড স্যার ফিলিপ সিডনি' (১৮২৪-১৮২৯) * মন্দ বা খারাপ মানুষেরা হয়তো মাঝেমধ্যে ভালো কাজ ‘করতে’ পারে—কিন্তু কেবলমাত্র যারা প্রকৃতপক্ষে ভালো, তারাই সত্যিকার অর্থে ভালো হয়ে ‘উঠতে’ পারে। ** '''''[[:w:ইয়োহান কাসপার লাভাটার|ইয়োহান কাসপার লাভাটার]]''''', অ্যাফোরিজম ৩৬২, হেনরি ফুসেলি কর্তৃক অনূদিত ''অ্যাফোরিজমস অন ম্যান''-এ (লন্ডন: জে. জনসন, ১৭৮৮) * বিশ্বের সমস্ত স্বৈরশাসনের মধ্যে, সেই [[:w:স্বৈরাচার|স্বৈরাচারী শাসন]] যা আন্তরিকভাবে তার ভুক্তভোগীদের মঙ্গলের দোহাই দিয়ে পরিচালিত হয়, সেটিই হয়তো সবচেয়ে বেশি নিপীড়নমূলক হতে পারে। সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী নৈতিক মোড়লদের অধীনে থাকার চেয়ে দস্যু-সামন্তদের অধীনে বসবাস করা অনেক বেশি শ্রেয়। কারণ দস্যু-সামন্তদের নিষ্ঠুরতা হয়তো কোনো কোনো সময় শান্ত থাকে, কিংবা তাদের লালসা কোনো এক পর্যায়ে গিয়ে হয়তো চরিতার্থ হতে পারে; কিন্তু যারা আমাদের নিজেদের ভালোর কথা বলে আমাদের যন্ত্রণা দেয়, তারা বিরামহীনভাবে আমাদের ওপর নির্যাতন চালিয়ে যাবে—কারণ তারা তাদের নিজেদের বিবেকের অনুমোদন নিয়েই সেটি করে। এমন হতে পারে যে তাদের স্বর্গে যাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি, কিন্তু একই সাথে তাদের এই কর্মকাণ্ডের ফলে তারা [[:w:পৃথিবী|পৃথিবীটাকে]] [[:w:নরক|নরকে]] পরিণত করার প্রবল সম্ভাবনাও রাখে। এই তথাকথিত দয়া বা মহানুভবতা আসলে অসহ্য অপমানের মতো হুল ফোটায়। একজনের ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাকে "সুস্থ" করে তোলা এবং এমন সব অবস্থা থেকে তাকে মুক্তি দেওয়া যাকে হয়তো সে নিজে রোগ বলেই গণ্য করে না—তার মানে হলো সেই ব্যক্তিকে এমন এক স্তরে নামিয়ে দেওয়া যেখানে যারা এখনও [[:w:যুক্তি|যৌক্তিক জ্ঞান]] সম্পন্ন হওয়ার বয়সে পৌঁছায়নি কিংবা যারা কোনোদিনই পৌঁছাতে পারবে না, তাদের রাখা হয়; অর্থাৎ শিশু, নির্বোধ কিংবা গৃহপালিত পশুর কাতারে তাকে অন্তর্ভুক্ত করা। ** '''''[[:w:সি. এস. লিউইস|সি. এস. লিউইস]]''''', "গড ইন দ্য ডক" (১৯৪৮)-এ। * কিছু [[:w:মানুষ|মানুষ]] এমনভাবে কথা বলে যেন পরম মহত্ত্বের মুখোমুখি হওয়াটা হবে একটি দারুণ আনন্দদায়ক বা [[:w:মজা|মজার]] ব্যাপার। তাঁদের এই বিষয়ে পুনরায় গভীরভাবে ভাবা দরকার। তাঁরা আসলে এখনও [[:w:ধর্ম|ধর্ম]] নিয়ে কেবল ছেলেখেলাই করছেন। মহত্ত্ব হয় পরম নিরাপত্তার আশ্রয়, নয়তো চরম এক [[:w:বিপদ|বিপদ]]—আর এটি সম্পূর্ণ নির্ভর করে আপনি এর প্রতি ঠিক কীভাবে সাড়া দিচ্ছেন বা প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছেন তার ওপর। ** '''''[[:w:সি. এস. লিউইস|সি. এস. লিউইস]]''''', ''[[:w:মেয়ার খ্রিস্টানিটি|মেয়ার খ্রিস্টানিটি]]'' (১৯৫২)। == M == * তাঁর এই সিদ্ধান্তহীনতা মূলত মানুষের একটি মৌলিক চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছিল—তিনি একজন ভালো মানুষ বা সৎ মানুষ হতে চেয়েছিলেন, কিন্তু আসলে 'ভালো' বলতে ঠিক কী বোঝায়? ** ডব্লিউ. ম্যাকফারলেন, ''২২০—অ্যাডভান্সড ফিল্ড এক্সপ্লোরেশন,'' [https://en.wikipedia.org/wiki/Galaxy_Science_Fiction গ্যালাক্সি সায়েন্স ফিকশন]-এ, মার্চ ১৯৭২, পৃ. ৫৯ * লজ্জিত ও কুণ্ঠিত হয়ে সেই [[:w:শয়তান|শয়তান]] থমকে দাঁড়াল, এবং সে অনুভব করল যে মহত্ত্ব কতটা বিস্ময়কর ও গম্ভীর হতে পারে; সে দেখল [[:w:পুণ্য|পুণ্য]] তার স্বরূপে কতটাই না লাবণ্যময়ী। —সে দেখল, এবং নিজের চিরস্থায়ী [[:w:ক্ষতি|ক্ষতির]] গ্লানিতে দগ্ধ হতে লাগল। ** '''''[[:w:জন মিলটন|জন মিলটন]]''''', ''[[:w:প্যারাডাইস লস্ট|প্যারাডাইস লস্ট]]'', বুক IV, লাইন ৮৪৬-৮৪৮ (১৬৬৭, ১৬৭৪)। * যার কাছে মহত্ত্বের কোনো বিজ্ঞান বা প্রকৃত জ্ঞান নেই, তার জন্য অন্য সব ধরণের জ্ঞানই মূলত ক্ষতিকর বা অনিষ্টকর। ** '''''[[:w:মিশেল দ্য মঁতেন|মঁতেন]]''''', ''এসেস'', এম. স্ক্রিচ কর্তৃক অনূদিত (১৯৯১), বুক I, অধ্যায় ২৫, “অন স্কুলমাস্টারস লার্নিং,” পৃ. ১৫৯ == P == * [[:wikt:pneuma|পবিত্র আত্মার]] ফল হলো [[:w:আগাপে|প্রেম]], [[:wikt:chara|আনন্দ]], [[:wikt:eirene|শান্তি]], ধৈর্য, দয়া, [[:wikt:agathosune|মহত্ত্ব]], বিশ্বস্ততা, নম্রতা এবং [[:w:এঙ্ক্রাটিয়া|আত্মসংযম]]। ** '''''[[:w:তারসাসের পৌল|তারসাসের পৌল]]''''', [[:w:গালাতীয়দের প্রতি পত্র|গালাতীয়]] ৫:২২-২৩ [[:w:ইংলিশ স্ট্যান্ডার্ড ভার্সন|ESV]] * আমরা অন্য মানুষের প্রতি এতটাই কম গুরুত্ব দেই বা ভ্রুক্ষেপ করি যে, এমনকি [[:w:খ্রিস্টধর্ম|খ্রিস্টধর্মও]] আমাদের কেবল [[:w:ঈশ্বর|ঈশ্বরের]] প্রতি ভালোবাসার খাতিরেই ভালো কাজ বা সৎ কাজ করার জন্য তাগিদ দেয়। ** '''''[[:w:সিজার পাভেসে|সিজার পাভেসে]]''''', ''দিস বিজনেস অফ লিভিং'', ৮ জুলাই ১৯৩৮ * যে ব্যক্তি কেবল মহত্ত্বের খাতিরেই ভালো কাজ বা সৎ কাজ করেন, তিনি কোনো প্রকার [[:w:প্রশংসা|প্রশংসা]] কিংবা [[:w:পুরস্কার|পুরস্কারের]] প্রত্যাশা করেন না; যদিও শেষ পর্যন্ত এই উভয়ই তাঁর জন্য অবধারিত বা নিশ্চিত হয়ে দাঁড়ায়। ** '''''[[:w:উইলিয়াম পেন|উইলিয়াম পেন]]''''', ''সাম ফ্রুটস অফ সলিটিউড ইন রিফ্লেকশনস অ্যান্ড ম্যাক্সিমস'' (১৬৮২) নং. ৪৪১. * এটি মোটেও বিস্ময়ের কোনো বিষয় নয় যে, ভালো মানুষদের বিশাল কোনো জনসমাবেশ বা ভিড়ের মধ্যে দলবদ্ধভাবে দেখা যায় না। প্রথমত, কারণ প্রকৃত মহত্ত্বের উদাহরণ বা নিদর্শনগুলো অত্যন্ত বিরল; দ্বিতীয়ত, কারণ তাঁরা বিচারবুদ্ধিহীন সাধারণ মানুষের বিশাল ভিড় এড়িয়ে চলেন এবং প্রকৃতির প্রদর্শিত সত্যগুলো নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা করার জন্য নিজেদের অবসর বা নির্জনতায় নিয়োজিত রাখেন। ** '''''[[:w:ফিলো|ফিলো]]''''', ''এভরি গুড ম্যান ইজ ফ্রি'', ৬৩ * অ্যান্টিওকাস তাঁর নিজের লেখা এবং বলা সমস্ত কথা বিস্মৃত হয়ে টলেমির বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, যা দেখে মনে হয় সিমোনিডেসের সেই উক্তিটি অত্যন্ত সত্য: "মহৎ হওয়া কঠিন।" প্রকৃতপক্ষে সম্মানজনকভাবে কাজ করার মানসিকতা রাখা এবং একটি নির্দিষ্ট পর্যায় পর্যন্ত তার জন্য প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়া সহজ হতে পারে; কিন্তু সব সময় সঙ্গতি বজায় রাখা এবং প্রতিটি পরিস্থিতিতে নিজের সংকল্পে অবিচল থাকা—যেখানে ন্যায়বিচার ও সম্মান ছাড়া অন্য কোনো কিছুকেই অধিকতর গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হবে না—তা সত্যিই অত্যন্ত কঠিন ও দুরূহ কাজ। ** '''''[[:w:পলিবিউস|পলিবিউস]]''''', ''হিস্টোরিস'', বুক ২৯ চ্যাপ্টার ২৬ * গোপনে কোনো ভালো কাজ বা পুণ্য কর্ম করো, এবং সেই কর্মটি যখন [[:w:খ্যাতি|খ্যাতি]] অর্জন করবে, তখন তা দেখে লজ্জায় আরক্তিম বা কুণ্ঠিত হয়ে পড়ো। ** '''''[[:w:অ্যালজান্ডার পোপ|অ্যালজান্ডার পোপ]]''''', ''এপিলোগ টু দ্য স্যাটায়ারস'' ডায়ালগ I লাইন ১৩৬. * মহত্ত্বের ভাষা বা রূপ যত বেশি চতুরতার সাথে ধারণ করা হয়, তার অন্তরালে লুকিয়ে থাকা নৈতিক অধঃপতন বা কলুষতা ততটাই ভয়াবহ ও চরম হয়ে থাকে। ** '''''পাব্লিয়াস সাইরাস''''', ''দ্য মোরাল সেইংস অফ পাব্লিয়াস সাইরাস'' (১৮৫৬), # ১১৪ == Q == [[File:Flickr - The U.S. Army - Operation Good Heart.jpg|thumb|সৎ কাজ করো; নিশ্চয়ই, [[:w:আল্লাহ|আল্লাহ]] সেই সব [[:w:মানুষ|মানুষদের]] [[:w:ভালোবাসা|ভালোবাসেন]] যারা ভালো কাজ বা সৎ [[:w:কর্ম|কর্ম]] সম্পাদন করে। ~ [[:w:কুরআন|কুরআন]]]] * আর তোমরা [[:w:আল্লাহ|আল্লাহর]] পথে [[:w:দান|ব্যয়]] করো এবং (ব্যয় করা থেকে বিরত থেকে) নিজেদের [[:w:হাত|হাত]] দিয়ে নিজেদেরকে [[:w:ধ্বংস|ধ্বংসের]] মুখে ঠেলে দিও না। আর '''তোমরা সৎ কাজ করো; নিশ্চয়ই, আল্লাহ সৎকর্মশীলদের ভালোবাসেন।''' ** অন্যান্য অনুবাদ: ''তোমরা সৎকর্মকারী হও; আল্লাহ সৎকর্মশীলদের ভালোবাসেন''। ''সৎ কাজ করো (অন্যের প্রতি); নিশ্চয়ই আল্লাহ সৎকর্ম সম্পাদনকারীদের ভালোবাসেন''। ** [[:w:কুরআন|কুরআন]], [[:w:আল-ইমরান|২]]:১৯৫ * নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁদের সাথেই আছেন যারা [[:w:তাকওয়া|তাঁকে ভয় করে]] এবং যারা সৎ কাজ বা মহৎ কর্ম সম্পাদন করে। ** [[:w:কুরআন|কুরআন]] ১৬:১২৮ * যখন অপরাহ্নে তাঁর সামনে দ্রুতগামী ও [[:w:অভিজাত|অভিজাত]] ঘোড়াগুলো প্রদর্শন করা হলো, তখন [[:w:সুলাইমান (আ.)|সুলাইমান]] বললেন: '''"আমি আমার [[:w:প্রতিপালক|প্রতিপালকের]] [[:w:স্মরণ|স্মরণ]] অপেক্ষা ভালো [[:w:বস্তু|জিনিসগুলোর]] ভালোবাসাকেই অগ্রাধিকার দিয়েছি, যতক্ষণ না (সূর্য) পর্দার আড়ালে বা দিগন্তে ঢলে পড়ল।"''' ** [[:w:কুরআন|কুরআন]], ৩৮:৩১ - ৩৮:৩২ * তবে এটি কেবল তাদেরকেই দান করা হয় যারা [[:w:ধৈর্য|ধৈর্য]] ধারণ করে, এবং এটি তাকেই প্রদান করা হয় যে (মঙ্গলের) এক [[:w:বিশাল|বিশাল]] অংশের অধিকারী। ** [[:w:কুরআন|কুরআন]] ৪১:৩৫ * ভালো বা মহৎ কাজের [[:w:পুরস্কার|পুরস্কার]] কি ভালো ছাড়া অন্য কিছু হতে পারে? ** [[:w:কুরআন|কুরআন]] ৫৫:৬০ == S == [[File:Licius Anneus Seneque (BM 1879,1213.294).jpg|thumb|right|যা সম্মানজনক ও ন্যায়নিষ্ঠ কেবল সেটিই হলো প্রকৃত মঙ্গল; অন্য সব ধরণের ভালো বা মঙ্গল আসলে সংমিশ্রিত এবং হীন। ~ '''''[[:w:লুসিয়াস আনিউস সেনেকা|কনিষ্ঠ সেনেকা]]''''' ]] * এই পরম কল্যাণের প্রকৃতি অনুধাবন করার জন্য অনেক বেশি শব্দ কিংবা কোনো ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে দীর্ঘ আলোচনার প্রয়োজন নেই; এটিকে যেন তর্জনী দিয়ে নির্দেশ করা যায় এবং একে অনেকগুলো অংশে বিভক্ত করে ছড়িয়ে ফেলার কোনো প্রয়োজন নেই। কারণ একে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশে ভেঙে ফেলার মধ্যে কী-ই বা স্বার্থকতা আছে, যখন আপনি বলতে পারেন: পরম কল্যাণ হলো তা-ই যা সম্মানজনক ও ন্যায়নিষ্ঠ? এছাড়া (এবং আপনি এতে আরও বেশি বিস্মিত হতে পারেন), '''যা সম্মানজনক তা-ই হলো একমাত্র মঙ্গল; অন্য সকল প্রকার ভালো বা মঙ্গল আসলে সংমিশ্রিত এবং হীন। আপনি যদি একবার নিজেকে এই সত্যে আশ্বস্ত করতে পারেন এবং যদি গুণ বা পুণ্যকে একনিষ্ঠভাবে ভালোবাসতে পারেন (কারণ কেবল ভালোবাসা বা পছন্দ করাই যথেষ্ট নয়), তবে সেই গুণের সংস্পর্শে আসা যেকোনো কিছুই আপনার জন্য আশীর্বাদ ও সমৃদ্ধি বয়ে আনবে, অন্যেরা তাকে যেভাবেই বিচার করুক না কেন। নির্যাতনও আপনার কাছে মঙ্গলময় হয়ে উঠবে যদি যন্ত্রণার মধ্যে শুয়েও আপনি আপনার অত্যাচারীর চেয়ে মানসিকভাবে অধিকতর শান্ত থাকতে পারেন; অসুস্থতাও মঙ্গলে রূপ নেবে যদি আপনি আপনার ভাগ্যকে অভিশাপ না দেন এবং ব্যাধির কাছে নতি স্বীকার না করেন—সংক্ষেপে, অন্যেরা যে বিষয়গুলোকে অশুভ বা মন্দ বলে মনে করে, সেগুলি সবই নিয়ন্ত্রণযোগ্য হবে এবং শেষ পর্যন্ত মঙ্গলে পর্যবসিত হবে, যদি আপনি সেগুলির ঊর্ধ্বে আরোহণ করতে সফল হন।''' ** '''''[[:w:লুসিয়াস আনিউস সেনেকা|কনিষ্ঠ সেনেকা]]''''', এপিস্টল LXXI. ইন: সেনেকা, এপিস্টলস, ভলিউম II: এপিস্টলস ৬৬-৯২. রিচার্ড এম. গামারে কর্তৃক অনূদিত. লোয়েব ক্লাসিক্যাল লাইব্রেরি, পৃষ্ঠা ৭৪-৭৫. [https://archive.is/DkFt7 আর্কাইভ] [https://www.loebclassics.com/view/seneca_younger-epistles/1917/pb_LCL076.75.xml?mainRsKey=Q5LLPk মূল] থেকে অক্টোবর ২৩, ২০২৪-এ। * প্রতিকূলতার ব্যবহার বা উপযোগিতা বড়ই মধুর, যা অনেকটা কুৎসিত ও বিষাক্ত ব্যাঙের মতো হওয়া সত্ত্বেও, তার মস্তকে একটি মূল্যবান রত্ন ধারণ করে; আর আমাদের এই জীবন, যা জনকোলাহল থেকে মুক্ত ও নির্জন, তা বৃক্ষের মাঝে খুঁজে পায় ভাষা, প্রবহমান ঝর্ণাধারায় পায় গ্রন্থ, পাথরের বুকে পায় নীতিগোপদেশ, আর ভালো কিছু খুঁজে পায় প্রতিটি বস্তুর মাঝে। ** '''''[[:w:উইলিয়াম শেক্সপিয়র|উইলিয়াম শেক্সপিয়র]]''''', ''[[:w:অ্যাজ ইউ লাইক ইট|অ্যাজ ইউ লাইক ইট]]'', অ্যাক্ট II, সিন. i (১৫৯৯ বা ১৬০০) * ঐ ছোট্ট মোমবাতিটি কত দূরে তার আলোকচ্ছটা ছড়ায়! এই কলুষিত পৃথিবীতে একটি সৎ কাজ এভাবেই উজ্জ্বল হয়ে জ্বলে ওঠে। ** '''''[[:w:উইলিয়াম শেক্সপিয়র|উইলিয়াম শেক্সপিয়র]]''''', ''[[:w:দ্য মার্চেন্ট অফ ভেনিস|দ্য মার্চেন্ট অফ ভেনিস]]'', অ্যাক্ট V, সিন. i (১৫৯৬ এবং ১৫৯৮) * সকল মানুষ [[:w:স্বাধীনতা|স্বাধীনভাবে]] জন্মগ্রহণ করেছে—এই ঘোষণা দেওয়া একেবারেই নিরর্থক যদি আপনি এটি অস্বীকার করেন যে তারা জন্মগতভাবে ভালো বা মহৎ। একজন মানুষের মহত্ত্বের নিশ্চয়তা দিন, তবে তার [[:w:লিবার্টি|ব্যক্তিগত স্বাধীনতা]] নিজেই নিজের পথ দেখে নেবে। কিন্তু আপনি যদি কারও স্বাধীনতাকে এই শর্তে মঞ্জুর করেন যে তার [[:w:নৈতিক|নৈতিক]] [[:w:চরিত্র|চরিত্রটি]] অবশ্যই আপনার অনুমোদিত হতে হবে, তবে তা আনুষ্ঠানিকভাবে সব ধরণের স্বাধীনতাকেই বিলুপ্ত করে দেয়; কারণ তখন প্রতিটি মানুষের মুক্তি এমন এক নৈতিক অভিযোগের করুণার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে, যা যেকোনো মূর্খ ব্যক্তিই এমন কারো বিরুদ্ধে সাজিয়ে তুলতে পারে যে প্রচলিত প্রথা লঙ্ঘন করে—সে ব্যক্তি একজন নবী হোন কিংবা কোনো ধূর্ত লোকই হোন না কেন। ** '''''[[:w:জর্জ বার্নার্ড শ|জর্জ বার্নার্ড শ]]''''', ''মেজর বারবারা'' (১৯০৫), প্রস্তাবনা (Preface) * [[:w:মানুষ|মানুষ]] কেবল যে মন্দ কিংবা কেবল যে [[:w:আভিজাত্য|আভিজাত্যময়]] বা মহৎ—এমনটি নয়। তারা অনেকটা শেফের তৈরি সালাদের মতো, যেখানে ভালো এবং মন্দ জিনিসগুলো কুচি কুচি করে কেটে বিভ্রান্তি এবং দ্বন্দ্বের এক মিশ্রণে (ভিনেগ্রেট) একত্র করা হয়েছে। ** '''''[[:w:লেমোনি স্নিকেট|লেমোনি স্নিকেট]]''''', ''এ সিরিজ অফ আনফরচুনেট ইভেন্টস''। * কোনো কিছুই একজন সৎ বা ভালো মানুষের কোনো ক্ষতি করতে পারে না, তা সে [[:w:জীবন|জীবিত]] অবস্থাতেই হোক কিংবা মৃত্যুর পরবর্তী সময়েই হোক। ** '''''[[:w:সক্রেটিস|সক্রেটিস]]''''', ''[[:w:দ্য অ্যাপোলজি (প্লেটো)|দ্য অ্যাপোলজি]]'', ৪১ (৩৯৯ খ্রিস্টপূর্বাব্দ) * কারণ যে ব্যক্তি একজন ভালো মানুষ, সে তার [[:w:খ্রিস্টান|খ্রিস্টান]] হওয়ার পথের তিন-চতুর্থাংশ পথ অতিক্রম করে ফেলেছে—সে যেখানেই বসবাস করুক না কেন, কিংবা যে নামেই তাকে ডাকা হোক না কেন। ** '''''রবার্ট সাউথ''''', 'হোয়াই ক্রাইস্ট'স ডকট্রিন ওয়াজ রিজেক্টেড' নামক ধর্মোপদেশ বা সারমন। == T == * আপনার মতো অনেকেরই ভালো হওয়াটা ততোটা গুরুত্বপূর্ণ নয়, যতটা গুরুত্বপূর্ণ হলো কোথাও না কোথাও এক পরম মহত্ত্ব বা চরম সত্যের অস্তিত্ব থাকা; কারণ সেই সামান্য মহত্ত্বই সমগ্র পিণ্ডটিকে বা পুরো সমাজকে রূপান্তরিত করতে পারে। ** '''''[[:w:হেনরি ডেভিড থরো|হেনরি ডেভিড থরো]]''''', ''সিভিল ডিসওবিডিয়েন্স'', ১.১০ * মহত্ত্বের আসল কষ্টিপাথর বা মাপকাঠি হলো নিজের চেয়ে কোনো অনুজ বা নিম্নস্তরের ব্যক্তির কাছেও নিজের পরাজয়কে অকপটে স্বীকার করে নেওয়া। ** '''''[[:w:তিরুবল্লুবর|তিরুবল্লুবর]]''''', ''তিরুক্কুরাল'': ৭৮৬. * একজন মানুষ হয়তো প্রতিটি সদগুণ বা মহত্ত্বকে বিনাশ করেও রক্ষা পেতে পারে, কিন্তু যে ব্যক্তি নিজের ভেতরকার [[:w:কৃতজ্ঞতা|কৃতজ্ঞতা]] বোধকে বিসর্জন দেয় বা হত্যা করে, তার জন্য নিস্তার পাওয়ার কোনো পথ খোলা থাকে না। ** '''''[[:w:তিরুবল্লুবর|তিরুবল্লুবর]]''''', ''তিরুক্কুরাল'': ১১০. * মহত্ত্বের পিছনে যদি কোনো নির্দিষ্ট কারণ থাকে, তবে তাকে প্রকৃত মহত্ত্ব বলা যায় না; আবার এর যদি কোনো বিশেষ ফলাফল কিংবা পুরস্কারের আশা থাকে, তবে সেটিও প্রকৃত মহত্ত্ব নয়। সুতরাং, মহত্ত্ব হলো কার্যকরণ সম্পর্কের (cause and effect) সেই চিরন্তন শৃঙ্খলের বাইরে অবস্থানকারী এক বিশেষ সত্তা। ** '''''[[:w:লিও তলস্তয়|লিও তলস্তয়]]''''', ''আন্না কারেনিনা''-তে লেভিন, সি. গারনেট কর্তৃক অনূদিত (নিউ ইয়র্ক: ২০০৩), পার্ট ৮, চ্যাপ্টার ১২, পৃ. ৭৩৫ * প্রতিটি মানুষের জীবনে কেবল একটিই উদ্দেশ্য বা লক্ষ্য থাকা উচিত: আর তা হলো মহত্ত্বের মাঝে নিজের পূর্ণতাকে খুঁজে পাওয়া। অতএব, কেবল সেই জ্ঞানেরই বিশেষ প্রয়োজন রয়েছে যা মানুষকে এই পূর্ণতার পথে পরিচালিত করে। ** '''''[[:w:লিও তলস্তয়|লিও তলস্তয়]]''''', ''এ ক্যালেন্ডার অফ উইজডম'', পি. সেকিরিন কর্তৃক অনূদিত (১৯৯৭), মে ৩ * ভালো হওয়া এবং একটি সৎ জীবন যাপন করার প্রকৃত অর্থ হলো অন্যদের কাছ থেকে যতটুকু গ্রহণ করা হয়, তার চেয়ে ঢের বেশি তাদের ফিরিয়ে দেওয়া বা দান করা। ** '''''[[:w:লিও তলস্তয়|লিও তলস্তয়]]''''', ''দ্য ফার্স্ট স্টেপ'' (১৮৯২), অধ্যায়. VII * আমি আমার সমগ্র আত্মা দিয়ে একজন ভালো মানুষ হতে চেয়েছিলাম, কিন্তু আমি তখন ছিলাম অল্পবয়স্ক; আমার মধ্যে ছিল আবেগ এবং মহত্ত্বের এই সন্ধানে আমি ছিলাম একেবারে একা, সম্পূর্ণ নিঃসঙ্গ। প্রতিবার যখনই আমি আমার মনের গহীনের একান্ত আকাঙ্ক্ষা—অর্থাৎ নৈতিকভাবে উন্নত হওয়ার ইচ্ছা—প্রকাশ করার চেষ্টা করতাম, তখনই আমাকে ঘৃণা ও অবজ্ঞার শিকার হতে হতো; কিন্তু যখনই আমি নীচ ও কলুষিত লালসার কাছে নিজেকে সঁপে দিতাম, অমনি আমাকে প্রশংসা ও উৎসাহ দেওয়া হতো। উচ্চাকাঙ্ক্ষা, ক্ষমতার লোভ, স্বার্থপরতা, লম্পটতা, অহঙ্কার, ক্রোধ এবং প্রতিশোধ নেওয়ার স্পৃহা—এগুলো সবই তখন অত্যন্ত সম্মানিত গুণাবলী হিসেবে বিবেচিত হতো। আমি যখনই এই সমস্ত প্রবৃত্তি বা লালসার কাছে নতি স্বীকার করতাম, তখনই আমি আমার বড়দের মতো হয়ে উঠতাম এবং আমি অনুভব করতাম যে তারা আমার ওপর অত্যন্ত সন্তুষ্ট হয়েছেন। ** '''''[[:w:লিও তলস্তয়|লিও তলস্তয়]]''''', ''[[:w:এ কনফেশন|এ কনফেশন]]'' (১৮৮২), জেন কেন্টিশ কর্তৃক অনূদিত (পেঙ্গুইন: ১৯৮৭), পৃ. ২২ * ডোনাল্ডের চিন্তাধারায়, এমনকি কোনো অনিবার্য বা আসন্ন হুমকিকে স্বীকার করে নেওয়াটাও দুর্বলতার লক্ষণ হিসেবে বিবেচিত হবে। নিজের ওপর দায়ভার গ্রহণ করা মানেই হলো নিজেকে সমালোচনার মুখে উন্মুক্ত করে দেওয়া। একজন বীর হওয়া—কিংবা প্রকৃতপক্ষে একজন ভালো মানুষ হওয়া—তাঁর পক্ষে কোনোভাবেই সম্ভব নয়। ** মেরি এল. ট্রাম্প, ''টু মাচ অ্যান্ড নেভার এনাফ: হাউ মাই ফ্যামিলি ক্রিয়েটেড দ্য ওয়ার্ল্ড'স মোস্ট ডেঞ্জারাস ম্যান'' (২০২০), পৃ. ২১০ == W == * হোরেস স্মিথ যেমনটি মন্তব্য করেছেন, সুশ্রী বা ভালো দেখা যাওয়ার প্রকৃত অর্থ ভালো হওয়া ছাড়া আর কী-ই বা হতে পারে? তাই ভালো হোন, নারীসুলভ হোন, নম্র হোন—নিজেদের সহানুভূতি প্রদর্শনে উদার হোন, আপনার চারপাশের সকলের মঙ্গলের বিষয়ে সজাগ বা সচেতন থাকুন; আর আমার কথা মেনে দেখুন, আপনার প্রশংসায় কোনো দয়ালু শব্দের অভাব হবে না। ** '''''[[:w:জন গ্রিনলিফ হুইটিয়ার|জন গ্রিনলিফ হুইটিয়ার]]''''', ''দ্য বিউটিফুল'' == X == * উদরপূর্তি কিংবা অতিরিক্ত ঘুম ও অসংযম থেকে নিজেকে রক্ষা করার জন্য, অন্য কোনো এবং আরও মহত্তর আনন্দ উপভোগ করার চেয়ে কার্যকর আর কী হতে পারে বলে আপনি মনে করেন? যা কেবল বর্তমান উপভোগের জন্যই আনন্দদায়ক নয়, বরং দীর্ঘস্থায়ী উপকারের আশা জাগিয়ে তোলে বলেও মনোরম। ... আপনি কি মনে করেন যে এই সমস্ত চিন্তাভাবনার মধ্য থেকে এমন আনন্দদায়ক আর কিছু বেরিয়ে আসতে পারে যেমনটি এই চিন্তাটি দেয়: ‘আমি মহত্ত্বের দিকে ধাবিত হচ্ছি এবং আমি আরও ভালো বন্ধু গড়ে তুলছি’? আর আমি বলতে পারি, এটাই হলো আমার ধ্রুব বা নিরন্তর চিন্তা। ** '''''[[:w:জেনোফন|জেনোফন]]''''', [[:w:সক্রেটিস|সক্রেটিস]] ''[[:w:মেমোরেবিলিয়া (জেনোফন)|মেমোরেবিলিয়া]]''-তে, ১.৬.১ * আমার মতে, তাঁরাই সবচেয়ে ভালোভাবে জীবন যাপন করেন যারা নিজেদের যথাসম্ভব ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার জন্য সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়ে যান; এবং তাঁদের জীবনই সবচেয়ে আনন্দদায়ক যারা এটি অনুভব করতে পারেন যে তাঁরা মহত্ত্বের দিকে এগিয়ে চলেছেন। ** '''''[[:w:জেনোফন|জেনোফন]]''''', [[:w:সক্রেটিস|সক্রেটিস]] ''[[:w:মেমোরেবিলিয়া (জেনোফন)|মেমোরেবিলিয়া]]''-তে, ৪.৮.৬ * মানুষের প্রকৃতি মূলত মন্দ বা অশুভ; এর মধ্যে যে মহত্ত্ব বা মঙ্গলের দেখা মেলে তা মূলত সচেতন কর্মতৎপরতা থেকে উদ্ভূত। প্রকৃতপক্ষে, মানুষ জন্মগতভাবেই লাভের প্রতি এক ধরণের আসক্তি নিয়ে জন্মায়। এই আসক্তির কাছে নতি স্বীকার করলে তা বিবাদ ও কলহের দিকে পরিচালিত করে এবং জন্মগতভাবে প্রাপ্ত পরিমিতিবোধ ও বিনয় বা নমনীয়তা হারিয়ে যায়। মানুষ জন্মগতভাবে হিংসা ও ঘৃণার অনুভূতি নিয়ে জন্মায় এবং এগুলোর প্রশ্রয় দিলে মানুষ দস্যুবৃত্তি ও চুরির দিকে ধাবিত হয়, ফলে তার জন্মগত আনুগত্য ও সৎ বিশ্বাসের চেতনা বিলুপ্ত হয়ে যায়। মানুষ কান ও চোখের লালসা এবং সুন্দর দৃশ্য ও শব্দের প্রতি এক ধরণের মোহ নিয়ে জন্মায়; আর এগুলোর বশবর্তী হলে সে লম্পটতা ও বিশৃঙ্খলার দিকে পরিচালিত হয়, যার ফলে তার জন্মগত আচার-অনুষ্ঠান, ন্যায়পরায়ণতা, পরিশীলন এবং আদর্শের চেতনা বিলুপ্ত হয়। অতএব, মানুষের সহজাত প্রকৃতি এবং আবেগগুলোর অনুসরণ ও প্রশ্রয় দেওয়া অনিবার্যভাবে বিবাদ ও কলহের দিকে নিয়ে যাবে, যা তাকে তার প্রকৃত কর্তব্য থেকে বিচ্যুত করবে, আদর্শকে বিশৃঙ্খলায় পরিণত করবে এবং তাকে পুনরায় সহিংসতার পথে ফিরিয়ে নিয়ে যাবে। তাই বিনয় ও নমনীয়তা অর্জন করার জন্য এবং পরিশীলন ও রীতিনীতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে সুশৃঙ্খল অবস্থায় ফিরে আসার আগে অবশ্যই একজন শিক্ষকের আদর্শের মাধ্যমে নিজেকে রূপান্তরিত হতে হবে এবং আচার-অনুষ্ঠান ও ন্যায়পরায়ণতার পথ দ্বারা পরিচালিত হতে হবে। ** '''''[[:w:শুন জি|শুন জি]]''''', “হিউম্যান নেচার ইজ ইভিল,” ''সোর্সেস অফ চাইনিজ ট্র্যাডিশন'' (১৯৯৯), ভলিউম. ১, পৃ. ১৭৯-১৮০ == ''হয়েট'স নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস'' == :<small>''[[Wikisource:Hoyt's New Cyclopedia Of Practical Quotations (1922)|হয়েট'স নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনসে]]'' রিপোর্ট করা উদ্ধৃতিসমূহ, পৃ. ৩২৬-২৯।</small> * অন্য কেউ যা-ই বলুক বা করুক না কেন, আমাকে অবশ্যই সৎ এবং মহৎ ব্যক্তিত্বের অধিকারী হতে হবে। ** '''''[[:w:মার্কাস অরেলিয়াস|অরেলিয়াস আন্তোনিনাস]]''''', ''মেডিটেশনস'', চ্যাপ্টার VII. * ''মহৎ-কর্ম,<br>যদি দেখিতে পাই, মননে সপনে তাহাতেই ভাসিতে চাই...<br>[[:w:আইন|আইন-কানুনে]] ঈমান আনিয়া থাকি তো ভবের-ই ভেলায়—<br>অনিবার্য ঘটিকা ঘটে যায়, তবু তাতে যেন থাকে—মঙ্গল যাহাই।'' ** '''''[[:w:এডউইন আর্নল্ড|এডউইন আর্নল্ড]]''''', ''দ্য লাইট অফ এশিয়া'' (১৮৭৯), বুক VI, লাইন ২৭৩, ''বাংলায় কাব্যিক রুপান্তরঃ'' '''মাহমুদ'''। * প্রকৃতপক্ষে এমন কোনো আইন, সম্প্রদায় কিংবা [[:w:মতামত|মতামত]] কখনোই কোনো কালে ছিল না, যা মহত্ত্বকে ততটা মহিমান্বিত করেছে যতটা না খ্রিস্টধর্ম করেছে। ** '''''[[:w:ফ্রান্সিস বেকন|ফ্রান্সিস বেকন]]''''', ''এসেস'', ''অফ গুডনেস অ্যান্ড গুডনেস অফ নেচার।'' * ''সেই সমস্ত কারণ, যাদের সহায়তার বড্ড অনটন,<br>সে সমস্ত অন্যায়, যাদের বিরুদ্ধে গণ-পিটুনি প্রয়োজন!<br>সেই সুদূর [[:w:ভবিষ্যৎ|মহাকালের]] তরে,<br>যেন জয় আনতে পারি মঙ্গলের-ই ভোরে।'' ** '''''জর্জ লিনিয়াস ব্যাংকস''''', ''হোয়াট আই লিভ ফর'', ''বাংলায় কাব্যিক রুপান্তরঃ'' '''মাহমুদ'''। * সে যে মঙ্গলকে অবজ্ঞা করেছিল তা এক লাঞ্ছিত প্রেতাত্মার মতো অনিচ্ছাসত্ত্বেও দূরে সরে গেল, আর ফিরে না আসার তরে; অথবা যদি ফিরে আসেও, তবে তা হবে দেবদূতদের দর্শনের মতো—ক্ষণস্থায়ী এবং দীর্ঘ সময়ের ব্যবধানে। ** '''''রবার্ট ব্লেয়ার''''', ''দ্য গ্রেভ'', পার্ট II, লাইন ৫৮৬. * কেউ হয়তো সন্দেহ করবে না যে, কোনো না কোনোভাবে সেই চিরন্তন মঙ্গল জল আর কাদার সংমিশ্রণ থেকেই জন্ম নেবে; আর নিশ্চিতভাবেই, শ্রদ্ধাশীল দৃষ্টিকে অবশ্যই দেখতে হবে তরলতার বা প্রবাহের মাঝে লুকিয়ে থাকা এক বিশেষ উদ্দেশ্য। ** '''''[[:w:রুপার্ট ব্রুক|রুপার্ট ব্রুক]]''''', ''হেভেন''। * কোনো ভালো বই, কিংবা যেকোনো ধরণের ভালো জিনিসই হোক না কেন, তা প্রথমেই তার শ্রেষ্ঠ রূপটি বা আসল সৌন্দর্য প্রকাশ করে না। ** '''''[[:w:টমাস কার্লাইল|টমাস কার্লাইল]]''''', ''এসেস'', "[[:w:নোভালিস|নোভালিস]]"। * ''Ergo hoc proprium est animi bene constituti, et lætari bonis rebus, et dolere contrariis.'' ** এটি একটি সুশিক্ষিত ও সুসংগঠিত মনের প্রমাণ যে, সে যা কিছু ভালো বা মঙ্গলময় তাতে আনন্দিত হয় এবং যা এর বিপরীত বা মন্দ তাতে ব্যথিত হয়। ** '''''[[:w:সিসেরো|সিসেরো]]''''', ''ডি আমিসিটিয়া'', XIII. * ''Homines ad deos nulla re propius accedunt, quam salutem hominibus dando.'' ** মানুষ অন্য কোনোভাবেই দেবতাদের এতোটা কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে না, যতটা পারে মানুষের মঙ্গল বা উপকার করার মাধ্যমে। ** '''''[[:w:সিসেরো|সিসেরো]]''''', ''ওরাটিও প্রো কুইন্টো লিগারিও'', XII. * ''Cui bono?'' ** এর ভালোটা কী? বা এতে কার সুবিধা হবে? ** '''''[[:w:সিসেরো|সিসেরো]]''''', ''ওরাটিও প্রো সেক্সটিও রোসিও আমেরিনো'', XXX. লুসিয়াস ক্যাসিয়াস থেকে উদ্ধৃত—সেকেন্ড ফিলিপিক। ("Qui bono fueret.") দেখুন ''লাইফ অফ সিসেরো'', II. ২৯২. নোট। * যাতে সেই বিচ্ছুরিত মঙ্গল আরও অধিকতর প্রাচুর্যের সাথে বৃদ্ধি পেতে পারে। ** '''''[[:w:উইলিয়াম কাউপার|উইলিয়াম কাউপার]]''''', ''কনভারসেশন'' (১৭৮২), লাইন ৪৪১। * মঙ্গল করা, নিঃস্বার্থভাবে ভালো করা—এটি আমাদের পেশা বা ব্যবসার ধরণ নয়। ** '''''[[:w:উইলিয়াম কাউপার|উইলিয়াম কাউপার]]''''', ''দ্য টাস্ক'' (১৭৮৫), বুক I. দ্য সোফা, লাইন ৬৭৩। * এখন, এক বিশেষ সময়ে, এক মনোরম মেজাজে বা ঘোরে, তিনি ভালো কাজ করার বিলাসিতা বা পরম তৃপ্তিটি পরখ করে দেখলেন। ** '''''[[:w:জর্জ ক্র্যাব|জর্জ ক্র্যাব]]''''', ''টেলস অফ দ্য হল'' (১৮১৯), বুক III. * যে সুবীজ বপন করে সে নিশ্চিতভাবেই ফসল কাটবে; বছরটি যতই পুরনো হয়, ততই তা সমৃদ্ধিতে ভরে ওঠে, আর জীবনের শেষ মুহূর্তের বালুকণাগুলোই হলো তার শ্রেষ্ঠ সোনার কণা! ** '''''জুলিয়া সি. আর. ডর''''', ''টু দ্য "বুকে ক্লাব"''। * এই বসবাসযোগ্য পৃথিবীর দিকে তাকাও, কত অল্প সংখ্যক মানুষই বা নিজেদের প্রকৃত মঙ্গল সম্পর্কে জানে, কিংবা জানলেও তা পাওয়ার জন্য অন্বেষণ করে। ** '''''[[:w:জন ড্রাইডেন|জন ড্রাইডেন]]''''', ''জুভেনাল'', স্যাটায়ার X। * আপনি যদি প্রকৃতপক্ষে মহৎ বা ভালো হতে চান, তবে প্রথমে এই বিশ্বাসটি অন্তরে পোষণ করুন যে আপনি মন্দ বা খারাপ। ** '''''[[:w:এপিকটেটাস|এপিকটেটাস]]''''', ''ফ্র্যাগমেন্টস''। লং-এর অনুবাদ। * কারণ তাঁদের সমস্ত বিলাসিতা বা পরম সুখ ছিল কেবল অন্যের মঙ্গল সাধন করার মধ্যে। ** '''''স্যামুয়েল গার্থ''''', ''ক্লেরেমন্ট'', লাইন ১৪৯। * ''Ein guter Mensch, in seinem dunkeln Drange,<br>Ist sich des rechten Weges wohl bewusst.'' ** একজন ভালো মানুষ, তাঁর অস্পষ্ট বা গূঢ় আকাঙ্ক্ষার মধ্য দিয়েও সর্বদা সেই একটিমাত্র সঠিক ও ধ্রুব পথের সহজাত প্রবৃত্তি বা বোধ ধরে রাখেন। ** '''''[[:w:ইয়োহান ভলফগাং ফন গ্যোটে|ইয়োহান ভলফগাং ফন গ্যোটে]]''''', ''[[:w:ফাউস্ট|ফাউস্ট]]'', প্রোলগ ইম হিমেল * এবং ভালো কাজ করার সেই রাজকীয় বিলাসিতা বা মানসিক তৃপ্তিটি অনুভব করতে শিখুন। ** '''''[[:w:অলিভার গোল্ডস্মিথ|অলিভার গোল্ডস্মিথ]]''''', ''দ্য ট্রাভেলার'' (১৭৬৪), লাইন ২২। * অবিরত পদক্ষেপে এমন এক ক্ষণস্থায়ী মঙ্গলের অন্বেষণে ধাবিত হচ্ছি, যা কেবল দৃষ্টির সম্মুখে এসে আমাকে উপহাস করে চলে যায়; যা পৃথিবী ও আকাশের সংযোগকারী দিগন্ত রেখার মতো— দূর থেকে প্রলুব্ধ করে ঠিকই, কিন্তু আমি যত তার অনুসরণ করি, সে তত দূরে মিলিয়ে যায়। ** '''''[[:w:অলিভার গোল্ডস্মিথ|অলিভার গোল্ডস্মিথ]]''''', ''দ্য ট্রাভেলার'' (১৭৬৪), লাইন ২৫। * মহত্ত্ব যদি তাকে পরিচালিত করে আমার কাছে নিয়ে না আসে, তবে হয়তো ক্লান্তিবোধই তাকে ক্লান্ত করে একসময় আমার বুকের মাঝে ছুড়ে ফেলে দেবে। ** '''''[[:w:জর্জ হার্বার্ট|জর্জ হার্বার্ট]]''''', ''দ্য পুলি'', স্ট্যাঞ্জা ৪। * ''Vir bonus est quis?<br>Qui consulta patrum, qui leges juraque servat.'' ** একজন ভালো মানুষ আসলে কে? তিনি-ই, যিনি পিতৃপুরুষদের আদেশ বা ডিক্রিগুলো মেনে চলেন এবং মানবীয় ও ঐশ্বরিক—উভয় প্রকার আইনই পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পালন করেন। ** '''''[[:w:হোরাস|হোরাস]]''''', ''এপিস্টলস'', I. ১৬. ৪০। * ঈশ্বর, যাঁর করুণার ধারা বা আশীর্বাদ প্রবল বন্যার মতো সেই সকলের প্রতি বর্ষিত হয় যারা তাঁর অন্বেষণ করে; তিনি কেবল আপনার কাছে ভালো বা মহৎ হওয়ার প্রত্যাশা করেন এবং তাতেই তিনি সন্তুষ্ট হন। ** '''''[[:w:ভিক্টর হুগো|ভিক্টর হুগো]]''''', ''গড হুজ গিফটস ইন গ্রেসিয়াস ফ্লাড''। * তিনি এতোটাই দয়ালু ও ভালো মানুষ ছিলেন যে, তিনি একটি কদাকার কোলাব্যাঙের গায়েও গোলাপ-জল ছিটিয়ে দিতেন। ** '''''ডগলাস জেরল্ড''''', ''জেরল্ড'স উইট'', ''এ চ্যারিটেবল ম্যান''। * নাসরত থেকে কি ভালো কোনো কিছুর উদ্ভব হওয়া সম্ভব? ** যোহন. I. ৪৬। * যা কিছু সুন্দর ও ন্যায্য, তা মঙ্গলের কতটা কাছাকাছি! ** '''''[[:w:বেন জনসন|বেন জনসন]]''''', ''লাভ ফ্রীড ফ্রম ইগনোরেন্স অ্যান্ড ফলি''। * ''Rari quippe boni: numero vix sunt totidem quot<br>Thebarum portæ, vel divitis ostia Nili.'' ** ভালো বা মহৎ মানুষেরা, হায়! সংখ্যায় কতই না নগণ্য: তাঁদের সংখ্যা থিবসের প্রবেশদ্বার কিংবা সমৃদ্ধ নীল নদের মোহনাগুলোর চেয়ে কোনোভাবেই বেশি হবে না। *** '''''[[:w:জুভেনাল|জুভেনাল]]''''', ''স্যাটায়ারস'' (দ্বিতীয় শতাব্দীর শুরুর দিকে), XIII. ২৬. * ভালো হও, হে প্রিয় বালিকা, আর যারা চায় তাদের চতুর হতে দাও; সারাদিন কেবল স্বপ্ন না দেখে বরং মহৎ ও পুণ্য কাজ করো; আর এভাবেই জীবন, মৃত্যু এবং সেই অনন্ত মহাকালকে একটি মহান ও সুমধুর সংগীতে রূপান্তরিত করো। ** '''''[[:w:চার্লস কিংসলে|চার্লস কিংসলে]]''''', ''ফেয়ারওয়েল। টু সি. ই. জি.'' * ভালো হও, হে প্রিয় বালিকা, আর যারা পারে তাদের চতুর হতে দাও; সারাদিন কেবল স্বপ্ন না দেখে বরং সুন্দর ও মনোরম কাজগুলো সম্পাদন করো; আর এভাবেই জীবন, মৃত্যু এবং সেই অনন্ত মহাকালকে একটি মহান ও সুমধুর সংগীতে পরিণত করো। ** '''''[[:w:চার্লস কিংসলে|চার্লস কিংসলে]]''''', ''ফেয়ারওয়েল''। ১৮৮৯ সালের সংস্করণে। এছাড়াও তাঁর স্ত্রীর সম্পাদিত 'লাইফ'-এর ভলিউম I, পৃ. ৪৮৭-এ পাওয়া যায়, যেখানে লাইনটি হলো: "অ্যান্ড সো মেক লাইফ, ডেথ, অ্যান্ড দ্যাট ভাস্ট ফর এভার"। * ''Weiss<br>Dass alle Länder gute Menschen tragen.'' ** এটি জেনে রেখো যে, প্রতিটি দেশই ভালো এবং সৎ মানুষ জন্ম দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। *** '''''[[:w:গটহোল্ড এফ্রাইম লেসিং|গটহোল্ড এফ্রাইম লেসিং]]''''', ''নাথান ডার ওয়েইজ'', II. * ''Segnius homines bona quam mala sentiunt.'' ** মানুষের ভালো বা মঙ্গলের তুলনায় মন্দ বা অশুভ বিষয়গুলো অনুভব করার তীব্রতা অনেক বেশি সজাগ ও প্রখর থাকে। *** '''''[[:w:লিভি|লিভি]]''''', ''অ্যানালস'', XXX. ২১. * যে মাটি বা ভূখণ্ডের ওপর ভিত্তি করে তাঁর মতো মহান মানুষেরা গড়ে ওঠেন, সেই মাটিতে জন্মগ্রহণ করা ভাগ্যের ব্যাপার, সেখানে জীবন যাপন করা আনন্দের এবং সেই মাটির তরে মৃত্যুবরণ করা ও তারই কোলে সমাধিস্থ হওয়া অত্যন্ত গৌরবের। ** '''''[[:w:জেমস রাসেল লোয়েল|জেমস রাসেল লোয়েল]]''''', ''অ্যামং মাই বুকস''। সেকেন্ড সিরিজ। গারফিল্ড। * ''Si veris magna paratur<br>Fama bonis, et si successu nuda remoto<br>Inspicitur virtus, quicquid laudamus in ullo<br>Majorum, fortuna fuit.'' ** যদি প্রকৃতপক্ষে সৎ ও মহৎ ব্যক্তিদের জন্য মহান খ্যাতি অপেক্ষা করে থাকে; আর যদি চুড়ান্ত সাফল্যের প্রশ্নটি সরিয়ে রেখে কেবল শ্রেষ্ঠত্ব বা গুণকেই এককভাবে বিচার করা হয়, তবে তাঁর ভাগ্য আমাদের পূর্বপুরুষদের ইতিহাসে খুঁজে পাওয়া যেকোনো গৌরবের মতোই গর্বিত ও মহিমান্বিত ছিল। *** '''''[[:w:লুকান (কবি)|মার্কাস আনিউস লুকানাস]]''''', ''ফারসালিয়া'', IX. ৫৯৩. * সকল প্রকার মঙ্গল বা কল্যাণের শিখর এবং মুকুটমণি, আর জীবনের শেষ ধ্রুবতারা হলো—ভ্রাতৃত্ববোধ। ** '''''[[:w:এডউইন মার্কহ্যাম|এডউইন মার্কহ্যাম]]''''', ''ব্রাদারহুড''। * একমাত্র যাঁরা প্রকৃতপক্ষে ভালো মানুষ, তাঁরাই কেবল ভালো কিছু দান করতে পারেন; আর যা ভালো নয়, তা কোনো সুশৃঙ্খল ও প্রজ্ঞাবান রুচির কাছে কখনোই সুস্বাদু বা আকর্ষণীয় হতে পারে না। ** '''''[[:w:জন মিলটন|জন মিলটন]]''''', ''[[:w:কোমাস (জন মিলটন)|কোমাস]]'' (১৬৩৭), লাইন ৭০২. * যেহেতু মহত্ত্ব বা মঙ্গলকে যতটা বেশি সবার মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া হয়, এটি ততটাই অধিকতর প্রাচুর্যের সাথে বৃদ্ধি পেতে থাকে। ** '''''[[:w:জন মিলটন|জন মিলটন]]''''', ''[[:w:প্যারাডাইস লস্ট|প্যারাডাইস লস্ট]]'' (১৬৬৭; ১৬৭৪), বুক V, লাইন ৭১. * এক গ্লাস পানীয় ভালো, আর একটি সঙ্গী বা কিশোরীও ভালো, আর প্রচণ্ড শীতে ধূমপানের জন্য একটি পাইপও বেশ চমৎকার; এই পৃথিবীটা সুন্দর, আর মানুষগুলোও বেশ ভালো, এবং আমরা সবাই মিলে একত্রে এক একজন অসাধারণ সঙ্গী। ** '''''জন ও'কিফ''''', ''স্প্রিগস অফ লরেল'', অ্যাক্ট II, সিন ১. * আমি মঙ্গলকে চিনি এবং ভালোবাসি, তবুও হায়! সেই নিকৃষ্ট বা মন্দেরই অনুসরণ করি। ** '''''[[:w:পেত্রার্ক|পেত্রার্ক]]''''', ''টু লরা ইন লাইফ'', কানজোন XXI. * ''Itidemque ut sæpe jam in multis locis,<br>Plus insciens quis fecit quam prodens boni.'' ** আর এভাবেই অনেক ক্ষেত্রেই এটি ঘটে থাকে; আমাদের অজ্ঞাতসারে বা অজান্তেই যতটা মঙ্গল সাধিত হয়, তা আমাদের পরিকল্পিত মঙ্গলের চেয়ে অনেক বেশি। *** '''''[[:w:প্লাউতাস|প্লাউতাস]]''''', ''ক্যাপটিভি প্রোলগ'', XLIV. * ''Bono ingenio me esse ornatam, quam auro multo mavolo.<br>Aurum fortuna invenitur, natura ingenium donum.<br>Bonam ego, quam beatam me esse nimio dici mavolo.'' ** আমি স্বর্ণ বা ধন-সম্পদের চেয়ে একটি সুন্দর ও মহৎ স্বভাব বা চরিত্রকেই অনেক বেশি পছন্দ করি; কারণ স্বর্ণ হলো ভাগ্যের দান, কিন্তু স্বভাবের এই মহত্ত্ব হলো প্রকৃতির এক অমূল্য উপহার। আমি নিজেকে সৌভাগ্যবানের চেয়ে বরং একজন ভালো মানুষ হিসেবে পরিচিত করতে অনেক বেশি পছন্দ করি। *** '''''[[:w:প্লাউতাস|প্লাউতাস]]''''', ''ফেনুলাস'', I. ২. ৯০. * প্রতিটি ভালো বা মঙ্গলময় জিনিসই মূলত অত্যন্ত নম্র ও সংগতিপূর্ণ হয়ে থাকে, যা এক সুশৃঙ্খল ধারায় অগ্রসর হয় এবং যা সঠিক বা ন্যায়সঙ্গত তার সীমা কখনোই অতিক্রম করে না। ** '''''[[:w:পর্ফিরি (দার্শনিক)|পর্ফিরি]]''''', ''[https://books.google.it/books?id=B5ojAwAAQBAJ&pg=PA0 অন অ্যাবস্টিনেন্স ফ্রম কিলিং অ্যানিম্যালস]'', গিলিয়ান ক্লার্ক কর্তৃক অনূদিত (ব্লুমসবারি, ২০১৪), II. ৩৯. ৪. * ''Gute Menschen können sich leichter in schlimme hineindenken als diese injene.'' ** একজন ভালো মানুষ যতটা সহজে একজন মন্দ মানুষের প্রকৃত রূপ বা উদ্দেশ্য চিনে ফেলতে পারেন, একজন মন্দ মানুষ কখনোই একজন ভালো মানুষের স্বরূপ ততটা সহজে অনুধাবন করতে পারে না। *** '''''[[:w:জঁ পল রিখটার|জঁ পল রিখটার]]''''', ''হেসপেরাস'', IV. * তুমি হয়তো ম্যাজ কিংবা সিস-এর জন্য অনেক ভালো, অথবা হয়তো কেট-এর জন্যও বেশ চমৎকার; কিন্তু তাতে আমার জন্য কী-ই বা ভালো বা লাভ আছে, যতক্ষণ পর্যন্ত না তুমি আসলে আমার জন্য ভালো বা যোগ্য হয়ে ওঠো? ** '''''[[:w:ক্রিস্টিনা রসেটি|ক্রিস্টিনা রসেটি]]''''', ''জেসি ক্যামেরন'', স্ট্যাঞ্জা ৩. * ''Esse quam videri bonus malebat.'' ** তিনি কেবল ভালো বা সৎ সাজার চেয়ে প্রকৃতপক্ষে একজন ভালো মানুষ হওয়াকেই অনেক বেশি পছন্দ করতেন। *** '''''[[:w:সালুস্ত|সালুস্ত]]''''', ''ক্যাটলিনা'', LIV. * যা কিছু সুন্দর তা-ই আসলে ভালো বা মঙ্গলময়, আর যিনি প্রকৃতপক্ষে ভালো, তিনি অচিরেই সৌন্দর্যেরও অধিকারী হয়ে উঠবেন। ** '''''[[:w:সাফো|সাফো]]''''', ''ফ্র্যাগমেন্ট'', ১০১. * ''Bonitas non est pessimis esse meliorem.'' ** কেবল নিকৃষ্টতম ব্যক্তিদের চেয়ে সামান্য ভালো হওয়াটাই প্রকৃত মহত্ত্ব বা মঙ্গলের পরিচায়ক নয়। *** '''''[[:w:লুসিয়াস আনিউস সেনেকা|কনিষ্ঠ সেনেকা]]''''', ''এপিস্টোলি অ্যাড লুসিলিয়াম''। * এই ক্লান্ত ও শ্রান্ত পৃথিবীতে একটি সৎ কাজ এভাবেই উজ্জ্বল আলোকচ্ছটা ছড়ায়। ** উইলি ওয়াঙ্কা, চরিত্রে অভিনয়ে [[w:জিন ওয়াইল্ডার|জিন ওয়াইল্ডার]], [[w:উইলি ওয়াঙ্কা অ্যান্ড দ্য চকলেট ফ্যাক্টরি|উইলি ওয়াঙ্কা অ্যান্ড দ্য চকলেট ফ্যাক্টরি (চলচ্চিত্র)]] (১৯৭১), চিত্রনাট্য লিখেছেন রোয়াল্ড ডাল এবং ডেভিড সেল্টজার। * ভালোবাসার সেই জ্বলন্ত শিখার একদম গভীরেও বাস করে এক ধরণের সলতে বা পোড়া অংশ যা তাকে ধীরে ধীরে স্তিমিত করে দেয়; আর কোনো কিছুই চিরকাল একই ধরণের মহত্ত্ব বা মঙ্গলে স্থির থাকে না; কারণ মহত্ত্ব যখন আতিশয্যে বা প্রাচুর্যে উপচে পড়ে (প্লুরিসি), তখন সে নিজের সেই আতিশয্যের ভারেই বিলীন হয়ে যায়। ** '''''[[:w:উইলিয়াম শেক্সপিয়র|উইলিয়াম শেক্সপিয়র]]''''', ''[[:w:হ্যামলেট|হ্যামলেট]]'' (১৬০০-০২), অ্যাক্ট IV, সিন ৭, লাইন ১১৫. * আপনার সেই মহানুভবতা ও মহত্ত্ব, যা কি না পবিত্র করুণা থেকে উদ্ভূত, শেষ পর্যন্ত একটি কুঠারের মাধ্যমে তাকে মুক্তি বা পাপমুক্ত করেছে। ** '''''[[:w:উইলিয়াম শেক্সপিয়র|উইলিয়াম শেক্সপিয়র]]''''', ''[[:w:হেনরি অষ্টম (নাটক)|হেনরি অষ্টম]]'' ([[w:হেনরি অষ্টম (নাটক)#তারিখ|আনু. ১৬১৩]]), অ্যাক্ট III, সিন ২, লাইন ২৬৩. * আমি এই পার্থিব জগতে বাস করি; যেখানে কারো ক্ষতি করা বা অনিষ্ট করাটা প্রায়শই প্রশংসনীয় হিসেবে বিবেচিত হয়, আর ভালো কাজ করাকে কখনও কখনও গণ্য করা হয় এক ধরণের বিপজ্জনক মূর্খতা হিসেবে। ** '''''[[:w:উইলিয়াম শেক্সপিয়র|উইলিয়াম শেক্সপিয়র]]''''', ''[[:w:ম্যাকবেথ|ম্যাকবেথ]]'' (১৬০৫), অ্যাক্ট IV, সিন ২, লাইন ৭৫. * তাঁকে একজন ভালো মানুষ বলার মাধ্যমে আমি যা বোঝাতে চেয়েছি তা হলো—যাতে আপনি এটি বুঝতে পারেন যে তিনি তাঁর কাজ বা অবস্থানের জন্য যথেষ্ট যোগ্য ও সমর্থ। ** '''''[[:w:উইলিয়াম শেক্সপিয়র|উইলিয়াম শেক্সপিয়র]]''''', ''[[:w:দ্য মার্চেন্ট অফ ভেনিস|দ্য মার্চেন্ট অফ ভেনিস]]'' (১৫৯০-এর দশকের শেষের দিকে), অ্যাক্ট I, সিন ৩, লাইন ১৪. * প্রভু যীশু খ্রিস্টের সন্তুষ্টির খাতিরে, যতটুকু সম্ভব সকল প্রকার ভালো কাজ করো, যতজন মানুষের প্রতি সম্ভব তা সম্পাদন করো, সম্ভাব্য সকল উপায়ে তা করার চেষ্টা করো, এবং যতক্ষণ পর্যন্ত তোমার সামর্থ্য থাকে ততক্ষণ তা চালিয়ে যাও। ** ইংল্যান্ডের শ্রুসবারির একটি সমাধিলিপির খোদাই করা লেখা। এটি জনাব মুডির অত্যন্ত প্রিয় ছিল। * কারণ আপনি ছাড়া আর কে-ই বা আছেন? যিনি কেবল নিজে একজন ভালো মানুষ বা ভদ্রলোক হওয়ার দাবিই করেন না—কারণ অনেকেই এমন আছেন যারা ভালো, কিন্তু অন্যকে ভালো বা মহৎ করে তোলার ক্ষমতা তাঁদের নেই। অথচ আপনি কেবল নিজেই মহৎ নন, বরং অন্যদের মাঝেও মহত্ত্ব বা মঙ্গলের এক বিশেষ কারণ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। ** প্রোটাগোরাসকে '''''সক্রেটিস'''''। দেখুন [[:w:প্লেটো|প্লেটো]]। জোয়েট-এর অনুবাদ। * শনিবার রাতটি কতটা মনোরম ও তৃপ্তিদায়ক হয়, যখন আমি সারা সপ্তাহ জুড়ে একজন ভালো মানুষ হওয়ার চেষ্টা করি, মুখ দিয়ে কোনো একটি খারাপ বা মন্দ শব্দও উচ্চারণ করি না, এবং সাধ্যমতো প্রত্যেকের প্রতি কৃতজ্ঞ ও বাধ্য থাকার চেষ্টা করি। ** '''''ন্যান্সি ডেনিস স্প্রোট''''', ''হাউ প্লেজেন্ট ইজ স্যাটারডে নাইট''। * কেবল একজন ব্যক্তিকেই আমাকে সংশোধন করে ভালো বানাতে হবে: সেটি হলো আমি নিজে। কিন্তু আমার প্রতিবেশীর প্রতি আমার কর্তব্য সম্পর্কে আরও অনেক বেশি স্পষ্টভাবে বলা যায় যে—আমার কাজ হলো তাকে সুখী করে তোলা, যদি আমি তা করতে সমর্থ হই। ** '''''[[:w:রবার্ট লুইস স্টিভেনসন|রবার্ট লুইস স্টিভেনসন]]''''', ''ক্রিসমাস সারমন''। * তাঁর কনিষ্ঠ আঙুলে যতটুকু মহত্ত্ব বা সদগুণ রয়েছে, ওই লোকটির পুরো শরীরেও ততটুকু নেই। ** '''''[[:w:জোনাথন সুইফট|জোনাথন সুইফট]]''''', ''পোলাইট কনভারসেশন'' (আনু. ১৭৩৮), ডায়ালগ II. * ওহ, তবুও আমরা বিশ্বাস করি যে কোনো না কোনোভাবে মঙ্গলই হবে মন্দের চূড়ান্ত লক্ষ্য বা পরিণতি; প্রকৃতির তীব্র যন্ত্রণা, ইচ্ছাকৃত পাপ, সন্দেহের ত্রুটি এবং বংশগত কলঙ্ক—সবকিছুরই শেষ হবে মঙ্গলে। ** '''''[[:w:আলফ্রেড টেনিসন|আলফ্রেড টেনিসন]]''''', ''[[:w:ইন মেমোরিয়াম এ.এইচ.এইচ.|ইন মেমোরিয়াম এ.এইচ.এইচ.]]'' (১৮৪৯), LIV. ১. * মহৎ হওয়া মানেই হলো প্রকৃতপক্ষে ভালো বা সৎ হওয়া। ** '''''[[:w:আলফ্রেড টেনিসন|আলফ্রেড টেনিসন]]''''', ''লেডি ক্ল্যারা ভিয়েরা ডি ভিয়েরা''। একই কথা পাওয়া যায় [[:w:জুভেনাল|জুভেনাল]]-এর ''স্যাটায়ারস'', VIII. ২৪-এ। * মানুষের প্রকৃতপক্ষে যা সে দেখায়, তার চেয়েও আরও বেশি ভালো হওয়া উচিত। ** স্যার '''''অব্রে ডি ভিয়েরা''''', ''এ সং অফ ফেইথ''। * ''Le plus grand ennemi du bon, c'est le mieux.'' ** অধিকতর ভালো বা অতি-উত্তম হলো মঙ্গলের সবচেয়ে বড় শত্রু। ** ফরাসি প্রবাদ, [[:w:গর্গ ভিলহেল্ম ফ্রিডরিখ হেগেল|গর্গ ভিলহেল্ম ফ্রিডরিখ হেগেল]]-এর ''এলিমেন্টস অফ দ্য ফিলোসফি অফ রাইট'' (১৮২০), §২১৬-এ উদ্ধৃত। ** ভিন্ন পাঠসমূহ: *** ''Dans ses écrits un sage Italien <br /> Dit que le mieux est l'ennemi du bien.'' **** তাঁর লেখায় একজন প্রজ্ঞাবান ইতালীয় বলেছেন যে, অতি-উত্তম হলো মঙ্গলের বা ভালোর পরম শত্রু। **** '''''[[:w:ভলতেয়ার|ভলতেয়ার]]''''', ''লা বেগুয়েল'' (দ্য প্রুড) (১৭৭২) *** নিখুঁত হওয়া বা পারফেকশন হলো মঙ্গলের শত্রু। **** ভলতেয়ারের উক্তির আধুনিক ভাবানুবাদ। == ''ডিকশনারি অফ বার্নিং ওয়ার্ডস অফ ব্রিলিয়ান্ট রাইটার্স'' (১৮৯৫) == <small>[[Wikisource:Josiah Hotchkiss Gilbert|জোসায়া হোচকিস গিলবার্ট]], ''[https://openlibrary.org/books/OL23387290M/Dictionary_of_burning_words_of_brilliant_writers ডিকশনারি অফ বার্নিং ওয়ার্ডস অফ ব্রিলিয়ান্ট রাইটার্স]'' (১৮৯৫)-এ রিপোর্ট করা উদ্ধৃতিসমূহ।</small> * কোনো একটি মহৎ উদ্দেশ্যের জন্য বেঁচে থাকুন! ভালো কাজ সম্পাদন করুন এবং নিজের পেছনে পুণ্যের এমন এক স্মৃতিস্তম্ভ রেখে যান যা মহাকালের প্রবল ঝড়ও কখনো ধ্বংস করতে পারবে না। প্রতি বছর আপনি যত হাজার হাজার মানুষের সংস্পর্শে আসছেন, তাঁদের হৃদয়ে দয়া, ভালোবাসা এবং করুণার অক্ষরে নিজের নামটি লিখে দিন; তবেই আপনি কখনো বিস্মৃতির অতল গহ্বরে হারিয়ে যাবেন না। আপনার নাম এবং আপনার কীর্তিসমূহ মানুষের হৃদয়ে ঠিক তেমনই স্পষ্টভাবে ভাস্বর হয়ে থাকবে, যেমনটি সন্ধ্যার ললাটে নক্ষত্ররাজি শোভা পায়। সৎ কর্মসমূহ আকাশের ধ্রুবতারার মতোই চিরকাল উজ্জ্বল আলোকচ্ছটা ছড়াবে। ** '''''[[:w:টমাস চালমার্স|টমাস চালমার্স]]''''', পৃ. ২৪৩। * মহত্ত্ব বা শ্রেষ্ঠত্ব আমরা বাহ্যিকভাবে যে কাজগুলো করি তার মধ্যে নিহিত নয়, বরং আমাদের অন্তরের প্রকৃত সত্তার মাঝে নিহিত। 'হয়ে ওঠা' বা আমাদের প্রকৃত পরিচয়টিই হলো সবচেয়ে বড় বিষয়। ** '''''এডউইন হাবেল চ্যাপিন''''', পৃ. ২৮৬। * কত মানুষই না ভালো হতে চাইত, যদি কোনো প্রকার কষ্ট বা পরিশ্রম ছাড়াই অনায়াসে ভালো হওয়া যেত! তারা মহত্ত্বকে ততটা গভীরভাবে ভালোবাসে না যাতে তার জন্য ক্ষুধা ও তৃষ্ণা অনুভব করতে পারে, কিংবা যা কিছু তাদের আছে তার বিনিময়ে সেই মহত্ত্বকে ক্রয় করতে পারে; তারা স্বর্গরাজ্যের দ্বারে করাঘাত করতে চায় না; বরং তারা দূর থেকে পুণ্য ও ন্যায়পরায়ণতার সেই আকাশচুম্বী কাল্পনিক দুর্গের দিকে পরম তৃপ্তির সাথে তাকিয়ে থাকে এবং মনে মনে ভাবে যে সেখানে বসবাস করাটা বেশ চমৎকার হতো। ** '''''[[:w:জর্জ ম্যাকডোনাল্ড|জর্জ ম্যাকডোনাল্ড]]''''', পৃ. ২৮৬। * কেবল মহান হৃদয়ের অধিকারীরাই অনুধাবন করতে পারেন যে, প্রকৃতপক্ষে ভালো বা মহৎ হওয়ার মাঝে কতটা গৌরব ও মহিমা নিহিত রয়েছে। ** '''''[[:w:জুল মিশলে|জুল মিশলে]]''''', পৃ. ২৮৬। * ভালো হও আমার সন্তান, আর যারা চায় তাদের চতুর হতে দাও; সারাদিন কেবল স্বপ্ন না দেখে বরং মহৎ ও পুণ্য কাজগুলো বাস্তবে রূপ দাও; আর এভাবেই জীবন, মৃত্যু এবং সেই সুদূরপ্রসারী অনন্তকালকে একটি বিশাল ও সুমধুর সংগীতে রূপান্তরিত করো। ** '''''[[:w:চার্লস কিংসলে|চার্লস কিংসলে]]''''', পৃ. ২৮৬। * কেবল নামমাত্র ভালো বা সৎ হয়ো না; বরং কোনো একটি মহৎ উদ্দেশ্য সাধনের জন্য ভালো হও। ** '''''[[:w:হেনরি ডেভিড থরো|হেনরি ডেভিড থরো]]''''', পৃ. ২৮৬। * কোনো ভালো বা মঙ্গলময় বিষয়ই কখনো হারিয়ে যায় না। কোনো কিছুই মরে যায় না, এমনকি জীবনও নয়—যা কেবল একটি রূপ ত্যাগ করে অন্য একটি রূপ ধারণ করার জন্য। কোনো ভালো কাজ কিংবা কোনো মহৎ আদর্শ কখনো মুছে যায় না। এটি আমাদের মানবজাতির মাঝে চিরকাল বেঁচে থাকে। যখন দেহের কাঠামোটি মাটিতে মিশে যায় এবং অদৃশ্য হয়ে যায়, তখন মানুষের কর্ম এক অক্ষয় ছাপ রেখে যায় এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের চিন্তা ও সংকল্পকে নতুন ছাঁচে গড়ে তোলে। ** '''''[[:w:স্যামুয়েল স্মাইলস|স্যামুয়েল স্মাইলস]]''''', পৃ. ২৮৬। * চিরকাল এবং অনন্তকালের জন্য, হে প্রিয়তম, হ্যাঁ— মহত্ত্ব এবং ভালোবাসা হলো অবিনশ্বর ও চিরঞ্জীব; কেবল পৃথিবীর দুঃখ-কষ্ট আর দুশ্চিন্তাগুলোই প্রথম থেকেই ডানা মেলে উড়ে যাওয়ার জন্য তৈরি হয়েছে। আমরা আমাদের পথ চষে বেড়াই এই "বর্তমান"-এর লাঙলের ফলায়; কিন্তু চাষাবাদ আর ফলনের পর সেই শস্যের আঁটি আমাদের অপেক্ষায় থাকে; শিকড়ের জন্য মাটি ঠিকই, কিন্তু পাতার জন্য প্রয়োজন রৌদ্রালোক— আর ঈশ্বর চিরকাল অবিরাম নজর রাখেন আমাদের ওপর। ** '''''মেরি মেপস ডজ''''', পৃ. ২৮৭। * মানুষ এমন কিছুই কখনো উদ্ভাবন করতে পারবে না যা তাকে সেই সর্বজনীন প্রয়োজনীয়তা থেকে মুক্তি দেবে—যা হলো ঈশ্বরের মতো ভালো হওয়া, ঈশ্বরের মতো ন্যায়পরায়ণ হওয়া এবং ঈশ্বরের মতোই পবিত্র ও বিশুদ্ধ হওয়া। ** '''''[[:w:চার্লস কিংসলে|চার্লস কিংসলে]]''''', পৃ. ২৮৭। * যে ব্যক্তি মহত্ত্ব বা মঙ্গলের ওপর বিশ্বাস রাখে, তার অন্তরেই সকল বিশ্বাসের মূল নির্যাস বা সারবস্তু নিহিত রয়েছে। তিনিই সেই মানুষ যার রয়েছে "আনন্দময় এক অতীত এবং এক আত্মবিশ্বাসী ও উজ্জ্বল আগামীর প্রতিশ্রুতি।" ** '''''[[:w:জেমস ফ্রিম্যান ক্লার্ক|জেমস ফ্রিম্যান ক্লার্ক]]''''', পৃ. ২৮৭। * আমরা আমাদের শৈশবের সেই ভোরের স্নিগ্ধ কিরণকে পুনরায় প্রজ্বলিত করতে পারি না; আমরা আমাদের যৌবনের সেই মধ্যাহ্নবেলার দীপ্ত গৌরবকেও ফিরিয়ে আনতে পারি না; আমরা আমাদের পরিপক্ক বয়সের সেই পূর্ণতা বা শ্রেষ্ঠ দিনটিকেও পুনরায় লাভ করতে পারি না; কিংবা আমরা বার্ধক্যের সায়াহ্নবেলার অস্তগামী রশ্মিকে ছায়াবৃত দিগন্তের বুকে স্থির করে রাখতে পারি না; কিন্তু আমরা সেই মহত্ত্বকে সযত্নে লালন করতে পারি—যা শৈশবের মাধুর্য, যৌবনের উল্লাস, প্রৌঢ়ত্বের শক্তি, বার্ধক্যের সম্মান এবং সাধু-সন্তদের পরম আনন্দ। ** '''''হেনরি জাইলস''''', পৃ. ২৮৭। == আরও দেখুন == {{col-begin}} {{col-2}} * [[:w:শ্রেষ্ঠত্ব|শ্রেষ্ঠত্ব বা উৎকর্ষতা]] * [[:w:ভালো ও মন্দ|ভালো এবং মন্দ]] * [[:w:মহত্ত্ব|মহত্ত্ব বা বিশালতা]] * [[:w:নৈতিকতা|নৈতিকতা]] * [[:w:যোগ্যতা|যোগ্যতা বা গুণাবলি]] * [[:w:আভিজাত্য|আভিজাত্য বা মহদাশয়তা]] {{col-2}} * [[:w:পুণ্য|পুণ্য বা সদগুণ]] * [[:w:মূল্য|মূল্য বা যথাযোগ্য মর্যাদা]] * [[:Category:Virtues|বিষয়শ্রেণী:সদগুণসমূহ]] {{col-end}} == বহিঃসংযোগ == {{wikipedia|মহত্ত্ব}} {{wiktionary|মহত্ত্ব (উইকিশনারি)}} [[Category:সদগুণসমূহ]] [[Category:নীতিবিদ্যা]] [[বিষয়শ্রেণী:নৈতিকতা]] p6po3wvkk7mzeecvoag566rbwhrgdbw 79875 79874 2026-04-23T04:01:36Z Oindrojalik Watch 4169 79875 wikitext text/x-wiki <div style="text-align: center; border: 2px dashed #f0ad4e; padding: 15px; background-color: #fcf8e3; margin-bottom: 20px;"> [[File:Under-Construction-Bulldozer.gif|355px]] <div style="font-weight: bold; font-size: 18px; color: #8a6d3b; margin-top: 10px;">UNDER CONSTRUCTION</div> <div style="font-size: 16px; color: #8a6d3b;">This page is currently being built by '''[https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:Oindrojalik_Watch Oindrojalik Watch]'''.</div> </div> [[File:James Anthony Froude by Sir George Reid.jpg|thumb|right|যা মানবিক গুণাবলি এবং মহত্ত্বকে সংজ্ঞায়িত করে, তা নিশ্চিতভাবেই মানুষের কেবল নিজ স্বার্থ চরিতার্থ করার প্রজ্ঞা নয়। বরং এটি হলো আত্মবিস্মৃতি এবং আত্মত্যাগ। এটি হলো ব্যক্তিগত সুখ, ভোগ-বিলাস কিংবা নিকট বা দূরবর্তী ব্যক্তিগত লাভের প্রতি অনীহা—কারণ অন্য কোনো আচরণের পথই অধিকতর ন্যায়সঙ্গত। ~ '''''[[:w:জেমস অ্যান্থনি ফ্রুড|জেমস অ্যান্থনি ফ্রুড]]''''']] [[File:Raffael 069.jpg|thumb|আমার মতে তারাই সবচেয়ে উত্তম জীবন অতিবাহিত করেন, যারা নিজেকে যথাসম্ভব ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে সচেষ্ট থাকেন। আর তাদের জীবনই সবচেয়ে আনন্দময় যারা সচেতন যে তাঁরা ক্রমশ গুণাবলিতে বিকশিত হচ্ছেন। ~ '''''[[:w:জেনোফন|জেনোফন]]''''']] [[File:Pico2.jpg|thumb|ইচ্ছাশক্তির আকাঙ্ক্ষা কোনো সাধারণ ভালোয় তৃপ্ত হয় না, যতক্ষণ পর্যন্ত আমরা বিশ্বাস করি যে এর বাইরেও আরও শ্রেষ্ঠ কিছু রয়েছে। তাই, ইচ্ছাশক্তি কেবল সেই পরম মঙ্গলের দ্বারাই সন্তুষ্ট হয় যার ঊর্ধ্বে আর কোনো কল্যাণ নেই। সেই পরম কল্যাণ অসীম ঈশ্বর ছাড়া আর কী-ই বা হতে পারে? ~ '''''[[:w:মার্সিলিও ফিচিনো|মার্সিলিও ফিচিনো]]''''']] [[File:1908РепинТолстой.JPG|thumb|গুণাবলি বা মঙ্গলের অন্বেষণে আমি ছিলাম একা, একদম একা। প্রতিবারই যখন আমি আমার অন্তরের গভীরতম আকুতি। অর্থাৎ নৈতিকভাবে ভালো হওয়ার ইচ্ছা ব্যক্ত করার চেষ্টা করেছি, তখনই আমাকে ঘৃণা ও অবজ্ঞার সম্মুখীন হতে হয়েছে; অথচ যেইমাত্র আমি নীচ লালসার কাছে নতি স্বীকার করেছি, তখনই আমাকে প্রশংসা ও উৎসাহ দেওয়া হয়েছে। ~ '''''[[:w:লিও তলস্তয়|লিও তলস্তয়]]''''']] [[File:Chapel of our Lady of the Rosary of Santi Giovanni e Paolo (Venice) - Isaiah by Vittoria.jpg|thumb|সৎ কাজ করতে শেখো। ন্যায়ের অন্বেষণ করো, নির্মমদের তিরস্কার করো, অনাথদের রক্ষা করো, বিধবাদের পক্ষে দাঁড়াও। ~ [[w:ঈসা|ঈসা]] ১:১৭]]'''[[:w:মহত্ত্ব|মহত্ত্ব]]''' বা '''[[:w:মঙ্গল|মঙ্গল]]''' বলতে এমন কিছু গুণাবলিকে বোঝায় যা কাঙ্ক্ষিত, সুস্থ বা যথাযথ, যা মূলত অনাকাঙ্ক্ষিত মন্দ, ক্ষতিকর কিংবা [[:w:পাপ|অশুভ]] গুণের বিপরীত। [[:w:ধর্ম|ধর্ম]], [[:w:নীতিশাস্ত্র|নীতিশাস্ত্র]], [[:w:দর্শন|দর্শন]] এবং [[:w:মনোবিজ্ঞান|মনোবিজ্ঞানে]] "[[:w:ভালো ও মন্দ|ভালো ও মন্দ]]" একটি অত্যন্ত সাধারণ [[:w:দ্বিবিভাজন|দ্বিবিভাজন]]। __NOTOC__ {{TOCalpha|''[[#Hoyt's New Cyclopedia Of Practical Quotations|হয়েট'স নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস]]'' · ''[[#Dictionary of Burning Words of Brilliant Writers (1895)|ডিকশনারি অফ বার্নিং ওয়ার্ডস অফ ব্রিলিয়ান্ট রাইটার্স]]''}} == A == * সেই [[:w:অসীম|অসীম]], যা থেকে আমাদের কর্ম জন্য উদ্দীপনা জন্মায়, তা কেবল সর্বোচ্চ মহত্ত্বই নয়, বরং মহত্ত্বের চেয়েও উচ্চতর কিছু। ** '''''ফেলিক্স অ্যাডলার''''', ''লাইফ অ্যান্ড ডেসটিনি'' (১৯১৩), বিভাগ ২: ধর্ম। * পৃথিবী কীভাবে সৃষ্টি হয়েছে তা আমরা জানি অথবা না-ই জানি, তাতে আমাদের কিছু আসে যায় না—সৎ কাজ সবসময়ই সৎ। ** '''''ফেলিক্স অ্যাডলার''''', ''লাইফ অ্যান্ড ডেসটিনি'' (১৯১৩), বিভাগ ৯: নৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি। * আমাদের অনুভব করা প্রয়োজন যে কোনো প্রচেষ্টাই কখনো বৃথা যায় না। মঙ্গলের পানে প্রতিটি সৎ পদক্ষেপই অবধারিতভাবে সার্থক এবং এই মহাবিশ্ব এক পরম লক্ষ্যের দিকেই ধাবিত হচ্ছে। আর এই বিশ্বাস অর্জনের কেবল একটিই পথ আছে। মঙ্গল বা শুভ, এর প্রকৃতি অনুধাবন করা সম্ভব নয় যদি আপনি এর থেকে দূরে দাঁড়িয়ে কেবল জল্পনা-কল্পনা করেন। মহত্ত্বকে যাপন করুন, তবেই আপনি এতে বিশ্বাস করতে পারবেন। জগতের কল্যাণমুখী ধারায় নিজেকে সঁপে দিন, তবেই আপনি এর স্রোতের শক্তি এবং অভিমুখ অনুভব করতে পারবেন। [...] সৎ জীবন যাপনের নিরন্তর প্রচেষ্টার মাধ্যমেই আমরা আমাদের নৈতিক সুস্থতা বজায় রাখি। বাইরে থেকে নয়, বরং ভেতর থেকেই সেই ঐশ্বরিক ধারা প্রবাহিত হয় যা আত্মাকে পুনরুজ্জীবিত করে। ** '''''ফেলিক্স অ্যাডলার''''', ''লাইফ অ্যান্ড ডেসটিনি'' (১৯১৩)। * আমি দেবদূতদের বিশ্বাস করি এবং বিশ্বাস করি যা কিছু দেখি তার মধ্যেই ভালো কিছু আছে। ** '''''বেনি অ্যান্ডারসন''''' এবং '''''বিয়র্ন উলভেয়াস''''', "[[:w:আই হ্যাভ এ ড্রিম (গান)|আই হ্যাভ এ ড্রিম]]", ব্র্যান্ড [[:w:আব্বা (ব্যান্ড)|আব্বা]]-র অ্যালবাম ''[[:w:ভুলে-ভু|ভুলে-ভু]]'' (১৯৭৯)। * মানুষের কর্ম পরিচালনা যদি আত্মার এমন এক [[w:সক্রিয়তাবাদ|সক্রিয়তা]] হয় যা কোনো [[w:যৌক্তিক_ইতিবাদ|যৌক্তিক নীতি]] অনুসরণ করে, এবং আমরা যদি মানুষের কাজকে এক বিশেষ ধরণের জীবন হিসেবে সংজ্ঞায়িত করি যা যৌক্তিক নীতিসম্পন্ন আত্মার ক্রিয়াকলাপের সমষ্টি এবং একজন ভালো মানুষের কাজ যদি হয় সেই কাজগুলোরই সৎ ও মহৎ সম্পাদন। যদি কোনো কাজ তখনই সুসম্পন্ন হয় যখন তা যথাযথ উৎকর্ষের সাথে সম্পাদিত হয়। যদি বিষয়টি এমনই হয়, তবে মানুষের জন্য পরম কল্যাণ হলো গুণের সাথে সামঞ্জস্য রেখে আত্মার সক্রিয়তা, আর যদি গুণ একাধিক হয়, তবে শ্রেষ্ঠ ও পূর্ণাঙ্গ গুণের সাথে সংগতিপূর্ণ সক্রিয়তাই কাম্য। ** '''''[[:w:অ্যারিস্টটল|অ্যারিস্টটল]]''''', ''নিকোমেকিয়ান এথিক্স'', বই ১, অধ্যায় ৭। == B == * মানুষ কখনোই ভালো ছিল না, তারা ভালো নয় এবং তারা হয়তো কখনোই ভালো হবে না। ** '''''কার্ল বার্থ''''', ''টাইম'' (১২ এপ্রিল ১৯৫৪)। * ভালো (বিশেষণ): হে মহোদয়, বর্তমান লেখকের যোগ্যতার বিষয়ে সচেতন হোন। হে মহাশয়, তাঁকে একা থাকতে দেওয়ার সুবিধার বিষয়ে সজাগ থাকুন। ** '''''অ্যামব্রোস বিয়ার্স''''', ''দ্য সিনিক'স ওয়ার্ড বুক'' (১৯০৬); ''দ্য ডেভিল'স ডিকশনারি'' (১৯১১) নামে পুনর্প্রকাশিত। * যে অন্যের মঙ্গল করতে চায়, তাকে তা করতে হবে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র খুঁটিনাটি বিষয়ের মাধ্যমে। সাধারণ বা সামগ্রিক মঙ্গলের বুলি হলো বদমাশ, ভণ্ড এবং চাটুকারদের অজুহাত। কারণ শিল্প ও বিজ্ঞান কেবল সূক্ষ্মভাবে সুসংগঠিত খুঁটিনাটি বিষয়ের মাধ্যমেই টিকে থাকতে পারে। ** '''''উইলিয়াম ব্ল্যাক''''', ''[[:w:জেরুজালেম দ্য ইমানেশন অফ দ্য জায়ান্ট অ্যালবিয়ন|জেরুজালেম দ্য ইমানেশন অফ দ্য জায়ান্ট অ্যালবিয়ন]]'' (১৮০৩-১৮২০)। * মহত্ত্ব ততক্ষণই সুন্দর যতক্ষণ তা সঠিক পরিমাপ, সামগ্রিক ভারসাম্য এবং গুণের সুনির্দিষ্ট নিয়ম দ্বারা প্রতিষ্ঠিত মধ্যপন্থা বা ছন্দিক বৈশিষ্ট্য দ্বারা পরিচালিত হয়। ** '''''রেমো বোদেই''''', ''লে ফর্মে ডেল বেলো'' (২০১৭)। * ভালো কিছু করার ক্ষমতা আমাদের সবারই আছে এবং আমাদের যতটুকু [[:w:ক্ষমতা|ক্ষমতা]] আছে। তা যতই সামান্য হোক না কেন। যদি আমরা তার সবটুকু দিয়ে চেষ্টা করি, তবে আমরা আমাদের ভূমিকা পালন করেছি। আর আমরা হয়তো সেই সব ব্যক্তিদের মতোই পূর্ণতার কাছাকাছি পৌঁছাতে পারব যাদের প্রভাব রাজ্যজুড়ে বিস্তৃত এবং যাদের সৎ কাজ হাজার হাজার মানুষের কাছে প্রশংসিত। ** '''''জেন বাউডলার''''', ''অন ক্রিশ্চিয়ান পারফেকশন''। * আমাদের বাড়িটি কত বড় ছিল তা গুরুত্বপূর্ণ ছিল না। গুরুত্বপূর্ণ ছিল এতে ভালোবাসা ছিল কি না। আমাদের পাড়াটি ধনী না অন্য কিছু ছিল তাতে কিছু যায় অপরের কাছে আসত না। গুরুত্বপূর্ণ ছিল প্রতিবেশীরা একে অপরের সাথে কথা বলত কি না, একে অপরের খেয়াল রাখত কি না। যে মহানুভবতা আমাকে মানুষের ওপর এবং এই পৃথিবীর মৌলিক মহত্ত্বের ওপর বিশ্বাস রাখতে শিখিয়েছিল, তা ডলারে পরিমাপ করা সম্ভব ছিল না। বরং তার মূল্য পরিশোধ করা হতো আলিঙ্গন, আইসক্রিম কোণ এবং বাড়ির কাজে সাহায্যের মাধ্যমে। ** '''''[[:w:পিটার বাফেট|পিটার বাফেট]]''''', {{cite book|url=https://books.google.com/books?id=a1537l253csC&pg=PA12|title = লাইফ ইজ হোয়াট ইউ মেক ইট|isbn = 9780307464729|year = 2011}} == C == * আমরা কি এমন কোনো সম্মোহিত অবস্থায় পড়েছি যা আমাদের নিকৃষ্ট বা ক্ষতিকর বিষয়গুলোকে অনিবার্য হিসেবে মেনে নিতে বাধ্য করছে? যেন আমরা সেই ভালো বা মঙ্গলের দাবি জানানোর ইচ্ছা কিংবা দূরদৃষ্টি, উভয়ই হারিয়ে ফেলেছি? ** '''''[[:w:র‍্যাচেল কারসন|র‍্যাচেল কারসন]]''''' সাইলেন্ট স্প্রিং (১৯৬২) * মহত্ত্ব সব সময়ই একটি সম্পদ। একজন মানুষ যিনি সৎ, বন্ধুসুলভ এবং পরোপকারী, তিনি হয়তো কখনোই বিখ্যাত হবেন না, কিন্তু যারা তাঁকে চেনেন তাঁরা সবাই তাঁকে শ্রদ্ধা করবেন এবং পছন্দ করবেন। তিনি সাফল্যের জন্য একটি মজবুত ভিত্তি স্থাপন করেছেন এবং তিনি একটি সার্থকময় জীবন অতিবাহিত করবেন। ** '''''হারবার্ট এন. ক্যাসন''''' ইন: ''ফোর্বস'' (১৯৪৮). পৃ. ৪২. * কেউ কি ভালো জিনিসের আকাঙ্ক্ষা খুব বেশি করতে পারে? ** '''''মিগুয়েল ডি সেরভান্তেস''''', ''ডন কিহোতে'' (১৬০৫-১৫), পার্ট I, বুক I, চ্যাপ্টার VI.// '''''[[:w:উইলিয়াম শেক্সপিয়র|উইলিয়াম শেক্সপিয়র]]''''', ''অ্যাজ ইউ লাইক ইট'', অ্যাক্ট IV, সিন ১, লাইন ১২৩. * যে ব্যক্তি পরম কল্যাণকে এমনভাবে ব্যাখ্যা করে যা তাকে গুণ বা পুণ্য থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেয়, এবং যা ন্যায়ের মানদণ্ড দিয়ে নয় বরং নিজের সুবিধার মাপকাঠিতে পরিমাপ করে। আমি বলি, সে যদি নিজের দর্শনে অটল থাকে এবং মাঝেমধ্যে তার সহজাত মহত্ত্বের কাছে পরাজিত না হয়, তবে সে বন্ধুত্ব, ন্যায়বিচার কিংবা উদারতা। কোনোটিরই চর্চা করতে পারবে না। ** '''''[[:w:সিসেরো|সিসেরো]]''''', ''ডি অফিসিস'' * অধিকাংশ মানুষই মন্দ। তারা শক্তিশালী হলে [[:w:দুর্বল|দুর্বলদের]] কাছ থেকে কেড়ে নেয়। ভালো মানুষরা সবাই দুর্বল! তারা ভালো কারণ তারা মন্দ হওয়ার মতো যথেষ্ট শক্তিশালী নয়। ** '''''কমোরো''''', উত্তর উগান্ডার একজন প্রধান, অভিযাত্রী '''''[[:w:স্যামুয়েল বেকার|স্যামুয়েল বেকার]]'''''-এর সাথে আলাপকালে ১৮৬৪ সালে। [http://www.gutenberg.org/dirs/etext02/ithoa10.txt ''ইন দ্য হার্ট অফ আফ্রিকা''.] চ্যাপ্টার, XVI. * কত সাধারণ আনন্দ থেকে আমি নিজেকে বঞ্চিত করেছি, কারণ আমি ভেবেছিলাম সেটাই বোধহয় মহত্ত্ব। আমি কতটা বোকা ছিলাম যে এটি একেবারে অন্য কিছু। তা উপলব্ধি করতে আমার পৃথিবীর শেষ দিন পর্যন্ত সময় লেগে গেল। ** '''''[[:w:কেটি কয়েল|কেটি কয়েল]]''''', ''ভিভিয়ান অ্যাপল নিডস এ মিরাকল'' (২০১৪), <small> {{ISBN|978-0-544-39042-3}}, </small> পৃ. ১৮০ * যারা সব সময় ভালো করতে ঘুরে বেড়ায়, তাদের মতো এতো বেশি ক্ষতি আর কেউ করে না। ** '''''ম্যান্ডেল ক্রাইটন''''', [[:w:লুইস ক্রাইটন|লুইস ক্রাইটন]] কর্তৃক উদ্ধৃত, ''লাইফ অ্যান্ড লেটারস অফ ম্যান্ডেল ক্রাইটন'', [http://books.google.com/books?id=XFrIeWud0_wC&q=%22no+people+do+so+much+harm+as+those+who+go+about+doing+good%22&pg=PA501#v=onepage ভলিউম. ২]. (১৯০৫) * আজ আমাকে এমনকি আমার [[w:একে-৪৭|এ.কে. ৪৭]] রাইফেল ব্যবহার করতে হয়নি আমাকে বলতেই হচ্ছে যে দিনটি একটি শুভ দিন ছিল। ** '''''[[:w:আইস কিউব|আইস কিউব]]''''', ''[[:w:ইট ওয়াজ এ গুড ডে|ইট ওয়াজ এ গুড ডে]]'', ''[[:w:দ্য প্রেডেটর (১৯৯২ অ্যালবাম)|দ্য প্রেডেটর]]'' অ্যালবাম থেকে, (ফেব্রুয়ারি ২৩, ১৯৯২). == D == * নিশ্চয়ই মহত্ত্ব এবং [[:w:করুণা|করুণা]] আমার [[:w:জীবন|জীবনের]] প্রতিটি দিন আমাকে অনুসরণ করবে এবং আমি চিরকাল প্রভুর গৃহে বসবাস করব। ** '''''[[w:দাউদ|দাউদ]]''''', [[:w:সামসংহিতা|সামসংহিতা]] ২৩:৬. == E == * কেবল সেই সামান্য সংখ্যক মানুষই মহত্ত্বে বিশ্বাস করেন যারা নিজেরা এটি চর্চা করেন। ** '''''মারি ফন এবনার-এশেনবাখ''''', ''অ্যাফোরিজমস'', ডি. স্ক্রেস এবং ডব্লিউ. মিডারের অনুবাদ. (রিভারসাইড, ক্যালিফোর্নিয়া: ১৯৯৪), পৃ. ২৯. * যাকে প্রকৃত মানুষ হতে হবে, তাকে অবশ্যই প্রচলিত প্রথার অবাধ্য হতে হবে ... মহত্ত্ব নামের দ্বারা সে যেন বাধাগ্রস্ত না হয়, বরং তাকে অন্বেষণ করতে হবে তা আদেও মহত্ত্ব কি না। ** '''''[[:w:র‍্যালফ ওয়াল্ডো এমারসন|র‍্যালফ ওয়াল্ডো এমারসন]]''''', “সেলফ-রিলায়েন্স,” ''এসেস: ফার্স্ট সিরিজ'' (১৮৮৩), পৃ. ৫১-৫২. == F == * মানুষের ইচ্ছাশক্তির আকাঙ্ক্ষা কোনো সাধারণ পার্থিব মঙ্গল বা ভালোয় তৃপ্ত হয় না, যতক্ষণ পর্যন্ত আমরা মনে করি যে এর বাইরেও আরও শ্রেষ্ঠ কিছু পাওয়ার সম্ভাবনা অবশিষ্ট রয়েছে। তাই, মানুষের এই ইচ্ছাশক্তি কেবল সেই একটি পরম মঙ্গলের দ্বারাই পরিপূর্ণতা লাভ করে, যার ঊর্ধ্বে আর কোনো উচ্চতর কল্যাণ থাকা সম্ভব নয়। এই পরম মঙ্গল আসলে সেই অসীম ও সীমাহীন ঈশ্বর ছাড়া আর কী-ই বা হতে পারে? ** '''''মারসিলিও ফিচিনো''''', ''ফাইভ কোয়েশ্চেনস কনসার্নিং দ্য মাইন্ড'' (১৪৯৫), জে. এল. বারোজ কর্তৃক অনূদিত, ''দ্য রেনেসাঁ ফিলোসফি অফ ম্যান'' (১৯৪৮) গ্রন্থে, পৃ. ২০১ * যা মূলত একজন উচ্চস্তরের মানুষকে নিম্নস্তরের মানুষ থেকে বিশেষভাবে পৃথক করে দেয়। যা মানবিক মহত্ত্ব এবং মানুষের আভিজাত্যকে সংজ্ঞায়িত করে। তা নিশ্চিতভাবেই কেবল সেই প্রজ্ঞা বা জ্ঞানের মাত্রা নয় যার মাধ্যমে মানুষ নিজের ব্যক্তিগত লাভের অন্বেষণ করে। বরং এটি হলো আত্মবিস্মৃতি এবং নিঃস্বার্থ আত্মত্যাগ। এটি হলো ব্যক্তিগত সুখ, ইন্দ্রিয়বিলাস কিংবা বর্তমান বা ভবিষ্যতের ব্যক্তিগত লাভের প্রতি চরম অনীহা। কারণ অন্য কোনো আচরণের পথই নৈতিকভাবে অধিকতর ন্যায়সঙ্গত ও সঠিক। ** '''''জেমস অ্যান্থনি ফ্রুড''''', ''শর্ট স্টাডিজ অন গ্রেট সাবজেক্টস'' (১৯০৭), পৃ. ১৯ == G == * কেবল মধ্যম সারির লোকেরাই সর্বদা তাদের সম্ভাব্য শ্রেষ্ঠ রূপটি বজায় রাখতে পারে। ** জিন জিরাডক্স, [[:w:ভিক্টোরিয়া প্রিন্সিপাল|ভিক্টোরিয়া প্রিন্সিপালের]] ''দ্য বিউটি প্রিন্সিপাল'' (১৯৮৪) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ১১৭ * আমি এই [[:w:পৃথিবী|পৃথিবী]] দিয়ে কেবল একবারই যাওয়ার প্রত্যাশা করি। অতএব, আমি যদি কোনো মহৎ কাজ করতে পারি কিংবা কোনো সহজীবীর প্রতি কোনো [[:w:দয়া|দয়া]] বা সহানুভূতি প্রদর্শন করতে পারি, তবে তা এখনই করতে দেওয়া হোক। আমি যেন তা স্থগিত না করি কিংবা অবহেলায় এড়িয়ে না যাই, কারণ আমি এই পথ দিয়ে পুনরায় আর কখনো ফিরে আসব না। ** '''''স্টিফেন গ্রেললেটের''''' প্রতি আরোপিত। এই উক্তির বিভিন্ন পাঠ অন্তত ১৮৬৯ সাল থেকে Quaker বা কোয়েকার প্রবচন হিসেবে ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয়ে আসছে এবং অন্তত ১৮৯৩ সাল থেকে গ্রেললেটের নাম এর সাথে যুক্ত হয়েছে। ডব্লিউ. গার্নি বেনহ্যাম তাঁর ''বেনহ্যাম'স বুক অফ কোটেশনস, প্রভার্বস, অ্যান্ড হাউসহোল্ড ওয়ার্ডস'' (১৯০৭) গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন যে, যদিও এটি মাঝেমধ্যে অন্যদের প্রতিও আরোপিত হয়, তবে "স্টিফেন গ্রেললেটের লেখক হওয়ার সপক্ষে কিছু প্রমাণ রয়েছে, যদিও তাঁর কোনো মুদ্রিত গ্রন্থে এই অংশটি পাওয়া যায় না।" এটি অন্তত ১৮৫৯ সালের দিকে একটি [[:w:অজ্ঞাত|অজ্ঞাতনামা]] [[:w:প্রবাদ|প্রবাদ]] হিসেবে প্রকাশিত হয়েছিল বলে মনে করা হয়, যখন এটি 'হাউসহোল্ড ওয়ার্ডস: এ উইকলি জার্নাল'-এ আবির্ভূত হয়। == I == * সৎ কাজ করতে শেখো। ন্যায়ের অন্বেষণ করো, যারা নির্মম তাদের তিরস্কার করো, অনাথদের অধিকার রক্ষা করো এবং বিধবাদের পক্ষে লড়াই করো। ** [[w:ঈসা|ঈসা]] ১:১৭ == K == * এটি বেশ স্বাভাবিক যে আধুনিক নাটকে মন্দ বা অশুভ শক্তিকে সর্বদা উজ্জ্বলতম প্রতিভা বা মেধার মাধ্যমে উপস্থাপন করা হয়। আর যা ভালো কিংবা সৎ, তাকে তুলে ধরা হয় অতি সাধারণ একজন মুদি দোকানের কর্মচারীর মাধ্যমে। দর্শকরা একে একটি স্বাভাবিক ব্যাপার হিসেবেই গ্রহণ করেন এবং নাটক থেকে তারা আগে থেকেই যা জানতেন সেটিই নতুন করে শেখেন যে, নিজেদের একজন মুদি কর্মচারীর কাতারে নিয়ে যাওয়াটা আসলে তাঁদের মর্যাদার অনেক নিচে। ** সোরেন কিয়ের্কেগার্ড, ''আইদার/অর'', পার্ট II, সোয়েনসন ১৯৪৪, ১৯৭১ পৃ. ২৩২ * আমরা নিজেদের ভালো-মন্দের বিচারক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করি, যদিও আমাদের মহত্ত্বের মানদণ্ডগুলো প্রায়ই আমাদের সংকীর্ণ স্বার্থ এবং আমাদের ব্যক্তিগত চাওয়া-পাওয়ার দ্বারা পরিচালিত হয়। ** '''''রবিন ওয়াল কিমারার''''', {{cite book |title=[[:w:ব্রেডিং সুইটগ্রাস|ব্রেডিং সুইটগ্রাস]]: ইনডিজেনাস উইজডম, সায়েন্টিফিক নলেজ অ্যান্ড দ্য টিচিংস অফ প্ল্যান্টস |date=১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ |publisher=মিল্কউইড এডিশনস |isbn=978-1-57131-871-8 |page=৯২}} == L == * আমি এ যাবৎকাল পর্যন্ত যত প্রকার আনন্দের কথা জানি, তার মধ্যে শ্রেষ্ঠতম হলোঃ গোপনে কোনো মহৎ কাজ বা ভালো কাজ করা এবং ঘটনাক্রমে সেটি অন্য কারো কাছে জানাজানি হয়ে যাওয়া। ** '''''[[:w:চার্লস ল্যাম্ব|চার্লস ল্যাম্ব]]''''', ''[[:w:অ্যাথেনিয়াম (সাময়িকী)|দ্য অ্যাথেনিয়াম]]'' ম্যাগাজিনের (৪ জানুয়ারি ১৮৩৪) "টেবিল টক"-এ [http://books.google.com/books?id=LIxUAAAAcAAJ&q=%22greatest+pleasure+I+know+is+to+do+a+good+action+by+stealth+and+to+have+it+found+out+by+accident%22&pg=PA14#v=onepage উদ্ধৃত]। * মহত্ত্ব বা ধার্মিকতা মানুষকে যতটা নিশ্চিতভাবে সুখী করে তোলে, সুখ মানুষকে তার চেয়ে কোনো অংশে কম নিশ্চিতভাবে মহৎ বা ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তোলে না। ** '''''[[:w:ওয়াল্টার সেভেজ ল্যান্ডর|ওয়াল্টার সেভেজ ল্যান্ডর]]''''', ''ইমাজিনারি কনভারসেশনস'', 'লর্ড ব্রুক অ্যান্ড স্যার ফিলিপ সিডনি' (১৮২৪-১৮২৯) * মন্দ বা খারাপ মানুষেরা হয়তো মাঝেমধ্যে ভালো কাজ করতে পারে। কিন্তু কেবলমাত্র যারা প্রকৃতপক্ষে ভালো, তারাই সত্যিকার অর্থে ভালো হয়ে ‘উঠতে’ পারে। ** '''''[[:w:ইয়োহান কাসপার লাভাটার|ইয়োহান কাসপার লাভাটার]]''''', অ্যাফোরিজম ৩৬২, হেনরি ফুসেলি কর্তৃক অনূদিত ''অ্যাফোরিজমস অন ম্যান''-এ (লন্ডন: জে. জনসন, ১৭৮৮) * বিশ্বের সমস্ত স্বৈরশাসনের মধ্যে, সেই [[:w:স্বৈরাচার|স্বৈরাচারী শাসন]] যা আন্তরিকভাবে তার ভুক্তভোগীদের মঙ্গলের দোহাই দিয়ে পরিচালিত হয়, সেটিই হয়তো সবচেয়ে বেশি নিপীড়নমূলক হতে পারে। সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী নৈতিক মোড়লদের অধীনে থাকার চেয়ে দস্যু-সামন্তদের অধীনে বসবাস করা অনেক বেশি শ্রেয়। কারণ দস্যু-সামন্তদের নিষ্ঠুরতা হয়তো কোনো কোনো সময় শান্ত থাকে, কিংবা তাদের লালসা কোনো এক পর্যায়ে গিয়ে হয়তো চরিতার্থ হতে পারে। কিন্তু যারা আমাদের নিজেদের ভালোর কথা বলে আমাদের যন্ত্রণা দেয়, তারা বিরামহীনভাবে আমাদের ওপর নির্যাতন চালিয়ে যাবে। কারণ তারা তাদের নিজেদের বিবেকের অনুমোদন নিয়েই সেটি করে। এমন হতে পারে যে তাদের স্বর্গে যাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি, কিন্তু একই সাথে তাদের এই কর্মকাণ্ডের ফলে তারা [[:w:পৃথিবী|পৃথিবীটাকে]] [[:w:নরক|নরকে]] পরিণত করার প্রবল সম্ভাবনাও রাখে। এই তথাকথিত দয়া বা মহানুভবতা আসলে অসহ্য অপমানের মতো হুল ফোটায়। একজনের ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাকে "সুস্থ" করে তোলা এবং এমন সব অবস্থা থেকে তাকে মুক্তি দেওয়া যাকে হয়তো সে নিজে রোগ বলেই গণ্য করে না। তার মানে হলো সেই ব্যক্তিকে এমন এক স্তরে নামিয়ে দেওয়া যেখানে যারা এখনও [[:w:যুক্তি|যৌক্তিক জ্ঞান]] সম্পন্ন হওয়ার বয়সে পৌঁছায়নি কিংবা যারা কোনোদিনই পৌঁছাতে পারবে না, তাদের রাখা হয়। অর্থাৎ শিশু, নির্বোধ কিংবা গৃহপালিত পশুর কাতারে তাকে অন্তর্ভুক্ত করা। ** '''''[[:w:সি. এস. লিউইস|সি. এস. লিউইস]]''''', "গড ইন দ্য ডক" (১৯৪৮)-এ। * কিছু [[:w:মানুষ|মানুষ]] এমনভাবে কথা বলে যেন পরম মহত্ত্বের মুখোমুখি হওয়াটা হবে একটি দারুণ আনন্দদায়ক বা [[:w:মজা|মজার]] ব্যাপার। তাঁদের এই বিষয়ে পুনরায় গভীরভাবে ভাবা দরকার। তাঁরা আসলে এখনও [[:w:ধর্ম|ধর্ম]] নিয়ে কেবল ছেলেখেলাই করছেন। মহত্ত্ব হয় পরম নিরাপত্তার আশ্রয়, নয়তো চরম এক [[:w:বিপদ|বিপদ]]—আর এটি সম্পূর্ণ নির্ভর করে আপনি এর প্রতি ঠিক কীভাবে সাড়া দিচ্ছেন বা প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছেন তার ওপর। ** '''''[[:w:সি. এস. লিউইস|সি. এস. লিউইস]]''''', ''[[:w:মেয়ার খ্রিস্টানিটি|মেয়ার খ্রিস্টানিটি]]'' (১৯৫২)। == M == * তাঁর এই সিদ্ধান্তহীনতা মূলত মানুষের একটি মৌলিক চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছিল। তিনি একজন ভালো মানুষ বা সৎ মানুষ হতে চেয়েছিলেন, কিন্তু আসলে 'ভালো' বলতে ঠিক কী বোঝায়? ** ডব্লিউ. ম্যাকফারলেন, ''২২০—অ্যাডভান্সড ফিল্ড এক্সপ্লোরেশন,'' [https://en.wikipedia.org/wiki/Galaxy_Science_Fiction গ্যালাক্সি সায়েন্স ফিকশন]-এ, মার্চ ১৯৭২, পৃ. ৫৯ * লজ্জিত ও কুণ্ঠিত হয়ে সেই [[:w:শয়তান|শয়তান]] থমকে দাঁড়াল, এবং সে অনুভব করল যে মহত্ত্ব কতটা বিস্ময়কর ও গম্ভীর হতে পারে। সে দেখল [[:w:পুণ্য|পুণ্য]] তার স্বরূপে কতটাই না লাবণ্যময়ী। —সে দেখল, এবং নিজের চিরস্থায়ী [[:w:ক্ষতি|ক্ষতির]] গ্লানিতে দগ্ধ হতে লাগল। ** '''''[[:w:জন মিলটন|জন মিলটন]]''''', ''[[:w:প্যারাডাইস লস্ট|প্যারাডাইস লস্ট]]'', বুক IV, লাইন ৮৪৬-৮৪৮ (১৬৬৭, ১৬৭৪)। * যার কাছে মহত্ত্বের কোনো বিজ্ঞান বা প্রকৃত জ্ঞান নেই, তার জন্য অন্য সব ধরণের জ্ঞানই মূলত ক্ষতিকর বা অনিষ্টকর। ** '''''[[:w:মিশেল দ্য মঁতেন|মঁতেন]]''''', ''এসেস'', এম. স্ক্রিচ কর্তৃক অনূদিত (১৯৯১), বুক I, অধ্যায় ২৫, “অন স্কুলমাস্টারস লার্নিং,” পৃ. ১৫৯ == P == * [[:wikt:pneuma|পবিত্র আত্মার]] ফল হলো [[:w:আগাপে|প্রেম]], [[:wikt:chara|আনন্দ]], [[:wikt:eirene|শান্তি]], ধৈর্য, দয়া, [[:wikt:agathosune|মহত্ত্ব]], বিশ্বস্ততা, নম্রতা এবং [[:w:এঙ্ক্রাটিয়া|আত্মসংযম]]। ** '''''[[:w:তারসাসের পৌল|তারসাসের পৌল]]''''', [[:w:গালাতীয়দের প্রতি পত্র|গালাতীয়]] ৫:২২-২৩ [[:w:ইংলিশ স্ট্যান্ডার্ড ভার্সন|ESV]] * আমরা অন্য মানুষের প্রতি এতটাই কম গুরুত্ব দেই বা ভ্রুক্ষেপ করি যে, এমনকি [[:w:খ্রিস্টধর্ম|খ্রিস্টধর্মও]] আমাদের কেবল [[:w:ঈশ্বর|ঈশ্বরের]] প্রতি ভালোবাসার খাতিরেই ভালো কাজ বা সৎ কাজ করার জন্য তাগিদ দেয়। ** '''''[[:w:সিজার পাভেসে|সিজার পাভেসে]]''''', ''দিস বিজনেস অফ লিভিং'', ৮ জুলাই ১৯৩৮ * যে ব্যক্তি কেবল মহত্ত্বের খাতিরেই ভালো কাজ বা সৎ কাজ করেন, তিনি কোনো প্রকার [[:w:প্রশংসা|প্রশংসা]] কিংবা [[:w:পুরস্কার|পুরস্কারের]] প্রত্যাশা করেন না; যদিও শেষ পর্যন্ত এই উভয়ই তাঁর জন্য অবধারিত বা নিশ্চিত হয়ে দাঁড়ায়। ** '''''[[:w:উইলিয়াম পেন|উইলিয়াম পেন]]''''', ''সাম ফ্রুটস অফ সলিটিউড ইন রিফ্লেকশনস অ্যান্ড ম্যাক্সিমস'' (১৬৮২) নং. ৪৪১. * এটি মোটেও বিস্ময়ের কোনো বিষয় নয় যে, ভালো মানুষদের বিশাল কোনো জনসমাবেশ বা ভিড়ের মধ্যে দলবদ্ধভাবে দেখা যায় না। প্রথমত, কারণ প্রকৃত মহত্ত্বের উদাহরণ বা নিদর্শনগুলো অত্যন্ত বিরল।।দ্বিতীয়ত, কারণ তাঁরা বিচারবুদ্ধিহীন সাধারণ মানুষের বিশাল ভিড় এড়িয়ে চলেন এবং প্রকৃতির প্রদর্শিত সত্যগুলো নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা করার জন্য নিজেদের অবসর বা নির্জনতায় নিয়োজিত রাখেন। ** '''''[[:w:ফিলো|ফিলো]]''''', ''এভরি গুড ম্যান ইজ ফ্রি'', ৬৩ * অ্যান্টিওকাস তাঁর নিজের লেখা এবং বলা সমস্ত কথা বিস্মৃত হয়ে টলেমির বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, যা দেখে মনে হয় সিমোনিডেসের সেই উক্তিটি অত্যন্ত সত্য: "মহৎ হওয়া কঠিন।" প্রকৃতপক্ষে সম্মানজনকভাবে কাজ করার মানসিকতা রাখা এবং একটি নির্দিষ্ট পর্যায় পর্যন্ত তার জন্য প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়া সহজ হতে পারে। কিন্তু সব সময় সঙ্গতি বজায় রাখা এবং প্রতিটি পরিস্থিতিতে নিজের সংকল্পে অবিচল থাকা। যেখানে ন্যায়বিচার ও সম্মান ছাড়া অন্য কোনো কিছুকেই অধিকতর গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হবে না, তা সত্যিই অত্যন্ত কঠিন ও দুরূহ কাজ। ** '''''[[:w:পলিবিউস|পলিবিউস]]''''', ''হিস্টোরিস'', বুক ২৯ চ্যাপ্টার ২৬ * গোপনে কোনো ভালো কাজ বা পুণ্য কর্ম করো, এবং সেই কর্মটি যখন [[:w:খ্যাতি|খ্যাতি]] অর্জন করবে, তখন তা দেখে লজ্জায় আরক্তিম বা কুণ্ঠিত হয়ে পড়ো। ** '''''[[:w:অ্যালজান্ডার পোপ|অ্যালজান্ডার পোপ]]''''', ''এপিলোগ টু দ্য স্যাটায়ারস'' ডায়ালগ I লাইন ১৩৬. * মহত্ত্বের ভাষা বা রূপ যত বেশি চতুরতার সাথে ধারণ করা হয়, তার অন্তরালে লুকিয়ে থাকা নৈতিক অধঃপতন বা কলুষতা ততটাই ভয়াবহ ও চরম হয়ে থাকে। ** '''''পাব্লিয়াস সাইরাস''''', ''দ্য মোরাল সেইংস অফ পাব্লিয়াস সাইরাস'' (১৮৫৬), # ১১৪ == Q == [[File:Flickr - The U.S. Army - Operation Good Heart.jpg|thumb|সৎ কাজ করো। নিশ্চয়ই, [[:w:আল্লাহ|আল্লাহ]] সেই সব [[:w:মানুষ|মানুষদের]] [[:w:ভালোবাসা|ভালোবাসেন]] যারা ভালো কাজ বা সৎ [[:w:কর্ম|কর্ম]] সম্পাদন করে। ~ [[:w:কুরআন|কুরআন]]]] * আর তোমরা [[:w:আল্লাহ|আল্লাহর]] পথে [[:w:দান|ব্যয়]] করো এবং (ব্যয় করা থেকে বিরত থেকে) নিজেদের [[:w:হাত|হাত]] দিয়ে নিজেদেরকে [[:w:ধ্বংস|ধ্বংসের]] মুখে ঠেলে দিও না। আর '''তোমরা সৎ কাজ করো; নিশ্চয়ই, আল্লাহ সৎকর্মশীলদের ভালোবাসেন।''' ** অন্যান্য অনুবাদ: ''তোমরা সৎকর্মকারী হও, আল্লাহ সৎকর্মশীলদের ভালোবাসেন''। ''সৎ কাজ করো (অন্যের প্রতি), নিশ্চয়ই আল্লাহ সৎকর্ম সম্পাদনকারীদের ভালোবাসেন''। ** [[:w:কুরআন|কুরআন]], [[:w:আল-ইমরান|২]]:১৯৫ * নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁদের সাথেই আছেন যারা [[:w:তাকওয়া|তাঁকে ভয় করে]] এবং যারা সৎ কাজ বা মহৎ কর্ম সম্পাদন করে। ** [[:w:কুরআন|কুরআন]] ১৬:১২৮ * যখন অপরাহ্নে তাঁর সামনে দ্রুতগামী ও [[:w:অভিজাত|অভিজাত]] ঘোড়াগুলো প্রদর্শন করা হলো, তখন [[:w:সুলাইমান (আ.)|সুলাইমান]] বললেন: '''"আমি আমার [[:w:প্রতিপালক|প্রতিপালকের]] [[:w:স্মরণ|স্মরণ]] অপেক্ষা ভালো [[:w:বস্তু|জিনিসগুলোর]] ভালোবাসাকেই অগ্রাধিকার দিয়েছি, যতক্ষণ না (সূর্য) পর্দার আড়ালে বা দিগন্তে ঢলে পড়ল।"''' ** [[:w:কুরআন|কুরআন]], ৩৮:৩১ - ৩৮:৩২ * তবে এটি কেবল তাদেরকেই দান করা হয় যারা [[:w:ধৈর্য|ধৈর্য]] ধারণ করে, এবং এটি তাকেই প্রদান করা হয় যে (মঙ্গলের) এক [[:w:বিশাল|বিশাল]] অংশের অধিকারী। ** [[:w:কুরআন|কুরআন]] ৪১:৩৫ * ভালো বা মহৎ কাজের [[:w:পুরস্কার|পুরস্কার]] কি ভালো ছাড়া অন্য কিছু হতে পারে? ** [[:w:কুরআন|কুরআন]] ৫৫:৬০ == S == [[File:Licius Anneus Seneque (BM 1879,1213.294).jpg|thumb|right|যা সম্মানজনক ও ন্যায়নিষ্ঠ কেবল সেটিই হলো প্রকৃত মঙ্গল। অন্য সব ধরণের ভালো বা মঙ্গল আসলে সংমিশ্রিত এবং হীন। ~ '''''[[:w:লুসিয়াস আনিউস সেনেকা|কনিষ্ঠ সেনেকা]]''''' ]] * এই পরম কল্যাণের প্রকৃতি অনুধাবন করার জন্য অনেক বেশি শব্দ কিংবা কোনো ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে দীর্ঘ আলোচনার প্রয়োজন নেই। এটিকে যেন তর্জনী দিয়ে নির্দেশ করা যায় এবং একে অনেকগুলো অংশে বিভক্ত করে ছড়িয়ে ফেলার কোনো প্রয়োজন নেই। কারণ একে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশে ভেঙে ফেলার মধ্যে কী-ই বা স্বার্থকতা আছে, যখন আপনি বলতে পারেন: পরম কল্যাণ হলো তা-ই যা সম্মানজনক ও ন্যায়নিষ্ঠ? এছাড়া (এবং আপনি এতে আরও বেশি বিস্মিত হতে পারেন), '''যা সম্মানজনক তা-ই হলো একমাত্র মঙ্গল; অন্য সকল প্রকার ভালো বা মঙ্গল আসলে সংমিশ্রিত এবং হীন। আপনি যদি একবার নিজেকে এই সত্যে আশ্বস্ত করতে পারেন এবং যদি গুণ বা পুণ্যকে একনিষ্ঠভাবে ভালোবাসতে পারেন (কারণ কেবল ভালোবাসা বা পছন্দ করাই যথেষ্ট নয়), তবে সেই গুণের সংস্পর্শে আসা যেকোনো কিছুই আপনার জন্য আশীর্বাদ ও সমৃদ্ধি বয়ে আনবে, অন্যেরা তাকে যেভাবেই বিচার করুক না কেন। নির্যাতনও আপনার কাছে মঙ্গলময় হয়ে উঠবে যদি যন্ত্রণার মধ্যে শুয়েও আপনি আপনার অত্যাচারীর চেয়ে মানসিকভাবে অধিকতর শান্ত থাকতে পারেন। অসুস্থতাও মঙ্গলে রূপ নেবে যদি আপনি আপনার ভাগ্যকে অভিশাপ না দেন এবং ব্যাধির কাছে নতি স্বীকার না করেন। সংক্ষেপে, অন্যেরা যে বিষয়গুলোকে অশুভ বা মন্দ বলে মনে করে, সেগুলি সবই নিয়ন্ত্রণযোগ্য হবে এবং শেষ পর্যন্ত মঙ্গলে পর্যবসিত হবে, যদি আপনি সেগুলির ঊর্ধ্বে আরোহণ করতে সফল হন।''' ** '''''[[:w:লুসিয়াস আনিউস সেনেকা|কনিষ্ঠ সেনেকা]]''''', এপিস্টল LXXI. ইন: সেনেকা, এপিস্টলস, ভলিউম II: এপিস্টলস ৬৬-৯২. রিচার্ড এম. গামারে কর্তৃক অনূদিত. লোয়েব ক্লাসিক্যাল লাইব্রেরি, পৃষ্ঠা ৭৪-৭৫. [https://archive.is/DkFt7 আর্কাইভ] [https://www.loebclassics.com/view/seneca_younger-epistles/1917/pb_LCL076.75.xml?mainRsKey=Q5LLPk মূল] থেকে অক্টোবর ২৩, ২০২৪-এ। * প্রতিকূলতার ব্যবহার বা উপযোগিতা বড়ই মধুর, যা অনেকটা কুৎসিত ও বিষাক্ত ব্যাঙের মতো হওয়া সত্ত্বেও, তার মস্তকে একটি মূল্যবান রত্ন ধারণ করে; আর আমাদের এই জীবন, যা জনকোলাহল থেকে মুক্ত ও নির্জন, তা বৃক্ষের মাঝে খুঁজে পায় ভাষা, প্রবহমান ঝর্ণাধারায় পায় গ্রন্থ, পাথরের বুকে পায় নীতিগোপদেশ, আর ভালো কিছু খুঁজে পায় প্রতিটি বস্তুর মাঝে। ** '''''[[:w:উইলিয়াম শেক্সপিয়র|উইলিয়াম শেক্সপিয়র]]''''', ''[[:w:অ্যাজ ইউ লাইক ইট|অ্যাজ ইউ লাইক ইট]]'', অ্যাক্ট II, সিন. i (১৫৯৯ বা ১৬০০) * ঐ ছোট্ট মোমবাতিটি কত দূরে তার আলোকচ্ছটা ছড়ায়! এই কলুষিত পৃথিবীতে একটি সৎ কাজ এভাবেই উজ্জ্বল হয়ে জ্বলে ওঠে। ** '''''[[:w:উইলিয়াম শেক্সপিয়র|উইলিয়াম শেক্সপিয়র]]''''', ''[[:w:দ্য মার্চেন্ট অফ ভেনিস|দ্য মার্চেন্ট অফ ভেনিস]]'', অ্যাক্ট V, সিন. i (১৫৯৬ এবং ১৫৯৮) * সকল মানুষ [[:w:স্বাধীনতা|স্বাধীনভাবে]] জন্মগ্রহণ করেছে, এই ঘোষণা দেওয়া একেবারেই নিরর্থক যদি আপনি এটি অস্বীকার করেন যে তারা জন্মগতভাবে ভালো বা মহৎ। একজন মানুষের মহত্ত্বের নিশ্চয়তা দিন, তবে তার [[:w:লিবার্টি|ব্যক্তিগত স্বাধীনতা]] নিজেই নিজের পথ দেখে নেবে। কিন্তু আপনি যদি কারও স্বাধীনতাকে এই শর্তে মঞ্জুর করেন যে তার [[:w:নৈতিক|নৈতিক]] [[:w:চরিত্র|চরিত্রটি]] অবশ্যই আপনার অনুমোদিত হতে হবে, তবে তা আনুষ্ঠানিকভাবে সব ধরণের স্বাধীনতাকেই বিলুপ্ত করে দেয়। কারণ তখন প্রতিটি মানুষের মুক্তি এমন এক নৈতিক অভিযোগের করুণার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে, যা যেকোনো মূর্খ ব্যক্তিই এমন কারো বিরুদ্ধে সাজিয়ে তুলতে পারে যে প্রচলিত প্রথা লঙ্ঘন করে। সে ব্যক্তি একজন নবী হোন কিংবা কোনো ধূর্ত লোকই হোন না কেন। ** '''''[[:w:জর্জ বার্নার্ড শ|জর্জ বার্নার্ড শ]]''''', ''মেজর বারবারা'' (১৯০৫), প্রস্তাবনা (Preface) * [[:w:মানুষ|মানুষ]] কেবল যে মন্দ কিংবা কেবল যে [[:w:আভিজাত্য|আভিজাত্যময়]] বা মহৎ—এমনটি নয়। তারা অনেকটা শেফের তৈরি সালাদের মতো, যেখানে ভালো এবং মন্দ জিনিসগুলো কুচি কুচি করে কেটে বিভ্রান্তি এবং দ্বন্দ্বের এক মিশ্রণে (ভিনেগ্রেট) একত্র করা হয়েছে। ** '''''[[:w:লেমোনি স্নিকেট|লেমোনি স্নিকেট]]''''', ''এ সিরিজ অফ আনফরচুনেট ইভেন্টস''। * কোনো কিছুই একজন সৎ বা ভালো মানুষের কোনো ক্ষতি করতে পারে না, তা সে [[:w:জীবন|জীবিত]] অবস্থাতেই হোক কিংবা মৃত্যুর পরবর্তী সময়েই হোক। ** '''''[[:w:সক্রেটিস|সক্রেটিস]]''''', ''[[:w:দ্য অ্যাপোলজি (প্লেটো)|দ্য অ্যাপোলজি]]'', ৪১ (৩৯৯ খ্রিস্টপূর্বাব্দ) * কারণ যে ব্যক্তি একজন ভালো মানুষ, সে তার [[:w:খ্রিস্টান|খ্রিস্টান]] হওয়ার পথের তিন-চতুর্থাংশ পথ অতিক্রম করে ফেলেছে। সে যেখানেই বসবাস করুক না কেন, কিংবা যে নামেই তাকে ডাকা হোক না কেন। ** '''''রবার্ট সাউথ''''', 'হোয়াই ক্রাইস্ট'স ডকট্রিন ওয়াজ রিজেক্টেড' নামক ধর্মোপদেশ বা সারমন। == T == * আপনার মতো অনেকেরই ভালো হওয়াটা ততোটা গুরুত্বপূর্ণ নয়, যতটা গুরুত্বপূর্ণ হলো কোথাও না কোথাও এক পরম মহত্ত্ব বা চরম সত্যের অস্তিত্ব থাকে। কারণ সেই সামান্য মহত্ত্বই সমগ্র পিণ্ডটিকে বা পুরো সমাজকে রূপান্তরিত করতে পারে। ** '''''[[:w:হেনরি ডেভিড থরো|হেনরি ডেভিড থরো]]''''', ''সিভিল ডিসওবিডিয়েন্স'', ১.১০ * মহত্ত্বের আসল কষ্টিপাথর বা মাপকাঠি হলো নিজের চেয়ে কোনো অনুজ বা নিম্নস্তরের ব্যক্তির কাছেও নিজের পরাজয়কে অকপটে স্বীকার করে নেওয়া। ** '''''[[:w:তিরুবল্লুবর|তিরুবল্লুবর]]''''', ''তিরুক্কুরাল'': ৭৮৬. * একজন মানুষ হয়তো প্রতিটি সদগুণ বা মহত্ত্বকে বিনাশ করেও রক্ষা পেতে পারে, কিন্তু যে ব্যক্তি নিজের ভেতরকার [[:w:কৃতজ্ঞতা|কৃতজ্ঞতা]] বোধকে বিসর্জন দেয় বা হত্যা করে, তার জন্য নিস্তার পাওয়ার কোনো পথ খোলা থাকে না। ** '''''[[:w:তিরুবল্লুবর|তিরুবল্লুবর]]''''', ''তিরুক্কুরাল'': ১১০. * মহত্ত্বের পিছনে যদি কোনো নির্দিষ্ট কারণ থাকে, তবে তাকে প্রকৃত মহত্ত্ব বলা যায় না। আবার এর যদি কোনো বিশেষ ফলাফল কিংবা পুরস্কারের আশা থাকে, তবে সেটিও প্রকৃত মহত্ত্ব নয়। সুতরাং, মহত্ত্ব হলো কার্যকরণ সম্পর্কের (cause and effect) সেই চিরন্তন শৃঙ্খলের বাইরে অবস্থানকারী এক বিশেষ সত্তা। ** '''''[[:w:লিও তলস্তয়|লিও তলস্তয়]]''''', ''আন্না কারেনিনা''-তে লেভিন, সি. গারনেট কর্তৃক অনূদিত (নিউ ইয়র্ক: ২০০৩), পার্ট ৮, চ্যাপ্টার ১২, পৃ. ৭৩৫ * প্রতিটি মানুষের জীবনে কেবল একটিই উদ্দেশ্য বা লক্ষ্য থাকা উচিত: আর তা হলো মহত্ত্বের মাঝে নিজের পূর্ণতাকে খুঁজে পাওয়া। অতএব, কেবল সেই জ্ঞানেরই বিশেষ প্রয়োজন রয়েছে যা মানুষকে এই পূর্ণতার পথে পরিচালিত করে। ** '''''[[:w:লিও তলস্তয়|লিও তলস্তয়]]''''', ''এ ক্যালেন্ডার অফ উইজডম'', পি. সেকিরিন কর্তৃক অনূদিত (১৯৯৭), মে ৩ * ভালো হওয়া এবং একটি সৎ জীবন যাপন করার প্রকৃত অর্থ হলো অন্যদের কাছ থেকে যতটুকু গ্রহণ করা হয়, তার চেয়ে ঢের বেশি তাদের ফিরিয়ে দেওয়া বা দান করা। ** '''''[[:w:লিও তলস্তয়|লিও তলস্তয়]]''''', ''দ্য ফার্স্ট স্টেপ'' (১৮৯২), অধ্যায়. VII * আমি আমার সমগ্র আত্মা দিয়ে একজন ভালো মানুষ হতে চেয়েছিলাম, কিন্তু আমি তখন ছিলাম অল্পবয়স্ক। আমার মধ্যে ছিল আবেগ এবং মহত্ত্বের এই সন্ধানে আমি ছিলাম একেবারে একা, সম্পূর্ণ নিঃসঙ্গ। প্রতিবার যখনই আমি আমার মনের গহীনের একান্ত আকাঙ্ক্ষা। অর্থাৎ নৈতিকভাবে উন্নত হওয়ার ইচ্ছা—প্রকাশ করার চেষ্টা করতাম, তখনই আমাকে ঘৃণা ও অবজ্ঞার শিকার হতে হতো; কিন্তু যখনই আমি নীচ ও কলুষিত লালসার কাছে নিজেকে সঁপে দিতাম, অমনি আমাকে প্রশংসা ও উৎসাহ দেওয়া হতো। উচ্চাকাঙ্ক্ষা, ক্ষমতার লোভ, স্বার্থপরতা, লম্পটতা, অহঙ্কার, ক্রোধ এবং প্রতিশোধ নেওয়ার স্পৃহা, এগুলো সবই তখন অত্যন্ত সম্মানিত গুণাবলী হিসেবে বিবেচিত হতো। আমি যখনই এই সমস্ত প্রবৃত্তি বা লালসার কাছে নতি স্বীকার করতাম, তখনই আমি আমার বড়দের মতো হয়ে উঠতাম এবং আমি অনুভব করতাম যে তারা আমার ওপর অত্যন্ত সন্তুষ্ট হয়েছেন। ** '''''[[:w:লিও তলস্তয়|লিও তলস্তয়]]''''', ''[[:w:এ কনফেশন|এ কনফেশন]]'' (১৮৮২), জেন কেন্টিশ কর্তৃক অনূদিত (পেঙ্গুইন: ১৯৮৭), পৃ. ২২ * ডোনাল্ডের চিন্তাধারায়, এমনকি কোনো অনিবার্য বা আসন্ন হুমকিকে স্বীকার করে নেওয়াটাও দুর্বলতার লক্ষণ হিসেবে বিবেচিত হবে। নিজের ওপর দায়ভার গ্রহণ করা মানেই হলো নিজেকে সমালোচনার মুখে উন্মুক্ত করে দেওয়া। একজন বীর হওয়া কিংবা প্রকৃতপক্ষে একজন ভালো মানুষ হওয়া, তাঁর পক্ষে কোনোভাবেই সম্ভব নয়। ** মেরি এল. ট্রাম্প, ''টু মাচ অ্যান্ড নেভার এনাফ: হাউ মাই ফ্যামিলি ক্রিয়েটেড দ্য ওয়ার্ল্ড'স মোস্ট ডেঞ্জারাস ম্যান'' (২০২০), পৃ. ২১০ == W == * হোরেস স্মিথ যেমনটি মন্তব্য করেছেন, সুশ্রী বা ভালো দেখা যাওয়ার প্রকৃত অর্থ ভালো হওয়া ছাড়া আর কী-ই বা হতে পারে? তাই ভালো হোন, নারীসুলভ হোন, নম্র হোন—নিজেদের সহানুভূতি প্রদর্শনে উদার হোন, আপনার চারপাশের সকলের মঙ্গলের বিষয়ে সজাগ বা সচেতন থাকুন। আর আমার কথা মেনে দেখুন, আপনার প্রশংসায় কোনো দয়ালু শব্দের অভাব হবে না। ** '''''[[:w:জন গ্রিনলিফ হুইটিয়ার|জন গ্রিনলিফ হুইটিয়ার]]''''', ''দ্য বিউটিফুল'' == X == * উদরপূর্তি কিংবা অতিরিক্ত ঘুম ও অসংযম থেকে নিজেকে রক্ষা করার জন্য, অন্য কোনো এবং আরও মহত্তর আনন্দ উপভোগ করার চেয়ে কার্যকর আর কী হতে পারে বলে আপনি মনে করেন? যা কেবল বর্তমান উপভোগের জন্যই আনন্দদায়ক নয়, বরং দীর্ঘস্থায়ী উপকারের আশা জাগিয়ে তোলে বলেও মনোরম। ... আপনি কি মনে করেন যে এই সমস্ত চিন্তাভাবনার মধ্য থেকে এমন আনন্দদায়ক আর কিছু বেরিয়ে আসতে পারে যেমনটি এই চিন্তাটি দেয়: ‘আমি মহত্ত্বের দিকে ধাবিত হচ্ছি এবং আমি আরও ভালো বন্ধু গড়ে তুলছি’? আর আমি বলতে পারি, এটাই হলো আমার ধ্রুব বা নিরন্তর চিন্তা। ** '''''[[:w:জেনোফন|জেনোফন]]''''', [[:w:সক্রেটিস|সক্রেটিস]] ''[[:w:মেমোরেবিলিয়া (জেনোফন)|মেমোরেবিলিয়া]]''-তে, ১.৬.১ * আমার মতে, তাঁরাই সবচেয়ে ভালোভাবে জীবন যাপন করেন যারা নিজেদের যথাসম্ভব ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার জন্য সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়ে যান এবং তাঁদের জীবনই সবচেয়ে আনন্দদায়ক যারা এটি অনুভব করতে পারেন যে তাঁরা মহত্ত্বের দিকে এগিয়ে চলেছেন। ** '''''[[:w:জেনোফন|জেনোফন]]''''', [[:w:সক্রেটিস|সক্রেটিস]] ''[[:w:মেমোরেবিলিয়া (জেনোফন)|মেমোরেবিলিয়া]]''-তে, ৪.৮.৬ * মানুষের প্রকৃতি মূলত মন্দ বা অশুভ। এর মধ্যে যে মহত্ত্ব বা মঙ্গলের দেখা মেলে তা মূলত সচেতন কর্মতৎপরতা থেকে উদ্ভূত। প্রকৃতপক্ষে, মানুষ জন্মগতভাবেই লাভের প্রতি এক ধরণের আসক্তি নিয়ে জন্মায়। এই আসক্তির কাছে নতি স্বীকার করলে তা বিবাদ ও কলহের দিকে পরিচালিত করে এবং জন্মগতভাবে প্রাপ্ত পরিমিতিবোধ ও বিনয় বা নমনীয়তা হারিয়ে যায়। মানুষ জন্মগতভাবে হিংসা ও ঘৃণার অনুভূতি নিয়ে জন্মায় এবং এগুলোর প্রশ্রয় দিলে মানুষ দস্যুবৃত্তি ও চুরির দিকে ধাবিত হয়, ফলে তার জন্মগত আনুগত্য ও সৎ বিশ্বাসের চেতনা বিলুপ্ত হয়ে যায়। মানুষ কান ও চোখের লালসা এবং সুন্দর দৃশ্য ও শব্দের প্রতি এক ধরণের মোহ নিয়ে জন্মায়। আর এগুলোর বশবর্তী হলে সে লম্পটতা ও বিশৃঙ্খলার দিকে পরিচালিত হয়, যার ফলে তার জন্মগত আচার-অনুষ্ঠান, ন্যায়পরায়ণতা, পরিশীলন এবং আদর্শের চেতনা বিলুপ্ত হয়। অতএব, মানুষের সহজাত প্রকৃতি এবং আবেগগুলোর অনুসরণ ও প্রশ্রয় দেওয়া অনিবার্যভাবে বিবাদ ও কলহের দিকে নিয়ে যাবে, যা তাকে তার প্রকৃত কর্তব্য থেকে বিচ্যুত করবে, আদর্শকে বিশৃঙ্খলায় পরিণত করবে এবং তাকে পুনরায় সহিংসতার পথে ফিরিয়ে নিয়ে যাবে। তাই বিনয় ও নমনীয়তা অর্জন করার জন্য এবং পরিশীলন ও রীতিনীতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে সুশৃঙ্খল অবস্থায় ফিরে আসার আগে অবশ্যই একজন শিক্ষকের আদর্শের মাধ্যমে নিজেকে রূপান্তরিত হতে হবে এবং আচার-অনুষ্ঠান ও ন্যায়পরায়ণতার পথ দ্বারা পরিচালিত হতে হবে। ** '''''[[:w:শুন জি|শুন জি]]''''', “হিউম্যান নেচার ইজ ইভিল,” ''সোর্সেস অফ চাইনিজ ট্র্যাডিশন'' (১৯৯৯), ভলিউম. ১, পৃ. ১৭৯-১৮০ == ''হয়েট'স নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস'' == :<small>''[[Wikisource:Hoyt's New Cyclopedia Of Practical Quotations (1922)|হয়েট'স নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনসে]]'' রিপোর্ট করা উদ্ধৃতিসমূহ, পৃ. ৩২৬-২৯।</small> * অন্য কেউ যা-ই বলুক বা করুক না কেন, আমাকে অবশ্যই সৎ এবং মহৎ ব্যক্তিত্বের অধিকারী হতে হবে। ** '''''[[:w:মার্কাস অরেলিয়াস|অরেলিয়াস আন্তোনিনাস]]''''', ''মেডিটেশনস'', চ্যাপ্টার VII. * ''মহৎ-কর্ম,<br>যদি দেখিতে পাই, মননে সপনে তাহাতেই ভাসিতে চাই...<br>[[:w:আইন|আইন-কানুনে]] ঈমান আনিয়া থাকি তো ভবের-ই ভেলায়—<br>অনিবার্য ঘটিকা ঘটে যায়, তবু তাতে যেন থাকে—মঙ্গল যাহাই।'' ** '''''[[:w:এডউইন আর্নল্ড|এডউইন আর্নল্ড]]''''', ''দ্য লাইট অফ এশিয়া'' (১৮৭৯), বুক VI, লাইন ২৭৩, ''বাংলায় কাব্যিক রুপান্তরঃ'' '''মাহমুদ'''। * প্রকৃতপক্ষে এমন কোনো আইন, সম্প্রদায় কিংবা [[:w:মতামত|মতামত]] কখনোই কোনো কালে ছিল না, যা মহত্ত্বকে ততটা মহিমান্বিত করেছে যতটা না খ্রিস্টধর্ম করেছে। ** '''''[[:w:ফ্রান্সিস বেকন|ফ্রান্সিস বেকন]]''''', ''এসেস'', ''অফ গুডনেস অ্যান্ড গুডনেস অফ নেচার।'' * ''সেই সমস্ত কারণ, যাদের সহায়তার বড্ড অনটন,<br>সে সমস্ত অন্যায়, যাদের বিরুদ্ধে গণ-পিটুনি প্রয়োজন!<br>সেই সুদূর [[:w:ভবিষ্যৎ|মহাকালের]] তরে,<br>যেন জয় আনতে পারি মঙ্গলের-ই ভোরে।'' ** '''''জর্জ লিনিয়াস ব্যাংকস''''', ''হোয়াট আই লিভ ফর'', ''বাংলায় কাব্যিক রুপান্তরঃ'' '''মাহমুদ'''। * সে যে মঙ্গলকে অবজ্ঞা করেছিল তা এক লাঞ্ছিত প্রেতাত্মার মতো অনিচ্ছাসত্ত্বেও দূরে সরে গেল, আর ফিরে না আসার তরে; অথবা যদি ফিরে আসেও, তবে তা হবে দেবদূতদের দর্শনের মতো—ক্ষণস্থায়ী এবং দীর্ঘ সময়ের ব্যবধানে। ** '''''রবার্ট ব্লেয়ার''''', ''দ্য গ্রেভ'', পার্ট II, লাইন ৫৮৬. * কেউ হয়তো সন্দেহ করবে না যে, কোনো না কোনোভাবে সেই চিরন্তন মঙ্গল জল আর কাদার সংমিশ্রণ থেকেই জন্ম নেবে; আর নিশ্চিতভাবেই, শ্রদ্ধাশীল দৃষ্টিকে অবশ্যই দেখতে হবে তরলতার বা প্রবাহের মাঝে লুকিয়ে থাকা এক বিশেষ উদ্দেশ্য। ** '''''[[:w:রুপার্ট ব্রুক|রুপার্ট ব্রুক]]''''', ''হেভেন''। * কোনো ভালো বই, কিংবা যেকোনো ধরণের ভালো জিনিসই হোক না কেন, তা প্রথমেই তার শ্রেষ্ঠ রূপটি বা আসল সৌন্দর্য প্রকাশ করে না। ** '''''[[:w:টমাস কার্লাইল|টমাস কার্লাইল]]''''', ''এসেস'', "[[:w:নোভালিস|নোভালিস]]"। * ''Ergo hoc proprium est animi bene constituti, et lætari bonis rebus, et dolere contrariis.'' ** এটি একটি সুশিক্ষিত ও সুসংগঠিত মনের প্রমাণ যে, সে যা কিছু ভালো বা মঙ্গলময় তাতে আনন্দিত হয় এবং যা এর বিপরীত বা মন্দ তাতে ব্যথিত হয়। ** '''''[[:w:সিসেরো|সিসেরো]]''''', ''ডি আমিসিটিয়া'', XIII. * ''Homines ad deos nulla re propius accedunt, quam salutem hominibus dando.'' ** মানুষ অন্য কোনোভাবেই দেবতাদের এতোটা কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে না, যতটা পারে মানুষের মঙ্গল বা উপকার করার মাধ্যমে। ** '''''[[:w:সিসেরো|সিসেরো]]''''', ''ওরাটিও প্রো কুইন্টো লিগারিও'', XII. * ''Cui bono?'' ** এর ভালোটা কী? বা এতে কার সুবিধা হবে? ** '''''[[:w:সিসেরো|সিসেরো]]''''', ''ওরাটিও প্রো সেক্সটিও রোসিও আমেরিনো'', XXX. লুসিয়াস ক্যাসিয়াস থেকে উদ্ধৃত—সেকেন্ড ফিলিপিক। ("Qui bono fueret.") দেখুন ''লাইফ অফ সিসেরো'', II. ২৯২. নোট। * যাতে সেই বিচ্ছুরিত মঙ্গল আরও অধিকতর প্রাচুর্যের সাথে বৃদ্ধি পেতে পারে। ** '''''[[:w:উইলিয়াম কাউপার|উইলিয়াম কাউপার]]''''', ''কনভারসেশন'' (১৭৮২), লাইন ৪৪১। * মঙ্গল করা, নিঃস্বার্থভাবে ভালো করা—এটি আমাদের পেশা বা ব্যবসার ধরণ নয়। ** '''''[[:w:উইলিয়াম কাউপার|উইলিয়াম কাউপার]]''''', ''দ্য টাস্ক'' (১৭৮৫), বুক I. দ্য সোফা, লাইন ৬৭৩। * এখন, এক বিশেষ সময়ে, এক মনোরম মেজাজে বা ঘোরে, তিনি ভালো কাজ করার বিলাসিতা বা পরম তৃপ্তিটি পরখ করে দেখলেন। ** '''''[[:w:জর্জ ক্র্যাব|জর্জ ক্র্যাব]]''''', ''টেলস অফ দ্য হল'' (১৮১৯), বুক III. * যে সুবীজ বপন করে সে নিশ্চিতভাবেই ফসল কাটবে; বছরটি যতই পুরনো হয়, ততই তা সমৃদ্ধিতে ভরে ওঠে, আর জীবনের শেষ মুহূর্তের বালুকণাগুলোই হলো তার শ্রেষ্ঠ সোনার কণা! ** '''''জুলিয়া সি. আর. ডর''''', ''টু দ্য "বুকে ক্লাব"''। * এই বসবাসযোগ্য পৃথিবীর দিকে তাকাও, কত অল্প সংখ্যক মানুষই বা নিজেদের প্রকৃত মঙ্গল সম্পর্কে জানে, কিংবা জানলেও তা পাওয়ার জন্য অন্বেষণ করে। ** '''''[[:w:জন ড্রাইডেন|জন ড্রাইডেন]]''''', ''জুভেনাল'', স্যাটায়ার X। * আপনি যদি প্রকৃতপক্ষে মহৎ বা ভালো হতে চান, তবে প্রথমে এই বিশ্বাসটি অন্তরে পোষণ করুন যে আপনি মন্দ বা খারাপ। ** '''''[[:w:এপিকটেটাস|এপিকটেটাস]]''''', ''ফ্র্যাগমেন্টস''। লং-এর অনুবাদ। * কারণ তাঁদের সমস্ত বিলাসিতা বা পরম সুখ ছিল কেবল অন্যের মঙ্গল সাধন করার মধ্যে। ** '''''স্যামুয়েল গার্থ''''', ''ক্লেরেমন্ট'', লাইন ১৪৯। * ''Ein guter Mensch, in seinem dunkeln Drange,<br>Ist sich des rechten Weges wohl bewusst.'' ** একজন ভালো মানুষ, তাঁর অস্পষ্ট বা গূঢ় আকাঙ্ক্ষার মধ্য দিয়েও সর্বদা সেই একটিমাত্র সঠিক ও ধ্রুব পথের সহজাত প্রবৃত্তি বা বোধ ধরে রাখেন। ** '''''[[:w:ইয়োহান ভলফগাং ফন গ্যোটে|ইয়োহান ভলফগাং ফন গ্যোটে]]''''', ''[[:w:ফাউস্ট|ফাউস্ট]]'', প্রোলগ ইম হিমেল * এবং ভালো কাজ করার সেই রাজকীয় বিলাসিতা বা মানসিক তৃপ্তিটি অনুভব করতে শিখুন। ** '''''[[:w:অলিভার গোল্ডস্মিথ|অলিভার গোল্ডস্মিথ]]''''', ''দ্য ট্রাভেলার'' (১৭৬৪), লাইন ২২। * অবিরত পদক্ষেপে এমন এক ক্ষণস্থায়ী মঙ্গলের অন্বেষণে ধাবিত হচ্ছি, যা কেবল দৃষ্টির সম্মুখে এসে আমাকে উপহাস করে চলে যায়; যা পৃথিবী ও আকাশের সংযোগকারী দিগন্ত রেখার মতো— দূর থেকে প্রলুব্ধ করে ঠিকই, কিন্তু আমি যত তার অনুসরণ করি, সে তত দূরে মিলিয়ে যায়। ** '''''[[:w:অলিভার গোল্ডস্মিথ|অলিভার গোল্ডস্মিথ]]''''', ''দ্য ট্রাভেলার'' (১৭৬৪), লাইন ২৫। * মহত্ত্ব যদি তাকে পরিচালিত করে আমার কাছে নিয়ে না আসে, তবে হয়তো ক্লান্তিবোধই তাকে ক্লান্ত করে একসময় আমার বুকের মাঝে ছুড়ে ফেলে দেবে। ** '''''[[:w:জর্জ হার্বার্ট|জর্জ হার্বার্ট]]''''', ''দ্য পুলি'', স্ট্যাঞ্জা ৪। * ''Vir bonus est quis?<br>Qui consulta patrum, qui leges juraque servat.'' ** একজন ভালো মানুষ আসলে কে? তিনি-ই, যিনি পিতৃপুরুষদের আদেশ বা ডিক্রিগুলো মেনে চলেন এবং মানবীয় ও ঐশ্বরিক—উভয় প্রকার আইনই পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পালন করেন। ** '''''[[:w:হোরাস|হোরাস]]''''', ''এপিস্টলস'', I. ১৬. ৪০। * ঈশ্বর, যাঁর করুণার ধারা বা আশীর্বাদ প্রবল বন্যার মতো সেই সকলের প্রতি বর্ষিত হয় যারা তাঁর অন্বেষণ করে; তিনি কেবল আপনার কাছে ভালো বা মহৎ হওয়ার প্রত্যাশা করেন এবং তাতেই তিনি সন্তুষ্ট হন। ** '''''[[:w:ভিক্টর হুগো|ভিক্টর হুগো]]''''', ''গড হুজ গিফটস ইন গ্রেসিয়াস ফ্লাড''। * তিনি এতোটাই দয়ালু ও ভালো মানুষ ছিলেন যে, তিনি একটি কদাকার কোলাব্যাঙের গায়েও গোলাপ-জল ছিটিয়ে দিতেন। ** '''''ডগলাস জেরল্ড''''', ''জেরল্ড'স উইট'', ''এ চ্যারিটেবল ম্যান''। * নাসরত থেকে কি ভালো কোনো কিছুর উদ্ভব হওয়া সম্ভব? ** যোহন. I. ৪৬। * যা কিছু সুন্দর ও ন্যায্য, তা মঙ্গলের কতটা কাছাকাছি! ** '''''[[:w:বেন জনসন|বেন জনসন]]''''', ''লাভ ফ্রীড ফ্রম ইগনোরেন্স অ্যান্ড ফলি''। * ''Rari quippe boni: numero vix sunt totidem quot<br>Thebarum portæ, vel divitis ostia Nili.'' ** ভালো বা মহৎ মানুষেরা, হায়! সংখ্যায় কতই না নগণ্য: তাঁদের সংখ্যা থিবসের প্রবেশদ্বার কিংবা সমৃদ্ধ নীল নদের মোহনাগুলোর চেয়ে কোনোভাবেই বেশি হবে না। *** '''''[[:w:জুভেনাল|জুভেনাল]]''''', ''স্যাটায়ারস'' (দ্বিতীয় শতাব্দীর শুরুর দিকে), XIII. ২৬. * ভালো হও, হে প্রিয় বালিকা, আর যারা চায় তাদের চতুর হতে দাও; সারাদিন কেবল স্বপ্ন না দেখে বরং মহৎ ও পুণ্য কাজ করো, আর এভাবেই জীবন, মৃত্যু এবং সেই অনন্ত মহাকালকে একটি মহান ও সুমধুর সংগীতে রূপান্তরিত করো। ** '''''[[:w:চার্লস কিংসলে|চার্লস কিংসলে]]''''', ''ফেয়ারওয়েল। টু সি. ই. জি.'' * ভালো হও, হে প্রিয় বালিকা, আর যারা পারে তাদের চতুর হতে দাও, সারাদিন কেবল স্বপ্ন না দেখে বরং সুন্দর ও মনোরম কাজগুলো সম্পাদন করো; আর এভাবেই জীবন, মৃত্যু এবং সেই অনন্ত মহাকালকে একটি মহান ও সুমধুর সংগীতে পরিণত করো। ** '''''[[:w:চার্লস কিংসলে|চার্লস কিংসলে]]''''', ''ফেয়ারওয়েল''। ১৮৮৯ সালের সংস্করণে। এছাড়াও তাঁর স্ত্রীর সম্পাদিত 'লাইফ'-এর ভলিউম I, পৃ. ৪৮৭-এ পাওয়া যায়, যেখানে লাইনটি হলো: "অ্যান্ড সো মেক লাইফ, ডেথ, অ্যান্ড দ্যাট ভাস্ট ফর এভার"। * ''Weiss<br>Dass alle Länder gute Menschen tragen.'' ** এটি জেনে রেখো যে, প্রতিটি দেশই ভালো এবং সৎ মানুষ জন্ম দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। *** '''''[[:w:গটহোল্ড এফ্রাইম লেসিং|গটহোল্ড এফ্রাইম লেসিং]]''''', ''নাথান ডার ওয়েইজ'', II. * ''Segnius homines bona quam mala sentiunt.'' ** মানুষের ভালো বা মঙ্গলের তুলনায় মন্দ বা অশুভ বিষয়গুলো অনুভব করার তীব্রতা অনেক বেশি সজাগ ও প্রখর থাকে। *** '''''[[:w:লিভি|লিভি]]''''', ''অ্যানালস'', XXX. ২১. * যে মাটি বা ভূখণ্ডের ওপর ভিত্তি করে তাঁর মতো মহান মানুষেরা গড়ে ওঠেন, সেই মাটিতে জন্মগ্রহণ করা ভাগ্যের ব্যাপার, সেখানে জীবন যাপন করা আনন্দের এবং সেই মাটির তরে মৃত্যুবরণ করা ও তারই কোলে সমাধিস্থ হওয়া অত্যন্ত গৌরবের। ** '''''[[:w:জেমস রাসেল লোয়েল|জেমস রাসেল লোয়েল]]''''', ''অ্যামং মাই বুকস''। সেকেন্ড সিরিজ। গারফিল্ড। * ''Si veris magna paratur<br>Fama bonis, et si successu nuda remoto<br>Inspicitur virtus, quicquid laudamus in ullo<br>Majorum, fortuna fuit.'' ** যদি প্রকৃতপক্ষে সৎ ও মহৎ ব্যক্তিদের জন্য মহান খ্যাতি অপেক্ষা করে থাকে। আর যদি চুড়ান্ত সাফল্যের প্রশ্নটি সরিয়ে রেখে কেবল শ্রেষ্ঠত্ব বা গুণকেই এককভাবে বিচার করা হয়, তবে তাঁর ভাগ্য আমাদের পূর্বপুরুষদের ইতিহাসে খুঁজে পাওয়া যেকোনো গৌরবের মতোই গর্বিত ও মহিমান্বিত ছিল। *** '''''[[:w:লুকান (কবি)|মার্কাস আনিউস লুকানাস]]''''', ''ফারসালিয়া'', IX. ৫৯৩. * সকল প্রকার মঙ্গল বা কল্যাণের শিখর এবং মুকুটমণি, আর জীবনের শেষ ধ্রুবতারা হলো—ভ্রাতৃত্ববোধ। ** '''''[[:w:এডউইন মার্কহ্যাম|এডউইন মার্কহ্যাম]]''''', ''ব্রাদারহুড''। * একমাত্র যাঁরা প্রকৃতপক্ষে ভালো মানুষ, তাঁরাই কেবল ভালো কিছু দান করতে পারেন। আর যা ভালো নয়, তা কোনো সুশৃঙ্খল ও প্রজ্ঞাবান রুচির কাছে কখনোই সুস্বাদু বা আকর্ষণীয় হতে পারে না। ** '''''[[:w:জন মিলটন|জন মিলটন]]''''', ''[[:w:কোমাস (জন মিলটন)|কোমাস]]'' (১৬৩৭), লাইন ৭০২. * যেহেতু মহত্ত্ব বা মঙ্গলকে যতটা বেশি সবার মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া হয়, এটি ততটাই অধিকতর প্রাচুর্যের সাথে বৃদ্ধি পেতে থাকে। ** '''''[[:w:জন মিলটন|জন মিলটন]]''''', ''[[:w:প্যারাডাইস লস্ট|প্যারাডাইস লস্ট]]'' (১৬৬৭; ১৬৭৪), বুক V, লাইন ৭১. * এক গ্লাস পানীয় ভালো, আর একটি সঙ্গী বা কিশোরীও ভালো, আর প্রচণ্ড শীতে ধূমপানের জন্য একটি পাইপও বেশ চমৎকার; এই পৃথিবীটা সুন্দর, আর মানুষগুলোও বেশ ভালো, এবং আমরা সবাই মিলে একত্রে এক একজন অসাধারণ সঙ্গী। ** '''''জন ও'কিফ''''', ''স্প্রিগস অফ লরেল'', অ্যাক্ট II, সিন ১. * আমি মঙ্গলকে চিনি এবং ভালোবাসি, তবুও হায়! সেই নিকৃষ্ট বা মন্দেরই অনুসরণ করি। ** '''''[[:w:পেত্রার্ক|পেত্রার্ক]]''''', ''টু লরা ইন লাইফ'', কানজোন XXI. * ''Itidemque ut sæpe jam in multis locis,<br>Plus insciens quis fecit quam prodens boni.'' ** আর এভাবেই অনেক ক্ষেত্রেই এটি ঘটে থাকে; আমাদের অজ্ঞাতসারে বা অজান্তেই যতটা মঙ্গল সাধিত হয়, তা আমাদের পরিকল্পিত মঙ্গলের চেয়ে অনেক বেশি। *** '''''[[:w:প্লাউতাস|প্লাউতাস]]''''', ''ক্যাপটিভি প্রোলগ'', XLIV. * ''Bono ingenio me esse ornatam, quam auro multo mavolo.<br>Aurum fortuna invenitur, natura ingenium donum.<br>Bonam ego, quam beatam me esse nimio dici mavolo.'' ** আমি স্বর্ণ বা ধন-সম্পদের চেয়ে একটি সুন্দর ও মহৎ স্বভাব বা চরিত্রকেই অনেক বেশি পছন্দ করি; কারণ স্বর্ণ হলো ভাগ্যের দান, কিন্তু স্বভাবের এই মহত্ত্ব হলো প্রকৃতির এক অমূল্য উপহার। আমি নিজেকে সৌভাগ্যবানের চেয়ে বরং একজন ভালো মানুষ হিসেবে পরিচিত করতে অনেক বেশি পছন্দ করি। *** '''''[[:w:প্লাউতাস|প্লাউতাস]]''''', ''ফেনুলাস'', I. ২. ৯০. * প্রতিটি ভালো বা মঙ্গলময় জিনিসই মূলত অত্যন্ত নম্র ও সংগতিপূর্ণ হয়ে থাকে, যা এক সুশৃঙ্খল ধারায় অগ্রসর হয় এবং যা সঠিক বা ন্যায়সঙ্গত তার সীমা কখনোই অতিক্রম করে না। ** '''''[[:w:পর্ফিরি (দার্শনিক)|পর্ফিরি]]''''', ''[https://books.google.it/books?id=B5ojAwAAQBAJ&pg=PA0 অন অ্যাবস্টিনেন্স ফ্রম কিলিং অ্যানিম্যালস]'', গিলিয়ান ক্লার্ক কর্তৃক অনূদিত (ব্লুমসবারি, ২০১৪), II. ৩৯. ৪. * ''Gute Menschen können sich leichter in schlimme hineindenken als diese injene.'' ** একজন ভালো মানুষ যতটা সহজে একজন মন্দ মানুষের প্রকৃত রূপ বা উদ্দেশ্য চিনে ফেলতে পারেন, একজন মন্দ মানুষ কখনোই একজন ভালো মানুষের স্বরূপ ততটা সহজে অনুধাবন করতে পারে না। *** '''''[[:w:জঁ পল রিখটার|জঁ পল রিখটার]]''''', ''হেসপেরাস'', IV. * তুমি হয়তো ম্যাজ কিংবা সিস-এর জন্য অনেক ভালো, অথবা হয়তো কেট-এর জন্যও বেশ চমৎকার; কিন্তু তাতে আমার জন্য কী-ই বা ভালো বা লাভ আছে, যতক্ষণ পর্যন্ত না তুমি আসলে আমার জন্য ভালো বা যোগ্য হয়ে ওঠো? ** '''''[[:w:ক্রিস্টিনা রসেটি|ক্রিস্টিনা রসেটি]]''''', ''জেসি ক্যামেরন'', স্ট্যাঞ্জা ৩. * ''Esse quam videri bonus malebat.'' ** তিনি কেবল ভালো বা সৎ সাজার চেয়ে প্রকৃতপক্ষে একজন ভালো মানুষ হওয়াকেই অনেক বেশি পছন্দ করতেন। *** '''''[[:w:সালুস্ত|সালুস্ত]]''''', ''ক্যাটলিনা'', LIV. * যা কিছু সুন্দর তা-ই আসলে ভালো বা মঙ্গলময়, আর যিনি প্রকৃতপক্ষে ভালো, তিনি অচিরেই সৌন্দর্যেরও অধিকারী হয়ে উঠবেন। ** '''''[[:w:সাফো|সাফো]]''''', ''ফ্র্যাগমেন্ট'', ১০১. * ''Bonitas non est pessimis esse meliorem.'' ** কেবল নিকৃষ্টতম ব্যক্তিদের চেয়ে সামান্য ভালো হওয়াটাই প্রকৃত মহত্ত্ব বা মঙ্গলের পরিচায়ক নয়। *** '''''[[:w:লুসিয়াস আনিউস সেনেকা|কনিষ্ঠ সেনেকা]]''''', ''এপিস্টোলি অ্যাড লুসিলিয়াম''। * এই ক্লান্ত ও শ্রান্ত পৃথিবীতে একটি সৎ কাজ এভাবেই উজ্জ্বল আলোকচ্ছটা ছড়ায়। ** উইলি ওয়াঙ্কা, চরিত্রে অভিনয়ে [[w:জিন ওয়াইল্ডার|জিন ওয়াইল্ডার]], [[w:উইলি ওয়াঙ্কা অ্যান্ড দ্য চকলেট ফ্যাক্টরি|উইলি ওয়াঙ্কা অ্যান্ড দ্য চকলেট ফ্যাক্টরি (চলচ্চিত্র)]] (১৯৭১), চিত্রনাট্য লিখেছেন রোয়াল্ড ডাল এবং ডেভিড সেল্টজার। * ভালোবাসার সেই জ্বলন্ত শিখার একদম গভীরেও বাস করে এক ধরণের সলতে বা পোড়া অংশ যা তাকে ধীরে ধীরে স্তিমিত করে দেয়; আর কোনো কিছুই চিরকাল একই ধরণের মহত্ত্ব বা মঙ্গলে স্থির থাকে না; কারণ মহত্ত্ব যখন আতিশয্যে বা প্রাচুর্যে উপচে পড়ে (প্লুরিসি), তখন সে নিজের সেই আতিশয্যের ভারেই বিলীন হয়ে যায়। ** '''''[[:w:উইলিয়াম শেক্সপিয়র|উইলিয়াম শেক্সপিয়র]]''''', ''[[:w:হ্যামলেট|হ্যামলেট]]'' (১৬০০-০২), অ্যাক্ট IV, সিন ৭, লাইন ১১৫. * আপনার সেই মহানুভবতা ও মহত্ত্ব, যা কি না পবিত্র করুণা থেকে উদ্ভূত, শেষ পর্যন্ত একটি কুঠারের মাধ্যমে তাকে মুক্তি বা পাপমুক্ত করেছে। ** '''''[[:w:উইলিয়াম শেক্সপিয়র|উইলিয়াম শেক্সপিয়র]]''''', ''[[:w:হেনরি অষ্টম (নাটক)|হেনরি অষ্টম]]'' ([[w:হেনরি অষ্টম (নাটক)#তারিখ|আনু. ১৬১৩]]), অ্যাক্ট III, সিন ২, লাইন ২৬৩. * আমি এই পার্থিব জগতে বাস করি; যেখানে কারো ক্ষতি করা বা অনিষ্ট করাটা প্রায়শই প্রশংসনীয় হিসেবে বিবেচিত হয়, আর ভালো কাজ করাকে কখনও কখনও গণ্য করা হয় এক ধরণের বিপজ্জনক মূর্খতা হিসেবে। ** '''''[[:w:উইলিয়াম শেক্সপিয়র|উইলিয়াম শেক্সপিয়র]]''''', ''[[:w:ম্যাকবেথ|ম্যাকবেথ]]'' (১৬০৫), অ্যাক্ট IV, সিন ২, লাইন ৭৫. * তাঁকে একজন ভালো মানুষ বলার মাধ্যমে আমি যা বোঝাতে চেয়েছি তা হলো—যাতে আপনি এটি বুঝতে পারেন যে তিনি তাঁর কাজ বা অবস্থানের জন্য যথেষ্ট যোগ্য ও সমর্থ। ** '''''[[:w:উইলিয়াম শেক্সপিয়র|উইলিয়াম শেক্সপিয়র]]''''', ''[[:w:দ্য মার্চেন্ট অফ ভেনিস|দ্য মার্চেন্ট অফ ভেনিস]]'' (১৫৯০-এর দশকের শেষের দিকে), অ্যাক্ট I, সিন ৩, লাইন ১৪. * প্রভু যীশু খ্রিস্টের সন্তুষ্টির খাতিরে, যতটুকু সম্ভব সকল প্রকার ভালো কাজ করো, যতজন মানুষের প্রতি সম্ভব তা সম্পাদন করো, সম্ভাব্য সকল উপায়ে তা করার চেষ্টা করো, এবং যতক্ষণ পর্যন্ত তোমার সামর্থ্য থাকে ততক্ষণ তা চালিয়ে যাও। ** ইংল্যান্ডের শ্রুসবারির একটি সমাধিলিপির খোদাই করা লেখা। এটি জনাব মুডির অত্যন্ত প্রিয় ছিল। * কারণ আপনি ছাড়া আর কে-ই বা আছেন? যিনি কেবল নিজে একজন ভালো মানুষ বা ভদ্রলোক হওয়ার দাবিই করেন না—কারণ অনেকেই এমন আছেন যারা ভালো, কিন্তু অন্যকে ভালো বা মহৎ করে তোলার ক্ষমতা তাঁদের নেই। অথচ আপনি কেবল নিজেই মহৎ নন, বরং অন্যদের মাঝেও মহত্ত্ব বা মঙ্গলের এক বিশেষ কারণ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। ** প্রোটাগোরাসকে '''''সক্রেটিস'''''। দেখুন [[:w:প্লেটো|প্লেটো]]। জোয়েট-এর অনুবাদ। * শনিবার রাতটি কতটা মনোরম ও তৃপ্তিদায়ক হয়, যখন আমি সারা সপ্তাহ জুড়ে একজন ভালো মানুষ হওয়ার চেষ্টা করি, মুখ দিয়ে কোনো একটি খারাপ বা মন্দ শব্দও উচ্চারণ করি না, এবং সাধ্যমতো প্রত্যেকের প্রতি কৃতজ্ঞ ও বাধ্য থাকার চেষ্টা করি। ** '''''ন্যান্সি ডেনিস স্প্রোট''''', ''হাউ প্লেজেন্ট ইজ স্যাটারডে নাইট''। * কেবল একজন ব্যক্তিকেই আমাকে সংশোধন করে ভালো বানাতে হবে: সেটি হলো আমি নিজে। কিন্তু আমার প্রতিবেশীর প্রতি আমার কর্তব্য সম্পর্কে আরও অনেক বেশি স্পষ্টভাবে বলা যায় যে—আমার কাজ হলো তাকে সুখী করে তোলা, যদি আমি তা করতে সমর্থ হই। ** '''''[[:w:রবার্ট লুইস স্টিভেনসন|রবার্ট লুইস স্টিভেনসন]]''''', ''ক্রিসমাস সারমন''। * তাঁর কনিষ্ঠ আঙুলে যতটুকু মহত্ত্ব বা সদগুণ রয়েছে, ওই লোকটির পুরো শরীরেও ততটুকু নেই। ** '''''[[:w:জোনাথন সুইফট|জোনাথন সুইফট]]''''', ''পোলাইট কনভারসেশন'' (আনু. ১৭৩৮), ডায়ালগ II. * ওহ, তবুও আমরা বিশ্বাস করি যে কোনো না কোনোভাবে মঙ্গলই হবে মন্দের চূড়ান্ত লক্ষ্য বা পরিণতি; প্রকৃতির তীব্র যন্ত্রণা, ইচ্ছাকৃত পাপ, সন্দেহের ত্রুটি এবং বংশগত কলঙ্ক—সবকিছুরই শেষ হবে মঙ্গলে। ** '''''[[:w:আলফ্রেড টেনিসন|আলফ্রেড টেনিসন]]''''', ''[[:w:ইন মেমোরিয়াম এ.এইচ.এইচ.|ইন মেমোরিয়াম এ.এইচ.এইচ.]]'' (১৮৪৯), LIV. ১. * মহৎ হওয়া মানেই হলো প্রকৃতপক্ষে ভালো বা সৎ হওয়া। ** '''''[[:w:আলফ্রেড টেনিসন|আলফ্রেড টেনিসন]]''''', ''লেডি ক্ল্যারা ভিয়েরা ডি ভিয়েরা''। একই কথা পাওয়া যায় [[:w:জুভেনাল|জুভেনাল]]-এর ''স্যাটায়ারস'', VIII. ২৪-এ। * মানুষের প্রকৃতপক্ষে যা সে দেখায়, তার চেয়েও আরও বেশি ভালো হওয়া উচিত। ** স্যার '''''অব্রে ডি ভিয়েরা''''', ''এ সং অফ ফেইথ''। * ''Le plus grand ennemi du bon, c'est le mieux.'' ** অধিকতর ভালো বা অতি-উত্তম হলো মঙ্গলের সবচেয়ে বড় শত্রু। ** ফরাসি প্রবাদ, [[:w:গর্গ ভিলহেল্ম ফ্রিডরিখ হেগেল|গর্গ ভিলহেল্ম ফ্রিডরিখ হেগেল]]-এর ''এলিমেন্টস অফ দ্য ফিলোসফি অফ রাইট'' (১৮২০), §২১৬-এ উদ্ধৃত। ** ভিন্ন পাঠসমূহ: *** ''Dans ses écrits un sage Italien <br /> Dit que le mieux est l'ennemi du bien.'' **** তাঁর লেখায় একজন প্রজ্ঞাবান ইতালীয় বলেছেন যে, অতি-উত্তম হলো মঙ্গলের বা ভালোর পরম শত্রু। **** '''''[[:w:ভলতেয়ার|ভলতেয়ার]]''''', ''লা বেগুয়েল'' (দ্য প্রুড) (১৭৭২) *** নিখুঁত হওয়া বা পারফেকশন হলো মঙ্গলের শত্রু। **** ভলতেয়ারের উক্তির আধুনিক ভাবানুবাদ। == ''ডিকশনারি অফ বার্নিং ওয়ার্ডস অফ ব্রিলিয়ান্ট রাইটার্স'' (১৮৯৫) == <small>[[Wikisource:Josiah Hotchkiss Gilbert|জোসায়া হোচকিস গিলবার্ট]], ''[https://openlibrary.org/books/OL23387290M/Dictionary_of_burning_words_of_brilliant_writers ডিকশনারি অফ বার্নিং ওয়ার্ডস অফ ব্রিলিয়ান্ট রাইটার্স]'' (১৮৯৫)-এ রিপোর্ট করা উদ্ধৃতিসমূহ।</small> * কোনো একটি মহৎ উদ্দেশ্যের জন্য বেঁচে থাকুন! ভালো কাজ সম্পাদন করুন এবং নিজের পেছনে পুণ্যের এমন এক স্মৃতিস্তম্ভ রেখে যান যা মহাকালের প্রবল ঝড়ও কখনো ধ্বংস করতে পারবে না। প্রতি বছর আপনি যত হাজার হাজার মানুষের সংস্পর্শে আসছেন, তাঁদের হৃদয়ে দয়া, ভালোবাসা এবং করুণার অক্ষরে নিজের নামটি লিখে দিন; তবেই আপনি কখনো বিস্মৃতির অতল গহ্বরে হারিয়ে যাবেন না। আপনার নাম এবং আপনার কীর্তিসমূহ মানুষের হৃদয়ে ঠিক তেমনই স্পষ্টভাবে ভাস্বর হয়ে থাকবে, যেমনটি সন্ধ্যার ললাটে নক্ষত্ররাজি শোভা পায়। সৎ কর্মসমূহ আকাশের ধ্রুবতারার মতোই চিরকাল উজ্জ্বল আলোকচ্ছটা ছড়াবে। ** '''''[[:w:টমাস চালমার্স|টমাস চালমার্স]]''''', পৃ. ২৪৩। * মহত্ত্ব বা শ্রেষ্ঠত্ব আমরা বাহ্যিকভাবে যে কাজগুলো করি তার মধ্যে নিহিত নয়, বরং আমাদের অন্তরের প্রকৃত সত্তার মাঝে নিহিত। 'হয়ে ওঠা' বা আমাদের প্রকৃত পরিচয়টিই হলো সবচেয়ে বড় বিষয়। ** '''''এডউইন হাবেল চ্যাপিন''''', পৃ. ২৮৬। * কত মানুষই না ভালো হতে চাইত, যদি কোনো প্রকার কষ্ট বা পরিশ্রম ছাড়াই অনায়াসে ভালো হওয়া যেত! তারা মহত্ত্বকে ততটা গভীরভাবে ভালোবাসে না যাতে তার জন্য ক্ষুধা ও তৃষ্ণা অনুভব করতে পারে, কিংবা যা কিছু তাদের আছে তার বিনিময়ে সেই মহত্ত্বকে ক্রয় করতে পারে; তারা স্বর্গরাজ্যের দ্বারে করাঘাত করতে চায় না; বরং তারা দূর থেকে পুণ্য ও ন্যায়পরায়ণতার সেই আকাশচুম্বী কাল্পনিক দুর্গের দিকে পরম তৃপ্তির সাথে তাকিয়ে থাকে এবং মনে মনে ভাবে যে সেখানে বসবাস করাটা বেশ চমৎকার হতো। ** '''''[[:w:জর্জ ম্যাকডোনাল্ড|জর্জ ম্যাকডোনাল্ড]]''''', পৃ. ২৮৬। * কেবল মহান হৃদয়ের অধিকারীরাই অনুধাবন করতে পারেন যে, প্রকৃতপক্ষে ভালো বা মহৎ হওয়ার মাঝে কতটা গৌরব ও মহিমা নিহিত রয়েছে। ** '''''[[:w:জুল মিশলে|জুল মিশলে]]''''', পৃ. ২৮৬। * ভালো হও আমার সন্তান, আর যারা চায় তাদের চতুর হতে দাও; সারাদিন কেবল স্বপ্ন না দেখে বরং মহৎ ও পুণ্য কাজগুলো বাস্তবে রূপ দাও; আর এভাবেই জীবন, মৃত্যু এবং সেই সুদূরপ্রসারী অনন্তকালকে একটি বিশাল ও সুমধুর সংগীতে রূপান্তরিত করো। ** '''''[[:w:চার্লস কিংসলে|চার্লস কিংসলে]]''''', পৃ. ২৮৬। * কেবল নামমাত্র ভালো বা সৎ হয়ো না; বরং কোনো একটি মহৎ উদ্দেশ্য সাধনের জন্য ভালো হও। ** '''''[[:w:হেনরি ডেভিড থরো|হেনরি ডেভিড থরো]]''''', পৃ. ২৮৬। * কোনো ভালো বা মঙ্গলময় বিষয়ই কখনো হারিয়ে যায় না। কোনো কিছুই মরে যায় না, এমনকি জীবনও নয়—যা কেবল একটি রূপ ত্যাগ করে অন্য একটি রূপ ধারণ করার জন্য। কোনো ভালো কাজ কিংবা কোনো মহৎ আদর্শ কখনো মুছে যায় না। এটি আমাদের মানবজাতির মাঝে চিরকাল বেঁচে থাকে। যখন দেহের কাঠামোটি মাটিতে মিশে যায় এবং অদৃশ্য হয়ে যায়, তখন মানুষের কর্ম এক অক্ষয় ছাপ রেখে যায় এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের চিন্তা ও সংকল্পকে নতুন ছাঁচে গড়ে তোলে। ** '''''[[:w:স্যামুয়েল স্মাইলস|স্যামুয়েল স্মাইলস]]''''', পৃ. ২৮৬। * চিরকাল এবং অনন্তকালের জন্য, হে প্রিয়তম, হ্যাঁ— মহত্ত্ব এবং ভালোবাসা হলো অবিনশ্বর ও চিরঞ্জীব; কেবল পৃথিবীর দুঃখ-কষ্ট আর দুশ্চিন্তাগুলোই প্রথম থেকেই ডানা মেলে উড়ে যাওয়ার জন্য তৈরি হয়েছে। আমরা আমাদের পথ চষে বেড়াই এই "বর্তমান"-এর লাঙলের ফলায়; কিন্তু চাষাবাদ আর ফলনের পর সেই শস্যের আঁটি আমাদের অপেক্ষায় থাকে; শিকড়ের জন্য মাটি ঠিকই, কিন্তু পাতার জন্য প্রয়োজন রৌদ্রালোক— আর ঈশ্বর চিরকাল অবিরাম নজর রাখেন আমাদের ওপর। ** '''''মেরি মেপস ডজ''''', পৃ. ২৮৭। * মানুষ এমন কিছুই কখনো উদ্ভাবন করতে পারবে না যা তাকে সেই সর্বজনীন প্রয়োজনীয়তা থেকে মুক্তি দেবে—যা হলো ঈশ্বরের মতো ভালো হওয়া, ঈশ্বরের মতো ন্যায়পরায়ণ হওয়া এবং ঈশ্বরের মতোই পবিত্র ও বিশুদ্ধ হওয়া। ** '''''[[:w:চার্লস কিংসলে|চার্লস কিংসলে]]''''', পৃ. ২৮৭। * যে ব্যক্তি মহত্ত্ব বা মঙ্গলের ওপর বিশ্বাস রাখে, তার অন্তরেই সকল বিশ্বাসের মূল নির্যাস বা সারবস্তু নিহিত রয়েছে। তিনিই সেই মানুষ যার রয়েছে "আনন্দময় এক অতীত এবং এক আত্মবিশ্বাসী ও উজ্জ্বল আগামীর প্রতিশ্রুতি।" ** '''''[[:w:জেমস ফ্রিম্যান ক্লার্ক|জেমস ফ্রিম্যান ক্লার্ক]]''''', পৃ. ২৮৭। * আমরা আমাদের শৈশবের সেই ভোরের স্নিগ্ধ কিরণকে পুনরায় প্রজ্বলিত করতে পারি না। আমরা আমাদের যৌবনের সেই মধ্যাহ্নবেলার দীপ্ত গৌরবকেও ফিরিয়ে আনতে পারি না। আমরা আমাদের পরিপক্ক বয়সের সেই পূর্ণতা বা শ্রেষ্ঠ দিনটিকেও পুনরায় লাভ করতে পারি না। কিংবা আমরা বার্ধক্যের সায়াহ্নবেলার অস্তগামী রশ্মিকে ছায়াবৃত দিগন্তের বুকে স্থির করে রাখতে পারি না। কিন্তু আমরা সেই মহত্ত্বকে সযত্নে লালন করতে পারি—যা শৈশবের মাধুর্য, যৌবনের উল্লাস, প্রৌঢ়ত্বের শক্তি, বার্ধক্যের সম্মান এবং সাধু-সন্তদের পরম আনন্দ। ** '''''হেনরি জাইলস''''', পৃ. ২৮৭। == আরও দেখুন == {{col-begin}} {{col-2}} * [[:w:শ্রেষ্ঠত্ব|শ্রেষ্ঠত্ব বা উৎকর্ষতা]] * [[:w:ভালো ও মন্দ|ভালো এবং মন্দ]] * [[:w:মহত্ত্ব|মহত্ত্ব বা বিশালতা]] * [[:w:নৈতিকতা|নৈতিকতা]] * [[:w:যোগ্যতা|যোগ্যতা বা গুণাবলি]] * [[:w:আভিজাত্য|আভিজাত্য বা মহদাশয়তা]] {{col-2}} * [[:w:পুণ্য|পুণ্য বা সদগুণ]] * [[:w:মূল্য|মূল্য বা যথাযোগ্য মর্যাদা]] * [[:Category:Virtues|বিষয়শ্রেণী:সদগুণসমূহ]] {{col-end}} == বহিঃসংযোগ == {{wikipedia|মহত্ত্ব}} {{wiktionary|মহত্ত্ব (উইকিশনারি)}} [[Category:সদগুণসমূহ]] [[Category:নীতিবিদ্যা]] [[বিষয়শ্রেণী:নৈতিকতা]] bjxl68zi9nj036843vfermtmcp63693 79883 79875 2026-04-23T05:25:53Z Oindrojalik Watch 4169 রচনাশৈলী, 79883 wikitext text/x-wiki <div style="text-align: center; border: 2px dashed #f0ad4e; padding: 15px; background-color: #fcf8e3; margin-bottom: 20px;"> [[File:Under-Construction-Bulldozer.gif|355px]] <div style="font-weight: bold; font-size: 18px; color: #8a6d3b; margin-top: 10px;">UNDER CONSTRUCTION</div> <div style="font-size: 16px; color: #8a6d3b;">This page is currently being built by '''[https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:Oindrojalik_Watch Oindrojalik Watch]'''.</div> </div> [[File:James Anthony Froude by Sir George Reid.jpg|thumb|right|যা মানবিক গুণাবলি এবং মহত্ত্বকে সংজ্ঞায়িত করে, তা নিশ্চিতভাবেই মানুষের কেবল নিজ স্বার্থ চরিতার্থ করার প্রজ্ঞা নয়। বরং এটি হলো আত্মবিস্মৃতি এবং আত্মত্যাগ। এটি হলো ব্যক্তিগত সুখ, ভোগ-বিলাস কিংবা নিকট বা দূরবর্তী ব্যক্তিগত লাভের প্রতি অনীহা—কারণ অন্য কোনো আচরণের পথই অধিকতর ন্যায়সঙ্গত। ~ '''''[[:w:জেমস অ্যান্থনি ফ্রুড|জেমস অ্যান্থনি ফ্রুড]]''''']] [[File:Raffael 069.jpg|thumb|আমার মতে তারাই সবচেয়ে উত্তম জীবন অতিবাহিত করেন, যারা নিজেকে যথাসম্ভব ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে সচেষ্ট থাকেন। আর তাদের জীবনই সবচেয়ে আনন্দময় যারা সচেতন যে তাঁরা ক্রমশ গুণাবলিতে বিকশিত হচ্ছেন। ~ '''''[[:w:জেনোফন|জেনোফন]]''''']] [[File:Pico2.jpg|thumb|ইচ্ছাশক্তির আকাঙ্ক্ষা কোনো সাধারণ ভালোয় তৃপ্ত হয় না, যতক্ষণ পর্যন্ত আমরা বিশ্বাস করি যে এর বাইরেও আরও শ্রেষ্ঠ কিছু রয়েছে। তাই, ইচ্ছাশক্তি কেবল সেই পরম মঙ্গলের দ্বারাই সন্তুষ্ট হয় যার ঊর্ধ্বে আর কোনো কল্যাণ নেই। সেই পরম কল্যাণ অসীম ঈশ্বর ছাড়া আর কী-ই বা হতে পারে? ~ '''''[[:w:মার্সিলিও ফিচিনো|মার্সিলিও ফিচিনো]]''''']] [[File:1908РепинТолстой.JPG|thumb|গুণাবলি বা মঙ্গলের অন্বেষণে আমি ছিলাম একা, একদম একা। প্রতিবারই যখন আমি আমার অন্তরের গভীরতম আকুতি। অর্থাৎ নৈতিকভাবে ভালো হওয়ার ইচ্ছা ব্যক্ত করার চেষ্টা করেছি, তখনই আমাকে ঘৃণা ও অবজ্ঞার সম্মুখীন হতে হয়েছে; অথচ যেইমাত্র আমি নীচ লালসার কাছে নতি স্বীকার করেছি, তখনই আমাকে প্রশংসা ও উৎসাহ দেওয়া হয়েছে। ~ '''''[[:w:লিও তলস্তয়|লিও তলস্তয়]]''''']] [[File:Chapel of our Lady of the Rosary of Santi Giovanni e Paolo (Venice) - Isaiah by Vittoria.jpg|thumb|সৎ কাজ করতে শেখো। ন্যায়ের অন্বেষণ করো, নির্মমদের তিরস্কার করো, অনাথদের রক্ষা করো, বিধবাদের পক্ষে দাঁড়াও। ~ [[w:ঈসা|ঈসা]] ১:১৭]]'''[[:w:মহত্ত্ব|মহত্ত্ব]]''' বা '''[[:w:মঙ্গল|মঙ্গল]]''' বলতে এমন কিছু গুণাবলিকে বোঝায় যা কাঙ্ক্ষিত, সুস্থ বা যথাযথ, যা মূলত অনাকাঙ্ক্ষিত মন্দ, ক্ষতিকর কিংবা [[:w:পাপ|অশুভ]] গুণের বিপরীত। [[:w:ধর্ম|ধর্ম]], [[:w:নীতিশাস্ত্র|নীতিশাস্ত্র]], [[:w:দর্শন|দর্শন]] এবং [[:w:মনোবিজ্ঞান|মনোবিজ্ঞানে]] "[[:w:ভালো ও মন্দ|ভালো ও মন্দ]]" একটি অত্যন্ত সাধারণ [[:w:দ্বিবিভাজন|দ্বিবিভাজন]]। __NOTOC__ {{TOCalpha|''[[#Hoyt's New Cyclopedia Of Practical Quotations|হয়েট'স নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস]]'' · ''[[#Dictionary of Burning Words of Brilliant Writers (1895)|ডিকশনারি অফ বার্নিং ওয়ার্ডস অফ ব্রিলিয়ান্ট রাইটার্স]]''}} == A == * সেই [[:w:অসীম|অসীম]], যা থেকে আমাদের কর্ম জন্য উদ্দীপনা জন্মায়, তা কেবল সর্বোচ্চ মহত্ত্বই নয়, বরং মহত্ত্বের চেয়েও উচ্চতর কিছু। ** '''''ফেলিক্স অ্যাডলার''''', ''লাইফ অ্যান্ড ডেসটিনি'' (১৯১৩), বিভাগ ২: ধর্ম। * পৃথিবী কীভাবে সৃষ্টি হয়েছে তা আমরা জানি অথবা না-ই জানি, তাতে আমাদের কিছু আসে যায় না—সৎ কাজ সবসময়ই সৎ। ** '''''ফেলিক্স অ্যাডলার''''', ''লাইফ অ্যান্ড ডেসটিনি'' (১৯১৩), বিভাগ ৯: নৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি। * আমাদের অনুভব করা প্রয়োজন যে কোনো প্রচেষ্টাই কখনো বৃথা যায় না। মঙ্গলের পানে প্রতিটি সৎ পদক্ষেপই অবধারিতভাবে সার্থক এবং এই মহাবিশ্ব এক পরম লক্ষ্যের দিকেই ধাবিত হচ্ছে। আর এই বিশ্বাস অর্জনের কেবল একটিই পথ আছে। মঙ্গল বা শুভ, এর প্রকৃতি অনুধাবন করা সম্ভব নয় যদি আপনি এর থেকে দূরে দাঁড়িয়ে কেবল জল্পনা-কল্পনা করেন। মহত্ত্বকে যাপন করুন, তবেই আপনি এতে বিশ্বাস করতে পারবেন। জগতের কল্যাণমুখী ধারায় নিজেকে সঁপে দিন, তবেই আপনি এর স্রোতের শক্তি এবং অভিমুখ অনুভব করতে পারবেন। [...] সৎ জীবন যাপনের নিরন্তর প্রচেষ্টার মাধ্যমেই আমরা আমাদের নৈতিক সুস্থতা বজায় রাখি। বাইরে থেকে নয়, বরং ভেতর থেকেই সেই ঐশ্বরিক ধারা প্রবাহিত হয় যা আত্মাকে পুনরুজ্জীবিত করে। ** '''''ফেলিক্স অ্যাডলার''''', ''লাইফ অ্যান্ড ডেসটিনি'' (১৯১৩)। * আমি দেবদূতদের বিশ্বাস করি এবং বিশ্বাস করি যা কিছু দেখি তার মধ্যেই ভালো কিছু আছে। ** '''''বেনি অ্যান্ডারসন''''' এবং '''''বিয়র্ন উলভেয়াস''''', "[[:w:আই হ্যাভ এ ড্রিম (গান)|আই হ্যাভ এ ড্রিম]]", ব্র্যান্ড [[:w:আব্বা (ব্যান্ড)|আব্বা]]-র অ্যালবাম ''[[:w:ভুলে-ভু|ভুলে-ভু]]'' (১৯৭৯)। * মানুষের কর্ম পরিচালনা যদি আত্মার এমন এক [[w:সক্রিয়তাবাদ|সক্রিয়তা]] হয় যা কোনো [[w:যৌক্তিক_ইতিবাদ|যৌক্তিক নীতি]] অনুসরণ করে, এবং আমরা যদি মানুষের কাজকে এক বিশেষ ধরণের জীবন হিসেবে সংজ্ঞায়িত করি যা যৌক্তিক নীতিসম্পন্ন আত্মার ক্রিয়াকলাপের সমষ্টি এবং একজন ভালো মানুষের কাজ যদি হয় সেই কাজগুলোরই সৎ ও মহৎ সম্পাদন। যদি কোনো কাজ তখনই সুসম্পন্ন হয় যখন তা যথাযথ উৎকর্ষের সাথে সম্পাদিত হয়। যদি বিষয়টি এমনই হয়, তবে মানুষের জন্য পরম কল্যাণ হলো গুণের সাথে সামঞ্জস্য রেখে আত্মার সক্রিয়তা, আর যদি গুণ একাধিক হয়, তবে শ্রেষ্ঠ ও পূর্ণাঙ্গ গুণের সাথে সংগতিপূর্ণ সক্রিয়তাই কাম্য। ** '''''[[:w:অ্যারিস্টটল|অ্যারিস্টটল]]''''', ''নিকোমেকিয়ান এথিক্স'', বই ১, অধ্যায় ৭। == B == * মানুষ কখনোই ভালো ছিল না, তারা ভালো নয় এবং তারা হয়তো কখনোই ভালো হবে না। ** '''''কার্ল বার্থ''''', ''টাইম'' (১২ এপ্রিল ১৯৫৪)। * ভালো (বিশেষণ): হে মহোদয়, বর্তমান লেখকের যোগ্যতার বিষয়ে সচেতন হোন। হে মহাশয়, তাঁকে একা থাকতে দেওয়ার সুবিধার বিষয়ে সজাগ থাকুন। ** '''''অ্যামব্রোস বিয়ার্স''''', ''দ্য সিনিক'স ওয়ার্ড বুক'' (১৯০৬); ''দ্য ডেভিল'স ডিকশনারি'' (১৯১১) নামে পুনর্প্রকাশিত। * যে অন্যের মঙ্গল করতে চায়, তাকে তা করতে হবে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র খুঁটিনাটি বিষয়ের মাধ্যমে। সাধারণ বা সামগ্রিক মঙ্গলের বুলি হলো বদমাশ, ভণ্ড এবং চাটুকারদের অজুহাত। কারণ শিল্প ও বিজ্ঞান কেবল সূক্ষ্মভাবে সুসংগঠিত খুঁটিনাটি বিষয়ের মাধ্যমেই টিকে থাকতে পারে। ** '''''উইলিয়াম ব্ল্যাক''''', ''[[:w:জেরুজালেম দ্য ইমানেশন অফ দ্য জায়ান্ট অ্যালবিয়ন|জেরুজালেম দ্য ইমানেশন অফ দ্য জায়ান্ট অ্যালবিয়ন]]'' (১৮০৩-১৮২০)। * মহত্ত্ব ততক্ষণই সুন্দর যতক্ষণ তা সঠিক পরিমাপ, সামগ্রিক ভারসাম্য এবং গুণের সুনির্দিষ্ট নিয়ম দ্বারা প্রতিষ্ঠিত মধ্যপন্থা বা ছন্দিক বৈশিষ্ট্য দ্বারা পরিচালিত হয়। ** '''''রেমো বোদেই''''', ''লে ফর্মে ডেল বেলো'' (২০১৭)। * ভালো কিছু করার ক্ষমতা আমাদের সবারই আছে এবং আমাদের যতটুকু [[:w:ক্ষমতা|ক্ষমতা]] আছে। তা যতই সামান্য হোক না কেন। যদি আমরা তার সবটুকু দিয়ে চেষ্টা করি, তবে আমরা আমাদের ভূমিকা পালন করেছি। আর আমরা হয়তো সেই সব ব্যক্তিদের মতোই পূর্ণতার কাছাকাছি পৌঁছাতে পারব যাদের প্রভাব রাজ্যজুড়ে বিস্তৃত এবং যাদের সৎ কাজ হাজার হাজার মানুষের কাছে প্রশংসিত। ** '''''জেন বাউডলার''''', ''অন ক্রিশ্চিয়ান পারফেকশন''। * আমাদের বাড়িটি কত বড় ছিল তা গুরুত্বপূর্ণ ছিল না। গুরুত্বপূর্ণ ছিল এতে ভালোবাসা ছিল কি না। আমাদের পাড়াটি ধনী না অন্য কিছু ছিল তাতে কিছু যায় অপরের কাছে আসত না। গুরুত্বপূর্ণ ছিল প্রতিবেশীরা একে অপরের সাথে কথা বলত কি না, একে অপরের খেয়াল রাখত কি না। যে মহানুভবতা আমাকে মানুষের ওপর এবং এই পৃথিবীর মৌলিক মহত্ত্বের ওপর বিশ্বাস রাখতে শিখিয়েছিল, তা ডলারে পরিমাপ করা সম্ভব ছিল না। বরং তার মূল্য পরিশোধ করা হতো আলিঙ্গন, আইসক্রিম কোণ এবং বাড়ির কাজে সাহায্যের মাধ্যমে। ** '''''[[:w:পিটার বাফেট|পিটার বাফেট]]''''', {{cite book|url=https://books.google.com/books?id=a1537l253csC&pg=PA12|title = লাইফ ইজ হোয়াট ইউ মেক ইট|isbn = 9780307464729|year = 2011}} == C == * আমরা কি এমন কোনো সম্মোহিত অবস্থায় পড়েছি যা আমাদের নিকৃষ্ট বা ক্ষতিকর বিষয়গুলোকে অনিবার্য হিসেবে মেনে নিতে বাধ্য করছে? যেন আমরা সেই ভালো বা মঙ্গলের দাবি জানানোর ইচ্ছা কিংবা দূরদৃষ্টি, উভয়ই হারিয়ে ফেলেছি? ** '''''[[:w:র‍্যাচেল কারসন|র‍্যাচেল কারসন]]''''' সাইলেন্ট স্প্রিং (১৯৬২) * মহত্ত্ব সব সময়ই একটি সম্পদ। একজন মানুষ যিনি সৎ, বন্ধুসুলভ এবং পরোপকারী, তিনি হয়তো কখনোই বিখ্যাত হবেন না, কিন্তু যারা তাঁকে চেনেন তাঁরা সবাই তাঁকে শ্রদ্ধা করবেন এবং পছন্দ করবেন। তিনি সাফল্যের জন্য একটি মজবুত ভিত্তি স্থাপন করেছেন এবং তিনি একটি সার্থকময় জীবন অতিবাহিত করবেন। ** '''''হারবার্ট এন. ক্যাসন''''' ইন: ''ফোর্বস'' (১৯৪৮). পৃ. ৪২. * কেউ কি ভালো জিনিসের আকাঙ্ক্ষা খুব বেশি করতে পারে? ** '''''মিগুয়েল ডি সেরভান্তেস''''', ''ডন কিহোতে'' (১৬০৫-১৫), পার্ট I, বুক I, চ্যাপ্টার VI.// '''''[[:w:উইলিয়াম শেক্সপিয়র|উইলিয়াম শেক্সপিয়র]]''''', ''অ্যাজ ইউ লাইক ইট'', অ্যাক্ট IV, সিন ১, লাইন ১২৩. * যে ব্যক্তি পরম কল্যাণকে এমনভাবে ব্যাখ্যা করে যা তাকে গুণ বা পুণ্য থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেয়, এবং যা ন্যায়ের মানদণ্ড দিয়ে নয় বরং নিজের সুবিধার মাপকাঠিতে পরিমাপ করে। আমি বলি, সে যদি নিজের দর্শনে অটল থাকে এবং মাঝেমধ্যে তার সহজাত মহত্ত্বের কাছে পরাজিত না হয়, তবে সে বন্ধুত্ব, ন্যায়বিচার কিংবা উদারতা। কোনোটিরই চর্চা করতে পারবে না। ** '''''[[:w:সিসেরো|সিসেরো]]''''', ''ডি অফিসিস'' * অধিকাংশ মানুষই মন্দ। তারা শক্তিশালী হলে [[:w:দুর্বল|দুর্বলদের]] কাছ থেকে কেড়ে নেয়। ভালো মানুষরা সবাই দুর্বল! তারা ভালো কারণ তারা মন্দ হওয়ার মতো যথেষ্ট শক্তিশালী নয়। ** '''''কমোরো''''', উত্তর উগান্ডার একজন প্রধান, অভিযাত্রী '''''[[:w:স্যামুয়েল বেকার|স্যামুয়েল বেকার]]'''''-এর সাথে আলাপকালে ১৮৬৪ সালে। [http://www.gutenberg.org/dirs/etext02/ithoa10.txt ''ইন দ্য হার্ট অফ আফ্রিকা''.] চ্যাপ্টার, XVI. * কত সাধারণ আনন্দ থেকে আমি নিজেকে বঞ্চিত করেছি, কারণ আমি ভেবেছিলাম সেটাই বোধহয় মহত্ত্ব। আমি কতটা বোকা ছিলাম যে এটি একেবারে অন্য কিছু। তা উপলব্ধি করতে আমার পৃথিবীর শেষ দিন পর্যন্ত সময় লেগে গেল। ** '''''[[:w:কেটি কয়েল|কেটি কয়েল]]''''', ''ভিভিয়ান অ্যাপল নিডস এ মিরাকল'' (২০১৪), <small> {{ISBN|978-0-544-39042-3}}, </small> পৃ. ১৮০ * যারা সব সময় ভালো করতে ঘুরে বেড়ায়, তাদের মতো এতো বেশি ক্ষতি আর কেউ করে না। ** '''''ম্যান্ডেল ক্রাইটন''''', [[:w:লুইস ক্রাইটন|লুইস ক্রাইটন]] কর্তৃক উদ্ধৃত, ''লাইফ অ্যান্ড লেটারস অফ ম্যান্ডেল ক্রাইটন'', [http://books.google.com/books?id=XFrIeWud0_wC&q=%22no+people+do+so+much+harm+as+those+who+go+about+doing+good%22&pg=PA501#v=onepage ভলিউম. ২]. (১৯০৫) * আজ আমাকে এমনকি আমার [[w:একে-৪৭|এ.কে. ৪৭]] রাইফেল ব্যবহার করতে হয়নি আমাকে বলতেই হচ্ছে যে দিনটি একটি শুভ দিন ছিল। ** '''''[[:w:আইস কিউব|আইস কিউব]]''''', ''[[:w:ইট ওয়াজ এ গুড ডে|ইট ওয়াজ এ গুড ডে]]'', ''[[:w:দ্য প্রেডেটর (১৯৯২ অ্যালবাম)|দ্য প্রেডেটর]]'' অ্যালবাম থেকে, (ফেব্রুয়ারি ২৩, ১৯৯২). == D == * নিশ্চয়ই মহত্ত্ব এবং [[:w:করুণা|করুণা]] আমার [[:w:জীবন|জীবনের]] প্রতিটি দিন আমাকে অনুসরণ করবে এবং আমি চিরকাল প্রভুর গৃহে বসবাস করব। ** '''''[[w:দাউদ|দাউদ]]''''', [[:w:সামসংহিতা|সামসংহিতা]] ২৩:৬. == E == * কেবল সেই সামান্য সংখ্যক মানুষই মহত্ত্বে বিশ্বাস করেন যারা নিজেরা এটি চর্চা করেন। ** '''''মারি ফন এবনার-এশেনবাখ''''', ''অ্যাফোরিজমস'', ডি. স্ক্রেস এবং ডব্লিউ. মিডারের অনুবাদ. (রিভারসাইড, ক্যালিফোর্নিয়া: ১৯৯৪), পৃ. ২৯. * যাকে প্রকৃত মানুষ হতে হবে, তাকে অবশ্যই প্রচলিত প্রথার অবাধ্য হতে হবে ... মহত্ত্ব নামের দ্বারা সে যেন বাধাগ্রস্ত না হয়, বরং তাকে অন্বেষণ করতে হবে তা আদেও মহত্ত্ব কি না। ** '''''[[:w:র‍্যালফ ওয়াল্ডো এমারসন|র‍্যালফ ওয়াল্ডো এমারসন]]''''', “সেলফ-রিলায়েন্স,” ''এসেস: ফার্স্ট সিরিজ'' (১৮৮৩), পৃ. ৫১-৫২. == F == * মানুষের ইচ্ছাশক্তির আকাঙ্ক্ষা কোনো সাধারণ পার্থিব মঙ্গল বা ভালোয় তৃপ্ত হয় না, যতক্ষণ পর্যন্ত আমরা মনে করি যে এর বাইরেও আরও শ্রেষ্ঠ কিছু পাওয়ার সম্ভাবনা অবশিষ্ট রয়েছে। তাই, মানুষের এই ইচ্ছাশক্তি কেবল সেই একটি পরম মঙ্গলের দ্বারাই পরিপূর্ণতা লাভ করে, যার ঊর্ধ্বে আর কোনো উচ্চতর কল্যাণ থাকা সম্ভব নয়। এই পরম মঙ্গল আসলে সেই অসীম ও সীমাহীন ঈশ্বর ছাড়া আর কী-ই বা হতে পারে? ** '''''মারসিলিও ফিচিনো''''', ''ফাইভ কোয়েশ্চেনস কনসার্নিং দ্য মাইন্ড'' (১৪৯৫), জে. এল. বারোজ কর্তৃক অনূদিত, ''দ্য রেনেসাঁ ফিলোসফি অফ ম্যান'' (১৯৪৮) গ্রন্থে, পৃ. ২০১ * যা মূলত একজন উচ্চস্তরের মানুষকে নিম্নস্তরের মানুষ থেকে বিশেষভাবে পৃথক করে দেয়। যা মানবিক মহত্ত্ব এবং মানুষের আভিজাত্যকে সংজ্ঞায়িত করে। তা নিশ্চিতভাবেই কেবল সেই প্রজ্ঞা বা জ্ঞানের মাত্রা নয় যার মাধ্যমে মানুষ নিজের ব্যক্তিগত লাভের অন্বেষণ করে। বরং এটি হলো আত্মবিস্মৃতি এবং নিঃস্বার্থ আত্মত্যাগ। এটি হলো ব্যক্তিগত সুখ, ইন্দ্রিয়বিলাস কিংবা বর্তমান বা ভবিষ্যতের ব্যক্তিগত লাভের প্রতি চরম অনীহা। কারণ অন্য কোনো আচরণের পথই নৈতিকভাবে অধিকতর ন্যায়সঙ্গত ও সঠিক। ** '''''জেমস অ্যান্থনি ফ্রুড''''', ''শর্ট স্টাডিজ অন গ্রেট সাবজেক্টস'' (১৯০৭), পৃ. ১৯ == G == * কেবল মধ্যম সারির লোকেরাই সর্বদা তাদের সম্ভাব্য শ্রেষ্ঠ রূপটি বজায় রাখতে পারে। ** জিন জিরাডক্স, [[:w:ভিক্টোরিয়া প্রিন্সিপাল|ভিক্টোরিয়া প্রিন্সিপালের]] ''দ্য বিউটি প্রিন্সিপাল'' (১৯৮৪) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ১১৭ * আমি এই [[:w:পৃথিবী|পৃথিবী]] দিয়ে কেবল একবারই যাওয়ার প্রত্যাশা করি। অতএব, আমি যদি কোনো মহৎ কাজ করতে পারি কিংবা কোনো সহজীবীর প্রতি কোনো [[:w:দয়া|দয়া]] বা সহানুভূতি প্রদর্শন করতে পারি, তবে তা এখনই করতে দেওয়া হোক। আমি যেন তা স্থগিত না করি কিংবা অবহেলায় এড়িয়ে না যাই, কারণ আমি এই পথ দিয়ে পুনরায় আর কখনো ফিরে আসব না। ** '''''স্টিফেন গ্রেললেটের''''' প্রতি আরোপিত। এই উক্তির বিভিন্ন পাঠ অন্তত ১৮৬৯ সাল থেকে Quaker বা কোয়েকার প্রবচন হিসেবে ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয়ে আসছে এবং অন্তত ১৮৯৩ সাল থেকে গ্রেললেটের নাম এর সাথে যুক্ত হয়েছে। ডব্লিউ. গার্নি বেনহ্যাম তাঁর ''বেনহ্যাম'স বুক অফ কোটেশনস, প্রভার্বস, অ্যান্ড হাউসহোল্ড ওয়ার্ডস'' (১৯০৭) গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন যে, যদিও এটি মাঝেমধ্যে অন্যদের প্রতিও আরোপিত হয়, তবে "স্টিফেন গ্রেললেটের লেখক হওয়ার সপক্ষে কিছু প্রমাণ রয়েছে, যদিও তাঁর কোনো মুদ্রিত গ্রন্থে এই অংশটি পাওয়া যায় না।" এটি অন্তত ১৮৫৯ সালের দিকে একটি [[:w:অজ্ঞাত|অজ্ঞাতনামা]] [[:w:প্রবাদ|প্রবাদ]] হিসেবে প্রকাশিত হয়েছিল বলে মনে করা হয়, যখন এটি 'হাউসহোল্ড ওয়ার্ডস: এ উইকলি জার্নাল'-এ আবির্ভূত হয়। == I == * সৎ কাজ করতে শেখো। ন্যায়ের অন্বেষণ করো, যারা নির্মম তাদের তিরস্কার করো, অনাথদের অধিকার রক্ষা করো এবং বিধবাদের পক্ষে লড়াই করো। ** [[w:ঈসা|ঈসা]] ১:১৭ == K == * এটি বেশ স্বাভাবিক যে আধুনিক নাটকে মন্দ বা অশুভ শক্তিকে সর্বদা উজ্জ্বলতম প্রতিভা বা মেধার মাধ্যমে উপস্থাপন করা হয়। আর যা ভালো কিংবা সৎ, তাকে তুলে ধরা হয় অতি সাধারণ একজন মুদি দোকানের কর্মচারীর মাধ্যমে। দর্শকরা একে একটি স্বাভাবিক ব্যাপার হিসেবেই গ্রহণ করেন এবং নাটক থেকে তারা আগে থেকেই যা জানতেন সেটিই নতুন করে শেখেন যে, নিজেদের একজন মুদি কর্মচারীর কাতারে নিয়ে যাওয়াটা আসলে তাঁদের মর্যাদার অনেক নিচে। ** সোরেন কিয়ের্কেগার্ড, ''আইদার/অর'', পার্ট II, সোয়েনসন ১৯৪৪, ১৯৭১ পৃ. ২৩২ * আমরা নিজেদের ভালো-মন্দের বিচারক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করি, যদিও আমাদের মহত্ত্বের মানদণ্ডগুলো প্রায়ই আমাদের সংকীর্ণ স্বার্থ এবং আমাদের ব্যক্তিগত চাওয়া-পাওয়ার দ্বারা পরিচালিত হয়। ** '''''রবিন ওয়াল কিমারার''''', {{cite book |title=[[:w:ব্রেডিং সুইটগ্রাস|ব্রেডিং সুইটগ্রাস]]: ইনডিজেনাস উইজডম, সায়েন্টিফিক নলেজ অ্যান্ড দ্য টিচিংস অফ প্ল্যান্টস |date=১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ |publisher=মিল্কউইড এডিশনস |isbn=978-1-57131-871-8 |page=৯২}} == L == * আমি এ যাবৎকাল পর্যন্ত যত প্রকার আনন্দের কথা জানি, তার মধ্যে শ্রেষ্ঠতম হলোঃ গোপনে কোনো মহৎ কাজ বা ভালো কাজ করা এবং ঘটনাক্রমে সেটি অন্য কারো কাছে জানাজানি হয়ে যাওয়া। ** '''''[[:w:চার্লস ল্যাম্ব|চার্লস ল্যাম্ব]]''''', ''[[:w:অ্যাথেনিয়াম (সাময়িকী)|দ্য অ্যাথেনিয়াম]]'' ম্যাগাজিনের (৪ জানুয়ারি ১৮৩৪) "টেবিল টক"-এ [http://books.google.com/books?id=LIxUAAAAcAAJ&q=%22greatest+pleasure+I+know+is+to+do+a+good+action+by+stealth+and+to+have+it+found+out+by+accident%22&pg=PA14#v=onepage উদ্ধৃত]। * মহত্ত্ব বা ধার্মিকতা মানুষকে যতটা নিশ্চিতভাবে সুখী করে তোলে, সুখ মানুষকে তার চেয়ে কোনো অংশে কম নিশ্চিতভাবে মহৎ বা ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তোলে না। ** '''''ওয়াল্টার সেভেজ ল্যান্ডর''''', ''ইমাজিনারি কনভারসেশনস'', 'লর্ড ব্রুক অ্যান্ড স্যার ফিলিপ সিডনি' (১৮২৪-১৮২৯) * মন্দ বা খারাপ মানুষেরা হয়তো মাঝেমধ্যে ভালো কাজ করতে পারে। কিন্তু কেবলমাত্র যারা প্রকৃতপক্ষে ভালো, তারাই সত্যিকার অর্থে ভালো হয়ে ‘উঠতে’ পারে। ** '''''[[:w:ইয়োহান কাসপার লাভাটার|ইয়োহান কাসপার লাভাটার]]''''', অ্যাফোরিজম ৩৬২, হেনরি ফুসেলি কর্তৃক অনূদিত ''অ্যাফোরিজমস অন ম্যান''-এ (লন্ডন: জে. জনসন, ১৭৮৮) * বিশ্বের সমস্ত স্বৈরশাসনের মধ্যে, সেই স্বৈরাচারী শাসন যা আন্তরিকভাবে তার ভুক্তভোগীদের মঙ্গলের দোহাই দিয়ে পরিচালিত হয়, সেটিই হয়তো সবচেয়ে বেশি নিপীড়নমূলক হতে পারে। সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী নৈতিক মোড়লদের অধীনে থাকার চেয়ে দস্যু-সামন্তদের অধীনে বসবাস করা অনেক বেশি শ্রেয়। কারণ দস্যু-সামন্তদের নিষ্ঠুরতা হয়তো কোনো কোনো সময় শান্ত থাকে, কিংবা তাদের লালসা কোনো এক পর্যায়ে গিয়ে হয়তো চরিতার্থ হতে পারে। কিন্তু যারা আমাদের নিজেদের ভালোর কথা বলে আমাদের যন্ত্রণা দেয়, তারা বিরামহীনভাবে আমাদের ওপর নির্যাতন চালিয়ে যাবে। কারণ তারা তাদের নিজেদের বিবেকের অনুমোদন নিয়েই সেটি করে। এমন হতে পারে যে তাদের স্বর্গে যাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি, কিন্তু একই সাথে তাদের এই কর্মকাণ্ডের ফলে তারা [[:w:পৃথিবী|পৃথিবীটাকে]] [[:w:নরক|নরকে]] পরিণত করার প্রবল সম্ভাবনাও রাখে। এই তথাকথিত দয়া বা মহানুভবতা আসলে অসহ্য অপমানের মতো হুল ফোটায়। একজনের ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাকে "সুস্থ" করে তোলা এবং এমন সব অবস্থা থেকে তাকে মুক্তি দেওয়া যাকে হয়তো সে নিজে রোগ বলেই গণ্য করে না। তার মানে হলো সেই ব্যক্তিকে এমন এক স্তরে নামিয়ে দেওয়া যেখানে যারা এখনও [[:w:যুক্তি|যৌক্তিক জ্ঞান]] সম্পন্ন হওয়ার বয়সে পৌঁছায়নি কিংবা যারা কোনোদিনই পৌঁছাতে পারবে না, তাদের রাখা হয়। অর্থাৎ শিশু, নির্বোধ কিংবা গৃহপালিত পশুর কাতারে তাকে অন্তর্ভুক্ত করা। ** '''''[[:w:সি. এস. লিউইস|সি. এস. লিউইস]]''''', "গড ইন দ্য ডক" (১৯৪৮)-এ। * কিছু [[:w:মানুষ|মানুষ]] এমনভাবে কথা বলে যেন পরম মহত্ত্বের মুখোমুখি হওয়াটা হবে একটি দারুণ আনন্দদায়ক বা [[:w:মজা|মজার]] ব্যাপার। তাঁদের এই বিষয়ে পুনরায় গভীরভাবে ভাবা দরকার। তাঁরা আসলে এখনও [[:w:ধর্ম|ধর্ম]] নিয়ে কেবল ছেলেখেলাই করছেন। মহত্ত্ব হয় পরম নিরাপত্তার আশ্রয়, নয়তো চরম এক [[:w:বিপদ|বিপদ]]—আর এটি সম্পূর্ণ নির্ভর করে আপনি এর প্রতি ঠিক কীভাবে সাড়া দিচ্ছেন বা প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছেন তার ওপর। ** '''''[[:w:সি. এস. লিউইস|সি. এস. লিউইস]]''''', ''[[:w:মেয়ার খ্রিস্টানিটি|মেয়ার খ্রিস্টানিটি]]'' (১৯৫২)। == M == * তাঁর এই সিদ্ধান্তহীনতা মূলত মানুষের একটি মৌলিক চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছিল। তিনি একজন ভালো মানুষ বা সৎ মানুষ হতে চেয়েছিলেন, কিন্তু আসলে 'ভালো' বলতে ঠিক কী বোঝায়? ** ডব্লিউ. ম্যাকফারলেন, ''২২০—অ্যাডভান্সড ফিল্ড এক্সপ্লোরেশন,'' [https://en.wikipedia.org/wiki/Galaxy_Science_Fiction গ্যালাক্সি সায়েন্স ফিকশন]-এ, মার্চ ১৯৭২, পৃ. ৫৯ * লজ্জিত ও কুণ্ঠিত হয়ে সেই [[:w:শয়তান|শয়তান]] থমকে দাঁড়াল, এবং সে অনুভব করল যে মহত্ত্ব কতটা বিস্ময়কর ও গম্ভীর হতে পারে। সে দেখল [[:w:পুণ্য|পুণ্য]] তার স্বরূপে কতটাই না লাবণ্যময়ী। সে দেখল, এবং নিজের চিরস্থায়ী [[:w:ক্ষতি|ক্ষতির]] গ্লানিতে দগ্ধ হতে লাগল। ** '''''[[:w:জন মিলটন|জন মিলটন]]''''', ''[[:w:প্যারাডাইস লস্ট|প্যারাডাইস লস্ট]]'', বুক IV, লাইন ৮৪৬-৮৪৮ (১৬৬৭, ১৬৭৪)। * যার কাছে মহত্ত্বের কোনো বিজ্ঞান বা প্রকৃত জ্ঞান নেই, তার জন্য অন্য সব ধরণের জ্ঞানই মূলত ক্ষতিকর বা অনিষ্টকর। ** '''''[[:w:মিশেল দ্য মঁতেন|মঁতেন]]''''', ''এসেস'', এম. স্ক্রিচ কর্তৃক অনূদিত (১৯৯১), বুক I, অধ্যায় ২৫, “অন স্কুলমাস্টারস লার্নিং,” পৃ. ১৫৯ == P == * [[w:পবিত্র_আত্মা|পবিত্র আত্মার]] ফল হলো [[w:প্রেম|প্রেম]], [[w:আনন্দ|আনন্দ]], [[:wikt:eirene|শান্তি]], ধৈর্য, দয়া, মহত্ত্ব, বিশ্বস্ততা, নম্রতা এবং আত্মসংযম। ** '''''তারসাসের পৌল''''', [[:w:গালাতীয়দের প্রতি পত্র|গালাতীয়]] ৫:২২-২৩ [[:w:ইংলিশ স্ট্যান্ডার্ড ভার্সন|ESV]] * আমরা অন্য মানুষের প্রতি এতটাই কম গুরুত্ব দেই বা ভ্রুক্ষেপ করি যে, এমনকি [[:w:খ্রিস্টধর্ম|খ্রিস্টধর্মও]] আমাদের কেবল [[:w:ঈশ্বর|ঈশ্বরের]] প্রতি ভালোবাসার খাতিরেই ভালো কাজ বা সৎ কাজ করার জন্য তাগিদ দেয়। ** '''''সিজার পাভেসে''''', ''দিস বিজনেস অফ লিভিং'', ৮ জুলাই ১৯৩৮ * যে ব্যক্তি কেবল মহত্ত্বের খাতিরেই ভালো কাজ বা সৎ কাজ করেন, তিনি কোনো প্রকার [[:w:প্রশংসা|প্রশংসা]] কিংবা [[:w:পুরস্কার|পুরস্কারের]] প্রত্যাশা করেন না; যদিও শেষ পর্যন্ত এই উভয়ই তাঁর জন্য অবধারিত বা নিশ্চিত হয়ে দাঁড়ায়। ** '''''উইলিয়াম পেন''''', ''সাম ফ্রুটস অফ সলিটিউড ইন রিফ্লেকশনস অ্যান্ড ম্যাক্সিমস'' (১৬৮২) নং. ৪৪১. * এটি মোটেও বিস্ময়ের কোনো বিষয় নয় যে, ভালো মানুষদের বিশাল কোনো জনসমাবেশ বা ভিড়ের মধ্যে দলবদ্ধভাবে দেখা যায় না। প্রথমত, কারণ প্রকৃত মহত্ত্বের উদাহরণ বা নিদর্শনগুলো অত্যন্ত বিরল।।দ্বিতীয়ত, কারণ তাঁরা বিচারবুদ্ধিহীন সাধারণ মানুষের বিশাল ভিড় এড়িয়ে চলেন এবং প্রকৃতির প্রদর্শিত সত্যগুলো নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা করার জন্য নিজেদের অবসর বা নির্জনতায় নিয়োজিত রাখেন। ** '''''ফিলো''''', ''এভরি গুড ম্যান ইজ ফ্রি'', ৬৩ * অ্যান্টিওকাস তাঁর নিজের লেখা এবং বলা সমস্ত কথা বিস্মৃত হয়ে টলেমির বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, যা দেখে মনে হয় সিমোনিডেসের সেই উক্তিটি অত্যন্ত সত্য: "মহৎ হওয়া কঠিন।" প্রকৃতপক্ষে সম্মানজনকভাবে কাজ করার মানসিকতা রাখা এবং একটি নির্দিষ্ট পর্যায় পর্যন্ত তার জন্য প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়া সহজ হতে পারে। কিন্তু সব সময় সঙ্গতি বজায় রাখা এবং প্রতিটি পরিস্থিতিতে নিজের সংকল্পে অবিচল থাকা। যেখানে ন্যায়বিচার ও সম্মান ছাড়া অন্য কোনো কিছুকেই অধিকতর গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হবে না, তা সত্যিই অত্যন্ত কঠিন ও দুরূহ কাজ। ** '''''[[:w:পলিবিউস|পলিবিউস]]''''', ''হিস্টোরিস'', বুক ২৯ চ্যাপ্টার ২৬ * গোপনে কোনো ভালো কাজ বা পুণ্য কর্ম করো, এবং সেই কর্মটি যখন [[:w:খ্যাতি|খ্যাতি]] অর্জন করবে, তখন তা দেখে লজ্জায় আরক্তিম বা কুণ্ঠিত হয়ে পড়ো। ** '''''অ্যালজান্ডার পোপ''''', ''এপিলোগ টু দ্য স্যাটায়ারস'' ডায়ালগ I লাইন ১৩৬. * মহত্ত্বের ভাষা বা রূপ যত বেশি চতুরতার সাথে ধারণ করা হয়, তার অন্তরালে লুকিয়ে থাকা নৈতিক অধঃপতন বা কলুষতা ততটাই ভয়াবহ ও চরম হয়ে থাকে। ** '''''পাব্লিয়াস সাইরাস''''', ''দ্য মোরাল সেইংস অফ পাব্লিয়াস সাইরাস'' (১৮৫৬), # ১১৪ == Q == [[File:Flickr - The U.S. Army - Operation Good Heart.jpg|thumb|সৎ কাজ করো। নিশ্চয়ই, [[:w:আল্লাহ|আল্লাহ]] সেই সব [[:w:মানুষ|মানুষদের]] [[:w:ভালোবাসা|ভালোবাসেন]] যারা ভালো কাজ বা সৎ [[:w:কর্ম|কর্ম]] সম্পাদন করে। ~ [[:w:কুরআন|কুরআন]]]] * আর তোমরা [[:w:আল্লাহ|আল্লাহর]] পথে [[:w:দান|ব্যয়]] করো এবং (ব্যয় করা থেকে বিরত থেকে) নিজেদের [[:w:হাত|হাত]] দিয়ে নিজেদেরকে [[:w:ধ্বংস|ধ্বংসের]] মুখে ঠেলে দিও না। আর '''তোমরা সৎ কাজ করো; নিশ্চয়ই, আল্লাহ সৎকর্মশীলদের ভালোবাসেন।''' ** অন্যান্য অনুবাদ: ''তোমরা সৎকর্মকারী হও, আল্লাহ সৎকর্মশীলদের ভালোবাসেন''। ''সৎ কাজ করো (অন্যের প্রতি), নিশ্চয়ই আল্লাহ সৎকর্ম সম্পাদনকারীদের ভালোবাসেন''। ** [[:w:কুরআন|কুরআন]], [[:w:আল-ইমরান|২]]:১৯৫ * নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁদের সাথেই আছেন যারা [[:w:তাকওয়া|তাঁকে ভয় করে]] এবং যারা সৎ কাজ বা মহৎ কর্ম সম্পাদন করে। ** [[:w:কুরআন|কুরআন]] ১৬:১২৮ * যখন অপরাহ্নে তাঁর সামনে দ্রুতগামী ও [[:w:অভিজাত|অভিজাত]] ঘোড়াগুলো প্রদর্শন করা হলো, তখন [[:w:সুলাইমান (আ.)|সুলাইমান]] বললেন: '''"আমি আমার [[:w:প্রতিপালক|প্রতিপালকের]] [[:w:স্মরণ|স্মরণ]] অপেক্ষা ভালো [[:w:বস্তু|জিনিসগুলোর]] ভালোবাসাকেই অগ্রাধিকার দিয়েছি, যতক্ষণ না (সূর্য) পর্দার আড়ালে বা দিগন্তে ঢলে পড়ল।"''' ** [[:w:কুরআন|কুরআন]], ৩৮:৩১ - ৩৮:৩২ * তবে এটি কেবল তাদেরকেই দান করা হয় যারা [[:w:ধৈর্য|ধৈর্য]] ধারণ করে, এবং এটি তাকেই প্রদান করা হয় যে (মঙ্গলের) এক [[:w:বিশাল|বিশাল]] অংশের অধিকারী। ** [[:w:কুরআন|কুরআন]] ৪১:৩৫ * ভালো বা মহৎ কাজের [[:w:পুরস্কার|পুরস্কার]] কি ভালো ছাড়া অন্য কিছু হতে পারে? ** [[:w:কুরআন|কুরআন]] ৫৫:৬০ == S == [[File:Licius Anneus Seneque (BM 1879,1213.294).jpg|thumb|right|যা সম্মানজনক ও ন্যায়নিষ্ঠ কেবল সেটিই হলো প্রকৃত মঙ্গল। অন্য সব ধরণের ভালো বা মঙ্গল আসলে সংমিশ্রিত এবং হীন। ~ '''''[[:w:লুসিয়াস আনিউস সেনেকা|কনিষ্ঠ সেনেকা]]''''' ]] * এই পরম কল্যাণের প্রকৃতি অনুধাবন করার জন্য অনেক বেশি শব্দ কিংবা কোনো ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে দীর্ঘ আলোচনার প্রয়োজন নেই। এটিকে যেন তর্জনী দিয়ে নির্দেশ করা যায় এবং একে অনেকগুলো অংশে বিভক্ত করে ছড়িয়ে ফেলার কোনো প্রয়োজন নেই। কারণ একে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশে ভেঙে ফেলার মধ্যে কী-ই বা স্বার্থকতা আছে, যখন আপনি বলতে পারেন: পরম কল্যাণ হলো তা-ই যা সম্মানজনক ও ন্যায়নিষ্ঠ? এছাড়া (এবং আপনি এতে আরও বেশি বিস্মিত হতে পারেন), '''যা সম্মানজনক তা-ই হলো একমাত্র মঙ্গল। অন্য সকল প্রকার ভালো বা মঙ্গল আসলে সংমিশ্রিত এবং হীন। আপনি যদি একবার নিজেকে এই সত্যে আশ্বস্ত করতে পারেন এবং যদি গুণ বা পুণ্যকে একনিষ্ঠভাবে ভালোবাসতে পারেন (কারণ কেবল ভালোবাসা বা পছন্দ করাই যথেষ্ট নয়), তবে সেই গুণের সংস্পর্শে আসা যেকোনো কিছুই আপনার জন্য আশীর্বাদ ও সমৃদ্ধি বয়ে আনবে, অন্যেরা তাকে যেভাবেই বিচার করুক না কেন। নির্যাতনও আপনার কাছে মঙ্গলময় হয়ে উঠবে যদি যন্ত্রণার মধ্যে শুয়েও আপনি আপনার অত্যাচারীর চেয়ে মানসিকভাবে অধিকতর শান্ত থাকতে পারেন। অসুস্থতাও মঙ্গলে রূপ নেবে যদি আপনি আপনার ভাগ্যকে অভিশাপ না দেন এবং ব্যাধির কাছে নতি স্বীকার না করেন। সংক্ষেপে, অন্যেরা যে বিষয়গুলোকে অশুভ বা মন্দ বলে মনে করে, সেগুলি সবই নিয়ন্ত্রণযোগ্য হবে এবং শেষ পর্যন্ত মঙ্গলে পর্যবসিত হবে, যদি আপনি সেগুলির ঊর্ধ্বে আরোহণ করতে সফল হন।''' ** '''''[[w:সেনেকা|সেনেকা দ্য ইয়ংগার]]''''', এপিস্টল LXXI. ইন: সেনেকা, এপিস্টলস, ভলিউম II: এপিস্টলস ৬৬-৯২. রিচার্ড এম. গামারে কর্তৃক অনূদিত. লোয়েব ক্লাসিক্যাল লাইব্রেরি, পৃষ্ঠা ৭৪-৭৫. [https://archive.is/DkFt7 আর্কাইভ] [https://www.loebclassics.com/view/seneca_younger-epistles/1917/pb_LCL076.75.xml?mainRsKey=Q5LLPk মূল] থেকে অক্টোবর ২৩, ২০২৪-এ। * প্রতিকূলতার ব্যবহার বা উপযোগিতা বড়ই মধুর, যা অনেকটা কুৎসিত ও বিষাক্ত ব্যাঙের মতো হওয়া সত্ত্বেও, তার মস্তকে একটি মূল্যবান রত্ন ধারণ করে; আর আমাদের এই জীবন, যা জনকোলাহল থেকে মুক্ত ও নির্জন, তা বৃক্ষের মাঝে খুঁজে পায় ভাষা, প্রবহমান ঝর্ণাধারায় পায় গ্রন্থ, পাথরের বুকে পায় নীতিগোপদেশ, আর ভালো কিছু খুঁজে পায় প্রতিটি বস্তুর মাঝে। ** '''''[[:w:উইলিয়াম শেক্সপিয়র|উইলিয়াম শেক্সপিয়র]]''''', ''[[:w:অ্যাজ ইউ লাইক ইট|অ্যাজ ইউ লাইক ইট]]'', অ্যাক্ট II, সিন. i (১৫৯৯ বা ১৬০০) * ঐ ছোট্ট মোমবাতিটি কত দূরে তার আলোকচ্ছটা ছড়ায়! এই কলুষিত পৃথিবীতে একটি সৎ কাজ এভাবেই উজ্জ্বল হয়ে জ্বলে ওঠে। ** '''''[[:w:উইলিয়াম শেক্সপিয়র|উইলিয়াম শেক্সপিয়র]]''''', ''[[:w:দ্য মার্চেন্ট অফ ভেনিস|দ্য মার্চেন্ট অফ ভেনিস]]'', অ্যাক্ট V, সিন. i (১৫৯৬ এবং ১৫৯৮) * সকল মানুষ [[:w:স্বাধীনতা|স্বাধীনভাবে]] জন্মগ্রহণ করেছে, এই ঘোষণা দেওয়া একেবারেই নিরর্থক যদি আপনি এটি অস্বীকার করেন যে তারা জন্মগতভাবে ভালো বা মহৎ। একজন মানুষের মহত্ত্বের নিশ্চয়তা দিন, তবে তার [[:w:লিবার্টি|ব্যক্তিগত স্বাধীনতা]] নিজেই নিজের পথ দেখে নেবে। কিন্তু আপনি যদি কারও স্বাধীনতাকে এই শর্তে মঞ্জুর করেন যে তার [[:w:নৈতিক|নৈতিক]] [[:w:চরিত্র|চরিত্রটি]] অবশ্যই আপনার অনুমোদিত হতে হবে, তবে তা আনুষ্ঠানিকভাবে সব ধরণের স্বাধীনতাকেই বিলুপ্ত করে দেয়। কারণ তখন প্রতিটি মানুষের মুক্তি এমন এক নৈতিক অভিযোগের করুণার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে, যা যেকোনো মূর্খ ব্যক্তিই এমন কারো বিরুদ্ধে সাজিয়ে তুলতে পারে যে প্রচলিত প্রথা লঙ্ঘন করে। সে ব্যক্তি একজন নবী হোন কিংবা কোনো ধূর্ত লোকই হোন না কেন। ** '''''[[:w:জর্জ বার্নার্ড শ|জর্জ বার্নার্ড শ]]''''', ''মেজর বারবারা'' (১৯০৫), প্রস্তাবনা (Preface) * [[:w:মানুষ|মানুষ]] কেবল যে মন্দ কিংবা কেবল যে [[:w:আভিজাত্য|আভিজাত্যময়]] বা মহৎ—এমনটি নয়। তারা অনেকটা শেফের তৈরি সালাদের মতো, যেখানে ভালো এবং মন্দ জিনিসগুলো কুচি কুচি করে কেটে বিভ্রান্তি এবং দ্বন্দ্বের এক মিশ্রণে (ভিনেগ্রেট) একত্র করা হয়েছে। ** '''''লেমোনি স্নিকেট''''', ''এ সিরিজ অফ আনফরচুনেট ইভেন্টস''। * কোনো কিছুই একজন সৎ বা ভালো মানুষের কোনো ক্ষতি করতে পারে না, তা সে [[:w:জীবন|জীবিত]] অবস্থাতেই হোক কিংবা মৃত্যুর পরবর্তী সময়েই হোক। ** '''''[[:w:সক্রেটিস|সক্রেটিস]]''''', ''[[:w:দ্য অ্যাপোলজি (প্লেটো)|দ্য অ্যাপোলজি]]'', ৪১ (৩৯৯ খ্রিস্টপূর্বাব্দ) * কারণ যে ব্যক্তি একজন ভালো মানুষ, সে তার [[:w:খ্রিস্টান|খ্রিস্টান]] হওয়ার পথের তিন-চতুর্থাংশ পথ অতিক্রম করে ফেলেছে। সে যেখানেই বসবাস করুক না কেন, কিংবা যে নামেই তাকে ডাকা হোক না কেন। ** '''''রবার্ট সাউথ''''', 'হোয়াই ক্রাইস্ট'স ডকট্রিন ওয়াজ রিজেক্টেড' নামক ধর্মোপদেশ বা সারমন। == T == * আপনার মতো অনেকেরই ভালো হওয়াটা ততোটা গুরুত্বপূর্ণ নয়, যতটা গুরুত্বপূর্ণ হলো কোথাও না কোথাও এক পরম মহত্ত্ব বা চরম সত্যের অস্তিত্ব থাকে। কারণ সেই সামান্য মহত্ত্বই সমগ্র পিণ্ডটিকে বা পুরো সমাজকে রূপান্তরিত করতে পারে। ** '''''[[:w:হেনরি ডেভিড থরো|হেনরি ডেভিড থরো]]''''', ''সিভিল ডিসওবিডিয়েন্স'', ১.১০ * মহত্ত্বের আসল কষ্টিপাথর বা মাপকাঠি হলো নিজের চেয়ে কোনো অনুজ বা নিম্নস্তরের ব্যক্তির কাছেও নিজের পরাজয়কে অকপটে স্বীকার করে নেওয়া। ** '''''[[:w:তিরুবল্লুবর|তিরুবল্লুবর]]''''', ''তিরুক্কুরাল'': ৭৮৬. * একজন মানুষ হয়তো প্রতিটি সদগুণ বা মহত্ত্বকে বিনাশ করেও রক্ষা পেতে পারে, কিন্তু যে ব্যক্তি নিজের ভেতরকার [[:w:কৃতজ্ঞতা|কৃতজ্ঞতা]] বোধকে বিসর্জন দেয় বা হত্যা করে, তার জন্য নিস্তার পাওয়ার কোনো পথ খোলা থাকে না। ** '''''[[:w:তিরুবল্লুবর|তিরুবল্লুবর]]''''', ''তিরুক্কুরাল'': ১১০. * মহত্ত্বের পিছনে যদি কোনো নির্দিষ্ট কারণ থাকে, তবে তাকে প্রকৃত মহত্ত্ব বলা যায় না। আবার এর যদি কোনো বিশেষ ফলাফল কিংবা পুরস্কারের আশা থাকে, তবে সেটিও প্রকৃত মহত্ত্ব নয়। সুতরাং, মহত্ত্ব হলো কার্যকরণ সম্পর্কের সেই চিরন্তন শৃঙ্খলের বাইরে অবস্থানকারী এক বিশেষ সত্তা। ** '''''[[:w:লিও তলস্তয়|লিও তলস্তয়]]''''', ''আন্না কারেনিনা''-তে লেভিন, সি. গারনেট কর্তৃক অনূদিত (নিউ ইয়র্ক: ২০০৩), পার্ট ৮, চ্যাপ্টার ১২, পৃ. ৭৩৫ * প্রতিটি মানুষের জীবনে কেবল একটিই উদ্দেশ্য বা লক্ষ্য থাকা উচিত: আর তা হলো মহত্ত্বের মাঝে নিজের পূর্ণতাকে খুঁজে পাওয়া। অতএব, কেবল সেই জ্ঞানেরই বিশেষ প্রয়োজন রয়েছে যা মানুষকে এই পূর্ণতার পথে পরিচালিত করে। ** '''''[[:w:লিও তলস্তয়|লিও তলস্তয়]]''''', ''এ ক্যালেন্ডার অফ উইজডম'', পি. সেকিরিন কর্তৃক অনূদিত (১৯৯৭), মে ৩ * ভালো হওয়া এবং একটি সৎ জীবন যাপন করার প্রকৃত অর্থ হলো অন্যদের কাছ থেকে যতটুকু গ্রহণ করা হয়, তার চেয়ে ঢের বেশি তাদের ফিরিয়ে দেওয়া বা দান করা। ** '''''[[:w:লিও তলস্তয়|লিও তলস্তয়]]''''', ''দ্য ফার্স্ট স্টেপ'' (১৮৯২), অধ্যায়. VII * আমি আমার সমগ্র আত্মা দিয়ে একজন ভালো মানুষ হতে চেয়েছিলাম, কিন্তু আমি তখন ছিলাম অল্পবয়স্ক। আমার মধ্যে ছিল আবেগ এবং মহত্ত্বের এই সন্ধানে আমি ছিলাম একেবারে একা, সম্পূর্ণ নিঃসঙ্গ। প্রতিবার যখনই আমি আমার মনের গহীনের একান্ত আকাঙ্ক্ষা। অর্থাৎ নৈতিকভাবে উন্নত হওয়ার ইচ্ছা—প্রকাশ করার চেষ্টা করতাম, তখনই আমাকে ঘৃণা ও অবজ্ঞার শিকার হতে হতো। কিন্তু যখনই আমি নীচ ও কলুষিত লালসার কাছে নিজেকে সঁপে দিতাম, অমনি আমাকে প্রশংসা ও উৎসাহ দেওয়া হতো। উচ্চাকাঙ্ক্ষা, ক্ষমতার লোভ, স্বার্থপরতা, লম্পটতা, অহঙ্কার, ক্রোধ এবং প্রতিশোধ নেওয়ার স্পৃহা, এগুলো সবই তখন অত্যন্ত সম্মানিত গুণাবলী হিসেবে বিবেচিত হতো। আমি যখনই এই সমস্ত প্রবৃত্তি বা লালসার কাছে নতি স্বীকার করতাম, তখনই আমি আমার বড়দের মতো হয়ে উঠতাম এবং আমি অনুভব করতাম যে তারা আমার ওপর অত্যন্ত সন্তুষ্ট হয়েছেন। ** '''''[[:w:লিও তলস্তয়|লিও তলস্তয়]]''''', ''[[:w:এ কনফেশন|এ কনফেশন]]'' (১৮৮২), জেন কেন্টিশ কর্তৃক অনূদিত (পেঙ্গুইন: ১৯৮৭), পৃ. ২২ * ডোনাল্ডের চিন্তাধারায়, এমনকি কোনো অনিবার্য বা আসন্ন হুমকিকে স্বীকার করে নেওয়াটাও দুর্বলতার লক্ষণ হিসেবে বিবেচিত হবে। নিজের ওপর দায়ভার গ্রহণ করা মানেই হলো নিজেকে সমালোচনার মুখে উন্মুক্ত করে দেওয়া। একজন বীর হওয়া কিংবা প্রকৃতপক্ষে একজন ভালো মানুষ হওয়া, তাঁর পক্ষে কোনোভাবেই সম্ভব নয়। ** মেরি এল. ট্রাম্প, ''টু মাচ অ্যান্ড নেভার এনাফ: হাউ মাই ফ্যামিলি ক্রিয়েটেড দ্য ওয়ার্ল্ড'স মোস্ট ডেঞ্জারাস ম্যান'' (২০২০), পৃ. ২১০ == W == * হোরেস স্মিথ যেমনটি মন্তব্য করেছেন, সুশ্রী বা ভালো দেখা যাওয়ার প্রকৃত অর্থ ভালো হওয়া ছাড়া আর কী-ই বা হতে পারে? তাই ভালো হোন, নারীসুলভ হোন, নম্র হোন। নিজেদের সহানুভূতি প্রদর্শনে উদার হোন, আপনার চারপাশের সকলের মঙ্গলের বিষয়ে সজাগ বা সচেতন থাকুন। আর আমার কথা মেনে দেখুন, আপনার প্রশংসায় কোনো দয়ালু শব্দের অভাব হবে না। ** '''''[[:w:জন গ্রিনলিফ হুইটিয়ার|জন গ্রিনলিফ হুইটিয়ার]]''''', ''দ্য বিউটিফুল'' == X == * উদরপূর্তি কিংবা অতিরিক্ত ঘুম ও অসংযম থেকে নিজেকে রক্ষা করার জন্য, অন্য কোনো এবং আরও মহত্তর আনন্দ উপভোগ করার চেয়ে কার্যকর আর কী হতে পারে বলে আপনি মনে করেন? যা কেবল বর্তমান উপভোগের জন্যই আনন্দদায়ক নয়, বরং দীর্ঘস্থায়ী উপকারের আশা জাগিয়ে তোলে বলেও মনোরম। ... আপনি কি মনে করেন যে এই সমস্ত চিন্তাভাবনার মধ্য থেকে এমন আনন্দদায়ক আর কিছু বেরিয়ে আসতে পারে যেমনটি এই চিন্তাটি দেয়: ‘আমি মহত্ত্বের দিকে ধাবিত হচ্ছি এবং আমি আরও ভালো বন্ধু গড়ে তুলছি’? আর আমি বলতে পারি, এটাই হলো আমার ধ্রুব বা নিরন্তর চিন্তা। ** '''''[[:w:জেনোফন|জেনোফন]]''''', [[:w:সক্রেটিস|সক্রেটিস]] ''[[:w:মেমোরেবিলিয়া (জেনোফন)|মেমোরেবিলিয়া]]''-তে, ১.৬.১ * আমার মতে, তাঁরাই সবচেয়ে ভালোভাবে জীবন যাপন করেন যারা নিজেদের যথাসম্ভব ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার জন্য সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়ে যান এবং তাঁদের জীবনই সবচেয়ে আনন্দদায়ক যারা এটি অনুভব করতে পারেন যে তাঁরা মহত্ত্বের দিকে এগিয়ে চলেছেন। ** '''''[[:w:জেনোফন|জেনোফন]]''''', [[:w:সক্রেটিস|সক্রেটিস]] ''[[:w:মেমোরেবিলিয়া (জেনোফন)|মেমোরেবিলিয়া]]''-তে, ৪.৮.৬ * মানুষের প্রকৃতি মূলত মন্দ বা অশুভ। এর মধ্যে যে মহত্ত্ব বা মঙ্গলের দেখা মেলে তা মূলত সচেতন কর্মতৎপরতা থেকে উদ্ভূত। প্রকৃতপক্ষে, মানুষ জন্মগতভাবেই লাভের প্রতি এক ধরণের আসক্তি নিয়ে জন্মায়। এই আসক্তির কাছে নতি স্বীকার করলে তা বিবাদ ও কলহের দিকে পরিচালিত করে এবং জন্মগতভাবে প্রাপ্ত পরিমিতিবোধ ও বিনয় বা নমনীয়তা হারিয়ে যায়। মানুষ জন্মগতভাবে হিংসা ও ঘৃণার অনুভূতি নিয়ে জন্মায় এবং এগুলোর প্রশ্রয় দিলে মানুষ দস্যুবৃত্তি ও চুরির দিকে ধাবিত হয়, ফলে তার জন্মগত আনুগত্য ও সৎ বিশ্বাসের চেতনা বিলুপ্ত হয়ে যায়। মানুষ কান ও চোখের লালসা এবং সুন্দর দৃশ্য ও শব্দের প্রতি এক ধরণের মোহ নিয়ে জন্মায়। আর এগুলোর বশবর্তী হলে সে লম্পটতা ও বিশৃঙ্খলার দিকে পরিচালিত হয়, যার ফলে তার জন্মগত আচার-অনুষ্ঠান, ন্যায়পরায়ণতা, পরিশীলন এবং আদর্শের চেতনা বিলুপ্ত হয়। অতএব, মানুষের সহজাত প্রকৃতি এবং আবেগগুলোর অনুসরণ ও প্রশ্রয় দেওয়া অনিবার্যভাবে বিবাদ ও কলহের দিকে নিয়ে যাবে, যা তাকে তার প্রকৃত কর্তব্য থেকে বিচ্যুত করবে, আদর্শকে বিশৃঙ্খলায় পরিণত করবে এবং তাকে পুনরায় সহিংসতার পথে ফিরিয়ে নিয়ে যাবে। তাই বিনয় ও নমনীয়তা অর্জন করার জন্য এবং পরিশীলন ও রীতিনীতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে সুশৃঙ্খল অবস্থায় ফিরে আসার আগে অবশ্যই একজন শিক্ষকের আদর্শের মাধ্যমে নিজেকে রূপান্তরিত হতে হবে এবং আচার-অনুষ্ঠান ও ন্যায়পরায়ণতার পথ দ্বারা পরিচালিত হতে হবে। ** '''''[[:w:শুন জি|শুন জি]]''''', “হিউম্যান নেচার ইজ ইভিল,” ''সোর্সেস অফ চাইনিজ ট্র্যাডিশন'' (১৯৯৯), ভলিউম. ১, পৃ. ১৭৯-১৮০ == ''হয়েট'স নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস'' == :<small>''[[Wikisource:Hoyt's New Cyclopedia Of Practical Quotations (1922)|হয়েট'স নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনসে]]'' রিপোর্ট করা উদ্ধৃতিসমূহ, পৃ. ৩২৬-২৯।</small> * অন্য কেউ যা-ই বলুক বা করুক না কেন, আমাকে অবশ্যই সৎ এবং মহৎ ব্যক্তিত্বের অধিকারী হতে হবে। ** '''''[[:w:মার্কাস অরেলিয়াস|অরেলিয়াস আন্তোনিনাস]]''''', ''মেডিটেশনস'', চ্যাপ্টার VII. * ''মহৎ-কর্ম,<br>যদি দেখিতে পাই, মননে সপনে তাহাতেই ভাসিতে চাই...<br>[[:w:আইন|আইন-কানুনে]] ঈমান আনিয়া থাকি তো ভবের-ই ভেলায়—<br>অনিবার্য ঘটিকা ঘটে যায়,'' ''তবু তাতে যেন থাকে—মঙ্গল যাহাই।'' ** '''''এডউইন আর্নল্ড''''', ''দ্য লাইট অফ এশিয়া'' (১৮৭৯), বুক VI, লাইন ২৭৩, ''বাংলায় রুপান্তরঃ'' '''মাহমুদ''' (২১ এপ্রিল, ২০২৬)। * প্রকৃতপক্ষে এমন কোনো আইন, সম্প্রদায় কিংবা [[:w:মতামত|মতামত]] কখনোই কোনো কালে ছিল না, যা মহত্ত্বকে ততটা মহিমান্বিত করেছে যতটা না খ্রিস্টধর্ম করেছে। ** '''''[[:w:ফ্রান্সিস বেকন|ফ্রান্সিস বেকন]]''''', ''এসেস'', ''অফ গুডনেস অ্যান্ড গুডনেস অফ নেচার।'' * ''সেই সমস্ত কারণ, যাদের সহায়তার বড্ড অনটন,<br>সে সমস্ত অন্যায়, যাদের বিরুদ্ধে গণ-পিটুনি প্রয়োজন!<br>সেই সুদূর [[:w:ভবিষ্যৎ|মহাকালের]] তরে,<br>যেন জয় আনতে পারি মঙ্গলের ভোরে।'' ** '''''জর্জ লিনিয়াস ব্যাংকস''''', ''হোয়াট আই লিভ ফর'', ''বাংলায় কাব্যিক রুপান্তরঃ'' '''মাহমুদ''' (২১ এপ্রিল, ২০২৬)। * যে মঙ্গলকে অবজ্ঞা করে চলেছিল, সে যেন এক লাঞ্ছিত প্রেতাত্মার মতো বহুদূরে পারি জমাল, আর কখনো না আসার তরে; যদিও বা আসে ফিরে, তবে তা হবে, দেবদূত-দর্শনের মতো! —ক্ষণস্থায়ী এবং দীর্ঘ সময়ের বাকে নত! ** '''''রবার্ট ব্লেয়ার''''', ''দ্য গ্রেভ'', পার্ট II, লাইন ৫৮৬, ভাবানুবাদঃ মাহমুদ * নেই কোনো সংশয়-ধোঁয়াশা নেই— এই কাদা আর জলরাশি থেকেই, কোনো এক হিতৈষী গরিমা আসবে উঠে; আর শ্রদ্ধাবনত চোখে নিশ্চয় ধরা পড়বে তটে— লুকিয়ে রয়েছে কোনো গূঢ় নিহিত বহমান এই টলমলে মাঠে! ** '''''[[:w:রুপার্ট ব্রুক|রুপার্ট ব্রুক]]''''', ''হেভেন, বাংলায় রুপান্তরঃ'' '''মাহমুদ''' (২৩ এপ্রিল,২০২৬)। * কোনো ভালো বই, কিংবা যেকোনো ধরণের ভালো জিনিসই হোক না কেন, তা প্রথমেই তার শ্রেষ্ঠ রূপটি বা আসল সৌন্দর্য প্রকাশ করে না। ** '''''[[:w:টমাস কার্লাইল|টমাস কার্লাইল]]''''', ''এসেস'', "[[:w:নোভালিস|নোভালিস]]"। * '''''Ergo hoc proprium est animi bene constituti, et lætari bonis rebus, et dolere contrariis.''''' ** এটি একটি সুশিক্ষিত ও সুসংগঠিত মনের প্রমাণ যে, সে যা কিছু ভালো বা মঙ্গলময় তাতে আনন্দিত হয় এবং যা এর বিপরীত বা মন্দ তাতে ব্যথিত হয়। ** '''''[[w:সিসারো|সিসেরো]]''''', ''ডি আমিসিটিয়া'', XIII. * '''''Homines ad deos nulla re propius accedunt, quam salutem hominibus dando.''''' ** মানুষ অন্য কোনোভাবেই দেবতাদের এতোটা কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে না, যতটা পারে মানুষের মঙ্গল বা উপকার করার মাধ্যমে। ** '''''[[w:সিসারো|সিসেরো]]''''', ''ওরাটিও প্রো কুইন্টো লিগারিও'', XII. * '''''Cui bono?''''' ** এর ভালো উদ্দেশ্যটা কী? বা এতে কার সুবিধা হবে? ** '''''[[w:সিসারো|সিসেরো]]''''', ''ওরাটিও প্রো সেক্সটিও রোসিও আমেরিনো'', XXX. লুসিয়াস ক্যাসিয়াস থেকে উদ্ধৃত—সেকেন্ড ফিলিপিক। ("'''Qui bono fueret.'''") দেখুন ''লাইফ অফ সিসেরো'', II. ২৯২. নোট। * যাতে সেই বিচ্ছুরিত মঙ্গল আরও অধিকতর প্রাচুর্যের সাথে বৃদ্ধি পেতে পারে। ** '''''উইলিয়াম কাউপার''''', ''কনভারসেশন'' (১৭৮২), লাইন ৪৪১। * মঙ্গল কামনা করা, নিঃস্বার্থভাবে ভালো কামনা করা—এটি আমাদের পেশা বা ব্যবসার ধরণ নয়। ** '''''উইলিয়াম কাউপার''''', ''দ্য টাস্ক'' (১৭৮৫), বুক I. দ্য সোফা, লাইন ৬৭৩। * অতঃপর, কোনো এক সুবর্ণ ক্ষণে, হৃদয়ে প্রশান্তির ঢেউ— ভালো কাজ করার বিলাসিতায় মাতল সে, দেখল না আর কেউ! ** '''''[[:w:জর্জ ক্র্যাব|জর্জ ক্র্যাব]]''''', ''টেলস অফ দ্য হল'' (১৮১৯), বুক III. * বপন করে যে হিতৈষী বীজ, ফসল সে তুলবেই ঘরে; যতই বাড়ে বর্ষের বয়স, ততই সে ঐশ্বর্যে ভরে। জীবনের শেষ উদয়ে ফুরিয়ে আসে যখন বালুঘড়ির ক্ষণ— সেই ধুলিকণাই হয়ে ওঠে তখন অমূল্য স্বর্ণ-কণ! ** '''''জুলিয়া সি. আর. ডর''''', ''টু দ্য "বুকে ক্লাব"।'' * এই বসবাসযোগ্য পৃথিবীর দিকে তাকাও, কত অল্প সংখ্যক মানুষই বা নিজেদের প্রকৃত মঙ্গল সম্পর্কে জানে, কিংবা জানলেও তা পাওয়ার জন্য অন্বেষণ করে। ** '''''[[:w:জন ড্রাইডেন|জন ড্রাইডেন]]''''', ''জুভেনাল'', স্যাটায়ার X। * আপনি যদি প্রকৃতপক্ষে মহৎ বা ভালো হতে চান, তবে প্রথমে এই বিশ্বাসটি অন্তরে পোষণ করুন যে আপনি মন্দ বা খারাপ। ** '''''[[:w:এপিকটেটাস|এপিকটেটাস]]''''', ''ফ্র্যাগমেন্টস''। লং-এর অনুবাদ। * কারণ তাঁদের সমস্ত বিলাসিতা বা পরম সুখ ছিল কেবল অন্যের মঙ্গল সাধন করার মধ্যে। ** '''''স্যামুয়েল গার্থ''''', ''ক্লেরেমন্ট'', লাইন ১৪৯। * '''''Ein guter Mensch, in seinem dunkeln Drange,<br>Ist sich des rechten Weges wohl bewusst.''''' ** একজন ভালো মানুষ, তাঁর অস্পষ্ট বা গূঢ় আকাঙ্ক্ষার মধ্য দিয়েও, সর্বদা সেই একটিমাত্র সঠিক ও ধ্রুব পথের সহজাত প্রবৃত্তি বা বোধ ধরে রাখেন। ** '''''ইয়োহান ভলফগাং ফন গ্যোটে''''', ''[[:w:ফাউস্ট|ফাউস্ট]]'', প্রোলগ ইম হিমেল * এবং ভালো কাজ করার সেই রাজকীয় বিলাসিতা বা মানসিক তৃপ্তিটি অনুভব করতে শিখুন। ** '''''[[:w:অলিভার গোল্ডস্মিথ|অলিভার গোল্ডস্মিথ]]''''', ''দ্য ট্রাভেলার'' (১৭৬৪), লাইন ২২। * '''অবিরাম পদে যাচ্ছি সেই ক্ষণস্থায়ী মায়াবীর''' (ক্ষণস্থায়ী ভালো কিছু) '''অন্বেষণে,''' '''যে আমায় উপহাস করে দৃষ্টি দর্শনে!''' '''গোধূলির দিগন্ত রেখার মতো—''' '''বার বার সে মায়ায় টানে,''' '''কিন্তু পিছু নিই যত,''' '''মিলিয়ে যায় তত, অধরার পানে!''' ** '''''[[:w:অলিভার গোল্ডস্মিথ|অলিভার গোল্ডস্মিথ]]''''', ''দ্য ট্রাভেলার'' (১৭৬৪), লাইন ২৫, ''বাংলায় রুপান্তরঃ'' '''মাহমুদ''' (২৩ এপ্রিল,২০২৬)। * মহত্ত্ব যদি তাকে পরিচালিত করে আমার কাছে নিয়ে না আসে, তবে হয়তো ক্লান্তিবোধই, তাকে ক্লান্ত করে একসময় আমার মাঝে ছুড়ে ফেলে দেবে। ** '''''[[:w:জর্জ হার্বার্ট|জর্জ হার্বার্ট]]''''', ''দ্য পুলি'', স্ট্যাঞ্জা ৪। * '''''Vir bonus est quis?<br>Qui consulta patrum, qui leges juraque servat'''.'' ** একজন ভালো মানুষ আসলে কে? তিনি-ই, যিনি পিতৃপুরুষদের আদেশ বা ডিক্রিগুলো মেনে চলেন এবং মানবীয় ও ঐশ্বরিক, উভয় প্রকার আইনই পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পালন করেন। ** '''''[[:w:হোরাস|হোরাস]]''''', ''এপিস্টলস'', I. ১৬. ৪০। * ঈশ্বর, যাঁর করুণার ধারা বা আশীর্বাদ প্রবল বন্যার মতো, সেই সকলের প্রতি বর্ষিত হয় যারা তাঁর অন্বেষণ করে; তিনি কেবল আপনার কাছে ভালো বা মহৎ হওয়ার প্রত্যাশা করেন এবং তাতেই তিনি সন্তুষ্ট হন। ** '''''[[:w:ভিক্টর হুগো|ভিক্টর হুগো]]''''', ''গড হুজ গিফটস ইন গ্রেসিয়াস ফ্লাড''। * তিনি এতোটাই দয়ালু ও ভালো মানুষ ছিলেন যে, তিনি একটি কদাকার কোলাব্যাঙের গায়েও গোলাপ-জল ছিটিয়ে দিতেন। ** '''''ডগলাস জেরল্ড''''', ''জেরল্ড'স উইট'', ''এ চ্যারিটেবল ম্যান''। * নাসরত থেকে কি ভালো কোনো কিছুর উদ্ভব হওয়া সম্ভব? ** যোহন. I. ৪৬। * যা কিছু সুন্দর ও ন্যায্য, তা মঙ্গলের কতটা কাছাকাছি! ** '''''[[:w:বেন জনসন|বেন জনসন]]''''', ''লাভ ফ্রীড ফ্রম ইগনোরেন্স অ্যান্ড ফলি''। * ''Rari quippe boni: numero vix sunt totidem quot<br>Thebarum portæ, vel divitis ostia Nili.'' ** ভালো বা মহৎ মানুষেরা, হায়! সংখ্যায় কতই না নগণ্য: তাঁদের সংখ্যা থিবসের প্রবেশদ্বার কিংবা সমৃদ্ধ নীল নদের মোহনাগুলোর চেয়ে কোনোভাবেই বেশি হবে না। *** '''''[[:w:জুভেনাল|জুভেনাল]]''''', ''স্যাটায়ারস'' (দ্বিতীয় শতাব্দীর শুরুর দিকে), XIII. ২৬. *ভালো হও, হে প্রিয় বালিকা, আর যারা পারে তাদের চতুর হতে দাও, সারাদিন কেবল স্বপ্ন না দেখে বরং সুন্দর ও মনোরম কাজগুলো সম্পাদন করো; আর এভাবেই জীবন, মৃত্যু এবং সেই অনন্ত মহাকালকে, একটি মহান ও সুমধুর সংগীতে পরিণত করো। ** '''''[[:w:চার্লস কিংসলে|চার্লস কিংসলে]]''''', ''ফেয়ারওয়েল। টু সি. ই. জি.।'' * হও মহৎপ্রাণ, হে বালিকা, যারা চায় তাদেরকে চতুর হতে দাও। সারাদিন স্বপ্নে না চষে পুণ্যতার পূর্ণিমায় নিজেকে আলোক-ঝলঝল করো! আর এভাবেই জীবন-মরণ আর সেই অনন্ত অসীমের মহাকালকে মহান দিগন্ত, সুমধুর মৌ মৌ সংগীতে পরিণত করো! ** '''''[[:w:চার্লস কিংসলে|চার্লস কিংসলে]]''''', ''ফেয়ারওয়েল''। ১৮৮৯ সালের সংস্করণে। এছাড়াও তাঁর স্ত্রীর সম্পাদিত 'লাইফ'-এর ভলিউম I, পৃ. ৪৮৭-এ পাওয়া যায়, যেখানে লাইনটি হলো: "অ্যান্ড সো মেক লাইফ, ডেথ, অ্যান্ড দ্যাট ভাস্ট ফর এভার", ''বাংলায় রুপান্তরঃ '''মাহমুদ''' (২৩ এপ্রিল,২০২৬)।'' * '''''Weiss<br>Dass alle Länder gute Menschen tragen.''''' ** এটি জেনে রেখো যে, প্রতিটি দেশই ভালো এবং সৎ মানুষ জন্ম দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। *** '''''[[:w:গটহোল্ড এফ্রাইম লেসিং|গটহোল্ড এফ্রাইম লেসিং]]''''', ''নাথান ডার ওয়েইজ'', II. * '''''Segnius homines bona quam mala sentiunt.''''' ** মানুষের ভালো বা মঙ্গলের তুলনায় মন্দ বা অশুভ বিষয়গুলো অনুভব করার তীব্রতা অনেক বেশি সজাগ ও প্রখর থাকে। *** '''''[[:w:লিভি|লিভি]]''''', ''অ্যানালস'', XXX. ২১. * যে মাটি বা ভূখণ্ডের ওপর ভিত্তি করে তাঁর মতো মহান মানুষেরা গড়ে ওঠেন, সেই মাটিতে জন্মগ্রহণ করা ভাগ্যের ব্যাপার, সেখানে জীবন যাপন করা আনন্দের এবং সেই মাটির তরে মৃত্যুবরণ করা ও তারই কোলে সমাধিস্থ হওয়া অত্যন্ত গৌরবের। ** '''''[[:w:জেমস রাসেল লোয়েল|জেমস রাসেল লোয়েল]]''''', ''অ্যামং মাই বুকস''। সেকেন্ড সিরিজ। গারফিল্ড। * '''''Si veris magna paratur<br>Fama bonis, et si successu nuda remoto<br>Inspicitur virtus, quicquid laudamus in ullo<br>Majorum, fortuna fuit.''''' ** যদি প্রকৃতপক্ষে সৎ ও মহৎ ব্যক্তিদের জন্য মহান খ্যাতি অপেক্ষা করে থাকে। আর যদি চুড়ান্ত সাফল্যের প্রশ্নটি সরিয়ে রেখে কেবল শ্রেষ্ঠত্ব বা গুণকেই এককভাবে বিচার করা হয়, তবে তাঁর ভাগ্য আমাদের পূর্বপুরুষদের ইতিহাসে খুঁজে পাওয়া যেকোনো গৌরবের মতোই গর্বিত ও মহিমান্বিত ছিল। *** '''''[[:w:লুকান (কবি)|মার্কাস আনিউস লুকানাস]]''''', ''ফারসালিয়া'', IX. ৫৯৩. * সকল প্রকার মঙ্গল বা কল্যাণের শিখর এবং মুকুটমণি, আর জীবনের শেষ ধ্রুবতারা হলো—ভ্রাতৃত্ববোধ। ** '''''[[:w:এডউইন মার্কহ্যাম|এডউইন মার্কহ্যাম]]''''', ''ব্রাদারহুড''। * একমাত্র যাঁরা প্রকৃতপক্ষে ভালো মানুষ, তাঁরাই কেবল ভালো কিছু দান করতে পারেন। আর যা ভালো নয়, তা কোনো সুশৃঙ্খল ও প্রজ্ঞাবান রুচির কাছে কখনোই সুস্বাদু বা আকর্ষণীয় হতে পারে না। ** '''''[[:w:জন মিলটন|জন মিলটন]]''''', ''[[:w:কোমাস (জন মিলটন)|কোমাস]]'' (১৬৩৭), লাইন ৭০২. * যেহেতু মহত্ত্ব বা মঙ্গলকে যতটা বেশি সবার মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া হয়, এটি ততটাই অধিকতর প্রাচুর্যের সাথে বৃদ্ধি পেতে থাকে। ** '''''[[:w:জন মিলটন|জন মিলটন]]''''', ''[[:w:প্যারাডাইস লস্ট|প্যারাডাইস লস্ট]]'' (১৬৬৭; ১৬৭৪), বুক V, লাইন ৭১. * এক গ্লাস পানীয় ভালো, আর একটি সঙ্গী বা কিশোরীও ভালো, আর প্রচণ্ড শীতে ধূমপানের জন্য একটি পাইপও বেশ চমৎকার; এই পৃথিবীটা সুন্দর, আর মানুষগুলোও বেশ ভালো, এবং আমরা সবাই মিলে একত্রে এক একজন অসাধারণ সঙ্গী। ** '''''জন ও'কিফ''''', ''স্প্রিগস অফ লরেল'', অ্যাক্ট II, সিন ১. * আমি মঙ্গলকে চিনি এবং ভালোবাসি, তবুও হায়! সেই নিকৃষ্ট বা মন্দেরই অনুসরণ করি। ** '''''[[:w:পেত্রার্ক|পেত্রার্ক]]''''', ''টু লরা ইন লাইফ'', কানজোন XXI. * '''''Itidemque ut sæpe jam in multis locis,<br>Plus insciens quis fecit quam prodens boni.''''' ** আর এভাবেই অনেক ক্ষেত্রেই এটি ঘটে থাকে; আমাদের অজ্ঞাতসারে বা অজান্তেই যতটা মঙ্গল সাধিত হয়, তা আমাদের পরিকল্পিত মঙ্গলের চেয়ে অনেক বেশি। *** '''''[[:w:প্লাউতাস|প্লাউতাস]]''''', ''ক্যাপটিভি প্রোলগ'', XLIV. * '''''Bono ingenio me esse ornatam, quam auro multo mavolo.<br>Aurum fortuna invenitur, natura ingenium donum.'''<br>Bonam ego, quam beatam me esse nimio dici mavolo.'' ** আমি স্বর্ণ বা ধন-সম্পদের চেয়ে একটি সুন্দর ও মহৎ স্বভাব বা চরিত্রকেই অনেক বেশি পছন্দ করি; কারণ স্বর্ণ হলো ভাগ্যের দান, কিন্তু স্বভাবের এই মহত্ত্ব হলো প্রকৃতির এক অমূল্য উপহার। আমি নিজেকে সৌভাগ্যবানের চেয়ে বরং একজন ভালো মানুষ হিসেবে পরিচিত করতে অনেক বেশি পছন্দ করি। *** '''''[[:w:প্লাউতাস|প্লাউতাস]]''''', ''ফেনুলাস'', I. ২. ৯০. * প্রতিটি ভালো বা মঙ্গলময় জিনিসই মূলত অত্যন্ত নম্র ও সংগতিপূর্ণ হয়ে থাকে, যা এক সুশৃঙ্খল ধারায় অগ্রসর হয় এবং যা সঠিক বা ন্যায়সঙ্গত তার সীমা কখনোই অতিক্রম করে না। ** '''''[[:w:পর্ফিরি (দার্শনিক)|পর্ফিরি]]''''', ''[https://books.google.it/books?id=B5ojAwAAQBAJ&pg=PA0 অন অ্যাবস্টিনেন্স ফ্রম কিলিং অ্যানিম্যালস]'', গিলিয়ান ক্লার্ক কর্তৃক অনূদিত (ব্লুমসবারি, ২০১৪), II. ৩৯. ৪. * '''''Gute Menschen können sich leichter in schlimme hineindenken als diese injene.''''' ** একজন ভালো মানুষ যতটা সহজে একজন মন্দ মানুষের প্রকৃত রূপ বা উদ্দেশ্য চিনে ফেলতে পারেন, একজন মন্দ মানুষ কখনোই একজন ভালো মানুষের স্বরূপ ততটা সহজে অনুধাবন করতে পারে না। *** '''''[[:w:জঁ পল রিখটার|জঁ পল রিখটার]]''''', ''হেসপেরাস'', IV. * তুমি হয়তো ম্যাজ কিংবা সিস-এর জন্য অনেক ভালো, অথবা হয়তো কেট-এর জন্যও বেশ চমৎকার; কিন্তু তাতে আমার জন্য কী-ই বা ভালো বা লাভ আছে, যতক্ষণ পর্যন্ত না তুমি আসলে আমার জন্য ভালো বা যোগ্য হয়ে ওঠো? ** '''''[[:w:ক্রিস্টিনা রসেটি|ক্রিস্টিনা রসেটি]]''''', ''জেসি ক্যামেরন'', স্ট্যাঞ্জা ৩. * '''''Esse quam videri bonus malebat.''''' ** তিনি কেবল ভালো বা সৎ সাজার চেয়ে প্রকৃতপক্ষে একজন ভালো মানুষ হওয়াকেই অনেক বেশি পছন্দ করতেন। *** '''''[[:w:সালুস্ত|সালুস্ত]]''''', ''ক্যাটলিনা'', LIV. * যা কিছু সুন্দর তা-ই আসলে ভালো বা মঙ্গলময়, আর যিনি প্রকৃতপক্ষে ভালো, তিনি অচিরেই সৌন্দর্যেরও অধিকারী হয়ে উঠবেন। ** '''''[[:w:সাফো|সাফো]]''''', ''ফ্র্যাগমেন্ট'', ১০১. * '''''Bonitas non est pessimis esse meliorem.''''' ** কেবল নিকৃষ্টতম ব্যক্তিদের চেয়ে সামান্য ভালো হওয়াটাই প্রকৃত মহত্ত্ব বা মঙ্গলের পরিচায়ক নয়। *** '''''[[:w:লুসিয়াস আনিউস সেনেকা|কনিষ্ঠ সেনেকা]]''''', ''এপিস্টোলি অ্যাড লুসিলিয়াম''। * এই ক্লান্ত ও শ্রান্ত পৃথিবীতে একটি সৎ কাজ এভাবেই উজ্জ্বল আলোকচ্ছটা ছড়ায়। ** উইলি ওয়াঙ্কা, চরিত্রে অভিনয়ে [[w:জিন ওয়াইল্ডার|জিন ওয়াইল্ডার]], [[w:উইলি ওয়াঙ্কা অ্যান্ড দ্য চকলেট ফ্যাক্টরি|উইলি ওয়াঙ্কা অ্যান্ড দ্য চকলেট ফ্যাক্টরি (চলচ্চিত্র)]] (১৯৭১), চিত্রনাট্য লিখেছেন রোয়াল্ড ডাল এবং ডেভিড সেল্টজার। * ভালোবাসার সেই জ্বলন্ত শিখার একদম গভীরেও বাস করে এক ধরণের সলতে বা পোড়া অংশ যা তাকে ধীরে ধীরে স্তিমিত করে দেয়; আর কোনো কিছুই চিরকাল একই ধরণের মহত্ত্ব বা মঙ্গলে স্থির থাকে না; কারণ মহত্ত্ব যখন আতিশয্যে বা প্রাচুর্যে উপচে পড়ে (প্লুরিসি), তখন সে নিজের সেই আতিশয্যের ভারেই বিলীন হয়ে যায়। ** '''''[[:w:উইলিয়াম শেক্সপিয়র|উইলিয়াম শেক্সপিয়র]]''''', ''[[:w:হ্যামলেট|হ্যামলেট]]'' (১৬০০-০২), অ্যাক্ট IV, সিন ৭, লাইন ১১৫. * আপনার সেই মহানুভবতা ও মহত্ত্ব, যা কি না পবিত্র করুণা থেকে উদ্ভূত, শেষ পর্যন্ত একটি কুঠারের মাধ্যমে তাকে মুক্তি বা পাপমুক্ত করেছে। ** '''''[[:w:উইলিয়াম শেক্সপিয়র|উইলিয়াম শেক্সপিয়র]]''''', ''[[:w:হেনরি অষ্টম (নাটক)|হেনরি অষ্টম]]'' ([[w:হেনরি অষ্টম (নাটক)#তারিখ|আনু. ১৬১৩]]), অ্যাক্ট III, সিন ২, লাইন ২৬৩. * আমি এই পার্থিব জগতে বাস করি; যেখানে কারো ক্ষতি করা বা অনিষ্ট করাটা প্রায়শই প্রশংসনীয় হিসেবে বিবেচিত হয়, আর ভালো কাজ করাকে কখনও কখনও গণ্য করা হয় এক ধরণের বিপজ্জনক মূর্খতা হিসেবে। ** '''''[[:w:উইলিয়াম শেক্সপিয়র|উইলিয়াম শেক্সপিয়র]]''''', ''[[:w:ম্যাকবেথ|ম্যাকবেথ]]'' (১৬০৫), অ্যাক্ট IV, সিন ২, লাইন ৭৫. * তাঁকে একজন ভালো মানুষ বলার মাধ্যমে আমি যা বোঝাতে চেয়েছি তা হলো—যাতে আপনি এটি বুঝতে পারেন যে তিনি তাঁর কাজ বা অবস্থানের জন্য যথেষ্ট যোগ্য ও সমর্থ। ** '''''[[:w:উইলিয়াম শেক্সপিয়র|উইলিয়াম শেক্সপিয়র]]''''', ''[[:w:দ্য মার্চেন্ট অফ ভেনিস|দ্য মার্চেন্ট অফ ভেনিস]]'' (১৫৯০-এর দশকের শেষের দিকে), অ্যাক্ট I, সিন ৩, লাইন ১৪. * প্রভু যীশু খ্রিস্টের সন্তুষ্টির খাতিরে, যতটুকু সম্ভব সকল প্রকার ভালো কাজ করো, যতজন মানুষের প্রতি সম্ভব তা সম্পাদন করো, সম্ভাব্য সকল উপায়ে তা করার চেষ্টা করো, এবং যতক্ষণ পর্যন্ত তোমার সামর্থ্য থাকে ততক্ষণ তা চালিয়ে যাও। ** ইংল্যান্ডের শ্রুসবারির একটি সমাধিলিপির খোদাই করা লেখা। এটি জনাব মুডির অত্যন্ত প্রিয় ছিল। * কারণ আপনি ছাড়া আর কে-ই বা আছেন? যিনি কেবল নিজে একজন ভালো মানুষ বা ভদ্রলোক হওয়ার দাবিই করেন না—কারণ অনেকেই এমন আছেন যারা ভালো, কিন্তু অন্যকে ভালো বা মহৎ করে তোলার ক্ষমতা তাঁদের নেই। অথচ আপনি কেবল নিজেই মহৎ নন, বরং অন্যদের মাঝেও মহত্ত্ব বা মঙ্গলের এক বিশেষ কারণ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। ** প্রোটাগোরাসকে '''''সক্রেটিস'''''। দেখুন [[:w:প্লেটো|প্লেটো]]। জোয়েট-এর অনুবাদ। * শনিবার রাতটি কতটা মনোরম ও তৃপ্তিদায়ক হয়, যখন আমি সারা সপ্তাহ জুড়ে একজন ভালো মানুষ হওয়ার চেষ্টা করি, মুখ দিয়ে কোনো একটি খারাপ বা মন্দ শব্দও উচ্চারণ করি না, এবং সাধ্যমতো প্রত্যেকের প্রতি কৃতজ্ঞ ও বাধ্য থাকার চেষ্টা করি। ** '''''ন্যান্সি ডেনিস স্প্রোট''''', ''হাউ প্লেজেন্ট ইজ স্যাটারডে নাইট''। * কেবল একজন ব্যক্তিকেই আমাকে সংশোধন করে ভালো বানাতে হবে: সেটি হলো আমি নিজে। কিন্তু আমার প্রতিবেশীর প্রতি আমার কর্তব্য সম্পর্কে আরও অনেক বেশি স্পষ্টভাবে বলা যায় যে—আমার কাজ হলো তাকে সুখী করে তোলা, যদি আমি তা করতে সমর্থ হই। ** '''''[[:w:রবার্ট লুইস স্টিভেনসন|রবার্ট লুইস স্টিভেনসন]]''''', ''ক্রিসমাস সারমন''। * তাঁর কনিষ্ঠ আঙুলে যতটুকু মহত্ত্ব বা সদগুণ রয়েছে, ওই লোকটির পুরো শরীরেও ততটুকু নেই। ** '''''[[:w:জোনাথন সুইফট|জোনাথন সুইফট]]''''', ''পোলাইট কনভারসেশন'' (আনু. ১৭৩৮), ডায়ালগ II. * ওহ, তবুও আমরা বিশ্বাস করি যে কোনো না কোনোভাবে মঙ্গলই হবে মন্দের চূড়ান্ত লক্ষ্য বা পরিণতি; প্রকৃতির তীব্র যন্ত্রণা, ইচ্ছাকৃত পাপ, সন্দেহের ত্রুটি এবং বংশগত কলঙ্ক—সবকিছুরই শেষ হবে মঙ্গলে। ** '''''[[:w:আলফ্রেড টেনিসন|আলফ্রেড টেনিসন]]''''', ''[[:w:ইন মেমোরিয়াম এ.এইচ.এইচ.|ইন মেমোরিয়াম এ.এইচ.এইচ.]]'' (১৮৪৯), LIV. ১. * মহৎ হওয়া মানেই হলো প্রকৃতপক্ষে ভালো বা সৎ হওয়া। ** '''''[[:w:আলফ্রেড টেনিসন|আলফ্রেড টেনিসন]]''''', ''লেডি ক্ল্যারা ভিয়েরা ডি ভিয়েরা''। একই কথা পাওয়া যায় [[:w:জুভেনাল|জুভেনাল]]-এর ''স্যাটায়ারস'', VIII. ২৪-এ। * মানুষের প্রকৃতপক্ষে যা সে দেখায়, তার চেয়েও আরও বেশি ভালো হওয়া উচিত। ** স্যার '''''অব্রে ডি ভিয়েরা''''', ''এ সং অফ ফেইথ''। * '''''Le plus grand ennemi du bon, c'est le mieux.''''' ** অধিকতর ভালো বা অতি-উত্তম হলো মঙ্গলের সবচেয়ে বড় শত্রু। ** ফরাসি প্রবাদ, [[:w:গর্গ ভিলহেল্ম ফ্রিডরিখ হেগেল|গর্গ ভিলহেল্ম ফ্রিডরিখ হেগেল]]-এর ''এলিমেন্টস অফ দ্য ফিলোসফি অফ রাইট'' (১৮২০), §২১৬-এ উদ্ধৃত। ** ভিন্ন পাঠসমূহ: *** '''''Dans ses écrits un sage Italien <br /> Dit que le mieux est l'ennemi du bien.''''' **** তাঁর লেখায় একজন প্রজ্ঞাবান ইতালীয় বলেছেন যে, অতি-উত্তম হলো মঙ্গলের বা ভালোর পরম শত্রু। **** '''''[[:w:ভলতেয়ার|ভলতেয়ার]]''''', ''লা বেগুয়েল'' (দ্য প্রুড) (১৭৭২) *** নিখুঁত হওয়া বা পারফেকশন হলো মঙ্গলের শত্রু। **** ভলতেয়ারের উক্তির আধুনিক ভাবানুবাদ। == ''ডিকশনারি অফ বার্নিং ওয়ার্ডস অফ ব্রিলিয়ান্ট রাইটার্স'' (১৮৯৫) == <small>[[Wikisource:Josiah Hotchkiss Gilbert|জোসায়া হোচকিস গিলবার্ট]], ''[https://openlibrary.org/books/OL23387290M/Dictionary_of_burning_words_of_brilliant_writers ডিকশনারি অফ বার্নিং ওয়ার্ডস অফ ব্রিলিয়ান্ট রাইটার্স]'' (১৮৯৫)-এ রিপোর্ট করা উদ্ধৃতিসমূহ।</small> * কোনো একটি মহৎ উদ্দেশ্যের জন্য বেঁচে থাকুন! ভালো কাজ সম্পাদন করুন এবং নিজের পেছনে পুণ্যের এমন এক স্মৃতিস্তম্ভ রেখে যান যা মহাকালের প্রবল ঝড়ও কখনো ধ্বংস করতে পারবে না। প্রতি বছর আপনি যত হাজার হাজার মানুষের সংস্পর্শে আসছেন, তাঁদের হৃদয়ে দয়া, ভালোবাসা এবং করুণার অক্ষরে নিজের নামটি লিখে দিন; তবেই আপনি কখনো বিস্মৃতির অতল গহ্বরে হারিয়ে যাবেন না। আপনার নাম এবং আপনার কীর্তিসমূহ মানুষের হৃদয়ে ঠিক তেমনই স্পষ্টভাবে ভাস্বর হয়ে থাকবে, যেমনটি সন্ধ্যার ললাটে নক্ষত্ররাজি শোভা পায়। সৎ কর্মসমূহ আকাশের ধ্রুবতারার মতোই চিরকাল উজ্জ্বল আলোকচ্ছটা ছড়াবে। ** '''''[[:w:টমাস চালমার্স|টমাস চালমার্স]]''''', পৃ. ২৪৩। * মহত্ত্ব বা শ্রেষ্ঠত্ব আমরা বাহ্যিকভাবে যে কাজগুলো করি তার মধ্যে নিহিত নয়, বরং আমাদের অন্তরের প্রকৃত সত্তার মাঝে নিহিত। 'হয়ে ওঠা' বা আমাদের প্রকৃত পরিচয়টিই হলো সবচেয়ে বড় বিষয়। ** '''''এডউইন হাবেল চ্যাপিন''''', পৃ. ২৮৬। * কত মানুষই না ভালো হতে চাইত, যদি কোনো প্রকার কষ্ট বা পরিশ্রম ছাড়াই অনায়াসে ভালো হওয়া যেত! তারা মহত্ত্বকে ততটা গভীরভাবে ভালোবাসে না যাতে তার জন্য ক্ষুধা ও তৃষ্ণা অনুভব করতে পারে, কিংবা যা কিছু তাদের আছে তার বিনিময়ে সেই মহত্ত্বকে ক্রয় করতে পারে; তারা স্বর্গরাজ্যের দ্বারে করাঘাত করতে চায় না; বরং তারা দূর থেকে পুণ্য ও ন্যায়পরায়ণতার সেই আকাশচুম্বী কাল্পনিক দুর্গের দিকে পরম তৃপ্তির সাথে তাকিয়ে থাকে এবং মনে মনে ভাবে যে সেখানে বসবাস করাটা বেশ চমৎকার হতো। ** '''''[[:w:জর্জ ম্যাকডোনাল্ড|জর্জ ম্যাকডোনাল্ড]]''''', পৃ. ২৮৬। * কেবল মহান হৃদয়ের অধিকারীরাই অনুধাবন করতে পারেন যে, প্রকৃতপক্ষে ভালো বা মহৎ হওয়ার মাঝে কতটা গৌরব ও মহিমা নিহিত রয়েছে। ** '''''[[:w:জুল মিশলে|জুল মিশলে]]''''', পৃ. ২৮৬। * ভালো হও আমার সন্তান, আর যারা চায় তাদের চতুর হতে দাও; সারাদিন কেবল স্বপ্ন না দেখে বরং মহৎ ও পুণ্য কাজগুলো বাস্তবে রূপ দাও; আর এভাবেই জীবন, মৃত্যু এবং সেই সুদূরপ্রসারী অনন্তকালকে একটি বিশাল ও সুমধুর সংগীতে রূপান্তরিত করো। ** '''''[[:w:চার্লস কিংসলে|চার্লস কিংসলে]]''''', পৃ. ২৮৬। * কেবল নামমাত্র ভালো বা সৎ হয়ো না; বরং কোনো একটি মহৎ উদ্দেশ্য সাধনের জন্য ভালো হও। ** '''''[[:w:হেনরি ডেভিড থরো|হেনরি ডেভিড থরো]]''''', পৃ. ২৮৬। * কোনো ভালো বা মঙ্গলময় বিষয়ই কখনো হারিয়ে যায় না। কোনো কিছুই মরে যায় না, এমনকি জীবনও নয়—যা কেবল একটি রূপ ত্যাগ করে অন্য একটি রূপ ধারণ করার জন্য। কোনো ভালো কাজ কিংবা কোনো মহৎ আদর্শ কখনো মুছে যায় না। এটি আমাদের মানবজাতির মাঝে চিরকাল বেঁচে থাকে। যখন দেহের কাঠামোটি মাটিতে মিশে যায় এবং অদৃশ্য হয়ে যায়, তখন মানুষের কর্ম এক অক্ষয় ছাপ রেখে যায় এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের চিন্তা ও সংকল্পকে নতুন ছাঁচে গড়ে তোলে। ** '''''[[:w:স্যামুয়েল স্মাইলস|স্যামুয়েল স্মাইলস]]''''', পৃ. ২৮৬। * চিরকাল এবং অনন্তকালের জন্য, হে প্রিয়তম, হ্যাঁ— মহত্ত্ব এবং ভালোবাসা হলো অবিনশ্বর ও চিরঞ্জীব; কেবল পৃথিবীর দুঃখ-কষ্ট আর দুশ্চিন্তাগুলোই প্রথম থেকেই ডানা মেলে উড়ে যাওয়ার জন্য তৈরি হয়েছে। আমরা আমাদের পথ চষে বেড়াই এই "বর্তমান"-এর লাঙলের ফলায়; কিন্তু চাষাবাদ আর ফলনের পর সেই শস্যের আঁটি আমাদের অপেক্ষায় থাকে; শিকড়ের জন্য মাটি ঠিকই, কিন্তু পাতার জন্য প্রয়োজন রৌদ্রালোক— আর ঈশ্বর চিরকাল অবিরাম নজর রাখেন আমাদের ওপর। ** '''''মেরি মেপস ডজ''''', পৃ. ২৮৭। * মানুষ এমন কিছুই কখনো উদ্ভাবন করতে পারবে না যা তাকে সেই সর্বজনীন প্রয়োজনীয়তা থেকে মুক্তি দেবে—যা হলো ঈশ্বরের মতো ভালো হওয়া, ঈশ্বরের মতো ন্যায়পরায়ণ হওয়া এবং ঈশ্বরের মতোই পবিত্র ও বিশুদ্ধ হওয়া। ** '''''[[:w:চার্লস কিংসলে|চার্লস কিংসলে]]''''', পৃ. ২৮৭। * যে ব্যক্তি মহত্ত্ব বা মঙ্গলের ওপর বিশ্বাস রাখে, তার অন্তরেই সকল বিশ্বাসের মূল নির্যাস বা সারবস্তু নিহিত রয়েছে। তিনিই সেই মানুষ যার রয়েছে "আনন্দময় এক অতীত এবং এক আত্মবিশ্বাসী ও উজ্জ্বল আগামীর প্রতিশ্রুতি।" ** '''''[[:w:জেমস ফ্রিম্যান ক্লার্ক|জেমস ফ্রিম্যান ক্লার্ক]]''''', পৃ. ২৮৭। * আমরা আমাদের শৈশবের সেই ভোরের স্নিগ্ধ কিরণকে পুনরায় প্রজ্বলিত করতে পারি না। আমরা আমাদের যৌবনের সেই মধ্যাহ্নবেলার দীপ্ত গৌরবকেও ফিরিয়ে আনতে পারি না। আমরা আমাদের পরিপক্ক বয়সের সেই পূর্ণতা বা শ্রেষ্ঠ দিনটিকেও পুনরায় লাভ করতে পারি না। কিংবা আমরা বার্ধক্যের সায়াহ্নবেলার অস্তগামী রশ্মিকে ছায়াবৃত দিগন্তের বুকে স্থির করে রাখতে পারি না। কিন্তু আমরা সেই মহত্ত্বকে সযত্নে লালন করতে পারি—যা শৈশবের মাধুর্য, যৌবনের উল্লাস, প্রৌঢ়ত্বের শক্তি, বার্ধক্যের সম্মান এবং সাধু-সন্তদের পরম আনন্দ। ** '''''হেনরি জাইলস''''', পৃ. ২৮৭। == আরও দেখুন == {{col-begin}} {{col-2}} * [[:w:শ্রেষ্ঠত্ব|শ্রেষ্ঠত্ব বা উৎকর্ষতা]] * [[:w:ভালো ও মন্দ|ভালো এবং মন্দ]] * [[:w:মহত্ত্ব|মহত্ত্ব বা বিশালতা]] * [[:w:নৈতিকতা|নৈতিকতা]] * [[:w:যোগ্যতা|যোগ্যতা বা গুণাবলি]] * [[:w:আভিজাত্য|আভিজাত্য বা মহদাশয়তা]] {{col-2}} * [[:w:পুণ্য|পুণ্য বা সদগুণ]] * [[:w:মূল্য|মূল্য বা যথাযোগ্য মর্যাদা]] * [[:Category:Virtues|বিষয়শ্রেণী:সদগুণসমূহ]] {{col-end}} == বহিঃসংযোগ == {{wikipedia|মহত্ত্ব}} {{wiktionary|মহত্ত্ব (উইকিশনারি)}} [[Category:সদগুণসমূহ]] [[Category:নীতিবিদ্যা]] [[বিষয়শ্রেণী:নৈতিকতা]] ikljbaqj96vb1be5bkwgfo0kr0owhw5 79884 79883 2026-04-23T05:34:44Z Oindrojalik Watch 4169 79884 wikitext text/x-wiki <div style="text-align: center; border: 2px dashed #f0ad4e; padding: 15px; background-color: #fcf8e3; margin-bottom: 20px;"> [[File:Under-Construction-Bulldozer.gif|355px]] <div style="font-weight: bold; font-size: 18px; color: #8a6d3b; margin-top: 10px;">UNDER CONSTRUCTION</div> <div style="font-size: 16px; color: #8a6d3b;">This page is currently being built by '''[https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:Oindrojalik_Watch Oindrojalik Watch]'''.</div> </div> [[File:James Anthony Froude by Sir George Reid.jpg|thumb|right|যা মানবিক গুণাবলি এবং মহত্ত্বকে সংজ্ঞায়িত করে, তা নিশ্চিতভাবেই মানুষের কেবল নিজ স্বার্থ চরিতার্থ করার প্রজ্ঞা নয়। বরং এটি হলো আত্মবিস্মৃতি এবং আত্মত্যাগ। এটি হলো ব্যক্তিগত সুখ, ভোগ-বিলাস কিংবা নিকট বা দূরবর্তী ব্যক্তিগত লাভের প্রতি অনীহা—কারণ অন্য কোনো আচরণের পথই অধিকতর ন্যায়সঙ্গত। ~ '''''[[:w:জেমস অ্যান্থনি ফ্রুড|জেমস অ্যান্থনি ফ্রুড]]''''']] [[File:Raffael 069.jpg|thumb|আমার মতে তারাই সবচেয়ে উত্তম জীবন অতিবাহিত করেন, যারা নিজেকে যথাসম্ভব ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে সচেষ্ট থাকেন। আর তাদের জীবনই সবচেয়ে আনন্দময় যারা সচেতন যে তাঁরা ক্রমশ গুণাবলিতে বিকশিত হচ্ছেন। ~ '''''[[:w:জেনোফন|জেনোফন]]''''']] [[File:Pico2.jpg|thumb|ইচ্ছাশক্তির আকাঙ্ক্ষা কোনো সাধারণ ভালোয় তৃপ্ত হয় না, যতক্ষণ পর্যন্ত আমরা বিশ্বাস করি যে এর বাইরেও আরও শ্রেষ্ঠ কিছু রয়েছে। তাই, ইচ্ছাশক্তি কেবল সেই পরম মঙ্গলের দ্বারাই সন্তুষ্ট হয় যার ঊর্ধ্বে আর কোনো কল্যাণ নেই। সেই পরম কল্যাণ অসীম ঈশ্বর ছাড়া আর কী-ই বা হতে পারে? ~ '''''[[:w:মার্সিলিও ফিচিনো|মার্সিলিও ফিচিনো]]''''']] [[File:1908РепинТолстой.JPG|thumb|গুণাবলি বা মঙ্গলের অন্বেষণে আমি ছিলাম একা, একদম একা। প্রতিবারই যখন আমি আমার অন্তরের গভীরতম আকুতি। অর্থাৎ নৈতিকভাবে ভালো হওয়ার ইচ্ছা ব্যক্ত করার চেষ্টা করেছি, তখনই আমাকে ঘৃণা ও অবজ্ঞার সম্মুখীন হতে হয়েছে; অথচ যেইমাত্র আমি নীচ লালসার কাছে নতি স্বীকার করেছি, তখনই আমাকে প্রশংসা ও উৎসাহ দেওয়া হয়েছে। ~ '''''[[:w:লিও তলস্তয়|লিও তলস্তয়]]''''']] [[File:Chapel of our Lady of the Rosary of Santi Giovanni e Paolo (Venice) - Isaiah by Vittoria.jpg|thumb|সৎ কাজ করতে শেখো। ন্যায়ের অন্বেষণ করো, নির্মমদের তিরস্কার করো, অনাথদের রক্ষা করো, বিধবাদের পক্ষে দাঁড়াও। ~ [[w:ঈসা|ঈসা]] ১:১৭]]'''[[:w:মহত্ত্ব|মহত্ত্ব]]''' বা '''[[:w:মঙ্গল|মঙ্গল]]''' বলতে এমন কিছু গুণাবলিকে বোঝায় যা কাঙ্ক্ষিত, সুস্থ বা যথাযথ, যা মূলত অনাকাঙ্ক্ষিত মন্দ, ক্ষতিকর কিংবা [[:w:পাপ|অশুভ]] গুণের বিপরীত। [[:w:ধর্ম|ধর্ম]], [[:w:নীতিশাস্ত্র|নীতিশাস্ত্র]], [[:w:দর্শন|দর্শন]] এবং [[:w:মনোবিজ্ঞান|মনোবিজ্ঞানে]] "[[:w:ভালো ও মন্দ|ভালো ও মন্দ]]" একটি অত্যন্ত সাধারণ [[:w:দ্বিবিভাজন|দ্বিবিভাজন]]। __NOTOC__ {{TOCalpha|''[[#Hoyt's New Cyclopedia Of Practical Quotations|হয়েট'স নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস]]'' · ''[[#Dictionary of Burning Words of Brilliant Writers (1895)|ডিকশনারি অফ বার্নিং ওয়ার্ডস অফ ব্রিলিয়ান্ট রাইটার্স]]''}} == A == * সেই [[:w:অসীম|অসীম]], যা থেকে আমাদের কর্ম জন্য উদ্দীপনা জন্মায়, তা কেবল সর্বোচ্চ মহত্ত্বই নয়, বরং মহত্ত্বের চেয়েও উচ্চতর কিছু। ** '''''ফেলিক্স অ্যাডলার''''', ''লাইফ অ্যান্ড ডেসটিনি'' (১৯১৩), বিভাগ ২: ধর্ম। * পৃথিবী কীভাবে সৃষ্টি হয়েছে তা আমরা জানি অথবা না-ই জানি, তাতে আমাদের কিছু আসে যায় না—সৎ কাজ সবসময়ই সৎ। ** '''''ফেলিক্স অ্যাডলার''''', ''লাইফ অ্যান্ড ডেসটিনি'' (১৯১৩), বিভাগ ৯: নৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি। * আমাদের অনুভব করা প্রয়োজন যে কোনো প্রচেষ্টাই কখনো বৃথা যায় না। মঙ্গলের পানে প্রতিটি সৎ পদক্ষেপই অবধারিতভাবে সার্থক এবং এই মহাবিশ্ব এক পরম লক্ষ্যের দিকেই ধাবিত হচ্ছে। আর এই বিশ্বাস অর্জনের কেবল একটিই পথ আছে। মঙ্গল বা শুভ, এর প্রকৃতি অনুধাবন করা সম্ভব নয় যদি আপনি এর থেকে দূরে দাঁড়িয়ে কেবল জল্পনা-কল্পনা করেন। মহত্ত্বকে যাপন করুন, তবেই আপনি এতে বিশ্বাস করতে পারবেন। জগতের কল্যাণমুখী ধারায় নিজেকে সঁপে দিন, তবেই আপনি এর স্রোতের শক্তি এবং অভিমুখ অনুভব করতে পারবেন। [...] সৎ জীবন যাপনের নিরন্তর প্রচেষ্টার মাধ্যমেই আমরা আমাদের নৈতিক সুস্থতা বজায় রাখি। বাইরে থেকে নয়, বরং ভেতর থেকেই সেই ঐশ্বরিক ধারা প্রবাহিত হয় যা আত্মাকে পুনরুজ্জীবিত করে। ** '''''ফেলিক্স অ্যাডলার''''', ''লাইফ অ্যান্ড ডেসটিনি'' (১৯১৩)। * আমি দেবদূতদের বিশ্বাস করি এবং বিশ্বাস করি যা কিছু দেখি তার মধ্যেই ভালো কিছু আছে। ** '''''বেনি অ্যান্ডারসন''''' এবং '''''বিয়র্ন উলভেয়াস''''', "[[:w:আই হ্যাভ এ ড্রিম (গান)|আই হ্যাভ এ ড্রিম]]", ব্র্যান্ড [[:w:আব্বা (ব্যান্ড)|আব্বা]]-র অ্যালবাম ''[[:w:ভুলে-ভু|ভুলে-ভু]]'' (১৯৭৯)। * মানুষের কর্ম পরিচালনা যদি আত্মার এমন এক [[w:সক্রিয়তাবাদ|সক্রিয়তা]] হয় যা কোনো [[w:যৌক্তিক_ইতিবাদ|যৌক্তিক নীতি]] অনুসরণ করে, এবং আমরা যদি মানুষের কাজকে এক বিশেষ ধরণের জীবন হিসেবে সংজ্ঞায়িত করি যা যৌক্তিক নীতিসম্পন্ন আত্মার ক্রিয়াকলাপের সমষ্টি এবং একজন ভালো মানুষের কাজ যদি হয় সেই কাজগুলোরই সৎ ও মহৎ সম্পাদন। যদি কোনো কাজ তখনই সুসম্পন্ন হয় যখন তা যথাযথ উৎকর্ষের সাথে সম্পাদিত হয়। যদি বিষয়টি এমনই হয়, তবে মানুষের জন্য পরম কল্যাণ হলো গুণের সাথে সামঞ্জস্য রেখে আত্মার সক্রিয়তা, আর যদি গুণ একাধিক হয়, তবে শ্রেষ্ঠ ও পূর্ণাঙ্গ গুণের সাথে সংগতিপূর্ণ সক্রিয়তাই কাম্য। ** '''''[[:w:অ্যারিস্টটল|অ্যারিস্টটল]]''''', ''নিকোমেকিয়ান এথিক্স'', বই ১, অধ্যায় ৭। == B == * মানুষ কখনোই ভালো ছিল না, তারা ভালো নয় এবং তারা হয়তো কখনোই ভালো হবে না। ** '''''কার্ল বার্থ''''', ''টাইম'' (১২ এপ্রিল ১৯৫৪)। * ভালো (বিশেষণ): হে মহোদয়, বর্তমান লেখকের যোগ্যতার বিষয়ে সচেতন হোন। হে মহাশয়, তাঁকে একা থাকতে দেওয়ার সুবিধার বিষয়ে সজাগ থাকুন। ** '''''অ্যামব্রোস বিয়ার্স''''', ''দ্য সিনিক'স ওয়ার্ড বুক'' (১৯০৬); ''দ্য ডেভিল'স ডিকশনারি'' (১৯১১) নামে পুনর্প্রকাশিত। * যে অন্যের মঙ্গল করতে চায়, তাকে তা করতে হবে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র খুঁটিনাটি বিষয়ের মাধ্যমে। সাধারণ বা সামগ্রিক মঙ্গলের বুলি হলো বদমাশ, ভণ্ড এবং চাটুকারদের অজুহাত। কারণ শিল্প ও বিজ্ঞান কেবল সূক্ষ্মভাবে সুসংগঠিত খুঁটিনাটি বিষয়ের মাধ্যমেই টিকে থাকতে পারে। ** '''''উইলিয়াম ব্ল্যাক''''', ''[[:w:জেরুজালেম দ্য ইমানেশন অফ দ্য জায়ান্ট অ্যালবিয়ন|জেরুজালেম দ্য ইমানেশন অফ দ্য জায়ান্ট অ্যালবিয়ন]]'' (১৮০৩-১৮২০)। * মহত্ত্ব ততক্ষণই সুন্দর যতক্ষণ তা সঠিক পরিমাপ, সামগ্রিক ভারসাম্য এবং গুণের সুনির্দিষ্ট নিয়ম দ্বারা প্রতিষ্ঠিত মধ্যপন্থা বা ছন্দিক বৈশিষ্ট্য দ্বারা পরিচালিত হয়। ** '''''রেমো বোদেই''''', ''লে ফর্মে ডেল বেলো'' (২০১৭)। * ভালো কিছু করার ক্ষমতা আমাদের সবারই আছে এবং আমাদের যতটুকু [[:w:ক্ষমতা|ক্ষমতা]] আছে। তা যতই সামান্য হোক না কেন। যদি আমরা তার সবটুকু দিয়ে চেষ্টা করি, তবে আমরা আমাদের ভূমিকা পালন করেছি। আর আমরা হয়তো সেই সব ব্যক্তিদের মতোই পূর্ণতার কাছাকাছি পৌঁছাতে পারব যাদের প্রভাব রাজ্যজুড়ে বিস্তৃত এবং যাদের সৎ কাজ হাজার হাজার মানুষের কাছে প্রশংসিত। ** '''''জেন বাউডলার''''', ''অন ক্রিশ্চিয়ান পারফেকশন''। * আমাদের বাড়িটি কত বড় ছিল তা গুরুত্বপূর্ণ ছিল না। গুরুত্বপূর্ণ ছিল এতে ভালোবাসা ছিল কি না। আমাদের পাড়াটি ধনী না অন্য কিছু ছিল তাতে কিছু যায় অপরের কাছে আসত না। গুরুত্বপূর্ণ ছিল প্রতিবেশীরা একে অপরের সাথে কথা বলত কি না, একে অপরের খেয়াল রাখত কি না। যে মহানুভবতা আমাকে মানুষের ওপর এবং এই পৃথিবীর মৌলিক মহত্ত্বের ওপর বিশ্বাস রাখতে শিখিয়েছিল, তা ডলারে পরিমাপ করা সম্ভব ছিল না। বরং তার মূল্য পরিশোধ করা হতো আলিঙ্গন, আইসক্রিম কোণ এবং বাড়ির কাজে সাহায্যের মাধ্যমে। ** '''''[[:w:পিটার বাফেট|পিটার বাফেট]]''''', {{cite book|url=https://books.google.com/books?id=a1537l253csC&pg=PA12|title = লাইফ ইজ হোয়াট ইউ মেক ইট|isbn = 9780307464729|year = 2011}} == C == * আমরা কি এমন কোনো সম্মোহিত অবস্থায় পড়েছি যা আমাদের নিকৃষ্ট বা ক্ষতিকর বিষয়গুলোকে অনিবার্য হিসেবে মেনে নিতে বাধ্য করছে? যেন আমরা সেই ভালো বা মঙ্গলের দাবি জানানোর ইচ্ছা কিংবা দূরদৃষ্টি, উভয়ই হারিয়ে ফেলেছি? ** '''''[[:w:র‍্যাচেল কারসন|র‍্যাচেল কারসন]]''''' সাইলেন্ট স্প্রিং (১৯৬২) * মহত্ত্ব সব সময়ই একটি সম্পদ। একজন মানুষ যিনি সৎ, বন্ধুসুলভ এবং পরোপকারী, তিনি হয়তো কখনোই বিখ্যাত হবেন না, কিন্তু যারা তাঁকে চেনেন তাঁরা সবাই তাঁকে শ্রদ্ধা করবেন এবং পছন্দ করবেন। তিনি সাফল্যের জন্য একটি মজবুত ভিত্তি স্থাপন করেছেন এবং তিনি একটি সার্থকময় জীবন অতিবাহিত করবেন। ** '''''হারবার্ট এন. ক্যাসন''''' ইন: ''ফোর্বস'' (১৯৪৮). পৃ. ৪২. * কেউ কি ভালো জিনিসের আকাঙ্ক্ষা খুব বেশি করতে পারে? ** '''''মিগুয়েল ডি সেরভান্তেস''''', ''ডন কিহোতে'' (১৬০৫-১৫), পার্ট I, বুক I, চ্যাপ্টার VI.// '''''[[:w:উইলিয়াম শেক্সপিয়র|উইলিয়াম শেক্সপিয়র]]''''', ''অ্যাজ ইউ লাইক ইট'', অ্যাক্ট IV, সিন ১, লাইন ১২৩. * যে ব্যক্তি পরম কল্যাণকে এমনভাবে ব্যাখ্যা করে যা তাকে গুণ বা পুণ্য থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেয়, এবং যা ন্যায়ের মানদণ্ড দিয়ে নয় বরং নিজের সুবিধার মাপকাঠিতে পরিমাপ করে। আমি বলি, সে যদি নিজের দর্শনে অটল থাকে এবং মাঝেমধ্যে তার সহজাত মহত্ত্বের কাছে পরাজিত না হয়, তবে সে বন্ধুত্ব, ন্যায়বিচার কিংবা উদারতা। কোনোটিরই চর্চা করতে পারবে না। ** '''''[[:w:সিসেরো|সিসেরো]]''''', ''ডি অফিসিস'' * অধিকাংশ মানুষই মন্দ। তারা শক্তিশালী হলে [[:w:দুর্বল|দুর্বলদের]] কাছ থেকে কেড়ে নেয়। ভালো মানুষরা সবাই দুর্বল! তারা ভালো কারণ তারা মন্দ হওয়ার মতো যথেষ্ট শক্তিশালী নয়। ** '''''কমোরো''''', উত্তর উগান্ডার একজন প্রধান, অভিযাত্রী '''''[[:w:স্যামুয়েল বেকার|স্যামুয়েল বেকার]]'''''-এর সাথে আলাপকালে ১৮৬৪ সালে। [http://www.gutenberg.org/dirs/etext02/ithoa10.txt ''ইন দ্য হার্ট অফ আফ্রিকা''.] চ্যাপ্টার, XVI. * কত সাধারণ আনন্দ থেকে আমি নিজেকে বঞ্চিত করেছি, কারণ আমি ভেবেছিলাম সেটাই বোধহয় মহত্ত্ব। আমি কতটা বোকা ছিলাম যে এটি একেবারে অন্য কিছু। তা উপলব্ধি করতে আমার পৃথিবীর শেষ দিন পর্যন্ত সময় লেগে গেল। ** '''''[[:w:কেটি কয়েল|কেটি কয়েল]]''''', ''ভিভিয়ান অ্যাপল নিডস এ মিরাকল'' (২০১৪), <small> {{ISBN|978-0-544-39042-3}}, </small> পৃ. ১৮০ * যারা সব সময় ভালো করতে ঘুরে বেড়ায়, তাদের মতো এতো বেশি ক্ষতি আর কেউ করে না। ** '''''ম্যান্ডেল ক্রাইটন''''', [[:w:লুইস ক্রাইটন|লুইস ক্রাইটন]] কর্তৃক উদ্ধৃত, ''লাইফ অ্যান্ড লেটারস অফ ম্যান্ডেল ক্রাইটন'', [http://books.google.com/books?id=XFrIeWud0_wC&q=%22no+people+do+so+much+harm+as+those+who+go+about+doing+good%22&pg=PA501#v=onepage ভলিউম. ২]. (১৯০৫) * আজ আমাকে এমনকি আমার [[w:একে-৪৭|এ.কে. ৪৭]] রাইফেল ব্যবহার করতে হয়নি আমাকে বলতেই হচ্ছে যে দিনটি একটি শুভ দিন ছিল। ** '''''[[:w:আইস কিউব|আইস কিউব]]''''', ''[[:w:ইট ওয়াজ এ গুড ডে|ইট ওয়াজ এ গুড ডে]]'', ''[[:w:দ্য প্রেডেটর (১৯৯২ অ্যালবাম)|দ্য প্রেডেটর]]'' অ্যালবাম থেকে, (ফেব্রুয়ারি ২৩, ১৯৯২). == D == * নিশ্চয়ই মহত্ত্ব এবং [[:w:করুণা|করুণা]] আমার [[:w:জীবন|জীবনের]] প্রতিটি দিন আমাকে অনুসরণ করবে এবং আমি চিরকাল প্রভুর গৃহে বসবাস করব। ** '''''[[w:দাউদ|দাউদ]]''''', [[:w:সামসংহিতা|সামসংহিতা]] ২৩:৬. == E == * কেবল সেই সামান্য সংখ্যক মানুষই মহত্ত্বে বিশ্বাস করেন যারা নিজেরা এটি চর্চা করেন। ** '''''মারি ফন এবনার-এশেনবাখ''''', ''অ্যাফোরিজমস'', ডি. স্ক্রেস এবং ডব্লিউ. মিডারের অনুবাদ. (রিভারসাইড, ক্যালিফোর্নিয়া: ১৯৯৪), পৃ. ২৯. * যাকে প্রকৃত মানুষ হতে হবে, তাকে অবশ্যই প্রচলিত প্রথার অবাধ্য হতে হবে ... মহত্ত্ব নামের দ্বারা সে যেন বাধাগ্রস্ত না হয়, বরং তাকে অন্বেষণ করতে হবে তা আদেও মহত্ত্ব কি না। ** '''''[[:w:র‍্যালফ ওয়াল্ডো এমারসন|র‍্যালফ ওয়াল্ডো এমারসন]]''''', “সেলফ-রিলায়েন্স,” ''এসেস: ফার্স্ট সিরিজ'' (১৮৮৩), পৃ. ৫১-৫২. == F == * মানুষের ইচ্ছাশক্তির আকাঙ্ক্ষা কোনো সাধারণ পার্থিব মঙ্গল বা ভালোয় তৃপ্ত হয় না, যতক্ষণ পর্যন্ত আমরা মনে করি যে এর বাইরেও আরও শ্রেষ্ঠ কিছু পাওয়ার সম্ভাবনা অবশিষ্ট রয়েছে। তাই, মানুষের এই ইচ্ছাশক্তি কেবল সেই একটি পরম মঙ্গলের দ্বারাই পরিপূর্ণতা লাভ করে, যার ঊর্ধ্বে আর কোনো উচ্চতর কল্যাণ থাকা সম্ভব নয়। এই পরম মঙ্গল আসলে সেই অসীম ও সীমাহীন ঈশ্বর ছাড়া আর কী-ই বা হতে পারে? ** '''''মারসিলিও ফিচিনো''''', ''ফাইভ কোয়েশ্চেনস কনসার্নিং দ্য মাইন্ড'' (১৪৯৫), জে. এল. বারোজ কর্তৃক অনূদিত, ''দ্য রেনেসাঁ ফিলোসফি অফ ম্যান'' (১৯৪৮) গ্রন্থে, পৃ. ২০১ * যা মূলত একজন উচ্চস্তরের মানুষকে নিম্নস্তরের মানুষ থেকে বিশেষভাবে পৃথক করে দেয়। যা মানবিক মহত্ত্ব এবং মানুষের আভিজাত্যকে সংজ্ঞায়িত করে। তা নিশ্চিতভাবেই কেবল সেই প্রজ্ঞা বা জ্ঞানের মাত্রা নয় যার মাধ্যমে মানুষ নিজের ব্যক্তিগত লাভের অন্বেষণ করে। বরং এটি হলো আত্মবিস্মৃতি এবং নিঃস্বার্থ আত্মত্যাগ। এটি হলো ব্যক্তিগত সুখ, ইন্দ্রিয়বিলাস কিংবা বর্তমান বা ভবিষ্যতের ব্যক্তিগত লাভের প্রতি চরম অনীহা। কারণ অন্য কোনো আচরণের পথই নৈতিকভাবে অধিকতর ন্যায়সঙ্গত ও সঠিক। ** '''''জেমস অ্যান্থনি ফ্রুড''''', ''শর্ট স্টাডিজ অন গ্রেট সাবজেক্টস'' (১৯০৭), পৃ. ১৯ == G == * কেবল মধ্যম সারির লোকেরাই সর্বদা তাদের সম্ভাব্য শ্রেষ্ঠ রূপটি বজায় রাখতে পারে। ** জিন জিরাডক্স, [[:w:ভিক্টোরিয়া প্রিন্সিপাল|ভিক্টোরিয়া প্রিন্সিপালের]] ''দ্য বিউটি প্রিন্সিপাল'' (১৯৮৪) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ১১৭ * আমি এই [[:w:পৃথিবী|পৃথিবী]] দিয়ে কেবল একবারই যাওয়ার প্রত্যাশা করি। অতএব, আমি যদি কোনো মহৎ কাজ করতে পারি কিংবা কোনো সহজীবীর প্রতি কোনো [[:w:দয়া|দয়া]] বা সহানুভূতি প্রদর্শন করতে পারি, তবে তা এখনই করতে দেওয়া হোক। আমি যেন তা স্থগিত না করি কিংবা অবহেলায় এড়িয়ে না যাই, কারণ আমি এই পথ দিয়ে পুনরায় আর কখনো ফিরে আসব না। ** '''''স্টিফেন গ্রেললেটের''''' প্রতি আরোপিত। এই উক্তির বিভিন্ন পাঠ অন্তত ১৮৬৯ সাল থেকে Quaker বা কোয়েকার প্রবচন হিসেবে ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয়ে আসছে এবং অন্তত ১৮৯৩ সাল থেকে গ্রেললেটের নাম এর সাথে যুক্ত হয়েছে। ডব্লিউ. গার্নি বেনহ্যাম তাঁর ''বেনহ্যাম'স বুক অফ কোটেশনস, প্রভার্বস, অ্যান্ড হাউসহোল্ড ওয়ার্ডস'' (১৯০৭) গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন যে, যদিও এটি মাঝেমধ্যে অন্যদের প্রতিও আরোপিত হয়, তবে "স্টিফেন গ্রেললেটের লেখক হওয়ার সপক্ষে কিছু প্রমাণ রয়েছে, যদিও তাঁর কোনো মুদ্রিত গ্রন্থে এই অংশটি পাওয়া যায় না।" এটি অন্তত ১৮৫৯ সালের দিকে একটি [[:w:অজ্ঞাত|অজ্ঞাতনামা]] [[:w:প্রবাদ|প্রবাদ]] হিসেবে প্রকাশিত হয়েছিল বলে মনে করা হয়, যখন এটি 'হাউসহোল্ড ওয়ার্ডস: এ উইকলি জার্নাল'-এ আবির্ভূত হয়। == I == * সৎ কাজ করতে শেখো। ন্যায়ের অন্বেষণ করো, যারা নির্মম তাদের তিরস্কার করো, অনাথদের অধিকার রক্ষা করো এবং বিধবাদের পক্ষে লড়াই করো। ** [[w:ঈসা|ঈসা]] ১:১৭ == K == * এটি বেশ স্বাভাবিক যে আধুনিক নাটকে মন্দ বা অশুভ শক্তিকে সর্বদা উজ্জ্বলতম প্রতিভা বা মেধার মাধ্যমে উপস্থাপন করা হয়। আর যা ভালো কিংবা সৎ, তাকে তুলে ধরা হয় অতি সাধারণ একজন মুদি দোকানের কর্মচারীর মাধ্যমে। দর্শকরা একে একটি স্বাভাবিক ব্যাপার হিসেবেই গ্রহণ করেন এবং নাটক থেকে তারা আগে থেকেই যা জানতেন সেটিই নতুন করে শেখেন যে, নিজেদের একজন মুদি কর্মচারীর কাতারে নিয়ে যাওয়াটা আসলে তাঁদের মর্যাদার অনেক নিচে। ** সোরেন কিয়ের্কেগার্ড, ''আইদার/অর'', পার্ট II, সোয়েনসন ১৯৪৪, ১৯৭১ পৃ. ২৩২ * আমরা নিজেদের ভালো-মন্দের বিচারক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করি, যদিও আমাদের মহত্ত্বের মানদণ্ডগুলো প্রায়ই আমাদের সংকীর্ণ স্বার্থ এবং আমাদের ব্যক্তিগত চাওয়া-পাওয়ার দ্বারা পরিচালিত হয়। ** '''''রবিন ওয়াল কিমারার''''', {{cite book |title=[[:w:ব্রেডিং সুইটগ্রাস|ব্রেডিং সুইটগ্রাস]]: ইনডিজেনাস উইজডম, সায়েন্টিফিক নলেজ অ্যান্ড দ্য টিচিংস অফ প্ল্যান্টস |date=১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ |publisher=মিল্কউইড এডিশনস |isbn=978-1-57131-871-8 |page=৯২}} == L == * আমি এ যাবৎকাল পর্যন্ত যত প্রকার আনন্দের কথা জানি, তার মধ্যে শ্রেষ্ঠতম হলোঃ গোপনে কোনো মহৎ কাজ বা ভালো কাজ করা এবং ঘটনাক্রমে সেটি অন্য কারো কাছে জানাজানি হয়ে যাওয়া। ** '''''[[:w:চার্লস ল্যাম্ব|চার্লস ল্যাম্ব]]''''', ''[[:w:অ্যাথেনিয়াম (সাময়িকী)|দ্য অ্যাথেনিয়াম]]'' ম্যাগাজিনের (৪ জানুয়ারি ১৮৩৪) "টেবিল টক"-এ [http://books.google.com/books?id=LIxUAAAAcAAJ&q=%22greatest+pleasure+I+know+is+to+do+a+good+action+by+stealth+and+to+have+it+found+out+by+accident%22&pg=PA14#v=onepage উদ্ধৃত]। * মহত্ত্ব বা ধার্মিকতা মানুষকে যতটা নিশ্চিতভাবে সুখী করে তোলে, সুখ মানুষকে তার চেয়ে কোনো অংশে কম নিশ্চিতভাবে মহৎ বা ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তোলে না। ** '''''ওয়াল্টার সেভেজ ল্যান্ডর''''', ''ইমাজিনারি কনভারসেশনস'', 'লর্ড ব্রুক অ্যান্ড স্যার ফিলিপ সিডনি' (১৮২৪-১৮২৯) * মন্দ বা খারাপ মানুষেরা হয়তো মাঝেমধ্যে ভালো কাজ করতে পারে। কিন্তু কেবলমাত্র যারা প্রকৃতপক্ষে ভালো, তারাই সত্যিকার অর্থে ভালো হয়ে ‘উঠতে’ পারে। ** '''''[[:w:ইয়োহান কাসপার লাভাটার|ইয়োহান কাসপার লাভাটার]]''''', অ্যাফোরিজম ৩৬২, হেনরি ফুসেলি কর্তৃক অনূদিত ''অ্যাফোরিজমস অন ম্যান''-এ (লন্ডন: জে. জনসন, ১৭৮৮) * বিশ্বের সমস্ত স্বৈরশাসনের মধ্যে, সেই স্বৈরাচারী শাসন যা আন্তরিকভাবে তার ভুক্তভোগীদের মঙ্গলের দোহাই দিয়ে পরিচালিত হয়, সেটিই হয়তো সবচেয়ে বেশি নিপীড়নমূলক হতে পারে। সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী নৈতিক মোড়লদের অধীনে থাকার চেয়ে দস্যু-সামন্তদের অধীনে বসবাস করা অনেক বেশি শ্রেয়। কারণ দস্যু-সামন্তদের নিষ্ঠুরতা হয়তো কোনো কোনো সময় শান্ত থাকে, কিংবা তাদের লালসা কোনো এক পর্যায়ে গিয়ে হয়তো চরিতার্থ হতে পারে। কিন্তু যারা আমাদের নিজেদের ভালোর কথা বলে আমাদের যন্ত্রণা দেয়, তারা বিরামহীনভাবে আমাদের ওপর নির্যাতন চালিয়ে যাবে। কারণ তারা তাদের নিজেদের বিবেকের অনুমোদন নিয়েই সেটি করে। এমন হতে পারে যে তাদের স্বর্গে যাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি, কিন্তু একই সাথে তাদের এই কর্মকাণ্ডের ফলে তারা [[:w:পৃথিবী|পৃথিবীটাকে]] [[:w:নরক|নরকে]] পরিণত করার প্রবল সম্ভাবনাও রাখে। এই তথাকথিত দয়া বা মহানুভবতা আসলে অসহ্য অপমানের মতো হুল ফোটায়। একজনের ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাকে "সুস্থ" করে তোলা এবং এমন সব অবস্থা থেকে তাকে মুক্তি দেওয়া যাকে হয়তো সে নিজে রোগ বলেই গণ্য করে না। তার মানে হলো সেই ব্যক্তিকে এমন এক স্তরে নামিয়ে দেওয়া যেখানে যারা এখনও [[:w:যুক্তি|যৌক্তিক জ্ঞান]] সম্পন্ন হওয়ার বয়সে পৌঁছায়নি কিংবা যারা কোনোদিনই পৌঁছাতে পারবে না, তাদের রাখা হয়। অর্থাৎ শিশু, নির্বোধ কিংবা গৃহপালিত পশুর কাতারে তাকে অন্তর্ভুক্ত করা। ** '''''[[:w:সি. এস. লিউইস|সি. এস. লিউইস]]''''', "গড ইন দ্য ডক" (১৯৪৮)-এ। * কিছু [[:w:মানুষ|মানুষ]] এমনভাবে কথা বলে যেন পরম মহত্ত্বের মুখোমুখি হওয়াটা হবে একটি দারুণ আনন্দদায়ক বা [[:w:মজা|মজার]] ব্যাপার। তাঁদের এই বিষয়ে পুনরায় গভীরভাবে ভাবা দরকার। তাঁরা আসলে এখনও [[:w:ধর্ম|ধর্ম]] নিয়ে কেবল ছেলেখেলাই করছেন। মহত্ত্ব হয় পরম নিরাপত্তার আশ্রয়, নয়তো চরম এক [[:w:বিপদ|বিপদ]]—আর এটি সম্পূর্ণ নির্ভর করে আপনি এর প্রতি ঠিক কীভাবে সাড়া দিচ্ছেন বা প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছেন তার ওপর। ** '''''[[:w:সি. এস. লিউইস|সি. এস. লিউইস]]''''', ''[[:w:মেয়ার খ্রিস্টানিটি|মেয়ার খ্রিস্টানিটি]]'' (১৯৫২)। == M == * তাঁর এই সিদ্ধান্তহীনতা মূলত মানুষের একটি মৌলিক চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছিল। তিনি একজন ভালো মানুষ বা সৎ মানুষ হতে চেয়েছিলেন, কিন্তু আসলে 'ভালো' বলতে ঠিক কী বোঝায়? ** ডব্লিউ. ম্যাকফারলেন, ''২২০—অ্যাডভান্সড ফিল্ড এক্সপ্লোরেশন,'' [https://en.wikipedia.org/wiki/Galaxy_Science_Fiction গ্যালাক্সি সায়েন্স ফিকশন]-এ, মার্চ ১৯৭২, পৃ. ৫৯ * লজ্জিত ও কুণ্ঠিত হয়ে সেই [[:w:শয়তান|শয়তান]] থমকে দাঁড়াল, এবং সে অনুভব করল যে মহত্ত্ব কতটা বিস্ময়কর ও গম্ভীর হতে পারে। সে দেখল [[:w:পুণ্য|পুণ্য]] তার স্বরূপে কতটাই না লাবণ্যময়ী। সে দেখল, এবং নিজের চিরস্থায়ী [[:w:ক্ষতি|ক্ষতির]] গ্লানিতে দগ্ধ হতে লাগল। ** '''''[[:w:জন মিলটন|জন মিলটন]]''''', ''[[:w:প্যারাডাইস লস্ট|প্যারাডাইস লস্ট]]'', বুক IV, লাইন ৮৪৬-৮৪৮ (১৬৬৭, ১৬৭৪)। * যার কাছে মহত্ত্বের কোনো বিজ্ঞান বা প্রকৃত জ্ঞান নেই, তার জন্য অন্য সব ধরণের জ্ঞানই মূলত ক্ষতিকর বা অনিষ্টকর। ** '''''[[:w:মিশেল দ্য মঁতেন|মঁতেন]]''''', ''এসেস'', এম. স্ক্রিচ কর্তৃক অনূদিত (১৯৯১), বুক I, অধ্যায় ২৫, “অন স্কুলমাস্টারস লার্নিং,” পৃ. ১৫৯ == P == * [[w:পবিত্র_আত্মা|পবিত্র আত্মার]] ফল হলো [[w:প্রেম|প্রেম]], [[w:আনন্দ|আনন্দ]], [[:wikt:eirene|শান্তি]], ধৈর্য, দয়া, মহত্ত্ব, বিশ্বস্ততা, নম্রতা এবং আত্মসংযম। ** '''''তারসাসের পৌল''''', [[:w:গালাতীয়দের প্রতি পত্র|গালাতীয়]] ৫:২২-২৩ [[:w:ইংলিশ স্ট্যান্ডার্ড ভার্সন|ESV]] * আমরা অন্য মানুষের প্রতি এতটাই কম গুরুত্ব দেই বা ভ্রুক্ষেপ করি যে, এমনকি [[:w:খ্রিস্টধর্ম|খ্রিস্টধর্মও]] আমাদের কেবল [[:w:ঈশ্বর|ঈশ্বরের]] প্রতি ভালোবাসার খাতিরেই ভালো কাজ বা সৎ কাজ করার জন্য তাগিদ দেয়। ** '''''সিজার পাভেসে''''', ''দিস বিজনেস অফ লিভিং'', ৮ জুলাই ১৯৩৮ * যে ব্যক্তি কেবল মহত্ত্বের খাতিরেই ভালো কাজ বা সৎ কাজ করেন, তিনি কোনো প্রকার [[:w:প্রশংসা|প্রশংসা]] কিংবা [[:w:পুরস্কার|পুরস্কারের]] প্রত্যাশা করেন না; যদিও শেষ পর্যন্ত এই উভয়ই তাঁর জন্য অবধারিত বা নিশ্চিত হয়ে দাঁড়ায়। ** '''''উইলিয়াম পেন''''', ''সাম ফ্রুটস অফ সলিটিউড ইন রিফ্লেকশনস অ্যান্ড ম্যাক্সিমস'' (১৬৮২) নং. ৪৪১. * এটি মোটেও বিস্ময়ের কোনো বিষয় নয় যে, ভালো মানুষদের বিশাল কোনো জনসমাবেশ বা ভিড়ের মধ্যে দলবদ্ধভাবে দেখা যায় না। প্রথমত, কারণ প্রকৃত মহত্ত্বের উদাহরণ বা নিদর্শনগুলো অত্যন্ত বিরল।।দ্বিতীয়ত, কারণ তাঁরা বিচারবুদ্ধিহীন সাধারণ মানুষের বিশাল ভিড় এড়িয়ে চলেন এবং প্রকৃতির প্রদর্শিত সত্যগুলো নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা করার জন্য নিজেদের অবসর বা নির্জনতায় নিয়োজিত রাখেন। ** '''''ফিলো''''', ''এভরি গুড ম্যান ইজ ফ্রি'', ৬৩ * অ্যান্টিওকাস তাঁর নিজের লেখা এবং বলা সমস্ত কথা বিস্মৃত হয়ে টলেমির বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, যা দেখে মনে হয় সিমোনিডেসের সেই উক্তিটি অত্যন্ত সত্য: "মহৎ হওয়া কঠিন।" প্রকৃতপক্ষে সম্মানজনকভাবে কাজ করার মানসিকতা রাখা এবং একটি নির্দিষ্ট পর্যায় পর্যন্ত তার জন্য প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়া সহজ হতে পারে। কিন্তু সব সময় সঙ্গতি বজায় রাখা এবং প্রতিটি পরিস্থিতিতে নিজের সংকল্পে অবিচল থাকা। যেখানে ন্যায়বিচার ও সম্মান ছাড়া অন্য কোনো কিছুকেই অধিকতর গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হবে না, তা সত্যিই অত্যন্ত কঠিন ও দুরূহ কাজ। ** '''''[[:w:পলিবিউস|পলিবিউস]]''''', ''হিস্টোরিস'', বুক ২৯ চ্যাপ্টার ২৬ * গোপনে কোনো ভালো কাজ বা পুণ্য কর্ম করো, এবং সেই কর্মটি যখন [[:w:খ্যাতি|খ্যাতি]] অর্জন করবে, তখন তা দেখে লজ্জায় আরক্তিম বা কুণ্ঠিত হয়ে পড়ো। ** '''''অ্যালজান্ডার পোপ''''', ''এপিলোগ টু দ্য স্যাটায়ারস'' ডায়ালগ I লাইন ১৩৬. * মহত্ত্বের ভাষা বা রূপ যত বেশি চতুরতার সাথে ধারণ করা হয়, তার অন্তরালে লুকিয়ে থাকা নৈতিক অধঃপতন বা কলুষতা ততটাই ভয়াবহ ও চরম হয়ে থাকে। ** '''''পাব্লিয়াস সাইরাস''''', ''দ্য মোরাল সেইংস অফ পাব্লিয়াস সাইরাস'' (১৮৫৬), # ১১৪ == Q == [[File:Men reading the Koran in Umayyad Mosque, Damascus, Syria.jpg|thumb|সৎ কাজ করো। নিশ্চয়ই, [[:w:আল্লাহ|আল্লাহ]] সেই সব [[:w:মানুষ|মানুষদের]] [[:w:ভালোবাসা|ভালোবাসেন]] যারা ভালো কাজ বা সৎ [[:w:কর্ম|কর্ম]] সম্পাদন করে। ~ [[:w:কুরআন|কুরআন]]]] * আর তোমরা [[:w:আল্লাহ|আল্লাহর]] পথে [[:w:দান|ব্যয়]] করো এবং (ব্যয় করা থেকে বিরত থেকে) নিজেদের [[:w:হাত|হাত]] দিয়ে নিজেদেরকে [[:w:ধ্বংস|ধ্বংসের]] মুখে ঠেলে দিও না। আর '''তোমরা সৎ কাজ করো; নিশ্চয়ই, আল্লাহ সৎকর্মশীলদের ভালোবাসেন।''' ** অন্যান্য অনুবাদ: ''তোমরা সৎকর্মকারী হও, আল্লাহ সৎকর্মশীলদের ভালোবাসেন''। ''সৎ কাজ করো (অন্যের প্রতি), নিশ্চয়ই আল্লাহ সৎকর্ম সম্পাদনকারীদের ভালোবাসেন''। ** [[:w:কুরআন|কুরআন]], [[:w:আল-ইমরান|২]]:১৯৫ * নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁদের সাথেই আছেন যারা [[:w:তাকওয়া|তাঁকে ভয় করে]] এবং যারা সৎ কাজ বা মহৎ কর্ম সম্পাদন করে। ** [[:w:কুরআন|কুরআন]] ১৬:১২৮ * যখন অপরাহ্নে তাঁর সামনে দ্রুতগামী ও [[:w:অভিজাত|অভিজাত]] ঘোড়াগুলো প্রদর্শন করা হলো, তখন [[:w:সুলাইমান (আ.)|সুলাইমান]] বললেন: '''"আমি আমার [[:w:প্রতিপালক|প্রতিপালকের]] [[:w:স্মরণ|স্মরণ]] অপেক্ষা ভালো [[:w:বস্তু|জিনিসগুলোর]] ভালোবাসাকেই অগ্রাধিকার দিয়েছি, যতক্ষণ না (সূর্য) পর্দার আড়ালে বা দিগন্তে ঢলে পড়ল।"''' ** [[:w:কুরআন|কুরআন]], ৩৮:৩১ - ৩৮:৩২ * তবে এটি কেবল তাদেরকেই দান করা হয় যারা [[:w:ধৈর্য|ধৈর্য]] ধারণ করে, এবং এটি তাকেই প্রদান করা হয় যে (মঙ্গলের) এক [[:w:বিশাল|বিশাল]] অংশের অধিকারী। ** [[:w:কুরআন|কুরআন]] ৪১:৩৫ * ভালো বা মহৎ কাজের [[:w:পুরস্কার|পুরস্কার]] কি ভালো ছাড়া অন্য কিছু হতে পারে? ** [[:w:কুরআন|কুরআন]] ৫৫:৬০ == S == [[File:Licius Anneus Seneque (BM 1879,1213.294).jpg|thumb|right|যা সম্মানজনক ও ন্যায়নিষ্ঠ কেবল সেটিই হলো প্রকৃত মঙ্গল। অন্য সব ধরণের ভালো বা মঙ্গল আসলে সংমিশ্রিত এবং হীন। ~ '''''[[:w:লুসিয়াস আনিউস সেনেকা|কনিষ্ঠ সেনেকা]]''''' ]] * এই পরম কল্যাণের প্রকৃতি অনুধাবন করার জন্য অনেক বেশি শব্দ কিংবা কোনো ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে দীর্ঘ আলোচনার প্রয়োজন নেই। এটিকে যেন তর্জনী দিয়ে নির্দেশ করা যায় এবং একে অনেকগুলো অংশে বিভক্ত করে ছড়িয়ে ফেলার কোনো প্রয়োজন নেই। কারণ একে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশে ভেঙে ফেলার মধ্যে কী-ই বা স্বার্থকতা আছে, যখন আপনি বলতে পারেন: পরম কল্যাণ হলো তা-ই যা সম্মানজনক ও ন্যায়নিষ্ঠ? এছাড়া (এবং আপনি এতে আরও বেশি বিস্মিত হতে পারেন), '''যা সম্মানজনক তা-ই হলো একমাত্র মঙ্গল। অন্য সকল প্রকার ভালো বা মঙ্গল আসলে সংমিশ্রিত এবং হীন। আপনি যদি একবার নিজেকে এই সত্যে আশ্বস্ত করতে পারেন এবং যদি গুণ বা পুণ্যকে একনিষ্ঠভাবে ভালোবাসতে পারেন (কারণ কেবল ভালোবাসা বা পছন্দ করাই যথেষ্ট নয়), তবে সেই গুণের সংস্পর্শে আসা যেকোনো কিছুই আপনার জন্য আশীর্বাদ ও সমৃদ্ধি বয়ে আনবে, অন্যেরা তাকে যেভাবেই বিচার করুক না কেন। নির্যাতনও আপনার কাছে মঙ্গলময় হয়ে উঠবে যদি যন্ত্রণার মধ্যে শুয়েও আপনি আপনার অত্যাচারীর চেয়ে মানসিকভাবে অধিকতর শান্ত থাকতে পারেন। অসুস্থতাও মঙ্গলে রূপ নেবে যদি আপনি আপনার ভাগ্যকে অভিশাপ না দেন এবং ব্যাধির কাছে নতি স্বীকার না করেন। সংক্ষেপে, অন্যেরা যে বিষয়গুলোকে অশুভ বা মন্দ বলে মনে করে, সেগুলি সবই নিয়ন্ত্রণযোগ্য হবে এবং শেষ পর্যন্ত মঙ্গলে পর্যবসিত হবে, যদি আপনি সেগুলির ঊর্ধ্বে আরোহণ করতে সফল হন।''' ** '''''[[w:সেনেকা|সেনেকা দ্য ইয়ংগার]]''''', এপিস্টল LXXI. ইন: সেনেকা, এপিস্টলস, ভলিউম II: এপিস্টলস ৬৬-৯২. রিচার্ড এম. গামারে কর্তৃক অনূদিত. লোয়েব ক্লাসিক্যাল লাইব্রেরি, পৃষ্ঠা ৭৪-৭৫. [https://archive.is/DkFt7 আর্কাইভ] [https://www.loebclassics.com/view/seneca_younger-epistles/1917/pb_LCL076.75.xml?mainRsKey=Q5LLPk মূল] থেকে অক্টোবর ২৩, ২০২৪-এ। * প্রতিকূলতার ব্যবহার বা উপযোগিতা বড়ই মধুর, যা অনেকটা কুৎসিত ও বিষাক্ত ব্যাঙের মতো হওয়া সত্ত্বেও, তার মস্তকে একটি মূল্যবান রত্ন ধারণ করে; আর আমাদের এই জীবন, যা জনকোলাহল থেকে মুক্ত ও নির্জন, তা বৃক্ষের মাঝে খুঁজে পায় ভাষা, প্রবহমান ঝর্ণাধারায় পায় গ্রন্থ, পাথরের বুকে পায় নীতিগোপদেশ, আর ভালো কিছু খুঁজে পায় প্রতিটি বস্তুর মাঝে। ** '''''[[:w:উইলিয়াম শেক্সপিয়র|উইলিয়াম শেক্সপিয়র]]''''', ''[[:w:অ্যাজ ইউ লাইক ইট|অ্যাজ ইউ লাইক ইট]]'', অ্যাক্ট II, সিন. i (১৫৯৯ বা ১৬০০) * ঐ ছোট্ট মোমবাতিটি কত দূরে তার আলোকচ্ছটা ছড়ায়! এই কলুষিত পৃথিবীতে একটি সৎ কাজ এভাবেই উজ্জ্বল হয়ে জ্বলে ওঠে। ** '''''[[:w:উইলিয়াম শেক্সপিয়র|উইলিয়াম শেক্সপিয়র]]''''', ''[[:w:দ্য মার্চেন্ট অফ ভেনিস|দ্য মার্চেন্ট অফ ভেনিস]]'', অ্যাক্ট V, সিন. i (১৫৯৬ এবং ১৫৯৮) * সকল মানুষ [[:w:স্বাধীনতা|স্বাধীনভাবে]] জন্মগ্রহণ করেছে, এই ঘোষণা দেওয়া একেবারেই নিরর্থক যদি আপনি এটি অস্বীকার করেন যে তারা জন্মগতভাবে ভালো বা মহৎ। একজন মানুষের মহত্ত্বের নিশ্চয়তা দিন, তবে তার [[:w:লিবার্টি|ব্যক্তিগত স্বাধীনতা]] নিজেই নিজের পথ দেখে নেবে। কিন্তু আপনি যদি কারও স্বাধীনতাকে এই শর্তে মঞ্জুর করেন যে তার [[:w:নৈতিক|নৈতিক]] [[:w:চরিত্র|চরিত্রটি]] অবশ্যই আপনার অনুমোদিত হতে হবে, তবে তা আনুষ্ঠানিকভাবে সব ধরণের স্বাধীনতাকেই বিলুপ্ত করে দেয়। কারণ তখন প্রতিটি মানুষের মুক্তি এমন এক নৈতিক অভিযোগের করুণার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে, যা যেকোনো মূর্খ ব্যক্তিই এমন কারো বিরুদ্ধে সাজিয়ে তুলতে পারে যে প্রচলিত প্রথা লঙ্ঘন করে। সে ব্যক্তি একজন নবী হোন কিংবা কোনো ধূর্ত লোকই হোন না কেন। ** '''''[[:w:জর্জ বার্নার্ড শ|জর্জ বার্নার্ড শ]]''''', ''মেজর বারবারা'' (১৯০৫), প্রস্তাবনা (Preface) * [[:w:মানুষ|মানুষ]] কেবল যে মন্দ কিংবা কেবল যে [[:w:আভিজাত্য|আভিজাত্যময়]] বা মহৎ—এমনটি নয়। তারা অনেকটা শেফের তৈরি সালাদের মতো, যেখানে ভালো এবং মন্দ জিনিসগুলো কুচি কুচি করে কেটে বিভ্রান্তি এবং দ্বন্দ্বের এক মিশ্রণে (ভিনেগ্রেট) একত্র করা হয়েছে। ** '''''লেমোনি স্নিকেট''''', ''এ সিরিজ অফ আনফরচুনেট ইভেন্টস''। * কোনো কিছুই একজন সৎ বা ভালো মানুষের কোনো ক্ষতি করতে পারে না, তা সে [[:w:জীবন|জীবিত]] অবস্থাতেই হোক কিংবা মৃত্যুর পরবর্তী সময়েই হোক। ** '''''[[:w:সক্রেটিস|সক্রেটিস]]''''', ''[[:w:দ্য অ্যাপোলজি (প্লেটো)|দ্য অ্যাপোলজি]]'', ৪১ (৩৯৯ খ্রিস্টপূর্বাব্দ) * কারণ যে ব্যক্তি একজন ভালো মানুষ, সে তার [[:w:খ্রিস্টান|খ্রিস্টান]] হওয়ার পথের তিন-চতুর্থাংশ পথ অতিক্রম করে ফেলেছে। সে যেখানেই বসবাস করুক না কেন, কিংবা যে নামেই তাকে ডাকা হোক না কেন। ** '''''রবার্ট সাউথ''''', 'হোয়াই ক্রাইস্ট'স ডকট্রিন ওয়াজ রিজেক্টেড' নামক ধর্মোপদেশ বা সারমন। == T == * আপনার মতো অনেকেরই ভালো হওয়াটা ততোটা গুরুত্বপূর্ণ নয়, যতটা গুরুত্বপূর্ণ হলো কোথাও না কোথাও এক পরম মহত্ত্ব বা চরম সত্যের অস্তিত্ব থাকে। কারণ সেই সামান্য মহত্ত্বই সমগ্র পিণ্ডটিকে বা পুরো সমাজকে রূপান্তরিত করতে পারে। ** '''''[[:w:হেনরি ডেভিড থরো|হেনরি ডেভিড থরো]]''''', ''সিভিল ডিসওবিডিয়েন্স'', ১.১০ * মহত্ত্বের আসল কষ্টিপাথর বা মাপকাঠি হলো নিজের চেয়ে কোনো অনুজ বা নিম্নস্তরের ব্যক্তির কাছেও নিজের পরাজয়কে অকপটে স্বীকার করে নেওয়া। ** '''''[[:w:তিরুবল্লুবর|তিরুবল্লুবর]]''''', ''তিরুক্কুরাল'': ৭৮৬. * একজন মানুষ হয়তো প্রতিটি সদগুণ বা মহত্ত্বকে বিনাশ করেও রক্ষা পেতে পারে, কিন্তু যে ব্যক্তি নিজের ভেতরকার [[:w:কৃতজ্ঞতা|কৃতজ্ঞতা]] বোধকে বিসর্জন দেয় বা হত্যা করে, তার জন্য নিস্তার পাওয়ার কোনো পথ খোলা থাকে না। ** '''''[[:w:তিরুবল্লুবর|তিরুবল্লুবর]]''''', ''তিরুক্কুরাল'': ১১০. * মহত্ত্বের পিছনে যদি কোনো নির্দিষ্ট কারণ থাকে, তবে তাকে প্রকৃত মহত্ত্ব বলা যায় না। আবার এর যদি কোনো বিশেষ ফলাফল কিংবা পুরস্কারের আশা থাকে, তবে সেটিও প্রকৃত মহত্ত্ব নয়। সুতরাং, মহত্ত্ব হলো কার্যকরণ সম্পর্কের সেই চিরন্তন শৃঙ্খলের বাইরে অবস্থানকারী এক বিশেষ সত্তা। ** '''''[[:w:লিও তলস্তয়|লিও তলস্তয়]]''''', ''আন্না কারেনিনা''-তে লেভিন, সি. গারনেট কর্তৃক অনূদিত (নিউ ইয়র্ক: ২০০৩), পার্ট ৮, চ্যাপ্টার ১২, পৃ. ৭৩৫ * প্রতিটি মানুষের জীবনে কেবল একটিই উদ্দেশ্য বা লক্ষ্য থাকা উচিত: আর তা হলো মহত্ত্বের মাঝে নিজের পূর্ণতাকে খুঁজে পাওয়া। অতএব, কেবল সেই জ্ঞানেরই বিশেষ প্রয়োজন রয়েছে যা মানুষকে এই পূর্ণতার পথে পরিচালিত করে। ** '''''[[:w:লিও তলস্তয়|লিও তলস্তয়]]''''', ''এ ক্যালেন্ডার অফ উইজডম'', পি. সেকিরিন কর্তৃক অনূদিত (১৯৯৭), মে ৩ * ভালো হওয়া এবং একটি সৎ জীবন যাপন করার প্রকৃত অর্থ হলো অন্যদের কাছ থেকে যতটুকু গ্রহণ করা হয়, তার চেয়ে ঢের বেশি তাদের ফিরিয়ে দেওয়া বা দান করা। ** '''''[[:w:লিও তলস্তয়|লিও তলস্তয়]]''''', ''দ্য ফার্স্ট স্টেপ'' (১৮৯২), অধ্যায়. VII * আমি আমার সমগ্র আত্মা দিয়ে একজন ভালো মানুষ হতে চেয়েছিলাম, কিন্তু আমি তখন ছিলাম অল্পবয়স্ক। আমার মধ্যে ছিল আবেগ এবং মহত্ত্বের এই সন্ধানে আমি ছিলাম একেবারে একা, সম্পূর্ণ নিঃসঙ্গ। প্রতিবার যখনই আমি আমার মনের গহীনের একান্ত আকাঙ্ক্ষা। অর্থাৎ নৈতিকভাবে উন্নত হওয়ার ইচ্ছা—প্রকাশ করার চেষ্টা করতাম, তখনই আমাকে ঘৃণা ও অবজ্ঞার শিকার হতে হতো। কিন্তু যখনই আমি নীচ ও কলুষিত লালসার কাছে নিজেকে সঁপে দিতাম, অমনি আমাকে প্রশংসা ও উৎসাহ দেওয়া হতো। উচ্চাকাঙ্ক্ষা, ক্ষমতার লোভ, স্বার্থপরতা, লম্পটতা, অহঙ্কার, ক্রোধ এবং প্রতিশোধ নেওয়ার স্পৃহা, এগুলো সবই তখন অত্যন্ত সম্মানিত গুণাবলী হিসেবে বিবেচিত হতো। আমি যখনই এই সমস্ত প্রবৃত্তি বা লালসার কাছে নতি স্বীকার করতাম, তখনই আমি আমার বড়দের মতো হয়ে উঠতাম এবং আমি অনুভব করতাম যে তারা আমার ওপর অত্যন্ত সন্তুষ্ট হয়েছেন। ** '''''[[:w:লিও তলস্তয়|লিও তলস্তয়]]''''', ''[[:w:এ কনফেশন|এ কনফেশন]]'' (১৮৮২), জেন কেন্টিশ কর্তৃক অনূদিত (পেঙ্গুইন: ১৯৮৭), পৃ. ২২ * ডোনাল্ডের চিন্তাধারায়, এমনকি কোনো অনিবার্য বা আসন্ন হুমকিকে স্বীকার করে নেওয়াটাও দুর্বলতার লক্ষণ হিসেবে বিবেচিত হবে। নিজের ওপর দায়ভার গ্রহণ করা মানেই হলো নিজেকে সমালোচনার মুখে উন্মুক্ত করে দেওয়া। একজন বীর হওয়া কিংবা প্রকৃতপক্ষে একজন ভালো মানুষ হওয়া, তাঁর পক্ষে কোনোভাবেই সম্ভব নয়। ** মেরি এল. ট্রাম্প, ''টু মাচ অ্যান্ড নেভার এনাফ: হাউ মাই ফ্যামিলি ক্রিয়েটেড দ্য ওয়ার্ল্ড'স মোস্ট ডেঞ্জারাস ম্যান'' (২০২০), পৃ. ২১০ == W == * হোরেস স্মিথ যেমনটি মন্তব্য করেছেন, সুশ্রী বা ভালো দেখা যাওয়ার প্রকৃত অর্থ ভালো হওয়া ছাড়া আর কী-ই বা হতে পারে? তাই ভালো হোন, নারীসুলভ হোন, নম্র হোন। নিজেদের সহানুভূতি প্রদর্শনে উদার হোন, আপনার চারপাশের সকলের মঙ্গলের বিষয়ে সজাগ বা সচেতন থাকুন। আর আমার কথা মেনে দেখুন, আপনার প্রশংসায় কোনো দয়ালু শব্দের অভাব হবে না। ** '''''[[:w:জন গ্রিনলিফ হুইটিয়ার|জন গ্রিনলিফ হুইটিয়ার]]''''', ''দ্য বিউটিফুল'' == X == * উদরপূর্তি কিংবা অতিরিক্ত ঘুম ও অসংযম থেকে নিজেকে রক্ষা করার জন্য, অন্য কোনো এবং আরও মহত্তর আনন্দ উপভোগ করার চেয়ে কার্যকর আর কী হতে পারে বলে আপনি মনে করেন? যা কেবল বর্তমান উপভোগের জন্যই আনন্দদায়ক নয়, বরং দীর্ঘস্থায়ী উপকারের আশা জাগিয়ে তোলে বলেও মনোরম। ... আপনি কি মনে করেন যে এই সমস্ত চিন্তাভাবনার মধ্য থেকে এমন আনন্দদায়ক আর কিছু বেরিয়ে আসতে পারে যেমনটি এই চিন্তাটি দেয়: ‘আমি মহত্ত্বের দিকে ধাবিত হচ্ছি এবং আমি আরও ভালো বন্ধু গড়ে তুলছি’? আর আমি বলতে পারি, এটাই হলো আমার ধ্রুব বা নিরন্তর চিন্তা। ** '''''[[:w:জেনোফন|জেনোফন]]''''', [[:w:সক্রেটিস|সক্রেটিস]] ''[[:w:মেমোরেবিলিয়া (জেনোফন)|মেমোরেবিলিয়া]]''-তে, ১.৬.১ * আমার মতে, তাঁরাই সবচেয়ে ভালোভাবে জীবন যাপন করেন যারা নিজেদের যথাসম্ভব ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার জন্য সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়ে যান এবং তাঁদের জীবনই সবচেয়ে আনন্দদায়ক যারা এটি অনুভব করতে পারেন যে তাঁরা মহত্ত্বের দিকে এগিয়ে চলেছেন। ** '''''[[:w:জেনোফন|জেনোফন]]''''', [[:w:সক্রেটিস|সক্রেটিস]] ''[[:w:মেমোরেবিলিয়া (জেনোফন)|মেমোরেবিলিয়া]]''-তে, ৪.৮.৬ * মানুষের প্রকৃতি মূলত মন্দ বা অশুভ। এর মধ্যে যে মহত্ত্ব বা মঙ্গলের দেখা মেলে তা মূলত সচেতন কর্মতৎপরতা থেকে উদ্ভূত। প্রকৃতপক্ষে, মানুষ জন্মগতভাবেই লাভের প্রতি এক ধরণের আসক্তি নিয়ে জন্মায়। এই আসক্তির কাছে নতি স্বীকার করলে তা বিবাদ ও কলহের দিকে পরিচালিত করে এবং জন্মগতভাবে প্রাপ্ত পরিমিতিবোধ ও বিনয় বা নমনীয়তা হারিয়ে যায়। মানুষ জন্মগতভাবে হিংসা ও ঘৃণার অনুভূতি নিয়ে জন্মায় এবং এগুলোর প্রশ্রয় দিলে মানুষ দস্যুবৃত্তি ও চুরির দিকে ধাবিত হয়, ফলে তার জন্মগত আনুগত্য ও সৎ বিশ্বাসের চেতনা বিলুপ্ত হয়ে যায়। মানুষ কান ও চোখের লালসা এবং সুন্দর দৃশ্য ও শব্দের প্রতি এক ধরণের মোহ নিয়ে জন্মায়। আর এগুলোর বশবর্তী হলে সে লম্পটতা ও বিশৃঙ্খলার দিকে পরিচালিত হয়, যার ফলে তার জন্মগত আচার-অনুষ্ঠান, ন্যায়পরায়ণতা, পরিশীলন এবং আদর্শের চেতনা বিলুপ্ত হয়। অতএব, মানুষের সহজাত প্রকৃতি এবং আবেগগুলোর অনুসরণ ও প্রশ্রয় দেওয়া অনিবার্যভাবে বিবাদ ও কলহের দিকে নিয়ে যাবে, যা তাকে তার প্রকৃত কর্তব্য থেকে বিচ্যুত করবে, আদর্শকে বিশৃঙ্খলায় পরিণত করবে এবং তাকে পুনরায় সহিংসতার পথে ফিরিয়ে নিয়ে যাবে। তাই বিনয় ও নমনীয়তা অর্জন করার জন্য এবং পরিশীলন ও রীতিনীতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে সুশৃঙ্খল অবস্থায় ফিরে আসার আগে অবশ্যই একজন শিক্ষকের আদর্শের মাধ্যমে নিজেকে রূপান্তরিত হতে হবে এবং আচার-অনুষ্ঠান ও ন্যায়পরায়ণতার পথ দ্বারা পরিচালিত হতে হবে। ** '''''[[:w:শুন জি|শুন জি]]''''', “হিউম্যান নেচার ইজ ইভিল,” ''সোর্সেস অফ চাইনিজ ট্র্যাডিশন'' (১৯৯৯), ভলিউম. ১, পৃ. ১৭৯-১৮০ == ''হয়েট'স নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস'' == :<small>''[[Wikisource:Hoyt's New Cyclopedia Of Practical Quotations (1922)|হয়েট'স নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনসে]]'' রিপোর্ট করা উদ্ধৃতিসমূহ, পৃ. ৩২৬-২৯।</small> * অন্য কেউ যা-ই বলুক বা করুক না কেন, আমাকে অবশ্যই সৎ এবং মহৎ ব্যক্তিত্বের অধিকারী হতে হবে। ** '''''[[:w:মার্কাস অরেলিয়াস|অরেলিয়াস আন্তোনিনাস]]''''', ''মেডিটেশনস'', চ্যাপ্টার VII. * ''মহৎ-কর্ম,<br>যদি দেখিতে পাই, মননে সপনে তাহাতেই ভাসিতে চাই...<br>[[:w:আইন|আইন-কানুনে]] ঈমান আনিয়া থাকি তো ভবের-ই ভেলায়—<br>অনিবার্য ঘটিকা ঘটে যায়,'' ''তবু তাতে যেন থাকে—মঙ্গল যাহাই।'' ** '''''এডউইন আর্নল্ড''''', ''দ্য লাইট অফ এশিয়া'' (১৮৭৯), বুক VI, লাইন ২৭৩, ''বাংলায় রুপান্তরঃ'' '''মাহমুদ''' (২১ এপ্রিল, ২০২৬)। * প্রকৃতপক্ষে এমন কোনো আইন, সম্প্রদায় কিংবা [[:w:মতামত|মতামত]] কখনোই কোনো কালে ছিল না, যা মহত্ত্বকে ততটা মহিমান্বিত করেছে যতটা না খ্রিস্টধর্ম করেছে। ** '''''[[:w:ফ্রান্সিস বেকন|ফ্রান্সিস বেকন]]''''', ''এসেস'', ''অফ গুডনেস অ্যান্ড গুডনেস অফ নেচার।'' * ''সেই সমস্ত কারণ, যাদের সহায়তার বড্ড অনটন,<br>সে সমস্ত অন্যায়, যাদের বিরুদ্ধে গণ-পিটুনি প্রয়োজন!<br>সেই সুদূর [[:w:ভবিষ্যৎ|মহাকালের]] তরে,<br>যেন জয় আনতে পারি মঙ্গলের ভোরে।'' ** '''''জর্জ লিনিয়াস ব্যাংকস''''', ''হোয়াট আই লিভ ফর'', ''বাংলায় কাব্যিক রুপান্তরঃ'' '''মাহমুদ''' (২১ এপ্রিল, ২০২৬)। * যে মঙ্গলকে অবজ্ঞা করে চলেছিল, সে যেন এক লাঞ্ছিত প্রেতাত্মার মতো বহুদূরে পারি জমাল, আর কখনো না আসার তরে; যদিও বা আসে ফিরে, তবে তা হবে, দেবদূত-দর্শনের মতো! —ক্ষণস্থায়ী এবং দীর্ঘ সময়ের বাকে নত! ** '''''রবার্ট ব্লেয়ার''''', ''দ্য গ্রেভ'', পার্ট II, লাইন ৫৮৬, ভাবানুবাদঃ মাহমুদ * নেই কোনো সংশয়-ধোঁয়াশা নেই— এই কাদা আর জলরাশি থেকেই, কোনো এক হিতৈষী গরিমা আসবে উঠে; আর শ্রদ্ধাবনত চোখে নিশ্চয় ধরা পড়বে তটে— লুকিয়ে রয়েছে কোনো গূঢ় নিহিত বহমান এই টলমলে মাঠে! ** '''''[[:w:রুপার্ট ব্রুক|রুপার্ট ব্রুক]]''''', ''হেভেন, বাংলায় রুপান্তরঃ'' '''মাহমুদ''' (২৩ এপ্রিল,২০২৬)। * কোনো ভালো বই, কিংবা যেকোনো ধরণের ভালো জিনিসই হোক না কেন, তা প্রথমেই তার শ্রেষ্ঠ রূপটি বা আসল সৌন্দর্য প্রকাশ করে না। ** '''''[[:w:টমাস কার্লাইল|টমাস কার্লাইল]]''''', ''এসেস'', "[[:w:নোভালিস|নোভালিস]]"। * '''''Ergo hoc proprium est animi bene constituti, et lætari bonis rebus, et dolere contrariis.''''' ** এটি একটি সুশিক্ষিত ও সুসংগঠিত মনের প্রমাণ যে, সে যা কিছু ভালো বা মঙ্গলময় তাতে আনন্দিত হয় এবং যা এর বিপরীত বা মন্দ তাতে ব্যথিত হয়। ** '''''[[w:সিসারো|সিসেরো]]''''', ''ডি আমিসিটিয়া'', XIII. * '''''Homines ad deos nulla re propius accedunt, quam salutem hominibus dando.''''' ** মানুষ অন্য কোনোভাবেই দেবতাদের এতোটা কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে না, যতটা পারে মানুষের মঙ্গল বা উপকার করার মাধ্যমে। ** '''''[[w:সিসারো|সিসেরো]]''''', ''ওরাটিও প্রো কুইন্টো লিগারিও'', XII. * '''''Cui bono?''''' ** এর ভালো উদ্দেশ্যটা কী? বা এতে কার সুবিধা হবে? ** '''''[[w:সিসারো|সিসেরো]]''''', ''ওরাটিও প্রো সেক্সটিও রোসিও আমেরিনো'', XXX. লুসিয়াস ক্যাসিয়াস থেকে উদ্ধৃত—সেকেন্ড ফিলিপিক। ("'''Qui bono fueret.'''") দেখুন ''লাইফ অফ সিসেরো'', II. ২৯২. নোট। * যাতে সেই বিচ্ছুরিত মঙ্গল আরও অধিকতর প্রাচুর্যের সাথে বৃদ্ধি পেতে পারে। ** '''''উইলিয়াম কাউপার''''', ''কনভারসেশন'' (১৭৮২), লাইন ৪৪১। * মঙ্গল কামনা করা, নিঃস্বার্থভাবে ভালো কামনা করা—এটি আমাদের পেশা বা ব্যবসার ধরণ নয়। ** '''''উইলিয়াম কাউপার''''', ''দ্য টাস্ক'' (১৭৮৫), বুক I. দ্য সোফা, লাইন ৬৭৩। * অতঃপর, কোনো এক সুবর্ণ ক্ষণে, হৃদয়ে প্রশান্তির ঢেউ— ভালো কাজ করার বিলাসিতায় মাতল সে, দেখল না আর কেউ! ** '''''[[:w:জর্জ ক্র্যাব|জর্জ ক্র্যাব]]''''', ''টেলস অফ দ্য হল'' (১৮১৯), বুক III. * বপন করে যে হিতৈষী বীজ, ফসল সে তুলবেই ঘরে; যতই বাড়ে বর্ষের বয়স, ততই সে ঐশ্বর্যে ভরে। জীবনের শেষ উদয়ে ফুরিয়ে আসে যখন বালুঘড়ির ক্ষণ— সেই ধুলিকণাই হয়ে ওঠে তখন অমূল্য স্বর্ণ-কণ! ** '''''জুলিয়া সি. আর. ডর''''', ''টু দ্য "বুকে ক্লাব"।'' * এই বসবাসযোগ্য পৃথিবীর দিকে তাকাও, কত অল্প সংখ্যক মানুষই বা নিজেদের প্রকৃত মঙ্গল সম্পর্কে জানে, কিংবা জানলেও তা পাওয়ার জন্য অন্বেষণ করে। ** '''''[[:w:জন ড্রাইডেন|জন ড্রাইডেন]]''''', ''জুভেনাল'', স্যাটায়ার X। * আপনি যদি প্রকৃতপক্ষে মহৎ বা ভালো হতে চান, তবে প্রথমে এই বিশ্বাসটি অন্তরে পোষণ করুন যে আপনি মন্দ বা খারাপ। ** '''''[[:w:এপিকটেটাস|এপিকটেটাস]]''''', ''ফ্র্যাগমেন্টস''। লং-এর অনুবাদ। * কারণ তাঁদের সমস্ত বিলাসিতা বা পরম সুখ ছিল কেবল অন্যের মঙ্গল সাধন করার মধ্যে। ** '''''স্যামুয়েল গার্থ''''', ''ক্লেরেমন্ট'', লাইন ১৪৯। * '''''Ein guter Mensch, in seinem dunkeln Drange,<br>Ist sich des rechten Weges wohl bewusst.''''' ** একজন ভালো মানুষ, তাঁর অস্পষ্ট বা গূঢ় আকাঙ্ক্ষার মধ্য দিয়েও, সর্বদা সেই একটিমাত্র সঠিক ও ধ্রুব পথের সহজাত প্রবৃত্তি বা বোধ ধরে রাখেন। ** '''''ইয়োহান ভলফগাং ফন গ্যোটে''''', ''[[:w:ফাউস্ট|ফাউস্ট]]'', প্রোলগ ইম হিমেল * এবং ভালো কাজ করার সেই রাজকীয় বিলাসিতা বা মানসিক তৃপ্তিটি অনুভব করতে শিখুন। ** '''''[[:w:অলিভার গোল্ডস্মিথ|অলিভার গোল্ডস্মিথ]]''''', ''দ্য ট্রাভেলার'' (১৭৬৪), লাইন ২২। * '''অবিরাম পদে যাচ্ছি সেই ক্ষণস্থায়ী মায়াবীর''' (ক্ষণস্থায়ী ভালো কিছু) '''অন্বেষণে,''' '''যে আমায় উপহাস করে দৃষ্টি দর্শনে!''' '''গোধূলির দিগন্ত রেখার মতো—''' '''বার বার সে মায়ায় টানে,''' '''কিন্তু পিছু নিই যত,''' '''মিলিয়ে যায় তত, অধরার পানে!''' ** '''''[[:w:অলিভার গোল্ডস্মিথ|অলিভার গোল্ডস্মিথ]]''''', ''দ্য ট্রাভেলার'' (১৭৬৪), লাইন ২৫, ''বাংলায় রুপান্তরঃ'' '''মাহমুদ''' (২৩ এপ্রিল,২০২৬)। * মহত্ত্ব যদি তাকে পরিচালিত করে আমার কাছে নিয়ে না আসে, তবে হয়তো ক্লান্তিবোধই, তাকে ক্লান্ত করে একসময় আমার মাঝে ছুড়ে ফেলে দেবে। ** '''''[[:w:জর্জ হার্বার্ট|জর্জ হার্বার্ট]]''''', ''দ্য পুলি'', স্ট্যাঞ্জা ৪। * '''''Vir bonus est quis?<br>Qui consulta patrum, qui leges juraque servat'''.'' ** একজন ভালো মানুষ আসলে কে? তিনি-ই, যিনি পিতৃপুরুষদের আদেশ বা ডিক্রিগুলো মেনে চলেন এবং মানবীয় ও ঐশ্বরিক, উভয় প্রকার আইনই পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পালন করেন। ** '''''[[:w:হোরাস|হোরাস]]''''', ''এপিস্টলস'', I. ১৬. ৪০। * ঈশ্বর, যাঁর করুণার ধারা বা আশীর্বাদ প্রবল বন্যার মতো, সেই সকলের প্রতি বর্ষিত হয় যারা তাঁর অন্বেষণ করে; তিনি কেবল আপনার কাছে ভালো বা মহৎ হওয়ার প্রত্যাশা করেন এবং তাতেই তিনি সন্তুষ্ট হন। ** '''''[[:w:ভিক্টর হুগো|ভিক্টর হুগো]]''''', ''গড হুজ গিফটস ইন গ্রেসিয়াস ফ্লাড''। * তিনি এতোটাই দয়ালু ও ভালো মানুষ ছিলেন যে, তিনি একটি কদাকার কোলাব্যাঙের গায়েও গোলাপ-জল ছিটিয়ে দিতেন। ** '''''ডগলাস জেরল্ড''''', ''জেরল্ড'স উইট'', ''এ চ্যারিটেবল ম্যান''। * নাসরত থেকে কি ভালো কোনো কিছুর উদ্ভব হওয়া সম্ভব? ** যোহন. I. ৪৬। * যা কিছু সুন্দর ও ন্যায্য, তা মঙ্গলের কতটা কাছাকাছি! ** '''''[[:w:বেন জনসন|বেন জনসন]]''''', ''লাভ ফ্রীড ফ্রম ইগনোরেন্স অ্যান্ড ফলি''। * ''Rari quippe boni: numero vix sunt totidem quot<br>Thebarum portæ, vel divitis ostia Nili.'' ** ভালো বা মহৎ মানুষেরা, হায়! সংখ্যায় কতই না নগণ্য: তাঁদের সংখ্যা থিবসের প্রবেশদ্বার কিংবা সমৃদ্ধ নীল নদের মোহনাগুলোর চেয়ে কোনোভাবেই বেশি হবে না। *** '''''[[:w:জুভেনাল|জুভেনাল]]''''', ''স্যাটায়ারস'' (দ্বিতীয় শতাব্দীর শুরুর দিকে), XIII. ২৬. *ভালো হও, হে প্রিয় বালিকা, আর যারা পারে তাদের চতুর হতে দাও, সারাদিন কেবল স্বপ্ন না দেখে বরং সুন্দর ও মনোরম কাজগুলো সম্পাদন করো; আর এভাবেই জীবন, মৃত্যু এবং সেই অনন্ত মহাকালকে, একটি মহান ও সুমধুর সংগীতে পরিণত করো। ** '''''[[:w:চার্লস কিংসলে|চার্লস কিংসলে]]''''', ''ফেয়ারওয়েল। টু সি. ই. জি.।'' * হও মহৎপ্রাণ, হে বালিকা, যারা চায় তাদেরকে চতুর হতে দাও। সারাদিন স্বপ্নে না চষে পুণ্যতার পূর্ণিমায় নিজেকে আলোক-ঝলঝল করো! আর এভাবেই জীবন-মরণ আর সেই অনন্ত অসীমের মহাকালকে মহান দিগন্ত, সুমধুর মৌ মৌ সংগীতে পরিণত করো! ** '''''[[:w:চার্লস কিংসলে|চার্লস কিংসলে]]''''', ''ফেয়ারওয়েল''। ১৮৮৯ সালের সংস্করণে। এছাড়াও তাঁর স্ত্রীর সম্পাদিত 'লাইফ'-এর ভলিউম I, পৃ. ৪৮৭-এ পাওয়া যায়, যেখানে লাইনটি হলো: "অ্যান্ড সো মেক লাইফ, ডেথ, অ্যান্ড দ্যাট ভাস্ট ফর এভার", ''বাংলায় রুপান্তরঃ '''মাহমুদ''' (২৩ এপ্রিল,২০২৬)।'' * '''''Weiss<br>Dass alle Länder gute Menschen tragen.''''' ** এটি জেনে রেখো যে, প্রতিটি দেশই ভালো এবং সৎ মানুষ জন্ম দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। *** '''''[[:w:গটহোল্ড এফ্রাইম লেসিং|গটহোল্ড এফ্রাইম লেসিং]]''''', ''নাথান ডার ওয়েইজ'', II. * '''''Segnius homines bona quam mala sentiunt.''''' ** মানুষের ভালো বা মঙ্গলের তুলনায় মন্দ বা অশুভ বিষয়গুলো অনুভব করার তীব্রতা অনেক বেশি সজাগ ও প্রখর থাকে। *** '''''[[:w:লিভি|লিভি]]''''', ''অ্যানালস'', XXX. ২১. * যে মাটি বা ভূখণ্ডের ওপর ভিত্তি করে তাঁর মতো মহান মানুষেরা গড়ে ওঠেন, সেই মাটিতে জন্মগ্রহণ করা ভাগ্যের ব্যাপার, সেখানে জীবন যাপন করা আনন্দের এবং সেই মাটির তরে মৃত্যুবরণ করা ও তারই কোলে সমাধিস্থ হওয়া অত্যন্ত গৌরবের। ** '''''[[:w:জেমস রাসেল লোয়েল|জেমস রাসেল লোয়েল]]''''', ''অ্যামং মাই বুকস''। সেকেন্ড সিরিজ। গারফিল্ড। * '''''Si veris magna paratur<br>Fama bonis, et si successu nuda remoto<br>Inspicitur virtus, quicquid laudamus in ullo<br>Majorum, fortuna fuit.''''' ** যদি প্রকৃতপক্ষে সৎ ও মহৎ ব্যক্তিদের জন্য মহান খ্যাতি অপেক্ষা করে থাকে। আর যদি চুড়ান্ত সাফল্যের প্রশ্নটি সরিয়ে রেখে কেবল শ্রেষ্ঠত্ব বা গুণকেই এককভাবে বিচার করা হয়, তবে তাঁর ভাগ্য আমাদের পূর্বপুরুষদের ইতিহাসে খুঁজে পাওয়া যেকোনো গৌরবের মতোই গর্বিত ও মহিমান্বিত ছিল। *** '''''[[:w:লুকান (কবি)|মার্কাস আনিউস লুকানাস]]''''', ''ফারসালিয়া'', IX. ৫৯৩. * সকল প্রকার মঙ্গল বা কল্যাণের শিখর এবং মুকুটমণি, আর জীবনের শেষ ধ্রুবতারা হলো—ভ্রাতৃত্ববোধ। ** '''''[[:w:এডউইন মার্কহ্যাম|এডউইন মার্কহ্যাম]]''''', ''ব্রাদারহুড''। * একমাত্র যাঁরা প্রকৃতপক্ষে ভালো মানুষ, তাঁরাই কেবল ভালো কিছু দান করতে পারেন। আর যা ভালো নয়, তা কোনো সুশৃঙ্খল ও প্রজ্ঞাবান রুচির কাছে কখনোই সুস্বাদু বা আকর্ষণীয় হতে পারে না। ** '''''[[:w:জন মিলটন|জন মিলটন]]''''', ''[[:w:কোমাস (জন মিলটন)|কোমাস]]'' (১৬৩৭), লাইন ৭০২. * যেহেতু মহত্ত্ব বা মঙ্গলকে যতটা বেশি সবার মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া হয়, এটি ততটাই অধিকতর প্রাচুর্যের সাথে বৃদ্ধি পেতে থাকে। ** '''''[[:w:জন মিলটন|জন মিলটন]]''''', ''[[:w:প্যারাডাইস লস্ট|প্যারাডাইস লস্ট]]'' (১৬৬৭; ১৬৭৪), বুক V, লাইন ৭১. * এক গ্লাস পানীয় ভালো, আর একটি সঙ্গী বা কিশোরীও ভালো, আর প্রচণ্ড শীতে ধূমপানের জন্য একটি পাইপও বেশ চমৎকার; এই পৃথিবীটা সুন্দর, আর মানুষগুলোও বেশ ভালো, এবং আমরা সবাই মিলে একত্রে এক একজন অসাধারণ সঙ্গী। ** '''''জন ও'কিফ''''', ''স্প্রিগস অফ লরেল'', অ্যাক্ট II, সিন ১. * আমি মঙ্গলকে চিনি এবং ভালোবাসি, তবুও হায়! সেই নিকৃষ্ট বা মন্দেরই অনুসরণ করি। ** '''''[[:w:পেত্রার্ক|পেত্রার্ক]]''''', ''টু লরা ইন লাইফ'', কানজোন XXI. * '''''Itidemque ut sæpe jam in multis locis,<br>Plus insciens quis fecit quam prodens boni.''''' ** আর এভাবেই অনেক ক্ষেত্রেই এটি ঘটে থাকে; আমাদের অজ্ঞাতসারে বা অজান্তেই যতটা মঙ্গল সাধিত হয়, তা আমাদের পরিকল্পিত মঙ্গলের চেয়ে অনেক বেশি। *** '''''[[:w:প্লাউতাস|প্লাউতাস]]''''', ''ক্যাপটিভি প্রোলগ'', XLIV. * '''''Bono ingenio me esse ornatam, quam auro multo mavolo.<br>Aurum fortuna invenitur, natura ingenium donum.'''<br>Bonam ego, quam beatam me esse nimio dici mavolo.'' ** আমি স্বর্ণ বা ধন-সম্পদের চেয়ে একটি সুন্দর ও মহৎ স্বভাব বা চরিত্রকেই অনেক বেশি পছন্দ করি; কারণ স্বর্ণ হলো ভাগ্যের দান, কিন্তু স্বভাবের এই মহত্ত্ব হলো প্রকৃতির এক অমূল্য উপহার। আমি নিজেকে সৌভাগ্যবানের চেয়ে বরং একজন ভালো মানুষ হিসেবে পরিচিত করতে অনেক বেশি পছন্দ করি। *** '''''[[:w:প্লাউতাস|প্লাউতাস]]''''', ''ফেনুলাস'', I. ২. ৯০. * প্রতিটি ভালো বা মঙ্গলময় জিনিসই মূলত অত্যন্ত নম্র ও সংগতিপূর্ণ হয়ে থাকে, যা এক সুশৃঙ্খল ধারায় অগ্রসর হয় এবং যা সঠিক বা ন্যায়সঙ্গত তার সীমা কখনোই অতিক্রম করে না। ** '''''[[:w:পর্ফিরি (দার্শনিক)|পর্ফিরি]]''''', ''[https://books.google.it/books?id=B5ojAwAAQBAJ&pg=PA0 অন অ্যাবস্টিনেন্স ফ্রম কিলিং অ্যানিম্যালস]'', গিলিয়ান ক্লার্ক কর্তৃক অনূদিত (ব্লুমসবারি, ২০১৪), II. ৩৯. ৪. * '''''Gute Menschen können sich leichter in schlimme hineindenken als diese injene.''''' ** একজন ভালো মানুষ যতটা সহজে একজন মন্দ মানুষের প্রকৃত রূপ বা উদ্দেশ্য চিনে ফেলতে পারেন, একজন মন্দ মানুষ কখনোই একজন ভালো মানুষের স্বরূপ ততটা সহজে অনুধাবন করতে পারে না। *** '''''[[:w:জঁ পল রিখটার|জঁ পল রিখটার]]''''', ''হেসপেরাস'', IV. * তুমি হয়তো ম্যাজ কিংবা সিস-এর জন্য অনেক ভালো, অথবা হয়তো কেট-এর জন্যও বেশ চমৎকার; কিন্তু তাতে আমার জন্য কী-ই বা ভালো বা লাভ আছে, যতক্ষণ পর্যন্ত না তুমি আসলে আমার জন্য ভালো বা যোগ্য হয়ে ওঠো? ** '''''[[:w:ক্রিস্টিনা রসেটি|ক্রিস্টিনা রসেটি]]''''', ''জেসি ক্যামেরন'', স্ট্যাঞ্জা ৩. * '''''Esse quam videri bonus malebat.''''' ** তিনি কেবল ভালো বা সৎ সাজার চেয়ে প্রকৃতপক্ষে একজন ভালো মানুষ হওয়াকেই অনেক বেশি পছন্দ করতেন। *** '''''[[:w:সালুস্ত|সালুস্ত]]''''', ''ক্যাটলিনা'', LIV. * যা কিছু সুন্দর তা-ই আসলে ভালো বা মঙ্গলময়, আর যিনি প্রকৃতপক্ষে ভালো, তিনি অচিরেই সৌন্দর্যেরও অধিকারী হয়ে উঠবেন। ** '''''[[:w:সাফো|সাফো]]''''', ''ফ্র্যাগমেন্ট'', ১০১. * '''''Bonitas non est pessimis esse meliorem.''''' ** কেবল নিকৃষ্টতম ব্যক্তিদের চেয়ে সামান্য ভালো হওয়াটাই প্রকৃত মহত্ত্ব বা মঙ্গলের পরিচায়ক নয়। *** '''''[[:w:লুসিয়াস আনিউস সেনেকা|কনিষ্ঠ সেনেকা]]''''', ''এপিস্টোলি অ্যাড লুসিলিয়াম''। * এই ক্লান্ত ও শ্রান্ত পৃথিবীতে একটি সৎ কাজ এভাবেই উজ্জ্বল আলোকচ্ছটা ছড়ায়। ** উইলি ওয়াঙ্কা, চরিত্রে অভিনয়ে [[w:জিন ওয়াইল্ডার|জিন ওয়াইল্ডার]], [[w:উইলি ওয়াঙ্কা অ্যান্ড দ্য চকলেট ফ্যাক্টরি|উইলি ওয়াঙ্কা অ্যান্ড দ্য চকলেট ফ্যাক্টরি (চলচ্চিত্র)]] (১৯৭১), চিত্রনাট্য লিখেছেন রোয়াল্ড ডাল এবং ডেভিড সেল্টজার। * ভালোবাসার সেই জ্বলন্ত শিখার একদম গভীরেও বাস করে এক ধরণের সলতে বা পোড়া অংশ যা তাকে ধীরে ধীরে স্তিমিত করে দেয়; আর কোনো কিছুই চিরকাল একই ধরণের মহত্ত্ব বা মঙ্গলে স্থির থাকে না; কারণ মহত্ত্ব যখন আতিশয্যে বা প্রাচুর্যে উপচে পড়ে (প্লুরিসি), তখন সে নিজের সেই আতিশয্যের ভারেই বিলীন হয়ে যায়। ** '''''[[:w:উইলিয়াম শেক্সপিয়র|উইলিয়াম শেক্সপিয়র]]''''', ''[[:w:হ্যামলেট|হ্যামলেট]]'' (১৬০০-০২), অ্যাক্ট IV, সিন ৭, লাইন ১১৫. * আপনার সেই মহানুভবতা ও মহত্ত্ব, যা কি না পবিত্র করুণা থেকে উদ্ভূত, শেষ পর্যন্ত একটি কুঠারের মাধ্যমে তাকে মুক্তি বা পাপমুক্ত করেছে। ** '''''[[:w:উইলিয়াম শেক্সপিয়র|উইলিয়াম শেক্সপিয়র]]''''', ''[[:w:হেনরি অষ্টম (নাটক)|হেনরি অষ্টম]]'' ([[w:হেনরি অষ্টম (নাটক)#তারিখ|আনু. ১৬১৩]]), অ্যাক্ট III, সিন ২, লাইন ২৬৩. * আমি এই পার্থিব জগতে বাস করি; যেখানে কারো ক্ষতি করা বা অনিষ্ট করাটা প্রায়শই প্রশংসনীয় হিসেবে বিবেচিত হয়, আর ভালো কাজ করাকে কখনও কখনও গণ্য করা হয় এক ধরণের বিপজ্জনক মূর্খতা হিসেবে। ** '''''[[:w:উইলিয়াম শেক্সপিয়র|উইলিয়াম শেক্সপিয়র]]''''', ''[[:w:ম্যাকবেথ|ম্যাকবেথ]]'' (১৬০৫), অ্যাক্ট IV, সিন ২, লাইন ৭৫. * তাঁকে একজন ভালো মানুষ বলার মাধ্যমে আমি যা বোঝাতে চেয়েছি তা হলো—যাতে আপনি এটি বুঝতে পারেন যে তিনি তাঁর কাজ বা অবস্থানের জন্য যথেষ্ট যোগ্য ও সমর্থ। ** '''''[[:w:উইলিয়াম শেক্সপিয়র|উইলিয়াম শেক্সপিয়র]]''''', ''[[:w:দ্য মার্চেন্ট অফ ভেনিস|দ্য মার্চেন্ট অফ ভেনিস]]'' (১৫৯০-এর দশকের শেষের দিকে), অ্যাক্ট I, সিন ৩, লাইন ১৪. * প্রভু যীশু খ্রিস্টের সন্তুষ্টির খাতিরে, যতটুকু সম্ভব সকল প্রকার ভালো কাজ করো, যতজন মানুষের প্রতি সম্ভব তা সম্পাদন করো, সম্ভাব্য সকল উপায়ে তা করার চেষ্টা করো, এবং যতক্ষণ পর্যন্ত তোমার সামর্থ্য থাকে ততক্ষণ তা চালিয়ে যাও। ** ইংল্যান্ডের শ্রুসবারির একটি সমাধিলিপির খোদাই করা লেখা। এটি জনাব মুডির অত্যন্ত প্রিয় ছিল। * কারণ আপনি ছাড়া আর কে-ই বা আছেন? যিনি কেবল নিজে একজন ভালো মানুষ বা ভদ্রলোক হওয়ার দাবিই করেন না—কারণ অনেকেই এমন আছেন যারা ভালো, কিন্তু অন্যকে ভালো বা মহৎ করে তোলার ক্ষমতা তাঁদের নেই। অথচ আপনি কেবল নিজেই মহৎ নন, বরং অন্যদের মাঝেও মহত্ত্ব বা মঙ্গলের এক বিশেষ কারণ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। ** প্রোটাগোরাসকে '''''সক্রেটিস'''''। দেখুন [[:w:প্লেটো|প্লেটো]]। জোয়েট-এর অনুবাদ। * শনিবার রাতটি কতটা মনোরম ও তৃপ্তিদায়ক হয়, যখন আমি সারা সপ্তাহ জুড়ে একজন ভালো মানুষ হওয়ার চেষ্টা করি, মুখ দিয়ে কোনো একটি খারাপ বা মন্দ শব্দও উচ্চারণ করি না, এবং সাধ্যমতো প্রত্যেকের প্রতি কৃতজ্ঞ ও বাধ্য থাকার চেষ্টা করি। ** '''''ন্যান্সি ডেনিস স্প্রোট''''', ''হাউ প্লেজেন্ট ইজ স্যাটারডে নাইট''। * কেবল একজন ব্যক্তিকেই আমাকে সংশোধন করে ভালো বানাতে হবে: সেটি হলো আমি নিজে। কিন্তু আমার প্রতিবেশীর প্রতি আমার কর্তব্য সম্পর্কে আরও অনেক বেশি স্পষ্টভাবে বলা যায় যে—আমার কাজ হলো তাকে সুখী করে তোলা, যদি আমি তা করতে সমর্থ হই। ** '''''[[:w:রবার্ট লুইস স্টিভেনসন|রবার্ট লুইস স্টিভেনসন]]''''', ''ক্রিসমাস সারমন''। * তাঁর কনিষ্ঠ আঙুলে যতটুকু মহত্ত্ব বা সদগুণ রয়েছে, ওই লোকটির পুরো শরীরেও ততটুকু নেই। ** '''''[[:w:জোনাথন সুইফট|জোনাথন সুইফট]]''''', ''পোলাইট কনভারসেশন'' (আনু. ১৭৩৮), ডায়ালগ II. * ওহ, তবুও আমরা বিশ্বাস করি যে কোনো না কোনোভাবে মঙ্গলই হবে মন্দের চূড়ান্ত লক্ষ্য বা পরিণতি; প্রকৃতির তীব্র যন্ত্রণা, ইচ্ছাকৃত পাপ, সন্দেহের ত্রুটি এবং বংশগত কলঙ্ক—সবকিছুরই শেষ হবে মঙ্গলে। ** '''''[[:w:আলফ্রেড টেনিসন|আলফ্রেড টেনিসন]]''''', ''[[:w:ইন মেমোরিয়াম এ.এইচ.এইচ.|ইন মেমোরিয়াম এ.এইচ.এইচ.]]'' (১৮৪৯), LIV. ১. * মহৎ হওয়া মানেই হলো প্রকৃতপক্ষে ভালো বা সৎ হওয়া। ** '''''[[:w:আলফ্রেড টেনিসন|আলফ্রেড টেনিসন]]''''', ''লেডি ক্ল্যারা ভিয়েরা ডি ভিয়েরা''। একই কথা পাওয়া যায় [[:w:জুভেনাল|জুভেনাল]]-এর ''স্যাটায়ারস'', VIII. ২৪-এ। * মানুষের প্রকৃতপক্ষে যা সে দেখায়, তার চেয়েও আরও বেশি ভালো হওয়া উচিত। ** স্যার '''''অব্রে ডি ভিয়েরা''''', ''এ সং অফ ফেইথ''। * '''''Le plus grand ennemi du bon, c'est le mieux.''''' ** অধিকতর ভালো বা অতি-উত্তম হলো মঙ্গলের সবচেয়ে বড় শত্রু। ** ফরাসি প্রবাদ, [[:w:গর্গ ভিলহেল্ম ফ্রিডরিখ হেগেল|গর্গ ভিলহেল্ম ফ্রিডরিখ হেগেল]]-এর ''এলিমেন্টস অফ দ্য ফিলোসফি অফ রাইট'' (১৮২০), §২১৬-এ উদ্ধৃত। ** ভিন্ন পাঠসমূহ: *** '''''Dans ses écrits un sage Italien <br /> Dit que le mieux est l'ennemi du bien.''''' **** তাঁর লেখায় একজন প্রজ্ঞাবান ইতালীয় বলেছেন যে, অতি-উত্তম হলো মঙ্গলের বা ভালোর পরম শত্রু। **** '''''[[:w:ভলতেয়ার|ভলতেয়ার]]''''', ''লা বেগুয়েল'' (দ্য প্রুড) (১৭৭২) *** নিখুঁত হওয়া বা পারফেকশন হলো মঙ্গলের শত্রু। **** ভলতেয়ারের উক্তির আধুনিক ভাবানুবাদ। == ''ডিকশনারি অফ বার্নিং ওয়ার্ডস অফ ব্রিলিয়ান্ট রাইটার্স'' (১৮৯৫) == <small>[[Wikisource:Josiah Hotchkiss Gilbert|জোসায়া হোচকিস গিলবার্ট]], ''[https://openlibrary.org/books/OL23387290M/Dictionary_of_burning_words_of_brilliant_writers ডিকশনারি অফ বার্নিং ওয়ার্ডস অফ ব্রিলিয়ান্ট রাইটার্স]'' (১৮৯৫)-এ রিপোর্ট করা উদ্ধৃতিসমূহ।</small> * কোনো একটি মহৎ উদ্দেশ্যের জন্য বেঁচে থাকুন! ভালো কাজ সম্পাদন করুন এবং নিজের পেছনে পুণ্যের এমন এক স্মৃতিস্তম্ভ রেখে যান যা মহাকালের প্রবল ঝড়ও কখনো ধ্বংস করতে পারবে না। প্রতি বছর আপনি যত হাজার হাজার মানুষের সংস্পর্শে আসছেন, তাঁদের হৃদয়ে দয়া, ভালোবাসা এবং করুণার অক্ষরে নিজের নামটি লিখে দিন; তবেই আপনি কখনো বিস্মৃতির অতল গহ্বরে হারিয়ে যাবেন না। আপনার নাম এবং আপনার কীর্তিসমূহ মানুষের হৃদয়ে ঠিক তেমনই স্পষ্টভাবে ভাস্বর হয়ে থাকবে, যেমনটি সন্ধ্যার ললাটে নক্ষত্ররাজি শোভা পায়। সৎ কর্মসমূহ আকাশের ধ্রুবতারার মতোই চিরকাল উজ্জ্বল আলোকচ্ছটা ছড়াবে। ** '''''[[:w:টমাস চালমার্স|টমাস চালমার্স]]''''', পৃ. ২৪৩। * মহত্ত্ব বা শ্রেষ্ঠত্ব আমরা বাহ্যিকভাবে যে কাজগুলো করি তার মধ্যে নিহিত নয়, বরং আমাদের অন্তরের প্রকৃত সত্তার মাঝে নিহিত। 'হয়ে ওঠা' বা আমাদের প্রকৃত পরিচয়টিই হলো সবচেয়ে বড় বিষয়। ** '''''এডউইন হাবেল চ্যাপিন''''', পৃ. ২৮৬। * কত মানুষই না ভালো হতে চাইত, যদি কোনো প্রকার কষ্ট বা পরিশ্রম ছাড়াই অনায়াসে ভালো হওয়া যেত! তারা মহত্ত্বকে ততটা গভীরভাবে ভালোবাসে না যাতে তার জন্য ক্ষুধা ও তৃষ্ণা অনুভব করতে পারে, কিংবা যা কিছু তাদের আছে তার বিনিময়ে সেই মহত্ত্বকে ক্রয় করতে পারে; তারা স্বর্গরাজ্যের দ্বারে করাঘাত করতে চায় না; বরং তারা দূর থেকে পুণ্য ও ন্যায়পরায়ণতার সেই আকাশচুম্বী কাল্পনিক দুর্গের দিকে পরম তৃপ্তির সাথে তাকিয়ে থাকে এবং মনে মনে ভাবে যে সেখানে বসবাস করাটা বেশ চমৎকার হতো। ** '''''[[:w:জর্জ ম্যাকডোনাল্ড|জর্জ ম্যাকডোনাল্ড]]''''', পৃ. ২৮৬। * কেবল মহান হৃদয়ের অধিকারীরাই অনুধাবন করতে পারেন যে, প্রকৃতপক্ষে ভালো বা মহৎ হওয়ার মাঝে কতটা গৌরব ও মহিমা নিহিত রয়েছে। ** '''''[[:w:জুল মিশলে|জুল মিশলে]]''''', পৃ. ২৮৬। * ভালো হও আমার সন্তান, আর যারা চায় তাদের চতুর হতে দাও; সারাদিন কেবল স্বপ্ন না দেখে বরং মহৎ ও পুণ্য কাজগুলো বাস্তবে রূপ দাও; আর এভাবেই জীবন, মৃত্যু এবং সেই সুদূরপ্রসারী অনন্তকালকে একটি বিশাল ও সুমধুর সংগীতে রূপান্তরিত করো। ** '''''[[:w:চার্লস কিংসলে|চার্লস কিংসলে]]''''', পৃ. ২৮৬। * কেবল নামমাত্র ভালো বা সৎ হয়ো না; বরং কোনো একটি মহৎ উদ্দেশ্য সাধনের জন্য ভালো হও। ** '''''[[:w:হেনরি ডেভিড থরো|হেনরি ডেভিড থরো]]''''', পৃ. ২৮৬। * কোনো ভালো বা মঙ্গলময় বিষয়ই কখনো হারিয়ে যায় না। কোনো কিছুই মরে যায় না, এমনকি জীবনও নয়—যা কেবল একটি রূপ ত্যাগ করে অন্য একটি রূপ ধারণ করার জন্য। কোনো ভালো কাজ কিংবা কোনো মহৎ আদর্শ কখনো মুছে যায় না। এটি আমাদের মানবজাতির মাঝে চিরকাল বেঁচে থাকে। যখন দেহের কাঠামোটি মাটিতে মিশে যায় এবং অদৃশ্য হয়ে যায়, তখন মানুষের কর্ম এক অক্ষয় ছাপ রেখে যায় এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের চিন্তা ও সংকল্পকে নতুন ছাঁচে গড়ে তোলে। ** '''''[[:w:স্যামুয়েল স্মাইলস|স্যামুয়েল স্মাইলস]]''''', পৃ. ২৮৬। * চিরকাল এবং অনন্তকালের জন্য, হে প্রিয়তম, হ্যাঁ— মহত্ত্ব এবং ভালোবাসা হলো অবিনশ্বর ও চিরঞ্জীব; কেবল পৃথিবীর দুঃখ-কষ্ট আর দুশ্চিন্তাগুলোই প্রথম থেকেই ডানা মেলে উড়ে যাওয়ার জন্য তৈরি হয়েছে। আমরা আমাদের পথ চষে বেড়াই এই "বর্তমান"-এর লাঙলের ফলায়; কিন্তু চাষাবাদ আর ফলনের পর সেই শস্যের আঁটি আমাদের অপেক্ষায় থাকে; শিকড়ের জন্য মাটি ঠিকই, কিন্তু পাতার জন্য প্রয়োজন রৌদ্রালোক— আর ঈশ্বর চিরকাল অবিরাম নজর রাখেন আমাদের ওপর। ** '''''মেরি মেপস ডজ''''', পৃ. ২৮৭। * মানুষ এমন কিছুই কখনো উদ্ভাবন করতে পারবে না যা তাকে সেই সর্বজনীন প্রয়োজনীয়তা থেকে মুক্তি দেবে—যা হলো ঈশ্বরের মতো ভালো হওয়া, ঈশ্বরের মতো ন্যায়পরায়ণ হওয়া এবং ঈশ্বরের মতোই পবিত্র ও বিশুদ্ধ হওয়া। ** '''''[[:w:চার্লস কিংসলে|চার্লস কিংসলে]]''''', পৃ. ২৮৭। * যে ব্যক্তি মহত্ত্ব বা মঙ্গলের ওপর বিশ্বাস রাখে, তার অন্তরেই সকল বিশ্বাসের মূল নির্যাস বা সারবস্তু নিহিত রয়েছে। তিনিই সেই মানুষ যার রয়েছে "আনন্দময় এক অতীত এবং এক আত্মবিশ্বাসী ও উজ্জ্বল আগামীর প্রতিশ্রুতি।" ** '''''[[:w:জেমস ফ্রিম্যান ক্লার্ক|জেমস ফ্রিম্যান ক্লার্ক]]''''', পৃ. ২৮৭। * আমরা আমাদের শৈশবের সেই ভোরের স্নিগ্ধ কিরণকে পুনরায় প্রজ্বলিত করতে পারি না। আমরা আমাদের যৌবনের সেই মধ্যাহ্নবেলার দীপ্ত গৌরবকেও ফিরিয়ে আনতে পারি না। আমরা আমাদের পরিপক্ক বয়সের সেই পূর্ণতা বা শ্রেষ্ঠ দিনটিকেও পুনরায় লাভ করতে পারি না। কিংবা আমরা বার্ধক্যের সায়াহ্নবেলার অস্তগামী রশ্মিকে ছায়াবৃত দিগন্তের বুকে স্থির করে রাখতে পারি না। কিন্তু আমরা সেই মহত্ত্বকে সযত্নে লালন করতে পারি—যা শৈশবের মাধুর্য, যৌবনের উল্লাস, প্রৌঢ়ত্বের শক্তি, বার্ধক্যের সম্মান এবং সাধু-সন্তদের পরম আনন্দ। ** '''''হেনরি জাইলস''''', পৃ. ২৮৭। == আরও দেখুন == {{col-begin}} {{col-2}} * [[:w:শ্রেষ্ঠত্ব|শ্রেষ্ঠত্ব বা উৎকর্ষতা]] * [[:w:ভালো ও মন্দ|ভালো এবং মন্দ]] * [[:w:মহত্ত্ব|মহত্ত্ব বা বিশালতা]] * [[:w:নৈতিকতা|নৈতিকতা]] * [[:w:যোগ্যতা|যোগ্যতা বা গুণাবলি]] * [[:w:আভিজাত্য|আভিজাত্য বা মহদাশয়তা]] {{col-2}} * [[:w:পুণ্য|পুণ্য বা সদগুণ]] * [[:w:মূল্য|মূল্য বা যথাযোগ্য মর্যাদা]] * [[:Category:Virtues|বিষয়শ্রেণী:সদগুণসমূহ]] {{col-end}} == বহিঃসংযোগ == {{wikipedia|মহত্ত্ব}} {{wiktionary|মহত্ত্ব (উইকিশনারি)}} [[Category:সদগুণসমূহ]] [[Category:নীতিবিদ্যা]] [[বিষয়শ্রেণী:নৈতিকতা]] 5kjcjo9rwivxzj1ykxocw9rlm46i4mv সাংবাদিকতা 0 12652 80002 78622 2026-04-23T11:26:32Z Oindrojalik Watch 4169 রচনাশৈলী 80002 wikitext text/x-wiki <div style="text-align: center; border: 2px dashed #f0ad4e; padding: 15px; background-color: #fcf8e3; margin-bottom: 20px;"> [[File:Under-Construction-Bulldozer.gif|355px]] <div style="font-weight: bold; font-size: 18px; color: #8a6d3b; margin-top: 10px;">UNDER CONSTRUCTION</div> <div style="font-size: 16px; color: #8a6d3b;">This page is currently being built by '''[https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:Oindrojalik_Watch Oindrojalik Watch]'''.</div> </div> [[File:2 Fillettes vendant des journaux, Wilmington (Delaware), mai 1910.jpg|thumb|আমেরিকায় রাষ্ট্রপতি চার বছরের জন্য রাজত্ব করেন, আর সাংবাদিকতা শাসন করে অনন্তকাল ধরে!<br>~'''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''']] '''[[w:সাংবাদিকতা|সাংবাদিকতা]]''' হলো সংবাদ সংগ্রহ, লিখন এবং সংবাদ পরিবেশনের একটি বিশেষ শাখা। বিস্তৃত অর্থে এটি সংবাদ নিবন্ধ সম্পাদনা ও উপস্থাপনার প্রক্রিয়াকেও অন্তর্ভুক্ত করে। সাংবাদিকতা বিভিন্ন মাধ্যমের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, তবে এটি কেবল [[w:সংবাদপত্র|সংবাদপত্র]], [[w:সাময়িকী_(পত্রিকা)|সাময়িকী]], [[w:বেতার|রেডিও]] এবং [[w:টেলিভিশন|টেলিভিশনের]] মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। সংবাদ প্রচারের দৌড়ে সবার আগে থাকার প্রবল চাপ থাকা সত্ত্বেও, প্রতিটি সংবাদ সংস্থা নিজস্ব নির্ভুলতা, গুণমান এবং শৈলীর মানদণ্ড মেনে চলে। যেখানে সাধারণত প্রকাশের পূর্বে প্রতিবেদনগুলো [[:w:সম্পাদনা|সম্পাদনা]] ও প্রুফরিডিং করা হয়। অনেক সংবাদ সংস্থা সরকারি কর্মকর্তা ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে জনগণের কাছে দায়বদ্ধ রাখার গৌরবময় ঐতিহ্য দাবি করে, যদিও সংবাদ মাধ্যম সমালোচকরা খোদ সংবাদপত্রের দায়বদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ''জার্নালিজম'' বা সাংবাদিকতা শব্দটি [[w:ফরাসি_ভাষা|ফরাসি ভাষার]] '''''journal''''' '''''বা''''' '''''জার্নাল''''' থেকে নেওয়া হয়েছে, যা কালক্রমে ল্যাটিন ''ডিউর্নাল'' বা দৈনিক শব্দ থেকে উদ্ভূত। [[w:প্রাচীন_রোম|প্রাচীন রোমের]] প্রধান জনচত্বর ফোরামে প্রতিদিন 'অ্যাক্টা ডিউর্না' নামক একটি হস্তলিখিত বুলেটিন টাঙিয়ে দেওয়া হতো, যা ছিল বিশ্বের প্রথম সংবাদপত্র। [[File:Amy Goodman — Keynote, National Conference for Media Reform 2013 (8626124929).jpg|thumb|যেখানে নিস্তব্ধতা বিরাজ করে, সেখানে ছুটে যাওয়াই একজন সাংবাদিকের দায়িত্ব। যারা বিস্মৃত, পরিত্যক্ত এবং ক্ষমতাশালীদের দ্বারা নিগৃহীত, তাদের কণ্ঠস্বর হয়ে ওঠা।<br>~'''''অ্যামি গুডম্যান''''']] __NOTOC__ {{TOCalpha|''[[#হোয়েট'স নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস|হোয়েট'স নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস]]'' · [[#আরোপিত|আরোপিত]]}} == A == [[File:Julian Assange in Ecuadorian Embassy cropped.jpg|thumb|আমরা আমাদের পেছনে এমন এক অনন্য ক্ষেত্র তৈরি করছি যা সাংবাদিকতার সেই বিশেষ রূপটিকে বিকশিত হতে দেয়, যা সাংবাদিকতা চিরকাল নিজের জন্য প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিল। আমরা সেই ক্ষেত্রটি সৃষ্টি করছি কারণ আমরা শক্তিশালী গোষ্ঠীগুলোর মুখোশ সাহসের সাথে উন্মোচন করার ফলে আসা যাবতীয় সমালোচনা ও আক্রমণকে স্বেচ্ছায় গ্রহণ করছি।<br>~'''''[[:w:জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ|জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ]]''''' ]] [[File:Great men and famous women - a series of pen and pencil sketches of the lives of more than 200 of the most prominent personages in history Volume 7 (1894) (14760162546).jpg|thumb|সাংবাদিকতা সত্যিই মহৎ। প্রতিটি দক্ষ ও সামর্থ্যবান সম্পাদক কি বিশ্বের একেকজন প্রকৃত শাসক নন, যেহেতু তিনি বিশ্ববাসীকে নিজের যুক্তি ও চিন্তায় প্ররোচিত ও প্রভাবিত করার ক্ষমতা রাখেন?<br>~'''''[[:w:টমাস কার্লাইল|টমাস কার্লাইল]]''''' ]] *একটি রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ স্বাধীনতার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সংবাদপত্রের অবাধ স্বাধীনতা অপরিহার্য ও মৌলিক একটি শর্ত। অতএব, এই কমনওয়েলথ বা জনসমষ্টির মধ্যে কোনোভাবেই সংবাদপত্রের সেই স্বাধীনতাকে খর্ব বা সংকুচিত করা উচিত নয়। **'''''ম্যাসাচুসেটস সংবিধান''''' (২৫ অক্টোবর, ১৭৮০ তারিখে গৃহীত; যা বিশ্বের প্রাচীনতম কার্যকর লিখিত সংবিধান) {{cite book|author='''''[[:w:জন অ্যাডামস|জন অ্যাডামস]]''''', '''''[[:w:স্যামুয়েল অ্যাডামস|স্যামুয়েল অ্যাডামস]]''''', '''''[[:w:জেমস বাউডোইন|জেমস বাউডোইন]]'''''|title=[[:w:ম্যাসাচুসেটস কমনওয়েলথ এর সংবিধান|ম্যাসাচুসেটস কমনওয়েলথ এর সংবিধান]]|publisher=[[:w:ম্যাসাচুসেটস|ম্যাসাচুসেটস কমনওয়েলথ]]|year=1780|pages= অনুচ্ছেদ XVI}}[http://en.wikisource.org/wiki/Constitution_of_the_Commonwealth_of_Massachusetts_%281780%29 মূল পাঠ্য] * বেনামে তথ্য ফাঁস করা একটি প্রাচীন শিল্পকলা এবং অনেক ওয়েবসাইটই এমন সব উৎস থেকে প্রাপ্ত নথিপত্র প্রকাশ করে থাকে যাদের তারা শনাক্ত করতে পারে না। উইকিলিকস যা করেছে তা হলো এই পুরো প্রক্রিয়াটিকে পেশাদার রূপ দেওয়া। তারা তথ্য ফাঁস গ্রহণ, প্রক্রিয়াকরণ এবং তা জনসমক্ষে প্রকাশের জন্য একটি সুনির্দিষ্ট ও মানসম্মত কার্যপ্রণালী তৈরি করেছে। ** '''''স্টিফেন আফটারগুড''''', '''FAS''' বা ফেডারেশন অফ আমেরিকান সায়েন্টিস্টস প্রজেক্ট অন গভর্নমেন্ট সিক্রেসি — প্রতিবেদনে উল্লিখিত {{cite news|first=পল |last=মার্কস |author= |url= |title=উচ্চপদে আসীন ব্যক্তিদের অপ্রস্তুত করার একটি অব্যর্থ উপায়: হুইসেল-ব্লোয়ার বা তথ্য ফাঁসকারীরা কোনো চিহ্ন না রেখেই সব বলে দিতে পারেন, সেইসব ওয়েবসাইটকে ধন্যবাদ যা তাদের পরিচয় গোপন রাখে |work= নিউ সায়েন্টিস্ট|publisher=রিড বিজনেস ইনফরমেশন |pages= |page=২৮, খণ্ড ১৯৮; ইস্যু ২৬৫৫ |date=মে ১০, ২০০৮ |accessdate= }} * একজন সাংবাদিক হিসেবে আমার কর্মজীবন আমার সাহিত্যিক সৃজনশীলতার ক্ষেত্রে এক মৌলিক ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছে। সাংবাদিকতাই আমাকে শব্দকে চিনতে এবং ভালোবাসতে শিখিয়েছে—যা আমার পেশার প্রধান হাতিয়ার এবং আমার শিল্পের মূল উপাদান। সাংবাদিকতা আমাকে সত্যের সন্ধান করতে এবং নৈর্ব্যক্তিক বা বস্তুনিষ্ঠ হতে শিখিয়েছে। শিখিয়েছে কীভাবে পাঠকের মনোযোগ কেড়ে নিতে হয় এবং তাকে এমনভাবে আষ্টেপৃষ্ঠে ধরে রাখতে হয় যেন সে কোনোভাবেই ফস্কে না যায়। এটি আমাকে বিভিন্ন ধারণাকে সংশ্লেষণ করতে এবং ঘটনাপ্রবাহের বর্ণনায় সুনির্দিষ্ট হতে শিখিয়েছে। আর সর্বোপরি, এটি আমার ভেতর থেকে সাদা পাতার প্রতি যাবতীয় ভয়কে চিরতরে দূর করে দিয়েছে। ** ১৯৯৪ সালের একটি সাক্ষাৎকার যা ''কনভারসেশনস উইথ '''''ইসাবেল আলেন্দে''''' '' (১৯৯৯) এ অন্তর্ভুক্ত, স্পেনীয় ভাষা থেকে কোলা ফ্রাঞ্জেন কর্তৃক অনূদিত। * প্রথম সংশোধনীর প্রতিষ্ঠিত আইন অনুযায়ী, সংবাদ প্রকাশে পূর্ব-নিষেধাজ্ঞা বা সেন্সরশিপ যদি আদৌ সাংবিধানিক হয়ও, তবে তা কেবল চরম ও অতি-অস্বাভাবিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটেই অনুমোদিত হতে পারে। বর্তমান মামলার ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, আদালতের এমন সব নির্দেশ রয়েছে যা কার্যকরভাবে একটি ওয়েবসাইটকে বন্ধ করে দিয়েছে। যে সাইটটি বিশ্বজুড়ে সরকার ও কর্পোরেশনগুলোর দুর্নীতির মুখোশ উন্মোচনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছিল এবং এই নির্দেশটি যে কেউ পাঠ করলে তাকে সেই নথিগুলো প্রকাশ করা, এমনকি সেগুলোর লিঙ্ক দেওয়া থেকেও বিরত থাকতে বাধ্য করছে। ** '''''ডেভিড আরডিয়া''''', হার্ভার্ড ল স্কুলের বার্কম্যান সেন্টার ফর ইন্টারনেট অ্যান্ড সোসাইটি-র সিটিজেন মিডিয়া ল' প্রজেক্ট বা CMLP এর পরিচালক, '''''[[:w:ব্যাংক জুলিয়াস বায়ের বনাম উইকিলিকস মামলা|ব্যাংক জুলিয়াস বায়ের বনাম উইকিলিকস]]''''' প্রসঙ্গে মন্তব্যকালে — প্রতিবেদনে উল্লিখিত {{cite news|title=ইন্টারনেটে বাকস্বাধীনতা রক্ষা: একটি সাইবার-ল ক্লিনিকে শিক্ষার্থীরা প্রাথমিক আইনি বিষয়গুলো মোকাবিলায় সহায়তা করছে |work=হার্ভার্ড ল বুলেটিন |publisher= [[:w:হার্ভার্ড ল স্কুল|হার্ভার্ড ল স্কুল]]|page= |date=Fall 2008 |url=http://www.law.harvard.edu/news/bulletin/2008/fall/feature_2-side1.php|accessdate=2009-03-04}} * আমরা আমাদের পেছনে এমন এক অনন্য ক্ষেত্র তৈরি করছি যা সাংবাদিকতার সেই বিশেষ রূপটিকে বিকশিত হতে দেয়, যা সাংবাদিকতা চিরকাল নিজের জন্য প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিল। আমরা সেই ক্ষেত্রটি সৃষ্টি করছি কারণ আমরা শক্তিশালী গোষ্ঠীগুলোর শক্তিমত্তা ও দুর্নীতির মুখোশ সাহসের সাথে উন্মোচন করার ফলে ধেয়ে আসা যাবতীয় সমালোচনা ও প্রবল বিরুদ্ধাচরণকে স্বেচ্ছায় গ্রহণ করছি। ** '''''[[:w:জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ|জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ]]''''' এর উদ্ধৃতি: [https://www.theguardian.com/media/2010/aug/01/julian-assange-wikileaks-afghanistan জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ, অনলাইন যুগের সেই সন্ন্যাসী যিনি বৌদ্ধিক লড়াইয়ের মাধ্যমেই বিকশিত হন, ক্যারল ক্যাডওয়ালাডার, ''দ্য গার্ডিয়ান''], (১ আগস্ট ২০১০) == B == * অভিজ্ঞতা এটিই প্রমাণ করেছে যে, সাধারণ প্রত্যাশার সম্পূর্ণ বিপরীতে গিয়ে সংবাদপত্র হলো জনমতকে সঠিক পথে পরিচালিত করার, উত্তেজনাপূর্ণ আন্দোলনকে শান্ত করার এবং সেইসব মিথ্যা ও কৃত্রিম গুজবকে বিলীন করে দেওয়ার অন্যতম শ্রেষ্ঠ মাধ্যম, যার দ্বারা রাষ্ট্রের শত্রুরা তাদের অশুভ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করতে পারে। এই জনসমক্ষে প্রচারিত সংবাদপত্রগুলোর মাধ্যমে যেমন নির্দেশনা সরকার থেকে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারে, তেমনি তা মানুষের কাছ থেকে সরকারের কাছেও উন্নীত হতে পারে। সংবাদপত্রকে যত বেশি স্বাধীনতা প্রদান করা হবে, জনমতের গতিপথ সম্পর্কে তত বেশি নির্ভুলভাবে বিচার-বিশ্লেষণ করা সম্ভব হবে এবং তা তত বেশি সুনিশ্চিতভাবে কার্যকরী ভূমিকা পালন করবে। **'''''[[:w:জেরেমি বেন্থাম|জেরেমি বেন্থাম]]''''', ''প্রিন্সিপালস অফ পেনাল ল''; তৃতীয় অংশ, "অপরাধ প্রতিরোধের পরোক্ষ পদ্ধতিসমূহ"; অধ্যায় XIX, "নির্দেশনা প্রদানের ক্ষমতা থেকে আহরিত ব্যবহার"। [https://books.google.com/books?id=GGpVAAAAcAAJ&newbks=1&newbks_redir=0&dq=%22jeremy%20bentham%22%20%22newspapers%20are%20one%20of%20the%20best%20means%20of%20directing%20opinion%22&pg=RA1-PA568#v=onepage&q=%22jeremy%20bentham%22%20%22newspapers%20are%20one%20of%20the%20best%20means%20of%20directing%20opinion%22&f=false গুগল বুকস] * আপনি যদি সমগ্র আমেরিকা ঘুরে দেখেন, তবে দেখবেন ছোট ছোট সংবাদপত্রগুলো তাদের নিজ নিজ সম্প্রদায়ে সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে সত্যিই চমৎকার কাজ করছে। আধুনিক নিউ ইয়র্ক টাইমস, আধুনিক ওয়াশিংটন পোস্ট কিংবা আধুনিক ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল অধিকাংশ বিচারেই ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারির সময়ের চেয়ে এখন অনেক উন্নত মানের সংবাদপত্র। কিন্তু আপনি যদি এই ক্ষেত্রের বাকি অংশগুলোর দিকে তাকান... তবে দেখবেন যে সত্যের সর্বোত্তম লভ্য সংস্করণের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা প্রকৃত সংবাদ ক্রমশ একটি দুষ্প্রাপ্য পণ্যে পরিণত হচ্ছে এবং আমাদের সাংবাদিকতা প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রকৃত অংশ হিসেবে এর উপস্থিতি দিন দিন হ্রাস পাচ্ছে। **'''''কার্ল বার্নস্টাইন''''', সাক্ষাৎকারে {{cite news | last =স্টাফ | title =সাক্ষাৎকার: কার্ল বার্নস্টাইন | work =[[:w:ফ্রন্টলাইন (মার্কিন টিভি সিরিজ)|ফ্রন্টলাইন]] | publisher =[[:w:ডব্লিউজিবিএইচ|ডব্লিউজিবিএইচ]] এডুকেশনাল ফাউন্ডেশন | date =১০ জুলাই ২০০৬ | url =http://www-c.pbs.org/wgbh/pages/frontline/newswar/interviews/bernstein.html | accessdate =২০০৯-০২-২০ }} * প্রতিবেদক, বিশেষ্য: একজন লেখক যিনি সত্যের পথে অনুমানের ওপর ভিত্তি করে অগ্রসর হন এবং শব্দের প্রবল জলোচ্ছ্বাসে সেই সত্যকেই বিলীন করে দেন। ** '''''অ্যামব্রোস বিয়ার্স''''', ''দ্য ডেভিল'স ডিকশনারি'' (১৯১১)। * প্রথম সংশোধনীর মাধ্যমে আমাদের প্রতিষ্ঠাতা পূর্বপুরুষগণ মুক্ত সংবাদমাধ্যমকে সেই সুরক্ষা প্রদান করেছিলেন যা আমাদের গণতন্ত্রে এর অপরিহার্য ভূমিকা পালনের জন্য একান্ত প্রয়োজন। সংবাদপত্রের কাজ ছিল শাসিতদের সেবা করা, শাসকদের নয়। সংবাদপত্রের ওপর সেন্সরশিপ বা বিধি-নিষেধ আরোপের সরকারি ক্ষমতা বিলুপ্ত করা হয়েছিল যাতে সংবাদপত্র চিরকাল সরকারকে কঠোর সমালোচনা করার স্বাধীনতা ভোগ করতে পারে। সংবাদমাধ্যমকে সুরক্ষা দেওয়া হয়েছিল যাতে এটি সরকারের গোপন রহস্যগুলো উন্মোচন করতে পারে এবং জনগণকে তথ্য দিয়ে সচেতন করতে পারে। কেবল একটি স্বাধীন এবং নিয়ন্ত্রণহীন সংবাদমাধ্যমই কার্যকরভাবে সরকারের প্রতারণা ও জালিয়াতির মুখোশ খুলে দিতে পারে। ** '''''হিউগো এল. ব্ল্যাক''''', নিউ ইয়র্ক টাইমস বনাম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মামলা, পৃ. ৭১৭ * দীর্ঘকাল ধরে এটি ধরে নেওয়া হয়েছিল যে, সাংবাদিকরা যেসব ঘটনা কভার করেন বা প্রতিবেদন তৈরি করেন, তা তাদের ওপর কোনো স্থায়ী প্রভাব ফেলে না। ট্রমাটিক বা মানসিকভাবে আঘাতমূলক ঘটনাগুলোর মুখোমুখি হওয়াকে তাদের চাকরির বিবরণের অংশ এবং এই পেশার একটি সাধারণ ঝুঁকি হিসেবে দেখা হতো। ঠিক যেমন একজন জরুরি বিভাগের চিকিৎসক বা অগ্নিনির্বাপক কর্মীর ক্ষেত্রে হয়ে থাকে। অনেকে মনে করতেন যে, যারা মৃত্যু এবং ধ্বংসের খবর সংগ্রহ করেন তারা অস্বাভাবিকভাবে কঠোর মনের মানুষ এবং তারা যে মানুষের দুঃখ-দুর্দশা প্রত্যক্ষ করেন, তার প্রতিধ্বনিমূলক প্রভাব থেকে তারা কোনোভাবে মুক্ত। কিছুদিন আগ পর্যন্তও সাংবাদিকরা মনে করতেন যে, যদি তারা জনসমক্ষে স্বীকার করেন যে সংবাদ সংগ্রহের অভিজ্ঞতা দীর্ঘমেয়াদে তাদের প্রভাবিত করতে পারে, তবে তাদের দুর্বল ভাবা হবে এবং সহকর্মীদের তুলনায় কম যোগ্য বলে মনে করা হবে। ** '''''এলিসা ই. বোল্টন''''', [https://www.ptsd.va.gov/public/community/journalists-ptsd.asp “সাংবাদিকদের দ্বারা সম্মুখীন হওয়া বেদনাদায়ক ঘটনাসমূহ“], '''''ন্যাশনাল সেন্টার ফর পিটিএসডি''''', '''''ইউএস ডিপার্টমেন্ট অফ ভেটেরান্স অ্যাফেয়ার্স'''''। * সেখানে পোস্ট করা মাত্র কয়েকটি নথির প্রতিক্রিয়ায় পুরো সাইটটিতে প্রবেশাধিকার বন্ধ করে দেওয়া জনগণের জানার অধিকারকে সম্পূর্ণভাবে অবজ্ঞা করার শামিল। ** '''''অ্যান ব্রিক''''', [[:w:আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়ন|আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়ন]]-এর অ্যাটর্নি, '''''[[:w:ব্যাংক জুলিয়াস বায়ের বনাম উইকিলিকস মামলা|ব্যাংক জুলিয়াস বায়ের বনাম উইকিলিকস]]''''' মামলায় নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের আগে দেওয়া বিবৃতি — প্রতিবেদনে উল্লিখিত: [http://en.wikinews.org/wiki/Rights_groups:_Forcing_Wikileaks.org_offline_raises_%27serious_First_Amendment_concerns%27 "অধিকার গোষ্ঠীসমূহ: উইকিলিকস ডট অর্গকে অফলাইনে যেতে বাধ্য করা 'প্রথম সংশোধনীর গুরুতর উদ্বেগ' তৈরি করে"], '''''[[:n:প্রধান পাতা|উইকিসংবাদ]]''''', (২৮ ফেব্রুয়ারি ২০০৮)। * কখনোই ভুলে যাবেন না যে, আপনি যদি আপনার প্রথম বাক্যটি দিয়েই সংবাদপত্রের পাঠকের চোখের মণি বরাবর আঘাত করতে না পারেন (অর্থাৎ তার তীক্ষ্ণ মনোযোগ আকর্ষণ করতে না পারেন), তবে দ্বিতীয় বাক্যটি আর লেখার কোনো প্রয়োজনই নেই। ** '''''আর্থার ব্রিসবেন''''' (আনু. ১৯০০), উদ্ধৃত হয়েছে: অলিভার কার্লসন রচিত '''''ব্রিসবেন: এ ক্যান্ডিড বায়োগ্রাফি''''' (১৯৩৭), অধ্যায় ৫। * এমন এক সময় ছিল যখন হর্স ওয়াটসনদের মতো পেশার মানুষরা সাধারণত নেশামুক্ত অবস্থায় কখনও ঘুমাতে যেতেন না এবং তাদের লিভার বা যকৃৎ ক্ষয় হয়েই তারা মৃত্যুবরণ করতেন। সেই অক্ষরজ্ঞানসম্পন্ন দুঃসাহসী যোদ্ধাদের সীমান্ত অঞ্চলের স্যালুনগুলোতে নিজেদের বোকা বানাতে দেখাটা নিশ্চয়ই মজার ছিল। যেখানে তারা প্রতিদ্বন্দ্বী সাংবাদিক ও তাদের সমর্থকদের সাথে চাবুকপেটা এবং গোলাগুলিতে মেতে উঠতেন। কিন্তু কে থামত এটা ভাবতে যে, শব্দ এবং প্রকাশনার ক্ষমতা হাতে থাকা বলতে আসলে কী বোঝায়? এটা বুঝতে পারা যে, একটি পুরো শহর বা অঞ্চল বিচার করবে, নিন্দা জানাবে, কাজ করবে, দণ্ড মওকুফ করবে কিংবা গুণগান গাইবে শুধুমাত্র আপনার গতরাতের তড়িঘড়ি করে লেখা কোনো কিছুর ওপর ভিত্তি করে? কারণ আপনি টাইপসেটে কিছু একটা সাজিয়েছিলেন, আর তা করতে গিয়ে আপনার আঙুলের ডগায় লেগে যাওয়া ধাতব বিষগুলো অদম্যভাবে আপনার রক্তপ্রবাহে যাত্রা শুরু করেছিল? ক্ষমতার মোহে আপনি আপনার যকৃৎ আর বৃক্ককে এক স্পঞ্জি ও খিটখিটে পিন্ডে পরিণত করেছিলেন। আপনি আপনার মস্তিষ্কের কোষগুলোকে ভারী ধাতব আয়নের বিষে কলুষিত করেছিলেন যতক্ষণ না তা দিকভ্রান্ত দৃষ্টিভঙ্গির এক ভুতুড়ে বাড়িতে পরিণত হয়। [[w:অ্যালকোহল|অ্যালকোহল]] সাময়িকভাবে সেই প্রভাব কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করত। তাই আপনি একজন মদ্যপ হয়ে উঠেছিলেন, এবং দিনপ্রতি কিস্তিতে নিজের মানসিক সুস্থতা কিনে নিতেন, আর নিজেকে সবার হাসির পাত্রে পরিণত করতেন। শেষ পর্যন্ত এটি মজার কিংবা বিয়োগান্তক কোনোটিই ছিল না। এটি ছিল জীবনের এক রূঢ় বাস্তবতা যা মাঝারি মানের মানুষের ওপর ধীরগতিতে কাজ করত; কারণ সেই মাঝারিরা নিজেদের সত্ত্বাকে থামিয়ে দিয়ে নিশ্চিন্তে ঘুমাতে যেতে পারত, রাতের কাজটি তাদের নিজের সন্তুষ্টি অনুযায়ী হোক বা না হোক। ** '''''অ্যালজিস বাড্রিস''''', '''''মাইকেলমাস''''' (১৯৭৭), ISBN 0-425-03812-2, অধ্যায় ৩ (পৃ. ৩৬-৩৭)। * সাংবাদিকতা হয়তো খুব বেশি দুঃসাহস দেখানোর সাহস পায় না। এটি মৃদু হাস্যরসাত্মক এবং বিদ্রূপাত্মক হতে পারে, খুব হালকাভাবে এতে ব্যক্তিগত বৈশিষ্ট্যের ছোঁয়া থাকতে পারে, কিন্তু খুব গভীরে খনন করে এটি পাঠকদের বিমুখ করতে পারে না। ভাষার প্রতি এর দৃষ্টিভঙ্গির ক্ষেত্রে এটি বিশেষভাবে সত্য: প্রচলিত রীতিগুলো নিয়ে এখানে কোনো প্রশ্ন তোলা হয় না। ** '''''[[:w:অ্যান্থনি বার্জেস|অ্যান্থনি বার্জেস]]''''', '''''এ মাউথফুল অফ এয়ার: ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজেস, এস্পেশালি ইংলিশ''''' (১৯৯২)। * স্বঘোষিত এক তামাশাকার আর রসালো ভাড়াটে ভাঁড়,<br>নিম্নমানের মাসিক-লেখক ও উপহাসের উপহার!<br>শৈল্পিক চাটুকারিতে সে বেজায় রপ্ত, তার হস্তকৃত ম্যাগাজিন মিথ্যায় অভিশপ্ত! ** '''''[[:w:লর্ড বায়রন|লর্ড বায়রন]]''''', '''''ইংলিশ বার্ডস অ্যান্ড স্কচ রিভিউয়ার্সের''''' খন্ডাংশ (১৮০৯), লাইন ৯৭৫, বাংলায় রুপান্তরঃ '''মাহমুদ''' (২৩ এপ্রিল, ২০২৬)। == C == * মূলধারার সংবাদ মাধ্যমগুলো যখন ক্রমশ আত্মতুষ্ট হয়ে পড়ছে, এমনকি যুদ্ধপন্থী নীতিগুলোর সমর্থক হয়ে উঠছে, তখন এটি আরও বেশি অপরিহার্য হয়ে দাঁড়িয়েছে যে, যুদ্ধবিরোধী কণ্ঠস্বর এবং বিশেষ করে যুদ্ধবিরোধী সাংবাদিকরা যেন [[w:মার্কিন_যুক্তরাষ্ট্র|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের]] সেই নজির স্থাপনের প্রচেষ্টাকে প্রতিরোধ করেন, যা যুদ্ধাপরাধ প্রকাশের কাজটিকে একটি দণ্ডণীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য করতে চায়। ** '''''স্যাম কার্লিনার''''', [https://www.commondreams.org/views/2021/10/22/fate-anti-war-journalism-lies-upcoming-assange-hearings "যুদ্ধবিরোধী সাংবাদিকতার ভাগ্য আসন্ন অ্যাসাঞ্জ শুনানির ওপর নির্ভর করছে"], '''''কমন ড্রিমস''''', (২২ অক্টোবর ২০২১)। * মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির অপূরণীয় ক্ষতির বিষয়ে যারা উদাসীন বা সরাসরি সমর্থনমূলক অবস্থান গ্রহণ করে, সেইসব প্রকাশনার সম্পূর্ণ বিপরীতে অবস্থান করছে উইকিলিকস এবং এর প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ। "যদি মিথ্যা দিয়ে যুদ্ধ শুরু করা যায়, তবে সত্য দিয়ে তা থামানোও সম্ভব"—তার এই দৃষ্টিভঙ্গি অনুসরণ করে, অ্যাসাঞ্জ একবিংশ শতাব্দীর মার্কিন পররাষ্ট্রনীতি সংক্রান্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য নিখুঁত নির্ভুলতার সাথে প্রকাশ করেছেন। ** '''''স্যাম কার্লিনার''''', [https://www.commondreams.org/views/2021/10/22/fate-anti-war-journalism-lies-upcoming-assange-hearings "যুদ্ধবিরোধী সাংবাদিকতার ভাগ্য আসন্ন অ্যাসাঞ্জ শুনানির ওপর নির্ভর করছে"], '''''কমন ড্রিমস''''', (২২ অক্টোবর ২০২১)। * মূলধারার সংবাদমাধ্যমের হাজারো সমস্যা থাকা সত্ত্বেও, একটি শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান হিসেবে সাংবাদিকতা আজও যুদ্ধ প্রতিরোধ করার এবং ক্ষেত্রবিশেষে চলমান রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ বন্ধ করার অন্যতম প্রধান ও কার্যকর হাতিয়ার হিসেবে টিকে রয়েছে। এমনকি যারা সংবাদমাধ্যমের ওপর চরম আস্থাহীন, তাদেরও উচিত সংবাদপত্রের স্বাধীনতার ওপর আসা যাবতীয় আক্রমণ ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া। কারণ সংবাদপত্রের স্বাধীনতার এই সুনিশ্চিত গ্যারান্টিই যুদ্ধবিরোধী প্রতিবেদনগুলোকে মূলধারার আলোচনায় নিয়ে আসে এবং সাধারণ মানুষের প্রথাগত চিন্তাধারাকে পরিবর্তন করে তাদের সরকারকে আরও গভীরভাবে বুঝতে শেখায়। ** '''''স্যাম কার্লিনার''''', [https://www.commondreams.org/views/2021/10/22/fate-anti-war-journalism-lies-upcoming-assange-hearings "যুদ্ধবিরোধী সাংবাদিকতার ভাগ্য আসন্ন অ্যাসাঞ্জ শুনানির ওপর নির্ভর করছে"], '''''কমন ড্রিমস''''', (২২ অক্টোবর ২০২১)। * দক্ষ ও দূরদর্শী সম্পাদকদের সমন্বয়ে গঠিত একটি 'চতুর্থ স্তম্ভ' বা ফোর্থ এস্টেটের অভ্যুদয় ঘটছে। ** '''''[[:w:টমাস কার্লাইল|টমাস কার্লাইল]]''''', '''''দ্য ফ্রেঞ্চ রেভোলিউশন, এ হিস্ট্রি''''' (১৮৩৭), প্রথম অংশ, ষষ্ঠ বই, অধ্যায় ৫। * সাংবাদিকতা সত্যিই এক মহৎ ও বিশাল শক্তি। প্রতিটি দক্ষ ও কুশলী সম্পাদক কি এই বিশ্বের একেকজন প্রকৃত শাসক নন? কারণ তিনি তাঁর ক্ষুরধার লেখনী ও অকাট্য যুক্তির মাধ্যমে সমগ্র বিশ্ববাসীকে নিজ মতে প্ররোচিত করার ক্ষমতা রাখেন। ** '''''[[:w:টমাস কার্লাইল|টমাস কার্লাইল]]''''', '''''দ্য ফ্রেঞ্চ রেভোলিউশন, এ হিস্ট্রি''''' (১৮৩৭), দ্বিতীয় অংশ, প্রথম বই, অধ্যায় ৪। * বার্ক বলেছিলেন যে পার্লামেন্টে তিনটি প্রধান স্তম্ভ বা এস্টেট রয়েছে। কিন্তু তিনি ঐ যে সংবাদদাতাদের গ্যালারির দিকে ইঙ্গিত করে বলেছিলেন, সেখানে একটি 'চতুর্থ স্তম্ভ' উপবিষ্ট আছে যা আগের তিনটি স্তম্ভের তুলনায় অনেক বেশি প্রভাবশালী ও গুরুত্বপূর্ণ। এটি কোনো আলঙ্কারিক শব্দ বা নিছক চাতুর্যপূর্ণ উক্তি নয়, বরং এটি একটি আক্ষরিক সত্য। যা বর্তমান এই অস্থির সময়ে আমাদের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও অমোঘ। ** '''''[[:w:টমাস কার্লাইল|টমাস কার্লাইল]]''''', '''''অন হিরোস, হিরো-ওয়ারশিপ, অ্যান্ড দ্য হিরোইক ইন হিস্ট্রি: সিক্স লেকচারস: রিপোর্টেড''''', উইলি অ্যান্ড হ্যালস্টেড, (১৮৫৯), পৃ. ১৪৭, বক্তৃতা ৫: "দ্য হিরো অ্যাজ ম্যান অফ লেটারস"। * সাংবাদিকদের দেখলে মনে হতে পারে যে তারা প্রায় আক্ষরিক অর্থেই আধুনিক বিশ্বের এক একজন পুরোহিত... তবে পুরোহিততন্ত্রের নৈতিক অবক্ষয় ঠিক সেই মুহূর্তেই ঘটেছিল যখন এটি জ্ঞান বিতরণের জন্য গঠিত একটি সংখ্যালঘু গোষ্ঠী থেকে জ্ঞান গোপন রাখার জন্য গঠিত একটি সংখ্যালঘু গোষ্ঠীতে রূপান্তরিত হয়েছিল। সাংবাদিকতার অধঃপতনের ক্ষেত্রেও ঠিক একই ধরনের এক বিশাল বিপদ ও আশঙ্কা লুকিয়ে রয়েছে। সাংবাদিকতা নিজেই নিজের মধ্যে এমন এক ভয়াবহ দানবীয় রূপ এবং বিভ্রম সৃষ্টি করার সম্ভাবনা ধারণ করে, যা মানবজাতির জন্য অতীতে কখনও আসা যেকোনো অভিশাপের চেয়েও ভয়াবহ হতে পারে। এই ভয়ংকর রূপান্তরটি ঠিক সেই মুহূর্তেই ঘটবে যখন সাংবাদিকরা অনুধাবন করতে শুরু করবে যে তারা সমাজের এক বিশেষ অভিজাত শ্রেণীতে পরিণত হতে সক্ষম। ** '''''[[:w:জি. কে. চেস্টারটন|জি. কে. চেস্টারটন]]''''', "দ্য নিউ প্রিস্টস" (১৯০১)। [https://books.google.com/books?id=v6-RGg0qKpsC&pg=PA551&dq=%22Journalism+possesses+in+itself+the+potentiality+of+becoming+one+of+the+most+frightful+monstrosities%22&hl=en&newbks=1&newbks_redir=0&sa=X&ved=2ahUKEwikocyvmKf7AhWbj4kEHWQlDCAQuwV6BAgOEAY#v=onepage&q=%22Journalism%20possesses%20in%20itself%20the%20potentiality%20of%20becoming%20one%20of%20the%20most%20frightful%20monstrosities%22&f=false] * সাংবাদিকতা বর্তমানে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে ঠিকই, তবে এই জনপ্রিয়তার মূল ভিত্তিটি আসলে এক ধরনের কাল্পনিক আখ্যান বা ফিকশন। আমাদের যাপিত জীবন হলো এক স্বতন্ত্র জগত, আর সংবাদপত্রের পাতায় প্রতিফলিত জীবন হলো সম্পূর্ণ ভিন্ন ও কৃত্রিম এক জগত। ** '''''[[:w:জি. কে. চেস্টারটন|জি. কে. চেস্টারটন]]''''', "অন দ্য ক্রিপ্টিক অ্যান্ড দ্য এলিপ্টিক", '''''অল থিংস কনসিডারড''''' (১৯০৮)। * আমি জানি যে সাংবাদিকতা মূলত এমন সব মানুষকে 'লর্ড জোন্স মৃত' বলে সংবাদ দেওয়ার নামান্তর, যারা লর্ড জোন্স যে আদৌ জীবিত ছিলেন সেই খবরটিই কখনও জানতেন না। ** '''''[[:w:জি. কে. চেস্টারটন|জি. কে. চেস্টারটন]]''''', "দ্য পার্পল উইগ", '''''দ্য উইজডম অফ ফাদার ব্রাউন''''' (১৯১৪)। * আমাদের আধুনিক অস্তিত্বের প্রতিচ্ছবি হিসেবে সাংবাদিকতার একটি বড় ও প্রধান দুর্বলতা হলো এই যে, একে এমন এক চিত্রকল্প হতে হয় যা পুরোপুরি কিছু ব্যতিক্রমী ঘটনার সমষ্টি। আমরা চটকদার পোস্টারে ঘোষণা করি যে কোনো এক ব্যক্তি ভারা থেকে নিচে পড়ে গিয়েছেন। কিন্তু আমরা কখনও রঙিন পোস্টারে এই ঘোষণা দিই না যে কোনো এক ব্যক্তি ভারা থেকে নিচে পড়ে যাননি। অথচ বাস্তবিকভাবে পরবর্তী তথ্যটিই অনেক বেশি রোমাঞ্চকর ও উদ্দীপক। কারণ এটি নির্দেশ করে যে মানুষ নামক রহস্য আর আতঙ্কের সেই সচল মিনারটি এখনও এই পৃথিবীতে সদর্পে বিচরণ করছে। মানুষটি যে ভারা থেকে পড়ে যায়নি, সেটিই আসলে প্রকৃত অর্থে বেশি চাঞ্চল্যকর এবং এটি নিয়মিত ঘটে যাওয়া হাজারো সাধারণ ঘটনার চেয়েও অনেক বেশি বাস্তব। কিন্তু সাংবাদিকতার কাছে এমন প্রত্যাশা করা অযৌক্তিক যে তারা এই চিরন্তন ও ধ্রুব অলৌকিক ঘটনাগুলোর ওপর জোর দেবে। ব্যস্ত সম্পাদকদের কাছ থেকে এমনটা আশা করা যায় না যে তারা তাদের পোস্টারে লিখবেন, "মিস্টার উইলকিনসন এখনও নিরাপদ আছেন" কিংবা "ওয়ার্দিং-এর মিস্টার জোন্স এখনও মারা যাননি।" তারা মানবজাতির সামগ্রিক সুখ বা সাধারণ স্বাভাবিকতাকে সংবাদ হিসেবে প্রচার করতে পারেন না। তারা এমন সব কাঁটাচামচের বর্ণনা দিতে পারেন না যা চুরি হয়নি, কিংবা এমন সব দাম্পত্যের কথা লিখতে পারেন না যা বিচারবুদ্ধি খাটিয়ে ভেঙে দেওয়া হয়নি। ফলস্বরূপ, জীবনের যে পূর্ণাঙ্গ চিত্র তারা তুলে ধরেন তা অপরিহার্যভাবেই বিভ্রান্তিকর ও ত্রুটিপূর্ণ হয়ে ওঠে। কারণ তারা কেবল যা অস্বাভাবিক ও ব্যতিক্রমী, তা-ই উপস্থাপন করতে সক্ষম। তারা যত বড় গণতান্ত্রিকই হোন না কেন, দিনশেষে তারা কেবলমাত্র সংখ্যালঘু এবং বিচ্ছিন্ন ঘটনাগুলো নিয়েই বেশি ব্যস্ত থাকেন। ** '''''[[:w:জি. কে. চেস্টারটন|জি. কে. চেস্টারটন]]''''', '''''দ্য বল অ্যান্ড দ্য ক্রস''''' (১৯০৯), [http://www.classicreader.com/book/2241/4/ চতুর্থ অধ্যায়: ভোরের আলোচনা] (দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ)। * উইকিলিকস যদি কোনো ছাপাখানা থেকে প্রকাশিত সাধারণ সাময়িকী হতো, তবে এর ওপর এমন নিষেধাজ্ঞা আরোপের কথা চিন্তাও করা যেত না। ... এই মামলাটিকে যা আলাদা করে তুলেছে তা হলো, অভিযোগ অনুযায়ী তথাকথিত অগ্রহণযোগ্য বিষয়বস্তুগুলো কাগজের পরিবর্তে ইন্টারনেটে প্রকাশিত হয়েছিল। কিন্তু যারা কোনো কিছু প্রকাশ করতে চায় এবং যারা তা পড়তে চায়। তাদের সুরক্ষা প্রদানকারী মূলনীতিগুলো বিসর্জন দেওয়ার জন্য এটি অত্যন্ত দুর্বল ও ভিত্তিহীন একটি অজুহাত। মাধ্যম যা-ই হোক না কেন, সেন্সরশিপ বা কণ্ঠরোধ সবসময়ই সেন্সরশিপ হিসেবেই গণ্য হয়। ** '''''সম্পাদকীয়''''', "ইলেকট্রনিক সেন্সরশিপ", '''''[[:w:শিকাগো ট্রিবিউন|শিকাগো ট্রিবিউন]]''''', শিকাগো ট্রিবিউন কোম্পানি, (২৬ ফেব্রুয়ারি ২০০৮), পৃ. ১৪। * '''সাংবাদিকদের পরম পবিত্র দায়িত্ব হলো সত্য প্রকাশ করা। সাংবাদিকতা মানে হলো আপনাকে প্রকৃত ঘটনার মূলে ফিরে যেতে হবে, নথিপত্রগুলো গভীরভাবে খতিয়ে দেখতে হবে, নথিবদ্ধ তথ্যের আসল রূপটি উন্মোচন করতে হবে এবং ঠিক সেভাবেই তা সবার সামনে তুলে ধরতে হবে।''' ** '''''[[:w:নোম চমস্কি|নোম চমস্কি]]''''', সাক্ষাৎকারে: জয় ওয়াং, "বক্তৃতা: নোম চমস্কি", '''''বুলপেন: এনওয়াইইউ জার্নালিজম''''', [[:w:নিউ ইয়র্ক ইউনিভার্সিটি|নিউ ইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়]], (ডিসেম্বর ২০০৪)। * রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা রক্ষার প্রকৃত উদ্দেশ্য হলো সরকারকে তার নিজস্ব স্বার্থসিদ্ধি এবং প্রায়শই ভিত্তিহীন ও মিথ্যায় ঘেরা সত্যের একটি সংস্করণ প্রতিষ্ঠা করতে সহায়তা করা। আর এটি করা হয় জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়া 'তথ্য' বা 'উপাত্ত'গুলোকে অত্যন্ত সতর্কতার সাথে বাছাই করার মাধ্যমে। তারা তাদের প্রকৃত জানা তথ্যের যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত প্রকাশ কিংবা বিকল্প কোনো তথ্যসূত্রের উপস্থিতিতে চরমভাবে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। সংবাদসূচির ওপর তাদের এই একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার ক্ষেত্রে যেকোনো ধরনের হুমকিকে সম্ভব হলে দমন করা হয়। আর যেখানে দমন করা সম্ভব হয় না, সেখানে দায়ীদের খুঁজে বের করে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা হয়।<br>[[w:ইয়েমেনী_সংকট_(২০১১-বর্তমান)|ইয়েমেন যুদ্ধ]]—যেখানে অন্তত ৭০,০০০ মানুষ প্রাণ হারিয়েছে! সেই যুদ্ধ সম্পর্কে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশ করে দেওয়াই হলো প্রধান কারণ যার জন্য মার্কিন সরকার জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ এবং জিক্রি—উভয়কেই চরমভাবে হেনস্তা ও নিপীড়ন করছে। ** '''''প্যাট্রিক ককবার্ন''''', [https://www.counterpunch.org/2019/06/04/why-the-us-is-persecuting-assange/ "কেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অ্যাসাঞ্জকে নিপীড়ন করছে?"], '''''কাউন্টারপাঞ্চ''''', (৪ জুন ২০১৯)। * এক দশক আগে আমি যখন কাবুলে অবস্থান করছিলাম, ঠিক তখনই উইকিলিকস আফগানিস্তান, ইরাক এবং ইয়েমেনের সংঘাত সংক্রান্ত মার্কিন সরকারের নথিপত্রের এক বিশাল ভাণ্ডার উন্মোচন করেছিল। সেই প্রকাশের দিনটিতে আমি একজন মার্কিন কর্মকর্তার সাথে দেখা করার জন্য ফোনে কথা বলছিলাম... তিনি এই বিষয়টি নিয়ে অত্যন্ত উৎসুক ছিলেন এবং আমার কাছে জানতে চেয়েছিলেন যে ফাইলগুলোর গোপনীয়তার মাত্রা বা ক্লাসিফিকেশন সম্পর্কে আসলে কী জানা গেছে। আমি যখন তাঁকে বিস্তারিত জানালাম, তিনি বেশ স্বস্তির সুরে বললেন: “তাহলে তো দেখছি এর মধ্যে প্রকৃত অর্থে গোপন রাখার মতো তেমন কিছুই নেই।” ** '''''প্যাট্রিক ককবার্ন''''', [https://www.counterpunch.org/2019/06/04/why-the-us-is-persecuting-assange/ "কেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অ্যাসাঞ্জকে নিপীড়ন করছে?"], '''''কাউন্টারপাঞ্চ''''', (৪ জুন ২০১৯)। * আমরা এই শুনানিতে উপস্থিত সবাইকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানাচ্ছি। ১৯৮৯ সালের 'টেক্সাস বনাম জনসন' মামলায় সুপ্রিম কোর্ট আমাদের গণতন্ত্রের অন্যতম মৌলিক একটি আদর্শ তুলে ধরেছিল। সেটি হলোঃ প্রথম সংশোধনীর পেছনে যদি কোনো সুদৃঢ় ও অপরিবর্তনীয় ভিত্তি থেকে থাকে, তবে তা হলো এই যে: সরকার কোনো নির্দিষ্ট ধারণার বহিঃপ্রকাশকে কেবল এই অজুহাতে নিষিদ্ধ করতে পারে না যে সমাজ সেই ধারণাটিকে আপত্তিকর বা অপ্রীতিকর বলে মনে করছে। এই অমোঘ কথাগুলো ছিল বিচারপতি উইলিয়াম ব্রেনান জুনিয়রের। ** '''''কংগ্রেসম্যান জন কনিয়ার্স''''', [https://www.govinfo.gov/content/pkg/CHRG-111hhrg63081/html/CHRG-111hhrg63081.htm "মার্কিন কংগ্রেস হাউস হিয়ারিং: এসপিওনাজ অ্যাক্ট এবং উইকিলিকস কর্তৃক উত্থাপিত আইনি ও সাংবিধানিক সমস্যাসমূহ"], বিচার বিভাগীয় কমিটি, প্রতিনিধি সভা, (১৬ ডিসেম্বর ২০১০)। [https://www.c-span.org/video/?297115-1/wikileaksthe-espionage-act-constitution সি-স্প্যান রেকর্ডিং] * ...এই বিতর্ক সম্পর্কে যার যা-ই মত থাকুক না কেন, এটি অত্যন্ত স্পষ্ট যে উইকিলিকস-এর বিরুদ্ধে বিচারিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে তা বাকস্বাধীনতা, সাংবাদিকের প্রকৃত পরিচয় এবং নাগরিকরা তাদের নিজস্ব সরকারের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে আসলে কতটুকু জানার অধিকার রাখে। তা নিয়ে অত্যন্ত মৌলিক ও সুদূরপ্রসারী প্রশ্নের জন্ম দেবে। প্রকৃতপক্ষে, যদিও এ বিষয়ে একটি সাধারণ ঐকমত্য রয়েছে যে মাঝে মাঝে রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা বজায় রাখা অপরিহার্য, তবুও বর্তমান সময়ের আসল সমস্যাটি গোপনীয়তার অভাব নয়, বরং অতিমাত্রায় গোপনীয়তা রক্ষা করার প্রবণতা। ** '''''কংগ্রেসম্যান জন কনিয়ার্স''''', [https://www.govinfo.gov/content/pkg/CHRG-111hhrg63081/html/CHRG-111hhrg63081.htm "মার্কিন কংগ্রেস হাউস হিয়ারিং: এসপিওনাজ অ্যাক্ট এবং উইকিলিকস কর্তৃক উত্থাপিত আইনি ও সাংবিধানিক সমস্যাসমূহ"], বিচার বিভাগীয় কমিটি, প্রতিনিধি সভা, (১৬ ডিসেম্বর ২০১০)। [https://www.c-span.org/video/?297115-1/wikileaksthe-espionage-act-constitution সি-স্প্যান রেকর্ডিং] * গণমাধ্যম এমন এক ধরনের বিশ্বাসযোগ্যতা বহন করে যা তারা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই পাওয়ার যোগ্য নয়। আপনারা সবাই কোনো না কোনোভাবে জীবনের এই অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়েছেন। [...]<br>সংক্ষেপে বলতে গেলে, '''গেল-ম্যান অ্যামনেসিয়া এফেক্ট''' বা বিস্মৃতি প্রভাবটি হলো এইরকম: আপনি সংবাদপত্রের এমন একটি নিবন্ধ পড়তে শুরু করলেন যে বিষয়টি সম্পর্কে আপনার আগে থেকেই খুব ভালো জানাশোনা আছে। [...] আপনি নিবন্ধটি পড়লেন এবং বুঝতে পারলেন যে ওই সাংবাদিকের সংশ্লিষ্ট তথ্য বা বিষয়টি সম্পর্কে বিন্দুমাত্র কোনো ধারণা নেই। [...] আপনি অত্যন্ত বিরক্তি বা কৌতুকের সাথে সেই প্রতিবেদনের অসংখ্য ভুলগুলো লক্ষ্য করলেন, কিন্তু এরপরই পাতার উল্টো পাশে গিয়ে জাতীয় বা আন্তর্জাতিক বিষয়ক সংবাদগুলো এমনভাবে পড়তে শুরু করলেন যেন সংবাদপত্রের বাকি অংশগুলো [[w:ফিলিস্তিন|ফিলিস্তিন]] বা অন্য কোনো জটিল বিষয়ে অনেক বেশি নির্ভুল। যদিও মাত্র কয়েক মুহূর্ত আগেই আপনি একগাদা আজেবাজে ও ভুল তথ্য পড়েছেন। '''আপনি যদি পাতা উল্টাতে থাকেন, আর যা আপনি জানেন তা মুহূর্তেই ভুলে যান।''' ** '''''মাইকেল ক্রিকটন''''', [https://web.archive.org/web/20190808123852/http://larvatus.com/michael-crichton-why-speculate/ "কেন অনুমান করবেন?"], (লা জোলা, ক্যালিফোর্নিয়ার ইন্টারন্যাশনাল লিডারশিপ ফোরামে দেওয়া ভাষণ, ২৬ এপ্রিল ২০০২)। মূল উৎস থেকে ৮ আগস্ট ২০১৯ তারিখে আর্কাইভ করা। সংগৃহীত: ৩ মে ২০২২। == D == [[File:Betty Friedan 1960.jpg|thumb|আজকের দিনের গম্ভীর ও মননশীল অ-কল্পকাহিনী লেখকরা সমাজের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ সামাজিক বিজ্ঞানের সুদৃঢ় ভিত্তি এবং একজন প্রতিবেদকের সাংবাদিকতা দক্ষতার সমন্বয়ে তাঁরা কেবল সংবাদ পরিবেশনের গণ্ডি পেরিয়ে আমাদের উদীয়মান সমাজের অগ্রযাত্রার একেবারে সম্মুখভাগে অবস্থান করেন।<br>~'''''বেটি ফ্রিডান''''' ]] * আমি সত্যি বুঝতে অক্ষম যে সাংবাদিকতাকে কেন এত জঘন্য, এত বেশি বিদ্রূপাত্মক এবং অন্যের ব্যক্তিগত বিষয়ে হস্তক্ষেপকারী হতে হয়। ** '''''পাল ড্যানিয়েলস''''', উদ্ধৃত হয়েছে: '''''[[:w:দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট|দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট]]''''', (১৭ মার্চ ২০১৬)। * এই সংবাদপত্র আমাদের জন্য সব কিছুই করে থাকে। এটি পুলিশ বাহিনীকে পরিচালনা করে এবং ব্যাংকগুলো চালায়, সামরিক বাহিনীকে আদেশ দেয়, আইনসভা নিয়ন্ত্রণ করে, নবজাতকদের দীক্ষা দেয়, নির্বোধদের বিবাহ সম্পন্ন করে, '''বেদনার্তদের সান্ত্বনা দেয় ও শান্তিতে থাকাদের অস্বস্তিতে ফেলে''', মৃতদের সমাহিত করে এবং পরবর্তীতে তাদের কঠোর সমালোচনা করে দহন করে। এমন কোনো বিষয় নেই যা তারা স্পর্শ করে না, তা পবিত্র রুটির আধ্যাত্মিক রূপান্তর ব্যাখ্যা করা থেকে শুরু করে সাধারণ বিস্কুট তৈরির প্রণালী পর্যন্ত যা-ই হোক না কেন। ** '''''ফিনলে পিটার ডান''''', "নিউজপেপার পাবলিসিটি", '''''অবজারভেশনস বাই মিস্টার ডুলি''''' (১৯০২)। == E == * সাংবাদিকতা হলো একটি সুসংগঠিত পরচর্চা। ** '''''এডওয়ার্ড এগলেস্টন''''' == F == * “সে কি তোমাকে বিশ্বাস করেছিল?”<br>“সে একজন অত্যন্ত দক্ষ ও ঝানু সাংবাদিক। কাজেই অবশ্যই বিশ্বাস করেনি।” ** '''''জ্যাসপার ফোর্ড''''', '''''ওয়ান অফ আওয়ার থার্সডেস ইজ মিসিং''''' (২০১১), ISBN 978-0-670-02252-6, পৃ. ২০৫। * আমার মনে হয়, শেষ পর্যন্ত আমরা সাংবাদিকরা অন্তত সেই চেষ্টাটুকু করি বা করা উচিত। যেন আমরা ইতিহাসের প্রথম নিরপেক্ষ সাক্ষী হতে পারি। যদি আমাদের অস্তিত্বের পেছনে কোনো সার্থকতা থেকে থাকে, তবে তা অবশ্যই ইতিহাসের ঘটনাপ্রবাহ যেভাবে ঘটে ঠিক সেভাবেই উপস্থাপন করার ক্ষমতার মধ্যে নিহিত; যেন ভবিষ্যতে কেউ কখনও এমনটা বলতে না পারে: 'আমরা জানতাম না! আমাদের কেউ বলেনি।' ** '''''রবার্ট ফিস্ক''''', '''''দ্য গ্রেট ওয়ার ফর সিভিলাইজেশন: দ্য কনকুয়েস্ট অফ দ্য মিডল ইস্ট''''', ফোর্থ এস্টেট, (২০০৫), পৃ. ২৫, ISBN 0007203837। * আজকের দিনের গম্ভীর ও মননশীল অ-কল্পকাহিনী লেখকরা সমাজের জন্য অপরিহার্য। কারণ সামাজিক বিজ্ঞানের সুদৃঢ় তাত্ত্বিক ভিত্তি এবং একজন প্রতিবেদকের তীক্ষ্ণ সাংবাদিকতা দক্ষতার অনবদ্য সমন্বয়ে তাঁরা কেবল সাধারণ সংবাদ পরিবেশনের গণ্ডি অতিক্রম করেন এবং আমাদের উদীয়মান ও পরিবর্তনশীল সমাজের অগ্রযাত্রার একেবারে সম্মুখভাগে অবস্থান নেন। ** '''''বেটি ফ্রিডান''''' (মে ১৯৭৮), ''৩০তম বার্ষিকী জার্নাল'', '''''আমেরিকান সোসাইটি অফ জার্নালিস্ট অ্যান্ড অথরস'''''; উদ্ধৃত হয়েছে: '''''দ্য কমপ্লিট গাইড টু রাইটিং নন-ফিকশন''''' (১৯৮৩), গ্লেন ইভান্স সম্পাদিত, রাইটার্স ডাইজেস্ট বুকস, সিনসিনাটি, ওহাইও, পৃ. ৫, ISBN 0-89879-117-0। == G == * যখন সাংবাদিকতার বিকৃত ভাষা বা 'জার্নালিজ' তার চরম শিখরে পৌঁছেছিল, ঠিক তখনই স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, হয়তো এটি একটি কাকতালীয় ঘটনা মাত্র। ** '''''জন গলসওয়ার্দি''''' (জুলাই ১৯২৪), ''অন এক্সপ্রেশন'', ইংলিশ অ্যাসোসিয়েশনের রাষ্ট্রপতির ভাষণ, পৃ. ১২; উদ্ধৃতিটি পুনরুৎপাদন করা হয়েছে: ডেভিড ক্রিস্টাল ও হিলারি ক্রিস্টাল রচিত '''''ওয়ার্ডস অন ওয়ার্ডস: কোটেশনস অ্যাবাউট ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজেস''''' (২০০০), ইউনিভার্সিটি অফ শিকাগো প্রেস, পৃ. ২৭৬, ISBN 0226122018। * সাংবাদিকতা কোনো প্রথাগত পেশা নয়... এর অন্তরে এটি কেবল একটি সৃজনশীল শিল্প বা কারুশিল্প। আর এর অর্থ হলো, যে কেউ যার বিচারবুদ্ধি আছে, যে বুদ্ধিমান, চিন্তাশীল এবং কৌতূহলী—তিনিই এই শিল্পের চর্চা করতে পারেন। ** '''''সু গার্ডনার''''', [https://en.wikinews.org/wiki/Interview_with_Sue_Gardner_of_the_Wikimedia_Foundation "উইকিমিডিয়া ফাউন্ডেশনের সু গার্ডনারের সাথে সাক্ষাৎকার"], '''''উইকিসংবাদ''''', ২৪ অক্টোবর ২০০৭। * তৃণমূল পর্যায়ের সাংবাদিকতা হলো নাগরিক-সৃষ্ট সংবাদমাধ্যমের সেই বিস্তৃত পরিস্থিতির একটি অংশ, যা আসলে একটি বিশ্বব্যাপী আলাপচারিতা এবং এটি প্রতিনিয়ত শক্তিতে, জটিলতায় ও প্রভাবে সমৃদ্ধ হচ্ছে। মানুষ যখন নিজেকে প্রকাশ করার সুযোগ পায়, তারা অবশ্যই তা করে। যখন তারা শক্তিশালী অথচ সুলভ সরঞ্জাম হাতে পায়, তখন তারা অত্যন্ত দ্রুততার সাথে এই নতুন সংবাদমাধ্যমের জগতের সাথে নিজেদের মানিয়ে নেয়। আর যখন তারা সম্ভাব্য এক বিশ্বব্যাপী শ্রোতামণ্ডলীর কাছে পৌঁছাতে সক্ষম হয়, তখন তারা আক্ষরিক অর্থেই পুরো পৃথিবীটাকে বদলে দিতে পারে। ** '''''ড্যান গিলমোর''''', '''''উই দ্য মিডিয়া: গ্রাসরুটস জার্নালিজম বাই দ্য পিপল ফর দ্য পিপল''''' (২০০৬), ও'রেলি মিডিয়া, পৃ. xv, ISBN 0596102275। * যদিও সাংবাদিকদের উচিত '''[[w:উইকিলিকস|উইকিলিকসকে]]''' (একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা; যা বিভিন্ন অপ্রকাশিত ও গোপন নথিসমূহ প্রকাশ করে) কিছুটা সংশয়ের দৃষ্টিতে দেখা, কিন্তু একে কোনোভাবেই উপেক্ষা করার উপায় নেই। অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার এই সাহসী নতুন বিশ্বে আপনাদের স্বাগতম। ** '''''শন গনসালভস''''', [http://www.alternet.org/mediaculture/90641/will_wikileaks_revolutionize_journalism/?page=2 "উইকিলিকস কি সাংবাদিকতায় বিপ্লব ঘটাবে?"], '''''অল্টারনেট''''', (৭ জুলাই ২০০৮)। * যেখানে নিস্তব্ধতা বিরাজ করে, সেখানে ছুটে যাওয়াই একজন সাংবাদিকের পরম দায়িত্ব। যারা বিস্মৃত, পরিত্যক্ত এবং ক্ষমতাশালীদের দ্বারা নিগৃহীত হয়েছে, তাদের কণ্ঠস্বর হয়ে ওঠা। আমাদের এমন এক 'ট্রিকল-আপ' বা তৃণমূল থেকে উঠে আসা গণমাধ্যম গড়ে তুলতে হবে যা এই দেশ এবং এর মানুষের প্রকৃত চরিত্রকে প্রতিফলিত করবে। ** '''''অ্যামি গুডম্যান''''', ডেভিড গুডম্যানের সাথে যৌথভাবে রচিত '''''দ্য এক্সেপশন টু দ্য রুলার্স''''' (২০০৪)। * সাংবাদিকদের কাজ হলো ক্ষমতার ওপর নজরদারি করা এবং ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষা করা, জনপ্রিয়তার প্রতিযোগিতায় জয়ী হওয়া নয়। ** '''''[[:w:অ্যামি গুডম্যান|অ্যামি গুডম্যান]]''''', ভূমিকা, '''''ডেমোক্রেসি নাও!: টুয়েন্টি ইয়ার্স কভারিং দ্য মুভমেন্টস চেঞ্জিং আমেরিকা''''' (২০১৬)। * মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ধর্ম হলো সামরিক সব কিছুর উপাসনা করা। আর সাংবাদিকরা হলেন সেই ধর্মের প্রধান পুরোহিত। ** '''''গ্লেন গ্রিনওয়াল্ড''''' (১৯৬৭), ডেমোক্রেসি নাও! এর সাথে সাক্ষাৎকার (১৪ নভেম্বর ২০১২): [http://www.democracynow.org/2012/11/14/glenn_greenwald_while_petraeus_had_affair "গ্লেন গ্রিনওয়াল্ড: যখন পেট্রাউস জীবনীকারের সাথে প্রণয়ে লিপ্ত ছিলেন, কর্পোরেট মিডিয়া তখন পেট্রাউসের প্রেমে মগ্ন ছিল।"] সংগৃহীত: ১৫ নভেম্বর ২০১২। * গাজায় সংবাদমাধ্যমের কার্যালয়গুলো ধ্বংস করা এবং সাংবাদিকদের হত্যা করা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। সংঘাতপূর্ণ এলাকাগুলোতেও সাংবাদিকদের আক্রমণ বা হেনস্তার ভয় ছাড়াই তাদের অপরিহার্য কাজ চালিয়ে যেতে সক্ষম হতে হবে। তাঁদের অবশ্যই সুরক্ষা দিতে হবে এবং সম্মান করতে হবে... এমনকি যুদ্ধেরও সুনির্দিষ্ট কিছু নিয়ম আছে। সর্বোপরি, সাধারণ নাগরিকদের অবশ্যই রক্ষা করতে হবে... বাছবিচারহীন হামলা এবং বেসামরিক ব্যক্তি ও তাদের সম্পদের ওপর আক্রমণ করা যুদ্ধ আইনের চরম লঙ্ঘন। ** '''''[[:w:আন্তোনিও গুতেরেস|আন্তোনিও গুতেরেস]]''''', [https://www.un.org/sg/en/content/sg/statement/2021-05-20/secretary-general%E2%80%99s-remarks-the-general-assembly-meeting-the-situation-the-middle-east-and-palestine-delivered "মধ্যপ্রাচ্য ও ফিলিস্তিন পরিস্থিতি নিয়ে সাধারণ পরিষদের সভায় মহাসচিবের বক্তব্য"], জাতিসংঘ মহাসচিব, বিবৃতি (২০ মে ২০২১)। == H == [[File:Thomas Jefferson 1904 Issue, 2c.jpg|thumb|যদি আমাকে সিদ্ধান্ত নিতে বলা হয় যে আমাদের কি সংবাদপত্রহীন কোনো সরকার থাকা উচিত, নাকি সরকারহীন সংবাদপত্র থাকা উচিত। তবে আমি দ্বিতীয়টি বেছে নিতে এক মুহূর্তও দ্বিধা করব না।<br>~'''''[[:w:টমাস জেফারসন|টমাস জেফারসন]]''''' ]] * সম্পাদক: সংবাদপত্রের দ্বারা নিযুক্ত এমন একজন ব্যক্তি, যাঁর কাজ হলো সারবস্তু থেকে অসার অংশকে আলাদা করা এবং এটি নিশ্চিত করা যে সেই অসার অংশগুলোই যেন সংবাদপত্রে ছাপা হয়। ** '''''এলবার্ট হাববার্ড''''' (১৯১৪), ''দ্য রয়ক্রফট ডিকশনারি অফ এপিগ্রামস''; উদ্ধৃত হয়েছে: ফ্রেড আর. শাপিরো সম্পাদিত '''''দ্য ইয়েল বুক অফ কোটেশনস''''', ইয়েল ইউনিভার্সিটি প্রেস, নিউ হ্যাভেন, কানেকটিকাট, পৃ. ৩৭৪, ISBN 0300107986। == I == * ...মার্কিন সমাজবিজ্ঞানী জর্জ ইয়ান্সি তাঁর ২০১৫ সালের গ্রন্থ "হোস্টাইল এনভায়রনমেন্ট"-এ খ্রিস্টধর্ম এবং সাধারণভাবে রক্ষণশীল ধর্মের বিরুদ্ধে মার্কিন গণমাধ্যমের পক্ষপাতিত্বের ওপর আলোকপাত করেছেন এবং এর মূল কারণ হিসেবে খুঁজে পেয়েছেন যে, '''মূলধারার মার্কিন সাংবাদিকতা হলো একটি স্ব-স্থায়ীকৃত আভিজাত্য বা বর্ণপ্রথা।''' আপনি যদি একজন ইভানজেলিকাল খ্রিস্টান হন কিংবা প্রচলিত উদারপন্থী ও ধর্মনিরপেক্ষ আদর্শের সাথে, বিশেষ করে নৈতিক বিষয়গুলোতে একমত না হন, তবে কোনো মূলধারার সংবাদমাধ্যমে নিয়োগ পাওয়ার জন্য প্রথম সাক্ষাৎকারেই আপনাকে প্রত্যাখ্যান করে ছুড়ে ফেলে দেওয়া হবে। ** '''''মাসিমো ইনত্রোভিনে''''', [https://bitterwinter.org/the-anti-religious-anti-cult-and-anti-tai-ji-men-bias-in-the-media/ "গণমাধ্যমে ধর্ম-বিরোধী, গোষ্ঠী-বিরোধী এবং তাই জি মেন-বিরোধী পক্ষপাতিত্ব"], '''''বিটার উইন্টার''''', (মে ২০২৪)। * সাংবাদিকতা মানে দর্শক বা পাঠকদের জটিলতা থেকে দূরে সরিয়ে রাখা নয়। বরং এটি হলো জটিল বিষয়গুলোকে নিখুঁতভাবে উপস্থাপন করা এবং সেই জটিলতার মধ্য দিয়ে পথ চলার জন্য দর্শকদের বিচারবুদ্ধির ওপর আস্থা রাখা। একটি তথ্যচিত্র যা সমস্ত ভিন্নমত পোষণকারী কণ্ঠস্বরকে বর্জন করে, তাকে কোনোভাবেই প্রকৃত অনুসন্ধান বলা চলে না। ** '''''মাসিমো ইনত্রোভিনে''''', [https://bitterwinter.org/france-hate-speech-against-scientology-now-funded-by-taxpayers/ "ফ্রান্স: সায়েন্টোলজির বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক বক্তব্য এখন করদাতাদের অর্থে অর্থায়িত হচ্ছে"], '''''বিটার উইন্টার''''', (১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬)। == J == * একজন ব্যক্তির জীবন, স্বাধীনতা এবং সম্পত্তির অধিকার, সেইসাথে বাকস্বাধীনতা, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা, উপাসনা ও সমাবেশের অধিকার এবং অন্যান্য মৌলিক অধিকারগুলো ভোটের ওপর ছেড়ে দেওয়া যায় না। এগুলো কোনো নির্বাচনের ফলাফলের ওপর নির্ভর করে না। ** '''''[[:w:রবার্ট এইচ. জ্যাকসন|রবার্ট এইচ. জ্যাকসন]]''''', '''''[[:w:ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া স্টেট বোর্ড অফ এডুকেশন বনাম বারনেট মামলা|ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া স্টেট বোর্ড অফ এডুকেশন বনাম বারনেট]]''''', মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট, (১৯৪৩), ৩১৯ ইউ.এস. ৬২৪, ৬৩৮। * আমাদের সরকারের ভিত্তি যেহেতু জনমত, তাই আমাদের প্রথম ও প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত সেই অধিকারকে সমুন্নত রাখা। আর যদি আমাকে সিদ্ধান্ত নিতে বলা হয় যে আমাদের কি সংবাদপত্রহীন কোনো সরকার থাকা উচিত, নাকি সরকারহীন সংবাদপত্র থাকা উচিত—তবে আমি দ্বিতীয়টি বেছে নিতে এক মুহূর্তও দ্বিধা করব না। তবে আমার এই বক্তব্যের অর্থ এই যে, প্রতিটি মানুষের কাছে সেই সংবাদপত্র পৌঁছাতে হবে এবং তাদের তা পাঠ করার সক্ষমতা থাকতে হবে। ** '''''[[:w:টমাস জেফারসন|টমাস জেফারসন]]''''', কর্নেল এডওয়ার্ড ক্যারিংটনকে লেখা চিঠি (১৬ জানুয়ারি ১৭৮৭), লিপসকম্ব ও বার্গ সংস্করণ ৬:৫৭। * সংবাদপত্রকে কীভাবে পরিচালনা করলে তা সবচেয়ে বেশি জনকল্যাণকর হবে, এ বিষয়ে আমার মত জানতে চাইলে আমি বলব, "একে কেবল ধ্রুব সত্য ঘটনা এবং নির্ভুল নীতিমালার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার মাধ্যমে।" তবুও আমার ভয় হয় যে এমন সংবাদপত্রের গ্রাহক সংখ্যা হবে খুবই নগণ্য। এটি একটি বিষাদময় সত্য যে, সংবাদপত্রের কণ্ঠরোধ করা হলে দেশ যতটা না এর সুফল থেকে বঞ্চিত হয়, তার চেয়েও বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় যখন সংবাদপত্র নির্লজ্জভাবে মিথ্যার কাছে নিজেকে সঁপে দেয়। সংবাদপত্রে যা দেখা যায় তার কোনো কিছুই এখন আর বিশ্বাস করা যায় না। এমনকি পরম সত্যও যখন এই কলুষিত মাধ্যমের ভেতর দিয়ে প্রকাশিত হয়, তখন তাও সন্দেহজনক হয়ে ওঠে। ভুল তথ্যের এই রাজত্ব আসলে কতটা বিস্তৃত তা কেবল তারাই জানেন যারা তাদের ব্যক্তিগত জ্ঞান দিয়ে দিনের পর দিন এই মিথ্যাগুলোর মুখোশ উন্মোচন করতে পারেন। ... আমি আরও যোগ করব যে, যে ব্যক্তি কখনোই সংবাদপত্র দেখেন না তিনি সেই ব্যক্তির চেয়ে বেশি অবগত ও শিক্ষিত যিনি নিয়মিত সংবাদপত্র পড়েন। কারণ যিনি কিছুই জানেন না তিনি সেই ব্যক্তির তুলনায় সত্যের অনেক বেশি কাছাকাছি থাকেন যার মন মিথ্যা আর ভ্রান্তিতে পরিপূর্ণ। যে ব্যক্তি কিছুই পড়ে না সে অন্তত মহান সত্যগুলো শিখতে পারবে, যেখানে সংবাদপত্রের বিস্তারিত তথ্যগুলোর সবই মিথ্যে। ** '''''[[:w:টমাস জেফারসন|টমাস জেফারসন]]''''', [[:w:জন নরভেল|জন নরভেল]]-কে লেখা চিঠি (১১ জুন ১৮০৭)। [https://www.loc.gov/resource/mtj1.038_0592_0594/?sp=2&st=text মূল উৎস এবং প্রতিলিপি] * আমাদের সংবাদপত্রগুলো বর্তমানে যে পঙ্কিল ও জঘন্য অবস্থায় পতিত হয়েছে, এবং যারা এই সংবাদপত্রের জন্য লেখেন, তাদের সেই বিদ্বেষপরায়ণতা, অসভ্যতা ও মিথ্যাচারের মানসিকতার জন্য আমি আপনার মতোই গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করছি। আমরা ঠিক কতটা অতল গহ্বরে তলিয়ে গেছি তার প্রমাণ হিসেবে আমি আপনাকে নিউ ইংল্যান্ডের একজন বিচারকের সাম্প্রতিক একটি লেখা পাঠাচ্ছি। এই সব আবর্জনা জনরুচিকে দ্রুত কলুষিত করছে এবং সুস্থ চিন্তার প্রতি মানুষের আগ্রহ কমিয়ে দিচ্ছে। তথ্যের বাহন হিসেবে এবং আমাদের কর্মকর্তাদের ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখার যন্ত্র হিসেবে সংবাদপত্রগুলো এখন সম্পূর্ণ অকেজো হয়ে পড়েছে; কারণ তারা বিশ্বাসযোগ্যতার সমস্ত দাবি হারিয়ে ফেলেছে। আমি আপনার সাথে একমত যে, দলীয় মানসিকতার চরম সহিংসতা এবং বিদ্বেষই এই পরিস্থিতির জন্য বহুলাংশে দায়ী... ** '''''[[:w:টমাস জেফারসন|টমাস জেফারসন]]''''', [https://founders.archives.gov/documents/Jefferson/03-07-02-0052 ওয়াল্টার জোন্সকে লেখা চিঠি] (২ জানুয়ারি ১৮১৪)। * তারা এ নিয়ে মিথ্যে কথা বলেছিল! শত্রু যখন সমুদ্রের পানি ফুটিয়ে ফেলল, আমাদের ষষ্ঠ নৌবহরকে জ্বালিয়ে ছারখার করে দিল এবং উপকূলরেখার পঞ্চাশ মাইলের মধ্যে থাকা প্রতিটি পুরুষ, নারী ও শিশুকে পুড়িয়ে মারল! তখন কিন্তু আপনি অন্তত কিছু সংবাদ প্রতিবেদন আশা করতেই পারতেন। কিন্তু তারা কী রিপোর্ট করল? ফ্লোরিডাতে কিসের সামান্য ভূমিক্ষয়! ওহে নারী, তারা তো পুরো সমুদ্রটাই লাভা-প্লাবিত করে ফেলেছিল! ** '''''আর্থার এম. জলি''''', ''আফটার ইটস অল ওভার'' নাটকে, অরিজিনাল ওয়ার্কস প্রেস, (২০০৯)। * বাইরের মানুষ যা বুঝতে পারেন না তা হলোঃ কটি সংবাদপত্র আসলে একটি 'সুফলে'র / '''Soufflé''' মতো, যা দ্রুত খাওয়ার জন্য খুব তড়িঘড়ি করে প্রস্তুত করা হয়। আর ঠিক এই কারণেই যখনই আপনি এমন কোনো ঘটনার সংবাদপত্র প্রতিবেদন পড়েন যা সম্পর্কে আপনার ব্যক্তিগত জ্ঞান রয়েছে, তখনই সেটি আপনার কাছে প্রায় সবসময়ই অপর্যাপ্ত বা ভুল বলে মনে হয়। সাংবাদিকরাও অন্য সবার মতো এই ত্রুটির বিষয়ে সচেতন। কিন্তু বিষয়টি স্রেফ এই যে, যদি তথ্যকে যত বেশি সম্ভব পাঠকের কাছে পৌঁছাতে হয়, তবে নিখুঁত হওয়ার চেয়ে বরং কিছুটা কম গুণমানকেই প্রায়শ মেনে নিতে হয়। ** '''''ডেভিড ই. এইচ. জোন্স''''', '''''নিউ সায়েন্টিস্ট''''', খণ্ড ২৬, (১৯৬৫)। == K == * তারা ছিল পেশাদার ক্ষোভ-বিশারদ যারা কেবল একটি জিনিসই জানত। কীভাবে পরিচয়বাদী রাজনীতি বা আইডেন্টিটি পলিটিক্স দিয়ে গোটা পশ্চিমা বিশ্বকে পিটিয়ে হত্যা করতে হয়। আর এখন, গত কয়েক বছরের মধ্যে দেখা সবচেয়ে উদ্দীপক বিদ্রূপের সাথে আমরা অন্তত নিরাপদে এটা বলতে পারি যে, তাদের সময় ফুরিয়ে এসেছে, "'''#টাইমসআপ'''"। ** '''''রহিম কাসাম''''', "না, আমি সেই সাংবাদিকদের জন্য দুঃখিত নই যারা চাকরি হারিয়েছে — আমি বরং দারুণ রোমাঞ্চিত", '''''ডেইলি কলার''''', (২৮ জানুয়ারি ২০১৯)। * আমার এবং আমাদের সবার সমস্যা হলো যে আমি মনে করি সংবাদ ব্যবসার সাথে জড়িত অধিকাংশ মানুষই আমার এই মতের সাথে একমত হবেন, যে আমরা (এবং এখানে আমি কেবল '[[w:দ্য_টাইমস|দ্য টাইমস]]' এর কথা বলছি না) নাম প্রকাশ না করার আড়ালে অত্যন্ত নীরস উদ্ধৃতি অথবা মাঝে মাঝে অলস পরচর্চা ও কটাক্ষ প্রকাশ করতে বড্ড বেশি উন্মুখ থাকি। আমার কাছে মনে হয়, এটি তথ্যসূত্রের সুরক্ষা বা সোর্স প্রোটেকশনের মূল্যকে সস্তা করে দেয়। ** '''''বিল কেলার''''', '''''[[:w:দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস|দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের]]''''' নির্বাহী সম্পাদক, বেনামী তথ্যসূত্র প্রসঙ্গে (১৩ মে ২০০৫), '''''অন দ্য মিডিয়া'''''তে। == L == * সংবাদপত্র সবসময়ই মানুষের মনে প্রবল কৌতূহল জাগিয়ে তোলে। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো, কেউ কোনোদিন সংবাদপত্র পাঠ শেষ করার পর একরাশ হতাশা বা অতৃপ্তি ছাড়া তা হাত থেকে নামিয়ে রাখতে পারে না। ** '''''চার্লস ল্যাম্ব''''' (১৮৩৩), "অন বুকস অ্যান্ড রিডিং", ''দ্য লাস্ট এসেস অফ এলিয়া''; উদ্ধৃতিটি পুনরুৎপাদন করা হয়েছে: ডেভিড ক্রিস্টাল ও হিলারি ক্রিস্টাল রচিত '''''ওয়ার্ডস অন ওয়ার্ডস: কোটেশনস অ্যাবাউট ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজেস''''' (২০০০), ইউনিভার্সিটি অফ শিকাগো প্রেস, পৃ. ২৭৬, ISBN 0226122018। * চাঞ্চল্যকর বা হলুদ সাংবাদিকতার চিরন্তন সাতটি প্রধান অনুষঙ্গ হলো: লোমহর্ষক অপরাধের বিবরণ, ব্যক্তিগত জীবনের কেলেঙ্কারি, ভিত্তিহীন কাল্পনিক বিজ্ঞান, মানসিক উন্মাদনা, সংখ্যাতত্ত্বের মতো নানাবিধ অন্ধবিশ্বাসের চর্চা, অলৌকিক দানব বা দানবীয় কর্মকাণ্ড এবং প্রভাবশালী ধনকুবেরদের জীবনকথা। ** '''''ফ্রিটজ লেইবার''''', ''এ রাইট অফ স্প্রিং'' (১৯৭৭); টেরি কার সম্পাদিত '''''ইউনিভার্স ৭''''', পৃ. ২৬। * জেনারেল ডগলাস ম্যাকার্থারের প্রসঙ্গে বলতে গেলে, আমি আসলে এমন কোনো ব্যক্তি সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট বা স্পষ্ট কোনো মতামত দেওয়ার মতো অবস্থানে নিজেকে খুঁজে পাই না, যাঁকে আমি কেবল সংবাদপত্রের মাধ্যমেই চিনি। আপনি লক্ষ্য করে দেখবেন, সংবাদমাধ্যমগুলো যখনই এমন কোনো ব্যক্তি বা বিষয় নিয়ে আলোচনা করে যা সম্পর্কে আমার ব্যক্তিগত ধারণা বা জ্ঞান রয়েছে, তখনই আমি দেখি যে তাদের পরিবেশিত তথ্যগুলো সবসময়ই মিথ্যাচার আর ভুল বোঝাবুঝির এক বিশাল স্তূপ ছাড়া আর কিছুই নয়; আর এই অভিজ্ঞতা থেকেই আমি এই সিদ্ধান্তে উপনীত হই যে, যেসব ক্ষেত্র সম্পর্কে আমার বিন্দুমাত্র কোনো জ্ঞান নেই, সেখানেও তারা এর চেয়ে ভালো কিছু হওয়ার সম্ভাবনা রাখে না। ** '''''[[:w:সি. এস. লিউইস|সি. এস. লিউইস]]''''', মিসেস মেরি ভ্যান ডিউসেনকে লেখা চিঠি (৩০ এপ্রিল ১৯৫১), ''সংগৃহীত সি. এস. লিউইস পত্রাবলি, খণ্ড ৩: "নার্নিয়া, কেমব্রিজ, অ্যান্ড জয়", ১৯৫০-১৯৬৩'', পৃ. ১১৪। == M == [[File:Janet Malcolm 3.18.13a (headshot).jpg|thumb|আমাদের বর্তমান সমাজে একজন সাংবাদিককে ঠিক একজন পরোপকারীর সমান্তরালে স্থান দেওয়া হয়, কারণ তাঁর হাতে বিলি করার মতো অত্যন্ত মূল্যবান কিছু একটি থাকে (তাঁর এই বিনিময়ের মুদ্রাটি হলো 'পাবলিসিটি' বা প্রচার নামক এক অদ্ভুত মাদকতাময় বস্তু), এবং ফলস্বরূপ তাঁকে এমন এক ধরনের শ্রদ্ধা ও সম্মান প্রদর্শন করা হয় যা একজন মানুষ হিসেবে তাঁর প্রকৃত যোগ্যতার তুলনায় একেবারেই ভারসাম্যহীন।<br>~'''''জ্যানেট ম্যালকম''''' ]] * বিভিন্ন স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীর ওয়েবসাইটগুলো সাধারণত সাংবাদিকতার ছদ্মবেশে এক ধরনের অপপ্রচার বা 'জার্নালগান্ডা'র [হলুদ সাংবাদিকতা] জয়গান গায়। কারণ সেখানে সবকিছুই পরিবেশন করা হয় সেই নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর নিজস্ব স্বার্থের ফিল্টার বা ছাঁকনির ভেতর দিয়ে। এটি এক অদ্ভুত ও অবাস্তব জগত, তবে এর গুরুত্বও অপরিসীম। কারণ কট্টরপন্থীরা তাদের পূর্বনির্ধারিত চিন্তাধারাকে আরও শক্তিশালী করতে এখানেই ভিড় জমায়। আপনার অবস্থান যা-ই হোক না কেন, নিজেকে চূড়ান্তভাবে সঠিক মনে করার ক্ষেত্রে এই জার্নালগান্ডার চেয়ে কার্যকর আর কিছুই হতে পারে না। প্রকৃত সাংবাদিকতাকে সবসময় চিনে নেওয়া যায় তার কাজের ধরন দেখে। এটি প্রায়শই সাধারণ মানুষকে এই সাংবাদিকতার জগত সম্পর্কে চরম অস্বস্তি ও ভ্রান্ত বিচলিত অবস্থার মধ্যে ফেলে দেয়। ** '''''চার্লস এম. ম্যাডিগান''''' (২৫ অক্টোবর ২০০৫), [http://web.archive.org/web/20130625005510/http://www.chicagotribune.com/news/opinion/chi-0510250027oct25,0,3811209.column?page=2&coll=chi-ed_opinion_columnists-utl "আজকের 'সাংবাদিকতা'র সমস্যা"], '''''[[:w:শিকাগো ট্রিবিউন|শিকাগো ট্রিবিউন]]'''''। * এমন প্রতিটি সাংবাদিক—যিনি পরিস্থিতির গভীরতা বোঝার মতো যথেষ্ট বুদ্ধিমান এবং নিজের অহংবোধে অন্ধ হয়ে যাননি। তিনি খুব ভালো করেই জানেন যে, তিনি যা করছেন তা নৈতিকভাবে সম্পূর্ণ অমার্জনীয়। তিনি মূলত এক প্রকারের প্রতারক বা 'কনফিডেন্স ম্যান', যিনি মানুষের অহংকার, অজ্ঞতা কিংবা একাকীত্বকে পুঁজি করে তাদের ওপর শিকারি পাখির মতো ঝাঁপিয়ে পড়েন। তিনি প্রথমে মানুষের বিশ্বাস অর্জন করেন এবং এরপর বিন্দুমাত্র অনুশোচনা ছাড়াই সেই বিশ্বাসের চরম অমর্যাদা করেন। ঠিক যেমন একজন অতি-বিশ্বাসী বিধবা একদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে আবিষ্কার করেন যে সেই মনোমুগ্ধকর যুবকটি তাঁর সারা জীবনের সমস্ত সঞ্চয় নিয়ে চম্পট দিয়েছে। তেমনি কোনো একটি অ-কাল্পনিক রচনার বিষয়বস্তু হওয়া ব্যক্তিটিও। যখন সেই নিবন্ধ বা বইটি প্রকাশিত হয়, তখনই তাঁর জীবনের সেই রূঢ় ও কঠিন শিক্ষাটি লাভ করেন। সাংবাদিকরা তাঁদের এই বিশ্বাসঘাতকতাকে নিজ নিজ স্বভাব অনুযায়ী বিভিন্নভাবে যুক্তিযুক্ত করার চেষ্টা করেন। তাঁদের মধ্যে যারা অধিকতর আড়ম্বরপূর্ণ, তারা বাকস্বাধীনতা এবং "জনগণের জানার অধিকার" নিয়ে লম্বা চওড়া কথা বলেন। যারা অপেক্ষাকৃত কম মেধাবী হয়, তারা একে এক ধরণের 'শিল্প' বলে আখ্যা দিয়ে থাকেন। আর যারা খুব বিনয়ী হওয়ার ভান করেন, তারা স্রেফ জীবনধারণের তাগিদে এই পেশা বেছে নেওয়ার কথা বলে মৃদু গুঞ্জন তোলে থাকেন। ** '''''[[:w:জ্যানেট ম্যালকম|জ্যানেট ম্যালকম]]''''', '''''[[:w:দ্য জার্নালিস্ট অ্যান্ড দ্য মার্ডারার|দ্য জার্নালিস্ট অ্যান্ড দ্য মার্ডারার]]''''' (১৯৯০), নিউ ইয়র্ক: নফ, পৃ. ৩ (বইটির উদ্বোধনী অনুচ্ছেদ)। * আমাদের বর্তমান সমাজে একজন সাংবাদিককে ঠিক একজন পরোপকারীর সমান্তরালে স্থান দেওয়া হয়, কারণ তাঁর হাতে বিলি করার মতো অত্যন্ত মূল্যবান কিছু একটি থাকে (তাঁর এই বিনিময়ের মুদ্রাটি হলো 'পাবলিসিটি' বা প্রচার নামক এক অদ্ভুত মাদকতাময় বস্তু), এবং ফলস্বরূপ তাঁকে এমন এক ধরনের শ্রদ্ধা ও সম্মান প্রদর্শন করা হয় যা একজন মানুষ হিসেবে তাঁর প্রকৃত যোগ্যতার তুলনায় একেবারেই ভারসাম্যহীন। এই দেশে এমন মানুষের সংখ্যা খুবই নগণ্য যারা নিজেদের সম্পর্কে কোথাও লেখা হচ্ছে কিংবা কোনো রেডিও বা টেলিভিশন প্রোগ্রামে তাঁদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হচ্ছে, এমন সম্ভাবনা দেখে প্রবলভাবে উচ্ছ্বসিত হন না। ** '''''জ্যানেট ম্যালকম''''', '''''দ্য জার্নালিস্ট অ্যান্ড দ্য মার্ডারার''''' (১৯৯০), নিউ ইয়র্ক: নফ, পৃ. ৫৮। * আমি এখন এমনটা ভাবতে শুরু করেছি যে... সাংবাদিকতামূলক রচনায় "আমি" নামক চরিত্রটি সাংবাদিকের সৃষ্ট অন্যান্য সমস্ত চরিত্র থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। কারণ এটি সেই নিয়মের একটি ব্যতিক্রম যেখানে বলা হয় যে কোনো কিছুই আবিষ্কার বা উদ্ভাবন করা যাবে না। সাংবাদিকতার এই "আমি" চরিত্রটি প্রায় পুরোপুরি একটি মনগড়া উদ্ভাবন। আত্মজীবনীতে ব্যবহৃত "আমি" যেখানে লেখকের সরাসরি প্রতিনিধিত্ব করার কথা, সেখানে সাংবাদিকতার এই "আমি" লেখকের সাথে খুব সামান্য বা ক্ষীণভাবেই যুক্ত। ঠিক যেভাবে সুপারম্যানের সাথে ক্লার্ক কেন্টের সংযোগ থাকে। সাংবাদিকতার এই "আমি" হলো এক অতি-নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারী, যার ওপর আখ্যানের গুরুত্বপূর্ণ কাজ, যুক্তি উপস্থাপন এবং সুর নির্ধারণের দায়িত্ব অর্পণ করা হয়। এটি গ্রিক ট্র্যাজেডির কোরাসের মতো একটি বিশেষ প্রয়োজনে সৃষ্ট সৃষ্টি। সে হলো একটি প্রতীকি চরিত্র, যে জীবনের এক নিরাসক্ত ও আবেগহীন পর্যবেক্ষক হিসেবে নিজেকে মূর্ত করে তোলে। তা সত্ত্বেও, পাঠকরা যারা সহজেই এই ধারণাটি মেনে নেন যে ফিকশন বা কল্পকাহিনীর বর্ণনাকারী এবং সেই বইয়ের লেখক এক ব্যক্তি নন, তারাই আবার সাংবাদিকতার এই উদ্ভাবিত "আমিত্বের" ধারণাটিকে জেদের সাথে প্রতিরোধ করেন। এমনকি সাংবাদিকদের মধ্যেও এমন অনেকে আছেন যারা নিজেদের টেক্সটের সেই 'সুপারম্যান' রূপ থেকে নিজেদের বাস্তব সত্ত্বাকে আলাদা করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত হিমশিম খান। ** '''''[[:w:জ্যানেট ম্যালকম|জ্যানেট ম্যালকম]]''''', '''''দ্য জার্নালিস্ট অ্যান্ড দ্য মার্ডারার''''' (১৯৯০), নিউ ইয়র্ক: নফ, পৃ. ১৫৯–১৬০। * সাংবাদিকতার নৈতিক অস্পষ্টতা বা দ্বিধার লিখিত বয়ানের মধ্যে নয়, বরং সেই সম্পর্কের গভীরে নিহিত থাকে যেখান থেকে এই বয়ানগুলো জন্ম নেয়। আর এই সম্পর্কগুলো অনিবার্যভাবেই এবং কোনোভাবেই এড়ানো যায় না এমনভাবে একপেশে বা অসম প্রকৃতির হয়ে থাকে। সাংবাদিকতামূলক রচনার 'ভালো' চরিত্রগুলো ঠিক তেমনিভাবেই অন্য একজন মানুষের ওপর লেখকের সেই অশুভ ও প্রচণ্ড ক্ষমতার ফসল, যেভাবে 'মন্দ' চরিত্রগুলো সৃষ্টি হয়। [...] সাংবাদিকতার বিষয়বস্তু হওয়া ব্যক্তিটি হয়তো সাংবাদিককে নিজের স্বার্থে ব্যবহার বা ম্যানিপুলেট করার চেষ্টা করতে পারেন এবং জাগতিক জ্ঞানসম্পন্ন কোনো ব্যক্তিই কমবেশি এই প্রবণতার ঊর্ধ্বে নন। কিন্তু এই বিষয়টি কোনোভাবেই ব্যক্তিস্বাধীনতার চেতনার বিরুদ্ধে সাংবাদিকের নিজের করা পাপগুলোকে মোচন বা খণ্ডন করতে পারে না। [...] সাংবাদিকরা এই নৈতিক অচলাবস্থার সাথে লড়াই করার জন্য অগণিত বৈচিত্র্যময় পথ অবলম্বন করেন [...]। তাদের মধ্যে যারা সবচেয়ে প্রজ্ঞাবান, তারা ভালো করেই জানেন যে তারা সর্বোচ্চ যা করতে পারেন তা-ও আসলে যথেষ্ট নয়। আর যারা খুব একটা বুদ্ধিমান নন, তারা তাদের চিরচেনা অভ্যাসবশত এটা বিশ্বাস করতেই পছন্দ করেন যে আসলে কোনো সমস্যাই নেই এবং তারা হয়তো এর একটি সমাধানও করে ফেলেছেন। ** '''''জ্যানেট ম্যালকম''''', '''''[[:w:দ্য জার্নালিস্ট অ্যান্ড দ্য মার্ডারার|দ্য জার্নালিস্ট অ্যান্ড দ্য মার্ডারার]]''''' (১৯৯০), নিউ ইয়র্ক: নফ, পৃ. ১৬২-১৬৩। (শেষ বাক্যটি বইটির অন্তিম বাক্য)। * উন্নত ও মানসম্মত সাংবাদিকতার জন্য তথ্যফাঁসকারী বা 'হুইসেলব্লোয়ার'রা অপরিহার্য। তাঁরা সাংবাদিকদের সেই সব গোপনীয়তার দেয়াল ভেদ করতে সাহায্য করেন যা সরকারি কর্মকর্তা এবং জনসংযোগ কর্মকর্তারা অত্যন্ত সযত্নে গড়ে তোলেন। এই হুইসেলব্লোয়াররাই সরকার, কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান, সামরিক বাহিনী এবং গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর ভেতরে লুকিয়ে থাকা নানা অনিয়ম ও অন্যায় কর্মকাণ্ডগুলো সবার সামনে এনে উন্মোচন করে থাকেন। এই সাহসী মানুষদের তাঁদের এই বীরত্বপূর্ণ কাজের জন্য পুরস্কৃত করা উচিত ছিল। কিন্তু তার পরিবর্তে, অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো যে তাঁদের প্রায়ই বিচারিক হয়রানি কিংবা কারাবাসের মুখোমুখি হতে হয়। ** '''''ইউয়েন ম্যাকআসকিল''''', [https://www.democracynow.org/2021/10/25/belmarsh_tribunal "জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জকে মুক্ত করুন: স্নোডেন, ভারুফাকিস, করবিন এবং তারিক আলী প্রত্যর্পণ শুনানির আগে কথা বলছেন"], '''''ডেমোক্রেসি নাও!''''', (২৫ অক্টোবর ২০২১)। * যদি জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জকে অভিযুক্ত করে বিচার করা হয়, তবে '[[w:দ্য_গার্ডিয়ান|দ্য গার্ডিয়ান]]', [[w:দ্য_নিউ_ইয়র্ক_টাইমস|'দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস]]', 'ডার স্পিগেল', 'এল পাইস', 'লা রিপাবলিকা' এবং এই তথ্যগুলো প্রচারের সাথে জড়িত অন্যান্য সমস্ত সংবাদ সংস্থার সম্পাদক ও সাংবাদিকদের বিরুদ্ধেও মামলা করার সমান ও যথেষ্ট যুক্তিযুক্ত কারণ রয়েছে। ** '''''ইউয়েন ম্যাকআসকিল''''', [https://www.democracynow.org/2021/10/25/belmarsh_tribunal "জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জকে মুক্ত করুন: স্নোডেন, ভারুফাকিস, করবিন এবং তারিক আলী প্রত্যর্পণ শুনানির আগে কথা বলছেন"], '''''ডেমোক্রেসি নাও!''''', (২৫ অক্টোবর ২০২১)। * মাইকেল শুডসন তাঁর “ডিসকভারিং দ্য নিউজ” (১৯৭৮) গ্রন্থে যেমনটি উল্লেখ করেছেন—ভালো সাংবাদিকতা মানেই যে তা “বস্তুনিষ্ঠ” (অর্থাৎ দলীয় প্রভাবমুক্ত এবং ব্যক্তিগত মতামতের ঊর্ধ্বে) হতে হবে, এই ধারণাটি মূলত বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে প্রথম আবির্ভূত হয়েছিল। শুডসন মনে করতেন যে, ধ্রুব এবং নির্ভরযোগ্য সত্যের ধারণাটির প্রতি মানুষের ক্রমবর্ধমান সংশয়বাদ থেকেই এই বস্তুনিষ্ঠতার ধারণার জন্ম হয়েছে। তাঁর ভাষায়, বস্তুনিষ্ঠতার এই মানদণ্ডটি “তথ্যের ওপর বিশ্বাসের কোনো চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ ছিল না; বরং এটি ছিল এমন এক জগতের জন্য পরিকল্পিত পদ্ধতির সুদৃঢ় দাবি, যেখানে এমনকি তথ্যকেও আর বিশ্বাস করা যাচ্ছিল না। ... সাংবাদিকরা বস্তুনিষ্ঠতায় বিশ্বাস করতে শুরু করেছিলেন ঠিক ততটুকুই যতটুকু তাঁদের প্রয়োজন ছিল। কারণ তাঁরা চেয়েছিলেন, তাঁদের দরকার ছিল এবং সাধারণ মানবিক আকাঙ্ক্ষা থেকেই তাঁরা তাঁদের নিজেদের গভীর সন্দেহ ও অস্থিরচিত্ততা থেকে মুক্তি পাওয়ার পথ খুঁজছিলেন।” অন্যভাবে বলতে গেলে, বস্তুনিষ্ঠতা বিষয়টি শুরু থেকেই একটি সমস্যাসঙ্কুল ধারণা ছিল... লিপম্যানের যুক্তি ছিল এই যে, সাংবাদিকতা আসলে কোনো সুনির্দিষ্ট পেশা নয়। এই পেশায় যুক্ত হওয়ার জন্য আপনার কোনো লাইসেন্স বা প্রাতিষ্ঠানিক একাডেমিক সনদের প্রয়োজন হয় না। সব ধরণের মানুষই নিজেদের সাংবাদিক বলে দাবি করেন। কিন্তু প্রশ্ন হলো, তাঁরা সবাই কি জনগণকে নির্ভরযোগ্য এবং স্বার্থহীন সংবাদ পণ্য সরবরাহ করতে সক্ষম? ** '''''[[:w:লুই মেনান্দ|লুই মেনান্দ]]''''', [https://www.newyorker.com/magazine/2023/02/06/when-americans-lost-faith-in-the-news “যখন আমেরিকানরা সংবাদমাধ্যমের ওপর আস্থা হারিয়েছিল”], '''''দ্য নিউ ইয়র্কার''''', (৩০ জানুয়ারি ২০২৩)। * ১৯৪৫ থেকে ১৯৭৫ সালের মধ্যবর্তী সময়ে মার্কিন ক্যাবিনেটে মাত্র একজন নারী এবং একজন কৃষ্ণকায় ব্যক্তি ছিলেন। যাঁদের প্রত্যেকেই মাত্র দুই বছর মেয়াদে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। সংবাদমাধ্যমের দিকে তাকালে দেখা যায় যে পরিস্থিতি ছিল আরও ভয়াবহ। নারী ও কৃষ্ণকায় সাংবাদিকদের পরিকল্পিতভাবে মূলধারা থেকে বাদ দেওয়া হতো। নির্দিষ্ট কিছু সংবাদ সম্মেলনে তাঁদের প্রবেশাধিকার ছিল না এবং সম্পাদকরা নারীদের কখনোই সরকারি বিষয়গুলো কভার করার দায়িত্ব দিতেন না। ঘোর বর্ণবাদ এবং লিঙ্গবৈষম্য এত দীর্ঘ সময় ধরে সেখানে টিকে ছিল যে আজ তা প্রায় অবিশ্বাস্য বলে মনে হয়। <br> ওয়াশিংটনের সাংবাদিকদের জন্য প্রধান দুটি সামাজিক সংগঠন ছিল গ্রিডাইরন ক্লাব (১৮৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত) এবং ন্যাশনাল প্রেস ক্লাব (১৯০৮ সালে প্রতিষ্ঠিত)। ১৮৯৬ সালে গ্রিডাইরন ক্লাব সদস্যদের স্ত্রীদের একটি নৈশভোজে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল, কিন্তু নারী ভোটাধিকার আন্দোলনকে উপহাস করে পরিবেশিত একটি নাটক সেখানে মোটেও ভালো সাড়া ফেলেনি; যার ফলে ১৯৭২ সাল পর্যন্ত নারীদের সেখানে আর প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি। বিংশ শতাব্দীর পঞ্চাশের দশক পর্যন্তও গ্রিডাইরন ক্লাবের নৈশভোজগুলোতে বিনোদনের জন্য সদস্যরা মুখে কালো রঙ মেখে 'ব্ল্যাকফেস' সেজে অভিনয় করতেন। ম্যাকগারের বর্ণনা অনুযায়ী, ক্লাবটির সিগনেচার টিউন ছিল “দ্য ওয়াটারমেলন সং”, যা একটি বিশেষ আঞ্চলিক [[w:উপভাষা|উপভাষায়]] গাওয়া হতো। <br> ১৯৫৫ সালের আগে ন্যাশনাল প্রেস ক্লাবে কোনো কৃষ্ণকায় সদস্য ছিলেন না; এবং সেই একই বছরেই প্রথমবারের মতো নারীদের এমন মধ্যাহ্নভোজে উপস্থিত থাকার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল যেখানে কর্মকর্তারা সদস্যদের ব্রিফিং দিতেন। তবে নারীদের বসতে হতো ব্যালকনিতে এবং তাঁদের কোনো প্রশ্ন করার অনুমতি ছিল না। ১৯৭১ সালের আগে ন্যাশনাল প্রেস ক্লাব কোনো নারী সদস্য গ্রহণ করেনি। <br> 'দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট' ১৯৫১ সালে তাদের প্রথম কৃষ্ণকায় সাংবাদিক নিয়োগ দেয়। তাঁর জন্য আলাদা শৌচাগার বরাদ্দ করা হয়েছিল এবং মাত্র দুই বছর পরেই তিনি সেই পত্রিকা ত্যাগ করেন। (ম্যাকগার বলেন যে ওয়াশিংটন পোস্ট ১৯৭২ সালের আগে আর কোনো কৃষ্ণকায় সাংবাদিক নিয়োগ দেয়নি, তবে তথ্যটি ভুল: পত্রিকাটি ১৯৬১ সালে ডরোথি বাটলার গিলিয়াম এবং ১৯৬৮ সালে জ্যাক হোয়াইটকে নিয়োগ দিয়েছিল।) নাগরিক অধিকার আন্দোলনের অনেক গভীর সময় পর্যন্তও নিউ ইয়র্ক টাইমসে কৃষ্ণকায় সাংবাদিকদের সংখ্যা ছিল অতি সামান্য। এই পত্রিকার মতো অন্যান্য সাধারণ-আগ্রহের ম্যাগাজিনগুলোর রেকর্ডও এর চেয়ে ভালো কিছু ছিল না। ** '''''লুই মেনান্দ''''', [https://www.newyorker.com/magazine/2023/02/06/when-americans-lost-faith-in-the-news “যখন আমেরিকানরা সংবাদমাধ্যমের ওপর আস্থা হারিয়েছিল”], '''''দ্য নিউ ইয়র্কার''''', (৩০ জানুয়ারি ২০২৩)। * সংবাদপত্রের শক্তি—তা যতটুকু বা যে পর্যায়েরই হোক না কেন—তা মূলত অনেকটা প্রাতিষ্ঠানিক পণ্ডিত, বৈজ্ঞানিক গবেষক এবং সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের শক্তির মতো। এটি কোনো পেশিবল বা শারীরিক শক্তির ওপর ভিত্তি করে দাঁড়িয়ে নেই; বরং এটি টিকে আছে মানুষের অগাধ বিশ্বাসের ওপর—এই বিশ্বাস যে, এরা হলো এমন একদল মানুষ যারা ভয় কিংবা পক্ষপাতিত্বের ঊর্ধ্বে থেকে কেবল সত্য অন্বেষণের জন্য নিজেদের উৎসর্গ করেছেন। যখনই তাঁরা এই মহান দায়িত্ব পালন থেকে বিচ্যুত হবেন, তখন সমাজ তাঁদের সেই একইভাবে দেখতে শুরু করবে যেভাবে বর্তমানে অন্যদের দেখা হয়—অর্থাৎ এমন একদল লোক যারা কেবল ব্যক্তিগত লাভ বা সামাজিক মর্যাদার লোভে তথ্যকে নিজ স্বার্থে ঘুরিয়ে পরিবেশন করে। ** '''''[[:w:লুই মেনান্দ|লুই মেনান্দ]]''''', [https://www.newyorker.com/magazine/2023/02/06/when-americans-lost-faith-in-the-news “যখন আমেরিকানরা সংবাদমাধ্যমের ওপর আস্থা হারিয়েছিল”], '''''দ্য নিউ ইয়র্কার''''', (৩০ জানুয়ারি ২০২৩)। * যেহেতু আদর্শগত সত্য বলে পৃথিবীতে আসলে কিছুর অস্তিত্ব নেই, তাই স্বাভাবিকভাবেই এটা প্রতীয়মান হয় যে, একজন প্রতিবেদক যখনই নিজেকে [[w:রক্ষণশীলতাবাদ|উদারপন্থী বা রক্ষণশীল]], কিংবা ডেমোক্রেটিক, [[w:সাম্যবাদ|কমিউনিস্ট]] বা রিপাবলিকান প্রতিবেদক হিসেবে উপস্থাপন করেন, তখন তিনি আসলে আর মোটেও কোনো প্রতিবেদক থাকেন না। ** '''''এইচ. এল. মেনকেন''''' (১৯৩৭), উদ্ধৃত হয়েছে: অ্যালেস্টার কুক রচিত '''''মেমোরিস অফ দ্য গ্রেট অ্যান্ড গুড''''' (১৯৯৯), পৃ. ২২৪। * সংবাদপত্রগুলো এখন জেসি-র পিছু নিতে শুরু করেছে। শুরুতে তারা তাকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করেছিল এবং সব ঘটনার দায়ভার অন্য যে কারো বা অন্য কিছুর ওপর চাপিয়ে দিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত, একজন অত্যন্ত রূপসী অথচ দৃশ্যত কোনো যৌনজীবন নেই এমন একজন নারীকে নিয়ে কাজ করা তাদের জন্য বেশ বিব্রতকর হয়ে দাঁড়িয়েছিল। কারণ তাকে কলঙ্কিত করার জন্য আসলে ঠিক কী ধরনের অপবাদ ব্যবহার করা উচিত, তা তারা খুঁজে পাচ্ছিল না। ** '''''নাওমি মিচিসন''''', “মেরি অ্যান্ড জো”; হ্যারি হ্যারিসন সম্পাদিত '''''নোভা ১''''', পৃ. ১৬৩। * সাংবাদিকরা যখন কোনো ভুল করেন, তখন তাঁদের মানহানির মামলার মুখে পড়তে হয়; কিন্তু ঐতিহাসিকরা যখন কোনো ভুল করেন, তখন তাঁরা সেই ভুল শুধরে নিয়ে বইটির একটি পরিমার্জিত সংস্করণ প্রকাশের সুযোগ পান। ** '''''বিল ময়ার্স''''', "দ্য বিগ স্টোরি", টেক্সাস স্টেট হিস্টোরিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনে প্রদত্ত ভাষণ, (৭ মার্চ ১৯৯৭), '''''ময়ার্স অন ডেমোক্রেসি''''' (২০০৮), পৃ. ১৩১। * বাকস্বাধীনতা এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতা, যা প্রথম সংশোধনীর মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ থেকে সুরক্ষিত করা হয়েছে। তা মূলত সেইসব মৌলিক ব্যক্তিগত অধিকার ও স্বাধীনতার অন্তর্ভুক্ত যা চতুর্দশ সংশোধনীর মাধ্যমে যেকোনো অঙ্গরাজ্যের হস্তক্ষেপ থেকে সকল নাগরিকের জন্য সুনিশ্চিত করা হয়েছে। এই অধিকারগুলোকে সুরক্ষিত রাখার মূল উদ্দেশ্য হলো যেন মানুষ তাদের জন্য অত্যাবশ্যকীয় বিষয়গুলো নিয়ে স্বাধীনভাবে চিন্তা ও কথা বলতে পারে এবং শিক্ষা ও আলোচনার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যেন মিথ্যার মুখোশ উন্মোচিত হয়। যা একটি মুক্ত ও স্বাধীন সরকারের জন্য একান্ত অপরিহার্য। যারা আমাদের স্বাধীনতা ছিনিয়ে এনেছিলেন, তাঁদের এই অটল বিশ্বাস ছিল যে, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সত্য আবিষ্কার এবং তা প্রচার করার জন্য স্বাধীন ও নির্ভীক যুক্তিপ্রদান এবং ধারণার আদান-প্রদান এক অজেয় শক্তি হিসেবে কাজ করবে। ** '''''[[:w:ফ্রাঙ্ক মারফি|ফ্রাঙ্ক মারফি]]''''', '''''[[:w:থর্নহিল বনাম আলাবামা মামলা|থর্নহিল বনাম আলাবামা]]''''', মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট, (১৯৪০), ৩১০ ইউ.এস. ৮৮, ৯৫। == O == * সেই স্থূলকায় [[w:রুশ_জাতি|রুশ]] গোয়েন্দাটি একে একে সমস্ত বিদেশী উদ্বাস্তুদের এক কোণায় নিয়ে যাচ্ছিলেন এবং অত্যন্ত বিশ্বাসযোগ্য ভঙ্গিতে ব্যাখ্যা করছিলেন যে, এই পুরো ঘটনাটি আসলে ছিল একটি নৈরাজ্যবাদী চক্রান্ত। আমি বেশ আগ্রহ নিয়ে তাঁকে পর্যবেক্ষণ করছিলাম, কারণ সেটিই ছিল আমার জীবনে প্রথম দেখা এমন কোনো ব্যক্তি যাঁর পেশা হলো অনর্গল মিথ্যা বলা, অবশ্য যদি কেউ এই তালিকায় সাংবাদিকদের গণনা না করেন। ** '''''[[:w:জর্জ অরওয়েল|জর্জ অরওয়েল]]''''', '''''হোমেজ টু ক্যাটালোনিয়া''''' (১৯৩৮)। * জীবনের শুরুর দিকেই আমি লক্ষ্য করেছিলাম যে সংবাদপত্রে কোনো ঘটনাই আসলে সঠিকভাবে উপস্থাপিত হয় না; কিন্তু স্পেনে আমি প্রথমবারের মতো এমন কিছু সংবাদ প্রতিবেদন দেখলাম যার সাথে বাস্তব তথ্যের বিন্দুমাত্র কোনো সম্পর্ক নেই, এমনকি একটি সাধারণ মিথ্যার মধ্যে যেটুকু সত্যের রেশ থাকে সেটুকুও সেখানে অনুপস্থিত ছিল। আমি দেখেছি এমন সব বিশাল যুদ্ধের খবর ছাপা হয়েছে যেখানে আসলে কোনো লড়াই-ই হয়নি, আবার যেখানে শত শত মানুষ প্রাণ হারিয়েছে সেখানে বজায় রাখা হয়েছে কবরের নিস্তব্ধতা। আমি দেখেছি যেসব সৈন্য সাহসিকতার সাথে লড়াই করেছে তাদেরকে উল্টো কাপুরুষ ও বিশ্বাসঘাতক হিসেবে নিন্দা জানানো হচ্ছে, আর যারা কোনোদিন যুদ্ধের ময়দানে একটি গুলিও ছোঁড়েনি তাদের কাল্পনিক বিজয়ের নায়ক হিসেবে জয়ধ্বনি দেওয়া হচ্ছে! শুধু তা-ই নয়, আমি দেখলাম '''[[w:লন্ডন|লন্ডনের]]''' সংবাদপত্রগুলো এই মিথ্যাগুলোই প্রচার করেছিল এবং উৎসাহী বুদ্ধিজীবীরা এমন সব ঘটনার ওপর আবেগপ্রবণ ইমারত গড়ে তুলছেন যা আদতে কখনও ঘটেইনি। আমি আসলে ইতিহাসকে এমনভাবে রচিত হতে দেখলাম যা কী ঘটেছে তার ওপর ভিত্তি করে নয়, বরং বিভিন্ন 'দলীয় আদর্শ' অনুযায়ী কী ঘটা উচিত ছিল, তার ওপর ভিত্তি করে তৈরি। ** '''''[[:w:জর্জ অরওয়েল|জর্জ অরওয়েল]]''''', '''''লুকিং ব্যাক অন দ্য স্প্যানিশ ওয়ার''''' (১৯৪৩)। * অনেক সাংবাদিকই আজকের দ্রুত পরিবর্তনশীল ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে এতটাই আচ্ছন্ন থাকেন যে, তাঁদের মধ্যে ইতিহাসের গভীর উপলব্ধি বা ঐতিহাসিক চেতনার এক ধরনের চরম ঘাটতি লক্ষ্য করা যায়। ** '''''ফিন্টান ও'টুল''''', '''''দি আইরিশ টাইমস''''' (২০২৩)। * অন্ধ স্তুতি বা ফ্যানডম এবং বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা কখনোই একে অপরের পরিপূরক হতে পারে না; বরং এই দুটি বিষয় একত্রে থাকলে তা অত্যন্ত বিপজ্জনক ও অসম এক সহাবস্থানের জন্ম দেয়। ** '''''ফিন্টান ও'টুল''''', '''''দি আইরিশ টাইমস''''' (২০২৩)। == P == * বর্তমানের এই বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে যেখানে প্রতিটি মানুষই একেকজন প্রকাশক হয়ে উঠেছেন, সেখানে আশ্চর্যের বিষয় হলো কেউ আসলে প্রকৃত সম্পাদকের ভূমিকা পালন করছেন না। আর ঠিক এই জায়গাতেই আজকের দিনে আমরা এক ভয়াবহ সংকটের সম্মুখীন হচ্ছি। ** '''''স্কট পেলি''''', কুইনিপিয়াক ইউনিভার্সিটিতে প্রদত্ত ভাষণ (১০ মে ২০১৩)। [http://www.youtube.com/watch?v=1AyCD_lcl1Q ইউটিউব ভিডিও: সিবিএস নিউজ অ্যাঙ্কর স্কট পেলি: 'আমরা বারবার বড় বড় খবরগুলো ভুলভাবে পরিবেশন করছি']। * সাংবাদিকদের জন্য নিজেদের কেবল সাধারণ বার্তাবাহক হিসেবে গণ্য করাই যথেষ্ট নয়। বরং তাঁদের পরিবেশিত বার্তার আড়ালে লুকিয়ে থাকা গোপন উদ্দেশ্য বা 'হিডেন এজেন্ডা' পুরিকল্পনা এবং সেই বার্তাকে ঘিরে থাকা প্রচলিত মিথ বা ভ্রান্ত ধারণাগুলো গভীরভাবে উপলব্ধি করা একান্ত প্রয়োজন। ** '''''[[:w:জন পিলজার|জন পিলজার]]''''', 'হিডেন এজেন্ডাস', ১৯৯৮। * গোপন ক্ষমতা সেই সাংবাদিকদের মনেপ্রাণে ঘৃণা করে যারা নিজেদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করেন। যারা গোপনীয়তার পর্দা সরিয়ে দেন, বাহ্যিক চাকচিক্যের আড়ালে উঁকি দেন এবং অশুভ সত্যের ওপর রাখা পাথর তুলে ধরেন। উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের কাছ থেকে আসা নিন্দা বা তিরস্কারই হলো এই নির্ভীক সাংবাদিকদের জন্য সম্মানের শ্রেষ্ঠ স্মারক। ** '''''[[:w:জন পিলজার|জন পিলজার]]''''', '''''টেল মি নো লাইজ: ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিজম দ্যাট চেঞ্জড দ্য ওয়ার্ল্ড''''', থান্ডার্স মাউথ প্রেস, (২০০৫), পৃ. xv, ISBN 1560257865। * আমরা যারা সাংবাদিক... আমাদের সেইসব ব্যক্তিদের অবজ্ঞা ও প্রতিরোধ করার মতো যথেষ্ট সাহসী হতে হবে, যারা অন্যের দেশে তাদের সাম্প্রতিকতম রক্তক্ষয়ী দুঃসাহসিক অভিযানগুলো বৈধ করার জন্য আমাদের সহযোগিতা কামনা করে। এর অর্থ হলো সরকারি ভাষ্যকে সবসময় চ্যালেঞ্জ করা, সেই ভাষ্যটি আপাতদৃষ্টিতে যতই দেশপ্রেমমূলক মনে হোক না কেন, অথবা সেটি যতই মোহনীয় ও বিভ্রান্তিকর হোক না কেন। কারণ প্রোপাগান্ডা বা অপপ্রচার পুরোপুরি আমাদের গণমাধ্যমের ওপর নির্ভর করে যেন তাদের প্রতারণার লক্ষ্যবস্তু কোনো দূরদেশের মানুষ নয়, বরং আপনার নিজের ঘরের মানুষ হয়। অন্তহীন সাম্রাজ্যবাদী যুদ্ধের এই যুগে অগণিত পুরুষ, নারী ও শিশুর জীবন আজ পরম সত্যের ওপর নির্ভর করছে। যদি সেই সত্য প্রকাশ না পায়, তবে তাদের ঝরানো রক্তের দায়ভার আমাদের ওপরই বর্তাবে। যাদের কাজ হলো ইতিহাসের নথিপত্রকে নির্ভুল রাখা, তাদের উচিত ক্ষমতার কণ্ঠস্বর না হয়ে সাধারণ মানুষের কণ্ঠস্বর হয়ে ওঠা। ** '''''[[:w:জন পিলজার|জন পিলজার]]''''', '''''দ্য ওয়ার ইউ ডোন্ট সি''''', আইটিভি১ (যুক্তরাজ্য), (১৪ ডিসেম্বর ২০১০)। * উইকিলিকস কেন সাংবাদিকতার ইতিহাসে একটি মাইলফলক হিসেবে স্বীকৃত? কারণ এর মাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যগুলো আমাদের কাছে একশ শতাংশ নিখুঁতভাবে এই সত্যটি তুলে ধরেছে যে এই বিশ্বের একটি বড় অংশ আসলে কীভাবে এবং কেন বিভক্ত এবং ঠিক কীভাবে তা পরিচালিত হচ্ছে। ** '''''[[:w:জন পিলজার|জন পিলজার]]''''', [https://frontline.thehindu.com/cover-story/article25661115.ece "নতুন শীতল যুদ্ধ এবং আসন্ন হুমকি"], '''''ফ্রন্টলাইন, ভারত''''', (২১ ডিসেম্বর ২০১৮)। * একজন সাংবাদিক সত্য প্রচারের মাধ্যমে অথবা তিনি যতটুকু সত্যের সন্ধান পান তা প্রকাশের মাধ্যমে মানুষের প্রভূত কল্যাণ সাধন করতে পারেন। তবে শর্ত হলো তাঁকে কোনো সরকার বা কোনো বিশেষ ক্ষমতার প্রতিনিধি হিসেবে নয়, বরং সাধারণ মানুষের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করতে হবে। এটিই হলো প্রকৃত সাংবাদিকতা। এর বাইরে যা কিছু আছে তার সবই আপাতদৃষ্টিতে সত্য মনে হলেও আসলে তা প্রতারণামূলক এবং মিথ্যা। ** '''''[[:w:জন পিলজার|জন পিলজার]]''''', উদ্ধৃত হয়েছে: [https://www.thedailystar.net/opinion/interviews/news/real-journalists-act-agents-people-not-power-1687921 "প্রকৃত সাংবাদিকরা জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেন, ক্ষমতার নয়"], '''''ডেইলি স্টার (বাংলাদেশ)''''', (১৬ জানুয়ারি ২০১৯)। * কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ ছাড়া সরাসরি "পশ্চিমা গোয়েন্দা সংস্থার" দোহাই দিয়ে উদ্ধৃতি প্রদান করা কখনোই সাংবাদিকতা হতে পারে না; এটি প্রায় সবসময়ই একটি সুপরিকল্পিত অপপ্রচার বা প্রোপাগান্ডা। একজন প্রতিবেদক হিসেবে আমি এই শিক্ষাটি লাভ করেছি। বিবিসি এবং অন্যান্য সংবাদমাধ্যমের এই নিরন্তর 'কোল্ড ওয়ার' বা স্নায়ুযুদ্ধের দামামা আমাদের ধীরে ধীরে একটি বিশ্বযুদ্ধের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। ** '''''[[:w:জন পিলজার|জন পিলজার]]''''', [https://twitter.com/johnpilger/status/1285869017412956160 টুইটার], (২২ জুলাই ২০২০)। == R == [[File:Helen Thomas - USNWR.jpg|thumb|আমি আশা করি যে ভবিষ্যতের সাংবাদিকরা এই পেশার প্রকৃত নীতিমালাগুলো কঠোরভাবে মেনে চলবেন এবং এটি উপলব্ধি করবেন যে দেশে ও বিদেশে গণতন্ত্র এবং মুক্ত চিন্তার আদান-প্রদানকে সজীব রাখার ক্ষেত্রে তাঁরা এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও অপরিহার্য ভূমিকা পালন করছেন।<br>~'''''[[:w:হেলেন থমাস|হেলেন থমাস]]''''' ]] * সংবাদ বোধ বা 'নিউজ সেন্স' হলো মূলত কোনটি গুরুত্বপূর্ণ, কোনটি অত্যাবশ্যক এবং কোনটির মাঝে প্রাণ ও রঙের স্পন্দন রয়েছে। অর্থাৎ মানুষ কোন বিষয়ে আগ্রহী, তা বোঝার এক অনন্য ক্ষমতা। এটিই হলো প্রকৃত সাংবাদিকতা। ** '''''বার্টন রাস্কো''''', উদ্ধৃত হয়েছে: ট্রায়ন এডওয়ার্ডস, সি. এন. ক্যাট্রেভাস এবং জনাথন এডওয়ার্ডস সম্পাদিত '''''ইউজফুল কোটেশনস: আ সাইক্লোপিডিয়া অফ কোটেশনস''''' (১৯৩৩)। * বিতর্ক? আপনি যদি এই নামের যোগ্য কোনো প্রতিবেদক হতে চান, তবে আপনি কখনোই বিতর্ককে পুরোপুরি এড়িয়ে চলতে পারবেন না। আপনি একজন দক্ষ প্রতিবেদক হতে পারবেন না যদি না আপনি নিয়মিতভাবে কোনো না কোনো তর্কের সাথে জড়িয়ে পড়েন। আর আমি মনে করি না যে বিতর্ককে বারবার এড়িয়ে চলে আপনি একজন মহান প্রতিবেদক হতে পারবেন। কারণ একজন ভালো সাংবাদিকের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব হলো সহজ সত্যগুলোর পাশাপাশি কঠিন ও রূঢ় সত্যগুলোকেও সাহসের সাথে তুলে ধরা। আর এই কঠিন সত্যগুলোই আপনাকে বিতর্কের দিকে ঠেলে দেবে, এমনকি এই কঠিন সত্যের অনুসন্ধান করতে গিয়ে আপনাকে হয়তো চড়া মূল্যও দিতে হতে পারে। দয়া করে আমার এই কথাগুলোকে কোনো অভিযোগ হিসেবে গ্রহণ করবেন না। আমি কেবল এটিই বোঝাতে চাইছি যে আপনি যদি একজন সৎ ও নিষ্ঠাবান সাংবাদিক হন, তবে এই ঝুঁকিগুলো আপনার কাজেরই অবিচ্ছেদ্য অংশ। আপনি যদি এমনভাবে সাংবাদিকতা শুরু করেন অথবা জীবনের এমন এক পর্যায়ে পৌঁছান যেখানে আপনি নিজেই নিজেকে বলেন, "শুনুন, আমি এমন কোনো কিছু স্পর্শ করব না যা থেকে বিতর্কের সৃষ্টি হতে পারে," তবে আপনার উচিত হবে অনতিবিলম্বে এই পেশা ছেড়ে দেওয়া। ** '''''ড্যান রাদার''''', সাক্ষাৎকার: [http://www.achievement.org/autodoc/page/rat0int-1 "ড্যান রাদার ইন্টারভিউ: ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট, অন দ্য ফ্রন্টলাইনস অফ ব্রেকিং নিউজ"], '''''একাডেমি অফ অ্যাচিভমেন্ট''''', (৫ মে ২০০১)। * উন্নতমানের সাংবাদিকতা সেই হাজারো 'নিষিদ্ধ বিষয়ের' রাজ্যে প্রশ্ন উত্থাপন করে, এমনকি যদি তার ফলাফল অত্যন্ত অদ্ভুত এবং বিচলিত করার মতো হওয়ার ঝুঁকিও থাকে। ... বর্তমান সময়ে সাংবাদিকরা কোনো গোয়েন্দা নন, আবার আধ্যাত্মিক ধর্মপ্রচারকও নন। তাঁরা কেবল তাঁদের অর্পিত দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করলেই তা যথেষ্ট। তবে সাংবাদিকতা পেশার সবসময়ই একটি অনুসন্ধানী দিকের পাশাপাশি একটি নৈতিক দিকও বিদ্যমান থাকে। সাংবাদিকরা গোয়েন্দা নন ঠিকই, কিন্তু তাঁদের কাজের মধ্য দিয়ে তাঁরা অনুসন্ধানের একটি নির্দিষ্ট মানদণ্ড বজায় রাখতে পারেন। তাঁরা গোয়েন্দা বাহিনীর কেউ নন, কিন্তু তাঁরা এমন সব তথ্য সরবরাহ করতে পারেন যা গোয়েন্দারাও কোনো না কোনোভাবে ব্যবহার করতে সক্ষম হন। সাংবাদিকরা আধ্যাত্মিক পথপ্রদর্শকও নন, কিন্তু পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করে তাঁরা এমন কিছু উপলক্ষ এবং সূত্র উপহার দিতে পারেন যা পাঠকদের আত্মিক খোরাক জোগাতেও কিছুটা সাহায্য করে। আসুন আমরা সবাই অত্যন্ত বিজ্ঞতার সাথে উপদেশমূলক সাংবাদিকতা থেকে দূরে থাকি; তবে ভালো সাংবাদিকরা অন্তত নিজের এবং তাঁদের পাঠকদের আত্মাকে বিষাক্ত করা থেকে বিরত থাকতে পারেন। ** '''''মার্কো রেসপিন্তি''''', [https://bitterwinter.org/a-universal-declaration-on-combating-and-preventing-forced-organ-harvesting/ "চীনের মানব ফসল এবং অবৈধ অঙ্গ বাণিজ্য: প্রকাশ করো নতুবা ধ্বংস হও?"], '''''বিটার উইন্টার'''''। * একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে সাংবাদিকতা শেখানো কতটা ভয়ানক ও অদ্ভুত বিষয়! আমি ভেবেছিলাম এটি কেবল অক্সফোর্ডেই করা হয়। নিচ ও নোংরা জনমানুষের প্রতি এই অতি-সম্মান প্রদর্শন আসলে আমাদের সভ্যতাকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। ** '''''[[:w:বার্ট্রান্ড রাসেল|বার্ট্রান্ড রাসেল]]''''', লুসি মার্টিন ডনেলিকে লেখা একটি চিঠিতে (৬ জুলাই ১৯০২)। == S == * তবে আমি এমনভাবে এর প্রতিবেদন পেশ করব—<br>যেখানে সিনেটররা তাঁদের হাসির সাথে চোখের জলের মিশ্রণ ঘটাবেন। ** '''''[[:w:উইলিয়াম শেক্সপিয়র|উইলিয়াম শেক্সপিয়র]]''''', '''''[[:w:কোরিওলেনাস|কোরিওলেনাস]]''''' (আনু. ১৬০৭-০৮), প্রথম অংক, নবম দৃশ্য, লাইন ২। * যারা অতৃপ্ত বা সত্য সম্পর্কে অবগত নয়,<br>তাদের কাছে আমাকে এবং আমার উদ্দেশ্যকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করো। ** '''''[[:w:উইলিয়াম শেক্সপিয়র|উইলিয়াম শেক্সপিয়র]]''''', '''''[[:w:হ্যামলেট|হ্যামলেট]]''''' (১৬০০-০২), পঞ্চম অংক, দ্বিতীয় দৃশ্য, লাইন ৩৫০। * আমার কাছে আর কোনো প্রতিবেদন নিয়ে এসো না। ** '''''[[:w:উইলিয়াম শেক্সপিয়র|উইলিয়াম শেক্সপিয়র]]''''', '''''[[:w:ম্যাকবেথ|ম্যাকবেথ]]''''' (১৬০৫), পঞ্চম অংক, তৃতীয় দৃশ্য, লাইন ১। * আমার মনে হয় না যে পরিস্থিতি এর আগে কখনো বর্তমানের মতো এত বেশি ভয়াবহ ছিল। কারণ এখন দেখে মনে হচ্ছে যে প্রতিটি সাংবাদিকই আসলে কোনো না কোনো হুমকির মুখে রয়েছেন। ** '''''নাজিব শরিফি''''', আফগান সাংবাদিক নিরাপত্তা কমিটির প্রধান, '''''ডিডব্লিউ''''' (DW)-এর সাথে একটি সাক্ষাৎকারে; [https://www.dw.com/en/2020-dozens-of-journalists-killed-in-targeted-attacks/a-56078207 "২০২০: লক্ষ্যবস্তু করে চালানো হামলায় কয়েক ডজন সাংবাদিক নিহত"] শীর্ষক প্রতিবেদনে প্রকাশিত। * আমি আজও বিশ্বাস করি যে, আপনার লক্ষ্য যদি হয় এই পৃথিবীকে বদলে দেওয়া, তবে সাংবাদিকতা হলো তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি তাৎক্ষণিক এবং কার্যকর একটি স্বল্পমেয়াদী অস্ত্র। ** '''''[[:w:টম স্টপার্ড|টম স্টপার্ড]]''''', '''''টম স্টপার্ড ইন কনভারসেশন''''' (১৯৯৪), পল ডেলানি সম্পাদিত, ইউনিভার্সিটি অফ মিশিগান প্রেস, পৃ. ১৯৬। * আমি কোনো সংবাদের বা গল্পের অংশ হয়ে উঠতে চাই না। আমি বরং একজন নামহীন, শান্ত ও নিভৃতচারী দর্শক হয়ে থাকতে চাই। যে আসলে পৃথিবীতে কী ঘটছে তা বোঝার চেষ্টা করে (যা মোটেও সহজ কোনো কাজ নয়) এবং পরবর্তীতে অন্য মানুষের কাছে সেই সত্যটি বর্ণনা করে। ঘটনার কেন্দ্রে কোনো গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র হয়ে থাকাটা আমার একদমই পছন্দ নয়। ** '''''[[:w:জন সিম্পসন|জন সিম্পসন]]''''', সাক্ষাৎকার: '''''বিবিসি নরফোক''''', (১২ অক্টোবর ২০০৭)। [[File:William Thomas Stead.jpg|thumb|সংবাদমাধ্যম একই সাথে জনগণের চোখ, কান এবং জিহ্বা স্বরূপ। এটি যদি গণতন্ত্রের কণ্ঠস্বর নাও হয়, তবুও এটি গণতন্ত্রের এক দৃশ্যমান ভাষা। এটি আসলে পুরো বিশ্বের একটি জীবন্ত শব্দলেখচিত্র বা ফোনোগ্রাফ।<br>~'''''[[:w:উইলিয়াম থমাস স্টিড|উইলিয়াম থমাস স্টিড]]''''' ]] * সংবাদমাধ্যম একই সাথে জনগণের চোখ, কান এবং জিহ্বা স্বরূপ তথা একটি দেহের মতো। এটি যদি গণতন্ত্রের প্রকৃত কণ্ঠস্বর নাও হয়ে থাকে, তবুও এটি গণতন্ত্রের এক অনন্য ও দৃশ্যমান ভাষা। সহজ কথায়, এটি পুরো বিশ্বের একটি জীবন্ত শব্দলেখচিত্র বা ফোনোগ্রাফ। ** '''''উইলিয়াম থমাস স্টিড''''' (মে ১৮৮৬), "গভর্নমেন্ট বাই জার্নালিজম", ''কন্টেম্পোরারি রিভিউ''। * সাংবাদিকতা (একটি সংজ্ঞা দেওয়া যাক): জীবনকে একগুচ্ছ গতানুগতিক ক্লিশে বা ধরাবাঁধা চেনা ছাঁচের ধারাবাহিকতা হিসেবে উপস্থাপন করার একটি শিল্প কিংবা বিজ্ঞান। ** '''''রিচার্ড সামারবেল''''', '''''অ্যাবনরমালি হ্যাপি''''' (১৯৮৫), নিউ স্টার বুকস, পৃ. ৩০, ISBN 091957341X। == T == * সংবাদপত্র পড়ার নেশা থেকে পুরোপুরি মুক্তি পেতে চাইলে, একটি বছর ব্যয় করুন গত সপ্তাহের পুরোনো সংবাদপত্রগুলো পড়ার পেছনে! (যেন সত্য এবং মিথ্যার মাঝে তৌফাতটা ধরতে পারা যায়!) ** '''''নাসিম এন. তালেব''''', '''''দ্য বেড অফ প্রোক্রাস্টাস: ফিলোসফিক্যাল অ্যান্ড প্র্যাকটিক্যাল অ্যাফোরিজমস''''' (২০১০), পৃ. ২১। * আমি সবসময়ই উন্নতমানের ও শৈল্পিক লিখনশৈলীর মানদণ্ড বজায় রাখার চেষ্টা করেছি। এই সাংবাদিকতা পেশার ভেতরেও শিল্প লুকিয়ে আছে। এমনকি এখানে অত্যন্ত মহান শিল্প সৃষ্টি হওয়ার প্রবল সম্ভাবনাও বিদ্যমান। ** '''''[[:w:গে টালিস|গে টালিস]]''''' (১৪ সেপ্টেম্বর ২০০৬); রিপোর্ট করেছেন রেবেকা ক্যাথকার্ট: '''''বুলপেন: এনওয়াইইউ জার্নালিজম''''', নিউ ইয়র্ক ইউনিভার্সিটি। * একজন সংবাদ প্রতিবেদকের প্রকৃত শিল্প চাতুর্য হলো কোনো শিকারকে কীভাবে আশ্বস্ত করে শান্ত করতে হয় তা আয়ত্ত করা। কারণ সমস্ত দক্ষ প্রতিবেদকই আসলে তাঁদের প্রাথমিক সত্তায় একেকজন অত্যন্ত ধুরন্ধর প্রতারক বা 'কনফিডেন্স ট্রিকস্টার'। ** '''''ডেরেক টাঙ্গি''''', ব্রিটিশ লেখক, '''''দ্য ওয়ে টু মাইনাক''''' (১৯৬৮), সপ্তম অধ্যায়। * আমি মোটেও বিশ্বাস করি না যে সাংবাদিকতা একটি মৃতপ্রায় শিল্প। বরং আমি মনে করি, এটি আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় এখন অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ; এবং বিশ্বজুড়ে সাংবাদিকরা আমাদের কর্মপদ্ধতির সাথে নিজেদের মানিয়ে নিচ্ছেন, যার মূল লক্ষ্য হলো সরকারি কর্মকর্তাদের জনগণের কাছে দায়বদ্ধ করা। সাংবাদিকের ভূমিকা অপরিহার্য, এবং সংবাদকর্মীরা মাঝে মাঝে জনরোষের শিকার বা নিন্দিত হলেও, তাঁরা যখন নিষ্ঠার সাথে সত্য অন্বেষণ করেন এবং ইতিবাচক ফলাফল বয়ে আনেন, তখন তাঁরা আজও অত্যন্ত উচ্চ মর্যাদায় ভূষিত হন। আমার প্রত্যাশা এই যে, ভবিষ্যতের সাংবাদিকরা এই পেশার প্রকৃত মূলনীতিগুলো মেনে চলবেন এবং এটি উপলব্ধি করবেন যে, দেশে ও বিদেশে গণতন্ত্রকে সমুন্নত রাখতে এবং মুক্ত চিন্তার আদান-প্রদানকে সচল রাখতে তাঁরা এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও অনবদ্য ভূমিকা পালন করছেন। ** '''''হেলেন থমাস''''', '''''ওয়াচডগস অফ ডেমোক্রেসি?''''' (২০০৬), সাইমন অ্যান্ড শুস্টার, ভূমিকা অংশ, ISBN 0743267818। * বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা নিয়ে এই হলো আমার বক্তব্য। আমার কোনো নামলিপির নিচে বা আমার চেনা অন্য কারোর লেখার মাঝেও এটি খুঁজে পাওয়ার বৃথা চেষ্টা করে লাভ নেই। খেলার স্কোরকার্ড, ঘোড়দৌড়ের ফলাফল কিংবা শেয়ার বাজারের তালিকার মতো গুটিকতক ব্যতিক্রম ছাড়া এই পৃথিবীতে 'বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা' বলে আসলে কিছুর অস্তিত্ব নেই। এই শব্দগুচ্ছটি নিজেই নিজের অর্থের মধ্যে এক উদ্ধত ও হাস্যকর বৈপরীত্য ছাড়া আর কিছুই নয়। ** '''''হান্টার এস. থম্পসন''''', '''''ফিয়ার অ্যান্ড লোদিং: অন দ্য ক্যাম্পেইন ট্রেইল '৭২''''' (২২ এপ্রিল ১৯৮৫), পৃ. ৪৮, ISBN 0446313645। * "সংবাদপত্র যদি কেবল এইটুকুই দেওয়ার ক্ষমতা রাখে, তবে তা নিয়ে মাথা ঘামানোর দরকার কী? অ্যাগনিউ ঠিকই বলেছিলেন। সংবাদমাধ্যম হলো একদল নিষ্ঠুর ও বিকৃত মানুষের আস্তানা। সাংবাদিকতা কোনো পেশা বা সাধারণ ব্যবসা নয়। এটি হলো ব্যর্থ আর অযোগ্যদের ভিড় জমানোর এক সস্তা আশ্রয়স্থল। জীবনের পেছনের দরজার দিকে যাওয়ার জন্য এটি একটি মিথ্যে প্রবেশপথ। এটি বিল্ডিং পুলিশ ইন্সপেক্টর কর্তৃক পরিত্যক্ত এক নোংরা ও দুর্গন্ধযুক্ত গর্ত, যা কেবল কোনো মদ্যপ-ভবঘুরে ব্যক্তির ফুটপাত থেকে গুটিয়ে শুয়ে থাকার জন্য কিংবা চিড়িয়াখানার খাঁচায় বন্দি কোনো শিম্পাঞ্জির মতো কুরুচিপূর্ণ আচরণের উপযুক্ত স্থান হিসেবে যথেষ্ট গভীর।" ** '''''হান্টার এস. থম্পসন''''', '''''ফিয়ার অ্যান্ড লোদিং ইন লাস ভেগাস''''' (১৯৭১), পৃ. ২০০। == U == * প্রত্যেকে ব্যক্তিরই স্বাধীনভাবে নিজস্ব মত পোষণ এবং তা প্রকাশের অধিকার রয়েছে। এই অধিকারের মধ্যে কোনো প্রকার হস্তক্ষেপ ছাড়াই স্বীয় মতামতে অটল থাকা এবং যেকোনো সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে এবং ভৌগোলিক সীমানা নির্বিশেষে তথ্য ও ধারণা অনুসন্ধান করা, গ্রহণ করা এবং তা প্রচার করার স্বাধীনতা অন্তর্ভুক্ত। ** '''''[[:w:জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ|জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ]]''''', '''''মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণা''''', [[w:জাতিসংঘ|জাতিসংঘ]], প্যালে ডি শাইলট, প্যারিস (১০ ডিসেম্বর ১৯৪৮), ধারা ১৯। [http://www.un.org/Overview/rights.html মূল পাঠ্য] == V == [[File:Superman-facebook.svg|thumb|সাংবাদিকতা হলো সেই একমাত্র সত্তা যা আমাদেরকে সুরক্ষা প্রদান করতে পারে। ঐতিহাসিকভাবেই এমন কিছু আপসহীন ও প্রতিবাদী সাংবাদিক ছিলেন যারা পরিণতির পরোয়া না করে সত্যের পথে লড়াই করতেন। কিন্তু সেই ধারা এখন 'অ্যাডভোকেসি জার্নালিস্ট' বা ওকালতি সাংবাদিকতায় রূপ নিয়েছে, যাদের নির্দিষ্ট বামপন্থী কিংবা ডানপন্থী রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্ব রয়েছে। এর কোনো যৌক্তিক ভিত্তি নেই। একজন সাংবাদিকের একমাত্র উপাসনার বিষয় হওয়া উচিত ধ্রুব সত্য।<br>~'''''অ্যান্ড্রু ভাকস''''' ]] * সাংবাদিকতা হলো সেই একমাত্র মাধ্যম যা আমাদের ঢাল হয়ে রক্ষা করে। অতীতে এমন অনেক আপসহীন ও লড়াকু সাংবাদিকের ইতিহাস ছিল যারা পরিণতির পরোয়া না করেই সত্য প্রকাশে অবিচল থাকতেন। কিন্তু সেই জায়গাটি এখন দখল করে নিয়েছে এক ধরনের 'ওকালতি সাংবাদিকতা'! যেখানে সংবাদকর্মীরা বাম কিংবা ডানপন্থী রাজনৈতিক আদর্শের প্রতি পক্ষপাতদুষ্ট। এটি মোটেও যুক্তিযুক্ত নয়। একজন সাংবাদিকের উপাসনার যোগ্য একমাত্র ঈশ্বর হওয়া উচিত পরম সত্য। ** '''''অ্যান্ড্রু ভাকস''''', ডুয়েন সোয়ারসিনস্কির নেওয়া সাক্ষাৎকার, ''ফিলডেলফিয়া সিটি পেপার'', (৭ জুলাই ২০০৫)। == W == [[File:Oscar Wilde by Napoleon Sarony. Three-quarter-length photograph, seated.jpg|thumb|সাধারণ মানুষের মাঝে সবকিছু জানার এক অতৃপ্ত কৌতূহল কাজ করে, কেবল সেই বিষয়গুলো ছাড়া যা আসলে জানার যোগ্য। সাংবাদিকতা এই দুর্বলতা সম্পর্কে অনেক সচেতন এবং ব্যবসায়িক মানসিকতার অধিকারী হওয়ার ফলে তারা ঠিক সেই চাহিদাগুলোই মিটিয়ে থাকে।<br>~'''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''' ]] * আমার একটি লক্ষ্য ছিল 'দ্য ''৬০ মিনিটস''' এর জন্য কাজ করা এবং বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে যাওয়ার সক্ষমতা অর্জন করা, যেকোনো বিষয়ের ওপর প্রতিবেদন তৈরি করা এবং প্রচারের জন্য যথেষ্ট সময় পাওয়া। সহজ কথায়, সাংবাদিকতায় এর সমতুল্য কোনো দ্বিতীয় কাজ আর নেই। শুরুতে এটি ছিল কেবল একটি স্বপ্ন। এখন ৮৪ বছর বয়সে এসেও আমি এমন সব মানুষের সাথে কাজ করছি যারা আমার অর্ধেক বয়সের বা তারও কম। আর এর মূল কারণ হলো সংবাদের প্রতি এক অমোঘ আকর্ষণ। যদি কোথাও কোনো ভালো সংবাদ বা গল্পের সুযোগ থাকে, তবে সেখানে উপস্থিত না হওয়ার কোনো কারণ আমি দেখি না। ** '''''মাইক ওয়ালেস''''', সাক্ষাৎকার: '''''অ্যাকাডেমি অফ অ্যাচিভমেন্ট''''', (৮ জুন ২০০২)। * [[w:সংবাদ|সংবাদ]] হলো এমন কিছু যা সেই ব্যক্তিটি পড়তে চায় যে আসলে কোনো কিছু নিয়েই খুব একটা মাথা ঘামায় না। আর এটি ততক্ষণই সংবাদ হিসেবে টিকে থাকে যতক্ষণ না সে এটি পড়ছে। একবার পড়া হয়ে গেলে এটি স্রেফ একটি মৃত বিষয়ে পরিণত হয়। ** '''''ইভলিন ওয়াহ''''' (১৯৩৮), ''স্কুপ'', প্রথম খণ্ড, ৫ম অধ্যায়; উদ্ধৃতিটি পুনরুৎপাদন করা হয়েছে: ডেভিড ক্রিস্টাল ও হিলারি ক্রিস্টাল রচিত '''''ওয়ার্ডস অন ওয়ার্ডস: কোটেশনস অ্যাবাউট ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজেস''''' (২০০০), ইউনিভার্সিটি অফ শিকাগো প্রেস, পৃ. ২৭৭, ISBN 0226122018। * এটি একটি ধ্রুব সত্য যে, কোনো অভিযোগের বিপরীতে দেওয়া খণ্ডন বা প্রতিবাদ কখনোই মূল অভিযোগের গতির সাথে পাল্লা দিয়ে উঠতে পারে না। যেসব সৎ সাংবাদিক ব্যক্তি হয়তো ভুলবশত কোনো মিথ্যা তথ্য ছাপিয়ে ফেলতে পারেন, তাঁরা খুব ভালো করেই জানেন যে অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে প্রকাশিত কোনো প্রতিবাদলিপি বা সংশোধনীও মূল প্রতিবেদনের মাধ্যমে হওয়া ক্ষতির ক্ষত কখনোই পুরোপুরি মুছে ফেলতে পারে না। ** '''''টম উইকার''''', [http://www.nytimes.com/1989/06/09/opinion/in-the-nation-lesson-of-lattimore.html "ইন দ্য নেশন; লেসন অফ ল্যাটিমোর"], '''''[[:w:দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস|দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস]]''''', (৯ জুন ১৯৮৯)। * সেটি ছিল এক মারাত্মক ও অভিশপ্ত দিন যখন সাধারণ মানুষ প্রথম আবিষ্কার করল যে, কলম আসলে ফুটপাতের ইটের চেয়েও ভয়ংকর রকম্ন শক্তিশালী এবং একে অনায়াসেই ইটের টুকরোর মতো আক্রমণাত্মক করে তোলা সম্ভব! | এই সত্য জানার পরপরই তারা একজন সাংবাদিকের খোঁজ করল, তাকে খুঁজে বের করল, তাকে নিজেদের প্রয়োজনের তাগিদে তথা 'আপনা-সুবিধা' বাস্তবায়নের জন্য গড়ে তুলল এবং শেষ পর্যন্ত তাকে নিজেদের এক পরিশ্রমী ও উচ্চ বেতনের ভৃত্যে পরিণত করল। এটি উভয় পক্ষের জন্যই অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়। যুদ্ধের ব্যারিকেডের পেছনে হয়তো মহত্ত্ব আর বীরত্বের অনেক কিছু থাকতে পারে। কিন্তু সংবাদপত্রের সম্পাদকীয় বা প্রধান নিবন্ধগুলোর পেছনে কুসংস্কার, মূর্খতা, ভণ্ডামি আর নিরর্থক প্রলাপ ছাড়া আর কী-ই বা আছে? আর যখন এই চারটি বিষয় একত্রিত হয়, তখন তারা এক ভয়াবহ শক্তিতে রূপান্তরিত হয় এবং এক নতুন ও একনায়কতান্ত্রিক কর্তৃত্বের সৃষ্টি করে। ** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''[[:w:দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম|দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম]]''''' (১৮৯১); লন্ডন: আর্থার এল. হামফ্রেস (১৯১২ সংস্করণ)। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরি থেকে সংগৃহীত। * প্রাচীনকালে মানুষের ওপর নির্যাতন করার জন্য 'র‍্যাক' (The Rack) নামক যন্ত্র ছিল, আর এখন তাদের হাতে আছে সংবাদমাধ্যম বা প্রেস। এটি নিশ্চিতভাবেই একটি উন্নতি বলা যায়। কিন্তু তা সত্ত্বেও এটি অত্যন্ত মন্দ, ভুল এবং নৈতিকভাবে অবক্ষয় সৃষ্টিকারী। কেউ একজন—তিনি কি বার্ক ছিলেন? সাংবাদিকতাকে 'চতুর্থ স্তম্ভ' বা ফোর্থ এস্টেট বলে অভিহিত করেছিলেন। সেই সময়ে সেটি নিঃসন্দেহে সত্য ছিল। কিন্তু বর্তমান মুহূর্তে এটিই আসলে একমাত্র স্তম্ভে পরিণত হয়েছে। কারণ এটি অন্য বাকি তিনটি স্তম্ভকেই গ্রাস করে ফেলেছে। লর্ডস টেম্পোরাল বা উচ্চকক্ষ এখন নিশ্চুপ, লর্ডস স্পিরিচুয়াল বা ধর্মীয় প্রতিনিধিদের বলার মতো কিছুই নেই এবং হাউজ অফ কমন্স বা নিম্নকক্ষের বলার মতো কিছু না থাকলেও তারা অনবরত কথা বলে যাচ্ছে। আমরা এখন পুরোপুরি সাংবাদিকতার আধিপত্য দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হচ্ছি। ** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''[[:w:দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম|দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম]]''''' (১৮৯১); লন্ডন: আর্থার এল. হামফ্রেস (১৯১২ সংস্করণ)। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরি থেকে সংগৃহীত। * আমেরিকায় প্রেসিডেন্ট মাত্র চার বছরের জন্য রাজত্ব করেন, কিন্তু সাংবাদিকতা সেখানে শাসন চালায় অনন্তকাল ধরে! সৌভাগ্যবশত, ইতোমধ্যে আমেরিকায় 'সাংবাদিকতা' তার ক্ষমতাকে সবচেয়ে জঘন্য এবং পাশবিক চরম সীমায় নিয়ে গেছে। যার স্বাভাবিক পরিণতি হিসেবে এটি মানুষের মাঝে এক বিদ্রোহের চেতনা সৃষ্টি করতে শুরু করেছে! মানুষ এখন তাদের স্বভাব অনুযায়ী এই সাংবাদিকতা দেখে হয় বিনোদিত হয়, না হয় চরম বিরক্ত হয়। কিন্তু এটি আগের মতো আর সেই প্রকৃত প্রভাবশালী শক্তিতে টিকে নেই। মানুষ একে এখন আর খুব একটা গুরুত্ব দেয় না। অন্যদিকে [[w:ইংল্যান্ড|ইংল্যান্ডে]], সুপরিচিত গুটিকতক উদাহরণ ছাড়া সাংবাদিকতাকে যেহেতু এমন পাশবিক চরম সীমায় নিয়ে যাওয়া হয়নি, তাই এটি এখনও একটি বিশাল বড় প্রভাবক এবং এক উল্লেখযোগ্য শক্তি হিসেবে টিকে আছে। মানুষের ব্যক্তিগত জীবনের ওপর এটি যে ধরণের স্বৈরতান্ত্রিক শাসন কায়েম করতে চায়, তা আমার কাছে অত্যন্ত অস্বাভাবিক ও বিস্ময়কর বলে মনে হয়। ** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''[[:w:দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম|দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম]]''''' (১৮৯১); লন্ডন: আর্থার এল. হামফ্রেস (১৯১২ সংস্করণ)। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরি থেকে সংগৃহীত। * আমরা এখানে সাংবাদিককে নিরঙ্কুশ স্বাধীনতা দিয়েছি, অথচ শিল্পীর পথকে করেছি সম্পূর্ণ কণ্টকাকীর্ণ ও সীমাবদ্ধ। ইংরেজ জনমত মূলত সেই মানুষটিকেই বাধাগ্রস্ত করতে, অবদমিত করতে এবং তাঁর যাত্রাপথকে বিকৃত করতে চায়, যিনি প্রকৃতপক্ষে সুন্দর কিছু সৃষ্টি করেন। অন্যদিকে এটিই আবার সাংবাদিককে বাধ্য করে কুৎসিত, জঘন্য কিংবা বাস্তবিকভাবেই চরম ঘৃণ্য বিষয়গুলো পরিবেশন করতে। আর এর ফলস্বরূপ আমরা একই সাথে বিশ্বের সবচেয়ে গম্ভীর সাংবাদিকতা এবং সবচেয়ে কুরুচিপূর্ণ সংবাদপত্রের অধিকারী হয়েছি। ** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''[[:w:দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম|দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম]]''''' (১৮৯১); লন্ডন: আর্থার এল. হামফ্রেস (১৯১২ সংস্করণ)। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরি থেকে সংগৃহীত। * প্রকৃত সত্য এই যে, সাধারণ মানুষের মাঝে সবকিছু জানার এক প্রচণ্ড ও অতৃপ্ত কৌতূহল কাজ করে, কেবল সেই বিষয়গুলো ছাড়া যা আসলে জানার মতো কোনো যোগ্যতাই রাখে না। সাংবাদিকতা মানুষের এই চারিত্রিক দুর্বলতা সম্পর্কে পূর্ণ সচেতন এবং এক ধরণের খাঁটি ব্যবসায়িক মানসিকতার অধিকারী হওয়ার ফলে, তারা নিছক মুনাফার দায়ে মানুষের সেই কুরুচিপূর্ণ চাহিদাগুলোই পূরণ করে থাকে। ** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''[[:w:দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম|দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম]]''''' (১৮৯১); লন্ডন: আর্থার এল. হামফ্রেস (১৯১২ সংস্করণ)। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরি থেকে সংগৃহীত। * আধুনিক সাংবাদিকতার পক্ষে বলার মতো আসলে অনেক কিছু আছে। অল্পশিক্ষিত বা মূর্খদের মতামত আমাদের সামনে উপস্থাপনের মাধ্যমে এটি আমাদের সমাজের সামগ্রিক অজ্ঞতার সাথে নিবিড়ভাবে যুক্ত রাখে। সমসাময়িক জীবনের দৈনন্দিন ঘটনাবলী অত্যন্ত সতর্কতার সাথে ধারাবাহিকভাবে লিপিবদ্ধ করার মাধ্যমে এটি আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয় যে, আদতে এই সব ঘটনার গুরুত্ব কতই না নগণ্য। আর সবসময় অপ্রয়োজনীয় বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে এটি আমাদের বুঝতে সাহায্য করে যে, সংস্কৃতির জন্য ঠিক কোন বিষয়গুলো অপরিহার্য এবং কোনগুলো একেবারেই অকেজো। ** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''দ্য ক্রিটিক অ্যাজ আর্টিস্ট''''' (১৮৯১), দ্বিতীয় খণ্ড। * আর্নেস্ট: কিন্তু সাহিত্য এবং সাংবাদিকতার মধ্যে প্রকৃত পার্থক্যটি ঠিক কোথায়? গিলবার্ট: পার্থক্য শুধু এইটুকু যে সাংবাদিকতা হলো পাঠের অযোগ্য বিষয়, আর সাহিত্য কেউ সচরাচর পাঠ করে না। সাধারণত, এর বাইরে আর কোনো তফাৎ নেই। ** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''[[:w:দ্য ক্রিটিক অ্যাজ আর্টিস্ট|দ্য ক্রিটিক অ্যাজ আর্টিস্ট]]''''' (১৮৯১), প্রথম খণ্ড; নিউ ইয়র্ক: ব্রেটানোস (১৯০৫ সংস্করণ)। লাইব্রেরি অফ কংগ্রেস থেকে সংগৃহীত। * আধুনিক সাংবাদিকতার কথা যদি বলেন, তবে এর স্বপক্ষে সাফাই গাওয়া বা একে রক্ষা করা আমার কাজ নয়। এটি ডারউইনের সেই বিবর্তনবাদ তত্ত্ব তথা 'যোগ্যতমের টিকে থাকার লড়াই'—এর পরিবর্তে 'নিকৃষ্টতমের টিকে থাকা' বা সার্ভাইভাল অফ দ্য ভালগারেস্টের মহান মূলনীতির মাধ্যমেই নিজের অস্তিত্বের যৌক্তিকতা প্রমাণ করে। ** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''[[:w:দ্য ক্রিটিক অ্যাজ আর্টিস্ট|দ্য ক্রিটিক অ্যাজ আর্টিস্ট]]''''' (১৮৯১), প্রথম খণ্ড; নিউ ইয়র্ক: ব্রেটানোস (১৯০৫ সংস্করণ)। লাইব্রেরি অফ কংগ্রেস থেকে সংগৃহীত। * ঘুস দিয়ে যদি সাংবাদিককে বশে আনতে চান, তবে আপনাকে নিন্দাবাদ<br />কিংবা আপন স্বার্থের জন্য যদি বাঁকিয়ে ফেলতেও যান, আপনাকে মুর্দাবাদ,<br />তাই গাহি স্রষ্টার গান! -জনৈক ব্রিটিশ সাংবাদিক<br />তবে, কোনো প্রকার ঘুস ছাড়াই সেই মানুষটি যা যা করতে সক্ষম—<br />তা দেখার পর, তাঁকে ঘুস দেওয়া ছাড়া আর কোন প্রয়োজনটিই অক্ষম! ** '''''হাম্বার্ট উলফ''''', "ওভার দ্য ফায়ার", ''দ্য আনসেলেস্টিয়াল সিটি'' (১৯৩০)-এ, ''রুপান্তরঃ'' '''মাহমুদ''' (২৩ এপ্রিল, ২০২৬)। * যদি মঙ্গল গ্রহ থেকে কেউ আমেরিকায় আসে এবং সেখানে কয়েক মাস বা কয়েক বছর ঘুরে বেড়ানোর পর আপনি তাকে জিজ্ঞাসা করেন যে, সেখানে কাদের কাজ বা পেশা সবচেয়ে চমৎকার; তবে সে নিশ্চিতভাবেই সাংবাদিকদের কথা বলবে। কারণ সাংবাদিকরা মানুষের জীবনের সেই মুহূর্তগুলোতে প্রবেশ করার সুযোগ পান যখন সেই জীবনগুলো অত্যন্ত আকর্ষণীয় ও রোমাঞ্চকর থাকে, আর ঠিক যখনই আকর্ষণ ফুরিয়ে যায়, তখনই তাঁরা সেখান থেকে নির্বিঘ্নে বেরিয়ে আসতে পারেন। ** '''''[[:w:বব উডওয়ার্ড|বব উডওয়ার্ড]]''''', সাক্ষাৎকার: '''''অ্যাকাডেমি অফ অ্যাচিভমেন্ট''''', (১ মে ২০০৩)। == Y == * আমি সাংবাদিকদের মনে প্রাণে খুব-ই ঘৃণা করি! তাদের ভেতরটা বিদ্রূপাত্মক এবং উপহাসপূর্ণ শূন্যতা ছাড়া আর কিছুই নয়, জাস্ট কিছুই নয়!.. এই পৃথিবীর পৃষ্ঠে তারা হলো সবচেয়ে নিচু প্রকৃতির আর অন্তঃসারশূন্য একদল বুনো মানুষ! ** '''''[[:w:ডব্লিউ. বি. ইয়েটস|ডব্লিউ. বি. ইয়েটস]]''''', ক্যাথরিন টাইন্যানকে লেখা চিঠি (৩০ আগস্ট ১৮৮৮)। * একজন রাষ্ট্রনায়ক বেশ সহজ-সরল মানুষ,<br />তিনি স্রেফ মুখস্থ করা বুলি দিয়েই অনর্গল মিথ্যে বলেন;<br />কিন্তু একজন সাংবাদিক তাঁর মিথ্যেগুলো নিজেই উদ্ভাবন করেন,<br />এবং এরপর সেই মিথ্যের জোরে আপনার টুঁটি চেপে ধরেন। ** '''''[[:w:ডব্লিউ. বি. ইয়েটস|ডব্লিউ. বি. ইয়েটস]]''''', ''দ্য ওল্ড স্টোন ক্রস''-এ। * বর্তমান সময়ের সাংবাদিকতা—বড় বড় শহরগুলোর সংবাদপত্রগুলোর মধ্যকার পারস্পরিক সম্পর্কের কথা বিবেচনা করলে—বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বেশ ভদ্রোচিত এবং মার্জিত বলে মনে হয়। কিন্তু সেই দিনগুলোতে নিউ ইয়র্কের দৈনিক পত্রিকাগুলো একে অপরের কর্মকাণ্ড এবং উদ্দেশ্যকে প্রকাশ্যে এমন ঘৃণাভরে আক্রমণ করত, যা সচরাচর পরম সৎ নাগরিকরা ঘোড়া-চোর কিংবা ডাকাতদের প্রতি প্রকাশ করে থাকেন। 'দ্য সান'-এর ডানা এবং 'দ্য ওয়ার্ল্ড'-এর পুলিৎজারের মধ্যকার দীর্ঘস্থায়ী দ্বন্দ্ব সে সময় ব্যাপক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ছিল; এমনকি 'ওয়ার্ল্ড' এবং 'হেরাল্ড' পত্রিকা দুটিও প্রায়ই একে অপরের ওপর নেকড়ের মতো ক্ষিপ্ত হয়ে গর্জন করত। ** '''''আর্ট ইয়ং: হিজ লাইফ অ্যান্ড টাইমস''''' (১৯৩৯)। ===''হয়েটস নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস''=== :<small>'''''[[s:en:Hoyt's New Cyclopedia Of Practical Quotations (1922)|হয়েটস নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস]]''''' (১৯২২), পৃ. ৪০৭-০৮ থেকে প্রতিবেদনকৃত উদ্ধৃতিসমূহ।</small> * আমি তাঁদের মঙ্গলের জন্য অত্যন্ত আন্তরিকভাবে এই পরামর্শ দেব—যেন তাঁরা এই সংবাদপত্রটি নিয়মিত সংগ্রহ করার আদেশ দেন এবং একে তাঁদের প্রতিদিনের বৈকালিক আপ্যায়নের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে গণ্য করেন। ** '''''[[:w:জোসেফ অ্যাডিসন|জোসেফ অ্যাডিসন]]''''', ''স্পেকটেটর'', সংখ্যা ১০। * তারা আমাদের কাগজ তৈরির শিল্পের একটি বিশাল অংশ ভোগ করে, মুদ্রণ কাজে আমাদের কারিগরদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে এবং অগণিত দরিদ্র ও অভাবী মানুষের জন্য জীবিকা নির্বাহের পথ প্রশস্ত করে দেয়। ** '''''[[:w:জোসেফ অ্যাডিসন|জোসেফ অ্যাডিসন]]''''', ''স্পেকটেটর'', সংখ্যা ৩৬৭। * বিজ্ঞাপন সাধারণ বা নিম্নবিত্ত মানুষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী একটি মাধ্যম। প্রথমত, এটি উচ্চাকাঙ্ক্ষা পূরণের হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে। একজন মানুষ যিনি কোনোভাবেই সরকারি গেজেটে স্থান পাওয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ নন, তিনি খুব সহজেই বিজ্ঞাপনের পাতায় নিজেকে ঢুকিয়ে দিতে পারেন; যার ফলে আমরা প্রায়ই দেখি একই সংবাদপত্রে একজন সাধারণ ওষুধ বিক্রেতা বা কবিরাজ একজন পূর্ণক্ষমতাপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূতের পাশে স্থান পেয়েছেন, কিংবা একজন সাধারণ বার্তাবাহক কোনো উচ্চপদস্থ দূতের সাথে একই সারিতে দাঁড়িয়ে আছেন। ** '''''[[:w:জোসেফ অ্যাডিসন|জোসেফ অ্যাডিসন]]''''', ''ট্যাটলার'', সংখ্যা ২২৪। * বিজ্ঞাপন লেখার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় কৌশল বা শিল্প হলো পাঠকের দৃষ্টি আকর্ষণ করার সঠিক পদ্ধতিটি খুঁজে বের করা; কারণ এই কৌশল ছাড়া একটি অত্যন্ত চমৎকার বস্তুও হয়তো অলক্ষিত থেকে যেতে পারে, কিংবা দেউলিয়া হওয়ার সংবাদের ভিড়ে কোথাও হারিয়ে যেতে পারে। ** '''''[[:w:জোসেফ অ্যাডিসন|জোসেফ অ্যাডিসন]]''''', ''ট্যাটলার'', সংখ্যা ২২৪। * জিজ্ঞেস করছেন কীভাবে জীবন ধারণ করবেন? লিখুন, লিখুন, যা খুশি তা-ই লিখুন;<br>এই পৃথিবীটা এক চমৎকার বিশ্বাসপ্রবণ জগত, তাই স্রেফ সংবাদ লিখে যান। ** '''''বিউমন্ট এবং ফ্লেচার''''', ''উইট উইদাউট মানি'', দ্বিতীয় অংক। * [বিরোধী সংবাদমাধ্যম] মূলত এমন সব অসন্তুষ্ট ও ঈর্ষাপরায়ণ ব্যক্তিদের হাতে ন্যস্ত থাকে, যারা নিজেদের কর্মজীবনে শোচনীয়ভাবে ব্যর্থ হয়েছে। ** '''''[[:w:অটো ফন বিসমার্ক|অটো ফন বিসমার্ক]]''''', রুজেনের একটি প্রতিনিধি দলের নিকট রাজার উদ্দেশে (১০ নভেম্বর ১৮৬২)। * শোনো ওহে কেকের দেশ, আর স্কটল্যান্ডের ভাইরা আমার,<br>মেইডেনকার্ক থেকে জনি গ্রোটস—সব প্রান্তের মানুষেরা শোনো;<br>যদি তোমাদের পোশাকে কোনো ছিদ্র বা ব্যক্তিগত কোনো ত্রুটি থাকে,<br>তবে আমি তোমাদের সতর্ক করছি, খুব সাবধানে থেকো:<br>তোমাদের মাঝে এমন এক ছোকরা ঘুরছে যে সবকিছুর নোট নিচ্ছে,<br>এবং বিশ্বাস করো, সে নির্ঘাত তা সংবাদে ছাপিয়ে দেবে। ** '''''[[:w:রবার্ট বার্নস|রবার্ট বার্নস]]''''', ''অন ক্যাপটেন গ্রোস'স পেরেগ্রিনেশনস থ্রু স্কটল্যান্ড''। * সম্পাদক তাঁর নির্জন কক্ষে বসে আছেন, চিন্তার ভাঁজে কপাল তাঁর কুঁচকানো,<br>মন তাঁর নিমগ্ন ব্যবসার অতল তলে, আর পা জোড়া তোলা চেয়ারের হাতলে,<br>এক হাতের কনুই তাঁর চেয়ারে ঠেকানো, ডান হাতের তালুটা মাথায়,<br>ধুলোমাখা জরাজীর্ণ টেবিলে তাঁর নজর, যেখানে ছড়িয়ে আছে নথিপত্রের পাহাড়। ** '''''উইল কার্লটন''''', ''ফার্ম ব্যালাডস'', ''দ্য এডিটর'স গেস্টস''। * এডমন্ড বার্ক বলেছিলেন যে পার্লামেন্টে তিনটি স্তম্ভ বা এস্টেট রয়েছে; কিন্তু ওই দূরে প্রতিবেদকদের গ্যালারিতে এমন এক 'চতুর্থ স্তম্ভ' উপবিষ্ট আছে যা অন্য সবার চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ** '''''[[:w:টমাস কার্লাইল|টমাস কার্লাইল]]''''', '''''হিরোস অ্যান্ড হিরো-ওয়ারশিপ''''', বক্তৃতা ৫। বার্ককে এই শব্দটি উদ্ভাবনের কৃতিত্ব দেওয়া হলেও তাঁর প্রকাশিত কোনো রচনায় এর উল্লেখ পাওয়া যায় না। 'রাজ্যের তিনটি স্তম্ভ' হলো ধর্মীয় প্রতিনিধি (Lords Spiritual), উচ্চকক্ষ (Lords Temporal) এবং নিম্নকক্ষ (Commons)। ডেভিড লিন্ডসে ১৫৩৫ সালে তাঁর 'অ্যান প্লেজেন্ট স্যাটায়ার অফ দ্য থ্রি এস্টেটস'-এ এর বর্ণনা দিয়েছেন। রাবেলে তাঁর 'পান্তাগ্রুয়েল'-এ (৪-৪৮) একজন সন্ন্যাসী, একজন বাজপাখি শিকারি, একজন আইনজীবী এবং একজন কৃষককে দ্বীপের 'চারটি স্তম্ভ' (Les quatre estatz de l'isle) হিসেবে বর্ণনা করেছেন। * একটি পার্লামেন্ট বা সংসদ—যা কি না সাংবাদিকদের মাধ্যমে বানকম্বের জনগণের কাছে এবং সেই দুই কোটি সত্তর লক্ষ মানুষের কাছে কথা বলে, যাঁদের অধিকাংশকেই নির্বোধ হিসেবে গণ্য করা যায়। ** '''''[[:w:টমাস কার্লাইল|টমাস কার্লাইল]]''''', '''''লেটার ডে প্যামফ্লেটস''''', সংখ্যা ৬: পার্লামেন্ট। * প্রথমে আপনার প্রয়োজনীয় তথ্যগুলো সঠিকভাবে সংগ্রহ করুন, আর তারপর আপনি নিজের ইচ্ছেমতো সেগুলোকে যত খুশি বিকৃত করতে পারেন। ** '''''[[:w:মার্ক টোয়েন|মার্ক টোয়েন]]''''', কিপলিংয়ের সাথে সাক্ষাৎকার; '''''ইন ফ্রম সি টু সি''''', পত্র ৩৭। * স্রেফ একটি সংবাদপত্র! যা দ্রুত পড়া হয় এবং দ্রুতই হারিয়ে যায়,<br>কে আর হিসাব রাখে সেই অমূল্য রত্নভাণ্ডারের, যা এটি বহন করে নিয়ে যায়?<br>ছিন্নভিন্ন হয়ে পায়ের তলায় পিষ্ট হওয়া সেই উজ্জ্বল নক্ষত্রের মতো মেধার মূল্যই বা ক’জন দেয়? ** '''''মেরি ক্লেমার''''', ''দ্য জার্নালিস্ট'', স্তবক ৯। * নিজের প্রজন্মের সেবা করাই তোমার নিয়তি—<br>জলের ওপর যেমন নাম লিখলে তা মুছে যায়, ঠিক তেমনি তোমার নামও দ্রুতই মিলিয়ে যাবে;<br>কিন্তু যে ব্যক্তি মানবতাকে ভালোবাসেন, তিনি আদিতে ও অন্তে এমন এক মহান কর্ম সম্পাদন করেন যা খ্যাতির গণ্ডির চেয়েও অনেক বড়। ** '''''মেরি ক্লেমার''''', ''দ্য জার্নালিস্ট'', অন্তিম স্তবক। * আমার মনে হয় কোথাও বলা হয়েছে যে—'দ্য টাইমস'-এর একটি মাত্র সংখ্যায় থুসিডাইডিসের সমগ্র ঐতিহাসিক রচনার চেয়েও অনেক বেশি দরকারী ও কার্যকর তথ্য নিহিত থাকে। ** '''''রিচার্ড কবডেন''''', ম্যানচেস্টার অ্যাথেনিয়ামে প্রদত্ত ভাষণ (২৭ ডিসেম্বর ১৮৫০)। দেখুন: দ্য টাইমস, ৩০ ডিসেম্বর ১৮৩০, পৃ. ৭; মর্লির 'লাইফ অফ কবডেন'-এ উদ্ধৃত, ২য় খণ্ড, পৃ. ৪২৯। * যদি মৈত্রীর চেতনা সর্বত্র জয়ী হতো, তবে এই সংবাদমাধ্যম বা প্রেস নিশ্চিতভাবেই<br>সততা, সত্য এবং ভালোবাসার এক মহান বাহন হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করত। ** '''''[[:w:উইলিয়াম কাউপার|উইলিয়াম কাউপার]]''''', ''চ্যারিটি'', লাইন ৬২৪। * কীভাবে আমি তোমার প্রশংসা করব, বা তোমার পরাক্রমকে সম্বোধন করব,<br>হে সংবাদমাধ্যম—তুমিই তো আমাদের এই পৌত্তলিক আরাধনার ঈশ্বর।<br>*    *    *    *    *<br>স্বর্গের সেই নিষিদ্ধ জ্ঞানবৃক্ষের মতোই,<br>ভালো এবং মন্দের যাবতীয় জ্ঞান তো তোমার মাধ্যমেই আমাদের কাছে আসে। ** '''''[[:w:উইলিয়াম কাউপার|উইলিয়াম কাউপার]]''''', ''প্রোগ্রেস অফ এরর'', লাইন ৪৫২। * তিনি আসছেন, এক কোলাহলপূর্ণ বিশ্বের বার্তাবাহক হিসেবে—<br>কর্দমাক্ত বুট, কোমরবন্ধনীতে বাঁধা পোশাক আর জমে থাকা তুষারশুভ্র চুলের অবয়ব নিয়ে;<br>সারা বিশ্বের তাবৎ সংবাদ এক বিশাল বোঝা হয়ে তাঁর পিঠে দুলছে। ** '''''[[:w:উইলিয়াম কাউপার|উইলিয়াম কাউপার]]''''', ''দ্য টাস্ক'' (১৭৮৫), চতুর্থ খণ্ড, লাইন ৫। * যখনই কোনো মূল্যবান তথ্যের সন্ধান পাবেন, তখনই তা টুকে রাখুন। ** '''''[[:w:চার্লস ডিকেন্স|চার্লস ডিকেন্স]]''''', ''ডম্বি অ্যান্ড সান'', ১৫তম অধ্যায়। * বিবিধ বিষয়ের লেখকরাই প্রতিটি জাতির কাছে সবচেয়ে জনপ্রিয় লেখক হিসেবে সমাদৃত হন; কারণ তাঁরাই মূলত শিক্ষিত এবং অশিক্ষিত সমাজের মধ্যে যোগাযোগের একটি সেতুবন্ধন তৈরি করেন, যেন জনমানুষের এই দুটি বিশাল বিভাগের মাঝখানে তাঁরা এক শৈল্পিক সেতু নির্মাণ করে দেন। ** '''''আইজ্যাক ডি'ইজরায়েলি''''', ''লিটারারি ক্যারেক্টার অফ মেন অফ জিনিয়াস'', বিবিধ লেখক বিভাগ। * আমাদের রাজনৈতিক লেখকদের কেউই... রাজা, লর্ডস এবং কমন্স—এই তিনটি স্তম্ভ বা এস্টেটের বাইরে অন্য কিছুর দিকে নজর দেন না... তাঁরা অত্যন্ত সুকৌশলে সেই বিশাল ও প্রভাবশালী অংশটিকে এড়িয়ে যান যারা এই সমাজের প্রকৃত 'চতুর্থ স্তম্ভ' গঠন করে... আর সেই শক্তিটি হলো 'জনসাধারণ' বা গণমানুষের ভিড়। ** '''''[[:w:হেনরি ফিল্ডিং|হেনরি ফিল্ডিং]]''''', ''কোভেন্ট গার্ডেন জার্নাল'' (১৩ জুন ১৭৫২)। * যদি কেলেঙ্কারির অভাবের কারণে সৃষ্ট মানসিক অবসাদ<br>আমাদের প্রিয় নারীদের ব্যথিত করে—তবে তাঁদের সংবাদপত্র পড়তে দিন। ** '''''ডেভিড গ্যারিক''''', শেরিডানের 'স্কুল ফর স্ক্যান্ডাল' এর প্রস্তাবনা। * সংবাদপত্রের স্বাধীনতা হলো একজন ইংরেজ নাগরিকের সমস্ত দেওয়ানি, রাজনৈতিক এবং ধর্মীয় অধিকারের এক অপরাজেয় সুরক্ষাকবচ বা প্যালাডিয়াম। ** '''''[[:w:জুনিয়াস (লেখক)|জুনিয়াস]]''''', ''ডেডিকেশন টু লেটারস''। * একজন সংবাদ লেখকের সর্বোচ্চ দৌড় হলো রাজনীতির ওপর কিছু অন্তঃসারশূন্য যুক্তি প্রদান করা এবং সরকারি ব্যবস্থাপনার ওপর ভিত্তিহীন ও বৃথা অনুমান করা। ** '''''[[:w:জঁ দ্য লা ব্রুয়েয়ার|জঁ দ্য লা ব্রুয়েয়ার]]''''', ''দ্য ক্যারেক্টারস অর ম্যানার্স অফ দ্য প্রেজেন্ট এজ'' (১৬৮৮), প্রথম অধ্যায়। * একজন সংবাদ লেখক রাতের বেলা অত্যন্ত প্রশান্তির সাথে এমন একটি সংবাদের ওপর ভরসা করে ঘুমোতে যান যা ভোরের আলো ফোটার আগেই পচে নষ্ট হয়ে যায়; এবং ঘুম থেকে ওঠার সাথে সাথেই তিনি তা আবর্জনার মতো ছুঁড়ে ফেলে দিতে বাধ্য হন। ** '''''[[:w:জঁ দ্য লা ব্রুয়েয়ার|জঁ দ্য লা ব্রুয়েয়ার]]''''', ''দ্য ক্যারেক্টারস অর ম্যানার্স অফ দ্য প্রেজেন্ট এজ'' (১৬৮৮), প্রথম অধ্যায়। * প্রতিটি সংবাদপত্রের সম্পাদক শয়তানের কাছে তাঁর আনুগত্যের খাজনা দিতে বাধ্য। ** '''''[[:w:জঁ দ্য লা ফোঁতেন|জঁ দ্য লা ফোঁতেন]]''''', ''লেত্রে আ সিমোঁ দ্য ত্রোয়া'' (১৬৮৬)। * সংবাদপত্র সবসময়ই কৌতূহল জাগিয়ে তোলে। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো, একরাশ চরম হতাশার অনুভূতি ছাড়া কেউই সংবাদপত্র পাঠ শেষ করে তা সরিয়ে রাখতে পারেন না। ** '''''[[:w:চার্লস ল্যাম্ব|চার্লস ল্যাম্ব]]''''', ''এসেস অফ এলিয়া'': 'ডিট্যাচড থটস অন বুকস অ্যান্ড রিডিং'। * দেখুন, এই বিশাল বিস্তৃত পৃথিবীটা প্রতি সপ্তাহে একটি বাদামী কাগজের মোড়কে বন্দি হয়ে আমার কাছে পাঠানো হয়। ** '''''[[:w:জেমস রাসেল লোয়েল|জেমস রাসেল লোয়েল]]''''', ''বিগলো পেপারস'', প্রথম সিরিজ, সংখ্যা ৬। * আমি এক লক্ষ বেয়োনেটের চেয়ে তিনটি সংবাদপত্রকে অনেক বেশি ভয় পাই। ** '''''[[:w:নেপোলিয়ন বোনাপার্ট|প্রথম নেপোলিয়ন]]'''''। * ওয়াশিংটনের হোয়াইট হাউসের তুলনায় নিউ ইয়র্কের এই সস্তা এক-পেনির সংবাদপত্রগুলোই এদেশ শাসনে অনেক বেশি কার্যকর ভূমিকা পালন করে। ** '''''[[:w:ওয়েন্ডেল ফিলিপস|ওয়েন্ডেল ফিলিপস]]'''''। * আমরা মূলত একদল মানুষ এবং প্রভাতী সংবাদপত্র দ্বারা চালিত একটি সরকারের শাসনাধীনে বসবাস করছি। ** '''''[[:w:ওয়েন্ডেল ফিলিপস|ওয়েন্ডেল ফিলিপস]]'''''। * সংবাদমাধ্যম হলো বাতাসের মতো অবারিত; এক সনদপ্রাপ্ত স্বেচ্ছাচারী শক্তি। ** '''''[[:w:উইলিয়াম পিট|উইলিয়াম পিট]]''''', লর্ড গ্রেনভিলকে উদ্দেশ্য করে (প্রায় ১৭৫৭ সালে)। * একদল অভিজাত ও সচ্ছল মানুষের ভিড়, যারা অত্যন্ত অনায়াসে এবং সাবলীলভাবে লিখতে পারতেন। ** '''''[[:w:অ্যালক্সান্ডার পোপ|অ্যালক্সান্ডার পোপ]]''''', ''এপিসেলস অফ হোরেস'', দ্বিতীয় খণ্ড, প্রথম পত্র, লাইন ১০৮। * বিষয়টি যেহেতু লিখিত আকারে আছে, সেহেতু এটি ধ্রুব সত্য। ** '''''[[:w:ফ্রঁসোয়া রাবলে|ফ্রঁসোয়া রাবলে]]''''', ''পান্তাগ্রুয়েল''। * এটা কি কোনোভাবে মেনে নেওয়া সম্ভব যে কোনো শিক্ষিত ব্যক্তি এক-পেনির এই সস্তা কাগজগুলো থেকে জানার মতো প্রয়োজনীয় কিছু শিখতে পারেন? হয়তো বলা হতে পারে যে মানুষ এর মাধ্যমে পার্লামেন্টে কী বলা হচ্ছে তা জানতে পারে। কিন্তু ভালো করে ভেবে দেখুন তো, সেটি কি তাঁদের প্রকৃত শিক্ষা বা জ্ঞানার্জনে বিন্দুমাত্র কোনো অবদান রাখবে? ** '''''[[:w:রবার্ট গাসকোয়েন-সেসিল, সলসবরির তৃতীয় মার্কুইস|লর্ড সলসবরি]]''''' (রবার্ট সেসিল), ভাষণ: হাউজ অফ কমন্স, ১৮৬১; 'কাগজ শুল্ক বিলোপ' সংক্রান্ত বিতর্কে। * সংবাদপত্র! মশাই, ওগুলো হলো চরম পাপিষ্ঠ, লাগামহীন, জঘন্য এবং নারকীয় বস্তুর সমষ্টি—যদিও আমি ওগুলো কখনোই পড়ি না—না—আমি নিয়ম করে ফেলেছি যে আমি কখনোই কোনো সংবাদপত্রের দিকে চোখ তুলে তাকাব না। ** '''''[[:w:রিচার্ড ব্রিনসলে শেরিডান|রিচার্ড ব্রিনসলে শেরিডান]]''''', ''দ্য ক্রিটিক'', প্রথম অংক, প্রথম দৃশ্য। * ব্যবসায়ী ততক্ষণ পর্যন্ত তাঁর কর্মচঞ্চল দিনটি শুরু হয়েছে বলে গণ্য করেন না,<br>যতক্ষণ না তাঁর তীক্ষ্ণ দৃষ্টি সংবাদপত্রের পাতার ওপর দিয়ে একবার বুলিয়ে নিচ্ছেন;<br>তরুণী কন্যাটি তাঁর হাতের সেলাইয়ের কাজ দূরে সরিয়ে রাখেন,<br>এবং সহপাঠিনীর বিয়ের খবর পড়ে দীর্ঘশ্বাস ছাড়েন;<br>অন্যদিকে গম্ভীর মা তাঁর চশমাটি চোখে এঁটে নেন,<br>এবং কোনো পুরোনো বন্ধুর চলে যাওয়ার খবর পড়ে এক ফোঁটা অশ্রু বিসর্জন দেন।<br>এমনকি ধর্মপ্রচারকও তাঁর রবিবারের ধর্মীয় আলোচনার খসড়াটি সরিয়ে রাখেন—<br>শহরের কোন নতুন উন্মাদনা চারপাশ মাতিয়ে রাখছে তা জানার কৌতূহলে;<br>সে খবর আনন্দময় হোক বা বিষাদময়, জীবনের তুচ্ছতম কিংবা মহত্তম বিষয়—<br>মোরগের লড়াইয়ের ফলাফল থেকে শুরু করে রাজায় রাজায় যুদ্ধের পরিণতি। ** '''''স্প্রাগ''''', ''কিউরিওসিটি''। * এই সংবাদমাধ্যমই জনমানুষের অধিকার অক্ষুণ্ণ রাখবে,<br>প্রতিপত্তির কাছে নতি স্বীকার না করে এবং লাভের মোহে কলুষিত না হয়ে;<br>এখানেই দেশপ্রেমিক সত্য তাঁর মহিমান্বিত আদর্শগুলো তুলে ধরবে,<br>যা ধর্ম, স্বাধীনতা এবং আইনের রক্ষাকবচ হিসেবে থাকবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ** '''''[[:w:জোসেফ স্টোরি|জোসেফ স্টোরি]]''''', ''সালেম রেজিস্টার''-এর মূলমন্ত্র (১৮০২ সালে গৃহীত)। উইলিয়াম ডব্লিউ স্টোরি রচিত ''লাইফ অফ জোসেফ স্টোরি'', প্রথম খণ্ড, ৬ষ্ঠ অধ্যায়ে বর্ণিত। * সম্পাদকের চেয়ারের কুশনে লুকিয়ে থাকা এক তীক্ষ্ণ কণ্টক। ** '''''[[:w:উইলিয়াম মেকপিস থ্যাকারায়|উইলিয়াম মেকপিস থ্যাকারায়]]''''', ''রাউন্ডঅবাউট পেপারস'': 'দ্য থর্ন ইন দ্য কুশন'। == আরোপিত বা অ্যাট্রিবিউটেড == * গণমাধ্যম নির্ভুলতা সংক্রান্ত নোলের নীতি: সংবাদপত্রে আপনি যা কিছু পড়েন তার প্রতিটি অক্ষরই ধ্রুব সত্য—কেবল সেই বিরল সংবাদটি ছাড়া যে বিষয়টি সম্পর্কে আপনার ব্যক্তিগতভাবে প্রত্যক্ষ জ্ঞান রয়েছে। ** '''''আরউইন নোল''''', সম্পাদক, ''দ্য প্রোগ্রেসিভ''। * আমেরিকায় প্রেসিডেন্ট মাত্র চার বছরের জন্য শাসন করেন, কিন্তু সাংবাদিকতা সেখানে রাজত্ব চালায় চিরকাল। ** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]'''''; লোইস আগস্ট জেনিস রচিত ''ভয়েজ টু ইনসাইট'' (২০০৩), পৃ. ৭০-এ উদ্ধৃত। * যখন একটি কুকুর কোনো মানুষকে কামড়ায়, সেটি কোনো সংবাদ নয়; কারণ এমন ঘটনা অহরহ ঘটে থাকে। কিন্তু যদি কোনো মানুষ একটি কুকুরকে কামড়ে দেয়, তবে সেটিই হলো প্রকৃত সংবাদ। ** '''''জন বি. বোগার্ট''''', 'নিউ ইয়র্ক সান'-এর সম্পাদক; ''বার্টলেট'স ফ্যামিলিয়ার কোটেশনস''-এ আরোপিত (১৬তম সংস্করণ, ১৯৯২), পৃ. ৫৫৪। আরও দেখুন: [[:w:ম্যান বাইটস ডগ|ম্যান বাইটস ডগ]]। * ঔপন্যাসিকদের বড় বড় 'মহৎ আইডিয়া' বা তাত্ত্বিক চিন্তাভাবনা নিয়ে আমি খুব একটা মাথা ঘামাই না। উপন্যাস নিশ্চিতভাবেই চমৎকার বিষয়, তবে পড়ার ক্ষেত্রে আমি সংবাদপত্রকেই বেশি প্রাধান্য দিই। ** '''''উইল কাপি''''', স্ট্যানলি জে. কুনিটজ এবং হাওয়ার্ড হ্যাব্রাফট সম্পাদিত ''টোয়েন্টিয়েথ সেঞ্চুরি অথরস'' (১৯৪২), নিউ ইয়র্ক: এইচ. ডব্লিউ. উইলসন কোম্পানি, পৃ. ৩৪২। * সাংবাদিকতা হলো ইতিহাসের প্রথম খসড়া। :* মূলত ভিন্ন একটি রূপে প্রথম প্রকাশিত হয়—“সংবাদ/সংবাদমাধ্যম হলো ইতিহাসের প্রথম অমসৃণ খসড়া”। এই আধুনিক রূপটি অন্তত ১৯৪০-এর দশক থেকে প্রচলিত এবং সম্ভবত ''ওয়াশিংটন পোস্ট''-এর সম্পাদকীয় লেখক '''''অ্যালান বার্থ''''' এটিকে জনপ্রিয় করেছিলেন। সেই সময়কার ''পোস্ট''-এর সম্পাদকীয় পাতায় এই ভাবনার প্রতিফলন একাধিকবার দেখা যায়, যার মধ্যে বার্থের প্রথম উদ্ধৃতিটি ১৯৪৩ সালের: :: সংবাদ হলো ইতিহাসের প্রথম অমসৃণ খসড়া মাত্র। ::* '''''অ্যালান বার্থ''''', হ্যারল্ড এল. ইক্সেস রচিত ''দ্য অটোবায়োগ্রাফি অফ আ কারমাজিয়ন''-এর পর্যালোচনা, ''নিউ রিপাবলিক'' (১৯৪৩), ভলিউম ১০৮, পৃ. ৬৭৭-এ সংগৃহীত। :* ''পোস্ট''-এ এর পরবর্তী ব্যবহারগুলো হলো: :: সংবাদপত্র হলো আসলে ইতিহাসের প্রথম খসড়া, অথবা অন্তত তারা তেমন হওয়ার ভান করে। ::* নামবিহীন "সম্পাদকের টীকা", ''দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট'' (১৬ অক্টোবর ১৯৪৪)। :* বিংশ শতাব্দীর প্রথম দশকেও একই ধরনের ভাবধারা পরিলক্ষিত হয়, যার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে: [http://www.barrypopik.com/index.php/new_york_city/entry/first_draft_of_history_journalism/ “ইতিহাসের প্রথম খাসড়া” (সাংবাদিকতা)], ২৩ নভেম্বর ২০০৯, ব্যারি পপিক। :: এটি অত্যন্ত সম্ভবপর যে, ৪১৩ অব্দ পর্যন্ত 'ইতিহাসের একটি প্রাথমিক ও অমসৃণ খসড়া' হয়তো ৪০৫ অব্দের আগেই থুসিডাইডিস কর্তৃক রূপরেখা আকারে প্রস্তুত করা হয়েছিল। ::* (এখানে “সংবাদ” শব্দটি বাদ দেওয়া হয়েছে এবং একটি নির্দিষ্ট পাঠ্যকে নির্দেশ করা হয়েছে) ১৯০২, '''''রিচার্ড ক্ল্যাভারহাউস জেব''''', [http://www.1902encyclopedia.com/T/THU/thucydides.html থুসিডাইডিস], এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা, ১০ম সংস্করণ (১৯০২)। ২০১০ সালে শেফার-এর মন্তব্যে ব্যাবেট হোগান কর্তৃক উদ্ধৃত। :: সংবাদপত্রগুলো প্রতিদিন প্রভাতে 'ইতিহাসের একটি অমসৃণ খসড়া' তৈরি করে চলেছে। পরবর্তীতে ঐতিহাসিকগণ আসবেন, পুরোনো নথিপত্রগুলো হাতে নেবেন এবং সম্পাদক ও সংবাদদাতাদের সেই অপরিশোধিত অথচ আন্তরিক ও নির্ভুল বিবরণীগুলোকে প্রকৃত ইতিহাস ও কালোজয়ী সাহিত্যে রূপান্তরিত করবেন। আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থাকে অবশ্যই এই দৈনিক সংবাদপত্রের গুরুত্ব অনুধাবন করতে হবে। ::* (এখানে “প্রথম” শব্দটি বাদ দেওয়া হয়েছে) ৫ ডিসেম্বর ১৯০৫, দ্য স্টেট, “[http://blog.readex.com/wp-content/uploads/2010/10/TP-State-News-Draft-Dec-5-1905.pdf সংবাদের শিক্ষামূলক মূল্য]”, পৃ. ৪, কলাম ৪, কলাম্বিয়া, সাউথ ক্যারোলাইনা। টনি পেত্তিনাতো কর্তৃক ৪ অক্টোবর ২০১০ তারিখে উদ্ধৃত। 'কোট ইনভেস্টিগেটর'-এর গারসন ও'টুল এটি জিনিয়লজি-ব্যাংক ডাটাবেস থেকে সংগ্রহ করেছেন। :: একজন প্রতিবেদক হলেন সেই তরুণ যুবক, যিনি প্রতিদিন একটি জরাজীর্ণ ও শব্দজব্দ টাইপরাইটারের ওপর 'ইতিহাসের প্রথম খসড়াটি' অত্যন্ত নিপুণভাবে অঙ্কন করেন। ::* (এখানে “অমসৃণ” শব্দটি বাদ দেওয়া হয়েছে) ৩ জুলাই ১৯১৪, লিঙ্কন (NE) ডেইলি স্টার, '''''জর্জ ফিচ'''''-এর লেখা “দ্য রিপোর্টার”, পৃ. ৬, কলাম ৪। :* এই উক্তিটি সাধারণত ভুলভাবে '''''ফিলিপ এল. গ্রাহাম'''''-এর নামে দায়ী করা হয়, যা তিনি ১৯৬৩ সালে লন্ডনে 'নিউজউইক' প্রতিনিধিদের উদ্দেশ্যে দেওয়া একটি ভাষণে বলেছিলেন বলে মনে করা হয়: “[http://www.slate.com/id/2265540/pagenum/all এটি প্রথম কে বলেছিলেন? সাংবাদিকতা হলো 'ইতিহাসের প্রথম অমসৃণ খসড়া'।]”, '''''জ্যাক শেফার''''', ''স্লেট'' (৩০ আগস্ট ২০১০); ''পার্সোনাল হিস্ট্রি'' (১৯৯৭), '''''ক্যাথরিন গ্রাহাম'''''। :: সুতরাং, আসুন আমরা আমাদের সেই অনিবার্য এবং অসম্ভব কাজের পেছনে অবিরাম শ্রম দিয়ে যাই—যা হলো প্রতি সপ্তাহে 'ইতিহাসের এমন একটি প্রথম অমসৃণ খসড়া' সরবরাহ করা, যা আসলে কখনোই সম্পন্ন হবে না; কারণ এই জগতকে আমরা কখনোই পুরোপুরি অনুধাবন করতে পারব না। :* যদিও এই ভাষণটি উক্তিটিকে ব্যাপকভাবে জনপ্রিয় করেছিল, তবে এর আগেও গ্রাহাম নিজে এবং অন্য অনেকে (উপরে উল্লিখিত) একই ধরণের বক্তব্য প্রদান করেছিলেন: :: সংবাদমাধ্যমের এই অপরিহার্য ক্ষিপ্রতা বা তাড়াহুড়ো অনিবার্যভাবেই এক ধরণের অগভীরতাকে সঙ্গী করে আনে। পরম গভীরতা অর্জন করা না আমাদের ক্ষমতার মধ্যে আছে, আর না তা আমাদের অধিকারভুক্ত। আমরা বছরের ৩৬৫ দিন জুড়েই 'ইতিহাসের প্রথম অমসৃণ খসড়া' লিখে চলি, এবং এটি সত্যিই এক অত্যন্ত মহৎ ও বিশাল দায়িত্ব। ::* আমেরিকান সোসাইটি ফর পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন-এ প্রদত্ত ভাষণ (৮ মার্চ ১৯৫৩); “[http://www.jstor.org/stable/972460 পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অ্যান্ড দ্য প্রেস]”-এ প্রকাশিত, ফিলিপ এল. গ্রাহাম, ''পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন রিভিউ'', ভলিউম ১৩, সংখ্যা ২ (বসন্ত, ১৯৫৩), পৃ. ৮৭-৮৮। :* এছাড়াও আরও নানা ধরণের ভুল আরোপ বা অ্যাট্রিবিউশন বিদ্যমান—'''''হেলেন থমাস''''' তাঁর স্মৃতিকথা 'ফার্স্ট রো অ্যাট দ্য হোয়াইট হাউস'-এ উক্তিটিকে ভুলবশত '''''বেন ব্র্যাডলি'''''-এর নামে চালিয়ে দিয়েছেন। ** '''''হেলেন থমাস''''', ''ফ্রন্ট রো অ্যাট দ্য হোয়াইট হাউস: মাই লাইফ অ্যান্ড টাইমস'' (২০০০), সাইমন অ্যান্ড শুস্টার, পৃ. ৩৮৩, ISBN 0684845687। == আরও দেখুন == * [[:w:বিকল্প ধারার গণমাধ্যম|বিকল্প ধারার গণমাধ্যম]] * [[:w:অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা|অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা]] * [[:w:সংবাদ|সংবাদ]] * [[:w:সংবাদপত্র|সংবাদপত্র]] * [[:w:মূলধারার গণমাধ্যম|মূলধারার গণমাধ্যম]] * [[:w:গণমাধ্যমের পক্ষপাতিত্ব|গণমাধ্যমের পক্ষপাতিত্ব]] == বহিঃসংযোগ == {{similarlinks}} * [https://www.fourthestate.org/journalism-quotes/ ফোর্থ এস্টেট-এ সাংবাদিকতা বিষয়ক উল্লেখযোগ্য উদ্ধৃতিসমূহ] [[বিভাগ:সাংবাদিকতা| ]] [[বিষয়শ্রেণী:সাংবাদিক]] [[বিষয়শ্রেণী:সাংবাদিকতা]] imbdxolc47r3hmykq7rfmo8jcv5b0ow 80003 80002 2026-04-23T11:27:38Z Oindrojalik Watch 4169 /* W */ 80003 wikitext text/x-wiki <div style="text-align: center; border: 2px dashed #f0ad4e; padding: 15px; background-color: #fcf8e3; margin-bottom: 20px;"> [[File:Under-Construction-Bulldozer.gif|355px]] <div style="font-weight: bold; font-size: 18px; color: #8a6d3b; margin-top: 10px;">UNDER CONSTRUCTION</div> <div style="font-size: 16px; color: #8a6d3b;">This page is currently being built by '''[https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:Oindrojalik_Watch Oindrojalik Watch]'''.</div> </div> [[File:2 Fillettes vendant des journaux, Wilmington (Delaware), mai 1910.jpg|thumb|আমেরিকায় রাষ্ট্রপতি চার বছরের জন্য রাজত্ব করেন, আর সাংবাদিকতা শাসন করে অনন্তকাল ধরে!<br>~'''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''']] '''[[w:সাংবাদিকতা|সাংবাদিকতা]]''' হলো সংবাদ সংগ্রহ, লিখন এবং সংবাদ পরিবেশনের একটি বিশেষ শাখা। বিস্তৃত অর্থে এটি সংবাদ নিবন্ধ সম্পাদনা ও উপস্থাপনার প্রক্রিয়াকেও অন্তর্ভুক্ত করে। সাংবাদিকতা বিভিন্ন মাধ্যমের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, তবে এটি কেবল [[w:সংবাদপত্র|সংবাদপত্র]], [[w:সাময়িকী_(পত্রিকা)|সাময়িকী]], [[w:বেতার|রেডিও]] এবং [[w:টেলিভিশন|টেলিভিশনের]] মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। সংবাদ প্রচারের দৌড়ে সবার আগে থাকার প্রবল চাপ থাকা সত্ত্বেও, প্রতিটি সংবাদ সংস্থা নিজস্ব নির্ভুলতা, গুণমান এবং শৈলীর মানদণ্ড মেনে চলে। যেখানে সাধারণত প্রকাশের পূর্বে প্রতিবেদনগুলো [[:w:সম্পাদনা|সম্পাদনা]] ও প্রুফরিডিং করা হয়। অনেক সংবাদ সংস্থা সরকারি কর্মকর্তা ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে জনগণের কাছে দায়বদ্ধ রাখার গৌরবময় ঐতিহ্য দাবি করে, যদিও সংবাদ মাধ্যম সমালোচকরা খোদ সংবাদপত্রের দায়বদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ''জার্নালিজম'' বা সাংবাদিকতা শব্দটি [[w:ফরাসি_ভাষা|ফরাসি ভাষার]] '''''journal''''' '''''বা''''' '''''জার্নাল''''' থেকে নেওয়া হয়েছে, যা কালক্রমে ল্যাটিন ''ডিউর্নাল'' বা দৈনিক শব্দ থেকে উদ্ভূত। [[w:প্রাচীন_রোম|প্রাচীন রোমের]] প্রধান জনচত্বর ফোরামে প্রতিদিন 'অ্যাক্টা ডিউর্না' নামক একটি হস্তলিখিত বুলেটিন টাঙিয়ে দেওয়া হতো, যা ছিল বিশ্বের প্রথম সংবাদপত্র। [[File:Amy Goodman — Keynote, National Conference for Media Reform 2013 (8626124929).jpg|thumb|যেখানে নিস্তব্ধতা বিরাজ করে, সেখানে ছুটে যাওয়াই একজন সাংবাদিকের দায়িত্ব। যারা বিস্মৃত, পরিত্যক্ত এবং ক্ষমতাশালীদের দ্বারা নিগৃহীত, তাদের কণ্ঠস্বর হয়ে ওঠা।<br>~'''''অ্যামি গুডম্যান''''']] __NOTOC__ {{TOCalpha|''[[#হোয়েট'স নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস|হোয়েট'স নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস]]'' · [[#আরোপিত|আরোপিত]]}} == A == [[File:Julian Assange in Ecuadorian Embassy cropped.jpg|thumb|আমরা আমাদের পেছনে এমন এক অনন্য ক্ষেত্র তৈরি করছি যা সাংবাদিকতার সেই বিশেষ রূপটিকে বিকশিত হতে দেয়, যা সাংবাদিকতা চিরকাল নিজের জন্য প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিল। আমরা সেই ক্ষেত্রটি সৃষ্টি করছি কারণ আমরা শক্তিশালী গোষ্ঠীগুলোর মুখোশ সাহসের সাথে উন্মোচন করার ফলে আসা যাবতীয় সমালোচনা ও আক্রমণকে স্বেচ্ছায় গ্রহণ করছি।<br>~'''''[[:w:জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ|জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ]]''''' ]] [[File:Great men and famous women - a series of pen and pencil sketches of the lives of more than 200 of the most prominent personages in history Volume 7 (1894) (14760162546).jpg|thumb|সাংবাদিকতা সত্যিই মহৎ। প্রতিটি দক্ষ ও সামর্থ্যবান সম্পাদক কি বিশ্বের একেকজন প্রকৃত শাসক নন, যেহেতু তিনি বিশ্ববাসীকে নিজের যুক্তি ও চিন্তায় প্ররোচিত ও প্রভাবিত করার ক্ষমতা রাখেন?<br>~'''''[[:w:টমাস কার্লাইল|টমাস কার্লাইল]]''''' ]] *একটি রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ স্বাধীনতার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সংবাদপত্রের অবাধ স্বাধীনতা অপরিহার্য ও মৌলিক একটি শর্ত। অতএব, এই কমনওয়েলথ বা জনসমষ্টির মধ্যে কোনোভাবেই সংবাদপত্রের সেই স্বাধীনতাকে খর্ব বা সংকুচিত করা উচিত নয়। **'''''ম্যাসাচুসেটস সংবিধান''''' (২৫ অক্টোবর, ১৭৮০ তারিখে গৃহীত; যা বিশ্বের প্রাচীনতম কার্যকর লিখিত সংবিধান) {{cite book|author='''''[[:w:জন অ্যাডামস|জন অ্যাডামস]]''''', '''''[[:w:স্যামুয়েল অ্যাডামস|স্যামুয়েল অ্যাডামস]]''''', '''''[[:w:জেমস বাউডোইন|জেমস বাউডোইন]]'''''|title=[[:w:ম্যাসাচুসেটস কমনওয়েলথ এর সংবিধান|ম্যাসাচুসেটস কমনওয়েলথ এর সংবিধান]]|publisher=[[:w:ম্যাসাচুসেটস|ম্যাসাচুসেটস কমনওয়েলথ]]|year=1780|pages= অনুচ্ছেদ XVI}}[http://en.wikisource.org/wiki/Constitution_of_the_Commonwealth_of_Massachusetts_%281780%29 মূল পাঠ্য] * বেনামে তথ্য ফাঁস করা একটি প্রাচীন শিল্পকলা এবং অনেক ওয়েবসাইটই এমন সব উৎস থেকে প্রাপ্ত নথিপত্র প্রকাশ করে থাকে যাদের তারা শনাক্ত করতে পারে না। উইকিলিকস যা করেছে তা হলো এই পুরো প্রক্রিয়াটিকে পেশাদার রূপ দেওয়া। তারা তথ্য ফাঁস গ্রহণ, প্রক্রিয়াকরণ এবং তা জনসমক্ষে প্রকাশের জন্য একটি সুনির্দিষ্ট ও মানসম্মত কার্যপ্রণালী তৈরি করেছে। ** '''''স্টিফেন আফটারগুড''''', '''FAS''' বা ফেডারেশন অফ আমেরিকান সায়েন্টিস্টস প্রজেক্ট অন গভর্নমেন্ট সিক্রেসি — প্রতিবেদনে উল্লিখিত {{cite news|first=পল |last=মার্কস |author= |url= |title=উচ্চপদে আসীন ব্যক্তিদের অপ্রস্তুত করার একটি অব্যর্থ উপায়: হুইসেল-ব্লোয়ার বা তথ্য ফাঁসকারীরা কোনো চিহ্ন না রেখেই সব বলে দিতে পারেন, সেইসব ওয়েবসাইটকে ধন্যবাদ যা তাদের পরিচয় গোপন রাখে |work= নিউ সায়েন্টিস্ট|publisher=রিড বিজনেস ইনফরমেশন |pages= |page=২৮, খণ্ড ১৯৮; ইস্যু ২৬৫৫ |date=মে ১০, ২০০৮ |accessdate= }} * একজন সাংবাদিক হিসেবে আমার কর্মজীবন আমার সাহিত্যিক সৃজনশীলতার ক্ষেত্রে এক মৌলিক ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছে। সাংবাদিকতাই আমাকে শব্দকে চিনতে এবং ভালোবাসতে শিখিয়েছে—যা আমার পেশার প্রধান হাতিয়ার এবং আমার শিল্পের মূল উপাদান। সাংবাদিকতা আমাকে সত্যের সন্ধান করতে এবং নৈর্ব্যক্তিক বা বস্তুনিষ্ঠ হতে শিখিয়েছে। শিখিয়েছে কীভাবে পাঠকের মনোযোগ কেড়ে নিতে হয় এবং তাকে এমনভাবে আষ্টেপৃষ্ঠে ধরে রাখতে হয় যেন সে কোনোভাবেই ফস্কে না যায়। এটি আমাকে বিভিন্ন ধারণাকে সংশ্লেষণ করতে এবং ঘটনাপ্রবাহের বর্ণনায় সুনির্দিষ্ট হতে শিখিয়েছে। আর সর্বোপরি, এটি আমার ভেতর থেকে সাদা পাতার প্রতি যাবতীয় ভয়কে চিরতরে দূর করে দিয়েছে। ** ১৯৯৪ সালের একটি সাক্ষাৎকার যা ''কনভারসেশনস উইথ '''''ইসাবেল আলেন্দে''''' '' (১৯৯৯) এ অন্তর্ভুক্ত, স্পেনীয় ভাষা থেকে কোলা ফ্রাঞ্জেন কর্তৃক অনূদিত। * প্রথম সংশোধনীর প্রতিষ্ঠিত আইন অনুযায়ী, সংবাদ প্রকাশে পূর্ব-নিষেধাজ্ঞা বা সেন্সরশিপ যদি আদৌ সাংবিধানিক হয়ও, তবে তা কেবল চরম ও অতি-অস্বাভাবিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটেই অনুমোদিত হতে পারে। বর্তমান মামলার ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, আদালতের এমন সব নির্দেশ রয়েছে যা কার্যকরভাবে একটি ওয়েবসাইটকে বন্ধ করে দিয়েছে। যে সাইটটি বিশ্বজুড়ে সরকার ও কর্পোরেশনগুলোর দুর্নীতির মুখোশ উন্মোচনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছিল এবং এই নির্দেশটি যে কেউ পাঠ করলে তাকে সেই নথিগুলো প্রকাশ করা, এমনকি সেগুলোর লিঙ্ক দেওয়া থেকেও বিরত থাকতে বাধ্য করছে। ** '''''ডেভিড আরডিয়া''''', হার্ভার্ড ল স্কুলের বার্কম্যান সেন্টার ফর ইন্টারনেট অ্যান্ড সোসাইটি-র সিটিজেন মিডিয়া ল' প্রজেক্ট বা CMLP এর পরিচালক, '''''[[:w:ব্যাংক জুলিয়াস বায়ের বনাম উইকিলিকস মামলা|ব্যাংক জুলিয়াস বায়ের বনাম উইকিলিকস]]''''' প্রসঙ্গে মন্তব্যকালে — প্রতিবেদনে উল্লিখিত {{cite news|title=ইন্টারনেটে বাকস্বাধীনতা রক্ষা: একটি সাইবার-ল ক্লিনিকে শিক্ষার্থীরা প্রাথমিক আইনি বিষয়গুলো মোকাবিলায় সহায়তা করছে |work=হার্ভার্ড ল বুলেটিন |publisher= [[:w:হার্ভার্ড ল স্কুল|হার্ভার্ড ল স্কুল]]|page= |date=Fall 2008 |url=http://www.law.harvard.edu/news/bulletin/2008/fall/feature_2-side1.php|accessdate=2009-03-04}} * আমরা আমাদের পেছনে এমন এক অনন্য ক্ষেত্র তৈরি করছি যা সাংবাদিকতার সেই বিশেষ রূপটিকে বিকশিত হতে দেয়, যা সাংবাদিকতা চিরকাল নিজের জন্য প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিল। আমরা সেই ক্ষেত্রটি সৃষ্টি করছি কারণ আমরা শক্তিশালী গোষ্ঠীগুলোর শক্তিমত্তা ও দুর্নীতির মুখোশ সাহসের সাথে উন্মোচন করার ফলে ধেয়ে আসা যাবতীয় সমালোচনা ও প্রবল বিরুদ্ধাচরণকে স্বেচ্ছায় গ্রহণ করছি। ** '''''[[:w:জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ|জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ]]''''' এর উদ্ধৃতি: [https://www.theguardian.com/media/2010/aug/01/julian-assange-wikileaks-afghanistan জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ, অনলাইন যুগের সেই সন্ন্যাসী যিনি বৌদ্ধিক লড়াইয়ের মাধ্যমেই বিকশিত হন, ক্যারল ক্যাডওয়ালাডার, ''দ্য গার্ডিয়ান''], (১ আগস্ট ২০১০) == B == * অভিজ্ঞতা এটিই প্রমাণ করেছে যে, সাধারণ প্রত্যাশার সম্পূর্ণ বিপরীতে গিয়ে সংবাদপত্র হলো জনমতকে সঠিক পথে পরিচালিত করার, উত্তেজনাপূর্ণ আন্দোলনকে শান্ত করার এবং সেইসব মিথ্যা ও কৃত্রিম গুজবকে বিলীন করে দেওয়ার অন্যতম শ্রেষ্ঠ মাধ্যম, যার দ্বারা রাষ্ট্রের শত্রুরা তাদের অশুভ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করতে পারে। এই জনসমক্ষে প্রচারিত সংবাদপত্রগুলোর মাধ্যমে যেমন নির্দেশনা সরকার থেকে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারে, তেমনি তা মানুষের কাছ থেকে সরকারের কাছেও উন্নীত হতে পারে। সংবাদপত্রকে যত বেশি স্বাধীনতা প্রদান করা হবে, জনমতের গতিপথ সম্পর্কে তত বেশি নির্ভুলভাবে বিচার-বিশ্লেষণ করা সম্ভব হবে এবং তা তত বেশি সুনিশ্চিতভাবে কার্যকরী ভূমিকা পালন করবে। **'''''[[:w:জেরেমি বেন্থাম|জেরেমি বেন্থাম]]''''', ''প্রিন্সিপালস অফ পেনাল ল''; তৃতীয় অংশ, "অপরাধ প্রতিরোধের পরোক্ষ পদ্ধতিসমূহ"; অধ্যায় XIX, "নির্দেশনা প্রদানের ক্ষমতা থেকে আহরিত ব্যবহার"। [https://books.google.com/books?id=GGpVAAAAcAAJ&newbks=1&newbks_redir=0&dq=%22jeremy%20bentham%22%20%22newspapers%20are%20one%20of%20the%20best%20means%20of%20directing%20opinion%22&pg=RA1-PA568#v=onepage&q=%22jeremy%20bentham%22%20%22newspapers%20are%20one%20of%20the%20best%20means%20of%20directing%20opinion%22&f=false গুগল বুকস] * আপনি যদি সমগ্র আমেরিকা ঘুরে দেখেন, তবে দেখবেন ছোট ছোট সংবাদপত্রগুলো তাদের নিজ নিজ সম্প্রদায়ে সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে সত্যিই চমৎকার কাজ করছে। আধুনিক নিউ ইয়র্ক টাইমস, আধুনিক ওয়াশিংটন পোস্ট কিংবা আধুনিক ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল অধিকাংশ বিচারেই ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারির সময়ের চেয়ে এখন অনেক উন্নত মানের সংবাদপত্র। কিন্তু আপনি যদি এই ক্ষেত্রের বাকি অংশগুলোর দিকে তাকান... তবে দেখবেন যে সত্যের সর্বোত্তম লভ্য সংস্করণের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা প্রকৃত সংবাদ ক্রমশ একটি দুষ্প্রাপ্য পণ্যে পরিণত হচ্ছে এবং আমাদের সাংবাদিকতা প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রকৃত অংশ হিসেবে এর উপস্থিতি দিন দিন হ্রাস পাচ্ছে। **'''''কার্ল বার্নস্টাইন''''', সাক্ষাৎকারে {{cite news | last =স্টাফ | title =সাক্ষাৎকার: কার্ল বার্নস্টাইন | work =[[:w:ফ্রন্টলাইন (মার্কিন টিভি সিরিজ)|ফ্রন্টলাইন]] | publisher =[[:w:ডব্লিউজিবিএইচ|ডব্লিউজিবিএইচ]] এডুকেশনাল ফাউন্ডেশন | date =১০ জুলাই ২০০৬ | url =http://www-c.pbs.org/wgbh/pages/frontline/newswar/interviews/bernstein.html | accessdate =২০০৯-০২-২০ }} * প্রতিবেদক, বিশেষ্য: একজন লেখক যিনি সত্যের পথে অনুমানের ওপর ভিত্তি করে অগ্রসর হন এবং শব্দের প্রবল জলোচ্ছ্বাসে সেই সত্যকেই বিলীন করে দেন। ** '''''অ্যামব্রোস বিয়ার্স''''', ''দ্য ডেভিল'স ডিকশনারি'' (১৯১১)। * প্রথম সংশোধনীর মাধ্যমে আমাদের প্রতিষ্ঠাতা পূর্বপুরুষগণ মুক্ত সংবাদমাধ্যমকে সেই সুরক্ষা প্রদান করেছিলেন যা আমাদের গণতন্ত্রে এর অপরিহার্য ভূমিকা পালনের জন্য একান্ত প্রয়োজন। সংবাদপত্রের কাজ ছিল শাসিতদের সেবা করা, শাসকদের নয়। সংবাদপত্রের ওপর সেন্সরশিপ বা বিধি-নিষেধ আরোপের সরকারি ক্ষমতা বিলুপ্ত করা হয়েছিল যাতে সংবাদপত্র চিরকাল সরকারকে কঠোর সমালোচনা করার স্বাধীনতা ভোগ করতে পারে। সংবাদমাধ্যমকে সুরক্ষা দেওয়া হয়েছিল যাতে এটি সরকারের গোপন রহস্যগুলো উন্মোচন করতে পারে এবং জনগণকে তথ্য দিয়ে সচেতন করতে পারে। কেবল একটি স্বাধীন এবং নিয়ন্ত্রণহীন সংবাদমাধ্যমই কার্যকরভাবে সরকারের প্রতারণা ও জালিয়াতির মুখোশ খুলে দিতে পারে। ** '''''হিউগো এল. ব্ল্যাক''''', নিউ ইয়র্ক টাইমস বনাম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মামলা, পৃ. ৭১৭ * দীর্ঘকাল ধরে এটি ধরে নেওয়া হয়েছিল যে, সাংবাদিকরা যেসব ঘটনা কভার করেন বা প্রতিবেদন তৈরি করেন, তা তাদের ওপর কোনো স্থায়ী প্রভাব ফেলে না। ট্রমাটিক বা মানসিকভাবে আঘাতমূলক ঘটনাগুলোর মুখোমুখি হওয়াকে তাদের চাকরির বিবরণের অংশ এবং এই পেশার একটি সাধারণ ঝুঁকি হিসেবে দেখা হতো। ঠিক যেমন একজন জরুরি বিভাগের চিকিৎসক বা অগ্নিনির্বাপক কর্মীর ক্ষেত্রে হয়ে থাকে। অনেকে মনে করতেন যে, যারা মৃত্যু এবং ধ্বংসের খবর সংগ্রহ করেন তারা অস্বাভাবিকভাবে কঠোর মনের মানুষ এবং তারা যে মানুষের দুঃখ-দুর্দশা প্রত্যক্ষ করেন, তার প্রতিধ্বনিমূলক প্রভাব থেকে তারা কোনোভাবে মুক্ত। কিছুদিন আগ পর্যন্তও সাংবাদিকরা মনে করতেন যে, যদি তারা জনসমক্ষে স্বীকার করেন যে সংবাদ সংগ্রহের অভিজ্ঞতা দীর্ঘমেয়াদে তাদের প্রভাবিত করতে পারে, তবে তাদের দুর্বল ভাবা হবে এবং সহকর্মীদের তুলনায় কম যোগ্য বলে মনে করা হবে। ** '''''এলিসা ই. বোল্টন''''', [https://www.ptsd.va.gov/public/community/journalists-ptsd.asp “সাংবাদিকদের দ্বারা সম্মুখীন হওয়া বেদনাদায়ক ঘটনাসমূহ“], '''''ন্যাশনাল সেন্টার ফর পিটিএসডি''''', '''''ইউএস ডিপার্টমেন্ট অফ ভেটেরান্স অ্যাফেয়ার্স'''''। * সেখানে পোস্ট করা মাত্র কয়েকটি নথির প্রতিক্রিয়ায় পুরো সাইটটিতে প্রবেশাধিকার বন্ধ করে দেওয়া জনগণের জানার অধিকারকে সম্পূর্ণভাবে অবজ্ঞা করার শামিল। ** '''''অ্যান ব্রিক''''', [[:w:আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়ন|আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়ন]]-এর অ্যাটর্নি, '''''[[:w:ব্যাংক জুলিয়াস বায়ের বনাম উইকিলিকস মামলা|ব্যাংক জুলিয়াস বায়ের বনাম উইকিলিকস]]''''' মামলায় নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের আগে দেওয়া বিবৃতি — প্রতিবেদনে উল্লিখিত: [http://en.wikinews.org/wiki/Rights_groups:_Forcing_Wikileaks.org_offline_raises_%27serious_First_Amendment_concerns%27 "অধিকার গোষ্ঠীসমূহ: উইকিলিকস ডট অর্গকে অফলাইনে যেতে বাধ্য করা 'প্রথম সংশোধনীর গুরুতর উদ্বেগ' তৈরি করে"], '''''[[:n:প্রধান পাতা|উইকিসংবাদ]]''''', (২৮ ফেব্রুয়ারি ২০০৮)। * কখনোই ভুলে যাবেন না যে, আপনি যদি আপনার প্রথম বাক্যটি দিয়েই সংবাদপত্রের পাঠকের চোখের মণি বরাবর আঘাত করতে না পারেন (অর্থাৎ তার তীক্ষ্ণ মনোযোগ আকর্ষণ করতে না পারেন), তবে দ্বিতীয় বাক্যটি আর লেখার কোনো প্রয়োজনই নেই। ** '''''আর্থার ব্রিসবেন''''' (আনু. ১৯০০), উদ্ধৃত হয়েছে: অলিভার কার্লসন রচিত '''''ব্রিসবেন: এ ক্যান্ডিড বায়োগ্রাফি''''' (১৯৩৭), অধ্যায় ৫। * এমন এক সময় ছিল যখন হর্স ওয়াটসনদের মতো পেশার মানুষরা সাধারণত নেশামুক্ত অবস্থায় কখনও ঘুমাতে যেতেন না এবং তাদের লিভার বা যকৃৎ ক্ষয় হয়েই তারা মৃত্যুবরণ করতেন। সেই অক্ষরজ্ঞানসম্পন্ন দুঃসাহসী যোদ্ধাদের সীমান্ত অঞ্চলের স্যালুনগুলোতে নিজেদের বোকা বানাতে দেখাটা নিশ্চয়ই মজার ছিল। যেখানে তারা প্রতিদ্বন্দ্বী সাংবাদিক ও তাদের সমর্থকদের সাথে চাবুকপেটা এবং গোলাগুলিতে মেতে উঠতেন। কিন্তু কে থামত এটা ভাবতে যে, শব্দ এবং প্রকাশনার ক্ষমতা হাতে থাকা বলতে আসলে কী বোঝায়? এটা বুঝতে পারা যে, একটি পুরো শহর বা অঞ্চল বিচার করবে, নিন্দা জানাবে, কাজ করবে, দণ্ড মওকুফ করবে কিংবা গুণগান গাইবে শুধুমাত্র আপনার গতরাতের তড়িঘড়ি করে লেখা কোনো কিছুর ওপর ভিত্তি করে? কারণ আপনি টাইপসেটে কিছু একটা সাজিয়েছিলেন, আর তা করতে গিয়ে আপনার আঙুলের ডগায় লেগে যাওয়া ধাতব বিষগুলো অদম্যভাবে আপনার রক্তপ্রবাহে যাত্রা শুরু করেছিল? ক্ষমতার মোহে আপনি আপনার যকৃৎ আর বৃক্ককে এক স্পঞ্জি ও খিটখিটে পিন্ডে পরিণত করেছিলেন। আপনি আপনার মস্তিষ্কের কোষগুলোকে ভারী ধাতব আয়নের বিষে কলুষিত করেছিলেন যতক্ষণ না তা দিকভ্রান্ত দৃষ্টিভঙ্গির এক ভুতুড়ে বাড়িতে পরিণত হয়। [[w:অ্যালকোহল|অ্যালকোহল]] সাময়িকভাবে সেই প্রভাব কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করত। তাই আপনি একজন মদ্যপ হয়ে উঠেছিলেন, এবং দিনপ্রতি কিস্তিতে নিজের মানসিক সুস্থতা কিনে নিতেন, আর নিজেকে সবার হাসির পাত্রে পরিণত করতেন। শেষ পর্যন্ত এটি মজার কিংবা বিয়োগান্তক কোনোটিই ছিল না। এটি ছিল জীবনের এক রূঢ় বাস্তবতা যা মাঝারি মানের মানুষের ওপর ধীরগতিতে কাজ করত; কারণ সেই মাঝারিরা নিজেদের সত্ত্বাকে থামিয়ে দিয়ে নিশ্চিন্তে ঘুমাতে যেতে পারত, রাতের কাজটি তাদের নিজের সন্তুষ্টি অনুযায়ী হোক বা না হোক। ** '''''অ্যালজিস বাড্রিস''''', '''''মাইকেলমাস''''' (১৯৭৭), ISBN 0-425-03812-2, অধ্যায় ৩ (পৃ. ৩৬-৩৭)। * সাংবাদিকতা হয়তো খুব বেশি দুঃসাহস দেখানোর সাহস পায় না। এটি মৃদু হাস্যরসাত্মক এবং বিদ্রূপাত্মক হতে পারে, খুব হালকাভাবে এতে ব্যক্তিগত বৈশিষ্ট্যের ছোঁয়া থাকতে পারে, কিন্তু খুব গভীরে খনন করে এটি পাঠকদের বিমুখ করতে পারে না। ভাষার প্রতি এর দৃষ্টিভঙ্গির ক্ষেত্রে এটি বিশেষভাবে সত্য: প্রচলিত রীতিগুলো নিয়ে এখানে কোনো প্রশ্ন তোলা হয় না। ** '''''[[:w:অ্যান্থনি বার্জেস|অ্যান্থনি বার্জেস]]''''', '''''এ মাউথফুল অফ এয়ার: ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজেস, এস্পেশালি ইংলিশ''''' (১৯৯২)। * স্বঘোষিত এক তামাশাকার আর রসালো ভাড়াটে ভাঁড়,<br>নিম্নমানের মাসিক-লেখক ও উপহাসের উপহার!<br>শৈল্পিক চাটুকারিতে সে বেজায় রপ্ত, তার হস্তকৃত ম্যাগাজিন মিথ্যায় অভিশপ্ত! ** '''''[[:w:লর্ড বায়রন|লর্ড বায়রন]]''''', '''''ইংলিশ বার্ডস অ্যান্ড স্কচ রিভিউয়ার্সের''''' খন্ডাংশ (১৮০৯), লাইন ৯৭৫, বাংলায় রুপান্তরঃ '''মাহমুদ''' (২৩ এপ্রিল, ২০২৬)। == C == * মূলধারার সংবাদ মাধ্যমগুলো যখন ক্রমশ আত্মতুষ্ট হয়ে পড়ছে, এমনকি যুদ্ধপন্থী নীতিগুলোর সমর্থক হয়ে উঠছে, তখন এটি আরও বেশি অপরিহার্য হয়ে দাঁড়িয়েছে যে, যুদ্ধবিরোধী কণ্ঠস্বর এবং বিশেষ করে যুদ্ধবিরোধী সাংবাদিকরা যেন [[w:মার্কিন_যুক্তরাষ্ট্র|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের]] সেই নজির স্থাপনের প্রচেষ্টাকে প্রতিরোধ করেন, যা যুদ্ধাপরাধ প্রকাশের কাজটিকে একটি দণ্ডণীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য করতে চায়। ** '''''স্যাম কার্লিনার''''', [https://www.commondreams.org/views/2021/10/22/fate-anti-war-journalism-lies-upcoming-assange-hearings "যুদ্ধবিরোধী সাংবাদিকতার ভাগ্য আসন্ন অ্যাসাঞ্জ শুনানির ওপর নির্ভর করছে"], '''''কমন ড্রিমস''''', (২২ অক্টোবর ২০২১)। * মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির অপূরণীয় ক্ষতির বিষয়ে যারা উদাসীন বা সরাসরি সমর্থনমূলক অবস্থান গ্রহণ করে, সেইসব প্রকাশনার সম্পূর্ণ বিপরীতে অবস্থান করছে উইকিলিকস এবং এর প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ। "যদি মিথ্যা দিয়ে যুদ্ধ শুরু করা যায়, তবে সত্য দিয়ে তা থামানোও সম্ভব"—তার এই দৃষ্টিভঙ্গি অনুসরণ করে, অ্যাসাঞ্জ একবিংশ শতাব্দীর মার্কিন পররাষ্ট্রনীতি সংক্রান্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য নিখুঁত নির্ভুলতার সাথে প্রকাশ করেছেন। ** '''''স্যাম কার্লিনার''''', [https://www.commondreams.org/views/2021/10/22/fate-anti-war-journalism-lies-upcoming-assange-hearings "যুদ্ধবিরোধী সাংবাদিকতার ভাগ্য আসন্ন অ্যাসাঞ্জ শুনানির ওপর নির্ভর করছে"], '''''কমন ড্রিমস''''', (২২ অক্টোবর ২০২১)। * মূলধারার সংবাদমাধ্যমের হাজারো সমস্যা থাকা সত্ত্বেও, একটি শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান হিসেবে সাংবাদিকতা আজও যুদ্ধ প্রতিরোধ করার এবং ক্ষেত্রবিশেষে চলমান রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ বন্ধ করার অন্যতম প্রধান ও কার্যকর হাতিয়ার হিসেবে টিকে রয়েছে। এমনকি যারা সংবাদমাধ্যমের ওপর চরম আস্থাহীন, তাদেরও উচিত সংবাদপত্রের স্বাধীনতার ওপর আসা যাবতীয় আক্রমণ ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া। কারণ সংবাদপত্রের স্বাধীনতার এই সুনিশ্চিত গ্যারান্টিই যুদ্ধবিরোধী প্রতিবেদনগুলোকে মূলধারার আলোচনায় নিয়ে আসে এবং সাধারণ মানুষের প্রথাগত চিন্তাধারাকে পরিবর্তন করে তাদের সরকারকে আরও গভীরভাবে বুঝতে শেখায়। ** '''''স্যাম কার্লিনার''''', [https://www.commondreams.org/views/2021/10/22/fate-anti-war-journalism-lies-upcoming-assange-hearings "যুদ্ধবিরোধী সাংবাদিকতার ভাগ্য আসন্ন অ্যাসাঞ্জ শুনানির ওপর নির্ভর করছে"], '''''কমন ড্রিমস''''', (২২ অক্টোবর ২০২১)। * দক্ষ ও দূরদর্শী সম্পাদকদের সমন্বয়ে গঠিত একটি 'চতুর্থ স্তম্ভ' বা ফোর্থ এস্টেটের অভ্যুদয় ঘটছে। ** '''''[[:w:টমাস কার্লাইল|টমাস কার্লাইল]]''''', '''''দ্য ফ্রেঞ্চ রেভোলিউশন, এ হিস্ট্রি''''' (১৮৩৭), প্রথম অংশ, ষষ্ঠ বই, অধ্যায় ৫। * সাংবাদিকতা সত্যিই এক মহৎ ও বিশাল শক্তি। প্রতিটি দক্ষ ও কুশলী সম্পাদক কি এই বিশ্বের একেকজন প্রকৃত শাসক নন? কারণ তিনি তাঁর ক্ষুরধার লেখনী ও অকাট্য যুক্তির মাধ্যমে সমগ্র বিশ্ববাসীকে নিজ মতে প্ররোচিত করার ক্ষমতা রাখেন। ** '''''[[:w:টমাস কার্লাইল|টমাস কার্লাইল]]''''', '''''দ্য ফ্রেঞ্চ রেভোলিউশন, এ হিস্ট্রি''''' (১৮৩৭), দ্বিতীয় অংশ, প্রথম বই, অধ্যায় ৪। * বার্ক বলেছিলেন যে পার্লামেন্টে তিনটি প্রধান স্তম্ভ বা এস্টেট রয়েছে। কিন্তু তিনি ঐ যে সংবাদদাতাদের গ্যালারির দিকে ইঙ্গিত করে বলেছিলেন, সেখানে একটি 'চতুর্থ স্তম্ভ' উপবিষ্ট আছে যা আগের তিনটি স্তম্ভের তুলনায় অনেক বেশি প্রভাবশালী ও গুরুত্বপূর্ণ। এটি কোনো আলঙ্কারিক শব্দ বা নিছক চাতুর্যপূর্ণ উক্তি নয়, বরং এটি একটি আক্ষরিক সত্য। যা বর্তমান এই অস্থির সময়ে আমাদের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও অমোঘ। ** '''''[[:w:টমাস কার্লাইল|টমাস কার্লাইল]]''''', '''''অন হিরোস, হিরো-ওয়ারশিপ, অ্যান্ড দ্য হিরোইক ইন হিস্ট্রি: সিক্স লেকচারস: রিপোর্টেড''''', উইলি অ্যান্ড হ্যালস্টেড, (১৮৫৯), পৃ. ১৪৭, বক্তৃতা ৫: "দ্য হিরো অ্যাজ ম্যান অফ লেটারস"। * সাংবাদিকদের দেখলে মনে হতে পারে যে তারা প্রায় আক্ষরিক অর্থেই আধুনিক বিশ্বের এক একজন পুরোহিত... তবে পুরোহিততন্ত্রের নৈতিক অবক্ষয় ঠিক সেই মুহূর্তেই ঘটেছিল যখন এটি জ্ঞান বিতরণের জন্য গঠিত একটি সংখ্যালঘু গোষ্ঠী থেকে জ্ঞান গোপন রাখার জন্য গঠিত একটি সংখ্যালঘু গোষ্ঠীতে রূপান্তরিত হয়েছিল। সাংবাদিকতার অধঃপতনের ক্ষেত্রেও ঠিক একই ধরনের এক বিশাল বিপদ ও আশঙ্কা লুকিয়ে রয়েছে। সাংবাদিকতা নিজেই নিজের মধ্যে এমন এক ভয়াবহ দানবীয় রূপ এবং বিভ্রম সৃষ্টি করার সম্ভাবনা ধারণ করে, যা মানবজাতির জন্য অতীতে কখনও আসা যেকোনো অভিশাপের চেয়েও ভয়াবহ হতে পারে। এই ভয়ংকর রূপান্তরটি ঠিক সেই মুহূর্তেই ঘটবে যখন সাংবাদিকরা অনুধাবন করতে শুরু করবে যে তারা সমাজের এক বিশেষ অভিজাত শ্রেণীতে পরিণত হতে সক্ষম। ** '''''[[:w:জি. কে. চেস্টারটন|জি. কে. চেস্টারটন]]''''', "দ্য নিউ প্রিস্টস" (১৯০১)। [https://books.google.com/books?id=v6-RGg0qKpsC&pg=PA551&dq=%22Journalism+possesses+in+itself+the+potentiality+of+becoming+one+of+the+most+frightful+monstrosities%22&hl=en&newbks=1&newbks_redir=0&sa=X&ved=2ahUKEwikocyvmKf7AhWbj4kEHWQlDCAQuwV6BAgOEAY#v=onepage&q=%22Journalism%20possesses%20in%20itself%20the%20potentiality%20of%20becoming%20one%20of%20the%20most%20frightful%20monstrosities%22&f=false] * সাংবাদিকতা বর্তমানে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে ঠিকই, তবে এই জনপ্রিয়তার মূল ভিত্তিটি আসলে এক ধরনের কাল্পনিক আখ্যান বা ফিকশন। আমাদের যাপিত জীবন হলো এক স্বতন্ত্র জগত, আর সংবাদপত্রের পাতায় প্রতিফলিত জীবন হলো সম্পূর্ণ ভিন্ন ও কৃত্রিম এক জগত। ** '''''[[:w:জি. কে. চেস্টারটন|জি. কে. চেস্টারটন]]''''', "অন দ্য ক্রিপ্টিক অ্যান্ড দ্য এলিপ্টিক", '''''অল থিংস কনসিডারড''''' (১৯০৮)। * আমি জানি যে সাংবাদিকতা মূলত এমন সব মানুষকে 'লর্ড জোন্স মৃত' বলে সংবাদ দেওয়ার নামান্তর, যারা লর্ড জোন্স যে আদৌ জীবিত ছিলেন সেই খবরটিই কখনও জানতেন না। ** '''''[[:w:জি. কে. চেস্টারটন|জি. কে. চেস্টারটন]]''''', "দ্য পার্পল উইগ", '''''দ্য উইজডম অফ ফাদার ব্রাউন''''' (১৯১৪)। * আমাদের আধুনিক অস্তিত্বের প্রতিচ্ছবি হিসেবে সাংবাদিকতার একটি বড় ও প্রধান দুর্বলতা হলো এই যে, একে এমন এক চিত্রকল্প হতে হয় যা পুরোপুরি কিছু ব্যতিক্রমী ঘটনার সমষ্টি। আমরা চটকদার পোস্টারে ঘোষণা করি যে কোনো এক ব্যক্তি ভারা থেকে নিচে পড়ে গিয়েছেন। কিন্তু আমরা কখনও রঙিন পোস্টারে এই ঘোষণা দিই না যে কোনো এক ব্যক্তি ভারা থেকে নিচে পড়ে যাননি। অথচ বাস্তবিকভাবে পরবর্তী তথ্যটিই অনেক বেশি রোমাঞ্চকর ও উদ্দীপক। কারণ এটি নির্দেশ করে যে মানুষ নামক রহস্য আর আতঙ্কের সেই সচল মিনারটি এখনও এই পৃথিবীতে সদর্পে বিচরণ করছে। মানুষটি যে ভারা থেকে পড়ে যায়নি, সেটিই আসলে প্রকৃত অর্থে বেশি চাঞ্চল্যকর এবং এটি নিয়মিত ঘটে যাওয়া হাজারো সাধারণ ঘটনার চেয়েও অনেক বেশি বাস্তব। কিন্তু সাংবাদিকতার কাছে এমন প্রত্যাশা করা অযৌক্তিক যে তারা এই চিরন্তন ও ধ্রুব অলৌকিক ঘটনাগুলোর ওপর জোর দেবে। ব্যস্ত সম্পাদকদের কাছ থেকে এমনটা আশা করা যায় না যে তারা তাদের পোস্টারে লিখবেন, "মিস্টার উইলকিনসন এখনও নিরাপদ আছেন" কিংবা "ওয়ার্দিং-এর মিস্টার জোন্স এখনও মারা যাননি।" তারা মানবজাতির সামগ্রিক সুখ বা সাধারণ স্বাভাবিকতাকে সংবাদ হিসেবে প্রচার করতে পারেন না। তারা এমন সব কাঁটাচামচের বর্ণনা দিতে পারেন না যা চুরি হয়নি, কিংবা এমন সব দাম্পত্যের কথা লিখতে পারেন না যা বিচারবুদ্ধি খাটিয়ে ভেঙে দেওয়া হয়নি। ফলস্বরূপ, জীবনের যে পূর্ণাঙ্গ চিত্র তারা তুলে ধরেন তা অপরিহার্যভাবেই বিভ্রান্তিকর ও ত্রুটিপূর্ণ হয়ে ওঠে। কারণ তারা কেবল যা অস্বাভাবিক ও ব্যতিক্রমী, তা-ই উপস্থাপন করতে সক্ষম। তারা যত বড় গণতান্ত্রিকই হোন না কেন, দিনশেষে তারা কেবলমাত্র সংখ্যালঘু এবং বিচ্ছিন্ন ঘটনাগুলো নিয়েই বেশি ব্যস্ত থাকেন। ** '''''[[:w:জি. কে. চেস্টারটন|জি. কে. চেস্টারটন]]''''', '''''দ্য বল অ্যান্ড দ্য ক্রস''''' (১৯০৯), [http://www.classicreader.com/book/2241/4/ চতুর্থ অধ্যায়: ভোরের আলোচনা] (দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ)। * উইকিলিকস যদি কোনো ছাপাখানা থেকে প্রকাশিত সাধারণ সাময়িকী হতো, তবে এর ওপর এমন নিষেধাজ্ঞা আরোপের কথা চিন্তাও করা যেত না। ... এই মামলাটিকে যা আলাদা করে তুলেছে তা হলো, অভিযোগ অনুযায়ী তথাকথিত অগ্রহণযোগ্য বিষয়বস্তুগুলো কাগজের পরিবর্তে ইন্টারনেটে প্রকাশিত হয়েছিল। কিন্তু যারা কোনো কিছু প্রকাশ করতে চায় এবং যারা তা পড়তে চায়। তাদের সুরক্ষা প্রদানকারী মূলনীতিগুলো বিসর্জন দেওয়ার জন্য এটি অত্যন্ত দুর্বল ও ভিত্তিহীন একটি অজুহাত। মাধ্যম যা-ই হোক না কেন, সেন্সরশিপ বা কণ্ঠরোধ সবসময়ই সেন্সরশিপ হিসেবেই গণ্য হয়। ** '''''সম্পাদকীয়''''', "ইলেকট্রনিক সেন্সরশিপ", '''''[[:w:শিকাগো ট্রিবিউন|শিকাগো ট্রিবিউন]]''''', শিকাগো ট্রিবিউন কোম্পানি, (২৬ ফেব্রুয়ারি ২০০৮), পৃ. ১৪। * '''সাংবাদিকদের পরম পবিত্র দায়িত্ব হলো সত্য প্রকাশ করা। সাংবাদিকতা মানে হলো আপনাকে প্রকৃত ঘটনার মূলে ফিরে যেতে হবে, নথিপত্রগুলো গভীরভাবে খতিয়ে দেখতে হবে, নথিবদ্ধ তথ্যের আসল রূপটি উন্মোচন করতে হবে এবং ঠিক সেভাবেই তা সবার সামনে তুলে ধরতে হবে।''' ** '''''[[:w:নোম চমস্কি|নোম চমস্কি]]''''', সাক্ষাৎকারে: জয় ওয়াং, "বক্তৃতা: নোম চমস্কি", '''''বুলপেন: এনওয়াইইউ জার্নালিজম''''', [[:w:নিউ ইয়র্ক ইউনিভার্সিটি|নিউ ইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়]], (ডিসেম্বর ২০০৪)। * রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা রক্ষার প্রকৃত উদ্দেশ্য হলো সরকারকে তার নিজস্ব স্বার্থসিদ্ধি এবং প্রায়শই ভিত্তিহীন ও মিথ্যায় ঘেরা সত্যের একটি সংস্করণ প্রতিষ্ঠা করতে সহায়তা করা। আর এটি করা হয় জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়া 'তথ্য' বা 'উপাত্ত'গুলোকে অত্যন্ত সতর্কতার সাথে বাছাই করার মাধ্যমে। তারা তাদের প্রকৃত জানা তথ্যের যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত প্রকাশ কিংবা বিকল্প কোনো তথ্যসূত্রের উপস্থিতিতে চরমভাবে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। সংবাদসূচির ওপর তাদের এই একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার ক্ষেত্রে যেকোনো ধরনের হুমকিকে সম্ভব হলে দমন করা হয়। আর যেখানে দমন করা সম্ভব হয় না, সেখানে দায়ীদের খুঁজে বের করে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা হয়।<br>[[w:ইয়েমেনী_সংকট_(২০১১-বর্তমান)|ইয়েমেন যুদ্ধ]]—যেখানে অন্তত ৭০,০০০ মানুষ প্রাণ হারিয়েছে! সেই যুদ্ধ সম্পর্কে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশ করে দেওয়াই হলো প্রধান কারণ যার জন্য মার্কিন সরকার জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ এবং জিক্রি—উভয়কেই চরমভাবে হেনস্তা ও নিপীড়ন করছে। ** '''''প্যাট্রিক ককবার্ন''''', [https://www.counterpunch.org/2019/06/04/why-the-us-is-persecuting-assange/ "কেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অ্যাসাঞ্জকে নিপীড়ন করছে?"], '''''কাউন্টারপাঞ্চ''''', (৪ জুন ২০১৯)। * এক দশক আগে আমি যখন কাবুলে অবস্থান করছিলাম, ঠিক তখনই উইকিলিকস আফগানিস্তান, ইরাক এবং ইয়েমেনের সংঘাত সংক্রান্ত মার্কিন সরকারের নথিপত্রের এক বিশাল ভাণ্ডার উন্মোচন করেছিল। সেই প্রকাশের দিনটিতে আমি একজন মার্কিন কর্মকর্তার সাথে দেখা করার জন্য ফোনে কথা বলছিলাম... তিনি এই বিষয়টি নিয়ে অত্যন্ত উৎসুক ছিলেন এবং আমার কাছে জানতে চেয়েছিলেন যে ফাইলগুলোর গোপনীয়তার মাত্রা বা ক্লাসিফিকেশন সম্পর্কে আসলে কী জানা গেছে। আমি যখন তাঁকে বিস্তারিত জানালাম, তিনি বেশ স্বস্তির সুরে বললেন: “তাহলে তো দেখছি এর মধ্যে প্রকৃত অর্থে গোপন রাখার মতো তেমন কিছুই নেই।” ** '''''প্যাট্রিক ককবার্ন''''', [https://www.counterpunch.org/2019/06/04/why-the-us-is-persecuting-assange/ "কেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অ্যাসাঞ্জকে নিপীড়ন করছে?"], '''''কাউন্টারপাঞ্চ''''', (৪ জুন ২০১৯)। * আমরা এই শুনানিতে উপস্থিত সবাইকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানাচ্ছি। ১৯৮৯ সালের 'টেক্সাস বনাম জনসন' মামলায় সুপ্রিম কোর্ট আমাদের গণতন্ত্রের অন্যতম মৌলিক একটি আদর্শ তুলে ধরেছিল। সেটি হলোঃ প্রথম সংশোধনীর পেছনে যদি কোনো সুদৃঢ় ও অপরিবর্তনীয় ভিত্তি থেকে থাকে, তবে তা হলো এই যে: সরকার কোনো নির্দিষ্ট ধারণার বহিঃপ্রকাশকে কেবল এই অজুহাতে নিষিদ্ধ করতে পারে না যে সমাজ সেই ধারণাটিকে আপত্তিকর বা অপ্রীতিকর বলে মনে করছে। এই অমোঘ কথাগুলো ছিল বিচারপতি উইলিয়াম ব্রেনান জুনিয়রের। ** '''''কংগ্রেসম্যান জন কনিয়ার্স''''', [https://www.govinfo.gov/content/pkg/CHRG-111hhrg63081/html/CHRG-111hhrg63081.htm "মার্কিন কংগ্রেস হাউস হিয়ারিং: এসপিওনাজ অ্যাক্ট এবং উইকিলিকস কর্তৃক উত্থাপিত আইনি ও সাংবিধানিক সমস্যাসমূহ"], বিচার বিভাগীয় কমিটি, প্রতিনিধি সভা, (১৬ ডিসেম্বর ২০১০)। [https://www.c-span.org/video/?297115-1/wikileaksthe-espionage-act-constitution সি-স্প্যান রেকর্ডিং] * ...এই বিতর্ক সম্পর্কে যার যা-ই মত থাকুক না কেন, এটি অত্যন্ত স্পষ্ট যে উইকিলিকস-এর বিরুদ্ধে বিচারিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে তা বাকস্বাধীনতা, সাংবাদিকের প্রকৃত পরিচয় এবং নাগরিকরা তাদের নিজস্ব সরকারের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে আসলে কতটুকু জানার অধিকার রাখে। তা নিয়ে অত্যন্ত মৌলিক ও সুদূরপ্রসারী প্রশ্নের জন্ম দেবে। প্রকৃতপক্ষে, যদিও এ বিষয়ে একটি সাধারণ ঐকমত্য রয়েছে যে মাঝে মাঝে রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা বজায় রাখা অপরিহার্য, তবুও বর্তমান সময়ের আসল সমস্যাটি গোপনীয়তার অভাব নয়, বরং অতিমাত্রায় গোপনীয়তা রক্ষা করার প্রবণতা। ** '''''কংগ্রেসম্যান জন কনিয়ার্স''''', [https://www.govinfo.gov/content/pkg/CHRG-111hhrg63081/html/CHRG-111hhrg63081.htm "মার্কিন কংগ্রেস হাউস হিয়ারিং: এসপিওনাজ অ্যাক্ট এবং উইকিলিকস কর্তৃক উত্থাপিত আইনি ও সাংবিধানিক সমস্যাসমূহ"], বিচার বিভাগীয় কমিটি, প্রতিনিধি সভা, (১৬ ডিসেম্বর ২০১০)। [https://www.c-span.org/video/?297115-1/wikileaksthe-espionage-act-constitution সি-স্প্যান রেকর্ডিং] * গণমাধ্যম এমন এক ধরনের বিশ্বাসযোগ্যতা বহন করে যা তারা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই পাওয়ার যোগ্য নয়। আপনারা সবাই কোনো না কোনোভাবে জীবনের এই অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়েছেন। [...]<br>সংক্ষেপে বলতে গেলে, '''গেল-ম্যান অ্যামনেসিয়া এফেক্ট''' বা বিস্মৃতি প্রভাবটি হলো এইরকম: আপনি সংবাদপত্রের এমন একটি নিবন্ধ পড়তে শুরু করলেন যে বিষয়টি সম্পর্কে আপনার আগে থেকেই খুব ভালো জানাশোনা আছে। [...] আপনি নিবন্ধটি পড়লেন এবং বুঝতে পারলেন যে ওই সাংবাদিকের সংশ্লিষ্ট তথ্য বা বিষয়টি সম্পর্কে বিন্দুমাত্র কোনো ধারণা নেই। [...] আপনি অত্যন্ত বিরক্তি বা কৌতুকের সাথে সেই প্রতিবেদনের অসংখ্য ভুলগুলো লক্ষ্য করলেন, কিন্তু এরপরই পাতার উল্টো পাশে গিয়ে জাতীয় বা আন্তর্জাতিক বিষয়ক সংবাদগুলো এমনভাবে পড়তে শুরু করলেন যেন সংবাদপত্রের বাকি অংশগুলো [[w:ফিলিস্তিন|ফিলিস্তিন]] বা অন্য কোনো জটিল বিষয়ে অনেক বেশি নির্ভুল। যদিও মাত্র কয়েক মুহূর্ত আগেই আপনি একগাদা আজেবাজে ও ভুল তথ্য পড়েছেন। '''আপনি যদি পাতা উল্টাতে থাকেন, আর যা আপনি জানেন তা মুহূর্তেই ভুলে যান।''' ** '''''মাইকেল ক্রিকটন''''', [https://web.archive.org/web/20190808123852/http://larvatus.com/michael-crichton-why-speculate/ "কেন অনুমান করবেন?"], (লা জোলা, ক্যালিফোর্নিয়ার ইন্টারন্যাশনাল লিডারশিপ ফোরামে দেওয়া ভাষণ, ২৬ এপ্রিল ২০০২)। মূল উৎস থেকে ৮ আগস্ট ২০১৯ তারিখে আর্কাইভ করা। সংগৃহীত: ৩ মে ২০২২। == D == [[File:Betty Friedan 1960.jpg|thumb|আজকের দিনের গম্ভীর ও মননশীল অ-কল্পকাহিনী লেখকরা সমাজের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ সামাজিক বিজ্ঞানের সুদৃঢ় ভিত্তি এবং একজন প্রতিবেদকের সাংবাদিকতা দক্ষতার সমন্বয়ে তাঁরা কেবল সংবাদ পরিবেশনের গণ্ডি পেরিয়ে আমাদের উদীয়মান সমাজের অগ্রযাত্রার একেবারে সম্মুখভাগে অবস্থান করেন।<br>~'''''বেটি ফ্রিডান''''' ]] * আমি সত্যি বুঝতে অক্ষম যে সাংবাদিকতাকে কেন এত জঘন্য, এত বেশি বিদ্রূপাত্মক এবং অন্যের ব্যক্তিগত বিষয়ে হস্তক্ষেপকারী হতে হয়। ** '''''পাল ড্যানিয়েলস''''', উদ্ধৃত হয়েছে: '''''[[:w:দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট|দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট]]''''', (১৭ মার্চ ২০১৬)। * এই সংবাদপত্র আমাদের জন্য সব কিছুই করে থাকে। এটি পুলিশ বাহিনীকে পরিচালনা করে এবং ব্যাংকগুলো চালায়, সামরিক বাহিনীকে আদেশ দেয়, আইনসভা নিয়ন্ত্রণ করে, নবজাতকদের দীক্ষা দেয়, নির্বোধদের বিবাহ সম্পন্ন করে, '''বেদনার্তদের সান্ত্বনা দেয় ও শান্তিতে থাকাদের অস্বস্তিতে ফেলে''', মৃতদের সমাহিত করে এবং পরবর্তীতে তাদের কঠোর সমালোচনা করে দহন করে। এমন কোনো বিষয় নেই যা তারা স্পর্শ করে না, তা পবিত্র রুটির আধ্যাত্মিক রূপান্তর ব্যাখ্যা করা থেকে শুরু করে সাধারণ বিস্কুট তৈরির প্রণালী পর্যন্ত যা-ই হোক না কেন। ** '''''ফিনলে পিটার ডান''''', "নিউজপেপার পাবলিসিটি", '''''অবজারভেশনস বাই মিস্টার ডুলি''''' (১৯০২)। == E == * সাংবাদিকতা হলো একটি সুসংগঠিত পরচর্চা। ** '''''এডওয়ার্ড এগলেস্টন''''' == F == * “সে কি তোমাকে বিশ্বাস করেছিল?”<br>“সে একজন অত্যন্ত দক্ষ ও ঝানু সাংবাদিক। কাজেই অবশ্যই বিশ্বাস করেনি।” ** '''''জ্যাসপার ফোর্ড''''', '''''ওয়ান অফ আওয়ার থার্সডেস ইজ মিসিং''''' (২০১১), ISBN 978-0-670-02252-6, পৃ. ২০৫। * আমার মনে হয়, শেষ পর্যন্ত আমরা সাংবাদিকরা অন্তত সেই চেষ্টাটুকু করি বা করা উচিত। যেন আমরা ইতিহাসের প্রথম নিরপেক্ষ সাক্ষী হতে পারি। যদি আমাদের অস্তিত্বের পেছনে কোনো সার্থকতা থেকে থাকে, তবে তা অবশ্যই ইতিহাসের ঘটনাপ্রবাহ যেভাবে ঘটে ঠিক সেভাবেই উপস্থাপন করার ক্ষমতার মধ্যে নিহিত; যেন ভবিষ্যতে কেউ কখনও এমনটা বলতে না পারে: 'আমরা জানতাম না! আমাদের কেউ বলেনি।' ** '''''রবার্ট ফিস্ক''''', '''''দ্য গ্রেট ওয়ার ফর সিভিলাইজেশন: দ্য কনকুয়েস্ট অফ দ্য মিডল ইস্ট''''', ফোর্থ এস্টেট, (২০০৫), পৃ. ২৫, ISBN 0007203837। * আজকের দিনের গম্ভীর ও মননশীল অ-কল্পকাহিনী লেখকরা সমাজের জন্য অপরিহার্য। কারণ সামাজিক বিজ্ঞানের সুদৃঢ় তাত্ত্বিক ভিত্তি এবং একজন প্রতিবেদকের তীক্ষ্ণ সাংবাদিকতা দক্ষতার অনবদ্য সমন্বয়ে তাঁরা কেবল সাধারণ সংবাদ পরিবেশনের গণ্ডি অতিক্রম করেন এবং আমাদের উদীয়মান ও পরিবর্তনশীল সমাজের অগ্রযাত্রার একেবারে সম্মুখভাগে অবস্থান নেন। ** '''''বেটি ফ্রিডান''''' (মে ১৯৭৮), ''৩০তম বার্ষিকী জার্নাল'', '''''আমেরিকান সোসাইটি অফ জার্নালিস্ট অ্যান্ড অথরস'''''; উদ্ধৃত হয়েছে: '''''দ্য কমপ্লিট গাইড টু রাইটিং নন-ফিকশন''''' (১৯৮৩), গ্লেন ইভান্স সম্পাদিত, রাইটার্স ডাইজেস্ট বুকস, সিনসিনাটি, ওহাইও, পৃ. ৫, ISBN 0-89879-117-0। == G == * যখন সাংবাদিকতার বিকৃত ভাষা বা 'জার্নালিজ' তার চরম শিখরে পৌঁছেছিল, ঠিক তখনই স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, হয়তো এটি একটি কাকতালীয় ঘটনা মাত্র। ** '''''জন গলসওয়ার্দি''''' (জুলাই ১৯২৪), ''অন এক্সপ্রেশন'', ইংলিশ অ্যাসোসিয়েশনের রাষ্ট্রপতির ভাষণ, পৃ. ১২; উদ্ধৃতিটি পুনরুৎপাদন করা হয়েছে: ডেভিড ক্রিস্টাল ও হিলারি ক্রিস্টাল রচিত '''''ওয়ার্ডস অন ওয়ার্ডস: কোটেশনস অ্যাবাউট ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজেস''''' (২০০০), ইউনিভার্সিটি অফ শিকাগো প্রেস, পৃ. ২৭৬, ISBN 0226122018। * সাংবাদিকতা কোনো প্রথাগত পেশা নয়... এর অন্তরে এটি কেবল একটি সৃজনশীল শিল্প বা কারুশিল্প। আর এর অর্থ হলো, যে কেউ যার বিচারবুদ্ধি আছে, যে বুদ্ধিমান, চিন্তাশীল এবং কৌতূহলী—তিনিই এই শিল্পের চর্চা করতে পারেন। ** '''''সু গার্ডনার''''', [https://en.wikinews.org/wiki/Interview_with_Sue_Gardner_of_the_Wikimedia_Foundation "উইকিমিডিয়া ফাউন্ডেশনের সু গার্ডনারের সাথে সাক্ষাৎকার"], '''''উইকিসংবাদ''''', ২৪ অক্টোবর ২০০৭। * তৃণমূল পর্যায়ের সাংবাদিকতা হলো নাগরিক-সৃষ্ট সংবাদমাধ্যমের সেই বিস্তৃত পরিস্থিতির একটি অংশ, যা আসলে একটি বিশ্বব্যাপী আলাপচারিতা এবং এটি প্রতিনিয়ত শক্তিতে, জটিলতায় ও প্রভাবে সমৃদ্ধ হচ্ছে। মানুষ যখন নিজেকে প্রকাশ করার সুযোগ পায়, তারা অবশ্যই তা করে। যখন তারা শক্তিশালী অথচ সুলভ সরঞ্জাম হাতে পায়, তখন তারা অত্যন্ত দ্রুততার সাথে এই নতুন সংবাদমাধ্যমের জগতের সাথে নিজেদের মানিয়ে নেয়। আর যখন তারা সম্ভাব্য এক বিশ্বব্যাপী শ্রোতামণ্ডলীর কাছে পৌঁছাতে সক্ষম হয়, তখন তারা আক্ষরিক অর্থেই পুরো পৃথিবীটাকে বদলে দিতে পারে। ** '''''ড্যান গিলমোর''''', '''''উই দ্য মিডিয়া: গ্রাসরুটস জার্নালিজম বাই দ্য পিপল ফর দ্য পিপল''''' (২০০৬), ও'রেলি মিডিয়া, পৃ. xv, ISBN 0596102275। * যদিও সাংবাদিকদের উচিত '''[[w:উইকিলিকস|উইকিলিকসকে]]''' (একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা; যা বিভিন্ন অপ্রকাশিত ও গোপন নথিসমূহ প্রকাশ করে) কিছুটা সংশয়ের দৃষ্টিতে দেখা, কিন্তু একে কোনোভাবেই উপেক্ষা করার উপায় নেই। অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার এই সাহসী নতুন বিশ্বে আপনাদের স্বাগতম। ** '''''শন গনসালভস''''', [http://www.alternet.org/mediaculture/90641/will_wikileaks_revolutionize_journalism/?page=2 "উইকিলিকস কি সাংবাদিকতায় বিপ্লব ঘটাবে?"], '''''অল্টারনেট''''', (৭ জুলাই ২০০৮)। * যেখানে নিস্তব্ধতা বিরাজ করে, সেখানে ছুটে যাওয়াই একজন সাংবাদিকের পরম দায়িত্ব। যারা বিস্মৃত, পরিত্যক্ত এবং ক্ষমতাশালীদের দ্বারা নিগৃহীত হয়েছে, তাদের কণ্ঠস্বর হয়ে ওঠা। আমাদের এমন এক 'ট্রিকল-আপ' বা তৃণমূল থেকে উঠে আসা গণমাধ্যম গড়ে তুলতে হবে যা এই দেশ এবং এর মানুষের প্রকৃত চরিত্রকে প্রতিফলিত করবে। ** '''''অ্যামি গুডম্যান''''', ডেভিড গুডম্যানের সাথে যৌথভাবে রচিত '''''দ্য এক্সেপশন টু দ্য রুলার্স''''' (২০০৪)। * সাংবাদিকদের কাজ হলো ক্ষমতার ওপর নজরদারি করা এবং ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষা করা, জনপ্রিয়তার প্রতিযোগিতায় জয়ী হওয়া নয়। ** '''''[[:w:অ্যামি গুডম্যান|অ্যামি গুডম্যান]]''''', ভূমিকা, '''''ডেমোক্রেসি নাও!: টুয়েন্টি ইয়ার্স কভারিং দ্য মুভমেন্টস চেঞ্জিং আমেরিকা''''' (২০১৬)। * মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ধর্ম হলো সামরিক সব কিছুর উপাসনা করা। আর সাংবাদিকরা হলেন সেই ধর্মের প্রধান পুরোহিত। ** '''''গ্লেন গ্রিনওয়াল্ড''''' (১৯৬৭), ডেমোক্রেসি নাও! এর সাথে সাক্ষাৎকার (১৪ নভেম্বর ২০১২): [http://www.democracynow.org/2012/11/14/glenn_greenwald_while_petraeus_had_affair "গ্লেন গ্রিনওয়াল্ড: যখন পেট্রাউস জীবনীকারের সাথে প্রণয়ে লিপ্ত ছিলেন, কর্পোরেট মিডিয়া তখন পেট্রাউসের প্রেমে মগ্ন ছিল।"] সংগৃহীত: ১৫ নভেম্বর ২০১২। * গাজায় সংবাদমাধ্যমের কার্যালয়গুলো ধ্বংস করা এবং সাংবাদিকদের হত্যা করা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। সংঘাতপূর্ণ এলাকাগুলোতেও সাংবাদিকদের আক্রমণ বা হেনস্তার ভয় ছাড়াই তাদের অপরিহার্য কাজ চালিয়ে যেতে সক্ষম হতে হবে। তাঁদের অবশ্যই সুরক্ষা দিতে হবে এবং সম্মান করতে হবে... এমনকি যুদ্ধেরও সুনির্দিষ্ট কিছু নিয়ম আছে। সর্বোপরি, সাধারণ নাগরিকদের অবশ্যই রক্ষা করতে হবে... বাছবিচারহীন হামলা এবং বেসামরিক ব্যক্তি ও তাদের সম্পদের ওপর আক্রমণ করা যুদ্ধ আইনের চরম লঙ্ঘন। ** '''''[[:w:আন্তোনিও গুতেরেস|আন্তোনিও গুতেরেস]]''''', [https://www.un.org/sg/en/content/sg/statement/2021-05-20/secretary-general%E2%80%99s-remarks-the-general-assembly-meeting-the-situation-the-middle-east-and-palestine-delivered "মধ্যপ্রাচ্য ও ফিলিস্তিন পরিস্থিতি নিয়ে সাধারণ পরিষদের সভায় মহাসচিবের বক্তব্য"], জাতিসংঘ মহাসচিব, বিবৃতি (২০ মে ২০২১)। == H == [[File:Thomas Jefferson 1904 Issue, 2c.jpg|thumb|যদি আমাকে সিদ্ধান্ত নিতে বলা হয় যে আমাদের কি সংবাদপত্রহীন কোনো সরকার থাকা উচিত, নাকি সরকারহীন সংবাদপত্র থাকা উচিত। তবে আমি দ্বিতীয়টি বেছে নিতে এক মুহূর্তও দ্বিধা করব না।<br>~'''''[[:w:টমাস জেফারসন|টমাস জেফারসন]]''''' ]] * সম্পাদক: সংবাদপত্রের দ্বারা নিযুক্ত এমন একজন ব্যক্তি, যাঁর কাজ হলো সারবস্তু থেকে অসার অংশকে আলাদা করা এবং এটি নিশ্চিত করা যে সেই অসার অংশগুলোই যেন সংবাদপত্রে ছাপা হয়। ** '''''এলবার্ট হাববার্ড''''' (১৯১৪), ''দ্য রয়ক্রফট ডিকশনারি অফ এপিগ্রামস''; উদ্ধৃত হয়েছে: ফ্রেড আর. শাপিরো সম্পাদিত '''''দ্য ইয়েল বুক অফ কোটেশনস''''', ইয়েল ইউনিভার্সিটি প্রেস, নিউ হ্যাভেন, কানেকটিকাট, পৃ. ৩৭৪, ISBN 0300107986। == I == * ...মার্কিন সমাজবিজ্ঞানী জর্জ ইয়ান্সি তাঁর ২০১৫ সালের গ্রন্থ "হোস্টাইল এনভায়রনমেন্ট"-এ খ্রিস্টধর্ম এবং সাধারণভাবে রক্ষণশীল ধর্মের বিরুদ্ধে মার্কিন গণমাধ্যমের পক্ষপাতিত্বের ওপর আলোকপাত করেছেন এবং এর মূল কারণ হিসেবে খুঁজে পেয়েছেন যে, '''মূলধারার মার্কিন সাংবাদিকতা হলো একটি স্ব-স্থায়ীকৃত আভিজাত্য বা বর্ণপ্রথা।''' আপনি যদি একজন ইভানজেলিকাল খ্রিস্টান হন কিংবা প্রচলিত উদারপন্থী ও ধর্মনিরপেক্ষ আদর্শের সাথে, বিশেষ করে নৈতিক বিষয়গুলোতে একমত না হন, তবে কোনো মূলধারার সংবাদমাধ্যমে নিয়োগ পাওয়ার জন্য প্রথম সাক্ষাৎকারেই আপনাকে প্রত্যাখ্যান করে ছুড়ে ফেলে দেওয়া হবে। ** '''''মাসিমো ইনত্রোভিনে''''', [https://bitterwinter.org/the-anti-religious-anti-cult-and-anti-tai-ji-men-bias-in-the-media/ "গণমাধ্যমে ধর্ম-বিরোধী, গোষ্ঠী-বিরোধী এবং তাই জি মেন-বিরোধী পক্ষপাতিত্ব"], '''''বিটার উইন্টার''''', (মে ২০২৪)। * সাংবাদিকতা মানে দর্শক বা পাঠকদের জটিলতা থেকে দূরে সরিয়ে রাখা নয়। বরং এটি হলো জটিল বিষয়গুলোকে নিখুঁতভাবে উপস্থাপন করা এবং সেই জটিলতার মধ্য দিয়ে পথ চলার জন্য দর্শকদের বিচারবুদ্ধির ওপর আস্থা রাখা। একটি তথ্যচিত্র যা সমস্ত ভিন্নমত পোষণকারী কণ্ঠস্বরকে বর্জন করে, তাকে কোনোভাবেই প্রকৃত অনুসন্ধান বলা চলে না। ** '''''মাসিমো ইনত্রোভিনে''''', [https://bitterwinter.org/france-hate-speech-against-scientology-now-funded-by-taxpayers/ "ফ্রান্স: সায়েন্টোলজির বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক বক্তব্য এখন করদাতাদের অর্থে অর্থায়িত হচ্ছে"], '''''বিটার উইন্টার''''', (১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬)। == J == * একজন ব্যক্তির জীবন, স্বাধীনতা এবং সম্পত্তির অধিকার, সেইসাথে বাকস্বাধীনতা, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা, উপাসনা ও সমাবেশের অধিকার এবং অন্যান্য মৌলিক অধিকারগুলো ভোটের ওপর ছেড়ে দেওয়া যায় না। এগুলো কোনো নির্বাচনের ফলাফলের ওপর নির্ভর করে না। ** '''''[[:w:রবার্ট এইচ. জ্যাকসন|রবার্ট এইচ. জ্যাকসন]]''''', '''''[[:w:ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া স্টেট বোর্ড অফ এডুকেশন বনাম বারনেট মামলা|ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া স্টেট বোর্ড অফ এডুকেশন বনাম বারনেট]]''''', মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট, (১৯৪৩), ৩১৯ ইউ.এস. ৬২৪, ৬৩৮। * আমাদের সরকারের ভিত্তি যেহেতু জনমত, তাই আমাদের প্রথম ও প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত সেই অধিকারকে সমুন্নত রাখা। আর যদি আমাকে সিদ্ধান্ত নিতে বলা হয় যে আমাদের কি সংবাদপত্রহীন কোনো সরকার থাকা উচিত, নাকি সরকারহীন সংবাদপত্র থাকা উচিত—তবে আমি দ্বিতীয়টি বেছে নিতে এক মুহূর্তও দ্বিধা করব না। তবে আমার এই বক্তব্যের অর্থ এই যে, প্রতিটি মানুষের কাছে সেই সংবাদপত্র পৌঁছাতে হবে এবং তাদের তা পাঠ করার সক্ষমতা থাকতে হবে। ** '''''[[:w:টমাস জেফারসন|টমাস জেফারসন]]''''', কর্নেল এডওয়ার্ড ক্যারিংটনকে লেখা চিঠি (১৬ জানুয়ারি ১৭৮৭), লিপসকম্ব ও বার্গ সংস্করণ ৬:৫৭। * সংবাদপত্রকে কীভাবে পরিচালনা করলে তা সবচেয়ে বেশি জনকল্যাণকর হবে, এ বিষয়ে আমার মত জানতে চাইলে আমি বলব, "একে কেবল ধ্রুব সত্য ঘটনা এবং নির্ভুল নীতিমালার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার মাধ্যমে।" তবুও আমার ভয় হয় যে এমন সংবাদপত্রের গ্রাহক সংখ্যা হবে খুবই নগণ্য। এটি একটি বিষাদময় সত্য যে, সংবাদপত্রের কণ্ঠরোধ করা হলে দেশ যতটা না এর সুফল থেকে বঞ্চিত হয়, তার চেয়েও বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় যখন সংবাদপত্র নির্লজ্জভাবে মিথ্যার কাছে নিজেকে সঁপে দেয়। সংবাদপত্রে যা দেখা যায় তার কোনো কিছুই এখন আর বিশ্বাস করা যায় না। এমনকি পরম সত্যও যখন এই কলুষিত মাধ্যমের ভেতর দিয়ে প্রকাশিত হয়, তখন তাও সন্দেহজনক হয়ে ওঠে। ভুল তথ্যের এই রাজত্ব আসলে কতটা বিস্তৃত তা কেবল তারাই জানেন যারা তাদের ব্যক্তিগত জ্ঞান দিয়ে দিনের পর দিন এই মিথ্যাগুলোর মুখোশ উন্মোচন করতে পারেন। ... আমি আরও যোগ করব যে, যে ব্যক্তি কখনোই সংবাদপত্র দেখেন না তিনি সেই ব্যক্তির চেয়ে বেশি অবগত ও শিক্ষিত যিনি নিয়মিত সংবাদপত্র পড়েন। কারণ যিনি কিছুই জানেন না তিনি সেই ব্যক্তির তুলনায় সত্যের অনেক বেশি কাছাকাছি থাকেন যার মন মিথ্যা আর ভ্রান্তিতে পরিপূর্ণ। যে ব্যক্তি কিছুই পড়ে না সে অন্তত মহান সত্যগুলো শিখতে পারবে, যেখানে সংবাদপত্রের বিস্তারিত তথ্যগুলোর সবই মিথ্যে। ** '''''[[:w:টমাস জেফারসন|টমাস জেফারসন]]''''', [[:w:জন নরভেল|জন নরভেল]]-কে লেখা চিঠি (১১ জুন ১৮০৭)। [https://www.loc.gov/resource/mtj1.038_0592_0594/?sp=2&st=text মূল উৎস এবং প্রতিলিপি] * আমাদের সংবাদপত্রগুলো বর্তমানে যে পঙ্কিল ও জঘন্য অবস্থায় পতিত হয়েছে, এবং যারা এই সংবাদপত্রের জন্য লেখেন, তাদের সেই বিদ্বেষপরায়ণতা, অসভ্যতা ও মিথ্যাচারের মানসিকতার জন্য আমি আপনার মতোই গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করছি। আমরা ঠিক কতটা অতল গহ্বরে তলিয়ে গেছি তার প্রমাণ হিসেবে আমি আপনাকে নিউ ইংল্যান্ডের একজন বিচারকের সাম্প্রতিক একটি লেখা পাঠাচ্ছি। এই সব আবর্জনা জনরুচিকে দ্রুত কলুষিত করছে এবং সুস্থ চিন্তার প্রতি মানুষের আগ্রহ কমিয়ে দিচ্ছে। তথ্যের বাহন হিসেবে এবং আমাদের কর্মকর্তাদের ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখার যন্ত্র হিসেবে সংবাদপত্রগুলো এখন সম্পূর্ণ অকেজো হয়ে পড়েছে; কারণ তারা বিশ্বাসযোগ্যতার সমস্ত দাবি হারিয়ে ফেলেছে। আমি আপনার সাথে একমত যে, দলীয় মানসিকতার চরম সহিংসতা এবং বিদ্বেষই এই পরিস্থিতির জন্য বহুলাংশে দায়ী... ** '''''[[:w:টমাস জেফারসন|টমাস জেফারসন]]''''', [https://founders.archives.gov/documents/Jefferson/03-07-02-0052 ওয়াল্টার জোন্সকে লেখা চিঠি] (২ জানুয়ারি ১৮১৪)। * তারা এ নিয়ে মিথ্যে কথা বলেছিল! শত্রু যখন সমুদ্রের পানি ফুটিয়ে ফেলল, আমাদের ষষ্ঠ নৌবহরকে জ্বালিয়ে ছারখার করে দিল এবং উপকূলরেখার পঞ্চাশ মাইলের মধ্যে থাকা প্রতিটি পুরুষ, নারী ও শিশুকে পুড়িয়ে মারল! তখন কিন্তু আপনি অন্তত কিছু সংবাদ প্রতিবেদন আশা করতেই পারতেন। কিন্তু তারা কী রিপোর্ট করল? ফ্লোরিডাতে কিসের সামান্য ভূমিক্ষয়! ওহে নারী, তারা তো পুরো সমুদ্রটাই লাভা-প্লাবিত করে ফেলেছিল! ** '''''আর্থার এম. জলি''''', ''আফটার ইটস অল ওভার'' নাটকে, অরিজিনাল ওয়ার্কস প্রেস, (২০০৯)। * বাইরের মানুষ যা বুঝতে পারেন না তা হলোঃ কটি সংবাদপত্র আসলে একটি 'সুফলে'র / '''Soufflé''' মতো, যা দ্রুত খাওয়ার জন্য খুব তড়িঘড়ি করে প্রস্তুত করা হয়। আর ঠিক এই কারণেই যখনই আপনি এমন কোনো ঘটনার সংবাদপত্র প্রতিবেদন পড়েন যা সম্পর্কে আপনার ব্যক্তিগত জ্ঞান রয়েছে, তখনই সেটি আপনার কাছে প্রায় সবসময়ই অপর্যাপ্ত বা ভুল বলে মনে হয়। সাংবাদিকরাও অন্য সবার মতো এই ত্রুটির বিষয়ে সচেতন। কিন্তু বিষয়টি স্রেফ এই যে, যদি তথ্যকে যত বেশি সম্ভব পাঠকের কাছে পৌঁছাতে হয়, তবে নিখুঁত হওয়ার চেয়ে বরং কিছুটা কম গুণমানকেই প্রায়শ মেনে নিতে হয়। ** '''''ডেভিড ই. এইচ. জোন্স''''', '''''নিউ সায়েন্টিস্ট''''', খণ্ড ২৬, (১৯৬৫)। == K == * তারা ছিল পেশাদার ক্ষোভ-বিশারদ যারা কেবল একটি জিনিসই জানত। কীভাবে পরিচয়বাদী রাজনীতি বা আইডেন্টিটি পলিটিক্স দিয়ে গোটা পশ্চিমা বিশ্বকে পিটিয়ে হত্যা করতে হয়। আর এখন, গত কয়েক বছরের মধ্যে দেখা সবচেয়ে উদ্দীপক বিদ্রূপের সাথে আমরা অন্তত নিরাপদে এটা বলতে পারি যে, তাদের সময় ফুরিয়ে এসেছে, "'''#টাইমসআপ'''"। ** '''''রহিম কাসাম''''', "না, আমি সেই সাংবাদিকদের জন্য দুঃখিত নই যারা চাকরি হারিয়েছে — আমি বরং দারুণ রোমাঞ্চিত", '''''ডেইলি কলার''''', (২৮ জানুয়ারি ২০১৯)। * আমার এবং আমাদের সবার সমস্যা হলো যে আমি মনে করি সংবাদ ব্যবসার সাথে জড়িত অধিকাংশ মানুষই আমার এই মতের সাথে একমত হবেন, যে আমরা (এবং এখানে আমি কেবল '[[w:দ্য_টাইমস|দ্য টাইমস]]' এর কথা বলছি না) নাম প্রকাশ না করার আড়ালে অত্যন্ত নীরস উদ্ধৃতি অথবা মাঝে মাঝে অলস পরচর্চা ও কটাক্ষ প্রকাশ করতে বড্ড বেশি উন্মুখ থাকি। আমার কাছে মনে হয়, এটি তথ্যসূত্রের সুরক্ষা বা সোর্স প্রোটেকশনের মূল্যকে সস্তা করে দেয়। ** '''''বিল কেলার''''', '''''[[:w:দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস|দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের]]''''' নির্বাহী সম্পাদক, বেনামী তথ্যসূত্র প্রসঙ্গে (১৩ মে ২০০৫), '''''অন দ্য মিডিয়া'''''তে। == L == * সংবাদপত্র সবসময়ই মানুষের মনে প্রবল কৌতূহল জাগিয়ে তোলে। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো, কেউ কোনোদিন সংবাদপত্র পাঠ শেষ করার পর একরাশ হতাশা বা অতৃপ্তি ছাড়া তা হাত থেকে নামিয়ে রাখতে পারে না। ** '''''চার্লস ল্যাম্ব''''' (১৮৩৩), "অন বুকস অ্যান্ড রিডিং", ''দ্য লাস্ট এসেস অফ এলিয়া''; উদ্ধৃতিটি পুনরুৎপাদন করা হয়েছে: ডেভিড ক্রিস্টাল ও হিলারি ক্রিস্টাল রচিত '''''ওয়ার্ডস অন ওয়ার্ডস: কোটেশনস অ্যাবাউট ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজেস''''' (২০০০), ইউনিভার্সিটি অফ শিকাগো প্রেস, পৃ. ২৭৬, ISBN 0226122018। * চাঞ্চল্যকর বা হলুদ সাংবাদিকতার চিরন্তন সাতটি প্রধান অনুষঙ্গ হলো: লোমহর্ষক অপরাধের বিবরণ, ব্যক্তিগত জীবনের কেলেঙ্কারি, ভিত্তিহীন কাল্পনিক বিজ্ঞান, মানসিক উন্মাদনা, সংখ্যাতত্ত্বের মতো নানাবিধ অন্ধবিশ্বাসের চর্চা, অলৌকিক দানব বা দানবীয় কর্মকাণ্ড এবং প্রভাবশালী ধনকুবেরদের জীবনকথা। ** '''''ফ্রিটজ লেইবার''''', ''এ রাইট অফ স্প্রিং'' (১৯৭৭); টেরি কার সম্পাদিত '''''ইউনিভার্স ৭''''', পৃ. ২৬। * জেনারেল ডগলাস ম্যাকার্থারের প্রসঙ্গে বলতে গেলে, আমি আসলে এমন কোনো ব্যক্তি সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট বা স্পষ্ট কোনো মতামত দেওয়ার মতো অবস্থানে নিজেকে খুঁজে পাই না, যাঁকে আমি কেবল সংবাদপত্রের মাধ্যমেই চিনি। আপনি লক্ষ্য করে দেখবেন, সংবাদমাধ্যমগুলো যখনই এমন কোনো ব্যক্তি বা বিষয় নিয়ে আলোচনা করে যা সম্পর্কে আমার ব্যক্তিগত ধারণা বা জ্ঞান রয়েছে, তখনই আমি দেখি যে তাদের পরিবেশিত তথ্যগুলো সবসময়ই মিথ্যাচার আর ভুল বোঝাবুঝির এক বিশাল স্তূপ ছাড়া আর কিছুই নয়; আর এই অভিজ্ঞতা থেকেই আমি এই সিদ্ধান্তে উপনীত হই যে, যেসব ক্ষেত্র সম্পর্কে আমার বিন্দুমাত্র কোনো জ্ঞান নেই, সেখানেও তারা এর চেয়ে ভালো কিছু হওয়ার সম্ভাবনা রাখে না। ** '''''[[:w:সি. এস. লিউইস|সি. এস. লিউইস]]''''', মিসেস মেরি ভ্যান ডিউসেনকে লেখা চিঠি (৩০ এপ্রিল ১৯৫১), ''সংগৃহীত সি. এস. লিউইস পত্রাবলি, খণ্ড ৩: "নার্নিয়া, কেমব্রিজ, অ্যান্ড জয়", ১৯৫০-১৯৬৩'', পৃ. ১১৪। == M == [[File:Janet Malcolm 3.18.13a (headshot).jpg|thumb|আমাদের বর্তমান সমাজে একজন সাংবাদিককে ঠিক একজন পরোপকারীর সমান্তরালে স্থান দেওয়া হয়, কারণ তাঁর হাতে বিলি করার মতো অত্যন্ত মূল্যবান কিছু একটি থাকে (তাঁর এই বিনিময়ের মুদ্রাটি হলো 'পাবলিসিটি' বা প্রচার নামক এক অদ্ভুত মাদকতাময় বস্তু), এবং ফলস্বরূপ তাঁকে এমন এক ধরনের শ্রদ্ধা ও সম্মান প্রদর্শন করা হয় যা একজন মানুষ হিসেবে তাঁর প্রকৃত যোগ্যতার তুলনায় একেবারেই ভারসাম্যহীন।<br>~'''''জ্যানেট ম্যালকম''''' ]] * বিভিন্ন স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীর ওয়েবসাইটগুলো সাধারণত সাংবাদিকতার ছদ্মবেশে এক ধরনের অপপ্রচার বা 'জার্নালগান্ডা'র [হলুদ সাংবাদিকতা] জয়গান গায়। কারণ সেখানে সবকিছুই পরিবেশন করা হয় সেই নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর নিজস্ব স্বার্থের ফিল্টার বা ছাঁকনির ভেতর দিয়ে। এটি এক অদ্ভুত ও অবাস্তব জগত, তবে এর গুরুত্বও অপরিসীম। কারণ কট্টরপন্থীরা তাদের পূর্বনির্ধারিত চিন্তাধারাকে আরও শক্তিশালী করতে এখানেই ভিড় জমায়। আপনার অবস্থান যা-ই হোক না কেন, নিজেকে চূড়ান্তভাবে সঠিক মনে করার ক্ষেত্রে এই জার্নালগান্ডার চেয়ে কার্যকর আর কিছুই হতে পারে না। প্রকৃত সাংবাদিকতাকে সবসময় চিনে নেওয়া যায় তার কাজের ধরন দেখে। এটি প্রায়শই সাধারণ মানুষকে এই সাংবাদিকতার জগত সম্পর্কে চরম অস্বস্তি ও ভ্রান্ত বিচলিত অবস্থার মধ্যে ফেলে দেয়। ** '''''চার্লস এম. ম্যাডিগান''''' (২৫ অক্টোবর ২০০৫), [http://web.archive.org/web/20130625005510/http://www.chicagotribune.com/news/opinion/chi-0510250027oct25,0,3811209.column?page=2&coll=chi-ed_opinion_columnists-utl "আজকের 'সাংবাদিকতা'র সমস্যা"], '''''[[:w:শিকাগো ট্রিবিউন|শিকাগো ট্রিবিউন]]'''''। * এমন প্রতিটি সাংবাদিক—যিনি পরিস্থিতির গভীরতা বোঝার মতো যথেষ্ট বুদ্ধিমান এবং নিজের অহংবোধে অন্ধ হয়ে যাননি। তিনি খুব ভালো করেই জানেন যে, তিনি যা করছেন তা নৈতিকভাবে সম্পূর্ণ অমার্জনীয়। তিনি মূলত এক প্রকারের প্রতারক বা 'কনফিডেন্স ম্যান', যিনি মানুষের অহংকার, অজ্ঞতা কিংবা একাকীত্বকে পুঁজি করে তাদের ওপর শিকারি পাখির মতো ঝাঁপিয়ে পড়েন। তিনি প্রথমে মানুষের বিশ্বাস অর্জন করেন এবং এরপর বিন্দুমাত্র অনুশোচনা ছাড়াই সেই বিশ্বাসের চরম অমর্যাদা করেন। ঠিক যেমন একজন অতি-বিশ্বাসী বিধবা একদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে আবিষ্কার করেন যে সেই মনোমুগ্ধকর যুবকটি তাঁর সারা জীবনের সমস্ত সঞ্চয় নিয়ে চম্পট দিয়েছে। তেমনি কোনো একটি অ-কাল্পনিক রচনার বিষয়বস্তু হওয়া ব্যক্তিটিও। যখন সেই নিবন্ধ বা বইটি প্রকাশিত হয়, তখনই তাঁর জীবনের সেই রূঢ় ও কঠিন শিক্ষাটি লাভ করেন। সাংবাদিকরা তাঁদের এই বিশ্বাসঘাতকতাকে নিজ নিজ স্বভাব অনুযায়ী বিভিন্নভাবে যুক্তিযুক্ত করার চেষ্টা করেন। তাঁদের মধ্যে যারা অধিকতর আড়ম্বরপূর্ণ, তারা বাকস্বাধীনতা এবং "জনগণের জানার অধিকার" নিয়ে লম্বা চওড়া কথা বলেন। যারা অপেক্ষাকৃত কম মেধাবী হয়, তারা একে এক ধরণের 'শিল্প' বলে আখ্যা দিয়ে থাকেন। আর যারা খুব বিনয়ী হওয়ার ভান করেন, তারা স্রেফ জীবনধারণের তাগিদে এই পেশা বেছে নেওয়ার কথা বলে মৃদু গুঞ্জন তোলে থাকেন। ** '''''[[:w:জ্যানেট ম্যালকম|জ্যানেট ম্যালকম]]''''', '''''[[:w:দ্য জার্নালিস্ট অ্যান্ড দ্য মার্ডারার|দ্য জার্নালিস্ট অ্যান্ড দ্য মার্ডারার]]''''' (১৯৯০), নিউ ইয়র্ক: নফ, পৃ. ৩ (বইটির উদ্বোধনী অনুচ্ছেদ)। * আমাদের বর্তমান সমাজে একজন সাংবাদিককে ঠিক একজন পরোপকারীর সমান্তরালে স্থান দেওয়া হয়, কারণ তাঁর হাতে বিলি করার মতো অত্যন্ত মূল্যবান কিছু একটি থাকে (তাঁর এই বিনিময়ের মুদ্রাটি হলো 'পাবলিসিটি' বা প্রচার নামক এক অদ্ভুত মাদকতাময় বস্তু), এবং ফলস্বরূপ তাঁকে এমন এক ধরনের শ্রদ্ধা ও সম্মান প্রদর্শন করা হয় যা একজন মানুষ হিসেবে তাঁর প্রকৃত যোগ্যতার তুলনায় একেবারেই ভারসাম্যহীন। এই দেশে এমন মানুষের সংখ্যা খুবই নগণ্য যারা নিজেদের সম্পর্কে কোথাও লেখা হচ্ছে কিংবা কোনো রেডিও বা টেলিভিশন প্রোগ্রামে তাঁদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হচ্ছে, এমন সম্ভাবনা দেখে প্রবলভাবে উচ্ছ্বসিত হন না। ** '''''জ্যানেট ম্যালকম''''', '''''দ্য জার্নালিস্ট অ্যান্ড দ্য মার্ডারার''''' (১৯৯০), নিউ ইয়র্ক: নফ, পৃ. ৫৮। * আমি এখন এমনটা ভাবতে শুরু করেছি যে... সাংবাদিকতামূলক রচনায় "আমি" নামক চরিত্রটি সাংবাদিকের সৃষ্ট অন্যান্য সমস্ত চরিত্র থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। কারণ এটি সেই নিয়মের একটি ব্যতিক্রম যেখানে বলা হয় যে কোনো কিছুই আবিষ্কার বা উদ্ভাবন করা যাবে না। সাংবাদিকতার এই "আমি" চরিত্রটি প্রায় পুরোপুরি একটি মনগড়া উদ্ভাবন। আত্মজীবনীতে ব্যবহৃত "আমি" যেখানে লেখকের সরাসরি প্রতিনিধিত্ব করার কথা, সেখানে সাংবাদিকতার এই "আমি" লেখকের সাথে খুব সামান্য বা ক্ষীণভাবেই যুক্ত। ঠিক যেভাবে সুপারম্যানের সাথে ক্লার্ক কেন্টের সংযোগ থাকে। সাংবাদিকতার এই "আমি" হলো এক অতি-নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারী, যার ওপর আখ্যানের গুরুত্বপূর্ণ কাজ, যুক্তি উপস্থাপন এবং সুর নির্ধারণের দায়িত্ব অর্পণ করা হয়। এটি গ্রিক ট্র্যাজেডির কোরাসের মতো একটি বিশেষ প্রয়োজনে সৃষ্ট সৃষ্টি। সে হলো একটি প্রতীকি চরিত্র, যে জীবনের এক নিরাসক্ত ও আবেগহীন পর্যবেক্ষক হিসেবে নিজেকে মূর্ত করে তোলে। তা সত্ত্বেও, পাঠকরা যারা সহজেই এই ধারণাটি মেনে নেন যে ফিকশন বা কল্পকাহিনীর বর্ণনাকারী এবং সেই বইয়ের লেখক এক ব্যক্তি নন, তারাই আবার সাংবাদিকতার এই উদ্ভাবিত "আমিত্বের" ধারণাটিকে জেদের সাথে প্রতিরোধ করেন। এমনকি সাংবাদিকদের মধ্যেও এমন অনেকে আছেন যারা নিজেদের টেক্সটের সেই 'সুপারম্যান' রূপ থেকে নিজেদের বাস্তব সত্ত্বাকে আলাদা করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত হিমশিম খান। ** '''''[[:w:জ্যানেট ম্যালকম|জ্যানেট ম্যালকম]]''''', '''''দ্য জার্নালিস্ট অ্যান্ড দ্য মার্ডারার''''' (১৯৯০), নিউ ইয়র্ক: নফ, পৃ. ১৫৯–১৬০। * সাংবাদিকতার নৈতিক অস্পষ্টতা বা দ্বিধার লিখিত বয়ানের মধ্যে নয়, বরং সেই সম্পর্কের গভীরে নিহিত থাকে যেখান থেকে এই বয়ানগুলো জন্ম নেয়। আর এই সম্পর্কগুলো অনিবার্যভাবেই এবং কোনোভাবেই এড়ানো যায় না এমনভাবে একপেশে বা অসম প্রকৃতির হয়ে থাকে। সাংবাদিকতামূলক রচনার 'ভালো' চরিত্রগুলো ঠিক তেমনিভাবেই অন্য একজন মানুষের ওপর লেখকের সেই অশুভ ও প্রচণ্ড ক্ষমতার ফসল, যেভাবে 'মন্দ' চরিত্রগুলো সৃষ্টি হয়। [...] সাংবাদিকতার বিষয়বস্তু হওয়া ব্যক্তিটি হয়তো সাংবাদিককে নিজের স্বার্থে ব্যবহার বা ম্যানিপুলেট করার চেষ্টা করতে পারেন এবং জাগতিক জ্ঞানসম্পন্ন কোনো ব্যক্তিই কমবেশি এই প্রবণতার ঊর্ধ্বে নন। কিন্তু এই বিষয়টি কোনোভাবেই ব্যক্তিস্বাধীনতার চেতনার বিরুদ্ধে সাংবাদিকের নিজের করা পাপগুলোকে মোচন বা খণ্ডন করতে পারে না। [...] সাংবাদিকরা এই নৈতিক অচলাবস্থার সাথে লড়াই করার জন্য অগণিত বৈচিত্র্যময় পথ অবলম্বন করেন [...]। তাদের মধ্যে যারা সবচেয়ে প্রজ্ঞাবান, তারা ভালো করেই জানেন যে তারা সর্বোচ্চ যা করতে পারেন তা-ও আসলে যথেষ্ট নয়। আর যারা খুব একটা বুদ্ধিমান নন, তারা তাদের চিরচেনা অভ্যাসবশত এটা বিশ্বাস করতেই পছন্দ করেন যে আসলে কোনো সমস্যাই নেই এবং তারা হয়তো এর একটি সমাধানও করে ফেলেছেন। ** '''''জ্যানেট ম্যালকম''''', '''''[[:w:দ্য জার্নালিস্ট অ্যান্ড দ্য মার্ডারার|দ্য জার্নালিস্ট অ্যান্ড দ্য মার্ডারার]]''''' (১৯৯০), নিউ ইয়র্ক: নফ, পৃ. ১৬২-১৬৩। (শেষ বাক্যটি বইটির অন্তিম বাক্য)। * উন্নত ও মানসম্মত সাংবাদিকতার জন্য তথ্যফাঁসকারী বা 'হুইসেলব্লোয়ার'রা অপরিহার্য। তাঁরা সাংবাদিকদের সেই সব গোপনীয়তার দেয়াল ভেদ করতে সাহায্য করেন যা সরকারি কর্মকর্তা এবং জনসংযোগ কর্মকর্তারা অত্যন্ত সযত্নে গড়ে তোলেন। এই হুইসেলব্লোয়াররাই সরকার, কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান, সামরিক বাহিনী এবং গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর ভেতরে লুকিয়ে থাকা নানা অনিয়ম ও অন্যায় কর্মকাণ্ডগুলো সবার সামনে এনে উন্মোচন করে থাকেন। এই সাহসী মানুষদের তাঁদের এই বীরত্বপূর্ণ কাজের জন্য পুরস্কৃত করা উচিত ছিল। কিন্তু তার পরিবর্তে, অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো যে তাঁদের প্রায়ই বিচারিক হয়রানি কিংবা কারাবাসের মুখোমুখি হতে হয়। ** '''''ইউয়েন ম্যাকআসকিল''''', [https://www.democracynow.org/2021/10/25/belmarsh_tribunal "জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জকে মুক্ত করুন: স্নোডেন, ভারুফাকিস, করবিন এবং তারিক আলী প্রত্যর্পণ শুনানির আগে কথা বলছেন"], '''''ডেমোক্রেসি নাও!''''', (২৫ অক্টোবর ২০২১)। * যদি জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জকে অভিযুক্ত করে বিচার করা হয়, তবে '[[w:দ্য_গার্ডিয়ান|দ্য গার্ডিয়ান]]', [[w:দ্য_নিউ_ইয়র্ক_টাইমস|'দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস]]', 'ডার স্পিগেল', 'এল পাইস', 'লা রিপাবলিকা' এবং এই তথ্যগুলো প্রচারের সাথে জড়িত অন্যান্য সমস্ত সংবাদ সংস্থার সম্পাদক ও সাংবাদিকদের বিরুদ্ধেও মামলা করার সমান ও যথেষ্ট যুক্তিযুক্ত কারণ রয়েছে। ** '''''ইউয়েন ম্যাকআসকিল''''', [https://www.democracynow.org/2021/10/25/belmarsh_tribunal "জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জকে মুক্ত করুন: স্নোডেন, ভারুফাকিস, করবিন এবং তারিক আলী প্রত্যর্পণ শুনানির আগে কথা বলছেন"], '''''ডেমোক্রেসি নাও!''''', (২৫ অক্টোবর ২০২১)। * মাইকেল শুডসন তাঁর “ডিসকভারিং দ্য নিউজ” (১৯৭৮) গ্রন্থে যেমনটি উল্লেখ করেছেন—ভালো সাংবাদিকতা মানেই যে তা “বস্তুনিষ্ঠ” (অর্থাৎ দলীয় প্রভাবমুক্ত এবং ব্যক্তিগত মতামতের ঊর্ধ্বে) হতে হবে, এই ধারণাটি মূলত বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে প্রথম আবির্ভূত হয়েছিল। শুডসন মনে করতেন যে, ধ্রুব এবং নির্ভরযোগ্য সত্যের ধারণাটির প্রতি মানুষের ক্রমবর্ধমান সংশয়বাদ থেকেই এই বস্তুনিষ্ঠতার ধারণার জন্ম হয়েছে। তাঁর ভাষায়, বস্তুনিষ্ঠতার এই মানদণ্ডটি “তথ্যের ওপর বিশ্বাসের কোনো চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ ছিল না; বরং এটি ছিল এমন এক জগতের জন্য পরিকল্পিত পদ্ধতির সুদৃঢ় দাবি, যেখানে এমনকি তথ্যকেও আর বিশ্বাস করা যাচ্ছিল না। ... সাংবাদিকরা বস্তুনিষ্ঠতায় বিশ্বাস করতে শুরু করেছিলেন ঠিক ততটুকুই যতটুকু তাঁদের প্রয়োজন ছিল। কারণ তাঁরা চেয়েছিলেন, তাঁদের দরকার ছিল এবং সাধারণ মানবিক আকাঙ্ক্ষা থেকেই তাঁরা তাঁদের নিজেদের গভীর সন্দেহ ও অস্থিরচিত্ততা থেকে মুক্তি পাওয়ার পথ খুঁজছিলেন।” অন্যভাবে বলতে গেলে, বস্তুনিষ্ঠতা বিষয়টি শুরু থেকেই একটি সমস্যাসঙ্কুল ধারণা ছিল... লিপম্যানের যুক্তি ছিল এই যে, সাংবাদিকতা আসলে কোনো সুনির্দিষ্ট পেশা নয়। এই পেশায় যুক্ত হওয়ার জন্য আপনার কোনো লাইসেন্স বা প্রাতিষ্ঠানিক একাডেমিক সনদের প্রয়োজন হয় না। সব ধরণের মানুষই নিজেদের সাংবাদিক বলে দাবি করেন। কিন্তু প্রশ্ন হলো, তাঁরা সবাই কি জনগণকে নির্ভরযোগ্য এবং স্বার্থহীন সংবাদ পণ্য সরবরাহ করতে সক্ষম? ** '''''[[:w:লুই মেনান্দ|লুই মেনান্দ]]''''', [https://www.newyorker.com/magazine/2023/02/06/when-americans-lost-faith-in-the-news “যখন আমেরিকানরা সংবাদমাধ্যমের ওপর আস্থা হারিয়েছিল”], '''''দ্য নিউ ইয়র্কার''''', (৩০ জানুয়ারি ২০২৩)। * ১৯৪৫ থেকে ১৯৭৫ সালের মধ্যবর্তী সময়ে মার্কিন ক্যাবিনেটে মাত্র একজন নারী এবং একজন কৃষ্ণকায় ব্যক্তি ছিলেন। যাঁদের প্রত্যেকেই মাত্র দুই বছর মেয়াদে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। সংবাদমাধ্যমের দিকে তাকালে দেখা যায় যে পরিস্থিতি ছিল আরও ভয়াবহ। নারী ও কৃষ্ণকায় সাংবাদিকদের পরিকল্পিতভাবে মূলধারা থেকে বাদ দেওয়া হতো। নির্দিষ্ট কিছু সংবাদ সম্মেলনে তাঁদের প্রবেশাধিকার ছিল না এবং সম্পাদকরা নারীদের কখনোই সরকারি বিষয়গুলো কভার করার দায়িত্ব দিতেন না। ঘোর বর্ণবাদ এবং লিঙ্গবৈষম্য এত দীর্ঘ সময় ধরে সেখানে টিকে ছিল যে আজ তা প্রায় অবিশ্বাস্য বলে মনে হয়। <br> ওয়াশিংটনের সাংবাদিকদের জন্য প্রধান দুটি সামাজিক সংগঠন ছিল গ্রিডাইরন ক্লাব (১৮৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত) এবং ন্যাশনাল প্রেস ক্লাব (১৯০৮ সালে প্রতিষ্ঠিত)। ১৮৯৬ সালে গ্রিডাইরন ক্লাব সদস্যদের স্ত্রীদের একটি নৈশভোজে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল, কিন্তু নারী ভোটাধিকার আন্দোলনকে উপহাস করে পরিবেশিত একটি নাটক সেখানে মোটেও ভালো সাড়া ফেলেনি; যার ফলে ১৯৭২ সাল পর্যন্ত নারীদের সেখানে আর প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি। বিংশ শতাব্দীর পঞ্চাশের দশক পর্যন্তও গ্রিডাইরন ক্লাবের নৈশভোজগুলোতে বিনোদনের জন্য সদস্যরা মুখে কালো রঙ মেখে 'ব্ল্যাকফেস' সেজে অভিনয় করতেন। ম্যাকগারের বর্ণনা অনুযায়ী, ক্লাবটির সিগনেচার টিউন ছিল “দ্য ওয়াটারমেলন সং”, যা একটি বিশেষ আঞ্চলিক [[w:উপভাষা|উপভাষায়]] গাওয়া হতো। <br> ১৯৫৫ সালের আগে ন্যাশনাল প্রেস ক্লাবে কোনো কৃষ্ণকায় সদস্য ছিলেন না; এবং সেই একই বছরেই প্রথমবারের মতো নারীদের এমন মধ্যাহ্নভোজে উপস্থিত থাকার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল যেখানে কর্মকর্তারা সদস্যদের ব্রিফিং দিতেন। তবে নারীদের বসতে হতো ব্যালকনিতে এবং তাঁদের কোনো প্রশ্ন করার অনুমতি ছিল না। ১৯৭১ সালের আগে ন্যাশনাল প্রেস ক্লাব কোনো নারী সদস্য গ্রহণ করেনি। <br> 'দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট' ১৯৫১ সালে তাদের প্রথম কৃষ্ণকায় সাংবাদিক নিয়োগ দেয়। তাঁর জন্য আলাদা শৌচাগার বরাদ্দ করা হয়েছিল এবং মাত্র দুই বছর পরেই তিনি সেই পত্রিকা ত্যাগ করেন। (ম্যাকগার বলেন যে ওয়াশিংটন পোস্ট ১৯৭২ সালের আগে আর কোনো কৃষ্ণকায় সাংবাদিক নিয়োগ দেয়নি, তবে তথ্যটি ভুল: পত্রিকাটি ১৯৬১ সালে ডরোথি বাটলার গিলিয়াম এবং ১৯৬৮ সালে জ্যাক হোয়াইটকে নিয়োগ দিয়েছিল।) নাগরিক অধিকার আন্দোলনের অনেক গভীর সময় পর্যন্তও নিউ ইয়র্ক টাইমসে কৃষ্ণকায় সাংবাদিকদের সংখ্যা ছিল অতি সামান্য। এই পত্রিকার মতো অন্যান্য সাধারণ-আগ্রহের ম্যাগাজিনগুলোর রেকর্ডও এর চেয়ে ভালো কিছু ছিল না। ** '''''লুই মেনান্দ''''', [https://www.newyorker.com/magazine/2023/02/06/when-americans-lost-faith-in-the-news “যখন আমেরিকানরা সংবাদমাধ্যমের ওপর আস্থা হারিয়েছিল”], '''''দ্য নিউ ইয়র্কার''''', (৩০ জানুয়ারি ২০২৩)। * সংবাদপত্রের শক্তি—তা যতটুকু বা যে পর্যায়েরই হোক না কেন—তা মূলত অনেকটা প্রাতিষ্ঠানিক পণ্ডিত, বৈজ্ঞানিক গবেষক এবং সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের শক্তির মতো। এটি কোনো পেশিবল বা শারীরিক শক্তির ওপর ভিত্তি করে দাঁড়িয়ে নেই; বরং এটি টিকে আছে মানুষের অগাধ বিশ্বাসের ওপর—এই বিশ্বাস যে, এরা হলো এমন একদল মানুষ যারা ভয় কিংবা পক্ষপাতিত্বের ঊর্ধ্বে থেকে কেবল সত্য অন্বেষণের জন্য নিজেদের উৎসর্গ করেছেন। যখনই তাঁরা এই মহান দায়িত্ব পালন থেকে বিচ্যুত হবেন, তখন সমাজ তাঁদের সেই একইভাবে দেখতে শুরু করবে যেভাবে বর্তমানে অন্যদের দেখা হয়—অর্থাৎ এমন একদল লোক যারা কেবল ব্যক্তিগত লাভ বা সামাজিক মর্যাদার লোভে তথ্যকে নিজ স্বার্থে ঘুরিয়ে পরিবেশন করে। ** '''''[[:w:লুই মেনান্দ|লুই মেনান্দ]]''''', [https://www.newyorker.com/magazine/2023/02/06/when-americans-lost-faith-in-the-news “যখন আমেরিকানরা সংবাদমাধ্যমের ওপর আস্থা হারিয়েছিল”], '''''দ্য নিউ ইয়র্কার''''', (৩০ জানুয়ারি ২০২৩)। * যেহেতু আদর্শগত সত্য বলে পৃথিবীতে আসলে কিছুর অস্তিত্ব নেই, তাই স্বাভাবিকভাবেই এটা প্রতীয়মান হয় যে, একজন প্রতিবেদক যখনই নিজেকে [[w:রক্ষণশীলতাবাদ|উদারপন্থী বা রক্ষণশীল]], কিংবা ডেমোক্রেটিক, [[w:সাম্যবাদ|কমিউনিস্ট]] বা রিপাবলিকান প্রতিবেদক হিসেবে উপস্থাপন করেন, তখন তিনি আসলে আর মোটেও কোনো প্রতিবেদক থাকেন না। ** '''''এইচ. এল. মেনকেন''''' (১৯৩৭), উদ্ধৃত হয়েছে: অ্যালেস্টার কুক রচিত '''''মেমোরিস অফ দ্য গ্রেট অ্যান্ড গুড''''' (১৯৯৯), পৃ. ২২৪। * সংবাদপত্রগুলো এখন জেসি-র পিছু নিতে শুরু করেছে। শুরুতে তারা তাকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করেছিল এবং সব ঘটনার দায়ভার অন্য যে কারো বা অন্য কিছুর ওপর চাপিয়ে দিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত, একজন অত্যন্ত রূপসী অথচ দৃশ্যত কোনো যৌনজীবন নেই এমন একজন নারীকে নিয়ে কাজ করা তাদের জন্য বেশ বিব্রতকর হয়ে দাঁড়িয়েছিল। কারণ তাকে কলঙ্কিত করার জন্য আসলে ঠিক কী ধরনের অপবাদ ব্যবহার করা উচিত, তা তারা খুঁজে পাচ্ছিল না। ** '''''নাওমি মিচিসন''''', “মেরি অ্যান্ড জো”; হ্যারি হ্যারিসন সম্পাদিত '''''নোভা ১''''', পৃ. ১৬৩। * সাংবাদিকরা যখন কোনো ভুল করেন, তখন তাঁদের মানহানির মামলার মুখে পড়তে হয়; কিন্তু ঐতিহাসিকরা যখন কোনো ভুল করেন, তখন তাঁরা সেই ভুল শুধরে নিয়ে বইটির একটি পরিমার্জিত সংস্করণ প্রকাশের সুযোগ পান। ** '''''বিল ময়ার্স''''', "দ্য বিগ স্টোরি", টেক্সাস স্টেট হিস্টোরিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনে প্রদত্ত ভাষণ, (৭ মার্চ ১৯৯৭), '''''ময়ার্স অন ডেমোক্রেসি''''' (২০০৮), পৃ. ১৩১। * বাকস্বাধীনতা এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতা, যা প্রথম সংশোধনীর মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ থেকে সুরক্ষিত করা হয়েছে। তা মূলত সেইসব মৌলিক ব্যক্তিগত অধিকার ও স্বাধীনতার অন্তর্ভুক্ত যা চতুর্দশ সংশোধনীর মাধ্যমে যেকোনো অঙ্গরাজ্যের হস্তক্ষেপ থেকে সকল নাগরিকের জন্য সুনিশ্চিত করা হয়েছে। এই অধিকারগুলোকে সুরক্ষিত রাখার মূল উদ্দেশ্য হলো যেন মানুষ তাদের জন্য অত্যাবশ্যকীয় বিষয়গুলো নিয়ে স্বাধীনভাবে চিন্তা ও কথা বলতে পারে এবং শিক্ষা ও আলোচনার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যেন মিথ্যার মুখোশ উন্মোচিত হয়। যা একটি মুক্ত ও স্বাধীন সরকারের জন্য একান্ত অপরিহার্য। যারা আমাদের স্বাধীনতা ছিনিয়ে এনেছিলেন, তাঁদের এই অটল বিশ্বাস ছিল যে, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সত্য আবিষ্কার এবং তা প্রচার করার জন্য স্বাধীন ও নির্ভীক যুক্তিপ্রদান এবং ধারণার আদান-প্রদান এক অজেয় শক্তি হিসেবে কাজ করবে। ** '''''[[:w:ফ্রাঙ্ক মারফি|ফ্রাঙ্ক মারফি]]''''', '''''[[:w:থর্নহিল বনাম আলাবামা মামলা|থর্নহিল বনাম আলাবামা]]''''', মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট, (১৯৪০), ৩১০ ইউ.এস. ৮৮, ৯৫। == O == * সেই স্থূলকায় [[w:রুশ_জাতি|রুশ]] গোয়েন্দাটি একে একে সমস্ত বিদেশী উদ্বাস্তুদের এক কোণায় নিয়ে যাচ্ছিলেন এবং অত্যন্ত বিশ্বাসযোগ্য ভঙ্গিতে ব্যাখ্যা করছিলেন যে, এই পুরো ঘটনাটি আসলে ছিল একটি নৈরাজ্যবাদী চক্রান্ত। আমি বেশ আগ্রহ নিয়ে তাঁকে পর্যবেক্ষণ করছিলাম, কারণ সেটিই ছিল আমার জীবনে প্রথম দেখা এমন কোনো ব্যক্তি যাঁর পেশা হলো অনর্গল মিথ্যা বলা, অবশ্য যদি কেউ এই তালিকায় সাংবাদিকদের গণনা না করেন। ** '''''[[:w:জর্জ অরওয়েল|জর্জ অরওয়েল]]''''', '''''হোমেজ টু ক্যাটালোনিয়া''''' (১৯৩৮)। * জীবনের শুরুর দিকেই আমি লক্ষ্য করেছিলাম যে সংবাদপত্রে কোনো ঘটনাই আসলে সঠিকভাবে উপস্থাপিত হয় না; কিন্তু স্পেনে আমি প্রথমবারের মতো এমন কিছু সংবাদ প্রতিবেদন দেখলাম যার সাথে বাস্তব তথ্যের বিন্দুমাত্র কোনো সম্পর্ক নেই, এমনকি একটি সাধারণ মিথ্যার মধ্যে যেটুকু সত্যের রেশ থাকে সেটুকুও সেখানে অনুপস্থিত ছিল। আমি দেখেছি এমন সব বিশাল যুদ্ধের খবর ছাপা হয়েছে যেখানে আসলে কোনো লড়াই-ই হয়নি, আবার যেখানে শত শত মানুষ প্রাণ হারিয়েছে সেখানে বজায় রাখা হয়েছে কবরের নিস্তব্ধতা। আমি দেখেছি যেসব সৈন্য সাহসিকতার সাথে লড়াই করেছে তাদেরকে উল্টো কাপুরুষ ও বিশ্বাসঘাতক হিসেবে নিন্দা জানানো হচ্ছে, আর যারা কোনোদিন যুদ্ধের ময়দানে একটি গুলিও ছোঁড়েনি তাদের কাল্পনিক বিজয়ের নায়ক হিসেবে জয়ধ্বনি দেওয়া হচ্ছে! শুধু তা-ই নয়, আমি দেখলাম '''[[w:লন্ডন|লন্ডনের]]''' সংবাদপত্রগুলো এই মিথ্যাগুলোই প্রচার করেছিল এবং উৎসাহী বুদ্ধিজীবীরা এমন সব ঘটনার ওপর আবেগপ্রবণ ইমারত গড়ে তুলছেন যা আদতে কখনও ঘটেইনি। আমি আসলে ইতিহাসকে এমনভাবে রচিত হতে দেখলাম যা কী ঘটেছে তার ওপর ভিত্তি করে নয়, বরং বিভিন্ন 'দলীয় আদর্শ' অনুযায়ী কী ঘটা উচিত ছিল, তার ওপর ভিত্তি করে তৈরি। ** '''''[[:w:জর্জ অরওয়েল|জর্জ অরওয়েল]]''''', '''''লুকিং ব্যাক অন দ্য স্প্যানিশ ওয়ার''''' (১৯৪৩)। * অনেক সাংবাদিকই আজকের দ্রুত পরিবর্তনশীল ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে এতটাই আচ্ছন্ন থাকেন যে, তাঁদের মধ্যে ইতিহাসের গভীর উপলব্ধি বা ঐতিহাসিক চেতনার এক ধরনের চরম ঘাটতি লক্ষ্য করা যায়। ** '''''ফিন্টান ও'টুল''''', '''''দি আইরিশ টাইমস''''' (২০২৩)। * অন্ধ স্তুতি বা ফ্যানডম এবং বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা কখনোই একে অপরের পরিপূরক হতে পারে না; বরং এই দুটি বিষয় একত্রে থাকলে তা অত্যন্ত বিপজ্জনক ও অসম এক সহাবস্থানের জন্ম দেয়। ** '''''ফিন্টান ও'টুল''''', '''''দি আইরিশ টাইমস''''' (২০২৩)। == P == * বর্তমানের এই বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে যেখানে প্রতিটি মানুষই একেকজন প্রকাশক হয়ে উঠেছেন, সেখানে আশ্চর্যের বিষয় হলো কেউ আসলে প্রকৃত সম্পাদকের ভূমিকা পালন করছেন না। আর ঠিক এই জায়গাতেই আজকের দিনে আমরা এক ভয়াবহ সংকটের সম্মুখীন হচ্ছি। ** '''''স্কট পেলি''''', কুইনিপিয়াক ইউনিভার্সিটিতে প্রদত্ত ভাষণ (১০ মে ২০১৩)। [http://www.youtube.com/watch?v=1AyCD_lcl1Q ইউটিউব ভিডিও: সিবিএস নিউজ অ্যাঙ্কর স্কট পেলি: 'আমরা বারবার বড় বড় খবরগুলো ভুলভাবে পরিবেশন করছি']। * সাংবাদিকদের জন্য নিজেদের কেবল সাধারণ বার্তাবাহক হিসেবে গণ্য করাই যথেষ্ট নয়। বরং তাঁদের পরিবেশিত বার্তার আড়ালে লুকিয়ে থাকা গোপন উদ্দেশ্য বা 'হিডেন এজেন্ডা' পুরিকল্পনা এবং সেই বার্তাকে ঘিরে থাকা প্রচলিত মিথ বা ভ্রান্ত ধারণাগুলো গভীরভাবে উপলব্ধি করা একান্ত প্রয়োজন। ** '''''[[:w:জন পিলজার|জন পিলজার]]''''', 'হিডেন এজেন্ডাস', ১৯৯৮। * গোপন ক্ষমতা সেই সাংবাদিকদের মনেপ্রাণে ঘৃণা করে যারা নিজেদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করেন। যারা গোপনীয়তার পর্দা সরিয়ে দেন, বাহ্যিক চাকচিক্যের আড়ালে উঁকি দেন এবং অশুভ সত্যের ওপর রাখা পাথর তুলে ধরেন। উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের কাছ থেকে আসা নিন্দা বা তিরস্কারই হলো এই নির্ভীক সাংবাদিকদের জন্য সম্মানের শ্রেষ্ঠ স্মারক। ** '''''[[:w:জন পিলজার|জন পিলজার]]''''', '''''টেল মি নো লাইজ: ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিজম দ্যাট চেঞ্জড দ্য ওয়ার্ল্ড''''', থান্ডার্স মাউথ প্রেস, (২০০৫), পৃ. xv, ISBN 1560257865। * আমরা যারা সাংবাদিক... আমাদের সেইসব ব্যক্তিদের অবজ্ঞা ও প্রতিরোধ করার মতো যথেষ্ট সাহসী হতে হবে, যারা অন্যের দেশে তাদের সাম্প্রতিকতম রক্তক্ষয়ী দুঃসাহসিক অভিযানগুলো বৈধ করার জন্য আমাদের সহযোগিতা কামনা করে। এর অর্থ হলো সরকারি ভাষ্যকে সবসময় চ্যালেঞ্জ করা, সেই ভাষ্যটি আপাতদৃষ্টিতে যতই দেশপ্রেমমূলক মনে হোক না কেন, অথবা সেটি যতই মোহনীয় ও বিভ্রান্তিকর হোক না কেন। কারণ প্রোপাগান্ডা বা অপপ্রচার পুরোপুরি আমাদের গণমাধ্যমের ওপর নির্ভর করে যেন তাদের প্রতারণার লক্ষ্যবস্তু কোনো দূরদেশের মানুষ নয়, বরং আপনার নিজের ঘরের মানুষ হয়। অন্তহীন সাম্রাজ্যবাদী যুদ্ধের এই যুগে অগণিত পুরুষ, নারী ও শিশুর জীবন আজ পরম সত্যের ওপর নির্ভর করছে। যদি সেই সত্য প্রকাশ না পায়, তবে তাদের ঝরানো রক্তের দায়ভার আমাদের ওপরই বর্তাবে। যাদের কাজ হলো ইতিহাসের নথিপত্রকে নির্ভুল রাখা, তাদের উচিত ক্ষমতার কণ্ঠস্বর না হয়ে সাধারণ মানুষের কণ্ঠস্বর হয়ে ওঠা। ** '''''[[:w:জন পিলজার|জন পিলজার]]''''', '''''দ্য ওয়ার ইউ ডোন্ট সি''''', আইটিভি১ (যুক্তরাজ্য), (১৪ ডিসেম্বর ২০১০)। * উইকিলিকস কেন সাংবাদিকতার ইতিহাসে একটি মাইলফলক হিসেবে স্বীকৃত? কারণ এর মাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যগুলো আমাদের কাছে একশ শতাংশ নিখুঁতভাবে এই সত্যটি তুলে ধরেছে যে এই বিশ্বের একটি বড় অংশ আসলে কীভাবে এবং কেন বিভক্ত এবং ঠিক কীভাবে তা পরিচালিত হচ্ছে। ** '''''[[:w:জন পিলজার|জন পিলজার]]''''', [https://frontline.thehindu.com/cover-story/article25661115.ece "নতুন শীতল যুদ্ধ এবং আসন্ন হুমকি"], '''''ফ্রন্টলাইন, ভারত''''', (২১ ডিসেম্বর ২০১৮)। * একজন সাংবাদিক সত্য প্রচারের মাধ্যমে অথবা তিনি যতটুকু সত্যের সন্ধান পান তা প্রকাশের মাধ্যমে মানুষের প্রভূত কল্যাণ সাধন করতে পারেন। তবে শর্ত হলো তাঁকে কোনো সরকার বা কোনো বিশেষ ক্ষমতার প্রতিনিধি হিসেবে নয়, বরং সাধারণ মানুষের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করতে হবে। এটিই হলো প্রকৃত সাংবাদিকতা। এর বাইরে যা কিছু আছে তার সবই আপাতদৃষ্টিতে সত্য মনে হলেও আসলে তা প্রতারণামূলক এবং মিথ্যা। ** '''''[[:w:জন পিলজার|জন পিলজার]]''''', উদ্ধৃত হয়েছে: [https://www.thedailystar.net/opinion/interviews/news/real-journalists-act-agents-people-not-power-1687921 "প্রকৃত সাংবাদিকরা জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেন, ক্ষমতার নয়"], '''''ডেইলি স্টার (বাংলাদেশ)''''', (১৬ জানুয়ারি ২০১৯)। * কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ ছাড়া সরাসরি "পশ্চিমা গোয়েন্দা সংস্থার" দোহাই দিয়ে উদ্ধৃতি প্রদান করা কখনোই সাংবাদিকতা হতে পারে না; এটি প্রায় সবসময়ই একটি সুপরিকল্পিত অপপ্রচার বা প্রোপাগান্ডা। একজন প্রতিবেদক হিসেবে আমি এই শিক্ষাটি লাভ করেছি। বিবিসি এবং অন্যান্য সংবাদমাধ্যমের এই নিরন্তর 'কোল্ড ওয়ার' বা স্নায়ুযুদ্ধের দামামা আমাদের ধীরে ধীরে একটি বিশ্বযুদ্ধের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। ** '''''[[:w:জন পিলজার|জন পিলজার]]''''', [https://twitter.com/johnpilger/status/1285869017412956160 টুইটার], (২২ জুলাই ২০২০)। == R == [[File:Helen Thomas - USNWR.jpg|thumb|আমি আশা করি যে ভবিষ্যতের সাংবাদিকরা এই পেশার প্রকৃত নীতিমালাগুলো কঠোরভাবে মেনে চলবেন এবং এটি উপলব্ধি করবেন যে দেশে ও বিদেশে গণতন্ত্র এবং মুক্ত চিন্তার আদান-প্রদানকে সজীব রাখার ক্ষেত্রে তাঁরা এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও অপরিহার্য ভূমিকা পালন করছেন।<br>~'''''[[:w:হেলেন থমাস|হেলেন থমাস]]''''' ]] * সংবাদ বোধ বা 'নিউজ সেন্স' হলো মূলত কোনটি গুরুত্বপূর্ণ, কোনটি অত্যাবশ্যক এবং কোনটির মাঝে প্রাণ ও রঙের স্পন্দন রয়েছে। অর্থাৎ মানুষ কোন বিষয়ে আগ্রহী, তা বোঝার এক অনন্য ক্ষমতা। এটিই হলো প্রকৃত সাংবাদিকতা। ** '''''বার্টন রাস্কো''''', উদ্ধৃত হয়েছে: ট্রায়ন এডওয়ার্ডস, সি. এন. ক্যাট্রেভাস এবং জনাথন এডওয়ার্ডস সম্পাদিত '''''ইউজফুল কোটেশনস: আ সাইক্লোপিডিয়া অফ কোটেশনস''''' (১৯৩৩)। * বিতর্ক? আপনি যদি এই নামের যোগ্য কোনো প্রতিবেদক হতে চান, তবে আপনি কখনোই বিতর্ককে পুরোপুরি এড়িয়ে চলতে পারবেন না। আপনি একজন দক্ষ প্রতিবেদক হতে পারবেন না যদি না আপনি নিয়মিতভাবে কোনো না কোনো তর্কের সাথে জড়িয়ে পড়েন। আর আমি মনে করি না যে বিতর্ককে বারবার এড়িয়ে চলে আপনি একজন মহান প্রতিবেদক হতে পারবেন। কারণ একজন ভালো সাংবাদিকের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব হলো সহজ সত্যগুলোর পাশাপাশি কঠিন ও রূঢ় সত্যগুলোকেও সাহসের সাথে তুলে ধরা। আর এই কঠিন সত্যগুলোই আপনাকে বিতর্কের দিকে ঠেলে দেবে, এমনকি এই কঠিন সত্যের অনুসন্ধান করতে গিয়ে আপনাকে হয়তো চড়া মূল্যও দিতে হতে পারে। দয়া করে আমার এই কথাগুলোকে কোনো অভিযোগ হিসেবে গ্রহণ করবেন না। আমি কেবল এটিই বোঝাতে চাইছি যে আপনি যদি একজন সৎ ও নিষ্ঠাবান সাংবাদিক হন, তবে এই ঝুঁকিগুলো আপনার কাজেরই অবিচ্ছেদ্য অংশ। আপনি যদি এমনভাবে সাংবাদিকতা শুরু করেন অথবা জীবনের এমন এক পর্যায়ে পৌঁছান যেখানে আপনি নিজেই নিজেকে বলেন, "শুনুন, আমি এমন কোনো কিছু স্পর্শ করব না যা থেকে বিতর্কের সৃষ্টি হতে পারে," তবে আপনার উচিত হবে অনতিবিলম্বে এই পেশা ছেড়ে দেওয়া। ** '''''ড্যান রাদার''''', সাক্ষাৎকার: [http://www.achievement.org/autodoc/page/rat0int-1 "ড্যান রাদার ইন্টারভিউ: ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট, অন দ্য ফ্রন্টলাইনস অফ ব্রেকিং নিউজ"], '''''একাডেমি অফ অ্যাচিভমেন্ট''''', (৫ মে ২০০১)। * উন্নতমানের সাংবাদিকতা সেই হাজারো 'নিষিদ্ধ বিষয়ের' রাজ্যে প্রশ্ন উত্থাপন করে, এমনকি যদি তার ফলাফল অত্যন্ত অদ্ভুত এবং বিচলিত করার মতো হওয়ার ঝুঁকিও থাকে। ... বর্তমান সময়ে সাংবাদিকরা কোনো গোয়েন্দা নন, আবার আধ্যাত্মিক ধর্মপ্রচারকও নন। তাঁরা কেবল তাঁদের অর্পিত দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করলেই তা যথেষ্ট। তবে সাংবাদিকতা পেশার সবসময়ই একটি অনুসন্ধানী দিকের পাশাপাশি একটি নৈতিক দিকও বিদ্যমান থাকে। সাংবাদিকরা গোয়েন্দা নন ঠিকই, কিন্তু তাঁদের কাজের মধ্য দিয়ে তাঁরা অনুসন্ধানের একটি নির্দিষ্ট মানদণ্ড বজায় রাখতে পারেন। তাঁরা গোয়েন্দা বাহিনীর কেউ নন, কিন্তু তাঁরা এমন সব তথ্য সরবরাহ করতে পারেন যা গোয়েন্দারাও কোনো না কোনোভাবে ব্যবহার করতে সক্ষম হন। সাংবাদিকরা আধ্যাত্মিক পথপ্রদর্শকও নন, কিন্তু পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করে তাঁরা এমন কিছু উপলক্ষ এবং সূত্র উপহার দিতে পারেন যা পাঠকদের আত্মিক খোরাক জোগাতেও কিছুটা সাহায্য করে। আসুন আমরা সবাই অত্যন্ত বিজ্ঞতার সাথে উপদেশমূলক সাংবাদিকতা থেকে দূরে থাকি; তবে ভালো সাংবাদিকরা অন্তত নিজের এবং তাঁদের পাঠকদের আত্মাকে বিষাক্ত করা থেকে বিরত থাকতে পারেন। ** '''''মার্কো রেসপিন্তি''''', [https://bitterwinter.org/a-universal-declaration-on-combating-and-preventing-forced-organ-harvesting/ "চীনের মানব ফসল এবং অবৈধ অঙ্গ বাণিজ্য: প্রকাশ করো নতুবা ধ্বংস হও?"], '''''বিটার উইন্টার'''''। * একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে সাংবাদিকতা শেখানো কতটা ভয়ানক ও অদ্ভুত বিষয়! আমি ভেবেছিলাম এটি কেবল অক্সফোর্ডেই করা হয়। নিচ ও নোংরা জনমানুষের প্রতি এই অতি-সম্মান প্রদর্শন আসলে আমাদের সভ্যতাকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। ** '''''[[:w:বার্ট্রান্ড রাসেল|বার্ট্রান্ড রাসেল]]''''', লুসি মার্টিন ডনেলিকে লেখা একটি চিঠিতে (৬ জুলাই ১৯০২)। == S == * তবে আমি এমনভাবে এর প্রতিবেদন পেশ করব—<br>যেখানে সিনেটররা তাঁদের হাসির সাথে চোখের জলের মিশ্রণ ঘটাবেন। ** '''''[[:w:উইলিয়াম শেক্সপিয়র|উইলিয়াম শেক্সপিয়র]]''''', '''''[[:w:কোরিওলেনাস|কোরিওলেনাস]]''''' (আনু. ১৬০৭-০৮), প্রথম অংক, নবম দৃশ্য, লাইন ২। * যারা অতৃপ্ত বা সত্য সম্পর্কে অবগত নয়,<br>তাদের কাছে আমাকে এবং আমার উদ্দেশ্যকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করো। ** '''''[[:w:উইলিয়াম শেক্সপিয়র|উইলিয়াম শেক্সপিয়র]]''''', '''''[[:w:হ্যামলেট|হ্যামলেট]]''''' (১৬০০-০২), পঞ্চম অংক, দ্বিতীয় দৃশ্য, লাইন ৩৫০। * আমার কাছে আর কোনো প্রতিবেদন নিয়ে এসো না। ** '''''[[:w:উইলিয়াম শেক্সপিয়র|উইলিয়াম শেক্সপিয়র]]''''', '''''[[:w:ম্যাকবেথ|ম্যাকবেথ]]''''' (১৬০৫), পঞ্চম অংক, তৃতীয় দৃশ্য, লাইন ১। * আমার মনে হয় না যে পরিস্থিতি এর আগে কখনো বর্তমানের মতো এত বেশি ভয়াবহ ছিল। কারণ এখন দেখে মনে হচ্ছে যে প্রতিটি সাংবাদিকই আসলে কোনো না কোনো হুমকির মুখে রয়েছেন। ** '''''নাজিব শরিফি''''', আফগান সাংবাদিক নিরাপত্তা কমিটির প্রধান, '''''ডিডব্লিউ''''' (DW)-এর সাথে একটি সাক্ষাৎকারে; [https://www.dw.com/en/2020-dozens-of-journalists-killed-in-targeted-attacks/a-56078207 "২০২০: লক্ষ্যবস্তু করে চালানো হামলায় কয়েক ডজন সাংবাদিক নিহত"] শীর্ষক প্রতিবেদনে প্রকাশিত। * আমি আজও বিশ্বাস করি যে, আপনার লক্ষ্য যদি হয় এই পৃথিবীকে বদলে দেওয়া, তবে সাংবাদিকতা হলো তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি তাৎক্ষণিক এবং কার্যকর একটি স্বল্পমেয়াদী অস্ত্র। ** '''''[[:w:টম স্টপার্ড|টম স্টপার্ড]]''''', '''''টম স্টপার্ড ইন কনভারসেশন''''' (১৯৯৪), পল ডেলানি সম্পাদিত, ইউনিভার্সিটি অফ মিশিগান প্রেস, পৃ. ১৯৬। * আমি কোনো সংবাদের বা গল্পের অংশ হয়ে উঠতে চাই না। আমি বরং একজন নামহীন, শান্ত ও নিভৃতচারী দর্শক হয়ে থাকতে চাই। যে আসলে পৃথিবীতে কী ঘটছে তা বোঝার চেষ্টা করে (যা মোটেও সহজ কোনো কাজ নয়) এবং পরবর্তীতে অন্য মানুষের কাছে সেই সত্যটি বর্ণনা করে। ঘটনার কেন্দ্রে কোনো গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র হয়ে থাকাটা আমার একদমই পছন্দ নয়। ** '''''[[:w:জন সিম্পসন|জন সিম্পসন]]''''', সাক্ষাৎকার: '''''বিবিসি নরফোক''''', (১২ অক্টোবর ২০০৭)। [[File:William Thomas Stead.jpg|thumb|সংবাদমাধ্যম একই সাথে জনগণের চোখ, কান এবং জিহ্বা স্বরূপ। এটি যদি গণতন্ত্রের কণ্ঠস্বর নাও হয়, তবুও এটি গণতন্ত্রের এক দৃশ্যমান ভাষা। এটি আসলে পুরো বিশ্বের একটি জীবন্ত শব্দলেখচিত্র বা ফোনোগ্রাফ।<br>~'''''[[:w:উইলিয়াম থমাস স্টিড|উইলিয়াম থমাস স্টিড]]''''' ]] * সংবাদমাধ্যম একই সাথে জনগণের চোখ, কান এবং জিহ্বা স্বরূপ তথা একটি দেহের মতো। এটি যদি গণতন্ত্রের প্রকৃত কণ্ঠস্বর নাও হয়ে থাকে, তবুও এটি গণতন্ত্রের এক অনন্য ও দৃশ্যমান ভাষা। সহজ কথায়, এটি পুরো বিশ্বের একটি জীবন্ত শব্দলেখচিত্র বা ফোনোগ্রাফ। ** '''''উইলিয়াম থমাস স্টিড''''' (মে ১৮৮৬), "গভর্নমেন্ট বাই জার্নালিজম", ''কন্টেম্পোরারি রিভিউ''। * সাংবাদিকতা (একটি সংজ্ঞা দেওয়া যাক): জীবনকে একগুচ্ছ গতানুগতিক ক্লিশে বা ধরাবাঁধা চেনা ছাঁচের ধারাবাহিকতা হিসেবে উপস্থাপন করার একটি শিল্প কিংবা বিজ্ঞান। ** '''''রিচার্ড সামারবেল''''', '''''অ্যাবনরমালি হ্যাপি''''' (১৯৮৫), নিউ স্টার বুকস, পৃ. ৩০, ISBN 091957341X। == T == * সংবাদপত্র পড়ার নেশা থেকে পুরোপুরি মুক্তি পেতে চাইলে, একটি বছর ব্যয় করুন গত সপ্তাহের পুরোনো সংবাদপত্রগুলো পড়ার পেছনে! (যেন সত্য এবং মিথ্যার মাঝে তৌফাতটা ধরতে পারা যায়!) ** '''''নাসিম এন. তালেব''''', '''''দ্য বেড অফ প্রোক্রাস্টাস: ফিলোসফিক্যাল অ্যান্ড প্র্যাকটিক্যাল অ্যাফোরিজমস''''' (২০১০), পৃ. ২১। * আমি সবসময়ই উন্নতমানের ও শৈল্পিক লিখনশৈলীর মানদণ্ড বজায় রাখার চেষ্টা করেছি। এই সাংবাদিকতা পেশার ভেতরেও শিল্প লুকিয়ে আছে। এমনকি এখানে অত্যন্ত মহান শিল্প সৃষ্টি হওয়ার প্রবল সম্ভাবনাও বিদ্যমান। ** '''''[[:w:গে টালিস|গে টালিস]]''''' (১৪ সেপ্টেম্বর ২০০৬); রিপোর্ট করেছেন রেবেকা ক্যাথকার্ট: '''''বুলপেন: এনওয়াইইউ জার্নালিজম''''', নিউ ইয়র্ক ইউনিভার্সিটি। * একজন সংবাদ প্রতিবেদকের প্রকৃত শিল্প চাতুর্য হলো কোনো শিকারকে কীভাবে আশ্বস্ত করে শান্ত করতে হয় তা আয়ত্ত করা। কারণ সমস্ত দক্ষ প্রতিবেদকই আসলে তাঁদের প্রাথমিক সত্তায় একেকজন অত্যন্ত ধুরন্ধর প্রতারক বা 'কনফিডেন্স ট্রিকস্টার'। ** '''''ডেরেক টাঙ্গি''''', ব্রিটিশ লেখক, '''''দ্য ওয়ে টু মাইনাক''''' (১৯৬৮), সপ্তম অধ্যায়। * আমি মোটেও বিশ্বাস করি না যে সাংবাদিকতা একটি মৃতপ্রায় শিল্প। বরং আমি মনে করি, এটি আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় এখন অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ; এবং বিশ্বজুড়ে সাংবাদিকরা আমাদের কর্মপদ্ধতির সাথে নিজেদের মানিয়ে নিচ্ছেন, যার মূল লক্ষ্য হলো সরকারি কর্মকর্তাদের জনগণের কাছে দায়বদ্ধ করা। সাংবাদিকের ভূমিকা অপরিহার্য, এবং সংবাদকর্মীরা মাঝে মাঝে জনরোষের শিকার বা নিন্দিত হলেও, তাঁরা যখন নিষ্ঠার সাথে সত্য অন্বেষণ করেন এবং ইতিবাচক ফলাফল বয়ে আনেন, তখন তাঁরা আজও অত্যন্ত উচ্চ মর্যাদায় ভূষিত হন। আমার প্রত্যাশা এই যে, ভবিষ্যতের সাংবাদিকরা এই পেশার প্রকৃত মূলনীতিগুলো মেনে চলবেন এবং এটি উপলব্ধি করবেন যে, দেশে ও বিদেশে গণতন্ত্রকে সমুন্নত রাখতে এবং মুক্ত চিন্তার আদান-প্রদানকে সচল রাখতে তাঁরা এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও অনবদ্য ভূমিকা পালন করছেন। ** '''''হেলেন থমাস''''', '''''ওয়াচডগস অফ ডেমোক্রেসি?''''' (২০০৬), সাইমন অ্যান্ড শুস্টার, ভূমিকা অংশ, ISBN 0743267818। * বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা নিয়ে এই হলো আমার বক্তব্য। আমার কোনো নামলিপির নিচে বা আমার চেনা অন্য কারোর লেখার মাঝেও এটি খুঁজে পাওয়ার বৃথা চেষ্টা করে লাভ নেই। খেলার স্কোরকার্ড, ঘোড়দৌড়ের ফলাফল কিংবা শেয়ার বাজারের তালিকার মতো গুটিকতক ব্যতিক্রম ছাড়া এই পৃথিবীতে 'বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা' বলে আসলে কিছুর অস্তিত্ব নেই। এই শব্দগুচ্ছটি নিজেই নিজের অর্থের মধ্যে এক উদ্ধত ও হাস্যকর বৈপরীত্য ছাড়া আর কিছুই নয়। ** '''''হান্টার এস. থম্পসন''''', '''''ফিয়ার অ্যান্ড লোদিং: অন দ্য ক্যাম্পেইন ট্রেইল '৭২''''' (২২ এপ্রিল ১৯৮৫), পৃ. ৪৮, ISBN 0446313645। * "সংবাদপত্র যদি কেবল এইটুকুই দেওয়ার ক্ষমতা রাখে, তবে তা নিয়ে মাথা ঘামানোর দরকার কী? অ্যাগনিউ ঠিকই বলেছিলেন। সংবাদমাধ্যম হলো একদল নিষ্ঠুর ও বিকৃত মানুষের আস্তানা। সাংবাদিকতা কোনো পেশা বা সাধারণ ব্যবসা নয়। এটি হলো ব্যর্থ আর অযোগ্যদের ভিড় জমানোর এক সস্তা আশ্রয়স্থল। জীবনের পেছনের দরজার দিকে যাওয়ার জন্য এটি একটি মিথ্যে প্রবেশপথ। এটি বিল্ডিং পুলিশ ইন্সপেক্টর কর্তৃক পরিত্যক্ত এক নোংরা ও দুর্গন্ধযুক্ত গর্ত, যা কেবল কোনো মদ্যপ-ভবঘুরে ব্যক্তির ফুটপাত থেকে গুটিয়ে শুয়ে থাকার জন্য কিংবা চিড়িয়াখানার খাঁচায় বন্দি কোনো শিম্পাঞ্জির মতো কুরুচিপূর্ণ আচরণের উপযুক্ত স্থান হিসেবে যথেষ্ট গভীর।" ** '''''হান্টার এস. থম্পসন''''', '''''ফিয়ার অ্যান্ড লোদিং ইন লাস ভেগাস''''' (১৯৭১), পৃ. ২০০। == U == * প্রত্যেকে ব্যক্তিরই স্বাধীনভাবে নিজস্ব মত পোষণ এবং তা প্রকাশের অধিকার রয়েছে। এই অধিকারের মধ্যে কোনো প্রকার হস্তক্ষেপ ছাড়াই স্বীয় মতামতে অটল থাকা এবং যেকোনো সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে এবং ভৌগোলিক সীমানা নির্বিশেষে তথ্য ও ধারণা অনুসন্ধান করা, গ্রহণ করা এবং তা প্রচার করার স্বাধীনতা অন্তর্ভুক্ত। ** '''''[[:w:জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ|জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ]]''''', '''''মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণা''''', [[w:জাতিসংঘ|জাতিসংঘ]], প্যালে ডি শাইলট, প্যারিস (১০ ডিসেম্বর ১৯৪৮), ধারা ১৯। [http://www.un.org/Overview/rights.html মূল পাঠ্য] == V == [[File:Superman-facebook.svg|thumb|সাংবাদিকতা হলো সেই একমাত্র সত্তা যা আমাদেরকে সুরক্ষা প্রদান করতে পারে। ঐতিহাসিকভাবেই এমন কিছু আপসহীন ও প্রতিবাদী সাংবাদিক ছিলেন যারা পরিণতির পরোয়া না করে সত্যের পথে লড়াই করতেন। কিন্তু সেই ধারা এখন 'অ্যাডভোকেসি জার্নালিস্ট' বা ওকালতি সাংবাদিকতায় রূপ নিয়েছে, যাদের নির্দিষ্ট বামপন্থী কিংবা ডানপন্থী রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্ব রয়েছে। এর কোনো যৌক্তিক ভিত্তি নেই। একজন সাংবাদিকের একমাত্র উপাসনার বিষয় হওয়া উচিত ধ্রুব সত্য।<br>~'''''অ্যান্ড্রু ভাকস''''' ]] * সাংবাদিকতা হলো সেই একমাত্র মাধ্যম যা আমাদের ঢাল হয়ে রক্ষা করে। অতীতে এমন অনেক আপসহীন ও লড়াকু সাংবাদিকের ইতিহাস ছিল যারা পরিণতির পরোয়া না করেই সত্য প্রকাশে অবিচল থাকতেন। কিন্তু সেই জায়গাটি এখন দখল করে নিয়েছে এক ধরনের 'ওকালতি সাংবাদিকতা'! যেখানে সংবাদকর্মীরা বাম কিংবা ডানপন্থী রাজনৈতিক আদর্শের প্রতি পক্ষপাতদুষ্ট। এটি মোটেও যুক্তিযুক্ত নয়। একজন সাংবাদিকের উপাসনার যোগ্য একমাত্র ঈশ্বর হওয়া উচিত পরম সত্য। ** '''''অ্যান্ড্রু ভাকস''''', ডুয়েন সোয়ারসিনস্কির নেওয়া সাক্ষাৎকার, ''ফিলডেলফিয়া সিটি পেপার'', (৭ জুলাই ২০০৫)। == W == [[File:Oscar Wilde by Napoleon Sarony. Three-quarter-length photograph, seated.jpg|thumb|সাধারণ মানুষের মাঝে সবকিছু জানার এক অতৃপ্ত কৌতূহল কাজ করে, কেবল সেই বিষয়গুলো ছাড়া যা আসলে জানার যোগ্য। সাংবাদিকতা এই দুর্বলতা সম্পর্কে অনেক সচেতন এবং ব্যবসায়িক মানসিকতার অধিকারী হওয়ার ফলে তারা ঠিক সেই চাহিদাগুলোই মিটিয়ে থাকে।<br>~'''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''' ]] * আমার একটি লক্ষ্য ছিল 'দ্য ''৬০ মিনিটস''' এর জন্য কাজ করা এবং বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে যাওয়ার সক্ষমতা অর্জন করা, যেকোনো বিষয়ের ওপর প্রতিবেদন তৈরি করা এবং প্রচারের জন্য যথেষ্ট সময় পাওয়া। সহজ কথায়, সাংবাদিকতায় এর সমতুল্য কোনো দ্বিতীয় কাজ আর নেই। শুরুতে এটি ছিল কেবল একটি স্বপ্ন। এখন ৮৪ বছর বয়সে এসেও আমি এমন সব মানুষের সাথে কাজ করছি যারা আমার অর্ধেক বয়সের বা তারও কম। আর এর মূল কারণ হলো সংবাদের প্রতি এক অমোঘ আকর্ষণ। যদি কোথাও কোনো ভালো সংবাদ বা গল্পের সুযোগ থাকে, তবে সেখানে উপস্থিত না হওয়ার কোনো কারণ আমি দেখি না। ** '''''মাইক ওয়ালেস''''', সাক্ষাৎকার: '''''অ্যাকাডেমি অফ অ্যাচিভমেন্ট''''', (৮ জুন ২০০২)। * [[w:সংবাদ|সংবাদ]] হলো এমন কিছু যা সেই ব্যক্তিটি পড়তে চায় যে আসলে কোনো কিছু নিয়েই খুব একটা মাথা ঘামায় না। আর এটি ততক্ষণই সংবাদ হিসেবে টিকে থাকে যতক্ষণ না সে এটি পড়ছে। একবার পড়া হয়ে গেলে এটি স্রেফ একটি মৃত বিষয়ে পরিণত হয়। ** '''''ইভলিন ওয়াহ''''' (১৯৩৮), ''স্কুপ'', প্রথম খণ্ড, ৫ম অধ্যায়; উদ্ধৃতিটি পুনরুৎপাদন করা হয়েছে: ডেভিড ক্রিস্টাল ও হিলারি ক্রিস্টাল রচিত '''''ওয়ার্ডস অন ওয়ার্ডস: কোটেশনস অ্যাবাউট ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজেস''''' (২০০০), ইউনিভার্সিটি অফ শিকাগো প্রেস, পৃ. ২৭৭, ISBN 0226122018। * এটি একটি ধ্রুব সত্য যে, কোনো অভিযোগের বিপরীতে দেওয়া খণ্ডন বা প্রতিবাদ কখনোই মূল অভিযোগের গতির সাথে পাল্লা দিয়ে উঠতে পারে না। যেসব সৎ সাংবাদিক ব্যক্তি হয়তো ভুলবশত কোনো মিথ্যা তথ্য ছাপিয়ে ফেলতে পারেন, তাঁরা খুব ভালো করেই জানেন যে অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে প্রকাশিত কোনো প্রতিবাদলিপি বা সংশোধনীও মূল প্রতিবেদনের মাধ্যমে হওয়া ক্ষতির ক্ষত কখনোই পুরোপুরি মুছে ফেলতে পারে না। ** '''''টম উইকার''''', [http://www.nytimes.com/1989/06/09/opinion/in-the-nation-lesson-of-lattimore.html "ইন দ্য নেশন; লেসন অফ ল্যাটিমোর"], '''''[[:w:দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস|দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস]]''''', (৯ জুন ১৯৮৯)। * সেটি ছিল এক মারাত্মক ও অভিশপ্ত দিন যখন সাধারণ মানুষ প্রথম আবিষ্কার করল যে, কলম আসলে ফুটপাতের ইটের চেয়েও ভয়ংকর রকম্ন শক্তিশালী এবং একে অনায়াসেই ইটের টুকরোর মতো আক্রমণাত্মক করে তোলা সম্ভব! | এই সত্য জানার পরপরই তারা একজন সাংবাদিকের খোঁজ করল, তাকে খুঁজে বের করল, তাকে নিজেদের প্রয়োজনের তাগিদে তথা 'আপনা-সুবিধা' বাস্তবায়নের জন্য গড়ে তুলল এবং শেষ পর্যন্ত তাকে নিজেদের এক পরিশ্রমী ও উচ্চ বেতনের ভৃত্যে পরিণত করল। এটি উভয় পক্ষের জন্যই অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়। যুদ্ধের ব্যারিকেডের পেছনে হয়তো মহত্ত্ব আর বীরত্বের অনেক কিছু থাকতে পারে। কিন্তু সংবাদপত্রের সম্পাদকীয় বা প্রধান নিবন্ধগুলোর পেছনে কুসংস্কার, মূর্খতা, ভণ্ডামি আর নিরর্থক প্রলাপ ছাড়া আর কী-ই বা আছে? আর যখন এই চারটি বিষয় একত্রিত হয়, তখন তারা এক ভয়াবহ শক্তিতে রূপান্তরিত হয় এবং এক নতুন ও একনায়কতান্ত্রিক কর্তৃত্বের সৃষ্টি করে। ** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''[[:w:দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম|দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম]]''''' (১৮৯১); লন্ডন: আর্থার এল. হামফ্রেস (১৯১২ সংস্করণ)। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরি থেকে সংগৃহীত। * প্রাচীনকালে মানুষের ওপর নির্যাতন করার জন্য 'র‍্যাক' (The Rack) নামক যন্ত্র ছিল, আর এখন তাদের হাতে আছে সংবাদমাধ্যম বা প্রেস। এটি নিশ্চিতভাবেই একটি উন্নতি বলা যায়। কিন্তু তা সত্ত্বেও এটি অত্যন্ত মন্দ, ভুল এবং নৈতিকভাবে অবক্ষয় সৃষ্টিকারী। কেউ একজন—তিনি কি বার্ক ছিলেন? সাংবাদিকতাকে 'চতুর্থ স্তম্ভ' বা ফোর্থ এস্টেট বলে অভিহিত করেছিলেন। সেই সময়ে সেটি নিঃসন্দেহে সত্য ছিল। কিন্তু বর্তমান মুহূর্তে এটিই আসলে একমাত্র স্তম্ভে পরিণত হয়েছে। কারণ এটি অন্য বাকি তিনটি স্তম্ভকেই গ্রাস করে ফেলেছে। লর্ডস টেম্পোরাল বা উচ্চকক্ষ এখন নিশ্চুপ, লর্ডস স্পিরিচুয়াল বা ধর্মীয় প্রতিনিধিদের বলার মতো কিছুই নেই এবং হাউজ অফ কমন্স বা নিম্নকক্ষের বলার মতো কিছু না থাকলেও তারা অনবরত কথা বলে যাচ্ছে। আমরা এখন পুরোপুরি সাংবাদিকতার আধিপত্য দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হচ্ছি। ** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''[[:w:দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম|দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম]]''''' (১৮৯১); লন্ডন: আর্থার এল. হামফ্রেস (১৯১২ সংস্করণ)। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরি থেকে সংগৃহীত। * আমেরিকায় প্রেসিডেন্ট মাত্র চার বছরের জন্য রাজত্ব করেন, কিন্তু সাংবাদিকতা সেখানে শাসন চালায় অনন্তকাল ধরে! সৌভাগ্যবশত, ইতোমধ্যে আমেরিকায় 'সাংবাদিকতা' তার ক্ষমতাকে সবচেয়ে জঘন্য এবং পাশবিক চরম সীমায় নিয়ে গেছে। যার স্বাভাবিক পরিণতি হিসেবে এটি মানুষের মাঝে এক বিদ্রোহের চেতনা সৃষ্টি করতে শুরু করেছে! মানুষ এখন তাদের স্বভাব অনুযায়ী এই সাংবাদিকতা দেখে হয় বিনোদিত হয়, না হয় চরম বিরক্ত হয়। কিন্তু এটি আগের মতো আর সেই প্রকৃত প্রভাবশালী শক্তিতে টিকে নেই। মানুষ একে এখন আর খুব একটা গুরুত্ব দেয় না। অন্যদিকে [[w:ইংল্যান্ড|ইংল্যান্ডে]], সুপরিচিত গুটিকতক উদাহরণ ছাড়া সাংবাদিকতাকে যেহেতু এমন পাশবিক চরম সীমায় নিয়ে যাওয়া হয়নি, তাই এটি এখনও একটি বিশাল বড় প্রভাবক এবং এক উল্লেখযোগ্য শক্তি হিসেবে টিকে আছে। মানুষের ব্যক্তিগত জীবনের ওপর এটি যে ধরণের স্বৈরতান্ত্রিক শাসন কায়েম করতে চায়, তা আমার কাছে অত্যন্ত অস্বাভাবিক ও বিস্ময়কর বলে মনে হয়। ** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''[[:w:দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম|দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম]]''''' (১৮৯১); লন্ডন: আর্থার এল. হামফ্রেস (১৯১২ সংস্করণ)। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরি থেকে সংগৃহীত। * আমরা এখানে সাংবাদিককে নিরঙ্কুশ স্বাধীনতা দিয়েছি, অথচ শিল্পীর পথকে করেছি সম্পূর্ণ কণ্টকাকীর্ণ ও সীমাবদ্ধ। ইংরেজ জনমত মূলত সেই মানুষটিকেই বাধাগ্রস্ত করতে, অবদমিত করতে এবং তাঁর যাত্রাপথকে বিকৃত করতে চায়, যিনি প্রকৃতপক্ষে সুন্দর কিছু সৃষ্টি করেন। অন্যদিকে এটিই আবার সাংবাদিককে বাধ্য করে কুৎসিত, জঘন্য কিংবা বাস্তবিকভাবেই চরম ঘৃণ্য বিষয়গুলো পরিবেশন করতে। আর এর ফলস্বরূপ আমরা একই সাথে বিশ্বের সবচেয়ে গম্ভীর সাংবাদিকতা এবং সবচেয়ে কুরুচিপূর্ণ সংবাদপত্রের অধিকারী হয়েছি। ** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''[[:w:দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম|দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম]]''''' (১৮৯১); লন্ডন: আর্থার এল. হামফ্রেস (১৯১২ সংস্করণ)। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরি থেকে সংগৃহীত। * প্রকৃত সত্য এই যে, সাধারণ মানুষের মাঝে সবকিছু জানার এক প্রচণ্ড ও অতৃপ্ত কৌতূহল কাজ করে, কেবল সেই বিষয়গুলো ছাড়া যা আসলে জানার মতো কোনো যোগ্যতাই রাখে না। সাংবাদিকতা মানুষের এই চারিত্রিক দুর্বলতা সম্পর্কে পূর্ণ সচেতন এবং এক ধরণের খাঁটি ব্যবসায়িক মানসিকতার অধিকারী হওয়ার ফলে, তারা নিছক মুনাফার দায়ে মানুষের সেই কুরুচিপূর্ণ চাহিদাগুলোই পূরণ করে থাকে। ** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''[[:w:দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম|দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম]]''''' (১৮৯১); লন্ডন: আর্থার এল. হামফ্রেস (১৯১২ সংস্করণ)। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরি থেকে সংগৃহীত। * আধুনিক সাংবাদিকতার পক্ষে বলার মতো আসলে অনেক কিছু আছে। অল্পশিক্ষিত বা মূর্খদের মতামত আমাদের সামনে উপস্থাপনের মাধ্যমে এটি আমাদের সমাজের সামগ্রিক অজ্ঞতার সাথে নিবিড়ভাবে যুক্ত রাখে। সমসাময়িক জীবনের দৈনন্দিন ঘটনাবলী অত্যন্ত সতর্কতার সাথে ধারাবাহিকভাবে লিপিবদ্ধ করার মাধ্যমে এটি আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয় যে, আদতে এই সব ঘটনার গুরুত্ব কতই না নগণ্য। আর সবসময় অপ্রয়োজনীয় বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে এটি আমাদের বুঝতে সাহায্য করে যে, সংস্কৃতির জন্য ঠিক কোন বিষয়গুলো অপরিহার্য এবং কোনগুলো একেবারেই অকেজো। ** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''দ্য ক্রিটিক অ্যাজ আর্টিস্ট''''' (১৮৯১), দ্বিতীয় খণ্ড। * আর্নেস্ট: কিন্তু সাহিত্য এবং সাংবাদিকতার মধ্যে প্রকৃত পার্থক্যটি ঠিক কোথায়? গিলবার্ট: পার্থক্য শুধু এইটুকু যে সাংবাদিকতা হলো পাঠের অযোগ্য বিষয়, আর সাহিত্য কেউ সচরাচর পাঠ করে না। সাধারণত, এর বাইরে আর কোনো তফাৎ নেই। ** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''[[:w:দ্য ক্রিটিক অ্যাজ আর্টিস্ট|দ্য ক্রিটিক অ্যাজ আর্টিস্ট]]''''' (১৮৯১), প্রথম খণ্ড; নিউ ইয়র্ক: ব্রেটানোস (১৯০৫ সংস্করণ)। লাইব্রেরি অফ কংগ্রেস থেকে সংগৃহীত। * আধুনিক সাংবাদিকতার কথা যদি বলেন, তবে এর স্বপক্ষে সাফাই গাওয়া বা একে রক্ষা করা আমার কাজ নয়। এটি ডারউইনের সেই বিবর্তনবাদ তত্ত্ব তথা 'যোগ্যতমের টিকে থাকার লড়াই'—এর পরিবর্তে 'নিকৃষ্টতমের টিকে থাকা' বা সার্ভাইভাল অফ দ্য ভালগারেস্টের মহান মূলনীতির মাধ্যমেই নিজের অস্তিত্বের যৌক্তিকতা প্রমাণ করে। ** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''[[:w:দ্য ক্রিটিক অ্যাজ আর্টিস্ট|দ্য ক্রিটিক অ্যাজ আর্টিস্ট]]''''' (১৮৯১), প্রথম খণ্ড; নিউ ইয়র্ক: ব্রেটানোস (১৯০৫ সংস্করণ)। লাইব্রেরি অফ কংগ্রেস থেকে সংগৃহীত। * ঘুস দিয়ে যদি সাংবাদিককে বশে আনতে চান, তবে আপনাকে নিন্দাবাদ<br />কিংবা আপন স্বার্থের জন্য যদি বাঁকিয়ে ফেলতেও যান, আপনাকে মুর্দাবাদ,<br />তাই গাহি স্রষ্টার গান!<br>-জনৈক ব্রিটিশ সাংবাদিক<br />তবে, কোনো প্রকার ঘুস ছাড়াই সেই মানুষটি যা যা করতে সক্ষম—<br />তা দেখার পর, তাঁকে ঘুস দেওয়া ছাড়া আর কোন প্রয়োজনটিই অক্ষম! ** '''''হাম্বার্ট উলফ''''', "ওভার দ্য ফায়ার", ''দ্য আনসেলেস্টিয়াল সিটি'' (১৯৩০)-এ, ''রুপান্তরঃ'' '''মাহমুদ''' (২৩ এপ্রিল, ২০২৬)। * যদি [[:w:মঙ্গল গ্রহ|মঙ্গল গ্রহ]] থেকে কেউ আমেরিকায় আসে এবং সেখানে কয়েক মাস বা কয়েক বছর ঘুরে বেড়ানোর পর আপনি তাকে জিজ্ঞাসা করেন যে, সেখানে কাদের কাজ বা পেশা সবচেয়ে চমৎকার; তবে সে নিশ্চিতভাবেই সাংবাদিকদের কথা বলবে। কারণ সাংবাদিকরা মানুষের জীবনের সেই মুহূর্তগুলোতে প্রবেশ করার সুযোগ পান যখন সেই জীবনগুলো অত্যন্ত আকর্ষণীয় ও রোমাঞ্চকর থাকে, আর ঠিক যখনই আকর্ষণ ফুরিয়ে যায়, তখনই তাঁরা সেখান থেকে নির্বিঘ্নে বেরিয়ে আসতে পারেন। ** '''''[[:w:বব উডওয়ার্ড|বব উডওয়ার্ড]]''''', সাক্ষাৎকার: '''''অ্যাকাডেমি অফ অ্যাচিভমেন্ট''''', (১ মে ২০০৩)। == Y == * আমি সাংবাদিকদের মনে প্রাণে খুব-ই ঘৃণা করি! তাদের ভেতরটা বিদ্রূপাত্মক এবং উপহাসপূর্ণ শূন্যতা ছাড়া আর কিছুই নয়, জাস্ট কিছুই নয়!.. এই পৃথিবীর পৃষ্ঠে তারা হলো সবচেয়ে নিচু প্রকৃতির আর অন্তঃসারশূন্য একদল বুনো মানুষ! ** '''''[[:w:ডব্লিউ. বি. ইয়েটস|ডব্লিউ. বি. ইয়েটস]]''''', ক্যাথরিন টাইন্যানকে লেখা চিঠি (৩০ আগস্ট ১৮৮৮)। * একজন রাষ্ট্রনায়ক বেশ সহজ-সরল মানুষ,<br />তিনি স্রেফ মুখস্থ করা বুলি দিয়েই অনর্গল মিথ্যে বলেন;<br />কিন্তু একজন সাংবাদিক তাঁর মিথ্যেগুলো নিজেই উদ্ভাবন করেন,<br />এবং এরপর সেই মিথ্যের জোরে আপনার টুঁটি চেপে ধরেন। ** '''''[[:w:ডব্লিউ. বি. ইয়েটস|ডব্লিউ. বি. ইয়েটস]]''''', ''দ্য ওল্ড স্টোন ক্রস''-এ। * বর্তমান সময়ের সাংবাদিকতা—বড় বড় শহরগুলোর সংবাদপত্রগুলোর মধ্যকার পারস্পরিক সম্পর্কের কথা বিবেচনা করলে—বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বেশ ভদ্রোচিত এবং মার্জিত বলে মনে হয়। কিন্তু সেই দিনগুলোতে নিউ ইয়র্কের দৈনিক পত্রিকাগুলো একে অপরের কর্মকাণ্ড এবং উদ্দেশ্যকে প্রকাশ্যে এমন ঘৃণাভরে আক্রমণ করত, যা সচরাচর পরম সৎ নাগরিকরা ঘোড়া-চোর কিংবা ডাকাতদের প্রতি প্রকাশ করে থাকেন। 'দ্য সান'-এর ডানা এবং 'দ্য ওয়ার্ল্ড'-এর পুলিৎজারের মধ্যকার দীর্ঘস্থায়ী দ্বন্দ্ব সে সময় ব্যাপক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ছিল; এমনকি 'ওয়ার্ল্ড' এবং 'হেরাল্ড' পত্রিকা দুটিও প্রায়ই একে অপরের ওপর নেকড়ের মতো ক্ষিপ্ত হয়ে গর্জন করত। ** '''''আর্ট ইয়ং: হিজ লাইফ অ্যান্ড টাইমস''''' (১৯৩৯)। ===''হয়েটস নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস''=== :<small>'''''[[s:en:Hoyt's New Cyclopedia Of Practical Quotations (1922)|হয়েটস নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস]]''''' (১৯২২), পৃ. ৪০৭-০৮ থেকে প্রতিবেদনকৃত উদ্ধৃতিসমূহ।</small> * আমি তাঁদের মঙ্গলের জন্য অত্যন্ত আন্তরিকভাবে এই পরামর্শ দেব—যেন তাঁরা এই সংবাদপত্রটি নিয়মিত সংগ্রহ করার আদেশ দেন এবং একে তাঁদের প্রতিদিনের বৈকালিক আপ্যায়নের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে গণ্য করেন। ** '''''[[:w:জোসেফ অ্যাডিসন|জোসেফ অ্যাডিসন]]''''', ''স্পেকটেটর'', সংখ্যা ১০। * তারা আমাদের কাগজ তৈরির শিল্পের একটি বিশাল অংশ ভোগ করে, মুদ্রণ কাজে আমাদের কারিগরদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে এবং অগণিত দরিদ্র ও অভাবী মানুষের জন্য জীবিকা নির্বাহের পথ প্রশস্ত করে দেয়। ** '''''[[:w:জোসেফ অ্যাডিসন|জোসেফ অ্যাডিসন]]''''', ''স্পেকটেটর'', সংখ্যা ৩৬৭। * বিজ্ঞাপন সাধারণ বা নিম্নবিত্ত মানুষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী একটি মাধ্যম। প্রথমত, এটি উচ্চাকাঙ্ক্ষা পূরণের হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে। একজন মানুষ যিনি কোনোভাবেই সরকারি গেজেটে স্থান পাওয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ নন, তিনি খুব সহজেই বিজ্ঞাপনের পাতায় নিজেকে ঢুকিয়ে দিতে পারেন; যার ফলে আমরা প্রায়ই দেখি একই সংবাদপত্রে একজন সাধারণ ওষুধ বিক্রেতা বা কবিরাজ একজন পূর্ণক্ষমতাপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূতের পাশে স্থান পেয়েছেন, কিংবা একজন সাধারণ বার্তাবাহক কোনো উচ্চপদস্থ দূতের সাথে একই সারিতে দাঁড়িয়ে আছেন। ** '''''[[:w:জোসেফ অ্যাডিসন|জোসেফ অ্যাডিসন]]''''', ''ট্যাটলার'', সংখ্যা ২২৪। * বিজ্ঞাপন লেখার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় কৌশল বা শিল্প হলো পাঠকের দৃষ্টি আকর্ষণ করার সঠিক পদ্ধতিটি খুঁজে বের করা; কারণ এই কৌশল ছাড়া একটি অত্যন্ত চমৎকার বস্তুও হয়তো অলক্ষিত থেকে যেতে পারে, কিংবা দেউলিয়া হওয়ার সংবাদের ভিড়ে কোথাও হারিয়ে যেতে পারে। ** '''''[[:w:জোসেফ অ্যাডিসন|জোসেফ অ্যাডিসন]]''''', ''ট্যাটলার'', সংখ্যা ২২৪। * জিজ্ঞেস করছেন কীভাবে জীবন ধারণ করবেন? লিখুন, লিখুন, যা খুশি তা-ই লিখুন;<br>এই পৃথিবীটা এক চমৎকার বিশ্বাসপ্রবণ জগত, তাই স্রেফ সংবাদ লিখে যান। ** '''''বিউমন্ট এবং ফ্লেচার''''', ''উইট উইদাউট মানি'', দ্বিতীয় অংক। * [বিরোধী সংবাদমাধ্যম] মূলত এমন সব অসন্তুষ্ট ও ঈর্ষাপরায়ণ ব্যক্তিদের হাতে ন্যস্ত থাকে, যারা নিজেদের কর্মজীবনে শোচনীয়ভাবে ব্যর্থ হয়েছে। ** '''''[[:w:অটো ফন বিসমার্ক|অটো ফন বিসমার্ক]]''''', রুজেনের একটি প্রতিনিধি দলের নিকট রাজার উদ্দেশে (১০ নভেম্বর ১৮৬২)। * শোনো ওহে কেকের দেশ, আর স্কটল্যান্ডের ভাইরা আমার,<br>মেইডেনকার্ক থেকে জনি গ্রোটস—সব প্রান্তের মানুষেরা শোনো;<br>যদি তোমাদের পোশাকে কোনো ছিদ্র বা ব্যক্তিগত কোনো ত্রুটি থাকে,<br>তবে আমি তোমাদের সতর্ক করছি, খুব সাবধানে থেকো:<br>তোমাদের মাঝে এমন এক ছোকরা ঘুরছে যে সবকিছুর নোট নিচ্ছে,<br>এবং বিশ্বাস করো, সে নির্ঘাত তা সংবাদে ছাপিয়ে দেবে। ** '''''[[:w:রবার্ট বার্নস|রবার্ট বার্নস]]''''', ''অন ক্যাপটেন গ্রোস'স পেরেগ্রিনেশনস থ্রু স্কটল্যান্ড''। * সম্পাদক তাঁর নির্জন কক্ষে বসে আছেন, চিন্তার ভাঁজে কপাল তাঁর কুঁচকানো,<br>মন তাঁর নিমগ্ন ব্যবসার অতল তলে, আর পা জোড়া তোলা চেয়ারের হাতলে,<br>এক হাতের কনুই তাঁর চেয়ারে ঠেকানো, ডান হাতের তালুটা মাথায়,<br>ধুলোমাখা জরাজীর্ণ টেবিলে তাঁর নজর, যেখানে ছড়িয়ে আছে নথিপত্রের পাহাড়। ** '''''উইল কার্লটন''''', ''ফার্ম ব্যালাডস'', ''দ্য এডিটর'স গেস্টস''। * এডমন্ড বার্ক বলেছিলেন যে পার্লামেন্টে তিনটি স্তম্ভ বা এস্টেট রয়েছে; কিন্তু ওই দূরে প্রতিবেদকদের গ্যালারিতে এমন এক 'চতুর্থ স্তম্ভ' উপবিষ্ট আছে যা অন্য সবার চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ** '''''[[:w:টমাস কার্লাইল|টমাস কার্লাইল]]''''', '''''হিরোস অ্যান্ড হিরো-ওয়ারশিপ''''', বক্তৃতা ৫। বার্ককে এই শব্দটি উদ্ভাবনের কৃতিত্ব দেওয়া হলেও তাঁর প্রকাশিত কোনো রচনায় এর উল্লেখ পাওয়া যায় না। 'রাজ্যের তিনটি স্তম্ভ' হলো ধর্মীয় প্রতিনিধি (Lords Spiritual), উচ্চকক্ষ (Lords Temporal) এবং নিম্নকক্ষ (Commons)। ডেভিড লিন্ডসে ১৫৩৫ সালে তাঁর 'অ্যান প্লেজেন্ট স্যাটায়ার অফ দ্য থ্রি এস্টেটস'-এ এর বর্ণনা দিয়েছেন। রাবেলে তাঁর 'পান্তাগ্রুয়েল'-এ (৪-৪৮) একজন সন্ন্যাসী, একজন বাজপাখি শিকারি, একজন আইনজীবী এবং একজন কৃষককে দ্বীপের 'চারটি স্তম্ভ' (Les quatre estatz de l'isle) হিসেবে বর্ণনা করেছেন। * একটি পার্লামেন্ট বা সংসদ—যা কি না সাংবাদিকদের মাধ্যমে বানকম্বের জনগণের কাছে এবং সেই দুই কোটি সত্তর লক্ষ মানুষের কাছে কথা বলে, যাঁদের অধিকাংশকেই নির্বোধ হিসেবে গণ্য করা যায়। ** '''''[[:w:টমাস কার্লাইল|টমাস কার্লাইল]]''''', '''''লেটার ডে প্যামফ্লেটস''''', সংখ্যা ৬: পার্লামেন্ট। * প্রথমে আপনার প্রয়োজনীয় তথ্যগুলো সঠিকভাবে সংগ্রহ করুন, আর তারপর আপনি নিজের ইচ্ছেমতো সেগুলোকে যত খুশি বিকৃত করতে পারেন। ** '''''[[:w:মার্ক টোয়েন|মার্ক টোয়েন]]''''', কিপলিংয়ের সাথে সাক্ষাৎকার; '''''ইন ফ্রম সি টু সি''''', পত্র ৩৭। * স্রেফ একটি সংবাদপত্র! যা দ্রুত পড়া হয় এবং দ্রুতই হারিয়ে যায়,<br>কে আর হিসাব রাখে সেই অমূল্য রত্নভাণ্ডারের, যা এটি বহন করে নিয়ে যায়?<br>ছিন্নভিন্ন হয়ে পায়ের তলায় পিষ্ট হওয়া সেই উজ্জ্বল নক্ষত্রের মতো মেধার মূল্যই বা ক’জন দেয়? ** '''''মেরি ক্লেমার''''', ''দ্য জার্নালিস্ট'', স্তবক ৯। * নিজের প্রজন্মের সেবা করাই তোমার নিয়তি—<br>জলের ওপর যেমন নাম লিখলে তা মুছে যায়, ঠিক তেমনি তোমার নামও দ্রুতই মিলিয়ে যাবে;<br>কিন্তু যে ব্যক্তি মানবতাকে ভালোবাসেন, তিনি আদিতে ও অন্তে এমন এক মহান কর্ম সম্পাদন করেন যা খ্যাতির গণ্ডির চেয়েও অনেক বড়। ** '''''মেরি ক্লেমার''''', ''দ্য জার্নালিস্ট'', অন্তিম স্তবক। * আমার মনে হয় কোথাও বলা হয়েছে যে—'দ্য টাইমস'-এর একটি মাত্র সংখ্যায় থুসিডাইডিসের সমগ্র ঐতিহাসিক রচনার চেয়েও অনেক বেশি দরকারী ও কার্যকর তথ্য নিহিত থাকে। ** '''''রিচার্ড কবডেন''''', ম্যানচেস্টার অ্যাথেনিয়ামে প্রদত্ত ভাষণ (২৭ ডিসেম্বর ১৮৫০)। দেখুন: দ্য টাইমস, ৩০ ডিসেম্বর ১৮৩০, পৃ. ৭; মর্লির 'লাইফ অফ কবডেন'-এ উদ্ধৃত, ২য় খণ্ড, পৃ. ৪২৯। * যদি মৈত্রীর চেতনা সর্বত্র জয়ী হতো, তবে এই সংবাদমাধ্যম বা প্রেস নিশ্চিতভাবেই<br>সততা, সত্য এবং ভালোবাসার এক মহান বাহন হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করত। ** '''''[[:w:উইলিয়াম কাউপার|উইলিয়াম কাউপার]]''''', ''চ্যারিটি'', লাইন ৬২৪। * কীভাবে আমি তোমার প্রশংসা করব, বা তোমার পরাক্রমকে সম্বোধন করব,<br>হে সংবাদমাধ্যম—তুমিই তো আমাদের এই পৌত্তলিক আরাধনার ঈশ্বর।<br>*    *    *    *    *<br>স্বর্গের সেই নিষিদ্ধ জ্ঞানবৃক্ষের মতোই,<br>ভালো এবং মন্দের যাবতীয় জ্ঞান তো তোমার মাধ্যমেই আমাদের কাছে আসে। ** '''''[[:w:উইলিয়াম কাউপার|উইলিয়াম কাউপার]]''''', ''প্রোগ্রেস অফ এরর'', লাইন ৪৫২। * তিনি আসছেন, এক কোলাহলপূর্ণ বিশ্বের বার্তাবাহক হিসেবে—<br>কর্দমাক্ত বুট, কোমরবন্ধনীতে বাঁধা পোশাক আর জমে থাকা তুষারশুভ্র চুলের অবয়ব নিয়ে;<br>সারা বিশ্বের তাবৎ সংবাদ এক বিশাল বোঝা হয়ে তাঁর পিঠে দুলছে। ** '''''[[:w:উইলিয়াম কাউপার|উইলিয়াম কাউপার]]''''', ''দ্য টাস্ক'' (১৭৮৫), চতুর্থ খণ্ড, লাইন ৫। * যখনই কোনো মূল্যবান তথ্যের সন্ধান পাবেন, তখনই তা টুকে রাখুন। ** '''''[[:w:চার্লস ডিকেন্স|চার্লস ডিকেন্স]]''''', ''ডম্বি অ্যান্ড সান'', ১৫তম অধ্যায়। * বিবিধ বিষয়ের লেখকরাই প্রতিটি জাতির কাছে সবচেয়ে জনপ্রিয় লেখক হিসেবে সমাদৃত হন; কারণ তাঁরাই মূলত শিক্ষিত এবং অশিক্ষিত সমাজের মধ্যে যোগাযোগের একটি সেতুবন্ধন তৈরি করেন, যেন জনমানুষের এই দুটি বিশাল বিভাগের মাঝখানে তাঁরা এক শৈল্পিক সেতু নির্মাণ করে দেন। ** '''''আইজ্যাক ডি'ইজরায়েলি''''', ''লিটারারি ক্যারেক্টার অফ মেন অফ জিনিয়াস'', বিবিধ লেখক বিভাগ। * আমাদের রাজনৈতিক লেখকদের কেউই... রাজা, লর্ডস এবং কমন্স—এই তিনটি স্তম্ভ বা এস্টেটের বাইরে অন্য কিছুর দিকে নজর দেন না... তাঁরা অত্যন্ত সুকৌশলে সেই বিশাল ও প্রভাবশালী অংশটিকে এড়িয়ে যান যারা এই সমাজের প্রকৃত 'চতুর্থ স্তম্ভ' গঠন করে... আর সেই শক্তিটি হলো 'জনসাধারণ' বা গণমানুষের ভিড়। ** '''''[[:w:হেনরি ফিল্ডিং|হেনরি ফিল্ডিং]]''''', ''কোভেন্ট গার্ডেন জার্নাল'' (১৩ জুন ১৭৫২)। * যদি কেলেঙ্কারির অভাবের কারণে সৃষ্ট মানসিক অবসাদ<br>আমাদের প্রিয় নারীদের ব্যথিত করে—তবে তাঁদের সংবাদপত্র পড়তে দিন। ** '''''ডেভিড গ্যারিক''''', শেরিডানের 'স্কুল ফর স্ক্যান্ডাল' এর প্রস্তাবনা। * সংবাদপত্রের স্বাধীনতা হলো একজন ইংরেজ নাগরিকের সমস্ত দেওয়ানি, রাজনৈতিক এবং ধর্মীয় অধিকারের এক অপরাজেয় সুরক্ষাকবচ বা প্যালাডিয়াম। ** '''''[[:w:জুনিয়াস (লেখক)|জুনিয়াস]]''''', ''ডেডিকেশন টু লেটারস''। * একজন সংবাদ লেখকের সর্বোচ্চ দৌড় হলো রাজনীতির ওপর কিছু অন্তঃসারশূন্য যুক্তি প্রদান করা এবং সরকারি ব্যবস্থাপনার ওপর ভিত্তিহীন ও বৃথা অনুমান করা। ** '''''[[:w:জঁ দ্য লা ব্রুয়েয়ার|জঁ দ্য লা ব্রুয়েয়ার]]''''', ''দ্য ক্যারেক্টারস অর ম্যানার্স অফ দ্য প্রেজেন্ট এজ'' (১৬৮৮), প্রথম অধ্যায়। * একজন সংবাদ লেখক রাতের বেলা অত্যন্ত প্রশান্তির সাথে এমন একটি সংবাদের ওপর ভরসা করে ঘুমোতে যান যা ভোরের আলো ফোটার আগেই পচে নষ্ট হয়ে যায়; এবং ঘুম থেকে ওঠার সাথে সাথেই তিনি তা আবর্জনার মতো ছুঁড়ে ফেলে দিতে বাধ্য হন। ** '''''[[:w:জঁ দ্য লা ব্রুয়েয়ার|জঁ দ্য লা ব্রুয়েয়ার]]''''', ''দ্য ক্যারেক্টারস অর ম্যানার্স অফ দ্য প্রেজেন্ট এজ'' (১৬৮৮), প্রথম অধ্যায়। * প্রতিটি সংবাদপত্রের সম্পাদক শয়তানের কাছে তাঁর আনুগত্যের খাজনা দিতে বাধ্য। ** '''''[[:w:জঁ দ্য লা ফোঁতেন|জঁ দ্য লা ফোঁতেন]]''''', ''লেত্রে আ সিমোঁ দ্য ত্রোয়া'' (১৬৮৬)। * সংবাদপত্র সবসময়ই কৌতূহল জাগিয়ে তোলে। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো, একরাশ চরম হতাশার অনুভূতি ছাড়া কেউই সংবাদপত্র পাঠ শেষ করে তা সরিয়ে রাখতে পারেন না। ** '''''[[:w:চার্লস ল্যাম্ব|চার্লস ল্যাম্ব]]''''', ''এসেস অফ এলিয়া'': 'ডিট্যাচড থটস অন বুকস অ্যান্ড রিডিং'। * দেখুন, এই বিশাল বিস্তৃত পৃথিবীটা প্রতি সপ্তাহে একটি বাদামী কাগজের মোড়কে বন্দি হয়ে আমার কাছে পাঠানো হয়। ** '''''[[:w:জেমস রাসেল লোয়েল|জেমস রাসেল লোয়েল]]''''', ''বিগলো পেপারস'', প্রথম সিরিজ, সংখ্যা ৬। * আমি এক লক্ষ বেয়োনেটের চেয়ে তিনটি সংবাদপত্রকে অনেক বেশি ভয় পাই। ** '''''[[:w:নেপোলিয়ন বোনাপার্ট|প্রথম নেপোলিয়ন]]'''''। * ওয়াশিংটনের হোয়াইট হাউসের তুলনায় নিউ ইয়র্কের এই সস্তা এক-পেনির সংবাদপত্রগুলোই এদেশ শাসনে অনেক বেশি কার্যকর ভূমিকা পালন করে। ** '''''[[:w:ওয়েন্ডেল ফিলিপস|ওয়েন্ডেল ফিলিপস]]'''''। * আমরা মূলত একদল মানুষ এবং প্রভাতী সংবাদপত্র দ্বারা চালিত একটি সরকারের শাসনাধীনে বসবাস করছি। ** '''''[[:w:ওয়েন্ডেল ফিলিপস|ওয়েন্ডেল ফিলিপস]]'''''। * সংবাদমাধ্যম হলো বাতাসের মতো অবারিত; এক সনদপ্রাপ্ত স্বেচ্ছাচারী শক্তি। ** '''''[[:w:উইলিয়াম পিট|উইলিয়াম পিট]]''''', লর্ড গ্রেনভিলকে উদ্দেশ্য করে (প্রায় ১৭৫৭ সালে)। * একদল অভিজাত ও সচ্ছল মানুষের ভিড়, যারা অত্যন্ত অনায়াসে এবং সাবলীলভাবে লিখতে পারতেন। ** '''''[[:w:অ্যালক্সান্ডার পোপ|অ্যালক্সান্ডার পোপ]]''''', ''এপিসেলস অফ হোরেস'', দ্বিতীয় খণ্ড, প্রথম পত্র, লাইন ১০৮। * বিষয়টি যেহেতু লিখিত আকারে আছে, সেহেতু এটি ধ্রুব সত্য। ** '''''[[:w:ফ্রঁসোয়া রাবলে|ফ্রঁসোয়া রাবলে]]''''', ''পান্তাগ্রুয়েল''। * এটা কি কোনোভাবে মেনে নেওয়া সম্ভব যে কোনো শিক্ষিত ব্যক্তি এক-পেনির এই সস্তা কাগজগুলো থেকে জানার মতো প্রয়োজনীয় কিছু শিখতে পারেন? হয়তো বলা হতে পারে যে মানুষ এর মাধ্যমে পার্লামেন্টে কী বলা হচ্ছে তা জানতে পারে। কিন্তু ভালো করে ভেবে দেখুন তো, সেটি কি তাঁদের প্রকৃত শিক্ষা বা জ্ঞানার্জনে বিন্দুমাত্র কোনো অবদান রাখবে? ** '''''[[:w:রবার্ট গাসকোয়েন-সেসিল, সলসবরির তৃতীয় মার্কুইস|লর্ড সলসবরি]]''''' (রবার্ট সেসিল), ভাষণ: হাউজ অফ কমন্স, ১৮৬১; 'কাগজ শুল্ক বিলোপ' সংক্রান্ত বিতর্কে। * সংবাদপত্র! মশাই, ওগুলো হলো চরম পাপিষ্ঠ, লাগামহীন, জঘন্য এবং নারকীয় বস্তুর সমষ্টি—যদিও আমি ওগুলো কখনোই পড়ি না—না—আমি নিয়ম করে ফেলেছি যে আমি কখনোই কোনো সংবাদপত্রের দিকে চোখ তুলে তাকাব না। ** '''''[[:w:রিচার্ড ব্রিনসলে শেরিডান|রিচার্ড ব্রিনসলে শেরিডান]]''''', ''দ্য ক্রিটিক'', প্রথম অংক, প্রথম দৃশ্য। * ব্যবসায়ী ততক্ষণ পর্যন্ত তাঁর কর্মচঞ্চল দিনটি শুরু হয়েছে বলে গণ্য করেন না,<br>যতক্ষণ না তাঁর তীক্ষ্ণ দৃষ্টি সংবাদপত্রের পাতার ওপর দিয়ে একবার বুলিয়ে নিচ্ছেন;<br>তরুণী কন্যাটি তাঁর হাতের সেলাইয়ের কাজ দূরে সরিয়ে রাখেন,<br>এবং সহপাঠিনীর বিয়ের খবর পড়ে দীর্ঘশ্বাস ছাড়েন;<br>অন্যদিকে গম্ভীর মা তাঁর চশমাটি চোখে এঁটে নেন,<br>এবং কোনো পুরোনো বন্ধুর চলে যাওয়ার খবর পড়ে এক ফোঁটা অশ্রু বিসর্জন দেন।<br>এমনকি ধর্মপ্রচারকও তাঁর রবিবারের ধর্মীয় আলোচনার খসড়াটি সরিয়ে রাখেন—<br>শহরের কোন নতুন উন্মাদনা চারপাশ মাতিয়ে রাখছে তা জানার কৌতূহলে;<br>সে খবর আনন্দময় হোক বা বিষাদময়, জীবনের তুচ্ছতম কিংবা মহত্তম বিষয়—<br>মোরগের লড়াইয়ের ফলাফল থেকে শুরু করে রাজায় রাজায় যুদ্ধের পরিণতি। ** '''''স্প্রাগ''''', ''কিউরিওসিটি''। * এই সংবাদমাধ্যমই জনমানুষের অধিকার অক্ষুণ্ণ রাখবে,<br>প্রতিপত্তির কাছে নতি স্বীকার না করে এবং লাভের মোহে কলুষিত না হয়ে;<br>এখানেই দেশপ্রেমিক সত্য তাঁর মহিমান্বিত আদর্শগুলো তুলে ধরবে,<br>যা ধর্ম, স্বাধীনতা এবং আইনের রক্ষাকবচ হিসেবে থাকবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ** '''''[[:w:জোসেফ স্টোরি|জোসেফ স্টোরি]]''''', ''সালেম রেজিস্টার''-এর মূলমন্ত্র (১৮০২ সালে গৃহীত)। উইলিয়াম ডব্লিউ স্টোরি রচিত ''লাইফ অফ জোসেফ স্টোরি'', প্রথম খণ্ড, ৬ষ্ঠ অধ্যায়ে বর্ণিত। * সম্পাদকের চেয়ারের কুশনে লুকিয়ে থাকা এক তীক্ষ্ণ কণ্টক। ** '''''[[:w:উইলিয়াম মেকপিস থ্যাকারায়|উইলিয়াম মেকপিস থ্যাকারায়]]''''', ''রাউন্ডঅবাউট পেপারস'': 'দ্য থর্ন ইন দ্য কুশন'। == আরোপিত বা অ্যাট্রিবিউটেড == * গণমাধ্যম নির্ভুলতা সংক্রান্ত নোলের নীতি: সংবাদপত্রে আপনি যা কিছু পড়েন তার প্রতিটি অক্ষরই ধ্রুব সত্য—কেবল সেই বিরল সংবাদটি ছাড়া যে বিষয়টি সম্পর্কে আপনার ব্যক্তিগতভাবে প্রত্যক্ষ জ্ঞান রয়েছে। ** '''''আরউইন নোল''''', সম্পাদক, ''দ্য প্রোগ্রেসিভ''। * আমেরিকায় প্রেসিডেন্ট মাত্র চার বছরের জন্য শাসন করেন, কিন্তু সাংবাদিকতা সেখানে রাজত্ব চালায় চিরকাল। ** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]'''''; লোইস আগস্ট জেনিস রচিত ''ভয়েজ টু ইনসাইট'' (২০০৩), পৃ. ৭০-এ উদ্ধৃত। * যখন একটি কুকুর কোনো মানুষকে কামড়ায়, সেটি কোনো সংবাদ নয়; কারণ এমন ঘটনা অহরহ ঘটে থাকে। কিন্তু যদি কোনো মানুষ একটি কুকুরকে কামড়ে দেয়, তবে সেটিই হলো প্রকৃত সংবাদ। ** '''''জন বি. বোগার্ট''''', 'নিউ ইয়র্ক সান'-এর সম্পাদক; ''বার্টলেট'স ফ্যামিলিয়ার কোটেশনস''-এ আরোপিত (১৬তম সংস্করণ, ১৯৯২), পৃ. ৫৫৪। আরও দেখুন: [[:w:ম্যান বাইটস ডগ|ম্যান বাইটস ডগ]]। * ঔপন্যাসিকদের বড় বড় 'মহৎ আইডিয়া' বা তাত্ত্বিক চিন্তাভাবনা নিয়ে আমি খুব একটা মাথা ঘামাই না। উপন্যাস নিশ্চিতভাবেই চমৎকার বিষয়, তবে পড়ার ক্ষেত্রে আমি সংবাদপত্রকেই বেশি প্রাধান্য দিই। ** '''''উইল কাপি''''', স্ট্যানলি জে. কুনিটজ এবং হাওয়ার্ড হ্যাব্রাফট সম্পাদিত ''টোয়েন্টিয়েথ সেঞ্চুরি অথরস'' (১৯৪২), নিউ ইয়র্ক: এইচ. ডব্লিউ. উইলসন কোম্পানি, পৃ. ৩৪২। * সাংবাদিকতা হলো ইতিহাসের প্রথম খসড়া। :* মূলত ভিন্ন একটি রূপে প্রথম প্রকাশিত হয়—“সংবাদ/সংবাদমাধ্যম হলো ইতিহাসের প্রথম অমসৃণ খসড়া”। এই আধুনিক রূপটি অন্তত ১৯৪০-এর দশক থেকে প্রচলিত এবং সম্ভবত ''ওয়াশিংটন পোস্ট''-এর সম্পাদকীয় লেখক '''''অ্যালান বার্থ''''' এটিকে জনপ্রিয় করেছিলেন। সেই সময়কার ''পোস্ট''-এর সম্পাদকীয় পাতায় এই ভাবনার প্রতিফলন একাধিকবার দেখা যায়, যার মধ্যে বার্থের প্রথম উদ্ধৃতিটি ১৯৪৩ সালের: :: সংবাদ হলো ইতিহাসের প্রথম অমসৃণ খসড়া মাত্র। ::* '''''অ্যালান বার্থ''''', হ্যারল্ড এল. ইক্সেস রচিত ''দ্য অটোবায়োগ্রাফি অফ আ কারমাজিয়ন''-এর পর্যালোচনা, ''নিউ রিপাবলিক'' (১৯৪৩), ভলিউম ১০৮, পৃ. ৬৭৭-এ সংগৃহীত। :* ''পোস্ট''-এ এর পরবর্তী ব্যবহারগুলো হলো: :: সংবাদপত্র হলো আসলে ইতিহাসের প্রথম খসড়া, অথবা অন্তত তারা তেমন হওয়ার ভান করে। ::* নামবিহীন "সম্পাদকের টীকা", ''দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট'' (১৬ অক্টোবর ১৯৪৪)। :* বিংশ শতাব্দীর প্রথম দশকেও একই ধরনের ভাবধারা পরিলক্ষিত হয়, যার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে: [http://www.barrypopik.com/index.php/new_york_city/entry/first_draft_of_history_journalism/ “ইতিহাসের প্রথম খাসড়া” (সাংবাদিকতা)], ২৩ নভেম্বর ২০০৯, ব্যারি পপিক। :: এটি অত্যন্ত সম্ভবপর যে, ৪১৩ অব্দ পর্যন্ত 'ইতিহাসের একটি প্রাথমিক ও অমসৃণ খসড়া' হয়তো ৪০৫ অব্দের আগেই থুসিডাইডিস কর্তৃক রূপরেখা আকারে প্রস্তুত করা হয়েছিল। ::* (এখানে “সংবাদ” শব্দটি বাদ দেওয়া হয়েছে এবং একটি নির্দিষ্ট পাঠ্যকে নির্দেশ করা হয়েছে) ১৯০২, '''''রিচার্ড ক্ল্যাভারহাউস জেব''''', [http://www.1902encyclopedia.com/T/THU/thucydides.html থুসিডাইডিস], এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা, ১০ম সংস্করণ (১৯০২)। ২০১০ সালে শেফার-এর মন্তব্যে ব্যাবেট হোগান কর্তৃক উদ্ধৃত। :: সংবাদপত্রগুলো প্রতিদিন প্রভাতে 'ইতিহাসের একটি অমসৃণ খসড়া' তৈরি করে চলেছে। পরবর্তীতে ঐতিহাসিকগণ আসবেন, পুরোনো নথিপত্রগুলো হাতে নেবেন এবং সম্পাদক ও সংবাদদাতাদের সেই অপরিশোধিত অথচ আন্তরিক ও নির্ভুল বিবরণীগুলোকে প্রকৃত ইতিহাস ও কালোজয়ী সাহিত্যে রূপান্তরিত করবেন। আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থাকে অবশ্যই এই দৈনিক সংবাদপত্রের গুরুত্ব অনুধাবন করতে হবে। ::* (এখানে “প্রথম” শব্দটি বাদ দেওয়া হয়েছে) ৫ ডিসেম্বর ১৯০৫, দ্য স্টেট, “[http://blog.readex.com/wp-content/uploads/2010/10/TP-State-News-Draft-Dec-5-1905.pdf সংবাদের শিক্ষামূলক মূল্য]”, পৃ. ৪, কলাম ৪, কলাম্বিয়া, সাউথ ক্যারোলাইনা। টনি পেত্তিনাতো কর্তৃক ৪ অক্টোবর ২০১০ তারিখে উদ্ধৃত। 'কোট ইনভেস্টিগেটর'-এর গারসন ও'টুল এটি জিনিয়লজি-ব্যাংক ডাটাবেস থেকে সংগ্রহ করেছেন। :: একজন প্রতিবেদক হলেন সেই তরুণ যুবক, যিনি প্রতিদিন একটি জরাজীর্ণ ও শব্দজব্দ টাইপরাইটারের ওপর 'ইতিহাসের প্রথম খসড়াটি' অত্যন্ত নিপুণভাবে অঙ্কন করেন। ::* (এখানে “অমসৃণ” শব্দটি বাদ দেওয়া হয়েছে) ৩ জুলাই ১৯১৪, লিঙ্কন (NE) ডেইলি স্টার, '''''জর্জ ফিচ'''''-এর লেখা “দ্য রিপোর্টার”, পৃ. ৬, কলাম ৪। :* এই উক্তিটি সাধারণত ভুলভাবে '''''ফিলিপ এল. গ্রাহাম'''''-এর নামে দায়ী করা হয়, যা তিনি ১৯৬৩ সালে লন্ডনে 'নিউজউইক' প্রতিনিধিদের উদ্দেশ্যে দেওয়া একটি ভাষণে বলেছিলেন বলে মনে করা হয়: “[http://www.slate.com/id/2265540/pagenum/all এটি প্রথম কে বলেছিলেন? সাংবাদিকতা হলো 'ইতিহাসের প্রথম অমসৃণ খসড়া'।]”, '''''জ্যাক শেফার''''', ''স্লেট'' (৩০ আগস্ট ২০১০); ''পার্সোনাল হিস্ট্রি'' (১৯৯৭), '''''ক্যাথরিন গ্রাহাম'''''। :: সুতরাং, আসুন আমরা আমাদের সেই অনিবার্য এবং অসম্ভব কাজের পেছনে অবিরাম শ্রম দিয়ে যাই—যা হলো প্রতি সপ্তাহে 'ইতিহাসের এমন একটি প্রথম অমসৃণ খসড়া' সরবরাহ করা, যা আসলে কখনোই সম্পন্ন হবে না; কারণ এই জগতকে আমরা কখনোই পুরোপুরি অনুধাবন করতে পারব না। :* যদিও এই ভাষণটি উক্তিটিকে ব্যাপকভাবে জনপ্রিয় করেছিল, তবে এর আগেও গ্রাহাম নিজে এবং অন্য অনেকে (উপরে উল্লিখিত) একই ধরণের বক্তব্য প্রদান করেছিলেন: :: সংবাদমাধ্যমের এই অপরিহার্য ক্ষিপ্রতা বা তাড়াহুড়ো অনিবার্যভাবেই এক ধরণের অগভীরতাকে সঙ্গী করে আনে। পরম গভীরতা অর্জন করা না আমাদের ক্ষমতার মধ্যে আছে, আর না তা আমাদের অধিকারভুক্ত। আমরা বছরের ৩৬৫ দিন জুড়েই 'ইতিহাসের প্রথম অমসৃণ খসড়া' লিখে চলি, এবং এটি সত্যিই এক অত্যন্ত মহৎ ও বিশাল দায়িত্ব। ::* আমেরিকান সোসাইটি ফর পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন-এ প্রদত্ত ভাষণ (৮ মার্চ ১৯৫৩); “[http://www.jstor.org/stable/972460 পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অ্যান্ড দ্য প্রেস]”-এ প্রকাশিত, ফিলিপ এল. গ্রাহাম, ''পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন রিভিউ'', ভলিউম ১৩, সংখ্যা ২ (বসন্ত, ১৯৫৩), পৃ. ৮৭-৮৮। :* এছাড়াও আরও নানা ধরণের ভুল আরোপ বা অ্যাট্রিবিউশন বিদ্যমান—'''''হেলেন থমাস''''' তাঁর স্মৃতিকথা 'ফার্স্ট রো অ্যাট দ্য হোয়াইট হাউস'-এ উক্তিটিকে ভুলবশত '''''বেন ব্র্যাডলি'''''-এর নামে চালিয়ে দিয়েছেন। ** '''''হেলেন থমাস''''', ''ফ্রন্ট রো অ্যাট দ্য হোয়াইট হাউস: মাই লাইফ অ্যান্ড টাইমস'' (২০০০), সাইমন অ্যান্ড শুস্টার, পৃ. ৩৮৩, ISBN 0684845687। == আরও দেখুন == * [[:w:বিকল্প ধারার গণমাধ্যম|বিকল্প ধারার গণমাধ্যম]] * [[:w:অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা|অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা]] * [[:w:সংবাদ|সংবাদ]] * [[:w:সংবাদপত্র|সংবাদপত্র]] * [[:w:মূলধারার গণমাধ্যম|মূলধারার গণমাধ্যম]] * [[:w:গণমাধ্যমের পক্ষপাতিত্ব|গণমাধ্যমের পক্ষপাতিত্ব]] == বহিঃসংযোগ == {{similarlinks}} * [https://www.fourthestate.org/journalism-quotes/ ফোর্থ এস্টেট-এ সাংবাদিকতা বিষয়ক উল্লেখযোগ্য উদ্ধৃতিসমূহ] [[বিভাগ:সাংবাদিকতা| ]] [[বিষয়শ্রেণী:সাংবাদিক]] [[বিষয়শ্রেণী:সাংবাদিকতা]] nhzvtdtrulhbvjh19eg0ymyhi8pmhqo 80007 80003 2026-04-23T11:37:52Z Oindrojalik Watch 4169 /* W */ 80007 wikitext text/x-wiki <div style="text-align: center; border: 2px dashed #f0ad4e; padding: 15px; background-color: #fcf8e3; margin-bottom: 20px;"> [[File:Under-Construction-Bulldozer.gif|355px]] <div style="font-weight: bold; font-size: 18px; color: #8a6d3b; margin-top: 10px;">UNDER CONSTRUCTION</div> <div style="font-size: 16px; color: #8a6d3b;">This page is currently being built by '''[https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:Oindrojalik_Watch Oindrojalik Watch]'''.</div> </div> [[File:2 Fillettes vendant des journaux, Wilmington (Delaware), mai 1910.jpg|thumb|আমেরিকায় রাষ্ট্রপতি চার বছরের জন্য রাজত্ব করেন, আর সাংবাদিকতা শাসন করে অনন্তকাল ধরে!<br>~'''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''']] '''[[w:সাংবাদিকতা|সাংবাদিকতা]]''' হলো সংবাদ সংগ্রহ, লিখন এবং সংবাদ পরিবেশনের একটি বিশেষ শাখা। বিস্তৃত অর্থে এটি সংবাদ নিবন্ধ সম্পাদনা ও উপস্থাপনার প্রক্রিয়াকেও অন্তর্ভুক্ত করে। সাংবাদিকতা বিভিন্ন মাধ্যমের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, তবে এটি কেবল [[w:সংবাদপত্র|সংবাদপত্র]], [[w:সাময়িকী_(পত্রিকা)|সাময়িকী]], [[w:বেতার|রেডিও]] এবং [[w:টেলিভিশন|টেলিভিশনের]] মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। সংবাদ প্রচারের দৌড়ে সবার আগে থাকার প্রবল চাপ থাকা সত্ত্বেও, প্রতিটি সংবাদ সংস্থা নিজস্ব নির্ভুলতা, গুণমান এবং শৈলীর মানদণ্ড মেনে চলে। যেখানে সাধারণত প্রকাশের পূর্বে প্রতিবেদনগুলো [[:w:সম্পাদনা|সম্পাদনা]] ও প্রুফরিডিং করা হয়। অনেক সংবাদ সংস্থা সরকারি কর্মকর্তা ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে জনগণের কাছে দায়বদ্ধ রাখার গৌরবময় ঐতিহ্য দাবি করে, যদিও সংবাদ মাধ্যম সমালোচকরা খোদ সংবাদপত্রের দায়বদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ''জার্নালিজম'' বা সাংবাদিকতা শব্দটি [[w:ফরাসি_ভাষা|ফরাসি ভাষার]] '''''journal''''' '''''বা''''' '''''জার্নাল''''' থেকে নেওয়া হয়েছে, যা কালক্রমে ল্যাটিন ''ডিউর্নাল'' বা দৈনিক শব্দ থেকে উদ্ভূত। [[w:প্রাচীন_রোম|প্রাচীন রোমের]] প্রধান জনচত্বর ফোরামে প্রতিদিন 'অ্যাক্টা ডিউর্না' নামক একটি হস্তলিখিত বুলেটিন টাঙিয়ে দেওয়া হতো, যা ছিল বিশ্বের প্রথম সংবাদপত্র। [[File:Amy Goodman — Keynote, National Conference for Media Reform 2013 (8626124929).jpg|thumb|যেখানে নিস্তব্ধতা বিরাজ করে, সেখানে ছুটে যাওয়াই একজন সাংবাদিকের দায়িত্ব। যারা বিস্মৃত, পরিত্যক্ত এবং ক্ষমতাশালীদের দ্বারা নিগৃহীত, তাদের কণ্ঠস্বর হয়ে ওঠা।<br>~'''''অ্যামি গুডম্যান''''']] __NOTOC__ {{TOCalpha|''[[#হোয়েট'স নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস|হোয়েট'স নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস]]'' · [[#আরোপিত|আরোপিত]]}} == A == [[File:Julian Assange in Ecuadorian Embassy cropped.jpg|thumb|আমরা আমাদের পেছনে এমন এক অনন্য ক্ষেত্র তৈরি করছি যা সাংবাদিকতার সেই বিশেষ রূপটিকে বিকশিত হতে দেয়, যা সাংবাদিকতা চিরকাল নিজের জন্য প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিল। আমরা সেই ক্ষেত্রটি সৃষ্টি করছি কারণ আমরা শক্তিশালী গোষ্ঠীগুলোর মুখোশ সাহসের সাথে উন্মোচন করার ফলে আসা যাবতীয় সমালোচনা ও আক্রমণকে স্বেচ্ছায় গ্রহণ করছি।<br>~'''''[[:w:জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ|জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ]]''''' ]] [[File:Great men and famous women - a series of pen and pencil sketches of the lives of more than 200 of the most prominent personages in history Volume 7 (1894) (14760162546).jpg|thumb|সাংবাদিকতা সত্যিই মহৎ। প্রতিটি দক্ষ ও সামর্থ্যবান সম্পাদক কি বিশ্বের একেকজন প্রকৃত শাসক নন, যেহেতু তিনি বিশ্ববাসীকে নিজের যুক্তি ও চিন্তায় প্ররোচিত ও প্রভাবিত করার ক্ষমতা রাখেন?<br>~'''''[[:w:টমাস কার্লাইল|টমাস কার্লাইল]]''''' ]] *একটি রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ স্বাধীনতার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সংবাদপত্রের অবাধ স্বাধীনতা অপরিহার্য ও মৌলিক একটি শর্ত। অতএব, এই কমনওয়েলথ বা জনসমষ্টির মধ্যে কোনোভাবেই সংবাদপত্রের সেই স্বাধীনতাকে খর্ব বা সংকুচিত করা উচিত নয়। **'''''ম্যাসাচুসেটস সংবিধান''''' (২৫ অক্টোবর, ১৭৮০ তারিখে গৃহীত; যা বিশ্বের প্রাচীনতম কার্যকর লিখিত সংবিধান) {{cite book|author='''''[[:w:জন অ্যাডামস|জন অ্যাডামস]]''''', '''''[[:w:স্যামুয়েল অ্যাডামস|স্যামুয়েল অ্যাডামস]]''''', '''''[[:w:জেমস বাউডোইন|জেমস বাউডোইন]]'''''|title=[[:w:ম্যাসাচুসেটস কমনওয়েলথ এর সংবিধান|ম্যাসাচুসেটস কমনওয়েলথ এর সংবিধান]]|publisher=[[:w:ম্যাসাচুসেটস|ম্যাসাচুসেটস কমনওয়েলথ]]|year=1780|pages= অনুচ্ছেদ XVI}}[http://en.wikisource.org/wiki/Constitution_of_the_Commonwealth_of_Massachusetts_%281780%29 মূল পাঠ্য] * বেনামে তথ্য ফাঁস করা একটি প্রাচীন শিল্পকলা এবং অনেক ওয়েবসাইটই এমন সব উৎস থেকে প্রাপ্ত নথিপত্র প্রকাশ করে থাকে যাদের তারা শনাক্ত করতে পারে না। উইকিলিকস যা করেছে তা হলো এই পুরো প্রক্রিয়াটিকে পেশাদার রূপ দেওয়া। তারা তথ্য ফাঁস গ্রহণ, প্রক্রিয়াকরণ এবং তা জনসমক্ষে প্রকাশের জন্য একটি সুনির্দিষ্ট ও মানসম্মত কার্যপ্রণালী তৈরি করেছে। ** '''''স্টিফেন আফটারগুড''''', '''FAS''' বা ফেডারেশন অফ আমেরিকান সায়েন্টিস্টস প্রজেক্ট অন গভর্নমেন্ট সিক্রেসি — প্রতিবেদনে উল্লিখিত {{cite news|first=পল |last=মার্কস |author= |url= |title=উচ্চপদে আসীন ব্যক্তিদের অপ্রস্তুত করার একটি অব্যর্থ উপায়: হুইসেল-ব্লোয়ার বা তথ্য ফাঁসকারীরা কোনো চিহ্ন না রেখেই সব বলে দিতে পারেন, সেইসব ওয়েবসাইটকে ধন্যবাদ যা তাদের পরিচয় গোপন রাখে |work= নিউ সায়েন্টিস্ট|publisher=রিড বিজনেস ইনফরমেশন |pages= |page=২৮, খণ্ড ১৯৮; ইস্যু ২৬৫৫ |date=মে ১০, ২০০৮ |accessdate= }} * একজন সাংবাদিক হিসেবে আমার কর্মজীবন আমার সাহিত্যিক সৃজনশীলতার ক্ষেত্রে এক মৌলিক ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছে। সাংবাদিকতাই আমাকে শব্দকে চিনতে এবং ভালোবাসতে শিখিয়েছে—যা আমার পেশার প্রধান হাতিয়ার এবং আমার শিল্পের মূল উপাদান। সাংবাদিকতা আমাকে সত্যের সন্ধান করতে এবং নৈর্ব্যক্তিক বা বস্তুনিষ্ঠ হতে শিখিয়েছে। শিখিয়েছে কীভাবে পাঠকের মনোযোগ কেড়ে নিতে হয় এবং তাকে এমনভাবে আষ্টেপৃষ্ঠে ধরে রাখতে হয় যেন সে কোনোভাবেই ফস্কে না যায়। এটি আমাকে বিভিন্ন ধারণাকে সংশ্লেষণ করতে এবং ঘটনাপ্রবাহের বর্ণনায় সুনির্দিষ্ট হতে শিখিয়েছে। আর সর্বোপরি, এটি আমার ভেতর থেকে সাদা পাতার প্রতি যাবতীয় ভয়কে চিরতরে দূর করে দিয়েছে। ** ১৯৯৪ সালের একটি সাক্ষাৎকার যা ''কনভারসেশনস উইথ '''''ইসাবেল আলেন্দে''''' '' (১৯৯৯) এ অন্তর্ভুক্ত, স্পেনীয় ভাষা থেকে কোলা ফ্রাঞ্জেন কর্তৃক অনূদিত। * প্রথম সংশোধনীর প্রতিষ্ঠিত আইন অনুযায়ী, সংবাদ প্রকাশে পূর্ব-নিষেধাজ্ঞা বা সেন্সরশিপ যদি আদৌ সাংবিধানিক হয়ও, তবে তা কেবল চরম ও অতি-অস্বাভাবিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটেই অনুমোদিত হতে পারে। বর্তমান মামলার ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, আদালতের এমন সব নির্দেশ রয়েছে যা কার্যকরভাবে একটি ওয়েবসাইটকে বন্ধ করে দিয়েছে। যে সাইটটি বিশ্বজুড়ে সরকার ও কর্পোরেশনগুলোর দুর্নীতির মুখোশ উন্মোচনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছিল এবং এই নির্দেশটি যে কেউ পাঠ করলে তাকে সেই নথিগুলো প্রকাশ করা, এমনকি সেগুলোর লিঙ্ক দেওয়া থেকেও বিরত থাকতে বাধ্য করছে। ** '''''ডেভিড আরডিয়া''''', হার্ভার্ড ল স্কুলের বার্কম্যান সেন্টার ফর ইন্টারনেট অ্যান্ড সোসাইটি-র সিটিজেন মিডিয়া ল' প্রজেক্ট বা CMLP এর পরিচালক, '''''[[:w:ব্যাংক জুলিয়াস বায়ের বনাম উইকিলিকস মামলা|ব্যাংক জুলিয়াস বায়ের বনাম উইকিলিকস]]''''' প্রসঙ্গে মন্তব্যকালে — প্রতিবেদনে উল্লিখিত {{cite news|title=ইন্টারনেটে বাকস্বাধীনতা রক্ষা: একটি সাইবার-ল ক্লিনিকে শিক্ষার্থীরা প্রাথমিক আইনি বিষয়গুলো মোকাবিলায় সহায়তা করছে |work=হার্ভার্ড ল বুলেটিন |publisher= [[:w:হার্ভার্ড ল স্কুল|হার্ভার্ড ল স্কুল]]|page= |date=Fall 2008 |url=http://www.law.harvard.edu/news/bulletin/2008/fall/feature_2-side1.php|accessdate=2009-03-04}} * আমরা আমাদের পেছনে এমন এক অনন্য ক্ষেত্র তৈরি করছি যা সাংবাদিকতার সেই বিশেষ রূপটিকে বিকশিত হতে দেয়, যা সাংবাদিকতা চিরকাল নিজের জন্য প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিল। আমরা সেই ক্ষেত্রটি সৃষ্টি করছি কারণ আমরা শক্তিশালী গোষ্ঠীগুলোর শক্তিমত্তা ও দুর্নীতির মুখোশ সাহসের সাথে উন্মোচন করার ফলে ধেয়ে আসা যাবতীয় সমালোচনা ও প্রবল বিরুদ্ধাচরণকে স্বেচ্ছায় গ্রহণ করছি। ** '''''[[:w:জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ|জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ]]''''' এর উদ্ধৃতি: [https://www.theguardian.com/media/2010/aug/01/julian-assange-wikileaks-afghanistan জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ, অনলাইন যুগের সেই সন্ন্যাসী যিনি বৌদ্ধিক লড়াইয়ের মাধ্যমেই বিকশিত হন, ক্যারল ক্যাডওয়ালাডার, ''দ্য গার্ডিয়ান''], (১ আগস্ট ২০১০) == B == * অভিজ্ঞতা এটিই প্রমাণ করেছে যে, সাধারণ প্রত্যাশার সম্পূর্ণ বিপরীতে গিয়ে সংবাদপত্র হলো জনমতকে সঠিক পথে পরিচালিত করার, উত্তেজনাপূর্ণ আন্দোলনকে শান্ত করার এবং সেইসব মিথ্যা ও কৃত্রিম গুজবকে বিলীন করে দেওয়ার অন্যতম শ্রেষ্ঠ মাধ্যম, যার দ্বারা রাষ্ট্রের শত্রুরা তাদের অশুভ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করতে পারে। এই জনসমক্ষে প্রচারিত সংবাদপত্রগুলোর মাধ্যমে যেমন নির্দেশনা সরকার থেকে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারে, তেমনি তা মানুষের কাছ থেকে সরকারের কাছেও উন্নীত হতে পারে। সংবাদপত্রকে যত বেশি স্বাধীনতা প্রদান করা হবে, জনমতের গতিপথ সম্পর্কে তত বেশি নির্ভুলভাবে বিচার-বিশ্লেষণ করা সম্ভব হবে এবং তা তত বেশি সুনিশ্চিতভাবে কার্যকরী ভূমিকা পালন করবে। **'''''[[:w:জেরেমি বেন্থাম|জেরেমি বেন্থাম]]''''', ''প্রিন্সিপালস অফ পেনাল ল''; তৃতীয় অংশ, "অপরাধ প্রতিরোধের পরোক্ষ পদ্ধতিসমূহ"; অধ্যায় XIX, "নির্দেশনা প্রদানের ক্ষমতা থেকে আহরিত ব্যবহার"। [https://books.google.com/books?id=GGpVAAAAcAAJ&newbks=1&newbks_redir=0&dq=%22jeremy%20bentham%22%20%22newspapers%20are%20one%20of%20the%20best%20means%20of%20directing%20opinion%22&pg=RA1-PA568#v=onepage&q=%22jeremy%20bentham%22%20%22newspapers%20are%20one%20of%20the%20best%20means%20of%20directing%20opinion%22&f=false গুগল বুকস] * আপনি যদি সমগ্র আমেরিকা ঘুরে দেখেন, তবে দেখবেন ছোট ছোট সংবাদপত্রগুলো তাদের নিজ নিজ সম্প্রদায়ে সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে সত্যিই চমৎকার কাজ করছে। আধুনিক নিউ ইয়র্ক টাইমস, আধুনিক ওয়াশিংটন পোস্ট কিংবা আধুনিক ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল অধিকাংশ বিচারেই ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারির সময়ের চেয়ে এখন অনেক উন্নত মানের সংবাদপত্র। কিন্তু আপনি যদি এই ক্ষেত্রের বাকি অংশগুলোর দিকে তাকান... তবে দেখবেন যে সত্যের সর্বোত্তম লভ্য সংস্করণের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা প্রকৃত সংবাদ ক্রমশ একটি দুষ্প্রাপ্য পণ্যে পরিণত হচ্ছে এবং আমাদের সাংবাদিকতা প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রকৃত অংশ হিসেবে এর উপস্থিতি দিন দিন হ্রাস পাচ্ছে। **'''''কার্ল বার্নস্টাইন''''', সাক্ষাৎকারে {{cite news | last =স্টাফ | title =সাক্ষাৎকার: কার্ল বার্নস্টাইন | work =[[:w:ফ্রন্টলাইন (মার্কিন টিভি সিরিজ)|ফ্রন্টলাইন]] | publisher =[[:w:ডব্লিউজিবিএইচ|ডব্লিউজিবিএইচ]] এডুকেশনাল ফাউন্ডেশন | date =১০ জুলাই ২০০৬ | url =http://www-c.pbs.org/wgbh/pages/frontline/newswar/interviews/bernstein.html | accessdate =২০০৯-০২-২০ }} * প্রতিবেদক, বিশেষ্য: একজন লেখক যিনি সত্যের পথে অনুমানের ওপর ভিত্তি করে অগ্রসর হন এবং শব্দের প্রবল জলোচ্ছ্বাসে সেই সত্যকেই বিলীন করে দেন। ** '''''অ্যামব্রোস বিয়ার্স''''', ''দ্য ডেভিল'স ডিকশনারি'' (১৯১১)। * প্রথম সংশোধনীর মাধ্যমে আমাদের প্রতিষ্ঠাতা পূর্বপুরুষগণ মুক্ত সংবাদমাধ্যমকে সেই সুরক্ষা প্রদান করেছিলেন যা আমাদের গণতন্ত্রে এর অপরিহার্য ভূমিকা পালনের জন্য একান্ত প্রয়োজন। সংবাদপত্রের কাজ ছিল শাসিতদের সেবা করা, শাসকদের নয়। সংবাদপত্রের ওপর সেন্সরশিপ বা বিধি-নিষেধ আরোপের সরকারি ক্ষমতা বিলুপ্ত করা হয়েছিল যাতে সংবাদপত্র চিরকাল সরকারকে কঠোর সমালোচনা করার স্বাধীনতা ভোগ করতে পারে। সংবাদমাধ্যমকে সুরক্ষা দেওয়া হয়েছিল যাতে এটি সরকারের গোপন রহস্যগুলো উন্মোচন করতে পারে এবং জনগণকে তথ্য দিয়ে সচেতন করতে পারে। কেবল একটি স্বাধীন এবং নিয়ন্ত্রণহীন সংবাদমাধ্যমই কার্যকরভাবে সরকারের প্রতারণা ও জালিয়াতির মুখোশ খুলে দিতে পারে। ** '''''হিউগো এল. ব্ল্যাক''''', নিউ ইয়র্ক টাইমস বনাম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মামলা, পৃ. ৭১৭ * দীর্ঘকাল ধরে এটি ধরে নেওয়া হয়েছিল যে, সাংবাদিকরা যেসব ঘটনা কভার করেন বা প্রতিবেদন তৈরি করেন, তা তাদের ওপর কোনো স্থায়ী প্রভাব ফেলে না। ট্রমাটিক বা মানসিকভাবে আঘাতমূলক ঘটনাগুলোর মুখোমুখি হওয়াকে তাদের চাকরির বিবরণের অংশ এবং এই পেশার একটি সাধারণ ঝুঁকি হিসেবে দেখা হতো। ঠিক যেমন একজন জরুরি বিভাগের চিকিৎসক বা অগ্নিনির্বাপক কর্মীর ক্ষেত্রে হয়ে থাকে। অনেকে মনে করতেন যে, যারা মৃত্যু এবং ধ্বংসের খবর সংগ্রহ করেন তারা অস্বাভাবিকভাবে কঠোর মনের মানুষ এবং তারা যে মানুষের দুঃখ-দুর্দশা প্রত্যক্ষ করেন, তার প্রতিধ্বনিমূলক প্রভাব থেকে তারা কোনোভাবে মুক্ত। কিছুদিন আগ পর্যন্তও সাংবাদিকরা মনে করতেন যে, যদি তারা জনসমক্ষে স্বীকার করেন যে সংবাদ সংগ্রহের অভিজ্ঞতা দীর্ঘমেয়াদে তাদের প্রভাবিত করতে পারে, তবে তাদের দুর্বল ভাবা হবে এবং সহকর্মীদের তুলনায় কম যোগ্য বলে মনে করা হবে। ** '''''এলিসা ই. বোল্টন''''', [https://www.ptsd.va.gov/public/community/journalists-ptsd.asp “সাংবাদিকদের দ্বারা সম্মুখীন হওয়া বেদনাদায়ক ঘটনাসমূহ“], '''''ন্যাশনাল সেন্টার ফর পিটিএসডি''''', '''''ইউএস ডিপার্টমেন্ট অফ ভেটেরান্স অ্যাফেয়ার্স'''''। * সেখানে পোস্ট করা মাত্র কয়েকটি নথির প্রতিক্রিয়ায় পুরো সাইটটিতে প্রবেশাধিকার বন্ধ করে দেওয়া জনগণের জানার অধিকারকে সম্পূর্ণভাবে অবজ্ঞা করার শামিল। ** '''''অ্যান ব্রিক''''', [[:w:আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়ন|আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়ন]]-এর অ্যাটর্নি, '''''[[:w:ব্যাংক জুলিয়াস বায়ের বনাম উইকিলিকস মামলা|ব্যাংক জুলিয়াস বায়ের বনাম উইকিলিকস]]''''' মামলায় নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের আগে দেওয়া বিবৃতি — প্রতিবেদনে উল্লিখিত: [http://en.wikinews.org/wiki/Rights_groups:_Forcing_Wikileaks.org_offline_raises_%27serious_First_Amendment_concerns%27 "অধিকার গোষ্ঠীসমূহ: উইকিলিকস ডট অর্গকে অফলাইনে যেতে বাধ্য করা 'প্রথম সংশোধনীর গুরুতর উদ্বেগ' তৈরি করে"], '''''[[:n:প্রধান পাতা|উইকিসংবাদ]]''''', (২৮ ফেব্রুয়ারি ২০০৮)। * কখনোই ভুলে যাবেন না যে, আপনি যদি আপনার প্রথম বাক্যটি দিয়েই সংবাদপত্রের পাঠকের চোখের মণি বরাবর আঘাত করতে না পারেন (অর্থাৎ তার তীক্ষ্ণ মনোযোগ আকর্ষণ করতে না পারেন), তবে দ্বিতীয় বাক্যটি আর লেখার কোনো প্রয়োজনই নেই। ** '''''আর্থার ব্রিসবেন''''' (আনু. ১৯০০), উদ্ধৃত হয়েছে: অলিভার কার্লসন রচিত '''''ব্রিসবেন: এ ক্যান্ডিড বায়োগ্রাফি''''' (১৯৩৭), অধ্যায় ৫। * এমন এক সময় ছিল যখন হর্স ওয়াটসনদের মতো পেশার মানুষরা সাধারণত নেশামুক্ত অবস্থায় কখনও ঘুমাতে যেতেন না এবং তাদের লিভার বা যকৃৎ ক্ষয় হয়েই তারা মৃত্যুবরণ করতেন। সেই অক্ষরজ্ঞানসম্পন্ন দুঃসাহসী যোদ্ধাদের সীমান্ত অঞ্চলের স্যালুনগুলোতে নিজেদের বোকা বানাতে দেখাটা নিশ্চয়ই মজার ছিল। যেখানে তারা প্রতিদ্বন্দ্বী সাংবাদিক ও তাদের সমর্থকদের সাথে চাবুকপেটা এবং গোলাগুলিতে মেতে উঠতেন। কিন্তু কে থামত এটা ভাবতে যে, শব্দ এবং প্রকাশনার ক্ষমতা হাতে থাকা বলতে আসলে কী বোঝায়? এটা বুঝতে পারা যে, একটি পুরো শহর বা অঞ্চল বিচার করবে, নিন্দা জানাবে, কাজ করবে, দণ্ড মওকুফ করবে কিংবা গুণগান গাইবে শুধুমাত্র আপনার গতরাতের তড়িঘড়ি করে লেখা কোনো কিছুর ওপর ভিত্তি করে? কারণ আপনি টাইপসেটে কিছু একটা সাজিয়েছিলেন, আর তা করতে গিয়ে আপনার আঙুলের ডগায় লেগে যাওয়া ধাতব বিষগুলো অদম্যভাবে আপনার রক্তপ্রবাহে যাত্রা শুরু করেছিল? ক্ষমতার মোহে আপনি আপনার যকৃৎ আর বৃক্ককে এক স্পঞ্জি ও খিটখিটে পিন্ডে পরিণত করেছিলেন। আপনি আপনার মস্তিষ্কের কোষগুলোকে ভারী ধাতব আয়নের বিষে কলুষিত করেছিলেন যতক্ষণ না তা দিকভ্রান্ত দৃষ্টিভঙ্গির এক ভুতুড়ে বাড়িতে পরিণত হয়। [[w:অ্যালকোহল|অ্যালকোহল]] সাময়িকভাবে সেই প্রভাব কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করত। তাই আপনি একজন মদ্যপ হয়ে উঠেছিলেন, এবং দিনপ্রতি কিস্তিতে নিজের মানসিক সুস্থতা কিনে নিতেন, আর নিজেকে সবার হাসির পাত্রে পরিণত করতেন। শেষ পর্যন্ত এটি মজার কিংবা বিয়োগান্তক কোনোটিই ছিল না। এটি ছিল জীবনের এক রূঢ় বাস্তবতা যা মাঝারি মানের মানুষের ওপর ধীরগতিতে কাজ করত; কারণ সেই মাঝারিরা নিজেদের সত্ত্বাকে থামিয়ে দিয়ে নিশ্চিন্তে ঘুমাতে যেতে পারত, রাতের কাজটি তাদের নিজের সন্তুষ্টি অনুযায়ী হোক বা না হোক। ** '''''অ্যালজিস বাড্রিস''''', '''''মাইকেলমাস''''' (১৯৭৭), ISBN 0-425-03812-2, অধ্যায় ৩ (পৃ. ৩৬-৩৭)। * সাংবাদিকতা হয়তো খুব বেশি দুঃসাহস দেখানোর সাহস পায় না। এটি মৃদু হাস্যরসাত্মক এবং বিদ্রূপাত্মক হতে পারে, খুব হালকাভাবে এতে ব্যক্তিগত বৈশিষ্ট্যের ছোঁয়া থাকতে পারে, কিন্তু খুব গভীরে খনন করে এটি পাঠকদের বিমুখ করতে পারে না। ভাষার প্রতি এর দৃষ্টিভঙ্গির ক্ষেত্রে এটি বিশেষভাবে সত্য: প্রচলিত রীতিগুলো নিয়ে এখানে কোনো প্রশ্ন তোলা হয় না। ** '''''[[:w:অ্যান্থনি বার্জেস|অ্যান্থনি বার্জেস]]''''', '''''এ মাউথফুল অফ এয়ার: ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজেস, এস্পেশালি ইংলিশ''''' (১৯৯২)। * স্বঘোষিত এক তামাশাকার আর রসালো ভাড়াটে ভাঁড়,<br>নিম্নমানের মাসিক-লেখক ও উপহাসের উপহার!<br>শৈল্পিক চাটুকারিতে সে বেজায় রপ্ত, তার হস্তকৃত ম্যাগাজিন মিথ্যায় অভিশপ্ত! ** '''''[[:w:লর্ড বায়রন|লর্ড বায়রন]]''''', '''''ইংলিশ বার্ডস অ্যান্ড স্কচ রিভিউয়ার্সের''''' খন্ডাংশ (১৮০৯), লাইন ৯৭৫, বাংলায় রুপান্তরঃ '''মাহমুদ''' (২৩ এপ্রিল, ২০২৬)। == C == * মূলধারার সংবাদ মাধ্যমগুলো যখন ক্রমশ আত্মতুষ্ট হয়ে পড়ছে, এমনকি যুদ্ধপন্থী নীতিগুলোর সমর্থক হয়ে উঠছে, তখন এটি আরও বেশি অপরিহার্য হয়ে দাঁড়িয়েছে যে, যুদ্ধবিরোধী কণ্ঠস্বর এবং বিশেষ করে যুদ্ধবিরোধী সাংবাদিকরা যেন [[w:মার্কিন_যুক্তরাষ্ট্র|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের]] সেই নজির স্থাপনের প্রচেষ্টাকে প্রতিরোধ করেন, যা যুদ্ধাপরাধ প্রকাশের কাজটিকে একটি দণ্ডণীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য করতে চায়। ** '''''স্যাম কার্লিনার''''', [https://www.commondreams.org/views/2021/10/22/fate-anti-war-journalism-lies-upcoming-assange-hearings "যুদ্ধবিরোধী সাংবাদিকতার ভাগ্য আসন্ন অ্যাসাঞ্জ শুনানির ওপর নির্ভর করছে"], '''''কমন ড্রিমস''''', (২২ অক্টোবর ২০২১)। * মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির অপূরণীয় ক্ষতির বিষয়ে যারা উদাসীন বা সরাসরি সমর্থনমূলক অবস্থান গ্রহণ করে, সেইসব প্রকাশনার সম্পূর্ণ বিপরীতে অবস্থান করছে উইকিলিকস এবং এর প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ। "যদি মিথ্যা দিয়ে যুদ্ধ শুরু করা যায়, তবে সত্য দিয়ে তা থামানোও সম্ভব"—তার এই দৃষ্টিভঙ্গি অনুসরণ করে, অ্যাসাঞ্জ একবিংশ শতাব্দীর মার্কিন পররাষ্ট্রনীতি সংক্রান্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য নিখুঁত নির্ভুলতার সাথে প্রকাশ করেছেন। ** '''''স্যাম কার্লিনার''''', [https://www.commondreams.org/views/2021/10/22/fate-anti-war-journalism-lies-upcoming-assange-hearings "যুদ্ধবিরোধী সাংবাদিকতার ভাগ্য আসন্ন অ্যাসাঞ্জ শুনানির ওপর নির্ভর করছে"], '''''কমন ড্রিমস''''', (২২ অক্টোবর ২০২১)। * মূলধারার সংবাদমাধ্যমের হাজারো সমস্যা থাকা সত্ত্বেও, একটি শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান হিসেবে সাংবাদিকতা আজও যুদ্ধ প্রতিরোধ করার এবং ক্ষেত্রবিশেষে চলমান রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ বন্ধ করার অন্যতম প্রধান ও কার্যকর হাতিয়ার হিসেবে টিকে রয়েছে। এমনকি যারা সংবাদমাধ্যমের ওপর চরম আস্থাহীন, তাদেরও উচিত সংবাদপত্রের স্বাধীনতার ওপর আসা যাবতীয় আক্রমণ ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া। কারণ সংবাদপত্রের স্বাধীনতার এই সুনিশ্চিত গ্যারান্টিই যুদ্ধবিরোধী প্রতিবেদনগুলোকে মূলধারার আলোচনায় নিয়ে আসে এবং সাধারণ মানুষের প্রথাগত চিন্তাধারাকে পরিবর্তন করে তাদের সরকারকে আরও গভীরভাবে বুঝতে শেখায়। ** '''''স্যাম কার্লিনার''''', [https://www.commondreams.org/views/2021/10/22/fate-anti-war-journalism-lies-upcoming-assange-hearings "যুদ্ধবিরোধী সাংবাদিকতার ভাগ্য আসন্ন অ্যাসাঞ্জ শুনানির ওপর নির্ভর করছে"], '''''কমন ড্রিমস''''', (২২ অক্টোবর ২০২১)। * দক্ষ ও দূরদর্শী সম্পাদকদের সমন্বয়ে গঠিত একটি 'চতুর্থ স্তম্ভ' বা ফোর্থ এস্টেটের অভ্যুদয় ঘটছে। ** '''''[[:w:টমাস কার্লাইল|টমাস কার্লাইল]]''''', '''''দ্য ফ্রেঞ্চ রেভোলিউশন, এ হিস্ট্রি''''' (১৮৩৭), প্রথম অংশ, ষষ্ঠ বই, অধ্যায় ৫। * সাংবাদিকতা সত্যিই এক মহৎ ও বিশাল শক্তি। প্রতিটি দক্ষ ও কুশলী সম্পাদক কি এই বিশ্বের একেকজন প্রকৃত শাসক নন? কারণ তিনি তাঁর ক্ষুরধার লেখনী ও অকাট্য যুক্তির মাধ্যমে সমগ্র বিশ্ববাসীকে নিজ মতে প্ররোচিত করার ক্ষমতা রাখেন। ** '''''[[:w:টমাস কার্লাইল|টমাস কার্লাইল]]''''', '''''দ্য ফ্রেঞ্চ রেভোলিউশন, এ হিস্ট্রি''''' (১৮৩৭), দ্বিতীয় অংশ, প্রথম বই, অধ্যায় ৪। * বার্ক বলেছিলেন যে পার্লামেন্টে তিনটি প্রধান স্তম্ভ বা এস্টেট রয়েছে। কিন্তু তিনি ঐ যে সংবাদদাতাদের গ্যালারির দিকে ইঙ্গিত করে বলেছিলেন, সেখানে একটি 'চতুর্থ স্তম্ভ' উপবিষ্ট আছে যা আগের তিনটি স্তম্ভের তুলনায় অনেক বেশি প্রভাবশালী ও গুরুত্বপূর্ণ। এটি কোনো আলঙ্কারিক শব্দ বা নিছক চাতুর্যপূর্ণ উক্তি নয়, বরং এটি একটি আক্ষরিক সত্য। যা বর্তমান এই অস্থির সময়ে আমাদের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও অমোঘ। ** '''''[[:w:টমাস কার্লাইল|টমাস কার্লাইল]]''''', '''''অন হিরোস, হিরো-ওয়ারশিপ, অ্যান্ড দ্য হিরোইক ইন হিস্ট্রি: সিক্স লেকচারস: রিপোর্টেড''''', উইলি অ্যান্ড হ্যালস্টেড, (১৮৫৯), পৃ. ১৪৭, বক্তৃতা ৫: "দ্য হিরো অ্যাজ ম্যান অফ লেটারস"। * সাংবাদিকদের দেখলে মনে হতে পারে যে তারা প্রায় আক্ষরিক অর্থেই আধুনিক বিশ্বের এক একজন পুরোহিত... তবে পুরোহিততন্ত্রের নৈতিক অবক্ষয় ঠিক সেই মুহূর্তেই ঘটেছিল যখন এটি জ্ঞান বিতরণের জন্য গঠিত একটি সংখ্যালঘু গোষ্ঠী থেকে জ্ঞান গোপন রাখার জন্য গঠিত একটি সংখ্যালঘু গোষ্ঠীতে রূপান্তরিত হয়েছিল। সাংবাদিকতার অধঃপতনের ক্ষেত্রেও ঠিক একই ধরনের এক বিশাল বিপদ ও আশঙ্কা লুকিয়ে রয়েছে। সাংবাদিকতা নিজেই নিজের মধ্যে এমন এক ভয়াবহ দানবীয় রূপ এবং বিভ্রম সৃষ্টি করার সম্ভাবনা ধারণ করে, যা মানবজাতির জন্য অতীতে কখনও আসা যেকোনো অভিশাপের চেয়েও ভয়াবহ হতে পারে। এই ভয়ংকর রূপান্তরটি ঠিক সেই মুহূর্তেই ঘটবে যখন সাংবাদিকরা অনুধাবন করতে শুরু করবে যে তারা সমাজের এক বিশেষ অভিজাত শ্রেণীতে পরিণত হতে সক্ষম। ** '''''[[:w:জি. কে. চেস্টারটন|জি. কে. চেস্টারটন]]''''', "দ্য নিউ প্রিস্টস" (১৯০১)। [https://books.google.com/books?id=v6-RGg0qKpsC&pg=PA551&dq=%22Journalism+possesses+in+itself+the+potentiality+of+becoming+one+of+the+most+frightful+monstrosities%22&hl=en&newbks=1&newbks_redir=0&sa=X&ved=2ahUKEwikocyvmKf7AhWbj4kEHWQlDCAQuwV6BAgOEAY#v=onepage&q=%22Journalism%20possesses%20in%20itself%20the%20potentiality%20of%20becoming%20one%20of%20the%20most%20frightful%20monstrosities%22&f=false] * সাংবাদিকতা বর্তমানে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে ঠিকই, তবে এই জনপ্রিয়তার মূল ভিত্তিটি আসলে এক ধরনের কাল্পনিক আখ্যান বা ফিকশন। আমাদের যাপিত জীবন হলো এক স্বতন্ত্র জগত, আর সংবাদপত্রের পাতায় প্রতিফলিত জীবন হলো সম্পূর্ণ ভিন্ন ও কৃত্রিম এক জগত। ** '''''[[:w:জি. কে. চেস্টারটন|জি. কে. চেস্টারটন]]''''', "অন দ্য ক্রিপ্টিক অ্যান্ড দ্য এলিপ্টিক", '''''অল থিংস কনসিডারড''''' (১৯০৮)। * আমি জানি যে সাংবাদিকতা মূলত এমন সব মানুষকে 'লর্ড জোন্স মৃত' বলে সংবাদ দেওয়ার নামান্তর, যারা লর্ড জোন্স যে আদৌ জীবিত ছিলেন সেই খবরটিই কখনও জানতেন না। ** '''''[[:w:জি. কে. চেস্টারটন|জি. কে. চেস্টারটন]]''''', "দ্য পার্পল উইগ", '''''দ্য উইজডম অফ ফাদার ব্রাউন''''' (১৯১৪)। * আমাদের আধুনিক অস্তিত্বের প্রতিচ্ছবি হিসেবে সাংবাদিকতার একটি বড় ও প্রধান দুর্বলতা হলো এই যে, একে এমন এক চিত্রকল্প হতে হয় যা পুরোপুরি কিছু ব্যতিক্রমী ঘটনার সমষ্টি। আমরা চটকদার পোস্টারে ঘোষণা করি যে কোনো এক ব্যক্তি ভারা থেকে নিচে পড়ে গিয়েছেন। কিন্তু আমরা কখনও রঙিন পোস্টারে এই ঘোষণা দিই না যে কোনো এক ব্যক্তি ভারা থেকে নিচে পড়ে যাননি। অথচ বাস্তবিকভাবে পরবর্তী তথ্যটিই অনেক বেশি রোমাঞ্চকর ও উদ্দীপক। কারণ এটি নির্দেশ করে যে মানুষ নামক রহস্য আর আতঙ্কের সেই সচল মিনারটি এখনও এই পৃথিবীতে সদর্পে বিচরণ করছে। মানুষটি যে ভারা থেকে পড়ে যায়নি, সেটিই আসলে প্রকৃত অর্থে বেশি চাঞ্চল্যকর এবং এটি নিয়মিত ঘটে যাওয়া হাজারো সাধারণ ঘটনার চেয়েও অনেক বেশি বাস্তব। কিন্তু সাংবাদিকতার কাছে এমন প্রত্যাশা করা অযৌক্তিক যে তারা এই চিরন্তন ও ধ্রুব অলৌকিক ঘটনাগুলোর ওপর জোর দেবে। ব্যস্ত সম্পাদকদের কাছ থেকে এমনটা আশা করা যায় না যে তারা তাদের পোস্টারে লিখবেন, "মিস্টার উইলকিনসন এখনও নিরাপদ আছেন" কিংবা "ওয়ার্দিং-এর মিস্টার জোন্স এখনও মারা যাননি।" তারা মানবজাতির সামগ্রিক সুখ বা সাধারণ স্বাভাবিকতাকে সংবাদ হিসেবে প্রচার করতে পারেন না। তারা এমন সব কাঁটাচামচের বর্ণনা দিতে পারেন না যা চুরি হয়নি, কিংবা এমন সব দাম্পত্যের কথা লিখতে পারেন না যা বিচারবুদ্ধি খাটিয়ে ভেঙে দেওয়া হয়নি। ফলস্বরূপ, জীবনের যে পূর্ণাঙ্গ চিত্র তারা তুলে ধরেন তা অপরিহার্যভাবেই বিভ্রান্তিকর ও ত্রুটিপূর্ণ হয়ে ওঠে। কারণ তারা কেবল যা অস্বাভাবিক ও ব্যতিক্রমী, তা-ই উপস্থাপন করতে সক্ষম। তারা যত বড় গণতান্ত্রিকই হোন না কেন, দিনশেষে তারা কেবলমাত্র সংখ্যালঘু এবং বিচ্ছিন্ন ঘটনাগুলো নিয়েই বেশি ব্যস্ত থাকেন। ** '''''[[:w:জি. কে. চেস্টারটন|জি. কে. চেস্টারটন]]''''', '''''দ্য বল অ্যান্ড দ্য ক্রস''''' (১৯০৯), [http://www.classicreader.com/book/2241/4/ চতুর্থ অধ্যায়: ভোরের আলোচনা] (দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ)। * উইকিলিকস যদি কোনো ছাপাখানা থেকে প্রকাশিত সাধারণ সাময়িকী হতো, তবে এর ওপর এমন নিষেধাজ্ঞা আরোপের কথা চিন্তাও করা যেত না। ... এই মামলাটিকে যা আলাদা করে তুলেছে তা হলো, অভিযোগ অনুযায়ী তথাকথিত অগ্রহণযোগ্য বিষয়বস্তুগুলো কাগজের পরিবর্তে ইন্টারনেটে প্রকাশিত হয়েছিল। কিন্তু যারা কোনো কিছু প্রকাশ করতে চায় এবং যারা তা পড়তে চায়। তাদের সুরক্ষা প্রদানকারী মূলনীতিগুলো বিসর্জন দেওয়ার জন্য এটি অত্যন্ত দুর্বল ও ভিত্তিহীন একটি অজুহাত। মাধ্যম যা-ই হোক না কেন, সেন্সরশিপ বা কণ্ঠরোধ সবসময়ই সেন্সরশিপ হিসেবেই গণ্য হয়। ** '''''সম্পাদকীয়''''', "ইলেকট্রনিক সেন্সরশিপ", '''''[[:w:শিকাগো ট্রিবিউন|শিকাগো ট্রিবিউন]]''''', শিকাগো ট্রিবিউন কোম্পানি, (২৬ ফেব্রুয়ারি ২০০৮), পৃ. ১৪। * '''সাংবাদিকদের পরম পবিত্র দায়িত্ব হলো সত্য প্রকাশ করা। সাংবাদিকতা মানে হলো আপনাকে প্রকৃত ঘটনার মূলে ফিরে যেতে হবে, নথিপত্রগুলো গভীরভাবে খতিয়ে দেখতে হবে, নথিবদ্ধ তথ্যের আসল রূপটি উন্মোচন করতে হবে এবং ঠিক সেভাবেই তা সবার সামনে তুলে ধরতে হবে।''' ** '''''[[:w:নোম চমস্কি|নোম চমস্কি]]''''', সাক্ষাৎকারে: জয় ওয়াং, "বক্তৃতা: নোম চমস্কি", '''''বুলপেন: এনওয়াইইউ জার্নালিজম''''', [[:w:নিউ ইয়র্ক ইউনিভার্সিটি|নিউ ইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়]], (ডিসেম্বর ২০০৪)। * রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা রক্ষার প্রকৃত উদ্দেশ্য হলো সরকারকে তার নিজস্ব স্বার্থসিদ্ধি এবং প্রায়শই ভিত্তিহীন ও মিথ্যায় ঘেরা সত্যের একটি সংস্করণ প্রতিষ্ঠা করতে সহায়তা করা। আর এটি করা হয় জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়া 'তথ্য' বা 'উপাত্ত'গুলোকে অত্যন্ত সতর্কতার সাথে বাছাই করার মাধ্যমে। তারা তাদের প্রকৃত জানা তথ্যের যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত প্রকাশ কিংবা বিকল্প কোনো তথ্যসূত্রের উপস্থিতিতে চরমভাবে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। সংবাদসূচির ওপর তাদের এই একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার ক্ষেত্রে যেকোনো ধরনের হুমকিকে সম্ভব হলে দমন করা হয়। আর যেখানে দমন করা সম্ভব হয় না, সেখানে দায়ীদের খুঁজে বের করে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা হয়।<br>[[w:ইয়েমেনী_সংকট_(২০১১-বর্তমান)|ইয়েমেন যুদ্ধ]]—যেখানে অন্তত ৭০,০০০ মানুষ প্রাণ হারিয়েছে! সেই যুদ্ধ সম্পর্কে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশ করে দেওয়াই হলো প্রধান কারণ যার জন্য মার্কিন সরকার জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ এবং জিক্রি—উভয়কেই চরমভাবে হেনস্তা ও নিপীড়ন করছে। ** '''''প্যাট্রিক ককবার্ন''''', [https://www.counterpunch.org/2019/06/04/why-the-us-is-persecuting-assange/ "কেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অ্যাসাঞ্জকে নিপীড়ন করছে?"], '''''কাউন্টারপাঞ্চ''''', (৪ জুন ২০১৯)। * এক দশক আগে আমি যখন কাবুলে অবস্থান করছিলাম, ঠিক তখনই উইকিলিকস আফগানিস্তান, ইরাক এবং ইয়েমেনের সংঘাত সংক্রান্ত মার্কিন সরকারের নথিপত্রের এক বিশাল ভাণ্ডার উন্মোচন করেছিল। সেই প্রকাশের দিনটিতে আমি একজন মার্কিন কর্মকর্তার সাথে দেখা করার জন্য ফোনে কথা বলছিলাম... তিনি এই বিষয়টি নিয়ে অত্যন্ত উৎসুক ছিলেন এবং আমার কাছে জানতে চেয়েছিলেন যে ফাইলগুলোর গোপনীয়তার মাত্রা বা ক্লাসিফিকেশন সম্পর্কে আসলে কী জানা গেছে। আমি যখন তাঁকে বিস্তারিত জানালাম, তিনি বেশ স্বস্তির সুরে বললেন: “তাহলে তো দেখছি এর মধ্যে প্রকৃত অর্থে গোপন রাখার মতো তেমন কিছুই নেই।” ** '''''প্যাট্রিক ককবার্ন''''', [https://www.counterpunch.org/2019/06/04/why-the-us-is-persecuting-assange/ "কেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অ্যাসাঞ্জকে নিপীড়ন করছে?"], '''''কাউন্টারপাঞ্চ''''', (৪ জুন ২০১৯)। * আমরা এই শুনানিতে উপস্থিত সবাইকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানাচ্ছি। ১৯৮৯ সালের 'টেক্সাস বনাম জনসন' মামলায় সুপ্রিম কোর্ট আমাদের গণতন্ত্রের অন্যতম মৌলিক একটি আদর্শ তুলে ধরেছিল। সেটি হলোঃ প্রথম সংশোধনীর পেছনে যদি কোনো সুদৃঢ় ও অপরিবর্তনীয় ভিত্তি থেকে থাকে, তবে তা হলো এই যে: সরকার কোনো নির্দিষ্ট ধারণার বহিঃপ্রকাশকে কেবল এই অজুহাতে নিষিদ্ধ করতে পারে না যে সমাজ সেই ধারণাটিকে আপত্তিকর বা অপ্রীতিকর বলে মনে করছে। এই অমোঘ কথাগুলো ছিল বিচারপতি উইলিয়াম ব্রেনান জুনিয়রের। ** '''''কংগ্রেসম্যান জন কনিয়ার্স''''', [https://www.govinfo.gov/content/pkg/CHRG-111hhrg63081/html/CHRG-111hhrg63081.htm "মার্কিন কংগ্রেস হাউস হিয়ারিং: এসপিওনাজ অ্যাক্ট এবং উইকিলিকস কর্তৃক উত্থাপিত আইনি ও সাংবিধানিক সমস্যাসমূহ"], বিচার বিভাগীয় কমিটি, প্রতিনিধি সভা, (১৬ ডিসেম্বর ২০১০)। [https://www.c-span.org/video/?297115-1/wikileaksthe-espionage-act-constitution সি-স্প্যান রেকর্ডিং] * ...এই বিতর্ক সম্পর্কে যার যা-ই মত থাকুক না কেন, এটি অত্যন্ত স্পষ্ট যে উইকিলিকস-এর বিরুদ্ধে বিচারিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে তা বাকস্বাধীনতা, সাংবাদিকের প্রকৃত পরিচয় এবং নাগরিকরা তাদের নিজস্ব সরকারের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে আসলে কতটুকু জানার অধিকার রাখে। তা নিয়ে অত্যন্ত মৌলিক ও সুদূরপ্রসারী প্রশ্নের জন্ম দেবে। প্রকৃতপক্ষে, যদিও এ বিষয়ে একটি সাধারণ ঐকমত্য রয়েছে যে মাঝে মাঝে রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা বজায় রাখা অপরিহার্য, তবুও বর্তমান সময়ের আসল সমস্যাটি গোপনীয়তার অভাব নয়, বরং অতিমাত্রায় গোপনীয়তা রক্ষা করার প্রবণতা। ** '''''কংগ্রেসম্যান জন কনিয়ার্স''''', [https://www.govinfo.gov/content/pkg/CHRG-111hhrg63081/html/CHRG-111hhrg63081.htm "মার্কিন কংগ্রেস হাউস হিয়ারিং: এসপিওনাজ অ্যাক্ট এবং উইকিলিকস কর্তৃক উত্থাপিত আইনি ও সাংবিধানিক সমস্যাসমূহ"], বিচার বিভাগীয় কমিটি, প্রতিনিধি সভা, (১৬ ডিসেম্বর ২০১০)। [https://www.c-span.org/video/?297115-1/wikileaksthe-espionage-act-constitution সি-স্প্যান রেকর্ডিং] * গণমাধ্যম এমন এক ধরনের বিশ্বাসযোগ্যতা বহন করে যা তারা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই পাওয়ার যোগ্য নয়। আপনারা সবাই কোনো না কোনোভাবে জীবনের এই অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়েছেন। [...]<br>সংক্ষেপে বলতে গেলে, '''গেল-ম্যান অ্যামনেসিয়া এফেক্ট''' বা বিস্মৃতি প্রভাবটি হলো এইরকম: আপনি সংবাদপত্রের এমন একটি নিবন্ধ পড়তে শুরু করলেন যে বিষয়টি সম্পর্কে আপনার আগে থেকেই খুব ভালো জানাশোনা আছে। [...] আপনি নিবন্ধটি পড়লেন এবং বুঝতে পারলেন যে ওই সাংবাদিকের সংশ্লিষ্ট তথ্য বা বিষয়টি সম্পর্কে বিন্দুমাত্র কোনো ধারণা নেই। [...] আপনি অত্যন্ত বিরক্তি বা কৌতুকের সাথে সেই প্রতিবেদনের অসংখ্য ভুলগুলো লক্ষ্য করলেন, কিন্তু এরপরই পাতার উল্টো পাশে গিয়ে জাতীয় বা আন্তর্জাতিক বিষয়ক সংবাদগুলো এমনভাবে পড়তে শুরু করলেন যেন সংবাদপত্রের বাকি অংশগুলো [[w:ফিলিস্তিন|ফিলিস্তিন]] বা অন্য কোনো জটিল বিষয়ে অনেক বেশি নির্ভুল। যদিও মাত্র কয়েক মুহূর্ত আগেই আপনি একগাদা আজেবাজে ও ভুল তথ্য পড়েছেন। '''আপনি যদি পাতা উল্টাতে থাকেন, আর যা আপনি জানেন তা মুহূর্তেই ভুলে যান।''' ** '''''মাইকেল ক্রিকটন''''', [https://web.archive.org/web/20190808123852/http://larvatus.com/michael-crichton-why-speculate/ "কেন অনুমান করবেন?"], (লা জোলা, ক্যালিফোর্নিয়ার ইন্টারন্যাশনাল লিডারশিপ ফোরামে দেওয়া ভাষণ, ২৬ এপ্রিল ২০০২)। মূল উৎস থেকে ৮ আগস্ট ২০১৯ তারিখে আর্কাইভ করা। সংগৃহীত: ৩ মে ২০২২। == D == [[File:Betty Friedan 1960.jpg|thumb|আজকের দিনের গম্ভীর ও মননশীল অ-কল্পকাহিনী লেখকরা সমাজের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ সামাজিক বিজ্ঞানের সুদৃঢ় ভিত্তি এবং একজন প্রতিবেদকের সাংবাদিকতা দক্ষতার সমন্বয়ে তাঁরা কেবল সংবাদ পরিবেশনের গণ্ডি পেরিয়ে আমাদের উদীয়মান সমাজের অগ্রযাত্রার একেবারে সম্মুখভাগে অবস্থান করেন।<br>~'''''বেটি ফ্রিডান''''' ]] * আমি সত্যি বুঝতে অক্ষম যে সাংবাদিকতাকে কেন এত জঘন্য, এত বেশি বিদ্রূপাত্মক এবং অন্যের ব্যক্তিগত বিষয়ে হস্তক্ষেপকারী হতে হয়। ** '''''পাল ড্যানিয়েলস''''', উদ্ধৃত হয়েছে: '''''[[:w:দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট|দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট]]''''', (১৭ মার্চ ২০১৬)। * এই সংবাদপত্র আমাদের জন্য সব কিছুই করে থাকে। এটি পুলিশ বাহিনীকে পরিচালনা করে এবং ব্যাংকগুলো চালায়, সামরিক বাহিনীকে আদেশ দেয়, আইনসভা নিয়ন্ত্রণ করে, নবজাতকদের দীক্ষা দেয়, নির্বোধদের বিবাহ সম্পন্ন করে, '''বেদনার্তদের সান্ত্বনা দেয় ও শান্তিতে থাকাদের অস্বস্তিতে ফেলে''', মৃতদের সমাহিত করে এবং পরবর্তীতে তাদের কঠোর সমালোচনা করে দহন করে। এমন কোনো বিষয় নেই যা তারা স্পর্শ করে না, তা পবিত্র রুটির আধ্যাত্মিক রূপান্তর ব্যাখ্যা করা থেকে শুরু করে সাধারণ বিস্কুট তৈরির প্রণালী পর্যন্ত যা-ই হোক না কেন। ** '''''ফিনলে পিটার ডান''''', "নিউজপেপার পাবলিসিটি", '''''অবজারভেশনস বাই মিস্টার ডুলি''''' (১৯০২)। == E == * সাংবাদিকতা হলো একটি সুসংগঠিত পরচর্চা। ** '''''এডওয়ার্ড এগলেস্টন''''' == F == * “সে কি তোমাকে বিশ্বাস করেছিল?”<br>“সে একজন অত্যন্ত দক্ষ ও ঝানু সাংবাদিক। কাজেই অবশ্যই বিশ্বাস করেনি।” ** '''''জ্যাসপার ফোর্ড''''', '''''ওয়ান অফ আওয়ার থার্সডেস ইজ মিসিং''''' (২০১১), ISBN 978-0-670-02252-6, পৃ. ২০৫। * আমার মনে হয়, শেষ পর্যন্ত আমরা সাংবাদিকরা অন্তত সেই চেষ্টাটুকু করি বা করা উচিত। যেন আমরা ইতিহাসের প্রথম নিরপেক্ষ সাক্ষী হতে পারি। যদি আমাদের অস্তিত্বের পেছনে কোনো সার্থকতা থেকে থাকে, তবে তা অবশ্যই ইতিহাসের ঘটনাপ্রবাহ যেভাবে ঘটে ঠিক সেভাবেই উপস্থাপন করার ক্ষমতার মধ্যে নিহিত; যেন ভবিষ্যতে কেউ কখনও এমনটা বলতে না পারে: 'আমরা জানতাম না! আমাদের কেউ বলেনি।' ** '''''রবার্ট ফিস্ক''''', '''''দ্য গ্রেট ওয়ার ফর সিভিলাইজেশন: দ্য কনকুয়েস্ট অফ দ্য মিডল ইস্ট''''', ফোর্থ এস্টেট, (২০০৫), পৃ. ২৫, ISBN 0007203837। * আজকের দিনের গম্ভীর ও মননশীল অ-কল্পকাহিনী লেখকরা সমাজের জন্য অপরিহার্য। কারণ সামাজিক বিজ্ঞানের সুদৃঢ় তাত্ত্বিক ভিত্তি এবং একজন প্রতিবেদকের তীক্ষ্ণ সাংবাদিকতা দক্ষতার অনবদ্য সমন্বয়ে তাঁরা কেবল সাধারণ সংবাদ পরিবেশনের গণ্ডি অতিক্রম করেন এবং আমাদের উদীয়মান ও পরিবর্তনশীল সমাজের অগ্রযাত্রার একেবারে সম্মুখভাগে অবস্থান নেন। ** '''''বেটি ফ্রিডান''''' (মে ১৯৭৮), ''৩০তম বার্ষিকী জার্নাল'', '''''আমেরিকান সোসাইটি অফ জার্নালিস্ট অ্যান্ড অথরস'''''; উদ্ধৃত হয়েছে: '''''দ্য কমপ্লিট গাইড টু রাইটিং নন-ফিকশন''''' (১৯৮৩), গ্লেন ইভান্স সম্পাদিত, রাইটার্স ডাইজেস্ট বুকস, সিনসিনাটি, ওহাইও, পৃ. ৫, ISBN 0-89879-117-0। == G == * যখন সাংবাদিকতার বিকৃত ভাষা বা 'জার্নালিজ' তার চরম শিখরে পৌঁছেছিল, ঠিক তখনই স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, হয়তো এটি একটি কাকতালীয় ঘটনা মাত্র। ** '''''জন গলসওয়ার্দি''''' (জুলাই ১৯২৪), ''অন এক্সপ্রেশন'', ইংলিশ অ্যাসোসিয়েশনের রাষ্ট্রপতির ভাষণ, পৃ. ১২; উদ্ধৃতিটি পুনরুৎপাদন করা হয়েছে: ডেভিড ক্রিস্টাল ও হিলারি ক্রিস্টাল রচিত '''''ওয়ার্ডস অন ওয়ার্ডস: কোটেশনস অ্যাবাউট ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজেস''''' (২০০০), ইউনিভার্সিটি অফ শিকাগো প্রেস, পৃ. ২৭৬, ISBN 0226122018। * সাংবাদিকতা কোনো প্রথাগত পেশা নয়... এর অন্তরে এটি কেবল একটি সৃজনশীল শিল্প বা কারুশিল্প। আর এর অর্থ হলো, যে কেউ যার বিচারবুদ্ধি আছে, যে বুদ্ধিমান, চিন্তাশীল এবং কৌতূহলী—তিনিই এই শিল্পের চর্চা করতে পারেন। ** '''''সু গার্ডনার''''', [https://en.wikinews.org/wiki/Interview_with_Sue_Gardner_of_the_Wikimedia_Foundation "উইকিমিডিয়া ফাউন্ডেশনের সু গার্ডনারের সাথে সাক্ষাৎকার"], '''''উইকিসংবাদ''''', ২৪ অক্টোবর ২০০৭। * তৃণমূল পর্যায়ের সাংবাদিকতা হলো নাগরিক-সৃষ্ট সংবাদমাধ্যমের সেই বিস্তৃত পরিস্থিতির একটি অংশ, যা আসলে একটি বিশ্বব্যাপী আলাপচারিতা এবং এটি প্রতিনিয়ত শক্তিতে, জটিলতায় ও প্রভাবে সমৃদ্ধ হচ্ছে। মানুষ যখন নিজেকে প্রকাশ করার সুযোগ পায়, তারা অবশ্যই তা করে। যখন তারা শক্তিশালী অথচ সুলভ সরঞ্জাম হাতে পায়, তখন তারা অত্যন্ত দ্রুততার সাথে এই নতুন সংবাদমাধ্যমের জগতের সাথে নিজেদের মানিয়ে নেয়। আর যখন তারা সম্ভাব্য এক বিশ্বব্যাপী শ্রোতামণ্ডলীর কাছে পৌঁছাতে সক্ষম হয়, তখন তারা আক্ষরিক অর্থেই পুরো পৃথিবীটাকে বদলে দিতে পারে। ** '''''ড্যান গিলমোর''''', '''''উই দ্য মিডিয়া: গ্রাসরুটস জার্নালিজম বাই দ্য পিপল ফর দ্য পিপল''''' (২০০৬), ও'রেলি মিডিয়া, পৃ. xv, ISBN 0596102275। * যদিও সাংবাদিকদের উচিত '''[[w:উইকিলিকস|উইকিলিকসকে]]''' (একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা; যা বিভিন্ন অপ্রকাশিত ও গোপন নথিসমূহ প্রকাশ করে) কিছুটা সংশয়ের দৃষ্টিতে দেখা, কিন্তু একে কোনোভাবেই উপেক্ষা করার উপায় নেই। অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার এই সাহসী নতুন বিশ্বে আপনাদের স্বাগতম। ** '''''শন গনসালভস''''', [http://www.alternet.org/mediaculture/90641/will_wikileaks_revolutionize_journalism/?page=2 "উইকিলিকস কি সাংবাদিকতায় বিপ্লব ঘটাবে?"], '''''অল্টারনেট''''', (৭ জুলাই ২০০৮)। * যেখানে নিস্তব্ধতা বিরাজ করে, সেখানে ছুটে যাওয়াই একজন সাংবাদিকের পরম দায়িত্ব। যারা বিস্মৃত, পরিত্যক্ত এবং ক্ষমতাশালীদের দ্বারা নিগৃহীত হয়েছে, তাদের কণ্ঠস্বর হয়ে ওঠা। আমাদের এমন এক 'ট্রিকল-আপ' বা তৃণমূল থেকে উঠে আসা গণমাধ্যম গড়ে তুলতে হবে যা এই দেশ এবং এর মানুষের প্রকৃত চরিত্রকে প্রতিফলিত করবে। ** '''''অ্যামি গুডম্যান''''', ডেভিড গুডম্যানের সাথে যৌথভাবে রচিত '''''দ্য এক্সেপশন টু দ্য রুলার্স''''' (২০০৪)। * সাংবাদিকদের কাজ হলো ক্ষমতার ওপর নজরদারি করা এবং ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষা করা, জনপ্রিয়তার প্রতিযোগিতায় জয়ী হওয়া নয়। ** '''''[[:w:অ্যামি গুডম্যান|অ্যামি গুডম্যান]]''''', ভূমিকা, '''''ডেমোক্রেসি নাও!: টুয়েন্টি ইয়ার্স কভারিং দ্য মুভমেন্টস চেঞ্জিং আমেরিকা''''' (২০১৬)। * মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ধর্ম হলো সামরিক সব কিছুর উপাসনা করা। আর সাংবাদিকরা হলেন সেই ধর্মের প্রধান পুরোহিত। ** '''''গ্লেন গ্রিনওয়াল্ড''''' (১৯৬৭), ডেমোক্রেসি নাও! এর সাথে সাক্ষাৎকার (১৪ নভেম্বর ২০১২): [http://www.democracynow.org/2012/11/14/glenn_greenwald_while_petraeus_had_affair "গ্লেন গ্রিনওয়াল্ড: যখন পেট্রাউস জীবনীকারের সাথে প্রণয়ে লিপ্ত ছিলেন, কর্পোরেট মিডিয়া তখন পেট্রাউসের প্রেমে মগ্ন ছিল।"] সংগৃহীত: ১৫ নভেম্বর ২০১২। * গাজায় সংবাদমাধ্যমের কার্যালয়গুলো ধ্বংস করা এবং সাংবাদিকদের হত্যা করা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। সংঘাতপূর্ণ এলাকাগুলোতেও সাংবাদিকদের আক্রমণ বা হেনস্তার ভয় ছাড়াই তাদের অপরিহার্য কাজ চালিয়ে যেতে সক্ষম হতে হবে। তাঁদের অবশ্যই সুরক্ষা দিতে হবে এবং সম্মান করতে হবে... এমনকি যুদ্ধেরও সুনির্দিষ্ট কিছু নিয়ম আছে। সর্বোপরি, সাধারণ নাগরিকদের অবশ্যই রক্ষা করতে হবে... বাছবিচারহীন হামলা এবং বেসামরিক ব্যক্তি ও তাদের সম্পদের ওপর আক্রমণ করা যুদ্ধ আইনের চরম লঙ্ঘন। ** '''''[[:w:আন্তোনিও গুতেরেস|আন্তোনিও গুতেরেস]]''''', [https://www.un.org/sg/en/content/sg/statement/2021-05-20/secretary-general%E2%80%99s-remarks-the-general-assembly-meeting-the-situation-the-middle-east-and-palestine-delivered "মধ্যপ্রাচ্য ও ফিলিস্তিন পরিস্থিতি নিয়ে সাধারণ পরিষদের সভায় মহাসচিবের বক্তব্য"], জাতিসংঘ মহাসচিব, বিবৃতি (২০ মে ২০২১)। == H == [[File:Thomas Jefferson 1904 Issue, 2c.jpg|thumb|যদি আমাকে সিদ্ধান্ত নিতে বলা হয় যে আমাদের কি সংবাদপত্রহীন কোনো সরকার থাকা উচিত, নাকি সরকারহীন সংবাদপত্র থাকা উচিত। তবে আমি দ্বিতীয়টি বেছে নিতে এক মুহূর্তও দ্বিধা করব না।<br>~'''''[[:w:টমাস জেফারসন|টমাস জেফারসন]]''''' ]] * সম্পাদক: সংবাদপত্রের দ্বারা নিযুক্ত এমন একজন ব্যক্তি, যাঁর কাজ হলো সারবস্তু থেকে অসার অংশকে আলাদা করা এবং এটি নিশ্চিত করা যে সেই অসার অংশগুলোই যেন সংবাদপত্রে ছাপা হয়। ** '''''এলবার্ট হাববার্ড''''' (১৯১৪), ''দ্য রয়ক্রফট ডিকশনারি অফ এপিগ্রামস''; উদ্ধৃত হয়েছে: ফ্রেড আর. শাপিরো সম্পাদিত '''''দ্য ইয়েল বুক অফ কোটেশনস''''', ইয়েল ইউনিভার্সিটি প্রেস, নিউ হ্যাভেন, কানেকটিকাট, পৃ. ৩৭৪, ISBN 0300107986। == I == * ...মার্কিন সমাজবিজ্ঞানী জর্জ ইয়ান্সি তাঁর ২০১৫ সালের গ্রন্থ "হোস্টাইল এনভায়রনমেন্ট"-এ খ্রিস্টধর্ম এবং সাধারণভাবে রক্ষণশীল ধর্মের বিরুদ্ধে মার্কিন গণমাধ্যমের পক্ষপাতিত্বের ওপর আলোকপাত করেছেন এবং এর মূল কারণ হিসেবে খুঁজে পেয়েছেন যে, '''মূলধারার মার্কিন সাংবাদিকতা হলো একটি স্ব-স্থায়ীকৃত আভিজাত্য বা বর্ণপ্রথা।''' আপনি যদি একজন ইভানজেলিকাল খ্রিস্টান হন কিংবা প্রচলিত উদারপন্থী ও ধর্মনিরপেক্ষ আদর্শের সাথে, বিশেষ করে নৈতিক বিষয়গুলোতে একমত না হন, তবে কোনো মূলধারার সংবাদমাধ্যমে নিয়োগ পাওয়ার জন্য প্রথম সাক্ষাৎকারেই আপনাকে প্রত্যাখ্যান করে ছুড়ে ফেলে দেওয়া হবে। ** '''''মাসিমো ইনত্রোভিনে''''', [https://bitterwinter.org/the-anti-religious-anti-cult-and-anti-tai-ji-men-bias-in-the-media/ "গণমাধ্যমে ধর্ম-বিরোধী, গোষ্ঠী-বিরোধী এবং তাই জি মেন-বিরোধী পক্ষপাতিত্ব"], '''''বিটার উইন্টার''''', (মে ২০২৪)। * সাংবাদিকতা মানে দর্শক বা পাঠকদের জটিলতা থেকে দূরে সরিয়ে রাখা নয়। বরং এটি হলো জটিল বিষয়গুলোকে নিখুঁতভাবে উপস্থাপন করা এবং সেই জটিলতার মধ্য দিয়ে পথ চলার জন্য দর্শকদের বিচারবুদ্ধির ওপর আস্থা রাখা। একটি তথ্যচিত্র যা সমস্ত ভিন্নমত পোষণকারী কণ্ঠস্বরকে বর্জন করে, তাকে কোনোভাবেই প্রকৃত অনুসন্ধান বলা চলে না। ** '''''মাসিমো ইনত্রোভিনে''''', [https://bitterwinter.org/france-hate-speech-against-scientology-now-funded-by-taxpayers/ "ফ্রান্স: সায়েন্টোলজির বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক বক্তব্য এখন করদাতাদের অর্থে অর্থায়িত হচ্ছে"], '''''বিটার উইন্টার''''', (১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬)। == J == * একজন ব্যক্তির জীবন, স্বাধীনতা এবং সম্পত্তির অধিকার, সেইসাথে বাকস্বাধীনতা, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা, উপাসনা ও সমাবেশের অধিকার এবং অন্যান্য মৌলিক অধিকারগুলো ভোটের ওপর ছেড়ে দেওয়া যায় না। এগুলো কোনো নির্বাচনের ফলাফলের ওপর নির্ভর করে না। ** '''''[[:w:রবার্ট এইচ. জ্যাকসন|রবার্ট এইচ. জ্যাকসন]]''''', '''''[[:w:ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া স্টেট বোর্ড অফ এডুকেশন বনাম বারনেট মামলা|ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া স্টেট বোর্ড অফ এডুকেশন বনাম বারনেট]]''''', মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট, (১৯৪৩), ৩১৯ ইউ.এস. ৬২৪, ৬৩৮। * আমাদের সরকারের ভিত্তি যেহেতু জনমত, তাই আমাদের প্রথম ও প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত সেই অধিকারকে সমুন্নত রাখা। আর যদি আমাকে সিদ্ধান্ত নিতে বলা হয় যে আমাদের কি সংবাদপত্রহীন কোনো সরকার থাকা উচিত, নাকি সরকারহীন সংবাদপত্র থাকা উচিত—তবে আমি দ্বিতীয়টি বেছে নিতে এক মুহূর্তও দ্বিধা করব না। তবে আমার এই বক্তব্যের অর্থ এই যে, প্রতিটি মানুষের কাছে সেই সংবাদপত্র পৌঁছাতে হবে এবং তাদের তা পাঠ করার সক্ষমতা থাকতে হবে। ** '''''[[:w:টমাস জেফারসন|টমাস জেফারসন]]''''', কর্নেল এডওয়ার্ড ক্যারিংটনকে লেখা চিঠি (১৬ জানুয়ারি ১৭৮৭), লিপসকম্ব ও বার্গ সংস্করণ ৬:৫৭। * সংবাদপত্রকে কীভাবে পরিচালনা করলে তা সবচেয়ে বেশি জনকল্যাণকর হবে, এ বিষয়ে আমার মত জানতে চাইলে আমি বলব, "একে কেবল ধ্রুব সত্য ঘটনা এবং নির্ভুল নীতিমালার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার মাধ্যমে।" তবুও আমার ভয় হয় যে এমন সংবাদপত্রের গ্রাহক সংখ্যা হবে খুবই নগণ্য। এটি একটি বিষাদময় সত্য যে, সংবাদপত্রের কণ্ঠরোধ করা হলে দেশ যতটা না এর সুফল থেকে বঞ্চিত হয়, তার চেয়েও বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় যখন সংবাদপত্র নির্লজ্জভাবে মিথ্যার কাছে নিজেকে সঁপে দেয়। সংবাদপত্রে যা দেখা যায় তার কোনো কিছুই এখন আর বিশ্বাস করা যায় না। এমনকি পরম সত্যও যখন এই কলুষিত মাধ্যমের ভেতর দিয়ে প্রকাশিত হয়, তখন তাও সন্দেহজনক হয়ে ওঠে। ভুল তথ্যের এই রাজত্ব আসলে কতটা বিস্তৃত তা কেবল তারাই জানেন যারা তাদের ব্যক্তিগত জ্ঞান দিয়ে দিনের পর দিন এই মিথ্যাগুলোর মুখোশ উন্মোচন করতে পারেন। ... আমি আরও যোগ করব যে, যে ব্যক্তি কখনোই সংবাদপত্র দেখেন না তিনি সেই ব্যক্তির চেয়ে বেশি অবগত ও শিক্ষিত যিনি নিয়মিত সংবাদপত্র পড়েন। কারণ যিনি কিছুই জানেন না তিনি সেই ব্যক্তির তুলনায় সত্যের অনেক বেশি কাছাকাছি থাকেন যার মন মিথ্যা আর ভ্রান্তিতে পরিপূর্ণ। যে ব্যক্তি কিছুই পড়ে না সে অন্তত মহান সত্যগুলো শিখতে পারবে, যেখানে সংবাদপত্রের বিস্তারিত তথ্যগুলোর সবই মিথ্যে। ** '''''[[:w:টমাস জেফারসন|টমাস জেফারসন]]''''', [[:w:জন নরভেল|জন নরভেল]]-কে লেখা চিঠি (১১ জুন ১৮০৭)। [https://www.loc.gov/resource/mtj1.038_0592_0594/?sp=2&st=text মূল উৎস এবং প্রতিলিপি] * আমাদের সংবাদপত্রগুলো বর্তমানে যে পঙ্কিল ও জঘন্য অবস্থায় পতিত হয়েছে, এবং যারা এই সংবাদপত্রের জন্য লেখেন, তাদের সেই বিদ্বেষপরায়ণতা, অসভ্যতা ও মিথ্যাচারের মানসিকতার জন্য আমি আপনার মতোই গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করছি। আমরা ঠিক কতটা অতল গহ্বরে তলিয়ে গেছি তার প্রমাণ হিসেবে আমি আপনাকে নিউ ইংল্যান্ডের একজন বিচারকের সাম্প্রতিক একটি লেখা পাঠাচ্ছি। এই সব আবর্জনা জনরুচিকে দ্রুত কলুষিত করছে এবং সুস্থ চিন্তার প্রতি মানুষের আগ্রহ কমিয়ে দিচ্ছে। তথ্যের বাহন হিসেবে এবং আমাদের কর্মকর্তাদের ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখার যন্ত্র হিসেবে সংবাদপত্রগুলো এখন সম্পূর্ণ অকেজো হয়ে পড়েছে; কারণ তারা বিশ্বাসযোগ্যতার সমস্ত দাবি হারিয়ে ফেলেছে। আমি আপনার সাথে একমত যে, দলীয় মানসিকতার চরম সহিংসতা এবং বিদ্বেষই এই পরিস্থিতির জন্য বহুলাংশে দায়ী... ** '''''[[:w:টমাস জেফারসন|টমাস জেফারসন]]''''', [https://founders.archives.gov/documents/Jefferson/03-07-02-0052 ওয়াল্টার জোন্সকে লেখা চিঠি] (২ জানুয়ারি ১৮১৪)। * তারা এ নিয়ে মিথ্যে কথা বলেছিল! শত্রু যখন সমুদ্রের পানি ফুটিয়ে ফেলল, আমাদের ষষ্ঠ নৌবহরকে জ্বালিয়ে ছারখার করে দিল এবং উপকূলরেখার পঞ্চাশ মাইলের মধ্যে থাকা প্রতিটি পুরুষ, নারী ও শিশুকে পুড়িয়ে মারল! তখন কিন্তু আপনি অন্তত কিছু সংবাদ প্রতিবেদন আশা করতেই পারতেন। কিন্তু তারা কী রিপোর্ট করল? ফ্লোরিডাতে কিসের সামান্য ভূমিক্ষয়! ওহে নারী, তারা তো পুরো সমুদ্রটাই লাভা-প্লাবিত করে ফেলেছিল! ** '''''আর্থার এম. জলি''''', ''আফটার ইটস অল ওভার'' নাটকে, অরিজিনাল ওয়ার্কস প্রেস, (২০০৯)। * বাইরের মানুষ যা বুঝতে পারেন না তা হলোঃ কটি সংবাদপত্র আসলে একটি 'সুফলে'র / '''Soufflé''' মতো, যা দ্রুত খাওয়ার জন্য খুব তড়িঘড়ি করে প্রস্তুত করা হয়। আর ঠিক এই কারণেই যখনই আপনি এমন কোনো ঘটনার সংবাদপত্র প্রতিবেদন পড়েন যা সম্পর্কে আপনার ব্যক্তিগত জ্ঞান রয়েছে, তখনই সেটি আপনার কাছে প্রায় সবসময়ই অপর্যাপ্ত বা ভুল বলে মনে হয়। সাংবাদিকরাও অন্য সবার মতো এই ত্রুটির বিষয়ে সচেতন। কিন্তু বিষয়টি স্রেফ এই যে, যদি তথ্যকে যত বেশি সম্ভব পাঠকের কাছে পৌঁছাতে হয়, তবে নিখুঁত হওয়ার চেয়ে বরং কিছুটা কম গুণমানকেই প্রায়শ মেনে নিতে হয়। ** '''''ডেভিড ই. এইচ. জোন্স''''', '''''নিউ সায়েন্টিস্ট''''', খণ্ড ২৬, (১৯৬৫)। == K == * তারা ছিল পেশাদার ক্ষোভ-বিশারদ যারা কেবল একটি জিনিসই জানত। কীভাবে পরিচয়বাদী রাজনীতি বা আইডেন্টিটি পলিটিক্স দিয়ে গোটা পশ্চিমা বিশ্বকে পিটিয়ে হত্যা করতে হয়। আর এখন, গত কয়েক বছরের মধ্যে দেখা সবচেয়ে উদ্দীপক বিদ্রূপের সাথে আমরা অন্তত নিরাপদে এটা বলতে পারি যে, তাদের সময় ফুরিয়ে এসেছে, "'''#টাইমসআপ'''"। ** '''''রহিম কাসাম''''', "না, আমি সেই সাংবাদিকদের জন্য দুঃখিত নই যারা চাকরি হারিয়েছে — আমি বরং দারুণ রোমাঞ্চিত", '''''ডেইলি কলার''''', (২৮ জানুয়ারি ২০১৯)। * আমার এবং আমাদের সবার সমস্যা হলো যে আমি মনে করি সংবাদ ব্যবসার সাথে জড়িত অধিকাংশ মানুষই আমার এই মতের সাথে একমত হবেন, যে আমরা (এবং এখানে আমি কেবল '[[w:দ্য_টাইমস|দ্য টাইমস]]' এর কথা বলছি না) নাম প্রকাশ না করার আড়ালে অত্যন্ত নীরস উদ্ধৃতি অথবা মাঝে মাঝে অলস পরচর্চা ও কটাক্ষ প্রকাশ করতে বড্ড বেশি উন্মুখ থাকি। আমার কাছে মনে হয়, এটি তথ্যসূত্রের সুরক্ষা বা সোর্স প্রোটেকশনের মূল্যকে সস্তা করে দেয়। ** '''''বিল কেলার''''', '''''[[:w:দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস|দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের]]''''' নির্বাহী সম্পাদক, বেনামী তথ্যসূত্র প্রসঙ্গে (১৩ মে ২০০৫), '''''অন দ্য মিডিয়া'''''তে। == L == * সংবাদপত্র সবসময়ই মানুষের মনে প্রবল কৌতূহল জাগিয়ে তোলে। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো, কেউ কোনোদিন সংবাদপত্র পাঠ শেষ করার পর একরাশ হতাশা বা অতৃপ্তি ছাড়া তা হাত থেকে নামিয়ে রাখতে পারে না। ** '''''চার্লস ল্যাম্ব''''' (১৮৩৩), "অন বুকস অ্যান্ড রিডিং", ''দ্য লাস্ট এসেস অফ এলিয়া''; উদ্ধৃতিটি পুনরুৎপাদন করা হয়েছে: ডেভিড ক্রিস্টাল ও হিলারি ক্রিস্টাল রচিত '''''ওয়ার্ডস অন ওয়ার্ডস: কোটেশনস অ্যাবাউট ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজেস''''' (২০০০), ইউনিভার্সিটি অফ শিকাগো প্রেস, পৃ. ২৭৬, ISBN 0226122018। * চাঞ্চল্যকর বা হলুদ সাংবাদিকতার চিরন্তন সাতটি প্রধান অনুষঙ্গ হলো: লোমহর্ষক অপরাধের বিবরণ, ব্যক্তিগত জীবনের কেলেঙ্কারি, ভিত্তিহীন কাল্পনিক বিজ্ঞান, মানসিক উন্মাদনা, সংখ্যাতত্ত্বের মতো নানাবিধ অন্ধবিশ্বাসের চর্চা, অলৌকিক দানব বা দানবীয় কর্মকাণ্ড এবং প্রভাবশালী ধনকুবেরদের জীবনকথা। ** '''''ফ্রিটজ লেইবার''''', ''এ রাইট অফ স্প্রিং'' (১৯৭৭); টেরি কার সম্পাদিত '''''ইউনিভার্স ৭''''', পৃ. ২৬। * জেনারেল ডগলাস ম্যাকার্থারের প্রসঙ্গে বলতে গেলে, আমি আসলে এমন কোনো ব্যক্তি সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট বা স্পষ্ট কোনো মতামত দেওয়ার মতো অবস্থানে নিজেকে খুঁজে পাই না, যাঁকে আমি কেবল সংবাদপত্রের মাধ্যমেই চিনি। আপনি লক্ষ্য করে দেখবেন, সংবাদমাধ্যমগুলো যখনই এমন কোনো ব্যক্তি বা বিষয় নিয়ে আলোচনা করে যা সম্পর্কে আমার ব্যক্তিগত ধারণা বা জ্ঞান রয়েছে, তখনই আমি দেখি যে তাদের পরিবেশিত তথ্যগুলো সবসময়ই মিথ্যাচার আর ভুল বোঝাবুঝির এক বিশাল স্তূপ ছাড়া আর কিছুই নয়; আর এই অভিজ্ঞতা থেকেই আমি এই সিদ্ধান্তে উপনীত হই যে, যেসব ক্ষেত্র সম্পর্কে আমার বিন্দুমাত্র কোনো জ্ঞান নেই, সেখানেও তারা এর চেয়ে ভালো কিছু হওয়ার সম্ভাবনা রাখে না। ** '''''[[:w:সি. এস. লিউইস|সি. এস. লিউইস]]''''', মিসেস মেরি ভ্যান ডিউসেনকে লেখা চিঠি (৩০ এপ্রিল ১৯৫১), ''সংগৃহীত সি. এস. লিউইস পত্রাবলি, খণ্ড ৩: "নার্নিয়া, কেমব্রিজ, অ্যান্ড জয়", ১৯৫০-১৯৬৩'', পৃ. ১১৪। == M == [[File:Janet Malcolm 3.18.13a (headshot).jpg|thumb|আমাদের বর্তমান সমাজে একজন সাংবাদিককে ঠিক একজন পরোপকারীর সমান্তরালে স্থান দেওয়া হয়, কারণ তাঁর হাতে বিলি করার মতো অত্যন্ত মূল্যবান কিছু একটি থাকে (তাঁর এই বিনিময়ের মুদ্রাটি হলো 'পাবলিসিটি' বা প্রচার নামক এক অদ্ভুত মাদকতাময় বস্তু), এবং ফলস্বরূপ তাঁকে এমন এক ধরনের শ্রদ্ধা ও সম্মান প্রদর্শন করা হয় যা একজন মানুষ হিসেবে তাঁর প্রকৃত যোগ্যতার তুলনায় একেবারেই ভারসাম্যহীন।<br>~'''''জ্যানেট ম্যালকম''''' ]] * বিভিন্ন স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীর ওয়েবসাইটগুলো সাধারণত সাংবাদিকতার ছদ্মবেশে এক ধরনের অপপ্রচার বা 'জার্নালগান্ডা'র [হলুদ সাংবাদিকতা] জয়গান গায়। কারণ সেখানে সবকিছুই পরিবেশন করা হয় সেই নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর নিজস্ব স্বার্থের ফিল্টার বা ছাঁকনির ভেতর দিয়ে। এটি এক অদ্ভুত ও অবাস্তব জগত, তবে এর গুরুত্বও অপরিসীম। কারণ কট্টরপন্থীরা তাদের পূর্বনির্ধারিত চিন্তাধারাকে আরও শক্তিশালী করতে এখানেই ভিড় জমায়। আপনার অবস্থান যা-ই হোক না কেন, নিজেকে চূড়ান্তভাবে সঠিক মনে করার ক্ষেত্রে এই জার্নালগান্ডার চেয়ে কার্যকর আর কিছুই হতে পারে না। প্রকৃত সাংবাদিকতাকে সবসময় চিনে নেওয়া যায় তার কাজের ধরন দেখে। এটি প্রায়শই সাধারণ মানুষকে এই সাংবাদিকতার জগত সম্পর্কে চরম অস্বস্তি ও ভ্রান্ত বিচলিত অবস্থার মধ্যে ফেলে দেয়। ** '''''চার্লস এম. ম্যাডিগান''''' (২৫ অক্টোবর ২০০৫), [http://web.archive.org/web/20130625005510/http://www.chicagotribune.com/news/opinion/chi-0510250027oct25,0,3811209.column?page=2&coll=chi-ed_opinion_columnists-utl "আজকের 'সাংবাদিকতা'র সমস্যা"], '''''[[:w:শিকাগো ট্রিবিউন|শিকাগো ট্রিবিউন]]'''''। * এমন প্রতিটি সাংবাদিক—যিনি পরিস্থিতির গভীরতা বোঝার মতো যথেষ্ট বুদ্ধিমান এবং নিজের অহংবোধে অন্ধ হয়ে যাননি। তিনি খুব ভালো করেই জানেন যে, তিনি যা করছেন তা নৈতিকভাবে সম্পূর্ণ অমার্জনীয়। তিনি মূলত এক প্রকারের প্রতারক বা 'কনফিডেন্স ম্যান', যিনি মানুষের অহংকার, অজ্ঞতা কিংবা একাকীত্বকে পুঁজি করে তাদের ওপর শিকারি পাখির মতো ঝাঁপিয়ে পড়েন। তিনি প্রথমে মানুষের বিশ্বাস অর্জন করেন এবং এরপর বিন্দুমাত্র অনুশোচনা ছাড়াই সেই বিশ্বাসের চরম অমর্যাদা করেন। ঠিক যেমন একজন অতি-বিশ্বাসী বিধবা একদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে আবিষ্কার করেন যে সেই মনোমুগ্ধকর যুবকটি তাঁর সারা জীবনের সমস্ত সঞ্চয় নিয়ে চম্পট দিয়েছে। তেমনি কোনো একটি অ-কাল্পনিক রচনার বিষয়বস্তু হওয়া ব্যক্তিটিও। যখন সেই নিবন্ধ বা বইটি প্রকাশিত হয়, তখনই তাঁর জীবনের সেই রূঢ় ও কঠিন শিক্ষাটি লাভ করেন। সাংবাদিকরা তাঁদের এই বিশ্বাসঘাতকতাকে নিজ নিজ স্বভাব অনুযায়ী বিভিন্নভাবে যুক্তিযুক্ত করার চেষ্টা করেন। তাঁদের মধ্যে যারা অধিকতর আড়ম্বরপূর্ণ, তারা বাকস্বাধীনতা এবং "জনগণের জানার অধিকার" নিয়ে লম্বা চওড়া কথা বলেন। যারা অপেক্ষাকৃত কম মেধাবী হয়, তারা একে এক ধরণের 'শিল্প' বলে আখ্যা দিয়ে থাকেন। আর যারা খুব বিনয়ী হওয়ার ভান করেন, তারা স্রেফ জীবনধারণের তাগিদে এই পেশা বেছে নেওয়ার কথা বলে মৃদু গুঞ্জন তোলে থাকেন। ** '''''[[:w:জ্যানেট ম্যালকম|জ্যানেট ম্যালকম]]''''', '''''[[:w:দ্য জার্নালিস্ট অ্যান্ড দ্য মার্ডারার|দ্য জার্নালিস্ট অ্যান্ড দ্য মার্ডারার]]''''' (১৯৯০), নিউ ইয়র্ক: নফ, পৃ. ৩ (বইটির উদ্বোধনী অনুচ্ছেদ)। * আমাদের বর্তমান সমাজে একজন সাংবাদিককে ঠিক একজন পরোপকারীর সমান্তরালে স্থান দেওয়া হয়, কারণ তাঁর হাতে বিলি করার মতো অত্যন্ত মূল্যবান কিছু একটি থাকে (তাঁর এই বিনিময়ের মুদ্রাটি হলো 'পাবলিসিটি' বা প্রচার নামক এক অদ্ভুত মাদকতাময় বস্তু), এবং ফলস্বরূপ তাঁকে এমন এক ধরনের শ্রদ্ধা ও সম্মান প্রদর্শন করা হয় যা একজন মানুষ হিসেবে তাঁর প্রকৃত যোগ্যতার তুলনায় একেবারেই ভারসাম্যহীন। এই দেশে এমন মানুষের সংখ্যা খুবই নগণ্য যারা নিজেদের সম্পর্কে কোথাও লেখা হচ্ছে কিংবা কোনো রেডিও বা টেলিভিশন প্রোগ্রামে তাঁদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হচ্ছে, এমন সম্ভাবনা দেখে প্রবলভাবে উচ্ছ্বসিত হন না। ** '''''জ্যানেট ম্যালকম''''', '''''দ্য জার্নালিস্ট অ্যান্ড দ্য মার্ডারার''''' (১৯৯০), নিউ ইয়র্ক: নফ, পৃ. ৫৮। * আমি এখন এমনটা ভাবতে শুরু করেছি যে... সাংবাদিকতামূলক রচনায় "আমি" নামক চরিত্রটি সাংবাদিকের সৃষ্ট অন্যান্য সমস্ত চরিত্র থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। কারণ এটি সেই নিয়মের একটি ব্যতিক্রম যেখানে বলা হয় যে কোনো কিছুই আবিষ্কার বা উদ্ভাবন করা যাবে না। সাংবাদিকতার এই "আমি" চরিত্রটি প্রায় পুরোপুরি একটি মনগড়া উদ্ভাবন। আত্মজীবনীতে ব্যবহৃত "আমি" যেখানে লেখকের সরাসরি প্রতিনিধিত্ব করার কথা, সেখানে সাংবাদিকতার এই "আমি" লেখকের সাথে খুব সামান্য বা ক্ষীণভাবেই যুক্ত। ঠিক যেভাবে সুপারম্যানের সাথে ক্লার্ক কেন্টের সংযোগ থাকে। সাংবাদিকতার এই "আমি" হলো এক অতি-নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারী, যার ওপর আখ্যানের গুরুত্বপূর্ণ কাজ, যুক্তি উপস্থাপন এবং সুর নির্ধারণের দায়িত্ব অর্পণ করা হয়। এটি গ্রিক ট্র্যাজেডির কোরাসের মতো একটি বিশেষ প্রয়োজনে সৃষ্ট সৃষ্টি। সে হলো একটি প্রতীকি চরিত্র, যে জীবনের এক নিরাসক্ত ও আবেগহীন পর্যবেক্ষক হিসেবে নিজেকে মূর্ত করে তোলে। তা সত্ত্বেও, পাঠকরা যারা সহজেই এই ধারণাটি মেনে নেন যে ফিকশন বা কল্পকাহিনীর বর্ণনাকারী এবং সেই বইয়ের লেখক এক ব্যক্তি নন, তারাই আবার সাংবাদিকতার এই উদ্ভাবিত "আমিত্বের" ধারণাটিকে জেদের সাথে প্রতিরোধ করেন। এমনকি সাংবাদিকদের মধ্যেও এমন অনেকে আছেন যারা নিজেদের টেক্সটের সেই 'সুপারম্যান' রূপ থেকে নিজেদের বাস্তব সত্ত্বাকে আলাদা করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত হিমশিম খান। ** '''''[[:w:জ্যানেট ম্যালকম|জ্যানেট ম্যালকম]]''''', '''''দ্য জার্নালিস্ট অ্যান্ড দ্য মার্ডারার''''' (১৯৯০), নিউ ইয়র্ক: নফ, পৃ. ১৫৯–১৬০। * সাংবাদিকতার নৈতিক অস্পষ্টতা বা দ্বিধার লিখিত বয়ানের মধ্যে নয়, বরং সেই সম্পর্কের গভীরে নিহিত থাকে যেখান থেকে এই বয়ানগুলো জন্ম নেয়। আর এই সম্পর্কগুলো অনিবার্যভাবেই এবং কোনোভাবেই এড়ানো যায় না এমনভাবে একপেশে বা অসম প্রকৃতির হয়ে থাকে। সাংবাদিকতামূলক রচনার 'ভালো' চরিত্রগুলো ঠিক তেমনিভাবেই অন্য একজন মানুষের ওপর লেখকের সেই অশুভ ও প্রচণ্ড ক্ষমতার ফসল, যেভাবে 'মন্দ' চরিত্রগুলো সৃষ্টি হয়। [...] সাংবাদিকতার বিষয়বস্তু হওয়া ব্যক্তিটি হয়তো সাংবাদিককে নিজের স্বার্থে ব্যবহার বা ম্যানিপুলেট করার চেষ্টা করতে পারেন এবং জাগতিক জ্ঞানসম্পন্ন কোনো ব্যক্তিই কমবেশি এই প্রবণতার ঊর্ধ্বে নন। কিন্তু এই বিষয়টি কোনোভাবেই ব্যক্তিস্বাধীনতার চেতনার বিরুদ্ধে সাংবাদিকের নিজের করা পাপগুলোকে মোচন বা খণ্ডন করতে পারে না। [...] সাংবাদিকরা এই নৈতিক অচলাবস্থার সাথে লড়াই করার জন্য অগণিত বৈচিত্র্যময় পথ অবলম্বন করেন [...]। তাদের মধ্যে যারা সবচেয়ে প্রজ্ঞাবান, তারা ভালো করেই জানেন যে তারা সর্বোচ্চ যা করতে পারেন তা-ও আসলে যথেষ্ট নয়। আর যারা খুব একটা বুদ্ধিমান নন, তারা তাদের চিরচেনা অভ্যাসবশত এটা বিশ্বাস করতেই পছন্দ করেন যে আসলে কোনো সমস্যাই নেই এবং তারা হয়তো এর একটি সমাধানও করে ফেলেছেন। ** '''''জ্যানেট ম্যালকম''''', '''''[[:w:দ্য জার্নালিস্ট অ্যান্ড দ্য মার্ডারার|দ্য জার্নালিস্ট অ্যান্ড দ্য মার্ডারার]]''''' (১৯৯০), নিউ ইয়র্ক: নফ, পৃ. ১৬২-১৬৩। (শেষ বাক্যটি বইটির অন্তিম বাক্য)। * উন্নত ও মানসম্মত সাংবাদিকতার জন্য তথ্যফাঁসকারী বা 'হুইসেলব্লোয়ার'রা অপরিহার্য। তাঁরা সাংবাদিকদের সেই সব গোপনীয়তার দেয়াল ভেদ করতে সাহায্য করেন যা সরকারি কর্মকর্তা এবং জনসংযোগ কর্মকর্তারা অত্যন্ত সযত্নে গড়ে তোলেন। এই হুইসেলব্লোয়াররাই সরকার, কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান, সামরিক বাহিনী এবং গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর ভেতরে লুকিয়ে থাকা নানা অনিয়ম ও অন্যায় কর্মকাণ্ডগুলো সবার সামনে এনে উন্মোচন করে থাকেন। এই সাহসী মানুষদের তাঁদের এই বীরত্বপূর্ণ কাজের জন্য পুরস্কৃত করা উচিত ছিল। কিন্তু তার পরিবর্তে, অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো যে তাঁদের প্রায়ই বিচারিক হয়রানি কিংবা কারাবাসের মুখোমুখি হতে হয়। ** '''''ইউয়েন ম্যাকআসকিল''''', [https://www.democracynow.org/2021/10/25/belmarsh_tribunal "জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জকে মুক্ত করুন: স্নোডেন, ভারুফাকিস, করবিন এবং তারিক আলী প্রত্যর্পণ শুনানির আগে কথা বলছেন"], '''''ডেমোক্রেসি নাও!''''', (২৫ অক্টোবর ২০২১)। * যদি জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জকে অভিযুক্ত করে বিচার করা হয়, তবে '[[w:দ্য_গার্ডিয়ান|দ্য গার্ডিয়ান]]', [[w:দ্য_নিউ_ইয়র্ক_টাইমস|'দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস]]', 'ডার স্পিগেল', 'এল পাইস', 'লা রিপাবলিকা' এবং এই তথ্যগুলো প্রচারের সাথে জড়িত অন্যান্য সমস্ত সংবাদ সংস্থার সম্পাদক ও সাংবাদিকদের বিরুদ্ধেও মামলা করার সমান ও যথেষ্ট যুক্তিযুক্ত কারণ রয়েছে। ** '''''ইউয়েন ম্যাকআসকিল''''', [https://www.democracynow.org/2021/10/25/belmarsh_tribunal "জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জকে মুক্ত করুন: স্নোডেন, ভারুফাকিস, করবিন এবং তারিক আলী প্রত্যর্পণ শুনানির আগে কথা বলছেন"], '''''ডেমোক্রেসি নাও!''''', (২৫ অক্টোবর ২০২১)। * মাইকেল শুডসন তাঁর “ডিসকভারিং দ্য নিউজ” (১৯৭৮) গ্রন্থে যেমনটি উল্লেখ করেছেন—ভালো সাংবাদিকতা মানেই যে তা “বস্তুনিষ্ঠ” (অর্থাৎ দলীয় প্রভাবমুক্ত এবং ব্যক্তিগত মতামতের ঊর্ধ্বে) হতে হবে, এই ধারণাটি মূলত বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে প্রথম আবির্ভূত হয়েছিল। শুডসন মনে করতেন যে, ধ্রুব এবং নির্ভরযোগ্য সত্যের ধারণাটির প্রতি মানুষের ক্রমবর্ধমান সংশয়বাদ থেকেই এই বস্তুনিষ্ঠতার ধারণার জন্ম হয়েছে। তাঁর ভাষায়, বস্তুনিষ্ঠতার এই মানদণ্ডটি “তথ্যের ওপর বিশ্বাসের কোনো চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ ছিল না; বরং এটি ছিল এমন এক জগতের জন্য পরিকল্পিত পদ্ধতির সুদৃঢ় দাবি, যেখানে এমনকি তথ্যকেও আর বিশ্বাস করা যাচ্ছিল না। ... সাংবাদিকরা বস্তুনিষ্ঠতায় বিশ্বাস করতে শুরু করেছিলেন ঠিক ততটুকুই যতটুকু তাঁদের প্রয়োজন ছিল। কারণ তাঁরা চেয়েছিলেন, তাঁদের দরকার ছিল এবং সাধারণ মানবিক আকাঙ্ক্ষা থেকেই তাঁরা তাঁদের নিজেদের গভীর সন্দেহ ও অস্থিরচিত্ততা থেকে মুক্তি পাওয়ার পথ খুঁজছিলেন।” অন্যভাবে বলতে গেলে, বস্তুনিষ্ঠতা বিষয়টি শুরু থেকেই একটি সমস্যাসঙ্কুল ধারণা ছিল... লিপম্যানের যুক্তি ছিল এই যে, সাংবাদিকতা আসলে কোনো সুনির্দিষ্ট পেশা নয়। এই পেশায় যুক্ত হওয়ার জন্য আপনার কোনো লাইসেন্স বা প্রাতিষ্ঠানিক একাডেমিক সনদের প্রয়োজন হয় না। সব ধরণের মানুষই নিজেদের সাংবাদিক বলে দাবি করেন। কিন্তু প্রশ্ন হলো, তাঁরা সবাই কি জনগণকে নির্ভরযোগ্য এবং স্বার্থহীন সংবাদ পণ্য সরবরাহ করতে সক্ষম? ** '''''[[:w:লুই মেনান্দ|লুই মেনান্দ]]''''', [https://www.newyorker.com/magazine/2023/02/06/when-americans-lost-faith-in-the-news “যখন আমেরিকানরা সংবাদমাধ্যমের ওপর আস্থা হারিয়েছিল”], '''''দ্য নিউ ইয়র্কার''''', (৩০ জানুয়ারি ২০২৩)। * ১৯৪৫ থেকে ১৯৭৫ সালের মধ্যবর্তী সময়ে মার্কিন ক্যাবিনেটে মাত্র একজন নারী এবং একজন কৃষ্ণকায় ব্যক্তি ছিলেন। যাঁদের প্রত্যেকেই মাত্র দুই বছর মেয়াদে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। সংবাদমাধ্যমের দিকে তাকালে দেখা যায় যে পরিস্থিতি ছিল আরও ভয়াবহ। নারী ও কৃষ্ণকায় সাংবাদিকদের পরিকল্পিতভাবে মূলধারা থেকে বাদ দেওয়া হতো। নির্দিষ্ট কিছু সংবাদ সম্মেলনে তাঁদের প্রবেশাধিকার ছিল না এবং সম্পাদকরা নারীদের কখনোই সরকারি বিষয়গুলো কভার করার দায়িত্ব দিতেন না। ঘোর বর্ণবাদ এবং লিঙ্গবৈষম্য এত দীর্ঘ সময় ধরে সেখানে টিকে ছিল যে আজ তা প্রায় অবিশ্বাস্য বলে মনে হয়। <br> ওয়াশিংটনের সাংবাদিকদের জন্য প্রধান দুটি সামাজিক সংগঠন ছিল গ্রিডাইরন ক্লাব (১৮৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত) এবং ন্যাশনাল প্রেস ক্লাব (১৯০৮ সালে প্রতিষ্ঠিত)। ১৮৯৬ সালে গ্রিডাইরন ক্লাব সদস্যদের স্ত্রীদের একটি নৈশভোজে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল, কিন্তু নারী ভোটাধিকার আন্দোলনকে উপহাস করে পরিবেশিত একটি নাটক সেখানে মোটেও ভালো সাড়া ফেলেনি; যার ফলে ১৯৭২ সাল পর্যন্ত নারীদের সেখানে আর প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি। বিংশ শতাব্দীর পঞ্চাশের দশক পর্যন্তও গ্রিডাইরন ক্লাবের নৈশভোজগুলোতে বিনোদনের জন্য সদস্যরা মুখে কালো রঙ মেখে 'ব্ল্যাকফেস' সেজে অভিনয় করতেন। ম্যাকগারের বর্ণনা অনুযায়ী, ক্লাবটির সিগনেচার টিউন ছিল “দ্য ওয়াটারমেলন সং”, যা একটি বিশেষ আঞ্চলিক [[w:উপভাষা|উপভাষায়]] গাওয়া হতো। <br> ১৯৫৫ সালের আগে ন্যাশনাল প্রেস ক্লাবে কোনো কৃষ্ণকায় সদস্য ছিলেন না; এবং সেই একই বছরেই প্রথমবারের মতো নারীদের এমন মধ্যাহ্নভোজে উপস্থিত থাকার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল যেখানে কর্মকর্তারা সদস্যদের ব্রিফিং দিতেন। তবে নারীদের বসতে হতো ব্যালকনিতে এবং তাঁদের কোনো প্রশ্ন করার অনুমতি ছিল না। ১৯৭১ সালের আগে ন্যাশনাল প্রেস ক্লাব কোনো নারী সদস্য গ্রহণ করেনি। <br> 'দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট' ১৯৫১ সালে তাদের প্রথম কৃষ্ণকায় সাংবাদিক নিয়োগ দেয়। তাঁর জন্য আলাদা শৌচাগার বরাদ্দ করা হয়েছিল এবং মাত্র দুই বছর পরেই তিনি সেই পত্রিকা ত্যাগ করেন। (ম্যাকগার বলেন যে ওয়াশিংটন পোস্ট ১৯৭২ সালের আগে আর কোনো কৃষ্ণকায় সাংবাদিক নিয়োগ দেয়নি, তবে তথ্যটি ভুল: পত্রিকাটি ১৯৬১ সালে ডরোথি বাটলার গিলিয়াম এবং ১৯৬৮ সালে জ্যাক হোয়াইটকে নিয়োগ দিয়েছিল।) নাগরিক অধিকার আন্দোলনের অনেক গভীর সময় পর্যন্তও নিউ ইয়র্ক টাইমসে কৃষ্ণকায় সাংবাদিকদের সংখ্যা ছিল অতি সামান্য। এই পত্রিকার মতো অন্যান্য সাধারণ-আগ্রহের ম্যাগাজিনগুলোর রেকর্ডও এর চেয়ে ভালো কিছু ছিল না। ** '''''লুই মেনান্দ''''', [https://www.newyorker.com/magazine/2023/02/06/when-americans-lost-faith-in-the-news “যখন আমেরিকানরা সংবাদমাধ্যমের ওপর আস্থা হারিয়েছিল”], '''''দ্য নিউ ইয়র্কার''''', (৩০ জানুয়ারি ২০২৩)। * সংবাদপত্রের শক্তি—তা যতটুকু বা যে পর্যায়েরই হোক না কেন—তা মূলত অনেকটা প্রাতিষ্ঠানিক পণ্ডিত, বৈজ্ঞানিক গবেষক এবং সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের শক্তির মতো। এটি কোনো পেশিবল বা শারীরিক শক্তির ওপর ভিত্তি করে দাঁড়িয়ে নেই; বরং এটি টিকে আছে মানুষের অগাধ বিশ্বাসের ওপর—এই বিশ্বাস যে, এরা হলো এমন একদল মানুষ যারা ভয় কিংবা পক্ষপাতিত্বের ঊর্ধ্বে থেকে কেবল সত্য অন্বেষণের জন্য নিজেদের উৎসর্গ করেছেন। যখনই তাঁরা এই মহান দায়িত্ব পালন থেকে বিচ্যুত হবেন, তখন সমাজ তাঁদের সেই একইভাবে দেখতে শুরু করবে যেভাবে বর্তমানে অন্যদের দেখা হয়—অর্থাৎ এমন একদল লোক যারা কেবল ব্যক্তিগত লাভ বা সামাজিক মর্যাদার লোভে তথ্যকে নিজ স্বার্থে ঘুরিয়ে পরিবেশন করে। ** '''''[[:w:লুই মেনান্দ|লুই মেনান্দ]]''''', [https://www.newyorker.com/magazine/2023/02/06/when-americans-lost-faith-in-the-news “যখন আমেরিকানরা সংবাদমাধ্যমের ওপর আস্থা হারিয়েছিল”], '''''দ্য নিউ ইয়র্কার''''', (৩০ জানুয়ারি ২০২৩)। * যেহেতু আদর্শগত সত্য বলে পৃথিবীতে আসলে কিছুর অস্তিত্ব নেই, তাই স্বাভাবিকভাবেই এটা প্রতীয়মান হয় যে, একজন প্রতিবেদক যখনই নিজেকে [[w:রক্ষণশীলতাবাদ|উদারপন্থী বা রক্ষণশীল]], কিংবা ডেমোক্রেটিক, [[w:সাম্যবাদ|কমিউনিস্ট]] বা রিপাবলিকান প্রতিবেদক হিসেবে উপস্থাপন করেন, তখন তিনি আসলে আর মোটেও কোনো প্রতিবেদক থাকেন না। ** '''''এইচ. এল. মেনকেন''''' (১৯৩৭), উদ্ধৃত হয়েছে: অ্যালেস্টার কুক রচিত '''''মেমোরিস অফ দ্য গ্রেট অ্যান্ড গুড''''' (১৯৯৯), পৃ. ২২৪। * সংবাদপত্রগুলো এখন জেসি-র পিছু নিতে শুরু করেছে। শুরুতে তারা তাকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করেছিল এবং সব ঘটনার দায়ভার অন্য যে কারো বা অন্য কিছুর ওপর চাপিয়ে দিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত, একজন অত্যন্ত রূপসী অথচ দৃশ্যত কোনো যৌনজীবন নেই এমন একজন নারীকে নিয়ে কাজ করা তাদের জন্য বেশ বিব্রতকর হয়ে দাঁড়িয়েছিল। কারণ তাকে কলঙ্কিত করার জন্য আসলে ঠিক কী ধরনের অপবাদ ব্যবহার করা উচিত, তা তারা খুঁজে পাচ্ছিল না। ** '''''নাওমি মিচিসন''''', “মেরি অ্যান্ড জো”; হ্যারি হ্যারিসন সম্পাদিত '''''নোভা ১''''', পৃ. ১৬৩। * সাংবাদিকরা যখন কোনো ভুল করেন, তখন তাঁদের মানহানির মামলার মুখে পড়তে হয়; কিন্তু ঐতিহাসিকরা যখন কোনো ভুল করেন, তখন তাঁরা সেই ভুল শুধরে নিয়ে বইটির একটি পরিমার্জিত সংস্করণ প্রকাশের সুযোগ পান। ** '''''বিল ময়ার্স''''', "দ্য বিগ স্টোরি", টেক্সাস স্টেট হিস্টোরিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনে প্রদত্ত ভাষণ, (৭ মার্চ ১৯৯৭), '''''ময়ার্স অন ডেমোক্রেসি''''' (২০০৮), পৃ. ১৩১। * বাকস্বাধীনতা এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতা, যা প্রথম সংশোধনীর মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ থেকে সুরক্ষিত করা হয়েছে। তা মূলত সেইসব মৌলিক ব্যক্তিগত অধিকার ও স্বাধীনতার অন্তর্ভুক্ত যা চতুর্দশ সংশোধনীর মাধ্যমে যেকোনো অঙ্গরাজ্যের হস্তক্ষেপ থেকে সকল নাগরিকের জন্য সুনিশ্চিত করা হয়েছে। এই অধিকারগুলোকে সুরক্ষিত রাখার মূল উদ্দেশ্য হলো যেন মানুষ তাদের জন্য অত্যাবশ্যকীয় বিষয়গুলো নিয়ে স্বাধীনভাবে চিন্তা ও কথা বলতে পারে এবং শিক্ষা ও আলোচনার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যেন মিথ্যার মুখোশ উন্মোচিত হয়। যা একটি মুক্ত ও স্বাধীন সরকারের জন্য একান্ত অপরিহার্য। যারা আমাদের স্বাধীনতা ছিনিয়ে এনেছিলেন, তাঁদের এই অটল বিশ্বাস ছিল যে, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সত্য আবিষ্কার এবং তা প্রচার করার জন্য স্বাধীন ও নির্ভীক যুক্তিপ্রদান এবং ধারণার আদান-প্রদান এক অজেয় শক্তি হিসেবে কাজ করবে। ** '''''[[:w:ফ্রাঙ্ক মারফি|ফ্রাঙ্ক মারফি]]''''', '''''[[:w:থর্নহিল বনাম আলাবামা মামলা|থর্নহিল বনাম আলাবামা]]''''', মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট, (১৯৪০), ৩১০ ইউ.এস. ৮৮, ৯৫। == O == * সেই স্থূলকায় [[w:রুশ_জাতি|রুশ]] গোয়েন্দাটি একে একে সমস্ত বিদেশী উদ্বাস্তুদের এক কোণায় নিয়ে যাচ্ছিলেন এবং অত্যন্ত বিশ্বাসযোগ্য ভঙ্গিতে ব্যাখ্যা করছিলেন যে, এই পুরো ঘটনাটি আসলে ছিল একটি নৈরাজ্যবাদী চক্রান্ত। আমি বেশ আগ্রহ নিয়ে তাঁকে পর্যবেক্ষণ করছিলাম, কারণ সেটিই ছিল আমার জীবনে প্রথম দেখা এমন কোনো ব্যক্তি যাঁর পেশা হলো অনর্গল মিথ্যা বলা, অবশ্য যদি কেউ এই তালিকায় সাংবাদিকদের গণনা না করেন। ** '''''[[:w:জর্জ অরওয়েল|জর্জ অরওয়েল]]''''', '''''হোমেজ টু ক্যাটালোনিয়া''''' (১৯৩৮)। * জীবনের শুরুর দিকেই আমি লক্ষ্য করেছিলাম যে সংবাদপত্রে কোনো ঘটনাই আসলে সঠিকভাবে উপস্থাপিত হয় না; কিন্তু স্পেনে আমি প্রথমবারের মতো এমন কিছু সংবাদ প্রতিবেদন দেখলাম যার সাথে বাস্তব তথ্যের বিন্দুমাত্র কোনো সম্পর্ক নেই, এমনকি একটি সাধারণ মিথ্যার মধ্যে যেটুকু সত্যের রেশ থাকে সেটুকুও সেখানে অনুপস্থিত ছিল। আমি দেখেছি এমন সব বিশাল যুদ্ধের খবর ছাপা হয়েছে যেখানে আসলে কোনো লড়াই-ই হয়নি, আবার যেখানে শত শত মানুষ প্রাণ হারিয়েছে সেখানে বজায় রাখা হয়েছে কবরের নিস্তব্ধতা। আমি দেখেছি যেসব সৈন্য সাহসিকতার সাথে লড়াই করেছে তাদেরকে উল্টো কাপুরুষ ও বিশ্বাসঘাতক হিসেবে নিন্দা জানানো হচ্ছে, আর যারা কোনোদিন যুদ্ধের ময়দানে একটি গুলিও ছোঁড়েনি তাদের কাল্পনিক বিজয়ের নায়ক হিসেবে জয়ধ্বনি দেওয়া হচ্ছে! শুধু তা-ই নয়, আমি দেখলাম '''[[w:লন্ডন|লন্ডনের]]''' সংবাদপত্রগুলো এই মিথ্যাগুলোই প্রচার করেছিল এবং উৎসাহী বুদ্ধিজীবীরা এমন সব ঘটনার ওপর আবেগপ্রবণ ইমারত গড়ে তুলছেন যা আদতে কখনও ঘটেইনি। আমি আসলে ইতিহাসকে এমনভাবে রচিত হতে দেখলাম যা কী ঘটেছে তার ওপর ভিত্তি করে নয়, বরং বিভিন্ন 'দলীয় আদর্শ' অনুযায়ী কী ঘটা উচিত ছিল, তার ওপর ভিত্তি করে তৈরি। ** '''''[[:w:জর্জ অরওয়েল|জর্জ অরওয়েল]]''''', '''''লুকিং ব্যাক অন দ্য স্প্যানিশ ওয়ার''''' (১৯৪৩)। * অনেক সাংবাদিকই আজকের দ্রুত পরিবর্তনশীল ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে এতটাই আচ্ছন্ন থাকেন যে, তাঁদের মধ্যে ইতিহাসের গভীর উপলব্ধি বা ঐতিহাসিক চেতনার এক ধরনের চরম ঘাটতি লক্ষ্য করা যায়। ** '''''ফিন্টান ও'টুল''''', '''''দি আইরিশ টাইমস''''' (২০২৩)। * অন্ধ স্তুতি বা ফ্যানডম এবং বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা কখনোই একে অপরের পরিপূরক হতে পারে না; বরং এই দুটি বিষয় একত্রে থাকলে তা অত্যন্ত বিপজ্জনক ও অসম এক সহাবস্থানের জন্ম দেয়। ** '''''ফিন্টান ও'টুল''''', '''''দি আইরিশ টাইমস''''' (২০২৩)। == P == * বর্তমানের এই বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে যেখানে প্রতিটি মানুষই একেকজন প্রকাশক হয়ে উঠেছেন, সেখানে আশ্চর্যের বিষয় হলো কেউ আসলে প্রকৃত সম্পাদকের ভূমিকা পালন করছেন না। আর ঠিক এই জায়গাতেই আজকের দিনে আমরা এক ভয়াবহ সংকটের সম্মুখীন হচ্ছি। ** '''''স্কট পেলি''''', কুইনিপিয়াক ইউনিভার্সিটিতে প্রদত্ত ভাষণ (১০ মে ২০১৩)। [http://www.youtube.com/watch?v=1AyCD_lcl1Q ইউটিউব ভিডিও: সিবিএস নিউজ অ্যাঙ্কর স্কট পেলি: 'আমরা বারবার বড় বড় খবরগুলো ভুলভাবে পরিবেশন করছি']। * সাংবাদিকদের জন্য নিজেদের কেবল সাধারণ বার্তাবাহক হিসেবে গণ্য করাই যথেষ্ট নয়। বরং তাঁদের পরিবেশিত বার্তার আড়ালে লুকিয়ে থাকা গোপন উদ্দেশ্য বা 'হিডেন এজেন্ডা' পুরিকল্পনা এবং সেই বার্তাকে ঘিরে থাকা প্রচলিত মিথ বা ভ্রান্ত ধারণাগুলো গভীরভাবে উপলব্ধি করা একান্ত প্রয়োজন। ** '''''[[:w:জন পিলজার|জন পিলজার]]''''', 'হিডেন এজেন্ডাস', ১৯৯৮। * গোপন ক্ষমতা সেই সাংবাদিকদের মনেপ্রাণে ঘৃণা করে যারা নিজেদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করেন। যারা গোপনীয়তার পর্দা সরিয়ে দেন, বাহ্যিক চাকচিক্যের আড়ালে উঁকি দেন এবং অশুভ সত্যের ওপর রাখা পাথর তুলে ধরেন। উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের কাছ থেকে আসা নিন্দা বা তিরস্কারই হলো এই নির্ভীক সাংবাদিকদের জন্য সম্মানের শ্রেষ্ঠ স্মারক। ** '''''[[:w:জন পিলজার|জন পিলজার]]''''', '''''টেল মি নো লাইজ: ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিজম দ্যাট চেঞ্জড দ্য ওয়ার্ল্ড''''', থান্ডার্স মাউথ প্রেস, (২০০৫), পৃ. xv, ISBN 1560257865। * আমরা যারা সাংবাদিক... আমাদের সেইসব ব্যক্তিদের অবজ্ঞা ও প্রতিরোধ করার মতো যথেষ্ট সাহসী হতে হবে, যারা অন্যের দেশে তাদের সাম্প্রতিকতম রক্তক্ষয়ী দুঃসাহসিক অভিযানগুলো বৈধ করার জন্য আমাদের সহযোগিতা কামনা করে। এর অর্থ হলো সরকারি ভাষ্যকে সবসময় চ্যালেঞ্জ করা, সেই ভাষ্যটি আপাতদৃষ্টিতে যতই দেশপ্রেমমূলক মনে হোক না কেন, অথবা সেটি যতই মোহনীয় ও বিভ্রান্তিকর হোক না কেন। কারণ প্রোপাগান্ডা বা অপপ্রচার পুরোপুরি আমাদের গণমাধ্যমের ওপর নির্ভর করে যেন তাদের প্রতারণার লক্ষ্যবস্তু কোনো দূরদেশের মানুষ নয়, বরং আপনার নিজের ঘরের মানুষ হয়। অন্তহীন সাম্রাজ্যবাদী যুদ্ধের এই যুগে অগণিত পুরুষ, নারী ও শিশুর জীবন আজ পরম সত্যের ওপর নির্ভর করছে। যদি সেই সত্য প্রকাশ না পায়, তবে তাদের ঝরানো রক্তের দায়ভার আমাদের ওপরই বর্তাবে। যাদের কাজ হলো ইতিহাসের নথিপত্রকে নির্ভুল রাখা, তাদের উচিত ক্ষমতার কণ্ঠস্বর না হয়ে সাধারণ মানুষের কণ্ঠস্বর হয়ে ওঠা। ** '''''[[:w:জন পিলজার|জন পিলজার]]''''', '''''দ্য ওয়ার ইউ ডোন্ট সি''''', আইটিভি১ (যুক্তরাজ্য), (১৪ ডিসেম্বর ২০১০)। * উইকিলিকস কেন সাংবাদিকতার ইতিহাসে একটি মাইলফলক হিসেবে স্বীকৃত? কারণ এর মাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যগুলো আমাদের কাছে একশ শতাংশ নিখুঁতভাবে এই সত্যটি তুলে ধরেছে যে এই বিশ্বের একটি বড় অংশ আসলে কীভাবে এবং কেন বিভক্ত এবং ঠিক কীভাবে তা পরিচালিত হচ্ছে। ** '''''[[:w:জন পিলজার|জন পিলজার]]''''', [https://frontline.thehindu.com/cover-story/article25661115.ece "নতুন শীতল যুদ্ধ এবং আসন্ন হুমকি"], '''''ফ্রন্টলাইন, ভারত''''', (২১ ডিসেম্বর ২০১৮)। * একজন সাংবাদিক সত্য প্রচারের মাধ্যমে অথবা তিনি যতটুকু সত্যের সন্ধান পান তা প্রকাশের মাধ্যমে মানুষের প্রভূত কল্যাণ সাধন করতে পারেন। তবে শর্ত হলো তাঁকে কোনো সরকার বা কোনো বিশেষ ক্ষমতার প্রতিনিধি হিসেবে নয়, বরং সাধারণ মানুষের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করতে হবে। এটিই হলো প্রকৃত সাংবাদিকতা। এর বাইরে যা কিছু আছে তার সবই আপাতদৃষ্টিতে সত্য মনে হলেও আসলে তা প্রতারণামূলক এবং মিথ্যা। ** '''''[[:w:জন পিলজার|জন পিলজার]]''''', উদ্ধৃত হয়েছে: [https://www.thedailystar.net/opinion/interviews/news/real-journalists-act-agents-people-not-power-1687921 "প্রকৃত সাংবাদিকরা জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেন, ক্ষমতার নয়"], '''''ডেইলি স্টার (বাংলাদেশ)''''', (১৬ জানুয়ারি ২০১৯)। * কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ ছাড়া সরাসরি "পশ্চিমা গোয়েন্দা সংস্থার" দোহাই দিয়ে উদ্ধৃতি প্রদান করা কখনোই সাংবাদিকতা হতে পারে না; এটি প্রায় সবসময়ই একটি সুপরিকল্পিত অপপ্রচার বা প্রোপাগান্ডা। একজন প্রতিবেদক হিসেবে আমি এই শিক্ষাটি লাভ করেছি। বিবিসি এবং অন্যান্য সংবাদমাধ্যমের এই নিরন্তর 'কোল্ড ওয়ার' বা স্নায়ুযুদ্ধের দামামা আমাদের ধীরে ধীরে একটি বিশ্বযুদ্ধের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। ** '''''[[:w:জন পিলজার|জন পিলজার]]''''', [https://twitter.com/johnpilger/status/1285869017412956160 টুইটার], (২২ জুলাই ২০২০)। == R == [[File:Helen Thomas - USNWR.jpg|thumb|আমি আশা করি যে ভবিষ্যতের সাংবাদিকরা এই পেশার প্রকৃত নীতিমালাগুলো কঠোরভাবে মেনে চলবেন এবং এটি উপলব্ধি করবেন যে দেশে ও বিদেশে গণতন্ত্র এবং মুক্ত চিন্তার আদান-প্রদানকে সজীব রাখার ক্ষেত্রে তাঁরা এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও অপরিহার্য ভূমিকা পালন করছেন।<br>~'''''[[:w:হেলেন থমাস|হেলেন থমাস]]''''' ]] * সংবাদ বোধ বা 'নিউজ সেন্স' হলো মূলত কোনটি গুরুত্বপূর্ণ, কোনটি অত্যাবশ্যক এবং কোনটির মাঝে প্রাণ ও রঙের স্পন্দন রয়েছে। অর্থাৎ মানুষ কোন বিষয়ে আগ্রহী, তা বোঝার এক অনন্য ক্ষমতা। এটিই হলো প্রকৃত সাংবাদিকতা। ** '''''বার্টন রাস্কো''''', উদ্ধৃত হয়েছে: ট্রায়ন এডওয়ার্ডস, সি. এন. ক্যাট্রেভাস এবং জনাথন এডওয়ার্ডস সম্পাদিত '''''ইউজফুল কোটেশনস: আ সাইক্লোপিডিয়া অফ কোটেশনস''''' (১৯৩৩)। * বিতর্ক? আপনি যদি এই নামের যোগ্য কোনো প্রতিবেদক হতে চান, তবে আপনি কখনোই বিতর্ককে পুরোপুরি এড়িয়ে চলতে পারবেন না। আপনি একজন দক্ষ প্রতিবেদক হতে পারবেন না যদি না আপনি নিয়মিতভাবে কোনো না কোনো তর্কের সাথে জড়িয়ে পড়েন। আর আমি মনে করি না যে বিতর্ককে বারবার এড়িয়ে চলে আপনি একজন মহান প্রতিবেদক হতে পারবেন। কারণ একজন ভালো সাংবাদিকের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব হলো সহজ সত্যগুলোর পাশাপাশি কঠিন ও রূঢ় সত্যগুলোকেও সাহসের সাথে তুলে ধরা। আর এই কঠিন সত্যগুলোই আপনাকে বিতর্কের দিকে ঠেলে দেবে, এমনকি এই কঠিন সত্যের অনুসন্ধান করতে গিয়ে আপনাকে হয়তো চড়া মূল্যও দিতে হতে পারে। দয়া করে আমার এই কথাগুলোকে কোনো অভিযোগ হিসেবে গ্রহণ করবেন না। আমি কেবল এটিই বোঝাতে চাইছি যে আপনি যদি একজন সৎ ও নিষ্ঠাবান সাংবাদিক হন, তবে এই ঝুঁকিগুলো আপনার কাজেরই অবিচ্ছেদ্য অংশ। আপনি যদি এমনভাবে সাংবাদিকতা শুরু করেন অথবা জীবনের এমন এক পর্যায়ে পৌঁছান যেখানে আপনি নিজেই নিজেকে বলেন, "শুনুন, আমি এমন কোনো কিছু স্পর্শ করব না যা থেকে বিতর্কের সৃষ্টি হতে পারে," তবে আপনার উচিত হবে অনতিবিলম্বে এই পেশা ছেড়ে দেওয়া। ** '''''ড্যান রাদার''''', সাক্ষাৎকার: [http://www.achievement.org/autodoc/page/rat0int-1 "ড্যান রাদার ইন্টারভিউ: ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট, অন দ্য ফ্রন্টলাইনস অফ ব্রেকিং নিউজ"], '''''একাডেমি অফ অ্যাচিভমেন্ট''''', (৫ মে ২০০১)। * উন্নতমানের সাংবাদিকতা সেই হাজারো 'নিষিদ্ধ বিষয়ের' রাজ্যে প্রশ্ন উত্থাপন করে, এমনকি যদি তার ফলাফল অত্যন্ত অদ্ভুত এবং বিচলিত করার মতো হওয়ার ঝুঁকিও থাকে। ... বর্তমান সময়ে সাংবাদিকরা কোনো গোয়েন্দা নন, আবার আধ্যাত্মিক ধর্মপ্রচারকও নন। তাঁরা কেবল তাঁদের অর্পিত দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করলেই তা যথেষ্ট। তবে সাংবাদিকতা পেশার সবসময়ই একটি অনুসন্ধানী দিকের পাশাপাশি একটি নৈতিক দিকও বিদ্যমান থাকে। সাংবাদিকরা গোয়েন্দা নন ঠিকই, কিন্তু তাঁদের কাজের মধ্য দিয়ে তাঁরা অনুসন্ধানের একটি নির্দিষ্ট মানদণ্ড বজায় রাখতে পারেন। তাঁরা গোয়েন্দা বাহিনীর কেউ নন, কিন্তু তাঁরা এমন সব তথ্য সরবরাহ করতে পারেন যা গোয়েন্দারাও কোনো না কোনোভাবে ব্যবহার করতে সক্ষম হন। সাংবাদিকরা আধ্যাত্মিক পথপ্রদর্শকও নন, কিন্তু পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করে তাঁরা এমন কিছু উপলক্ষ এবং সূত্র উপহার দিতে পারেন যা পাঠকদের আত্মিক খোরাক জোগাতেও কিছুটা সাহায্য করে। আসুন আমরা সবাই অত্যন্ত বিজ্ঞতার সাথে উপদেশমূলক সাংবাদিকতা থেকে দূরে থাকি; তবে ভালো সাংবাদিকরা অন্তত নিজের এবং তাঁদের পাঠকদের আত্মাকে বিষাক্ত করা থেকে বিরত থাকতে পারেন। ** '''''মার্কো রেসপিন্তি''''', [https://bitterwinter.org/a-universal-declaration-on-combating-and-preventing-forced-organ-harvesting/ "চীনের মানব ফসল এবং অবৈধ অঙ্গ বাণিজ্য: প্রকাশ করো নতুবা ধ্বংস হও?"], '''''বিটার উইন্টার'''''। * একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে সাংবাদিকতা শেখানো কতটা ভয়ানক ও অদ্ভুত বিষয়! আমি ভেবেছিলাম এটি কেবল অক্সফোর্ডেই করা হয়। নিচ ও নোংরা জনমানুষের প্রতি এই অতি-সম্মান প্রদর্শন আসলে আমাদের সভ্যতাকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। ** '''''[[:w:বার্ট্রান্ড রাসেল|বার্ট্রান্ড রাসেল]]''''', লুসি মার্টিন ডনেলিকে লেখা একটি চিঠিতে (৬ জুলাই ১৯০২)। == S == * তবে আমি এমনভাবে এর প্রতিবেদন পেশ করব—<br>যেখানে সিনেটররা তাঁদের হাসির সাথে চোখের জলের মিশ্রণ ঘটাবেন। ** '''''[[:w:উইলিয়াম শেক্সপিয়র|উইলিয়াম শেক্সপিয়র]]''''', '''''[[:w:কোরিওলেনাস|কোরিওলেনাস]]''''' (আনু. ১৬০৭-০৮), প্রথম অংক, নবম দৃশ্য, লাইন ২। * যারা অতৃপ্ত বা সত্য সম্পর্কে অবগত নয়,<br>তাদের কাছে আমাকে এবং আমার উদ্দেশ্যকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করো। ** '''''[[:w:উইলিয়াম শেক্সপিয়র|উইলিয়াম শেক্সপিয়র]]''''', '''''[[:w:হ্যামলেট|হ্যামলেট]]''''' (১৬০০-০২), পঞ্চম অংক, দ্বিতীয় দৃশ্য, লাইন ৩৫০। * আমার কাছে আর কোনো প্রতিবেদন নিয়ে এসো না। ** '''''[[:w:উইলিয়াম শেক্সপিয়র|উইলিয়াম শেক্সপিয়র]]''''', '''''[[:w:ম্যাকবেথ|ম্যাকবেথ]]''''' (১৬০৫), পঞ্চম অংক, তৃতীয় দৃশ্য, লাইন ১। * আমার মনে হয় না যে পরিস্থিতি এর আগে কখনো বর্তমানের মতো এত বেশি ভয়াবহ ছিল। কারণ এখন দেখে মনে হচ্ছে যে প্রতিটি সাংবাদিকই আসলে কোনো না কোনো হুমকির মুখে রয়েছেন। ** '''''নাজিব শরিফি''''', আফগান সাংবাদিক নিরাপত্তা কমিটির প্রধান, '''''ডিডব্লিউ''''' (DW)-এর সাথে একটি সাক্ষাৎকারে; [https://www.dw.com/en/2020-dozens-of-journalists-killed-in-targeted-attacks/a-56078207 "২০২০: লক্ষ্যবস্তু করে চালানো হামলায় কয়েক ডজন সাংবাদিক নিহত"] শীর্ষক প্রতিবেদনে প্রকাশিত। * আমি আজও বিশ্বাস করি যে, আপনার লক্ষ্য যদি হয় এই পৃথিবীকে বদলে দেওয়া, তবে সাংবাদিকতা হলো তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি তাৎক্ষণিক এবং কার্যকর একটি স্বল্পমেয়াদী অস্ত্র। ** '''''[[:w:টম স্টপার্ড|টম স্টপার্ড]]''''', '''''টম স্টপার্ড ইন কনভারসেশন''''' (১৯৯৪), পল ডেলানি সম্পাদিত, ইউনিভার্সিটি অফ মিশিগান প্রেস, পৃ. ১৯৬। * আমি কোনো সংবাদের বা গল্পের অংশ হয়ে উঠতে চাই না। আমি বরং একজন নামহীন, শান্ত ও নিভৃতচারী দর্শক হয়ে থাকতে চাই। যে আসলে পৃথিবীতে কী ঘটছে তা বোঝার চেষ্টা করে (যা মোটেও সহজ কোনো কাজ নয়) এবং পরবর্তীতে অন্য মানুষের কাছে সেই সত্যটি বর্ণনা করে। ঘটনার কেন্দ্রে কোনো গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র হয়ে থাকাটা আমার একদমই পছন্দ নয়। ** '''''[[:w:জন সিম্পসন|জন সিম্পসন]]''''', সাক্ষাৎকার: '''''বিবিসি নরফোক''''', (১২ অক্টোবর ২০০৭)। [[File:William Thomas Stead.jpg|thumb|সংবাদমাধ্যম একই সাথে জনগণের চোখ, কান এবং জিহ্বা স্বরূপ। এটি যদি গণতন্ত্রের কণ্ঠস্বর নাও হয়, তবুও এটি গণতন্ত্রের এক দৃশ্যমান ভাষা। এটি আসলে পুরো বিশ্বের একটি জীবন্ত শব্দলেখচিত্র বা ফোনোগ্রাফ।<br>~'''''[[:w:উইলিয়াম থমাস স্টিড|উইলিয়াম থমাস স্টিড]]''''' ]] * সংবাদমাধ্যম একই সাথে জনগণের চোখ, কান এবং জিহ্বা স্বরূপ তথা একটি দেহের মতো। এটি যদি গণতন্ত্রের প্রকৃত কণ্ঠস্বর নাও হয়ে থাকে, তবুও এটি গণতন্ত্রের এক অনন্য ও দৃশ্যমান ভাষা। সহজ কথায়, এটি পুরো বিশ্বের একটি জীবন্ত শব্দলেখচিত্র বা ফোনোগ্রাফ। ** '''''উইলিয়াম থমাস স্টিড''''' (মে ১৮৮৬), "গভর্নমেন্ট বাই জার্নালিজম", ''কন্টেম্পোরারি রিভিউ''। * সাংবাদিকতা (একটি সংজ্ঞা দেওয়া যাক): জীবনকে একগুচ্ছ গতানুগতিক ক্লিশে বা ধরাবাঁধা চেনা ছাঁচের ধারাবাহিকতা হিসেবে উপস্থাপন করার একটি শিল্প কিংবা বিজ্ঞান। ** '''''রিচার্ড সামারবেল''''', '''''অ্যাবনরমালি হ্যাপি''''' (১৯৮৫), নিউ স্টার বুকস, পৃ. ৩০, ISBN 091957341X। == T == * সংবাদপত্র পড়ার নেশা থেকে পুরোপুরি মুক্তি পেতে চাইলে, একটি বছর ব্যয় করুন গত সপ্তাহের পুরোনো সংবাদপত্রগুলো পড়ার পেছনে! (যেন সত্য এবং মিথ্যার মাঝে তৌফাতটা ধরতে পারা যায়!) ** '''''নাসিম এন. তালেব''''', '''''দ্য বেড অফ প্রোক্রাস্টাস: ফিলোসফিক্যাল অ্যান্ড প্র্যাকটিক্যাল অ্যাফোরিজমস''''' (২০১০), পৃ. ২১। * আমি সবসময়ই উন্নতমানের ও শৈল্পিক লিখনশৈলীর মানদণ্ড বজায় রাখার চেষ্টা করেছি। এই সাংবাদিকতা পেশার ভেতরেও শিল্প লুকিয়ে আছে। এমনকি এখানে অত্যন্ত মহান শিল্প সৃষ্টি হওয়ার প্রবল সম্ভাবনাও বিদ্যমান। ** '''''[[:w:গে টালিস|গে টালিস]]''''' (১৪ সেপ্টেম্বর ২০০৬); রিপোর্ট করেছেন রেবেকা ক্যাথকার্ট: '''''বুলপেন: এনওয়াইইউ জার্নালিজম''''', নিউ ইয়র্ক ইউনিভার্সিটি। * একজন সংবাদ প্রতিবেদকের প্রকৃত শিল্প চাতুর্য হলো কোনো শিকারকে কীভাবে আশ্বস্ত করে শান্ত করতে হয় তা আয়ত্ত করা। কারণ সমস্ত দক্ষ প্রতিবেদকই আসলে তাঁদের প্রাথমিক সত্তায় একেকজন অত্যন্ত ধুরন্ধর প্রতারক বা 'কনফিডেন্স ট্রিকস্টার'। ** '''''ডেরেক টাঙ্গি''''', ব্রিটিশ লেখক, '''''দ্য ওয়ে টু মাইনাক''''' (১৯৬৮), সপ্তম অধ্যায়। * আমি মোটেও বিশ্বাস করি না যে সাংবাদিকতা একটি মৃতপ্রায় শিল্প। বরং আমি মনে করি, এটি আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় এখন অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ; এবং বিশ্বজুড়ে সাংবাদিকরা আমাদের কর্মপদ্ধতির সাথে নিজেদের মানিয়ে নিচ্ছেন, যার মূল লক্ষ্য হলো সরকারি কর্মকর্তাদের জনগণের কাছে দায়বদ্ধ করা। সাংবাদিকের ভূমিকা অপরিহার্য, এবং সংবাদকর্মীরা মাঝে মাঝে জনরোষের শিকার বা নিন্দিত হলেও, তাঁরা যখন নিষ্ঠার সাথে সত্য অন্বেষণ করেন এবং ইতিবাচক ফলাফল বয়ে আনেন, তখন তাঁরা আজও অত্যন্ত উচ্চ মর্যাদায় ভূষিত হন। আমার প্রত্যাশা এই যে, ভবিষ্যতের সাংবাদিকরা এই পেশার প্রকৃত মূলনীতিগুলো মেনে চলবেন এবং এটি উপলব্ধি করবেন যে, দেশে ও বিদেশে গণতন্ত্রকে সমুন্নত রাখতে এবং মুক্ত চিন্তার আদান-প্রদানকে সচল রাখতে তাঁরা এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও অনবদ্য ভূমিকা পালন করছেন। ** '''''হেলেন থমাস''''', '''''ওয়াচডগস অফ ডেমোক্রেসি?''''' (২০০৬), সাইমন অ্যান্ড শুস্টার, ভূমিকা অংশ, ISBN 0743267818। * বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা নিয়ে এই হলো আমার বক্তব্য। আমার কোনো নামলিপির নিচে বা আমার চেনা অন্য কারোর লেখার মাঝেও এটি খুঁজে পাওয়ার বৃথা চেষ্টা করে লাভ নেই। খেলার স্কোরকার্ড, ঘোড়দৌড়ের ফলাফল কিংবা শেয়ার বাজারের তালিকার মতো গুটিকতক ব্যতিক্রম ছাড়া এই পৃথিবীতে 'বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা' বলে আসলে কিছুর অস্তিত্ব নেই। এই শব্দগুচ্ছটি নিজেই নিজের অর্থের মধ্যে এক উদ্ধত ও হাস্যকর বৈপরীত্য ছাড়া আর কিছুই নয়। ** '''''হান্টার এস. থম্পসন''''', '''''ফিয়ার অ্যান্ড লোদিং: অন দ্য ক্যাম্পেইন ট্রেইল '৭২''''' (২২ এপ্রিল ১৯৮৫), পৃ. ৪৮, ISBN 0446313645। * "সংবাদপত্র যদি কেবল এইটুকুই দেওয়ার ক্ষমতা রাখে, তবে তা নিয়ে মাথা ঘামানোর দরকার কী? অ্যাগনিউ ঠিকই বলেছিলেন। সংবাদমাধ্যম হলো একদল নিষ্ঠুর ও বিকৃত মানুষের আস্তানা। সাংবাদিকতা কোনো পেশা বা সাধারণ ব্যবসা নয়। এটি হলো ব্যর্থ আর অযোগ্যদের ভিড় জমানোর এক সস্তা আশ্রয়স্থল। জীবনের পেছনের দরজার দিকে যাওয়ার জন্য এটি একটি মিথ্যে প্রবেশপথ। এটি বিল্ডিং পুলিশ ইন্সপেক্টর কর্তৃক পরিত্যক্ত এক নোংরা ও দুর্গন্ধযুক্ত গর্ত, যা কেবল কোনো মদ্যপ-ভবঘুরে ব্যক্তির ফুটপাত থেকে গুটিয়ে শুয়ে থাকার জন্য কিংবা চিড়িয়াখানার খাঁচায় বন্দি কোনো শিম্পাঞ্জির মতো কুরুচিপূর্ণ আচরণের উপযুক্ত স্থান হিসেবে যথেষ্ট গভীর।" ** '''''হান্টার এস. থম্পসন''''', '''''ফিয়ার অ্যান্ড লোদিং ইন লাস ভেগাস''''' (১৯৭১), পৃ. ২০০। == U == * প্রত্যেকে ব্যক্তিরই স্বাধীনভাবে নিজস্ব মত পোষণ এবং তা প্রকাশের অধিকার রয়েছে। এই অধিকারের মধ্যে কোনো প্রকার হস্তক্ষেপ ছাড়াই স্বীয় মতামতে অটল থাকা এবং যেকোনো সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে এবং ভৌগোলিক সীমানা নির্বিশেষে তথ্য ও ধারণা অনুসন্ধান করা, গ্রহণ করা এবং তা প্রচার করার স্বাধীনতা অন্তর্ভুক্ত। ** '''''[[:w:জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ|জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ]]''''', '''''মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণা''''', [[w:জাতিসংঘ|জাতিসংঘ]], প্যালে ডি শাইলট, প্যারিস (১০ ডিসেম্বর ১৯৪৮), ধারা ১৯। [http://www.un.org/Overview/rights.html মূল পাঠ্য] == V == [[File:Superman-facebook.svg|thumb|সাংবাদিকতা হলো সেই একমাত্র সত্তা যা আমাদেরকে সুরক্ষা প্রদান করতে পারে। ঐতিহাসিকভাবেই এমন কিছু আপসহীন ও প্রতিবাদী সাংবাদিক ছিলেন যারা পরিণতির পরোয়া না করে সত্যের পথে লড়াই করতেন। কিন্তু সেই ধারা এখন 'অ্যাডভোকেসি জার্নালিস্ট' বা ওকালতি সাংবাদিকতায় রূপ নিয়েছে, যাদের নির্দিষ্ট বামপন্থী কিংবা ডানপন্থী রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্ব রয়েছে। এর কোনো যৌক্তিক ভিত্তি নেই। একজন সাংবাদিকের একমাত্র উপাসনার বিষয় হওয়া উচিত ধ্রুব সত্য।<br>~'''''অ্যান্ড্রু ভাকস''''' ]] * সাংবাদিকতা হলো সেই একমাত্র মাধ্যম যা আমাদের ঢাল হয়ে রক্ষা করে। অতীতে এমন অনেক আপসহীন ও লড়াকু সাংবাদিকের ইতিহাস ছিল যারা পরিণতির পরোয়া না করেই সত্য প্রকাশে অবিচল থাকতেন। কিন্তু সেই জায়গাটি এখন দখল করে নিয়েছে এক ধরনের 'ওকালতি সাংবাদিকতা'! যেখানে সংবাদকর্মীরা বাম কিংবা ডানপন্থী রাজনৈতিক আদর্শের প্রতি পক্ষপাতদুষ্ট। এটি মোটেও যুক্তিযুক্ত নয়। একজন সাংবাদিকের উপাসনার যোগ্য একমাত্র ঈশ্বর হওয়া উচিত পরম সত্য। ** '''''অ্যান্ড্রু ভাকস''''', ডুয়েন সোয়ারসিনস্কির নেওয়া সাক্ষাৎকার, ''ফিলডেলফিয়া সিটি পেপার'', (৭ জুলাই ২০০৫)। == W == [[File:Oscar Wilde by Napoleon Sarony. Three-quarter-length photograph, seated.jpg|thumb|সাধারণ মানুষের মাঝে সবকিছু জানার এক অতৃপ্ত কৌতূহল কাজ করে, কেবল সেই বিষয়গুলো ছাড়া যা আসলে জানার যোগ্য। সাংবাদিকতা এই দুর্বলতা সম্পর্কে অনেক সচেতন এবং ব্যবসায়িক মানসিকতার অধিকারী হওয়ার ফলে তারা ঠিক সেই চাহিদাগুলোই মিটিয়ে থাকে।<br>~'''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''' ]] * আমার একটি লক্ষ্য ছিল 'দ্য ''৬০ মিনিটস''' এর জন্য কাজ করা এবং বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে যাওয়ার সক্ষমতা অর্জন করা, যেকোনো বিষয়ের ওপর প্রতিবেদন তৈরি করা এবং প্রচারের জন্য যথেষ্ট সময় পাওয়া। সহজ কথায়, সাংবাদিকতায় এর সমতুল্য কোনো দ্বিতীয় কাজ আর নেই। শুরুতে এটি ছিল কেবল একটি স্বপ্ন। এখন ৮৪ বছর বয়সে এসেও আমি এমন সব মানুষের সাথে কাজ করছি যারা আমার অর্ধেক বয়সের বা তারও কম। আর এর মূল কারণ হলো সংবাদের প্রতি এক অমোঘ আকর্ষণ। যদি কোথাও কোনো ভালো সংবাদ বা গল্পের সুযোগ থাকে, তবে সেখানে উপস্থিত না হওয়ার কোনো কারণ আমি দেখি না। ** '''''মাইক ওয়ালেস''''', সাক্ষাৎকার: '''''অ্যাকাডেমি অফ অ্যাচিভমেন্ট''''', (৮ জুন ২০০২)। * [[w:সংবাদ|সংবাদ]] হলো এমন কিছু যা সেই ব্যক্তিটি পড়তে চায় যে আসলে কোনো কিছু নিয়েই খুব একটা মাথা ঘামায় না। আর এটি ততক্ষণই সংবাদ হিসেবে টিকে থাকে যতক্ষণ না সে এটি পড়ছে। একবার পড়া হয়ে গেলে এটি স্রেফ একটি মৃত বিষয়ে পরিণত হয়। ** '''''ইভলিন ওয়াহ''''' (১৯৩৮), ''স্কুপ'', প্রথম খণ্ড, ৫ম অধ্যায়; উদ্ধৃতিটি পুনরুৎপাদন করা হয়েছে: ডেভিড ক্রিস্টাল ও হিলারি ক্রিস্টাল রচিত '''''ওয়ার্ডস অন ওয়ার্ডস: কোটেশনস অ্যাবাউট ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজেস''''' (২০০০), ইউনিভার্সিটি অফ শিকাগো প্রেস, পৃ. ২৭৭, ISBN 0226122018। * এটি একটি ধ্রুব সত্য যে, কোনো অভিযোগের বিপরীতে দেওয়া খণ্ডন বা প্রতিবাদ কখনোই মূল অভিযোগের গতির সাথে পাল্লা দিয়ে উঠতে পারে না। যেসব সৎ সাংবাদিক ব্যক্তি হয়তো ভুলবশত কোনো মিথ্যা তথ্য ছাপিয়ে ফেলতে পারেন, তাঁরা খুব ভালো করেই জানেন যে অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে প্রকাশিত কোনো প্রতিবাদলিপি বা সংশোধনীও মূল প্রতিবেদনের মাধ্যমে হওয়া ক্ষতির ক্ষত কখনোই পুরোপুরি মুছে ফেলতে পারে না। ** '''''টম উইকার''''', [http://www.nytimes.com/1989/06/09/opinion/in-the-nation-lesson-of-lattimore.html "ইন দ্য নেশন; লেসন অফ ল্যাটিমোর"], '''''[[:w:দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস|দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস]]''''', (৯ জুন ১৯৮৯)। * সেটি ছিল এক মারাত্মক ও অভিশপ্ত দিন যখন সাধারণ মানুষ প্রথম আবিষ্কার করল যে, কলম আসলে ফুটপাতের ইটের চেয়েও ভয়ংকর রকম্ন শক্তিশালী এবং একে অনায়াসেই ইটের টুকরোর মতো আক্রমণাত্মক করে তোলা সম্ভব! | এই সত্য জানার পরপরই তারা একজন সাংবাদিকের খোঁজ করল, তাকে খুঁজে বের করল, তাকে নিজেদের প্রয়োজনের তাগিদে তথা 'আপনা-সুবিধা' বাস্তবায়নের জন্য গড়ে তুলল এবং শেষ পর্যন্ত তাকে নিজেদের এক পরিশ্রমী ও উচ্চ বেতনের ভৃত্যে পরিণত করল। এটি উভয় পক্ষের জন্যই অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়। যুদ্ধের ব্যারিকেডের পেছনে হয়তো মহত্ত্ব আর বীরত্বের অনেক কিছু থাকতে পারে। কিন্তু সংবাদপত্রের সম্পাদকীয় বা প্রধান নিবন্ধগুলোর পেছনে কুসংস্কার, মূর্খতা, ভণ্ডামি আর নিরর্থক প্রলাপ ছাড়া আর কী-ই বা আছে? আর যখন এই চারটি বিষয় একত্রিত হয়, তখন তারা এক ভয়াবহ শক্তিতে রূপান্তরিত হয় এবং এক নতুন ও একনায়কতান্ত্রিক কর্তৃত্বের সৃষ্টি করে। ** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''[[:w:দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম|দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম]]''''' (১৮৯১); লন্ডন: আর্থার এল. হামফ্রেস (১৯১২ সংস্করণ)। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরি থেকে সংগৃহীত। * প্রাচীনকালে মানুষের ওপর নির্যাতন করার জন্য 'র‍্যাক' (The Rack) নামক যন্ত্র ছিল, আর এখন তাদের হাতে আছে সংবাদমাধ্যম বা প্রেস। এটি নিশ্চিতভাবেই একটি উন্নতি বলা যায়। কিন্তু তা সত্ত্বেও এটি অত্যন্ত মন্দ, ভুল এবং নৈতিকভাবে অবক্ষয় সৃষ্টিকারী। কেউ একজন—তিনি কি বার্ক ছিলেন? সাংবাদিকতাকে 'চতুর্থ স্তম্ভ' বা ফোর্থ এস্টেট বলে অভিহিত করেছিলেন। সেই সময়ে সেটি নিঃসন্দেহে সত্য ছিল। কিন্তু বর্তমান মুহূর্তে এটিই আসলে একমাত্র স্তম্ভে পরিণত হয়েছে। কারণ এটি অন্য বাকি তিনটি স্তম্ভকেই গ্রাস করে ফেলেছে। লর্ডস টেম্পোরাল বা উচ্চকক্ষ এখন নিশ্চুপ, লর্ডস স্পিরিচুয়াল বা ধর্মীয় প্রতিনিধিদের বলার মতো কিছুই নেই এবং হাউজ অফ কমন্স বা নিম্নকক্ষের বলার মতো কিছু না থাকলেও তারা অনবরত কথা বলে যাচ্ছে। আমরা এখন পুরোপুরি সাংবাদিকতার আধিপত্য দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হচ্ছি। ** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''[[:w:দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম|দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম]]''''' (১৮৯১); লন্ডন: আর্থার এল. হামফ্রেস (১৯১২ সংস্করণ)। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরি থেকে সংগৃহীত। * আমেরিকায় প্রেসিডেন্ট মাত্র চার বছরের জন্য রাজত্ব করেন, কিন্তু সাংবাদিকতা সেখানে শাসন চালায় অনন্তকাল ধরে! সৌভাগ্যবশত, ইতোমধ্যে আমেরিকায় 'সাংবাদিকতা' তার ক্ষমতাকে সবচেয়ে জঘন্য এবং পাশবিক চরম সীমায় নিয়ে গেছে। যার স্বাভাবিক পরিণতি হিসেবে এটি মানুষের মাঝে এক বিদ্রোহের চেতনা সৃষ্টি করতে শুরু করেছে! মানুষ এখন তাদের স্বভাব অনুযায়ী এই সাংবাদিকতা দেখে হয় বিনোদিত হয়, না হয় চরম বিরক্ত হয়। কিন্তু এটি আগের মতো আর সেই প্রকৃত প্রভাবশালী শক্তিতে টিকে নেই। মানুষ একে এখন আর খুব একটা গুরুত্ব দেয় না। অন্যদিকে [[w:ইংল্যান্ড|ইংল্যান্ডে]], সুপরিচিত গুটিকতক উদাহরণ ছাড়া সাংবাদিকতাকে যেহেতু এমন পাশবিক চরম সীমায় নিয়ে যাওয়া হয়নি, তাই এটি এখনও একটি বিশাল বড় প্রভাবক এবং এক উল্লেখযোগ্য শক্তি হিসেবে টিকে আছে। মানুষের ব্যক্তিগত জীবনের ওপর এটি যে ধরণের স্বৈরতান্ত্রিক শাসন কায়েম করতে চায়, তা আমার কাছে অত্যন্ত অস্বাভাবিক ও বিস্ময়কর বলে মনে হয়। ** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''[[:w:দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম|দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম]]''''' (১৮৯১); লন্ডন: আর্থার এল. হামফ্রেস (১৯১২ সংস্করণ)। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরি থেকে সংগৃহীত। * আমরা এখানে সাংবাদিককে নিরঙ্কুশ স্বাধীনতা দিয়েছি, অথচ শিল্পীর পথকে করেছি সম্পূর্ণ কণ্টকাকীর্ণ ও সীমাবদ্ধ। ইংরেজ জনমত মূলত সেই মানুষটিকেই বাধাগ্রস্ত করতে, অবদমিত করতে এবং তাঁর যাত্রাপথকে বিকৃত করতে চায়, যিনি প্রকৃতপক্ষে সুন্দর কিছু সৃষ্টি করেন। অন্যদিকে এটিই আবার সাংবাদিককে বাধ্য করে কুৎসিত, জঘন্য কিংবা বাস্তবিকভাবেই চরম ঘৃণ্য বিষয়গুলো পরিবেশন করতে। আর এর ফলস্বরূপ আমরা একই সাথে বিশ্বের সবচেয়ে গম্ভীর সাংবাদিকতা এবং সবচেয়ে কুরুচিপূর্ণ সংবাদপত্রের অধিকারী হয়েছি। ** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''[[:w:দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম|দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম]]''''' (১৮৯১); লন্ডন: আর্থার এল. হামফ্রেস (১৯১২ সংস্করণ)। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরি থেকে সংগৃহীত। * প্রকৃত সত্য এই যে, সাধারণ মানুষের মাঝে সবকিছু জানার এক প্রচণ্ড ও অতৃপ্ত কৌতূহল কাজ করে, কেবল সেই বিষয়গুলো ছাড়া যা আসলে জানার মতো কোনো যোগ্যতাই রাখে না। সাংবাদিকতা মানুষের এই চারিত্রিক দুর্বলতা সম্পর্কে পূর্ণ সচেতন এবং এক ধরণের খাঁটি ব্যবসায়িক মানসিকতার অধিকারী হওয়ার ফলে, তারা নিছক মুনাফার দায়ে মানুষের সেই কুরুচিপূর্ণ চাহিদাগুলোই পূরণ করে থাকে। ** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''[[:w:দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম|দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম]]''''' (১৮৯১); লন্ডন: আর্থার এল. হামফ্রেস (১৯১২ সংস্করণ)। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরি থেকে সংগৃহীত। * আধুনিক সাংবাদিকতার পক্ষে বলার মতো আসলে অনেক কিছু আছে। অল্পশিক্ষিত বা মূর্খদের মতামত আমাদের সামনে উপস্থাপনের মাধ্যমে এটি আমাদের সমাজের সামগ্রিক অজ্ঞতার সাথে নিবিড়ভাবে যুক্ত রাখে। সমসাময়িক জীবনের দৈনন্দিন ঘটনাবলী অত্যন্ত সতর্কতার সাথে ধারাবাহিকভাবে লিপিবদ্ধ করার মাধ্যমে এটি আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয় যে, আদতে এই সব ঘটনার গুরুত্ব কতই না নগণ্য। আর সবসময় অপ্রয়োজনীয় বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে এটি আমাদের বুঝতে সাহায্য করে যে, সংস্কৃতির জন্য ঠিক কোন বিষয়গুলো অপরিহার্য এবং কোনগুলো একেবারেই অকেজো। ** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''দ্য ক্রিটিক অ্যাজ আর্টিস্ট''''' (১৮৯১), দ্বিতীয় খণ্ড। * আর্নেস্ট: কিন্তু সাহিত্য এবং সাংবাদিকতার মধ্যে প্রকৃত পার্থক্যটি ঠিক কোথায়? গিলবার্ট: পার্থক্য শুধু এইটুকু যে সাংবাদিকতা হলো পাঠের অযোগ্য বিষয়, আর সাহিত্য কেউ সচরাচর পাঠ করে না। সাধারণত, এর বাইরে আর কোনো তফাৎ নেই। ** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''[[:w:দ্য ক্রিটিক অ্যাজ আর্টিস্ট|দ্য ক্রিটিক অ্যাজ আর্টিস্ট]]''''' (১৮৯১), প্রথম খণ্ড; নিউ ইয়র্ক: ব্রেটানোস (১৯০৫ সংস্করণ)। লাইব্রেরি অফ কংগ্রেস থেকে সংগৃহীত। * আধুনিক সাংবাদিকতার কথা যদি বলেন, তবে এর স্বপক্ষে সাফাই গাওয়া বা একে রক্ষা করা আমার কাজ নয়। এটি ডারউইনের সেই বিবর্তনবাদ তত্ত্ব তথা 'যোগ্যতমের টিকে থাকার লড়াই'—এর পরিবর্তে 'নিকৃষ্টতমের টিকে থাকা' বা সার্ভাইভাল অফ দ্য ভালগারেস্টের মহান মূলনীতির মাধ্যমেই নিজের অস্তিত্বের যৌক্তিকতা প্রমাণ করে। ** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''[[:w:দ্য ক্রিটিক অ্যাজ আর্টিস্ট|দ্য ক্রিটিক অ্যাজ আর্টিস্ট]]''''' (১৮৯১), প্রথম খণ্ড; নিউ ইয়র্ক: ব্রেটানোস (১৯০৫ সংস্করণ)। লাইব্রেরি অফ কংগ্রেস থেকে সংগৃহীত। * ঘুস দিয়ে যদি সাংবাদিককে বশে আনতে চান,<br>তবে আপনাকে নিন্দাবাদ<br />কিংবা নিজ স্বার্থের জন্য যদি বাঁকিয়ে ফেলতেও যান,<br>আপনাকে মুর্দাবাদ,<br />তাই গাহি স্রষ্টার গান!<br>-জনৈক ব্রিটিশ সাংবাদিক<br /><br>তবে, কোনো প্রকার ঘুস ছাড়াই সেই মানুষটি যা যা করতে সক্ষম—<br />তা দেখার পর, তাঁকে ঘুস দেওয়া ছাড়া আর কোন প্রয়োজনটিই অক্ষম! ** '''''হাম্বার্ট উলফ''''', "ওভার দ্য ফায়ার", ''দ্য আনসেলেস্টিয়াল সিটি'' (১৯৩০)-এ, ''রুপান্তরঃ'' '''মাহমুদ''' (২৩ এপ্রিল, ২০২৬)। * যদি [[:w:মঙ্গল গ্রহ|মঙ্গল গ্রহ]] থেকে কেউ আমেরিকায় আসে এবং সেখানে কয়েক মাস বা কয়েক বছর ঘুরে বেড়ানোর পর আপনি তাকে জিজ্ঞাসা করেন যে, সেখানে কাদের কাজ বা পেশা সবচেয়ে চমৎকার; তবে সে নিশ্চিতভাবেই সাংবাদিকদের কথা বলবে। কারণ সাংবাদিকরা মানুষের জীবনের সেই মুহূর্তগুলোতে প্রবেশ করার সুযোগ পান যখন সেই জীবনগুলো অত্যন্ত আকর্ষণীয় ও রোমাঞ্চকর থাকে, আর ঠিক যখনই আকর্ষণ ফুরিয়ে যায়, তখনই তাঁরা সেখান থেকে নির্বিঘ্নে বেরিয়ে আসতে পারেন। ** '''''[[:w:বব উডওয়ার্ড|বব উডওয়ার্ড]]''''', সাক্ষাৎকার: '''''অ্যাকাডেমি অফ অ্যাচিভমেন্ট''''', (১ মে ২০০৩)। == Y == * আমি সাংবাদিকদের মনে প্রাণে খুব-ই ঘৃণা করি! তাদের ভেতরটা বিদ্রূপাত্মক এবং উপহাসপূর্ণ শূন্যতা ছাড়া আর কিছুই নয়, জাস্ট কিছুই নয়!.. এই পৃথিবীর পৃষ্ঠে তারা হলো সবচেয়ে নিচু প্রকৃতির আর অন্তঃসারশূন্য একদল বুনো মানুষ! ** '''''[[:w:ডব্লিউ. বি. ইয়েটস|ডব্লিউ. বি. ইয়েটস]]''''', ক্যাথরিন টাইন্যানকে লেখা চিঠি (৩০ আগস্ট ১৮৮৮)। * একজন রাষ্ট্রনায়ক বেশ সহজ-সরল মানুষ,<br />তিনি স্রেফ মুখস্থ করা বুলি দিয়েই অনর্গল মিথ্যে বলেন;<br />কিন্তু একজন সাংবাদিক তাঁর মিথ্যেগুলো নিজেই উদ্ভাবন করেন,<br />এবং এরপর সেই মিথ্যের জোরে আপনার টুঁটি চেপে ধরেন। ** '''''[[:w:ডব্লিউ. বি. ইয়েটস|ডব্লিউ. বি. ইয়েটস]]''''', ''দ্য ওল্ড স্টোন ক্রস''-এ। * বর্তমান সময়ের সাংবাদিকতা—বড় বড় শহরগুলোর সংবাদপত্রগুলোর মধ্যকার পারস্পরিক সম্পর্কের কথা বিবেচনা করলে—বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বেশ ভদ্রোচিত এবং মার্জিত বলে মনে হয়। কিন্তু সেই দিনগুলোতে নিউ ইয়র্কের দৈনিক পত্রিকাগুলো একে অপরের কর্মকাণ্ড এবং উদ্দেশ্যকে প্রকাশ্যে এমন ঘৃণাভরে আক্রমণ করত, যা সচরাচর পরম সৎ নাগরিকরা ঘোড়া-চোর কিংবা ডাকাতদের প্রতি প্রকাশ করে থাকেন। 'দ্য সান'-এর ডানা এবং 'দ্য ওয়ার্ল্ড'-এর পুলিৎজারের মধ্যকার দীর্ঘস্থায়ী দ্বন্দ্ব সে সময় ব্যাপক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ছিল; এমনকি 'ওয়ার্ল্ড' এবং 'হেরাল্ড' পত্রিকা দুটিও প্রায়ই একে অপরের ওপর নেকড়ের মতো ক্ষিপ্ত হয়ে গর্জন করত। ** '''''আর্ট ইয়ং: হিজ লাইফ অ্যান্ড টাইমস''''' (১৯৩৯)। ===''হয়েটস নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস''=== :<small>'''''[[s:en:Hoyt's New Cyclopedia Of Practical Quotations (1922)|হয়েটস নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস]]''''' (১৯২২), পৃ. ৪০৭-০৮ থেকে প্রতিবেদনকৃত উদ্ধৃতিসমূহ।</small> * আমি তাঁদের মঙ্গলের জন্য অত্যন্ত আন্তরিকভাবে এই পরামর্শ দেব—যেন তাঁরা এই সংবাদপত্রটি নিয়মিত সংগ্রহ করার আদেশ দেন এবং একে তাঁদের প্রতিদিনের বৈকালিক আপ্যায়নের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে গণ্য করেন। ** '''''[[:w:জোসেফ অ্যাডিসন|জোসেফ অ্যাডিসন]]''''', ''স্পেকটেটর'', সংখ্যা ১০। * তারা আমাদের কাগজ তৈরির শিল্পের একটি বিশাল অংশ ভোগ করে, মুদ্রণ কাজে আমাদের কারিগরদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে এবং অগণিত দরিদ্র ও অভাবী মানুষের জন্য জীবিকা নির্বাহের পথ প্রশস্ত করে দেয়। ** '''''[[:w:জোসেফ অ্যাডিসন|জোসেফ অ্যাডিসন]]''''', ''স্পেকটেটর'', সংখ্যা ৩৬৭। * বিজ্ঞাপন সাধারণ বা নিম্নবিত্ত মানুষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী একটি মাধ্যম। প্রথমত, এটি উচ্চাকাঙ্ক্ষা পূরণের হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে। একজন মানুষ যিনি কোনোভাবেই সরকারি গেজেটে স্থান পাওয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ নন, তিনি খুব সহজেই বিজ্ঞাপনের পাতায় নিজেকে ঢুকিয়ে দিতে পারেন; যার ফলে আমরা প্রায়ই দেখি একই সংবাদপত্রে একজন সাধারণ ওষুধ বিক্রেতা বা কবিরাজ একজন পূর্ণক্ষমতাপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূতের পাশে স্থান পেয়েছেন, কিংবা একজন সাধারণ বার্তাবাহক কোনো উচ্চপদস্থ দূতের সাথে একই সারিতে দাঁড়িয়ে আছেন। ** '''''[[:w:জোসেফ অ্যাডিসন|জোসেফ অ্যাডিসন]]''''', ''ট্যাটলার'', সংখ্যা ২২৪। * বিজ্ঞাপন লেখার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় কৌশল বা শিল্প হলো পাঠকের দৃষ্টি আকর্ষণ করার সঠিক পদ্ধতিটি খুঁজে বের করা; কারণ এই কৌশল ছাড়া একটি অত্যন্ত চমৎকার বস্তুও হয়তো অলক্ষিত থেকে যেতে পারে, কিংবা দেউলিয়া হওয়ার সংবাদের ভিড়ে কোথাও হারিয়ে যেতে পারে। ** '''''[[:w:জোসেফ অ্যাডিসন|জোসেফ অ্যাডিসন]]''''', ''ট্যাটলার'', সংখ্যা ২২৪। * জিজ্ঞেস করছেন কীভাবে জীবন ধারণ করবেন? লিখুন, লিখুন, যা খুশি তা-ই লিখুন;<br>এই পৃথিবীটা এক চমৎকার বিশ্বাসপ্রবণ জগত, তাই স্রেফ সংবাদ লিখে যান। ** '''''বিউমন্ট এবং ফ্লেচার''''', ''উইট উইদাউট মানি'', দ্বিতীয় অংক। * [বিরোধী সংবাদমাধ্যম] মূলত এমন সব অসন্তুষ্ট ও ঈর্ষাপরায়ণ ব্যক্তিদের হাতে ন্যস্ত থাকে, যারা নিজেদের কর্মজীবনে শোচনীয়ভাবে ব্যর্থ হয়েছে। ** '''''[[:w:অটো ফন বিসমার্ক|অটো ফন বিসমার্ক]]''''', রুজেনের একটি প্রতিনিধি দলের নিকট রাজার উদ্দেশে (১০ নভেম্বর ১৮৬২)। * শোনো ওহে কেকের দেশ, আর স্কটল্যান্ডের ভাইরা আমার,<br>মেইডেনকার্ক থেকে জনি গ্রোটস—সব প্রান্তের মানুষেরা শোনো;<br>যদি তোমাদের পোশাকে কোনো ছিদ্র বা ব্যক্তিগত কোনো ত্রুটি থাকে,<br>তবে আমি তোমাদের সতর্ক করছি, খুব সাবধানে থেকো:<br>তোমাদের মাঝে এমন এক ছোকরা ঘুরছে যে সবকিছুর নোট নিচ্ছে,<br>এবং বিশ্বাস করো, সে নির্ঘাত তা সংবাদে ছাপিয়ে দেবে। ** '''''[[:w:রবার্ট বার্নস|রবার্ট বার্নস]]''''', ''অন ক্যাপটেন গ্রোস'স পেরেগ্রিনেশনস থ্রু স্কটল্যান্ড''। * সম্পাদক তাঁর নির্জন কক্ষে বসে আছেন, চিন্তার ভাঁজে কপাল তাঁর কুঁচকানো,<br>মন তাঁর নিমগ্ন ব্যবসার অতল তলে, আর পা জোড়া তোলা চেয়ারের হাতলে,<br>এক হাতের কনুই তাঁর চেয়ারে ঠেকানো, ডান হাতের তালুটা মাথায়,<br>ধুলোমাখা জরাজীর্ণ টেবিলে তাঁর নজর, যেখানে ছড়িয়ে আছে নথিপত্রের পাহাড়। ** '''''উইল কার্লটন''''', ''ফার্ম ব্যালাডস'', ''দ্য এডিটর'স গেস্টস''। * এডমন্ড বার্ক বলেছিলেন যে পার্লামেন্টে তিনটি স্তম্ভ বা এস্টেট রয়েছে; কিন্তু ওই দূরে প্রতিবেদকদের গ্যালারিতে এমন এক 'চতুর্থ স্তম্ভ' উপবিষ্ট আছে যা অন্য সবার চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ** '''''[[:w:টমাস কার্লাইল|টমাস কার্লাইল]]''''', '''''হিরোস অ্যান্ড হিরো-ওয়ারশিপ''''', বক্তৃতা ৫। বার্ককে এই শব্দটি উদ্ভাবনের কৃতিত্ব দেওয়া হলেও তাঁর প্রকাশিত কোনো রচনায় এর উল্লেখ পাওয়া যায় না। 'রাজ্যের তিনটি স্তম্ভ' হলো ধর্মীয় প্রতিনিধি (Lords Spiritual), উচ্চকক্ষ (Lords Temporal) এবং নিম্নকক্ষ (Commons)। ডেভিড লিন্ডসে ১৫৩৫ সালে তাঁর 'অ্যান প্লেজেন্ট স্যাটায়ার অফ দ্য থ্রি এস্টেটস'-এ এর বর্ণনা দিয়েছেন। রাবেলে তাঁর 'পান্তাগ্রুয়েল'-এ (৪-৪৮) একজন সন্ন্যাসী, একজন বাজপাখি শিকারি, একজন আইনজীবী এবং একজন কৃষককে দ্বীপের 'চারটি স্তম্ভ' (Les quatre estatz de l'isle) হিসেবে বর্ণনা করেছেন। * একটি পার্লামেন্ট বা সংসদ—যা কি না সাংবাদিকদের মাধ্যমে বানকম্বের জনগণের কাছে এবং সেই দুই কোটি সত্তর লক্ষ মানুষের কাছে কথা বলে, যাঁদের অধিকাংশকেই নির্বোধ হিসেবে গণ্য করা যায়। ** '''''[[:w:টমাস কার্লাইল|টমাস কার্লাইল]]''''', '''''লেটার ডে প্যামফ্লেটস''''', সংখ্যা ৬: পার্লামেন্ট। * প্রথমে আপনার প্রয়োজনীয় তথ্যগুলো সঠিকভাবে সংগ্রহ করুন, আর তারপর আপনি নিজের ইচ্ছেমতো সেগুলোকে যত খুশি বিকৃত করতে পারেন। ** '''''[[:w:মার্ক টোয়েন|মার্ক টোয়েন]]''''', কিপলিংয়ের সাথে সাক্ষাৎকার; '''''ইন ফ্রম সি টু সি''''', পত্র ৩৭। * স্রেফ একটি সংবাদপত্র! যা দ্রুত পড়া হয় এবং দ্রুতই হারিয়ে যায়,<br>কে আর হিসাব রাখে সেই অমূল্য রত্নভাণ্ডারের, যা এটি বহন করে নিয়ে যায়?<br>ছিন্নভিন্ন হয়ে পায়ের তলায় পিষ্ট হওয়া সেই উজ্জ্বল নক্ষত্রের মতো মেধার মূল্যই বা ক’জন দেয়? ** '''''মেরি ক্লেমার''''', ''দ্য জার্নালিস্ট'', স্তবক ৯। * নিজের প্রজন্মের সেবা করাই তোমার নিয়তি—<br>জলের ওপর যেমন নাম লিখলে তা মুছে যায়, ঠিক তেমনি তোমার নামও দ্রুতই মিলিয়ে যাবে;<br>কিন্তু যে ব্যক্তি মানবতাকে ভালোবাসেন, তিনি আদিতে ও অন্তে এমন এক মহান কর্ম সম্পাদন করেন যা খ্যাতির গণ্ডির চেয়েও অনেক বড়। ** '''''মেরি ক্লেমার''''', ''দ্য জার্নালিস্ট'', অন্তিম স্তবক। * আমার মনে হয় কোথাও বলা হয়েছে যে—'দ্য টাইমস'-এর একটি মাত্র সংখ্যায় থুসিডাইডিসের সমগ্র ঐতিহাসিক রচনার চেয়েও অনেক বেশি দরকারী ও কার্যকর তথ্য নিহিত থাকে। ** '''''রিচার্ড কবডেন''''', ম্যানচেস্টার অ্যাথেনিয়ামে প্রদত্ত ভাষণ (২৭ ডিসেম্বর ১৮৫০)। দেখুন: দ্য টাইমস, ৩০ ডিসেম্বর ১৮৩০, পৃ. ৭; মর্লির 'লাইফ অফ কবডেন'-এ উদ্ধৃত, ২য় খণ্ড, পৃ. ৪২৯। * যদি মৈত্রীর চেতনা সর্বত্র জয়ী হতো, তবে এই সংবাদমাধ্যম বা প্রেস নিশ্চিতভাবেই<br>সততা, সত্য এবং ভালোবাসার এক মহান বাহন হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করত। ** '''''[[:w:উইলিয়াম কাউপার|উইলিয়াম কাউপার]]''''', ''চ্যারিটি'', লাইন ৬২৪। * কীভাবে আমি তোমার প্রশংসা করব, বা তোমার পরাক্রমকে সম্বোধন করব,<br>হে সংবাদমাধ্যম—তুমিই তো আমাদের এই পৌত্তলিক আরাধনার ঈশ্বর।<br>*    *    *    *    *<br>স্বর্গের সেই নিষিদ্ধ জ্ঞানবৃক্ষের মতোই,<br>ভালো এবং মন্দের যাবতীয় জ্ঞান তো তোমার মাধ্যমেই আমাদের কাছে আসে। ** '''''[[:w:উইলিয়াম কাউপার|উইলিয়াম কাউপার]]''''', ''প্রোগ্রেস অফ এরর'', লাইন ৪৫২। * তিনি আসছেন, এক কোলাহলপূর্ণ বিশ্বের বার্তাবাহক হিসেবে—<br>কর্দমাক্ত বুট, কোমরবন্ধনীতে বাঁধা পোশাক আর জমে থাকা তুষারশুভ্র চুলের অবয়ব নিয়ে;<br>সারা বিশ্বের তাবৎ সংবাদ এক বিশাল বোঝা হয়ে তাঁর পিঠে দুলছে। ** '''''[[:w:উইলিয়াম কাউপার|উইলিয়াম কাউপার]]''''', ''দ্য টাস্ক'' (১৭৮৫), চতুর্থ খণ্ড, লাইন ৫। * যখনই কোনো মূল্যবান তথ্যের সন্ধান পাবেন, তখনই তা টুকে রাখুন। ** '''''[[:w:চার্লস ডিকেন্স|চার্লস ডিকেন্স]]''''', ''ডম্বি অ্যান্ড সান'', ১৫তম অধ্যায়। * বিবিধ বিষয়ের লেখকরাই প্রতিটি জাতির কাছে সবচেয়ে জনপ্রিয় লেখক হিসেবে সমাদৃত হন; কারণ তাঁরাই মূলত শিক্ষিত এবং অশিক্ষিত সমাজের মধ্যে যোগাযোগের একটি সেতুবন্ধন তৈরি করেন, যেন জনমানুষের এই দুটি বিশাল বিভাগের মাঝখানে তাঁরা এক শৈল্পিক সেতু নির্মাণ করে দেন। ** '''''আইজ্যাক ডি'ইজরায়েলি''''', ''লিটারারি ক্যারেক্টার অফ মেন অফ জিনিয়াস'', বিবিধ লেখক বিভাগ। * আমাদের রাজনৈতিক লেখকদের কেউই... রাজা, লর্ডস এবং কমন্স—এই তিনটি স্তম্ভ বা এস্টেটের বাইরে অন্য কিছুর দিকে নজর দেন না... তাঁরা অত্যন্ত সুকৌশলে সেই বিশাল ও প্রভাবশালী অংশটিকে এড়িয়ে যান যারা এই সমাজের প্রকৃত 'চতুর্থ স্তম্ভ' গঠন করে... আর সেই শক্তিটি হলো 'জনসাধারণ' বা গণমানুষের ভিড়। ** '''''[[:w:হেনরি ফিল্ডিং|হেনরি ফিল্ডিং]]''''', ''কোভেন্ট গার্ডেন জার্নাল'' (১৩ জুন ১৭৫২)। * যদি কেলেঙ্কারির অভাবের কারণে সৃষ্ট মানসিক অবসাদ<br>আমাদের প্রিয় নারীদের ব্যথিত করে—তবে তাঁদের সংবাদপত্র পড়তে দিন। ** '''''ডেভিড গ্যারিক''''', শেরিডানের 'স্কুল ফর স্ক্যান্ডাল' এর প্রস্তাবনা। * সংবাদপত্রের স্বাধীনতা হলো একজন ইংরেজ নাগরিকের সমস্ত দেওয়ানি, রাজনৈতিক এবং ধর্মীয় অধিকারের এক অপরাজেয় সুরক্ষাকবচ বা প্যালাডিয়াম। ** '''''[[:w:জুনিয়াস (লেখক)|জুনিয়াস]]''''', ''ডেডিকেশন টু লেটারস''। * একজন সংবাদ লেখকের সর্বোচ্চ দৌড় হলো রাজনীতির ওপর কিছু অন্তঃসারশূন্য যুক্তি প্রদান করা এবং সরকারি ব্যবস্থাপনার ওপর ভিত্তিহীন ও বৃথা অনুমান করা। ** '''''[[:w:জঁ দ্য লা ব্রুয়েয়ার|জঁ দ্য লা ব্রুয়েয়ার]]''''', ''দ্য ক্যারেক্টারস অর ম্যানার্স অফ দ্য প্রেজেন্ট এজ'' (১৬৮৮), প্রথম অধ্যায়। * একজন সংবাদ লেখক রাতের বেলা অত্যন্ত প্রশান্তির সাথে এমন একটি সংবাদের ওপর ভরসা করে ঘুমোতে যান যা ভোরের আলো ফোটার আগেই পচে নষ্ট হয়ে যায়; এবং ঘুম থেকে ওঠার সাথে সাথেই তিনি তা আবর্জনার মতো ছুঁড়ে ফেলে দিতে বাধ্য হন। ** '''''[[:w:জঁ দ্য লা ব্রুয়েয়ার|জঁ দ্য লা ব্রুয়েয়ার]]''''', ''দ্য ক্যারেক্টারস অর ম্যানার্স অফ দ্য প্রেজেন্ট এজ'' (১৬৮৮), প্রথম অধ্যায়। * প্রতিটি সংবাদপত্রের সম্পাদক শয়তানের কাছে তাঁর আনুগত্যের খাজনা দিতে বাধ্য। ** '''''[[:w:জঁ দ্য লা ফোঁতেন|জঁ দ্য লা ফোঁতেন]]''''', ''লেত্রে আ সিমোঁ দ্য ত্রোয়া'' (১৬৮৬)। * সংবাদপত্র সবসময়ই কৌতূহল জাগিয়ে তোলে। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো, একরাশ চরম হতাশার অনুভূতি ছাড়া কেউই সংবাদপত্র পাঠ শেষ করে তা সরিয়ে রাখতে পারেন না। ** '''''[[:w:চার্লস ল্যাম্ব|চার্লস ল্যাম্ব]]''''', ''এসেস অফ এলিয়া'': 'ডিট্যাচড থটস অন বুকস অ্যান্ড রিডিং'। * দেখুন, এই বিশাল বিস্তৃত পৃথিবীটা প্রতি সপ্তাহে একটি বাদামী কাগজের মোড়কে বন্দি হয়ে আমার কাছে পাঠানো হয়। ** '''''[[:w:জেমস রাসেল লোয়েল|জেমস রাসেল লোয়েল]]''''', ''বিগলো পেপারস'', প্রথম সিরিজ, সংখ্যা ৬। * আমি এক লক্ষ বেয়োনেটের চেয়ে তিনটি সংবাদপত্রকে অনেক বেশি ভয় পাই। ** '''''[[:w:নেপোলিয়ন বোনাপার্ট|প্রথম নেপোলিয়ন]]'''''। * ওয়াশিংটনের হোয়াইট হাউসের তুলনায় নিউ ইয়র্কের এই সস্তা এক-পেনির সংবাদপত্রগুলোই এদেশ শাসনে অনেক বেশি কার্যকর ভূমিকা পালন করে। ** '''''[[:w:ওয়েন্ডেল ফিলিপস|ওয়েন্ডেল ফিলিপস]]'''''। * আমরা মূলত একদল মানুষ এবং প্রভাতী সংবাদপত্র দ্বারা চালিত একটি সরকারের শাসনাধীনে বসবাস করছি। ** '''''[[:w:ওয়েন্ডেল ফিলিপস|ওয়েন্ডেল ফিলিপস]]'''''। * সংবাদমাধ্যম হলো বাতাসের মতো অবারিত; এক সনদপ্রাপ্ত স্বেচ্ছাচারী শক্তি। ** '''''[[:w:উইলিয়াম পিট|উইলিয়াম পিট]]''''', লর্ড গ্রেনভিলকে উদ্দেশ্য করে (প্রায় ১৭৫৭ সালে)। * একদল অভিজাত ও সচ্ছল মানুষের ভিড়, যারা অত্যন্ত অনায়াসে এবং সাবলীলভাবে লিখতে পারতেন। ** '''''[[:w:অ্যালক্সান্ডার পোপ|অ্যালক্সান্ডার পোপ]]''''', ''এপিসেলস অফ হোরেস'', দ্বিতীয় খণ্ড, প্রথম পত্র, লাইন ১০৮। * বিষয়টি যেহেতু লিখিত আকারে আছে, সেহেতু এটি ধ্রুব সত্য। ** '''''[[:w:ফ্রঁসোয়া রাবলে|ফ্রঁসোয়া রাবলে]]''''', ''পান্তাগ্রুয়েল''। * এটা কি কোনোভাবে মেনে নেওয়া সম্ভব যে কোনো শিক্ষিত ব্যক্তি এক-পেনির এই সস্তা কাগজগুলো থেকে জানার মতো প্রয়োজনীয় কিছু শিখতে পারেন? হয়তো বলা হতে পারে যে মানুষ এর মাধ্যমে পার্লামেন্টে কী বলা হচ্ছে তা জানতে পারে। কিন্তু ভালো করে ভেবে দেখুন তো, সেটি কি তাঁদের প্রকৃত শিক্ষা বা জ্ঞানার্জনে বিন্দুমাত্র কোনো অবদান রাখবে? ** '''''[[:w:রবার্ট গাসকোয়েন-সেসিল, সলসবরির তৃতীয় মার্কুইস|লর্ড সলসবরি]]''''' (রবার্ট সেসিল), ভাষণ: হাউজ অফ কমন্স, ১৮৬১; 'কাগজ শুল্ক বিলোপ' সংক্রান্ত বিতর্কে। * সংবাদপত্র! মশাই, ওগুলো হলো চরম পাপিষ্ঠ, লাগামহীন, জঘন্য এবং নারকীয় বস্তুর সমষ্টি—যদিও আমি ওগুলো কখনোই পড়ি না—না—আমি নিয়ম করে ফেলেছি যে আমি কখনোই কোনো সংবাদপত্রের দিকে চোখ তুলে তাকাব না। ** '''''[[:w:রিচার্ড ব্রিনসলে শেরিডান|রিচার্ড ব্রিনসলে শেরিডান]]''''', ''দ্য ক্রিটিক'', প্রথম অংক, প্রথম দৃশ্য। * ব্যবসায়ী ততক্ষণ পর্যন্ত তাঁর কর্মচঞ্চল দিনটি শুরু হয়েছে বলে গণ্য করেন না,<br>যতক্ষণ না তাঁর তীক্ষ্ণ দৃষ্টি সংবাদপত্রের পাতার ওপর দিয়ে একবার বুলিয়ে নিচ্ছেন;<br>তরুণী কন্যাটি তাঁর হাতের সেলাইয়ের কাজ দূরে সরিয়ে রাখেন,<br>এবং সহপাঠিনীর বিয়ের খবর পড়ে দীর্ঘশ্বাস ছাড়েন;<br>অন্যদিকে গম্ভীর মা তাঁর চশমাটি চোখে এঁটে নেন,<br>এবং কোনো পুরোনো বন্ধুর চলে যাওয়ার খবর পড়ে এক ফোঁটা অশ্রু বিসর্জন দেন।<br>এমনকি ধর্মপ্রচারকও তাঁর রবিবারের ধর্মীয় আলোচনার খসড়াটি সরিয়ে রাখেন—<br>শহরের কোন নতুন উন্মাদনা চারপাশ মাতিয়ে রাখছে তা জানার কৌতূহলে;<br>সে খবর আনন্দময় হোক বা বিষাদময়, জীবনের তুচ্ছতম কিংবা মহত্তম বিষয়—<br>মোরগের লড়াইয়ের ফলাফল থেকে শুরু করে রাজায় রাজায় যুদ্ধের পরিণতি। ** '''''স্প্রাগ''''', ''কিউরিওসিটি''। * এই সংবাদমাধ্যমই জনমানুষের অধিকার অক্ষুণ্ণ রাখবে,<br>প্রতিপত্তির কাছে নতি স্বীকার না করে এবং লাভের মোহে কলুষিত না হয়ে;<br>এখানেই দেশপ্রেমিক সত্য তাঁর মহিমান্বিত আদর্শগুলো তুলে ধরবে,<br>যা ধর্ম, স্বাধীনতা এবং আইনের রক্ষাকবচ হিসেবে থাকবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ** '''''[[:w:জোসেফ স্টোরি|জোসেফ স্টোরি]]''''', ''সালেম রেজিস্টার''-এর মূলমন্ত্র (১৮০২ সালে গৃহীত)। উইলিয়াম ডব্লিউ স্টোরি রচিত ''লাইফ অফ জোসেফ স্টোরি'', প্রথম খণ্ড, ৬ষ্ঠ অধ্যায়ে বর্ণিত। * সম্পাদকের চেয়ারের কুশনে লুকিয়ে থাকা এক তীক্ষ্ণ কণ্টক। ** '''''[[:w:উইলিয়াম মেকপিস থ্যাকারায়|উইলিয়াম মেকপিস থ্যাকারায়]]''''', ''রাউন্ডঅবাউট পেপারস'': 'দ্য থর্ন ইন দ্য কুশন'। == আরোপিত বা অ্যাট্রিবিউটেড == * গণমাধ্যম নির্ভুলতা সংক্রান্ত নোলের নীতি: সংবাদপত্রে আপনি যা কিছু পড়েন তার প্রতিটি অক্ষরই ধ্রুব সত্য—কেবল সেই বিরল সংবাদটি ছাড়া যে বিষয়টি সম্পর্কে আপনার ব্যক্তিগতভাবে প্রত্যক্ষ জ্ঞান রয়েছে। ** '''''আরউইন নোল''''', সম্পাদক, ''দ্য প্রোগ্রেসিভ''। * আমেরিকায় প্রেসিডেন্ট মাত্র চার বছরের জন্য শাসন করেন, কিন্তু সাংবাদিকতা সেখানে রাজত্ব চালায় চিরকাল। ** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]'''''; লোইস আগস্ট জেনিস রচিত ''ভয়েজ টু ইনসাইট'' (২০০৩), পৃ. ৭০-এ উদ্ধৃত। * যখন একটি কুকুর কোনো মানুষকে কামড়ায়, সেটি কোনো সংবাদ নয়; কারণ এমন ঘটনা অহরহ ঘটে থাকে। কিন্তু যদি কোনো মানুষ একটি কুকুরকে কামড়ে দেয়, তবে সেটিই হলো প্রকৃত সংবাদ। ** '''''জন বি. বোগার্ট''''', 'নিউ ইয়র্ক সান'-এর সম্পাদক; ''বার্টলেট'স ফ্যামিলিয়ার কোটেশনস''-এ আরোপিত (১৬তম সংস্করণ, ১৯৯২), পৃ. ৫৫৪। আরও দেখুন: [[:w:ম্যান বাইটস ডগ|ম্যান বাইটস ডগ]]। * ঔপন্যাসিকদের বড় বড় 'মহৎ আইডিয়া' বা তাত্ত্বিক চিন্তাভাবনা নিয়ে আমি খুব একটা মাথা ঘামাই না। উপন্যাস নিশ্চিতভাবেই চমৎকার বিষয়, তবে পড়ার ক্ষেত্রে আমি সংবাদপত্রকেই বেশি প্রাধান্য দিই। ** '''''উইল কাপি''''', স্ট্যানলি জে. কুনিটজ এবং হাওয়ার্ড হ্যাব্রাফট সম্পাদিত ''টোয়েন্টিয়েথ সেঞ্চুরি অথরস'' (১৯৪২), নিউ ইয়র্ক: এইচ. ডব্লিউ. উইলসন কোম্পানি, পৃ. ৩৪২। * সাংবাদিকতা হলো ইতিহাসের প্রথম খসড়া। :* মূলত ভিন্ন একটি রূপে প্রথম প্রকাশিত হয়—“সংবাদ/সংবাদমাধ্যম হলো ইতিহাসের প্রথম অমসৃণ খসড়া”। এই আধুনিক রূপটি অন্তত ১৯৪০-এর দশক থেকে প্রচলিত এবং সম্ভবত ''ওয়াশিংটন পোস্ট''-এর সম্পাদকীয় লেখক '''''অ্যালান বার্থ''''' এটিকে জনপ্রিয় করেছিলেন। সেই সময়কার ''পোস্ট''-এর সম্পাদকীয় পাতায় এই ভাবনার প্রতিফলন একাধিকবার দেখা যায়, যার মধ্যে বার্থের প্রথম উদ্ধৃতিটি ১৯৪৩ সালের: :: সংবাদ হলো ইতিহাসের প্রথম অমসৃণ খসড়া মাত্র। ::* '''''অ্যালান বার্থ''''', হ্যারল্ড এল. ইক্সেস রচিত ''দ্য অটোবায়োগ্রাফি অফ আ কারমাজিয়ন''-এর পর্যালোচনা, ''নিউ রিপাবলিক'' (১৯৪৩), ভলিউম ১০৮, পৃ. ৬৭৭-এ সংগৃহীত। :* ''পোস্ট''-এ এর পরবর্তী ব্যবহারগুলো হলো: :: সংবাদপত্র হলো আসলে ইতিহাসের প্রথম খসড়া, অথবা অন্তত তারা তেমন হওয়ার ভান করে। ::* নামবিহীন "সম্পাদকের টীকা", ''দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট'' (১৬ অক্টোবর ১৯৪৪)। :* বিংশ শতাব্দীর প্রথম দশকেও একই ধরনের ভাবধারা পরিলক্ষিত হয়, যার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে: [http://www.barrypopik.com/index.php/new_york_city/entry/first_draft_of_history_journalism/ “ইতিহাসের প্রথম খাসড়া” (সাংবাদিকতা)], ২৩ নভেম্বর ২০০৯, ব্যারি পপিক। :: এটি অত্যন্ত সম্ভবপর যে, ৪১৩ অব্দ পর্যন্ত 'ইতিহাসের একটি প্রাথমিক ও অমসৃণ খসড়া' হয়তো ৪০৫ অব্দের আগেই থুসিডাইডিস কর্তৃক রূপরেখা আকারে প্রস্তুত করা হয়েছিল। ::* (এখানে “সংবাদ” শব্দটি বাদ দেওয়া হয়েছে এবং একটি নির্দিষ্ট পাঠ্যকে নির্দেশ করা হয়েছে) ১৯০২, '''''রিচার্ড ক্ল্যাভারহাউস জেব''''', [http://www.1902encyclopedia.com/T/THU/thucydides.html থুসিডাইডিস], এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা, ১০ম সংস্করণ (১৯০২)। ২০১০ সালে শেফার-এর মন্তব্যে ব্যাবেট হোগান কর্তৃক উদ্ধৃত। :: সংবাদপত্রগুলো প্রতিদিন প্রভাতে 'ইতিহাসের একটি অমসৃণ খসড়া' তৈরি করে চলেছে। পরবর্তীতে ঐতিহাসিকগণ আসবেন, পুরোনো নথিপত্রগুলো হাতে নেবেন এবং সম্পাদক ও সংবাদদাতাদের সেই অপরিশোধিত অথচ আন্তরিক ও নির্ভুল বিবরণীগুলোকে প্রকৃত ইতিহাস ও কালোজয়ী সাহিত্যে রূপান্তরিত করবেন। আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থাকে অবশ্যই এই দৈনিক সংবাদপত্রের গুরুত্ব অনুধাবন করতে হবে। ::* (এখানে “প্রথম” শব্দটি বাদ দেওয়া হয়েছে) ৫ ডিসেম্বর ১৯০৫, দ্য স্টেট, “[http://blog.readex.com/wp-content/uploads/2010/10/TP-State-News-Draft-Dec-5-1905.pdf সংবাদের শিক্ষামূলক মূল্য]”, পৃ. ৪, কলাম ৪, কলাম্বিয়া, সাউথ ক্যারোলাইনা। টনি পেত্তিনাতো কর্তৃক ৪ অক্টোবর ২০১০ তারিখে উদ্ধৃত। 'কোট ইনভেস্টিগেটর'-এর গারসন ও'টুল এটি জিনিয়লজি-ব্যাংক ডাটাবেস থেকে সংগ্রহ করেছেন। :: একজন প্রতিবেদক হলেন সেই তরুণ যুবক, যিনি প্রতিদিন একটি জরাজীর্ণ ও শব্দজব্দ টাইপরাইটারের ওপর 'ইতিহাসের প্রথম খসড়াটি' অত্যন্ত নিপুণভাবে অঙ্কন করেন। ::* (এখানে “অমসৃণ” শব্দটি বাদ দেওয়া হয়েছে) ৩ জুলাই ১৯১৪, লিঙ্কন (NE) ডেইলি স্টার, '''''জর্জ ফিচ'''''-এর লেখা “দ্য রিপোর্টার”, পৃ. ৬, কলাম ৪। :* এই উক্তিটি সাধারণত ভুলভাবে '''''ফিলিপ এল. গ্রাহাম'''''-এর নামে দায়ী করা হয়, যা তিনি ১৯৬৩ সালে লন্ডনে 'নিউজউইক' প্রতিনিধিদের উদ্দেশ্যে দেওয়া একটি ভাষণে বলেছিলেন বলে মনে করা হয়: “[http://www.slate.com/id/2265540/pagenum/all এটি প্রথম কে বলেছিলেন? সাংবাদিকতা হলো 'ইতিহাসের প্রথম অমসৃণ খসড়া'।]”, '''''জ্যাক শেফার''''', ''স্লেট'' (৩০ আগস্ট ২০১০); ''পার্সোনাল হিস্ট্রি'' (১৯৯৭), '''''ক্যাথরিন গ্রাহাম'''''। :: সুতরাং, আসুন আমরা আমাদের সেই অনিবার্য এবং অসম্ভব কাজের পেছনে অবিরাম শ্রম দিয়ে যাই—যা হলো প্রতি সপ্তাহে 'ইতিহাসের এমন একটি প্রথম অমসৃণ খসড়া' সরবরাহ করা, যা আসলে কখনোই সম্পন্ন হবে না; কারণ এই জগতকে আমরা কখনোই পুরোপুরি অনুধাবন করতে পারব না। :* যদিও এই ভাষণটি উক্তিটিকে ব্যাপকভাবে জনপ্রিয় করেছিল, তবে এর আগেও গ্রাহাম নিজে এবং অন্য অনেকে (উপরে উল্লিখিত) একই ধরণের বক্তব্য প্রদান করেছিলেন: :: সংবাদমাধ্যমের এই অপরিহার্য ক্ষিপ্রতা বা তাড়াহুড়ো অনিবার্যভাবেই এক ধরণের অগভীরতাকে সঙ্গী করে আনে। পরম গভীরতা অর্জন করা না আমাদের ক্ষমতার মধ্যে আছে, আর না তা আমাদের অধিকারভুক্ত। আমরা বছরের ৩৬৫ দিন জুড়েই 'ইতিহাসের প্রথম অমসৃণ খসড়া' লিখে চলি, এবং এটি সত্যিই এক অত্যন্ত মহৎ ও বিশাল দায়িত্ব। ::* আমেরিকান সোসাইটি ফর পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন-এ প্রদত্ত ভাষণ (৮ মার্চ ১৯৫৩); “[http://www.jstor.org/stable/972460 পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অ্যান্ড দ্য প্রেস]”-এ প্রকাশিত, ফিলিপ এল. গ্রাহাম, ''পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন রিভিউ'', ভলিউম ১৩, সংখ্যা ২ (বসন্ত, ১৯৫৩), পৃ. ৮৭-৮৮। :* এছাড়াও আরও নানা ধরণের ভুল আরোপ বা অ্যাট্রিবিউশন বিদ্যমান—'''''হেলেন থমাস''''' তাঁর স্মৃতিকথা 'ফার্স্ট রো অ্যাট দ্য হোয়াইট হাউস'-এ উক্তিটিকে ভুলবশত '''''বেন ব্র্যাডলি'''''-এর নামে চালিয়ে দিয়েছেন। ** '''''হেলেন থমাস''''', ''ফ্রন্ট রো অ্যাট দ্য হোয়াইট হাউস: মাই লাইফ অ্যান্ড টাইমস'' (২০০০), সাইমন অ্যান্ড শুস্টার, পৃ. ৩৮৩, ISBN 0684845687। == আরও দেখুন == * [[:w:বিকল্প ধারার গণমাধ্যম|বিকল্প ধারার গণমাধ্যম]] * [[:w:অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা|অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা]] * [[:w:সংবাদ|সংবাদ]] * [[:w:সংবাদপত্র|সংবাদপত্র]] * [[:w:মূলধারার গণমাধ্যম|মূলধারার গণমাধ্যম]] * [[:w:গণমাধ্যমের পক্ষপাতিত্ব|গণমাধ্যমের পক্ষপাতিত্ব]] == বহিঃসংযোগ == {{similarlinks}} * [https://www.fourthestate.org/journalism-quotes/ ফোর্থ এস্টেট-এ সাংবাদিকতা বিষয়ক উল্লেখযোগ্য উদ্ধৃতিসমূহ] [[বিভাগ:সাংবাদিকতা| ]] [[বিষয়শ্রেণী:সাংবাদিক]] [[বিষয়শ্রেণী:সাংবাদিকতা]] b7ifjeg5l5l8ysato0a9951fhxmldpr 80012 80007 2026-04-23T11:45:44Z Oindrojalik Watch 4169 /* Y */ 80012 wikitext text/x-wiki <div style="text-align: center; border: 2px dashed #f0ad4e; padding: 15px; background-color: #fcf8e3; margin-bottom: 20px;"> [[File:Under-Construction-Bulldozer.gif|355px]] <div style="font-weight: bold; font-size: 18px; color: #8a6d3b; margin-top: 10px;">UNDER CONSTRUCTION</div> <div style="font-size: 16px; color: #8a6d3b;">This page is currently being built by '''[https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:Oindrojalik_Watch Oindrojalik Watch]'''.</div> </div> [[File:2 Fillettes vendant des journaux, Wilmington (Delaware), mai 1910.jpg|thumb|আমেরিকায় রাষ্ট্রপতি চার বছরের জন্য রাজত্ব করেন, আর সাংবাদিকতা শাসন করে অনন্তকাল ধরে!<br>~'''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''']] '''[[w:সাংবাদিকতা|সাংবাদিকতা]]''' হলো সংবাদ সংগ্রহ, লিখন এবং সংবাদ পরিবেশনের একটি বিশেষ শাখা। বিস্তৃত অর্থে এটি সংবাদ নিবন্ধ সম্পাদনা ও উপস্থাপনার প্রক্রিয়াকেও অন্তর্ভুক্ত করে। সাংবাদিকতা বিভিন্ন মাধ্যমের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, তবে এটি কেবল [[w:সংবাদপত্র|সংবাদপত্র]], [[w:সাময়িকী_(পত্রিকা)|সাময়িকী]], [[w:বেতার|রেডিও]] এবং [[w:টেলিভিশন|টেলিভিশনের]] মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। সংবাদ প্রচারের দৌড়ে সবার আগে থাকার প্রবল চাপ থাকা সত্ত্বেও, প্রতিটি সংবাদ সংস্থা নিজস্ব নির্ভুলতা, গুণমান এবং শৈলীর মানদণ্ড মেনে চলে। যেখানে সাধারণত প্রকাশের পূর্বে প্রতিবেদনগুলো [[:w:সম্পাদনা|সম্পাদনা]] ও প্রুফরিডিং করা হয়। অনেক সংবাদ সংস্থা সরকারি কর্মকর্তা ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে জনগণের কাছে দায়বদ্ধ রাখার গৌরবময় ঐতিহ্য দাবি করে, যদিও সংবাদ মাধ্যম সমালোচকরা খোদ সংবাদপত্রের দায়বদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ''জার্নালিজম'' বা সাংবাদিকতা শব্দটি [[w:ফরাসি_ভাষা|ফরাসি ভাষার]] '''''journal''''' '''''বা''''' '''''জার্নাল''''' থেকে নেওয়া হয়েছে, যা কালক্রমে ল্যাটিন ''ডিউর্নাল'' বা দৈনিক শব্দ থেকে উদ্ভূত। [[w:প্রাচীন_রোম|প্রাচীন রোমের]] প্রধান জনচত্বর ফোরামে প্রতিদিন 'অ্যাক্টা ডিউর্না' নামক একটি হস্তলিখিত বুলেটিন টাঙিয়ে দেওয়া হতো, যা ছিল বিশ্বের প্রথম সংবাদপত্র। [[File:Amy Goodman — Keynote, National Conference for Media Reform 2013 (8626124929).jpg|thumb|যেখানে নিস্তব্ধতা বিরাজ করে, সেখানে ছুটে যাওয়াই একজন সাংবাদিকের দায়িত্ব। যারা বিস্মৃত, পরিত্যক্ত এবং ক্ষমতাশালীদের দ্বারা নিগৃহীত, তাদের কণ্ঠস্বর হয়ে ওঠা।<br>~'''''অ্যামি গুডম্যান''''']] __NOTOC__ {{TOCalpha|''[[#হোয়েট'স নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস|হোয়েট'স নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস]]'' · [[#আরোপিত|আরোপিত]]}} == A == [[File:Julian Assange in Ecuadorian Embassy cropped.jpg|thumb|আমরা আমাদের পেছনে এমন এক অনন্য ক্ষেত্র তৈরি করছি যা সাংবাদিকতার সেই বিশেষ রূপটিকে বিকশিত হতে দেয়, যা সাংবাদিকতা চিরকাল নিজের জন্য প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিল। আমরা সেই ক্ষেত্রটি সৃষ্টি করছি কারণ আমরা শক্তিশালী গোষ্ঠীগুলোর মুখোশ সাহসের সাথে উন্মোচন করার ফলে আসা যাবতীয় সমালোচনা ও আক্রমণকে স্বেচ্ছায় গ্রহণ করছি।<br>~'''''[[:w:জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ|জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ]]''''' ]] [[File:Great men and famous women - a series of pen and pencil sketches of the lives of more than 200 of the most prominent personages in history Volume 7 (1894) (14760162546).jpg|thumb|সাংবাদিকতা সত্যিই মহৎ। প্রতিটি দক্ষ ও সামর্থ্যবান সম্পাদক কি বিশ্বের একেকজন প্রকৃত শাসক নন, যেহেতু তিনি বিশ্ববাসীকে নিজের যুক্তি ও চিন্তায় প্ররোচিত ও প্রভাবিত করার ক্ষমতা রাখেন?<br>~'''''[[:w:টমাস কার্লাইল|টমাস কার্লাইল]]''''' ]] *একটি রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ স্বাধীনতার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সংবাদপত্রের অবাধ স্বাধীনতা অপরিহার্য ও মৌলিক একটি শর্ত। অতএব, এই কমনওয়েলথ বা জনসমষ্টির মধ্যে কোনোভাবেই সংবাদপত্রের সেই স্বাধীনতাকে খর্ব বা সংকুচিত করা উচিত নয়। **'''''ম্যাসাচুসেটস সংবিধান''''' (২৫ অক্টোবর, ১৭৮০ তারিখে গৃহীত; যা বিশ্বের প্রাচীনতম কার্যকর লিখিত সংবিধান) {{cite book|author='''''[[:w:জন অ্যাডামস|জন অ্যাডামস]]''''', '''''[[:w:স্যামুয়েল অ্যাডামস|স্যামুয়েল অ্যাডামস]]''''', '''''[[:w:জেমস বাউডোইন|জেমস বাউডোইন]]'''''|title=[[:w:ম্যাসাচুসেটস কমনওয়েলথ এর সংবিধান|ম্যাসাচুসেটস কমনওয়েলথ এর সংবিধান]]|publisher=[[:w:ম্যাসাচুসেটস|ম্যাসাচুসেটস কমনওয়েলথ]]|year=1780|pages= অনুচ্ছেদ XVI}}[http://en.wikisource.org/wiki/Constitution_of_the_Commonwealth_of_Massachusetts_%281780%29 মূল পাঠ্য] * বেনামে তথ্য ফাঁস করা একটি প্রাচীন শিল্পকলা এবং অনেক ওয়েবসাইটই এমন সব উৎস থেকে প্রাপ্ত নথিপত্র প্রকাশ করে থাকে যাদের তারা শনাক্ত করতে পারে না। উইকিলিকস যা করেছে তা হলো এই পুরো প্রক্রিয়াটিকে পেশাদার রূপ দেওয়া। তারা তথ্য ফাঁস গ্রহণ, প্রক্রিয়াকরণ এবং তা জনসমক্ষে প্রকাশের জন্য একটি সুনির্দিষ্ট ও মানসম্মত কার্যপ্রণালী তৈরি করেছে। ** '''''স্টিফেন আফটারগুড''''', '''FAS''' বা ফেডারেশন অফ আমেরিকান সায়েন্টিস্টস প্রজেক্ট অন গভর্নমেন্ট সিক্রেসি — প্রতিবেদনে উল্লিখিত {{cite news|first=পল |last=মার্কস |author= |url= |title=উচ্চপদে আসীন ব্যক্তিদের অপ্রস্তুত করার একটি অব্যর্থ উপায়: হুইসেল-ব্লোয়ার বা তথ্য ফাঁসকারীরা কোনো চিহ্ন না রেখেই সব বলে দিতে পারেন, সেইসব ওয়েবসাইটকে ধন্যবাদ যা তাদের পরিচয় গোপন রাখে |work= নিউ সায়েন্টিস্ট|publisher=রিড বিজনেস ইনফরমেশন |pages= |page=২৮, খণ্ড ১৯৮; ইস্যু ২৬৫৫ |date=মে ১০, ২০০৮ |accessdate= }} * একজন সাংবাদিক হিসেবে আমার কর্মজীবন আমার সাহিত্যিক সৃজনশীলতার ক্ষেত্রে এক মৌলিক ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছে। সাংবাদিকতাই আমাকে শব্দকে চিনতে এবং ভালোবাসতে শিখিয়েছে—যা আমার পেশার প্রধান হাতিয়ার এবং আমার শিল্পের মূল উপাদান। সাংবাদিকতা আমাকে সত্যের সন্ধান করতে এবং নৈর্ব্যক্তিক বা বস্তুনিষ্ঠ হতে শিখিয়েছে। শিখিয়েছে কীভাবে পাঠকের মনোযোগ কেড়ে নিতে হয় এবং তাকে এমনভাবে আষ্টেপৃষ্ঠে ধরে রাখতে হয় যেন সে কোনোভাবেই ফস্কে না যায়। এটি আমাকে বিভিন্ন ধারণাকে সংশ্লেষণ করতে এবং ঘটনাপ্রবাহের বর্ণনায় সুনির্দিষ্ট হতে শিখিয়েছে। আর সর্বোপরি, এটি আমার ভেতর থেকে সাদা পাতার প্রতি যাবতীয় ভয়কে চিরতরে দূর করে দিয়েছে। ** ১৯৯৪ সালের একটি সাক্ষাৎকার যা ''কনভারসেশনস উইথ '''''ইসাবেল আলেন্দে''''' '' (১৯৯৯) এ অন্তর্ভুক্ত, স্পেনীয় ভাষা থেকে কোলা ফ্রাঞ্জেন কর্তৃক অনূদিত। * প্রথম সংশোধনীর প্রতিষ্ঠিত আইন অনুযায়ী, সংবাদ প্রকাশে পূর্ব-নিষেধাজ্ঞা বা সেন্সরশিপ যদি আদৌ সাংবিধানিক হয়ও, তবে তা কেবল চরম ও অতি-অস্বাভাবিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটেই অনুমোদিত হতে পারে। বর্তমান মামলার ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, আদালতের এমন সব নির্দেশ রয়েছে যা কার্যকরভাবে একটি ওয়েবসাইটকে বন্ধ করে দিয়েছে। যে সাইটটি বিশ্বজুড়ে সরকার ও কর্পোরেশনগুলোর দুর্নীতির মুখোশ উন্মোচনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছিল এবং এই নির্দেশটি যে কেউ পাঠ করলে তাকে সেই নথিগুলো প্রকাশ করা, এমনকি সেগুলোর লিঙ্ক দেওয়া থেকেও বিরত থাকতে বাধ্য করছে। ** '''''ডেভিড আরডিয়া''''', হার্ভার্ড ল স্কুলের বার্কম্যান সেন্টার ফর ইন্টারনেট অ্যান্ড সোসাইটি-র সিটিজেন মিডিয়া ল' প্রজেক্ট বা CMLP এর পরিচালক, '''''[[:w:ব্যাংক জুলিয়াস বায়ের বনাম উইকিলিকস মামলা|ব্যাংক জুলিয়াস বায়ের বনাম উইকিলিকস]]''''' প্রসঙ্গে মন্তব্যকালে — প্রতিবেদনে উল্লিখিত {{cite news|title=ইন্টারনেটে বাকস্বাধীনতা রক্ষা: একটি সাইবার-ল ক্লিনিকে শিক্ষার্থীরা প্রাথমিক আইনি বিষয়গুলো মোকাবিলায় সহায়তা করছে |work=হার্ভার্ড ল বুলেটিন |publisher= [[:w:হার্ভার্ড ল স্কুল|হার্ভার্ড ল স্কুল]]|page= |date=Fall 2008 |url=http://www.law.harvard.edu/news/bulletin/2008/fall/feature_2-side1.php|accessdate=2009-03-04}} * আমরা আমাদের পেছনে এমন এক অনন্য ক্ষেত্র তৈরি করছি যা সাংবাদিকতার সেই বিশেষ রূপটিকে বিকশিত হতে দেয়, যা সাংবাদিকতা চিরকাল নিজের জন্য প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিল। আমরা সেই ক্ষেত্রটি সৃষ্টি করছি কারণ আমরা শক্তিশালী গোষ্ঠীগুলোর শক্তিমত্তা ও দুর্নীতির মুখোশ সাহসের সাথে উন্মোচন করার ফলে ধেয়ে আসা যাবতীয় সমালোচনা ও প্রবল বিরুদ্ধাচরণকে স্বেচ্ছায় গ্রহণ করছি। ** '''''[[:w:জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ|জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ]]''''' এর উদ্ধৃতি: [https://www.theguardian.com/media/2010/aug/01/julian-assange-wikileaks-afghanistan জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ, অনলাইন যুগের সেই সন্ন্যাসী যিনি বৌদ্ধিক লড়াইয়ের মাধ্যমেই বিকশিত হন, ক্যারল ক্যাডওয়ালাডার, ''দ্য গার্ডিয়ান''], (১ আগস্ট ২০১০) == B == * অভিজ্ঞতা এটিই প্রমাণ করেছে যে, সাধারণ প্রত্যাশার সম্পূর্ণ বিপরীতে গিয়ে সংবাদপত্র হলো জনমতকে সঠিক পথে পরিচালিত করার, উত্তেজনাপূর্ণ আন্দোলনকে শান্ত করার এবং সেইসব মিথ্যা ও কৃত্রিম গুজবকে বিলীন করে দেওয়ার অন্যতম শ্রেষ্ঠ মাধ্যম, যার দ্বারা রাষ্ট্রের শত্রুরা তাদের অশুভ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করতে পারে। এই জনসমক্ষে প্রচারিত সংবাদপত্রগুলোর মাধ্যমে যেমন নির্দেশনা সরকার থেকে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারে, তেমনি তা মানুষের কাছ থেকে সরকারের কাছেও উন্নীত হতে পারে। সংবাদপত্রকে যত বেশি স্বাধীনতা প্রদান করা হবে, জনমতের গতিপথ সম্পর্কে তত বেশি নির্ভুলভাবে বিচার-বিশ্লেষণ করা সম্ভব হবে এবং তা তত বেশি সুনিশ্চিতভাবে কার্যকরী ভূমিকা পালন করবে। **'''''[[:w:জেরেমি বেন্থাম|জেরেমি বেন্থাম]]''''', ''প্রিন্সিপালস অফ পেনাল ল''; তৃতীয় অংশ, "অপরাধ প্রতিরোধের পরোক্ষ পদ্ধতিসমূহ"; অধ্যায় XIX, "নির্দেশনা প্রদানের ক্ষমতা থেকে আহরিত ব্যবহার"। [https://books.google.com/books?id=GGpVAAAAcAAJ&newbks=1&newbks_redir=0&dq=%22jeremy%20bentham%22%20%22newspapers%20are%20one%20of%20the%20best%20means%20of%20directing%20opinion%22&pg=RA1-PA568#v=onepage&q=%22jeremy%20bentham%22%20%22newspapers%20are%20one%20of%20the%20best%20means%20of%20directing%20opinion%22&f=false গুগল বুকস] * আপনি যদি সমগ্র আমেরিকা ঘুরে দেখেন, তবে দেখবেন ছোট ছোট সংবাদপত্রগুলো তাদের নিজ নিজ সম্প্রদায়ে সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে সত্যিই চমৎকার কাজ করছে। আধুনিক নিউ ইয়র্ক টাইমস, আধুনিক ওয়াশিংটন পোস্ট কিংবা আধুনিক ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল অধিকাংশ বিচারেই ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারির সময়ের চেয়ে এখন অনেক উন্নত মানের সংবাদপত্র। কিন্তু আপনি যদি এই ক্ষেত্রের বাকি অংশগুলোর দিকে তাকান... তবে দেখবেন যে সত্যের সর্বোত্তম লভ্য সংস্করণের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা প্রকৃত সংবাদ ক্রমশ একটি দুষ্প্রাপ্য পণ্যে পরিণত হচ্ছে এবং আমাদের সাংবাদিকতা প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রকৃত অংশ হিসেবে এর উপস্থিতি দিন দিন হ্রাস পাচ্ছে। **'''''কার্ল বার্নস্টাইন''''', সাক্ষাৎকারে {{cite news | last =স্টাফ | title =সাক্ষাৎকার: কার্ল বার্নস্টাইন | work =[[:w:ফ্রন্টলাইন (মার্কিন টিভি সিরিজ)|ফ্রন্টলাইন]] | publisher =[[:w:ডব্লিউজিবিএইচ|ডব্লিউজিবিএইচ]] এডুকেশনাল ফাউন্ডেশন | date =১০ জুলাই ২০০৬ | url =http://www-c.pbs.org/wgbh/pages/frontline/newswar/interviews/bernstein.html | accessdate =২০০৯-০২-২০ }} * প্রতিবেদক, বিশেষ্য: একজন লেখক যিনি সত্যের পথে অনুমানের ওপর ভিত্তি করে অগ্রসর হন এবং শব্দের প্রবল জলোচ্ছ্বাসে সেই সত্যকেই বিলীন করে দেন। ** '''''অ্যামব্রোস বিয়ার্স''''', ''দ্য ডেভিল'স ডিকশনারি'' (১৯১১)। * প্রথম সংশোধনীর মাধ্যমে আমাদের প্রতিষ্ঠাতা পূর্বপুরুষগণ মুক্ত সংবাদমাধ্যমকে সেই সুরক্ষা প্রদান করেছিলেন যা আমাদের গণতন্ত্রে এর অপরিহার্য ভূমিকা পালনের জন্য একান্ত প্রয়োজন। সংবাদপত্রের কাজ ছিল শাসিতদের সেবা করা, শাসকদের নয়। সংবাদপত্রের ওপর সেন্সরশিপ বা বিধি-নিষেধ আরোপের সরকারি ক্ষমতা বিলুপ্ত করা হয়েছিল যাতে সংবাদপত্র চিরকাল সরকারকে কঠোর সমালোচনা করার স্বাধীনতা ভোগ করতে পারে। সংবাদমাধ্যমকে সুরক্ষা দেওয়া হয়েছিল যাতে এটি সরকারের গোপন রহস্যগুলো উন্মোচন করতে পারে এবং জনগণকে তথ্য দিয়ে সচেতন করতে পারে। কেবল একটি স্বাধীন এবং নিয়ন্ত্রণহীন সংবাদমাধ্যমই কার্যকরভাবে সরকারের প্রতারণা ও জালিয়াতির মুখোশ খুলে দিতে পারে। ** '''''হিউগো এল. ব্ল্যাক''''', নিউ ইয়র্ক টাইমস বনাম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মামলা, পৃ. ৭১৭ * দীর্ঘকাল ধরে এটি ধরে নেওয়া হয়েছিল যে, সাংবাদিকরা যেসব ঘটনা কভার করেন বা প্রতিবেদন তৈরি করেন, তা তাদের ওপর কোনো স্থায়ী প্রভাব ফেলে না। ট্রমাটিক বা মানসিকভাবে আঘাতমূলক ঘটনাগুলোর মুখোমুখি হওয়াকে তাদের চাকরির বিবরণের অংশ এবং এই পেশার একটি সাধারণ ঝুঁকি হিসেবে দেখা হতো। ঠিক যেমন একজন জরুরি বিভাগের চিকিৎসক বা অগ্নিনির্বাপক কর্মীর ক্ষেত্রে হয়ে থাকে। অনেকে মনে করতেন যে, যারা মৃত্যু এবং ধ্বংসের খবর সংগ্রহ করেন তারা অস্বাভাবিকভাবে কঠোর মনের মানুষ এবং তারা যে মানুষের দুঃখ-দুর্দশা প্রত্যক্ষ করেন, তার প্রতিধ্বনিমূলক প্রভাব থেকে তারা কোনোভাবে মুক্ত। কিছুদিন আগ পর্যন্তও সাংবাদিকরা মনে করতেন যে, যদি তারা জনসমক্ষে স্বীকার করেন যে সংবাদ সংগ্রহের অভিজ্ঞতা দীর্ঘমেয়াদে তাদের প্রভাবিত করতে পারে, তবে তাদের দুর্বল ভাবা হবে এবং সহকর্মীদের তুলনায় কম যোগ্য বলে মনে করা হবে। ** '''''এলিসা ই. বোল্টন''''', [https://www.ptsd.va.gov/public/community/journalists-ptsd.asp “সাংবাদিকদের দ্বারা সম্মুখীন হওয়া বেদনাদায়ক ঘটনাসমূহ“], '''''ন্যাশনাল সেন্টার ফর পিটিএসডি''''', '''''ইউএস ডিপার্টমেন্ট অফ ভেটেরান্স অ্যাফেয়ার্স'''''। * সেখানে পোস্ট করা মাত্র কয়েকটি নথির প্রতিক্রিয়ায় পুরো সাইটটিতে প্রবেশাধিকার বন্ধ করে দেওয়া জনগণের জানার অধিকারকে সম্পূর্ণভাবে অবজ্ঞা করার শামিল। ** '''''অ্যান ব্রিক''''', [[:w:আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়ন|আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়ন]]-এর অ্যাটর্নি, '''''[[:w:ব্যাংক জুলিয়াস বায়ের বনাম উইকিলিকস মামলা|ব্যাংক জুলিয়াস বায়ের বনাম উইকিলিকস]]''''' মামলায় নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের আগে দেওয়া বিবৃতি — প্রতিবেদনে উল্লিখিত: [http://en.wikinews.org/wiki/Rights_groups:_Forcing_Wikileaks.org_offline_raises_%27serious_First_Amendment_concerns%27 "অধিকার গোষ্ঠীসমূহ: উইকিলিকস ডট অর্গকে অফলাইনে যেতে বাধ্য করা 'প্রথম সংশোধনীর গুরুতর উদ্বেগ' তৈরি করে"], '''''[[:n:প্রধান পাতা|উইকিসংবাদ]]''''', (২৮ ফেব্রুয়ারি ২০০৮)। * কখনোই ভুলে যাবেন না যে, আপনি যদি আপনার প্রথম বাক্যটি দিয়েই সংবাদপত্রের পাঠকের চোখের মণি বরাবর আঘাত করতে না পারেন (অর্থাৎ তার তীক্ষ্ণ মনোযোগ আকর্ষণ করতে না পারেন), তবে দ্বিতীয় বাক্যটি আর লেখার কোনো প্রয়োজনই নেই। ** '''''আর্থার ব্রিসবেন''''' (আনু. ১৯০০), উদ্ধৃত হয়েছে: অলিভার কার্লসন রচিত '''''ব্রিসবেন: এ ক্যান্ডিড বায়োগ্রাফি''''' (১৯৩৭), অধ্যায় ৫। * এমন এক সময় ছিল যখন হর্স ওয়াটসনদের মতো পেশার মানুষরা সাধারণত নেশামুক্ত অবস্থায় কখনও ঘুমাতে যেতেন না এবং তাদের লিভার বা যকৃৎ ক্ষয় হয়েই তারা মৃত্যুবরণ করতেন। সেই অক্ষরজ্ঞানসম্পন্ন দুঃসাহসী যোদ্ধাদের সীমান্ত অঞ্চলের স্যালুনগুলোতে নিজেদের বোকা বানাতে দেখাটা নিশ্চয়ই মজার ছিল। যেখানে তারা প্রতিদ্বন্দ্বী সাংবাদিক ও তাদের সমর্থকদের সাথে চাবুকপেটা এবং গোলাগুলিতে মেতে উঠতেন। কিন্তু কে থামত এটা ভাবতে যে, শব্দ এবং প্রকাশনার ক্ষমতা হাতে থাকা বলতে আসলে কী বোঝায়? এটা বুঝতে পারা যে, একটি পুরো শহর বা অঞ্চল বিচার করবে, নিন্দা জানাবে, কাজ করবে, দণ্ড মওকুফ করবে কিংবা গুণগান গাইবে শুধুমাত্র আপনার গতরাতের তড়িঘড়ি করে লেখা কোনো কিছুর ওপর ভিত্তি করে? কারণ আপনি টাইপসেটে কিছু একটা সাজিয়েছিলেন, আর তা করতে গিয়ে আপনার আঙুলের ডগায় লেগে যাওয়া ধাতব বিষগুলো অদম্যভাবে আপনার রক্তপ্রবাহে যাত্রা শুরু করেছিল? ক্ষমতার মোহে আপনি আপনার যকৃৎ আর বৃক্ককে এক স্পঞ্জি ও খিটখিটে পিন্ডে পরিণত করেছিলেন। আপনি আপনার মস্তিষ্কের কোষগুলোকে ভারী ধাতব আয়নের বিষে কলুষিত করেছিলেন যতক্ষণ না তা দিকভ্রান্ত দৃষ্টিভঙ্গির এক ভুতুড়ে বাড়িতে পরিণত হয়। [[w:অ্যালকোহল|অ্যালকোহল]] সাময়িকভাবে সেই প্রভাব কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করত। তাই আপনি একজন মদ্যপ হয়ে উঠেছিলেন, এবং দিনপ্রতি কিস্তিতে নিজের মানসিক সুস্থতা কিনে নিতেন, আর নিজেকে সবার হাসির পাত্রে পরিণত করতেন। শেষ পর্যন্ত এটি মজার কিংবা বিয়োগান্তক কোনোটিই ছিল না। এটি ছিল জীবনের এক রূঢ় বাস্তবতা যা মাঝারি মানের মানুষের ওপর ধীরগতিতে কাজ করত; কারণ সেই মাঝারিরা নিজেদের সত্ত্বাকে থামিয়ে দিয়ে নিশ্চিন্তে ঘুমাতে যেতে পারত, রাতের কাজটি তাদের নিজের সন্তুষ্টি অনুযায়ী হোক বা না হোক। ** '''''অ্যালজিস বাড্রিস''''', '''''মাইকেলমাস''''' (১৯৭৭), ISBN 0-425-03812-2, অধ্যায় ৩ (পৃ. ৩৬-৩৭)। * সাংবাদিকতা হয়তো খুব বেশি দুঃসাহস দেখানোর সাহস পায় না। এটি মৃদু হাস্যরসাত্মক এবং বিদ্রূপাত্মক হতে পারে, খুব হালকাভাবে এতে ব্যক্তিগত বৈশিষ্ট্যের ছোঁয়া থাকতে পারে, কিন্তু খুব গভীরে খনন করে এটি পাঠকদের বিমুখ করতে পারে না। ভাষার প্রতি এর দৃষ্টিভঙ্গির ক্ষেত্রে এটি বিশেষভাবে সত্য: প্রচলিত রীতিগুলো নিয়ে এখানে কোনো প্রশ্ন তোলা হয় না। ** '''''[[:w:অ্যান্থনি বার্জেস|অ্যান্থনি বার্জেস]]''''', '''''এ মাউথফুল অফ এয়ার: ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজেস, এস্পেশালি ইংলিশ''''' (১৯৯২)। * স্বঘোষিত এক তামাশাকার আর রসালো ভাড়াটে ভাঁড়,<br>নিম্নমানের মাসিক-লেখক ও উপহাসের উপহার!<br>শৈল্পিক চাটুকারিতে সে বেজায় রপ্ত, তার হস্তকৃত ম্যাগাজিন মিথ্যায় অভিশপ্ত! ** '''''[[:w:লর্ড বায়রন|লর্ড বায়রন]]''''', '''''ইংলিশ বার্ডস অ্যান্ড স্কচ রিভিউয়ার্সের''''' খন্ডাংশ (১৮০৯), লাইন ৯৭৫, বাংলায় রুপান্তরঃ '''মাহমুদ''' (২৩ এপ্রিল, ২০২৬)। == C == * মূলধারার সংবাদ মাধ্যমগুলো যখন ক্রমশ আত্মতুষ্ট হয়ে পড়ছে, এমনকি যুদ্ধপন্থী নীতিগুলোর সমর্থক হয়ে উঠছে, তখন এটি আরও বেশি অপরিহার্য হয়ে দাঁড়িয়েছে যে, যুদ্ধবিরোধী কণ্ঠস্বর এবং বিশেষ করে যুদ্ধবিরোধী সাংবাদিকরা যেন [[w:মার্কিন_যুক্তরাষ্ট্র|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের]] সেই নজির স্থাপনের প্রচেষ্টাকে প্রতিরোধ করেন, যা যুদ্ধাপরাধ প্রকাশের কাজটিকে একটি দণ্ডণীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য করতে চায়। ** '''''স্যাম কার্লিনার''''', [https://www.commondreams.org/views/2021/10/22/fate-anti-war-journalism-lies-upcoming-assange-hearings "যুদ্ধবিরোধী সাংবাদিকতার ভাগ্য আসন্ন অ্যাসাঞ্জ শুনানির ওপর নির্ভর করছে"], '''''কমন ড্রিমস''''', (২২ অক্টোবর ২০২১)। * মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির অপূরণীয় ক্ষতির বিষয়ে যারা উদাসীন বা সরাসরি সমর্থনমূলক অবস্থান গ্রহণ করে, সেইসব প্রকাশনার সম্পূর্ণ বিপরীতে অবস্থান করছে উইকিলিকস এবং এর প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ। "যদি মিথ্যা দিয়ে যুদ্ধ শুরু করা যায়, তবে সত্য দিয়ে তা থামানোও সম্ভব"—তার এই দৃষ্টিভঙ্গি অনুসরণ করে, অ্যাসাঞ্জ একবিংশ শতাব্দীর মার্কিন পররাষ্ট্রনীতি সংক্রান্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য নিখুঁত নির্ভুলতার সাথে প্রকাশ করেছেন। ** '''''স্যাম কার্লিনার''''', [https://www.commondreams.org/views/2021/10/22/fate-anti-war-journalism-lies-upcoming-assange-hearings "যুদ্ধবিরোধী সাংবাদিকতার ভাগ্য আসন্ন অ্যাসাঞ্জ শুনানির ওপর নির্ভর করছে"], '''''কমন ড্রিমস''''', (২২ অক্টোবর ২০২১)। * মূলধারার সংবাদমাধ্যমের হাজারো সমস্যা থাকা সত্ত্বেও, একটি শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান হিসেবে সাংবাদিকতা আজও যুদ্ধ প্রতিরোধ করার এবং ক্ষেত্রবিশেষে চলমান রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ বন্ধ করার অন্যতম প্রধান ও কার্যকর হাতিয়ার হিসেবে টিকে রয়েছে। এমনকি যারা সংবাদমাধ্যমের ওপর চরম আস্থাহীন, তাদেরও উচিত সংবাদপত্রের স্বাধীনতার ওপর আসা যাবতীয় আক্রমণ ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া। কারণ সংবাদপত্রের স্বাধীনতার এই সুনিশ্চিত গ্যারান্টিই যুদ্ধবিরোধী প্রতিবেদনগুলোকে মূলধারার আলোচনায় নিয়ে আসে এবং সাধারণ মানুষের প্রথাগত চিন্তাধারাকে পরিবর্তন করে তাদের সরকারকে আরও গভীরভাবে বুঝতে শেখায়। ** '''''স্যাম কার্লিনার''''', [https://www.commondreams.org/views/2021/10/22/fate-anti-war-journalism-lies-upcoming-assange-hearings "যুদ্ধবিরোধী সাংবাদিকতার ভাগ্য আসন্ন অ্যাসাঞ্জ শুনানির ওপর নির্ভর করছে"], '''''কমন ড্রিমস''''', (২২ অক্টোবর ২০২১)। * দক্ষ ও দূরদর্শী সম্পাদকদের সমন্বয়ে গঠিত একটি 'চতুর্থ স্তম্ভ' বা ফোর্থ এস্টেটের অভ্যুদয় ঘটছে। ** '''''[[:w:টমাস কার্লাইল|টমাস কার্লাইল]]''''', '''''দ্য ফ্রেঞ্চ রেভোলিউশন, এ হিস্ট্রি''''' (১৮৩৭), প্রথম অংশ, ষষ্ঠ বই, অধ্যায় ৫। * সাংবাদিকতা সত্যিই এক মহৎ ও বিশাল শক্তি। প্রতিটি দক্ষ ও কুশলী সম্পাদক কি এই বিশ্বের একেকজন প্রকৃত শাসক নন? কারণ তিনি তাঁর ক্ষুরধার লেখনী ও অকাট্য যুক্তির মাধ্যমে সমগ্র বিশ্ববাসীকে নিজ মতে প্ররোচিত করার ক্ষমতা রাখেন। ** '''''[[:w:টমাস কার্লাইল|টমাস কার্লাইল]]''''', '''''দ্য ফ্রেঞ্চ রেভোলিউশন, এ হিস্ট্রি''''' (১৮৩৭), দ্বিতীয় অংশ, প্রথম বই, অধ্যায় ৪। * বার্ক বলেছিলেন যে পার্লামেন্টে তিনটি প্রধান স্তম্ভ বা এস্টেট রয়েছে। কিন্তু তিনি ঐ যে সংবাদদাতাদের গ্যালারির দিকে ইঙ্গিত করে বলেছিলেন, সেখানে একটি 'চতুর্থ স্তম্ভ' উপবিষ্ট আছে যা আগের তিনটি স্তম্ভের তুলনায় অনেক বেশি প্রভাবশালী ও গুরুত্বপূর্ণ। এটি কোনো আলঙ্কারিক শব্দ বা নিছক চাতুর্যপূর্ণ উক্তি নয়, বরং এটি একটি আক্ষরিক সত্য। যা বর্তমান এই অস্থির সময়ে আমাদের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও অমোঘ। ** '''''[[:w:টমাস কার্লাইল|টমাস কার্লাইল]]''''', '''''অন হিরোস, হিরো-ওয়ারশিপ, অ্যান্ড দ্য হিরোইক ইন হিস্ট্রি: সিক্স লেকচারস: রিপোর্টেড''''', উইলি অ্যান্ড হ্যালস্টেড, (১৮৫৯), পৃ. ১৪৭, বক্তৃতা ৫: "দ্য হিরো অ্যাজ ম্যান অফ লেটারস"। * সাংবাদিকদের দেখলে মনে হতে পারে যে তারা প্রায় আক্ষরিক অর্থেই আধুনিক বিশ্বের এক একজন পুরোহিত... তবে পুরোহিততন্ত্রের নৈতিক অবক্ষয় ঠিক সেই মুহূর্তেই ঘটেছিল যখন এটি জ্ঞান বিতরণের জন্য গঠিত একটি সংখ্যালঘু গোষ্ঠী থেকে জ্ঞান গোপন রাখার জন্য গঠিত একটি সংখ্যালঘু গোষ্ঠীতে রূপান্তরিত হয়েছিল। সাংবাদিকতার অধঃপতনের ক্ষেত্রেও ঠিক একই ধরনের এক বিশাল বিপদ ও আশঙ্কা লুকিয়ে রয়েছে। সাংবাদিকতা নিজেই নিজের মধ্যে এমন এক ভয়াবহ দানবীয় রূপ এবং বিভ্রম সৃষ্টি করার সম্ভাবনা ধারণ করে, যা মানবজাতির জন্য অতীতে কখনও আসা যেকোনো অভিশাপের চেয়েও ভয়াবহ হতে পারে। এই ভয়ংকর রূপান্তরটি ঠিক সেই মুহূর্তেই ঘটবে যখন সাংবাদিকরা অনুধাবন করতে শুরু করবে যে তারা সমাজের এক বিশেষ অভিজাত শ্রেণীতে পরিণত হতে সক্ষম। ** '''''[[:w:জি. কে. চেস্টারটন|জি. কে. চেস্টারটন]]''''', "দ্য নিউ প্রিস্টস" (১৯০১)। [https://books.google.com/books?id=v6-RGg0qKpsC&pg=PA551&dq=%22Journalism+possesses+in+itself+the+potentiality+of+becoming+one+of+the+most+frightful+monstrosities%22&hl=en&newbks=1&newbks_redir=0&sa=X&ved=2ahUKEwikocyvmKf7AhWbj4kEHWQlDCAQuwV6BAgOEAY#v=onepage&q=%22Journalism%20possesses%20in%20itself%20the%20potentiality%20of%20becoming%20one%20of%20the%20most%20frightful%20monstrosities%22&f=false] * সাংবাদিকতা বর্তমানে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে ঠিকই, তবে এই জনপ্রিয়তার মূল ভিত্তিটি আসলে এক ধরনের কাল্পনিক আখ্যান বা ফিকশন। আমাদের যাপিত জীবন হলো এক স্বতন্ত্র জগত, আর সংবাদপত্রের পাতায় প্রতিফলিত জীবন হলো সম্পূর্ণ ভিন্ন ও কৃত্রিম এক জগত। ** '''''[[:w:জি. কে. চেস্টারটন|জি. কে. চেস্টারটন]]''''', "অন দ্য ক্রিপ্টিক অ্যান্ড দ্য এলিপ্টিক", '''''অল থিংস কনসিডারড''''' (১৯০৮)। * আমি জানি যে সাংবাদিকতা মূলত এমন সব মানুষকে 'লর্ড জোন্স মৃত' বলে সংবাদ দেওয়ার নামান্তর, যারা লর্ড জোন্স যে আদৌ জীবিত ছিলেন সেই খবরটিই কখনও জানতেন না। ** '''''[[:w:জি. কে. চেস্টারটন|জি. কে. চেস্টারটন]]''''', "দ্য পার্পল উইগ", '''''দ্য উইজডম অফ ফাদার ব্রাউন''''' (১৯১৪)। * আমাদের আধুনিক অস্তিত্বের প্রতিচ্ছবি হিসেবে সাংবাদিকতার একটি বড় ও প্রধান দুর্বলতা হলো এই যে, একে এমন এক চিত্রকল্প হতে হয় যা পুরোপুরি কিছু ব্যতিক্রমী ঘটনার সমষ্টি। আমরা চটকদার পোস্টারে ঘোষণা করি যে কোনো এক ব্যক্তি ভারা থেকে নিচে পড়ে গিয়েছেন। কিন্তু আমরা কখনও রঙিন পোস্টারে এই ঘোষণা দিই না যে কোনো এক ব্যক্তি ভারা থেকে নিচে পড়ে যাননি। অথচ বাস্তবিকভাবে পরবর্তী তথ্যটিই অনেক বেশি রোমাঞ্চকর ও উদ্দীপক। কারণ এটি নির্দেশ করে যে মানুষ নামক রহস্য আর আতঙ্কের সেই সচল মিনারটি এখনও এই পৃথিবীতে সদর্পে বিচরণ করছে। মানুষটি যে ভারা থেকে পড়ে যায়নি, সেটিই আসলে প্রকৃত অর্থে বেশি চাঞ্চল্যকর এবং এটি নিয়মিত ঘটে যাওয়া হাজারো সাধারণ ঘটনার চেয়েও অনেক বেশি বাস্তব। কিন্তু সাংবাদিকতার কাছে এমন প্রত্যাশা করা অযৌক্তিক যে তারা এই চিরন্তন ও ধ্রুব অলৌকিক ঘটনাগুলোর ওপর জোর দেবে। ব্যস্ত সম্পাদকদের কাছ থেকে এমনটা আশা করা যায় না যে তারা তাদের পোস্টারে লিখবেন, "মিস্টার উইলকিনসন এখনও নিরাপদ আছেন" কিংবা "ওয়ার্দিং-এর মিস্টার জোন্স এখনও মারা যাননি।" তারা মানবজাতির সামগ্রিক সুখ বা সাধারণ স্বাভাবিকতাকে সংবাদ হিসেবে প্রচার করতে পারেন না। তারা এমন সব কাঁটাচামচের বর্ণনা দিতে পারেন না যা চুরি হয়নি, কিংবা এমন সব দাম্পত্যের কথা লিখতে পারেন না যা বিচারবুদ্ধি খাটিয়ে ভেঙে দেওয়া হয়নি। ফলস্বরূপ, জীবনের যে পূর্ণাঙ্গ চিত্র তারা তুলে ধরেন তা অপরিহার্যভাবেই বিভ্রান্তিকর ও ত্রুটিপূর্ণ হয়ে ওঠে। কারণ তারা কেবল যা অস্বাভাবিক ও ব্যতিক্রমী, তা-ই উপস্থাপন করতে সক্ষম। তারা যত বড় গণতান্ত্রিকই হোন না কেন, দিনশেষে তারা কেবলমাত্র সংখ্যালঘু এবং বিচ্ছিন্ন ঘটনাগুলো নিয়েই বেশি ব্যস্ত থাকেন। ** '''''[[:w:জি. কে. চেস্টারটন|জি. কে. চেস্টারটন]]''''', '''''দ্য বল অ্যান্ড দ্য ক্রস''''' (১৯০৯), [http://www.classicreader.com/book/2241/4/ চতুর্থ অধ্যায়: ভোরের আলোচনা] (দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ)। * উইকিলিকস যদি কোনো ছাপাখানা থেকে প্রকাশিত সাধারণ সাময়িকী হতো, তবে এর ওপর এমন নিষেধাজ্ঞা আরোপের কথা চিন্তাও করা যেত না। ... এই মামলাটিকে যা আলাদা করে তুলেছে তা হলো, অভিযোগ অনুযায়ী তথাকথিত অগ্রহণযোগ্য বিষয়বস্তুগুলো কাগজের পরিবর্তে ইন্টারনেটে প্রকাশিত হয়েছিল। কিন্তু যারা কোনো কিছু প্রকাশ করতে চায় এবং যারা তা পড়তে চায়। তাদের সুরক্ষা প্রদানকারী মূলনীতিগুলো বিসর্জন দেওয়ার জন্য এটি অত্যন্ত দুর্বল ও ভিত্তিহীন একটি অজুহাত। মাধ্যম যা-ই হোক না কেন, সেন্সরশিপ বা কণ্ঠরোধ সবসময়ই সেন্সরশিপ হিসেবেই গণ্য হয়। ** '''''সম্পাদকীয়''''', "ইলেকট্রনিক সেন্সরশিপ", '''''[[:w:শিকাগো ট্রিবিউন|শিকাগো ট্রিবিউন]]''''', শিকাগো ট্রিবিউন কোম্পানি, (২৬ ফেব্রুয়ারি ২০০৮), পৃ. ১৪। * '''সাংবাদিকদের পরম পবিত্র দায়িত্ব হলো সত্য প্রকাশ করা। সাংবাদিকতা মানে হলো আপনাকে প্রকৃত ঘটনার মূলে ফিরে যেতে হবে, নথিপত্রগুলো গভীরভাবে খতিয়ে দেখতে হবে, নথিবদ্ধ তথ্যের আসল রূপটি উন্মোচন করতে হবে এবং ঠিক সেভাবেই তা সবার সামনে তুলে ধরতে হবে।''' ** '''''[[:w:নোম চমস্কি|নোম চমস্কি]]''''', সাক্ষাৎকারে: জয় ওয়াং, "বক্তৃতা: নোম চমস্কি", '''''বুলপেন: এনওয়াইইউ জার্নালিজম''''', [[:w:নিউ ইয়র্ক ইউনিভার্সিটি|নিউ ইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়]], (ডিসেম্বর ২০০৪)। * রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা রক্ষার প্রকৃত উদ্দেশ্য হলো সরকারকে তার নিজস্ব স্বার্থসিদ্ধি এবং প্রায়শই ভিত্তিহীন ও মিথ্যায় ঘেরা সত্যের একটি সংস্করণ প্রতিষ্ঠা করতে সহায়তা করা। আর এটি করা হয় জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়া 'তথ্য' বা 'উপাত্ত'গুলোকে অত্যন্ত সতর্কতার সাথে বাছাই করার মাধ্যমে। তারা তাদের প্রকৃত জানা তথ্যের যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত প্রকাশ কিংবা বিকল্প কোনো তথ্যসূত্রের উপস্থিতিতে চরমভাবে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। সংবাদসূচির ওপর তাদের এই একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার ক্ষেত্রে যেকোনো ধরনের হুমকিকে সম্ভব হলে দমন করা হয়। আর যেখানে দমন করা সম্ভব হয় না, সেখানে দায়ীদের খুঁজে বের করে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা হয়।<br>[[w:ইয়েমেনী_সংকট_(২০১১-বর্তমান)|ইয়েমেন যুদ্ধ]]—যেখানে অন্তত ৭০,০০০ মানুষ প্রাণ হারিয়েছে! সেই যুদ্ধ সম্পর্কে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশ করে দেওয়াই হলো প্রধান কারণ যার জন্য মার্কিন সরকার জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ এবং জিক্রি—উভয়কেই চরমভাবে হেনস্তা ও নিপীড়ন করছে। ** '''''প্যাট্রিক ককবার্ন''''', [https://www.counterpunch.org/2019/06/04/why-the-us-is-persecuting-assange/ "কেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অ্যাসাঞ্জকে নিপীড়ন করছে?"], '''''কাউন্টারপাঞ্চ''''', (৪ জুন ২০১৯)। * এক দশক আগে আমি যখন কাবুলে অবস্থান করছিলাম, ঠিক তখনই উইকিলিকস আফগানিস্তান, ইরাক এবং ইয়েমেনের সংঘাত সংক্রান্ত মার্কিন সরকারের নথিপত্রের এক বিশাল ভাণ্ডার উন্মোচন করেছিল। সেই প্রকাশের দিনটিতে আমি একজন মার্কিন কর্মকর্তার সাথে দেখা করার জন্য ফোনে কথা বলছিলাম... তিনি এই বিষয়টি নিয়ে অত্যন্ত উৎসুক ছিলেন এবং আমার কাছে জানতে চেয়েছিলেন যে ফাইলগুলোর গোপনীয়তার মাত্রা বা ক্লাসিফিকেশন সম্পর্কে আসলে কী জানা গেছে। আমি যখন তাঁকে বিস্তারিত জানালাম, তিনি বেশ স্বস্তির সুরে বললেন: “তাহলে তো দেখছি এর মধ্যে প্রকৃত অর্থে গোপন রাখার মতো তেমন কিছুই নেই।” ** '''''প্যাট্রিক ককবার্ন''''', [https://www.counterpunch.org/2019/06/04/why-the-us-is-persecuting-assange/ "কেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অ্যাসাঞ্জকে নিপীড়ন করছে?"], '''''কাউন্টারপাঞ্চ''''', (৪ জুন ২০১৯)। * আমরা এই শুনানিতে উপস্থিত সবাইকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানাচ্ছি। ১৯৮৯ সালের 'টেক্সাস বনাম জনসন' মামলায় সুপ্রিম কোর্ট আমাদের গণতন্ত্রের অন্যতম মৌলিক একটি আদর্শ তুলে ধরেছিল। সেটি হলোঃ প্রথম সংশোধনীর পেছনে যদি কোনো সুদৃঢ় ও অপরিবর্তনীয় ভিত্তি থেকে থাকে, তবে তা হলো এই যে: সরকার কোনো নির্দিষ্ট ধারণার বহিঃপ্রকাশকে কেবল এই অজুহাতে নিষিদ্ধ করতে পারে না যে সমাজ সেই ধারণাটিকে আপত্তিকর বা অপ্রীতিকর বলে মনে করছে। এই অমোঘ কথাগুলো ছিল বিচারপতি উইলিয়াম ব্রেনান জুনিয়রের। ** '''''কংগ্রেসম্যান জন কনিয়ার্স''''', [https://www.govinfo.gov/content/pkg/CHRG-111hhrg63081/html/CHRG-111hhrg63081.htm "মার্কিন কংগ্রেস হাউস হিয়ারিং: এসপিওনাজ অ্যাক্ট এবং উইকিলিকস কর্তৃক উত্থাপিত আইনি ও সাংবিধানিক সমস্যাসমূহ"], বিচার বিভাগীয় কমিটি, প্রতিনিধি সভা, (১৬ ডিসেম্বর ২০১০)। [https://www.c-span.org/video/?297115-1/wikileaksthe-espionage-act-constitution সি-স্প্যান রেকর্ডিং] * ...এই বিতর্ক সম্পর্কে যার যা-ই মত থাকুক না কেন, এটি অত্যন্ত স্পষ্ট যে উইকিলিকস-এর বিরুদ্ধে বিচারিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে তা বাকস্বাধীনতা, সাংবাদিকের প্রকৃত পরিচয় এবং নাগরিকরা তাদের নিজস্ব সরকারের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে আসলে কতটুকু জানার অধিকার রাখে। তা নিয়ে অত্যন্ত মৌলিক ও সুদূরপ্রসারী প্রশ্নের জন্ম দেবে। প্রকৃতপক্ষে, যদিও এ বিষয়ে একটি সাধারণ ঐকমত্য রয়েছে যে মাঝে মাঝে রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা বজায় রাখা অপরিহার্য, তবুও বর্তমান সময়ের আসল সমস্যাটি গোপনীয়তার অভাব নয়, বরং অতিমাত্রায় গোপনীয়তা রক্ষা করার প্রবণতা। ** '''''কংগ্রেসম্যান জন কনিয়ার্স''''', [https://www.govinfo.gov/content/pkg/CHRG-111hhrg63081/html/CHRG-111hhrg63081.htm "মার্কিন কংগ্রেস হাউস হিয়ারিং: এসপিওনাজ অ্যাক্ট এবং উইকিলিকস কর্তৃক উত্থাপিত আইনি ও সাংবিধানিক সমস্যাসমূহ"], বিচার বিভাগীয় কমিটি, প্রতিনিধি সভা, (১৬ ডিসেম্বর ২০১০)। [https://www.c-span.org/video/?297115-1/wikileaksthe-espionage-act-constitution সি-স্প্যান রেকর্ডিং] * গণমাধ্যম এমন এক ধরনের বিশ্বাসযোগ্যতা বহন করে যা তারা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই পাওয়ার যোগ্য নয়। আপনারা সবাই কোনো না কোনোভাবে জীবনের এই অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়েছেন। [...]<br>সংক্ষেপে বলতে গেলে, '''গেল-ম্যান অ্যামনেসিয়া এফেক্ট''' বা বিস্মৃতি প্রভাবটি হলো এইরকম: আপনি সংবাদপত্রের এমন একটি নিবন্ধ পড়তে শুরু করলেন যে বিষয়টি সম্পর্কে আপনার আগে থেকেই খুব ভালো জানাশোনা আছে। [...] আপনি নিবন্ধটি পড়লেন এবং বুঝতে পারলেন যে ওই সাংবাদিকের সংশ্লিষ্ট তথ্য বা বিষয়টি সম্পর্কে বিন্দুমাত্র কোনো ধারণা নেই। [...] আপনি অত্যন্ত বিরক্তি বা কৌতুকের সাথে সেই প্রতিবেদনের অসংখ্য ভুলগুলো লক্ষ্য করলেন, কিন্তু এরপরই পাতার উল্টো পাশে গিয়ে জাতীয় বা আন্তর্জাতিক বিষয়ক সংবাদগুলো এমনভাবে পড়তে শুরু করলেন যেন সংবাদপত্রের বাকি অংশগুলো [[w:ফিলিস্তিন|ফিলিস্তিন]] বা অন্য কোনো জটিল বিষয়ে অনেক বেশি নির্ভুল। যদিও মাত্র কয়েক মুহূর্ত আগেই আপনি একগাদা আজেবাজে ও ভুল তথ্য পড়েছেন। '''আপনি যদি পাতা উল্টাতে থাকেন, আর যা আপনি জানেন তা মুহূর্তেই ভুলে যান।''' ** '''''মাইকেল ক্রিকটন''''', [https://web.archive.org/web/20190808123852/http://larvatus.com/michael-crichton-why-speculate/ "কেন অনুমান করবেন?"], (লা জোলা, ক্যালিফোর্নিয়ার ইন্টারন্যাশনাল লিডারশিপ ফোরামে দেওয়া ভাষণ, ২৬ এপ্রিল ২০০২)। মূল উৎস থেকে ৮ আগস্ট ২০১৯ তারিখে আর্কাইভ করা। সংগৃহীত: ৩ মে ২০২২। == D == [[File:Betty Friedan 1960.jpg|thumb|আজকের দিনের গম্ভীর ও মননশীল অ-কল্পকাহিনী লেখকরা সমাজের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ সামাজিক বিজ্ঞানের সুদৃঢ় ভিত্তি এবং একজন প্রতিবেদকের সাংবাদিকতা দক্ষতার সমন্বয়ে তাঁরা কেবল সংবাদ পরিবেশনের গণ্ডি পেরিয়ে আমাদের উদীয়মান সমাজের অগ্রযাত্রার একেবারে সম্মুখভাগে অবস্থান করেন।<br>~'''''বেটি ফ্রিডান''''' ]] * আমি সত্যি বুঝতে অক্ষম যে সাংবাদিকতাকে কেন এত জঘন্য, এত বেশি বিদ্রূপাত্মক এবং অন্যের ব্যক্তিগত বিষয়ে হস্তক্ষেপকারী হতে হয়। ** '''''পাল ড্যানিয়েলস''''', উদ্ধৃত হয়েছে: '''''[[:w:দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট|দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট]]''''', (১৭ মার্চ ২০১৬)। * এই সংবাদপত্র আমাদের জন্য সব কিছুই করে থাকে। এটি পুলিশ বাহিনীকে পরিচালনা করে এবং ব্যাংকগুলো চালায়, সামরিক বাহিনীকে আদেশ দেয়, আইনসভা নিয়ন্ত্রণ করে, নবজাতকদের দীক্ষা দেয়, নির্বোধদের বিবাহ সম্পন্ন করে, '''বেদনার্তদের সান্ত্বনা দেয় ও শান্তিতে থাকাদের অস্বস্তিতে ফেলে''', মৃতদের সমাহিত করে এবং পরবর্তীতে তাদের কঠোর সমালোচনা করে দহন করে। এমন কোনো বিষয় নেই যা তারা স্পর্শ করে না, তা পবিত্র রুটির আধ্যাত্মিক রূপান্তর ব্যাখ্যা করা থেকে শুরু করে সাধারণ বিস্কুট তৈরির প্রণালী পর্যন্ত যা-ই হোক না কেন। ** '''''ফিনলে পিটার ডান''''', "নিউজপেপার পাবলিসিটি", '''''অবজারভেশনস বাই মিস্টার ডুলি''''' (১৯০২)। == E == * সাংবাদিকতা হলো একটি সুসংগঠিত পরচর্চা। ** '''''এডওয়ার্ড এগলেস্টন''''' == F == * “সে কি তোমাকে বিশ্বাস করেছিল?”<br>“সে একজন অত্যন্ত দক্ষ ও ঝানু সাংবাদিক। কাজেই অবশ্যই বিশ্বাস করেনি।” ** '''''জ্যাসপার ফোর্ড''''', '''''ওয়ান অফ আওয়ার থার্সডেস ইজ মিসিং''''' (২০১১), ISBN 978-0-670-02252-6, পৃ. ২০৫। * আমার মনে হয়, শেষ পর্যন্ত আমরা সাংবাদিকরা অন্তত সেই চেষ্টাটুকু করি বা করা উচিত। যেন আমরা ইতিহাসের প্রথম নিরপেক্ষ সাক্ষী হতে পারি। যদি আমাদের অস্তিত্বের পেছনে কোনো সার্থকতা থেকে থাকে, তবে তা অবশ্যই ইতিহাসের ঘটনাপ্রবাহ যেভাবে ঘটে ঠিক সেভাবেই উপস্থাপন করার ক্ষমতার মধ্যে নিহিত; যেন ভবিষ্যতে কেউ কখনও এমনটা বলতে না পারে: 'আমরা জানতাম না! আমাদের কেউ বলেনি।' ** '''''রবার্ট ফিস্ক''''', '''''দ্য গ্রেট ওয়ার ফর সিভিলাইজেশন: দ্য কনকুয়েস্ট অফ দ্য মিডল ইস্ট''''', ফোর্থ এস্টেট, (২০০৫), পৃ. ২৫, ISBN 0007203837। * আজকের দিনের গম্ভীর ও মননশীল অ-কল্পকাহিনী লেখকরা সমাজের জন্য অপরিহার্য। কারণ সামাজিক বিজ্ঞানের সুদৃঢ় তাত্ত্বিক ভিত্তি এবং একজন প্রতিবেদকের তীক্ষ্ণ সাংবাদিকতা দক্ষতার অনবদ্য সমন্বয়ে তাঁরা কেবল সাধারণ সংবাদ পরিবেশনের গণ্ডি অতিক্রম করেন এবং আমাদের উদীয়মান ও পরিবর্তনশীল সমাজের অগ্রযাত্রার একেবারে সম্মুখভাগে অবস্থান নেন। ** '''''বেটি ফ্রিডান''''' (মে ১৯৭৮), ''৩০তম বার্ষিকী জার্নাল'', '''''আমেরিকান সোসাইটি অফ জার্নালিস্ট অ্যান্ড অথরস'''''; উদ্ধৃত হয়েছে: '''''দ্য কমপ্লিট গাইড টু রাইটিং নন-ফিকশন''''' (১৯৮৩), গ্লেন ইভান্স সম্পাদিত, রাইটার্স ডাইজেস্ট বুকস, সিনসিনাটি, ওহাইও, পৃ. ৫, ISBN 0-89879-117-0। == G == * যখন সাংবাদিকতার বিকৃত ভাষা বা 'জার্নালিজ' তার চরম শিখরে পৌঁছেছিল, ঠিক তখনই স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, হয়তো এটি একটি কাকতালীয় ঘটনা মাত্র। ** '''''জন গলসওয়ার্দি''''' (জুলাই ১৯২৪), ''অন এক্সপ্রেশন'', ইংলিশ অ্যাসোসিয়েশনের রাষ্ট্রপতির ভাষণ, পৃ. ১২; উদ্ধৃতিটি পুনরুৎপাদন করা হয়েছে: ডেভিড ক্রিস্টাল ও হিলারি ক্রিস্টাল রচিত '''''ওয়ার্ডস অন ওয়ার্ডস: কোটেশনস অ্যাবাউট ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজেস''''' (২০০০), ইউনিভার্সিটি অফ শিকাগো প্রেস, পৃ. ২৭৬, ISBN 0226122018। * সাংবাদিকতা কোনো প্রথাগত পেশা নয়... এর অন্তরে এটি কেবল একটি সৃজনশীল শিল্প বা কারুশিল্প। আর এর অর্থ হলো, যে কেউ যার বিচারবুদ্ধি আছে, যে বুদ্ধিমান, চিন্তাশীল এবং কৌতূহলী—তিনিই এই শিল্পের চর্চা করতে পারেন। ** '''''সু গার্ডনার''''', [https://en.wikinews.org/wiki/Interview_with_Sue_Gardner_of_the_Wikimedia_Foundation "উইকিমিডিয়া ফাউন্ডেশনের সু গার্ডনারের সাথে সাক্ষাৎকার"], '''''উইকিসংবাদ''''', ২৪ অক্টোবর ২০০৭। * তৃণমূল পর্যায়ের সাংবাদিকতা হলো নাগরিক-সৃষ্ট সংবাদমাধ্যমের সেই বিস্তৃত পরিস্থিতির একটি অংশ, যা আসলে একটি বিশ্বব্যাপী আলাপচারিতা এবং এটি প্রতিনিয়ত শক্তিতে, জটিলতায় ও প্রভাবে সমৃদ্ধ হচ্ছে। মানুষ যখন নিজেকে প্রকাশ করার সুযোগ পায়, তারা অবশ্যই তা করে। যখন তারা শক্তিশালী অথচ সুলভ সরঞ্জাম হাতে পায়, তখন তারা অত্যন্ত দ্রুততার সাথে এই নতুন সংবাদমাধ্যমের জগতের সাথে নিজেদের মানিয়ে নেয়। আর যখন তারা সম্ভাব্য এক বিশ্বব্যাপী শ্রোতামণ্ডলীর কাছে পৌঁছাতে সক্ষম হয়, তখন তারা আক্ষরিক অর্থেই পুরো পৃথিবীটাকে বদলে দিতে পারে। ** '''''ড্যান গিলমোর''''', '''''উই দ্য মিডিয়া: গ্রাসরুটস জার্নালিজম বাই দ্য পিপল ফর দ্য পিপল''''' (২০০৬), ও'রেলি মিডিয়া, পৃ. xv, ISBN 0596102275। * যদিও সাংবাদিকদের উচিত '''[[w:উইকিলিকস|উইকিলিকসকে]]''' (একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা; যা বিভিন্ন অপ্রকাশিত ও গোপন নথিসমূহ প্রকাশ করে) কিছুটা সংশয়ের দৃষ্টিতে দেখা, কিন্তু একে কোনোভাবেই উপেক্ষা করার উপায় নেই। অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার এই সাহসী নতুন বিশ্বে আপনাদের স্বাগতম। ** '''''শন গনসালভস''''', [http://www.alternet.org/mediaculture/90641/will_wikileaks_revolutionize_journalism/?page=2 "উইকিলিকস কি সাংবাদিকতায় বিপ্লব ঘটাবে?"], '''''অল্টারনেট''''', (৭ জুলাই ২০০৮)। * যেখানে নিস্তব্ধতা বিরাজ করে, সেখানে ছুটে যাওয়াই একজন সাংবাদিকের পরম দায়িত্ব। যারা বিস্মৃত, পরিত্যক্ত এবং ক্ষমতাশালীদের দ্বারা নিগৃহীত হয়েছে, তাদের কণ্ঠস্বর হয়ে ওঠা। আমাদের এমন এক 'ট্রিকল-আপ' বা তৃণমূল থেকে উঠে আসা গণমাধ্যম গড়ে তুলতে হবে যা এই দেশ এবং এর মানুষের প্রকৃত চরিত্রকে প্রতিফলিত করবে। ** '''''অ্যামি গুডম্যান''''', ডেভিড গুডম্যানের সাথে যৌথভাবে রচিত '''''দ্য এক্সেপশন টু দ্য রুলার্স''''' (২০০৪)। * সাংবাদিকদের কাজ হলো ক্ষমতার ওপর নজরদারি করা এবং ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষা করা, জনপ্রিয়তার প্রতিযোগিতায় জয়ী হওয়া নয়। ** '''''[[:w:অ্যামি গুডম্যান|অ্যামি গুডম্যান]]''''', ভূমিকা, '''''ডেমোক্রেসি নাও!: টুয়েন্টি ইয়ার্স কভারিং দ্য মুভমেন্টস চেঞ্জিং আমেরিকা''''' (২০১৬)। * মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ধর্ম হলো সামরিক সব কিছুর উপাসনা করা। আর সাংবাদিকরা হলেন সেই ধর্মের প্রধান পুরোহিত। ** '''''গ্লেন গ্রিনওয়াল্ড''''' (১৯৬৭), ডেমোক্রেসি নাও! এর সাথে সাক্ষাৎকার (১৪ নভেম্বর ২০১২): [http://www.democracynow.org/2012/11/14/glenn_greenwald_while_petraeus_had_affair "গ্লেন গ্রিনওয়াল্ড: যখন পেট্রাউস জীবনীকারের সাথে প্রণয়ে লিপ্ত ছিলেন, কর্পোরেট মিডিয়া তখন পেট্রাউসের প্রেমে মগ্ন ছিল।"] সংগৃহীত: ১৫ নভেম্বর ২০১২। * গাজায় সংবাদমাধ্যমের কার্যালয়গুলো ধ্বংস করা এবং সাংবাদিকদের হত্যা করা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। সংঘাতপূর্ণ এলাকাগুলোতেও সাংবাদিকদের আক্রমণ বা হেনস্তার ভয় ছাড়াই তাদের অপরিহার্য কাজ চালিয়ে যেতে সক্ষম হতে হবে। তাঁদের অবশ্যই সুরক্ষা দিতে হবে এবং সম্মান করতে হবে... এমনকি যুদ্ধেরও সুনির্দিষ্ট কিছু নিয়ম আছে। সর্বোপরি, সাধারণ নাগরিকদের অবশ্যই রক্ষা করতে হবে... বাছবিচারহীন হামলা এবং বেসামরিক ব্যক্তি ও তাদের সম্পদের ওপর আক্রমণ করা যুদ্ধ আইনের চরম লঙ্ঘন। ** '''''[[:w:আন্তোনিও গুতেরেস|আন্তোনিও গুতেরেস]]''''', [https://www.un.org/sg/en/content/sg/statement/2021-05-20/secretary-general%E2%80%99s-remarks-the-general-assembly-meeting-the-situation-the-middle-east-and-palestine-delivered "মধ্যপ্রাচ্য ও ফিলিস্তিন পরিস্থিতি নিয়ে সাধারণ পরিষদের সভায় মহাসচিবের বক্তব্য"], জাতিসংঘ মহাসচিব, বিবৃতি (২০ মে ২০২১)। == H == [[File:Thomas Jefferson 1904 Issue, 2c.jpg|thumb|যদি আমাকে সিদ্ধান্ত নিতে বলা হয় যে আমাদের কি সংবাদপত্রহীন কোনো সরকার থাকা উচিত, নাকি সরকারহীন সংবাদপত্র থাকা উচিত। তবে আমি দ্বিতীয়টি বেছে নিতে এক মুহূর্তও দ্বিধা করব না।<br>~'''''[[:w:টমাস জেফারসন|টমাস জেফারসন]]''''' ]] * সম্পাদক: সংবাদপত্রের দ্বারা নিযুক্ত এমন একজন ব্যক্তি, যাঁর কাজ হলো সারবস্তু থেকে অসার অংশকে আলাদা করা এবং এটি নিশ্চিত করা যে সেই অসার অংশগুলোই যেন সংবাদপত্রে ছাপা হয়। ** '''''এলবার্ট হাববার্ড''''' (১৯১৪), ''দ্য রয়ক্রফট ডিকশনারি অফ এপিগ্রামস''; উদ্ধৃত হয়েছে: ফ্রেড আর. শাপিরো সম্পাদিত '''''দ্য ইয়েল বুক অফ কোটেশনস''''', ইয়েল ইউনিভার্সিটি প্রেস, নিউ হ্যাভেন, কানেকটিকাট, পৃ. ৩৭৪, ISBN 0300107986। == I == * ...মার্কিন সমাজবিজ্ঞানী জর্জ ইয়ান্সি তাঁর ২০১৫ সালের গ্রন্থ "হোস্টাইল এনভায়রনমেন্ট"-এ খ্রিস্টধর্ম এবং সাধারণভাবে রক্ষণশীল ধর্মের বিরুদ্ধে মার্কিন গণমাধ্যমের পক্ষপাতিত্বের ওপর আলোকপাত করেছেন এবং এর মূল কারণ হিসেবে খুঁজে পেয়েছেন যে, '''মূলধারার মার্কিন সাংবাদিকতা হলো একটি স্ব-স্থায়ীকৃত আভিজাত্য বা বর্ণপ্রথা।''' আপনি যদি একজন ইভানজেলিকাল খ্রিস্টান হন কিংবা প্রচলিত উদারপন্থী ও ধর্মনিরপেক্ষ আদর্শের সাথে, বিশেষ করে নৈতিক বিষয়গুলোতে একমত না হন, তবে কোনো মূলধারার সংবাদমাধ্যমে নিয়োগ পাওয়ার জন্য প্রথম সাক্ষাৎকারেই আপনাকে প্রত্যাখ্যান করে ছুড়ে ফেলে দেওয়া হবে। ** '''''মাসিমো ইনত্রোভিনে''''', [https://bitterwinter.org/the-anti-religious-anti-cult-and-anti-tai-ji-men-bias-in-the-media/ "গণমাধ্যমে ধর্ম-বিরোধী, গোষ্ঠী-বিরোধী এবং তাই জি মেন-বিরোধী পক্ষপাতিত্ব"], '''''বিটার উইন্টার''''', (মে ২০২৪)। * সাংবাদিকতা মানে দর্শক বা পাঠকদের জটিলতা থেকে দূরে সরিয়ে রাখা নয়। বরং এটি হলো জটিল বিষয়গুলোকে নিখুঁতভাবে উপস্থাপন করা এবং সেই জটিলতার মধ্য দিয়ে পথ চলার জন্য দর্শকদের বিচারবুদ্ধির ওপর আস্থা রাখা। একটি তথ্যচিত্র যা সমস্ত ভিন্নমত পোষণকারী কণ্ঠস্বরকে বর্জন করে, তাকে কোনোভাবেই প্রকৃত অনুসন্ধান বলা চলে না। ** '''''মাসিমো ইনত্রোভিনে''''', [https://bitterwinter.org/france-hate-speech-against-scientology-now-funded-by-taxpayers/ "ফ্রান্স: সায়েন্টোলজির বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক বক্তব্য এখন করদাতাদের অর্থে অর্থায়িত হচ্ছে"], '''''বিটার উইন্টার''''', (১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬)। == J == * একজন ব্যক্তির জীবন, স্বাধীনতা এবং সম্পত্তির অধিকার, সেইসাথে বাকস্বাধীনতা, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা, উপাসনা ও সমাবেশের অধিকার এবং অন্যান্য মৌলিক অধিকারগুলো ভোটের ওপর ছেড়ে দেওয়া যায় না। এগুলো কোনো নির্বাচনের ফলাফলের ওপর নির্ভর করে না। ** '''''[[:w:রবার্ট এইচ. জ্যাকসন|রবার্ট এইচ. জ্যাকসন]]''''', '''''[[:w:ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া স্টেট বোর্ড অফ এডুকেশন বনাম বারনেট মামলা|ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া স্টেট বোর্ড অফ এডুকেশন বনাম বারনেট]]''''', মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট, (১৯৪৩), ৩১৯ ইউ.এস. ৬২৪, ৬৩৮। * আমাদের সরকারের ভিত্তি যেহেতু জনমত, তাই আমাদের প্রথম ও প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত সেই অধিকারকে সমুন্নত রাখা। আর যদি আমাকে সিদ্ধান্ত নিতে বলা হয় যে আমাদের কি সংবাদপত্রহীন কোনো সরকার থাকা উচিত, নাকি সরকারহীন সংবাদপত্র থাকা উচিত—তবে আমি দ্বিতীয়টি বেছে নিতে এক মুহূর্তও দ্বিধা করব না। তবে আমার এই বক্তব্যের অর্থ এই যে, প্রতিটি মানুষের কাছে সেই সংবাদপত্র পৌঁছাতে হবে এবং তাদের তা পাঠ করার সক্ষমতা থাকতে হবে। ** '''''[[:w:টমাস জেফারসন|টমাস জেফারসন]]''''', কর্নেল এডওয়ার্ড ক্যারিংটনকে লেখা চিঠি (১৬ জানুয়ারি ১৭৮৭), লিপসকম্ব ও বার্গ সংস্করণ ৬:৫৭। * সংবাদপত্রকে কীভাবে পরিচালনা করলে তা সবচেয়ে বেশি জনকল্যাণকর হবে, এ বিষয়ে আমার মত জানতে চাইলে আমি বলব, "একে কেবল ধ্রুব সত্য ঘটনা এবং নির্ভুল নীতিমালার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার মাধ্যমে।" তবুও আমার ভয় হয় যে এমন সংবাদপত্রের গ্রাহক সংখ্যা হবে খুবই নগণ্য। এটি একটি বিষাদময় সত্য যে, সংবাদপত্রের কণ্ঠরোধ করা হলে দেশ যতটা না এর সুফল থেকে বঞ্চিত হয়, তার চেয়েও বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় যখন সংবাদপত্র নির্লজ্জভাবে মিথ্যার কাছে নিজেকে সঁপে দেয়। সংবাদপত্রে যা দেখা যায় তার কোনো কিছুই এখন আর বিশ্বাস করা যায় না। এমনকি পরম সত্যও যখন এই কলুষিত মাধ্যমের ভেতর দিয়ে প্রকাশিত হয়, তখন তাও সন্দেহজনক হয়ে ওঠে। ভুল তথ্যের এই রাজত্ব আসলে কতটা বিস্তৃত তা কেবল তারাই জানেন যারা তাদের ব্যক্তিগত জ্ঞান দিয়ে দিনের পর দিন এই মিথ্যাগুলোর মুখোশ উন্মোচন করতে পারেন। ... আমি আরও যোগ করব যে, যে ব্যক্তি কখনোই সংবাদপত্র দেখেন না তিনি সেই ব্যক্তির চেয়ে বেশি অবগত ও শিক্ষিত যিনি নিয়মিত সংবাদপত্র পড়েন। কারণ যিনি কিছুই জানেন না তিনি সেই ব্যক্তির তুলনায় সত্যের অনেক বেশি কাছাকাছি থাকেন যার মন মিথ্যা আর ভ্রান্তিতে পরিপূর্ণ। যে ব্যক্তি কিছুই পড়ে না সে অন্তত মহান সত্যগুলো শিখতে পারবে, যেখানে সংবাদপত্রের বিস্তারিত তথ্যগুলোর সবই মিথ্যে। ** '''''[[:w:টমাস জেফারসন|টমাস জেফারসন]]''''', [[:w:জন নরভেল|জন নরভেল]]-কে লেখা চিঠি (১১ জুন ১৮০৭)। [https://www.loc.gov/resource/mtj1.038_0592_0594/?sp=2&st=text মূল উৎস এবং প্রতিলিপি] * আমাদের সংবাদপত্রগুলো বর্তমানে যে পঙ্কিল ও জঘন্য অবস্থায় পতিত হয়েছে, এবং যারা এই সংবাদপত্রের জন্য লেখেন, তাদের সেই বিদ্বেষপরায়ণতা, অসভ্যতা ও মিথ্যাচারের মানসিকতার জন্য আমি আপনার মতোই গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করছি। আমরা ঠিক কতটা অতল গহ্বরে তলিয়ে গেছি তার প্রমাণ হিসেবে আমি আপনাকে নিউ ইংল্যান্ডের একজন বিচারকের সাম্প্রতিক একটি লেখা পাঠাচ্ছি। এই সব আবর্জনা জনরুচিকে দ্রুত কলুষিত করছে এবং সুস্থ চিন্তার প্রতি মানুষের আগ্রহ কমিয়ে দিচ্ছে। তথ্যের বাহন হিসেবে এবং আমাদের কর্মকর্তাদের ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখার যন্ত্র হিসেবে সংবাদপত্রগুলো এখন সম্পূর্ণ অকেজো হয়ে পড়েছে; কারণ তারা বিশ্বাসযোগ্যতার সমস্ত দাবি হারিয়ে ফেলেছে। আমি আপনার সাথে একমত যে, দলীয় মানসিকতার চরম সহিংসতা এবং বিদ্বেষই এই পরিস্থিতির জন্য বহুলাংশে দায়ী... ** '''''[[:w:টমাস জেফারসন|টমাস জেফারসন]]''''', [https://founders.archives.gov/documents/Jefferson/03-07-02-0052 ওয়াল্টার জোন্সকে লেখা চিঠি] (২ জানুয়ারি ১৮১৪)। * তারা এ নিয়ে মিথ্যে কথা বলেছিল! শত্রু যখন সমুদ্রের পানি ফুটিয়ে ফেলল, আমাদের ষষ্ঠ নৌবহরকে জ্বালিয়ে ছারখার করে দিল এবং উপকূলরেখার পঞ্চাশ মাইলের মধ্যে থাকা প্রতিটি পুরুষ, নারী ও শিশুকে পুড়িয়ে মারল! তখন কিন্তু আপনি অন্তত কিছু সংবাদ প্রতিবেদন আশা করতেই পারতেন। কিন্তু তারা কী রিপোর্ট করল? ফ্লোরিডাতে কিসের সামান্য ভূমিক্ষয়! ওহে নারী, তারা তো পুরো সমুদ্রটাই লাভা-প্লাবিত করে ফেলেছিল! ** '''''আর্থার এম. জলি''''', ''আফটার ইটস অল ওভার'' নাটকে, অরিজিনাল ওয়ার্কস প্রেস, (২০০৯)। * বাইরের মানুষ যা বুঝতে পারেন না তা হলোঃ কটি সংবাদপত্র আসলে একটি 'সুফলে'র / '''Soufflé''' মতো, যা দ্রুত খাওয়ার জন্য খুব তড়িঘড়ি করে প্রস্তুত করা হয়। আর ঠিক এই কারণেই যখনই আপনি এমন কোনো ঘটনার সংবাদপত্র প্রতিবেদন পড়েন যা সম্পর্কে আপনার ব্যক্তিগত জ্ঞান রয়েছে, তখনই সেটি আপনার কাছে প্রায় সবসময়ই অপর্যাপ্ত বা ভুল বলে মনে হয়। সাংবাদিকরাও অন্য সবার মতো এই ত্রুটির বিষয়ে সচেতন। কিন্তু বিষয়টি স্রেফ এই যে, যদি তথ্যকে যত বেশি সম্ভব পাঠকের কাছে পৌঁছাতে হয়, তবে নিখুঁত হওয়ার চেয়ে বরং কিছুটা কম গুণমানকেই প্রায়শ মেনে নিতে হয়। ** '''''ডেভিড ই. এইচ. জোন্স''''', '''''নিউ সায়েন্টিস্ট''''', খণ্ড ২৬, (১৯৬৫)। == K == * তারা ছিল পেশাদার ক্ষোভ-বিশারদ যারা কেবল একটি জিনিসই জানত। কীভাবে পরিচয়বাদী রাজনীতি বা আইডেন্টিটি পলিটিক্স দিয়ে গোটা পশ্চিমা বিশ্বকে পিটিয়ে হত্যা করতে হয়। আর এখন, গত কয়েক বছরের মধ্যে দেখা সবচেয়ে উদ্দীপক বিদ্রূপের সাথে আমরা অন্তত নিরাপদে এটা বলতে পারি যে, তাদের সময় ফুরিয়ে এসেছে, "'''#টাইমসআপ'''"। ** '''''রহিম কাসাম''''', "না, আমি সেই সাংবাদিকদের জন্য দুঃখিত নই যারা চাকরি হারিয়েছে — আমি বরং দারুণ রোমাঞ্চিত", '''''ডেইলি কলার''''', (২৮ জানুয়ারি ২০১৯)। * আমার এবং আমাদের সবার সমস্যা হলো যে আমি মনে করি সংবাদ ব্যবসার সাথে জড়িত অধিকাংশ মানুষই আমার এই মতের সাথে একমত হবেন, যে আমরা (এবং এখানে আমি কেবল '[[w:দ্য_টাইমস|দ্য টাইমস]]' এর কথা বলছি না) নাম প্রকাশ না করার আড়ালে অত্যন্ত নীরস উদ্ধৃতি অথবা মাঝে মাঝে অলস পরচর্চা ও কটাক্ষ প্রকাশ করতে বড্ড বেশি উন্মুখ থাকি। আমার কাছে মনে হয়, এটি তথ্যসূত্রের সুরক্ষা বা সোর্স প্রোটেকশনের মূল্যকে সস্তা করে দেয়। ** '''''বিল কেলার''''', '''''[[:w:দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস|দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের]]''''' নির্বাহী সম্পাদক, বেনামী তথ্যসূত্র প্রসঙ্গে (১৩ মে ২০০৫), '''''অন দ্য মিডিয়া'''''তে। == L == * সংবাদপত্র সবসময়ই মানুষের মনে প্রবল কৌতূহল জাগিয়ে তোলে। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো, কেউ কোনোদিন সংবাদপত্র পাঠ শেষ করার পর একরাশ হতাশা বা অতৃপ্তি ছাড়া তা হাত থেকে নামিয়ে রাখতে পারে না। ** '''''চার্লস ল্যাম্ব''''' (১৮৩৩), "অন বুকস অ্যান্ড রিডিং", ''দ্য লাস্ট এসেস অফ এলিয়া''; উদ্ধৃতিটি পুনরুৎপাদন করা হয়েছে: ডেভিড ক্রিস্টাল ও হিলারি ক্রিস্টাল রচিত '''''ওয়ার্ডস অন ওয়ার্ডস: কোটেশনস অ্যাবাউট ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজেস''''' (২০০০), ইউনিভার্সিটি অফ শিকাগো প্রেস, পৃ. ২৭৬, ISBN 0226122018। * চাঞ্চল্যকর বা হলুদ সাংবাদিকতার চিরন্তন সাতটি প্রধান অনুষঙ্গ হলো: লোমহর্ষক অপরাধের বিবরণ, ব্যক্তিগত জীবনের কেলেঙ্কারি, ভিত্তিহীন কাল্পনিক বিজ্ঞান, মানসিক উন্মাদনা, সংখ্যাতত্ত্বের মতো নানাবিধ অন্ধবিশ্বাসের চর্চা, অলৌকিক দানব বা দানবীয় কর্মকাণ্ড এবং প্রভাবশালী ধনকুবেরদের জীবনকথা। ** '''''ফ্রিটজ লেইবার''''', ''এ রাইট অফ স্প্রিং'' (১৯৭৭); টেরি কার সম্পাদিত '''''ইউনিভার্স ৭''''', পৃ. ২৬। * জেনারেল ডগলাস ম্যাকার্থারের প্রসঙ্গে বলতে গেলে, আমি আসলে এমন কোনো ব্যক্তি সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট বা স্পষ্ট কোনো মতামত দেওয়ার মতো অবস্থানে নিজেকে খুঁজে পাই না, যাঁকে আমি কেবল সংবাদপত্রের মাধ্যমেই চিনি। আপনি লক্ষ্য করে দেখবেন, সংবাদমাধ্যমগুলো যখনই এমন কোনো ব্যক্তি বা বিষয় নিয়ে আলোচনা করে যা সম্পর্কে আমার ব্যক্তিগত ধারণা বা জ্ঞান রয়েছে, তখনই আমি দেখি যে তাদের পরিবেশিত তথ্যগুলো সবসময়ই মিথ্যাচার আর ভুল বোঝাবুঝির এক বিশাল স্তূপ ছাড়া আর কিছুই নয়; আর এই অভিজ্ঞতা থেকেই আমি এই সিদ্ধান্তে উপনীত হই যে, যেসব ক্ষেত্র সম্পর্কে আমার বিন্দুমাত্র কোনো জ্ঞান নেই, সেখানেও তারা এর চেয়ে ভালো কিছু হওয়ার সম্ভাবনা রাখে না। ** '''''[[:w:সি. এস. লিউইস|সি. এস. লিউইস]]''''', মিসেস মেরি ভ্যান ডিউসেনকে লেখা চিঠি (৩০ এপ্রিল ১৯৫১), ''সংগৃহীত সি. এস. লিউইস পত্রাবলি, খণ্ড ৩: "নার্নিয়া, কেমব্রিজ, অ্যান্ড জয়", ১৯৫০-১৯৬৩'', পৃ. ১১৪। == M == [[File:Janet Malcolm 3.18.13a (headshot).jpg|thumb|আমাদের বর্তমান সমাজে একজন সাংবাদিককে ঠিক একজন পরোপকারীর সমান্তরালে স্থান দেওয়া হয়, কারণ তাঁর হাতে বিলি করার মতো অত্যন্ত মূল্যবান কিছু একটি থাকে (তাঁর এই বিনিময়ের মুদ্রাটি হলো 'পাবলিসিটি' বা প্রচার নামক এক অদ্ভুত মাদকতাময় বস্তু), এবং ফলস্বরূপ তাঁকে এমন এক ধরনের শ্রদ্ধা ও সম্মান প্রদর্শন করা হয় যা একজন মানুষ হিসেবে তাঁর প্রকৃত যোগ্যতার তুলনায় একেবারেই ভারসাম্যহীন।<br>~'''''জ্যানেট ম্যালকম''''' ]] * বিভিন্ন স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীর ওয়েবসাইটগুলো সাধারণত সাংবাদিকতার ছদ্মবেশে এক ধরনের অপপ্রচার বা 'জার্নালগান্ডা'র [হলুদ সাংবাদিকতা] জয়গান গায়। কারণ সেখানে সবকিছুই পরিবেশন করা হয় সেই নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর নিজস্ব স্বার্থের ফিল্টার বা ছাঁকনির ভেতর দিয়ে। এটি এক অদ্ভুত ও অবাস্তব জগত, তবে এর গুরুত্বও অপরিসীম। কারণ কট্টরপন্থীরা তাদের পূর্বনির্ধারিত চিন্তাধারাকে আরও শক্তিশালী করতে এখানেই ভিড় জমায়। আপনার অবস্থান যা-ই হোক না কেন, নিজেকে চূড়ান্তভাবে সঠিক মনে করার ক্ষেত্রে এই জার্নালগান্ডার চেয়ে কার্যকর আর কিছুই হতে পারে না। প্রকৃত সাংবাদিকতাকে সবসময় চিনে নেওয়া যায় তার কাজের ধরন দেখে। এটি প্রায়শই সাধারণ মানুষকে এই সাংবাদিকতার জগত সম্পর্কে চরম অস্বস্তি ও ভ্রান্ত বিচলিত অবস্থার মধ্যে ফেলে দেয়। ** '''''চার্লস এম. ম্যাডিগান''''' (২৫ অক্টোবর ২০০৫), [http://web.archive.org/web/20130625005510/http://www.chicagotribune.com/news/opinion/chi-0510250027oct25,0,3811209.column?page=2&coll=chi-ed_opinion_columnists-utl "আজকের 'সাংবাদিকতা'র সমস্যা"], '''''[[:w:শিকাগো ট্রিবিউন|শিকাগো ট্রিবিউন]]'''''। * এমন প্রতিটি সাংবাদিক—যিনি পরিস্থিতির গভীরতা বোঝার মতো যথেষ্ট বুদ্ধিমান এবং নিজের অহংবোধে অন্ধ হয়ে যাননি। তিনি খুব ভালো করেই জানেন যে, তিনি যা করছেন তা নৈতিকভাবে সম্পূর্ণ অমার্জনীয়। তিনি মূলত এক প্রকারের প্রতারক বা 'কনফিডেন্স ম্যান', যিনি মানুষের অহংকার, অজ্ঞতা কিংবা একাকীত্বকে পুঁজি করে তাদের ওপর শিকারি পাখির মতো ঝাঁপিয়ে পড়েন। তিনি প্রথমে মানুষের বিশ্বাস অর্জন করেন এবং এরপর বিন্দুমাত্র অনুশোচনা ছাড়াই সেই বিশ্বাসের চরম অমর্যাদা করেন। ঠিক যেমন একজন অতি-বিশ্বাসী বিধবা একদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে আবিষ্কার করেন যে সেই মনোমুগ্ধকর যুবকটি তাঁর সারা জীবনের সমস্ত সঞ্চয় নিয়ে চম্পট দিয়েছে। তেমনি কোনো একটি অ-কাল্পনিক রচনার বিষয়বস্তু হওয়া ব্যক্তিটিও। যখন সেই নিবন্ধ বা বইটি প্রকাশিত হয়, তখনই তাঁর জীবনের সেই রূঢ় ও কঠিন শিক্ষাটি লাভ করেন। সাংবাদিকরা তাঁদের এই বিশ্বাসঘাতকতাকে নিজ নিজ স্বভাব অনুযায়ী বিভিন্নভাবে যুক্তিযুক্ত করার চেষ্টা করেন। তাঁদের মধ্যে যারা অধিকতর আড়ম্বরপূর্ণ, তারা বাকস্বাধীনতা এবং "জনগণের জানার অধিকার" নিয়ে লম্বা চওড়া কথা বলেন। যারা অপেক্ষাকৃত কম মেধাবী হয়, তারা একে এক ধরণের 'শিল্প' বলে আখ্যা দিয়ে থাকেন। আর যারা খুব বিনয়ী হওয়ার ভান করেন, তারা স্রেফ জীবনধারণের তাগিদে এই পেশা বেছে নেওয়ার কথা বলে মৃদু গুঞ্জন তোলে থাকেন। ** '''''[[:w:জ্যানেট ম্যালকম|জ্যানেট ম্যালকম]]''''', '''''[[:w:দ্য জার্নালিস্ট অ্যান্ড দ্য মার্ডারার|দ্য জার্নালিস্ট অ্যান্ড দ্য মার্ডারার]]''''' (১৯৯০), নিউ ইয়র্ক: নফ, পৃ. ৩ (বইটির উদ্বোধনী অনুচ্ছেদ)। * আমাদের বর্তমান সমাজে একজন সাংবাদিককে ঠিক একজন পরোপকারীর সমান্তরালে স্থান দেওয়া হয়, কারণ তাঁর হাতে বিলি করার মতো অত্যন্ত মূল্যবান কিছু একটি থাকে (তাঁর এই বিনিময়ের মুদ্রাটি হলো 'পাবলিসিটি' বা প্রচার নামক এক অদ্ভুত মাদকতাময় বস্তু), এবং ফলস্বরূপ তাঁকে এমন এক ধরনের শ্রদ্ধা ও সম্মান প্রদর্শন করা হয় যা একজন মানুষ হিসেবে তাঁর প্রকৃত যোগ্যতার তুলনায় একেবারেই ভারসাম্যহীন। এই দেশে এমন মানুষের সংখ্যা খুবই নগণ্য যারা নিজেদের সম্পর্কে কোথাও লেখা হচ্ছে কিংবা কোনো রেডিও বা টেলিভিশন প্রোগ্রামে তাঁদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হচ্ছে, এমন সম্ভাবনা দেখে প্রবলভাবে উচ্ছ্বসিত হন না। ** '''''জ্যানেট ম্যালকম''''', '''''দ্য জার্নালিস্ট অ্যান্ড দ্য মার্ডারার''''' (১৯৯০), নিউ ইয়র্ক: নফ, পৃ. ৫৮। * আমি এখন এমনটা ভাবতে শুরু করেছি যে... সাংবাদিকতামূলক রচনায় "আমি" নামক চরিত্রটি সাংবাদিকের সৃষ্ট অন্যান্য সমস্ত চরিত্র থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। কারণ এটি সেই নিয়মের একটি ব্যতিক্রম যেখানে বলা হয় যে কোনো কিছুই আবিষ্কার বা উদ্ভাবন করা যাবে না। সাংবাদিকতার এই "আমি" চরিত্রটি প্রায় পুরোপুরি একটি মনগড়া উদ্ভাবন। আত্মজীবনীতে ব্যবহৃত "আমি" যেখানে লেখকের সরাসরি প্রতিনিধিত্ব করার কথা, সেখানে সাংবাদিকতার এই "আমি" লেখকের সাথে খুব সামান্য বা ক্ষীণভাবেই যুক্ত। ঠিক যেভাবে সুপারম্যানের সাথে ক্লার্ক কেন্টের সংযোগ থাকে। সাংবাদিকতার এই "আমি" হলো এক অতি-নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারী, যার ওপর আখ্যানের গুরুত্বপূর্ণ কাজ, যুক্তি উপস্থাপন এবং সুর নির্ধারণের দায়িত্ব অর্পণ করা হয়। এটি গ্রিক ট্র্যাজেডির কোরাসের মতো একটি বিশেষ প্রয়োজনে সৃষ্ট সৃষ্টি। সে হলো একটি প্রতীকি চরিত্র, যে জীবনের এক নিরাসক্ত ও আবেগহীন পর্যবেক্ষক হিসেবে নিজেকে মূর্ত করে তোলে। তা সত্ত্বেও, পাঠকরা যারা সহজেই এই ধারণাটি মেনে নেন যে ফিকশন বা কল্পকাহিনীর বর্ণনাকারী এবং সেই বইয়ের লেখক এক ব্যক্তি নন, তারাই আবার সাংবাদিকতার এই উদ্ভাবিত "আমিত্বের" ধারণাটিকে জেদের সাথে প্রতিরোধ করেন। এমনকি সাংবাদিকদের মধ্যেও এমন অনেকে আছেন যারা নিজেদের টেক্সটের সেই 'সুপারম্যান' রূপ থেকে নিজেদের বাস্তব সত্ত্বাকে আলাদা করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত হিমশিম খান। ** '''''[[:w:জ্যানেট ম্যালকম|জ্যানেট ম্যালকম]]''''', '''''দ্য জার্নালিস্ট অ্যান্ড দ্য মার্ডারার''''' (১৯৯০), নিউ ইয়র্ক: নফ, পৃ. ১৫৯–১৬০। * সাংবাদিকতার নৈতিক অস্পষ্টতা বা দ্বিধার লিখিত বয়ানের মধ্যে নয়, বরং সেই সম্পর্কের গভীরে নিহিত থাকে যেখান থেকে এই বয়ানগুলো জন্ম নেয়। আর এই সম্পর্কগুলো অনিবার্যভাবেই এবং কোনোভাবেই এড়ানো যায় না এমনভাবে একপেশে বা অসম প্রকৃতির হয়ে থাকে। সাংবাদিকতামূলক রচনার 'ভালো' চরিত্রগুলো ঠিক তেমনিভাবেই অন্য একজন মানুষের ওপর লেখকের সেই অশুভ ও প্রচণ্ড ক্ষমতার ফসল, যেভাবে 'মন্দ' চরিত্রগুলো সৃষ্টি হয়। [...] সাংবাদিকতার বিষয়বস্তু হওয়া ব্যক্তিটি হয়তো সাংবাদিককে নিজের স্বার্থে ব্যবহার বা ম্যানিপুলেট করার চেষ্টা করতে পারেন এবং জাগতিক জ্ঞানসম্পন্ন কোনো ব্যক্তিই কমবেশি এই প্রবণতার ঊর্ধ্বে নন। কিন্তু এই বিষয়টি কোনোভাবেই ব্যক্তিস্বাধীনতার চেতনার বিরুদ্ধে সাংবাদিকের নিজের করা পাপগুলোকে মোচন বা খণ্ডন করতে পারে না। [...] সাংবাদিকরা এই নৈতিক অচলাবস্থার সাথে লড়াই করার জন্য অগণিত বৈচিত্র্যময় পথ অবলম্বন করেন [...]। তাদের মধ্যে যারা সবচেয়ে প্রজ্ঞাবান, তারা ভালো করেই জানেন যে তারা সর্বোচ্চ যা করতে পারেন তা-ও আসলে যথেষ্ট নয়। আর যারা খুব একটা বুদ্ধিমান নন, তারা তাদের চিরচেনা অভ্যাসবশত এটা বিশ্বাস করতেই পছন্দ করেন যে আসলে কোনো সমস্যাই নেই এবং তারা হয়তো এর একটি সমাধানও করে ফেলেছেন। ** '''''জ্যানেট ম্যালকম''''', '''''[[:w:দ্য জার্নালিস্ট অ্যান্ড দ্য মার্ডারার|দ্য জার্নালিস্ট অ্যান্ড দ্য মার্ডারার]]''''' (১৯৯০), নিউ ইয়র্ক: নফ, পৃ. ১৬২-১৬৩। (শেষ বাক্যটি বইটির অন্তিম বাক্য)। * উন্নত ও মানসম্মত সাংবাদিকতার জন্য তথ্যফাঁসকারী বা 'হুইসেলব্লোয়ার'রা অপরিহার্য। তাঁরা সাংবাদিকদের সেই সব গোপনীয়তার দেয়াল ভেদ করতে সাহায্য করেন যা সরকারি কর্মকর্তা এবং জনসংযোগ কর্মকর্তারা অত্যন্ত সযত্নে গড়ে তোলেন। এই হুইসেলব্লোয়াররাই সরকার, কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান, সামরিক বাহিনী এবং গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর ভেতরে লুকিয়ে থাকা নানা অনিয়ম ও অন্যায় কর্মকাণ্ডগুলো সবার সামনে এনে উন্মোচন করে থাকেন। এই সাহসী মানুষদের তাঁদের এই বীরত্বপূর্ণ কাজের জন্য পুরস্কৃত করা উচিত ছিল। কিন্তু তার পরিবর্তে, অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো যে তাঁদের প্রায়ই বিচারিক হয়রানি কিংবা কারাবাসের মুখোমুখি হতে হয়। ** '''''ইউয়েন ম্যাকআসকিল''''', [https://www.democracynow.org/2021/10/25/belmarsh_tribunal "জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জকে মুক্ত করুন: স্নোডেন, ভারুফাকিস, করবিন এবং তারিক আলী প্রত্যর্পণ শুনানির আগে কথা বলছেন"], '''''ডেমোক্রেসি নাও!''''', (২৫ অক্টোবর ২০২১)। * যদি জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জকে অভিযুক্ত করে বিচার করা হয়, তবে '[[w:দ্য_গার্ডিয়ান|দ্য গার্ডিয়ান]]', [[w:দ্য_নিউ_ইয়র্ক_টাইমস|'দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস]]', 'ডার স্পিগেল', 'এল পাইস', 'লা রিপাবলিকা' এবং এই তথ্যগুলো প্রচারের সাথে জড়িত অন্যান্য সমস্ত সংবাদ সংস্থার সম্পাদক ও সাংবাদিকদের বিরুদ্ধেও মামলা করার সমান ও যথেষ্ট যুক্তিযুক্ত কারণ রয়েছে। ** '''''ইউয়েন ম্যাকআসকিল''''', [https://www.democracynow.org/2021/10/25/belmarsh_tribunal "জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জকে মুক্ত করুন: স্নোডেন, ভারুফাকিস, করবিন এবং তারিক আলী প্রত্যর্পণ শুনানির আগে কথা বলছেন"], '''''ডেমোক্রেসি নাও!''''', (২৫ অক্টোবর ২০২১)। * মাইকেল শুডসন তাঁর “ডিসকভারিং দ্য নিউজ” (১৯৭৮) গ্রন্থে যেমনটি উল্লেখ করেছেন—ভালো সাংবাদিকতা মানেই যে তা “বস্তুনিষ্ঠ” (অর্থাৎ দলীয় প্রভাবমুক্ত এবং ব্যক্তিগত মতামতের ঊর্ধ্বে) হতে হবে, এই ধারণাটি মূলত বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে প্রথম আবির্ভূত হয়েছিল। শুডসন মনে করতেন যে, ধ্রুব এবং নির্ভরযোগ্য সত্যের ধারণাটির প্রতি মানুষের ক্রমবর্ধমান সংশয়বাদ থেকেই এই বস্তুনিষ্ঠতার ধারণার জন্ম হয়েছে। তাঁর ভাষায়, বস্তুনিষ্ঠতার এই মানদণ্ডটি “তথ্যের ওপর বিশ্বাসের কোনো চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ ছিল না; বরং এটি ছিল এমন এক জগতের জন্য পরিকল্পিত পদ্ধতির সুদৃঢ় দাবি, যেখানে এমনকি তথ্যকেও আর বিশ্বাস করা যাচ্ছিল না। ... সাংবাদিকরা বস্তুনিষ্ঠতায় বিশ্বাস করতে শুরু করেছিলেন ঠিক ততটুকুই যতটুকু তাঁদের প্রয়োজন ছিল। কারণ তাঁরা চেয়েছিলেন, তাঁদের দরকার ছিল এবং সাধারণ মানবিক আকাঙ্ক্ষা থেকেই তাঁরা তাঁদের নিজেদের গভীর সন্দেহ ও অস্থিরচিত্ততা থেকে মুক্তি পাওয়ার পথ খুঁজছিলেন।” অন্যভাবে বলতে গেলে, বস্তুনিষ্ঠতা বিষয়টি শুরু থেকেই একটি সমস্যাসঙ্কুল ধারণা ছিল... লিপম্যানের যুক্তি ছিল এই যে, সাংবাদিকতা আসলে কোনো সুনির্দিষ্ট পেশা নয়। এই পেশায় যুক্ত হওয়ার জন্য আপনার কোনো লাইসেন্স বা প্রাতিষ্ঠানিক একাডেমিক সনদের প্রয়োজন হয় না। সব ধরণের মানুষই নিজেদের সাংবাদিক বলে দাবি করেন। কিন্তু প্রশ্ন হলো, তাঁরা সবাই কি জনগণকে নির্ভরযোগ্য এবং স্বার্থহীন সংবাদ পণ্য সরবরাহ করতে সক্ষম? ** '''''[[:w:লুই মেনান্দ|লুই মেনান্দ]]''''', [https://www.newyorker.com/magazine/2023/02/06/when-americans-lost-faith-in-the-news “যখন আমেরিকানরা সংবাদমাধ্যমের ওপর আস্থা হারিয়েছিল”], '''''দ্য নিউ ইয়র্কার''''', (৩০ জানুয়ারি ২০২৩)। * ১৯৪৫ থেকে ১৯৭৫ সালের মধ্যবর্তী সময়ে মার্কিন ক্যাবিনেটে মাত্র একজন নারী এবং একজন কৃষ্ণকায় ব্যক্তি ছিলেন। যাঁদের প্রত্যেকেই মাত্র দুই বছর মেয়াদে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। সংবাদমাধ্যমের দিকে তাকালে দেখা যায় যে পরিস্থিতি ছিল আরও ভয়াবহ। নারী ও কৃষ্ণকায় সাংবাদিকদের পরিকল্পিতভাবে মূলধারা থেকে বাদ দেওয়া হতো। নির্দিষ্ট কিছু সংবাদ সম্মেলনে তাঁদের প্রবেশাধিকার ছিল না এবং সম্পাদকরা নারীদের কখনোই সরকারি বিষয়গুলো কভার করার দায়িত্ব দিতেন না। ঘোর বর্ণবাদ এবং লিঙ্গবৈষম্য এত দীর্ঘ সময় ধরে সেখানে টিকে ছিল যে আজ তা প্রায় অবিশ্বাস্য বলে মনে হয়। <br> ওয়াশিংটনের সাংবাদিকদের জন্য প্রধান দুটি সামাজিক সংগঠন ছিল গ্রিডাইরন ক্লাব (১৮৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত) এবং ন্যাশনাল প্রেস ক্লাব (১৯০৮ সালে প্রতিষ্ঠিত)। ১৮৯৬ সালে গ্রিডাইরন ক্লাব সদস্যদের স্ত্রীদের একটি নৈশভোজে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল, কিন্তু নারী ভোটাধিকার আন্দোলনকে উপহাস করে পরিবেশিত একটি নাটক সেখানে মোটেও ভালো সাড়া ফেলেনি; যার ফলে ১৯৭২ সাল পর্যন্ত নারীদের সেখানে আর প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি। বিংশ শতাব্দীর পঞ্চাশের দশক পর্যন্তও গ্রিডাইরন ক্লাবের নৈশভোজগুলোতে বিনোদনের জন্য সদস্যরা মুখে কালো রঙ মেখে 'ব্ল্যাকফেস' সেজে অভিনয় করতেন। ম্যাকগারের বর্ণনা অনুযায়ী, ক্লাবটির সিগনেচার টিউন ছিল “দ্য ওয়াটারমেলন সং”, যা একটি বিশেষ আঞ্চলিক [[w:উপভাষা|উপভাষায়]] গাওয়া হতো। <br> ১৯৫৫ সালের আগে ন্যাশনাল প্রেস ক্লাবে কোনো কৃষ্ণকায় সদস্য ছিলেন না; এবং সেই একই বছরেই প্রথমবারের মতো নারীদের এমন মধ্যাহ্নভোজে উপস্থিত থাকার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল যেখানে কর্মকর্তারা সদস্যদের ব্রিফিং দিতেন। তবে নারীদের বসতে হতো ব্যালকনিতে এবং তাঁদের কোনো প্রশ্ন করার অনুমতি ছিল না। ১৯৭১ সালের আগে ন্যাশনাল প্রেস ক্লাব কোনো নারী সদস্য গ্রহণ করেনি। <br> 'দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট' ১৯৫১ সালে তাদের প্রথম কৃষ্ণকায় সাংবাদিক নিয়োগ দেয়। তাঁর জন্য আলাদা শৌচাগার বরাদ্দ করা হয়েছিল এবং মাত্র দুই বছর পরেই তিনি সেই পত্রিকা ত্যাগ করেন। (ম্যাকগার বলেন যে ওয়াশিংটন পোস্ট ১৯৭২ সালের আগে আর কোনো কৃষ্ণকায় সাংবাদিক নিয়োগ দেয়নি, তবে তথ্যটি ভুল: পত্রিকাটি ১৯৬১ সালে ডরোথি বাটলার গিলিয়াম এবং ১৯৬৮ সালে জ্যাক হোয়াইটকে নিয়োগ দিয়েছিল।) নাগরিক অধিকার আন্দোলনের অনেক গভীর সময় পর্যন্তও নিউ ইয়র্ক টাইমসে কৃষ্ণকায় সাংবাদিকদের সংখ্যা ছিল অতি সামান্য। এই পত্রিকার মতো অন্যান্য সাধারণ-আগ্রহের ম্যাগাজিনগুলোর রেকর্ডও এর চেয়ে ভালো কিছু ছিল না। ** '''''লুই মেনান্দ''''', [https://www.newyorker.com/magazine/2023/02/06/when-americans-lost-faith-in-the-news “যখন আমেরিকানরা সংবাদমাধ্যমের ওপর আস্থা হারিয়েছিল”], '''''দ্য নিউ ইয়র্কার''''', (৩০ জানুয়ারি ২০২৩)। * সংবাদপত্রের শক্তি—তা যতটুকু বা যে পর্যায়েরই হোক না কেন—তা মূলত অনেকটা প্রাতিষ্ঠানিক পণ্ডিত, বৈজ্ঞানিক গবেষক এবং সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের শক্তির মতো। এটি কোনো পেশিবল বা শারীরিক শক্তির ওপর ভিত্তি করে দাঁড়িয়ে নেই; বরং এটি টিকে আছে মানুষের অগাধ বিশ্বাসের ওপর—এই বিশ্বাস যে, এরা হলো এমন একদল মানুষ যারা ভয় কিংবা পক্ষপাতিত্বের ঊর্ধ্বে থেকে কেবল সত্য অন্বেষণের জন্য নিজেদের উৎসর্গ করেছেন। যখনই তাঁরা এই মহান দায়িত্ব পালন থেকে বিচ্যুত হবেন, তখন সমাজ তাঁদের সেই একইভাবে দেখতে শুরু করবে যেভাবে বর্তমানে অন্যদের দেখা হয়—অর্থাৎ এমন একদল লোক যারা কেবল ব্যক্তিগত লাভ বা সামাজিক মর্যাদার লোভে তথ্যকে নিজ স্বার্থে ঘুরিয়ে পরিবেশন করে। ** '''''[[:w:লুই মেনান্দ|লুই মেনান্দ]]''''', [https://www.newyorker.com/magazine/2023/02/06/when-americans-lost-faith-in-the-news “যখন আমেরিকানরা সংবাদমাধ্যমের ওপর আস্থা হারিয়েছিল”], '''''দ্য নিউ ইয়র্কার''''', (৩০ জানুয়ারি ২০২৩)। * যেহেতু আদর্শগত সত্য বলে পৃথিবীতে আসলে কিছুর অস্তিত্ব নেই, তাই স্বাভাবিকভাবেই এটা প্রতীয়মান হয় যে, একজন প্রতিবেদক যখনই নিজেকে [[w:রক্ষণশীলতাবাদ|উদারপন্থী বা রক্ষণশীল]], কিংবা ডেমোক্রেটিক, [[w:সাম্যবাদ|কমিউনিস্ট]] বা রিপাবলিকান প্রতিবেদক হিসেবে উপস্থাপন করেন, তখন তিনি আসলে আর মোটেও কোনো প্রতিবেদক থাকেন না। ** '''''এইচ. এল. মেনকেন''''' (১৯৩৭), উদ্ধৃত হয়েছে: অ্যালেস্টার কুক রচিত '''''মেমোরিস অফ দ্য গ্রেট অ্যান্ড গুড''''' (১৯৯৯), পৃ. ২২৪। * সংবাদপত্রগুলো এখন জেসি-র পিছু নিতে শুরু করেছে। শুরুতে তারা তাকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করেছিল এবং সব ঘটনার দায়ভার অন্য যে কারো বা অন্য কিছুর ওপর চাপিয়ে দিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত, একজন অত্যন্ত রূপসী অথচ দৃশ্যত কোনো যৌনজীবন নেই এমন একজন নারীকে নিয়ে কাজ করা তাদের জন্য বেশ বিব্রতকর হয়ে দাঁড়িয়েছিল। কারণ তাকে কলঙ্কিত করার জন্য আসলে ঠিক কী ধরনের অপবাদ ব্যবহার করা উচিত, তা তারা খুঁজে পাচ্ছিল না। ** '''''নাওমি মিচিসন''''', “মেরি অ্যান্ড জো”; হ্যারি হ্যারিসন সম্পাদিত '''''নোভা ১''''', পৃ. ১৬৩। * সাংবাদিকরা যখন কোনো ভুল করেন, তখন তাঁদের মানহানির মামলার মুখে পড়তে হয়; কিন্তু ঐতিহাসিকরা যখন কোনো ভুল করেন, তখন তাঁরা সেই ভুল শুধরে নিয়ে বইটির একটি পরিমার্জিত সংস্করণ প্রকাশের সুযোগ পান। ** '''''বিল ময়ার্স''''', "দ্য বিগ স্টোরি", টেক্সাস স্টেট হিস্টোরিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনে প্রদত্ত ভাষণ, (৭ মার্চ ১৯৯৭), '''''ময়ার্স অন ডেমোক্রেসি''''' (২০০৮), পৃ. ১৩১। * বাকস্বাধীনতা এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতা, যা প্রথম সংশোধনীর মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ থেকে সুরক্ষিত করা হয়েছে। তা মূলত সেইসব মৌলিক ব্যক্তিগত অধিকার ও স্বাধীনতার অন্তর্ভুক্ত যা চতুর্দশ সংশোধনীর মাধ্যমে যেকোনো অঙ্গরাজ্যের হস্তক্ষেপ থেকে সকল নাগরিকের জন্য সুনিশ্চিত করা হয়েছে। এই অধিকারগুলোকে সুরক্ষিত রাখার মূল উদ্দেশ্য হলো যেন মানুষ তাদের জন্য অত্যাবশ্যকীয় বিষয়গুলো নিয়ে স্বাধীনভাবে চিন্তা ও কথা বলতে পারে এবং শিক্ষা ও আলোচনার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যেন মিথ্যার মুখোশ উন্মোচিত হয়। যা একটি মুক্ত ও স্বাধীন সরকারের জন্য একান্ত অপরিহার্য। যারা আমাদের স্বাধীনতা ছিনিয়ে এনেছিলেন, তাঁদের এই অটল বিশ্বাস ছিল যে, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সত্য আবিষ্কার এবং তা প্রচার করার জন্য স্বাধীন ও নির্ভীক যুক্তিপ্রদান এবং ধারণার আদান-প্রদান এক অজেয় শক্তি হিসেবে কাজ করবে। ** '''''[[:w:ফ্রাঙ্ক মারফি|ফ্রাঙ্ক মারফি]]''''', '''''[[:w:থর্নহিল বনাম আলাবামা মামলা|থর্নহিল বনাম আলাবামা]]''''', মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট, (১৯৪০), ৩১০ ইউ.এস. ৮৮, ৯৫। == O == * সেই স্থূলকায় [[w:রুশ_জাতি|রুশ]] গোয়েন্দাটি একে একে সমস্ত বিদেশী উদ্বাস্তুদের এক কোণায় নিয়ে যাচ্ছিলেন এবং অত্যন্ত বিশ্বাসযোগ্য ভঙ্গিতে ব্যাখ্যা করছিলেন যে, এই পুরো ঘটনাটি আসলে ছিল একটি নৈরাজ্যবাদী চক্রান্ত। আমি বেশ আগ্রহ নিয়ে তাঁকে পর্যবেক্ষণ করছিলাম, কারণ সেটিই ছিল আমার জীবনে প্রথম দেখা এমন কোনো ব্যক্তি যাঁর পেশা হলো অনর্গল মিথ্যা বলা, অবশ্য যদি কেউ এই তালিকায় সাংবাদিকদের গণনা না করেন। ** '''''[[:w:জর্জ অরওয়েল|জর্জ অরওয়েল]]''''', '''''হোমেজ টু ক্যাটালোনিয়া''''' (১৯৩৮)। * জীবনের শুরুর দিকেই আমি লক্ষ্য করেছিলাম যে সংবাদপত্রে কোনো ঘটনাই আসলে সঠিকভাবে উপস্থাপিত হয় না; কিন্তু স্পেনে আমি প্রথমবারের মতো এমন কিছু সংবাদ প্রতিবেদন দেখলাম যার সাথে বাস্তব তথ্যের বিন্দুমাত্র কোনো সম্পর্ক নেই, এমনকি একটি সাধারণ মিথ্যার মধ্যে যেটুকু সত্যের রেশ থাকে সেটুকুও সেখানে অনুপস্থিত ছিল। আমি দেখেছি এমন সব বিশাল যুদ্ধের খবর ছাপা হয়েছে যেখানে আসলে কোনো লড়াই-ই হয়নি, আবার যেখানে শত শত মানুষ প্রাণ হারিয়েছে সেখানে বজায় রাখা হয়েছে কবরের নিস্তব্ধতা। আমি দেখেছি যেসব সৈন্য সাহসিকতার সাথে লড়াই করেছে তাদেরকে উল্টো কাপুরুষ ও বিশ্বাসঘাতক হিসেবে নিন্দা জানানো হচ্ছে, আর যারা কোনোদিন যুদ্ধের ময়দানে একটি গুলিও ছোঁড়েনি তাদের কাল্পনিক বিজয়ের নায়ক হিসেবে জয়ধ্বনি দেওয়া হচ্ছে! শুধু তা-ই নয়, আমি দেখলাম '''[[w:লন্ডন|লন্ডনের]]''' সংবাদপত্রগুলো এই মিথ্যাগুলোই প্রচার করেছিল এবং উৎসাহী বুদ্ধিজীবীরা এমন সব ঘটনার ওপর আবেগপ্রবণ ইমারত গড়ে তুলছেন যা আদতে কখনও ঘটেইনি। আমি আসলে ইতিহাসকে এমনভাবে রচিত হতে দেখলাম যা কী ঘটেছে তার ওপর ভিত্তি করে নয়, বরং বিভিন্ন 'দলীয় আদর্শ' অনুযায়ী কী ঘটা উচিত ছিল, তার ওপর ভিত্তি করে তৈরি। ** '''''[[:w:জর্জ অরওয়েল|জর্জ অরওয়েল]]''''', '''''লুকিং ব্যাক অন দ্য স্প্যানিশ ওয়ার''''' (১৯৪৩)। * অনেক সাংবাদিকই আজকের দ্রুত পরিবর্তনশীল ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে এতটাই আচ্ছন্ন থাকেন যে, তাঁদের মধ্যে ইতিহাসের গভীর উপলব্ধি বা ঐতিহাসিক চেতনার এক ধরনের চরম ঘাটতি লক্ষ্য করা যায়। ** '''''ফিন্টান ও'টুল''''', '''''দি আইরিশ টাইমস''''' (২০২৩)। * অন্ধ স্তুতি বা ফ্যানডম এবং বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা কখনোই একে অপরের পরিপূরক হতে পারে না; বরং এই দুটি বিষয় একত্রে থাকলে তা অত্যন্ত বিপজ্জনক ও অসম এক সহাবস্থানের জন্ম দেয়। ** '''''ফিন্টান ও'টুল''''', '''''দি আইরিশ টাইমস''''' (২০২৩)। == P == * বর্তমানের এই বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে যেখানে প্রতিটি মানুষই একেকজন প্রকাশক হয়ে উঠেছেন, সেখানে আশ্চর্যের বিষয় হলো কেউ আসলে প্রকৃত সম্পাদকের ভূমিকা পালন করছেন না। আর ঠিক এই জায়গাতেই আজকের দিনে আমরা এক ভয়াবহ সংকটের সম্মুখীন হচ্ছি। ** '''''স্কট পেলি''''', কুইনিপিয়াক ইউনিভার্সিটিতে প্রদত্ত ভাষণ (১০ মে ২০১৩)। [http://www.youtube.com/watch?v=1AyCD_lcl1Q ইউটিউব ভিডিও: সিবিএস নিউজ অ্যাঙ্কর স্কট পেলি: 'আমরা বারবার বড় বড় খবরগুলো ভুলভাবে পরিবেশন করছি']। * সাংবাদিকদের জন্য নিজেদের কেবল সাধারণ বার্তাবাহক হিসেবে গণ্য করাই যথেষ্ট নয়। বরং তাঁদের পরিবেশিত বার্তার আড়ালে লুকিয়ে থাকা গোপন উদ্দেশ্য বা 'হিডেন এজেন্ডা' পুরিকল্পনা এবং সেই বার্তাকে ঘিরে থাকা প্রচলিত মিথ বা ভ্রান্ত ধারণাগুলো গভীরভাবে উপলব্ধি করা একান্ত প্রয়োজন। ** '''''[[:w:জন পিলজার|জন পিলজার]]''''', 'হিডেন এজেন্ডাস', ১৯৯৮। * গোপন ক্ষমতা সেই সাংবাদিকদের মনেপ্রাণে ঘৃণা করে যারা নিজেদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করেন। যারা গোপনীয়তার পর্দা সরিয়ে দেন, বাহ্যিক চাকচিক্যের আড়ালে উঁকি দেন এবং অশুভ সত্যের ওপর রাখা পাথর তুলে ধরেন। উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের কাছ থেকে আসা নিন্দা বা তিরস্কারই হলো এই নির্ভীক সাংবাদিকদের জন্য সম্মানের শ্রেষ্ঠ স্মারক। ** '''''[[:w:জন পিলজার|জন পিলজার]]''''', '''''টেল মি নো লাইজ: ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিজম দ্যাট চেঞ্জড দ্য ওয়ার্ল্ড''''', থান্ডার্স মাউথ প্রেস, (২০০৫), পৃ. xv, ISBN 1560257865। * আমরা যারা সাংবাদিক... আমাদের সেইসব ব্যক্তিদের অবজ্ঞা ও প্রতিরোধ করার মতো যথেষ্ট সাহসী হতে হবে, যারা অন্যের দেশে তাদের সাম্প্রতিকতম রক্তক্ষয়ী দুঃসাহসিক অভিযানগুলো বৈধ করার জন্য আমাদের সহযোগিতা কামনা করে। এর অর্থ হলো সরকারি ভাষ্যকে সবসময় চ্যালেঞ্জ করা, সেই ভাষ্যটি আপাতদৃষ্টিতে যতই দেশপ্রেমমূলক মনে হোক না কেন, অথবা সেটি যতই মোহনীয় ও বিভ্রান্তিকর হোক না কেন। কারণ প্রোপাগান্ডা বা অপপ্রচার পুরোপুরি আমাদের গণমাধ্যমের ওপর নির্ভর করে যেন তাদের প্রতারণার লক্ষ্যবস্তু কোনো দূরদেশের মানুষ নয়, বরং আপনার নিজের ঘরের মানুষ হয়। অন্তহীন সাম্রাজ্যবাদী যুদ্ধের এই যুগে অগণিত পুরুষ, নারী ও শিশুর জীবন আজ পরম সত্যের ওপর নির্ভর করছে। যদি সেই সত্য প্রকাশ না পায়, তবে তাদের ঝরানো রক্তের দায়ভার আমাদের ওপরই বর্তাবে। যাদের কাজ হলো ইতিহাসের নথিপত্রকে নির্ভুল রাখা, তাদের উচিত ক্ষমতার কণ্ঠস্বর না হয়ে সাধারণ মানুষের কণ্ঠস্বর হয়ে ওঠা। ** '''''[[:w:জন পিলজার|জন পিলজার]]''''', '''''দ্য ওয়ার ইউ ডোন্ট সি''''', আইটিভি১ (যুক্তরাজ্য), (১৪ ডিসেম্বর ২০১০)। * উইকিলিকস কেন সাংবাদিকতার ইতিহাসে একটি মাইলফলক হিসেবে স্বীকৃত? কারণ এর মাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যগুলো আমাদের কাছে একশ শতাংশ নিখুঁতভাবে এই সত্যটি তুলে ধরেছে যে এই বিশ্বের একটি বড় অংশ আসলে কীভাবে এবং কেন বিভক্ত এবং ঠিক কীভাবে তা পরিচালিত হচ্ছে। ** '''''[[:w:জন পিলজার|জন পিলজার]]''''', [https://frontline.thehindu.com/cover-story/article25661115.ece "নতুন শীতল যুদ্ধ এবং আসন্ন হুমকি"], '''''ফ্রন্টলাইন, ভারত''''', (২১ ডিসেম্বর ২০১৮)। * একজন সাংবাদিক সত্য প্রচারের মাধ্যমে অথবা তিনি যতটুকু সত্যের সন্ধান পান তা প্রকাশের মাধ্যমে মানুষের প্রভূত কল্যাণ সাধন করতে পারেন। তবে শর্ত হলো তাঁকে কোনো সরকার বা কোনো বিশেষ ক্ষমতার প্রতিনিধি হিসেবে নয়, বরং সাধারণ মানুষের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করতে হবে। এটিই হলো প্রকৃত সাংবাদিকতা। এর বাইরে যা কিছু আছে তার সবই আপাতদৃষ্টিতে সত্য মনে হলেও আসলে তা প্রতারণামূলক এবং মিথ্যা। ** '''''[[:w:জন পিলজার|জন পিলজার]]''''', উদ্ধৃত হয়েছে: [https://www.thedailystar.net/opinion/interviews/news/real-journalists-act-agents-people-not-power-1687921 "প্রকৃত সাংবাদিকরা জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেন, ক্ষমতার নয়"], '''''ডেইলি স্টার (বাংলাদেশ)''''', (১৬ জানুয়ারি ২০১৯)। * কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ ছাড়া সরাসরি "পশ্চিমা গোয়েন্দা সংস্থার" দোহাই দিয়ে উদ্ধৃতি প্রদান করা কখনোই সাংবাদিকতা হতে পারে না; এটি প্রায় সবসময়ই একটি সুপরিকল্পিত অপপ্রচার বা প্রোপাগান্ডা। একজন প্রতিবেদক হিসেবে আমি এই শিক্ষাটি লাভ করেছি। বিবিসি এবং অন্যান্য সংবাদমাধ্যমের এই নিরন্তর 'কোল্ড ওয়ার' বা স্নায়ুযুদ্ধের দামামা আমাদের ধীরে ধীরে একটি বিশ্বযুদ্ধের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। ** '''''[[:w:জন পিলজার|জন পিলজার]]''''', [https://twitter.com/johnpilger/status/1285869017412956160 টুইটার], (২২ জুলাই ২০২০)। == R == [[File:Helen Thomas - USNWR.jpg|thumb|আমি আশা করি যে ভবিষ্যতের সাংবাদিকরা এই পেশার প্রকৃত নীতিমালাগুলো কঠোরভাবে মেনে চলবেন এবং এটি উপলব্ধি করবেন যে দেশে ও বিদেশে গণতন্ত্র এবং মুক্ত চিন্তার আদান-প্রদানকে সজীব রাখার ক্ষেত্রে তাঁরা এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও অপরিহার্য ভূমিকা পালন করছেন।<br>~'''''[[:w:হেলেন থমাস|হেলেন থমাস]]''''' ]] * সংবাদ বোধ বা 'নিউজ সেন্স' হলো মূলত কোনটি গুরুত্বপূর্ণ, কোনটি অত্যাবশ্যক এবং কোনটির মাঝে প্রাণ ও রঙের স্পন্দন রয়েছে। অর্থাৎ মানুষ কোন বিষয়ে আগ্রহী, তা বোঝার এক অনন্য ক্ষমতা। এটিই হলো প্রকৃত সাংবাদিকতা। ** '''''বার্টন রাস্কো''''', উদ্ধৃত হয়েছে: ট্রায়ন এডওয়ার্ডস, সি. এন. ক্যাট্রেভাস এবং জনাথন এডওয়ার্ডস সম্পাদিত '''''ইউজফুল কোটেশনস: আ সাইক্লোপিডিয়া অফ কোটেশনস''''' (১৯৩৩)। * বিতর্ক? আপনি যদি এই নামের যোগ্য কোনো প্রতিবেদক হতে চান, তবে আপনি কখনোই বিতর্ককে পুরোপুরি এড়িয়ে চলতে পারবেন না। আপনি একজন দক্ষ প্রতিবেদক হতে পারবেন না যদি না আপনি নিয়মিতভাবে কোনো না কোনো তর্কের সাথে জড়িয়ে পড়েন। আর আমি মনে করি না যে বিতর্ককে বারবার এড়িয়ে চলে আপনি একজন মহান প্রতিবেদক হতে পারবেন। কারণ একজন ভালো সাংবাদিকের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব হলো সহজ সত্যগুলোর পাশাপাশি কঠিন ও রূঢ় সত্যগুলোকেও সাহসের সাথে তুলে ধরা। আর এই কঠিন সত্যগুলোই আপনাকে বিতর্কের দিকে ঠেলে দেবে, এমনকি এই কঠিন সত্যের অনুসন্ধান করতে গিয়ে আপনাকে হয়তো চড়া মূল্যও দিতে হতে পারে। দয়া করে আমার এই কথাগুলোকে কোনো অভিযোগ হিসেবে গ্রহণ করবেন না। আমি কেবল এটিই বোঝাতে চাইছি যে আপনি যদি একজন সৎ ও নিষ্ঠাবান সাংবাদিক হন, তবে এই ঝুঁকিগুলো আপনার কাজেরই অবিচ্ছেদ্য অংশ। আপনি যদি এমনভাবে সাংবাদিকতা শুরু করেন অথবা জীবনের এমন এক পর্যায়ে পৌঁছান যেখানে আপনি নিজেই নিজেকে বলেন, "শুনুন, আমি এমন কোনো কিছু স্পর্শ করব না যা থেকে বিতর্কের সৃষ্টি হতে পারে," তবে আপনার উচিত হবে অনতিবিলম্বে এই পেশা ছেড়ে দেওয়া। ** '''''ড্যান রাদার''''', সাক্ষাৎকার: [http://www.achievement.org/autodoc/page/rat0int-1 "ড্যান রাদার ইন্টারভিউ: ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট, অন দ্য ফ্রন্টলাইনস অফ ব্রেকিং নিউজ"], '''''একাডেমি অফ অ্যাচিভমেন্ট''''', (৫ মে ২০০১)। * উন্নতমানের সাংবাদিকতা সেই হাজারো 'নিষিদ্ধ বিষয়ের' রাজ্যে প্রশ্ন উত্থাপন করে, এমনকি যদি তার ফলাফল অত্যন্ত অদ্ভুত এবং বিচলিত করার মতো হওয়ার ঝুঁকিও থাকে। ... বর্তমান সময়ে সাংবাদিকরা কোনো গোয়েন্দা নন, আবার আধ্যাত্মিক ধর্মপ্রচারকও নন। তাঁরা কেবল তাঁদের অর্পিত দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করলেই তা যথেষ্ট। তবে সাংবাদিকতা পেশার সবসময়ই একটি অনুসন্ধানী দিকের পাশাপাশি একটি নৈতিক দিকও বিদ্যমান থাকে। সাংবাদিকরা গোয়েন্দা নন ঠিকই, কিন্তু তাঁদের কাজের মধ্য দিয়ে তাঁরা অনুসন্ধানের একটি নির্দিষ্ট মানদণ্ড বজায় রাখতে পারেন। তাঁরা গোয়েন্দা বাহিনীর কেউ নন, কিন্তু তাঁরা এমন সব তথ্য সরবরাহ করতে পারেন যা গোয়েন্দারাও কোনো না কোনোভাবে ব্যবহার করতে সক্ষম হন। সাংবাদিকরা আধ্যাত্মিক পথপ্রদর্শকও নন, কিন্তু পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করে তাঁরা এমন কিছু উপলক্ষ এবং সূত্র উপহার দিতে পারেন যা পাঠকদের আত্মিক খোরাক জোগাতেও কিছুটা সাহায্য করে। আসুন আমরা সবাই অত্যন্ত বিজ্ঞতার সাথে উপদেশমূলক সাংবাদিকতা থেকে দূরে থাকি; তবে ভালো সাংবাদিকরা অন্তত নিজের এবং তাঁদের পাঠকদের আত্মাকে বিষাক্ত করা থেকে বিরত থাকতে পারেন। ** '''''মার্কো রেসপিন্তি''''', [https://bitterwinter.org/a-universal-declaration-on-combating-and-preventing-forced-organ-harvesting/ "চীনের মানব ফসল এবং অবৈধ অঙ্গ বাণিজ্য: প্রকাশ করো নতুবা ধ্বংস হও?"], '''''বিটার উইন্টার'''''। * একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে সাংবাদিকতা শেখানো কতটা ভয়ানক ও অদ্ভুত বিষয়! আমি ভেবেছিলাম এটি কেবল অক্সফোর্ডেই করা হয়। নিচ ও নোংরা জনমানুষের প্রতি এই অতি-সম্মান প্রদর্শন আসলে আমাদের সভ্যতাকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। ** '''''[[:w:বার্ট্রান্ড রাসেল|বার্ট্রান্ড রাসেল]]''''', লুসি মার্টিন ডনেলিকে লেখা একটি চিঠিতে (৬ জুলাই ১৯০২)। == S == * তবে আমি এমনভাবে এর প্রতিবেদন পেশ করব—<br>যেখানে সিনেটররা তাঁদের হাসির সাথে চোখের জলের মিশ্রণ ঘটাবেন। ** '''''[[:w:উইলিয়াম শেক্সপিয়র|উইলিয়াম শেক্সপিয়র]]''''', '''''[[:w:কোরিওলেনাস|কোরিওলেনাস]]''''' (আনু. ১৬০৭-০৮), প্রথম অংক, নবম দৃশ্য, লাইন ২। * যারা অতৃপ্ত বা সত্য সম্পর্কে অবগত নয়,<br>তাদের কাছে আমাকে এবং আমার উদ্দেশ্যকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করো। ** '''''[[:w:উইলিয়াম শেক্সপিয়র|উইলিয়াম শেক্সপিয়র]]''''', '''''[[:w:হ্যামলেট|হ্যামলেট]]''''' (১৬০০-০২), পঞ্চম অংক, দ্বিতীয় দৃশ্য, লাইন ৩৫০। * আমার কাছে আর কোনো প্রতিবেদন নিয়ে এসো না। ** '''''[[:w:উইলিয়াম শেক্সপিয়র|উইলিয়াম শেক্সপিয়র]]''''', '''''[[:w:ম্যাকবেথ|ম্যাকবেথ]]''''' (১৬০৫), পঞ্চম অংক, তৃতীয় দৃশ্য, লাইন ১। * আমার মনে হয় না যে পরিস্থিতি এর আগে কখনো বর্তমানের মতো এত বেশি ভয়াবহ ছিল। কারণ এখন দেখে মনে হচ্ছে যে প্রতিটি সাংবাদিকই আসলে কোনো না কোনো হুমকির মুখে রয়েছেন। ** '''''নাজিব শরিফি''''', আফগান সাংবাদিক নিরাপত্তা কমিটির প্রধান, '''''ডিডব্লিউ''''' (DW)-এর সাথে একটি সাক্ষাৎকারে; [https://www.dw.com/en/2020-dozens-of-journalists-killed-in-targeted-attacks/a-56078207 "২০২০: লক্ষ্যবস্তু করে চালানো হামলায় কয়েক ডজন সাংবাদিক নিহত"] শীর্ষক প্রতিবেদনে প্রকাশিত। * আমি আজও বিশ্বাস করি যে, আপনার লক্ষ্য যদি হয় এই পৃথিবীকে বদলে দেওয়া, তবে সাংবাদিকতা হলো তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি তাৎক্ষণিক এবং কার্যকর একটি স্বল্পমেয়াদী অস্ত্র। ** '''''[[:w:টম স্টপার্ড|টম স্টপার্ড]]''''', '''''টম স্টপার্ড ইন কনভারসেশন''''' (১৯৯৪), পল ডেলানি সম্পাদিত, ইউনিভার্সিটি অফ মিশিগান প্রেস, পৃ. ১৯৬। * আমি কোনো সংবাদের বা গল্পের অংশ হয়ে উঠতে চাই না। আমি বরং একজন নামহীন, শান্ত ও নিভৃতচারী দর্শক হয়ে থাকতে চাই। যে আসলে পৃথিবীতে কী ঘটছে তা বোঝার চেষ্টা করে (যা মোটেও সহজ কোনো কাজ নয়) এবং পরবর্তীতে অন্য মানুষের কাছে সেই সত্যটি বর্ণনা করে। ঘটনার কেন্দ্রে কোনো গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র হয়ে থাকাটা আমার একদমই পছন্দ নয়। ** '''''[[:w:জন সিম্পসন|জন সিম্পসন]]''''', সাক্ষাৎকার: '''''বিবিসি নরফোক''''', (১২ অক্টোবর ২০০৭)। [[File:William Thomas Stead.jpg|thumb|সংবাদমাধ্যম একই সাথে জনগণের চোখ, কান এবং জিহ্বা স্বরূপ। এটি যদি গণতন্ত্রের কণ্ঠস্বর নাও হয়, তবুও এটি গণতন্ত্রের এক দৃশ্যমান ভাষা। এটি আসলে পুরো বিশ্বের একটি জীবন্ত শব্দলেখচিত্র বা ফোনোগ্রাফ।<br>~'''''[[:w:উইলিয়াম থমাস স্টিড|উইলিয়াম থমাস স্টিড]]''''' ]] * সংবাদমাধ্যম একই সাথে জনগণের চোখ, কান এবং জিহ্বা স্বরূপ তথা একটি দেহের মতো। এটি যদি গণতন্ত্রের প্রকৃত কণ্ঠস্বর নাও হয়ে থাকে, তবুও এটি গণতন্ত্রের এক অনন্য ও দৃশ্যমান ভাষা। সহজ কথায়, এটি পুরো বিশ্বের একটি জীবন্ত শব্দলেখচিত্র বা ফোনোগ্রাফ। ** '''''উইলিয়াম থমাস স্টিড''''' (মে ১৮৮৬), "গভর্নমেন্ট বাই জার্নালিজম", ''কন্টেম্পোরারি রিভিউ''। * সাংবাদিকতা (একটি সংজ্ঞা দেওয়া যাক): জীবনকে একগুচ্ছ গতানুগতিক ক্লিশে বা ধরাবাঁধা চেনা ছাঁচের ধারাবাহিকতা হিসেবে উপস্থাপন করার একটি শিল্প কিংবা বিজ্ঞান। ** '''''রিচার্ড সামারবেল''''', '''''অ্যাবনরমালি হ্যাপি''''' (১৯৮৫), নিউ স্টার বুকস, পৃ. ৩০, ISBN 091957341X। == T == * সংবাদপত্র পড়ার নেশা থেকে পুরোপুরি মুক্তি পেতে চাইলে, একটি বছর ব্যয় করুন গত সপ্তাহের পুরোনো সংবাদপত্রগুলো পড়ার পেছনে! (যেন সত্য এবং মিথ্যার মাঝে তৌফাতটা ধরতে পারা যায়!) ** '''''নাসিম এন. তালেব''''', '''''দ্য বেড অফ প্রোক্রাস্টাস: ফিলোসফিক্যাল অ্যান্ড প্র্যাকটিক্যাল অ্যাফোরিজমস''''' (২০১০), পৃ. ২১। * আমি সবসময়ই উন্নতমানের ও শৈল্পিক লিখনশৈলীর মানদণ্ড বজায় রাখার চেষ্টা করেছি। এই সাংবাদিকতা পেশার ভেতরেও শিল্প লুকিয়ে আছে। এমনকি এখানে অত্যন্ত মহান শিল্প সৃষ্টি হওয়ার প্রবল সম্ভাবনাও বিদ্যমান। ** '''''[[:w:গে টালিস|গে টালিস]]''''' (১৪ সেপ্টেম্বর ২০০৬); রিপোর্ট করেছেন রেবেকা ক্যাথকার্ট: '''''বুলপেন: এনওয়াইইউ জার্নালিজম''''', নিউ ইয়র্ক ইউনিভার্সিটি। * একজন সংবাদ প্রতিবেদকের প্রকৃত শিল্প চাতুর্য হলো কোনো শিকারকে কীভাবে আশ্বস্ত করে শান্ত করতে হয় তা আয়ত্ত করা। কারণ সমস্ত দক্ষ প্রতিবেদকই আসলে তাঁদের প্রাথমিক সত্তায় একেকজন অত্যন্ত ধুরন্ধর প্রতারক বা 'কনফিডেন্স ট্রিকস্টার'। ** '''''ডেরেক টাঙ্গি''''', ব্রিটিশ লেখক, '''''দ্য ওয়ে টু মাইনাক''''' (১৯৬৮), সপ্তম অধ্যায়। * আমি মোটেও বিশ্বাস করি না যে সাংবাদিকতা একটি মৃতপ্রায় শিল্প। বরং আমি মনে করি, এটি আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় এখন অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ; এবং বিশ্বজুড়ে সাংবাদিকরা আমাদের কর্মপদ্ধতির সাথে নিজেদের মানিয়ে নিচ্ছেন, যার মূল লক্ষ্য হলো সরকারি কর্মকর্তাদের জনগণের কাছে দায়বদ্ধ করা। সাংবাদিকের ভূমিকা অপরিহার্য, এবং সংবাদকর্মীরা মাঝে মাঝে জনরোষের শিকার বা নিন্দিত হলেও, তাঁরা যখন নিষ্ঠার সাথে সত্য অন্বেষণ করেন এবং ইতিবাচক ফলাফল বয়ে আনেন, তখন তাঁরা আজও অত্যন্ত উচ্চ মর্যাদায় ভূষিত হন। আমার প্রত্যাশা এই যে, ভবিষ্যতের সাংবাদিকরা এই পেশার প্রকৃত মূলনীতিগুলো মেনে চলবেন এবং এটি উপলব্ধি করবেন যে, দেশে ও বিদেশে গণতন্ত্রকে সমুন্নত রাখতে এবং মুক্ত চিন্তার আদান-প্রদানকে সচল রাখতে তাঁরা এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও অনবদ্য ভূমিকা পালন করছেন। ** '''''হেলেন থমাস''''', '''''ওয়াচডগস অফ ডেমোক্রেসি?''''' (২০০৬), সাইমন অ্যান্ড শুস্টার, ভূমিকা অংশ, ISBN 0743267818। * বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা নিয়ে এই হলো আমার বক্তব্য। আমার কোনো নামলিপির নিচে বা আমার চেনা অন্য কারোর লেখার মাঝেও এটি খুঁজে পাওয়ার বৃথা চেষ্টা করে লাভ নেই। খেলার স্কোরকার্ড, ঘোড়দৌড়ের ফলাফল কিংবা শেয়ার বাজারের তালিকার মতো গুটিকতক ব্যতিক্রম ছাড়া এই পৃথিবীতে 'বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা' বলে আসলে কিছুর অস্তিত্ব নেই। এই শব্দগুচ্ছটি নিজেই নিজের অর্থের মধ্যে এক উদ্ধত ও হাস্যকর বৈপরীত্য ছাড়া আর কিছুই নয়। ** '''''হান্টার এস. থম্পসন''''', '''''ফিয়ার অ্যান্ড লোদিং: অন দ্য ক্যাম্পেইন ট্রেইল '৭২''''' (২২ এপ্রিল ১৯৮৫), পৃ. ৪৮, ISBN 0446313645। * "সংবাদপত্র যদি কেবল এইটুকুই দেওয়ার ক্ষমতা রাখে, তবে তা নিয়ে মাথা ঘামানোর দরকার কী? অ্যাগনিউ ঠিকই বলেছিলেন। সংবাদমাধ্যম হলো একদল নিষ্ঠুর ও বিকৃত মানুষের আস্তানা। সাংবাদিকতা কোনো পেশা বা সাধারণ ব্যবসা নয়। এটি হলো ব্যর্থ আর অযোগ্যদের ভিড় জমানোর এক সস্তা আশ্রয়স্থল। জীবনের পেছনের দরজার দিকে যাওয়ার জন্য এটি একটি মিথ্যে প্রবেশপথ। এটি বিল্ডিং পুলিশ ইন্সপেক্টর কর্তৃক পরিত্যক্ত এক নোংরা ও দুর্গন্ধযুক্ত গর্ত, যা কেবল কোনো মদ্যপ-ভবঘুরে ব্যক্তির ফুটপাত থেকে গুটিয়ে শুয়ে থাকার জন্য কিংবা চিড়িয়াখানার খাঁচায় বন্দি কোনো শিম্পাঞ্জির মতো কুরুচিপূর্ণ আচরণের উপযুক্ত স্থান হিসেবে যথেষ্ট গভীর।" ** '''''হান্টার এস. থম্পসন''''', '''''ফিয়ার অ্যান্ড লোদিং ইন লাস ভেগাস''''' (১৯৭১), পৃ. ২০০। == U == * প্রত্যেকে ব্যক্তিরই স্বাধীনভাবে নিজস্ব মত পোষণ এবং তা প্রকাশের অধিকার রয়েছে। এই অধিকারের মধ্যে কোনো প্রকার হস্তক্ষেপ ছাড়াই স্বীয় মতামতে অটল থাকা এবং যেকোনো সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে এবং ভৌগোলিক সীমানা নির্বিশেষে তথ্য ও ধারণা অনুসন্ধান করা, গ্রহণ করা এবং তা প্রচার করার স্বাধীনতা অন্তর্ভুক্ত। ** '''''[[:w:জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ|জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ]]''''', '''''মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণা''''', [[w:জাতিসংঘ|জাতিসংঘ]], প্যালে ডি শাইলট, প্যারিস (১০ ডিসেম্বর ১৯৪৮), ধারা ১৯। [http://www.un.org/Overview/rights.html মূল পাঠ্য] == V == [[File:Superman-facebook.svg|thumb|সাংবাদিকতা হলো সেই একমাত্র সত্তা যা আমাদেরকে সুরক্ষা প্রদান করতে পারে। ঐতিহাসিকভাবেই এমন কিছু আপসহীন ও প্রতিবাদী সাংবাদিক ছিলেন যারা পরিণতির পরোয়া না করে সত্যের পথে লড়াই করতেন। কিন্তু সেই ধারা এখন 'অ্যাডভোকেসি জার্নালিস্ট' বা ওকালতি সাংবাদিকতায় রূপ নিয়েছে, যাদের নির্দিষ্ট বামপন্থী কিংবা ডানপন্থী রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্ব রয়েছে। এর কোনো যৌক্তিক ভিত্তি নেই। একজন সাংবাদিকের একমাত্র উপাসনার বিষয় হওয়া উচিত ধ্রুব সত্য।<br>~'''''অ্যান্ড্রু ভাকস''''' ]] * সাংবাদিকতা হলো সেই একমাত্র মাধ্যম যা আমাদের ঢাল হয়ে রক্ষা করে। অতীতে এমন অনেক আপসহীন ও লড়াকু সাংবাদিকের ইতিহাস ছিল যারা পরিণতির পরোয়া না করেই সত্য প্রকাশে অবিচল থাকতেন। কিন্তু সেই জায়গাটি এখন দখল করে নিয়েছে এক ধরনের 'ওকালতি সাংবাদিকতা'! যেখানে সংবাদকর্মীরা বাম কিংবা ডানপন্থী রাজনৈতিক আদর্শের প্রতি পক্ষপাতদুষ্ট। এটি মোটেও যুক্তিযুক্ত নয়। একজন সাংবাদিকের উপাসনার যোগ্য একমাত্র ঈশ্বর হওয়া উচিত পরম সত্য। ** '''''অ্যান্ড্রু ভাকস''''', ডুয়েন সোয়ারসিনস্কির নেওয়া সাক্ষাৎকার, ''ফিলডেলফিয়া সিটি পেপার'', (৭ জুলাই ২০০৫)। == W == [[File:Oscar Wilde by Napoleon Sarony. Three-quarter-length photograph, seated.jpg|thumb|সাধারণ মানুষের মাঝে সবকিছু জানার এক অতৃপ্ত কৌতূহল কাজ করে, কেবল সেই বিষয়গুলো ছাড়া যা আসলে জানার যোগ্য। সাংবাদিকতা এই দুর্বলতা সম্পর্কে অনেক সচেতন এবং ব্যবসায়িক মানসিকতার অধিকারী হওয়ার ফলে তারা ঠিক সেই চাহিদাগুলোই মিটিয়ে থাকে।<br>~'''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''' ]] * আমার একটি লক্ষ্য ছিল 'দ্য ''৬০ মিনিটস''' এর জন্য কাজ করা এবং বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে যাওয়ার সক্ষমতা অর্জন করা, যেকোনো বিষয়ের ওপর প্রতিবেদন তৈরি করা এবং প্রচারের জন্য যথেষ্ট সময় পাওয়া। সহজ কথায়, সাংবাদিকতায় এর সমতুল্য কোনো দ্বিতীয় কাজ আর নেই। শুরুতে এটি ছিল কেবল একটি স্বপ্ন। এখন ৮৪ বছর বয়সে এসেও আমি এমন সব মানুষের সাথে কাজ করছি যারা আমার অর্ধেক বয়সের বা তারও কম। আর এর মূল কারণ হলো সংবাদের প্রতি এক অমোঘ আকর্ষণ। যদি কোথাও কোনো ভালো সংবাদ বা গল্পের সুযোগ থাকে, তবে সেখানে উপস্থিত না হওয়ার কোনো কারণ আমি দেখি না। ** '''''মাইক ওয়ালেস''''', সাক্ষাৎকার: '''''অ্যাকাডেমি অফ অ্যাচিভমেন্ট''''', (৮ জুন ২০০২)। * [[w:সংবাদ|সংবাদ]] হলো এমন কিছু যা সেই ব্যক্তিটি পড়তে চায় যে আসলে কোনো কিছু নিয়েই খুব একটা মাথা ঘামায় না। আর এটি ততক্ষণই সংবাদ হিসেবে টিকে থাকে যতক্ষণ না সে এটি পড়ছে। একবার পড়া হয়ে গেলে এটি স্রেফ একটি মৃত বিষয়ে পরিণত হয়। ** '''''ইভলিন ওয়াহ''''' (১৯৩৮), ''স্কুপ'', প্রথম খণ্ড, ৫ম অধ্যায়; উদ্ধৃতিটি পুনরুৎপাদন করা হয়েছে: ডেভিড ক্রিস্টাল ও হিলারি ক্রিস্টাল রচিত '''''ওয়ার্ডস অন ওয়ার্ডস: কোটেশনস অ্যাবাউট ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজেস''''' (২০০০), ইউনিভার্সিটি অফ শিকাগো প্রেস, পৃ. ২৭৭, ISBN 0226122018। * এটি একটি ধ্রুব সত্য যে, কোনো অভিযোগের বিপরীতে দেওয়া খণ্ডন বা প্রতিবাদ কখনোই মূল অভিযোগের গতির সাথে পাল্লা দিয়ে উঠতে পারে না। যেসব সৎ সাংবাদিক ব্যক্তি হয়তো ভুলবশত কোনো মিথ্যা তথ্য ছাপিয়ে ফেলতে পারেন, তাঁরা খুব ভালো করেই জানেন যে অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে প্রকাশিত কোনো প্রতিবাদলিপি বা সংশোধনীও মূল প্রতিবেদনের মাধ্যমে হওয়া ক্ষতির ক্ষত কখনোই পুরোপুরি মুছে ফেলতে পারে না। ** '''''টম উইকার''''', [http://www.nytimes.com/1989/06/09/opinion/in-the-nation-lesson-of-lattimore.html "ইন দ্য নেশন; লেসন অফ ল্যাটিমোর"], '''''[[:w:দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস|দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস]]''''', (৯ জুন ১৯৮৯)। * সেটি ছিল এক মারাত্মক ও অভিশপ্ত দিন যখন সাধারণ মানুষ প্রথম আবিষ্কার করল যে, কলম আসলে ফুটপাতের ইটের চেয়েও ভয়ংকর রকম্ন শক্তিশালী এবং একে অনায়াসেই ইটের টুকরোর মতো আক্রমণাত্মক করে তোলা সম্ভব! | এই সত্য জানার পরপরই তারা একজন সাংবাদিকের খোঁজ করল, তাকে খুঁজে বের করল, তাকে নিজেদের প্রয়োজনের তাগিদে তথা 'আপনা-সুবিধা' বাস্তবায়নের জন্য গড়ে তুলল এবং শেষ পর্যন্ত তাকে নিজেদের এক পরিশ্রমী ও উচ্চ বেতনের ভৃত্যে পরিণত করল। এটি উভয় পক্ষের জন্যই অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়। যুদ্ধের ব্যারিকেডের পেছনে হয়তো মহত্ত্ব আর বীরত্বের অনেক কিছু থাকতে পারে। কিন্তু সংবাদপত্রের সম্পাদকীয় বা প্রধান নিবন্ধগুলোর পেছনে কুসংস্কার, মূর্খতা, ভণ্ডামি আর নিরর্থক প্রলাপ ছাড়া আর কী-ই বা আছে? আর যখন এই চারটি বিষয় একত্রিত হয়, তখন তারা এক ভয়াবহ শক্তিতে রূপান্তরিত হয় এবং এক নতুন ও একনায়কতান্ত্রিক কর্তৃত্বের সৃষ্টি করে। ** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''[[:w:দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম|দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম]]''''' (১৮৯১); লন্ডন: আর্থার এল. হামফ্রেস (১৯১২ সংস্করণ)। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরি থেকে সংগৃহীত। * প্রাচীনকালে মানুষের ওপর নির্যাতন করার জন্য 'র‍্যাক' (The Rack) নামক যন্ত্র ছিল, আর এখন তাদের হাতে আছে সংবাদমাধ্যম বা প্রেস। এটি নিশ্চিতভাবেই একটি উন্নতি বলা যায়। কিন্তু তা সত্ত্বেও এটি অত্যন্ত মন্দ, ভুল এবং নৈতিকভাবে অবক্ষয় সৃষ্টিকারী। কেউ একজন—তিনি কি বার্ক ছিলেন? সাংবাদিকতাকে 'চতুর্থ স্তম্ভ' বা ফোর্থ এস্টেট বলে অভিহিত করেছিলেন। সেই সময়ে সেটি নিঃসন্দেহে সত্য ছিল। কিন্তু বর্তমান মুহূর্তে এটিই আসলে একমাত্র স্তম্ভে পরিণত হয়েছে। কারণ এটি অন্য বাকি তিনটি স্তম্ভকেই গ্রাস করে ফেলেছে। লর্ডস টেম্পোরাল বা উচ্চকক্ষ এখন নিশ্চুপ, লর্ডস স্পিরিচুয়াল বা ধর্মীয় প্রতিনিধিদের বলার মতো কিছুই নেই এবং হাউজ অফ কমন্স বা নিম্নকক্ষের বলার মতো কিছু না থাকলেও তারা অনবরত কথা বলে যাচ্ছে। আমরা এখন পুরোপুরি সাংবাদিকতার আধিপত্য দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হচ্ছি। ** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''[[:w:দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম|দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম]]''''' (১৮৯১); লন্ডন: আর্থার এল. হামফ্রেস (১৯১২ সংস্করণ)। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরি থেকে সংগৃহীত। * আমেরিকায় প্রেসিডেন্ট মাত্র চার বছরের জন্য রাজত্ব করেন, কিন্তু সাংবাদিকতা সেখানে শাসন চালায় অনন্তকাল ধরে! সৌভাগ্যবশত, ইতোমধ্যে আমেরিকায় 'সাংবাদিকতা' তার ক্ষমতাকে সবচেয়ে জঘন্য এবং পাশবিক চরম সীমায় নিয়ে গেছে। যার স্বাভাবিক পরিণতি হিসেবে এটি মানুষের মাঝে এক বিদ্রোহের চেতনা সৃষ্টি করতে শুরু করেছে! মানুষ এখন তাদের স্বভাব অনুযায়ী এই সাংবাদিকতা দেখে হয় বিনোদিত হয়, না হয় চরম বিরক্ত হয়। কিন্তু এটি আগের মতো আর সেই প্রকৃত প্রভাবশালী শক্তিতে টিকে নেই। মানুষ একে এখন আর খুব একটা গুরুত্ব দেয় না। অন্যদিকে [[w:ইংল্যান্ড|ইংল্যান্ডে]], সুপরিচিত গুটিকতক উদাহরণ ছাড়া সাংবাদিকতাকে যেহেতু এমন পাশবিক চরম সীমায় নিয়ে যাওয়া হয়নি, তাই এটি এখনও একটি বিশাল বড় প্রভাবক এবং এক উল্লেখযোগ্য শক্তি হিসেবে টিকে আছে। মানুষের ব্যক্তিগত জীবনের ওপর এটি যে ধরণের স্বৈরতান্ত্রিক শাসন কায়েম করতে চায়, তা আমার কাছে অত্যন্ত অস্বাভাবিক ও বিস্ময়কর বলে মনে হয়। ** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''[[:w:দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম|দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম]]''''' (১৮৯১); লন্ডন: আর্থার এল. হামফ্রেস (১৯১২ সংস্করণ)। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরি থেকে সংগৃহীত। * আমরা এখানে সাংবাদিককে নিরঙ্কুশ স্বাধীনতা দিয়েছি, অথচ শিল্পীর পথকে করেছি সম্পূর্ণ কণ্টকাকীর্ণ ও সীমাবদ্ধ। ইংরেজ জনমত মূলত সেই মানুষটিকেই বাধাগ্রস্ত করতে, অবদমিত করতে এবং তাঁর যাত্রাপথকে বিকৃত করতে চায়, যিনি প্রকৃতপক্ষে সুন্দর কিছু সৃষ্টি করেন। অন্যদিকে এটিই আবার সাংবাদিককে বাধ্য করে কুৎসিত, জঘন্য কিংবা বাস্তবিকভাবেই চরম ঘৃণ্য বিষয়গুলো পরিবেশন করতে। আর এর ফলস্বরূপ আমরা একই সাথে বিশ্বের সবচেয়ে গম্ভীর সাংবাদিকতা এবং সবচেয়ে কুরুচিপূর্ণ সংবাদপত্রের অধিকারী হয়েছি। ** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''[[:w:দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম|দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম]]''''' (১৮৯১); লন্ডন: আর্থার এল. হামফ্রেস (১৯১২ সংস্করণ)। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরি থেকে সংগৃহীত। * প্রকৃত সত্য এই যে, সাধারণ মানুষের মাঝে সবকিছু জানার এক প্রচণ্ড ও অতৃপ্ত কৌতূহল কাজ করে, কেবল সেই বিষয়গুলো ছাড়া যা আসলে জানার মতো কোনো যোগ্যতাই রাখে না। সাংবাদিকতা মানুষের এই চারিত্রিক দুর্বলতা সম্পর্কে পূর্ণ সচেতন এবং এক ধরণের খাঁটি ব্যবসায়িক মানসিকতার অধিকারী হওয়ার ফলে, তারা নিছক মুনাফার দায়ে মানুষের সেই কুরুচিপূর্ণ চাহিদাগুলোই পূরণ করে থাকে। ** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''[[:w:দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম|দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম]]''''' (১৮৯১); লন্ডন: আর্থার এল. হামফ্রেস (১৯১২ সংস্করণ)। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরি থেকে সংগৃহীত। * আধুনিক সাংবাদিকতার পক্ষে বলার মতো আসলে অনেক কিছু আছে। অল্পশিক্ষিত বা মূর্খদের মতামত আমাদের সামনে উপস্থাপনের মাধ্যমে এটি আমাদের সমাজের সামগ্রিক অজ্ঞতার সাথে নিবিড়ভাবে যুক্ত রাখে। সমসাময়িক জীবনের দৈনন্দিন ঘটনাবলী অত্যন্ত সতর্কতার সাথে ধারাবাহিকভাবে লিপিবদ্ধ করার মাধ্যমে এটি আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয় যে, আদতে এই সব ঘটনার গুরুত্ব কতই না নগণ্য। আর সবসময় অপ্রয়োজনীয় বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে এটি আমাদের বুঝতে সাহায্য করে যে, সংস্কৃতির জন্য ঠিক কোন বিষয়গুলো অপরিহার্য এবং কোনগুলো একেবারেই অকেজো। ** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''দ্য ক্রিটিক অ্যাজ আর্টিস্ট''''' (১৮৯১), দ্বিতীয় খণ্ড। * আর্নেস্ট: কিন্তু সাহিত্য এবং সাংবাদিকতার মধ্যে প্রকৃত পার্থক্যটি ঠিক কোথায়? গিলবার্ট: পার্থক্য শুধু এইটুকু যে সাংবাদিকতা হলো পাঠের অযোগ্য বিষয়, আর সাহিত্য কেউ সচরাচর পাঠ করে না। সাধারণত, এর বাইরে আর কোনো তফাৎ নেই। ** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''[[:w:দ্য ক্রিটিক অ্যাজ আর্টিস্ট|দ্য ক্রিটিক অ্যাজ আর্টিস্ট]]''''' (১৮৯১), প্রথম খণ্ড; নিউ ইয়র্ক: ব্রেটানোস (১৯০৫ সংস্করণ)। লাইব্রেরি অফ কংগ্রেস থেকে সংগৃহীত। * আধুনিক সাংবাদিকতার কথা যদি বলেন, তবে এর স্বপক্ষে সাফাই গাওয়া বা একে রক্ষা করা আমার কাজ নয়। এটি ডারউইনের সেই বিবর্তনবাদ তত্ত্ব তথা 'যোগ্যতমের টিকে থাকার লড়াই'—এর পরিবর্তে 'নিকৃষ্টতমের টিকে থাকা' বা সার্ভাইভাল অফ দ্য ভালগারেস্টের মহান মূলনীতির মাধ্যমেই নিজের অস্তিত্বের যৌক্তিকতা প্রমাণ করে। ** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''[[:w:দ্য ক্রিটিক অ্যাজ আর্টিস্ট|দ্য ক্রিটিক অ্যাজ আর্টিস্ট]]''''' (১৮৯১), প্রথম খণ্ড; নিউ ইয়র্ক: ব্রেটানোস (১৯০৫ সংস্করণ)। লাইব্রেরি অফ কংগ্রেস থেকে সংগৃহীত। * ঘুস দিয়ে যদি সাংবাদিককে বশে আনতে চান,<br>তবে আপনাকে নিন্দাবাদ<br />কিংবা নিজ স্বার্থের জন্য যদি বাঁকিয়ে ফেলতেও যান,<br>আপনাকে মুর্দাবাদ,<br />তাই গাহি স্রষ্টার গান!<br>-জনৈক ব্রিটিশ সাংবাদিক<br /><br>তবে, কোনো প্রকার ঘুস ছাড়াই সেই মানুষটি যা যা করতে সক্ষম—<br />তা দেখার পর, তাঁকে ঘুস দেওয়া ছাড়া আর কোন প্রয়োজনটিই অক্ষম! ** '''''হাম্বার্ট উলফ''''', "ওভার দ্য ফায়ার", ''দ্য আনসেলেস্টিয়াল সিটি'' (১৯৩০)-এ, ''রুপান্তরঃ'' '''মাহমুদ''' (২৩ এপ্রিল, ২০২৬)। * যদি [[:w:মঙ্গল গ্রহ|মঙ্গল গ্রহ]] থেকে কেউ আমেরিকায় আসে এবং সেখানে কয়েক মাস বা কয়েক বছর ঘুরে বেড়ানোর পর আপনি তাকে জিজ্ঞাসা করেন যে, সেখানে কাদের কাজ বা পেশা সবচেয়ে চমৎকার; তবে সে নিশ্চিতভাবেই সাংবাদিকদের কথা বলবে। কারণ সাংবাদিকরা মানুষের জীবনের সেই মুহূর্তগুলোতে প্রবেশ করার সুযোগ পান যখন সেই জীবনগুলো অত্যন্ত আকর্ষণীয় ও রোমাঞ্চকর থাকে, আর ঠিক যখনই আকর্ষণ ফুরিয়ে যায়, তখনই তাঁরা সেখান থেকে নির্বিঘ্নে বেরিয়ে আসতে পারেন। ** '''''[[:w:বব উডওয়ার্ড|বব উডওয়ার্ড]]''''', সাক্ষাৎকার: '''''অ্যাকাডেমি অফ অ্যাচিভমেন্ট''''', (১ মে ২০০৩)। == Y == * আমি সাংবাদিকদের মনে প্রাণে খুব-ই ঘৃণা করি! তাদের ভেতরটা বিদ্রূপাত্মক এবং উপহাসপূর্ণ শূন্যতা ছাড়া আর কিছুই নয়, জাস্ট কিছুই নয়!.. এই পৃথিবীর পৃষ্ঠে তারা হলো সবচেয়ে নিচু প্রকৃতির আর অন্তঃসারশূন্য একদল বুনো মানুষ! ** '''''[[:w:ডব্লিউ. বি. ইয়েটস|ডব্লিউ. বি. ইয়েটস]]''''', ক্যাথরিন টাইন্যানকে লেখা চিঠি (৩০ আগস্ট ১৮৮৮)। * একজন রাষ্ট্রনায়ক বেশ সহজ-সরল ভাবুক,<br />কিন্তু তিনি তো টিয়ে পাখির মতো অনর্গল যন্ত্রতুল্য মিথ্যুক!<br />তবে একজন সাংবাদিক খুব আরামসে ধরতে পারেন আপনার মিথ্যের খুঁটি ,<br />এবং এরপর সেই মিথ্যের জোরেই চেপে ধরেন আপনার টুঁটি। ** '''''[[:w:ডব্লিউ. বি. ইয়েটস|ডব্লিউ. বি. ইয়েটস]]''''', ''দ্য ওল্ড স্টোন ক্রস''-এ, ''রুপান্তরঃ'' '''মাহমুদ'''। * বর্তমান সময়ের সাংবাদিকতা—বড় বড় শহরগুলোর সংবাদপত্রগুলোর মধ্যকার পারস্পরিক সম্পর্কের কথা বিবেচনা করলে—বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বেশ ভদ্রোচিত এবং মার্জিত বলে মনে হয়। কিন্তু সেই দিনগুলোতে নিউ ইয়র্কের দৈনিক পত্রিকাগুলো একে অপরের কর্মকাণ্ড এবং উদ্দেশ্যকে প্রকাশ্যে এমন ঘৃণাভরে আক্রমণ করত, যা সচরাচর পরম সৎ নাগরিকরা ঘোড়া-চোর কিংবা ডাকাতদের প্রতি প্রকাশ করে থাকেন। 'দ্য সান'-এর ডানা এবং 'দ্য ওয়ার্ল্ড'-এর পুলিৎজারের মধ্যকার দীর্ঘস্থায়ী দ্বন্দ্ব সে সময় ব্যাপক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ছিল; এমনকি 'ওয়ার্ল্ড' এবং 'হেরাল্ড' পত্রিকা দুটিও প্রায়ই একে অপরের ওপর নেকড়ের মতো ক্ষিপ্ত হয়ে গর্জন করত। ** '''''আর্ট ইয়ং: হিজ লাইফ অ্যান্ড টাইমস''''' (১৯৩৯)। ===''হয়েটস নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস''=== :<small>'''''[[s:en:Hoyt's New Cyclopedia Of Practical Quotations (1922)|হয়েটস নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস]]''''' (১৯২২), পৃ. ৪০৭-০৮ থেকে প্রতিবেদনকৃত উদ্ধৃতিসমূহ।</small> * আমি তাঁদের মঙ্গলের জন্য অত্যন্ত আন্তরিকভাবে এই পরামর্শ দেব—যেন তাঁরা এই সংবাদপত্রটি নিয়মিত সংগ্রহ করার আদেশ দেন এবং একে তাঁদের প্রতিদিনের বৈকালিক আপ্যায়নের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে গণ্য করেন। ** '''''[[:w:জোসেফ অ্যাডিসন|জোসেফ অ্যাডিসন]]''''', ''স্পেকটেটর'', সংখ্যা ১০। * তারা আমাদের কাগজ তৈরির শিল্পের একটি বিশাল অংশ ভোগ করে, মুদ্রণ কাজে আমাদের কারিগরদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে এবং অগণিত দরিদ্র ও অভাবী মানুষের জন্য জীবিকা নির্বাহের পথ প্রশস্ত করে দেয়। ** '''''[[:w:জোসেফ অ্যাডিসন|জোসেফ অ্যাডিসন]]''''', ''স্পেকটেটর'', সংখ্যা ৩৬৭। * বিজ্ঞাপন সাধারণ বা নিম্নবিত্ত মানুষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী একটি মাধ্যম। প্রথমত, এটি উচ্চাকাঙ্ক্ষা পূরণের হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে। একজন মানুষ যিনি কোনোভাবেই সরকারি গেজেটে স্থান পাওয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ নন, তিনি খুব সহজেই বিজ্ঞাপনের পাতায় নিজেকে ঢুকিয়ে দিতে পারেন; যার ফলে আমরা প্রায়ই দেখি একই সংবাদপত্রে একজন সাধারণ ওষুধ বিক্রেতা বা কবিরাজ একজন পূর্ণক্ষমতাপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূতের পাশে স্থান পেয়েছেন, কিংবা একজন সাধারণ বার্তাবাহক কোনো উচ্চপদস্থ দূতের সাথে একই সারিতে দাঁড়িয়ে আছেন। ** '''''[[:w:জোসেফ অ্যাডিসন|জোসেফ অ্যাডিসন]]''''', ''ট্যাটলার'', সংখ্যা ২২৪। * বিজ্ঞাপন লেখার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় কৌশল বা শিল্প হলো পাঠকের দৃষ্টি আকর্ষণ করার সঠিক পদ্ধতিটি খুঁজে বের করা; কারণ এই কৌশল ছাড়া একটি অত্যন্ত চমৎকার বস্তুও হয়তো অলক্ষিত থেকে যেতে পারে, কিংবা দেউলিয়া হওয়ার সংবাদের ভিড়ে কোথাও হারিয়ে যেতে পারে। ** '''''[[:w:জোসেফ অ্যাডিসন|জোসেফ অ্যাডিসন]]''''', ''ট্যাটলার'', সংখ্যা ২২৪। * জিজ্ঞেস করছেন কীভাবে জীবন ধারণ করবেন? লিখুন, লিখুন, যা খুশি তা-ই লিখুন;<br>এই পৃথিবীটা এক চমৎকার বিশ্বাসপ্রবণ জগত, তাই স্রেফ সংবাদ লিখে যান। ** '''''বিউমন্ট এবং ফ্লেচার''''', ''উইট উইদাউট মানি'', দ্বিতীয় অংক। * [বিরোধী সংবাদমাধ্যম] মূলত এমন সব অসন্তুষ্ট ও ঈর্ষাপরায়ণ ব্যক্তিদের হাতে ন্যস্ত থাকে, যারা নিজেদের কর্মজীবনে শোচনীয়ভাবে ব্যর্থ হয়েছে। ** '''''[[:w:অটো ফন বিসমার্ক|অটো ফন বিসমার্ক]]''''', রুজেনের একটি প্রতিনিধি দলের নিকট রাজার উদ্দেশে (১০ নভেম্বর ১৮৬২)। * শোনো ওহে কেকের দেশ, আর স্কটল্যান্ডের ভাইরা আমার,<br>মেইডেনকার্ক থেকে জনি গ্রোটস—সব প্রান্তের মানুষেরা শোনো;<br>যদি তোমাদের পোশাকে কোনো ছিদ্র বা ব্যক্তিগত কোনো ত্রুটি থাকে,<br>তবে আমি তোমাদের সতর্ক করছি, খুব সাবধানে থেকো:<br>তোমাদের মাঝে এমন এক ছোকরা ঘুরছে যে সবকিছুর নোট নিচ্ছে,<br>এবং বিশ্বাস করো, সে নির্ঘাত তা সংবাদে ছাপিয়ে দেবে। ** '''''[[:w:রবার্ট বার্নস|রবার্ট বার্নস]]''''', ''অন ক্যাপটেন গ্রোস'স পেরেগ্রিনেশনস থ্রু স্কটল্যান্ড''। * সম্পাদক তাঁর নির্জন কক্ষে বসে আছেন, চিন্তার ভাঁজে কপাল তাঁর কুঁচকানো,<br>মন তাঁর নিমগ্ন ব্যবসার অতল তলে, আর পা জোড়া তোলা চেয়ারের হাতলে,<br>এক হাতের কনুই তাঁর চেয়ারে ঠেকানো, ডান হাতের তালুটা মাথায়,<br>ধুলোমাখা জরাজীর্ণ টেবিলে তাঁর নজর, যেখানে ছড়িয়ে আছে নথিপত্রের পাহাড়। ** '''''উইল কার্লটন''''', ''ফার্ম ব্যালাডস'', ''দ্য এডিটর'স গেস্টস''। * এডমন্ড বার্ক বলেছিলেন যে পার্লামেন্টে তিনটি স্তম্ভ বা এস্টেট রয়েছে; কিন্তু ওই দূরে প্রতিবেদকদের গ্যালারিতে এমন এক 'চতুর্থ স্তম্ভ' উপবিষ্ট আছে যা অন্য সবার চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ** '''''[[:w:টমাস কার্লাইল|টমাস কার্লাইল]]''''', '''''হিরোস অ্যান্ড হিরো-ওয়ারশিপ''''', বক্তৃতা ৫। বার্ককে এই শব্দটি উদ্ভাবনের কৃতিত্ব দেওয়া হলেও তাঁর প্রকাশিত কোনো রচনায় এর উল্লেখ পাওয়া যায় না। 'রাজ্যের তিনটি স্তম্ভ' হলো ধর্মীয় প্রতিনিধি (Lords Spiritual), উচ্চকক্ষ (Lords Temporal) এবং নিম্নকক্ষ (Commons)। ডেভিড লিন্ডসে ১৫৩৫ সালে তাঁর 'অ্যান প্লেজেন্ট স্যাটায়ার অফ দ্য থ্রি এস্টেটস'-এ এর বর্ণনা দিয়েছেন। রাবেলে তাঁর 'পান্তাগ্রুয়েল'-এ (৪-৪৮) একজন সন্ন্যাসী, একজন বাজপাখি শিকারি, একজন আইনজীবী এবং একজন কৃষককে দ্বীপের 'চারটি স্তম্ভ' (Les quatre estatz de l'isle) হিসেবে বর্ণনা করেছেন। * একটি পার্লামেন্ট বা সংসদ—যা কি না সাংবাদিকদের মাধ্যমে বানকম্বের জনগণের কাছে এবং সেই দুই কোটি সত্তর লক্ষ মানুষের কাছে কথা বলে, যাঁদের অধিকাংশকেই নির্বোধ হিসেবে গণ্য করা যায়। ** '''''[[:w:টমাস কার্লাইল|টমাস কার্লাইল]]''''', '''''লেটার ডে প্যামফ্লেটস''''', সংখ্যা ৬: পার্লামেন্ট। * প্রথমে আপনার প্রয়োজনীয় তথ্যগুলো সঠিকভাবে সংগ্রহ করুন, আর তারপর আপনি নিজের ইচ্ছেমতো সেগুলোকে যত খুশি বিকৃত করতে পারেন। ** '''''[[:w:মার্ক টোয়েন|মার্ক টোয়েন]]''''', কিপলিংয়ের সাথে সাক্ষাৎকার; '''''ইন ফ্রম সি টু সি''''', পত্র ৩৭। * স্রেফ একটি সংবাদপত্র! যা দ্রুত পড়া হয় এবং দ্রুতই হারিয়ে যায়,<br>কে আর হিসাব রাখে সেই অমূল্য রত্নভাণ্ডারের, যা এটি বহন করে নিয়ে যায়?<br>ছিন্নভিন্ন হয়ে পায়ের তলায় পিষ্ট হওয়া সেই উজ্জ্বল নক্ষত্রের মতো মেধার মূল্যই বা ক’জন দেয়? ** '''''মেরি ক্লেমার''''', ''দ্য জার্নালিস্ট'', স্তবক ৯। * নিজের প্রজন্মের সেবা করাই তোমার নিয়তি—<br>জলের ওপর যেমন নাম লিখলে তা মুছে যায়, ঠিক তেমনি তোমার নামও দ্রুতই মিলিয়ে যাবে;<br>কিন্তু যে ব্যক্তি মানবতাকে ভালোবাসেন, তিনি আদিতে ও অন্তে এমন এক মহান কর্ম সম্পাদন করেন যা খ্যাতির গণ্ডির চেয়েও অনেক বড়। ** '''''মেরি ক্লেমার''''', ''দ্য জার্নালিস্ট'', অন্তিম স্তবক। * আমার মনে হয় কোথাও বলা হয়েছে যে—'দ্য টাইমস'-এর একটি মাত্র সংখ্যায় থুসিডাইডিসের সমগ্র ঐতিহাসিক রচনার চেয়েও অনেক বেশি দরকারী ও কার্যকর তথ্য নিহিত থাকে। ** '''''রিচার্ড কবডেন''''', ম্যানচেস্টার অ্যাথেনিয়ামে প্রদত্ত ভাষণ (২৭ ডিসেম্বর ১৮৫০)। দেখুন: দ্য টাইমস, ৩০ ডিসেম্বর ১৮৩০, পৃ. ৭; মর্লির 'লাইফ অফ কবডেন'-এ উদ্ধৃত, ২য় খণ্ড, পৃ. ৪২৯। * যদি মৈত্রীর চেতনা সর্বত্র জয়ী হতো, তবে এই সংবাদমাধ্যম বা প্রেস নিশ্চিতভাবেই<br>সততা, সত্য এবং ভালোবাসার এক মহান বাহন হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করত। ** '''''[[:w:উইলিয়াম কাউপার|উইলিয়াম কাউপার]]''''', ''চ্যারিটি'', লাইন ৬২৪। * কীভাবে আমি তোমার প্রশংসা করব, বা তোমার পরাক্রমকে সম্বোধন করব,<br>হে সংবাদমাধ্যম—তুমিই তো আমাদের এই পৌত্তলিক আরাধনার ঈশ্বর।<br>*    *    *    *    *<br>স্বর্গের সেই নিষিদ্ধ জ্ঞানবৃক্ষের মতোই,<br>ভালো এবং মন্দের যাবতীয় জ্ঞান তো তোমার মাধ্যমেই আমাদের কাছে আসে। ** '''''[[:w:উইলিয়াম কাউপার|উইলিয়াম কাউপার]]''''', ''প্রোগ্রেস অফ এরর'', লাইন ৪৫২। * তিনি আসছেন, এক কোলাহলপূর্ণ বিশ্বের বার্তাবাহক হিসেবে—<br>কর্দমাক্ত বুট, কোমরবন্ধনীতে বাঁধা পোশাক আর জমে থাকা তুষারশুভ্র চুলের অবয়ব নিয়ে;<br>সারা বিশ্বের তাবৎ সংবাদ এক বিশাল বোঝা হয়ে তাঁর পিঠে দুলছে। ** '''''[[:w:উইলিয়াম কাউপার|উইলিয়াম কাউপার]]''''', ''দ্য টাস্ক'' (১৭৮৫), চতুর্থ খণ্ড, লাইন ৫। * যখনই কোনো মূল্যবান তথ্যের সন্ধান পাবেন, তখনই তা টুকে রাখুন। ** '''''[[:w:চার্লস ডিকেন্স|চার্লস ডিকেন্স]]''''', ''ডম্বি অ্যান্ড সান'', ১৫তম অধ্যায়। * বিবিধ বিষয়ের লেখকরাই প্রতিটি জাতির কাছে সবচেয়ে জনপ্রিয় লেখক হিসেবে সমাদৃত হন; কারণ তাঁরাই মূলত শিক্ষিত এবং অশিক্ষিত সমাজের মধ্যে যোগাযোগের একটি সেতুবন্ধন তৈরি করেন, যেন জনমানুষের এই দুটি বিশাল বিভাগের মাঝখানে তাঁরা এক শৈল্পিক সেতু নির্মাণ করে দেন। ** '''''আইজ্যাক ডি'ইজরায়েলি''''', ''লিটারারি ক্যারেক্টার অফ মেন অফ জিনিয়াস'', বিবিধ লেখক বিভাগ। * আমাদের রাজনৈতিক লেখকদের কেউই... রাজা, লর্ডস এবং কমন্স—এই তিনটি স্তম্ভ বা এস্টেটের বাইরে অন্য কিছুর দিকে নজর দেন না... তাঁরা অত্যন্ত সুকৌশলে সেই বিশাল ও প্রভাবশালী অংশটিকে এড়িয়ে যান যারা এই সমাজের প্রকৃত 'চতুর্থ স্তম্ভ' গঠন করে... আর সেই শক্তিটি হলো 'জনসাধারণ' বা গণমানুষের ভিড়। ** '''''[[:w:হেনরি ফিল্ডিং|হেনরি ফিল্ডিং]]''''', ''কোভেন্ট গার্ডেন জার্নাল'' (১৩ জুন ১৭৫২)। * যদি কেলেঙ্কারির অভাবের কারণে সৃষ্ট মানসিক অবসাদ<br>আমাদের প্রিয় নারীদের ব্যথিত করে—তবে তাঁদের সংবাদপত্র পড়তে দিন। ** '''''ডেভিড গ্যারিক''''', শেরিডানের 'স্কুল ফর স্ক্যান্ডাল' এর প্রস্তাবনা। * সংবাদপত্রের স্বাধীনতা হলো একজন ইংরেজ নাগরিকের সমস্ত দেওয়ানি, রাজনৈতিক এবং ধর্মীয় অধিকারের এক অপরাজেয় সুরক্ষাকবচ বা প্যালাডিয়াম। ** '''''[[:w:জুনিয়াস (লেখক)|জুনিয়াস]]''''', ''ডেডিকেশন টু লেটারস''। * একজন সংবাদ লেখকের সর্বোচ্চ দৌড় হলো রাজনীতির ওপর কিছু অন্তঃসারশূন্য যুক্তি প্রদান করা এবং সরকারি ব্যবস্থাপনার ওপর ভিত্তিহীন ও বৃথা অনুমান করা। ** '''''[[:w:জঁ দ্য লা ব্রুয়েয়ার|জঁ দ্য লা ব্রুয়েয়ার]]''''', ''দ্য ক্যারেক্টারস অর ম্যানার্স অফ দ্য প্রেজেন্ট এজ'' (১৬৮৮), প্রথম অধ্যায়। * একজন সংবাদ লেখক রাতের বেলা অত্যন্ত প্রশান্তির সাথে এমন একটি সংবাদের ওপর ভরসা করে ঘুমোতে যান যা ভোরের আলো ফোটার আগেই পচে নষ্ট হয়ে যায়; এবং ঘুম থেকে ওঠার সাথে সাথেই তিনি তা আবর্জনার মতো ছুঁড়ে ফেলে দিতে বাধ্য হন। ** '''''[[:w:জঁ দ্য লা ব্রুয়েয়ার|জঁ দ্য লা ব্রুয়েয়ার]]''''', ''দ্য ক্যারেক্টারস অর ম্যানার্স অফ দ্য প্রেজেন্ট এজ'' (১৬৮৮), প্রথম অধ্যায়। * প্রতিটি সংবাদপত্রের সম্পাদক শয়তানের কাছে তাঁর আনুগত্যের খাজনা দিতে বাধ্য। ** '''''[[:w:জঁ দ্য লা ফোঁতেন|জঁ দ্য লা ফোঁতেন]]''''', ''লেত্রে আ সিমোঁ দ্য ত্রোয়া'' (১৬৮৬)। * সংবাদপত্র সবসময়ই কৌতূহল জাগিয়ে তোলে। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো, একরাশ চরম হতাশার অনুভূতি ছাড়া কেউই সংবাদপত্র পাঠ শেষ করে তা সরিয়ে রাখতে পারেন না। ** '''''[[:w:চার্লস ল্যাম্ব|চার্লস ল্যাম্ব]]''''', ''এসেস অফ এলিয়া'': 'ডিট্যাচড থটস অন বুকস অ্যান্ড রিডিং'। * দেখুন, এই বিশাল বিস্তৃত পৃথিবীটা প্রতি সপ্তাহে একটি বাদামী কাগজের মোড়কে বন্দি হয়ে আমার কাছে পাঠানো হয়। ** '''''[[:w:জেমস রাসেল লোয়েল|জেমস রাসেল লোয়েল]]''''', ''বিগলো পেপারস'', প্রথম সিরিজ, সংখ্যা ৬। * আমি এক লক্ষ বেয়োনেটের চেয়ে তিনটি সংবাদপত্রকে অনেক বেশি ভয় পাই। ** '''''[[:w:নেপোলিয়ন বোনাপার্ট|প্রথম নেপোলিয়ন]]'''''। * ওয়াশিংটনের হোয়াইট হাউসের তুলনায় নিউ ইয়র্কের এই সস্তা এক-পেনির সংবাদপত্রগুলোই এদেশ শাসনে অনেক বেশি কার্যকর ভূমিকা পালন করে। ** '''''[[:w:ওয়েন্ডেল ফিলিপস|ওয়েন্ডেল ফিলিপস]]'''''। * আমরা মূলত একদল মানুষ এবং প্রভাতী সংবাদপত্র দ্বারা চালিত একটি সরকারের শাসনাধীনে বসবাস করছি। ** '''''[[:w:ওয়েন্ডেল ফিলিপস|ওয়েন্ডেল ফিলিপস]]'''''। * সংবাদমাধ্যম হলো বাতাসের মতো অবারিত; এক সনদপ্রাপ্ত স্বেচ্ছাচারী শক্তি। ** '''''[[:w:উইলিয়াম পিট|উইলিয়াম পিট]]''''', লর্ড গ্রেনভিলকে উদ্দেশ্য করে (প্রায় ১৭৫৭ সালে)। * একদল অভিজাত ও সচ্ছল মানুষের ভিড়, যারা অত্যন্ত অনায়াসে এবং সাবলীলভাবে লিখতে পারতেন। ** '''''[[:w:অ্যালক্সান্ডার পোপ|অ্যালক্সান্ডার পোপ]]''''', ''এপিসেলস অফ হোরেস'', দ্বিতীয় খণ্ড, প্রথম পত্র, লাইন ১০৮। * বিষয়টি যেহেতু লিখিত আকারে আছে, সেহেতু এটি ধ্রুব সত্য। ** '''''[[:w:ফ্রঁসোয়া রাবলে|ফ্রঁসোয়া রাবলে]]''''', ''পান্তাগ্রুয়েল''। * এটা কি কোনোভাবে মেনে নেওয়া সম্ভব যে কোনো শিক্ষিত ব্যক্তি এক-পেনির এই সস্তা কাগজগুলো থেকে জানার মতো প্রয়োজনীয় কিছু শিখতে পারেন? হয়তো বলা হতে পারে যে মানুষ এর মাধ্যমে পার্লামেন্টে কী বলা হচ্ছে তা জানতে পারে। কিন্তু ভালো করে ভেবে দেখুন তো, সেটি কি তাঁদের প্রকৃত শিক্ষা বা জ্ঞানার্জনে বিন্দুমাত্র কোনো অবদান রাখবে? ** '''''[[:w:রবার্ট গাসকোয়েন-সেসিল, সলসবরির তৃতীয় মার্কুইস|লর্ড সলসবরি]]''''' (রবার্ট সেসিল), ভাষণ: হাউজ অফ কমন্স, ১৮৬১; 'কাগজ শুল্ক বিলোপ' সংক্রান্ত বিতর্কে। * সংবাদপত্র! মশাই, ওগুলো হলো চরম পাপিষ্ঠ, লাগামহীন, জঘন্য এবং নারকীয় বস্তুর সমষ্টি—যদিও আমি ওগুলো কখনোই পড়ি না—না—আমি নিয়ম করে ফেলেছি যে আমি কখনোই কোনো সংবাদপত্রের দিকে চোখ তুলে তাকাব না। ** '''''[[:w:রিচার্ড ব্রিনসলে শেরিডান|রিচার্ড ব্রিনসলে শেরিডান]]''''', ''দ্য ক্রিটিক'', প্রথম অংক, প্রথম দৃশ্য। * ব্যবসায়ী ততক্ষণ পর্যন্ত তাঁর কর্মচঞ্চল দিনটি শুরু হয়েছে বলে গণ্য করেন না,<br>যতক্ষণ না তাঁর তীক্ষ্ণ দৃষ্টি সংবাদপত্রের পাতার ওপর দিয়ে একবার বুলিয়ে নিচ্ছেন;<br>তরুণী কন্যাটি তাঁর হাতের সেলাইয়ের কাজ দূরে সরিয়ে রাখেন,<br>এবং সহপাঠিনীর বিয়ের খবর পড়ে দীর্ঘশ্বাস ছাড়েন;<br>অন্যদিকে গম্ভীর মা তাঁর চশমাটি চোখে এঁটে নেন,<br>এবং কোনো পুরোনো বন্ধুর চলে যাওয়ার খবর পড়ে এক ফোঁটা অশ্রু বিসর্জন দেন।<br>এমনকি ধর্মপ্রচারকও তাঁর রবিবারের ধর্মীয় আলোচনার খসড়াটি সরিয়ে রাখেন—<br>শহরের কোন নতুন উন্মাদনা চারপাশ মাতিয়ে রাখছে তা জানার কৌতূহলে;<br>সে খবর আনন্দময় হোক বা বিষাদময়, জীবনের তুচ্ছতম কিংবা মহত্তম বিষয়—<br>মোরগের লড়াইয়ের ফলাফল থেকে শুরু করে রাজায় রাজায় যুদ্ধের পরিণতি। ** '''''স্প্রাগ''''', ''কিউরিওসিটি''। * এই সংবাদমাধ্যমই জনমানুষের অধিকার অক্ষুণ্ণ রাখবে,<br>প্রতিপত্তির কাছে নতি স্বীকার না করে এবং লাভের মোহে কলুষিত না হয়ে;<br>এখানেই দেশপ্রেমিক সত্য তাঁর মহিমান্বিত আদর্শগুলো তুলে ধরবে,<br>যা ধর্ম, স্বাধীনতা এবং আইনের রক্ষাকবচ হিসেবে থাকবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ** '''''[[:w:জোসেফ স্টোরি|জোসেফ স্টোরি]]''''', ''সালেম রেজিস্টার''-এর মূলমন্ত্র (১৮০২ সালে গৃহীত)। উইলিয়াম ডব্লিউ স্টোরি রচিত ''লাইফ অফ জোসেফ স্টোরি'', প্রথম খণ্ড, ৬ষ্ঠ অধ্যায়ে বর্ণিত। * সম্পাদকের চেয়ারের কুশনে লুকিয়ে থাকা এক তীক্ষ্ণ কণ্টক। ** '''''[[:w:উইলিয়াম মেকপিস থ্যাকারায়|উইলিয়াম মেকপিস থ্যাকারায়]]''''', ''রাউন্ডঅবাউট পেপারস'': 'দ্য থর্ন ইন দ্য কুশন'। == আরোপিত বা অ্যাট্রিবিউটেড == * গণমাধ্যম নির্ভুলতা সংক্রান্ত নোলের নীতি: সংবাদপত্রে আপনি যা কিছু পড়েন তার প্রতিটি অক্ষরই ধ্রুব সত্য—কেবল সেই বিরল সংবাদটি ছাড়া যে বিষয়টি সম্পর্কে আপনার ব্যক্তিগতভাবে প্রত্যক্ষ জ্ঞান রয়েছে। ** '''''আরউইন নোল''''', সম্পাদক, ''দ্য প্রোগ্রেসিভ''। * আমেরিকায় প্রেসিডেন্ট মাত্র চার বছরের জন্য শাসন করেন, কিন্তু সাংবাদিকতা সেখানে রাজত্ব চালায় চিরকাল। ** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]'''''; লোইস আগস্ট জেনিস রচিত ''ভয়েজ টু ইনসাইট'' (২০০৩), পৃ. ৭০-এ উদ্ধৃত। * যখন একটি কুকুর কোনো মানুষকে কামড়ায়, সেটি কোনো সংবাদ নয়; কারণ এমন ঘটনা অহরহ ঘটে থাকে। কিন্তু যদি কোনো মানুষ একটি কুকুরকে কামড়ে দেয়, তবে সেটিই হলো প্রকৃত সংবাদ। ** '''''জন বি. বোগার্ট''''', 'নিউ ইয়র্ক সান'-এর সম্পাদক; ''বার্টলেট'স ফ্যামিলিয়ার কোটেশনস''-এ আরোপিত (১৬তম সংস্করণ, ১৯৯২), পৃ. ৫৫৪। আরও দেখুন: [[:w:ম্যান বাইটস ডগ|ম্যান বাইটস ডগ]]। * ঔপন্যাসিকদের বড় বড় 'মহৎ আইডিয়া' বা তাত্ত্বিক চিন্তাভাবনা নিয়ে আমি খুব একটা মাথা ঘামাই না। উপন্যাস নিশ্চিতভাবেই চমৎকার বিষয়, তবে পড়ার ক্ষেত্রে আমি সংবাদপত্রকেই বেশি প্রাধান্য দিই। ** '''''উইল কাপি''''', স্ট্যানলি জে. কুনিটজ এবং হাওয়ার্ড হ্যাব্রাফট সম্পাদিত ''টোয়েন্টিয়েথ সেঞ্চুরি অথরস'' (১৯৪২), নিউ ইয়র্ক: এইচ. ডব্লিউ. উইলসন কোম্পানি, পৃ. ৩৪২। * সাংবাদিকতা হলো ইতিহাসের প্রথম খসড়া। :* মূলত ভিন্ন একটি রূপে প্রথম প্রকাশিত হয়—“সংবাদ/সংবাদমাধ্যম হলো ইতিহাসের প্রথম অমসৃণ খসড়া”। এই আধুনিক রূপটি অন্তত ১৯৪০-এর দশক থেকে প্রচলিত এবং সম্ভবত ''ওয়াশিংটন পোস্ট''-এর সম্পাদকীয় লেখক '''''অ্যালান বার্থ''''' এটিকে জনপ্রিয় করেছিলেন। সেই সময়কার ''পোস্ট''-এর সম্পাদকীয় পাতায় এই ভাবনার প্রতিফলন একাধিকবার দেখা যায়, যার মধ্যে বার্থের প্রথম উদ্ধৃতিটি ১৯৪৩ সালের: :: সংবাদ হলো ইতিহাসের প্রথম অমসৃণ খসড়া মাত্র। ::* '''''অ্যালান বার্থ''''', হ্যারল্ড এল. ইক্সেস রচিত ''দ্য অটোবায়োগ্রাফি অফ আ কারমাজিয়ন''-এর পর্যালোচনা, ''নিউ রিপাবলিক'' (১৯৪৩), ভলিউম ১০৮, পৃ. ৬৭৭-এ সংগৃহীত। :* ''পোস্ট''-এ এর পরবর্তী ব্যবহারগুলো হলো: :: সংবাদপত্র হলো আসলে ইতিহাসের প্রথম খসড়া, অথবা অন্তত তারা তেমন হওয়ার ভান করে। ::* নামবিহীন "সম্পাদকের টীকা", ''দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট'' (১৬ অক্টোবর ১৯৪৪)। :* বিংশ শতাব্দীর প্রথম দশকেও একই ধরনের ভাবধারা পরিলক্ষিত হয়, যার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে: [http://www.barrypopik.com/index.php/new_york_city/entry/first_draft_of_history_journalism/ “ইতিহাসের প্রথম খাসড়া” (সাংবাদিকতা)], ২৩ নভেম্বর ২০০৯, ব্যারি পপিক। :: এটি অত্যন্ত সম্ভবপর যে, ৪১৩ অব্দ পর্যন্ত 'ইতিহাসের একটি প্রাথমিক ও অমসৃণ খসড়া' হয়তো ৪০৫ অব্দের আগেই থুসিডাইডিস কর্তৃক রূপরেখা আকারে প্রস্তুত করা হয়েছিল। ::* (এখানে “সংবাদ” শব্দটি বাদ দেওয়া হয়েছে এবং একটি নির্দিষ্ট পাঠ্যকে নির্দেশ করা হয়েছে) ১৯০২, '''''রিচার্ড ক্ল্যাভারহাউস জেব''''', [http://www.1902encyclopedia.com/T/THU/thucydides.html থুসিডাইডিস], এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা, ১০ম সংস্করণ (১৯০২)। ২০১০ সালে শেফার-এর মন্তব্যে ব্যাবেট হোগান কর্তৃক উদ্ধৃত। :: সংবাদপত্রগুলো প্রতিদিন প্রভাতে 'ইতিহাসের একটি অমসৃণ খসড়া' তৈরি করে চলেছে। পরবর্তীতে ঐতিহাসিকগণ আসবেন, পুরোনো নথিপত্রগুলো হাতে নেবেন এবং সম্পাদক ও সংবাদদাতাদের সেই অপরিশোধিত অথচ আন্তরিক ও নির্ভুল বিবরণীগুলোকে প্রকৃত ইতিহাস ও কালোজয়ী সাহিত্যে রূপান্তরিত করবেন। আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থাকে অবশ্যই এই দৈনিক সংবাদপত্রের গুরুত্ব অনুধাবন করতে হবে। ::* (এখানে “প্রথম” শব্দটি বাদ দেওয়া হয়েছে) ৫ ডিসেম্বর ১৯০৫, দ্য স্টেট, “[http://blog.readex.com/wp-content/uploads/2010/10/TP-State-News-Draft-Dec-5-1905.pdf সংবাদের শিক্ষামূলক মূল্য]”, পৃ. ৪, কলাম ৪, কলাম্বিয়া, সাউথ ক্যারোলাইনা। টনি পেত্তিনাতো কর্তৃক ৪ অক্টোবর ২০১০ তারিখে উদ্ধৃত। 'কোট ইনভেস্টিগেটর'-এর গারসন ও'টুল এটি জিনিয়লজি-ব্যাংক ডাটাবেস থেকে সংগ্রহ করেছেন। :: একজন প্রতিবেদক হলেন সেই তরুণ যুবক, যিনি প্রতিদিন একটি জরাজীর্ণ ও শব্দজব্দ টাইপরাইটারের ওপর 'ইতিহাসের প্রথম খসড়াটি' অত্যন্ত নিপুণভাবে অঙ্কন করেন। ::* (এখানে “অমসৃণ” শব্দটি বাদ দেওয়া হয়েছে) ৩ জুলাই ১৯১৪, লিঙ্কন (NE) ডেইলি স্টার, '''''জর্জ ফিচ'''''-এর লেখা “দ্য রিপোর্টার”, পৃ. ৬, কলাম ৪। :* এই উক্তিটি সাধারণত ভুলভাবে '''''ফিলিপ এল. গ্রাহাম'''''-এর নামে দায়ী করা হয়, যা তিনি ১৯৬৩ সালে লন্ডনে 'নিউজউইক' প্রতিনিধিদের উদ্দেশ্যে দেওয়া একটি ভাষণে বলেছিলেন বলে মনে করা হয়: “[http://www.slate.com/id/2265540/pagenum/all এটি প্রথম কে বলেছিলেন? সাংবাদিকতা হলো 'ইতিহাসের প্রথম অমসৃণ খসড়া'।]”, '''''জ্যাক শেফার''''', ''স্লেট'' (৩০ আগস্ট ২০১০); ''পার্সোনাল হিস্ট্রি'' (১৯৯৭), '''''ক্যাথরিন গ্রাহাম'''''। :: সুতরাং, আসুন আমরা আমাদের সেই অনিবার্য এবং অসম্ভব কাজের পেছনে অবিরাম শ্রম দিয়ে যাই—যা হলো প্রতি সপ্তাহে 'ইতিহাসের এমন একটি প্রথম অমসৃণ খসড়া' সরবরাহ করা, যা আসলে কখনোই সম্পন্ন হবে না; কারণ এই জগতকে আমরা কখনোই পুরোপুরি অনুধাবন করতে পারব না। :* যদিও এই ভাষণটি উক্তিটিকে ব্যাপকভাবে জনপ্রিয় করেছিল, তবে এর আগেও গ্রাহাম নিজে এবং অন্য অনেকে (উপরে উল্লিখিত) একই ধরণের বক্তব্য প্রদান করেছিলেন: :: সংবাদমাধ্যমের এই অপরিহার্য ক্ষিপ্রতা বা তাড়াহুড়ো অনিবার্যভাবেই এক ধরণের অগভীরতাকে সঙ্গী করে আনে। পরম গভীরতা অর্জন করা না আমাদের ক্ষমতার মধ্যে আছে, আর না তা আমাদের অধিকারভুক্ত। আমরা বছরের ৩৬৫ দিন জুড়েই 'ইতিহাসের প্রথম অমসৃণ খসড়া' লিখে চলি, এবং এটি সত্যিই এক অত্যন্ত মহৎ ও বিশাল দায়িত্ব। ::* আমেরিকান সোসাইটি ফর পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন-এ প্রদত্ত ভাষণ (৮ মার্চ ১৯৫৩); “[http://www.jstor.org/stable/972460 পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অ্যান্ড দ্য প্রেস]”-এ প্রকাশিত, ফিলিপ এল. গ্রাহাম, ''পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন রিভিউ'', ভলিউম ১৩, সংখ্যা ২ (বসন্ত, ১৯৫৩), পৃ. ৮৭-৮৮। :* এছাড়াও আরও নানা ধরণের ভুল আরোপ বা অ্যাট্রিবিউশন বিদ্যমান—'''''হেলেন থমাস''''' তাঁর স্মৃতিকথা 'ফার্স্ট রো অ্যাট দ্য হোয়াইট হাউস'-এ উক্তিটিকে ভুলবশত '''''বেন ব্র্যাডলি'''''-এর নামে চালিয়ে দিয়েছেন। ** '''''হেলেন থমাস''''', ''ফ্রন্ট রো অ্যাট দ্য হোয়াইট হাউস: মাই লাইফ অ্যান্ড টাইমস'' (২০০০), সাইমন অ্যান্ড শুস্টার, পৃ. ৩৮৩, ISBN 0684845687। == আরও দেখুন == * [[:w:বিকল্প ধারার গণমাধ্যম|বিকল্প ধারার গণমাধ্যম]] * [[:w:অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা|অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা]] * [[:w:সংবাদ|সংবাদ]] * [[:w:সংবাদপত্র|সংবাদপত্র]] * [[:w:মূলধারার গণমাধ্যম|মূলধারার গণমাধ্যম]] * [[:w:গণমাধ্যমের পক্ষপাতিত্ব|গণমাধ্যমের পক্ষপাতিত্ব]] == বহিঃসংযোগ == {{similarlinks}} * [https://www.fourthestate.org/journalism-quotes/ ফোর্থ এস্টেট-এ সাংবাদিকতা বিষয়ক উল্লেখযোগ্য উদ্ধৃতিসমূহ] [[বিভাগ:সাংবাদিকতা| ]] [[বিষয়শ্রেণী:সাংবাদিক]] [[বিষয়শ্রেণী:সাংবাদিকতা]] ajxfrt4lz63va16aegzhtzd9evf7pr6 থমাস হ্যারিয়ট 0 12670 79769 79036 2026-04-22T14:55:40Z Asikur Rahman 2930 /* উক্তি */ 79769 wikitext text/x-wiki '''{{w|থমাস হ্যারিয়ট}}''' (আনুমানিক ১৫৬০ থেকে ২ জুলাই ১৬২১) ছিলেন একজন ইংরেজ [[w:জ্যোতির্বিদ|জ্যোতির্বিদ]], [[w:গণিতবিদ|গণিতবিদ]], [[w:নৃতাত্ত্বিক|নৃতাত্ত্বিক]] এবং [[w:অনুবাদক|অনুবাদক]]। তার জীবদ্দশায় জ্যোতির্বিদ্যা, গণিত এবং নৌবিদ্যা বিষয়ে তার খুব অল্প কাজই প্রকাশিত হয়েছিল। ১৬০৯ সালের ৫ই আগস্ট তিনি প্রথম ব্যক্তি হিসেবে [[w:গ্যালিলিও|গ্যালিলিওর]] কয়েক মাস আগে টেলিস্কোপের পর্যবেক্ষণের ওপর ভিত্তি করে [[w:চাঁদ|চাঁদের]] একটি চিত্র আঁকেন। == উক্তি == * সেখানে একটি [[w:ভেষজ|ভেষজ]] আছে যা আলাদাভাবে বপন করা হয় এবং স্থানীয়রা একে উপ্পোওক বলে ডাকে [[w:ওয়েস্ট ইন্ডিজ|ওয়েস্ট ইন্ডিজে]] যে সব স্থানে এটি জন্মে ও ব্যবহৃত হয় তার ওপর ভিত্তি করে এর বিভিন্ন নাম রয়েছে। স্প্যানিশরা সাধারণত একে [[w:তামাক|তামাক]] বলে ডাকে। এর পাতাগুলো শুকিয়ে গুঁড়ো করা হয়। তারা মাটির তৈরি পাইপের সাহায্যে এর ধোঁয়া টেনে তাদের পাকস্থলী ও মাথায় নেয় যা তাদের শরীর থেকে অতিরিক্ত [[w:শ্লেষ্মা|শ্লেষ্মা]] ও অন্যান্য [[w:দূষিত রস|দূষিত রস]] বের করে দেয় এবং শরীরের সমস্ত ছিদ্র ও পথ খুলে দেয়। এর ব্যবহারের ফলে শরীর কেবল বাধামুক্তই থাকে না বরং যদি কোনো দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা না থাকে তবে অল্প সময়ের মধ্যেই তা দূর হয়ে যায়। এর ফলে তাদের শরীর উল্লেখযোগ্যভাবে সুস্থ থাকে এবং তারা সেইসব ভয়াবহ রোগ সম্পর্কে খুব একটা জানে না যা দিয়ে আমরা ইংল্যান্ডে প্রায়শই আক্রান্ত হই। ** {{cite book|title=এ ব্রিফ অ্যান্ড ট্রু রিপোর্ট অব দ্য নিউ ফাউন্ড ল্যান্ড অব ভারজিনিয়া|location=লন্ডন|year=1590|url=https://ia804701.us.archive.org/31/items/harriot-brief-and-true-report-1590/Harriot_Brief_and_True_Report_1590.pdf}} (১ম সংস্করণ, ১৫৮৮) == থমাস হ্যারিয়ট সম্পর্কে উক্তি == * ... উত্তর আমেরিকার একটি ভাষার—এক্ষেত্রে উত্তর ক্যারোলিনা অ্যালগনকুইয়ান—ব্যবহারিক জ্ঞান অর্জন করা প্রথম ইউরোপীয়দের মধ্যে তিনি ছিলেন অন্যতম এবং এই ভাষার মাধ্যমেই তিনি ইউরোপীয়দের সাথে প্রথম যোগাযোগের সময়কার আদিবাসী সংস্কৃতি বুঝতে ও লিপিবদ্ধ করতে পেরেছিলেন। মিশুক ও অমায়িক প্রকৃতির হওয়ায় তিনি সেখানকার মানুষের সাথে বন্ধুত্ব করেছিলেন, তাদের সাথে শিকার ও ভোজে অংশ নিয়েছিলেন, তাদের কৃষি পদ্ধতি, নৌকা তৈরি এবং মাছ ধরার কৌশল শিখেছিলেন এবং স্পষ্টতই তাদের জীবনযাত্রার অনেক কিছুই উপভোগ করেছিলেন। সাধারণ নিয়ম হিসেবে, তিনি যা দেখেছিলেন তা একজন পদার্থবিদের নির্লিপ্ততা এবং একজন ভাষাবিদ ও নৃতত্ত্ববিদের আগ্রহ নিয়ে লিপিবদ্ধ করেছিলেন। নিজের কাছে সম্পূর্ণ অচেনা ধর্মীয় রীতিনীতি ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানগুলোর বিচার না করে কেবল সেগুলোর বর্ণনা দিয়েছেন এবং অ্যালগনকুইয়ান জীবনের বিস্তারিত দিকগুলো গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করেছেন। ** রবিন আরিয়ানরড, {{cite book|title=থমাস হ্যারিয়ট: এ লাইফ ইন সায়েন্স|publisher=Oxford University Press|year=2019|url=https://books.google.com/books?id=xzCPDwAAQBAJ&pg=PR1|pages=1–2}} * ষোড়শ শতাব্দীর শেষে [[François Viète|ভিয়েতের]] কাজ এবং বিশেষ করে সপ্তদশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে হ্যারিয়ট, ফের্মা এবং দেকার্তের কাজের মাধ্যমে গণিতবিদরা বীজগণিতকে আরও প্রতীকিভাবে পরিচালনা করতে শুরু করেন, এবং ধীরে ধীরে এমন একটি নোটেশন গ্রহণ করেন যা সহজেই বীজগণিতীয় গণনার জন্য সহায়ক হয়। ** ক্যালভিন জংসমা {{cite web|date=February 26, 2015|url=https://maa.org/press/maa-reviews/taming-the-unknown-a-history-of-algebra-from-antiquity-to-the-early-twentieth-century|title=Review of ''Taming the Unknown: A History of Algebra from Antiquity to the Early Twentieth Century'' by Victor J. Katz and Karen Hunger Parshall|website=MAA Reviews, Mathematical Association of America }} == বহিঃসংযোগ == * {{wikipedia-inline}} * {{commonscat-inline}} {{DEFAULTSORT:Harriot, Thomas}} [[বিষয়শ্রেণী:১৫৬০-এর দশকে জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:১৬২১-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:ইংল্যান্ডের জ্যোতির্বিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:জ্যোতিষী]] [[বিষয়শ্রেণী:ইংল্যান্ডের গণিতবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:প্রাকৃতিক দার্শনিক]] [[বিষয়শ্রেণী:ইংল্যান্ডের অ-কল্পকাহিনী লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:অক্সফোর্ডের মানুষ]] [[বিষয়শ্রেণী:ইংল্যান্ডের পদার্থবিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:ইংল্যান্ডের অনুবাদক]] [[বিষয়শ্রেণী:অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনী]] szk0ays9pzi51qxhpu0colqtl0le65f 79781 79769 2026-04-22T15:14:25Z Asikur Rahman 2930 /* থমাস হ্যারিয়ট সম্পর্কে উক্তি */ 79781 wikitext text/x-wiki '''{{w|থমাস হ্যারিয়ট}}''' (আনুমানিক ১৫৬০ থেকে ২ জুলাই ১৬২১) ছিলেন একজন ইংরেজ [[w:জ্যোতির্বিদ|জ্যোতির্বিদ]], [[w:গণিতবিদ|গণিতবিদ]], [[w:নৃতাত্ত্বিক|নৃতাত্ত্বিক]] এবং [[w:অনুবাদক|অনুবাদক]]। তার জীবদ্দশায় জ্যোতির্বিদ্যা, গণিত এবং নৌবিদ্যা বিষয়ে তার খুব অল্প কাজই প্রকাশিত হয়েছিল। ১৬০৯ সালের ৫ই আগস্ট তিনি প্রথম ব্যক্তি হিসেবে [[w:গ্যালিলিও|গ্যালিলিওর]] কয়েক মাস আগে টেলিস্কোপের পর্যবেক্ষণের ওপর ভিত্তি করে [[w:চাঁদ|চাঁদের]] একটি চিত্র আঁকেন। == উক্তি == * সেখানে একটি [[w:ভেষজ|ভেষজ]] আছে যা আলাদাভাবে বপন করা হয় এবং স্থানীয়রা একে উপ্পোওক বলে ডাকে [[w:ওয়েস্ট ইন্ডিজ|ওয়েস্ট ইন্ডিজে]] যে সব স্থানে এটি জন্মে ও ব্যবহৃত হয় তার ওপর ভিত্তি করে এর বিভিন্ন নাম রয়েছে। স্প্যানিশরা সাধারণত একে [[w:তামাক|তামাক]] বলে ডাকে। এর পাতাগুলো শুকিয়ে গুঁড়ো করা হয়। তারা মাটির তৈরি পাইপের সাহায্যে এর ধোঁয়া টেনে তাদের পাকস্থলী ও মাথায় নেয় যা তাদের শরীর থেকে অতিরিক্ত [[w:শ্লেষ্মা|শ্লেষ্মা]] ও অন্যান্য [[w:দূষিত রস|দূষিত রস]] বের করে দেয় এবং শরীরের সমস্ত ছিদ্র ও পথ খুলে দেয়। এর ব্যবহারের ফলে শরীর কেবল বাধামুক্তই থাকে না বরং যদি কোনো দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা না থাকে তবে অল্প সময়ের মধ্যেই তা দূর হয়ে যায়। এর ফলে তাদের শরীর উল্লেখযোগ্যভাবে সুস্থ থাকে এবং তারা সেইসব ভয়াবহ রোগ সম্পর্কে খুব একটা জানে না যা দিয়ে আমরা ইংল্যান্ডে প্রায়শই আক্রান্ত হই। ** {{cite book|title=এ ব্রিফ অ্যান্ড ট্রু রিপোর্ট অব দ্য নিউ ফাউন্ড ল্যান্ড অব ভারজিনিয়া|location=লন্ডন|year=1590|url=https://ia804701.us.archive.org/31/items/harriot-brief-and-true-report-1590/Harriot_Brief_and_True_Report_1590.pdf}} (১ম সংস্করণ, ১৫৮৮) == থমাস হ্যারিয়ট সম্পর্কে উক্তি == * ... উত্তর আমেরিকার একটি ভাষার ক্ষেত্রে [[w:নর্থ ক্যারোলাইনা অ্যালগনকুইয়া|নর্থ ক্যারোলাইনা অ্যালগনকুইয়া]] ব্যবহারিক জ্ঞান অর্জন করা ইউরোপীয়দের মধ্যে তিনি ছিলেন প্রথম ব্যাক্তি। এই ভাষার মাধ্যমেই তিনি ইউরোপীয়দের সাথে প্রথম যোগাযোগের সময়কার আদিবাসী সংস্কৃতি বুঝতে ও লিপিবদ্ধ করতে পেরেছিলেন। মিশুক ও অমায়িক প্রকৃতির হওয়ায় তিনি সেখানকার মানুষের সাথে বন্ধুত্ব করেছিলেন। তাদের সাথে শিকার ও ভোজে অংশ নিয়েছিলেন এবং তাদের কৃষি পদ্ধতি, নৌকা তৈরি এবং মাছ ধরার কৌশল শিখেছিলেন। স্পষ্টতই তাদের জীবনযাত্রার অনেক কিছুই উপভোগ করেছিলেন। সাধারণ নিয়ম হিসেবে তিনি যা দেখেছিলেন তা একজন পদার্থবিদের নির্লিপ্ততা এবং একজন ভাষাবিদ ও নৃতত্ত্ববিদের আগ্রহ নিয়ে লিপিবদ্ধ করেছিলেন। নিজের কাছে সম্পূর্ণ অচেনা ধর্মীয় রীতিনীতি ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানগুলোর বিচার না করে কেবল সেগুলোর বর্ণনা দিয়েছেন এবং অ্যালগনকুইয়ান জীবনের বিস্তারিত দিকগুলো গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করেছেন। ** {{w|রবিন আরিয়ানরড}}, {{cite book|title=থমাস হ্যারিয়ট এ লাইফ ইন সায়েন্স|publisher=অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস|year=2019|url=https://books.google.com/books?id=xzCPDwAAQBAJ&pg=PR1|pages=১–২}} * ষোড়শ শতাব্দীর শেষে [[w:ভিয়েত|ভিয়েতের]] কাজ এবং বিশেষ করে সপ্তদশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে হ্যারিয়ট {{w|ফের্মা}} এবং [[w:দেকার্তে|দেকার্তের]] কাজের মাধ্যমে গণিতবিদরা বীজগণিতকে আরও প্রতীকিভাবে পরিচালনা করতে শুরু করেন এবং ধীরে ধীরে এমন একটি নোটেশন গ্রহণ করেন যা সহজেই বীজগণিতীয় গণনার জন্য সহায়ক হয়। ** ক্যালভিন জংসমা {{cite web|date=February 26, 2015|url=https://maa.org/press/maa-reviews/taming-the-unknown-a-history-of-algebra-from-antiquity-to-the-early-twentieth-century|title=রিভিউ অব টেমিং দ্য আননোন এ হিস্টরি অব অ্যালজেব্রা ফ্রম অ্যান্টিকুইটি টু দ্য আর্লি টোয়েন্টিয়েথ সেঞ্চুরি বাই ভিক্টর জে. ক্যাটজ অ্যান্ড ক্যারেন হাঙ্গার পারশাল|website=এমএএ রিভিউস, ম্যাথেমেটিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন অব আমেরিকা }} == বহিঃসংযোগ == * {{wikipedia-inline}} * {{commonscat-inline}} {{DEFAULTSORT:Harriot, Thomas}} [[বিষয়শ্রেণী:১৫৬০-এর দশকে জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:১৬২১-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:ইংল্যান্ডের জ্যোতির্বিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:জ্যোতিষী]] [[বিষয়শ্রেণী:ইংল্যান্ডের গণিতবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:প্রাকৃতিক দার্শনিক]] [[বিষয়শ্রেণী:ইংল্যান্ডের অ-কল্পকাহিনী লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:অক্সফোর্ডের মানুষ]] [[বিষয়শ্রেণী:ইংল্যান্ডের পদার্থবিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:ইংল্যান্ডের অনুবাদক]] [[বিষয়শ্রেণী:অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনী]] i2ha7mjk3bsvw2btjz47hs4wlsf1lbc হুগো দ্য ভ্রিস 0 12740 79980 78018 2026-04-23T08:31:14Z Anaf Ibn Shahibul 4193 /* উক্তি */ 79980 wikitext text/x-wiki [[File:Hugo de Vries.jpg|thumb|হুগো দ্য ভ্রিস]] '''[[w:bn:হুগো দ্য ভ্রিস|হুগো দ্য ভ্রিস]]''' ([[২১ ফেব্রুয়ারি]], [[১৮৪৮]] – [[২১ মে]], [[১৯৩৫]]) একজন ওলন্দাজ উদ্ভিদবিদ এবং প্রথম সারির বংশগতিবিদদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন। তিনি মূলত [[w:bn:জিন|জিনের]] ধারণা প্রস্তাব করা এবং ১৮৯০-এর দশকে [[গ্রেগর মেন্ডেল]]-এর কাজ সম্পর্কে অজ্ঞাত থাকা সত্ত্বেও বংশগতির সূত্রগুলো পুনরায় আবিষ্কার করার জন্য পরিচিত। এছাড়াও তিনি "মিউটেশন" বা পরিব্যক্তি শব্দটি প্রবর্তন করেন এবং [[w:bn:লম্ফনবাদ|লম্ফনবাদ]] তত্ত্বের বিকাশ ঘটান। == উক্তি == * ডারউইনের সময়ে প্রকৃতিতে প্রজাতির উৎপত্তি সংক্রান্ত শারীরবৃত্তীয় তথ্যগুলো অজানা ছিল। ... প্রজননবিদদের অভিজ্ঞতা ডারউইন যেভাবে ব্যবহার করেছিলেন, তার জন্য তা যথেষ্ট ছিল না। সেই তথ্যগুলো না ছিল বৈজ্ঞানিক, না ছিল পুরোপুরি নির্ভুল। প্রকরণের সূত্রগুলো তখন ছিল নিছক অনুমান মাত্র; বিভিন্ন ধরনের পরিবর্তনশীলতার মধ্যে পার্থক্যগুলোও ছিল অস্পষ্ট। প্রজননবিদদের ধারণা ব্যবহারিক কাজের জন্য হয়তো ঠিক ছিল, কিন্তু বিজ্ঞানের জন্য প্রকরণের এই সাধারণ প্রক্রিয়ার উপাদানগুলো সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা প্রয়োজন ছিল। [[ডারউইন|ডারউইন]] বারবার এই কারণগুলো সূত্রবদ্ধ করার চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু তখনকার প্রমাণগুলো তাঁর চাহিদাকে পূরণ করতে পারেনি। <br/> কোয়েটলেটের প্রকরণ সূত্র তখনও প্রকাশিত হয়নি। নিজের আবিষ্কৃত সংকর প্রজাতির নির্দিষ্ট কিছু সূত্র ব্যাখ্যা করার জন্য [[গ্রেগর মেন্ডেল|মেন্ডেল]] যে বংশগতির এককের দাবি করেছিলেন, সেটিও তখনও উত্থাপিত হয়নি। সব সময় বিদ্যমান অস্থিতিশীল পরিবর্তনের তুলনায় স্বতঃস্ফূর্ত ও আকস্মিক পরিবর্তনের মধ্যকার স্পষ্ট পার্থক্যটি কৃষিবিদদের কাছে এই সেদিনও স্বীকৃত ছিল না। প্রজননবিদদের অভিজ্ঞতা ব্যাখ্যা করার জন্য প্রয়োজনীয় অসংখ্য ছোটখাটো বিষয়—যেগুলো সম্পর্কে আমরা এখন পুরোপুরি পরিচিত—সেগুলো ডারউইনের সময়ে অজানা ছিল। তাই তিনি যদি কোনো ভুল করে থাকেন এবং এমন কোনো বিবর্তন পদ্ধতির ওপর জোর দিয়ে থাকেন যা পরবর্তীতে কম গুরুত্বপূর্ণ বা এমনকি ভিত্তিহীন বলে প্রমাণিত হয়েছে, তবে তাতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। ** ''Species and Varieties: Their Origin by Mutation'' (১৯০৪), দ্য ওপেন কোর্ট পাবলিশিং কোম্পানি, শিকাগো, পৃষ্ঠা ৫-৬। * আমার মতামতের ওপর মিস্টার আর্থার হ্যারিসের সাম্প্রতিক এক বন্ধুত্বপূর্ণ সমালোচনার ভাষায় যদি বলি: '''"প্রাকৃতিক নির্বাচন হয়তো যোগ্যতমের টিকে থাকা ব্যাখ্যা করতে পারে, কিন্তু এটি যোগ্যতমের আগমন ব্যাখ্যা করতে পারে না।"''' ** তাঁর ''Species and Varieties: Their Origin by Mutation'' (১৯০৪) নামক গ্রন্থের সমাপনী বাক্য, দ্য ওপেন কোর্ট পাবলিশিং কোম্পানি, শিকাগো, পৃষ্ঠা ৮২৬। * বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার মহৎ উদ্দেশ্য হলো জীবন ও সত্যের আদর্শের প্রতি মানবজাতিকে আরও উচ্চতর উপলব্ধিতে উন্নীত করা। একে তত্ত্ব ও প্রয়োগ এবং বিমূর্ত বিজ্ঞান ও বাস্তব জীবনের মধ্যে সবচেয়ে নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে। ** [https://libquotes.com/hugo-de-vries হুগো দ্য ভ্রিসের উক্তি] লিব কোটস == বহিঃসংযোগ == {{wikipedia}} {{DEFAULTSORT:ভ্রিস, হুগো দ্য}} [[বিষয়শ্রেণী:নেদারল্যান্ডসের উদ্ভিদবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:নেদারল্যান্ডসের জীববিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:১৮৪৮-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৫-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:বংশগতিবিদ]] 1erqt5cif6lrv47nay8olbui1u6qf6p শিং-শেন চের্ন 0 12782 80016 78286 2026-04-23T11:57:38Z Anaf Ibn Shahibul 4193 /* উক্তি */ 80016 wikitext text/x-wiki [[File:Shiing-shen Chern 1988 (re-scanned).jpg|thumb|১৯৮৮ সালে শিং-শেন চের্ন]] '''[[w:bn:শিং-শেন চের্ন|শিং-শেন চের্ন]]''' (陳省身; ২৬ অক্টোবর ১৯১১ – ৩ ডিসেম্বর ২০০৪) ছিলেন একজন চীনা-মার্কিন [[w:bn:গণিতবিদ|গণিতবিদ]] ও কবি। তিনি [[w:bn:ডিফারেনশিয়াল জ্যামিতি|ডিফারেনশিয়াল জ্যামিতি]] এবং [[w:bn:টপোলজি|টপোলজিতে]] অত্যন্ত মৌলিক ও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। তাঁকে "আধুনিক ডিফারেনশিয়াল জ্যামিতির জনক" বলা হয়। জ্যামিতির জগতে অন্যতম পথপ্রদর্শক এবং বিংশ শতাব্দীর সেরা গণিতবিদদের একজন হিসেবে তিনি বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত। গণিতে অসামান্য অবদানের জন্য তিনি [[w:bn:গণিতে উলফ পুরস্কার|উলফ পুরস্কার]] এবং উদ্বোধনী [[w:bn:শ প্রাইজ|শ প্রাইজ]]সহ অসংখ্য সম্মাননা ও স্বীকৃতি লাভ করেছেন। == উক্তি == * এটি সর্বজনবিদিত যে, ত্রিমাত্রিক উপবৃত্তাকার বা গোলকীয় জ্যামিতিতে তথাকথিত ক্লিফোর্ডের সমান্তরালতা বা প্যারাট্যাক্সির অনেক আকর্ষণীয় বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এই বৈশিষ্ট্যগুলোর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটির নেপথ্যে গ্রুপ-তাত্ত্বিক কারণ হলো—চারটি চলকবিশিষ্ট 'প্রপার অর্থোগোনাল গ্রুপ'-এর ইউনিভার্সাল কভারিং গ্রুপটি মূলত তিনটি চলকবিশিষ্ট দুটি 'প্রপার অর্থোগোনাল গ্রুপের' ইউনিভার্সাল কভারিং গ্রুপের সরাসরি গুণফল। এই শেষোক্ত বৈশিষ্ট্যটির সাথে $n$ (>৪) চলকবিশিষ্ট অর্থোগোনাল গ্রুপের কোনো সাদৃশ্য নেই। অন্যদিকে, চার মাত্রার ওরিয়েন্টেবল রিম্যানিয়ান ম্যানিফোল্ডের গবেষণায় ত্রিমাত্তিক উপবৃত্তাকার বা গোলকীয় জ্যামিতির জ্ঞান অত্যন্ত কার্যকর, কারণ তাদের ট্যানজেন্ট স্পেসগুলোতে এই ধরনের জ্যামিতিক বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান। ** {{সাময়িকী উদ্ধৃতি|title=অন রিম্যানিয়ান ম্যানিফোল্ডস অফ ফোর ডাইমেনশনস|journal=বুলেটিন অফ দ্য আমেরিকান ম্যাথমেটিক্যাল সোসাইটি|volume=৫১|number=১২|year=১৯৪৫|pages=৯৬৪–৯৭১|url=http://www.ams.org/journals/bull/1945-51-12/S0002-9904-1945-08483-3/S0002-9904-1945-08483-3.pdf}} * ১৯১৭ সালে লেভি-চিভিটা তাঁর বিখ্যাত সমান্তরালতা পদ্ধতি আবিষ্কার করেন, যা মূলত ট্যানজেন্ট ভেক্টরের একটি ইনফিনিটসিমাল ট্রান্সপোর্টেশন যা স্কেলার গুণফলকে অপরিবর্তিত রাখে এবং এটিই হলো 'কানেকশন'-এর প্রথম উদাহরণ। লেভি-চিভিটা সমান্তরালতার মূল তাৎপর্য হলো এই যে—রিম্যানিয়ান মেট্রিক নয়, বরং এই সমান্তরালতাই বক্রতা সংক্রান্ত অধিকাংশ বৈশিষ্ট্যের ব্যাখ্যা দেয়। ** {{বই উদ্ধৃতি|title=ডিফারেনশিয়াল ম্যানিফোল্ডস (ক্লাসরুম নোটস)|publisher=ডিপার্টমেন্ট অফ ম্যাথমেটিক্স, ইউনিভার্সিটি অফ শিকাগো|url=http://mathunion.org/ICM/ICM1950.2/Main/icm1950.2.0397.0411.ocr.pdf}} * ইন্টিগ্রাল জ্যামিতি, যা ইংরেজ জ্যামিতিবিদ এম. ডব্লিউ. ক্রফটনের হাত ধরে শুরু হয়েছিল, তা সম্প্রতি ডব্লিউ. ব্লাশকে, এল. এ. সান্টালো এবং অন্যদের কাজের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ বিবর্তনের মধ্য দিয়ে গেছে। সাধারণভাবে বলতে গেলে, এর প্রধান লক্ষ্য হলো কোনো নির্দিষ্ট ভ্যারাইটির সাথে যুক্ত পরিমাপগুলোর মধ্যকার সম্পর্কগুলো অধ্যয়ন করা। ** {{বই উদ্ধৃতি|title=ডিফারেনশিয়াল জিওমেট্রি অ্যান্ড ইন্টিগ্রাল জিওমেট্রি, প্রোক্স ইন্ট কনগ্র ম্যাথ এডিনবরা|year=১৯৫৮|pages=৪১১–৪৪৯|url=http://www.mathunion.org/ICM/ICM1958/Main/icm1958.0441.0453.ocr.pdf}} * সব জ্যামিতিক কাঠামো "সমান" নয়। মনে হতে পারে যে, রিম্যানিয়ান এবং জটিল কাঠামো গণিতের অন্যান্য শাখার সাথে তাদের নিবিড় যোগাযোগ এবং ফলাফলের সমৃদ্ধির কারণে ডিফারেনশিয়াল জ্যামিতিতে কেন্দ্রীয় অবস্থানে থাকা উচিত। একটি ঐক্যবদ্ধ ধারণা হলো 'G-structure'-এর ধারণা, যা মূলত একটি সমতা সমস্যার আধুনিক সংস্করণ—যেটি প্রথম গুরুত্বের সাথে তুলে ধরেছিলেন এলি কার্তান। ** {{সাময়িকী উদ্ধৃতি|title=দ্য জিওমেট্রি অফ জি-স্ট্রাকচারস|journal=বুলেটিন অফ দ্য আমেরিকান ম্যাথমেটিক্যাল সোসাইটি|volume=৭২|number=২|year=১৯৬৬|pages=১৬৭–২১৯|url=http://www.ams.org/journals/bull/1966-72-02/S0002-9904-1966-11473-8/S0002-9904-1966-11473-8.pdf}} * ডিফারেনশিয়াল জ্যামিতিতে অধ্যয়নের মূল বিষয়বস্তু হলো—অন্তত বর্তমান সময়ের জন্য—ডিফারেনশিয়াল ম্যানিফোল্ড, ম্যানিফোল্ডের কাঠামো (রিম্যানিয়ান, জটিল বা অন্য কিছু) এবং তাদের গ্রহণযোগ্য ম্যাপিং। একটি ম্যানিফোল্ডে স্থানাঙ্কগুলো কেবল স্থানীয়ভাবে কার্যকর এবং সেগুলোর নিজস্ব কোনো জ্যামিতিক অর্থ নেই। ** {{বই উদ্ধৃতি|title=ডিফারেনশিয়াল জিওমেট্রি, ইটস পাস্ট অ্যান্ড ইটস ফিউচার|year=১৯৭০|pages=৪১–৫৩|url=http://www.math.harvard.edu/~hirolee/pdfs/2014-fall-230a-icm1970-chern-differential-geometry.pdf}} * সারফেস থিওরি বা তল তত্ত্বের ওপর দার্বু এবং বিয়াঞ্চির গবেষণাপত্রগুলো গাণিতিক সাহিত্যের অন্যতম সেরা কাজ। সেগুলো হলো: জি. দার্বুর ''Théorie générale des surfaces'', খণ্ড ১ (১৮৮৭), ২ (১৮৮৮), ৩ (১৮৯৪), ৪ (১৮৯৬) এবং পরবর্তী সংস্করণগুলো। এল. বিয়াঞ্চির ''Lezioni di Geometria Differenziale'', পিসা ১৮৯৪; লুকাট কর্তৃক অনূদিত জার্মান সংস্করণ ''Lehrbuch der Differentialgeometrie'', ১৮৯৯। এই গবেষণার মূল বিষয়বস্তু হলো লোকাল সারফেস থিওরি। ** {{বই উদ্ধৃতি|title=সারফেস থিওরি উইথ দার্বু অ্যান্ড বিয়াঞ্চি, মিসেলেনিয়া ম্যাথমেটিকা|year=১৯৯১|pages=৫৯–৬৯|publisher=স্প্রিঞ্জার|url=https://doi.org/10.1007/978-3-642-76709-8_4}} == চের্ন সম্পর্কে উক্তি == * আমার মনে কোনো সন্দেহ নেই যে, ডিফারেনশিয়াল জ্যামিতির ভবিষ্যৎ ইতিহাসবিদগণ চের্নকে এই ক্ষেত্রে এলি কার্তানের যোগ্য উত্তরসূরি হিসেবে স্থান দেবেন। ** [[অঁদ্রে ওয়েল]], উদ্ধৃতি: {{বই উদ্ধৃতি | শিরোনাম= A mathematician and his mathematical work: selected papers of S. S. Chern | বছর= ১৯৯৬ | পাতা= ix | ইউআরএল= https://books.google.com/books?id=uOfSa0sfJr0C&pg=PR9 }} * সম্প্রতি আপেক্ষিকতা তত্ত্বের গাণিতিক দিকগুলো সম্পর্কে নিজের জানাশোনা ঝালাই করার সময় আমি বার্কলের আমার একজন পুরনো অধ্যাপককে ফোন করেছিলাম। সাধারণ আপেক্ষিকতার জ্যামিতি নিয়ে আমার কিছু প্রশ্ন ছিল। শিং-শেন চের্নকে তর্কাতীতভাবে বর্তমান বিশ্বের শ্রেষ্ঠ জ্যামিতিবিদ হিসেবে গণ্য করা হয়। ফোনে আমাদের অনেকক্ষণ কথা হলো এবং তিনি ধৈর্যের সাথে আমার সব প্রশ্নের উত্তর দিলেন। যখন আমি তাঁকে জানালাম যে আমি আপেক্ষিকতা, মহাবিশ্বতত্ত্ব ও জ্যামিতির পারস্পরিক সম্পর্ক নিয়ে একটি বই লেখার কথা ভাবছি, তখন তিনি বললেন, "বইটির ধারণা চমৎকার, তবে এটি লিখতে তোমার জীবনের অনেকটা সময় ব্যয় হয়ে যাবে... আমি হলে এটি করতাম না।" এরপর তিনি ফোন রেখে দিলেন। ** [[w:bn:আমির আকজেল|আমির ডি. আকজেল]], তাঁর নিজের বইয়ে উদ্ধৃত: {{বই উদ্ধৃতি | শিরোনাম= God's Equation: Einstein, Relativity, and the Expanding Universe | প্রকাশক= MJF Books | স্থান= নিউ ইয়র্ক | বছর= ১৯৯৯ | আইএসবিএন= 1-56731-614-X | পাতা= xi }} * শিং-শেন চের্ন মুভিং ফ্রেমের ব্যবহার, ক্যারেক্টারিস্টিক ক্লাসের উদ্ভাবন এবং কানেকশনের আধুনিক ধারণাসহ আরও অনেক কিছু দিয়ে ডিফারেনশিয়াল জ্যামিতিতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছেন। তবে সম্ভবত ১৯৫০-এর দশকে শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তাঁর হাতে লেখা সেই পুরনো হলদেটে লেকচার নোটগুলোর জন্যই তিনি সবচেয়ে বেশি স্মরণীয় হয়ে থাকবেন। জ্যামিতিবিদদের একটি আস্ত প্রজন্ম ডিফারেন্সিয়েবল ম্যানিফোল্ডের প্রাথমিক পাঠ শিখেছে ওই নোটগুলো থেকেই। ** অ্যান্ড্রু লোকাসিও: {{ওয়েব উদ্ধৃতি | শিরোনাম= Review of ''Finite Group Theory'' by I. Martin Isaacs | তারিখ= ২০ এপ্রিল ২০০৯ | ওয়েবসাইট= MAA Reviews, Mathematical Association of America | ইউআরএল= https://www.maa.org/press/maa-reviews/finite-group-theory }} == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} {{DEFAULTSORT:চের্ন, শিং-শেন}} [[বিষয়শ্রেণী:২০০৪-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:চীনের গণিতবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাষ্ট্রের গণিতবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:ন্যাশনাল মেডেল অফ সায়েন্স বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, বার্কলির অনুষদ]] [[বিষয়শ্রেণী:গণিতে উলফ পুরস্কার বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ]] [[বিষয়শ্রেণী:আমেরিকান ফিলোসফিক্যাল সোসাইটির সদস্য]] j4d5ci2ik2qawlcjeoano1cjo4ivxzx 80017 80016 2026-04-23T11:58:16Z Anaf Ibn Shahibul 4193 /* চের্ন সম্পর্কে উক্তি */ 80017 wikitext text/x-wiki [[File:Shiing-shen Chern 1988 (re-scanned).jpg|thumb|১৯৮৮ সালে শিং-শেন চের্ন]] '''[[w:bn:শিং-শেন চের্ন|শিং-শেন চের্ন]]''' (陳省身; ২৬ অক্টোবর ১৯১১ – ৩ ডিসেম্বর ২০০৪) ছিলেন একজন চীনা-মার্কিন [[w:bn:গণিতবিদ|গণিতবিদ]] ও কবি। তিনি [[w:bn:ডিফারেনশিয়াল জ্যামিতি|ডিফারেনশিয়াল জ্যামিতি]] এবং [[w:bn:টপোলজি|টপোলজিতে]] অত্যন্ত মৌলিক ও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। তাঁকে "আধুনিক ডিফারেনশিয়াল জ্যামিতির জনক" বলা হয়। জ্যামিতির জগতে অন্যতম পথপ্রদর্শক এবং বিংশ শতাব্দীর সেরা গণিতবিদদের একজন হিসেবে তিনি বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত। গণিতে অসামান্য অবদানের জন্য তিনি [[w:bn:গণিতে উলফ পুরস্কার|উলফ পুরস্কার]] এবং উদ্বোধনী [[w:bn:শ প্রাইজ|শ প্রাইজ]]সহ অসংখ্য সম্মাননা ও স্বীকৃতি লাভ করেছেন। == উক্তি == * এটি সর্বজনবিদিত যে, ত্রিমাত্রিক উপবৃত্তাকার বা গোলকীয় জ্যামিতিতে তথাকথিত ক্লিফোর্ডের সমান্তরালতা বা প্যারাট্যাক্সির অনেক আকর্ষণীয় বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এই বৈশিষ্ট্যগুলোর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটির নেপথ্যে গ্রুপ-তাত্ত্বিক কারণ হলো—চারটি চলকবিশিষ্ট 'প্রপার অর্থোগোনাল গ্রুপ'-এর ইউনিভার্সাল কভারিং গ্রুপটি মূলত তিনটি চলকবিশিষ্ট দুটি 'প্রপার অর্থোগোনাল গ্রুপের' ইউনিভার্সাল কভারিং গ্রুপের সরাসরি গুণফল। এই শেষোক্ত বৈশিষ্ট্যটির সাথে $n$ (>৪) চলকবিশিষ্ট অর্থোগোনাল গ্রুপের কোনো সাদৃশ্য নেই। অন্যদিকে, চার মাত্রার ওরিয়েন্টেবল রিম্যানিয়ান ম্যানিফোল্ডের গবেষণায় ত্রিমাত্তিক উপবৃত্তাকার বা গোলকীয় জ্যামিতির জ্ঞান অত্যন্ত কার্যকর, কারণ তাদের ট্যানজেন্ট স্পেসগুলোতে এই ধরনের জ্যামিতিক বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান। ** {{সাময়িকী উদ্ধৃতি|title=অন রিম্যানিয়ান ম্যানিফোল্ডস অফ ফোর ডাইমেনশনস|journal=বুলেটিন অফ দ্য আমেরিকান ম্যাথমেটিক্যাল সোসাইটি|volume=৫১|number=১২|year=১৯৪৫|pages=৯৬৪–৯৭১|url=http://www.ams.org/journals/bull/1945-51-12/S0002-9904-1945-08483-3/S0002-9904-1945-08483-3.pdf}} * ১৯১৭ সালে লেভি-চিভিটা তাঁর বিখ্যাত সমান্তরালতা পদ্ধতি আবিষ্কার করেন, যা মূলত ট্যানজেন্ট ভেক্টরের একটি ইনফিনিটসিমাল ট্রান্সপোর্টেশন যা স্কেলার গুণফলকে অপরিবর্তিত রাখে এবং এটিই হলো 'কানেকশন'-এর প্রথম উদাহরণ। লেভি-চিভিটা সমান্তরালতার মূল তাৎপর্য হলো এই যে—রিম্যানিয়ান মেট্রিক নয়, বরং এই সমান্তরালতাই বক্রতা সংক্রান্ত অধিকাংশ বৈশিষ্ট্যের ব্যাখ্যা দেয়। ** {{বই উদ্ধৃতি|title=ডিফারেনশিয়াল ম্যানিফোল্ডস (ক্লাসরুম নোটস)|publisher=ডিপার্টমেন্ট অফ ম্যাথমেটিক্স, ইউনিভার্সিটি অফ শিকাগো|url=http://mathunion.org/ICM/ICM1950.2/Main/icm1950.2.0397.0411.ocr.pdf}} * ইন্টিগ্রাল জ্যামিতি, যা ইংরেজ জ্যামিতিবিদ এম. ডব্লিউ. ক্রফটনের হাত ধরে শুরু হয়েছিল, তা সম্প্রতি ডব্লিউ. ব্লাশকে, এল. এ. সান্টালো এবং অন্যদের কাজের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ বিবর্তনের মধ্য দিয়ে গেছে। সাধারণভাবে বলতে গেলে, এর প্রধান লক্ষ্য হলো কোনো নির্দিষ্ট ভ্যারাইটির সাথে যুক্ত পরিমাপগুলোর মধ্যকার সম্পর্কগুলো অধ্যয়ন করা। ** {{বই উদ্ধৃতি|title=ডিফারেনশিয়াল জিওমেট্রি অ্যান্ড ইন্টিগ্রাল জিওমেট্রি, প্রোক্স ইন্ট কনগ্র ম্যাথ এডিনবরা|year=১৯৫৮|pages=৪১১–৪৪৯|url=http://www.mathunion.org/ICM/ICM1958/Main/icm1958.0441.0453.ocr.pdf}} * সব জ্যামিতিক কাঠামো "সমান" নয়। মনে হতে পারে যে, রিম্যানিয়ান এবং জটিল কাঠামো গণিতের অন্যান্য শাখার সাথে তাদের নিবিড় যোগাযোগ এবং ফলাফলের সমৃদ্ধির কারণে ডিফারেনশিয়াল জ্যামিতিতে কেন্দ্রীয় অবস্থানে থাকা উচিত। একটি ঐক্যবদ্ধ ধারণা হলো 'G-structure'-এর ধারণা, যা মূলত একটি সমতা সমস্যার আধুনিক সংস্করণ—যেটি প্রথম গুরুত্বের সাথে তুলে ধরেছিলেন এলি কার্তান। ** {{সাময়িকী উদ্ধৃতি|title=দ্য জিওমেট্রি অফ জি-স্ট্রাকচারস|journal=বুলেটিন অফ দ্য আমেরিকান ম্যাথমেটিক্যাল সোসাইটি|volume=৭২|number=২|year=১৯৬৬|pages=১৬৭–২১৯|url=http://www.ams.org/journals/bull/1966-72-02/S0002-9904-1966-11473-8/S0002-9904-1966-11473-8.pdf}} * ডিফারেনশিয়াল জ্যামিতিতে অধ্যয়নের মূল বিষয়বস্তু হলো—অন্তত বর্তমান সময়ের জন্য—ডিফারেনশিয়াল ম্যানিফোল্ড, ম্যানিফোল্ডের কাঠামো (রিম্যানিয়ান, জটিল বা অন্য কিছু) এবং তাদের গ্রহণযোগ্য ম্যাপিং। একটি ম্যানিফোল্ডে স্থানাঙ্কগুলো কেবল স্থানীয়ভাবে কার্যকর এবং সেগুলোর নিজস্ব কোনো জ্যামিতিক অর্থ নেই। ** {{বই উদ্ধৃতি|title=ডিফারেনশিয়াল জিওমেট্রি, ইটস পাস্ট অ্যান্ড ইটস ফিউচার|year=১৯৭০|pages=৪১–৫৩|url=http://www.math.harvard.edu/~hirolee/pdfs/2014-fall-230a-icm1970-chern-differential-geometry.pdf}} * সারফেস থিওরি বা তল তত্ত্বের ওপর দার্বু এবং বিয়াঞ্চির গবেষণাপত্রগুলো গাণিতিক সাহিত্যের অন্যতম সেরা কাজ। সেগুলো হলো: জি. দার্বুর ''Théorie générale des surfaces'', খণ্ড ১ (১৮৮৭), ২ (১৮৮৮), ৩ (১৮৯৪), ৪ (১৮৯৬) এবং পরবর্তী সংস্করণগুলো। এল. বিয়াঞ্চির ''Lezioni di Geometria Differenziale'', পিসা ১৮৯৪; লুকাট কর্তৃক অনূদিত জার্মান সংস্করণ ''Lehrbuch der Differentialgeometrie'', ১৮৯৯। এই গবেষণার মূল বিষয়বস্তু হলো লোকাল সারফেস থিওরি। ** {{বই উদ্ধৃতি|title=সারফেস থিওরি উইথ দার্বু অ্যান্ড বিয়াঞ্চি, মিসেলেনিয়া ম্যাথমেটিকা|year=১৯৯১|pages=৫৯–৬৯|publisher=স্প্রিঞ্জার|url=https://doi.org/10.1007/978-3-642-76709-8_4}} == চের্ন সম্পর্কে উক্তি == * আমার মনে কোনো সন্দেহ নেই যে, ডিফারেনশিয়াল জ্যামিতির ভবিষ্যৎ ইতিহাসবিদগণ চের্নকে এই ক্ষেত্রে এলি কার্তানের যোগ্য উত্তরসূরি হিসেবে স্থান দেবেন। ** [[অঁদ্রে ওয়েল]], উদ্ধৃতি: {{বই উদ্ধৃতি | title= এ ম্যাথমেটিশিয়ান অ্যান্ড হিজ ম্যাথমেটিক্যাল ওয়ার্ক: সিলেক্টেড পেপারস অফ এস. এস. চের্ন | year= ১৯৯৬ | pages= ix | url= https://books.google.com/books?id=uOfSa0sfJr0C&pg=PR9 }} * সম্প্রতি আপেক্ষিকতা তত্ত্বের গাণিতিক দিকগুলো সম্পর্কে নিজের জানাশোনা ঝালাই করার সময় আমি বার্কলের আমার একজন পুরনো অধ্যাপককে ফোন করেছিলাম। সাধারণ আপেক্ষিকতার জ্যামিতি নিয়ে আমার কিছু প্রশ্ন ছিল। শিং-শেন চের্নকে তর্কাতীতভাবে বর্তমান বিশ্বের শ্রেষ্ঠ জ্যামিতিবিদ হিসেবে গণ্য করা হয়। ফোনে আমাদের অনেকক্ষণ কথা হলো এবং তিনি ধৈর্যের সাথে আমার সব প্রশ্নের উত্তর দিলেন। যখন আমি তাঁকে জানালাম যে আমি আপেক্ষিকতা, মহাবিশ্বতত্ত্ব ও জ্যামিতির পারস্পরিক সম্পর্ক নিয়ে একটি বই লেখার কথা ভাবছি, তখন তিনি বললেন, "বইটির ধারণা চমৎকার, তবে এটি লিখতে তোমার জীবনের অনেকটা সময় ব্যয় হয়ে যাবে... আমি হলে এটি করতাম না।" এরপর তিনি ফোন রেখে দিলেন। ** [[w:bn:আমির আকজেল|আমির ডি. আকজেল]], তাঁর নিজের বইয়ে উদ্ধৃত: {{বই উদ্ধৃতি | title= গড'স ইকুয়েশন: আইনস্টাইন, রিলেটিভিটি, অ্যান্ড দ্য এক্সপ্যান্ডিং ইউনিভার্স | publisher= এমজেএফ বুকস | location= নিউ ইয়র্ক | year= ১৯৯৯ | isbn= 1-56731-614-X | pages= xi }} * শিং-শেন চের্ন মুভিং ফ্রেমের ব্যবহার, ক্যারেক্টারিস্টিক ক্লাসের উদ্ভাবন এবং কানেকশনের আধুনিক ধারণাসহ আরও অনেক কিছু দিয়ে ডিফারেনশিয়াল জ্যামিতিতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছেন। তবে সম্ভবত ১৯৫০-এর দশকে শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তাঁর হাতে লেখা সেই পুরনো হলদেটে লেকচার নোটগুলোর জন্যই তিনি সবচেয়ে বেশি স্মরণীয় হয়ে থাকবেন। জ্যামিতিবিদদের একটি আস্ত প্রজন্ম ডিফারেন্সিয়েবল ম্যানিফোল্ডের প্রাথমিক পাঠ শিখেছে ওই নোটগুলো থেকেই। ** অ্যান্ড্রু লোকাসিও: {{ওয়েব উদ্ধৃতি | title= রিভিউ অফ 'ফাইনাইট গ্রুপ থিওরি' বাই আই. মার্টিন আইজ্যাকস | date= ২০ এপ্রিল ২০০৯ | website= এমএএ রিভিউস, ম্যাথমেটিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন অফ আমেরিকা | url= https://www.maa.org/press/maa-reviews/finite-group-theory }} == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} {{DEFAULTSORT:চের্ন, শিং-শেন}} [[বিষয়শ্রেণী:২০০৪-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:চীনের গণিতবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাষ্ট্রের গণিতবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:ন্যাশনাল মেডেল অফ সায়েন্স বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, বার্কলির অনুষদ]] [[বিষয়শ্রেণী:গণিতে উলফ পুরস্কার বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ]] [[বিষয়শ্রেণী:আমেরিকান ফিলোসফিক্যাল সোসাইটির সদস্য]] htprakru1zimu3pwce7bhigrpnofmut উইলিয়াম শকলি 0 12851 79964 79220 2026-04-23T08:06:44Z ARI 356 পরিষ্কার 79964 wikitext text/x-wiki [[File:William Shockley, Stanford University.jpg|thumb|চাঁদের আলোতে এবং দড়ি ছাড়াই পাহাড়ে চড়ার এক অদম্য আকাঙ্ক্ষায় আমি আচ্ছন্ন।]] '''[[w:bn:উইলিয়াম শকলি|উইলিয়াম ব্র্যাডফোর্ড শকলি জুনিয়র]]''' (১৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯১০ – ১২ আগস্ট, ১৯৮৯) ছিলেন একজন মার্কিন উদ্ভাবক, পদার্থবিজ্ঞানী এবং সুপ্রজননবিদ। তিনি বেল ল্যাবসের একটি গবেষণা দলের ব্যবস্থাপক ছিলেন, যার সদস্য ছিলেন জন বারডিন ও ওয়াল্টার ব্র্যাটেন। "অর্ধপরিবাহী নিয়ে গবেষণা এবং ট্রানজিস্টর প্রভাব আবিষ্কারের" জন্য এই তিন বিজ্ঞানীকে যৌথভাবে ১৯৫৬ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয়। {{asbox | image = Albert_Einstein_Head.jpg | pix = 30 | subject = | qualifier = একজন [[w:bn:পদার্থবিদ|পদার্থবিদ]] সংক্রান্ত | category = পদার্থবিদ বিষয়ক অসম্পূর্ণ নিবন্ধ | tempsort = | name = Template:Physicist-stub }} == উক্তি == * আমার গবেষণা আমাকে অনিবার্যভাবে এই মতামতের দিকে নিয়ে গেছে যে, আমেরিকার কৃষ্ণাঙ্গদের বুদ্ধিবৃত্তিক এবং সামাজিক ঘাটতির প্রধান কারণ হলো বংশগতি এবং জাতিগত জিনগত উৎস। তাই পরিবেশের ব্যবহারিক উন্নতির মাধ্যমে একে খুব একটা পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। ** ব্ল্যাক জার্নাল-এর সাথে সাক্ষাৎকারে। * আমি চাঁদের আলোতে এবং কোনো রকম দড়ি ছাড়াই পাহাড়ে চড়ার এক অদম্য আকাঙ্ক্ষায় আচ্ছন্ন। এটি আমার পাহাড় আরোহণের সমস্ত শিক্ষার পরিপন্থী; এর মানে এই নয় যে আমার প্রশিক্ষণ খারাপ, বরং এটি কেবল আমার জেদ বা একগুঁয়েমিকে বোঝায়। ** ১৯৪৭ সালে ট্রানজিস্টর নিয়ে কাজ করার সময় নিজের উদ্দেশ্যে লেখা চিরকুট; সূত্র: জোয়েল এন. শারকিন রচিত ব্রোকেন জিনিয়াস : দ্য রাইজ অ্যান্ড ফল অফ উইলিয়াম শকলি, ক্রিয়েটর অফ দ্য ইলেকট্রনিক এজ (২০০৬), অধ্যায় ৭, পাতা ১২৫। * প্রকৃতি বিভিন্ন জনসমষ্টিকে এমনভাবে বর্ণ-সংকেত দিয়ে আলাদা করে দিয়েছে যে, বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে ফলপ্রসূ ও কার্যকর জীবনের সাথে তাদের খাপ খাইয়ে নেওয়ার ক্ষমতা সম্পর্কে পরিসংখ্যানগতভাবে নির্ভরযোগ্য ভবিষ্যদ্বাণী করা সম্ভব। একজন বাস্তববাদী সাধারণ মানুষ সহজেই এটি করতে পারেন এবং লাভজনকভাবে ব্যবহার করতে পারেন। ** [http://news.google.com/newspapers?nid=888&dat=19710908&id=sewNAAAAIBAJ&sjid=vnUDAAAAIBAJ&pg=4930,1230689 "শকলি’স রেস ভিউ কলড ‘সিনাইল, ফ্যাসিস্ট’" (৮ সেপ্টেম্বর ১৯৭১)] প্রকাশিত সেন্ট পিটার্সবার্গ টাইমস। * বড় বড় প্রতিষ্ঠানগুলো কীভাবে চলে, সে বিষয়ে আমার একটি অভিজ্ঞতা হয়েছিল। গোড়ালি মচকে যাওয়ার কারণে আমাকে গোলকীয় ত্রিকোণমিতি বিষয়টি পড়ার অনুমতি দেওয়া হয়নি। যেহেতু আমার পা মচকে গিয়েছিল, তাই শারীরিক শিক্ষা বিষয়ে আমার কোর্স অসম্পূর্ণ ছিল। নিয়ম ছিল যে, কোনো বিষয়ে অসম্পূর্ণ থাকলে বাড়তি কোনো বিষয় পড়ার অনুমতি মিলবে না। আমি প্রশাসনিক অফিসের একজন করণিক ব্যক্তির সাথে এ নিয়ে বিতর্ক করেও সফল হতে পারিনি। এটি এমন এক অভিজ্ঞতা যা আমি আজও মনে রেখেছি এবং মানুষকে পরামর্শ দিই যেন প্রথম বাধা পেয়েই কেউ থেমে না যায়। ** [http://www.pbs.org/transistor/album1/shockley/index.html ১৯৭৪ সালের সাক্ষাৎকার], পিবিএস-এর "উইলিয়াম শকলি" প্রোফাইলে উদ্ধৃত। * আপনি যদি একটি খড়ের আঁটি গাধার লেজে বেঁধে তাতে দিয়াশলাই জ্বালিয়ে আগুন ধরিয়ে দেন, তবে এর কিছুক্ষণ পরেই ওই গাধার খরচ করা শক্তির সাথে আপনার দিয়াশলাই জ্বালাতে খরচ হওয়া শক্তির তুলনা করলে আপনি অ্যাম্প্লিফিকেশন বা বিবর্ধনের ধারণাটি বুঝতে পারবেন। ** ফ্রেড ওয়ারশফস্কি রচিত দ্য চিপ ওয়ার : দ্য ব্যাটল ফর দ্য ওয়ার্ল্ড অফ টুমরো (১৯৮৯), পাতা ২১। == বহিঃসংযোগ == {{wikipedia}} {{DEFAULTSORT:Shockley, William}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯১০-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৮৯-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:লন্ডনের ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:ক্যালিফোর্নিয়ার ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পদার্থবিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:নাস্তিক]] [[বিষয়শ্রেণী:তড়িৎ প্রকৌশলী]] [[বিষয়শ্রেণী:ইউজেনিসিস্ট]] [[বিষয়শ্রেণী:উদ্ভাবক]] [[বিষয়শ্রেণী:পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নোবেল বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:ম্যাসাচুসেট্‌স ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] [[বিষয়শ্রেণী:ক্যালিফোর্নিয়া ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] [[বিষয়শ্রেণী:স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ]] [[বিষয়শ্রেণী:কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ]] 8mddcjf0kf44vgittvcvfudhgzxqnf5 ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান/bnwq-tools-msg-test.js 2 12870 79940 78530 2026-04-23T07:30:38Z খাত্তাব হাসান 7 tag যুক্ত করণ 79940 javascript text/javascript // <nowiki> /** * BNWQ Tools - Configuration & Messages * এই পাতায় আপনি টুলসটির সকল বার্তা, দ্রুত অপসারণের বিচারধারা, এবং সতর্কবার্তা সম্পাদনা করতে পারবেন। * এখানে নতুন কোনো সতর্কবার্তা যুক্ত করলে তা মূল স্ক্রিপ্টে স্বয়ংক্রিয়ভাবে যুক্ত হবে। */ window.ToolBoxMessages= { summarySuffix: ' ([[উইকিউক্তি:টুলবক্স|টুলবক্স]] ব্যবহার করে)', // দ্রুত অপসারণের বিচারধারা (CSD Criteria) csdCriteriaLists: { 'সাধারণ বিচারধারা': ['অনর্থক পাতা', 'ধ্বংসপ্রবণতা', 'ইতিমধ্যে অপসারিত', 'গৃহস্থালি পরিষ্কারকরণ', 'লেখকের অনুরোধ', 'পিতৃহীন আলাপ', 'দ্ব্যর্থহীন কপিরাইট'], 'পাতা': ['কোন উপাদান (বা উক্তি) নেই', 'অন্য উইকির বিষয়বস্তু', 'আক্রমণাত্মক পাতা', 'অনুল্লেখ্য বিষয়বস্তু'], 'পুনর্নির্দেশ': ['অস্তিত্বহীন পাতায় পুনর্নির্দেশ', 'ব্যবহারকারী পাতায় পুনর্নির্দেশ', 'অসংজ্ঞায়িত নামস্থানে পুনর্নির্দেশ'], 'বিষয়শ্রেণী': ['খালি বিষয়শ্রেণী', 'দ্রুত বিষয়শ্রেণী নামান্তর', 'টেমপ্লেট বিষয়শ্রেণী'], 'ব্যবহারকারী পাতা': ['ব্যবহারকারীর অনুরোধ'], 'টেমপ্লেট': ['আক্রমণাত্মক টেমপ্লেট'], 'নিজস্ব বিচারধারা': ['নিজস্ব বিচারধারা'] }, // স্বয়ংক্রিয় নোটিফিকেশন বার্তা (Creator Notifications) // $PAGE_NAME এবং $CSD_REASON ভ্যারিয়েবলগুলো কোড থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিবর্তন হবে notifyMessages: { xfd: "\n\n== [[:$PAGE_NAME]] পাতার অপসারণের প্রস্তাবনা ==\n<div class=\"floatleft\" style=\"margin-bottom:0\">[[চিত্র:Ambox warning orange.svg|48px|alt=|link=]]</div>'''[[:$PAGE_NAME]]''' পাতাটি [[উইকিউক্তি:নীতিমালা ও নির্দেশাবলী|উইকিউক্তির নীতিমালা ও নির্দেশাবলী]] অনুসারে উইকিউক্তিতে স্থান পাওয়ার জন্য উপযুক্ত কিনা বা [[উইকিউক্তি:অপসারণ নীতি|অপসারণ নীতিমালা]] অনুসারে অপসারণের যোগ্য কি-না এই বিষয়ে মতামতের জন্য একটি আলোচনার সূত্রপাত করা হয়েছে।\nএকটি ঐক্যমত্যে না পৌঁছানো পর্যন্ত পাতাটি সম্পর্কে [[উইকিউক্তি:অপসারণের প্রস্তাবনা#$PAGE_NAME]] পাতায় আলোচনা করা হবে, এবং যে কাউকে আলোচনায় অংশগ্রহণে স্বাগতম। মনোনয়ন অপসারণ প্রস্তাবনার নীতি ও নির্দেশিকা ব্যাখ্যা করবে। আলোচনায় উচ্চমানের প্রমাণ এবং আমাদের নীতি ও নির্দেশাবলীর উপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।\nঅপসারণ প্রস্তাবনার আলোচনা চলা অবস্থায় ব্যবহারকারীগণ পাতাটির মান উন্নয়ন করতে পারবেন। অপসারণ প্রস্তাবনাতে পাতা উন্নয়ন সম্পর্কিত কোন তথ্য থাকলে পাতার স্বার্থে তা সম্পাদনা করা যাবে। যাইহোক, আলোচনা সমাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত পাতা থেকে '''পাতা অপসারণ প্রস্তাবনা''' টেমপ্লেটটি সরাবেন না। ~~~~", csd: "\n\n== [[:$PAGE_NAME]] পাতার [[উইকিউক্তি:দ্রুত অপসারণের জন্য বিচারধারা|দ্রুত অপসারণ]] প্রস্তাবনা ==\n[[File:Ambox warning pn.svg|48px|left|alt=|link=]]\n{{Quote box|quote=<p>এটি যদি উইকিউক্তিতে আপনার তৈরি করা প্রথম পাতা হয়ে থাকে, তবে আপনি উইকিউক্তিতে [[উইকিউক্তি:আপনার প্রথম ভুক্তি|প্রথম ভুক্তির দিক-নির্দেশনা]] অবশ্যই পাঠ করে নিন।</p><p>আমরা আপনাকে [[উইকিউক্তি:ভুক্তি উইজার্ড|ভুক্তি উইজার্ড]] ব্যবহার করে পাতা তৈরি করতে উৎসাহিত করছি।</p>|width=20%|align=right}}\nউইকিউক্তি থেকে দ্রুত অপসারণের জন্য [[:$PAGE_NAME]] নামক পাতাটিতে একটি ট্যাগ লাগানো হয়েছে। $CSD_REASON এর জন্য এই ট্যাগ লাগানো হয়েছে। [[WQ:CSD#পাতা|দ্রুত অপসারণের বিচারধারা]] অনুযায়ী এই পাতাটি যে কোনো সময় অপসারণ করা হতে পারে।\nআপনি যদি মনে করেন যে এই কারণে এই পাতাটি অপসারণ করা উচিত নয়, তবে এই অপসারণে আপত্তি জানাতে [[:$PAGE_NAME|পাতাটিতে গিয়ে]] \"'''দ্রুত অপসারণে আপত্তি জানান'''\" লেখার উপর ক্লিক করুন ও সেখানে কারণ ব্যাখ্যা করুন কেন পাতাটি দ্রুত অপসারণ করা উচিত নয়। মনে রাখবেন, কোন পাতায় দ্রুত অপসারণ ট্যাগ করা হলে এবং যদি পাতাটি দ্রুত অপসারণের বিচারাধারার সাথে মিলে যায় তবে কোনও দেরি না করে পাতাটি অপসারণ করা হয়। অনুগ্রহপূর্বক আপনার নিজের তৈরি করা পাতা থেকে এই বিজ্ঞপ্তিটি সরিয়ে ফেলবেন না, তবে আমরা আপনাকে পাতাটি সম্প্রসারণ করতে উৎসাহিত করছি। আরও মনে রাখবেন যে, পাতার বিষয় অবশ্যই [[উইকিউক্তি:উক্তিযোগ্যতা|উক্তিযোগ্য]] হতে হবে এবং [[উইকিউক্তি:নির্ভরযোগ্য উৎস|নির্ভরযোগ্য উৎস]] থেকে তথ্যসূত্রগুলো [[উইকিউক্তি:যাচাইযোগ্যতা|যাচাইযোগ্য]] হওয়া উচিত। যদি ইতিমধ্যে পাতাটি অপসারিত হয়ে থাকে এবং আপনি ভবিষ্যতে এটির উন্নতি করতে এর বিষয়বস্তু ফেরত পেতে চান, তবে দয়া করে [[উইকিউক্তি:প্রশাসকদের আলোচনাসভা|প্রশাসকের আলোচনাসভায়]] জানান। ~~~~" }, // স্বাগত বার্তা (Welcome Templates) welcomeTemplates: ['স্বাগত', 'স্বাগতম উইকিপিডিয়ান'], // সতর্কবার্তা কনফিগারেশন // নতুন সতর্কতা যোগ করতে ঠিক একই নিয়মে নিচে যুক্ত করুন, এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ড্রপডাউনে চলে আসবে। warningsConfig: { 'vandalism': { label: 'ধ্বংসপ্রবণতা', text: '== ধ্বংসপ্রবণতা সতর্কবার্তা ==\nসুধী! উইকিউক্তিতে স্বাগতম! আপনার সাম্প্রতিক সম্পাদনা গঠনমূলক ছিল না। অনুগ্রহ করে পরীক্ষামূলক সম্পাদনা থেকে বিরত থাকুন। ~~~~' }, 'spam': { label: 'বিজ্ঞাপন/স্প্যাম', text: '== বিজ্ঞাপন সতর্কবার্তা ==\nসুধী! উইকিউক্তিতে স্বাগতম! উইকিউক্তি কোনো বিজ্ঞাপন প্রচারের স্থান নয়। অনুগ্রহ করে প্রচারণামূলক লেখা যুক্ত করা থেকে বিরত থাকুন। ~~~~' }, 'test': { label: 'পরীক্ষামূলক সম্পাদনা', text: '== পরীক্ষামূলক সম্পাদনা ==\nসুধী! উইকিউক্তিতে স্বাগতম! উইকিউক্তিতে আপনার অবদানের জন্য ধন্যবাদ। তবে আপনার সাম্প্রতিক সম্পাদনাটি পরীক্ষামূলক হিসেবে বিবেচিত হয়েছে এবং তা বাতিল করা হয়েছে। ~~~~' } } // ট্যাগ কনফিগারেশন tagsConfig: [ { label: 'বিদেশী ভাষায় লেখা নিবন্ধ (বাংলা নয়)', tmpl: '{{বাংলা নয়}}\n', summary: 'বাংলা নয় ট্যাগ যুক্ত করা হলো' }, { label: 'অসম্পূর্ণ (সম্প্রসারণ করা প্রয়োজন)', tmpl: '{{অসম্পূর্ণ}}\n', summary: 'অসম্পূর্ণ ট্যাগ যুক্ত করা হলো' }, { label: 'উদ্ধৃতিগুলি এত কম গুরুত্বপূর্ণ যে এটি নিজস্ব নিবন্ধের যোগ্য নয় (একত্রীকরণ)', tmpl: '{{একত্রীকরণ|$1}}\n', requiresTarget: true, summary: 'একত্রীকরণ ট্যাগ যুক্ত করা হলো' }, { label: 'ভুক্তিটি অন্য কোনো ভুক্তিতে উল্লেখযোগ্য তথ্য বা কাছাকাছি তথ্যে রয়েছে (একত্রীকরণ)', tmpl: '{{একত্রীকরণ|$1}}\n', requiresTarget: true, summary: 'একত্রীকরণ ট্যাগ যুক্ত করা হলো' }, { label: 'ভুক্তির উন্নয়ন প্রয়োজন (cleanup)', tmpl: '{{cleanup}}\n', summary: 'পরিষ্করণ ট্যাগ যুক্ত করা হলো' }, { label: 'ভুক্তিটি পক্ষপাতমূলক বা অনেক দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে (npov)', tmpl: '{{npov}}\n', summary: 'নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি ট্যাগ যুক্ত করা হলো' }, { label: 'নিবন্ধের বিষয়বস্তু নিয়ে বিতর্ক (disputed)', tmpl: '{{disputed}}\n', summary: 'বিতর্কিত ট্যাগ যুক্ত করা হলো' }, { label: 'দুটি বিষয়ের একই নাম (দ্ব্যর্থতা নিরসন)', tmpl: '{{disambig}}\n', summary: 'দ্ব্যর্থতা নিরসন ট্যাগ যুক্ত করা হলো' } ] }; // </nowiki> ok57ux1b74en9tupjiinxhx70moshwh 79942 79940 2026-04-23T07:33:34Z খাত্তাব হাসান 7 সংশোধন 79942 javascript text/javascript // <nowiki> /** * BNWQ Tools - Configuration & Messages * এই পাতায় আপনি টুলসটির সকল বার্তা, দ্রুত অপসারণের বিচারধারা, এবং সতর্কবার্তা সম্পাদনা করতে পারবেন। * এখানে নতুন কোনো সতর্কবার্তা যুক্ত করলে তা মূল স্ক্রিপ্টে স্বয়ংক্রিয়ভাবে যুক্ত হবে। */ window.ToolBoxMessages= { summarySuffix: ' ([[উইকিউক্তি:টুলবক্স|টুলবক্স]] ব্যবহার করে)', // দ্রুত অপসারণের বিচারধারা (CSD Criteria) csdCriteriaLists: { 'সাধারণ বিচারধারা': ['অনর্থক পাতা', 'ধ্বংসপ্রবণতা', 'ইতিমধ্যে অপসারিত', 'গৃহস্থালি পরিষ্কারকরণ', 'লেখকের অনুরোধ', 'পিতৃহীন আলাপ', 'দ্ব্যর্থহীন কপিরাইট'], 'পাতা': ['কোন উপাদান (বা উক্তি) নেই', 'অন্য উইকির বিষয়বস্তু', 'আক্রমণাত্মক পাতা', 'অনুল্লেখ্য বিষয়বস্তু'], 'পুনর্নির্দেশ': ['অস্তিত্বহীন পাতায় পুনর্নির্দেশ', 'ব্যবহারকারী পাতায় পুনর্নির্দেশ', 'অসংজ্ঞায়িত নামস্থানে পুনর্নির্দেশ'], 'বিষয়শ্রেণী': ['খালি বিষয়শ্রেণী', 'দ্রুত বিষয়শ্রেণী নামান্তর', 'টেমপ্লেট বিষয়শ্রেণী'], 'ব্যবহারকারী পাতা': ['ব্যবহারকারীর অনুরোধ'], 'টেমপ্লেট': ['আক্রমণাত্মক টেমপ্লেট'], 'নিজস্ব বিচারধারা': ['নিজস্ব বিচারধারা'] }, // স্বয়ংক্রিয় নোটিফিকেশন বার্তা (Creator Notifications) // $PAGE_NAME এবং $CSD_REASON ভ্যারিয়েবলগুলো কোড থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিবর্তন হবে notifyMessages: { xfd: "\n\n== [[:$PAGE_NAME]] পাতার অপসারণের প্রস্তাবনা ==\n<div class=\"floatleft\" style=\"margin-bottom:0\">[[চিত্র:Ambox warning orange.svg|48px|alt=|link=]]</div>'''[[:$PAGE_NAME]]''' পাতাটি [[উইকিউক্তি:নীতিমালা ও নির্দেশাবলী|উইকিউক্তির নীতিমালা ও নির্দেশাবলী]] অনুসারে উইকিউক্তিতে স্থান পাওয়ার জন্য উপযুক্ত কিনা বা [[উইকিউক্তি:অপসারণ নীতি|অপসারণ নীতিমালা]] অনুসারে অপসারণের যোগ্য কি-না এই বিষয়ে মতামতের জন্য একটি আলোচনার সূত্রপাত করা হয়েছে।\nএকটি ঐক্যমত্যে না পৌঁছানো পর্যন্ত পাতাটি সম্পর্কে [[উইকিউক্তি:অপসারণের প্রস্তাবনা#$PAGE_NAME]] পাতায় আলোচনা করা হবে, এবং যে কাউকে আলোচনায় অংশগ্রহণে স্বাগতম। মনোনয়ন অপসারণ প্রস্তাবনার নীতি ও নির্দেশিকা ব্যাখ্যা করবে। আলোচনায় উচ্চমানের প্রমাণ এবং আমাদের নীতি ও নির্দেশাবলীর উপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।\nঅপসারণ প্রস্তাবনার আলোচনা চলা অবস্থায় ব্যবহারকারীগণ পাতাটির মান উন্নয়ন করতে পারবেন। অপসারণ প্রস্তাবনাতে পাতা উন্নয়ন সম্পর্কিত কোন তথ্য থাকলে পাতার স্বার্থে তা সম্পাদনা করা যাবে। যাইহোক, আলোচনা সমাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত পাতা থেকে '''পাতা অপসারণ প্রস্তাবনা''' টেমপ্লেটটি সরাবেন না। ~~~~", csd: "\n\n== [[:$PAGE_NAME]] পাতার [[উইকিউক্তি:দ্রুত অপসারণের জন্য বিচারধারা|দ্রুত অপসারণ]] প্রস্তাবনা ==\n[[File:Ambox warning pn.svg|48px|left|alt=|link=]]\n{{Quote box|quote=<p>এটি যদি উইকিউক্তিতে আপনার তৈরি করা প্রথম পাতা হয়ে থাকে, তবে আপনি উইকিউক্তিতে [[উইকিউক্তি:আপনার প্রথম ভুক্তি|প্রথম ভুক্তির দিক-নির্দেশনা]] অবশ্যই পাঠ করে নিন।</p><p>আমরা আপনাকে [[উইকিউক্তি:ভুক্তি উইজার্ড|ভুক্তি উইজার্ড]] ব্যবহার করে পাতা তৈরি করতে উৎসাহিত করছি।</p>|width=20%|align=right}}\nউইকিউক্তি থেকে দ্রুত অপসারণের জন্য [[:$PAGE_NAME]] নামক পাতাটিতে একটি ট্যাগ লাগানো হয়েছে। $CSD_REASON এর জন্য এই ট্যাগ লাগানো হয়েছে। [[WQ:CSD#পাতা|দ্রুত অপসারণের বিচারধারা]] অনুযায়ী এই পাতাটি যে কোনো সময় অপসারণ করা হতে পারে।\nআপনি যদি মনে করেন যে এই কারণে এই পাতাটি অপসারণ করা উচিত নয়, তবে এই অপসারণে আপত্তি জানাতে [[:$PAGE_NAME|পাতাটিতে গিয়ে]] \"'''দ্রুত অপসারণে আপত্তি জানান'''\" লেখার উপর ক্লিক করুন ও সেখানে কারণ ব্যাখ্যা করুন কেন পাতাটি দ্রুত অপসারণ করা উচিত নয়। মনে রাখবেন, কোন পাতায় দ্রুত অপসারণ ট্যাগ করা হলে এবং যদি পাতাটি দ্রুত অপসারণের বিচারাধারার সাথে মিলে যায় তবে কোনও দেরি না করে পাতাটি অপসারণ করা হয়। অনুগ্রহপূর্বক আপনার নিজের তৈরি করা পাতা থেকে এই বিজ্ঞপ্তিটি সরিয়ে ফেলবেন না, তবে আমরা আপনাকে পাতাটি সম্প্রসারণ করতে উৎসাহিত করছি। আরও মনে রাখবেন যে, পাতার বিষয় অবশ্যই [[উইকিউক্তি:উক্তিযোগ্যতা|উক্তিযোগ্য]] হতে হবে এবং [[উইকিউক্তি:নির্ভরযোগ্য উৎস|নির্ভরযোগ্য উৎস]] থেকে তথ্যসূত্রগুলো [[উইকিউক্তি:যাচাইযোগ্যতা|যাচাইযোগ্য]] হওয়া উচিত। যদি ইতিমধ্যে পাতাটি অপসারিত হয়ে থাকে এবং আপনি ভবিষ্যতে এটির উন্নতি করতে এর বিষয়বস্তু ফেরত পেতে চান, তবে দয়া করে [[উইকিউক্তি:প্রশাসকদের আলোচনাসভা|প্রশাসকের আলোচনাসভায়]] জানান। ~~~~" }, // স্বাগত বার্তা (Welcome Templates) welcomeTemplates: ['স্বাগত', 'স্বাগতম উইকিপিডিয়ান'], // সতর্কবার্তা কনফিগারেশন // নতুন সতর্কতা যোগ করতে ঠিক একই নিয়মে নিচে যুক্ত করুন, এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ড্রপডাউনে চলে আসবে। warningsConfig: { 'vandalism': { label: 'ধ্বংসপ্রবণতা', text: '== ধ্বংসপ্রবণতা সতর্কবার্তা ==\nসুধী! উইকিউক্তিতে স্বাগতম! আপনার সাম্প্রতিক সম্পাদনা গঠনমূলক ছিল না। অনুগ্রহ করে পরীক্ষামূলক সম্পাদনা থেকে বিরত থাকুন। ~~~~' }, 'spam': { label: 'বিজ্ঞাপন/স্প্যাম', text: '== বিজ্ঞাপন সতর্কবার্তা ==\nসুধী! উইকিউক্তিতে স্বাগতম! উইকিউক্তি কোনো বিজ্ঞাপন প্রচারের স্থান নয়। অনুগ্রহ করে প্রচারণামূলক লেখা যুক্ত করা থেকে বিরত থাকুন। ~~~~' }, 'test': { label: 'পরীক্ষামূলক সম্পাদনা', text: '== পরীক্ষামূলক সম্পাদনা ==\nসুধী! উইকিউক্তিতে স্বাগতম! উইকিউক্তিতে আপনার অবদানের জন্য ধন্যবাদ। তবে আপনার সাম্প্রতিক সম্পাদনাটি পরীক্ষামূলক হিসেবে বিবেচিত হয়েছে এবং তা বাতিল করা হয়েছে। ~~~~' } }, // ট্যাগ কনফিগারেশন tagsConfig: [ { label: 'বিদেশী ভাষায় লেখা নিবন্ধ (বাংলা নয়)', tmpl: '{{বাংলা নয়}}\n', summary: 'বাংলা নয় ট্যাগ যুক্ত করা হলো' }, { label: 'অসম্পূর্ণ (সম্প্রসারণ করা প্রয়োজন)', tmpl: '{{অসম্পূর্ণ}}\n', summary: 'অসম্পূর্ণ ট্যাগ যুক্ত করা হলো' }, { label: 'উদ্ধৃতিগুলি এত কম গুরুত্বপূর্ণ যে এটি নিজস্ব নিবন্ধের যোগ্য নয় (একত্রীকরণ)', tmpl: '{{একত্রীকরণ|$1}}\n', requiresTarget: true, summary: 'একত্রীকরণ ট্যাগ যুক্ত করা হলো' }, { label: 'ভুক্তিটি অন্য কোনো ভুক্তিতে উল্লেখযোগ্য তথ্য বা কাছাকাছি তথ্যে রয়েছে (একত্রীকরণ)', tmpl: '{{একত্রীকরণ|$1}}\n', requiresTarget: true, summary: 'একত্রীকরণ ট্যাগ যুক্ত করা হলো' }, { label: 'ভুক্তির উন্নয়ন প্রয়োজন (cleanup)', tmpl: '{{cleanup}}\n', summary: 'পরিষ্করণ ট্যাগ যুক্ত করা হলো' }, { label: 'ভুক্তিটি পক্ষপাতমূলক বা অনেক দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে (npov)', tmpl: '{{npov}}\n', summary: 'নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি ট্যাগ যুক্ত করা হলো' }, { label: 'নিবন্ধের বিষয়বস্তু নিয়ে বিতর্ক (disputed)', tmpl: '{{disputed}}\n', summary: 'বিতর্কিত ট্যাগ যুক্ত করা হলো' }, { label: 'দুটি বিষয়ের একই নাম (দ্ব্যর্থতা নিরসন)', tmpl: '{{disambig}}\n', summary: 'দ্ব্যর্থতা নিরসন ট্যাগ যুক্ত করা হলো' } ] }; // </nowiki> nxqk3wvh31cwerjjuj3rq01crr61j5p 79947 79942 2026-04-23T07:47:02Z খাত্তাব হাসান 7 সংশোধন 79947 javascript text/javascript // <nowiki> /** * টুলবক্স কনফিগারেশন পাতা * এই পাতায় আপনি টুলসটির সকল বার্তা, দ্রুত অপসারণের বিচারধারা, এবং সতর্কবার্তা সম্পাদনা করতে পারবেন। * এখানে নতুন কোনো সতর্কবার্তা যুক্ত করলে তা মূল স্ক্রিপ্টে স্বয়ংক্রিয়ভাবে যুক্ত হবে। */ window.ToolBoxMessages= { summarySuffix: ' ([[উইকিউক্তি:টুলবক্স|টুলবক্স]] ব্যবহার করে)', // দ্রুত অপসারণের বিচারধারা (CSD Criteria) csdCriteriaLists: { 'সাধারণ বিচারধারা': ['অনর্থক পাতা', 'ধ্বংসপ্রবণতা', 'ইতিমধ্যে অপসারিত', 'গৃহস্থালি পরিষ্কারকরণ', 'লেখকের অনুরোধ', 'পিতৃহীন আলাপ', 'দ্ব্যর্থহীন কপিরাইট'], 'পাতা': ['কোন উপাদান (বা উক্তি) নেই', 'অন্য উইকির বিষয়বস্তু', 'আক্রমণাত্মক পাতা', 'অনুল্লেখ্য বিষয়বস্তু'], 'পুনর্নির্দেশ': ['অস্তিত্বহীন পাতায় পুনর্নির্দেশ', 'ব্যবহারকারী পাতায় পুনর্নির্দেশ', 'অসংজ্ঞায়িত নামস্থানে পুনর্নির্দেশ'], 'বিষয়শ্রেণী': ['খালি বিষয়শ্রেণী', 'দ্রুত বিষয়শ্রেণী নামান্তর', 'টেমপ্লেট বিষয়শ্রেণী'], 'ব্যবহারকারী পাতা': ['ব্যবহারকারীর অনুরোধ'], 'টেমপ্লেট': ['আক্রমণাত্মক টেমপ্লেট'], 'নিজস্ব বিচারধারা': ['নিজস্ব বিচারধারা'] }, // স্বয়ংক্রিয় নোটিফিকেশন বার্তা (Creator Notifications) // $PAGE_NAME এবং $CSD_REASON ভ্যারিয়েবলগুলো কোড থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিবর্তন হবে notifyMessages: { xfd: "\n\n== [[:$PAGE_NAME]] পাতার অপসারণের প্রস্তাবনা ==\n<div class=\"floatleft\" style=\"margin-bottom:0\">[[চিত্র:Ambox warning orange.svg|48px|alt=|link=]]</div>'''[[:$PAGE_NAME]]''' পাতাটি [[উইকিউক্তি:নীতিমালা ও নির্দেশাবলী|উইকিউক্তির নীতিমালা ও নির্দেশাবলী]] অনুসারে উইকিউক্তিতে স্থান পাওয়ার জন্য উপযুক্ত কিনা বা [[উইকিউক্তি:অপসারণ নীতি|অপসারণ নীতিমালা]] অনুসারে অপসারণের যোগ্য কি-না এই বিষয়ে মতামতের জন্য একটি আলোচনার সূত্রপাত করা হয়েছে।\nএকটি ঐক্যমত্যে না পৌঁছানো পর্যন্ত পাতাটি সম্পর্কে [[উইকিউক্তি:অপসারণের প্রস্তাবনা#$PAGE_NAME]] পাতায় আলোচনা করা হবে, এবং যে কাউকে আলোচনায় অংশগ্রহণে স্বাগতম। মনোনয়ন অপসারণ প্রস্তাবনার নীতি ও নির্দেশিকা ব্যাখ্যা করবে। আলোচনায় উচ্চমানের প্রমাণ এবং আমাদের নীতি ও নির্দেশাবলীর উপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।\nঅপসারণ প্রস্তাবনার আলোচনা চলা অবস্থায় ব্যবহারকারীগণ পাতাটির মান উন্নয়ন করতে পারবেন। অপসারণ প্রস্তাবনাতে পাতা উন্নয়ন সম্পর্কিত কোন তথ্য থাকলে পাতার স্বার্থে তা সম্পাদনা করা যাবে। যাইহোক, আলোচনা সমাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত পাতা থেকে '''পাতা অপসারণ প্রস্তাবনা''' টেমপ্লেটটি সরাবেন না। ~~~~", csd: "\n\n== [[:$PAGE_NAME]] পাতার [[উইকিউক্তি:দ্রুত অপসারণের জন্য বিচারধারা|দ্রুত অপসারণ]] প্রস্তাবনা ==\n[[File:Ambox warning pn.svg|48px|left|alt=|link=]]\n{{Quote box|quote=<p>এটি যদি উইকিউক্তিতে আপনার তৈরি করা প্রথম পাতা হয়ে থাকে, তবে আপনি উইকিউক্তিতে [[উইকিউক্তি:আপনার প্রথম ভুক্তি|প্রথম ভুক্তির দিক-নির্দেশনা]] অবশ্যই পাঠ করে নিন।</p><p>আমরা আপনাকে [[উইকিউক্তি:ভুক্তি উইজার্ড|ভুক্তি উইজার্ড]] ব্যবহার করে পাতা তৈরি করতে উৎসাহিত করছি।</p>|width=20%|align=right}}\nউইকিউক্তি থেকে দ্রুত অপসারণের জন্য [[:$PAGE_NAME]] নামক পাতাটিতে একটি ট্যাগ লাগানো হয়েছে। $CSD_REASON এর জন্য এই ট্যাগ লাগানো হয়েছে। [[WQ:CSD#পাতা|দ্রুত অপসারণের বিচারধারা]] অনুযায়ী এই পাতাটি যে কোনো সময় অপসারণ করা হতে পারে।\nআপনি যদি মনে করেন যে এই কারণে এই পাতাটি অপসারণ করা উচিত নয়, তবে এই অপসারণে আপত্তি জানাতে [[:$PAGE_NAME|পাতাটিতে গিয়ে]] \"'''দ্রুত অপসারণে আপত্তি জানান'''\" লেখার উপর ক্লিক করুন ও সেখানে কারণ ব্যাখ্যা করুন কেন পাতাটি দ্রুত অপসারণ করা উচিত নয়। মনে রাখবেন, কোন পাতায় দ্রুত অপসারণ ট্যাগ করা হলে এবং যদি পাতাটি দ্রুত অপসারণের বিচারাধারার সাথে মিলে যায় তবে কোনও দেরি না করে পাতাটি অপসারণ করা হয়। অনুগ্রহপূর্বক আপনার নিজের তৈরি করা পাতা থেকে এই বিজ্ঞপ্তিটি সরিয়ে ফেলবেন না, তবে আমরা আপনাকে পাতাটি সম্প্রসারণ করতে উৎসাহিত করছি। আরও মনে রাখবেন যে, পাতার বিষয় অবশ্যই [[উইকিউক্তি:উক্তিযোগ্যতা|উক্তিযোগ্য]] হতে হবে এবং [[উইকিউক্তি:নির্ভরযোগ্য উৎস|নির্ভরযোগ্য উৎস]] থেকে তথ্যসূত্রগুলো [[উইকিউক্তি:যাচাইযোগ্যতা|যাচাইযোগ্য]] হওয়া উচিত। যদি ইতিমধ্যে পাতাটি অপসারিত হয়ে থাকে এবং আপনি ভবিষ্যতে এটির উন্নতি করতে এর বিষয়বস্তু ফেরত পেতে চান, তবে দয়া করে [[উইকিউক্তি:প্রশাসকদের আলোচনাসভা|প্রশাসকের আলোচনাসভায়]] জানান। ~~~~" }, // স্বাগত বার্তা (Welcome Templates) welcomeTemplates: ['স্বাগত', 'স্বাগতম উইকিপিডিয়ান'], // সতর্কবার্তা কনফিগারেশন // নতুন সতর্কতা যোগ করতে ঠিক একই নিয়মে নিচে যুক্ত করুন, এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ড্রপডাউনে চলে আসবে। warningsConfig: { 'vandalism': { label: 'ধ্বংসপ্রবণতা', text: '== ধ্বংসপ্রবণতা সতর্কবার্তা ==\nসুধী! উইকিউক্তিতে স্বাগতম! আপনার সাম্প্রতিক সম্পাদনা গঠনমূলক ছিল না। অনুগ্রহ করে পরীক্ষামূলক সম্পাদনা থেকে বিরত থাকুন। ~~~~' }, 'spam': { label: 'বিজ্ঞাপন/স্প্যাম', text: '== বিজ্ঞাপন সতর্কবার্তা ==\nসুধী! উইকিউক্তিতে স্বাগতম! উইকিউক্তি কোনো বিজ্ঞাপন প্রচারের স্থান নয়। অনুগ্রহ করে প্রচারণামূলক লেখা যুক্ত করা থেকে বিরত থাকুন। ~~~~' }, 'test': { label: 'পরীক্ষামূলক সম্পাদনা', text: '== পরীক্ষামূলক সম্পাদনা ==\nসুধী! উইকিউক্তিতে স্বাগতম! উইকিউক্তিতে আপনার অবদানের জন্য ধন্যবাদ। তবে আপনার সাম্প্রতিক সম্পাদনাটি পরীক্ষামূলক হিসেবে বিবেচিত হয়েছে এবং তা বাতিল করা হয়েছে। ~~~~' } }, // ট্যাগ কনফিগারেশন tagsConfig: [ { label: 'বিদেশী ভাষায় লেখা নিবন্ধ (বাংলা নয়)', tmpl: '{{বাংলা নয়}}\n', summary: 'বাংলা নয় ট্যাগ যুক্ত করা হলো' }, { label: 'অসম্পূর্ণ (সম্প্রসারণ করা প্রয়োজন)', tmpl: '{{অসম্পূর্ণ}}\n', summary: 'অসম্পূর্ণ ট্যাগ যুক্ত করা হলো' }, { label: 'উদ্ধৃতিগুলি এত কম গুরুত্বপূর্ণ যে এটি নিজস্ব নিবন্ধের যোগ্য নয় (একত্রীকরণ)', tmpl: '{{একত্রীকরণ|$1}}\n', requiresTarget: true, summary: 'একত্রীকরণ ট্যাগ যুক্ত করা হলো' }, { label: 'ভুক্তিটি অন্য কোনো ভুক্তিতে উল্লেখযোগ্য তথ্য বা কাছাকাছি তথ্যে রয়েছে (একত্রীকরণ)', tmpl: '{{একত্রীকরণ|$1}}\n', requiresTarget: true, summary: 'একত্রীকরণ ট্যাগ যুক্ত করা হলো' }, { label: 'ভুক্তির উন্নয়ন প্রয়োজন (cleanup)', tmpl: '{{cleanup}}\n', summary: 'পরিষ্করণ ট্যাগ যুক্ত করা হলো' }, { label: 'ভুক্তিটি পক্ষপাতমূলক বা অনেক দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে (npov)', tmpl: '{{npov}}\n', summary: 'নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি ট্যাগ যুক্ত করা হলো' }, { label: 'নিবন্ধের বিষয়বস্তু নিয়ে বিতর্ক (disputed)', tmpl: '{{disputed}}\n', summary: 'বিতর্কিত ট্যাগ যুক্ত করা হলো' }, { label: 'দুটি বিষয়ের একই নাম (দ্ব্যর্থতা নিরসন)', tmpl: '{{disambig}}\n', summary: 'দ্ব্যর্থতা নিরসন ট্যাগ যুক্ত করা হলো' } ] }; // </nowiki> alir4f0x18z78xs8i3trznp01llfhor ২০২০ দিল্লি দাঙ্গা 0 12885 79820 78596 2026-04-22T18:38:20Z Tuhin 172 79820 wikitext text/x-wiki '''[[w:২০২০ দিল্লি দাঙ্গা|২০২০ দিল্লি দাঙ্গা]]''', বা '''উত্তর-পূর্ব দিল্লি দাঙ্গা''', ছিল রক্তপাত, সম্পত্তি ধ্বংস এবং দাঙ্গার একাধিক ঢেউ, যা ২৩ ফেব্রুয়ারি [[w:উত্তর-পূর্ব দিল্লি|উত্তর-পূর্ব দিল্লিতে]] শুরু হয়েছিল এবং প্রধানত [[মুসলিম]] ও [[হিন্দু|হিন্দুদের]] মধ্যে সংঘর্ষের ফলে ঘটেছিল। == উক্তি == * "২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে দেশের জাতীয় রাজধানীকে কাঁপিয়ে দেওয়া দাঙ্গাগুলো স্পষ্টতই মুহূর্তের উত্তেজনায় ঘটেনি। প্রসিকিউশন রেকর্ডে যে ভিডিও ফুটেজ রেখেছে, সেখানে উপস্থিত বিক্ষোভকারীদের আচরণ দৃশ্যত প্রমাণ করে যে এটি সরকারের কার্যক্রম ব্যাহত করার এবং শহরের মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা বিঘ্নিত করার একটি সুপরিকল্পিত প্রচেষ্টা ছিল," গত বছর দিল্লি পুলিশ কর্তৃক গ্রেপ্তার হওয়া অভিযুক্ত ইব্রাহিমের জামিন প্রত্যাখ্যান করার আদেশে বিচারপতি সুব্রামোনিয়াম প্রসাদ এই মন্তব্য করেন। ইব্রাহিমকে সিএএ বিরোধী বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল, যেখানে হেড কনস্টেবল রতন লাল মারাত্মকভাবে আহত হন। "সিসিটিভি ক্যামেরাগুলোর সুশৃঙ্খল সংযোগ বিচ্ছিন্নকরণ এবং ধ্বংস নিশ্চিত করে যে শহরের আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত করার জন্য এটি একটি পূর্বপরিকল্পিত ও সুচিন্তিত ষড়যন্ত্র ছিল। এটি এই সত্য থেকেও স্পষ্ট যে অগণিত দাঙ্গাকারী লাঠি, ডান্ডা, ব্যাট ইত্যাদি নিয়ে অত্যন্ত নৃশংসভাবে একদল সংখ্যালঘু পুলিশ কর্মকর্তার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিল," বিচারপতি প্রসাদ বলেন। ** দিল্লি হাইকোর্ট, [https://web.archive.org/web/https://www.opindia.com/2021/09/delhi-high-court-calls-anti-hindu-delhi-riots-2020-pre-planned-pre-meditated-conspiracy/ সেপ্টেম্বর ২০২১]। * "এটি উল্লেখযোগ্য যে উত্তর-পূর্ব দিল্লির এলাকাগুলোতে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা ছড়িয়ে পড়ার সময় আবেদনকারী (তাহির হুসেন) একটি শক্তিশালী অবস্থানে ছিলেন। প্রাথমিকভাবে এটি স্পষ্ট যে তিনি তার পেশীশক্তি এবং রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনার আগুন জ্বালানো, প্ররোচনা দেওয়া এবং পরিকল্পনার মূল হোতা হিসেবে কাজ করেছেন," আদালতের পর্যবেক্ষণ। ** অতিরিক্ত দায়রা জজ বিনোদ যাদব; [https://www.ndtv.com/delhi-news/delhi-court-rejects-tahir-hussain-bail-plea-says-he-used-clout-to-fan-riots-2314055] ২২ অক্টোবর ২০২০। * এখানকার তথ্যগুলো খুব স্পষ্ট, তবে নিশ্চিত থাকুন যে এগুলো নিয়ে বিতর্ক হবে। অধিকাংশ হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গার মতো, এই দাঙ্গাটিও হিন্দুদের ওপর মুসলিমদের একটি তাণ্ডব হিসেবে শুরু হয়েছিল, যেখানে কিছু হিন্দু পুলিশ কর্মকর্তাকে নাটকীয়ভাবে হত্যা করা হয়। তবে পরে হিন্দুরা পাল্টা আঘাত করতে শুরু করে এবং শেষ পর্যন্ত মুসলিম নিহতের সংখ্যা হিন্দু নিহতের সংখ্যাকে ছাড়িয়ে যায়। এটি ২০০২ সালের গুজরাতের মতো, যা অযোধ্যা থেকে ফিরে আসা ট্রেনের নারী বগিতে ৫৯ জন হিন্দু নারী ও শিশুকে মুসলিমদের দ্বারা পুড়িয়ে হত্যার মাধ্যমে শুরু হয়েছিল। এরপর হিন্দুরা প্রতিশোধ নেয় এবং শেষ পর্যন্ত ৩০০ হিন্দু ও ৮০০ মুসলিম নিহত হয়। আন্তর্জাতিক সংবাদগুলোতে এই ব্যাখ্যামূলক শুরুর ঘটনাটি সতর্কতার সাথে বাদ দেওয়া হয়। এটি যেন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকে ১৯৪৪ সালের ৬ জুন ইউরোপে মিত্রবাহিনীর "আগ্রাসন" দিয়ে শুরু করা এবং অ্যাংলো আমেরিকান পক্ষের তুলনায় জার্মানদের উচ্চতর মৃত্যুহারকে হাইলাইট করার মতো। বড় মিডিয়াগুলো ভুয়া খবর তৈরির সময় হাতেনাতে ধরা পড়েছে। যেমন, ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল পুলিশ কর্মকর্তা অঙ্কিত শর্মার ভাইয়ের একটি সাক্ষাৎকার প্রকাশ করেছিল, যেখানে তিনি বর্ণনা করেছিলেন যে কীভাবে একজন (মুসলিম) জনতা তার ভাইকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছে। প্রকাশিত সংস্করণে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল ঢুকিয়ে দেয় যে, ওই জনতাটি একটি হিন্দু রণধ্বনি দিচ্ছিল, যাতে হিন্দুদের ওপর দোষ চাপিয়ে তাদের নিজেদের তৈরি গল্পটি (হিন্দুরা তাণ্ডব চালাচ্ছে) রক্ষা করা যায়। ভাগ্যক্রমে, ওই ভাই এবং অন্য প্রত্যক্ষদর্শীরা প্রকাশ্যে এটি অস্বীকার করেন এবং ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের কারসাজি ধরিয়ে দেন। স্ক্রল.ইন এবং অন্যান্য পত্রিকা একটি আক্রমণাত্মক মুসলিম জনতার ছবি প্রকাশ করেছিল, যাদের পোশাক দেখে সহজে চেনা যাচ্ছিল এবং ক্যাপশনে লিখেছিল যে এটি একটি “হিন্দু জনতা"। যখন এটি ফাঁস হয়ে যায়, স্ক্রল ছবিটি সরিয়ে ফেলে অর্থাৎ প্রমাণ মুছে দেয়, তবে তাদের মিথ্যা বর্ণনা বজায় রাখে। একই কারসাজি উইকিপিডিয়াতেও হয়েছে, যা সংশোধনগুলো চেপে রেখেছিল। এভাবেই স্পষ্টভাবে ভুয়া খবরগুলো দ্রুত প্রতিষ্ঠিত সত্যে পরিণত করা হয়। ** ডক্টর কে. এলস্ট; [https://web.archive.org/web/https://koenraadelst.blogspot.com/2020/03/quora-censorship-on-delhi-riots.html সেন্সরশিপ অন দ্য দিল্লি রায়টস, ৮ মার্চ ২০২০]। * মানুষের দ্বারা সংঘটিত জঘন্য [[অপরাধ|অপরাধসমূহ]] ধামাচাপা দেওয়ার জন্য ‘মিথ্যা সমতুল্যতা’ বা ভুল তুলনার ভ্রান্তিতে লিপ্ত হওয়ার চেয়ে কুৎসিত পদ্ধতি আর হতে পারে না, এমনকি যেখানে কোনো [[সহিংসতা]] জড়িত নেই সেখানেও। এই [[ভ্রান্তি|ভ্রান্তিতে]] দুটি অতুলনীয় জিনিসের তুলনা করা হয় এবং সেগুলোকে সমান ঘোষণা করা হয় কারণ গল্পের সব সময় দুটি দিক থাকে। ১৯৮৪ সালের পর [[দিল্লি|দিল্লিতে]] ঘটা সবচেয়ে ভয়াবহ [[w:সাম্প্রদায়িক সহিংসতা|সাম্প্রদায়িক সহিংসতার]] প্রেক্ষাপটে যা ঘটছে, যেখানে ৩৪ জন মুসলিম এবং ১৫ জন হিন্দু মারা গেছেন, তা ঠিক এই ভ্রান্তিই। এখানে সমস্ত প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও একে একটি [[গণহত্যা]] বা [[w:মুসলমানদের বিরুদ্ধে সহিংসতা|মুসলমানদের ওপর রাষ্ট্র সমর্থিত সহিংসতা]] বলতে অস্বীকৃতি জানানো হচ্ছে এবং দাবি করা হচ্ছে যে [[w:হিন্দু-ইসলামি সম্পর্ক|হিন্দু ও মুসলিম]] উভয় পক্ষই এই [[ভারতে ধর্মীয় সহিংসতা|সহিংসতার]] জন্য দায়ী। [[w:নৈতিক সমতুল্যতা]] একটি সমস্যার মূল কারণগুলোকে পুরোপুরি আড়াল করে দেয়। এটি সমস্যার গোড়ায় না গিয়ে তাৎক্ষণিক ও ভাসাভাসা বিষয়ের ওপর নজর দেয় এবং আত্মরক্ষার খাতিরে সুকৌশলী পর্যবেক্ষক ও [[w: হিন্দুত্ববাদ|হিন্দুত্ববাদী]] সমর্থকরা এটি ব্যবহার করে। ফলে মুসলমানদের বিরুদ্ধে ছয় বছরের নিরলস [[ইসলামোফোবিয়া|বিদ্বেষ প্রচারকে]] এই জ্বলন্ত সামাজিক পরিবেশ তৈরির পেছনে কোনো গুরুত্বই দেওয়া হয় না। ** [[নিসিম মান্নাথুক্কারেন]], [https://thewire.in/communalism/delhi-riots-communalism-false-equivalence দ্য বারবারিটি অফ ফলস ইকুইভ্যালেন্স], ৮ মার্চ ২০২০, ''দ্য ওয়ায়ার''। * সহিংসতার দায়ভার [[w:ভারতে সাক্ষরতা|অশিক্ষিত]], [[ভারতে দারিদ্র্য|দরিদ্র]] এবং [[ভারতে বেকারত্ব|বেকার]] জনতার ওপর চাপিয়ে দেওয়ার অর্থ হলো আমাদের মধ্যকার, অর্থাৎ [[w:সামাজিক সুবিধা|সুবিধাভোগী]] এবং [[ক্ষমতাশালী|ক্ষমতাশালীদের]] ভেতরের সেই প্যাথলজি বা রোগগুলোকে এড়িয়ে যাওয়া, যা সহিংসতার সবচেয়ে বড় সহায়ক। ** [[নিসিম মান্নাথুক্কারেন]], [https://thewire.in/communalism/delhi-riots-communalism-false-equivalence দ্য বারবারিটি অফ ফলস ইকুইভ্যালেন্স], ৮ মার্চ ২০২০, ''দ্য ওয়ায়ার''। * পুলিশের এক পক্ষের পক্ষে কাজ করার অপ্রতিরোধ্য প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও দিল্লির সহিংসতার ক্ষেত্রে নৈতিক সমতুল্যতার বর্ণনা বজায় রাখা হচ্ছে। এক বিশাল সংখ্যক অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা মত দিয়েছেন যে, ভারতের রাজধানীর মতো জায়গায় যেখানে ৮০,০০০ শক্তিশালী ও সুসজ্জিত পুলিশ বাহিনী রয়েছে, সেখানে পুলিশের সম্মতি ও অনুমোদন ছাড়া দাঙ্গা কয়েক ঘণ্টার বেশি চলা অসম্ভব। ** [[নিসিম মান্নাথুক্কারেন]], [https://thewire.in/communalism/delhi-riots-communalism-false-equivalence দ্য বারবারিটি অফ ফলস ইকুইভ্যালেন্স], ৮ মার্চ ২০২০, ''দ্য ওয়ায়ার''। * এটিই সেই সময় যখন মিথ্যা সমতুল্যতা কেবল রাষ্ট্র সমর্থিত লাগামহীন [[w:সংখ্যাগরিষ্ঠতাবাদ|সংখ্যাগরিষ্ঠতাবাদকেই]] চিনতে ব্যর্থ হয় না, বরং এর প্রহসনমূলক প্রকৃতিকেও অস্বীকার করে। মিথ্যা সমতুল্যতা মোকাবিলা করতে এবং দিল্লিতে যা ঘটেছে তা একটি মুসলিম বিরোধী গণহত্যা ছিল বলে দাবি করতে আমাদের এই নৈতিকভাবে বিতর্কিত অবস্থান নেওয়ার প্রয়োজন নেই যে [[w:হিন্দুদের ওপর নিপীড়ন|হিন্দুদের]] মধ্যেও নিরপরাধ প্রাণের কোনো ক্ষতি হয়নি (সর্বোপরি ১৫ বছরের একটি ছেলে নীতিন কুমারের মৃত্যু, যে খাবার কিনতে বেরিয়ে নিহত হয়েছিল, তার চেয়ে হৃদয়বিদারক আর কী হতে পারে), অথবা ক্ষতিগ্রস্তরা নিষ্ঠুরতায় সক্ষম নয়। কিন্তু শোকের পরিসংখ্যানগত বণ্টন বা নৈতিক সমতুল্যতার স্তরে থাকা মানে হলো সেই দানবীয় প্রকৃতিকে ভুলভাবে পড়া, যা ভারতের প্রতিটি গুরুতর সমস্যাকে হিন্দু-মুসলিম যুদ্ধের আখ্যান দিয়ে প্রতিস্থাপন করতে সফল হয়েছে এবং যা এমনকি নিপীড়কদের মধ্যেও কষ্টের জন্ম দিয়েছে। ** [[নিসিম মান্নাথুক্কারেন]], [https://thewire.in/communalism/delhi-riots-communalism-false-equivalence দ্য বারবারিটি অফ ফলস ইকুইভ্যালেন্স], ৮ মার্চ ২০২০, ''দ্য ওয়ায়ার''। * কোনো জাতির ইতিহাসে এমন কিছু ঘটনা থাকে যা স্মৃতিতে অমলিন হয়ে খোদাই হয়ে যায়। দিল্লি দাঙ্গা এবং তার সাথে জড়িত ভুয়া খবরের চক্র, নির্লজ্জ মিথ্যাচার, ভুল উপস্থাপন, ভীতি প্রদর্শন এবং হিন্দুদের বিরুদ্ধে চালানো হত্যাকাণ্ড তেমনই একটি ঘটনা। সিএএ ছিল ভারতের প্রজাতন্ত্রের একটি মৌলিক প্রতিশ্রুতি পূরণ। আমাদের নিকটবর্তী প্রতিবেশী ইসলামি দেশগুলোতে নির্যাতিত সংখ্যালঘুদের আশ্রয় দেওয়া ছিল একটি পবিত্র শপথ, যা আমাদের প্রজাতন্ত্রের প্রথম সারির নেতারা দেশভাগের অব্যবহিত পরেই নিয়েছিলেন। এই প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে আমাদের কয়েক দশক লেগেছে, তবে কখনও না হওয়ার চেয়ে দেরিতে হওয়া ভালো। সাধারণ পরিস্থিতিতে এটি উদযাপনের কারণ হওয়া উচিত ছিল, সমগ্র জাতির জন্য একটি আনন্দের মুহূর্ত হওয়া উচিত ছিল। তবে আমরা এমন এক সময়ে বাস করছি যেখানে শরণার্থীদের মুখে হাসির কান্না দেখা গেলেও কট্টর ইসলামি শক্তির উত্থানের কারণে জাতি তাদের আনন্দের মুহূর্ত ভাগ করে নিতে ঐক্যবদ্ধ হতে পারেনি। তারপরও এটি সত্যিই একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত ছিল এবং এর গুরুত্ব কখনও বাড়িয়ে বলা সম্ভব নয়। ডিসেম্বর থেকে ইসলামপন্থী, বামপন্থী এবং ভারতের বুদ্ধিজীবী ও গণমাধ্যমের ঐতিহ্যবাহী গোষ্ঠীগুলো কেবল হিন্দুদেরই কলঙ্কিত করেনি, বরং যারা নিরপরাধ হিন্দুদের ওপর সহিংসতা চালাচ্ছিল তাদের রক্ষাও করেছে। গণহত্যার এই চক্র শুরু হয়েছিল যখন ভারত সরকার প্রতিবেশী ইসলামি দেশগুলোর নির্যাতিত ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের জন্য ভারতের নাগরিকত্ব পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। ** নুপুর জে. শর্মা, ''দিল্লি অ্যান্টি-হিন্দু রায়টস ২০২০'' (২০২০)। * সিএএ, এনআরসি এবং এনপিআর বিরোধী বিক্ষোভগুলো শেষ পর্যন্ত দেশের অন্যান্য ধর্মের বিরুদ্ধে, পুলিশ বিরোধী, সরকার বিরোধী এবং ভারত বিরোধী বিক্ষোভে পরিণত হয়েছিল। ** মনিকা অরোরা, সোনালী চিতলকর এবং প্রেরণা মালহোত্রা রচিত ''দিল্লি রায়টস ২০২০: দ্য আনটোল্ড স্টোরি'' (২০২০)। == আরও দেখুন == * [[১৯৮৪ শিখবিরোধী দাঙ্গা]] == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} {{কমন্স বিষয়শ্রেণী|North East Delhi riots}} [[বিষয়শ্রেণী:হিন্দু জাতীয়তাবাদ]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতে দাঙ্গা]] [[বিষয়শ্রেণী:হিন্দু কর্তৃক নিপীড়ন]] [[বিষয়শ্রেণী:২০২০-এ ভারত]] [[বিষয়শ্রেণী:২১শ শতাব্দীতে দিল্লি]] 5aybreplu6njunx49nl74z7wq7odl7w ব্যবহারকারী:Mohammad Shakowat/খেলাঘর 2 12902 79817 78632 2026-04-22T18:27:57Z Mohammad Shakowat 5136 79817 wikitext text/x-wiki [[File:Flag_of_Europe.svg|thumb|ইউরোপীয় ইউনিয়নের অনানুষ্ঠানিক মূলমন্ত্র: ''In varietate concordia'' (বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্য)]] ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) হলো '''২৭টি''' সদস্য রাষ্ট্রের একটি অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ইউনিয়ন বা কনফেডারেশন যা প্রধানত ইউরোপে অবস্থিত। ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) আইন প্রণয়নকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে ইউরোপীয় পার্লামেন্ট ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের কাউন্সিল, নির্বাহী প্রতিষ্ঠান হিসেবে ইউরোপীয় কমিশন ও ইউরোপীয় কাউন্সিল, এবং বিচারিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিচার আদালত রয়েছে। এটি ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক, যা এর সাধারণ মুদ্রা ইউরো ইস্যু করে, এবং ইউরোপীয় অডিট আদালতকেও নিয়ন্ত্রণ করে। ইউরোপীয় কাউন্সিলের বর্তমান সভাপতি আন্তোনিও কস্তা, ইউরোপীয় কমিশনের বর্তমান সভাপতি উরসুলা ফন ডার লায়েন, এবং ইউরোপীয় পার্লামেন্টের বর্তমান সভাপতি রোবের্তা মেটসোলা। এটি ১৯৯৩ সালে মাস্ট্রিখ্ট চুক্তির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়, যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে গঠিত একাধিক আঞ্চলিক সংস্থাকে একত্রিত করে। এটি একটি একক বাজার বজায় রাখে, যেখানে শুল্কমুক্তভাবে পণ্য, সেবা, শ্রম এবং পুঁজির অবাধ চলাচল নিশ্চিত করা হয়; এবং এটি যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের পর বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি। এটি বাণিজ্য, কৃষি, মৎস্য, পররাষ্ট্র ও নিরাপত্তা নীতি, এবং আঞ্চলিক উন্নয়ন সম্পর্কেও অভিন্ন নীতি বজায় রাখে। আরও দশটি দেশ ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ) যোগদানের বিষয় বিবেচনা করছে, অন্যদিকে একটি দেশ, যুক্তরাজ্য, ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে গেছে। == উক্তি == === বিংশ শতাব্দী === ====১৯৫০-এর দশক==== * রবার্ট শুম্যান, লন্ডনের ট্রেন ধরার জন্য তাড়াহুড়ো করছিলেন, এই পরিকল্পনার ভবিষ্যৎ নিয়ে সাংবাদিকদের করা বিস্তারিত প্রশ্নগুলো তিনি এত চমৎকারভাবে এড়িয়ে যাচ্ছিলেন যে, তাদের মধ্যে একজন চিৎকার করে বলে উঠলেন: <br> 'অন্য কথায় বলতে গেলে, এটি কি অন্ধকারে এক অনিশ্চিত যাত্রা' <br> শুম্যান ধীরস্থিরভাবে জবাব দিলেন: 'ঠিক তাই, অন্ধকারে এক অনিশ্চিত যাত্রা'।" ** রবার্ট শুমান (মে ১৯৫০) শুমান পরিকল্পনা প্রণয়ন সম্পর্কে, যা পরবর্তীতে শুমান ঘোষণা হয়ে ওঠে। সূত্র: জাঁ মোনে, স্মৃতিচারণ, পৃ. ৩০৫। * আমরা এই আশঙ্কা করি না যে সময়ের গতিপথ কখনোই একটি ঐক্যবদ্ধ ইউরোপ গঠন করবে না, যার কেন্দ্রে পুনরায় ঐক্যবদ্ধ জার্মানি থাকবে। আমরা জানি না এটি কীভাবে ঘটবে, কীভাবে এই অস্বাভাবিকভাবে বিভক্ত জার্মানি আবার একত্রিত হবে। এটি আমাদের কাছে অনিশ্চিত, এবং আমাদের এই বিশ্বাসে আশ্রয় নিতে হয় যে ইতিহাস নিজেই এমন উপায় ও পথ খুঁজে নেবে, যার মাধ্যমে কৃত্রিম বিভাজন অতিক্রম করা যাবে এবং স্বাভাবিক অবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হবে: একটি জার্মানি, যা আত্মসচেতন একটি ঐক্যবদ্ধ ইউরোপের সচেতন সেবক হিসেবে কাজ করবে—তার প্রভু বা আধিপত্যকারী হিসেবে নয়... <br> আমরা যেন নিজেদেরকে এই সত্য থেকে বিভ্রান্ত না করি যে ইউরোপের ঐক্য বিলম্বিত করার বিভিন্ন সমস্যার মধ্যে একটি হলো জার্মান উদ্দেশ্যের বিশুদ্ধতা নিয়ে অবিশ্বাস, এবং অন্যান্য জনগণের মধ্যে জার্মানির প্রতি ভয় তথা তার সম্ভাব্য প্রাণশক্তি দ্বারা সৃষ্ট আধিপত্যবাদী পরিকল্পনার আশঙ্কা, যা তাদের মতে জার্মানি খুব ভালোভাবে গোপন করে না.... এই অবিশ্বাস ও ভয় দূর করার দায়িত্ব উঠতি জার্মান প্রজন্মের, বিশেষত জার্মান তরুণদের উপর, যাতে তারা সেই সব ধারণাকে প্রত্যাখ্যান করে, যা অনেক আগেই প্রত্যাখ্যাত হওয়া উচিত ছিল, এবং স্পষ্ট ও ঐক্যবদ্ধভাবে তাদের আকাঙ্ক্ষা ঘোষণা করে: একটি ‘জার্মান ইউরোপ’ এর জন্য নয়, বরং একটি ‘ইউরোপীয় জার্মানি’ এর জন্য।" **[[থমাস মান]], হামবুর্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রদত্ত একটি বক্তৃতা (১৯৫৩)। *আপনারা যে ভবিষ্যৎ চুক্তি নিয়ে আলোচনা করছেন সেটি গৃহীত হওয়ার কোনো সম্ভাবনাই নেই; যদি তা গৃহীতও হয়, তবে তা অনুমোদিত হওয়ার সম্ভাবনা নেই; আর যদি তা অনুমোদিত হয়, তবে তা বাস্তবায়নের কোনো সম্ভাবনা নেই। আর যদি তা বাস্তবায়িতও হয়, তবে তা ব্রিটেনের কাছে সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য হবে। **রাসেল ব্রেথারটন, ব্রিটিশ পররাষ্ট্র দপ্তরের প্রতিনিধি [http://www.lse.ac.uk/assets/richmedia/channels/publicLecturesAndEvents/slides/20150930_1830_theFutureOfBritainAndEurope_sl.pdf স্পাক কমিটির এক বৈঠকে, নভেম্বর ১৯৫৫]। *ইউরোপে কেবল দুই ধরনের রাষ্ট্র রয়েছে: ছোট রাষ্ট্র, এবং এমন ছোট রাষ্ট্র, যারা এখনো বুঝতে পারেনি যে তারা ছোট। ** [[পল-অঁরি স্পাকের]] প্রতি আরোপিত <ref>{{Cite web|url=https://www.project-syndicate.org/commentary/germany-should-support-common-eu-foreign-policy-by-wolfgang-ischinger-2015-09|title=Germany’s Hegemony Trap &#124; by Wolfgang Ischinger|first=Wolfgang|last=Ischinger|date=September 14, 2015|website=Project Syndicate}}, [http://www.eu-consent.net/library/BARROSO-transcript.pdf Transcript], {{Cite web|url=https://bruessel-eu.diplo.de/eu-en/aktuelles/-/1354592|title=Speech by Foreign Minister Heiko Maas : „Courage to Stand Up for Europe – #EuropeUnited|first=Auswärtiges|last=Amt|website=bruessel-eu.diplo.de}}, {{Cite web|url=https://www.consilium.europa.eu/en/press/press-releases/2020/09/28/l-autonomie-strategique-europeenne-est-l-objectif-de-notre-generation-discours-du-president-charles-michel-au-groupe-de-reflexion-bruegel/|title=‘Strategic autonomy for Europe - the aim of our generation’ - speech by President Charles Michel to the Bruegel think tank|website=www.consilium.europa.eu}}</ref> 👉 জ্যাঁ রে, সাবেক ইইসি কমিশনের সভাপতি; লন্ডন, ১৭ জুলাই ১৯৭৪[২]—১৯৭৫ সালের যুক্তরাজ্যের ইউরোপীয় কমিউনিটিস সদস্যপদ বিষয়ক গণভোট প্রসঙ্গে। - ====১৯৭০-এর দশক==== *এই বিষয়ে গণভোট বলতে বোঝায় সমস্যাগুলো সম্পর্কে অবগত নন এমন মানুষের সঙ্গে পরামর্শ করা, বরং যারা সেগুলো জানেন তাদের সঙ্গে নয়। এমন একটি পরিস্থিতি আমি দুঃখজনক মনে করব, যেখানে এই মহান দেশের [যুক্তরাজ্য] নীতি গৃহিণীদের হাতে ছেড়ে দেওয়া হয়। বরং তা নির্ধারিত হওয়া উচিত প্রশিক্ষিত ও অবহিত ব্যক্তিদের দ্বারা। **জ্যাঁ রে, সাবেক ইইসি কমিশনের সভাপতি; লন্ডন, ১৭ জুলাই ১৯৭৪<ref>Jay, Douglas (28 Sept, 1974). [http://archive.spectator.co.uk/article/28th-september-1974/10/election-1 Voting against Europe]. [[w:The Spectator|The Spectator]].</ref> [[:w:1975 United Kingdom European Communities membership referendum|১৯৭৫ সালের যুক্তরাজ্যের ইউরোপীয় কমিউনিটিস সদস্যপদ বিষয়ক গণভোট প্রসঙ্গে।]] ====১৯৮০-এর দশক==== *কমন মার্কেটের গড়পড়তা কর্মকর্তাকে নিয়ে কী বলা হয়, জানেন? তার আছে ইতালীয়দের সংগঠনিক দক্ষতা, জার্মানদের নমনীয়তা এবং ফরাসিদের বিনয়। আর এর সঙ্গে যোগ হয় বেলজিয়ানদের কল্পনাশক্তি, ডাচদের উদারতা এবং আইরিশদের বুদ্ধিমত্তা। **জিম হ্যাকার (চরিত্র), [[Yes, Minister|''Yes, Minister'']] পর্ব ১২: “The Writing on the Wall”; রচয়িতা: অ্যান্টনি জে ও জনাথন লিন (১৯৮১) * পশ্চিম ইউরোপে আপনারা একটি বহুজাতিক গণতান্ত্রিক সম্প্রদায় গড়ে তুলেছেন, যেখানে মানুষ, তথ্য, পণ্য এবং সংস্কৃতির অবাধ প্রবাহ রয়েছে। পশ্চিম ইউরোপের মানুষরা প্রায়ই ও অবাধে নানা দিকে চলাচল করে, একে অপরের ধারণা ও সংস্কৃতি ভাগ করে নেয় এবং তাতে অংশগ্রহণ করে। আমার আশা, ২১শ শতকে—যা আর মাত্র ১৫ বছর দূরে—মস্কো থেকে লিসবন পর্যন্ত সকল ইউরোপীয় পাসপোর্ট ছাড়াই ভ্রমণ করতে পারবে; এবং মানুষ ও ধারণার এই অবাধ প্রবাহ ইউরোপের অন্য অর্ধাংশকেও অন্তর্ভুক্ত করবে। আমার আন্তরিক কামনা, আগামী শতকে একটি মুক্ত ইউরোপ গড়ে উঠবে। ** [[রোনাল্ড রিগ্যান]]; [https://www.presidency.ucsb.edu/node/259476 স্ট্রাসবুর্গে ইউরোপীয় পার্লামেন্টের বিশেষ অধিবেশনে প্রদত্ত ভাষণ], The American Presidency Project; ৮ মে ১৯৮৫ ====১৯৯০-এর দশক==== * কমিশনের সভাপতি [[Jacques Delors|মঁসিয়ে দেলোর]] অন্যদিন এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন, তিনি চান [[ইউরোপীয় পার্লামেন্ট]] হোক কমিউনিটির গণতান্ত্রিক সংস্থা, কমিশন হোক নির্বাহী, এবং মন্ত্রীপরিষদ হোক সিনেট। '''না। না। না।''' ** [[মার্গারেট থ্যাচার]], [http://www.publications.parliament.uk/pa/cm198990/cmhansrd/1990-10-30/Debate-1.html হাউস অব কমন্সে প্রদত্ত ভাষণ (৩০ অক্টোবর ১৯৯০)] * ইউরোপীয় ইউনিয়ন ‘ন্যূনতম রাষ্ট্র’ ধারণাকে নির্দেশ করে, [[w:মিশ্র অর্থনীতি|মিশ্র অর্থনীতি]] ও অর্থনৈতিক পরিকল্পনা পরিত্যাগ, ব্যয় কাঠামোর পুনর্বিন্যাস, দায়িত্বের পুনর্বণ্টন যার ফলে সংসদীয় পরিষদগুলোর ক্ষমতা হ্রাস পায় এবং সরকারগুলোর ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়, স্থানীয় কর্তৃপক্ষের আর্থিক স্বায়ত্তশাসন, সেবার ব্যাপক বিনামূল্যে প্রাপ্তির নীতির প্রত্যাখ্যান (এবং এর ফলে স্বাস্থ্যসেবা ও সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার সংস্কার), মজুরি সূচকায়ন ব্যবস্থার বিলুপ্তি, বিশেষ সুবিধাভোগী গোষ্ঠীগুলোর ব্যাপক হ্রাস, উৎপাদনের উপাদানগুলোর গতিশীলতা, ঋণব্যবস্থা ও শিল্পে রাষ্ট্রের উপস্থিতি কমানো, কেবল শ্রমিকদের নয় বরং সেবাদাতাদের মধ্যেও মুদ্রাস্ফীতিমূলক আচরণ পরিত্যাগ, এবং প্রশাসনিকভাবে নির্ধারিত মূল্য ও শুল্ক নির্ধারণকারী বিধির বিলুপ্তি। এক কথায়: রাষ্ট্র ও নাগরিকদের মধ্যে একটি নতুন চুক্তি, যা নাগরিকদের পক্ষেই অধিকতর অনুকূল। ** [[w:গুইদো কার্লি|গুইদো কার্লি]], ইতালীয় সরকারের অর্থমন্ত্রী; ৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৯২ (মাস্ট্রিখ্ট চুক্তি স্বাক্ষরের পরদিন)<ref>Eley, Geoff; Paggi Leonardo; Streeck, Wolfgang: Spagnolo, Carlo (9 November 2017). [http://www.ricerchestoriche.org/?p=749 ROUNDTABLE-DEBATE “THE EU CRISIS AND EUROPE’S DIVIDED MEMORIES”]. Ricerche Storiche.</ref> *ইউরোপ একটি অভিজাত-নির্ভর প্রকল্প হিসেবে শুরু হয়েছিল, যেখানে ধারণা ছিল যে কেবল সিদ্ধান্তগ্রহণকারীদের রাজি করালেই যথেষ্ট। সেই সদয় স্বৈরতন্ত্রের পর্ব এখন শেষ।{{তথ্যসূত্র প্রয়োজন}} **[[w:জাক দেলোর|জাক দেলোর]], [[w:মাস্ট্রিখ্ট চুক্তি|১৯৯২ সালে ফ্রান্সে মাস্ট্রিখ্ট চুক্তি]] অনুমোদনসংক্রান্ত গণভোটে অল্প ব্যবধানে ‘হ্যাঁ’ (petite oui) ফলাফলের প্রতিক্রিয়ায়। * যদি আপনি তাদের সঙ্গে যোগ দিতে না পারেন, তবে তাদের হারান!” ** ডেনমার্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী {{w|উফে এলেমান-জেনসেন}}; ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়নশিপ ১৯৯২-এর ফাইনালের আগে টেলিভিশনে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে, যা ডেনমার্ক জয় করে, যা ডেনদের মাস্ট্রিখ্ট চুক্তির বিরুদ্ধে ভোট দেওয়ার অল্প পরপরই ঘটে। * ইউরোপ শুরু থেকেই সেন্ট-সাইমনীয় (অর্থাৎ প্রযুক্তিনির্ভর) পদ্ধতিতে গড়ে তোলা হয়েছিল; এটি ছিল মোনে-র দৃষ্টিভঙ্গি। জনগণ তখন একীকরণের জন্য প্রস্তুত ছিল না, তাই তাদের খুব বেশি কিছু না জানিয়েই অগ্রসর হতে হতো। এখন সেই সেন্ট-সাইমনীয় পদ্ধতির যুগ শেষ। গণতান্ত্রিক মতামতের মুখোমুখি হলে এটি আর কার্যকর নয়। ** [[w:পাসকাল লামি|পাসকাল লামি]], [[w:ডেনিশ মাস্ট্রিখ্ট চুক্তি|১৯৯২ সালে ডেনিশ মাস্ট্রিখ্ট চুক্তি]] গণভোটে প্রাথমিক প্রত্যাখ্যানের পর। *The two ideologies, of [[Communism]] and of Europe, have much more in common than they <nowiki>[</nowiki>[[w:Euroenthusiasm|Euroenthusiasts]]<nowiki>]</nowiki> like to admit ... One had its [[w:Apparatchik|apparatchiks]], the other its [[w:Eurocrat|Eurocrats]] ... Their respective credos come together [in many respects including their belief in] the inevitable withering-away of the nation-state ... Initiates in the secrets of History, the two schools are equally convinced that they know where History is leading – towards the Promised Land. For the first, its name is the classless society, for the second, it is Europe without borders. **[[w:fr:Gabriel Robin (ambassadeur)|Gabriel Robin]], ''Une monde sans maître'' (1995), quoted Bernard Connolly, ''The Rotten Heart of Europe: The Dirty War for Europe's Money'' (1995; 1996), p. xvii * Although 50 years of European peace since the [[Aftermath of World War II|end of World War II]] may augur well for the future, it must be remembered that there were also more than 50 year of peace between the [[Congress of Vienna]] and the [[Franco-Prussian War]]. Moreover, contrary to the hopes and assumptions of [[Jean Monnet]] and other advocates of [[European integration]], the devastating [[American Civil War]] shows that a formal political union is no guarantee against an intra-European war. ** [[Martin Feldstein]], [http://www.jstor.org/discover/10.2307/20048276?uid=39154&uid=3738296&uid=2&uid=3&uid=39153&uid=67&uid=5909816&uid=62&uid=5909672&sid=21102126671703 "EMU and international conflict",] ''Foreign Affairs'', vol. 76, n. 6, p. 62, November/December 1997 ==External links== {{wikipedia}}{{Wikivoyage}} [[Category:European Union| ]] qq1enua7w341o1g7vysr0xzvasr36tm মোপলা বিদ্রোহ 0 13041 79794 79701 2026-04-22T16:02:50Z ARI 356 /* উক্তি */ ; সংশোধন 79794 wikitext text/x-wiki ১৯২১ সালে সংঘটিত '''[[w:মালাবার বিদ্রোহ|মালাবার বিদ্রোহ]]''' (যা ইতিহাসে '''মোপলা দাঙ্গা''' কিংবা '''মাপ্পিলা দাঙ্গা''' নামেও বিশেষভাবে পরিচিত) মূলত কেরালার মালাবার অঞ্চলে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে একটি শক্তিশালী গণ-প্রতিরোধ হিসেবে শুরু হয়েছিল। এই ব্যাপক গণ-অভ্যুত্থানটি তৎকালীন সময়ে প্রচলিত সামন্ততান্ত্রিক ব্যবস্থার বিরুদ্ধেও সরাসরি পরিচালিত হয়েছিল। সে সময় এই ব্যবস্থাটি মূলত সমাজের প্রভাবশালী এবং উচ্চবিত্ত হিন্দুদের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে ছিল। এর পাশাপাশি এই বিদ্রোহটি সেই সময়কার খেলাফত আন্দোলনের সমর্থনেও অত্যন্ত সোচ্চার ছিল। ব্রিটিশ শাসকরা নিজেদের শাসন ব্যবস্থাকে আরও মজবুত করতে এবং স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের সমর্থন পাওয়ার উদ্দেশ্যে উচ্চবর্ণের হিন্দুদের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ও প্রশাসনিক উচ্চপদে নিয়োগ করেছিল। ব্রিটিশদের এমন পক্ষপাতমূলক রাজনৈতিক কৌশলের সরাসরি প্রভাবে শেষ পর্যন্ত এই আন্দোলনটি সাধারণ [[হিন্দু]]দের বিরুদ্ধে একটি সহিংস ও চরমপন্থি বিদ্রোহের দিকে মোড় নেয়। == উক্তি == * মালাবারে হিন্দুদের ওপর মোপলাদের চালানো সেই ভয়াবহ নৃশংসতা ভাষায় বর্ণনা করার মতো নয়। সমগ্র দক্ষিণ ভারতের হিন্দুদের মধ্যে এর ফলে আতঙ্কের এক তীব্র ঢেউ আছড়ে পড়েছিল। এই আতঙ্ক আরও কয়েক গুণ বেড়ে যায় যখন কিছু খেলাফত নেতা ভুল পথে পরিচালিত হয়ে মোপলাদের অভিনন্দন জানিয়ে একটি প্রস্তাব গ্রহণ করেন। সেখানে বলা হয়েছিল যে, মোপলারা তাদের ধর্ম রক্ষার জন্য যে লড়াই করছে, তার জন্য তারা অভিনন্দন পাওয়ার যোগ্য। যেকোনো সাধারণ মানুষই বুঝতে পারতেন যে, হিন্দু-মুসলিম ঐক্যের জন্য এটি ছিল অনেক বড় ও চড়া একটি মাশুল। কিন্তু মহাত্মা গান্ধী হিন্দু-মুসলিম ঐক্য গড়ার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে এতটাই বিভোর ছিলেন যে, তিনি মোপলাদের এই তাণ্ডব এবং খেলাফত নেতাদের অভিনন্দন জানানোর বিষয়টিকে গুরুত্বহীন করে দেখতে চেয়েছিলেন। তিনি মোপলাদের সম্পর্কে বলেছিলেন যে, তারা হলো "সাহসী ও ঈশ্বরভীরু মোপলা, যারা তাদের বিবেচনায় যা ধর্ম, সেই ধর্মের জন্যই লড়াই করছে এবং তাদের নিজস্ব পদ্ধতিতেই এই সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে"। মোপলাদের চালানো নৃশংসতার বিষয়ে মুসলিমদের নীরবতা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে গান্ধীজি হিন্দুদের উদ্দেশ্যে বলেছিলেন:<br>"হিন্দুদের অবশ্যই এই সাহস ও বিশ্বাস রাখা উচিত যে, এ ধরনের ধর্মান্ধ উন্মাদনার পরেও তারা নিজেদের ধর্ম রক্ষা করতে সক্ষম। মোপলাদের এই উন্মাদনাকে মুসলমানরা মৌখিকভাবে নিন্দা জানাল কি জানাল না, তার ওপর ভিত্তি করে মুসলমানদের সাথে বন্ধুত্বের বিচার করা ঠিক হবে না। জোরপূর্বক ধর্ম পরিবর্তন এবং লুটপাটের মতো মোপলাদের এই আচরণের জন্য মুসলমানদের স্বাভাবিকভাবেই লজ্জিত ও অপমানিত বোধ করা উচিত। তাদের এমন নিঃশব্দে ও কার্যকরভাবে কাজ করা উচিত যাতে তাদের মধ্যকার চরম ধর্মান্ধদের পক্ষেও ভবিষ্যতে এমন কাজ করা অসম্ভব হয়ে পড়ে। আমি বিশ্বাস করি যে, হিন্দুরা সম্মিলিতভাবে মোপলাদের এই উন্মাদনাকে ধৈর্যের সাথে গ্রহণ করেছে এবং শিক্ষিত ও সংস্কৃতিবান মুসলমানরা পয়গম্বরের বাণীর অপব্যাখ্যা ও মোপলাদের এই পথভ্রষ্ট আচরণের জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখিত।" ** [[ভীমরাও রামজি আম্বেদকর]], পাকিস্তান অর দ্য পার্টিশন অব ইন্ডিয়া। অধ্যায় ৭ * ১৯২০ সাল থেকে শুরু করে মালাবারে যা ঘটেছিল, তা ইতিহাসে মোপলা বিদ্রোহ নামে পরিচিত। এটি ছিল মূলত খুদ্দাম-ই-কাবা (মক্কা শরীফের সেবক) এবং সেন্ট্রাল খিলাফত কমিটি—এই দুই মুসলিম সংগঠনের পরিচালিত আন্দোলনের এক চরম পরিণতি। আন্দোলনকারীরা মূলত এই মতবাদ প্রচার করছিল যে, ব্রিটিশ শাসনাধীন ভারত হলো একটি 'দার-উল-হারব' বা যুদ্ধের ভূমি এবং মুসলমানদের অবশ্যই এর বিরুদ্ধে লড়াই করতে হবে। যদি তারা লড়াই করতে না পারে, তবে তাদের 'হিজরত' বা দেশান্তরের পথ বেছে নিতে হবে। মোপলারা হঠাৎ করেই এই আন্দোলনের জোয়ারে ভেসে গিয়েছিল। এই অভ্যুত্থানটি ছিল মূলত ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে পরিচালিত একটি বিদ্রোহ। এর মূল লক্ষ্য ছিল ব্রিটিশ সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে সেখানে একটি ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা। ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষের ওপর আক্রমণ চালানোর জন্য অত্যন্ত গোপনে ছুরি, তলোয়ার ও বর্শার মতো অস্ত্রশস্ত্র তৈরি করা হয়েছিল এবং দুর্ধর্ষ সব দল গঠন করা হয়েছিল...। কিন্তু সবাইকে যা সবচেয়ে বেশি স্তম্ভিত করেছিল, তা হলো মালাবারের হিন্দুদের প্রতি মোপলাদের নিষ্ঠুর আচরণ। মোপলাদের হাতে হিন্দুদের এক অত্যন্ত ভয়াবহ পরিণতির মুখোমুখি হতে হয়েছিল। নির্বিচারে হত্যা, জোর করে ধর্ম পরিবর্তন করানো, মন্দিরের পবিত্রতা নষ্ট করা, নারীদের ওপর পাশবিক নির্যাতন, এমনকি গর্ভবতী নারীদের পেট চিরে ফেলার মতো জঘন্য কাজ, লুটতরাজ, অগ্নিসংযোগ ও ধ্বংসলীলা—এক কথায় নৃশংস ও লাগামহীন বর্বরতার সবটুকুই মালাবারের হিন্দুদের ওপর চালিয়েছিল মোপলারা। এই নারকীয় তাণ্ডব ততক্ষণ পর্যন্ত চলেছিল, যতক্ষণ না দুর্গম ও বিশাল সেই অঞ্চলে শান্তি ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার জন্য দ্রুত সেনাবাহিনী পাঠানো সম্ভব হয়েছিল। এটি কেবল কোনো সাধারণ হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গা ছিল না। এটি ছিল সেন্ট বার্থোলোমিউ দিবসের হত্যাকাণ্ডের মতো এক ভয়াবহ গণহত্যা। এই ঘটনায় ঠিক কতজন হিন্দু প্রাণ হারিয়েছেন, আহত হয়েছেন কিংবা যাদের জোর করে ধর্মান্তরিত করা হয়েছে, তার সঠিক কোনো হিসাব জানা নেই। তবে সেই সংখ্যাটি যে বিশাল ছিল, তা নিশ্চিতভাবেই বলা যায়। ** [[ভীমরাও রামজি আম্বেদকর]], পাকিস্তান অর দ্য পার্টিশন অব ইন্ডিয়া। অধ্যায় ৭ * তারা সেখানে ব্যাপক হারে হত্যাকাণ্ড এবং লুটতরাজ চালিয়েছে। যারা নিজেদের ধর্ম ত্যাগ করতে রাজি হয়নি, সেই হিন্দুদের তারা হয় হত্যা করেছে নতুবা ভিটেমাটি থেকে তাড়িয়ে দিয়েছে। প্রায় এক লাখের মতো মানুষকে তাদের ঘরবাড়ি থেকে বিতাড়িত করা হয়েছে। তাদের পরনের কাপড়টুকু ছাড়া আর কিছুই অবশিষ্ট ছিল না, কারণ তাদের সর্বস্ব কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। মালাবার বিদ্রোহ আমাদের শিখিয়েছে যে ইসলামি শাসনের প্রকৃত অর্থ আজও আসলে কী এবং আমরা ভারতে খেলাফত রাজত্বের এ ধরনের কোনো নমুনা দ্বিতীয়বার দেখতে চাই না। মালাবারের বাইরের মুসলমানরা তাদের ধর্মীয় ভাইদের জন্য যেভাবে সাফাই গেয়েছেন এবং স্বয়ং গান্ধীজি যেভাবে বলেছেন যে মোপলারা তাদের ধর্মীয় শিক্ষা অনুযায়ী কাজ করেছে বলে তারা বিশ্বাস করে, তা থেকেই মোপলাদের প্রতি তাদের সহানুভূতির গভীরতা প্রমাণিত হয়। আমার ভয় হয় যে এটিই হয়তো সত্য; কিন্তু যারা নিজেদের পূর্বপুরুষের ধর্ম ত্যাগ করতে রাজি না হওয়ায় মানুষকে দেশছাড়া করে, সভ্য সমাজে তেমন মানুষের কোনো স্থান থাকতে পারে না। ** বেসান্ত, অ্যানি। দ্য ফিউচার অব ইন্ডিয়ান পলিটিক্স: আ কন্ট্রিবিউশন টু দ্য আন্ডারস্ট্যান্ডিং অব প্রেজেন্ট-ডে প্রবলেমস পৃষ্ঠা ২৫২। কেসিঞ্জার পাবলিশিং, এলএলসি। {{আইএসবিএন|১৪২৮৬২৬০৫০}}। [https://archive.org/details/futureofindianpo00besarich আর্কাইভ সংস্করণ] * গান্ধীজিকে যদি একবার মালাবারে নিয়ে যাওয়া যেত, তবে তিনি নিজের চোখে দেখতে পেতেন যে তাঁর এবং তাঁর "প্রিয় ভাই" মুহাম্মদ ও শওকত আলির প্রচারের ফলে সেখানে ঠিক কতটা বীভৎস ও শিউরে ওঠার মতো পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। ... গান্ধীজি নরমপন্থীদের অনুরোধ করছেন যেন তাঁরা সরকারকে যুদ্ধ বন্ধ করতে বাধ্য করেন, ''অর্থাৎ'' নেকড়েদের আবারও উন্মুক্ত করে দেওয়া যাতে তারা অবশিষ্ট প্রাণগুলোও ধ্বংস করতে পারে। আমি সাহসের সাথে বলতে পারি যে, নরমপন্থীদের সহানুভূতি সেই সব খুনি, লুটেরা ও ধর্ষকদের প্রতি নেই, যারা অসহযোগ আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারকে অচল করে দেওয়ার শিক্ষাকে বাস্তবে প্রয়োগ করেছে এবং নিজেদের কায়দায় সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন দমবন্ধ হয়ে মৃত্যুপথযাত্রী একজন বন্দি মোপলার মধ্যে যে মনোভাব দেখা গিয়েছে, তা দেখে গান্ধীজি কেমন বোধ করবেন? সেই বন্দি ডাক্তারকে জিজ্ঞেস করেছিল সে কি মারা যাচ্ছে এবং ডাক্তার যখন উত্তর দিলেন যে তাঁর সুস্থ হওয়ার আশা কম, তখন সে বলেছিল, "যাক, আমি অন্তত চৌদ্দজন কাফেরকে মারতে পেরেছি"। এই হলো সেই "সাহসী ও ঈশ্বরভীরু মোপলা", যাঁর প্রশংসা গান্ধীজি এত বেশি করেন এবং যারা "তাদের বিবেচনায় যা ধর্ম, সেই ধর্মের জন্যই লড়াই করছে এবং তাদের ধর্মসম্মত পদ্ধতিতেই এই সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে"। যারা মনে করে যে হত্যা করা, ধর্ষণ করা, লুট করা এবং নারী ও শিশুদের হত্যা করে পুরো পরিবার শেষ করে দেওয়াটা তাদের "ধর্মীয়" কাজ, সভ্য সমাজে তেমন মানুষদের অবশ্যই কঠোর নিয়ন্ত্রণে রাখা প্রয়োজন। ** [[অ্যানি বেসান্ত]]: মালাবার’স অ্যাগনি – অ্যানি বেসান্ত রাইটস অন গান্ধীজিস ‘মাপ্পিলা ব্রাদার্স’ – নিউ ইন্ডিয়া, ২৯ নভেম্বর ১৯২১ * কিছু পার্সি নারীর শাড়ি ছিঁড়ে ফেলার ঘটনায় গান্ধীজি ভীষণ মর্মাহত হয়েছিলেন এবং তেমনটা হওয়াটাই স্বাভাবিক ছিল। অথচ সেই তথাকথিত ঈশ্বরভীরু গুণ্ডাদের শেখানো হয়েছিল যে বিদেশি পোশাক পরা পাপ এবং তারা নিঃসন্দেহে বিশ্বাস করত যে তারা একটি পবিত্র ধর্মীয় কাজই করছে। গান্ধীজি কি সেই হাজার হাজার নারীর প্রতি সামান্য সহানুভূতিও অনুভব করতে পারেন না, যাদের পরনে এখন কেবল এক টুকরো জীর্ণ ত্যানা কাপড় অবশিষ্ট আছে এবং যাদের নিজ বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে? সেই সব ছোট শিশুদের কথা কি তিনি ভাবেন না যারা শরণার্থী শিবিরের রাস্তায় তাদের মৃত্যুপথযাত্রী মায়েদের কোলে জন্ম নিয়েছে? এই দুঃখ-দুর্দশা ভাষায় বর্ণনা করার মতো নয়। অল্পবয়সী নববধূর যাদের দেখতে অত্যন্ত মিষ্টি ও সুন্দর, তাদের চোখ কান্নায় প্রায় অন্ধ হয়ে গিয়েছে এবং তারা আতঙ্কে দিশেহারা হয়ে আছে। এমন অনেক নারী আছেন যারা নিজেদের চোখের সামনে তাঁদের স্বামীদের "মোপলাদের ধর্মীয় কায়দায়" টুকরো টুকরো করে কাটতে দেখেছেন। অনেক বৃদ্ধা আছেন যারা যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছেন এবং সামান্য মমতা কিংবা দয়া দেখালেই যন্ত্রণার স্তব্ধতা ভেঙে ডুকরে কেঁদে উঠছেন। এমন অনেক পুরুষ আছেন যারা তাঁদের সর্বস্ব হারিয়ে আজ হতাশ ও বিপর্যস্ত। আমি শরণার্থী শিবিরগুলোতে এমন হাজার হাজার মানুষের মাঝে হেঁটেছি এবং কখনো কখনো যখন কারো উদোম কাঁধে একটি চাদর আলতো করে বিছিয়ে দেওয়া হয়েছে, তখন সেই আশাহীন চোখগুলো সামান্য বিস্ময় নিয়ে তাকিয়েছিল এবং তাঁদের সেই মলিন হাসি মুখটিকে স্তব্ধতার চেয়েও বেশি করুণ করে তুলেছিল। প্রতিটি শরণার্থী শিবিরে কেবল করুণ আর্তি, অসহ্য যন্ত্রণা আর হাহাকার। গান্ধীজি বলেছেন, "মালাবারে লজ্জাজনক অমানবিকতা চলছে"। হ্যাঁ, সত্যিই এটি অত্যন্ত লজ্জাজনক অমানবিকতা যা মোপলারা ঘটিয়েছে এবং ব্রিটিশ ও ভারতীয় সৈন্যদের তলোয়ারের সাহায্যেই এই ভুক্তভোগীদের নিশ্চিত বিনাশ থেকে রক্ষা করা সম্ভব হয়েছে। এটা মনে রাখা জরুরি যে মোপলারা নিজেরাই এই ভয়াবহ কাণ্ড শুরু করেছিল; সরকার কেবল ভুক্তভোগীদের বাঁচাতে হস্তক্ষেপ করেছে এবং এভাবেই এই হাজার হাজার মানুষ রক্ষা পেয়েছে। গান্ধীজি কি চাইছেন যুদ্ধ বন্ধ হোক, যাতে মোপলারা শরণার্থী শিবিরগুলোর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে তাদের অসমাপ্ত কাজ শেষ করতে পারে? <br> আমাকে শোনানো একটি সুন্দর গল্প দিয়ে শেষ করতে চাই। পুলায়া সম্প্রদায়ের (যারা হিন্দু সমাজের নিম্নবর্ণের অস্পৃশ্য হিসেবে পরিচিত) দুই ব্যক্তিকে অন্য অনেকের সাথে বন্দি করা হয় এবং তাঁদের সামনে দুটি পথ দেওয়া হয়—হয় ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করো অথবা মৃত্যুকে বেছে নাও। হিন্দু ধর্ম যাদের সাথে বিমাতার মতো আচরণ করেছিল, সেই অস্পৃশ্য মানুষগুলো হিন্দু ধর্মকে এতটাই ভালোবাসত যে তারা মুসলমান হয়ে বেঁচে থাকার চেয়ে হিন্দু হিসেবে মৃত্যুবরণ করাকেই শ্রেয় মনে করেছিল। হিন্দু এবং মুসলমান উভয়ের ঈশ্বরই যেন এই বীর আত্মাদের কাছে তাঁর দূত পাঠান এবং তারা যে ধর্মের জন্য প্রাণ দিয়েছে, সেই ধর্মেই যেন তাদের পুনরায় জন্ম হয়। ** [[অ্যানি বেসান্ত]]: মালাবার’স অ্যাগনি – অ্যানি বেসান্ত রাইটস অন গান্ধীজিস ‘মাপ্পিলা ব্রাদার্স’ – নিউ ইন্ডিয়া, ২৯ নভেম্বর ১৯২১ * গান্ধীজিকে যদি একবার মালাবারে নিয়ে যাওয়া যেত, তবে তিনি নিজের চোখে দেখতে পেতেন যে তাঁর এবং তাঁর "প্রিয় ভাই" মুহাম্মদ ও শওকত আলির প্রচারের ফলে সেখানে ঠিক কতটা বীভৎস পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। সেখানে খেলাফত রাজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে; ১৯২১ সালের ১লা আগস্ট, যেদিন গান্ধীজি স্বরাজ শুরু হওয়ার এবং ব্রিটিশ শাসন বিলুপ্ত হওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন, ঠিক সেই দিনেই ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহকারী মোপলারা একজন পুলিশ ইন্সপেক্টরকে ঘিরে ধরেছিল। সেই দিন থেকেই হাজার হাজার নিষিদ্ধ যুদ্ধ-ছুরি গোপনে তৈরি করে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল এবং ২০শে আগস্ট এই বিদ্রোহ চূড়ান্ত রূপ নেয়। পুলিশ স্টেশন এবং সরকারি অফিসগুলোতে খেলাফত পতাকা ওড়ানো হয়েছিল। আশ্চর্যের বিষয় হলো যে, ৮২৫ খ্রিস্টাব্দের ২৫শে আগস্ট চেরমন পেরুমল মালাবারের সিংহাসনে আরোহণ করেছিলেন, যিনি ছিলেন প্রথম জামোরিন। সেই দিন থেকেই মালয়ালম অব্দ কিংবা সাল গণনা শুরু হয় যা এখনো ব্যবহৃত হচ্ছে। এভাবে প্রায় ১০৯৬ বছর ধরে কালিকটে একজন জামোরিন শাসন করেছেন এবং রাজারা মূলত প্রধান ব্যক্তিত্ব যারা বহু শতাব্দী ধরে জামোরিনকে তাঁদের সামন্ত প্রধান হিসেবে গণ্য করে আসছেন। মালাবারে প্রকৃত শান্তি স্থাপন শেষ পর্যন্ত এই মানুষগুলোর ওপরই নির্ভর করবে। ঘরবাড়ি হারানো শরণার্থীরা কেবল তখনই তাঁদের ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া ভিটেমাটিতে ফিরে আসবে, যখন তারা দেখবে যে তাঁদের পূর্বপুরুষদের সেই পবিত্র স্থানগুলো আবারও নিরাপদ হয়েছে। তাঁদের জমিগুলো মূলত মোপলাদের দ্বারাই চাষ করা হতো, যারা সাধারণত পরিশ্রমী এবং কর্মঠ কৃষি শ্রমিক হিসেবে পরিচিত। আমাদের প্রতিনিধি কালিকট এবং পালঘাটে আমার সংক্ষিপ্ত সফরের বিস্তারিত বিবরণ পাঠিয়েছেন এবং আমি এখানে যা লিখে রাখতে চাই তা হলো সেখানকার অবর্ণনীয় দুঃখ-দুর্দশা। মোপলাদের এই বিদ্রোহের কারণে যে হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, তার সরাসরি কারণ হলো অসহযোগ আন্দোলনকারী এবং খেলাফতপন্থীদের দ্বারা সরকারের বিরুদ্ধে করা অত্যন্ত উগ্র ও বিবেকহীন আক্রমণ। ব্রিটিশ শাসন দ্রুত শেষ হবে এবং স্বরাজ প্রতিষ্ঠিত হবে বলে যে প্রচার চালানো হয়েছিল, তা সাধারণ মোপলাদের মনে গভীর প্রভাব ফেলেছিল। খেলাফতপন্থীদের দেওয়া ঘোষণাগুলো থেকে মোপলারা যা বুঝেছিল, তা-ই তারা কার্যকর করতে চেয়েছিল। এতে কোনো সন্দেহের অবকাশ নেই যে, মালাবারের প্রতিটি মোপলার ঘরে ঘরে এই বার্তা পৌঁছে গিয়েছিল যে ইংল্যান্ড ইসলামের শত্রু এবং তাদের পতন আসন্ন। মসজিদের ধর্মীয় বক্তৃতাগুলোতেও এই কথা ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল এবং মুসলিমদের মনে আনন্দের সৃষ্টি করেছিল। তারা দেখেছিল যে অসহযোগ আন্দোলনের প্রচারকরা তাদের ধর্মীয় নেতাদের সাহায্য চাইছে, ফলে তারা স্বাভাবিকভাবেই এই দুই আন্দোলনকে একই মনে করেছিল। তাদের কাছে ব্রিটিশ সরকার ছিল শয়তানি শক্তি এবং একজন ভালো মুসলমান হিসেবে শয়তানের বিরুদ্ধে আমৃত্যু লড়াই করা তাদের দায়িত্ব হয়ে দাঁড়িয়েছিল। গান্ধীজি অসহযোগ আন্দোলনকারীদের দায়িত্ব না নেওয়ার বিষয়ে যত খুশি কথা বলতে পারেন, কিন্তু বাস্তব পরিস্থিতি কী তা তথ্য-প্রমাণই বলে দেয়। বোম্বের সামান্য রক্তপাতের দায়িত্ব তিনি গ্রহণ করেছিলেন, কিন্তু মালাবারের এই গণহত্যা তাঁর দায়িত্ব পালনের ব্যর্থতারই আর্তনাদ করছে। মালাবারে অসহযোগ আন্দোলন এখন মৃত, কিন্তু সেখানে এক তীব্র ঘৃণার জন্ম হয়েছে। এটি গান্ধীবাদের প্রচার, অসহযোগ এবং খেলাফত আন্দোলনের এক বীভৎস পরিণাম। প্রত্যেকেই এখন খেলাফত রাজ সম্পর্কে আলোচনা করছে এবং সাধারণ মানুষের একমাত্র আশা হলো সরকারের শক্তিশালী হস্তক্ষেপের মাধ্যমে এর পতন ঘটানো। গান্ধীজি নরমপন্থীদের বলছেন যেন তাঁরা সরকারকে যুদ্ধ থামাতে বাধ্য করেন, অর্থাৎ নেকড়েদের আবারও সুযোগ করে দেওয়া যাতে তারা অবশিষ্ট জীবনগুলোও কেড়ে নিতে পারে। আমি আবারও বলতে চাই, নরমপন্থীদের সহানুভূতি সেই সব খুনি কিংবা ধর্ষকদের প্রতি নেই যারা সরকারকে অচল করার শিক্ষাকে সহিংসভাবে প্রয়োগ করেছে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন একজন মোপলা যে বলেছিল, সে অন্তত চৌদ্দজন কাফেরকে মারতে পেরে খুশি, তার এই মানসিকতাকে গান্ধীজি কীভাবে গ্রহণ করবেন? যারা মনে করে যে নারী ও শিশুদের হত্যা করা এবং পুরো পরিবার ধ্বংস করে দেওয়াটা একটি ধর্মীয় কাজ, সভ্য সমাজে তাদের অবশ্যই শৃঙ্খলিত রাখা প্রয়োজন। <br> গান্ধীজি পার্সি নারীদের শাড়ি ছিঁড়ে ফেলার ঘটনায় ব্যথিত হয়েছিলেন, অথচ এখানকার হাজার হাজার নারীর ওপর যে অত্যাচার হয়েছে তা নিয়ে তিনি নিশ্চুপ। শরণার্থী শিবিরের সেই সব শিশুদের কথা কি তিনি একবারও ভাবেন না যারা রাস্তায় তাঁদের পলায়নপর মায়েদের কোলে জন্ম নিয়েছে? এই দুঃখ-দুর্দশা ভাষায় বর্ণনা করার মতো নয়। সুন্দরী তরুণী বধূরা যারা আজ শোকে পাথর হয়ে গেছে, কিংবা সেই সব বৃদ্ধারা যাদের মুখ আজ যন্ত্রণায় কুঁচকে গেছে এবং যারা সামান্য একটু দয়া পেলেই কান্নায় ভেঙে পড়ছে, তাঁদের সেই আর্তনাদ কি গান্ধীজির কানে পৌঁছায় না? আমি নিজের চোখে তাঁদের সেই যন্ত্রণাদগ্ধ চাহনি দেখেছি। গান্ধীজি একে "লজ্জাজনক অমানবিকতা" বলছেন। হ্যাঁ, সত্যিই এটি একটি লজ্জাজনক অমানবিকতা যা মোপলারা ঘটিয়েছে এবং ব্রিটিশ ও ভারতীয় সৈন্যদের বীরত্বের কারণেই অনেক মানুষকে নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচানো সম্ভব হয়েছে। এটি মনে রাখা অত্যন্ত জরুরি যে মোপলারা নিজেই এই রক্তক্ষয়ী ধ্বংসলীলা শুরু করেছিল এবং সরকার কেবল ভুক্তভোগীদের প্রাণ বাঁচাতে এগিয়ে এসেছে। গান্ধীজি কি চাইছেন যুদ্ধ বন্ধ হোক, যাতে মোপলারা শরণার্থী শিবিরে ঝাঁপিয়ে পড়ে তাদের কাজ শেষ করতে পারে? <br> আমি কালিকটে তিনটি বড় শিবির পরিদর্শন করেছি যেখানে খাবারের এবং থাকার সুব্যবস্থা করা হয়েছিল। আমি আবারও সেই দুই পুলায়া ব্যক্তির বীরত্বের কথা স্মরণ করতে চাই যারা মুসলমান হওয়ার চেয়ে হিন্দু হিসেবে মৃত্যুকে আলিঙ্গন করা শ্রেয় মনে করেছিলেন। তারা প্রমাণ করেছেন যে শত অবহেলার পরেও তারা তাঁদের শেকড়কে ভুলে যাননি। ঈশ্বর যেন এই সাহসী আত্মাদের শান্তি দান করেন। ** [[অ্যানি বেসান্ত]]: মালাবার’স অ্যাগনি – অ্যানি বেসান্ত রাইটস অন গান্ধীজিস ‘মাপ্পিলা ব্রাদার্স’ – নিউ ইন্ডিয়া, ২৯ নভেম্বর ১৯২১ * গত একশ বছরে মোপলা ধর্মান্ধতার অন্তত ৫১টি ঘটনা নথিবদ্ধ করা হয়েছে। ১৯২২ সালের ৬ই জুলাইয়ের ওয়েস্ট কোস্ট স্পেকটেটর পত্রিকায় একটি মোপলা গান প্রকাশিত হয়েছিল যা বিদ্রোহীরা গাইত। সেই গানে বিস্তারিত বর্ণনা দেওয়া হয়েছিল যে, জান্নাতে হুররা সজ্জিত ঘোড়া নিয়ে সেই সব বিশ্বাসীদের জন্য অপেক্ষা করছে যারা যুদ্ধে প্রাণ দেবে। বলা হয়ে থাকে যে, প্রত্যেক মোপলা যোদ্ধা এই গানের একটি কপি নিজের সাথে রাখত।<br>... এ ধরনের বিদ্রোহের প্রকৃতি সম্পর্কে কালিকটের বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারকরা একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ দিয়েছিলেন। তারা বলেছিলেন যে, অন্তত গত একশ বছর ধরে মোপলা সম্প্রদায় তাদের নৃশংস আচরণের জন্য কুখ্যাত হয়ে আছে। অতীতে এগুলো মূলত ধর্মান্ধতার কারণেই হয়েছে। এরনাড তালুক কিংবা কাউন্টিতে এ ধরনের উগ্রতা বেশি দেখা যেত কারণ এখানকার মোপলারা ছিল অশিক্ষিত এবং তারা সহজেই এই বিশ্বাসে প্রলুব্ধ হতো যে, কাফের কিংবা বিধর্মীদের হত্যা করলেই স্বর্গে যাওয়া যাবে। তারা হিন্দু নিধনে মেতে উঠত এবং এর জন্য তাদের বিশেষ কোনো অজুহাতের প্রয়োজন হতো না। তাদের মূল উদ্দেশ্য ছিল ব্রিটিশ সরকারকে উৎখাত করে সশস্ত্র যুদ্ধের মাধ্যমে একটি খেলাফত সরকার প্রতিষ্ঠা করা।<br>... ১৯২১ সালের এই বিদ্রোহের মূলে কৃষি কিংবা ভূমি সংক্রান্ত কোনো সমস্যা ছিল না। বর্তমান তথ্য-প্রমাণ থেকে এটি পরিষ্কার যে, খেলাফত এবং অসহযোগ আন্দোলনই মোপলাদের মনে স্বরাজ ও পরকালীন সুখের লোভ দেখিয়ে তাদের উত্তেজিত করেছিল। যদিও মালাবারে ভূমি কিংবা ভাড়াটিয়াদের কিছু সমস্যা ছিল, তবে ব্যক্তিগতভাবে আমার মনে হয়েছে যে, ব্রাহ্মণ কিংবা নায়ার জমিদারদের অধীনে থাকা হিন্দু শ্রমিকদের অবস্থা তাদের মুসলমান মালিকদের চেয়েও শোচনীয় ছিল।<br>... হিন্দুরা মোপলাদের চরম ক্রোধের শিকার হয়েছিল এবং তাদের ওপর যে অত্যাচার হয়েছে তা ভাষায় বর্ণনা করা অসম্ভব। মালাবারের নারীরা যখন রিডিংয়ের কাউন্টারেসের কাছে একটি স্মারকলিপি জমা দিয়েছিলেন, সেখানে বিকৃত লাশে ভর্তি কুয়ো, গর্ভবতী নারীদের পেট চিরে ফেলা, শিশুদের মায়ের কোল থেকে কেড়ে নিয়ে হত্যা করা এবং স্বামীদের চোখের সামনে পুড়িয়ে মারার মতো ভয়াবহ সব অপরাধের কথা উল্লেখ করা হয়েছিল। মন্দিরের পবিত্রতা নষ্ট করা এবং গবাদি পশুর নাড়িভুঁড়ি প্রতিমার গলায় পরিয়ে দেওয়ার মতো জঘন্য কাজও তারা করেছিল। বিদ্রোহ চলাকালীন অনেককে হিন্দু থেকে জোর করে মুসলমান করা হয়েছিল। এদের পুনরায় হিন্দু ধর্মে ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে দুটি প্রধান বাধা ছিল; প্রথমত, ইসলাম ধর্মে ধর্মত্যাগের জন্য কঠোর শাস্তি এবং দ্বিতীয়ত, হিন্দু ধর্মে জন্ম নেওয়া ছাড়া প্রবেশের কোনো স্বীকৃত পথ নেই। ** জে. জে. ব্যানিঙ্গা, "দ্য মোপলা রেবেলিয়ন অব ১৯২১," মোসলেম ওয়ার্ল্ড ১৩ (১৯২৩): পৃষ্ঠা ৩৭৯-৮০, ৩৮২-৮৪, ৩৮৬ থেকে উদ্ধৃত। উদ্ধৃতি: বোস্টম, এ. জি. এম. ডি. এবং বোস্টম, এ. জি. (২০১০)। দ্য লেগাসি অব জিহাদ: ইসলামিক হোলি ওয়ার অ্যান্ড দ্য ফেইট অব নন-মুসলিমস। অ্যামহার্স্ট: প্রমিথিউস। * ... এক হাতে কুরআন আর অন্য হাতে তলোয়ার নিয়ে এই আইন অমান্যকারী দলগুলো সমৃদ্ধ গ্রামগুলোর মধ্য দিয়ে এগিয়ে গিয়েছিল। তারা সেখানে বসবাসরত অনিচ্ছুক হিন্দু জনগোষ্ঠীর ওপর জোর করে ধর্ম পরিবর্তন কিংবা মৃত্যু চাপিয়ে দিয়েছিল। সেই সব হিন্দু ও অন্যান্য অমুসলিমদের ঘরবাড়ি ভেঙে তছনছ করা হয়েছে এবং কয়েক লক্ষ টাকা মূল্যের মূল্যবান ধন-সম্পদ সেখান থেকে লুটে নেওয়া হয়েছে। বাড়ির বাসিন্দাদের ওপর অকথ্য নির্যাতন চালানো হয়েছে। সেখানে থাকা পুরুষ, নারী ও শিশুদের অত্যন্ত ঠান্ডা মাথায় এবং নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। কার বয়স কত কিংবা তারা কোন লিঙ্গের মানুষ, তা নিয়ে তাদের বিন্দুমাত্র মাথাব্যথা ছিল না। হিন্দু মন্দিরগুলো ধ্বংস করা হয়েছে; বিগ্রহগুলো ভেঙে ফেলা হয়েছে; মন্দিরের মূল্যবান অলঙ্কারগুলো লুট করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এলাকার ভূমিহীন ও সামন্ত অভিজাত শ্রেণির সাথে অত্যন্ত নিষ্ঠুর আচরণ করা হয়েছে। বিপুল সংখ্যক মানুষ তাদের সহায়-সম্বল ও ঘরবাড়ি ছেড়ে প্রাণ বাঁচাতে কালিকট শহরে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে এবং তারা এখন সেখানেই আশ্রয় নিয়েছে। দাঙ্গাকারীদের হাতে ইউরোপীয় সম্প্রদায়কেও অনেক দুর্ভোগ ও কষ্ট পোহাতে হয়েছে। এটি সত্যিই এক অলৌকিক ব্যাপার যে, তাদের মধ্যে কেউ কেউ সেই অশান্ত এলাকা পার হয়ে শেষ পর্যন্ত কালিকটে পালিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছে। মালাবারে ঘটে যাওয়া এই ট্র্যাজেডির প্রকৃতি ঠিক এমনই ছিল। **এস. আরএম. এম. আন্নামালাই চেট্টিয়ার জে. সাই দীপক রচিত ইন্ডিয়া, ভারত অ্যান্ড পাকিস্তান - দ্য কনস্টিটিউশনাল জার্নি অব আ স্যান্ডউইচড সিভিলাইজেশন, ২০২২ *আপনারা নিশ্চয়ই কেরালার মোপলা নামক একটি মুসলিম গোষ্ঠী সম্পর্কে অবগত আছেন। স্বাধীনতা আন্দোলনে এই মানুষগুলোর একমাত্র অবদান ছিল এই যে, ১৯২১ সালের খেলাফত আন্দোলনের সময় তারা মালাবারে হিন্দুদের ওপর এক বীভৎস ও বর্বর হত্যাকাণ্ড চালিয়েছিল। তারা হাজার হাজার হিন্দু ঘরবাড়ি লুট করেছিল এবং হিন্দুদের গ্রামগুলো পুড়িয়ে দিয়েছিল। তারা হিন্দু নারীদের ধর্ষণ করেছিল এবং হিন্দু মন্দিরগুলো ধ্বংস করেছিল। কিন্তু আপনারা কি জানেন? সেই সব মোপলাদের মধ্যে যারা এখনো বেঁচে আছেন, ভারত সরকার তাদের 'মুক্তিযোদ্ধা' হিসেবে সম্মানিত করে এবং সেই ভিত্তিতে তাদের মাসিক পেনশন প্রদান করে! **এ. চ্যাটার্জি, হিন্দু নেশন, কোয়েনরাড এলস্ট (২০০১) রচিত ডিকলোনাইজিং দ্য হিন্দু মাইন্ড: আইডিওলজিক্যাল ডেভেলপমেন্ট অব হিন্দু রিভাইভালিজম। নতুন দিল্লি: রূপা। পৃষ্ঠা ৫৬১ * "গত কয়েক বছর ধরে হিন্দুদের ওপর মাপ্পিলাদের চালানো একের পর এক নৃশংস অপরাধের কারণে মালাবার প্রদেশটি কলঙ্কিত হয়েছে। মাপ্পিলাদের দলগুলো প্রকাশ্য দিবালোকে ধনী ও প্রভাবশালী হিন্দুদের ওপর আক্রমণ চালিয়েছে, অত্যন্ত ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি করে তাঁদের হত্যা করেছে এবং ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দিয়ে লুটতরাজ চালিয়েছে। অবশেষে তারা পুলিশ ও সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে মরিয়া প্রতিরোধ গড়ে তুলে নিজেদের জীবন বিসর্জন দেওয়ার মাধ্যমে তাঁদের এই অপরাধযজ্ঞের সমাপ্তি ঘটিয়েছে। যদিও আগের ঘটনাগুলোতে ধর্মান্ধ মাপ্পিলারা নারী ও শিশুদের রেহাই দিত, কিন্তু গতবারের তাণ্ডবে তারা পুরুষ, নারী ও শিশু—সবাইকেই নির্বিচারে হত্যা করেছে। এমনকি মায়ের বুকের দুধ খাওয়া কোলের শিশু, অতিথি কিংবা ভৃত্যদেরও তারা রেহাই দেয়নি। এক কথায়, আক্রান্ত বাড়িতে পাওয়া প্রতিটি মানুষকেই তারা হত্যা করেছে।" (পৃষ্ঠা ৬৩৬)। **মিস্টার কন্যালি (মালাবারের ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেট), ১৮৫২ সালে সরকারের কাছে পেশ করা প্রতিবেদন, উইলিয়াম লোগান রচিত মালাবার ম্যানুয়াল-এ বর্ণিত। টিপু সুলতান: ভিলিয়ান অর হিরো? : অ্যান অ্যান্থলজি থেকে উদ্ধৃত। সম্পাদনা: এস. আর. গোয়েল (১৯৯৩) {{আইএসবিএন|৯৭৮৮১৮৫৯৯০০৮৮}} * খেলাফত আন্দোলন যখন তুঙ্গে, তখন ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের নেতাদের দেওয়া একটি প্রকাশ্য বিবৃতি আমাদের নজরে আসে।<br> “আমাদের স্বরাজ লাভের ক্ষেত্রে হিন্দু ও মুসলমানদের বন্ধুত্বের চেয়েও সত্যের গুরুত্ব অনেক বেশি। তাই মৌলভি সাহেব, তাঁর অনুসারী এবং মহাত্মা গান্ধীর উদ্দেশ্যে আমরা কিছু কথা বলতে চাই। হিন্দুদের ওপর চালানো সেই নৃশংসতাগুলো ধ্রুব সত্য। অহিংসা ও অসহযোগের একজন প্রকৃত অনুসারীর পক্ষে মোপলা বিদ্রোহীদের এই কর্মকাণ্ডকে কোনোভাবেই সমর্থন করা সম্ভব নয়। ঠিক কী কারণে তাঁদের অভিনন্দন জানানো হচ্ছে? হিন্দুদের ঘরবাড়ি লুট করার জন্য? না কি হিন্দুদের জোরপূর্বক ইসলামে ধর্মান্তরিত করার জন্য? নিরপরাধ হিন্দু পুরুষ, নারী ও শিশুদের নির্বিচারে হত্যা করার জন্য? না কি হিন্দু নারীদের ধর্ষণ করার জন্য? হিন্দু মন্দিরগুলোর পবিত্রতা নষ্ট করা এবং সেগুলো ধ্বংস করার জন্য? যারা এ ধরনের নৃশংসতা চালিয়েছিল, তারা কি সত্যিই নিজেদের ধর্মের জন্য জীবন উৎসর্গ করছিল?” **এই যৌথ বিবৃতিটি প্রদান করেছিলেন শ্রী কে. মাধবন নায়ার, কেপিসিসি সম্পাদক, শ্রী টি. ভি. মুহাম্মদ, এরনাড তালুক খেলাফত কমিটির সম্পাদক, শ্রী কে. করুণাকরণ মেনন, কেপিসিসি কোষাধ্যক্ষ প্রমুখ, তিরুর দিনেশ - মোপলা রায়টস (২০২১) * আমরা মালাবারে ঘটে যাওয়া অপরাধের সেই দীর্ঘ অধ্যায়টি অত্যন্ত আতঙ্ক ও গভীর দুঃখের সাথে পড়েছি। সেখানে সরকারি ও ব্যক্তিগত সম্পদ ধ্বংস করা, সরকারি ট্রেজারি ও সাব-ট্রেজারি লুট করা, হিন্দু মন্দিরগুলোকে অপবিত্র করা এবং একই সাথে হিন্দুদের জোরপূর্বক ইসলামে ধর্মান্তরিত করার মতো নজিরবিহীন সব ঘটনার বর্ণনা রয়েছে। **মানেকজি বাইরামজি দাদাবয়। জে. সাই দীপক রচিত ইন্ডিয়া, ভারত অ্যান্ড পাকিস্তান - দ্য কনস্টিটিউショナル জার্নি অব আ স্যান্ডউইচড সিভিলাইজেশন, ২০২২ * হিন্দু ও মুসলমানদের মধ্যে ঘটা দাঙ্গাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে নিকৃষ্ট সেই ঘটনার কিছুকাল পর, যখন মোপলা মুসলমানরা শত শত নিরস্ত্র হিন্দুকে নির্মমভাবে হত্যা করেছিল এবং আল্লাহর প্রতি অঙ্গীকার হিসেবে তাঁদের লিঙ্গাগ্রত্বক উৎসর্গ করেছিল; ঠিক তখনই সেই একই মুসলমানরা চরম দুর্ভিক্ষের মুখে পড়েছিল। সেই সময় মহাত্মা গান্ধী সারা ভারত থেকে তাঁদের জন্য অর্থ সংগ্রহ করেছিলেন এবং প্রচলিত কোনো রীতির তোয়াক্কা না করেই সংগৃহীত অর্থের প্রতিটি আনা কোনো প্রশাসনিক খরচ ছাড়াই সেই ক্ষুধার্ত শত্রুদের কাছে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন। **উইলিয়াম ডুরান্ট, আওয়ার ওরিয়েন্টাল হেরিটেজ <hr width="50%"/> ==== টি. দিনেশ, ''মোপলা রায়টস'' ==== :তিরুর দিনেশ - ''মোপলা রায়টস'' (২০২১) * তুলাম ১১ তারিখ (মালয়ালম ক্যালেন্ডার) বিকেলে যখন গবাদি পশু নিয়ে বাড়ি ফিরছিলাম, তখন কয়েকজন মুসলমান আমাকে আর পালাপুরাম আরুমুখামকে ধরে ফেলে। কিছুক্ষণ পর কোন্নারা মুহাম্মদ কোয়া থাঙ্গাল সশস্ত্র অবস্থায় সেখানে আসে এবং আমাদের হাতকড়া পরিয়ে ভাজাক্কাত মসজিদে নিয়ে যায়। সেখান থেকে আমাদের কোন্নার মসজিদে সরিয়ে নেওয়া হয়। তখন সন্ধ্যা পেরিয়ে প্রায় দশ নাঝিকা (আড়াই নাঝিকায় এক ঘণ্টা) সময় কেটে গিয়েছিল। সেখানে তারা আমাদের আরও কিছু মানুষের সাথে বন্দি করে রাখে। এই মুহাম্মদ কোয়া থাঙ্গালই আমাদের একটি ঘরে আটকে রাখার নির্দেশ দিয়েছিল। তারা দিনে মাত্র একবার খাবার দিত এবং আমরা দশ দিন সেই ঘরেই কাটিয়েছি। এরপর মুহাম্মদ কোয়া থাঙ্গাল আমাকে তাদের ধর্মে ধর্মান্তরিত করে এবং মাথায় পরার জন্য একটি টুপি দেয়। তারা যখন আমার কাছে জানতে চাইল যে আমার 'দ্বীন'-এর ওপর বিশ্বাস আনার ইচ্ছা আছে কি না, তখন আমার ঠিক পাশেই একজন তলোয়ার নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিল। আমি যদি 'না' বলতাম, তবে তারা আমাকে মেরে ফেলত। আমি নিজের চোখে আরও ১৮ জন মানুষকে দেখেছিলাম, যারা 'না' বলায় তাদের কুপিয়ে মেরে ফেলা হয়েছিল। তাই শেষ পর্যন্ত আমাকে রাজি হতে হয়েছিল। এরপর একজন নাপিত এসে আমার মাথা ন্যাড়া করে দেয় এবং এক থাঙ্গাল আমাদের 'কালিমা' পড়তে বলে। আমার নাম রাখা হয় আব্দুল রেহমান। এরপর থাঙ্গাল আমাকে পরার জন্য একটি কাপড় আর একটি তোয়ালে দেয়। কয়েক দিন পর তারা আমাকে কোনডোট্টিতে নিয়ে যায়। ১৮ তারিখে যখন একজন প্রহরীর পাহারায় আমাকে গোসলের জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, তখন একদল মানুষকে সামরিক সরঞ্জাম বহন করতে দেখে মোপলারা সেখান থেকে পালিয়ে যায়। সেই সুযোগে আমি তৎক্ষণাৎ তাদের হেফাজত থেকে দৌড়ে পালিয়ে আসি। **অধ্যায় ৯ হার্ট ব্রেকিং এক্সপেরিয়েন্সেস। কুত্তিরি নত্তুন্নি পানিক্কর: ২৬-১১-১৯২১ তারিখের কেরালা পত্রিকায় প্রকাশিত * আমরা যখন বাড়িতে বসে কাঞ্জি (ভাতের ফ্যান) খাচ্ছিলাম, তখন কয়েকজন মুসলমান সেখানে আসে। তারা আমাদের গবাদি পশু আর আদা ও ওলের ফলন কেড়ে নিয়ে যায়। আমাকেও তারা ধরে নিয়ে গিয়েছিল। যেহেতু অনেক মুসলমান আমাকে চিনত, তাই তারা কোনো ক্ষতি না করেই আমাকে ছেড়ে দিয়েছিল। ভারিয়ানকুন্নাথ কুঞ্জাহাম্মদ হাজি এবং চেমব্রাসেরি থাঙ্গাল তিনটি কুয়ো মৃতদেহে ভরিয়ে ফেলেছিল। তারা নারীদের পা টেনে ধরে শরীরের মাঝখান থেকে চিরে ফেলে কুয়োতে ফেলে দিচ্ছিল। কুঞ্জাহাম্মদ হাজি এবং চেমব্রাসেরি থাঙ্গাল মিলে বিপুল সংখ্যক হিন্দুকে জোর করে ধর্মান্তরিত করেছিল। **অধ্যায় ৯ হার্ট ব্রেকিং এক্সপেরিয়েন্সেস। মানুথ পারাম্বিল মণিচান এরাদি - কেরলাশব্দম ভারিকা। ২০ ডিসেম্বর ১৯৮১ তারিখের সংস্করণ * যখন এই বিদ্রোহ শুরু হয় তখন আমার বয়স ছিল মাত্র ১২ বছর, কিন্তু ততদিনে আমি আর শিশু ছিলাম না এবং ঘরের কাজকর্ম দেখাশোনা করতাম। এই বিদ্রোহের সূত্রপাত হয়েছিল তিরুরাঙ্গাড়িতে। মোপলাদের মূল লক্ষ্য ছিল নিরস্ত্র এবং অসহায় হিন্দুদের হত্যা করা। বিদ্রোহের সময় সেনাবাহিনী তিরুরে অবস্থান করছিল। সেই জায়গাটি পেরিল নামে পরিচিত ছিল এবং সেখানে পেরানচেরি যৌথ পরিবারের ঘরবাড়ি ও কিছু হরিজনদের বসতি ছিল। কিছু এলাকা ছিল ঝোপঝাড়ে ভরা জঙ্গল এবং অন্যান্য জায়গাগুলো ছিল জনমানবহীন। প্রতিদিন আমরা বিদ্রোহ সম্পর্কে আতঙ্কিত সব খবর শুনতে পেতাম। আমাদের মনে ভয় কাজ করত যে, আমাদের আয়ু প্রতিদিন কমে আসছে এবং যেকোনো মুহূর্তে আমরা মুসলমানদের তলোয়ারের শিকারে পরিণত হব। আমার সঠিক তারিখ মনে নেই। তবে একদিন বিকেলে একদল বিদ্রোহী পুথানথেরু (কেরলাধীশ্বরপুরম)-তে এসে পৌঁছায়। কোনো ধরনের উস্কানি ছাড়াই মোপলারা তাঁতিদের গলিতে ঢুকে পড়ে। তারা হাতে তলোয়ার উঁচিয়ে এবং মশাল জ্বালিয়ে "তকবির" ধ্বনি দিতে দিতে এগিয়ে আসছিল। সাথে সাথেই তারা ঘরবাড়িতে ঢুকে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে শুরু করে। একজন চেট্টিয়ারসহ ছয়জন মানুষকে মোপলারা কুপিয়ে হত্যা করেছিল। পুথানথেরুতে আসা দাঙ্গাকারীদের মধ্যে কেউ ছিল স্থানীয় আর বাকিরা এসেছিল নীলম্বুর থেকে। সেখানে ভেলুথান নামে একজন স্বর্ণকারের বাড়ি ছিল। মোপলা দাঙ্গাকারীরা তার বাড়ি পুড়িয়ে ছাই করে দেয়। তারা যখন সব ঘরবাড়িতে আগুন দিতে শুরু করল, তখন হরিজনরা চিৎকার করে কাঁদতে শুরু করে। তাঁতিদের গলিতে এই নৃশংসতা চালানোর পর মোপলারা এদিকে চলে আসে। মানুষ প্রাণভয়ে এদিক-ওদিক ছুটতে শুরু করে। মৃত্যুর ভয়ে ভীত হয়ে তারা নিজেদের জীবন বাঁচাতে কোনো নিরাপদ স্থানে পালিয়ে যেতে চেয়েছিল। কিন্তু চারপাশ ছিল অন্ধকারে ঢাকা। সবশেষে আমিসহ প্রত্যেকে ঝোপঝাড়পূর্ণ এক জঙ্গলে লুকিয়ে পড়ি। আমরা তাদের দূর থেকে দেখতে পাচ্ছিলাম। মাথায় গোল পাগড়ি এবং হাতে মশাল নিয়ে তারা যুদ্ধের হুঙ্কার দিতে দিতে এগিয়ে যাচ্ছিল এবং পথে যা পাচ্ছিল সব ধ্বংস করে দিচ্ছিল। তারা প্রতিটি ঘরে ঘরে মানুষের খোঁজ করছিল এবং ঘরের সবকিছু বাইরে ছুড়ে ফেলছিল। তারা যখন পেরিল পরিবারের দেবীর মন্দিরটি দেখতে পেল, তখন তারা রাগে উন্মত্ত হয়ে মন্দিরে আগুন ধরিয়ে দেয়। আমাদের সব হিন্দুদের কাছে অত্যন্ত পবিত্র হিসেবে বিবেচিত সেই মন্দিরটি ছাই হয়ে যেতে দেখে আমি নীরবে চোখের জল ফেলেছিলাম। নির্বিচারে আগুন দেওয়ার ফলে যে আলো ছড়িয়ে পড়েছিল, তাতে আমি বিদ্রোহী মুসলমানদের কয়েকজনকে চিনতে পেরেছিলাম। তাদের মধ্যে মুক্কাত্তিল আলাভি, কোয়াকুট্টি, পারি মইদিন প্রমুখ স্থানীয় ব্যক্তিরাও ছিল। হিন্দুদের প্রতি তাদের যে ঘৃণা ছিল, তা বিদ্রোহের সময় তাদের করা নিষ্ঠুর কাজগুলোর মাধ্যমে পুরোপুরি ফুটে উঠেছিল। ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালানোর পর দাঙ্গাকারীরা তকবির ধ্বনি দিতে দিতে সেখান থেকে চলে যায়। **অধ্যায় ৯ হার্ট ব্রেকিং এক্সপেরিয়েন্সেস। পেরানচেরি কৃষ্ণান নায়ার, এরানাল্লুর, ওঝুর * তারা ঘরবাড়িতেও আগুন ধরিয়ে দিয়েছিল। এরপর তারা এলাকার আরও অনেক বাড়িতে লুটতরাজ চালায় এবং সেগুলোর সব কটিতেই আগুন লাগিয়ে দেয়। অনেক মানুষকে ধরে তাদের হাত পেছন দিকে বেঁধে ফেলা হয় এবং সেই অবস্থাতেই তাদের শরীরের চামড়া ছাড়িয়ে নেওয়া হয়। অনেকের শরীর তলোয়ার দিয়ে ওপর থেকে নিচ পর্যন্ত কয়েকবার চিরে ফেলা হয়েছিল এবং বেশ কয়েকজনকে আধমরা অবস্থায় একটি কুয়োতে ফেলে দেওয়া হয়। রাস্তার ওপর দুজনকে মেরে ফেলা হয়েছিল। গত দশ মাস ধরে অসুস্থ অবস্থায় শয্যাশায়ী আশি বছর বয়সী এক বৃদ্ধকেও তারা তার নিজের বাড়িতেই কুপিয়ে হত্যা করে। ৩৬ জন নিহতের মধ্যে ৩৩ জনকেই সেই কুয়োতে ফেলে দেওয়া হয়েছিল। তাদের মধ্যে তিনজন ছিলেন এমব্রানথিরি (ব্রাহ্মণ জাতি)। তারা থুভুর, পুথুর ভেত্তাক্কোরা মাকান কাভু এবং কাইক্কাত্তিরিতে রাজার মালিকানাধীন মন্দিরের পুরোহিত ছিলেন। তারা মন্দিরগুলো ধ্বংস করেছিল এবং প্রতিমাগুলো ভেঙে ফেলেছিল। এসব নৃশংসতার কারণে আমার নারী আত্মীয় ও শিশুসহ অন্যান্য হিন্দু নারী ও শিশুরা পরনের পোশাক ছাড়া আর কিছুই না নিয়ে পান্ডিক্কাডের সেনা ক্যাম্পে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছিল। **অধ্যায় ৯ হার্ট ব্রেকিং এক্সপেরিয়েন্সেস। পুভানচেরি ভেলুথেদাথ শঙ্করন - থুভুর গ্রামের আধিকারী (২রা ডিসেম্বর ১৯২১ তারিখে কালিকটের জামোরিনের কাছে পাঠানো চিঠি) "সামুথিরিচারিথরাথিলে কানাপুরঙ্গল" বইয়ের পৃষ্ঠা ১৩৬-১৩৯ থেকে সংগৃহীত * নভেম্বর মাসে বিদ্রোহ আবারও নতুন করে শুরু হয়। ৬ তারিখ নাগাদ মানুষকে প্রকাশ্যেই কুপিয়ে হত্যা করা শুরু হয়। ৭ তারিখ রাতে নারী, শিশু, বৃদ্ধ ও যুবকসহ আশপাশের বেশ কয়েকটি পরিবারের মোট প্রায় ১২৫ জন মানুষ একসঙ্গে আরিয়াল্লুরের দিকে রওনা দেয়। আমাদের মনে সবসময় ভয় কাজ করছিল যেন কোনোভাবেই মোপলাদের চোখে না পড়ে যাই। শিশুরা ভয়ে কাঁদছিল। সেই সময় অন্ধকারের চেয়েও মোপলাদের উপস্থিতি আমাদের মনে বেশি আতঙ্ক সৃষ্টি করছিল। যা কিছু সঙ্গে নেওয়া সম্ভব ছিল, তা আমাদের কাঁধেই ছিল। এভাবে আমরা পানামপুঝা কাডাভুর কাছাকাছি পৌঁছাই। এরপর আমরা সামনের দিক থেকে চিৎকার শুনতে পাই— "দয়া করে আমাদের মারবেন না।" আমি তখন সেই দলের ঠিক মাঝখানে ছিলাম। জানতে পারলাম যে সামনের দিক থেকে প্রায় ১৫০ জন মোপলা আক্রমণ করছে। আমরা সবাই তখন পেছনের দিকে দৌড়াতে শুরু করি। ততক্ষণে মোপলারা পেছন থেকেও আক্রমণ শুরু করে দিয়েছে। শিশু কিংবা বৃদ্ধ, পুরুষ কিংবা নারী—কোনো ভেদাভেদ না করেই তারা সবাইকে কুপিয়ে মারছিল। যারা আধমরা হয়ে পড়ে ছিল, তাদের আর্তনাদ ছিল অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। তারা চিৎকার করে বলছিল, "এই জারজগুলো কোথায় যাচ্ছে, ওদের মাথা কেটে ফেলো।" আমার মাথা, ঘাড় এবং তালুতেও তলোয়ারের কোপ লেগেছিল। শরীরজুড়ে এত ক্ষত নিয়েও আমি দৌড়াতে থাকি। দৌড়ানোর সময় আমি অনেক পুরুষ ও নারীর লাশের ওপর দিয়েই চলে গিয়েছিলাম। নিহতের সংখ্যা কোনোভাবেই ১০০-র কম ছিল না। প্রত্যেকের গয়না, আসবাবপত্র এবং টাকা—সবকিছুই লুট করা হয়েছিল। যারা তখনো বেঁচে ছিল, তারা অসহ্য যন্ত্রণায় ছটফট করছিল। পুরো রাস্তাটি রক্তে রঞ্জিত হয়ে গিয়েছিল। দৌড়ানোর সময় আমি প্রায় অচেতন হয়ে পড়েছিলাম। নিজের জীবন শেষ করে দেওয়ার জন্য আমি একটি নদীতে ঝাঁপ দিই। কিন্তু যেখানে পড়েছিলাম, সেখানে জল ছিল খুব কম। সেই ঠান্ডা জল যখন আমার শরীর ভিজিয়ে দিল, তখন আমার মনে কিছুটা সাহস ও আত্মবিশ্বাস ফিরে এল। **অধ্যায় ৯ হার্ট ব্রেকিং এক্সপেরিয়েন্সেস। উন্নি কুট্টি - ভেঙ্গারা (মিতাবাদী এবং যোগক্ষেমমের ১২তম বই, ৬ষ্ঠ সংখ্যায় যা লেখা ছিল তার সংক্ষিপ্ত রূপ) * একদিন সকালে নারীসহ প্রায় ৬৫ জন মানুষ আমার বাড়িতে আসে। যারা এসেছিল, সেই নিম্নবর্ণের মানুষগুলো অভিযোগ করেছিল যে তাদের ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে এবং তারা নিরাপত্তার খোঁজে পালিয়ে এসেছে। তারা এও বলেছিল যে, আগের রাতে প্রায় ৪৩ জন মানুষকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। অনেক বাড়িতে লুটতরাজ চালানো হয়েছে। এটি থুভুর নামক জায়গায় ঘটেছিল, যা মারাংঘাট থেকে প্রায় ৩ মাইল দূরে অবস্থিত। মন্দিরের পুরোহিত এবং তার ভাইকে মেরে ফেলা হয়েছিল। বিদ্রোহীরা ৫০ জন হিন্দুকে ধরে ফেলেছিল, যাদের মধ্যে ৭ জনকে তারা ছেড়ে দেয়। বাকি ৪৩ জনকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। থুভুর কুয়োটি এই ঘটনার জন্য কুখ্যাত। মানুষদের কুপিয়ে সেই কুয়োতে লাশ ফেলে দেওয়া হয়েছিল। যারা দৌড়ে আমার এখানে এসেছিল, তাদের মধ্যে সেই সাতজন ব্যক্তিও ছিল। যারা এই হত্যাকাণ্ড নিজের চোখে দেখেছিল, তারাই আমাকে এই কথা বলেছিল। আমার উদ্বেগ দশগুণ বেড়ে গেল। আমি বুঝতে পারছিলাম না ঠিক কী করা উচিত। মাথায় নানা চিন্তা আসতে লাগল। অনেকেই মত দিল যে আমাদের এই জায়গা ছেড়ে চলে যাওয়া উচিত। কিন্তু কোথায় যেতে হবে, তা কেউ জানত না। কান্নি মাসের (মালয়ালম মাস) ৯ তারিখ রবিবারে এই হত্যাকাণ্ড ও লুটতরাজ ঘটেছিল। এরপর আমরা সিদ্ধান্ত নিই যে পরের দিন দুপুরের খাবারের পর রওনা হব। আমরা আমাদের কুলদেবতার প্রতিমা এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র সাথে নিয়ে মারাত্তুর দিকে চলে আসি। **অধ্যায় ৯ হার্ট ব্রেকিং এক্সপেরিয়েন্সেস। উন্নি কুট্টি - ভেঙ্গারা (যোগক্ষেমম বই: ২- খণ্ড ২) <hr width="50%"/> * [তারা হলেন] সাহসী ও ঈশ্বরভীরু মানুষ যারা তাদের বিবেচনায় যা ধর্ম, সেই ধর্মের জন্যই লড়াই করছিল এবং তাদের বিবেচনায় যা ধর্মসম্মত, সেই পদ্ধতিতেই তারা যুদ্ধ করছিল। ** [[মহাত্মা গান্ধী]], [[ভীমরাও রামজি আম্বেদকর]], ''[https://www.google.com/books/edition/_/VOCdKRJ3fnkC?hl=en&gbpv=0&bsq=test ডক্টর বাবাসাহেব আম্বেদকর, রাইটিংস অ্যান্ড স্পিচেস: পাকিস্তান অর দ্য পার্টিশন অব ইন্ডিয়া]'', এডুকেশন ডিপার্টমেন্ট, গভর্নমেন্ট অব মহারাষ্ট্র। ১৯৭৯, পৃষ্ঠা ১৫৮। * মোপলারা গোষ্ঠী হিসেবে সব সময়ই বেশ দরিদ্র ছিল। তাদের বেশিরভাগই জেনমি নামক ক্ষুদ্র জমিদারদের অধীনে জমি চাষ করত, যাদের প্রায় সবাই ছিলেন হিন্দু। এই জেনমিদের চালানো নিপীড়ন একটি পরিচিত ঘটনা এবং এটি মোপলাদের দীর্ঘদিনের একটি অভিযোগ যা কখনো মেটানো হয়নি, যদিও আইন তৈরির মাধ্যমে পরিস্থিতির উন্নতির জন্য বেশ কয়েকবার চেষ্টা করা হলেও তা ব্যর্থ হয়েছিল। এই বিদ্রোহ দারিদ্র্যপীড়িত মোপলা সম্প্রদায়কে নিঃস্বতার আরও গভীরে ঠেলে দিয়েছে। জোর করে ধর্মান্তরিত করার ঘটনাগুলো এই সম্প্রদায়কে সাধারণভাবে হিন্দুদের কাছে এবং বিশেষভাবে জেনমিদের কাছে অপ্রিয় করে তুলেছে। এছাড়া সরকারের মনেও সেই মানুষদের প্রতি কোনো সহানুভূতি নেই যারা কিছুদিন আগেই তাদের সাথে সরাসরি যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছিল। হিন্দুরা সামরিক বাহিনীর সহায়তায় তাদের ওপর প্রতিশোধ নিয়েছে এবং মোপলাদের ঘরবাড়ি ও মসজিদগুলো ব্যাপক হারে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। হাজার হাজার মোপলা নিহত হয়েছে, তাদের গুলি করা হয়েছে, ফাঁসি দেওয়া হয়েছে অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে এবং হাজার হাজার মানুষ এখনো জেলে ধুঁকছে। যারা বেঁচে আছে তাদের মধ্যে কয়েক হাজার মানুষ দুই বছরের কারাদণ্ডের বদলে মাসিক কিস্তিতে জরিমানা দিচ্ছে। এই মানুষগুলো সবসময়ই পুলিশের কড়া নজরদারিতে থাকে। যারা মৃত্যু, জেল কিংবা জরিমানা থেকে রক্ষা পেয়েছে, তাদের অবস্থাও খুব একটা ভালো নয়। তারা প্রচণ্ড ভয়ে আছে এবং প্রতিনিয়ত আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। প্রত্যন্ত অঞ্চলের যেসব মানুষের সাথে আমি কথা বলেছি, তারা ভয়ে কাঁপছিল; যদিও তাদের এই আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল যে আমি তাদের বন্ধু এবং আমার এই সফরের উদ্দেশ্য হলো সম্ভব হলে তাদের সাহায্য করা। **ইয়ং ইন্ডিয়া, এম. কে. গান্ধী পৃষ্ঠা নং ১৮ *এর কিছুকাল পরেই [মহাত্মা গান্ধী] আরও অনাকাঙ্ক্ষিত কিছু করেছিলেন; মালাবারে হিন্দুদের হত্যাকারী সেই 'সাহসী' মোপলাদের প্রশংসা করে তিনি বলেছিলেন যে তারা "তাদের ধর্মকে যেভাবে বুঝেছিল সেই ধর্মের প্রতি তারা সত্যনিষ্ঠ ছিল" এবং সেই গুণ্ডাদের দমন করার জন্য তিনি ভারতের ব্রিটিশ সরকারের নিন্দাও জানিয়েছিলেন। (ব্রিটিশদের হাতে নিহত মোপলাদের এখন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে সম্মান জানানো হচ্ছে!) ** [[সীতা রাম গোয়েল|এস. আর. গোয়েল]], (সম্পাদনা) (১৯৯৮)। ফ্রিডম অব এক্সপ্রেশন: সেকুলার থিওক্রেসি ভার্সাস লিবারেল ডেমোক্রেসি। * ১৯৬৯ সালে কেরালায় মুসলিম লীগের জোরালো দাবির মুখে এবং তাদের দেওয়া রাজনৈতিক সমর্থনের পুরস্কার হিসেবে ই. এম. এস. নাম্বুদিরিপাদের নেতৃত্বাধীন সংযুক্ত ফ্রন্ট মন্ত্রিসভা কোঝিকোড় এবং পালঘাট জেলার সীমানা নতুন করে নির্ধারণ করেছিল, যাতে প্রধানত মুসলিম অধ্যুষিত মালাপ্পুরম জেলাটি গঠন করা সম্ভব হয়। বিরোধীদের কাছে ‘পুরনো দ্বিজাতি তত্ত্বের অবৈধ সন্তান’ হিসেবে নিন্দিত এবং সমালোচকদের কাছে ‘মোপলাস্তান’ নামে পরিচিত এই মালাপ্পুরম জেলায় মূলত সেই সব তালুকগুলোকে একীভূত করা হয়েছিল, যেগুলো আটচল্লিশ বছর আগে অর্থাৎ ১৯২১ সালে মাপ্পিলা বিদ্রোহের প্রধান কেন্দ্র ছিল। **রবার্ট এল. হার্ডগ্রেভ, জুনিয়র, ‘দ্য মাপ্পিলা রেবেলিয়ন, ১৯২১: পেজেন্ট রিভোল্ট ইন মালাবার’, মডার্ন এশিয়ান স্টাডিজ, ১৯৭৭, ভলিউম ১১, নং ১, পৃষ্ঠা ৫৭– ৯৯, পৃষ্ঠা ৫৭। * মাননীয় সম্পাদক, আমি আপনার সংবাদপত্রে নিচের তথ্যগুলো প্রকাশের জন্য বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি। মালাবার থেকে আসা সংবাদপত্রের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেখানে হিন্দু-মুসলিম ঐক্য এখন পুরোপুরি বিলুপ্ত হয়ে গেছে। আমাদের হাতে থাকা খবর অনুযায়ী, হিন্দুদের জোর করে ধর্মান্তরিত করার যে প্রতিবেদন (আমার লোকদের দ্বারা) প্রকাশিত হয়েছে, তা সম্পূর্ণ অসত্য। বিদ্রোহীদের সাথে ছদ্মবেশে মিশে থাকা সরকারি পক্ষ এবং সাধারণ পোশাকে থাকা রিজার্ভ পুলিশ সদস্যরাই মূলত এ ধরনের ধর্মান্তর চালিয়েছে। এছাড়া সামরিক বাহিনীকে সাহায্য করতে গিয়ে কিছু হিন্দু ভাই যখন আত্মগোপনকারী নিরপরাধ (মোপলাদের) ধরিয়ে দিয়েছিলেন, কেবল তখনই কয়েকজন হিন্দু সমস্যার মুখে পড়েছেন। একইভাবে এই বিদ্রোহের কারণ হিসেবে পরিচিত নাম্বুদিরিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। বর্তমানে (সরকারের) প্রধান সামরিক কমান্ডার এই তালুকগুলো থেকে হিন্দুদের সরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা করছেন। অথচ নিরপরাধ মুসলিম নারী ও শিশুরা, যারা কিছুই করেনি এবং যাদের কিছুই নেই, তাদের এই জায়গা ছেড়ে চলে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না। হিন্দুদের বাধ্যতামূলকভাবে সামরিক কাজে লাগানো হচ্ছে। তাই অনেক হিন্দু নিরাপত্তার জন্য আমার পাহাড়ে আশ্রয় নিচ্ছেন। একইভাবে অনেক মোপলাও আমার কাছে আশ্রয় চেয়েছেন। গত দেড় মাস ধরে নিরপরাধ মানুষকে ধরা আর শাস্তি দেওয়া ছাড়া আর কোনো উদ্দেশ্যই সফল হয়নি। সারা বিশ্বের মানুষ এই সত্যটি জানুক। মহাত্মা গান্ধী এবং মাওলানা যেন এটি জানতে পারেন। এই চিঠিটি প্রকাশিত হতে না দেখলে আমি নির্দিষ্ট সময়ে আপনার কাছে এর ব্যাখ্যা চাইব। **ভারিয়ান কুন্নাথু কুঞ্জাহাম্মদ হাজি (১৮ অক্টোবর ১৯২১), উদ্ধৃত [https://www.thehindu.com/news/national/kerala/reports-of-hindu-muslim-strife-in-malabar-baseless/article31918716.ece "১৯২১ সালে দ্য হিন্দু পত্রিকায় ভারিয়ামকুন্নাথ কুনহামেদ হাজির লেখা মালাবারে হিন্দু-মুসলিম কলহের খবর ভিত্তিহীন"]। ''দ্য হিন্দু''। * কিন্তু তাদের সবচেয়ে ভয়াবহ অভ্যুত্থানটি ঘটেছিল ১৯২১ সালের আগস্ট মাসে, যা মূলত খেলাফত আন্দোলনের উত্তেজনার কারণেই শুরু হয়েছিল এবং সরকারি প্রতিবেদনে এই ঘটনার বর্ণনা দেওয়া হয়েছে ঠিক এভাবে : “১৯২১ সালের শুরুর মাসগুলোতে উত্তেজনা অত্যন্ত দ্রুততার সাথে এক মসজিদ থেকে অন্য মসজিদে এবং এক গ্রাম থেকে অন্য গ্রামে ছড়িয়ে পড়েছিল। আলী ভ্রাতৃদ্বয়ের উস্কানিমূলক বক্তব্য, অসহযোগ আন্দোলনের সংবাদপত্রের পাতায় স্বরাজ আসার আগাম ভবিষ্যৎবাণী এবং খেলাফত সম্মেলনের জুলাই মাসের প্রস্তাবগুলো, এই সবকিছু মিলে দাউদাউ করে জ্বলে ওঠার মতো এক পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছিল। জুলাই এবং আগস্ট মাস জুড়ে অসংখ্য খেলাফত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছিল যেখানে করাচি সম্মেলনের প্রস্তাবগুলোকে অত্যন্ত আবেগ ও নিষ্ঠার সাথে সমর্থন জানানো হয়। অত্যন্ত গোপনে ছুরি, তলোয়ার এবং বর্শা তৈরি করা হয়েছিল; দুর্ধর্ষ সব দল গঠন করা হয়েছিল এবং একটি ইসলামি রাজ্য প্রতিষ্ঠার জন্য ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। ২০শে আগস্ট যখন কালিকটের ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেট সৈন্য ও পুলিশের সহায়তায় তিরুরাঙ্গাড়িতে অস্ত্রসহ অবস্থানরত নির্দিষ্ট কিছু নেতাকে গ্রেফতার করার চেষ্টা করেন, তখন সেখানে এক ভয়াবহ সংঘর্ষ কিংবা দাঙ্গা শুরু হয়। এই ঘটনাই পুরো এলাকা জুড়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিদ্রোহ শুরু হওয়ার সংকেত হিসেবে কাজ করেছিল। বিদ্রোহীরা রাস্তাঘাট বন্ধ করে দিয়েছিল, টেলিগ্রামের তার কেটে ফেলেছিল এবং অনেক জায়গায় রেললাইন পুরোপুরি ধ্বংস করে দিয়েছিল। ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেট উত্তর দিকে এই গণ্ডগোল ছড়িয়ে পড়া আটকাতে কালিকটে ফিরে আসেন এবং এর ফলে সরকারি শাসন ব্যবস্থা সাময়িকভাবে কেবল কয়েকটি বিচ্ছিন্ন অফিস ও পুলিশ স্টেশনে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছিল, যেগুলোর ওপর বিদ্রোহীরা একের পর এক আক্রমণ চালিয়েছিল। যেসব ইউরোপীয় পালিয়ে যেতে পারেনি, যদিও সৌভাগ্যক্রমে তাদের সংখ্যা ছিল খুবই কম, তাদের অত্যন্ত নৃশংস ও পৈশাচিক বর্বরতার সাথে হত্যা করা হয়েছিল। শাসন ব্যবস্থা যখন পুরোপুরি অচল হয়ে পড়েছিল, তখন মোপলারা ঘোষণা করেছিল যে স্বরাজ প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেছে। আলী মুসালিয়ার নামক এক ব্যক্তিকে রাজা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল, খেলাফত পতাকা উড়ানো হয়েছিল এবং এরনাড ও ওয়ালুভানাদকে খেলাফত রাজ্য হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল। মোপলাদের এই উগ্রতার প্রধান আঘাত সরকারের ওপর পড়েনি, বরং তা পড়েছিল সেই সব দুর্ভাগা হিন্দুদের ওপর যারা এই অঞ্চলের জনসংখ্যার বড় অংশ ছিল। গণহত্যা, জোর করে ধর্মান্তরিত করা, মন্দিরের পবিত্রতা নষ্ট করা, নারীদের ওপর পাশবিক ও ঘৃণ্য নির্যাতন, লুটতরাজ, অগ্নিসংযোগ এবং ধ্বংসলীলা, এক কথায় নৃশংস ও লাগামহীন বর্বরতার সবটুকুই মালাবারের মাটিতে অবাধে চলতে থাকে। এই পরিস্থিতি ততক্ষণ পর্যন্ত অব্যাহত ছিল যতক্ষণ না দুর্গম ও বিশাল সেই অঞ্চলে শান্তি ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার জন্য দ্রুত সেনাবাহিনী পাঠানো সম্ভব হয়েছিল। <br>“বিদ্রোহ যেহেতু এক বিশাল এলাকা জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল, তাই মালাবার জেলায় মোতায়েন করা সৈন্যদল এই পরিস্থিতি সামাল দিতে সক্ষম ছিল না এবং সেখানে প্রচুর পরিমাণে অতিরিক্ত সৈন্য পাঠাতে হয়েছিল; অক্টোবরের মাঝামাঝি সময় নাগাদ সেখানে চারটি ব্যাটালিয়ন, একটি প্যাক ব্যাটারি, এক বিভাগ সাজোয়া গাড়ি এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় আনুষঙ্গিক ব্যবস্থা মোতায়েন করা হয়েছিল। বিদ্রোহীরা পাহাড়ে গিয়ে আশ্রয় নেওয়ায় তাদের যথেষ্ট সংখ্যায় ধরতে বেশ খানিকটা সময় লেগেছিল। ১৯২১ সালের শেষের দিকে পরিস্থিতি মোটামুটি নিয়ন্ত্রণে আসে এবং বিদ্রোহের কোমর ভেঙে দেওয়া সম্ভব হয়। কিছু কিছু লড়াই কতটা ভয়াবহ ছিল তার একটি ধারণা পাওয়া যায় পান্ডিক্কাডের সেই রাতের আক্রমণ থেকে। সেই ঘটনায় ভোরবেলা একদল ধর্মান্ধ উন্মাদ গোর্খাদের একটি কোম্পানির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। তারা গোর্খাদের প্রায় ৬০ জন সৈন্যকে হতাহত করেছিল এবং শেষ পর্যন্ত ২৫০ জন বিদ্রোহীকে হত্যা করার পর তাদের পিছু হটানো সম্ভব হয়েছিল। পুরো অভিযান জুড়ে সরকারি বাহিনীর মোট ৪৩ জন নিহত এবং ১২৬ জন আহত হয়েছিলেন; অন্যদিকে কেবল মোপলাদের পক্ষেই ৩০০০-এর বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছিলেন। বিদ্রোহের শেষ দিকে এক বিশাল মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছিল। ১৯শে নভেম্বর ১৯২১ সালে সত্তর জন মোপলা বন্দির একটি দলকে ট্রেনে করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, কিন্তু প্রহরীদের অবহেলার কারণে তারা যে বদ্ধ কামরায় ছিল সেখানে বাতাস চলাচলের কোনো ব্যবস্থা ছিল না এবং এর ফলে দমবন্ধ হয়ে তাদের সবাই মারা যান।” **ইন্ডিয়া ইন ১৯২১-২, আইএআর, ১৯২১, পৃষ্ঠা ৪১, আর সি মজুমদার রচিত হিস্ট্রি অব দ্য ফ্রিডম মুভমেন্ট ইন ইন্ডিয়া ভলিউম ৩ (১৯১ এবং পরবর্তী পৃষ্ঠা) থেকে উদ্ধৃত * আপনি যদি মহান কবি কুমারন আসান রচিত “দুরাবস্থা” কবিতাটি পড়েন, তবে আপনি “মোপলা বিদ্রোহ” নামক সেই মুসলিম বিদ্রোহের একটি সঠিক চিত্র পাবেন। তিনি নিজে এই ঘটনার সমসাময়িক ছিলেন এবং এসব দুঃখজনক ঘটনা প্রত্যক্ষ করেছিলেন। কবিতার ভূমিকায় কুমারন আসান এভাবে বর্ণনা করেছেন:<br>“১০৯৭ চিঙ্গম মাসে (মালয়ালম মাস আগস্ট-সেপ্টেম্বর) দক্ষিণ মালয়ালম জেলায় শুরু হওয়া মোপলা বিদ্রোহ কেরালার ইতিহাসে একটি রক্তঝরা অধ্যায় লিখেছে। সেই ঘূর্ণিঝড়, যা তার ভয়ংকর ও পাশবিক নিষ্ঠুরতার কারণে কেরালাসহ পুরো ভারতকেই কোনো না কোনোভাবে কাঁপিয়ে দিয়েছিল এবং মানুষের চিন্তাশক্তিকেও হার মানিয়েছিল, তা এখন ভাগ্যক্রমে প্রায় স্তিমিত হয়ে এসেছে। এটা সত্য যে, হিন্দু সমাজ এই বিদ্রোহের গ্রাস থেকে কোনোমতে বেঁচে ফিরে এসেছে। তারা এই বিদ্রোহের সেই খসখসে জিভ, তীক্ষ্ণ দাঁত ও চোয়ালের কামড় এবং বিষাক্ত দাঁতের আঘাতের স্বাদ পেয়েছে; তারা আসলে এক প্রাচীন সংস্কৃতিরই প্রতিনিধি......।” **মহান কবি কুমারন আসান রচিত “দুরাবস্থা” নামক কবিতা, তিরুর দিনেশ - মোপলা রায়টস (২০২১) এ * “শয়তান মুসলমানরা কি রাজকীয় মর্যাদাসম্পন্ন অসহায় ও নিঃসঙ্গ নারীদের ওপর হামলা করার সাহস করে?”..<br>“যারা দেখেছে তারা চুপ থাকুক, আর যারা কেবল শুনেছে তারা কথা বলুক” এটি একটি পুরনো মালয়ালম কৌতুকপূর্ণ প্রবাদ। অনেক ইতিহাসবিদ যারা নিজেদের বুদ্ধিজীবী হিসেবে পরিচয় দেন, তারা ঠিক এই কাজটিই করছেন। তাদের দাবি হলো এই যে, শ্রী কুমারন আসান নিজে যা দেখেছিলেন তা সত্য নয় এবং মোপলা বিদ্রোহ ছিল মূলত একটি প্রগতিশীল বিপ্লব। মুসলমানরা হিন্দুদের ওপর আক্রমণ শুরু করার পরপরই ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস খেলাফত আন্দোলন থেকে সরে দাঁড়িয়েছিল এবং কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটি এই নৃশংসতার নিন্দা জানিয়ে একটি প্রস্তাব পাস করেছিল। আর্য সমাজের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সেই সময় হাজার হাজার হিন্দুকে জোর করে ইসলামে ধর্মান্তরিত করা হয়েছিল। **মহান কবি কুমারন আসান রচিত “দুরাবস্থা” নামক কবিতা, তিরুর দিনেশ - মোপলা রায়টস (২০২১) * ব্রিটিশ শাসনামলে ভারতে প্রথম উল্লেখযোগ্য ধর্মীয় দাঙ্গা ছিল ১৯২১ সালের তথাকথিত মোপলা বিদ্রোহ, যা মালাবার অঞ্চলে খেলাফত আন্দোলনের একটি শাখা হিসেবে সংঘটিত হয়েছিল। খেলাফত কমিটি মালাবারের বিশ্বাসী জনগোষ্ঠীর উদ্দেশ্যে যে ডাক দিয়েছিল, তা অনুসরণ করে মোপলারা ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে নজিরবিহীন সহিংসতায় মেতে উঠেছিল। তবে শেষ পর্যন্ত দেখা গিয়েছিল যে, এই জিহাদে হতাহতদের বেশিরভাগই ছিল হিন্দু, ব্রিটিশ নয়। শত শত হিন্দু নারী তাদের মান-সম্মান বাঁচাতে কুয়োর মধ্যে ঝাঁপ দিয়েছিল, আবার অনেকে রক্তপিপাসু মুজাহিদদের দ্বারা অত্যন্ত নির্দয়ভাবে লাঞ্ছিত ও হত্যার শিকার হয়েছিল। দাঙ্গা শেষ হওয়ার পর সেই সব কুয়ো থেকে হিন্দু নারী ও শিশুদের শত শত মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। এই জিহাদের ডাক দিয়েছিল আলী ভ্রাতৃদ্বয়, হাসরাত মোহানি এবং মাওলানা আবুল কালাম আজাদ। মহাত্মা গান্ধী নিজেও এই নৃশংসতাগুলোকে ইসলামের পবিত্র যুদ্ধের অংশ হিসেবে স্বীকার করেছিল। তিনি মুজাহিদদের “ঈশ্বরভীরু মোপলা” হিসেবে অভিহিত করেছিল এবং বলেছিল: “তারা তাদের বিবেচনায় যা ধর্ম, সেই ধর্মের জন্যই লড়াই করছিল এবং তাদের বিবেচনায় যা ধর্মসম্মত, সেই পদ্ধতিতেই তারা যুদ্ধ করছিল।” বলার অপেক্ষা রাখে না যে, এ ধরনের উদ্দেশ্যে এমন কায়দায় লড়াই করাই হলো ইসলামি জিহাদের মূল নির্যাস। এটি উল্লেখ করা প্রয়োজন যে, আজাদের মতো নেতারা হিন্দুদের বদলে ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে জিহাদের ডাক দিয়েছিল, তবে তারা কীভাবে কেবল এক শ্রেণির কাফেরদের বিরুদ্ধে এই যুদ্ধকে সীমাবদ্ধ রাখতে চেয়েছিল, তা জানা যায়নি। **এস. মজুমদার (২০০১)। জিহাদ: দ্য ইসলামিক ডকট্রিন অব পার্মানেন্ট ওয়ার। অধ্যায় ১০ * ১৯২১ সালের বিদ্রোহের সূত্রপাত নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। এটি পুলিশের দমন-পীড়নের ফলেই জন্ম নিয়েছিল। এর প্রধান কারণ ছিল খেলাফত আন্দোলন দমনে কর্তৃপক্ষের ব্যবহৃত অতিরিক্ত সহিংসতা; কোনো 'জেনমি-কুডিয়ান' দ্বন্দ্ব কিংবা মসজিদ সংক্রান্ত বিরোধ নয়। যখন পুলিশের নৃশংসতা অসহনীয় হয়ে উঠেছিল, তখন তারা অহিংসার ব্রত ত্যাগ করেছিল এবং (ব্রিটিশ পুলিশের) সহিংসতার মোকাবিলা সহিংসতা দিয়েই করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। ** কে. পি. কেশব মেনন, [https://www.google.com/books/edition/Journal_of_Kerala_Studies/NVg8GhaHVh0C?hl=en&gbpv=0 জার্নাল অব কেরালা স্টাডিজ], ভলিউম ১, পৃষ্ঠা ২৮৬। *এর একটি নিশ্চিত উপাদান হলো চরম ধর্মীয় ধর্মান্ধতা... মোপলাদের চালানো ঠান্ডা মাথার গণহত্যার ভয়াবহতা ভারতকে আচ্ছন্ন করে রেখেছে, যা আজও প্রতিদিন বুঝিয়ে দেয় যে, ধর্মান্ধ মুসলমানদের হাতে হিন্দুদের অবস্থা কেমন হয়। জনসাধারণ অস্পষ্টভাবে হলেও সঠিকভাবে হিন্দু জীবন ও সম্পত্তির এই ধ্বংসযজ্ঞকে খেলাফত প্রচারকদের সাথে সম্পর্কিত করে এবং বুঝতে পারে যে, এমনকি উদ্ধত ব্রিটিশদের শাসনও অরাজকতার চেয়ে ভালো। ** দ্য ম্যানচেস্টার গার্ডিয়ান । ম্যানচেস্টার গার্ডিয়ান , ১ সেপ্টেম্বর ১৯২১–১২ ডিসেম্বর ১৯২১। বিক্রম সম্পাত - সাভারকর, ইকোস ফ্রম আ ফরগটেন পাস্ট, ১৮৮৩–১৯২৪ (২০১৯) এ উদ্ধৃত * কেরালা প্রাদেশিক কংগ্রেস কমিটির সম্পাদক ও কোষাধ্যক্ষ, কালিকট জেলা কংগ্রেস কমিটির সম্পাদক, এরনাড খেলাফত কমিটির সম্পাদক এবং কে. ভি. গোপালা মেনন স্বাক্ষরিত একটি বিবৃতিতে মোপলাদের নিচের অপকর্মগুলোর কথা উল্লেখ করা হয়েছে: “হিন্দুদের ওপর তাদের খামখেয়ালি ও বিনাপ্ররোচনায় আক্রমণ; এরনাড ও ভাল্লুভানাদ, পোন্নানি এবং কালিকট তালুকগুলোর কিছু অংশে তাদের ঘরবাড়িতে প্রায় পাইকারি হারে লুটতরাজ; বিদ্রোহের শুরুতে কয়েকটি জায়গায় হিন্দুদের জোর করে ধর্মান্তরিত করা এবং পরবর্তী পর্যায়ে যারা নিজেদের বাড়িতে অবস্থান করছিল, তাদের ব্যাপকভাবে ধর্মান্তর করা; নিরীহ হিন্দু পুরুষ, নারী ও শিশুদের কোনো কারণ ছাড়াই ঠান্ডা মাথায় নৃশংসভাবে হত্যা করা, যার একমাত্র কারণ ছিল তারা কাফের কিংবা তারা সেই পুলিশের একই জাতির অন্তর্ভুক্ত যারা তাদের থাঙ্গালদের অপমান করেছিল অথবা তাদের মসজিদে প্রবেশ করেছিল; হিন্দু মন্দিরগুলোর অপবিত্রকরণ ও সেগুলো পুড়িয়ে দেওয়া; হিন্দু নারীদের ওপর নির্যাতন এবং মোপলাদের মাধ্যমে তাদের জোর করে ধর্মান্তরিত করা ও বিবাহ।” স্বাক্ষরকারীরা আরও যোগ করেছেন: “বেঁচে যাওয়া প্রকৃত ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে আমাদের নথিবদ্ধ করা বিবৃতির মাধ্যমে এসব নৃশংসতা কোনো প্রকার সন্দেহের অবকাশ ছাড়াই প্রমাণিত হয়েছে।” **সংকরন নায়ার, গান্ধী অ্যান্ড এনার্কি,, পরিশিষ্ট ৩, আর সি মজুমদার রচিত হিস্ট্রি অব দ্য ফ্রিডম মুভমেন্ট ইন ইন্ডিয়া ভলিউম ৩ (১৯১ এবং পরবর্তী পৃষ্ঠা) * "১৯২১ সালে মালাবারে যে সাম্প্রদায়িক মাপ্পিলা তাণ্ডব বা বিদ্রোহ ঘটেছিল, তার সূত্রপাত ১৭৮৩ থেকে ১৭৯২ সাল পর্যন্ত টিপু সুলতানের নিষ্ঠুর সামরিক শাসনের সময়কার জোরপূর্বক গণ-ধর্মান্তর এবং সেই সংক্রান্ত ইসলামি নৃশংসতার মধ্যে খুব সহজেই খুঁজে পাওয়া যায়। পৌরাণিক যুগে ভগবান পরশুরামের দ্বারা কেরালা ভূমি পুনরুদ্ধারের পর থেকে সেখানকার হিন্দুরা আর কখনো এত বড় ধরণের ধ্বংসযজ্ঞ এবং অমানবিক অত্যাচারের সম্মুখীন হয়েছিল কি না, তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। সেই সময় হাজার হাজার হিন্দুকে জোরপূর্বক মোহামেডান ধর্মে ধর্মান্তরিত করা হয়েছিল।" **কে. মাধব নায়ার, তার বিখ্যাত গ্রন্থ, মালাবার কালাপাম (মাপ্পিলা আউটরেজ) পৃষ্ঠা ১৪। গোয়েল এস.আর. (সম্পাদনা) টিপু সুলতান: ভিলিয়ান অর হিরো? : অ্যান অ্যান্থলজি (১৯৯৩)। <hr width="50%"/> ==== স্যার সি. সংকরন নায়ার, গান্ধী অ্যান্ড এনার্কি ==== :স্যার সি. সংকরন নায়ার, গান্ধী অ্যান্ড এনার্কি, ট্যাগোর অ্যান্ড কোম্পানি, মাদ্রাজ, ১৯২২। জে. সাই দীপক রচিত ইন্ডিয়া, ভারত অ্যান্ড পাকিস্তান - দ্য কনস্টিটিউশনাল জার্নি অব আ স্যান্ডউইচড সিভিলাইজেশন, ২০২২ * নারীর ওপর চালানো চরম বর্বরতার কথা বললে, ইতিহাসের পাতায় মালাবার বিদ্রোহের সমতুল্য আর কোনো ঘটনার কথা আমার মনে পড়ে না। ** সি. সংকরন নায়ার, [https://www.gutenberg.org/files/52903/52903-h/52903-h.htm ''গান্ধী অ্যান্ড এনার্কি''] (১৯২২), ট্যাগোর অ্যান্ড কোম্পানি, মাদ্রাজ, পৃষ্ঠা ৪৫। * সংকরন নায়ার উল্লেখ করেছেন যে, এই নিবন্ধগুলোতে উল্লিখিত নির্যাতনের ধরণগুলো ছাড়াও পুরুষদের ক্ষেত্রে আরও দুই ধরণের নির্যাতনের খবর নির্ভরযোগ্যভাবে পাওয়া গেছে; সেগুলো হলো জীবন্ত অবস্থায় চামড়া ছাড়িয়ে নেওয়া এবং হত্যার ঠিক আগে তাদের দিয়ে নিজেদের কবর নিজেদেরই খনন করানো। **সংকরন নায়ার, গান্ধী অ্যান্ড এনার্কি, ৪০, আর সি মজুমদার রচিত হিস্ট্রি অব দ্য ফ্রিডম মুভমেন্ট ইন ইন্ডিয়া ভলিউম ৩ (১৯১ এবং পরবর্তী পৃষ্ঠা) * কালিকট, ৭ সেপ্টেম্বর — আমার প্রথম নিবন্ধে আমি এই সাম্প্রতিক অভ্যুত্থানের প্রধান কারণগুলো নিয়ে আলোচনা করেছিলাম। সেখানে আমি উল্লেখ করেছিলাম মালাবারে খেলাফত এবং অসহযোগ আন্দোলনের নেতাদের বিপজ্জনক কৌশলের কথা, যা পুরো এরনাড এবং ভাল্লুভানাদ অঞ্চলে দাউদাউ করে আগুন জ্বালিয়ে দিয়েছিল। সেই সাথে মোপলা বিদ্রোহীদের লুটতরাজ, হত্যাকাণ্ড এবং জোরপূর্বক ধর্মান্তরের বিস্তৃতি নিয়েও আমি লিখেছিলাম। এই নিবন্ধে আমি কেবল তাদের দ্বারা পরিচালিত নৃশংসতার প্রকৃতি এবং অন্যান্য বিস্তারিত বিষয়ে নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখতে চাই। <br>আমি এখন যেসব অভিজ্ঞতার কথা বর্ণনা করতে যাচ্ছি, তা সাধারণ কাণ্ডজ্ঞানসম্পন্ন যেকোনো হিন্দুকেই সন্তুষ্ট করবে যে, মোপলারা অত্যন্ত ঘৃণ্য এক ধরণের ধর্মান্ধ উন্মাদনার আশ্রয় নিয়েছিল। একে স্বার্থপরতা, অর্থের লালসা এবং ক্ষমতার লোভ ছাড়া আর কিছুই বলা যায় না, যেগুলো এই সাম্প্রতিক অভ্যুত্থানের প্রধান বৈশিষ্ট্য। শরণার্থীরা বর্ণনা করেছেন যে, তরুণ এবং সুন্দরী নায়ার এবং অন্যান্য উচ্চবর্ণের মেয়েদের তাদের বাবা-মা ও স্বামীদের কাছ থেকে জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেওয়ার পর মোপলা বিদ্রোহীরা তাদের পোশাক কেড়ে নেয়। তারা মেয়েদের উলঙ্গ অবস্থায় তাদের সামনে হাঁটতে বাধ্য করে এবং সবশেষে তারা তাদের ওপর ধর্ষণ করে। কিছু ক্ষেত্রে দেখা গেছে যে, মানবিক অনুভূতি বিসর্জন দিয়ে পশুর মতো লালসায় অন্ধ হয়ে মোপলারা কেবল একজন নারীকে এক ডজন বা তারও বেশি পুরুষের শারীরিক আনন্দ মেটানোর জন্য ব্যবহার করেছে। বিদ্রোহীরা সুন্দরী হিন্দু নারীদের বন্দি করে জোরপূর্বক তাদের ধর্মান্তরিত করেছে এবং মোপলাদের চিরাচরিত কায়দায় সেই নারীদের কানে ছিদ্র করে তাদের মোপলা নারীদের মতো পোশাক পরিয়ে অস্থায়ী জীবনসঙ্গিনী হিসেবে ব্যবহার করেছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। হিন্দু নারীদের ভয় দেখানো হয়েছে, লাঞ্ছিত করা হয়েছে এবং তাদের বন্য প্রাণীতে ভরা জঙ্গলে অর্ধউলঙ্গ অবস্থায় আশ্রয়ের জন্য দৌড়াতে বাধ্য করা হয়েছে। সম্মানিত হিন্দু ভদ্রলোকদের জোর করে ধর্মান্তরিত করা হয়েছে এবং নির্দিষ্ট কিছু মুসালিয়ার ও থাঙ্গালদের সাহায্যে তাদের সুন্নতে খতনা করানো হয়েছে। হিন্দু বাড়িঘর লুট করা হয়েছে এবং সেগুলোতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই সব নৃশংসতা কি হিন্দু-মুসলিম ‘ঐক্যের’ এক কলঙ্কময় চিত্র হিসেবে টিকে থাকবে না, যে ঐক্যের কথা আমরা অসহযোগ আন্দোলনকারী এবং খেলাফতপন্থীদের কাছ থেকে অনেক বেশি শুনেছি? একদল লম্পট মোপলার মধ্যে একদল হিন্দু তরুণীকে উলঙ্গ অবস্থায় হাঁটতে বাধ্য করার সেই বীভৎস দৃশ্য কোনো আত্মমর্যাদাশীল হিন্দুই ভুলতে পারবেন না এবং এটি কখনোই তাদের মন থেকে মুছে ফেলা সম্ভব নয়। অন্যদিকে, আমি কখনো শুনিনি যে কোনো মোপলা বিদ্রোহী কোনো মোপলা নারীর সম্মানহানি করেছে। **টাইমস অফ ইন্ডিয়া,সংকরন নায়ারের লেখা ‘ডায়াবোলিক্যাল অ্যাট্রোসিটিস’ শীর্ষক একটি নিবন্ধের অংশ: স্যার সি. সংকরন নায়ার, গান্ধী অ্যান্ড এনার্কি, ট্যাগোর অ্যান্ড কোম্পানি, মাদ্রাজ, ১৯২২, পৃষ্ঠা ১৩০–১৩১। * হিন্দুদের পরিকল্পিতভাবে হত্যা এবং অগ্নিসংযোগের ঘটনাটি আমার নিজের এলাকাতেই প্রথম শুরু করেছিলেন চেমব্রাসেরি থাঙ্গাল এবং তাঁর সহকারী অন্য এক থাঙ্গাল। গতবার আপনাকে পাঠানো মালাবার জার্নালে আমার লেখা বিবরণগুলো হয়তো আপনি পড়েছেন। এই সংক্রমণটি দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়তে শুরু করেছিল এবং আমরা প্রতিদিন হত্যাকাণ্ডের খবর শুনতে পাচ্ছিলাম। দুই সপ্তাহের মধ্যে হিন্দুদের ঠান্ডা মাথায় খুন করাটা খুব সাধারণ ঘটনায় পরিণত হয়েছিল। কালিকট এবং এরনাড তালুকের সীমানার ভেতর থেকে বিদ্রোহীরা যে সব হত্যাকাণ্ড এবং নৃশংসতা চালিয়েছে, তার বর্ণনা নিয়ে প্রচুর পরিমাণে শরণার্থীরা আসতে শুরু করেছেন। কালিকট থেকে মাত্র ১২ মাইল উত্তর-পূর্বে এরনাডের পুথুর আমসন-এ এক ঘটনা ঘটেছিল। একদিন প্রকাশ্য দিবালোকে পঁচিশ জন মানুষকে কুপিয়ে একটি কুয়োর ভেতর ফেলে দেওয়া হয়েছিল কারণ তারা ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতে রাজি হননি। তাদের মধ্যে একজন কোনোমতে নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে বেঁচে ফেরেন এবং বিদ্রোহীরা সেই জায়গা ছেড়ে চলে যাওয়ার পর তিনি কুয়ো থেকে উঠে প্রাণ বাঁচাতে কালিকটে পালিয়ে আসেন। তিনি এখন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। যেহেতু তিনি নিজেই একজন ভুক্তভোগী ছিলেন, তাই তাঁর দেওয়া এই বিবরণ অবশ্যই সত্য। <br>গত সপ্তাহে অন্য একটি এলাকা থেকেও অসংখ্য হত্যাকাণ্ড এবং জোরপূর্বক ধর্মান্তরের খবর এসেছে, যা এরনাড তালুকের আরিয়াল্লুরের কাছে মান্নুর এবং কাদালুন্ডি রেলওয়ে স্টেশনে ঘটেছে। এই জায়গাটিও কালিকট থেকে মাত্র ১৪ মাইল দূরে। গত সপ্তাহে প্রতিটি ট্রেনেই প্রতিদিন শত শত শরণার্থী কালিকটে আসছিলেন। গত সপ্তাহে যদি ত্রাণ কমিটি ১০ হাজার শরণার্থীকে খাবার দিয়ে থাকে, তবে এই সপ্তাহে ১৫ হাজার মানুষকে খাওয়াতে হয়েছে। তাদের দেওয়া বয়ান অনুযায়ী সেখানে অন্তত ৫০টি হত্যাকাণ্ড এবং প্রচুর পরিমাণে ধর্মান্তর ও ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। শিশু এবং অন্তঃসত্ত্বা নারীদের হত্যার চেয়ে আরও বীভৎস এবং অমানবিক অপরাধ কি আপনি কল্পনা করতে পারেন? দুই দিন আগে আমার কালিকটের এক শরণার্থীর দেওয়া প্রতিবেদন পড়ার সুযোগ হয়েছিল। সাত মাসের এক অন্তঃসত্ত্বা মহিলাকে একজন বিদ্রোহী পেট চিরে হত্যা করেছিল এবং সেই মৃত মহিলাকে রাস্তার ধারে পড়ে থাকতে দেখা গিয়েছিল, যার গর্ভ থেকে মৃত শিশুটি বাইরে বেরিয়ে আসছিল। কী ভয়ানক দৃশ্য! আরও একটি ঘটনা শুনুন—ছয় মাসের একটি শিশুকে তার মায়ের কোল থেকে ছিনিয়ে নিয়ে দু-টুকরো করে কেটে ফেলা হয়েছিল। কতই না হৃদয়বিদারক! এই বিদ্রোহীরা কি মানুষ নাকি দানব? একই এলাকা থেকে প্রচুর পরিমাণে জোরপূর্বক ধর্মান্তরের খবর পাওয়া গেছে। একজন শরণার্থী জবানবন্দি দিয়েছেন যে, তিনি নিজের চোখে দেখেছেন এক ডজন মানুষের মাথা বিদ্রোহীরা ন্যাড়া করে দিচ্ছে এবং এরপর তাদের কোরআন থেকে কিছু অংশ পাঠ করতে বলা হচ্ছে। এই দৃশ্য তিনি একটি গাছের ওপর বসে দেখেছিলেন। আমি অবাক হই যে কিছু মানুষ কোন সাহসে হিন্দুদের এই হত্যাকাণ্ড এবং জোরপূর্বক ধর্মান্তরের খবরগুলোকে অস্বীকার করেন। তারা এখানে আসুক এবং নিজেরাই এই বিবরণগুলোর সত্যতা যাচাই করে দেখুক। <br>গতকাল কোট্টাকালের খুব কাছের একটি জায়গা থেকে আরও কিছু হত্যাকাণ্ডের খবর এসেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে বিদ্রোহীরা ১১ জন হিন্দুকে (পুরুষ ও নারী) হত্যা করেছে। <br>দুই সপ্তাহ আগে পেরিনথালমান্না এবং মেলাতুরের মধ্যবর্তী রাস্তার একটি কালভার্টের নিচে ১৫ জন হিন্দুর মৃতদেহ পাওয়া গিয়েছিল। এই সব হত্যাকাণ্ডের গল্প শুনতে শুনতে কি আপনি অসুস্থ বোধ করবেন না? এই সব প্রতিবেদনগুলো যতটা সম্ভব সত্য বলে প্রমাণিত হয়েছে। <br>চেমব্রাসেরি থাঙ্গালের অধীনে বিদ্রোহীদের দ্বারা সংঘটিত একটি ধর্ষণের ঘটনার কথা যখন জানতে পারলাম, তখন আমার মনে যে তীব্র ঘৃণা ও ক্ষোভের জন্ম হয়েছিল তা প্রকাশ করার মতো ভাষা আমার কাছে নেই। মেলাতুরের এক সম্ভ্রান্ত নায়ার মহিলাকে বিদ্রোহীরা তাঁর স্বামী এবং ভাইদের সামনেই বিবস্ত্র করেছিল, যাদের হাত পেছন থেকে বেঁধে কাছেই দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছিল। যখন তারা ঘৃণায় চোখ বন্ধ করেছিলেন, তখন তাদের তলোয়ারের মুখে চোখ খুলতে বাধ্য করা হয়েছিল এবং তাদের সামনেই সেই পশুর দ্বারা সংঘটিত ধর্ষণের দৃশ্যটি দেখতে বাধ্য করা হয়েছিল। এই ধরণের নীচ কাজের কথা লিখতে গিয়েও আমার ঘৃণা বোধ হচ্ছে। আমি ঈশ্বরকে ধন্যবাদ জানাই যে আমার পরিবার এবং আত্মীয়রা তাদের মান-সম্মান না হারিয়েই নিরাপদে কালিকটে পৌঁছাতে পেরেছিলেন, যদিও আমাদের সহায়-সম্পত্তির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে এবং চারটি প্রাণ (দুজন ভৃত্য এবং দুজন আত্মীয়—পরবর্তীতে বিস্তারিত বলব) হারিয়েছি। ধর্ষণের এই ঘটনাটি ওই মহিলার এক ভাই আমাকে গোপনে জানিয়েছিলেন। এমন আরও অনেক নীচ নৃশংসতার ঘটনা রয়েছে যা মানুষ লোকলজ্জার ভয়ে প্রকাশ করে না। **৬ ডিসেম্বর ১৯২১ তারিখের নিউ ইন্ডিয়ায় প্রকাশিত অংশ:৭৪ স্যার সি. সংকরন নায়ার, গান্ধী অ্যান্ড এনার্কি, ট্যাগোর অ্যান্ড কোম্পানি, মাদ্রাজ, ১৯২২, পৃষ্ঠা ১৩৫ এবং পরবর্তী পৃষ্ঠা * হিন্দু-মুসলিম ঐক্য কিংবা স্বরাজের চেয়েও সত্যের গুরুত্ব অসীম এবং অনেক বেশি। তাই আমরা মাওলানা সাহেব ও তাঁর ধর্মীয় অনুসারীদের এবং ভারতের শ্রদ্ধেয় নেতা মহাত্মা গান্ধীকে—যদি তিনিও এখানকার ঘটনাবলী সম্পর্কে অবগত না থাকেন—বলতে চাই যে, হিন্দুদের ওপর মোপলাদের চালানো এই নৃশংসতাগুলো দুর্ভাগ্যবশত ধ্রুব সত্য। মোপলা বিদ্রোহীদের কর্মকাণ্ডের মধ্যে এমন কিছুই নেই যার জন্য একজন প্রকৃত অহিংস অসহযোগ আন্দোলনকারী তাদের অভিনন্দন জানাতে পারেন। ঠিক কোন জিনিসের জন্য তারা অভিনন্দনের যোগ্য? হিন্দুদের ওপর তাদের খামখেয়ালি এবং বিনাপ্ররোচনায় আক্রমণ; এরনাড এবং ভাল্লুভানাদ, পোন্নানি ও কালিকট তালুকগুলোর কিছু অংশে তাদের ঘরবাড়িতে প্রায় পাইকারি হারে লুটতরাজ; বিদ্রোহের শুরুতে কয়েকটি জায়গায় হিন্দুদের জোরপূর্বক ধর্মান্তরকরণ এবং পরবর্তী পর্যায়ে যারা নিজেদের বাড়িতে অবস্থান করছিল তাদের ব্যাপকভাবে ধর্মান্তরকরণ; নিরীহ হিন্দু পুরুষ, নারী ও শিশুদের কোনো কারণ ছাড়াই ঠান্ডা মাথায় নৃশংসভাবে হত্যা করা, যার একমাত্র কারণ ছিল তারা ‘কাফের’ অথবা তারা সেই পুলিশের একই জাতির অন্তর্ভুক্ত যারা তাদের থাঙ্গালদের অপমান করেছিল বা তাদের মসজিদে প্রবেশ করেছিল; হিন্দু মন্দিরগুলোর অপবিত্রকরণ ও সেগুলো পুড়িয়ে দেওয়া; মোপলাদের দ্বারা হিন্দু নারীদের ওপর নির্যাতন এবং তাদের জোরপূর্বক ধর্মান্তরকরণ ও বিবাহ—এই এবং এই ধরণের নৃশংসতাগুলো কি কোনো অভিনন্দনের যোগ্য, যা আমাদের দ্বারা রেকর্ড করা বেঁচে যাওয়া ভুক্তভোগীদের জবানবন্দিতে কোনো প্রকার সন্দেহের অবকাশ ছাড়াই প্রমাণিত হয়েছে? উল্টো দিকে, এই সব ঘটনা কি সকল বিবেকবান মানুষের কাছ থেকে এবং বিশেষ করে খেলাফতের মতো মুসলমানদের একটি প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠনের কাছ থেকে তীব্র নিন্দার দাবি রাখে না, যারা সমস্ত প্ররোচনার মুখেও অহিংস থাকার অঙ্গীকার করেছিল? যারা এই ধরণের নৃশংসতা চালিয়েছিল, সেই সব মোপলারা কি তাদের ধর্মের জন্য জীবন উৎসর্গ করেছিল? **কেরালা কংগ্রেসের সদস্যদের পক্ষ থেকে গান্ধীর কাছে পাঠানো একটি যৌথ চিঠির অংশ: স্যার সি. সংকরন নায়ার, গান্ধী অ্যান্ড এনার্কি, ট্যাগোর অ্যান্ড কোম্পানি, মাদ্রাজ, ১৯২২, পৃষ্ঠা ১৩৭ এবং পরবর্তী পৃষ্ঠা * ভদ্রমহোদয়গণ, আমি এইমাত্র হিন্দু-মুসলিম সমঝোতার একটি প্রয়োজনীয় শর্ত হিসেবে উল্লেখ করেছি যে, আমাদের মাঝে যেন তৃতীয় পক্ষ অর্থাৎ ইংরেজদের হস্তক্ষেপ করতে দেওয়া না হয়। অন্যথায় আমাদের সমস্ত কিছু বিশৃঙ্খলার মধ্যে পড়বে। এর সবথেকে ভালো উদাহরণ আপনাদের সামনে মোপলা ঘটনার আকারে বিদ্যমান রয়েছে। আপনারা সম্ভবত অবগত আছেন যে, হিন্দু ভারতের মোপলাদের বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ রয়েছে এবং আমাদের সবার বিরুদ্ধে পরোক্ষ অভিযোগ রয়েছে যে, মোপলারা তাঁদের নিরীহ হিন্দু প্রতিবেশীদের লুটপাট ও ক্ষতিগ্রস্ত করছে। কিন্তু সম্ভবত আপনারা এটি জানেন না যে, মোপলারা তাঁদের এই কাজকে এই যুক্তিতে সমর্থন করে যে—এই ধরণের একটি সংকটময় মুহূর্তে যখন তারা ইংরেজদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত, তখন তাঁদের প্রতিবেশীরা কেবল তাঁদের সাহায্যই করছে না বা নিরপেক্ষ থাকছে না, বরং তারা প্রতিটি সম্ভাব্য উপায়ে ইংরেজদের সাহায্য ও সহযোগিতা করছে। তারা অবশ্যই যুক্তি দিতে পারে যে, যখন তারা তাঁদের ধর্মের জন্য একটি আত্মরক্ষামূলক যুদ্ধে লিপ্ত এবং নিজেদের ঘরবাড়ি ও সহায়-সম্পত্তি ছেড়ে পাহাড় ও জঙ্গলে আশ্রয় নিয়েছে, তখন ইংরেজদের কাছ থেকে অথবা তাঁদের সমর্থকদের কাছ থেকে নিজেদের সৈন্যদের জন্য অর্থ, খাদ্যসামগ্রী এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিস সংগ্রহ করাকে লুটপাট হিসেবে অভিহিত করা অনুচিত। উভয় পক্ষই তাঁদের অভিযোগে সঠিক; কিন্তু আমার অনুসন্ধান অনুযায়ী, এই পারস্পরিক দোষারোপের কারণ তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপের মধ্যেই খুঁজে পাওয়া যায়। এটি এভাবে ঘটে: যখনই কোনো ইংরেজ বাহিনী হঠাৎ করে কোনো এলাকায় উপস্থিত হয় এবং সেই জায়গার মোপলা বাসিন্দাদের হত্যা বা বন্দি করে, তখন কোনোভাবে আশেপাশের এলাকায় গুজব ছড়িয়ে পড়ে যে সেই জায়গার হিন্দু বাসিন্দারা তাঁদের নিরাপত্তার জন্য ইংরেজ বাহিনীকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল। এর ফলে ইংরেজ বাহিনী চলে যাওয়ার পর পার্শ্ববর্তী মোপলারা প্রতিশোধ নিতে দ্বিধা করে না এবং হিন্দুদের অর্থ ও অন্যান্য জিনিসপত্রকে শত্রুদের সাহায্যকারীদের কাছ থেকে নেওয়া বৈধ যুদ্ধের মালামাল হিসেবে গণ্য করে। যেখানে এ ধরণের কোনো ঘটনা ঘটেনি, সেখানে মোপলারা এবং হিন্দুরা আজও পাশাপাশি শান্তিতে বসবাস করছে; মোপলারা হিন্দুদের বিরুদ্ধে কোনো বাড়াবাড়ি করছে না, আর হিন্দুরাও তাঁদের সাধ্যমতো মোপলাদের সাহায্য করতে দ্বিধা করছে না। **১৯২২ সালের মুসলিম লীগের বার্ষিক অধিবেশনে মোপলা তাণ্ডবের বিষয়ে মাওলানা মোহানির বিবৃতি। জে. সাই দীপক রচিত ইন্ডিয়া, ভারত অ্যান্ড পাকিস্তান - দ্য কনস্টিটিউশনাল জার্নি অব আ স্যান্ডউইচড সিভিলাইজেশন, ২০২২ * মাওলানা মোহানি মোপলাদের দ্বারা হিন্দুদের লুটতরাজ করাকে বৈধ বলে সমর্থন করেছেন এই যুক্তিতে যে, এটি সরকার ও বিদ্রোহীদের মধ্যে চলা যুদ্ধে রসদ সংগ্রহের একটি অংশ ছিল অথবা যখন মোপলারা জঙ্গলে বাস করতে বাধ্য হচ্ছিল তখন এটি তাঁদের প্রয়োজনীয়তার বিষয় ছিল। মাওলানা হয়তো জানেন না যে, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এরনাড, ভাল্লুভানাদ এবং পোন্নানি তালুকের বিভিন্ন অংশে হিন্দুদের ঘরবাড়িতে পাইকারি হারে লুটতরাজ চালানো হয়েছিল ২১শে, ২২শে এবং ২৩শে আগস্ট তারিখে। সেই সময় বিদ্রোহীদের গ্রেফতার করতে বা তাঁদের সাথে যুদ্ধ করতে প্রভাবিত এলাকায় কোনো সামরিক বাহিনী এসে পৌঁছায়নি; এমনকি সামরিক আইন জারির আগেই এই সব ঘটে গিয়েছিল। মাওলানা যেমনটা ভাবছেন, সেই সময় মোপলারা জঙ্গলে আশ্রয় নেয়নি এবং হিন্দুরা জাতিগতভাবে তাঁদের প্রতি কোনো শত্রুতা করার মতো কিছুই করেনি। বিদ্রোহ শুরু হয়েছিল ২০শে আগস্ট; পুলিশ এবং ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেট ২১শে আগস্ট তিরুরাঙ্গাড়ি থেকে কালিকটে চলে যান এবং আক্রান্ত এলাকা জুড়ে পুলিশ সদস্যরা পালিয়ে যান। সেই সময় মোপলাদের সামনে এমন কোনো প্রতিপক্ষ ছিল না যাদের হিন্দুরা সম্ভবত সাহায্য করতে পারত বা আমন্ত্রণ জানাতে পারত। তাই তাঁদের ওপর এই আক্রমণ ছিল অত্যন্ত খামখেয়ালি এবং বিনাপ্ররোচনায়। **হিন্দুদের ওপর মোপলাদের এই আক্রমণের সপক্ষে দেওয়া যুক্তির জবাবে কালিকট থেকে কংগ্রেসের মাধবন নায়ার এভাবে উত্তর দিয়েছিলেন: স্যার সি. সংকরন নায়ার, গান্ধী অ্যান্ড এনার্কি, ট্যাগোর অ্যান্ড কোম্পানি, মাদ্রাজ, ১৯২২, পৃষ্ঠা ১৩৮ এবং পরবর্তী পৃষ্ঠা। জে. সাই দীপক রচিত ইন্ডিয়া, ভারত অ্যান্ড পাকিস্তান - দ্য কনস্টিটিউশনাল জার্নি অব আ স্যান্ডউইচড সিভিলাইজেশন, ২০২২ * মালাবারের হিন্দু ও খ্রিস্টানদের ওপর মোপলাদের চালানো নৃশংসতার ঘটনাগুলোকে অস্বীকার করার নিন্দা জানিয়ে ১৯২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে কালিকটের জামোরিনের উদ্যোগে আয়োজিত এক সম্মেলনে নিচের প্রস্তাবটি পাস করা হয়েছিল:<br> ৬ষ্ঠ। এই সম্মেলন অত্যন্ত ক্ষোভ ও দুঃখের সাথে সেই সব প্রচেষ্টাকে দেখছে যা বিভিন্ন স্বার্থান্বেষী মহলের পক্ষ থেকে বিদ্রোহীদের দ্বারা সংঘটিত অপরাধগুলোকে উপেক্ষা করতে বা লঘু করে দেখাতে করা হচ্ছে। যেমন: (ক) নারীদের নির্মমভাবে অপমানিত করা; (খ) জীবন্ত মানুষের চামড়া ছাড়িয়ে নেওয়া; (গ) পুরুষ, নারী এবং শিশুদের নির্বিচারে পাইকারি হারে হত্যা করা; (ঘ) পুরো পরিবারকে জীবন্ত পুড়িয়ে মারা; (ঙ) হাজার হাজার মানুষকে জোরপূর্বক ধর্মান্তরিত করা এবং যারা ধর্মান্তর হতে অস্বীকার করেছে তাঁদের হত্যা করা; (চ) আধমরা মানুষকে কুয়োর ভেতর ফেলে দেওয়া এবং ভুক্তভোগীদের কয়েক ঘণ্টা ধরে বাঁচার জন্য লড়াই করতে ছেড়ে দেওয়া যতক্ষণ না মৃত্যুর মাধ্যমে তাঁদের যন্ত্রণার অবসান ঘটে; (ছ) অশান্ত এলাকার প্রায় সমস্ত হিন্দু ও খ্রিস্টানদের ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া এবং লুটতরাজ চালানো যেখানে এমনকি মোপলা নারী ও শিশুরাও অংশ নিয়েছিল এবং মহিলাদের শরীরের পোশাক পর্যন্ত কেড়ে নেওয়া হয়েছিল—এক কথায় সমস্ত অমুসলিম জনগোষ্ঠীকে চরম নিঃস্ব অবস্থায় পরিণত করা হয়েছিল; (জ) অশান্ত এলাকায় অসংখ্য মন্দির অপবিত্র ও ধ্বংস করার মাধ্যমে হিন্দুদের ধর্মীয় অনুভূতিতে নিষ্ঠুরভাবে আঘাত করা, মন্দিরের সীমানার ভেতর গরু জবাই করা—তাঁদের নাড়িভুঁড়ি পবিত্র মূর্তির ওপর রাখা এবং দেয়াল ও ছাদে মাথার খুলি ঝুলিয়ে রাখা। **স্যার সি. সংকরন নায়ার, গান্ধী অ্যান্ড এনার্কি, ট্যাগোর অ্যান্ড কোম্পানি, মাদ্রাজ, ১৯২২, পৃষ্ঠা ১৩৮ এবং পরবর্তী পৃষ্ঠা * এটি বিশ্বাস করা অসম্ভব যে গান্ধী এবং তাঁর অনুসারীরা জানেন না যে, মুসলমানদের এই দাবি—কেবলমাত্র কোরআনের আইন অনুযায়ী তাঁদের বিচার করার দাবি—হলো সমস্ত ধরণের খেলাফত দাবির মূল উৎস। এই বিষয়ে পরিষ্কার থাকা ভালো, কারণ এই দাবিটি মেনে নেওয়ার অর্থ কেবল ব্রিটিশ সাম্রাজ্য বা ভারত-ব্রিটিশ কমনওয়েলথ (আমরা যে মহান জাতিগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত তাকে যে নামেই ডাকি না কেন) এর জন্য মৃত্যুর ঘণ্টা বাজানোই নয়, বরং নির্দিষ্টভাবে ভারতের ক্ষেত্রে এর অর্থ হলো স্বরাজের প্রকৃত অস্বীকার। কারণ এটি হয় মোহামেডান শাসন ও হিন্দুদের বশ্যতা অথবা হিন্দু শাসন ও মোহামেডানদের বশ্যতাকে অন্তর্ভুক্ত করে। এই বিষয়ে কোনো ভুল বা লুকোচুরি থাকা উচিত নয়। হিন্দুরা হিন্দু-মুসলিম ঐক্য বলতে যা-ই বুঝুক না কেন—আর আমি বিশ্বাস করি তারা প্রকৃত সাম্যই বোঝে—এবং আরও বেশি শিক্ষিত মুসলমানরা যা-ই বুঝুক না কেন, মোহাম্মদ আলী, শওকত আলী এবং তাঁদের অনুসারীরা কেবল এবং নিছক একজন মুসলমান শাসনই বোঝেন। যদিও তারা অবশ্যই বিষয়টিকে সরাসরি প্রকাশ না করার মতো যথেষ্ট চতুর যতক্ষণ না সঠিক সময় আসছে। বলার অপেক্ষা রাখে না যে, তারা প্রতিবাদ করে দাবি করেন তারা কোনো পরোক্ষ উদ্দেশ্য বা সাম্প্রদায়িক চেতনা দ্বারা চালিত নন, বরং হিন্দু ভাইদের প্রতি কেবল ভালোবাসা ও সদিচ্ছা পোষণ করেন। কিন্তু আমাদের মধ্যে কেউ কেউ আছেন যারা এই সব অনিষ্টকারী এবং ক্ষতিকারক প্রবঞ্চনায় ধরা পড়ার মতো যথেষ্ট অভিজ্ঞ এবং আমাদের অবশ্যই তাঁদের সতর্ক করতে হবে যারা কম অভিজ্ঞ এবং সহজেই প্রতারিত হন। গান্ধীর অনুসরণকারী কিছু মানুষের উচ্চ চারিত্রিক গুণাবলী বিবেচনা করে আমি কেবল এটিই বিশ্বাস করতে পারি যে এই উপলব্ধি তাঁদের কাছে খুব দেরিতে এসেছিল যার ফলে তাঁদের পক্ষে আর ফিরে আসা সম্ভব হয়নি। করাচি ট্রায়ালে যেমনটা উল্লেখ করা হয়েছে, এই আন্দোলনগুলো প্রথমে নিরীহ মনে হলেও পরে বিপজ্জনক হয়ে ওঠে। **সি. সংকরন নায়ার, সি. সংকরন নায়ার, ৩৬ এবং পরবর্তী পৃষ্ঠা * ২৪শে এপ্রিল, এই মামলাগুলোর শুনানির আগের দিন রাতে আবারও একটি সভা ডাকা হয়েছিল যেখানে একজন শীর্ষস্থানীয় মোহামেডান নেতা নিচের কথাগুলো বলেছিলেন বলে জানা গেছে:— ‘তাঁদের অবশ্যই সরকার বা পুলিশকে ভয় পাওয়া উচিত নয় এবং স্বেচ্ছাসেবীরা তাঁদের বিরুদ্ধে আনা মামলাগুলো দেখে নেবে। ঈশ্বর যেন স্বেচ্ছাসেবীদের তাঁদের ধর্ম প্রচারের শক্তি দান করেন।’ পরের দিন ২৫শে এপ্রিল রেসিডেন্ট ম্যাজিস্ট্রেট মিস্টার থাকারের কাছে এই মামলাগুলোর মধ্যে বারোটির শুনানি শুরু হয়। এর ফলে ৬ জন স্বেচ্ছাসেবক দোষী সাব্যস্ত হন এবং তাঁদের প্রত্যেককে ৫০ টাকা করে জরিমানা করা হয় অথবা বিকল্প হিসেবে ৪ সপ্তাহের সাধারণ কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়। জরিমানা পরিশোধ করা হয়নি। ফলাফল জানার পর সেখানে জমা হওয়া জনতা ‘আল্লাহু আকবার’ চিৎকারের মাধ্যমে তাঁদের আবেগ প্রকাশ করে—এই যুদ্ধের চিৎকারটিই পুরো দাঙ্গা জুড়ে জনতা ব্যবহার করেছিল। তারা মালেগাঁও শহরে উপস্থিত সমস্ত পুলিশের ওপর চড়াও হয়, একটি মন্দির পুড়িয়ে দেয় এবং একজন পুলিশ সাব-ইন্সপেক্টরকে হত্যা করে। তিনিই একমাত্র ব্যক্তি ছিলেন না যাকে হত্যা করা হয়েছিল। তারা তাঁর মৃতদেহ আগুনে ছুড়ে ফেলে এবং যারা খেলাফত আন্দোলনের বিরোধিতা করেছিল তাঁদের সবার ঘরবাড়ি লুট করে নিয়ে যায়, কারণ এর মাঝেই মালিকরা সেখান থেকে পালিয়ে গিয়েছিলেন। এটি খেলাফত কমিটি এবং স্বেচ্ছাসেবীদের অনুসরণ করা ‘অহিংস’ পদ্ধতির প্রতিফলন ঘটায়। আমি উদাহরণের জন্য বারাবাঙ্কির (পরিশিষ্ট ১১) আরও একটি ঘটনা বিস্তারিত দিচ্ছি যা হয়তো এই আন্দোলনের সমর্থনকারী সহিংস ধর্মান্ধতাকে আরও শক্তিশালীভাবে প্রকাশ করে। এমন আরও অনেক উদাহরণ সহজেই দেওয়া যেতে পারে। **সি. সংকরন নায়ার, সি. সংকরন নায়ার, ৪১ <hr width ="50%"/> ==== দিওয়ান বাহাদুর সি. গোপালান নায়ার, দ্য মোপলা রেবেলিয়ন, ১৯২১ ==== :দিওয়ান বাহাদুর সি. গোপালান নায়ার, দ্য মোপলা রেবেলিয়ন, ১৯২১, নরম্যান প্রিন্টিং ব্যুরো, কালিকট, ১৯২৩। জে. সাই দীপক রচিত ইন্ডিয়া, ভারত অ্যান্ড পাকিস্তান - দ্য কনস্টিটিউশনাল জার্নি অব আ স্যান্ডউইচড সিভিলাইজেশন, ২০২২ *.. আইন অনুযায়ী এবং যথাযথভাবে বৈধ পরোয়ানা নিয়ে তল্লাশি ও গ্রেফতারের এই প্রচেষ্টা পুরো এরনাড, ওয়ালুভানাদ এবং পোন্নানি অঞ্চলে এক ধরণের ধর্মান্ধ উন্মাদনা ছড়িয়ে দেওয়ার সংকেত হিসেবে কাজ করেছিল। এই আক্রমণ প্রথমে ইউরোপীয় কর্মকর্তা ও অ-কর্মকর্তাদের ওপর এবং পরবর্তীতে হিন্দু জেনমি বা জমিদার ও অন্যান্যদের ওপর সরাসরি পরিচালিত হয়েছিল। সব জায়গাতেই সরকারি অফিসগুলো লুট করা হয়েছে, মানা (নাম্বুদিরি বাসভবন) এবং কোভিলাকামগুলোতে ব্যাপক লুটতরাজ চালানো হয়েছে, হিন্দুদের নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে অথবা জোরপূর্বক ধর্মান্তরিত করা হয়েছে। ঠিক কতদূর পর্যন্ত রেললাইন কাটা হয়েছে সে সম্পর্কে বর্তমানে সঠিক কোনো তথ্য নেই। **দিওয়ান বাহাদুর সি. গোপালান নায়ার, দ্য মোপলা রেবেলিয়ন, ১৯২১, নরম্যান প্রিন্টিং ব্যুরো, কালিকট, ১৯২৩, পৃষ্ঠা ২৮। *বিদ্রোহের সেই ঝড় প্রচণ্ড আক্রোশ ও প্রতিশোধের স্পৃহা নিয়ে আছড়ে পড়েছিল। বেসামরিক প্রশাসন পুরোপুরি স্থবির হয়ে পড়েছিল: বিদ্রোহ কবলিত এলাকার সাব-ট্রেজারিগুলো লুট করা হয়েছিল এবং কয়েক লক্ষ টাকা সেখান থেকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল: সরকারি ভবন ও গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল: মুন্সিফ, ম্যাজিস্ট্রেট এবং পুলিশ কর্মকর্তাদের নিরাপত্তার জন্য অন্যত্র আশ্রয় নিতে হয়েছিল: বিপুল বিদ্রোহী জনতার চাপে পুলিশ কর্মকর্তারা দিশেহারা হয়ে পড়েছিলেন এবং তারা তাঁদের অস্ত্র সমর্পণ করতে বাধ্য হয়েছিলেন: হিন্দু গ্রাম কর্মকর্তারা তাঁদের নিজ নিজ গ্রাম ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন: এবং শেষ পর্যন্ত শোরানুর ও কালিকটের মধ্যে ট্রেন চলাচল এক সপ্তাহের জন্য পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। হত্যাকাণ্ড, ডাকাতি, জোরপূর্বক ধর্মান্তর এবং হিন্দু নারীদের ওপর অকথ্য নির্যাতন প্রতিদিনকার সাধারণ ঘটনায় পরিণত হয়েছিল। হাজার হাজার হিন্দু শরণার্থী কালিকট, পালঘাট, কোচিন রাজ্য এবং অন্যান্য জায়গায় ভিড় জমিয়েছিল; মোপলাদের লালসা ও বর্বরতা থেকে বাঁচতে তারা পাহাড় ও জঙ্গলের মধ্য দিয়ে ক্লান্ত পায়ে অত্যন্ত কষ্টে নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে পথ চলেছিল। **দিওয়ান বাহাদুর সি. গোপালান নায়ার, দ্য মোপলা রেবেলিয়ন, ১৯২১, নরম্যান প্রিন্টিং ব্যুরো, কালিকট, ১৯২৩, পৃষ্ঠা ২৮ এবং পরবর্তী পৃষ্ঠা *৩১শে আগস্ট আলী মুসালিয়ারের গ্রেফতারের মধ্য দিয়ে এই নাটকের প্রথম অঙ্কের সমাপ্তি ঘটে। ২০ থেকে ৩১ তারিখ পর্যন্ত এই দশ দিন হিন্দু মালাবার মোপলা বিদ্রোহীদের পায়ের নিচে সম্পূর্ণ অসহায় অবস্থায় পড়ে ছিল: এটি ছিল প্রতিটি হিন্দু পরিবারের জন্য এক চরম দুঃখ ও কষ্টের কাহিনী: এটি ছিল প্রতিটি সরকারি ভবন এবং প্রতিটি মন্দিরের ধ্বংসযজ্ঞের ইতিহাস: যখনই সম্ভব হয়েছে ইউরোপীয়দের হত্যা করা হয়েছে এবং ২৮ তারিখের আগে পরিস্থিতি সামলানোর জন্য পর্যাপ্ত সরকারি বাহিনী পাওয়া যায়নি। এর মধ্যে একমাত্র আশার আলো ছিল পুকোত্তুর যুদ্ধ, যার প্রত্যক্ষ প্রভাবে এরনাডের হিন্দুরা নিশ্চিত ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছিল। এটি আগে থেকেই ঠিক করা হয়েছিল যে, ২৬শে আগস্ট শুক্রবার জুমার নামাজের পর মঞ্জেরি ও পাশের গ্রামগুলোর সমস্ত হিন্দুকে জোর করে মসজিদে নিয়ে আসা হবে এবং তাঁদের ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত করা হবে: নবদীক্ষিতদের মধ্যে বিতরণের জন্য টুপি, পোশাক এবং জ্যাকেট সব তৈরি রাখা হয়েছিল, কিন্তু পুকোত্তুর যুদ্ধের ফলে পাইকারি হারে এই ধর্মান্তরকরণের সেই পরিকল্পনা সেই সময়ের মতো ত্যাগ করতে হয়েছিল। **দিওয়ান বাহাদুর সি. গোপালান নায়ার, দ্য মোপলা রেবেলিয়ন, ১৯২১, নরম্যান প্রিন্টিং ব্যুরো, কালিকট, ১৯২৩, পৃষ্ঠা ৩৭ *অন্য যে থাঙ্গাল কুখ্যাতি অর্জন করেছিলেন তিনি হলেন চেমব্রাসেরি ইম্বিচি কোয়া থাঙ্গাল। তিনি আশেপাশের গ্রামের প্রায় ৪০০০ অনুসারী নিয়ে একটি ন্যাড়া পাহাড়ের ঢালে থুভুর এবং কারুভারাকুণ্ডুর মাঝামাঝি জায়গায় তাঁর আদালত পরিচালনা করতেন। ৪০ জনেরও বেশি হিন্দুকে হাত পেছন দিকে বেঁধে থাঙ্গালের কাছে নিয়ে আসা হয়েছিল, যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল তারা দুধ, ডাব ইত্যাদি সরবরাহ করে সামরিক বাহিনীকে সাহায্য করছে। এই হিন্দুদের মধ্যে ৩৮ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। তিনি নিজে এই হত্যাকাণ্ডের কাজ সশরীরে তদারকি করেছিলেন এবং একটি কুয়োর কাছের পাথরে বসে দেখেছিলেন কীভাবে তাঁর লোকেরা ভুক্তভোগীদের ঘাড় কাটছে এবং দেহগুলো কুয়োর ভেতরে ঠেলে দিচ্ছে। ৩৮ জন মানুষকে সেখানে হত্যা করা হয়েছিল, যাদের মধ্যে একজন ছিলেন পেনশনভোগী হেড কনস্টেবল যাঁর প্রতি থাঙ্গালের ব্যক্তিগত ক্ষোভ ছিল—সেই ব্যক্তির মাথাটি নিপুণভাবে কেটে দুই ভাগে ভাগ করে ফেলা হয়েছিল। থাঙ্গাল মেলাতুরে আত্মসমর্পণ করেন, তাঁর বিচার সামরিক আদালতে করা হয় এবং তাঁকে গুলি করে মারার আদেশ দেওয়া হয়। সেই অনুযায়ী ২০শে জানুয়ারি ১৯২২ সালে তাঁকে গুলি করা হয়। **দিওয়ান বাহাদুর সি. গোপালান নায়ার, দ্য মোপলা রেবেলিয়ন, ১৯২১, নরম্যান প্রিন্টিং ব্যুরো, কালিকট, ১৯২৩, পৃষ্ঠা ৭৯ এবং পরবর্তী পৃষ্ঠা *৪০ জনেরও বেশি হিন্দুকে হাত পেছন দিকে বেঁধে থাঙ্গালের কাছে নিয়ে আসা হয়েছিল, যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল তারা দুধ, ডাব ইত্যাদি সরবরাহ করে সামরিক বাহিনীকে সাহায্য করছে। এই হিন্দুদের মধ্যে ৩৮ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। তিনি নিজে এই হত্যাকাণ্ডের কাজ সশরীরে তদারকি করেছিলেন এবং একটি কুয়োর কাছের পাথরে বসে দেখেছিলেন কীভাবে তাঁর লোকেরা ভুক্তভোগীদের ঘাড় কাটছে এবং দেহগুলো কুয়োর ভেতরে ঠেলে দিচ্ছে। ৩৮ জন মানুষকে সেখানে হত্যা করা হয়েছিল, যাদের মধ্যে একজন ছিলেন পেনশনভোগী হেড কনস্টেবল যাঁর প্রতি তাঁর ব্যক্তিগত ক্ষোভ ছিল—সেই ব্যক্তির মাথাটি নিপুণভাবে কেটে দুই ভাগে ভাগ করে ফেলা হয়েছিল।১৭ **সি. গোপালান নায়ার, দ্য মোপলা রেবেলিয়ন: ১৯২১, নরম্যান প্রিন্টিং ব্যুরো, ১৯২৩। সঞ্জীব স্যানিয়াল রচিত রেভোলিউশনারিস_ দ্য আদার স্টোরি অব হাউ ইন্ডিয়া ওন ইটস ফ্রিডম-হার্পারকলিন্স ইন্ডিয়া (২০২৩) *সেই সব কুয়ো আর জলাশয়ের কথা কী বলব, যা আমাদের নিকটাত্মীয় ও অত্যন্ত প্রিয়জনদের বিকৃত এবং অনেক ক্ষেত্রে আধমরা মৃতদেহে ভরে ছিল! তারা কেবল আমাদের পূর্বপুরুষদের ধর্ম ত্যাগ করতে অস্বীকার করেছিল বলেই এই পরিণতি বরণ করেছিল। সেই সব অন্তঃসত্ত্বা নারীদের কথা ভাবুন, যাদের কুচিকুচি করে কেটে রাস্তার ধারে ও জঙ্গলের মধ্যে ফেলে রাখা হয়েছিল এবং যাদের ছিন্নভিন্ন দেহ থেকে অজাত শিশুটি বাইরে বেরিয়ে আসছিল। আমাদের নিরীহ ও অসহায় শিশুদের কথা ভাবুন, যাদের আমাদের কোল থেকে নিষ্ঠুরভাবে ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছিল এবং আমাদের চোখের সামনেই হত্যা করা হয়েছিল। আমাদের স্বামী ও বাবাদের কথা ভাবুন, যাদের অকথ্য নির্যাতন করা হয়েছিল, জ্যান্ত চামড়া ছাড়িয়ে নেওয়া হয়েছিল এবং জ্যান্ত পুড়িয়ে মারা হয়েছিল। আমাদের অসহায় বোনদের কথা ভাবুন, যাদের আত্মীয়স্বজনের মাঝখান থেকে জোরপূর্বক ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল এবং সেই সব লজ্জা ও লাঞ্ছনার শিকার করা হয়েছিল যা এই অমানবিক নরকের কীটের মতো বিদ্রোহীদের নীচ ও পাশবিক কল্পনায় আসতে পারে। আমাদের হাজার হাজার বসতবাড়ির কথা ভাবুন, যা নিছক বর্বরতা ও ধ্বংসাত্মক মানসিকতার কারণে পুড়ে ছাইয়ের স্তূপে পরিণত হয়েছিল। আমাদের উপাসনালয়গুলোর কথা ভাবুন যা অপবিত্র ও ধ্বংস করা হয়েছিল; দেবতার মূর্তির কথা ভাবুন যা অত্যন্ত লজ্জাজনকভাবে অপমানিত করা হয়েছিল সেই সব জায়গায় গরুর নাড়িভুঁড়ি রেখে যেখানে ফুলের মালা থাকার কথা ছিল, অথবা সেগুলোকে টুকরো টুকরো করে ভেঙে ফেলা হয়েছিল...১৮ **সি. গোপালান নায়ার, দ্য মোপলা রেবেলিয়ন: ১৯২১, নরম্যান প্রিন্টিং ব্যুরো, ১৯২৩। সঞ্জীব স্যানিয়াল রচিত রেভোলিউশনারিস_ দ্য আদার স্টোরি অব হাউ ইন্ডিয়া ওন ইটস ফ্রিডম-হার্পারকলিন্স ইন্ডিয়া (২০২৩) * আপনার ল্যাডিশিপ নিশ্চয়ই জানেন যে, আমাদের এই দুর্ভাগা জেলা গত একশ বছরে বহুবার মোপলা বিদ্রোহের সাক্ষী হয়েছে। তবে বর্তমানের এই বিদ্রোহটি যেমন এর ব্যাপকতার দিক থেকে নজিরবিহীন, তেমনি এর নৃশংসতার দিক থেকেও তা অভূতপূর্ব। তবে এটি সম্ভব যে, আপনার ল্যাডিশিপ সেই পৈশাচিক স্বভাবের বিদ্রোহীদের চালানো সমস্ত বীভৎসতা ও নৃশংসতা সম্পর্কে পুরোপুরি অবগত নন। সেই সব অসংখ্য কুয়ো আর জলাশয়ের কথা কী বলব, যা আমাদের নিকটাত্মীয় ও অত্যন্ত প্রিয়জনদের বিকৃত এবং অনেক ক্ষেত্রে আধমরা মৃতদেহে ভরে ছিল! তারা কেবল আমাদের পূর্বপুরুষদের ধর্ম ত্যাগ করতে অস্বীকার করেছিল বলেই এই পরিণতি হয়েছিল। সেই সব অন্তঃসত্ত্বা নারীদের কথা ভাবুন, যাদের নির্মমভাবে কেটে রাস্তার ধারে ও জঙ্গলের মধ্যে ফেলে রাখা হয়েছিল এবং যাদের ছিন্নভিন্ন দেহ থেকে অজাত শিশুটি বাইরে বেরিয়ে আসছিল। আমাদের সেই নিরীহ ও অসহায় শিশুদের কথা ভাবুন, যাদের আমাদের কোল থেকে নিষ্ঠুরভাবে ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছিল এবং আমাদের চোখের সামনেই হত্যা করা হয়েছিল। আমাদের স্বামী ও বাবাদের কথা ভাবুন, যাদের ওপর অকথ্য নির্যাতন চালানো হয়েছিল, জ্যান্ত চামড়া ছাড়িয়ে নেওয়া হয়েছিল এবং জীবন্ত পুড়িয়ে মারা হয়েছিল। আমাদের সেই হতভাগ্য বোনদের কথা ভাবুন, যাদের আত্মীয়স্বজনের মাঝখান থেকে জোরপূর্বক ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল এবং এমন সব লজ্জা ও লাঞ্ছনার শিকার করা হয়েছিল, যা এই অমানবিক নরকের কীটের মতো বিদ্রোহীদের নীচ ও পাশবিক কল্পনাতেই কেবল আসতে পারে। আমাদের হাজার হাজার বসতবাড়ির কথা ভাবুন, যা নিছক বর্বরতা ও ধ্বংসাত্মক মানসিকতার কারণে পুড়ে ছাইয়ের স্তূপে পরিণত হয়েছে। আমাদের উপাসনালয়গুলোর কথা ভাবুন, যা অপবিত্র ও ধ্বংস করা হয়েছে। দেবতার মূর্তিকে অত্যন্ত লজ্জাজনকভাবে অপমান করা হয়েছে; যেখানে ফুলের মালা থাকার কথা ছিল, সেখানে জবাই করা গরুর নাড়িভুঁড়ি রাখা হয়েছে অথবা মূর্তিগুলোকে টুকরো টুকরো করে ভেঙে ফেলা হয়েছে। আমাদের প্রজন্মের পর প্রজন্মের কষ্টার্জিত সম্পদ যেভাবে পাইকারি হারে লুট করা হয়েছে, তার ফলে যারা আগে ধনী ও সমৃদ্ধ ছিল, তাদের অনেককে আজ কালিকটের রাস্তায় রাস্তায় সামান্য লবণের জন্য কিংবা লঙ্কা বা পানের জন্য জনসমক্ষে ভিক্ষা করতে হচ্ছে—ত্রাণ সংস্থাগুলো দয়াপরবশ হয়ে যেটুকু চাল দিচ্ছে, তা দিয়েই তাদের দিন চলছে। এগুলো কোনো কাল্পনিক রূপকথা নয়। **নীলম্বুরের রানি কর্তৃক লেডি রিডিংয়ের কাছে দেওয়া একটি আবেদন, যা গোপালান নায়ার, দিওয়ান বাহাদুর (১৯২২) রচিত মোপলা রেবেলিয়ন, ১৯২১। [https://www.gutenberg.org/files/52903/52903-h/52903-h.htm#Page_139 মালাবার নারীদের পক্ষ থেকে লেডি রিডিংয়ের কাছে দেওয়া আবেদন] * পচে যাওয়া কঙ্কালে ঠাসা সেই সব কুয়োগুলো, আমাদের প্রিয় ঘরবাড়িগুলোর ধ্বংসাবশেষ যা একসময় আমাদের সুখের ঠিকানা ছিল, আর পাথরকুচির স্তূপ যা একসময় আমাদের উপাসনালয় ছিল—এগুলো আজও সেই সত্যের সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য টিকে আছে। আমাদের নিহত শিশুদের সেই মৃত্যুযন্ত্রণার আর্তনাদ আজও আমাদের কানে বাজছে এবং মৃত্যু আমাদের শান্তি না দেওয়া পর্যন্ত তা আমাদের স্মৃতিতে তাড়া করে ফিরবে। আমাদের মনে পড়ে, কীভাবে নিজেদের গ্রাম থেকে বিতাড়িত হয়ে আমরা জঙ্গল ও বনের মধ্যে ক্ষুধার্ত ও বিবস্ত্র অবস্থায় ঘুরে বেড়িয়েছিলাম। আমাদের মনে পড়ে, কীভাবে আমরা আমাদের শিশুদের কান্না চেপে ধরতাম এবং তাদের দম বন্ধ করে দিতাম যাতে সেই শব্দ শুনে আমাদের নিষ্ঠুর পিছু ধাওয়াকারীরা আমাদের লুকিয়ে থাকার জায়গাটি খুঁজে না পায়। আমরা এখনও সেই মানসিক ও আধ্যাত্মিক যন্ত্রণা স্পষ্টভাবে অনুভব করি, যার মধ্য দিয়ে আমাদের হাজার হাজার মানুষকে যেতে হয়েছিল যখন আমাদের জোরপূর্বক সেই ধর্মে ধর্মান্তরিত করা হয়েছিল যা এই রক্তপিপাসু দুষ্কৃতীরা বিশ্বাস করে। আমাদের চোখের সামনে এখনও সেই সব হতভাগ্য বোনদের—সৌভাগ্যক্রমে সংখ্যায় যারা কম—অসহ্য ও আজীবন কষ্টের দৃশ্যটি ভেসে ওঠে, যারা সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্ম নেওয়া ও বেড়ে ওঠা সত্ত্বেও জোরপূর্বক ধর্মান্তরিত হয়েছে এবং তারপর দণ্ডিত কুলি বা মজুরদের সাথে তাদের বিয়ে দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘ পাঁচটি মাস ধরে এমন একটি দিনও কাটেনি, যেদিন কোনো না কোনো বীভৎস ও ভয়াবহ ভয়ের কাহিনী সামনে আসেনি।<br>আমরা অত্যন্ত সংক্ষেপে এবং কোনো মরমন্তুদ বিবরণে না গিয়েই আমাদের সম্মানহানি, লাঞ্ছনা, লুণ্ঠন ও সর্বনাশের হৃদয়বিদারক কাহিনী তুলে ধরেছি। কিন্তু অতীত যদি বেদনা ও যন্ত্রণার হয়ে থাকে, তবে ভবিষ্যৎও অত্যন্ত আতঙ্ক ও হতাশায় ঘেরা। আমাদের এমন একটি ভূমিতে ফিরে যেতে হবে, যা এখন ধ্বংসস্তূপ ও জনমানবহীন প্রান্তরে পরিণত হয়েছে। আমাদের ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বা ধ্বংস করা হয়েছে; আমাদের অনেক উপার্জনক্ষম মানুষকে হত্যা করা হয়েছে; আমাদের সমস্ত সম্পত্তি লুট করা হয়েছে; আমাদের গবাদি পশু জবাই করা হয়েছে...। আমাদের এখন সেই সব জঘন্য পিশাচদের মাঝে নিঃস্ব হিসেবে বসবাস করতে বলা হচ্ছে, যারা আমাদের প্রিয়জনদের লুটে নিয়েছে, অপমান করেছে এবং হত্যা করেছে—এরা হলো সেই প্রকৃত দানব যাদের নরক নিজেও মুক্তি দিতে চাইত না। আমাদের ঘরবাড়ির যা কিছু অবশিষ্ট আছে তাতে ফিরে যাওয়ার কথা ভাবতেই আমাদের অনেকে শিউরে উঠছেন; কারণ যদিও সশস্ত্র বিদ্রোহী দলগুলো ছত্রভঙ্গ হয়ে গেছে, তবুও এই বিদ্রোহ পুরোপুরি দমন করা হয়েছে তা বলা যায় না। এটি একটি বিষধর সাপের মতো, যার মেরুদণ্ড আংশিকভাবে ভেঙে গেছে ঠিকই, কিন্তু যার বিষদাঁতগুলো এখনও অটুট রয়েছে এবং যার ছোবল দেওয়ার ক্ষমতা কমলেও তা পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যায়নি...। অনেক শরণার্থী যারা সাহস করে ফিরে গিয়েছিলেন, তাদের সেই দুঃসাহসের মূল্য জীবন দিয়ে মেটাতে হয়েছে।<br>আমরা, আপনার ল্যাডিশিপের বিনীত ও শোকে মূহ্যমান আবেদনকারীরা কোনো প্রতিশোধ চাই না... **নীলম্বুরের রানি কর্তৃক লেডি রিডিংয়ের কাছে দেওয়া একটি আবেদন, যা গোপালান নায়ার, দিওয়ান বাহাদুর (১৯২২) রচিত মোপলা রেবেলিয়ন, ১৯২১। [https://www.gutenberg.org/files/52903/52903-h/52903-h.htm#Page_139 মালাবার নারীদের পক্ষ থেকে লেডি রিডিংয়ের কাছে দেওয়া আবেদন] * মালাবারের নারীরা ভাইসরয় লর্ড রিডিংয়ের স্ত্রীর কাছে নিচের আবেদনটি লিখেছিলেন:<br> হার গ্র্যাসিয়াস এক্সেলেন্সি দ্য কাউন্টেস অব রিডিং, দিল্লি। মালাবারের স্বজনহারা এবং শোকে মূহ্যমান নারীদের বিনীত স্মারক। <br>আপনার সদয় ও সহানুভূতিশীল ল্যাডিশিপের সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। আমরা, মালাবারের বিভিন্ন পদমর্যাদা ও অবস্থানের হিন্দু নারীরা, যারা সম্প্রতি মোপলা বিদ্রোহ নামক সেই বিশাল বিপর্যয়ের দ্বারা বিপর্যস্ত হয়েছি, আপনার ল্যাডিশিপের কাছে সহানুভূতি ও সাহায্যের জন্য বিনীত প্রার্থনা করার সাহস করছি। <br>২. আপনার ল্যাডিশিপ নিশ্চয়ই অবগত আছেন যে, আমাদের এই দুর্ভাগা জেলা গত ১০০ বছরে অনেকগুলো মোপলা বিদ্রোহের সাক্ষী হয়েছে। তবুও বর্তমানের এই বিদ্রোহটি এর ব্যাপকতার দিক থেকে যেমন নজিরবিহীন, তেমনি এর নৃশংসতার দিক থেকেও তা অভূতপূর্ব। তবে এটি সম্ভব যে, আপনার ল্যাডিশিপ সেই পৈশাচিক স্বভাবের বিদ্রোহীদের চালানো সমস্ত বীভৎসতা ও নৃশংসতা সম্পর্কে পুরোপুরি অবগত নন। সেই সব অসংখ্য কুয়ো আর জলাশয়ের কথা কী বলব, যা আমাদের নিকটাত্মীয় ও অত্যন্ত প্রিয়জনদের বিকৃত এবং অনেক ক্ষেত্রে আধমরা মৃতদেহে পরিপূর্ণ ছিল! তারা কেবল আমাদের পূর্বপুরুষদের ধর্ম ত্যাগ করতে অস্বীকার করেছিল বলেই এই পরিণতির শিকার হয়েছিল। সেই সব অন্তঃসত্ত্বা নারীদের কথা ভাবুন, যাদের কুচিকুচি করে কেটে রাস্তার ধারে ও জঙ্গলের মধ্যে ফেলে রাখা হয়েছিল এবং ছিন্নভিন্ন দেহ থেকে অজাত শিশুটি বাইরে বেরিয়ে আসছিল। আমাদের সেই নিরীহ ও অসহায় শিশুদের কথা ভাবুন, যাদের আমাদের কোল থেকে নিষ্ঠুরভাবে ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছিল এবং আমাদের চোখের সামনেই হত্যা করা হয়েছিল। আমাদের স্বামী ও বাবাদের কথা ভাবুন, যাদের ওপর অকথ্য নির্যাতন চালানো হয়েছিল, জ্যান্ত চামড়া ছাড়িয়ে নেওয়া হয়েছিল এবং জ্যান্ত পুড়িয়ে মারা হয়েছিল। আমাদের সেই হতভাগ্য বোনদের কথা ভাবুন, যাদের আত্মীয়স্বজনের মাঝখান থেকে জোরপূর্বক ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল এবং এমন সব লজ্জা ও লাঞ্ছনার শিকার করা হয়েছিল, যা এই অমানবিক নরকের কীটের মতো বিদ্রোহীদের নীচ ও পাশবিক কল্পনাতেই কেবল আসতে পারে। আমাদের হাজার হাজার বসতবাড়ির কথা ভাবুন, যা নিছক বর্বরতা ও ধ্বংসাত্মক মানসিকতার কারণে পুড়ে ছাইয়ের স্তূপে পরিণত হয়েছিল। আমাদের উপাসনালয়গুলোর কথা ভাবুন, যা অপবিত্র ও ধ্বংস করা হয়েছিল। দেবতার মূর্তিকে অত্যন্ত লজ্জাজনকভাবে অপমান করা হয়েছিল; যেখানে ফুলের মালা থাকার কথা ছিল, সেখানে জবাই করা গরুর নাড়িভুঁড়ি রাখা হয়েছিল অথবা সেগুলোকে টুকরো টুকরো করে ভেঙে ফেলা হয়েছিল। আমাদের প্রজন্মের পর প্রজন্মের কষ্টার্জিত সম্পদ যেভাবে পাইকারি হারে লুট করা হয়েছে, তার ফলে যারা আগে ধনী ও সমৃদ্ধ ছিল, তাদের অনেককে আজ কালিকটের রাস্তায় রাস্তায় সামান্য লবণের জন্য কিংবা লঙ্কা বা পানের জন্য জনসমক্ষে ভিক্ষা করতে হচ্ছে—ত্রাণ সংস্থাগুলো দয়াপরবশ হয়ে যেটুকু চাল সরবরাহ করছে, তা দিয়েই তাদের চলতে হচ্ছে। এগুলো কোনো কাল্পনিক রূপকথা নয়। পচে যাওয়া কঙ্কালে ঠাসা সেই সব কুয়োগুলো, আমাদের প্রিয় ঘরবাড়িগুলোর ধ্বংসাবশেষ যা একসময় আমাদের সুখের ঠিকানা ছিল, আর পাথরকুচির স্তূপ যা একসময় আমাদের উপাসনালয় ছিল—এগুলো আজও সেই সত্যের সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য এখানে বিদ্যমান রয়েছে। আমাদের নিহত শিশুদের সেই মৃত্যুযন্ত্রণার আর্তনাদ আজও আমাদের কানে বাজছে এবং মৃত্যু আমাদের শান্তি না দেওয়া পর্যন্ত তা আমাদের স্মৃতিতে তাড়া করে ফিরবে। আমাদের মনে পড়ে, কীভাবে নিজেদের গ্রাম থেকে বিতাড়িত হয়ে আমরা জঙ্গল ও বনের মধ্যে ক্ষুধার্ত ও বিবস্ত্র অবস্থায় ঘুরে বেড়িয়েছিলাম। আমাদের মনে পড়ে, কীভাবে আমরা আমাদের শিশুদের কান্না চেপে ধরতাম এবং তাদের দম বন্ধ করে দিতাম যাতে সেই শব্দ শুনে আমাদের নিষ্ঠুর পিছু ধাওয়াকারীরা আমাদের লুকিয়ে থাকার জায়গাটি খুঁজে না পায়। আমরা এখনও সেই মানসিক ও আধ্যাত্মিক যন্ত্রণা স্পষ্টভাবে অনুভব করি, যার মধ্য দিয়ে আমাদের হাজার হাজার মানুষকে যেতে হয়েছিল যখন আমাদের জোরপূর্বক সেই ধর্মে ধর্মান্তরিত করা হয়েছিল যা এই রক্তপিপাসু দুষ্কৃতীরা বিশ্বাস করে। আমাদের চোখের সামনে আজও সেই সব হতভাগ্য বোনদের—সৌভাগ্যক্রমে সংখ্যায় যারা কম—অসহ্য ও আজীবন কষ্টের দৃশ্যটি ভেসে ওঠে, যারা সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্ম নেওয়া ও বেড়ে ওঠা সত্ত্বেও জোরপূর্বক ধর্মান্তরিত হয়েছে এবং তারপর দণ্ডিত কুলি বা মজুরদের সাথে তাদের বিয়ে দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘ পাঁচটি মাস ধরে এমন একটি দিনও কাটেনি, যেদিন কোনো না কোনো বীভৎস ও ভয়াবহ ভয়ের কাহিনী উন্মোচিত হয়নি। ৩. আপনার সদয় ল্যাডিশিপের এই বিপদগ্রস্ত আবেদনকারীরা কোনো অতিরঞ্জন ছাড়াই এবং বিদ্বেষবশত কোনো কিছু না বলে অন্তত সেই অবর্ণনীয় ও ভয়াবহ যন্ত্রণার কিছুটা ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন, যা তাঁরা এবং আরও হাজার হাজার বোন গত পাঁচ মাস ধরে খেলাফতের নামে শুরু হওয়া এই অমানবিক বিভীষিকাময় রাজত্বের মাধ্যমে সহ্য করছেন। আমরা অত্যন্ত সংক্ষেপে এবং কোনো মরমন্তুদ বিবরণে না গিয়েই আমাদের সম্মানহানি, লাঞ্ছনা, লুণ্ঠন ও সর্বনাশের হৃদয়বিদারক কাহিনী তুলে ধরেছি। কিন্তু অতীত যদি বেদনা ও যন্ত্রণার হয়ে থাকে, তবে ভবিষ্যৎও অত্যন্ত আতঙ্ক ও হতাশায় ঘেরা। আমাদের এমন একটি ভূমিতে ফিরে যেতে হবে, যা এখন ধ্বংসস্তূপ ও জনমানবহীন প্রান্তরে পরিণত হয়েছে। আমাদের ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বা ধ্বংস করা হয়েছে; আমাদের অনেক উপার্জনক্ষম মানুষকে হত্যা করা হয়েছে; আমাদের সমস্ত সম্পত্তি লুট করা হয়েছে; আমাদের গবাদি পশু জবাই করা হয়েছে। কোনো ক্ষতিপূরণ ছাড়াই ফিরে যাওয়ার অর্থ হলো আমাদের জন্য নিশ্চিত ধ্বংস, ভিক্ষাবৃত্তি এবং অনাহার। সদয় সরকার কি আমাদের সাহায্যে এগিয়ে আসবে না এবং আমাদের জীবন নতুন করে শুরু করতে সাহায্য করার জন্য কিছু দেবে না? আমাদের এখন সেই সব জঘন্য পিশাচদের মাঝে নিঃস্ব হিসেবে বসবাস করতে বলা হচ্ছে, যারা আমাদের প্রিয়জনদের লুটে নিয়েছে, অপমান করেছে এবং হত্যা করেছে—এরা হলো সেই প্রকৃত দানব যাদের নরক নিজেও মুক্তি দিতে চাইত না। আমাদের ঘরবাড়ির যা কিছু অবশিষ্ট আছে তাতে ফিরে যাওয়ার কথা ভাবতেই আমাদের অনেকে শিউরে উঠছেন; কারণ যদিও সশস্ত্র বিদ্রোহী দলগুলো ছত্রভঙ্গ হয়ে গেছে, তবুও এই বিদ্রোহ পুরোপুরি দমন করা হয়েছে তা বলা যায় না। এটি একটি বিষধর সাপের মতো, যার মেরুদণ্ড আংশিকভাবে ভেঙে গেছে ঠিকই, কিন্তু যার বিষদাঁতগুলো আজও অটুট রয়েছে এবং যার ছোবল দেওয়ার ক্ষমতা কমলেও তা পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যায়নি। কয়েক হাজার বিদ্রোহী নিহত হয়েছে এবং আরও কয়েক হাজার কারারুদ্ধ হয়েছে, কিন্তু সরকার যেমনটি খুব ভালো করেই জানে যে, আরও হাজার হাজার বিদ্রোহী, লুটেরা, বর্বরোচিত লড়াকু ধর্মপ্রচারক এবং অন্যান্য অমানবিক দানবরা এখনও অবাধে ঘুরে বেড়াচ্ছে। কেউ কেউ আত্মগোপনে আছে কিন্তু বেশিরভাগই উদ্ধতভাবে চলাফেরা করছে এবং প্রকাশ্যেই প্রতিশোধ নেওয়ার হুমকি দিচ্ছে সেই সব অমুসলিমদের ওপর, যারা ফিরে আসার এবং তাদের সম্পত্তি পুনরায় দখল করার সাহস দেখাবে। অনেক শরণার্থী যারা সাহস করে ফিরে গিয়েছিলেন, তাদের সেই দুঃসাহসের মূল্য জীবন দিয়ে মেটাতে হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে, প্রত্যাবাসন যদি জ্বলন্ত কড়াই থেকে উনুনে পড়ার মতো ঘটনা না হয়, তবে আপনার ল্যাডিশিপের দরিদ্র ও অসহায় আবেদনকারী এবং তাদের পরিবারের বিশাল অংশের জন্য এটি আর্থিক সাহায্য এবং নতুন করে শুরু হওয়া নারকীয় তাণ্ডব থেকে পর্যাপ্ত সুরক্ষার একটি অত্যন্ত কঠিন ও অনিবার্য সমস্যা হিসেবে দেখা দেবে। কারণ যতদিন পর্যন্ত এই অর্ধ-বর্বর ও ধর্মান্ধ জাতির হাজার হাজার পুরুষ এবং এমনকি নারী ও শিশুরাও—যাদের মধ্যে জমি দখল, রক্তের নেশা এবং লুণ্ঠনের নিকৃষ্টতম প্রবৃত্তিগুলো উগ্রভাবে জাগ্রত হয়েছে—তাদের শান্তিকামী ও নিরীহ প্রতিবেশীদের ওপর আক্রমণ করার জন্য স্বাধীন থাকবে, ততদিন পর্যন্ত এই নিরাপত্তা পাওয়া সম্পূর্ণ অসম্ভব হবে। এবং অত্যন্ত সম্মানের সাথে এটি জোর দিয়ে বলা প্রয়োজন যে—এই প্রতিবেশীরা তাদের রক্ষা করার জন্য একটি ন্যায়পরায়ণ ও সদয় সরকারের ক্ষমতা ও ইচ্ছার ওপর অগাধ বিশ্বাসের কারণেই নিজেদের আত্মরক্ষার দক্ষতা ও সক্ষমতাকে দুর্বল হতে দিয়েছিল। ৪. আমরা, আপনার ল্যাডিশিপের বিনীত ও শোকে মূহ্যমান আবেদনকারীরা কোনো প্রতিশোধ চাই না। এই বর্বর ও অসভ্য জাতির ওপর একই ধরণের কষ্ট চাপিয়ে দিলে আমাদের দুঃখ কমবে না; তাদের হত্যাকারীদের হত্যা করলে আমাদের মৃতরা আমাদের কাছে ফিরে আসবে না। তবে আমরা যদি আমাদের প্রতি সর্বদা বন্ধুভাবাপন্ন ও প্রতিবেশীসুলভ আচরণের চেষ্টা করা একটি জাতির দ্বারা আমাদের ওপর করা সেই নিষ্ঠুর ও লজ্জাজনক লাঞ্ছনা এবং অপমানের কথা কখনো ভুলে যাই, তবে আমরা আর মানুষ থাকব না। আমাদের সমস্ত সম্পদ লুট হয়ে যাওয়ার পর আমরা যদি এখন আমাদের ওপর জোর করে চাপিয়ে দেওয়া এই দারিদ্র্য থেকে বাঁচার জন্য কিছুটা ক্ষতিপূরণ না চাই, তবে তা হবে কপটতা। মোপলা জাতির সেই অনিয়ন্ত্রিত ও সমাজবিরোধী প্রবণতা এবং মারাত্মক ধর্মীয় ধর্মান্ধতা সম্পর্কে জেনেও যদি আমরা বিদ্রোহী-বিধ্বস্ত এলাকায় বসবাসকারী আপনার বিনীত বোনদের জীবন ও সম্মান রক্ষার জন্য ন্যায়পরায়ণ ও শক্তিশালী সরকারের কাছে প্রার্থনা না করি, তবে আমরা হব নির্বোধ। আমাদের চাওয়া শেষ পর্যন্ত সামান্যই; আমাদের এবং আমাদের সন্তানদের অনাহার থেকে বাঁচাতে পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ এবং হত্যাকাণ্ড ও লাঞ্ছনা থেকে বাঁচার জন্য পর্যাপ্ত সামরিক সুরক্ষা—এইটুকুই আমরা চাই। আমরা আপনার দয়াময় ল্যাডিশিপের কাছে প্রার্থনা করছি যে, সরকারের কাছে আপনার যে সদয় প্রভাব রয়েছে তা ব্যবহার করে আমাদের এই বিনীত প্রার্থনাগুলো মঞ্জুর করার ব্যবস্থা করুন। কিন্তু যদি সদয় সরকার আমাদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া এবং আমাদের মাতৃভূমিতে আমাদের রক্ষা করা সম্ভব বলে মনে না করে, তবে আমরা অত্যন্ত আকুলভাবে প্রার্থনা করব যেন আমাদের পার্শ্ববর্তী কোনো অঞ্চলে নিখরচায় জমি বরাদ্দ করা হয়; যা প্রকৃতির দানে কম আশীর্বাদপুষ্ট হলেও মানুষের নিষ্ঠুরতা ও বর্বরতার দ্বারা কম অভিশপ্ত হতে পারে। <br>আমরা আপনার ল্যাডিশিপের অত্যন্ত বিনীত এবং বাধ্য অনুগত ভৃত্য হিসেবে থাকতে চাই। **স্যার সি. সংকরন নায়ার, গান্ধী অ্যান্ড এনার্কি, ট্যাগোর অ্যান্ড কোম্পানি, মাদ্রাজ, ১৯২২, পৃষ্ঠা ১৩৯ এবং পরবর্তী পৃষ্ঠা * মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর মৃত্যুর প্রায় এক শতাব্দী বা তার কাছাকাছি সময় পরে মুসলমানরা প্রথম ভারতের দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলে বসতি স্থাপন করেছিল। প্রায় আটশ বছর ধরে তারা সেখানে শান্তিপূর্ণভাবে ব্যবসা-বাণিজ্য চালিয়েছিল। তারপর ১৪৯৮ সালে পর্তুগিজরা সেখানে পৌঁছায় এবং এই মুসলমানরা যারা মাপ্পিলা নামে পরিচিত ছিল, তারা সেই পরিস্থিতির শিকার হওয়া প্রথম দক্ষিণ এশীয় মুসলমানে পরিণত হয়েছিল যা শেষ পর্যন্ত সমস্ত দক্ষিণ এশীয় মুসলমানরা ভোগ করতে যাচ্ছিল: ইউরোপীয় চাপের হাতুড়ি এবং হিন্দু সমাজের নেহাইয়ের মাঝখানে আটকা পড়ার সেই নিয়তি। মাপ্পিলাদের এর প্রতিক্রিয়া ছিল পবিত্র যুদ্ধ এবং শাহাদাতের একটি ঐতিহ্য গড়ে তোলা। এই ঐতিহ্যটি একটি মহাকাব্যিক গ্রন্থে সংরক্ষিত রয়েছে যার নাম হলো ‘গিফট টু দ্য হোলি ওয়ারিয়র্স ইন রেসপেক্ট টু সাম ডিডস অব দ্য পর্তুগিজ’; এটি মাপ্পিলা সাহিত্যের মূল অংশে উদযাপিত হয় যার নয়-দশমাংশই মূলত যুদ্ধ-সংগীতের জন্য উৎসর্গ করা হয়েছে। এটি বিভিন্ন ধর্মীয় সহিংসতার ঘটনাগুলোতে প্রকাশিত হয়েছে—উদাহরণস্বরূপ ১৮৩৬ থেকে ১৯১৯ সালের মধ্যে এমন ৩২টি ঘটনা ঘটেছিল যেখানে ৩১৯ জন মাপ্পিলা নিহত হয়েছিল এবং এই প্রক্রিয়াটি ১৯২১-২২ সালের বিদ্রোহের মাধ্যমে চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছিল যেখানে মাপ্পিলাদের মতে প্রায় ১০,০০০ মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। **ফ্রান্সিস রবিনসন - ইসলাম অ্যান্ড মুসলিম হিস্ট্রি ইন সাউথ এশিয়া-অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস (২০০০) পৃষ্ঠা ২৪৭ (এম. এ. খান রচিত ইসলামিক জিহাদ: আ লেগাসি অব ফোর্সড কনভার্সন, ইম্পেরিয়ালিজম অ্যান্ড স্লেভারি (২০১১)) * আমি এই বিষয়টি অত্যন্ত মনোযোগের সাথে পর্যবেক্ষণ করেছি এবং আমি নিশ্চিত হয়েছি যে, যদিও (মাপ্পিলাদের নৃশংসতার) ঘটনাগুলো প্রজাদের (মাপ্পিলা ও হিন্দু) ব্যক্তিগত কষ্টের কারণে হয়ে থাকতে পারে, তবে প্রজাদের প্রতি হিন্দু জমিদারদের আচরণের সাধারণ ধরণ—তারা মাপ্পিলা হোক বা হিন্দু—সব সময়ই ছিল নম্র, ন্যায়সঙ্গত ও সহনশীল... "এটি কোনো পাপ নয় বরং একজন হিন্দু জেনমি বা জমিদারকে হত্যা করা পুণ্যের কাজ যদি সে কাউকে উচ্ছেদ করে" ... "যেহেতু জমি হিন্দুদের কাছে এবং অর্থ মাপ্পিলাদের হাতে ছিল, তাই জমি পাওয়ার উদ্দেশ্যে মাপ্পিলা সম্প্রদায় ধর্মান্ধতাকে উৎসাহিত করেছিল (অথবা তার আশ্রয় নিয়েছিল)" ... "এবং পরিশেষে ফলাফল ছিল এই যে, সেখানে একটি অবিরাম ধারা তৈরি হয়েছিল যার মাধ্যমে মাপ্পিলা অধ্যুষিত সমস্ত এলাকায় জমিগুলো ধীরে ধীরে অথচ নিশ্চিতভাবে মাপ্পিলাদের দখলে চলে যাচ্ছিল।" **টমাস স্ট্রেঞ্জ, উইলিয়াম লোগান রচিত মালাবার ম্যানুয়ালে বর্ণিত। টিপু সুলতান: ভিলিয়ান অর হিরো? : অ্যান অ্যান্থলজি। সম্পাদনা: এস. আর. গোয়েল (১৯৯৩) {{আইএসবিএন|৯৭৮৮১৮৫৯৯০০৮৮}} * সংকরন নায়ার হিন্দুদের জীবন্ত চামড়া ছাড়িয়ে নেওয়া এবং হত্যার ঠিক আগে তাঁদের দিয়ে নিজেদের কবর নিজেদেরই খনন করানোর মতো আরও অনেক নির্যাতনের কথা উল্লেখ করেছেন। কংগ্রেস নেতারা প্রাথমিকভাবে মালাবার থেকে আসা কাহিনীগুলো বিশ্বাস করতে চাননি এবং স্বয়ং গান্ধীজি ‘সাহসী ও ঈশ্বরভীরু মোপলাদের’ কথা বলেছিলেন। তিনি তাঁদের এমন দেশপ্রেমিক হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন যারা ‘নিজেদের ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী লড়াই করছিল এবং তাদের ধর্মসম্মত পদ্ধতিতেই এই যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছিল’। তিনি আরও যোগ করেছিলেন: ‘হিন্দুদের অবশ্যই মোপলা ধর্মান্ধতার কারণগুলো খুঁজে বের করতে হবে। তারা দেখতে পাবে যে, এই পরিস্থিতির জন্য তারাও নির্দোষ নয়। তারা এ পর্যন্ত মোপলাদের কোনো তোয়াক্কাই করেনি। এখন মোপলা বা সাধারণ মুসলমানদের ওপর রাগান্বিত হয়ে কোনো লাভ নেই।’ পরিহাসের বিষয় হলো, তাঁর মিত্র খেলাফতপন্থীরা মোপলাদের এই বীরত্বের জন্য তাঁদের অভিনন্দন জানিয়ে প্রস্তাব পাস করেছিল। **বিক্রম সম্পাত - সাভারকর, ইকোস ফ্রম আ ফরগটেন পাস্ট, ১৮৮৩–১৯২৪ (২০১৯) * "প্রথম সতর্কবার্তাটি পাওয়া গিয়েছিল যখন সাবজেক্টস কমিটিতে হিন্দুদের ওপর নৃশংসতার জন্য মোপলাদের নিন্দা করার প্রস্তাবটি সামনে আসে। মূল প্রস্তাবটিতে হিন্দুদের হত্যা করা, তাঁদের ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া এবং জোরপূর্বক ইসলামে ধর্মান্তরিত করার জন্য ঢালাওভাবে মোপলাদের নিন্দা জানানো হয়েছিল। হিন্দু সদস্যরা নিজেরাই একে একে বিভিন্ন সংশোধনী প্রস্তাব আনেন যতক্ষণ না এটি কেবল নির্দিষ্ট কিছু ব্যক্তিকে নিন্দা করার পর্যায়ে নেমে এসেছিল, যারা উল্লিখিত অপরাধগুলোর জন্য দায়ী ছিল। কিন্তু এমনকি কিছু মুসলিম নেতা এটিও সহ্য করতে পারছিলেন না। মাওলানা ফকির ও অন্যান্য মাওলানারা স্বাভাবিকভাবেই এই প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছিলেন এবং তাতে অবাক হওয়ার কিছু ছিল না। কিন্তু আমি অবাক হয়েছিলাম যে, মাওলানা হাসরাত মোহানির মতো একজন ঘোর জাতীয়তাবাদী এই প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছিলেন এই যুক্তিতে যে, মোপলাদের দেশ আর 'দার-উল-আমান' নেই বরং তা 'দার-উল-হারবে' পরিণত হয়েছে। তারা হিন্দুদের সন্দেহ করছিল যে, হিন্দুরা মোপলাদের শত্রু ব্রিটিশদের সাথে যোগসাজশ করছে। তাই হিন্দুদের সামনে কোরআন অথবা তলোয়ার তুলে ধরা মোপলাদের জন্য সঠিক পদক্ষেপ ছিল। এবং হিন্দুরা যদি মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচতে মুসলমান হয়ে থাকে, তবে সেটি ছিল স্বেচ্ছায় ধর্ম পরিবর্তন এবং জোরপূর্বক ধর্মান্তরকরণ নয়। এমনকি কিছু মোপলার নিন্দা করার মতো নিরীহ প্রস্তাবটিও সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়নি বরং তা কেবল ভোটের সংখ্যাধিক্যের ভিত্তিতে গ্রহণ করতে হয়েছিল। সেখানে আরও এমন কিছু ইঙ্গিত ছিল যা থেকে বোঝা যাচ্ছিল যে, মুসলমানরা কংগ্রেসকে তাঁদের দয়ায় টিকে আছে বলে মনে করত এবং তাঁদের অদ্ভুত আচরণগুলোকে উপেক্ষা করার সামান্যতম চেষ্টা করা হলেও সেই নড়বড়ে ঐক্যটি ছিন্নভিন্ন হয়ে যেত।" **স্বামী শ্রদ্ধানন্দ ২৬ আগস্ট ১৯২৬-এর দ্য লিবারেটর। {{Cite journal|last=শ্রদ্ধানন্দ|first=স্বামী|date=২৬ আগস্ট ১৯২৬|title=দ্য লিবারেটর}} বি.আর. আম্বেদকর রচিত পাকিস্তান অর দ্য পার্টিশন অব ইন্ডিয়া (১৯৪৬)। * ডক্টর মুঞ্জে তাঁর প্রতিবেদনের অন্য একটি অংশে উল্লেখ করেছেন যে, আটশ বছর আগে মালাবারের (বর্তমান কেরালা) হিন্দু রাজা তাঁর ব্রাহ্মণ মন্ত্রীদের পরামর্শে আরব মুসলমানদের তাঁর রাজ্যে বসতি স্থাপনের জন্য বিশেষ সুযোগ-সুবিধা প্রদান করেছিলেন। এমনকি তিনি প্রতিটি হিন্দু জেলে পরিবারের অন্তত একজন সদস্যকে বাধ্যতামূলকভাবে ইসলামে ধর্মান্তরিত করার আইন জারি করে আরব মুসলমানদের সন্তুষ্ট করার চেষ্টা করেছিলেন। যাঁদের স্বভাব সাধারণ বুদ্ধির পরিবর্তে নির্বুদ্ধিতা চর্চা করা, তাঁরা সিংহাসনে বসে থাকলেও কখনো স্বাধীনতা ভোগ করতে পারেন না। তাঁরা কাজের সময়কে আমোদ-প্রমোদের রাতে পরিণত করেন; সেই কারণেই মাঝদুপুরেও তাঁরা ভূতের ভয়ে আতঙ্কিত থাকেন।”.... “মালাবারের রাজা একসময় তাঁর সিংহাসনটি নির্বুদ্ধিতার হাতে ছেড়ে দিয়েছিলেন। সেই নির্বুদ্ধিতা আজও হিন্দু সিংহাসনে বসে মালাবার শাসন করছে। সেই কারণেই হিন্দুরা আজও মার খাচ্ছে এবং আকাশের দিকে মুখ ফিরিয়ে বলছে যে ভগবান আছেন। সারা ভারতজুড়ে আমরা নির্বুদ্ধিতাকে রাজত্ব করার সুযোগ দিয়েছি এবং এর কাছে নিজেদের আত্মসমর্পণ করেছি। নির্বুদ্ধিতার সেই রাজত্ব—অর্থাৎ সাধারণ বিচারবুদ্ধির মারাত্মক অভাব—মাঝে মাঝে পাঠানদের দ্বারা, কখনো মোঘলদের দ্বারা এবং কখনো ব্রিটিশদের দ্বারা আক্রান্ত হয়েছে। বাইরে থেকে আমরা কেবল তাদের করা অত্যাচারই দেখতে পাই, কিন্তু তারা কেবল অত্যাচারের হাতিয়ার মাত্র, প্রকৃত কারণ নয়। যন্ত্রণার আসল কারণ হলো আমাদের বিচারবুদ্ধির অভাব এবং আমাদের নির্বুদ্ধিতা, যা আমাদের সব দুঃখ-দুর্দশার জন্য দায়ী। তাই আমাদের সেই নির্বুদ্ধিতার বিরুদ্ধে লড়াই করতে হবে যা হিন্দুদের বিভক্ত করেছে এবং আমাদের ওপর দাসত্ব চাপিয়ে দিয়েছে……..আমরা যদি কেবল অত্যাচারের কথা চিন্তা করি তবে কোনো সমাধান খুঁজে পাব না। কিন্তু আমরা যদি আমাদের এই নির্বুদ্ধিতা থেকে মুক্তি পেতে পারি, তবে অত্যাচারীরা আমাদের কাছে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হবে। **আর. ঠাকুর, ’সমস্যা,’ (দ্য প্রবলেম), অগ্রহায়ণ, ১৩৩০ বঙ্গাব্দ, “কালান্তর”। * “মোপলা বিদ্রোহ শেষ হওয়ার পরপরই আমি মালাবারে গিয়েছিলাম। সেখানে আমি নিজের চোখে দেখেছি যে, মাত্র ১০ লক্ষ মুসলমানের ভয়ে ৪০ লক্ষ হিন্দু চরম আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।” **আর. ঠাকুর, তিরুর দিনেশ - মোপলা রায়টস (২০২১) * ১৯২১ সালের আগস্ট মাস, অসহযোগ আন্দোলন শুরু হওয়ার ঠিক এক বছর পরের কথা (যে সময়ের জন্য গান্ধীজি সুফল পাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন)। তখন কেরালার মোপলা মুসলিম সম্প্রদায় স্বশাসনের নিজস্ব একটি সংস্করণ অর্থাৎ খেলাফত শাসন প্রবর্তন করেছিল। আলী মুসালিয়ারের নেতৃত্বে একটি খেলাফত রাষ্ট্র ঘোষণা করা হয়েছিল। ব্রিটিশদের এই বিদ্রোহ দমন করতে বেশ কয়েক মাস সময় লেগেছিল এবং সেই অন্তর্বর্তী সময়ে স্থানীয় হিন্দুদের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়েছিল। এর মধ্যে ছিল হত্যা, ধর্ষণ এবং ইসলামে জোরপূর্বক ধর্মান্তরকরণ... এই পর্যায়ে আমরা একজন হিন্দু ইতিহাসবিদের পক্ষ থেকে মোপলা বিদ্রোহ এবং গান্ধীর কংগ্রেস দ্বারা এর রাজনৈতিক আত্তীকরণের বিষয়ে আরও একটি সাম্প্রতিক মন্তব্য (১৯৯৩) যোগ করতে পারি। শ্রীকান্ত জি. তালেগেরি তাঁর আরিয়ান ইনভেসন থিওরি অ্যান্ড ইন্ডিয়ান ন্যাশনালিজম গ্রন্থে জোর দিয়ে বলেছেন যে, ‘অর্ধেক পথ পেরোনোর পর খেলাফত আন্দোলন হিন্দুদের বিরুদ্ধে একটি জিহাদে পরিণত হয়েছিল। (…) যদি খেলাফত আন্দোলন বীভৎস ও ভয়াবহ হয়ে থাকে, তবে এর প্রতি ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীদের প্রতিক্রিয়া ছিল শতগুণ বেশি বীভৎস এবং ভয়াবহ। (…) মোপলাদের দ্বারা হিন্দুদের ওপর চালানো নৃশংসতার সমস্ত প্রতিবেদন কংগ্রেস চেপে গিয়েছিল এবং দাঙ্গাকারীদের দমন করার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করায় কংগ্রেস নেতারা ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষের নিন্দা করেছিলেন।’ আরও বড় কথা, তিনি দাবি করেন যে, ‘মহাত্মা গান্ধী মোপলা খুনিদের “আমার সাহসী মোপলা” হিসেবে অভিহিত করার জন্য রীতিমতো উঠেপড়ে লেগেছিলেন এবং তাদের ধর্মীয় আবেগের ভূয়সী প্রশংসা করেছিলেন। ১৯৪৭ সালের পর মোপলা দাঙ্গাকারীদের স্বাধীনতা সংগ্রামী হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছিল এবং স্বাধীন ভারত সরকারের পক্ষ থেকে তাঁদের পেনশনের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। আর আজ অবধি প্রতি বছর বোম্বেতে একটি বিশাল মিছিলের মাধ্যমে খেলাফত আন্দোলন স্মরণ করা হয়, যেখানে অনেক বামপন্থী এবং ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীরা মুসলমানদের সাথে অংশ নেন।’ **তালেগেরি এস. উদ্ধৃত: এলস্ট, কোয়েনরাড (২০১৮)। হোয়াই আই কিলড দ্য মহাত্মা: আনকভারিং গডসেস ডিফেন্স। নতুন দিল্লি: রূপা, ২০১৮। তালেগেরি এস.-কে উদ্ধৃত করে। * বিদ্রোহীরা . . . সুন্দরী হিন্দু নারীদের বন্দি করে তাঁদের জোরপূর্বক ধর্মান্তরিত করেছিল। মোপলাদের চিরাচরিত কায়দায় সেই সব নারীর কান ছিদ্র করে তাঁদের মোপলা নারীদের মতো পোশাক পরিয়ে অস্থায়ী জীবনসঙ্গিনী হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল। হিন্দু নারীদের ভয় দেখানো হয়েছিল, লাঞ্ছিত করা হয়েছিল এবং তাঁদের বন্য প্রাণীতে ভরা ঘন জঙ্গলে অর্ধউলঙ্গ অবস্থায় আশ্রয়ের খোঁজে পালিয়ে যেতে বাধ্য করা হয়েছিল। সম্মানিত হিন্দু ভদ্রলোকদেরও জোর করে ধর্মান্তরিত করা হয়েছিল এবং নির্দিষ্ট কিছু মুসালিয়ার ও থাঙ্গালদের সাহায্যে তাঁদের সুন্নতে খতনা করানো হয়েছিল। ** টাইমস অফ ইন্ডিয়া, উদ্ধৃত: স্যার সংকরন নায়ার, গান্ধী অ্যান্ড এনার্কি, ইন্দোর: হোলকার স্টেট (ইলেকট্রিক) প্রিন্টিং প্রেস, এন.ডি., পরিশিষ্ট, পৃষ্ঠা ৩. এবং বিক্রম সম্পাত - সাভারকর, আ কন্টেস্টেড লিগেসি, ১৯২৪-১৯৬৬ (২০২১)। * মাননীয় সদস্যদের কাছে এটি হয়তো আকর্ষণীয় হবে যদি আমি মালাবারে এই বিদ্রোহের উৎপত্তি এবং কারণ সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত আলোচনার মাধ্যমে আমার বক্তব্য শুরু করি। প্রকৃত ঘটনা হলো এই যে, এই মোপলারা অত্যন্ত অজ্ঞ এবং অশিক্ষিত এক ধরণের মানুষ। তাদের মধ্যে অনেকেই চরম দরিদ্র এবং প্রায় প্রত্যেকেই অত্যন্ত ধর্মান্ধ। আমার কাছে থাকা তথ্য অনুযায়ী আমি জানতে পেরেছি যে, তারা পুরোপুরি এবং সম্পূর্ণরূপে এক ধরণের গোঁড়া পুরোহিত শ্রেণির প্রভাবের অধীনে থাকে। আমি মনে করি সকল মাননীয় সদস্য এটি জানেন যে, তারা মূলত সেই সব আরব বণিক ও সৈন্যদের বংশধর যারা ৮০০ খ্রিস্টাব্দের দিকে প্রথম মালাবার উপকূলে এসেছিলেন। আমাদের বলা হয় যে, পরবর্তীতে তারা স্থানীয় বাসিন্দাদের সাথে বৈবাহিক সম্পর্ক স্থাপন এবং তাঁদের মোহামেডান ধর্মে ধর্মান্তরিত করার মাধ্যমে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছিল। এই পরিষদের বিভিন্ন মাননীয় সদস্যের কাছে ধর্মান্তরকরণ বা পথভ্রষ্ট করা—যেই শব্দটিই ভালো মনে হোক না কেন, তার মাধ্যমেই তারা এটি করেছিল। অতীতে এই মানুষদের অনেকগুলো বিদ্রোহের ঘটনা ঘটেছে, যাদের বর্তমান সংখ্যা প্রায় ১০ লক্ষের মতো। প্রকৃতপক্ষে ১৮৩৬ থেকে ১৮৫৩ সালের মধ্যে প্রায় ২০ বছরের একটি সময়সীমায় মোট ২২ বার বিদ্রোহের ঘটনা ঘটেছিল। তবে আমার কাছে থাকা তথ্য অনুযায়ী সবথেকে বড় বিদ্রোহটি ঘটেছিল ১৮৮৫ সালে, যার পরে বিদ্রোহীদের কাছ থেকে ৯০০০টি বন্দুকসহ মোট ২০০০০টি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছিল। **উইলিয়াম হেনরি হোয়ার ভিনসেন্ট    জে. সাই দীপক রচিত ইন্ডিয়া, ভারত অ্যান্ড পাকিস্তান - দ্য কনস্টিটিউショナル জার্নি অব আ স্যান্ডউইচড সিভিলাইজেশন, ২০২২ * স্ট্যানলি ওলপার্ট তাঁর 'আ নিউ হিস্ট্রি অব ইন্ডিয়া' নামক গ্রন্থে এই দাঙ্গা বা বিদ্রোহের ঘটনাগুলো অত্যন্ত সংক্ষেপে বর্ণনা করেছেন: “১৯২১ সালের আগস্ট মাসে মালাবার অঞ্চলে বসবাসকারী মুসলিম মোপলারা একটি জিহাদ (পবিত্র যুদ্ধ) ঘোষণা করেছিল। দৃশ্যত নিজেদের পছন্দমতো একটি নতুন খেলাফত শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্যেই তারা মূলত এই পথ বেছে নিয়েছিল। সেই উত্তাল সময়ে তারা যেখানেই ইউরোপীয়দের এবং সমাজের প্রভাবশালী ও বিত্তবান হিন্দুদের দেখতে পেয়েছিল, সেখানেই তাঁদের নির্মমভাবে হত্যা করেছিল এবং সাধারণ হিন্দু কৃষক ও মেহনতি শ্রমিকদের জোরপূর্বক ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত করেছিল।” **এস ওলপার্ট উদ্ধৃত: রোসার, ইভেট ক্লেয়ার (২০০৩)। কারিকুলাম অ্যাজ ডেসটিনি: ফোর্জিং ন্যাশনাল আইডেন্টিটি ইন ভারত, পাকিস্তান, অ্যান্ড বাংলাদেশ। ইউনিভার্সিটি অফ টেক্সাস অ্যাট অস্টিন। == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:২০শ শতাব্দীতে ভারত]] [[বিষয়শ্রেণী:২০শ শতাব্দীর বিপ্লব]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯২১]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯২০-এর দশকে এশিয়া]] py2d8ce7u25uiqx1r0rtmddld6mberw 79795 79794 2026-04-22T16:11:04Z ARI 356 79795 wikitext text/x-wiki ১৯২১ সালে সংঘটিত '''[[w:মালাবার বিদ্রোহ|মালাবার বিদ্রোহ]]''' (যা ইতিহাসে '''মোপলা দাঙ্গা''' কিংবা '''মাপ্পিলা দাঙ্গা''' নামেও বিশেষভাবে পরিচিত) মূলত কেরালার মালাবার অঞ্চলে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে একটি শক্তিশালী গণ-প্রতিরোধ হিসেবে শুরু হয়েছিল। এই ব্যাপক গণ-অভ্যুত্থানটি তৎকালীন সময়ে প্রচলিত সামন্ততান্ত্রিক ব্যবস্থার বিরুদ্ধেও সরাসরি পরিচালিত হয়েছিল। সে সময় এই ব্যবস্থাটি মূলত সমাজের প্রভাবশালী এবং উচ্চবিত্ত হিন্দুদের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে ছিল। এর পাশাপাশি এই বিদ্রোহটি সেই সময়কার খেলাফত আন্দোলনের সমর্থনেও অত্যন্ত সোচ্চার ছিল। ব্রিটিশ শাসকরা নিজেদের শাসন ব্যবস্থাকে আরও মজবুত করতে এবং স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের সমর্থন পাওয়ার উদ্দেশ্যে উচ্চবর্ণের হিন্দুদের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ও প্রশাসনিক উচ্চপদে নিয়োগ করেছিল। ব্রিটিশদের এমন পক্ষপাতমূলক রাজনৈতিক কৌশলের সরাসরি প্রভাবে শেষ পর্যন্ত এই আন্দোলনটি সাধারণ [[হিন্দু]]দের বিরুদ্ধে একটি সহিংস ও চরমপন্থি বিদ্রোহের দিকে মোড় নেয়। == উক্তি == * মালাবারে হিন্দুদের ওপর মোপলাদের চালানো সেই ভয়াবহ নৃশংসতা ভাষায় বর্ণনা করার মতো নয়। সমগ্র দক্ষিণ ভারতের হিন্দুদের মধ্যে এর ফলে আতঙ্কের এক তীব্র ঢেউ আছড়ে পড়েছিল। এই আতঙ্ক আরও কয়েক গুণ বেড়ে যায় যখন কিছু খেলাফত নেতা ভুল পথে পরিচালিত হয়ে মোপলাদের অভিনন্দন জানিয়ে একটি প্রস্তাব গ্রহণ করেন। সেখানে বলা হয়েছিল যে, মোপলারা তাদের ধর্ম রক্ষার জন্য যে লড়াই করছে, তার জন্য তারা অভিনন্দন পাওয়ার যোগ্য। যেকোনো সাধারণ মানুষই বুঝতে পারতেন যে, হিন্দু-মুসলিম ঐক্যের জন্য এটি ছিল অনেক বড় ও চড়া একটি মাশুল। কিন্তু মহাত্মা গান্ধী হিন্দু-মুসলিম ঐক্য গড়ার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে এতটাই বিভোর ছিলেন যে, তিনি মোপলাদের এই তাণ্ডব এবং খেলাফত নেতাদের অভিনন্দন জানানোর বিষয়টিকে গুরুত্বহীন করে দেখতে চেয়েছিলেন। তিনি মোপলাদের সম্পর্কে বলেছিলেন যে, তারা হলো "সাহসী ও ঈশ্বরভীরু মোপলা, যারা তাদের বিবেচনায় যা ধর্ম, সেই ধর্মের জন্যই লড়াই করছে এবং তাদের নিজস্ব পদ্ধতিতেই এই সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে"। মোপলাদের চালানো নৃশংসতার বিষয়ে মুসলিমদের নীরবতা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে গান্ধীজি হিন্দুদের উদ্দেশ্যে বলেছিলেন:<br>"হিন্দুদের অবশ্যই এই সাহস ও বিশ্বাস রাখা উচিত যে, এ ধরনের ধর্মান্ধ উন্মাদনার পরেও তারা নিজেদের ধর্ম রক্ষা করতে সক্ষম। মোপলাদের এই উন্মাদনাকে মুসলমানরা মৌখিকভাবে নিন্দা জানাল কি জানাল না, তার ওপর ভিত্তি করে মুসলমানদের সাথে বন্ধুত্বের বিচার করা ঠিক হবে না। জোরপূর্বক ধর্ম পরিবর্তন এবং লুটপাটের মতো মোপলাদের এই আচরণের জন্য মুসলমানদের স্বাভাবিকভাবেই লজ্জিত ও অপমানিত বোধ করা উচিত। তাদের এমন নিঃশব্দে ও কার্যকরভাবে কাজ করা উচিত যাতে তাদের মধ্যকার চরম ধর্মান্ধদের পক্ষেও ভবিষ্যতে এমন কাজ করা অসম্ভব হয়ে পড়ে। আমি বিশ্বাস করি যে, হিন্দুরা সম্মিলিতভাবে মোপলাদের এই উন্মাদনাকে ধৈর্যের সাথে গ্রহণ করেছে এবং শিক্ষিত ও সংস্কৃতিবান মুসলমানরা পয়গম্বরের বাণীর অপব্যাখ্যা ও মোপলাদের এই পথভ্রষ্ট আচরণের জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখিত।" ** [[ভীমরাও রামজি আম্বেদকর]], পাকিস্তান অর দ্য পার্টিশন অব ইন্ডিয়া। অধ্যায় ৭ * ১৯২০ সাল থেকে শুরু করে মালাবারে যা ঘটেছিল, তা ইতিহাসে মোপলা বিদ্রোহ নামে পরিচিত। এটি ছিল মূলত খুদ্দাম-ই-কাবা (মক্কা শরীফের সেবক) এবং সেন্ট্রাল খিলাফত কমিটি—এই দুই মুসলিম সংগঠনের পরিচালিত আন্দোলনের এক চরম পরিণতি। আন্দোলনকারীরা মূলত এই মতবাদ প্রচার করছিল যে, ব্রিটিশ শাসনাধীন ভারত হলো একটি 'দার-উল-হারব' বা যুদ্ধের ভূমি এবং মুসলমানদের অবশ্যই এর বিরুদ্ধে লড়াই করতে হবে। যদি তারা লড়াই করতে না পারে, তবে তাদের 'হিজরত' বা দেশান্তরের পথ বেছে নিতে হবে। মোপলারা হঠাৎ করেই এই আন্দোলনের জোয়ারে ভেসে গিয়েছিল। এই অভ্যুত্থানটি ছিল মূলত ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে পরিচালিত একটি বিদ্রোহ। এর মূল লক্ষ্য ছিল ব্রিটিশ সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে সেখানে একটি ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা। ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষের ওপর আক্রমণ চালানোর জন্য অত্যন্ত গোপনে ছুরি, তলোয়ার ও বর্শার মতো অস্ত্রশস্ত্র তৈরি করা হয়েছিল এবং দুর্ধর্ষ সব দল গঠন করা হয়েছিল...। কিন্তু সবাইকে যা সবচেয়ে বেশি স্তম্ভিত করেছিল, তা হলো মালাবারের হিন্দুদের প্রতি মোপলাদের নিষ্ঠুর আচরণ। মোপলাদের হাতে হিন্দুদের এক অত্যন্ত ভয়াবহ পরিণতির মুখোমুখি হতে হয়েছিল। নির্বিচারে হত্যা, জোর করে ধর্ম পরিবর্তন করানো, মন্দিরের পবিত্রতা নষ্ট করা, নারীদের ওপর পাশবিক নির্যাতন, এমনকি গর্ভবতী নারীদের পেট চিরে ফেলার মতো জঘন্য কাজ, লুটতরাজ, অগ্নিসংযোগ ও ধ্বংসলীলা—এক কথায় নৃশংস ও লাগামহীন বর্বরতার সবটুকুই মালাবারের হিন্দুদের ওপর চালিয়েছিল মোপলারা। এই নারকীয় তাণ্ডব ততক্ষণ পর্যন্ত চলেছিল, যতক্ষণ না দুর্গম ও বিশাল সেই অঞ্চলে শান্তি ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার জন্য দ্রুত সেনাবাহিনী পাঠানো সম্ভব হয়েছিল। এটি কেবল কোনো সাধারণ হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গা ছিল না। এটি ছিল সেন্ট বার্থোলোমিউ দিবসের হত্যাকাণ্ডের মতো এক ভয়াবহ গণহত্যা। এই ঘটনায় ঠিক কতজন হিন্দু প্রাণ হারিয়েছেন, আহত হয়েছেন কিংবা যাদের জোর করে ধর্মান্তরিত করা হয়েছে, তার সঠিক কোনো হিসাব জানা নেই। তবে সেই সংখ্যাটি যে বিশাল ছিল, তা নিশ্চিতভাবেই বলা যায়। ** [[ভীমরাও রামজি আম্বেদকর]], পাকিস্তান অর দ্য পার্টিশন অব ইন্ডিয়া। অধ্যায় ৭ * তারা সেখানে ব্যাপক হারে হত্যাকাণ্ড এবং লুটতরাজ চালিয়েছে। যারা নিজেদের ধর্ম ত্যাগ করতে রাজি হয়নি, সেই হিন্দুদের তারা হয় হত্যা করেছে নতুবা ভিটেমাটি থেকে তাড়িয়ে দিয়েছে। প্রায় এক লাখের মতো মানুষকে তাদের ঘরবাড়ি থেকে বিতাড়িত করা হয়েছে। তাদের পরনের কাপড়টুকু ছাড়া আর কিছুই অবশিষ্ট ছিল না, কারণ তাদের সর্বস্ব কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। মালাবার বিদ্রোহ আমাদের শিখিয়েছে যে ইসলামি শাসনের প্রকৃত অর্থ আজও আসলে কী এবং আমরা ভারতে খেলাফত রাজত্বের এ ধরনের কোনো নমুনা দ্বিতীয়বার দেখতে চাই না। মালাবারের বাইরের মুসলমানরা তাদের ধর্মীয় ভাইদের জন্য যেভাবে সাফাই গেয়েছেন এবং স্বয়ং গান্ধীজি যেভাবে বলেছেন যে মোপলারা তাদের ধর্মীয় শিক্ষা অনুযায়ী কাজ করেছে বলে তারা বিশ্বাস করে, তা থেকেই মোপলাদের প্রতি তাদের সহানুভূতির গভীরতা প্রমাণিত হয়। আমার ভয় হয় যে এটিই হয়তো সত্য; কিন্তু যারা নিজেদের পূর্বপুরুষের ধর্ম ত্যাগ করতে রাজি না হওয়ায় মানুষকে দেশছাড়া করে, সভ্য সমাজে তেমন মানুষের কোনো স্থান থাকতে পারে না। ** বেসান্ত, অ্যানি। দ্য ফিউচার অব ইন্ডিয়ান পলিটিক্স: আ কন্ট্রিবিউশন টু দ্য আন্ডারস্ট্যান্ডিং অব প্রেজেন্ট-ডে প্রবলেমস পৃষ্ঠা ২৫২। কেসিঞ্জার পাবলিশিং, এলএলসি। {{আইএসবিএন|১৪২৮৬২৬০৫০}}। [https://archive.org/details/futureofindianpo00besarich আর্কাইভ সংস্করণ] * গান্ধীজিকে যদি একবার মালাবারে নিয়ে যাওয়া যেত, তবে তিনি নিজের চোখে দেখতে পেতেন যে তার এবং তার "প্রিয় ভাই" মুহাম্মদ ও শওকত আলির প্রচারের ফলে সেখানে ঠিক কতটা বীভৎস ও শিউরে ওঠার মতো পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। ... গান্ধীজি নরমপন্থীদের অনুরোধ করছেন যেন তারা সরকারকে যুদ্ধ বন্ধ করতে বাধ্য করেন, ''অর্থাৎ'' নেকড়েদের আবারও উন্মুক্ত করে দেওয়া যাতে তারা অবশিষ্ট প্রাণগুলোও ধ্বংস করতে পারে। আমি সাহসের সাথে বলতে পারি যে, নরমপন্থীদের সহানুভূতি সেই সব খুনি, লুটেরা ও ধর্ষকদের প্রতি নেই, যারা অসহযোগ আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারকে অচল করে দেওয়ার শিক্ষাকে বাস্তবে প্রয়োগ করেছে এবং নিজেদের কায়দায় সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন দমবন্ধ হয়ে মৃত্যুপথযাত্রী একজন বন্দি মোপলার মধ্যে যে মনোভাব দেখা গিয়েছে, তা দেখে গান্ধীজি কেমন বোধ করবেন? সেই বন্দি ডাক্তারকে জিজ্ঞেস করেছিল সে কি মারা যাচ্ছে এবং ডাক্তার যখন উত্তর দিলেন যে তার সুস্থ হওয়ার আশা কম, তখন সে বলেছিল, "যাক, আমি অন্তত চৌদ্দজন কাফেরকে মারতে পেরেছি"। এই হলো সেই "সাহসী ও ঈশ্বরভীরু মোপলা", যাঁর প্রশংসা গান্ধীজি এত বেশি করেন এবং যারা "তাদের বিবেচনায় যা ধর্ম, সেই ধর্মের জন্যই লড়াই করছে এবং তাদের ধর্মসম্মত পদ্ধতিতেই এই সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে"। যারা মনে করে যে হত্যা করা, ধর্ষণ করা, লুট করা এবং নারী ও শিশুদের হত্যা করে পুরো পরিবার শেষ করে দেওয়াটা তাদের "ধর্মীয়" কাজ, সভ্য সমাজে তেমন মানুষদের অবশ্যই কঠোর নিয়ন্ত্রণে রাখা প্রয়োজন। ** [[অ্যানি বেসান্ত]]: মালাবার’স অ্যাগনি – অ্যানি বেসান্ত রাইটস অন গান্ধীজিস ‘মাপ্পিলা ব্রাদার্স’ – নিউ ইন্ডিয়া, ২৯ নভেম্বর ১৯২১ * কিছু পার্সি নারীর শাড়ি ছিঁড়ে ফেলার ঘটনায় গান্ধীজি ভীষণ মর্মাহত হয়েছিলেন এবং তেমনটা হওয়াটাই স্বাভাবিক ছিল। অথচ সেই তথাকথিত ঈশ্বরভীরু গুণ্ডাদের শেখানো হয়েছিল যে বিদেশি পোশাক পরা পাপ এবং তারা নিঃসন্দেহে বিশ্বাস করত যে তারা একটি পবিত্র ধর্মীয় কাজই করছে। গান্ধীজি কি সেই হাজার হাজার নারীর প্রতি সামান্য সহানুভূতিও অনুভব করতে পারেন না, যাদের পরনে এখন কেবল এক টুকরো জীর্ণ ত্যানা কাপড় অবশিষ্ট আছে এবং যাদের নিজ বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে? সেই সব ছোট শিশুদের কথা কি তিনি ভাবেন না যারা শরণার্থী শিবিরের রাস্তায় তাদের মৃত্যুপথযাত্রী মায়েদের কোলে জন্ম নিয়েছে? এই দুঃখ-দুর্দশা ভাষায় বর্ণনা করার মতো নয়। অল্পবয়সী নববধূর যাদের দেখতে অত্যন্ত মিষ্টি ও সুন্দর, তাদের চোখ কান্নায় প্রায় অন্ধ হয়ে গিয়েছে এবং তারা আতঙ্কে দিশেহারা হয়ে আছে। এমন অনেক নারী আছেন যারা নিজেদের চোখের সামনে তাদের স্বামীদের "মোপলাদের ধর্মীয় কায়দায়" টুকরো টুকরো করে কাটতে দেখেছেন। অনেক বৃদ্ধা আছেন যারা যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছেন এবং সামান্য মমতা কিংবা দয়া দেখালেই যন্ত্রণার স্তব্ধতা ভেঙে ডুকরে কেঁদে উঠছেন। এমন অনেক পুরুষ আছেন যারা তাদের সর্বস্ব হারিয়ে আজ হতাশ ও বিপর্যস্ত। আমি শরণার্থী শিবিরগুলোতে এমন হাজার হাজার মানুষের মাঝে হেঁটেছি এবং কখনো কখনো যখন কারো উদোম কাঁধে একটি চাদর আলতো করে বিছিয়ে দেওয়া হয়েছে, তখন সেই আশাহীন চোখগুলো সামান্য বিস্ময় নিয়ে তাকিয়েছিল এবং তাদের সেই মলিন হাসি মুখটিকে স্তব্ধতার চেয়েও বেশি করুণ করে তুলেছিল। প্রতিটি শরণার্থী শিবিরে কেবল করুণ আর্তি, অসহ্য যন্ত্রণা আর হাহাকার। গান্ধীজি বলেছেন, "মালাবারে লজ্জাজনক অমানবিকতা চলছে"। হ্যাঁ, সত্যিই এটি অত্যন্ত লজ্জাজনক অমানবিকতা যা মোপলারা ঘটিয়েছে এবং ব্রিটিশ ও ভারতীয় সৈন্যদের তলোয়ারের সাহায্যেই এই ভুক্তভোগীদের নিশ্চিত বিনাশ থেকে রক্ষা করা সম্ভব হয়েছে। এটা মনে রাখা জরুরি যে মোপলারা নিজেরাই এই ভয়াবহ কাণ্ড শুরু করেছিল; সরকার কেবল ভুক্তভোগীদের বাঁচাতে হস্তক্ষেপ করেছে এবং এভাবেই এই হাজার হাজার মানুষ রক্ষা পেয়েছে। গান্ধীজি কি চাইছেন যুদ্ধ বন্ধ হোক, যাতে মোপলারা শরণার্থী শিবিরগুলোর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে তাদের অসমাপ্ত কাজ শেষ করতে পারে? <br> আমাকে শোনানো একটি সুন্দর গল্প দিয়ে শেষ করতে চাই। পুলায়া সম্প্রদায়ের (যারা হিন্দু সমাজের নিম্নবর্ণের অস্পৃশ্য হিসেবে পরিচিত) দুই ব্যক্তিকে অন্য অনেকের সাথে বন্দি করা হয় এবং তাদের সামনে দুটি পথ দেওয়া হয়—হয় ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করো অথবা মৃত্যুকে বেছে নাও। হিন্দু ধর্ম যাদের সাথে বিমাতার মতো আচরণ করেছিল, সেই অস্পৃশ্য মানুষগুলো হিন্দু ধর্মকে এতটাই ভালোবাসত যে তারা মুসলমান হয়ে বেঁচে থাকার চেয়ে হিন্দু হিসেবে মৃত্যুবরণ করাকেই শ্রেয় মনে করেছিল। হিন্দু এবং মুসলমান উভয়ের ঈশ্বরই যেন এই বীর আত্মাদের কাছে তার দূত পাঠান এবং তারা যে ধর্মের জন্য প্রাণ দিয়েছে, সেই ধর্মেই যেন তাদের পুনরায় জন্ম হয়। ** [[অ্যানি বেসান্ত]]: মালাবার’স অ্যাগনি – অ্যানি বেসান্ত রাইটস অন গান্ধীজিস ‘মাপ্পিলা ব্রাদার্স’ – নিউ ইন্ডিয়া, ২৯ নভেম্বর ১৯২১ * গান্ধীজিকে যদি একবার মালাবারে নিয়ে যাওয়া যেত, তবে তিনি নিজের চোখে দেখতে পেতেন যে তার এবং তার "প্রিয় ভাই" মুহাম্মদ ও শওকত আলির প্রচারের ফলে সেখানে ঠিক কতটা বীভৎস পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। সেখানে খেলাফত রাজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে; ১৯২১ সালের ১লা আগস্ট, যেদিন গান্ধীজি স্বরাজ শুরু হওয়ার এবং ব্রিটিশ শাসন বিলুপ্ত হওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন, ঠিক সেই দিনেই ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহকারী মোপলারা একজন পুলিশ ইন্সপেক্টরকে ঘিরে ধরেছিল। সেই দিন থেকেই হাজার হাজার নিষিদ্ধ যুদ্ধ-ছুরি গোপনে তৈরি করে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল এবং ২০শে আগস্ট এই বিদ্রোহ চূড়ান্ত রূপ নেয়। পুলিশ স্টেশন এবং সরকারি অফিসগুলোতে খেলাফত পতাকা ওড়ানো হয়েছিল। আশ্চর্যের বিষয় হলো যে, ৮২৫ খ্রিস্টাব্দের ২৫শে আগস্ট চেরমন পেরুমল মালাবারের সিংহাসনে আরোহণ করেছিলেন, যিনি ছিলেন প্রথম জামোরিন। সেই দিন থেকেই মালয়ালম অব্দ কিংবা সাল গণনা শুরু হয় যা এখনো ব্যবহৃত হচ্ছে। এভাবে প্রায় ১০৯৬ বছর ধরে কালিকটে একজন জামোরিন শাসন করেছেন এবং রাজারা মূলত প্রধান ব্যক্তিত্ব যারা বহু শতাব্দী ধরে জামোরিনকে তাদের সামন্ত প্রধান হিসেবে গণ্য করে আসছেন। মালাবারে প্রকৃত শান্তি স্থাপন শেষ পর্যন্ত এই মানুষগুলোর ওপরই নির্ভর করবে। ঘরবাড়ি হারানো শরণার্থীরা কেবল তখনই তাদের ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া ভিটেমাটিতে ফিরে আসবে, যখন তারা দেখবে যে তাদের পূর্বপুরুষদের সেই পবিত্র স্থানগুলো আবারও নিরাপদ হয়েছে। তাদের জমিগুলো মূলত মোপলাদের দ্বারাই চাষ করা হতো, যারা সাধারণত পরিশ্রমী এবং কর্মঠ কৃষি শ্রমিক হিসেবে পরিচিত। আমাদের প্রতিনিধি কালিকট এবং পালঘাটে আমার সংক্ষিপ্ত সফরের বিস্তারিত বিবরণ পাঠিয়েছেন এবং আমি এখানে যা লিখে রাখতে চাই তা হলো সেখানকার অবর্ণনীয় দুঃখ-দুর্দশা। মোপলাদের এই বিদ্রোহের কারণে যে হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, তার সরাসরি কারণ হলো অসহযোগ আন্দোলনকারী এবং খেলাফতপন্থীদের দ্বারা সরকারের বিরুদ্ধে করা অত্যন্ত উগ্র ও বিবেকহীন আক্রমণ। ব্রিটিশ শাসন দ্রুত শেষ হবে এবং স্বরাজ প্রতিষ্ঠিত হবে বলে যে প্রচার চালানো হয়েছিল, তা সাধারণ মোপলাদের মনে গভীর প্রভাব ফেলেছিল। খেলাফতপন্থীদের দেওয়া ঘোষণাগুলো থেকে মোপলারা যা বুঝেছিল, তা-ই তারা কার্যকর করতে চেয়েছিল। এতে কোনো সন্দেহের অবকাশ নেই যে, মালাবারের প্রতিটি মোপলার ঘরে ঘরে এই বার্তা পৌঁছে গিয়েছিল যে ইংল্যান্ড ইসলামের শত্রু এবং তাদের পতন আসন্ন। মসজিদের ধর্মীয় বক্তৃতাগুলোতেও এই কথা ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল এবং মুসলিমদের মনে আনন্দের সৃষ্টি করেছিল। তারা দেখেছিল যে অসহযোগ আন্দোলনের প্রচারকরা তাদের ধর্মীয় নেতাদের সাহায্য চাইছে, ফলে তারা স্বাভাবিকভাবেই এই দুই আন্দোলনকে একই মনে করেছিল। তাদের কাছে ব্রিটিশ সরকার ছিল শয়তানি শক্তি এবং একজন ভালো মুসলমান হিসেবে শয়তানের বিরুদ্ধে আমৃত্যু লড়াই করা তাদের দায়িত্ব হয়ে দাঁড়িয়েছিল। গান্ধীজি অসহযোগ আন্দোলনকারীদের দায়িত্ব না নেওয়ার বিষয়ে যত খুশি কথা বলতে পারেন, কিন্তু বাস্তব পরিস্থিতি কী তা তথ্য-প্রমাণই বলে দেয়। বোম্বের সামান্য রক্তপাতের দায়িত্ব তিনি গ্রহণ করেছিলেন, কিন্তু মালাবারের এই গণহত্যা তার দায়িত্ব পালনের ব্যর্থতারই আর্তনাদ করছে। মালাবারে অসহযোগ আন্দোলন এখন মৃত, কিন্তু সেখানে এক তীব্র ঘৃণার জন্ম হয়েছে। এটি গান্ধীবাদের প্রচার, অসহযোগ এবং খেলাফত আন্দোলনের এক বীভৎস পরিণাম। প্রত্যেকেই এখন খেলাফত রাজ সম্পর্কে আলোচনা করছে এবং সাধারণ মানুষের একমাত্র আশা হলো সরকারের শক্তিশালী হস্তক্ষেপের মাধ্যমে এর পতন ঘটানো। গান্ধীজি নরমপন্থীদের বলছেন যেন তাঁরা সরকারকে যুদ্ধ থামাতে বাধ্য করেন, অর্থাৎ নেকড়েদের আবারও সুযোগ করে দেওয়া যাতে তারা অবশিষ্ট জীবনগুলোও কেড়ে নিতে পারে। আমি আবারও বলতে চাই, নরমপন্থীদের সহানুভূতি সেই সব খুনি কিংবা ধর্ষকদের প্রতি নেই যারা সরকারকে অচল করার শিক্ষাকে সহিংসভাবে প্রয়োগ করেছে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন একজন মোপলা যে বলেছিল, সে অন্তত চৌদ্দজন কাফেরকে মারতে পেরে খুশি, তার এই মানসিকতাকে গান্ধীজি কীভাবে গ্রহণ করবেন? যারা মনে করে যে নারী ও শিশুদের হত্যা করা এবং পুরো পরিবার ধ্বংস করে দেওয়াটা একটি ধর্মীয় কাজ, সভ্য সমাজে তাদের অবশ্যই শৃঙ্খলিত রাখা প্রয়োজন। <br> গান্ধীজি পার্সি নারীদের শাড়ি ছিঁড়ে ফেলার ঘটনায় ব্যথিত হয়েছিলেন, অথচ এখানকার হাজার হাজার নারীর ওপর যে অত্যাচার হয়েছে তা নিয়ে তিনি নিশ্চুপ। শরণার্থী শিবিরের সেই সব শিশুদের কথা কি তিনি একবারও ভাবেন না যারা রাস্তায় তাদের পলায়নপর মায়েদের কোলে জন্ম নিয়েছে? এই দুঃখ-দুর্দশা ভাষায় বর্ণনা করার মতো নয়। সুন্দরী তরুণী বধূরা যারা আজ শোকে পাথর হয়ে গেছে, কিংবা সেই সব বৃদ্ধারা যাদের মুখ আজ যন্ত্রণায় কুঁচকে গেছে এবং যারা সামান্য একটু দয়া পেলেই কান্নায় ভেঙে পড়ছে, তাদের সেই আর্তনাদ কি গান্ধীজির কানে পৌঁছায় না? আমি নিজের চোখে তাদের সেই যন্ত্রণাদগ্ধ চাহনি দেখেছি। গান্ধীজি একে "লজ্জাজনক অমানবিকতা" বলছেন। হ্যাঁ, সত্যিই এটি একটি লজ্জাজনক অমানবিকতা যা মোপলারা ঘটিয়েছে এবং ব্রিটিশ ও ভারতীয় সৈন্যদের বীরত্বের কারণেই অনেক মানুষকে নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচানো সম্ভব হয়েছে। এটি মনে রাখা অত্যন্ত জরুরি যে মোপলারা নিজেই এই রক্তক্ষয়ী ধ্বংসলীলা শুরু করেছিল এবং সরকার কেবল ভুক্তভোগীদের প্রাণ বাঁচাতে এগিয়ে এসেছে। গান্ধীজি কি চাইছেন যুদ্ধ বন্ধ হোক, যাতে মোপলারা শরণার্থী শিবিরে ঝাঁপিয়ে পড়ে তাদের কাজ শেষ করতে পারে? <br> আমি কালিকটে তিনটি বড় শিবির পরিদর্শন করেছি যেখানে খাবারের এবং থাকার সুব্যবস্থা করা হয়েছিল। আমি আবারও সেই দুই পুলায়া ব্যক্তির বীরত্বের কথা স্মরণ করতে চাই যারা মুসলমান হওয়ার চেয়ে হিন্দু হিসেবে মৃত্যুকে আলিঙ্গন করা শ্রেয় মনে করেছিলেন। তারা প্রমাণ করেছেন যে শত অবহেলার পরেও তারা তাদের শেকড়কে ভুলে যাননি। ঈশ্বর যেন এই সাহসী আত্মাদের শান্তি দান করেন। ** [[অ্যানি বেসান্ত]]: মালাবার’স অ্যাগনি – অ্যানি বেসান্ত রাইটস অন গান্ধীজিস ‘মাপ্পিলা ব্রাদার্স’ – নিউ ইন্ডিয়া, ২৯ নভেম্বর ১৯২১ * গত একশ বছরে মোপলা ধর্মান্ধতার অন্তত ৫১টি ঘটনা নথিবদ্ধ করা হয়েছে। ১৯২২ সালের ৬ই জুলাইয়ের ওয়েস্ট কোস্ট স্পেকটেটর পত্রিকায় একটি মোপলা গান প্রকাশিত হয়েছিল যা বিদ্রোহীরা গাইত। সেই গানে বিস্তারিত বর্ণনা দেওয়া হয়েছিল যে, জান্নাতে হুররা সজ্জিত ঘোড়া নিয়ে সেই সব বিশ্বাসীদের জন্য অপেক্ষা করছে যারা যুদ্ধে প্রাণ দেবে। বলা হয়ে থাকে যে, প্রত্যেক মোপলা যোদ্ধা এই গানের একটি কপি নিজের সাথে রাখত।<br>... এ ধরনের বিদ্রোহের প্রকৃতি সম্পর্কে কালিকটের বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারকরা একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ দিয়েছিলেন। তারা বলেছিলেন যে, অন্তত গত একশ বছর ধরে মোপলা সম্প্রদায় তাদের নৃশংস আচরণের জন্য কুখ্যাত হয়ে আছে। অতীতে এগুলো মূলত ধর্মান্ধতার কারণেই হয়েছে। এরনাড তালুক কিংবা কাউন্টিতে এ ধরনের উগ্রতা বেশি দেখা যেত কারণ এখানকার মোপলারা ছিল অশিক্ষিত এবং তারা সহজেই এই বিশ্বাসে প্রলুব্ধ হতো যে, কাফের কিংবা বিধর্মীদের হত্যা করলেই স্বর্গে যাওয়া যাবে। তারা হিন্দু নিধনে মেতে উঠত এবং এর জন্য তাদের বিশেষ কোনো অজুহাতের প্রয়োজন হতো না। তাদের মূল উদ্দেশ্য ছিল ব্রিটিশ সরকারকে উৎখাত করে সশস্ত্র যুদ্ধের মাধ্যমে একটি খেলাফত সরকার প্রতিষ্ঠা করা।<br>... ১৯২১ সালের এই বিদ্রোহের মূলে কৃষি কিংবা ভূমি সংক্রান্ত কোনো সমস্যা ছিল না। বর্তমান তথ্য-প্রমাণ থেকে এটি পরিষ্কার যে, খেলাফত এবং অসহযোগ আন্দোলনই মোপলাদের মনে স্বরাজ ও পরকালীন সুখের লোভ দেখিয়ে তাদের উত্তেজিত করেছিল। যদিও মালাবারে ভূমি কিংবা ভাড়াটিয়াদের কিছু সমস্যা ছিল, তবে ব্যক্তিগতভাবে আমার মনে হয়েছে যে, ব্রাহ্মণ কিংবা নায়ার জমিদারদের অধীনে থাকা হিন্দু শ্রমিকদের অবস্থা তাদের মুসলমান মালিকদের চেয়েও শোচনীয় ছিল।<br>... হিন্দুরা মোপলাদের চরম ক্রোধের শিকার হয়েছিল এবং তাদের ওপর যে অত্যাচার হয়েছে তা ভাষায় বর্ণনা করা অসম্ভব। মালাবারের নারীরা যখন রিডিংয়ের কাউন্টারেসের কাছে একটি স্মারকলিপি জমা দিয়েছিলেন, সেখানে বিকৃত লাশে ভর্তি কুয়ো, গর্ভবতী নারীদের পেট চিরে ফেলা, শিশুদের মায়ের কোল থেকে কেড়ে নিয়ে হত্যা করা এবং স্বামীদের চোখের সামনে পুড়িয়ে মারার মতো ভয়াবহ সব অপরাধের কথা উল্লেখ করা হয়েছিল। মন্দিরের পবিত্রতা নষ্ট করা এবং গবাদি পশুর নাড়িভুঁড়ি প্রতিমার গলায় পরিয়ে দেওয়ার মতো জঘন্য কাজও তারা করেছিল। বিদ্রোহ চলাকালীন অনেককে হিন্দু থেকে জোর করে মুসলমান করা হয়েছিল। এদের পুনরায় হিন্দু ধর্মে ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে দুটি প্রধান বাধা ছিল; প্রথমত, ইসলাম ধর্মে ধর্মত্যাগের জন্য কঠোর শাস্তি এবং দ্বিতীয়ত, হিন্দু ধর্মে জন্ম নেওয়া ছাড়া প্রবেশের কোনো স্বীকৃত পথ নেই। ** জে. জে. ব্যানিঙ্গা, "দ্য মোপলা রেবেলিয়ন অব ১৯২১," মোসলেম ওয়ার্ল্ড ১৩ (১৯২৩): পৃষ্ঠা ৩৭৯-৮০, ৩৮২-৮৪, ৩৮৬ থেকে উদ্ধৃত। উদ্ধৃতি: বোস্টম, এ. জি. এম. ডি. এবং বোস্টম, এ. জি. (২০১০)। দ্য লেগাসি অব জিহাদ: ইসলামিক হোলি ওয়ার অ্যান্ড দ্য ফেইট অব নন-মুসলিমস। অ্যামহার্স্ট: প্রমিথিউস। * ... এক হাতে কুরআন আর অন্য হাতে তলোয়ার নিয়ে এই আইন অমান্যকারী দলগুলো সমৃদ্ধ গ্রামগুলোর মধ্য দিয়ে এগিয়ে গিয়েছিল। তারা সেখানে বসবাসরত অনিচ্ছুক হিন্দু জনগোষ্ঠীর ওপর জোর করে ধর্ম পরিবর্তন কিংবা মৃত্যু চাপিয়ে দিয়েছিল। সেই সব হিন্দু ও অন্যান্য অমুসলিমদের ঘরবাড়ি ভেঙে তছনছ করা হয়েছে এবং কয়েক লক্ষ টাকা মূল্যের মূল্যবান ধন-সম্পদ সেখান থেকে লুটে নেওয়া হয়েছে। বাড়ির বাসিন্দাদের ওপর অকথ্য নির্যাতন চালানো হয়েছে। সেখানে থাকা পুরুষ, নারী ও শিশুদের অত্যন্ত ঠান্ডা মাথায় এবং নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। কার বয়স কত কিংবা তারা কোন লিঙ্গের মানুষ, তা নিয়ে তাদের বিন্দুমাত্র মাথাব্যথা ছিল না। হিন্দু মন্দিরগুলো ধ্বংস করা হয়েছে; বিগ্রহগুলো ভেঙে ফেলা হয়েছে; মন্দিরের মূল্যবান অলঙ্কারগুলো লুট করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এলাকার ভূমিহীন ও সামন্ত অভিজাত শ্রেণির সাথে অত্যন্ত নিষ্ঠুর আচরণ করা হয়েছে। বিপুল সংখ্যক মানুষ তাদের সহায়-সম্বল ও ঘরবাড়ি ছেড়ে প্রাণ বাঁচাতে কালিকট শহরে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে এবং তারা এখন সেখানেই আশ্রয় নিয়েছে। দাঙ্গাকারীদের হাতে ইউরোপীয় সম্প্রদায়কেও অনেক দুর্ভোগ ও কষ্ট পোহাতে হয়েছে। এটি সত্যিই এক অলৌকিক ব্যাপার যে, তাদের মধ্যে কেউ কেউ সেই অশান্ত এলাকা পার হয়ে শেষ পর্যন্ত কালিকটে পালিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছে। মালাবারে ঘটে যাওয়া এই ট্র্যাজেডির প্রকৃতি ঠিক এমনই ছিল। **এস. আরএম. এম. আন্নামালাই চেট্টিয়ার জে. সাই দীপক রচিত ইন্ডিয়া, ভারত অ্যান্ড পাকিস্তান - দ্য কনস্টিটিউশনাল জার্নি অব আ স্যান্ডউইচড সিভিলাইজেশন, ২০২২ *আপনারা নিশ্চয়ই কেরালার মোপলা নামক একটি মুসলিম গোষ্ঠী সম্পর্কে অবগত আছেন। স্বাধীনতা আন্দোলনে এই মানুষগুলোর একমাত্র অবদান ছিল এই যে, ১৯২১ সালের খেলাফত আন্দোলনের সময় তারা মালাবারে হিন্দুদের ওপর এক বীভৎস ও বর্বর হত্যাকাণ্ড চালিয়েছিল। তারা হাজার হাজার হিন্দু ঘরবাড়ি লুট করেছিল এবং হিন্দুদের গ্রামগুলো পুড়িয়ে দিয়েছিল। তারা হিন্দু নারীদের ধর্ষণ করেছিল এবং হিন্দু মন্দিরগুলো ধ্বংস করেছিল। কিন্তু আপনারা কি জানেন? সেই সব মোপলাদের মধ্যে যারা এখনো বেঁচে আছেন, ভারত সরকার তাদের 'মুক্তিযোদ্ধা' হিসেবে সম্মানিত করে এবং সেই ভিত্তিতে তাদের মাসিক পেনশন প্রদান করে! **এ. চ্যাটার্জি, হিন্দু নেশন, কোয়েনরাড এলস্ট (২০০১) রচিত ডিকলোনাইজিং দ্য হিন্দু মাইন্ড: আইডিওলজিক্যাল ডেভেলপমেন্ট অব হিন্দু রিভাইভালিজম। নতুন দিল্লি: রূপা। পৃষ্ঠা ৫৬১ * "গত কয়েক বছর ধরে হিন্দুদের ওপর মাপ্পিলাদের চালানো একের পর এক নৃশংস অপরাধের কারণে মালাবার প্রদেশটি কলঙ্কিত হয়েছে। মাপ্পিলাদের দলগুলো প্রকাশ্য দিবালোকে ধনী ও প্রভাবশালী হিন্দুদের ওপর আক্রমণ চালিয়েছে, অত্যন্ত ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি করে তাদের হত্যা করেছে এবং ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দিয়ে লুটতরাজ চালিয়েছে। অবশেষে তারা পুলিশ ও সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে মরিয়া প্রতিরোধ গড়ে তুলে নিজেদের জীবন বিসর্জন দেওয়ার মাধ্যমে তাদের এই অপরাধযজ্ঞের সমাপ্তি ঘটিয়েছে। যদিও আগের ঘটনাগুলোতে ধর্মান্ধ মাপ্পিলারা নারী ও শিশুদের রেহাই দিত, কিন্তু গতবারের তাণ্ডবে তারা পুরুষ, নারী ও শিশু—সবাইকেই নির্বিচারে হত্যা করেছে। এমনকি মায়ের বুকের দুধ খাওয়া কোলের শিশু, অতিথি কিংবা ভৃত্যদেরও তারা রেহাই দেয়নি। এক কথায়, আক্রান্ত বাড়িতে পাওয়া প্রতিটি মানুষকেই তারা হত্যা করেছে।" (পৃষ্ঠা ৬৩৬)। **মিস্টার কন্যালি (মালাবারের ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেট), ১৮৫২ সালে সরকারের কাছে পেশ করা প্রতিবেদন, উইলিয়াম লোগান রচিত মালাবার ম্যানুয়াল-এ বর্ণিত। টিপু সুলতান: ভিলিয়ান অর হিরো? : অ্যান অ্যান্থলজি থেকে উদ্ধৃত। সম্পাদনা: এস. আর. গোয়েল (১৯৯৩) {{আইএসবিএন|৯৭৮৮১৮৫৯৯০০৮৮}} * খেলাফত আন্দোলন যখন তুঙ্গে, তখন ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের নেতাদের দেওয়া একটি প্রকাশ্য বিবৃতি আমাদের নজরে আসে।<br> “আমাদের স্বরাজ লাভের ক্ষেত্রে হিন্দু ও মুসলমানদের বন্ধুত্বের চেয়েও সত্যের গুরুত্ব অনেক বেশি। তাই মৌলভি সাহেব, তার অনুসারী এবং মহাত্মা গান্ধীর উদ্দেশ্যে আমরা কিছু কথা বলতে চাই। হিন্দুদের ওপর চালানো সেই নৃশংসতাগুলো ধ্রুব সত্য। অহিংসা ও অসহযোগের একজন প্রকৃত অনুসারীর পক্ষে মোপলা বিদ্রোহীদের এই কর্মকাণ্ডকে কোনোভাবেই সমর্থন করা সম্ভব নয়। ঠিক কী কারণে তাদের অভিনন্দন জানানো হচ্ছে? হিন্দুদের ঘরবাড়ি লুট করার জন্য? না কি হিন্দুদের জোরপূর্বক ইসলামে ধর্মান্তরিত করার জন্য? নিরপরাধ হিন্দু পুরুষ, নারী ও শিশুদের নির্বিচারে হত্যা করার জন্য? না কি হিন্দু নারীদের ধর্ষণ করার জন্য? হিন্দু মন্দিরগুলোর পবিত্রতা নষ্ট করা এবং সেগুলো ধ্বংস করার জন্য? যারা এ ধরনের নৃশংসতা চালিয়েছিল, তারা কি সত্যিই নিজেদের ধর্মের জন্য জীবন উৎসর্গ করছিল?” **এই যৌথ বিবৃতিটি প্রদান করেছিলেন শ্রী কে. মাধবন নায়ার, কেপিসিসি সম্পাদক, শ্রী টি. ভি. মুহাম্মদ, এরনাড তালুক খেলাফত কমিটির সম্পাদক, শ্রী কে. করুণাকরণ মেনন, কেপিসিসি কোষাধ্যক্ষ প্রমুখ, তিরুর দিনেশ - মোপলা রায়টস (২০২১) * আমরা মালাবারে ঘটে যাওয়া অপরাধের সেই দীর্ঘ অধ্যায়টি অত্যন্ত আতঙ্ক ও গভীর দুঃখের সাথে পড়েছি। সেখানে সরকারি ও ব্যক্তিগত সম্পদ ধ্বংস করা, সরকারি ট্রেজারি ও সাব-ট্রেজারি লুট করা, হিন্দু মন্দিরগুলোকে অপবিত্র করা এবং একই সাথে হিন্দুদের জোরপূর্বক ইসলামে ধর্মান্তরিত করার মতো নজিরবিহীন সব ঘটনার বর্ণনা রয়েছে। **মানেকজি বাইরামজি দাদাবয়। জে. সাই দীপক রচিত ইন্ডিয়া, ভারত অ্যান্ড পাকিস্তান - দ্য কনস্টিটিউショナル জার্নি অব আ স্যান্ডউইচড সিভিলাইজেশন, ২০২২ * হিন্দু ও মুসলমানদের মধ্যে ঘটা দাঙ্গাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে নিকৃষ্ট সেই ঘটনার কিছুকাল পর, যখন মোপলা মুসলমানরা শত শত নিরস্ত্র হিন্দুকে নির্মমভাবে হত্যা করেছিল এবং আল্লাহর প্রতি অঙ্গীকার হিসেবে তাদের লিঙ্গাগ্রত্বক উৎসর্গ করেছিল; ঠিক তখনই সেই একই মুসলমানরা চরম দুর্ভিক্ষের মুখে পড়েছিল। সেই সময় মহাত্মা গান্ধী সারা ভারত থেকে তাদের জন্য অর্থ সংগ্রহ করেছিলেন এবং প্রচলিত কোনো রীতির তোয়াক্কা না করেই সংগৃহীত অর্থের প্রতিটি আনা কোনো প্রশাসনিক খরচ ছাড়াই সেই ক্ষুধার্ত শত্রুদের কাছে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন। **উইলিয়াম ডুরান্ট, আওয়ার ওরিয়েন্টাল হেরিটেজ <hr width="50%"/> ==== টি. দিনেশ, ''মোপলা রায়টস'' ==== :তিরুর দিনেশ - ''মোপলা রায়টস'' (২০২১) * তুলাম ১১ তারিখ (মালয়ালম ক্যালেন্ডার) বিকেলে যখন গবাদি পশু নিয়ে বাড়ি ফিরছিলাম, তখন কয়েকজন মুসলমান আমাকে আর পালাপুরাম আরুমুখামকে ধরে ফেলে। কিছুক্ষণ পর কোন্নারা মুহাম্মদ কোয়া থাঙ্গাল সশস্ত্র অবস্থায় সেখানে আসে এবং আমাদের হাতকড়া পরিয়ে ভাজাক্কাত মসজিদে নিয়ে যায়। সেখান থেকে আমাদের কোন্নার মসজিদে সরিয়ে নেওয়া হয়। তখন সন্ধ্যা পেরিয়ে প্রায় দশ নাঝিকা (আড়াই নাঝিকায় এক ঘণ্টা) সময় কেটে গিয়েছিল। সেখানে তারা আমাদের আরও কিছু মানুষের সাথে বন্দি করে রাখে। এই মুহাম্মদ কোয়া থাঙ্গালই আমাদের একটি ঘরে আটকে রাখার নির্দেশ দিয়েছিল। তারা দিনে মাত্র একবার খাবার দিত এবং আমরা দশ দিন সেই ঘরেই কাটিয়েছি। এরপর মুহাম্মদ কোয়া থাঙ্গাল আমাকে তাদের ধর্মে ধর্মান্তরিত করে এবং মাথায় পরার জন্য একটি টুপি দেয়। তারা যখন আমার কাছে জানতে চাইল যে আমার 'দ্বীন'-এর ওপর বিশ্বাস আনার ইচ্ছা আছে কি না, তখন আমার ঠিক পাশেই একজন তলোয়ার নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিল। আমি যদি 'না' বলতাম, তবে তারা আমাকে মেরে ফেলত। আমি নিজের চোখে আরও ১৮ জন মানুষকে দেখেছিলাম, যারা 'না' বলায় তাদের কুপিয়ে মেরে ফেলা হয়েছিল। তাই শেষ পর্যন্ত আমাকে রাজি হতে হয়েছিল। এরপর একজন নাপিত এসে আমার মাথা ন্যাড়া করে দেয় এবং এক থাঙ্গাল আমাদের 'কালিমা' পড়তে বলে। আমার নাম রাখা হয় আব্দুল রেহমান। এরপর থাঙ্গাল আমাকে পরার জন্য একটি কাপড় আর একটি তোয়ালে দেয়। কয়েক দিন পর তারা আমাকে কোনডোট্টিতে নিয়ে যায়। ১৮ তারিখে যখন একজন প্রহরীর পাহারায় আমাকে গোসলের জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, তখন একদল মানুষকে সামরিক সরঞ্জাম বহন করতে দেখে মোপলারা সেখান থেকে পালিয়ে যায়। সেই সুযোগে আমি তৎক্ষণাৎ তাদের হেফাজত থেকে দৌড়ে পালিয়ে আসি। **অধ্যায় ৯ হার্ট ব্রেকিং এক্সপেরিয়েন্সেস। কুত্তিরি নত্তুন্নি পানিক্কর: ২৬-১১-১৯২১ তারিখের কেরালা পত্রিকায় প্রকাশিত * আমরা যখন বাড়িতে বসে কাঞ্জি (ভাতের ফ্যান) খাচ্ছিলাম, তখন কয়েকজন মুসলমান সেখানে আসে। তারা আমাদের গবাদি পশু আর আদা ও ওলের ফলন কেড়ে নিয়ে যায়। আমাকেও তারা ধরে নিয়ে গিয়েছিল। যেহেতু অনেক মুসলমান আমাকে চিনত, তাই তারা কোনো ক্ষতি না করেই আমাকে ছেড়ে দিয়েছিল। ভারিয়ানকুন্নাথ কুঞ্জাহাম্মদ হাজি এবং চেমব্রাসেরি থাঙ্গাল তিনটি কুয়ো মৃতদেহে ভরিয়ে ফেলেছিল। তারা নারীদের পা টেনে ধরে শরীরের মাঝখান থেকে চিরে ফেলে কুয়োতে ফেলে দিচ্ছিল। কুঞ্জাহাম্মদ হাজি এবং চেমব্রাসেরি থাঙ্গাল মিলে বিপুল সংখ্যক হিন্দুকে জোর করে ধর্মান্তরিত করেছিল। **অধ্যায় ৯ হার্ট ব্রেকিং এক্সপেরিয়েন্সেস। মানুথ পারাম্বিল মণিচান এরাদি - কেরলাশব্দম ভারিকা। ২০ ডিসেম্বর ১৯৮১ তারিখের সংস্করণ * যখন এই বিদ্রোহ শুরু হয় তখন আমার বয়স ছিল মাত্র ১২ বছর, কিন্তু ততদিনে আমি আর শিশু ছিলাম না এবং ঘরের কাজকর্ম দেখাশোনা করতাম। এই বিদ্রোহের সূত্রপাত হয়েছিল তিরুরাঙ্গাড়িতে। মোপলাদের মূল লক্ষ্য ছিল নিরস্ত্র এবং অসহায় হিন্দুদের হত্যা করা। বিদ্রোহের সময় সেনাবাহিনী তিরুরে অবস্থান করছিল। সেই জায়গাটি পেরিল নামে পরিচিত ছিল এবং সেখানে পেরানচেরি যৌথ পরিবারের ঘরবাড়ি ও কিছু হরিজনদের বসতি ছিল। কিছু এলাকা ছিল ঝোপঝাড়ে ভরা জঙ্গল এবং অন্যান্য জায়গাগুলো ছিল জনমানবহীন। প্রতিদিন আমরা বিদ্রোহ সম্পর্কে আতঙ্কিত সব খবর শুনতে পেতাম। আমাদের মনে ভয় কাজ করত যে, আমাদের আয়ু প্রতিদিন কমে আসছে এবং যেকোনো মুহূর্তে আমরা মুসলমানদের তলোয়ারের শিকারে পরিণত হব। আমার সঠিক তারিখ মনে নেই। তবে একদিন বিকেলে একদল বিদ্রোহী পুথানথেরু (কেরলাধীশ্বরপুরম)-তে এসে পৌঁছায়। কোনো ধরনের উস্কানি ছাড়াই মোপলারা তাঁতিদের গলিতে ঢুকে পড়ে। তারা হাতে তলোয়ার উঁচিয়ে এবং মশাল জ্বালিয়ে "তকবির" ধ্বনি দিতে দিতে এগিয়ে আসছিল। সাথে সাথেই তারা ঘরবাড়িতে ঢুকে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে শুরু করে। একজন চেট্টিয়ারসহ ছয়জন মানুষকে মোপলারা কুপিয়ে হত্যা করেছিল। পুথানথেরুতে আসা দাঙ্গাকারীদের মধ্যে কেউ ছিল স্থানীয় আর বাকিরা এসেছিল নীলম্বুর থেকে। সেখানে ভেলুথান নামে একজন স্বর্ণকারের বাড়ি ছিল। মোপলা দাঙ্গাকারীরা তার বাড়ি পুড়িয়ে ছাই করে দেয়। তারা যখন সব ঘরবাড়িতে আগুন দিতে শুরু করল, তখন হরিজনরা চিৎকার করে কাঁদতে শুরু করে। তাঁতিদের গলিতে এই নৃশংসতা চালানোর পর মোপলারা এদিকে চলে আসে। মানুষ প্রাণভয়ে এদিক-ওদিক ছুটতে শুরু করে। মৃত্যুর ভয়ে ভীত হয়ে তারা নিজেদের জীবন বাঁচাতে কোনো নিরাপদ স্থানে পালিয়ে যেতে চেয়েছিল। কিন্তু চারপাশ ছিল অন্ধকারে ঢাকা। সবশেষে আমিসহ প্রত্যেকে ঝোপঝাড়পূর্ণ এক জঙ্গলে লুকিয়ে পড়ি। আমরা তাদের দূর থেকে দেখতে পাচ্ছিলাম। মাথায় গোল পাগড়ি এবং হাতে মশাল নিয়ে তারা যুদ্ধের হুঙ্কার দিতে দিতে এগিয়ে যাচ্ছিল এবং পথে যা পাচ্ছিল সব ধ্বংস করে দিচ্ছিল। তারা প্রতিটি ঘরে ঘরে মানুষের খোঁজ করছিল এবং ঘরের সবকিছু বাইরে ছুড়ে ফেলছিল। তারা যখন পেরিল পরিবারের দেবীর মন্দিরটি দেখতে পেল, তখন তারা রাগে উন্মত্ত হয়ে মন্দিরে আগুন ধরিয়ে দেয়। আমাদের সব হিন্দুদের কাছে অত্যন্ত পবিত্র হিসেবে বিবেচিত সেই মন্দিরটি ছাই হয়ে যেতে দেখে আমি নীরবে চোখের জল ফেলেছিলাম। নির্বিচারে আগুন দেওয়ার ফলে যে আলো ছড়িয়ে পড়েছিল, তাতে আমি বিদ্রোহী মুসলমানদের কয়েকজনকে চিনতে পেরেছিলাম। তাদের মধ্যে মুক্কাত্তিল আলাভি, কোয়াকুট্টি, পারি মইদিন প্রমুখ স্থানীয় ব্যক্তিরাও ছিল। হিন্দুদের প্রতি তাদের যে ঘৃণা ছিল, তা বিদ্রোহের সময় তাদের করা নিষ্ঠুর কাজগুলোর মাধ্যমে পুরোপুরি ফুটে উঠেছিল। ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালানোর পর দাঙ্গাকারীরা তকবির ধ্বনি দিতে দিতে সেখান থেকে চলে যায়। **অধ্যায় ৯ হার্ট ব্রেকিং এক্সপেরিয়েন্সেস। পেরানচেরি কৃষ্ণান নায়ার, এরানাল্লুর, ওঝুর * তারা ঘরবাড়িতেও আগুন ধরিয়ে দিয়েছিল। এরপর তারা এলাকার আরও অনেক বাড়িতে লুটতরাজ চালায় এবং সেগুলোর সব কটিতেই আগুন লাগিয়ে দেয়। অনেক মানুষকে ধরে তাদের হাত পেছন দিকে বেঁধে ফেলা হয় এবং সেই অবস্থাতেই তাদের শরীরের চামড়া ছাড়িয়ে নেওয়া হয়। অনেকের শরীর তলোয়ার দিয়ে ওপর থেকে নিচ পর্যন্ত কয়েকবার চিরে ফেলা হয়েছিল এবং বেশ কয়েকজনকে আধমরা অবস্থায় একটি কুয়োতে ফেলে দেওয়া হয়। রাস্তার ওপর দুজনকে মেরে ফেলা হয়েছিল। গত দশ মাস ধরে অসুস্থ অবস্থায় শয্যাশায়ী আশি বছর বয়সী এক বৃদ্ধকেও তারা তার নিজের বাড়িতেই কুপিয়ে হত্যা করে। ৩৬ জন নিহতের মধ্যে ৩৩ জনকেই সেই কুয়োতে ফেলে দেওয়া হয়েছিল। তাদের মধ্যে তিনজন ছিলেন এমব্রানথিরি (ব্রাহ্মণ জাতি)। তারা থুভুর, পুথুর ভেত্তাক্কোরা মাকান কাভু এবং কাইক্কাত্তিরিতে রাজার মালিকানাধীন মন্দিরের পুরোহিত ছিলেন। তারা মন্দিরগুলো ধ্বংস করেছিল এবং প্রতিমাগুলো ভেঙে ফেলেছিল। এসব নৃশংসতার কারণে আমার নারী আত্মীয় ও শিশুসহ অন্যান্য হিন্দু নারী ও শিশুরা পরনের পোশাক ছাড়া আর কিছুই না নিয়ে পান্ডিক্কাডের সেনা ক্যাম্পে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছিল। **অধ্যায় ৯ হার্ট ব্রেকিং এক্সপেরিয়েন্সেস। পুভানচেরি ভেলুথেদাথ শঙ্করন - থুভুর গ্রামের আধিকারী (২রা ডিসেম্বর ১৯২১ তারিখে কালিকটের জামোরিনের কাছে পাঠানো চিঠি) "সামুথিরিচারিথরাথিলে কানাপুরঙ্গল" বইয়ের পৃষ্ঠা ১৩৬-১৩৯ থেকে সংগৃহীত * নভেম্বর মাসে বিদ্রোহ আবারও নতুন করে শুরু হয়। ৬ তারিখ নাগাদ মানুষকে প্রকাশ্যেই কুপিয়ে হত্যা করা শুরু হয়। ৭ তারিখ রাতে নারী, শিশু, বৃদ্ধ ও যুবকসহ আশপাশের বেশ কয়েকটি পরিবারের মোট প্রায় ১২৫ জন মানুষ একসঙ্গে আরিয়াল্লুরের দিকে রওনা দেয়। আমাদের মনে সবসময় ভয় কাজ করছিল যেন কোনোভাবেই মোপলাদের চোখে না পড়ে যাই। শিশুরা ভয়ে কাঁদছিল। সেই সময় অন্ধকারের চেয়েও মোপলাদের উপস্থিতি আমাদের মনে বেশি আতঙ্ক সৃষ্টি করছিল। যা কিছু সঙ্গে নেওয়া সম্ভব ছিল, তা আমাদের কাঁধেই ছিল। এভাবে আমরা পানামপুঝা কাডাভুর কাছাকাছি পৌঁছাই। এরপর আমরা সামনের দিক থেকে চিৎকার শুনতে পাই— "দয়া করে আমাদের মারবেন না।" আমি তখন সেই দলের ঠিক মাঝখানে ছিলাম। জানতে পারলাম যে সামনের দিক থেকে প্রায় ১৫০ জন মোপলা আক্রমণ করছে। আমরা সবাই তখন পেছনের দিকে দৌড়াতে শুরু করি। ততক্ষণে মোপলারা পেছন থেকেও আক্রমণ শুরু করে দিয়েছে। শিশু কিংবা বৃদ্ধ, পুরুষ কিংবা নারী—কোনো ভেদাভেদ না করেই তারা সবাইকে কুপিয়ে মারছিল। যারা আধমরা হয়ে পড়ে ছিল, তাদের আর্তনাদ ছিল অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। তারা চিৎকার করে বলছিল, "এই জারজগুলো কোথায় যাচ্ছে, ওদের মাথা কেটে ফেলো।" আমার মাথা, ঘাড় এবং তালুতেও তলোয়ারের কোপ লেগেছিল। শরীরজুড়ে এত ক্ষত নিয়েও আমি দৌড়াতে থাকি। দৌড়ানোর সময় আমি অনেক পুরুষ ও নারীর লাশের ওপর দিয়েই চলে গিয়েছিলাম। নিহতের সংখ্যা কোনোভাবেই ১০০-র কম ছিল না। প্রত্যেকের গয়না, আসবাবপত্র এবং টাকা—সবকিছুই লুট করা হয়েছিল। যারা তখনো বেঁচে ছিল, তারা অসহ্য যন্ত্রণায় ছটফট করছিল। পুরো রাস্তাটি রক্তে রঞ্জিত হয়ে গিয়েছিল। দৌড়ানোর সময় আমি প্রায় অচেতন হয়ে পড়েছিলাম। নিজের জীবন শেষ করে দেওয়ার জন্য আমি একটি নদীতে ঝাঁপ দিই। কিন্তু যেখানে পড়েছিলাম, সেখানে জল ছিল খুব কম। সেই ঠান্ডা জল যখন আমার শরীর ভিজিয়ে দিল, তখন আমার মনে কিছুটা সাহস ও আত্মবিশ্বাস ফিরে এল। **অধ্যায় ৯ হার্ট ব্রেকিং এক্সপেরিয়েন্সেস। উন্নি কুট্টি - ভেঙ্গারা (মিতাবাদী এবং যোগক্ষেমমের ১২তম বই, ৬ষ্ঠ সংখ্যায় যা লেখা ছিল তার সংক্ষিপ্ত রূপ) * একদিন সকালে নারীসহ প্রায় ৬৫ জন মানুষ আমার বাড়িতে আসে। যারা এসেছিল, সেই নিম্নবর্ণের মানুষগুলো অভিযোগ করেছিল যে তাদের ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে এবং তারা নিরাপত্তার খোঁজে পালিয়ে এসেছে। তারা এও বলেছিল যে, আগের রাতে প্রায় ৪৩ জন মানুষকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। অনেক বাড়িতে লুটতরাজ চালানো হয়েছে। এটি থুভুর নামক জায়গায় ঘটেছিল, যা মারাংঘাট থেকে প্রায় ৩ মাইল দূরে অবস্থিত। মন্দিরের পুরোহিত এবং তার ভাইকে মেরে ফেলা হয়েছিল। বিদ্রোহীরা ৫০ জন হিন্দুকে ধরে ফেলেছিল, যাদের মধ্যে ৭ জনকে তারা ছেড়ে দেয়। বাকি ৪৩ জনকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। থুভুর কুয়োটি এই ঘটনার জন্য কুখ্যাত। মানুষদের কুপিয়ে সেই কুয়োতে লাশ ফেলে দেওয়া হয়েছিল। যারা দৌড়ে আমার এখানে এসেছিল, তাদের মধ্যে সেই সাতজন ব্যক্তিও ছিল। যারা এই হত্যাকাণ্ড নিজের চোখে দেখেছিল, তারাই আমাকে এই কথা বলেছিল। আমার উদ্বেগ দশগুণ বেড়ে গেল। আমি বুঝতে পারছিলাম না ঠিক কী করা উচিত। মাথায় নানা চিন্তা আসতে লাগল। অনেকেই মত দিল যে আমাদের এই জায়গা ছেড়ে চলে যাওয়া উচিত। কিন্তু কোথায় যেতে হবে, তা কেউ জানত না। কান্নি মাসের (মালয়ালম মাস) ৯ তারিখ রবিবারে এই হত্যাকাণ্ড ও লুটতরাজ ঘটেছিল। এরপর আমরা সিদ্ধান্ত নিই যে পরের দিন দুপুরের খাবারের পর রওনা হব। আমরা আমাদের কুলদেবতার প্রতিমা এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র সাথে নিয়ে মারাত্তুর দিকে চলে আসি। **অধ্যায় ৯ হার্ট ব্রেকিং এক্সপেরিয়েন্সেস। উন্নি কুট্টি - ভেঙ্গারা (যোগক্ষেমম বই: ২- খণ্ড ২) <hr width="50%"/> * [তারা হলেন] সাহসী ও ঈশ্বরভীরু মানুষ যারা তাদের বিবেচনায় যা ধর্ম, সেই ধর্মের জন্যই লড়াই করছিল এবং তাদের বিবেচনায় যা ধর্মসম্মত, সেই পদ্ধতিতেই তারা যুদ্ধ করছিল। ** [[মহাত্মা গান্ধী]], [[ভীমরাও রামজি আম্বেদকর]], ''[https://www.google.com/books/edition/_/VOCdKRJ3fnkC?hl=en&gbpv=0&bsq=test ডক্টর বাবাসাহেব আম্বেদকর, রাইটিংস অ্যান্ড স্পিচেস: পাকিস্তান অর দ্য পার্টিশন অব ইন্ডিয়া]'', এডুকেশন ডিপার্টমেন্ট, গভর্নমেন্ট অব মহারাষ্ট্র। ১৯৭৯, পৃষ্ঠা ১৫৮। * মোপলারা গোষ্ঠী হিসেবে সব সময়ই বেশ দরিদ্র ছিল। তাদের বেশিরভাগই জেনমি নামক ক্ষুদ্র জমিদারদের অধীনে জমি চাষ করত, যাদের প্রায় সবাই ছিলেন হিন্দু। এই জেনমিদের চালানো নিপীড়ন একটি পরিচিত ঘটনা এবং এটি মোপলাদের দীর্ঘদিনের একটি অভিযোগ যা কখনো মেটানো হয়নি, যদিও আইন তৈরির মাধ্যমে পরিস্থিতির উন্নতির জন্য বেশ কয়েকবার চেষ্টা করা হলেও তা ব্যর্থ হয়েছিল। এই বিদ্রোহ দারিদ্র্যপীড়িত মোপলা সম্প্রদায়কে নিঃস্বতার আরও গভীরে ঠেলে দিয়েছে। জোর করে ধর্মান্তরিত করার ঘটনাগুলো এই সম্প্রদায়কে সাধারণভাবে হিন্দুদের কাছে এবং বিশেষভাবে জেনমিদের কাছে অপ্রিয় করে তুলেছে। এছাড়া সরকারের মনেও সেই মানুষদের প্রতি কোনো সহানুভূতি নেই যারা কিছুদিন আগেই তাদের সাথে সরাসরি যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছিল। হিন্দুরা সামরিক বাহিনীর সহায়তায় তাদের ওপর প্রতিশোধ নিয়েছে এবং মোপলাদের ঘরবাড়ি ও মসজিদগুলো ব্যাপক হারে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। হাজার হাজার মোপলা নিহত হয়েছে, তাদের গুলি করা হয়েছে, ফাঁসি দেওয়া হয়েছে অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে এবং হাজার হাজার মানুষ এখনো জেলে ধুঁকছে। যারা বেঁচে আছে তাদের মধ্যে কয়েক হাজার মানুষ দুই বছরের কারাদণ্ডের বদলে মাসিক কিস্তিতে জরিমানা দিচ্ছে। এই মানুষগুলো সবসময়ই পুলিশের কড়া নজরদারিতে থাকে। যারা মৃত্যু, জেল কিংবা জরিমানা থেকে রক্ষা পেয়েছে, তাদের অবস্থাও খুব একটা ভালো নয়। তারা প্রচণ্ড ভয়ে আছে এবং প্রতিনিয়ত আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। প্রত্যন্ত অঞ্চলের যেসব মানুষের সাথে আমি কথা বলেছি, তারা ভয়ে কাঁপছিল; যদিও তাদের এই আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল যে আমি তাদের বন্ধু এবং আমার এই সফরের উদ্দেশ্য হলো সম্ভব হলে তাদের সাহায্য করা। **ইয়ং ইন্ডিয়া, এম. কে. গান্ধী পৃষ্ঠা নং ১৮ *এর কিছুকাল পরেই [মহাত্মা গান্ধী] আরও অনাকাঙ্ক্ষিত কিছু করেছিলেন; মালাবারে হিন্দুদের হত্যাকারী সেই 'সাহসী' মোপলাদের প্রশংসা করে তিনি বলেছিলেন যে তারা "তাদের ধর্মকে যেভাবে বুঝেছিল সেই ধর্মের প্রতি তারা সত্যনিষ্ঠ ছিল" এবং সেই গুণ্ডাদের দমন করার জন্য তিনি ভারতের ব্রিটিশ সরকারের নিন্দাও জানিয়েছিলেন। (ব্রিটিশদের হাতে নিহত মোপলাদের এখন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে সম্মান জানানো হচ্ছে!) ** [[সীতা রাম গোয়েল|এস. আর. গোয়েল]], (সম্পাদনা) (১৯৯৮)। ফ্রিডম অব এক্সপ্রেশন: সেকুলার থিওক্রেসি ভার্সাস লিবারেল ডেমোক্রেসি। * ১৯৬৯ সালে কেরালায় মুসলিম লীগের জোরালো দাবির মুখে এবং তাদের দেওয়া রাজনৈতিক সমর্থনের পুরস্কার হিসেবে ই. এম. এস. নাম্বুদিরিপাদের নেতৃত্বাধীন সংযুক্ত ফ্রন্ট মন্ত্রিসভা কোঝিকোড় এবং পালঘাট জেলার সীমানা নতুন করে নির্ধারণ করেছিল, যাতে প্রধানত মুসলিম অধ্যুষিত মালাপ্পুরম জেলাটি গঠন করা সম্ভব হয়। বিরোধীদের কাছে ‘পুরনো দ্বিজাতি তত্ত্বের অবৈধ সন্তান’ হিসেবে নিন্দিত এবং সমালোচকদের কাছে ‘মোপলাস্তান’ নামে পরিচিত এই মালাপ্পুরম জেলায় মূলত সেই সব তালুকগুলোকে একীভূত করা হয়েছিল, যেগুলো আটচল্লিশ বছর আগে অর্থাৎ ১৯২১ সালে মাপ্পিলা বিদ্রোহের প্রধান কেন্দ্র ছিল। **রবার্ট এল. হার্ডগ্রেভ, জুনিয়র, ‘দ্য মাপ্পিলা রেবেলিয়ন, ১৯২১: পেজেন্ট রিভোল্ট ইন মালাবার’, মডার্ন এশিয়ান স্টাডিজ, ১৯৭৭, ভলিউম ১১, নং ১, পৃষ্ঠা ৫৭– ৯৯, পৃষ্ঠা ৫৭। * মাননীয় সম্পাদক, আমি আপনার সংবাদপত্রে নিচের তথ্যগুলো প্রকাশের জন্য বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি। মালাবার থেকে আসা সংবাদপত্রের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেখানে হিন্দু-মুসলিম ঐক্য এখন পুরোপুরি বিলুপ্ত হয়ে গেছে। আমাদের হাতে থাকা খবর অনুযায়ী, হিন্দুদের জোর করে ধর্মান্তরিত করার যে প্রতিবেদন (আমার লোকদের দ্বারা) প্রকাশিত হয়েছে, তা সম্পূর্ণ অসত্য। বিদ্রোহীদের সাথে ছদ্মবেশে মিশে থাকা সরকারি পক্ষ এবং সাধারণ পোশাকে থাকা রিজার্ভ পুলিশ সদস্যরাই মূলত এ ধরনের ধর্মান্তর চালিয়েছে। এছাড়া সামরিক বাহিনীকে সাহায্য করতে গিয়ে কিছু হিন্দু ভাই যখন আত্মগোপনকারী নিরপরাধ (মোপলাদের) ধরিয়ে দিয়েছিলেন, কেবল তখনই কয়েকজন হিন্দু সমস্যার মুখে পড়েছেন। একইভাবে এই বিদ্রোহের কারণ হিসেবে পরিচিত নাম্বুদিরিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। বর্তমানে (সরকারের) প্রধান সামরিক কমান্ডার এই তালুকগুলো থেকে হিন্দুদের সরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা করছেন। অথচ নিরপরাধ মুসলিম নারী ও শিশুরা, যারা কিছুই করেনি এবং যাদের কিছুই নেই, তাদের এই জায়গা ছেড়ে চলে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না। হিন্দুদের বাধ্যতামূলকভাবে সামরিক কাজে লাগানো হচ্ছে। তাই অনেক হিন্দু নিরাপত্তার জন্য আমার পাহাড়ে আশ্রয় নিচ্ছেন। একইভাবে অনেক মোপলাও আমার কাছে আশ্রয় চেয়েছেন। গত দেড় মাস ধরে নিরপরাধ মানুষকে ধরা আর শাস্তি দেওয়া ছাড়া আর কোনো উদ্দেশ্যই সফল হয়নি। সারা বিশ্বের মানুষ এই সত্যটি জানুক। মহাত্মা গান্ধী এবং মাওলানা যেন এটি জানতে পারেন। এই চিঠিটি প্রকাশিত হতে না দেখলে আমি নির্দিষ্ট সময়ে আপনার কাছে এর ব্যাখ্যা চাইব। **ভারিয়ান কুন্নাথু কুঞ্জাহাম্মদ হাজি (১৮ অক্টোবর ১৯২১), উদ্ধৃত [https://www.thehindu.com/news/national/kerala/reports-of-hindu-muslim-strife-in-malabar-baseless/article31918716.ece "১৯২১ সালে দ্য হিন্দু পত্রিকায় ভারিয়ামকুন্নাথ কুনহামেদ হাজির লেখা মালাবারে হিন্দু-মুসলিম কলহের খবর ভিত্তিহীন"]। ''দ্য হিন্দু''। * কিন্তু তাদের সবচেয়ে ভয়াবহ অভ্যুত্থানটি ঘটেছিল ১৯২১ সালের আগস্ট মাসে, যা মূলত খেলাফত আন্দোলনের উত্তেজনার কারণেই শুরু হয়েছিল এবং সরকারি প্রতিবেদনে এই ঘটনার বর্ণনা দেওয়া হয়েছে ঠিক এভাবে : “১৯২১ সালের শুরুর মাসগুলোতে উত্তেজনা অত্যন্ত দ্রুততার সাথে এক মসজিদ থেকে অন্য মসজিদে এবং এক গ্রাম থেকে অন্য গ্রামে ছড়িয়ে পড়েছিল। আলী ভ্রাতৃদ্বয়ের উস্কানিমূলক বক্তব্য, অসহযোগ আন্দোলনের সংবাদপত্রের পাতায় স্বরাজ আসার আগাম ভবিষ্যৎবাণী এবং খেলাফত সম্মেলনের জুলাই মাসের প্রস্তাবগুলো, এই সবকিছু মিলে দাউদাউ করে জ্বলে ওঠার মতো এক পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছিল। জুলাই এবং আগস্ট মাস জুড়ে অসংখ্য খেলাফত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছিল যেখানে করাচি সম্মেলনের প্রস্তাবগুলোকে অত্যন্ত আবেগ ও নিষ্ঠার সাথে সমর্থন জানানো হয়। অত্যন্ত গোপনে ছুরি, তলোয়ার এবং বর্শা তৈরি করা হয়েছিল; দুর্ধর্ষ সব দল গঠন করা হয়েছিল এবং একটি ইসলামি রাজ্য প্রতিষ্ঠার জন্য ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। ২০শে আগস্ট যখন কালিকটের ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেট সৈন্য ও পুলিশের সহায়তায় তিরুরাঙ্গাড়িতে অস্ত্রসহ অবস্থানরত নির্দিষ্ট কিছু নেতাকে গ্রেফতার করার চেষ্টা করেন, তখন সেখানে এক ভয়াবহ সংঘর্ষ কিংবা দাঙ্গা শুরু হয়। এই ঘটনাই পুরো এলাকা জুড়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিদ্রোহ শুরু হওয়ার সংকেত হিসেবে কাজ করেছিল। বিদ্রোহীরা রাস্তাঘাট বন্ধ করে দিয়েছিল, টেলিগ্রামের তার কেটে ফেলেছিল এবং অনেক জায়গায় রেললাইন পুরোপুরি ধ্বংস করে দিয়েছিল। ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেট উত্তর দিকে এই গণ্ডগোল ছড়িয়ে পড়া আটকাতে কালিকটে ফিরে আসেন এবং এর ফলে সরকারি শাসন ব্যবস্থা সাময়িকভাবে কেবল কয়েকটি বিচ্ছিন্ন অফিস ও পুলিশ স্টেশনে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছিল, যেগুলোর ওপর বিদ্রোহীরা একের পর এক আক্রমণ চালিয়েছিল। যেসব ইউরোপীয় পালিয়ে যেতে পারেনি, যদিও সৌভাগ্যক্রমে তাদের সংখ্যা ছিল খুবই কম, তাদের অত্যন্ত নৃশংস ও পৈশাচিক বর্বরতার সাথে হত্যা করা হয়েছিল। শাসন ব্যবস্থা যখন পুরোপুরি অচল হয়ে পড়েছিল, তখন মোপলারা ঘোষণা করেছিল যে স্বরাজ প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেছে। আলী মুসালিয়ার নামক এক ব্যক্তিকে রাজা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল, খেলাফত পতাকা উড়ানো হয়েছিল এবং এরনাড ও ওয়ালুভানাদকে খেলাফত রাজ্য হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল। মোপলাদের এই উগ্রতার প্রধান আঘাত সরকারের ওপর পড়েনি, বরং তা পড়েছিল সেই সব দুর্ভাগা হিন্দুদের ওপর যারা এই অঞ্চলের জনসংখ্যার বড় অংশ ছিল। গণহত্যা, জোর করে ধর্মান্তরিত করা, মন্দিরের পবিত্রতা নষ্ট করা, নারীদের ওপর পাশবিক ও ঘৃণ্য নির্যাতন, লুটতরাজ, অগ্নিসংযোগ এবং ধ্বংসলীলা, এক কথায় নৃশংস ও লাগামহীন বর্বরতার সবটুকুই মালাবারের মাটিতে অবাধে চলতে থাকে। এই পরিস্থিতি ততক্ষণ পর্যন্ত অব্যাহত ছিল যতক্ষণ না দুর্গম ও বিশাল সেই অঞ্চলে শান্তি ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার জন্য দ্রুত সেনাবাহিনী পাঠানো সম্ভব হয়েছিল। <br>“বিদ্রোহ যেহেতু এক বিশাল এলাকা জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল, তাই মালাবার জেলায় মোতায়েন করা সৈন্যদল এই পরিস্থিতি সামাল দিতে সক্ষম ছিল না এবং সেখানে প্রচুর পরিমাণে অতিরিক্ত সৈন্য পাঠাতে হয়েছিল; অক্টোবরের মাঝামাঝি সময় নাগাদ সেখানে চারটি ব্যাটালিয়ন, একটি প্যাক ব্যাটারি, এক বিভাগ সাজোয়া গাড়ি এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় আনুষঙ্গিক ব্যবস্থা মোতায়েন করা হয়েছিল। বিদ্রোহীরা পাহাড়ে গিয়ে আশ্রয় নেওয়ায় তাদের যথেষ্ট সংখ্যায় ধরতে বেশ খানিকটা সময় লেগেছিল। ১৯২১ সালের শেষের দিকে পরিস্থিতি মোটামুটি নিয়ন্ত্রণে আসে এবং বিদ্রোহের কোমর ভেঙে দেওয়া সম্ভব হয়। কিছু কিছু লড়াই কতটা ভয়াবহ ছিল তার একটি ধারণা পাওয়া যায় পান্ডিক্কাডের সেই রাতের আক্রমণ থেকে। সেই ঘটনায় ভোরবেলা একদল ধর্মান্ধ উন্মাদ গোর্খাদের একটি কোম্পানির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। তারা গোর্খাদের প্রায় ৬০ জন সৈন্যকে হতাহত করেছিল এবং শেষ পর্যন্ত ২৫০ জন বিদ্রোহীকে হত্যা করার পর তাদের পিছু হটানো সম্ভব হয়েছিল। পুরো অভিযান জুড়ে সরকারি বাহিনীর মোট ৪৩ জন নিহত এবং ১২৬ জন আহত হয়েছিলেন; অন্যদিকে কেবল মোপলাদের পক্ষেই ৩০০০-এর বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছিলেন। বিদ্রোহের শেষ দিকে এক বিশাল মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছিল। ১৯শে নভেম্বর ১৯২১ সালে সত্তর জন মোপলা বন্দির একটি দলকে ট্রেনে করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, কিন্তু প্রহরীদের অবহেলার কারণে তারা যে বদ্ধ কামরায় ছিল সেখানে বাতাস চলাচলের কোনো ব্যবস্থা ছিল না এবং এর ফলে দমবন্ধ হয়ে তাদের সবাই মারা যান।” **ইন্ডিয়া ইন ১৯২১-২, আইএআর, ১৯২১, পৃষ্ঠা ৪১, আর সি মজুমদার রচিত হিস্ট্রি অব দ্য ফ্রিডম মুভমেন্ট ইন ইন্ডিয়া ভলিউম ৩ (১৯১ এবং পরবর্তী পৃষ্ঠা) থেকে উদ্ধৃত * আপনি যদি মহান কবি কুমারন আসান রচিত “দুরাবস্থা” কবিতাটি পড়েন, তবে আপনি “মোপলা বিদ্রোহ” নামক সেই মুসলিম বিদ্রোহের একটি সঠিক চিত্র পাবেন। তিনি নিজে এই ঘটনার সমসাময়িক ছিলেন এবং এসব দুঃখজনক ঘটনা প্রত্যক্ষ করেছিলেন। কবিতার ভূমিকায় কুমারন আসান এভাবে বর্ণনা করেছেন:<br>“১০৯৭ চিঙ্গম মাসে (মালয়ালম মাস আগস্ট-সেপ্টেম্বর) দক্ষিণ মালয়ালম জেলায় শুরু হওয়া মোপলা বিদ্রোহ কেরালার ইতিহাসে একটি রক্তঝরা অধ্যায় লিখেছে। সেই ঘূর্ণিঝড়, যা তার ভয়ংকর ও পাশবিক নিষ্ঠুরতার কারণে কেরালাসহ পুরো ভারতকেই কোনো না কোনোভাবে কাঁপিয়ে দিয়েছিল এবং মানুষের চিন্তাশক্তিকেও হার মানিয়েছিল, তা এখন ভাগ্যক্রমে প্রায় স্তিমিত হয়ে এসেছে। এটা সত্য যে, হিন্দু সমাজ এই বিদ্রোহের গ্রাস থেকে কোনোমতে বেঁচে ফিরে এসেছে। তারা এই বিদ্রোহের সেই খসখসে জিভ, তীক্ষ্ণ দাঁত ও চোয়ালের কামড় এবং বিষাক্ত দাঁতের আঘাতের স্বাদ পেয়েছে; তারা আসলে এক প্রাচীন সংস্কৃতিরই প্রতিনিধি......।” **মহান কবি কুমারন আসান রচিত “দুরাবস্থা” নামক কবিতা, তিরুর দিনেশ - মোপলা রায়টস (২০২১) এ * “শয়তান মুসলমানরা কি রাজকীয় মর্যাদাসম্পন্ন অসহায় ও নিঃসঙ্গ নারীদের ওপর হামলা করার সাহস করে?”..<br>“যারা দেখেছে তারা চুপ থাকুক, আর যারা কেবল শুনেছে তারা কথা বলুক” এটি একটি পুরনো মালয়ালম কৌতুকপূর্ণ প্রবাদ। অনেক ইতিহাসবিদ যারা নিজেদের বুদ্ধিজীবী হিসেবে পরিচয় দেন, তারা ঠিক এই কাজটিই করছেন। তাদের দাবি হলো এই যে, শ্রী কুমারন আসান নিজে যা দেখেছিলেন তা সত্য নয় এবং মোপলা বিদ্রোহ ছিল মূলত একটি প্রগতিশীল বিপ্লব। মুসলমানরা হিন্দুদের ওপর আক্রমণ শুরু করার পরপরই ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস খেলাফত আন্দোলন থেকে সরে দাঁড়িয়েছিল এবং কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটি এই নৃশংসতার নিন্দা জানিয়ে একটি প্রস্তাব পাস করেছিল। আর্য সমাজের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সেই সময় হাজার হাজার হিন্দুকে জোর করে ইসলামে ধর্মান্তরিত করা হয়েছিল। **মহান কবি কুমারন আসান রচিত “দুরাবস্থা” নামক কবিতা, তিরুর দিনেশ - মোপলা রায়টস (২০২১) * ব্রিটিশ শাসনামলে ভারতে প্রথম উল্লেখযোগ্য ধর্মীয় দাঙ্গা ছিল ১৯২১ সালের তথাকথিত মোপলা বিদ্রোহ, যা মালাবার অঞ্চলে খেলাফত আন্দোলনের একটি শাখা হিসেবে সংঘটিত হয়েছিল। খেলাফত কমিটি মালাবারের বিশ্বাসী জনগোষ্ঠীর উদ্দেশ্যে যে ডাক দিয়েছিল, তা অনুসরণ করে মোপলারা ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে নজিরবিহীন সহিংসতায় মেতে উঠেছিল। তবে শেষ পর্যন্ত দেখা গিয়েছিল যে, এই জিহাদে হতাহতদের বেশিরভাগই ছিল হিন্দু, ব্রিটিশ নয়। শত শত হিন্দু নারী তাদের মান-সম্মান বাঁচাতে কুয়োর মধ্যে ঝাঁপ দিয়েছিল, আবার অনেকে রক্তপিপাসু মুজাহিদদের দ্বারা অত্যন্ত নির্দয়ভাবে লাঞ্ছিত ও হত্যার শিকার হয়েছিল। দাঙ্গা শেষ হওয়ার পর সেই সব কুয়ো থেকে হিন্দু নারী ও শিশুদের শত শত মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। এই জিহাদের ডাক দিয়েছিল আলী ভ্রাতৃদ্বয়, হাসরাত মোহানি এবং মাওলানা আবুল কালাম আজাদ। মহাত্মা গান্ধী নিজেও এই নৃশংসতাগুলোকে ইসলামের পবিত্র যুদ্ধের অংশ হিসেবে স্বীকার করেছিল। তিনি মুজাহিদদের “ঈশ্বরভীরু মোপলা” হিসেবে অভিহিত করেছিল এবং বলেছিল: “তারা তাদের বিবেচনায় যা ধর্ম, সেই ধর্মের জন্যই লড়াই করছিল এবং তাদের বিবেচনায় যা ধর্মসম্মত, সেই পদ্ধতিতেই তারা যুদ্ধ করছিল।” বলার অপেক্ষা রাখে না যে, এ ধরনের উদ্দেশ্যে এমন কায়দায় লড়াই করাই হলো ইসলামি জিহাদের মূল নির্যাস। এটি উল্লেখ করা প্রয়োজন যে, আজাদের মতো নেতারা হিন্দুদের বদলে ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে জিহাদের ডাক দিয়েছিল, তবে তারা কীভাবে কেবল এক শ্রেণির কাফেরদের বিরুদ্ধে এই যুদ্ধকে সীমাবদ্ধ রাখতে চেয়েছিল, তা জানা যায়নি। **এস. মজুমদার (২০০১)। জিহাদ: দ্য ইসলামিক ডকট্রিন অব পার্মানেন্ট ওয়ার। অধ্যায় ১০ * ১৯২১ সালের বিদ্রোহের সূত্রপাত নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। এটি পুলিশের দমন-পীড়নের ফলেই জন্ম নিয়েছিল। এর প্রধান কারণ ছিল খেলাফত আন্দোলন দমনে কর্তৃপক্ষের ব্যবহৃত অতিরিক্ত সহিংসতা; কোনো 'জেনমি-কুডিয়ান' দ্বন্দ্ব কিংবা মসজিদ সংক্রান্ত বিরোধ নয়। যখন পুলিশের নৃশংসতা অসহনীয় হয়ে উঠেছিল, তখন তারা অহিংসার ব্রত ত্যাগ করেছিল এবং (ব্রিটিশ পুলিশের) সহিংসতার মোকাবিলা সহিংসতা দিয়েই করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। ** কে. পি. কেশব মেনন, [https://www.google.com/books/edition/Journal_of_Kerala_Studies/NVg8GhaHVh0C?hl=en&gbpv=0 জার্নাল অব কেরালা স্টাডিজ], ভলিউম ১, পৃষ্ঠা ২৮৬। *এর একটি নিশ্চিত উপাদান হলো চরম ধর্মীয় ধর্মান্ধতা... মোপলাদের চালানো ঠান্ডা মাথার গণহত্যার ভয়াবহতা ভারতকে আচ্ছন্ন করে রেখেছে, যা আজও প্রতিদিন বুঝিয়ে দেয় যে, ধর্মান্ধ মুসলমানদের হাতে হিন্দুদের অবস্থা কেমন হয়। জনসাধারণ অস্পষ্টভাবে হলেও সঠিকভাবে হিন্দু জীবন ও সম্পত্তির এই ধ্বংসযজ্ঞকে খেলাফত প্রচারকদের সাথে সম্পর্কিত করে এবং বুঝতে পারে যে, এমনকি উদ্ধত ব্রিটিশদের শাসনও অরাজকতার চেয়ে ভালো। ** দ্য ম্যানচেস্টার গার্ডিয়ান । ম্যানচেস্টার গার্ডিয়ান , ১ সেপ্টেম্বর ১৯২১–১২ ডিসেম্বর ১৯২১। বিক্রম সম্পাত - সাভারকর, ইকোস ফ্রম আ ফরগটেন পাস্ট, ১৮৮৩–১৯২৪ (২০১৯) এ উদ্ধৃত * কেরালা প্রাদেশিক কংগ্রেস কমিটির সম্পাদক ও কোষাধ্যক্ষ, কালিকট জেলা কংগ্রেস কমিটির সম্পাদক, এরনাড খেলাফত কমিটির সম্পাদক এবং কে. ভি. গোপালা মেনন স্বাক্ষরিত একটি বিবৃতিতে মোপলাদের নিচের অপকর্মগুলোর কথা উল্লেখ করা হয়েছে: “হিন্দুদের ওপর তাদের খামখেয়ালি ও বিনাপ্ররোচনায় আক্রমণ; এরনাড ও ভাল্লুভানাদ, পোন্নানি এবং কালিকট তালুকগুলোর কিছু অংশে তাদের ঘরবাড়িতে প্রায় পাইকারি হারে লুটতরাজ; বিদ্রোহের শুরুতে কয়েকটি জায়গায় হিন্দুদের জোর করে ধর্মান্তরিত করা এবং পরবর্তী পর্যায়ে যারা নিজেদের বাড়িতে অবস্থান করছিল, তাদের ব্যাপকভাবে ধর্মান্তর করা; নিরীহ হিন্দু পুরুষ, নারী ও শিশুদের কোনো কারণ ছাড়াই ঠান্ডা মাথায় নৃশংসভাবে হত্যা করা, যার একমাত্র কারণ ছিল তারা কাফের কিংবা তারা সেই পুলিশের একই জাতির অন্তর্ভুক্ত যারা তাদের থাঙ্গালদের অপমান করেছিল অথবা তাদের মসজিদে প্রবেশ করেছিল; হিন্দু মন্দিরগুলোর অপবিত্রকরণ ও সেগুলো পুড়িয়ে দেওয়া; হিন্দু নারীদের ওপর নির্যাতন এবং মোপলাদের মাধ্যমে তাদের জোর করে ধর্মান্তরিত করা ও বিবাহ।” স্বাক্ষরকারীরা আরও যোগ করেছেন: “বেঁচে যাওয়া প্রকৃত ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে আমাদের নথিবদ্ধ করা বিবৃতির মাধ্যমে এসব নৃশংসতা কোনো প্রকার সন্দেহের অবকাশ ছাড়াই প্রমাণিত হয়েছে।” **সংকরন নায়ার, গান্ধী অ্যান্ড এনার্কি,, পরিশিষ্ট ৩, আর সি মজুমদার রচিত হিস্ট্রি অব দ্য ফ্রিডম মুভমেন্ট ইন ইন্ডিয়া ভলিউম ৩ (১৯১ এবং পরবর্তী পৃষ্ঠা) * "১৯২১ সালে মালাবারে যে সাম্প্রদায়িক মাপ্পিলা তাণ্ডব বা বিদ্রোহ ঘটেছিল, তার সূত্রপাত ১৭৮৩ থেকে ১৭৯২ সাল পর্যন্ত টিপু সুলতানের নিষ্ঠুর সামরিক শাসনের সময়কার জোরপূর্বক গণ-ধর্মান্তর এবং সেই সংক্রান্ত ইসলামি নৃশংসতার মধ্যে খুব সহজেই খুঁজে পাওয়া যায়। পৌরাণিক যুগে ভগবান পরশুরামের দ্বারা কেরালা ভূমি পুনরুদ্ধারের পর থেকে সেখানকার হিন্দুরা আর কখনো এত বড় ধরণের ধ্বংসযজ্ঞ এবং অমানবিক অত্যাচারের সম্মুখীন হয়েছিল কি না, তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। সেই সময় হাজার হাজার হিন্দুকে জোরপূর্বক মোহামেডান ধর্মে ধর্মান্তরিত করা হয়েছিল।" **কে. মাধব নায়ার, তার বিখ্যাত গ্রন্থ, মালাবার কালাপাম (মাপ্পিলা আউটরেজ) পৃষ্ঠা ১৪। গোয়েল এস.আর. (সম্পাদনা) টিপু সুলতান: ভিলিয়ান অর হিরো? : অ্যান অ্যান্থলজি (১৯৯৩)। <hr width="50%"/> ==== স্যার সি. সংকরন নায়ার, গান্ধী অ্যান্ড এনার্কি ==== :স্যার সি. সংকরন নায়ার, গান্ধী অ্যান্ড এনার্কি, ট্যাগোর অ্যান্ড কোম্পানি, মাদ্রাজ, ১৯২২। জে. সাই দীপক রচিত ইন্ডিয়া, ভারত অ্যান্ড পাকিস্তান - দ্য কনস্টিটিউশনাল জার্নি অব আ স্যান্ডউইচড সিভিলাইজেশন, ২০২২ * নারীর ওপর চালানো চরম বর্বরতার কথা বললে, ইতিহাসের পাতায় মালাবার বিদ্রোহের সমতুল্য আর কোনো ঘটনার কথা আমার মনে পড়ে না। ** সি. সংকরন নায়ার, [https://www.gutenberg.org/files/52903/52903-h/52903-h.htm ''গান্ধী অ্যান্ড এনার্কি''] (১৯২২), ট্যাগোর অ্যান্ড কোম্পানি, মাদ্রাজ, পৃষ্ঠা ৪৫। * সংকরন নায়ার উল্লেখ করেছেন যে, এই নিবন্ধগুলোতে উল্লিখিত নির্যাতনের ধরণগুলো ছাড়াও পুরুষদের ক্ষেত্রে আরও দুই ধরণের নির্যাতনের খবর নির্ভরযোগ্যভাবে পাওয়া গেছে; সেগুলো হলো জীবন্ত অবস্থায় চামড়া ছাড়িয়ে নেওয়া এবং হত্যার ঠিক আগে তাদের দিয়ে নিজেদের কবর নিজেদেরই খনন করানো। **সংকরন নায়ার, গান্ধী অ্যান্ড এনার্কি, ৪০, আর সি মজুমদার রচিত হিস্ট্রি অব দ্য ফ্রিডম মুভমেন্ট ইন ইন্ডিয়া ভলিউম ৩ (১৯১ এবং পরবর্তী পৃষ্ঠা) * কালিকট, ৭ সেপ্টেম্বর — আমার প্রথম নিবন্ধে আমি এই সাম্প্রতিক অভ্যুত্থানের প্রধান কারণগুলো নিয়ে আলোচনা করেছিলাম। সেখানে আমি উল্লেখ করেছিলাম মালাবারে খেলাফত এবং অসহযোগ আন্দোলনের নেতাদের বিপজ্জনক কৌশলের কথা, যা পুরো এরনাড এবং ভাল্লুভানাদ অঞ্চলে দাউদাউ করে আগুন জ্বালিয়ে দিয়েছিল। সেই সাথে মোপলা বিদ্রোহীদের লুটতরাজ, হত্যাকাণ্ড এবং জোরপূর্বক ধর্মান্তরের বিস্তৃতি নিয়েও আমি লিখেছিলাম। এই নিবন্ধে আমি কেবল তাদের দ্বারা পরিচালিত নৃশংসতার প্রকৃতি এবং অন্যান্য বিস্তারিত বিষয়ে নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখতে চাই। <br>আমি এখন যেসব অভিজ্ঞতার কথা বর্ণনা করতে যাচ্ছি, তা সাধারণ কাণ্ডজ্ঞানসম্পন্ন যেকোনো হিন্দুকেই সন্তুষ্ট করবে যে, মোপলারা অত্যন্ত ঘৃণ্য এক ধরণের ধর্মান্ধ উন্মাদনার আশ্রয় নিয়েছিল। একে স্বার্থপরতা, অর্থের লালসা এবং ক্ষমতার লোভ ছাড়া আর কিছুই বলা যায় না, যেগুলো এই সাম্প্রতিক অভ্যুত্থানের প্রধান বৈশিষ্ট্য। শরণার্থীরা বর্ণনা করেছেন যে, তরুণ এবং সুন্দরী নায়ার এবং অন্যান্য উচ্চবর্ণের মেয়েদের তাদের বাবা-মা ও স্বামীদের কাছ থেকে জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেওয়ার পর মোপলা বিদ্রোহীরা তাদের পোশাক কেড়ে নেয়। তারা মেয়েদের উলঙ্গ অবস্থায় তাদের সামনে হাঁটতে বাধ্য করে এবং সবশেষে তারা তাদের ওপর ধর্ষণ করে। কিছু ক্ষেত্রে দেখা গেছে যে, মানবিক অনুভূতি বিসর্জন দিয়ে পশুর মতো লালসায় অন্ধ হয়ে মোপলারা কেবল একজন নারীকে এক ডজন বা তারও বেশি পুরুষের শারীরিক আনন্দ মেটানোর জন্য ব্যবহার করেছে। বিদ্রোহীরা সুন্দরী হিন্দু নারীদের বন্দি করে জোরপূর্বক তাদের ধর্মান্তরিত করেছে এবং মোপলাদের চিরাচরিত কায়দায় সেই নারীদের কানে ছিদ্র করে তাদের মোপলা নারীদের মতো পোশাক পরিয়ে অস্থায়ী জীবনসঙ্গিনী হিসেবে ব্যবহার করেছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। হিন্দু নারীদের ভয় দেখানো হয়েছে, লাঞ্ছিত করা হয়েছে এবং তাদের বন্য প্রাণীতে ভরা জঙ্গলে অর্ধউলঙ্গ অবস্থায় আশ্রয়ের জন্য দৌড়াতে বাধ্য করা হয়েছে। সম্মানিত হিন্দু ভদ্রলোকদের জোর করে ধর্মান্তরিত করা হয়েছে এবং নির্দিষ্ট কিছু মুসালিয়ার ও থাঙ্গালদের সাহায্যে তাদের সুন্নতে খতনা করানো হয়েছে। হিন্দু বাড়িঘর লুট করা হয়েছে এবং সেগুলোতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই সব নৃশংসতা কি হিন্দু-মুসলিম ‘ঐক্যের’ এক কলঙ্কময় চিত্র হিসেবে টিকে থাকবে না, যে ঐক্যের কথা আমরা অসহযোগ আন্দোলনকারী এবং খেলাফতপন্থীদের কাছ থেকে অনেক বেশি শুনেছি? একদল লম্পট মোপলার মধ্যে একদল হিন্দু তরুণীকে উলঙ্গ অবস্থায় হাঁটতে বাধ্য করার সেই বীভৎস দৃশ্য কোনো আত্মমর্যাদাশীল হিন্দুই ভুলতে পারবেন না এবং এটি কখনোই তাদের মন থেকে মুছে ফেলা সম্ভব নয়। অন্যদিকে, আমি কখনো শুনিনি যে কোনো মোপলা বিদ্রোহী কোনো মোপলা নারীর সম্মানহানি করেছে। **টাইমস অফ ইন্ডিয়া,সংকরন নায়ারের লেখা ‘ডায়াবোলিক্যাল অ্যাট্রোসিটিস’ শীর্ষক একটি নিবন্ধের অংশ: স্যার সি. সংকরন নায়ার, গান্ধী অ্যান্ড এনার্কি, ট্যাগোর অ্যান্ড কোম্পানি, মাদ্রাজ, ১৯২২, পৃষ্ঠা ১৩০–১৩১। * হিন্দুদের পরিকল্পিতভাবে হত্যা এবং অগ্নিসংযোগের ঘটনাটি আমার নিজের এলাকাতেই প্রথম শুরু করেছিলেন চেমব্রাসেরি থাঙ্গাল এবং তাঁর সহকারী অন্য এক থাঙ্গাল। গতবার আপনাকে পাঠানো মালাবার জার্নালে আমার লেখা বিবরণগুলো হয়তো আপনি পড়েছেন। এই সংক্রমণটি দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়তে শুরু করেছিল এবং আমরা প্রতিদিন হত্যাকাণ্ডের খবর শুনতে পাচ্ছিলাম। দুই সপ্তাহের মধ্যে হিন্দুদের ঠান্ডা মাথায় খুন করাটা খুব সাধারণ ঘটনায় পরিণত হয়েছিল। কালিকট এবং এরনাড তালুকের সীমানার ভেতর থেকে বিদ্রোহীরা যে সব হত্যাকাণ্ড এবং নৃশংসতা চালিয়েছে, তার বর্ণনা নিয়ে প্রচুর পরিমাণে শরণার্থীরা আসতে শুরু করেছেন। কালিকট থেকে মাত্র ১২ মাইল উত্তর-পূর্বে এরনাডের পুথুর আমসন-এ এক ঘটনা ঘটেছিল। একদিন প্রকাশ্য দিবালোকে পঁচিশ জন মানুষকে কুপিয়ে একটি কুয়োর ভেতর ফেলে দেওয়া হয়েছিল কারণ তারা ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতে রাজি হননি। তাদের মধ্যে একজন কোনোমতে নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে বেঁচে ফেরেন এবং বিদ্রোহীরা সেই জায়গা ছেড়ে চলে যাওয়ার পর তিনি কুয়ো থেকে উঠে প্রাণ বাঁচাতে কালিকটে পালিয়ে আসেন। তিনি এখন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। যেহেতু তিনি নিজেই একজন ভুক্তভোগী ছিলেন, তাই তার দেওয়া এই বিবরণ অবশ্যই সত্য। <br>গত সপ্তাহে অন্য একটি এলাকা থেকেও অসংখ্য হত্যাকাণ্ড এবং জোরপূর্বক ধর্মান্তরের খবর এসেছে, যা এরনাড তালুকের আরিয়াল্লুরের কাছে মান্নুর এবং কাদালুন্ডি রেলওয়ে স্টেশনে ঘটেছে। এই জায়গাটিও কালিকট থেকে মাত্র ১৪ মাইল দূরে। গত সপ্তাহে প্রতিটি ট্রেনেই প্রতিদিন শত শত শরণার্থী কালিকটে আসছিলেন। গত সপ্তাহে যদি ত্রাণ কমিটি ১০ হাজার শরণার্থীকে খাবার দিয়ে থাকে, তবে এই সপ্তাহে ১৫ হাজার মানুষকে খাওয়াতে হয়েছে। তাদের দেওয়া বয়ান অনুযায়ী সেখানে অন্তত ৫০টি হত্যাকাণ্ড এবং প্রচুর পরিমাণে ধর্মান্তর ও ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। শিশু এবং অন্তঃসত্ত্বা নারীদের হত্যার চেয়ে আরও বীভৎস এবং অমানবিক অপরাধ কি আপনি কল্পনা করতে পারেন? দুই দিন আগে আমার কালিকটের এক শরণার্থীর দেওয়া প্রতিবেদন পড়ার সুযোগ হয়েছিল। সাত মাসের এক অন্তঃসত্ত্বা মহিলাকে একজন বিদ্রোহী পেট চিরে হত্যা করেছিল এবং সেই মৃত মহিলাকে রাস্তার ধারে পড়ে থাকতে দেখা গিয়েছিল, যার গর্ভ থেকে মৃত শিশুটি বাইরে বেরিয়ে আসছিল। কী ভয়ানক দৃশ্য! আরও একটি ঘটনা শুনুন—ছয় মাসের একটি শিশুকে তার মায়ের কোল থেকে ছিনিয়ে নিয়ে দু-টুকরো করে কেটে ফেলা হয়েছিল। কতই না হৃদয়বিদারক! এই বিদ্রোহীরা কি মানুষ নাকি দানব? একই এলাকা থেকে প্রচুর পরিমাণে জোরপূর্বক ধর্মান্তরের খবর পাওয়া গেছে। একজন শরণার্থী জবানবন্দি দিয়েছেন যে, তিনি নিজের চোখে দেখেছেন এক ডজন মানুষের মাথা বিদ্রোহীরা ন্যাড়া করে দিচ্ছে এবং এরপর তাদের কোরআন থেকে কিছু অংশ পাঠ করতে বলা হচ্ছে। এই দৃশ্য তিনি একটি গাছের ওপর বসে দেখেছিলেন। আমি অবাক হই যে কিছু মানুষ কোন সাহসে হিন্দুদের এই হত্যাকাণ্ড এবং জোরপূর্বক ধর্মান্তরের খবরগুলোকে অস্বীকার করেন। তারা এখানে আসুক এবং নিজেরাই এই বিবরণগুলোর সত্যতা যাচাই করে দেখুক। <br>গতকাল কোট্টাকালের খুব কাছের একটি জায়গা থেকে আরও কিছু হত্যাকাণ্ডের খবর এসেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে বিদ্রোহীরা ১১ জন হিন্দুকে (পুরুষ ও নারী) হত্যা করেছে। <br>দুই সপ্তাহ আগে পেরিনথালমান্না এবং মেলাতুরের মধ্যবর্তী রাস্তার একটি কালভার্টের নিচে ১৫ জন হিন্দুর মৃতদেহ পাওয়া গিয়েছিল। এই সব হত্যাকাণ্ডের গল্প শুনতে শুনতে কি আপনি অসুস্থ বোধ করবেন না? এই সব প্রতিবেদনগুলো যতটা সম্ভব সত্য বলে প্রমাণিত হয়েছে। <br>চেমব্রাসেরি থাঙ্গালের অধীনে বিদ্রোহীদের দ্বারা সংঘটিত একটি ধর্ষণের ঘটনার কথা যখন জানতে পারলাম, তখন আমার মনে যে তীব্র ঘৃণা ও ক্ষোভের জন্ম হয়েছিল তা প্রকাশ করার মতো ভাষা আমার কাছে নেই। মেলাতুরের এক সম্ভ্রান্ত নায়ার মহিলাকে বিদ্রোহীরা তার স্বামী এবং ভাইদের সামনেই বিবস্ত্র করেছিল, যাদের হাত পেছন থেকে বেঁধে কাছেই দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছিল। যখন তারা ঘৃণায় চোখ বন্ধ করেছিলেন, তখন তাদের তলোয়ারের মুখে চোখ খুলতে বাধ্য করা হয়েছিল এবং তাদের সামনেই সেই পশুর দ্বারা সংঘটিত ধর্ষণের দৃশ্যটি দেখতে বাধ্য করা হয়েছিল। এই ধরণের নীচ কাজের কথা লিখতে গিয়েও আমার ঘৃণা বোধ হচ্ছে। আমি ঈশ্বরকে ধন্যবাদ জানাই যে আমার পরিবার এবং আত্মীয়রা তাদের মান-সম্মান না হারিয়েই নিরাপদে কালিকটে পৌঁছাতে পেরেছিলেন, যদিও আমাদের সহায়-সম্পত্তির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে এবং চারটি প্রাণ (দুজন ভৃত্য এবং দুজন আত্মীয়—পরবর্তীতে বিস্তারিত বলব) হারিয়েছি। ধর্ষণের এই ঘটনাটি ওই মহিলার এক ভাই আমাকে গোপনে জানিয়েছিলেন। এমন আরও অনেক নীচ নৃশংসতার ঘটনা রয়েছে যা মানুষ লোকলজ্জার ভয়ে প্রকাশ করে না। **৬ ডিসেম্বর ১৯২১ তারিখের নিউ ইন্ডিয়ায় প্রকাশিত অংশ:৭৪ স্যার সি. সংকরন নায়ার, গান্ধী অ্যান্ড এনার্কি, ট্যাগোর অ্যান্ড কোম্পানি, মাদ্রাজ, ১৯২২, পৃষ্ঠা ১৩৫ এবং পরবর্তী পৃষ্ঠা * হিন্দু-মুসলিম ঐক্য কিংবা স্বরাজের চেয়েও সত্যের গুরুত্ব অসীম এবং অনেক বেশি। তাই আমরা মাওলানা সাহেব ও তার ধর্মীয় অনুসারীদের এবং ভারতের শ্রদ্ধেয় নেতা মহাত্মা গান্ধীকে—যদি তিনিও এখানকার ঘটনাবলী সম্পর্কে অবগত না থাকেন—বলতে চাই যে, হিন্দুদের ওপর মোপলাদের চালানো এই নৃশংসতাগুলো দুর্ভাগ্যবশত ধ্রুব সত্য। মোপলা বিদ্রোহীদের কর্মকাণ্ডের মধ্যে এমন কিছুই নেই যার জন্য একজন প্রকৃত অহিংস অসহযোগ আন্দোলনকারী তাদের অভিনন্দন জানাতে পারেন। ঠিক কোন জিনিসের জন্য তারা অভিনন্দনের যোগ্য? হিন্দুদের ওপর তাদের খামখেয়ালি এবং বিনাপ্ররোচনায় আক্রমণ; এরনাড এবং ভাল্লুভানাদ, পোন্নানি ও কালিকট তালুকগুলোর কিছু অংশে তাদের ঘরবাড়িতে প্রায় পাইকারি হারে লুটতরাজ; বিদ্রোহের শুরুতে কয়েকটি জায়গায় হিন্দুদের জোরপূর্বক ধর্মান্তরকরণ এবং পরবর্তী পর্যায়ে যারা নিজেদের বাড়িতে অবস্থান করছিল তাদের ব্যাপকভাবে ধর্মান্তরকরণ; নিরীহ হিন্দু পুরুষ, নারী ও শিশুদের কোনো কারণ ছাড়াই ঠান্ডা মাথায় নৃশংসভাবে হত্যা করা, যার একমাত্র কারণ ছিল তারা ‘কাফের’ অথবা তারা সেই পুলিশের একই জাতির অন্তর্ভুক্ত যারা তাদের থাঙ্গালদের অপমান করেছিল বা তাদের মসজিদে প্রবেশ করেছিল; হিন্দু মন্দিরগুলোর অপবিত্রকরণ ও সেগুলো পুড়িয়ে দেওয়া; মোপলাদের দ্বারা হিন্দু নারীদের ওপর নির্যাতন এবং তাদের জোরপূর্বক ধর্মান্তরকরণ ও বিবাহ—এই এবং এই ধরণের নৃশংসতাগুলো কি কোনো অভিনন্দনের যোগ্য, যা আমাদের দ্বারা রেকর্ড করা বেঁচে যাওয়া ভুক্তভোগীদের জবানবন্দিতে কোনো প্রকার সন্দেহের অবকাশ ছাড়াই প্রমাণিত হয়েছে? উল্টো দিকে, এই সব ঘটনা কি সকল বিবেকবান মানুষের কাছ থেকে এবং বিশেষ করে খেলাফতের মতো মুসলমানদের একটি প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠনের কাছ থেকে তীব্র নিন্দার দাবি রাখে না, যারা সমস্ত প্ররোচনার মুখেও অহিংস থাকার অঙ্গীকার করেছিল? যারা এই ধরণের নৃশংসতা চালিয়েছিল, সেই সব মোপলারা কি তাদের ধর্মের জন্য জীবন উৎসর্গ করেছিল? **কেরালা কংগ্রেসের সদস্যদের পক্ষ থেকে গান্ধীর কাছে পাঠানো একটি যৌথ চিঠির অংশ: স্যার সি. সংকরন নায়ার, গান্ধী অ্যান্ড এনার্কি, ট্যাগোর অ্যান্ড কোম্পানি, মাদ্রাজ, ১৯২২, পৃষ্ঠা ১৩৭ এবং পরবর্তী পৃষ্ঠা * ভদ্রমহোদয়গণ, আমি এইমাত্র হিন্দু-মুসলিম সমঝোতার একটি প্রয়োজনীয় শর্ত হিসেবে উল্লেখ করেছি যে, আমাদের মাঝে যেন তৃতীয় পক্ষ অর্থাৎ ইংরেজদের হস্তক্ষেপ করতে দেওয়া না হয়। অন্যথায় আমাদের সমস্ত কিছু বিশৃঙ্খলার মধ্যে পড়বে। এর সবথেকে ভালো উদাহরণ আপনাদের সামনে মোপলা ঘটনার আকারে বিদ্যমান রয়েছে। আপনারা সম্ভবত অবগত আছেন যে, হিন্দু ভারতের মোপলাদের বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ রয়েছে এবং আমাদের সবার বিরুদ্ধে পরোক্ষ অভিযোগ রয়েছে যে, মোপলারা তাদের নিরীহ হিন্দু প্রতিবেশীদের লুটপাট ও ক্ষতিগ্রস্ত করছে। কিন্তু সম্ভবত আপনারা এটি জানেন না যে, মোপলারা তাদের এই কাজকে এই যুক্তিতে সমর্থন করে যে—এই ধরণের একটি সংকটময় মুহূর্তে যখন তারা ইংরেজদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত, তখন তাদের প্রতিবেশীরা কেবল তাদের সাহায্যই করছে না বা নিরপেক্ষ থাকছে না, বরং তারা প্রতিটি সম্ভাব্য উপায়ে ইংরেজদের সাহায্য ও সহযোগিতা করছে। তারা অবশ্যই যুক্তি দিতে পারে যে, যখন তারা তাদের ধর্মের জন্য একটি আত্মরক্ষামূলক যুদ্ধে লিপ্ত এবং নিজেদের ঘরবাড়ি ও সহায়-সম্পত্তি ছেড়ে পাহাড় ও জঙ্গলে আশ্রয় নিয়েছে, তখন ইংরেজদের কাছ থেকে অথবা তাদের সমর্থকদের কাছ থেকে নিজেদের সৈন্যদের জন্য অর্থ, খাদ্যসামগ্রী এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিস সংগ্রহ করাকে লুটপাট হিসেবে অভিহিত করা অনুচিত। উভয় পক্ষই তাঁদের অভিযোগে সঠিক; কিন্তু আমার অনুসন্ধান অনুযায়ী, এই পারস্পরিক দোষারোপের কারণ তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপের মধ্যেই খুঁজে পাওয়া যায়। এটি এভাবে ঘটে: যখনই কোনো ইংরেজ বাহিনী হঠাৎ করে কোনো এলাকায় উপস্থিত হয় এবং সেই জায়গার মোপলা বাসিন্দাদের হত্যা বা বন্দি করে, তখন কোনোভাবে আশেপাশের এলাকায় গুজব ছড়িয়ে পড়ে যে সেই জায়গার হিন্দু বাসিন্দারা তাদের নিরাপত্তার জন্য ইংরেজ বাহিনীকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল। এর ফলে ইংরেজ বাহিনী চলে যাওয়ার পর পার্শ্ববর্তী মোপলারা প্রতিশোধ নিতে দ্বিধা করে না এবং হিন্দুদের অর্থ ও অন্যান্য জিনিসপত্রকে শত্রুদের সাহায্যকারীদের কাছ থেকে নেওয়া বৈধ যুদ্ধের মালামাল হিসেবে গণ্য করে। যেখানে এ ধরণের কোনো ঘটনা ঘটেনি, সেখানে মোপলারা এবং হিন্দুরা আজও পাশাপাশি শান্তিতে বসবাস করছে; মোপলারা হিন্দুদের বিরুদ্ধে কোনো বাড়াবাড়ি করছে না, আর হিন্দুরাও তাদের সাধ্যমতো মোপলাদের সাহায্য করতে দ্বিধা করছে না। **১৯২২ সালের মুসলিম লীগের বার্ষিক অধিবেশনে মোপলা তাণ্ডবের বিষয়ে মাওলানা মোহানির বিবৃতি। জে. সাই দীপক রচিত ইন্ডিয়া, ভারত অ্যান্ড পাকিস্তান - দ্য কনস্টিটিউশনাল জার্নি অব আ স্যান্ডউইচড সিভিলাইজেশন, ২০২২ * মাওলানা মোহানি মোপলাদের দ্বারা হিন্দুদের লুটতরাজ করাকে বৈধ বলে সমর্থন করেছেন এই যুক্তিতে যে, এটি সরকার ও বিদ্রোহীদের মধ্যে চলা যুদ্ধে রসদ সংগ্রহের একটি অংশ ছিল অথবা যখন মোপলারা জঙ্গলে বাস করতে বাধ্য হচ্ছিল তখন এটি তাদের প্রয়োজনীয়তার বিষয় ছিল। মাওলানা হয়তো জানেন না যে, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এরনাড, ভাল্লুভানাদ এবং পোন্নানি তালুকের বিভিন্ন অংশে হিন্দুদের ঘরবাড়িতে পাইকারি হারে লুটতরাজ চালানো হয়েছিল ২১শে, ২২শে এবং ২৩শে আগস্ট তারিখে। সেই সময় বিদ্রোহীদের গ্রেফতার করতে বা তাদের সাথে যুদ্ধ করতে প্রভাবিত এলাকায় কোনো সামরিক বাহিনী এসে পৌঁছায়নি; এমনকি সামরিক আইন জারির আগেই এই সব ঘটে গিয়েছিল। মাওলানা যেমনটা ভাবছেন, সেই সময় মোপলারা জঙ্গলে আশ্রয় নেয়নি এবং হিন্দুরা জাতিগতভাবে তাদের প্রতি কোনো শত্রুতা করার মতো কিছুই করেনি। বিদ্রোহ শুরু হয়েছিল ২০শে আগস্ট; পুলিশ এবং ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেট ২১শে আগস্ট তিরুরাঙ্গাড়ি থেকে কালিকটে চলে যান এবং আক্রান্ত এলাকা জুড়ে পুলিশ সদস্যরা পালিয়ে যান। সেই সময় মোপলাদের সামনে এমন কোনো প্রতিপক্ষ ছিল না যাদের হিন্দুরা সম্ভবত সাহায্য করতে পারত বা আমন্ত্রণ জানাতে পারত। তাই তাদের ওপর এই আক্রমণ ছিল অত্যন্ত খামখেয়ালি এবং বিনাপ্ররোচনায়। **হিন্দুদের ওপর মোপলাদের এই আক্রমণের সপক্ষে দেওয়া যুক্তির জবাবে কালিকট থেকে কংগ্রেসের মাধবন নায়ার এভাবে উত্তর দিয়েছিলেন: স্যার সি. সংকরন নায়ার, গান্ধী অ্যান্ড এনার্কি, ট্যাগোর অ্যান্ড কোম্পানি, মাদ্রাজ, ১৯২২, পৃষ্ঠা ১৩৮ এবং পরবর্তী পৃষ্ঠা। জে. সাই দীপক রচিত ইন্ডিয়া, ভারত অ্যান্ড পাকিস্তান - দ্য কনস্টিটিউশনাল জার্নি অব আ স্যান্ডউইচড সিভিলাইজেশন, ২০২২ * মালাবারের হিন্দু ও খ্রিস্টানদের ওপর মোপলাদের চালানো নৃশংসতার ঘটনাগুলোকে অস্বীকার করার নিন্দা জানিয়ে ১৯২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে কালিকটের জামোরিনের উদ্যোগে আয়োজিত এক সম্মেলনে নিচের প্রস্তাবটি পাস করা হয়েছিল:<br> ৬ষ্ঠ। এই সম্মেলন অত্যন্ত ক্ষোভ ও দুঃখের সাথে সেই সব প্রচেষ্টাকে দেখছে যা বিভিন্ন স্বার্থান্বেষী মহলের পক্ষ থেকে বিদ্রোহীদের দ্বারা সংঘটিত অপরাধগুলোকে উপেক্ষা করতে বা লঘু করে দেখাতে করা হচ্ছে। যেমন: (ক) নারীদের নির্মমভাবে অপমানিত করা; (খ) জীবন্ত মানুষের চামড়া ছাড়িয়ে নেওয়া; (গ) পুরুষ, নারী এবং শিশুদের নির্বিচারে পাইকারি হারে হত্যা করা; (ঘ) পুরো পরিবারকে জীবন্ত পুড়িয়ে মারা; (ঙ) হাজার হাজার মানুষকে জোরপূর্বক ধর্মান্তরিত করা এবং যারা ধর্মান্তর হতে অস্বীকার করেছে তাদের হত্যা করা; (চ) আধমরা মানুষকে কুয়োর ভেতর ফেলে দেওয়া এবং ভুক্তভোগীদের কয়েক ঘণ্টা ধরে বাঁচার জন্য লড়াই করতে ছেড়ে দেওয়া যতক্ষণ না মৃত্যুর মাধ্যমে তাদের যন্ত্রণার অবসান ঘটে; (ছ) অশান্ত এলাকার প্রায় সমস্ত হিন্দু ও খ্রিস্টানদের ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া এবং লুটতরাজ চালানো যেখানে এমনকি মোপলা নারী ও শিশুরাও অংশ নিয়েছিল এবং মহিলাদের শরীরের পোশাক পর্যন্ত কেড়ে নেওয়া হয়েছিল—এক কথায় সমস্ত অমুসলিম জনগোষ্ঠীকে চরম নিঃস্ব অবস্থায় পরিণত করা হয়েছিল; (জ) অশান্ত এলাকায় অসংখ্য মন্দির অপবিত্র ও ধ্বংস করার মাধ্যমে হিন্দুদের ধর্মীয় অনুভূতিতে নিষ্ঠুরভাবে আঘাত করা, মন্দিরের সীমানার ভেতর গরু জবাই করা—তাদের নাড়িভুঁড়ি পবিত্র মূর্তির ওপর রাখা এবং দেয়াল ও ছাদে মাথার খুলি ঝুলিয়ে রাখা। **স্যার সি. সংকরন নায়ার, গান্ধী অ্যান্ড এনার্কি, ট্যাগোর অ্যান্ড কোম্পানি, মাদ্রাজ, ১৯২২, পৃষ্ঠা ১৩৮ এবং পরবর্তী পৃষ্ঠা * এটি বিশ্বাস করা অসম্ভব যে গান্ধী এবং তার অনুসারীরা জানেন না যে, মুসলমানদের এই দাবি—কেবলমাত্র কোরআনের আইন অনুযায়ী তাদের বিচার করার দাবি হলো সমস্ত ধরণের খেলাফত দাবির মূল উৎস। এই বিষয়ে পরিষ্কার থাকা ভালো, কারণ এই দাবিটি মেনে নেওয়ার অর্থ কেবল ব্রিটিশ সাম্রাজ্য বা ভারত-ব্রিটিশ কমনওয়েলথ (আমরা যে মহান জাতিগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত তাকে যে নামেই ডাকি না কেন) এর জন্য মৃত্যুর ঘণ্টা বাজানোই নয়, বরং নির্দিষ্টভাবে ভারতের ক্ষেত্রে এর অর্থ হলো স্বরাজের প্রকৃত অস্বীকার। কারণ এটি হয় মোহামেডান শাসন ও হিন্দুদের বশ্যতা অথবা হিন্দু শাসন ও মোহামেডানদের বশ্যতাকে অন্তর্ভুক্ত করে। এই বিষয়ে কোনো ভুল বা লুকোচুরি থাকা উচিত নয়। হিন্দুরা হিন্দু-মুসলিম ঐক্য বলতে যা-ই বুঝুক না কেন—আর আমি বিশ্বাস করি তারা প্রকৃত সাম্যই বোঝে—এবং আরও বেশি শিক্ষিত মুসলমানরা যা-ই বুঝুক না কেন, মোহাম্মদ আলী, শওকত আলী এবং তাদের অনুসারীরা কেবল এবং নিছক একজন মুসলমান শাসনই বোঝেন। যদিও তারা অবশ্যই বিষয়টিকে সরাসরি প্রকাশ না করার মতো যথেষ্ট চতুর যতক্ষণ না সঠিক সময় আসছে। বলার অপেক্ষা রাখে না যে, তারা প্রতিবাদ করে দাবি করেন তারা কোনো পরোক্ষ উদ্দেশ্য বা সাম্প্রদায়িক চেতনা দ্বারা চালিত নন, বরং হিন্দু ভাইদের প্রতি কেবল ভালোবাসা ও সদিচ্ছা পোষণ করেন। কিন্তু আমাদের মধ্যে কেউ কেউ আছেন যারা এই সব অনিষ্টকারী এবং ক্ষতিকারক প্রবঞ্চনায় ধরা পড়ার মতো যথেষ্ট অভিজ্ঞ এবং আমাদের অবশ্যই তাদের সতর্ক করতে হবে যারা কম অভিজ্ঞ এবং সহজেই প্রতারিত হন। গান্ধীর অনুসরণকারী কিছু মানুষের উচ্চ চারিত্রিক গুণাবলী বিবেচনা করে আমি কেবল এটিই বিশ্বাস করতে পারি যে এই উপলব্ধি তাদের কাছে খুব দেরিতে এসেছিল যার ফলে তাদের পক্ষে আর ফিরে আসা সম্ভব হয়নি। করাচি ট্রায়ালে যেমনটা উল্লেখ করা হয়েছে, এই আন্দোলনগুলো প্রথমে নিরীহ মনে হলেও পরে বিপজ্জনক হয়ে ওঠে। **সি. সংকরন নায়ার, সি. সংকরন নায়ার, ৩৬ এবং পরবর্তী পৃষ্ঠা * ২৪শে এপ্রিল, এই মামলাগুলোর শুনানির আগের দিন রাতে আবারও একটি সভা ডাকা হয়েছিল যেখানে একজন শীর্ষস্থানীয় মোহামেডান নেতা নিচের কথাগুলো বলেছিলেন বলে জানা গেছে:— ‘তাদের অবশ্যই সরকার বা পুলিশকে ভয় পাওয়া উচিত নয় এবং স্বেচ্ছাসেবীরা তাদের বিরুদ্ধে আনা মামলাগুলো দেখে নেবে। ঈশ্বর যেন স্বেচ্ছাসেবীদের তাদের ধর্ম প্রচারের শক্তি দান করেন।’ পরের দিন ২৫শে এপ্রিল রেসিডেন্ট ম্যাজিস্ট্রেট মিস্টার থাকারের কাছে এই মামলাগুলোর মধ্যে বারোটির শুনানি শুরু হয়। এর ফলে ৬ জন স্বেচ্ছাসেবক দোষী সাব্যস্ত হন এবং তাদের প্রত্যেককে ৫০ টাকা করে জরিমানা করা হয় অথবা বিকল্প হিসেবে ৪ সপ্তাহের সাধারণ কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়। জরিমানা পরিশোধ করা হয়নি। ফলাফল জানার পর সেখানে জমা হওয়া জনতা ‘আল্লাহু আকবার’ চিৎকারের মাধ্যমে তাদের আবেগ প্রকাশ করে—এই যুদ্ধের চিৎকারটিই পুরো দাঙ্গা জুড়ে জনতা ব্যবহার করেছিল। তারা মালেগাঁও শহরে উপস্থিত সমস্ত পুলিশের ওপর চড়াও হয়, একটি মন্দির পুড়িয়ে দেয় এবং একজন পুলিশ সাব-ইন্সপেক্টরকে হত্যা করে। তিনিই একমাত্র ব্যক্তি ছিলেন না যাকে হত্যা করা হয়েছিল। তারা তার মৃতদেহ আগুনে ছুড়ে ফেলে এবং যারা খেলাফত আন্দোলনের বিরোধিতা করেছিল তাদের সবার ঘরবাড়ি লুট করে নিয়ে যায়, কারণ এর মাঝেই মালিকরা সেখান থেকে পালিয়ে গিয়েছিলেন। এটি খেলাফত কমিটি এবং স্বেচ্ছাসেবীদের অনুসরণ করা ‘অহিংস’ পদ্ধতির প্রতিফলন ঘটায়। আমি উদাহরণের জন্য বারাবাঙ্কির (পরিশিষ্ট ১১) আরও একটি ঘটনা বিস্তারিত দিচ্ছি যা হয়তো এই আন্দোলনের সমর্থনকারী সহিংস ধর্মান্ধতাকে আরও শক্তিশালীভাবে প্রকাশ করে। এমন আরও অনেক উদাহরণ সহজেই দেওয়া যেতে পারে। **সি. সংকরন নায়ার, সি. সংকরন নায়ার, ৪১ <hr width ="50%"/> ==== দিওয়ান বাহাদুর সি. গোপালান নায়ার, দ্য মোপলা রেবেলিয়ন, ১৯২১ ==== :দিওয়ান বাহাদুর সি. গোপালান নায়ার, দ্য মোপলা রেবেলিয়ন, ১৯২১, নরম্যান প্রিন্টিং ব্যুরো, কালিকট, ১৯২৩। জে. সাই দীপক রচিত ইন্ডিয়া, ভারত অ্যান্ড পাকিস্তান - দ্য কনস্টিটিউশনাল জার্নি অব আ স্যান্ডউইচড সিভিলাইজেশন, ২০২২ *.. আইন অনুযায়ী এবং যথাযথভাবে বৈধ পরোয়ানা নিয়ে তল্লাশি ও গ্রেফতারের এই প্রচেষ্টা পুরো এরনাড, ওয়ালুভানাদ এবং পোন্নানি অঞ্চলে এক ধরণের ধর্মান্ধ উন্মাদনা ছড়িয়ে দেওয়ার সংকেত হিসেবে কাজ করেছিল। এই আক্রমণ প্রথমে ইউরোপীয় কর্মকর্তা ও অ-কর্মকর্তাদের ওপর এবং পরবর্তীতে হিন্দু জেনমি বা জমিদার ও অন্যান্যদের ওপর সরাসরি পরিচালিত হয়েছিল। সব জায়গাতেই সরকারি অফিসগুলো লুট করা হয়েছে, মানা (নাম্বুদিরি বাসভবন) এবং কোভিলাকামগুলোতে ব্যাপক লুটতরাজ চালানো হয়েছে, হিন্দুদের নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে অথবা জোরপূর্বক ধর্মান্তরিত করা হয়েছে। ঠিক কতদূর পর্যন্ত রেললাইন কাটা হয়েছে সে সম্পর্কে বর্তমানে সঠিক কোনো তথ্য নেই। **দিওয়ান বাহাদুর সি. গোপালান নায়ার, দ্য মোপলা রেবেলিয়ন, ১৯২১, নরম্যান প্রিন্টিং ব্যুরো, কালিকট, ১৯২৩, পৃষ্ঠা ২৮। *বিদ্রোহের সেই ঝড় প্রচণ্ড আক্রোশ ও প্রতিশোধের স্পৃহা নিয়ে আছড়ে পড়েছিল। বেসামরিক প্রশাসন পুরোপুরি স্থবির হয়ে পড়েছিল: বিদ্রোহ কবলিত এলাকার সাব-ট্রেজারিগুলো লুট করা হয়েছিল এবং কয়েক লক্ষ টাকা সেখান থেকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল: সরকারি ভবন ও গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল: মুন্সিফ, ম্যাজিস্ট্রেট এবং পুলিশ কর্মকর্তাদের নিরাপত্তার জন্য অন্যত্র আশ্রয় নিতে হয়েছিল: বিপুল বিদ্রোহী জনতার চাপে পুলিশ কর্মকর্তারা দিশেহারা হয়ে পড়েছিলেন এবং তারা তাদের অস্ত্র সমর্পণ করতে বাধ্য হয়েছিলেন: হিন্দু গ্রাম কর্মকর্তারা তাদের নিজ নিজ গ্রাম ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন: এবং শেষ পর্যন্ত শোরানুর ও কালিকটের মধ্যে ট্রেন চলাচল এক সপ্তাহের জন্য পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। হত্যাকাণ্ড, ডাকাতি, জোরপূর্বক ধর্মান্তর এবং হিন্দু নারীদের ওপর অকথ্য নির্যাতন প্রতিদিনকার সাধারণ ঘটনায় পরিণত হয়েছিল। হাজার হাজার হিন্দু শরণার্থী কালিকট, পালঘাট, কোচিন রাজ্য এবং অন্যান্য জায়গায় ভিড় জমিয়েছিল; মোপলাদের লালসা ও বর্বরতা থেকে বাঁচতে তারা পাহাড় ও জঙ্গলের মধ্য দিয়ে ক্লান্ত পায়ে অত্যন্ত কষ্টে নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে পথ চলেছিল। **দিওয়ান বাহাদুর সি. গোপালান নায়ার, দ্য মোপলা রেবেলিয়ন, ১৯২১, নরম্যান প্রিন্টিং ব্যুরো, কালিকট, ১৯২৩, পৃষ্ঠা ২৮ এবং পরবর্তী পৃষ্ঠা *৩১শে আগস্ট আলী মুসালিয়ারের গ্রেফতারের মধ্য দিয়ে এই নাটকের প্রথম অঙ্কের সমাপ্তি ঘটে। ২০ থেকে ৩১ তারিখ পর্যন্ত এই দশ দিন হিন্দু মালাবার মোপলা বিদ্রোহীদের পায়ের নিচে সম্পূর্ণ অসহায় অবস্থায় পড়ে ছিল: এটি ছিল প্রতিটি হিন্দু পরিবারের জন্য এক চরম দুঃখ ও কষ্টের কাহিনী: এটি ছিল প্রতিটি সরকারি ভবন এবং প্রতিটি মন্দিরের ধ্বংসযজ্ঞের ইতিহাস: যখনই সম্ভব হয়েছে ইউরোপীয়দের হত্যা করা হয়েছে এবং ২৮ তারিখের আগে পরিস্থিতি সামলানোর জন্য পর্যাপ্ত সরকারি বাহিনী পাওয়া যায়নি। এর মধ্যে একমাত্র আশার আলো ছিল পুকোত্তুর যুদ্ধ, যার প্রত্যক্ষ প্রভাবে এরনাডের হিন্দুরা নিশ্চিত ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছিল। এটি আগে থেকেই ঠিক করা হয়েছিল যে, ২৬শে আগস্ট শুক্রবার জুমার নামাজের পর মঞ্জেরি ও পাশের গ্রামগুলোর সমস্ত হিন্দুকে জোর করে মসজিদে নিয়ে আসা হবে এবং তাদের ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত করা হবে: নবদীক্ষিতদের মধ্যে বিতরণের জন্য টুপি, পোশাক এবং জ্যাকেট সব তৈরি রাখা হয়েছিল, কিন্তু পুকোত্তুর যুদ্ধের ফলে পাইকারি হারে এই ধর্মান্তরকরণের সেই পরিকল্পনা সেই সময়ের মতো ত্যাগ করতে হয়েছিল। **দিওয়ান বাহাদুর সি. গোপালান নায়ার, দ্য মোপলা রেবেলিয়ন, ১৯২১, নরম্যান প্রিন্টিং ব্যুরো, কালিকট, ১৯২৩, পৃষ্ঠা ৩৭ *অন্য যে থাঙ্গাল কুখ্যাতি অর্জন করেছিলেন তিনি হলেন চেমব্রাসেরি ইম্বিচি কোয়া থাঙ্গাল। তিনি আশেপাশের গ্রামের প্রায় ৪০০০ অনুসারী নিয়ে একটি ন্যাড়া পাহাড়ের ঢালে থুভুর এবং কারুভারাকুণ্ডুর মাঝামাঝি জায়গায় তার আদালত পরিচালনা করতেন। ৪০ জনেরও বেশি হিন্দুকে হাত পেছন দিকে বেঁধে থাঙ্গালের কাছে নিয়ে আসা হয়েছিল, যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল তারা দুধ, ডাব ইত্যাদি সরবরাহ করে সামরিক বাহিনীকে সাহায্য করছে। এই হিন্দুদের মধ্যে ৩৮ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। তিনি নিজে এই হত্যাকাণ্ডের কাজ সশরীরে তদারকি করেছিলেন এবং একটি কুয়োর কাছের পাথরে বসে দেখেছিলেন কীভাবে তার লোকেরা ভুক্তভোগীদের ঘাড় কাটছে এবং দেহগুলো কুয়োর ভেতরে ঠেলে দিচ্ছে। ৩৮ জন মানুষকে সেখানে হত্যা করা হয়েছিল, যাদের মধ্যে একজন ছিলেন পেনশনভোগী হেড কনস্টেবল যাঁর প্রতি থাঙ্গালের ব্যক্তিগত ক্ষোভ ছিল—সেই ব্যক্তির মাথাটি নিপুণভাবে কেটে দুই ভাগে ভাগ করে ফেলা হয়েছিল। থাঙ্গাল মেলাতুরে আত্মসমর্পণ করেন, তার বিচার সামরিক আদালতে করা হয় এবং তাঁকে গুলি করে মারার আদেশ দেওয়া হয়। সেই অনুযায়ী ২০শে জানুয়ারি ১৯২২ সালে তাঁকে গুলি করা হয়। **দিওয়ান বাহাদুর সি. গোপালান নায়ার, দ্য মোপলা রেবেলিয়ন, ১৯২১, নরম্যান প্রিন্টিং ব্যুরো, কালিকট, ১৯২৩, পৃষ্ঠা ৭৯ এবং পরবর্তী পৃষ্ঠা *৪০ জনেরও বেশি হিন্দুকে হাত পেছন দিকে বেঁধে থাঙ্গালের কাছে নিয়ে আসা হয়েছিল, যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল তারা দুধ, ডাব ইত্যাদি সরবরাহ করে সামরিক বাহিনীকে সাহায্য করছে। এই হিন্দুদের মধ্যে ৩৮ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। তিনি নিজে এই হত্যাকাণ্ডের কাজ সশরীরে তদারকি করেছিলেন এবং একটি কুয়োর কাছের পাথরে বসে দেখেছিলেন কীভাবে তার লোকেরা ভুক্তভোগীদের ঘাড় কাটছে এবং দেহগুলো কুয়োর ভেতরে ঠেলে দিচ্ছে। ৩৮ জন মানুষকে সেখানে হত্যা করা হয়েছিল, যাদের মধ্যে একজন ছিলেন পেনশনভোগী হেড কনস্টেবল যাঁর প্রতি তার ব্যক্তিগত ক্ষোভ ছিল—সেই ব্যক্তির মাথাটি নিপুণভাবে কেটে দুই ভাগে ভাগ করে ফেলা হয়েছিল।১৭ **সি. গোপালান নায়ার, দ্য মোপলা রেবেলিয়ন: ১৯২১, নরম্যান প্রিন্টিং ব্যুরো, ১৯২৩। সঞ্জীব স্যানিয়াল রচিত রেভোলিউশনারিস_ দ্য আদার স্টোরি অব হাউ ইন্ডিয়া ওন ইটস ফ্রিডম-হার্পারকলিন্স ইন্ডিয়া (২০২৩) *সেই সব কুয়ো আর জলাশয়ের কথা কী বলব, যা আমাদের নিকটাত্মীয় ও অত্যন্ত প্রিয়জনদের বিকৃত এবং অনেক ক্ষেত্রে আধমরা মৃতদেহে ভরে ছিল! তারা কেবল আমাদের পূর্বপুরুষদের ধর্ম ত্যাগ করতে অস্বীকার করেছিল বলেই এই পরিণতি বরণ করেছিল। সেই সব অন্তঃসত্ত্বা নারীদের কথা ভাবুন, যাদের কুচিকুচি করে কেটে রাস্তার ধারে ও জঙ্গলের মধ্যে ফেলে রাখা হয়েছিল এবং যাদের ছিন্নভিন্ন দেহ থেকে অজাত শিশুটি বাইরে বেরিয়ে আসছিল। আমাদের নিরীহ ও অসহায় শিশুদের কথা ভাবুন, যাদের আমাদের কোল থেকে নিষ্ঠুরভাবে ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছিল এবং আমাদের চোখের সামনেই হত্যা করা হয়েছিল। আমাদের স্বামী ও বাবাদের কথা ভাবুন, যাদের অকথ্য নির্যাতন করা হয়েছিল, জ্যান্ত চামড়া ছাড়িয়ে নেওয়া হয়েছিল এবং জ্যান্ত পুড়িয়ে মারা হয়েছিল। আমাদের অসহায় বোনদের কথা ভাবুন, যাদের আত্মীয়স্বজনের মাঝখান থেকে জোরপূর্বক ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল এবং সেই সব লজ্জা ও লাঞ্ছনার শিকার করা হয়েছিল যা এই অমানবিক নরকের কীটের মতো বিদ্রোহীদের নীচ ও পাশবিক কল্পনায় আসতে পারে। আমাদের হাজার হাজার বসতবাড়ির কথা ভাবুন, যা নিছক বর্বরতা ও ধ্বংসাত্মক মানসিকতার কারণে পুড়ে ছাইয়ের স্তূপে পরিণত হয়েছিল। আমাদের উপাসনালয়গুলোর কথা ভাবুন যা অপবিত্র ও ধ্বংস করা হয়েছিল; দেবতার মূর্তির কথা ভাবুন যা অত্যন্ত লজ্জাজনকভাবে অপমানিত করা হয়েছিল সেই সব জায়গায় গরুর নাড়িভুঁড়ি রেখে যেখানে ফুলের মালা থাকার কথা ছিল, অথবা সেগুলোকে টুকরো টুকরো করে ভেঙে ফেলা হয়েছিল...১৮ **সি. গোপালান নায়ার, দ্য মোপলা রেবেলিয়ন: ১৯২১, নরম্যান প্রিন্টিং ব্যুরো, ১৯২৩। সঞ্জীব স্যানিয়াল রচিত রেভোলিউশনারিস_ দ্য আদার স্টোরি অব হাউ ইন্ডিয়া ওন ইটস ফ্রিডম-হার্পারকলিন্স ইন্ডিয়া (২০২৩) * আপনার ল্যাডিশিপ নিশ্চয়ই জানেন যে, আমাদের এই দুর্ভাগা জেলা গত একশ বছরে বহুবার মোপলা বিদ্রোহের সাক্ষী হয়েছে। তবে বর্তমানের এই বিদ্রোহটি যেমন এর ব্যাপকতার দিক থেকে নজিরবিহীন, তেমনি এর নৃশংসতার দিক থেকেও তা অভূতপূর্ব। তবে এটি সম্ভব যে, আপনার ল্যাডিশিপ সেই পৈশাচিক স্বভাবের বিদ্রোহীদের চালানো সমস্ত বীভৎসতা ও নৃশংসতা সম্পর্কে পুরোপুরি অবগত নন। সেই সব অসংখ্য কুয়ো আর জলাশয়ের কথা কী বলব, যা আমাদের নিকটাত্মীয় ও অত্যন্ত প্রিয়জনদের বিকৃত এবং অনেক ক্ষেত্রে আধমরা মৃতদেহে ভরে ছিল! তারা কেবল আমাদের পূর্বপুরুষদের ধর্ম ত্যাগ করতে অস্বীকার করেছিল বলেই এই পরিণতি হয়েছিল। সেই সব অন্তঃসত্ত্বা নারীদের কথা ভাবুন, যাদের নির্মমভাবে কেটে রাস্তার ধারে ও জঙ্গলের মধ্যে ফেলে রাখা হয়েছিল এবং যাদের ছিন্নভিন্ন দেহ থেকে অজাত শিশুটি বাইরে বেরিয়ে আসছিল। আমাদের সেই নিরীহ ও অসহায় শিশুদের কথা ভাবুন, যাদের আমাদের কোল থেকে নিষ্ঠুরভাবে ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছিল এবং আমাদের চোখের সামনেই হত্যা করা হয়েছিল। আমাদের স্বামী ও বাবাদের কথা ভাবুন, যাদের ওপর অকথ্য নির্যাতন চালানো হয়েছিল, জ্যান্ত চামড়া ছাড়িয়ে নেওয়া হয়েছিল এবং জীবন্ত পুড়িয়ে মারা হয়েছিল। আমাদের সেই হতভাগ্য বোনদের কথা ভাবুন, যাদের আত্মীয়স্বজনের মাঝখান থেকে জোরপূর্বক ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল এবং এমন সব লজ্জা ও লাঞ্ছনার শিকার করা হয়েছিল, যা এই অমানবিক নরকের কীটের মতো বিদ্রোহীদের নীচ ও পাশবিক কল্পনাতেই কেবল আসতে পারে। আমাদের হাজার হাজার বসতবাড়ির কথা ভাবুন, যা নিছক বর্বরতা ও ধ্বংসাত্মক মানসিকতার কারণে পুড়ে ছাইয়ের স্তূপে পরিণত হয়েছে। আমাদের উপাসনালয়গুলোর কথা ভাবুন, যা অপবিত্র ও ধ্বংস করা হয়েছে। দেবতার মূর্তিকে অত্যন্ত লজ্জাজনকভাবে অপমান করা হয়েছে; যেখানে ফুলের মালা থাকার কথা ছিল, সেখানে জবাই করা গরুর নাড়িভুঁড়ি রাখা হয়েছে অথবা মূর্তিগুলোকে টুকরো টুকরো করে ভেঙে ফেলা হয়েছে। আমাদের প্রজন্মের পর প্রজন্মের কষ্টার্জিত সম্পদ যেভাবে পাইকারি হারে লুট করা হয়েছে, তার ফলে যারা আগে ধনী ও সমৃদ্ধ ছিল, তাদের অনেককে আজ কালিকটের রাস্তায় রাস্তায় সামান্য লবণের জন্য কিংবা লঙ্কা বা পানের জন্য জনসমক্ষে ভিক্ষা করতে হচ্ছে—ত্রাণ সংস্থাগুলো দয়াপরবশ হয়ে যেটুকু চাল দিচ্ছে, তা দিয়েই তাদের দিন চলছে। এগুলো কোনো কাল্পনিক রূপকথা নয়। **নীলম্বুরের রানি কর্তৃক লেডি রিডিংয়ের কাছে দেওয়া একটি আবেদন, যা গোপালান নায়ার, দিওয়ান বাহাদুর (১৯২২) রচিত মোপলা রেবেলিয়ন, ১৯২১। [https://www.gutenberg.org/files/52903/52903-h/52903-h.htm#Page_139 মালাবার নারীদের পক্ষ থেকে লেডি রিডিংয়ের কাছে দেওয়া আবেদন] * পচে যাওয়া কঙ্কালে ঠাসা সেই সব কুয়োগুলো, আমাদের প্রিয় ঘরবাড়িগুলোর ধ্বংসাবশেষ যা একসময় আমাদের সুখের ঠিকানা ছিল, আর পাথরকুচির স্তূপ যা একসময় আমাদের উপাসনালয় ছিল—এগুলো আজও সেই সত্যের সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য টিকে আছে। আমাদের নিহত শিশুদের সেই মৃত্যুযন্ত্রণার আর্তনাদ আজও আমাদের কানে বাজছে এবং মৃত্যু আমাদের শান্তি না দেওয়া পর্যন্ত তা আমাদের স্মৃতিতে তাড়া করে ফিরবে। আমাদের মনে পড়ে, কীভাবে নিজেদের গ্রাম থেকে বিতাড়িত হয়ে আমরা জঙ্গল ও বনের মধ্যে ক্ষুধার্ত ও বিবস্ত্র অবস্থায় ঘুরে বেড়িয়েছিলাম। আমাদের মনে পড়ে, কীভাবে আমরা আমাদের শিশুদের কান্না চেপে ধরতাম এবং তাদের দম বন্ধ করে দিতাম যাতে সেই শব্দ শুনে আমাদের নিষ্ঠুর পিছু ধাওয়াকারীরা আমাদের লুকিয়ে থাকার জায়গাটি খুঁজে না পায়। আমরা এখনও সেই মানসিক ও আধ্যাত্মিক যন্ত্রণা স্পষ্টভাবে অনুভব করি, যার মধ্য দিয়ে আমাদের হাজার হাজার মানুষকে যেতে হয়েছিল যখন আমাদের জোরপূর্বক সেই ধর্মে ধর্মান্তরিত করা হয়েছিল যা এই রক্তপিপাসু দুষ্কৃতীরা বিশ্বাস করে। আমাদের চোখের সামনে এখনও সেই সব হতভাগ্য বোনদের—সৌভাগ্যক্রমে সংখ্যায় যারা কম—অসহ্য ও আজীবন কষ্টের দৃশ্যটি ভেসে ওঠে, যারা সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্ম নেওয়া ও বেড়ে ওঠা সত্ত্বেও জোরপূর্বক ধর্মান্তরিত হয়েছে এবং তারপর দণ্ডিত কুলি বা মজুরদের সাথে তাদের বিয়ে দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘ পাঁচটি মাস ধরে এমন একটি দিনও কাটেনি, যেদিন কোনো না কোনো বীভৎস ও ভয়াবহ ভয়ের কাহিনী সামনে আসেনি।<br>আমরা অত্যন্ত সংক্ষেপে এবং কোনো মরমন্তুদ বিবরণে না গিয়েই আমাদের সম্মানহানি, লাঞ্ছনা, লুণ্ঠন ও সর্বনাশের হৃদয়বিদারক কাহিনী তুলে ধরেছি। কিন্তু অতীত যদি বেদনা ও যন্ত্রণার হয়ে থাকে, তবে ভবিষ্যৎও অত্যন্ত আতঙ্ক ও হতাশায় ঘেরা। আমাদের এমন একটি ভূমিতে ফিরে যেতে হবে, যা এখন ধ্বংসস্তূপ ও জনমানবহীন প্রান্তরে পরিণত হয়েছে। আমাদের ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বা ধ্বংস করা হয়েছে; আমাদের অনেক উপার্জনক্ষম মানুষকে হত্যা করা হয়েছে; আমাদের সমস্ত সম্পত্তি লুট করা হয়েছে; আমাদের গবাদি পশু জবাই করা হয়েছে...। আমাদের এখন সেই সব জঘন্য পিশাচদের মাঝে নিঃস্ব হিসেবে বসবাস করতে বলা হচ্ছে, যারা আমাদের প্রিয়জনদের লুটে নিয়েছে, অপমান করেছে এবং হত্যা করেছে—এরা হলো সেই প্রকৃত দানব যাদের নরক নিজেও মুক্তি দিতে চাইত না। আমাদের ঘরবাড়ির যা কিছু অবশিষ্ট আছে তাতে ফিরে যাওয়ার কথা ভাবতেই আমাদের অনেকে শিউরে উঠছেন; কারণ যদিও সশস্ত্র বিদ্রোহী দলগুলো ছত্রভঙ্গ হয়ে গেছে, তবুও এই বিদ্রোহ পুরোপুরি দমন করা হয়েছে তা বলা যায় না। এটি একটি বিষধর সাপের মতো, যার মেরুদণ্ড আংশিকভাবে ভেঙে গেছে ঠিকই, কিন্তু যার বিষদাঁতগুলো এখনও অটুট রয়েছে এবং যার ছোবল দেওয়ার ক্ষমতা কমলেও তা পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যায়নি...। অনেক শরণার্থী যারা সাহস করে ফিরে গিয়েছিলেন, তাদের সেই দুঃসাহসের মূল্য জীবন দিয়ে মেটাতে হয়েছে।<br>আমরা, আপনার ল্যাডিশিপের বিনীত ও শোকে মূহ্যমান আবেদনকারীরা কোনো প্রতিশোধ চাই না... **নীলম্বুরের রানি কর্তৃক লেডি রিডিংয়ের কাছে দেওয়া একটি আবেদন, যা গোপালান নায়ার, দিওয়ান বাহাদুর (১৯২২) রচিত মোপলা রেবেলিয়ন, ১৯২১। [https://www.gutenberg.org/files/52903/52903-h/52903-h.htm#Page_139 মালাবার নারীদের পক্ষ থেকে লেডি রিডিংয়ের কাছে দেওয়া আবেদন] * মালাবারের নারীরা ভাইসরয় লর্ড রিডিংয়ের স্ত্রীর কাছে নিচের আবেদনটি লিখেছিলেন:<br> হার গ্র্যাসিয়াস এক্সেলেন্সি দ্য কাউন্টেস অব রিডিং, দিল্লি। মালাবারের স্বজনহারা এবং শোকে মূহ্যমান নারীদের বিনীত স্মারক। <br>আপনার সদয় ও সহানুভূতিশীল ল্যাডিশিপের সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। আমরা, মালাবারের বিভিন্ন পদমর্যাদা ও অবস্থানের হিন্দু নারীরা, যারা সম্প্রতি মোপলা বিদ্রোহ নামক সেই বিশাল বিপর্যয়ের দ্বারা বিপর্যস্ত হয়েছি, আপনার ল্যাডিশিপের কাছে সহানুভূতি ও সাহায্যের জন্য বিনীত প্রার্থনা করার সাহস করছি। <br>২. আপনার ল্যাডিশিপ নিশ্চয়ই অবগত আছেন যে, আমাদের এই দুর্ভাগা জেলা গত ১০০ বছরে অনেকগুলো মোপলা বিদ্রোহের সাক্ষী হয়েছে। তবুও বর্তমানের এই বিদ্রোহটি এর ব্যাপকতার দিক থেকে যেমন নজিরবিহীন, তেমনি এর নৃশংসতার দিক থেকেও তা অভূতপূর্ব। তবে এটি সম্ভব যে, আপনার ল্যাডিশিপ সেই পৈশাচিক স্বভাবের বিদ্রোহীদের চালানো সমস্ত বীভৎসতা ও নৃশংসতা সম্পর্কে পুরোপুরি অবগত নন। সেই সব অসংখ্য কুয়ো আর জলাশয়ের কথা কী বলব, যা আমাদের নিকটাত্মীয় ও অত্যন্ত প্রিয়জনদের বিকৃত এবং অনেক ক্ষেত্রে আধমরা মৃতদেহে পরিপূর্ণ ছিল! তারা কেবল আমাদের পূর্বপুরুষদের ধর্ম ত্যাগ করতে অস্বীকার করেছিল বলেই এই পরিণতির শিকার হয়েছিল। সেই সব অন্তঃসত্ত্বা নারীদের কথা ভাবুন, যাদের কুচিকুচি করে কেটে রাস্তার ধারে ও জঙ্গলের মধ্যে ফেলে রাখা হয়েছিল এবং ছিন্নভিন্ন দেহ থেকে অজাত শিশুটি বাইরে বেরিয়ে আসছিল। আমাদের সেই নিরীহ ও অসহায় শিশুদের কথা ভাবুন, যাদের আমাদের কোল থেকে নিষ্ঠুরভাবে ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছিল এবং আমাদের চোখের সামনেই হত্যা করা হয়েছিল। আমাদের স্বামী ও বাবাদের কথা ভাবুন, যাদের ওপর অকথ্য নির্যাতন চালানো হয়েছিল, জ্যান্ত চামড়া ছাড়িয়ে নেওয়া হয়েছিল এবং জ্যান্ত পুড়িয়ে মারা হয়েছিল। আমাদের সেই হতভাগ্য বোনদের কথা ভাবুন, যাদের আত্মীয়স্বজনের মাঝখান থেকে জোরপূর্বক ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল এবং এমন সব লজ্জা ও লাঞ্ছনার শিকার করা হয়েছিল, যা এই অমানবিক নরকের কীটের মতো বিদ্রোহীদের নীচ ও পাশবিক কল্পনাতেই কেবল আসতে পারে। আমাদের হাজার হাজার বসতবাড়ির কথা ভাবুন, যা নিছক বর্বরতা ও ধ্বংসাত্মক মানসিকতার কারণে পুড়ে ছাইয়ের স্তূপে পরিণত হয়েছিল। আমাদের উপাসনালয়গুলোর কথা ভাবুন, যা অপবিত্র ও ধ্বংস করা হয়েছিল। দেবতার মূর্তিকে অত্যন্ত লজ্জাজনকভাবে অপমান করা হয়েছিল; যেখানে ফুলের মালা থাকার কথা ছিল, সেখানে জবাই করা গরুর নাড়িভুঁড়ি রাখা হয়েছিল অথবা সেগুলোকে টুকরো টুকরো করে ভেঙে ফেলা হয়েছিল। আমাদের প্রজন্মের পর প্রজন্মের কষ্টার্জিত সম্পদ যেভাবে পাইকারি হারে লুট করা হয়েছে, তার ফলে যারা আগে ধনী ও সমৃদ্ধ ছিল, তাদের অনেককে আজ কালিকটের রাস্তায় রাস্তায় সামান্য লবণের জন্য কিংবা লঙ্কা বা পানের জন্য জনসমক্ষে ভিক্ষা করতে হচ্ছে—ত্রাণ সংস্থাগুলো দয়াপরবশ হয়ে যেটুকু চাল সরবরাহ করছে, তা দিয়েই তাদের চলতে হচ্ছে। এগুলো কোনো কাল্পনিক রূপকথা নয়। পচে যাওয়া কঙ্কালে ঠাসা সেই সব কুয়োগুলো, আমাদের প্রিয় ঘরবাড়িগুলোর ধ্বংসাবশেষ যা একসময় আমাদের সুখের ঠিকানা ছিল, আর পাথরকুচির স্তূপ যা একসময় আমাদের উপাসনালয় ছিল—এগুলো আজও সেই সত্যের সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য এখানে বিদ্যমান রয়েছে। আমাদের নিহত শিশুদের সেই মৃত্যুযন্ত্রণার আর্তনাদ আজও আমাদের কানে বাজছে এবং মৃত্যু আমাদের শান্তি না দেওয়া পর্যন্ত তা আমাদের স্মৃতিতে তাড়া করে ফিরবে। আমাদের মনে পড়ে, কীভাবে নিজেদের গ্রাম থেকে বিতাড়িত হয়ে আমরা জঙ্গল ও বনের মধ্যে ক্ষুধার্ত ও বিবস্ত্র অবস্থায় ঘুরে বেড়িয়েছিলাম। আমাদের মনে পড়ে, কীভাবে আমরা আমাদের শিশুদের কান্না চেপে ধরতাম এবং তাদের দম বন্ধ করে দিতাম যাতে সেই শব্দ শুনে আমাদের নিষ্ঠুর পিছু ধাওয়াকারীরা আমাদের লুকিয়ে থাকার জায়গাটি খুঁজে না পায়। আমরা এখনও সেই মানসিক ও আধ্যাত্মিক যন্ত্রণা স্পষ্টভাবে অনুভব করি, যার মধ্য দিয়ে আমাদের হাজার হাজার মানুষকে যেতে হয়েছিল যখন আমাদের জোরপূর্বক সেই ধর্মে ধর্মান্তরিত করা হয়েছিল যা এই রক্তপিপাসু দুষ্কৃতীরা বিশ্বাস করে। আমাদের চোখের সামনে আজও সেই সব হতভাগ্য বোনদের—সৌভাগ্যক্রমে সংখ্যায় যারা কম—অসহ্য ও আজীবন কষ্টের দৃশ্যটি ভেসে ওঠে, যারা সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্ম নেওয়া ও বেড়ে ওঠা সত্ত্বেও জোরপূর্বক ধর্মান্তরিত হয়েছে এবং তারপর দণ্ডিত কুলি বা মজুরদের সাথে তাদের বিয়ে দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘ পাঁচটি মাস ধরে এমন একটি দিনও কাটেনি, যেদিন কোনো না কোনো বীভৎস ও ভয়াবহ ভয়ের কাহিনী উন্মোচিত হয়নি। ৩. আপনার সদয় ল্যাডিশিপের এই বিপদগ্রস্ত আবেদনকারীরা কোনো অতিরঞ্জন ছাড়াই এবং বিদ্বেষবশত কোনো কিছু না বলে অন্তত সেই অবর্ণনীয় ও ভয়াবহ যন্ত্রণার কিছুটা ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন, যা তাঁরা এবং আরও হাজার হাজার বোন গত পাঁচ মাস ধরে খেলাফতের নামে শুরু হওয়া এই অমানবিক বিভীষিকাময় রাজত্বের মাধ্যমে সহ্য করছেন। আমরা অত্যন্ত সংক্ষেপে এবং কোনো মরমন্তুদ বিবরণে না গিয়েই আমাদের সম্মানহানি, লাঞ্ছনা, লুণ্ঠন ও সর্বনাশের হৃদয়বিদারক কাহিনী তুলে ধরেছি। কিন্তু অতীত যদি বেদনা ও যন্ত্রণার হয়ে থাকে, তবে ভবিষ্যৎও অত্যন্ত আতঙ্ক ও হতাশায় ঘেরা। আমাদের এমন একটি ভূমিতে ফিরে যেতে হবে, যা এখন ধ্বংসস্তূপ ও জনমানবহীন প্রান্তরে পরিণত হয়েছে। আমাদের ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বা ধ্বংস করা হয়েছে; আমাদের অনেক উপার্জনক্ষম মানুষকে হত্যা করা হয়েছে; আমাদের সমস্ত সম্পত্তি লুট করা হয়েছে; আমাদের গবাদি পশু জবাই করা হয়েছে। কোনো ক্ষতিপূরণ ছাড়াই ফিরে যাওয়ার অর্থ হলো আমাদের জন্য নিশ্চিত ধ্বংস, ভিক্ষাবৃত্তি এবং অনাহার। সদয় সরকার কি আমাদের সাহায্যে এগিয়ে আসবে না এবং আমাদের জীবন নতুন করে শুরু করতে সাহায্য করার জন্য কিছু দেবে না? আমাদের এখন সেই সব জঘন্য পিশাচদের মাঝে নিঃস্ব হিসেবে বসবাস করতে বলা হচ্ছে, যারা আমাদের প্রিয়জনদের লুটে নিয়েছে, অপমান করেছে এবং হত্যা করেছে—এরা হলো সেই প্রকৃত দানব যাদের নরক নিজেও মুক্তি দিতে চাইত না। আমাদের ঘরবাড়ির যা কিছু অবশিষ্ট আছে তাতে ফিরে যাওয়ার কথা ভাবতেই আমাদের অনেকে শিউরে উঠছেন; কারণ যদিও সশস্ত্র বিদ্রোহী দলগুলো ছত্রভঙ্গ হয়ে গেছে, তবুও এই বিদ্রোহ পুরোপুরি দমন করা হয়েছে তা বলা যায় না। এটি একটি বিষধর সাপের মতো, যার মেরুদণ্ড আংশিকভাবে ভেঙে গেছে ঠিকই, কিন্তু যার বিষদাঁতগুলো আজও অটুট রয়েছে এবং যার ছোবল দেওয়ার ক্ষমতা কমলেও তা পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যায়নি। কয়েক হাজার বিদ্রোহী নিহত হয়েছে এবং আরও কয়েক হাজার কারারুদ্ধ হয়েছে, কিন্তু সরকার যেমনটি খুব ভালো করেই জানে যে, আরও হাজার হাজার বিদ্রোহী, লুটেরা, বর্বরোচিত লড়াকু ধর্মপ্রচারক এবং অন্যান্য অমানবিক দানবরা এখনও অবাধে ঘুরে বেড়াচ্ছে। কেউ কেউ আত্মগোপনে আছে কিন্তু বেশিরভাগই উদ্ধতভাবে চলাফেরা করছে এবং প্রকাশ্যেই প্রতিশোধ নেওয়ার হুমকি দিচ্ছে সেই সব অমুসলিমদের ওপর, যারা ফিরে আসার এবং তাদের সম্পত্তি পুনরায় দখল করার সাহস দেখাবে। অনেক শরণার্থী যারা সাহস করে ফিরে গিয়েছিলেন, তাদের সেই দুঃসাহসের মূল্য জীবন দিয়ে মেটাতে হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে, প্রত্যাবাসন যদি জ্বলন্ত কড়াই থেকে উনুনে পড়ার মতো ঘটনা না হয়, তবে আপনার ল্যাডিশিপের দরিদ্র ও অসহায় আবেদনকারী এবং তাদের পরিবারের বিশাল অংশের জন্য এটি আর্থিক সাহায্য এবং নতুন করে শুরু হওয়া নারকীয় তাণ্ডব থেকে পর্যাপ্ত সুরক্ষার একটি অত্যন্ত কঠিন ও অনিবার্য সমস্যা হিসেবে দেখা দেবে। কারণ যতদিন পর্যন্ত এই অর্ধ-বর্বর ও ধর্মান্ধ জাতির হাজার হাজার পুরুষ এবং এমনকি নারী ও শিশুরাও—যাদের মধ্যে জমি দখল, রক্তের নেশা এবং লুণ্ঠনের নিকৃষ্টতম প্রবৃত্তিগুলো উগ্রভাবে জাগ্রত হয়েছে—তাদের শান্তিকামী ও নিরীহ প্রতিবেশীদের ওপর আক্রমণ করার জন্য স্বাধীন থাকবে, ততদিন পর্যন্ত এই নিরাপত্তা পাওয়া সম্পূর্ণ অসম্ভব হবে। এবং অত্যন্ত সম্মানের সাথে এটি জোর দিয়ে বলা প্রয়োজন যে—এই প্রতিবেশীরা তাদের রক্ষা করার জন্য একটি ন্যায়পরায়ণ ও সদয় সরকারের ক্ষমতা ও ইচ্ছার ওপর অগাধ বিশ্বাসের কারণেই নিজেদের আত্মরক্ষার দক্ষতা ও সক্ষমতাকে দুর্বল হতে দিয়েছিল। ৪. আমরা, আপনার ল্যাডিশিপের বিনীত ও শোকে মূহ্যমান আবেদনকারীরা কোনো প্রতিশোধ চাই না। এই বর্বর ও অসভ্য জাতির ওপর একই ধরণের কষ্ট চাপিয়ে দিলে আমাদের দুঃখ কমবে না; তাদের হত্যাকারীদের হত্যা করলে আমাদের মৃতরা আমাদের কাছে ফিরে আসবে না। তবে আমরা যদি আমাদের প্রতি সর্বদা বন্ধুভাবাপন্ন ও প্রতিবেশীসুলভ আচরণের চেষ্টা করা একটি জাতির দ্বারা আমাদের ওপর করা সেই নিষ্ঠুর ও লজ্জাজনক লাঞ্ছনা এবং অপমানের কথা কখনো ভুলে যাই, তবে আমরা আর মানুষ থাকব না। আমাদের সমস্ত সম্পদ লুট হয়ে যাওয়ার পর আমরা যদি এখন আমাদের ওপর জোর করে চাপিয়ে দেওয়া এই দারিদ্র্য থেকে বাঁচার জন্য কিছুটা ক্ষতিপূরণ না চাই, তবে তা হবে কপটতা। মোপলা জাতির সেই অনিয়ন্ত্রিত ও সমাজবিরোধী প্রবণতা এবং মারাত্মক ধর্মীয় ধর্মান্ধতা সম্পর্কে জেনেও যদি আমরা বিদ্রোহী-বিধ্বস্ত এলাকায় বসবাসকারী আপনার বিনীত বোনদের জীবন ও সম্মান রক্ষার জন্য ন্যায়পরায়ণ ও শক্তিশালী সরকারের কাছে প্রার্থনা না করি, তবে আমরা হব নির্বোধ। আমাদের চাওয়া শেষ পর্যন্ত সামান্যই; আমাদের এবং আমাদের সন্তানদের অনাহার থেকে বাঁচাতে পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ এবং হত্যাকাণ্ড ও লাঞ্ছনা থেকে বাঁচার জন্য পর্যাপ্ত সামরিক সুরক্ষা—এইটুকুই আমরা চাই। আমরা আপনার দয়াময় ল্যাডিশিপের কাছে প্রার্থনা করছি যে, সরকারের কাছে আপনার যে সদয় প্রভাব রয়েছে তা ব্যবহার করে আমাদের এই বিনীত প্রার্থনাগুলো মঞ্জুর করার ব্যবস্থা করুন। কিন্তু যদি সদয় সরকার আমাদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া এবং আমাদের মাতৃভূমিতে আমাদের রক্ষা করা সম্ভব বলে মনে না করে, তবে আমরা অত্যন্ত আকুলভাবে প্রার্থনা করব যেন আমাদের পার্শ্ববর্তী কোনো অঞ্চলে নিখরচায় জমি বরাদ্দ করা হয়; যা প্রকৃতির দানে কম আশীর্বাদপুষ্ট হলেও মানুষের নিষ্ঠুরতা ও বর্বরতার দ্বারা কম অভিশপ্ত হতে পারে। <br>আমরা আপনার ল্যাডিশিপের অত্যন্ত বিনীত এবং বাধ্য অনুগত ভৃত্য হিসেবে থাকতে চাই। **স্যার সি. সংকরন নায়ার, গান্ধী অ্যান্ড এনার্কি, ট্যাগোর অ্যান্ড কোম্পানি, মাদ্রাজ, ১৯২২, পৃষ্ঠা ১৩৯ এবং পরবর্তী পৃষ্ঠা * মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর মৃত্যুর প্রায় এক শতাব্দী বা তার কাছাকাছি সময় পরে মুসলমানরা প্রথম ভারতের দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলে বসতি স্থাপন করেছিল। প্রায় আটশ বছর ধরে তারা সেখানে শান্তিপূর্ণভাবে ব্যবসা-বাণিজ্য চালিয়েছিল। তারপর ১৪৯৮ সালে পর্তুগিজরা সেখানে পৌঁছায় এবং এই মুসলমানরা যারা মাপ্পিলা নামে পরিচিত ছিল, তারা সেই পরিস্থিতির শিকার হওয়া প্রথম দক্ষিণ এশীয় মুসলমানে পরিণত হয়েছিল যা শেষ পর্যন্ত সমস্ত দক্ষিণ এশীয় মুসলমানরা ভোগ করতে যাচ্ছিল: ইউরোপীয় চাপের হাতুড়ি এবং হিন্দু সমাজের নেহাইয়ের মাঝখানে আটকা পড়ার সেই নিয়তি। মাপ্পিলাদের এর প্রতিক্রিয়া ছিল পবিত্র যুদ্ধ এবং শাহাদাতের একটি ঐতিহ্য গড়ে তোলা। এই ঐতিহ্যটি একটি মহাকাব্যিক গ্রন্থে সংরক্ষিত রয়েছে যার নাম হলো ‘গিফট টু দ্য হোলি ওয়ারিয়র্স ইন রেসপেক্ট টু সাম ডিডস অব দ্য পর্তুগিজ’; এটি মাপ্পিলা সাহিত্যের মূল অংশে উদযাপিত হয় যার নয়-দশমাংশই মূলত যুদ্ধ-সংগীতের জন্য উৎসর্গ করা হয়েছে। এটি বিভিন্ন ধর্মীয় সহিংসতার ঘটনাগুলোতে প্রকাশিত হয়েছে—উদাহরণস্বরূপ ১৮৩৬ থেকে ১৯১৯ সালের মধ্যে এমন ৩২টি ঘটনা ঘটেছিল যেখানে ৩১৯ জন মাপ্পিলা নিহত হয়েছিল এবং এই প্রক্রিয়াটি ১৯২১-২২ সালের বিদ্রোহের মাধ্যমে চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছিল যেখানে মাপ্পিলাদের মতে প্রায় ১০,০০০ মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। **ফ্রান্সিস রবিনসন - ইসলাম অ্যান্ড মুসলিম হিস্ট্রি ইন সাউথ এশিয়া-অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস (২০০০) পৃষ্ঠা ২৪৭ (এম. এ. খান রচিত ইসলামিক জিহাদ: আ লেগাসি অব ফোর্সড কনভার্সন, ইম্পেরিয়ালিজম অ্যান্ড স্লেভারি (২০১১)) * আমি এই বিষয়টি অত্যন্ত মনোযোগের সাথে পর্যবেক্ষণ করেছি এবং আমি নিশ্চিত হয়েছি যে, যদিও (মাপ্পিলাদের নৃশংসতার) ঘটনাগুলো প্রজাদের (মাপ্পিলা ও হিন্দু) ব্যক্তিগত কষ্টের কারণে হয়ে থাকতে পারে, তবে প্রজাদের প্রতি হিন্দু জমিদারদের আচরণের সাধারণ ধরণ—তারা মাপ্পিলা হোক বা হিন্দু—সব সময়ই ছিল নম্র, ন্যায়সঙ্গত ও সহনশীল... "এটি কোনো পাপ নয় বরং একজন হিন্দু জেনমি বা জমিদারকে হত্যা করা পুণ্যের কাজ যদি সে কাউকে উচ্ছেদ করে" ... "যেহেতু জমি হিন্দুদের কাছে এবং অর্থ মাপ্পিলাদের হাতে ছিল, তাই জমি পাওয়ার উদ্দেশ্যে মাপ্পিলা সম্প্রদায় ধর্মান্ধতাকে উৎসাহিত করেছিল (অথবা তার আশ্রয় নিয়েছিল)" ... "এবং পরিশেষে ফলাফল ছিল এই যে, সেখানে একটি অবিরাম ধারা তৈরি হয়েছিল যার মাধ্যমে মাপ্পিলা অধ্যুষিত সমস্ত এলাকায় জমিগুলো ধীরে ধীরে অথচ নিশ্চিতভাবে মাপ্পিলাদের দখলে চলে যাচ্ছিল।" **টমাস স্ট্রেঞ্জ, উইলিয়াম লোগান রচিত মালাবার ম্যানুয়ালে বর্ণিত। টিপু সুলতান: ভিলিয়ান অর হিরো? : অ্যান অ্যান্থলজি। সম্পাদনা: এস. আর. গোয়েল (১৯৯৩) {{আইএসবিএন|৯৭৮৮১৮৫৯৯০০৮৮}} * সংকরন নায়ার হিন্দুদের জীবন্ত চামড়া ছাড়িয়ে নেওয়া এবং হত্যার ঠিক আগে তাদের দিয়ে নিজেদের কবর নিজেদেরই খনন করানোর মতো আরও অনেক নির্যাতনের কথা উল্লেখ করেছেন। কংগ্রেস নেতারা প্রাথমিকভাবে মালাবার থেকে আসা কাহিনীগুলো বিশ্বাস করতে চাননি এবং স্বয়ং গান্ধীজি ‘সাহসী ও ঈশ্বরভীরু মোপলাদের’ কথা বলেছিলেন। তিনি তাদের এমন দেশপ্রেমিক হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন যারা ‘নিজেদের ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী লড়াই করছিল এবং তাদের ধর্মসম্মত পদ্ধতিতেই এই যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছিল’। তিনি আরও যোগ করেছিলেন: ‘হিন্দুদের অবশ্যই মোপলা ধর্মান্ধতার কারণগুলো খুঁজে বের করতে হবে। তারা দেখতে পাবে যে, এই পরিস্থিতির জন্য তারাও নির্দোষ নয়। তারা এ পর্যন্ত মোপলাদের কোনো তোয়াক্কাই করেনি। এখন মোপলা বা সাধারণ মুসলমানদের ওপর রাগান্বিত হয়ে কোনো লাভ নেই।’ পরিহাসের বিষয় হলো, তার মিত্র খেলাফতপন্থীরা মোপলাদের এই বীরত্বের জন্য তাদের অভিনন্দন জানিয়ে প্রস্তাব পাস করেছিল। **বিক্রম সম্পাত - সাভারকর, ইকোস ফ্রম আ ফরগটেন পাস্ট, ১৮৮৩–১৯২৪ (২০১৯) * "প্রথম সতর্কবার্তাটি পাওয়া গিয়েছিল যখন সাবজেক্টস কমিটিতে হিন্দুদের ওপর নৃশংসতার জন্য মোপলাদের নিন্দা করার প্রস্তাবটি সামনে আসে। মূল প্রস্তাবটিতে হিন্দুদের হত্যা করা, তাদের ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া এবং জোরপূর্বক ইসলামে ধর্মান্তরিত করার জন্য ঢালাওভাবে মোপলাদের নিন্দা জানানো হয়েছিল। হিন্দু সদস্যরা নিজেরাই একে একে বিভিন্ন সংশোধনী প্রস্তাব আনেন যতক্ষণ না এটি কেবল নির্দিষ্ট কিছু ব্যক্তিকে নিন্দা করার পর্যায়ে নেমে এসেছিল, যারা উল্লিখিত অপরাধগুলোর জন্য দায়ী ছিল। কিন্তু এমনকি কিছু মুসলিম নেতা এটিও সহ্য করতে পারছিলেন না। মাওলানা ফকির ও অন্যান্য মাওলানারা স্বাভাবিকভাবেই এই প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছিলেন এবং তাতে অবাক হওয়ার কিছু ছিল না। কিন্তু আমি অবাক হয়েছিলাম যে, মাওলানা হাসরাত মোহানির মতো একজন ঘোর জাতীয়তাবাদী এই প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছিলেন এই যুক্তিতে যে, মোপলাদের দেশ আর 'দার-উল-আমান' নেই বরং তা 'দার-উল-হারবে' পরিণত হয়েছে। তারা হিন্দুদের সন্দেহ করছিল যে, হিন্দুরা মোপলাদের শত্রু ব্রিটিশদের সাথে যোগসাজশ করছে। তাই হিন্দুদের সামনে কোরআন অথবা তলোয়ার তুলে ধরা মোপলাদের জন্য সঠিক পদক্ষেপ ছিল। এবং হিন্দুরা যদি মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচতে মুসলমান হয়ে থাকে, তবে সেটি ছিল স্বেচ্ছায় ধর্ম পরিবর্তন এবং জোরপূর্বক ধর্মান্তরকরণ নয়। এমনকি কিছু মোপলার নিন্দা করার মতো নিরীহ প্রস্তাবটিও সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়নি বরং তা কেবল ভোটের সংখ্যাধিক্যের ভিত্তিতে গ্রহণ করতে হয়েছিল। সেখানে আরও এমন কিছু ইঙ্গিত ছিল যা থেকে বোঝা যাচ্ছিল যে, মুসলমানরা কংগ্রেসকে তাদের দয়ায় টিকে আছে বলে মনে করত এবং তাদের অদ্ভুত আচরণগুলোকে উপেক্ষা করার সামান্যতম চেষ্টা করা হলেও সেই নড়বড়ে ঐক্যটি ছিন্নভিন্ন হয়ে যেত।" **স্বামী শ্রদ্ধানন্দ ২৬ আগস্ট ১৯২৬-এর দ্য লিবারেটর। {{Cite journal|last=শ্রদ্ধানন্দ|first=স্বামী|date=২৬ আগস্ট ১৯২৬|title=দ্য লিবারেটর}} বি.আর. আম্বেদকর রচিত পাকিস্তান অর দ্য পার্টিশন অব ইন্ডিয়া (১৯৪৬)। * ডক্টর মুঞ্জে তার প্রতিবেদনের অন্য একটি অংশে উল্লেখ করেছেন যে, আটশ বছর আগে মালাবারের (বর্তমান কেরালা) হিন্দু রাজা তার ব্রাহ্মণ মন্ত্রীদের পরামর্শে আরব মুসলমানদের তার রাজ্যে বসতি স্থাপনের জন্য বিশেষ সুযোগ-সুবিধা প্রদান করেছিলেন। এমনকি তিনি প্রতিটি হিন্দু জেলে পরিবারের অন্তত একজন সদস্যকে বাধ্যতামূলকভাবে ইসলামে ধর্মান্তরিত করার আইন জারি করে আরব মুসলমানদের সন্তুষ্ট করার চেষ্টা করেছিলেন। যাঁদের স্বভাব সাধারণ বুদ্ধির পরিবর্তে নির্বুদ্ধিতা চর্চা করা, তাঁরা সিংহাসনে বসে থাকলেও কখনো স্বাধীনতা ভোগ করতে পারেন না। তাঁরা কাজের সময়কে আমোদ-প্রমোদের রাতে পরিণত করেন; সেই কারণেই মাঝদুপুরেও তাঁরা ভূতের ভয়ে আতঙ্কিত থাকেন।”.... “মালাবারের রাজা একসময় তার সিংহাসনটি নির্বুদ্ধিতার হাতে ছেড়ে দিয়েছিলেন। সেই নির্বুদ্ধিতা আজও হিন্দু সিংহাসনে বসে মালাবার শাসন করছে। সেই কারণেই হিন্দুরা আজও মার খাচ্ছে এবং আকাশের দিকে মুখ ফিরিয়ে বলছে যে ভগবান আছেন। সারা ভারতজুড়ে আমরা নির্বুদ্ধিতাকে রাজত্ব করার সুযোগ দিয়েছি এবং এর কাছে নিজেদের আত্মসমর্পণ করেছি। নির্বুদ্ধিতার সেই রাজত্ব—অর্থাৎ সাধারণ বিচারবুদ্ধির মারাত্মক অভাব—মাঝে মাঝে পাঠানদের দ্বারা, কখনো মোঘলদের দ্বারা এবং কখনো ব্রিটিশদের দ্বারা আক্রান্ত হয়েছে। বাইরে থেকে আমরা কেবল তাদের করা অত্যাচারই দেখতে পাই, কিন্তু তারা কেবল অত্যাচারের হাতিয়ার মাত্র, প্রকৃত কারণ নয়। যন্ত্রণার আসল কারণ হলো আমাদের বিচারবুদ্ধির অভাব এবং আমাদের নির্বুদ্ধিতা, যা আমাদের সব দুঃখ-দুর্দশার জন্য দায়ী। তাই আমাদের সেই নির্বুদ্ধিতার বিরুদ্ধে লড়াই করতে হবে যা হিন্দুদের বিভক্ত করেছে এবং আমাদের ওপর দাসত্ব চাপিয়ে দিয়েছে……..আমরা যদি কেবল অত্যাচারের কথা চিন্তা করি তবে কোনো সমাধান খুঁজে পাব না। কিন্তু আমরা যদি আমাদের এই নির্বুদ্ধিতা থেকে মুক্তি পেতে পারি, তবে অত্যাচারীরা আমাদের কাছে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হবে। **আর. ঠাকুর, ’সমস্যা,’ (দ্য প্রবলেম), অগ্রহায়ণ, ১৩৩০ বঙ্গাব্দ, “কালান্তর”। * “মোপলা বিদ্রোহ শেষ হওয়ার পরপরই আমি মালাবারে গিয়েছিলাম। সেখানে আমি নিজের চোখে দেখেছি যে, মাত্র ১০ লক্ষ মুসলমানের ভয়ে ৪০ লক্ষ হিন্দু চরম আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।” **আর. ঠাকুর, তিরুর দিনেশ - মোপলা রায়টস (২০২১) * ১৯২১ সালের আগস্ট মাস, অসহযোগ আন্দোলন শুরু হওয়ার ঠিক এক বছর পরের কথা (যে সময়ের জন্য গান্ধীজি সুফল পাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন)। তখন কেরালার মোপলা মুসলিম সম্প্রদায় স্বশাসনের নিজস্ব একটি সংস্করণ অর্থাৎ খেলাফত শাসন প্রবর্তন করেছিল। আলী মুসালিয়ারের নেতৃত্বে একটি খেলাফত রাষ্ট্র ঘোষণা করা হয়েছিল। ব্রিটিশদের এই বিদ্রোহ দমন করতে বেশ কয়েক মাস সময় লেগেছিল এবং সেই অন্তর্বর্তী সময়ে স্থানীয় হিন্দুদের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়েছিল। এর মধ্যে ছিল হত্যা, ধর্ষণ এবং ইসলামে জোরপূর্বক ধর্মান্তরকরণ... এই পর্যায়ে আমরা একজন হিন্দু ইতিহাসবিদের পক্ষ থেকে মোপলা বিদ্রোহ এবং গান্ধীর কংগ্রেস দ্বারা এর রাজনৈতিক আত্তীকরণের বিষয়ে আরও একটি সাম্প্রতিক মন্তব্য (১৯৯৩) যোগ করতে পারি। শ্রীকান্ত জি. তালেগেরি তার আরিয়ান ইনভেসন থিওরি অ্যান্ড ইন্ডিয়ান ন্যাশনালিজম গ্রন্থে জোর দিয়ে বলেছেন যে, ‘অর্ধেক পথ পেরোনোর পর খেলাফত আন্দোলন হিন্দুদের বিরুদ্ধে একটি জিহাদে পরিণত হয়েছিল। (…) যদি খেলাফত আন্দোলন বীভৎস ও ভয়াবহ হয়ে থাকে, তবে এর প্রতি ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীদের প্রতিক্রিয়া ছিল শতগুণ বেশি বীভৎস এবং ভয়াবহ। (…) মোপলাদের দ্বারা হিন্দুদের ওপর চালানো নৃশংসতার সমস্ত প্রতিবেদন কংগ্রেস চেপে গিয়েছিল এবং দাঙ্গাকারীদের দমন করার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করায় কংগ্রেস নেতারা ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষের নিন্দা করেছিলেন।’ আরও বড় কথা, তিনি দাবি করেন যে, ‘মহাত্মা গান্ধী মোপলা খুনিদের “আমার সাহসী মোপলা” হিসেবে অভিহিত করার জন্য রীতিমতো উঠেপড়ে লেগেছিলেন এবং তাদের ধর্মীয় আবেগের ভূয়সী প্রশংসা করেছিলেন। ১৯৪৭ সালের পর মোপলা দাঙ্গাকারীদের স্বাধীনতা সংগ্রামী হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছিল এবং স্বাধীন ভারত সরকারের পক্ষ থেকে তাদের পেনশনের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। আর আজ অবধি প্রতি বছর বোম্বেতে একটি বিশাল মিছিলের মাধ্যমে খেলাফত আন্দোলন স্মরণ করা হয়, যেখানে অনেক বামপন্থী এবং ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীরা মুসলমানদের সাথে অংশ নেন।’ **তালেগেরি এস. উদ্ধৃত: এলস্ট, কোয়েনরাড (২০১৮)। হোয়াই আই কিলড দ্য মহাত্মা: আনকভারিং গডসেস ডিফেন্স। নতুন দিল্লি: রূপা, ২০১৮। তালেগেরি এস.-কে উদ্ধৃত করে। * বিদ্রোহীরা . . . সুন্দরী হিন্দু নারীদের বন্দি করে তাদের জোরপূর্বক ধর্মান্তরিত করেছিল। মোপলাদের চিরাচরিত কায়দায় সেই সব নারীর কান ছিদ্র করে তাদের মোপলা নারীদের মতো পোশাক পরিয়ে অস্থায়ী জীবনসঙ্গিনী হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল। হিন্দু নারীদের ভয় দেখানো হয়েছিল, লাঞ্ছিত করা হয়েছিল এবং তাদের বন্য প্রাণীতে ভরা ঘন জঙ্গলে অর্ধউলঙ্গ অবস্থায় আশ্রয়ের খোঁজে পালিয়ে যেতে বাধ্য করা হয়েছিল। সম্মানিত হিন্দু ভদ্রলোকদেরও জোর করে ধর্মান্তরিত করা হয়েছিল এবং নির্দিষ্ট কিছু মুসালিয়ার ও থাঙ্গালদের সাহায্যে তাদের সুন্নতে খতনা করানো হয়েছিল। ** টাইমস অফ ইন্ডিয়া, উদ্ধৃত: স্যার সংকরন নায়ার, গান্ধী অ্যান্ড এনার্কি, ইন্দোর: হোলকার স্টেট (ইলেকট্রিক) প্রিন্টিং প্রেস, এন.ডি., পরিশিষ্ট, পৃষ্ঠা ৩. এবং বিক্রম সম্পাত - সাভারকর, আ কন্টেস্টেড লিগেসি, ১৯২৪-১৯৬৬ (২০২১)। * মাননীয় সদস্যদের কাছে এটি হয়তো আকর্ষণীয় হবে যদি আমি মালাবারে এই বিদ্রোহের উৎপত্তি এবং কারণ সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত আলোচনার মাধ্যমে আমার বক্তব্য শুরু করি। প্রকৃত ঘটনা হলো এই যে, এই মোপলারা অত্যন্ত অজ্ঞ এবং অশিক্ষিত এক ধরণের মানুষ। তাদের মধ্যে অনেকেই চরম দরিদ্র এবং প্রায় প্রত্যেকেই অত্যন্ত ধর্মান্ধ। আমার কাছে থাকা তথ্য অনুযায়ী আমি জানতে পেরেছি যে, তারা পুরোপুরি এবং সম্পূর্ণরূপে এক ধরণের গোঁড়া পুরোহিত শ্রেণির প্রভাবের অধীনে থাকে। আমি মনে করি সকল মাননীয় সদস্য এটি জানেন যে, তারা মূলত সেই সব আরব বণিক ও সৈন্যদের বংশধর যারা ৮০০ খ্রিস্টাব্দের দিকে প্রথম মালাবার উপকূলে এসেছিলেন। আমাদের বলা হয় যে, পরবর্তীতে তারা স্থানীয় বাসিন্দাদের সাথে বৈবাহিক সম্পর্ক স্থাপন এবং তাদের মোহামেডান ধর্মে ধর্মান্তরিত করার মাধ্যমে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছিল। এই পরিষদের বিভিন্ন মাননীয় সদস্যের কাছে ধর্মান্তরকরণ বা পথভ্রষ্ট করা—যেই শব্দটিই ভালো মনে হোক না কেন, তার মাধ্যমেই তারা এটি করেছিল। অতীতে এই মানুষদের অনেকগুলো বিদ্রোহের ঘটনা ঘটেছে, যাদের বর্তমান সংখ্যা প্রায় ১০ লক্ষের মতো। প্রকৃতপক্ষে ১৮৩৬ থেকে ১৮৫৩ সালের মধ্যে প্রায় ২০ বছরের একটি সময়সীমায় মোট ২২ বার বিদ্রোহের ঘটনা ঘটেছিল। তবে আমার কাছে থাকা তথ্য অনুযায়ী সবথেকে বড় বিদ্রোহটি ঘটেছিল ১৮৮৫ সালে, যার পরে বিদ্রোহীদের কাছ থেকে ৯০০০টি বন্দুকসহ মোট ২০০০০টি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছিল। **উইলিয়াম হেনরি হোয়ার ভিনসেন্ট    জে. সাই দীপক রচিত ইন্ডিয়া, ভারত অ্যান্ড পাকিস্তান - দ্য কনস্টিটিউショナル জার্নি অব আ স্যান্ডউইচড সিভিলাইজেশন, ২০২২ * স্ট্যানলি ওলপার্ট তার আ নিউ হিস্ট্রি অব ইন্ডিয়া নামক গ্রন্থে এই দাঙ্গা বা বিদ্রোহের ঘটনাগুলো অত্যন্ত সংক্ষেপে বর্ণনা করেছেন: “১৯২১ সালের আগস্ট মাসে মালাবার অঞ্চলে বসবাসকারী মুসলিম মোপলারা একটি জিহাদ (পবিত্র যুদ্ধ) ঘোষণা করেছিল। দৃশ্যত নিজেদের পছন্দমতো একটি নতুন খেলাফত শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্যেই তারা মূলত এই পথ বেছে নিয়েছিল। সেই উত্তাল সময়ে তারা যেখানেই ইউরোপীয়দের এবং সমাজের প্রভাবশালী ও বিত্তবান হিন্দুদের দেখতে পেয়েছিল, সেখানেই তাদের নির্মমভাবে হত্যা করেছিল এবং সাধারণ হিন্দু কৃষক ও মেহনতি শ্রমিকদের জোরপূর্বক ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত করেছিল।” **এস ওলপার্ট উদ্ধৃত: রোসার, ইভেট ক্লেয়ার (২০০৩)। কারিকুলাম অ্যাজ ডেসটিনি: ফোর্জিং ন্যাশনাল আইডেন্টিটি ইন ভারত, পাকিস্তান, অ্যান্ড বাংলাদেশ। ইউনিভার্সিটি অফ টেক্সাস অ্যাট অস্টিন। == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:২০শ শতাব্দীতে ভারত]] [[বিষয়শ্রেণী:২০শ শতাব্দীর বিপ্লব]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯২১]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯২০-এর দশকে এশিয়া]] i77fog9e4v7xoltvkkq50qt5e54mtjs নরম্যান মেইলার 0 13059 79728 79239 2026-04-22T12:46:36Z SMontaha32 3112 79728 wikitext text/x-wiki [[File:Norman Mailer (1948).jpg|thumb|right|অস্তিত্বের প্রতিটি মুহূর্তে একজন ব্যক্তি হয় আরও বিকশিত হয় অথবা ক্রমশ সংকুচিত হতে থাকে। মানুষ সবসময়ই হয় একটু বেশি করে বাঁচতে থাকে অথবা অল্প অল্প করে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যায়।]] '''[[w:নরম্যান মেইলার|নরম্যান মেইলার]]''' (৩১ জানুয়ারি ১৯২৩ – ১০ নভেম্বর ২০০৭) ছিলেন একজন মার্কিন ঔপন্যাসিক, সাংবাদিক, নাট্যকার, চিত্রনাট্যকার এবং চলচ্চিত্র পরিচালক। তাকে সৃজনশীল নন-ফিকশন বা তথ্যমূলক সাহিত্যের উদ্ভাবক হিসেবে বিবেচনা করা হয়, যা কখনও কখনও 'নিউ জার্নালিজম' নামেও পরিচিত। == উক্তি == [[File:Norman Mailer writing, cropped.jpg|thumb|শিল্পের চূড়ান্ত উদ্দেশ্য হলো মানুষের নৈতিক চেতনাকে তীব্র করা, এমনকি প্রয়োজন হলে তাকে উত্তেজিত বা ক্ষুব্ধ করা।]] [[File:Joint and smoke.jpg|thumb|মারিজুয়ানা সেবনকালিন অবস্থা সবসময়ই অস্তিত্ববাদী (existential)। একজন ব্যক্তি প্রতিটি মুহূর্তের গুরুত্ব এবং এটি কীভাবে তাকে বদলে দিচ্ছে তা অনুভব করতে পারে।]] [[File:Holy Hemp.jpg|thumb|মানুষ আমাদের প্রত্যেকের মধ্যকার যুদ্ধের বিষয়ে সচেতন হয়ে ওঠে; কীভাবে আমাদের প্রত্যেকের ভেতরের শূন্যতা অন্যের অস্তিত্বকে আক্রমণ করতে চায় এবং কীভাবে আমাদের অস্তিত্ব অন্যের ভেতরের শূন্যতা দ্বারা আক্রান্ত হয়।]] [[File:Marilyn Monroe Niagara.png|thumb|আমরা মেরিলিনের কথা ভাবি, যে ছিল আমেরিকার সাথে প্রতিটি পুরুষের এক প্রেমের আখ্যান। মেরিলিন মনরো—যিনি ছিলেন স্বর্ণকেশী ও সুন্দরী, যাঁর কণ্ঠে ছিল মিষ্টি সুর আর যার মাঝে ছিল আমেরিকার পরিচ্ছন্ন আঙিনাগুলোর মতো নির্মলতা।]] [[File:GolodomorKharkiv.jpg|thumb|সমাজতন্ত্রের কাজ হলো মানুষের কষ্ট বা যন্ত্রণাকে উচ্চতর পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া।]] * '''অস্তিত্বের প্রতিটি মুহূর্তে একজন ব্যক্তি হয় আরও বিকশিত হয় অথবা ক্রমশ সংকুচিত হতে থাকে। মানুষ সবসময়ই হয় একটু বেশি করে বাঁচতে থাকে অথবা অল্প অল্প করে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যায়।''' ** "হিপ, হেল, অ্যান্ড দ্য নেভিগেটর", ওয়েস্টার্ন রিভিউ (১৯৫৯)। * '''শিল্পের চূড়ান্ত উদ্দেশ্য হলো মানুষের নৈতিক চেতনাকে তীব্র করা, এমনকি প্রয়োজন হলে তাকে উত্তেজিত বা ক্ষুব্ধ করা।''' ** "হিপ, হেল, অ্যান্ড দ্য নেভিগেটর" (১৯৫৯)। * আমার কাছে বর্তমান সময়ের অসুস্থতা হলো এই যে, সবকিছু ছোট থেকে আরও ছোট এবং গুরুত্বহীন হয়ে পড়ছে; রোমান্টিক চেতনা শুকিয়ে গেছে, আজ কোনো লজ্জা নেই... আমরা সবাই খুব নীচ, ক্ষুদ্র ও হাস্যকর হয়ে উঠছি এবং আমরা সবাই এক ধ্বংসের হুমকির নিচে বাস করছি। ** "হিপ, হেল, অ্যান্ড দ্য নেভিগেটর" (১৯৫৯)। * বই লেখা হলো পুরুষদের সন্তান জন্মদানের সবচেয়ে কাছাকাছি একটি অভিজ্ঞতা। ** "মিস্টার মেইলার ইন্টারভিউস হিমসেলফ", দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস বুক রিভিউ (১৯৬৫)। * '''শিল্পীর গর্ব নিয়ে আপনাকে বিদ্যমান প্রতিটি ক্ষমতার দেয়ালের বিরুদ্ধে আপনার অবজ্ঞার ছোট তূর্যটি বাজাতে হবে।''' ** ডেভিড ডব্লিউ নোবেল রচিত 'দ্য ইটারনাল অ্যাডাম অ্যান্ড দ্য নিউ ওয়ার্ল্ড গার্ডেন' (১৯৬৮) থেকে উদ্ধৃত। * বিয়ের চারটি ধাপ আছে। প্রথমে প্রেম (affair), তারপর বিয়ে, তারপর সন্তান এবং শেষ ধাপটি হলো বিবাহবিচ্ছেদ—যা ছাড়া আপনি একজন নারীকে পুরোপুরি চিনতে পারবেন না। ** নিউজ সামারি (১৯৬৯)। * বিংশ শতাব্দীর ভয়াবহতা ছিল প্রতিটি নতুন ঘটনার বিশালতা এবং এর প্রতিধ্বনির স্বল্পতা। ** 'আ ফায়ার অন দ্য মুন' (১৯৭০)। * বই লেখা এবং টেলিভিশনে উপস্থিত হওয়ার মধ্যে পার্থক্য হলো—সন্তান ধারণ করা এবং টেস্ট টিউবে বাচ্চা তৈরির মধ্যকার পার্থক্যের মতো। ** দ্য ভিলেজ ভয়েস (১৯৭১)। * আমি মনে করি নিজের বর্তমান কাজ নিয়ে কথা বলা ক্ষতিকর, কারণ এটি সৃজনশীল কাজের মূলে থাকা কোনো কিছুকে নষ্ট করে দেয়। এটি মানসিক উত্তেজনাকে কমিয়ে দেয়। ** 'দ্য রাইটার্স কোটেশন বুক' (১৯৮০)। * সংস্কৃতি সামান্য ঝুঁকির যোগ্য। ** টাইম ম্যাগাজিন (১৯৮২)। * '''অশোধিত চিন্তা এবং প্রচণ্ড শক্তিই আমার অবস্থা।''' আমি জানি না আমি কে, বা আমি কী ছিলাম। আমি কোনো শব্দ শুনতে পাচ্ছি না। যন্ত্রণা খুব কাছেই, যা আগে অনুভূত কোনো যন্ত্রণার মতো হবে না। ** 'অ্যানশিয়েন্ট ইভিনিংস' (১৯৮৩) - প্রথম পঙক্তি। * ক্যামেরাকে ডায়ান আরবাসের হাতে তুলে দেওয়া মানে হলো একটি শিশুর হাতে জ্যান্ত গ্রেনেড তুলে দেওয়া। ** নিউজউইক (১৯৮৪)। * আমি অনুভব করলাম আমার ভেতরে খুনের নেশা জেগে উঠছে। আমার মনে হলো আমি একজন মানসিক বহির্ভূত ব্যক্তি, এবং আমি এটি পছন্দ করছিলাম। ** 'দ্য ডিয়ার পার্ক' প্রকাশের সময় মেইলারের প্রতিক্রিয়া (১৯৮৫)। * যদি কেবল দুটি নাসারন্ধ্র, দুটি চোখ বা দুটি কানের লতিই না থাকে, বরং দুটি মনস্তত্ত্বও থাকে? তারা একজন মানুষের ভেতরে শ্যামল জমজ হিসেবে জীবন কাটায়... তারা সামান্য আলাদা হতে পারে, আবার ভালো ও মন্দের মতো আকাশ-পাতাল পার্থক্যও থাকতে পারে। ** 'হার্লটস ঘোস্ট: আ নভেল' (১৯৯১)। * আমি ভালোবাসাকে কখনও ভাগ্য হিসেবে দেখিনি... না, আমি ভালোবাসাকে পুরস্কার হিসেবে দেখেছি। একজন ব্যক্তি এটি তখনই খুঁজে পেতে পারে যখন তার পুণ্য, সাহস বা আত্মত্যাগ সৃষ্টির শক্তিকে নাড়া দিতে সফল হয়। ** 'হার্লটস ঘোস্ট: আ নভেল' (১৯৯১)। * আচ্ছন্নতা হলো মানুষের সবচেয়ে অপচয়মূলক কাজ, কারণ আচ্ছন্ন অবস্থায় আপনি বারবার একই প্রশ্নের কাছে ফিরে আসেন কিন্তু কখনও উত্তর পান না। ** আমেরিকান ওয়ে (১৯৯৫)-তে দেওয়া সাক্ষাৎকার। * '''আমি মনে করি না জীবন নিরর্থক । আমি মনে করি আমরা সবাই এখানে এক বিশাল উদ্দেশ্য নিয়ে এসেছি। আমি মনে করি আমরা সেই উদ্দেশ্যের বিশালতা দেখেই কুঁকড়ে যাই।''' ** আমেরিকান ওয়ে (১৯৯৫)তে দেওয়া সাক্ষাৎকার। * উদারতাবাদের চূড়ান্ত প্রবণতা হলো নিরামিষভোজিতা । ** সান ফ্রান্সিসকো সিটি আর্টস অ্যান্ড লেকচার্স (২০০৭)। === 'দ্য নেকেড অ্যান্ড দ্য ডেড' (১৯৪৮) === [[File:The "Eternal Warrior" bronze sculpture was sculpted by artist; Oceana Rain Stuart.jpg|thumb|টলস্টয় আমাদের শিখিয়েছেন যে করুণা বা সমবেদনা তখনই মূল্যবান এবং জীবনকে সমৃদ্ধ করে যখন সেই করুণা হয় কঠোর। অর্থাৎ যখন আমরা একটি চরিত্রের ভালো-মন্দ সবকিছু দেখার পরও অনুভব করতে পারি যে, মানুষ হিসেবে আমাদের সামগ্রিক সত্তা সম্ভবত মন্দের চেয়ে কিছুটা হলেও ভালো...]] [[File:Spot for burial detail.jpg|thumb|বিংশ শতাব্দীর মানুষের স্বাভাবিক ভূমিকা হলো উদ্বেগ বা উৎকণ্ঠা (anxiety)।]] * এটিই সেই বৃদ্ধের (টলস্টয়) প্রতিভা — টলস্টয় আমাদের শিখিয়েছেন যে করুণা বা সমবেদনা তখনই মূল্যবান এবং জীবনকে সমৃদ্ধ করে যখন সেই করুণা হয় কঠোর। অর্থাৎ যখন আমরা একটি চরিত্রের ভালো এবং মন্দ সবকিছু স্পষ্টভাবে দেখার পরও অনুভব করতে পারি যে, মানুষ হিসেবে আমাদের সামগ্রিক সত্তা সম্ভবত ভয়ংকরের চেয়ে কিছুটা হলেও ভালো... টলস্টয়ের সেই সূক্ষ্ম বোধ—যে কঠোরতা ছাড়া সমবেদনা মূল্যহীন (কারণ তা না হলে এটি সস্তা ভাবপ্রবণতার বিরুদ্ধে নিজেকে রক্ষা করতে পারে না)—সেটিই 'দ্য নেকেড অ্যান্ড দ্য ডেড' উপন্যাসটিকে এক স্থায়ী মর্যাদা দিয়েছে। আর এটি সেই শৌখিন লেখককে (মেইলার নিজে) সফল সাহিত্যিকদের সেই কঠোর কাতারে পৌঁছে দিয়েছে, যারা টিকে থাকার জন্য পেশাদার হতে বাধ্য হন... ** উপন্যাসের ৫০তম বার্ষিকী সংস্করণে মেইলারের ভূমিকা (১৯৯৮) * তুমি একজন বোকা যদি তুমি এটা বুঝতে না পারো যে, এটি প্রতিক্রিয়াশীলদের (reactionaries) শতাব্দী হতে যাচ্ছে; হয়তো তাদের এক হাজার বছরের রাজত্ব। অ্যাডলফ হিটলারের বলা এটিই একমাত্র কথা যা সম্পূর্ণ উন্মাদনা ছিল না। ** জেনারেল এডওয়ার্ড কামিংস, পার্ট ১, অধ্যায় ৩ * আমি নিজের ভেতরে নেই এমন সবকিছুকে ঘৃণা করি। ** সার্জেন্ট স্যাম ক্রফট, পার্ট ১, অধ্যায় ৫ * একটি দেশ ততটাই ভালোভাবে যুদ্ধ করে যতটা তার কাছে জনবল এবং যুদ্ধ সরঞ্জাম থাকে। আর অন্য সমীকরণটি হলো—সেই সেনাবাহিনীর ব্যক্তিগত সৈনিকটি তত বেশি কার্যকর হয়, অতীতে যার জীবনযাত্রার মান যত বেশি নিম্ন ছিল। ** জেনারেল এডওয়ার্ড কামিংস, পার্ট ১, অধ্যায় ৬ * বিংশ শতাব্দীর মানুষের স্বাভাবিক ভূমিকা হলো উদ্বেগ বা উৎকণ্ঠা। ** জেনারেল এডওয়ার্ড কামিংস, পার্ট ১, অধ্যায় ৬ * একটি সেনাবাহিনীকে সচল রাখার জন্য আপনাকে প্রতিটি মানুষকে একটি 'ভয়ের মই' (fear ladder)-এ সাজাতে হবে... সেনাবাহিনী তখনই সবচেয়ে ভালো কাজ করে যখন আপনি আপনার উপরের পদের মানুষকে ভয় করেন এবং আপনার অধীনস্থদের অবজ্ঞা করেন। ** জেনারেল এডওয়ার্ড কামিংস, পার্ট ১, অধ্যায় ৬ * মানুষের সম্পর্কে একটি জনপ্রিয় ভুল ধারণা আছে যে, মানুষ পশু এবং ফেরেশতার (angel) মাঝামাঝি কিছু। আসলে মানুষ পশু এবং ঈশ্বরের (God) মাঝামাঝি এক ক্রান্তিকালে বা যাত্রাপথে রয়েছে। ** জেনারেল এডওয়ার্ড কামিংস, পার্ট ১, অধ্যায় ১১ * আর তাঁর যৌবনের সব উজ্জ্বল তরুণরা শুধু মাথা কুটে মরেছে, নানা জিনিসের ওপর আছাড় খেয়েছে যতক্ষণ না তারা দুর্বল হয়ে পড়েছে, কিন্তু সেই বস্তুগুলো ঠিকই অটল দাঁড়িয়ে ছিল। ** লেফটেন্যান্ট রবার্ট হার্ন, পার্ট ২, অধ্যায় ১২ * সে এক বন্য আনন্দ (ecstasy) অনুভব করল। সে কারণ বলতে পারত না, কিন্তু সেই পাহাড়টি তাকে যন্ত্রণা দিচ্ছিল, ইশারায় ডাকছিল; যেন পাহাড়টির কাছেই তার কাঙ্ক্ষিত কোনো উত্তর লুকিয়ে ছিল। এটি ছিল অত্যন্ত বিশুদ্ধ এবং কঠোর। ** সার্জেন্ট স্যাম ক্রফট এবং মাউন্ট আনাকা প্রসঙ্গে, পার্ট ৩, অধ্যায় ৩ * ক্রফটের ভূমি সম্পর্কে এক সহজাত জ্ঞান ছিল; সে বাতাসের ঘর্ষণ বা পানির ধারা দেখে মাটির টান এবং চাপ বুঝতে পারত। প্লাটুন অনেক আগেই তার নির্দেশিত দিক নিয়ে প্রশ্ন তোলা বন্ধ করে দিয়েছিল; তারা জানত যে অন্ধকার শেষে সূর্য ওঠা বা দীর্ঘ পদযাত্রার পর ক্লান্তি আসার মতোই সে নির্ভুলভাবে সঠিক পথ চিনে নেবে। ** পার্ট ৩, অধ্যায় ১০ * যতক্ষণ সম্ভব আপনি একা সবকিছু বয়ে বেড়ান, তারপর একদিন আপনি আর সহ্য করার মতো শক্তিশালী থাকেন না। আপনি সবকিছুর বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যান এবং সবকিছুই আপনাকে ভেঙে চুরমার করে দেয়। অবশেষে আপনি কেবল একটি সামান্য বল্টু হিসেবে টিকে থাকেন যা কলকব্জা খুব দ্রুত ঘুরলে আর্তনাদ করে ওঠে। ** পার্ট ৩, অধ্যায় ১৪ * সে ম্যাপ-রিডিং ক্লাসকে আকর্ষণীয় করতে পারে যদি বেটি গ্রেবল-এর স্নানপোশাক পরা একটি পূর্ণদৈর্ঘ্য রঙিন ছবির ওপর কো-অর্ডিনেট গ্রিড সিস্টেম বসিয়ে দেয়। ইনস্ট্রাক্টর তখন তার দেহের বিভিন্ন অংশ নির্দেশ করে বলতে পারেন, "আমাকে কো-অর্ডিনেটগুলো বলো।"... মেজর দেখতে পাচ্ছিলেন সেনাবাহিনীর প্রতিটি ইউনিট তার এই আইডিয়া ব্যবহার করছে... দারুণ ব্যাপার! ** মেজর ড্যালেসন প্রসঙ্গে, পার্ট ৪, অধ্যায় ১ === 'বার্বারি শোর' (১৯৫১) === * সমারসেট মম... কোথাও লিখেছিলেন যে, "কেউই তার যতটুকু হওয়া উচিত, তার চেয়ে বেশি ভালো নয়।" ... আমি এটিকে একটি কার্যকারী দর্শন হিসেবে নিজের সাথে বয়ে বেড়িয়েছি, কিন্তু আমার মনে হয় শেষ পর্যন্ত আমাকে এই চিন্তার ব্যতিক্রম ঘটাতে হবে... নতুবা এই মহাবিশ্ব কেবল একটি জটিল ঘড়ি ছাড়া আর কিছুই নয়। ** অধ্যায় ১০ * পাণ্ডুলিপিটি তার ডেস্কে ধুলোমাখা ন্যাকড়ার মতো পড়ে ছিল, এবং আইটেল দেখলেন—যা তিনি আগেও দেখেছিলেন—শিল্পের কঠিন দিকটি হলো এটি একজন মানুষকে তার নিজের জীবনের দিকে ফিরে তাকাতে বাধ্য করে, এবং প্রতিবারই এই কাজটি আরও কঠিন ও বিরক্তিকর হয়ে ওঠে। ** অধ্যায় ১৪ * এর সমান কোনো বিপ্লব আর কখনও হয়নি, এবং পেট্রোগ্রাডের মতো মহিমান্বিত শহরও আর কখনও ছিল না। আমার জীবনের সেই পুরো সময়টা আমি অন্য এক সত্তায় বেঁচে ছিলাম; ভাইবোর্গের শীতের বরফ আর গ্রীষ্মের মাছির দংশন সয়েছি, আর আমার সেই অতীতের পালক দেশে বিপ্লবের বাতাস তার আগুনের শিখা ছড়িয়ে দিচ্ছিল। সাম্যের মদিরা পান করার সময় আমরা সবাই ক্ষুধার্ত ছিলাম। ** মাইকেল লাভট, অধ্যায় ১৪ * বর্তমান বিশ্বের প্রধান দিকগুলো কী ছিল? অন্য কিছু না জানলেও আমি উত্তরটি জানতাম—যুদ্ধ, এবং নতুন যুদ্ধের প্রস্তুতি। ** মাইকেল লাভট, অধ্যায় ১৮ * '''তিনি মনে মনে ভাবলেন, আত্মার মূল সত্তা হলো এমন কিছু বেছে নেওয়া যা নিজের অবস্থানকে উন্নত করে না বরং তাকে আরও বিপজ্জনক করে তোলে। সেই কারণেই তার চেনা জগতটা এত দরিদ্র ছিল, কারণ এই জগত জোর দিয়ে বলত যে নৈতিকতা এবং সতর্কতা আসলে একই জিনিস।''' ** অধ্যায় ১৮ * তিনি একজন বোকা ছিলেন—একজন মেধাবী মানুষ আর আমি তার দাড়ি পছন্দ করতাম; কিন্তু তার মস্তিষ্কে গেঁথে গিয়েছিল সেই পাহাড়ি কুঠার, সব রক্ত গড়িয়ে পড়ল আর তিনি মেক্সিকান সূর্য দেখতে পেলেন না। তোমাদের লোকরাই কুঠারটি তুলেছিল, এবং বিপ্লবী মানবজাতির শেষ রক্তটুকু—তার সেই দুর্ভাগা রক্ত—কার্পেটে মিশে গিয়েছিল। ** ল্যানি ম্যাডিসন, লিওন ট্রটস্কির হত্যাকাণ্ড প্রসঙ্গে, অধ্যায় ২১ * '''জীবনের সেই আইনটি যেমন নিষ্ঠুর তেমনই ন্যায়সংগত, যা দাবি করে যে একজনকে অবশ্যই বিকশিত হতে হবে অথবা একই অবস্থায় স্থির থাকার জন্য আরও বেশি মূল্য দিতে হবে।''' ** অধ্যায় ২৬ * আমি জিজ্ঞেস করি, "আপনি কি একমত হবেন যে যৌনতাই দর্শনের শুরু?" কিন্তু ঈশ্বর, যিনি দার্শনিকদের মধ্যে প্রাচীনতম, তিনি তার ক্লান্ত রহস্যময় ভঙ্গিতে উত্তর দেন, "বরং যৌনতাকে সময় (Time) হিসেবে ভাবো, আর সময় হলো নতুন সংযোগের সার্কিট।" ** অধ্যায় ২৮ * '''বিপ্লব হলো ইতিহাসের সেই সময় যখন ব্যক্তিমানুষের গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি থাকে।''' ** ম্যাক্লিওড, অধ্যায় ২৯ * ঝড় তার প্রচণ্ড রূপ নিয়ে এগিয়ে আসছে, এবং এটি স্পষ্ট যে নৌকাটি তীরের আরও কাছে ভেসে যাচ্ছে। তাই অন্ধরা অন্ধদের পথ দেখাবে, এবং বধিররা একে অপরকে সতর্ক করে চিৎকার করবে যতক্ষণ না তাদের কণ্ঠস্বর হারিয়ে যায়। ** মাইকেল লাভট, অধ্যায় ৩৩ === 'দ্য ম্যান হু স্টাডড ইয়োগা' (১৯৫৬) === :<small>'নিউ শর্ট নভেলস ২' (১৯৫৬)-এ প্রকাশিত</small> * '''আমি নিজের পরিচয় দিতাম যদি তা নিরর্থক না হতো। গত রাতে আমার যে নাম ছিল, আজ রাতে সেই একই নাম থাকবে না।''' আপাতত তাহলে এটুকুই বলি যে, আমি স্যাম স্লোভোডার কথা ভাবছি। ** অধ্যায় ১ * আমি নিশ্চিত যে সবচেয়ে দুর্ভাগা মানুষ তারাই যারা ভালোবাসাকে একটি শিল্পকলা (art) বানাতে চায়। এটি অন্য সব প্রচেষ্টাকে তিক্ত করে তোলে। সকল শিল্পীর মধ্যে তারাই নিশ্চিতভাবে সবচেয়ে বেশি হতভাগ্য। ** অধ্যায় ৫ * কম্বলের নিচে ঘামতে ঘামতে স্যাম ভাবে—একজন ঔপন্যাসিককে অবশ্যই বিভ্রম বা প্যারানোইয়ার মধ্যে বাস করতে হবে এবং বিশ্বের সাথে একাত্ম হওয়ার পথ খুঁজতে হবে; তাকে অভিজ্ঞতার ভয়ে ভীত হতে হবে আবার অভিজ্ঞতার জন্য ক্ষুধার্তও হতে হবে; তাকে নিজেকে শূন্য ভাবতে হবে আবার বিশ্বাস করতে হবে যে সে সবার চেয়ে শ্রেষ্ঠ। তার স্বভাবের নারীসুলভ অংশটি সে যে একজন পুরুষ—তার প্রমাণ পেতে চিৎকার করে; সে নিজেকে ভালোবাসে এবং সেই কারণে সে যা কিছু, তার সবকিছুকেই ঘৃণা করে। ** অধ্যায় ৫ * সে দিনটি নষ্ট করেছে, সে নিজেকে বলে; সে দিনটি নষ্ট করেছে যেমন সে তার জীবনের অনেক দিন নষ্ট করেছে... অথচ সেই বিশাল কাজ যা দিয়ে সে নিজেকেই ধোঁকা দিয়েছে—সেই বিশাল উপন্যাস যা তাকে শ্বাসরুদ্ধকর অচলাবস্থা থেকে এক লাফে মুক্তি দেবে, যার ডজন ডজন চরিত্র জীবনের এক প্রাচুর্যময় জটিল দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরবে—তা আজ উদ্দেশ্যহীন প্রচেষ্টার সৈকতে পচে মরছে। এখানে কিছু নোট, সেখানে কিছু পৃষ্ঠা; এটি আনুষঙ্গিক ধারণা এবং অর্ধেক গল্পের এক নিরাকার ধ্বংসস্তূপের মতো ছড়িয়ে আছে; যার কোনো কাঠামো নেই। এমনকি সে নিজেও সেই উপন্যাসের নায়ক হওয়ার যোগ্য নয়। ** অধ্যায় ৫ * তবে সে কীভাবে তার উপন্যাসটি গুছিয়ে লিখবে? কী রূপ দেবে একে? এটি অত্যন্ত জটিল। বড্ড ঢিলেঢালা, স্যাম ভাবে, বড্ড এলোমেলো। ** অধ্যায় ৫ * '''আমি স্যামকে একটি বুদ্ধি দিই। "সময়কে ধ্বংস করো, তবেই বিশৃঙ্খলাকে সুশৃঙ্খল করা সম্ভব হতে পারে," আমি তাকে বলি।''' <br /> "সময়কে ধ্বংস করো, তবেই বিশৃঙ্খলাকে সুশৃঙ্খল করা সম্ভব হতে পারে," সে আমার কথার পুনরাবৃত্তি করে, এবং ঘুমানোর জন্য মরিয়া হয়ে বিড়বিড় করে বলে, "আমি আমার নাক অনুভব করতে পারছি না, আমার নাক অবশ হয়ে গেছে, আমার চোখ ভারী হয়ে আসছে, আমার চোখ ভারী হয়ে আসছে।" <br /> এভাবেই স্যাম ঘুমের জগতে প্রবেশ করে—এমন এক মানুষ যে ব্যথা এড়িয়ে বাঁচার পথ খোঁজে, কিন্তু কেবল আনন্দ এড়িয়ে যেতেই সফল হয়। জীবন কতই না নিরানন্দময় এক আপস! ** অধ্যায় ৫ === 'অ্যাডভার্টাইজমেন্টস ফর মাইসেলফ' (১৯৫৯) === * প্রতিদিন আরও কিছু নতুন মিথ্যা আমাদের সেই বীজের ভেতর ঢুকে পড়ে যা নিয়ে আমরা জন্মেছি; সংবাদপত্র থেকে আসা ছোট প্রাতিষ্ঠানিক মিথ্যা, টেলিভিশনের শক ওয়েভ এবং সিনেমার পর্দার ভাবপ্রবণ প্রতারণা। ** "ফার্স্ট অ্যাডভার্টাইজমেন্ট ফর মাইসেলফ" * '''বর্তমানে এমন কোনো সংবেদনশীল বিষমকামী (heterosexual) সম্ভবত বেঁচে নেই, যে তার সুপ্ত সমকামিতা (latent homosexuality) নিয়ে চিন্তিত নয়।''' ** "দ্য হোমোসেক্সুয়াল ভিলেন"; এই উক্তিটি প্রায়ই ভুলভাবে উদ্ধৃত করা হয় এভাবে: "বর্তমানে এমন কোনো বিষমকামী বেঁচে নেই যে তার সুপ্ত সমকামিতা নিয়ে চিন্তিত নয়।" * আমার সুদর্শন চেহারা, সোনালি চুল, উচ্চতা, দৈহিক গঠন আর বুলফাইটিং স্কুলের কারণে আমি সম্ভবত মেয়েদের কাছে 'ভিলেজ'-এর ইগল স্কাউট ব্যাজের সমতুল্য হয়ে উঠেছিলাম। আমি ছিলাম 'যৌন মানবিকতা'র (sexual humanities) ডিপ্লোমা অর্জনের জন্য প্রয়োজনীয় একটি ক্রেডিট মাত্র। ** সার্জিয়াস ও'শাগনেসি, "দ্য টাইম অফ হার টাইম"-এ * বাতাসে যখন এমন কোনো চিৎকার ভেসে আসে যা মানুষের কানে অর্থবহ মনে হয়, তখন হারিকেনের ক্রমবর্ধমান গুঞ্জনের রহস্যকে কেবল প্রাণহীন অণুর এলোমেলো সংঘর্ষ হিসেবে দেখার চেয়ে এটা বিশ্বাস করা সহজ যে—বাতাস আমাদের সাথে 'অস্তিত্বের' (Being) কোনো এক আবেগ ভাগ করে নিচ্ছে। ** "অ্যাডভার্টাইজমেন্ট ফর মাইসেলফ অন দ্য ওয়ে আউট" * আমাদের মতোই ঈশ্বরও তাঁর জন্য নির্ধারিত ভাগ্যের চেয়ে আরও অসাধারণ কিছু হওয়ার উচ্চাকাঙ্ক্ষা পোষণ করেন; হ্যাঁ, ঈশ্বর আমার মতোই, কেবল আমার চেয়েও অনেক বেশি শক্তিশালী। ** "অ্যাডভার্টাইজমেন্ট ফর মাইসেলফ অন দ্য ওয়ে আউট" * 'হিপ' (Hip) হলো এক বিশাল জঙ্গলে বাস করা প্রজ্ঞাসম্পন্ন আদিম মানুষের আধুনিকতা। ** "দ্য হোয়াইট নিগ্রো", প্রথম প্রকাশ: 'ডিসেন্ট' (গ্রীষ্ম ১৯৫৭) * একজন অস্তিত্ববাদী হতে হলে নিজেকে অনুভব করার ক্ষমতা থাকতে হবে—একজনকে তার আকাঙ্ক্ষা, তার ক্রোধ, তার যন্ত্রণা জানতে হবে; একজনকে তার ব্যর্থতার স্বরূপ সম্পর্কে সচেতন হতে হবে এবং জানতে হবে কিসে তা প্রশমিত হবে। একজন অতি-সভ্য মানুষ কেবল তখনই অস্তিত্ববাদী হতে পারে যদি তা 'ফ্যাশনেবল' বা ট্রেন্ডি হয়, এবং পরের নতুন কোনো ট্রেন্ড এলেই সে দ্রুত এটি ত্যাগ করে। ** "দ্য হোয়াইট নিগ্রো", প্রথম প্রকাশ: 'ডিসেন্ট' (গ্রীষ্ম ১৯৫৭) * আমেরিকা হলো একটি হারিকেন, আর একমাত্র সেইসব সৌভাগ্যবান কিন্তু অবিশ্বাস্যভাবে নির্বোধ এবং আত্মতুষ্ট শ্বেতাঙ্গ প্রোটেস্ট্যান্টরাই এর শব্দ শুনতে পায় না—যারা এই বড় ঝড়ের শান্ত কেন্দ্রে বাস করে। ** "অ্যাডভার্টাইজমেন্ট ফর 'গেমস অ্যান্ড এন্ডস'", পার্ট ৫ * শ্বেতাঙ্গ প্রোটেস্ট্যান্টদের চূড়ান্ত সহানুভূতি অবশ্যই বিজ্ঞান, তথ্যবাদ (factology) এবং কমিটির সাথে থাকতে হবে; যৌনতা, জন্ম, তাপ, শরীর বা সৃষ্টির সাথে নয়। আমাদের দেশের ক্ষমতার কেন্দ্রে থাকা এই প্রোটেস্ট্যান্টদের অবশ্যই ভোট দিতে হবে, নিয়ন্ত্রণ করতে হবে এবং নির্দেশনা দিতে হবে; তাদের অবশ্যই তাকেই 'যুক্তি' হিসেবে মেনে নিতে হবে যা আসলে অতীতের এক গতানুগতিক (Square) যুক্তি মাত্র। ** "অ্যাডভার্টাইজমেন্ট ফর 'গেমস অ্যান্ড এন্ডস'", পার্ট ৫ * হিপস্টারদের উদ্ভব ঘটে প্রলেতারিয়েত বা সর্বহারা শ্রেণির এক চাপা বিদ্রোহ থেকে; বলা যায়, তারা হলো অলস প্রলেতারিয়েত। বিটনিকরা—যারা প্রায়ই ইহুদি—আসে মধ্যবিত্ত শ্রেণি থেকে; পঁচিশ বছর আগে হলে তারা ওয়াইসিএল (তরুণ কমিউনিস্ট লিগ)-এ যোগ দিত। আজ তারা তাদের পিতামাতার গতানুগতিকতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ স্বরূপ কাজ না করাকে বেছে নেয়। তাই সমাজের প্রতি তাদের এই বিদায় বার্তার পেছনে তারা এক ধরণের নৈতিক মূল্যবোধ অনুভব করতে পারে। হিপস্টাররা অর্থহীন অবসাদময় জীবনের গুরুত্বের ব্যাপারে অনেক বেশি নিরুদ্বিগ্ন। ** "হিপস্টার অ্যান্ড বিটনিক, আ ফুটনোট টু 'দ্য হোয়াইট নিগ্রো'" === 'সুপারম্যান কামস টু দ্য সুপারমার্কেট' (১৯৬০) === * '''রাজনীতি একজনকে ইতিহাস থেকে বিচ্ছিন্ন করে রাখে; যারা রাজনৈতিক জীবন দিয়ে নিজেদের পুষ্ট করে, তাদের বেশিরভাগই খেলায় মেতে থাকে ইতিহাস গড়ার জন্য নয়, বরং যে ইতিহাস রচিত হচ্ছে তা থেকে নিজেদের মনোযোগ সরিয়ে রাখার জন্য।''' * '''রহস্যরা তথ্য দ্বারা বিরক্ত হয়।''' * '''রহস্য হলো এমন এক আবেগ যা রাজনৈতিক প্রাণীদের কাছে ঘৃণ্য।''' * পরিচিত জিনিসের বাইরে যা অজানা, তার প্রতিধ্বনি এড়ানোর জন্য মানুষ কেনই বা খারাপ ভোজসভা, সিগারেটের ধোঁয়া, ক্যাম্প চেয়ার, মুখের দুর্গন্ধ আর চরম বিরক্তিকর শব্দজালের জীবন বেছে নেবে? * '''আমেরিকা হলো শিকড়হীন বিশেষজ্ঞদের একটি জাতি; আমরা সবসময় এমন রণকৌশলী (tactician) তৈরি করছি যারা মূল কৌশল (strategy) বোঝে না, আর এমন কৌশলী তৈরি করছি যারা এক পা-ও চলতে পারে না।''' * লস অ্যাঞ্জেলেস সম্পর্কে এমন ধারণা পাওয়া যায় যে, মানুষ এখানে আসে অতীত থেকে নিজেকে বিচ্ছিন্ন করার জন্য; এখানে তারা একজন প্রাপ্তবয়স্ক শিশুর শিকড়হীন আনন্দময় জগতে বাস করার চেষ্টা করে। * লস অ্যাঞ্জেলেস হলো আত্মপ্রকাশের জায়গা, কিন্তু এখানকার শিল্পীরা মধ্যবিত্ত এবং মাঝারি চিন্তার মানুষ... এই চাকচিক্যের দেশে পুরুষত্ব লুকিয়ে আছে এর বর্বরতা আর অশ্লীলতার মাঝে; এটি দেখা যায় বিশাল বিলবোর্ডে, নিয়ন আলোর তীব্রতায়, গ্যাস স্টেশন আর দানবীয় ওষুধের দোকানগুলোর চিৎকার করা রঙে। * '''আমেরিকানরা এক দ্বৈত জীবন যাপন করে আসছে, এবং আমাদের ইতিহাস দুটি নদীর মতো প্রবাহিত হয়েছে—একটি দৃশ্যমান, অন্যটি ভূগর্ভস্থ;''' একটি হলো রাজনীতির ইতিহাস যা বাস্তব, তথ্যনির্ভর এবং অবিশ্বাস্যভাবে একঘেয়ে; আর অন্যটি হলো অতৃপ্ত, প্রচণ্ড, একাকী এবং রোমান্টিক আকাঙ্ক্ষার এক অন্তঃসলিলা নদী—উন্মাদনা আর সহিংসতার সেই ঘনীভূত রূপ যা এই জাতির স্বপ্নিল জীবন। * বিংশ শতাব্দীকে হয়তো এমন এক যুগ হিসেবে দেখা হবে যখন সভ্য মানুষ এবং সুবিধাবঞ্চিত মানুষ মিশে গিয়ে এক 'গণমানুষ' (mass man)-এ পরিণত হয়েছে। * আমেরিকা ছিল এমন এক দেশ যেখানে রেনেসাঁসের সেই গতিশীল মিথ—'প্রতিটি মানুষই সম্ভাবনাময়ভাবে অসাধারণ'—সবচেয়ে বেশি টিকে ছিল। সহজ কথায়, '''আমেরিকা ছিল সেই ভূমি যেখানে মানুষ তখনও বীর বা নায়কদের (heroes) বিশ্বাস করত।''' * এটি ছিল এমন যে, জিনের গোলকধাঁধায় থাকা বার্তাটি জেদ ধরে বসে থাকত যে—সহিংসতা সৃজনশীলতার সাথে জড়িত, এবং '''দুঃসাহসিকতাই হলো ভালোবাসার গোপন রহস্য।''' * '''একজন নায়ক বা বীর একটি জাতির গোপন কল্পনাকে জয় করতে পারে, যা সেই জাতির প্রাণশক্তির জন্য ভালো;''' একজন নায়ক মানুষের ফ্যান্টাসি বা কল্পনাকে মূর্ত করে তোলে এবং প্রতিটি ব্যক্তিগত মনকে তার ফ্যান্টাসি নিয়ে ভাবার ও বিকাশের স্বাধীনতা দেয়। * হিটলার... ছিলেন একজন বীর, তবে তিনি ছিলেন দানবীয় বীর। তিনি একটি জাতির দানবীয় কল্পনাকে মূর্ত করেছিলেন... তিনি জার্মানদের শক্তির বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছিলেন এবং বিংশ শতাব্দীর সামনে এক সূচক রেখে গেছেন যে, মানুষের হৃদয়ের গোপন আকাঙ্ক্ষা কতটা ভয়াবহ হতে পারে। * '''নায়ক বা বীরের ধারণাটি ব্যক্তিনিরপেক্ষ সামাজিক অগ্রগতির পরিপন্থী;''' এটি এই বিশ্বাসকে চ্যালেঞ্জ করে যে সামাজিক আইন দিয়ে সব সমস্যার সমাধান সম্ভব। কারণ এই ধারণা একটি দেশকে তার চরিত্রের মাঝে আটকা পড়া হিসেবে দেখে, যতক্ষণ না একজন বীর এসে সেই দেশের প্রকৃত চরিত্রটি তার নিজের কাছে উন্মোচিত করে। * আইজেনহাওয়ার কেবল সেইসব আমেরিকানদের কাছে নায়ক হতে পেরেছিলেন যারা তাদের 'কল্পনাশক্তির অভাব' নিয়ে সবচেয়ে বেশি গর্বিত ছিল। * '''শহরের প্রয়োজন হলো প্রবৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করা; আর মফস্বল শহরের গর্ব হলো তাকে টেনে ধরা।''' * '''ক্ষুধার্ত যোদ্ধারাই যুদ্ধে জয়ী হয়।''' * জন এফ. কেনেডির সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো তাঁর একাকী ও ব্যক্তিগত আভিজাত্য; তিনি অভিজ্ঞতার এমন এক নির্জন পথ পাড়ি দিয়েছেন—যাতে ক্ষতি, লাভ এবং মৃত্যুর সান্নিধ্য রয়েছে—যা তাঁকে সাধারণ মানুষের ভিড় থেকে আলাদা করে রাখে। * প্রায়শই দেখা যায় যে, যেসব মানুষের শারীরিক সাহস আছে, তারা তাদের নৈতিক কল্পনাশক্তির দিক দিয়ে হতাশাজনক হয়। * যতক্ষণ না এই দেশ তার কল্পনাশক্তি এবং অভাবনীয় ও অনিশ্চিতের প্রতি তার আদিম লালসা পুনরুদ্ধার করতে পারছে, ততক্ষণ এমন কোনো রাজনীতি হতে পারে না যা মানুষের শরীরে উষ্ণতা দেয়। * আমেরিকার রাজনীতি পৃথিবীর অন্য যে কোনো জায়গার চেয়ে আলাদা, কারণ এখানকার রাজনীতি মানুষের তাৎক্ষণিক প্রয়োজন, উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং লালসা থেকে জন্ম নেয়। আমাদের রাজনীতিতে এখনও অভিজাত আলোচনার শীতল আনুষ্ঠানিকতার চেয়ে শয়নকক্ষ আর রান্নাঘরের গন্ধ বেশি পাওয়া যায়। === 'দ্য প্রেসিডেন্সিয়াল পেপারস' (১৯৬৩) === * একটি আধুনিক গণতন্ত্র হলো এমন এক স্বৈরতন্ত্র যার সীমানা অনির্ধারিত; সোজা পথে যাত্রা করে যতক্ষণ না কেউ আপনাকে থামাচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত আপনি জানতে পারবেন না যে আপনি আসলে কতদূর যেতে পারবেন। ** ভূমিকা * আমেরিকায় খুব কম মানুষই আপনাকে বিশ্বাস করবে, যদি না আপনি একটু ঔদ্ধত্যপূর্ণ বা প্রচলিত প্রথার প্রতি অসম্মানপ্রদানকারী (irreverent) হন। ** ভূমিকা * '''চূড়ান্তভাবে একজন নায়ক বা বীর হলেন সেই ব্যক্তি যিনি দেবতাদের সাথেও তর্কে লিপ্ত হন, আর এভাবেই তাঁর স্বপ্ন বা লক্ষ্যকে চ্যালেঞ্জ করার জন্য শয়তানদের জাগিয়ে তোলেন।''' একজন মানুষ যত বেশি অর্জন করতে পারে, সে ততটাই নিশ্চিত হতে পারে যে শয়তান তার সৃষ্টির কোনো না কোনো অংশে অবশ্যই বাস করবে। ** ভূমিকা * একটি রাজনৈতিক সম্মেলন (convention) আসলে কোনো কর্পোরেশন বা কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সভা নয়; এটি মূলত একটি উৎসব, একটি কার্নিভাল, একটি কোলাহলপূর্ণ মধ্যযুগীয় সম্মিলন—যেখানে লোভ, জাগতিক লালসা, আপস করা আদর্শবাদ আর ক্যারিয়ারে এগিয়ে যাওয়ার নেশা একাকার হয়ে যায়। এটি রেষারেষি, শত্রুতা, বিবাদ আর মিটমাটের এক মিলনমেলা, যেখানে মানুষের গাদাগাদি আর ঘামের স্রোত বয়ে যায়। * আমেরিকায় মানুষের শরীরে খুব কমই আঘাত করা হয়। আমরা এখানে মানুষের আত্মাকে হত্যা করি, আর সে কাজে আমরা বিশেষজ্ঞ। আমরা মানসিক বুলেট (psychic bullets) ব্যবহার করি এবং একে অপরকে কোষ ধরে ধরে তিলে তিলে হত্যা করি। ** চতুর্থ প্রেসিডেন্সিয়াল পেপার: ফরেন অ্যাফেয়ার্স (ফিদেল কাস্ত্রোকে লেখা চিঠি) * আমি পুরুষদের প্রতি বৈরী, আমি নারীদের প্রতি বৈরী, আমি বিড়াল এমনকি নগণ্য তেলাপোকার প্রতিও বৈরী; আমি ঘোড়াকে ভয় পাই। ** ষষ্ঠ প্রেসিডেন্সিয়াল পেপার: এক অসম্মানজনক সাক্ষাৎকার * তলিয়ে দেখতে গেলে, মানে একদম গভীরে গিয়ে বিচার করলে দেখা যায়—এফবিআই (FBI)-এর সাথে কমিউনিজমের কোনো সম্পর্ক নেই, অপরাধী ধরা বা মাফিয়া দমনের সাথেও কোনো সম্পর্ক নেই; এমনকি বিশ্বাসভঙ্গ বা আন্তঃরাজ্য বাণিজ্যের সাথেও এর কোনো যোগসূত্র নেই। এর একমাত্র কাজ হলো মাঝারি মানের মানুষদের জন্য একটি গির্জা হিসেবে সেবা দেওয়া। প্রকৃত অতিসাধারণ বা মাঝারি মেধার মানুষদের জন্য এটি এক উচ্চমার্গীয় উপাসনালয়। ** ষষ্ঠ প্রেসিডেন্সিয়াল পেপার: এক অসম্মানজনক সাক্ষাৎকার। === 'অ্যান আমেরিকান ড্রিম' (১৯৬৫) === * ১৯৪৬ সালের নভেম্বরে জ্যাক কেনেডির (JFK) সাথে আমার দেখা হয়েছিল... আমরা ডাবল ডেটে গিয়েছিলাম এবং সন্ধ্যাটি আমার জন্য বেশ ভালো ছিল। আমি এমন এক মেয়েকে প্রলুব্ধ করেছিলাম যে রিটজ হোটেলের সমান বড় হীরা দেখেও বিরক্ত হতো। ** স্টিফেন রোজাক, অধ্যায় ১ * আমি তখন নিউইয়র্কের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে অস্তিত্ববাদী মনোবিজ্ঞানের অধ্যাপক ছিলাম। আমার গবেষণার মূল বিষয় ছিল—জাদু (magic), আতঙ্ক (dread) এবং মৃত্যুর উপলব্ধিই হলো মানুষের সকল অনুপ্রেরণার উৎস। ** স্টিফেন রোজাক, অধ্যায় ১ * খুন এক বিশাল স্বস্তির প্রতিশ্রুতি দেয়। এটি কখনোই যৌনতা-বিবর্জিত নয়। ** স্টিফেন রোজাক, অধ্যায় ১ * '''জ্ঞানের একমাত্র প্রকৃত যাত্রা হলো নিজের অস্তিত্বের গভীরতা থেকে অন্য একজনের হৃদয়ের অন্তঃস্থল পর্যন্ত।''' ** অধ্যায় ১ * আমি মানসিক সুস্থতার রহস্যটি দ্রুত ধরে ফেলেছিলাম—এটি হলো মনের মধ্যে সর্বোচ্চ পরিমাণ অসম্ভব সব সংমিশ্রণকে ধারণ করার ক্ষমতা। ** স্টিফেন রোজাক, অধ্যায় ৫ * ভালোবাসা তো ভালোবাসাই, একে যে কারোর সাথে বা যে কোনো জায়গায় খুঁজে পাওয়া সম্ভব। সমস্যা শুধু এটাই যে আপনি একে ধরে রাখতে পারবেন না; যতক্ষণ না আপনি এর জন্য মরতে প্রস্তুত হচ্ছেন। ** স্টিফেন রোজাক, অধ্যায় ৬ * আমার ধর্ম ছিল স্বস্তিহীন, উদ্বেগের চরম রূপ; কারণ আমি বিশ্বাস করতাম ঈশ্বর ভালোবাসা নন, বরং সাহস। ভালোবাসা কেবল পুরস্কার হিসেবে আসে। ** স্টিফেন রোজাক, অধ্যায় ৭ * সারা বিশ্বের কলুষিত রক্তের জন্য কীভাবে কাঁদতে হয়, তা কেবল আইরিশরাই জানে। ** ডিটেকটিভ রবার্টস, অধ্যায় ৮ * উন্মাদনা আমাদের ভেতরেই তালাবদ্ধ থাকে। এটি টিস্যুর ভেতরে প্রবেশ করে, কোষ দ্বারা শোষিত হয়। তখন কোষগুলো উন্মাদ হয়ে যায়। ক্যান্সার হলো তাদের সেই উন্মাদনার পতাকা। ক্যান্সার হলো অবদমিত উন্মাদনারই এক বিকৃত রূপ। ** স্টিফেন রোজাক, অধ্যায় ৮ === 'ক্যানিবালস অ্যান্ড ক্রিশ্চিয়ানস' (১৯৬৬) === [[File:Duchamp Fountaine.jpg|thumb|আমরা এমন এক সময়ে বাস করছি যা 'অ্যাবসার্ড' বা উদ্ভট শিল্পকলা তৈরি করেছে। এটিই আমাদের শিল্প।]] [[File:Doré — L'Enigme — 1871.jpg|thumb|সভ্যতার ওপর এক দীর্ঘ ও শেষ রাতের সেই অনুভূতি আবার ফিরে এসেছে।]] * '''আমরা এমন এক সময়ে বাস করছি যা 'অ্যাবসার্ড' বা উদ্ভট শিল্পকলা তৈরি করেছে। এটিই আমাদের শিল্প।''' এর মধ্যে রয়েছে হ্যাপেনিংস, পপ আর্ট, ক্যাম্প এবং অ্যাবসার্ড থিয়েটার... আমাদের কাছে কি এই শিল্পটি আছে কারণ এই উদ্ভটতাই হলো অপচয়ের বহিরাবরণ? নাকি আমরা আমাদের অবচেতনের গভীরতম সম্পদ দিয়ে সভ্যতাকে ধ্বংস ও মহামারী থেকে বাঁচানোর এক মরিয়া বা যুক্তিসঙ্গত প্রচেষ্টার মুখোমুখি হয়েছি? ** ভূমিকা * '''আমরা মৃত্যুর খুব কাছাকাছি।''' নাচের আসরে, মহাসড়কে, শহরে বা স্টেডিয়ামে এমন সব মুখ আর দেহ দেখা যায় যা দেখতে অনেকটা ভুঁড়িওয়ালা কীটের (maggot) মতো; তারা যেন একঝাঁক রাসায়নিক যন্ত্র যারা রাসায়নিক কারখানায় তৈরি অ্যাসপিরিন, প্রিজারভেটিভ, উত্তেজক বা প্রশমনকারী গিলে খায় এবং দূষিত বাতাসে তাদের রাসায়নিক বর্জ্য ত্যাগ করে। '''সভ্যতার ওপর এক দীর্ঘ ও শেষ রাতের সেই অনুভূতি আবার ফিরে এসেছে।''' ** ভূমিকা * পুরুষত্ব এমন কিছু নয় যা আপনাকে এমনিতেই দেওয়া হবে, বরং এটি আপনাকে অর্জন করতে হবে। আর এটি অর্জন করতে হয় সম্মানের সাথে ছোট ছোট যুদ্ধে জেতার মাধ্যমে। যেহেতু আমেরিকান জীবনে এখন খুব সামান্যই সম্মান অবশিষ্ট আছে, তাই আমেরিকান পুরুষদের পুরুষত্ব ধ্বংস করার এক ধরণের সহজাত প্রবণতা তৈরি হয়েছে। ** "পেটি নোটস অন সাম সেক্স ইন আমেরিকা" * সেন্টিমেন্টালিটি বা অতি-ভাবপ্রবণতা হলো তাদের আবেগীয় অসংযম যাদের আসলে কোনো প্রকৃত অনুভূতি বা মমতা নেই। ** লিন্ডন বি. জনসনের বই 'মাই হোপ ফর আমেরিকা'র সমালোচনা (১৯৬৪) * আমেরিকান জীবনে একটি ক্রমবর্ধমান বিভীষিকা রয়েছে। সেটি হলো—স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের দিকে আমাদের এই দীর্ঘ যাত্রা হয়তো এমনভাবে সফল হবে যে ইউটোপিয়া বা স্বর্গরাজ্য চিরকাল আমাদের জন্য বন্ধই থেকে যাবে; আমরা হয়তো এমন এক নরকে বাস করব যেখানে স্বাধীনতা থাকবে ঠিকই, কিন্তু থাকবে না কোনো নিজস্ব স্টাইল, সাহস কিংবা স্বকীয়তা। ** 'মাই হোপ ফর আমেরিকা'র সমালোচনা * সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর একজন সদস্যের বৈশিষ্ট্য হলো—সে নিজেকে একই সাথে ব্যতিক্রমী এবং নগণ্য, চমৎকার এবং ভয়ংকর, ভালো এবং মন্দ হিসেবে দেখতে বাধ্য হয়। ** "ভিয়েতনাম দিবসে বার্কলেতে দেওয়া বক্তৃতা" === 'আর্মিজ অফ দ্য নাইট' (১৯৬৮) === [[File:ArmiesOfTheNight.JPG|thumb|পুরো পৃথিবীতে এর চেয়ে বড় অক্ষমতা আর নেই—এটি জানা যে আপনি সঠিক এবং বিশ্বের এই জোয়ারটি ভুল, তবুও সেই জোয়ার আপনার ওপর আছড়ে পড়ছে।]] * সেই মুহূর্তগুলোতে যখন তিনি নিজের প্রতি সবচেয়ে বেশি নির্দয় থাকতেন, তখন তাঁর সান্ত্বনা ছিল এই যে—অন্তত তাঁর সবচেয়ে খারাপ অবস্থাতেও তিনি বালজাক-এর (Balzac) উপন্যাসের একটি চরিত্র হওয়ার যোগ্য ছিলেন; যেখানে একদিন জয় তো পরদিন পরাজয়, আর সবকিছুই ঘটে এক নাটকীয় এবং জাঁকজমকপূর্ণ ভঙ্গিতে। * পুরো পৃথিবীতে এর চেয়ে বড় অক্ষমতা আর নেই—এটি জানা যে আপনি সঠিক এবং বিশ্বের এই জোয়ারটি ভুল, তবুও সেই জোয়ার আপনার ওপর আছড়ে পড়ছে। === 'মায়ামি অ্যান্ড দ্য সিজ অফ শিকাগো' (১৯৬৮) === :<small>'মায়ামি অ্যান্ড দ্য সিজ অফ শিকাগো: অ্যান ইনফর্মাল হিস্ট্রি অফ দ্য রিপাবলিকান অ্যান্ড ডেমোক্রেটিক কনভেনশনস অফ ১৯৬৮'</small> * নিউইয়র্ক হলো বিশ্বের অন্যতম প্রধান রাজধানী, আর লস অ্যাঞ্জেলেস হলো প্লাস্টিকের এক নক্ষত্রপুঞ্জ; সান ফ্রান্সিসকো যেন এক অভিজাত নারী, বোস্টন এখন শুধুই 'নগর নবায়ন' (Urban Renewal)-এ পরিণত হয়েছে। ফিলাডেলফিয়া, বাল্টিমোর এবং ওয়াশিংটন পূর্ব উপকূলের মেগালোপলিসের ধোঁয়াশার মাঝে অনুজ্জ্বল হীরার মতো মিটমিট করছে। আর ফ্রেঞ্চ কোয়ার্টার বাদ দিলে নিউ অরলিন্স একেবারেই সাধারণ। ডেট্রয়েট হলো এক-পেশার শহর, পিটসবার্গ তার গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গেল হারিয়েছে, সেন্ট লুইস এখন কর্পোরেশনের গোল্ডেন আর্চ হয়ে গেছে, আর কানসাস সিটিতে রাত নামে অনেক আগেই। তেলের খনিগুলো হিউস্টন আর ডালাসকে কেবল দাবার ছক বানিয়ে রেখেছে। কিন্তু শিকাগো হলো একটি মহান আমেরিকান শহর। সম্ভবত এটিই আমেরিকার শেষ মহান শহরগুলোর একটি। ** পার্ট ২, পৃষ্ঠা ৮৩ * অ্যাম্ফিথিয়েটারের পশ্চিমে মাইলের পর মাইল রেললাইন বিস্তৃত ছিল, যার পাশে ছিল অস্ত্রাগারের চেয়েও বড় বড় সব বিশাল নিচু শেড। সেখানে হাজার হাজার আতঙ্কিত পশু—গরু, ভেড়া আর শূকর—রক্তের গন্ধ পেয়ে খাওয়ার আর অপেক্ষার এক উন্মাদনায় মত্ত ছিল। কসাইখানাগুলোতে দিনের বেলা এমন এক হত্যাকাণ্ড ঘটত যা যুদ্ধের ভয়াবহতাকেও (Disasters of War) হার মানায়। ** পার্ট ২, পৃষ্ঠা ৮৬ * এটি হলো পশুর খোঁয়াড় বা স্টকইয়ার্ডের গন্ধ; এই গন্ধ এতটাই উৎকট যে একজনকে অবশ্যই সেই পশুবধ দেখতে যেতে হবে, নতুবা তাকে চিরতরে মাংস খাওয়া ছেড়ে দিতে হবে। পশুদের জবাই হতে দেখলে মানুষের প্রকৃত অবস্থা সম্পর্কে জানা যায়—আমরা ফেরেশতার যতই কাছাকাছি যাই না কেন, আমাদের ভেতরে সেই কসাইটিও সমানভাবে বিদ্যমান। ** পার্ট ২, পৃষ্ঠা ৮৭ * শিকাগো এমন এক শহর ছিল যেখানে কেউ কোনোদিন ভুলতে পারত না যে টাকা কীভাবে উপার্জিত হয়। এটি সেই মেঝে থেকে কুড়িয়ে নেওয়া হতো যা তখনও রক্তে পিচ্ছিল হয়ে থাকত। ** পার্ট ২, পৃষ্ঠা ৮৮ === 'দ্য এক্সিকিউশনারস সং' (১৯৭৯) === [[File:StJohnsAshfield StainedGlass Gethsemane.jpg|thumb|ঐতিহাসিক, ধর্মীয় এবং অস্তিত্ববাদী গবেষণাগুলো ইঙ্গিত দেয় যে—কিছু ব্যক্তির জন্য কোনো কোনো সময় শারীরিক মৃত্যুকে যে কোনো মূল্যে এড়িয়ে না চলাটাই বুদ্ধিমানের কাজ।]] * ঐতিহাসিক, ধর্মীয় এবং অস্তিত্ববাদী গবেষণাগুলো ইঙ্গিত দেয় যে—কিছু ব্যক্তির জন্য কোনো কোনো সময় শারীরিক মৃত্যুকে যে কোনো মূল্যে এড়িয়ে না চলাটাই বুদ্ধিমানের কাজ। প্রকৃতপক্ষে, মানুষের মধ্যকার সেই প্রাণশক্তি এমন একটি বিকল্প বেছে নেওয়ার মাধ্যমে তার সারমর্মকে সর্বোচ্চ রূপ দিতে পারে, যা তার আত্মমর্যাদা এবং মনের প্রশান্তি বজায় রাখে। === 'টাইম' (TIME) সাক্ষাৎকার (১৯৯১) === [[File:Norman Mailer and Lawrence Schiller.jpg|thumb|পৃথিবীটা আমি যেমনটা চাই তেমন নয়। কিন্তু কেউ তো আমাকে এই অধিকার দেয়নি যে আমি নিজের মতো করে পৃথিবীটার নকশা করব।]] * '''আমি মনে করি না যে আমাদের দেশে কখনও বাদামী শার্ট পরা বা কুচকাওয়াজ করা কোনো সস্তা ফ্যাসিবাদের উদ্ভব হবে।''' আমরা আমেরিকানরা এগুলোর জন্য বড্ড বেশি সচেতন; আমরা একে হাস্যকর মনে করব। তবে দমন-পীড়নের চিহ্ন সবসময়ই থাকে। এমনকি একটি গণতান্ত্রিক সরকারেও আপনি এটি খুঁজে পেতে পারেন। যারা নিজেদের "সঠিক পথের অনুসারী" মনে করে, তারা সবসময় আমাদের মাঝেই থাকে। আমি মনে করি যতক্ষণ অর্থনীতি সচল আছে, আমরা ঠিক আছি। কিন্তু যদি কোনো বড় বিপর্যয় বা ধস নামে—তখন কী ঘটবে তা নিয়ে আমি মোটেও আশাবাদী নই। * '''আমি 'বামপন্থী রক্ষণশীল' (left conservative) হওয়ার ধারণাটি পছন্দ করি কারণ এটি রাজনৈতিক কপটতা থেকে মুক্তি দেয়। আমরা এতে দমবন্ধ হয়ে আসছি।''' ডানপন্থীদের অন্যতম রোগ হলো স্ব-ধার্মিকতা বা নিজেকে সবসময় সঠিক ভাবা। আমি বিশ্বাস করি আমেরিকার গভীরতম রাজনৈতিক অসুস্থতা হলো এটি একটি আত্ম-অহংকারী জাতি। অন্যদিকে বামপন্থীদের একটি রোগ হলো 'পলিটিক্যাল কারেক্টনেস'। আপনি যদি দীর্ঘদিন ক্ষমতার বাইরে থাকেন, তবে আপনার নিজের ধারণাগুলো কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা নিয়ে আপনি ক্রমশ আরও বেশি কট্টর হয়ে ওঠেন। * '''আমার অনেক কুসংস্কার ছিল যা এখন দূর হয়ে গেছে।''' কিন্তু নারী আন্দোলনের ব্যাপারে আমি যা এখনও অপছন্দ করি তা হলো—তাদের প্রতি পুরুষদের বশ্যতা স্বীকারের জেদ। হাঁটু গেড়ে "আমি দুঃখিত, আমারই অপরাধ" বলাটা আমি পছন্দ করি না। এখন আমি দেখছি যে নারীরা যখনই ক্ষমতা এবং স্বীকৃতি পেয়েছে, তারা ইতিহাসের সব বোকামি, পাপ এবং ভুল বিচারে পুরুষদের সমান হয়ে দাঁড়িয়েছে। তারা সংকীর্ণমনা, ক্ষমতালোভী এবং একটি ভালো আলোচনার আনন্দ অনুধাবন করতে অক্ষম। পুরুষদের রাজনৈতিক আন্দোলনের মতো নারী আন্দোলনও স্বৈরাচারীতে পূর্ণ। * '''আমেরিকান হিসেবে আমরা এখানে একটি স্বাচ্ছন্দ্যময় ও আরামদায়ক জীবন যাপন করছি। কিন্তু এর নিচে রয়েছে এক বিশাল ও অনির্দিষ্ট উদ্বেগ।''' আমাদের ভেতরের জীবন বা ভেতরের দৃশ্যপট ঠিক বাইরের আকাশের মতো—পুরোটাই ধোঁয়াশায় পূর্ণ। আমরা আসলে আর জানি না আমরা কী বিশ্বাস করি; আমরা সবকিছু নিয়েই স্নায়বিক চাপে থাকি। * আমার সম্পর্কে একটি ভুল ধারণা আছে যে আমি একজন বন্য মানুষ—আমি যদি এখনও তা হতাম! আমার বয়স এখন ৬৮ বছর। আমার ভেতরের ক্ষোভ এখন এতটাই গভীর যে এটি প্রায় স্বস্তিদায়ক হয়ে উঠেছে। এটি এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে যেখানে আমি দার্শনিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে এর সাথে বেঁচে থাকতে পারি। '''পৃথিবীটা আমি যেমনটা চাই তেমন নয়। কিন্তু কেউ তো আমাকে এই অধিকার দেয়নি যে আমি নিজের মতো করে পৃথিবীটার নকশা করব।''' === ফরাসি টেলিভিশনে সাক্ষাৎকার (১৯৯৮) === [[File:Constitution_&_Liberty_Enlightening_the_World.jpg|thumb|প্রতিবার যখন আমি এই দেশ নিয়ে পুরোপুরি হতাশ হয়ে পড়ি, তখন আমি নিজেকে মনে করিয়ে দিই, "না, বাস্তবতা হলো অন্তত আমরা আমাদের মনের কথা স্পষ্টভাবে বলতে পারি, এবং তার ফলে কিছু অসাধারণ বিষয় উঠে এসেছে।"]] [[File:Norman Mailer, 2006.jpg|thumb|আমরা আমাদের নিজ নিজ ধরনে পশুর মতোই কুৎসিত; এবং যতক্ষণ না আমরা আমাদের ভেতরের এই কুৎসিত রূপ, সহিংসতা এবং নিষ্ঠুরতা নিয়ে কাজ করছি এবং একে কোনো উচ্চতর কিছুতে রূপান্তর (sublimate) করার পথ খুঁজে পাচ্ছি, ততক্ষণ আমরা কোনো কিছুতেই সফল হতে পারব না।]] * আমার সবসময় মনে হয়েছে যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আমার সম্পর্কটি অনেকটা বৈবাহিক সম্পর্কের মতো। আমি এই দেশকে ভালোবাসি, আবার একে ঘেন্নাই করি। আমি এর ওপর রেগে যাই, আবার এর খুব কাছাকাছি অনুভব করি। আমি এর দ্বারা মোহিত হই, আবার বিকর্ষিতও হই। এটি এমন এক বিবাহ যা আমার লেখক জীবনের অন্তত ৫০ বছর ধরে চলছে; এবং এর মধ্যে কী ঘটেছে? এটি আরও খারাপ হয়েছে। এটি আর আগের মতো নেই। * আমেরিকার জীবনের কেন্দ্রবিন্দুতে যে বৌদ্ধিক স্বাধীনতার (intellectual freedom) জীবন্ত চেতনা রয়েছে, তার প্রতি আমার সবসময়ই এক ধরণের অনুরাগ কাজ করে। প্রতিবার যখন আমি এই দেশ নিয়ে পুরোপুরি হতাশ হয়ে পড়ি, তখন আমি নিজেকে মনে করিয়ে দিই, "না, বাস্তবতা হলো অন্তত আমরা আমাদের মনের কথা স্পষ্টভাবে বলতে পারি, এবং তার ফলে কিছু অসাধারণ বিষয় উঠে এসেছে।" * '''লেখালেখি আপনার শরীরকে ধ্বংস করে দিতে পারে। আপনি ঘণ্টার পর ঘণ্টা চেয়ারে বসে থাকেন এবং মাত্র কয়েকটি শব্দ পাওয়ার জন্য জানপ্রাণ দিয়ে লড়েন।''' * ভালো ঔপন্যাসিকদের সম্পর্কে যা মানুষ বুঝতে পারে না তা হলো—তারা ভালো অ্যাথলেটদের মতোই প্রতিযোগী মনোভাবাপন্ন। তারা একে অপরকে নিয়ে পড়াশোনা করে—কোথায় অন্যজন ভালো আর কোথায় দুর্বল। লেখকরা এমনই হয়, কিন্তু তারা তা স্বীকার করে না। * তাঁর (রিচার্ড নিক্সন) ব্যক্তিত্ব ছিল আশাহীন। মানুষের সম্ভাবনার ওপর তাঁর গভীর অবিশ্বাস ছিল। সব খারাপ জিনিসের প্রতি সেন্টিমেন্টাল হওয়ার মধ্যে তিনি এক ধরণের অশোভন আনন্দ খুঁজে পেতেন। * একজন লেখকের জন্য এক ধরণের নির্লিপ্ততা (detachment) প্রয়োজন। তরুণ বয়সে আমার মাঝে আজকের চেয়েও বেশি নির্লিপ্ততা ছিল। আমার সেই অংশটি কেবল যুদ্ধক্ষেত্রের দিকে তাকিয়ে ছিল এবং সেখানে অবশ্যই বিভীষিকা ছিল। আমাদের সাথে একজন লেফটেন্যান্ট, একজন ড্রাইভার এবং আমার মতো আরও একজন তালিকাভুক্ত সৈন্য ছিল। আমি মনে করি তারা গভীরভাবে স্তম্ভিত হয়েছিল। আমি তখন ভেবেছিলাম—এটি বলা হয়তো নিষ্ঠুর ও শীতল মনে হতে পারে, কিন্তু একজন লেখক এভাবেই ভাবেন—আমি ভেবেছিলাম, "ওহ, এটি তো দারুণ।" এর মানে এই নয় যে মানুষ মারা যাওয়া ভালো ছিল। বরং আমি ভেবেছিলাম, "এটি লেখার জন্য কত চমৎকার!" সেখানে এমন এক অনুভূতি ছিল যে—"একে ব্যবহার করা যাবে।" == মেইলার সম্পর্কে কিছু উক্তি == [[File:A pair of shoes - My Dream.jpg|thumb|যখন আপনি নরম্যান মেইলারের কথা বলেন, তখন আমার চোখে সরাসরি [[ভিনসেন্ট ভ্যান গঘ|ভ্যান গঘের]] [[কাজ|কাজের]] বুট জোড়া ভেসে ওঠে। নরম্যান ছিলেন একজন কর্মঠ মানুষ। ~ [[w:জিমি ব্রেসলিন|জিমি ব্রেসলিন]] ]] [[File:Gaiman-headshot.jpg|thumb|নরম্যান ছিলেন প্রচণ্ড বুদ্ধিমান... '[[দ্য স্যান্ডম্যান|স্যান্ডম্যান]]' সিরিজটি শুরুর বছরগুলোতে কেন গুরুত্বের সাথে নেওয়া হয়েছিল, তার পেছনে 'সিজন অফ মিস্টস'-এর প্রচ্ছদে থাকা নরম্যানের উদ্ধৃতিটির বিশাল অবদান ছিল। এর জন্য আমি তাঁর কাছে চিরকাল কৃতজ্ঞ থাকব। ~ [[নিল গেইম্যান|নিল গেইম্যান]] ]] [[File:Gore Vidal 2 Shankbone 2009 NYC.jpg|thumb|তিনি আকর্ষণীয় ছিলেন, কারণ তিনি নিজে কৌতূহলী ছিলেন। আমরা দুজনেই আমাদের মাতৃভূমির একই বিষয়গুলো অপছন্দ করতাম, তাই আমাদের কথা বলার অনেক কিছু ছিল। ~ [[গোর ভিদাল|গোর ভিদাল]] ]] :<small>লেখক বা সূত্রের নাম অনুসারে বর্ণানুক্রমে সাজানো</small> * নিউ ইয়র্ক সিটিকে একটি অঙ্গরাজ্য বানানোর ধারণাটি আমার মৌলিক কোনো চিন্তা নয়। তবে বেশিরভাগ মানুষ এই ধারণাকে মনে রাখবেন কারণ এটি প্রথম নরম্যান মেইলারের ১৯৬৯ সালের মেয়র নির্বাচনী প্রচারণায় জোরালোভাবে আনা হয়েছিল। তিনি বিষয়টিতে প্রাণসঞ্চার করেছিলেন, যদিও যথেষ্ট মানুষ তখন একে গুরুত্বের সাথে নেয়নি। ** [[বেলা আবজুগ|বেলা আবজুগ]], 'বেলা!: মিস আবজুগ গোজ টু ওয়াশিংটন' (১৯৭২) * ওটি নরম্যান মেইলারের একটি ছবি। তিনি একজন অনেক বড় লেখক ছিলেন। তিনি গবেষণার জন্য হার্ভার্ড মেডিকেল স্কুলে নিজের [[অহং|অহং]] দান করেছিলেন। ** [[উডি অ্যালেনের|উডি অ্যালেনের]] চলচ্চিত্র '[[w:স্লিপার (ফিল্ম)|স্লিপার]]' (১৯৭৩)-এ মাইলস মনরো চরিত্রটি * নরম্যান মেইলার থেকে [[টনি মরিসন|টনি মরিসনের]] লেখায় ফিরে আসাটা কতই না সতেজদায়ক! ** ১৯ persegu৯-এ প্রকাশিত 'কনভারসেশনস উইথ ইসাবেল আলেনদে' অন্তর্ভুক্ত ১৯৯৪ সালের সাক্ষাৎকার * অ্যালিক্স কেটস শুলম্যান জানতেন না যে তাঁর একটি মূল নীতি সমাজকে কতটা নাড়িয়ে দেবে। সেই নীতিটি ছিল। ঘরকন্না এবং সন্তান পালনের দায়ভার নারী-পুরুষের সমানভাবে ভাগ করে নেওয়া উচিত। নরম্যান মেইলার এই নীতির তীব্র সমালোচনা করেছিলেন। তিনি উপহাস করে বলেছিলেন যে তিনি কখনোই শুলম্যানের মতো কোনো নারীকে বিয়ে করতেন না। কারণ তিনি কক্ষনোই তাঁর স্ত্রীকে থালাবাসন মাজতে সাহায্য করবেন না! ** জয়েস অ্যান্টলার, 'জিউইশ র‍্যাডিক্যাল ফেমিনিজম' (২০১৮) * (সম্প্রতি কোথাও রিপোর্ট করা হয়েছে যে আপনার বন্ধু নরম্যান মেইলার রাগের মাথায় আপনাকে বলেছিলেন: "তুমি ছোট, তুমি কুৎসিত এবং তুমি তাসের টেক্কার মতো কালো।" কিন্তু আপনার পাল্টা জবাবটি রেকর্ড করা হয়নি।) ওহ, আমি শুধু হেসেছিলাম। সর্বোপরি এটিই তো সত্যি। কিন্তু প্রশ্ন হলো, এত বছর পর তাঁকে কেন এটি বলতে হলো? আসলে এটি তাঁরই সমস্যা। আমার মনে হয় এর কারণ হলো বেশিরভাগ শ্বেতাঙ্গ উদারপন্থীদের মতো তিনিও কৃষ্ণাঙ্গদের সম্পর্কে নিজের প্রকৃত অনুভূতি নিয়ে সবসময় নিজের কাছে মিথ্যা বলেছেন। ** জেমস বাল্ডউইনের সাক্ষাৎকার (১৯৬৯), 'কনভারসেশনস উইথ জেমস বাল্ডউইন' (১৯৮৯) * আপনি যদি সফল হন, তবে আপনারও নরম্যানের মতো বা আমার মতো শো-বিজনেস ব্যক্তিত্ব হয়ে ওঠার ঝুঁকি থাকে। তখন কাজের চেয়ে ইমেজের গুরুত্ব অনেক বেড়ে যায়। এটি যেন একটি প্রতিধ্বনির ঘরে বাস করার মতো। আপনি কেবল নিজের কণ্ঠস্বরই শুনতে পান। যখন আপনি একজন সেলিব্রিটি হয়ে যান, তখন সেই কণ্ঠস্বর বহুগুণ বেড়ে যায় এবং আপনি নিজেরই এক অন্তহীন অনুলিপির মাঝে ডুবে যেতে থাকেন। নরম্যানের দ্বিধাদ্বন্দ্বও ছিল এটিই। একজন লেখকের কাজ হলো লেখা। তাঁর পাবলিক ইমেজ একটি ভিন্ন সত্তা। ** জেমস বাল্ডউইনের সাক্ষাৎকার (১৯৮৪) * যখন আপনি নরম্যান মেইলারের কথা বলেন, আমার চোখে সরাসরি [[ভিনসেন্ট ভ্যান গঘ|ভ্যান গঘের]] কাজের বুট জোড়া ভেসে ওঠে। নরম্যান ছিলেন একজন কর্মঠ মানুষ। সারা জীবন তিনি গভীর চিন্তায় মগ্ন থাকতেন এবং প্রচুর লিখে গেছেন। তাঁর ধারণাগুলো আগুনের ফুলকির মতো আমাদের দিকে ছুটে আসে। তিনি তাঁর কাজগুলো এমন এক জাতির জন্য রেখে গেছেন যারা সত্যকে বিসর্জন দিয়ে কেবল মানুষ হত্যার অজুহাত খুঁজে বেড়ায়। ** [[w:Jimmy Breslin|জিমি ব্রেসলিন]], অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস রিপোর্ট (১০ নভেম্বর ২০০৭) * স্পষ্টতই, তিনি ছিলেন এক মহান আমেরিকান কণ্ঠস্বর। ** [[w:Joan Didion|জোয়ান ডিডিয়ন]], অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস রিপোর্ট (১০ নভেম্বর ২০০৭) * তিনি স্বভাবগতভাবেই অতি-আবেগী ঘরানার শৈলীর মানুষ ছিলেন। এমন সময় আসত যখন আপনি তাঁর ওপর বিরক্ত হতেন। কিন্তু গত ৫০ বছরের আমেরিকান সংস্কৃতি থেকে যদি নরম্যান মেইলারকে বাদ দেন, তবে দেখবেন এটি অনেক বেশি নিরানন্দময় হয়ে পড়েছে। ** ই. এল. ডক্টরো, অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (১১ নভেম্বর ২০০৭) * তিনি ছিলেন তাঁর সময়ের এক মহান ইতিহাসবিদ এবং ব্যক্তিগত সাংবাদিকতার চ্যাম্পিয়ন। তাঁর সৃষ্টি ছিল বিশাল এবং আগ্রহের পরিধি ছিল ব্যাপক—মেরিলিন মনরো থেকে শুরু করে পিকাসো, গ্রাফিতি আর্ট কিংবা অপরাধের চরম রূপ। সবকিছুই তাঁকে টানত। তাঁর আকাশচুম্বী জনপরিচিতি হয়তো তাঁর কাজের গভীরতার দিকে মানুষের মনোযোগ দিতে কিছুটা বাধা দিয়েছিল। ** ই. এল. ডক্টরো, অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস রিপোর্ট (১০ নভেম্বর ২০০৭) * তিনি ছিলেন একেবারেই নির্ভীক। জীবনের শেষ দিকে তিনি বেশ দুর্বল হয়ে পড়েছিলেন, কিন্তু তখনও তিনি হিটলারকে নিয়ে সাত খণ্ডের একটি উপন্যাস লেখার পরিকল্পনা করছিলেন। ** [[w:জেসন এপস্টাইন|জেসন এপস্টাইন]], টুডে (১০ নভেম্বর ২০০৭) * '''কিছু মানুষ যা ভাবে তা সত্ত্বেও তিনি আসলে অত্যন্ত মিষ্টি স্বভাবের মানুষ ছিলেন।''' এবং তিনি ছিলেন দারুণ ধৈর্যশীল। আমি তাঁর কোনো পাণ্ডুলিপি নিয়ে পরামর্শ দিলে তিনি বিনয়ের সাথে বলতেন, "হ্যাঁ, তুমি আমাকে ভাববার মতো কিছু দিয়েছ।" কিন্তু পাণ্ডুলিপিটি ফেরত পাওয়ার পর দেখতাম তিনি আমার কোনো ধারণাই সেখানে অন্তর্ভুক্ত করেননি। ** জেসন এপস্টাইন, অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (১১ নভেম্বর ২০০৭) * নরম্যান ছিলেন প্রচণ্ড বুদ্ধিমান। একবার তিনি ব্রিটিশদের নিয়ে ক্ষোভ ঝাড়ছিলেন, কিন্তু হঠাত থেমে গিয়ে আমার কাছে নিশ্চিত হলেন যে আমি ব্রিটিশ হিসেবে কিছু মনে করিনি কি না। এটি ছিল তাঁর চিরপরিচিত লড়াকু ইমেজের ঠিক উল্টো। '''দ্য স্যান্ডম্যান সিরিজটি শুরুর বছরগুলোতে কেন সিরিয়াসলি নেওয়া হয়েছিল, তার জন্য আমি নরম্যানের কাছে চিরকাল কৃতজ্ঞ থাকব।''' ** নিল গেইম্যান, 'জার্নাল' (১০ নভেম্বর ২০০৭) * '''নরম্যান ছিলেন একজন চমৎকার ও বিস্ময়কর আমেরিকান লেখক, একজন ভালো বন্ধু এবং খাঁটি নিউ ইয়র্কার যাকে আমরা সবাই মিস করব।''' তিনি একজন ঔপন্যাসিক হিসেবে নিজেকে কখনো পুনরাবৃত্তি করেননি। তিনি সবসময় আমাদের কল্পনা করতে শিখিয়েছেন অন্য জীবন, অন্য পছন্দ এবং মানুষের মহত্ত্ব কিংবা মন্দ কাজের বিচিত্র সব ক্ষমতা সম্পর্কে। ** পিট হ্যামিল, অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (১১ নভেম্বর ২০০৭) * আমরা সবকিছু নিয়ে কথা বলতাম। তিনি জানতেন যে তিনি আর বেশিদিন বাঁচবেন না, কিন্তু তবুও তিনি বড় বড় সব বিষয়ে কাজ করার কথা বলতেন। '''তিনি সবসময় কিছু না কিছু নিয়ে কাজ করতেন।''' ** [[w:William Kennedy|উইলিয়াম কেনেডি]], টুডে (১০ নভেম্বর ২০০৭) * পুরুষরা সবসময় তাদের জীবন নিয়ে লেখেন। যেমন নরম্যান মেইলার নিজেকে নিজের বইয়ের চরিত্র বানাতেন এবং কেউ একে ছোট করে দেখত না। ** [[Jamaica Kincaid|জামাইকা কিনকেইড]], এনপিআর সাক্ষাৎকার (২০১৩) * আমি 'আর্মিজ অফ দ্য নাইট' বইটি খুব পছন্দ করি। সেখানে নরম্যান মেইলার ইতিহাসকে উপন্যাস হিসেবে এবং উপন্যাসকে ইতিহাস হিসেবে লিখেছেন। আমি শিক্ষার্থীদের দেখাই কীভাবে আমরা ইতিহাস তৈরি করি ঠিক যেমন করে আমরা উপন্যাস লিখি। তিনি লেখকের দায়িত্ব নিয়ে কথা বলেছেন। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন যে লেখক কি কেবল ঘরে বসে লিখবেন নাকি রাজপথে নেমে রাজনীতি করবেন? মেইলারের মতে, লেখক রাজপথে এবং ঘরে—উভয় জায়গাতেই সত্যকে প্রভাবিত করেন। ** [[Maxine Hong Kingston|ম্যাক্সিন হং কিংস্টন]], সাক্ষাৎকার (১৯৯৬) * শুরুতে মেইলার কয়েদি ও খুনি [[w:Jack Abbott|জ্যাক অ্যাবটকে]] কারাগার থেকে মুক্তি দিতে সাহায্য করেন এবং তাঁর বই প্রকাশে সহায়তা করেন। মুক্তির মাত্র ছয় সপ্তাহ পর অ্যাবট নিউ ইয়র্কে এক ব্যক্তিকে হত্যা করেন। এটি ছিল মেইলারের একটি বড় ভুল। তিনি অ্যাবটের ভেতরের লেখককে বড় করে দেখেছিলেন এবং খুনিকে ছোট করে দেখেছিলেন। তবে মেইলার কোনো খুনিকে নয়, বরং একজন সম্ভাবনাময় মানুষকে সাহায্য করতে চেয়েছিলেন। ** [[w:Lance Morrow|ল্যান্স মরো]], টাইম ম্যাগাজিন (১ ফেব্রুয়ারি ১৯৮২) * হাই স্কুলে আমি [[Philip Roth|ফিলিপ রথ]], [[Saul Bellow|সল বেলো]] এবং নরম্যান মেইলারের লেখা গোগ্রাসে গিলতাম। সেইসব মানুষের গল্প আমাকে আন্দোলিত করত যারা আমেরিকায় নিজেদের জায়গা খুঁজে পাওয়ার চেষ্টা করছিল। ** [[Barack Obama|বারাক ওবামা]], 'এ প্রমিসড ল্যান্ড' (২০২০) * তিনি চাইলে যে কোনো কিছু করতে পারতেন—চলচ্চিত্র, লেখালেখি, থিয়েটার বা রাজনীতি। তিনি কখনো কোনো সীমানা মানতেন না। '''তিনি ছিলেন একজন সাহসী এবং অত্যন্ত আশাবাদী মানুষ।''' ** [[w:Gay Talese|গে টেলিজ]], অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস রিপোর্ট (১০ নভেম্বর ২০০৭) * আমেরিকান সাহিত্যের সেই খ্যাপাটে চাচা—একইসাথে আদুরে এবং বিরক্তিকর, মার্জিত এবং অভদ্র, ধূর্ত এবং ক্লুলেস। তিনি নিজেই ছিলেন নিজের সবচেয়ে বড় ভক্ত এবং নিজের সবচেয়ে বড় শত্রু। ** এরিক টারলফ, 'দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট' (১১ নভেম্বর ২০০৭) * একদিন আমরা নরম্যানের সাথে [[Neil Gaiman|নিল গেইম্যানের]] পরিচয় করিয়ে দেওয়ার জন্য ডিনারের আয়োজন করি। নিল এতটাই চমৎকার ছিলেন যে নরম্যান '[[The Sandman|স্যান্ডম্যান]]' পড়তে চাইলেন। তিনি সিরিজটি পছন্দ করে এর পরবর্তী সংকলনের জন্য একটি প্রশংসামূলক উক্তি লিখে দেন। নিল পরে জানান যে, মেইলারের সেই উক্তির কারণেই বই বিক্রেতারা গ্রাফিক নভেল স্টকে রাখতে রাজি হয়েছিলেন। আর বাকিটা তো ইতিহাস। ** মার্থা থমাস (কমিক বুক লেখক) * মেইলার বিংশ শতাব্দীর [[Balzac|বালজাক]] নন। তিনি কেবল নিজেকে বৈধ প্রমাণ করার কঠোর প্রচেষ্টায় মগ্ন। তাঁর জেদি স্বভাব [[D. H. Lawrence|ডি. এইচ. লরেন্সের]] কথা মনে করিয়ে দেয়। তবে লরেন্স তাঁর চেয়েও বেশি বিমূর্ত লেখক ছিলেন। ** [[Diana Trilling|ডায়ানা ট্রিলিং]], 'ক্লেয়ারমন্ট এসেস' (১৯৬৫) * তিনি আকর্ষণীয় ছিলেন, কারণ তিনি নিজে কৌতূহলী ছিলেন। কয়েক বছর আগে আমি প্রভিন্সটাউনে তাঁর বাড়িতে ছিলাম। সময়টা খুব চমৎকার ছিল। আমরা দুজনেই আমাদের মাতৃভূমির একই বিষয়গুলো অপছন্দ করতাম, তাই আমাদের কথা বলার অনেক কিছু ছিল। ** [[Gore Vidal|গোর ভিদাল]], অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস রিপোর্ট (১০ নভেম্বর ২০০৭) * আমেরিকান ইহুদি লেখকদের প্রাণশক্তি এক সময় আমেরিকান কথাসাহিত্যের ওপর আধিপত্য বিস্তার করেছিল। এর লেখকদের তালিকায় [[Edna Ferber|এডনা ফারবার]], [[Waldo Frank|ওয়ালডো ফ্র্যাঙ্ক]], [[Lillian Hellman|লিলিয়ান হেলম্যান]], [[Nathanael West|নাথানায়েল ওয়েস্ট]], [[Norman Mailer|নরম্যান মেইলার]] এবং [[E. L. Doctorow|ই. এল. ডক্টরো]]—সবার মধ্যেই সেই শক্তির বহিঃপ্রকাশ দেখা যেত। ** [[Ruth Wisse|রুথ উইস]], 'দ্য মডার্ন জিউইশ ক্যানন' (২০০০) == বহিঃসংযোগ == {{wikipedia}} * [http://www.nmwcolony.org/ দ্য নরম্যান মেইলার সেন্টার] * [http://www.normanmailersociety.com/ দ্য নরম্যান মেইলার সোসাইটি] * [https://www.esquire.com/news-politics/a3858/superman-supermarket/ "সুপারম্যান কামস টু দ্য সুপারমার্কেট," জন এফ. কেনেডিকে নিয়ে মেইলারের নিবন্ধ, 'এসকুয়ার' ম্যাগাজিন (নভেম্বর ১৯৬০)] * [http://www.abc.net.au/rn/bookshow/stories/2007/2087846.htm রামোনা কোভালের নেওয়া সাক্ষাৎকারের প্রতিলিপি], এডিনবরা ইন্টারন্যাশনাল বুক ফেস্টিভ্যাল (আগস্ট ২০০০); '[[w:The Book Show|দ্য বুক শো]]', '[[w:ABC Radio National|এবিসি রেডিও ন্যাশনাল]]'-এ প্রচারিত (১২ নভেম্বর ২০০৭) * [http://www.theparisreview.org/interviews/5775/the-art-of-fiction-no-193-norman-mailer "নরম্যান মেইলার, দ্য আর্ট অফ ফিকশন" নং ১৯৩, 'দ্য প্যারিস রিভিউ'-তে অ্যান্ড্রু ও'হাগান কর্তৃক গৃহীত সাক্ষাৎকার (গ্রীষ্ম ২০০৭)] * [http://www.nytimes.com/2007/01/21/books/review/Siegel.t.html?ref=books মেইলারের 'দ্য ক্যাসেল ইন দ্য ফরেস্ট' বইয়ের ওপর লি সিগেলের করা সানডে নিউ ইয়র্ক টাইমস রিভিউ] * [http://www.pbs.org/wnet/americanmasters/database/mailer_n.html আমেরিকান মাস্টার্স-এ নরম্যান মেইলার (পিবিএস ব্রডকাস্ট)] * [http://www.huffingtonpost.com/norman-mailer/ দ্য হাফিংটন পোস্ট-এ নরম্যান মেইলারের লেখা] * [http://minnesota.publicradio.org/display/web/2007/01/31/midday2/ নরম্যান মেইলারের সাথে একটি কথোপকথন (মিনেসোটা পাবলিক রেডিও)] * [http://www.nypl.org/research/chss/pep/pepdesc.cfm?id=2678 নিউ ইয়র্ক পাবলিক লাইব্রেরিতে নরম্যান মেইলার এবং গুন্টার গ্রাস (জুন ২০০৭)], সাক্ষাৎকারে [[Andrew O'Hagan|অ্যান্ড্রু ও'হাগান]] * [http://web.archive.org/web/20080909193231/http://sunsite.berkeley.edu/videodir/pacificaviet/mailer.ram ইউসি বার্কলে ভিয়েতনাম টিচ-ইন-এ নরম্যান মেইলারের বক্তৃতা (১৯৬৫); ইউসি বার্কলে মিডিয়া রিসোর্স সেন্টারে থাকা রিয়েল অডিও ফাইল] * [http://web.archive.org/web/20110723052832/http://www.usfca.edu:80/jco/normanmailer/ নরম্যান মেইলারকে নিয়ে জয়েস ক্যারল ওটস] ** [http://www.booknotes.org/Watch/64863-1/Norman+Mailer.aspx 'অসওয়াল্ডস টেল' নিয়ে মেইলারের 'বুকনোটস' সাক্ষাৎকার (২৫ জুন ১৯৯৫)] [[বিষয়শ্রেণী:১৯২৩-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:২০০৭-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষাবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইহুদি]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চিত্রনাট্যকার]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জীবনীকার]] [[বিষয়শ্রেণী:পুলিৎজার পুরস্কার বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:রাজনৈতিক কর্মী]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সক্রিয়কর্মী]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ঔপন্যাসিক]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রবন্ধকার]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিজ্ঞান লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:নিউ জার্সির ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাট্যকার]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাংবাদিক]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চলচ্চিত্র পরিচালক]] [[বিষয়শ্রেণী:উত্তর-আধুনিক লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অরাজকতাবাদী]] [[বিষয়শ্রেণী:যুদ্ধবিরোধী কর্মী]] [[বিষয়শ্রেণী:ইহুদি অরাজকতাবাদী]] [[বিষয়শ্রেণী:হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] j93n3kz7ztbejse87apwy9wvprv3llv ইয়ুস্টুস ফন লিবিগ 0 13069 79798 79277 2026-04-22T16:16:24Z ARI 356 পরিষ্কার 79798 wikitext text/x-wiki [[File:Justus von Liebig NIH.jpg|thumb|১৮৬৬ সালের দিকে ইয়ুস্টুস ফন লিবিগ]] '''[[w:bn: ইয়ুস্টুস ফন লিবিগ| ইয়ুস্টুস ফন লিবিগ]]''' (১২ মে ১৮০৩] – ১৮ এপ্রিল ১৮৭৩) ছিলেন একজন জার্মান [[রসায়নবিদ]], যিনি কৃষি ও জৈব রসায়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিলেন এবং জৈব রসায়নের সাংগঠনিক কাঠামো গঠনে কাজ করেছিলেন। {{scientist-stub}} == উক্তি == * প্রাণী ও উদ্ভিদের ক্ষেত্রে রসায়নের প্রয়োগ। জৈব জীবনের রহস্যময় প্রক্রিয়া এবং উৎসগুলো সম্পর্কে আমাদের আলোকিত করার জন্য এটি শরীরবিদ্যার সাথে যৌথভাবে প্রচেষ্টা চালায়। ** ''ফ্যামিলিয়ার লেটারস অন কেমিস্ট্রি'' (লন্ডন, ১৮৫৪)। * একটি নতুন সত্যের অর্জন হলো একটি নতুন ইন্দ্রিয় অর্জনের মতো, যা একজন মানুষকে এমন অনেক ঘটনা উপলব্ধি করতে এবং চিনতে সক্ষম করে তোলে যা অন্যের কাছে লুকানো থাকে, ঠিক যেমনটি তার কাছেও আদিতে ছিল। ** ''কেমিশে ব্রিফে'' (১৮৫১) [http://www.archive.org/details/chemischebriefe00liebuoft পূর্ণাঙ্গ পাঠ্য] (উক্তিটির অনুবাদ সম্ভবত মার্টিন এইচ. ফিশার কর্তৃক); ''ফিজিক্যাল কেমিস্ট্রি ইন দ্য সার্ভিস অফ মেডিসিন'' (১৯০৭)-এ উদ্ধৃত, ভল্ফগাং পাউলি, পৃষ্ঠা ৭১, অনুবাদক: মার্টিন এইচ. ফিশার। [http://www.archive.org/details/cu31924000951792 পূর্ণাঙ্গ পাঠ্য]। * কোনো প্রাকৃতিক ঘটনার সারমর্ম অনুসন্ধান করার জন্য তিনটি শর্ত প্রয়োজন: আমাদের প্রথমে ঘটনাটিকেই সব দিক থেকে অধ্যয়ন করতে হবে এবং জানতে হবে; তারপর এটি অন্যান্য প্রাকৃতিক ঘটনার সাথে কী সম্পর্কযুক্ত তা নির্ধারণ করতে হবে; এবং পরিশেষে, যখন আমরা এই সমস্ত সম্পর্ক নিশ্চিত করব, তখন আমাদের এই সম্পর্কগুলো পরিমাপ করার সমস্যা এবং পারস্পরিক নির্ভরতার নিয়মগুলি সমাধান করতে হবে—অর্থাৎ সেগুলোকে সংখ্যায় প্রকাশ করতে হবে। রসায়নের প্রথম যুগে মানুষের মনের সমস্ত শক্তি ব্যয় হতো বস্তুর গুণাবলি সম্পর্কে জ্ঞান অর্জনে; তাদের বৈশিষ্ট্যগুলো আবিষ্কার করা, পর্যবেক্ষণ করা এবং নিশ্চিত করা প্রয়োজন ছিল। এটি ছিল [[কিমিয়া|আলকেমি]] যুগ। দ্বিতীয় যুগটি এই গুণাবলির পারস্পরিক সম্পর্ক বা সংযোগ নির্ধারণের সাথে জড়িত; এটি হলো ফ্লজিস্টিক রসায়নের যুগ। তৃতীয় যুগে, যেটিতে আমরা এখন আছি, আমরা ওজন ও পরিমাপের মাধ্যমে এবং সংখ্যায় প্রকাশের মাধ্যমে বস্তুর বৈশিষ্ট্যগুলো পারস্পরিকভাবে কতটা নির্ভরশীল তা নিশ্চিত করি। আরোহী বিজ্ঞানগুলো স্বয়ং বস্তু দিয়ে শুরু হয়, তারপর সঠিক ধারণা আসে এবং সবশেষে গণিতকে আহ্বান করা হয় এবং সংখ্যার সাহায্যে কাজটি সম্পন্ন হয়। ** ''ফ্যামিলিয়ার লেটারস অন কেমিস্ট্রি'', অনুবাদক: ব্লাইদ, ৪র্থ সংস্করণ, লন্ডন, ১৮৫৯, পৃষ্ঠা ৬০; জন থিওডোর মার্জ কর্তৃক ''[[এ হিস্ট্রি অফ ইউরোপীয় থট ইন দ্য নাইনটিন্থ সেঞ্চুরি]]''-এ উদ্ধৃত [http://books.google.com/books?id=xqwQAAAAYAAJ ১ম খণ্ড] (১৯০৩)। == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} {{commonscat|Justus von Liebig}} {{DEFAULTSORT:লিবিগ, ইয়োস্টুস ফন}} [[বিষয়শ্রেণী:জার্মান রসায়নবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:জার্মান শিক্ষাবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:উদ্ভাবক]] [[বিষয়শ্রেণী:১৮০৩-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:১৮৭৩-এ মৃত্যু]] jdaq3slht6sgi9tgylx1fvdff1lcqcq কার্ল বার্নস্টিন 0 13078 79834 79295 2026-04-22T22:05:14Z ARI 356 পরিষ্কার 79834 wikitext text/x-wiki [[File:Carl bernstein 2007.jpg|thumb|২০০৭ সালে কার্ল বার্নস্টাইন]] '''[[w:bn:কার্ল বার্নস্টাইন|কার্ল মিল্টন বার্নস্টাইন]]''' (জন্ম: ১৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৪৪) একজন [[মার্কিন]] [[সাংবাদিক]]। তিনি ''দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট'' পত্রিকায় কর্মরত থাকাকালীন [[বব উডওয়ার্ড]]ের সাথে মিলে ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারির] ঘটনাটি ফাঁস করেন। এর ফলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট [[রিচার্ড নিক্সন]] শেষ পর্যন্ত পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি জনসমক্ষে আনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার জন্য বার্নস্টাইন অনেক পুরস্কার লাভ করেন; তাঁর এই কাজ ১৯৭৩ সালে পোস্ট পত্রিকাকে জনসেবায় পুলিৎজার পুরস্কার জিততে সাহায্য করেছিল। == উক্তি == * বাস্তব চিত্র হলো এই যে, গণমাধ্যম সম্ভবত বর্তমান সময়ের সবচেয়ে প্রভাবশালী প্রতিষ্ঠান। অথচ আমরা সাংবাদিকরা প্রায়শই আমাদের ক্ষমতার অপব্যবহার করছি এবং দায়িত্ববোধের কথা ভুলে যাচ্ছি। আমাদের এই দায়িত্বহীনতার পরিণতিতে চারদিকে এখন কেবল নির্বোধ সংস্কৃতির কুৎসিত প্রদর্শনী দেখা যাচ্ছে! ** [http://www.riasberlin.de/rcom-pubs/rcus-pubs-news4-98.html ''দ্য বেস্ট অবটেইনেবল ভার্সন অফ দ্য ট্রুথ''], রেডিও অ্যান্ড টেলিভিশন নিউজ ডিরেক্টরস অ্যাসোসিয়েশনের বার্ষিক সম্মেলনে কার্ল বার্নস্টাইনের বক্তব্য, ২৬ সেপ্টেম্বর ১৯৯৮। * সত্যকে মূল ভিত্তি হিসেবে না ধরলে জনকল্যাণ করা কোনোভাবেই সম্ভব নয়। ** {{cite news |url=http://www2.ljworld.com/news/2005/apr/16/watergate_journalist_says/ |title=ওয়াটারগেট সাংবাদিক বললেন গণমাধ্যম জনগণের আস্থা হারাচ্ছে |date=16 April 2005 |publisher=লরেন্স জার্নাল-ওয়ার্ল্ড |author=ডেভ র্যানি |accessdate=2007-03-28}} === ''অ্যান এ-জেড অফ কালচারাল টার্মস'', ''দ্য গার্ডিয়ান'' (১৯৯২) === <small>{{cite news |url=http://www.guardian.co.uk/dumb/story/0,,387443,00.html |title=অ্যান এ-জেড অফ কালচারাল টার্মস |date=3 June 1992 |publisher=দ্য গার্ডিয়ান |accessdate=2007-03-27}}</small> * সংবাদমাধ্যমের ব্যর্থতা আজ একটি 'টক-শো জাতি' তৈরিতে বড় ভূমিকা রেখেছে, যেখানে জনবক্তব্য এখন কেবল গালমন্দ আর অসার আস্ফালনে পর্যবসিত হয়েছে। আমাদের মূলধারার সংবাদমাধ্যমগুলোর ওপরও এখন এই নিম্নমানের জগতের প্রভাব ক্রমাগত বাড়ছে। * সংবাদ ব্যবসার বর্তমান সময়ের সবচেয়ে বড় অপরাধ হলো কোনো সংবাদে পিছিয়ে পড়া বা বড় কোনো খবর মিস করা। ফলে খবরের গভীরতা বা গুণগত মানের বদলে গুরুত্ব পায় গতি আর পরিমাণ। সবার আগে সংবাদ দেওয়ার এই তীব্র প্রতিযোগিতা এমন এক উন্মত্ত পরিবেশ তৈরি করে, যেখানে তথ্যের জোয়ারে তলিয়ে যায় আসল সত্য এবং কোনো গুরুতর প্রশ্ন তোলার সুযোগ থাকে না। * সাধারণ মানুষের জীবনধারা বা বাস্তবতার প্রতি চরম অবজ্ঞা আর তথ্যের বিকৃতি এখন প্রকৃত সাংবাদিকতাকে গিলে ফেলেছে। আধুনিক সাংবাদিকতায় নিম্নমানের জনপ্রিয় সংস্কৃতির প্রভাবে সাধারণ মানুষকে আসলে আবর্জনা গেলানো হচ্ছে। * আমরা এমন একটি পরিবেশ তৈরি করছি যাকে অনায়াসেই 'নির্বোধ সংস্কৃতি' বলা চলে। এটি কোনো উপ-সংস্কৃতি নয় যা সমাজের গভীরে লুকিয়ে থাকে; বরং এটিই এখন আমাদের মূল সংস্কৃতি হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইতিহাসে এই প্রথমবার অদ্ভুত, স্থূল আর বোকামিই আমাদের সংস্কৃতির মাপকাঠি, এমনকি আমাদের আদর্শ হয়ে উঠছে। == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} {{DEFAULTSORT:বার্নস্টাইন, কার্ল}} [[বিষয়শ্রেণী:ওয়াশিংটন ডি.সি.-র সাংবাদিক]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইহুদি]] [[বিষয়শ্রেণী:পুলিৎজার পুরস্কার বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৪৪-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] cykmfuxut38mz5bkxw0vt2roep0lgal ব্রায়ান পি. শ্মিট 0 13081 79835 79303 2026-04-22T22:08:14Z ARI 356 পরিষ্কার 79835 wikitext text/x-wiki '''{{w|ব্রায়ান শ্মিট|ব্রায়ান পল শ্মিট}}''' (জন্ম: ২৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৭) একজন আমেরিকান-অস্ট্রেলীয় [[জ্যোতির্পদার্থবিজ্ঞান|জ্যোতির্পদার্থবিজ্ঞানী]]। তিনি ২০০৬ সালে শ পুরস্কার এবং ২০১১ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। == উক্তি == * আমরা যখন অতিনবতারা আবিষ্কার করি, তখন আমাদের নিকটবর্তী এবং দূরবর্তী উভয় অনুসন্ধানেই নানা ধরণের {{w|নির্বাচনজনিত প্রভাব|নির্বাচনজনিত প্রভাবের}} সম্মুখীন হতে হয়। এর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য প্রভাব হলো মালমকুইস্ট বায়াস – এটি এমন একটি নির্বাচনজনিত প্রভাব যা উজ্জ্বলতা-সীমিত অনুসন্ধানের ক্ষেত্রে সংবেদনশীলতার সীমার কাছাকাছি থাকা গড় মানের চেয়ে বেশি উজ্জ্বল বস্তুগুলোকে খুঁজে পেতে পরিচালিত করে। এই বিচ্যুতির কারণ হলো, অস্পষ্ট বস্তুগুলোর তুলনায় উজ্জ্বল বস্তুগুলোকে মহাকাশের অনেক বড় আয়তনজুড়ে শনাক্ত করা সম্ভব হয়। মালমকুইস্ট বায়াসজনিত ত্রুটিগুলো দূরত্ব পরিমাপ পদ্ধতির সহজাত বিচ্ছুরণের বর্গের সমানুপাতিক হয়ে থাকে। যেহেতু টাইপ ওয়ান-এ সুপারনোভাগুলো দূরত্বের অত্যন্ত নির্ভুল নির্দেশক, তাই এই ত্রুটিগুলোর পরিমাণ বেশ কম – প্রায় ২%। আমরা এই প্রভাবগুলো অনুমান করতে এবং আমাদের উপাত্তের সেট থেকে সেগুলো দূর করতে মন্টে কার্লো সিমুলেশন ব্যবহার করি। ** {{cite journal|journal=বুলেটিন অফ দ্য অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটি অফ ইন্ডিয়া|year=2004|volume=32|pages=269–281|title=মেজারিন গ্লোবাল কারভেচার অ্যান্ড কসমিক অ্যাক্সিলারেশন উইথ সুপারনোভা|url=http://prints.iiap.res.in/jspui/bitstream/2248/740/1/0432269.PDF}} (পৃষ্ঠা ২৭৬ থেকে উদ্ধৃত) * {{w|মহাবিশ্বের প্রসারণ|মহাবিশ্বের প্রসারণকে}} ভিত্তি হিসেবে ধরে তাত্ত্বিকভাবে মহাবিশ্বের একটি আদর্শ মডেল তৈরি করা হয়েছিল, যা ১৯৯৮ সালে আমাদের ত্বরান্বিত মহাবিশ্ব আবিষ্কারের সময় পর্যন্ত প্রচলিত ছিল। এই আদর্শ মডেলটি সাধারণ আপেক্ষিকতা তত্ত্ব এবং দুটি ধারণার ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত ছিল। প্রথম ধারণাটি ছিল মহাজাগতিক নীতি: মহাবিশ্ব বৃহৎ পরিসরে সমজাতীয় এবং সবদিকে সমান, এবং দ্বিতীয় ধারণাটি ছিল এটি সাধারণ বস্তুকণা দিয়ে গঠিত। অর্থাৎ এমন পদার্থ যার ঘনত্ব মহাকাশের আয়তনের সাথে সরাসরি সমানুপাতিক হারে হ্রাস পায়। এই কাঠামোর মধ্যে থেকে সামগ্রিক তত্ত্বটির পর্যবেক্ষণমূলক পরীক্ষা করা এবং এই মডেলের মৌলিক ধ্রুবকগুলোর মান নির্ণয় করা সম্ভব ছিল – যেমন বর্তমান প্রসারণের হার হাবলের ধ্রুবক) এবং মহাবিশ্বে পদার্থের গড় ঘনত্ব। এই মডেলের জন্য মহাবিশ্বের ঘনত্বের সাথে মহাজাগতিক মন্দনের হার এবং মহাকাশের জ্যামিতিক কাঠামোর সরাসরি সম্পর্ক স্থাপন করাও সম্ভব ছিল। এতে বলা হয়েছিল যে পদার্থ যত বেশি হবে মন্দন তত দ্রুত ঘটবে, একটি সংকট ঘনত্বের উপরে মহাবিশ্বের সসীম (বদ্ধ) জ্যামিতি থাকে এবং এই সংকট ঘনত্বের নিচে মহাবিশ্বের একটি হাইপারবোলিক (উন্মুক্ত) জ্যামিতি থাকে। ** {{cite web|title=দ্য পাথ টু মেজারিন অ্যান অ্যাক্সিলারেটিং ইউনিভার্স|website=নোবেল লেকচার|date=ডিসেম্বর ৮, ২০১১|url=https://www.nobelprize.org/uploads/2018/06/schmidt_lecture.pdf|page=4}} * … একজন ব্যক্তি আসলে নোবেল পুরস্কার প্রত্যাশা করেন না। আমার মতে, আমি সত্যিই অবাক হয়েছিলাম কারণ যখন আপনি ত্বরান্বিত প্রসারণের মতো কিছু আবিষ্কার করেন—তখন প্রশ্ন জাগে যে কিসের কারণে এই ত্বরণ ঘটছে? আমরা এর একটি নাম দিয়েছি—''কৃষ্ণ শক্তি''—কিন্তু আমরা এটি এখনও বুঝতে পারিনি। আমার জীবদ্দশায় যদি আমরা এটি বুঝতে না পারি তবে আমি অবাক হব না। এটি না বুঝে আমি অনুভব করেছিলাম যে এটি নোবেল পুরস্কারের যোগ্য হবে না। গত বছর আমার বয়স মাত্র ৪৪ ছিল, তাই এত দ্রুত পুরস্কার পাওয়াটা আমার জন্য কিছুটা বিস্ময়কর ছিল। ** {{cite journal|title=ইন্টারভিউ উইথ ব্রায়ান শ্মিট|journal=কাভলি আইপিএমইউ নিউজ|issue=নং ২০|date=ডিসেম্বর ২০১২|pages=১৮–২৪|url=https://www.ipmu.jp/sites/default/files/webfm/pdfs/news20/E_Interview.pdf}} (পৃষ্ঠা ২১ থেকে উদ্ধৃত; সাক্ষাৎকার গ্রহণকারী [https://db.ipmu.jp/member/personal/517en.html মেলিনা বারস্টেন]) == বহিঃসংযোগ == * {{wikipedia-inline|ব্রায়ান শ্মিট}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৬৭-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষাবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:অস্ট্রেলিয়ার শিক্ষাবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাষ্ট্রের জ্যোতির্বিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:অস্ট্রেলিয়ার জ্যোতির্বিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:মহাবিশ্বতত্ত্ববিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাষ্ট্রের পদার্থবিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:অস্ট্রেলিয়ার পদার্থবিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাষ্ট্রের নোবেল বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:অস্ট্রেলিয়ার নোবেল বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:রয়্যাল সোসাইটির ফেলো]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল একাডেমি অফ সায়েন্সেসের সদস্য]] [[বিষয়শ্রেণী:পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল বিজয়ী]] t5nt5yk4uvu3suy1j7gawx5gmdhyw2m উইকিউক্তি আলোচনা:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী 5 13153 79723 79565 2026-04-22T12:37:28Z ~2026-21458-48 4579 /* বাংলাদেশ ভারত এর মধ্যে কূটনীতি দূর করতে চাই । */ নতুন অনুচ্ছেদ 79723 wikitext text/x-wiki == রাউটার == রাউটার শব্দটি এসেছে রাউট থেকে, রাউটার একটি গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্র, যা হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার সম্বন্ধে তৈরি, এটি নেটওয়ার্ক তৈরীর কাজে ব্যবহৃত করা হয় ইন্টারনেট অসংখ্য নেটওয়ার্কের সম্বন্ধে তৈরি একই প্রটোকলের অধীনে কার্যরত দুটি নেটওয়ার্কের সংযুক্ত করার জন্য রাউটার ব্যবহৃত হয় বর্তমানে ইন্টারনেট অসংখ্য রাউটার রয়েছে, রাউটারের প্রধান কাজ ডাটা বা উপাত্তাকে শপথ নির্দেশনা দেওয়া, ধর অস্ট্রেলিয়া অবস্থিত কোন বন্ধুকে ইমেইলের মাধ্যমে কেউ ছবি পাঠাতে চায় ছবিটি কয়েকটি ডাটা বিভক্ত হয়ে ইন্টারনেটের মাধ্যমে বন্ধুর কম্পিউটার পৌঁছাবে প্রতিটি ডাটা প্যাকেট গন্তব্য স্থলের ঠিকানা সংযুক্ত থাকে, ইন্টারনেট যেহেতু জলের মতো গোটা পৃথিবী জুড়ে বিস্তৃত তাই বিভিন্ন ডেটা ব্রেকেট বিভিন্ন পথে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারে, একটি ডাটা প্যাকেট কোন একটি রাউটারে পৌঁছালে পরবর্তী কোনো প্রতি অগ্রসর হলে ডাটা সহজে এবং দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছাবে তার পথ নির্দেশ রাউটার, একটি উদাহরণ দিলে বিষয় আরো স্পষ্ট মনে হবে, মনে কর তুমি বাংলাদেশ থেকে বিমান করে এমন একটি দেশে যেতে চাও যেখানে বাংলাদেশ থেকে সরাসরি বিমানে যাওয়া যায় না, তখন কি হবে বিমান কোম্পানি প্রথমে তোমাকে তোমাকে সুবিধে জন্য গন্তব্যে নিয়ে যাবে যেখান থেকে অন্য আরেকটি বিমান তোমার কাঙ্খিত দেশটিতে পৌঁছাতে দেবে কি বুঝা গেল রাউটারের কাজের ধরন [[ব্যবহারকারী:রাইয়ান মাহফুজ|রাইয়ান মাহফুজ]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:রাইয়ান মাহফুজ|আলাপ]]) ০২:০১, ২২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == টপোলজি == তোমরা সবাই জেনে গেছ কম্পিউটার নেটওয়ার্কের অনেকগুলো কম্পিউটার একসাথে জুড়ে দেওয়া হয় যেন একটি কম্পিউটার অন্য কম্পিউটারের সাথে যোগাযোগ করতে পারে জুড়ে দেওয়া কম্পিউটার গুলোর অবস্থানের ওপর ভিত্তি করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের নিম্নলিখিত ভাবে ভাগ করা যায় যেমন: পিএএন পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক, এলএএন লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক,,এম এ এন মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক,ডব্লিউ এ এন ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক,,,,,,,{{{{{{{{{{{*---*--***** ব্যক্তিগত পর্যায়ে যে নেটওয়ার্ক মূলত এর মাধ্যমে তৈরি করা হয় তাকে পিএএন বলা হয় অর্থাৎ পার্সোনাল নেটওয়ার্ক বিষয়টি ভালো লাগলে ভালো মাপ নিবেন [[ব্যবহারকারী:রাইয়ান মাহফুজ|রাইয়ান মাহফুজ]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:রাইয়ান মাহফুজ|আলাপ]]) ০২:০৭, ২২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == বাংলাদেশ ভারত এর মধ্যে কূটনীতি দূর করতে চাই । == নাম=আকাশ দেবনাথ জেলা= সুনামগঞ্জ বিভাগ=সিলেট নিজের বাবার জমি নিয়ে স্যমেসা কারনে মধ্যনগর থানায় মামলা করে পরিবার নিয়ে ময়মনসিংহ স্কয়ার মাস্টার বাড়ি ডুবালিয়া বাস করি। বিষয়=2024 সাল এর পর থেকে বাংলাদেশ ভারত এর মধ্যে যে দূরত্ব সৃষ্টি হয়েছে। সেগুলো ভেঙে আবার ভারত বাংলাদেশ একত্রিত করতে চাই। কিন্তু বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী সহ ভাল্লুকা থানা পুলিশ OSI সহ গোপনীয়ভাবে আমাকে হেল্প করে তাহলে এক,দুই মাসের ভিতর ভারত বাংলাদেশ মধ্যে শান্তি ফিরে আনা সম্ভব। কারণ আমার সামনে4/5টা কাটা আছে। ওই কাঁটাগুলো ভেঙে দিলেই দেশ বিশ্বের শান্তি ফিরে আসবে✊ 01320484499 ইমু whatsapp এ যোগাযোগ করতে পারেন গোপনীয় রাকবেন। আগে হয়তো জানতাম না উইকিপিডিয়া কি উপকারে আসে। you tube এ চার্জ দেওয়ার পর বুঝতে পারলাম আসল তথ্য। [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-21458-48|&#126;2026-21458-48]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-21458-48|আলাপ]]) ১২:৩৭, ২২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) eznblxpct4r2yekgczrw922bc042tar হাইনরিখ হের্ত্‌স 0 13160 79836 79601 2026-04-22T22:18:56Z ARI 356 পরিষ্কার 79836 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:HEINRICH HERTZ.JPG|thumb|[[বিজ্ঞান|বিজ্ঞানের]] কঠোরতা দাবি করে যে, আমরা যেন [[প্রকৃতি|প্রকৃতির]] অনাবৃত রূপটিকে সেই রঙিন পোশাক থেকে আলাদা করে চিনতে পারি, যা আমরা আমাদের [[আনন্দ|আনন্দের]] জন্য তাকে পরিয়ে দিই।]] '''[[w:হাইনরিখ হের্ত্‌স|হাইনরিখ রুডলফ হের্ত্‌স]]''' (২২ ফেব্রুয়ারি, ১৮৫৭ – ১ জানুয়ারি, ১৮৯৪) একজন জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী ছিলেন, যিনি ম্যাক্সওয়েল কর্তৃক উপস্থাপিত আলোর তড়িৎচৌম্বকীয় তত্ত্বকে স্পষ্ট এবং বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করেছিলেন। তিনি প্রথম ব্যক্তি যিনি ভেরি হাই ফ্রিকোয়েন্সি বা আল্ট্রা হাই ফ্রিকোয়েন্সি বেতার তরঙ্গ তৈরি ও শনাক্ত করার জন্য একটি যন্ত্র তৈরি করে তড়িৎচৌম্বকীয় তরঙ্গের অস্তিত্ব সন্তোষজনকভাবে প্রদর্শন করেছিলেন। == উক্তি == [[চিত্র:Heinrich rudolf hertz.jpg|thumb|সমীকরণগুলোকে পর্যবেক্ষণ এবং পরীক্ষার সরাসরি ফলাফল হিসেবে উপস্থাপন করতে দেখা খুব একটা সন্তোষজনক নয়, যেখানে আমরা সেগুলোর আপাত [[প্রমাণ]] হিসেবে দীর্ঘ গাণিতিক সিদ্ধান্ত পেতাম।]] * '''[[বিজ্ঞান|বিজ্ঞানের]] কঠোরতা দাবি করে যে, আমরা যেন [[প্রকৃতি|প্রকৃতির]] অনাবৃত রূপটিকে সেই রঙিন পোশাক থেকে আলাদা করে চিনতে পারি, যা আমরা আমাদের [[আনন্দ|আনন্দের]] জন্য তাকে পরিয়ে দিই।''' ** লুডভিগ বোল্টজমান, [http://books.google.com/books?id=PnUCAAAAIAAJ ''অ্যা লেটার টু নেচার'' (২৮ ফেব্রুয়ারি, ১৮৯৫)] * '''এটি কোনো কাজেই আসবে না।''' এটি কেবল একটি পরীক্ষা যা প্রমাণ করে যে মহজ্ঞানী জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল সঠিক ছিলেন '''আমাদের কাছে কেবল এই রহস্যময় তড়িৎচৌম্বকীয় তরঙ্গগুলো আছে যা আমরা খালি চোখে দেখতে পাই না। কিন্তু সেগুলো সেখানে বিদ্যমান।''' ** অ্যান্ড্রু নর্টন কর্তৃক উদ্ধৃত, ''ডায়নামিক ফিল্ডস অ্যান্ড ওয়েভস'' (২০০০), পৃষ্ঠা ৮৩। * '''কেউ এই অনুভূতি থেকে মুক্তি পায় না যে, এই গাণিতিক সূত্রগুলোর নিজস্ব একটি স্বাধীন অস্তিত্ব এবং বুদ্ধিমত্তা রয়েছে; এগুলো আমাদের চেয়েও বেশি জ্ঞানী, এমনকি তাদের আবিষ্কারকদের চেয়েও বেশি জ্ঞানী এবং এগুলো থেকে আমরা যা মূলত স্থাপন করেছিলাম তার চেয়েও অনেক বেশি কিছু ফিরে পাই।''' ** মরিস ক্লাইন (১৯৮০) কর্তৃক উদ্ধৃত। ''ম্যাথমেটিক্স: দ্য লস অফ সার্টেনটি''। অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস, পৃষ্ঠা ৩৩৮। === ''ইলেকট্রিক ওয়েভস: বিয়িং রিসার্চেস অন দ্য প্রপাগেশন অফ ইলেকট্রিক অ্যাকশন উইথ ফাইনাইট ভেলোসিটি থ্রু স্পেস'' (১৮৯৩) === :<small>অনুবাদক: ডি. ই. জোন্স, [https://books.google.com/books?id=8GkOAAAAIAAJ উৎস]। মূল জার্মান প্রকাশনা: ''আনটারসুখুনগেন উবার ডি আউসব্রাইটুং ডার ইলেকট্রিশেন ক্রাফট'' (১৮৯২)।</small> * সমীকরণগুলোকে পর্যবেক্ষণ এবং পরীক্ষার সরাসরি ফলাফল হিসেবে উপস্থাপন করতে দেখা খুব একটা সন্তোষজনক নয়, যেখানে আমরা সেগুলোর আপাত প্রমাণ হিসেবে দীর্ঘ গাণিতিক সিদ্ধান্ত পেতাম। তা সত্ত্বেও, আমি বিশ্বাস করি যে নিজেদের প্রতারিত না করে আমরা উল্লিখিত গবেষণাপত্রগুলোতে যা দাবি করা হয়েছে তার চেয়ে বেশি কিছু পরিচিত তথ্য থেকে বের করতে পারি না। '''যদি আমরা এই তত্ত্বে আরও বৈচিত্র্য আনতে চাই, তবে বৈদ্যুতিক মেরুকরণ, বৈদ্যুতিক প্রবাহ ইত্যাদির প্রকৃতি সম্পর্কে বিভিন্ন ধারণাকে মূর্ত রূপ দিয়ে আমাদের কল্পনাশক্তিকে সহায়তা করা এবং এসবের পরিপূরক হিসেবে কাজ করার ক্ষেত্রে আমাদের কোনো বাধা নেই।''' ** ভূমিকা, পৃষ্ঠা ২৮। * যখন একটি সিলিন্ডার আকৃতির তারের মধ্য দিয়ে একটি স্থির তড়িৎ প্রবাহ চলে, তখন তারের প্রস্থচ্ছেদের প্রতিটি অংশে এর শক্তি সমান থাকে। কিন্তু যদি প্রবাহটি পরিবর্তনশীল হয়, তবে স্বকীয় আবেশ এর থেকে বিচ্যুতি ঘটায়... আবেশ তারের পরিধির তুলনায় কেন্দ্রের প্রবাহের পরিবর্তনকে আরও প্রবলভাবে বাধা দেয়, এবং ফলস্বরূপ বিদ্যুৎ তারের বাইরের অংশ দিয়ে প্রবাহিত হওয়াকে প্রাধান্য দেয়। যখন প্রবাহ তার দিক পরিবর্তন করে... তখন এই বিচ্যুতির হার পরিবর্তনের গতির সাথে দ্রুত বৃদ্ধি পায়; এবং '''যখন প্রবাহ প্রতি সেকেন্ডে বহু মিলিয়ন বার দিক পরিবর্তন করে, তখন তত্ত্ব অনুসারে তারের ভেতরের প্রায় সম্পূর্ণ অংশটিই বিদ্যুৎমুক্ত বলে মনে হয় এবং প্রবাহটি তারের একেবারে উপরিভাগে সীমাবদ্ধ থাকে।''' এখন এই ধরনের চরম ক্ষেত্রে... বিষয়টি সম্পর্কে অন্য একটি ধারণাকে প্রাধান্য দেওয়া উচিত যা প্রথমবারের মতো অলিভার হেভিসাইড এবং জে. এইচ. পয়েন্টিং কর্তৃক এই ক্ষেত্রে ম্যাক্সওয়েলের সমীকরণসমূহের সঠিক ব্যাখ্যা হিসেবে উপস্থাপিত হয়েছিল। এই দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী, '''তড়িৎ বল যা প্রবাহ নির্ধারণ করে তা তারের নিজের ভেতর দিয়ে সঞ্চারিত হয় না, বরং সব পরিস্থিতিতে বাইরে থেকে তারের ভেতর প্রবেশ করে''', এবং তুলনামূলক ধীর গতিতে ধাতুর মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে; যা একটি পরিবাহী বস্তুর তাপমাত্রা পরিবর্তনের নিয়মের সাথে অনেকটা সামঞ্জস্যপূর্ণ। <br/>...যেহেতু আমি তড়িৎ বল সঞ্চারণের পরীক্ষায় অত্যন্ত স্বল্প পর্যায়ের বৈদ্যুতিক তরঙ্গ ব্যবহার করেছিলাম, তাই এর মাধ্যমে প্রাপ্ত সিদ্ধান্তগুলোর সঠিকতা যাচাই করা ছিল স্বাভাবিক। প্রকৃতপক্ষে '''পরীক্ষাগুলোর মাধ্যমে এই তত্ত্বটি নিশ্চিত বলে প্রমাণিত হয়েছিল'''... ** "অন দ্য প্রপাগেশন অফ ইলেকট্রিক ওয়েভস বাই মিনস অফ ওয়ারস" (১৮৮৯) ''উইডেমান'স অ্যানালেন''। ৩৭ পৃষ্ঠা ৩৯৫, এবং ''ইলেকট্রিক ওয়েভসের'' ১৬০-১৬১ পৃষ্ঠা। == হের্ত্‌স সম্পর্কে উক্তি == * যখন আলো এক মাধ্যম থেকে অন্য মাধ্যমে যায়, তখন উপবৃত্তাকারতা, পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ইত্যাদি সহ যে কঠিন পৃষ্ঠীয় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়, সেগুলো অন্যান্যদের মধ্যে নিউম্যান (১৮৩৫) এবং র‍্যালে (১৮৮৮) দ্বারা সমালোচনামূলকভাবে আলোচিত হয়েছে। তবে ফ্রেনেল এবং নিউম্যান ভেক্টরের মধ্যে পার্থক্য নিরূপণ করা হের্ত্‌সের কাজের আবির্ভাবের আগে সংশয়মুক্তভাবে সম্পন্ন হয়নি।<br />এটি প্রতীয়মান হয় যে... আলোর স্থিতিস্থাপক তত্ত্বগুলো, যদি কেলভিনের জাইরোস্ট্যাটিক অগতিশীল ইথারকে স্বীকার করে নেওয়া হয়, তবে তা সম্পূর্ণরূপে পরাজিত হয়নি। তা সত্ত্বেও, ম্যাক্সওয়েল (১৮৬৪, 'ট্রিটিজ', ১৮৭৩) কর্তৃক প্রস্তাবিত আলোর মহান তড়িৎচৌম্বকীয় তত্ত্বটি কেবল পুরনো তত্ত্বগুলোর মাধ্যমে পাওয়া সমস্ত ঘটনা ব্যাখ্যা করতে এবং সম্পূর্ণ নতুন ফলাফল সম্পর্কে ভবিষ্যদ্বাণী করতেই অনন্যভাবে সক্ষম হয়নি, বরং ফ্রেনেল ও কোশির বৈদ্যুতিক বা আলোকচিত্রীয় আলোক ভেক্টর এবং নিউম্যান ও ম্যাককুলাঘের চৌম্বক ভেক্টর উভয়কে একটি অনন্য মতবাদের অংশ হিসেবে সুসংগতভাবে একত্রিত করতেও সক্ষম হয়েছে। অধিকন্তু, হের্ত্‌সের কাজের (১৮৯০) মাধ্যমে এর ভবিষ্যদ্বাণীগুলো আশ্চর্যজনকভাবে যাচাই করা হয়েছে, এবং আজ এটি লোরেন্টজ (১৮৯৫) ও অন্যান্যদের পরিচলন তত্ত্বের মাধ্যমে অতিরিক্ত শক্তি অর্জন করছে। ** কার্ল বারুস], "দ্য প্রগ্রেস অফ ফিজিক্স ইন দ্য নাইনটিনথ সেঞ্চুরি," ২য় অংশ, ''সায়েন্স'', (২৯ সেপ্টেম্বর, ১৯০৫) [https://books.google.com/books?id=Gxc_AQAAMAAJ সংস্করণ ২২], পৃষ্ঠা ৩৮৭-৩৮৮, "থিওরিজ।" * ১৮৪২ সালে হেনরির একটি উল্লেখযোগ্য গবেষণাপত্রে ঘোষিত এবং ১৮৫৬ সালে কেলভিন কর্তৃক প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলোতে বিশদভাবে ব্যাখ্যাত বৈদ্যুতিক দোলনের বিষয়টি, এবং পরবর্তীতে ১৮৫৭ সালে একটি তারের মধ্য দিয়ে দোলনের সঞ্চারণ নিয়ে কির্খফের আলোচনা, ম্যাক্সওয়েলের তড়িৎক্ষেত্রের তত্ত্ব এবং এর আগের সময়ের অন্যান্য সমপর্যায়ের গভীর তত্ত্বগুলোর মধ্যে পার্থক্য নিরূপণে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। হের্ত্‌স (১৮৮৭ এবং পরবর্তী) কর্তৃক প্রদত্ত এই সব চূড়ান্ত পরীক্ষাগুলো দেখিয়েছে যে, তড়িৎচৌম্বকীয় তরঙ্গ আলোর বেগে চলাচল করে এবং আলোর মতোই এগুলো প্রতিফলিত, প্রতিসরিত, ব্যতিচার সৃষ্টি করতে এবং সমাবর্তিত হতে সক্ষম। এক বছর পর হের্ত্‌স (১৮৮৮) দোদুল্যমান উৎসের চারপাশের স্থানে ভেক্টরগুলোর বিন্যাস ব্যাখ্যা করেন। ...সারাসিন এবং ডি লা রিভের বহুবিধ অনুরণন ঘটনার (১৮৯০) মাধ্যমে হের্ত্‌সের ফলাফলের বিশদ বিবরণ নিয়ে কিছুটা সংশয় তৈরি হয়েছিল, কিন্তু ১৮৯১ সালে পোয়াঁকারে, বিয়ের্কনেস এবং অন্যদের দ্বারা এটি অবমন্দিত দোলনের অনিবার্য ফলাফল হিসেবে দ্রুত ব্যাখ্যা করা হয়। ** কার্ল বারুস, "দ্য প্রগ্রেস অফ ফিজিক্স ইন দ্য নাইনটিনথ সেঞ্চুরি," ২য় অংশ, ''সায়েন্স'', (২৯ সেপ্টেম্বর, ১৯০৫) [https://books.google.com/books?id=Gxc_AQAAMAAJ সংস্করণ ২২], পৃষ্ঠা ৩৯৪, "ইলেকট্রিক অসিলেশন।" * ১৮৮৮ সালে... হাইনরিখ '''হের্ত্‌স মুক্ত স্থানে এবং তারের ওপর দিয়ে প্রবাহিত তড়িৎচৌম্বকীয় তরঙ্গ''' (যাকে তিনি পরবর্তীতে বৈদ্যুতিক তরঙ্গ নামে সংক্ষিপ্ত করেছিলেন) '''তৈরি করতে সফল হন; তিনি দেখিয়েছিলেন যে এগুলো প্রতিফলিত, প্রতিসরিত, সমাবর্তিত ও বিচ্ছুরিত হতে পারে এবং সাধারণত আলোকবিদ্যার সূত্রগুলো এমনভাবে মেনে চলে''' যেন এগুলো আলোক তরঙ্গ। এই অর্জনটি ছিল তারহীন টেলিগ্রাফি শিল্পের দিকে প্রথম প্রকৃত পদক্ষেপ।<br />উৎস থেকে নির্গত বৈদ্যুতিক তরঙ্গকে দূর থেকে শনাক্ত করার জন্য হের্ত্‌স একটি তারের বৃত্ত ব্যবহার করেছিলেন যার মধ্যে একটি আণুবীক্ষণিক আকৃতির বায়ু-ব্যবধান ছিল; একে তিনি "রেজোনেটর" নামে অভিহিত করেন। এর মাধ্যমে তরঙ্গ শনাক্ত করার দূরত্ব ছিল খুবই সীমিত, কিন্তু এটি হের্ত্‌সের উদ্দেশ্য চমৎকারভাবে পূরণ করেছিল। ...<br />উপস্থাপিত '''যেকোনো তত্ত্বকে''' অবশ্যই [[w:জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল|ম্যাক্সওয়েলের]] ধারণা এবং হের্ত্‌সের পরীক্ষাগুলোর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে। কিন্তু ম্যাক্সওয়েল যে মৌলিক সমীকরণগুলোর মাধ্যমে তাঁর তত্ত্বটি বিকশিত করেছিলেন তা যেমন সুন্দর তেমনি ব্যাপক, তাই বিভিন্ন প্রযুক্তিবিদদের কাছে এর ব্যাখ্যাগুলোও ব্যাপকভাবে ভিন্ন। আর '''হের্ত্‌সের কাজগুলো বিবেচনায় নিলে এর চূড়ান্ত সমাধান আরও কঠিন হয়ে পড়ে; কারণ তিনি কেবল মুক্ত স্থানেই বৈদ্যুতিক তরঙ্গ পর্যবেক্ষণ করেননি, বরং তারের উপরিভাগ দিয়ে প্রবাহিত তরঙ্গও পর্যবেক্ষণ করেছিলেন।''' ** [[w:আর্চি ফ্রেডরিক কলিন্স|এ. ফ্রেডরিক কলিন্স]], "রিভিউ অফ ওয়ারলেস টেলিগ্রাফ ইঞ্জিনিয়ারিং প্র্যাকটিস," (ডিসেম্বর, ১৯০২) ''টেলিফোনি'' [https://books.google.com/books?id=euDmAAAAMAAJ&pg=PA280 সংস্করণ ৪], সংখ্যা ৬, পৃষ্ঠা ২৭৯। * যদিও গবেষকরা বিভিন্ন উপায়ে [[w:জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল|ম্যাক্সওয়েলের]] মতবাদগুলো যাচাই করার চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু কারিগরি অসুবিধাগুলো এত বেশি ছিল যে কোনো সাফল্য অর্জিত হয়নি। [[w:ম্যাক্সওয়েলের সমীকরণসমূহ|ম্যাক্সওয়েলের সমীকরণসমূহ]] থেকে এটি স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয়েছিল যে, যতক্ষণ পর্যন্ত খুব বেশি না হয়, ততক্ষণ পর্যন্ত কোনো উল্লেখযোগ্য প্রভাব আশা করা যায় না; আর এর অর্থ হলো বৈদ্যুতিক তীব্রতাকে অত্যন্ত দ্রুততার সাথে পরিবর্তিত হতে হবে। এই ধরনের ফলাফল পাওয়ার সহজতম উপায় হলো এমন একটি দোদুল্যমান বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র তৈরি করা যেখানে দোলনগুলো অত্যন্ত দ্রুত হয়, ধরা যাক সেকেন্ডে কয়েক মিলিয়ন বার। কিন্তু কোনো যান্ত্রিক কৌশলই এমন দ্রুত কম্পন তৈরি করতে পারছিল না, এবং... অন্য কোনো পদ্ধতিও জানা ছিল না। ...<br />১৮৮৫ সালে হেলমহোল্টজ তার ছাত্র হের্ত্‌সের দৃষ্টি এই সমস্যার দিকে আকর্ষণ করেন। '''হের্ত্‌স ছিলেন উনিশ শতকের অন্যতম উল্লেখযোগ্য গবেষক; তিনি''' অবশেষে কারিগরি অসুবিধাগুলো জয় করতে এবং '''সম্পূর্ণ বৈদ্যুতিক উপায়ে অত্যন্ত উচ্চ কম্পাঙ্কের একটি দোদুল্যমান বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র তৈরি করতে সফল হন'''। এভাবে পর্যাপ্ত তীব্রতার তড়িৎচৌম্বকীয় তরঙ্গ উৎপাদিত হয়েছিল; এবং একটি গৌণ ঘটনার কারণে সাময়িকভাবে পথভ্রষ্ট হওয়ার পর (যার প্রকৃতি [[অঁরি পোয়াঁকারে|পোয়াঁকারে]] ব্যাখ্যা করেছিলেন), '''হের্ত্‌স এই সত্যটি যাচাই করেছিলেন যে তরঙ্গগুলো আলোর গতিতে অগ্রসর হয় এবং মানুষের চোখের দৃশ্যমানতা বাদে প্রকৃতপক্ষে আলোক তরঙ্গের সমস্ত অপরিহার্য বৈশিষ্ট্য ধারণ করে।''' এভাবে হের্ত্‌সের পরীক্ষার ফলস্বরূপ তারহীন যোগাযোগ এবং বেতারের বাণিজ্যিক ব্যবহারের ভিত্তি স্থাপিত হয়েছিল; তবে তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হলো, '''তড়িৎ এবং আলোকবিদ্যার মধ্যে নিবিড় সম্পর্ক স্থাপনকারী ম্যাক্সওয়েলের আলোর তড়িৎচৌম্বকীয় তত্ত্বটি অবশেষে সত্য বলে প্রমাণিত হয়েছিল।''' ** এ. ডি'অ্যাব্রো, ''[https://archive.org/details/TheEvolutionOfScientificThought দ্য ইভোলিউশন অফ সায়েন্টিফিক থট ফ্রম নিউটন টু আইনিস্টাইন]'' (১৯২৭), পৃষ্ঠা ১২৮। * যদি ভৌত বাস্তবতার ধারণাটি বিশুদ্ধভাবে পারমাণবিক হওয়া থেকে বিরতও হতো, তবুও এটি সাময়িকভাবে বিশুদ্ধভাবে 'যান্ত্রিক' হিসেবেই রয়ে গিয়েছিল; মানুষ তখনও সমস্ত ঘটনাকে নিষ্ক্রিয় ভরের গতি হিসেবে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করত; প্রকৃতপক্ষে বিষয়গুলোকে দেখার অন্য কোনো উপায় কল্পনাযোগ্য বলে মনে হতো না। '''তারপর এল সেই বিরাট পরিবর্তন, যা চিরকালের জন্য [[মাইকেল ফ্যারাডে|ফ্যারাডে]], [[জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল|ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল]] এবং হের্ত্‌সের নামের সাথে যুক্ত থাকবে।''' ** [[আলবার্ট আইনস্টাইন]], "ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল'স ইনফ্লুয়েন্স অন দ্য ইভোলিউশন অফ দ্য আইডিয়া অফ ফিজিক্যাল রিয়েলিটি", ''এসেস ইন সায়েন্স'' (১৯৩৪)। * হাইনরিখ হের্ত্‌স যেন মানবজাতির কাছে প্রকৃতির সেইসব গোপন রহস্য উন্মোচন করার জন্য পূর্বনির্ধারিত ছিলেন যা প্রকৃতি এ পর্যন্ত আমাদের কাছ থেকে লুকিয়ে রেখেছে; কিন্তু সেই মারাত্মক ব্যাধির কারণে এই সমস্ত আশা ধূলিসাৎ হয়ে যায়, যা ধীরে ধীরে কিন্তু নিশ্চিতভাবে অগ্রসর হয়ে আমাদের কাছ থেকে এই মূল্যবান জীবন এবং এর প্রতিশ্রুতিবদ্ধ অর্জনগুলোকে কেড়ে নিয়েছে। ** [[w:হারমান ফন হেলমহোল্টজ|হারমান ফন হেলমহোল্টজ]], হের্ত্‌সের ''দ্য প্রিন্সিপলস অফ মেকানিক্স প্রেজেন্টেড ইন অ্যা নিউ ফর্ম'' (১৮৯৯)-এর ভূমিকা। অনুবাদক: ডি. ই. জোন্স, জে. টি. ওয়ালি, [https://books.google.com/books?id=o0Q4AAAAMAAJ&pg=PR7 পৃষ্ঠা ৭]। * ছেলেবেলায় তিনি তাঁর উচ্চ নৈতিক চরিত্রের মাধ্যমে তাঁর পিতামাতা এবং শিক্ষকদের প্রশংসা অর্জন করেছিলেন। ইতোমধ্যে তাঁর কাজগুলো তাঁর সহজাত প্রবণতা প্রকাশ করতে শুরু করেছিল। স্কুলে পড়ার সময় থেকেই তিনি নিজ উদ্যোগে বেঞ্চ এবং লেদ মেশিনে কাজ করতেন, রবিবারগুলোতে তিনি জ্যামিতিক অঙ্কন অনুশীলনের জন্য ট্রেড স্কুলে যেতেন এবং খুব সাধারণ সরঞ্জাম দিয়ে তিনি ব্যবহারযোগ্য অপটিক্যাল এবং যান্ত্রিক যন্ত্র তৈরি করতেন। ...অস্বাভাবিক ক্ষমতাসম্পন্ন তরুণদের মধ্যেই [তার] এই ধরনের লাজুক বিনয় সবচেয়ে বেশি লক্ষ্য করা যায়। ...তাদের কঠিন কাজের জন্য প্রয়োজনীয় আত্মনির্ভরশীলতা অর্জনের আগে তাদের শক্তিকে অবশ্যই কোনো ব্যবহারিক পরীক্ষার মাধ্যমে যাচাই করে নিতে হয়। এমনকি পরবর্তী বছরগুলোতেও, মহান প্রতিভাসম্পন্ন ব্যক্তিরা নিজেদের অর্জনে ততটাই কম সন্তুষ্ট হন যতটা উচ্চ তাঁদের ক্ষমতা এবং আদর্শ। সবচেয়ে মেধাবীরা সর্বোচ্চ এবং প্রকৃত সাফল্য অর্জন করেন কারণ তাঁরা ত্রুটির উপস্থিতির বিষয়ে সবচেয়ে বেশি সজাগ থাকেন এবং তা দূর করতে অক্লান্ত পরিশ্রম করেন। ...জ্ঞান বৃদ্ধির সাথে সাথে তাঁর এই বিশ্বাসও দৃঢ় হয়েছিল যে কেবল বৈজ্ঞানিক কাজের মধ্যেই তিনি দীর্ঘস্থায়ী সন্তুষ্টি খুঁজে পাবেন। ** [[w:হারমান ফন হেলমহোল্টজ|হারমান ফন হেলমহোল্টজ]], হের্ত্‌সের ''দ্য প্রিন্সিপলস অফ মেকানিক্স প্রেজেন্টেড ইন অ্যা নিউ ফর্ম'' (১৮৯৯)-এর ভূমিকা। অনুবাদক: ডি. ই. জোন্স, জে. টি. ওয়ালি, [https://books.google.com/books?id=o0Q4AAAAMAAJ&pg=PR8 পৃষ্ঠা ৮-৯]। == বহিঃসংযোগ == {{wikipedia}} {{কমন্স বিষয়শ্রেণী}} * গুগল বুকসে পাবলিক ডোমেইন হিসেবে সংরক্ষিত: ''[https://books.google.com/books?id=8GkOAAAAIAAJ ইলেকট্রিক ওয়েভস: বিয়িং রিসার্চেস অন দ্য প্রপাগেশন অফ ইলেকট্রিক অ্যাকশন উইথ ফাইনাইট ভেলোসিটি থ্রু স্পেস]'' (১৮৯৩) {{DEFAULTSORT:হের্ত্‌স, হাইনরিখ}} [[বিষয়শ্রেণী:জার্মান শিক্ষাবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:জার্মান দার্শনিক]] [[বিষয়শ্রেণী:জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:জার্মান তথ্যমূলক সাহিত্যের লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:১৮৫৭-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:১৮৯৪-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:উদ্ভাবক]] [[বিষয়শ্রেণী:লুথারীয়]] [[বিষয়শ্রেণী:হামবুর্গের ব্যক্তি]] 2qrtqz6fi3q1e6991alr5p80sj9jd6f স্মরণজিৎ চক্রবর্তী 0 13163 79710 79675 2026-04-22T12:10:07Z Nil Nandy 2294 79710 wikitext text/x-wiki {{bw|স্মরণজিৎ চক্রবর্তী}} বর্তমান বাংলা সাহিত্যের উল্লেখযোগ্য লেখক। তরুণ তরুণীদের মধ্যে তিনি জনপ্রিয়। কবিতা দিয়ে তার লেখালিখির শুরু। প্রথম ছোটগল্প প্রকাশিত হয় 'উনিশ কুড়ি' পত্রিকার প্রথম সংখ্যায়। প্রথম উপন্যাস 'পাতাঝরার মরশুমে'। তার সৃষ্ট চরিত্র অদম্য সেন। ==উক্তি== ===শূন্য পথের মল্লিকা=== <small>[https://www.ebanglalibrary.com/books/শূন্য-পথের-মল্লিকা-স্মরণ/ শূন্য পথের মল্লিকা]</small> *এই অদৃশ্য বন্ধনই আসল বন্ধন। এর টানই কাটাতে পারে না কেউ। এই চরাচর, প্রকৃতি, দৃশ্য জাগতিকতা ও অদৃশ্য জীবন, সবাই মিলেমিশে কী করে যে এই বন্ধন রচনা করে তা কেউ জানে না। যে ভাবে কেউ জানে না, ঠিক কখন প্রথম শিশির ফোঁটা ভাস্বর হয়ে ওঠে ঘাসের ডগায়। জানে না, ঠিক কোন মুহূর্তে ফুটে ওঠে ফুল। পাখির ছানা তার ছোট্ট বাসায় প্রথম চোখ মেলে কখন! জানে না কখন একজন মানুষের মনে ফুটে ওঠে অন্য আর-একজন মানুষ! ঠিক সে ভাবেই সবার অলক্ষ্যে এই বন্ধন রচিত হয়। এর ব্যাখ্যা নেই। স্পষ্ট কারণ নেই। নেই কোনও সঠিক পদ্ধতি। শুধু জ্বলে ওঠা তারা আর হারিয়ে, মিলিয়ে যাওয়া তারার আলোর মাঝে ভারী অদ্ভুত ভাবে গড়ে ওঠে এই বন্ধন। এই সমগ্র জগৎ এই বন্ধনেই চালিত হচ্ছে। গ্রহ-নক্ষত্র থেকে শুরু করে সামান্য এই দুই প্রজাপতির নাচের বন্ধন ক্রিয়াশীল। ক্রিয়াশীল একই মধ্যেকার অণু-পরমাণুতে শুধু এই একই টান। ঘুমন্ত শিশুর হাত বাড়িয়ে তার হারিয়ে যাওয়া মাকে খোঁজার মতো টান৷ ===পাতাঝরার মরশুমে=== <small>[https://www.ebanglalibrary.com/books/পাতাঝরার-মরশুমে-স্মরণজি/ পাতাঝরার মরশুমে]</small> *কারণ আমিও তো রামমোহন বিদ্যাসাগরদের উত্তরসূরি, মেয়েদের চোখের জল আমাকে আন্দোলিত করে। বিশেষ করে সুন্দরী মেয়েদের চোখের জল। ===আলোর গন্ধ=== <small>[https://www.ebanglalibrary.com/books/আলোর-গন্ধ-স্মরণজিৎ-চক্রব/ আলোর গন্ধ], আনন্দ পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড</small> *কিছু থাকে না। দিঘি জানে, কিচ্ছু থাকে না জীবনে। শুধু স্মৃতি থেকে যায়। মনখারাপ থেকে যায়। ছোঁয়া যায় না, এমন একটা কষ্ট ফড়িঙের মতো ওড়ে পাঁজরের আনাচকানাচে। *চা-পাতা! তার জন্য এত! রুহানের এখন আর তেমন গায়ে লাগে না এসব। মনে হয়, [[মা]] তো সবসময় বলে। তবে হ্যাঁ। এসব শোনার পর মনে হয় ওর আশপাশের পৃথিবীটা অনেক যেন শান্ত, অনেক যেন ধীর হয়ে যায়। মনে হয় সবাই যেন চাঁদের মাধ্যাকর্ষণের মধ্যে দিয়ে হাঁটছে। গতকালও তাই হয়েছিল। রাস্তার মানুষ। সামনের লেক গার্ডেন্স স্টেশনের লেভেল ক্রসিং। চায়ের দোকানের বাবলাদা। সবই কেমন যেন মহাশূন্যে হাঁটছিল। চায়ের পাতা কিনে আর বাড়ি ফিরতে ইচ্ছে করছিল না রুহানের। ভাবছিল, যার বাঁচার ইচ্ছে নেই, আর মরার সাহস নেই, তেমন মানুষ কী করে? ===ক্রিস-ক্রস=== <small>[https://www.ebanglalibrary.com/books/ক্রিস-ক্রস-স্মরণজিৎ-চক্/ ক্রিস-ক্রস]</small> *...কে ও? কী নাম ওর? রোজ ওর চিন্তাটা এখানে এসেই পথ হারিয়ে ফেলে। পেটের ভেতরে তোলপাড় করে ডুবুরিরা। বুকের ভেতর কে যেন চাপ দিতে থাকে। মনে পড়ি পড়ি করেও ঠিক মনে পড়ে না ওর। কিছুতেই নিজের নামটা মনে পড়ে না ওর। ও খুব চেষ্টা করে। চোখ বন্ধ করে, ঠোঁট কামড়ে, পাজামা খামচে ধরে আপ্রাণ চেষ্টা করে ও। কিন্তু কিছুতেই পথটা খুঁজে পায় না। শুধু, একটা মাঠ দেখতে পায় এক ঝলক, অনেক পায়রায় ভরা একটা ছাদ দেখতে পায় এক ঝলক, সোনার মোটা মোটা বালা-পরা হাত দেখতে পায়, দেখতে পায় বড় ঝিল, অনেক বই সাজানো ঘরের মধ্যে বসে থাকা একজন মানুষ আর লাল ওয়াটার বটল হাতে দৌড়ে আসা একটা ছোট্ট মেয়েকে। মাথার ভেতরে যন্ত্রণা হয় নেড়ু পাগলার। মনে হয় কে যেন বসে একটা একটা করে শিরা ছিঁড়ছে ওর। ও চোখ খোলে। এরা সব কারা? কাদের দেখে ও? স্পষ্ট করে কিচ্ছু মনে পড়ে না ওর। শুধু কষ্ট হয় একটা। গলায় আটকে থাকা কান্না-না-বেরোনোর মতো কষ্ট। *খবর কাগজটা মুড়ে রাখল নেড়ু পাগলা। খারাপ খবরে ভরতি। প্রথম পাতাতেই বোমায় আহত বাচ্চাদের ছবি। দেখলেই গা জ্বলে যায়। একটা মন খারাপের গন্ধ এসে ঠোক্কর মারে নাকে। কারা তোলে এসব ছবি? কারা ছাপায়? ভাল ছবি ছাপাতে পারে না? এই যেমন ওই ক্যামেরা হাতে হাঁপাতে হাঁপাতে এসে দাঁড়ানো ছেলেটাকে সুন্দর মতো মেয়েটা যে জড়িয়ে ধরল, তার ছবি ছাপানো যায় না? ওই যে মেয়েটা বলল, “তুমি যতক্ষণ না আসছ, ততক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতাম আমি, সারাজীবন দাঁড়িয়ে থাকতাম তোমার জন্য।” সেটুকু ছাপানো যায় না? কী সব ছাপায় এরা? মানুষ মানুষকে মারছে, বাচ্চারা কাঁদছে, ন্যাংটো মেয়েদের দেখে নাল পড়ছে সবার, এ কোন দেশ? এ কোথায় আছে ও? এরা কারা ওর চারপাশে? সবসময় সবাই কথা বলছে, চিৎকার করে নিজের মতটা অন্যকে গিলিয়ে দিতে চাইছে, এই কি মানুষ? এই যে একপাল লোক একসঙ্গে ভীষণ চিৎকার করতে করতে এগিয়ে যাচ্ছে রাস্তা দিয়ে। ওরা কি কোনও যুদ্ধে যাচ্ছে? কোনও দেশ জয় করতে যাচ্ছে? সবাই তা হলে অমন চিৎকার করছে কেন? ওদের জন্য যে এত লোক আটকে আছে রাস্তায়, সেটা নিয়ে ওদের হুঁশ নেই? কেউ কি কারও সুবিধে অসুবিধে বুঝবে না? কষ্টটা বুঝবে না? ===পাখিদের শহরে যেমন=== <small>[https://www.ebanglalibrary.com/books/পাখিদের-শহরে-যেমন-স্মরণ/ পাখিদের শহরে যেমন]</small> *প্রশ্নচিহ্ন। দাঁড়ি নয়, প্রশ্নচিহ্ন দিয়েই আমাদের জীবনটা তৈরি। *সম্পর্ক কি এই মুহূর্তের ওই ছেলেটা আর মেয়েটার মতো হতে পারে না? সম্পর্ক কি পাখিদের মতো হতে পারে না? আলো-ফুরিয়ে-আসা পৃথিবীর পাখিদের মতো? সময় থাকতে-থাকতে ভাগ করে নিতে পারে না সব কিচিরমিচির, সব ভালবাসা? ===আমাদের সেই শহরে=== <small>[https://www.ebanglalibrary.com/books/আমাদের-সেই-শহরে-স্মরণজি/ আমাদের সেই শহরে], প্রথম সংস্করণ: জানুয়ারি ২০০৯</small> *এখন, এই অন্ধকারে দাঁড়িয়ে সেই কথাগুলো মনে পড়তেই চোখটা জ্বালা করে উঠল। কে জানে আমার পোষা বেড়ালটা কী করছে এখন? বন্ধুরা কি আড্ডায় জড়ো হয়েছে সব? বোনটার গানের মাস্টার এসেছে? [[বাবা]] কি ফিরেছে অফিস থেকে?<br>আমি কিছু জানি না। শুধু জানি এই ঘুটঘুটে অন্ধকার পেরিয়ে আমায় আপাতত পৌঁছতে হবে ওই মেসে। ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৭৬-এ জন্ম]] k7uevajprw0uxciin3iibpqotqyrh2o জর্জ গ্যামো 0 13165 79837 79623 2026-04-22T22:24:17Z ARI 356 পরিষ্কার 79837 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:Bragg lab1 1930 (cropped).jpg|thumb|[[পরমাণু|পরমাণু]] তৈরি করতে এক ঘণ্টারও কম সময় লেগেছিল, [[নক্ষত্র|নক্ষত্র]] এবং [[গ্রহ|গ্রহ]] তৈরি করতে কয়েকশ মিলিয়ন বছর, কিন্তু [[মানবতা|মানুষ]] তৈরি করতে লেগেছে পাঁচ বিলিয়ন বছর!]] '''[[w:জর্জ গ্যামো|জর্জ গ্যামো]]''' (উচ্চারণ "গ্যাম-অফ") (৪ মার্চ, ১৯০৪ – ১৯ আগস্ট, ১৯৬৮) রুশ বংশোদ্ভূত একজন মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানী এবং মহাবিশ্বতত্ত্ববিদ ছিলেন। তিনি মহাবিশ্বতত্ত্বের বিগ ব্যাং তত্ত্বটি বিকশিত করেছিলেন এবং এটি ব্যবহার করে মহাজাগতিক অণুতরঙ্গ পটভূমি বিকিরণের অস্তিত্বের ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন। তার এই অন্তর্দৃষ্টি যে, ডিএনএ নিউক্লিওটাইডগুলো সম্ভবত "চারটি প্রতীকের একটি ট্রিপলেট কোড" গঠন করে, তা জেনেটিক্সের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা এবং আবিষ্কারের ক্ষেত্রে প্রভাবশালী ভূমিকা রেখেছিল। == উক্তি == [[চিত্র:GoergeSalmonTrinityCollegeDublin.jpg|thumb|right|ট্রিনিটির ছিল এক যুবক একদা, অসীমের বর্গমূল নিল সে যেদা। কিন্তু অঙ্কের সংখ্যাগুলো, দিল মনে নাড়া; গণিত ছেড়ে সে নিল ধর্মতত্ত্বের পাড়া।]] [[চিত্র:Cobe-cosmic-background-radiation.gif|thumb|right|মানুষ তাঁকে গুরুত্বের সাথে নিতে পারেনি যখন তিনি এবং তাঁর সহকর্মীরা প্রস্তাব করেছিলেন যে একটি মহাজাগতিক পটভূমি বিকিরণ থাকা উচিত, যা আমরা এখন জানি ২০শ শতাব্দীর পদার্থবিজ্ঞানের অন্যতম মহান আবিষ্কার। ~ [[মিচিও কাকু]]]] * সেটি ছিল একটি ব্যাংক ছুটির দিন, এবং একটি বড় শহরের ব্যাংকের সাধারণ কেরানি মিস্টার টম্পকিন্স বেশ দেরি করে ঘুম থেকে উঠলেন এবং আয়েশ করে প্রাতরাশ সারলেন। দিনের পরিকল্পনা করার চেষ্টায় তিনি প্রথমে বিকেলে কোনো সিনেমা দেখতে যাওয়ার কথা ভাবলেন এবং সকালের পত্রিকা খুলে বিনোদন পাতাটি উল্টালেন। কিন্তু কোনো চলচ্চিত্রই তাঁর কাছে আকর্ষণীয় মনে হলো না। জনপ্রিয় তারকাদের অন্তহীন রোমান্স সমৃদ্ধ এই সব হলিউড ছবি তিনি ঘৃণা করতেন। <br>'''যদি অন্তত এমন একটি সিনেমা থাকত যেখানে সত্যিকারের কোনো রোমাঞ্চ আছে, অস্বাভাবিক এবং সম্ভবত ফ্যান্টাসিধর্মী কিছু!''' কিন্তু তেমন কিছুই ছিল না। হঠাৎ করেই পাতার এক কোণে একটি ছোট বিজ্ঞপ্তির দিকে তাঁর নজর পড়ল। স্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয় আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের সমস্যার ওপর ধারাবাহিক বক্তৃতার আয়োজন করেছে এবং আজকের বিকেলের আলোচনার বিষয় হলো [[আলবার্ট আইনস্টাইন|আইনস্টাইনের]] আপেক্ষিকতা তত্ত্ব। '''বাহ, এটি দারুণ কিছু হতে পারে!''' ** ''মিস্টার টম্পকিন্স ইন ওয়ান্ডারল্যান্ড'' (১৯৩৯), শুরুর দিকের পঙ্‌ক্তি। * '''''ট্রিনিটির ছিল এক যুবক একদা, <br>অসীমের বর্গমূল নিল সে যেদা।''' <br>কিন্তু অঙ্কের সংখ্যাগুলো, দিল মনে নাড়া; <br>[[গণিত]] ছেড়ে সে নিল ধর্মতত্ত্বের পাড়া।'' ** ''ওয়ান, টু, থ্রি... ইনফিনিটি'' (১৯৪৭) * '''এটি সুপরিচিত যে [[w:তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞান|তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানীরা]] পরীক্ষাগারের যন্ত্রপাতি সামলাতে পারেন না; তারা স্পর্শ করলেই তা ভেঙে যায়। পাউলি এতই দক্ষ তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী ছিলেন যে, তিনি ল্যাবরেটরির চৌকাঠে পা রাখামাত্রই সাধারণত কিছু না কিছু ভেঙে পড়ত।''' একটি রহস্যময় ঘটনা যা প্রথম দেখায় পাউলির উপস্থিতির সাথে সম্পর্কিত মনে হয়নি, তা একবার গটিংনে বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক জে. ফ্রাঙ্কের ল্যাবরেটরিতে ঘটেছিল। এক বিকেলের শুরুতে, কোনো দৃশ্যমান কারণ ছাড়াই পারমাণবিক ঘটনা নিয়ে গবেষণার জন্য রাখা একটি জটিল যন্ত্র ভেঙে পড়ে। ফ্রাঙ্ক রসিকতা করে পাউলির জুরিখের ঠিকানায় এটি লিখে পাঠান এবং বেশ কিছুদিন পর একটি ডেনিশ ডাকটিকিটযুক্ত খামে উত্তর পান। পাউলি লিখেছিলেন যে, তিনি বোরের সাথে দেখা করতে যাচ্ছিলেন এবং ফ্রাঙ্কের ল্যাবরেটরিতে যখন সেই দুর্ঘটনা ঘটে, ঠিক সেই সময়েই তাঁর ট্রেনটি গটিংেন রেলওয়ে স্টেশনে কয়েক মিনিটের জন্য থেমেছিল। আপনি এই গল্পটি বিশ্বাস করতেও পারেন আবার নাও পারেন, তবে পাউলি প্রভাবের বাস্তবতা নিয়ে এমন আরও অনেক পর্যবেক্ষণ রয়েছে! ** ''থার্টি ইয়ার্স দ্যাট শুক ফিজিক্স: দ্য স্টোরি অফ কোয়ান্টাম থিওরি'' (১৯৬৬), পৃষ্ঠা ৬৪। * খুব সামান্য কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া, [[দর্শন|দার্শনিকরা]] [[বিজ্ঞান]] সম্পর্কে খুব বেশি কিছু জানেন না এবং এটি বোঝেনও না; যা খুবই স্বাভাবিক, কারণ বিজ্ঞান নীতিবিদ্যা, নন্দনতত্ত্ব এবং জ্ঞানতত্ত্বের মতো প্রচলিত দার্শনিক বিষয়গুলোর সীমানার বাইরে অবস্থিত। '''কিন্তু মুক্ত দেশগুলোতে দার্শনিকরা বেশ নিরীহ হলেও, একনায়কতান্ত্রিক দেশগুলোতে তাঁরা বিজ্ঞানের বিকাশের জন্য বড় ধরনের বিপদ হয়ে দাঁড়ান।''' [[রাশিয়া|রাশিয়ায়]], মস্কোর কমিউনিস্ট একাডেমিতে রাষ্ট্রীয় দার্শনিকদের তৈরি করা হয় এবং তাঁদের সমস্ত শিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ দেওয়া হয় যাতে অধ্যাপক ও গবেষকরা আদর্শবাদী বা [[পুঁজিবাদ|পুঁজিবাদী]] বিভ্রান্তিতে না পড়েন। এই রাষ্ট্রীয় দার্শনিকরা সাধারণত যে গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি তদারকি করতে যাচ্ছেন, সেই বিষয় সম্পর্কে কিছুটা পরিচিত থাকেন হয় তাঁরা প্রাক্তন স্কুলশিক্ষক অথবা সেই বিষয়ের ওপর একাডেমিতে এক সেমিস্টারের কোনো কোর্স করেছেন। কিন্তু ক্ষমতার দিক থেকে তাঁদের অবস্থান প্রতিষ্ঠানের বৈজ্ঞানিক পরিচালকদের উপরে এবং তাঁরা সঠিক আদর্শ থেকে বিচ্যুত যেকোনো গবেষণা প্রকল্প বা প্রকাশনার ওপর ভেটো দিতে পারেন। রুশ বিজ্ঞানে দার্শনিক একনায়কতন্ত্রের একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হলো [[আলবার্ট আইনস্টাইন|আইনস্টাইনের]] আপেক্ষিকতা তত্ত্বের ওপর নিষেধাজ্ঞা; এই যুক্তিতে যে এটি বিশ্ব ইথারকে অস্বীকার করেছিল, "যার অস্তিত্ব সরাসরি দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদের দর্শন থেকে উদ্ভূত"। এটি লক্ষ্য করা মজার যে, "বিশ্ব ইথারের" অস্তিত্ব নিয়ে আইনস্টাইনের অনেক আগেই এঙ্গেলস সন্দেহ প্রকাশ করেছিলেন, যিনি তাঁর এক বন্ধুকে লেখা চিঠিতে লিখেছিলেন "...বিশ্ব ইথার, যদি এর অস্তিত্ব থাকে"। ** ''মাই ওয়ার্ল্ড লাইন: অ্যান ইনফর্মাল অটোবায়োগ্রাফি'' (১৯৭০), পৃষ্ঠা ৯৩। * '''আমি পরীক্ষামূলক পদার্থবিজ্ঞানে পিএইচডি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম কারণ পরীক্ষামূলক পদার্থবিজ্ঞানীদের ইনস্টিটিউটে নিজস্ব কক্ষ থাকে যেখানে তারা তাদের কোট ঝুলিয়ে রাখতে পারেন, অথচ তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানীদের তাঁদের কোট প্রবেশপথেই ঝুলিয়ে রাখতে হয়।''' ** [http://www.aip.org/history/ohilist/4325.html "জর্জ গ্যামোর সাক্ষাৎকার"], কলোরাডোর বোল্ডারে অধ্যাপক গ্যামোর বাড়িতে চার্লস ওয়েনার কর্তৃক গৃহীত (২৫ এপ্রিল, ১৯৬৮)। * '''আমি অনুভব করি যে বস্তুর এমন কিছু বৈশিষ্ট্য আছে যা পদার্থবিজ্ঞান আমাদের বলে।''' ** "জর্জ গ্যামোর সাক্ষাৎকার", কলোরাডোর বোল্ডারে অধ্যাপক গ্যামোর বাড়িতে চার্লস ওয়েনার কর্তৃক গৃহীত (২৫ এপ্রিল, ১৯৬৮)। * তাই আমি কেবল বসে অপেক্ষা করি, শুনি এবং যদি উত্তেজনাপূর্ণ কিছু আসে, তবে আমি তাতে ঝাঁপিয়ে পড়ি। ** জীববিজ্ঞানের প্রতি তার আগ্রহের উৎস সম্পর্কে, কলোরাডোর বোল্ডারে অধ্যাপক গ্যামোর বাড়িতে চার্লস ওয়েনার কর্তৃক গৃহীত "জর্জ গ্যামোর সাক্ষাৎকার" (২৫ এপ্রিল, ১৯৬৮)। === ''দ্য ক্রিয়েশন অফ দ্য ইউনিভার্স'' (১৯৫২) === * যদি মহাবিশ্বের স্থানের প্রসারণ সব দিকে সমান হয়, তবে যেকোনো গ্যালাক্সিতে অবস্থিত একজন পর্যবেক্ষক দেখবেন যে অন্য সব গ্যালাক্সি তার থেকে দূরে সরে যাচ্ছে এবং তাদের এই সরে যাওয়ার বেগ পর্যবেক্ষক থেকে তাদের দূরত্বের সমানুপাতিক। ** পৃষ্ঠা ৩১। * '''পরমাণু তৈরি করতে এক ঘণ্টারও কম সময় লেগেছিল, নক্ষত্র এবং গ্রহ তৈরি করতে কয়েকশ মিলিয়ন বছর, কিন্তু মানুষ তৈরি করতে লেগেছে পাঁচ বিলিয়ন বছর!''' ** পৃষ্ঠা ১৩৯। == গ্যামো সম্পর্কে উক্তি == [[চিত্র:Gamow George grave.jpg|thumb|right|যদি জীবনে অবদানের পরিমাপ একজন ব্যক্তির সেরা ধারণাগুলোর প্রভাব দিয়ে করা হয়, তবে জর্জ গ্যামোর অবদান অপরিসীম। ~ উইলিয়াম সি. পার্কে]] * '''পদার্থবিজ্ঞানী জর্জ গ্যামো একজন বিনোদনপ্রিয় বিজ্ঞান জনপ্রিয়কারকও ছিলেন।''' তিনি একবার তার স্ত্রী এবং শিশু কন্যাকে নিয়ে পিসার হেলানো মিনার পরিদর্শনের একটি গল্প বলেছিলেন। যখন তাঁরা সিঁড়ি বেয়ে ওপরে উঠছিলেন, তাঁরা ক্রমবর্ধমান একটি গুমোট গন্ধ অনুভব করলেন, যা প্রথমে তাঁরা দালানের প্রাচীন দেয়াল থেকে আসছে বলে মনে করেছিলেন। তবে শীঘ্রই তাঁদের সন্দেহ ছোট মেয়ের ওপর গিয়ে পড়ল এবং মিনারের চূড়ায় পৌঁছানোর সময় এটি পরিষ্কার হয়ে গেল যে তাকে নিয়ে এখনই কিছু করা দরকার। গ্যামো তাঁর হাত এবং কণ্ঠস্বর নাটকীয়ভাবে উঁচিয়ে ব্যাখ্যা করলেন, “ঠিক সেই স্থান থেকেই, যেখান থেকে গ্যালিলিও তাঁর পরীক্ষামূলক বস্তুগুলো নিচে নিক্ষেপ করেছিলেন, আমরাও সেখান থেকে ছুড়ে ফেলেছিলাম...” ** ''ব্যালাস্ট কোয়ার্টারলি রিভিউ'' ভলিউম ৯, সংখ্যা ২ (উইন্টার ১৯৯৩), পৃষ্ঠা ২ রুডলফ আর্নহেইম। * '''রাদারফোর্ড কোয়ান্টাম মেকানিক্স বোঝার ভান করতেন না, তবে তিনি বুঝতে পেরেছিলেন যে গ্যামো সূত্রটি তার ত্বরক যন্ত্রকে একটি বিশেষ সুবিধা দেবে। এমনকি অনেক কম শক্তিতে ত্বরান্বিত কণাগুলোও...নিউক্লিয়াসের ভেতরে প্রবেশ করতে সক্ষম হবে।''' ১৯২৯ সালের জানুয়ারিতে রাদারফোর্ড গ্যামোকে [[কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়|কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে]] আমন্ত্রণ জানান... [তারা] ঘনিষ্ঠ বন্ধু হয়ে ওঠেন এবং '''গ্যামোর অন্তর্দৃষ্টি রাদারফোর্ডকে তাঁর কণা ত্বরক তৈরির কাজে পূর্ণ গতিতে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা জুগিয়েছিল।''' ** [[ফ্রিম্যান ডাইসন]], ''দ্য সায়েন্টিস্ট অ্যাজ রেবেল'' (২০০৬)। * '''জর্জ গ্যামোর দিকে তাকালে দেখা যায়, যিনি এখন গত ১০০ বছরের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মহাবিশ্বতত্ত্ববিদ হিসেবে স্বীকৃত। আমি অনুমান করি যে তিনি সম্ভবত নোবেল পুরস্কার পাননি কারণ মানুষ তাঁকে খুব একটা গুরুত্বের সাথে নিতে পারেনি। তিনি শিশুদের জন্য বই লিখতেন।''' তার সহকর্মীরা জনসমক্ষে জানিয়েছেন যে, বিজ্ঞানের ওপর তার ছোটদের জন্য লেখা বইগুলো তাঁর বৈজ্ঞানিক সুনামের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলেছিল; ফলে তিনি এবং তার সহকর্মীরা যখন প্রস্তাব করেছিলেন যে একটি মহাজাগতিক পটভূমি বিকিরণ থাকা উচিত, তখন মানুষ তাকে গুরুত্ব দেয়নি অথচ আমরা এখন জানি যে এটি ২০শ শতাব্দীর পদার্থবিজ্ঞানের অন্যতম মহান আবিষ্কার। ** [[মিচিও কাকু]], [http://webcache.googleusercontent.com/search?q=cache:xv3K4AdeGbEJ:www.projectenigma.org/%3Fp%3D118+%22Borrowed+Time:+Interview+with+Michio+Kaku+:+Project+Enigma%22&cd=1&hl=en&ct=clnk&gl=us&source=www.google.com "বরোড টাইম: ইন্টারভিউ উইথ মিচিও কাকু"] (অকার্যকর লিঙ্ক)। * গ্যামো অনেকটা শিশুর মতো ছিলেন, সবসময় খেলাধুলা করতে চাইতেন এবং সব পরিস্থিতিতেই এক ধরনের হালকা রসিকতা নিয়ে আসতেন। তিনি মিকি মাউসের ছবি আঁকতে খুব পছন্দ করতেন। তিনি আমাদের বিনোদনে অনেক রসদ জোগাতেন। তার কিছু ভালো ধারণা ছিল, যার প্রয়োগ কোয়ান্টাম তত্ত্বে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতির পথ দেখিয়েছিল, তবে আমি মনে করি না যে তিনি খুব গভীর কোনো কাজ করেছেন। ** [[পল ডিরাক]], "রিকলেকশনস অফ অ্যান এক্সাইটিং এরা", ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অফ ফিজিক্স "ই. ফের্মি"র কার্যবিবরণী, কোর্স এলভিআইআই - সি. ওয়েনার কর্তৃক সম্পাদিত (১৯৭২), ''হিস্ট্রি অফ টুয়েন্টিয়েথ সেঞ্চুরি ফিজিক্স'', পৃষ্ঠা ১৩৬। * '''যদি জীবনে অবদানের পরিমাপ একজন ব্যক্তির সেরা ধারণাগুলোর প্রভাব দিয়ে করা হয়, তবে জর্জ গ্যামোর অবদান অপরিসীম।''' তিনি তেজস্ক্রিয় ক্ষয় ব্যাখ্যা করেছেন, নক্ষত্রের অভ্যন্তরে বিক্রিয়া কৌশল এবং এর হার বর্ণনা করেছেন, মৌলগুলো কীভাবে তৈরি হয়েছে তা প্রস্তাব করেছেন এবং ডিএনএ কীভাবে প্রোটিন সংশ্লেষণের কোড প্রদান করতে পারে সে সম্পর্কে ধারণা দিয়েছেন। সেই বিষয়গুলো এখন বিজ্ঞানের প্রধান শাখা হিসেবে বিকশিত হয়েছে... ** জর্জ ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক উইলিয়াম সি. পার্কে, ''জিডব্লিউ ম্যাগাজিন'' (বসন্ত ২০০০)-এ। * ''Es Gamow't wieder'' ** আবারও গ্যামো-গিরি শুরু হয়েছে। (এটি জার্মান ভাষায় "আবারও বৃষ্টি পড়ছে"-র মতো একটি প্রচলিত বাক্যের আদলে বলা রসিকতা)। *** [[ভলফগাং পাউলি]], গ্যামোর নতুন কোনো গবেষণাপত্র প্রকাশিত হলে এমন রসিকতা করতেন; [http://www.aip.org/history/ohilist/4325.html জর্জ গ্যামোর মৌখিক ইতিহাস সাক্ষাৎকার (২৫ এপ্রিল ১৯৬৮), আমেরিকান ইনস্টিটিউট অফ ফিজিক্স, নিলস বোর লাইব্রেরি অ্যান্ড আর্কাইভস]। * গ্যামোর ধারণাগুলো ছিল চমৎকার। তিনি সঠিক ছিলেন, আবার ভুলও ছিলেন। সঠিক হওয়ার চেয়ে ভুলই হতেন বেশি। তবে সবসময়ই আকর্ষণীয়; ...এবং যখন তার ধারণা ভুল হতো না, তখন সেটি কেবল সঠিকই হতো না, বরং হতো একেবারেই নতুন। ** [[এডওয়ার্ড টেলার]], [http://adsabs.harvard.edu/full/1997ASPC..129..123T ''সাম পার্সোনাল মেমোরিজ অফ জর্জ গ্যামো'' (১৯৯৭)] জর্জ গ্যামো সিম্পোজিয়াম; এএসপি কনফারেন্স সিরিজ, ভলিউম ১২৯, ইমন হার্পার, ডব্লিউ. সি. পার্কে এবং ডেভিড অ্যান্ডারসন সম্পাদিত, পৃষ্ঠা ১২৪। * এক অবিশ্বাস্য কাকতালীয় ঘটনায়, গ্যামো এবং [[এডওয়ার্ড কন্ডন]], যারা সমসাময়িক এবং স্বতন্ত্রভাবে তেজস্ক্রিয়তার ব্যাখ্যা আবিষ্কার করেছিলেন (একজন [[রাশিয়া|রাশিয়ায়]], অন্যজন এই দেশে), তাদের জীবনের শেষ দশ বছর বোল্ডারে একে অপরের একশ গজের মধ্যে কাটিয়েছিলেন। ** [[স্টানিস্ল উল্যাম]], ''অ্যাডভেঞ্চারস অফ অ্যা ম্যাথমেটিশিয়ান'' (১৯৯১), পৃষ্ঠা ২৬৭। == বহিঃসংযোগ == {{wikipedia}} * [http://www.aip.org/history/ohilist/4325.html জর্জ গ্যামোর মৌখিক ইতিহাস সাক্ষাৎকারের প্রতিলিপি ২৫ এপ্রিল ১৯৬৮, আমেরিকান ইনস্টিটিউট অফ ফিজিক্স, নিলস বোর লাইব্রেরি অ্যান্ড আর্কাইভস] * [http://www.colorado.edu/physics/Web/Gamow/life.html স্মারক বক্তৃতা সিরিজ (ইউনিভার্সিটি অফ কলোরাডো, বোল্ডার)] * [http://www.phy.bg.ac.yu/web_projects/giants/gamow.html সংক্ষিপ্ত জীবনী] * [http://www.nature.com/cgi-taf/DynaPage.taf?file=nature/journal/v404/n6777/full/404437a0_r.html "দ্য বিগ ব্যাং অ্যান্ড দ্য জেনেটিক কোড" ~ ''নেচার'' (৩০ মার্চ ২০০০)] * [http://www.loc.gov/exhibits/treasures/trr115.html "ডিএনএ: একজন 'অ্যামেচারের' প্রকৃত অবদান"] * [http://signalplusnoise.com/archives/000323.html "আ রেসপেক্টেবল সায়েন্টিস্ট" ~ সিগন্যাল + নয়েজ : অল মডেলস আর ফলস, সাম আর ইউজফুল (২৮ নভেম্বর ২০০৩)] * [http://www.norskfysikk.no/nfs/epsbiografer/GAMOW.PDF সংক্ষিপ্ত জীবনী (পিডিএফ ফরম্যাটে)] {{DEFAULTSORT:গ্যামো, জর্জ}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯০৪-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৬৮-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষাবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পদার্থবিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:মহাবিশ্বতত্ত্ববিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জ্যোতির্বিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:প্রাণরসায়নবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:উদ্ভাবক]] [[বিষয়শ্রেণী:ওডেসার ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাস্তিক]] [[বিষয়শ্রেণী:সোভিয়েত ইউনিয়নের পদার্থবিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসী]] [[বিষয়শ্রেণী:ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়া, বার্কলির শিক্ষক]] pcck08w6dii5tg20p75yf5xz81lok10 শেখ আন্তা দিওপ 0 13168 79840 79631 2026-04-22T22:30:39Z ARI 356 /* দ্য আফ্রিকান অরিজিন অফ সিভিলাইজেশন : মিথ অর রিয়েলিটি */ 79840 wikitext text/x-wiki [[File:Diop hbs.png|thumb|পিথাগোরাসের গণিত, মিলিটাসের থেলিসের চারটি উপাদানের তত্ত্ব, এপিকিউরাসের বস্তুবাদ, প্লেটোর ভাববাদ, ইহুদি ধর্ম, ইসলাম এবং আধুনিক বিজ্ঞানের শিকড় মিশরের সৃষ্টিতত্ত্ব ও বিজ্ঞানের মধ্যে নিহিত রয়েছে।]] '''[[w:শেখ আন্তা দিওপ|শেখ আন্তা দিওপ]]''' (২৯ ডিসেম্বর ১৯২৩ – ৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৬) ছিলেন একজন সেনেগালিজ ইতিহাসবিদ, নৃবিজ্ঞানী, পদার্থবিজ্ঞানী এবং রাজনীতিবিদ যিনি মানবজাতির উৎস এবং প্রাক-ঔপনিবেশিক আফ্রিকান সংস্কৃতি নিয়ে গবেষণা করেছিলেন। ==উক্তি== * কৃষ্ণাঙ্গ আফ্রিকানদের ইতিহাস এবং বুদ্ধিদীপ্ত অর্জনগুলোকে অস্বীকার করা ছিল একটি সাংস্কৃতিক ও মানসিক হত্যাকাণ্ড, যা বিশ্বের এখানে-সেখানে তাদের গণহত্যার পথ প্রশস্ত ও সুগম করেছিল। ** ''সিভিলাইজেশন অর বারবারিজম: অ্যান অথেনটিক অ্যানথ্রোপোলজি'' === ''দ্য আফ্রিকান অরিজিন অফ সিভিলাইজেশন : মিথ অর রিয়েলিটি'' === ::<small>''এন্তেরিওরাইট ডেস সিভিলাইজেশনস নেগ্রেস: মিথ উ ভেরিতে হিস্টোরিক?'' (১৯৬৭) এবং ''নেশনস নেগ্রেস এট কালচার'' (১৯৫৪), মার্সার কুক কর্তৃক ফরাসি থেকে অনূদিত (১৯৭৪)</small> * [[w:প্রাচীন মিশর|প্রাচীন মিশর]] ছিল একটি কৃষ্ণাঙ্গ সভ্যতা। ** পৃষ্ঠা ১৪ * প্রাচীন মিশরীয়রা ছিল কৃষ্ণাঙ্গ। তাদের সভ্যতার নৈতিক ফলসমূহ কৃষ্ণাঙ্গ বিশ্বের সম্পদ হিসেবে গণ্য হওয়া উচিত। ** পৃষ্ঠা ১৪ * নিজেকে ইতিহাসের কাছে একজন দেউলিয়া ঋণী হিসেবে উপস্থাপন করার পরিবর্তে, এই কৃষ্ণাঙ্গ বিশ্বই হলো সেই "পাশ্চাত্য" সভ্যতার প্রকৃত সূচনাকারী যা আজ আমাদের চোখের সামনে দম্ভ ভরে প্রদর্শন করা হয়। ** পৃষ্ঠা ১৪ * পিথাগোরাসের গণিত, মিলিটাসের থেলিসের চারটি উপাদানের তত্ত্ব, এপিকিউরাসের বস্তুবাদ, প্লেটোর ভাববাদ, ইহুদি ধর্ম, ইসলাম এবং আধুনিক বিজ্ঞানের শিকড় মিশরের সৃষ্টিতত্ত্ব ও বিজ্ঞানের মধ্যে নিহিত রয়েছে। ** পৃষ্ঠা ১৪ * প্রচলিত লোককথার বিপরীতে, কৃষ্ণাঙ্গ রাজা কখনোই অসীম ক্ষমতার অধিকারী কোনো স্বৈরাচারী ছিলেন না। ... তাঁর লক্ষ্য ছিল বিচক্ষণতার সাথে জনগণের সেবা করা এবং তাঁর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত সংবিধানের প্রতি তাঁর শ্রদ্ধার ওপর নির্ভরশীল ছিল। ** পৃষ্ঠা ২৩ * মধ্যযুগের সময় থেকেই, একটি কৃষ্ণাঙ্গ মিশরের স্মৃতি যা বিশ্বকে সভ্য করেছিল, তা লাইব্রেরিতে লুকিয়ে থাকা বা ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়া প্রাচীন ঐতিহ্যের অজ্ঞতার কারণে ঝাপসা হয়ে গিয়েছিল। দাসত্বের ওই চার শতাব্দীতে এটি আরও বেশি অস্পষ্ট হয়ে ওঠে। ** পৃষ্ঠা ২৪ * ইউরোপীয়রা কৃষ্ণাঙ্গ বিশ্বকে নিচু চোখে দেখত এবং এর সম্পদ ছাড়া অন্য কিছু স্পর্শ করার প্রয়োজন বোধ করত না। ** পৃষ্ঠা ২৪ ==উক্তি সম্পর্কে== * কোনো কৃষ্ণাঙ্গ ব্যক্তির লেখা এখন পর্যন্ত সবচেয়ে সাহসী বই এবং যা কোনো প্রশ্ন ছাড়াই আফ্রিকার জাগরণে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। ** [[w:এমে সেজায়ার|এমে সেজায়ার]], ''নেশনস নেগ্রেস এট কালচার (নিগ্রো নেশনস অ্যান্ড কালচার)'' (১৯৫৪) সম্পর্কে। ==বহিঃসংযোগ== {{wikipedia}} {{DEFAULTSORT:দিওপ, শেখ আন্তা}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯২৩-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৮৬-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:সেনেগালের ইতিহাসবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:সেনেগালের নৃবিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:সেনেগালের পদার্থবিজ্ঞানী]] 048z8uo6b4k7obj08qssvdxd2p1f17u এলিজাবেথ বিশপ 0 13170 79841 79635 2026-04-22T22:36:18Z ARI 356 /* উক্তি সম্পর্কে */ ; পরিষ্কার 79841 wikitext text/x-wiki [[File:Elizabeth Bishop, 1964 (cropped).jpg|thumb|১৯৬৪ সালে এলিজাবেথ বিশপ]] '''[[w:এলিজাবেথ বিশপ|এলিজাবেথ বিশপ]]''' (৮ ফেব্রুয়ারি ১৯১১ – ৬ অক্টোবর ১৯৭৯) ১৯৪৯ থেকে ১৯৫০ সাল পর্যন্ত [[w:ইউনাইটেড স্টেটস পোয়েট লরিয়েট|যুক্তরাষ্ট্রের পোয়েট লরিয়েট]] ছিলেন। তিনি ১৯৫৬ সালে [[w:পুলিৎজার পুরস্কার|পুলিৎজার পুরস্কার]] জয় করেন। == উক্তি == * প্রাচীন পেঁচাদের বাসা অবশ্যই পুড়ে গেছে। <br>তাড়াহুড়ো করে, একেবারে একা, <br>একটি চকচকে আরমাডিলো সেই স্থান ত্যাগ করল, <br>গোলাপি ছোপযুক্ত, মাথা নিচু করে, লেজ নামিয়ে। ** কবিতা: ''[http://unix.cc.wmich.edu/~cooneys/poems/bishop.armadillo.html দি আরমাডিলো]'' * মাছের বড় গামলাগুলো সম্পূর্ণভাবে আবৃত <br>সুন্দর হেরিং মাছের আঁশের স্তর দিয়ে <br>এবং হাতঠেলা গাড়িগুলো একইভাবে লেপা <br>ননী-শুভ্র রামধনু রঙের বর্মের আস্তরণ দিয়ে, <br>যার ওপর ছোট ছোট রামধনু রঙের মাছিগুলো হামাগুড়ি দিচ্ছে। ** কবিতা: ''অ্যাট দ্য ফিশহাউসেস'' * কেন আমি আমার মাসি হবো, <br>নাকি আমি, নাকি অন্য কেউ? <br>কীসের সেই মিল <br>বুটজুতো, হাত, পারিবারিক কণ্ঠস্বর <br>যা আমি নিজের গলায় অনুভব করেছি, <br>এমনকি [[w:ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক|ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক]] <br>এবং সেই বীভৎস ঝুলে থাকা স্তনগুলো <br>আমাদের সবাইকে এক সুতোয় বেঁধেছিল <br>নাকি আমাদের সবাইকে স্রেফ এক করে দিয়েছিল? ** কবিতা: ''ইন দ্য ওয়েটিং রুম'' *একজন জাদুকরের মধ্যরাতের আস্তিন থেকে <br>বেতার-গায়কেরা <br>তাদের সব প্রেমের গান ছড়িয়ে দেয় <br>শিশিরভেজা ঘাসের গালিচার ওপর। **কবিতা: ''লেট এয়ার'' === পোয়েমস, নর্থ অ্যান্ড সাউথ (১৯৪৬) === * স্বপ্নের সেই সাঁজোয়া গাড়িগুলো আমাদের অনেক <br>বিপজ্জনক কাজ করার সুযোগ করে দিয়েছিল। ** কবিতা: ''স্লিপিং স্ট্যান্ডিং আপ'' * ভূসংস্থান কোনো পক্ষপাতিত্ব দেখায় না; উত্তর দিক পশ্চিমের মতোই নিকটবর্তী। <br>ইতিহাসবিদদের রঙের চেয়ে মানচিত্রকারদের রঙ অনেক বেশি সূক্ষ্ম। ** কবিতা: ''দ্য ম্যাপ'' ==উক্তি সম্পর্কে== *আমি এলিজাবেথ বিশপকে ভালোবাসি, এবং আমি মনে করি যে লাতিন আমেরিকায় তিনি সত্যিই খুব সুপরিচিত। আমার মনে হয় তিনি লোয়েলের চেয়ে অনেক বেশি পরিচিত, সম্ভবত ব্রাজিলে তার অভিজ্ঞতার কারণে... আমি মনে করি যে [[ব্রাজিল]] এলিজাবেথ বিশপকে নিজের মতো হওয়ার সুযোগ করে দিয়েছিল। **মার্জোরি অ্যাগোসিন [https://blackbird.vcu.edu/v3n2/nonfiction/agosin_m/agosin_interview_text.htm সাক্ষাৎকার] (২০০৪) *আমি সেইসব কবিদের ভালোবাসি যারা কবিতা এবং জীবনের সমস্ত গতিময়তাকে একত্রিত করেন: নেরুদা, ফরচে, কার্দেনাল, ডুগান, বিশপ **লিন্ডা হোগান (লেখক), ''দিস ইজ অ্যাবাউট ভিশন : ইন্টারভিউস উইথ সাউথওয়েস্টার্ন রাইটার্স'' সংগৃহীত সাক্ষাৎকার (১৯৯০) * বিশপের শুরুর দিকের কাজগুলো আমাকে আকর্ষণ করত, কিন্তু আবার বিকর্ষণও করত বিকর্ষণ বলতে আমি এখানে প্রবেশাধিকার না পাওয়া বা দূরে ঠেলে দেওয়ার বিষয়টিকে বোঝাচ্ছি। আংশিকভাবে, তার সাথে আমার এই জটিলতাগুলো ছিল কবিতারই জটিলতা, যা একজন তরুণ কবি হিসেবে বিশপের নিজস্ব স্তর এবং নিজস্ব ভাষা খুঁজে পাওয়ার প্রচেষ্টারই অংশ। কিন্তু এর অন্য একটি কারণ ছিল আমার নিজস্ব জটিলতা; একজন আরও কমবয়সী নারী কবি হিসেবে আমি তখন থেকেই যৌন পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছি, একটি নারী বংশানুক্রম খুঁজছি, কিন্তু তখনও সচেতনভাবে সমকামী (লেসবিয়ান) হয়ে উঠিনি। তাঁর কাজের মধ্যে থাকা বহিরাগত হওয়া এবং প্রান্তিকতার বিষয়গুলোকে, সেইসাথে এর সংকেত এবং অস্পষ্টতাগুলোকে আমি তখন সমকামী পরিচয়ের সাথে মেলাতে পারিনি। আমি একটি স্পষ্ট নারী ঐতিহ্যের সন্ধান করছিলাম; কিন্তু যে ঐতিহ্য আমি আবিষ্কার করছিলাম তা ছিল ছড়ানো-ছিটানো, অধরা এবং প্রায়ই রহস্যময়। তবুও, বিশেষ করে ১৯৪০ এবং ১৯৫০-এর দশকের সময় ও সামাজিক প্রথার কথা বিবেচনা করলে, বিশপের কাজ এখন আমার কাছে লক্ষণীয়ভাবে সৎ এবং সাহসী বলে মনে হয়। সেই সময়ে বয়সে বড় সমসাময়িকদের খুঁজছিলেন এমন নারী কবিদের কাছে "মিস" মারিয়ান মুরকে একজন নারী কবির সাফল্যের আদর্শ হিসেবে দেখা হতো, এবং তার পরে "মিস" বিশপকে। সাহিত্যিক প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের উভয়কেই নির্বাচন ও স্বীকৃতি দিয়েছিল, যারা ছিল এখনকার মতোই শ্বেতাঙ্গ, পুরুষ এবং অন্তত দৃশ্যত বিষমকামী। এলিজাবেথ বিশপের নাম উচ্চারিত হতো, তার বইগুলো গভীর শ্রদ্ধার সাথে পর্যালোচনা করা হতো। কিন্তু নজর দেওয়া হতো তার বিজয় আর নিখুঁত শৈলীর ওপর, তাঁর আত্ম-পরিচয় খুঁজে পাওয়ার সংগ্রাম কিংবা তার ভিন্নতাবোধের ওপর নয়। এভাবে তার খ্যাতি তাকে আমার কাছে সহজলভ্য করার চেয়ে বরং আরও বেশি দুর্লভ করে তুলেছিল। তাঁর জনসমক্ষে আসার অনিয়মিত উপস্থিতি এবং ভৌগোলিক দূরত্ব ব্রাজিলে বহু বছর ধরে থাকা, কাকতালীয়ভাবে একজন নারীর সাথে, যা আমরা জানতাম না তাকে একজন নারী কবির জন্য এক অস্পষ্ট ও সমস্যাসংকুল জীবন-আদর্শে পরিণত করেছিল। **এড্রিয়েন রিচ, ''ব্লাড, ব্রেড, অ্যান্ড পোয়েট্রি'' (১৯৮৬) * সাম্প্রতিক সময় পর্যন্ত এই নারীসুলভ ক্রোধ এবং তার ওপর পুরুষের ক্ষমতার বিষয়ে এই তীব্র সচেতনতা নারী কবিদের জন্য সহজলভ্য উপকরণ ছিল না; নারী কবিরা ভালোবাসাকেই তাঁদের দুঃখের উৎস হিসেবে লিখেতেন এবং ভালোবাসার দ্বারা এই শিকারে পরিণত হওয়াকে একটি অনিবার্য ভাগ্য হিসেবে দেখতেন। অথবা, মারিয়ান মুর এবং এলিজাবেথ বিশপের মতো, তারা তাদের কবিতায় যৌনতাকে একটি পরিমিত ও সুনির্দিষ্ট দূরত্বে বজায় রাখতেন। **এড্রিয়েন রিচ, ''অন লাইজ, সিক্রেটস অ্যান্ড সাইলেন্স'' (১৯৭৯) == বহিঃসংযোগ == {{Wikipedia}} {{কমন্স বিষয়শ্রেণী}} {{DEFAULTSORT:বিশপ, এলিজাবেথ}} [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাষ্ট্রের ২০শ শতাব্দীর কবি]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাষ্ট্রের ছোটগল্পকার]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাষ্ট্রের নারী লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাষ্ট্রের নারী শিক্ষাবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:পুলিৎজার পুরস্কার বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাষ্ট্রের অনুবাদক]] [[বিষয়শ্রেণী:এলজিবিটি ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯১১-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৭৯-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:ম্যাসাচুসেটসের কবি]] [[বিষয়শ্রেণী:ন্যাশনাল বুক অ্যাওয়ার্ড বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ]] [[বিষয়শ্রেণী:ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজির অনুষদ]] [[বিষয়শ্রেণী:ভাসার কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] 1mzxknsynsd6iydg79wqkmek3kthsy5 মুহাম্মদ মাহদি আল-জাওয়াহিরি 0 13189 79928 79677 2026-04-23T07:13:01Z Anaf Ibn Shahibul 4193 /* উক্তি */ 79928 wikitext text/x-wiki [[File:شيلان2 (cropped).jpg|thumb|right|জনগণ যখন কোনো প্রচণ্ড ঝড়ের কবলে পড়ে, কেন আমরা তখন কাগজ আর কলমের আশ্রয় নিই?<br>লেখক বা কবিরা কি তাঁদের লেখনী দিয়ে শাম (সিরিয়া) বা বাগদাদকে রক্ষা করতে পেরেছিলেন?]] '''{{w|মুহাম্মদ মাহদি আল-জাওয়াহিরি|মুহাম্মদ মাহদি আল-জাওয়াহিরি}}''' (محمد مهدي الجواهري) (২৬ জুলাই ১৮৯৯ – ২৭ জুলাই ১৯৯৭) একজন {{w|ইরাকি জাতি|ইরাকি}} কবি ছিলেন। == উক্তি == * হে দামেস্ক, কষ্টের মুখে অটল থেকো / যেমন স্বর্ণ বহুবার গলানোর পরেও কখনও পুড়ে ছাই হয়ে যায় না। ** খলিল, আহমেদ (২০১৫) দ্য পোয়েটিক্স অফ হিউম্যান রাইটস: {{w|ডব্লিউ এইচ অডিন|অডিন}} অ্যান্ড আল-জাওয়াহিরি ইন দ্য ১৯৩০স। পিএইচডি থিসিস, ইউনিভার্সিটি অফ ইয়র্ক,[https://etheses.whiterose.ac.uk/id/eprint/8786/1/__userfs_afk502_w2k_Desktop_%D8%A7%D9%84%D8%A7%D8%B7%D8%B1%D9%88%D8%AD%D8%A9_latest%2520version%2520of%2520thesis%2520after%2520viva%25202015%2520march_POETICS%2520OF%2520HUMAN%2520RIGHTS%25202015%2520latest%2520copy.pdf] "দিমাশক জাবহাত আল-মাজদ" থেকে উদ্ধৃত: পৃষ্ঠা ৪৪। * তুমি কি জানো অথবা জানো না<br>যে আর্তদের ক্ষতগুলোই এক একটি মুখ? ** "মাই ব্রাদার জাফর" কবিতা থেকে, থম্পসন, ই. এফ. (২০১৮), দ্য ১৯৪৮ ওয়াথবা রিভিজিটেড। ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অফ কনটেম্পরারি ইরাকি স্টাডিজ-এ উদ্ধৃত। * أكلما عصفت بالشعب عاصفة &nbsp;&nbsp;&nbsp; هوجاء نستصرخ القرطاس و القلما<br>هل أنقذ الشام كتاب بما كتبوا &nbsp;&nbsp;&nbsp; أو شاعر صان بغدادا بما نظما ** জনগণ যখন কোনো প্রচণ্ড ঝড়ের কবলে পড়ে, কেন আমরা তখন কাগজ আর কলমের আশ্রয় নিই?<br>লেখক বা কবিরা কি তাঁদের লেখনী দিয়ে শাম (সিরিয়া) বা বাগদাদকে রক্ষা করতে পেরেছিলেন? *** ''ব্লিডিং প্যালেস্টাইন'' (১৯২৯)<ref>{{Cite book |last=সুলাইমান |first=খালিদ এ. |url=https://books.google.com/books?id=FnNbmfiz3KIC&dq=al-jawahiri+writer&pg=PA76 |title=প্যালেস্টাইন অ্যান্ড মডার্ন আরব পোয়েট্রি |date=1984 |publisher=জেড বুকস |isbn=978-0-86232-238-0 |pages=76–77 |language=en}}</ref> * سلى الحوادث و التاريخ هل عرفا حقا ورأيا بغير القوة احترما ** ইতিহাস এবং এর ঘটনাপ্রবাহকে জিজ্ঞাসা করো; শক্তি দ্বারা সুরক্ষিত নয় এমন কোনো অধিকার কি কখনও সম্মানিত হতে দেখেছে? *** ''ব্লিডিং প্যালেস্টাইন'' (১৯২৯)<ref>{{Cite book |last=সুলাইমান |first=খালিদ এ. |url=https://books.google.com/books?id=FnNbmfiz3KIC&dq=al-jawahiri+writer&pg=PA76 |title=প্যালেস্টাইন অ্যান্ড মডার্ন আরব পোয়েট্রি |date=1984 |publisher=জেড বুকস |isbn=978-0-86232-238-0 |pages=76–77 |language=en}}</ref> * তারা দম্ভ করে যে এক সুউচ্চ উদ্ধত ঢেউ<br>পালানোর প্রতিটি পথ আর নির্গমনপথ রুদ্ধ করে দিয়েছে<br>কিন্তু তারা মিথ্যা বলছে, কারণ আমার পঙ্ক্তিগুলো সময়ের মুখ পূর্ণ করে দেয়<br>পূর্ব থেকে পশ্চিমে অবিরাম বিচরণ করে<br>তাদের যৌবন থেকে তাদের ছিনিয়ে নিয়ে আছড়ে ফেলে দেয়<br>তাদের পরিণতির দিকে, ধ্বংস করে দেয় তাদের মিথ্যার বিশাল প্রাসাদ<br>কারণ আমিই তাদের মৃত্যু, তাদের ঘরবাড়ি তাদের ওপরই ভেঙে ফেলি,<br>এমনকি দ্বাররক্ষী আর শিশুদেরও প্ররোচিত করি তাদের নামকে অভিশাপ দিতে! ** "মাই ব্রাদার জাফর" কবিতা থেকে, কেভিন এম. জোন্স রচিত ''দ্য ডেঞ্জারস অফ পোয়েট্রি: কালচার, পলিটিক্স, অ্যান্ড রেভল্যুশন ইন ইরাক''-এ উদ্ধৃত। * জীবন থেকে তুমি আর কী কী ইচ্ছা এবং আকাঙ্ক্ষা<br>পূরণ করতে চাও<br>তোমাকে কি সুযোগ দেওয়া হয়েছে<br>তোমার সব স্বপ্ন সত্যি হতে দেখার<br>এবং শক্তিশালী হাতগুলো কি ছিল<br>তোমাকে সন্তুষ্ট করতে আগ্রহী<br>কিন্তু তুমি কষ্ট পেতেই ভালোবাসো<br>যেমন পুণ্যবানরা ভালোবাসেন {{w|আযান|আযান}}। ** "ফি আল-সিজন" কবিতা থেকে, পঙ্ক্তি ১-৪, খলিল, এ. এফ. (২০১৬), সাফারিং অ্যান্ড টেকনিকস অফ পোয়েটিক রেজিস্ট্যান্স: মুহাম্মদ মাহদি আল-জাওয়াহিরি'স "ইন জেল" অ্যান্ড ডব্লিউ. এইচ. অডিন'স "মিউজি ডেস বিউক্স আর্টস"। জার্নাল অফ লিটারেচার অ্যান্ড ট্রমা স্টাডিজ ৫(১), ৯৫-১২০।https://dx.doi.org/10.1353/jlt.2016.0016 == তাঁকে নিয়ে উক্তি == * যেখানে অন্যেরা ছিলেন শব্দের কবি, তিনি ছিলেন কর্মের কবি। ** {{w|জাবরা ইব্রাহিম জাবরা|জাবরা ইব্রাহিম জাবরা}}, কেভিন এম. জোন্স রচিত ''দ্য ডেঞ্জারস অফ পোয়েট্রি: কালচার, পলিটিক্স, অ্যান্ড রেভল্যুশন ইন ইরাক''-এ উদ্ধৃত। * মুহাম্মদ আল-জাওয়াহিরির কবিতা প্রচণ্ড আবেগে ঠাসা এবং তাঁর হিংস্র ও মৌলিক চিত্রকল্পের বিস্ফোরক প্রকৃতি পাঠকের ওপর প্রায় শারীরিক প্রভাব ফেলে। এর ফলে সামাজিক অবিচার, রাজনৈতিক দুর্নীতি এবং মানুষের অবমাননার প্রতি কবির যে ক্ষোভ, তা সংক্রামক হয়ে ওঠে এবং এমন তীব্রতায় পৌঁছায় যা মাঝে মাঝে সত্যিই ভয়াবহ। ** {{w|মুহাম্মদ মোস্তফা বাদাউই|মুহাম্মদ মোস্তফা বাদাউই}}, আলতোমা, এস. জে. (১৯৯৭), মুহাম্মদ মাহদি আল-জাওয়াহিরি (১৯০০?-১৯৯৭)। আরব স্টাডিজ কোয়ার্টারলি, ১৯(৪), v–viii-এ উদ্ধৃত। * এটি অনুতাপের বিষয় যে তাঁর কবিতার মাত্র অল্প কিছু অংশ ইংরেজিতে অনূদিত হয়েছে। এর বড় কারণ হলো, তাঁর কবিতা অলঙ্কারিক প্রয়োগ, ইশারা এবং অন্যান্য কৌশলের এক সমৃদ্ধ ঐতিহ্যের ওপর নির্ভরশীল যা সহজে অনুবাদযোগ্য নয়। তাঁর কবিতা অত্যন্ত রাজনৈতিক এবং তিনি পশ্চিমের প্রকাশ্য সমালোচক ছিলেন—এই বিষয়টিও নিঃসন্দেহে আধুনিক আরবি সাহিত্যের ওপর পশ্চিমা কাজগুলোতে তাঁকে প্রান্তিক করে রাখতে বা সম্পূর্ণ অনুপস্থিত রাখতে ভূমিকা রেখেছে। ** আলতোমা, সালিহ জে. "ইন মেমোরিয়াম: মুহাম্মদ মাহদি আল-জাওয়াহিরি (১৯০০?-১৯৯৭)।" আরব স্টাডিজ কোয়ার্টারলি ১৯, নং ৪ (১৯৯৭)। * তিনি [আল-জাওয়াহিরি] তাঁর কবিতার মাধ্যমে সে সময়ের রাজনৈতিক অঙ্গনে এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন; রাজনৈতিক অবক্ষয় ও আপোসের বিরুদ্ধে জনতাকে উত্তেজিত করেছিলেন এবং ফলস্বরূপ নিপীড়ন ও নির্বাসন ভোগ করেছিলেন। ** {{w|সালমা খাদরা জায়ুসি|সালমা খাদরা জায়ুসি}}, আলতোমা, এস. জে. (১৯৯৭), মুহাম্মদ মাহদি আল-জাওয়াহিরি (১৯০০?-১৯৯৭)-এ উদ্ধৃত। * মুহাম্মদ মাহদি আল-জাওয়াহিরির কবিতা ইরাকের আধুনিক ইতিহাসের চল্লিশ বছরেরও বেশি সময় ধরে ধীরে ধীরে এবং অনায়াসেই ইরাকি তথা আরবদের আত্মায় মিশে গেছে। কবির প্রতি ব্যক্তির দৃষ্টিভঙ্গি যেমনই হোক না কেন, এটি সমগ্র জাতির আবেগীয়, বুদ্ধিবৃত্তিক এবং রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার অংশ হয়ে উঠেছে... তিনি অনেকটা জাতির বিবেকের কণ্ঠস্বরের মতো। ** {{w|জাবরা ইব্রাহিম জাবরা|জাবরা ইব্রাহিম জাবরা}}, আলতোমা, এস. জে. (১৯৯৭), মুহাম্মদ মাহদি আল-জাওয়াহিরি (১৯০০?-১৯৯৭)-এ উদ্ধৃত। == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} {{DEFAULTSORT:Jawahiri, Muhammad Mahdi}} [[বিষয়শ্রেণী:১৮৯৯-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৯৭-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:ইরাকি কবি]] [[বিষয়শ্রেণী:আরবি ভাষার কবি]] iz178pef0b8tkm2zbjcdh5lsa7ikv5g 79934 79928 2026-04-23T07:14:37Z Anaf Ibn Shahibul 4193 /* তাঁকে নিয়ে উক্তি */ 79934 wikitext text/x-wiki [[File:شيلان2 (cropped).jpg|thumb|right|জনগণ যখন কোনো প্রচণ্ড ঝড়ের কবলে পড়ে, কেন আমরা তখন কাগজ আর কলমের আশ্রয় নিই?<br>লেখক বা কবিরা কি তাঁদের লেখনী দিয়ে শাম (সিরিয়া) বা বাগদাদকে রক্ষা করতে পেরেছিলেন?]] '''{{w|মুহাম্মদ মাহদি আল-জাওয়াহিরি|মুহাম্মদ মাহদি আল-জাওয়াহিরি}}''' (محمد مهدي الجواهري) (২৬ জুলাই ১৮৯৯ – ২৭ জুলাই ১৯৯৭) একজন {{w|ইরাকি জাতি|ইরাকি}} কবি ছিলেন। == উক্তি == * হে দামেস্ক, কষ্টের মুখে অটল থেকো / যেমন স্বর্ণ বহুবার গলানোর পরেও কখনও পুড়ে ছাই হয়ে যায় না। ** খলিল, আহমেদ (২০১৫) দ্য পোয়েটিক্স অফ হিউম্যান রাইটস: {{w|ডব্লিউ এইচ অডিন|অডিন}} অ্যান্ড আল-জাওয়াহিরি ইন দ্য ১৯৩০স। পিএইচডি থিসিস, ইউনিভার্সিটি অফ ইয়র্ক,[https://etheses.whiterose.ac.uk/id/eprint/8786/1/__userfs_afk502_w2k_Desktop_%D8%A7%D9%84%D8%A7%D8%B7%D8%B1%D9%88%D8%AD%D8%A9_latest%2520version%2520of%2520thesis%2520after%2520viva%25202015%2520march_POETICS%2520OF%2520HUMAN%2520RIGHTS%25202015%2520latest%2520copy.pdf] "দিমাশক জাবহাত আল-মাজদ" থেকে উদ্ধৃত: পৃষ্ঠা ৪৪। * তুমি কি জানো অথবা জানো না<br>যে আর্তদের ক্ষতগুলোই এক একটি মুখ? ** "মাই ব্রাদার জাফর" কবিতা থেকে, থম্পসন, ই. এফ. (২০১৮), দ্য ১৯৪৮ ওয়াথবা রিভিজিটেড। ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অফ কনটেম্পরারি ইরাকি স্টাডিজ-এ উদ্ধৃত। * أكلما عصفت بالشعب عاصفة &nbsp;&nbsp;&nbsp; هوجاء نستصرخ القرطاس و القلما<br>هل أنقذ الشام كتاب بما كتبوا &nbsp;&nbsp;&nbsp; أو شاعر صان بغدادا بما نظما ** জনগণ যখন কোনো প্রচণ্ড ঝড়ের কবলে পড়ে, কেন আমরা তখন কাগজ আর কলমের আশ্রয় নিই?<br>লেখক বা কবিরা কি তাঁদের লেখনী দিয়ে শাম (সিরিয়া) বা বাগদাদকে রক্ষা করতে পেরেছিলেন? *** ''ব্লিডিং প্যালেস্টাইন'' (১৯২৯)<ref>{{Cite book |last=সুলাইমান |first=খালিদ এ. |url=https://books.google.com/books?id=FnNbmfiz3KIC&dq=al-jawahiri+writer&pg=PA76 |title=প্যালেস্টাইন অ্যান্ড মডার্ন আরব পোয়েট্রি |date=1984 |publisher=জেড বুকস |isbn=978-0-86232-238-0 |pages=76–77 |language=en}}</ref> * سلى الحوادث و التاريخ هل عرفا حقا ورأيا بغير القوة احترما ** ইতিহাস এবং এর ঘটনাপ্রবাহকে জিজ্ঞাসা করো; শক্তি দ্বারা সুরক্ষিত নয় এমন কোনো অধিকার কি কখনও সম্মানিত হতে দেখেছে? *** ''ব্লিডিং প্যালেস্টাইন'' (১৯২৯)<ref>{{Cite book |last=সুলাইমান |first=খালিদ এ. |url=https://books.google.com/books?id=FnNbmfiz3KIC&dq=al-jawahiri+writer&pg=PA76 |title=প্যালেস্টাইন অ্যান্ড মডার্ন আরব পোয়েট্রি |date=1984 |publisher=জেড বুকস |isbn=978-0-86232-238-0 |pages=76–77 |language=en}}</ref> * তারা দম্ভ করে যে এক সুউচ্চ উদ্ধত ঢেউ<br>পালানোর প্রতিটি পথ আর নির্গমনপথ রুদ্ধ করে দিয়েছে<br>কিন্তু তারা মিথ্যা বলছে, কারণ আমার পঙ্ক্তিগুলো সময়ের মুখ পূর্ণ করে দেয়<br>পূর্ব থেকে পশ্চিমে অবিরাম বিচরণ করে<br>তাদের যৌবন থেকে তাদের ছিনিয়ে নিয়ে আছড়ে ফেলে দেয়<br>তাদের পরিণতির দিকে, ধ্বংস করে দেয় তাদের মিথ্যার বিশাল প্রাসাদ<br>কারণ আমিই তাদের মৃত্যু, তাদের ঘরবাড়ি তাদের ওপরই ভেঙে ফেলি,<br>এমনকি দ্বাররক্ষী আর শিশুদেরও প্ররোচিত করি তাদের নামকে অভিশাপ দিতে! ** "মাই ব্রাদার জাফর" কবিতা থেকে, কেভিন এম. জোন্স রচিত ''দ্য ডেঞ্জারস অফ পোয়েট্রি: কালচার, পলিটিক্স, অ্যান্ড রেভল্যুশন ইন ইরাক''-এ উদ্ধৃত। * জীবন থেকে তুমি আর কী কী ইচ্ছা এবং আকাঙ্ক্ষা<br>পূরণ করতে চাও<br>তোমাকে কি সুযোগ দেওয়া হয়েছে<br>তোমার সব স্বপ্ন সত্যি হতে দেখার<br>এবং শক্তিশালী হাতগুলো কি ছিল<br>তোমাকে সন্তুষ্ট করতে আগ্রহী<br>কিন্তু তুমি কষ্ট পেতেই ভালোবাসো<br>যেমন পুণ্যবানরা ভালোবাসেন {{w|আযান|আযান}}। ** "ফি আল-সিজন" কবিতা থেকে, পঙ্ক্তি ১-৪, খলিল, এ. এফ. (২০১৬), সাফারিং অ্যান্ড টেকনিকস অফ পোয়েটিক রেজিস্ট্যান্স: মুহাম্মদ মাহদি আল-জাওয়াহিরি'স "ইন জেল" অ্যান্ড ডব্লিউ. এইচ. অডিন'স "মিউজি ডেস বিউক্স আর্টস"। জার্নাল অফ লিটারেচার অ্যান্ড ট্রমা স্টাডিজ ৫(১), ৯৫-১২০।https://dx.doi.org/10.1353/jlt.2016.0016 == তাঁকে নিয়ে উক্তি == * যেখানে অন্যেরা ছিলেন শব্দের কবি, তিনি ছিলেন কর্মের কবি। ** {{w|জাবরা ইব্রাহিম জাবরা|জাবরা ইব্রাহিম জাবরা}}, কেভিন এম. জোন্স রচিত ''দ্য ডেঞ্জারস অফ পোয়েট্রি: কালচার, পলিটিক্স, অ্যান্ড রেভল্যুশন ইন ইরাক''-এ উদ্ধৃত। * মুহাম্মদ আল-জাওয়াহিরির কবিতা প্রচণ্ড আবেগে ঠাসা এবং তাঁর হিংস্র ও মৌলিক চিত্রকল্পের বিস্ফোরক প্রকৃতি পাঠকের ওপর প্রায় শারীরিক প্রভাব ফেলে। এর ফলে সামাজিক অবিচার, রাজনৈতিক দুর্নীতি এবং মানুষের অবমাননার প্রতি কবির যে ক্ষোভ, তা সংক্রামক হয়ে ওঠে এবং এমন তীব্রতায় পৌঁছায় যা মাঝে মাঝে সত্যিই ভয়াবহ। ** {{w|মুহাম্মদ মোস্তফা বাদাউই|মুহাম্মদ মোস্তফা বাদাউই}}, আলতোমা, এস. জে. (১৯৯৭), মুহাম্মদ মাহদি আল-জাওয়াহিরি (১৯০০?-১৯৯৭)। আরব স্টাডিজ কোয়ার্টারলি, ১৯(৪), v–viii-এ উদ্ধৃত। http://www.jstor.org/stable/41858216 * এটি অনুতাপের বিষয় যে তাঁর কবিতার মাত্র অল্প কিছু অংশ ইংরেজিতে অনূদিত হয়েছে। এর বড় কারণ হলো, তাঁর কবিতা অলঙ্কারিক প্রয়োগ, ইশারা এবং অন্যান্য কৌশলের এক সমৃদ্ধ ঐতিহ্যের ওপর নির্ভরশীল যা সহজে অনুবাদযোগ্য নয়। তাঁর কবিতা অত্যন্ত রাজনৈতিক এবং তিনি পশ্চিমের প্রকাশ্য সমালোচক ছিলেন—এই বিষয়টিও নিঃসন্দেহে আধুনিক আরবি সাহিত্যের ওপর পশ্চিমা কাজগুলোতে তাঁকে প্রান্তিক করে রাখতে বা সম্পূর্ণ অনুপস্থিত রাখতে ভূমিকা রেখেছে। ** আলতোমা, সালিহ জে. "ইন মেমোরিয়াম: মুহাম্মদ মাহদি আল-জাওয়াহিরি (১৯০০?-১৯৯৭)।" আরব স্টাডিজ কোয়ার্টারলি ১৯, নং ৪ (১৯৯৭)। https://link.gale.com/apps/doc/A20576619/AONE?u=anon~ca2f674f&sid=googleScholar&xid=a5967cc1 * তিনি [আল-জাওয়াহিরি] তাঁর কবিতার মাধ্যমে সে সময়ের রাজনৈতিক অঙ্গনে এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন; রাজনৈতিক অবক্ষয় ও আপোসের বিরুদ্ধে জনতাকে উত্তেজিত করেছিলেন এবং ফলস্বরূপ নিপীড়ন ও নির্বাসন ভোগ করেছিলেন। ** {{w|সালমা খাদরা জায়ুসি|সালমা খাদরা জায়ুসি}}, আলতোমা, এস. জে. (১৯৯৭), মুহাম্মদ মাহদি আল-জাওয়াহিরি (১৯০০?-১৯৯৭)-এ উদ্ধৃত। http://www.jstor.org/stable/41858216 * মুহাম্মদ মাহদি আল-জাওয়াহিরির কবিতা ইরাকের আধুনিক ইতিহাসের চল্লিশ বছরেরও বেশি সময় ধরে ধীরে ধীরে এবং অনায়াসেই ইরাকি তথা আরবদের আত্মায় মিশে গেছে। কবির প্রতি ব্যক্তির দৃষ্টিভঙ্গি যেমনই হোক না কেন, এটি সমগ্র জাতির আবেগীয়, বুদ্ধিবৃত্তিক এবং রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার অংশ হয়ে উঠেছে... তিনি অনেকটা জাতির বিবেকের কণ্ঠস্বরের মতো। ** {{w|জাবরা ইব্রাহিম জাবরা|জাবরা ইব্রাহিম জাবরা}}, আলতোমা, এস. জে. (১৯৯৭), মুহাম্মদ মাহদি আল-জাওয়াহিরি (১৯০০?-১৯৯৭)-এ উদ্ধৃত। http://www.jstor.org/stable/41858216 == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} {{DEFAULTSORT:Jawahiri, Muhammad Mahdi}} [[বিষয়শ্রেণী:১৮৯৯-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৯৭-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:ইরাকি কবি]] [[বিষয়শ্রেণী:আরবি ভাষার কবি]] nj3d2rya3h3mjkkmqib9q3r73c6t3ru জাক-ইভ কুস্তো 0 13191 79843 79680 2026-04-22T22:50:03Z ARI 356 পরিষ্কার 79843 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:Jacques-Yves Cousteau.jpg|thumb|জন্ম থেকেই মানুষ কাঁধে মহাকর্ষের ভার বহন করে। সে পৃথিবীর সাথে আবদ্ধ। কিন্তু মানুষ পৃষ্ঠতলের নিচে ডুব দিলেই মুক্ত। <br> ~ কুস্তো, ১৯৬০]] '''[[w:জ্যাক-ইভ কুস্তো|জ্যাক-ইভ কুস্তো]]''', [[w:অর্ডার অব অস্ট্রেলিয়া|এসি]] (১১ জুন ১৯১০ – ২৫ জুন ১৯৯৭), ইংরেজিতে সাধারণত '''জ্যাক কুস্তো''' নামে পরিচিত, একজন ফরাসি নৌ কর্মকর্তা, অভিযাত্রী, সংরক্ষণবাদী, চলচ্চিত্র নির্মাতা, উদ্ভাবক, বিজ্ঞানী, আলোকচিত্রী, লেখক এবং গবেষক ছিলেন। তিনি সমুদ্র ও জলজ জীবনের সব রূপ নিয়ে গবেষণা করেছেন। তিনি অ্যাকুয়া-লাং তৈরি করতে সহায়তা করেন, সামুদ্রিক সংরক্ষণের পথপ্রদর্শক হিসেবে কাজ করেন এবং আকাদেমি ফ্রঁসেজের সদস্য ছিলেন। == উক্তি == * '''জন্ম থেকেই মানুষ কাঁধে মহাকর্ষের ভার বহন করে। সে পৃথিবীর সাথে আবদ্ধ। কিন্তু মানুষ পৃষ্ঠতলের নিচে ডুব দিলেই মুক্ত।''' ** ''টাইম'' (২৮ মার্চ ১৯৬০) * '''পানির প্লবতায় হাত নাড়িয়ে মানুষ যেকোনো দিকে উড়তে পারে—উপরে, নিচে বা পাশে। পানির নিচে মানুষ প্রধান দেবদূতের মতো হয়ে যায়।''' ** ''টাইম'' (২৮ মার্চ ১৯৬০) * সমুদ্র হলো বিশ্বের আবর্জনার ভাগাড়। ** মার্কিন প্রতিনিধি সভার বিজ্ঞান ও মহাকাশচারী কমিটিতে সমুদ্রকে "যেখানে সব ধরনের দূষণ গিয়ে জমা হয়" হিসেবে ঘোষণা করার সময় (২৮ জানুয়ারি ১৯৭১) * আমাদের সমুদ্র চাষ করতে হবে এবং সেখানকার প্রাণীদের লালন-পালন করতে হবে... শিকারির পরিবর্তে কৃষকের মতো সমুদ্র ব্যবহার করতে হবে। শিকারের বদলে চাষাবাদই সভ্যতার মূল কথা। ** সাক্ষাৎকার (১৭ জুলাই ১৯৭১); উদ্ধৃত: এলিজাবেথ ব্রুবাকার এবং অন্যান্য (২০০৮) ''ব্রেথ অব ফ্রেশ এয়ার'', পৃষ্ঠা ১৮০ * আমরা বর্তমানে যেভাবে চাষাবাদ করি তা আসলে শিকারের মতো এবং সমুদ্রের ক্ষেত্রে আমরা বর্বর আচরণ করি। ** সাক্ষাৎকার (১৭ জুলাই ১৯৭১): উদ্ধৃত: জেন গুডঅল এবং অন্যান্য (২০০৫) ''হারভেস্ট ফর হোপ: এ গাইড টু মাইন্ডফুল ইটিং।'' * আমরা যদি এভাবেই চলতে থাকি, তবে আমাদের এই লোভের ফল ভোগ করতে হবে। আমরা যদি সচেতন না হই, তবে পৃথিবী থেকে মানুষের বিলুপ্তি ঘটবে এবং তার স্থান নেবে পতঙ্গ। ** সাক্ষাৎকার (১৭ জুলাই ১৯৭১){{fix cite}} * '''আসলে বিজ্ঞানী কে? তিনি একজন কৌতূহলী মানুষ, যিনি প্রকৃতির রহস্য জানার জন্য প্রকৃতির চাবির ছিদ্র দিয়ে উঁকি দিচ্ছেন।''' ** ''ক্রিশ্চিয়ান সায়েন্স মনিটর'' (২১ জুলাই ১৯৭১) * সব প্রাণীর মধ্যে সম্ভবত মানুষই একমাত্র প্রাণী যে নিজেকে পরম সুস্বাদু মনে করে। ** ''অক্টোপাস অ্যান্ড স্কুইড: দ্য সফট ইন্টেলিজেন্স'' (১৯৭৩) * আমি বিজ্ঞানী নই; বরং আমি বিজ্ঞানীদের একজন সংগঠক। ** ''ক্রিশ্চিয়ান সায়েন্স মনিটর'' (২৪ জুলাই ১৯৮৬) * '''প্রকৃতির মহিমা ঈশ্বর অস্তিত্বের প্রমাণ দেয়।''' ** উদ্ধৃত: ''[https://books.google.com.mx/books?id=5JAUkrhPJQIC&printsec=frontcover#v=onepage&q&f=false দ্য হিউম্যান, দ্য অর্কিড, অ্যান্ড দি অক্টোপাস: এক্সপ্লোরিং অ্যান্ড কনজারভিং আওয়ার ন্যাচারাল ওয়ার্ল্ড]'' (২০১০), অধ্যায় ৫। ব্লুমসবারি পাবলিশিং। * '''আমি বলেছিলাম যে সমুদ্র অসুস্থ, তবে তা মরে যাবে না। সমুদ্রে প্রাণের বিনাশ অসম্ভব—সেখানে সবসময়ই জীবন থাকবে—তবে প্রতি বছর এটি আরও বেশি অসুস্থ হয়ে পড়ছে।''' ** সাক্ষাৎকার (মার্চ ১৯৯৬){{fix cite}} * গত কয়েক দশকে সংবাদমাধ্যম একটি ভয়ংকর ক্ষতিকর গুজব ছড়িয়েছে। এটি অত্যন্ত বোকামি যে মানুষ নীল তিমির ধমনির মধ্য দিয়ে হামাগুড়ি দিয়ে যেতে পারে। অবশ্যই এটি সত্য নয়। আমি জানি না কেন এই গুজবটি পরিকল্পিতভাবে বারবার বলা হয়, তবে বিজ্ঞানের জন্য এটি একটি কলঙ্ক। ** ''অক্টোপাস অ্যান্ড স্কুইড: দ্য সফট ইন্টেলিজেন্স'' (১৯৭৩) * আগামী ৪০ বছরে জীবন কেমন হতে পারে আমাদের সেই প্রস্তুতি নিতে হবে। পৃথিবীর অনবায়নযোগ্য সম্পদ দিয়ে কী সম্ভব আর কী অসম্ভব তা আমাদের চিহ্নিত করতে হবে। প্রযুক্তিগত উন্নতির ভূমিকা কী হবে? সব দিক বিবেচনা করে ১০ বিলিয়ন মানুষের জন্য জীবনযাত্রার সর্বোত্তম মান কীভাবে নিশ্চিত করা যায়? এটি একটি সমস্যা যা সমাধান করা প্রয়োজন। ** সাক্ষাৎকার (মার্চ ১৯৯৬){{fix cite}} * কখনও কখনও আমরা খুব ভাগ্যবান হই যখন বুঝতে পারি আমাদের জীবন বদলে গেছে। আমরা পুরনোকে বিসর্জন দিই, নতুনকে গ্রহণ করি এবং একটি অপরিবর্তনীয় পথে এগিয়ে চলি। ** ''দ্য সাইলেন্ট ওয়ার্ল্ড''; লেখক: ক্যাপ্টেন জ্যাক-ইভ কুস্তো ও ফ্রেডেরিক ডুমাস; ২০০৪ ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক সোসাইটি, পৃষ্ঠা ৫। == কুস্তো সম্পর্কে উক্তি == * সিলভিয়া আর্লের প্রজন্ম ছিল অভিযাত্রী... তারা বুঝতে চাইতেন সেখানে কী আছে বা কীভাবে কাজ করে। পরে তারা বুঝলেন সমুদ্র বিপদে আছে এবং তারা সবাই সংরক্ষণবাদী হয়ে উঠলেন। জ্যাক কুস্তোর ক্ষেত্রেও আমরা একই পেশাদার পরিবর্তন দেখেছি। ** আয়ানা এলিজাবেথ জনসন, অন বিয়িং-এর সাথে [https://onbeing.org/programs/ayana-elizabeth-johnson-what-if-we-get-this-right/ সাক্ষাৎকার] (২০২২) * সিলভিয়া আর্ল, একজন মহান বিজ্ঞানী হওয়ার পাশাপাশি জ্যাক কুস্তোর যোগ্য উত্তরসূরি। তিনি আমাদের মতো স্থলচরদের কাছে সমুদ্রের রহস্য উন্মোচন করেছেন এবং আমাদের বিস্মিত ও স্বচ্ছন্দ হতে সাহায্য করেছেন। ** বিল ম্যাককিবেন ''দ্য ওয়ার্ল্ড ইজ ব্লু: হাউ আওয়ার ফেট অ্যান্ড দি ওশেন'স আর ওয়ান'' (২০০৯) == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} {{কমন্স|বিভাগ:জ্যাক-ইভ কুস্তো}} *[http://www.cousteau.org/ কুস্তো সোসাইটি] *[http://web.archive.org/web/20011125061550/http://www.cnn.com/WORLD/9706/25/cousteau.obit/cousteau.16.lrg.mov তরুণদের উদ্দেশ্যে কুস্তোর বক্তব্য] (.mov কুইকটাইম মুভি, ১.৬ মেগাবাইট) *[http://www.incwell.com/Biographies/Cousteau.html সংক্ষিপ্ত জীবনী] *[http://www.cnn.com/WORLD/9706/25/cousteau.obit/ শোকবার্তা (সিএনএন)] *[http://myhero.com/myhero/hero.asp?hero=cousteau মাই হিরো প্রজেক্টে কুস্তো] {{DEFAULTSORT:কুস্তো, জ্যাক-ইভ}} [[বিষয়শ্রেণী:ফরাসি শিক্ষাবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:ফরাসি আলোকচিত্রী]] [[বিষয়শ্রেণী:ফরাসি চলচ্চিত্র পরিচালক]] [[বিষয়শ্রেণী:ফরাসি জীববিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:ফরাসি প্রাণীবিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:ফরাসি প্রকৌশলী]] [[বিষয়শ্রেণী:উদ্ভাবক]] [[বিষয়শ্রেণী:ফরাসি অভিযাত্রী]] [[বিষয়শ্রেণী:ফরাসি নন-ফিকশন লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:জন্ম ১৯১০]] [[বিষয়শ্রেণী:মৃত্যু ১৯৯৭]] [[বিষয়শ্রেণী:প্রেসিডেন্সিয়াল মেডেল অফ ফ্রিডম বিজয়ী]] 41xsqxjw0iu1lq6iu7agha42swq56vr টমাস হলি চিভার্স 0 13193 79844 79685 2026-04-22T22:51:04Z ARI 356 পরিষ্কার 79844 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:ThomasHolleyChivers.jpg|থাম্ব|টমাস হলি চিভার্স]] '''[[w:bn:টমাস হলি চিভার্স|টমাস হলি চিভার্স]]''' (১৮ অক্টোবর, ১৮০৭ – ১৮ ডিসেম্বর, ১৮৫৮) ছিলেন জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের একজন মার্কিন কবি। [[চিত্র:Egg-rmh.jpg|থাম্ব|২৫০পিক্সেল|একটি ডিম যেমন একবার ভেঙে গেলে<br>আর কখনোই জোড়া লাগানো যায় না, বরং চিরকাল<br>সেই চূর্ণ-বিচূর্ণ ডিম হয়েই থেকে যায়—<br>আমার এই অন্ধকার হৃদয়ের অবস্থাও ঠিক তেমন!]] == উক্তি == * অনেক কোমল সিডোনিয়ান সুকেট<br> মিষ্টি আপেল, সুগন্ধি, ঐশ্বরিক,<br> পদ্মরাগ-রিমযুক্ত বেরিলিন বালতি থেকে<br> নক্ষত্রখচিত, লিলি-সদৃশ, স্বচ্ছ;<br> বুনো পান্না শসা-গাছে জন্মানো<br> সেই মিষ্টি সোনালী পেয়ালার মতো,<br> সমৃদ্ধ, উজ্জ্বল, ক্রিসোফ্রেজের মতো দীপ্তিময়<br> ছিল আমার সুন্দরী রোজালি লি। ** ''রোজালি লি''। * প্রভাতের সেই সুরের মূর্ছনায়<br> কনচিমেরিয়ান হর্ন থেকে প্রবাহিত,<br> রেবোয়ান্টিক নর্নের অন্ধকার দৃশ্যপটের নিচে,<br> অনন্তকালের প্রতিভার উদ্দেশ্যে<br> চিৎকার করে বলছে, "আমার কাছে এসো! আমার কাছে এসো!" ** ''দ্য পোয়েটস ভ্যাকেশন'' (কবির অবকাশ)। * রুবির বেরিল-রিমযুক্ত রেবেকের সুরে<br> যা আনা হয়েছে স্বচ্ছ স্রোতধারা থেকে,<br> তিনি ইউবা নদীর তীরে বাজিয়েছিলেন<br> সেইসব গান, যা তিনি স্বপ্নে শুনেছিলেন। ** ''লিলি অ্যাডায়ার''। * একটি ডিম যেমন একবার ভেঙে গেলে<br> আর কখনোই জোড়া লাগানো যায় না, বরং চিরকাল<br> সেই চূর্ণ-বিচূর্ণ ডিম হয়েই থেকে যায়—<br> আমার এই অন্ধকার হৃদয়ের অবস্থাও ঠিক তেমন! ** ''টু অ্যালেগ্রা ফ্লোরেন্স ইন হেভেন'' (স্বর্গের অ্যালেগ্রা ফ্লোরেন্সের প্রতি)। * হীরা যেমন স্বর্গের বর্ণহীন সাদা আলোর স্ফটিকতুল্য প্রকাশক, তেমনি একটি নিখুঁত কবিতা হলো ঐশ্বরিক ধারণার এক স্ফটিক স্বচ্ছ প্রকাশ। ** ''ইওনকস অব রুবির'' ভূমিকা। == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} {{উইকিসংকলন}} {{কমন্স বিষয়শ্রেণী|Thomas Holley Chivers}} * [http://www.archive.org/details/conradandeudorao00chivrich ''কনরাড অ্যান্ড ইউডোরা; অথবা, দ্য ডেথ অব আলোনজো''-এর সম্পূর্ণ পাঠ্য] {{DEFAULTSORT:চিভার্স, টমাস হলি}} [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কবি]] [[বিষয়শ্রেণী:১৮৫৮-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:জর্জিয়ার (মার্কিন অঙ্গরাজ্য) ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯শ শতাব্দীর মার্কিন কবি]] g3n45htcf8nnzbdwamfjegvrp2gt736 হেলেনীয় শিক্ষা 0 13196 79845 79690 2026-04-22T22:52:28Z ARI 356 পরিষ্কার 79845 wikitext text/x-wiki '''[[w:bn:হেলেনীয় শিক্ষা|হেলেনীয় শিক্ষা]]''' (হেলেনিক স্টাডিজ বা গ্রিক স্টাডিজ নামেও পরিচিত) একটি আন্তঃবিষয়ক পণ্ডিতি ক্ষেত্র যা উত্তর-ধ্রুপদী গ্রিসের ভাষা, সাহিত্য, ইতিহাস এবং রাজনীতির ওপর আলোকপাত করে। বিশ্ববিদ্যালয়ে বিস্তৃত পাঠ্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের এমন সব দৃষ্টিভঙ্গির সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয় যা তাদের বাইজেন্টাইন গ্রিস, অটোমান গ্রিস এবং আধুনিক গ্রিসের ইতিহাস বুঝতে সাহায্য করে। এর মাধ্যমে গ্রিস কীভাবে তার বৈচিত্র্যময় অতীতকে ধারণ করেছে এবং আধুনিক যুগে তার রূপান্তর ঘটিয়েছে, সেইসাথে এই যুগের বিশিষ্ট সাহিত্য ও শৈল্পিক ঐতিহ্য সম্পর্কে জানা যায়। == উক্তি == * আপনি যদি বর্তমানের ল্যাটিন, জার্মান এবং স্লাভিক জাতিগুলোর কাছ থেকে মহাসাগরের উভয় পাড়েই গ্রিস এবং ইসরায়েলের জনগণের কাছে তারা যা ঋণী তা কেড়ে নেন, তবে অনেক কিছুই হারিয়ে যাবে। কিন্তু আমরা যুক্তির এই ধারাটি শেষও করতে পারব না; এই জাতিগুলো যা ধার করেছে তা কেড়ে নেওয়া বা তাদের অস্তিত্ব থেকে বিচ্ছিন্ন করা একেবারেই অসম্ভব। এটি তাদের রক্ত ও সত্তায় এমনভাবে মিশে গেছে যে এটি এখন সেই জীবদেহেরই অংশ হয়ে উঠেছে, যা নিজেই এর বাহক এবং সঞ্চারক। এটি ছিল সেই মই যার মাধ্যমে এই জাতিগুলো শীর্ষে আরোহণ করেছে, অথবা আরও সঠিকভাবে বলতে গেলে: এটি ছিল সেই বৈদ্যুতিক প্রবাহ যা তাদের মধ্যে সুপ্ত শক্তিকে জাগিয়ে তুলেছিল। হেলেনবাদ এবং হিব্রুবাদ অথবা কোনো ভণিতা ছাড়াই বলতে গেলে ইহুদি ধর্ম একত্রে এমন এক ভাবনার পরিবেশ তৈরি করেছে যা ছাড়া সভ্য জাতিগুলোর কথা কল্পনাও করা যায় না... সভ্যতার পুনর্জন্মে হেলেনবাদের ভূমিকা নির্দ্বিধায় এবং কোনো ঈর্ষা ছাড়াই স্বীকৃত। এটি শিল্পের পুষ্প এবং জ্ঞানের ফল ছড়িয়ে দিয়েছে। এটি সৌন্দর্যের জগৎকে উন্মোচন করেছে এবং চিন্তার অলিম্পীয় স্বচ্ছতা দিয়ে তাকে আলোকিত করেছে। এই সাহিত্য এবং এর শৈল্পিক আদর্শের উত্তরাধিকার থেকে আজও এক পুনরুজ্জীবন শক্তি প্রবাহিত হচ্ছে। ধ্রুপদী গ্রিকরা মৃত, এবং তাদের উত্তরসূরিরা মৃতদের প্রতি যথাযথ আচরণই করে। কবরের কাছে ঈর্ষা এবং ঘৃণা নিরব থাকে; প্রকৃতপক্ষে তাদের অবদান প্রায়শই বাড়িয়ে বলা হয়। কিন্তু সেই অন্য সৃজনশীল জাতি অর্থাৎ হিব্রুদের ক্ষেত্রে বিষয়টি সম্পূর্ণ আলাদা। ঠিক তারা আজও জীবিত থাকার কারণেই সংস্কৃতিতে তাদের অবদান সাধারণত স্বীকার করা হয় না; তাদের সমালোচনা করা হয়, অথবা তাদের কৃতিত্বকে আংশিকভাবে গোপন করতে বা পুরোপুরি হঠিয়ে দিতে অন্য কোনো নাম দেওয়া হয়। ** এইচ. গ্রেটজ, "ইহুদিদের ইতিহাসের প্রথম খণ্ডের ভূমিকা"। সুজান এল. মার্চেন্ড - জার্মান ওরিয়েন্টালিজম ইন দ্য এজ অফ এম্পায়ার: রিলিজিয়ন, রেস অ্যান্ড স্কলারশিপ (২০০৯) থেকে উদ্ধৃত। * একটি পূর্বধারণা যা এই বিষয়ে অনেক ক্ষতি করেছে এবং করে চলেছে, তা হলো প্রাচ্য ও গ্রিক শিক্ষা এবং গ্রিক ও প্রাচ্যের মানসিকতার মধ্যে বিভাজন; এটি ক্রমবর্ধমানভাবে তৈরি করা হচ্ছে এবং খামখেয়ালিভাবে প্রয়োগ করা হচ্ছে, যেন এই বিশাল পার্থক্যের কোনো বাস্তব ভিত্তি আছে। মানবজাতির ইতিহাসে এশিয়ার বাসিন্দা এবং ইউরোপীয়দের একটি পরিবারের সদস্য হিসেবে দেখা উচিত, যাদের ইতিহাসকে কখনোই বিভক্ত করা উচিত নয়, যদি কেউ সমগ্রটিকে বুঝতে চায়। ** ফ্রেডরিখ শ্লেগেল, অন দ্য ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যান্ড উইজডম অফ দ্য ইন্ডিয়ানস, ১৮০৮। সুজান এল. মার্চেন্ড - জার্মান ওরিয়েন্টালিজম ইন দ্য এজ অফ এম্পায়ার (২০০৯) থেকে উদ্ধৃত। * গ্রিকদের প্রতি আগ্রহ ছিল আংশিকভাবে ধর্মতাত্ত্বিক; চার্চের ফাদারদের জগৎ ছিল গ্রিক এবং ইহুদিদের মধ্যে সম্পর্কের প্রশ্নে ভরপুর—সবকিছুর পরে, ওল্ড টেস্টামেন্টের প্রাচীনতম বিদ্যমান সংস্করণ "সেপ্টুয়াজিন্ট" ছিল গ্রিক ভাষায়, যেমনটি ছিল সেন্ট পলের লেখনি এবং গ্রিকই হলো নিউ টেস্টামেন্টের ভাষা। ** সুজান এল. মার্চেন্ড - জার্মান ওরিয়েন্টালিজম ইন দ্য এজ অফ এম্পায়ার: রিলিজিয়ন, রেস অ্যান্ড স্কলারশিপ, ক্যামব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস (২০০৯)। == বহিঃসংযোগ == {{Wikipedia}} [[বিষয়শ্রেণী:গ্রিস]] 21u56vyh28rdvgvfxck9lbo7lnwlyza জরাথুস্ট্রবাদ 0 13202 79711 2026-04-22T12:10:33Z Tuhin 172 + 79711 wikitext text/x-wiki '''[[w:জরাথুস্ট্রবাদ|জরাথুস্ট্রবাদ]]''' বা মাজদায়াসনা হলো বিশ্বের প্রাচীনতম নিরবচ্ছিন্নভাবে পালিত ধর্মগুলোর মধ্যে একটি। এটি [[জরাথ্রুস্ট|জরাথ্রুস্টের]] জীবন এবং শিক্ষার ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত। == উক্তি == * জরাথুস্ট্রবাদ হলো প্রকাশিত বিশ্বাসমূলক ধর্মগুলোর মধ্যে প্রাচীনতম এবং সম্ভবত অন্য যেকোনো একক বিশ্বাসের তুলনায় এটি মানবজাতির ওপর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে বেশি প্রভাব ফেলেছে। ** [[w:মেরি বয়েস|মেরি বয়েস]], ''জরাথ্রুস্ট্রিয়ানস: দেয়ার রিলিজিয়াস বিলিফস অ্যান্ড প্র্যাকটিসেস'', পৃষ্ঠা ১। * জরাথুস্ট্রবাদ আজ কেবল ফারস প্রদেশের ছোট ছোট সম্প্রদায়ের মধ্যে এবং ভারতের নব্বই হাজার পার্সিদের মধ্যে টিকে আছে। তারা নিষ্ঠার সাথে প্রাচীন ধর্মগ্রন্থগুলো সংরক্ষণ ও অধ্যয়ন করে; আগুন, মাটি, জল এবং বাতাসকে পবিত্র হিসেবে পূজা করে এবং তাদের মৃতদেহগুলোকে "টাওয়ার্স অব সাইলেন্স"-এ শিকারি পাখিদের জন্য উন্মুক্ত রাখে যাতে দাহ করা বা দাফন করার ফলে পবিত্র উপাদানগুলো অপবিত্র না হয়। তারা চমৎকার নৈতিকতা এবং চরিত্রের মানুষ, যা মানবজাতির ওপর জরাথ্রুস্টের মতবাদের সভ্যকরণ প্রভাবের এক জীবন্ত শ্রদ্ধাঞ্জলি। ** উইল ডুরান্ট, ''আওয়ার ওরিয়েন্টাল হেরিটেজ''। * দ্বৈতবাদী ধর্মগুলো এক হাজার বছরেরও বেশি সময় ধরে বিকাশ লাভ করেছিল। খ্রিস্টপূর্ব ১৫০০ থেকে ১০০০ অব্দের কোনো এক সময়ে মধ্য এশিয়ার কোথাও [[জরাথ্রুস্ট|জরাথ্রুস্ট]] (জারথুস্ট্রা) নামক একজন নবী সক্রিয় ছিলেন। তার বিশ্বাস প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে প্রবাহিত হয়েছিল যতক্ষণ না এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দ্বৈতবাদী ধর্ম - জরাথ্রুস্টবাদে পরিণত হয়। '''জরাথ্রুস্টবাদীরা বিশ্বকে ভালো দেবতা আহুরা মাজদা এবং মন্দ দেবতা আংরা মাইনয়ু-এর মধ্যকার একটি মহাজাগতিক যুদ্ধ হিসেবে দেখতেন।''' ** [[ইউভাল নোয়াহ হারারি|ইউভাল নোয়াহ হারারি]], স্যাপিয়েন্স: এ ব্রিফ হিস্ট্রি অব হিউম্যানকাইন্ড (২০১১), অধ্যায় ১২: "দ্য ল অব রিলিজিয়ন" * দেবদেবীগণ কখনোই নির্মূল হয়নি এবং জরাথুস্ট্রবাদ অন্তত কোনো কোনো অর্থে তার পুরো ইতিহাস জুড়ে একটি বহুঈশ্বরবাদী ধর্ম হিসেবেই রয়ে গিয়েছিল, যদিও আজ অনেক দেবদেবী তাদের ব্যক্তিগত ঐশ্বরিক চরিত্র হারিয়ে ফেলেছেন এবং তাদের নিজেদের জন্য পূজা করা হয় না বরং তাদের রূপক বা প্রতীক হিসেবে নতুনভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। এইভাবে, আধুনিক জরাথুস্ট্রবাদকে সম্ভবত একেশ্বরবাদী হিসেবে বর্ণনা করা সবচেয়ে ভালো, অবশ্যই ত্রিত্ববাদ এবং ফেরেশতাসহ খ্রিস্টধর্মের মতোই একেশ্বরবাদী, তবে ইহুদি ধর্ম এবং ইসলামের তুলনায় কম একেশ্বরবাদী। ** [[w:প্রোডস ওক্টর শেয়ার্ভো|প্রোডস ওক্টর শেয়ার্ভো]], ''জারথুস্ট্রা: এ রেভোলিউশনারি মনোপেইস্ট?'' (২০১১), যেমনটি উদ্ধৃত হয়েছে ''[https://www.academia.edu/37410828/Reconsidering_the_Concept_of_Revolutionary_Monotheism_Beate_Pongratz_Leisten_Winona_Lake_Indiana_EisEnbrauns_2011_Offprint_frOm রিকনসিডারিং দ্য কনসেপ্ট অব রেভোলিউশনারি মনোপেইজম]''-এ, পংগ্রাটজ-লেইস্টেন, বিয়াটে, পৃষ্ঠা ৩৫০, উইনোনা লেক আইএন: আইজেনব্রাউনস। আরও উদ্ধৃত হয়েছে [[কোনরাড এলস্ট|কোনরাড এলস্ট]] (২০১৮)-এর ''স্টিল নো ট্রেস অব অ্যান আরিয়ান ইনভেসন: এ কালেকশন অন ইন্দো-ইউরোপিয়ান অরিজিনস''-এ। * জরাথুস্ট্রবাদীরা উত্তর ভারতের একটি উপনিবেশ ছিল... [যারা] পশ্চিম দিকে আরাকোসিয়া এবং পারস্যে স্থানান্তরিত হয়েছিল। ** ম্যাক্স মুলার, (১৮৭৫:২৪৮) ১৮৭৫ দ্য সায়েন্স অব ল্যাঙ্গুয়েজ নিউ ইয়র্ক, স্ক্রিবনার। উদ্ধৃত হয়েছে কাজানাস, এন. (২০১৫)-এর বৈদিক অ্যান্ড ইন্দো-ইউরোপিয়ান স্টাডিজ-এ। আদিত্য প্রকাশন, অধ্যায় ৩। == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:জরাথুস্ট্রবাদ]] e8stvgjjgexg3nrh0kjk6z6awkc1jw7 79846 79711 2026-04-22T22:55:44Z ARI 356 সংশোধন; পরিষ্কার 79846 wikitext text/x-wiki '''[[w:জরাথুস্ট্রবাদ|জরাথুস্ট্রবাদ]]''' বা মাজদায়াসনা হলো বিশ্বের প্রাচীনতম নিরবচ্ছিন্নভাবে পালিত ধর্মগুলোর মধ্যে একটি। এটি [[জরাথ্রুস্ট|জরাথ্রুস্টের]] জীবন এবং শিক্ষার ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত। == উক্তি == * জরাথুস্ট্রবাদ হলো প্রকাশিত বিশ্বাসমূলক ধর্মগুলোর মধ্যে প্রাচীনতম এবং সম্ভবত অন্য যেকোনো একক বিশ্বাসের তুলনায় এটি মানবজাতির ওপর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে বেশি প্রভাব ফেলেছে। ** [[w:মেরি বয়েস|মেরি বয়েস]], ''জরাথ্রুস্ট্রিয়ানস: দেয়ার রিলিজিয়াস বিলিফস অ্যান্ড প্র্যাকটিসেস'', পৃষ্ঠা ১। * জরাথুস্ট্রবাদ আজ কেবল ফারস প্রদেশের ছোট ছোট সম্প্রদায়ের মধ্যে এবং ভারতের নব্বই হাজার পার্সিদের মধ্যে টিকে আছে। তারা নিষ্ঠার সাথে প্রাচীন ধর্মগ্রন্থগুলো সংরক্ষণ ও অধ্যয়ন করে; আগুন, মাটি, জল এবং বাতাসকে পবিত্র হিসেবে পূজা করে এবং তাদের মৃতদেহগুলোকে "টাওয়ার্স অব সাইলেন্সে" শিকারি পাখিদের জন্য উন্মুক্ত রাখে যাতে দাহ করা বা দাফন করার ফলে পবিত্র উপাদানগুলো অপবিত্র না হয়। তারা চমৎকার নৈতিকতা এবং চরিত্রের মানুষ, যা মানবজাতির ওপর জরাথ্রুস্টের মতবাদের সভ্যকরণ প্রভাবের এক জীবন্ত শ্রদ্ধাঞ্জলি। ** উইল ডুরান্ট, ''আওয়ার ওরিয়েন্টাল হেরিটেজ''। * দ্বৈতবাদী ধর্মগুলো এক হাজার বছরেরও বেশি সময় ধরে বিকাশ লাভ করেছিল। খ্রিস্টপূর্ব ১৫০০ থেকে ১০০০ অব্দের কোনো এক সময়ে মধ্য এশিয়ার কোথাও [[জরাথ্রুস্ট|জরাথ্রুস্ট]] (জারথুস্ট্রা) নামক একজন নবী সক্রিয় ছিলেন। তার বিশ্বাস প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে প্রবাহিত হয়েছিল যতক্ষণ না এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দ্বৈতবাদী ধর্ম - জরাথ্রুস্টবাদে পরিণত হয়। '''জরাথ্রুস্টবাদীরা বিশ্বকে ভালো দেবতা আহুরা মাজদা এবং মন্দ দেবতা আংরা মাইনয়ুের মধ্যকার একটি মহাজাগতিক যুদ্ধ হিসেবে দেখতেন।''' ** [[ইউভাল নোয়াহ হারারি|ইউভাল নোয়াহ হারারি]], স্যাপিয়েন্স: এ ব্রিফ হিস্ট্রি অব হিউম্যানকাইন্ড (২০১১), অধ্যায় ১২: "দ্য ল অব রিলিজিয়ন" * দেবদেবীগণ কখনোই নির্মূল হয়নি এবং জরাথুস্ট্রবাদ অন্তত কোনো কোনো অর্থে তার পুরো ইতিহাস জুড়ে একটি বহুঈশ্বরবাদী ধর্ম হিসেবেই রয়ে গিয়েছিল, যদিও আজ অনেক দেবদেবী তাদের ব্যক্তিগত ঐশ্বরিক চরিত্র হারিয়ে ফেলেছেন এবং তাদের নিজেদের জন্য পূজা করা হয় না বরং তাদের রূপক বা প্রতীক হিসেবে নতুনভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। এইভাবে, আধুনিক জরাথুস্ট্রবাদকে সম্ভবত একেশ্বরবাদী হিসেবে বর্ণনা করা সবচেয়ে ভালো, অবশ্যই ত্রিত্ববাদ এবং ফেরেশতাসহ খ্রিস্টধর্মের মতোই একেশ্বরবাদী, তবে ইহুদি ধর্ম এবং ইসলামের তুলনায় কম একেশ্বরবাদী। ** [[w:প্রোডস ওক্টর শেয়ার্ভো|প্রোডস ওক্টর শেয়ার্ভো]], ''জারথুস্ট্রা: এ রেভোলিউশনারি মনোপেইস্ট?'' (২০১১), যেমনটি উদ্ধৃত হয়েছে ''[https://www.academia.edu/37410828/Reconsidering_the_Concept_of_Revolutionary_Monotheism_Beate_Pongratz_Leisten_Winona_Lake_Indiana_EisEnbrauns_2011_Offprint_frOm রিকনসিডারিং দ্য কনসেপ্ট অব রেভোলিউশনারি মনোপেইজম]'', পংগ্রাটজ-লেইস্টেন, বিয়াটে, পৃষ্ঠা ৩৫০, উইনোনা লেক আইএন: আইজেনব্রাউনস। আরও উদ্ধৃত হয়েছে [[কোনরাড এলস্ট|কোনরাড এলস্ট]] (২০১৮) ''স্টিল নো ট্রেস অব অ্যান আরিয়ান ইনভেসন: এ কালেকশন অন ইন্দো-ইউরোপিয়ান অরিজিনস''। * জরাথুস্ট্রবাদীরা উত্তর ভারতের একটি উপনিবেশ ছিল... [যারা] পশ্চিম দিকে আরাকোসিয়া এবং পারস্যে স্থানান্তরিত হয়েছিল। ** ম্যাক্স মুলার, (১৮৭৫:২৪৮) ১৮৭৫ দ্য সায়েন্স অব ল্যাঙ্গুয়েজ নিউ ইয়র্ক, স্ক্রিবনার। উদ্ধৃত হয়েছে কাজানাস, এন. (২০১৫) বৈদিক অ্যান্ড ইন্দো-ইউরোপিয়ান স্টাডিজ। আদিত্য প্রকাশন, অধ্যায় ৩। == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:জরাথুস্ট্রবাদ]] pdot0ziahe0eno21zb1nsilsbon8lie আলাপ:স্মরণজিৎ চক্রবর্তী 1 13203 79712 2026-04-22T12:11:25Z Nil Nandy 2294 https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026 79712 wikitext text/x-wiki {{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}} s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm আলাপ:জরাথুস্ট্রবাদ 1 13204 79713 2026-04-22T12:12:37Z Tuhin 172 https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026 79713 wikitext text/x-wiki {{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}} s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm ব্যবহারকারী আলাপ:Rana mundari 3 13205 79714 2026-04-22T12:13:04Z অভ্যর্থনা কমিটি বট 1112 উইকিউক্তিতে স্বাগত! 79714 wikitext text/x-wiki == উইকিউক্তিতে স্বাগত == <div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;"> সুপ্রিয় Rana mundari,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন! * উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন। ** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন। * উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন। * পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন। * পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন। * [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন! কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম! &mdash; [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটি]] </div> ১২:১৩, ২২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) au32yfokn5mw908x3ibhmmyv4qte2n5 ব্যবহারকারী আলাপ:Sahem Sk 3 13206 79715 2026-04-22T12:13:13Z অভ্যর্থনা কমিটি বট 1112 উইকিউক্তিতে স্বাগত! 79715 wikitext text/x-wiki == উইকিউক্তিতে স্বাগত == <div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;"> সুপ্রিয় Sahem Sk,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন! * উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন। ** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন। * উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন। * পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন। * পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন। * [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন! কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম! &mdash; [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটি]] </div> ১২:১৩, ২২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) tftma5piifeu527an1flgqx0zi4t0wb খ্রিস্টান 0 13207 79716 2026-04-22T12:14:43Z Tuhin 172 [[খ্রিস্টধর্ম]]-এ পুনর্নির্দেশ করা হল 79716 wikitext text/x-wiki #redirect [[খ্রিস্টধর্ম]] gb7pr6tvvlzbguoq1que2qdx6ynpc6m সুবোধ সরকার 0 13208 79717 2026-04-22T12:23:23Z Nil Nandy 2294 উইকিপিডিয়া থেকে 79717 wikitext text/x-wiki সুবোধ সরকার (১৯৫৮-) পশ্চিমবঙ্গের একজন আধুনিক কবি। প্রথম কবিতার বই প্রকাশিত হয় সত্তরের দশকে। এপর্যন্ত্য কুড়িটি কবিতার বই লিখেছেন, জিতেছেন দুটি পুরস্কার, কবিতার জন্য দেশবিদেশ সফর করেছেন। সমালোচকরা বলেন তার কবিতায় আছে গভীর অন্তর্দৃষ্টি ও মানবিকতা, যা কখনো শ্লেষাত্মক, কখনো সরাসরি ও সংবেদনশীল। তিনি বর্তমানে ভাষানগর পত্রিকার সম্পাদক। synlam0pfw1hqa9eg2ftatcn6880iyh 79718 79717 2026-04-22T12:26:48Z Nil Nandy 2294 79718 wikitext text/x-wiki {{bw|সুবোধ সরকার}} (১৯৫৮-) পশ্চিমবঙ্গের একজন আধুনিক কবি। প্রথম কবিতার বই প্রকাশিত হয় সত্তরের দশকে। এপর্যন্ত্য কুড়িটি কবিতার বই লিখেছেন, জিতেছেন দুটি পুরস্কার, কবিতার জন্য দেশবিদেশ সফর করেছেন। সমালোচকরা বলেন তার কবিতায় আছে গভীর অন্তর্দৃষ্টি ও মানবিকতা, যা কখনো শ্লেষাত্মক, কখনো সরাসরি ও সংবেদনশীল। তিনি বর্তমানে ভাষানগর পত্রিকার সম্পাদক। ==উক্তি== ==তার সম্পর্কে উক্তি== ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} luv8eme5otb2m42ukquzcklba2wktrz 79719 79718 2026-04-22T12:30:35Z Nil Nandy 2294 /* উক্তি */ 79719 wikitext text/x-wiki {{bw|সুবোধ সরকার}} (১৯৫৮-) পশ্চিমবঙ্গের একজন আধুনিক কবি। প্রথম কবিতার বই প্রকাশিত হয় সত্তরের দশকে। এপর্যন্ত্য কুড়িটি কবিতার বই লিখেছেন, জিতেছেন দুটি পুরস্কার, কবিতার জন্য দেশবিদেশ সফর করেছেন। সমালোচকরা বলেন তার কবিতায় আছে গভীর অন্তর্দৃষ্টি ও মানবিকতা, যা কখনো শ্লেষাত্মক, কখনো সরাসরি ও সংবেদনশীল। তিনি বর্তমানে ভাষানগর পত্রিকার সম্পাদক। ==উক্তি== *আমি [[সুভাষ মুখোপাধ্যায়|সুভাষ মুখুজ্জে]] নই, আমি চুনোপুঁটি, ইতিহাসের বেসমেন্টে শুয়ে থাকা একটি আরশোলা। **ভূমিকা না লিখে পারলাম না, [https://www.ebanglalibrary.com/books/কবিতাসমগ্র-২-সুবোধ-সরকা/ কবিতাসমগ্র ২], প্রথম সংস্করণ: জানুয়ারি ২০১৬, প্রকাশক: আনন্দ পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড ==তার সম্পর্কে উক্তি== ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} 3oe622wvl3bk85fn02dnfjv3hbd7h2h 79720 79719 2026-04-22T12:32:23Z Nil Nandy 2294 /* উক্তি */ 79720 wikitext text/x-wiki {{bw|সুবোধ সরকার}} (১৯৫৮-) পশ্চিমবঙ্গের একজন আধুনিক কবি। প্রথম কবিতার বই প্রকাশিত হয় সত্তরের দশকে। এপর্যন্ত্য কুড়িটি কবিতার বই লিখেছেন, জিতেছেন দুটি পুরস্কার, কবিতার জন্য দেশবিদেশ সফর করেছেন। সমালোচকরা বলেন তার কবিতায় আছে গভীর অন্তর্দৃষ্টি ও মানবিকতা, যা কখনো শ্লেষাত্মক, কখনো সরাসরি ও সংবেদনশীল। তিনি বর্তমানে ভাষানগর পত্রিকার সম্পাদক। ==উক্তি== *আমি [[সুভাষ মুখোপাধ্যায়|সুভাষ মুখুজ্জে]] নই, আমি চুনোপুঁটি, ইতিহাসের বেসমেন্টে শুয়ে থাকা একটি আরশোলা। **ভূমিকা না লিখে পারলাম না, [https://www.ebanglalibrary.com/books/কবিতাসমগ্র-২-সুবোধ-সরকা/ কবিতাসমগ্র ২], প্রথম সংস্করণ: জানুয়ারি ২০১৬, প্রকাশক: আনন্দ পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড *গত উনিশ মাস ধরে যত গরল পান করেছি, হাতে গরম আলু ধরে থেকেছি, যত অক থু মেখেছি, পিঠে যত গোপন তির নিয়ে ঘুরে বেরিয়েছি, সেরকম দাহ আর কোনও [[বাঙালি]] লেখককে সহ্য করতে হয়নি পঁয়ত্রিশ বছরে। ক্লাস ইলেভেন থেকে লাইনে আছি, সমস্ত জীবিত লেখককে কাছ থেকে দেখেছি, দু’জন বাদে। আকাদেমি অফ ফাইন আর্টসের সামনে আমাকে মঞ্চ থেকে নামিয়ে দিয়ে বলা হয়েছে কবিতা পড়তে দেব না, বাপি বাড়ি যা। কাগজে কার্টুনে ছড়ায় এবং টেলিভিশনে আমার ‘মিডিয়া ট্রায়াল’ হয়েছে। ফেসবুকে যত ‘চার অক্ষরের বাণী’ বর্ষিত হয়েছে আমার মাথায় তার একটা সংকলন হলে ‘সুবোধ নিন্দা সমগ্র’ প্রকাশিত হতে পারে। আমার কোনও বই বেস্ট সেলার হয়নি, কোনওদিন হবেও না; কিন্তু সু.নি.স. বের হলে হট কেকের মতো বিক্রি হবে, আমি নিশ্চিত। আমি নরকের আগের স্টেশনে একটা শিংশপা গাছের তলায় একঝুড়ি কমলালেবু নিয়ে বসেছিলাম, বসে থাকতে থাকতে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম, ঘুম ভেঙে উঠে দেখি প্রতিটি কমলালেবু ফেটে হলুদ রঙের পোকা বেরিয়ে আমার সারা গায়ে উঠে পড়েছে। একটা পোকার নাম চার অক্ষর, একটা পোকার নাম অপমান, একটা পোকার নাম কুৎসা, একটা পোকার নাম ফেসবুক, একটা পোকার নাম পরাস্ত বাম জমানা। **ভূমিকা না লিখে পারলাম না, [https://www.ebanglalibrary.com/books/কবিতাসমগ্র-২-সুবোধ-সরকা/ কবিতাসমগ্র ২], প্রথম সংস্করণ: জানুয়ারি ২০১৬, প্রকাশক: আনন্দ পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড ==তার সম্পর্কে উক্তি== ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} 25u05410h8ooixsvd5l78jo09ftpruq 79722 79720 2026-04-22T12:34:05Z Nil Nandy 2294 /* উক্তি */ 79722 wikitext text/x-wiki {{bw|সুবোধ সরকার}} (১৯৫৮-) পশ্চিমবঙ্গের একজন আধুনিক কবি। প্রথম কবিতার বই প্রকাশিত হয় সত্তরের দশকে। এপর্যন্ত্য কুড়িটি কবিতার বই লিখেছেন, জিতেছেন দুটি পুরস্কার, কবিতার জন্য দেশবিদেশ সফর করেছেন। সমালোচকরা বলেন তার কবিতায় আছে গভীর অন্তর্দৃষ্টি ও মানবিকতা, যা কখনো শ্লেষাত্মক, কখনো সরাসরি ও সংবেদনশীল। তিনি বর্তমানে ভাষানগর পত্রিকার সম্পাদক। ==উক্তি== *আমি [[সুভাষ মুখোপাধ্যায়|সুভাষ মুখুজ্জে]] নই, আমি চুনোপুঁটি, ইতিহাসের বেসমেন্টে শুয়ে থাকা একটি আরশোলা। **ভূমিকা না লিখে পারলাম না, [https://www.ebanglalibrary.com/books/কবিতাসমগ্র-২-সুবোধ-সরকা/ কবিতাসমগ্র ২], প্রথম সংস্করণ: জানুয়ারি ২০১৬, প্রকাশক: আনন্দ পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড *গত উনিশ মাস ধরে যত গরল পান করেছি, হাতে গরম আলু ধরে থেকেছি, যত অক থু মেখেছি, পিঠে যত গোপন তির নিয়ে ঘুরে বেরিয়েছি, সেরকম দাহ আর কোনও [[বাঙালি]] লেখককে সহ্য করতে হয়নি পঁয়ত্রিশ বছরে। ক্লাস ইলেভেন থেকে লাইনে আছি, সমস্ত জীবিত লেখককে কাছ থেকে দেখেছি, দু’জন বাদে। আকাদেমি অফ ফাইন আর্টসের সামনে আমাকে মঞ্চ থেকে নামিয়ে দিয়ে বলা হয়েছে কবিতা পড়তে দেব না, বাপি বাড়ি যা। কাগজে কার্টুনে ছড়ায় এবং টেলিভিশনে আমার ‘মিডিয়া ট্রায়াল’ হয়েছে। ফেসবুকে যত ‘চার অক্ষরের বাণী’ বর্ষিত হয়েছে আমার মাথায় তার একটা সংকলন হলে ‘সুবোধ নিন্দা সমগ্র’ প্রকাশিত হতে পারে। আমার কোনও বই বেস্ট সেলার হয়নি, কোনওদিন হবেও না; কিন্তু সু.নি.স. বের হলে হট কেকের মতো বিক্রি হবে, আমি নিশ্চিত। আমি নরকের আগের স্টেশনে একটা শিংশপা গাছের তলায় একঝুড়ি কমলালেবু নিয়ে বসেছিলাম, বসে থাকতে থাকতে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম, ঘুম ভেঙে উঠে দেখি প্রতিটি কমলালেবু ফেটে হলুদ রঙের পোকা বেরিয়ে আমার সারা গায়ে উঠে পড়েছে। একটা পোকার নাম চার অক্ষর, একটা পোকার নাম অপমান, একটা পোকার নাম কুৎসা, একটা পোকার নাম ফেসবুক, একটা পোকার নাম পরাস্ত বাম জমানা। **ভূমিকা না লিখে পারলাম না, [https://www.ebanglalibrary.com/books/কবিতাসমগ্র-২-সুবোধ-সরকা/ কবিতাসমগ্র ২], প্রথম সংস্করণ: জানুয়ারি ২০১৬, প্রকাশক: আনন্দ পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড *আমি বললাম, আমি আর বামপন্থীদের সমর্থন করি না। আমি [[মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়|মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে]] সমর্থন করছি। আমি মমতাকে নিও- কমিউনিজ়মের জননী বলে মনে করি। এরপর আমার মাথায় বামপন্থীরা মল ঢেলে দিল। তবে সেই মল থেকে মাণিক্য পেয়েছি কি না তা ঠিক হবে মহাকালের মগডালে। **ভূমিকা না লিখে পারলাম না, [https://www.ebanglalibrary.com/books/কবিতাসমগ্র-২-সুবোধ-সরকা/ কবিতাসমগ্র ২], প্রথম সংস্করণ: জানুয়ারি ২০১৬, প্রকাশক: আনন্দ পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড ==তার সম্পর্কে উক্তি== ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} 4jsga2hglvmbtmno5umzpiw38dk2cep 79724 79722 2026-04-22T12:38:53Z Nil Nandy 2294 /* উক্তি */ 79724 wikitext text/x-wiki {{bw|সুবোধ সরকার}} (১৯৫৮-) পশ্চিমবঙ্গের একজন আধুনিক কবি। প্রথম কবিতার বই প্রকাশিত হয় সত্তরের দশকে। এপর্যন্ত্য কুড়িটি কবিতার বই লিখেছেন, জিতেছেন দুটি পুরস্কার, কবিতার জন্য দেশবিদেশ সফর করেছেন। সমালোচকরা বলেন তার কবিতায় আছে গভীর অন্তর্দৃষ্টি ও মানবিকতা, যা কখনো শ্লেষাত্মক, কখনো সরাসরি ও সংবেদনশীল। তিনি বর্তমানে ভাষানগর পত্রিকার সম্পাদক। ==উক্তি== *আমি [[সুভাষ মুখোপাধ্যায়|সুভাষ মুখুজ্জে]] নই, আমি চুনোপুঁটি, ইতিহাসের বেসমেন্টে শুয়ে থাকা একটি আরশোলা। **ভূমিকা না লিখে পারলাম না, [https://www.ebanglalibrary.com/books/কবিতাসমগ্র-২-সুবোধ-সরকা/ কবিতাসমগ্র ২], প্রথম সংস্করণ: জানুয়ারি ২০১৬, প্রকাশক: আনন্দ পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড *গত উনিশ মাস ধরে যত গরল পান করেছি, হাতে গরম আলু ধরে থেকেছি, যত অক থু মেখেছি, পিঠে যত গোপন তির নিয়ে ঘুরে বেরিয়েছি, সেরকম দাহ আর কোনও [[বাঙালি]] লেখককে সহ্য করতে হয়নি পঁয়ত্রিশ বছরে। ক্লাস ইলেভেন থেকে লাইনে আছি, সমস্ত জীবিত লেখককে কাছ থেকে দেখেছি, দু’জন বাদে। আকাদেমি অফ ফাইন আর্টসের সামনে আমাকে মঞ্চ থেকে নামিয়ে দিয়ে বলা হয়েছে কবিতা পড়তে দেব না, বাপি বাড়ি যা। কাগজে কার্টুনে ছড়ায় এবং টেলিভিশনে আমার ‘মিডিয়া ট্রায়াল’ হয়েছে। ফেসবুকে যত ‘চার অক্ষরের বাণী’ বর্ষিত হয়েছে আমার মাথায় তার একটা সংকলন হলে ‘সুবোধ নিন্দা সমগ্র’ প্রকাশিত হতে পারে। আমার কোনও বই বেস্ট সেলার হয়নি, কোনওদিন হবেও না; কিন্তু সু.নি.স. বের হলে হট কেকের মতো বিক্রি হবে, আমি নিশ্চিত। আমি নরকের আগের স্টেশনে একটা শিংশপা গাছের তলায় একঝুড়ি কমলালেবু নিয়ে বসেছিলাম, বসে থাকতে থাকতে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম, ঘুম ভেঙে উঠে দেখি প্রতিটি কমলালেবু ফেটে হলুদ রঙের পোকা বেরিয়ে আমার সারা গায়ে উঠে পড়েছে। একটা পোকার নাম চার অক্ষর, একটা পোকার নাম অপমান, একটা পোকার নাম কুৎসা, একটা পোকার নাম ফেসবুক, একটা পোকার নাম পরাস্ত বাম জমানা। **ভূমিকা না লিখে পারলাম না, [https://www.ebanglalibrary.com/books/কবিতাসমগ্র-২-সুবোধ-সরকা/ কবিতাসমগ্র ২], প্রথম সংস্করণ: জানুয়ারি ২০১৬, প্রকাশক: আনন্দ পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড *আমি বললাম, আমি আর বামপন্থীদের সমর্থন করি না। আমি [[মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়|মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে]] সমর্থন করছি। আমি মমতাকে নিও- কমিউনিজ়মের জননী বলে মনে করি। এরপর আমার মাথায় বামপন্থীরা মল ঢেলে দিল। তবে সেই মল থেকে মাণিক্য পেয়েছি কি না তা ঠিক হবে মহাকালের মগডালে। **ভূমিকা না লিখে পারলাম না, [https://www.ebanglalibrary.com/books/কবিতাসমগ্র-২-সুবোধ-সরকা/ কবিতাসমগ্র ২], প্রথম সংস্করণ: জানুয়ারি ২০১৬, প্রকাশক: আনন্দ পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড *আমার মা-কে সীমান্তে আর্মি অফিসার জিজ্ঞাসা করলেন, ‘হোয়ার আর য়্যু গোয়িং’? আমার মা বলেছিল, ‘ওরা আমার তুলসী মঞ্চ ভেঙে দিয়েছে, এপারে তুলসী লাগাতে দাও তোমরা?’ কী প্রশ্নের কী উত্তর! কোনওদিন স্কুলে না যাওয়া আমার অশিক্ষিত [[মা]] যা বলেছিলেন সেদিন, তার ভেতরে যদি কবিতা না থাকে, তা হলে কোথাও থাকতে পারে না কবিতা। **ভূমিকার বিরুদ্ধে ভূমিকা, [https://www.ebanglalibrary.com/books/কবিতাসমগ্র-১-সুবোধ-সরকার/ কবিতাসমগ্র ১], প্রথম সংস্করণ: জানুয়ারি ২০১৪ ==তার সম্পর্কে উক্তি== ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} brpqk0q44i537i5ze74js5x6sl5c3sn 79727 79724 2026-04-22T12:41:38Z Nil Nandy 2294 /* উক্তি */ 79727 wikitext text/x-wiki {{bw|সুবোধ সরকার}} (১৯৫৮-) পশ্চিমবঙ্গের একজন আধুনিক কবি। প্রথম কবিতার বই প্রকাশিত হয় সত্তরের দশকে। এপর্যন্ত্য কুড়িটি কবিতার বই লিখেছেন, জিতেছেন দুটি পুরস্কার, কবিতার জন্য দেশবিদেশ সফর করেছেন। সমালোচকরা বলেন তার কবিতায় আছে গভীর অন্তর্দৃষ্টি ও মানবিকতা, যা কখনো শ্লেষাত্মক, কখনো সরাসরি ও সংবেদনশীল। তিনি বর্তমানে ভাষানগর পত্রিকার সম্পাদক। ==উক্তি== *আমি [[সুভাষ মুখোপাধ্যায়|সুভাষ মুখুজ্জে]] নই, আমি চুনোপুঁটি, ইতিহাসের বেসমেন্টে শুয়ে থাকা একটি আরশোলা। **ভূমিকা না লিখে পারলাম না, [https://www.ebanglalibrary.com/books/কবিতাসমগ্র-২-সুবোধ-সরকা/ কবিতাসমগ্র ২], প্রথম সংস্করণ: জানুয়ারি ২০১৬, প্রকাশক: আনন্দ পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড *গত উনিশ মাস ধরে যত গরল পান করেছি, হাতে গরম আলু ধরে থেকেছি, যত অক থু মেখেছি, পিঠে যত গোপন তির নিয়ে ঘুরে বেরিয়েছি, সেরকম দাহ আর কোনও [[বাঙালি]] লেখককে সহ্য করতে হয়নি পঁয়ত্রিশ বছরে। ক্লাস ইলেভেন থেকে লাইনে আছি, সমস্ত জীবিত লেখককে কাছ থেকে দেখেছি, দু’জন বাদে। আকাদেমি অফ ফাইন আর্টসের সামনে আমাকে মঞ্চ থেকে নামিয়ে দিয়ে বলা হয়েছে কবিতা পড়তে দেব না, বাপি বাড়ি যা। কাগজে কার্টুনে ছড়ায় এবং টেলিভিশনে আমার ‘মিডিয়া ট্রায়াল’ হয়েছে। ফেসবুকে যত ‘চার অক্ষরের বাণী’ বর্ষিত হয়েছে আমার মাথায় তার একটা সংকলন হলে ‘সুবোধ নিন্দা সমগ্র’ প্রকাশিত হতে পারে। আমার কোনও বই বেস্ট সেলার হয়নি, কোনওদিন হবেও না; কিন্তু সু.নি.স. বের হলে হট কেকের মতো বিক্রি হবে, আমি নিশ্চিত। আমি নরকের আগের স্টেশনে একটা শিংশপা গাছের তলায় একঝুড়ি কমলালেবু নিয়ে বসেছিলাম, বসে থাকতে থাকতে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম, ঘুম ভেঙে উঠে দেখি প্রতিটি কমলালেবু ফেটে হলুদ রঙের পোকা বেরিয়ে আমার সারা গায়ে উঠে পড়েছে। একটা পোকার নাম চার অক্ষর, একটা পোকার নাম অপমান, একটা পোকার নাম কুৎসা, একটা পোকার নাম ফেসবুক, একটা পোকার নাম পরাস্ত বাম জমানা। **ভূমিকা না লিখে পারলাম না, [https://www.ebanglalibrary.com/books/কবিতাসমগ্র-২-সুবোধ-সরকা/ কবিতাসমগ্র ২], প্রথম সংস্করণ: জানুয়ারি ২০১৬, প্রকাশক: আনন্দ পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড *আমি বললাম, আমি আর বামপন্থীদের সমর্থন করি না। আমি [[মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়|মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে]] সমর্থন করছি। আমি মমতাকে নিও- কমিউনিজ়মের জননী বলে মনে করি। এরপর আমার মাথায় বামপন্থীরা মল ঢেলে দিল। তবে সেই মল থেকে মাণিক্য পেয়েছি কি না তা ঠিক হবে মহাকালের মগডালে। **ভূমিকা না লিখে পারলাম না, [https://www.ebanglalibrary.com/books/কবিতাসমগ্র-২-সুবোধ-সরকা/ কবিতাসমগ্র ২], প্রথম সংস্করণ: জানুয়ারি ২০১৬, প্রকাশক: আনন্দ পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড *আমার মা-কে সীমান্তে আর্মি অফিসার জিজ্ঞাসা করলেন, ‘হোয়ার আর য়্যু গোয়িং’? আমার মা বলেছিল, ‘ওরা আমার তুলসী মঞ্চ ভেঙে দিয়েছে, এপারে তুলসী লাগাতে দাও তোমরা?’ কী প্রশ্নের কী উত্তর! কোনওদিন স্কুলে না যাওয়া আমার অশিক্ষিত [[মা]] যা বলেছিলেন সেদিন, তার ভেতরে যদি কবিতা না থাকে, তা হলে কোথাও থাকতে পারে না কবিতা। **ভূমিকার বিরুদ্ধে ভূমিকা, [https://www.ebanglalibrary.com/books/কবিতাসমগ্র-১-সুবোধ-সরকার/ কবিতাসমগ্র ১], প্রথম সংস্করণ: জানুয়ারি ২০১৪ *আমি কার মতো? এটা একটা অবধারিত সন্দেহ। আমার বাবা কে? কার মতো লিখি? আমি ভেবে দেখেছি আমি আসলে বাস্টার্ড। আমার মা ছিলেন কোনও সারোগেট মাদার। লিগ্যাল স্টেটাস ঠিক আছে, কিন্তু জিন নির্ণয় না করা পর্যন্ত বলা যায় আমি বাংলা কবিতায় সূতপুত্র। আমার বাবা কি [[নিকানোর পাররা]] না [[নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী]]? আমার জ্যাঠামশাই কি সুভাষ মুখোপাধ্যায় না [[রামপ্রসাদ সেন]]? আমার মামাশ্বশুর কি [[ব্যোদলেয়র]] না [[সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়]]? জিন নির্ণয় করতে পারলে, শুধু বাংলা কবিতা নয়, মানবজাতি ক্যানসারের হাত থেকে বেঁচে যাবে। **ভূমিকার বিরুদ্ধে ভূমিকা, [https://www.ebanglalibrary.com/books/কবিতাসমগ্র-১-সুবোধ-সরকার/ কবিতাসমগ্র ১], প্রথম সংস্করণ: জানুয়ারি ২০১৪ ==তার সম্পর্কে উক্তি== ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} 3bdb4bm9uysf6epohm6g96tr2q2z1cl 79729 79727 2026-04-22T12:53:25Z Nil Nandy 2294 /* তার সম্পর্কে উক্তি */ 79729 wikitext text/x-wiki {{bw|সুবোধ সরকার}} (১৯৫৮-) পশ্চিমবঙ্গের একজন আধুনিক কবি। প্রথম কবিতার বই প্রকাশিত হয় সত্তরের দশকে। এপর্যন্ত্য কুড়িটি কবিতার বই লিখেছেন, জিতেছেন দুটি পুরস্কার, কবিতার জন্য দেশবিদেশ সফর করেছেন। সমালোচকরা বলেন তার কবিতায় আছে গভীর অন্তর্দৃষ্টি ও মানবিকতা, যা কখনো শ্লেষাত্মক, কখনো সরাসরি ও সংবেদনশীল। তিনি বর্তমানে ভাষানগর পত্রিকার সম্পাদক। ==উক্তি== *আমি [[সুভাষ মুখোপাধ্যায়|সুভাষ মুখুজ্জে]] নই, আমি চুনোপুঁটি, ইতিহাসের বেসমেন্টে শুয়ে থাকা একটি আরশোলা। **ভূমিকা না লিখে পারলাম না, [https://www.ebanglalibrary.com/books/কবিতাসমগ্র-২-সুবোধ-সরকা/ কবিতাসমগ্র ২], প্রথম সংস্করণ: জানুয়ারি ২০১৬, প্রকাশক: আনন্দ পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড *গত উনিশ মাস ধরে যত গরল পান করেছি, হাতে গরম আলু ধরে থেকেছি, যত অক থু মেখেছি, পিঠে যত গোপন তির নিয়ে ঘুরে বেরিয়েছি, সেরকম দাহ আর কোনও [[বাঙালি]] লেখককে সহ্য করতে হয়নি পঁয়ত্রিশ বছরে। ক্লাস ইলেভেন থেকে লাইনে আছি, সমস্ত জীবিত লেখককে কাছ থেকে দেখেছি, দু’জন বাদে। আকাদেমি অফ ফাইন আর্টসের সামনে আমাকে মঞ্চ থেকে নামিয়ে দিয়ে বলা হয়েছে কবিতা পড়তে দেব না, বাপি বাড়ি যা। কাগজে কার্টুনে ছড়ায় এবং টেলিভিশনে আমার ‘মিডিয়া ট্রায়াল’ হয়েছে। ফেসবুকে যত ‘চার অক্ষরের বাণী’ বর্ষিত হয়েছে আমার মাথায় তার একটা সংকলন হলে ‘সুবোধ নিন্দা সমগ্র’ প্রকাশিত হতে পারে। আমার কোনও বই বেস্ট সেলার হয়নি, কোনওদিন হবেও না; কিন্তু সু.নি.স. বের হলে হট কেকের মতো বিক্রি হবে, আমি নিশ্চিত। আমি নরকের আগের স্টেশনে একটা শিংশপা গাছের তলায় একঝুড়ি কমলালেবু নিয়ে বসেছিলাম, বসে থাকতে থাকতে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম, ঘুম ভেঙে উঠে দেখি প্রতিটি কমলালেবু ফেটে হলুদ রঙের পোকা বেরিয়ে আমার সারা গায়ে উঠে পড়েছে। একটা পোকার নাম চার অক্ষর, একটা পোকার নাম অপমান, একটা পোকার নাম কুৎসা, একটা পোকার নাম ফেসবুক, একটা পোকার নাম পরাস্ত বাম জমানা। **ভূমিকা না লিখে পারলাম না, [https://www.ebanglalibrary.com/books/কবিতাসমগ্র-২-সুবোধ-সরকা/ কবিতাসমগ্র ২], প্রথম সংস্করণ: জানুয়ারি ২০১৬, প্রকাশক: আনন্দ পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড *আমি বললাম, আমি আর বামপন্থীদের সমর্থন করি না। আমি [[মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়|মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে]] সমর্থন করছি। আমি মমতাকে নিও- কমিউনিজ়মের জননী বলে মনে করি। এরপর আমার মাথায় বামপন্থীরা মল ঢেলে দিল। তবে সেই মল থেকে মাণিক্য পেয়েছি কি না তা ঠিক হবে মহাকালের মগডালে। **ভূমিকা না লিখে পারলাম না, [https://www.ebanglalibrary.com/books/কবিতাসমগ্র-২-সুবোধ-সরকা/ কবিতাসমগ্র ২], প্রথম সংস্করণ: জানুয়ারি ২০১৬, প্রকাশক: আনন্দ পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড *আমার মা-কে সীমান্তে আর্মি অফিসার জিজ্ঞাসা করলেন, ‘হোয়ার আর য়্যু গোয়িং’? আমার মা বলেছিল, ‘ওরা আমার তুলসী মঞ্চ ভেঙে দিয়েছে, এপারে তুলসী লাগাতে দাও তোমরা?’ কী প্রশ্নের কী উত্তর! কোনওদিন স্কুলে না যাওয়া আমার অশিক্ষিত [[মা]] যা বলেছিলেন সেদিন, তার ভেতরে যদি কবিতা না থাকে, তা হলে কোথাও থাকতে পারে না কবিতা। **ভূমিকার বিরুদ্ধে ভূমিকা, [https://www.ebanglalibrary.com/books/কবিতাসমগ্র-১-সুবোধ-সরকার/ কবিতাসমগ্র ১], প্রথম সংস্করণ: জানুয়ারি ২০১৪ *আমি কার মতো? এটা একটা অবধারিত সন্দেহ। আমার বাবা কে? কার মতো লিখি? আমি ভেবে দেখেছি আমি আসলে বাস্টার্ড। আমার মা ছিলেন কোনও সারোগেট মাদার। লিগ্যাল স্টেটাস ঠিক আছে, কিন্তু জিন নির্ণয় না করা পর্যন্ত বলা যায় আমি বাংলা কবিতায় সূতপুত্র। আমার বাবা কি [[নিকানোর পাররা]] না [[নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী]]? আমার জ্যাঠামশাই কি সুভাষ মুখোপাধ্যায় না [[রামপ্রসাদ সেন]]? আমার মামাশ্বশুর কি [[ব্যোদলেয়র]] না [[সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়]]? জিন নির্ণয় করতে পারলে, শুধু বাংলা কবিতা নয়, মানবজাতি ক্যানসারের হাত থেকে বেঁচে যাবে। **ভূমিকার বিরুদ্ধে ভূমিকা, [https://www.ebanglalibrary.com/books/কবিতাসমগ্র-১-সুবোধ-সরকার/ কবিতাসমগ্র ১], প্রথম সংস্করণ: জানুয়ারি ২০১৪ ==তার সম্পর্কে উক্তি== *নৃসিংহ-ফৃসিংহ কিছু আছে না, তেলবাজ, যাদের জীবনে কখনও আগে দেখিনি আন্দোলন বা অমুক-তমুকে। পরিবর্তনের সরকারের আগে আমরা এত কিছু করেছি! এই লোকগুলো ছিল কোথায়? আজকের সুবোধই বা ছিল কোথায়? ওরা তো উল্টে আমাদের গালাগাল দিত! সেই এরা এখন সবচেয়ে বড় তেলবাজ হয়ে গিয়েছে। আমরা ভাষা বুঝি না, এই সব বড় বড় কথা বলেছে! **শুভাপ্রসন্ন। উৎস:[https://www.anandabazar.com/west-bengal/shuvaprasanna-attacks-nrisingha-prasad-bhaduri-and-subodh-sarkar-dgtl/cid/1409099 নৃসিংহপ্রসাদ আর সুবোধ ‘তেলবাজ’, শুভাপ্রসন্নের তোপ, পাল্টা জবাবে ভাষা যুদ্ধের ‘বাইশে ফেব্রুয়ারি'] ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} 94du0z8ogb4jg7we9towfmvximalsxl 79730 79729 2026-04-22T12:57:20Z Nil Nandy 2294 /* উক্তি */ 79730 wikitext text/x-wiki {{bw|সুবোধ সরকার}} (১৯৫৮-) পশ্চিমবঙ্গের একজন আধুনিক কবি। প্রথম কবিতার বই প্রকাশিত হয় সত্তরের দশকে। এপর্যন্ত্য কুড়িটি কবিতার বই লিখেছেন, জিতেছেন দুটি পুরস্কার, কবিতার জন্য দেশবিদেশ সফর করেছেন। সমালোচকরা বলেন তার কবিতায় আছে গভীর অন্তর্দৃষ্টি ও মানবিকতা, যা কখনো শ্লেষাত্মক, কখনো সরাসরি ও সংবেদনশীল। তিনি বর্তমানে ভাষানগর পত্রিকার সম্পাদক। ==উক্তি== *আমি [[সুভাষ মুখোপাধ্যায়|সুভাষ মুখুজ্জে]] নই, আমি চুনোপুঁটি, ইতিহাসের বেসমেন্টে শুয়ে থাকা একটি আরশোলা। **ভূমিকা না লিখে পারলাম না, [https://www.ebanglalibrary.com/books/কবিতাসমগ্র-২-সুবোধ-সরকা/ কবিতাসমগ্র ২], প্রথম সংস্করণ: জানুয়ারি ২০১৬, প্রকাশক: আনন্দ পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড *গত উনিশ মাস ধরে যত গরল পান করেছি, হাতে গরম আলু ধরে থেকেছি, যত অক থু মেখেছি, পিঠে যত গোপন তির নিয়ে ঘুরে বেরিয়েছি, সেরকম দাহ আর কোনও [[বাঙালি]] লেখককে সহ্য করতে হয়নি পঁয়ত্রিশ বছরে। ক্লাস ইলেভেন থেকে লাইনে আছি, সমস্ত জীবিত লেখককে কাছ থেকে দেখেছি, দু’জন বাদে। আকাদেমি অফ ফাইন আর্টসের সামনে আমাকে মঞ্চ থেকে নামিয়ে দিয়ে বলা হয়েছে কবিতা পড়তে দেব না, বাপি বাড়ি যা। কাগজে কার্টুনে ছড়ায় এবং টেলিভিশনে আমার ‘মিডিয়া ট্রায়াল’ হয়েছে। ফেসবুকে যত ‘চার অক্ষরের বাণী’ বর্ষিত হয়েছে আমার মাথায় তার একটা সংকলন হলে ‘সুবোধ নিন্দা সমগ্র’ প্রকাশিত হতে পারে। আমার কোনও বই বেস্ট সেলার হয়নি, কোনওদিন হবেও না; কিন্তু সু.নি.স. বের হলে হট কেকের মতো বিক্রি হবে, আমি নিশ্চিত। আমি নরকের আগের স্টেশনে একটা শিংশপা গাছের তলায় একঝুড়ি কমলালেবু নিয়ে বসেছিলাম, বসে থাকতে থাকতে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম, ঘুম ভেঙে উঠে দেখি প্রতিটি কমলালেবু ফেটে হলুদ রঙের পোকা বেরিয়ে আমার সারা গায়ে উঠে পড়েছে। একটা পোকার নাম চার অক্ষর, একটা পোকার নাম অপমান, একটা পোকার নাম কুৎসা, একটা পোকার নাম ফেসবুক, একটা পোকার নাম পরাস্ত বাম জমানা। **ভূমিকা না লিখে পারলাম না, [https://www.ebanglalibrary.com/books/কবিতাসমগ্র-২-সুবোধ-সরকা/ কবিতাসমগ্র ২], প্রথম সংস্করণ: জানুয়ারি ২০১৬, প্রকাশক: আনন্দ পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড *আমি বললাম, আমি আর বামপন্থীদের সমর্থন করি না। আমি [[মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়|মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে]] সমর্থন করছি। আমি মমতাকে নিও- কমিউনিজ়মের জননী বলে মনে করি। এরপর আমার মাথায় বামপন্থীরা মল ঢেলে দিল। তবে সেই মল থেকে মাণিক্য পেয়েছি কি না তা ঠিক হবে মহাকালের মগডালে। **ভূমিকা না লিখে পারলাম না, [https://www.ebanglalibrary.com/books/কবিতাসমগ্র-২-সুবোধ-সরকা/ কবিতাসমগ্র ২], প্রথম সংস্করণ: জানুয়ারি ২০১৬, প্রকাশক: আনন্দ পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড *আমার মা-কে সীমান্তে আর্মি অফিসার জিজ্ঞাসা করলেন, ‘হোয়ার আর য়্যু গোয়িং’? আমার মা বলেছিল, ‘ওরা আমার তুলসী মঞ্চ ভেঙে দিয়েছে, এপারে তুলসী লাগাতে দাও তোমরা?’ কী প্রশ্নের কী উত্তর! কোনওদিন স্কুলে না যাওয়া আমার অশিক্ষিত [[মা]] যা বলেছিলেন সেদিন, তার ভেতরে যদি কবিতা না থাকে, তা হলে কোথাও থাকতে পারে না কবিতা। **ভূমিকার বিরুদ্ধে ভূমিকা, [https://www.ebanglalibrary.com/books/কবিতাসমগ্র-১-সুবোধ-সরকার/ কবিতাসমগ্র ১], প্রথম সংস্করণ: জানুয়ারি ২০১৪ *আমি কার মতো? এটা একটা অবধারিত সন্দেহ। আমার বাবা কে? কার মতো লিখি? আমি ভেবে দেখেছি আমি আসলে বাস্টার্ড। আমার মা ছিলেন কোনও সারোগেট মাদার। লিগ্যাল স্টেটাস ঠিক আছে, কিন্তু জিন নির্ণয় না করা পর্যন্ত বলা যায় আমি বাংলা কবিতায় সূতপুত্র। আমার বাবা কি [[নিকানোর পাররা]] না [[নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী]]? আমার জ্যাঠামশাই কি সুভাষ মুখোপাধ্যায় না [[রামপ্রসাদ সেন]]? আমার মামাশ্বশুর কি [[ব্যোদলেয়র]] না [[সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়]]? জিন নির্ণয় করতে পারলে, শুধু বাংলা কবিতা নয়, মানবজাতি ক্যানসারের হাত থেকে বেঁচে যাবে। **ভূমিকার বিরুদ্ধে ভূমিকা, [https://www.ebanglalibrary.com/books/কবিতাসমগ্র-১-সুবোধ-সরকার/ কবিতাসমগ্র ১], প্রথম সংস্করণ: জানুয়ারি ২০১৪ *সামাজিক ভাবে যাঁদের বড় ভূমিকা রয়েছে এবং একই সঙ্গে যাঁরা সাহিত্য রচনা করছেন তাঁদের এই পুরস্কার দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। একটি উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন কমিটি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এখন এর প্রতিবাদে কেউ পুরস্কার ফেরত দিলে সেটা তাঁর ব্যক্তিগত ব্যাপার। **পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমির মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিশেষ পুরস্কার দেওয়ার প্রতিবাদে অন্নদাশঙ্কর স্মারক সম্মান ফিরিয়ে দেন লেখক ও গবেষক রত্না রশিদ বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই পরিপ্রেক্ষিতে সুবোধ সরকারের বক্তব্য। উৎস: [https://www.anandabazar.com/west-bengal/poet-subodh-ghosh-supported-the-decision-to-give-the-award-to-mamata-banerjee-dgtl/cid/1343532 প্রতিবাদ ব্যক্তির সিদ্ধান্ত: সুবোধ সরকার] ==তার সম্পর্কে উক্তি== *নৃসিংহ-ফৃসিংহ কিছু আছে না, তেলবাজ, যাদের জীবনে কখনও আগে দেখিনি আন্দোলন বা অমুক-তমুকে। পরিবর্তনের সরকারের আগে আমরা এত কিছু করেছি! এই লোকগুলো ছিল কোথায়? আজকের সুবোধই বা ছিল কোথায়? ওরা তো উল্টে আমাদের গালাগাল দিত! সেই এরা এখন সবচেয়ে বড় তেলবাজ হয়ে গিয়েছে। আমরা ভাষা বুঝি না, এই সব বড় বড় কথা বলেছে! **শুভাপ্রসন্ন। উৎস:[https://www.anandabazar.com/west-bengal/shuvaprasanna-attacks-nrisingha-prasad-bhaduri-and-subodh-sarkar-dgtl/cid/1409099 নৃসিংহপ্রসাদ আর সুবোধ ‘তেলবাজ’, শুভাপ্রসন্নের তোপ, পাল্টা জবাবে ভাষা যুদ্ধের ‘বাইশে ফেব্রুয়ারি'] ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} mzsto30csurcvxxickxuwzk1u5hxx3f 79731 79730 2026-04-22T13:00:11Z Nil Nandy 2294 /* তার সম্পর্কে উক্তি */ 79731 wikitext text/x-wiki {{bw|সুবোধ সরকার}} (১৯৫৮-) পশ্চিমবঙ্গের একজন আধুনিক কবি। প্রথম কবিতার বই প্রকাশিত হয় সত্তরের দশকে। এপর্যন্ত্য কুড়িটি কবিতার বই লিখেছেন, জিতেছেন দুটি পুরস্কার, কবিতার জন্য দেশবিদেশ সফর করেছেন। সমালোচকরা বলেন তার কবিতায় আছে গভীর অন্তর্দৃষ্টি ও মানবিকতা, যা কখনো শ্লেষাত্মক, কখনো সরাসরি ও সংবেদনশীল। তিনি বর্তমানে ভাষানগর পত্রিকার সম্পাদক। ==উক্তি== *আমি [[সুভাষ মুখোপাধ্যায়|সুভাষ মুখুজ্জে]] নই, আমি চুনোপুঁটি, ইতিহাসের বেসমেন্টে শুয়ে থাকা একটি আরশোলা। **ভূমিকা না লিখে পারলাম না, [https://www.ebanglalibrary.com/books/কবিতাসমগ্র-২-সুবোধ-সরকা/ কবিতাসমগ্র ২], প্রথম সংস্করণ: জানুয়ারি ২০১৬, প্রকাশক: আনন্দ পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড *গত উনিশ মাস ধরে যত গরল পান করেছি, হাতে গরম আলু ধরে থেকেছি, যত অক থু মেখেছি, পিঠে যত গোপন তির নিয়ে ঘুরে বেরিয়েছি, সেরকম দাহ আর কোনও [[বাঙালি]] লেখককে সহ্য করতে হয়নি পঁয়ত্রিশ বছরে। ক্লাস ইলেভেন থেকে লাইনে আছি, সমস্ত জীবিত লেখককে কাছ থেকে দেখেছি, দু’জন বাদে। আকাদেমি অফ ফাইন আর্টসের সামনে আমাকে মঞ্চ থেকে নামিয়ে দিয়ে বলা হয়েছে কবিতা পড়তে দেব না, বাপি বাড়ি যা। কাগজে কার্টুনে ছড়ায় এবং টেলিভিশনে আমার ‘মিডিয়া ট্রায়াল’ হয়েছে। ফেসবুকে যত ‘চার অক্ষরের বাণী’ বর্ষিত হয়েছে আমার মাথায় তার একটা সংকলন হলে ‘সুবোধ নিন্দা সমগ্র’ প্রকাশিত হতে পারে। আমার কোনও বই বেস্ট সেলার হয়নি, কোনওদিন হবেও না; কিন্তু সু.নি.স. বের হলে হট কেকের মতো বিক্রি হবে, আমি নিশ্চিত। আমি নরকের আগের স্টেশনে একটা শিংশপা গাছের তলায় একঝুড়ি কমলালেবু নিয়ে বসেছিলাম, বসে থাকতে থাকতে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম, ঘুম ভেঙে উঠে দেখি প্রতিটি কমলালেবু ফেটে হলুদ রঙের পোকা বেরিয়ে আমার সারা গায়ে উঠে পড়েছে। একটা পোকার নাম চার অক্ষর, একটা পোকার নাম অপমান, একটা পোকার নাম কুৎসা, একটা পোকার নাম ফেসবুক, একটা পোকার নাম পরাস্ত বাম জমানা। **ভূমিকা না লিখে পারলাম না, [https://www.ebanglalibrary.com/books/কবিতাসমগ্র-২-সুবোধ-সরকা/ কবিতাসমগ্র ২], প্রথম সংস্করণ: জানুয়ারি ২০১৬, প্রকাশক: আনন্দ পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড *আমি বললাম, আমি আর বামপন্থীদের সমর্থন করি না। আমি [[মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়|মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে]] সমর্থন করছি। আমি মমতাকে নিও- কমিউনিজ়মের জননী বলে মনে করি। এরপর আমার মাথায় বামপন্থীরা মল ঢেলে দিল। তবে সেই মল থেকে মাণিক্য পেয়েছি কি না তা ঠিক হবে মহাকালের মগডালে। **ভূমিকা না লিখে পারলাম না, [https://www.ebanglalibrary.com/books/কবিতাসমগ্র-২-সুবোধ-সরকা/ কবিতাসমগ্র ২], প্রথম সংস্করণ: জানুয়ারি ২০১৬, প্রকাশক: আনন্দ পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড *আমার মা-কে সীমান্তে আর্মি অফিসার জিজ্ঞাসা করলেন, ‘হোয়ার আর য়্যু গোয়িং’? আমার মা বলেছিল, ‘ওরা আমার তুলসী মঞ্চ ভেঙে দিয়েছে, এপারে তুলসী লাগাতে দাও তোমরা?’ কী প্রশ্নের কী উত্তর! কোনওদিন স্কুলে না যাওয়া আমার অশিক্ষিত [[মা]] যা বলেছিলেন সেদিন, তার ভেতরে যদি কবিতা না থাকে, তা হলে কোথাও থাকতে পারে না কবিতা। **ভূমিকার বিরুদ্ধে ভূমিকা, [https://www.ebanglalibrary.com/books/কবিতাসমগ্র-১-সুবোধ-সরকার/ কবিতাসমগ্র ১], প্রথম সংস্করণ: জানুয়ারি ২০১৪ *আমি কার মতো? এটা একটা অবধারিত সন্দেহ। আমার বাবা কে? কার মতো লিখি? আমি ভেবে দেখেছি আমি আসলে বাস্টার্ড। আমার মা ছিলেন কোনও সারোগেট মাদার। লিগ্যাল স্টেটাস ঠিক আছে, কিন্তু জিন নির্ণয় না করা পর্যন্ত বলা যায় আমি বাংলা কবিতায় সূতপুত্র। আমার বাবা কি [[নিকানোর পাররা]] না [[নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী]]? আমার জ্যাঠামশাই কি সুভাষ মুখোপাধ্যায় না [[রামপ্রসাদ সেন]]? আমার মামাশ্বশুর কি [[ব্যোদলেয়র]] না [[সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়]]? জিন নির্ণয় করতে পারলে, শুধু বাংলা কবিতা নয়, মানবজাতি ক্যানসারের হাত থেকে বেঁচে যাবে। **ভূমিকার বিরুদ্ধে ভূমিকা, [https://www.ebanglalibrary.com/books/কবিতাসমগ্র-১-সুবোধ-সরকার/ কবিতাসমগ্র ১], প্রথম সংস্করণ: জানুয়ারি ২০১৪ *সামাজিক ভাবে যাঁদের বড় ভূমিকা রয়েছে এবং একই সঙ্গে যাঁরা সাহিত্য রচনা করছেন তাঁদের এই পুরস্কার দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। একটি উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন কমিটি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এখন এর প্রতিবাদে কেউ পুরস্কার ফেরত দিলে সেটা তাঁর ব্যক্তিগত ব্যাপার। **পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমির মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিশেষ পুরস্কার দেওয়ার প্রতিবাদে অন্নদাশঙ্কর স্মারক সম্মান ফিরিয়ে দেন লেখক ও গবেষক রত্না রশিদ বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই পরিপ্রেক্ষিতে সুবোধ সরকারের বক্তব্য। উৎস: [https://www.anandabazar.com/west-bengal/poet-subodh-ghosh-supported-the-decision-to-give-the-award-to-mamata-banerjee-dgtl/cid/1343532 প্রতিবাদ ব্যক্তির সিদ্ধান্ত: সুবোধ সরকার] ==তার সম্পর্কে উক্তি== *নৃসিংহ-ফৃসিংহ কিছু আছে না, তেলবাজ, যাদের জীবনে কখনও আগে দেখিনি আন্দোলন বা অমুক-তমুকে। পরিবর্তনের সরকারের আগে আমরা এত কিছু করেছি! এই লোকগুলো ছিল কোথায়? আজকের সুবোধই বা ছিল কোথায়? ওরা তো উল্টে আমাদের গালাগাল দিত! সেই এরা এখন সবচেয়ে বড় তেলবাজ হয়ে গিয়েছে। আমরা ভাষা বুঝি না, এই সব বড় বড় কথা বলেছে! **[[:w:শুভাপ্রসন্ন|শুভাপ্রসন্ন]]। উৎস:[https://www.anandabazar.com/west-bengal/shuvaprasanna-attacks-nrisingha-prasad-bhaduri-and-subodh-sarkar-dgtl/cid/1409099 নৃসিংহপ্রসাদ আর সুবোধ ‘তেলবাজ’, শুভাপ্রসন্নের তোপ, পাল্টা জবাবে ভাষা যুদ্ধের ‘বাইশে ফেব্রুয়ারি'] ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} eoth61k198iaiibq5x6qkgcu6q98m6k 79733 79731 2026-04-22T13:03:35Z Nil Nandy 2294 /* উক্তি */ 79733 wikitext text/x-wiki {{bw|সুবোধ সরকার}} (১৯৫৮-) পশ্চিমবঙ্গের একজন আধুনিক কবি। প্রথম কবিতার বই প্রকাশিত হয় সত্তরের দশকে। এপর্যন্ত্য কুড়িটি কবিতার বই লিখেছেন, জিতেছেন দুটি পুরস্কার, কবিতার জন্য দেশবিদেশ সফর করেছেন। সমালোচকরা বলেন তার কবিতায় আছে গভীর অন্তর্দৃষ্টি ও মানবিকতা, যা কখনো শ্লেষাত্মক, কখনো সরাসরি ও সংবেদনশীল। তিনি বর্তমানে ভাষানগর পত্রিকার সম্পাদক। ==উক্তি== *আমি [[সুভাষ মুখোপাধ্যায়|সুভাষ মুখুজ্জে]] নই, আমি চুনোপুঁটি, ইতিহাসের বেসমেন্টে শুয়ে থাকা একটি আরশোলা। **ভূমিকা না লিখে পারলাম না, [https://www.ebanglalibrary.com/books/কবিতাসমগ্র-২-সুবোধ-সরকা/ কবিতাসমগ্র ২], প্রথম সংস্করণ: জানুয়ারি ২০১৬, প্রকাশক: আনন্দ পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড *গত উনিশ মাস ধরে যত গরল পান করেছি, হাতে গরম আলু ধরে থেকেছি, যত অক থু মেখেছি, পিঠে যত গোপন তির নিয়ে ঘুরে বেরিয়েছি, সেরকম দাহ আর কোনও [[বাঙালি]] লেখককে সহ্য করতে হয়নি পঁয়ত্রিশ বছরে। ক্লাস ইলেভেন থেকে লাইনে আছি, সমস্ত জীবিত লেখককে কাছ থেকে দেখেছি, দু’জন বাদে। আকাদেমি অফ ফাইন আর্টসের সামনে আমাকে মঞ্চ থেকে নামিয়ে দিয়ে বলা হয়েছে কবিতা পড়তে দেব না, বাপি বাড়ি যা। কাগজে কার্টুনে ছড়ায় এবং টেলিভিশনে আমার ‘মিডিয়া ট্রায়াল’ হয়েছে। ফেসবুকে যত ‘চার অক্ষরের বাণী’ বর্ষিত হয়েছে আমার মাথায় তার একটা সংকলন হলে ‘সুবোধ নিন্দা সমগ্র’ প্রকাশিত হতে পারে। আমার কোনও বই বেস্ট সেলার হয়নি, কোনওদিন হবেও না; কিন্তু সু.নি.স. বের হলে হট কেকের মতো বিক্রি হবে, আমি নিশ্চিত। আমি নরকের আগের স্টেশনে একটা শিংশপা গাছের তলায় একঝুড়ি কমলালেবু নিয়ে বসেছিলাম, বসে থাকতে থাকতে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম, ঘুম ভেঙে উঠে দেখি প্রতিটি কমলালেবু ফেটে হলুদ রঙের পোকা বেরিয়ে আমার সারা গায়ে উঠে পড়েছে। একটা পোকার নাম চার অক্ষর, একটা পোকার নাম অপমান, একটা পোকার নাম কুৎসা, একটা পোকার নাম ফেসবুক, একটা পোকার নাম পরাস্ত বাম জমানা। **ভূমিকা না লিখে পারলাম না, [https://www.ebanglalibrary.com/books/কবিতাসমগ্র-২-সুবোধ-সরকা/ কবিতাসমগ্র ২], প্রথম সংস্করণ: জানুয়ারি ২০১৬, প্রকাশক: আনন্দ পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড *আমি বললাম, আমি আর বামপন্থীদের সমর্থন করি না। আমি [[মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়|মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে]] সমর্থন করছি। আমি মমতাকে নিও- কমিউনিজ়মের জননী বলে মনে করি। এরপর আমার মাথায় বামপন্থীরা মল ঢেলে দিল। তবে সেই মল থেকে মাণিক্য পেয়েছি কি না তা ঠিক হবে মহাকালের মগডালে। **ভূমিকা না লিখে পারলাম না, [https://www.ebanglalibrary.com/books/কবিতাসমগ্র-২-সুবোধ-সরকা/ কবিতাসমগ্র ২], প্রথম সংস্করণ: জানুয়ারি ২০১৬, প্রকাশক: আনন্দ পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড *আমার মা-কে সীমান্তে আর্মি অফিসার জিজ্ঞাসা করলেন, ‘হোয়ার আর য়্যু গোয়িং’? আমার মা বলেছিল, ‘ওরা আমার তুলসী মঞ্চ ভেঙে দিয়েছে, এপারে তুলসী লাগাতে দাও তোমরা?’ কী প্রশ্নের কী উত্তর! কোনওদিন স্কুলে না যাওয়া আমার অশিক্ষিত [[মা]] যা বলেছিলেন সেদিন, তার ভেতরে যদি কবিতা না থাকে, তা হলে কোথাও থাকতে পারে না কবিতা। **ভূমিকার বিরুদ্ধে ভূমিকা, [https://www.ebanglalibrary.com/books/কবিতাসমগ্র-১-সুবোধ-সরকার/ কবিতাসমগ্র ১], প্রথম সংস্করণ: জানুয়ারি ২০১৪ *আমি কার মতো? এটা একটা অবধারিত সন্দেহ। আমার বাবা কে? কার মতো লিখি? আমি ভেবে দেখেছি আমি আসলে বাস্টার্ড। আমার মা ছিলেন কোনও সারোগেট মাদার। লিগ্যাল স্টেটাস ঠিক আছে, কিন্তু জিন নির্ণয় না করা পর্যন্ত বলা যায় আমি বাংলা কবিতায় সূতপুত্র। আমার বাবা কি [[নিকানোর পাররা]] না [[নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী]]? আমার জ্যাঠামশাই কি সুভাষ মুখোপাধ্যায় না [[রামপ্রসাদ সেন]]? আমার মামাশ্বশুর কি [[ব্যোদলেয়র]] না [[সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়]]? জিন নির্ণয় করতে পারলে, শুধু বাংলা কবিতা নয়, মানবজাতি ক্যানসারের হাত থেকে বেঁচে যাবে। **ভূমিকার বিরুদ্ধে ভূমিকা, [https://www.ebanglalibrary.com/books/কবিতাসমগ্র-১-সুবোধ-সরকার/ কবিতাসমগ্র ১], প্রথম সংস্করণ: জানুয়ারি ২০১৪ *সামাজিক ভাবে যাঁদের বড় ভূমিকা রয়েছে এবং একই সঙ্গে যাঁরা সাহিত্য রচনা করছেন তাঁদের এই পুরস্কার দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। একটি উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন কমিটি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এখন এর প্রতিবাদে কেউ পুরস্কার ফেরত দিলে সেটা তাঁর ব্যক্তিগত ব্যাপার। **পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমির মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিশেষ পুরস্কার দেওয়ার প্রতিবাদে অন্নদাশঙ্কর স্মারক সম্মান ফিরিয়ে দেন লেখক ও গবেষক রত্না রশিদ বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই পরিপ্রেক্ষিতে সুবোধ সরকারের বক্তব্য। উৎস: [https://www.anandabazar.com/west-bengal/poet-subodh-ghosh-supported-the-decision-to-give-the-award-to-mamata-banerjee-dgtl/cid/1343532 প্রতিবাদ ব্যক্তির সিদ্ধান্ত: সুবোধ সরকার] *মাঠ,<br><br>আর একখানা তারা<br><br>মাঠ নয়, আমি<br><br>টর্চ মেরে দেখি বিছানায়<br><br>সাদা বেডসিটের ওপর দুটি পোকা<br><br>সংগম করছে। **[https://www.ebanglalibrary.com/lessons/কবিতা-৭৮-৮০/ দৈব] ==তার সম্পর্কে উক্তি== *নৃসিংহ-ফৃসিংহ কিছু আছে না, তেলবাজ, যাদের জীবনে কখনও আগে দেখিনি আন্দোলন বা অমুক-তমুকে। পরিবর্তনের সরকারের আগে আমরা এত কিছু করেছি! এই লোকগুলো ছিল কোথায়? আজকের সুবোধই বা ছিল কোথায়? ওরা তো উল্টে আমাদের গালাগাল দিত! সেই এরা এখন সবচেয়ে বড় তেলবাজ হয়ে গিয়েছে। আমরা ভাষা বুঝি না, এই সব বড় বড় কথা বলেছে! **[[:w:শুভাপ্রসন্ন|শুভাপ্রসন্ন]]। উৎস:[https://www.anandabazar.com/west-bengal/shuvaprasanna-attacks-nrisingha-prasad-bhaduri-and-subodh-sarkar-dgtl/cid/1409099 নৃসিংহপ্রসাদ আর সুবোধ ‘তেলবাজ’, শুভাপ্রসন্নের তোপ, পাল্টা জবাবে ভাষা যুদ্ধের ‘বাইশে ফেব্রুয়ারি'] ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} h5oblv94u5etl2v41p0r2f2ney8v7aw 79738 79733 2026-04-22T13:11:18Z Nil Nandy 2294 /* উক্তি */ 79738 wikitext text/x-wiki {{bw|সুবোধ সরকার}} (১৯৫৮-) পশ্চিমবঙ্গের একজন আধুনিক কবি। প্রথম কবিতার বই প্রকাশিত হয় সত্তরের দশকে। এপর্যন্ত্য কুড়িটি কবিতার বই লিখেছেন, জিতেছেন দুটি পুরস্কার, কবিতার জন্য দেশবিদেশ সফর করেছেন। সমালোচকরা বলেন তার কবিতায় আছে গভীর অন্তর্দৃষ্টি ও মানবিকতা, যা কখনো শ্লেষাত্মক, কখনো সরাসরি ও সংবেদনশীল। তিনি বর্তমানে ভাষানগর পত্রিকার সম্পাদক। ==উক্তি== *আমি [[সুভাষ মুখোপাধ্যায়|সুভাষ মুখুজ্জে]] নই, আমি চুনোপুঁটি, ইতিহাসের বেসমেন্টে শুয়ে থাকা একটি আরশোলা। **ভূমিকা না লিখে পারলাম না, [https://www.ebanglalibrary.com/books/কবিতাসমগ্র-২-সুবোধ-সরকা/ কবিতাসমগ্র ২], প্রথম সংস্করণ: জানুয়ারি ২০১৬, প্রকাশক: আনন্দ পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড *গত উনিশ মাস ধরে যত গরল পান করেছি, হাতে গরম আলু ধরে থেকেছি, যত অক থু মেখেছি, পিঠে যত গোপন তির নিয়ে ঘুরে বেরিয়েছি, সেরকম দাহ আর কোনও [[বাঙালি]] লেখককে সহ্য করতে হয়নি পঁয়ত্রিশ বছরে। ক্লাস ইলেভেন থেকে লাইনে আছি, সমস্ত জীবিত লেখককে কাছ থেকে দেখেছি, দু’জন বাদে। আকাদেমি অফ ফাইন আর্টসের সামনে আমাকে মঞ্চ থেকে নামিয়ে দিয়ে বলা হয়েছে কবিতা পড়তে দেব না, বাপি বাড়ি যা। কাগজে কার্টুনে ছড়ায় এবং টেলিভিশনে আমার ‘মিডিয়া ট্রায়াল’ হয়েছে। ফেসবুকে যত ‘চার অক্ষরের বাণী’ বর্ষিত হয়েছে আমার মাথায় তার একটা সংকলন হলে ‘সুবোধ নিন্দা সমগ্র’ প্রকাশিত হতে পারে। আমার কোনও বই বেস্ট সেলার হয়নি, কোনওদিন হবেও না; কিন্তু সু.নি.স. বের হলে হট কেকের মতো বিক্রি হবে, আমি নিশ্চিত। আমি নরকের আগের স্টেশনে একটা শিংশপা গাছের তলায় একঝুড়ি কমলালেবু নিয়ে বসেছিলাম, বসে থাকতে থাকতে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম, ঘুম ভেঙে উঠে দেখি প্রতিটি কমলালেবু ফেটে হলুদ রঙের পোকা বেরিয়ে আমার সারা গায়ে উঠে পড়েছে। একটা পোকার নাম চার অক্ষর, একটা পোকার নাম অপমান, একটা পোকার নাম কুৎসা, একটা পোকার নাম ফেসবুক, একটা পোকার নাম পরাস্ত বাম জমানা। **ভূমিকা না লিখে পারলাম না, [https://www.ebanglalibrary.com/books/কবিতাসমগ্র-২-সুবোধ-সরকা/ কবিতাসমগ্র ২], প্রথম সংস্করণ: জানুয়ারি ২০১৬, প্রকাশক: আনন্দ পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড *আমি বললাম, আমি আর বামপন্থীদের সমর্থন করি না। আমি [[মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়|মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে]] সমর্থন করছি। আমি মমতাকে নিও- কমিউনিজ়মের জননী বলে মনে করি। এরপর আমার মাথায় বামপন্থীরা মল ঢেলে দিল। তবে সেই মল থেকে মাণিক্য পেয়েছি কি না তা ঠিক হবে মহাকালের মগডালে। **ভূমিকা না লিখে পারলাম না, [https://www.ebanglalibrary.com/books/কবিতাসমগ্র-২-সুবোধ-সরকা/ কবিতাসমগ্র ২], প্রথম সংস্করণ: জানুয়ারি ২০১৬, প্রকাশক: আনন্দ পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড *আমার মা-কে সীমান্তে আর্মি অফিসার জিজ্ঞাসা করলেন, ‘হোয়ার আর য়্যু গোয়িং’? আমার মা বলেছিল, ‘ওরা আমার তুলসী মঞ্চ ভেঙে দিয়েছে, এপারে তুলসী লাগাতে দাও তোমরা?’ কী প্রশ্নের কী উত্তর! কোনওদিন স্কুলে না যাওয়া আমার অশিক্ষিত [[মা]] যা বলেছিলেন সেদিন, তার ভেতরে যদি কবিতা না থাকে, তা হলে কোথাও থাকতে পারে না কবিতা। **ভূমিকার বিরুদ্ধে ভূমিকা, [https://www.ebanglalibrary.com/books/কবিতাসমগ্র-১-সুবোধ-সরকার/ কবিতাসমগ্র ১], প্রথম সংস্করণ: জানুয়ারি ২০১৪ *আমি কার মতো? এটা একটা অবধারিত সন্দেহ। আমার বাবা কে? কার মতো লিখি? আমি ভেবে দেখেছি আমি আসলে বাস্টার্ড। আমার মা ছিলেন কোনও সারোগেট মাদার। লিগ্যাল স্টেটাস ঠিক আছে, কিন্তু জিন নির্ণয় না করা পর্যন্ত বলা যায় আমি বাংলা কবিতায় সূতপুত্র। আমার বাবা কি [[নিকানোর পাররা]] না [[নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী]]? আমার জ্যাঠামশাই কি সুভাষ মুখোপাধ্যায় না [[রামপ্রসাদ সেন]]? আমার মামাশ্বশুর কি [[ব্যোদলেয়র]] না [[সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়]]? জিন নির্ণয় করতে পারলে, শুধু বাংলা কবিতা নয়, মানবজাতি ক্যানসারের হাত থেকে বেঁচে যাবে। **ভূমিকার বিরুদ্ধে ভূমিকা, [https://www.ebanglalibrary.com/books/কবিতাসমগ্র-১-সুবোধ-সরকার/ কবিতাসমগ্র ১], প্রথম সংস্করণ: জানুয়ারি ২০১৪ *সামাজিক ভাবে যাঁদের বড় ভূমিকা রয়েছে এবং একই সঙ্গে যাঁরা সাহিত্য রচনা করছেন তাঁদের এই পুরস্কার দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। একটি উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন কমিটি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এখন এর প্রতিবাদে কেউ পুরস্কার ফেরত দিলে সেটা তাঁর ব্যক্তিগত ব্যাপার। **পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমির মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিশেষ পুরস্কার দেওয়ার প্রতিবাদে অন্নদাশঙ্কর স্মারক সম্মান ফিরিয়ে দেন লেখক ও গবেষক রত্না রশিদ বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই পরিপ্রেক্ষিতে সুবোধ সরকারের বক্তব্য। উৎস: [https://www.anandabazar.com/west-bengal/poet-subodh-ghosh-supported-the-decision-to-give-the-award-to-mamata-banerjee-dgtl/cid/1343532 প্রতিবাদ ব্যক্তির সিদ্ধান্ত: সুবোধ সরকার] *মাঠ,<br><br>আর একখানা তারা<br><br>মাঠ নয়, আমি<br><br>টর্চ মেরে দেখি বিছানায়<br><br>সাদা বেডসিটের ওপর দুটি পোকা<br><br>সংগম করছে। **[https://www.ebanglalibrary.com/lessons/কবিতা-৭৮-৮০/ দৈব] *ওই তো, উঠে দাঁড়াল যার শুয়ে থাকার কথা।<br><br>যার ওদিকে, যার এদিকে ফেউ<br><br>তাকে কী করে অনেকে ভালবাসে? **[https://www.ebanglalibrary.com/lessons/যা-উপনিষদ-তাই-কোরান/ ওই তো] ==তার সম্পর্কে উক্তি== *নৃসিংহ-ফৃসিংহ কিছু আছে না, তেলবাজ, যাদের জীবনে কখনও আগে দেখিনি আন্দোলন বা অমুক-তমুকে। পরিবর্তনের সরকারের আগে আমরা এত কিছু করেছি! এই লোকগুলো ছিল কোথায়? আজকের সুবোধই বা ছিল কোথায়? ওরা তো উল্টে আমাদের গালাগাল দিত! সেই এরা এখন সবচেয়ে বড় তেলবাজ হয়ে গিয়েছে। আমরা ভাষা বুঝি না, এই সব বড় বড় কথা বলেছে! **[[:w:শুভাপ্রসন্ন|শুভাপ্রসন্ন]]। উৎস:[https://www.anandabazar.com/west-bengal/shuvaprasanna-attacks-nrisingha-prasad-bhaduri-and-subodh-sarkar-dgtl/cid/1409099 নৃসিংহপ্রসাদ আর সুবোধ ‘তেলবাজ’, শুভাপ্রসন্নের তোপ, পাল্টা জবাবে ভাষা যুদ্ধের ‘বাইশে ফেব্রুয়ারি'] ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} 8xi4ddphfld3qaqswyu0eul3trdy1s2 79739 79738 2026-04-22T13:16:43Z Nil Nandy 2294 79739 wikitext text/x-wiki {{bw|সুবোধ সরকার}} (১৯৫৮-) পশ্চিমবঙ্গের একজন আধুনিক কবি। প্রথম কবিতার বই প্রকাশিত হয় সত্তরের দশকে। এপর্যন্ত্য কুড়িটি কবিতার বই লিখেছেন, জিতেছেন দুটি পুরস্কার, কবিতার জন্য দেশবিদেশ সফর করেছেন। সমালোচকরা বলেন তার কবিতায় আছে গভীর অন্তর্দৃষ্টি ও মানবিকতা, যা কখনো শ্লেষাত্মক, কখনো সরাসরি ও সংবেদনশীল। তিনি বর্তমানে ভাষানগর পত্রিকার সম্পাদক। [[File:Poet Subodh Sarkar in Kolkata Book Fair 01.jpg|thumb|সুবোধ সরকার]] ==উক্তি== *আমি [[সুভাষ মুখোপাধ্যায়|সুভাষ মুখুজ্জে]] নই, আমি চুনোপুঁটি, ইতিহাসের বেসমেন্টে শুয়ে থাকা একটি আরশোলা। **ভূমিকা না লিখে পারলাম না, [https://www.ebanglalibrary.com/books/কবিতাসমগ্র-২-সুবোধ-সরকা/ কবিতাসমগ্র ২], প্রথম সংস্করণ: জানুয়ারি ২০১৬, প্রকাশক: আনন্দ পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড *গত উনিশ মাস ধরে যত গরল পান করেছি, হাতে গরম আলু ধরে থেকেছি, যত অক থু মেখেছি, পিঠে যত গোপন তির নিয়ে ঘুরে বেরিয়েছি, সেরকম দাহ আর কোনও [[বাঙালি]] লেখককে সহ্য করতে হয়নি পঁয়ত্রিশ বছরে। ক্লাস ইলেভেন থেকে লাইনে আছি, সমস্ত জীবিত লেখককে কাছ থেকে দেখেছি, দু’জন বাদে। আকাদেমি অফ ফাইন আর্টসের সামনে আমাকে মঞ্চ থেকে নামিয়ে দিয়ে বলা হয়েছে কবিতা পড়তে দেব না, বাপি বাড়ি যা। কাগজে কার্টুনে ছড়ায় এবং টেলিভিশনে আমার ‘মিডিয়া ট্রায়াল’ হয়েছে। ফেসবুকে যত ‘চার অক্ষরের বাণী’ বর্ষিত হয়েছে আমার মাথায় তার একটা সংকলন হলে ‘সুবোধ নিন্দা সমগ্র’ প্রকাশিত হতে পারে। আমার কোনও বই বেস্ট সেলার হয়নি, কোনওদিন হবেও না; কিন্তু সু.নি.স. বের হলে হট কেকের মতো বিক্রি হবে, আমি নিশ্চিত। আমি নরকের আগের স্টেশনে একটা শিংশপা গাছের তলায় একঝুড়ি কমলালেবু নিয়ে বসেছিলাম, বসে থাকতে থাকতে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম, ঘুম ভেঙে উঠে দেখি প্রতিটি কমলালেবু ফেটে হলুদ রঙের পোকা বেরিয়ে আমার সারা গায়ে উঠে পড়েছে। একটা পোকার নাম চার অক্ষর, একটা পোকার নাম অপমান, একটা পোকার নাম কুৎসা, একটা পোকার নাম ফেসবুক, একটা পোকার নাম পরাস্ত বাম জমানা। **ভূমিকা না লিখে পারলাম না, [https://www.ebanglalibrary.com/books/কবিতাসমগ্র-২-সুবোধ-সরকা/ কবিতাসমগ্র ২], প্রথম সংস্করণ: জানুয়ারি ২০১৬, প্রকাশক: আনন্দ পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড *আমি বললাম, আমি আর বামপন্থীদের সমর্থন করি না। আমি [[মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়|মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে]] সমর্থন করছি। আমি মমতাকে নিও- কমিউনিজ়মের জননী বলে মনে করি। এরপর আমার মাথায় বামপন্থীরা মল ঢেলে দিল। তবে সেই মল থেকে মাণিক্য পেয়েছি কি না তা ঠিক হবে মহাকালের মগডালে। **ভূমিকা না লিখে পারলাম না, [https://www.ebanglalibrary.com/books/কবিতাসমগ্র-২-সুবোধ-সরকা/ কবিতাসমগ্র ২], প্রথম সংস্করণ: জানুয়ারি ২০১৬, প্রকাশক: আনন্দ পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড *আমার মা-কে সীমান্তে আর্মি অফিসার জিজ্ঞাসা করলেন, ‘হোয়ার আর য়্যু গোয়িং’? আমার মা বলেছিল, ‘ওরা আমার তুলসী মঞ্চ ভেঙে দিয়েছে, এপারে তুলসী লাগাতে দাও তোমরা?’ কী প্রশ্নের কী উত্তর! কোনওদিন স্কুলে না যাওয়া আমার অশিক্ষিত [[মা]] যা বলেছিলেন সেদিন, তার ভেতরে যদি কবিতা না থাকে, তা হলে কোথাও থাকতে পারে না কবিতা। **ভূমিকার বিরুদ্ধে ভূমিকা, [https://www.ebanglalibrary.com/books/কবিতাসমগ্র-১-সুবোধ-সরকার/ কবিতাসমগ্র ১], প্রথম সংস্করণ: জানুয়ারি ২০১৪ *আমি কার মতো? এটা একটা অবধারিত সন্দেহ। আমার বাবা কে? কার মতো লিখি? আমি ভেবে দেখেছি আমি আসলে বাস্টার্ড। আমার মা ছিলেন কোনও সারোগেট মাদার। লিগ্যাল স্টেটাস ঠিক আছে, কিন্তু জিন নির্ণয় না করা পর্যন্ত বলা যায় আমি বাংলা কবিতায় সূতপুত্র। আমার বাবা কি [[নিকানোর পাররা]] না [[নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী]]? আমার জ্যাঠামশাই কি সুভাষ মুখোপাধ্যায় না [[রামপ্রসাদ সেন]]? আমার মামাশ্বশুর কি [[ব্যোদলেয়র]] না [[সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়]]? জিন নির্ণয় করতে পারলে, শুধু বাংলা কবিতা নয়, মানবজাতি ক্যানসারের হাত থেকে বেঁচে যাবে। **ভূমিকার বিরুদ্ধে ভূমিকা, [https://www.ebanglalibrary.com/books/কবিতাসমগ্র-১-সুবোধ-সরকার/ কবিতাসমগ্র ১], প্রথম সংস্করণ: জানুয়ারি ২০১৪ *সামাজিক ভাবে যাঁদের বড় ভূমিকা রয়েছে এবং একই সঙ্গে যাঁরা সাহিত্য রচনা করছেন তাঁদের এই পুরস্কার দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। একটি উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন কমিটি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এখন এর প্রতিবাদে কেউ পুরস্কার ফেরত দিলে সেটা তাঁর ব্যক্তিগত ব্যাপার। **পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমির মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিশেষ পুরস্কার দেওয়ার প্রতিবাদে অন্নদাশঙ্কর স্মারক সম্মান ফিরিয়ে দেন লেখক ও গবেষক রত্না রশিদ বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই পরিপ্রেক্ষিতে সুবোধ সরকারের বক্তব্য। উৎস: [https://www.anandabazar.com/west-bengal/poet-subodh-ghosh-supported-the-decision-to-give-the-award-to-mamata-banerjee-dgtl/cid/1343532 প্রতিবাদ ব্যক্তির সিদ্ধান্ত: সুবোধ সরকার] *মাঠ,<br><br>আর একখানা তারা<br><br>মাঠ নয়, আমি<br><br>টর্চ মেরে দেখি বিছানায়<br><br>সাদা বেডসিটের ওপর দুটি পোকা<br><br>সংগম করছে। **[https://www.ebanglalibrary.com/lessons/কবিতা-৭৮-৮০/ দৈব] *ওই তো, উঠে দাঁড়াল যার শুয়ে থাকার কথা।<br><br>যার ওদিকে, যার এদিকে ফেউ<br><br>তাকে কী করে অনেকে ভালবাসে? **[https://www.ebanglalibrary.com/lessons/যা-উপনিষদ-তাই-কোরান/ ওই তো] ==তার সম্পর্কে উক্তি== *নৃসিংহ-ফৃসিংহ কিছু আছে না, তেলবাজ, যাদের জীবনে কখনও আগে দেখিনি আন্দোলন বা অমুক-তমুকে। পরিবর্তনের সরকারের আগে আমরা এত কিছু করেছি! এই লোকগুলো ছিল কোথায়? আজকের সুবোধই বা ছিল কোথায়? ওরা তো উল্টে আমাদের গালাগাল দিত! সেই এরা এখন সবচেয়ে বড় তেলবাজ হয়ে গিয়েছে। আমরা ভাষা বুঝি না, এই সব বড় বড় কথা বলেছে! **[[:w:শুভাপ্রসন্ন|শুভাপ্রসন্ন]]। উৎস:[https://www.anandabazar.com/west-bengal/shuvaprasanna-attacks-nrisingha-prasad-bhaduri-and-subodh-sarkar-dgtl/cid/1409099 নৃসিংহপ্রসাদ আর সুবোধ ‘তেলবাজ’, শুভাপ্রসন্নের তোপ, পাল্টা জবাবে ভাষা যুদ্ধের ‘বাইশে ফেব্রুয়ারি'] ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} h00nqfs38fmu6fq6ynf9edwg7n4p848 79741 79739 2026-04-22T13:19:59Z Nil Nandy 2294 /* বহিঃসংযোগ */ 79741 wikitext text/x-wiki {{bw|সুবোধ সরকার}} (১৯৫৮-) পশ্চিমবঙ্গের একজন আধুনিক কবি। প্রথম কবিতার বই প্রকাশিত হয় সত্তরের দশকে। এপর্যন্ত্য কুড়িটি কবিতার বই লিখেছেন, জিতেছেন দুটি পুরস্কার, কবিতার জন্য দেশবিদেশ সফর করেছেন। সমালোচকরা বলেন তার কবিতায় আছে গভীর অন্তর্দৃষ্টি ও মানবিকতা, যা কখনো শ্লেষাত্মক, কখনো সরাসরি ও সংবেদনশীল। তিনি বর্তমানে ভাষানগর পত্রিকার সম্পাদক। [[File:Poet Subodh Sarkar in Kolkata Book Fair 01.jpg|thumb|সুবোধ সরকার]] ==উক্তি== *আমি [[সুভাষ মুখোপাধ্যায়|সুভাষ মুখুজ্জে]] নই, আমি চুনোপুঁটি, ইতিহাসের বেসমেন্টে শুয়ে থাকা একটি আরশোলা। **ভূমিকা না লিখে পারলাম না, [https://www.ebanglalibrary.com/books/কবিতাসমগ্র-২-সুবোধ-সরকা/ কবিতাসমগ্র ২], প্রথম সংস্করণ: জানুয়ারি ২০১৬, প্রকাশক: আনন্দ পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড *গত উনিশ মাস ধরে যত গরল পান করেছি, হাতে গরম আলু ধরে থেকেছি, যত অক থু মেখেছি, পিঠে যত গোপন তির নিয়ে ঘুরে বেরিয়েছি, সেরকম দাহ আর কোনও [[বাঙালি]] লেখককে সহ্য করতে হয়নি পঁয়ত্রিশ বছরে। ক্লাস ইলেভেন থেকে লাইনে আছি, সমস্ত জীবিত লেখককে কাছ থেকে দেখেছি, দু’জন বাদে। আকাদেমি অফ ফাইন আর্টসের সামনে আমাকে মঞ্চ থেকে নামিয়ে দিয়ে বলা হয়েছে কবিতা পড়তে দেব না, বাপি বাড়ি যা। কাগজে কার্টুনে ছড়ায় এবং টেলিভিশনে আমার ‘মিডিয়া ট্রায়াল’ হয়েছে। ফেসবুকে যত ‘চার অক্ষরের বাণী’ বর্ষিত হয়েছে আমার মাথায় তার একটা সংকলন হলে ‘সুবোধ নিন্দা সমগ্র’ প্রকাশিত হতে পারে। আমার কোনও বই বেস্ট সেলার হয়নি, কোনওদিন হবেও না; কিন্তু সু.নি.স. বের হলে হট কেকের মতো বিক্রি হবে, আমি নিশ্চিত। আমি নরকের আগের স্টেশনে একটা শিংশপা গাছের তলায় একঝুড়ি কমলালেবু নিয়ে বসেছিলাম, বসে থাকতে থাকতে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম, ঘুম ভেঙে উঠে দেখি প্রতিটি কমলালেবু ফেটে হলুদ রঙের পোকা বেরিয়ে আমার সারা গায়ে উঠে পড়েছে। একটা পোকার নাম চার অক্ষর, একটা পোকার নাম অপমান, একটা পোকার নাম কুৎসা, একটা পোকার নাম ফেসবুক, একটা পোকার নাম পরাস্ত বাম জমানা। **ভূমিকা না লিখে পারলাম না, [https://www.ebanglalibrary.com/books/কবিতাসমগ্র-২-সুবোধ-সরকা/ কবিতাসমগ্র ২], প্রথম সংস্করণ: জানুয়ারি ২০১৬, প্রকাশক: আনন্দ পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড *আমি বললাম, আমি আর বামপন্থীদের সমর্থন করি না। আমি [[মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়|মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে]] সমর্থন করছি। আমি মমতাকে নিও- কমিউনিজ়মের জননী বলে মনে করি। এরপর আমার মাথায় বামপন্থীরা মল ঢেলে দিল। তবে সেই মল থেকে মাণিক্য পেয়েছি কি না তা ঠিক হবে মহাকালের মগডালে। **ভূমিকা না লিখে পারলাম না, [https://www.ebanglalibrary.com/books/কবিতাসমগ্র-২-সুবোধ-সরকা/ কবিতাসমগ্র ২], প্রথম সংস্করণ: জানুয়ারি ২০১৬, প্রকাশক: আনন্দ পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড *আমার মা-কে সীমান্তে আর্মি অফিসার জিজ্ঞাসা করলেন, ‘হোয়ার আর য়্যু গোয়িং’? আমার মা বলেছিল, ‘ওরা আমার তুলসী মঞ্চ ভেঙে দিয়েছে, এপারে তুলসী লাগাতে দাও তোমরা?’ কী প্রশ্নের কী উত্তর! কোনওদিন স্কুলে না যাওয়া আমার অশিক্ষিত [[মা]] যা বলেছিলেন সেদিন, তার ভেতরে যদি কবিতা না থাকে, তা হলে কোথাও থাকতে পারে না কবিতা। **ভূমিকার বিরুদ্ধে ভূমিকা, [https://www.ebanglalibrary.com/books/কবিতাসমগ্র-১-সুবোধ-সরকার/ কবিতাসমগ্র ১], প্রথম সংস্করণ: জানুয়ারি ২০১৪ *আমি কার মতো? এটা একটা অবধারিত সন্দেহ। আমার বাবা কে? কার মতো লিখি? আমি ভেবে দেখেছি আমি আসলে বাস্টার্ড। আমার মা ছিলেন কোনও সারোগেট মাদার। লিগ্যাল স্টেটাস ঠিক আছে, কিন্তু জিন নির্ণয় না করা পর্যন্ত বলা যায় আমি বাংলা কবিতায় সূতপুত্র। আমার বাবা কি [[নিকানোর পাররা]] না [[নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী]]? আমার জ্যাঠামশাই কি সুভাষ মুখোপাধ্যায় না [[রামপ্রসাদ সেন]]? আমার মামাশ্বশুর কি [[ব্যোদলেয়র]] না [[সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়]]? জিন নির্ণয় করতে পারলে, শুধু বাংলা কবিতা নয়, মানবজাতি ক্যানসারের হাত থেকে বেঁচে যাবে। **ভূমিকার বিরুদ্ধে ভূমিকা, [https://www.ebanglalibrary.com/books/কবিতাসমগ্র-১-সুবোধ-সরকার/ কবিতাসমগ্র ১], প্রথম সংস্করণ: জানুয়ারি ২০১৪ *সামাজিক ভাবে যাঁদের বড় ভূমিকা রয়েছে এবং একই সঙ্গে যাঁরা সাহিত্য রচনা করছেন তাঁদের এই পুরস্কার দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। একটি উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন কমিটি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এখন এর প্রতিবাদে কেউ পুরস্কার ফেরত দিলে সেটা তাঁর ব্যক্তিগত ব্যাপার। **পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমির মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিশেষ পুরস্কার দেওয়ার প্রতিবাদে অন্নদাশঙ্কর স্মারক সম্মান ফিরিয়ে দেন লেখক ও গবেষক রত্না রশিদ বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই পরিপ্রেক্ষিতে সুবোধ সরকারের বক্তব্য। উৎস: [https://www.anandabazar.com/west-bengal/poet-subodh-ghosh-supported-the-decision-to-give-the-award-to-mamata-banerjee-dgtl/cid/1343532 প্রতিবাদ ব্যক্তির সিদ্ধান্ত: সুবোধ সরকার] *মাঠ,<br><br>আর একখানা তারা<br><br>মাঠ নয়, আমি<br><br>টর্চ মেরে দেখি বিছানায়<br><br>সাদা বেডসিটের ওপর দুটি পোকা<br><br>সংগম করছে। **[https://www.ebanglalibrary.com/lessons/কবিতা-৭৮-৮০/ দৈব] *ওই তো, উঠে দাঁড়াল যার শুয়ে থাকার কথা।<br><br>যার ওদিকে, যার এদিকে ফেউ<br><br>তাকে কী করে অনেকে ভালবাসে? **[https://www.ebanglalibrary.com/lessons/যা-উপনিষদ-তাই-কোরান/ ওই তো] ==তার সম্পর্কে উক্তি== *নৃসিংহ-ফৃসিংহ কিছু আছে না, তেলবাজ, যাদের জীবনে কখনও আগে দেখিনি আন্দোলন বা অমুক-তমুকে। পরিবর্তনের সরকারের আগে আমরা এত কিছু করেছি! এই লোকগুলো ছিল কোথায়? আজকের সুবোধই বা ছিল কোথায়? ওরা তো উল্টে আমাদের গালাগাল দিত! সেই এরা এখন সবচেয়ে বড় তেলবাজ হয়ে গিয়েছে। আমরা ভাষা বুঝি না, এই সব বড় বড় কথা বলেছে! **[[:w:শুভাপ্রসন্ন|শুভাপ্রসন্ন]]। উৎস:[https://www.anandabazar.com/west-bengal/shuvaprasanna-attacks-nrisingha-prasad-bhaduri-and-subodh-sarkar-dgtl/cid/1409099 নৃসিংহপ্রসাদ আর সুবোধ ‘তেলবাজ’, শুভাপ্রসন্নের তোপ, পাল্টা জবাবে ভাষা যুদ্ধের ‘বাইশে ফেব্রুয়ারি'] ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৫৮-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি হিন্দু]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলা ভাষায় সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার বিজয়ী]] 2z1afh5qtcyiza9yfjp1luqev2bw2nu 79847 79741 2026-04-22T22:57:34Z ARI 356 79847 wikitext text/x-wiki {{bw|সুবোধ সরকার}} (১৯৫৮-) পশ্চিমবঙ্গের একজন আধুনিক কবি। প্রথম কবিতার বই প্রকাশিত হয় সত্তরের দশকে। এপর্যন্ত্য কুড়িটি কবিতার বই লিখেছেন, জিতেছেন দুটি পুরস্কার, কবিতার জন্য দেশবিদেশ সফর করেছেন। সমালোচকরা বলেন তার কবিতায় আছে গভীর অন্তর্দৃষ্টি ও মানবিকতা, যা কখনো শ্লেষাত্মক, কখনো সরাসরি ও সংবেদনশীল। তিনি বর্তমানে ভাষানগর পত্রিকার সম্পাদক। [[File:Poet Subodh Sarkar in Kolkata Book Fair 01.jpg|thumb|সুবোধ সরকার]] ==উক্তি== *আমি [[সুভাষ মুখোপাধ্যায়|সুভাষ মুখুজ্জে]] নই, আমি চুনোপুঁটি, ইতিহাসের বেসমেন্টে শুয়ে থাকা একটি আরশোলা। **ভূমিকা না লিখে পারলাম না, [https://www.ebanglalibrary.com/books/কবিতাসমগ্র-২-সুবোধ-সরকা/ কবিতাসমগ্র ২], প্রথম সংস্করণ: জানুয়ারি ২০১৬, প্রকাশক: আনন্দ পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড *গত উনিশ মাস ধরে যত গরল পান করেছি, হাতে গরম আলু ধরে থেকেছি, যত অক থু মেখেছি, পিঠে যত গোপন তির নিয়ে ঘুরে বেরিয়েছি, সেরকম দাহ আর কোনও [[বাঙালি]] লেখককে সহ্য করতে হয়নি পঁয়ত্রিশ বছরে। ক্লাস ইলেভেন থেকে লাইনে আছি, সমস্ত জীবিত লেখককে কাছ থেকে দেখেছি, দু’জন বাদে। আকাদেমি অফ ফাইন আর্টসের সামনে আমাকে মঞ্চ থেকে নামিয়ে দিয়ে বলা হয়েছে কবিতা পড়তে দেব না, বাপি বাড়ি যা। কাগজে কার্টুনে ছড়ায় এবং টেলিভিশনে আমার ‘মিডিয়া ট্রায়াল’ হয়েছে। ফেসবুকে যত ‘চার অক্ষরের বাণী’ বর্ষিত হয়েছে আমার মাথায় তার একটা সংকলন হলে ‘সুবোধ নিন্দা সমগ্র’ প্রকাশিত হতে পারে। আমার কোনও বই বেস্ট সেলার হয়নি, কোনওদিন হবেও না; কিন্তু সু.নি.স. বের হলে হট কেকের মতো বিক্রি হবে, আমি নিশ্চিত। আমি নরকের আগের স্টেশনে একটা শিংশপা গাছের তলায় একঝুড়ি কমলালেবু নিয়ে বসেছিলাম, বসে থাকতে থাকতে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম, ঘুম ভেঙে উঠে দেখি প্রতিটি কমলালেবু ফেটে হলুদ রঙের পোকা বেরিয়ে আমার সারা গায়ে উঠে পড়েছে। একটা পোকার নাম চার অক্ষর, একটা পোকার নাম অপমান, একটা পোকার নাম কুৎসা, একটা পোকার নাম ফেসবুক, একটা পোকার নাম পরাস্ত বাম জমানা। **ভূমিকা না লিখে পারলাম না, [https://www.ebanglalibrary.com/books/কবিতাসমগ্র-২-সুবোধ-সরকা/ কবিতাসমগ্র ২], প্রথম সংস্করণ: জানুয়ারি ২০১৬, প্রকাশক: আনন্দ পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড *আমি বললাম, আমি আর বামপন্থীদের সমর্থন করি না। আমি [[মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়|মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে]] সমর্থন করছি। আমি মমতাকে নিও- কমিউনিজ়মের জননী বলে মনে করি। এরপর আমার মাথায় বামপন্থীরা মল ঢেলে দিল। তবে সেই মল থেকে মাণিক্য পেয়েছি কি না তা ঠিক হবে মহাকালের মগডালে। **ভূমিকা না লিখে পারলাম না, [https://www.ebanglalibrary.com/books/কবিতাসমগ্র-২-সুবোধ-সরকা/ কবিতাসমগ্র ২], প্রথম সংস্করণ: জানুয়ারি ২০১৬, প্রকাশক: আনন্দ পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড *আমার মা-কে সীমান্তে আর্মি অফিসার জিজ্ঞাসা করলেন, ‘হোয়ার আর য়্যু গোয়িং’? আমার মা বলেছিল, ‘ওরা আমার তুলসী মঞ্চ ভেঙে দিয়েছে, এপারে তুলসী লাগাতে দাও তোমরা?’ কী প্রশ্নের কী উত্তর! কোনওদিন স্কুলে না যাওয়া আমার অশিক্ষিত [[মা]] যা বলেছিলেন সেদিন, তার ভেতরে যদি কবিতা না থাকে, তা হলে কোথাও থাকতে পারে না কবিতা। **ভূমিকার বিরুদ্ধে ভূমিকা, [https://www.ebanglalibrary.com/books/কবিতাসমগ্র-১-সুবোধ-সরকার/ কবিতাসমগ্র ১], প্রথম সংস্করণ: জানুয়ারি ২০১৪ *আমি কার মতো? এটা একটা অবধারিত সন্দেহ। আমার বাবা কে? কার মতো লিখি? আমি ভেবে দেখেছি আমি আসলে বাস্টার্ড। আমার মা ছিলেন কোনও সারোগেট মাদার। লিগ্যাল স্টেটাস ঠিক আছে, কিন্তু জিন নির্ণয় না করা পর্যন্ত বলা যায় আমি বাংলা কবিতায় সূতপুত্র। আমার বাবা কি [[নিকানোর পাররা]] না [[নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী]]? আমার জ্যাঠামশাই কি সুভাষ মুখোপাধ্যায় না [[রামপ্রসাদ সেন]]? আমার মামাশ্বশুর কি ব্যোদলেয়র না [[সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়]]? জিন নির্ণয় করতে পারলে, শুধু বাংলা কবিতা নয়, মানবজাতি ক্যানসারের হাত থেকে বেঁচে যাবে। **ভূমিকার বিরুদ্ধে ভূমিকা, [https://www.ebanglalibrary.com/books/কবিতাসমগ্র-১-সুবোধ-সরকার/ কবিতাসমগ্র ১], প্রথম সংস্করণ: জানুয়ারি ২০১৪ *সামাজিক ভাবে যাঁদের বড় ভূমিকা রয়েছে এবং একই সঙ্গে যাঁরা সাহিত্য রচনা করছেন তাঁদের এই পুরস্কার দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। একটি উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন কমিটি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এখন এর প্রতিবাদে কেউ পুরস্কার ফেরত দিলে সেটা তাঁর ব্যক্তিগত ব্যাপার। **পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমির মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিশেষ পুরস্কার দেওয়ার প্রতিবাদে অন্নদাশঙ্কর স্মারক সম্মান ফিরিয়ে দেন লেখক ও গবেষক রত্না রশিদ বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই পরিপ্রেক্ষিতে সুবোধ সরকারের বক্তব্য। উৎস: [https://www.anandabazar.com/west-bengal/poet-subodh-ghosh-supported-the-decision-to-give-the-award-to-mamata-banerjee-dgtl/cid/1343532 প্রতিবাদ ব্যক্তির সিদ্ধান্ত: সুবোধ সরকার] *মাঠ,<br><br>আর একখানা তারা<br><br>মাঠ নয়, আমি<br><br>টর্চ মেরে দেখি বিছানায়<br><br>সাদা বেডসিটের ওপর দুটি পোকা<br><br>সংগম করছে। **[https://www.ebanglalibrary.com/lessons/কবিতা-৭৮-৮০/ দৈব] *ওই তো, উঠে দাঁড়াল যার শুয়ে থাকার কথা।<br><br>যার ওদিকে, যার এদিকে ফেউ<br><br>তাকে কী করে অনেকে ভালবাসে? **[https://www.ebanglalibrary.com/lessons/যা-উপনিষদ-তাই-কোরান/ ওই তো] ==তার সম্পর্কে উক্তি== *নৃসিংহ-ফৃসিংহ কিছু আছে না, তেলবাজ, যাদের জীবনে কখনও আগে দেখিনি আন্দোলন বা অমুক-তমুকে। পরিবর্তনের সরকারের আগে আমরা এত কিছু করেছি! এই লোকগুলো ছিল কোথায়? আজকের সুবোধই বা ছিল কোথায়? ওরা তো উল্টে আমাদের গালাগাল দিত! সেই এরা এখন সবচেয়ে বড় তেলবাজ হয়ে গিয়েছে। আমরা ভাষা বুঝি না, এই সব বড় বড় কথা বলেছে! **[[:w:শুভাপ্রসন্ন|শুভাপ্রসন্ন]]। উৎস:[https://www.anandabazar.com/west-bengal/shuvaprasanna-attacks-nrisingha-prasad-bhaduri-and-subodh-sarkar-dgtl/cid/1409099 নৃসিংহপ্রসাদ আর সুবোধ ‘তেলবাজ’, শুভাপ্রসন্নের তোপ, পাল্টা জবাবে ভাষা যুদ্ধের ‘বাইশে ফেব্রুয়ারি'] ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৫৮-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি হিন্দু]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলা ভাষায় সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার বিজয়ী]] 1ksomjibney6r0tatsgbnnk08dq99ky 79848 79847 2026-04-22T22:58:33Z ARI 356 /* উক্তি */ ; পরিষ্কার 79848 wikitext text/x-wiki {{bw|সুবোধ সরকার}} (১৯৫৮-) পশ্চিমবঙ্গের একজন আধুনিক কবি। প্রথম কবিতার বই প্রকাশিত হয় সত্তরের দশকে। এপর্যন্ত্য কুড়িটি কবিতার বই লিখেছেন, জিতেছেন দুটি পুরস্কার, কবিতার জন্য দেশবিদেশ সফর করেছেন। সমালোচকরা বলেন তার কবিতায় আছে গভীর অন্তর্দৃষ্টি ও মানবিকতা, যা কখনো শ্লেষাত্মক, কখনো সরাসরি ও সংবেদনশীল। তিনি বর্তমানে ভাষানগর পত্রিকার সম্পাদক। [[File:Poet Subodh Sarkar in Kolkata Book Fair 01.jpg|thumb|সুবোধ সরকার]] ==উক্তি== *আমি [[সুভাষ মুখোপাধ্যায়|সুভাষ মুখুজ্জে]] নই, আমি চুনোপুঁটি, ইতিহাসের বেসমেন্টে শুয়ে থাকা একটি আরশোলা। **ভূমিকা না লিখে পারলাম না, [https://www.ebanglalibrary.com/books/কবিতাসমগ্র-২-সুবোধ-সরকা/ কবিতাসমগ্র ২], প্রথম সংস্করণ: জানুয়ারি ২০১৬, প্রকাশক: আনন্দ পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড *গত উনিশ মাস ধরে যত গরল পান করেছি, হাতে গরম আলু ধরে থেকেছি, যত অক থু মেখেছি, পিঠে যত গোপন তির নিয়ে ঘুরে বেরিয়েছি, সেরকম দাহ আর কোনও [[বাঙালি]] লেখককে সহ্য করতে হয়নি পঁয়ত্রিশ বছরে। ক্লাস ইলেভেন থেকে লাইনে আছি, সমস্ত জীবিত লেখককে কাছ থেকে দেখেছি, দু’জন বাদে। আকাদেমি অফ ফাইন আর্টসের সামনে আমাকে মঞ্চ থেকে নামিয়ে দিয়ে বলা হয়েছে কবিতা পড়তে দেব না, বাপি বাড়ি যা। কাগজে কার্টুনে ছড়ায় এবং টেলিভিশনে আমার ‘মিডিয়া ট্রায়াল’ হয়েছে। ফেসবুকে যত ‘চার অক্ষরের বাণী’ বর্ষিত হয়েছে আমার মাথায় তার একটা সংকলন হলে ‘সুবোধ নিন্দা সমগ্র’ প্রকাশিত হতে পারে। আমার কোনও বই বেস্ট সেলার হয়নি, কোনওদিন হবেও না; কিন্তু সু.নি.স. বের হলে হট কেকের মতো বিক্রি হবে, আমি নিশ্চিত। আমি নরকের আগের স্টেশনে একটা শিংশপা গাছের তলায় একঝুড়ি কমলালেবু নিয়ে বসেছিলাম, বসে থাকতে থাকতে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম, ঘুম ভেঙে উঠে দেখি প্রতিটি কমলালেবু ফেটে হলুদ রঙের পোকা বেরিয়ে আমার সারা গায়ে উঠে পড়েছে। একটা পোকার নাম চার অক্ষর, একটা পোকার নাম অপমান, একটা পোকার নাম কুৎসা, একটা পোকার নাম ফেসবুক, একটা পোকার নাম পরাস্ত বাম জমানা। **ভূমিকা না লিখে পারলাম না, [https://www.ebanglalibrary.com/books/কবিতাসমগ্র-২-সুবোধ-সরকা/ কবিতাসমগ্র ২], প্রথম সংস্করণ: জানুয়ারি ২০১৬, প্রকাশক: আনন্দ পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড *আমি বললাম, আমি আর বামপন্থীদের সমর্থন করি না। আমি [[মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়|মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে]] সমর্থন করছি। আমি মমতাকে নিও- কমিউনিজ়মের জননী বলে মনে করি। এরপর আমার মাথায় বামপন্থীরা মল ঢেলে দিল। তবে সেই মল থেকে মাণিক্য পেয়েছি কি না তা ঠিক হবে মহাকালের মগডালে। **ভূমিকা না লিখে পারলাম না, [https://www.ebanglalibrary.com/books/কবিতাসমগ্র-২-সুবোধ-সরকা/ কবিতাসমগ্র ২], প্রথম সংস্করণ: জানুয়ারি ২০১৬, প্রকাশক: আনন্দ পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড *আমার মা-কে সীমান্তে আর্মি অফিসার জিজ্ঞাসা করলেন, ‘হোয়ার আর য়্যু গোয়িং’? আমার মা বলেছিল, ‘ওরা আমার তুলসী মঞ্চ ভেঙে দিয়েছে, এপারে তুলসী লাগাতে দাও তোমরা?’ কী প্রশ্নের কী উত্তর! কোনওদিন স্কুলে না যাওয়া আমার অশিক্ষিত [[মা]] যা বলেছিলেন সেদিন, তার ভেতরে যদি কবিতা না থাকে, তা হলে কোথাও থাকতে পারে না কবিতা। **ভূমিকার বিরুদ্ধে ভূমিকা, [https://www.ebanglalibrary.com/books/কবিতাসমগ্র-১-সুবোধ-সরকার/ কবিতাসমগ্র ১], প্রথম সংস্করণ: জানুয়ারি ২০১৪ *আমি কার মতো? এটা একটা অবধারিত সন্দেহ। আমার বাবা কে? কার মতো লিখি? আমি ভেবে দেখেছি আমি আসলে বাস্টার্ড। আমার মা ছিলেন কোনও সারোগেট মাদার। লিগ্যাল স্টেটাস ঠিক আছে, কিন্তু জিন নির্ণয় না করা পর্যন্ত বলা যায় আমি বাংলা কবিতায় সূতপুত্র। আমার বাবা কি [[নিকানোর পাররা]] না [[নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী]]? আমার জ্যাঠামশাই কি সুভাষ মুখোপাধ্যায় না [[রামপ্রসাদ সেন]]? আমার মামাশ্বশুর কি ব্যোদলেয়র না [[সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়]]? জিন নির্ণয় করতে পারলে, শুধু বাংলা কবিতা নয়, মানবজাতি ক্যানসারের হাত থেকে বেঁচে যাবে। **ভূমিকার বিরুদ্ধে ভূমিকা, [https://www.ebanglalibrary.com/books/কবিতাসমগ্র-১-সুবোধ-সরকার/ কবিতাসমগ্র ১], প্রথম সংস্করণ: জানুয়ারি ২০১৪ *সামাজিক ভাবে যাঁদের বড় ভূমিকা রয়েছে এবং একই সঙ্গে যাঁরা সাহিত্য রচনা করছেন তাঁদের এই পুরস্কার দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। একটি উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন কমিটি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এখন এর প্রতিবাদে কেউ পুরস্কার ফেরত দিলে সেটা তাঁর ব্যক্তিগত ব্যাপার। **পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমির মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিশেষ পুরস্কার দেওয়ার প্রতিবাদে অন্নদাশঙ্কর স্মারক সম্মান ফিরিয়ে দেন লেখক ও গবেষক রত্না রশিদ বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই পরিপ্রেক্ষিতে সুবোধ সরকারের বক্তব্য। উৎস: [https://www.anandabazar.com/west-bengal/poet-subodh-ghosh-supported-the-decision-to-give-the-award-to-mamata-banerjee-dgtl/cid/1343532 প্রতিবাদ ব্যক্তির সিদ্ধান্ত: সুবোধ সরকার] *মাঠ,<br>আর একখানা তারা<br>মাঠ নয়, আমি<br>টর্চ মেরে দেখি বিছানায়<br>সাদা বেডসিটের ওপর দুটি পোকা<br>সংগম করছে। **[https://www.ebanglalibrary.com/lessons/কবিতা-৭৮-৮০/ দৈব] *ওই তো, উঠে দাঁড়াল যার শুয়ে থাকার কথা।<br>যার ওদিকে, যার এদিকে ফেউ<br>তাকে কী করে অনেকে ভালবাসে? **[https://www.ebanglalibrary.com/lessons/যা-উপনিষদ-তাই-কোরান/ ওই তো] ==তার সম্পর্কে উক্তি== *নৃসিংহ-ফৃসিংহ কিছু আছে না, তেলবাজ, যাদের জীবনে কখনও আগে দেখিনি আন্দোলন বা অমুক-তমুকে। পরিবর্তনের সরকারের আগে আমরা এত কিছু করেছি! এই লোকগুলো ছিল কোথায়? আজকের সুবোধই বা ছিল কোথায়? ওরা তো উল্টে আমাদের গালাগাল দিত! সেই এরা এখন সবচেয়ে বড় তেলবাজ হয়ে গিয়েছে। আমরা ভাষা বুঝি না, এই সব বড় বড় কথা বলেছে! **[[:w:শুভাপ্রসন্ন|শুভাপ্রসন্ন]]। উৎস:[https://www.anandabazar.com/west-bengal/shuvaprasanna-attacks-nrisingha-prasad-bhaduri-and-subodh-sarkar-dgtl/cid/1409099 নৃসিংহপ্রসাদ আর সুবোধ ‘তেলবাজ’, শুভাপ্রসন্নের তোপ, পাল্টা জবাবে ভাষা যুদ্ধের ‘বাইশে ফেব্রুয়ারি'] ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৫৮-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি হিন্দু]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলা ভাষায় সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার বিজয়ী]] 348f6118ohv84j7ldid163d7jo14aoj আলাপ:ব্লেজ পাসকাল 1 13209 79726 2026-04-22T12:41:01Z SMontaha32 3112 https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026 79726 wikitext text/x-wiki {{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}} s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm স্বপন দাশগুপ্ত 0 13210 79734 2026-04-22T13:04:20Z Tuhin 172 + 79734 wikitext text/x-wiki [[File:Swapan Dasgupta in May 2016.jpg|thumb|২০১৬ সালে স্বপন দাশগুপ্ত]] '''[[w:স্বপন দাশগুপ্ত|স্বপন দাশগুপ্ত]]''' (জন্ম ৩ অক্টোবর ১৯৫৫) একজন জ্যেষ্ঠ ভারতীয় সাংবাদিক ও রাজনীতিবিদ। == উক্তি == * "যারা ১৯৭০-এর দশকের মাঝামাঝি এবং তার পরে দিল্লিতে ইতিহাস পড়েছেন, তাদের অনেকেই সরকারি মার্কসবাদের চিন্তা-পুলিশের দ্বারা সৃষ্ট কদর্য ক্ষত এখনও বহন করছেন। রেড ক্রেটিন ব্রিগেডের একজন প্রধান প্রতিনিধি তার ছাত্রদের ক্যাজুয়ালি জানাতেন, 'ইতিহাসের দুটি ব্যাখ্যা আছে, বুর্জোয়া ব্যাখ্যা এবং মার্কসবাদী ব্যাখ্যা, আর মার্কসবাদী ব্যাখ্যাটিই সঠিক।' ...যেখানে ব্রিটিশ মার্কসবাদীরা তাদের আমূল উদ্বেগকে নিপুণভাবে তৈরি করে তাদের খ্যাতি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, তাদের ভারতীয় প্রতিপক্ষরা সেখানে চটকদার সংক্ষিপ্ত পথ বেছে নিয়েছিলেন। এটি সম্ভবত ব্যাখ্যা করে যে কেন ভারতীয় ইতিহাসের ওপর সারগর্ভ গবেষণা ক্রমশ ব্রিটিশ এবং কিছু মার্কিন ও অস্ট্রেলীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষাধিকার হয়ে উঠেছে। ভারতীয় ইতিহাস রচনার অধিষ্ঠিত দেবতারা ইতিমধ্যে নিজেদের রাজনৈতিকভাবে সঠিক পাঠ্যপুস্তক লেখায় উৎসর্গ করেছেন যা ইতিহাসকে প্রাপ্ত প্রজ্ঞার অধ্যায় হিসেবে উপস্থাপন করে। তারা ইন্ডিয়ান হিস্ট্রি কংগ্রেসের জন্য প্রস্তাবনাও তৈরি করেছেন এবং অযোধ্যা ইস্যুতে সংবাদমাধ্যমে নিবন্ধ লিখেছেন।" ** স্বপন দাশগুপ্ত, ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস, ২৩ জুলাই, ১৯৯৫। লাল, কে. এস. (১৯৯৯)। থিওরি অ্যান্ড প্র্যাকটিস অব মুসলিম স্টেট ইন ইন্ডিয়া। নিউ দিল্লি: আদিত্য প্রকাশন। অধ্যায় ৭ থেকে উদ্ধৃত। * প্রচলিত রাজনৈতিক সংস্কৃতির একটি শক্তিশালী সমালোচনা করা এক জিনিস, যা জনাব আদভানি ধারাবাহিকভাবে করেছেন। তবে সমস্যাটি একটি বিকল্প নকশা তৈরির মধ্যে নিহিত... উদাহরণস্বরূপ, হিন্দু রাষ্ট্রের ধারণাটি কীভাবে 'সবার জন্য ন্যায়বিচার এবং কারো তুষ্টি নয়' ধারণার সাথে খাপ খায়? রাম মন্দিরের প্রচারভিযান প্রতীকী অর্থে গুরুত্বপূর্ণ হলেও, এটি একটি ব্যাপক ও বিকল্প দর্শনের বিকল্প হওয়ার সম্ভাবনা কম। স্থিতাবস্থা-বিরোধী ভাণ্ডারকে কাজে লাগানোর পর, বিজেপির পক্ষে উন্নতি করা সম্ভব নয় যদি তাদের সমালোচনা কেবল ধর্মনিরপেক্ষ-সাম্প্রদায়িক ইস্যুতে থেমে থাকে। জনাব আদভানি নেহরুবীয় ঐকমত্যের অন্ধবিশ্বাসে একটি শক্তিশালী আঘাত হেনেছেন। তার উত্তরসূরি সেই সুবিধাগুলো নষ্ট করবেন যদি ঘৃণিত বিশ্বাসের অন্য একটি স্তম্ভ - সমাজতন্ত্রের ওপর একযোগে আক্রমণ চালানো না হয়। ** টাইমস অব ইন্ডিয়া, ১৪/১/১৯৯১। [[কোনরাড এলস্ট|কোনরাড এলস্ট]] (১৯৯১)। অযোধ্যা অ্যান্ড আফটার: ইস্যুস বিফোর হিন্দু সোসাইটি থেকে উদ্ধৃত। * কিছু লোক (চক্রের সদস্য) যারা ভেবেছিলেন যে সত্য এবং প্রজ্ঞার ওপর তাদের একচেটিয়া অধিকার রয়েছে, তারা দেখেছেন যে সাধারণ মানুষ তাদের সাথে একমত নয়... এই লোকেরা এখন বিভ্রান্ত... এবং বলতে চান যে তারা সম্পূর্ণ সত্যের আধার এবং অন্য সবকিছুই মিথ্যা চেতনা। ** স্বপন দাশগুপ্ত, একজন রাজ্যসভার সংসদ সদস্য, লুটিয়েন্স চক্রের উল্লেখ করে জয়পুর লিটারেচার ফেস্টিভ্যাল ২০১৭-এর একটি বিতর্কে এই কথা বলেছিলেন, [https://www.opindia.com/2020/04/lutyens-media-freedom-of-expression-siddharth-varadarajan-arnab-goswami-sonia-gandhi/] * "ঘৃণার একটি পরিবেশ সুপরিকল্পিতভাবে তৈরি করা হয়েছিল। এর পুরো উদ্দেশ্য ছিল এই ধারণা দেওয়া যে ভারতের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ওপর কেবল একটি সম্প্রদায়ের ভেটো রয়েছে।" ** ১২ মার্চ, ২০২০ তারিখে টুইটার থেকে উদ্ধৃত [https://twitter.com/abhijitmajumder/status/1238126502660599816] * ২০০৮ বা ২০০৯ সালে, আমি একজন শীর্ষস্থানীয় প্রকাশকের কাছে মোদি প্রপঞ্চের ওপর একটি রাজনৈতিক গবেষণা লেখার প্রস্তাব নিয়ে গিয়েছিলাম। তাদের সম্পাদক ফিরে এসে জানিয়েছিলেন যে কর্মীরা এই ধারণাতেই আতঙ্কিত যে [[মোদি|মোদির]] একটি সহানুভূতিশীল অধ্যয়ন এমনকি বিবেচনা করা যেতে পারে। ** ২৫ জুলাই, ২০২০ তারিখে টুইটার থেকে উদ্ধৃত [https://twitter.com/swapan55/status/1286980355514277888] * আমি মনে করি না যে এই গ্রেপ্তার অর্ণব গোস্বামীকে আতঙ্কিত বা নীরব করবে। এটি তার আবেদন আরও বাড়িয়ে দেবে এবং শিবসেনা ও কংগ্রেসকে হাস্যকর করে তুলবে। ** অর্ণব গোস্বামীর গ্রেপ্তার সম্পর্কে, যাকে ২০২০ সালের নভেম্বরে গ্রেপ্তার করে জেলে পাঠানো হয়েছিল। ** [[w:স্বপন দাশগুপ্ত|স্বপন দাশগুপ্ত]] ৪ নভেম্বর, ২০২০ [https://twitter.com/swapan55/status/1323859961043128322] === "এ মাইটি ফল ফ্রম এ মোরাল হাই গ্রাউন্ড", ২০১৪ === স্বপন দাশগুপ্ত "[http://www.asianage.com/columnists/mighty-fall-moral-high-ground-959 "এ মাইটি ফল ফ্রম এ মোরাল হাই গ্রাউন্ড"]" ''[[w:দ্য এশিয়ান এজ|দ্য এশিয়ান এজ]]''-এ, ৫ এপ্রিল ২০১৪। * [[নরেন্দ্র মোদি|মোদিকে]] আন্তর্জাতিকভাবে অস্পৃশ্য ঘোষণা করা এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর কূটনৈতিক বয়কটের পেছনে কারণ যা-ই থাকুক না কেন, একটি উপসংহার এড়ানো অসম্ভব ছিল: এটি ছিল একটি সার্বভৌম দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে রায় দেওয়ার একটি নির্লজ্জ প্রচেষ্টা। মোদি তো আর কোনো ভারতীয় ফৌজদারি আদালত কর্তৃক "গণহত্যায়" দোষী সাব্যস্ত হননি। প্রকৃতপক্ষে, তখন বা পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ ছিল না। হ্যাঁ, গুজরাতের এই নেতা তার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ এবং মানবাধিকার লবি – যাদের শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সংযোগ রয়েছে – উভয়ের দ্বারাই নির্মমভাবে সমালোচিত হয়েছিলেন। মোদির প্রতি একটি রাজনৈতিক অনীহাকে এমন একজন ব্যক্তির কূটনৈতিক নিন্দায় রূপান্তর করা হয়েছিল যিনি একটি সাংবিধানিক পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন। এটি ছিল একটি অতিমাত্রায় বাড়াবাড়ি এবং এমন একটি পদক্ষেপ যা থেকে সহজে ফিরে আসা সম্ভব ছিল না। * তাদের জন্য, মোদি-বিরোধী তকমা প্রদর্শন করা [[w:ইউনাইটেড প্রগ্রেসিভ অ্যালায়েন্স|ইউপিএ]] ক্ষমতার অলিন্দে বিশেষাধিকার নিশ্চিত করত। এবং এতে কোনো সন্দেহ নেই যে অন্তত এক বছর আগে পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র [[w:ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস|কংগ্রেস]] মন্ত্রী এবং অনুগত গণমাধ্যম উভয়ের কাছেই অত্যন্ত পছন্দের ছিল। * [...] ফ্রান্স [...] নিজেও কংগ্রেস এস্টাবলিশমেন্ট এবং এর তথাকথিত ভারত বিশেষজ্ঞদের পক্ষপাতদুষ্ট পরামর্শে প্রচুর বিনিয়োগ করেছিল। * আজ, যে দেশগুলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কড়া নির্দেশ সত্ত্বেও মোদির সাথে একটি সভ্য সম্পর্ক বজায় রেখেছিল – যার মধ্যে রয়েছে জাপান, সিঙ্গাপুর, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, ইসরায়েল এমনকি চীন – তারা এই জেনে খুশি যে একটি নতুন শাসনের সাথে তাদের রূপান্তর অত্যন্ত মসৃণ হবে। যারা মাঝপথে তাদের সুর বদলেছে তারাও অসুবিধায় পড়বে না। কেবল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রই মোদির বিরুদ্ধে এই ডাইনি-শিকারে রাজনৈতিকভাবে বিনিয়োগ করেছিল, যারা এখন গুরুত্ব সহকারে নিজেদের হুমকির মুখে দেখছে। * জনসমক্ষে নিজের বিষদাঁত উন্মোচন করার পর, ওয়াশিংটন সহজেই স্বীকার করবে না যে তারা ভয়ানক ভুল হিসেব করেছিল। মোদি ক্ষমতায় এলে মার্কিন দূতাবাসের সাথে একটি কাজের সম্পর্ক স্থাপিত হবে। তবে আমাদের কোনো সন্দেহ থাকা উচিত নয় যে এই মেরামতের কাজের সাথে তাকে দুর্বল করার জন্য গোপন প্রচেষ্টাও চালানো হবে। * মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কখনোই ভুল স্বীকার করতে ঘৃণা বোধ করে। === ২০২২ সাক্ষাৎকার === :[https://web.archive.org/web/https://www.opindia.com/2022/05/muslims-hold-a-political-veto-in-bengal-they-decide-who-will-rule-and-who-will-not-swapan-dasgupta/] * এটা সত্য। এই সহিংসতা ছিল অপ্রত্যাশিত। কেউ এটা আশা করেনি। নির্বাচনে জয়-পরাজয় থাকেই, তবে ভোট গণনা কেন্দ্র থেকে যেভাবে সহিংসতা শুরু হয়েছে তা আগে কখনো দেখা যায়নি। আজ পর্যন্ত ভারতে কোথাও এমনটা দেখা যায়নি। বিজেপি কর্মীরা এমনকি সংগঠনও এই পর্যায়ের সহিংসতার জন্য প্রস্তুত ছিল না, এই অভিযোগটি একদম সত্য।<br>আমাদের কর্মীদের ওপর হামলা হয়েছে। প্রায় ৫০,০০০ কর্মীকে গৃহহীন হতে হয়েছে। প্রায় ২০ জনকে হত্যা করা হয়েছে। এই সবকিছুর মধ্যে আমাদের সংগঠন তার কর্মীদের সামান্যতম সাহায্য করতে পারেনি। * ২ মে, ২০২১-এর দুপুরে যে সহিংসতা শুরু হয়েছিল, তার একটিই উদ্দেশ্য ছিল, বিজেপি সংগঠনের মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়া। বিজেপি ৩৮% ভোট পেয়েছে, অধিকাংশ হিন্দু ভোট বিজেপির পক্ষে ছিল, যার মানে বিপুল শতাংশ ভোটারের সমর্থন আমাদের সাথে ছিল। অতএব, লক্ষ্য ছিল সহিংসতার মাধ্যমে এমন একটি পরিবেশ তৈরি করা যাতে ভবিষ্যতে বিজেপির প্রতি সমর্থন দূর করা যায় এবং সংগঠনের মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়া যায়। ভয় এমন হওয়া উচিত ছিল যাতে বিজেপির সমর্থকরা ঘর থেকে বের না হয় এবং ঠিক তাই ঘটেছে। * বাংলায় যে এমনটা ঘটছে তা অস্বীকার করা যায় না। ওখানকার মোট জনসংখ্যার ৩০% মুসলিম (কেউ বলে ২৩%, কেউ ২৫%, তবে ভোটের পরিসংখ্যান বিবেচনা করলে ৩০%)। বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলাগুলো, যেমন নদিয়া, দিনাজপুর, মুর্শিদাবাদ, মালদা এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার একটি বড় অংশ এখন সম্পূর্ণ মুসলিম অধ্যুষিত হয়ে পড়েছে। * আমরা যদি পশ্চিমবঙ্গের জনমিতিক পরিবর্তনের রাজনৈতিক দিকটির দিকে তাকাই, তবে আজ সেখানে মুসলিম সম্প্রদায়ের একটি রাজনৈতিক ভেটো রয়েছে। এর মানে হলো মুসলিম সম্প্রদায়ই ঠিক করে কে শাসন করবে এবং কীভাবে করবে। এর অর্থ ইহাও যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শাসন করতে পারেন, আরও ১০ জন বাঙালি হিন্দু মন্ত্রী থাকতে পারেন, তবে যারা তাদের পেছন থেকে চালিত করবে তারা হবে মুসলিম সম্প্রদায়। * বাংলার গণমাধ্যম আজ মুক্ত গণমাধ্যম নয়, যদিও সেখানে গণমাধ্যমের ওপর কোনো বন্দুক তাক করা নেই। এই লোকগুলো বন্দুকের ভয়ে সত্য বা খবর লুকায় না, বরং তারা টাকার জন্য তা লুকায়। সরকার মিডিয়া হাউসগুলোকে টাকা দেয় এবং সরকারের কথামতো খবর প্রচার করা হয়। এই অভ্যাসের সুদূরপ্রসারী পরিণতি রয়েছে। ধরুন কোনো ইতিহাসবিদ ভবিষ্যতে বাংলার সহিংসতা সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করছেন, তিনি কী পাবেন? যখন তিনি বর্তমান সংবাদ এবং সংবাদপত্রগুলো দেখবেন, তিনি ভাববেন 'তেমন বড় কিছু ঘটেনি, কিছু ছোটখাটো ঘটনা ঘটেছে।' * এই হলো বাঙালি গণমাধ্যমের অবস্থা। সেখানে কোনো মুক্ত গণমাধ্যম নেই, আসলে তারা গণমাধ্যমও নয়, তারা কেবল রাজ্য সরকারের টাইপিস্ট। == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৫৫-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:কলকাতার ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের সাংবাদিক]] [[বিষয়শ্রেণী:স্তম্ভলেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় জনতা পার্টির রাজনীতিবিদ]] puievnaoclnkixvuz8wcvdhjgh4qj9d 79735 79734 2026-04-22T13:04:49Z Tuhin 172 79735 wikitext text/x-wiki [[File:Swapan Dasgupta in May 2016.jpg|thumb|২০১৬ সালে স্বপন দাশগুপ্ত]] '''[[w:স্বপন দাশগুপ্ত|স্বপন দাশগুপ্ত]]''' (জন্ম ৩ অক্টোবর ১৯৫৫) একজন জ্যেষ্ঠ ভারতীয় সাংবাদিক ও রাজনীতিবিদ। == উক্তি == * "যারা ১৯৭০-এর দশকের মাঝামাঝি এবং তার পরে দিল্লিতে ইতিহাস পড়েছেন, তাদের অনেকেই সরকারি মার্কসবাদের চিন্তা-পুলিশের দ্বারা সৃষ্ট কদর্য ক্ষত এখনও বহন করছেন। রেড ক্রেটিন ব্রিগেডের একজন প্রধান প্রতিনিধি তার ছাত্রদের ক্যাজুয়ালি জানাতেন, 'ইতিহাসের দুটি ব্যাখ্যা আছে, বুর্জোয়া ব্যাখ্যা এবং মার্কসবাদী ব্যাখ্যা, আর মার্কসবাদী ব্যাখ্যাটিই সঠিক।' ...যেখানে ব্রিটিশ মার্কসবাদীরা তাদের আমূল উদ্বেগকে নিপুণভাবে তৈরি করে তাদের খ্যাতি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, তাদের ভারতীয় প্রতিপক্ষরা সেখানে চটকদার সংক্ষিপ্ত পথ বেছে নিয়েছিলেন। এটি সম্ভবত ব্যাখ্যা করে যে কেন ভারতীয় ইতিহাসের ওপর সারগর্ভ গবেষণা ক্রমশ ব্রিটিশ এবং কিছু মার্কিন ও অস্ট্রেলীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষাধিকার হয়ে উঠেছে। ভারতীয় ইতিহাস রচনার অধিষ্ঠিত দেবতারা ইতিমধ্যে নিজেদের রাজনৈতিকভাবে সঠিক পাঠ্যপুস্তক লেখায় উৎসর্গ করেছেন যা ইতিহাসকে প্রাপ্ত প্রজ্ঞার অধ্যায় হিসেবে উপস্থাপন করে। তারা ইন্ডিয়ান হিস্ট্রি কংগ্রেসের জন্য প্রস্তাবনাও তৈরি করেছেন এবং অযোধ্যা ইস্যুতে সংবাদমাধ্যমে নিবন্ধ লিখেছেন।" ** স্বপন দাশগুপ্ত, ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস, ২৩ জুলাই, ১৯৯৫। লাল, কে. এস. (১৯৯৯)। থিওরি অ্যান্ড প্র্যাকটিস অব মুসলিম স্টেট ইন ইন্ডিয়া। নিউ দিল্লি: আদিত্য প্রকাশন। অধ্যায় ৭ থেকে উদ্ধৃত। * প্রচলিত রাজনৈতিক সংস্কৃতির একটি শক্তিশালী সমালোচনা করা এক জিনিস, যা জনাব আদভানি ধারাবাহিকভাবে করেছেন। তবে সমস্যাটি একটি বিকল্প নকশা তৈরির মধ্যে নিহিত... উদাহরণস্বরূপ, হিন্দু রাষ্ট্রের ধারণাটি কীভাবে 'সবার জন্য ন্যায়বিচার এবং কারো তুষ্টি নয়' ধারণার সাথে খাপ খায়? রাম মন্দিরের প্রচারভিযান প্রতীকী অর্থে গুরুত্বপূর্ণ হলেও, এটি একটি ব্যাপক ও বিকল্প দর্শনের বিকল্প হওয়ার সম্ভাবনা কম। স্থিতাবস্থা-বিরোধী ভাণ্ডারকে কাজে লাগানোর পর, বিজেপির পক্ষে উন্নতি করা সম্ভব নয় যদি তাদের সমালোচনা কেবল ধর্মনিরপেক্ষ-সাম্প্রদায়িক ইস্যুতে থেমে থাকে। জনাব আদভানি নেহরুবীয় ঐকমত্যের অন্ধবিশ্বাসে একটি শক্তিশালী আঘাত হেনেছেন। তার উত্তরসূরি সেই সুবিধাগুলো নষ্ট করবেন যদি ঘৃণিত বিশ্বাসের অন্য একটি স্তম্ভ - সমাজতন্ত্রের ওপর একযোগে আক্রমণ চালানো না হয়। ** টাইমস অব ইন্ডিয়া, ১৪/১/১৯৯১। [[কোনরাড এলস্ট|কোনরাড এলস্ট]] (১৯৯১)। অযোধ্যা অ্যান্ড আফটার: ইস্যুস বিফোর হিন্দু সোসাইটি থেকে উদ্ধৃত। * কিছু লোক (চক্রের সদস্য) যারা ভেবেছিলেন যে সত্য এবং প্রজ্ঞার ওপর তাদের একচেটিয়া অধিকার রয়েছে, তারা দেখেছেন যে সাধারণ মানুষ তাদের সাথে একমত নয়... এই লোকেরা এখন বিভ্রান্ত... এবং বলতে চান যে তারা সম্পূর্ণ সত্যের আধার এবং অন্য সবকিছুই মিথ্যা চেতনা। ** স্বপন দাশগুপ্ত, একজন রাজ্যসভার সংসদ সদস্য, লুটিয়েন্স চক্রের উল্লেখ করে জয়পুর লিটারেচার ফেস্টিভ্যাল ২০১৭-এর একটি বিতর্কে এই কথা বলেছিলেন, [https://www.opindia.com/2020/04/lutyens-media-freedom-of-expression-siddharth-varadarajan-arnab-goswami-sonia-gandhi/] * "ঘৃণার একটি পরিবেশ সুপরিকল্পিতভাবে তৈরি করা হয়েছিল। এর পুরো উদ্দেশ্য ছিল এই ধারণা দেওয়া যে ভারতের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ওপর কেবল একটি সম্প্রদায়ের ভেটো রয়েছে।" ** ১২ মার্চ, ২০২০ তারিখে টুইটার থেকে উদ্ধৃত [https://twitter.com/abhijitmajumder/status/1238126502660599816] * ২০০৮ বা ২০০৯ সালে, আমি একজন শীর্ষস্থানীয় প্রকাশকের কাছে মোদি প্রপঞ্চের ওপর একটি রাজনৈতিক গবেষণা লেখার প্রস্তাব নিয়ে গিয়েছিলাম। তাদের সম্পাদক ফিরে এসে জানিয়েছিলেন যে কর্মীরা এই ধারণাতেই আতঙ্কিত যে [[মোদি|মোদির]] একটি সহানুভূতিশীল অধ্যয়ন এমনকি বিবেচনা করা যেতে পারে। ** ২৫ জুলাই, ২০২০ তারিখে টুইটার থেকে উদ্ধৃত [https://twitter.com/swapan55/status/1286980355514277888] * আমি মনে করি না যে এই গ্রেপ্তার অর্ণব গোস্বামীকে আতঙ্কিত বা নীরব করবে। এটি তার আবেদন আরও বাড়িয়ে দেবে এবং শিবসেনা ও কংগ্রেসকে হাস্যকর করে তুলবে। ** অর্ণব গোস্বামীর গ্রেপ্তার সম্পর্কে, যাকে ২০২০ সালের নভেম্বরে গ্রেপ্তার করে জেলে পাঠানো হয়েছিল। ** [[w:স্বপন দাশগুপ্ত|স্বপন দাশগুপ্ত]] ৪ নভেম্বর, ২০২০ [https://twitter.com/swapan55/status/1323859961043128322] === "এ মাইটি ফল ফ্রম এ মোরাল হাই গ্রাউন্ড", ২০১৪ === স্বপন দাশগুপ্ত "[http://www.asianage.com/columnists/mighty-fall-moral-high-ground-959 "এ মাইটি ফল ফ্রম এ মোরাল হাই গ্রাউন্ড"]" ''[[w:দ্য এশিয়ান এজ|দ্য এশিয়ান এজ]]''-এ, ৫ এপ্রিল ২০১৪। * [[নরেন্দ্র মোদি|মোদিকে]] আন্তর্জাতিকভাবে অস্পৃশ্য ঘোষণা করা এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর কূটনৈতিক বয়কটের পেছনে কারণ যা-ই থাকুক না কেন, একটি উপসংহার এড়ানো অসম্ভব ছিল: এটি ছিল একটি সার্বভৌম দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে রায় দেওয়ার একটি নির্লজ্জ প্রচেষ্টা। মোদি তো আর কোনো ভারতীয় ফৌজদারি আদালত কর্তৃক "গণহত্যায়" দোষী সাব্যস্ত হননি। প্রকৃতপক্ষে, তখন বা পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ ছিল না। হ্যাঁ, গুজরাতের এই নেতা তার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ এবং মানবাধিকার লবি – যাদের শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সংযোগ রয়েছে – উভয়ের দ্বারাই নির্মমভাবে সমালোচিত হয়েছিলেন। মোদির প্রতি একটি রাজনৈতিক অনীহাকে এমন একজন ব্যক্তির কূটনৈতিক নিন্দায় রূপান্তর করা হয়েছিল যিনি একটি সাংবিধানিক পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন। এটি ছিল একটি অতিমাত্রায় বাড়াবাড়ি এবং এমন একটি পদক্ষেপ যা থেকে সহজে ফিরে আসা সম্ভব ছিল না। * তাদের জন্য, মোদি-বিরোধী তকমা প্রদর্শন করা [[w:ইউনাইটেড প্রগ্রেসিভ অ্যালায়েন্স|ইউপিএ]] ক্ষমতার অলিন্দে বিশেষাধিকার নিশ্চিত করত। এবং এতে কোনো সন্দেহ নেই যে অন্তত এক বছর আগে পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র [[w:ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস|কংগ্রেস]] মন্ত্রী এবং অনুগত গণমাধ্যম উভয়ের কাছেই অত্যন্ত পছন্দের ছিল। * [...] ফ্রান্স [...] নিজেও কংগ্রেস এস্টাবলিশমেন্ট এবং এর তথাকথিত ভারত বিশেষজ্ঞদের পক্ষপাতদুষ্ট পরামর্শে প্রচুর বিনিয়োগ করেছিল। * আজ, যে দেশগুলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কড়া নির্দেশ সত্ত্বেও মোদির সাথে একটি সভ্য সম্পর্ক বজায় রেখেছিল – যার মধ্যে রয়েছে জাপান, সিঙ্গাপুর, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, ইসরায়েল এমনকি চীন – তারা এই জেনে খুশি যে একটি নতুন শাসনের সাথে তাদের রূপান্তর অত্যন্ত মসৃণ হবে। যারা মাঝপথে তাদের সুর বদলেছে তারাও অসুবিধায় পড়বে না। কেবল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রই মোদির বিরুদ্ধে এই ডাইনি-শিকারে রাজনৈতিকভাবে বিনিয়োগ করেছিল, যারা এখন গুরুত্ব সহকারে নিজেদের হুমকির মুখে দেখছে। * জনসমক্ষে নিজের বিষদাঁত উন্মোচন করার পর, ওয়াশিংটন সহজেই স্বীকার করবে না যে তারা ভয়ানক ভুল হিসেব করেছিল। মোদি ক্ষমতায় এলে মার্কিন দূতাবাসের সাথে একটি কাজের সম্পর্ক স্থাপিত হবে। তবে আমাদের কোনো সন্দেহ থাকা উচিত নয় যে এই মেরামতের কাজের সাথে তাকে দুর্বল করার জন্য গোপন প্রচেষ্টাও চালানো হবে। * মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কখনোই ভুল স্বীকার করতে ঘৃণা বোধ করে। === ২০২২ সাক্ষাৎকার === :[https://web.archive.org/web/https://www.opindia.com/2022/05/muslims-hold-a-political-veto-in-bengal-they-decide-who-will-rule-and-who-will-not-swapan-dasgupta/] * এটা সত্য। এই সহিংসতা ছিল অপ্রত্যাশিত। কেউ এটা আশা করেনি। নির্বাচনে জয়-পরাজয় থাকেই, তবে ভোট গণনা কেন্দ্র থেকে যেভাবে সহিংসতা শুরু হয়েছে তা আগে কখনো দেখা যায়নি। আজ পর্যন্ত ভারতে কোথাও এমনটা দেখা যায়নি। বিজেপি কর্মীরা এমনকি সংগঠনও এই পর্যায়ের সহিংসতার জন্য প্রস্তুত ছিল না, এই অভিযোগটি একদম সত্য।<br>আমাদের কর্মীদের ওপর হামলা হয়েছে। প্রায় ৫০,০০০ কর্মীকে গৃহহীন হতে হয়েছে। প্রায় ২০ জনকে হত্যা করা হয়েছে। এই সবকিছুর মধ্যে আমাদের সংগঠন তার কর্মীদের সামান্যতম সাহায্য করতে পারেনি। * ২ মে, ২০২১-এর দুপুরে যে সহিংসতা শুরু হয়েছিল, তার একটিই উদ্দেশ্য ছিল, বিজেপি সংগঠনের মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়া। বিজেপি ৩৮% ভোট পেয়েছে, অধিকাংশ হিন্দু ভোট বিজেপির পক্ষে ছিল, যার মানে বিপুল শতাংশ ভোটারের সমর্থন আমাদের সাথে ছিল। অতএব, লক্ষ্য ছিল সহিংসতার মাধ্যমে এমন একটি পরিবেশ তৈরি করা যাতে ভবিষ্যতে বিজেপির প্রতি সমর্থন দূর করা যায় এবং সংগঠনের মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়া যায়। ভয় এমন হওয়া উচিত ছিল যাতে বিজেপির সমর্থকরা ঘর থেকে বের না হয় এবং ঠিক তাই ঘটেছে। * বাংলায় যে এমনটা ঘটছে তা অস্বীকার করা যায় না। ওখানকার মোট জনসংখ্যার ৩০% মুসলিম (কেউ বলে ২৩%, কেউ ২৫%, তবে ভোটের পরিসংখ্যান বিবেচনা করলে ৩০%)। বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলাগুলো, যেমন নদিয়া, দিনাজপুর, মুর্শিদাবাদ, মালদা এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার একটি বড় অংশ এখন সম্পূর্ণ মুসলিম অধ্যুষিত হয়ে পড়েছে। * আমরা যদি পশ্চিমবঙ্গের জনমিতিক পরিবর্তনের রাজনৈতিক দিকটির দিকে তাকাই, তবে আজ সেখানে মুসলিম সম্প্রদায়ের একটি রাজনৈতিক ভেটো রয়েছে। এর মানে হলো মুসলিম সম্প্রদায়ই ঠিক করে কে শাসন করবে এবং কীভাবে করবে। এর অর্থ ইহাও যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শাসন করতে পারেন, আরও ১০ জন বাঙালি হিন্দু মন্ত্রী থাকতে পারেন, তবে যারা তাদের পেছন থেকে চালিত করবে তারা হবে মুসলিম সম্প্রদায়। * বাংলার গণমাধ্যম আজ মুক্ত গণমাধ্যম নয়, যদিও সেখানে গণমাধ্যমের ওপর কোনো বন্দুক তাক করা নেই। এই লোকগুলো বন্দুকের ভয়ে সত্য বা খবর লুকায় না, বরং তারা টাকার জন্য তা লুকায়। সরকার মিডিয়া হাউসগুলোকে টাকা দেয় এবং সরকারের কথামতো খবর প্রচার করা হয়। এই অভ্যাসের সুদূরপ্রসারী পরিণতি রয়েছে। ধরুন কোনো ইতিহাসবিদ ভবিষ্যতে বাংলার সহিংসতা সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করছেন, তিনি কী পাবেন? যখন তিনি বর্তমান সংবাদ এবং সংবাদপত্রগুলো দেখবেন, তিনি ভাববেন 'তেমন বড় কিছু ঘটেনি, কিছু ছোটখাটো ঘটনা ঘটেছে।' * এই হলো বাঙালি গণমাধ্যমের অবস্থা। সেখানে কোনো মুক্ত গণমাধ্যম নেই, আসলে তারা গণমাধ্যমও নয়, তারা কেবল রাজ্য সরকারের টাইপিস্ট হিসেবে কাজ করছে। == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৫৫-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:কলকাতার ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের সাংবাদিক]] [[বিষয়শ্রেণী:স্তম্ভলেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় জনতা পার্টির রাজনীতিবিদ]] k3045hk1bruzb6q2l801kdumjdrhplo 79736 79735 2026-04-22T13:07:03Z Tuhin 172 79736 wikitext text/x-wiki [[File:Swapan Dasgupta in May 2016.jpg|thumb|২০১৬ সালে স্বপন দাশগুপ্ত]] '''[[w:স্বপন দাশগুপ্ত|স্বপন দাশগুপ্ত]]''' (জন্ম ৩ অক্টোবর ১৯৫৫) একজন জ্যেষ্ঠ ভারতীয় সাংবাদিক ও রাজনীতিবিদ। == উক্তি == * "যারা ১৯৭০-এর দশকের মাঝামাঝি এবং তার পরে দিল্লিতে ইতিহাস পড়েছেন, তাদের অনেকেই সরকারি মার্কসবাদের চিন্তা-পুলিশের দ্বারা সৃষ্ট কদর্য ক্ষত এখনও বহন করছেন। রেড ক্রেটিন ব্রিগেডের একজন প্রধান প্রতিনিধি তার ছাত্রদের ক্যাজুয়ালি জানাতেন, 'ইতিহাসের দুটি ব্যাখ্যা আছে, বুর্জোয়া ব্যাখ্যা এবং মার্কসবাদী ব্যাখ্যা, আর মার্কসবাদী ব্যাখ্যাটিই সঠিক।' ...যেখানে ব্রিটিশ মার্কসবাদীরা তাদের আমূল উদ্বেগকে নিপুণভাবে তৈরি করে তাদের খ্যাতি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, তাদের ভারতীয় প্রতিপক্ষরা সেখানে চটকদার সংক্ষিপ্ত পথ বেছে নিয়েছিলেন। এটি সম্ভবত ব্যাখ্যা করে যে কেন ভারতীয় ইতিহাসের ওপর সারগর্ভ গবেষণা ক্রমশ ব্রিটিশ এবং কিছু মার্কিন ও অস্ট্রেলীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষাধিকার হয়ে উঠেছে। ভারতীয় ইতিহাস রচনার অধিষ্ঠিত দেবতারা ইতিমধ্যে নিজেদের রাজনৈতিকভাবে সঠিক পাঠ্যপুস্তক লেখায় উৎসর্গ করেছেন যা ইতিহাসকে প্রাপ্ত প্রজ্ঞার অধ্যায় হিসেবে উপস্থাপন করে। তারা ইন্ডিয়ান হিস্ট্রি কংগ্রেসের জন্য প্রস্তাবনাও তৈরি করেছেন এবং অযোধ্যা ইস্যুতে সংবাদমাধ্যমে নিবন্ধ লিখেছেন।" ** স্বপন দাশগুপ্ত, ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস, ২৩ জুলাই, ১৯৯৫। লাল, কে. এস. (১৯৯৯)। থিওরি অ্যান্ড প্র্যাকটিস অব মুসলিম স্টেট ইন ইন্ডিয়া। নিউ দিল্লি: আদিত্য প্রকাশন। অধ্যায় ৭ থেকে উদ্ধৃত। * প্রচলিত রাজনৈতিক সংস্কৃতির একটি শক্তিশালী সমালোচনা করা এক জিনিস, যা জনাব আদভানি ধারাবাহিকভাবে করেছেন। তবে সমস্যাটি একটি বিকল্প নকশা তৈরির মধ্যে নিহিত... উদাহরণস্বরূপ, হিন্দু রাষ্ট্রের ধারণাটি কীভাবে 'সবার জন্য ন্যায়বিচার এবং কারো তুষ্টি নয়' ধারণার সাথে খাপ খায়? রাম মন্দিরের প্রচারভিযান প্রতীকী অর্থে গুরুত্বপূর্ণ হলেও, এটি একটি ব্যাপক ও বিকল্প দর্শনের বিকল্প হওয়ার সম্ভাবনা কম। স্থিতাবস্থা-বিরোধী ভাণ্ডারকে কাজে লাগানোর পর, বিজেপির পক্ষে উন্নতি করা সম্ভব নয় যদি তাদের সমালোচনা কেবল ধর্মনিরপেক্ষ-সাম্প্রদায়িক ইস্যুতে থেমে থাকে। জনাব আদভানি নেহরুবীয় ঐকমত্যের অন্ধবিশ্বাসে একটি শক্তিশালী আঘাত হেনেছেন। তার উত্তরসূরি সেই সুবিধাগুলো নষ্ট করবেন যদি ঘৃণিত বিশ্বাসের অন্য একটি স্তম্ভ - সমাজতন্ত্রের ওপর একযোগে আক্রমণ চালানো না হয়। ** টাইমস অব ইন্ডিয়া, ১৪/১/১৯৯১। [[কোনরাড এলস্ট|কোনরাড এলস্ট]] (১৯৯১)। অযোধ্যা অ্যান্ড আফটার: ইস্যুস বিফোর হিন্দু সোসাইটি থেকে উদ্ধৃত। * কিছু লোক (চক্রের সদস্য) যারা ভেবেছিলেন যে সত্য এবং প্রজ্ঞার ওপর তাদের একচেটিয়া অধিকার রয়েছে, তারা দেখেছেন যে সাধারণ মানুষ তাদের সাথে একমত নয়... এই লোকেরা এখন বিভ্রান্ত... এবং বলতে চান যে তারা সম্পূর্ণ সত্যের আধার এবং অন্য সবকিছুই মিথ্যা চেতনা। ** স্বপন দাশগুপ্ত, একজন রাজ্যসভার সংসদ সদস্য, লুটিয়েন্স চক্রের উল্লেখ করে জয়পুর লিটারেচার ফেস্টিভ্যাল ২০১৭-এর একটি বিতর্কে এই কথা বলেছিলেন, [https://www.opindia.com/2020/04/lutyens-media-freedom-of-expression-siddharth-varadarajan-arnab-goswami-sonia-gandhi/] * "ঘৃণার একটি পরিবেশ সুপরিকল্পিতভাবে তৈরি করা হয়েছিল। এর পুরো উদ্দেশ্য ছিল এই ধারণা দেওয়া যে ভারতের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ওপর কেবল একটি সম্প্রদায়ের ভেটো রয়েছে।" ** ১২ মার্চ, ২০২০ তারিখে টুইটার থেকে উদ্ধৃত [https://twitter.com/abhijitmajumder/status/1238126502660599816] * ২০০৮ বা ২০০৯ সালে, আমি একজন শীর্ষস্থানীয় প্রকাশকের কাছে মোদি প্রপঞ্চের ওপর একটি রাজনৈতিক গবেষণা লেখার প্রস্তাব নিয়ে গিয়েছিলাম। তাদের সম্পাদক ফিরে এসে জানিয়েছিলেন যে কর্মীরা এই ধারণাতেই আতঙ্কিত যে [[মোদি|মোদির]] একটি সহানুভূতিশীল অধ্যয়ন এমনকি বিবেচনা করা যেতে পারে। ** ২৫ জুলাই, ২০২০ তারিখে টুইটার থেকে উদ্ধৃত [https://twitter.com/swapan55/status/1286980355514277888] * আমি মনে করি না যে এই গ্রেপ্তার অর্ণব গোস্বামীকে আতঙ্কিত বা নীরব করবে। এটি তার আবেদন আরও বাড়িয়ে দেবে এবং শিবসেনা ও কংগ্রেসকে হাস্যকর করে তুলবে। ** অর্ণব গোস্বামীর গ্রেপ্তার সম্পর্কে, যাকে ২০২০ সালের নভেম্বরে গ্রেপ্তার করে জেলে পাঠানো হয়েছিল। ** [[w:স্বপন দাশগুপ্ত|স্বপন দাশগুপ্ত]] ৪ নভেম্বর, ২০২০ [https://twitter.com/swapan55/status/1323859961043128322] === "এ মাইটি ফল ফ্রম এ মোরাল হাই গ্রাউন্ড", ২০১৪ === স্বপন দাশগুপ্ত "[http://www.asianage.com/columnists/mighty-fall-moral-high-ground-959 "এ মাইটি ফল ফ্রম এ মোরাল হাই গ্রাউন্ড"]" ''[[w:দ্য এশিয়ান এজ|দ্য এশিয়ান এজ]]''-এ, ৫ এপ্রিল ২০১৪। * [[নরেন্দ্র মোদি|মোদিকে]] আন্তর্জাতিকভাবে অস্পৃশ্য ঘোষণা করা এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর কূটনৈতিক বয়কটের পেছনে কারণ যা-ই থাকুক না কেন, একটি উপসংহার এড়ানো অসম্ভব ছিল: এটি ছিল একটি সার্বভৌম দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে রায় দেওয়ার একটি নির্লজ্জ প্রচেষ্টা। মোদি তো আর কোনো ভারতীয় ফৌজদারি আদালত কর্তৃক "গণহত্যায়" দোষী সাব্যস্ত হননি। প্রকৃতপক্ষে, তখন বা পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ ছিল না। হ্যাঁ, গুজরাতের এই নেতা তার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ এবং মানবাধিকার লবি – যাদের শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সংযোগ রয়েছে – উভয়ের দ্বারাই নির্মমভাবে সমালোচিত হয়েছিলেন। মোদির প্রতি একটি রাজনৈতিক অনীহাকে এমন একজন ব্যক্তির কূটনৈতিক নিন্দায় রূপান্তর করা হয়েছিল যিনি একটি সাংবিধানিক পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন। এটি ছিল একটি অতিমাত্রায় বাড়াবাড়ি এবং এমন একটি পদক্ষেপ যা থেকে সহজে ফিরে আসা সম্ভব ছিল না। * তাদের জন্য, মোদি-বিরোধী তকমা প্রদর্শন করা [[w:ইউনাইটেড প্রগ্রেসিভ অ্যালায়েন্স|ইউপিএ]] ক্ষমতার অলিন্দে বিশেষাধিকার নিশ্চিত করত। এবং এতে কোনো সন্দেহ নেই যে অন্তত এক বছর আগে পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র [[w:ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস|কংগ্রেস]] মন্ত্রী এবং অনুগত গণমাধ্যম উভয়ের কাছেই অত্যন্ত পছন্দের ছিল। * [...] ফ্রান্স [...] নিজেও কংগ্রেস এস্টাবলিশমেন্ট এবং এর তথাকথিত ভারত বিশেষজ্ঞদের পক্ষপাতদুষ্ট পরামর্শে প্রচুর বিনিয়োগ করেছিল। * আজ, যে দেশগুলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কড়া নির্দেশ সত্ত্বেও মোদির সাথে একটি সভ্য সম্পর্ক বজায় রেখেছিল – যার মধ্যে রয়েছে জাপান, সিঙ্গাপুর, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, ইসরায়েল এমনকি চীন – তারা এই জেনে খুশি যে একটি নতুন শাসনের সাথে তাদের রূপান্তর অত্যন্ত মসৃণ হবে। যারা মাঝপথে তাদের সুর বদলেছে তারাও অসুবিধায় পড়বে না। কেবল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রই মোদির বিরুদ্ধে এই ডাইনি-শিকারে রাজনৈতিকভাবে বিনিয়োগ করেছিল, যারা এখন গুরুত্ব সহকারে নিজেদের হুমকির মুখে দেখছে। * জনসমক্ষে নিজের বিষদাঁত উন্মোচন করার পর, ওয়াশিংটন সহজেই স্বীকার করবে না যে তারা ভয়ানক ভুল হিসেব করেছিল। মোদি ক্ষমতায় এলে মার্কিন দূতাবাসের সাথে একটি কাজের সম্পর্ক স্থাপিত হবে। তবে আমাদের কোনো সন্দেহ থাকা উচিত নয় যে এই মেরামতের কাজের সাথে তাকে দুর্বল করার জন্য গোপন প্রচেষ্টাও চালানো হবে। * মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কখনোই ভুল স্বীকার করতে ঘৃণা বোধ করে। === ২০২২ সাক্ষাৎকার === :[https://web.archive.org/web/https://www.opindia.com/2022/05/muslims-hold-a-political-veto-in-bengal-they-decide-who-will-rule-and-who-will-not-swapan-dasgupta/] * এটা সত্য। এই সহিংসতা ছিল অপ্রত্যাশিত। কেউ এটা আশা করেনি। নির্বাচনে জয়-পরাজয় থাকেই, তবে ভোট গণনা কেন্দ্র থেকে যেভাবে সহিংসতা শুরু হয়েছে তা আগে কখনো দেখা যায়নি। আজ পর্যন্ত ভারতে কোথাও এমনটা দেখা যায়নি। বিজেপি কর্মীরা এমনকি সংগঠনও এই পর্যায়ের সহিংসতার জন্য প্রস্তুত ছিল না, এই অভিযোগটি একদম সত্য।<br>আমাদের কর্মীদের ওপর হামলা হয়েছে। প্রায় ৫০,০০০ কর্মীকে গৃহহীন হতে হয়েছে। প্রায় ২০ জনকে হত্যা করা হয়েছে। এই সবকিছুর মধ্যে আমাদের সংগঠন তার কর্মীদের সামান্যতম সাহায্য করতে পারেনি। * ২ মে, ২০২১-এর দুপুরে যে সহিংসতা শুরু হয়েছিল, তার একটিই উদ্দেশ্য ছিল, বিজেপি সংগঠনের মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়া। বিজেপি ৩৮% ভোট পেয়েছে, অধিকাংশ হিন্দু ভোট বিজেপির পক্ষে ছিল, যার মানে বিপুল শতাংশ ভোটারের সমর্থন আমাদের সাথে ছিল। অতএব, লক্ষ্য ছিল সহিংসতার মাধ্যমে এমন একটি পরিবেশ তৈরি করা যাতে ভবিষ্যতে বিজেপির প্রতি সমর্থন দূর করা যায় এবং সংগঠনের মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়া যায়। ভয় এমন হওয়া উচিত ছিল যাতে বিজেপির সমর্থকরা ঘর থেকে বের না হয় এবং ঠিক তাই ঘটেছে। * বাংলায় যে এমনটা ঘটছে তা অস্বীকার করা যায় না। ওখানকার মোট জনসংখ্যার ৩০% মুসলিম (কেউ বলে ২৩%, কেউ ২৫%, তবে ভোটের পরিসংখ্যান বিবেচনা করলে ৩০%)। বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলাগুলো, যেমন নদিয়া, দিনাজপুর, মুর্শিদাবাদ, মালদা এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার একটি বড় অংশ এখন সম্পূর্ণ মুসলিম অধ্যুষিত হয়ে পড়েছে। * আমরা যদি পশ্চিমবঙ্গের জনমিতিক পরিবর্তনের রাজনৈতিক দিকটির দিকে তাকাই, তবে আজ সেখানে মুসলিম সম্প্রদায়ের একটি রাজনৈতিক ভেটো রয়েছে। এর মানে হলো মুসলিম সম্প্রদায়ই ঠিক করে কে শাসন করবে এবং কীভাবে করবে। এর অর্থ ইহাও যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শাসন করতে পারেন, আরও ১০ জন বাঙালি হিন্দু মন্ত্রী থাকতে পারেন, তবে যারা তাদের পেছন থেকে চালিত করবে তারা হবে মুসলিম সম্প্রদায়। * বাংলার গণমাধ্যম আজ মুক্ত গণমাধ্যম নয়, যদিও সেখানে গণমাধ্যমের ওপর কোনো বন্দুক তাক করা নেই। এই লোকগুলো বন্দুকের ভয়ে সত্য বা খবর লুকায় না, বরং তারা টাকার জন্য তা লুকায়। সরকার মিডিয়া হাউসগুলোকে টাকা দেয় এবং সরকারের কথামতো খবর প্রচার করা হয়। এই অভ্যাসের সুদূরপ্রসারী পরিণতি রয়েছে। ধরুন কোনো ইতিহাসবিদ ভবিষ্যতে বাংলার সহিংসতা সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করছেন, তিনি কী পাবেন? যখন তিনি বর্তমান সংবাদ এবং সংবাদপত্রগুলো দেখবেন, তিনি ভাববেন 'তেমন বড় কিছু ঘটেনি, কিছু ছোটখাটো ঘটনা ঘটেছে।' * এই হলো বাঙালি গণমাধ্যমের অবস্থা। সেখানে কোনো মুক্ত গণমাধ্যম নেই, আসলে তারা গণমাধ্যমও নয়, তারা কেবল রাজ্য সরকারের টাইপিস্ট হিসেবে কাজ করছে। == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৫৫-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:কলকাতার ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের সাংবাদিক]] [[বিষয়শ্রেণী:কলাম লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় জনতা পার্টির রাজনীতিবিদ]] 82zk186ssupdt711h93tom0eq9vzfht আলাপ:স্বপন দাশগুপ্ত 1 13211 79737 2026-04-22T13:07:18Z Tuhin 172 https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026 79737 wikitext text/x-wiki {{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}} s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm আলাপ:সুবোধ সরকার 1 13212 79742 2026-04-22T13:23:09Z Nil Nandy 2294 https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026 79742 wikitext text/x-wiki {{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}} s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm হর্ষ মান্দার 0 13213 79743 2026-04-22T13:27:52Z Tuhin 172 + 79743 wikitext text/x-wiki [[File:Md09645.jpg|thumb|২০১৭ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি মান্দার বক্তব্য রাখছেন]] '''[[w:হর্ষ মান্দার|হর্ষ মান্দার]]''' (জন্ম ১৭ এপ্রিল ১৯৫৫) একজন ভারতীয় লেখক, গবেষক, শিক্ষক এবং সামাজিক কর্মী। == উক্তি == * আমি মনে করি, কোনো অতিরঞ্জিত না করেই বলা যায় যে এটি সম্ভবত আমাদের কাছে থাকা সবচেয়ে বিপজ্জনক [[w:আইন|আইন]], কারণ এটি ভারতীয় রাষ্ট্রের মৌলিক চরিত্র এবং [[ভারতের সংবিধান|ভারতের সংবিধানকে]] সত্যিকার অর্থে ধ্বংস করার শামিল। [...] এই ধারণার মূল কথা ছিল যে আপনার [[w:ধর্মীয় পরিচয়|ধর্মীয় পরিচয়]] আপনার নাগরিকত্বের সাথে অপ্রাসঙ্গিক হবে, আর সেটিকেই এখন উল্টে দেওয়া হচ্ছে। এটি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। ** [[নাগরিকত্ব (সংশোধন) আইন, ২০১৯|নাগরিকত্ব (সংশোধন) আইন, ২০১৯]] সম্পর্কে। হেলেন রেগান, স্বাতী গুপ্তা এবং ওমর খান লিখিত ''[[w:সিএনএন|সিএনএন]]''-এর নিবন্ধ [https://edition.cnn.com/2019/12/11/asia/india-citizenship-amendment-bill-intl-hnk/index.html "ইন্ডিয়া পাসেস কন্ট্রোভার্সিয়াল সিটিজেনশিপ বিল দ্যাট এক্সক্লুডস মুসলিমস"] (১৭ ডিসেম্বর ২০১৯)-এ উদ্ধৃত। * কেবল মুসলিমরাই ইচ্ছাকৃতভাবে ভারতীয়, আর অন্য সব ধর্মের মানুষ আকস্মিকভাবে ভারতীয়।<br>দেশভাগের পর মুসলিমদের কাছে পাকিস্তানে যাওয়ার সুযোগ ছিল, যা তাদের স্বার্থ এবং তাদের ধর্মের নীতির ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছিল... পাকিস্তান তৈরি হয়েছিল মুসলিমদের জন্য এবং তাদের ধর্মের নীতি অনুসরণ করে। তাই মুসলিমদের পাকিস্তানে যাওয়ার সুযোগ ছিল, তবে তারা ভারতের বদলে পাকিস্তানকে বেছে না নিয়ে তাদের দেশপ্রেম এবং দেশের প্রতি ভালোবাসা প্রমাণ করেছেন। অন্য ধর্মের মানুষের, বিশেষ করে হিন্দুদের কোথাও যাওয়ার ছিল না, তাদের ভারতেই থেকে যেতে হয়েছিল। তাই এই দেশে কেবল মুসলিমরাই ইচ্ছাকৃতভাবে ভারতীয়, তারা ছাড়া আমরা বাকিরা সবাই আকস্মিকভাবে ভারতীয়। **হর্ষ মান্দার, [http://muslimmirror.com/eng/only-muslims-are-indians-by-choice-rest-all-are-by-chance-harsh-mander/ জানুয়ারি ২০২০] [https://clarionindia.net/only-muslims-are-indians-by-choice-rest-all-are-by-chance-harsh-mander/ অনলি মুসলিমস আর ইন্ডিয়ানস বাই চয়েস, রেস্ট অল আর বাই চান্স: হর্ষ মান্দার] [https://www.albiladdailyeng.com/muslims-indians-choice-rest-chance-harsh-mander/] [https://www.sahilonline.net/en/retired-ias-officer-harsh-mandar-address-caa-nrc-against-protest-rally-at-mangalore ] * এখন থেকে সিদ্ধান্ত সুপ্রিম কোর্ট বা সংসদ থেকে আসবে না। অযোধ্যা, এনআরসি এবং কাশ্মীর ইস্যুতে সুপ্রিম কোর্ট কী করেছে তা আমরা দেখেছি... সুপ্রিম কোর্ট ধর্মনিরপেক্ষতা, সাম্য এবং মানবতাকে সম্মান করতে ব্যর্থ হয়েছে। আমরা সেখানেও লড়াই করার চেষ্টা করব, তবে সিদ্ধান্ত সুপ্রিম কোর্ট বা সংসদে হবে না, এটি রাস্তাতেই হতে হবে। **হর্ষ মান্দার [https://www.timesnownews.com/delhi/article/vilification-of-muslims-behind-delhi-riots-harsh-mander-calls-for-end-to-shaheen-bagh-protests/564265 'ভিলাইফিকেশন অব মুসলিমস বিহাইন্ড দিল্লি রায়টস': হর্ষ মান্দার কলস ফর এন্ড টু শাহীন বাগ প্রটেস্টস] [https://web.archive.org/web/https://www.opindia.com/2023/02/george-soros-colour-evolution-india-adani-modi/ এজ জর্জ সোরাস রিভিলস হিস রোল ইন দ্য আদানি ফিয়াস্কো, হিয়ার ইজ অল ইউ নিড টু নো অ্যাবাউট হিস ‘কালার রেভোলিউশন’ ইন ইন্ডিয়া] * [[হিন্দুত্ব]] প্রকল্পের জন্য ভারতের হিন্দু এবং তাদের দ্বারা ঘৃণিত "অন্যান্য" অর্থাৎ ভারতের মুসলিম ও খ্রিস্টানদের মধ্যে একটি আমূল ও সহিংস বিচ্ছেদ প্রয়োজন। ** [https://thewire.in/communalism/is-india-lurching-into-a-genocide "ইজ ইন্ডিয়া লার্চিং ইনটু এ জেনোসাইড?"], ''দ্য ওয়ায়ার'', ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২২। * তবে [হর্ষ মান্দার] বলেন যে সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে একটি "প্রাতিষ্ঠানিক পক্ষপাতিত্ব" রয়েছে যা সংশোধন করা প্রয়োজন। "সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ক্ষেত্রে পুরো ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থা সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে কাজ করেছে। এই প্রাতিষ্ঠানিক পক্ষপাত সংশোধন করার জন্যই আমাদের একটি বিশেষ আইন দরকার। হিন্দুদের বিরুদ্ধেও দাঙ্গা হয়েছে, তবে আপনি কি কখনো শুনেছেন যে কোনো প্রাদেশিক সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী তাদের ওপর গুলি চালিয়েছে?"। ** [https://www.business-standard.com/article/economy-policy/nac-s-communal-violence-prevention-bill-the-fine-print-111091800053_1.html] আনন্দ রঙ্গনাথন লিখিত ''হিন্দুস ইন হিন্দু রাষ্ট্র: এইটথ-ক্লাস সিটিজেনস অ্যান্ড ভিকটিমস অব স্টেট-স্যাংশনড অ্যাপার্থাইড'' (২০২৩)-এর অধ্যায় ৫-এও উদ্ধৃত। == হর্ষ মান্দার সম্পর্কে উক্তি == * যাদের আইসিস-এর সাথে যোগসূত্র রয়েছে তারা জাতীয় রাজধানীতে দাঙ্গা উসকে দিচ্ছে। জর্জ সোরাস নামে একজন মার্কিন নাগরিক ১ বিলিয়ন ডলার এবং তার সংস্থার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভারতীয় জাতীয়তাবাদকে পরাজিত করার অঙ্গীকার করেছেন। হর্ষ মান্দার সেই বিতর্কিত সংস্থার একজন বোর্ড মেম্বার, যিনি ইউপিএ আমলের সংবিধান বহির্ভূত সংস্থা ন্যাশনাল অ্যাডভাইজরি কাউন্সিলের সদস্য ছিলেন। ** মীনাক্ষী লেখি, ১১ মার্চ ২০২০। [https://web.archive.org/web/https://www.opindia.com/2020/03/kapil-mishra-lok-sabha-delhi-riots-meenakshi-lekhi-congress-sonia-adhir-ranjan-1984/ সাম পিপল হ্যাভ এ হিস্ট্রি অব সেটিং থিংস অ্যাব্লেজ, ১৯৮৪ রায়টস অ্যাকিউজড আর সিটিং অ্যাজ সিএম: মীনাক্ষী লেখি রোয়ার্স ইন লোকসভা] থেকে উদ্ধৃত। * আজকাল জন দয়াল, হর্ষ মান্দার এবং অরুন্ধতী রায়ের মতো বহুল প্রশংসিত চরিত্রগুলো সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার জন্য অপেক্ষা করে থাকে এবং দাঙ্গা শুরু হওয়া মাত্রই সেখানে ঝাঁপিয়ে পড়ে। তারা দাঙ্গার হিন্দু-বিরোধী প্রচারণাকে সর্বোচ্চ পর্যায়ে ব্যবহার করে এবং সত্য ঘটনায় কোনো খামতি থাকলে তা পুষিয়ে নিতে কাল্পনিক গল্প তৈরি করে। ** কে. এলস্ট, ''অযোধ্যা, দ্য ফিনালে'' (২০০৩)। * হর্ষ মান্দার তার বিখ্যাত কলাম 'হিন্দুস্তান হামারা'-তে কথিত হিন্দু অত্যাচারের মিথ্যা গুজব ছড়ানোর জন্য ইতিমধ্যেই ভারতের প্রেস কাউন্সিল দ্বারা নিন্দিত হয়েছেন। ** কে. এলস্ট: রিলিজিয়াস ক্লিনজিং অব হিন্দুস (২০০৪)। দ্য হেগ-এর অগ্নি কনফারেন্স থেকে 'দ্য প্রবলেম উইথ সেকুলারিজম' (২০০৭)-এ উদ্ধৃত। * কোনো ভারতীয় সরকার অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালকে এই দেশে পা রাখতে দেবে না... অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ভারতীয় সরকারের কাছে সত্য, তথ্য বা পরিসংখ্যান জানতে চাইবে না... [বরং] তারা তিস্তা সেতালভাদ, হর্ষ মান্দার এবং ক্যাথি শ্রীধরের মতো ব্যক্তিদের কাছে জানতে চাইবে। ** রাজন, আর., কাক, কে. (২০০৬)। এনজিওস, অ্যাক্টিভিস্টস অ্যান্ড ফরেন ফান্ডস: অ্যান্টি-নেশন ইন্ডাস্ট্রি। চেন্নাই: ভিজিল। == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের শিক্ষাবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের প্রাবন্ধিক]] [[বিষয়শ্রেণী:কলাম লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:সমাজকর্মী]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৫৫-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] t046bxtae26c5kk9mady1nbanr9zix2 আলাপ:হর্ষ মান্দার 1 13214 79744 2026-04-22T13:31:09Z Tuhin 172 https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026 79744 wikitext text/x-wiki {{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}} s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm হিন্দু আমেরিকান ফাউন্ডেশন 0 13215 79745 2026-04-22T13:45:49Z Tuhin 172 + 79745 wikitext text/x-wiki '''[[w:হিন্দু আমেরিকান ফাউন্ডেশন|হিন্দু আমেরিকান ফাউন্ডেশন]]''' (এইচএএফ) হলো ২০০৩ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি মার্কিন অলাভজনক [[হিন্দুত্ব|হিন্দুত্ববাদী]] ওকালতি সংস্থা। এই সংগঠনের শিকড় রয়েছে সংঘ পরিবারের মধ্যে, যা আধাসামরিক বাহিনী [[রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ|রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের]] নেতৃত্বে থাকা হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলোর একটি সমষ্টি। বিশেষত বিশ্ব হিন্দু পরিষদ আমেরিকা এবং এর ছাত্র সংগঠন হিন্দু স্টুডেন্টস কাউন্সিলের সাথে এর সরাসরি যোগসূত্র রয়েছে। এইচএএফ-এর কার্যক্রম [[হিন্দু জাতীয়তাবাদ|হিন্দু জাতীয়তাবাদী]] আদর্শ বা হিন্দুত্বের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ, যা পাশাপাশি [[বুদ্ধিবাদ-বিরোধিতা|একাডেমিক স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করে]] বলেও অভিযোগ রয়েছে। সংগঠনটির দাবি অনুযায়ী, তাদের মূল লক্ষ্য হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে হিন্দুদের অধিকার রক্ষা করা, বিদেশে [[হিন্দু নিগ্রহ|হিন্দু নিগ্রহের]] দিকে নজর দেওয়া, [[যোগ|যোগব্যায়ামের]] সাংস্কৃতিক অপব্যবহার রোধ করা এবং [[ভারতে জাতিভেদ প্রথা|বর্ণভিত্তিক বৈষম্য]] নিষিদ্ধকারী আইনের বিরোধিতা করা। তবে এই প্রচেষ্টাগুলো মূলত হিন্দুত্বকে "হিন্দু অধিকার" হিসেবে নতুনভাবে উপস্থাপনের একটি চেষ্টা বলে বিবেচিত হয়, যাতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বহুসংস্কৃতিবাদের মূলধারার রাজনীতিতে এটি আরও গ্রহণযোগ্য হয়ে ওঠে। == উক্তি == === হিউম্যান রাইটস সার্ভে, ২০০৫ === * ১৯৪৭ সালে দেশভাগের সময় বর্তমান বাংলাদেশে হিন্দু জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৩১%। ১৯৬১ সালের মধ্যে হিন্দুদের সংখ্যা কমে দাঁড়ায় ১৯%-এ। ১৯৭৪ সালের মধ্যে এই সংখ্যা আরও কমে ১৪% হয়। এবং ২০০২ সালের এক হিসেবে দেখা যায় যে মোট জনসংখ্যার মাত্র ৯% হিন্দু অবশিষ্ট ছিল। এর তুলনায় ভারতে মুসলিম জনসংখ্যা ১৯৪৭ সালের ১০% থেকে বেড়ে ২০০১ সালে ১৩.২% হয়েছে। * ২০০৪ সালের ঘটনাবলি পর্যবেক্ষণ করে আমরা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছি যে, হিন্দুদের জন্য সবচেয়ে ভয়াবহ বিপদ বাংলাদেশে বিদ্যমান। ভারত ছাড়া তারাই বিশ্বের একমাত্র উল্লেখযোগ্য হিন্দু জনসংখ্যা যারা বর্তমানে মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার হচ্ছে এবং একটি ইসলামপন্থী শাসনের মাধ্যমে দ্রুত বিতাড়িত হচ্ছে। এই রিপোর্টে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্টের নথিতে থাকা নৃশংসতার ঘটনাগুলো সেই দেশে হিন্দুদের ওপর চলমান হামলার একটি সামান্য অংশ মাত্র। * পাকিস্তানের ক্ষেত্রে তথ্যের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। পাকিস্তানে হিন্দুদের স্বল্প সংখ্যা এবং সংখ্যালঘু হিসেবে তাদের বিপন্ন অবস্থার কারণে তথ্য সংগ্রহ করা কঠিন হয়ে পড়ে। এই প্রতিবেদনে হিন্দুদের ওপর ঘটা নির্যাতনের একটি ঐতিহাসিক ভিত্তি তুলে ধরা হয়েছে, যা ক্রমাগত কমে আসা এবং প্রায় নিশ্চিহ্ন হতে চলা হিন্দু জনসংখ্যা থেকেই স্পষ্ট। পাকিস্তানে মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রকৃতি এতটাই দীর্ঘস্থায়ী যে সেখানে উন্নতির কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। * জম্মু ও কাশ্মীরে কাশ্মীর উপত্যকা থেকে হিন্দুদের জাতিগত নিধন প্রায় সম্পূর্ণ হয়েছে, যার ফলে নির্দিষ্ট হিন্দু লক্ষ্যবস্তুর ওপর হামলার ঘটনাও কমে এসেছে। উপত্যকা থেকে বিতাড়িত হিন্দুরা উত্তর ভারতের বিভিন্ন শরণার্থী শিবিরে মানবেতর অবস্থায় বসবাস করছেন, যা তাদের আশ্রয় ও মর্যাদার মৌলিক অধিকারের চরম লঙ্ঘন। এই প্রায় ৩,৫০,০০০ মানুষের ভাগ্য এখন অনিশ্চিত, কারণ ভারত সরকার জম্মু ও কাশ্মীরের বিদ্রোহ দমনে এবং সেখানকার জটিল ভূ-রাজনৈতিক বাস্তবতা মোকাবিলায় সচেষ্ট রয়েছে। === হিউম্যান রাইটস সার্ভে, ২০০৬ === * এইচএএফ-এর আগের বার্ষিক মানবাধিকার রিপোর্টগুলোতে যেমনটি উল্লেখ করা হয়েছিল, বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর হামলা বিশ্বের যেকোনো প্রান্তের হিন্দু সম্প্রদায়ের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি। বর্তমান রিপোর্টেও এই বাস্তবতার সত্যতা নিশ্চিত করা হয়েছে। ১৯৭১ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের পর বাংলাদেশ সৃষ্টি হয়, যার আগে আনুমানিক ২০ লক্ষ পূর্ব পাকিস্তানি নাগরিককে হত্যা করা হয়েছিল এবং প্রায় ১ কোটি মানুষ (যাদের অধিকাংশ হিন্দু) জাতিগত নিধনের শিকার হয়ে ভারতে আশ্রয় নিয়েছিল। বাংলাদেশে হিন্দু জনসংখ্যা ১৯৪৭ সালের প্রায় ৩১% থেকে কমে এখন প্রায় ৯%-এ দাঁড়িয়েছে। === হিউম্যান রাইটস সার্ভে, ২০০৭ === * এইচএএফ অন্যান্য বেশ কিছু মানবাধিকার সংগঠনের সাথে একমত পোষণ করে পাকিস্তানের সংখ্যালঘু নির্যাতনের বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছে। আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত মানদণ্ড অনুযায়ী, পাকিস্তান বর্তমানে কোনো মুক্ত দেশ নয়। === হিউম্যান রাইটস সার্ভে, ২০০৮ === * নারী ও কন্যাশিশুদের গণধর্ষণ, হত্যা, মারধর, হয়রানি, অপহরণ, মন্দিরে হামলা, স্বর্ণ ও গহনা লুট এবং জমি দখল হলো হিন্দু ও আদিবাসীদের ওপর চলা মানবাধিকার লঙ্ঘনের একটি দীর্ঘ তালিকা, যেখানে খ্রিষ্টান ও বৌদ্ধরাও কিছুটা আক্রান্ত হয়েছে। ** হিন্দু আমেরিকান ফাউন্ডেশন, হিন্দুস ইন সাউথ এশিয়া অ্যান্ড দ্য ডায়াসপোরা: এ সার্ভে অব হিউম্যান রাইটস ২০০৮, পৃষ্ঠা ৬। রিচার্ড এল. বেনকিন (২০১৪) রচিত ''এ কোয়ায়েট কেস অব এথনিক ক্লিনজিং: দ্য মার্ডার অব বাংলাদেশ'স হিন্দুস'', পৃষ্ঠা ৯৯-এ উদ্ধৃত। === হিউম্যান রাইটস সার্ভে, ২০০৯ === * গত এক দশকে মালয়েশিয়ায় সংখ্যালঘুদের অধিকার সংকুচিত হয়েছে, কারণ সেখানকার সরকার ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র থেকে রক্ষণশীল ইসলামি রাষ্ট্রের দিকে ঝুঁকে পড়েছে। সেখানে ধর্মীয় স্বাধীনতা সুরক্ষিত নয় এবং জাতিগত মালয়দের জন্য তো এর কোনো অস্তিত্বই নেই। তিনটি জরুরি উদ্বেগের বিষয় হলো – ধর্মীয় স্বাধীনতার অভাব, অব্যাহতভাবে মন্দির ধ্বংস এবং নিষ্ঠুর আইএসএ আইনের আওতায় হিন্ড্রাফ ও অন্যান্য মানবাধিকার কর্মীদের গ্রেপ্তারের হুমকি। মালয়েশিয়ার সুপ্রিম কোর্টের উচিত সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১১ মেনে চলা এবং মালয়েশিয়ার বাসিন্দাদের ওপর ধর্ম চাপিয়ে না দেওয়া। === হিউম্যান রাইটস সার্ভে, ২০১০ === * বিশ্বজুড়ে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে ভীত ও হয়রানি করার জন্য নারীদের বিরুদ্ধে সহিংসতাকে একটি সাধারণ অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়। বাংলাদেশেও হিন্দুদের ওপর হামলার মাধ্যম হিসেবে একইভাবে এটি ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, ২০০১ সালের নির্বাচনের ঠিক পরবর্তী সময়ে প্রায় ১,০০০ হিন্দু নারী ও শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছিল। ... সংখ্যালঘু নারীদের, বিশেষ করে তরুণী হিন্দু মেয়েদের নিয়মতান্ত্রিক অপহরণ, ধর্ষণ এবং হত্যাকাণ্ড ২০১০ সালেও অব্যাহত ছিল। হিন্দুদের ওপর ঘটা এই ধর্ষণ ও অপহরণের সাথে প্রায়শই ইসলামে ধর্মান্তরিত করার ঘটনাও ঘটে থাকে... (২২৫) ** হিন্দু আমেরিকান ফাউন্ডেশন, হিন্দুস ইন সাউথ এশিয়া অ্যান্ড দ্য ডায়াসপোরা: এ সার্ভে অব হিউম্যান রাইটস ২০১০, পৃষ্ঠা ১৩-১৪। রিচার্ড এল. বেনকিন (২০১৪) রচিত ''এ কোয়ায়েট কেস অব এথনিক ক্লিনজিং: দ্য মার্ডার অব বাংলাদেশ'স হিন্দুস'', পৃষ্ঠা ২২৫-এ উদ্ধৃত। * উদাহরণস্বরূপ, ২০০১ সালের নির্বাচনের ঠিক পরবর্তী সময়ে প্রায় ১,০০০ হিন্দু নারী ও শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছিল। ... সংখ্যালঘু নারীদের, বিশেষ করে তরুণী হিন্দু মেয়েদের নিয়মতান্ত্রিক অপহরণ, ধর্ষণ এবং হত্যাকাণ্ড ২০১১ সালেও অব্যাহত ছিল। ** হিন্দু আমেরিকান ফাউন্ডেশন, হিন্দুস ইন সাউথ এশিয়া অ্যান্ড দ্য ডায়াসপোরা: এ সার্ভে অব হিউম্যান রাইটস ২০১০, পৃষ্ঠা ১১। রিচার্ড এল. বেনকিন (২০১৪) রচিত ''এ কোয়ায়েট কেস অব এথনিক ক্লিনজিং: দ্য মার্ডার অব বাংলাদেশ'স হিন্দুস'', পৃষ্ঠা ২২৫-৬-এ উদ্ধৃত। * বাংলাদেশের হিন্দুরা ইসলামি মৌলবাদীদের দ্বারা পরিচালিত জাতিগত নিধনের শিকার হচ্ছে, যার মধ্যে প্রতিদিনের হত্যাকাণ্ড, ধর্ষণ, অপহরণ, মন্দির ধ্বংস এবং শারীরিক ভীতি প্রদর্শনের মতো ঘটনা অন্তর্ভুক্ত। ** হিন্দু আমেরিকান ফাউন্ডেশন, হিন্দুস ইন সাউথ এশিয়া অ্যান্ড দ্য ডায়াসপোরা: এ সার্ভে অব হিউম্যান রাইটস ২০১০, পৃষ্ঠা ২-৩। রিচার্ড এল. বেনকিন (২০১৪) রচিত ''এ কোয়ায়েট কেস অব এথনিক ক্লিনজিং: দ্য মার্ডার অব বাংলাদেশ'স হিন্দুস'', পৃষ্ঠা ১০০-এ উদ্ধৃত। === হিউম্যান রাইটস সার্ভে, ২০১১ === * পাকিস্তানে, বিশেষ করে সিন্ধু প্রদেশে একটি উদ্বেগজনক প্রবণতা হলো হিন্দু মেয়েদের অপহরণ এবং জোরপূর্বক ইসলামে ধর্মান্তরিত করা। === হিউম্যান রাইটস সার্ভে, ২০১৩ === * পূর্ববর্তী রিপোর্টগুলোর মতো আমরা আবারও সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা দিতে পাকিস্তান সরকারের ব্যর্থতা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাগুলো অব্যাহত রাখতে তাদের যোগসাজশের বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি। তবে আমরা উপলব্ধি করি যে বর্তমান সরকার দুর্বল এবং সামরিক বাহিনীর সম্মতি ছাড়া কোনো অর্থবহ পরিবর্তন আনতে তারা অক্ষম। তা সত্ত্বেও, এইচএএফ পাকিস্তান সরকারের প্রতি ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের সহিংসতা, ধর্ষণ, অপহরণ এবং জোরপূর্বক ধর্মান্তর থেকে রক্ষা করার জন্য অবিলম্বে পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানায়। === হিউম্যান রাইটস সার্ভে, ২০১৪-৫ === * ৭ নভেম্বর ২০১৪ তারিখে বাংলাদেশ মাইনোরিটি ওয়াচ, বাংলাদেশ সেন্টার ফর হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এবং গ্লোবাল হিউম্যান রাইটস ডিফেন্স দ্বারা যৌথভাবে প্রকাশিত একটি মানবাধিকার রিপোর্ট অনুযায়ী, পূর্ববর্তী দুই বছরে (২০১৩ এবং ২০১৪) ১,৬৯৯টি হিন্দু মন্দির ধ্বংস করা হয়েছে। * বাংলাদেশের অধিকার রক্ষা গোষ্ঠীগুলোর একটি মানবাধিকার রিপোর্ট অনুযায়ী, দুই বছর সময়কালে (২০১৩ এবং ২০১৪) ৭০৬ জন হিন্দু মেয়েকে জোরপূর্বক ইসলামে ধর্মান্তরিত করা হয়েছে। রিপোর্টে আরও দেখা গেছে যে একই সময়ের মধ্যে সংখ্যালঘু নারী ও শিশুদের ধর্ষণ এবং গণধর্ষণের ২৯২টি ঘটনা ঘটেছে। === হিউম্যান রাইটস সার্ভে, ২০১৭ === * আরেকটি ইসলামপন্থী সংগঠন হেফাজতে ইসলামকে জামায়াতে ইসলামীর একটি সম্মুখ সংগঠন হিসেবে ধারণা করা হয়, যারা দেশের অনেক মাদ্রাসা নিয়ন্ত্রণ করে। হেফাজত সেইসব বিশিষ্ট দলগুলোর মধ্যে অন্যতম ছিল যারা বলেছিল যে, সংবিধানে ইসলাম যাতে রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে বহাল থাকে তা নিশ্চিত করতে তারা জিহাদ পরিচালনা করবে এবং প্রয়োজনে সহিংসতা ব্যবহার করবে। * ২০১৩ সালে হেফাজত তাদের ১৩-দফা ইসলামি কর্মসূচির অংশ হিসেবে "নাস্তিক ব্লগারদের" বিচার ও মৃত্যুদণ্ডের দাবি জানায়। তাদের দাবিনামায় আরও অন্তর্ভুক্ত ছিল, "লিঙ্গভেদে অবাধ মেলামেশা বন্ধ করে নারীদের কর্মক্ষেত্র থেকে নিষিদ্ধ করা, পাকিস্তানের মতো একটি কঠোর ব্লাসফেমি আইন প্রবর্তন এবং সংখ্যালঘু আহমদিয়া সম্প্রদায়কে অমুসলিম ঘোষণা করা..."। === হিন্দুস ইন বাংলাদেশ: এ সার্ভে অব হিউম্যান রাইটস, ২০২০ === * ২০১৯-২০২০ সময়কাল আবারও হিন্দু এবং অন্যান্য ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর বারবার হামলা, প্রাতিষ্ঠানিক বৈষম্য ও আইনি বিধিনিষেধ এবং জামায়াতে ইসলামী ও হেফাজতে ইসলামের মতো ইসলামপন্থী দলগুলোর ক্রমবর্ধমান প্রভাব দ্বারা চিহ্নিত হয়েছে। যদিও উগ্র ইসলামপন্থী দলগুলো দেশের সহিংসতা এবং ক্রমবর্ধমান অসহিষ্ণুতার ক্ষেত্রে প্রধান ভূমিকা পালন করেছে, আওয়ামী লীগ সরকারও ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ হয়ে, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ব্যাহত করে, নাগরিক স্বাধীনতা খর্ব করে এবং বৈষম্যমূলক আইন ও নীতি বজায় রেখে মানবাধিকার পরিস্থিতির অবনতিতে অবদান রেখেছে। ফলস্বরূপ, বর্তমান পরিস্থিতির উন্নতি করতে এবং দেশের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও মানবাধিকারের গতিপথ পরিবর্তনের জন্য বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র উভয়ের পক্ষ থেকেই অবিলম্বে পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। === হিন্দুস ইন জম্মু অ্যান্ড কাশ্মীর: এ সার্ভে অব হিউম্যান রাইটস, ২০২০ === * তা সত্ত্বেও কাশ্মীরি পণ্ডিতরা, যাদের হাজার হাজার মানুষ এখনও মানবেতর শরণার্থী শিবিরে বসবাস করছেন, তারা ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদী। তবে কাশ্মীর উপত্যকায় ফিরে আসার ক্ষেত্রে তারা নিরাপত্তা এবং সামাজিক একত্রীকরণ নিয়ে উদ্বিগ্ন। === ২০২৩ স্পেশাল রিপোর্ট: হিউম্যান রাইটস ইন দ্য ইসলামিক রিপাবলিক অব পাকিস্তান === * ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা আশঙ্কাজনক হারে নিপীড়নের শিকার হচ্ছে এবং ধর্মীয় সম্প্রদায়গুলোর ওপর বেশ কিছু বড় ধরনের হামলার ঘটনা ঘটেছে। সংখ্যালঘু বিশ্বাসের নারীরা, বিশেষ করে হিন্দু ও খ্রিষ্টানরা, মুসলিম পুরুষদের সাথে জোরপূর্বক বিয়ের আগে অপহরণ, ধর্ষণ এবং জোরপূর্বক ধর্মান্তরের শিকার হন। হিন্দু, শিখ এবং খ্রিষ্টানদের হয়রানি করতে কঠোর ধর্ম অবমাননা এবং ধর্মত্যাগ আইন ব্যবহার করা হয়। স্থানীয় বিচার বিভাগীয় এবং আইন প্রয়োগকারী কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় বিচার-পূর্ব দীর্ঘ কারাবাসসহ এ ধরনের হয়রানি করা হয়। এসব এবং অন্যান্য বৈষম্যমূলক আইন সংখ্যালঘুদের দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিকে পরিণত করেছে এবং তাদের রাষ্ট্র-বহির্ভূত শক্তির হামলার মুখে অরক্ষিত করে তুলেছে। == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} *[https://www.hinduamerican.org/projects/human-rights সারা বিশ্বের হিন্দুদের মানবাধিকার রক্ষা করে] [[বিষয়শ্রেণী:হিন্দু জাতীয়তাবাদ]] [[বিষয়শ্রেণী:ওয়াশিংটন ডি.সি. ভিত্তিক সংস্থা]] 4edav0zyfrm6dmscwn7cv7bpkvxzf6o 79748 79745 2026-04-22T13:50:06Z Tuhin 172 79748 wikitext text/x-wiki '''[[w:হিন্দু আমেরিকান ফাউন্ডেশন|হিন্দু আমেরিকান ফাউন্ডেশন]]''' (এইচএএফ) হলো ২০০৩ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি মার্কিন অলাভজনক [[হিন্দুত্ব|হিন্দুত্ববাদী]] ওকালতি সংস্থা। এই সংগঠনের শিকড় রয়েছে সংঘ পরিবারের মধ্যে, যা আধাসামরিক বাহিনী [[রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ|রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের]] নেতৃত্বে থাকা হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলোর একটি সমষ্টি। বিশেষত বিশ্ব হিন্দু পরিষদ আমেরিকা এবং এর ছাত্র সংগঠন হিন্দু স্টুডেন্টস কাউন্সিলের সাথে এর সরাসরি যোগসূত্র রয়েছে। এইচএএফ-এর কার্যক্রম [[হিন্দু জাতীয়তাবাদ|হিন্দু জাতীয়তাবাদী]] আদর্শ বা হিন্দুত্বের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ, যা পাশাপাশি [[বুদ্ধিবাদ-বিরোধিতা|একাডেমিক স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করে]] বলেও অভিযোগ রয়েছে। সংগঠনটির দাবি অনুযায়ী, তাদের মূল লক্ষ্য হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে হিন্দুদের অধিকার রক্ষা করা, বিদেশে [[হিন্দু নিপীড়ন|হিন্দু নিপীড়নের]] দিকে নজর দেওয়া, [[যোগ|যোগব্যায়ামের]] সাংস্কৃতিক অপব্যবহার রোধ করা এবং [[ভারতে বর্ণপ্রথা|বর্ণভিত্তিক বৈষম্য]] নিষিদ্ধকারী আইনের বিরোধিতা করা। তবে এই প্রচেষ্টাগুলো মূলত হিন্দুত্বকে "হিন্দু অধিকার" হিসেবে নতুনভাবে উপস্থাপনের একটি চেষ্টা বলে বিবেচিত হয়, যাতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বহুসংস্কৃতিবাদের মূলধারার রাজনীতিতে এটি আরও গ্রহণযোগ্য হয়ে ওঠে। == উক্তি == === হিউম্যান রাইটস সার্ভে, ২০০৫ === * ১৯৪৭ সালে দেশভাগের সময় বর্তমান বাংলাদেশে হিন্দু জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৩১%। ১৯৬১ সালের মধ্যে হিন্দুদের সংখ্যা কমে দাঁড়ায় ১৯%-এ। ১৯৭৪ সালের মধ্যে এই সংখ্যা আরও কমে ১৪% হয়। এবং ২০০২ সালের এক হিসেবে দেখা যায় যে মোট জনসংখ্যার মাত্র ৯% হিন্দু অবশিষ্ট ছিল। এর তুলনায় ভারতে মুসলিম জনসংখ্যা ১৯৪৭ সালের ১০% থেকে বেড়ে ২০০১ সালে ১৩.২% হয়েছে। * ২০০৪ সালের ঘটনাবলি পর্যবেক্ষণ করে আমরা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছি যে, হিন্দুদের জন্য সবচেয়ে ভয়াবহ বিপদ বাংলাদেশে বিদ্যমান। ভারত ছাড়া তারাই বিশ্বের একমাত্র উল্লেখযোগ্য হিন্দু জনসংখ্যা যারা বর্তমানে মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার হচ্ছে এবং একটি ইসলামপন্থী শাসনের মাধ্যমে দ্রুত বিতাড়িত হচ্ছে। এই রিপোর্টে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্টের নথিতে থাকা নৃশংসতার ঘটনাগুলো সেই দেশে হিন্দুদের ওপর চলমান হামলার একটি সামান্য অংশ মাত্র। * পাকিস্তানের ক্ষেত্রে তথ্যের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। পাকিস্তানে হিন্দুদের স্বল্প সংখ্যা এবং সংখ্যালঘু হিসেবে তাদের বিপন্ন অবস্থার কারণে তথ্য সংগ্রহ করা কঠিন হয়ে পড়ে। এই প্রতিবেদনে হিন্দুদের ওপর ঘটা নির্যাতনের একটি ঐতিহাসিক ভিত্তি তুলে ধরা হয়েছে, যা ক্রমাগত কমে আসা এবং প্রায় নিশ্চিহ্ন হতে চলা হিন্দু জনসংখ্যা থেকেই স্পষ্ট। পাকিস্তানে মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রকৃতি এতটাই দীর্ঘস্থায়ী যে সেখানে উন্নতির কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। * জম্মু ও কাশ্মীরে কাশ্মীর উপত্যকা থেকে হিন্দুদের জাতিগত নিধন প্রায় সম্পূর্ণ হয়েছে, যার ফলে নির্দিষ্ট হিন্দু লক্ষ্যবস্তুর ওপর হামলার ঘটনাও কমে এসেছে। উপত্যকা থেকে বিতাড়িত হিন্দুরা উত্তর ভারতের বিভিন্ন শরণার্থী শিবিরে মানবেতর অবস্থায় বসবাস করছেন, যা তাদের আশ্রয় ও মর্যাদার মৌলিক অধিকারের চরম লঙ্ঘন। এই প্রায় ৩,৫০,০০০ মানুষের ভাগ্য এখন অনিশ্চিত, কারণ ভারত সরকার জম্মু ও কাশ্মীরের বিদ্রোহ দমনে এবং সেখানকার জটিল ভূ-রাজনৈতিক বাস্তবতা মোকাবিলায় সচেষ্ট রয়েছে। === হিউম্যান রাইটস সার্ভে, ২০০৬ === * এইচএএফ-এর আগের বার্ষিক মানবাধিকার রিপোর্টগুলোতে যেমনটি উল্লেখ করা হয়েছিল, বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর হামলা বিশ্বের যেকোনো প্রান্তের হিন্দু সম্প্রদায়ের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি। বর্তমান রিপোর্টেও এই বাস্তবতার সত্যতা নিশ্চিত করা হয়েছে। ১৯৭১ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের পর বাংলাদেশ সৃষ্টি হয়, যার আগে আনুমানিক ২০ লক্ষ পূর্ব পাকিস্তানি নাগরিককে হত্যা করা হয়েছিল এবং প্রায় ১ কোটি মানুষ (যাদের অধিকাংশ হিন্দু) জাতিগত নিধনের শিকার হয়ে ভারতে আশ্রয় নিয়েছিল। বাংলাদেশে হিন্দু জনসংখ্যা ১৯৪৭ সালের প্রায় ৩১% থেকে কমে এখন প্রায় ৯%-এ দাঁড়িয়েছে। === হিউম্যান রাইটস সার্ভে, ২০০৭ === * এইচএএফ অন্যান্য বেশ কিছু মানবাধিকার সংগঠনের সাথে একমত পোষণ করে পাকিস্তানের সংখ্যালঘু নির্যাতনের বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছে। আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত মানদণ্ড অনুযায়ী, পাকিস্তান বর্তমানে কোনো মুক্ত দেশ নয়। === হিউম্যান রাইটস সার্ভে, ২০০৮ === * নারী ও কন্যাশিশুদের গণধর্ষণ, হত্যা, মারধর, হয়রানি, অপহরণ, মন্দিরে হামলা, স্বর্ণ ও গহনা লুট এবং জমি দখল হলো হিন্দু ও আদিবাসীদের ওপর চলা মানবাধিকার লঙ্ঘনের একটি দীর্ঘ তালিকা, যেখানে খ্রিষ্টান ও বৌদ্ধরাও কিছুটা আক্রান্ত হয়েছে। ** হিন্দু আমেরিকান ফাউন্ডেশন, হিন্দুস ইন সাউথ এশিয়া অ্যান্ড দ্য ডায়াসপোরা: এ সার্ভে অব হিউম্যান রাইটস ২০০৮, পৃষ্ঠা ৬। রিচার্ড এল. বেনকিন (২০১৪) রচিত ''এ কোয়ায়েট কেস অব এথনিক ক্লিনজিং: দ্য মার্ডার অব বাংলাদেশ'স হিন্দুস'', পৃষ্ঠা ৯৯-এ উদ্ধৃত। === হিউম্যান রাইটস সার্ভে, ২০০৯ === * গত এক দশকে মালয়েশিয়ায় সংখ্যালঘুদের অধিকার সংকুচিত হয়েছে, কারণ সেখানকার সরকার ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র থেকে রক্ষণশীল ইসলামি রাষ্ট্রের দিকে ঝুঁকে পড়েছে। সেখানে ধর্মীয় স্বাধীনতা সুরক্ষিত নয় এবং জাতিগত মালয়দের জন্য তো এর কোনো অস্তিত্বই নেই। তিনটি জরুরি উদ্বেগের বিষয় হলো – ধর্মীয় স্বাধীনতার অভাব, অব্যাহতভাবে মন্দির ধ্বংস এবং নিষ্ঠুর আইএসএ আইনের আওতায় হিন্ড্রাফ ও অন্যান্য মানবাধিকার কর্মীদের গ্রেপ্তারের হুমকি। মালয়েশিয়ার সুপ্রিম কোর্টের উচিত সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১১ মেনে চলা এবং মালয়েশিয়ার বাসিন্দাদের ওপর ধর্ম চাপিয়ে না দেওয়া। === হিউম্যান রাইটস সার্ভে, ২০১০ === * বিশ্বজুড়ে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে ভীত ও হয়রানি করার জন্য নারীদের বিরুদ্ধে সহিংসতাকে একটি সাধারণ অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়। বাংলাদেশেও হিন্দুদের ওপর হামলার মাধ্যম হিসেবে একইভাবে এটি ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, ২০০১ সালের নির্বাচনের ঠিক পরবর্তী সময়ে প্রায় ১,০০০ হিন্দু নারী ও শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছিল। ... সংখ্যালঘু নারীদের, বিশেষ করে তরুণী হিন্দু মেয়েদের নিয়মতান্ত্রিক অপহরণ, ধর্ষণ এবং হত্যাকাণ্ড ২০১০ সালেও অব্যাহত ছিল। হিন্দুদের ওপর ঘটা এই ধর্ষণ ও অপহরণের সাথে প্রায়শই ইসলামে ধর্মান্তরিত করার ঘটনাও ঘটে থাকে... (২২৫) ** হিন্দু আমেরিকান ফাউন্ডেশন, হিন্দুস ইন সাউথ এশিয়া অ্যান্ড দ্য ডায়াসপোরা: এ সার্ভে অব হিউম্যান রাইটস ২০১০, পৃষ্ঠা ১৩-১৪। রিচার্ড এল. বেনকিন (২০১৪) রচিত ''এ কোয়ায়েট কেস অব এথনিক ক্লিনজিং: দ্য মার্ডার অব বাংলাদেশ'স হিন্দুস'', পৃষ্ঠা ২২৫-এ উদ্ধৃত। * উদাহরণস্বরূপ, ২০০১ সালের নির্বাচনের ঠিক পরবর্তী সময়ে প্রায় ১,০০০ হিন্দু নারী ও শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছিল। ... সংখ্যালঘু নারীদের, বিশেষ করে তরুণী হিন্দু মেয়েদের নিয়মতান্ত্রিক অপহরণ, ধর্ষণ এবং হত্যাকাণ্ড ২০১১ সালেও অব্যাহত ছিল। ** হিন্দু আমেরিকান ফাউন্ডেশন, হিন্দুস ইন সাউথ এশিয়া অ্যান্ড দ্য ডায়াসপোরা: এ সার্ভে অব হিউম্যান রাইটস ২০১০, পৃষ্ঠা ১১। রিচার্ড এল. বেনকিন (২০১৪) রচিত ''এ কোয়ায়েট কেস অব এথনিক ক্লিনজিং: দ্য মার্ডার অব বাংলাদেশ'স হিন্দুস'', পৃষ্ঠা ২২৫-৬-এ উদ্ধৃত। * বাংলাদেশের হিন্দুরা ইসলামি মৌলবাদীদের দ্বারা পরিচালিত জাতিগত নিধনের শিকার হচ্ছে, যার মধ্যে প্রতিদিনের হত্যাকাণ্ড, ধর্ষণ, অপহরণ, মন্দির ধ্বংস এবং শারীরিক ভীতি প্রদর্শনের মতো ঘটনা অন্তর্ভুক্ত। ** হিন্দু আমেরিকান ফাউন্ডেশন, হিন্দুস ইন সাউথ এশিয়া অ্যান্ড দ্য ডায়াসপোরা: এ সার্ভে অব হিউম্যান রাইটস ২০১০, পৃষ্ঠা ২-৩। রিচার্ড এল. বেনকিন (২০১৪) রচিত ''এ কোয়ায়েট কেস অব এথনিক ক্লিনজিং: দ্য মার্ডার অব বাংলাদেশ'স হিন্দুস'', পৃষ্ঠা ১০০-এ উদ্ধৃত। === হিউম্যান রাইটস সার্ভে, ২০১১ === * পাকিস্তানে, বিশেষ করে সিন্ধু প্রদেশে একটি উদ্বেগজনক প্রবণতা হলো হিন্দু মেয়েদের অপহরণ এবং জোরপূর্বক ইসলামে ধর্মান্তরিত করা। === হিউম্যান রাইটস সার্ভে, ২০১৩ === * পূর্ববর্তী রিপোর্টগুলোর মতো আমরা আবারও সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা দিতে পাকিস্তান সরকারের ব্যর্থতা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাগুলো অব্যাহত রাখতে তাদের যোগসাজশের বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি। তবে আমরা উপলব্ধি করি যে বর্তমান সরকার দুর্বল এবং সামরিক বাহিনীর সম্মতি ছাড়া কোনো অর্থবহ পরিবর্তন আনতে তারা অক্ষম। তা সত্ত্বেও, এইচএএফ পাকিস্তান সরকারের প্রতি ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের সহিংসতা, ধর্ষণ, অপহরণ এবং জোরপূর্বক ধর্মান্তর থেকে রক্ষা করার জন্য অবিলম্বে পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানায়। === হিউম্যান রাইটস সার্ভে, ২০১৪-৫ === * ৭ নভেম্বর ২০১৪ তারিখে বাংলাদেশ মাইনোরিটি ওয়াচ, বাংলাদেশ সেন্টার ফর হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এবং গ্লোবাল হিউম্যান রাইটস ডিফেন্স দ্বারা যৌথভাবে প্রকাশিত একটি মানবাধিকার রিপোর্ট অনুযায়ী, পূর্ববর্তী দুই বছরে (২০১৩ এবং ২০১৪) ১,৬৯৯টি হিন্দু মন্দির ধ্বংস করা হয়েছে। * বাংলাদেশের অধিকার রক্ষা গোষ্ঠীগুলোর একটি মানবাধিকার রিপোর্ট অনুযায়ী, দুই বছর সময়কালে (২০১৩ এবং ২০১৪) ৭০৬ জন হিন্দু মেয়েকে জোরপূর্বক ইসলামে ধর্মান্তরিত করা হয়েছে। রিপোর্টে আরও দেখা গেছে যে একই সময়ের মধ্যে সংখ্যালঘু নারী ও শিশুদের ধর্ষণ এবং গণধর্ষণের ২৯২টি ঘটনা ঘটেছে। === হিউম্যান রাইটস সার্ভে, ২০১৭ === * আরেকটি ইসলামপন্থী সংগঠন হেফাজতে ইসলামকে জামায়াতে ইসলামীর একটি সম্মুখ সংগঠন হিসেবে ধারণা করা হয়, যারা দেশের অনেক মাদ্রাসা নিয়ন্ত্রণ করে। হেফাজত সেইসব বিশিষ্ট দলগুলোর মধ্যে অন্যতম ছিল যারা বলেছিল যে, সংবিধানে ইসলাম যাতে রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে বহাল থাকে তা নিশ্চিত করতে তারা জিহাদ পরিচালনা করবে এবং প্রয়োজনে সহিংসতা ব্যবহার করবে। * ২০১৩ সালে হেফাজত তাদের ১৩-দফা ইসলামি কর্মসূচির অংশ হিসেবে "নাস্তিক ব্লগারদের" বিচার ও মৃত্যুদণ্ডের দাবি জানায়। তাদের দাবিনামায় আরও অন্তর্ভুক্ত ছিল, "লিঙ্গভেদে অবাধ মেলামেশা বন্ধ করে নারীদের কর্মক্ষেত্র থেকে নিষিদ্ধ করা, পাকিস্তানের মতো একটি কঠোর ব্লাসফেমি আইন প্রবর্তন এবং সংখ্যালঘু আহমদিয়া সম্প্রদায়কে অমুসলিম ঘোষণা করা..."। === হিন্দুস ইন বাংলাদেশ: এ সার্ভে অব হিউম্যান রাইটস, ২০২০ === * ২০১৯-২০২০ সময়কাল আবারও হিন্দু এবং অন্যান্য ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর বারবার হামলা, প্রাতিষ্ঠানিক বৈষম্য ও আইনি বিধিনিষেধ এবং জামায়াতে ইসলামী ও হেফাজতে ইসলামের মতো ইসলামপন্থী দলগুলোর ক্রমবর্ধমান প্রভাব দ্বারা চিহ্নিত হয়েছে। যদিও উগ্র ইসলামপন্থী দলগুলো দেশের সহিংসতা এবং ক্রমবর্ধমান অসহিষ্ণুতার ক্ষেত্রে প্রধান ভূমিকা পালন করেছে, আওয়ামী লীগ সরকারও ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ হয়ে, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ব্যাহত করে, নাগরিক স্বাধীনতা খর্ব করে এবং বৈষম্যমূলক আইন ও নীতি বজায় রেখে মানবাধিকার পরিস্থিতির অবনতিতে অবদান রেখেছে। ফলস্বরূপ, বর্তমান পরিস্থিতির উন্নতি করতে এবং দেশের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও মানবাধিকারের গতিপথ পরিবর্তনের জন্য বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র উভয়ের পক্ষ থেকেই অবিলম্বে পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। === হিন্দুস ইন জম্মু অ্যান্ড কাশ্মীর: এ সার্ভে অব হিউম্যান রাইটস, ২০২০ === * তা সত্ত্বেও কাশ্মীরি পণ্ডিতরা, যাদের হাজার হাজার মানুষ এখনও মানবেতর শরণার্থী শিবিরে বসবাস করছেন, তারা ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদী। তবে কাশ্মীর উপত্যকায় ফিরে আসার ক্ষেত্রে তারা নিরাপত্তা এবং সামাজিক একত্রীকরণ নিয়ে উদ্বিগ্ন। === ২০২৩ স্পেশাল রিপোর্ট: হিউম্যান রাইটস ইন দ্য ইসলামিক রিপাবলিক অব পাকিস্তান === * ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা আশঙ্কাজনক হারে নিপীড়নের শিকার হচ্ছে এবং ধর্মীয় সম্প্রদায়গুলোর ওপর বেশ কিছু বড় ধরনের হামলার ঘটনা ঘটেছে। সংখ্যালঘু বিশ্বাসের নারীরা, বিশেষ করে হিন্দু ও খ্রিষ্টানরা, মুসলিম পুরুষদের সাথে জোরপূর্বক বিয়ের আগে অপহরণ, ধর্ষণ এবং জোরপূর্বক ধর্মান্তরের শিকার হন। হিন্দু, শিখ এবং খ্রিষ্টানদের হয়রানি করতে কঠোর ধর্ম অবমাননা এবং ধর্মত্যাগ আইন ব্যবহার করা হয়। স্থানীয় বিচার বিভাগীয় এবং আইন প্রয়োগকারী কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় বিচার-পূর্ব দীর্ঘ কারাবাসসহ এ ধরনের হয়রানি করা হয়। এসব এবং অন্যান্য বৈষম্যমূলক আইন সংখ্যালঘুদের দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিকে পরিণত করেছে এবং তাদের রাষ্ট্র-বহির্ভূত শক্তির হামলার মুখে অরক্ষিত করে তুলেছে। == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} *[https://www.hinduamerican.org/projects/human-rights সারা বিশ্বের হিন্দুদের মানবাধিকার রক্ষা করে] [[বিষয়শ্রেণী:হিন্দু জাতীয়তাবাদ]] [[বিষয়শ্রেণী:ওয়াশিংটন ডি.সি. ভিত্তিক সংস্থা]] 01x0myuh8fb8m74ed8futbtdh02a2t8 বিমল কর 0 13216 79746 2026-04-22T13:47:51Z Nil Nandy 2294 উইকিপিডিয়া থেকে 79746 wikitext text/x-wiki বিমল কর (১৯ সেপ্টেম্বর ১৯২১ - ২৬ আগস্ট ২০০৩) একজন ভারতীয় বাঙালি লেখক। তিনি উত্তর ২৪ পরগণার টাকীতে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম জ্যোতিষচন্দ্র কর এবং মাতা নিশিবালা কর। 6n2sgt1qhbjvslwfuvrmk62r5uofv07 79747 79746 2026-04-22T13:49:50Z Nil Nandy 2294 79747 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}}{{bw|বিমল কর}} (১৯ সেপ্টেম্বর ১৯২১ - ২৬ আগস্ট ২০০৩) একজন ভারতীয় বাঙালি লেখক। তিনি উত্তর ২৪ পরগণার টাকীতে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম জ্যোতিষচন্দ্র কর এবং মাতা নিশিবালা কর। ==উক্তি== ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} i882i6t53bxa3hzbbqsktpbmpvzwjba 79775 79747 2026-04-22T15:05:09Z Nil Nandy 2294 /* উক্তি */ 79775 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}}{{bw|বিমল কর}} (১৯ সেপ্টেম্বর ১৯২১ - ২৬ আগস্ট ২০০৩) একজন ভারতীয় বাঙালি লেখক। তিনি উত্তর ২৪ পরগণার টাকীতে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম জ্যোতিষচন্দ্র কর এবং মাতা নিশিবালা কর। ==উক্তি== ==তার সম্পর্কে উক্তি== *নির্মল করো বিমল করে, মলিন মর্ম মুছায়ে। ** ১৯৫২, ‘দেশ’-এ চাকরি পাওয়ার অল্প কয়েক দিন পরে প্রকাশিত হয় তার গল্প ‘আত্মজা’। বাবা, মা ও তাদের এক মাত্র কন্যাকে ঘিরে গল্প। যেখানে বাবা-মেয়ের স্নেহের সম্পর্ককে বিকৃত করতে পিছপা হয়নি মা। পঞ্চাশের দশকে এই মনস্তাত্ত্বিক জটিলতার গল্প অধিকাংশ পাঠক মেনে নিতে পারেননি। ‘আত্মজা’ প্রসঙ্গে ‘শনিবারের চিঠি’ উক্ত মন্তব্য করে। উৎস: [https://www.anandabazar.com/patrika/article-about-writer-bimal-kar-1.1002331 লেখার প্যাডটা একটু সেঁকে দাও না!] ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} o8eu33cn1z2x1r22qzollm8v76y63o8 79779 79775 2026-04-22T15:10:16Z Nil Nandy 2294 /* উক্তি */ 79779 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}}{{bw|বিমল কর}} (১৯ সেপ্টেম্বর ১৯২১ - ২৬ আগস্ট ২০০৩) একজন ভারতীয় বাঙালি লেখক। তিনি উত্তর ২৪ পরগণার টাকীতে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম জ্যোতিষচন্দ্র কর এবং মাতা নিশিবালা কর। ==উক্তি== *আজ থেকে ১০-১৫ বছর পরে কোনও পাঠক আমার লেখা পড়বেন এমন অবিশ্বাস্য কল্পনা আমি করি না। সে চিন্তায় আমি বিন্দুমাত্র উদ্বিগ্ন নই। কাল, মহাকাল, যুগ— এ সব পোশাকী কথার কোনও অর্থ আমার কাছে নেই। **নিজের লেখা প্রসঙ্গে তিনি একথা লিখেছিলেন। উৎস: [https://www.anandabazar.com/patrika/article-about-writer-bimal-kar-1.1002331 লেখার প্যাডটা একটু সেঁকে দাও না!] ==তার সম্পর্কে উক্তি== *নির্মল করো বিমল করে, মলিন মর্ম মুছায়ে। ** ১৯৫২, ‘দেশ’-এ চাকরি পাওয়ার অল্প কয়েক দিন পরে প্রকাশিত হয় তার গল্প ‘আত্মজা’। বাবা, মা ও তাদের এক মাত্র কন্যাকে ঘিরে গল্প। যেখানে বাবা-মেয়ের স্নেহের সম্পর্ককে বিকৃত করতে পিছপা হয়নি মা। পঞ্চাশের দশকে এই মনস্তাত্ত্বিক জটিলতার গল্প অধিকাংশ পাঠক মেনে নিতে পারেননি। ‘আত্মজা’ প্রসঙ্গে ‘শনিবারের চিঠি’ উক্ত মন্তব্য করে। উৎস: [https://www.anandabazar.com/patrika/article-about-writer-bimal-kar-1.1002331 লেখার প্যাডটা একটু সেঁকে দাও না!] ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} 8l9hpitct758fk21dqt24p1b51p72ye 79780 79779 2026-04-22T15:14:19Z Nil Nandy 2294 /* উক্তি */ 79780 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}}{{bw|বিমল কর}} (১৯ সেপ্টেম্বর ১৯২১ - ২৬ আগস্ট ২০০৩) একজন ভারতীয় বাঙালি লেখক। তিনি উত্তর ২৪ পরগণার টাকীতে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম জ্যোতিষচন্দ্র কর এবং মাতা নিশিবালা কর। ==উক্তি== *আজ থেকে ১০-১৫ বছর পরে কোনও পাঠক আমার লেখা পড়বেন এমন অবিশ্বাস্য কল্পনা আমি করি না। সে চিন্তায় আমি বিন্দুমাত্র উদ্বিগ্ন নই। কাল, মহাকাল, যুগ— এ সব পোশাকী কথার কোনও অর্থ আমার কাছে নেই। **নিজের লেখা প্রসঙ্গে তিনি একথা লিখেছিলেন। উৎস: [https://www.anandabazar.com/patrika/article-about-writer-bimal-kar-1.1002331 লেখার প্যাডটা একটু সেঁকে দাও না!] ===সরস গল্প=== <small>[https://www.ebanglalibrary.com/books/থানা-থেকে-আসছি-অজিত-গঙ্গো-2/ সরস গল্প], প্রথম সংস্করণ নভেম্বর ১৯৮৫</small> ==তার সম্পর্কে উক্তি== *নির্মল করো বিমল করে, মলিন মর্ম মুছায়ে। ** ১৯৫২, ‘দেশ’-এ চাকরি পাওয়ার অল্প কয়েক দিন পরে প্রকাশিত হয় তার গল্প ‘আত্মজা’। বাবা, মা ও তাদের এক মাত্র কন্যাকে ঘিরে গল্প। যেখানে বাবা-মেয়ের স্নেহের সম্পর্ককে বিকৃত করতে পিছপা হয়নি মা। পঞ্চাশের দশকে এই মনস্তাত্ত্বিক জটিলতার গল্প অধিকাংশ পাঠক মেনে নিতে পারেননি। ‘আত্মজা’ প্রসঙ্গে ‘শনিবারের চিঠি’ উক্ত মন্তব্য করে। উৎস: [https://www.anandabazar.com/patrika/article-about-writer-bimal-kar-1.1002331 লেখার প্যাডটা একটু সেঁকে দাও না!] ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} jxxh0lry3jip4ubfeyo2hacbn5j6950 79783 79780 2026-04-22T15:19:15Z Nil Nandy 2294 /* সরস গল্প */ 79783 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}}{{bw|বিমল কর}} (১৯ সেপ্টেম্বর ১৯২১ - ২৬ আগস্ট ২০০৩) একজন ভারতীয় বাঙালি লেখক। তিনি উত্তর ২৪ পরগণার টাকীতে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম জ্যোতিষচন্দ্র কর এবং মাতা নিশিবালা কর। ==উক্তি== *আজ থেকে ১০-১৫ বছর পরে কোনও পাঠক আমার লেখা পড়বেন এমন অবিশ্বাস্য কল্পনা আমি করি না। সে চিন্তায় আমি বিন্দুমাত্র উদ্বিগ্ন নই। কাল, মহাকাল, যুগ— এ সব পোশাকী কথার কোনও অর্থ আমার কাছে নেই। **নিজের লেখা প্রসঙ্গে তিনি একথা লিখেছিলেন। উৎস: [https://www.anandabazar.com/patrika/article-about-writer-bimal-kar-1.1002331 লেখার প্যাডটা একটু সেঁকে দাও না!] ===সরস গল্প=== <small>[https://www.ebanglalibrary.com/books/থানা-থেকে-আসছি-অজিত-গঙ্গো-2/ সরস গল্প], প্রথম সংস্করণ নভেম্বর ১৯৮৫</small> *কিন্তু—ফুলরেণু ভেবে দেখল, এ যা কলেজ এখানে কোনও কিছুরই শাস্তি হত না, শিক্ষাও নয়। ছেলেমেয়েরা এইরকমই, কোনও সহবত শেখে না, মানে না। বিশ বছরের ধুমসি মেয়ে দুটো ছোঁড়ার সঙ্গে সেদিন কলেজ-মাঠে সাইকেল রেস দিচ্ছিল। আর একদিন এক ডজন কলা কিনে এনে থার্ড ইয়ারের ছেলেমেয়ের মধ্যে সে কি লুফোলুফি, কলা ছোড়াছুড়ি, খামচাখামচি। ক্লাসে কোনও ছেলে জব্দ হলে মেয়েগুলো উলু দেওয়ার মতন শব্দ করে ওঠে, মেয়েরা জব্দ হলে ছেলেরা টেবিল চাপড়ে গরুবাছুরের ডাক ডাকে। এত হুড়োহুড়ি দাপাদাপি, নাচানাচি, ঝগড়াঝাটি, তুই-তোকারি ছেলেমেয়েদের মধ্যে, তবু প্রফেসাররা কেউ কোনও কথা বলে না। বরং দীপনারায়ণ জুবিলি কলেজের যেন এটাই ঐতিহ্য। তেমনি হয়েছেন প্রিন্সিপ্যাল, বুড়ো মানুষ, ছেলেমেয়েদের হাতেই লাগাম তুলে দিয়েছেন, যা করার তোমরা করো, কেউ রাশ ধরবে না। **কালিদাস ও কেমিস্ট্রি ==তার সম্পর্কে উক্তি== *নির্মল করো বিমল করে, মলিন মর্ম মুছায়ে। ** ১৯৫২, ‘দেশ’-এ চাকরি পাওয়ার অল্প কয়েক দিন পরে প্রকাশিত হয় তার গল্প ‘আত্মজা’। বাবা, মা ও তাদের এক মাত্র কন্যাকে ঘিরে গল্প। যেখানে বাবা-মেয়ের স্নেহের সম্পর্ককে বিকৃত করতে পিছপা হয়নি মা। পঞ্চাশের দশকে এই মনস্তাত্ত্বিক জটিলতার গল্প অধিকাংশ পাঠক মেনে নিতে পারেননি। ‘আত্মজা’ প্রসঙ্গে ‘শনিবারের চিঠি’ উক্ত মন্তব্য করে। উৎস: [https://www.anandabazar.com/patrika/article-about-writer-bimal-kar-1.1002331 লেখার প্যাডটা একটু সেঁকে দাও না!] ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} f8edh1ieodtsvw4finsp4t4h2gs087q 79784 79783 2026-04-22T15:28:14Z Nil Nandy 2294 /* সরস গল্প */ 79784 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}}{{bw|বিমল কর}} (১৯ সেপ্টেম্বর ১৯২১ - ২৬ আগস্ট ২০০৩) একজন ভারতীয় বাঙালি লেখক। তিনি উত্তর ২৪ পরগণার টাকীতে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম জ্যোতিষচন্দ্র কর এবং মাতা নিশিবালা কর। ==উক্তি== *আজ থেকে ১০-১৫ বছর পরে কোনও পাঠক আমার লেখা পড়বেন এমন অবিশ্বাস্য কল্পনা আমি করি না। সে চিন্তায় আমি বিন্দুমাত্র উদ্বিগ্ন নই। কাল, মহাকাল, যুগ— এ সব পোশাকী কথার কোনও অর্থ আমার কাছে নেই। **নিজের লেখা প্রসঙ্গে তিনি একথা লিখেছিলেন। উৎস: [https://www.anandabazar.com/patrika/article-about-writer-bimal-kar-1.1002331 লেখার প্যাডটা একটু সেঁকে দাও না!] ===সরস গল্প=== <small>[https://www.ebanglalibrary.com/books/থানা-থেকে-আসছি-অজিত-গঙ্গো-2/ সরস গল্প], প্রথম সংস্করণ নভেম্বর ১৯৮৫</small> *কিন্তু—ফুলরেণু ভেবে দেখল, এ যা কলেজ এখানে কোনও কিছুরই শাস্তি হত না, শিক্ষাও নয়। ছেলেমেয়েরা এইরকমই, কোনও সহবত শেখে না, মানে না। বিশ বছরের ধুমসি মেয়ে দুটো ছোঁড়ার সঙ্গে সেদিন কলেজ-মাঠে সাইকেল রেস দিচ্ছিল। আর একদিন এক ডজন কলা কিনে এনে থার্ড ইয়ারের ছেলেমেয়ের মধ্যে সে কি লুফোলুফি, কলা ছোড়াছুড়ি, খামচাখামচি। ক্লাসে কোনও ছেলে জব্দ হলে মেয়েগুলো উলু দেওয়ার মতন শব্দ করে ওঠে, মেয়েরা জব্দ হলে ছেলেরা টেবিল চাপড়ে গরুবাছুরের ডাক ডাকে। এত হুড়োহুড়ি দাপাদাপি, নাচানাচি, ঝগড়াঝাটি, তুই-তোকারি ছেলেমেয়েদের মধ্যে, তবু প্রফেসাররা কেউ কোনও কথা বলে না। বরং দীপনারায়ণ জুবিলি কলেজের যেন এটাই ঐতিহ্য। তেমনি হয়েছেন প্রিন্সিপ্যাল, বুড়ো মানুষ, ছেলেমেয়েদের হাতেই লাগাম তুলে দিয়েছেন, যা করার তোমরা করো, কেউ রাশ ধরবে না। **কালিদাস ও কেমিস্ট্রি *রাত্রে বিছানায় শুয়ে দরজা বন্ধ করে ফুলরেণু চিঠির জবাব লিখতে বসল। লেখার প্যাডে কালির আঁচড় আর পড়ে না। যাও বা পড়ে মনে হয় এমন চিঠি সে মাকে লিখেছে, টোকনকে লিখেছে ; এ চিঠি স্বর্ণকমলের বেলায় অচল। পাতাটা ছিঁড়ে ফেলে আবার ফাউন্টেন পেন দাঁত দিয়ে কামড়াতে থাকে ফুলরেণু। এইভাবে অনেকটা রাত হল, অনেকগুলো প্যাডের ফিনফিনে পাতা নষ্ট হল অথচ চিঠি লেখা হল না। ফুলরেণুর কান্না পেতে লাগল। এতদিন সে কেমিস্ট্রির শ শ’ পাতা নোট লিখিয়েছে ; সে সোডিয়াম কার্বোনেটের বিবরণ লিখতে পারে, অক্লেশে নাইট্রোজেন প্রবলেম সম্পর্কে বারোটা পাতা ঝড়ের মতন লিখতে পারে, এখুনি ক্রিস্টাল, সিমেট্রি—তাও পারে কিন্তু হায় হায়—ভালবাসার একটা চিঠি লিখতে পারে না। এই সহজ কাজটা এত শক্ত কে জানত? **কালিদাস ও কেমিস্ট্রি ==তার সম্পর্কে উক্তি== *নির্মল করো বিমল করে, মলিন মর্ম মুছায়ে। ** ১৯৫২, ‘দেশ’-এ চাকরি পাওয়ার অল্প কয়েক দিন পরে প্রকাশিত হয় তার গল্প ‘আত্মজা’। বাবা, মা ও তাদের এক মাত্র কন্যাকে ঘিরে গল্প। যেখানে বাবা-মেয়ের স্নেহের সম্পর্ককে বিকৃত করতে পিছপা হয়নি মা। পঞ্চাশের দশকে এই মনস্তাত্ত্বিক জটিলতার গল্প অধিকাংশ পাঠক মেনে নিতে পারেননি। ‘আত্মজা’ প্রসঙ্গে ‘শনিবারের চিঠি’ উক্ত মন্তব্য করে। উৎস: [https://www.anandabazar.com/patrika/article-about-writer-bimal-kar-1.1002331 লেখার প্যাডটা একটু সেঁকে দাও না!] ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} bbw8jstls7h7yaetn4uvrcufjr4e8fo 79786 79784 2026-04-22T15:33:31Z Nil Nandy 2294 /* সরস গল্প */ 79786 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}}{{bw|বিমল কর}} (১৯ সেপ্টেম্বর ১৯২১ - ২৬ আগস্ট ২০০৩) একজন ভারতীয় বাঙালি লেখক। তিনি উত্তর ২৪ পরগণার টাকীতে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম জ্যোতিষচন্দ্র কর এবং মাতা নিশিবালা কর। ==উক্তি== *আজ থেকে ১০-১৫ বছর পরে কোনও পাঠক আমার লেখা পড়বেন এমন অবিশ্বাস্য কল্পনা আমি করি না। সে চিন্তায় আমি বিন্দুমাত্র উদ্বিগ্ন নই। কাল, মহাকাল, যুগ— এ সব পোশাকী কথার কোনও অর্থ আমার কাছে নেই। **নিজের লেখা প্রসঙ্গে তিনি একথা লিখেছিলেন। উৎস: [https://www.anandabazar.com/patrika/article-about-writer-bimal-kar-1.1002331 লেখার প্যাডটা একটু সেঁকে দাও না!] ===সরস গল্প=== <small>[https://www.ebanglalibrary.com/books/থানা-থেকে-আসছি-অজিত-গঙ্গো-2/ সরস গল্প], প্রথম সংস্করণ নভেম্বর ১৯৮৫</small> *কিন্তু—ফুলরেণু ভেবে দেখল, এ যা কলেজ এখানে কোনও কিছুরই শাস্তি হত না, শিক্ষাও নয়। ছেলেমেয়েরা এইরকমই, কোনও সহবত শেখে না, মানে না। বিশ বছরের ধুমসি মেয়ে দুটো ছোঁড়ার সঙ্গে সেদিন কলেজ-মাঠে সাইকেল রেস দিচ্ছিল। আর একদিন এক ডজন কলা কিনে এনে থার্ড ইয়ারের ছেলেমেয়ের মধ্যে সে কি লুফোলুফি, কলা ছোড়াছুড়ি, খামচাখামচি। ক্লাসে কোনও ছেলে জব্দ হলে মেয়েগুলো উলু দেওয়ার মতন শব্দ করে ওঠে, মেয়েরা জব্দ হলে ছেলেরা টেবিল চাপড়ে গরুবাছুরের ডাক ডাকে। এত হুড়োহুড়ি দাপাদাপি, নাচানাচি, ঝগড়াঝাটি, তুই-তোকারি ছেলেমেয়েদের মধ্যে, তবু প্রফেসাররা কেউ কোনও কথা বলে না। বরং দীপনারায়ণ জুবিলি কলেজের যেন এটাই ঐতিহ্য। তেমনি হয়েছেন প্রিন্সিপ্যাল, বুড়ো মানুষ, ছেলেমেয়েদের হাতেই লাগাম তুলে দিয়েছেন, যা করার তোমরা করো, কেউ রাশ ধরবে না। **কালিদাস ও কেমিস্ট্রি *রাত্রে বিছানায় শুয়ে দরজা বন্ধ করে ফুলরেণু চিঠির জবাব লিখতে বসল। লেখার প্যাডে কালির আঁচড় আর পড়ে না। যাও বা পড়ে মনে হয় এমন চিঠি সে মাকে লিখেছে, টোকনকে লিখেছে ; এ চিঠি স্বর্ণকমলের বেলায় অচল। পাতাটা ছিঁড়ে ফেলে আবার ফাউন্টেন পেন দাঁত দিয়ে কামড়াতে থাকে ফুলরেণু। এইভাবে অনেকটা রাত হল, অনেকগুলো প্যাডের ফিনফিনে পাতা নষ্ট হল অথচ চিঠি লেখা হল না। ফুলরেণুর কান্না পেতে লাগল। এতদিন সে কেমিস্ট্রির শ শ’ পাতা নোট লিখিয়েছে ; সে সোডিয়াম কার্বোনেটের বিবরণ লিখতে পারে, অক্লেশে নাইট্রোজেন প্রবলেম সম্পর্কে বারোটা পাতা ঝড়ের মতন লিখতে পারে, এখুনি ক্রিস্টাল, সিমেট্রি—তাও পারে কিন্তু হায় হায়—ভালবাসার একটা চিঠি লিখতে পারে না। এই সহজ কাজটা এত শক্ত কে জানত? **কালিদাস ও কেমিস্ট্রি *তারপর যৌবনে প্রেমকিশোর বার তিনেক নিজেকে লটকে ফেলার চেষ্টা করেছে, একবার বেণুর সঙ্গে ; পরের বার সুরূপার সঙ্গে ; আর শেষ বার আইভির সঙ্গে। বেণুর বাবা প্রেমকিশোরের পিছনে তাঁদের বিশাল অ্যালসেশিয়ানকে লাগিয়ে দিয়েছিলেন, ফলে প্রেমকিশোর বেণুদের বাড়িতে ঢুকতেই পারল না। সুরূপার বেলায় প্রেমকিশোর একদিন ট্যাক্সি করে হাওয়া খেতে বেরিয়েছিল সুরূপাকে নিয়ে। সন্ধেবেলায় রেড রোডে গাড়ি গেল খারাপ হয়ে, অ্যাক্সেল গেল ভেঙে। ড্রাইভার বলল, বাবু তোমরা একটু গাড়িটা দেখো। আমি মিস্ত্রি ডেকে আনছি। ডাইভার গেল তো গেল, আর আসে না। প্রথম প্রথম প্রেমকিশোরের ভালই লাগছিল—এমন নির্জনে নিরিবিলিতে সুরূপাকে পাওয়া ভাগ্যের কথা। একটু চঞ্চল হয়ে সুরূপাকে প্রেম-ট্রেমের কথা বলতে গিয়েই ধাক্কা খেল প্রেমকিশোর। সুরূপা বলল, এ সমস্ত তোমার চালাকি! তুমি ড্রাইভারের সঙ্গে সাঁট করেছ। ছোটলোক, অসভ্য, ইতর। দাঁড়াও না, পুলিশের গাড়ি এবার এলেই আমি হাত দেখাব। তোমায় আমি দেখাচ্ছি।…<br><br>সুরূপার হাতে পায়ে ধরে প্রেমকিশোর বাঁচল। একটা প্রাইভেট গাড়ি থামিয়ে চলে গেল সুরূপা; আর প্রেমকিশোর ট্যাক্সির মধ্যে ভূতের মতন বসে থাকল। ঘণ্টা দুই পরে ট্যাক্সিঅলা ফিরল, বলল, আমার সর্বনাশ হল বাবু, আপকো তো মজা হল, থোড়া জাদা টাকা ছাড়ন, পঁচাশ…। প্রেমকিশোর নাক কান মলে পালাল। শেষে এল আইভি। নাচ জানত। প্রেমকিশোরকে মাস কয়েক বেশ নাচাল, তারপর একদিন প্রেমকিশোরকে দিয়েই বম্বের একটা ফার্স্ট ক্লাস টিকিট কাটিয়ে বম্বে চলে গেল ফিল্মে চান্স খুঁজতে। **প্রেমশশী ==তার সম্পর্কে উক্তি== *নির্মল করো বিমল করে, মলিন মর্ম মুছায়ে। ** ১৯৫২, ‘দেশ’-এ চাকরি পাওয়ার অল্প কয়েক দিন পরে প্রকাশিত হয় তার গল্প ‘আত্মজা’। বাবা, মা ও তাদের এক মাত্র কন্যাকে ঘিরে গল্প। যেখানে বাবা-মেয়ের স্নেহের সম্পর্ককে বিকৃত করতে পিছপা হয়নি মা। পঞ্চাশের দশকে এই মনস্তাত্ত্বিক জটিলতার গল্প অধিকাংশ পাঠক মেনে নিতে পারেননি। ‘আত্মজা’ প্রসঙ্গে ‘শনিবারের চিঠি’ উক্ত মন্তব্য করে। উৎস: [https://www.anandabazar.com/patrika/article-about-writer-bimal-kar-1.1002331 লেখার প্যাডটা একটু সেঁকে দাও না!] ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} 0pubvqdhgrhlxk8e1n863wto4ccrj5t 79789 79786 2026-04-22T15:44:11Z Nil Nandy 2294 /* সরস গল্প */ 79789 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}}{{bw|বিমল কর}} (১৯ সেপ্টেম্বর ১৯২১ - ২৬ আগস্ট ২০০৩) একজন ভারতীয় বাঙালি লেখক। তিনি উত্তর ২৪ পরগণার টাকীতে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম জ্যোতিষচন্দ্র কর এবং মাতা নিশিবালা কর। ==উক্তি== *আজ থেকে ১০-১৫ বছর পরে কোনও পাঠক আমার লেখা পড়বেন এমন অবিশ্বাস্য কল্পনা আমি করি না। সে চিন্তায় আমি বিন্দুমাত্র উদ্বিগ্ন নই। কাল, মহাকাল, যুগ— এ সব পোশাকী কথার কোনও অর্থ আমার কাছে নেই। **নিজের লেখা প্রসঙ্গে তিনি একথা লিখেছিলেন। উৎস: [https://www.anandabazar.com/patrika/article-about-writer-bimal-kar-1.1002331 লেখার প্যাডটা একটু সেঁকে দাও না!] ===সরস গল্প=== <small>[https://www.ebanglalibrary.com/books/থানা-থেকে-আসছি-অজিত-গঙ্গো-2/ সরস গল্প], প্রথম সংস্করণ নভেম্বর ১৯৮৫</small> *কিন্তু—ফুলরেণু ভেবে দেখল, এ যা কলেজ এখানে কোনও কিছুরই শাস্তি হত না, শিক্ষাও নয়। ছেলেমেয়েরা এইরকমই, কোনও সহবত শেখে না, মানে না। বিশ বছরের ধুমসি মেয়ে দুটো ছোঁড়ার সঙ্গে সেদিন কলেজ-মাঠে সাইকেল রেস দিচ্ছিল। আর একদিন এক ডজন কলা কিনে এনে থার্ড ইয়ারের ছেলেমেয়ের মধ্যে সে কি লুফোলুফি, কলা ছোড়াছুড়ি, খামচাখামচি। ক্লাসে কোনও ছেলে জব্দ হলে মেয়েগুলো উলু দেওয়ার মতন শব্দ করে ওঠে, মেয়েরা জব্দ হলে ছেলেরা টেবিল চাপড়ে গরুবাছুরের ডাক ডাকে। এত হুড়োহুড়ি দাপাদাপি, নাচানাচি, ঝগড়াঝাটি, তুই-তোকারি ছেলেমেয়েদের মধ্যে, তবু প্রফেসাররা কেউ কোনও কথা বলে না। বরং দীপনারায়ণ জুবিলি কলেজের যেন এটাই ঐতিহ্য। তেমনি হয়েছেন প্রিন্সিপ্যাল, বুড়ো মানুষ, ছেলেমেয়েদের হাতেই লাগাম তুলে দিয়েছেন, যা করার তোমরা করো, কেউ রাশ ধরবে না। **কালিদাস ও কেমিস্ট্রি *রাত্রে বিছানায় শুয়ে দরজা বন্ধ করে ফুলরেণু চিঠির জবাব লিখতে বসল। লেখার প্যাডে কালির আঁচড় আর পড়ে না। যাও বা পড়ে মনে হয় এমন চিঠি সে মাকে লিখেছে, টোকনকে লিখেছে ; এ চিঠি স্বর্ণকমলের বেলায় অচল। পাতাটা ছিঁড়ে ফেলে আবার ফাউন্টেন পেন দাঁত দিয়ে কামড়াতে থাকে ফুলরেণু। এইভাবে অনেকটা রাত হল, অনেকগুলো প্যাডের ফিনফিনে পাতা নষ্ট হল অথচ চিঠি লেখা হল না। ফুলরেণুর কান্না পেতে লাগল। এতদিন সে কেমিস্ট্রির শ শ’ পাতা নোট লিখিয়েছে ; সে সোডিয়াম কার্বোনেটের বিবরণ লিখতে পারে, অক্লেশে নাইট্রোজেন প্রবলেম সম্পর্কে বারোটা পাতা ঝড়ের মতন লিখতে পারে, এখুনি ক্রিস্টাল, সিমেট্রি—তাও পারে কিন্তু হায় হায়—ভালবাসার একটা চিঠি লিখতে পারে না। এই সহজ কাজটা এত শক্ত কে জানত? **কালিদাস ও কেমিস্ট্রি *তারপর যৌবনে প্রেমকিশোর বার তিনেক নিজেকে লটকে ফেলার চেষ্টা করেছে, একবার বেণুর সঙ্গে ; পরের বার সুরূপার সঙ্গে ; আর শেষ বার আইভির সঙ্গে। বেণুর বাবা প্রেমকিশোরের পিছনে তাঁদের বিশাল অ্যালসেশিয়ানকে লাগিয়ে দিয়েছিলেন, ফলে প্রেমকিশোর বেণুদের বাড়িতে ঢুকতেই পারল না। সুরূপার বেলায় প্রেমকিশোর একদিন ট্যাক্সি করে হাওয়া খেতে বেরিয়েছিল সুরূপাকে নিয়ে। সন্ধেবেলায় রেড রোডে গাড়ি গেল খারাপ হয়ে, অ্যাক্সেল গেল ভেঙে। ড্রাইভার বলল, বাবু তোমরা একটু গাড়িটা দেখো। আমি মিস্ত্রি ডেকে আনছি। ডাইভার গেল তো গেল, আর আসে না। প্রথম প্রথম প্রেমকিশোরের ভালই লাগছিল—এমন নির্জনে নিরিবিলিতে সুরূপাকে পাওয়া ভাগ্যের কথা। একটু চঞ্চল হয়ে সুরূপাকে প্রেম-ট্রেমের কথা বলতে গিয়েই ধাক্কা খেল প্রেমকিশোর। সুরূপা বলল, এ সমস্ত তোমার চালাকি! তুমি ড্রাইভারের সঙ্গে সাঁট করেছ। ছোটলোক, অসভ্য, ইতর। দাঁড়াও না, পুলিশের গাড়ি এবার এলেই আমি হাত দেখাব। তোমায় আমি দেখাচ্ছি।…<br><br>সুরূপার হাতে পায়ে ধরে প্রেমকিশোর বাঁচল। একটা প্রাইভেট গাড়ি থামিয়ে চলে গেল সুরূপা; আর প্রেমকিশোর ট্যাক্সির মধ্যে ভূতের মতন বসে থাকল। ঘণ্টা দুই পরে ট্যাক্সিঅলা ফিরল, বলল, আমার সর্বনাশ হল বাবু, আপকো তো মজা হল, থোড়া জাদা টাকা ছাড়ন, পঁচাশ…। প্রেমকিশোর নাক কান মলে পালাল। শেষে এল আইভি। নাচ জানত। প্রেমকিশোরকে মাস কয়েক বেশ নাচাল, তারপর একদিন প্রেমকিশোরকে দিয়েই বম্বের একটা ফার্স্ট ক্লাস টিকিট কাটিয়ে বম্বে চলে গেল ফিল্মে চান্স খুঁজতে। **প্রেমশশী *বলতে বলতে প্রেমকিশোর এমন জোর একটা চুমু খেল বউকে—মনে হল নতুন টিউবওয়েলে জল তুলছে। **প্রেমশশী ==তার সম্পর্কে উক্তি== *নির্মল করো বিমল করে, মলিন মর্ম মুছায়ে। ** ১৯৫২, ‘দেশ’-এ চাকরি পাওয়ার অল্প কয়েক দিন পরে প্রকাশিত হয় তার গল্প ‘আত্মজা’। বাবা, মা ও তাদের এক মাত্র কন্যাকে ঘিরে গল্প। যেখানে বাবা-মেয়ের স্নেহের সম্পর্ককে বিকৃত করতে পিছপা হয়নি মা। পঞ্চাশের দশকে এই মনস্তাত্ত্বিক জটিলতার গল্প অধিকাংশ পাঠক মেনে নিতে পারেননি। ‘আত্মজা’ প্রসঙ্গে ‘শনিবারের চিঠি’ উক্ত মন্তব্য করে। উৎস: [https://www.anandabazar.com/patrika/article-about-writer-bimal-kar-1.1002331 লেখার প্যাডটা একটু সেঁকে দাও না!] ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} kf47vmzvuzsgd5en56by1o0dtrp2g2o 79790 79789 2026-04-22T15:50:20Z Nil Nandy 2294 /* সরস গল্প */ 79790 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}}{{bw|বিমল কর}} (১৯ সেপ্টেম্বর ১৯২১ - ২৬ আগস্ট ২০০৩) একজন ভারতীয় বাঙালি লেখক। তিনি উত্তর ২৪ পরগণার টাকীতে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম জ্যোতিষচন্দ্র কর এবং মাতা নিশিবালা কর। ==উক্তি== *আজ থেকে ১০-১৫ বছর পরে কোনও পাঠক আমার লেখা পড়বেন এমন অবিশ্বাস্য কল্পনা আমি করি না। সে চিন্তায় আমি বিন্দুমাত্র উদ্বিগ্ন নই। কাল, মহাকাল, যুগ— এ সব পোশাকী কথার কোনও অর্থ আমার কাছে নেই। **নিজের লেখা প্রসঙ্গে তিনি একথা লিখেছিলেন। উৎস: [https://www.anandabazar.com/patrika/article-about-writer-bimal-kar-1.1002331 লেখার প্যাডটা একটু সেঁকে দাও না!] ===সরস গল্প=== <small>[https://www.ebanglalibrary.com/books/থানা-থেকে-আসছি-অজিত-গঙ্গো-2/ সরস গল্প], প্রথম সংস্করণ নভেম্বর ১৯৮৫</small> *কিন্তু—ফুলরেণু ভেবে দেখল, এ যা কলেজ এখানে কোনও কিছুরই শাস্তি হত না, শিক্ষাও নয়। ছেলেমেয়েরা এইরকমই, কোনও সহবত শেখে না, মানে না। বিশ বছরের ধুমসি মেয়ে দুটো ছোঁড়ার সঙ্গে সেদিন কলেজ-মাঠে সাইকেল রেস দিচ্ছিল। আর একদিন এক ডজন কলা কিনে এনে থার্ড ইয়ারের ছেলেমেয়ের মধ্যে সে কি লুফোলুফি, কলা ছোড়াছুড়ি, খামচাখামচি। ক্লাসে কোনও ছেলে জব্দ হলে মেয়েগুলো উলু দেওয়ার মতন শব্দ করে ওঠে, মেয়েরা জব্দ হলে ছেলেরা টেবিল চাপড়ে গরুবাছুরের ডাক ডাকে। এত হুড়োহুড়ি দাপাদাপি, নাচানাচি, ঝগড়াঝাটি, তুই-তোকারি ছেলেমেয়েদের মধ্যে, তবু প্রফেসাররা কেউ কোনও কথা বলে না। বরং দীপনারায়ণ জুবিলি কলেজের যেন এটাই ঐতিহ্য। তেমনি হয়েছেন প্রিন্সিপ্যাল, বুড়ো মানুষ, ছেলেমেয়েদের হাতেই লাগাম তুলে দিয়েছেন, যা করার তোমরা করো, কেউ রাশ ধরবে না। **কালিদাস ও কেমিস্ট্রি *রাত্রে বিছানায় শুয়ে দরজা বন্ধ করে ফুলরেণু চিঠির জবাব লিখতে বসল। লেখার প্যাডে কালির আঁচড় আর পড়ে না। যাও বা পড়ে মনে হয় এমন চিঠি সে মাকে লিখেছে, টোকনকে লিখেছে ; এ চিঠি স্বর্ণকমলের বেলায় অচল। পাতাটা ছিঁড়ে ফেলে আবার ফাউন্টেন পেন দাঁত দিয়ে কামড়াতে থাকে ফুলরেণু। এইভাবে অনেকটা রাত হল, অনেকগুলো প্যাডের ফিনফিনে পাতা নষ্ট হল অথচ চিঠি লেখা হল না। ফুলরেণুর কান্না পেতে লাগল। এতদিন সে কেমিস্ট্রির শ শ’ পাতা নোট লিখিয়েছে ; সে সোডিয়াম কার্বোনেটের বিবরণ লিখতে পারে, অক্লেশে নাইট্রোজেন প্রবলেম সম্পর্কে বারোটা পাতা ঝড়ের মতন লিখতে পারে, এখুনি ক্রিস্টাল, সিমেট্রি—তাও পারে কিন্তু হায় হায়—ভালবাসার একটা চিঠি লিখতে পারে না। এই সহজ কাজটা এত শক্ত কে জানত? **কালিদাস ও কেমিস্ট্রি *তারপর যৌবনে প্রেমকিশোর বার তিনেক নিজেকে লটকে ফেলার চেষ্টা করেছে, একবার বেণুর সঙ্গে ; পরের বার সুরূপার সঙ্গে ; আর শেষ বার আইভির সঙ্গে। বেণুর বাবা প্রেমকিশোরের পিছনে তাঁদের বিশাল অ্যালসেশিয়ানকে লাগিয়ে দিয়েছিলেন, ফলে প্রেমকিশোর বেণুদের বাড়িতে ঢুকতেই পারল না। সুরূপার বেলায় প্রেমকিশোর একদিন ট্যাক্সি করে হাওয়া খেতে বেরিয়েছিল সুরূপাকে নিয়ে। সন্ধেবেলায় রেড রোডে গাড়ি গেল খারাপ হয়ে, অ্যাক্সেল গেল ভেঙে। ড্রাইভার বলল, বাবু তোমরা একটু গাড়িটা দেখো। আমি মিস্ত্রি ডেকে আনছি। ডাইভার গেল তো গেল, আর আসে না। প্রথম প্রথম প্রেমকিশোরের ভালই লাগছিল—এমন নির্জনে নিরিবিলিতে সুরূপাকে পাওয়া ভাগ্যের কথা। একটু চঞ্চল হয়ে সুরূপাকে প্রেম-ট্রেমের কথা বলতে গিয়েই ধাক্কা খেল প্রেমকিশোর। সুরূপা বলল, এ সমস্ত তোমার চালাকি! তুমি ড্রাইভারের সঙ্গে সাঁট করেছ। ছোটলোক, অসভ্য, ইতর। দাঁড়াও না, পুলিশের গাড়ি এবার এলেই আমি হাত দেখাব। তোমায় আমি দেখাচ্ছি।…<br><br>সুরূপার হাতে পায়ে ধরে প্রেমকিশোর বাঁচল। একটা প্রাইভেট গাড়ি থামিয়ে চলে গেল সুরূপা; আর প্রেমকিশোর ট্যাক্সির মধ্যে ভূতের মতন বসে থাকল। ঘণ্টা দুই পরে ট্যাক্সিঅলা ফিরল, বলল, আমার সর্বনাশ হল বাবু, আপকো তো মজা হল, থোড়া জাদা টাকা ছাড়ন, পঁচাশ…। প্রেমকিশোর নাক কান মলে পালাল। শেষে এল আইভি। নাচ জানত। প্রেমকিশোরকে মাস কয়েক বেশ নাচাল, তারপর একদিন প্রেমকিশোরকে দিয়েই বম্বের একটা ফার্স্ট ক্লাস টিকিট কাটিয়ে বম্বে চলে গেল ফিল্মে চান্স খুঁজতে। **প্রেমশশী *বলতে বলতে প্রেমকিশোর এমন জোর একটা চুমু খেল বউকে—মনে হল নতুন টিউবওয়েলে জল তুলছে। **প্রেমশশী *এক একবার মনে হত—অ্যারারুটের সঙ্গে ধুতরো ফুলের বিচি মিশিয়ে খেয়ে ফেলি। তাতে কী হত সেটা অবশ্য জানতাম না। **হৃদয় বিনিময় ==তার সম্পর্কে উক্তি== *নির্মল করো বিমল করে, মলিন মর্ম মুছায়ে। ** ১৯৫২, ‘দেশ’-এ চাকরি পাওয়ার অল্প কয়েক দিন পরে প্রকাশিত হয় তার গল্প ‘আত্মজা’। বাবা, মা ও তাদের এক মাত্র কন্যাকে ঘিরে গল্প। যেখানে বাবা-মেয়ের স্নেহের সম্পর্ককে বিকৃত করতে পিছপা হয়নি মা। পঞ্চাশের দশকে এই মনস্তাত্ত্বিক জটিলতার গল্প অধিকাংশ পাঠক মেনে নিতে পারেননি। ‘আত্মজা’ প্রসঙ্গে ‘শনিবারের চিঠি’ উক্ত মন্তব্য করে। উৎস: [https://www.anandabazar.com/patrika/article-about-writer-bimal-kar-1.1002331 লেখার প্যাডটা একটু সেঁকে দাও না!] ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} jafeci7cv9fw4rsjobne0q43kvqlcma 79859 79790 2026-04-23T00:25:36Z Nil Nandy 2294 /* সরস গল্প */ 79859 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}}{{bw|বিমল কর}} (১৯ সেপ্টেম্বর ১৯২১ - ২৬ আগস্ট ২০০৩) একজন ভারতীয় বাঙালি লেখক। তিনি উত্তর ২৪ পরগণার টাকীতে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম জ্যোতিষচন্দ্র কর এবং মাতা নিশিবালা কর। ==উক্তি== *আজ থেকে ১০-১৫ বছর পরে কোনও পাঠক আমার লেখা পড়বেন এমন অবিশ্বাস্য কল্পনা আমি করি না। সে চিন্তায় আমি বিন্দুমাত্র উদ্বিগ্ন নই। কাল, মহাকাল, যুগ— এ সব পোশাকী কথার কোনও অর্থ আমার কাছে নেই। **নিজের লেখা প্রসঙ্গে তিনি একথা লিখেছিলেন। উৎস: [https://www.anandabazar.com/patrika/article-about-writer-bimal-kar-1.1002331 লেখার প্যাডটা একটু সেঁকে দাও না!] ===সরস গল্প=== <small>[https://www.ebanglalibrary.com/books/থানা-থেকে-আসছি-অজিত-গঙ্গো-2/ সরস গল্প], প্রথম সংস্করণ নভেম্বর ১৯৮৫</small> *কিন্তু—ফুলরেণু ভেবে দেখল, এ যা কলেজ এখানে কোনও কিছুরই শাস্তি হত না, শিক্ষাও নয়। ছেলেমেয়েরা এইরকমই, কোনও সহবত শেখে না, মানে না। বিশ বছরের ধুমসি মেয়ে দুটো ছোঁড়ার সঙ্গে সেদিন কলেজ-মাঠে সাইকেল রেস দিচ্ছিল। আর একদিন এক ডজন কলা কিনে এনে থার্ড ইয়ারের ছেলেমেয়ের মধ্যে সে কি লুফোলুফি, কলা ছোড়াছুড়ি, খামচাখামচি। ক্লাসে কোনও ছেলে জব্দ হলে মেয়েগুলো উলু দেওয়ার মতন শব্দ করে ওঠে, মেয়েরা জব্দ হলে ছেলেরা টেবিল চাপড়ে গরুবাছুরের ডাক ডাকে। এত হুড়োহুড়ি দাপাদাপি, নাচানাচি, ঝগড়াঝাটি, তুই-তোকারি ছেলেমেয়েদের মধ্যে, তবু প্রফেসাররা কেউ কোনও কথা বলে না। বরং দীপনারায়ণ জুবিলি কলেজের যেন এটাই ঐতিহ্য। তেমনি হয়েছেন প্রিন্সিপ্যাল, বুড়ো মানুষ, ছেলেমেয়েদের হাতেই লাগাম তুলে দিয়েছেন, যা করার তোমরা করো, কেউ রাশ ধরবে না। **কালিদাস ও কেমিস্ট্রি *রাত্রে বিছানায় শুয়ে দরজা বন্ধ করে ফুলরেণু চিঠির জবাব লিখতে বসল। লেখার প্যাডে কালির আঁচড় আর পড়ে না। যাও বা পড়ে মনে হয় এমন চিঠি সে মাকে লিখেছে, টোকনকে লিখেছে ; এ চিঠি স্বর্ণকমলের বেলায় অচল। পাতাটা ছিঁড়ে ফেলে আবার ফাউন্টেন পেন দাঁত দিয়ে কামড়াতে থাকে ফুলরেণু। এইভাবে অনেকটা রাত হল, অনেকগুলো প্যাডের ফিনফিনে পাতা নষ্ট হল অথচ চিঠি লেখা হল না। ফুলরেণুর কান্না পেতে লাগল। এতদিন সে কেমিস্ট্রির শ শ’ পাতা নোট লিখিয়েছে ; সে সোডিয়াম কার্বোনেটের বিবরণ লিখতে পারে, অক্লেশে নাইট্রোজেন প্রবলেম সম্পর্কে বারোটা পাতা ঝড়ের মতন লিখতে পারে, এখুনি ক্রিস্টাল, সিমেট্রি—তাও পারে কিন্তু হায় হায়—ভালবাসার একটা চিঠি লিখতে পারে না। এই সহজ কাজটা এত শক্ত কে জানত? **কালিদাস ও কেমিস্ট্রি *তারপর যৌবনে প্রেমকিশোর বার তিনেক নিজেকে লটকে ফেলার চেষ্টা করেছে, একবার বেণুর সঙ্গে ; পরের বার সুরূপার সঙ্গে ; আর শেষ বার আইভির সঙ্গে। বেণুর বাবা প্রেমকিশোরের পিছনে তাঁদের বিশাল অ্যালসেশিয়ানকে লাগিয়ে দিয়েছিলেন, ফলে প্রেমকিশোর বেণুদের বাড়িতে ঢুকতেই পারল না। সুরূপার বেলায় প্রেমকিশোর একদিন ট্যাক্সি করে হাওয়া খেতে বেরিয়েছিল সুরূপাকে নিয়ে। সন্ধেবেলায় রেড রোডে গাড়ি গেল খারাপ হয়ে, অ্যাক্সেল গেল ভেঙে। ড্রাইভার বলল, বাবু তোমরা একটু গাড়িটা দেখো। আমি মিস্ত্রি ডেকে আনছি। ডাইভার গেল তো গেল, আর আসে না। প্রথম প্রথম প্রেমকিশোরের ভালই লাগছিল—এমন নির্জনে নিরিবিলিতে সুরূপাকে পাওয়া ভাগ্যের কথা। একটু চঞ্চল হয়ে সুরূপাকে প্রেম-ট্রেমের কথা বলতে গিয়েই ধাক্কা খেল প্রেমকিশোর। সুরূপা বলল, এ সমস্ত তোমার চালাকি! তুমি ড্রাইভারের সঙ্গে সাঁট করেছ। ছোটলোক, অসভ্য, ইতর। দাঁড়াও না, পুলিশের গাড়ি এবার এলেই আমি হাত দেখাব। তোমায় আমি দেখাচ্ছি।…<br><br>সুরূপার হাতে পায়ে ধরে প্রেমকিশোর বাঁচল। একটা প্রাইভেট গাড়ি থামিয়ে চলে গেল সুরূপা; আর প্রেমকিশোর ট্যাক্সির মধ্যে ভূতের মতন বসে থাকল। ঘণ্টা দুই পরে ট্যাক্সিঅলা ফিরল, বলল, আমার সর্বনাশ হল বাবু, আপকো তো মজা হল, থোড়া জাদা টাকা ছাড়ন, পঁচাশ…। প্রেমকিশোর নাক কান মলে পালাল। শেষে এল আইভি। নাচ জানত। প্রেমকিশোরকে মাস কয়েক বেশ নাচাল, তারপর একদিন প্রেমকিশোরকে দিয়েই বম্বের একটা ফার্স্ট ক্লাস টিকিট কাটিয়ে বম্বে চলে গেল ফিল্মে চান্স খুঁজতে। **প্রেমশশী *বলতে বলতে প্রেমকিশোর এমন জোর একটা চুমু খেল বউকে—মনে হল নতুন টিউবওয়েলে জল তুলছে। **প্রেমশশী *এক একবার মনে হত—অ্যারারুটের সঙ্গে ধুতরো ফুলের বিচি মিশিয়ে খেয়ে ফেলি। তাতে কী হত সেটা অবশ্য জানতাম না। **হৃদয় বিনিময় *স্বামীর জন্যে চোখের জল উমাশশী অনেক ফেলেছেন। তখন বয়েস ছিল ফেলার, জলও ছিল পর্যাপ্ত। এ-বয়েসে আর কতই বা কান্নাকাটি করতে পারেন, সেই যে কর্তা ঢং করে গাইতেন ‘নয়নের বারি রেখেছ নয়নে’—সেই বারিও এখন শরীরের আর পাঁচটা পদার্থর মতন কমে এসেছে। কমে এসেছে, না অন্তঃস্রোতা হয়েছে তা অবশ্য উমাশশী বুঝতে পারেন না। তখন হাউমাউ করে কাঁদলেও বলার কেউ ছিল না ; ছেলেমেয়েরা ছোট ছোট—তারা অতশত বুঝতে পারত না, উমাশশী অন্য কোনো কথা বলে কিংবা ছুতো দেখিয়ে প্রাণভরে কেঁদে নিতে পারতেন। এখন কি আর পারেন! ছেলেমেয়েরা বুঝতে পারবে, মা, বাবার জন্যে কেঁদে বুক ভাসাচ্ছে। দেখে আড়ালে হাসাহাসি করবে।<br><br>কান্নাটা তাই উমাশশীর বুকে বুকে রইল। নিজের ঘরে বসে বড় বড় নিঃশ্বাস ফেলেন, টপ টপ করে জল পড়ে চোখ বেয়ে, আঁচলে মুছে নেন। বুকের তলায় কষ্ট হয়, দুপুরে শুয়ে শুয়ে আকাশ পাতাল ভাবেন—কোথা দিয়ে কেমন করে কর্তাকে ধরবেন, বুঝতেও পারেন না। **বৃদ্ধস্য ভার্যা ==তার সম্পর্কে উক্তি== *নির্মল করো বিমল করে, মলিন মর্ম মুছায়ে। ** ১৯৫২, ‘দেশ’-এ চাকরি পাওয়ার অল্প কয়েক দিন পরে প্রকাশিত হয় তার গল্প ‘আত্মজা’। বাবা, মা ও তাদের এক মাত্র কন্যাকে ঘিরে গল্প। যেখানে বাবা-মেয়ের স্নেহের সম্পর্ককে বিকৃত করতে পিছপা হয়নি মা। পঞ্চাশের দশকে এই মনস্তাত্ত্বিক জটিলতার গল্প অধিকাংশ পাঠক মেনে নিতে পারেননি। ‘আত্মজা’ প্রসঙ্গে ‘শনিবারের চিঠি’ উক্ত মন্তব্য করে। উৎস: [https://www.anandabazar.com/patrika/article-about-writer-bimal-kar-1.1002331 লেখার প্যাডটা একটু সেঁকে দাও না!] ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} dpmtksb8pvjumhtamhg4yoz8ob35cmk 79877 79859 2026-04-23T04:26:55Z Nil Nandy 2294 /* উক্তি */ 79877 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}}{{bw|বিমল কর}} (১৯ সেপ্টেম্বর ১৯২১ - ২৬ আগস্ট ২০০৩) একজন ভারতীয় বাঙালি লেখক। তিনি উত্তর ২৪ পরগণার টাকীতে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম জ্যোতিষচন্দ্র কর এবং মাতা নিশিবালা কর। ==উক্তি== *আজ থেকে ১০-১৫ বছর পরে কোনও পাঠক আমার লেখা পড়বেন এমন অবিশ্বাস্য কল্পনা আমি করি না। সে চিন্তায় আমি বিন্দুমাত্র উদ্বিগ্ন নই। কাল, মহাকাল, যুগ— এ সব পোশাকী কথার কোনও অর্থ আমার কাছে নেই। **নিজের লেখা প্রসঙ্গে তিনি একথা লিখেছিলেন। উৎস: [https://www.anandabazar.com/patrika/article-about-writer-bimal-kar-1.1002331 লেখার প্যাডটা একটু সেঁকে দাও না!] ===সরস গল্প=== <small>[https://www.ebanglalibrary.com/books/থানা-থেকে-আসছি-অজিত-গঙ্গো-2/ সরস গল্প], প্রথম সংস্করণ নভেম্বর ১৯৮৫</small> *কিন্তু—ফুলরেণু ভেবে দেখল, এ যা কলেজ এখানে কোনও কিছুরই শাস্তি হত না, শিক্ষাও নয়। ছেলেমেয়েরা এইরকমই, কোনও সহবত শেখে না, মানে না। বিশ বছরের ধুমসি মেয়ে দুটো ছোঁড়ার সঙ্গে সেদিন কলেজ-মাঠে সাইকেল রেস দিচ্ছিল। আর একদিন এক ডজন কলা কিনে এনে থার্ড ইয়ারের ছেলেমেয়ের মধ্যে সে কি লুফোলুফি, কলা ছোড়াছুড়ি, খামচাখামচি। ক্লাসে কোনও ছেলে জব্দ হলে মেয়েগুলো উলু দেওয়ার মতন শব্দ করে ওঠে, মেয়েরা জব্দ হলে ছেলেরা টেবিল চাপড়ে গরুবাছুরের ডাক ডাকে। এত হুড়োহুড়ি দাপাদাপি, নাচানাচি, ঝগড়াঝাটি, তুই-তোকারি ছেলেমেয়েদের মধ্যে, তবু প্রফেসাররা কেউ কোনও কথা বলে না। বরং দীপনারায়ণ জুবিলি কলেজের যেন এটাই ঐতিহ্য। তেমনি হয়েছেন প্রিন্সিপ্যাল, বুড়ো মানুষ, ছেলেমেয়েদের হাতেই লাগাম তুলে দিয়েছেন, যা করার তোমরা করো, কেউ রাশ ধরবে না। **কালিদাস ও কেমিস্ট্রি *রাত্রে বিছানায় শুয়ে দরজা বন্ধ করে ফুলরেণু চিঠির জবাব লিখতে বসল। লেখার প্যাডে কালির আঁচড় আর পড়ে না। যাও বা পড়ে মনে হয় এমন চিঠি সে মাকে লিখেছে, টোকনকে লিখেছে ; এ চিঠি স্বর্ণকমলের বেলায় অচল। পাতাটা ছিঁড়ে ফেলে আবার ফাউন্টেন পেন দাঁত দিয়ে কামড়াতে থাকে ফুলরেণু। এইভাবে অনেকটা রাত হল, অনেকগুলো প্যাডের ফিনফিনে পাতা নষ্ট হল অথচ চিঠি লেখা হল না। ফুলরেণুর কান্না পেতে লাগল। এতদিন সে কেমিস্ট্রির শ শ’ পাতা নোট লিখিয়েছে ; সে সোডিয়াম কার্বোনেটের বিবরণ লিখতে পারে, অক্লেশে নাইট্রোজেন প্রবলেম সম্পর্কে বারোটা পাতা ঝড়ের মতন লিখতে পারে, এখুনি ক্রিস্টাল, সিমেট্রি—তাও পারে কিন্তু হায় হায়—ভালবাসার একটা চিঠি লিখতে পারে না। এই সহজ কাজটা এত শক্ত কে জানত? **কালিদাস ও কেমিস্ট্রি *তারপর যৌবনে প্রেমকিশোর বার তিনেক নিজেকে লটকে ফেলার চেষ্টা করেছে, একবার বেণুর সঙ্গে ; পরের বার সুরূপার সঙ্গে ; আর শেষ বার আইভির সঙ্গে। বেণুর বাবা প্রেমকিশোরের পিছনে তাঁদের বিশাল অ্যালসেশিয়ানকে লাগিয়ে দিয়েছিলেন, ফলে প্রেমকিশোর বেণুদের বাড়িতে ঢুকতেই পারল না। সুরূপার বেলায় প্রেমকিশোর একদিন ট্যাক্সি করে হাওয়া খেতে বেরিয়েছিল সুরূপাকে নিয়ে। সন্ধেবেলায় রেড রোডে গাড়ি গেল খারাপ হয়ে, অ্যাক্সেল গেল ভেঙে। ড্রাইভার বলল, বাবু তোমরা একটু গাড়িটা দেখো। আমি মিস্ত্রি ডেকে আনছি। ডাইভার গেল তো গেল, আর আসে না। প্রথম প্রথম প্রেমকিশোরের ভালই লাগছিল—এমন নির্জনে নিরিবিলিতে সুরূপাকে পাওয়া ভাগ্যের কথা। একটু চঞ্চল হয়ে সুরূপাকে প্রেম-ট্রেমের কথা বলতে গিয়েই ধাক্কা খেল প্রেমকিশোর। সুরূপা বলল, এ সমস্ত তোমার চালাকি! তুমি ড্রাইভারের সঙ্গে সাঁট করেছ। ছোটলোক, অসভ্য, ইতর। দাঁড়াও না, পুলিশের গাড়ি এবার এলেই আমি হাত দেখাব। তোমায় আমি দেখাচ্ছি।…<br>সুরূপার হাতে পায়ে ধরে প্রেমকিশোর বাঁচল। একটা প্রাইভেট গাড়ি থামিয়ে চলে গেল সুরূপা; আর প্রেমকিশোর ট্যাক্সির মধ্যে ভূতের মতন বসে থাকল। ঘণ্টা দুই পরে ট্যাক্সিঅলা ফিরল, বলল, আমার সর্বনাশ হল বাবু, আপকো তো মজা হল, থোড়া জাদা টাকা ছাড়ন, পঁচাশ…। প্রেমকিশোর নাক কান মলে পালাল। শেষে এল আইভি। নাচ জানত। প্রেমকিশোরকে মাস কয়েক বেশ নাচাল, তারপর একদিন প্রেমকিশোরকে দিয়েই বম্বের একটা ফার্স্ট ক্লাস টিকিট কাটিয়ে বম্বে চলে গেল ফিল্মে চান্স খুঁজতে। **প্রেমশশী *বলতে বলতে প্রেমকিশোর এমন জোর একটা চুমু খেল বউকে—মনে হল নতুন টিউবওয়েলে জল তুলছে। **প্রেমশশী *এক একবার মনে হত—অ্যারারুটের সঙ্গে ধুতরো ফুলের বিচি মিশিয়ে খেয়ে ফেলি। তাতে কী হত সেটা অবশ্য জানতাম না। **হৃদয় বিনিময় *স্বামীর জন্যে চোখের জল উমাশশী অনেক ফেলেছেন। তখন বয়েস ছিল ফেলার, জলও ছিল পর্যাপ্ত। এ-বয়েসে আর কতই বা কান্নাকাটি করতে পারেন, সেই যে কর্তা ঢং করে গাইতেন ‘নয়নের বারি রেখেছ নয়নে’—সেই বারিও এখন শরীরের আর পাঁচটা পদার্থর মতন কমে এসেছে। কমে এসেছে, না অন্তঃস্রোতা হয়েছে তা অবশ্য উমাশশী বুঝতে পারেন না। তখন হাউমাউ করে কাঁদলেও বলার কেউ ছিল না ; ছেলেমেয়েরা ছোট ছোট—তারা অতশত বুঝতে পারত না, উমাশশী অন্য কোনো কথা বলে কিংবা ছুতো দেখিয়ে প্রাণভরে কেঁদে নিতে পারতেন। এখন কি আর পারেন! ছেলেমেয়েরা বুঝতে পারবে, মা, বাবার জন্যে কেঁদে বুক ভাসাচ্ছে। দেখে আড়ালে হাসাহাসি করবে।<br>কান্নাটা তাই উমাশশীর বুকে বুকে রইল। নিজের ঘরে বসে বড় বড় নিঃশ্বাস ফেলেন, টপ টপ করে জল পড়ে চোখ বেয়ে, আঁচলে মুছে নেন। বুকের তলায় কষ্ট হয়, দুপুরে শুয়ে শুয়ে আকাশ পাতাল ভাবেন—কোথা দিয়ে কেমন করে কর্তাকে ধরবেন, বুঝতেও পারেন না। **বৃদ্ধস্য ভার্যা ===খড় কুটো === <small>[https://www.ebanglalibrary.com/books/খড়-কুটো-বিমল-কর/ খড় কুটো], প্রথম সংস্করণ: জানুয়ারি ১৯৬৪ (মাঘ ১৩৭০ বঙ্গাব্দ)</small> *অন্ধকার আকাশের তলায় দেখতে-দেখতে একটি আলোর [[ময়ূর]] ফুটে উঠল। অবিকল সেই রকম কণ্ঠ, সেই পুচ্ছ। আলোয় ফুলকিগুলো যেন ভাসছিল। তারপর ওই আকৃতি তরল হয়ে ভাসমান অঙ্গপ্রত্যঙ্গের মতন কাঠিন্য হারাতে শুরু করল। ময়ূরটির আকার যত বাড়ছিল, তার প্রত্যঙ্গগুলি ততই গলে যাচ্ছিল। কিছু, সোনালী [[তারা]], কিছু রূপালী স্ফুলিঙ্গ আরও ওপরে উঠে আকাশের তারাদল প্রায় যেন স্পর্শ করল; কণ্ঠ এবং পুচ্ছ থেকে খচিত কণাগুলি নক্ষত্রচূর্ণের মতন বিক্ষিপ্ত হয়ে মাটিতে নেমে আসতে-আসতে নিবে যাচ্ছিল। শেষে, যখন আলোর ময়ূরটি অন্ধকারেই হারিয়ে গেল তখন কয়েকটি মাত্র রূপালী ফুল বৃষ্টির ফোঁটার মতন গড়িয়ে-গড়িয়ে পড়ল, মাঠের ঘাস স্পর্শ করার আগেই ছাই হয়ে গেল। ==তার সম্পর্কে উক্তি== *নির্মল করো বিমল করে, মলিন মর্ম মুছায়ে। ** ১৯৫২, ‘দেশ’-এ চাকরি পাওয়ার অল্প কয়েক দিন পরে প্রকাশিত হয় তার গল্প ‘আত্মজা’। বাবা, মা ও তাদের এক মাত্র কন্যাকে ঘিরে গল্প। যেখানে বাবা-মেয়ের স্নেহের সম্পর্ককে বিকৃত করতে পিছপা হয়নি মা। পঞ্চাশের দশকে এই মনস্তাত্ত্বিক জটিলতার গল্প অধিকাংশ পাঠক মেনে নিতে পারেননি। ‘আত্মজা’ প্রসঙ্গে ‘শনিবারের চিঠি’ উক্ত মন্তব্য করে। উৎস: [https://www.anandabazar.com/patrika/article-about-writer-bimal-kar-1.1002331 লেখার প্যাডটা একটু সেঁকে দাও না!] ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} do6pshrgbyk4i043raq0uevbuc4sud5 বিষয়শ্রেণী:হিন্দু জাতীয়তাবাদ 14 13217 79749 2026-04-22T13:50:29Z Tuhin 172 খালি পাতা তৈরি হয়েছে 79749 wikitext text/x-wiki phoiac9h4m842xq45sp7s6u21eteeq1 79750 79749 2026-04-22T13:51:55Z Tuhin 172 হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের রাজনীতি]] যোগ 79750 wikitext text/x-wiki [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের রাজনীতি]] fbg6nd62w7tstpl20f64c9mdbq8z7ba 79751 79750 2026-04-22T13:52:11Z Tuhin 172 হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের ইতিহাস]] যোগ 79751 wikitext text/x-wiki [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের রাজনীতি]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের ইতিহাস]] jra7j8ywaatfp5w4mufo5owdeo7ozge 79752 79751 2026-04-22T13:52:24Z Tuhin 172 হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:ইসলাম ভীতি]] যোগ 79752 wikitext text/x-wiki [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের রাজনীতি]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের ইতিহাস]] [[বিষয়শ্রেণী:ইসলাম ভীতি]] g5ksaolok1ga0rr0sgbqznfuti3vwbb আলাপ:হিন্দু আমেরিকান ফাউন্ডেশন 1 13218 79754 2026-04-22T13:56:20Z Tuhin 172 https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026 79754 wikitext text/x-wiki {{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}} s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm ব্যবহারকারী আলাপ:Ashik212072 3 13219 79757 2026-04-22T14:13:02Z অভ্যর্থনা কমিটি বট 1112 উইকিউক্তিতে স্বাগত! 79757 wikitext text/x-wiki == উইকিউক্তিতে স্বাগত == <div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;"> সুপ্রিয় Ashik212072,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন! * উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন। ** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন। * উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন। * পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন। * পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন। * [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন! কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম! &mdash; [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটি]] </div> ১৪:১৩, ২২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) amqpb418oh2jw7sg1o1dnxprg0zhewx রাম রথযাত্রা 0 13220 79762 2026-04-22T14:29:20Z Tuhin 172 + 79762 wikitext text/x-wiki {{italic title}} [[File:Advani Yatra 1990.svg|thumb|[[লালকৃষ্ণ আডবাণী|এল. কে. আডবাণীর]] ''রথযাত্রার'' পরিকল্পিত রুট, যা ২৫ সেপ্টেম্বর ১৯৯০ তারিখে [[w:সোমনাথ|সোমনাথ]] থেকে শুরু হয়ে ৩০ অক্টোবর ১৯৯০ তারিখে [[অযোধ্যা|অযোধ্যায়]] শেষ হওয়ার কথা ছিল।]] '''''[[w:রাম রথযাত্রা|রাম রথযাত্রা]]''''' (''রথযাত্রা'' অর্থ "রথের যাত্রা") ছিল একটি রাজনৈতিক ও ধর্মীয় সমাবেশ যা ১৯৯০ সালের সেপ্টেম্বর থেকে অক্টোবর পর্যন্ত চলেছিল। এটি [[w:ভারতীয় জনতা পার্টি|ভারতীয় জনতা পার্টি]] (বিজেপি) এবং এর [[w:হিন্দুত্ব|হিন্দুত্ববাদী]] সহযোগী সংগঠনগুলো দ্বারা আয়োজিত হয়েছিল। এর নেতৃত্বে ছিলেন বিজেপির তৎকালীন সভাপতি [[লালকৃষ্ণ আডবাণী|এল. কে. আডবাণী]]। এই যাত্রার উদ্দেশ্য ছিল [[w:বিশ্ব হিন্দু পরিষদ|বিশ্ব হিন্দু পরিষদ]] (ভিএইচপি) এবং [[w:সংঘ পরিবার|সংঘ পরিবারের]] অন্যান্য সহযোগীদের নেতৃত্বে পরিচালিত সেই আন্দোলনকে সমর্থন করা, যার লক্ষ্য ছিল [[w:বাবরি মসজিদ|বাবরি মসজিদের]] স্থানে হিন্দু দেবতা [[রাম|রামের]] একটি [[w:রাম মন্দির, অযোধ্যা|মন্দির]] নির্মাণ করা। == উক্তি == * ‘আমার বক্তৃতায় সাম্প্রদায়িক গোঁড়ামির লেশমাত্র ছিল না’—আমার প্রচারণা কি মুসলিম বিরোধী ছিল? একদমই না। তবে, রথযাত্রার প্রতি ব্যাপক জনসমর্থন দেখে বিচলিত হয়ে আমাদের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা আমার বিরুদ্ধে এই অপবাদ তীব্রতর করেছিল। তাদের প্রোপাগান্ডা ছিল ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমি তাদের চ্যালেঞ্জ করেছিলাম আমার বক্তৃতার এমন একটি অংশ দেখিয়ে দিতে যা মুসলিম বা ইসলামের বিরুদ্ধে বলে গণ্য হতে পারে। পুরো যাত্রায় এমন একটিও উদাহরণ ছিল না। বরং, যখনই আমি আমার জনসভাগুলোতে কাউকে অনুপযুক্ত স্লোগান দিতে শুনতাম, আমি তাৎক্ষণিকভাবে তার তীব্র প্রতিবাদ জানাতাম। ** এল. কে. আডবাণী, ''মাই কান্ট্রি মাই লাইফ'' (২০০৮)। আইএসবিএন ৯৭৮-৮১-২৯১-১৩৬৩-৪ * আমাদের প্রতিপক্ষদের প্রোপাগান্ডায় আরেকটি মিথ্যা ছিল যে রাম রথযাত্রা সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার রক্তক্ষয়ী রেশ রেখে গেছে। রেকর্ড অনুযায়ী দেখা যায়, আমার যাত্রার পথে সাম্প্রদায়িক সহিংসতার একটিও ঘটনা ঘটেনি। দেশের বেশ কিছু অংশে দাঙ্গা অবশ্যই হয়েছিল, তবে রথযাত্রার পথের কোথাও তা হয়নি। তাই মিডিয়ার একাংশ যখন ‘আডবাণীর রক্তযাত্রা’-র মতো উত্তেজক শিরোনামে সংবাদ প্রচার করেছিল, তখন তা দেখে আমি ব্যথিত হয়েছিলাম। ** এল. কে. আডবাণী, ''মাই কান্ট্রি মাই লাইফ'' (২০০৮)। আইএসবিএন ৯৭৮-৮১-২৯১-১৩৬৩-৪ * ড. [[কোনরাড এলস্ট|কোনরাড এলস্ট]], তার দুই খণ্ডের বই ''দ্য স্যাফরন স্বস্তিকা''-তে গণমাধ্যমের একাংশ দ্বারা বিজেপির ওপর করা মানহানিকর আক্রমণের জবাব দিতে অকাট্য তথ্য উপস্থাপন করেছেন। রথযাত্রা সম্পর্কে তিনি লিখেছেন:<br>‘তবে ১৯৯০ সালের অক্টোবরে সোমনাথ থেকে অযোধ্যা পর্যন্ত আডবাণীর তথাকথিত রক্তক্ষয়ী রথযাত্রা সম্পর্কে কী বলা যায়? উত্তরটি খুব সহজ: রথযাত্রা মোটেও কোনো রক্তক্ষয়ী বিষয় ছিল না। ওই একই সময়ে যখন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে (বিশেষ করে হায়দ্রাবাদ, কর্ণাটক এবং উত্তরপ্রদেশে) প্রচুর দাঙ্গা হচ্ছিল এবং মোট প্রায় ৬০০ মানুষ নিহত হয়েছিল, তখন রথযাত্রার পথে কোনো দাঙ্গাই হয়নি। আচ্ছা, একটি ঘটনা ঘটেছিল: উচ্চবর্ণের ছাত্ররা আডবাণীর ওপর পাথর ছুড়েছিল কারণ তিনি ভি. পি. সিংয়ের প্রবর্তিত জাতিভিত্তিক সংরক্ষণের বিরুদ্ধে তাদের আন্দোলনকে সমর্থন না করে তাদের হতাশ করেছিলেন। তবুও সেখানে কেউ নিহত বা গুরুতর আহত হয়নি।<br> ভারতীয় ইংরেজি ভাষার গণমাধ্যমের মান এতটাই নিম্নমানের যে, তারা দাঙ্গা-বিধ্বস্ত একটি দেশে শৃঙ্খলার এক দ্বীপের মতো সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ একটি মিছিলকে প্রবাদপ্রতিম এক রক্তাক্ত ঘটনায় পরিণত করতে পেরেছে (“আডবাণীর রক্তযাত্রা”)। আর এটা একটা দেখার মতো বিষয় ছিল যে, সাংবাদিকরা তাদের সম্পাদকীয়তে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার জন্য আডবাণীকেই দায়ী করছিল, অথচ সেই দাঙ্গার আসল, আডবাণীর সাথে সম্পর্কহীন কারণগুলো একই পত্রিকার অন্য একটি পাতায় দেওয়া হয়েছিল। আডবাণী তার রথযাত্রা নিয়ে কোনো দাঙ্গা থেকে ৫০০ মাইল দূরে থাকুন (যেমন উত্তরপ্রদেশের গোন্ডার দাঙ্গার সময় ছিল), অথবা গ্রেপ্তার থাকুন, কিংবা অযোধ্যা আন্দোলনের জোয়ার শেষ হওয়ার পর ঘরে ফিরে আসুন, ১৯৯০ সালের দ্বিতীয়ার্ধে ভারতের প্রতিটি দাঙ্গার জন্য তাকেই দায়ী করা হয়েছিল’। ** এল. কে. আডবাণী, ''মাই কান্ট্রি মাই লাইফ'' (২০০৮)। আইএসবিএন ৯৭৮-৮১-২৯১-১৩৬৩-৪, [[কোনরাড এলস্ট|কোনরাড এলস্ট]] রচিত ''দ্য স্যাফরন স্বস্তিকা'' (২০০১), পৃষ্ঠা ৭৯৬ থেকে উদ্ধৃত। * আমার যাত্রা ২৪ অক্টোবর উত্তরপ্রদেশের দেওরিয়ায় প্রবেশের কথা ছিল। তবে আমি যেমনটা ধারণা করেছিলাম, ২৩ অক্টোবর বিহারের সমস্তিপুরে যাত্রাটি থামিয়ে দেওয়া হয় এবং তৎকালীন জনতা দল সরকারের মুখ্যমন্ত্রী লালুপ্রসাদ যাদব আমাকে গ্রেপ্তার করেন। আমাকে বিহার-বঙ্গ সীমান্তের দুমকার কাছে মাসাঞ্জোর নামক স্থানে সেচ দপ্তরের একটি পরিদর্শন বাংলোতে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে সারা দেশে স্বতঃস্ফূর্ত ও ক্ষুব্ধ প্রতিবাদ দেখা দেয়। মুক্তি পাওয়ার আগে আমি মাসাঞ্জোরে পাঁচ সপ্তাহ বন্দি ছিলাম। এভাবেই আমার রথযাত্রা শেষ হয়েছিল, যা সত্যিই আমার রাজনৈতিক জীবনের একটি আনন্দদায়ক অধ্যায় ছিল। ** এল. কে. আডবাণী, ''মাই কান্ট্রি মাই লাইফ'' (২০০৮)। আইএসবিএন ৯৭৮-৮১-২৯১-১৩৬৩-৪ * মন্দিরের প্রতি সমর্থনের ভিত্তি বিজেপির ভোটারদের তুলনায় অনেক বেশি বড়। এটি একটি সত্য যে আডবাণীর রথযাত্রা মুলায়মের ধর্মনিরপেক্ষতা সমাবেশের চেয়ে অনেক বেশি মানুষকে একত্রিত করেছিল। এমনকি তখন কমিউনিস্ট এবং মুসলিম মৌলবাদী সংগঠনগুলো পরিকল্পিতভাবে মুলায়মের সভায় অংশ নিয়েছিল এবং রাষ্ট্রীয় যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে লোক জড়ো করা হয়েছিল। এ বিষয়ে কোনো সৎ সন্দেহের অবকাশ নেই যে রাম জন্মভূমি আন্দোলন একটি প্রকৃত গণআন্দোলনে পরিণত হয়েছিল, যা ভারতীয় ইতিহাসের বৃহত্তম এবং বিজেপির রাজনৈতিক লাভের জন্য কোনো কৃত্রিম সৃষ্টি ছিল না। সাধারণ হিন্দুদের কেন রাম জন্মভূমির জন্য একত্রিত করা সম্ভব হয়েছিল তার কারণ এই নয় যে হিন্দুরা ধর্মান্ধ হয়ে গিয়েছিল। বরং এর কারণ হলো, তারা মনে করে যে মন্দির নির্মাণ এবং বর্তমান কাঠামোটি স্থানান্তর করা একটি অত্যন্ত যুক্তিসঙ্গত এবং ন্যায়সঙ্গত প্রকল্প। তারা সবাই জানে যে মুসলিম শাসকরা হিন্দু জনগোষ্ঠীর ওপর অপরিসীম দুঃখ-কষ্ট নিয়ে এসেছিল... কোনো ধর্মান্ধকে তাদের এটি বলতে হয় না। এবং তারা শুনেছে যে বিতর্কিত স্থানটি ১৯৪৯ সাল থেকে মন্দির হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে এবং এটি কার্যকারিতার দিক থেকে মোটেও কোনো মসজিদ নয়, তাই অন্য সম্প্রদায়ের উপাসনালয়কে সম্মান করার নিয়মটি এখানে প্রযোজ্য হয় না। তারা বুঝতে পারে না যে বিদ্যমান কাঠামোটিকে সঠিক হিন্দু মন্দির স্থাপত্য দিয়ে প্রতিস্থাপন করতে কারো আপত্তি কেন থাকা উচিত। তারা একে হিন্দু সম্প্রদায়ের সম্পূর্ণ অভ্যন্তরীণ বিষয় হিসেবে গণ্য করে এবং তাদের বাধা দেওয়ার চেষ্টাকে তারা তাদের শত্রুদের দ্বারা হিন্দুধর্মের ওপর আরেকটি আগ্রাসন হিসেবে দেখে। ** কোনরাড এলস্ট, ''অযোধ্যা অ্যান্ড আফটার: ইস্যুস বিফোর হিন্দু সোসাইটি'' (১৯৯১), অধ্যায় ৬। * যা-ই হোক, এটি রাম জন্মভূমি আন্দোলনের অন্যতম প্রভাবশালী একটি অধ্যায়। বিজেপি সভাপতি এল. কে. আডবাণী সোমনাথ থেকে অযোধ্যা পর্যন্ত একটি রথযাত্রা শুরু করেন... সর্বত্রই সাধারণ মানুষের প্রতিক্রিয়া ছিল ব্যাপক এবং স্বতঃস্ফূর্ত। কোনো দাঙ্গা হয়নি। কিছু জায়গায় মন্ডল কমিশনের পরিকল্পনার ফলে শুরু হওয়া জাতিগত দাঙ্গা এই যাত্রার ফলে থিতিয়ে গিয়েছিল। মনে হয়, যখন হিন্দুরা রামের নাম উচ্চারণ করে, তখন তারা নিজেদের ভেদাভেদ ভুলে যায়... এমনকি সংবেদনশীল আদিবাসী অঞ্চলেও প্রতিক্রিয়া ছিল উৎসাহব্যঞ্জক এবং দাঙ্গামুক্ত। তবে আডবাণী যখন উত্তরপ্রদেশ সীমান্তের কাছাকাছি পৌঁছান, তখন রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ছিল। উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মুলায়ম সিং যাদব ঘোষণা করেছিলেন যে, আডবাণী রাজ্যে প্রবেশ করা মাত্রই তিনি তাকে গ্রেপ্তার করবেন... ২২ অক্টোবর ভোরে, অর্থাৎ অর্ডিন্যান্স পরিকল্পনা ব্যর্থ হওয়ার পর, এল. কে. আডবাণীকে গ্রেপ্তার করা হয়। ** কোনরাড এলস্ট (১৯৯১) রচিত ''অযোধ্যা অ্যান্ড আফটার: ইস্যুস বিফোর হিন্দু সোসাইটি'' থেকে উদ্ধৃত। * কেউ যদি জাতীয় ইংরেজি সংবাদপত্রের কলামগুলো বিশ্বাস করেন, তবে মনে হবে আডবাণীর রথযাত্রা রক্তপাতের রেশ রেখে গেছে... আমার মতে, মনে হয় এই ধরনের ব্যাখ্যা সেই বৈজ্ঞানিক মেজাজ থেকে আসেনি যা ধর্মনিরপেক্ষতা প্রচার করতে চায়, বরং এটি যেকোনো মূল্যে হিন্দু প্রচারণাকে দোষারোপ করার এবং/অথবা প্রকৃত অপরাধীকে আড়াল করার রাজনৈতিক বাধ্যবাধকতা থেকে এসেছে। রথযাত্রার আশেপাশে দাঙ্গা না হওয়া এবং উত্তরপ্রদেশে ব্যাপক দাঙ্গা হওয়ার একটি অনেক বেশি যৌক্তিক ব্যাখ্যা হলো সাধারণ হিন্দুদের কাছে রাম রথের অতিক্রম ছিল একটি আনন্দদায়ক ধর্মীয় ঘটনা... তার বক্তৃতাগুলো যে উস্কানিমূলক ছিল না, তা আমি নিশ্চিতভাবে জানি যদিও আমি সেগুলোর একটিও শুনিনি: আডবাণীর অনেক শত্রু আছেন যারা তার ভুল খুঁজে বের করার জন্য ওত পেতে থাকেন এবং তিনি যদি কোনো আপত্তিকর বক্তব্য দিতেন, তবে তা সংবাদপত্রের প্রথম পাতায় ফলাও করে প্রচার করা হতো। ** কোনরাড এলস্ট (১৯৯১) রচিত ''অযোধ্যা অ্যান্ড আফটার: ইস্যুস বিফোর হিন্দু সোসাইটি'' থেকে উদ্ধৃত। * আজ যখন মুসলিম গুণ্ডারা ভাগলপুর বা গোন্ডায় দাঙ্গা সৃষ্টি করে, তখন ধর্মনিরপেক্ষ গণমাধ্যমগুলো এই দাঙ্গার শুরুটা আড়াল করে দেয় (উভয় ক্ষেত্রেই মুসলিম প্রতিষ্ঠান থেকে হিন্দু শোভাযাত্রায় বোমা নিক্ষেপ করা হয়েছিল) এবং সহিংসতার পরবর্তী হিন্দু অংশটিকে হাইলাইট করে। কোনো এম.জে. আকবর অত্যন্ত আবেগপ্রবণভাবে কিছু মুসলিম গ্রামবাসীর কষ্টের বর্ণনা দেবেন এবং তারপর কোনো দূরবর্তী শহরের রথযাত্রার দ্বারা তৈরি আবহাওয়াকে দোষারোপ করবেন, অথচ একবারও উল্লেখ করবেন না যে দাঙ্গাটি শুরু হয়েছিল একটি হিন্দু শোভাযাত্রার ওপর পূর্বপরিকল্পিত সশস্ত্র হামলার মাধ্যমে। (...) এর মাধ্যমে আপনি কেবল প্রোপাগান্ডা ফ্রন্টেই জয়ী হন না, সংবাদমাধ্যমগুলো এমনকি আপনার দাবির সমর্থনেও এগিয়ে আসতে পারে। কিছুকাল ধরে মুসলিম সাম্প্রদায়িকরা শোভাযাত্রা নিষিদ্ধ করার দাবি জানিয়ে আসছে। যাই হোক, ধর্মীয় শোভাযাত্রার ৯৫%-এরও বেশি হিন্দু শোভাযাত্রা, কারণ শোভাযাত্রা একটি সম্পূর্ণ পৌত্তলিক প্রথা যা ইসলামে কেবল একটি ভিন্নধর্মী অস্বাভাবিকতা হতে পারে। (...) এর একটি খুব ভালো উদাহরণ হলো মুসলিম সাম্প্রদায়িকদের পরবর্তী এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দাবি: সেনাবাহিনী এবং পুলিশে মুসলিমদের জন্য আনুপাতিক হারের চেয়েও বেশি সংরক্ষণ... ** কোনরাড এলস্ট, ''অযোধ্যা অ্যান্ড আফটার: ইস্যুস বিফোর হিন্দু সোসাইটি'' (১৯৯১)। * বিজেপি নেতা ভি. কে. মালহোত্রা লোকসভায় এক বক্তৃতায় এই সস্তা অভিযোগকে যথাযথভাবে উপহাস করেছেন: "দেশ ১৯৫০ থেকে ১৯৯০ সালের মধ্যে ২৫০০টি দাঙ্গা প্রত্যক্ষ করেছে। গোধরা শহরে ১৯৪৭, ৫২, ৫৯, ৬১, ৬৫, ৬৭, ৭২, ৭৪, ৮০, ৮৩, ৮৯ এবং ৯০ সালে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা হয়েছিল। এগুলোর সবই কি রথযাত্রার কারণে হয়েছিল?" তিনি উল্লেখ করেন যে, যারা সংখ্যালঘুদের ওপর গণহত্যার একটি ভয়াবহ চিত্র আঁকছেন, তারা দেশের অনেক বড় ক্ষতি করছেন এবং দেশের দুর্নাম ছড়াচ্ছেন। বাস্তবতা হলো হায়দ্রাবাদে নিহতদের ৯০% ছিলেন হিন্দু। দিল্লির দাঙ্গা (১৪ নভেম্বর, সদর বাজার) মুসলিমদের দ্বারা পরিকল্পিত ছিল, যা এমনকি শাহি ইমামও স্বীকার করেছিলেন... সম্ভলে (মোরাদাবাদ, উত্তরপ্রদেশ) নিহতদের সবাই ছিলেন হিন্দু, তবুও বিজেপিকে দোষারোপ করা হচ্ছে। ** ভি. কে. মালহোত্রা, টাইমস অব ইন্ডিয়া, ১৭/১২/১৯৯০-এ রিপোর্ট করা হয়েছে। কোনরাড এলস্ট (১৯৯১) রচিত ''অযোধ্যা অ্যান্ড আফটার: ইস্যুস বিফোর হিন্দু সোসাইটি'' থেকে উদ্ধৃত। * হিন্দুদের মধ্যে [[লালকৃষ্ণ আডবাণী|আডবাণীর]] রথ যে প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে তাতে "ধর্মনিরপেক্ষরা" বিচলিত। তবে এই প্রতিক্রিয়া রথ তৈরি করেনি। [[শাহ বানু মামলা|শাহ বানোর]] রায় উল্টে দেওয়া, [[সালমান রুশদি|রুশদির]] বই নিষিদ্ধ করা – যে "বিজয়গুলোকে" "ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীরা" উচ্চস্বরে সাধুবাদ জানিয়েছিল। রাজনৈতিক দলগুলোকে এই বিশ্বাস করানো যে মুসলিমরা শত শত নির্বাচনী এলাকায় তাদের ভাগ্য নির্ধারণ করবে। পাঞ্জাব ও [[কাশ্মীর|কাশ্মীরে]] সহিংসতার "বিজয়" সম্পর্কে কিছু না বলাই ভালো – এই প্রতিক্রিয়া আমাদের রাজনীতিতে এই সব বিকৃতির সামগ্রিক ফল। ** অরুণ শৌরি রচিত ''ফোমেন্টিং রিঅ্যাকশন'', যা এস. আর. গোয়েল (সম্পাদনা) রচিত ''ফ্রিডম অব এক্সপ্রেশন - সেকুলার থিওক্রেসি ভার্সাস লিবারেল ডেমোক্রেসি''-তেও অন্তর্ভুক্ত। [http://web.archive.org/web/20140826192129/http://www.bharatvani.org/books/foe/ch10.htm] * প্রথম হাতের রিপোর্টগুলো দেখায় যে উত্তরপ্রদেশ এবং হায়দ্রাবাদে বড় ধরনের দাঙ্গা হলেও, আডবাণীর রথযাত্রা ছিল কার্যত দাঙ্গামুক্ত। একটি দাঙ্গা (মৃত্যু সংখ্যা শূন্য) ঘটেছিল যখন ছাত্ররা প্রধানমন্ত্রী ভি. পি. সিং-এর অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণীর (ওবিসি) জন্য সংরক্ষণ বরাদ্দের নীতিকে নিন্দা জানাতে আডবাণীর অস্বীকৃতির প্রতিবাদ করেছিল। যেহেতু আডবাণীর এই অবস্থান বিজেপিকে "উচ্চবর্ণের শ্রেষ্ঠত্ববাদী" বলার প্রচলিত গল্পের বিপরীত ছিল, তাই বিশ্ব সংবাদমাধ্যমে এটি প্রচার করা হয়নি। ** কে. এলস্ট (২০১০)। ''দ্য স্যাফরন স্বস্তিকা: দ্য নোশন অব "হিন্দু ফ্যাসিজম"''। পৃষ্ঠা ৭১৩। == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} *[http://lkadvani.in/excerpts-4.php এল. কে. আডবাণীর 'মাই কান্ট্রি, মাই লাইফ' থেকে কিছু অংশ] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৯০-এ ভারত]] [[বিষয়শ্রেণী:হিন্দু জাতীয়তাবাদ]] iajihdsowsqctf4uw0cjudzns7bmx3y আলাপ:রাম রথযাত্রা 1 13221 79764 2026-04-22T14:30:21Z Tuhin 172 https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026 79764 wikitext text/x-wiki {{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}} s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm আলাপ:ময়ূর 1 13222 79765 2026-04-22T14:31:12Z Salil Kumar Mukherjee 39 https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026 79765 wikitext text/x-wiki {{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}} s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm লালকৃষ্ণ আডবাণী 0 13223 79768 2026-04-22T14:55:28Z Tuhin 172 + 79768 wikitext text/x-wiki [[file:Lkadvani.jpg|thumb|২০০৯ সালে আডবাণী]] '''[[w:লালকৃষ্ণ আডবাণী|লালকৃষ্ণ আডবাণী]]''' (জন্ম ৮ নভেম্বর ১৯২৭) একজন ভারতীয় রাজনীতিবিদ এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব যিনি ২০০২ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত ভারতের সপ্তম [[ভারতের প্রধানমন্ত্রী|উপপ্রধানমন্ত্রী]] হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি [[w:ভারতীয় জনতা পার্টি|ভারতীয় জনতা পার্টির]] (বিজেপি) অন্যতম সহ-প্রতিষ্ঠাতা এবং ডানপন্থী [[হিন্দুত্ব|হিন্দুত্ববাদী]] সংগঠন [[রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ|রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের]] (আরএসএস) একজন সদস্য। == উক্তি == * আপনাদের কেবল মাথা নত করতে বলা হয়েছিল, কিন্তু আপনারা হামাগুড়ি দেওয়া বেছে নিলেন। ** জরুরি অবস্থার সময় সংবাদপত্রের ওপর আরোপিত সেন্সরশিপ সম্পর্কে এল. কে. আডবাণী। ''নিউ ইয়র্ক টাইমস''-এ উদ্ধৃত [https://www.nytimes.com/2014/07/28/opinion/Indias-Press-Under-Siege.html]। পূর্ণ উক্তি: যখন ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী ২৫ জুন ১৯৭৫ সালে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন, তখন তিনি অবিলম্বে সংবাদপত্রের ওপর কঠোর সেন্সরশিপ আরোপ করেন। কিছু অবাধ্য ব্যতিক্রম ছাড়া সংবাদমাধ্যমের বড় একটি অংশ দ্রুত নতুন নিয়মের কাছে নতি স্বীকার করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে জরুরি অবস্থার সময় কারাবরণকারী ভারতীয় জনতা পার্টির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা এল. কে. আডবাণী পরে মন্তব্য করেন যে আপনাদের কেবল মাথা নত করতে বলা হয়েছিল, কিন্তু আপনারা হামাগুড়ি দেওয়া বেছে নিলেন। * করসেবকদের জন্য গুলি এবং [[w:বিরিয়ানি|বিরিয়ানি]] [[কাশ্মীর সংঘাত|কাশ্মীরি জঙ্গিদের]] জন্য। ** চর-ই-শরিফ মসজিদ অবরোধের সময় হিন্দু করসেবকদের আন্দোলনের প্রতি সরকারের কঠোর আচরণ এবং সশস্ত্র কাশ্মীরি জঙ্গিদের বিরিয়ানি সরবরাহের বৈপরীত্য সম্পর্কে আডবাণীর মন্তব্য। কোনরাড এলস্ট (২০০১) রচিত ''ডিকলোনাইজিং দ্য হিন্দু মাইন্ড'' থেকে উদ্ধৃত। New Delhi: Rupa. p58 * ভারতের গুরুত্বপূর্ণ হিন্দু সত্তার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করা উচিত নয়। ** কোনরাড এলস্ট (২০০১) রচিত ''ডিকলোনাইজিং দ্য হিন্দু মাইন্ড'', পৃষ্ঠা ১৭১ থেকে উদ্ধৃত। * সর্বোপরি, ১৯৮৯ সালের সংসদীয় নির্বাচনে কংগ্রেস দলের পরাজয় ছিল ভারতের গণতান্ত্রিক শক্তির জন্য একটি বড় বিজয়। এই বিজয়ের অর্জনগুলোকে সুসংহত করার প্রয়োজন ছিল। এই লক্ষ্যে ১০ আগস্ট নয়াদিল্লিতে কোনরাড এলস্টের বই ‘রাম জন্মভূমি বনাম বাবরি মসজিদ: এ কেস স্টাডি ইন হিন্দু মুসলিম কনফ্লিক্ট’ প্রকাশের অনুষ্ঠানে আমি একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ গ্রহণ করি। আমি মুসলিম নেতাদের প্রস্তাব দিয়েছিলাম যে যদি রাম জন্মভূমির ওপর থেকে মুসলিম দাবি স্বেচ্ছায় প্রত্যাহার করা হয় এবং রাম মন্দির নির্মাণের পথ প্রশস্ত হয়, তবে আমি ব্যক্তিগতভাবে ভিএইচপি নেতাদের অনুরোধ করব মথুরা ও বারাণসীর হিন্দু তীর্থস্থানগুলোর ওপর তাদের দাবি ত্যাগ করতে। যখন মুসলিম নেতারা এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন, তখন আমি গভীরভাবে হতাশ হয়েছিলাম। ** এল. কে. আডবাণী, ''মাই কান্ট্রি মাই লাইফ'' (২০০৮)। আইএসবিএন ৯৭৮-৮১-২৯১-১৩৬৩-৪, পৃষ্ঠা ৩৭১। * ড. [[কোনরাড এলস্ট|কোনরাড এলস্ট]] তার দুই খণ্ডের বই ‘দ্য স্যাফরন স্বস্তিকা’-তে মিডিয়ার একাংশ দ্বারা বিজেপির ওপর করা মানহানিকর আক্রমণের জবাব দিতে অকাট্য তথ্য উপস্থাপন করেছেন। [[রাম রথযাত্রা|রথযাত্রা]] সম্পর্কে তিনি লিখেছেন যে ১৯৯০ সালের অক্টোবরে সোমনাথ থেকে [[অযোধ্যা]] পর্যন্ত আডবাণীর তথাকথিত রক্তক্ষয়ী রথযাত্রা মোটেও কোনো রক্তক্ষয়ী বিষয় ছিল না। ওই একই সময়ে যখন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে (বিশেষ করে হায়দ্রাবাদ, কর্ণাটক এবং উত্তরপ্রদেশে) ব্যাপক দাঙ্গা হচ্ছিল এবং মোট প্রায় ৬০০ মানুষ নিহত হয়েছিল, তখন রথযাত্রার পথে কোনো দাঙ্গাই হয়নি। তবে একটি ঘটনা ঘটেছিল যেখানে উচ্চবর্ণের ছাত্ররা আডবাণীর ওপর পাথর ছুড়েছিল কারণ তিনি ভি. পি. সিংয়ের প্রবর্তিত জাতিভিত্তিক সংরক্ষণের বিরুদ্ধে তাদের আন্দোলনকে সমর্থন না করে তাদের হতাশ করেছিলেন। তবুও সেখানে কেউ নিহত বা গুরুতর আহত হয়নি। এটি ভারতীয় ইংরেজি গণমাধ্যমের মানের একটি পরিচায়ক যে তারা একটি সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ শোভাযাত্রাকে (যা দাঙ্গায় বিপর্যস্ত দেশে শৃঙ্খলার একটি দ্বীপের মতো ছিল) একটি প্রবাদপ্রতিম রক্তক্ষয়ী ঘটনায় (“আডবাণীর রক্তযাত্রা”) পরিণত করতে সক্ষম হয়েছে। এটি বেশ দেখার মতো বিষয় ছিল যে সংবাদপত্রের সম্পাদকীয়গুলোতে আডবাণীকে সেই সব সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার জন্য দায়ী করা হচ্ছিল যেগুলোর প্রকৃত এবং আডবাণী-অসংলগ্ন কারণগুলো একই কাগজের অন্য পাতায় দেওয়া ছিল। আডবাণী তার রথযাত্রা নিয়ে কোনো দাঙ্গা থেকে ৫০০ মাইল দূরে থাকুন, অথবা গ্রেপ্তার থাকুন, কিংবা অযোধ্যা আন্দোলনের জোয়ার শেষ হওয়ার পর ঘরে ফিরে আসুন, ১৯৯০ সালের দ্বিতীয়ার্ধে ভারতের প্রতিটি দাঙ্গার জন্য তাকেই দায়ী করা হয়েছিল। ** এল. কে. আডবাণী, ''মাই কান্ট্রি মাই লাইফ'' (২০০৮), [[কোনরাড এলস্ট|কোনরাড এলস্ট]]-এর ‘দ্য স্যাফরন স্বস্তিকা’ (২০০১) থেকে উদ্ধৃত। * এই বিস্ফোরণগুলো এই হামলাগুলো প্রতিহত করতে রাজ্যগুলোর অক্ষমতারই প্রতিফলন। ** এল. কে. আডবাণী, ২০০৮ সালে জয়পুর বোমা বিস্ফোরণ সম্পর্কে। ভুপেন্দ্র চৌবে লিখিত [http://www.ibnlive.com/news/blame-game-politics-over-jaipur-blasts-begin/65286-3.html "ব্লেম গেম, পলিটিক্স ওভার জয়পুর ব্লাস্টস বিগিন"], [[সিএনএন-আইবিএন|আইবিএন লাইভ]], ১৫ মে ২০০৮। * আমরা গতকালের ঘটনা সম্পর্কে কিছু সূত্র পেয়েছি যা দেখায় যে একটি প্রতিবেশী দেশ এবং সেখানে সক্রিয় কিছু সন্ত্রাসী সংগঠন এর পেছনে রয়েছে। ** নয়াদিল্লির একটি অনুষ্ঠানে এল. কে. আডবাণী। [https://www.rediff.com/news/2001/dec/14parl21.htm পার্লামেন্ট অ্যাটাক: আডবাণী পয়েন্টস টুয়ার্ডস নেইবারিং কান্ট্রি]। * আহমেদাবাদ এবং দেশের অন্যান্য শহরে ধারাবাহিক বোমা বিস্ফোরণের জন্য দায়ী সর্বভারতীয় সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কটি গুড়িয়ে দেওয়ার মাধ্যমে গুজরাত সরকার এবং বিশেষ করে রাজ্য পুলিশ যে গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য অর্জন করেছে, তার জন্য আমি তাদের আন্তরিকভাবে অভিনন্দন জানাই। মুফতি আবু বশিরসহ ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা (যাকে এই সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কের মূল হোতা হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে) তা সত্যিই একটি বড় অর্জন। আমি আজ গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদির সাথে কথা বলেছি এবং তার সরকারের সাফল্যের জন্য তাকে অভিনন্দন জানিয়েছি। এই সাফল্য দেখায় যে সন্ত্রাসবাদের বিপদ দৃঢ়ভাবে মোকাবিলা করার সংকল্পবদ্ধ একটি সরকার অল্প সময়ে কী অর্জন করতে পারে। এটি কেন্দ্রের ইউপিএ সরকার সন্ত্রাসবাদের হুমকি মোকাবিলায় যে চরম স্বচ্ছতা ও ইচ্ছাশক্তির অভাব প্রদর্শন করেছে তার ঠিক বিপরীত। ** এল. কে. আডবাণী, [https://www.bjp.org/pressreleases/statement-shri-lk-advani-leader-opposition-lok-sabha-arrest-terrorists-behind প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে দেওয়া বিবৃতি]। * "আমি মহারাষ্ট্র কন্ট্রোল অফ অর্গানাইজড ক্রাইম অ্যাক্টের আদলে গুজরাত এবং রাজস্থানের রাজ্য আইনগুলোতে রাষ্ট্রপতির সম্মতির দাবি জানাব যা কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে অমীমাংসিত রয়েছে। গুজরাতের আইনটি গত চার বছর ধরে ঝুলে আছে।" ** এল. কে. আডবাণী। ২০০৮ সালে আহমেদাবাদে ধারাবাহিক বোমা বিস্ফোরণের পরদিন হিন্দুস্তান টাইমস-এ প্রকাশিত সংবাদ। == ১৯৯৮ সালের কোয়েম্বাটুর বোমা বিস্ফোরণ সম্পর্কে উক্তি == * তবে আমরা এখানে ধর্মনিরপেক্ষ সংবাদিকতার আগাগোড়া যে বিশ্রী অসততা বিদ্যমান তা নিয়ে আলোচনা অন্তর্ভুক্ত করতে পারছি না। আপাতত আমরা কেবল মীরা কামদার এল. কে. আডবাণী সম্পর্কে যা যা এড়িয়ে গেছেন সেদিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই যে, আডবাণী তার জীবনের ওপর বেশ কয়েকটি হামলা থেকে বেঁচে গেছেন। সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছিল ১৯৯৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে কোয়েম্বাটুরে একটি নির্বাচনী সভার সময়, যেখানে আডবাণী দেরিতে পৌঁছানোর কারণে একজন ইসলামপন্থী বোমা হামলাকারী তাকে হত্যা করতে ব্যর্থ হয়। তবে এটি সেখানে উপস্থিত ৪০ জন বিজেপি কর্মীকে হত্যা করেছিল। ধনী ধর্মনিরপেক্ষ ব্যক্তি না হওয়ায় তারা কখনও সহায়ক "হুমকি" দ্বারা সতর্ক বার্তা পাননি। ** কোনরাড এলস্ট, ‘দ্য প্রবলেম উইথ সেকুলারিজম’ (২০০৭)। মীরা কামদারের প্রতি উত্তর। * আমদানিকৃত বিস্ফোরক ব্যবহারের আরেকটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা ছিল ১৯৯৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে কোয়েম্বাটুরে এল. কে. আডবাণীর ওপর বোমা হামলা যাতে ৫০ জনেরও বেশি বিজেপি কর্মী নিহত হন। ** কে. এলস্ট (২০১০)। ‘দ্য স্যাফরন স্বস্তিকা: দ্য নোশন অব "হিন্দু ফ্যাসিজম"’। পৃষ্ঠা ৭৪৩। * [[w:ভারতীয় জনতা পার্টি|ভারতীয় জনতা পার্টির]] (বিজেপি) বিরুদ্ধে এই [[ভারতে সন্ত্রাসবাদ|সন্ত্রাসবাদের]] ঢেউয়ে (যা ১৯৯৩ সালের মার্চ থেকে মাঝে মাঝেই আঘাত হানছে) রয়টার্স তার তথ্য গ্রাহকদের অনুমানের ওপর ছেড়ে দেয় যে শিকার কে ছিল এবং বিজেপি এই সহিংসতার হোতা নাকি লক্ষ্য ছিল। ৯৪ লাইনের রিপোর্টে কোথাও স্পষ্ট করা হয়নি যে এই সহিংসতা বিজেপির বিরুদ্ধে পরিচালিত হয়েছিল। যদিও এটিই ছিল প্রথম এবং একমাত্র তথ্য যা আমরা সাথে সাথেই নিশ্চিত হতে পারতাম। নীতিটি এমন মনে হয় যে হিন্দু আন্দোলনকে কোনোভাবেই কোনো কৃতিত্ব দেওয়া হবে না, এমনকি তাদের শহীদদেরও নয়। ** কে. এলস্ট (২০১০)। ‘দ্য স্যাফরন স্বস্তিকা: দ্য নোশন অব "হিন্দু ফ্যাসিজম"’। পৃষ্ঠা ৭৬০। * কোয়েম্বাটুরে সাম্প্রতিক বোমা হামলা যাতে বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মী নিহত হয়েছেন। এটিকে ‘নিউ ইয়র্ক টাইমস’-এ রাইখস্ট্যাগ অগ্নিকাণ্ডের সাথে তুলনা করা হয়েছে যা অ্যাডলফ হিটলার ক্ষমতা দখলের জন্য মঞ্চস্থ করেছিলেন। এর অন্তর্নিহিত অর্থ ছিল যে বিজেপি নির্বাচনী চাল হিসেবে নিজেরাই এই বোমা হামলার পরিকল্পনা করেছিল এবং তারা হিটলারের মতোই নিষ্ঠুর। ইসলামি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর সাথে যে এর যোগসূত্র ছিল তা পুরোপুরি উপেক্ষা করা হয়েছিল। ** ডেভিড ফ্রলি, ‘দ্য ইলেকশনস ইন ইন্ডিয়া’। কে. এলস্ট (২০১০) রচিত ‘দ্য স্যাফরন স্বস্তিকা: দ্য নোশন অব "হিন্দু ফ্যাসিজম"’, পৃষ্ঠা ৭৬০-এ উদ্ধৃত। 62z3e446aezurp5ddd84lbs7qc0x8s2 79773 79768 2026-04-22T14:58:44Z Tuhin 172 79773 wikitext text/x-wiki [[file:Lkadvani.jpg|thumb|২০০৯ সালে আডবাণী]] '''[[w:লালকৃষ্ণ আডবাণী|লালকৃষ্ণ আডবাণী]]''' (জন্ম ৮ নভেম্বর ১৯২৭) একজন ভারতীয় রাজনীতিবিদ এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব যিনি ২০০২ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত ভারতের সপ্তম [[ভারতের প্রধানমন্ত্রী|উপপ্রধানমন্ত্রী]] হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি [[w:ভারতীয় জনতা পার্টি|ভারতীয় জনতা পার্টির]] (বিজেপি) অন্যতম সহ-প্রতিষ্ঠাতা এবং ডানপন্থী [[হিন্দুত্ব|হিন্দুত্ববাদী]] সংগঠন [[রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ|রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের]] (আরএসএস) একজন সদস্য। == উক্তি == * আপনাদের কেবল মাথা নত করতে বলা হয়েছিল, কিন্তু আপনারা হামাগুড়ি দেওয়া বেছে নিলেন। ** জরুরি অবস্থার সময় সংবাদপত্রের ওপর আরোপিত সেন্সরশিপ সম্পর্কে এল. কে. আডবাণী। ''নিউ ইয়র্ক টাইমস''-এ উদ্ধৃত [https://www.nytimes.com/2014/07/28/opinion/Indias-Press-Under-Siege.html]। পূর্ণ উক্তি: যখন ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী ২৫ জুন ১৯৭৫ সালে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন, তখন তিনি অবিলম্বে সংবাদপত্রের ওপর কঠোর সেন্সরশিপ আরোপ করেন। কিছু অবাধ্য ব্যতিক্রম ছাড়া সংবাদমাধ্যমের বড় একটি অংশ দ্রুত নতুন নিয়মের কাছে নতি স্বীকার করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে জরুরি অবস্থার সময় কারাবরণকারী ভারতীয় জনতা পার্টির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা এল. কে. আডবাণী পরে মন্তব্য করেন যে আপনাদের কেবল মাথা নত করতে বলা হয়েছিল, কিন্তু আপনারা হামাগুড়ি দেওয়া বেছে নিলেন। * করসেবকদের জন্য গুলি এবং [[w:বিরিয়ানি|বিরিয়ানি]] [[কাশ্মীর সংঘাত|কাশ্মীরি জঙ্গিদের]] জন্য। ** চর-ই-শরিফ মসজিদ অবরোধের সময় হিন্দু করসেবকদের আন্দোলনের প্রতি সরকারের কঠোর আচরণ এবং সশস্ত্র কাশ্মীরি জঙ্গিদের বিরিয়ানি সরবরাহের বৈপরীত্য সম্পর্কে আডবাণীর মন্তব্য। কোনরাড এলস্ট (২০০১) রচিত ''ডিকলোনাইজিং দ্য হিন্দু মাইন্ড'' থেকে উদ্ধৃত। New Delhi: Rupa. p58 * ভারতের গুরুত্বপূর্ণ হিন্দু সত্তার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করা উচিত নয়। ** কোনরাড এলস্ট (২০০১) রচিত ''ডিকলোনাইজিং দ্য হিন্দু মাইন্ড'', পৃষ্ঠা ১৭১ থেকে উদ্ধৃত। * সর্বোপরি, ১৯৮৯ সালের সংসদীয় নির্বাচনে কংগ্রেস দলের পরাজয় ছিল ভারতের গণতান্ত্রিক শক্তির জন্য একটি বড় বিজয়। এই বিজয়ের অর্জনগুলোকে সুসংহত করার প্রয়োজন ছিল। এই লক্ষ্যে ১০ আগস্ট নয়াদিল্লিতে কোনরাড এলস্টের বই ‘রাম জন্মভূমি বনাম বাবরি মসজিদ: এ কেস স্টাডি ইন হিন্দু মুসলিম কনফ্লিক্ট’ প্রকাশের অনুষ্ঠানে আমি একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ গ্রহণ করি। আমি মুসলিম নেতাদের প্রস্তাব দিয়েছিলাম যে যদি রাম জন্মভূমির ওপর থেকে মুসলিম দাবি স্বেচ্ছায় প্রত্যাহার করা হয় এবং রাম মন্দির নির্মাণের পথ প্রশস্ত হয়, তবে আমি ব্যক্তিগতভাবে ভিএইচপি নেতাদের অনুরোধ করব মথুরা ও বারাণসীর হিন্দু তীর্থস্থানগুলোর ওপর তাদের দাবি ত্যাগ করতে। যখন মুসলিম নেতারা এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন, তখন আমি গভীরভাবে হতাশ হয়েছিলাম। ** এল. কে. আডবাণী, ''মাই কান্ট্রি মাই লাইফ'' (২০০৮)। আইএসবিএন ৯৭৮-৮১-২৯১-১৩৬৩-৪, পৃষ্ঠা ৩৭১। * ড. [[কোনরাড এলস্ট|কোনরাড এলস্ট]] তার দুই খণ্ডের বই ‘দ্য স্যাফরন স্বস্তিকা’-তে মিডিয়ার একাংশ দ্বারা বিজেপির ওপর করা মানহানিকর আক্রমণের জবাব দিতে অকাট্য তথ্য উপস্থাপন করেছেন। [[রাম রথযাত্রা|রথযাত্রা]] সম্পর্কে তিনি লিখেছেন যে ১৯৯০ সালের অক্টোবরে সোমনাথ থেকে [[অযোধ্যা]] পর্যন্ত আডবাণীর তথাকথিত রক্তক্ষয়ী রথযাত্রা মোটেও কোনো রক্তক্ষয়ী বিষয় ছিল না। ওই একই সময়ে যখন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে (বিশেষ করে হায়দ্রাবাদ, কর্ণাটক এবং উত্তরপ্রদেশে) ব্যাপক দাঙ্গা হচ্ছিল এবং মোট প্রায় ৬০০ মানুষ নিহত হয়েছিল, তখন রথযাত্রার পথে কোনো দাঙ্গাই হয়নি। তবে একটি ঘটনা ঘটেছিল যেখানে উচ্চবর্ণের ছাত্ররা আডবাণীর ওপর পাথর ছুড়েছিল কারণ তিনি ভি. পি. সিংয়ের প্রবর্তিত জাতিভিত্তিক সংরক্ষণের বিরুদ্ধে তাদের আন্দোলনকে সমর্থন না করে তাদের হতাশ করেছিলেন। তবুও সেখানে কেউ নিহত বা গুরুতর আহত হয়নি। এটি ভারতীয় ইংরেজি গণমাধ্যমের মানের একটি পরিচায়ক যে তারা একটি সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ শোভাযাত্রাকে (যা দাঙ্গায় বিপর্যস্ত দেশে শৃঙ্খলার একটি দ্বীপের মতো ছিল) একটি প্রবাদপ্রতিম রক্তক্ষয়ী ঘটনায় (“আডবাণীর রক্তযাত্রা”) পরিণত করতে সক্ষম হয়েছে। এটি বেশ দেখার মতো বিষয় ছিল যে সংবাদপত্রের সম্পাদকীয়গুলোতে আডবাণীকে সেই সব সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার জন্য দায়ী করা হচ্ছিল যেগুলোর প্রকৃত এবং আডবাণী-অসংলগ্ন কারণগুলো একই কাগজের অন্য পাতায় দেওয়া ছিল। আডবাণী তার রথযাত্রা নিয়ে কোনো দাঙ্গা থেকে ৫০০ মাইল দূরে থাকুন, অথবা গ্রেপ্তার থাকুন, কিংবা অযোধ্যা আন্দোলনের জোয়ার শেষ হওয়ার পর ঘরে ফিরে আসুন, ১৯৯০ সালের দ্বিতীয়ার্ধে ভারতের প্রতিটি দাঙ্গার জন্য তাকেই দায়ী করা হয়েছিল। ** এল. কে. আডবাণী, ''মাই কান্ট্রি মাই লাইফ'' (২০০৮), [[কোনরাড এলস্ট|কোনরাড এলস্ট]]-এর ‘দ্য স্যাফরন স্বস্তিকা’ (২০০১) থেকে উদ্ধৃত। * এই বিস্ফোরণগুলো এই হামলাগুলো প্রতিহত করতে রাজ্যগুলোর অক্ষমতারই প্রতিফলন। ** এল. কে. আডবাণী, ২০০৮ সালে জয়পুর বোমা বিস্ফোরণ সম্পর্কে। ভুপেন্দ্র চৌবে লিখিত [http://www.ibnlive.com/news/blame-game-politics-over-jaipur-blasts-begin/65286-3.html "ব্লেম গেম, পলিটিক্স ওভার জয়পুর ব্লাস্টস বিগিন"], [[সিএনএন-আইবিএন|আইবিএন লাইভ]], ১৫ মে ২০০৮। * আমরা গতকালের ঘটনা সম্পর্কে কিছু সূত্র পেয়েছি যা দেখায় যে একটি প্রতিবেশী দেশ এবং সেখানে সক্রিয় কিছু সন্ত্রাসী সংগঠন এর পেছনে রয়েছে। ** নয়াদিল্লির একটি অনুষ্ঠানে এল. কে. আডবাণী। [https://www.rediff.com/news/2001/dec/14parl21.htm পার্লামেন্ট অ্যাটাক: আডবাণী পয়েন্টস টুয়ার্ডস নেইবারিং কান্ট্রি]। * আহমেদাবাদ এবং দেশের অন্যান্য শহরে ধারাবাহিক বোমা বিস্ফোরণের জন্য দায়ী সর্বভারতীয় সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কটি গুড়িয়ে দেওয়ার মাধ্যমে গুজরাত সরকার এবং বিশেষ করে রাজ্য পুলিশ যে গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য অর্জন করেছে, তার জন্য আমি তাদের আন্তরিকভাবে অভিনন্দন জানাই। মুফতি আবু বশিরসহ ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা (যাকে এই সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কের মূল হোতা হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে) তা সত্যিই একটি বড় অর্জন। আমি আজ গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদির সাথে কথা বলেছি এবং তার সরকারের সাফল্যের জন্য তাকে অভিনন্দন জানিয়েছি। এই সাফল্য দেখায় যে সন্ত্রাসবাদের বিপদ দৃঢ়ভাবে মোকাবিলা করার সংকল্পবদ্ধ একটি সরকার অল্প সময়ে কী অর্জন করতে পারে। এটি কেন্দ্রের ইউপিএ সরকার সন্ত্রাসবাদের হুমকি মোকাবিলায় যে চরম স্বচ্ছতা ও ইচ্ছাশক্তির অভাব প্রদর্শন করেছে তার ঠিক বিপরীত। ** এল. কে. আডবাণী, [https://www.bjp.org/pressreleases/statement-shri-lk-advani-leader-opposition-lok-sabha-arrest-terrorists-behind প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে দেওয়া বিবৃতি]। * "আমি মহারাষ্ট্র কন্ট্রোল অফ অর্গানাইজড ক্রাইম অ্যাক্টের আদলে গুজরাত এবং রাজস্থানের রাজ্য আইনগুলোতে রাষ্ট্রপতির সম্মতির দাবি জানাব যা কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে অমীমাংসিত রয়েছে। গুজরাতের আইনটি গত চার বছর ধরে ঝুলে আছে।" ** এল. কে. আডবাণী। ২০০৮ সালে আহমেদাবাদে ধারাবাহিক বোমা বিস্ফোরণের পরদিন হিন্দুস্তান টাইমস-এ প্রকাশিত সংবাদ। == ১৯৯৮ সালের কোয়েম্বাটুর বোমা বিস্ফোরণ সম্পর্কে উক্তি == * তবে আমরা এখানে ধর্মনিরপেক্ষ সংবাদিকতার আগাগোড়া যে বিশ্রী অসততা বিদ্যমান তা নিয়ে আলোচনা অন্তর্ভুক্ত করতে পারছি না। আপাতত আমরা কেবল মীরা কামদার এল. কে. আডবাণী সম্পর্কে যা যা এড়িয়ে গেছেন সেদিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই যে, আডবাণী তার জীবনের ওপর বেশ কয়েকটি হামলা থেকে বেঁচে গেছেন। সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছিল ১৯৯৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে কোয়েম্বাটুরে একটি নির্বাচনী সভার সময়, যেখানে আডবাণী দেরিতে পৌঁছানোর কারণে একজন ইসলামপন্থী বোমা হামলাকারী তাকে হত্যা করতে ব্যর্থ হয়। তবে এটি সেখানে উপস্থিত ৪০ জন বিজেপি কর্মীকে হত্যা করেছিল। ধনী ধর্মনিরপেক্ষ ব্যক্তি না হওয়ায় তারা কখনও সহায়ক "হুমকি" দ্বারা সতর্ক বার্তা পাননি। ** কোনরাড এলস্ট, ‘দ্য প্রবলেম উইথ সেকুলারিজম’ (২০০৭)। মীরা কামদারের প্রতি উত্তর। * আমদানিকৃত বিস্ফোরক ব্যবহারের আরেকটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা ছিল ১৯৯৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে কোয়েম্বাটুরে এল. কে. আডবাণীর ওপর বোমা হামলা যাতে ৫০ জনেরও বেশি বিজেপি কর্মী নিহত হন। ** কে. এলস্ট (২০১০)। ‘দ্য স্যাফরন স্বস্তিকা: দ্য নোশন অব "হিন্দু ফ্যাসিজম"’। পৃষ্ঠা ৭৪৩। * [[w:ভারতীয় জনতা পার্টি|ভারতীয় জনতা পার্টির]] (বিজেপি) বিরুদ্ধে এই [[ভারতে সন্ত্রাসবাদ|সন্ত্রাসবাদের]] ঢেউয়ে (যা ১৯৯৩ সালের মার্চ থেকে মাঝে মাঝেই আঘাত হানছে) রয়টার্স তার তথ্য গ্রাহকদের অনুমানের ওপর ছেড়ে দেয় যে শিকার কে ছিল এবং বিজেপি এই সহিংসতার হোতা নাকি লক্ষ্য ছিল। ৯৪ লাইনের রিপোর্টে কোথাও স্পষ্ট করা হয়নি যে এই সহিংসতা বিজেপির বিরুদ্ধে পরিচালিত হয়েছিল। যদিও এটিই ছিল প্রথম এবং একমাত্র তথ্য যা আমরা সাথে সাথেই নিশ্চিত হতে পারতাম। নীতিটি এমন মনে হয় যে হিন্দু আন্দোলনকে কোনোভাবেই কোনো কৃতিত্ব দেওয়া হবে না, এমনকি তাদের শহীদদেরও নয়। ** কে. এলস্ট (২০১০)। ‘দ্য স্যাফরন স্বস্তিকা: দ্য নোশন অব "হিন্দু ফ্যাসিজম"’। পৃষ্ঠা ৭৬০। * কোয়েম্বাটুরে সাম্প্রতিক বোমা হামলা যাতে বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মী নিহত হয়েছেন। এটিকে ‘নিউ ইয়র্ক টাইমস’-এ রাইখস্ট্যাগ অগ্নিকাণ্ডের সাথে তুলনা করা হয়েছে যা অ্যাডলফ হিটলার ক্ষমতা দখলের জন্য মঞ্চস্থ করেছিলেন। এর অন্তর্নিহিত অর্থ ছিল যে বিজেপি নির্বাচনী চাল হিসেবে নিজেরাই এই বোমা হামলার পরিকল্পনা করেছিল এবং তারা হিটলারের মতোই নিষ্ঠুর। ইসলামি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর সাথে যে এর যোগসূত্র ছিল তা পুরোপুরি উপেক্ষা করা হয়েছিল। ** ডেভিড ফ্রলি, ‘দ্য ইলেকশনস ইন ইন্ডিয়া’। কে. এলস্ট (২০১০) রচিত ‘দ্য স্যাফরন স্বস্তিকা: দ্য নোশন অব "হিন্দু ফ্যাসিজম"’, পৃষ্ঠা ৭৬০-এ উদ্ধৃত। == লালকৃষ্ণ আডবাণী সম্পর্কে উক্তি == * [লালকৃষ্ণ আডবাণী] প্রকৃতপক্ষে বর্তমানে অবশিষ্ট থাকা সবচেয়ে দক্ষ, শান্ত মেজাজের, বিনয়ী এবং স্বচ্ছ রাজনীতিবিদদের একজন। ** খুশবন্ত সিং। ওয়াই. কে. মালিক এবং ভি. বি. সিং রচিত 'হিন্দু ন্যাশনালিস্টস ইন ইন্ডিয়া', পৃষ্ঠা ৪২-এ উদ্ধৃত। * সেই কারণেই আমি বলি যে জাতির একজন নেতা প্রয়োজন। ড. [[মনমোহন সিং]] তার প্রধানমন্ত্রিত্বের পাঁচ বছরে সব রাজ্য সফর পর্যন্ত করেননি, যেখানে আডবাণীজি এমন একজন নেতা যিনি কোনো না কোনো সময়ে আমাদের ৪০০টি জেলায় রাত কাটিয়েছেন। তিনি পুরো দেশকে চেনেন, তার ওপর কোনো দাগ নেই, তিনি কলঙ্কমুক্ত। বিভিন্ন মন্ত্রিসভায় দায়িত্ব পালন করার মাধ্যমে তার বিশাল প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা রয়েছে এবং তিনি প্রত্যেকের সন্তুষ্টি অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করেছেন – সেটি দিল্লির মেট্রোপলিটন কাউন্সিলের প্রধান নির্বাহী হিসেবেই হোক বা তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী কিংবা উপপ্রধানমন্ত্রী হিসেবেই হোক। আডবাণীজি সাধারণ স্তর থেকে উঠে এসে একজন গণনেতা হয়েছেন, এই দুইয়ের মধ্যে আকাশ-পাতাল পার্থক্য রয়েছে। ** নরেন্দ্র মোদি: [http://specials.rediff.com/election/2009/apr/08sld1-exclusive-interview-with-gujarat-chief-minister-narendra-modi.htm 'দ্য নেশন ইজ ওয়েটিং ফর এ স্ট্রং, এক্সপেরিয়েন্সড লিডার'], ''[[w:রেডিফ.কম|রেডিফ.কম]]'', ৮ এপ্রিল ২০০৯-এ দেওয়া সাক্ষাৎকার। * লালকৃষ্ণ আডবাণী, যিনি অযোধ্যা আন্দোলনের সম্মুখভাগে ছিলেন যতক্ষণ না বাবরি মসজিদ ধ্বংসের দৃশ্য দেখে তিনি অশ্রুসিক্ত হয়ে পড়েছিলেন। ভারতের সংবাদমাধ্যমগুলো যদি এতটা দুর্নীতিগ্রস্ত না হতো (ক্ষমতা দুর্নীতিগ্রস্ত করে এবং গণমাধ্যমের হাতে প্রচণ্ড ক্ষমতা থাকে), তবে তারা খুঁজে বের করত এবং আমাদের জানাত যে এই ধ্বংসের আসল মাস্টারমাইন্ড কে ছিল। তবে তার বদলে ভারতীয় গণমাধ্যম বছরের সেরা স্কুপটি প্রত্যাখ্যান করেছিল এবং আডবাণীকে দোষারোপ করার রাজনৈতিকভাবে সুবিধাজনক সংস্করণটির ওপর জোর দিয়েছিল, যা অনেকটা [[মহাত্মা গান্ধীর হত্যাকাণ্ড|মহাত্মা গান্ধীর হত্যাকাণ্ডে]] বীর সাভারকরকে ফাঁসানোর জন্য [[জওহরলাল নেহেরু|জওহরলাল নেহেরুর]] প্রচেষ্টার মতোই ছিল। ** কোনরাড এলস্ট (১৯৯৭)। 'বিজেপি ভিস-আ-ভিস হিন্দু রিসার্জেন্স'। * তবে আমরা এই নিবন্ধে ধর্মনিরপেক্ষ সাংবাদিকতার আগাগোড়া যে বিশ্রী অসততা বিদ্যমান তা নিয়ে আলোচনা অন্তর্ভুক্ত করতে পারছি না। আপাতত আমরা কেবল মীরা কামদার আডবাণী সম্পর্কে যা যা এড়িয়ে গেছেন সেদিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই যে আডবাণী তার জীবনের ওপর বেশ কয়েকটি হামলা থেকে বেঁচে গেছেন। সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছিল ১৯৯৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে কোয়েম্বাটুরে একটি নির্বাচনী সভার সময়, যেখানে আডবাণী দেরিতে পৌঁছানোর কারণে একজন ইসলামপন্থী বোমা হামলাকারী তাকে হত্যা করতে ব্যর্থ হয়। তবে এটি সেখানে উপস্থিত ৪০ জন বিজেপি কর্মীকে হত্যা করেছিল। ধনী ধর্মনিরপেক্ষ ব্যক্তি না হওয়ায় তারা কখনও সহায়ক "হুমকি" দ্বারা সতর্ক বার্তা পাননি। [...] আমরা দেখতে পাই অধ্যাপক হ্যানসেন আডবাণীকে "১৯৯৬ সালে একটি বিশাল দুর্নীতি কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত" হিসেবে বর্ণনা করে তার ওপর সন্দেহ পোষণ করছেন (পৃষ্ঠা ২৬৬), অথচ তদন্তে যে তিনি সমস্ত অভিযোগ থেকে সম্পূর্ণ নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছিলেন তা উল্লেখ করেননি (যে অভিযোগগুলো ছিল সামান্য এবং সেই "বিশাল" কেলেঙ্কারিটি মূলত ডজন ডজন কংগ্রেসী ধর্মনিরপেক্ষদের সাথে সংশ্লিষ্ট ছিল, যা হ্যানসেন ব্যাখ্যা করতে ব্যর্থ হয়েছেন)। ** কোনরাড এলস্ট। 'দ্য প্রবলেম উইথ সেকুলারিজম' (২০০৭)। মীরা কামদারের প্রতি উত্তর। == আরও দেখুন == *[[রাম রথযাত্রা]] == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} *[http://lkadvani.in/excerpts-4.php এল. কে. আডবাণীর 'মাই কান্ট্রি, মাই লাইফ' থেকে কিছু অংশ] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় জনতা পার্টির রাজনীতিবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:আত্মজীবনীকার]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবনীকার]] [[বিষয়শ্রেণী:হিন্দু জাতীয়তাবাদী]] [[বিষয়শ্রেণী:বন্দী]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯২৭-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:করাচির ব্যক্তি]] 69vyok4ie3v1ug50uok4w9vd2tlwwdq 79811 79773 2026-04-22T18:05:10Z Tuhin 172 79811 wikitext text/x-wiki [[file:Lkadvani.jpg|thumb|২০০৯ সালে আডবাণী]] '''[[w:লালকৃষ্ণ আডবাণী|লালকৃষ্ণ আডবাণী]]''' (জন্ম ৮ নভেম্বর ১৯২৭) একজন ভারতীয় রাজনীতিবিদ এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব যিনি ২০০২ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত ভারতের সপ্তম [[ভারতের প্রধানমন্ত্রী|উপপ্রধানমন্ত্রী]] হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি [[w:ভারতীয় জনতা পার্টি|ভারতীয় জনতা পার্টির]] (বিজেপি) অন্যতম সহ-প্রতিষ্ঠাতা এবং ডানপন্থী [[হিন্দুত্ব|হিন্দুত্ববাদী]] সংগঠন [[রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ|রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের]] (আরএসএস) একজন সদস্য। == উক্তি == * আপনাদের কেবল মাথা নত করতে বলা হয়েছিল, কিন্তু আপনারা হামাগুড়ি দেওয়া বেছে নিলেন। ** জরুরি অবস্থার সময় সংবাদপত্রের ওপর আরোপিত সেন্সরশিপ সম্পর্কে এল. কে. আডবাণী। ''নিউ ইয়র্ক টাইমস''-এ উদ্ধৃত [https://www.nytimes.com/2014/07/28/opinion/Indias-Press-Under-Siege.html]। পূর্ণ উক্তি: যখন ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী ২৫ জুন ১৯৭৫ সালে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন, তখন তিনি অবিলম্বে সংবাদপত্রের ওপর কঠোর সেন্সরশিপ আরোপ করেন। কিছু অবাধ্য ব্যতিক্রম ছাড়া সংবাদমাধ্যমের বড় একটি অংশ দ্রুত নতুন নিয়মের কাছে নতি স্বীকার করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে জরুরি অবস্থার সময় কারাবরণকারী ভারতীয় জনতা পার্টির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা এল. কে. আডবাণী পরে মন্তব্য করেন যে আপনাদের কেবল মাথা নত করতে বলা হয়েছিল, কিন্তু আপনারা হামাগুড়ি দেওয়া বেছে নিলেন। * করসেবকদের জন্য গুলি এবং [[w:বিরিয়ানি|বিরিয়ানি]] [[কাশ্মীর সংঘাত|কাশ্মীরি জঙ্গিদের]] জন্য। ** চর-ই-শরিফ মসজিদ অবরোধের সময় হিন্দু করসেবকদের আন্দোলনের প্রতি সরকারের কঠোর আচরণ এবং সশস্ত্র কাশ্মীরি জঙ্গিদের বিরিয়ানি সরবরাহের বৈপরীত্য সম্পর্কে আডবাণীর মন্তব্য। কোনরাড এলস্ট (২০০১) রচিত ''ডিকলোনাইজিং দ্য হিন্দু মাইন্ড'' থেকে উদ্ধৃত। নিউ দিল্লি: রুপা. পৃষ্ঠা ৫৮ * ভারতের গুরুত্বপূর্ণ হিন্দু সত্তার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করা উচিত নয়। ** কোনরাড এলস্ট (২০০১) রচিত ''ডিকলোনাইজিং দ্য হিন্দু মাইন্ড'', পৃষ্ঠা ১৭১ থেকে উদ্ধৃত। * সর্বোপরি, ১৯৮৯ সালের সংসদীয় নির্বাচনে কংগ্রেস দলের পরাজয় ছিল ভারতের গণতান্ত্রিক শক্তির জন্য একটি বড় বিজয়। এই বিজয়ের অর্জনগুলোকে সুসংহত করার প্রয়োজন ছিল। এই লক্ষ্যে ১০ আগস্ট নয়াদিল্লিতে কোনরাড এলস্টের বই ‘রাম জন্মভূমি বনাম বাবরি মসজিদ: এ কেস স্টাডি ইন হিন্দু মুসলিম কনফ্লিক্ট’ প্রকাশের অনুষ্ঠানে আমি একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ গ্রহণ করি। আমি মুসলিম নেতাদের প্রস্তাব দিয়েছিলাম যে যদি রাম জন্মভূমির ওপর থেকে মুসলিম দাবি স্বেচ্ছায় প্রত্যাহার করা হয় এবং রাম মন্দির নির্মাণের পথ প্রশস্ত হয়, তবে আমি ব্যক্তিগতভাবে ভিএইচপি নেতাদের অনুরোধ করব মথুরা ও বারাণসীর হিন্দু তীর্থস্থানগুলোর ওপর তাদের দাবি ত্যাগ করতে। যখন মুসলিম নেতারা এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন, তখন আমি গভীরভাবে হতাশ হয়েছিলাম। ** এল. কে. আডবাণী, ''মাই কান্ট্রি মাই লাইফ'' (২০০৮)। আইএসবিএন ৯৭৮-৮১-২৯১-১৩৬৩-৪, পৃষ্ঠা ৩৭১। * ড. [[কোনরাড এলস্ট|কোনরাড এলস্ট]] তার দুই খণ্ডের বই ‘দ্য স্যাফরন স্বস্তিকা’-তে মিডিয়ার একাংশ দ্বারা বিজেপির ওপর করা মানহানিকর আক্রমণের জবাব দিতে অকাট্য তথ্য উপস্থাপন করেছেন। [[রাম রথযাত্রা|রথযাত্রা]] সম্পর্কে তিনি লিখেছেন যে ১৯৯০ সালের অক্টোবরে সোমনাথ থেকে [[অযোধ্যা]] পর্যন্ত আডবাণীর তথাকথিত রক্তক্ষয়ী রথযাত্রা মোটেও কোনো রক্তক্ষয়ী বিষয় ছিল না। ওই একই সময়ে যখন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে (বিশেষ করে হায়দ্রাবাদ, কর্ণাটক এবং উত্তরপ্রদেশে) ব্যাপক দাঙ্গা হচ্ছিল এবং মোট প্রায় ৬০০ মানুষ নিহত হয়েছিল, তখন রথযাত্রার পথে কোনো দাঙ্গাই হয়নি। তবে একটি ঘটনা ঘটেছিল যেখানে উচ্চবর্ণের ছাত্ররা আডবাণীর ওপর পাথর ছুড়েছিল কারণ তিনি ভি. পি. সিংয়ের প্রবর্তিত জাতিভিত্তিক সংরক্ষণের বিরুদ্ধে তাদের আন্দোলনকে সমর্থন না করে তাদের হতাশ করেছিলেন। তবুও সেখানে কেউ নিহত বা গুরুতর আহত হয়নি। এটি ভারতীয় ইংরেজি গণমাধ্যমের মানের একটি পরিচায়ক যে তারা একটি সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ শোভাযাত্রাকে (যা দাঙ্গায় বিপর্যস্ত দেশে শৃঙ্খলার একটি দ্বীপের মতো ছিল) একটি প্রবাদপ্রতিম রক্তক্ষয়ী ঘটনায় (“আডবাণীর রক্তযাত্রা”) পরিণত করতে সক্ষম হয়েছে। এটি বেশ দেখার মতো বিষয় ছিল যে সংবাদপত্রের সম্পাদকীয়গুলোতে আডবাণীকে সেই সব সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার জন্য দায়ী করা হচ্ছিল যেগুলোর প্রকৃত এবং আডবাণী-অসংলগ্ন কারণগুলো একই কাগজের অন্য পাতায় দেওয়া ছিল। আডবাণী তার রথযাত্রা নিয়ে কোনো দাঙ্গা থেকে ৫০০ মাইল দূরে থাকুন, অথবা গ্রেপ্তার থাকুন, কিংবা অযোধ্যা আন্দোলনের জোয়ার শেষ হওয়ার পর ঘরে ফিরে আসুন, ১৯৯০ সালের দ্বিতীয়ার্ধে ভারতের প্রতিটি দাঙ্গার জন্য তাকেই দায়ী করা হয়েছিল। ** এল. কে. আডবাণী, ''মাই কান্ট্রি মাই লাইফ'' (২০০৮), [[কোনরাড এলস্ট|কোনরাড এলস্ট]]-এর ‘দ্য স্যাফরন স্বস্তিকা’ (২০০১) থেকে উদ্ধৃত। * এই বিস্ফোরণগুলো এই হামলাগুলো প্রতিহত করতে রাজ্যগুলোর অক্ষমতারই প্রতিফলন। ** এল. কে. আডবাণী, ২০০৮ সালে জয়পুর বোমা বিস্ফোরণ সম্পর্কে। ভুপেন্দ্র চৌবে লিখিত [http://www.ibnlive.com/news/blame-game-politics-over-jaipur-blasts-begin/65286-3.html "ব্লেম গেম, পলিটিক্স ওভার জয়পুর ব্লাস্টস বিগিন"], [[সিএনএন-আইবিএন|আইবিএন লাইভ]], ১৫ মে ২০০৮। * আমরা গতকালের ঘটনা সম্পর্কে কিছু সূত্র পেয়েছি যা দেখায় যে একটি প্রতিবেশী দেশ এবং সেখানে সক্রিয় কিছু সন্ত্রাসী সংগঠন এর পেছনে রয়েছে। ** নয়াদিল্লির একটি অনুষ্ঠানে এল. কে. আডবাণী। [https://www.rediff.com/news/2001/dec/14parl21.htm পার্লামেন্ট অ্যাটাক: আডবাণী পয়েন্টস টুয়ার্ডস নেইবারিং কান্ট্রি]। * আহমেদাবাদ এবং দেশের অন্যান্য শহরে ধারাবাহিক বোমা বিস্ফোরণের জন্য দায়ী সর্বভারতীয় সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কটি গুড়িয়ে দেওয়ার মাধ্যমে গুজরাত সরকার এবং বিশেষ করে রাজ্য পুলিশ যে গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য অর্জন করেছে, তার জন্য আমি তাদের আন্তরিকভাবে অভিনন্দন জানাই। মুফতি আবু বশিরসহ ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা (যাকে এই সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কের মূল হোতা হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে) তা সত্যিই একটি বড় অর্জন। আমি আজ গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদির সাথে কথা বলেছি এবং তার সরকারের সাফল্যের জন্য তাকে অভিনন্দন জানিয়েছি। এই সাফল্য দেখায় যে সন্ত্রাসবাদের বিপদ দৃঢ়ভাবে মোকাবিলা করার সংকল্পবদ্ধ একটি সরকার অল্প সময়ে কী অর্জন করতে পারে। এটি কেন্দ্রের ইউপিএ সরকার সন্ত্রাসবাদের হুমকি মোকাবিলায় যে চরম স্বচ্ছতা ও ইচ্ছাশক্তির অভাব প্রদর্শন করেছে তার ঠিক বিপরীত। ** এল. কে. আডবাণী, [https://www.bjp.org/pressreleases/statement-shri-lk-advani-leader-opposition-lok-sabha-arrest-terrorists-behind প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে দেওয়া বিবৃতি]। * "আমি মহারাষ্ট্র কন্ট্রোল অফ অর্গানাইজড ক্রাইম অ্যাক্টের আদলে গুজরাত এবং রাজস্থানের রাজ্য আইনগুলোতে রাষ্ট্রপতির সম্মতির দাবি জানাব যা কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে অমীমাংসিত রয়েছে। গুজরাতের আইনটি গত চার বছর ধরে ঝুলে আছে।" ** এল. কে. আডবাণী। ২০০৮ সালে আহমেদাবাদে ধারাবাহিক বোমা বিস্ফোরণের পরদিন হিন্দুস্তান টাইমস-এ প্রকাশিত সংবাদ। == ১৯৯৮ সালের কোয়েম্বাটুর বোমা বিস্ফোরণ সম্পর্কে উক্তি == * তবে আমরা এখানে ধর্মনিরপেক্ষ সংবাদিকতার আগাগোড়া যে বিশ্রী অসততা বিদ্যমান তা নিয়ে আলোচনা অন্তর্ভুক্ত করতে পারছি না। আপাতত আমরা কেবল মীরা কামদার এল. কে. আডবাণী সম্পর্কে যা যা এড়িয়ে গেছেন সেদিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই যে, আডবাণী তার জীবনের ওপর বেশ কয়েকটি হামলা থেকে বেঁচে গেছেন। সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছিল ১৯৯৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে কোয়েম্বাটুরে একটি নির্বাচনী সভার সময়, যেখানে আডবাণী দেরিতে পৌঁছানোর কারণে একজন ইসলামপন্থী বোমা হামলাকারী তাকে হত্যা করতে ব্যর্থ হয়। তবে এটি সেখানে উপস্থিত ৪০ জন বিজেপি কর্মীকে হত্যা করেছিল। ধনী ধর্মনিরপেক্ষ ব্যক্তি না হওয়ায় তারা কখনও সহায়ক "হুমকি" দ্বারা সতর্ক বার্তা পাননি। ** কোনরাড এলস্ট, ‘দ্য প্রবলেম উইথ সেকুলারিজম’ (২০০৭)। মীরা কামদারের প্রতি উত্তর। * আমদানিকৃত বিস্ফোরক ব্যবহারের আরেকটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা ছিল ১৯৯৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে কোয়েম্বাটুরে এল. কে. আডবাণীর ওপর বোমা হামলা যাতে ৫০ জনেরও বেশি বিজেপি কর্মী নিহত হন। ** কে. এলস্ট (২০১০)। ‘দ্য স্যাফরন স্বস্তিকা: দ্য নোশন অব "হিন্দু ফ্যাসিজম"’। পৃষ্ঠা ৭৪৩। * [[w:ভারতীয় জনতা পার্টি|ভারতীয় জনতা পার্টির]] (বিজেপি) বিরুদ্ধে এই [[ভারতে সন্ত্রাসবাদ|সন্ত্রাসবাদের]] ঢেউয়ে (যা ১৯৯৩ সালের মার্চ থেকে মাঝে মাঝেই আঘাত হানছে) রয়টার্স তার তথ্য গ্রাহকদের অনুমানের ওপর ছেড়ে দেয় যে শিকার কে ছিল এবং বিজেপি এই সহিংসতার হোতা নাকি লক্ষ্য ছিল। ৯৪ লাইনের রিপোর্টে কোথাও স্পষ্ট করা হয়নি যে এই সহিংসতা বিজেপির বিরুদ্ধে পরিচালিত হয়েছিল। যদিও এটিই ছিল প্রথম এবং একমাত্র তথ্য যা আমরা সাথে সাথেই নিশ্চিত হতে পারতাম। নীতিটি এমন মনে হয় যে হিন্দু আন্দোলনকে কোনোভাবেই কোনো কৃতিত্ব দেওয়া হবে না, এমনকি তাদের শহীদদেরও নয়। ** কে. এলস্ট (২০১০)। ‘দ্য স্যাফরন স্বস্তিকা: দ্য নোশন অব "হিন্দু ফ্যাসিজম"’। পৃষ্ঠা ৭৬০। * কোয়েম্বাটুরে সাম্প্রতিক বোমা হামলা যাতে বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মী নিহত হয়েছেন। এটিকে ‘নিউ ইয়র্ক টাইমস’-এ রাইখস্ট্যাগ অগ্নিকাণ্ডের সাথে তুলনা করা হয়েছে যা অ্যাডলফ হিটলার ক্ষমতা দখলের জন্য মঞ্চস্থ করেছিলেন। এর অন্তর্নিহিত অর্থ ছিল যে বিজেপি নির্বাচনী চাল হিসেবে নিজেরাই এই বোমা হামলার পরিকল্পনা করেছিল এবং তারা হিটলারের মতোই নিষ্ঠুর। ইসলামি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর সাথে যে এর যোগসূত্র ছিল তা পুরোপুরি উপেক্ষা করা হয়েছিল। ** ডেভিড ফ্রলি, ‘দ্য ইলেকশনস ইন ইন্ডিয়া’। কে. এলস্ট (২০১০) রচিত ‘দ্য স্যাফরন স্বস্তিকা: দ্য নোশন অব "হিন্দু ফ্যাসিজম"’, পৃষ্ঠা ৭৬০-এ উদ্ধৃত। == লালকৃষ্ণ আডবাণী সম্পর্কে উক্তি == * [লালকৃষ্ণ আডবাণী] প্রকৃতপক্ষে বর্তমানে অবশিষ্ট থাকা সবচেয়ে দক্ষ, শান্ত মেজাজের, বিনয়ী এবং স্বচ্ছ রাজনীতিবিদদের একজন। ** খুশবন্ত সিং। ওয়াই. কে. মালিক এবং ভি. বি. সিং রচিত 'হিন্দু ন্যাশনালিস্টস ইন ইন্ডিয়া', পৃষ্ঠা ৪২-এ উদ্ধৃত। * সেই কারণেই আমি বলি যে জাতির একজন নেতা প্রয়োজন। ড. [[মনমোহন সিং]] তার প্রধানমন্ত্রিত্বের পাঁচ বছরে সব রাজ্য সফর পর্যন্ত করেননি, যেখানে আডবাণীজি এমন একজন নেতা যিনি কোনো না কোনো সময়ে আমাদের ৪০০টি জেলায় রাত কাটিয়েছেন। তিনি পুরো দেশকে চেনেন, তার ওপর কোনো দাগ নেই, তিনি কলঙ্কমুক্ত। বিভিন্ন মন্ত্রিসভায় দায়িত্ব পালন করার মাধ্যমে তার বিশাল প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা রয়েছে এবং তিনি প্রত্যেকের সন্তুষ্টি অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করেছেন – সেটি দিল্লির মেট্রোপলিটন কাউন্সিলের প্রধান নির্বাহী হিসেবেই হোক বা তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী কিংবা উপপ্রধানমন্ত্রী হিসেবেই হোক। আডবাণীজি সাধারণ স্তর থেকে উঠে এসে একজন গণনেতা হয়েছেন, এই দুইয়ের মধ্যে আকাশ-পাতাল পার্থক্য রয়েছে। ** নরেন্দ্র মোদি: [http://specials.rediff.com/election/2009/apr/08sld1-exclusive-interview-with-gujarat-chief-minister-narendra-modi.htm 'দ্য নেশন ইজ ওয়েটিং ফর এ স্ট্রং, এক্সপেরিয়েন্সড লিডার'], ''[[w:রেডিফ.কম|রেডিফ.কম]]'', ৮ এপ্রিল ২০০৯-এ দেওয়া সাক্ষাৎকার। * লালকৃষ্ণ আডবাণী, যিনি অযোধ্যা আন্দোলনের সম্মুখভাগে ছিলেন যতক্ষণ না বাবরি মসজিদ ধ্বংসের দৃশ্য দেখে তিনি অশ্রুসিক্ত হয়ে পড়েছিলেন। ভারতের সংবাদমাধ্যমগুলো যদি এতটা দুর্নীতিগ্রস্ত না হতো (ক্ষমতা দুর্নীতিগ্রস্ত করে এবং গণমাধ্যমের হাতে প্রচণ্ড ক্ষমতা থাকে), তবে তারা খুঁজে বের করত এবং আমাদের জানাত যে এই ধ্বংসের আসল মাস্টারমাইন্ড কে ছিল। তবে তার বদলে ভারতীয় গণমাধ্যম বছরের সেরা স্কুপটি প্রত্যাখ্যান করেছিল এবং আডবাণীকে দোষারোপ করার রাজনৈতিকভাবে সুবিধাজনক সংস্করণটির ওপর জোর দিয়েছিল, যা অনেকটা [[মহাত্মা গান্ধীর হত্যাকাণ্ড|মহাত্মা গান্ধীর হত্যাকাণ্ডে]] বীর সাভারকরকে ফাঁসানোর জন্য [[জওহরলাল নেহেরু|জওহরলাল নেহেরুর]] প্রচেষ্টার মতোই ছিল। ** কোনরাড এলস্ট (১৯৯৭)। 'বিজেপি ভিস-আ-ভিস হিন্দু রিসার্জেন্স'। * তবে আমরা এই নিবন্ধে ধর্মনিরপেক্ষ সাংবাদিকতার আগাগোড়া যে বিশ্রী অসততা বিদ্যমান তা নিয়ে আলোচনা অন্তর্ভুক্ত করতে পারছি না। আপাতত আমরা কেবল মীরা কামদার আডবাণী সম্পর্কে যা যা এড়িয়ে গেছেন সেদিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই যে আডবাণী তার জীবনের ওপর বেশ কয়েকটি হামলা থেকে বেঁচে গেছেন। সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছিল ১৯৯৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে কোয়েম্বাটুরে একটি নির্বাচনী সভার সময়, যেখানে আডবাণী দেরিতে পৌঁছানোর কারণে একজন ইসলামপন্থী বোমা হামলাকারী তাকে হত্যা করতে ব্যর্থ হয়। তবে এটি সেখানে উপস্থিত ৪০ জন বিজেপি কর্মীকে হত্যা করেছিল। ধনী ধর্মনিরপেক্ষ ব্যক্তি না হওয়ায় তারা কখনও সহায়ক "হুমকি" দ্বারা সতর্ক বার্তা পাননি। [...] আমরা দেখতে পাই অধ্যাপক হ্যানসেন আডবাণীকে "১৯৯৬ সালে একটি বিশাল দুর্নীতি কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত" হিসেবে বর্ণনা করে তার ওপর সন্দেহ পোষণ করছেন (পৃষ্ঠা ২৬৬), অথচ তদন্তে যে তিনি সমস্ত অভিযোগ থেকে সম্পূর্ণ নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছিলেন তা উল্লেখ করেননি (যে অভিযোগগুলো ছিল সামান্য এবং সেই "বিশাল" কেলেঙ্কারিটি মূলত ডজন ডজন কংগ্রেসী ধর্মনিরপেক্ষদের সাথে সংশ্লিষ্ট ছিল, যা হ্যানসেন ব্যাখ্যা করতে ব্যর্থ হয়েছেন)। ** কোনরাড এলস্ট। 'দ্য প্রবলেম উইথ সেকুলারিজম' (২০০৭)। মীরা কামদারের প্রতি উত্তর। == আরও দেখুন == *[[রাম রথযাত্রা]] == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} *[http://lkadvani.in/excerpts-4.php এল. কে. আডবাণীর 'মাই কান্ট্রি, মাই লাইফ' থেকে কিছু অংশ] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় জনতা পার্টির রাজনীতিবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:আত্মজীবনীকার]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবনীকার]] [[বিষয়শ্রেণী:হিন্দু জাতীয়তাবাদী]] [[বিষয়শ্রেণী:বন্দী]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯২৭-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:করাচির ব্যক্তি]] m67fsf3l9i6571qqg67onj1shnjb3a9 79812 79811 2026-04-22T18:06:08Z Tuhin 172 79812 wikitext text/x-wiki [[file:Lkadvani.jpg|thumb|২০০৯ সালে আডবাণী]] '''[[w:লালকৃষ্ণ আডবাণী|লালকৃষ্ণ আডবাণী]]''' (জন্ম ৮ নভেম্বর ১৯২৭) একজন ভারতীয় রাজনীতিবিদ এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব যিনি ২০০২ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত ভারতের সপ্তম [[ভারতের প্রধানমন্ত্রী|উপপ্রধানমন্ত্রী]] হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি [[w:ভারতীয় জনতা পার্টি|ভারতীয় জনতা পার্টির]] (বিজেপি) অন্যতম সহ-প্রতিষ্ঠাতা এবং ডানপন্থী [[হিন্দুত্ব|হিন্দুত্ববাদী]] সংগঠন [[রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ|রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের]] (আরএসএস) একজন সদস্য। == উক্তি == * আপনাদের কেবল মাথা নত করতে বলা হয়েছিল, কিন্তু আপনারা হামাগুড়ি দেওয়া বেছে নিলেন। ** জরুরি অবস্থার সময় সংবাদপত্রের ওপর আরোপিত সেন্সরশিপ সম্পর্কে এল. কে. আডবাণী। ''নিউ ইয়র্ক টাইমস''-এ উদ্ধৃত [https://www.nytimes.com/2014/07/28/opinion/Indias-Press-Under-Siege.html]। পূর্ণ উক্তি: যখন ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী ২৫ জুন ১৯৭৫ সালে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন, তখন তিনি অবিলম্বে সংবাদপত্রের ওপর কঠোর সেন্সরশিপ আরোপ করেন। কিছু অবাধ্য ব্যতিক্রম ছাড়া সংবাদমাধ্যমের বড় একটি অংশ দ্রুত নতুন নিয়মের কাছে নতি স্বীকার করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে জরুরি অবস্থার সময় কারাবরণকারী ভারতীয় জনতা পার্টির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা এল. কে. আডবাণী পরে মন্তব্য করেন যে আপনাদের কেবল মাথা নত করতে বলা হয়েছিল, কিন্তু আপনারা হামাগুড়ি দেওয়া বেছে নিলেন। * করসেবকদের জন্য গুলি এবং [[w:বিরিয়ানি|বিরিয়ানি]] [[কাশ্মীর সংঘাত|কাশ্মীরি জঙ্গিদের]] জন্য। ** চর-ই-শরিফ মসজিদ অবরোধের সময় হিন্দু করসেবকদের আন্দোলনের প্রতি সরকারের কঠোর আচরণ এবং সশস্ত্র কাশ্মীরি জঙ্গিদের বিরিয়ানি সরবরাহের বৈপরীত্য সম্পর্কে আডবাণীর মন্তব্য। কোনরাড এলস্ট (২০০১) রচিত ''ডিকলোনাইজিং দ্য হিন্দু মাইন্ড'' থেকে উদ্ধৃত। নিউ দিল্লি: রুপা. পৃষ্ঠা ৫৮ * ভারতের গুরুত্বপূর্ণ হিন্দু সত্তার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করা উচিত নয়। ** কোনরাড এলস্ট (২০০১) রচিত ''ডিকলোনাইজিং দ্য হিন্দু মাইন্ড'', পৃষ্ঠা ১৭১ থেকে উদ্ধৃত। * সর্বোপরি, ১৯৮৯ সালের সংসদীয় নির্বাচনে কংগ্রেস দলের পরাজয় ছিল ভারতের গণতান্ত্রিক শক্তির জন্য একটি বড় বিজয়। এই বিজয়ের অর্জনগুলোকে সুসংহত করার প্রয়োজন ছিল। এই লক্ষ্যে ১০ আগস্ট নয়াদিল্লিতে কোনরাড এলস্টের বই ‘রাম জন্মভূমি বনাম বাবরি মসজিদ: এ কেস স্টাডি ইন হিন্দু মুসলিম কনফ্লিক্ট’ প্রকাশের অনুষ্ঠানে আমি একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ গ্রহণ করি। আমি মুসলিম নেতাদের প্রস্তাব দিয়েছিলাম যে যদি রাম জন্মভূমির ওপর থেকে মুসলিম দাবি স্বেচ্ছায় প্রত্যাহার করা হয় এবং রাম মন্দির নির্মাণের পথ প্রশস্ত হয়, তবে আমি ব্যক্তিগতভাবে ভিএইচপি নেতাদের অনুরোধ করব মথুরা ও বারাণসীর হিন্দু তীর্থস্থানগুলোর ওপর তাদের দাবি ত্যাগ করতে। যখন মুসলিম নেতারা এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন, তখন আমি গভীরভাবে হতাশ হয়েছিলাম। ** এল. কে. আডবাণী, ''মাই কান্ট্রি মাই লাইফ'' (২০০৮)। আইএসবিএন ৯৭৮-৮১-২৯১-১৩৬৩-৪, পৃষ্ঠা ৩৭১। * ড. [[কোনরাড এলস্ট|কোনরাড এলস্ট]] তার দুই খণ্ডের বই ‘দ্য স্যাফরন স্বস্তিকা’-তে মিডিয়ার একাংশ দ্বারা বিজেপির ওপর করা মানহানিকর আক্রমণের জবাব দিতে অকাট্য তথ্য উপস্থাপন করেছেন। [[রাম রথযাত্রা|রথযাত্রা]] সম্পর্কে তিনি লিখেছেন যে ১৯৯০ সালের অক্টোবরে সোমনাথ থেকে [[অযোধ্যা]] পর্যন্ত আডবাণীর তথাকথিত রক্তক্ষয়ী রথযাত্রা মোটেও কোনো রক্তক্ষয়ী বিষয় ছিল না। ওই একই সময়ে যখন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে (বিশেষ করে হায়দ্রাবাদ, কর্ণাটক এবং উত্তরপ্রদেশে) ব্যাপক দাঙ্গা হচ্ছিল এবং মোট প্রায় ৬০০ মানুষ নিহত হয়েছিল, তখন রথযাত্রার পথে কোনো দাঙ্গাই হয়নি। তবে একটি ঘটনা ঘটেছিল যেখানে উচ্চবর্ণের ছাত্ররা আডবাণীর ওপর পাথর ছুড়েছিল কারণ তিনি ভি. পি. সিংয়ের প্রবর্তিত জাতিভিত্তিক সংরক্ষণের বিরুদ্ধে তাদের আন্দোলনকে সমর্থন না করে তাদের হতাশ করেছিলেন। তবুও সেখানে কেউ নিহত বা গুরুতর আহত হয়নি। এটি ভারতীয় ইংরেজি গণমাধ্যমের মানের একটি পরিচায়ক যে তারা একটি সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ শোভাযাত্রাকে (যা দাঙ্গায় বিপর্যস্ত দেশে শৃঙ্খলার একটি দ্বীপের মতো ছিল) একটি প্রবাদপ্রতিম রক্তক্ষয়ী ঘটনায় (“আডবাণীর রক্তযাত্রা”) পরিণত করতে সক্ষম হয়েছে। এটি বেশ দেখার মতো বিষয় ছিল যে সংবাদপত্রের সম্পাদকীয়গুলোতে আডবাণীকে সেই সব সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার জন্য দায়ী করা হচ্ছিল যেগুলোর প্রকৃত এবং আডবাণী-অসংলগ্ন কারণগুলো একই কাগজের অন্য পাতায় দেওয়া ছিল। আডবাণী তার রথযাত্রা নিয়ে কোনো দাঙ্গা থেকে ৫০০ মাইল দূরে থাকুন, অথবা গ্রেপ্তার থাকুন, কিংবা অযোধ্যা আন্দোলনের জোয়ার শেষ হওয়ার পর ঘরে ফিরে আসুন, ১৯৯০ সালের দ্বিতীয়ার্ধে ভারতের প্রতিটি দাঙ্গার জন্য তাকেই দায়ী করা হয়েছিল। ** এল. কে. আডবাণী, ''মাই কান্ট্রি মাই লাইফ'' (২০০৮), [[কোনরাড এলস্ট|কোনরাড এলস্ট]]-এর ‘দ্য স্যাফরন স্বস্তিকা’ (২০০১) থেকে উদ্ধৃত। * এই বিস্ফোরণগুলো এই হামলাগুলো প্রতিহত করতে রাজ্যগুলোর অক্ষমতারই প্রতিফলন। ** এল. কে. আডবাণী, ২০০৮ সালে জয়পুর বোমা বিস্ফোরণ সম্পর্কে। ভুপেন্দ্র চৌবে লিখিত [http://www.ibnlive.com/news/blame-game-politics-over-jaipur-blasts-begin/65286-3.html "ব্লেম গেম, পলিটিক্স ওভার জয়পুর ব্লাস্টস বিগিন"], [[সিএনএন-আইবিএন|আইবিএন লাইভ]], ১৫ মে ২০০৮। * আমরা গতকালের ঘটনা সম্পর্কে কিছু সূত্র পেয়েছি যা দেখায় যে একটি প্রতিবেশী দেশ এবং সেখানে সক্রিয় কিছু সন্ত্রাসী সংগঠন এর পেছনে রয়েছে। ** নয়াদিল্লির একটি অনুষ্ঠানে এল. কে. আডবাণী। [https://www.rediff.com/news/2001/dec/14parl21.htm পার্লামেন্ট অ্যাটাক: আডবাণী পয়েন্টস টুয়ার্ডস নেইবারিং কান্ট্রি]। * আহমেদাবাদ এবং দেশের অন্যান্য শহরে ধারাবাহিক বোমা বিস্ফোরণের জন্য দায়ী সর্বভারতীয় সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কটি গুড়িয়ে দেওয়ার মাধ্যমে গুজরাত সরকার এবং বিশেষ করে রাজ্য পুলিশ যে গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য অর্জন করেছে, তার জন্য আমি তাদের আন্তরিকভাবে অভিনন্দন জানাই। মুফতি আবু বশিরসহ ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা (যাকে এই সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কের মূল হোতা হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে) তা সত্যিই একটি বড় অর্জন। আমি আজ গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদির সাথে কথা বলেছি এবং তার সরকারের সাফল্যের জন্য তাকে অভিনন্দন জানিয়েছি। এই সাফল্য দেখায় যে সন্ত্রাসবাদের বিপদ দৃঢ়ভাবে মোকাবিলা করার সংকল্পবদ্ধ একটি সরকার অল্প সময়ে কী অর্জন করতে পারে। এটি কেন্দ্রের ইউপিএ সরকার সন্ত্রাসবাদের হুমকি মোকাবিলায় যে চরম স্বচ্ছতা ও ইচ্ছাশক্তির অভাব প্রদর্শন করেছে তার ঠিক বিপরীত। ** এল. কে. আডবাণী, [https://www.bjp.org/pressreleases/statement-shri-lk-advani-leader-opposition-lok-sabha-arrest-terrorists-behind প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে দেওয়া বিবৃতি]। * "আমি মহারাষ্ট্র কন্ট্রোল অফ অর্গানাইজড ক্রাইম অ্যাক্টের আদলে গুজরাত এবং রাজস্থানের রাজ্য আইনগুলোতে রাষ্ট্রপতির সম্মতির দাবি জানাব যা কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে অমীমাংসিত রয়েছে। গুজরাতের আইনটি গত চার বছর ধরে ঝুলে আছে।" ** এল. কে. আডবাণী। ২০০৮ সালে আহমেদাবাদে ধারাবাহিক বোমা বিস্ফোরণের পরদিন হিন্দুস্তান টাইমস-এ প্রকাশিত সংবাদ। == [[১৯৯৮ কোয়েম্বাটুর বোমা হামলা]] সম্পর্কে উক্তি == * তবে আমরা এখানে ধর্মনিরপেক্ষ সংবাদিকতার আগাগোড়া যে বিশ্রী অসততা বিদ্যমান তা নিয়ে আলোচনা অন্তর্ভুক্ত করতে পারছি না। আপাতত আমরা কেবল মীরা কামদার এল. কে. আডবাণী সম্পর্কে যা যা এড়িয়ে গেছেন সেদিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই যে, আডবাণী তার জীবনের ওপর বেশ কয়েকটি হামলা থেকে বেঁচে গেছেন। সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছিল ১৯৯৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে কোয়েম্বাটুরে একটি নির্বাচনী সভার সময়, যেখানে আডবাণী দেরিতে পৌঁছানোর কারণে একজন ইসলামপন্থী বোমা হামলাকারী তাকে হত্যা করতে ব্যর্থ হয়। তবে এটি সেখানে উপস্থিত ৪০ জন বিজেপি কর্মীকে হত্যা করেছিল। ধনী ধর্মনিরপেক্ষ ব্যক্তি না হওয়ায় তারা কখনও সহায়ক "হুমকি" দ্বারা সতর্ক বার্তা পাননি। ** কোনরাড এলস্ট, ‘দ্য প্রবলেম উইথ সেকুলারিজম’ (২০০৭)। মীরা কামদারের প্রতি উত্তর। * আমদানিকৃত বিস্ফোরক ব্যবহারের আরেকটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা ছিল ১৯৯৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে কোয়েম্বাটুরে এল. কে. আডবাণীর ওপর বোমা হামলা যাতে ৫০ জনেরও বেশি বিজেপি কর্মী নিহত হন। ** কে. এলস্ট (২০১০)। ‘দ্য স্যাফরন স্বস্তিকা: দ্য নোশন অব "হিন্দু ফ্যাসিজম"’। পৃষ্ঠা ৭৪৩। * [[w:ভারতীয় জনতা পার্টি|ভারতীয় জনতা পার্টির]] (বিজেপি) বিরুদ্ধে এই [[ভারতে সন্ত্রাসবাদ|সন্ত্রাসবাদের]] ঢেউয়ে (যা ১৯৯৩ সালের মার্চ থেকে মাঝে মাঝেই আঘাত হানছে) রয়টার্স তার তথ্য গ্রাহকদের অনুমানের ওপর ছেড়ে দেয় যে শিকার কে ছিল এবং বিজেপি এই সহিংসতার হোতা নাকি লক্ষ্য ছিল। ৯৪ লাইনের রিপোর্টে কোথাও স্পষ্ট করা হয়নি যে এই সহিংসতা বিজেপির বিরুদ্ধে পরিচালিত হয়েছিল। যদিও এটিই ছিল প্রথম এবং একমাত্র তথ্য যা আমরা সাথে সাথেই নিশ্চিত হতে পারতাম। নীতিটি এমন মনে হয় যে হিন্দু আন্দোলনকে কোনোভাবেই কোনো কৃতিত্ব দেওয়া হবে না, এমনকি তাদের শহীদদেরও নয়। ** কে. এলস্ট (২০১০)। ‘দ্য স্যাফরন স্বস্তিকা: দ্য নোশন অব "হিন্দু ফ্যাসিজম"’। পৃষ্ঠা ৭৬০। * কোয়েম্বাটুরে সাম্প্রতিক বোমা হামলা যাতে বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মী নিহত হয়েছেন। এটিকে ‘নিউ ইয়র্ক টাইমস’-এ রাইখস্ট্যাগ অগ্নিকাণ্ডের সাথে তুলনা করা হয়েছে যা অ্যাডলফ হিটলার ক্ষমতা দখলের জন্য মঞ্চস্থ করেছিলেন। এর অন্তর্নিহিত অর্থ ছিল যে বিজেপি নির্বাচনী চাল হিসেবে নিজেরাই এই বোমা হামলার পরিকল্পনা করেছিল এবং তারা হিটলারের মতোই নিষ্ঠুর। ইসলামি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর সাথে যে এর যোগসূত্র ছিল তা পুরোপুরি উপেক্ষা করা হয়েছিল। ** ডেভিড ফ্রলি, ‘দ্য ইলেকশনস ইন ইন্ডিয়া’। কে. এলস্ট (২০১০) রচিত ‘দ্য স্যাফরন স্বস্তিকা: দ্য নোশন অব "হিন্দু ফ্যাসিজম"’, পৃষ্ঠা ৭৬০-এ উদ্ধৃত। == লালকৃষ্ণ আডবাণী সম্পর্কে উক্তি == * [লালকৃষ্ণ আডবাণী] প্রকৃতপক্ষে বর্তমানে অবশিষ্ট থাকা সবচেয়ে দক্ষ, শান্ত মেজাজের, বিনয়ী এবং স্বচ্ছ রাজনীতিবিদদের একজন। ** খুশবন্ত সিং। ওয়াই. কে. মালিক এবং ভি. বি. সিং রচিত 'হিন্দু ন্যাশনালিস্টস ইন ইন্ডিয়া', পৃষ্ঠা ৪২-এ উদ্ধৃত। * সেই কারণেই আমি বলি যে জাতির একজন নেতা প্রয়োজন। ড. [[মনমোহন সিং]] তার প্রধানমন্ত্রিত্বের পাঁচ বছরে সব রাজ্য সফর পর্যন্ত করেননি, যেখানে আডবাণীজি এমন একজন নেতা যিনি কোনো না কোনো সময়ে আমাদের ৪০০টি জেলায় রাত কাটিয়েছেন। তিনি পুরো দেশকে চেনেন, তার ওপর কোনো দাগ নেই, তিনি কলঙ্কমুক্ত। বিভিন্ন মন্ত্রিসভায় দায়িত্ব পালন করার মাধ্যমে তার বিশাল প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা রয়েছে এবং তিনি প্রত্যেকের সন্তুষ্টি অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করেছেন – সেটি দিল্লির মেট্রোপলিটন কাউন্সিলের প্রধান নির্বাহী হিসেবেই হোক বা তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী কিংবা উপপ্রধানমন্ত্রী হিসেবেই হোক। আডবাণীজি সাধারণ স্তর থেকে উঠে এসে একজন গণনেতা হয়েছেন, এই দুইয়ের মধ্যে আকাশ-পাতাল পার্থক্য রয়েছে। ** নরেন্দ্র মোদি: [http://specials.rediff.com/election/2009/apr/08sld1-exclusive-interview-with-gujarat-chief-minister-narendra-modi.htm 'দ্য নেশন ইজ ওয়েটিং ফর এ স্ট্রং, এক্সপেরিয়েন্সড লিডার'], ''[[w:রেডিফ.কম|রেডিফ.কম]]'', ৮ এপ্রিল ২০০৯-এ দেওয়া সাক্ষাৎকার। * লালকৃষ্ণ আডবাণী, যিনি অযোধ্যা আন্দোলনের সম্মুখভাগে ছিলেন যতক্ষণ না বাবরি মসজিদ ধ্বংসের দৃশ্য দেখে তিনি অশ্রুসিক্ত হয়ে পড়েছিলেন। ভারতের সংবাদমাধ্যমগুলো যদি এতটা দুর্নীতিগ্রস্ত না হতো (ক্ষমতা দুর্নীতিগ্রস্ত করে এবং গণমাধ্যমের হাতে প্রচণ্ড ক্ষমতা থাকে), তবে তারা খুঁজে বের করত এবং আমাদের জানাত যে এই ধ্বংসের আসল মাস্টারমাইন্ড কে ছিল। তবে তার বদলে ভারতীয় গণমাধ্যম বছরের সেরা স্কুপটি প্রত্যাখ্যান করেছিল এবং আডবাণীকে দোষারোপ করার রাজনৈতিকভাবে সুবিধাজনক সংস্করণটির ওপর জোর দিয়েছিল, যা অনেকটা [[মহাত্মা গান্ধীর হত্যাকাণ্ড|মহাত্মা গান্ধীর হত্যাকাণ্ডে]] বীর সাভারকরকে ফাঁসানোর জন্য [[জওহরলাল নেহেরু|জওহরলাল নেহেরুর]] প্রচেষ্টার মতোই ছিল। ** কোনরাড এলস্ট (১৯৯৭)। 'বিজেপি ভিস-আ-ভিস হিন্দু রিসার্জেন্স'। * তবে আমরা এই নিবন্ধে ধর্মনিরপেক্ষ সাংবাদিকতার আগাগোড়া যে বিশ্রী অসততা বিদ্যমান তা নিয়ে আলোচনা অন্তর্ভুক্ত করতে পারছি না। আপাতত আমরা কেবল মীরা কামদার আডবাণী সম্পর্কে যা যা এড়িয়ে গেছেন সেদিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই যে আডবাণী তার জীবনের ওপর বেশ কয়েকটি হামলা থেকে বেঁচে গেছেন। সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছিল ১৯৯৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে কোয়েম্বাটুরে একটি নির্বাচনী সভার সময়, যেখানে আডবাণী দেরিতে পৌঁছানোর কারণে একজন ইসলামপন্থী বোমা হামলাকারী তাকে হত্যা করতে ব্যর্থ হয়। তবে এটি সেখানে উপস্থিত ৪০ জন বিজেপি কর্মীকে হত্যা করেছিল। ধনী ধর্মনিরপেক্ষ ব্যক্তি না হওয়ায় তারা কখনও সহায়ক "হুমকি" দ্বারা সতর্ক বার্তা পাননি। [...] আমরা দেখতে পাই অধ্যাপক হ্যানসেন আডবাণীকে "১৯৯৬ সালে একটি বিশাল দুর্নীতি কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত" হিসেবে বর্ণনা করে তার ওপর সন্দেহ পোষণ করছেন (পৃষ্ঠা ২৬৬), অথচ তদন্তে যে তিনি সমস্ত অভিযোগ থেকে সম্পূর্ণ নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছিলেন তা উল্লেখ করেননি (যে অভিযোগগুলো ছিল সামান্য এবং সেই "বিশাল" কেলেঙ্কারিটি মূলত ডজন ডজন কংগ্রেসী ধর্মনিরপেক্ষদের সাথে সংশ্লিষ্ট ছিল, যা হ্যানসেন ব্যাখ্যা করতে ব্যর্থ হয়েছেন)। ** কোনরাড এলস্ট। 'দ্য প্রবলেম উইথ সেকুলারিজম' (২০০৭)। মীরা কামদারের প্রতি উত্তর। == আরও দেখুন == *[[রাম রথযাত্রা]] == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} *[http://lkadvani.in/excerpts-4.php এল. কে. আডবাণীর 'মাই কান্ট্রি, মাই লাইফ' থেকে কিছু অংশ] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় জনতা পার্টির রাজনীতিবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:আত্মজীবনীকার]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবনীকার]] [[বিষয়শ্রেণী:হিন্দু জাতীয়তাবাদী]] [[বিষয়শ্রেণী:বন্দী]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯২৭-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:করাচির ব্যক্তি]] jxw3zw2p1zimj5fj28a29wg1r0tmsf7 মুসা সেরান্তোনিও 0 13224 79771 2026-04-22T14:56:22Z R1F4T 1240 "{{bw|মুসা সেরান্তোনিও}} হলেন আইসিসের একজন প্রাক্তন প্রচারক, যাঁকে সম্ভবত "অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে বিখ্যাত জিহাদি" বলা হয়। সেরান্তোনিও ২০০২ সালে [[ইসলাম]] ধর্ম গ্রহণ করেন, কয়েক..." দিয়ে পাতা তৈরি 79771 wikitext text/x-wiki {{bw|মুসা সেরান্তোনিও}} হলেন আইসিসের একজন প্রাক্তন প্রচারক, যাঁকে সম্ভবত "অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে বিখ্যাত জিহাদি" বলা হয়। সেরান্তোনিও ২০০২ সালে [[ইসলাম]] ধর্ম গ্রহণ করেন, কয়েক বছর পর তিনি একজন ইসলামি ধর্মপ্রচারক হন, এবং পরবর্তীতে খিলাফত পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও ইসলামিক স্টেটের সমর্থক হয়ে ওঠেন। তাকে একবার গ্রেপ্তার ও নির্বাসিত করা হয়েছে এবং বর্তমানে তিনি অস্ট্রেলিয়া থেকে নৌকায় করে দক্ষিণ ফিলিপাইনে আইএসআইএস-এর নিয়ন্ত্রিত এলাকায় যাওয়ার চেষ্টার দায়ে কারাদণ্ড ভোগ করছেন; ২০২৩ সালের মে মাসে তার মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে। kx5m87bwe57ahyy5euqafperhqqqqdl 79774 79771 2026-04-22T15:05:08Z R1F4T 1240 79774 wikitext text/x-wiki {{bw|মুসা সেরান্তোনিও}} হলেন আইসিসের একজন প্রাক্তন প্রচারক, যাঁকে সম্ভবত "অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে বিখ্যাত জিহাদি" বলা হয়। সেরান্তোনিও ২০০২ সালে [[ইসলাম]] ধর্ম গ্রহণ করেন, কয়েক বছর পর তিনি একজন ইসলামি ধর্মপ্রচারক হন, এবং পরবর্তীতে খিলাফত পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও ইসলামিক স্টেটের সমর্থক হয়ে ওঠেন। তাকে একবার গ্রেপ্তার ও নির্বাসিত করা হয়েছে এবং বর্তমানে তিনি অস্ট্রেলিয়া থেকে নৌকায় করে দক্ষিণ ফিলিপাইনে আইএসআইএস-এর নিয়ন্ত্রিত এলাকায় যাওয়ার চেষ্টার দায়ে কারাদণ্ড ভোগ করছেন; ২০২৩ সালের মে মাসে তার মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে। ==সেরান্তোনিও সম্পর্কে উক্তি== *দ্য আটলান্টিক-এর নিবন্ধে গ্রেম উড লিখেছেন, “বড় অক্ষরে আরবি প্রতিবর্ণীকরণগুলো সঠিক জায়গায় স্বরচিহ্ন দিয়ে পরিপাটিভাবে সাজিয়ে তিনি জিহাদ থেকে তাঁর ফিরে আসার যাত্রার ব্যাখ্যা দিয়েছেন।” সেরান্তোনিও চিঠিতে বলেছেন যে, বিগত ১৭ বছর ধরে তিনি সম্পূর্ণ ভুল ছিলেন। তিনি লিখেছেন, “আত্মঘাতী উন্মাদদের দ্বারা পরিচালিত স্বৈরাচারী মৃত্যু-উপাসক গোষ্ঠীতে ব্যক্তিদের নিজেদের উৎসর্গ করতে দেখাটাই যথেষ্ট খারাপ। এটা জানা যে, তাদের এই সিদ্ধান্তে আমারও হয়তো কোনো ভূমিকা ছিল, তা ভয়াবহ।” *কারাগারে থাকাকালীন সেরান্তোনিও আরও পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে কুরআন পড়তে শুরু করেন, বিশেষ করে সেই অংশগুলোর ওপর মনোযোগ দেন যা তাকে সবচেয়ে বেশি বিভ্রান্ত করত। এদের মধ্যে একজন ছিলেন যুল কারনাইন বা "দুই শিংওয়ালা" নামে পরিচিত ব্যক্তি, যিনি কুরআনের ১৮তম অধ্যায়ে আবির্ভূত হন এবং যাকে কখনও কখনও ভুলবশত আলেকজান্ডার দ্য গ্রেট বলে চিহ্নিত করা হয়। সেরান্তোনিও যুল কারনাইনের সাথে প্রকৃত আলেকজান্ডারের কোনো যোগসূত্র খুঁজে পাননি, কিন্তু তিনি যুল কারনাইনের সাথে আলেকজান্ডারের কাহিনীর একটি আরামাইক সংস্করণের যোগসূত্র খুঁজে পান, যা মূলত মনগড়া ছিল। তিনি ধারণা করেছিলেন যে আরামাইক সংস্করণটি কুরআনের হুবহু নকল, কিন্তু এর একটি অনুলিপি সংগ্রহ করে নিজে পাঠোদ্ধার করার পর তিনি এই সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে এর বিপরীতটাই অধিকতর বিশ্বাসযোগ্য। *সেরান্তোনিও আরও যোগ করেন, “যখন আমি বুঝতে পারলাম যে যুল কারনাইন আদৌ কোনো বাস্তব ব্যক্তি ছিলেন না, বরং তিনি আলেকজান্ডার দ্য গ্রেটের একটি কাল্পনিক বিবরণের উপর ভিত্তি করে রচিত, তখন আমার মনে তাৎক্ষণিকভাবে একটিই সম্ভাব্য উপসংহার এসে দাঁড়ায়: কুরআন ঐশ্বরিকভাবে অনুপ্রাণিত নয়।” *“অবশ্যই, আমি চাইতাম এই সবকিছু ১৭ বছর আগেই জানতে পারলে অনেক ঝামেলা এড়ানো যেত,” তিনি যোগ করেন। চেরান্তোনিও তাই শুধু আইএসআইএস-কেই নয়, বরং ইসলাম এবং সাধারণভাবে ধর্মকেও বর্জন করেছেন। *নাস্তিক হওয়ার পর থেকে লেখক রিচার্ড ডকিন্সকে অনুসরণ করলেও, সেরান্তোনিও উল্লেখ করেন যে তিনি ডকিন্সের বক্তব্যের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেন, কারণ ইসলাম সম্পর্কে লেখার সময় তিনি অনেক ভুল তথ্য দেন। *“ডকিন্স এমন একটি ধর্মগ্রন্থের উদ্ধৃতি দিয়েছেন যেখানে দাবি করা হয়েছে যে শহীদদের জান্নাতে ৭২ জন কুমারী দেওয়া হবে। ওই হাদিসটি নির্ভরযোগ্য নয়!” উডের সাথে একটি স্কাইপ সেশনে সেরান্তোনিও তার অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি দাবি করেন যে, আইসিসের বিরোধীরা, এমনকি বুদ্ধিজীবীরাও, জিহাদবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করার সময় অজ্ঞ হয়ে পড়েন এবং ভুলবশত বিশ্বাস করেন যে জিহাদিরা নিজেরাই বোকা। **[https://web.archive.org/web/https://www.opindia.com/2022/04/islam-inherently-violent-musa-cerantonio-isis-terrorist-australia-quit-islam/] থেকে উদ্ধৃত rzxjmhratkhc5gi73ls3etypxvvf3ib 79777 79774 2026-04-22T15:05:57Z R1F4T 1240 /* সেরান্তোনিও সম্পর্কে উক্তি */ 79777 wikitext text/x-wiki {{bw|মুসা সেরান্তোনিও}} হলেন আইসিসের একজন প্রাক্তন প্রচারক, যাঁকে সম্ভবত "অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে বিখ্যাত জিহাদি" বলা হয়। সেরান্তোনিও ২০০২ সালে [[ইসলাম]] ধর্ম গ্রহণ করেন, কয়েক বছর পর তিনি একজন ইসলামি ধর্মপ্রচারক হন, এবং পরবর্তীতে খিলাফত পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও ইসলামিক স্টেটের সমর্থক হয়ে ওঠেন। তাকে একবার গ্রেপ্তার ও নির্বাসিত করা হয়েছে এবং বর্তমানে তিনি অস্ট্রেলিয়া থেকে নৌকায় করে দক্ষিণ ফিলিপাইনে আইএসআইএস-এর নিয়ন্ত্রিত এলাকায় যাওয়ার চেষ্টার দায়ে কারাদণ্ড ভোগ করছেন; ২০২৩ সালের মে মাসে তার মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে। ==সেরান্তোনিও সম্পর্কে উক্তি== *দ্য আটলান্টিক-এর নিবন্ধে গ্রেম উড লিখেছেন, “বড় অক্ষরে আরবি প্রতিবর্ণীকরণগুলো সঠিক জায়গায় স্বরচিহ্ন দিয়ে পরিপাটিভাবে সাজিয়ে তিনি জিহাদ থেকে তাঁর ফিরে আসার যাত্রার ব্যাখ্যা দিয়েছেন।” সেরান্তোনিও চিঠিতে বলেছেন যে, বিগত ১৭ বছর ধরে তিনি সম্পূর্ণ ভুল ছিলেন। তিনি লিখেছেন, “আত্মঘাতী উন্মাদদের দ্বারা পরিচালিত স্বৈরাচারী মৃত্যু-উপাসক গোষ্ঠীতে ব্যক্তিদের নিজেদের উৎসর্গ করতে দেখাটাই যথেষ্ট খারাপ। এটা জানা যে, তাদের এই সিদ্ধান্তে আমারও হয়তো কোনো ভূমিকা ছিল, তা ভয়াবহ।” *কারাগারে থাকাকালীন সেরান্তোনিও আরও পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে কুরআন পড়তে শুরু করেন, বিশেষ করে সেই অংশগুলোর ওপর মনোযোগ দেন যা তাকে সবচেয়ে বেশি বিভ্রান্ত করত। এদের মধ্যে একজন ছিলেন যুল কারনাইন বা "দুই শিংওয়ালা" নামে পরিচিত ব্যক্তি, যিনি কুরআনের ১৮তম অধ্যায়ে আবির্ভূত হন এবং যাকে কখনও কখনও ভুলবশত আলেকজান্ডার দ্য গ্রেট বলে চিহ্নিত করা হয়। সেরান্তোনিও যুল কারনাইনের সাথে প্রকৃত আলেকজান্ডারের কোনো যোগসূত্র খুঁজে পাননি, কিন্তু তিনি যুল কারনাইনের সাথে আলেকজান্ডারের কাহিনীর একটি আরামাইক সংস্করণের যোগসূত্র খুঁজে পান, যা মূলত মনগড়া ছিল। তিনি ধারণা করেছিলেন যে আরামাইক সংস্করণটি কুরআনের হুবহু নকল, কিন্তু এর একটি অনুলিপি সংগ্রহ করে নিজে পাঠোদ্ধার করার পর তিনি এই সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে এর বিপরীতটাই অধিকতর বিশ্বাসযোগ্য। *সেরান্তোনিও আরও যোগ করেন, “যখন আমি বুঝতে পারলাম যে যুল কারনাইন আদৌ কোনো বাস্তব ব্যক্তি ছিলেন না, বরং তিনি আলেকজান্ডার দ্য গ্রেটের একটি কাল্পনিক বিবরণের উপর ভিত্তি করে রচিত, তখন আমার মনে তাৎক্ষণিকভাবে একটিই সম্ভাব্য উপসংহার এসে দাঁড়ায়: কুরআন ঐশ্বরিকভাবে অনুপ্রাণিত নয়।” *“অবশ্যই, আমি চাইতাম এই সবকিছু ১৭ বছর আগেই জানতে পারলে অনেক ঝামেলা এড়ানো যেত,” তিনি যোগ করেন। চেরান্তোনিও তাই শুধু আইএসআইএস-কেই নয়, বরং ইসলাম এবং সাধারণভাবে ধর্মকেও বর্জন করেছেন। *নাস্তিক হওয়ার পর থেকে লেখক রিচার্ড ডকিন্সকে অনুসরণ করলেও, সেরান্তোনিও উল্লেখ করেন যে তিনি ডকিন্সের বক্তব্যের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেন, কারণ ইসলাম সম্পর্কে লেখার সময় তিনি অনেক ভুল তথ্য দেন। *“ডকিন্স এমন একটি ধর্মগ্রন্থের উদ্ধৃতি দিয়েছেন যেখানে দাবি করা হয়েছে যে শহীদদের জান্নাতে ৭২ জন কুমারী দেওয়া হবে। ওই হাদিসটি নির্ভরযোগ্য নয়!” উডের সাথে একটি স্কাইপ সেশনে সেরান্তোনিও তার অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি দাবি করেন যে, আইসিসের বিরোধীরা, এমনকি বুদ্ধিজীবীরাও, জিহাদবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করার সময় অজ্ঞ হয়ে পড়েন এবং ভুলবশত বিশ্বাস করেন যে জিহাদিরা নিজেরাই বোকা। **[https://web.archive.org/web/https://www.opindia.com/2022/04/islam-inherently-violent-musa-cerantonio-isis-terrorist-australia-quit-islam/] থেকে উদ্ধৃত [[বিষয়শ্রেণী:অস্ট্রেলিয়ান ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:ইসলামপন্থী]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] m38owktyu4fni10mhm5t7go4fr7dmt2 আলাপ:লালকৃষ্ণ আডবাণী 1 13225 79776 2026-04-22T15:05:54Z Tuhin 172 https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026 79776 wikitext text/x-wiki {{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}} s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm আলাপ:মুসা সেরান্তোনিও 1 13226 79778 2026-04-22T15:06:26Z R1F4T 1240 https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026 79778 wikitext text/x-wiki {{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}} s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm আলাপ:থমাস হ্যারিয়ট 1 13227 79782 2026-04-22T15:16:42Z Asikur Rahman 2930 https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026 79782 wikitext text/x-wiki {{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}} s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm হিউ এভারেট 0 13228 79791 2026-04-22T16:00:07Z Sumanta3023 4175 "[[File:Hugh Everett III.jpg|thumb|হিউ এভারেট III]] '''[[w:হিউ এভারেট|হিউ এভারেট III]]''' (১১ নভেম্বর ১৯৩০ – ১৯ জুলাই ১৯৮২) ছিলেন একজন মার্কিন [[পদার্থবিজ্ঞানী]], যিনি প্রথম w:মেনি-ওয়ার্ল্ডস ইন্টারপ্রিটেশন|ক..." দিয়ে পাতা তৈরি 79791 wikitext text/x-wiki [[File:Hugh Everett III.jpg|thumb|হিউ এভারেট III]] '''[[w:হিউ এভারেট|হিউ এভারেট III]]''' (১১ নভেম্বর ১৯৩০ – ১৯ জুলাই ১৯৮২) ছিলেন একজন মার্কিন [[পদার্থবিজ্ঞানী]], যিনি প্রথম [[w:মেনি-ওয়ার্ল্ডস ইন্টারপ্রিটেশন|কোয়ান্টাম পদার্থবিজ্ঞানের বহু-বিশ্ব ব্যাখ্যা (মেনি-ওয়ার্ল্ডস ইন্টারপ্রিটেশন)]] প্রস্তাব করেছিলেন, যেটিকে তিনি তাঁর "আপেক্ষিক অবস্থা" (রিলেটিভ স্টেট) সূত্রায়ন হিসেবে অভিহিত করতেন। অন্যান্য পদার্থবিজ্ঞানীদের কাছ থেকে তাঁর তত্ত্বের প্রতি সাড়া না পেয়ে হতাশ হয়ে তিনি পিএইচডি সম্পন্ন করার পর পদার্থবিজ্ঞান ছেড়ে দেন। তিনি [[ক্রিয়াকলাপ গবেষণা|অপারেশনস রিসার্চে]] সাধারণীকৃত [[w:ল্যাগ্রাঞ্জ মাল্টিপ্লায়ার|ল্যাগ্রাঞ্জ মাল্টিপ্লায়ারের]] ব্যবহারের উন্নয়ন ঘটান এবং প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও পরামর্শক হিসেবে এটি বাণিজ্যিকভাবে প্রয়োগ করে কোটিপতি (মাল্টি-মিলিয়নেয়ার) হয়ে ওঠেন। == উক্তি == *'''[[w:কোয়ান্টাম মেকানিক্স|কোয়ান্টাম মেকানিক্সকে]] এমনভাবে পুনর্গঠিত করা হয়েছে, যা কোনো বাহ্যিক পর্যবেক্ষক কর্তৃক একটি সিস্টেম পর্যবেক্ষণের বিশেষ প্রক্রিয়ার ওপর বর্তমান নির্ভরশীলতাকে দূর করে।''' ** [https://s3-us-west-2.amazonaws.com/rikolti-content/media/28/Everett%20short%20thesis%20as%20defended.pdf এভারেটের থিসিসের সংক্ষিপ্ত সংস্করণের বিমূর্তের শুরুর বাক্য], "অন দ্য ফাউন্ডেশনস অফ কোয়ান্টাম মেকানিক্স" (১৯৫৭ সালে সমর্থিত); এছাড়াও ''[[w:প্যারালাল ওয়ার্ল্ডস, প্যারালাল লাইভস|প্যারালাল ওয়ার্ল্ডস, প্যারালাল লাইভস]]'' (২০০৭, পিবিএস নোভা)-এ উদ্ধৃত। *একটি উপমা হিসেবে ভালো স্মৃতিশক্তিসম্পন্ন একজন বুদ্ধিমান অ্যামিবার কথা কল্পনা করা যেতে পারে। সময়ের সাথে সাথে অ্যামিবাটি অনবরত বিভক্ত হচ্ছে, এবং প্রতিবার উৎপন্ন নতুন অ্যামিবাগুলোর স্মৃতি তাদের আদি অ্যামিবার মতোই থাকে। ফলস্বরূপ আমাদের এই অ্যামিবার কোনো জীবন-রেখা নেই, বরং একটি জীবন-বৃক্ষ আছে। ** তাঁর ডক্টরাল গবেষণাপত্রের একটি প্রাথমিক খসড়ায় (১৯৫০-এর দশক), প্রতিবার পর্যবেক্ষণের সময় [[w:মেনি-ওয়ার্ল্ডস ইন্টারপ্রিটেশন|বহু-বিশ্বে]] ব্যক্তিদের বিভাজন বা শাখায়িত হওয়ার চিত্র তুলে ধরতে এটি ব্যবহৃত। হিউ এভারেটের কাজের ওপর নির্মিত পিবিএস নোভার ডকুমেন্টারি ''[[w:প্যারালাল ওয়ার্ল্ডস, প্যারালাল লাইভস|প্যারালাল ওয়ার্ল্ডস, প্যারালাল লাইভসের]]'' [http://www.pbs.org/wgbh/nova/manyworlds/original.html মূল নথিপত্রে] এটি পাওয়া যাবে। *ধরে নেওয়া হয় যে ভৌত "বাস্তবতা" হলো সমগ্র মহাবিশ্বেরই তরঙ্গ অপেক্ষক (ওয়েভ ফাংশন)। ** তাঁর ডক্টরাল গবেষণাপত্রের একটি প্রাথমিক খসড়ায় (১৯৫০-এর দশক)। *[কোয়ান্টাম মেকানিক্সের বিষয়বস্তু এবং বিশ্বের দৃশ্যমান রূপ উভয়কে ব্যাখ্যা করার জন্য [[w:মেনি-ওয়ার্ল্ডস ইন্টারপ্রিটেশন|বহু-বিশ্ব ব্যাখ্যাই]] হলো] একমাত্র সম্পূর্ণ সুসংগত পদ্ধতি। ** [http://space.mit.edu/home/tegmark/everett/] থেকে প্রাপ্ত। == হিউ এভারেট সম্পর্কে == * হিউ এভারেটের কাজকে অনেকেই বহু-বিশ্বের (মেনি-ওয়ার্ল্ডস) প্রেক্ষাপটে বর্ণনা করেছেন, যার মূল ধারণাটি হলো বিভিন্ন বিকল্প ইতিহাস বা শাখায়িত ইতিহাসগুলোর প্রত্যেকটিকেই এক ধরণের বাস্তবতা প্রদান করা হয়েছে। ** [[w:মারে গেল-মান|মারে গেল-মান]] * আপনি যদি একটি আকর্ষণীয় দৃষ্টিভঙ্গি পেতে চান, তবে হিউকে ২০শ শতাব্দীর একজন ঐতিহ্যবাহী পদার্থবিজ্ঞানী হিসেবে না ভেবে বরং রেনেসাঁ যুগের একজন মানুষের মতো করে ভাবুন, যার অনেকগুলো ভিন্ন ভিন্ন ক্ষেত্রে আগ্রহ এবং দক্ষতা ছিল। তিনি অত্যন্ত বুদ্ধিমান ছিলেন এবং অনেক বিষয়ে তাঁর আগ্রহ ছিল; আর সেই সমস্যাগুলো সমাধানের জন্য তিনি একই ধরণের সাধারণ ধারণাগত [[পদ্ধতি|পদ্ধতি]] প্রয়োগ করতেন। তাঁর কাছে সমাধানের ধারণার চেয়ে বিষয়বস্তু খুব একটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল না। ** ডোনাল্ড রিসলার [http://space.mit.edu/home/tegmark/everett/everett.html] * কেউ একজন একবার মন্তব্য করেছিলেন যে, হিউ এভারেটকে একটি "জাতীয় সম্পদ" হিসেবে ঘোষণা করা উচিত ছিল এবং নতুন নতুন তত্ত্ব উদ্ভাবনের জন্য তাঁকে প্রয়োজনীয় সমস্ত সময় ও সুযোগ-সুবিধা দেওয়া উচিত ছিল। ** জোসেফ জর্জ ক্যালডওয়েল, "অ্যান হিস্টোরিকাল নোট অন ল্যাম্বডা কর্পোরেশন, হিউ এভারেট III, অ্যান্ড জন ন্যাশ।" [http://www.foundation.bw/HistoricalNote1.htm][http://space.mit.edu/home/tegmark/everett/everett.html] * আমার বাবা, হিউ এভারেট III, যিনি 'বহু-বিশ্ব তত্ত্বের' (মেনি-ওয়ার্ল্ডস থিওরি) জনক, প্রায় আঠারো বছর আমি তাঁর সাথে এক বাড়িতে থাকলেও মানুষ হিসেবে তিনি ছিলেন খুব শান্ত। পরে জানা যায় যে, একটি দুঃখজনক শৈশব এবং পরবর্তীতে তাকে একজন 'উন্মাদ' হিসেবে প্রত্যাখ্যান করার কারণে তিনি বিষণ্ণতায় ভুগতেন। এর অনেক পরে অত্যন্ত দেরিতে তাঁকে একজন জিনিয়াস হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। ** [[w:মার্ক অলিভার এভারেট|মার্ক অলিভার এভারেট]], ''থিংস দ্য গ্র্যান্ডচিলড্রেন শুড নো'', {{ISBN|978-0-316-02787-8}}, পৃষ্ঠা ১১ * বাবা নিজের স্বাস্থ্যের ঠিকমতো যত্ন নিতেন না বলে আমি কতটা রাগান্বিত ছিলাম, তা আমি ভাবি। তিনি কখনো ডাক্তারের কাছে যেতেন না, নিজের ওজন অসম্ভব বাড়িয়ে ফেলেছিলেন, দিনে তিন প্যাকেট সিগারেট খেতেন, প্রচুর মদ্যপান করতেন এবং কখনো ব্যায়াম করতেন না। কিন্তু এরপর আমি তাঁর এক সহকর্মীর কথা ভাবি, যিনি উল্লেখ করেছিলেন যেমৃত্যুর কয়েক দিন আগে আমার বাবা বলেছিলেন যে তিনি একটি ভালো জীবন কাটিয়েছেন এবং তিনি সন্তুষ্ট। আমি উপলব্ধি করি যে বাবার জীবনযাত্রার একটি নির্দিষ্ট মূল্য রয়েছে। তিনি নিজের ইচ্ছা অনুযায়ী খেয়েছেন, ধূমপান করেছেন এবং পান করেছেন, আর একদিন হঠাৎ করেই খুব দ্রুত মারা গেছেন। আমার দেখা অন্যান্য পরিস্থিতির তুলনায়, জীবনকে উপভোগ করা এবং তারপর দ্রুত মারা যাওয়া খুব একটা কঠিন পথ নয়। ** [[w:মার্ক অলিভার এভারেট|মার্ক অলিভার এভারেট]], ''থিংস দ্য গ্র্যান্ডচিলড্রেন শুড নো'', {{ISBN|978-0-316-02787-8}}, পৃষ্ঠা ২৩৫ == বহিঃসংযোগ == {{wikipedia}} {{DEFAULTSORT:এভারেট, হিউ}} [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাষ্ট্রের পদার্থবিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাষ্ট্রের গণিতবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাষ্ট্রের দার্শনিক]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৩০-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৮২-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাষ্ট্রের নাস্তিক]] [[বিষয়শ্রেণী:ওয়াশিংটন ডি.সি.-র ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] kjh70zalmrt6kucth927zzgl4ldqhu6 79792 79791 2026-04-22T16:01:10Z Sumanta3023 4175 79792 wikitext text/x-wiki '''[[w:হিউ এভারেট|হিউ এভারেট III]]''' (১১ নভেম্বর ১৯৩০ – ১৯ জুলাই ১৯৮২) ছিলেন একজন মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানী, যিনি প্রথম [[w:মেনি-ওয়ার্ল্ডস ইন্টারপ্রিটেশন|কোয়ান্টাম পদার্থবিজ্ঞানের বহু-বিশ্ব ব্যাখ্যা (মেনি-ওয়ার্ল্ডস ইন্টারপ্রিটেশন)]] প্রস্তাব করেছিলেন, যেটিকে তিনি তাঁর "আপেক্ষিক অবস্থা" (রিলেটিভ স্টেট) সূত্রায়ন হিসেবে অভিহিত করতেন। অন্যান্য পদার্থবিজ্ঞানীদের কাছ থেকে তাঁর তত্ত্বের প্রতি সাড়া না পেয়ে হতাশ হয়ে তিনি পিএইচডি সম্পন্ন করার পর পদার্থবিজ্ঞান ছেড়ে দেন। তিনি অপারেশনস রিসার্চে সাধারণীকৃত [[w:ল্যাগ্রাঞ্জ মাল্টিপ্লায়ার|ল্যাগ্রাঞ্জ মাল্টিপ্লায়ারের]] ব্যবহারের উন্নয়ন ঘটান এবং প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও পরামর্শক হিসেবে এটি বাণিজ্যিকভাবে প্রয়োগ করে কোটিপতি (মাল্টি-মিলিয়নেয়ার) হয়ে ওঠেন। == উক্তি == *'''[[w:কোয়ান্টাম মেকানিক্স|কোয়ান্টাম মেকানিক্সকে]] এমনভাবে পুনর্গঠিত করা হয়েছে, যা কোনো বাহ্যিক পর্যবেক্ষক কর্তৃক একটি সিস্টেম পর্যবেক্ষণের বিশেষ প্রক্রিয়ার ওপর বর্তমান নির্ভরশীলতাকে দূর করে।''' ** [https://s3-us-west-2.amazonaws.com/rikolti-content/media/28/Everett%20short%20thesis%20as%20defended.pdf এভারেটের থিসিসের সংক্ষিপ্ত সংস্করণের বিমূর্তের শুরুর বাক্য], "অন দ্য ফাউন্ডেশনস অফ কোয়ান্টাম মেকানিক্স" (১৯৫৭ সালে সমর্থিত); এছাড়াও ''[[w:প্যারালাল ওয়ার্ল্ডস, প্যারালাল লাইভস|প্যারালাল ওয়ার্ল্ডস, প্যারালাল লাইভস]]'' (২০০৭, পিবিএস নোভা)-এ উদ্ধৃত। *একটি উপমা হিসেবে ভালো স্মৃতিশক্তিসম্পন্ন একজন বুদ্ধিমান অ্যামিবার কথা কল্পনা করা যেতে পারে। সময়ের সাথে সাথে অ্যামিবাটি অনবরত বিভক্ত হচ্ছে, এবং প্রতিবার উৎপন্ন নতুন অ্যামিবাগুলোর স্মৃতি তাদের আদি অ্যামিবার মতোই থাকে। ফলস্বরূপ আমাদের এই অ্যামিবার কোনো জীবন-রেখা নেই, বরং একটি জীবন-বৃক্ষ আছে। ** তাঁর ডক্টরাল গবেষণাপত্রের একটি প্রাথমিক খসড়ায় (১৯৫০-এর দশক), প্রতিবার পর্যবেক্ষণের সময় [[w:মেনি-ওয়ার্ল্ডস ইন্টারপ্রিটেশন|বহু-বিশ্বে]] ব্যক্তিদের বিভাজন বা শাখায়িত হওয়ার চিত্র তুলে ধরতে এটি ব্যবহৃত। হিউ এভারেটের কাজের ওপর নির্মিত পিবিএস নোভার ডকুমেন্টারি ''[[w:প্যারালাল ওয়ার্ল্ডস, প্যারালাল লাইভস|প্যারালাল ওয়ার্ল্ডস, প্যারালাল লাইভসের]]'' [http://www.pbs.org/wgbh/nova/manyworlds/original.html মূল নথিপত্রে] এটি পাওয়া যাবে। *ধরে নেওয়া হয় যে ভৌত "বাস্তবতা" হলো সমগ্র মহাবিশ্বেরই তরঙ্গ অপেক্ষক (ওয়েভ ফাংশন)। ** তাঁর ডক্টরাল গবেষণাপত্রের একটি প্রাথমিক খসড়ায় (১৯৫০-এর দশক)। *[কোয়ান্টাম মেকানিক্সের বিষয়বস্তু এবং বিশ্বের দৃশ্যমান রূপ উভয়কে ব্যাখ্যা করার জন্য [[w:মেনি-ওয়ার্ল্ডস ইন্টারপ্রিটেশন|বহু-বিশ্ব ব্যাখ্যাই]] হলো] একমাত্র সম্পূর্ণ সুসংগত পদ্ধতি। ** [http://space.mit.edu/home/tegmark/everett/] থেকে প্রাপ্ত। == হিউ এভারেট সম্পর্কে == * হিউ এভারেটের কাজকে অনেকেই বহু-বিশ্বের (মেনি-ওয়ার্ল্ডস) প্রেক্ষাপটে বর্ণনা করেছেন, যার মূল ধারণাটি হলো বিভিন্ন বিকল্প ইতিহাস বা শাখায়িত ইতিহাসগুলোর প্রত্যেকটিকেই এক ধরণের বাস্তবতা প্রদান করা হয়েছে। ** [[w:মারে গেল-মান|মারে গেল-মান]] * আপনি যদি একটি আকর্ষণীয় দৃষ্টিভঙ্গি পেতে চান, তবে হিউকে ২০শ শতাব্দীর একজন ঐতিহ্যবাহী পদার্থবিজ্ঞানী হিসেবে না ভেবে বরং রেনেসাঁ যুগের একজন মানুষের মতো করে ভাবুন, যার অনেকগুলো ভিন্ন ভিন্ন ক্ষেত্রে আগ্রহ এবং দক্ষতা ছিল। তিনি অত্যন্ত বুদ্ধিমান ছিলেন এবং অনেক বিষয়ে তাঁর আগ্রহ ছিল; আর সেই সমস্যাগুলো সমাধানের জন্য তিনি একই ধরণের সাধারণ ধারণাগত [[পদ্ধতি|পদ্ধতি]] প্রয়োগ করতেন। তাঁর কাছে সমাধানের ধারণার চেয়ে বিষয়বস্তু খুব একটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল না। ** ডোনাল্ড রিসলার [http://space.mit.edu/home/tegmark/everett/everett.html] * কেউ একজন একবার মন্তব্য করেছিলেন যে, হিউ এভারেটকে একটি "জাতীয় সম্পদ" হিসেবে ঘোষণা করা উচিত ছিল এবং নতুন নতুন তত্ত্ব উদ্ভাবনের জন্য তাঁকে প্রয়োজনীয় সমস্ত সময় ও সুযোগ-সুবিধা দেওয়া উচিত ছিল। ** জোসেফ জর্জ ক্যালডওয়েল, "অ্যান হিস্টোরিকাল নোট অন ল্যাম্বডা কর্পোরেশন, হিউ এভারেট III, অ্যান্ড জন ন্যাশ।" [http://www.foundation.bw/HistoricalNote1.htm][http://space.mit.edu/home/tegmark/everett/everett.html] * আমার বাবা, হিউ এভারেট III, যিনি 'বহু-বিশ্ব তত্ত্বের' (মেনি-ওয়ার্ল্ডস থিওরি) জনক, প্রায় আঠারো বছর আমি তাঁর সাথে এক বাড়িতে থাকলেও মানুষ হিসেবে তিনি ছিলেন খুব শান্ত। পরে জানা যায় যে, একটি দুঃখজনক শৈশব এবং পরবর্তীতে তাকে একজন 'উন্মাদ' হিসেবে প্রত্যাখ্যান করার কারণে তিনি বিষণ্ণতায় ভুগতেন। এর অনেক পরে অত্যন্ত দেরিতে তাঁকে একজন জিনিয়াস হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। ** [[w:মার্ক অলিভার এভারেট|মার্ক অলিভার এভারেট]], ''থিংস দ্য গ্র্যান্ডচিলড্রেন শুড নো'', {{ISBN|978-0-316-02787-8}}, পৃষ্ঠা ১১ * বাবা নিজের স্বাস্থ্যের ঠিকমতো যত্ন নিতেন না বলে আমি কতটা রাগান্বিত ছিলাম, তা আমি ভাবি। তিনি কখনো ডাক্তারের কাছে যেতেন না, নিজের ওজন অসম্ভব বাড়িয়ে ফেলেছিলেন, দিনে তিন প্যাকেট সিগারেট খেতেন, প্রচুর মদ্যপান করতেন এবং কখনো ব্যায়াম করতেন না। কিন্তু এরপর আমি তাঁর এক সহকর্মীর কথা ভাবি, যিনি উল্লেখ করেছিলেন যেমৃত্যুর কয়েক দিন আগে আমার বাবা বলেছিলেন যে তিনি একটি ভালো জীবন কাটিয়েছেন এবং তিনি সন্তুষ্ট। আমি উপলব্ধি করি যে বাবার জীবনযাত্রার একটি নির্দিষ্ট মূল্য রয়েছে। তিনি নিজের ইচ্ছা অনুযায়ী খেয়েছেন, ধূমপান করেছেন এবং পান করেছেন, আর একদিন হঠাৎ করেই খুব দ্রুত মারা গেছেন। আমার দেখা অন্যান্য পরিস্থিতির তুলনায়, জীবনকে উপভোগ করা এবং তারপর দ্রুত মারা যাওয়া খুব একটা কঠিন পথ নয়। ** [[w:মার্ক অলিভার এভারেট|মার্ক অলিভার এভারেট]], ''থিংস দ্য গ্র্যান্ডচিলড্রেন শুড নো'', {{ISBN|978-0-316-02787-8}}, পৃষ্ঠা ২৩৫ == বহিঃসংযোগ == {{wikipedia}} {{DEFAULTSORT:এভারেট, হিউ}} [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাষ্ট্রের পদার্থবিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাষ্ট্রের গণিতবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাষ্ট্রের দার্শনিক]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৩০-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৮২-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাষ্ট্রের নাস্তিক]] [[বিষয়শ্রেণী:ওয়াশিংটন ডি.সি.-র ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] cfk6l7e86frqjz73ioyl3zf7mzaue21 আলাপ:হিউ এভারেট 1 13229 79793 2026-04-22T16:01:57Z Sumanta3023 4175 https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026 79793 wikitext text/x-wiki {{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}} s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm হান কাং 0 13230 79799 2026-04-22T16:44:09Z Md. Muqtadir Fuad 2944 "[[File:(G마켓x위즈돔)_DreaminG_비전강연워크샵_-23_소설가_한강_2m45s.jpg|thumb|270px|২০১৬ সালে হান কাং]] '''[[w:Han Kang|হান কাং]]''' (জন্ম [[নভেম্বর ২৭]], [[১৯৭০]]) দক্ষিণ কোরিয়ার একজন লেখক। তিনি ২০১৬ সালে তাঁর উপন্যাস ''দ্য ভেজিটেরিয়া..." দিয়ে পাতা তৈরি 79799 wikitext text/x-wiki [[File:(G마켓x위즈돔)_DreaminG_비전강연워크샵_-23_소설가_한강_2m45s.jpg|thumb|270px|২০১৬ সালে হান কাং]] '''[[w:Han Kang|হান কাং]]''' (জন্ম [[নভেম্বর ২৭]], [[১৯৭০]]) দক্ষিণ কোরিয়ার একজন লেখক। তিনি ২০১৬ সালে তাঁর উপন্যাস ''দ্য ভেজিটেরিয়ান''-এর জন্য ম্যান বুকার আন্তর্জাতিক পুরস্কার পান। ২০২৪ সালে তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। ==উক্তি== * মানুষ রেললাইনে পড়ে যাওয়া একটি শিশুকে বাঁচাতে নিজের জীবন দিতেও পিছপা হয় না। অথচ সেই মানুষই আবার ভয়ংকর সহিংসতার অপরাধী হতে পারে, যেমন [[Auschwitz]]-এ। মানুষের এই বিস্তৃত রূপ—মহৎ থেকে নিষ্ঠুর—আমার কাছে ছোটবেলা থেকেই এক কঠিন প্রশ্নের মতো। বলা যায়, মানুষের সহিংসতার এই বিষয়টিই আমার বইগুলোতে নানা রূপে ফিরে ফিরে এসেছে। ** উদ্ধৃত, [https://www.thewhitereview.org/feature/interview-with-han-kang/ "হান কাং-এর সাক্ষাৎকার"], ''দ্য হোয়াইট রিভিউ'' (মার্চ ২০১৬) * আমি মনে করি, ট্রমা এমন কিছু নয় যেটা শুধু সারিয়ে ফেলা যায়; বরং তাকে বুকে টেনে নিতে হয়। শোকও তেমন—এটি মৃতদের জন্য জীবিতদের ভেতরে একটি জায়গা তৈরি করে। সেই জায়গায় বারবার ফিরে যাওয়া, সারা জীবন ধরে তাকে নীরবে আর ব্যথা নিয়ে আঁকড়ে রাখা—হয়তো এভাবেই, এক অদ্ভুত বিরোধের মধ্য দিয়ে, জীবন সম্ভব হয়। ** উদ্ধৃত, [https://www.thewhitereview.org/feature/interview-with-han-kang/ "হান কাং-এর সাক্ষাৎকার"], ''দ্য হোয়াইট রিভিউ'' (মার্চ ২০১৬) * আমি ‘জাতীয়’ বা ‘সাহিত্য’কে একটিমাত্র স্থির ধারণা হিসেবে দেখি না। বরং ভাষাই আমাকে সবসময় টেনেছে। একটি ভাষার ভেতরে যে সংস্কৃতি গড়ে ওঠে, তার স্তরগুলোর গভীরতা, জটিলতা আর সূক্ষ্মতা নিয়ে ভাবতে আমার ভালো লাগে। কৈশোরে আমি কোরীয় ভাষার কবিতা আর কাহিনিসাহিত্যের মধ্যে ডুবে ছিলাম, তাই তাদের কাছে আমি গভীরভাবে ঋণী। ** উদ্ধৃত, [https://www.thewhitereview.org/feature/interview-with-han-kang/ "হান কাং-এর সাক্ষাৎকার"], ''দ্য হোয়াইট রিভিউ'' (মার্চ ২০১৬) * আমার কাছে লেখা মানে প্রশ্ন করে যাওয়া। আমি উত্তর খুঁজি না; বরং প্রশ্নটাকে যতটা পারি সম্পূর্ণ করতে চাই, কিংবা যতক্ষণ সম্ভব তার ভেতরেই থাকতে চাই। এক অর্থে, কাহিনি লেখা এদিক-সেদিক পায়চারি করার মতো। তুমি সামনে যাও, আবার ফিরে আসো, আর এমন সব প্রশ্ন নিয়ে ভাবতে থাকো, যা ভেতরে তোমাকে একই সঙ্গে দগ্ধও করে, আবার শীতলও করে। ** উদ্ধৃত, [https://www.bananawriters.com/hankanginterview "হান কাং-এর সাক্ষাৎকার"], ''বানানা রাইটার্স'' * আমার কাছে লেখা মানে বারবার নিজেকে জিজ্ঞেস করা—জীবন কী, মৃত্যু কী, আমি কে। আমি যখন লিখি, বিশেষ করে উপন্যাস, তখন সেই বইটির জন্য আমার এক, দুই, তিন, কখনো চার বছর পর্যন্ত চলে যায়। তাই যখন মনে হয়, একজন লেখক হিসেবে আমি সামনে এগোচ্ছি—এই বইয়ে মানুষ হওয়ার অর্থকে একভাবে খুঁজেছি, আর অন্য বইয়ে অন্যভাবে—তখনই আমি খুশি হই যে আমি লেখক হয়েছি। ** উদ্ধৃত, [https://koreanliteraturenow.com/interviews/han-kang-interview-2016-man-booker-international-prize-winner-han-kang "সাক্ষাৎকার: ২০১৬ সালের ম্যান বুকার আন্তর্জাতিক পুরস্কারজয়ী হান কাং"], ''কোরিয়ান লিটারেচার নাউ'' (মে ১৯, ২০১৬) * না। আমি অনেক প্রচার থেকে নিজেকে দূরে রেখেছি। যত দ্রুত সম্ভব আবার আমার লেখার টেবিলে ফিরতে চেয়েছি। পরের কাজের জন্য আমার নিজের শান্ত একটা কোণ দরকার ছিল। কিন্তু তাতে সময় লেগেছে। এখন আমি এই নতুন পরিস্থিতির সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নিচ্ছি। যত তাড়াতাড়ি পারি, পরের বইটি লেখার চেষ্টা করব। ** নিজের প্রচার-আলোচনা নিয়ে, [https://www.dw.com/en/koreas-kafka-man-booker-winner-han-kang-on-why-she-turns-a-woman-into-a-plant/a-19543017 "কোরিয়ার কাফকা? কেন তিনি এক নারীকে গাছে পরিণত করেন—সে বিষয়ে ম্যান বুকারজয়ী হান কাং"], ''ডয়চে ভেলে'' (সেপ্টেম্বর ১২, ২০১৬) * ২০১৪ সালের শরৎ আর শীত আমি [[w:Warsaw|ওয়ারশ]]-এ কাটিয়েছি। [[Second World War]]-এ বোমাবর্ষণে শহরটির ৯৫ শতাংশ ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল, পরে সেটিকে দৃঢ়তার সঙ্গে নতুন করে গড়ে তোলা হয়। সেই অচেনা রাস্তায় প্রতিদিন হাঁটতে হাঁটতে আমার মনে হয়েছিল, এই শহরের মতো একজন মানুষকে নিয়ে আমার লেখা উচিত। পরে হঠাৎ বুঝলাম, সেই মানুষটি আমার বড় বোন—একটি শিশু, যে জন্মের মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যেই পৃথিবী ছেড়ে চলে গিয়েছিল। আমি চেয়েছিলাম, আমার অনুভূতি আর আমার জীবন তাকে ধার দিয়ে তাকে আবার বাঁচিয়ে তুলতে। এই বই লেখা ছিল এক ধরনের প্রার্থনা। আমি যা দেখেছি, শুনেছি, ছুঁয়েছি, ঘ্রাণ নিয়েছি, স্বাদ পেয়েছি—আমার জীবন্ত শরীরের উষ্ণতা দিয়ে সেসবকে ‘তার / তোমার’ জিনিসে পরিণত করতে চেয়েছি। আর যেমন প্রার্থনায় প্রায়ই হয়, একসময় আমার মনে হলো, আমি শুধু ‘তার’ জন্যই লিখছি না। ** উদ্ধৃত, [https://thebookerprizes.com/news/white-book-interview "দ্য হোয়াইট বুক নিয়ে সাক্ষাৎকার"], ''দ্য বুকার প্রাইজেস'' (এপ্রিল ৫, ২০১৮) ** “হঠাৎ তোমার মনে প্রশ্ন জাগে: শরীর মারা গেলে আত্মার কী হয়? সে কতক্ষণ তার আগের ঘরের পাশে থেকে যায়?” <br />“একজন জীবিত মানুষ যখন একজন মৃত মানুষকে দেখে, তখন কি সেই মানুষের আত্মাটাও তার শরীরের পাশে দাঁড়িয়ে নিজের মুখের দিকে তাকিয়ে থাকে না?” ''হিউম্যান অ্যাক্টস'' ==বহিঃসংযোগ== {{wikipedia}} {{DEFAULTSORT:Han, Kang}} [[Category:ঔপন্যাসিক]] [[Category:জীবিত ব্যক্তি]] [[Category:১৯৭০-এর দশকে জন্ম]] jk3rlwnwdf26dlkvl7pmqknd7p0tlop 79801 79799 2026-04-22T16:51:12Z Md. Muqtadir Fuad 2944 সংশোধন 79801 wikitext text/x-wiki [[File:(G마켓x위즈돔)_DreaminG_비전강연워크샵_-23_소설가_한강_2m45s.jpg|thumb|270px|২০১৬ সালে হান কাং]] '''[[w:হান কাং|হান কাং]]''' (জন্ম নভেম্বর ২৭, ১৯৭০) দক্ষিণ কোরিয়ার একজন লেখক। তিনি ২০১৬ সালে তাঁর উপন্যাস দ্য ভেজিটেরিয়ানের জন্য ম্যান বুকার আন্তর্জাতিক পুরস্কার পান। ২০২৪ সালে তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। ==উক্তি== * মানুষ যেমন রেললাইনে পড়ে যাওয়া একটি শিশুকে বাঁচাতে নিজের জীবন বাজি রাখতে পারে, তেমনি সে আবার আউশভিৎজের মতো ভয়াবহ সহিংসতার হোতাও হতে পারে। মানুষের এই বৈপরীত্য, মহত্ত্ব থেকে চরম নিষ্ঠুরতা, শৈশব থেকেই আমার কাছে এক অমীমাংসিত প্রশ্ন হয়ে ছিল। বলা যেতে পারে, মানুষের ভেতরের এই সহিংতার বিষয়টিই আমার বইগুলোতে ঘুরেফিরে নানা রূপে উঠে এসেছে। ** উদ্ধৃত, [https://www.thewhitereview.org/feature/interview-with-han-kang/ "হান কাং-এর সাক্ষাৎকার"], ''দ্য হোয়াইট রিভিউ'' (মার্চ ২০১৬) * আমার কাছে মনে হয়, ট্রমা এমন কিছু নয় যা চাইলেই সারিয়ে ফেলা সম্ভব; বরং একে জীবনের অংশ হিসেবে মেনে নিতে হয়। শোকও অনেকটা তেমনই—এটি মৃত মানুষদের জন্য জীবিতদের মনে একটি স্থায়ী জায়গা তৈরি করে দেয়। সেই পুরনো জায়গায় বারবার ফিরে যাওয়া এবং সারাজীবন সেই ব্যথাকে নীরবে আঁকড়ে রাখা—হয়তো এভাবেই এক অদ্ভুত দ্বন্দ্বের মধ্য দিয়ে আমাদের জীবন এগিয়ে চলে। ** উদ্ধৃত, [https://www.thewhitereview.org/feature/interview-with-han-kang/ "হান কাং-এর সাক্ষাৎকার"], ''দ্য হোয়াইট রিভিউ'' (মার্চ ২০১৬) * আমি ‘জাতীয়’ বা ‘সাহিত্য’কে একটিমাত্র স্থির ধারণা হিসেবে দেখি না। বরং ভাষাই আমাকে সবসময় টেনেছে। একটি ভাষার ভেতরে যে সংস্কৃতি গড়ে ওঠে, তার স্তরগুলোর গভীরতা, জটিলতা আর সূক্ষ্মতা নিয়ে ভাবতে আমার ভালো লাগে। কৈশোরে আমি কোরীয় ভাষার কবিতা আর কাহিনিসাহিত্যের মধ্যে ডুবে ছিলাম, তাই তাদের কাছে আমি গভীরভাবে ঋণী। ** উদ্ধৃত, [https://www.thewhitereview.org/feature/interview-with-han-kang/ "হান কাং-এর সাক্ষাৎকার"], ''দ্য হোয়াইট রিভিউ'' (মার্চ ২০১৬) * আমি ‘জাতীয়তা’ বা ‘সাহিত্য’কে কোনো স্থির গণ্ডিতে আটকে রাখতে চাই না। বরং ভাষাই আমাকে সবসময় প্রবলভাবে আকর্ষণ করেছে। একটি ভাষার গভীরে যে সংস্কৃতি গড়ে ওঠে, তার নানা স্তর, জটিলতা আর সূক্ষ্ম বিষয়গুলো নিয়ে ভাবতেই আমি বেশি ভালোবাসি। কৈশোরে আমি কোরিয়ান কবিতা আর ফিকশনের জগতের ডুবে ছিলাম, তাই তাদের কাছে আমার ঋণ অনেক বেশি। ** উদ্ধৃত, [https://www.bananawriters.com/hankanginterview "হান কাং-এর সাক্ষাৎকার"], ''বানানা রাইটার্স'' * আমার কাছে লেখার অর্থ হলো অবিরত প্রশ্ন করে যাওয়া। আমি উত্তর খুঁজি না; বরং প্রশ্নটাকে যতটা সম্ভব পূর্ণতা দিতে চাই, অথবা যতক্ষণ পারি সেই প্রশ্নের ভেতরেই ডুবে থাকতে চাই। বলতে পারেন, গল্প লেখা হলো এদিক-সেদিক পায়চারি করার মতো। আপনি সামনে এগিয়ে যাবেন, আবার ফিরে আসবেন। এমন সব অমীমাংসিত প্রশ্ন নিয়ে ভাববেন, যা আপনার ভেতরে একই সাথে যন্ত্রণার আগুন জ্বালাবে, আবার প্রশান্তির শীতলতাও দেবে। ** উদ্ধৃত, [https://koreanliteraturenow.com/interviews/han-kang-interview-2016-man-booker-international-prize-winner-han-kang "সাক্ষাৎকার: ২০১৬ সালের ম্যান বুকার আন্তর্জাতিক পুরস্কারজয়ী হান কাং"], ''কোরিয়ান লিটারেচার নাউ'' (মে ১৯, ২০১৬) * না, আমি আসলে প্রচার-প্রচারণা থেকে নিজেকে দূরেই রেখেছি। সবসময় চেয়েছি যত দ্রুত সম্ভব আমার লেখার টেবিলে ফিরে যেতে। পরবর্তী কাজের জন্য আমার একটি শান্ত ও নিরিবিলি পরিবেশ প্রয়োজন। তবে এই পুরো পরিস্থিতির সাথে মানিয়ে নিতে কিছুটা সময় লেগেছে। এখন আমি চেষ্টা করছি এই নতুন পরিবেশের সাথে নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার, যাতে যত দ্রুত সম্ভব আমার পরের বইটি লিখতে পারি। ** নিজের প্রচার-আলোচনা নিয়ে, [https://www.dw.com/en/koreas-kafka-man-booker-winner-han-kang-on-why-she-turns-a-woman-into-a-plant/a-19543017 "কোরিয়ার কাফকা? কেন তিনি এক নারীকে গাছে পরিণত করেন—সে বিষয়ে ম্যান বুকারজয়ী হান কাং"], ''ডয়চে ভেলে'' (সেপ্টেম্বর ১২, ২০১৬) * ২০১৪ সালের শরৎ আর শীতকালটা আমি ওয়ারশে কাটিয়েছিলাম। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বোমাবর্ষণে শহরটির ৯৫ শতাংশই ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল, কিন্তু পরে মানুষের অদম্য ইচ্ছায় সেটি আবার তিলে তিলে গড়ে তোলা হয়। সেই অচেনা রাস্তাগুলোতে প্রতিদিন হাঁটতে হাঁটতে আমার মনে হতো—এই শহরের মতো পুনর্জন্ম নেওয়া একজন মানুষকে নিয়ে আমার কিছু লেখা উচিত। হঠাৎ একদিন উপলব্ধি করলাম, সেই মানুষটি আর কেউ নন, আমার নিজের বড় বোন। সেই ছোট্ট শিশুটি জন্মের মাত্র দুই ঘণ্টা পরেই পৃথিবী ছেড়ে চলে গিয়েছিল। আমি চেয়েছিলাম আমার সমস্ত অনুভূতি আর জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত তাকে ধার দিয়ে আবার বাঁচিয়ে তুলতে। এই বইটি লেখা ছিল আমার জন্য এক ধরনের প্রার্থনার মতো। আমি যা কিছু দেখেছি, শুনেছি, ছুঁয়েছি কিংবা অনুভব করেছি—আমার শরীরের এই জীবন্ত উষ্ণতা দিয়ে সেই সবকিছুকে ‘তার’ বা ‘তোমার’ করে দিতে চেয়েছি। আর প্রার্থনায় যেমনটা হয়, লিখতে লিখতে একসময় মনে হলো—আমি শুধু তার জন্যই লিখছি না, এর পেছনে আরও বড় কোনো কারণ মিশে আছে। ** উদ্ধৃত, [https://thebookerprizes.com/news/white-book-interview "দ্য হোয়াইট বুক নিয়ে সাক্ষাৎকার"], ''দ্য বুকার প্রাইজেস'' (এপ্রিল ৫, ২০১৮) ** “হঠাৎ তোমার মনে প্রশ্ন জাগে: শরীর মারা গেলে আত্মার কী হয়? সে কতক্ষণ তার আগের ঘরের পাশে থেকে যায়?” <br />“একজন জীবিত মানুষ যখন একজন মৃত মানুষকে দেখে, তখন কি সেই মানুষের আত্মাটাও তার শরীরের পাশে দাঁড়িয়ে নিজের মুখের দিকে তাকিয়ে থাকে না?” ''হিউম্যান অ্যাক্টস'' ==বহিঃসংযোগ== {{wikipedia}} {{DEFAULTSORT:Han, Kang}} [[Category:ঔপন্যাসিক]] [[Category:জীবিত ব্যক্তি]] [[Category:১৯৭০-এর দশকে জন্ম]] dj0nokp79a82ozloyaq0q1nzfqy39kp 79803 79801 2026-04-22T16:56:46Z Md. Muqtadir Fuad 2944 /* উক্তি */ সংশোধন 79803 wikitext text/x-wiki [[File:(G마켓x위즈돔)_DreaminG_비전강연워크샵_-23_소설가_한강_2m45s.jpg|thumb|270px|২০১৬ সালে হান কাং]] '''[[w:হান কাং|হান কাং]]''' (জন্ম নভেম্বর ২৭, ১৯৭০) দক্ষিণ কোরিয়ার একজন লেখক। তিনি ২০১৬ সালে তাঁর উপন্যাস দ্য ভেজিটেরিয়ানের জন্য ম্যান বুকার আন্তর্জাতিক পুরস্কার পান। ২০২৪ সালে তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। ==উক্তি== * মানুষ যেমন রেললাইনে পড়ে যাওয়া একটি শিশুকে বাঁচাতে নিজের জীবন বাজি রাখতে পারে, তেমনি সে আবার আউশভিৎজের মতো ভয়াবহ সহিংসতাও দেখাতে পারে। মানুষের এই বৈপরীত্য, মহত্ত্ব থেকে চরম নিষ্ঠুরতা, শৈশব থেকেই আমার কাছে এক অমীমাংসিত প্রশ্ন হয়ে ছিল। বলা যেতে পারে, মানুষের ভেতরের এই সহিংতার বিষয়টিই আমার বইগুলোতে ঘুরেফিরে নানা রূপে উঠে এসেছে। ** উদ্ধৃত, [https://www.thewhitereview.org/feature/interview-with-han-kang/ "হান কাং-এর সাক্ষাৎকার"], ''দ্য হোয়াইট রিভিউ'' (মার্চ ২০১৬) * আমার কাছে মনে হয়, ট্রমা এমন কিছু নয় যা চাইলেই সারিয়ে ফেলা সম্ভব; বরং একে জীবনের অংশ হিসেবে মেনে নিতে হয়। শোকও অনেকটা তেমনই—এটি মৃত মানুষদের জন্য জীবিতদের মনে একটি স্থায়ী জায়গা তৈরি করে দেয়। সেই পুরনো জায়গায় বারবার ফিরে যাওয়া এবং সারাজীবন সেই ব্যথাকে নীরবে আঁকড়ে রাখা—হয়তো এভাবেই এক অদ্ভুত দ্বন্দ্বের মধ্য দিয়ে আমাদের জীবন এগিয়ে চলে। ** উদ্ধৃত, [https://www.thewhitereview.org/feature/interview-with-han-kang/ "হান কাং-এর সাক্ষাৎকার"], ''দ্য হোয়াইট রিভিউ'' (মার্চ ২০১৬) * আমি ‘জাতীয়’ বা ‘সাহিত্য’কে একটিমাত্র স্থির ধারণা হিসেবে দেখি না। বরং ভাষাই আমাকে সবসময় টেনেছে। একটি ভাষার ভেতরে যে সংস্কৃতি গড়ে ওঠে, তার স্তরগুলোর গভীরতা, জটিলতা আর সূক্ষ্মতা নিয়ে ভাবতে আমার ভালো লাগে। কৈশোরে আমি কোরীয় ভাষার কবিতা আর কাহিনিসাহিত্যের মধ্যে ডুবে ছিলাম, তাই তাদের কাছে আমি গভীরভাবে ঋণী। ** উদ্ধৃত, [https://www.thewhitereview.org/feature/interview-with-han-kang/ "হান কাং-এর সাক্ষাৎকার"], ''দ্য হোয়াইট রিভিউ'' (মার্চ ২০১৬) * আমি ‘জাতীয়তা’ বা ‘সাহিত্য’কে কোনো স্থির গণ্ডিতে আটকে রাখতে চাই না। বরং ভাষাই আমাকে সবসময় প্রবলভাবে আকর্ষণ করেছে। একটি ভাষার গভীরে যে সংস্কৃতি গড়ে ওঠে, তার নানা স্তর, জটিলতা আর সূক্ষ্ম বিষয়গুলো নিয়ে ভাবতেই আমি বেশি ভালোবাসি। কৈশোরে আমি কোরিয়ান কবিতা আর ফিকশনের জগতের ডুবে ছিলাম, তাই তাদের কাছে আমার ঋণ অনেক বেশি। ** উদ্ধৃত, [https://www.bananawriters.com/hankanginterview "হান কাং-এর সাক্ষাৎকার"], ''বানানা রাইটার্স'' * আমার কাছে লেখার অর্থ হলো অবিরত প্রশ্ন করে যাওয়া। আমি উত্তর খুঁজি না; বরং প্রশ্নটাকে যতটা সম্ভব পূর্ণতা দিতে চাই, অথবা যতক্ষণ পারি সেই প্রশ্নের ভেতরেই ডুবে থাকতে চাই। বলতে পারেন, গল্প লেখা হলো এদিক-সেদিক পায়চারি করার মতো। আপনি সামনে এগিয়ে যাবেন, আবার ফিরে আসবেন। এমন সব অমীমাংসিত প্রশ্ন নিয়ে ভাববেন, যা আপনার ভেতরে একই সাথে যন্ত্রণার আগুন জ্বালাবে, আবার প্রশান্তির শীতলতাও দেবে। ** উদ্ধৃত, [https://koreanliteraturenow.com/interviews/han-kang-interview-2016-man-booker-international-prize-winner-han-kang "সাক্ষাৎকার: ২০১৬ সালের ম্যান বুকার আন্তর্জাতিক পুরস্কারজয়ী হান কাং"], ''কোরিয়ান লিটারেচার নাউ'' (মে ১৯, ২০১৬) * না, আমি আসলে প্রচার-প্রচারণা থেকে নিজেকে দূরেই রেখেছি। সবসময় চেয়েছি যত দ্রুত সম্ভব আমার লেখার টেবিলে ফিরে যেতে। পরবর্তী কাজের জন্য আমার একটি শান্ত ও নিরিবিলি পরিবেশ প্রয়োজন। তবে এই পুরো পরিস্থিতির সাথে মানিয়ে নিতে কিছুটা সময় লেগেছে। এখন আমি চেষ্টা করছি এই নতুন পরিবেশের সাথে নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার, যাতে যত দ্রুত সম্ভব আমার পরের বইটি লিখতে পারি। ** নিজের প্রচার-আলোচনা নিয়ে, [https://www.dw.com/en/koreas-kafka-man-booker-winner-han-kang-on-why-she-turns-a-woman-into-a-plant/a-19543017 "কোরিয়ার কাফকা? কেন তিনি এক নারীকে গাছে পরিণত করেন—সে বিষয়ে ম্যান বুকারজয়ী হান কাং"], ''ডয়চে ভেলে'' (সেপ্টেম্বর ১২, ২০১৬) * ২০১৪ সালের শরৎ আর শীতকালটা আমি ওয়ারশে কাটিয়েছিলাম। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বোমাবর্ষণে শহরটির ৯৫ শতাংশই ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু পরে মানুষের অদম্য ইচ্ছায় সেটি আবার তিলে তিলে গড়ে তোলা হয়। সেই অচেনা রাস্তাগুলোতে প্রতিদিন হাঁটতে হাঁটতে আমার মনে হতো—এই শহরের মতো পুনর্জন্ম নেওয়া একজন মানুষকে নিয়ে আমার কিছু লেখা উচিত। হঠাৎ একদিন উপলব্ধি করলাম, সেই মানুষটি আর কেউ নন, আমার নিজের বড় বোন। সেই ছোট্ট শিশুটি জন্মের মাত্র দুই ঘণ্টা পরেই পৃথিবী ছেড়ে চলে গিয়েছিল। আমি চেয়েছিলাম আমার সমস্ত অনুভূতি আর জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত তাকে ধার দিয়ে আবার বাঁচিয়ে তুলতে। এই বইটি লেখা ছিল আমার জন্য এক ধরনের প্রার্থনার মতো। আমি যা কিছু দেখেছি, শুনেছি, ছুঁয়েছি কিংবা অনুভব করেছি—আমার শরীরের এই জীবন্ত উষ্ণতা দিয়ে সেই সবকিছুকে ‘তার’ বা ‘তোমার’ করে দিতে চেয়েছি। আর প্রার্থনায় যেমনটা হয়, লিখতে লিখতে একসময় মনে হলো—আমি শুধু তার জন্যই লিখছি না, এর পেছনে আরও বড় কোনো কারণ মিশে আছে। ** উদ্ধৃত, [https://thebookerprizes.com/news/white-book-interview "দ্য হোয়াইট বুক নিয়ে সাক্ষাৎকার"], ''দ্য বুকার প্রাইজেস'' (এপ্রিল ৫, ২০১৮) ** হঠাৎ তোমার মনে প্রশ্ন জাগে—শরীর মরে গেলে আত্মার আসলে কী হয়? সে আর কতক্ষণ তার ফেলে আসা নিথর দেহটার মায়ায় পাশে পড়ে থাকে? জীবিত কেউ যখন কোনো মৃত মানুষকে দেখে, তখন কি সেই আত্মাটাও নিজের শরীরের ঠিক পাশে দাঁড়িয়ে নিজেরই মুখের দিকে একদৃষ্টে তাকিয়ে থাকে না? ==বহিঃসংযোগ== {{wikipedia}} {{DEFAULTSORT:Han, Kang}} [[Category:ঔপন্যাসিক]] [[Category:জীবিত ব্যক্তি]] [[Category:১৯৭০-এর দশকে জন্ম]] 8sas3yljxcxtxq71de7iw455azp3v4p জেন অ্যাডামস 0 13231 79800 2026-04-22T16:51:01Z Anik Kanti Dey 3075 "চিত্র:Jane Addams, 1906 by George de Forest Brush, (3011183811) (cropped).jpg|thumb|প্রকৃতির সব বিপর্যয় এবং মানবজাতির সব মর্মান্তিক ব্যর্থতা সত্ত্বেও কী এই প্রাচীন পৃথিবীতে মানবজাতিকে টিকিয়ে রেখেছে? সেটি হলো নতুন..." দিয়ে পাতা তৈরি 79800 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:Jane Addams, 1906 by George de Forest Brush, (3011183811) (cropped).jpg|thumb|প্রকৃতির সব বিপর্যয় এবং মানবজাতির সব মর্মান্তিক ব্যর্থতা সত্ত্বেও কী এই প্রাচীন পৃথিবীতে মানবজাতিকে টিকিয়ে রেখেছে? সেটি হলো নতুন সম্ভাবনার প্রতি বিশ্বাস এবং তা প্রচার করার সাহস।]] [[চিত্র:Jane Addams profile.jpg|thumb|সভ্যতা হলো জীবনযাপনের একটি পদ্ধতি এবং সকল মানুষের প্রতি সমান শ্রদ্ধাশীল থাকার একটি দৃষ্টিভঙ্গি।]] '''[[w:জেন অ্যাডামস|লরা জেন অ্যাডামস]]''' ([[৬ সেপ্টেম্বর]] [[১৮৬০]] – [[২১ মে]] [[১৯৩৫]]) একজন মার্কিন [[w:সেটেলমেন্ট আন্দোলন|সেটেলমেন্ট]] [[w:সক্রিয়কর্মী|সক্রিয়কর্মী]], সংস্কারক, সমাজকর্মী, সরকারি প্রশাসক এবং লেখক ছিলেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সমাজকর্মের ইতিহাস ও [[w:যুক্তরাষ্ট্রে নারীর ভোটাধিকার|নারীর ভোটাধিকার আন্দোলনের]] একজন গুরুত্বপূর্ণ নেত্রী ছিলেন। এছাড়া তিনি [[w:বিশ্বশান্তি|বিশ্বশান্তির]] পক্ষে কাজ করেছেন। তিনি শিকাগোর [[w:হাল হাউস|হাল হাউস]] সহ-প্রতিষ্ঠা করেন, যা আমেরিকার অন্যতম বিখ্যাত [[w:সেটেলমেন্ট হাউস|সেটেলমেন্ট হাউস]]। ১৯১০ সালে অ্যাডামস [[ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়]] থেকে সম্মানসূচক মাস্টার অব আর্টস ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি ছিলেন এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সম্মানসূচক ডিগ্রি পাওয়া প্রথম নারী। ১৯২০ সালে তিনি [[w:আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়ন|আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়নের]] (এসিএলইউ) সহ-প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন। ১৯৩১ সালে তিনি প্রথম মার্কিন নারী হিসেবে [[w:নোবেল শান্তি পুরস্কার|নোবেল শান্তি পুরস্কার]] লাভ করেন। তাকে যুক্তরাষ্ট্রে সমাজকর্মী পেশার প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। == উক্তি == [[চিত্র:Jane Addams in a car (cropped).jpg|thumb|আমি রাতের পর রাত স্বপ্ন দেখতাম যে আমি ছাড়া পৃথিবীর সবাই মারা গেছে। এখন একটি চাকা তৈরির পুরো দায়িত্ব আমার ওপর ন্যস্ত।]] * [[গণতন্ত্র|গণতন্ত্রের]] ত্রুটিগুলোর প্রতিকার হলো আরও বেশি গণতন্ত্র। ** [https://www.gutenberg.org/files/15487/15487-h/15487-h.htm ''ডেমোক্রেসি অ্যান্ড সোশ্যাল এথিকস''] (১৯০২), অধ্যায় ১। * এই তরুণরা সামাজিক সমস্যার সমাধানে খুব সামান্যই অবদান রাখতে পারে। তারা সাধারণ পরিশ্রম থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ায় এক ধরণের অপুষ্ট ও অতি-সংবেদনশীল জীবন কাটায়। অথচ এই পরিশ্রমই নৈতিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের বড় উৎস। তারা তাদের আদর্শ ও জীবনের মধ্যে একটি বড় ব্যবধান অনুভব করে। আমি মনে করি আমাদের জন্য এটি বোঝা কঠিন যে, তাদের মধ্যে অনেকেই মানুষের ভ্রাতৃত্বের ধারণাকে কতটা গুরুত্বের সাথে গ্রহণ করছে। তারা গণতান্ত্রিক আদর্শকে বাস্তবে রূপ দিতে কতটা আগ্রহী। '''এই তরুণ নারী-পুরুষরা তাদের গণতন্ত্রকে সামাজিক রূপ দিতে চায় এবং কিছু সুনির্দিষ্ট আশা নিয়ে কাজ করে। তারা মনে করে, যদি একটি গণতান্ত্রিক দেশে জনগণের অংশগ্রহণ ছাড়া স্থায়ী কিছু অর্জন করা সম্ভব না হয়, তবে জনগণের আকাঙ্ক্ষার চেয়ে উচ্চতর রাজনৈতিক জীবন প্রতিষ্ঠা করা অসম্ভব। পারস্পরিক মেলামেশা ছাড়া একটি উন্নত নাগরিক জীবনের ধারণা পোষণ করা কঠিন। মার্জিত ও সংস্কৃতিবান জীবনের আশীর্বাদ তখনই স্থায়ী হবে যখন তা সার্বজনীন হবে। নিজেদের জন্য আমরা যা অর্জন করি তা অনিশ্চিত, যতক্ষণ না আমরা এটি সবার জন্য নিশ্চিত করে আমাদের সাধারণ জীবনের অন্তর্ভুক্ত করি।''' ** [http://www.infed.org/archives/e-texts/addams6.htm "দ্য সাবজেক্টিভ নেসেসিটি ফর সোশ্যাল সেটেলমেন্টস"]; জেন অ্যাডামসের এই লেখাটি প্রথম ১৮৯২ সালে প্রকাশিত হয় এবং পরে ''টোয়েন্টি ইয়ার্স অ্যাট হাল হাউস'' (১৯১০) এর ষষ্ঠ অধ্যায় হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়। * আমার স্বভাব ও অভ্যাস আমাকে সবসময় মধ্যপন্থায় রেখেছে। রাজনীতি বা সমাজ সংস্কার সবক্ষেত্রেই আমি "সর্বোত্তম সম্ভব" সিদ্ধান্তের পক্ষে ছিলাম। কিন্তু যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর আমি বামপন্থি ধারার দিকে ঝুঁকে পড়ি। আমি বিশ্বাস করতে শুরু করি যে, শান্তিবাদীদের অবস্থান স্পষ্ট করার জন্য অন্তত আমাদের কয়েকজনের একটি দ্ব্যর্থহীন অবস্থান নেওয়া প্রয়োজন। ** [http://media.pfeiffer.edu/lridener/DSS/Addams/pb7.html ''পিস অ্যান্ড ব্রেড ইন টাইম অব ওয়ার'' (১৯২২), অধ্যায় ৭: পার্সোনাল রিঅ্যাকশনস ডিউরিং ওয়ার] * '''প্রকৃতির সব বিপর্যয় এবং মানবজাতির সব মর্মান্তিক ব্যর্থতা সত্ত্বেও কী এই প্রাচীন পৃথিবীতে মানবজাতিকে টিকিয়ে রেখেছে? সেটি হলো নতুন সম্ভাবনার প্রতি বিশ্বাস এবং তা প্রচার করার সাহস।''' সম্ভবত অনেক সময় কোনো ব্যক্তি নিজের অজান্তেই এই নতুন সম্ভাবনার কথা বলেছেন, যদিও তিনি নিজেকে নির্বাসিত বা অপরাধী মনে করতেন। প্রথাগত পথ ছেড়ে যারা নিজের পথে চলেন, তাদের কি এমন মনে হওয়া স্বাভাবিক নয়? ** ''পিস অ্যান্ড ব্রেড ইন টাইম অব ওয়ার'' (১৯২২), অধ্যায় ৭: পার্সোনাল রিঅ্যাকশনস ডিউরিং ওয়ার * সভ্যতা হলো জীবনযাপনের একটি পদ্ধতি এবং সকল মানুষের প্রতি সমান শ্রদ্ধাশীল থাকার একটি দৃষ্টিভঙ্গি। ** বক্তৃতা, হনুলুলু (১৯৩৩); ''দ্য এনকার্টা বুক অব কোটেশনস'' (২০০০) এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৬। শিকাগো পাবলিক লাইব্রেরির রিডিং গার্ডেনে পাথরে খোদাই করা। * নৈতিক আইন যেন নিজের সক্রিয় জীবন থেকে বিচ্ছিন্ন কোনো বিমূর্ত ধারণা হয়ে না যায়, সেজন্য প্রতিটি মানুষকে নিজ নিজ উপায়ে লড়াই করতে হবে। ** ''দ্য ম্যাকমিলান ডিকশনারি অব কোটেশনস'' (১৯৮৯) এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৩৭৪। ===''টোয়েন্টি ইয়ার্স অ্যাট হাল-হাউস'' (১৯১০) === [[চিত্র:Children standing in a line on a retaining wall on the grounds of Hull House.jpg|thumb| শহরের সুবিধাবঞ্চিত বিশাল জনগোষ্ঠীর কল্যাণে ব্যক্তিগত দান বা বদান্যতা একেবারেই অপর্যাপ্ত। ]] [[চিত্র:Jane Addams Hull House.JPG|thumb|আমরা আশা করেছিলাম যে মানুষের ট্র্যাজেডি থেকেই আমরা অভিন্ন ভাগ্যের চেতনা খুঁজে পাব, যা আমাদের নিরাময় করবে। আমরা জীবন থেকে সেই সহযোগিতার শক্তি অর্জন করতে চেয়েছিলাম যা সব দুর্ভাগ্যের বিরুদ্ধে কার্যকর হবে।]] [[চিত্র:Summer Day at Hull House.JPG|thumb| জীবনকে নির্দিষ্ট নিয়ম দিয়ে পরিচালনা করা যায় না। মানুষের সমস্যা সমাধানের প্রজ্ঞা কেবল তার জীবন ও অভ্যাস সম্পর্কে জানার মাধ্যমেই অর্জন করা সম্ভব।]] * আমার শাঁকুর (মিলার) বৃদ্ধাঙ্গুলের মতো আঙুল হওয়ার তীব্র আকাঙ্ক্ষা ছিল। আমার বাবার আঙুল যেমন পেষণযন্ত্র চালানোর কারণে চ্যাপ্টা হয়ে গিয়েছিল, আমিও তেমনটি হতে চেয়েছিলাম। ** অধ্যায় ১ * আমি রাতের পর রাত স্বপ্ন দেখতাম যে আমি ছাড়া পৃথিবীর সবাই মারা গেছে। এখন একটি চাকা তৈরির পুরো দায়িত্ব আমার ওপর ন্যস্ত। ** অধ্যায় ২ * সেটেলমেন্ট... একটি মহান শহরের আধুনিক জীবনযাত্রার ফলে সৃষ্ট সামাজিক ও শিল্প সমস্যার সমাধানের একটি পরীক্ষামূলক প্রচেষ্টা। এটি সমাজের এক প্রান্তের অতিরিক্ত সম্পদ এবং অন্য প্রান্তের অভাব দূর করার একটি চেষ্টা। ** অধ্যায় ৬ * সেটেলমেন্ট হাউসের ভিত্তি হতে হবে এমন একটি দর্শন যা মানবজাতির সংহতিতে বিশ্বাসী। এই দর্শন কোনো মদ্যপ নারী বা বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী বালককে দেখেও যেন বিচলিত না হয়। ** অধ্যায় ৬ * আমরা সবাই দীর্ঘকাল ধরে চলা সেই অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইয়ের চিহ্ন বহন করছি যা আমাদের পূর্বপুরুষদের জীবনের অংশ ছিল। গঠনমূলক কাজ ও অন্যের সাহায্যে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ এড়িয়ে চললে সহানুভূতি ও আনন্দ পাওয়ার ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়। মানবজাতির অন্তত অর্ধেক অংশ যেখানে ক্ষুধার সাথে লড়াই করে টিকে থাকে, সেখানে নিজেকে সেই অংশ থেকে বিচ্ছিন্ন করে রাখা মানে জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ থেকে নিজেকে সরিয়ে নেওয়া। ** অধ্যায় ৬ * আমরা আশা করেছিলাম যে মানুষের ট্র্যাজেডি থেকেই আমরা অভিন্ন ভাগ্যের চেতনা খুঁজে পাব, যা আমাদের নিরাময় করবে। আমরা জীবন থেকে সেই সহযোগিতার শক্তি অর্জন করতে চেয়েছিলাম যা সব দুর্ভাগ্যের বিরুদ্ধে কার্যকর হবে। ** অধ্যায় ৭ * প্রতিযোগিতায় শক্তি নষ্ট না করে মানুষ যখন তাদের উৎপাদনের ক্ষমতা এক করবে, তখন এই স্বপ্ন সারা পৃথিবীতে সত্যি হবে। ** অধ্যায় ৭ * জীবনকে নির্দিষ্ট নিয়ম দিয়ে পরিচালনা করা যায় না। মানুষের সমস্যা সমাধানের প্রজ্ঞা কেবল তার জীবন ও অভ্যাস সম্পর্কে জানার মাধ্যমেই অর্জন করা সম্ভব। ** অধ্যায় ৮ * আধুনিক সমাজ তরুণদের লালন-পালন ও শিক্ষিত করার জন্য অনেক প্রচেষ্টা চালায়। এর মাঝে তরুণ শিশুদের মায়েদের কঠোর শ্রমে নিজেকে বিলিয়ে দিতে দেওয়াটা কত বড় বোকামি! ** অধ্যায় ৯ * সেটেলমেন্ট হাউস যদি সামাজিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে নিজের প্রকাশ চায়, তবে তাকে সামাজিক অস্থিরতা এবং আধ্যাত্মিক তাড়নার মধ্যে পার্থক্য শিখতে হবে। ** অধ্যায় ৯ * একটি সেটেলমেন্ট হাউস হলো উদ্দীপনার জায়গা। যারা মানুষের আনন্দ ও সুযোগের সমতায় বিশ্বাস করেন, তারা খুব সহজেই এখানে আকৃষ্ট হন। ** অধ্যায় ৯ * সামাজিক দুর্দশার সব দিকের মধ্যে বেকারত্বের মতো হৃদয়বিদারক আর কিছু নেই। ** অধ্যায় ১০ * বিদেশিদের মধ্যে আতিথেয়তা এখনও টিকে আছে, যদিও সবচেয়ে দরিদ্র আমেরিকানদের মধ্যে এটি মিথ্যা গর্বের নিচে চাপা পড়ে গেছে। ** অধ্যায় ১১ * শহরের সুবিধাবঞ্চিত বিশাল জনগোষ্ঠীর কল্যাণে ব্যক্তিগত দান বা বদান্যতা একেবারেই অপর্যাপ্ত। ** অধ্যায় ১৪ * সামাজিক উন্নতি কর্তব্যের অনুভূতির পাশাপাশি নৈতিক সংবেদনশীলতা বৃদ্ধির ওপর নির্ভর করে। ** অধ্যায় ১৫ * আমি বিশ্বাস করি যে নাটকের মঞ্চ শিক্ষার চেয়েও বেশি কিছু করতে পারে। আমাদের বর্তমান অনেক নৈতিক শিক্ষা বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করলে তা অর্থহীন মনে হতে পারে। '''যা দূর থেকে শুনতে খুব নীতিবান মনে হয়, তা যখন জীবনের মুখোমুখি হয় তখন নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে।''' ** অধ্যায় ১৬ * যদি দুর্বল পক্ষ বা 'আন্ডারডগ' সবসময় সঠিক হতো, তবে তাদের রক্ষা করা সহজ হতো। সমস্যা হলো, তারা অনেক সময় অস্পষ্টভাবে সঠিক থাকে, কখনও আংশিক সঠিক, আবার কখনও পুরোপুরি ভুল। তবে যারা আগে থেকেই কুসংস্কার পোষণ করে তাদের কাছে যেমনটি মনে হয়, তারা হয়তো ততটা ভুল বা একগুঁয়ে নয়। ** অধ্যায় ১৭ * অর্থনৈতিক অবস্থানের কারণে কারো জন্য জ্ঞান বা আনন্দ লাভের পথ বন্ধ হওয়া উচিত নয়। ** অধ্যায় ১৭ * একবার আমরা পাঁচজন থমাস ডি কুইন্সির "ড্রিমস" লেখাটি আরও গভীরভাবে বোঝার জন্য আফিম সেবন করেছিলাম। পুরো ছুটির দিনে আমরা বিরতি দিয়ে অল্প অল্প করে সাদা পাউডার খেয়েছিলাম, কিন্তু কোনো মানসিক পরিবর্তন ঘটেনি। এমনকি আমরা ঘুমিয়েও পড়িনি। বিকেল চারটার দিকে আমাদের শিক্ষক বিষয়টি বুঝতে পেরে ভয় পেয়ে যান। তিনি আমাদের কাছ থেকে বই ও পাউডার কেড়ে নেন এবং আমাদের বমি করার ওষুধ খাইয়ে আলাদা ঘরে পাঠিয়ে দেন। রাতের প্রার্থনায় অংশ নেওয়ার জন্য তিনি আমাদের কড়া নির্দেশ দিয়েছিলেন। ** ''সিস্টারস অব দ্য এক্সট্রিম: উইমেন রাইটিং অন দ্য ড্রাগ এক্সপেরিয়েন্স'' গ্রন্থে সংকলিত। ===''দ্য সেকেন্ড টোয়েন্টি ইয়ার্স অ্যাট হাল-হাউস'' (১৯৩০)=== * তারুণ্যের কাজ কেবল নিজেকে রক্ষা করা নয়, বরং যাদের বিরুদ্ধে তারা বিদ্রোহ করছে তাদেরও রক্ষা করা। তবে বিদ্রোহ করার মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষও থাকা প্রয়োজন। বয়স্করা যদি নিজেদের অবস্থান স্পষ্টভাবে তুলে না ধরেন, তবে পুরো পরিস্থিতি অস্পষ্ট হয়ে যায়। == জেন অ্যাডামস সম্পর্কে উক্তি == * মিস অ্যাডামস সর্বদা কাজে সক্রিয় থাকেন এবং আপনার দেশের গর্ব এমন আরও অনেক নারীও তার মতো কাজ করছেন। ** [[ক্যাথরিন ব্রেশকভস্কি]], ''দ্য লিটল গ্র্যান্ডমাদার অব দ্য রাশিয়ান রেভোলিউশন'' (১৯১৮) গ্রন্থে অন্তর্ভুক্ত। * কেউ বলেছিলেন যে মিস অ্যাডামস একটি জীবন্ত প্রমাণ যে ভোট না দিয়েও একজন নারী অনেক কিছু করতে পারেন। উত্তরে বলা যায়: তার সাথে তার বোনদের ভোট থাকলে তিনি আরও অনেক কিছু করতে পারতেন। ** [[ক্যাথরিন ব্রেশকভস্কি]], ১৯১১; ''দ্য লিটল গ্র্যান্ডমাদার অব দ্য রাশিয়ান রেভোলিউশন'' (১৯১৮)। * জেন অ্যাডামস এবং অন্যান্যরা [[লুসি পারসনসের]] মতো নারী শ্রমিক নেতাদের পক্ষে কথা বলেছিলেন। তারা র‍্যালিতে সহায়তা করতেন এবং গ্রেপ্তার হলে জামিনের ব্যবস্থা করতেন। জেন অ্যাডামস বা ফ্লোরেন্স কেলির মতো সমাজকর্মীরা এবং [[এমা গোল্ডম্যানের]] মতো সমাজতন্ত্রীরা অভিবাসী ও শ্রমিক নারীদের অধিকারের কথা বললেও, ১৮৯০ থেকে ১৯১০ সালের মধ্যে ভোটাধিকার আন্দোলনে শ্রমিক শ্রেণির নারীদের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গিতে এর প্রভাব খুব কম ছিল। ** [[মার্থা পি. কোটেরা]], "ফেমিনিজম: দ্য চিকানো অ্যান্ড অ্যাংলো ভার্সনস-এ হিস্টোরিক্যাল অ্যানালাইসিস" (১৯৮০)। * জেন অ্যাডামস ১৯০৮ সালে আমাদের সম্মেলনে যোগ দিয়েছিলেন এবং আমাদের কাজের প্রশংসা করেছিলেন। ** ''দি অটোবায়োগ্রাফি অব [[ডব্লিউ.ই.বি. ডু বয়েস]]: এ সলিলোকুই অন ভিউয়িং মাই লাইফ ফ্রম দ্য লাস্ট ডেকেড অব ইটস ফার্স্ট সেঞ্চুরি'' (১৯৬৮)। * শিকাগোর হাল হাউসের প্রতিষ্ঠাতা জেন অ্যাডামস সবচেয়ে সার্থকভাবে তলস্তয়ের আদর্শ বাস্তবে রূপ দিয়েছিলেন। তিনি রাশিয়ার [[তলস্তয়|তলস্তয়ের]] সাথে দেখা করেছিলেন এবং আজীবন তার কাজের ভক্ত ছিলেন। তিনি তলস্তয়ের আদর্শকে একটি 'নতুন মানবতাবাদ' হিসেবে প্রচার করেছিলেন যা যুদ্ধের নৈতিক বিকল্প ছিল। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় এবং যুদ্ধপরবর্তী সময়ে তার শান্তিবাদী কার্যক্রমের জন্য তাকে একঘরে করা হয়েছিল এবং গালিগালাজ শুনতে হয়েছিল। তবুও তিনি আদর্শ ধরে রেখেছিলেন। ** [[গের্ডা লার্নার]], ''হোয়াই হিস্ট্রি ম্যাটারস: লাইফ অ্যান্ড থট'' (১৯৯৭)। * শিকাগোর গ্রিকটাউন ছিল হাল হাউসের পাশেই। জেন অ্যাডামসের এই সেটেলমেন্ট প্রকল্পের কার্যক্রম অনেক গ্রিক অভিবাসীদের জন্য উপকারী ছিল। গ্রিক সংস্কৃতির প্রতি তার বিশেষ গুরুত্ব শিকাগোর গ্রিক অভিবাসীদের জাতিগত গর্ব বাড়িয়ে দিয়েছিল। ** পিটার সি. মোসকোস, ''গ্রিক আমেরিকানস: স্ট্রাগল অ্যান্ড সাকসেস'' (২০১৩)। * ১৯১২ সালে ন্যাশনাল আমেরিকান ওম্যান সাফ্রেজ অ্যাসোসিয়েশন আমাকে ওয়াশিংটনে তাদের কংগ্রেসনাল কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে নিযুক্ত করেছিল। আমাদের কাজ ছিল [[সুসান বি. অ্যান্থনি|সুসান বি. অ্যান্থনির]] খসড়া করা সংশোধনীটি পাস করার জন্য কাজ করা। জেন অ্যাডামস আমাদের নিয়োগের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তারা আমাদের কাজকে খুব একটা গুরুত্ব দেয়নি, নাহলে আমাদের মতো দুই তরুণীকে এই দায়িত্ব দিত না। তারা শর্ত দিয়েছিল যে আমরা যেন কোনো বিল তাদের কাছে না পাঠাই এবং সব টাকা যেন নিজেরাই জোগাড় করি। ** [[অ্যালিস পল]], [https://ridgefieldhistoricalsociety.org/documents/1974%20Interview%20with%20Alice%20Paul.pdf সাক্ষাৎকার] (১৯৭৪)। * মানুষের সেবার কোনো সুযোগ পেলেই তিনি তা গ্রহণ করতেন। ** [[আইডা টারবেল]], ''অল ইন দ্য ডে'স ওয়ার্ক'' (১৯৩৯)। * যুদ্ধের শুরুতে জেন অ্যাডামস আমাকে বলেছিলেন: "সামাজিক আইনের ক্ষেত্রে আমরা যা কিছু অর্জন করেছি তা ধ্বংস হয়ে যাবে। এটি আমাদের পঁচিশ বছর আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নিয়ে যাবে।" ** [[আইডা টারবেল]], ''অল ইন দ্য ডে'স ওয়ার্ক'' (১৯৩৯)। * "আপনি কি একজন শান্তিবাদী?"—মিসৌরির একটি রেলওয়ে প্ল্যাটফর্মে একজন নাগরিক আমাকে এই প্রশ্ন করেছিলেন। আমি বলেছিলাম যে আমি এই যুদ্ধে জেতার পক্ষে। তিনি একটি যুদ্ধের আগের তালিকা বের করলেন যেখানে জেন অ্যাডামসের নামের সাথে আমার নামও ছিল। তিনি তাকে "ওই মহিলা" বলে ডাকছিলেন। আমি রাগান্বিত হয়ে বললাম, "আমি ওই মহিলার সাথে নিজের নাম দেখে গর্বিত। তিনি বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মানুষ এবং পৃথিবী যদি তার কথা শুনত তবে তোমাদের ছেলেদের ফ্রান্সে মরতে হতো না।" ** [[আইডা টারবেল]], ''অল ইন দ্য ডে'স ওয়ার্ক'' (১৯৩৯)। * জেন অ্যাডামস ছিলেন একজন চিন্তাশীল ও সংবেদনশীল মানুষ। পুরো পথ জুড়ে আমরা আমাদের পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেছি। এই মহান নারী আমাদের মতো সাধারণ মানুষের কথা যতটা ধৈর্য ধরে শুনতেন, বিশিষ্ট পণ্ডিতদের কথাও ততটা মন দিয়ে শুনতেন। তার মতো মার্জিত আতিথেয়তা আমি অন্য কারো মধ্যে দেখিনি। একদিন আমি তাকে এটি বললে তিনি শান্তভাবে বলেছিলেন, “আমি এমন কাউকে দেখিনি যার কাছ থেকে আমি কিছু শিখতে পারি না।” ** [[মেরি হিটন ভোর্স]], [https://www.marxists.org/subject/women/authors/vorse/peace.html ''রেমিনিসেন্স অব মেরি হিটন ভোর্স''] (১৯৩৫)। * একজন যাকে আমি যুক্তরাষ্ট্রের সর্বশ্রেষ্ঠ নারী বলে মনে করি (জেন অ্যাডামস সম্পর্কে)। ** ''ক্রুসেড ফর জাস্টিস: দি অটোবায়োগ্রাফি অব [[আইডা বি. ওয়েলস]]'' (১৯৯১)। == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} {{কমন্স|বিভাগ:Jane Addams}} {{উইকিসোর্স লেখক}} {{DEFAULTSORT:অ্যাডামস, জেন}} [[বিষয়শ্রেণী:নারী অধিকার কর্মী]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাষ্ট্রের নারী সক্রিয়কর্মী]] [[বিষয়শ্রেণী:জন্ম ১৮৬০]] [[বিষয়শ্রেণী:মৃত্যু ১৯৩৫]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাষ্ট্রের দার্শনিক]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাষ্ট্রের সমাজবিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:ইলিনয়ের ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:এলজিবিটি ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:নারী নোবেল বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:শান্তিবাদী]] [[বিষয়শ্রেণী:যুদ্ধবিরোধী সক্রিয়কর্মী]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসবিটেরিয়ান]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাষ্ট্রের স্মৃতিকথা লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাষ্ট্রের নারী লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাষ্ট্রের নোবেল বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:ঊনবিংশ শতাব্দীতে জন্ম নেওয়া নারী]] cejvskoi2oecz63zyrnrpgkplp907o4 আলাপ:জেন অ্যাডামস 1 13232 79802 2026-04-22T16:51:19Z Anik Kanti Dey 3075 https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026 79802 wikitext text/x-wiki {{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}} s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm আলাপ:হান কাং 1 13233 79804 2026-04-22T16:57:09Z Md. Muqtadir Fuad 2944 https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026 79804 wikitext text/x-wiki {{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}} s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm রবার্ট মান্ডেল 0 13234 79805 2026-04-22T17:09:41Z Md. Muqtadir Fuad 2944 "[[File:Rmundell.jpg|thumb|রবার্ট মান্ডেল, ১৯৯৮]] '''রবার্ট আলেকজান্ডার মান্ডেল''', সিসি (জন্ম অক্টোবর ২৪, ১৯৩২ – মৃত্যু এপ্রিল ৪, ২০২১) ছিলেন একজন কানাডীয় অর্থনীতিবিদ। তিনি কলাম্বিয়া বিশ্বব..." দিয়ে পাতা তৈরি 79805 wikitext text/x-wiki [[File:Rmundell.jpg|thumb|রবার্ট মান্ডেল, ১৯৯৮]] '''রবার্ট আলেকজান্ডার মান্ডেল''', সিসি (জন্ম অক্টোবর ২৪, ১৯৩২ – মৃত্যু এপ্রিল ৪, ২০২১) ছিলেন একজন কানাডীয় অর্থনীতিবিদ। তিনি কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় এবং চাইনিজ ইউনিভার্সিটি অব হংকংয়ে অর্থনীতি বিষয়ে অধ্যাপনা করতেন। == উক্তি == * বিশ্বের অন্যান্য দেশ যদি বাণিজ্যের ক্ষেত্রে যথেষ্ট উন্মুক্ত না হয়, তবে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষেও পুরোপুরি মুক্ত ব্যবস্থা বজায় রাখা সম্ভব হবে না। এই পরিস্থিতিতে জাপান, চীন আর জার্মানির পথ অনুসরণ করে যুক্তরাষ্ট্রকেও হয়তো নিজের বাজার রক্ষায় কিছুটা ‘সুরক্ষাবাদী’ নীতি গ্রহণে বাধ্য হতে হবে। ** রবার্ট মান্ডেল, ''ফোর্বস ডটকম''-এ প্রকাশিত “নোবেলজয়ী: বিশ্ব অর্থনীতির ‘উলঙ্গ নারী’ হলো যুক্তরাষ্ট্র”, ২৬ মে ২০১৩ * ইউরো এমন একটি মাধ্যম, যা ব্যবহার করে মুদ্রা এবং রাজস্বনীতির ওপর কংগ্রেস কিংবা পার্লামেন্টের সব ধরনের নিয়ন্ত্রণ কেড়ে নেওয়া যায়। মূলত এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই অর্থনীতির নিয়ন্ত্রক থেকে খোদ ‘গণতন্ত্র’কে ছেঁটে ফেলে একপাশে সরিয়ে দেওয়া হয়। ** রবার্ট মান্ডেল, শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর ছাত্র গ্রেগ প্যালাস্টকে বলেছিলেন<ref name=":Hudson">{{Cite book|last=Hudson|first=Micheal|url=https://www.worldcat.org/oclc/920675065|title=Killing the host : how financial parasites and debt destroy the global economy|publisher=CounterPunch Books|year=2015|isbn=978-3-9814842-8-1|chapter=23. High Finance installs Technocrats as Proconsuls|oclc=920675065}}</ref> == রবার্ট মান্ডেল সম্পর্কে উক্তি == * মান্ডেলের মডেলে রাজস্বনীতির এক বিশেষ ভূমিকা ছিল, বিশেষ করে যখন বিনিময় হার স্থির থাকত। তাঁর এই পুরো ব্যাখ্যাটি ছিল আসলে কেইনসীয় ঘরানার। সেখানে বাজেট ঘাটতি বৃদ্ধিকে পণ্যের সামগ্রিক চাহিদা বাড়ানোর একটি উপায় হিসেবে দেখা হতো। এছাড়া সরকারি ব্যয় বাড়ানো আর কর কমানোর মধ্যে তেমন কোনো তফাত রাখা হয়নি; অর্থনীতির ওপর এই দুটির প্রভাবই ছিল প্রায় একই রকম। ** রবার্ট ব্যারো, ''নাথিং ইজ সেক্রেড'' (২০০২), পৃষ্ঠা ২৩ * জন কেনেথ গ্যালব্রেইথ বা লেস্টার থুরোর কথাই ধরুন। সাধারণ মানুষের কাছে তাঁরা দুজনই ছিলেন সময়ের সেরা অর্থনীতিবিদ এবং তাঁদের সব ধরনের তাত্ত্বিক যোগ্যতাও ছিল। অথচ মূলধারার বুদ্ধিজীবী মহল বা একাডেমিক জগত তাঁদের একরকম উপেক্ষাই করে গেছে। আবার রবার্ট মান্ডেলের উদাহরণটিও দেখুন—আন্তর্জাতিক মুদ্রাতত্ত্বে অবদানের জন্য তিনি আজও সম্মানিত। কিন্তু পরবর্তীতে ‘জোগানমুখী অর্থনীতি’র জনক হিসেবে তাঁর যে ভূমিকা ছিল, সেটিকেও একইভাবে অবজ্ঞা করা হয়েছে। ** পল ক্রুগম্যান, ''ডেভেলপমেন্ট, জিওগ্রাফি, অ্যান্ড ইকোনমিক থিওরি'' (১৯৯৫) * ইউরো ‘ব্যর্থ’ হয়েছে—এমনটা মনে করা হবে এক ধরনের বিপজ্জনক সরলতা। বাস্তবতা হলো, ইউরো ঠিক সেভাবেই কাজ করে যাচ্ছে যেভাবে এর প্রবর্তক এবং সমাজের সেই প্রভাবশালী ১ শতাংশ ধনী মানুষ আগে থেকেই পরিকল্পনা করেছিলেন। ** গ্রেগ প্যালাস্ট, [http://www.guardian.co.uk/commentisfree/2012/jun/26/robert-mundell-evil-genius-euro "ইউরোর দুষ্ট প্রতিভা রবার্ট মান্ডেল"], ''দ্য গার্ডিয়ান'', ২৬ জুন ২০১২ == বহিঃসংযোগ == {{DEFAULTSORT:Mundell, Robert}} [[Category:অর্থনীতিবিদ]] [[Category:ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] [[Category:কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক]] [[Category:শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক]] 7v8ylnl407nkar2fj7ywmuqadg86qar 79806 79805 2026-04-22T17:10:32Z Md. Muqtadir Fuad 2944 /* উক্তি */ সংশোধন 79806 wikitext text/x-wiki [[File:Rmundell.jpg|thumb|রবার্ট মান্ডেল, ১৯৯৮]] '''রবার্ট আলেকজান্ডার মান্ডেল''', সিসি (জন্ম অক্টোবর ২৪, ১৯৩২ – মৃত্যু এপ্রিল ৪, ২০২১) ছিলেন একজন কানাডীয় অর্থনীতিবিদ। তিনি কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় এবং চাইনিজ ইউনিভার্সিটি অব হংকংয়ে অর্থনীতি বিষয়ে অধ্যাপনা করতেন। == উক্তি == * বিশ্বের অন্যান্য দেশ যদি বাণিজ্যের ক্ষেত্রে যথেষ্ট উন্মুক্ত না হয়, তবে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষেও পুরোপুরি মুক্ত ব্যবস্থা বজায় রাখা সম্ভব হবে না। এই পরিস্থিতিতে জাপান, চীন আর জার্মানির পথ অনুসরণ করে যুক্তরাষ্ট্রকেও হয়তো নিজের বাজার রক্ষায় কিছুটা ‘সুরক্ষাবাদী’ নীতি গ্রহণে বাধ্য হতে হবে। ** রবার্ট মান্ডেল, ''ফোর্বস ডটকমে'' প্রকাশিত “নোবেলজয়ী: বিশ্ব অর্থনীতির ‘উলঙ্গ নারী’ হলো যুক্তরাষ্ট্র”, ২৬ মে ২০১৩ * ইউরো এমন একটি মাধ্যম, যা ব্যবহার করে মুদ্রা এবং রাজস্বনীতির ওপর কংগ্রেস কিংবা পার্লামেন্টের সব ধরনের নিয়ন্ত্রণ কেড়ে নেওয়া যায়। মূলত এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই অর্থনীতির নিয়ন্ত্রক থেকে খোদ ‘গণতন্ত্র’কে ছেঁটে ফেলে একপাশে সরিয়ে দেওয়া হয়। ** রবার্ট মান্ডেল, শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর ছাত্র গ্রেগ প্যালাস্টকে বলেছিলেন<ref name=":Hudson">{{Cite book|last=Hudson|first=Micheal|url=https://www.worldcat.org/oclc/920675065|title=Killing the host : how financial parasites and debt destroy the global economy|publisher=CounterPunch Books|year=2015|isbn=978-3-9814842-8-1|chapter=23. High Finance installs Technocrats as Proconsuls|oclc=920675065}}</ref> == রবার্ট মান্ডেল সম্পর্কে উক্তি == * মান্ডেলের মডেলে রাজস্বনীতির এক বিশেষ ভূমিকা ছিল, বিশেষ করে যখন বিনিময় হার স্থির থাকত। তাঁর এই পুরো ব্যাখ্যাটি ছিল আসলে কেইনসীয় ঘরানার। সেখানে বাজেট ঘাটতি বৃদ্ধিকে পণ্যের সামগ্রিক চাহিদা বাড়ানোর একটি উপায় হিসেবে দেখা হতো। এছাড়া সরকারি ব্যয় বাড়ানো আর কর কমানোর মধ্যে তেমন কোনো তফাত রাখা হয়নি; অর্থনীতির ওপর এই দুটির প্রভাবই ছিল প্রায় একই রকম। ** রবার্ট ব্যারো, ''নাথিং ইজ সেক্রেড'' (২০০২), পৃষ্ঠা ২৩ * জন কেনেথ গ্যালব্রেইথ বা লেস্টার থুরোর কথাই ধরুন। সাধারণ মানুষের কাছে তাঁরা দুজনই ছিলেন সময়ের সেরা অর্থনীতিবিদ এবং তাঁদের সব ধরনের তাত্ত্বিক যোগ্যতাও ছিল। অথচ মূলধারার বুদ্ধিজীবী মহল বা একাডেমিক জগত তাঁদের একরকম উপেক্ষাই করে গেছে। আবার রবার্ট মান্ডেলের উদাহরণটিও দেখুন—আন্তর্জাতিক মুদ্রাতত্ত্বে অবদানের জন্য তিনি আজও সম্মানিত। কিন্তু পরবর্তীতে ‘জোগানমুখী অর্থনীতি’র জনক হিসেবে তাঁর যে ভূমিকা ছিল, সেটিকেও একইভাবে অবজ্ঞা করা হয়েছে। ** পল ক্রুগম্যান, ''ডেভেলপমেন্ট, জিওগ্রাফি, অ্যান্ড ইকোনমিক থিওরি'' (১৯৯৫) * ইউরো ‘ব্যর্থ’ হয়েছে—এমনটা মনে করা হবে এক ধরনের বিপজ্জনক সরলতা। বাস্তবতা হলো, ইউরো ঠিক সেভাবেই কাজ করে যাচ্ছে যেভাবে এর প্রবর্তক এবং সমাজের সেই প্রভাবশালী ১ শতাংশ ধনী মানুষ আগে থেকেই পরিকল্পনা করেছিলেন। ** গ্রেগ প্যালাস্ট, [http://www.guardian.co.uk/commentisfree/2012/jun/26/robert-mundell-evil-genius-euro "ইউরোর দুষ্ট প্রতিভা রবার্ট মান্ডেল"], ''দ্য গার্ডিয়ান'', ২৬ জুন ২০১২ == বহিঃসংযোগ == {{DEFAULTSORT:Mundell, Robert}} [[Category:অর্থনীতিবিদ]] [[Category:ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] [[Category:কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক]] [[Category:শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক]] 6esn1tdyxgs4f16xrnl1aqs0a8hpym8 আলাপ:রবার্ট মান্ডেল 1 13235 79807 2026-04-22T17:11:09Z Md. Muqtadir Fuad 2944 https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026 79807 wikitext text/x-wiki {{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}} s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm পাউল এরেনফেস্ট 0 13236 79809 2026-04-22T17:31:47Z Md. Muqtadir Fuad 2944 "[[File:Paul Ehrenfest.jpg|thumb|right|পাউল এরেনফেস্ট (প্রায় ১৯১০)]] '''পাউল এরেনফেস্ট''' (জানুয়ারি ১৮, ১৮৮০ – সেপ্টেম্বর ২৫, ১৯৩৩) ছিলেন একজন অস্ট্রীয় পদার্থবিদ ও গণিতবিদ। ১৯২২ সালের ২৪ মার্চ তিনি..." দিয়ে পাতা তৈরি 79809 wikitext text/x-wiki [[File:Paul Ehrenfest.jpg|thumb|right|পাউল এরেনফেস্ট (প্রায় ১৯১০)]] '''পাউল এরেনফেস্ট''' (জানুয়ারি ১৮, ১৮৮০ – সেপ্টেম্বর ২৫, ১৯৩৩) ছিলেন একজন অস্ট্রীয় পদার্থবিদ ও গণিতবিদ। ১৯২২ সালের ২৪ মার্চ তিনি নেদারল্যান্ডসের নাগরিকত্ব লাভ করেন। পরিসংখ্যানগত বলবিদ্যা এবং তার সঙ্গে [[w:quantum mechanics|কোয়ান্টাম বলবিদ্যা]]র সম্পর্ক নিয়ে তিনি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। এর মধ্যে দশা পরিবর্তন তত্ত্ব এবং এরেনফেস্টের উপপাদ্য বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। == সূত্রসহ == * আইনস্টাইন, আমার এই দুর্বল পেট তোমার তত্ত্ব সহ্য করতে পারছে না, এমনকি তোমাকেও প্রায় সহ্য করা দায়! আমি এখন আমার ছাত্রদের সামলাব কীভাবে? আর দার্শনিকদেরই বা কী জবাব দেব? ** [[w:general relativity|সাধারণ আপেক্ষিকতা]] তত্ত্ব নিয়ে, [[w:আলবার্ট আইনস্টাইন|আলবার্ট আইনস্টাইন]]কে লেখা ২৪ নভেম্বর ১৯১৯ তারিখের এক চিঠিতে। == আরোপিত == * বিন্দু-ইলেকট্রন নিয়ে তোমার ঝামেলা হবে। ** হেন্ড্রিক কাসিমিরের উদ্ধৃতিতে, থমাস কুন, লেওঁ রোজেনফেল্ড, ওগে বোর এবং এরিক রুডিঙ্গার নেওয়া ৫ ও ৬ জুলাই ১৯৬৩-তে কোপেনহেগেনের তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞান প্রতিষ্ঠানের একটি [http://www.aip.org/history/ohilist/4550_1.html সাক্ষাৎকারে]। == এরেনফেস্ট সম্পর্কে উক্তি == * যেতে যেতে এরেনফেস্টের একটি স্বভাবসুলভ ঘটনার কথা বলা যাক, যদিও এই ঘটনা খুব একটা ভালো লাগবে না। সে সময় লরেঞ্জ হারলেমে থাকতেন। রাদারফোর্ড, মাদাম কুরি, বোর এবং আইনস্টাইনের মতো বিশ্বখ্যাত সব বিজ্ঞানীরা লেইডেন থেকে হারলেমে যাতায়াতের জন্য বিশেষ একটি ট্রেন ব্যবহার করতেন। ঠিক এক সপ্তাহ আগে সেই লাইনে বিরল অথচ ভয়াবহ একটি ট্রেন দুর্ঘটনা ঘটেছিল। একদিন আমি এরেনফেস্টকে বললাম, ‘আচ্ছা, ওই বিজ্ঞানীদের বহনকারী ট্রেনটিরও যদি এমন দুর্ঘটনা ঘটত, তবে তা কত বড় বিপর্যয় হতো, ভাবা যায়?’ এরেনফেস্ট নির্লিপ্তভাবে জবাব দিলেন, ‘হ্যাঁ, তা ঠিক। কিন্তু ভেবে দেখো, তখন কত শত তরুণ পদার্থবিদের সামনে চাকরির অবারিত সুযোগ তৈরি হতো!’ ** স্যামুয়েল গাউডস্মিট (গাউডস্মিটের এপ্রিল ১৯৭১-এর বক্তৃতা থেকে জে. এইচ. ফান ডার ভালসের অনুবাদে) [https://books.google.com/books?id=PBjtCgAAQBAJ&pg=PA9 অধ্যায় এ.১: ইলেকট্রনের স্পিনের আবিষ্কার], ''ফাউন্ডেশন্স অব মডার্ন ইপিআর'', ১৯৯৮, পৃষ্ঠা ১–১২। (উদ্ধৃতি, পৃষ্ঠা ৯–১০) * পরিসংখ্যানগত বলবিদ্যা আর তড়িৎচৌম্বক তত্ত্ব পড়ানোর সময় তাঁর ভঙ্গিটা ছিল অনন্য। মনে হতো বিজ্ঞান যেন নানা দ্বন্দ্ব আর বিতর্কের মধ্য দিয়ে এক জীবন্ত সত্তা হিসেবে বড় হয়ে উঠছে। তাঁর প্রতিটি বক্তৃতায় বোল্টসমান, ক্লাইন, রিৎজ, আব্রাহাম কিংবা আইনস্টাইনের মতো মহান বিজ্ঞানীদের ব্যক্তিগত উপস্থিতি ফুটে উঠত। পড়ানোর শুরুতেই তিনি সাফ বলে দিতেন, মাত্র দুই সপ্তাহের মধ্যে ভেক্টর বিশ্লেষণ নিজে নিজে শিখে নিতে হবে, এ ব্যাপারে কোনো ছাড় নেই। এরেনফেস্টের ছাত্ররা একবাক্যে স্বীকার করেছেন যে, তাঁর পড়ানোর এই অদ্ভুত ধরন তাঁদের নিজেদের শিক্ষকতা জীবনেও এক গভীর প্রভাব ফেলেছে। ** ডির্ক ইয়ান স্ট্রুইক: [https://www.ocf.berkeley.edu/~lekheng/interviews/DirkStruik.pdf ডেভিড ই. রো রচিত ''ডির্ক ইয়ান স্ট্রুইকের সাক্ষাৎকার''], ''দ্য ম্যাথেমেটিক্যাল ইনটেলিজেন্সার'', খণ্ড ১১, সংখ্যা ১, ১৯৮৯, পৃষ্ঠা ১৪–২৬। (উদ্ধৃতি, পৃষ্ঠা ১৫) * লুডভিগ বোল্টসমান তাঁর জীবনের দীর্ঘ সময় পরিসংখ্যানগত বলবিদ্যা নিয়ে গবেষণা করেছেন এবং ১৯০৬ সালে তিনি প্রাণ হারান। তাঁর অসমাপ্ত কাজগুলো এগিয়ে নিয়ে গিয়েছিলেন পাউল এরেনফেস্ট, কিন্তু ১৯৩৩ সালে তিনিও মারা যান। এখন এই পরিসংখ্যানগত বলবিদ্যা নিয়ে কাজ করার পালা আমাদের। তবে দুই পূর্বসূরির পরিণতির কথা মাথায় রেখে বোধহয় এই বিষয়ের দিকে একটু সাবধানেই পা বাড়ানো উচিত। ** ডেভিড এল. গুডস্টাইন, ''স্টেটস অব ম্যাটার'' (১৯৭৪), পৃষ্ঠা ১। == বহিঃসংযোগ == {{DEFAULTSORT:Ehrenfest, Paul}} [[Category:নেদারল্যান্ডস]] [[Category:নাস্তিক]] [[Category:১৮৮০-এ জন্ম]] [[Category:১৯৩৩-এ মৃত্যু]] [[Category:ভিয়েনা]] 5udft96v24a2hyq0hbkcixjpy8bqu61 আলাপ:পাউল এরেনফেস্ট 1 13237 79810 2026-04-22T17:32:25Z Md. Muqtadir Fuad 2944 https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026 79810 wikitext text/x-wiki {{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}} s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul/common.js 2 13238 79813 2026-04-22T18:15:47Z Anaf Ibn Shahibul 4193 "mw.loader.load('//vi.wikipedia.org/w/index.php?title=User:Plantaest/TwinkleGlobalMobile.js&action=raw&ctype=text/javascript');" দিয়ে পাতা তৈরি 79813 javascript text/javascript mw.loader.load('//vi.wikipedia.org/w/index.php?title=User:Plantaest/TwinkleGlobalMobile.js&action=raw&ctype=text/javascript'); 8dbuc27e8906pa7cdw591ekd02rcqmw জয় শ্রীরাম 0 13239 79814 2026-04-22T18:17:18Z Tuhin 172 + 79814 wikitext text/x-wiki '''[[w:জয় শ্রীরাম|জয় শ্রীরাম]]''' হলো ভারতীয় ভাষাগুলোর একটি অভিব্যক্তি, যার অনুবাদ হলো "প্রভু [[রাম|রামের]] মহিমা" বা "প্রভু রামের বিজয়"। এই ঘোষণাটি [[হিন্দু|হিন্দুদের]] দ্বারা হিন্দু ধর্মের প্রতি আনুগত্যের প্রতীক হিসেবে বা বিশ্বাস-কেন্দ্রিক বিভিন্ন আবেগ প্রকাশের জন্য ব্যবহৃত হয়ে আসছে। বিংশ শতাব্দীর শেষভাগে জনসাধারণের মধ্যে [[হিন্দুধর্ম|হিন্দুধর্মের]] দৃশ্যমানতা বৃদ্ধির হাতিয়ার হিসেবে এবং পরবর্তীতে যুদ্ধের হুঙ্কার হিসেবে এই স্লোগানটি গৃহীত হয়েছিল। বর্তমানে ভারতের [[হিন্দুত্ব|হিন্দুত্ববাদী]] আদর্শের সাথে যুক্ত সংগঠনগুলো, যেমন বিশ্ব হিন্দু পরিষদ, [[ভারতীয় জনতা পার্টি]] এবং তাদের সহযোগীরা ক্রমবর্ধমানভাবে এই অভিব্যক্তিটি ব্যবহার করছে। এই স্লোগানটি পরবর্তীতে [[ভারতে মুসলিমদের বিরুদ্ধে সহিংসতা|মুসলিমদের বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক সহিংসতার]] সাথেও যুক্ত হয়েছে। == উক্তি == * ৩১ বছর আগে অযোধ্যায় রামভক্ত ও করসেবকদের ওপর গুলি চালানো হয়েছিল। তখন ‘জয় শ্রীরাম’ বলা এবং রাম মন্দিরের সমর্থনে কথা বলা অপরাধ বলে গণ্য হতো। কিন্তু এটি জনগণ এবং গণতন্ত্রের শক্তি যে যারা রামভক্তদের ওপর গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিল, আজ তারা আপনাদের শক্তির কাছে মাথা নত করছে। ** ২০২১ সালে অযোধ্যায় দীপোৎসব চলাকালীন জনসভায় যোগী আদিত্যনাথের ভাষণ। [https://www.opindia.com/2021/11/in-next-karseva-flowers-will-be-showered-on-the-devotees-yogi-adityanath/ ‘হোয়েন নেক্সট করসেবা হ্যাপেনস, নট বুলেটস বাট ফ্লাওয়ারস উইল বি শাওয়ারড অন দ্য ডিভোটিস অফ লর্ড রামা অ্যান্ড লর্ড কৃষ্ণা’: যোগী আদিত্যনাথ] থেকে উদ্ধৃত। * ২৭ ফেব্রুয়ারি পূর্ব গুজরাতের জেলা সদর গোধরায় সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। সাবরমতী এক্সপ্রেসে ২৫ জন নারী ও ১৪ জন শিশুসহ সাতান্ন জন হিন্দুকে জ্যান্ত পুড়িয়ে মারা হয়...<br> যারা মূলত গুজরাতের বাসিন্দা ছিলেন এবং সাবরমতী এক্সপ্রেসে চড়ে বাড়ি ফিরছিলেন, তারা কয়েকটি কোচে একত্রিত হয়েছিলেন। তারা পুরো যাত্রা জুড়ে হিন্দু জাতীয়তাবাদী গান এবং স্লোগান দিচ্ছিলেন এবং সেই সাথে মুসলিম যাত্রীদের হয়রানি করছিলেন। এক পরিবারকে এমনকি ট্রেন থেকে নামিয়ে দেওয়া হয়েছিল কারণ তারা করসেবকদের যুদ্ধের হুঙ্কার ‘জয় শ্রীরাম!’ বলতে অস্বীকার করেছিল। গোধরা স্টেশনে থামার পর আরও লাঞ্ছনা ঘটে যেখানে একজন মুসলিম দোকানদারকেও ‘জয় শ্রীরাম’ বলতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তিনি অস্বীকার করেন এবং করসেবকরা দুই কন্যাসহ একজন মুসলিম নারীর ওপর চড়াও না হওয়া পর্যন্ত তাকে মারধর করা হয়। ট্রেনটি আবার চলতে শুরু করার আগে তাদের একজনকে জোর করে ট্রেনে তোলা হয়েছিল... <br>এভাবে হিন্দু বিরোধী দাঙ্গাটি ছিল হিন্দু জাতীয়তাবাদী কর্মীদের উস্কানির প্রতিক্রিয়া। পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহ স্পষ্ট দেখায় যে এই হিন্দু জাতীয়তাবাদীরা যে রাজনৈতিক কৌশল প্রয়োগ করে, তার কারণেই সহিংসতা নজিরবিহীন মাত্রায় পৌঁছেছিল। ** ক্রিস্টোফ জাফ্রেলট কর্তৃক [[২০০২ গুজরাত দাঙ্গা|গোধরা ট্রেন পোড়ানোর ঘটনার]] বর্ণনা। জাফ্রেলট, সি. ‘কমিউনাল রায়টস ইন গুজরাট: দ্য স্টেট অ্যাট রিস্ক?’ জুলাই ২০০৩। হাইডেলবার্গ পেপারস ইন সাউথ এশিয়ান অ্যান্ড কম্পারেটিভ পলিটিক্স। * আমার মনে আছে যে টিফিন বিরতির সময় যখন আমরা বাচ্চারা কিছু খেলাধুলা করছিলাম, তখন একটি মুসলিম ছেলে একটি বড় মাটির পাত্র (যা গ্রীষ্মকালে ছাত্রদের পানীয় জল সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হতো) দুই হাতে তুলে ধরে ‘জয় শ্রীরাম’ বলে চিৎকার করেছিল। সে রামায়ণ টিভি সিরিয়ালের সেই দৃশ্যটি অনুকরণ করছিল যেখানে প্রভু হনুমান বড় পাথর তুলে রাবণের বাহিনীর দিকে ছুঁড়ে মারেন। আজ মুসলিমদের কথা বাদ দিন, আমাদের বুদ্ধিজীবীরা এমনকি বাঙালি হিন্দুদেরও শেখাতে ব্যস্ত যে ‘জয় শ্রীরাম’ তাদের সংস্কৃতির অংশ নয় এবং তাদের এই বাক্যাংশটি উচ্চারণ করা উচিত নয়। ** ‘সংঘী হু নেভার ওয়েন্ট টু এ শাখা’। রাহুল রোশন। রূপা পাবলিকেশন্স ইন্ডিয়া। ২০২১। * কোনোভাবে এই সমস্ত দায়িত্বজ্ঞান লোপ পায় যদি কোনো মুসলিম দম্পতি একই ধরনের কিছু দাবি করেন। মনে করে দেখুন কীভাবে অনেক মুসলিম পুরুষের অভিযোগ (যারা দাবি করেছিলেন যে তাদের মারধর করা হয়েছে এবং ‘জয় শ্রীরাম’ বলতে বাধ্য করা হয়েছে) মূলধারার গণমাধ্যমে যাচাই বা পুলিশের কাছ থেকে নিশ্চিতকরণের অপেক্ষা না করেই প্রচারিত হয়েছিল। মোদি ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে জেতার পর রিপোর্ট করা এই জাতীয় অধিকাংশ মামলা পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদ এবং তদন্তের পর ভিত্তিহীন বা পুরোপুরি মিথ্যা বলে প্রমাণিত হয়েছিল; তবুও এই ধরণের রিপোর্টিং অব্যাহত ছিল। ** ‘সংঘী হু নেভার ওয়েন্ট টু এ শাখা’। রাহুল রোশন। রূপা পাবলিকেশন্স ইন্ডিয়া। ২০২১। * ‘জয় শ্রীরাম’ হিন্দুদের মধ্যে একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় স্লোগান যার আক্ষরিক অর্থ ‘শ্রীরামের মহিমা’। প্রভু রাম একজন হিন্দু দেবতা যিনি সারা বিশ্বের হিন্দুদের কাছে অত্যন্ত প্রিয়। তবে সাম্প্রতিক সময়ে স্লোগানটিকে শুধুমাত্র সেই সব গোষ্ঠীর মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার চেষ্টা করা হয়েছে যারা ‘হিন্দুত্ব’ বা রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (আরএসএস) এবং ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) আদর্শিক অবস্থানকে সমর্থন করে। এভাবে ডব্লিউএসজে-এর প্রতিবেদনে যখন দাবি করা হয়েছিল যে অঙ্কুর শর্মা তাদের বলেছিলেন যে তার মৃত ভাইয়ের ওপর ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান দেওয়া এক জনতা আক্রমণ করেছিল, তখন রাজনৈতিক মহলের লোকেরা স্বাভাবিকভাবেই ধরে নিয়েছিল যে হত্যাকাণ্ডটি একটি হিন্দু জনতা দ্বারা সংঘটিত হয়েছে। ** নুপুর জে. শর্মা, ‘দিল্লি অ্যান্টি-হিন্দু রায়টস ২০২০’ (২০২০)। * উইকিপিডিয়া যা বলছে তা হলো: ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগানটি অন্য ধর্মের সদস্যদের ওপর সাম্প্রদায়িক নৃশংসতা চালানোর জন্য যুদ্ধের হুঙ্কার হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ** সঞ্জয় দীক্ষিত, ১ আগস্ট ২০২০ তারিখে টুইটারে দেওয়া মন্তব্য। [https://theprint.in/india/biased-anti-hindu-campaign-begins-against-wikipedia-after-it-urges-indians-to-donate/472980/ দ্য প্রিন্ট, ‘বায়াসড, অ্যান্টি-হিন্দু’ – ক্যাম্পেইন বিগিনস অ্যাগেইনস্ট উইকিপিডিয়া আফটার ইট আরজেস ইন্ডিয়ানস টু ডোনেট], ২ আগস্ট ২০২০ থেকে উদ্ধৃত। == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:হিন্দু জাতীয়তাবাদ]] d38wv9evg4suss1dudpgjgcl9i8v5l4 আলাপ:জয় শ্রীরাম 1 13240 79815 2026-04-22T18:17:57Z Tuhin 172 https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026 79815 wikitext text/x-wiki {{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}} s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm ভারতে মুসলিমদের বিরুদ্ধে সহিংসতা 0 13241 79818 2026-04-22T18:33:13Z Tuhin 172 + 79818 wikitext text/x-wiki ১৯৪৭ সালে [[ভারতের বিভাজন|ভারত বিভাজনের]] পর থেকে মুসলিমদের বিরুদ্ধে ধর্মীয় সহিংসতার বেশ কিছু ঘটনা ঘটেছে। এগুলো প্রায়ই [[হিন্দু জাতীয়তাবাদী]] উচ্ছৃঙ্খল জনতা কর্তৃক [[মুসলিম]]দের ওপর সহিংস হামলার রূপ নেয়, যা হিন্দু ও মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে বিক্ষিপ্ত সাম্প্রদায়িক সহিংসতার একটি ধরণ তৈরি করেছে। ১৯৫০ সাল থেকে হিন্দু-মুসলিম সাম্প্রদায়িক সহিংসতায় ১০,০০০-এরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে এবং ১৯৫৪ থেকে ১৯৮২ সালের মধ্যে ৬,৯৩৩টি সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। == উক্তি == === ১৬শ শতাব্দী === * আমি শহরটি পুড়িয়ে দিয়েছিলাম এবং সবকিছু তলোয়ারের মুখে নিয়েছিলাম এবং টানা কয়েকদিন ধরে মানুষ রক্তপাত করেছে। যেখানেই তাদের পাওয়া গেছে এবং ধরা হয়েছে, কোনো মুসলমানের প্রাণ রক্ষা করা হয়নি। তাদের মসজিদগুলো ভরাট করে আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। আমরা ৬,০০০ মৃতদেহ গুনেছি। হে প্রভু, এটি ছিল একটি মহান কাজ, যা দক্ষতার সাথে লড়া হয়েছে এবং সুসম্পন্ন হয়েছে। ** আলফনসো দে আলবুকার্ক, গোয়ার পর্তুগিজ গভর্নর (১৫০৯-১৫১৫), রাজা রাও-এর কাছে বন্দর-শহর দখলের বর্ণনা দেওয়ার সময়। পি., পর্তুগিজ রুল ইন গোয়া, এশিয়া পাবলিশিং হাউস, ১৯৬৩, পৃষ্ঠা ৩০। জৈন, এম. (সম্পাদক) (২০১১) রচিত ‘দ্য ইন্ডিয়া দে স (ভলিউম ৩)’-এর অধ্যায় ১৪ থেকে উদ্ধৃত। * আমি মুসলমানদের কোনো শহর বা ভবন বাকি রাখি না। যাদের জীবিত ধরা হয়, আমি তাদের রোস্ট করার (পুড়িয়ে মারার) আদেশ দিই... ** বিজিত অঞ্চলে মুসলিমদের প্রতি আচরণ সম্পর্কে পর্তুগালের রাজার কাছে আলফনসো দে আলবুকার্ক। রাও, আর. পি., পর্তুগিজ রুল ইন গোয়া, এশিয়া পাবলিশিং হাউস, ১৯৬৩, পৃষ্ঠা ৪৪। জৈন, এম. (সম্পাদক) (২০১১) রচিত ‘দ্য ইন্ডিয়া দে স (ভলিউম ৩)’-এর অধ্যায় ১৪ থেকে উদ্ধৃত। * আকবর কর্তৃক মুসলিমদের ওপর নির্যাতনের প্রশ্নটি নিয়ে সব সময়ই অনেক আলোচনা হয়েছে। ড. স্মিথ বলেন যে ‘আকবর তার পূর্বপুরুষদের এবং নিজের যৌবনের বিশ্বাসের প্রতি তীব্র শত্রুতা প্রদর্শন করেছিলেন এবং প্রকৃতপক্ষে ইসলামের ওপর নিপীড়ন চালিয়েছিলেন’। স্যার ওলসেলে হেইগ বলেন যে ‘জীবনের শেষ ভাগে তিনি ইসলামের অনুসারীদের ওপর নির্যাতন করেছিলেন এবং এর উপাসনালয়গুলো ধ্বংস করেছিলেন’। এগুলো গুরুতর অভিযোগ এবং ইতিহাসের সিরিয়াস ছাত্রদের দ্বারা উত্থাপিত হওয়ায় এগুলো পরীক্ষার দাবি রাখে... ** শর্মা শ্রী রাম। ১৯৮৮। ‘দ্য রিলিজিয়াস পলিসি অফ দ্য মুঘল এম্পেররস’। ৩য় সংস্করণ। নয়াদিল্লি: মুনশিরাম মনোহরলাল। * আলফনসো দে আলবুকার্ক ক্যাপ্টেনদের পুরো দ্বীপটি পুনরায় পরিদর্শন করতে এবং যতজন মুর (মুসলিম), পুরুষ, মহিলা ও শিশু পাওয়া যায় তাদের সবাইকে তলোয়ারের মুখে ফেলতে এবং তাদের কাউকেই রেহাই না দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। কারণ তার সংকল্প ছিল পুরো দ্বীপে এই জাতির কোনো বীজ না রাখা। তিনি এটি কেবল এই জন্য করেননি যে ভূমির নিরাপত্তার জন্য সেখানে হিন্দু ছাড়া অন্য কেউ থাকা উচিত নয়, বরং মুররা প্রথমবার শহরটি দখলের সময় যে বিশ্বাসঘাতকতা করেছিল তার শাস্তি হিসেবেও এটি করা হয়েছিল। এবং চার দিন ধরে তারা সেখানে পাওয়া মুরদের রক্ত ঝরিয়েছিল। এটি নিশ্চিত হওয়া গিয়েছিল যে সেই পুরুষ, মহিলা ও শিশুদের সংখ্যা ছয় হাজার ছাড়িয়ে গিয়েছিল। ** ‘দ্য কমেন্টারিস অফ দ্য গ্রেট আলফনসো ডালবুকার্ক’, ভলিউম ৩। প্রিয়লকার অনন্ত কাকবা এবং গ্যাব্রিয়েল ডেলন (২০০৮) রচিত ‘দ্য গোয়া ইনকুইজিশন’-এ উদ্ধৃত। * মোহামেডানদের (মুসলিম) প্রতি পর্তুগিজদের মনোভাব ছিল ঘোর শত্রুতার। তাদের একমাত্র ধারণা ছিল মুরদের বাণিজ্য সমূলে উৎপাটন করা এবং যতটা সম্ভব একটি জাতি হিসেবে মোহামেডানদের ধ্বংস করা। এটি কেবল বাণিজ্যিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার কারণে ছিল না, বরং স্পেন এবং আফ্রিকায় মুরদের সাথে দীর্ঘদিনের লড়াইয়ের ফলে আইবেরীয় শক্তিগুলোর মধ্যে উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত একটি শত্রুতা ছিল। যখনই কোনো মুর ধরা পড়ত, তার ওপর অত্যন্ত বর্বরোচিত নির্যাতন চালানো হতো এবং তাকে হয় মেরে ফেলা হতো অথবা দাসে পরিণত করা হতো। ভারতে পর্তুগিজদের পুরো ইতিহাস ব্যারোসের সেই বক্তব্যের ভাষ্য ছাড়া আর কিছুই নয় যে মুররা ছিল “ঈশ্বরের শত্রু”। ** পানিক্কর কে. এম. (১৯২৯, পুনঃপ্রকাশ ১৯৯৭) ‘মালাবার অ্যান্ড দ্য পর্তুগিজ’। নয়াদিল্লি: ভয়েস অফ ইন্ডিয়া। === ১৭শ শতাব্দী === * ১৬৭১ সালের মার্চ মাসে খবর পাওয়া যায় যে একজন মুসলিম কর্মকর্তা, যাকে উজ্জয়িনী ও তার আশেপাশে হিন্দু মন্দির ধ্বংস করার জন্য পাঠানো হয়েছিল, তিনি মন্দির ধ্বংসের প্রচেষ্টার ফলে সৃষ্ট দাঙ্গায় তার অনেক অনুসারীসহ নিহত হয়েছেন। তিনি কিছু মন্দির ধ্বংস করতে সফল হয়েছিলেন, তবে এক জায়গায় জনৈক রাজপুত প্রধান তার ধর্মীয় স্থানগুলোর এই নির্বিচার ধ্বংসের বিরোধিতা করেন। তিনি মুঘল বাহিনীকে পরাভূত করেন এবং এর নেতা ও তার অনেক লোককে ধ্বংস করেন। গুজরাতে আহমেদাবাদের কাছে কোথাও কোলীরা সম্ভবত মন্দিরের স্থানে নির্মিত একটি মসজিদ দখল করে নেয় এবং সেখানে জুমার নামাজ পড়াতে বাধা দেয়। এর ফলে গুজরাতের প্রাদেশিক কর্মকর্তাদের প্রতি শাহী ফরমান জারি করা হয় যাতে জুমার নামাজের জন্য মসজিদটি ব্যবহার নিশ্চিত করা যায়। ** ১৭শ শতাব্দীর ভারত। শর্মা শ্রী রাম। ১৯৮৮। ‘দ্য রিলিজিয়াস পলিসি অফ দ্য মুঘল এম্পেররস’। ৩য় সংস্করণ। নয়াদিল্লি: মুনশিরাম মনোহরলাল। পৃষ্ঠা ১৭৩। === ২০শ শতাব্দী === * “মুসলিম সংখ্যালঘু”-র সেই অংশ যারা পাকিস্তানের পক্ষে ভোট দিয়েছিল তবে ভারতে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, তারা ভারত যখন একটি ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষিত হলো এবং সকল ধর্মের প্রচারের স্বাধীনতার অঙ্গীকার করল, তখন তারা পুরনো খেলা আবার শুরু করল। তারা একটি “দরিদ্র ও নির্যাতিত সংখ্যালঘু” হিসেবে ছদ্মবেশ ধারণ করার পরীক্ষিত কৌশলটি পুনরায় চালু করল। তারা অসংখ্য পীরপুর রিপোর্ট তৈরি করল। ভারতে “মুসলিমদের জীবন, স্বাধীনতা এবং সম্মান নিরাপদ নয়” বলে বিলাপ শুরু হলো, যদিও ভারতের “ধর্মনিরপেক্ষতার দাবি” ছিল। একই সাথে প্রতিটি সম্ভাব্য অজুহাতে রাস্তায় দাঙ্গা বাধানো হলো। “সাম্প্রদায়িক পরিস্থিতি” আবারও সংকটজনক হতে শুরু করল। ** সীতা রাম গোয়েল, ‘দ্য ক্যালকাটা কুরআন পিটিশন’ (১৯৮৬)। === ২১শ শতাব্দী === * ফ্যাসিবাদী [[হিন্দুত্ব|হিন্দুত্ববাদী]] ভাবনায় ভারতীয় মুসলিমদের ক্রমাগত পাকিস্তানি “ফিফথ কলামিস্ট”, “জাতির শত্রু” ইত্যাদি হিসেবে গালি দেওয়া হয় এবং তাদের দেশপ্রেম সন্দেহজনক বলা হয়। হুমকিস্বরূপ “অন্য পক্ষ” হিসেবে মুসলিমরা হিন্দুত্ববাদী আলোচনার কেন্দ্রে অবস্থান করে এবং এটি মুসলিম বিরোধী বড় মাপের সহিংসতাকে বৈধতা দিতে ব্যবহৃত হয়েছে। ** [[যোগিন্দর সিকান্দ]]। ইব্রাহিম আবু-রাবি সম্পাদিত ‘দ্য ব্ল্যাকওয়েল কম্প্যানিয়ন টু কনটেম্পোরারি ইসলামিক থট’ (২০০৬), পৃষ্ঠা ৮৮। == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:হিন্দু জাতীয়তাবাদ]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতে ইসলাম]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতে সহিংসতা]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতে মানবাধিকার]] [[বিষয়শ্রেণী:হিন্দু কর্তৃক নিপীড়ন]] 0qiflijs0bbki5my0x3a2aevbfz4xtm 79824 79818 2026-04-22T19:10:35Z Tuhin 172 79824 wikitext text/x-wiki ১৯৪৭ সালে [[ভারত বিভাজন|ভারত বিভাজনের]] পর থেকে মুসলিমদের বিরুদ্ধে ধর্মীয় সহিংসতার বেশ কিছু ঘটনা ঘটেছে। এগুলো প্রায়ই [[হিন্দু জাতীয়তাবাদী]] উচ্ছৃঙ্খল জনতা কর্তৃক [[মুসলিম]]দের ওপর সহিংস হামলার রূপ নেয়, যা হিন্দু ও মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে বিক্ষিপ্ত সাম্প্রদায়িক সহিংসতার একটি ধরণ তৈরি করেছে। ১৯৫০ সাল থেকে হিন্দু-মুসলিম সাম্প্রদায়িক সহিংসতায় ১০,০০০-এরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে এবং ১৯৫৪ থেকে ১৯৮২ সালের মধ্যে ৬,৯৩৩টি সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। == উক্তি == === ১৬শ শতাব্দী === * আমি শহরটি পুড়িয়ে দিয়েছিলাম এবং সবকিছু তলোয়ারের মুখে নিয়েছিলাম এবং টানা কয়েকদিন ধরে মানুষ রক্তপাত করেছে। যেখানেই তাদের পাওয়া গেছে এবং ধরা হয়েছে, কোনো মুসলমানের প্রাণ রক্ষা করা হয়নি। তাদের মসজিদগুলো ভরাট করে আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। আমরা ৬,০০০ মৃতদেহ গুনেছি। হে প্রভু, এটি ছিল একটি মহান কাজ, যা দক্ষতার সাথে লড়া হয়েছে এবং সুসম্পন্ন হয়েছে। ** আলফনসো দে আলবুকার্ক, গোয়ার পর্তুগিজ গভর্নর (১৫০৯-১৫১৫), রাজা রাও-এর কাছে বন্দর-শহর দখলের বর্ণনা দেওয়ার সময়। পি., পর্তুগিজ রুল ইন গোয়া, এশিয়া পাবলিশিং হাউস, ১৯৬৩, পৃষ্ঠা ৩০। জৈন, এম. (সম্পাদক) (২০১১) রচিত ‘দ্য ইন্ডিয়া দে স (ভলিউম ৩)’-এর অধ্যায় ১৪ থেকে উদ্ধৃত। * আমি মুসলমানদের কোনো শহর বা ভবন বাকি রাখি না। যাদের জীবিত ধরা হয়, আমি তাদের রোস্ট করার (পুড়িয়ে মারার) আদেশ দিই... ** বিজিত অঞ্চলে মুসলিমদের প্রতি আচরণ সম্পর্কে পর্তুগালের রাজার কাছে আলফনসো দে আলবুকার্ক। রাও, আর. পি., পর্তুগিজ রুল ইন গোয়া, এশিয়া পাবলিশিং হাউস, ১৯৬৩, পৃষ্ঠা ৪৪। জৈন, এম. (সম্পাদক) (২০১১) রচিত ‘দ্য ইন্ডিয়া দে স (ভলিউম ৩)’-এর অধ্যায় ১৪ থেকে উদ্ধৃত। * আকবর কর্তৃক মুসলিমদের ওপর নির্যাতনের প্রশ্নটি নিয়ে সব সময়ই অনেক আলোচনা হয়েছে। ড. স্মিথ বলেন যে ‘আকবর তার পূর্বপুরুষদের এবং নিজের যৌবনের বিশ্বাসের প্রতি তীব্র শত্রুতা প্রদর্শন করেছিলেন এবং প্রকৃতপক্ষে ইসলামের ওপর নিপীড়ন চালিয়েছিলেন’। স্যার ওলসেলে হেইগ বলেন যে ‘জীবনের শেষ ভাগে তিনি ইসলামের অনুসারীদের ওপর নির্যাতন করেছিলেন এবং এর উপাসনালয়গুলো ধ্বংস করেছিলেন’। এগুলো গুরুতর অভিযোগ এবং ইতিহাসের সিরিয়াস ছাত্রদের দ্বারা উত্থাপিত হওয়ায় এগুলো পরীক্ষার দাবি রাখে... ** শর্মা শ্রী রাম। ১৯৮৮। ‘দ্য রিলিজিয়াস পলিসি অফ দ্য মুঘল এম্পেররস’। ৩য় সংস্করণ। নয়াদিল্লি: মুনশিরাম মনোহরলাল। * আলফনসো দে আলবুকার্ক ক্যাপ্টেনদের পুরো দ্বীপটি পুনরায় পরিদর্শন করতে এবং যতজন মুর (মুসলিম), পুরুষ, মহিলা ও শিশু পাওয়া যায় তাদের সবাইকে তলোয়ারের মুখে ফেলতে এবং তাদের কাউকেই রেহাই না দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। কারণ তার সংকল্প ছিল পুরো দ্বীপে এই জাতির কোনো বীজ না রাখা। তিনি এটি কেবল এই জন্য করেননি যে ভূমির নিরাপত্তার জন্য সেখানে হিন্দু ছাড়া অন্য কেউ থাকা উচিত নয়, বরং মুররা প্রথমবার শহরটি দখলের সময় যে বিশ্বাসঘাতকতা করেছিল তার শাস্তি হিসেবেও এটি করা হয়েছিল। এবং চার দিন ধরে তারা সেখানে পাওয়া মুরদের রক্ত ঝরিয়েছিল। এটি নিশ্চিত হওয়া গিয়েছিল যে সেই পুরুষ, মহিলা ও শিশুদের সংখ্যা ছয় হাজার ছাড়িয়ে গিয়েছিল। ** ‘দ্য কমেন্টারিস অফ দ্য গ্রেট আলফনসো ডালবুকার্ক’, ভলিউম ৩। প্রিয়লকার অনন্ত কাকবা এবং গ্যাব্রিয়েল ডেলন (২০০৮) রচিত ‘দ্য গোয়া ইনকুইজিশন’-এ উদ্ধৃত। * মোহামেডানদের (মুসলিম) প্রতি পর্তুগিজদের মনোভাব ছিল ঘোর শত্রুতার। তাদের একমাত্র ধারণা ছিল মুরদের বাণিজ্য সমূলে উৎপাটন করা এবং যতটা সম্ভব একটি জাতি হিসেবে মোহামেডানদের ধ্বংস করা। এটি কেবল বাণিজ্যিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার কারণে ছিল না, বরং স্পেন এবং আফ্রিকায় মুরদের সাথে দীর্ঘদিনের লড়াইয়ের ফলে আইবেরীয় শক্তিগুলোর মধ্যে উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত একটি শত্রুতা ছিল। যখনই কোনো মুর ধরা পড়ত, তার ওপর অত্যন্ত বর্বরোচিত নির্যাতন চালানো হতো এবং তাকে হয় মেরে ফেলা হতো অথবা দাসে পরিণত করা হতো। ভারতে পর্তুগিজদের পুরো ইতিহাস ব্যারোসের সেই বক্তব্যের ভাষ্য ছাড়া আর কিছুই নয় যে মুররা ছিল “ঈশ্বরের শত্রু”। ** পানিক্কর কে. এম. (১৯২৯, পুনঃপ্রকাশ ১৯৯৭) ‘মালাবার অ্যান্ড দ্য পর্তুগিজ’। নয়াদিল্লি: ভয়েস অফ ইন্ডিয়া। === ১৭শ শতাব্দী === * ১৬৭১ সালের মার্চ মাসে খবর পাওয়া যায় যে একজন মুসলিম কর্মকর্তা, যাকে উজ্জয়িনী ও তার আশেপাশে হিন্দু মন্দির ধ্বংস করার জন্য পাঠানো হয়েছিল, তিনি মন্দির ধ্বংসের প্রচেষ্টার ফলে সৃষ্ট দাঙ্গায় তার অনেক অনুসারীসহ নিহত হয়েছেন। তিনি কিছু মন্দির ধ্বংস করতে সফল হয়েছিলেন, তবে এক জায়গায় জনৈক রাজপুত প্রধান তার ধর্মীয় স্থানগুলোর এই নির্বিচার ধ্বংসের বিরোধিতা করেন। তিনি মুঘল বাহিনীকে পরাভূত করেন এবং এর নেতা ও তার অনেক লোককে ধ্বংস করেন। গুজরাতে আহমেদাবাদের কাছে কোথাও কোলীরা সম্ভবত মন্দিরের স্থানে নির্মিত একটি মসজিদ দখল করে নেয় এবং সেখানে জুমার নামাজ পড়াতে বাধা দেয়। এর ফলে গুজরাতের প্রাদেশিক কর্মকর্তাদের প্রতি শাহী ফরমান জারি করা হয় যাতে জুমার নামাজের জন্য মসজিদটি ব্যবহার নিশ্চিত করা যায়। ** ১৭শ শতাব্দীর ভারত। শর্মা শ্রী রাম। ১৯৮৮। ‘দ্য রিলিজিয়াস পলিসি অফ দ্য মুঘল এম্পেররস’। ৩য় সংস্করণ। নয়াদিল্লি: মুনশিরাম মনোহরলাল। পৃষ্ঠা ১৭৩। === ২০শ শতাব্দী === * “মুসলিম সংখ্যালঘু”-র সেই অংশ যারা পাকিস্তানের পক্ষে ভোট দিয়েছিল তবে ভারতে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, তারা ভারত যখন একটি ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষিত হলো এবং সকল ধর্মের প্রচারের স্বাধীনতার অঙ্গীকার করল, তখন তারা পুরনো খেলা আবার শুরু করল। তারা একটি “দরিদ্র ও নির্যাতিত সংখ্যালঘু” হিসেবে ছদ্মবেশ ধারণ করার পরীক্ষিত কৌশলটি পুনরায় চালু করল। তারা অসংখ্য পীরপুর রিপোর্ট তৈরি করল। ভারতে “মুসলিমদের জীবন, স্বাধীনতা এবং সম্মান নিরাপদ নয়” বলে বিলাপ শুরু হলো, যদিও ভারতের “ধর্মনিরপেক্ষতার দাবি” ছিল। একই সাথে প্রতিটি সম্ভাব্য অজুহাতে রাস্তায় দাঙ্গা বাধানো হলো। “সাম্প্রদায়িক পরিস্থিতি” আবারও সংকটজনক হতে শুরু করল। ** সীতা রাম গোয়েল, ‘দ্য ক্যালকাটা কুরআন পিটিশন’ (১৯৮৬)। === ২১শ শতাব্দী === * ফ্যাসিবাদী [[হিন্দুত্ব|হিন্দুত্ববাদী]] ভাবনায় ভারতীয় মুসলিমদের ক্রমাগত পাকিস্তানি “ফিফথ কলামিস্ট”, “জাতির শত্রু” ইত্যাদি হিসেবে গালি দেওয়া হয় এবং তাদের দেশপ্রেম সন্দেহজনক বলা হয়। হুমকিস্বরূপ “অন্য পক্ষ” হিসেবে মুসলিমরা হিন্দুত্ববাদী আলোচনার কেন্দ্রে অবস্থান করে এবং এটি মুসলিম বিরোধী বড় মাপের সহিংসতাকে বৈধতা দিতে ব্যবহৃত হয়েছে। ** [[যোগিন্দর সিকান্দ]]। ইব্রাহিম আবু-রাবি সম্পাদিত ‘দ্য ব্ল্যাকওয়েল কম্প্যানিয়ন টু কনটেম্পোরারি ইসলামিক থট’ (২০০৬), পৃষ্ঠা ৮৮। == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:হিন্দু জাতীয়তাবাদ]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতে ইসলাম]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতে সহিংসতা]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতে মানবাধিকার]] [[বিষয়শ্রেণী:হিন্দু কর্তৃক নিপীড়ন]] ganvzaacp61vd0jx5hpumheurqqrk74 আলাপ:ভারতে মুসলিমদের বিরুদ্ধে সহিংসতা 1 13242 79819 2026-04-22T18:34:26Z Tuhin 172 https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026 79819 wikitext text/x-wiki {{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}} s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm যোগিন্দর সিকান্দ 0 13243 79821 2026-04-22T18:55:15Z Tuhin 172 + 79821 wikitext text/x-wiki '''[[w:যোগিন্দর সিকান্দ|যোগিন্দর সিং সিকান্দ]]''' (জন্ম ১৯৬৭) একজন ভারতীয় লেখক এবং শিক্ষাবিদ যিনি ভারতে [[ইসলাম]] সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ের ওপর বেশ কিছু বই লিখেছেন। == উক্তি == * ফ্যাসিবাদী [[হিন্দুত্ব|হিন্দুত্ববাদী]] ভাবনায় ভারতীয় মুসলিমদের ক্রমাগত পাকিস্তানি “ফিফথ কলামিস্ট”, “জাতির শত্রু” ইত্যাদি হিসেবে গালি দেওয়া হয় এবং তাদের দেশপ্রেম সন্দেহজনক বলা হয়। হুমকিস্বরূপ “অন্য পক্ষ” হিসেবে মুসলিমরা হিন্দুত্ববাদী আলোচনার কেন্দ্রে অবস্থান করে এবং এটি মুসলিম বিরোধী বড় মাপের [[ভারতে মুসলিমদের বিরুদ্ধে সহিংসতা|সহিংসতাকে]] বৈধতা দিতে ব্যবহৃত হয়েছে। ** {{cite book|editor1-last=আবু-রাবি'|editor1-first=ইব্রাহিম|title=দ্য ব্ল্যাকওয়েল কম্প্যানিয়ন টু কনটেম্পোরারি ইসলামিক থট|date=2006|page=৮৮}} === কেন আমি সামাজিক সক্রিয়তা ত্যাগ করেছি === :[https://www.countercurrents.org/sikand190412.htm হোয়াই আই গেভ আপ অন 'সোশ্যাল অ্যাক্টিভিজম' - যোগিন্দর সিকান্দ, ১৯ এপ্রিল ২০১২] * একজন 'সামাজিক কর্মী' হিসেবে এবং 'বিপ্লবের' উদ্দেশ্যে আমার যে শক্তি ও উৎসাহ ব্যয় হয়েছিল, তা আমাকে বস্তুগতভাবে ভালোই প্রতিদান দিয়েছিল। যদিও আমাকে বলতে হবে যে এটিই প্রথমত 'বিপ্লবের' পক্ষে কাজ করার একমাত্র বা প্রধান কারণ ছিল না। আমি ভারতের 'প্রান্তিক গোষ্ঠীগুলোর' বিভিন্ন দিক নিয়ে গবেষণার জন্য পিএইচডি এবং পরে দুটি পোস্ট-ডক্টরাল প্রজেক্ট করতে বিদেশে যাওয়ার জন্য মোটা অংকের স্কলারশিপ পেয়েছিলাম। একই বিষয়ে বক্তব্য দেওয়ার জন্য আমাকে দুই ডজনেরও বেশি দেশে কনফারেন্সে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। আমি একটি ভারতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে পূর্ণকালীন অধ্যাপক হিসেবে নিযুক্ত হয়েছিলাম এবং 'নিপীড়িতদের' সম্পর্কে যন্ত্রের মতো যে নিবন্ধ ও বইগুলো আমি লিখে চলতাম, তার জন্য আমাকে বেশ ভালো পারিশ্রমিক দেওয়া হতো। এছাড়া বেশ কিছু এনজিও আমাকে 'নিপীড়িতদের' ওপর গবেষণার দায়িত্ব দিয়েছিল, যার জন্য আমি আর্থিকভাবে লাভবান হয়েছিলাম। যদিও শুরুতে আমার উদ্দেশ্য এমনটি ছিল না, তবে শীঘ্রই 'নিপীড়িতদের' নিয়ে লেখালেখি এবং কনফারেন্স করা আমার জীবিকার একটি লাভজনক উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছিল। আমি আসলে আক্ষরিক অর্থেই 'নিপীড়িতদের' দুর্দশা পুঁজি করে জীবনযাপন করছিলাম, যদিও তখন আমি তা পুরোপুরি বুঝতে পারিনি। * তবে এই সবকিছুর জন্য আমাকে ব্যক্তিগতভাবে বড় মূল্য দিতে হয়েছিল। আমি যত বেশি 'নিপীড়িতদের বিপ্লবের' সাথে একাত্ম হয়েছি, ব্যক্তি হিসেবে আমি তত বেশি অসহ্যরকম নেতিবাচক হয়ে উঠেছিলাম। * উদাহরণস্বরূপ, আমি নিজেকে বিশ্বাস করিয়েছিলাম যে হিন্দু ঐতিহ্য বা আমেরিকা অথবা পুঁজিবাদী আধুনিকতার মধ্যে ভালো কিছুই নেই। কারণ আমি সেই 'প্রগতিশীল' এবং 'কট্টর' তত্ত্বে আসক্ত হয়ে পড়েছিলাম যে সাধারণ 'উচ্চ' বর্ণের হিন্দুরা (আমার নিজের পরিবারের অধিকাংশ সদস্যসহ!) এবং প্রায় প্রতিটি আমেরিকান এই 'নিপীড়ন' বজায় রাখার ক্ষেত্রে সহযোগী। * এই নেতিবাচকতাই ছিল 'প্রগতিশীল' হওয়ার একটি সংজ্ঞায়িত বৈশিষ্ট্য এবং আমি এতেই আনন্দ পেতে শুরু করি। তবে 'সক্রীয়কর্মী' সার্কেলে এই নেতিবাচকতা ছিল প্রায় পুরোটাই একপাক্ষিক। কারণ একজন 'আসল' 'সমাজকর্মী' হিসেবে গণ্য হতে হলে এটি ভাবাই অকল্পনীয় ছিল যে 'নিপীড়িতদের' কোনো কিছুতেই দোষ দেওয়া যেতে পারে। একজন 'সমাজকর্মীর' জন্য 'নিপীড়িত সম্প্রদায়ের' দুর্বলতাগুলোর উল্লেখ করা, হোক তা লিঙ্গ বৈষম্য বা দলিতদের মধ্যে জাতিগত দ্বন্দ্ব অথবা অনেক মুসলিম মাদ্রাসায় শেখানো ধর্মান্ধতা ও নারীবিদ্বেষ কিংবা নকশাল ও কট্টর ইসলামপন্থীদের দ্বারা নিরপরাধ হত্যা ও সন্ত্রাসী হামলা – তা রাষ্ট্রদ্রোহের চেয়ে কম কিছু ছিল না। এই ধরণের বিষয় নিয়ে করা রিপোর্টগুলোকে সাধারণত 'বিদ্বেষপূর্ণ শাসকগোষ্ঠীর প্রোপাগান্ডা' বা 'বিদ্বেষপূর্ণ ব্রাহ্মণবাদী মগজধোলাই' অথবা 'শাসক জাতি/শ্রেণী/সাম্রাজ্যবাদী নিপীড়নের বিরুদ্ধে দুর্বল সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের একটি স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া' হিসেবে উড়িয়ে দেওয়া হতো। কখনও যদি অনিচ্ছাসত্ত্বেও এগুলোকে সত্য বলে স্বীকার করা হতো, তবে 'নিপীড়িতদের সংবেদনশীলতার প্রতি সম্মান প্রদর্শনের' জন্য বা 'সামান্য বিরোধ' হিসেবে সেগুলোকে এড়িয়ে যাওয়া হতো। যুক্তি দেওয়া হতো যে এ নিয়ে কথা বললে নিপীড়িতরা 'বিভক্ত' হবে, সংগ্রামের 'ক্ষতি' হবে এবং এভাবে তা 'প্রকৃত অত্যাচারীদের হাতে অস্ত্র তুলে দেবে'। আপনি যদি শুধু এটুকুও বলতেন যে মাদ্রাসাগুলোতে গুরুতর ত্রুটি রয়েছে যা দ্রুত সমাধান করা প্রয়োজন (এমনকি সেখানে পড়া মুসলিম শিশুদের স্বার্থেই) অথবা মুসলিম ব্যক্তিগত আইন মুসলিম নারীদের প্রতি চরম পক্ষপাতদুষ্ট অথবা সংরক্ষণের সুযোগ নেওয়া অনেক দলিত তাদের সহকর্মী দলিতদের সাথে ঠিক তেমনটাই খারাপ ব্যবহার করে যেমনটা তাদের 'উচ্চ' বর্ণের হিন্দু 'অত্যাচারীরা' করত, তবে নিশ্চিতভাবেই আপনাকে 'সরকারের দালাল' বা 'হিন্দুত্ববাদী শক্তির বেতনভুক্ত চর' হিসেবে চিৎকার করে থামিয়ে দেওয়া হতো। এই চিৎকার কেবল সহকর্মী 'প্রগতিশীলদের' কাছ থেকেই আসত না, বরং সেই সব সম্প্রদায়ের মধ্য থেকেও আসত যাদের রক্ষা ও প্রসারের জন্য আপনি বছরের পর বছর ব্যয় করেছেন। আপনি যদি সামান্যতম ইঙ্গিত দিতেন যে ভারতের মুসলিমদের অবস্থা উর্দু গণমাধ্যমে একাংশ যেমনটা বিশ্বাস করাতে চায় ততটা খারাপ নয় অথবা এই দেশে মুসলিমরা যেকোনো মুসলিম-প্রধান রাষ্ট্রের তুলনায় অনেক বেশি স্বাধীনতা ভোগ করে অথবা অস্পৃশ্যতা আগের মতো অতটা ব্যাপক নেই, তবে আপনাকে বিশ্বাসঘাতক হিসেবে অভিযুক্ত করা হতো এবং আপনার উদ্দেশ্য নিয়ে গুজব ছড়ানো হতো। আপনি যদি স্বীকার করতেন যে সম্ভবত ভারতে প্রতি বছর দাঙ্গায় হিন্দুদের হাতে যত মুসলিম মারা যায় তার চেয়ে বেশি মুসলিম তাদের সহধর্মীদের হাতে 'ইসলামিক' রিপাবলিক অফ পাকিস্তান বা আফগানিস্তানে মারা যায় অথবা অনেক মুসলিম দেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের দুর্দশা ভারতের চেয়ে অনেক বেশি খারাপ অথবা কিছু দলিত কর্মকর্তা দুর্নীতিতে আকণ্ঠ নিমজ্জিত, তবে আপনাকে 'নিপীড়িতদের লক্ষ্য' বা 'কজ'-এর প্রতি 'গাদ্দার' হিসেবে গালমন্দ করা হতো। ঠিক সেই মানুষগুলোই যারা আপনাকে তাদের সমস্যা নিয়ে লিখতে এবং হিন্দুত্ববাদী শক্তির বিরুদ্ধে লড়তে উৎসাহিত করত (কারণ তারা হয় নিজেরা এটি করতে ভয় পেত অথবা তাদের লেখার দক্ষতা বা ইংরেজি গণমাধ্যমে প্রবেশের সুযোগ ছিল না), তারাই আপনাকে তীব্রভাবে কোনো না কোনো 'শক্তির দালাল' হিসেবে গালি দিত যদি আপনি আপনার সততা ও ভারসাম্য বজায় রাখার খাতিরে তাদের সামান্যতম ত্রুটিও তুলে ধরতেন। মনে হতো যেন সংজ্ঞাগতভাবেই 'নিপীড়িতরা' হলো নিষ্কলঙ্ক ফেরেশতা যারা কোনো ভুল করতে পারে না এবং তাদের 'অত্যাচারীরা' হলো পুরোপুরি আসুরিক। **[https://www.countercurrents.org/sikand190412.htm হোয়াই আই গেভ আপ অন 'সোশ্যাল অ্যাক্টিভিজম' - যোগিন্দর সিকান্দ, ১৯ এপ্রিল ২০১২] == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৬৭-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:কলাম লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের শিক্ষাবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের সাংবাদিক]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের অ-কল্পকাহিনী লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:ব্লগার]] bzrwhdplwiikopjyuso1bodupth16mz 79822 79821 2026-04-22T18:55:44Z Tuhin 172 79822 wikitext text/x-wiki '''[[w:যোগিন্দর সিকান্দ|যোগিন্দর সিং সিকান্দ]]''' (জন্ম ১৯৬৭) একজন ভারতীয় লেখক এবং শিক্ষাবিদ যিনি ভারতে [[ইসলাম]] সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ের ওপর বেশ কিছু বই লিখেছেন। == উক্তি == * ফ্যাসিবাদী [[হিন্দুত্ব|হিন্দুত্ববাদী]] ভাবনায় ভারতীয় মুসলিমদের ক্রমাগত পাকিস্তানি “ফিফথ কলামিস্ট”, “জাতির শত্রু” ইত্যাদি হিসেবে গালি দেওয়া হয় এবং তাদের দেশপ্রেম সন্দেহজনক বলা হয়। হুমকিস্বরূপ “অন্য পক্ষ” হিসেবে মুসলিমরা হিন্দুত্ববাদী আলোচনার কেন্দ্রে অবস্থান করে এবং এটি মুসলিম বিরোধী বড় মাপের [[ভারতে মুসলিমদের বিরুদ্ধে সহিংসতা|সহিংসতাকে]] বৈধতা দিতে ব্যবহৃত হয়েছে। ** {{cite book|editor1-last=আবু-রাবি'|editor1-first=ইব্রাহিম|title=দ্য ব্ল্যাকওয়েল কম্প্যানিয়ন টু কনটেম্পোরারি ইসলামিক থট|date=2006|page=৮৮}} === হোয়াই আই গেভ আপ অন 'সোশ্যাল অ্যাক্টিভিজম === :[https://www.countercurrents.org/sikand190412.htm হোয়াই আই গেভ আপ অন 'সোশ্যাল অ্যাক্টিভিজম' - যোগিন্দর সিকান্দ, ১৯ এপ্রিল ২০১২] * একজন 'সামাজিক কর্মী' হিসেবে এবং 'বিপ্লবের' উদ্দেশ্যে আমার যে শক্তি ও উৎসাহ ব্যয় হয়েছিল, তা আমাকে বস্তুগতভাবে ভালোই প্রতিদান দিয়েছিল। যদিও আমাকে বলতে হবে যে এটিই প্রথমত 'বিপ্লবের' পক্ষে কাজ করার একমাত্র বা প্রধান কারণ ছিল না। আমি ভারতের 'প্রান্তিক গোষ্ঠীগুলোর' বিভিন্ন দিক নিয়ে গবেষণার জন্য পিএইচডি এবং পরে দুটি পোস্ট-ডক্টরাল প্রজেক্ট করতে বিদেশে যাওয়ার জন্য মোটা অংকের স্কলারশিপ পেয়েছিলাম। একই বিষয়ে বক্তব্য দেওয়ার জন্য আমাকে দুই ডজনেরও বেশি দেশে কনফারেন্সে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। আমি একটি ভারতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে পূর্ণকালীন অধ্যাপক হিসেবে নিযুক্ত হয়েছিলাম এবং 'নিপীড়িতদের' সম্পর্কে যন্ত্রের মতো যে নিবন্ধ ও বইগুলো আমি লিখে চলতাম, তার জন্য আমাকে বেশ ভালো পারিশ্রমিক দেওয়া হতো। এছাড়া বেশ কিছু এনজিও আমাকে 'নিপীড়িতদের' ওপর গবেষণার দায়িত্ব দিয়েছিল, যার জন্য আমি আর্থিকভাবে লাভবান হয়েছিলাম। যদিও শুরুতে আমার উদ্দেশ্য এমনটি ছিল না, তবে শীঘ্রই 'নিপীড়িতদের' নিয়ে লেখালেখি এবং কনফারেন্স করা আমার জীবিকার একটি লাভজনক উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছিল। আমি আসলে আক্ষরিক অর্থেই 'নিপীড়িতদের' দুর্দশা পুঁজি করে জীবনযাপন করছিলাম, যদিও তখন আমি তা পুরোপুরি বুঝতে পারিনি। * তবে এই সবকিছুর জন্য আমাকে ব্যক্তিগতভাবে বড় মূল্য দিতে হয়েছিল। আমি যত বেশি 'নিপীড়িতদের বিপ্লবের' সাথে একাত্ম হয়েছি, ব্যক্তি হিসেবে আমি তত বেশি অসহ্যরকম নেতিবাচক হয়ে উঠেছিলাম। * উদাহরণস্বরূপ, আমি নিজেকে বিশ্বাস করিয়েছিলাম যে হিন্দু ঐতিহ্য বা আমেরিকা অথবা পুঁজিবাদী আধুনিকতার মধ্যে ভালো কিছুই নেই। কারণ আমি সেই 'প্রগতিশীল' এবং 'কট্টর' তত্ত্বে আসক্ত হয়ে পড়েছিলাম যে সাধারণ 'উচ্চ' বর্ণের হিন্দুরা (আমার নিজের পরিবারের অধিকাংশ সদস্যসহ!) এবং প্রায় প্রতিটি আমেরিকান এই 'নিপীড়ন' বজায় রাখার ক্ষেত্রে সহযোগী। * এই নেতিবাচকতাই ছিল 'প্রগতিশীল' হওয়ার একটি সংজ্ঞায়িত বৈশিষ্ট্য এবং আমি এতেই আনন্দ পেতে শুরু করি। তবে 'সক্রীয়কর্মী' সার্কেলে এই নেতিবাচকতা ছিল প্রায় পুরোটাই একপাক্ষিক। কারণ একজন 'আসল' 'সমাজকর্মী' হিসেবে গণ্য হতে হলে এটি ভাবাই অকল্পনীয় ছিল যে 'নিপীড়িতদের' কোনো কিছুতেই দোষ দেওয়া যেতে পারে। একজন 'সমাজকর্মীর' জন্য 'নিপীড়িত সম্প্রদায়ের' দুর্বলতাগুলোর উল্লেখ করা, হোক তা লিঙ্গ বৈষম্য বা দলিতদের মধ্যে জাতিগত দ্বন্দ্ব অথবা অনেক মুসলিম মাদ্রাসায় শেখানো ধর্মান্ধতা ও নারীবিদ্বেষ কিংবা নকশাল ও কট্টর ইসলামপন্থীদের দ্বারা নিরপরাধ হত্যা ও সন্ত্রাসী হামলা – তা রাষ্ট্রদ্রোহের চেয়ে কম কিছু ছিল না। এই ধরণের বিষয় নিয়ে করা রিপোর্টগুলোকে সাধারণত 'বিদ্বেষপূর্ণ শাসকগোষ্ঠীর প্রোপাগান্ডা' বা 'বিদ্বেষপূর্ণ ব্রাহ্মণবাদী মগজধোলাই' অথবা 'শাসক জাতি/শ্রেণী/সাম্রাজ্যবাদী নিপীড়নের বিরুদ্ধে দুর্বল সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের একটি স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া' হিসেবে উড়িয়ে দেওয়া হতো। কখনও যদি অনিচ্ছাসত্ত্বেও এগুলোকে সত্য বলে স্বীকার করা হতো, তবে 'নিপীড়িতদের সংবেদনশীলতার প্রতি সম্মান প্রদর্শনের' জন্য বা 'সামান্য বিরোধ' হিসেবে সেগুলোকে এড়িয়ে যাওয়া হতো। যুক্তি দেওয়া হতো যে এ নিয়ে কথা বললে নিপীড়িতরা 'বিভক্ত' হবে, সংগ্রামের 'ক্ষতি' হবে এবং এভাবে তা 'প্রকৃত অত্যাচারীদের হাতে অস্ত্র তুলে দেবে'। আপনি যদি শুধু এটুকুও বলতেন যে মাদ্রাসাগুলোতে গুরুতর ত্রুটি রয়েছে যা দ্রুত সমাধান করা প্রয়োজন (এমনকি সেখানে পড়া মুসলিম শিশুদের স্বার্থেই) অথবা মুসলিম ব্যক্তিগত আইন মুসলিম নারীদের প্রতি চরম পক্ষপাতদুষ্ট অথবা সংরক্ষণের সুযোগ নেওয়া অনেক দলিত তাদের সহকর্মী দলিতদের সাথে ঠিক তেমনটাই খারাপ ব্যবহার করে যেমনটা তাদের 'উচ্চ' বর্ণের হিন্দু 'অত্যাচারীরা' করত, তবে নিশ্চিতভাবেই আপনাকে 'সরকারের দালাল' বা 'হিন্দুত্ববাদী শক্তির বেতনভুক্ত চর' হিসেবে চিৎকার করে থামিয়ে দেওয়া হতো। এই চিৎকার কেবল সহকর্মী 'প্রগতিশীলদের' কাছ থেকেই আসত না, বরং সেই সব সম্প্রদায়ের মধ্য থেকেও আসত যাদের রক্ষা ও প্রসারের জন্য আপনি বছরের পর বছর ব্যয় করেছেন। আপনি যদি সামান্যতম ইঙ্গিত দিতেন যে ভারতের মুসলিমদের অবস্থা উর্দু গণমাধ্যমে একাংশ যেমনটা বিশ্বাস করাতে চায় ততটা খারাপ নয় অথবা এই দেশে মুসলিমরা যেকোনো মুসলিম-প্রধান রাষ্ট্রের তুলনায় অনেক বেশি স্বাধীনতা ভোগ করে অথবা অস্পৃশ্যতা আগের মতো অতটা ব্যাপক নেই, তবে আপনাকে বিশ্বাসঘাতক হিসেবে অভিযুক্ত করা হতো এবং আপনার উদ্দেশ্য নিয়ে গুজব ছড়ানো হতো। আপনি যদি স্বীকার করতেন যে সম্ভবত ভারতে প্রতি বছর দাঙ্গায় হিন্দুদের হাতে যত মুসলিম মারা যায় তার চেয়ে বেশি মুসলিম তাদের সহধর্মীদের হাতে 'ইসলামিক' রিপাবলিক অফ পাকিস্তান বা আফগানিস্তানে মারা যায় অথবা অনেক মুসলিম দেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের দুর্দশা ভারতের চেয়ে অনেক বেশি খারাপ অথবা কিছু দলিত কর্মকর্তা দুর্নীতিতে আকণ্ঠ নিমজ্জিত, তবে আপনাকে 'নিপীড়িতদের লক্ষ্য' বা 'কজ'-এর প্রতি 'গাদ্দার' হিসেবে গালমন্দ করা হতো। ঠিক সেই মানুষগুলোই যারা আপনাকে তাদের সমস্যা নিয়ে লিখতে এবং হিন্দুত্ববাদী শক্তির বিরুদ্ধে লড়তে উৎসাহিত করত (কারণ তারা হয় নিজেরা এটি করতে ভয় পেত অথবা তাদের লেখার দক্ষতা বা ইংরেজি গণমাধ্যমে প্রবেশের সুযোগ ছিল না), তারাই আপনাকে তীব্রভাবে কোনো না কোনো 'শক্তির দালাল' হিসেবে গালি দিত যদি আপনি আপনার সততা ও ভারসাম্য বজায় রাখার খাতিরে তাদের সামান্যতম ত্রুটিও তুলে ধরতেন। মনে হতো যেন সংজ্ঞাগতভাবেই 'নিপীড়িতরা' হলো নিষ্কলঙ্ক ফেরেশতা যারা কোনো ভুল করতে পারে না এবং তাদের 'অত্যাচারীরা' হলো পুরোপুরি আসুরিক। **[https://www.countercurrents.org/sikand190412.htm হোয়াই আই গেভ আপ অন 'সোশ্যাল অ্যাক্টিভিজম' - যোগিন্দর সিকান্দ, ১৯ এপ্রিল ২০১২] == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৬৭-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:কলাম লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের শিক্ষাবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের সাংবাদিক]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের অ-কল্পকাহিনী লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:ব্লগার]] a9cwx99gmk8wu51ui070w1phgkptxvj আলাপ:যোগিন্দর সিকান্দ 1 13244 79823 2026-04-22T18:56:34Z Tuhin 172 https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026 79823 wikitext text/x-wiki {{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}} s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm মহাত্মা গান্ধীর হত্যাকাণ্ড 0 13245 79825 2026-04-22T19:20:57Z Tuhin 172 + 79825 wikitext text/x-wiki [[File:Mohandas_K._Gandhi,_Memorial_assassination_spot,_2013.jpg|thumb|১৯৪৮ সালে গান্ধীর হত্যাকাণ্ডের স্থানের স্মারক। তার প্রতীকী পদচিহ্নগুলো স্মারকস্তম্ভের দিকে নিয়ে গেছে।]] [[File:Nathuram.jpg|thumb|মহাত্মা গান্ধী হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের গ্রুপ ছবি। ''দাঁড়িয়ে (বাম থেকে ডানে)'': শংকর কিস্তাইয়া, গোপাল গডসে, মদন লাল পাহওয়া, দিগম্বর রামচন্দ্র বাগজে। ''বসা (বাম থেকে ডানে)'': নারায়ণ আপ্তে, [[বিনায়ক দামোদর সাভারকর]], নাথুরাম গডসে, বিষ্ণু রামকৃষ্ণ কারকারে।]] [[মহাত্মা গান্ধী]] ১৯৪৮ সালের ৩০ জানুয়ারি ৭৮ বছর বয়সে মধ্য [[নয়াদিল্লি|নয়াদিল্লির]] বিড়লা হাউসের (বর্তমানে [[w:গান্ধী স্মৃতি|গান্ধী স্মৃতি]]) প্রাঙ্গণে নিহত হন। তার হত্যাকারী ছিলেন [[মহারাষ্ট্র|মহারাষ্ট্রের]] একজন [[হিন্দু জাতীয়তাবাদী]] [[নাথুরাম বিনায়ক গডসে]]। গডসে মনে করতেন যে গান্ধী আগের বছরের [[ভারত বিভাজন|ভারত বিভাজনের]] সময় [[পাকিস্তান|পাকিস্তানের]] প্রতি অতিমাত্রায় নমনীয় ছিলেন। গডসে ১৯৪৪ সালে দুইবার গান্ধীকে হত্যার চেষ্টা করেছিলেন কিন্তু ব্যর্থ হন। == উক্তি == * মাসখানেক ধরে পুরো ভারতজুড়ে মুসলিম সংখ্যালঘুরা লাঞ্ছনা থেকে নিরাপদ ছিল। আরএসএস মহাত্মাকে হত্যার মাধ্যমে দেশকে সেই ধাক্কাটি দিয়েছিল যা প্রয়োজন ছিল। যারা তার তীব্র সমালোচনা করছিলেন, তারা এখন তাদের নিজেদের অদূরদর্শী রাগের করুণ পরিণতি দেখতে পেলেন। তারা জানতেন যে তিনিই সঠিক ছিলেন। ** [[হোরাস আলেকজান্ডার]], 'গান্ধী থ্রু ওয়েস্টার্ন আইজ', ফিলাডেলফিয়া, ১৯৬৯, ১৯৮৪ পুনর্মুদ্রণ, পৃষ্ঠা ১৭৫। {{w|মৃদুলা মুখার্জি}}র [https://www.jstor.org/stable/44147511 “সেকশনাল প্রেসিডেন্ট’স অ্যাড্রেস: কমিউনাল থ্রেট অ্যান্ড সেকুলার রেজিস্ট্যান্স”]-এ উদ্ধৃত। ‘প্রসিডিংস অফ দ্য ইন্ডিয়ান হিস্ট্রি কংগ্রেস’, ভলিউম ৭১, (২০১০-২০১১)। এছাড়া [https://thewire.in/history/after-gandhis-assassination-nehru-saw-the-hindu-right-as-a-threat-to-the-indian-state "আফটার গান্ধী’স অ্যাসাসিনেশন, নেহেরু স দ্য হিন্দু রাইট অ্যাজ এ থ্রেট টু দ্য ইন্ডিয়ান স্টেট"], 'দ্য ওয়্যার', ৩০ জানুয়ারি ২০২৩। * আমার নিজস্ব অভিমত হলো যে মহান ব্যক্তিরা তাদের দেশের জন্য যেমন বড় সেবা করেন, তেমনি নির্দিষ্ট সময়ে তারা দেশের অগ্রগতির পথে একটি বড় বাধাও হয়ে দাঁড়ান। রোমান ইতিহাসের একটি ঘটনা এই মুহূর্তে আমার মনে পড়ছে। যখন সিজারকে হত্যা করা হয়েছিল এবং বিষয়টি সিসেরোকে জানানো হয়েছিল, সিসেরো বার্তাবাহকদের বলেছিলেন, "রোমানদের বলো তোমাদের স্বাধীনতার লগ্ন এসেছে।" যদিও কেউ মিস্টার গান্ধীর হত্যাকাণ্ডের জন্য অনুশোচনা করে, তবে সিসেরো সিজারের হত্যাকাণ্ডের ওপর যে মনোভাব ব্যক্ত করেছিলেন তার প্রতিধ্বনি নিজের হৃদয়ে না খুঁজে পাওয়া কঠিন। মিস্টার গান্ধী এই দেশের জন্য একটি ইতিবাচক বিপদ হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন। তিনি সমস্ত মুক্তচিন্তাকে রুদ্ধ করেছিলেন। তিনি কংগ্রেসকে ধরে রেখেছিলেন, যা সমাজের সেই সমস্ত খারাপ এবং স্বার্থান্বেষী উপাদানগুলোর একটি সংমিশ্রণ ছিল যারা মিস্টার গান্ধীর তোষামোদ করা ছাড়া সমাজের জীবন পরিচালনাকারী কোনো সামাজিক বা নৈতিক নীতিতে একমত ছিল না। এই ধরণের সংস্থা একটি দেশ শাসনের অনুপযুক্ত। বাইবেল যেমন বলে 'কখনও কখনও মন্দ থেকে মঙ্গলের উৎপত্তি হয়', তেমনি আমিও মনে করি মিস্টার গান্ধীর মৃত্যু থেকে ভালো কিছু আসবে। এটি মানুষকে একজন অতিমানবের দাসত্ব থেকে মুক্তি দেবে, এটি তাদের নিজেদের কথা চিন্তা করতে বাধ্য করবে এবং তাদের নিজেদের যোগ্যতার ওপর দাঁড়াতে বাধ্য করবে। ** [[বি. আর. আম্বেদকর]], [[সবিতা আম্বেদকর|সবিতা আম্বেদকরকে]] লেখা চিঠি, ৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৮, 'লেটার্স অফ আম্বেদকর' [https://www.google.com/books/edition/Letters_of_Ambedkar/t2huAAAAMAAJ?hl=en লেটার্স অফ আম্বেদকর], পৃষ্ঠা ২০৫। * আমি যদি কোনো উন্মাদ ব্যক্তির বুলেটে মারা যাই, তবে আমাকে অবশ্যই হাসিমুখে মরতে হবে। আমার মধ্যে যেন কোনো ক্রোধ না থাকে। ঈশ্বর যেন আমার হৃদয়ে এবং ওষ্ঠে থাকেন। আর তুমি আমাকে একটি কথা দাও। যদি এমন কিছু ঘটে, তবে তুমি এক ফোঁটাও অশ্রু ফেলবে না। ** [[মহাত্মা গান্ধী]], [[অমৃত কৌর|অমৃত কৌরকে]] বলা কথা, ২৮ জানুয়ারি ১৯৪৮, তার হত্যাকাণ্ডের দুই দিন আগে। [[দিনানাথ গোপাল তেন্ডুলকর|দিনানাথ গোপাল তেন্ডুলকর]] রচিত ‘মহাত্মা: লাইফ অফ মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী’ (১৯৫৪), ভলিউম ৮, পৃষ্ঠা ৪৩৬-এ উদ্ধৃত। * বছরের পর বছর ধরে সঞ্চিত উস্কানি যা তার শেষ মুসলিম তোষণকারী উপবাসের মধ্য দিয়ে চূড়ান্ত রূপ নিয়েছিল, অবশেষে আমাকে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে বাধ্য করেছিল যে গান্ধীজির অস্তিত্বের অবসান অবিলম্বে ঘটানো উচিত। যখন কংগ্রেসের শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা গান্ধীজির সম্মতিতে দেশটিকে বিভক্ত ও ছিন্নবিচ্ছিন্ন করেছিল—যাকে আমরা উপাস্য দেবতা হিসেবে গণ্য করি—তখন আমার মন ভয়ানক ক্রোধে পূর্ণ হয়েছিল। আমি অনুভব করেছিলাম যে গান্ধীজির অনুপস্থিতিতে ভারতীয় রাজনীতি অবশ্যই বাস্তবসম্মত হবে, প্রতিশোধ নিতে সক্ষম হবে এবং সশস্ত্র বাহিনীর সাথে শক্তিশালী হবে। আমি যা করেছি তা কেবল মানবতার উপকারের জন্যই করেছি। আমি বলছি যে আমার গুলি সেই ব্যক্তির ওপর চালানো হয়েছিল যার নীতি ও কর্ম লাক্ষাধিক হিন্দুর সর্বনাশ ও ধ্বংস ডেকে এনেছিল। ** [[নাথুরাম গডসে]], সিমলায় পাঞ্জাব হাইকোর্টে তার আপিলের সময়, ২ মে ১৯৪৯। সুচেতা মহাজন রচিত ‘গান্ধী, স্বরাজ অর হিন্দু রাজ? দ্য মেকিং অফ দ্য পোস্ট-ইন্ডিপেন্ডেন্স পলিটি’-তে উদ্ধৃত। দামোদরন ও উন্নিথান-কুমার সম্পাদিত ‘পোস্ট কলোনিয়াল ইন্ডিয়া: হিস্ট্রি, পলিটিক্স অ্যান্ড কালচার’, নয়াদিল্লি, ২০০০, পৃষ্ঠা ৫৭-৭১। * কংগ্রেস এবং মহাত্মার বিরুদ্ধে যে ঘৃণার পরিবেশ হিন্দু মহাসভা তৈরি করতে চেয়েছিল, তারই চূড়ান্ত রূপ ছিল কয়েকজন মহারাষ্ট্রীয়র হাতে মহাত্মা গান্ধীর হত্যাকাণ্ড। ** [[বি. জি. খের]], প্যাটেলকে লেখা চিঠি, ২৬ মে ১৯৪৮, 'সরদার প্যাটেল করেসপন্ডেন্স', ভলিউম VI, পৃষ্ঠা ৭৭-৮। মৃদুলা মুখার্জির প্রবন্ধে উদ্ধৃত। * বন্ধু ও কমরেডগণ, আমাদের জীবন থেকে আলো নিভে গেছে এবং সর্বত্র অন্ধকার বিরাজ করছে এবং আমি ঠিক জানি না আপনাদের কী বলব এবং কীভাবে বলব। আমাদের প্রিয় নেতা বাপু যাকে আমরা বলতাম, জাতির পিতা, তিনি আর নেই। * আমি বলেছি আলো নিভে গেছে, কিন্তু তবুও আমি ভুল বলেছি। কারণ এই দেশে যে আলো জ্বলত তা কোনো সাধারণ আলো ছিল না। যে আলো এই দেশটিকে এতগুলো বছর ধরে আলোকিত করেছে, তা আরও অনেক বছর ধরে এই দেশকে আলোকিত করবে এবং হাজার বছর পরেও সেই আলো এই দেশে দেখা যাবে এবং বিশ্ব তা দেখবে এবং এটি অসংখ্য হৃদয়ে সান্ত্বনা দেবে। কারণ সেই আলো জীবন্ত সত্যের প্রতিনিধিত্ব করেছিল এবং সেই শাশ্বত মানুষটি তার শাশ্বত সত্য নিয়ে আমাদের সাথে ছিলেন, যা আমাদের সঠিক পথের কথা মনে করিয়ে দিত, ভুল থেকে দূরে সরিয়ে নিত এবং এই প্রাচীন দেশটিকে স্বাধীনতার দিকে নিয়ে যেত। * একজন উন্মাদ ব্যক্তি তার জীবনের অবসান ঘটিয়েছে, কারণ যে এটি করেছে আমি তাকে কেবল উন্মাদই বলতে পারি। তবুও গত কয়েক বছর ও মাস ধরে এই দেশে যথেষ্ট বিষ ছড়ানো হয়েছে এবং এই বিষ মানুষের মনে প্রভাব ফেলেছে। আমাদের এই বিষের মোকাবিলা করতে হবে। আমাদের এই বিষ নির্মূল করতে হবে এবং আমাদের ঘিরে থাকা সমস্ত বিপদের মোকাবিলা করতে হবে, এবং তা পাগলামি বা খারাপভাবে নয় বরং আমাদের প্রিয় শিক্ষক যেভাবে আমাদের শিখিয়েছেন সেভাবেই মোকাবিলা করতে হবে। * এই মহা বিপর্যয় আমাদের জন্য জীবনের বড় বিষয়গুলো মনে রাখার এবং ছোট বিষয়গুলো ভুলে যাওয়ার একটি প্রতীক। আমরা ছোট ছোট বিষয় নিয়ে অনেক বেশি ভেবেছি। এখন সময় এসেছে আবার, যেমনটি তিনি তার মৃত্যুর মাধ্যমে আমাদের জীবনের বড় বিষয়গুলো, জীবন্ত সত্যের কথা মনে করিয়ে দিয়েছেন এবং যদি আমরা তা মনে রাখি, তবে আমাদের এবং ভারতের জন্য মঙ্গল হবে। ** [[জওহরলাল নেহেরু]], গান্ধীর হত্যাকাণ্ডের পর দেওয়া ভাষণ, ৩০ জানুয়ারি ১৯৪৮, [https://archive.org/details/in.ernet.dli.2015.100471/page/n145/mode/2up দ্য লাইট হ্যাজ গন আউট]। অডিও উৎস: [https://archive.org/details/HindSwaraj-Speech-03-3 অল ইন্ডিয়া রেডিও]। * একজন ভারতীয় হিসেবে এটি আমার জন্য লজ্জার যে একজন ভারতীয় তার বিরুদ্ধে হাত তুলেছে; একজন হিন্দু হিসেবে এটি আমার জন্য লজ্জার যে একজন হিন্দু এই কাজ করেছে এবং এটি করেছে বর্তমানের শ্রেষ্ঠ ভারতীয় এবং এই যুগের শ্রেষ্ঠ হিন্দুর ওপর। * তবুও, তাকে অবশ্যই কষ্ট পেতে হয়েছে—কষ্ট পেয়েছেন এই প্রজন্মের ব্যর্থতার জন্য যাদের তিনি প্রশিক্ষণ দিয়েছিলেন, কষ্ট পেয়েছেন কারণ আমরা তার দেখানো পথ থেকে দূরে সরে গিয়েছিলাম। এবং শেষ পর্যন্ত তার এক সন্তানের হাতই—কারণ সেও তো অন্য যেকোনো ভারতীয়র মতো তার সন্তানই—সেই সন্তানের হাতই তাকে আঘাত করে ধরাশায়ী করেছে। ** [[জওহরলাল নেহেরু]], ২ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৮ তারিখে গণপরিষদে দেওয়া ভাষণ। [https://archive.org/details/in.ernet.dli.2015.100471/page/n147/mode/2up ফুল টেক্সট অনলাইন] * এই হিন্দু রাষ্ট্রের দাবির সমর্থকদের মধ্য থেকেই একজন বর্তমানের শ্রেষ্ঠ জীবিত হিন্দিকে হত্যা করেছে। ** [[জওহরলাল নেহেরু]], নয়াদিল্লিতে দেওয়া ভাষণ, ২ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৮। 'সিলেক্টেড ওয়ার্কস অফ জওহরলাল নেহেরু', ২য় সিরিজ, ভলিউম ৫, পৃষ্ঠা ৪৪। সুচেতা মহাজন রচিত ‘ইন্ডিপেন্ডেন্স অ্যান্ড পার্টিশন’, পৃষ্ঠা ৩২০-এ উদ্ধৃত। মৃদুলা মুখার্জির [https://www.jstor.org/stable/44147511 “সেকশনাল প্রেসিডেন্ট’স অ্যাড্রেস: কমিউনাল থ্রেট অ্যান্ড সেকুলার রেজিস্ট্যান্স”] প্রবন্ধে উদ্ধৃত। এছাড়া [https://thewire.in/history/after-gandhis-assassination-nehru-saw-the-hindu-right-as-a-threat-to-the-indian-state "আফটার গান্ধী’স অ্যাসাসিনেশন, নেহেরু স দ্য হিন্দু রাইট অ্যাজ এ থ্রেট টু দ্য ইন্ডিয়ান স্টেট"], 'দ্য ওয়্যার', ৩০ জানুয়ারি ২০২৩। * এই ব্যক্তিদের [আরএসএস] হাতে মহাত্মা গান্ধীর রক্ত লেগে আছে এবং এখন ধার্মিক অস্বীকার বা সম্পর্কহীনতার কোনো মানে নেই। ** [[জওহরলাল নেহেরু]], পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে লেখা চিঠি, ১১ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৮। 'সিলেক্টেড ওয়ার্কস অফ জওহরলাল নেহেরু', ২য় সিরিজ, ভলিউম ৫, পৃষ্ঠা ৫৩। মৃদুলা মুখার্জির প্রবন্ধে উদ্ধৃত। * সাম্প্রদায়িকতার ফলেই কেবল দেশভাগ হয়নি—যা মানুষের হৃদয়ে একটি গভীর ক্ষত সৃষ্টি করেছে যা নিরাময় হতে দীর্ঘ সময় লাগবে—বরং এর ফলেই জাতির পিতা মহাত্মা গান্ধীর হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। ** [[জওহরলাল নেহেরু]], কোয়েম্বাটোরে দেওয়া জনসভা ভাষণ, ৩ জুন ১৯৪৮। 'সিলেক্টেড ওয়ার্কস অফ জওহরলাল নেহেরু', দ্বিতীয় সিরিজ, ভলিউম ৬, পৃষ্ঠা ২৫। মৃদুলা মুখার্জির প্রবন্ধে উদ্ধৃত। * ...আমরা এই সত্যটি এড়িয়ে যেতে পারি না যে মহাসভার উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সদস্য এই ট্র্যাজেডিতে উল্লাস প্রকাশ করেছে এবং মিষ্টি বিতরণ করেছে। এ বিষয়ে দেশের সব প্রান্ত থেকে আমাদের কাছে নির্ভরযোগ্য রিপোর্ট এসেছে। অধিকন্তু, জঙ্গি সাম্প্রদায়িকতা—যা মাত্র কয়েক মাস আগে পর্যন্ত মহন্ত দিগ্বিজয় নাথ, অধ্যাপক রাম সিং এবং দেশপান্ডের মতো মহাসভার অনেক মুখপত্র প্রচার করতেন—তা জননিরাপত্তার জন্য একটি বিপদ হিসেবে গণ্য না করে উপায় ছিল না। এটি আরএসএস-এর ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য, বিশেষ করে সামরিক বা আধা-সামরিক কায়দায় গোপনে পরিচালিত একটি সংস্থার অন্তর্নিহিত অতিরিক্ত বিপদসহ। ** [[সরদার প্যাটেল]], [[শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়|শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়কে]] লেখা চিঠি, ৬ মে ১৯৪৮। 'সরদার প্যাটেল করেসপন্ডেন্স', ভলিউম VI, পৃষ্ঠা ৬৬। মৃদুলা মুখার্জির প্রবন্ধে উদ্ধৃত। * হিন্দুদের সংগঠিত করা এবং তাদের সাহায্য করা এক জিনিস, কিন্তু নির্দোষ ও অসহায় পুরুষ, মহিলা ও শিশুদের ওপর তাদের কষ্টের প্রতিশোধ নিতে যাওয়া সম্পূর্ণ অন্য জিনিস... এ ছাড়া কংগ্রেসের প্রতি তাদের বিরোধিতা—যা ব্যক্তিত্বের প্রতি সম্মান এবং শিষ্টাচার বর্জন করে এত বেশি উগ্র রূপ নিয়েছিল—তা জনগণের মধ্যে এক ধরণের অস্থিরতা সৃষ্টি করেছিল। তাদের সমস্ত বক্তৃতা সাম্প্রদায়িক বিষে ভরা ছিল। হিন্দুদের উৎসাহিত করার জন্য এবং তাদের সুরক্ষার জন্য সংগঠিত হওয়ার লক্ষ্যে বিষ ছড়ানোর প্রয়োজন ছিল না। সেই বিষের চূড়ান্ত ফল হিসেবে দেশকে গান্ধীজির অমূল্য জীবনের বলিদান সহ্য করতে হয়েছে। আরএসএস-এর প্রতি সরকার বা জনগণের সামান্যতম সহানুভূতিও আর অবশিষ্ট ছিল না। বরং এর পরিবর্তে বিরোধিতা বেড়েছে। বিরোধিতা আরও তীব্র হয় যখন গান্ধীজির মৃত্যুর পর আরএসএস কর্মীরা আনন্দ প্রকাশ করে এবং মিষ্টি বিতরণ করে। এই পরিস্থিতিতে আরএসএস-এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া সরকারের জন্য অনিবার্য হয়ে পড়েছিল... এর মধ্যে ছয় মাসেরও বেশি সময় অতিক্রান্ত হয়েছে। আমরা আশা করেছিলাম যে এই সময়ের ব্যবধানে যথাযথ বিবেচনার মাধ্যমে আরএসএস ব্যক্তিরা সঠিক পথে ফিরে আসবে। কিন্তু আমার কাছে যে রিপোর্টগুলো আসে, তা থেকে এটা স্পষ্ট যে তাদের সেই পুরনো কর্মকাণ্ডে নতুন করে প্রাণ দেওয়ার প্রচেষ্টা চলছে। ** [[সরদার প্যাটেল]], [[গোলওয়ালকর|গোলওয়ালকরকে]] লেখা চিঠি, ১১ সেপ্টেম্বর ১৯৪৮। 'জাস্টিস অন ট্রায়াল', আরএসএস, ব্যাঙ্গালোর, ১৯৬২, পৃষ্ঠা ২৬-২৮। == বহিঃসংযোগ == *{{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:হত্যাকাণ্ড]] [[বিষয়শ্রেণী:হিন্দু জাতীয়তাবাদ]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৪৮-এ এশিয়া]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৪০-এর দশকে ভারত]] ie9dm3nc95uixb7gq3je7uywyyw8fy0 79826 79825 2026-04-22T19:36:48Z Tuhin 172 /* উক্তি */ 79826 wikitext text/x-wiki [[File:Mohandas_K._Gandhi,_Memorial_assassination_spot,_2013.jpg|thumb|১৯৪৮ সালে গান্ধীর হত্যাকাণ্ডের স্থানের স্মারক। তার প্রতীকী পদচিহ্নগুলো স্মারকস্তম্ভের দিকে নিয়ে গেছে।]] [[File:Nathuram.jpg|thumb|মহাত্মা গান্ধী হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের গ্রুপ ছবি। ''দাঁড়িয়ে (বাম থেকে ডানে)'': শংকর কিস্তাইয়া, গোপাল গডসে, মদন লাল পাহওয়া, দিগম্বর রামচন্দ্র বাগজে। ''বসা (বাম থেকে ডানে)'': নারায়ণ আপ্তে, [[বিনায়ক দামোদর সাভারকর]], নাথুরাম গডসে, বিষ্ণু রামকৃষ্ণ কারকারে।]] [[মহাত্মা গান্ধী]] ১৯৪৮ সালের ৩০ জানুয়ারি ৭৮ বছর বয়সে মধ্য [[নয়াদিল্লি|নয়াদিল্লির]] বিড়লা হাউসের (বর্তমানে [[w:গান্ধী স্মৃতি|গান্ধী স্মৃতি]]) প্রাঙ্গণে নিহত হন। তার হত্যাকারী ছিলেন [[মহারাষ্ট্র|মহারাষ্ট্রের]] একজন [[হিন্দু জাতীয়তাবাদী]] [[নাথুরাম বিনায়ক গডসে]]। গডসে মনে করতেন যে গান্ধী আগের বছরের [[ভারত বিভাজন|ভারত বিভাজনের]] সময় [[পাকিস্তান|পাকিস্তানের]] প্রতি অতিমাত্রায় নমনীয় ছিলেন। গডসে ১৯৪৪ সালে দুইবার গান্ধীকে হত্যার চেষ্টা করেছিলেন কিন্তু ব্যর্থ হন। == উক্তি == * মাসখানেক ধরে পুরো ভারতজুড়ে মুসলিম সংখ্যালঘুরা লাঞ্ছনা থেকে নিরাপদ ছিল। আরএসএস মহাত্মাকে হত্যার মাধ্যমে দেশকে সেই ধাক্কাটি দিয়েছিল যা প্রয়োজন ছিল। যারা তার তীব্র সমালোচনা করছিলেন, তারা এখন তাদের নিজেদের অদূরদর্শী রাগের করুণ পরিণতি দেখতে পেলেন। তারা জানতেন যে তিনিই সঠিক ছিলেন। ** [[হোরাস আলেকজান্ডার]], 'গান্ধী থ্রু ওয়েস্টার্ন আইজ', ফিলাডেলফিয়া, ১৯৬৯, ১৯৮৪ পুনর্মুদ্রণ, পৃষ্ঠা ১৭৫। {{w|মৃদুলা মুখার্জি}}র [https://www.jstor.org/stable/44147511 “সেকশনাল প্রেসিডেন্ট’স অ্যাড্রেস: কমিউনাল থ্রেট অ্যান্ড সেকুলার রেজিস্ট্যান্স”]-এ উদ্ধৃত। ‘প্রসিডিংস অফ দ্য ইন্ডিয়ান হিস্ট্রি কংগ্রেস’, ভলিউম ৭১, (২০১০-২০১১)। এছাড়া [https://thewire.in/history/after-gandhis-assassination-nehru-saw-the-hindu-right-as-a-threat-to-the-indian-state "আফটার গান্ধী’স অ্যাসাসিনেশন, নেহেরু স দ্য হিন্দু রাইট অ্যাজ এ থ্রেট টু দ্য ইন্ডিয়ান স্টেট"], 'দ্য ওয়্যার', ৩০ জানুয়ারি ২০২৩। * আমার নিজস্ব অভিমত হলো যে মহান ব্যক্তিরা তাদের দেশের জন্য যেমন বড় সেবা করেন, তেমনি নির্দিষ্ট সময়ে তারা দেশের অগ্রগতির পথে একটি বড় বাধাও হয়ে দাঁড়ান। রোমান ইতিহাসের একটি ঘটনা এই মুহূর্তে আমার মনে পড়ছে। যখন সিজারকে হত্যা করা হয়েছিল এবং বিষয়টি সিসেরোকে জানানো হয়েছিল, সিসেরো বার্তাবাহকদের বলেছিলেন, "রোমানদের বলো তোমাদের স্বাধীনতার লগ্ন এসেছে।" যদিও কেউ মিস্টার গান্ধীর হত্যাকাণ্ডের জন্য অনুশোচনা করে, তবে সিসেরো সিজারের হত্যাকাণ্ডের ওপর যে মনোভাব ব্যক্ত করেছিলেন তার প্রতিধ্বনি নিজের হৃদয়ে না খুঁজে পাওয়া কঠিন। মিস্টার গান্ধী এই দেশের জন্য একটি ইতিবাচক বিপদ হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন। তিনি সমস্ত মুক্তচিন্তাকে রুদ্ধ করেছিলেন। তিনি কংগ্রেসকে ধরে রেখেছিলেন, যা সমাজের সেই সমস্ত খারাপ এবং স্বার্থান্বেষী উপাদানগুলোর একটি সংমিশ্রণ ছিল যারা মিস্টার গান্ধীর তোষামোদ করা ছাড়া সমাজের জীবন পরিচালনাকারী কোনো সামাজিক বা নৈতিক নীতিতে একমত ছিল না। এই ধরণের সংস্থা একটি দেশ শাসনের অনুপযুক্ত। বাইবেল যেমন বলে 'কখনও কখনও মন্দ থেকে মঙ্গলের উৎপত্তি হয়', তেমনি আমিও মনে করি মিস্টার গান্ধীর মৃত্যু থেকে ভালো কিছু আসবে। এটি মানুষকে একজন অতিমানবের দাসত্ব থেকে মুক্তি দেবে, এটি তাদের নিজেদের কথা চিন্তা করতে বাধ্য করবে এবং তাদের নিজেদের যোগ্যতার ওপর দাঁড়াতে বাধ্য করবে। ** [[বি. আর. আম্বেদকর]], [[w:সবিতা আম্বেদকর|সবিতা আম্বেদকরকে]] লেখা চিঠি, ৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৮, 'লেটার্স অফ আম্বেদকর' [https://www.google.com/books/edition/Letters_of_Ambedkar/t2huAAAAMAAJ?hl=en লেটার্স অফ আম্বেদকর], পৃষ্ঠা ২০৫। * আমি যদি কোনো উন্মাদ ব্যক্তির বুলেটে মারা যাই, তবে আমাকে অবশ্যই হাসিমুখে মরতে হবে। আমার মধ্যে যেন কোনো ক্রোধ না থাকে। ঈশ্বর যেন আমার হৃদয়ে এবং ওষ্ঠে থাকেন। আর তুমি আমাকে একটি কথা দাও। যদি এমন কিছু ঘটে, তবে তুমি এক ফোঁটাও অশ্রু ফেলবে না। ** [[মহাত্মা গান্ধী]], [[w:অমৃত কৌর|অমৃত কৌরকে]] বলা কথা, ২৮ জানুয়ারি ১৯৪৮, তার হত্যাকাণ্ডের দুই দিন আগে। [[w:দিনানাথ গোপাল তেন্ডুলকর|দিনানাথ গোপাল তেন্ডুলকর]] রচিত ‘মহাত্মা: লাইফ অফ মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী’ (১৯৫৪), ভলিউম ৮, পৃষ্ঠা ৪৩৬-এ উদ্ধৃত। * বছরের পর বছর ধরে সঞ্চিত উস্কানি যা তার শেষ মুসলিম তোষণকারী উপবাসের মধ্য দিয়ে চূড়ান্ত রূপ নিয়েছিল, অবশেষে আমাকে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে বাধ্য করেছিল যে গান্ধীজির অস্তিত্বের অবসান অবিলম্বে ঘটানো উচিত। যখন কংগ্রেসের শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা গান্ধীজির সম্মতিতে দেশটিকে বিভক্ত ও ছিন্নবিচ্ছিন্ন করেছিল – যাকে আমরা উপাস্য দেবতা হিসেবে গণ্য করি – তখন আমার মন ভয়ানক ক্রোধে পূর্ণ হয়েছিল। আমি অনুভব করেছিলাম যে গান্ধীজির অনুপস্থিতিতে ভারতীয় রাজনীতি অবশ্যই বাস্তবসম্মত হবে, প্রতিশোধ নিতে সক্ষম হবে এবং সশস্ত্র বাহিনীর সাথে শক্তিশালী হবে। আমি যা করেছি তা কেবল মানবতার উপকারের জন্যই করেছি। আমি বলছি যে আমার গুলি সেই ব্যক্তির ওপর চালানো হয়েছিল যার নীতি ও কর্ম লক্ষাধিক হিন্দুর সর্বনাশ ও ধ্বংস ডেকে এনেছিল। ** [[নাথুরাম গডসে]], ২ মে ১৯৪৯ তারিখে শিমলায় পাঞ্জাব হাইকোর্টে তার আপিলের সময়; যা সুচেতা মহাজন রচিত ''গান্ধী, স্বরাজ অর হিন্দু রাজ? দ্য মেকিং অফ দ্য পোস্ট-ইন্ডিপেন্ডেন্স পলিটি''-তে উদ্ধৃত, দামোদরন এবং উন্নিথান-কুমার সম্পাদিত ''পোস্ট কলোনিয়াল ইন্ডিয়া: হিস্ট্রি, পলিটিক্স অ্যান্ড কালচার'', নয়াদিল্লি, ২০০০, পৃষ্ঠা ৫৭-৭১। [[w:মৃদুলা মুখার্জি|মৃদুলা মুখার্জির]] [https://www.jstor.org/stable/44147511 “সেকশনাল প্রেসিডেন্ট’স অ্যাড্রেস: কমিউনাল থ্রেট অ্যান্ড সেকুলার রেজিস্ট্যান্স”] প্রবন্ধে উদ্ধৃত। ''প্রসিডিংস অফ দ্য ইন্ডিয়ান হিস্ট্রি কংগ্রেস'', ভলিউম ৭১, (২০১০-২০১১)। এছাড়া [https://thewire.in/history/after-gandhis-assassination-nehru-saw-the-hindu-right-as-a-threat-to-the-indian-state "আফটার গান্ধী’স অ্যাসাসিনেশন, নেহেরু স দ্য হিন্দু রাইট অ্যাজ এ থ্রেট টু দ্য ইন্ডিয়ান স্টেট"], ''দ্য ওয়্যার'', ৩০ জানুয়ারি ২০২৩-এ প্রকাশিত। * কংগ্রেস এবং মহাত্মার বিরুদ্ধে যে ঘৃণার পরিবেশ হিন্দু মহাসভা তৈরি করতে চেয়েছিল, তারই চূড়ান্ত রূপ ছিল কয়েকজন মহারাষ্ট্রীয়র হাতে মহাত্মা গান্ধীর হত্যাকাণ্ড। ** [[বি. জি. খের]], প্যাটেলকে লেখা চিঠি, ২৬ মে ১৯৪৮, ''সরদার প্যাটেল করেসপন্ডেন্স'', ভলিউম ৬, পৃষ্ঠা ৭৭-৮। [[w:মৃদুলা মুখার্জি|মৃদুলা মুখার্জির]] [https://www.jstor.org/stable/44147511 “সেকশনাল প্রেসিডেন্ট’স অ্যাড্রেস: কমিউনাল থ্রেট অ্যান্ড সেকুলার রেজিস্ট্যান্স”] প্রবন্ধে উদ্ধৃত। ''প্রসিডিংস অফ দ্য ইন্ডিয়ান হিস্ট্রি কংগ্রেস'', ভলিউম ৭১, (২০১০-২০১১)। এছাড়া [https://thewire.in/history/after-gandhis-assassination-nehru-saw-the-hindu-right-as-a-threat-to-the-indian-state "আফটার গান্ধী’স অ্যাসাসিনেশন, নেহেরু স দ্য হিন্দু রাইট অ্যাজ এ থ্রেট টু দ্য ইন্ডিয়ান স্টেট"], ''দ্য ওয়্যার'', ৩০ জানুয়ারি ২০২৩-এ প্রকাশিত। * বন্ধু ও কমরেডগণ, আমাদের জীবন থেকে আলো নিভে গেছে এবং সর্বত্র অন্ধকার বিরাজ করছে এবং আমি ঠিক জানি না আপনাদের কী বলব এবং কীভাবে বলব। আমাদের প্রিয় নেতা বাপু যাকে আমরা বলতাম, জাতির পিতা, তিনি আর নেই। * আমি বলেছি আলো নিভে গেছে, কিন্তু তবুও আমি ভুল বলেছি। কারণ এই দেশে যে আলো জ্বলত তা কোনো সাধারণ আলো ছিল না। যে আলো এই দেশটিকে এতগুলো বছর ধরে আলোকিত করেছে, তা আরও অনেক বছর ধরে এই দেশকে আলোকিত করবে এবং হাজার বছর পরেও সেই আলো এই দেশে দেখা যাবে এবং বিশ্ব তা দেখবে এবং এটি অসংখ্য হৃদয়ে সান্ত্বনা দেবে। কারণ সেই আলো জীবন্ত সত্যের প্রতিনিধিত্ব করেছিল এবং সেই শাশ্বত মানুষটি তার শাশ্বত সত্য নিয়ে আমাদের সাথে ছিলেন, যা আমাদের সঠিক পথের কথা মনে করিয়ে দিত, ভুল থেকে দূরে সরিয়ে নিত এবং এই প্রাচীন দেশটিকে স্বাধীনতার দিকে নিয়ে যেত। * একজন উন্মাদ ব্যক্তি তার জীবনের অবসান ঘটিয়েছে, কারণ যে এটি করেছে আমি তাকে কেবল উন্মাদই বলতে পারি। তবুও গত কয়েক বছর ও মাস ধরে এই দেশে যথেষ্ট বিষ ছড়ানো হয়েছে এবং এই বিষ মানুষের মনে প্রভাব ফেলেছে। আমাদের এই বিষের মোকাবিলা করতে হবে। আমাদের এই বিষ নির্মূল করতে হবে এবং আমাদের ঘিরে থাকা সমস্ত বিপদের মোকাবিলা করতে হবে, এবং তা পাগলামি বা খারাপভাবে নয় বরং আমাদের প্রিয় শিক্ষক যেভাবে আমাদের শিখিয়েছেন সেভাবেই মোকাবিলা করতে হবে। * এই মহা বিপর্যয় আমাদের জন্য জীবনের বড় বিষয়গুলো মনে রাখার এবং ছোট বিষয়গুলো ভুলে যাওয়ার একটি প্রতীক। আমরা ছোট ছোট বিষয় নিয়ে অনেক বেশি ভেবেছি। এখন সময় এসেছে আবার, যেমনটি তিনি তার মৃত্যুর মাধ্যমে আমাদের জীবনের বড় বিষয়গুলো, জীবন্ত সত্যের কথা মনে করিয়ে দিয়েছেন এবং যদি আমরা তা মনে রাখি, তবে আমাদের এবং ভারতের জন্য মঙ্গল হবে। ** [[জওহরলাল নেহেরু]], গান্ধীর হত্যাকাণ্ডের পর দেওয়া ভাষণ, ৩০ জানুয়ারি ১৯৪৮, [https://archive.org/details/in.ernet.dli.2015.100471/page/n145/mode/2up দ্য লাইট হ্যাজ গন আউট]। অডিও উৎস: [https://archive.org/details/HindSwaraj-Speech-03-3 অল ইন্ডিয়া রেডিও]। * একজন ভারতীয় হিসেবে এটি আমার জন্য লজ্জার যে একজন ভারতীয় তার বিরুদ্ধে হাত তুলেছে। একজন হিন্দু হিসেবে এটি আমার জন্য লজ্জার যে একজন হিন্দু এই কাজ করেছে এবং এটি করেছে বর্তমানের শ্রেষ্ঠ ভারতীয় এবং এই যুগের শ্রেষ্ঠ হিন্দুর ওপর। * তবুও, তাকে অবশ্যই কষ্ট পেতে হয়েছে – কষ্ট পেয়েছেন এই প্রজন্মের ব্যর্থতার জন্য যাদের তিনি প্রশিক্ষণ দিয়েছিলেন, কষ্ট পেয়েছেন কারণ আমরা তার দেখানো পথ থেকে দূরে সরে গিয়েছিলাম। এবং শেষ পর্যন্ত তার এক সন্তানের হাতই – কারণ সেও তো অন্য যেকোনো ভারতীয়র মতো তার সন্তানই – সেই সন্তানের হাতই তাকে আঘাত করে ধরাশায়ী করেছে। ** [[জওহরলাল নেহেরু]], ২ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৮ তারিখে গণপরিষদে দেওয়া ভাষণ। [https://archive.org/details/in.ernet.dli.2015.100471/page/n147/mode/2up ফুল টেক্সট অনলাইন] * এই হিন্দু রাষ্ট্রের দাবির সমর্থকদের মধ্য থেকেই একজন বর্তমানের শ্রেষ্ঠ জীবিত হিন্দিকে হত্যা করেছে। ** [[জওহরলাল নেহেরু]], নয়াদিল্লিতে দেওয়া ভাষণ, ২ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৮। 'সিলেক্টেড ওয়ার্কস অফ জওহরলাল নেহেরু', ২য় সিরিজ, ভলিউম ৫, পৃষ্ঠা ৪৪। সুচেতা মহাজন রচিত ‘ইন্ডিপেন্ডেন্স অ্যান্ড পার্টিশন’, পৃষ্ঠা ৩২০-এ উদ্ধৃত। মৃদুলা মুখার্জির [https://www.jstor.org/stable/44147511 “সেকশনাল প্রেসিডেন্ট’স অ্যাড্রেস: কমিউনাল থ্রেট অ্যান্ড সেকুলার রেজিস্ট্যান্স”] প্রবন্ধে উদ্ধৃত। এছাড়া [https://thewire.in/history/after-gandhis-assassination-nehru-saw-the-hindu-right-as-a-threat-to-the-indian-state "আফটার গান্ধী’স অ্যাসাসিনেশন, নেহেরু স দ্য হিন্দু রাইট অ্যাজ এ থ্রেট টু দ্য ইন্ডিয়ান স্টেট"], 'দ্য ওয়্যার', ৩০ জানুয়ারি ২০২৩। * এই ব্যক্তিদের [আরএসএস] হাতে মহাত্মা গান্ধীর রক্ত লেগে আছে এবং এখন ধার্মিক অস্বীকার বা সম্পর্কহীনতার কোনো মানে নেই। ** [[জওহরলাল নেহেরু]], পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে লেখা চিঠি, ১১ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৮, ''সিলেক্টেড ওয়ার্কস অফ জওহরলাল নেহেরু'', ২য় সিরিজ, ভলিউম ৫, পৃষ্ঠা ৫৩, যা সুচেতা মহাজন রচিত ''ইন্ডিপেন্ডেন্স অ্যান্ড পার্টিশন'', পৃষ্ঠা ৩২০-এ উদ্ধৃত। [[w:মৃদুলা মুখার্জি|মৃদুলা মুখার্জির]] [https://www.jstor.org/stable/44147511 “সেকশনাল প্রেসিডেন্ট’স অ্যাড্রেস: কমিউনাল থ্রেট অ্যান্ড সেকুলার রেজিস্ট্যান্স”] প্রবন্ধে উদ্ধৃত। ''প্রসিডিংস অফ দ্য ইন্ডিয়ান হিস্ট্রি কংগ্রেস'', ভলিউম ৭১, (২০১০-২০১১)। এছাড়া [https://thewire.in/history/after-gandhis-assassination-nehru-saw-the-hindu-right-as-a-threat-to-the-indian-state "আফটার গান্ধী’স অ্যাসাসিনেশন, নেহেরু স দ্য হিন্দু রাইট অ্যাজ এ থ্রেট টু দ্য ইন্ডিয়ান স্টেট"], ''দ্য ওয়্যার'', ৩০ জানুয়ারি ২০২৩-এ প্রকাশিত। * সাম্প্রদায়িকতার ফলেই কেবল দেশভাগ হয়নি, যা মানুষের হৃদয়ে একটি গভীর ক্ষত সৃষ্টি করেছে যা নিরাময় হতে দীর্ঘ সময় লাগবে, বরং এর ফলেই জাতির পিতা মহাত্মা গান্ধীর হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। ** [[জওহরলাল নেহেরু]], কোয়েম্বাটোরে দেওয়া জনসভা ভাষণ, ৩ জুন ১৯৪৮, ''সিলেক্টেড ওয়ার্কস অফ জওহরলাল নেহেরু'', দ্বিতীয় সিরিজ, ভলিউম ৬, পৃষ্ঠা ২৫। [[w:মৃদুলা মুখার্জি|মৃদুলা মুখার্জির]] [https://www.jstor.org/stable/44147511 “সেকশনাল প্রেসিডেন্ট’স অ্যাড্রেস: কমিউনাল থ্রেট অ্যান্ড সেকুলার রেজিস্ট্যান্স”] প্রবন্ধে উদ্ধৃত। ''প্রসিডিংস অফ দ্য ইন্ডিয়ান হিস্ট্রি কংগ্রেস'', ভলিউম ৭১, (২০১০-২০১১)। এছাড়া [https://thewire.in/history/after-gandhis-assassination-nehru-saw-the-hindu-right-as-a-threat-to-the-indian-state "আফটার গান্ধী’স অ্যাসাসিনেশন, নেহেরু স দ্য হিন্দু রাইট অ্যাজ এ থ্রেট টু দ্য ইন্ডিয়ান স্টেট"], ''দ্য ওয়্যার'', ৩০ জানুয়ারি ২০২৩-এ প্রকাশিত। * ...আমরা এই সত্যটি এড়িয়ে যেতে পারি না যে মহাসভার উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সদস্য এই ট্র্যাজেডিতে উল্লাস প্রকাশ করেছে এবং মিষ্টি বিতরণ করেছে। এ বিষয়ে দেশের সব প্রান্ত থেকে আমাদের কাছে নির্ভরযোগ্য রিপোর্ট এসেছে। অধিকন্তু, জঙ্গি সাম্প্রদায়িকতা যা মাত্র কয়েক মাস আগে পর্যন্ত মহন্ত দিগ্বিজয় নাথ, অধ্যাপক রাম সিং এবং দেশপান্ডের মতো মহাসভার অনেক মুখপত্র প্রচার করতেন, তা জননিরাপত্তার জন্য একটি বিপদ হিসেবে গণ্য না করে উপায় ছিল না। এটি আরএসএস-এর ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য, বিশেষ করে সামরিক বা আধা-সামরিক কায়দায় গোপনে পরিচালিত একটি সংস্থার অন্তর্নিহিত অতিরিক্ত বিপদসহ। ** [[সরদার প্যাটেল]], [[শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়|শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়কে]] লেখা চিঠি, ৬ মে ১৯৪৮, ''সরদার প্যাটেল করেসপন্ডেন্স'', ভলিউম ৬, পৃষ্ঠা ৬৬। [[w:মৃদুলা মুখার্জি|মৃদুলা মুখার্জির]] [https://www.jstor.org/stable/44147511 “সেকশনাল প্রেসিডেন্ট’স অ্যাড্রেস: কমিউনাল থ্রেট অ্যান্ড সেকুলার রেজিস্ট্যান্স”] প্রবন্ধে উদ্ধৃত। ''প্রসিডিংস অফ দ্য ইন্ডিয়ান হিস্ট্রি কংগ্রেস'', ভলিউম ৭১, (২০১০-২০১১)। এছাড়া [https://thewire.in/history/after-gandhis-assassination-nehru-saw-the-hindu-right-as-a-threat-to-the-indian-state "আফটার গান্ধী’স অ্যাসাসিনেশন, নেহেরু স দ্য হিন্দু রাইট অ্যাজ এ থ্রেট টু দ্য ইন্ডিয়ান স্টেট"], ''দ্য ওয়্যার'', ৩০ জানুয়ারি ২০২৩-এ প্রকাশিত। * হিন্দুদের সংগঠিত করা এবং তাদের সাহায্য করা এক জিনিস, কিন্তু নির্দোষ ও অসহায় পুরুষ, মহিলা ও শিশুদের ওপর তাদের কষ্টের প্রতিশোধ নিতে যাওয়া সম্পূর্ণ অন্য জিনিস... এ ছাড়া কংগ্রেসের প্রতি তাদের বিরোধিতা – যা ব্যক্তিত্বের প্রতি সম্মান এবং শিষ্টাচার বর্জন করে এত বেশি উগ্র রূপ নিয়েছিল – তা জনগণের মধ্যে এক ধরণের অস্থিরতা সৃষ্টি করেছিল। তাদের সমস্ত বক্তৃতা সাম্প্রদায়িক বিষে ভরা ছিল। হিন্দুদের উৎসাহিত করার জন্য এবং তাদের সুরক্ষার জন্য সংগঠিত হওয়ার লক্ষ্যে বিষ ছড়ানোর প্রয়োজন ছিল না। সেই বিষের চূড়ান্ত ফল হিসেবে দেশকে গান্ধীজির অমূল্য জীবনের বলিদান সহ্য করতে হয়েছে। আরএসএস-এর প্রতি সরকার বা জনগণের সামান্যতম সহানুভূতিও আর অবশিষ্ট ছিল না। বরং এর পরিবর্তে বিরোধিতা বেড়েছে। বিরোধিতা আরও তীব্র হয় যখন গান্ধীজির মৃত্যুর পর আরএসএস কর্মীরা আনন্দ প্রকাশ করে এবং মিষ্টি বিতরণ করে। এই পরিস্থিতিতে আরএসএস-এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া সরকারের জন্য অনিবার্য হয়ে পড়েছিল... এর মধ্যে ছয় মাসেরও বেশি সময় অতিক্রান্ত হয়েছে। আমরা আশা করেছিলাম যে এই সময়ের ব্যবধানে যথাযথ বিবেচনার মাধ্যমে আরএসএস ব্যক্তিরা সঠিক পথে ফিরে আসবে। কিন্তু আমার কাছে যে রিপোর্টগুলো আসে, তা থেকে এটা স্পষ্ট যে তাদের সেই পুরনো কর্মকাণ্ডে নতুন করে প্রাণ দেওয়ার প্রচেষ্টা চলছে। ** [[সরদার প্যাটেল]], [[গোলওয়ালকর|গোলওয়ালকরকে]] লেখা চিঠি, ১১ সেপ্টেম্বর ১৯৪৮। 'জাস্টিস অন ট্রায়াল', আরএসএস, ব্যাঙ্গালোর, ১৯৬২, পৃষ্ঠা ২৬-২৮। == বহিঃসংযোগ == *{{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:হত্যাকাণ্ড]] [[বিষয়শ্রেণী:হিন্দু জাতীয়তাবাদ]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৪৮-এ এশিয়া]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৪০-এর দশকে ভারত]] l2ra607ghorkqje0tm9yty4mxh3dn4v সরদার প্যাটেল 0 13246 79827 2026-04-22T19:37:52Z Tuhin 172 [[বল্লভভাই পটেল]]-এ পুনর্নির্দেশ করা হল 79827 wikitext text/x-wiki #পুননির্দেশ [[বল্লভভাই পটেল]] 0c8k49mq73x041ei1dp8k1wbnlup5b4 আলাপ:মহাত্মা গান্ধীর হত্যাকাণ্ড 1 13247 79828 2026-04-22T19:39:10Z Tuhin 172 https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026 79828 wikitext text/x-wiki {{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}} s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm সের্গেই কোরোলিয়ভ 0 13248 79829 2026-04-22T19:51:09Z Anik Kanti Dey 3075 "[[চিত্র:Sergey Korolyov 140-190 for collage.jpg|thumb|১৯৩৭ সালে সের্গেই কোরোলিয়ভ]] '''[[w:সের্গেই কোরোলিয়ভ|সের্গেই পাভলোভিচ কোরোলিয়ভ]]''' ('''রুশ''': Сергей Павлович Королёв, '''ইউক্রেনীয়''': Сергі́й Па́влович Корольо́в) (১২ জা..." দিয়ে পাতা তৈরি 79829 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:Sergey Korolyov 140-190 for collage.jpg|thumb|১৯৩৭ সালে সের্গেই কোরোলিয়ভ]] '''[[w:সের্গেই কোরোলিয়ভ|সের্গেই পাভলোভিচ কোরোলিয়ভ]]''' ('''রুশ''': Сергей Павлович Королёв, '''ইউক্রেনীয়''': Сергі́й Па́влович Корольо́в) ([[১২ জানুয়ারি]] [[১৯০৭]] – [[১৪ জানুয়ারি]] [[১৯৬৬]]) ১৯৫০ এবং ১৯৬০-এর দশকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যকার [[w:মহাসূন্যে আধিপত্য বিস্তারের প্রতিযোগিতা|মহাসূন্যে আধিপত্য বিস্তারের প্রতিযোগিতার]] সময় শীর্ষস্থানীয় সোভিয়েত রকেট প্রকৌশলী এবং মহাকাশযান নকশাকার ছিলেন। তিনি অনেকের কাছে ব্যবহারিক মহাকাশবিজ্ঞানের জনক হিসেবে বিবেচিত হন। তিনি [[w:আর-৭ রকেট|আর-৭ রকেট]], [[w:স্পুটনিক|স্পুটনিক ১]]-এর বিকাশ এবং [[w:লাইকা|লাইকা]], [[w:স্পুটনিক ৩|স্পুটনিক ৩]], [[w:বেলকা ও স্ট্রেলকা|বেলকা ও স্ট্রেলকা]] এবং প্রথম মানুষ [[ইউরি গাগারিন|ইউরি গাগারিনকে]] মহাকাশে পাঠানোর সাথে যুক্ত ছিলেন। == উক্তি == * আমাকে অভিনন্দন জানাচ্ছেন কেন? আমরা খনিশ্রমিকের মতো মাটির নিচে কাজ করি বলে কেউ আমাদের নাম জানে না। ** ইউরি গাগারিনের মহাকাশযাত্রার পঞ্চম বার্ষিকীতে অভিনন্দিত হওয়ার পর দেওয়া উত্তর ** ''এবিসি নিউজ''-এ প্রকাশিত [https://abcnews.go.com/International/soviet-space-engineer-sergey-korolev-inspires-elon-musk/story?id=80602926 "দ্য সোভিয়েত স্পেস ইঞ্জিনিয়ার, সের্গেই কোরোলিয়ভ, হু ইন্সপায়ার্স ইলন মাস্ক"] (১৭ অক্টোবর ২০২১) * মহাকাশজয়ের ফলে আমাদের গ্রহের চারপাশে প্রায় ৪০,০০০ কিলোমিটার উচ্চতায় প্রতিদিন প্রদক্ষিণকারী স্যাটেলাইট সিস্টেম তৈরি করা সম্ভব হবে। এটি সার্বজনীন যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং রেডিও ও টেলিভিশন সম্প্রচার নিশ্চিত করবে। পৃথিবীতে অমিমাংসিত সমস্যা বলে কিছু নেই। ** [https://www.philatelicly.com/sputnik-1-top-10-things-you-should-know/ "স্পুটনিক ১: টপ ১০ থিংস ইউ শুড নো"] * এমন একদিন আসবে যখন মানুষ বহনকারী মহাকাশযান পৃথিবী ছেড়ে দূরবর্তী গ্রহ এবং জগতে যাত্রা করবে। আজকে এটি কেবল একটি লোভনীয় কল্পনার মতো মনে হলেও বাস্তবে তা নয়। প্রথম দুটি সোভিয়েত স্পুটনিকের উৎক্ষেপণ ইতিমধ্যে পৃথিবী থেকে মহাকাশে একটি মজবুত সেতু তৈরি করেছে এবং এর মাধ্যমে তারার দেশে যাওয়ার পথ খুলে গেছে। ** ''অ্যাব্রিভিয়েটেড লাইভস ট্র্যাজিক টেলস অব আর্টিস্টস সায়েন্টিস্টস অ্যান্ড রাইটার্স'', পৃ. ১২৮ (২০২২) * যে কেউ জটিল জিনিস বানাতে পারে, তবে আমাদের কাজ সরলতার দ্বারা নির্ধারিত হয়। ** ''এসওএস ইম অল. প্যানেন, প্রবলেম আন্ড কাটাস্ট্রোফেন ডার বেমানটেন রউমফার্ট [এসওএস ইন স্পেস. ব্রেকডাউন্স, প্রবলেমস অ্যান্ড ডিজাস্টার্স ইন ম্যানড স্পেসফ্লাইট]'', পৃ. ১৬৩ (২০০০) * আজ মানবজাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। মহাকাশ দখলের অভিযান শুরু হয়েছে। ** জেমস ওবার্গ রচিত ''রেড স্টার ইন অরবিট'' (১৯৮১)-এ ১৯৫৭ সালের একটি উক্তি হিসেবে উদ্ধৃত। * {{Translated quote | quote = সবকিছু ঠিকঠাক চলছে। আমি যেমনটা ভেবেছিলাম তার চেয়েও ভালো। সম্ভবত জীবনের প্রথমবারের মতো আমি প্রচণ্ড তৃপ্তি অনুভব করছি। আমার ইচ্ছে করছে, যে বাতাস আমার মুখকে ছুঁয়ে যাচ্ছে এবং দমকা হাওয়ায় আমার লাল পাখিকে কাঁপিয়ে দিচ্ছে, তার দিকে মুখ করে কিছু একটা চিৎকার করে বলি। কোনোভাবেই বিশ্বাস করতে পারছি না যে, ধাতু ও কাঠের তৈরি এত ভারী একটি জিনিস উড়তে পারে। তবে মাটি থেকে একবার বিচ্ছিন্ন হওয়া মাত্রই মনে হয় গাড়িটি যেন জীবন্ত হয়ে উঠেছে এবং হুইল ঘোরানোর সাথে সাথে বাঁশির মতো আওয়াজ করে উড়ে চলছে। নিজের তৈরি গাড়িতে ওড়ার চেয়ে বড় তৃপ্তি আর পুরস্কার কী হতে পারে?! এই অনুভূতির কাছে সব ভুলে যাওয়া যায়—টানা নির্ঘুম রাত আর একটানা বিশ্রামহীন কঠোর পরিশ্রমের দিনগুলো... | original = Всё идёт прекрасно, даже лучше, чем я думал, и, кажется, первый раз в жизни чувствую колоссальное удовлетворение, и мне хочется крикнуть что-то навстречу ветру, обнимающему моё лицо и заставляющему вздрагивать мою красную птицу при порывах. И как-то не верится, что такой тяжёлый кусок металла и дерева может летать. Но достаточно только оторваться от Земли, как чувствуешь, что машина словно оживает и летит со свистом, послушная каждому движению руля. Разве не наибольшее удовлетворение и награда самому летать на своей же машине?! Ради этого можно забыть всё: и целую вереницу бессонных ночей, дней, потраченных в упорной работе без отдыха, без передышки… | comment = ১৯২৭ সালে নিজের ডিজাইন করা প্রথম বিমান পরীক্ষা করার পর মাকে লেখা একটি চিঠি }} * {{Translated quote | quote = আপনি কাজটি দ্রুত কিন্তু খারাপভাবে করতে পারেন অথবা ধীরে হলেও ভালোভাবে করতে পারেন। কিছুক্ষণ পর সবাই ভুলে যাবে যে এটি দ্রুত করা হয়েছিল। তবে কাজটি যে খারাপ হয়েছিল তা সবার মনে থাকবে। একইভাবে এর বিপরীত কথাও সত্য। | original = Можно сделать быстро, но плохо, а можно — медленно, но хорошо. Через некоторое время все забудут, что было быстро, но будут помнить, что было плохо. И наоборот. | comment = [https://books.google.com.au/books?id=VyvLDgAAQBAJ&pg=PT311&lpg=PT311&dq=%D0%9C%D0%BE%D0%B6%D0%BD%D0%BE+%D1%81%D0%B4%D0%B5%D0%BB%D0%B0%D1%82%D1%8C+%D0%B1%D1%8B%D1%81%D1%82%D1%80%D0%BE,+%D0%BD%D0%BE+%D0%BF%D0%BB%D0%BE%D1%85%D0%BE,+%D0%B0+%D0%BC%D0%BE%D0%B6%D0%BD%D0%BE+%E2%80%94+%D0%BC%D0%B5%D0%B4%D0%BB%D0%B5%D0%BD%D0%BD%D0%BE,+%D0%BD%D0%BE+%D1%85%D0%BE%D1%80%D0%BE%D1%88%D0%BE.+%D0%A7%D0%B5%D1%80%D0%B5%D0%B7+%D0%BD%D0%B5%D0%BA%D0%BE%D1%82%D0%BE%D1%80%D0%BE%D0%B5+%D0%B2%D1%80%D0%B5%D0%BC%D1%8F+%D0%B2%D1%81%D0%B5+%D0%B7%D0%B0%D0%B1%D1%83%D0%B4%D1%83%D1%82,+%D1%87%D1%82%D0%BE+%D0%B1%D1%8B%D0%BB%D0%BE+%D0%B1%D1%8B%D1%81%D1%82%D1%80%D0%BE,+%D0%BD%D0%BE+%D0%B1%D1%83%D0%B4%D1%83%D1%82+%D0%BF%D0%BE%D0%BC%D0%BD%D0%B8%D1%82%D1%8C,+%D1%87%D1%82%D0%BE+%D0%B1%D1%8B%D0%BB%D0%BE+%D0%BF%D0%BB%D0%BE%D1%85%D0%BE.+%D0%98+%D0%BD%D0%B0%D0%BE%D0%B1%D0%BE%D1%80%D0%BE%D1%82.&source=bl&ots=BBxNGs2k3T&sig=ACfU3U2WtmP70gI2jYHlz6KK-dlezSlPtQ&hl=en&sa=X&ved=2ahUKEwj67aKhlqP5AhWQ7TgGHRkTDjYQ6AF6BAgMEAM#v=onepage&q=%D0%9C%D0%BE%D0%B6%D0%BD%D0%BE%20%D1%81%D0%B4%D0%B5%D0%BB%D0%B0%D1%82%D1%8C%20%D0%B1%D1%8B%D1%81%D1%82%D1%80%D0%BE%2C%20%D0%BD%D0%BE%20%D0%BF%D0%BB%D0%BE%D1%85%D0%BE%2C%20%D0%B0%20%D0%BC%D0%BE%D0%B6%D0%BD%D0%BE%20%E2%80%94%20%D0%BC%D0%B5%D0%B4%D0%BB%D0%B5%D0%BD%D0%BD%D0%BE%2C%20%D0%BD%D0%BE%20%D1%85%D0%BE%D1%80%D0%BE%D1%88%D0%BE.%20%D0%A7%D0%B5%D1%80%D0%B5%D0%B7%20%D0%BD%D0%B5%D0%BA%D0%BE%D1%82%D0%BE%D1%80%D0%BE%D0%B5%20%D0%B2%D1%80%D0%B5%D0%BC%D1%8F%20%D0%B2%D1%81%D0%B5%20%D0%B7%D0%B0%D0%B1%D1%83%D0%B4%D1%83%D1%82%2C%20%D1%87%D1%82%D0%BE%20%D0%B1%D1%8B%D0%BB%D0%BE%20%D0%B1%D1%8B%D1%81%D1%82%D1%80%D0%BE%2C%20%D0%BD%D0%BE%20%D0%B1%D1%83%D0%B4%D1%83%D1%82%20%D0%BF%D0%BE%D0%BC%D0%BD%D0%B8%D1%82%D1%8C%2C%20%D1%87%D1%82%D0%BE%20%D0%B1%D1%8B%D0%BB%D0%BE%20%D0%BF%D0%BB%D0%BE%D1%85%D0%BE.%20%D0%98%20%D0%BD%D0%B0%D0%BE%D0%B1%D0%BE%D1%80%D0%BE%D1%82.&f=false লিডারস্তভো পো-রুস্কি] (২০২২) }} * {{Translated quote | quote = দেশপ্রেম, সাহস, বিনয়, তাৎক্ষণিক হিসাবের সক্ষমতা, লৌহকঠিন ইচ্ছা, জ্ঞান এবং মানুষের প্রতি ভালোবাসা—এগুলো একজন নভোচারীর প্রধান বৈশিষ্ট্য, যা ছাড়া কেউ নভোচারী হতে পারে না। | original = Патриотизм, отвага, скромность, трезвость мгновенного расчета, железная воля, знания, любовь к людям — вот определяющие черты, без которых не может быть космонавта. | comment = [https://kosmo-museum.ru/kosmo_news/kakim-ya-znala-seryozhu#:~:text=%D0%A1%D0%B5%D1%80%D0%B3%D0%B5%D0%B9%20%D0%9F%D0%B0%D0%B2%D0%BB%D0%BE%D0%B2%D0%B8%D1%87%3A%20%C2%AB%D0%9F%D0%B0%D1%82%D1%80%D0%B8%D0%BE%D1%82%D0%B8%D0%B7%D0%BC%2C%20%D0%BE%D1%82%D0%B2%D0%B0%D0%B3%D0%B0,%D0%BA%D0%B0%D0%BA%20%D0%B4%D0%BE%D0%BB%D0%B6%D0%BD%D0%BE%D0%B5%2C%20%D0%B1%D0%B5%D0%B7%20%D0%BE%D1%81%D0%BE%D0%B1%D0%BE%D0%B3%D0%BE%20%D0%B0%D0%B7%D0%B0%D1%80%D1%82%D0%B0. «কাকিম ইয়া জনালা সেরিওঝু»] (২০১৯) }} * {{Translated quote | quote = শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে যা অবাস্তব মনে হতো, গতকাল পর্যন্ত যা কেবল দুঃসাহসী স্বপ্ন ছিল, আজ তা বাস্তব লক্ষ্যে পরিণত হয়েছে এবং আগামীকাল তা সফল হবে। | original = То, что казалось несбыточным на протяжении веков, что вчера было лишь дерзновенной мечтой, сегодня становится реальной задачей, а завтра — свершением. | comment = [https://rostec.ru/news/4515327/#:~:text=%C2%AB%D0%A2%D0%BE%2C%20%D1%87%D1%82%D0%BE%20%D0%BA%D0%B0%D0%B7%D0%B0%D0%BB%D0%BE%D1%81%D1%8C%20%D0%BD%D0%B5%D1%81%D0%B1%D1%8B%D1%82%D0%BE%D1%87%D0%BD%D1%8B%D0%BC%20%D0%BD%D0%B0,1907%20%D0%B3%D0%BE%D0%B4%D0%B0%20%D0%B2%20%D0%B3%D0%BE%D1%80%D0%BE%D0%B4%D0%B5%20%D0%96%D0%B8%D1%82%D0%BE%D0%BC%D0%B8%D1%80%D0%B5. সের্গেই কোরোলিয়ভ: «নেট প্রেগ্রাদ চেলোভেচেস্কয় মিসলি»] (২০১৫) }} * {{Translated quote | quote = মহাকাশবিজ্ঞানের এক সীমাহীন ভবিষ্যৎ রয়েছে। মহাবিশ্বের মতোই এর সম্ভাবনা অসীম! | original = Космонавтика имеет безграничное будущее, ее перспективы беспредельны, как сама Вселенная! | comment = [https://shkola-kletskij.oshkole.ru/news/93283.html "ভসেম ভ কসমস"] }} == সের্গেই কোরোলিয়ভ সম্পর্কে == [[চিত্র:Korolev, Serge Paulovich (SDASM Archives).jpg|thumb]] * তিনি সেরাদের একজন ছিলেন। ** [[ইলন মাস্ক]], ''আরএফই/আরএল''-এ প্রকাশিত [https://www.rferl.org/a/elon-musk-invites-family-of-famed-soviet-rocket-scientist-to-tour-spacex/30721114.html "ইলন মাস্ক ইনভাইটস ফ্যামিলি অব ফেমড সোভিয়েত রকেট সায়েন্টিস্ট টু ট্যুর স্পেসএক্স"] (১১ জুলাই ২০২০) * সোভিয়েতরা ইচ্ছাকৃতভাবে নিজেদের ভৌগোলিক বিভ্রান্তি তৈরি করেছিল, যাতে তাদের মানববাহী মহাকাশ কেন্দ্রের অবস্থান লুকিয়ে রাখা যায়। ১৯৫৭ সালের দিকে সিআইএ-র গুপ্তচর বিমান মধ্য এশীয় রেলওয়ে স্টেশন [[w:তিউরাতাম|তিউরাতামের]] কাছে প্যাডটি শনাক্ত করে। সিআইএ বিশ্লেষকরা পরবর্তীতে সব সময় একে "তিউরাতাম" হিসেবে ভুল বানানে লিখতে থাকেন। ১৯৬১ সালে সোভিয়েতরা অতীত ভৌগোলিক ভুল তথ্যের একটি বৃথা প্রচেষ্টা হিসেবে তাদের উৎক্ষেপণ স্থলের নাম দেয় "[[w:বাইকোনুর|বাইকোনুর]]"। এটি মূলত মহাকাশ ঘাঁটি থেকে শত শত মাইল দূরের একটি ছোট খনির গ্রাম বাইকোনিরের একটি অদ্ভুত লিপ্যন্তর ছিল। ১৯৯১ সালে যখন কাজাখস্তান স্বায়ত্তশাসিত হয় এবং মহাকাশ বন্দরের নামমাত্র সার্বভৌমত্ব গ্রহণ করে, তখন এর নেতারা একে "বাইকোনির" বলে উল্লেখ করতে শুরু করেন। হয়তো একদিন রাশিয়ানরা একবারের মতো এই দীর্ঘদিনের প্রতারণা বাদ দিয়ে '''যে মানুষটি এটি প্রতিষ্ঠা করেছেন, সেই সের্গেই কোরোলিয়ভ নামে মহাকাশ ঘাঁটির নামকরণ করবেন'''। তখন বিশ্বের সব মানচিত্রে একটি একক এবং সম্মানজনক নাম দেখা যাবে। ** [[w:জেমস ওবার্গ|জেমস ওবার্গ]], [http://www.jamesoberg.com/myth.html "ওমনি ম্যাগাজিন, পৃ. ৩৮"] (মে ১৯৯৩) * তিনি খুবই ইতিবাচক মানসিকতার মানুষ ছিলেন; এটি তার ভেতরের গুণ ছিল। তিনি শ্রমিক থেকে শুরু করে সব স্তরের মানুষকে আকর্ষণ করার চেষ্টা করতেন। তার কর্মক্ষেত্রে সব ধরনের মানুষ কাজ করতেন। আমি প্রতিযোগী নকশা ব্যুরোয় কাজ করলেও তার সাথে আমার অনেকবার দেখা হয়েছে। তার প্রতি আমার কোনো অভিযোগ নেই। বরং আমার এমন এক অনুভূতি কাজ করত যা আমাকে তার দিকে টেনে নিয়ে যেত। কারণ তিনি এমন এক ব্যক্তি ছিলেন যিনি সবাইকে দিয়ে তার কাজ করাতে পারতেন, অথচ কাউকে কোনো চাপ দিতেন না। ** [[w:সের্গেই ক্রুশ্চেভ|সের্গেই ক্রুশ্চেভ]], ''পিবিএস''-এ প্রকাশিত [https://www.pbs.org/redfiles/moon/deep/interv/m_int_sergei_khrushchev.htm "ইন্টারভিউ উইথ ড. সের্গেই এন. ক্রুশ্চেভ"] == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} {{কমন্সক্যাট}} {{DEFAULTSORT:কোরোলিয়ভ, সের্গেই}} [[বিষয়শ্রেণী:রাশিয়া থেকে শিক্ষাবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে পদার্থবিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:মহাকাশ প্রকৌশলী]] [[বিষয়শ্রেণী:উদ্ভাবক]] [[বিষয়শ্রেণী:জন্ম ১৯০৭]] [[বিষয়শ্রেণী:মৃত্যু ১৯৬৬]] [[বিষয়শ্রেণী:বন্দী]] [[বিষয়শ্রেণী:সোভিয়েত ইউনিয়নের কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য]] [[বিষয়শ্রেণী:স্নায়ুযুদ্ধের ব্যক্তিত্ব]] dvmnv7vua6oylvhh1ld7guwvhxl3y45 আলাপ:সের্গেই কোরোলিয়ভ 1 13249 79830 2026-04-22T19:51:37Z Anik Kanti Dey 3075 https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026 79830 wikitext text/x-wiki {{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}} s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm সেমুর হার্শ 0 13250 79831 2026-04-22T20:33:34Z Anik Kanti Dey 3075 "[[চিত্র:Seymour Hersh-IPS.jpg|থাম্ব|২০০৪ সালে সিমুর হারশ]] [[সিমুর হারশ|'''সিমুর মাইরন "সাই" হারশ''']] (জন্ম ৮ এপ্রিল ১৯৩৭) একজন মার্কিন [[অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা|অনুসন্ধানী সাংবাদিক]] ও রাজনৈতিক ল..." দিয়ে পাতা তৈরি 79831 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:Seymour Hersh-IPS.jpg|থাম্ব|২০০৪ সালে সিমুর হারশ]] [[সিমুর হারশ|'''সিমুর মাইরন "সাই" হারশ''']] (জন্ম ৮ এপ্রিল ১৯৩৭) একজন মার্কিন [[অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা|অনুসন্ধানী সাংবাদিক]] ও রাজনৈতিক লেখক। ১৯৬৯ সালে [[ভিয়েতনাম যুদ্ধ|ভিয়েতনাম যুদ্ধের]] সময় [[মাই লাই গণহত্যা|মাই লাই গণহত্যা]] ও তা ধামাচাপা দেওয়ার ঘটনা ফাঁস করে তিনি প্রথম পরিচিতি পান। এই কাজের জন্য তিনি ১৯৭০ সালে [[পুলিৎজার পুরস্কার|আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনের জন্য পুলিৎজার পুরস্কার]] লাভ করেন। ১৯৭০-এর দশকে হারশ ''[[দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস|দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের]]'' হয়ে [[ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারি]] কাভার করেন। ২০০৪ সালে তিনি ইরাকের [[আবু গারিব কারাগারে বন্দি নির্যাতন|আবু গারিব কারাগারে মার্কিন সেনাবাহিনীর বন্দি নির্যাতন ও অপব্যবহার]] নিয়ে ''[[দ্য নিউ ইয়র্কার]]'' ম্যাগাজিনে রিপোর্ট করেন। হারশ পাঁচটি [[জর্জ পোল্ক পুরস্কার]] ও দুটি [[ন্যাশনাল ম্যাগাজিন অ্যাওয়ার্ড]] জিতেছেন। তিনি ১১টি বই লিখেছেন। এর মধ্যে ১৯৮৩ সালে প্রকাশিত [[হেনরি কিসিঞ্জার|হেনরি কিসিঞ্জারের]] জীবনী গ্রন্থ ''দ্য প্রাইস অব পাওয়ার: কিসিঞ্জার ইন দ্য নিক্সন হোয়াইট হাউস'' [[ন্যাশনাল বুক ক্রিটিকস সার্কেল অ্যাওয়ার্ড]] জিতেছে। ২০১৩ সালে হারশ একটি বিতর্কিত দাবি করেন। তিনি [[সিরিয়ার গৃহযুদ্ধ|সিরিয়ার গৃহযুদ্ধের]] সময় [[ঘৌটা রাসায়নিক হামলা|ঘৌটাতে]] বেসামরিক নাগরিকদের ওপর [[সিরিয়ার গৃহযুদ্ধে রাসায়নিক অস্ত্রের ব্যবহার|বাশার আল-আসাদের সরকারের রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহারের]] দাবিটি প্রত্যাখ্যান করেন। ২০১৫ সালে তিনি রিপোর্ট করেন যে, [[ওসামা বিন লাদেনকে হত্যা|ওসামা বিন লাদেন হত্যার]] ঘটনা নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মিথ্যা বলেছে। এই উভয় রিপোর্টই অন্য সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে বিতর্ক ও সমালোচনার জন্ম দেয়। ২০২৩ সালে তিনি রিপোর্ট করেন যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়া ও জার্মানির মধ্যে থাকা [[২০২২ নর্ড স্ট্রিম পাইপলাইন নাশকতামূলক কাজ|নর্ড স্ট্রিম গ্যাস পাইপলাইনে নাশকতা চালিয়েছে]]। এটিও পুনরায় বিতর্কের সৃষ্টি করে। == উক্তি == === ১৯৬৯ === ==== একটি নৃশংসতা উন্মোচিত: মাই লাই গণহত্যা, ''সেন্ট লুইস পোস্ট-ডিসপ্যাচ'', ১৩, ২০ ও ২৫ নভেম্বর ১৯৬৯ ==== * উইলিয়াম এল ক্যালি জুনিয়র একজন শান্ত স্বভাবের, বালকসুলভ চেহারার ভিয়েতনাম যুদ্ধফেরত সেনা। তার ডাকনাম "রাস্টি"। ১৯৬৮ সালের মার্চ মাসে "পিঙ্কভিল" নামে পরিচিত ভিয়েত কং ঘাঁটিতে একটি 'খুঁজে বের করো এবং ধ্বংস করো' (search-and-destroy) অভিযানে তিনি কমপক্ষে ১০৯ জন ভিয়েতনামি বেসামরিক নাগরিককে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছেন। সেনাবাহিনী এখন এই অভিযোগের তদন্ত শেষ করছে। ক্যালির বিরুদ্ধে গণহত্যার ছয়টি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনা হয়েছে। প্রতিটি অভিযোগে নিহতের সংখ্যা উল্লেখ করা হয়েছে, যার মোট পরিমাণ ১০৯। অভিযোগ অনুসারে, ক্যালি "পূর্বপরিকল্পিতভাবে... রাইফেল দিয়ে গুলি করে অজ্ঞাত নাম ও লিঙ্গের এশীয় মানুষদের হত্যা করেছেন।" সেনাবাহিনী একে হত্যাকাণ্ড বলছে। তবে ক্যালি, তার আইনজীবী ও এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যরা একে আদেশ পালন হিসেবে বর্ণনা করছেন... এই অভিযানে ক্যালির সঙ্গে অংশ নেওয়া এক ব্যক্তি বলেন... আমাদের শুধু এলাকাটি পরিষ্কার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। এটি ছিল একটি সাধারণ যুদ্ধকালীন আক্রমণ। আমরা আর্টিলারি কাভার নিয়ে গ্রামে ঢুকে সেটি ধ্বংস করে দিই। যুদ্ধকালীন অভিযানে সবসময়ই কিছু বেসামরিক লোক হতাহত হয়। তিনি খুনের দায়ে দোষী নন। ** [https://web.archive.org/web/20180501143432/http://pierretristam.com/Bobst/library/wf-200.htm ১০৯ জন বেসামরিক নাগরিককে হত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত লেফটেন্যান্ট, ''সেন্ট লুইস পোস্ট-ডিসপ্যাচ'', ১৩ নভেম্বর ১৯৬৯] * ক্যালির আইনজীবী এক সাক্ষাৎকারে বলেন: "এই মামলাটি কখনই করা উচিত হয়নি। সেখানে যা হত্যাকাণ্ড ঘটেছে তা অভিযানের সময় গোলাগুলির মধ্যে হয়েছিল... কোনো বেসামরিক নাগরিক ভিয়েত কং কি না, তা নিয়ে আপনি সংশয়ে থাকতে পারেন না। হয় তারা আপনাকে গুলি করবে, নয়তো আপনি তাদের গুলি করবেন।" এই মামলাটি গুরুত্বপূর্ণ হতে যাচ্ছে—একটি মিশন পালনের ক্ষেত্রে একজন যুদ্ধরত অফিসারের জন্য আপনি কী মানদণ্ড নির্ধারণ করবেন?... ফোর্ট বেনিংয়ে ক্যালির সহকর্মী অফিসাররা, যাদের অনেকেই ওয়েস্ট পয়েন্টের স্নাতক, তারা এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ। তবে মামলার গুরুত্ব বিবেচনা করে তারা তাদের ক্ষোভ ব্যক্তিগতভাবে প্রকাশ করছেন। একজন অফিসার অভিযোগ করেন, "তারা তাকে উদাহরণ হিসেবে ব্যবহার করছে।" "তিনি একজন ভালো সৈনিক। তিনি আদেশ পালন করেছেন। গ্রামে কোনো বন্ধুভাবাপন্ন লোক ছিল না। নির্দেশ ছিল যা নড়বে তাকেই গুলি করার।" অন্য একজন অফিসার বলেন, "এটি আমাদের যে কারো সাথে ঘটতে পারত। তিনি হত্যা করেছেন এবং অনেক হত্যাকাণ্ড দেখেছেন... ভিয়েতনামে হত্যার কোনো মূল্য নেই। তিনি জানতেন সেখানে বেসামরিক লোক ছিল, তবে তিনি এটিও জানতেন যে তাদের মধ্যে ভিয়েত কংও ছিল।" ** [https://web.archive.org/web/20180501143432/http://pierretristam.com/Bobst/library/wf-200.htm ১০৯ জন বেসামরিক নাগরিককে হত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত লেফটেন্যান্ট, ''সেন্ট লুইস পোস্ট-ডিসপ্যাচ'', ১৩ নভেম্বর ১৯৬৯] * ১৯৬৮ সালের মার্চ মাসে পিঙ্কভিল নামক একটি ভিয়েতনামি গ্রামে আক্রমণে অংশ নেওয়া তিন মার্কিন সেনা আজ প্রকাশিত সাক্ষাৎকারে বলেন, তাদের ইউনিট সেখানে "সরাসরি হত্যাকাণ্ড" চালিয়েছে। নিউ ইয়র্কের ফ্র্যাঙ্কলিন স্কয়ারের বাসিন্দা সার্জেন্ট মাইকেল বার্নহার্ড বলেন, "পুরো ঘটনাটি ছিল সুপরিকল্পিত। এটি ছিল পয়েন্ট-ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে হত্যাকাণ্ড এবং আমি দাঁড়িয়ে তা দেখছিলাম।" তিনি এখন ফোর্ট ডিক্সে তার সেনাবাহিনীতে চাকরির মেয়াদ শেষ করছেন। সেখানে যা ঘটেছিল সে সম্পর্কে তার বর্ণনা হলো: "তারা (ক্যালির লোকেরা) সেখানে প্রচুর গুলি চালাচ্ছিল, কিন্তু পাল্টা কোনো গুলি আসছিল না—এতটুকু বোঝার মতো অভিজ্ঞতা আমার ছিল। আমি বুঝতে পারলাম তারা গ্রামের ওপর গুলি চালাতে চালাতে অগ্রসর হচ্ছে। আমি সামনে গিয়ে দেখলাম এই লোকগুলো কুঁড়েঘরে আগুন ধরিয়ে দিচ্ছে এবং লোকজন বেরিয়ে আসার জন্য অপেক্ষা করছে। তারপর তারা তাদের গুলি করে মারছে... তারা মানুষকে দলে দলে জড়ো করে গুলি করছিল। আমি ভেতরে ঢোকার সময় সব জায়গায় মানুষের লাশের স্তূপ দেখতে পাই। তাদের বড় দলে জড়ো করা হয়েছিল। '''আমি তাদের জীবিত একদল মানুষের ওপর এম-৭৯ (গ্রেনেড লঞ্চার) দিয়ে গুলি চালাতে দেখেছি... তারা অন্যদের মতো নারী ও শিশুদেরও গুলি করছিল। আমরা কোনো প্রতিরোধের সম্মুখীন হইনি এবং আমি মাত্র তিনটি জব্দ করা অস্ত্র দেখেছি। আমাদের কোনো সদস্য হতাহত হয়নি। এটি অন্য যেকোনো ভিয়েতনামি গ্রামের মতোই ছিল—বয়স্ক মানুষ, নারী ও শিশু। সত্যি বলতে, আমি সেখানে সামরিক বয়সের কোনো পুরুষকে জীবিত বা মৃত দেখিনি। আমি শুধু ৫০ বছর বয়সী একজনকে বন্দি হিসেবে দেখেছিলাম।'''" ** [https://web.archive.org/web/20180501143432/http://pierretristam.com/Bobst/library/wf-200.htm গ্রাম আক্রমণকে "সরাসরি হত্যাকাণ্ড" বলা হয়েছে, ''সেন্ট লুইস পোস্ট-ডিসপ্যাচ'', ২০ নভেম্বর ১৯৬৯] === ১৯৭৪ === ==== নিক্সনের আমলে যুদ্ধবিরোধী ও অন্যান্য ভিন্নমতাবলম্বীদের বিরুদ্ধে বিশাল সিআইএ অভিযানের রিপোর্ট, ''নিউ ইয়র্ক টাইমস'', ২২ ডিসেম্বর ১৯৭৪ ==== * সরকারি সূত্রের মতে, সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি (সিআইএ) তার সনদ লঙ্ঘন করে নিক্সন প্রশাসনের সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরোধী আন্দোলন ও অন্যান্য ভিন্নমতাবলম্বী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে একটি বিশাল ও অবৈধ অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা অভিযান পরিচালনা করেছে। * ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের'' একটি বিস্তারিত অনুসন্ধানে জানা গেছে যে, কমপক্ষে ১০,০০০ মার্কিন নাগরিকের গোয়েন্দা ফাইল সিআইএর একটি বিশেষ ইউনিট রক্ষণাবেক্ষণ করত। এই ইউনিটটি সরাসরি তৎকালীন সিআইএ পরিচালক রিচার্ড হেলমসের কাছে রিপোর্ট করত, যিনি বর্তমানে ইরানে রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। === ১৯৯১ === ==== ''দ্য স্যামসন অপশন: ইসরায়েলস নিউক্লিয়ার আর্সেনাল অ্যান্ড আমেরিকান ফরেন পলিসি'' (১৯৯১) ==== * ১৯৭৯ সালে আমেরিকার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সামরিক গোপনীয়তা ছিল কক্ষপথে থাকা একটি কৃত্রিম উপগ্রহ। এটি প্রতি ৯৬ মিনিটে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করত এবং শত শত মাইল নিচের অবিশ্বাস্য ও মূল্যবান ছবি তুলত। [[কেএইচ-১১ কেনেন]] নামে পরিচিত এই স্যাটেলাইটটি ছিল প্রযুক্তির এক বিস্ময়কর উল্লম্ফন। এর ছবিগুলো ডিজিটালি গ্রাউন্ড স্টেশনে পাঠানো যেত এবং গোয়েন্দা সংস্থাগুলো তাৎক্ষণিকভাবে তা বিশ্লেষণ করতে পারত। এর ফলে আর কোনো 'পার্ল হারবার' ঘটার সম্ভাবনা ছিল না। * আমেরিকা ইসরায়েলের পারমাণবিক অস্ত্রাগারের প্রতি যে নীতি গ্রহণ করেছিল, তা কেবল সদিচ্ছামূলক অবজ্ঞা ছিল না; বরং এটি ছিল বাস্তবতাকে এড়িয়ে চলার একটি সচেতন নীতি। === ১৯৯৯ === * গত ডিসেম্বরে সাদ্দাম হোসেন জাতিসংঘের সাত বছরের অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ পরিদর্শন বন্ধের হুমকি দিলে রাষ্ট্রপতি [[বিল ক্লিনটন]] ইরাকে হামলার নির্দেশ দেন। আবারও বিশ্ব টেলিভিশনে দেখল কীভাবে নিখুঁত লক্ষ্যবস্তুতে মিসাইল আঘাত হানছে। ক্লিনটন সাংবাদিকদের বলেন, এই হামলার উদ্দেশ্য ছিল ইরাকের যুদ্ধ করার ক্ষমতাকে "দুর্বল" করা। তিনি আরও বলেন, "আমি এই আদেশ দিয়েছি কারণ আমি মনে করি আমরা সাদ্দাম হোসেনকে আনসকম (UNSCOM) ভেঙে দেওয়ার এবং শাস্তি না পেয়ে আবারও গণবিধ্বংসী অস্ত্র তৈরির সুযোগ দিতে পারি না।" রাষ্ট্রপতি ভুল ছিলেন। তার নিজের প্রশাসনের অদূরদর্শী নীতির কারণেই জাতিসংঘের বিশেষ কমিশন বা আনসকম ইতোমধ্যেই কার্যকরভাবে অকেজো হয়ে গিয়েছিল। ** সাদ্দামস বেস্ট ফ্রেন্ড, ''দ্য নিউ ইয়র্কার'', ৫ এপ্রিল ১৯৯৯, পৃষ্ঠা ৩২ === ২০০৫ === ==== আসছে যুদ্ধসমূহ - পেন্টাগন এখন গোপনে যা করতে পারে, ''দ্য নিউ ইয়র্কার'', ১৬ জানুয়ারি ২০০৫ ==== * [[জর্জ ডব্লিউ বুশ]] ও তার জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টারা সামরিক ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর কৌশলগত বিশ্লেষণ এবং গোপন অভিযানগুলোর ওপর নিয়ন্ত্রণ আরও শক্তিশালী করেছেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী জাতীয় নিরাপত্তা রাষ্ট্র গঠনের পর থেকে এমন নিয়ন্ত্রণ আর দেখা যায়নি... সিআইএর গুরুত্ব আরও কমানো হবে। পেন্টাগনের ঘনিষ্ঠ এক সরকারি পরামর্শদাতা বলেন, সংস্থাটি ক্রমশ রাষ্ট্রপতি বুশ ও ভাইস-প্রেসিডেন্ট [[ডিক চেনি|ডিক চেনির]] নীতিগুলো বাস্তবায়নের "সহায়তাকারী" হিসেবে কাজ করবে। === ২০১৩ === ==== ওবামা, এনএসএ এবং 'করুণ' মার্কিন সংবাদ মাধ্যম নিয়ে সিমুর হারশ, ''দ্য গার্ডিয়ান'' (২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৩) ==== * এটি অত্যন্ত করুণ যে তারা (সংবাদ মাধ্যম) শুধু তল্পিবাহকই নয়, তারা এই লোকটিকে (ওবামা) আক্রমণ করতে ভয় পায়... আগে কোনো নাটকীয় ঘটনা ঘটলে রাষ্ট্রপতি ও তার চারপাশের লোকজন বর্ণনা নিয়ন্ত্রণ করতেন। কিন্তু অন্তত এটি জানা যেত যে তারা ঘটনাটি সঠিকভাবে বলার চেষ্টা করছেন। এখন আর তা ঘটে না। এখন তারা এমন ঘটনার সুযোগ নিয়ে রাষ্ট্রপতিকে কীভাবে পুনর্নির্বাচিত করা যায় সেই কৌশল তৈরি করে... * সাংবাদিকতা সম্ভবত আমাদের আশার আলো দেখায়, কারণ পৃথিবী এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি নির্বোধদের দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে... সাংবাদিকতা যে সবসময় চমৎকার তা নয়, কিন্তু অন্তত এটি মুক্তির কোনো পথ বা [[সততা]] দেখায়। * '''প্রজাতন্ত্র এখন সংকটে, আমরা সব বিষয়ে মিথ্যা বলি। মিথ্যা বলাই এখন প্রধান রীতি হয়ে দাঁড়িয়েছে।''' === ২০১৫ === ==== ওসামা বিন লাদেন হত্যা, ''লন্ডন রিভিউ অব বুকস'', ২১ মে ২০১৫ ==== * পাকিস্তানের অ্যাবোটাবাদে একটি উঁচু দেওয়াল ঘেরা কম্পাউন্ডে রাতের অভিযানে মার্কিন নেভি সিলরা ওসামা বিন লাদেনকে হত্যা করার চার বছর পেরিয়ে গেছে। এই হত্যাকাণ্ড ছিল ওবামার প্রথম মেয়াদের সবচেয়ে বড় সাফল্য এবং তার পুনর্নির্বাচনের একটি প্রধান কারণ। হোয়াইট হাউস এখনও দাবি করে যে এই মিশনটি ছিল সম্পূর্ণ আমেরিকানদের নিজস্ব পরিকল্পনা। তারা বলে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী বা গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-এর শীর্ষ জেনারেলদের এই অভিযান সম্পর্কে আগে জানানো হয়নি। এটি মিথ্যা, ঠিক যেমন ওবামা প্রশাসনের দেওয়া অন্য অনেক তথ্যও মিথ্যা। === ২০১৮ === ==== মার্কিন সাংবাদিকতার ভবিষ্যৎ নিয়ে সিমুর হারশ, ''জেস্টোর ডেইলি'', ২ অক্টোবর ২০১৮ ==== * তরুণরা এখনও সাংবাদিকতাকে সমাজের সমস্যা সমাধানের একটি কার্যকর পথ হিসেবে দেখে—বিশেষ করে এমন একজন রাষ্ট্রপতির সময়ে যিনি অনেক বিষয়েই সংবেদনশীল নন। * এখন আর কোনো মধ্যপন্থা নেই। কোনো মানদণ্ড নেই। আপনি যদি ট্রাম্পকে পছন্দ করেন তবে আপনি ''[[ফক্স নিউজ]]'' দেখবেন। যদি ট্রাম্পকে পছন্দ না করেন তবে আপনি ''[[সিএনএন]]'' বা ''[[এমএসএনবিসি]]'' দেখবেন অথবা ''[[দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস]]'' পড়বেন। === ২০২৩ === ==== কেন সাবস্ট্যাক? আপনাদের জন্য একটি বার্তা, ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ==== * এখানে (সাবস্ট্যাকে) আমি সেই ধরনের স্বাধীনতা পাচ্ছি যার জন্য আমি সবসময় লড়াই করেছি। আমি এই প্ল্যাটফর্মে লেখকদের তাদের প্রকাশকদের অর্থনৈতিক স্বার্থ থেকে মুক্ত হতে দেখেছি। তারা শব্দের সীমাবদ্ধতা বা কলামের দৈর্ঘ্যের ভয় ছাড়াই বিস্তারিত রিপোর্ট করতে পারছেন। সবচেয়ে বড় কথা, তারা সরাসরি পাঠকদের সাথে কথা বলছেন। এই শেষ পয়েন্টটিই আমার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল। ==== আমেরিকা যেভাবে নর্ড স্ট্রিম পাইপলাইন ধ্বংস করেছে, ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ==== * ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস'' একে একটি "রহস্য" বলেছিল, কিন্তু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র একটি গোপন সামুদ্রিক অভিযান পরিচালনা করেছিল যা এখন পর্যন্ত গোপন ছিল। * গত জুনে নৌবাহিনীর ডুবুরিরা... দূরনিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরক স্থাপন করেন। এই অপারেশন সম্পর্কে সরাসরি জানেন এমন একটি সূত্রের মতে, তিন মাস পরে সেই বিস্ফোরক চারটি নর্ড স্ট্রিম পাইপলাইনের মধ্যে তিনটি ধ্বংস করে দেয়। এই পাইপলাইনগুলোর মধ্যে দুটি এক দশকেরও বেশি সময় ধরে জার্মানি এবং পশ্চিম ইউরোপের অধিকাংশ অঞ্চলে সস্তা রাশিয়ান প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহ করে আসছিল। * নর্ড স্ট্রিম ১ ও ২ উড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনাটি হঠাৎ করেই একটি গোপন অভিযান (covert operation) থেকে উচ্চমাত্রার শ্রেণিবদ্ধ গোয়েন্দা অভিযানে (classified intelligence operation) নামিয়ে আনা হয়। এর ফলে কংগ্রেসকে জানানোর আইনি বাধ্যবাধকতা এড়ানো সম্ভব হয়। সূত্রের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, "কংগ্রেসের কাছে রিপোর্ট করার আর কোনো আইনি প্রয়োজনীয়তা ছিল না। তাদের এখন যা করার ছিল তা হলো কেবল কাজটা শেষ করা—তবে তখনও এটি গোপন রাখতে হতো।" ==== ইন্টারভিউ: জো বাইডেন নর্ড স্ট্রিম উড়িয়ে দিয়েছেন কারণ তিনি জার্মানিকে বিশ্বাস করেননি, ''বার্লিনার জাইতুং'', ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ==== * আমি মনে করি না তারা এটি গুরুত্ব সহকারে ভেবেছে। আমি জানি এটি শুনতে অদ্ভুত লাগছে। আমি মনে করি না পররাষ্ট্র সচিব [[অ্যান্টনি ব্লিনকেন]] এবং সরকারের আরও কয়েকজন খুব গভীর চিন্তাবিদ...। * অভিযানের সাথে জড়িত ব্যক্তিরা দেখেছিলেন যে রাষ্ট্রপতি তার স্বল্পমেয়াদী রাজনৈতিক লক্ষ্যের জন্য জার্মানিকে বিপদে ফেলতে (শীতের মধ্যে জ্বালানিহীন রাখা) চান। এটি তাদের আতঙ্কিত করেছিল। আমি এমন আমেরিকানদের কথা বলছি যারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি অত্যন্ত অনুগত। == আরও দেখুন == * [[২০২২ নর্ড স্ট্রিম পাইপলাইন নাশকতামূলক কাজ]] * [[সেন্সরশিপ]] * [[দুর্নীতি]] * [[মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ]] * [[আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত]] * [[আন্তর্জাতিক আইন]] * [[পারমাণবিক যুদ্ধ]] * [[আইনের শাসন]] == বহিঃসংযোগ == {{wikipedia}} * [https://www.newyorker.com/contributors/seymour-m-hersh দ্য নিউ ইয়র্কারে সিমুর হারশের নিবন্ধসমূহ] {{DEFAULTSORT:হারশ, সিমুর}} [[বিষয়শ্রেণী:জন্ম ১৯৩৭]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:অনুসন্ধানী সাংবাদিক]] [[বিষয়শ্রেণী:শিকাগোর সাংবাদিক]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নন-ফিকশন লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:পুলিৎজার পুরস্কার বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইহুদি]] [[বিষয়শ্রেণী:ইউনিভার্সিটি অব শিকাগোর প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্মৃতিকথা লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:ষড়যন্ত্র তাত্ত্বিক]] d6a5ofd115mr38gxtl32fw47cmct71y আলাপ:সেমুর হার্শ 1 13251 79832 2026-04-22T20:34:27Z Anik Kanti Dey 3075 https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026 79832 wikitext text/x-wiki {{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}} s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm অতিপ্রজতা 0 13252 79850 2026-04-22T23:45:25Z ARI 356 [[:en:Overpopulation|]] থেকে অনুবাদ/আমদানি 79850 wikitext text/x-wiki [[File:Annual-World-Population-since-10-thousand-BCE-1-768x724.png|thumb|World population, plus projections 10,000 BCE–2058]] [[File:World Population and Projections by Medium Fertility and Continent or Country 1950 - 2100.png|thumb|World population and projections by medium fertility and continent or country 1950–2100]] [[File:Distribution-of-earths-mammals.png|thumb| 96% of all mammalian weight on Earth is made up by humans and their livestock; only 4% is wild mammals.]] [[File:Time for the world population to increase by one billion 1805 – 2086.png|thumb|Time for the world population to increase by one billion 1805–2086]] '''[[w:Overpopulation|Overpopulation]]''' is the condition of any organism's numbers exceeding the [[w:carrying capacity|carrying capacity]] of its [[w:ecological niche|ecological niche]]. __NOTOC__ {{সূচিপত্র}} == Quotes == === A === * We’ve just welcomed the 8 billionth member of the human race on this planet. That’s a wonderful birth of a baby, of course. '''But we need to understand that the more people there are, the more we put the Earth under heavy pressure.''' As far as biodiversity is concerned, we are at war with nature. We need to make peace with nature. Because nature is what sustains everything on Earth … the science is unequivocal. **{{W|Inger Andersen (environmentalist)|Inger Andersen}}, the executive director of the UN environment programme, quoted in [https://www.theguardian.com/environment/2022/dec/06/cop-15-un-chief-biodiversity-apocalypse 'We are at war with nature': UN environment chief warns of biodiversity apocalypse]. ''The Guardian'', December 6, 2022. *'''Babies are the enemies of the human race'''... Let's consider it this way: by the time the world doubles its population, the amount of energy we will be using will be increased sevenfold which means probably the amount of pollution that we are producing will also be increased sevenfold. If we are now threatened by pollution at the present rate, how will we be threatened with sevenfold pollution… distributed among twice the population? We'll be having to grow twice the food out of soil that is being poisoned at seven times the rate. ** [[আইজাক আসিমভ]] (1969) in an interview with Boston magazine. Partly cited in Ellen Peck (1976). ''The baby trap,'' p. 17 * It's going to destroy it all. I use what I call my bathroom metaphor. If two people live in an apartment, and there are two bathrooms, then both have what I call freedom of the bathroom, go to the bathroom any time you want, and stay as long as you want to for whatever you need. And this to my way is ideal. And everyone believes in the freedom of the bathroom. It should be right there in the Constitution. But if you have 20 people in the apartment and two bathrooms, no matter how much every person believes in freedom of the bathroom, there is no such thing. You have to set up, you have to set up times for each person, you have to bang at the door, aren't you through yet, and so on. And in the same way, '''democracy cannot survive overpopulation. Human dignity cannot survive it. Convenience and decency cannot survive it.''' As you put more and more people onto the world, the value of life not only declines, but it disappears. It doesn't matter if someone dies. ** [[আইজাক আসিমভ]] (1988) in interview by [[Bill Moyers]] on ''Bill Moyers' World Of Ideas'' (17 October 1988); [http://www.pbs.org/moyers/faithandreason/print/pdfs/woi%20asimov1.pdf transcript] (page 6) - [http://www.pbs.org/moyers/faithandreason/media_players/asimovwoi_audio.html audio (20:12)] ** Comment in response to this question by [[w:Bill Moyers|Bill Moyers]]: What do you see happening to the idea of [[মর্যাদা]] to human species if this population growth continues at its present rate? * We are a plague on the Earth. It’s coming home to roost over the next 50 years or so. It’s not just climate change; it’s sheer space, places to grow food for this enormous horde. Either we limit our population growth, or the natural world will do it for us, and the natural world is doing it for us right now. ** [[David Attenborough]], "[https://www.telegraph.co.uk/news/earth/earthnews/9815862/Humans-are-plague-on-Earth-Attenborough.html Humans are plague on Earth]". ''The Daily Telegraph'', January 22, 2013. === B === *The success of modern medicine is today so great, that millions of people are kept alive - if not cured - who in earlier days, and with less scientific aptitude, would normally have died. In this developed skill and knowledge, and in this aptitude in the care of the physical mechanism, is today to be found a major world problem - the problem of overpopulation of the planet, leading to the herd life of humanity and the consequent economic problem - to mention only one of the incidental difficulties of this success. This "unnatural" preservation of life is the cause of much suffering, and is a fruitful source of war, being contrary to the karmic intent of the planetary Logos.<BR>With this vast problem, I cannot here deal. I can only indicate it. It will be solved when the fear of [[মৃত্যু]] disappears, and when humanity learns the significance of time and the meaning of the cycles. **[[Alice Bailey]], ''A Treatise on the Seven Rays: Volume 4: Esoteric Healing'', p. 278 (1953). ISBN 978-0-85330-121-9. * '''As we slide seamlessly from 7 billion to 8 billion humans, each generation more powerful, polluting, and destructive than the previous, I have to wonder whether one century is too much time to allow a “natural” progression into negative population growth, or whether the biodiversity damage a century like this one will inflict could be incalculable and irreversible, if not terminal for us.''' Think about the honey bees and hummingbirds. Think about the sudden absence of insects we are seeing all over the world, and how that soon may affect populations farther up or down the food chain. Now, Mr. Biotech Billionaire, are you serious about populating the world with thousands or millions of bicentiniarians [sic] and tricentinarians [sic]? ** {{W|Albert Bates}}, "[https://medium.com/the-shadow/the-great-pause-week-61-swallow-the-doctor-8cbf077f6e13 Swallow the Doctor]". ''Medium'' (May 16, 2021) * Whereas the unconscious operations and blind forces of the planet have provoked turbulent changes over the last 4.5 billion years of earth’s evolutionary history, now change is being directed by a conscious and volitional agent – "humanity." We cannot speak of humanity equally, to be sure, as the problem was caused by the industrialized capitalist West and the poorer nations who contributed least to climate crisis will be hit the hardest. '''But nations such as China, India, and Brazil are major contributors, and the cumulative impact of 7.5 billion people on the planet is causing extinction and collapse everywhere.''' The stability of the Holocene is now gone, changes are accelerating beyond our understanding and control, and chaos waits at our door. ** [[Steven Best]], [https://drstevebest.wordpress.com/2019/12/03/total-liberation-in-the-age-of-the-anthropocene-and-climate-emergency/ Total Liberation in the Age of the Anthropocene and Climate Emergency] (December 3, 2019) * The geometric growth rate of humans is unprecedented and never in the history of the earth has a single species grown to such bloated proportions, completely out of balance with living systems. The problem is only worsening. On conservative estimates, the human population is expected to swell upwards to 8–10 billion by 2050, and perhaps expand significantly by 2100. Human population growth represents a crisis of the highest order, but of course, it is only one aspect of multiple crises -- including species extinction and climate change -- merging together in a perfect storm of catastrophe that forms the daunting challenges facing humanity in the [[Anthropocene]]. ** Steven Best, "[https://www.all-creatures.org/lifestyle/img/failed-species.pdf Failed Species: The Rise and Fall of the Human Empire]". ''Romanian Journal of Artistic Creativity''. 9 (2). (2021). * Currently, the operation of our present industrial civilization is almost wholly dependent on access to huge amounts of fossil fuels. It is important to understand that fossil fuels, especially oil, are not simply used to manufacture and propel passenger automobiles or trucks. They also facilitate the mass assembly of tractors, plows, irrigation pipes, and pumps and then turn around and power them also. They constitute the chemical base of many crucial fertilizers and pesticides. They are also the building blocks of agricultural plastics. They refrigerate perishables. In short, the modern industrial agriculture system could not function without copious amounts of fossil fuel. In the absence of fossil fuel-based industrial agriculture, world food production would plummet to a scale completely inadequate to sustain our current population size, let alone the net addition of over 80 million more people each year. The other side of the coin is that '''when humans co-opt the extraordinary power found in fossil fuels, we become “overpowered” – and that is how we are over-powering the Earth’s biosphere.''' We cannot destroy rainforests at the rate of several football fields per minute, trawl the deep oceans, attempt mass-scale aqua-culture, fragment habitat with asphalt roads, or construct miles and miles of urban sprawl without the power of fossil fuels. In summary, fossil fuels underwritten both our population size and growth and our discretionary (over)consumption. ** Joseph J. Bish, "[https://www.populationmedia.org/the-latest/interrelationships-human-population-fossil-fuels-and-technology Interrelationships: Human Population, Fossil Fuels, And Technology]." {{W|Population Media Center}} (October 15, 2021) * In my opinion, you have out-of-control population growth, and you have fewer and fewer [resources]—we are heading for the biggest train wreck our civilization has ever come across ever. Ever. And I think that within 40 or 50 years, we’ll be there. If your population curve is on an exponential growth, and the resources are on an exponential decline, what happens first is you get increases in wealth discrepancy, which means that you get rich pockets of gated communities with security guards outside them, and you get more and more poverty outside that area. And the resources go down, and people start having resource wars over water and food and agriculture and arable land, and then you have Joburg in 2050. And you can see signs of it everywhere. It’s just overpopulation and lack of resources. We just aren’t in control of our destiny. :* {{W|Neill Blomkamp}} in: ''[http://www.avclub.com/article/idistrict-9-idirector-neill-blomkamp-31606 District 9 director Neill Blomkamp],'' By Tasha Robinson on ''avclub.com,'' August 12, 2009. * ... Reverend THOMAS MALTHUS' prediction made in 1798—that man would reproduce himself into a condition of "misery and vice" because of the growing imbalance caused by the multiplication of his own numbers by geometric progression, while his food supply was increasing arithmetically—is as valid today as when it was made. He was a visionary and saw clearly the monster of overpopulation. The only error in his prediction was one of a "few seconds on the clock of human occupancy of the earth". We, agriculturists, can buy at most a few decades of time in which to bring population growth into successful balance with food production. ** [[Norman Borlaug]]: [https://repository.cimmyt.org/bitstream/handle/10883/19272/9023.pdf?sequence=1 "Wheat breeding and its impact on world food supply."] In: ''Third International Wheat Genetics Symposium''. CIMMYT, 1968. * It seems self-evident that our fundamental predicament of ecological overshoot is a direct result of humanity’s growth with too many people consuming too many resources and producing too many waste products for a finite planet dependent upon healthy ecological systems. And while this doesn’t require much explanation for those who acknowledge that we live upon a world with finite resources and limited capacity to compensate for our waste production, there are still many who believe that Homo sapiens’ rather unique cognitive abilities and technological prowess can and will ‘solve’ the many challenges we appear to be encountering as we reach and surpass the planetary limits of our relatively recent explosive growth, global expansion, and industrialisation. ** Steve Bull, "[https://stevebull-4168.medium.com/todays-contemplation-collapse-cometh-cxci-the-nexus-of-population-energy-innovation-and-936076b4cf23 The Nexus of Population, Energy, Innovation, and Complexity]". (November 28, 2024). * All living species must take from nature to survive, and we are no different. But unlike other species, there seems to be no end to our quest for food, comfort, shelter, sex — the fundamental necessities of survival that are now pursued in overdrive, far beyond our existential needs. We are compelled to progress, and have extracted resources from the land since we first stood on two feet. The entire twentieth century has been a revving up of this large consumptive engine, and this insatiable human striving has assaulted the very planet that sustains us. In a very short period of time, humankind, with its population explosion, industry and technology, has become an agent of immense global change. What this civilization leaves in the wake of its progress may be an opened and emptied Earth. But in performing these incursions, we also participate in the unwitting creation of gigantic monuments to our way of life. ** Edward Burtynsky, "[https://books.openbookpublishers.com/10.11647/obp.0193/ch13.xhtml Imaging Earth]." ''Earth 2020'' (2020). === C === * Global biodiversity decline is best understood as too many people consuming and producing too much and displacing other species. Wild landscapes and seascapes are replaced with people, our domestics and commensals, our economic support systems, and our trash. ** Philip Cafaro, Pernilla Hansson, Frank Götmark, {{cite journal|doi=10.1016/j.biocon.2022.109646|title=Overpopulation is a major cause of biodiversity loss and smaller human populations are necessary to preserve what is left|year=2022 |journal={{W|Biological Conservation (journal)|Biological Conservation}}|volume=272|issue= |pmid=|pmc=|url=https://www.sustainable.soltechdesigns.com/Overpopulation-and-biodiversty-loss(2022).pdf}} * During the past hundred years, ''Homo sapiens''' population increased from 2 billion to nearly 8 billion and the United Nations (2019) projects an increase of 3 billion more by 2100, unless steps are taken to reduce this population growth. Ignoring this projected increase means ignoring a major driver of the unfolding biodiversity crisis; accepting current bloated human numbers as an appropriate status quo means accepting a biologically impoverished planet. ** Ibid. * Thomas Malthus, an eighteenth-century economist, once predicted that because our population size increases exponentially while our food supply increases arithmetically, our population will one day exceed our ability to sustain it. While this has now been disproven with the creation of processed foods and genetically modified organisms, [Peter] Farb’s paradox may hold true. Because Earth’s population is growing, we increase our food production. Then, because we have a surplus of food, people are more well-nourished, leading to higher life expectancies and lower infant mortality rates, and people are able to have more children. This cyclical paradox is not healthy for our planet because while we may be able to sustain our growing population’s appetites, our other important resources, such as water and oil, are dwindling. To have a sustainable population size, we should be reproducing at a replacement rate, much like Denmark and Japan are. ** Catherine Caldwell, "[https://facetsofsustainability2014.wordpress.com/2014/11/13/farb-malthus-and-ishmael-v-the-population/ Farb, Malthus, and Ishmael v. the Population]" (November 13, 2014). * Today [hu]mankind is locked into stealing ravenously from the future. Famine in the modern world must be… one of several symptoms reflecting a deeper malady of in the human condition—namely, diachronic competition, a relationship whereby contemporary well-being is achieved at the expense of our descendants. By our sheer numbers, by the state of our technological development, and by being oblivious to differences between a method that achieved lasting increments of human carrying capacity [agriculture] and one that achieves only temporary supplements [reliance on fossil fuels and other mined substances], we have made satisfaction of today's human aspirations dependent upon massive deprivation for posterity. ** {{W|William R. Catton}}, ''Overshoot'' (1980), Chapter 1: "Our Need for a New Perspective", p. 3. * We are already living on an overloaded world. Our future will be a product of that fact; that fact is a product of our past. Our first order of business, then, is to make clear to ourselves how we got where we are and why our present situation entails a certain kind of future. […] It is the story of a world that has again and again approached the condition of being saturated with human inhabitants, only to have the limit raised by human ingenuity. The first several rounds of limit-raising were accomplished by a series of technological breakthroughs that took almost two million years. These breakthroughs enabled human populations repeatedly to take over for human use portions of the earth’s total life-supporting capacity that had previously supported other species. The most recent episode of limit-raising has had much more spectacular results, although it enlarged human carrying capacity by a fundamentally different method: the drawing down of finite reservoirs of materials that do not replace themselves within any human time frame. Thus its results ''cannot be permanent''. This fact puts mankind out on a limb which the activities of modern life are busily sawing off. **William R. Catton, ''Overshoot'' (1980), Chapter 2: "The Tragic Story of Human Success", p. 17. * Scarcely more than two generations had tasted the fruits of industrialization when the growth of population was still further accelerated by truly effective death control. The role of microorganisms in producing diseases was discovered. In 1865 the practice of antiseptic surgery began. It serves... as a reasonable demarcation of the beginning of an era filled with related breakthroughs in medical technology: hygienic practices, vaccination, antibiotics, etc. The total effect of this recent series of achievements has been to emancipate mankind more... from the life-curtailing effects of the invisible creatures for which human tissues used to serve as sustenance. Like other prey species newly protected from their predators, we have been fruitful and have so multiplied that we have much more than "replenished" the earth with our kind. ** Ibid., p. 30. * People displayed either persistent ignorance of the carrying capacity concept or naive faith that carrying capacity could always be expanded, [and] that limits could always be transcended. Such an assump­tion seemed to underlie the stubborn refusal of capitalists and Marx­ists alike to acknowledge that the myth of limitlessness had, at last, become obsolete. There was also the assumption that further ad­vances in technology would necessarily enlarge carrying capacity, not reduce it. Enlargement of carrying capacity had been the role of tech­nology in the past; however… there has been a reversal of this role in the industrial era. Technology has en­larged human appetites for natural resources, thus diminishing the number of us that a given environment can support. ** Ibid., p. 32. * [Hu]man[s]... have imagined... [themselves] to be more unlike other mammals than [t]he[y] really... [are], so when human behavior has shown these same characteristics, various other explanations have been put forth which have obscured the significance of population pressure itself. In the twentieth century, with human numbers enlarged and resource draw­down becoming significant, [hu]man[kind] went to war. [T]he[y] rioted in the streets. [T]he[y] committed more... crimes of violence. [...] [Their] political atti­tudes polarized and [t]he[y] created totalitarian governments, some of which gave license to sadistic tendencies. A generation gap widened and deepened. In spite of earnest efforts by humane activists to inhibit racism and to rectify economic inequality, disparities between people remained and animosities became more virulent. Standards of de­cency in behavior toward others and expectations of considerate self-­restraint were eroded and degraded in many places. ** William R. Catton, ''Overshoot'' (1980), Chapter 6: "The Process That Matter", p. 107. * We need to realize the "load" with which we humans burden the planet's ecosystems consists of more than just a population number. People living by different cultures not only reproduce at different rates; they impose very different per capita ecological impacts. Culture includes a population's technology and people's ways of organizing themselves. Each of us living in a "developed" country (i.e., industrialized far beyond anything conceivable to Malthus) has an enormously greater resource appetite and environmental impact than does each resident of a so-called "developing" country. For our grossly unsustainable manner of living, 6 billion is far too many. ** William R. Catton, ''Worse than Foreseen by Malthus (even if the living do not outnumber the dead)''. Washington State University (March 2000) *Life has now entered a {{W|sixth mass extinction}}. This is probably the most serious environmental problem, because the loss of a species is permanent, each of them playing a greater or lesser role in the living systems on which we all depend. The species extinctions that define the current crisis are, in turn, based on the massive disappearance of their component populations, mostly since the 1800s. The massive losses that we are experiencing are being caused, directly or indirectly, by the activities of Homo sapiens. They have almost all occurred since our ancestors developed agriculture, some 11,000 y ago. At that time, we numbered about 1 million people worldwide; now there are 7.7 billion of us, and our numbers are still rapidly growing. '''As our numbers have grown, humanity has come to pose an unprecedented threat to the vast majority of its living companions'''. ** Gerardo Ceballos, [[Paul R. Ehrlich]], and {{W|Peter H. Raven}}, ''[https://www.pnas.org/content/early/2020/05/27/1922686117 Vertebrates on the brink as indicators of biological annihilation and the sixth mass extinction]''. ''{{W|PNAS}}'', June 1, 2020. * We are in the sixth mass extinction event. Unlike the previous five, this one is caused by the overgrowth of a single species, ''Homo sapiens''. ** Gerardo Ceballos, [[Paul R. Ehrlich]], "[https://www.pnas.org/doi/10.1073/pnas.2306987120 Mutilation of the tree of life via mass extinction of animal genera]".'' {{W|PNAS}}'', 2023. * Over the last century the pace of many human activities has so accelerated, and human overpopulation grown so severe, to have created a dramatic global environmental transformation. Most natural ecosystem have been highly modified or have disappeared altogether, and the abundance of wildlife has been greatly reduced. **Ibid. * Our use of energy has been increasing ever since we discovered and mastered fire and developed agriculture, but mostly since we gained access to a vastly increased energy supply by extracting millions of years of stored and concentrated solar energy from the Earth’s crust in the form of fossil fuels. Combined with the development of new energy conversion techniques, this energy bonanza made it possible to lift the secular barriers to human population and output growth. The new energy sources, forms and uses that came online since the turn of the 19th century gave us access to more materials and enabled the invention of new and increasingly sophisticated exosomatic instruments (i.e. machines), which in turn made it possible to access ever more energy and matter and to transform them ever more effectively and efficiently. This resulted in a rapid rise in our total energy and material “throughput” (i.e. the flow of raw materials and energy from the biosphere’s sources, through the human ecosystem, and back to the biosphere’s sinks), which is what we commonly measure through the proxy concept of “economic growth”. This rise never stopped since then, even if the global distribution of the flows of energy and material inputs, outputs and wastes evolved over time. Our efforts to increase the “energy efficiency” of our machines and processes (i.e. reducing the amount of energy needed to perform certain tasks) never resulted in a reduction of the total energy we used, but on the contrary only contributed to create more room for increasing the rate of our consumption. ** François-Xavier Chevallerau, "[https://www.faninitiative.net/articles/the-age-of-energy-disruptions/ The Age of Energy Disruptions]". The FAN Initiative. December 10, 2021. * Environmental analysts regard a sustainable human population as one enjoying a modest, equitable middle-class standard of living on a planet retaining its biodiversity and with climate-related adversities minimized. Analysts' estimate[s] of that population size vary between 2 and 4 billion people, a figure obviously well below the present 7.9. ** Eileen Crist, {{W|William J. Ripple}}, Paul R. Ehrlich, William E. Rees, and Christopher Wolf {{cite journal|doi=10.1016/j.scitotenv.2022.157166|title=Scientists' warning on population|year=2022 |journal={{W|Science of the Total Environment}}|volume=845|issue= |pmid=35803428|pmc=|url=https://scientistswarning.forestry.oregonstate.edu/sites/default/files/Crist2022.pdf}} ===D=== * The situation in which we find ourselves today is unique as regards the magnitude and rate of growth of the human enterprise. The turn now being taken by the vicious circle is tremendous. […] The mastery of fire, one of humans' first instances of technological development, continues to be of paramount importance today with the burning of fossil fuels. And so the vicious circle of the development of humankind churns on, and does so with ever greater momentum due to the constantly increasing consumption of fossil fuels and metals, with only the tiniest sign of resistance in the form of the efforts of environmental organisations and green political parties. ** Craig Dilworth, ''Too Smart for Our Own Good'' (2009), Chapter 6: "The Vicious Circle Today" * The population boom of the last few centuries […] was made possible by massive advances in living standards, economic growth, surpluses of food, and vastly improved public health. All of this, however, was sustained by fossil fuels. Once fossil fuel reserves peak […] production, growth, and the amenities of modern life will gradually halt. Contemporary industrial society will downgrade into a “scarcity society” that manages on minimal energy, after which it will become a “salvage society” that scrapes survival from the refuse of the defunct urban buildings, information networks, and industrial centers. ** Rick Docksai, "Is Civilization Doomed?" ''The Futurist''. March/April 2010. === E === *Part of human impact on the earth relates to our swiftly growing numbers. If we do not take deliberate, conscious action to maintain a reasonable balance between the numbers of people and the environmental wealth required to sustain us, nature will make appropriate adjustments, and famine, disease, and wars-the predictable outcomes of living beyond one's environmental means, of overspending environmental capital-will ultimately force a cruel discipline. **[[Sylvia Earle]], ''Sea Change: A Message of the Oceans'' (1995) * The key to understanding overpopulation is not population density but the numbers of people in an area relative to its resources and the capacity of the environment to sustain human activities; that is, to the area’s carrying capacity. When is an area overpopulated? When its population can’t be maintained without rapidly depleting nonrenewable resources... By this standard, the entire planet and virtually every nation is already vastly overpopulated. ** Paul R. Ehrlich, ''The Population Explosion'' (1990) *The debate regarding which individual factor, among the three key factors producing the environmental crisis, causes more damage - the size of the human population on the planet, excessive consumption of resources, or unequal/ unjust distribution of resources among countries [the wealthier countries consume much more resources, per person on average than poorer countries] - is like a debate about which contributes more to a triangle, the base or the ribs of the triangle. You can not separate the three factors. If we analyze the numbers over a relatively longer time interval, we will conclude that the size of the population has a bigger impact than consumption. On the other hand, consumption and unequal distribution are also important aspects. If we do not change these three factors all at the same time, the quality of our life will change dramatically. Today '''humanity is delivering a serious blow to [the rest of] nature, but it is clear that nature will deliver the final blow.''' ** Paul R. Ehrlich, ''[http://www.haaretz.co.il/1.1875624 People should produce far fewer children, or expect the worst]'' (Dec. 2012) *Earth is home to millions of species. Just one dominates it. Us. '''Our cleverness, our inventiveness, and our activities have modified almost every part of our planet. In fact, we are having a profound impact on it. Indeed, our cleverness, our inventiveness, and our activities are now the drivers of every global problem we face. And every one of these problems is accelerating as we continue to grow towards a global population of ten billion. In fact, I believe we can rightly call the situation we're in right now an emergency – an unprecedented planetary emergency.''' **{{W|Stephen Emmott}}, ''[https://www.theguardian.com/environment/2013/jun/30/stephen-emmott-ten-billion 10 Billion]'', as summarized in ''The Guardian'', June 30, 2013. *We humans emerged as a species about 200,000 years ago. In geological time, that is really incredibly recent. Just 10,000 years ago, there were one million of us. By 1800, just over 200 years ago, there were 1 billion of us. By 1960, 50 years ago, there were 3 billion of us. There are now over 7 billion of us. By 2050, your children, or your children's children, will be living on a planet with at least 9 billion other people. Some time towards the end of this century, there will be at least 10 billion of us. Possibly more. We got to where we are now through a number of civilization-and society-shaping “events”; most notably, the agricultural revolution, the scientific revolution, and—in the West—the public-health revolution. These events have fundamentally shaped how we live, and have fundamentally shaped our planet. Their legacy will continue to shape our future. So we need to look at our growth and activities through the lens of these developments. One of the principal reasons for this growth was the invention of agriculture. The “agricultural revolution” enabled us to go from being hunter-gatherers to highly organized producers of food, and allowed our population to grow. A useful way to think of the development and importance of agriculture is in terms of at least three agricultural “revolutions.” The first took place over 10,000 years ago. This was the domestication of animals and the cultivation of plant types. The second agricultural revolution was between the fifteenth and nineteenth centuries. This was a revolution in agricultural productivity and the mechanization of food production. The third happened between the 1950s and 2000s; the so-called “green revolution.” But there’s another story here: the start of a fundamental transformation—of land use—by humans. **Stephen Emmott, ''10 Billion'' (2013) * As our numbers continue to grow, we continue to increase our need for far more water, far more food, far more land, far more transportation, and far more energy. As a result, we are now accelerating the rate at which we’re changing our climate. In fact, our activities are not only completely interconnected with, but are now also interacting with, the complex system we live on: Earth. It is important to understand how all this is connected. An increasing population accelerates the demand for more water and more food. Demand for more food increases the need for more land, which accelerates deforestation. Increasing demand for food also increases food processing and transportation. All of these accelerate the demand for more energy. This then accelerates greenhouse gas emissions, principally CO2 and methane, which further accelerate climate change. As climate change accelerates, it increases stress on water, food, and land. And at the same time, an increasing population also accelerates stress on water, food, and land. In short, as population increases, and as economies grow, stress on the entire system accelerates sharply. ** Ibid. * Saying “Don’t have children” is utterly ridiculous. It contradicts every genetically coded piece of information we contain, and (at least in their conception) one of the most important (and fun) impulses we have. That said, the worst thing we can continue to do—globally—is have children at the current rate. Even if a global nuclear power program were set up, even if geoengineering somehow took care of the climate-change problem, and even if we consumed less, we’d still at some point hit a brick wall if the human population continues to grow at anything like its current rate. We all know there’s a link between educating women in the developing world and reducing the birth rate. But despite this, and despite contraception being free in a number of countries where population is increasing, average birth rates are still three, five, or even seven children per woman. According to the United Nations, Zambia’s population is projected to increase by 941 percent by the end of the century. The population of Nigeria is projected to grow by 349 percent—to 730 million people. Afghanistan by 242 percent, The Democratic Republic of Congo by 213 percent, Gambia by 242 percent, Guatemala by 369 percent, Iraq by 344 percent, Kenya by 284 percent, Liberia by 300 percent, Malawi by 741 percent, Mali by 408 percent, Niger by 766 percent, Somalia by 663 percent, Uganda by 396 percent, Yemen by 299 percent. Even the United States is projected to grow by 53 percent by 2100, from 315 million in 2012 to 478 million. I do just want to point out that if the current global rate of reproduction continues, by the end of this century there will not be ten billion of us. There will be twenty-eight billion of us. ** Ibid. * If we discovered tomorrow that there was an asteroid on a collision course with Earth, and—because physics is a fairly simple science—we were able to calculate that it was going to hit Earth on June 3, 2072, and we knew that its impact was going to wipe out 70 percent of all life on Earth, governments worldwide would marshal the entire planet into unprecedented action. Every scientist, engineer, university, and business would be enlisted: half to find a way of stopping it, the other half to find a way for our species to survive and rebuild if the first option were unsuccessful. We are in almost precisely that situation now, except that there isn’t a specific date and there isn’t an asteroid. The problem is us. Why we are not doing more about the situation we’re in—given the scale of the problem and the urgency—I simply cannot understand. We’re spending 8 billion euros (about 11 billion dollars [at the writing's current exchange]) at {{W|CERN}} to discover evidence of a particle called the Higgs-Boson, which may or may not eventually explain the concept of mass and provide a partial thumbs-up for the “standard model” of particle physics. And CERN’s physicists are keen to tell us it is the biggest, most important experiment on Earth. It isn’t. The biggest and most important experiment on Earth is the one we're all conducting, right now, on Earth itself. Only an idiot would deny that there is a limit to how many people our Earth can support. The question is, is it seven billion (our current population), 10 billion or 28 billion? I think we've already gone past it. Well past it. We could change the situation we are now in. Probably not by technologizing our way out of it, but by radically changing our behavior. But there is no sign that this is happening, or about to happen. I think it’s going to be business as usual for us. ** Ibid. ===F=== * Whether or not such a hypothesis fully accounts for the population increase that accompanies a sedentary life, there can be no doubt that human numbers soared. In the interval from 10,000 to 6000 years ago—a mere 160 human generations—the population of the Near East is estimated to have increased from less than 100,000 people to more than three million. With each increase, additional pressure was placed upon the food producers to domesticate new species and to invent new technologies, such as those based on the plow and on irrigation. Human beings now found themselves on a treadmill from which to this day they have not been able to get off. They are still plagued by the basic paradox of food production: Intensification of production to feed an increased population leads to a still greater increase in population. **[[Peter Farb]], ''Humankind'' (1978), p. 121 *During the brief time since James Watt's commercial production of the improved Newcomen steam engine in 1775, a revolution unparalleled in human history has occurred at all levels of society and has penetrated all aspects of culture. The technological innovations are, of course, dramatic, but equally important are the biological, political, social, and economic consequences of modernization. From a biological perspective, the most important consequence is the extension of the human life span and the growth in human numbers. In the past two centuries, life expectancy has nearly tripled and the population of our species has multiplied five times over. **Ibid. p. 189 * If left unchecked, populations (of any organism) tend to grow exponentially. But they never grow forever. Eventually resources are depleted and the population declines. When the population is again small enough that resources are plentiful, exponential growth resumes. The result is a boom-bust cycle — stability through fluctuation.<br>Of course, if the fluctuations are huge, we can hardly call this ‘stability’. But in most healthy ecosystems, population fluctuations are small. The key to dampening boom-bust cycles appears to be diversity. When there are many species in an ecosystem, each keeps the population of others in check. Prolonged exponential growth never gets a foothold. ** Blair Fix, "[https://economicsfromthetopdown.com/2020/09/12/frederick-soddys-debt-dynamics/ Frederick Soddy's Debt Dynamics]." ''Economics from the Top Down'' (September 12, 2020) * Overpopulation is described as a societal problem, with the individual and collective behavior of people as a causal agent. ** Angela K. Fournier & E. Scott Geller [https://link.springer.com/article/10.5210/bsi.v13i1.35 Behavior Analysis of Companion-Animal Overpopulation: A Conceptualization of the Problem and Suggestions for Intervention] (1 May 2004) === G === * What are [we] made of, fairy dust and happy thoughts? No, [we] are made of proteins — of food! Without a sufficient food supply, such a population cannot be achieved. We understand this as a basic biological fact for every other species on this planet, that population is a function of food supply. Yet we continue to believe that the magic of free will exempts us from such basic biological laws. ** Jason Godesky, ''[https://theanarchistlibrary.org/library/jason-godesky-thirty-theses Thirty Theses]'' (2006), Thesis #4: "Human population is a function of food supply." * When the First World rushes in with foreign aid, food, and humanitarian aid to a desert area in the midst of a famine, we serve to prop up an unsustainable population. That drives a population boom in an area that already cannot support its existing population. The result is a huge population dependent on outside intervention that itself cannot be indefinitely sustained. Eventually, that population will crash once outside help is no longer possible — and the years of aid will only make that crash even more severe. In the same way that the United States’ policy of putting out all forest fires in the 1980s led to an even worse situation in its forests, our benevolence and good intentions have paved the way to a Malthusian hell. ** Ibid. * The human race currently consumes some 40% of the earth’s photosynthetic capacity. This monopoly on the earth’s resources is having a devastating effect. We are seeing the extinction of some 140 species every day, some thousands of times higher than the normal background rate. Today, right now, we are seeing extinction rates unparalleled in the history of the earth. We are undeniably in the midst of the seventh mass extinction event in the history of the earth — the Holocene Extinction. Unlikely previous extinction events, however, this one is driven by a single species. This is the true danger of overpopulation, not our inability to feed a growing population. As much as we would deny it, we depend on the earth to live. Dwindling biodiversity threatens the very survival of our species. We are literally cutting the ground out from under our feet. Increasing food production only increases the population; our current attitudes about food security has locked us into what Daniel Quinn called a “Food Race,” by comparison to the Arms Race of the Cold War. ** Ibid. * Overpopulation is the root cause of all other environmental problems … [and] is the natural consequence of the Food Race — driven by the constant need to expand. That need is a systemic consequence of complex society. The alternative to overpopulation, then, is to reverse the trend of intensifying complexity and accept greater simplicity: in a word, collapse. ** Jason Godesky, ''Thirty Theses'' (2006), Thesis #17: "Environmental problems may lead to collapse." * The main driving force behind the Holocene Extinction is the twin forces of overpopulation and intensified agricultural production. As more land is converted into cultivated fields, we approach important tipping points in how much of the world’s photosynthetic capacity is tied up in a single species. Deforestation is driven primarily by the need to feed an ever-growing populaton, but also for that population’s other resource needs, such as lumbering and mining. That deforestation has been responsible for anthropogenic atmospheric change for thousands of years, but as the positive feedback loop of the Food Race reached new levels, we were forced to either adopt fossil fuels, or collapse. Those fuels have intensified our atmospheric impact to obscene levels, yielding a new crisis in global warming. We do not face a long laundry list of environmental problems: we face a single, multi-faceted crisis. That crisis is complex society itself. The problems we face are the direct consequence of the positive feedback loop of complex society, and the Food Race in particular. **Ibid. * If nobody died the planet would soon run out of room for more people. How would this world be run (our political systems are far from perfect now); who would decide what type of house one lived in, what type of food one ate? What would we do for a living? ** Lori Gosselin, "[https://lifeforinstance.com/would-you-like-to-live-in-a-perfect-world/ Would You Like to Live in a Perfect World?]" * The study of population is not a very exact science. No one forecast the population collapse that is occurring in post-communist European Russia, or the scale of the fall in fertility that is under way [sic] in much of the world. The margin of error in calculations of fertility and life expectancy is large. Even so, a further large increase is inevitable. […] A human population of approaching 8 billion [sic] can be maintained only by desolating the Earth. If wild habitat is given over to human cultivation and habitation, if rainforests can be turned into green deserts, if genetic engineering enables ever-higher yields to be extorted from the thinning soils – then humans will have created for themselves a new geological era, the Eremozoic, the Era of Solitude, in which little remains on the Earth but themselves and the prosthetic environment that keeps them alive. ** [[John Gray]], ''[[Straw Dogs (book)|Straw Dogs]]'' (2002), Chapter 1: "The Human" * The future is brutally simple to anticipate; all overshot species collapse, and we have – by [apparently] transcending time via the levering of fossil energy – levered our species’ overshoot more than any ever has (or, almost certainly, ever could). **Murray Grimwood, "[https://www.interest.co.nz/public-policy/128237/murray-grimwood-says-future-will-be-so-different-we-need-go-back-basics-and Wither science; whither education?]". ''Interest'' (15 June 2024) * Over the last century, billions have enjoyed better, fuller and more enriched lives than their ancestors could dream of—but when all the bills for that are paid who knows how the ledgers of the two enterprises will stand? ** Sumit Guha [https://journals.lww.com/coas/fulltext/2006/04030/the_retreat_of_the_elephants__an_environmental.9.aspx in his review of Mark Elvin's ''The Retreat of the Elephants''] (2006) * My growing environmental awareness only adds more fuel to the argument for having no children. And the logic of never-ending consumption does not just harm the environment, it kills people too. ** [[w:Xiaolu Guo|Xiaolu Guo]], ''Once Upon A Time in the East: A Story of Growing up'', Chatto & Windus, 2017, page 305 (ISBN 9781784740689). === H === * The skeleton of our primate ancestors developed for millions of years to support a creature that walked on all fours and had a relatively small head. Adjusting to an upright position was quite a challenge, especially when the scaffolding had to support an extra-large cranium. Humankind paid for its lofty vision and industrious hands with backaches and stiff necks.<br>Women paid extra. An upright gait required narrower hips, constricting the birth canal - and this just when babies’ heads were getting bigger and bigger. Death in childbirth became a major hazard for human females. Women who gave birth earlier, when the infants brain and head were still relatively small and supple, fared better and lived to have more children. Natural selection consequently favoured earlier births. And, indeed, compared to other animals, humans are born prematurely, when many of their vital systems are still underdeveloped. A colt can trot shortly after birth; a kitten leaves its mother to forage on its own when it is just a few weeks old. Human babies are helpless, dependent for many years on their elders for sustenance, protection and education.<br>This fact has contributed greatly both to humankind’s extraordinary social abilities and to its unique social problems. Lone mothers could hardly forage enough food for their offspring and themselves with needy children in tow. Raising children required constant help from other family members and neighbours. It takes a tribe to raise a human. Evolution thus favoured those capable of forming strong social ties. In addition, since humans are born underdeveloped, they can be educated and socialised to a far greater extent than any other animal. Most mammals emerge from the womb like glazed earthenware emerging from a kiln - any attempt at remoulding will scratch or break them. Humans emerge from the womb like molten glass from a furnace. They can be spun, stretched and shaped with a surprising degree of freedom. This is why today we can educate our children to become Christian or Buddhist, capitalist or socialist, warlike or peace-loving. ** Yuval Noah Harari, ''Sapiens'' (2014), Part I: "The Cognitive Revolution", Chapter 1: "An Animal of No Significance". * Rather than heralding a new era of easy living, the Agricultural Revolution left farmers with lives generally more difficult and less satisfying than those of foragers. Hunter-gatherers spent their time in more stimulating and varied ways, and were less in danger of starvation and disease. '''The Agricultural Revolution certainly enlarged the sum total of food at the disposal of humankind, but the extra food did not translate into a better diet or more leisure. Rather, it translated into population explosions and pampered elites.''' The average farmer worked harder than the average forager, and got a worse diet in return. The Agricultural Revolution was history’s biggest fraud. ** Yuval Noah Harari, ''Sapiens'' (2011), Part II: "The Agricultural Revolution", Chapter 5: "History's Biggest Fraud" * The last 500 years have witnessed a phenomenal and unprecedented growth in human power. In the year 1500, there were about 500 million Homo sapiens in the entire world. Today, there are 7 billion. The total value of goods and services produced by humankind in the year 1500 is estimated at $250 billion, in today’s dollars. Nowadays the value of a year of human production is close to $60 trillion. In 1500, humanity consumed about 13 trillion calories of energy per day. Today, we consume 1,500 trillion calories a day. (Take a second look at those figures — human population has increased fourteenfold, production 240-fold, and energy consumption 115-fold.) ** Yuval Noah Harari, ''Sapiens'' (2011), Part IV: "The Scientific Revolution", Chapter 14: "The Discovery of Ignorance". * Since the Industrial Revolution, the world's human population has burgeoned as never before. In 1700 the world was home to some 700 million humans. In 1800 there were 950 million of us. By 1900, we almost doubled our numbers to 1.6 billion. And by 2000, that quadrupled to 6 billion. Today [as of this writing] there are just shy of 7 billion Homo Sapiens. ** Yuval Noah Harari, ''Sapiens'' (2011), Part IV: "The Scientific Revolution", Chapter 18: "A Permanent Revolution". * Today [as of this writing], the earth's continents are home to almost 7 billion Sapiens. If you took all these people and put them on a large set of scales, their combined mass would be about 300 million tons. If you then took all our domesticated farmyard animals—cows, pigs, sheep, and chickens—and placed them on an even larger set of scales, their mass would amount to about 700 million tons. In contrast, the combined mass of all surviving large wild animals—from porcupines and penguins to elephants and whales—is less than 100 million tons. Our children’s books, our iconography, and our TV screens are still full of giraffes, wolves, and chimpanzees, but the real world has very few of them left. There are about 80,000 giraffes in the world, compared to 1.5 billion cattle; only 200,000 wolves, compared to 400 million domesticated dogs; only 250,000 chimpanzees—in contrast to billions of humans. Humankind really has taken over the world. ** Ibid. * Around 1990, we became the most numerous mammalian species on the planet, outnumbering even rats. ** [[Thom Hartmann]], ''The Last Hours of Ancient Sunlight'' (1999), p. 18 (ISBN 9780609805299) * All measures to thwart the degradation and destruction of our ecosystem will be useless if we do not cut population growth. By 2050, if we continue to reproduce at the current [but declining] rate, the planet will have between 8 billion and 10 billion people, according to a recent U.N. forecast. This is a 50 percent increase. And yet government-commissioned reviews, such as the Stern report in Britain, do not mention the word population. Books and documentaries that deal with the climate crisis, including [[আল গোর]]’s ''[[An Inconvenient Truth]]'', fail to discuss the danger of population growth. This omission is odd, given that a doubling in population, even if we cut back on the use of fossil fuels, shut down all our coal-burning power plants and build seas of wind turbines, will plunge us into an age of extinction and desolation unseen since the end of the Mesozoic era, 65 million years ago, when the dinosaurs disappeared. ** [[Chris Hedges]], "[https://www.truthdig.com/articles/we-are-breeding-ourselves-to-extinction/ We Are Breeding Ourselves to Extinction]", March 9, 2009. *We are experiencing an accelerated obliteration of the planet’s life forms — an estimated 8,760 species die off per year — because, simply put, there are too many people. Most of these extinctions are the direct result of the expanding need for energy, housing, food, and other resources. '''The Yangtze River dolphin, Atlantic gray whale, West African black rhino, Merriam's elk, California grizzly bear, silver trout, blue pike, dusky seaside sparrow are all victims of human overpopulation.''' Population growth, as [[E. O. Wilson]] says, is "the monster on the land." Species are vanishing at a rate of a hundred to a thousand times faster than they did before the arrival of humans. If the current rate of extinction continues, Homo sapiens will be one of the few life forms left on the planet, its members scrambling violently among themselves for water, food, fossil fuels, and perhaps air until they too disappear. Humanity, Wilson says, is leaving the Cenozoic, the age of mammals, and entering the Eremozoic — the era of solitude. As long as the Earth is viewed as the personal property of the human race, a belief embraced by everyone from born-again Christians to Marxists to free-market economists, we are destined to soon inhabit a biological wasteland. ** Ibid. * A world where 8 billion to 10 billion people are competing for diminishing resources will not be peaceful. The industrialized nations will, as we have done in Iraq, turn to their militaries to ensure a steady supply of fossil fuels, minerals and other nonrenewable resources in the vain effort to sustain a lifestyle that will, in the end, be unsustainable. The collapse of industrial farming, which is made possible only with cheap oil, will lead to an increase in famine, disease and starvation. And the reaction of those on the bottom will be the low-tech tactic of terrorism and war. Perhaps the chaos and bloodshed will be so massive that overpopulation will be solved through violence, but this is hardly a comfort. ** Ibid. * Our core ecological problem is not climate change. It is overshoot, of which global warming is a symptom. Overshoot is a systemic issue. Over the past century-and-a-half, enormous amounts of cheap energy from fossil fuels enabled the rapid growth of resource extraction, manufacturing, and consumption; and these in turn led to population increase, pollution, and loss of natural habitat and hence biodiversity. The human system expanded dramatically, overshooting Earth’s long-term carrying capacity for humans while upsetting the ecological systems we depend on for our survival. Until we understand and address this systemic imbalance, symptomatic treatment (doing what we can to reverse pollution dilemmas like climate change, trying to save threatened species, and hoping to feed a burgeoning population with genetically modified crops) will constitute an endlessly frustrating round of stopgap measures that are ultimately destined to fail. ** {{W|Richard Heinberg}}, "[https://www.ecowatch.com/climate-change-heinberg-2471869927.html Systemic Change Driven by Moral Awakening Is Our Only Hope]." ''EcoWatch'' (August 14, 2017). * During the last 200 years, per capita energy usage grew eight-fold, while human population expanded at about the same rate. As a result of energy growth, all the things we do with energy became more doable. Transportation, manufacturing, agriculture, and mining exploded in scale. Energy became so abundant that it seemed we could solve any human problem, now or in the future, just by throwing more energy at it. We even reconfigured our economic system so that it assumes and requires perpetual growth. But growth in fossil-fuel energy can’t continue much longer: depletion and climate change will see to that. And even if we make a wholehearted effort to switch to low-carbon energy sources, we face limits to nature’s supplies of materials with which to make solar panels, wind turbines, nuclear reactors, and batteries. The ways we’re currently trying to share and manage power are insufficient also because we have failed to understand power itself. Rather than accepting that power limits exist, then surveying them and adapting ourselves to them, we try to finesse or deny them. We respond to climate change by hoping for a renewable energy transition—without questioning the amounts of energy we use or what we do with it. We deal with economic inequality by establishing minimal safeguards for the poor—without examining the structural means by which some people enrich themselves to absurd degrees. ** Richard Heinberg, "[https://www.resilience.org/stories/2021-03-23/understanding-power/ Understanding Power]", ''Resilience'' (March 23, 2021). * Prior to the widespread use of coal, oil, and natural gas, agrarian societies saw cyclical periods of rise and fall. But the scale of expansion since the dawn of the fossil-fueled industrial revolution, beginning roughly at the start of the 19th century, has been unprecedented. Energy usage per capita has grown 800 percent, as has population. Meanwhile, the contours of society have been transformed: for the first time in human history, most people now live in cities. ** {{W|Richard Heinberg}}, "[https://www.postcarbon.org/the-end-of-growth-ten-years-after/ The End of Growth: Ten Years After]." {{W|Post Carbon Institute}} (December 7, 2021). *Fossil fuels enabled a dramatic expansion of energy usable by humanity, in turn enabling unprecedented growth in human population, economic activity, and material consumption. **Richard Heinberg, "[https://richardheinberg.com/museletter-353-deadly-optimism-useful-pessimism Deadly Optimism, Useful Pessimism]". Republished in ''[https://www.resilience.org/stories/2022-07-14/deadly-optimism-useful-pessimism/ Resilience]'' (July 14, 2022). *Global human population has doubled three times in the past 200 years, surging from 1 billion in 1820 to 2 billion in 1927, to 4 billion in 1974, to 8 billion today. Its highest rate of growth was in the 1960s, at over 2 percent per year; that rate is now down to 1.1 percent. If growth continues at the current rate, we’ll have about 18 billion people on Earth by the end of this century. All of this would be fine if we lived on a planet that was itself expanding, doubling its available quantities of minerals, forests, fisheries, and soil every quarter-century, and doubling its ability to absorb industrial wastes. But we don’t. It is essentially the same beautiful but finite planet that was spinning through space long before the origin of humans. **Richard Heinberg, "[https://richardheinberg.com/museletter-356-the-final-doubling The Final Doubling]". Republished in ''[https://www.resilience.org/stories/2022-11-03/the-final-doubling/ Resilience]'' (November 1, 2022). *Agriculture enabled population growth and social complexity, but it gradually robbed soils of nutrients. Sailing ships guided with clocks and navigational charts could increase the scope of trade, but building wooden ships (and making charcoal for forging steel) was leading to the deforestation of whole continents. A reckoning with limits seemed to be in store. Then a miracle happened. People who lived in some key centers of global trade started using fossil fuels—energy sources capable of delivering power in previously unimaginable and seemingly endless quantities. Coal, oil, and natural gas enabled the development of transport technologies (steamships, railroads, cars, trucks, and airplanes) that overcame prior limits to the speed of travel and trade, so that products and resources that were abundant in one place could be transported to places where they were scarce. Fossil fuels could be used to increase the rates of resource extraction via powered mining machinery, and to process lower grades of ores as more concentrated ores were depleted. They could be fashioned into plastics and chemicals to substitute for some natural materials that were getting scarce, such as hardwoods and whale oil. And they could be made into artificial fertilizers, which could replace soil nutrients lost due to unsustainable agricultural practices. All these developments together enabled population growth at rates that far outstripped historic trends: human numbers expanded from one billion to eight billion in a mere two centuries. We were, in effect, stretching existing constraints on population and consumption to the point that it was difficult for many people to see that boundaries still existed at all. **{{W|Richard Heinberg}}, "[https://richardheinberg.com/museletter-358-why-understanding-limits-is-the-key-to-humanitys-future Why Understanding Limits Is the Key to Humanity’s Future]". Republished in ''[https://www.resilience.org/stories/2023-01-19/why-understanding-limits-is-the-key-to-humanitys-future/ Resilience]'' (19 January 2023). *As we’ve grown our population and our per capita consumption rates, we’ve been taking habitat away from other organisms. As a result, nature is in full retreat. Vertebrate and invertebrate animal species have suffered average population declines of 70 percent in the past 50 years, and thousands of plant species are endangered as well. **{{W|Richard Heinberg}}, "[https://richardheinberg.com/museletter-358-why-understanding-limits-is-the-key-to-humanitys-future Why Understanding Limits Is the Key to Humanity’s Future]". Republished in ''[https://www.resilience.org/stories/2023-01-19/why-understanding-limits-is-the-key-to-humanitys-future/ Resilience]'' (19 January 2023). *For a population of field mice in overshoot, the critical resource might consist of small plants whose unusually robust growth has been triggered by high levels of rainfall. For humanity currently, the critical resource is fossil energy. Temporary energy abundance has led to many good things (for some of us, anyway): more food, more people, more commercial products, more knowledge, more comfort, and more convenience. But we are about to become victims of our own success. **{{W|Richard Heinberg}}, "[https://richardheinberg.com/museletter-358-why-understanding-limits-is-the-key-to-humanitys-future Why Understanding Limits Is the Key to Humanity’s Future]". Republished in ''[https://www.resilience.org/stories/2023-01-19/why-understanding-limits-is-the-key-to-humanitys-future/ Resilience]'' (19 January 2023). *It’s sad when loved ones die, and few of us look forward to our own demise; hence the perennial quest for an elixir of eternal life, or at least a cure for cancer. But if nobody died, the planet would quickly fill with humans and empty of all the things that feed and provision us. Death clears space for new life; it is the non-negotiable price of admission to the great banquet of existence. ** {{W|Richard Heinberg}}, "[https://richardheinberg.com/museletter-358-why-understanding-limits-is-the-key-to-humanitys-future Why Understanding Limits Is the Key to Humanity’s Future]". Republished in ''[https://www.resilience.org/stories/2023-01-19/why-understanding-limits-is-the-key-to-humanitys-future/ Resilience]'' (19 January 2023). *The past few thousand years of human history have already seen several critical accelerators. The creation of the first monetary systems roughly 5,000 years ago enabled a rapid expansion of trade that ultimately culminated in our globalized financial system. Metal weapons made warfare deadlier, leading to the takeover of less-well-armed human societies by kingdoms and empires with metallurgy. Communication tools (including writing, the alphabet, the printing press, radio, television, the internet, and social media) amplified the power of some people to influence the minds of others. And, in the past century or two, the adoption of fossil fuels facilitated resource extraction, manufacturing, food production, and transportation, enabling rapid economic expansion and population growth. Of those four past accelerators, our adoption of fossil fuels was the most potent and problematic. In just two centuries, energy usage per capita has increased eightfold, as has the size of the human population. The period since 1950, which has seen a dramatic increase in the global reliance on petroleum, has also seen the fastest economic and population growth in all of human history. Indeed, historians call it the “Great Acceleration.” Neoliberal economists hail the Great Acceleration as a success story, but its bills are just starting to come due. Industrial agriculture is destroying Earth’s topsoil at a rate of tens of billions of tons per year. Wild nature is in retreat, with animal species having lost, on average, 70 percent of their numbers in the past half-century. And we’re altering the planetary climate in ways that will have catastrophic repercussions for future generations. It’s hard to avoid the conclusion that the whole human enterprise has grown too big, and that it is turning nature (“resources”) into waste and pollution far too quickly to sustain itself. The evidence suggests we need to slow down, and, in some cases at least, reverse course by reducing population, consumption, and waste. **Richard Heinberg, "[https://richardheinberg.com/museletter-363-polycrisis-unraveling-simplification-or-collapse Polycrisis, Unraveling, Simplification, or Collapse]". Republished in ''[https://www.resilience.org/stories/2023-06-15/polycrisis-unraveling-simplification-or-collapse-coming-soon-to-a-planet-near-you/ Resilience]'' (June 15, 2023). *Depleting and climate-changing coal, oil, and natural gas have brought about dramatic human population growth, along with immense profits and unprecedented wealth (for the few). But all of these presumed and probably transitory benefits have been based on depleting natural resources, and on processes that are perilously changing the climate and degrading ecosystems across the planet. Every time we pick up a gasoline-powered machine we are viscerally linked to that chain of ersatz benefits and spiraling impacts. **Richard Heinberg, "[https://richardheinberg.com/museletter-368-the-gasoline-powered-leaf-blower-as-a-metaphor-for-industrial-society The Gasoline-Powered Leaf Blower as a Metaphor for Industrial Society]", republished in ''[https://www.resilience.org/stories/2023-11-01/the-gasoline-powered-leaf-blower-as-a-metaphor-for-industrial-society Resilience]'' (November 1, 2023). *Of course, we also have to think about the role of population going forward. The more the global population grows, the more difficult this challenge will be. As we approach this question, it's crucial—as always—that we focus on underlying structural drivers. Many women around the world do not have control over their bodies and the number of children they have. Even in liberal nations, women come under heavy social pressure to reproduce, often to the point where those who choose to have fewer or no children are interrogated and stigmatised. Poverty exacerbates these problems... And of course capitalism itself creates pressures for population growth: more people means more labour, cheaper labour, and more consumers. These pressures filter into our culture, and even into national policy: countries like France and Japan are offering incentives to get women to have more children, to keep their economies growing. **[[Jason Hickel]], ''Less is More: How Degrowth Will Save the World'', 2021, pp. 110-111 * No one lives within a day’s walk of a coal mine, an iron ore source, and a smelter that can operate without a source of electricity, plus food. The old smelters didn’t use electricity to drive the huge motors moving heavy hot metal and slag around. The first smelters were close to coal and iron ore sources, but we used them up; they no longer exist close to each other.<br>In the year 1500, we had a world population of around 450 million and grew massively over the next 250 years to the start of the industrial revolution by increasingly using the resources of the ‘new world’. We’ve been on an upward trajectory ever since, especially since around 1800 when fossil energy came into use.<br>People just don’t understand our extreme (and still growing) overpopulation problem given the imminent decline of oil, and especially diesel. Assuming “we’ll downsize this” or “relocalize that” ignores the fact that once oil supply shifts to contraction, the declines will be permanent year after year, and with diesel shortages the ability to build anything new all but disappears.<br>It will be a sad sight with suffering everywhere and increasing year after year. Survivors will have to be hard people, protecting and providing for their own, at the exclusion of others.<br>Everyone should look around their home and imagine it without the oil used to produce and deliver everything in it, because that’s the world of the future, with old decaying cold buildings and no food in cities. ** Hideaway (pseudonym for Helen Hasan), "[https://un-denial.com/2024/09/14/by-kira-hideaway-on-relocalization/ On Relocalization]". ''Un-Denial'', September 14, 2024. * Using all available resources to expand its population is what every species that’s ever existed has always done until some limit is reached. Consider a mouse plague, enabled by human agricultural practices, with its huge population until the next frost or the grain is eaten, then a massive die-off in a short time. ** Ibid. * We have over 8 billion humans on the planet, and 99.99% of them have no idea modernity is going to end abruptly, and when it does so will destroy the plans of the [few who] did see it coming and tried to prepare in some way. ** Ibid. * One might think Humanity’s success is guaranteed, except for a few things: First, the increasing scarcity of oil, coal, and natural gas suddenly threatens to remove the punch bowl from which Humanity has been feeding. Second, the carrying capacity of the Earth is far less than 8 billion humans unless we continue to supplement with increasingly scarce resources. And, last, our centuries-long party has now broken the Earth in ways Humanity cannot repair. ** Preston Howard, "[https://un-denial.com/2023/09/28/by-preston-howard-the-maximum-power-principle-and-why-it-underscores-the-certainty-of-human-extinction-in-the-near-future/ The Maximum Power Principle and Why It Underscores the Certainty of Human Extinction in the Near Future]." ''Un-Denial'' (September 28, 2023) * Is the proxy war in Ukraine turning out to be only a lead-up to something larger, involving world famine and a foreign-exchange crisis for food- and oil-deficit countries?<BR>U.S. Cold War strategy is not alone in thinking how to benefit from provoking a famine, oil and balance-of-payments crisis. [[w:Klaus Schwab|Klaus Schwab]]’s World Economic Forum worries that the world is overpopulated—at least with the “wrong kind” of people. '''As Microsoft philanthropist... Bill Gates has explained: “Population growth in Africa is a challenge.” His lobbying foundation’s 2018 “Goalkeepers” report warned: “According to U.N. data, Africa is expected to account for more than half of the world’s population growth between 2015 and 2050. Its population is projected to double by 2050,”''' with “more than 40 percent of world’s extremely poor people... in just two countries: Democratic Republic of the Congo and Nigeria.” Gates advocates cutting this projected population increase by 30 percent by improving access to birth control and expanding education to “enable more girls and women to stay in school longer, have children later.” But how can that be afforded with this summer’s looming food and oil squeeze on government budgets? ** [[Michael Hudson (economist)|Michael Hudson]], [https://michael-hudson.com/2022/06/is-us-nato-with-wef-help-pushing-for-a-global-south-famine/ Is US/NATO (with WEF help) pushing for a Global South famine?] (6 June 2022) === K === * Perhaps the most ambiguous of these [technological] achievements [of the [[Industrial Revolution|industrial age]]] is the one that began in mid-nineteenth century with improvements in public health, vaccinations, and antibiotics. These methods of death control emerged too rapidly to be offset by methods of birth control and populations exploded. Again, who can speak against this from within the old paradigm? In fact, it is only from the newer ecological paradigm that we are able to recognize that all this marvelous technology has... likely led the human population to overshoot the carrying capacity of the earth. Even from this perspective many of us would... want to save lives now in hopes that somehow there will be enough resources for those who come after us. In less complex animal populations, an overshoot leads to a crash, or die-off. Can humans somehow circumvent this conclusion without relying on further damaging drawdown strategies? … a basic change in our technologies, and acceptance of a steady state in economics reinforced by a compatible spiritual orientation, may at least mitigate human suffering and loss. ** Maynard Kaufman, ''Adapting to the end of oil'', 2008, p. 29. * Unlike plagues of the dark ages or contemporary diseases we do not yet understand, the modern plague of overpopulation is soluble by means we have discovered and with resources we possess. What is lacking is not sufficient knowledge of the solution but universal consciousness of the gravity of the problem and education of the billions who are its victims. ** [[মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র]], acceptance speech, Margaret Sanger award in human rights 1966; Lamont Hempil ''Sustainable communities''. * We have learned a lot in the 50 years since "{{W|The Population Bomb}}" was published. We should not shy away from discussing what actions are ethically permissible to facilitate a stable level of population growth, nor should we leave this discussion in the hands of the affluent. The conversation about ethics, population, and reproduction needs to shift from the perspective of white donor countries to the places and people most affected by poverty, climate change and environmental degradation. ** {{W|Frances Kissling}}, Jotham Musinguzi and [[Peter Singer]], "[https://www.washingtonpost.com/opinions/talking-about-overpopulation-is-still-taboo-that-has-to-change/2018/06/18/ca7c1838-6e6f-11e8-afd5-778aca903bbe_story.html Talking about overpopulation is still taboo. That has to change]". ''{{W|The Washington Post}}''. June 18, 2018. * All we can say now is, that, even now, 600 persons could easily live on a square mile; and that … 1,000 human beings—not idlers—living on 1,000 acres could easily, without … overwork, obtain … a luxurious vegetable and animal food, as well as the flax, wool, silk and hides necessary for their clothing. As to what may be obtained under still more perfect methods—also known but not yet tested on a large scale—is better to abstain from any forecast: so unexpected are the recent achievements of intensive culture. We thus see that the over-population fallacy does not stand the very first attempt at submitting it to a closer examination. ** [[Peter Kropotkin]], ''[[Peter Kropotkin#Fields, Factories and Workshops_(1899)|Fields, Factories and Workshops]]'' (1899) * It has been estimated that the world human population stood at about one billion around the early 1800s, which was roughly about when the industrial adventure began to gain traction. It has been inferred from this that a billion people is about the limit that the planet Earth can support when it is run on a nonindustrial basis. World population is now past six and a half billion, having more than doubled since my childhood in the 1950s. The mid-twentieth century was a time of rising anxiety over the “population explosion.” The marvelous technological victory over food shortages, including the “green revolution” in crop yields, accelerated that already robust leap in world population that had begun with modernity. Dramatic improvements in sanitation and medicine extended lives. Industry sopped up expanding populations and reassigned them from rural lands to work in the burgeoning cities. The perceived ability of the world to accommodate these newcomers and latecomers in a wholly new disposition of social and economic arrangements seemed [to] be the final nail in the coffin of [[Thomas Robert Malthus]]… ** [[James Howard Kunstler|James H. Kunstler]], ''{{W|The Long Emergency}}'', Chapter 1: "Sleepwalking into the future", pp. 5–6. * Malthus was certainly correct [that demand will outstrip supply], but... [hydrocarbons] ...skewed the [supply-demand] equation over the past [two] hundred years while the human race has enjoyed an unprecedented orgy of [a fraction of] nonrenewable condensed solar energy accumulated over eons of prehistory. The “green revolution” in boosting crop yields was minimally about scientific innovation in crop genetics and mostly about dumping massive amounts of fertilizers and pesticides made... of ...[petroleum] onto crops, as well as employing irrigation at a fantastic scale made possible by abundant oil and gas. The cheap oil age created an artificial bubble of plen[t]itude for a period not much longer than a human lifetime, a hundred years. Within that comfortable bubble, the idea took hold that only grouches, spoilsports, and godless maniacs considered population hypergrowth a problem [with a direct solution], and that to even raise the issue was indecent. ...As oil ceases to be cheap and the world reserves arc toward depletion, we will indeed suddenly be left with an enormous surplus population... that the ecology of the earth will not support. No political program of birth control will avail. The people are already here. The journey back to non-oil population homeostasis will not be pretty. '''We will discover the hard way that population hypergrowth was simply a side effect of the oil age.''' It was [more of] a condition [without a remedy], not a problem with a [direct] solution. That is what happened, and we are stuck with it. ** Ibid., p. 8. * '''Cheap oil had allowed populations to explode in precisely those parts of the world that had had, for millennia, a high infant mortality rate and modest life expectancy.''' Cheap oil was behind the "green revolution" that increased the food supply in the nonindustrial world. Oil was also behind many of the medicines and preventives that had neutralized… diseases. Now, suddenly, most of those children… survived, grew up, and produced more children who survived and grew up, and over… the twentieth century, the global populations hurtled into extreme numerical overshoot. Populations were, in effect, eating oil, notably in [the form of] food exports from the United States, where agribusiness had completely taken over from agriculture. Local farmers in Africa, Asia, or South America couldn’t compete with corporate Archer Daniels Midland’s oil-and-gas-based grain crops and U.S. government subsidies. ** James H. Kunstler, ''The Long Emergency'' (2005), Chapter 6: "Running on fumes : the hallucinated economy" pp. 187–188. * Peak human population will surely lag … peak oil and peak mineral resources until these conditions express themselves as food shortages. This means that the human population will continue to rise for a while, even as we begin to encounter these … strict resource limits. It’s not possible to estimate how much the population will increase because the relationship between energy and mineral resources and food production is a very fragile equation, subject to any number of discontinuities. To these, add the complications of weather disasters arising from climate change, including drought, the spread of plant diseases, and so forth. This lagging further rise in [the] human population will only make the inevitable contraction more acute once food shortages begin. [Overpopulation] amounts to a human population overshoot … to the planet Earth’s ecology. We're putting a strain on everything the earth has to offer us. While the combination of peak stuff and [too many] billion humans is forcing the issue, ...the truth is that '''circumstances will now determine what happens, not policies or personalities.''' … Population overshoot is therefore unlikely to yield to management. Rather, the usual suspects will enter the scene and do their thing: starvation, disease, … violence … [and] death. ** James H. Kunstler, ''Too Much Magic'', Chapter 1: "Where We're At", p. 10. === L === *Fossil fuels’ biggest impact on the agricultural sector stems from the use of natural gas in industrial fertilizer production. Industrial fertilizer was first mass-produced in 1914 using what came to be known as the {{W|Haber-Bosch process}}. This invention enabled the {{W|Green Revolution}}, a boom in agricultural production that took place in the latter half of the 20th century, starting in Mexico and India. From 1961 to 2010, cereal yields per acre increased by 217 percent in Mexico and 183 percent in India. It is no coincidence that the human population has more than quadrupled since 1920.<br>We often attribute the Green Revolution to the spread of high-yielding crop varieties. Yet these varieties typically require industrial fertilizer application. The Haber-Bosch method, combined with mechanization and pesticides derived from fossil fuels, [has] represented a massive and unsustainable injection of fossil fuels into our food system. Today, the production of one food calorie in the United States requires 2.7 fossil fuel calories. **Helene Langlamet and Alix Underwood. “[https://steadystate.org/a-trophic-perspective-on-fossil-fuels/ A Trophic Perspective on Fossil Fuels].” Center for the Advancement of the Steady State Economy, August 1, 2024. * Driven by the Anthropocene engine, human population has grown exponentially, and individual societies have approached collapse multiple times over the past 8,000 years. The disappearance of the Easter Island civilization and the collapse of the Mayan empire, for example, have been linked to the depletion of environmental resources as populations rose. The dramatic decline of the European population during the Black Death in the 1300s was a direct consequence of crowded and unsanitary living conditions that facilitated the spread of Yersenia pestis, or plague. ** Manfred Laubichler, [https://theconversation.com/8-billion-humans-how-population-growth-and-climate-change-are-connected-as-the-anthropocene-engine-transforms-the-planet-193075 8 billion humans: How population growth and climate change are connected as the ‘Anthropocene engine’ transforms the planet]. ''{{W|The Conversation (website)|The Conversation}}'', November 3, 2022. * In the 20th century we decisively broke our dependence on energy systems that were fed by the wind and sun and which we supplemented with human and animal muscle power. That leap was made possible by innovations that allowed us to extract, pump, use, and transform raw materials, particularly to unlock energy stored in coal and oil to make chemicals and plastics. That in turn allowed a massive expansion in population, lifespans, and economic growth. The rise of industrial capitalism from 1851 to 1971 went hand in hand with a surge in population, mainly in cities, provided with better food and public health. ** Charles Leadbeater, ''The Frugal Innovator'' (2014), p. 36. * On a global level, there is no threat to human survival greater than that posed by world overpopulation—paradoxical though that may seem—and it is abundantly clear that consensus decision making is ineffective for dealing with that. Some kind of “solution” is nonetheless unavoidable, and is certain to be ugly. To say that there is no visible world leadership on that transcendental question is to understate the case. Optimists on the population problem don’t measure progress in terms of a decrease in population, or even a decrease in the rate of increase, but in terms of a decrease in the rate of increase of the rate of increase. ** [[Harold Lewis]], ''Why Flip a Coin?'' (1997), <small> {{আইএসবিএন|0-471-16597-2}}, </small> pp. 98-99 * The human population will continue to increase until it can’t. When it can no longer increase, it will crash. Our extreme efforts to focus our minds elsewhere are symptoms of a desperate attempt to find solid footing, to believe in a future that will not vanish. Mankind has had a storied existence on Earth. Our thirst for knowledge and innovation has provided comfort and security. However, it is becoming increasingly evident that our remarkable progress has become our worst enemy. We know our planet is finite. Images of Earth from space make it plain for all to see. However, people routinely ignore this verifiable certainty in all aspects of their lives, treating the world as [if it were] infinite. Modern-day human activities are not only wiping out ecosystems and biodiversity but [also] plundering the clean air, water, and topsoil that helped bring about our tenure on the planet. Entire ecosystems have vanished, including the tallgrass prairie in North America, Madagascar’s rainforests, and the Aral Sea in Asia. '''We use Earth’s natural resources like a bunch of drunks on the greatest bender of all time.''' Human consumption is negatively modifying the planet and permanently damaging the biological systems upon which our continued existence depends. The deterioration of our ecosphere has been exponentially accelerating for at least 100,000 years. As technological advances improve our lives, humanity becomes increasingly detached from its environment and the natural resources allowing us to persist. People now have a much closer affinity with iPhones, Amazon, online shopping, restaurants and bars, Netflix, beauty salons, and sporting events than forests, grasslands, marshes, and oceans. Few now understand our existence on Earth is entirely dependent upon photosynthesis. Instead, they believe their survival is contingent on parents, doctors, farmers, governments, bankers, police, and other players in society. It’s not that those institutions, people, and specialties aren’t important, but they represent the retailers. Photosynthesis is the wholesaler. There is a supply chain disruption occurring on a massive scale in our relationship with the planet. The ancient forests and grasslands that provided the planet with free oxygen in the air and sequestered carbon dioxide, making it habitable for humans and other complex life, are nearly gone. For most people, the natural resources that support their existence and lifestyle might as well be from a distant galaxy. This extreme disconnect has resulted in people losing their capacity to understand the dire circumstances facing complex organisms on Earth, including themselves. The deafening alarm bells portending our extinction are routinely misunderstood or ignored. For those who perceive our state of crisis, there is a great deal of angst. Much of the frustration, anger, and sadness results from having unrealistic expectations of human beings. Despite our advanced technologies, the basic tenets of human behavior haven’t changed for centuries or millennia. Letting go of the false expectations that Homo sapiens can or will modify our behavior can bring us an element of peace. Expectations are incredibly powerful in structuring our moods and emotions. Identifying unrealistic expectations can reduce our chances of being disappointed and can increase happiness. A better understanding of our behavioral history can provide valuable insights into recognizing human capabilities and limitations. ** Lyle Lewis, ''Racing to Extinction'' (2024) * … as our population has grown, humans have been liquidating the planet’s natural resources for thousands of years. The effects of our current population on forests, grasslands, biodiversity, clean air, and water are catastrophic. Zero population growth means the planet would still be trying to support the current population, over 8 billion people. Humanity can no longer pay even the interest. We’ve already spent much of the planet’s clean air, water, and biodiversity with no mechanism for repayment. Zero population growth isn’t going to happen. We can’t curb our evolutionarily programmed need to grow and reproduce any more than we can stop the sun from rising. Like all populations of organisms on the planet, the number of humans will continue to increase until it’s no longer possible. When that day happens, Earth will be a truly inhospitable place. ** Lyle Lewis, ''Racing to Extinction: Why Humanity Will Soon Vanish'' (2024), Chapter 5. * In 1968, with the release of their book ''The Population Bomb'', [[Paul R. Ehrlich|Paul]] and Anne Ehrlich were among the first to identify the most significant factor that will precipitate the collapse of humanity. Their book inspired an environmentalist fad in the 1970s. The premise for the book was gradually rationalized away by most as the work of lunatics. It was listed by the Intercollegiate Review as one of the 50 worst books of the 20th century. In the Human Events list of the “Ten Most Harmful Books of the Nineteenth and Twentieth Centuries,” it garnered an 11th-place honorable mention. Since that time, the global population has more than doubled. During those five decades, humanity has identified six types of quarks, developed the modern internet, eradicated smallpox, decoded the human genome, and developed vaccines for Ebola and COVID-19. Despite all our new technologies and discoveries, the most basic concept of rapid human growth inside a finite system—our planet—leading to collapse is a concept too difficult for our greatest minds to reconcile. Humanity’s carefully calibrated psychological filters go into overdrive to prevent this simple mathematical postulate from entering our psyche. As seemingly prescient as the Ehrlichs were, our collision course with extinction was preordained long before their book was published in 1968. ** Lyle Lewis, ''Racing to Extinction: Why Humanity Will Soon Vanish'' (2024), Chapter 9. * Population growth vanished from the agendas of mainstream environmental organizations that previously regarded escalating numbers as a major environmental threat. These groups were primarily shackled by their fear of alienating donors, ultimately selling their purpose and integrity for money. Criticism from progressive and conservative interests claiming that overpopulation is a myth further incentivized these groups to pretend the rising global population wasn’t a factor in planetary degradation. ** Lyle Lewis, ''Racing to Extinction: Why Humanity Will Soon Vanish'' (2024), Chapter 9. * Those who defend the belief that overpopulation isn’t at the core of every environmental problem are not unique. Every myth presents itself as an authoritative, factual account, no matter how much the topic varies from natural law or ordinary experience. There is a long, bloody history of ''Homo sapiens'' defending myths against those who might either question their veracity or have a competing myth. It has resulted in the deaths of millions of people [and other animals] since the dawn of the Agricultural Revolution. As a result of ignoring the obvious reality, newborns are effectively positioned as moneymaking machines. The former prime minister of Japan suggested that women who bore no children should be barred from receiving pensions. In most countries, those who choose not to have children are required to pay for those who do through taxes. In this campaign for more babies, childbearing is reduced to a means for economic growth. Even though overpopulation, natural resource extraction, and environmental degradation are clearly linked, the needs of the economic market trump the needs of the planet. Children are nothing more than moneymakers in the eyes of politicians, forever blind to the moral, environmental, or humanitarian consequences of their policies. Market thinking has obliterated moral thinking on a grand scale. After all, if the West doesn’t produce more children, it can’t produce the wealth needed to look after parents when they retire. No social animal is ever guided by the interests of the entire species to which it belongs. No pika cares about the interests of the pika species; no northern spotted owl will lift a feather for the global northern spotted owl community; no wolf alpha male makes a bid for becoming the king of all wolves. Likewise, few humans care about the interests of ''Homo sapiens''. People only care about themselves and those who directly affect their lives. ** Lyle Lewis, ''Racing to Extinction: Why Humanity Will Soon Vanish'' (2024), Chapter 9. * Humanity has moved past the point where future generations are an issue. If there are any, they will be few in number. Ignoring the inevitable is something all species do. Humans are no different than bacteria in a Petri dish or a mountain pine beetle in a climate-stressed lodgepole pine forest. All available resources are utilized to grow and reproduce until the inevitable collapse. We’re traveling down the same path as all species that have gone through exponential increases. The only difference is ''Homo sapiens'' is doing it on a grander scale. The Herculean ability to ignore the greatest threat to our existence would be comical if not for the rapidly approaching consequential conclusion to our existence. ** Lyle Lewis, ''Racing to Extinction: Why Humanity Will Soon Vanish'' (2024), Chapter 9. * Economic and political instability will continue to increase as food and water supplies are impacted in more areas on the planet by pollution, drought, flooding, and other extreme weather events. However, while the focus is almost entirely on the supply side of the economic equation, the demand side may be the bigger issue. The planet is currently adding an additional 80 million mouths to feed each year, 4.5 times more people than the entire population of Syria. As the chasm between uncertain supplies and increasing demand widens, the social and biological implications for humanity are both unpredictable and alarming. ** Lyle Lewis, ''Racing to Extinction: Why Humanity Will Soon Vanish'' (2024), Chapter 9. * Many people, including environmentalists, often avoid linking the multitude of environmental problems to overpopulation. Some believe that a global shift to veganism could support the current population and more. Others attribute the crisis to various factors [that] are frequently cited as primary contributors to the ongoing environmental crisis, overshadowing the impact of population growth. ** Lyle Lewis, "The Locust Theory" (November 16, 2024) * [There's an] excessive number of humans who [want to] live a lifestyle that promotes equality, along with [others] being minimalist and/or vegan... [and] similar overpopulation by other organisms is considered a plague. ** Ibid. * Our emphasis [on] science has resulted in alarming rises in world populations that demand an ever-increasing emphasis [on] science to improve their standards and maintain their vigor. ** [[Charles Lindbergh]], ''The Wisdom of Wilderness'', ''{{W|Life (magazine)|LIFE}}'', December 22, 1967. * It is still the case that the worst enemies of life are, on the one hand, an excess of life (human life, in particular) and, on the other, the legislation and structure of societies based on {{W|market economy}}. The sturdier a society, the more peaceful it is; the more efficient {{W|economic growth}} (i.e., the ransacking of natural resources), the quicker {{W|Biodiversity loss|other forms of life will step aside}}. Everything that upsets the established order of society, causing chaos and panic, gives time to nature and, ultimately, humans too. ** [[Pentti Linkola]], ''Can Life Prevail?: A Revolutionary Approach to the Environmental Crisis.'' p. 166 === M === * Population, when unchecked, increases in a geometrical ratio, Subsistence, increases only in an arithmetical ratio. ** [[Thomas Robert Malthus]], ''An Essay on the Principle of Population'' (1798), Chapter I, paragraph 18, lines 1-2 * The power of population is so superior to the power in the earth to produce subsistence for man, that premature death must in some shape or other visit the human race. **Thomas Robert Malthus, ''An Essay on the Principle of Population'' (1798), Chapter VII, paragraph 20, lines 2-4 * What has caused the recent super-exponential rise in world population? Before the industrial revolution both fertility and mortality were comparatively high and irregular. The birth rate generally exceeded the death rate only slightly, and population grew exponentially, but at a very slow and uneven rate. In 1650 the average lifetime of most populations in the world was only about 30 years. Since then, [hu]mankind has developed many practices that have had profound effects on the population growth system, especially on mortality rates. With the spread of modern medicine, public health techniques, and new methods of growing and distributing foods, death rates have fallen around the world. […] On a world average the gain around the positive feedback loop (fertility) has decreased only slightly while the gain around the negative feedback loop (mortality) is decreasing. The result is an increasing dominance of the positive feedback loop and the sharp exponential rise in population […]. **Dennis Meadows et al. ''The Limits to Growth'' (1972), Chapter 1: "The Nature of Exponential Growth." * H. sapiens took around 250,000 years to reach a global population of 1 billion in 1820, and just over 200 years to go from 1 billion to 8 billion. This was largely made possible by our species’ access to cheap, easy, exosomatic energy, mainly fossil fuels. Fossil fuels enabled us to reduce negative feedback (e.g. food shortages) and thus delay and evade the consequences of surpassing natural limits. In that same 200 year period, fossil energy (FF) use increased 1300-fold, fueling a 100-fold increase in real gross world product, i.e. consumption, and the human enterprise is still expanding exponentially. ** Joseph J. Merz et al., "[https://journals.sagepub.com/doi/10.1177/00368504231201372 World scientists’ warning: The behavioural crisis driving ecological overshoot]". ''Science Progress'' Volume 106, No. 3 (2023) * There is no way we could keep going as we have been. The increase in human population in the 1990s has exceeded the total population in 1600. The population has grown more since 1950 than it did during the previous four million years. The reasons for our recent rapid growth are pretty clear. Although the Industrial Revolution speeded historical growth rates considerably, it was really the public health revolution, and its spread to the Third World at the end of the Second World War, that set us galloping. Vaccines and antibiotics came all at once, and right behind came population. In Sri Lanka in the late 1940s life expectancy was rising at least a year every twelve months. How much difference did this make? Consider the United States: if people died throughout this century at the same rate as they did at its beginning, America's population would be 140 million, not 270 million. ** [[Bill McKibben]], "[https://www.theatlantic.com/magazine/archive/1998/05/a-special-moment-in-history/377106/ A Special Moment in History]", ''The Atlantic'', May 1998. * The Earth's population is plagued by famines, energy shortages, epidemics, environmental pollution, degeneration, terrorism, dictatorship, anarchism, slavery, excessive increase of waste materials, racial hatred, food shortages, destruction of rain forests, the "greenhouse effect", pollution of lakes, streams and oceans, hatred towards asylum-seekers; radioactive emissions, chemical pollution of water, air, plants, food, human beings and animals. Crime, murder, mass murders, manslaughter; alcoholism, hatred of strangers, oppression, hatred of one's fellowman, extremism, sectarianism, drug addiction, overpopulation, annihilation of animal species, war, violence, torture and capital punishment, general mismanagement, water contamination, eradication of plant species; hatred, vice, jealousy, lovelessness, lack of logic, false humanitarianism, lack of housing, increased traffic, destruction of arable land, unemployment, the collapse of health care, the collapse of care for the elderly, destruction of nature, the collapse of solid waste removal, and the lack of living space, among others. In spite of the many efforts, '''mankind's problems are not decreasing but, instead, continue to rise steadily in direct proportion to population increases.''' ** {{W|Eduard Albert Meier}}, "[http://www.futureofmankind.co.uk/Billy_Meier/Overpopulation_Crusade A Crusade Against Overpopulation]," on ''futureofmankind.co.uk.'' * … technology use harnesses far more energy and materials than we could ever manage without it, and while doing so may make our lives much easier and more comfortable, it comes at the cost of increasing ecological overshoot. As we increase overshoot, we concomitantly increase all the symptom predicaments that overshoot causes. Technology use also has another nasty side effect. It reduces and/or eliminates negative feedbacks which once kept our numbers in check. Many diseases we once suffered from like smallpox, measles, whooping cough, tetanus, etc. have been temporarily eliminated by the technological development of vaccines. Our medical industry has also wiped out many other diseases through proper sanitation, use of antiseptics, anesthetics (allowing surgeries to correct most internal ailments), antibiotics, antifungals, and antivirals to kill or prevent many diseases, and many other innovations that allow us to live better, more comfortable lives. The development of indoor plumbing, electrical systems, heating and air conditioning systems, insulation, refrigerators and freezers, and cooking devices all allow us to accomplish daily tasks either much easier or provide more comfort to us by regulating temperature and humidity levels in our living spaces. Therefore, technology use reduces or removes negative feedback thereby promoting population growth which also promotes technology growth. However, in terms of reducing overshoot (and symptom predicaments such as climate change, energy and resource decline, pollution loading, and biodiversity decline), technology use is '''''maladaptive'''''. This will become painfully clear as time moves forward when more or different technology does not actually solve overshoot. [[Population decline]] is what will actually work to reduce overshoot, caused by the failure of our agricultural systems, increased disease caused by antimicrobial resistance and new viruses emerging, and increased failures of infrastructural systems caused by extreme weather events. Reduced technology use will be facilitated by this mechanism, and ALL species wind up experiencing die-off whether they use technology or not. ** Erik Michaels, "[https://problemspredicamentsandtechnology.blogspot.com/2023/07/how-did-we-get-here.html How Did We Get Here?]" (July 19, 2023). * Most non-domesticated life on earth is in decline and about 200 species a day are going extinct due to a wide range of environmental problems. Many humans are at risk of being harmed or killed by related problems this century.<br>All of the many problems are caused by the same thing: humans have used non-renewable energy to explode their population from 1 billion to 7 billion in 100 years, and now consume so large a share of the earth’s resources that almost all non-domesticated species are in decline. ** Rob Mielcarski, "[https://un-denial.com/2016/03/25/overpopulation-denial/ Overpopulation Denial]." ''Un-Denial'' (March 25, 2016). * We’re in serious trouble. Many red lights are flashing on the dashboard.<br>Most people are now aware that something is seriously wrong, and each has their favorite lens through which to view the problems… The common denominator to all of these problems is overshoot. Very few people are able to see through the lens of overshoot because overshoot is a very unpleasant topic with no painless solutions and no way to avoid its consequences, and because humans evolved to deny unpleasant realities like overshoot. ** Rob Mielcarski, "[https://un-denial.com/2025/06/06/what-should-can-could-will-we-do/ What… Will We Do?]." ''Un-Denial'' (June 6, 2025). * Human numbers are rising at roughly 1.2% a year, while {{W|livestock}} numbers are rising at around 2.4% a year. By 2050 the world’s living systems will have to support about 120m tonnes of extra humans and 400m tonnes of extra farm animals. ** [[George Monbiot]], "[https://www.theguardian.com/commentisfree/2015/nov/19/population-crisis-farm-animals-laying-waste-to-planet There’s a population crisis all right. But probably not the one you think]". ''The Guardian''. November 19, 2015. * [[ফ্রান্সিস বেকন|Bacon]]ian science is at the root of the apocalypse. We have been blessed by advances in medicine, agriculture and engineering. Science has done exactly what we asked of it and now we are set for annihilation. If European science had petered out after the discoveries of the seventeenth century, we would be less numerous and [the] Earth would not be [[global warming|warming]]. ** Nicholas Money. ''The Selfish Ape'' (2019), Chapter 9: "Greenhouse" * This moment is special because we have dramatically built up our population, technology, science, medicine, and democratic institutions as a direct result of vast amounts of surplus energy stemming from a one-time resource. The fossil fuel experience has made us '''dangerously confident''' about our cleverness and dominance over nature. What makes this century special, then, is that we will have to cope with a diminishing supply rate of the resource that has been of paramount importance to our high-tech existence. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2011/10/sustainable-means-bunkty-to-me/ Sustainable means "bunkty" to me]." ''Do the Math'', University of California, San Diego. October 5, 2011. * Humans collectively must ultimately face the uncomfortable question of whether Earth’s natural systems can support 8 billion or more people at a modern standard of living. Since the resource footprint of a U.S. citizen is at least four times that of the global average, the key question is whether the planet can support an increase in material throughput four times higher than present when the strain is apparent already. As noble as it may be to wish [for] a modern living standard for an eventual ten billion or more people, it is likely that committing to such a course could result in more human suffering than would transpire under the adoption of more modest goals. The responsible path is to reduce global resource dependencies and abandon the imperative for growth starting now. ** Thomas W. Murphy, David J.R. Murphy, Thomas F. Love, Melody LeHew and Ben McCall (2021). "[[doi:10.1016/j.erss.2021.102239|Modernity is incompatible with planetary limits: Developing a PLAN for the future]]." ''Energy Research & Social Science'', 81, 102239. * Even something as seemingly altruistic as health care selfishly focuses on human health, to the exclusion and often direct detriment of ecosystem health. Are we really doing ourselves favors in the long term by making the destructive human enterprise healthier, more populous, longer-living, and therefore better able to carry out its damaging activities? If this sounds abhorrently anti-human, it’s because the human enterprise is currently relentlessly anti-planet. Anything that is anti-planet will dismantle ecosystems that serve as critical life support for humans, spelling failure for the human enterprise. So it’s really the human enterprise that is anti-human by way of being anti-planet. […] The best way to assure long-term prosperity is to forge a non-human-centric partnership with nature that does not always put short-term human interests above those of non-human elements of nature. Even “good” activities like health care therefore miss the boat in terms of building a better tomorrow. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2021/05/to-what-end/ To What End?]". Do the Math, {{W|University of California, San Diego}}. May 4, 2021. * Since growth is an absurd short-lived anomaly, what about leveling out in population, resource use per capita, and adopting a steady-state economy? The problem here is that the rate at which we are depleting one-time resources today is unsustainable. We’re simply spending our bank account without paying attention to the balance and without any source of additional income. Most clearly, forests and wild spaces are down by a factor of two in the last 60 years and will be gone within 60 years at current rates of depletion. Before even getting to steady-state conditions, inevitable near-term increases in population together with sought-after increases in standards of living around the world spell an even shorter lifetime for critical habitats. Meanwhile, fisheries are failing in domino fashion; aquifers are being depleted at rates alarmingly higher than replacement; soils are degrading and arable land is lost; fertilizer depends on a finite resource; habitat loss is resulting in species extinctions far in excess of natural rates. Even the plunder of mineral resources in the seemingly infinite crust is getting harder, only a fleeting century or so into our spree. Sustaining present levels for even a few more centuries is a dubious (i.e., unsubstantiated) proposition. It is practically absurd to imagine sustaining present practices for 10,000 years. Humans simply have not yet demonstrated an ability to maintain a technological society without utter reliance on grossly unsustainable inheritance spending. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2021/05/why-worry-about-collapse/ Why Worry About Collapse?]." Do the Math, {{W|University of California, San Diego}}. May 18, 2021. * Earth has never in its history had to contend with 8 billion fire apes, intelligent enough to have leveraged power by exploiting and burning one-time resources. We now operate outside the bounds and protections of evolution: in breach of contract, without a map to success. What could possibly convince us that this fireworks show—which has not even come close to standing the test of time—can maintain anything like its current resource impact for the long haul? Humans have demonstrated convincingly that we can live in a primitive state for hundreds of thousands of years. Our present mode is a few-century flash, supported almost entirely by inheritance-spending. Arguing that we have found a new normal is a precarious position that I would not be eager to defend. Parties end. Fireworks shows end. Why would our flash be any different? It’s not just guesswork: what other outcome could result from rapid resource exploitation on a finite planet? ** Ibid. * We face unprecedented pressures on resources and on our environment, as human population and standard of living both surge on a finite planet. Nature will not allow this trend to continue indefinitely. ** Thomas W. Murphy, ''[https://escholarship.org/uc/item/9js5291m#section.18.5 Energy and Ambitions on a Finite Planet]'', p. 313 (2022) * Human population will not be allowed to grow [indefinitely]. Even small growth rates will step up pressure on natural resources, and Earth can only support so much, long-term. Independent of what the “right” number is, once settled, we will not be able to dial it up without imperiling the hard-won success. Even under steady human population, any increase in resource use per person will also not be compatible. In general, growth leads to a dead end: to failure. ** Ibid. p. 405 * As a jarring illustration of our tendency to value the human side over the prerequisite physical/ecological side, imagine that somehow we manage to emerge from the coming centuries having established a truly sustainable existence. All resources are renewed by nature at the rate of extraction for human needs; population is steady and at a level just tolerable to the planet in terms of indefinite support. Diverse ecosystems are left to thrive in their natural states. But imagine that we are still plagued by cancer and other maladies, so that life expectancy is, say, 90 years. Then what if a team of researchers hits on a cure for (most forms of) cancer? Hurray! At last! Unambiguously good, right? Well, not so fast. All other elements held the same, longer life spans translate to a higher population, putting additional resource burdens on the planet that it cannot handle in the long term. In order to adopt and implement the cure for cancer, we would have to either deliberately reduce population or lower the standard of living to accommodate the change. All other considerations of the complex society about economic impacts, equity of distribution, legal and political facets, or interaction with religious belief systems must take a back seat to the most fundamental and important question: is this change physically viable on this finite planet in the long term? ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2021/11/caught-up-in-complexity/ Caught Up in Complexity]". Do the Math, {{W|University of California, San Diego}}. November 30, 2021. * People tend to prefer the narrative that we, ourselves, are the superheroes, and that our superpowers are not from the fossil fuel suit, but are cognitive in nature. Yet we have the same neural hardware (if not slightly downsized) as our prehistoric ancestors. The main cognitive revolution happened about 70,000 years ago when humans started to believe in things that do not exist (like spirits or potential future gains) that allowed large-scale coordination and shared identity to outcompete evolution’s more biophysical tricks of sharp teeth/claws, speed, strength, camouflage, poison, or overwhelming numbers. Global spread of homo sapiens and megafauna extinctions quickly followed, and it is at this point that the human experiment began to smolder: something was off. About 10,000 years ago, agriculture started and the first visible flame ignited. About 300–400 years ago, the Enlightenment lit a fuse by developing a scientific approach to understanding the world. It was not long before the fuse found fossil fuels and we now witness the predictable explosion that ensued. The explosion is breathtakingly rapid on any meaningful timeline, only appearing in slow motion to the few generations experiencing the phenomenon and thus seeming “normal.” So we can trace some part of our current planetary dominance to human ingenuity, but perhaps the lion’s share actually is attributable to the energy bonanza—as suggested by the dramatic change in the pace of innovation before and after the fossil transition. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2022/06/shedding-our-fossil-fuel-suit/ Shedding Our Fossil Fuel Suit]". Do the Math, {{W|University of California, San Diego}}. June 21, 2022. * A plausible scenario for ecosystem collapse... is based on the fact that we currently support 8 billion people on a fossil-intense agricultural system. We have over-leveraged that finite resource to "borrow" millions of years of eco-services (photosynthetic energy) and now host a population that probably never could have existed in ecological equilibrium. Even if fossil fuels were not going away, it seems likely we would see continued erosion of the globe's ability to support this current unsustainable mode. We have already lost about half of the wild animal life in my lifetime: is that halfway to collapse? Take away the fossil fuels, and I imagine over-hunting and rapid deforestation will take an enormous toll on ecosystem health. ** Thomas W. Murphy's self-comment on "[https://dothemath.ucsd.edu/2022/07/the-ride-of-our-lives/ The Ride of Our Lives]". Do the Math, University of California, San Diego. July 12, 2022. *[It] is truly alarming from an ecological point of view: not only has the human population grown like gangbusters, but the level of affluence per person has soared by an even larger factor. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2022/09/death-by-hockey-sticks/ Death by Hockey Sticks]". Do the Math, University of California, San Diego. September 13, 2022. * The dream of eventually having 10 billion people living at [[American Dream|American standards]] completely ignores the glaring fact that we seem to be circling the drain even at today’s impact level (i.e., overshoot). How could we possibly entertain the factor-of-five increase in resource demand that would accompany a realization of “the dream?” It seems delusional… and likely to turn into a nightmare if pursued. **Ibid. * Human population is going up… We’re not exactly doing the planet (or ultimately ourselves) any favors presently. Will adding more humans that subscribe to our current cultural model somehow make the situation better? Will improving standards of living (thus increasing resource demand) mysteriously turn things around? It’s hard to see how—not without enacting a whole new model. **Ibid. * Increasing the standard of living of a growing population makes today’s ecological pressures look adorable. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2022/09/a-climate-love-story/ A Climate Love Story]". Do the Math, University of California, San Diego. September 20, 2022. * It is easy to get caught up in the heady whirlwinds of [[modernity]]. We have accomplished amazing feats in these past few centuries, and our extrapolative minds envision a continued acceleration. Given that our life span overlaps only a portion of the tale, it is easy to lose the context that our boom (the [[Industrial Revolution]] and what followed) is almost entirely due to fossil fuels. This energy surge in turn powered a surge in material access and economic activity (and human population) in what is perhaps fittingly described as a fireworks show. ** Ibid. * What did we do with our fossil fuel bonanza? We exploded population by revolutionizing agriculture [and health]. Now when fossil fuels inevitably (and soon?) decline, we’re left with an overhang that can no longer be supported. The resulting population decline will suddenly cast [[Thomas Robert Malthus|Malthus]] in a new light: oh what a starry-eyed soothe-sayer [sic]! When that day comes, […] realize that it’s no more tragic than the ant colony waning as it must. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2022/10/the-cult-of-civilization/ The Cult of Civilization]." Do the Math, {{W|University of California, San Diego}}. October 4, 2022. * Our fossil fuel bonanza has left our ecosystem in a perilous state. We have destroyed vast forests and habitats, polluted water and soil, kicked off a rapid climate trend that natural systems may not adapt to quickly enough, and basically overrun the planet. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2022/12/finite-feeding-frenzy/ Finite Feeding Frenzy]." Do the Math (December 5, 2022). * …fossil fuels allowed us to drastically overshoot the natural carrying capacity of the planet, and that bill will come due when the underlying resource inevitably dwindles. Sometimes simple is simply right. ** Ibid. * The human explosion has accelerated across the millennia, most recently reaching a fever pitch owing to the employment of fossil fuels—leveraging stored solar energy about a million times faster than it was created. The ensuing access to minerals and ability to transform landscapes has rapidly and radically altered our world within just a few human generations. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2023/08/call-me-ishmael/ Call Me, Ishmael!]." Do the Math, August 1, 2023. * In 1800, every human on the planet had a corresponding 80 kg of mammal mass in the wild. Wildland mammals outweighed humans in an 80:50 ratio. Today, each human on the planet can only point to 2.5 kg of wild mammal mass as their “own.” Let that sink in. You only have 2.5 kg (less than 6 pounds) of wild mammal out there somewhere. A single pet cat or dog generally weighs more. Not that long ago, it was more than you could carry. Now, it seems like hardly anything! I especially fear the implications for mammals should global food distribution be severely crippled. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2023/08/ecological-cliff-edge/ Ecological Cliff Edge]." Do the Math, August 18, 2023. * As if the Enlightenment was not enough, in quick succession we joined another enormous river. One could say that the process of science opened the door to fossil fuels, but science and fossil fuels might be best described as a dynamic duo. Fossil fuels gave us the power to advance our science-amplified degree of control to an entirely new level. Resources that had been previously inaccessible became available. It became far easier to clear land for agriculture and other uses. We learned to make fertilizer from methane, unleashing unprecedented agricultural surpluses that inevitably resulted in a human population overshoot. Fossil-fueled furnaces led to steel, concrete, and other materials on a massive scale, paving the way to megacities and global trade. Science itself was amplified by having access to fossil fuels, via a flood of new devices and capabilities invented with—and powered by—cheap energy. Advances in science and technology in turn allowed greater access to buried fossil energy. This positive feedback arrangement facilitated runaway expansion of the [human] enterprise, leading to a battery of hockey stick curves. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2023/08/our-time-on-the-river/ Our Time on the River]". Do the Math, August 22, 2023. * Energy has been fundamental to our story of growth. The various hockey stick curves over the last century or so are a reflection of energy and population. What’s more, human population itself is a reflection of energy, as mechanized, fertilized agriculture was made possible by fossil fuels. Since energy per capita has also increased like a hockey stick, the ecological impact (and many other metrics like GDP) takes on the shape of a super-exponential (still resembling a hockey stick on a logarithmic plot). ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2023/09/can-modernity-last/ Can Modernity Last?]" Do the Math, September 26, 2023. * We have used [fossil fuels] to expand the human enterprise and population, knock down forests, destroy and fragment habitats, drive extinctions, and generally threaten the vitality of the planet. [But] “solving” the energy problem as fossil fuels give out is pretty frightening: how would it not simply perpetuate the ecological nosedive we have initiated? Only if we put ecological concerns above energy do we stand any chance of survival. ** Ibid. * I acknowledge that cancer is a class of disease, and no universal cure is likely to emerge. But feel free to substitute any longstanding cause of death. […] In a sense, it is death that makes life special and worthy of celebration. […] What would a successful cure look like? Human lifespans would increase. All other things being equal, a reduced death rate means more humans on the planet, putting additional pressures on the entire community of life and further threatening the vitality of the planet—including humans, to be clear. Moreover, access to the cure would almost certainly be more available to the affluent half, who are already heavy users of resources and thus cause outsized harm to the planet. So a cure to cancer would serve to boost ecological destruction, in practice. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2023/10/are-we-lucky/ Are We Lucky?]" Do the Math, October 3, 2023. * Truly, the end of modernity will probably be brutal for most of the 8 billion people on the planet, who will cling to what they know and fail to adapt. But even if they were mentally ready, the Earth is not ready to support 8 billion humans without a massive fossil subsidy, so human population will likely fall a lot in hard times. ** Thomas W. Murphy's self-comment on "[https://www.resilience.org/stories/2023-09-27/can-modernity-last/ Can Modernity Last?]". ''Resilience''. September 30, 2023. * Compared to biologically relevant timescales, the human explosion commenced just “yesterday” when grain agriculture began taking root... set[ting] the stage for planet-crushing present-day human populations in a time that is still contextually short. Each “improvement” like cities and technology only accelerated the rapidity of the unsustainable ascent. Mounting ecological damage was part and parcel of this expansionist story long before cars, planes, and smartphones arrived—like two sides of a coin. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2024/02/unsustainable-goose-chases/ Unsustainable Goose Chases]". ''Do the Math'', February 27, 2024. * Humans are voracious (big brains to feed and a lot of un-furry surface area to keep warm), and therefore are ecologically expensive. If the Earth tightens its belt, [one should]n’t assume that humans will fare well. We are summer children borne of “good” times, where “good” translates to “biodiverse.” Cleverness is no guarantee against starvation, as countless clever humans who have starved can’t tell [us]. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2024/04/post-modernity/ Post-Modernity]". ''Do the Math'', April 9, 2024. * [Our] success [in eliminating hunger and inequity] inevitably grows the population, scaling up the current tension... to planetary limits... [and] curing all diseases and achieving effective immortality would be ecologically disastrous! ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2024/05/whats-the-point/ What's the point?]" ''Do the Math'', May 14, 2024. * Since the current low levels of mortality go hand-in-hand with ecological devastation and a doomed modernity, their embrace is itself a problem… ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2024/05/watching-population-bomb/ Watching population bomb]". ''Do the Math'', May 28, 2024. * The Green Revolution transformed agriculture by inserting fossil fuels at every turn. Fertilizer came from natural gas. Diesel allowed large-scale mechanization of plowing, planting, harvesting, processing, and transporting large amounts of food. Petrochemical pesticides smote economically worthless (but ecologically invaluable) products of evolution into the foul dust. We fed a growing human population, now 8 billion strong. It boils down to a diet of fossil fuels: again, temporary. ** Thomas W. Murphy, ''Metastatic Modernity''. Episode 9: "[https://dothemath.ucsd.edu/2024/07/mm-9-recipe-for-disaster/#more-8348 Recipe for Disaster]". ''Do the Math'', July 30, 2024. * To those who resist the notion that increasing food production also means increasing human population, consider this. In 1950, the global population stood at about 2.5 billion people. The Green Revolution was about to explode into global agriculture, substantially increasing crop yields on the back of profligate fossil fuel inputs (for fertilizer, mechanization, energy for irrigation, transport, processing, etc.). Let’s say this tsunami of energy and technology had not arrived on the agricultural scene, and that moreover a global edict (“magically” followed) held annual food production at the 1950 level thereafter.<br>Would we have 8 billion people today? Impossible. We would still have 2.5 billion, correct? In 1950, the world produced enough food for 2.5 billion people, so that same amount of annual food would sustain 2.5 billion people today…or perhaps 2 billion taller, heavier people; or 3 billion people with more equitable, modest distribution and less waste. But you get the point: hold the food supply steady and you essentially hold the population below some cap. Inarguable. Those additional 5.5 billion people were made possible by a technological wave of food increase. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2025/06/food-makes-babies/ Food Makes Babies]." ''Do the Math'', June 10, 2025. * [Eight] billion humans are driving a sixth mass extinction, which leaves no room for even 10 humans if fully realized, let alone 10¹⁰. ** Thomas W. Murphy, “[https://dothemath.ucsd.edu/2025/09/8-billion-will-die/ 8 Billion Will Die],” ''Do the Math'' (September 23, 2025) *Maintaining 8 billion human people on Earth [without fossil fuels] is no more possible than invading space. It’s not an actual, realizable choice—beyond transitory and costly stunt demonstrations. **Ibid. === N === * How we live and consume matters just as much as the growing density of our numbers combined with the proliferation of our machines that devour energy on our behalf. (Roads and cell phones all consume energy and materials too.) All three demographic issues are increasing at unsustainable rates and feed each other to propel more economic growth, more emissions and more fragility. The world’s current population is 7.9 billion and grows by 80 million a year. It has slowed down in recent years because the affluent don’t need the energy of children as much as the poor. Even so civilization will add another billion to the planet every dozen years. Redistributing energy wealth (and emissions) from the rich to the poor will not avert disaster if human populations don’t overall decline. Our numbers also reflect a demographic anomaly that began with fossil fuels, a cheap energy source that served as Viagra for the species. Prior to our discovery of fossil fuels, the population of the planet never exceeded one billion. Our excessive numbers are purely a temporary artifact of cheap energy spending and all that it entails — everything from fertilizer to modern medicine. ** Andrew Nikiforuk, "[https://thetyee.ca/Analysis/2021/12/06/Andrew-Nikiforuk-Getting-Real-About-Our-Crises/ Getting Real about Our Crises]." ''The Tyee'', December 6, 2021. ===O=== * In recent decades, support for family planning has waned, and global fertility decline has decelerated as a result. Projections calibrated across the decades of strong family planning support have not acknowledged this change and are consequently underestimating global population growth. Scenarios used to model sustainable futures have used overly optimistic population projections while inferring these outcomes will happen without targeted measures to bring them about. Unless political will is rapidly restored for voluntary family planning programs, the global population will almost certainly exceed 10 billion, rendering sustainable food security and a safe climate unachievable. ** Jane N. O'Sullivan, "Demographic Delusions: World Population Growth Is Exceeding Most Projections and Jeopardising Scenarios for Sustainable Futures." ''World''. 2023. 4(3). 545-568. {{DOI|10.3390/world4030034}} === P === *Putting an end to the population explosion will not of itself save the ecosphere, but not ending it will add greatly to the dangers the planet faces. The environment can sustain a quality of life for just so many people. **[[Michael Parenti]], ''Blackshirts and Reds: Rational Fascism and the Overthrow of Communism. '' (1997), p. 155 *'''In what year will the human population grow too large for the Earth to sustain? The answer is about 1970''', according to research by the {{W|World Wildlife Fund}}. In 1970, the planet's 3 and a half billion people were {{W|Sustainable population|sustainable}}. But on this New Year's Day, the population is 8 billion. Today, wild plants and animals are running out of places to live. **[[Scott Pelley]], "[https://www.cbsnews.com/news/earth-mass-extinction-60-minutes-2023-01-01/ Scientists say planet in midst of sixth mass extinction, Earth's wildlife running out of places to live]" {{W|CBS News}}, January 1, 2023. * ... ''Homo sapiens'' have been around for about 200,000 years and we are struggling to provide 7 billion of us with sufficient food, clothing, and shelter to lead decent lives. There cannot be an economist on the planet who thinks Earth could support 7.168 trillion people. Human population growth cannot go on forever, no matter how optimistic economists might be. ** Gary Peters, "[https://ourfiniteworld.com/2011/06/13/should-we-take-united-nations’-projections-seriously/ Should We Take United Nations’ Projections Seriously?]" (June 13, 2011) *Human overpopulation, the ever-increasing power of our technology, and the demand of our omnicidal, neoliberal economic system of infinite growth on the basis of finite resources threaten the earth with total destruction. **{{W|Norm Phelps}}, quoted in ''The Politics of Total Liberation: Revolution for the 21st Century'' by [[Steven Best]], (2014), p. ix * Ever since Malthus, at least, it has been clear that means of subsistence do not grow as fast as population. No one has ever liked the idea that famine, plague, and war are nature's way of redressing the imbalance -- Malthus himself suggested that the operation of "preventive checks," which serve to reduce the birth rate, might help prolong the interval between such events. And in the two hundred years since Malthus sat down to pen his essay, there has been no worldwide cataclysm. But in the same two centuries world population has grown exponentially while irreplaceable resources were used up. Some kind of adjustment is inevitable. Today, many people who are concerned about overpopulation and environmental degradation believe that human actions can avert catastrophe. The prevailing view holds that a stable population that does not tax the environment's "carrying capacity" would be sustainable indefinitely, and that this state of equilibrium can be achieved through a combination of birth control, conservation, and reliance on "renewable" resources. Unfortunately, worldwide implementation of a rigorous program of birth control is politically impossible. Conservation is futile as long as population continues to rise. And no resources are truly renewable. ** David Price, "Energy and Human Evolution". ''From Population and Environment: A Journal of Interdisciplinary Studies'', Volume 16, Number 4, March 1995 * Around 8,000 BC, world population was something like five million. By the time of [the birth of Jesus] Christ, it was 200 to 300 million. By 1650, it was 500 million, and by 1800 it was one billion. The population of the world reached two billion by 1930. By the beginning of the '60s it was three billion; in 1975 it was four billion; and after only eleven more years it was five billion. This cannot go on forever; collapse is inevitable. The only question is when. ** Ibid. * People who believe that a stable population can live in balance with the productive capacity of the environment may see a slowdown in the growth of population and energy consumption as evidence of approaching equilibrium. But when one understands the process that has been responsible for population growth, it becomes clear that an end to growth is the beginning of collapse. Human population has grown exponentially by exhausting limited resources, like yeast in a vat or reindeer on St. Matthew Island, and is destined for a similar fate. ** Ibid. === R === * As human populations expand they necessarily appropriate ecological space required by other species. Human ‘competitive displacement’ of non-human organisms from their habitats and food sources is now the greatest contributing factor to {{W|Biodiversity loss|plunging biodiversity}}. Consider that with only 0.01 % of total Earthly {{W|Biomass (ecology)|biomass}}, H. sapiens’ expansion has eliminated 83 % of wild animal and 50 % of natural plant biomass. From a fraction of 1 % ten millennia ago, humans now constitute 36 %, and our domestic livestock another 60 %, of the planet’s much expanded mammalian biomass compared to only 4 % for all wild species combined. Similarly, domestic poultry now comprise 70 % of Earth’s remaining avian biomass. Meanwhile, commercial fishing depletes the oceans at the expense of rapidly declining marine mammals and birds. Seabirds are the most threatened bird group, with a 70 % community-level population decline between 1950 and 2010. ** {{W|William E. Rees}}, "[http://www.fraw.org.uk/data/limits/rees_2020.pdf Ecological economics for humanity’s plague phase]". ''{{W|Ecological Economics (journal)|Ecological Economics}}.'' (2020) * Population estimates are usually based on demographic data alone with no consideration of exogenous factors. This is unrealistic. For living organisms, the fact of their own existence ensures that no environment or habitat remains ideal for long. As the subject population expands, it will invariably use up any crucial resource in fixed supply. Even renewable resources can be depleted once the population goes into ‘overshoot’, a situation in which aggregate consumption exceeds food species’ recovery rates or waste accumulation exceeds natural assimilative capacity. The rise and fall of reindeer populations introduced to two previously unoccupied (by reindeer) Pribilof Islands in the early 20th century is a classic example. Collapse was attributed to overgrazed food sources (primarily lichen) abetted by the stress of exceptionally cold winter. ** William E. Rees, "[https://www.whp-journals.co.uk/JPS/article/view/653/486 The fractal biology of plague and the future of civilization]". ''The Journal of Population and Sustainability'' (2020) * ...for most of our species’ time on Earth—including most of the agricultural era—humanity’s natural propensity to expand has been held in check by negative feedback, e.g., food and other resource shortages, disease, and inter-group conflict. Circumstances changed with the scientific/industrial revolution, particularly the increasingly widespread use of fossil fuels. It took 200,000 – 350,000 years for human numbers to reach one billion early in the 19th Century, but only 200 years (as little as 1/1750th as much time!) to balloon another seven-fold by early in the 21st Century. Improvements in medicine, public sanitation, and population health contributed to this expansion, but coal, oil, and gas made it possible. Fossil fuels are the energetic means by which humans extract, transport, and transform the prodigious quantities of food and other material resources into the products needed to support our burgeoning billions. More than any other factor, fossil fuels enabled H. sapiens to eliminate or reduce normal negative feedbacks. Freed from historic constraints, our species was, at last, able to exhibit its full potential for geometric growth. ** Ibid. * Humanity is already far into ecological overshoot: we are learning the hard way that the ecosphere under stress is still immeasurably more complex than even the global human enterprise. It can generate a vastly larger arsenal of negative feedbacks in response to human excesses than any imaginable human control system can match. ** William Rees, "[https://reeswilliame.substack.com/p/variety-matters-more-than-you-think Variety Matters More Than You Think]," ''Substack'' (July 28, 2025) * Humans invade and populate all accessible favourable habitats; human populations use up all available resources; under favourable conditions, human populations are capable of exponential growth. […] The industrial/scientific revolution spawned technologies, particularly improvements in public sanitation and disease control, that greatly reduced death rates while fossil fuels alleviated food and resource shortages. With the suppression of negative factors, positive feedback prevailed; between the early 1800s and 2023, the human population exploded from one to eight billion. Meanwhile, what we now call ‘neoliberal economics’ began taking form in the late 1800s. In just two centuries, the human population grew eight times larger than the maximum attained over the previous 3000 centuries, and the world economy grew 100-fold in real terms! […] Overshoot may be a quasi-natural phenomenon, but it is also a potentially terminal condition. There are now about 80 cities in the world with populations in excess of five million—each has more people than existed on the entire planet at the dawn of agriculture 10,000 years ago. […] Life in higher-income countries just seemed to be getting better and better, at least in material terms. Little wonder that by the 1950s, MTI governments and international institutions everywhere were adopting the neoliberal vision of perpetual economic and population growth via continuous technological advance as the dominant development narrative of global culture.<br>There are, of course, significant problems—all this occurred on a finite, non-growing planet with serious history. With nurture-reinforcing-nature in propelling the expansionist juggernaut, the human enterprise surged into ecological overshoot; resource consumption and waste production are overwhelming the bio-productive and waste assimilation capacities of the ecosphere. This is not merely an aesthetic concern: the functional integrity of the ecosphere is essential for human existence. '''Overshoot may be a quasi-natural phenomenon, but it is also a potentially terminal condition.''' ** William Rees, "[https://substack.com/home/post/p-181832455 Why collapse is inevitable]," ''Substack'' (December 16, 2025) * The current human population is 14,000-fold larger than the average populations of other mammal species of similar body size! […] If humans were a typical mammal whose global population corresponded to the arithmetic mean (average) of populations of mammals of similar body size, there would be only 500,000 people on Earth! ** Ibid. * Almost all of today’s low-energy countries have a population density so great that it perpetuates dependence on intensive manual agriculture, which alone can yield barely enough food for their people. They do not have enough acreage, per capita, to justify using domestic animals or farm machinery, although better seeds, better soil management, and better hand tools could bring some improvement. A very large part of their working population must nevertheless remain on the land, and this limits the amount of surplus energy that can be produced. Most of these countries must choose between using this small energy surplus to raise their very low standard of living or [to] postpone present rewards for the sake of future gain by investing the surplus in new industries. The choice is difficult because there is no guarantee that today’s denial may not prove to have been in vain. This is so because of the rapidity with which public health measures have reduced mortality rates, resulting in population growth as high [as] or even higher than that of the high-energy nations. Theirs is a bitter choice; it accounts for much of their anti-Western feeling and may well portend a prolonged period of world instability. ** [[Hyman G. Rickover]], "Energy and Resources and Our Future" speech (May 14, 1957) * The doubling of life expectancy is largely down to medical advances. Without medical care, we’d probably be at a much lower population level. I can’t find projections, but given that even some fairly routine injuries and sicknesses would be life-threatening without medical intervention, one would expect a more pyramidal pyramid, and 2 billion people doesn’t seem unreasonable to me. This is also amplified by [there] being [fewer] people to innovate ideas like the green revolution, which [led] to higher populations.<br>In nature, population overshoot is usually remedied by a higher die-off rate, not a lower birth rate. But humans think that medical care and increased lifetimes are a sign of progress. Medical advances can even allow some who wouldn’t have been able to have children to have children, thus exacerbating overshoot. ** Mike Roberts, "[https://mikerobertsblog.wordpress.com/2024/08/09/what-can-antinatalism-achieve/ What Can Antinatalism Achieve?]" (August 9, 2024) * A lot of technologies have been utilised in storing food or growing more of it. And we know that increased access to food increases population size. The reverse is also true, of course, so we should expect [[population decline|population to fall]] as harvests come under stress from the effects of [[Global warming|climate change]]. ** Mike Roberts, "[https://mikerobertsblog.wordpress.com/2024/09/14/the-inevitability-of-our-predicament/ The Inevitability of Our Predicament]" (September 14, 2024) * Humans are a species, so they are no different in needing to reproduce to propagate their traits, which may eventually lead to what would be considered a new species, though that would likely take tens or hundreds of thousands of years. If our ancestors had considered the effects of what they were doing, why some prey species appeared to disappear, for example, then we wouldn’t be here, as we’d limit what we did, how we expanded, how we spread. Humans would, at best, have remained a very limited species, if it survived at all. But that is not the way life works. Clearly, we have followed the maximum power principle, since we’re a species, and so consume as much energy and resources as we can. In basic terms, a body needs food for energy and humans have figured out how to produce increasing quantities of food (at least in terms of calories) using agriculture, machines, artificial fertilisers and pesticides. This has enabled an explosion in population in a positive feedback loop (with higher population forecast, we figure out how to support that population, leading to more agriculture and higher yields, so we end up with a higher population). The huge success of agriculture and mechanisation, has lead to almost no human being involved in the production of the food that keeps us alive, so we’ve had to invent other ways to kill our time. We now have a huge variety of products and services to help us kill our time before we die. Some of it is pleasurable so we want to do more of it and invent new ways to live. All the time, killing more of the rest of life. But getting here was inevitable because we are a species and don’t have free will to counter those inbuilt drives. ** Mike Roberts, "[https://mikerobertsblog.wordpress.com/2024/10/03/a-retrospective-of-the-inevitable/ A Retrospective of the Inevitable]" (October 3, 2024) * As food makes babies perhaps the critical development was agriculture but then without fossil fuels, we could never have produced as much food as we do now, and deliver it across the world. But then, if we hadn’t started cooking food, we might not have been clever enough to figure out how to use fossil fuels to produce food. And without language, we could never have communicated complex ideas about agriculture, tool making and the use of fossil fuels. So we go round and round. ** Mike Roberts, "[https://mikerobertsblog.wordpress.com/2025/07/07/where-did-it-all-go-wrong/ Where Did It All Go Wrong?]" (July 7, 2025) * It is often said that humans are in overshoot. What does that mean? In simple terms, it means exceeding a limit. However, if a limit has been exceeded, then how is it a limit? People usually refer to overshoot as exceeding the carrying capacity of the planet. The ability for the planet to support the current population of humans. And yet here we are. Humans have apparently been in overshoot territory for a long time, but that hasn’t affected the numbers. Indeed, the population of humans continues to grow. ** Mike Roberts, "[https://mikerobertsblog.wordpress.com/2025/12/27/overshoot-or-undershoot/ Overshoot or Undershoot?]" (December 27, 2025) * We have well over 8 billion people on this planet. All ecosystems have been perturbed, and wildlife has been hugely depleted by over 70% in just the last half century. Deforestation continues apace at almost 5 million hectares per year. So, it’s impossible for all humans to live sustainably right now. If a few chose, and succeeded, to live sustainably, it would have no measurable effect on the planet. ** Mike Roberts, "[https://mikerobertsblog.wordpress.com/2026/01/25/would-anyone-want-to-live-sustainably/ Would Anyone Want to Live Sustainably?]" (January 25, 2026) === S === * It is apparently futile only to insist that the more back­ward countries restrict their birth rates. What is needed most of all is economic and technical assistance to these countries. This assistance must be of such scale and generosity that it is unlikely before the estrangement in the world and the egotistical, narrow-minded approach to relations between nations and races are eliminated. ** [[Andrei Sakharov]], ''Progress, Coexistence and Intellectual Freedom'', Chapter 5: "Hunger and Overpopulation (and the Psychology of Racism)" (1968) * Government policy, legislation on the family and marriage, and propaganda should not encourage an increase in the birth rates of advanced countries while demanding that it be curtailed in underdeveloped countries that are receiving assistance. Such a two-faced game would produce nothing but bitterness and nationalism. ** Ibid. * I want to emphasize that the question of regulating birth rates is highly complex and that any standardized, dogmatic solution "for all time and all peoples" would be wrong. ** Ibid. * ...increasingly, technology has come up against the law of unexpected consequences. Advances in health care have lengthened life spans, lowered infant-mortality rates, and, thus, aggravated the population problem. ** [[w:Tom Sancton|Thomas A. Sancton]], "What on Earth Are We Doing?" in ''[[w:Time (magazine)|Time]]'' (week ending January 2, 1989). * As human beings, with over 8 billion of us on planet Earth at present, we now find ourselves in a very analogous situation to both the early cyanobacteria from over 2 billion years ago and the yeast cells one would culture within a nutrient-rich broth in a petri dish. It isn’t that we’re in danger of transforming our planet into an uninhabitable hellscape, as nothing we’ve done or are in the process of doing is going to have a catastrophic effect of that magnitude. However, there are a number of ways that we’re polluting, destroying, or depleting our environment in ways that not only are non-renewable and unsustainable, but that are going to have negative downstream effects that impact future humans, hundreds and even thousands of years down the line, in ways that most of us aren’t prepared to fully reckon with.<br>And that’s unfortunate, because we should be prepared. After all, unlike yeast, cyanobacteria, or any other species that’s impacted its environment due to its collective, accumulated actions, we can not only detect and quantify the effects we’re having, but can choose to change our action at any time. ** Ethan Siegel, "[https://bigthink.com/starts-with-a-bang/humanity-yeast-cells/ Is humanity dumber than a colony of yeast cells?]." ''Big Think'' (March 8, 2023) * Erroneous belief about population growth has cost dearly. In poor countries, it has directed attention away from the factor that we now know is central in a country's economic development, its economic and political system. And in rich countries, misdirected attention to population growth and its... consequence of natural-resource shortages has caused waste through such programs as now-abandoned synthetic fuel programs, and the useless development of airplanes that would be appropriate for an age of greater scarcity. ** [[Julian Simon]], "[http://www.juliansimon.com/writings/Norton/NORTON02.txt Scarcity or Abundance? A Debate on the Environment]," on ''juliansimon.com'' * Adding more people causes problems, but people are also the means to solve these problems. The main fuel to speed our progress is our stock of knowledge, and the brake is our lack of imagination. The ultimate resource is people—skilled, spirited, and hopeful people who will exert their wills and imaginations for their own benefit, and inevitably they will benefit not only themselves but the rest of us as well. ** [[Julian Simon]], [http://www.juliansimon.com/writings/Ultimate_Resource/TCONCLUS.txt The Ultimate Resource] * In trying to solve the terrifying problems that face us in the world today, we naturally turn to the things we do best. We play from strength, and our strength is science and technology. To contain a population explosion, we look for better methods of birth control. Threatened by a nuclear holocaust, we build bigger deterrent forces and anti-ballistic missile systems. We try to stave off world famine with new foods and better ways of growing them. Improved sanitation and medicine will, we hope, control disease; better housing and transportation will solve the problems of the ghettos, and new ways of reducing or disposing of waste will stop the pollution of the environment. We can point to remarkable achievements in all these fields, and it is not surprising that we should try to extend them. But things grow steadily worse, and it is disheartening to find that technology itself is increasingly at fault. Sanitation and medicine have made the problems of population more acute, war has acquired a new horror with the invention of nuclear weapons, and the affluent pursuit of happiness is largely responsible for pollution. As Darlington has said, ‘Every new source from which man has increased his power on the earth has been used to diminish the prospects of his successors. All his progress has been at the expense of damage to his environment, which he cannot repair and could not foresee.’ **[[B. F. Skinner]], ''Beyond Freedom and Dignity'' (1971), Chapter 1: “A Technology of Behavior.” * Capitalist elites seeking to increase the size of their labour force used pro-natalist state policies to prevent women from practicing family planning. [...] We should not ignore the relationship between population growth and ecology, but we must not treat these as operating in a social and political vacuum. ** Dylan Sullivan and [[Jason Hickel]] (2023). "Capitalism and extreme poverty: A global analysis of real wages, human height, and mortality since the long 16th century". ''{{W|World Development (journal)|World Development}}''. Vol. 161. {{doi|10.1016/j.worlddev.2022.106026}} === T === * History upon Terra tells us what horrors follow upon religious mandates of unlimited reproduction. ** [[Sheri S. Tepper]], ''[[w:Grass (novel)|Grass]]'' (1989), Chapter 12 * Malthusian predictions that relentless population growth will outstrip food production and trigger starvation worldwide have recurred over the centuries. They have come and then gone as farmers have deployed new technologies to increase food output. Even now, enough food is being produced to adequately feed every person on the planet; the fact that nearly one billion people are nonetheless going hungry is a damning indictment of the world's food-distribution system. But since demand is growing, production will also have to increase in the years ahead. With the world's population expected to expand to more than nine billion by 2050 and much of that growth occurring in China, India, and other countries where living standards are rising fast, global food production will need to increase by 70-100 percent in order to keep pace and feed the already chronically hungry. This is a mighty challenge: all the more so because given current soil technology and environmental concerns, more food will have to be produced on roughly the same amount of arable land -- and with less water than is used now and at a time when both growing demand for biofuels and changing climate patterns are also putting pressure on production. Where will the needed rise in food supplies come from, and how quickly can the distribution problems be solved? ** Roger Thurow, "[https://www.foreignaffairs.com/articles/africa/2010-10-21/fertile-continent The Fertile Continent]". ''Foreign Affairs'' (October 21, 2010). * Given the Maoist position that a large population was a “resource”, rather than a burden, for the Communist state, it was politically incorrect to advocate population control [either by diet or medicine]. ** Christopher K. Tong, “The Paradox of China’s Sustainability,” ''Chinese Environmental Humanities'' (2019) * Supporting large families and unchecked growth (of which the greatest parameter is population increase) is a mantra which religion and authority have preached for thousands of years. Religions always need more clergy to reap donations from, and leaders more voters to turn into soldiers for their next war, or to make the gross (as opposed to per capita) GDP figures look good. We are being farmed, we have always been farmed for thousands of years by an economic system that prioritises cold hard profit figures over real prosperity. Competition fuels growth even more, as humans are extremely territorial. The problem with the existence of countries is that they speed up civilisational collapse. They all end up competing for economic and population growth, therefore significantly accelerating civilisational overshoot and collapse. ** George Tsakraklides, quoted in "[https://www.hawaii.edu/vice-versa/interview-tsakraklides-lewis-2-0/ Memories of the Future 2.0]." ''Vice-Versa'', University of Hawaii at Manoa (February 15, 2025) * Thanks to the discovery and exploitation of fossil fuels, humans (really just a small minority of them) are able to live richer lives today than even the queens and kings of yore could have dreamed of.<br>Furthermore, we’ve used some of those finite resources to increase food supplies and to expand the human population, which provides the economic system with both more workers and more consumers, a necessity to keep the economy growing under our current economic model. The world’s population increased from 1.6 billion in 1900 to 7 billion today, and we add about 80 million more each year. Humans have quickly become the most numerous megafauna on the planet. ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2012/01/09/the-faustian-bargain-that-modern-economists-never-mention/ The Faustian bargain that modern economists never mention]" (January 9, 2012) * Humans, because of their intelligence, have found ways to [temporarily] defeat survival of the fittest. As areas get overpopulated, humans have moved to areas where they have a better chance of survival. Humans have found ways to increase food supply, through the use of fertilizers, pesticides, irrigation, and refrigeration, all of which require fossil fuels. They have developed trade, so that so areas with shortfalls can benefit from surpluses elsewhere. Humans have developed a world financial system, which has helped enable worldwide trade. The financial system has also allowed investors to pay for goods after they are put into service, so that the cash flow resulting from an investment can be used (after the fact) to pay for the cost of the investment. This enables investment, and faster use of resources, including energy resources.<br>One of the reasons for continued upward population pressure is the fact that humans have evolved to live beyond their reproductive years. In their declining years, humans often need assistance, either from their offspring or from a public pension program, or both. Because of concern for their own old age, people without pensions tend to have enough children so that there is a significant chance that a child of the right sex will survive to adulthood. With improving medical care, this tends to lead to [an] ever-rising population. ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2012/08/17/humans-seem-to-need-external-energy/ Humans Seem to Need External Energy]" (August 17, 2012) * As long as the world’s population is rising, even in lesser developed countries, there is going to be a continuing need for more food, clothing and housing. This is an issue we don’t seem to be able even to talk about. It may offend people. ** Ibid. * The energy resource that we learned to develop this time is fossil fuels, starting with coal about 1800. '''World population was able to expand greatly because of additional food production permitted by fossil fuels and because of improvements in hygiene.''' A period of stagflation began in the 1970s, when we first encountered problems with US oil production and spiking oil prices. Now, the question is whether we are approaching the Crisis Stage as described by Turchin and Nefedov. ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2013/12/06/diminishing-returns-energy-return-on-energy-invested-and-collapse/ Diminishing Returns, Energy Return on Energy Investment and Collapse]" (December 6, 2013) * As energy supplies deplete, we will increasingly need to “choose our battles.” In the past, humans have been able to win many battles against nature. However, '''as energy per capita declines in the future, we will be able to win fewer and fewer of these battles against nature''', such as our current battle with COVID-19. At some point, we may simply need to let the chips fall where they may. '''The world economy seems unable to accommodate 7.8 billion people, and we will have no choice but to face this issue.''' ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2020/11/09/energy-is-the-economy-shrinkage-in-energy-supply-leads-to-conflict/ Energy is the economy; shrinkage in energy supply leads to conflict]" (November 9, 2020) * Many people believe that humans can have a sustainable future by using solar panels and wind turbines. Unfortunately, the only truly sustainable course, in terms of moving in cycles with nature, is interacting with the environment in a manner similar to the approach used by chimpanzees and baboons. Even this approach will eventually lead to new and different species predominating. Over a long period, such as 10 million years, we can expect the vast majority of species currently alive will become extinct, regardless of how well these species fit in with nature’s plan.<br>The key to the relative success of animals such as chimpanzees and baboons is living within a truly circular economy. Sunlight falling on trees provides the food they need. Waste products of their economy come back to the forest ecosystem as fertilizer.<br>Pre-humans lost the circular economy when they learned to control fire over one million years ago, when they were still hunter-gatherers. With the controlled use of fire, cooked food became possible, making it easier to chew and digest food. The human body adapted to the use of cooked food by reducing the size of the jaw and digestive tract and increasing the size of the brain. This adaptation made pre-humans truly different from other animals.<br>With the use of fire, pre-humans had many powers. They spent less time chewing, so they could spend more time making tools. They could burn down entire forests, if they so chose, to provide a better environment for the desired types of wild plants to grow. They could use the heat from fire to move to colder environments than the one to which they were originally adapted, thus allowing a greater total population.<br>Once pre-humans could outcompete other species, the big problem became diminishing returns. For example, once the largest beasts were killed off, only smaller beasts were available to eat. The amount of effort required to kill these smaller beasts was not proportionately less, however. ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2020/12/02/humans-left-sustainability-behind-as-hunter-gatherers/ Humans Left Sustainability Behind as Hunter-Gatherers]" (December 12, 2020) * … the problem the world is facing today is like one that smaller economies have faced, over and over, in the past: '''The population has become too large for the economy’s resource base''', which now includes fossil fuels. Today’s leaders reframe the problem as voluntarily moving away from fossil fuels to prevent climate change in order to make the situation sound less frightening. ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2023/12/15/ten-things-that-change-without-fossil-fuels/ Ten things that change without fossil fuels]" (December 15, 2023) * We are dealing with an age-old problem: Humans are able to outsmart other animals, and for this reason, human populations tend to rise except when external conditions are quite adverse. ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2024/03/17/advanced-economies-will-be-especially-hurt-by-energy-limits/ Advanced Economies Will Be Especially Hurt by Energy Limits]" (March 17, 2024) * History shows a repeated pattern of overshoot and collapse. A population would grow until the carrying capacity of the local area was reached. Food surpluses would become lower and lower, so less food could be saved up for fluctuations in rainfall and temperature. Eventually, civilizations would succumb to one or another problem: disease, attack by a neighboring group, climate fluctuations, or governments overthrown by unhappy citizens. We tell ourselves that overshoot and collapse cannot happen now, but human population is high relative to fossil fuel resources, and intermittent wind and solar are not working out well as substitutes. ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2024/07/22/how-does-the-economy-really-work/ How Does the Economy Really Work?]" (July 22, 2024) * Humans are smarter than other animals, allowing the population of humans to grow, while the population of many other species tends to fall. […] The large rise in the population of the less advanced economies contributes to the huge number of immigrants wanting new homes in higher-income countries. […] The issue is that available resources do not rise fast enough (in the area, or with the technology available) to provide enough physical goods and services for the population. If a new approach can be developed, or a neighboring area with additional resources can be conquered, [the] population can start to grow again. […] Outgrowing our resource base is not a phenomenon that began with fossil fuels. […] In 1796, when [the] world population was about one billion, Robert Thomas Malthus wrote about population growing faster than food production. This was before fossil fuels were widely used. Now, about 230 years later, [the] population has risen to eight billion, thanks to the availability of fossil fuels. We need major innovations, or additional energy resource types, if we want to work around obstacles now. ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2025/10/06/what-has-gone-wrong-with-the-economy-can-it-be-fixed/ What Has Gone Wrong with the Economy? Can It Be Fixed?]" (October 6, 2025) === V === * The hard fact is that in an age of climate breakdown, human numbers matter. And the ecological impact of another 2-3 billion humans will be immense. ** John Vidal, [https://www.theguardian.com/commentisfree/2022/nov/15/population-8-billion-climate It should not be controversial to say a population of 8 billion will have a grave impact on the climate]. ''The Guardian'', November 15, 2022. * We must look at the whole man, and at his whole environment. Above all, we must realize that every grain of rice he puts into his mouth, every bit of potato, every piece of meat, and every kernel of corn, must be replaced by another bit from the earth—somewhere. We must realize that not only does every area have a limited carrying capacity—but also that this carrying capacity is shrinking and the demand growing. Until this understanding becomes an intrinsic part of our thinking and wields a powerful influence on our formation of national and international policies we are scarcely likely to see in what direction our destiny lies. ** William Vogt, ''Road to Survival'' (1948), Chapter 4: "Industrial Man: the Great Illusion." === W === *[There's] too many people making too much muck and too much noise with too little space to do it in. ** [[Keith Waterhouse]], "End of the Rainbow", <em>Daily Mirror</em> (August 17, 1970), republished in <em>Mondays, Thursdays</em> (1976) * Today, escalating human populations have vastly exceeded global carrying capacity and now produce massive quantities of solid, liquid, and gaseous waste. Biological diversity is being threatened by over-exploitation, toxic pollution, agricultural mono-culture, invasive species, competition, habitat destruction, urban sprawl, oceanic acidification, ozone depletion, global warming, and climate change. It’s a runaway train of ecological calamities. ** [[Paul Watson]], ''[https://web.archive.org/web/20070509003646/https://seashepherd.org/editorials/editorial_070504_1.html The Beginning of the End for Life as We Know it on Planet Earth? There is a Biocentric Solution.]'' Commentary by Paul Watson, Founder and President of {{W|Sea Shepherd Conservation Society}} *''Homo sapiens''’ appetite is gargantuan. As we strive to get at dwindling resources for ever more people, we dig deeper into the Earth, blow the tops of mountains, divert rivers, cut down forests and pave over swaths of land. We fill the land, water, and air with our pollution. We’re driving record numbers of species to extinction and decimating others with activities from chemical poisoning to hunting for bushmeat, or simply by taking over their habitat.<br>Greenhouse gases from our industry are changing the Earth’s climate, with such dangerous consequences as ocean acidification, rising sea levels and flooding, changes in rainfall patterns including in vital “breadbaskets,” and loss of forest cover.<br>While the word “sustainable” has become popular, growing human numbers and activities are anything but. Increasing awareness of our impact has led to developments in renewable energy, recycling, earth-friendly farming and more. There have also been spectacular advances in family planning. But powerful—notably religious—opposition has kept governments and international bodies from actively promoting small families and prevented hundreds of millions of women who would plan their families from having access to modern methods.<br>Those who deny that overpopulation is a problem say the poor don’t consume much. Yet the poor want nothing more than to consume more, as proved by India and China. Who can blame them? And a burgeoning number of desperately poor people does have a major impact: they cut down forests to [[agriculture|grow food]], drain rivers, deplete aquifers, and overfish and over-hunt in their local area. But make these points and you’ll be accused of blaming the poor for the problems of the rich.<br>We seem bound to learn the hard way that there really is a limit to how many people the Earth can support.<br>We wish it weren’t so, but it really is starting to look as if Malthus was right. ** Madeline Weld, "[https://montrealgazette.com/opinion/columnists/opinion-sadly-malthus-was-right-now-what Sadly, Malthus was right. Now what?]" in the ''{{W|The Gazette (Montreal)|Montreal Gazette}}'' (February 14, 2016) * ...the gains of low infant and maternal mortality and rises in population longevity—brought about in great part by harnessing fossil fuels, the agricultural revolution, modernization, and disease and injury reduction efforts—in many instances impedes rather than facilitates moving toward sustainable living. It can be argued from the ecological perspective that most public health efforts, as humanitarian as they are by intention and immediate effect, through accelerating population pressures on the environment are paradoxically hastening the destruction of the earth's habitat on which the next generation of humanity depends. It raises the concern that our perceived gains may be only illusory and temporary, with huge but unmeasured and unlinked environmental costs that will eventually lead to shorter lives of misery for our descendants. ** Harold B. Weiss, [https://www.ncbi.nlm.nih.gov/pmc/articles/PMC2602943/ "Overshoot"] in ''Public Health Reports'' (January-February 2009). * In the past, when one civilization collapsed, others evolved to replace it. Today the world-wide agroindustrial complex is making unprecedented demands on the whole earth’s biological ecostructure. After a brief half-century in which factory farming enlarged the meagre diet of the poor (though not for all, nor always to their benefit), the multinational food industry has become a primary impetus towards overpopulation, obesity, pollution, and global warming. Policies and practices whose effects were once circumscribed are now a threat to human survival. ** John Whiting, "[https://www.whitings-writings.com/eating_the_earth.htm Eating the Earth]." Oxford Symposium on Food and Cookery (September 9, 2007) * Agriculture, by overcoming the limitations inherent in the closed system of hunting/gathering, made possible the open-ended expansion of both the population and the means of feeding it. Once it had been adopted, there was no turning back. The more that a civilization farmed, the more it needed extra hands, and so large families were deliberately procreated, which in turn produced still more mouths to feed. Colin Tudge calls it a vicious spiral, Ronald Wright a progress trap. ** Ibid. * Nature’s modus operandi is to kill off the weakest, leaving only the strongest and most biologically versatile to reproduce. But for ''homo sapiens'', nature is not a force to be accommodated, but an opponent to be grappled with, and so ‘farming for money’ was joined by ‘medicine for money’. On top of the lucrative agroindustry which accellerates the population explosion, we have set up an equally profitable ‘health’ industry whose job it is to keep alive those whose bodies rebel at what they are so unhealthily force-fed.<br>The result is an expanding segment of the population who, along with accellerating obesity, suffer from various diseases of malnutrition, together with allergies and intolerances to a growing list of foodstuffs that are increasingly difficult to avoid. In the end, humanity may consist of a remnant of survivors who spend their brief unhappy lives closeted against the encroaching poisons which their ancestors had so profitably created. Instant death by peanut may prove to have been a warning blip on the radar screen. ** Ibid. * Today the threat lies in the sheer scale of our greed and our technological ineptitude. We’re driving entire countries over cliffs. We are destroying the delicate ecological balance which a [sic] brief interlude of stable climate has allowed us. We make pious noises about the disappearing terrestrial species while largely ignoring the invisible havoc we’re bringing about in the earth’s oceans, the source and sustenance of life on the land. ** John Whiting, June 2015 appendix to "Eating the Earth" * The raging monster upon the land is population growth. In its presence, sustainability is but a fragile theoretical construct. To say, as many do, that the difficulties of nations are not due to people but to poor ideology or land-use management is sophistic. If Bangladesh had 10 million inhabitants instead of 115 million [as of this writing], its impoverished people could live on prosperous farms away from the dangerous floodplains midst a natural and stable upland environment. It is also sophistic to point to the Netherlands and Japan, as many commentators incredibly still do, as models of densely populated but prosperous societies. Both are highly specialized industrial nations dependent on massive imports of natural resources from the rest of the world. If all nations held the same number of people per square kilometer, they would converge in quality of life to Bangladesh rather than to the Netherlands and Japan, and their irreplaceable natural resources would soon join the seven wonders of the world as scattered vestiges of an ancient [sic] history. ** [[E. O. Wilson]], ''The Diversity of Life'' (1992) * The pattern of human population growth in the 20th century was more bacterial than primate. When ''Homo sapiens'' passed the six billion mark we had already exceeded by perhaps as much as 100 times the [[w:Biomass (ecology)|biomass]] of any large animal species that had ever existed on the land. We and the rest of life cannot afford another one hundred years like that. ** [[E. O. Wilson]], quoted in ''Life on the Brink: Environmentalists Confront Overpopulation''. University of Georgia Press (2012), p. 83 * If we fail to limit our numbers and our impact, if we do not replace our goldrush economics with a rational sharing of what the earth can yield, this new century will not grow very old before we enter an age of chaos and collapse that will dwarf all dark ages in our past. **{{W|Ronald Wright}}, "Civilization is a pyramid scheme", ''The Globe and Mail'' (August 5, 2000). * So among the things we need to know about ourselves is that the Upper Palaeolithic period, which may well have begun in genocide, ended with an all-you-can-kill wildlife barbecue. The perfection of hunting spelled the end of hunting as a way of life. Easy meat meant more babies. More babies meant more hunters. More hunters, sooner or later, meant less game. Most of the great human migrations across the world at this time must have been driven by want, as we bankrupted the land with our moveable feasts. ** Ronald Wright, ''A Short History of Progress'' (2004), Chapter II: "The Great Experiment." === Z === * What determines population growth? What has been the cause of the unprecedented growth in world population in our recent history? Many socio-economic reasons are given as explanations: medical advances, improvements in public health, sanitation and hygiene, increased food availability and agricultural productivity, extension of cultivation, and development of trade and transportation. Surprisingly, high quality energy sources are rarely mentioned or quickly discounted. Yet an argument can be made that each of the above factors contributing to population growth is aided and influenced by high quality energy supplies. Cheap and abundant fossil fuels have been a necessary precondition for the past century’s population growth. And while not all countries benefit directly from the consumption of high quality energy supplies, most countries benefit from the impact of high energy societies on low energy societies. What if energy consumption, or more precisely, energy resource availability, somehow determines population growth? Perhaps energy resources determine the Earth’s ''carrying capacity,'' or how many people the Earth can support? Perhaps different energy resources have different effects on population growth? If we hypothesize that the Earth’s population is ultimately determined by availability of energy resources, and if some of those energy resources are at or near their peak rates of production, then that may affect rates of population growth. If the correlation is strong enough, the number of people the Earth can support may also be at or near its peak. Therefore the number of people in 2050 may be very different from widespread United Nations (UN) forecasts. Growing populations consume more energy. Availability of energy allows populations to grow. Energy consumption exerts demands on energy resources making them scarcer. They become harder to extract. Nearby forests are depleted, coal mines must dig deeper, oil has to be drilled in more complex environments. In other words, energy resource extraction experiences declining marginal returns. This has led to the exploitation of new energy sources, which in turn expands the Earth’s ''carrying capacity''. Then populations grow once more. **Graham Zabel, "[https://www.resilience.org/stories/2009-04-20/peak-people-interrelationship-between-population-growth-and-energy-resources/#_Toc227469800 Peak People: The Interrelationship between Population Growth and Energy Resources]" in ''Energy Bulletin'' (April 20, 2009) * Mature populations tend to reach equilibrium – the carrying capacity – and then fluctuate around this equilibrium. If a population outgrows its carrying capacity, regulating factors come into play, such as famine, or emigration. If a population is below its carrying capacity, birth rates tend to increase, so the population grows. The common assumption is that carrying capacity is determined by the availability of food, water and land. While availability of food and water are important factors in determining the carrying capacity of populations, they cannot explain the unprecedented increases in population that have occurred in the last several hundred years. The availability of land has always been a factor in increasing carrying capacity. In the historic past, the Earth’s carrying capacity could be increased by expanding into sparsely occupied, or frontier, lands. In a fictitious future, carrying capacity could be increased by expanding outward to other planets or solar systems. At present, there is very little unoccupied, habitable land remaining on this Earth and no nearby habitable planets to release the pressure of population growth, so any increase in carrying capacity must be a result of other factors. **Ibid. * At present the world’s population is growing rapidly. The planet could not support the six billion plus people that exist today without first the commercialisation of coal, then of oil and, more recently, gas. These energy sources have been necessary for the unprecedented population growth that has occurred over the last three hundred years. It is reasonable to assume that unless current energy resource production is increased and new resources are exploited, the population will no longer grow. And if energy resources decline (e.g. a peak in production is reached), then we may see a decline in population. ** Ibid. * Roughly 10,000 years ago, increasing population pressure on wild food resources led to a shift from food gathering (hunter-gatherers) to food production (agriculturists) in several parts of the world. This led to demand-induced technologies and demand-induced searches for higher quality energy sources, such as water power for flow irrigation, animal draft power, iron tools, and fire for land clearing and for improvement of hunting and pastoralism. Population pressures in many parts of Europe in the seventeenth and eighteenth centuries led to serious shortages of wood which in turn led to many of the technological innovations that fuelled the [[Industrial Revolution]]. Coal’s replacement of wood as the most important source of energy in Western Europe is a classic example of demand-induced innovation…promoted by population pressures on forested land in Western and Central Europe. From the end of [[World War II]], coal’s premier importance as an energy source declined sharply and was replaced by crude oil. Far offshore drilling of oil began in 1947 off the coast of Louisiana. One year later, the world’s largest oil field, al-Ghawar in Saudi Arabia, was drilled. Large new discoveries of oil and gas in Africa and Asia combined with the development of oil super tankers and pipeline networks reduced the price of oil and gas at a time when the costs of producing coal were continuing to rise. Diesel locomotives represented a major substitution of oil for coal. The post World War II era also saw large increases in automobile ownership, the beginnings of highway and motorway road transportation networks and the first passenger jet aircraft –all benefiting from and encouraging consumption of cheap oil supplies. These increases in the consumption of crude oil have coincided with the highest population growth in history. After the depressed population growth during World War II, growth rose quickly to a peak of 2.2% in 1964, the highest rate the world has ever known. (''Per capita'' oil consumption peaked shortly thereafter, in the 1970s). Although population continues to rise, population growth has been declining since then. If there is a relationship between energy consumption and population growth, the different types of energy consumed may have different effects. If biomass is the only energy source, populations will not grow very fast. In such organically based economies, the problem of expanding raw material supply, and especially the related problems associated with the very modest energy supply maxima…must curb growth with increasing severity as expansion takes place. The emergence of coal as an energy source eliminated the carrying capacity limits to population growth that any traditional and biomass energy based culture would eventually face. Similarly, the predominance of oil after the middle part of the twentieth century raised the carrying capacity even further. ** Ibid. * According to the IEA [International Energy Agency], 1.6 billion people live without electricity. Much of Africa and Asia still rely on biomass as their primary source of energy, yet have very high population growth rates. '''How can there be a correlation between energy and population in these instances? While many developing world countries remain low energy societies, they, and their population growth rates, are impacted by high energy societies. Their primary energy sources may still be traditional biomass, but their population growth is due in large part to abundant oil and gas supplies.''' Vaccines and antibiotics that reduce third world mortality are discovered, produced and distributed with first world energy, and oil contributes at every step. Fertilisers, pesticides and herbicides that aided the Green Revolution in much of the developing world could not have been produced without large oil and gas inputs. The aeroplanes, boats and trains that deliver and distribute food all run on oil. '''While the commercialisation of higher quality energy sources may be very unevenly distributed, the societies that adopt new energy sources, high energy societies, have a profound impact on those societies that remain low energy societies, and these impacted populations then become part of Coal, Oil or Natural Gas Populations.''' ** Ibid. *Just 11,000 years ago, there were only roughly 5 million humans who lived on the planet Earth. The initial population growth was slow, due largely to the way humans were living—by hunting. Such lifestyle limited the size of family for practical reasons. A woman on the move cannot carry more than one infant along with her household baggage. When simple birth control means-often abstention from sex failed, a woman may elect abortion or, more commonly, infanticide to limit the family size. Further, a high mortality among the very young, the old, the ill and the disabled acted as a natural resistance to a rapid population growth. Thus it took over one million years for human population to reach the one billion mark. But the second billion was added in about 100 years, the third billion in 50 years, the fourth in 15 years, and the fifth in 12 years. Ever since humans became sedentary, some limits over the family size were lifted. With the development of agriculture, children may have become more of an asset to their families in helping with farming and other chores. By the beginning of the Christian era, human population grew to about 130 million, distributed all over the Earth. By 1650, the world population had reached 500 million. The process of industrialization had begun, bringing about profound changes over the lives of humans and their interactions with the natural world. With improved living standard, lowered death rate and prolonged life expectancy, human population grew exponentially. By 1999 there were about 6 billion people, comparing with 2.5 billion in 1950. The world population is well on its way to 7 billion with an annual growth rate of over 90 million. **Ming Zheng, “[https://www.gordon.edu/download/pages/Salem%20010731-Human%20Population%20Growth.pdf Human Population Growth]”. {{W|Gordon College (Massachusetts)|Gordon College}} (July 31, 2001) == See also == * [[Biodiversity]] * [[Climate change]] * [[Exponential growth]] * [[Fossil fuel]] * [[Global warming]] * [[Population decline]] * [[Sustainable development]] * [[Sustainability]] ==Further reading== *Smil, Vaclav. "[https://ia800709.us.archive.org/16/items/detonator-of-the-population-explosion/Detonator%20of%20the%20population%20explosion.pdf Detonator of the population explosion]." Nature 400.6743 (1999): 415-415. *Feeney, John. "[https://ia801807.us.archive.org/18/items/agriculture-ending-the-world-as-we-know-it/Agriculture_Ending_the_world_as_we_know_it.pdf AGRICULTURE: Ending the World as We Know It]." Zephyr, August—September (2010). ==External links== {{উইকিপিডিয়া|Human overpopulation}} {{উইকিঅভিধান|overpopulation}} *[https://population.org.au/about-population/global-population Quotes on Human Over-Population and Related Subjects], ''Sustainable Population Australia'' *{{ওয়েব উদ্ধৃতি|url=https://www.populationmedia.org/2014/02/11/morgan-freeman-speaks-out-on-population/|title=Morgan Freeman on the 'tyranny of agriculture' and the doomed human race|date=11 February 2014|publisher=Ecorazzi}} *[https://www.theguardian.com/global-development-professionals-network/gallery/2015/apr/01/over-population-over-consumption-in-pictures Overpopulation, overconsumption – in pictures]. ''{{W|The Guardian}}'' April 1, 2015. *{{ওয়েব উদ্ধৃতি|url=http://www.panearth.org/WVPI/Papers/FoodPopulationSummary.pdf|title=A Summary of Human Population Dynamics|work=Russell Hopfenberg|publisher=Pan Earth}} [[বিষয়শ্রেণী:জীববিজ্ঞান]] [[বিষয়শ্রেণী:সমাজতত্ত্ব]] [[Category:Sustainability]] 666ewoi453pvt65axg2q7duta5kc0hg 79851 79850 2026-04-22T23:48:05Z ARI 356 অনুবাদ 79851 wikitext text/x-wiki [[File:Annual-World-Population-since-10-thousand-BCE-1-768x724.png|thumb|বিশ্বের জনসংখ্যা এবং সেই সাথে খ্রিস্টপূর্ব ১০,০০০ থেকে ২০৫৮ সাল পর্যন্ত জনসংখ্যার একটি সম্ভাব্য প্রক্ষেপণ বা আগাম অনুমান]] [[File:World Population and Projections by Medium Fertility and Continent or Country 1950 - 2100.png|thumb|মাঝারি প্রজনন হারের ওপর ভিত্তি করে ১৯৫০ থেকে ২১০০ সাল পর্যন্ত বিশ্বের মোট জনসংখ্যা এবং বিভিন্ন মহাদেশ ও দেশভিত্তিক জনসংখ্যার একটি প্রক্ষেপণ]] [[File:Distribution-of-earths-mammals.png|thumb|পৃথিবীর বুকে বর্তমানে বিদ্যমান সমস্ত স্তন্যপায়ী প্রাণীর মোট ওজনের ৯৬ শতাংশই দখল করে আছে মানুষ এবং তাদের লালন-পালন করা গবাদি পশু; যেখানে বন্য স্তন্যপায়ী প্রাণীর পরিমাণ হলো মাত্র ৪ শতাংশ।]] [[File:Time for the world population to increase by one billion 1805 – 2086.png|thumb|১৮০৫ সাল থেকে ২০৮৬ সাল পর্যন্ত বিশ্বের মোট জনসংখ্যা প্রতি ১০০ কোটি বা এক বিলিয়ন করে বৃদ্ধি পেতে ঠিক কতটা সময়ের প্রয়োজন হয়েছে তার একটি তুলনামূলক চিত্র]] '''অতিপ্রজতা''' হলো এমন একটি বিশেষ প্রাকৃতিক পরিস্থিতি বা অবস্থা যেখানে কোনো একটি নির্দিষ্ট ভৌগোলিক অঞ্চলে বসবাসকারী কোনো বিশেষ প্রজাতির জীবের মোট সংখ্যা সেই নির্দিষ্ট পরিবেশ বা বাসস্থানের স্বাভাবিক ধারণক্ষমতাকে পুরোপুরিভাবে ছাড়িয়ে যায়। == Quotes == === A === * We’ve just welcomed the 8 billionth member of the human race on this planet. That’s a wonderful birth of a baby, of course. '''But we need to understand that the more people there are, the more we put the Earth under heavy pressure.''' As far as biodiversity is concerned, we are at war with nature. We need to make peace with nature. Because nature is what sustains everything on Earth … the science is unequivocal. **{{W|Inger Andersen (environmentalist)|Inger Andersen}}, the executive director of the UN environment programme, quoted in [https://www.theguardian.com/environment/2022/dec/06/cop-15-un-chief-biodiversity-apocalypse 'We are at war with nature': UN environment chief warns of biodiversity apocalypse]. ''The Guardian'', December 6, 2022. *'''Babies are the enemies of the human race'''... Let's consider it this way: by the time the world doubles its population, the amount of energy we will be using will be increased sevenfold which means probably the amount of pollution that we are producing will also be increased sevenfold. If we are now threatened by pollution at the present rate, how will we be threatened with sevenfold pollution… distributed among twice the population? We'll be having to grow twice the food out of soil that is being poisoned at seven times the rate. ** [[আইজাক আসিমভ]] (1969) in an interview with Boston magazine. Partly cited in Ellen Peck (1976). ''The baby trap,'' p. 17 * It's going to destroy it all. I use what I call my bathroom metaphor. If two people live in an apartment, and there are two bathrooms, then both have what I call freedom of the bathroom, go to the bathroom any time you want, and stay as long as you want to for whatever you need. And this to my way is ideal. And everyone believes in the freedom of the bathroom. It should be right there in the Constitution. But if you have 20 people in the apartment and two bathrooms, no matter how much every person believes in freedom of the bathroom, there is no such thing. You have to set up, you have to set up times for each person, you have to bang at the door, aren't you through yet, and so on. And in the same way, '''democracy cannot survive overpopulation. Human dignity cannot survive it. Convenience and decency cannot survive it.''' As you put more and more people onto the world, the value of life not only declines, but it disappears. It doesn't matter if someone dies. ** [[আইজাক আসিমভ]] (1988) in interview by [[Bill Moyers]] on ''Bill Moyers' World Of Ideas'' (17 October 1988); [http://www.pbs.org/moyers/faithandreason/print/pdfs/woi%20asimov1.pdf transcript] (page 6) - [http://www.pbs.org/moyers/faithandreason/media_players/asimovwoi_audio.html audio (20:12)] ** Comment in response to this question by [[w:Bill Moyers|Bill Moyers]]: What do you see happening to the idea of [[মর্যাদা]] to human species if this population growth continues at its present rate? * We are a plague on the Earth. It’s coming home to roost over the next 50 years or so. It’s not just climate change; it’s sheer space, places to grow food for this enormous horde. Either we limit our population growth, or the natural world will do it for us, and the natural world is doing it for us right now. ** [[David Attenborough]], "[https://www.telegraph.co.uk/news/earth/earthnews/9815862/Humans-are-plague-on-Earth-Attenborough.html Humans are plague on Earth]". ''The Daily Telegraph'', January 22, 2013. === B === *The success of modern medicine is today so great, that millions of people are kept alive - if not cured - who in earlier days, and with less scientific aptitude, would normally have died. In this developed skill and knowledge, and in this aptitude in the care of the physical mechanism, is today to be found a major world problem - the problem of overpopulation of the planet, leading to the herd life of humanity and the consequent economic problem - to mention only one of the incidental difficulties of this success. This "unnatural" preservation of life is the cause of much suffering, and is a fruitful source of war, being contrary to the karmic intent of the planetary Logos.<BR>With this vast problem, I cannot here deal. I can only indicate it. It will be solved when the fear of [[মৃত্যু]] disappears, and when humanity learns the significance of time and the meaning of the cycles. **[[Alice Bailey]], ''A Treatise on the Seven Rays: Volume 4: Esoteric Healing'', p. 278 (1953). ISBN 978-0-85330-121-9. * '''As we slide seamlessly from 7 billion to 8 billion humans, each generation more powerful, polluting, and destructive than the previous, I have to wonder whether one century is too much time to allow a “natural” progression into negative population growth, or whether the biodiversity damage a century like this one will inflict could be incalculable and irreversible, if not terminal for us.''' Think about the honey bees and hummingbirds. Think about the sudden absence of insects we are seeing all over the world, and how that soon may affect populations farther up or down the food chain. Now, Mr. Biotech Billionaire, are you serious about populating the world with thousands or millions of bicentiniarians [sic] and tricentinarians [sic]? ** {{W|Albert Bates}}, "[https://medium.com/the-shadow/the-great-pause-week-61-swallow-the-doctor-8cbf077f6e13 Swallow the Doctor]". ''Medium'' (May 16, 2021) * Whereas the unconscious operations and blind forces of the planet have provoked turbulent changes over the last 4.5 billion years of earth’s evolutionary history, now change is being directed by a conscious and volitional agent – "humanity." We cannot speak of humanity equally, to be sure, as the problem was caused by the industrialized capitalist West and the poorer nations who contributed least to climate crisis will be hit the hardest. '''But nations such as China, India, and Brazil are major contributors, and the cumulative impact of 7.5 billion people on the planet is causing extinction and collapse everywhere.''' The stability of the Holocene is now gone, changes are accelerating beyond our understanding and control, and chaos waits at our door. ** [[Steven Best]], [https://drstevebest.wordpress.com/2019/12/03/total-liberation-in-the-age-of-the-anthropocene-and-climate-emergency/ Total Liberation in the Age of the Anthropocene and Climate Emergency] (December 3, 2019) * The geometric growth rate of humans is unprecedented and never in the history of the earth has a single species grown to such bloated proportions, completely out of balance with living systems. The problem is only worsening. On conservative estimates, the human population is expected to swell upwards to 8–10 billion by 2050, and perhaps expand significantly by 2100. Human population growth represents a crisis of the highest order, but of course, it is only one aspect of multiple crises -- including species extinction and climate change -- merging together in a perfect storm of catastrophe that forms the daunting challenges facing humanity in the [[Anthropocene]]. ** Steven Best, "[https://www.all-creatures.org/lifestyle/img/failed-species.pdf Failed Species: The Rise and Fall of the Human Empire]". ''Romanian Journal of Artistic Creativity''. 9 (2). (2021). * Currently, the operation of our present industrial civilization is almost wholly dependent on access to huge amounts of fossil fuels. It is important to understand that fossil fuels, especially oil, are not simply used to manufacture and propel passenger automobiles or trucks. They also facilitate the mass assembly of tractors, plows, irrigation pipes, and pumps and then turn around and power them also. They constitute the chemical base of many crucial fertilizers and pesticides. They are also the building blocks of agricultural plastics. They refrigerate perishables. In short, the modern industrial agriculture system could not function without copious amounts of fossil fuel. In the absence of fossil fuel-based industrial agriculture, world food production would plummet to a scale completely inadequate to sustain our current population size, let alone the net addition of over 80 million more people each year. The other side of the coin is that '''when humans co-opt the extraordinary power found in fossil fuels, we become “overpowered” – and that is how we are over-powering the Earth’s biosphere.''' We cannot destroy rainforests at the rate of several football fields per minute, trawl the deep oceans, attempt mass-scale aqua-culture, fragment habitat with asphalt roads, or construct miles and miles of urban sprawl without the power of fossil fuels. In summary, fossil fuels underwritten both our population size and growth and our discretionary (over)consumption. ** Joseph J. Bish, "[https://www.populationmedia.org/the-latest/interrelationships-human-population-fossil-fuels-and-technology Interrelationships: Human Population, Fossil Fuels, And Technology]." {{W|Population Media Center}} (October 15, 2021) * In my opinion, you have out-of-control population growth, and you have fewer and fewer [resources]—we are heading for the biggest train wreck our civilization has ever come across ever. Ever. And I think that within 40 or 50 years, we’ll be there. If your population curve is on an exponential growth, and the resources are on an exponential decline, what happens first is you get increases in wealth discrepancy, which means that you get rich pockets of gated communities with security guards outside them, and you get more and more poverty outside that area. And the resources go down, and people start having resource wars over water and food and agriculture and arable land, and then you have Joburg in 2050. And you can see signs of it everywhere. It’s just overpopulation and lack of resources. We just aren’t in control of our destiny. :* {{W|Neill Blomkamp}} in: ''[http://www.avclub.com/article/idistrict-9-idirector-neill-blomkamp-31606 District 9 director Neill Blomkamp],'' By Tasha Robinson on ''avclub.com,'' August 12, 2009. * ... Reverend THOMAS MALTHUS' prediction made in 1798—that man would reproduce himself into a condition of "misery and vice" because of the growing imbalance caused by the multiplication of his own numbers by geometric progression, while his food supply was increasing arithmetically—is as valid today as when it was made. He was a visionary and saw clearly the monster of overpopulation. The only error in his prediction was one of a "few seconds on the clock of human occupancy of the earth". We, agriculturists, can buy at most a few decades of time in which to bring population growth into successful balance with food production. ** [[Norman Borlaug]]: [https://repository.cimmyt.org/bitstream/handle/10883/19272/9023.pdf?sequence=1 "Wheat breeding and its impact on world food supply."] In: ''Third International Wheat Genetics Symposium''. CIMMYT, 1968. * It seems self-evident that our fundamental predicament of ecological overshoot is a direct result of humanity’s growth with too many people consuming too many resources and producing too many waste products for a finite planet dependent upon healthy ecological systems. And while this doesn’t require much explanation for those who acknowledge that we live upon a world with finite resources and limited capacity to compensate for our waste production, there are still many who believe that Homo sapiens’ rather unique cognitive abilities and technological prowess can and will ‘solve’ the many challenges we appear to be encountering as we reach and surpass the planetary limits of our relatively recent explosive growth, global expansion, and industrialisation. ** Steve Bull, "[https://stevebull-4168.medium.com/todays-contemplation-collapse-cometh-cxci-the-nexus-of-population-energy-innovation-and-936076b4cf23 The Nexus of Population, Energy, Innovation, and Complexity]". (November 28, 2024). * All living species must take from nature to survive, and we are no different. But unlike other species, there seems to be no end to our quest for food, comfort, shelter, sex — the fundamental necessities of survival that are now pursued in overdrive, far beyond our existential needs. We are compelled to progress, and have extracted resources from the land since we first stood on two feet. The entire twentieth century has been a revving up of this large consumptive engine, and this insatiable human striving has assaulted the very planet that sustains us. In a very short period of time, humankind, with its population explosion, industry and technology, has become an agent of immense global change. What this civilization leaves in the wake of its progress may be an opened and emptied Earth. But in performing these incursions, we also participate in the unwitting creation of gigantic monuments to our way of life. ** Edward Burtynsky, "[https://books.openbookpublishers.com/10.11647/obp.0193/ch13.xhtml Imaging Earth]." ''Earth 2020'' (2020). === C === * Global biodiversity decline is best understood as too many people consuming and producing too much and displacing other species. Wild landscapes and seascapes are replaced with people, our domestics and commensals, our economic support systems, and our trash. ** Philip Cafaro, Pernilla Hansson, Frank Götmark, {{cite journal|doi=10.1016/j.biocon.2022.109646|title=Overpopulation is a major cause of biodiversity loss and smaller human populations are necessary to preserve what is left|year=2022 |journal={{W|Biological Conservation (journal)|Biological Conservation}}|volume=272|issue= |pmid=|pmc=|url=https://www.sustainable.soltechdesigns.com/Overpopulation-and-biodiversty-loss(2022).pdf}} * During the past hundred years, ''Homo sapiens''' population increased from 2 billion to nearly 8 billion and the United Nations (2019) projects an increase of 3 billion more by 2100, unless steps are taken to reduce this population growth. Ignoring this projected increase means ignoring a major driver of the unfolding biodiversity crisis; accepting current bloated human numbers as an appropriate status quo means accepting a biologically impoverished planet. ** Ibid. * Thomas Malthus, an eighteenth-century economist, once predicted that because our population size increases exponentially while our food supply increases arithmetically, our population will one day exceed our ability to sustain it. While this has now been disproven with the creation of processed foods and genetically modified organisms, [Peter] Farb’s paradox may hold true. Because Earth’s population is growing, we increase our food production. Then, because we have a surplus of food, people are more well-nourished, leading to higher life expectancies and lower infant mortality rates, and people are able to have more children. This cyclical paradox is not healthy for our planet because while we may be able to sustain our growing population’s appetites, our other important resources, such as water and oil, are dwindling. To have a sustainable population size, we should be reproducing at a replacement rate, much like Denmark and Japan are. ** Catherine Caldwell, "[https://facetsofsustainability2014.wordpress.com/2014/11/13/farb-malthus-and-ishmael-v-the-population/ Farb, Malthus, and Ishmael v. the Population]" (November 13, 2014). * Today [hu]mankind is locked into stealing ravenously from the future. Famine in the modern world must be… one of several symptoms reflecting a deeper malady of in the human condition—namely, diachronic competition, a relationship whereby contemporary well-being is achieved at the expense of our descendants. By our sheer numbers, by the state of our technological development, and by being oblivious to differences between a method that achieved lasting increments of human carrying capacity [agriculture] and one that achieves only temporary supplements [reliance on fossil fuels and other mined substances], we have made satisfaction of today's human aspirations dependent upon massive deprivation for posterity. ** {{W|William R. Catton}}, ''Overshoot'' (1980), Chapter 1: "Our Need for a New Perspective", p. 3. * We are already living on an overloaded world. Our future will be a product of that fact; that fact is a product of our past. Our first order of business, then, is to make clear to ourselves how we got where we are and why our present situation entails a certain kind of future. […] It is the story of a world that has again and again approached the condition of being saturated with human inhabitants, only to have the limit raised by human ingenuity. The first several rounds of limit-raising were accomplished by a series of technological breakthroughs that took almost two million years. These breakthroughs enabled human populations repeatedly to take over for human use portions of the earth’s total life-supporting capacity that had previously supported other species. The most recent episode of limit-raising has had much more spectacular results, although it enlarged human carrying capacity by a fundamentally different method: the drawing down of finite reservoirs of materials that do not replace themselves within any human time frame. Thus its results ''cannot be permanent''. This fact puts mankind out on a limb which the activities of modern life are busily sawing off. **William R. Catton, ''Overshoot'' (1980), Chapter 2: "The Tragic Story of Human Success", p. 17. * Scarcely more than two generations had tasted the fruits of industrialization when the growth of population was still further accelerated by truly effective death control. The role of microorganisms in producing diseases was discovered. In 1865 the practice of antiseptic surgery began. It serves... as a reasonable demarcation of the beginning of an era filled with related breakthroughs in medical technology: hygienic practices, vaccination, antibiotics, etc. The total effect of this recent series of achievements has been to emancipate mankind more... from the life-curtailing effects of the invisible creatures for which human tissues used to serve as sustenance. Like other prey species newly protected from their predators, we have been fruitful and have so multiplied that we have much more than "replenished" the earth with our kind. ** Ibid., p. 30. * People displayed either persistent ignorance of the carrying capacity concept or naive faith that carrying capacity could always be expanded, [and] that limits could always be transcended. Such an assump­tion seemed to underlie the stubborn refusal of capitalists and Marx­ists alike to acknowledge that the myth of limitlessness had, at last, become obsolete. There was also the assumption that further ad­vances in technology would necessarily enlarge carrying capacity, not reduce it. Enlargement of carrying capacity had been the role of tech­nology in the past; however… there has been a reversal of this role in the industrial era. Technology has en­larged human appetites for natural resources, thus diminishing the number of us that a given environment can support. ** Ibid., p. 32. * [Hu]man[s]... have imagined... [themselves] to be more unlike other mammals than [t]he[y] really... [are], so when human behavior has shown these same characteristics, various other explanations have been put forth which have obscured the significance of population pressure itself. In the twentieth century, with human numbers enlarged and resource draw­down becoming significant, [hu]man[kind] went to war. [T]he[y] rioted in the streets. [T]he[y] committed more... crimes of violence. [...] [Their] political atti­tudes polarized and [t]he[y] created totalitarian governments, some of which gave license to sadistic tendencies. A generation gap widened and deepened. In spite of earnest efforts by humane activists to inhibit racism and to rectify economic inequality, disparities between people remained and animosities became more virulent. Standards of de­cency in behavior toward others and expectations of considerate self-­restraint were eroded and degraded in many places. ** William R. Catton, ''Overshoot'' (1980), Chapter 6: "The Process That Matter", p. 107. * We need to realize the "load" with which we humans burden the planet's ecosystems consists of more than just a population number. People living by different cultures not only reproduce at different rates; they impose very different per capita ecological impacts. Culture includes a population's technology and people's ways of organizing themselves. Each of us living in a "developed" country (i.e., industrialized far beyond anything conceivable to Malthus) has an enormously greater resource appetite and environmental impact than does each resident of a so-called "developing" country. For our grossly unsustainable manner of living, 6 billion is far too many. ** William R. Catton, ''Worse than Foreseen by Malthus (even if the living do not outnumber the dead)''. Washington State University (March 2000) *Life has now entered a {{W|sixth mass extinction}}. This is probably the most serious environmental problem, because the loss of a species is permanent, each of them playing a greater or lesser role in the living systems on which we all depend. The species extinctions that define the current crisis are, in turn, based on the massive disappearance of their component populations, mostly since the 1800s. The massive losses that we are experiencing are being caused, directly or indirectly, by the activities of Homo sapiens. They have almost all occurred since our ancestors developed agriculture, some 11,000 y ago. At that time, we numbered about 1 million people worldwide; now there are 7.7 billion of us, and our numbers are still rapidly growing. '''As our numbers have grown, humanity has come to pose an unprecedented threat to the vast majority of its living companions'''. ** Gerardo Ceballos, [[Paul R. Ehrlich]], and {{W|Peter H. Raven}}, ''[https://www.pnas.org/content/early/2020/05/27/1922686117 Vertebrates on the brink as indicators of biological annihilation and the sixth mass extinction]''. ''{{W|PNAS}}'', June 1, 2020. * We are in the sixth mass extinction event. Unlike the previous five, this one is caused by the overgrowth of a single species, ''Homo sapiens''. ** Gerardo Ceballos, [[Paul R. Ehrlich]], "[https://www.pnas.org/doi/10.1073/pnas.2306987120 Mutilation of the tree of life via mass extinction of animal genera]".'' {{W|PNAS}}'', 2023. * Over the last century the pace of many human activities has so accelerated, and human overpopulation grown so severe, to have created a dramatic global environmental transformation. Most natural ecosystem have been highly modified or have disappeared altogether, and the abundance of wildlife has been greatly reduced. **Ibid. * Our use of energy has been increasing ever since we discovered and mastered fire and developed agriculture, but mostly since we gained access to a vastly increased energy supply by extracting millions of years of stored and concentrated solar energy from the Earth’s crust in the form of fossil fuels. Combined with the development of new energy conversion techniques, this energy bonanza made it possible to lift the secular barriers to human population and output growth. The new energy sources, forms and uses that came online since the turn of the 19th century gave us access to more materials and enabled the invention of new and increasingly sophisticated exosomatic instruments (i.e. machines), which in turn made it possible to access ever more energy and matter and to transform them ever more effectively and efficiently. This resulted in a rapid rise in our total energy and material “throughput” (i.e. the flow of raw materials and energy from the biosphere’s sources, through the human ecosystem, and back to the biosphere’s sinks), which is what we commonly measure through the proxy concept of “economic growth”. This rise never stopped since then, even if the global distribution of the flows of energy and material inputs, outputs and wastes evolved over time. Our efforts to increase the “energy efficiency” of our machines and processes (i.e. reducing the amount of energy needed to perform certain tasks) never resulted in a reduction of the total energy we used, but on the contrary only contributed to create more room for increasing the rate of our consumption. ** François-Xavier Chevallerau, "[https://www.faninitiative.net/articles/the-age-of-energy-disruptions/ The Age of Energy Disruptions]". The FAN Initiative. December 10, 2021. * Environmental analysts regard a sustainable human population as one enjoying a modest, equitable middle-class standard of living on a planet retaining its biodiversity and with climate-related adversities minimized. Analysts' estimate[s] of that population size vary between 2 and 4 billion people, a figure obviously well below the present 7.9. ** Eileen Crist, {{W|William J. Ripple}}, Paul R. Ehrlich, William E. Rees, and Christopher Wolf {{cite journal|doi=10.1016/j.scitotenv.2022.157166|title=Scientists' warning on population|year=2022 |journal={{W|Science of the Total Environment}}|volume=845|issue= |pmid=35803428|pmc=|url=https://scientistswarning.forestry.oregonstate.edu/sites/default/files/Crist2022.pdf}} ===D=== * The situation in which we find ourselves today is unique as regards the magnitude and rate of growth of the human enterprise. The turn now being taken by the vicious circle is tremendous. […] The mastery of fire, one of humans' first instances of technological development, continues to be of paramount importance today with the burning of fossil fuels. And so the vicious circle of the development of humankind churns on, and does so with ever greater momentum due to the constantly increasing consumption of fossil fuels and metals, with only the tiniest sign of resistance in the form of the efforts of environmental organisations and green political parties. ** Craig Dilworth, ''Too Smart for Our Own Good'' (2009), Chapter 6: "The Vicious Circle Today" * The population boom of the last few centuries […] was made possible by massive advances in living standards, economic growth, surpluses of food, and vastly improved public health. All of this, however, was sustained by fossil fuels. Once fossil fuel reserves peak […] production, growth, and the amenities of modern life will gradually halt. Contemporary industrial society will downgrade into a “scarcity society” that manages on minimal energy, after which it will become a “salvage society” that scrapes survival from the refuse of the defunct urban buildings, information networks, and industrial centers. ** Rick Docksai, "Is Civilization Doomed?" ''The Futurist''. March/April 2010. === E === *Part of human impact on the earth relates to our swiftly growing numbers. If we do not take deliberate, conscious action to maintain a reasonable balance between the numbers of people and the environmental wealth required to sustain us, nature will make appropriate adjustments, and famine, disease, and wars-the predictable outcomes of living beyond one's environmental means, of overspending environmental capital-will ultimately force a cruel discipline. **[[Sylvia Earle]], ''Sea Change: A Message of the Oceans'' (1995) * The key to understanding overpopulation is not population density but the numbers of people in an area relative to its resources and the capacity of the environment to sustain human activities; that is, to the area’s carrying capacity. When is an area overpopulated? When its population can’t be maintained without rapidly depleting nonrenewable resources... By this standard, the entire planet and virtually every nation is already vastly overpopulated. ** Paul R. Ehrlich, ''The Population Explosion'' (1990) *The debate regarding which individual factor, among the three key factors producing the environmental crisis, causes more damage - the size of the human population on the planet, excessive consumption of resources, or unequal/ unjust distribution of resources among countries [the wealthier countries consume much more resources, per person on average than poorer countries] - is like a debate about which contributes more to a triangle, the base or the ribs of the triangle. You can not separate the three factors. If we analyze the numbers over a relatively longer time interval, we will conclude that the size of the population has a bigger impact than consumption. On the other hand, consumption and unequal distribution are also important aspects. If we do not change these three factors all at the same time, the quality of our life will change dramatically. Today '''humanity is delivering a serious blow to [the rest of] nature, but it is clear that nature will deliver the final blow.''' ** Paul R. Ehrlich, ''[http://www.haaretz.co.il/1.1875624 People should produce far fewer children, or expect the worst]'' (Dec. 2012) *Earth is home to millions of species. Just one dominates it. Us. '''Our cleverness, our inventiveness, and our activities have modified almost every part of our planet. In fact, we are having a profound impact on it. Indeed, our cleverness, our inventiveness, and our activities are now the drivers of every global problem we face. And every one of these problems is accelerating as we continue to grow towards a global population of ten billion. In fact, I believe we can rightly call the situation we're in right now an emergency – an unprecedented planetary emergency.''' **{{W|Stephen Emmott}}, ''[https://www.theguardian.com/environment/2013/jun/30/stephen-emmott-ten-billion 10 Billion]'', as summarized in ''The Guardian'', June 30, 2013. *We humans emerged as a species about 200,000 years ago. In geological time, that is really incredibly recent. Just 10,000 years ago, there were one million of us. By 1800, just over 200 years ago, there were 1 billion of us. By 1960, 50 years ago, there were 3 billion of us. There are now over 7 billion of us. By 2050, your children, or your children's children, will be living on a planet with at least 9 billion other people. Some time towards the end of this century, there will be at least 10 billion of us. Possibly more. We got to where we are now through a number of civilization-and society-shaping “events”; most notably, the agricultural revolution, the scientific revolution, and—in the West—the public-health revolution. These events have fundamentally shaped how we live, and have fundamentally shaped our planet. Their legacy will continue to shape our future. So we need to look at our growth and activities through the lens of these developments. One of the principal reasons for this growth was the invention of agriculture. The “agricultural revolution” enabled us to go from being hunter-gatherers to highly organized producers of food, and allowed our population to grow. A useful way to think of the development and importance of agriculture is in terms of at least three agricultural “revolutions.” The first took place over 10,000 years ago. This was the domestication of animals and the cultivation of plant types. The second agricultural revolution was between the fifteenth and nineteenth centuries. This was a revolution in agricultural productivity and the mechanization of food production. The third happened between the 1950s and 2000s; the so-called “green revolution.” But there’s another story here: the start of a fundamental transformation—of land use—by humans. **Stephen Emmott, ''10 Billion'' (2013) * As our numbers continue to grow, we continue to increase our need for far more water, far more food, far more land, far more transportation, and far more energy. As a result, we are now accelerating the rate at which we’re changing our climate. In fact, our activities are not only completely interconnected with, but are now also interacting with, the complex system we live on: Earth. It is important to understand how all this is connected. An increasing population accelerates the demand for more water and more food. Demand for more food increases the need for more land, which accelerates deforestation. Increasing demand for food also increases food processing and transportation. All of these accelerate the demand for more energy. This then accelerates greenhouse gas emissions, principally CO2 and methane, which further accelerate climate change. As climate change accelerates, it increases stress on water, food, and land. And at the same time, an increasing population also accelerates stress on water, food, and land. In short, as population increases, and as economies grow, stress on the entire system accelerates sharply. ** Ibid. * Saying “Don’t have children” is utterly ridiculous. It contradicts every genetically coded piece of information we contain, and (at least in their conception) one of the most important (and fun) impulses we have. That said, the worst thing we can continue to do—globally—is have children at the current rate. Even if a global nuclear power program were set up, even if geoengineering somehow took care of the climate-change problem, and even if we consumed less, we’d still at some point hit a brick wall if the human population continues to grow at anything like its current rate. We all know there’s a link between educating women in the developing world and reducing the birth rate. But despite this, and despite contraception being free in a number of countries where population is increasing, average birth rates are still three, five, or even seven children per woman. According to the United Nations, Zambia’s population is projected to increase by 941 percent by the end of the century. The population of Nigeria is projected to grow by 349 percent—to 730 million people. Afghanistan by 242 percent, The Democratic Republic of Congo by 213 percent, Gambia by 242 percent, Guatemala by 369 percent, Iraq by 344 percent, Kenya by 284 percent, Liberia by 300 percent, Malawi by 741 percent, Mali by 408 percent, Niger by 766 percent, Somalia by 663 percent, Uganda by 396 percent, Yemen by 299 percent. Even the United States is projected to grow by 53 percent by 2100, from 315 million in 2012 to 478 million. I do just want to point out that if the current global rate of reproduction continues, by the end of this century there will not be ten billion of us. There will be twenty-eight billion of us. ** Ibid. * If we discovered tomorrow that there was an asteroid on a collision course with Earth, and—because physics is a fairly simple science—we were able to calculate that it was going to hit Earth on June 3, 2072, and we knew that its impact was going to wipe out 70 percent of all life on Earth, governments worldwide would marshal the entire planet into unprecedented action. Every scientist, engineer, university, and business would be enlisted: half to find a way of stopping it, the other half to find a way for our species to survive and rebuild if the first option were unsuccessful. We are in almost precisely that situation now, except that there isn’t a specific date and there isn’t an asteroid. The problem is us. Why we are not doing more about the situation we’re in—given the scale of the problem and the urgency—I simply cannot understand. We’re spending 8 billion euros (about 11 billion dollars [at the writing's current exchange]) at {{W|CERN}} to discover evidence of a particle called the Higgs-Boson, which may or may not eventually explain the concept of mass and provide a partial thumbs-up for the “standard model” of particle physics. And CERN’s physicists are keen to tell us it is the biggest, most important experiment on Earth. It isn’t. The biggest and most important experiment on Earth is the one we're all conducting, right now, on Earth itself. Only an idiot would deny that there is a limit to how many people our Earth can support. The question is, is it seven billion (our current population), 10 billion or 28 billion? I think we've already gone past it. Well past it. We could change the situation we are now in. Probably not by technologizing our way out of it, but by radically changing our behavior. But there is no sign that this is happening, or about to happen. I think it’s going to be business as usual for us. ** Ibid. ===F=== * Whether or not such a hypothesis fully accounts for the population increase that accompanies a sedentary life, there can be no doubt that human numbers soared. In the interval from 10,000 to 6000 years ago—a mere 160 human generations—the population of the Near East is estimated to have increased from less than 100,000 people to more than three million. With each increase, additional pressure was placed upon the food producers to domesticate new species and to invent new technologies, such as those based on the plow and on irrigation. Human beings now found themselves on a treadmill from which to this day they have not been able to get off. They are still plagued by the basic paradox of food production: Intensification of production to feed an increased population leads to a still greater increase in population. **[[Peter Farb]], ''Humankind'' (1978), p. 121 *During the brief time since James Watt's commercial production of the improved Newcomen steam engine in 1775, a revolution unparalleled in human history has occurred at all levels of society and has penetrated all aspects of culture. The technological innovations are, of course, dramatic, but equally important are the biological, political, social, and economic consequences of modernization. From a biological perspective, the most important consequence is the extension of the human life span and the growth in human numbers. In the past two centuries, life expectancy has nearly tripled and the population of our species has multiplied five times over. **Ibid. p. 189 * If left unchecked, populations (of any organism) tend to grow exponentially. But they never grow forever. Eventually resources are depleted and the population declines. When the population is again small enough that resources are plentiful, exponential growth resumes. The result is a boom-bust cycle — stability through fluctuation.<br>Of course, if the fluctuations are huge, we can hardly call this ‘stability’. But in most healthy ecosystems, population fluctuations are small. The key to dampening boom-bust cycles appears to be diversity. When there are many species in an ecosystem, each keeps the population of others in check. Prolonged exponential growth never gets a foothold. ** Blair Fix, "[https://economicsfromthetopdown.com/2020/09/12/frederick-soddys-debt-dynamics/ Frederick Soddy's Debt Dynamics]." ''Economics from the Top Down'' (September 12, 2020) * Overpopulation is described as a societal problem, with the individual and collective behavior of people as a causal agent. ** Angela K. Fournier & E. Scott Geller [https://link.springer.com/article/10.5210/bsi.v13i1.35 Behavior Analysis of Companion-Animal Overpopulation: A Conceptualization of the Problem and Suggestions for Intervention] (1 May 2004) === G === * What are [we] made of, fairy dust and happy thoughts? No, [we] are made of proteins — of food! Without a sufficient food supply, such a population cannot be achieved. We understand this as a basic biological fact for every other species on this planet, that population is a function of food supply. Yet we continue to believe that the magic of free will exempts us from such basic biological laws. ** Jason Godesky, ''[https://theanarchistlibrary.org/library/jason-godesky-thirty-theses Thirty Theses]'' (2006), Thesis #4: "Human population is a function of food supply." * When the First World rushes in with foreign aid, food, and humanitarian aid to a desert area in the midst of a famine, we serve to prop up an unsustainable population. That drives a population boom in an area that already cannot support its existing population. The result is a huge population dependent on outside intervention that itself cannot be indefinitely sustained. Eventually, that population will crash once outside help is no longer possible — and the years of aid will only make that crash even more severe. In the same way that the United States’ policy of putting out all forest fires in the 1980s led to an even worse situation in its forests, our benevolence and good intentions have paved the way to a Malthusian hell. ** Ibid. * The human race currently consumes some 40% of the earth’s photosynthetic capacity. This monopoly on the earth’s resources is having a devastating effect. We are seeing the extinction of some 140 species every day, some thousands of times higher than the normal background rate. Today, right now, we are seeing extinction rates unparalleled in the history of the earth. We are undeniably in the midst of the seventh mass extinction event in the history of the earth — the Holocene Extinction. Unlikely previous extinction events, however, this one is driven by a single species. This is the true danger of overpopulation, not our inability to feed a growing population. As much as we would deny it, we depend on the earth to live. Dwindling biodiversity threatens the very survival of our species. We are literally cutting the ground out from under our feet. Increasing food production only increases the population; our current attitudes about food security has locked us into what Daniel Quinn called a “Food Race,” by comparison to the Arms Race of the Cold War. ** Ibid. * Overpopulation is the root cause of all other environmental problems … [and] is the natural consequence of the Food Race — driven by the constant need to expand. That need is a systemic consequence of complex society. The alternative to overpopulation, then, is to reverse the trend of intensifying complexity and accept greater simplicity: in a word, collapse. ** Jason Godesky, ''Thirty Theses'' (2006), Thesis #17: "Environmental problems may lead to collapse." * The main driving force behind the Holocene Extinction is the twin forces of overpopulation and intensified agricultural production. As more land is converted into cultivated fields, we approach important tipping points in how much of the world’s photosynthetic capacity is tied up in a single species. Deforestation is driven primarily by the need to feed an ever-growing populaton, but also for that population’s other resource needs, such as lumbering and mining. That deforestation has been responsible for anthropogenic atmospheric change for thousands of years, but as the positive feedback loop of the Food Race reached new levels, we were forced to either adopt fossil fuels, or collapse. Those fuels have intensified our atmospheric impact to obscene levels, yielding a new crisis in global warming. We do not face a long laundry list of environmental problems: we face a single, multi-faceted crisis. That crisis is complex society itself. The problems we face are the direct consequence of the positive feedback loop of complex society, and the Food Race in particular. **Ibid. * If nobody died the planet would soon run out of room for more people. How would this world be run (our political systems are far from perfect now); who would decide what type of house one lived in, what type of food one ate? What would we do for a living? ** Lori Gosselin, "[https://lifeforinstance.com/would-you-like-to-live-in-a-perfect-world/ Would You Like to Live in a Perfect World?]" * The study of population is not a very exact science. No one forecast the population collapse that is occurring in post-communist European Russia, or the scale of the fall in fertility that is under way [sic] in much of the world. The margin of error in calculations of fertility and life expectancy is large. Even so, a further large increase is inevitable. […] A human population of approaching 8 billion [sic] can be maintained only by desolating the Earth. If wild habitat is given over to human cultivation and habitation, if rainforests can be turned into green deserts, if genetic engineering enables ever-higher yields to be extorted from the thinning soils – then humans will have created for themselves a new geological era, the Eremozoic, the Era of Solitude, in which little remains on the Earth but themselves and the prosthetic environment that keeps them alive. ** [[John Gray]], ''[[Straw Dogs (book)|Straw Dogs]]'' (2002), Chapter 1: "The Human" * The future is brutally simple to anticipate; all overshot species collapse, and we have – by [apparently] transcending time via the levering of fossil energy – levered our species’ overshoot more than any ever has (or, almost certainly, ever could). **Murray Grimwood, "[https://www.interest.co.nz/public-policy/128237/murray-grimwood-says-future-will-be-so-different-we-need-go-back-basics-and Wither science; whither education?]". ''Interest'' (15 June 2024) * Over the last century, billions have enjoyed better, fuller and more enriched lives than their ancestors could dream of—but when all the bills for that are paid who knows how the ledgers of the two enterprises will stand? ** Sumit Guha [https://journals.lww.com/coas/fulltext/2006/04030/the_retreat_of_the_elephants__an_environmental.9.aspx in his review of Mark Elvin's ''The Retreat of the Elephants''] (2006) * My growing environmental awareness only adds more fuel to the argument for having no children. And the logic of never-ending consumption does not just harm the environment, it kills people too. ** [[w:Xiaolu Guo|Xiaolu Guo]], ''Once Upon A Time in the East: A Story of Growing up'', Chatto & Windus, 2017, page 305 (ISBN 9781784740689). === H === * The skeleton of our primate ancestors developed for millions of years to support a creature that walked on all fours and had a relatively small head. Adjusting to an upright position was quite a challenge, especially when the scaffolding had to support an extra-large cranium. Humankind paid for its lofty vision and industrious hands with backaches and stiff necks.<br>Women paid extra. An upright gait required narrower hips, constricting the birth canal - and this just when babies’ heads were getting bigger and bigger. Death in childbirth became a major hazard for human females. Women who gave birth earlier, when the infants brain and head were still relatively small and supple, fared better and lived to have more children. Natural selection consequently favoured earlier births. And, indeed, compared to other animals, humans are born prematurely, when many of their vital systems are still underdeveloped. A colt can trot shortly after birth; a kitten leaves its mother to forage on its own when it is just a few weeks old. Human babies are helpless, dependent for many years on their elders for sustenance, protection and education.<br>This fact has contributed greatly both to humankind’s extraordinary social abilities and to its unique social problems. Lone mothers could hardly forage enough food for their offspring and themselves with needy children in tow. Raising children required constant help from other family members and neighbours. It takes a tribe to raise a human. Evolution thus favoured those capable of forming strong social ties. In addition, since humans are born underdeveloped, they can be educated and socialised to a far greater extent than any other animal. Most mammals emerge from the womb like glazed earthenware emerging from a kiln - any attempt at remoulding will scratch or break them. Humans emerge from the womb like molten glass from a furnace. They can be spun, stretched and shaped with a surprising degree of freedom. This is why today we can educate our children to become Christian or Buddhist, capitalist or socialist, warlike or peace-loving. ** Yuval Noah Harari, ''Sapiens'' (2014), Part I: "The Cognitive Revolution", Chapter 1: "An Animal of No Significance". * Rather than heralding a new era of easy living, the Agricultural Revolution left farmers with lives generally more difficult and less satisfying than those of foragers. Hunter-gatherers spent their time in more stimulating and varied ways, and were less in danger of starvation and disease. '''The Agricultural Revolution certainly enlarged the sum total of food at the disposal of humankind, but the extra food did not translate into a better diet or more leisure. Rather, it translated into population explosions and pampered elites.''' The average farmer worked harder than the average forager, and got a worse diet in return. The Agricultural Revolution was history’s biggest fraud. ** Yuval Noah Harari, ''Sapiens'' (2011), Part II: "The Agricultural Revolution", Chapter 5: "History's Biggest Fraud" * The last 500 years have witnessed a phenomenal and unprecedented growth in human power. In the year 1500, there were about 500 million Homo sapiens in the entire world. Today, there are 7 billion. The total value of goods and services produced by humankind in the year 1500 is estimated at $250 billion, in today’s dollars. Nowadays the value of a year of human production is close to $60 trillion. In 1500, humanity consumed about 13 trillion calories of energy per day. Today, we consume 1,500 trillion calories a day. (Take a second look at those figures — human population has increased fourteenfold, production 240-fold, and energy consumption 115-fold.) ** Yuval Noah Harari, ''Sapiens'' (2011), Part IV: "The Scientific Revolution", Chapter 14: "The Discovery of Ignorance". * Since the Industrial Revolution, the world's human population has burgeoned as never before. In 1700 the world was home to some 700 million humans. In 1800 there were 950 million of us. By 1900, we almost doubled our numbers to 1.6 billion. And by 2000, that quadrupled to 6 billion. Today [as of this writing] there are just shy of 7 billion Homo Sapiens. ** Yuval Noah Harari, ''Sapiens'' (2011), Part IV: "The Scientific Revolution", Chapter 18: "A Permanent Revolution". * Today [as of this writing], the earth's continents are home to almost 7 billion Sapiens. If you took all these people and put them on a large set of scales, their combined mass would be about 300 million tons. If you then took all our domesticated farmyard animals—cows, pigs, sheep, and chickens—and placed them on an even larger set of scales, their mass would amount to about 700 million tons. In contrast, the combined mass of all surviving large wild animals—from porcupines and penguins to elephants and whales—is less than 100 million tons. Our children’s books, our iconography, and our TV screens are still full of giraffes, wolves, and chimpanzees, but the real world has very few of them left. There are about 80,000 giraffes in the world, compared to 1.5 billion cattle; only 200,000 wolves, compared to 400 million domesticated dogs; only 250,000 chimpanzees—in contrast to billions of humans. Humankind really has taken over the world. ** Ibid. * Around 1990, we became the most numerous mammalian species on the planet, outnumbering even rats. ** [[Thom Hartmann]], ''The Last Hours of Ancient Sunlight'' (1999), p. 18 (ISBN 9780609805299) * All measures to thwart the degradation and destruction of our ecosystem will be useless if we do not cut population growth. By 2050, if we continue to reproduce at the current [but declining] rate, the planet will have between 8 billion and 10 billion people, according to a recent U.N. forecast. This is a 50 percent increase. And yet government-commissioned reviews, such as the Stern report in Britain, do not mention the word population. Books and documentaries that deal with the climate crisis, including [[আল গোর]]’s ''[[An Inconvenient Truth]]'', fail to discuss the danger of population growth. This omission is odd, given that a doubling in population, even if we cut back on the use of fossil fuels, shut down all our coal-burning power plants and build seas of wind turbines, will plunge us into an age of extinction and desolation unseen since the end of the Mesozoic era, 65 million years ago, when the dinosaurs disappeared. ** [[Chris Hedges]], "[https://www.truthdig.com/articles/we-are-breeding-ourselves-to-extinction/ We Are Breeding Ourselves to Extinction]", March 9, 2009. *We are experiencing an accelerated obliteration of the planet’s life forms — an estimated 8,760 species die off per year — because, simply put, there are too many people. Most of these extinctions are the direct result of the expanding need for energy, housing, food, and other resources. '''The Yangtze River dolphin, Atlantic gray whale, West African black rhino, Merriam's elk, California grizzly bear, silver trout, blue pike, dusky seaside sparrow are all victims of human overpopulation.''' Population growth, as [[E. O. Wilson]] says, is "the monster on the land." Species are vanishing at a rate of a hundred to a thousand times faster than they did before the arrival of humans. If the current rate of extinction continues, Homo sapiens will be one of the few life forms left on the planet, its members scrambling violently among themselves for water, food, fossil fuels, and perhaps air until they too disappear. Humanity, Wilson says, is leaving the Cenozoic, the age of mammals, and entering the Eremozoic — the era of solitude. As long as the Earth is viewed as the personal property of the human race, a belief embraced by everyone from born-again Christians to Marxists to free-market economists, we are destined to soon inhabit a biological wasteland. ** Ibid. * A world where 8 billion to 10 billion people are competing for diminishing resources will not be peaceful. The industrialized nations will, as we have done in Iraq, turn to their militaries to ensure a steady supply of fossil fuels, minerals and other nonrenewable resources in the vain effort to sustain a lifestyle that will, in the end, be unsustainable. The collapse of industrial farming, which is made possible only with cheap oil, will lead to an increase in famine, disease and starvation. And the reaction of those on the bottom will be the low-tech tactic of terrorism and war. Perhaps the chaos and bloodshed will be so massive that overpopulation will be solved through violence, but this is hardly a comfort. ** Ibid. * Our core ecological problem is not climate change. It is overshoot, of which global warming is a symptom. Overshoot is a systemic issue. Over the past century-and-a-half, enormous amounts of cheap energy from fossil fuels enabled the rapid growth of resource extraction, manufacturing, and consumption; and these in turn led to population increase, pollution, and loss of natural habitat and hence biodiversity. The human system expanded dramatically, overshooting Earth’s long-term carrying capacity for humans while upsetting the ecological systems we depend on for our survival. Until we understand and address this systemic imbalance, symptomatic treatment (doing what we can to reverse pollution dilemmas like climate change, trying to save threatened species, and hoping to feed a burgeoning population with genetically modified crops) will constitute an endlessly frustrating round of stopgap measures that are ultimately destined to fail. ** {{W|Richard Heinberg}}, "[https://www.ecowatch.com/climate-change-heinberg-2471869927.html Systemic Change Driven by Moral Awakening Is Our Only Hope]." ''EcoWatch'' (August 14, 2017). * During the last 200 years, per capita energy usage grew eight-fold, while human population expanded at about the same rate. As a result of energy growth, all the things we do with energy became more doable. Transportation, manufacturing, agriculture, and mining exploded in scale. Energy became so abundant that it seemed we could solve any human problem, now or in the future, just by throwing more energy at it. We even reconfigured our economic system so that it assumes and requires perpetual growth. But growth in fossil-fuel energy can’t continue much longer: depletion and climate change will see to that. And even if we make a wholehearted effort to switch to low-carbon energy sources, we face limits to nature’s supplies of materials with which to make solar panels, wind turbines, nuclear reactors, and batteries. The ways we’re currently trying to share and manage power are insufficient also because we have failed to understand power itself. Rather than accepting that power limits exist, then surveying them and adapting ourselves to them, we try to finesse or deny them. We respond to climate change by hoping for a renewable energy transition—without questioning the amounts of energy we use or what we do with it. We deal with economic inequality by establishing minimal safeguards for the poor—without examining the structural means by which some people enrich themselves to absurd degrees. ** Richard Heinberg, "[https://www.resilience.org/stories/2021-03-23/understanding-power/ Understanding Power]", ''Resilience'' (March 23, 2021). * Prior to the widespread use of coal, oil, and natural gas, agrarian societies saw cyclical periods of rise and fall. But the scale of expansion since the dawn of the fossil-fueled industrial revolution, beginning roughly at the start of the 19th century, has been unprecedented. Energy usage per capita has grown 800 percent, as has population. Meanwhile, the contours of society have been transformed: for the first time in human history, most people now live in cities. ** {{W|Richard Heinberg}}, "[https://www.postcarbon.org/the-end-of-growth-ten-years-after/ The End of Growth: Ten Years After]." {{W|Post Carbon Institute}} (December 7, 2021). *Fossil fuels enabled a dramatic expansion of energy usable by humanity, in turn enabling unprecedented growth in human population, economic activity, and material consumption. **Richard Heinberg, "[https://richardheinberg.com/museletter-353-deadly-optimism-useful-pessimism Deadly Optimism, Useful Pessimism]". Republished in ''[https://www.resilience.org/stories/2022-07-14/deadly-optimism-useful-pessimism/ Resilience]'' (July 14, 2022). *Global human population has doubled three times in the past 200 years, surging from 1 billion in 1820 to 2 billion in 1927, to 4 billion in 1974, to 8 billion today. Its highest rate of growth was in the 1960s, at over 2 percent per year; that rate is now down to 1.1 percent. If growth continues at the current rate, we’ll have about 18 billion people on Earth by the end of this century. All of this would be fine if we lived on a planet that was itself expanding, doubling its available quantities of minerals, forests, fisheries, and soil every quarter-century, and doubling its ability to absorb industrial wastes. But we don’t. It is essentially the same beautiful but finite planet that was spinning through space long before the origin of humans. **Richard Heinberg, "[https://richardheinberg.com/museletter-356-the-final-doubling The Final Doubling]". Republished in ''[https://www.resilience.org/stories/2022-11-03/the-final-doubling/ Resilience]'' (November 1, 2022). *Agriculture enabled population growth and social complexity, but it gradually robbed soils of nutrients. Sailing ships guided with clocks and navigational charts could increase the scope of trade, but building wooden ships (and making charcoal for forging steel) was leading to the deforestation of whole continents. A reckoning with limits seemed to be in store. Then a miracle happened. People who lived in some key centers of global trade started using fossil fuels—energy sources capable of delivering power in previously unimaginable and seemingly endless quantities. Coal, oil, and natural gas enabled the development of transport technologies (steamships, railroads, cars, trucks, and airplanes) that overcame prior limits to the speed of travel and trade, so that products and resources that were abundant in one place could be transported to places where they were scarce. Fossil fuels could be used to increase the rates of resource extraction via powered mining machinery, and to process lower grades of ores as more concentrated ores were depleted. They could be fashioned into plastics and chemicals to substitute for some natural materials that were getting scarce, such as hardwoods and whale oil. And they could be made into artificial fertilizers, which could replace soil nutrients lost due to unsustainable agricultural practices. All these developments together enabled population growth at rates that far outstripped historic trends: human numbers expanded from one billion to eight billion in a mere two centuries. We were, in effect, stretching existing constraints on population and consumption to the point that it was difficult for many people to see that boundaries still existed at all. **{{W|Richard Heinberg}}, "[https://richardheinberg.com/museletter-358-why-understanding-limits-is-the-key-to-humanitys-future Why Understanding Limits Is the Key to Humanity’s Future]". Republished in ''[https://www.resilience.org/stories/2023-01-19/why-understanding-limits-is-the-key-to-humanitys-future/ Resilience]'' (19 January 2023). *As we’ve grown our population and our per capita consumption rates, we’ve been taking habitat away from other organisms. As a result, nature is in full retreat. Vertebrate and invertebrate animal species have suffered average population declines of 70 percent in the past 50 years, and thousands of plant species are endangered as well. **{{W|Richard Heinberg}}, "[https://richardheinberg.com/museletter-358-why-understanding-limits-is-the-key-to-humanitys-future Why Understanding Limits Is the Key to Humanity’s Future]". Republished in ''[https://www.resilience.org/stories/2023-01-19/why-understanding-limits-is-the-key-to-humanitys-future/ Resilience]'' (19 January 2023). *For a population of field mice in overshoot, the critical resource might consist of small plants whose unusually robust growth has been triggered by high levels of rainfall. For humanity currently, the critical resource is fossil energy. Temporary energy abundance has led to many good things (for some of us, anyway): more food, more people, more commercial products, more knowledge, more comfort, and more convenience. But we are about to become victims of our own success. **{{W|Richard Heinberg}}, "[https://richardheinberg.com/museletter-358-why-understanding-limits-is-the-key-to-humanitys-future Why Understanding Limits Is the Key to Humanity’s Future]". Republished in ''[https://www.resilience.org/stories/2023-01-19/why-understanding-limits-is-the-key-to-humanitys-future/ Resilience]'' (19 January 2023). *It’s sad when loved ones die, and few of us look forward to our own demise; hence the perennial quest for an elixir of eternal life, or at least a cure for cancer. But if nobody died, the planet would quickly fill with humans and empty of all the things that feed and provision us. Death clears space for new life; it is the non-negotiable price of admission to the great banquet of existence. ** {{W|Richard Heinberg}}, "[https://richardheinberg.com/museletter-358-why-understanding-limits-is-the-key-to-humanitys-future Why Understanding Limits Is the Key to Humanity’s Future]". Republished in ''[https://www.resilience.org/stories/2023-01-19/why-understanding-limits-is-the-key-to-humanitys-future/ Resilience]'' (19 January 2023). *The past few thousand years of human history have already seen several critical accelerators. The creation of the first monetary systems roughly 5,000 years ago enabled a rapid expansion of trade that ultimately culminated in our globalized financial system. Metal weapons made warfare deadlier, leading to the takeover of less-well-armed human societies by kingdoms and empires with metallurgy. Communication tools (including writing, the alphabet, the printing press, radio, television, the internet, and social media) amplified the power of some people to influence the minds of others. And, in the past century or two, the adoption of fossil fuels facilitated resource extraction, manufacturing, food production, and transportation, enabling rapid economic expansion and population growth. Of those four past accelerators, our adoption of fossil fuels was the most potent and problematic. In just two centuries, energy usage per capita has increased eightfold, as has the size of the human population. The period since 1950, which has seen a dramatic increase in the global reliance on petroleum, has also seen the fastest economic and population growth in all of human history. Indeed, historians call it the “Great Acceleration.” Neoliberal economists hail the Great Acceleration as a success story, but its bills are just starting to come due. Industrial agriculture is destroying Earth’s topsoil at a rate of tens of billions of tons per year. Wild nature is in retreat, with animal species having lost, on average, 70 percent of their numbers in the past half-century. And we’re altering the planetary climate in ways that will have catastrophic repercussions for future generations. It’s hard to avoid the conclusion that the whole human enterprise has grown too big, and that it is turning nature (“resources”) into waste and pollution far too quickly to sustain itself. The evidence suggests we need to slow down, and, in some cases at least, reverse course by reducing population, consumption, and waste. **Richard Heinberg, "[https://richardheinberg.com/museletter-363-polycrisis-unraveling-simplification-or-collapse Polycrisis, Unraveling, Simplification, or Collapse]". Republished in ''[https://www.resilience.org/stories/2023-06-15/polycrisis-unraveling-simplification-or-collapse-coming-soon-to-a-planet-near-you/ Resilience]'' (June 15, 2023). *Depleting and climate-changing coal, oil, and natural gas have brought about dramatic human population growth, along with immense profits and unprecedented wealth (for the few). But all of these presumed and probably transitory benefits have been based on depleting natural resources, and on processes that are perilously changing the climate and degrading ecosystems across the planet. Every time we pick up a gasoline-powered machine we are viscerally linked to that chain of ersatz benefits and spiraling impacts. **Richard Heinberg, "[https://richardheinberg.com/museletter-368-the-gasoline-powered-leaf-blower-as-a-metaphor-for-industrial-society The Gasoline-Powered Leaf Blower as a Metaphor for Industrial Society]", republished in ''[https://www.resilience.org/stories/2023-11-01/the-gasoline-powered-leaf-blower-as-a-metaphor-for-industrial-society Resilience]'' (November 1, 2023). *Of course, we also have to think about the role of population going forward. The more the global population grows, the more difficult this challenge will be. As we approach this question, it's crucial—as always—that we focus on underlying structural drivers. Many women around the world do not have control over their bodies and the number of children they have. Even in liberal nations, women come under heavy social pressure to reproduce, often to the point where those who choose to have fewer or no children are interrogated and stigmatised. Poverty exacerbates these problems... And of course capitalism itself creates pressures for population growth: more people means more labour, cheaper labour, and more consumers. These pressures filter into our culture, and even into national policy: countries like France and Japan are offering incentives to get women to have more children, to keep their economies growing. **[[Jason Hickel]], ''Less is More: How Degrowth Will Save the World'', 2021, pp. 110-111 * No one lives within a day’s walk of a coal mine, an iron ore source, and a smelter that can operate without a source of electricity, plus food. The old smelters didn’t use electricity to drive the huge motors moving heavy hot metal and slag around. The first smelters were close to coal and iron ore sources, but we used them up; they no longer exist close to each other.<br>In the year 1500, we had a world population of around 450 million and grew massively over the next 250 years to the start of the industrial revolution by increasingly using the resources of the ‘new world’. We’ve been on an upward trajectory ever since, especially since around 1800 when fossil energy came into use.<br>People just don’t understand our extreme (and still growing) overpopulation problem given the imminent decline of oil, and especially diesel. Assuming “we’ll downsize this” or “relocalize that” ignores the fact that once oil supply shifts to contraction, the declines will be permanent year after year, and with diesel shortages the ability to build anything new all but disappears.<br>It will be a sad sight with suffering everywhere and increasing year after year. Survivors will have to be hard people, protecting and providing for their own, at the exclusion of others.<br>Everyone should look around their home and imagine it without the oil used to produce and deliver everything in it, because that’s the world of the future, with old decaying cold buildings and no food in cities. ** Hideaway (pseudonym for Helen Hasan), "[https://un-denial.com/2024/09/14/by-kira-hideaway-on-relocalization/ On Relocalization]". ''Un-Denial'', September 14, 2024. * Using all available resources to expand its population is what every species that’s ever existed has always done until some limit is reached. Consider a mouse plague, enabled by human agricultural practices, with its huge population until the next frost or the grain is eaten, then a massive die-off in a short time. ** Ibid. * We have over 8 billion humans on the planet, and 99.99% of them have no idea modernity is going to end abruptly, and when it does so will destroy the plans of the [few who] did see it coming and tried to prepare in some way. ** Ibid. * One might think Humanity’s success is guaranteed, except for a few things: First, the increasing scarcity of oil, coal, and natural gas suddenly threatens to remove the punch bowl from which Humanity has been feeding. Second, the carrying capacity of the Earth is far less than 8 billion humans unless we continue to supplement with increasingly scarce resources. And, last, our centuries-long party has now broken the Earth in ways Humanity cannot repair. ** Preston Howard, "[https://un-denial.com/2023/09/28/by-preston-howard-the-maximum-power-principle-and-why-it-underscores-the-certainty-of-human-extinction-in-the-near-future/ The Maximum Power Principle and Why It Underscores the Certainty of Human Extinction in the Near Future]." ''Un-Denial'' (September 28, 2023) * Is the proxy war in Ukraine turning out to be only a lead-up to something larger, involving world famine and a foreign-exchange crisis for food- and oil-deficit countries?<BR>U.S. Cold War strategy is not alone in thinking how to benefit from provoking a famine, oil and balance-of-payments crisis. [[w:Klaus Schwab|Klaus Schwab]]’s World Economic Forum worries that the world is overpopulated—at least with the “wrong kind” of people. '''As Microsoft philanthropist... Bill Gates has explained: “Population growth in Africa is a challenge.” His lobbying foundation’s 2018 “Goalkeepers” report warned: “According to U.N. data, Africa is expected to account for more than half of the world’s population growth between 2015 and 2050. Its population is projected to double by 2050,”''' with “more than 40 percent of world’s extremely poor people... in just two countries: Democratic Republic of the Congo and Nigeria.” Gates advocates cutting this projected population increase by 30 percent by improving access to birth control and expanding education to “enable more girls and women to stay in school longer, have children later.” But how can that be afforded with this summer’s looming food and oil squeeze on government budgets? ** [[Michael Hudson (economist)|Michael Hudson]], [https://michael-hudson.com/2022/06/is-us-nato-with-wef-help-pushing-for-a-global-south-famine/ Is US/NATO (with WEF help) pushing for a Global South famine?] (6 June 2022) === K === * Perhaps the most ambiguous of these [technological] achievements [of the [[Industrial Revolution|industrial age]]] is the one that began in mid-nineteenth century with improvements in public health, vaccinations, and antibiotics. These methods of death control emerged too rapidly to be offset by methods of birth control and populations exploded. Again, who can speak against this from within the old paradigm? In fact, it is only from the newer ecological paradigm that we are able to recognize that all this marvelous technology has... likely led the human population to overshoot the carrying capacity of the earth. Even from this perspective many of us would... want to save lives now in hopes that somehow there will be enough resources for those who come after us. In less complex animal populations, an overshoot leads to a crash, or die-off. Can humans somehow circumvent this conclusion without relying on further damaging drawdown strategies? … a basic change in our technologies, and acceptance of a steady state in economics reinforced by a compatible spiritual orientation, may at least mitigate human suffering and loss. ** Maynard Kaufman, ''Adapting to the end of oil'', 2008, p. 29. * Unlike plagues of the dark ages or contemporary diseases we do not yet understand, the modern plague of overpopulation is soluble by means we have discovered and with resources we possess. What is lacking is not sufficient knowledge of the solution but universal consciousness of the gravity of the problem and education of the billions who are its victims. ** [[মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র]], acceptance speech, Margaret Sanger award in human rights 1966; Lamont Hempil ''Sustainable communities''. * We have learned a lot in the 50 years since "{{W|The Population Bomb}}" was published. We should not shy away from discussing what actions are ethically permissible to facilitate a stable level of population growth, nor should we leave this discussion in the hands of the affluent. The conversation about ethics, population, and reproduction needs to shift from the perspective of white donor countries to the places and people most affected by poverty, climate change and environmental degradation. ** {{W|Frances Kissling}}, Jotham Musinguzi and [[Peter Singer]], "[https://www.washingtonpost.com/opinions/talking-about-overpopulation-is-still-taboo-that-has-to-change/2018/06/18/ca7c1838-6e6f-11e8-afd5-778aca903bbe_story.html Talking about overpopulation is still taboo. That has to change]". ''{{W|The Washington Post}}''. June 18, 2018. * All we can say now is, that, even now, 600 persons could easily live on a square mile; and that … 1,000 human beings—not idlers—living on 1,000 acres could easily, without … overwork, obtain … a luxurious vegetable and animal food, as well as the flax, wool, silk and hides necessary for their clothing. As to what may be obtained under still more perfect methods—also known but not yet tested on a large scale—is better to abstain from any forecast: so unexpected are the recent achievements of intensive culture. We thus see that the over-population fallacy does not stand the very first attempt at submitting it to a closer examination. ** [[Peter Kropotkin]], ''[[Peter Kropotkin#Fields, Factories and Workshops_(1899)|Fields, Factories and Workshops]]'' (1899) * It has been estimated that the world human population stood at about one billion around the early 1800s, which was roughly about when the industrial adventure began to gain traction. It has been inferred from this that a billion people is about the limit that the planet Earth can support when it is run on a nonindustrial basis. World population is now past six and a half billion, having more than doubled since my childhood in the 1950s. The mid-twentieth century was a time of rising anxiety over the “population explosion.” The marvelous technological victory over food shortages, including the “green revolution” in crop yields, accelerated that already robust leap in world population that had begun with modernity. Dramatic improvements in sanitation and medicine extended lives. Industry sopped up expanding populations and reassigned them from rural lands to work in the burgeoning cities. The perceived ability of the world to accommodate these newcomers and latecomers in a wholly new disposition of social and economic arrangements seemed [to] be the final nail in the coffin of [[Thomas Robert Malthus]]… ** [[James Howard Kunstler|James H. Kunstler]], ''{{W|The Long Emergency}}'', Chapter 1: "Sleepwalking into the future", pp. 5–6. * Malthus was certainly correct [that demand will outstrip supply], but... [hydrocarbons] ...skewed the [supply-demand] equation over the past [two] hundred years while the human race has enjoyed an unprecedented orgy of [a fraction of] nonrenewable condensed solar energy accumulated over eons of prehistory. The “green revolution” in boosting crop yields was minimally about scientific innovation in crop genetics and mostly about dumping massive amounts of fertilizers and pesticides made... of ...[petroleum] onto crops, as well as employing irrigation at a fantastic scale made possible by abundant oil and gas. The cheap oil age created an artificial bubble of plen[t]itude for a period not much longer than a human lifetime, a hundred years. Within that comfortable bubble, the idea took hold that only grouches, spoilsports, and godless maniacs considered population hypergrowth a problem [with a direct solution], and that to even raise the issue was indecent. ...As oil ceases to be cheap and the world reserves arc toward depletion, we will indeed suddenly be left with an enormous surplus population... that the ecology of the earth will not support. No political program of birth control will avail. The people are already here. The journey back to non-oil population homeostasis will not be pretty. '''We will discover the hard way that population hypergrowth was simply a side effect of the oil age.''' It was [more of] a condition [without a remedy], not a problem with a [direct] solution. That is what happened, and we are stuck with it. ** Ibid., p. 8. * '''Cheap oil had allowed populations to explode in precisely those parts of the world that had had, for millennia, a high infant mortality rate and modest life expectancy.''' Cheap oil was behind the "green revolution" that increased the food supply in the nonindustrial world. Oil was also behind many of the medicines and preventives that had neutralized… diseases. Now, suddenly, most of those children… survived, grew up, and produced more children who survived and grew up, and over… the twentieth century, the global populations hurtled into extreme numerical overshoot. Populations were, in effect, eating oil, notably in [the form of] food exports from the United States, where agribusiness had completely taken over from agriculture. Local farmers in Africa, Asia, or South America couldn’t compete with corporate Archer Daniels Midland’s oil-and-gas-based grain crops and U.S. government subsidies. ** James H. Kunstler, ''The Long Emergency'' (2005), Chapter 6: "Running on fumes : the hallucinated economy" pp. 187–188. * Peak human population will surely lag … peak oil and peak mineral resources until these conditions express themselves as food shortages. This means that the human population will continue to rise for a while, even as we begin to encounter these … strict resource limits. It’s not possible to estimate how much the population will increase because the relationship between energy and mineral resources and food production is a very fragile equation, subject to any number of discontinuities. To these, add the complications of weather disasters arising from climate change, including drought, the spread of plant diseases, and so forth. This lagging further rise in [the] human population will only make the inevitable contraction more acute once food shortages begin. [Overpopulation] amounts to a human population overshoot … to the planet Earth’s ecology. We're putting a strain on everything the earth has to offer us. While the combination of peak stuff and [too many] billion humans is forcing the issue, ...the truth is that '''circumstances will now determine what happens, not policies or personalities.''' … Population overshoot is therefore unlikely to yield to management. Rather, the usual suspects will enter the scene and do their thing: starvation, disease, … violence … [and] death. ** James H. Kunstler, ''Too Much Magic'', Chapter 1: "Where We're At", p. 10. === L === *Fossil fuels’ biggest impact on the agricultural sector stems from the use of natural gas in industrial fertilizer production. Industrial fertilizer was first mass-produced in 1914 using what came to be known as the {{W|Haber-Bosch process}}. This invention enabled the {{W|Green Revolution}}, a boom in agricultural production that took place in the latter half of the 20th century, starting in Mexico and India. From 1961 to 2010, cereal yields per acre increased by 217 percent in Mexico and 183 percent in India. It is no coincidence that the human population has more than quadrupled since 1920.<br>We often attribute the Green Revolution to the spread of high-yielding crop varieties. Yet these varieties typically require industrial fertilizer application. The Haber-Bosch method, combined with mechanization and pesticides derived from fossil fuels, [has] represented a massive and unsustainable injection of fossil fuels into our food system. Today, the production of one food calorie in the United States requires 2.7 fossil fuel calories. **Helene Langlamet and Alix Underwood. “[https://steadystate.org/a-trophic-perspective-on-fossil-fuels/ A Trophic Perspective on Fossil Fuels].” Center for the Advancement of the Steady State Economy, August 1, 2024. * Driven by the Anthropocene engine, human population has grown exponentially, and individual societies have approached collapse multiple times over the past 8,000 years. The disappearance of the Easter Island civilization and the collapse of the Mayan empire, for example, have been linked to the depletion of environmental resources as populations rose. The dramatic decline of the European population during the Black Death in the 1300s was a direct consequence of crowded and unsanitary living conditions that facilitated the spread of Yersenia pestis, or plague. ** Manfred Laubichler, [https://theconversation.com/8-billion-humans-how-population-growth-and-climate-change-are-connected-as-the-anthropocene-engine-transforms-the-planet-193075 8 billion humans: How population growth and climate change are connected as the ‘Anthropocene engine’ transforms the planet]. ''{{W|The Conversation (website)|The Conversation}}'', November 3, 2022. * In the 20th century we decisively broke our dependence on energy systems that were fed by the wind and sun and which we supplemented with human and animal muscle power. That leap was made possible by innovations that allowed us to extract, pump, use, and transform raw materials, particularly to unlock energy stored in coal and oil to make chemicals and plastics. That in turn allowed a massive expansion in population, lifespans, and economic growth. The rise of industrial capitalism from 1851 to 1971 went hand in hand with a surge in population, mainly in cities, provided with better food and public health. ** Charles Leadbeater, ''The Frugal Innovator'' (2014), p. 36. * On a global level, there is no threat to human survival greater than that posed by world overpopulation—paradoxical though that may seem—and it is abundantly clear that consensus decision making is ineffective for dealing with that. Some kind of “solution” is nonetheless unavoidable, and is certain to be ugly. To say that there is no visible world leadership on that transcendental question is to understate the case. Optimists on the population problem don’t measure progress in terms of a decrease in population, or even a decrease in the rate of increase, but in terms of a decrease in the rate of increase of the rate of increase. ** [[Harold Lewis]], ''Why Flip a Coin?'' (1997), <small> {{আইএসবিএন|0-471-16597-2}}, </small> pp. 98-99 * The human population will continue to increase until it can’t. When it can no longer increase, it will crash. Our extreme efforts to focus our minds elsewhere are symptoms of a desperate attempt to find solid footing, to believe in a future that will not vanish. Mankind has had a storied existence on Earth. Our thirst for knowledge and innovation has provided comfort and security. However, it is becoming increasingly evident that our remarkable progress has become our worst enemy. We know our planet is finite. Images of Earth from space make it plain for all to see. However, people routinely ignore this verifiable certainty in all aspects of their lives, treating the world as [if it were] infinite. Modern-day human activities are not only wiping out ecosystems and biodiversity but [also] plundering the clean air, water, and topsoil that helped bring about our tenure on the planet. Entire ecosystems have vanished, including the tallgrass prairie in North America, Madagascar’s rainforests, and the Aral Sea in Asia. '''We use Earth’s natural resources like a bunch of drunks on the greatest bender of all time.''' Human consumption is negatively modifying the planet and permanently damaging the biological systems upon which our continued existence depends. The deterioration of our ecosphere has been exponentially accelerating for at least 100,000 years. As technological advances improve our lives, humanity becomes increasingly detached from its environment and the natural resources allowing us to persist. People now have a much closer affinity with iPhones, Amazon, online shopping, restaurants and bars, Netflix, beauty salons, and sporting events than forests, grasslands, marshes, and oceans. Few now understand our existence on Earth is entirely dependent upon photosynthesis. Instead, they believe their survival is contingent on parents, doctors, farmers, governments, bankers, police, and other players in society. It’s not that those institutions, people, and specialties aren’t important, but they represent the retailers. Photosynthesis is the wholesaler. There is a supply chain disruption occurring on a massive scale in our relationship with the planet. The ancient forests and grasslands that provided the planet with free oxygen in the air and sequestered carbon dioxide, making it habitable for humans and other complex life, are nearly gone. For most people, the natural resources that support their existence and lifestyle might as well be from a distant galaxy. This extreme disconnect has resulted in people losing their capacity to understand the dire circumstances facing complex organisms on Earth, including themselves. The deafening alarm bells portending our extinction are routinely misunderstood or ignored. For those who perceive our state of crisis, there is a great deal of angst. Much of the frustration, anger, and sadness results from having unrealistic expectations of human beings. Despite our advanced technologies, the basic tenets of human behavior haven’t changed for centuries or millennia. Letting go of the false expectations that Homo sapiens can or will modify our behavior can bring us an element of peace. Expectations are incredibly powerful in structuring our moods and emotions. Identifying unrealistic expectations can reduce our chances of being disappointed and can increase happiness. A better understanding of our behavioral history can provide valuable insights into recognizing human capabilities and limitations. ** Lyle Lewis, ''Racing to Extinction'' (2024) * … as our population has grown, humans have been liquidating the planet’s natural resources for thousands of years. The effects of our current population on forests, grasslands, biodiversity, clean air, and water are catastrophic. Zero population growth means the planet would still be trying to support the current population, over 8 billion people. Humanity can no longer pay even the interest. We’ve already spent much of the planet’s clean air, water, and biodiversity with no mechanism for repayment. Zero population growth isn’t going to happen. We can’t curb our evolutionarily programmed need to grow and reproduce any more than we can stop the sun from rising. Like all populations of organisms on the planet, the number of humans will continue to increase until it’s no longer possible. When that day happens, Earth will be a truly inhospitable place. ** Lyle Lewis, ''Racing to Extinction: Why Humanity Will Soon Vanish'' (2024), Chapter 5. * In 1968, with the release of their book ''The Population Bomb'', [[Paul R. Ehrlich|Paul]] and Anne Ehrlich were among the first to identify the most significant factor that will precipitate the collapse of humanity. Their book inspired an environmentalist fad in the 1970s. The premise for the book was gradually rationalized away by most as the work of lunatics. It was listed by the Intercollegiate Review as one of the 50 worst books of the 20th century. In the Human Events list of the “Ten Most Harmful Books of the Nineteenth and Twentieth Centuries,” it garnered an 11th-place honorable mention. Since that time, the global population has more than doubled. During those five decades, humanity has identified six types of quarks, developed the modern internet, eradicated smallpox, decoded the human genome, and developed vaccines for Ebola and COVID-19. Despite all our new technologies and discoveries, the most basic concept of rapid human growth inside a finite system—our planet—leading to collapse is a concept too difficult for our greatest minds to reconcile. Humanity’s carefully calibrated psychological filters go into overdrive to prevent this simple mathematical postulate from entering our psyche. As seemingly prescient as the Ehrlichs were, our collision course with extinction was preordained long before their book was published in 1968. ** Lyle Lewis, ''Racing to Extinction: Why Humanity Will Soon Vanish'' (2024), Chapter 9. * Population growth vanished from the agendas of mainstream environmental organizations that previously regarded escalating numbers as a major environmental threat. These groups were primarily shackled by their fear of alienating donors, ultimately selling their purpose and integrity for money. Criticism from progressive and conservative interests claiming that overpopulation is a myth further incentivized these groups to pretend the rising global population wasn’t a factor in planetary degradation. ** Lyle Lewis, ''Racing to Extinction: Why Humanity Will Soon Vanish'' (2024), Chapter 9. * Those who defend the belief that overpopulation isn’t at the core of every environmental problem are not unique. Every myth presents itself as an authoritative, factual account, no matter how much the topic varies from natural law or ordinary experience. There is a long, bloody history of ''Homo sapiens'' defending myths against those who might either question their veracity or have a competing myth. It has resulted in the deaths of millions of people [and other animals] since the dawn of the Agricultural Revolution. As a result of ignoring the obvious reality, newborns are effectively positioned as moneymaking machines. The former prime minister of Japan suggested that women who bore no children should be barred from receiving pensions. In most countries, those who choose not to have children are required to pay for those who do through taxes. In this campaign for more babies, childbearing is reduced to a means for economic growth. Even though overpopulation, natural resource extraction, and environmental degradation are clearly linked, the needs of the economic market trump the needs of the planet. Children are nothing more than moneymakers in the eyes of politicians, forever blind to the moral, environmental, or humanitarian consequences of their policies. Market thinking has obliterated moral thinking on a grand scale. After all, if the West doesn’t produce more children, it can’t produce the wealth needed to look after parents when they retire. No social animal is ever guided by the interests of the entire species to which it belongs. No pika cares about the interests of the pika species; no northern spotted owl will lift a feather for the global northern spotted owl community; no wolf alpha male makes a bid for becoming the king of all wolves. Likewise, few humans care about the interests of ''Homo sapiens''. People only care about themselves and those who directly affect their lives. ** Lyle Lewis, ''Racing to Extinction: Why Humanity Will Soon Vanish'' (2024), Chapter 9. * Humanity has moved past the point where future generations are an issue. If there are any, they will be few in number. Ignoring the inevitable is something all species do. Humans are no different than bacteria in a Petri dish or a mountain pine beetle in a climate-stressed lodgepole pine forest. All available resources are utilized to grow and reproduce until the inevitable collapse. We’re traveling down the same path as all species that have gone through exponential increases. The only difference is ''Homo sapiens'' is doing it on a grander scale. The Herculean ability to ignore the greatest threat to our existence would be comical if not for the rapidly approaching consequential conclusion to our existence. ** Lyle Lewis, ''Racing to Extinction: Why Humanity Will Soon Vanish'' (2024), Chapter 9. * Economic and political instability will continue to increase as food and water supplies are impacted in more areas on the planet by pollution, drought, flooding, and other extreme weather events. However, while the focus is almost entirely on the supply side of the economic equation, the demand side may be the bigger issue. The planet is currently adding an additional 80 million mouths to feed each year, 4.5 times more people than the entire population of Syria. As the chasm between uncertain supplies and increasing demand widens, the social and biological implications for humanity are both unpredictable and alarming. ** Lyle Lewis, ''Racing to Extinction: Why Humanity Will Soon Vanish'' (2024), Chapter 9. * Many people, including environmentalists, often avoid linking the multitude of environmental problems to overpopulation. Some believe that a global shift to veganism could support the current population and more. Others attribute the crisis to various factors [that] are frequently cited as primary contributors to the ongoing environmental crisis, overshadowing the impact of population growth. ** Lyle Lewis, "The Locust Theory" (November 16, 2024) * [There's an] excessive number of humans who [want to] live a lifestyle that promotes equality, along with [others] being minimalist and/or vegan... [and] similar overpopulation by other organisms is considered a plague. ** Ibid. * Our emphasis [on] science has resulted in alarming rises in world populations that demand an ever-increasing emphasis [on] science to improve their standards and maintain their vigor. ** [[Charles Lindbergh]], ''The Wisdom of Wilderness'', ''{{W|Life (magazine)|LIFE}}'', December 22, 1967. * It is still the case that the worst enemies of life are, on the one hand, an excess of life (human life, in particular) and, on the other, the legislation and structure of societies based on {{W|market economy}}. The sturdier a society, the more peaceful it is; the more efficient {{W|economic growth}} (i.e., the ransacking of natural resources), the quicker {{W|Biodiversity loss|other forms of life will step aside}}. Everything that upsets the established order of society, causing chaos and panic, gives time to nature and, ultimately, humans too. ** [[Pentti Linkola]], ''Can Life Prevail?: A Revolutionary Approach to the Environmental Crisis.'' p. 166 === M === * Population, when unchecked, increases in a geometrical ratio, Subsistence, increases only in an arithmetical ratio. ** [[Thomas Robert Malthus]], ''An Essay on the Principle of Population'' (1798), Chapter I, paragraph 18, lines 1-2 * The power of population is so superior to the power in the earth to produce subsistence for man, that premature death must in some shape or other visit the human race. **Thomas Robert Malthus, ''An Essay on the Principle of Population'' (1798), Chapter VII, paragraph 20, lines 2-4 * What has caused the recent super-exponential rise in world population? Before the industrial revolution both fertility and mortality were comparatively high and irregular. The birth rate generally exceeded the death rate only slightly, and population grew exponentially, but at a very slow and uneven rate. In 1650 the average lifetime of most populations in the world was only about 30 years. Since then, [hu]mankind has developed many practices that have had profound effects on the population growth system, especially on mortality rates. With the spread of modern medicine, public health techniques, and new methods of growing and distributing foods, death rates have fallen around the world. […] On a world average the gain around the positive feedback loop (fertility) has decreased only slightly while the gain around the negative feedback loop (mortality) is decreasing. The result is an increasing dominance of the positive feedback loop and the sharp exponential rise in population […]. **Dennis Meadows et al. ''The Limits to Growth'' (1972), Chapter 1: "The Nature of Exponential Growth." * H. sapiens took around 250,000 years to reach a global population of 1 billion in 1820, and just over 200 years to go from 1 billion to 8 billion. This was largely made possible by our species’ access to cheap, easy, exosomatic energy, mainly fossil fuels. Fossil fuels enabled us to reduce negative feedback (e.g. food shortages) and thus delay and evade the consequences of surpassing natural limits. In that same 200 year period, fossil energy (FF) use increased 1300-fold, fueling a 100-fold increase in real gross world product, i.e. consumption, and the human enterprise is still expanding exponentially. ** Joseph J. Merz et al., "[https://journals.sagepub.com/doi/10.1177/00368504231201372 World scientists’ warning: The behavioural crisis driving ecological overshoot]". ''Science Progress'' Volume 106, No. 3 (2023) * There is no way we could keep going as we have been. The increase in human population in the 1990s has exceeded the total population in 1600. The population has grown more since 1950 than it did during the previous four million years. The reasons for our recent rapid growth are pretty clear. Although the Industrial Revolution speeded historical growth rates considerably, it was really the public health revolution, and its spread to the Third World at the end of the Second World War, that set us galloping. Vaccines and antibiotics came all at once, and right behind came population. In Sri Lanka in the late 1940s life expectancy was rising at least a year every twelve months. How much difference did this make? Consider the United States: if people died throughout this century at the same rate as they did at its beginning, America's population would be 140 million, not 270 million. ** [[Bill McKibben]], "[https://www.theatlantic.com/magazine/archive/1998/05/a-special-moment-in-history/377106/ A Special Moment in History]", ''The Atlantic'', May 1998. * The Earth's population is plagued by famines, energy shortages, epidemics, environmental pollution, degeneration, terrorism, dictatorship, anarchism, slavery, excessive increase of waste materials, racial hatred, food shortages, destruction of rain forests, the "greenhouse effect", pollution of lakes, streams and oceans, hatred towards asylum-seekers; radioactive emissions, chemical pollution of water, air, plants, food, human beings and animals. Crime, murder, mass murders, manslaughter; alcoholism, hatred of strangers, oppression, hatred of one's fellowman, extremism, sectarianism, drug addiction, overpopulation, annihilation of animal species, war, violence, torture and capital punishment, general mismanagement, water contamination, eradication of plant species; hatred, vice, jealousy, lovelessness, lack of logic, false humanitarianism, lack of housing, increased traffic, destruction of arable land, unemployment, the collapse of health care, the collapse of care for the elderly, destruction of nature, the collapse of solid waste removal, and the lack of living space, among others. In spite of the many efforts, '''mankind's problems are not decreasing but, instead, continue to rise steadily in direct proportion to population increases.''' ** {{W|Eduard Albert Meier}}, "[http://www.futureofmankind.co.uk/Billy_Meier/Overpopulation_Crusade A Crusade Against Overpopulation]," on ''futureofmankind.co.uk.'' * … technology use harnesses far more energy and materials than we could ever manage without it, and while doing so may make our lives much easier and more comfortable, it comes at the cost of increasing ecological overshoot. As we increase overshoot, we concomitantly increase all the symptom predicaments that overshoot causes. Technology use also has another nasty side effect. It reduces and/or eliminates negative feedbacks which once kept our numbers in check. Many diseases we once suffered from like smallpox, measles, whooping cough, tetanus, etc. have been temporarily eliminated by the technological development of vaccines. Our medical industry has also wiped out many other diseases through proper sanitation, use of antiseptics, anesthetics (allowing surgeries to correct most internal ailments), antibiotics, antifungals, and antivirals to kill or prevent many diseases, and many other innovations that allow us to live better, more comfortable lives. The development of indoor plumbing, electrical systems, heating and air conditioning systems, insulation, refrigerators and freezers, and cooking devices all allow us to accomplish daily tasks either much easier or provide more comfort to us by regulating temperature and humidity levels in our living spaces. Therefore, technology use reduces or removes negative feedback thereby promoting population growth which also promotes technology growth. However, in terms of reducing overshoot (and symptom predicaments such as climate change, energy and resource decline, pollution loading, and biodiversity decline), technology use is '''''maladaptive'''''. This will become painfully clear as time moves forward when more or different technology does not actually solve overshoot. [[Population decline]] is what will actually work to reduce overshoot, caused by the failure of our agricultural systems, increased disease caused by antimicrobial resistance and new viruses emerging, and increased failures of infrastructural systems caused by extreme weather events. Reduced technology use will be facilitated by this mechanism, and ALL species wind up experiencing die-off whether they use technology or not. ** Erik Michaels, "[https://problemspredicamentsandtechnology.blogspot.com/2023/07/how-did-we-get-here.html How Did We Get Here?]" (July 19, 2023). * Most non-domesticated life on earth is in decline and about 200 species a day are going extinct due to a wide range of environmental problems. Many humans are at risk of being harmed or killed by related problems this century.<br>All of the many problems are caused by the same thing: humans have used non-renewable energy to explode their population from 1 billion to 7 billion in 100 years, and now consume so large a share of the earth’s resources that almost all non-domesticated species are in decline. ** Rob Mielcarski, "[https://un-denial.com/2016/03/25/overpopulation-denial/ Overpopulation Denial]." ''Un-Denial'' (March 25, 2016). * We’re in serious trouble. Many red lights are flashing on the dashboard.<br>Most people are now aware that something is seriously wrong, and each has their favorite lens through which to view the problems… The common denominator to all of these problems is overshoot. Very few people are able to see through the lens of overshoot because overshoot is a very unpleasant topic with no painless solutions and no way to avoid its consequences, and because humans evolved to deny unpleasant realities like overshoot. ** Rob Mielcarski, "[https://un-denial.com/2025/06/06/what-should-can-could-will-we-do/ What… Will We Do?]." ''Un-Denial'' (June 6, 2025). * Human numbers are rising at roughly 1.2% a year, while {{W|livestock}} numbers are rising at around 2.4% a year. By 2050 the world’s living systems will have to support about 120m tonnes of extra humans and 400m tonnes of extra farm animals. ** [[George Monbiot]], "[https://www.theguardian.com/commentisfree/2015/nov/19/population-crisis-farm-animals-laying-waste-to-planet There’s a population crisis all right. But probably not the one you think]". ''The Guardian''. November 19, 2015. * [[ফ্রান্সিস বেকন|Bacon]]ian science is at the root of the apocalypse. We have been blessed by advances in medicine, agriculture and engineering. Science has done exactly what we asked of it and now we are set for annihilation. If European science had petered out after the discoveries of the seventeenth century, we would be less numerous and [the] Earth would not be [[global warming|warming]]. ** Nicholas Money. ''The Selfish Ape'' (2019), Chapter 9: "Greenhouse" * This moment is special because we have dramatically built up our population, technology, science, medicine, and democratic institutions as a direct result of vast amounts of surplus energy stemming from a one-time resource. The fossil fuel experience has made us '''dangerously confident''' about our cleverness and dominance over nature. What makes this century special, then, is that we will have to cope with a diminishing supply rate of the resource that has been of paramount importance to our high-tech existence. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2011/10/sustainable-means-bunkty-to-me/ Sustainable means "bunkty" to me]." ''Do the Math'', University of California, San Diego. October 5, 2011. * Humans collectively must ultimately face the uncomfortable question of whether Earth’s natural systems can support 8 billion or more people at a modern standard of living. Since the resource footprint of a U.S. citizen is at least four times that of the global average, the key question is whether the planet can support an increase in material throughput four times higher than present when the strain is apparent already. As noble as it may be to wish [for] a modern living standard for an eventual ten billion or more people, it is likely that committing to such a course could result in more human suffering than would transpire under the adoption of more modest goals. The responsible path is to reduce global resource dependencies and abandon the imperative for growth starting now. ** Thomas W. Murphy, David J.R. Murphy, Thomas F. Love, Melody LeHew and Ben McCall (2021). "[[doi:10.1016/j.erss.2021.102239|Modernity is incompatible with planetary limits: Developing a PLAN for the future]]." ''Energy Research & Social Science'', 81, 102239. * Even something as seemingly altruistic as health care selfishly focuses on human health, to the exclusion and often direct detriment of ecosystem health. Are we really doing ourselves favors in the long term by making the destructive human enterprise healthier, more populous, longer-living, and therefore better able to carry out its damaging activities? If this sounds abhorrently anti-human, it’s because the human enterprise is currently relentlessly anti-planet. Anything that is anti-planet will dismantle ecosystems that serve as critical life support for humans, spelling failure for the human enterprise. So it’s really the human enterprise that is anti-human by way of being anti-planet. […] The best way to assure long-term prosperity is to forge a non-human-centric partnership with nature that does not always put short-term human interests above those of non-human elements of nature. Even “good” activities like health care therefore miss the boat in terms of building a better tomorrow. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2021/05/to-what-end/ To What End?]". Do the Math, {{W|University of California, San Diego}}. May 4, 2021. * Since growth is an absurd short-lived anomaly, what about leveling out in population, resource use per capita, and adopting a steady-state economy? The problem here is that the rate at which we are depleting one-time resources today is unsustainable. We’re simply spending our bank account without paying attention to the balance and without any source of additional income. Most clearly, forests and wild spaces are down by a factor of two in the last 60 years and will be gone within 60 years at current rates of depletion. Before even getting to steady-state conditions, inevitable near-term increases in population together with sought-after increases in standards of living around the world spell an even shorter lifetime for critical habitats. Meanwhile, fisheries are failing in domino fashion; aquifers are being depleted at rates alarmingly higher than replacement; soils are degrading and arable land is lost; fertilizer depends on a finite resource; habitat loss is resulting in species extinctions far in excess of natural rates. Even the plunder of mineral resources in the seemingly infinite crust is getting harder, only a fleeting century or so into our spree. Sustaining present levels for even a few more centuries is a dubious (i.e., unsubstantiated) proposition. It is practically absurd to imagine sustaining present practices for 10,000 years. Humans simply have not yet demonstrated an ability to maintain a technological society without utter reliance on grossly unsustainable inheritance spending. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2021/05/why-worry-about-collapse/ Why Worry About Collapse?]." Do the Math, {{W|University of California, San Diego}}. May 18, 2021. * Earth has never in its history had to contend with 8 billion fire apes, intelligent enough to have leveraged power by exploiting and burning one-time resources. We now operate outside the bounds and protections of evolution: in breach of contract, without a map to success. What could possibly convince us that this fireworks show—which has not even come close to standing the test of time—can maintain anything like its current resource impact for the long haul? Humans have demonstrated convincingly that we can live in a primitive state for hundreds of thousands of years. Our present mode is a few-century flash, supported almost entirely by inheritance-spending. Arguing that we have found a new normal is a precarious position that I would not be eager to defend. Parties end. Fireworks shows end. Why would our flash be any different? It’s not just guesswork: what other outcome could result from rapid resource exploitation on a finite planet? ** Ibid. * We face unprecedented pressures on resources and on our environment, as human population and standard of living both surge on a finite planet. Nature will not allow this trend to continue indefinitely. ** Thomas W. Murphy, ''[https://escholarship.org/uc/item/9js5291m#section.18.5 Energy and Ambitions on a Finite Planet]'', p. 313 (2022) * Human population will not be allowed to grow [indefinitely]. Even small growth rates will step up pressure on natural resources, and Earth can only support so much, long-term. Independent of what the “right” number is, once settled, we will not be able to dial it up without imperiling the hard-won success. Even under steady human population, any increase in resource use per person will also not be compatible. In general, growth leads to a dead end: to failure. ** Ibid. p. 405 * As a jarring illustration of our tendency to value the human side over the prerequisite physical/ecological side, imagine that somehow we manage to emerge from the coming centuries having established a truly sustainable existence. All resources are renewed by nature at the rate of extraction for human needs; population is steady and at a level just tolerable to the planet in terms of indefinite support. Diverse ecosystems are left to thrive in their natural states. But imagine that we are still plagued by cancer and other maladies, so that life expectancy is, say, 90 years. Then what if a team of researchers hits on a cure for (most forms of) cancer? Hurray! At last! Unambiguously good, right? Well, not so fast. All other elements held the same, longer life spans translate to a higher population, putting additional resource burdens on the planet that it cannot handle in the long term. In order to adopt and implement the cure for cancer, we would have to either deliberately reduce population or lower the standard of living to accommodate the change. All other considerations of the complex society about economic impacts, equity of distribution, legal and political facets, or interaction with religious belief systems must take a back seat to the most fundamental and important question: is this change physically viable on this finite planet in the long term? ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2021/11/caught-up-in-complexity/ Caught Up in Complexity]". Do the Math, {{W|University of California, San Diego}}. November 30, 2021. * People tend to prefer the narrative that we, ourselves, are the superheroes, and that our superpowers are not from the fossil fuel suit, but are cognitive in nature. Yet we have the same neural hardware (if not slightly downsized) as our prehistoric ancestors. The main cognitive revolution happened about 70,000 years ago when humans started to believe in things that do not exist (like spirits or potential future gains) that allowed large-scale coordination and shared identity to outcompete evolution’s more biophysical tricks of sharp teeth/claws, speed, strength, camouflage, poison, or overwhelming numbers. Global spread of homo sapiens and megafauna extinctions quickly followed, and it is at this point that the human experiment began to smolder: something was off. About 10,000 years ago, agriculture started and the first visible flame ignited. About 300–400 years ago, the Enlightenment lit a fuse by developing a scientific approach to understanding the world. It was not long before the fuse found fossil fuels and we now witness the predictable explosion that ensued. The explosion is breathtakingly rapid on any meaningful timeline, only appearing in slow motion to the few generations experiencing the phenomenon and thus seeming “normal.” So we can trace some part of our current planetary dominance to human ingenuity, but perhaps the lion’s share actually is attributable to the energy bonanza—as suggested by the dramatic change in the pace of innovation before and after the fossil transition. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2022/06/shedding-our-fossil-fuel-suit/ Shedding Our Fossil Fuel Suit]". Do the Math, {{W|University of California, San Diego}}. June 21, 2022. * A plausible scenario for ecosystem collapse... is based on the fact that we currently support 8 billion people on a fossil-intense agricultural system. We have over-leveraged that finite resource to "borrow" millions of years of eco-services (photosynthetic energy) and now host a population that probably never could have existed in ecological equilibrium. Even if fossil fuels were not going away, it seems likely we would see continued erosion of the globe's ability to support this current unsustainable mode. We have already lost about half of the wild animal life in my lifetime: is that halfway to collapse? Take away the fossil fuels, and I imagine over-hunting and rapid deforestation will take an enormous toll on ecosystem health. ** Thomas W. Murphy's self-comment on "[https://dothemath.ucsd.edu/2022/07/the-ride-of-our-lives/ The Ride of Our Lives]". Do the Math, University of California, San Diego. July 12, 2022. *[It] is truly alarming from an ecological point of view: not only has the human population grown like gangbusters, but the level of affluence per person has soared by an even larger factor. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2022/09/death-by-hockey-sticks/ Death by Hockey Sticks]". Do the Math, University of California, San Diego. September 13, 2022. * The dream of eventually having 10 billion people living at [[American Dream|American standards]] completely ignores the glaring fact that we seem to be circling the drain even at today’s impact level (i.e., overshoot). How could we possibly entertain the factor-of-five increase in resource demand that would accompany a realization of “the dream?” It seems delusional… and likely to turn into a nightmare if pursued. **Ibid. * Human population is going up… We’re not exactly doing the planet (or ultimately ourselves) any favors presently. Will adding more humans that subscribe to our current cultural model somehow make the situation better? Will improving standards of living (thus increasing resource demand) mysteriously turn things around? It’s hard to see how—not without enacting a whole new model. **Ibid. * Increasing the standard of living of a growing population makes today’s ecological pressures look adorable. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2022/09/a-climate-love-story/ A Climate Love Story]". Do the Math, University of California, San Diego. September 20, 2022. * It is easy to get caught up in the heady whirlwinds of [[modernity]]. We have accomplished amazing feats in these past few centuries, and our extrapolative minds envision a continued acceleration. Given that our life span overlaps only a portion of the tale, it is easy to lose the context that our boom (the [[Industrial Revolution]] and what followed) is almost entirely due to fossil fuels. This energy surge in turn powered a surge in material access and economic activity (and human population) in what is perhaps fittingly described as a fireworks show. ** Ibid. * What did we do with our fossil fuel bonanza? We exploded population by revolutionizing agriculture [and health]. Now when fossil fuels inevitably (and soon?) decline, we’re left with an overhang that can no longer be supported. The resulting population decline will suddenly cast [[Thomas Robert Malthus|Malthus]] in a new light: oh what a starry-eyed soothe-sayer [sic]! When that day comes, […] realize that it’s no more tragic than the ant colony waning as it must. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2022/10/the-cult-of-civilization/ The Cult of Civilization]." Do the Math, {{W|University of California, San Diego}}. October 4, 2022. * Our fossil fuel bonanza has left our ecosystem in a perilous state. We have destroyed vast forests and habitats, polluted water and soil, kicked off a rapid climate trend that natural systems may not adapt to quickly enough, and basically overrun the planet. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2022/12/finite-feeding-frenzy/ Finite Feeding Frenzy]." Do the Math (December 5, 2022). * …fossil fuels allowed us to drastically overshoot the natural carrying capacity of the planet, and that bill will come due when the underlying resource inevitably dwindles. Sometimes simple is simply right. ** Ibid. * The human explosion has accelerated across the millennia, most recently reaching a fever pitch owing to the employment of fossil fuels—leveraging stored solar energy about a million times faster than it was created. The ensuing access to minerals and ability to transform landscapes has rapidly and radically altered our world within just a few human generations. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2023/08/call-me-ishmael/ Call Me, Ishmael!]." Do the Math, August 1, 2023. * In 1800, every human on the planet had a corresponding 80 kg of mammal mass in the wild. Wildland mammals outweighed humans in an 80:50 ratio. Today, each human on the planet can only point to 2.5 kg of wild mammal mass as their “own.” Let that sink in. You only have 2.5 kg (less than 6 pounds) of wild mammal out there somewhere. A single pet cat or dog generally weighs more. Not that long ago, it was more than you could carry. Now, it seems like hardly anything! I especially fear the implications for mammals should global food distribution be severely crippled. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2023/08/ecological-cliff-edge/ Ecological Cliff Edge]." Do the Math, August 18, 2023. * As if the Enlightenment was not enough, in quick succession we joined another enormous river. One could say that the process of science opened the door to fossil fuels, but science and fossil fuels might be best described as a dynamic duo. Fossil fuels gave us the power to advance our science-amplified degree of control to an entirely new level. Resources that had been previously inaccessible became available. It became far easier to clear land for agriculture and other uses. We learned to make fertilizer from methane, unleashing unprecedented agricultural surpluses that inevitably resulted in a human population overshoot. Fossil-fueled furnaces led to steel, concrete, and other materials on a massive scale, paving the way to megacities and global trade. Science itself was amplified by having access to fossil fuels, via a flood of new devices and capabilities invented with—and powered by—cheap energy. Advances in science and technology in turn allowed greater access to buried fossil energy. This positive feedback arrangement facilitated runaway expansion of the [human] enterprise, leading to a battery of hockey stick curves. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2023/08/our-time-on-the-river/ Our Time on the River]". Do the Math, August 22, 2023. * Energy has been fundamental to our story of growth. The various hockey stick curves over the last century or so are a reflection of energy and population. What’s more, human population itself is a reflection of energy, as mechanized, fertilized agriculture was made possible by fossil fuels. Since energy per capita has also increased like a hockey stick, the ecological impact (and many other metrics like GDP) takes on the shape of a super-exponential (still resembling a hockey stick on a logarithmic plot). ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2023/09/can-modernity-last/ Can Modernity Last?]" Do the Math, September 26, 2023. * We have used [fossil fuels] to expand the human enterprise and population, knock down forests, destroy and fragment habitats, drive extinctions, and generally threaten the vitality of the planet. [But] “solving” the energy problem as fossil fuels give out is pretty frightening: how would it not simply perpetuate the ecological nosedive we have initiated? Only if we put ecological concerns above energy do we stand any chance of survival. ** Ibid. * I acknowledge that cancer is a class of disease, and no universal cure is likely to emerge. But feel free to substitute any longstanding cause of death. […] In a sense, it is death that makes life special and worthy of celebration. […] What would a successful cure look like? Human lifespans would increase. All other things being equal, a reduced death rate means more humans on the planet, putting additional pressures on the entire community of life and further threatening the vitality of the planet—including humans, to be clear. Moreover, access to the cure would almost certainly be more available to the affluent half, who are already heavy users of resources and thus cause outsized harm to the planet. So a cure to cancer would serve to boost ecological destruction, in practice. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2023/10/are-we-lucky/ Are We Lucky?]" Do the Math, October 3, 2023. * Truly, the end of modernity will probably be brutal for most of the 8 billion people on the planet, who will cling to what they know and fail to adapt. But even if they were mentally ready, the Earth is not ready to support 8 billion humans without a massive fossil subsidy, so human population will likely fall a lot in hard times. ** Thomas W. Murphy's self-comment on "[https://www.resilience.org/stories/2023-09-27/can-modernity-last/ Can Modernity Last?]". ''Resilience''. September 30, 2023. * Compared to biologically relevant timescales, the human explosion commenced just “yesterday” when grain agriculture began taking root... set[ting] the stage for planet-crushing present-day human populations in a time that is still contextually short. Each “improvement” like cities and technology only accelerated the rapidity of the unsustainable ascent. Mounting ecological damage was part and parcel of this expansionist story long before cars, planes, and smartphones arrived—like two sides of a coin. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2024/02/unsustainable-goose-chases/ Unsustainable Goose Chases]". ''Do the Math'', February 27, 2024. * Humans are voracious (big brains to feed and a lot of un-furry surface area to keep warm), and therefore are ecologically expensive. If the Earth tightens its belt, [one should]n’t assume that humans will fare well. We are summer children borne of “good” times, where “good” translates to “biodiverse.” Cleverness is no guarantee against starvation, as countless clever humans who have starved can’t tell [us]. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2024/04/post-modernity/ Post-Modernity]". ''Do the Math'', April 9, 2024. * [Our] success [in eliminating hunger and inequity] inevitably grows the population, scaling up the current tension... to planetary limits... [and] curing all diseases and achieving effective immortality would be ecologically disastrous! ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2024/05/whats-the-point/ What's the point?]" ''Do the Math'', May 14, 2024. * Since the current low levels of mortality go hand-in-hand with ecological devastation and a doomed modernity, their embrace is itself a problem… ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2024/05/watching-population-bomb/ Watching population bomb]". ''Do the Math'', May 28, 2024. * The Green Revolution transformed agriculture by inserting fossil fuels at every turn. Fertilizer came from natural gas. Diesel allowed large-scale mechanization of plowing, planting, harvesting, processing, and transporting large amounts of food. Petrochemical pesticides smote economically worthless (but ecologically invaluable) products of evolution into the foul dust. We fed a growing human population, now 8 billion strong. It boils down to a diet of fossil fuels: again, temporary. ** Thomas W. Murphy, ''Metastatic Modernity''. Episode 9: "[https://dothemath.ucsd.edu/2024/07/mm-9-recipe-for-disaster/#more-8348 Recipe for Disaster]". ''Do the Math'', July 30, 2024. * To those who resist the notion that increasing food production also means increasing human population, consider this. In 1950, the global population stood at about 2.5 billion people. The Green Revolution was about to explode into global agriculture, substantially increasing crop yields on the back of profligate fossil fuel inputs (for fertilizer, mechanization, energy for irrigation, transport, processing, etc.). Let’s say this tsunami of energy and technology had not arrived on the agricultural scene, and that moreover a global edict (“magically” followed) held annual food production at the 1950 level thereafter.<br>Would we have 8 billion people today? Impossible. We would still have 2.5 billion, correct? In 1950, the world produced enough food for 2.5 billion people, so that same amount of annual food would sustain 2.5 billion people today…or perhaps 2 billion taller, heavier people; or 3 billion people with more equitable, modest distribution and less waste. But you get the point: hold the food supply steady and you essentially hold the population below some cap. Inarguable. Those additional 5.5 billion people were made possible by a technological wave of food increase. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2025/06/food-makes-babies/ Food Makes Babies]." ''Do the Math'', June 10, 2025. * [Eight] billion humans are driving a sixth mass extinction, which leaves no room for even 10 humans if fully realized, let alone 10¹⁰. ** Thomas W. Murphy, “[https://dothemath.ucsd.edu/2025/09/8-billion-will-die/ 8 Billion Will Die],” ''Do the Math'' (September 23, 2025) *Maintaining 8 billion human people on Earth [without fossil fuels] is no more possible than invading space. It’s not an actual, realizable choice—beyond transitory and costly stunt demonstrations. **Ibid. === N === * How we live and consume matters just as much as the growing density of our numbers combined with the proliferation of our machines that devour energy on our behalf. (Roads and cell phones all consume energy and materials too.) All three demographic issues are increasing at unsustainable rates and feed each other to propel more economic growth, more emissions and more fragility. The world’s current population is 7.9 billion and grows by 80 million a year. It has slowed down in recent years because the affluent don’t need the energy of children as much as the poor. Even so civilization will add another billion to the planet every dozen years. Redistributing energy wealth (and emissions) from the rich to the poor will not avert disaster if human populations don’t overall decline. Our numbers also reflect a demographic anomaly that began with fossil fuels, a cheap energy source that served as Viagra for the species. Prior to our discovery of fossil fuels, the population of the planet never exceeded one billion. Our excessive numbers are purely a temporary artifact of cheap energy spending and all that it entails — everything from fertilizer to modern medicine. ** Andrew Nikiforuk, "[https://thetyee.ca/Analysis/2021/12/06/Andrew-Nikiforuk-Getting-Real-About-Our-Crises/ Getting Real about Our Crises]." ''The Tyee'', December 6, 2021. ===O=== * In recent decades, support for family planning has waned, and global fertility decline has decelerated as a result. Projections calibrated across the decades of strong family planning support have not acknowledged this change and are consequently underestimating global population growth. Scenarios used to model sustainable futures have used overly optimistic population projections while inferring these outcomes will happen without targeted measures to bring them about. Unless political will is rapidly restored for voluntary family planning programs, the global population will almost certainly exceed 10 billion, rendering sustainable food security and a safe climate unachievable. ** Jane N. O'Sullivan, "Demographic Delusions: World Population Growth Is Exceeding Most Projections and Jeopardising Scenarios for Sustainable Futures." ''World''. 2023. 4(3). 545-568. {{DOI|10.3390/world4030034}} === P === *Putting an end to the population explosion will not of itself save the ecosphere, but not ending it will add greatly to the dangers the planet faces. The environment can sustain a quality of life for just so many people. **[[Michael Parenti]], ''Blackshirts and Reds: Rational Fascism and the Overthrow of Communism. '' (1997), p. 155 *'''In what year will the human population grow too large for the Earth to sustain? The answer is about 1970''', according to research by the {{W|World Wildlife Fund}}. In 1970, the planet's 3 and a half billion people were {{W|Sustainable population|sustainable}}. But on this New Year's Day, the population is 8 billion. Today, wild plants and animals are running out of places to live. **[[Scott Pelley]], "[https://www.cbsnews.com/news/earth-mass-extinction-60-minutes-2023-01-01/ Scientists say planet in midst of sixth mass extinction, Earth's wildlife running out of places to live]" {{W|CBS News}}, January 1, 2023. * ... ''Homo sapiens'' have been around for about 200,000 years and we are struggling to provide 7 billion of us with sufficient food, clothing, and shelter to lead decent lives. There cannot be an economist on the planet who thinks Earth could support 7.168 trillion people. Human population growth cannot go on forever, no matter how optimistic economists might be. ** Gary Peters, "[https://ourfiniteworld.com/2011/06/13/should-we-take-united-nations’-projections-seriously/ Should We Take United Nations’ Projections Seriously?]" (June 13, 2011) *Human overpopulation, the ever-increasing power of our technology, and the demand of our omnicidal, neoliberal economic system of infinite growth on the basis of finite resources threaten the earth with total destruction. **{{W|Norm Phelps}}, quoted in ''The Politics of Total Liberation: Revolution for the 21st Century'' by [[Steven Best]], (2014), p. ix * Ever since Malthus, at least, it has been clear that means of subsistence do not grow as fast as population. No one has ever liked the idea that famine, plague, and war are nature's way of redressing the imbalance -- Malthus himself suggested that the operation of "preventive checks," which serve to reduce the birth rate, might help prolong the interval between such events. And in the two hundred years since Malthus sat down to pen his essay, there has been no worldwide cataclysm. But in the same two centuries world population has grown exponentially while irreplaceable resources were used up. Some kind of adjustment is inevitable. Today, many people who are concerned about overpopulation and environmental degradation believe that human actions can avert catastrophe. The prevailing view holds that a stable population that does not tax the environment's "carrying capacity" would be sustainable indefinitely, and that this state of equilibrium can be achieved through a combination of birth control, conservation, and reliance on "renewable" resources. Unfortunately, worldwide implementation of a rigorous program of birth control is politically impossible. Conservation is futile as long as population continues to rise. And no resources are truly renewable. ** David Price, "Energy and Human Evolution". ''From Population and Environment: A Journal of Interdisciplinary Studies'', Volume 16, Number 4, March 1995 * Around 8,000 BC, world population was something like five million. By the time of [the birth of Jesus] Christ, it was 200 to 300 million. By 1650, it was 500 million, and by 1800 it was one billion. The population of the world reached two billion by 1930. By the beginning of the '60s it was three billion; in 1975 it was four billion; and after only eleven more years it was five billion. This cannot go on forever; collapse is inevitable. The only question is when. ** Ibid. * People who believe that a stable population can live in balance with the productive capacity of the environment may see a slowdown in the growth of population and energy consumption as evidence of approaching equilibrium. But when one understands the process that has been responsible for population growth, it becomes clear that an end to growth is the beginning of collapse. Human population has grown exponentially by exhausting limited resources, like yeast in a vat or reindeer on St. Matthew Island, and is destined for a similar fate. ** Ibid. === R === * As human populations expand they necessarily appropriate ecological space required by other species. Human ‘competitive displacement’ of non-human organisms from their habitats and food sources is now the greatest contributing factor to {{W|Biodiversity loss|plunging biodiversity}}. Consider that with only 0.01 % of total Earthly {{W|Biomass (ecology)|biomass}}, H. sapiens’ expansion has eliminated 83 % of wild animal and 50 % of natural plant biomass. From a fraction of 1 % ten millennia ago, humans now constitute 36 %, and our domestic livestock another 60 %, of the planet’s much expanded mammalian biomass compared to only 4 % for all wild species combined. Similarly, domestic poultry now comprise 70 % of Earth’s remaining avian biomass. Meanwhile, commercial fishing depletes the oceans at the expense of rapidly declining marine mammals and birds. Seabirds are the most threatened bird group, with a 70 % community-level population decline between 1950 and 2010. ** {{W|William E. Rees}}, "[http://www.fraw.org.uk/data/limits/rees_2020.pdf Ecological economics for humanity’s plague phase]". ''{{W|Ecological Economics (journal)|Ecological Economics}}.'' (2020) * Population estimates are usually based on demographic data alone with no consideration of exogenous factors. This is unrealistic. For living organisms, the fact of their own existence ensures that no environment or habitat remains ideal for long. As the subject population expands, it will invariably use up any crucial resource in fixed supply. Even renewable resources can be depleted once the population goes into ‘overshoot’, a situation in which aggregate consumption exceeds food species’ recovery rates or waste accumulation exceeds natural assimilative capacity. The rise and fall of reindeer populations introduced to two previously unoccupied (by reindeer) Pribilof Islands in the early 20th century is a classic example. Collapse was attributed to overgrazed food sources (primarily lichen) abetted by the stress of exceptionally cold winter. ** William E. Rees, "[https://www.whp-journals.co.uk/JPS/article/view/653/486 The fractal biology of plague and the future of civilization]". ''The Journal of Population and Sustainability'' (2020) * ...for most of our species’ time on Earth—including most of the agricultural era—humanity’s natural propensity to expand has been held in check by negative feedback, e.g., food and other resource shortages, disease, and inter-group conflict. Circumstances changed with the scientific/industrial revolution, particularly the increasingly widespread use of fossil fuels. It took 200,000 – 350,000 years for human numbers to reach one billion early in the 19th Century, but only 200 years (as little as 1/1750th as much time!) to balloon another seven-fold by early in the 21st Century. Improvements in medicine, public sanitation, and population health contributed to this expansion, but coal, oil, and gas made it possible. Fossil fuels are the energetic means by which humans extract, transport, and transform the prodigious quantities of food and other material resources into the products needed to support our burgeoning billions. More than any other factor, fossil fuels enabled H. sapiens to eliminate or reduce normal negative feedbacks. Freed from historic constraints, our species was, at last, able to exhibit its full potential for geometric growth. ** Ibid. * Humanity is already far into ecological overshoot: we are learning the hard way that the ecosphere under stress is still immeasurably more complex than even the global human enterprise. It can generate a vastly larger arsenal of negative feedbacks in response to human excesses than any imaginable human control system can match. ** William Rees, "[https://reeswilliame.substack.com/p/variety-matters-more-than-you-think Variety Matters More Than You Think]," ''Substack'' (July 28, 2025) * Humans invade and populate all accessible favourable habitats; human populations use up all available resources; under favourable conditions, human populations are capable of exponential growth. […] The industrial/scientific revolution spawned technologies, particularly improvements in public sanitation and disease control, that greatly reduced death rates while fossil fuels alleviated food and resource shortages. With the suppression of negative factors, positive feedback prevailed; between the early 1800s and 2023, the human population exploded from one to eight billion. Meanwhile, what we now call ‘neoliberal economics’ began taking form in the late 1800s. In just two centuries, the human population grew eight times larger than the maximum attained over the previous 3000 centuries, and the world economy grew 100-fold in real terms! […] Overshoot may be a quasi-natural phenomenon, but it is also a potentially terminal condition. There are now about 80 cities in the world with populations in excess of five million—each has more people than existed on the entire planet at the dawn of agriculture 10,000 years ago. […] Life in higher-income countries just seemed to be getting better and better, at least in material terms. Little wonder that by the 1950s, MTI governments and international institutions everywhere were adopting the neoliberal vision of perpetual economic and population growth via continuous technological advance as the dominant development narrative of global culture.<br>There are, of course, significant problems—all this occurred on a finite, non-growing planet with serious history. With nurture-reinforcing-nature in propelling the expansionist juggernaut, the human enterprise surged into ecological overshoot; resource consumption and waste production are overwhelming the bio-productive and waste assimilation capacities of the ecosphere. This is not merely an aesthetic concern: the functional integrity of the ecosphere is essential for human existence. '''Overshoot may be a quasi-natural phenomenon, but it is also a potentially terminal condition.''' ** William Rees, "[https://substack.com/home/post/p-181832455 Why collapse is inevitable]," ''Substack'' (December 16, 2025) * The current human population is 14,000-fold larger than the average populations of other mammal species of similar body size! […] If humans were a typical mammal whose global population corresponded to the arithmetic mean (average) of populations of mammals of similar body size, there would be only 500,000 people on Earth! ** Ibid. * Almost all of today’s low-energy countries have a population density so great that it perpetuates dependence on intensive manual agriculture, which alone can yield barely enough food for their people. They do not have enough acreage, per capita, to justify using domestic animals or farm machinery, although better seeds, better soil management, and better hand tools could bring some improvement. A very large part of their working population must nevertheless remain on the land, and this limits the amount of surplus energy that can be produced. Most of these countries must choose between using this small energy surplus to raise their very low standard of living or [to] postpone present rewards for the sake of future gain by investing the surplus in new industries. The choice is difficult because there is no guarantee that today’s denial may not prove to have been in vain. This is so because of the rapidity with which public health measures have reduced mortality rates, resulting in population growth as high [as] or even higher than that of the high-energy nations. Theirs is a bitter choice; it accounts for much of their anti-Western feeling and may well portend a prolonged period of world instability. ** [[Hyman G. Rickover]], "Energy and Resources and Our Future" speech (May 14, 1957) * The doubling of life expectancy is largely down to medical advances. Without medical care, we’d probably be at a much lower population level. I can’t find projections, but given that even some fairly routine injuries and sicknesses would be life-threatening without medical intervention, one would expect a more pyramidal pyramid, and 2 billion people doesn’t seem unreasonable to me. This is also amplified by [there] being [fewer] people to innovate ideas like the green revolution, which [led] to higher populations.<br>In nature, population overshoot is usually remedied by a higher die-off rate, not a lower birth rate. But humans think that medical care and increased lifetimes are a sign of progress. Medical advances can even allow some who wouldn’t have been able to have children to have children, thus exacerbating overshoot. ** Mike Roberts, "[https://mikerobertsblog.wordpress.com/2024/08/09/what-can-antinatalism-achieve/ What Can Antinatalism Achieve?]" (August 9, 2024) * A lot of technologies have been utilised in storing food or growing more of it. And we know that increased access to food increases population size. The reverse is also true, of course, so we should expect [[population decline|population to fall]] as harvests come under stress from the effects of [[Global warming|climate change]]. ** Mike Roberts, "[https://mikerobertsblog.wordpress.com/2024/09/14/the-inevitability-of-our-predicament/ The Inevitability of Our Predicament]" (September 14, 2024) * Humans are a species, so they are no different in needing to reproduce to propagate their traits, which may eventually lead to what would be considered a new species, though that would likely take tens or hundreds of thousands of years. If our ancestors had considered the effects of what they were doing, why some prey species appeared to disappear, for example, then we wouldn’t be here, as we’d limit what we did, how we expanded, how we spread. Humans would, at best, have remained a very limited species, if it survived at all. But that is not the way life works. Clearly, we have followed the maximum power principle, since we’re a species, and so consume as much energy and resources as we can. In basic terms, a body needs food for energy and humans have figured out how to produce increasing quantities of food (at least in terms of calories) using agriculture, machines, artificial fertilisers and pesticides. This has enabled an explosion in population in a positive feedback loop (with higher population forecast, we figure out how to support that population, leading to more agriculture and higher yields, so we end up with a higher population). The huge success of agriculture and mechanisation, has lead to almost no human being involved in the production of the food that keeps us alive, so we’ve had to invent other ways to kill our time. We now have a huge variety of products and services to help us kill our time before we die. Some of it is pleasurable so we want to do more of it and invent new ways to live. All the time, killing more of the rest of life. But getting here was inevitable because we are a species and don’t have free will to counter those inbuilt drives. ** Mike Roberts, "[https://mikerobertsblog.wordpress.com/2024/10/03/a-retrospective-of-the-inevitable/ A Retrospective of the Inevitable]" (October 3, 2024) * As food makes babies perhaps the critical development was agriculture but then without fossil fuels, we could never have produced as much food as we do now, and deliver it across the world. But then, if we hadn’t started cooking food, we might not have been clever enough to figure out how to use fossil fuels to produce food. And without language, we could never have communicated complex ideas about agriculture, tool making and the use of fossil fuels. So we go round and round. ** Mike Roberts, "[https://mikerobertsblog.wordpress.com/2025/07/07/where-did-it-all-go-wrong/ Where Did It All Go Wrong?]" (July 7, 2025) * It is often said that humans are in overshoot. What does that mean? In simple terms, it means exceeding a limit. However, if a limit has been exceeded, then how is it a limit? People usually refer to overshoot as exceeding the carrying capacity of the planet. The ability for the planet to support the current population of humans. And yet here we are. Humans have apparently been in overshoot territory for a long time, but that hasn’t affected the numbers. Indeed, the population of humans continues to grow. ** Mike Roberts, "[https://mikerobertsblog.wordpress.com/2025/12/27/overshoot-or-undershoot/ Overshoot or Undershoot?]" (December 27, 2025) * We have well over 8 billion people on this planet. All ecosystems have been perturbed, and wildlife has been hugely depleted by over 70% in just the last half century. Deforestation continues apace at almost 5 million hectares per year. So, it’s impossible for all humans to live sustainably right now. If a few chose, and succeeded, to live sustainably, it would have no measurable effect on the planet. ** Mike Roberts, "[https://mikerobertsblog.wordpress.com/2026/01/25/would-anyone-want-to-live-sustainably/ Would Anyone Want to Live Sustainably?]" (January 25, 2026) === S === * It is apparently futile only to insist that the more back­ward countries restrict their birth rates. What is needed most of all is economic and technical assistance to these countries. This assistance must be of such scale and generosity that it is unlikely before the estrangement in the world and the egotistical, narrow-minded approach to relations between nations and races are eliminated. ** [[Andrei Sakharov]], ''Progress, Coexistence and Intellectual Freedom'', Chapter 5: "Hunger and Overpopulation (and the Psychology of Racism)" (1968) * Government policy, legislation on the family and marriage, and propaganda should not encourage an increase in the birth rates of advanced countries while demanding that it be curtailed in underdeveloped countries that are receiving assistance. Such a two-faced game would produce nothing but bitterness and nationalism. ** Ibid. * I want to emphasize that the question of regulating birth rates is highly complex and that any standardized, dogmatic solution "for all time and all peoples" would be wrong. ** Ibid. * ...increasingly, technology has come up against the law of unexpected consequences. Advances in health care have lengthened life spans, lowered infant-mortality rates, and, thus, aggravated the population problem. ** [[w:Tom Sancton|Thomas A. Sancton]], "What on Earth Are We Doing?" in ''[[w:Time (magazine)|Time]]'' (week ending January 2, 1989). * As human beings, with over 8 billion of us on planet Earth at present, we now find ourselves in a very analogous situation to both the early cyanobacteria from over 2 billion years ago and the yeast cells one would culture within a nutrient-rich broth in a petri dish. It isn’t that we’re in danger of transforming our planet into an uninhabitable hellscape, as nothing we’ve done or are in the process of doing is going to have a catastrophic effect of that magnitude. However, there are a number of ways that we’re polluting, destroying, or depleting our environment in ways that not only are non-renewable and unsustainable, but that are going to have negative downstream effects that impact future humans, hundreds and even thousands of years down the line, in ways that most of us aren’t prepared to fully reckon with.<br>And that’s unfortunate, because we should be prepared. After all, unlike yeast, cyanobacteria, or any other species that’s impacted its environment due to its collective, accumulated actions, we can not only detect and quantify the effects we’re having, but can choose to change our action at any time. ** Ethan Siegel, "[https://bigthink.com/starts-with-a-bang/humanity-yeast-cells/ Is humanity dumber than a colony of yeast cells?]." ''Big Think'' (March 8, 2023) * Erroneous belief about population growth has cost dearly. In poor countries, it has directed attention away from the factor that we now know is central in a country's economic development, its economic and political system. And in rich countries, misdirected attention to population growth and its... consequence of natural-resource shortages has caused waste through such programs as now-abandoned synthetic fuel programs, and the useless development of airplanes that would be appropriate for an age of greater scarcity. ** [[Julian Simon]], "[http://www.juliansimon.com/writings/Norton/NORTON02.txt Scarcity or Abundance? A Debate on the Environment]," on ''juliansimon.com'' * Adding more people causes problems, but people are also the means to solve these problems. The main fuel to speed our progress is our stock of knowledge, and the brake is our lack of imagination. The ultimate resource is people—skilled, spirited, and hopeful people who will exert their wills and imaginations for their own benefit, and inevitably they will benefit not only themselves but the rest of us as well. ** [[Julian Simon]], [http://www.juliansimon.com/writings/Ultimate_Resource/TCONCLUS.txt The Ultimate Resource] * In trying to solve the terrifying problems that face us in the world today, we naturally turn to the things we do best. We play from strength, and our strength is science and technology. To contain a population explosion, we look for better methods of birth control. Threatened by a nuclear holocaust, we build bigger deterrent forces and anti-ballistic missile systems. We try to stave off world famine with new foods and better ways of growing them. Improved sanitation and medicine will, we hope, control disease; better housing and transportation will solve the problems of the ghettos, and new ways of reducing or disposing of waste will stop the pollution of the environment. We can point to remarkable achievements in all these fields, and it is not surprising that we should try to extend them. But things grow steadily worse, and it is disheartening to find that technology itself is increasingly at fault. Sanitation and medicine have made the problems of population more acute, war has acquired a new horror with the invention of nuclear weapons, and the affluent pursuit of happiness is largely responsible for pollution. As Darlington has said, ‘Every new source from which man has increased his power on the earth has been used to diminish the prospects of his successors. All his progress has been at the expense of damage to his environment, which he cannot repair and could not foresee.’ **[[B. F. Skinner]], ''Beyond Freedom and Dignity'' (1971), Chapter 1: “A Technology of Behavior.” * Capitalist elites seeking to increase the size of their labour force used pro-natalist state policies to prevent women from practicing family planning. [...] We should not ignore the relationship between population growth and ecology, but we must not treat these as operating in a social and political vacuum. ** Dylan Sullivan and [[Jason Hickel]] (2023). "Capitalism and extreme poverty: A global analysis of real wages, human height, and mortality since the long 16th century". ''{{W|World Development (journal)|World Development}}''. Vol. 161. {{doi|10.1016/j.worlddev.2022.106026}} === T === * History upon Terra tells us what horrors follow upon religious mandates of unlimited reproduction. ** [[Sheri S. Tepper]], ''[[w:Grass (novel)|Grass]]'' (1989), Chapter 12 * Malthusian predictions that relentless population growth will outstrip food production and trigger starvation worldwide have recurred over the centuries. They have come and then gone as farmers have deployed new technologies to increase food output. Even now, enough food is being produced to adequately feed every person on the planet; the fact that nearly one billion people are nonetheless going hungry is a damning indictment of the world's food-distribution system. But since demand is growing, production will also have to increase in the years ahead. With the world's population expected to expand to more than nine billion by 2050 and much of that growth occurring in China, India, and other countries where living standards are rising fast, global food production will need to increase by 70-100 percent in order to keep pace and feed the already chronically hungry. This is a mighty challenge: all the more so because given current soil technology and environmental concerns, more food will have to be produced on roughly the same amount of arable land -- and with less water than is used now and at a time when both growing demand for biofuels and changing climate patterns are also putting pressure on production. Where will the needed rise in food supplies come from, and how quickly can the distribution problems be solved? ** Roger Thurow, "[https://www.foreignaffairs.com/articles/africa/2010-10-21/fertile-continent The Fertile Continent]". ''Foreign Affairs'' (October 21, 2010). * Given the Maoist position that a large population was a “resource”, rather than a burden, for the Communist state, it was politically incorrect to advocate population control [either by diet or medicine]. ** Christopher K. Tong, “The Paradox of China’s Sustainability,” ''Chinese Environmental Humanities'' (2019) * Supporting large families and unchecked growth (of which the greatest parameter is population increase) is a mantra which religion and authority have preached for thousands of years. Religions always need more clergy to reap donations from, and leaders more voters to turn into soldiers for their next war, or to make the gross (as opposed to per capita) GDP figures look good. We are being farmed, we have always been farmed for thousands of years by an economic system that prioritises cold hard profit figures over real prosperity. Competition fuels growth even more, as humans are extremely territorial. The problem with the existence of countries is that they speed up civilisational collapse. They all end up competing for economic and population growth, therefore significantly accelerating civilisational overshoot and collapse. ** George Tsakraklides, quoted in "[https://www.hawaii.edu/vice-versa/interview-tsakraklides-lewis-2-0/ Memories of the Future 2.0]." ''Vice-Versa'', University of Hawaii at Manoa (February 15, 2025) * Thanks to the discovery and exploitation of fossil fuels, humans (really just a small minority of them) are able to live richer lives today than even the queens and kings of yore could have dreamed of.<br>Furthermore, we’ve used some of those finite resources to increase food supplies and to expand the human population, which provides the economic system with both more workers and more consumers, a necessity to keep the economy growing under our current economic model. The world’s population increased from 1.6 billion in 1900 to 7 billion today, and we add about 80 million more each year. Humans have quickly become the most numerous megafauna on the planet. ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2012/01/09/the-faustian-bargain-that-modern-economists-never-mention/ The Faustian bargain that modern economists never mention]" (January 9, 2012) * Humans, because of their intelligence, have found ways to [temporarily] defeat survival of the fittest. As areas get overpopulated, humans have moved to areas where they have a better chance of survival. Humans have found ways to increase food supply, through the use of fertilizers, pesticides, irrigation, and refrigeration, all of which require fossil fuels. They have developed trade, so that so areas with shortfalls can benefit from surpluses elsewhere. Humans have developed a world financial system, which has helped enable worldwide trade. The financial system has also allowed investors to pay for goods after they are put into service, so that the cash flow resulting from an investment can be used (after the fact) to pay for the cost of the investment. This enables investment, and faster use of resources, including energy resources.<br>One of the reasons for continued upward population pressure is the fact that humans have evolved to live beyond their reproductive years. In their declining years, humans often need assistance, either from their offspring or from a public pension program, or both. Because of concern for their own old age, people without pensions tend to have enough children so that there is a significant chance that a child of the right sex will survive to adulthood. With improving medical care, this tends to lead to [an] ever-rising population. ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2012/08/17/humans-seem-to-need-external-energy/ Humans Seem to Need External Energy]" (August 17, 2012) * As long as the world’s population is rising, even in lesser developed countries, there is going to be a continuing need for more food, clothing and housing. This is an issue we don’t seem to be able even to talk about. It may offend people. ** Ibid. * The energy resource that we learned to develop this time is fossil fuels, starting with coal about 1800. '''World population was able to expand greatly because of additional food production permitted by fossil fuels and because of improvements in hygiene.''' A period of stagflation began in the 1970s, when we first encountered problems with US oil production and spiking oil prices. Now, the question is whether we are approaching the Crisis Stage as described by Turchin and Nefedov. ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2013/12/06/diminishing-returns-energy-return-on-energy-invested-and-collapse/ Diminishing Returns, Energy Return on Energy Investment and Collapse]" (December 6, 2013) * As energy supplies deplete, we will increasingly need to “choose our battles.” In the past, humans have been able to win many battles against nature. However, '''as energy per capita declines in the future, we will be able to win fewer and fewer of these battles against nature''', such as our current battle with COVID-19. At some point, we may simply need to let the chips fall where they may. '''The world economy seems unable to accommodate 7.8 billion people, and we will have no choice but to face this issue.''' ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2020/11/09/energy-is-the-economy-shrinkage-in-energy-supply-leads-to-conflict/ Energy is the economy; shrinkage in energy supply leads to conflict]" (November 9, 2020) * Many people believe that humans can have a sustainable future by using solar panels and wind turbines. Unfortunately, the only truly sustainable course, in terms of moving in cycles with nature, is interacting with the environment in a manner similar to the approach used by chimpanzees and baboons. Even this approach will eventually lead to new and different species predominating. Over a long period, such as 10 million years, we can expect the vast majority of species currently alive will become extinct, regardless of how well these species fit in with nature’s plan.<br>The key to the relative success of animals such as chimpanzees and baboons is living within a truly circular economy. Sunlight falling on trees provides the food they need. Waste products of their economy come back to the forest ecosystem as fertilizer.<br>Pre-humans lost the circular economy when they learned to control fire over one million years ago, when they were still hunter-gatherers. With the controlled use of fire, cooked food became possible, making it easier to chew and digest food. The human body adapted to the use of cooked food by reducing the size of the jaw and digestive tract and increasing the size of the brain. This adaptation made pre-humans truly different from other animals.<br>With the use of fire, pre-humans had many powers. They spent less time chewing, so they could spend more time making tools. They could burn down entire forests, if they so chose, to provide a better environment for the desired types of wild plants to grow. They could use the heat from fire to move to colder environments than the one to which they were originally adapted, thus allowing a greater total population.<br>Once pre-humans could outcompete other species, the big problem became diminishing returns. For example, once the largest beasts were killed off, only smaller beasts were available to eat. The amount of effort required to kill these smaller beasts was not proportionately less, however. ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2020/12/02/humans-left-sustainability-behind-as-hunter-gatherers/ Humans Left Sustainability Behind as Hunter-Gatherers]" (December 12, 2020) * … the problem the world is facing today is like one that smaller economies have faced, over and over, in the past: '''The population has become too large for the economy’s resource base''', which now includes fossil fuels. Today’s leaders reframe the problem as voluntarily moving away from fossil fuels to prevent climate change in order to make the situation sound less frightening. ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2023/12/15/ten-things-that-change-without-fossil-fuels/ Ten things that change without fossil fuels]" (December 15, 2023) * We are dealing with an age-old problem: Humans are able to outsmart other animals, and for this reason, human populations tend to rise except when external conditions are quite adverse. ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2024/03/17/advanced-economies-will-be-especially-hurt-by-energy-limits/ Advanced Economies Will Be Especially Hurt by Energy Limits]" (March 17, 2024) * History shows a repeated pattern of overshoot and collapse. A population would grow until the carrying capacity of the local area was reached. Food surpluses would become lower and lower, so less food could be saved up for fluctuations in rainfall and temperature. Eventually, civilizations would succumb to one or another problem: disease, attack by a neighboring group, climate fluctuations, or governments overthrown by unhappy citizens. We tell ourselves that overshoot and collapse cannot happen now, but human population is high relative to fossil fuel resources, and intermittent wind and solar are not working out well as substitutes. ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2024/07/22/how-does-the-economy-really-work/ How Does the Economy Really Work?]" (July 22, 2024) * Humans are smarter than other animals, allowing the population of humans to grow, while the population of many other species tends to fall. […] The large rise in the population of the less advanced economies contributes to the huge number of immigrants wanting new homes in higher-income countries. […] The issue is that available resources do not rise fast enough (in the area, or with the technology available) to provide enough physical goods and services for the population. If a new approach can be developed, or a neighboring area with additional resources can be conquered, [the] population can start to grow again. […] Outgrowing our resource base is not a phenomenon that began with fossil fuels. […] In 1796, when [the] world population was about one billion, Robert Thomas Malthus wrote about population growing faster than food production. This was before fossil fuels were widely used. Now, about 230 years later, [the] population has risen to eight billion, thanks to the availability of fossil fuels. We need major innovations, or additional energy resource types, if we want to work around obstacles now. ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2025/10/06/what-has-gone-wrong-with-the-economy-can-it-be-fixed/ What Has Gone Wrong with the Economy? Can It Be Fixed?]" (October 6, 2025) === V === * The hard fact is that in an age of climate breakdown, human numbers matter. And the ecological impact of another 2-3 billion humans will be immense. ** John Vidal, [https://www.theguardian.com/commentisfree/2022/nov/15/population-8-billion-climate It should not be controversial to say a population of 8 billion will have a grave impact on the climate]. ''The Guardian'', November 15, 2022. * We must look at the whole man, and at his whole environment. Above all, we must realize that every grain of rice he puts into his mouth, every bit of potato, every piece of meat, and every kernel of corn, must be replaced by another bit from the earth—somewhere. We must realize that not only does every area have a limited carrying capacity—but also that this carrying capacity is shrinking and the demand growing. Until this understanding becomes an intrinsic part of our thinking and wields a powerful influence on our formation of national and international policies we are scarcely likely to see in what direction our destiny lies. ** William Vogt, ''Road to Survival'' (1948), Chapter 4: "Industrial Man: the Great Illusion." === W === *[There's] too many people making too much muck and too much noise with too little space to do it in. ** [[Keith Waterhouse]], "End of the Rainbow", <em>Daily Mirror</em> (August 17, 1970), republished in <em>Mondays, Thursdays</em> (1976) * Today, escalating human populations have vastly exceeded global carrying capacity and now produce massive quantities of solid, liquid, and gaseous waste. Biological diversity is being threatened by over-exploitation, toxic pollution, agricultural mono-culture, invasive species, competition, habitat destruction, urban sprawl, oceanic acidification, ozone depletion, global warming, and climate change. It’s a runaway train of ecological calamities. ** [[Paul Watson]], ''[https://web.archive.org/web/20070509003646/https://seashepherd.org/editorials/editorial_070504_1.html The Beginning of the End for Life as We Know it on Planet Earth? There is a Biocentric Solution.]'' Commentary by Paul Watson, Founder and President of {{W|Sea Shepherd Conservation Society}} *''Homo sapiens''’ appetite is gargantuan. As we strive to get at dwindling resources for ever more people, we dig deeper into the Earth, blow the tops of mountains, divert rivers, cut down forests and pave over swaths of land. We fill the land, water, and air with our pollution. We’re driving record numbers of species to extinction and decimating others with activities from chemical poisoning to hunting for bushmeat, or simply by taking over their habitat.<br>Greenhouse gases from our industry are changing the Earth’s climate, with such dangerous consequences as ocean acidification, rising sea levels and flooding, changes in rainfall patterns including in vital “breadbaskets,” and loss of forest cover.<br>While the word “sustainable” has become popular, growing human numbers and activities are anything but. Increasing awareness of our impact has led to developments in renewable energy, recycling, earth-friendly farming and more. There have also been spectacular advances in family planning. But powerful—notably religious—opposition has kept governments and international bodies from actively promoting small families and prevented hundreds of millions of women who would plan their families from having access to modern methods.<br>Those who deny that overpopulation is a problem say the poor don’t consume much. Yet the poor want nothing more than to consume more, as proved by India and China. Who can blame them? And a burgeoning number of desperately poor people does have a major impact: they cut down forests to [[agriculture|grow food]], drain rivers, deplete aquifers, and overfish and over-hunt in their local area. But make these points and you’ll be accused of blaming the poor for the problems of the rich.<br>We seem bound to learn the hard way that there really is a limit to how many people the Earth can support.<br>We wish it weren’t so, but it really is starting to look as if Malthus was right. ** Madeline Weld, "[https://montrealgazette.com/opinion/columnists/opinion-sadly-malthus-was-right-now-what Sadly, Malthus was right. Now what?]" in the ''{{W|The Gazette (Montreal)|Montreal Gazette}}'' (February 14, 2016) * ...the gains of low infant and maternal mortality and rises in population longevity—brought about in great part by harnessing fossil fuels, the agricultural revolution, modernization, and disease and injury reduction efforts—in many instances impedes rather than facilitates moving toward sustainable living. It can be argued from the ecological perspective that most public health efforts, as humanitarian as they are by intention and immediate effect, through accelerating population pressures on the environment are paradoxically hastening the destruction of the earth's habitat on which the next generation of humanity depends. It raises the concern that our perceived gains may be only illusory and temporary, with huge but unmeasured and unlinked environmental costs that will eventually lead to shorter lives of misery for our descendants. ** Harold B. Weiss, [https://www.ncbi.nlm.nih.gov/pmc/articles/PMC2602943/ "Overshoot"] in ''Public Health Reports'' (January-February 2009). * In the past, when one civilization collapsed, others evolved to replace it. Today the world-wide agroindustrial complex is making unprecedented demands on the whole earth’s biological ecostructure. After a brief half-century in which factory farming enlarged the meagre diet of the poor (though not for all, nor always to their benefit), the multinational food industry has become a primary impetus towards overpopulation, obesity, pollution, and global warming. Policies and practices whose effects were once circumscribed are now a threat to human survival. ** John Whiting, "[https://www.whitings-writings.com/eating_the_earth.htm Eating the Earth]." Oxford Symposium on Food and Cookery (September 9, 2007) * Agriculture, by overcoming the limitations inherent in the closed system of hunting/gathering, made possible the open-ended expansion of both the population and the means of feeding it. Once it had been adopted, there was no turning back. The more that a civilization farmed, the more it needed extra hands, and so large families were deliberately procreated, which in turn produced still more mouths to feed. Colin Tudge calls it a vicious spiral, Ronald Wright a progress trap. ** Ibid. * Nature’s modus operandi is to kill off the weakest, leaving only the strongest and most biologically versatile to reproduce. But for ''homo sapiens'', nature is not a force to be accommodated, but an opponent to be grappled with, and so ‘farming for money’ was joined by ‘medicine for money’. On top of the lucrative agroindustry which accellerates the population explosion, we have set up an equally profitable ‘health’ industry whose job it is to keep alive those whose bodies rebel at what they are so unhealthily force-fed.<br>The result is an expanding segment of the population who, along with accellerating obesity, suffer from various diseases of malnutrition, together with allergies and intolerances to a growing list of foodstuffs that are increasingly difficult to avoid. In the end, humanity may consist of a remnant of survivors who spend their brief unhappy lives closeted against the encroaching poisons which their ancestors had so profitably created. Instant death by peanut may prove to have been a warning blip on the radar screen. ** Ibid. * Today the threat lies in the sheer scale of our greed and our technological ineptitude. We’re driving entire countries over cliffs. We are destroying the delicate ecological balance which a [sic] brief interlude of stable climate has allowed us. We make pious noises about the disappearing terrestrial species while largely ignoring the invisible havoc we’re bringing about in the earth’s oceans, the source and sustenance of life on the land. ** John Whiting, June 2015 appendix to "Eating the Earth" * The raging monster upon the land is population growth. In its presence, sustainability is but a fragile theoretical construct. To say, as many do, that the difficulties of nations are not due to people but to poor ideology or land-use management is sophistic. If Bangladesh had 10 million inhabitants instead of 115 million [as of this writing], its impoverished people could live on prosperous farms away from the dangerous floodplains midst a natural and stable upland environment. It is also sophistic to point to the Netherlands and Japan, as many commentators incredibly still do, as models of densely populated but prosperous societies. Both are highly specialized industrial nations dependent on massive imports of natural resources from the rest of the world. If all nations held the same number of people per square kilometer, they would converge in quality of life to Bangladesh rather than to the Netherlands and Japan, and their irreplaceable natural resources would soon join the seven wonders of the world as scattered vestiges of an ancient [sic] history. ** [[E. O. Wilson]], ''The Diversity of Life'' (1992) * The pattern of human population growth in the 20th century was more bacterial than primate. When ''Homo sapiens'' passed the six billion mark we had already exceeded by perhaps as much as 100 times the [[w:Biomass (ecology)|biomass]] of any large animal species that had ever existed on the land. We and the rest of life cannot afford another one hundred years like that. ** [[E. O. Wilson]], quoted in ''Life on the Brink: Environmentalists Confront Overpopulation''. University of Georgia Press (2012), p. 83 * If we fail to limit our numbers and our impact, if we do not replace our goldrush economics with a rational sharing of what the earth can yield, this new century will not grow very old before we enter an age of chaos and collapse that will dwarf all dark ages in our past. **{{W|Ronald Wright}}, "Civilization is a pyramid scheme", ''The Globe and Mail'' (August 5, 2000). * So among the things we need to know about ourselves is that the Upper Palaeolithic period, which may well have begun in genocide, ended with an all-you-can-kill wildlife barbecue. The perfection of hunting spelled the end of hunting as a way of life. Easy meat meant more babies. More babies meant more hunters. More hunters, sooner or later, meant less game. Most of the great human migrations across the world at this time must have been driven by want, as we bankrupted the land with our moveable feasts. ** Ronald Wright, ''A Short History of Progress'' (2004), Chapter II: "The Great Experiment." === Z === * What determines population growth? What has been the cause of the unprecedented growth in world population in our recent history? Many socio-economic reasons are given as explanations: medical advances, improvements in public health, sanitation and hygiene, increased food availability and agricultural productivity, extension of cultivation, and development of trade and transportation. Surprisingly, high quality energy sources are rarely mentioned or quickly discounted. Yet an argument can be made that each of the above factors contributing to population growth is aided and influenced by high quality energy supplies. Cheap and abundant fossil fuels have been a necessary precondition for the past century’s population growth. And while not all countries benefit directly from the consumption of high quality energy supplies, most countries benefit from the impact of high energy societies on low energy societies. What if energy consumption, or more precisely, energy resource availability, somehow determines population growth? Perhaps energy resources determine the Earth’s ''carrying capacity,'' or how many people the Earth can support? Perhaps different energy resources have different effects on population growth? If we hypothesize that the Earth’s population is ultimately determined by availability of energy resources, and if some of those energy resources are at or near their peak rates of production, then that may affect rates of population growth. If the correlation is strong enough, the number of people the Earth can support may also be at or near its peak. Therefore the number of people in 2050 may be very different from widespread United Nations (UN) forecasts. Growing populations consume more energy. Availability of energy allows populations to grow. Energy consumption exerts demands on energy resources making them scarcer. They become harder to extract. Nearby forests are depleted, coal mines must dig deeper, oil has to be drilled in more complex environments. In other words, energy resource extraction experiences declining marginal returns. This has led to the exploitation of new energy sources, which in turn expands the Earth’s ''carrying capacity''. Then populations grow once more. **Graham Zabel, "[https://www.resilience.org/stories/2009-04-20/peak-people-interrelationship-between-population-growth-and-energy-resources/#_Toc227469800 Peak People: The Interrelationship between Population Growth and Energy Resources]" in ''Energy Bulletin'' (April 20, 2009) * Mature populations tend to reach equilibrium – the carrying capacity – and then fluctuate around this equilibrium. If a population outgrows its carrying capacity, regulating factors come into play, such as famine, or emigration. If a population is below its carrying capacity, birth rates tend to increase, so the population grows. The common assumption is that carrying capacity is determined by the availability of food, water and land. While availability of food and water are important factors in determining the carrying capacity of populations, they cannot explain the unprecedented increases in population that have occurred in the last several hundred years. The availability of land has always been a factor in increasing carrying capacity. In the historic past, the Earth’s carrying capacity could be increased by expanding into sparsely occupied, or frontier, lands. In a fictitious future, carrying capacity could be increased by expanding outward to other planets or solar systems. At present, there is very little unoccupied, habitable land remaining on this Earth and no nearby habitable planets to release the pressure of population growth, so any increase in carrying capacity must be a result of other factors. **Ibid. * At present the world’s population is growing rapidly. The planet could not support the six billion plus people that exist today without first the commercialisation of coal, then of oil and, more recently, gas. These energy sources have been necessary for the unprecedented population growth that has occurred over the last three hundred years. It is reasonable to assume that unless current energy resource production is increased and new resources are exploited, the population will no longer grow. And if energy resources decline (e.g. a peak in production is reached), then we may see a decline in population. ** Ibid. * Roughly 10,000 years ago, increasing population pressure on wild food resources led to a shift from food gathering (hunter-gatherers) to food production (agriculturists) in several parts of the world. This led to demand-induced technologies and demand-induced searches for higher quality energy sources, such as water power for flow irrigation, animal draft power, iron tools, and fire for land clearing and for improvement of hunting and pastoralism. Population pressures in many parts of Europe in the seventeenth and eighteenth centuries led to serious shortages of wood which in turn led to many of the technological innovations that fuelled the [[Industrial Revolution]]. Coal’s replacement of wood as the most important source of energy in Western Europe is a classic example of demand-induced innovation…promoted by population pressures on forested land in Western and Central Europe. From the end of [[World War II]], coal’s premier importance as an energy source declined sharply and was replaced by crude oil. Far offshore drilling of oil began in 1947 off the coast of Louisiana. One year later, the world’s largest oil field, al-Ghawar in Saudi Arabia, was drilled. Large new discoveries of oil and gas in Africa and Asia combined with the development of oil super tankers and pipeline networks reduced the price of oil and gas at a time when the costs of producing coal were continuing to rise. Diesel locomotives represented a major substitution of oil for coal. The post World War II era also saw large increases in automobile ownership, the beginnings of highway and motorway road transportation networks and the first passenger jet aircraft –all benefiting from and encouraging consumption of cheap oil supplies. These increases in the consumption of crude oil have coincided with the highest population growth in history. After the depressed population growth during World War II, growth rose quickly to a peak of 2.2% in 1964, the highest rate the world has ever known. (''Per capita'' oil consumption peaked shortly thereafter, in the 1970s). Although population continues to rise, population growth has been declining since then. If there is a relationship between energy consumption and population growth, the different types of energy consumed may have different effects. If biomass is the only energy source, populations will not grow very fast. In such organically based economies, the problem of expanding raw material supply, and especially the related problems associated with the very modest energy supply maxima…must curb growth with increasing severity as expansion takes place. The emergence of coal as an energy source eliminated the carrying capacity limits to population growth that any traditional and biomass energy based culture would eventually face. Similarly, the predominance of oil after the middle part of the twentieth century raised the carrying capacity even further. ** Ibid. * According to the IEA [International Energy Agency], 1.6 billion people live without electricity. Much of Africa and Asia still rely on biomass as their primary source of energy, yet have very high population growth rates. '''How can there be a correlation between energy and population in these instances? While many developing world countries remain low energy societies, they, and their population growth rates, are impacted by high energy societies. Their primary energy sources may still be traditional biomass, but their population growth is due in large part to abundant oil and gas supplies.''' Vaccines and antibiotics that reduce third world mortality are discovered, produced and distributed with first world energy, and oil contributes at every step. Fertilisers, pesticides and herbicides that aided the Green Revolution in much of the developing world could not have been produced without large oil and gas inputs. The aeroplanes, boats and trains that deliver and distribute food all run on oil. '''While the commercialisation of higher quality energy sources may be very unevenly distributed, the societies that adopt new energy sources, high energy societies, have a profound impact on those societies that remain low energy societies, and these impacted populations then become part of Coal, Oil or Natural Gas Populations.''' ** Ibid. *Just 11,000 years ago, there were only roughly 5 million humans who lived on the planet Earth. The initial population growth was slow, due largely to the way humans were living—by hunting. Such lifestyle limited the size of family for practical reasons. A woman on the move cannot carry more than one infant along with her household baggage. When simple birth control means-often abstention from sex failed, a woman may elect abortion or, more commonly, infanticide to limit the family size. Further, a high mortality among the very young, the old, the ill and the disabled acted as a natural resistance to a rapid population growth. Thus it took over one million years for human population to reach the one billion mark. But the second billion was added in about 100 years, the third billion in 50 years, the fourth in 15 years, and the fifth in 12 years. Ever since humans became sedentary, some limits over the family size were lifted. With the development of agriculture, children may have become more of an asset to their families in helping with farming and other chores. By the beginning of the Christian era, human population grew to about 130 million, distributed all over the Earth. By 1650, the world population had reached 500 million. The process of industrialization had begun, bringing about profound changes over the lives of humans and their interactions with the natural world. With improved living standard, lowered death rate and prolonged life expectancy, human population grew exponentially. By 1999 there were about 6 billion people, comparing with 2.5 billion in 1950. The world population is well on its way to 7 billion with an annual growth rate of over 90 million. **Ming Zheng, “[https://www.gordon.edu/download/pages/Salem%20010731-Human%20Population%20Growth.pdf Human Population Growth]”. {{W|Gordon College (Massachusetts)|Gordon College}} (July 31, 2001) == See also == * [[Biodiversity]] * [[Climate change]] * [[Exponential growth]] * [[Fossil fuel]] * [[Global warming]] * [[Population decline]] * [[Sustainable development]] * [[Sustainability]] ==Further reading== *Smil, Vaclav. "[https://ia800709.us.archive.org/16/items/detonator-of-the-population-explosion/Detonator%20of%20the%20population%20explosion.pdf Detonator of the population explosion]." Nature 400.6743 (1999): 415-415. *Feeney, John. "[https://ia801807.us.archive.org/18/items/agriculture-ending-the-world-as-we-know-it/Agriculture_Ending_the_world_as_we_know_it.pdf AGRICULTURE: Ending the World as We Know It]." Zephyr, August—September (2010). ==External links== {{উইকিপিডিয়া|Human overpopulation}} {{উইকিঅভিধান|overpopulation}} *[https://population.org.au/about-population/global-population Quotes on Human Over-Population and Related Subjects], ''Sustainable Population Australia'' *{{ওয়েব উদ্ধৃতি|url=https://www.populationmedia.org/2014/02/11/morgan-freeman-speaks-out-on-population/|title=Morgan Freeman on the 'tyranny of agriculture' and the doomed human race|date=11 February 2014|publisher=Ecorazzi}} *[https://www.theguardian.com/global-development-professionals-network/gallery/2015/apr/01/over-population-over-consumption-in-pictures Overpopulation, overconsumption – in pictures]. ''{{W|The Guardian}}'' April 1, 2015. *{{ওয়েব উদ্ধৃতি|url=http://www.panearth.org/WVPI/Papers/FoodPopulationSummary.pdf|title=A Summary of Human Population Dynamics|work=Russell Hopfenberg|publisher=Pan Earth}} [[বিষয়শ্রেণী:জীববিজ্ঞান]] [[বিষয়শ্রেণী:সমাজতত্ত্ব]] [[Category:Sustainability]] 33c6xrqcdrdjuxorkfzimcf1hsvva2j 79852 79851 2026-04-22T23:50:36Z ARI 356 /* Quotes */ ; অনুবাদ 79852 wikitext text/x-wiki [[File:Annual-World-Population-since-10-thousand-BCE-1-768x724.png|thumb|বিশ্বের জনসংখ্যা এবং সেই সাথে খ্রিস্টপূর্ব ১০,০০০ থেকে ২০৫৮ সাল পর্যন্ত জনসংখ্যার একটি সম্ভাব্য প্রক্ষেপণ বা আগাম অনুমান]] [[File:World Population and Projections by Medium Fertility and Continent or Country 1950 - 2100.png|thumb|মাঝারি প্রজনন হারের ওপর ভিত্তি করে ১৯৫০ থেকে ২১০০ সাল পর্যন্ত বিশ্বের মোট জনসংখ্যা এবং বিভিন্ন মহাদেশ ও দেশভিত্তিক জনসংখ্যার একটি প্রক্ষেপণ]] [[File:Distribution-of-earths-mammals.png|thumb|পৃথিবীর বুকে বর্তমানে বিদ্যমান সমস্ত স্তন্যপায়ী প্রাণীর মোট ওজনের ৯৬ শতাংশই দখল করে আছে মানুষ এবং তাদের লালন-পালন করা গবাদি পশু; যেখানে বন্য স্তন্যপায়ী প্রাণীর পরিমাণ হলো মাত্র ৪ শতাংশ।]] [[File:Time for the world population to increase by one billion 1805 – 2086.png|thumb|১৮০৫ সাল থেকে ২০৮৬ সাল পর্যন্ত বিশ্বের মোট জনসংখ্যা প্রতি ১০০ কোটি বা এক বিলিয়ন করে বৃদ্ধি পেতে ঠিক কতটা সময়ের প্রয়োজন হয়েছে তার একটি তুলনামূলক চিত্র]] '''অতিপ্রজতা''' হলো এমন একটি বিশেষ প্রাকৃতিক পরিস্থিতি বা অবস্থা যেখানে কোনো একটি নির্দিষ্ট ভৌগোলিক অঞ্চলে বসবাসকারী কোনো বিশেষ প্রজাতির জীবের মোট সংখ্যা সেই নির্দিষ্ট পরিবেশ বা বাসস্থানের স্বাভাবিক ধারণক্ষমতাকে পুরোপুরিভাবে ছাড়িয়ে যায়। == উক্তি == * আমরা এই পৃথিবীতে মানবজাতির ৮০০ কোটিতম সদস্যকে মাত্র স্বাগত জানালাম। নিঃসন্দেহে একটি শিশুর জন্ম খুবই আনন্দের এবং চমৎকার একটি বিষয়। '''কিন্তু আমাদের এটা বুঝতে হবে যে, মানুষের সংখ্যা যত বৃদ্ধি পাবে, আমরা এই পৃথিবীর ওপর তত বেশি প্রচণ্ড চাপ তৈরি করব।''' জীববৈচিত্র্যের কথা চিন্তা করলে দেখা যায় যে, আমরা প্রকৃতির সাথে এক প্রকার যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছি। আমাদের এখন প্রকৃতির সাথে শান্তি স্থাপন করা প্রয়োজন। কারণ এই প্রকৃতিই পৃথিবীর সমস্ত কিছুকে টিকিয়ে রাখে... বিজ্ঞান এই বিষয়ে একদম সুষ্পষ্ট। ** ইঙ্গার অ্যান্ডারসেন, জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচির নির্বাহী পরিচালক, [https://www.theguardian.com/environment/2022/dec/06/cop-15-un-chief-biodiversity-apocalypse 'উই আর অ্যাট ওয়ার উইথ নেচার': ইউএন এনভায়রনমেন্ট চিফ ওয়ার্নস অফ বায়োডাইভারসিটি অ্যাপোক্যালিপস]। ''দ্য গার্ডিয়ান'', ৬ ডিসেম্বর ২০২২। * '''শিশুরা হলো মানবজাতির শত্রু'''... বিষয়টা এভাবে ভেবে দেখা যাক: বিশ্বের জনসংখ্যা যখন দ্বিগুণ হবে, তখন আমাদের শক্তির ব্যবহারের পরিমাণ সাত গুণ বৃদ্ধি পাবে। এর অর্থ হলো আমরা সম্ভবত যে পরিমাণ দূষণ তৈরি করছি তার মাত্রাও সাত গুণ বেড়ে যাবে। আমরা যদি বর্তমান হারের দূষণ নিয়েই হুমকির মুখে থাকি, তবে দ্বিগুণ জনসংখ্যার মাঝে ছড়িয়ে পড়া এই সাত গুণ বেশি দূষণের ফলে আমাদের অবস্থা কেমন হবে? আমাদের তখন সাত গুণ বেশি হারে বিষাক্ত হয়ে পড়া মাটি থেকে দ্বিগুণ পরিমাণ খাদ্য উৎপাদন করতে হবে। ** [[আইজাক আসিমভ]] (১৯৬৯) বোস্টন ম্যাগাজিনের সাথে একটি সাক্ষাৎকারে। আংশিকভাবে এলেন প্যাক (১৯৭৬)-এর ''দ্য বেবি ট্র্যাপ'', পৃষ্ঠা ১৭। * এটি সবকিছু ধ্বংস করে দেবে। আমি এই বিষয়টি বোঝাতে বাথরুমের একটি রূপক ব্যবহার করি। যদি একটি অ্যাপার্টমেন্টে দুইজন মানুষ থাকে এবং সেখানে দুইটি বাথরুম থাকে, তবে তাদের দুইজনেরই বাথরুম ব্যবহারের পূর্ণ স্বাধীনতা থাকে। তারা যখন খুশি সেখানে যেতে পারে এবং নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী যতক্ষণ খুশি থাকতে পারে। আমার মতে এটাই হলো আদর্শ অবস্থা। আর প্রত্যেকেই বাথরুম ব্যবহারের এই স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে। এমনকি এটি সংবিধানেও থাকা উচিত। কিন্তু যদি একই অ্যাপার্টমেন্টে ২০ জন মানুষ থাকে এবং বাথরুম থাকে মাত্র দুইটি, তবে সেই বাথরুম ব্যবহারের স্বাধীনতার ওপর বিশ্বাস থাকলেও বাস্তবে তার কোনো অস্তিত্ব থাকবে না। আপনাকে তখন প্রত্যেকের জন্য আলাদা আলাদা সময় ঠিক করে দিতে হবে, আপনাকে দরজায় কড়া নেড়ে বলতে হবে, তোমার কি এখনো শেষ হয়নি? ঠিক একইভাবে, '''অতিরিক্ত জনসংখ্যার চাপে গণতন্ত্র টিকে থাকতে পারে না। মানুষের মর্যাদাও এর চাপে টিকে থাকতে পারে না। সুযোগ-সুবিধা এবং শালীনতাও এর ফলে হারিয়ে যায়।''' আপনি যখন পৃথিবীতে মানুষের সংখ্যা বাড়াতে থাকবেন, তখন জীবনের মূল্য শুধু কমবেই না বরং তা পুরোপুরি অদৃশ্য হয়ে যাবে। তখন কেউ মারা গেল কি না তাতে কিছু যায় আসবে না। ** [[আইজাক আসিমভ]] (১৯৮৮) বিল ময়ার্স-এর সাথে ''বিল ময়ার্স ওয়ার্ল্ড অফ আইডিয়াস'' দেওয়া সাক্ষাৎকারে (১৭ অক্টোবর ১৯৮৮); [http://www.pbs.org/moyers/faithandreason/print/pdfs/woi%20asimov1.pdf প্রতিলিপি] (পৃষ্ঠা ৬) - [http://www.pbs.org/moyers/faithandreason/media_players/asimovwoi_audio.html অডিও (২০:১২)] ** বিল ময়ার্সের এই প্রশ্নের উত্তরে করা মন্তব্য: যদি জনসংখ্যার এই বৃদ্ধি বর্তমান হারেই চলতে থাকে তবে মানবজাতির [[মর্যাদা]]র ধারণার কী ঘটবে বলে আপনি মনে করেন? * আমরা এই পৃথিবীর জন্য একটি অভিশাপ বা মহামারীর মতো। আগামী ৫০ বছরের মধ্যে এর ভয়াবহ ফল আমাদের ভোগ করতে হবে। এটি কেবল জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয় নয়; এটি মূলত জায়গার অভাব এবং এই বিশাল জনগোষ্ঠীর জন্য খাদ্য উৎপাদনের জায়গার সমস্যা। হয় আমাদের নিজেদেরই এই জনসংখ্যা বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করতে হবে, নয়তো প্রকৃতিই আমাদের হয়ে এই কাজটি করে দেবে। আর প্রকৃতি এখনই আমাদের ওপর সেই ব্যবস্থা নেওয়া শুরু করে দিয়েছে। ** ডেভিড অ্যাটেনবারা, "[https://www.telegraph.co.uk/news/earth/earthnews/9815862/হিউম্যানস আর প্লেগ অন আর্থ]". ''দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফ'', ২২ জানুয়ারি ২০১৩। === B === *The success of modern medicine is today so great, that millions of people are kept alive - if not cured - who in earlier days, and with less scientific aptitude, would normally have died. In this developed skill and knowledge, and in this aptitude in the care of the physical mechanism, is today to be found a major world problem - the problem of overpopulation of the planet, leading to the herd life of humanity and the consequent economic problem - to mention only one of the incidental difficulties of this success. This "unnatural" preservation of life is the cause of much suffering, and is a fruitful source of war, being contrary to the karmic intent of the planetary Logos.<BR>With this vast problem, I cannot here deal. I can only indicate it. It will be solved when the fear of [[মৃত্যু]] disappears, and when humanity learns the significance of time and the meaning of the cycles. **[[Alice Bailey]], ''A Treatise on the Seven Rays: Volume 4: Esoteric Healing'', p. 278 (1953). ISBN 978-0-85330-121-9. * '''As we slide seamlessly from 7 billion to 8 billion humans, each generation more powerful, polluting, and destructive than the previous, I have to wonder whether one century is too much time to allow a “natural” progression into negative population growth, or whether the biodiversity damage a century like this one will inflict could be incalculable and irreversible, if not terminal for us.''' Think about the honey bees and hummingbirds. Think about the sudden absence of insects we are seeing all over the world, and how that soon may affect populations farther up or down the food chain. Now, Mr. Biotech Billionaire, are you serious about populating the world with thousands or millions of bicentiniarians [sic] and tricentinarians [sic]? ** {{W|Albert Bates}}, "[https://medium.com/the-shadow/the-great-pause-week-61-swallow-the-doctor-8cbf077f6e13 Swallow the Doctor]". ''Medium'' (May 16, 2021) * Whereas the unconscious operations and blind forces of the planet have provoked turbulent changes over the last 4.5 billion years of earth’s evolutionary history, now change is being directed by a conscious and volitional agent – "humanity." We cannot speak of humanity equally, to be sure, as the problem was caused by the industrialized capitalist West and the poorer nations who contributed least to climate crisis will be hit the hardest. '''But nations such as China, India, and Brazil are major contributors, and the cumulative impact of 7.5 billion people on the planet is causing extinction and collapse everywhere.''' The stability of the Holocene is now gone, changes are accelerating beyond our understanding and control, and chaos waits at our door. ** [[Steven Best]], [https://drstevebest.wordpress.com/2019/12/03/total-liberation-in-the-age-of-the-anthropocene-and-climate-emergency/ Total Liberation in the Age of the Anthropocene and Climate Emergency] (December 3, 2019) * The geometric growth rate of humans is unprecedented and never in the history of the earth has a single species grown to such bloated proportions, completely out of balance with living systems. The problem is only worsening. On conservative estimates, the human population is expected to swell upwards to 8–10 billion by 2050, and perhaps expand significantly by 2100. Human population growth represents a crisis of the highest order, but of course, it is only one aspect of multiple crises -- including species extinction and climate change -- merging together in a perfect storm of catastrophe that forms the daunting challenges facing humanity in the [[Anthropocene]]. ** Steven Best, "[https://www.all-creatures.org/lifestyle/img/failed-species.pdf Failed Species: The Rise and Fall of the Human Empire]". ''Romanian Journal of Artistic Creativity''. 9 (2). (2021). * Currently, the operation of our present industrial civilization is almost wholly dependent on access to huge amounts of fossil fuels. It is important to understand that fossil fuels, especially oil, are not simply used to manufacture and propel passenger automobiles or trucks. They also facilitate the mass assembly of tractors, plows, irrigation pipes, and pumps and then turn around and power them also. They constitute the chemical base of many crucial fertilizers and pesticides. They are also the building blocks of agricultural plastics. They refrigerate perishables. In short, the modern industrial agriculture system could not function without copious amounts of fossil fuel. In the absence of fossil fuel-based industrial agriculture, world food production would plummet to a scale completely inadequate to sustain our current population size, let alone the net addition of over 80 million more people each year. The other side of the coin is that '''when humans co-opt the extraordinary power found in fossil fuels, we become “overpowered” – and that is how we are over-powering the Earth’s biosphere.''' We cannot destroy rainforests at the rate of several football fields per minute, trawl the deep oceans, attempt mass-scale aqua-culture, fragment habitat with asphalt roads, or construct miles and miles of urban sprawl without the power of fossil fuels. In summary, fossil fuels underwritten both our population size and growth and our discretionary (over)consumption. ** Joseph J. Bish, "[https://www.populationmedia.org/the-latest/interrelationships-human-population-fossil-fuels-and-technology Interrelationships: Human Population, Fossil Fuels, And Technology]." {{W|Population Media Center}} (October 15, 2021) * In my opinion, you have out-of-control population growth, and you have fewer and fewer [resources]—we are heading for the biggest train wreck our civilization has ever come across ever. Ever. And I think that within 40 or 50 years, we’ll be there. If your population curve is on an exponential growth, and the resources are on an exponential decline, what happens first is you get increases in wealth discrepancy, which means that you get rich pockets of gated communities with security guards outside them, and you get more and more poverty outside that area. And the resources go down, and people start having resource wars over water and food and agriculture and arable land, and then you have Joburg in 2050. And you can see signs of it everywhere. It’s just overpopulation and lack of resources. We just aren’t in control of our destiny. :* {{W|Neill Blomkamp}} in: ''[http://www.avclub.com/article/idistrict-9-idirector-neill-blomkamp-31606 District 9 director Neill Blomkamp],'' By Tasha Robinson on ''avclub.com,'' August 12, 2009. * ... Reverend THOMAS MALTHUS' prediction made in 1798—that man would reproduce himself into a condition of "misery and vice" because of the growing imbalance caused by the multiplication of his own numbers by geometric progression, while his food supply was increasing arithmetically—is as valid today as when it was made. He was a visionary and saw clearly the monster of overpopulation. The only error in his prediction was one of a "few seconds on the clock of human occupancy of the earth". We, agriculturists, can buy at most a few decades of time in which to bring population growth into successful balance with food production. ** [[Norman Borlaug]]: [https://repository.cimmyt.org/bitstream/handle/10883/19272/9023.pdf?sequence=1 "Wheat breeding and its impact on world food supply."] In: ''Third International Wheat Genetics Symposium''. CIMMYT, 1968. * It seems self-evident that our fundamental predicament of ecological overshoot is a direct result of humanity’s growth with too many people consuming too many resources and producing too many waste products for a finite planet dependent upon healthy ecological systems. And while this doesn’t require much explanation for those who acknowledge that we live upon a world with finite resources and limited capacity to compensate for our waste production, there are still many who believe that Homo sapiens’ rather unique cognitive abilities and technological prowess can and will ‘solve’ the many challenges we appear to be encountering as we reach and surpass the planetary limits of our relatively recent explosive growth, global expansion, and industrialisation. ** Steve Bull, "[https://stevebull-4168.medium.com/todays-contemplation-collapse-cometh-cxci-the-nexus-of-population-energy-innovation-and-936076b4cf23 The Nexus of Population, Energy, Innovation, and Complexity]". (November 28, 2024). * All living species must take from nature to survive, and we are no different. But unlike other species, there seems to be no end to our quest for food, comfort, shelter, sex — the fundamental necessities of survival that are now pursued in overdrive, far beyond our existential needs. We are compelled to progress, and have extracted resources from the land since we first stood on two feet. The entire twentieth century has been a revving up of this large consumptive engine, and this insatiable human striving has assaulted the very planet that sustains us. In a very short period of time, humankind, with its population explosion, industry and technology, has become an agent of immense global change. What this civilization leaves in the wake of its progress may be an opened and emptied Earth. But in performing these incursions, we also participate in the unwitting creation of gigantic monuments to our way of life. ** Edward Burtynsky, "[https://books.openbookpublishers.com/10.11647/obp.0193/ch13.xhtml Imaging Earth]." ''Earth 2020'' (2020). === C === * Global biodiversity decline is best understood as too many people consuming and producing too much and displacing other species. Wild landscapes and seascapes are replaced with people, our domestics and commensals, our economic support systems, and our trash. ** Philip Cafaro, Pernilla Hansson, Frank Götmark, {{cite journal|doi=10.1016/j.biocon.2022.109646|title=Overpopulation is a major cause of biodiversity loss and smaller human populations are necessary to preserve what is left|year=2022 |journal={{W|Biological Conservation (journal)|Biological Conservation}}|volume=272|issue= |pmid=|pmc=|url=https://www.sustainable.soltechdesigns.com/Overpopulation-and-biodiversty-loss(2022).pdf}} * During the past hundred years, ''Homo sapiens''' population increased from 2 billion to nearly 8 billion and the United Nations (2019) projects an increase of 3 billion more by 2100, unless steps are taken to reduce this population growth. Ignoring this projected increase means ignoring a major driver of the unfolding biodiversity crisis; accepting current bloated human numbers as an appropriate status quo means accepting a biologically impoverished planet. ** Ibid. * Thomas Malthus, an eighteenth-century economist, once predicted that because our population size increases exponentially while our food supply increases arithmetically, our population will one day exceed our ability to sustain it. While this has now been disproven with the creation of processed foods and genetically modified organisms, [Peter] Farb’s paradox may hold true. Because Earth’s population is growing, we increase our food production. Then, because we have a surplus of food, people are more well-nourished, leading to higher life expectancies and lower infant mortality rates, and people are able to have more children. This cyclical paradox is not healthy for our planet because while we may be able to sustain our growing population’s appetites, our other important resources, such as water and oil, are dwindling. To have a sustainable population size, we should be reproducing at a replacement rate, much like Denmark and Japan are. ** Catherine Caldwell, "[https://facetsofsustainability2014.wordpress.com/2014/11/13/farb-malthus-and-ishmael-v-the-population/ Farb, Malthus, and Ishmael v. the Population]" (November 13, 2014). * Today [hu]mankind is locked into stealing ravenously from the future. Famine in the modern world must be… one of several symptoms reflecting a deeper malady of in the human condition—namely, diachronic competition, a relationship whereby contemporary well-being is achieved at the expense of our descendants. By our sheer numbers, by the state of our technological development, and by being oblivious to differences between a method that achieved lasting increments of human carrying capacity [agriculture] and one that achieves only temporary supplements [reliance on fossil fuels and other mined substances], we have made satisfaction of today's human aspirations dependent upon massive deprivation for posterity. ** {{W|William R. Catton}}, ''Overshoot'' (1980), Chapter 1: "Our Need for a New Perspective", p. 3. * We are already living on an overloaded world. Our future will be a product of that fact; that fact is a product of our past. Our first order of business, then, is to make clear to ourselves how we got where we are and why our present situation entails a certain kind of future. […] It is the story of a world that has again and again approached the condition of being saturated with human inhabitants, only to have the limit raised by human ingenuity. The first several rounds of limit-raising were accomplished by a series of technological breakthroughs that took almost two million years. These breakthroughs enabled human populations repeatedly to take over for human use portions of the earth’s total life-supporting capacity that had previously supported other species. The most recent episode of limit-raising has had much more spectacular results, although it enlarged human carrying capacity by a fundamentally different method: the drawing down of finite reservoirs of materials that do not replace themselves within any human time frame. Thus its results ''cannot be permanent''. This fact puts mankind out on a limb which the activities of modern life are busily sawing off. **William R. Catton, ''Overshoot'' (1980), Chapter 2: "The Tragic Story of Human Success", p. 17. * Scarcely more than two generations had tasted the fruits of industrialization when the growth of population was still further accelerated by truly effective death control. The role of microorganisms in producing diseases was discovered. In 1865 the practice of antiseptic surgery began. It serves... as a reasonable demarcation of the beginning of an era filled with related breakthroughs in medical technology: hygienic practices, vaccination, antibiotics, etc. The total effect of this recent series of achievements has been to emancipate mankind more... from the life-curtailing effects of the invisible creatures for which human tissues used to serve as sustenance. Like other prey species newly protected from their predators, we have been fruitful and have so multiplied that we have much more than "replenished" the earth with our kind. ** Ibid., p. 30. * People displayed either persistent ignorance of the carrying capacity concept or naive faith that carrying capacity could always be expanded, [and] that limits could always be transcended. Such an assump­tion seemed to underlie the stubborn refusal of capitalists and Marx­ists alike to acknowledge that the myth of limitlessness had, at last, become obsolete. There was also the assumption that further ad­vances in technology would necessarily enlarge carrying capacity, not reduce it. Enlargement of carrying capacity had been the role of tech­nology in the past; however… there has been a reversal of this role in the industrial era. Technology has en­larged human appetites for natural resources, thus diminishing the number of us that a given environment can support. ** Ibid., p. 32. * [Hu]man[s]... have imagined... [themselves] to be more unlike other mammals than [t]he[y] really... [are], so when human behavior has shown these same characteristics, various other explanations have been put forth which have obscured the significance of population pressure itself. In the twentieth century, with human numbers enlarged and resource draw­down becoming significant, [hu]man[kind] went to war. [T]he[y] rioted in the streets. [T]he[y] committed more... crimes of violence. [...] [Their] political atti­tudes polarized and [t]he[y] created totalitarian governments, some of which gave license to sadistic tendencies. A generation gap widened and deepened. In spite of earnest efforts by humane activists to inhibit racism and to rectify economic inequality, disparities between people remained and animosities became more virulent. Standards of de­cency in behavior toward others and expectations of considerate self-­restraint were eroded and degraded in many places. ** William R. Catton, ''Overshoot'' (1980), Chapter 6: "The Process That Matter", p. 107. * We need to realize the "load" with which we humans burden the planet's ecosystems consists of more than just a population number. People living by different cultures not only reproduce at different rates; they impose very different per capita ecological impacts. Culture includes a population's technology and people's ways of organizing themselves. Each of us living in a "developed" country (i.e., industrialized far beyond anything conceivable to Malthus) has an enormously greater resource appetite and environmental impact than does each resident of a so-called "developing" country. For our grossly unsustainable manner of living, 6 billion is far too many. ** William R. Catton, ''Worse than Foreseen by Malthus (even if the living do not outnumber the dead)''. Washington State University (March 2000) *Life has now entered a {{W|sixth mass extinction}}. This is probably the most serious environmental problem, because the loss of a species is permanent, each of them playing a greater or lesser role in the living systems on which we all depend. The species extinctions that define the current crisis are, in turn, based on the massive disappearance of their component populations, mostly since the 1800s. The massive losses that we are experiencing are being caused, directly or indirectly, by the activities of Homo sapiens. They have almost all occurred since our ancestors developed agriculture, some 11,000 y ago. At that time, we numbered about 1 million people worldwide; now there are 7.7 billion of us, and our numbers are still rapidly growing. '''As our numbers have grown, humanity has come to pose an unprecedented threat to the vast majority of its living companions'''. ** Gerardo Ceballos, [[Paul R. Ehrlich]], and {{W|Peter H. Raven}}, ''[https://www.pnas.org/content/early/2020/05/27/1922686117 Vertebrates on the brink as indicators of biological annihilation and the sixth mass extinction]''. ''{{W|PNAS}}'', June 1, 2020. * We are in the sixth mass extinction event. Unlike the previous five, this one is caused by the overgrowth of a single species, ''Homo sapiens''. ** Gerardo Ceballos, [[Paul R. Ehrlich]], "[https://www.pnas.org/doi/10.1073/pnas.2306987120 Mutilation of the tree of life via mass extinction of animal genera]".'' {{W|PNAS}}'', 2023. * Over the last century the pace of many human activities has so accelerated, and human overpopulation grown so severe, to have created a dramatic global environmental transformation. Most natural ecosystem have been highly modified or have disappeared altogether, and the abundance of wildlife has been greatly reduced. **Ibid. * Our use of energy has been increasing ever since we discovered and mastered fire and developed agriculture, but mostly since we gained access to a vastly increased energy supply by extracting millions of years of stored and concentrated solar energy from the Earth’s crust in the form of fossil fuels. Combined with the development of new energy conversion techniques, this energy bonanza made it possible to lift the secular barriers to human population and output growth. The new energy sources, forms and uses that came online since the turn of the 19th century gave us access to more materials and enabled the invention of new and increasingly sophisticated exosomatic instruments (i.e. machines), which in turn made it possible to access ever more energy and matter and to transform them ever more effectively and efficiently. This resulted in a rapid rise in our total energy and material “throughput” (i.e. the flow of raw materials and energy from the biosphere’s sources, through the human ecosystem, and back to the biosphere’s sinks), which is what we commonly measure through the proxy concept of “economic growth”. This rise never stopped since then, even if the global distribution of the flows of energy and material inputs, outputs and wastes evolved over time. Our efforts to increase the “energy efficiency” of our machines and processes (i.e. reducing the amount of energy needed to perform certain tasks) never resulted in a reduction of the total energy we used, but on the contrary only contributed to create more room for increasing the rate of our consumption. ** François-Xavier Chevallerau, "[https://www.faninitiative.net/articles/the-age-of-energy-disruptions/ The Age of Energy Disruptions]". The FAN Initiative. December 10, 2021. * Environmental analysts regard a sustainable human population as one enjoying a modest, equitable middle-class standard of living on a planet retaining its biodiversity and with climate-related adversities minimized. Analysts' estimate[s] of that population size vary between 2 and 4 billion people, a figure obviously well below the present 7.9. ** Eileen Crist, {{W|William J. Ripple}}, Paul R. Ehrlich, William E. Rees, and Christopher Wolf {{cite journal|doi=10.1016/j.scitotenv.2022.157166|title=Scientists' warning on population|year=2022 |journal={{W|Science of the Total Environment}}|volume=845|issue= |pmid=35803428|pmc=|url=https://scientistswarning.forestry.oregonstate.edu/sites/default/files/Crist2022.pdf}} ===D=== * The situation in which we find ourselves today is unique as regards the magnitude and rate of growth of the human enterprise. The turn now being taken by the vicious circle is tremendous. […] The mastery of fire, one of humans' first instances of technological development, continues to be of paramount importance today with the burning of fossil fuels. And so the vicious circle of the development of humankind churns on, and does so with ever greater momentum due to the constantly increasing consumption of fossil fuels and metals, with only the tiniest sign of resistance in the form of the efforts of environmental organisations and green political parties. ** Craig Dilworth, ''Too Smart for Our Own Good'' (2009), Chapter 6: "The Vicious Circle Today" * The population boom of the last few centuries […] was made possible by massive advances in living standards, economic growth, surpluses of food, and vastly improved public health. All of this, however, was sustained by fossil fuels. Once fossil fuel reserves peak […] production, growth, and the amenities of modern life will gradually halt. Contemporary industrial society will downgrade into a “scarcity society” that manages on minimal energy, after which it will become a “salvage society” that scrapes survival from the refuse of the defunct urban buildings, information networks, and industrial centers. ** Rick Docksai, "Is Civilization Doomed?" ''The Futurist''. March/April 2010. === E === *Part of human impact on the earth relates to our swiftly growing numbers. If we do not take deliberate, conscious action to maintain a reasonable balance between the numbers of people and the environmental wealth required to sustain us, nature will make appropriate adjustments, and famine, disease, and wars-the predictable outcomes of living beyond one's environmental means, of overspending environmental capital-will ultimately force a cruel discipline. **[[Sylvia Earle]], ''Sea Change: A Message of the Oceans'' (1995) * The key to understanding overpopulation is not population density but the numbers of people in an area relative to its resources and the capacity of the environment to sustain human activities; that is, to the area’s carrying capacity. When is an area overpopulated? When its population can’t be maintained without rapidly depleting nonrenewable resources... By this standard, the entire planet and virtually every nation is already vastly overpopulated. ** Paul R. Ehrlich, ''The Population Explosion'' (1990) *The debate regarding which individual factor, among the three key factors producing the environmental crisis, causes more damage - the size of the human population on the planet, excessive consumption of resources, or unequal/ unjust distribution of resources among countries [the wealthier countries consume much more resources, per person on average than poorer countries] - is like a debate about which contributes more to a triangle, the base or the ribs of the triangle. You can not separate the three factors. If we analyze the numbers over a relatively longer time interval, we will conclude that the size of the population has a bigger impact than consumption. On the other hand, consumption and unequal distribution are also important aspects. If we do not change these three factors all at the same time, the quality of our life will change dramatically. Today '''humanity is delivering a serious blow to [the rest of] nature, but it is clear that nature will deliver the final blow.''' ** Paul R. Ehrlich, ''[http://www.haaretz.co.il/1.1875624 People should produce far fewer children, or expect the worst]'' (Dec. 2012) *Earth is home to millions of species. Just one dominates it. Us. '''Our cleverness, our inventiveness, and our activities have modified almost every part of our planet. In fact, we are having a profound impact on it. Indeed, our cleverness, our inventiveness, and our activities are now the drivers of every global problem we face. And every one of these problems is accelerating as we continue to grow towards a global population of ten billion. In fact, I believe we can rightly call the situation we're in right now an emergency – an unprecedented planetary emergency.''' **{{W|Stephen Emmott}}, ''[https://www.theguardian.com/environment/2013/jun/30/stephen-emmott-ten-billion 10 Billion]'', as summarized in ''The Guardian'', June 30, 2013. *We humans emerged as a species about 200,000 years ago. In geological time, that is really incredibly recent. Just 10,000 years ago, there were one million of us. By 1800, just over 200 years ago, there were 1 billion of us. By 1960, 50 years ago, there were 3 billion of us. There are now over 7 billion of us. By 2050, your children, or your children's children, will be living on a planet with at least 9 billion other people. Some time towards the end of this century, there will be at least 10 billion of us. Possibly more. We got to where we are now through a number of civilization-and society-shaping “events”; most notably, the agricultural revolution, the scientific revolution, and—in the West—the public-health revolution. These events have fundamentally shaped how we live, and have fundamentally shaped our planet. Their legacy will continue to shape our future. So we need to look at our growth and activities through the lens of these developments. One of the principal reasons for this growth was the invention of agriculture. The “agricultural revolution” enabled us to go from being hunter-gatherers to highly organized producers of food, and allowed our population to grow. A useful way to think of the development and importance of agriculture is in terms of at least three agricultural “revolutions.” The first took place over 10,000 years ago. This was the domestication of animals and the cultivation of plant types. The second agricultural revolution was between the fifteenth and nineteenth centuries. This was a revolution in agricultural productivity and the mechanization of food production. The third happened between the 1950s and 2000s; the so-called “green revolution.” But there’s another story here: the start of a fundamental transformation—of land use—by humans. **Stephen Emmott, ''10 Billion'' (2013) * As our numbers continue to grow, we continue to increase our need for far more water, far more food, far more land, far more transportation, and far more energy. As a result, we are now accelerating the rate at which we’re changing our climate. In fact, our activities are not only completely interconnected with, but are now also interacting with, the complex system we live on: Earth. It is important to understand how all this is connected. An increasing population accelerates the demand for more water and more food. Demand for more food increases the need for more land, which accelerates deforestation. Increasing demand for food also increases food processing and transportation. All of these accelerate the demand for more energy. This then accelerates greenhouse gas emissions, principally CO2 and methane, which further accelerate climate change. As climate change accelerates, it increases stress on water, food, and land. And at the same time, an increasing population also accelerates stress on water, food, and land. In short, as population increases, and as economies grow, stress on the entire system accelerates sharply. ** Ibid. * Saying “Don’t have children” is utterly ridiculous. It contradicts every genetically coded piece of information we contain, and (at least in their conception) one of the most important (and fun) impulses we have. That said, the worst thing we can continue to do—globally—is have children at the current rate. Even if a global nuclear power program were set up, even if geoengineering somehow took care of the climate-change problem, and even if we consumed less, we’d still at some point hit a brick wall if the human population continues to grow at anything like its current rate. We all know there’s a link between educating women in the developing world and reducing the birth rate. But despite this, and despite contraception being free in a number of countries where population is increasing, average birth rates are still three, five, or even seven children per woman. According to the United Nations, Zambia’s population is projected to increase by 941 percent by the end of the century. The population of Nigeria is projected to grow by 349 percent—to 730 million people. Afghanistan by 242 percent, The Democratic Republic of Congo by 213 percent, Gambia by 242 percent, Guatemala by 369 percent, Iraq by 344 percent, Kenya by 284 percent, Liberia by 300 percent, Malawi by 741 percent, Mali by 408 percent, Niger by 766 percent, Somalia by 663 percent, Uganda by 396 percent, Yemen by 299 percent. Even the United States is projected to grow by 53 percent by 2100, from 315 million in 2012 to 478 million. I do just want to point out that if the current global rate of reproduction continues, by the end of this century there will not be ten billion of us. There will be twenty-eight billion of us. ** Ibid. * If we discovered tomorrow that there was an asteroid on a collision course with Earth, and—because physics is a fairly simple science—we were able to calculate that it was going to hit Earth on June 3, 2072, and we knew that its impact was going to wipe out 70 percent of all life on Earth, governments worldwide would marshal the entire planet into unprecedented action. Every scientist, engineer, university, and business would be enlisted: half to find a way of stopping it, the other half to find a way for our species to survive and rebuild if the first option were unsuccessful. We are in almost precisely that situation now, except that there isn’t a specific date and there isn’t an asteroid. The problem is us. Why we are not doing more about the situation we’re in—given the scale of the problem and the urgency—I simply cannot understand. We’re spending 8 billion euros (about 11 billion dollars [at the writing's current exchange]) at {{W|CERN}} to discover evidence of a particle called the Higgs-Boson, which may or may not eventually explain the concept of mass and provide a partial thumbs-up for the “standard model” of particle physics. And CERN’s physicists are keen to tell us it is the biggest, most important experiment on Earth. It isn’t. The biggest and most important experiment on Earth is the one we're all conducting, right now, on Earth itself. Only an idiot would deny that there is a limit to how many people our Earth can support. The question is, is it seven billion (our current population), 10 billion or 28 billion? I think we've already gone past it. Well past it. We could change the situation we are now in. Probably not by technologizing our way out of it, but by radically changing our behavior. But there is no sign that this is happening, or about to happen. I think it’s going to be business as usual for us. ** Ibid. ===F=== * Whether or not such a hypothesis fully accounts for the population increase that accompanies a sedentary life, there can be no doubt that human numbers soared. In the interval from 10,000 to 6000 years ago—a mere 160 human generations—the population of the Near East is estimated to have increased from less than 100,000 people to more than three million. With each increase, additional pressure was placed upon the food producers to domesticate new species and to invent new technologies, such as those based on the plow and on irrigation. Human beings now found themselves on a treadmill from which to this day they have not been able to get off. They are still plagued by the basic paradox of food production: Intensification of production to feed an increased population leads to a still greater increase in population. **[[Peter Farb]], ''Humankind'' (1978), p. 121 *During the brief time since James Watt's commercial production of the improved Newcomen steam engine in 1775, a revolution unparalleled in human history has occurred at all levels of society and has penetrated all aspects of culture. The technological innovations are, of course, dramatic, but equally important are the biological, political, social, and economic consequences of modernization. From a biological perspective, the most important consequence is the extension of the human life span and the growth in human numbers. In the past two centuries, life expectancy has nearly tripled and the population of our species has multiplied five times over. **Ibid. p. 189 * If left unchecked, populations (of any organism) tend to grow exponentially. But they never grow forever. Eventually resources are depleted and the population declines. When the population is again small enough that resources are plentiful, exponential growth resumes. The result is a boom-bust cycle — stability through fluctuation.<br>Of course, if the fluctuations are huge, we can hardly call this ‘stability’. But in most healthy ecosystems, population fluctuations are small. The key to dampening boom-bust cycles appears to be diversity. When there are many species in an ecosystem, each keeps the population of others in check. Prolonged exponential growth never gets a foothold. ** Blair Fix, "[https://economicsfromthetopdown.com/2020/09/12/frederick-soddys-debt-dynamics/ Frederick Soddy's Debt Dynamics]." ''Economics from the Top Down'' (September 12, 2020) * Overpopulation is described as a societal problem, with the individual and collective behavior of people as a causal agent. ** Angela K. Fournier & E. Scott Geller [https://link.springer.com/article/10.5210/bsi.v13i1.35 Behavior Analysis of Companion-Animal Overpopulation: A Conceptualization of the Problem and Suggestions for Intervention] (1 May 2004) === G === * What are [we] made of, fairy dust and happy thoughts? No, [we] are made of proteins — of food! Without a sufficient food supply, such a population cannot be achieved. We understand this as a basic biological fact for every other species on this planet, that population is a function of food supply. Yet we continue to believe that the magic of free will exempts us from such basic biological laws. ** Jason Godesky, ''[https://theanarchistlibrary.org/library/jason-godesky-thirty-theses Thirty Theses]'' (2006), Thesis #4: "Human population is a function of food supply." * When the First World rushes in with foreign aid, food, and humanitarian aid to a desert area in the midst of a famine, we serve to prop up an unsustainable population. That drives a population boom in an area that already cannot support its existing population. The result is a huge population dependent on outside intervention that itself cannot be indefinitely sustained. Eventually, that population will crash once outside help is no longer possible — and the years of aid will only make that crash even more severe. In the same way that the United States’ policy of putting out all forest fires in the 1980s led to an even worse situation in its forests, our benevolence and good intentions have paved the way to a Malthusian hell. ** Ibid. * The human race currently consumes some 40% of the earth’s photosynthetic capacity. This monopoly on the earth’s resources is having a devastating effect. We are seeing the extinction of some 140 species every day, some thousands of times higher than the normal background rate. Today, right now, we are seeing extinction rates unparalleled in the history of the earth. We are undeniably in the midst of the seventh mass extinction event in the history of the earth — the Holocene Extinction. Unlikely previous extinction events, however, this one is driven by a single species. This is the true danger of overpopulation, not our inability to feed a growing population. As much as we would deny it, we depend on the earth to live. Dwindling biodiversity threatens the very survival of our species. We are literally cutting the ground out from under our feet. Increasing food production only increases the population; our current attitudes about food security has locked us into what Daniel Quinn called a “Food Race,” by comparison to the Arms Race of the Cold War. ** Ibid. * Overpopulation is the root cause of all other environmental problems … [and] is the natural consequence of the Food Race — driven by the constant need to expand. That need is a systemic consequence of complex society. The alternative to overpopulation, then, is to reverse the trend of intensifying complexity and accept greater simplicity: in a word, collapse. ** Jason Godesky, ''Thirty Theses'' (2006), Thesis #17: "Environmental problems may lead to collapse." * The main driving force behind the Holocene Extinction is the twin forces of overpopulation and intensified agricultural production. As more land is converted into cultivated fields, we approach important tipping points in how much of the world’s photosynthetic capacity is tied up in a single species. Deforestation is driven primarily by the need to feed an ever-growing populaton, but also for that population’s other resource needs, such as lumbering and mining. That deforestation has been responsible for anthropogenic atmospheric change for thousands of years, but as the positive feedback loop of the Food Race reached new levels, we were forced to either adopt fossil fuels, or collapse. Those fuels have intensified our atmospheric impact to obscene levels, yielding a new crisis in global warming. We do not face a long laundry list of environmental problems: we face a single, multi-faceted crisis. That crisis is complex society itself. The problems we face are the direct consequence of the positive feedback loop of complex society, and the Food Race in particular. **Ibid. * If nobody died the planet would soon run out of room for more people. How would this world be run (our political systems are far from perfect now); who would decide what type of house one lived in, what type of food one ate? What would we do for a living? ** Lori Gosselin, "[https://lifeforinstance.com/would-you-like-to-live-in-a-perfect-world/ Would You Like to Live in a Perfect World?]" * The study of population is not a very exact science. No one forecast the population collapse that is occurring in post-communist European Russia, or the scale of the fall in fertility that is under way [sic] in much of the world. The margin of error in calculations of fertility and life expectancy is large. Even so, a further large increase is inevitable. […] A human population of approaching 8 billion [sic] can be maintained only by desolating the Earth. If wild habitat is given over to human cultivation and habitation, if rainforests can be turned into green deserts, if genetic engineering enables ever-higher yields to be extorted from the thinning soils – then humans will have created for themselves a new geological era, the Eremozoic, the Era of Solitude, in which little remains on the Earth but themselves and the prosthetic environment that keeps them alive. ** [[John Gray]], ''[[Straw Dogs (book)|Straw Dogs]]'' (2002), Chapter 1: "The Human" * The future is brutally simple to anticipate; all overshot species collapse, and we have – by [apparently] transcending time via the levering of fossil energy – levered our species’ overshoot more than any ever has (or, almost certainly, ever could). **Murray Grimwood, "[https://www.interest.co.nz/public-policy/128237/murray-grimwood-says-future-will-be-so-different-we-need-go-back-basics-and Wither science; whither education?]". ''Interest'' (15 June 2024) * Over the last century, billions have enjoyed better, fuller and more enriched lives than their ancestors could dream of—but when all the bills for that are paid who knows how the ledgers of the two enterprises will stand? ** Sumit Guha [https://journals.lww.com/coas/fulltext/2006/04030/the_retreat_of_the_elephants__an_environmental.9.aspx in his review of Mark Elvin's ''The Retreat of the Elephants''] (2006) * My growing environmental awareness only adds more fuel to the argument for having no children. And the logic of never-ending consumption does not just harm the environment, it kills people too. ** [[w:Xiaolu Guo|Xiaolu Guo]], ''Once Upon A Time in the East: A Story of Growing up'', Chatto & Windus, 2017, page 305 (ISBN 9781784740689). === H === * The skeleton of our primate ancestors developed for millions of years to support a creature that walked on all fours and had a relatively small head. Adjusting to an upright position was quite a challenge, especially when the scaffolding had to support an extra-large cranium. Humankind paid for its lofty vision and industrious hands with backaches and stiff necks.<br>Women paid extra. An upright gait required narrower hips, constricting the birth canal - and this just when babies’ heads were getting bigger and bigger. Death in childbirth became a major hazard for human females. Women who gave birth earlier, when the infants brain and head were still relatively small and supple, fared better and lived to have more children. Natural selection consequently favoured earlier births. And, indeed, compared to other animals, humans are born prematurely, when many of their vital systems are still underdeveloped. A colt can trot shortly after birth; a kitten leaves its mother to forage on its own when it is just a few weeks old. Human babies are helpless, dependent for many years on their elders for sustenance, protection and education.<br>This fact has contributed greatly both to humankind’s extraordinary social abilities and to its unique social problems. Lone mothers could hardly forage enough food for their offspring and themselves with needy children in tow. Raising children required constant help from other family members and neighbours. It takes a tribe to raise a human. Evolution thus favoured those capable of forming strong social ties. In addition, since humans are born underdeveloped, they can be educated and socialised to a far greater extent than any other animal. Most mammals emerge from the womb like glazed earthenware emerging from a kiln - any attempt at remoulding will scratch or break them. Humans emerge from the womb like molten glass from a furnace. They can be spun, stretched and shaped with a surprising degree of freedom. This is why today we can educate our children to become Christian or Buddhist, capitalist or socialist, warlike or peace-loving. ** Yuval Noah Harari, ''Sapiens'' (2014), Part I: "The Cognitive Revolution", Chapter 1: "An Animal of No Significance". * Rather than heralding a new era of easy living, the Agricultural Revolution left farmers with lives generally more difficult and less satisfying than those of foragers. Hunter-gatherers spent their time in more stimulating and varied ways, and were less in danger of starvation and disease. '''The Agricultural Revolution certainly enlarged the sum total of food at the disposal of humankind, but the extra food did not translate into a better diet or more leisure. Rather, it translated into population explosions and pampered elites.''' The average farmer worked harder than the average forager, and got a worse diet in return. The Agricultural Revolution was history’s biggest fraud. ** Yuval Noah Harari, ''Sapiens'' (2011), Part II: "The Agricultural Revolution", Chapter 5: "History's Biggest Fraud" * The last 500 years have witnessed a phenomenal and unprecedented growth in human power. In the year 1500, there were about 500 million Homo sapiens in the entire world. Today, there are 7 billion. The total value of goods and services produced by humankind in the year 1500 is estimated at $250 billion, in today’s dollars. Nowadays the value of a year of human production is close to $60 trillion. In 1500, humanity consumed about 13 trillion calories of energy per day. Today, we consume 1,500 trillion calories a day. (Take a second look at those figures — human population has increased fourteenfold, production 240-fold, and energy consumption 115-fold.) ** Yuval Noah Harari, ''Sapiens'' (2011), Part IV: "The Scientific Revolution", Chapter 14: "The Discovery of Ignorance". * Since the Industrial Revolution, the world's human population has burgeoned as never before. In 1700 the world was home to some 700 million humans. In 1800 there were 950 million of us. By 1900, we almost doubled our numbers to 1.6 billion. And by 2000, that quadrupled to 6 billion. Today [as of this writing] there are just shy of 7 billion Homo Sapiens. ** Yuval Noah Harari, ''Sapiens'' (2011), Part IV: "The Scientific Revolution", Chapter 18: "A Permanent Revolution". * Today [as of this writing], the earth's continents are home to almost 7 billion Sapiens. If you took all these people and put them on a large set of scales, their combined mass would be about 300 million tons. If you then took all our domesticated farmyard animals—cows, pigs, sheep, and chickens—and placed them on an even larger set of scales, their mass would amount to about 700 million tons. In contrast, the combined mass of all surviving large wild animals—from porcupines and penguins to elephants and whales—is less than 100 million tons. Our children’s books, our iconography, and our TV screens are still full of giraffes, wolves, and chimpanzees, but the real world has very few of them left. There are about 80,000 giraffes in the world, compared to 1.5 billion cattle; only 200,000 wolves, compared to 400 million domesticated dogs; only 250,000 chimpanzees—in contrast to billions of humans. Humankind really has taken over the world. ** Ibid. * Around 1990, we became the most numerous mammalian species on the planet, outnumbering even rats. ** [[Thom Hartmann]], ''The Last Hours of Ancient Sunlight'' (1999), p. 18 (ISBN 9780609805299) * All measures to thwart the degradation and destruction of our ecosystem will be useless if we do not cut population growth. By 2050, if we continue to reproduce at the current [but declining] rate, the planet will have between 8 billion and 10 billion people, according to a recent U.N. forecast. This is a 50 percent increase. And yet government-commissioned reviews, such as the Stern report in Britain, do not mention the word population. Books and documentaries that deal with the climate crisis, including [[আল গোর]]’s ''[[An Inconvenient Truth]]'', fail to discuss the danger of population growth. This omission is odd, given that a doubling in population, even if we cut back on the use of fossil fuels, shut down all our coal-burning power plants and build seas of wind turbines, will plunge us into an age of extinction and desolation unseen since the end of the Mesozoic era, 65 million years ago, when the dinosaurs disappeared. ** [[Chris Hedges]], "[https://www.truthdig.com/articles/we-are-breeding-ourselves-to-extinction/ We Are Breeding Ourselves to Extinction]", March 9, 2009. *We are experiencing an accelerated obliteration of the planet’s life forms — an estimated 8,760 species die off per year — because, simply put, there are too many people. Most of these extinctions are the direct result of the expanding need for energy, housing, food, and other resources. '''The Yangtze River dolphin, Atlantic gray whale, West African black rhino, Merriam's elk, California grizzly bear, silver trout, blue pike, dusky seaside sparrow are all victims of human overpopulation.''' Population growth, as [[E. O. Wilson]] says, is "the monster on the land." Species are vanishing at a rate of a hundred to a thousand times faster than they did before the arrival of humans. If the current rate of extinction continues, Homo sapiens will be one of the few life forms left on the planet, its members scrambling violently among themselves for water, food, fossil fuels, and perhaps air until they too disappear. Humanity, Wilson says, is leaving the Cenozoic, the age of mammals, and entering the Eremozoic — the era of solitude. As long as the Earth is viewed as the personal property of the human race, a belief embraced by everyone from born-again Christians to Marxists to free-market economists, we are destined to soon inhabit a biological wasteland. ** Ibid. * A world where 8 billion to 10 billion people are competing for diminishing resources will not be peaceful. The industrialized nations will, as we have done in Iraq, turn to their militaries to ensure a steady supply of fossil fuels, minerals and other nonrenewable resources in the vain effort to sustain a lifestyle that will, in the end, be unsustainable. The collapse of industrial farming, which is made possible only with cheap oil, will lead to an increase in famine, disease and starvation. And the reaction of those on the bottom will be the low-tech tactic of terrorism and war. Perhaps the chaos and bloodshed will be so massive that overpopulation will be solved through violence, but this is hardly a comfort. ** Ibid. * Our core ecological problem is not climate change. It is overshoot, of which global warming is a symptom. Overshoot is a systemic issue. Over the past century-and-a-half, enormous amounts of cheap energy from fossil fuels enabled the rapid growth of resource extraction, manufacturing, and consumption; and these in turn led to population increase, pollution, and loss of natural habitat and hence biodiversity. The human system expanded dramatically, overshooting Earth’s long-term carrying capacity for humans while upsetting the ecological systems we depend on for our survival. Until we understand and address this systemic imbalance, symptomatic treatment (doing what we can to reverse pollution dilemmas like climate change, trying to save threatened species, and hoping to feed a burgeoning population with genetically modified crops) will constitute an endlessly frustrating round of stopgap measures that are ultimately destined to fail. ** {{W|Richard Heinberg}}, "[https://www.ecowatch.com/climate-change-heinberg-2471869927.html Systemic Change Driven by Moral Awakening Is Our Only Hope]." ''EcoWatch'' (August 14, 2017). * During the last 200 years, per capita energy usage grew eight-fold, while human population expanded at about the same rate. As a result of energy growth, all the things we do with energy became more doable. Transportation, manufacturing, agriculture, and mining exploded in scale. Energy became so abundant that it seemed we could solve any human problem, now or in the future, just by throwing more energy at it. We even reconfigured our economic system so that it assumes and requires perpetual growth. But growth in fossil-fuel energy can’t continue much longer: depletion and climate change will see to that. And even if we make a wholehearted effort to switch to low-carbon energy sources, we face limits to nature’s supplies of materials with which to make solar panels, wind turbines, nuclear reactors, and batteries. The ways we’re currently trying to share and manage power are insufficient also because we have failed to understand power itself. Rather than accepting that power limits exist, then surveying them and adapting ourselves to them, we try to finesse or deny them. We respond to climate change by hoping for a renewable energy transition—without questioning the amounts of energy we use or what we do with it. We deal with economic inequality by establishing minimal safeguards for the poor—without examining the structural means by which some people enrich themselves to absurd degrees. ** Richard Heinberg, "[https://www.resilience.org/stories/2021-03-23/understanding-power/ Understanding Power]", ''Resilience'' (March 23, 2021). * Prior to the widespread use of coal, oil, and natural gas, agrarian societies saw cyclical periods of rise and fall. But the scale of expansion since the dawn of the fossil-fueled industrial revolution, beginning roughly at the start of the 19th century, has been unprecedented. Energy usage per capita has grown 800 percent, as has population. Meanwhile, the contours of society have been transformed: for the first time in human history, most people now live in cities. ** {{W|Richard Heinberg}}, "[https://www.postcarbon.org/the-end-of-growth-ten-years-after/ The End of Growth: Ten Years After]." {{W|Post Carbon Institute}} (December 7, 2021). *Fossil fuels enabled a dramatic expansion of energy usable by humanity, in turn enabling unprecedented growth in human population, economic activity, and material consumption. **Richard Heinberg, "[https://richardheinberg.com/museletter-353-deadly-optimism-useful-pessimism Deadly Optimism, Useful Pessimism]". Republished in ''[https://www.resilience.org/stories/2022-07-14/deadly-optimism-useful-pessimism/ Resilience]'' (July 14, 2022). *Global human population has doubled three times in the past 200 years, surging from 1 billion in 1820 to 2 billion in 1927, to 4 billion in 1974, to 8 billion today. Its highest rate of growth was in the 1960s, at over 2 percent per year; that rate is now down to 1.1 percent. If growth continues at the current rate, we’ll have about 18 billion people on Earth by the end of this century. All of this would be fine if we lived on a planet that was itself expanding, doubling its available quantities of minerals, forests, fisheries, and soil every quarter-century, and doubling its ability to absorb industrial wastes. But we don’t. It is essentially the same beautiful but finite planet that was spinning through space long before the origin of humans. **Richard Heinberg, "[https://richardheinberg.com/museletter-356-the-final-doubling The Final Doubling]". Republished in ''[https://www.resilience.org/stories/2022-11-03/the-final-doubling/ Resilience]'' (November 1, 2022). *Agriculture enabled population growth and social complexity, but it gradually robbed soils of nutrients. Sailing ships guided with clocks and navigational charts could increase the scope of trade, but building wooden ships (and making charcoal for forging steel) was leading to the deforestation of whole continents. A reckoning with limits seemed to be in store. Then a miracle happened. People who lived in some key centers of global trade started using fossil fuels—energy sources capable of delivering power in previously unimaginable and seemingly endless quantities. Coal, oil, and natural gas enabled the development of transport technologies (steamships, railroads, cars, trucks, and airplanes) that overcame prior limits to the speed of travel and trade, so that products and resources that were abundant in one place could be transported to places where they were scarce. Fossil fuels could be used to increase the rates of resource extraction via powered mining machinery, and to process lower grades of ores as more concentrated ores were depleted. They could be fashioned into plastics and chemicals to substitute for some natural materials that were getting scarce, such as hardwoods and whale oil. And they could be made into artificial fertilizers, which could replace soil nutrients lost due to unsustainable agricultural practices. All these developments together enabled population growth at rates that far outstripped historic trends: human numbers expanded from one billion to eight billion in a mere two centuries. We were, in effect, stretching existing constraints on population and consumption to the point that it was difficult for many people to see that boundaries still existed at all. **{{W|Richard Heinberg}}, "[https://richardheinberg.com/museletter-358-why-understanding-limits-is-the-key-to-humanitys-future Why Understanding Limits Is the Key to Humanity’s Future]". Republished in ''[https://www.resilience.org/stories/2023-01-19/why-understanding-limits-is-the-key-to-humanitys-future/ Resilience]'' (19 January 2023). *As we’ve grown our population and our per capita consumption rates, we’ve been taking habitat away from other organisms. As a result, nature is in full retreat. Vertebrate and invertebrate animal species have suffered average population declines of 70 percent in the past 50 years, and thousands of plant species are endangered as well. **{{W|Richard Heinberg}}, "[https://richardheinberg.com/museletter-358-why-understanding-limits-is-the-key-to-humanitys-future Why Understanding Limits Is the Key to Humanity’s Future]". Republished in ''[https://www.resilience.org/stories/2023-01-19/why-understanding-limits-is-the-key-to-humanitys-future/ Resilience]'' (19 January 2023). *For a population of field mice in overshoot, the critical resource might consist of small plants whose unusually robust growth has been triggered by high levels of rainfall. For humanity currently, the critical resource is fossil energy. Temporary energy abundance has led to many good things (for some of us, anyway): more food, more people, more commercial products, more knowledge, more comfort, and more convenience. But we are about to become victims of our own success. **{{W|Richard Heinberg}}, "[https://richardheinberg.com/museletter-358-why-understanding-limits-is-the-key-to-humanitys-future Why Understanding Limits Is the Key to Humanity’s Future]". Republished in ''[https://www.resilience.org/stories/2023-01-19/why-understanding-limits-is-the-key-to-humanitys-future/ Resilience]'' (19 January 2023). *It’s sad when loved ones die, and few of us look forward to our own demise; hence the perennial quest for an elixir of eternal life, or at least a cure for cancer. But if nobody died, the planet would quickly fill with humans and empty of all the things that feed and provision us. Death clears space for new life; it is the non-negotiable price of admission to the great banquet of existence. ** {{W|Richard Heinberg}}, "[https://richardheinberg.com/museletter-358-why-understanding-limits-is-the-key-to-humanitys-future Why Understanding Limits Is the Key to Humanity’s Future]". Republished in ''[https://www.resilience.org/stories/2023-01-19/why-understanding-limits-is-the-key-to-humanitys-future/ Resilience]'' (19 January 2023). *The past few thousand years of human history have already seen several critical accelerators. The creation of the first monetary systems roughly 5,000 years ago enabled a rapid expansion of trade that ultimately culminated in our globalized financial system. Metal weapons made warfare deadlier, leading to the takeover of less-well-armed human societies by kingdoms and empires with metallurgy. Communication tools (including writing, the alphabet, the printing press, radio, television, the internet, and social media) amplified the power of some people to influence the minds of others. And, in the past century or two, the adoption of fossil fuels facilitated resource extraction, manufacturing, food production, and transportation, enabling rapid economic expansion and population growth. Of those four past accelerators, our adoption of fossil fuels was the most potent and problematic. In just two centuries, energy usage per capita has increased eightfold, as has the size of the human population. The period since 1950, which has seen a dramatic increase in the global reliance on petroleum, has also seen the fastest economic and population growth in all of human history. Indeed, historians call it the “Great Acceleration.” Neoliberal economists hail the Great Acceleration as a success story, but its bills are just starting to come due. Industrial agriculture is destroying Earth’s topsoil at a rate of tens of billions of tons per year. Wild nature is in retreat, with animal species having lost, on average, 70 percent of their numbers in the past half-century. And we’re altering the planetary climate in ways that will have catastrophic repercussions for future generations. It’s hard to avoid the conclusion that the whole human enterprise has grown too big, and that it is turning nature (“resources”) into waste and pollution far too quickly to sustain itself. The evidence suggests we need to slow down, and, in some cases at least, reverse course by reducing population, consumption, and waste. **Richard Heinberg, "[https://richardheinberg.com/museletter-363-polycrisis-unraveling-simplification-or-collapse Polycrisis, Unraveling, Simplification, or Collapse]". Republished in ''[https://www.resilience.org/stories/2023-06-15/polycrisis-unraveling-simplification-or-collapse-coming-soon-to-a-planet-near-you/ Resilience]'' (June 15, 2023). *Depleting and climate-changing coal, oil, and natural gas have brought about dramatic human population growth, along with immense profits and unprecedented wealth (for the few). But all of these presumed and probably transitory benefits have been based on depleting natural resources, and on processes that are perilously changing the climate and degrading ecosystems across the planet. Every time we pick up a gasoline-powered machine we are viscerally linked to that chain of ersatz benefits and spiraling impacts. **Richard Heinberg, "[https://richardheinberg.com/museletter-368-the-gasoline-powered-leaf-blower-as-a-metaphor-for-industrial-society The Gasoline-Powered Leaf Blower as a Metaphor for Industrial Society]", republished in ''[https://www.resilience.org/stories/2023-11-01/the-gasoline-powered-leaf-blower-as-a-metaphor-for-industrial-society Resilience]'' (November 1, 2023). *Of course, we also have to think about the role of population going forward. The more the global population grows, the more difficult this challenge will be. As we approach this question, it's crucial—as always—that we focus on underlying structural drivers. Many women around the world do not have control over their bodies and the number of children they have. Even in liberal nations, women come under heavy social pressure to reproduce, often to the point where those who choose to have fewer or no children are interrogated and stigmatised. Poverty exacerbates these problems... And of course capitalism itself creates pressures for population growth: more people means more labour, cheaper labour, and more consumers. These pressures filter into our culture, and even into national policy: countries like France and Japan are offering incentives to get women to have more children, to keep their economies growing. **[[Jason Hickel]], ''Less is More: How Degrowth Will Save the World'', 2021, pp. 110-111 * No one lives within a day’s walk of a coal mine, an iron ore source, and a smelter that can operate without a source of electricity, plus food. The old smelters didn’t use electricity to drive the huge motors moving heavy hot metal and slag around. The first smelters were close to coal and iron ore sources, but we used them up; they no longer exist close to each other.<br>In the year 1500, we had a world population of around 450 million and grew massively over the next 250 years to the start of the industrial revolution by increasingly using the resources of the ‘new world’. We’ve been on an upward trajectory ever since, especially since around 1800 when fossil energy came into use.<br>People just don’t understand our extreme (and still growing) overpopulation problem given the imminent decline of oil, and especially diesel. Assuming “we’ll downsize this” or “relocalize that” ignores the fact that once oil supply shifts to contraction, the declines will be permanent year after year, and with diesel shortages the ability to build anything new all but disappears.<br>It will be a sad sight with suffering everywhere and increasing year after year. Survivors will have to be hard people, protecting and providing for their own, at the exclusion of others.<br>Everyone should look around their home and imagine it without the oil used to produce and deliver everything in it, because that’s the world of the future, with old decaying cold buildings and no food in cities. ** Hideaway (pseudonym for Helen Hasan), "[https://un-denial.com/2024/09/14/by-kira-hideaway-on-relocalization/ On Relocalization]". ''Un-Denial'', September 14, 2024. * Using all available resources to expand its population is what every species that’s ever existed has always done until some limit is reached. Consider a mouse plague, enabled by human agricultural practices, with its huge population until the next frost or the grain is eaten, then a massive die-off in a short time. ** Ibid. * We have over 8 billion humans on the planet, and 99.99% of them have no idea modernity is going to end abruptly, and when it does so will destroy the plans of the [few who] did see it coming and tried to prepare in some way. ** Ibid. * One might think Humanity’s success is guaranteed, except for a few things: First, the increasing scarcity of oil, coal, and natural gas suddenly threatens to remove the punch bowl from which Humanity has been feeding. Second, the carrying capacity of the Earth is far less than 8 billion humans unless we continue to supplement with increasingly scarce resources. And, last, our centuries-long party has now broken the Earth in ways Humanity cannot repair. ** Preston Howard, "[https://un-denial.com/2023/09/28/by-preston-howard-the-maximum-power-principle-and-why-it-underscores-the-certainty-of-human-extinction-in-the-near-future/ The Maximum Power Principle and Why It Underscores the Certainty of Human Extinction in the Near Future]." ''Un-Denial'' (September 28, 2023) * Is the proxy war in Ukraine turning out to be only a lead-up to something larger, involving world famine and a foreign-exchange crisis for food- and oil-deficit countries?<BR>U.S. Cold War strategy is not alone in thinking how to benefit from provoking a famine, oil and balance-of-payments crisis. [[w:Klaus Schwab|Klaus Schwab]]’s World Economic Forum worries that the world is overpopulated—at least with the “wrong kind” of people. '''As Microsoft philanthropist... Bill Gates has explained: “Population growth in Africa is a challenge.” His lobbying foundation’s 2018 “Goalkeepers” report warned: “According to U.N. data, Africa is expected to account for more than half of the world’s population growth between 2015 and 2050. Its population is projected to double by 2050,”''' with “more than 40 percent of world’s extremely poor people... in just two countries: Democratic Republic of the Congo and Nigeria.” Gates advocates cutting this projected population increase by 30 percent by improving access to birth control and expanding education to “enable more girls and women to stay in school longer, have children later.” But how can that be afforded with this summer’s looming food and oil squeeze on government budgets? ** [[Michael Hudson (economist)|Michael Hudson]], [https://michael-hudson.com/2022/06/is-us-nato-with-wef-help-pushing-for-a-global-south-famine/ Is US/NATO (with WEF help) pushing for a Global South famine?] (6 June 2022) === K === * Perhaps the most ambiguous of these [technological] achievements [of the [[Industrial Revolution|industrial age]]] is the one that began in mid-nineteenth century with improvements in public health, vaccinations, and antibiotics. These methods of death control emerged too rapidly to be offset by methods of birth control and populations exploded. Again, who can speak against this from within the old paradigm? In fact, it is only from the newer ecological paradigm that we are able to recognize that all this marvelous technology has... likely led the human population to overshoot the carrying capacity of the earth. Even from this perspective many of us would... want to save lives now in hopes that somehow there will be enough resources for those who come after us. In less complex animal populations, an overshoot leads to a crash, or die-off. Can humans somehow circumvent this conclusion without relying on further damaging drawdown strategies? … a basic change in our technologies, and acceptance of a steady state in economics reinforced by a compatible spiritual orientation, may at least mitigate human suffering and loss. ** Maynard Kaufman, ''Adapting to the end of oil'', 2008, p. 29. * Unlike plagues of the dark ages or contemporary diseases we do not yet understand, the modern plague of overpopulation is soluble by means we have discovered and with resources we possess. What is lacking is not sufficient knowledge of the solution but universal consciousness of the gravity of the problem and education of the billions who are its victims. ** [[মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র]], acceptance speech, Margaret Sanger award in human rights 1966; Lamont Hempil ''Sustainable communities''. * We have learned a lot in the 50 years since "{{W|The Population Bomb}}" was published. We should not shy away from discussing what actions are ethically permissible to facilitate a stable level of population growth, nor should we leave this discussion in the hands of the affluent. The conversation about ethics, population, and reproduction needs to shift from the perspective of white donor countries to the places and people most affected by poverty, climate change and environmental degradation. ** {{W|Frances Kissling}}, Jotham Musinguzi and [[Peter Singer]], "[https://www.washingtonpost.com/opinions/talking-about-overpopulation-is-still-taboo-that-has-to-change/2018/06/18/ca7c1838-6e6f-11e8-afd5-778aca903bbe_story.html Talking about overpopulation is still taboo. That has to change]". ''{{W|The Washington Post}}''. June 18, 2018. * All we can say now is, that, even now, 600 persons could easily live on a square mile; and that … 1,000 human beings—not idlers—living on 1,000 acres could easily, without … overwork, obtain … a luxurious vegetable and animal food, as well as the flax, wool, silk and hides necessary for their clothing. As to what may be obtained under still more perfect methods—also known but not yet tested on a large scale—is better to abstain from any forecast: so unexpected are the recent achievements of intensive culture. We thus see that the over-population fallacy does not stand the very first attempt at submitting it to a closer examination. ** [[Peter Kropotkin]], ''[[Peter Kropotkin#Fields, Factories and Workshops_(1899)|Fields, Factories and Workshops]]'' (1899) * It has been estimated that the world human population stood at about one billion around the early 1800s, which was roughly about when the industrial adventure began to gain traction. It has been inferred from this that a billion people is about the limit that the planet Earth can support when it is run on a nonindustrial basis. World population is now past six and a half billion, having more than doubled since my childhood in the 1950s. The mid-twentieth century was a time of rising anxiety over the “population explosion.” The marvelous technological victory over food shortages, including the “green revolution” in crop yields, accelerated that already robust leap in world population that had begun with modernity. Dramatic improvements in sanitation and medicine extended lives. Industry sopped up expanding populations and reassigned them from rural lands to work in the burgeoning cities. The perceived ability of the world to accommodate these newcomers and latecomers in a wholly new disposition of social and economic arrangements seemed [to] be the final nail in the coffin of [[Thomas Robert Malthus]]… ** [[James Howard Kunstler|James H. Kunstler]], ''{{W|The Long Emergency}}'', Chapter 1: "Sleepwalking into the future", pp. 5–6. * Malthus was certainly correct [that demand will outstrip supply], but... [hydrocarbons] ...skewed the [supply-demand] equation over the past [two] hundred years while the human race has enjoyed an unprecedented orgy of [a fraction of] nonrenewable condensed solar energy accumulated over eons of prehistory. The “green revolution” in boosting crop yields was minimally about scientific innovation in crop genetics and mostly about dumping massive amounts of fertilizers and pesticides made... of ...[petroleum] onto crops, as well as employing irrigation at a fantastic scale made possible by abundant oil and gas. The cheap oil age created an artificial bubble of plen[t]itude for a period not much longer than a human lifetime, a hundred years. Within that comfortable bubble, the idea took hold that only grouches, spoilsports, and godless maniacs considered population hypergrowth a problem [with a direct solution], and that to even raise the issue was indecent. ...As oil ceases to be cheap and the world reserves arc toward depletion, we will indeed suddenly be left with an enormous surplus population... that the ecology of the earth will not support. No political program of birth control will avail. The people are already here. The journey back to non-oil population homeostasis will not be pretty. '''We will discover the hard way that population hypergrowth was simply a side effect of the oil age.''' It was [more of] a condition [without a remedy], not a problem with a [direct] solution. That is what happened, and we are stuck with it. ** Ibid., p. 8. * '''Cheap oil had allowed populations to explode in precisely those parts of the world that had had, for millennia, a high infant mortality rate and modest life expectancy.''' Cheap oil was behind the "green revolution" that increased the food supply in the nonindustrial world. Oil was also behind many of the medicines and preventives that had neutralized… diseases. Now, suddenly, most of those children… survived, grew up, and produced more children who survived and grew up, and over… the twentieth century, the global populations hurtled into extreme numerical overshoot. Populations were, in effect, eating oil, notably in [the form of] food exports from the United States, where agribusiness had completely taken over from agriculture. Local farmers in Africa, Asia, or South America couldn’t compete with corporate Archer Daniels Midland’s oil-and-gas-based grain crops and U.S. government subsidies. ** James H. Kunstler, ''The Long Emergency'' (2005), Chapter 6: "Running on fumes : the hallucinated economy" pp. 187–188. * Peak human population will surely lag … peak oil and peak mineral resources until these conditions express themselves as food shortages. This means that the human population will continue to rise for a while, even as we begin to encounter these … strict resource limits. It’s not possible to estimate how much the population will increase because the relationship between energy and mineral resources and food production is a very fragile equation, subject to any number of discontinuities. To these, add the complications of weather disasters arising from climate change, including drought, the spread of plant diseases, and so forth. This lagging further rise in [the] human population will only make the inevitable contraction more acute once food shortages begin. [Overpopulation] amounts to a human population overshoot … to the planet Earth’s ecology. We're putting a strain on everything the earth has to offer us. While the combination of peak stuff and [too many] billion humans is forcing the issue, ...the truth is that '''circumstances will now determine what happens, not policies or personalities.''' … Population overshoot is therefore unlikely to yield to management. Rather, the usual suspects will enter the scene and do their thing: starvation, disease, … violence … [and] death. ** James H. Kunstler, ''Too Much Magic'', Chapter 1: "Where We're At", p. 10. === L === *Fossil fuels’ biggest impact on the agricultural sector stems from the use of natural gas in industrial fertilizer production. Industrial fertilizer was first mass-produced in 1914 using what came to be known as the {{W|Haber-Bosch process}}. This invention enabled the {{W|Green Revolution}}, a boom in agricultural production that took place in the latter half of the 20th century, starting in Mexico and India. From 1961 to 2010, cereal yields per acre increased by 217 percent in Mexico and 183 percent in India. It is no coincidence that the human population has more than quadrupled since 1920.<br>We often attribute the Green Revolution to the spread of high-yielding crop varieties. Yet these varieties typically require industrial fertilizer application. The Haber-Bosch method, combined with mechanization and pesticides derived from fossil fuels, [has] represented a massive and unsustainable injection of fossil fuels into our food system. Today, the production of one food calorie in the United States requires 2.7 fossil fuel calories. **Helene Langlamet and Alix Underwood. “[https://steadystate.org/a-trophic-perspective-on-fossil-fuels/ A Trophic Perspective on Fossil Fuels].” Center for the Advancement of the Steady State Economy, August 1, 2024. * Driven by the Anthropocene engine, human population has grown exponentially, and individual societies have approached collapse multiple times over the past 8,000 years. The disappearance of the Easter Island civilization and the collapse of the Mayan empire, for example, have been linked to the depletion of environmental resources as populations rose. The dramatic decline of the European population during the Black Death in the 1300s was a direct consequence of crowded and unsanitary living conditions that facilitated the spread of Yersenia pestis, or plague. ** Manfred Laubichler, [https://theconversation.com/8-billion-humans-how-population-growth-and-climate-change-are-connected-as-the-anthropocene-engine-transforms-the-planet-193075 8 billion humans: How population growth and climate change are connected as the ‘Anthropocene engine’ transforms the planet]. ''{{W|The Conversation (website)|The Conversation}}'', November 3, 2022. * In the 20th century we decisively broke our dependence on energy systems that were fed by the wind and sun and which we supplemented with human and animal muscle power. That leap was made possible by innovations that allowed us to extract, pump, use, and transform raw materials, particularly to unlock energy stored in coal and oil to make chemicals and plastics. That in turn allowed a massive expansion in population, lifespans, and economic growth. The rise of industrial capitalism from 1851 to 1971 went hand in hand with a surge in population, mainly in cities, provided with better food and public health. ** Charles Leadbeater, ''The Frugal Innovator'' (2014), p. 36. * On a global level, there is no threat to human survival greater than that posed by world overpopulation—paradoxical though that may seem—and it is abundantly clear that consensus decision making is ineffective for dealing with that. Some kind of “solution” is nonetheless unavoidable, and is certain to be ugly. To say that there is no visible world leadership on that transcendental question is to understate the case. Optimists on the population problem don’t measure progress in terms of a decrease in population, or even a decrease in the rate of increase, but in terms of a decrease in the rate of increase of the rate of increase. ** [[Harold Lewis]], ''Why Flip a Coin?'' (1997), <small> {{আইএসবিএন|0-471-16597-2}}, </small> pp. 98-99 * The human population will continue to increase until it can’t. When it can no longer increase, it will crash. Our extreme efforts to focus our minds elsewhere are symptoms of a desperate attempt to find solid footing, to believe in a future that will not vanish. Mankind has had a storied existence on Earth. Our thirst for knowledge and innovation has provided comfort and security. However, it is becoming increasingly evident that our remarkable progress has become our worst enemy. We know our planet is finite. Images of Earth from space make it plain for all to see. However, people routinely ignore this verifiable certainty in all aspects of their lives, treating the world as [if it were] infinite. Modern-day human activities are not only wiping out ecosystems and biodiversity but [also] plundering the clean air, water, and topsoil that helped bring about our tenure on the planet. Entire ecosystems have vanished, including the tallgrass prairie in North America, Madagascar’s rainforests, and the Aral Sea in Asia. '''We use Earth’s natural resources like a bunch of drunks on the greatest bender of all time.''' Human consumption is negatively modifying the planet and permanently damaging the biological systems upon which our continued existence depends. The deterioration of our ecosphere has been exponentially accelerating for at least 100,000 years. As technological advances improve our lives, humanity becomes increasingly detached from its environment and the natural resources allowing us to persist. People now have a much closer affinity with iPhones, Amazon, online shopping, restaurants and bars, Netflix, beauty salons, and sporting events than forests, grasslands, marshes, and oceans. Few now understand our existence on Earth is entirely dependent upon photosynthesis. Instead, they believe their survival is contingent on parents, doctors, farmers, governments, bankers, police, and other players in society. It’s not that those institutions, people, and specialties aren’t important, but they represent the retailers. Photosynthesis is the wholesaler. There is a supply chain disruption occurring on a massive scale in our relationship with the planet. The ancient forests and grasslands that provided the planet with free oxygen in the air and sequestered carbon dioxide, making it habitable for humans and other complex life, are nearly gone. For most people, the natural resources that support their existence and lifestyle might as well be from a distant galaxy. This extreme disconnect has resulted in people losing their capacity to understand the dire circumstances facing complex organisms on Earth, including themselves. The deafening alarm bells portending our extinction are routinely misunderstood or ignored. For those who perceive our state of crisis, there is a great deal of angst. Much of the frustration, anger, and sadness results from having unrealistic expectations of human beings. Despite our advanced technologies, the basic tenets of human behavior haven’t changed for centuries or millennia. Letting go of the false expectations that Homo sapiens can or will modify our behavior can bring us an element of peace. Expectations are incredibly powerful in structuring our moods and emotions. Identifying unrealistic expectations can reduce our chances of being disappointed and can increase happiness. A better understanding of our behavioral history can provide valuable insights into recognizing human capabilities and limitations. ** Lyle Lewis, ''Racing to Extinction'' (2024) * … as our population has grown, humans have been liquidating the planet’s natural resources for thousands of years. The effects of our current population on forests, grasslands, biodiversity, clean air, and water are catastrophic. Zero population growth means the planet would still be trying to support the current population, over 8 billion people. Humanity can no longer pay even the interest. We’ve already spent much of the planet’s clean air, water, and biodiversity with no mechanism for repayment. Zero population growth isn’t going to happen. We can’t curb our evolutionarily programmed need to grow and reproduce any more than we can stop the sun from rising. Like all populations of organisms on the planet, the number of humans will continue to increase until it’s no longer possible. When that day happens, Earth will be a truly inhospitable place. ** Lyle Lewis, ''Racing to Extinction: Why Humanity Will Soon Vanish'' (2024), Chapter 5. * In 1968, with the release of their book ''The Population Bomb'', [[Paul R. Ehrlich|Paul]] and Anne Ehrlich were among the first to identify the most significant factor that will precipitate the collapse of humanity. Their book inspired an environmentalist fad in the 1970s. The premise for the book was gradually rationalized away by most as the work of lunatics. It was listed by the Intercollegiate Review as one of the 50 worst books of the 20th century. In the Human Events list of the “Ten Most Harmful Books of the Nineteenth and Twentieth Centuries,” it garnered an 11th-place honorable mention. Since that time, the global population has more than doubled. During those five decades, humanity has identified six types of quarks, developed the modern internet, eradicated smallpox, decoded the human genome, and developed vaccines for Ebola and COVID-19. Despite all our new technologies and discoveries, the most basic concept of rapid human growth inside a finite system—our planet—leading to collapse is a concept too difficult for our greatest minds to reconcile. Humanity’s carefully calibrated psychological filters go into overdrive to prevent this simple mathematical postulate from entering our psyche. As seemingly prescient as the Ehrlichs were, our collision course with extinction was preordained long before their book was published in 1968. ** Lyle Lewis, ''Racing to Extinction: Why Humanity Will Soon Vanish'' (2024), Chapter 9. * Population growth vanished from the agendas of mainstream environmental organizations that previously regarded escalating numbers as a major environmental threat. These groups were primarily shackled by their fear of alienating donors, ultimately selling their purpose and integrity for money. Criticism from progressive and conservative interests claiming that overpopulation is a myth further incentivized these groups to pretend the rising global population wasn’t a factor in planetary degradation. ** Lyle Lewis, ''Racing to Extinction: Why Humanity Will Soon Vanish'' (2024), Chapter 9. * Those who defend the belief that overpopulation isn’t at the core of every environmental problem are not unique. Every myth presents itself as an authoritative, factual account, no matter how much the topic varies from natural law or ordinary experience. There is a long, bloody history of ''Homo sapiens'' defending myths against those who might either question their veracity or have a competing myth. It has resulted in the deaths of millions of people [and other animals] since the dawn of the Agricultural Revolution. As a result of ignoring the obvious reality, newborns are effectively positioned as moneymaking machines. The former prime minister of Japan suggested that women who bore no children should be barred from receiving pensions. In most countries, those who choose not to have children are required to pay for those who do through taxes. In this campaign for more babies, childbearing is reduced to a means for economic growth. Even though overpopulation, natural resource extraction, and environmental degradation are clearly linked, the needs of the economic market trump the needs of the planet. Children are nothing more than moneymakers in the eyes of politicians, forever blind to the moral, environmental, or humanitarian consequences of their policies. Market thinking has obliterated moral thinking on a grand scale. After all, if the West doesn’t produce more children, it can’t produce the wealth needed to look after parents when they retire. No social animal is ever guided by the interests of the entire species to which it belongs. No pika cares about the interests of the pika species; no northern spotted owl will lift a feather for the global northern spotted owl community; no wolf alpha male makes a bid for becoming the king of all wolves. Likewise, few humans care about the interests of ''Homo sapiens''. People only care about themselves and those who directly affect their lives. ** Lyle Lewis, ''Racing to Extinction: Why Humanity Will Soon Vanish'' (2024), Chapter 9. * Humanity has moved past the point where future generations are an issue. If there are any, they will be few in number. Ignoring the inevitable is something all species do. Humans are no different than bacteria in a Petri dish or a mountain pine beetle in a climate-stressed lodgepole pine forest. All available resources are utilized to grow and reproduce until the inevitable collapse. We’re traveling down the same path as all species that have gone through exponential increases. The only difference is ''Homo sapiens'' is doing it on a grander scale. The Herculean ability to ignore the greatest threat to our existence would be comical if not for the rapidly approaching consequential conclusion to our existence. ** Lyle Lewis, ''Racing to Extinction: Why Humanity Will Soon Vanish'' (2024), Chapter 9. * Economic and political instability will continue to increase as food and water supplies are impacted in more areas on the planet by pollution, drought, flooding, and other extreme weather events. However, while the focus is almost entirely on the supply side of the economic equation, the demand side may be the bigger issue. The planet is currently adding an additional 80 million mouths to feed each year, 4.5 times more people than the entire population of Syria. As the chasm between uncertain supplies and increasing demand widens, the social and biological implications for humanity are both unpredictable and alarming. ** Lyle Lewis, ''Racing to Extinction: Why Humanity Will Soon Vanish'' (2024), Chapter 9. * Many people, including environmentalists, often avoid linking the multitude of environmental problems to overpopulation. Some believe that a global shift to veganism could support the current population and more. Others attribute the crisis to various factors [that] are frequently cited as primary contributors to the ongoing environmental crisis, overshadowing the impact of population growth. ** Lyle Lewis, "The Locust Theory" (November 16, 2024) * [There's an] excessive number of humans who [want to] live a lifestyle that promotes equality, along with [others] being minimalist and/or vegan... [and] similar overpopulation by other organisms is considered a plague. ** Ibid. * Our emphasis [on] science has resulted in alarming rises in world populations that demand an ever-increasing emphasis [on] science to improve their standards and maintain their vigor. ** [[Charles Lindbergh]], ''The Wisdom of Wilderness'', ''{{W|Life (magazine)|LIFE}}'', December 22, 1967. * It is still the case that the worst enemies of life are, on the one hand, an excess of life (human life, in particular) and, on the other, the legislation and structure of societies based on {{W|market economy}}. The sturdier a society, the more peaceful it is; the more efficient {{W|economic growth}} (i.e., the ransacking of natural resources), the quicker {{W|Biodiversity loss|other forms of life will step aside}}. Everything that upsets the established order of society, causing chaos and panic, gives time to nature and, ultimately, humans too. ** [[Pentti Linkola]], ''Can Life Prevail?: A Revolutionary Approach to the Environmental Crisis.'' p. 166 === M === * Population, when unchecked, increases in a geometrical ratio, Subsistence, increases only in an arithmetical ratio. ** [[Thomas Robert Malthus]], ''An Essay on the Principle of Population'' (1798), Chapter I, paragraph 18, lines 1-2 * The power of population is so superior to the power in the earth to produce subsistence for man, that premature death must in some shape or other visit the human race. **Thomas Robert Malthus, ''An Essay on the Principle of Population'' (1798), Chapter VII, paragraph 20, lines 2-4 * What has caused the recent super-exponential rise in world population? Before the industrial revolution both fertility and mortality were comparatively high and irregular. The birth rate generally exceeded the death rate only slightly, and population grew exponentially, but at a very slow and uneven rate. In 1650 the average lifetime of most populations in the world was only about 30 years. Since then, [hu]mankind has developed many practices that have had profound effects on the population growth system, especially on mortality rates. With the spread of modern medicine, public health techniques, and new methods of growing and distributing foods, death rates have fallen around the world. […] On a world average the gain around the positive feedback loop (fertility) has decreased only slightly while the gain around the negative feedback loop (mortality) is decreasing. The result is an increasing dominance of the positive feedback loop and the sharp exponential rise in population […]. **Dennis Meadows et al. ''The Limits to Growth'' (1972), Chapter 1: "The Nature of Exponential Growth." * H. sapiens took around 250,000 years to reach a global population of 1 billion in 1820, and just over 200 years to go from 1 billion to 8 billion. This was largely made possible by our species’ access to cheap, easy, exosomatic energy, mainly fossil fuels. Fossil fuels enabled us to reduce negative feedback (e.g. food shortages) and thus delay and evade the consequences of surpassing natural limits. In that same 200 year period, fossil energy (FF) use increased 1300-fold, fueling a 100-fold increase in real gross world product, i.e. consumption, and the human enterprise is still expanding exponentially. ** Joseph J. Merz et al., "[https://journals.sagepub.com/doi/10.1177/00368504231201372 World scientists’ warning: The behavioural crisis driving ecological overshoot]". ''Science Progress'' Volume 106, No. 3 (2023) * There is no way we could keep going as we have been. The increase in human population in the 1990s has exceeded the total population in 1600. The population has grown more since 1950 than it did during the previous four million years. The reasons for our recent rapid growth are pretty clear. Although the Industrial Revolution speeded historical growth rates considerably, it was really the public health revolution, and its spread to the Third World at the end of the Second World War, that set us galloping. Vaccines and antibiotics came all at once, and right behind came population. In Sri Lanka in the late 1940s life expectancy was rising at least a year every twelve months. How much difference did this make? Consider the United States: if people died throughout this century at the same rate as they did at its beginning, America's population would be 140 million, not 270 million. ** [[Bill McKibben]], "[https://www.theatlantic.com/magazine/archive/1998/05/a-special-moment-in-history/377106/ A Special Moment in History]", ''The Atlantic'', May 1998. * The Earth's population is plagued by famines, energy shortages, epidemics, environmental pollution, degeneration, terrorism, dictatorship, anarchism, slavery, excessive increase of waste materials, racial hatred, food shortages, destruction of rain forests, the "greenhouse effect", pollution of lakes, streams and oceans, hatred towards asylum-seekers; radioactive emissions, chemical pollution of water, air, plants, food, human beings and animals. Crime, murder, mass murders, manslaughter; alcoholism, hatred of strangers, oppression, hatred of one's fellowman, extremism, sectarianism, drug addiction, overpopulation, annihilation of animal species, war, violence, torture and capital punishment, general mismanagement, water contamination, eradication of plant species; hatred, vice, jealousy, lovelessness, lack of logic, false humanitarianism, lack of housing, increased traffic, destruction of arable land, unemployment, the collapse of health care, the collapse of care for the elderly, destruction of nature, the collapse of solid waste removal, and the lack of living space, among others. In spite of the many efforts, '''mankind's problems are not decreasing but, instead, continue to rise steadily in direct proportion to population increases.''' ** {{W|Eduard Albert Meier}}, "[http://www.futureofmankind.co.uk/Billy_Meier/Overpopulation_Crusade A Crusade Against Overpopulation]," on ''futureofmankind.co.uk.'' * … technology use harnesses far more energy and materials than we could ever manage without it, and while doing so may make our lives much easier and more comfortable, it comes at the cost of increasing ecological overshoot. As we increase overshoot, we concomitantly increase all the symptom predicaments that overshoot causes. Technology use also has another nasty side effect. It reduces and/or eliminates negative feedbacks which once kept our numbers in check. Many diseases we once suffered from like smallpox, measles, whooping cough, tetanus, etc. have been temporarily eliminated by the technological development of vaccines. Our medical industry has also wiped out many other diseases through proper sanitation, use of antiseptics, anesthetics (allowing surgeries to correct most internal ailments), antibiotics, antifungals, and antivirals to kill or prevent many diseases, and many other innovations that allow us to live better, more comfortable lives. The development of indoor plumbing, electrical systems, heating and air conditioning systems, insulation, refrigerators and freezers, and cooking devices all allow us to accomplish daily tasks either much easier or provide more comfort to us by regulating temperature and humidity levels in our living spaces. Therefore, technology use reduces or removes negative feedback thereby promoting population growth which also promotes technology growth. However, in terms of reducing overshoot (and symptom predicaments such as climate change, energy and resource decline, pollution loading, and biodiversity decline), technology use is '''''maladaptive'''''. This will become painfully clear as time moves forward when more or different technology does not actually solve overshoot. [[Population decline]] is what will actually work to reduce overshoot, caused by the failure of our agricultural systems, increased disease caused by antimicrobial resistance and new viruses emerging, and increased failures of infrastructural systems caused by extreme weather events. Reduced technology use will be facilitated by this mechanism, and ALL species wind up experiencing die-off whether they use technology or not. ** Erik Michaels, "[https://problemspredicamentsandtechnology.blogspot.com/2023/07/how-did-we-get-here.html How Did We Get Here?]" (July 19, 2023). * Most non-domesticated life on earth is in decline and about 200 species a day are going extinct due to a wide range of environmental problems. Many humans are at risk of being harmed or killed by related problems this century.<br>All of the many problems are caused by the same thing: humans have used non-renewable energy to explode their population from 1 billion to 7 billion in 100 years, and now consume so large a share of the earth’s resources that almost all non-domesticated species are in decline. ** Rob Mielcarski, "[https://un-denial.com/2016/03/25/overpopulation-denial/ Overpopulation Denial]." ''Un-Denial'' (March 25, 2016). * We’re in serious trouble. Many red lights are flashing on the dashboard.<br>Most people are now aware that something is seriously wrong, and each has their favorite lens through which to view the problems… The common denominator to all of these problems is overshoot. Very few people are able to see through the lens of overshoot because overshoot is a very unpleasant topic with no painless solutions and no way to avoid its consequences, and because humans evolved to deny unpleasant realities like overshoot. ** Rob Mielcarski, "[https://un-denial.com/2025/06/06/what-should-can-could-will-we-do/ What… Will We Do?]." ''Un-Denial'' (June 6, 2025). * Human numbers are rising at roughly 1.2% a year, while {{W|livestock}} numbers are rising at around 2.4% a year. By 2050 the world’s living systems will have to support about 120m tonnes of extra humans and 400m tonnes of extra farm animals. ** [[George Monbiot]], "[https://www.theguardian.com/commentisfree/2015/nov/19/population-crisis-farm-animals-laying-waste-to-planet There’s a population crisis all right. But probably not the one you think]". ''The Guardian''. November 19, 2015. * [[ফ্রান্সিস বেকন|Bacon]]ian science is at the root of the apocalypse. We have been blessed by advances in medicine, agriculture and engineering. Science has done exactly what we asked of it and now we are set for annihilation. If European science had petered out after the discoveries of the seventeenth century, we would be less numerous and [the] Earth would not be [[global warming|warming]]. ** Nicholas Money. ''The Selfish Ape'' (2019), Chapter 9: "Greenhouse" * This moment is special because we have dramatically built up our population, technology, science, medicine, and democratic institutions as a direct result of vast amounts of surplus energy stemming from a one-time resource. The fossil fuel experience has made us '''dangerously confident''' about our cleverness and dominance over nature. What makes this century special, then, is that we will have to cope with a diminishing supply rate of the resource that has been of paramount importance to our high-tech existence. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2011/10/sustainable-means-bunkty-to-me/ Sustainable means "bunkty" to me]." ''Do the Math'', University of California, San Diego. October 5, 2011. * Humans collectively must ultimately face the uncomfortable question of whether Earth’s natural systems can support 8 billion or more people at a modern standard of living. Since the resource footprint of a U.S. citizen is at least four times that of the global average, the key question is whether the planet can support an increase in material throughput four times higher than present when the strain is apparent already. As noble as it may be to wish [for] a modern living standard for an eventual ten billion or more people, it is likely that committing to such a course could result in more human suffering than would transpire under the adoption of more modest goals. The responsible path is to reduce global resource dependencies and abandon the imperative for growth starting now. ** Thomas W. Murphy, David J.R. Murphy, Thomas F. Love, Melody LeHew and Ben McCall (2021). "[[doi:10.1016/j.erss.2021.102239|Modernity is incompatible with planetary limits: Developing a PLAN for the future]]." ''Energy Research & Social Science'', 81, 102239. * Even something as seemingly altruistic as health care selfishly focuses on human health, to the exclusion and often direct detriment of ecosystem health. Are we really doing ourselves favors in the long term by making the destructive human enterprise healthier, more populous, longer-living, and therefore better able to carry out its damaging activities? If this sounds abhorrently anti-human, it’s because the human enterprise is currently relentlessly anti-planet. Anything that is anti-planet will dismantle ecosystems that serve as critical life support for humans, spelling failure for the human enterprise. So it’s really the human enterprise that is anti-human by way of being anti-planet. […] The best way to assure long-term prosperity is to forge a non-human-centric partnership with nature that does not always put short-term human interests above those of non-human elements of nature. Even “good” activities like health care therefore miss the boat in terms of building a better tomorrow. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2021/05/to-what-end/ To What End?]". Do the Math, {{W|University of California, San Diego}}. May 4, 2021. * Since growth is an absurd short-lived anomaly, what about leveling out in population, resource use per capita, and adopting a steady-state economy? The problem here is that the rate at which we are depleting one-time resources today is unsustainable. We’re simply spending our bank account without paying attention to the balance and without any source of additional income. Most clearly, forests and wild spaces are down by a factor of two in the last 60 years and will be gone within 60 years at current rates of depletion. Before even getting to steady-state conditions, inevitable near-term increases in population together with sought-after increases in standards of living around the world spell an even shorter lifetime for critical habitats. Meanwhile, fisheries are failing in domino fashion; aquifers are being depleted at rates alarmingly higher than replacement; soils are degrading and arable land is lost; fertilizer depends on a finite resource; habitat loss is resulting in species extinctions far in excess of natural rates. Even the plunder of mineral resources in the seemingly infinite crust is getting harder, only a fleeting century or so into our spree. Sustaining present levels for even a few more centuries is a dubious (i.e., unsubstantiated) proposition. It is practically absurd to imagine sustaining present practices for 10,000 years. Humans simply have not yet demonstrated an ability to maintain a technological society without utter reliance on grossly unsustainable inheritance spending. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2021/05/why-worry-about-collapse/ Why Worry About Collapse?]." Do the Math, {{W|University of California, San Diego}}. May 18, 2021. * Earth has never in its history had to contend with 8 billion fire apes, intelligent enough to have leveraged power by exploiting and burning one-time resources. We now operate outside the bounds and protections of evolution: in breach of contract, without a map to success. What could possibly convince us that this fireworks show—which has not even come close to standing the test of time—can maintain anything like its current resource impact for the long haul? Humans have demonstrated convincingly that we can live in a primitive state for hundreds of thousands of years. Our present mode is a few-century flash, supported almost entirely by inheritance-spending. Arguing that we have found a new normal is a precarious position that I would not be eager to defend. Parties end. Fireworks shows end. Why would our flash be any different? It’s not just guesswork: what other outcome could result from rapid resource exploitation on a finite planet? ** Ibid. * We face unprecedented pressures on resources and on our environment, as human population and standard of living both surge on a finite planet. Nature will not allow this trend to continue indefinitely. ** Thomas W. Murphy, ''[https://escholarship.org/uc/item/9js5291m#section.18.5 Energy and Ambitions on a Finite Planet]'', p. 313 (2022) * Human population will not be allowed to grow [indefinitely]. Even small growth rates will step up pressure on natural resources, and Earth can only support so much, long-term. Independent of what the “right” number is, once settled, we will not be able to dial it up without imperiling the hard-won success. Even under steady human population, any increase in resource use per person will also not be compatible. In general, growth leads to a dead end: to failure. ** Ibid. p. 405 * As a jarring illustration of our tendency to value the human side over the prerequisite physical/ecological side, imagine that somehow we manage to emerge from the coming centuries having established a truly sustainable existence. All resources are renewed by nature at the rate of extraction for human needs; population is steady and at a level just tolerable to the planet in terms of indefinite support. Diverse ecosystems are left to thrive in their natural states. But imagine that we are still plagued by cancer and other maladies, so that life expectancy is, say, 90 years. Then what if a team of researchers hits on a cure for (most forms of) cancer? Hurray! At last! Unambiguously good, right? Well, not so fast. All other elements held the same, longer life spans translate to a higher population, putting additional resource burdens on the planet that it cannot handle in the long term. In order to adopt and implement the cure for cancer, we would have to either deliberately reduce population or lower the standard of living to accommodate the change. All other considerations of the complex society about economic impacts, equity of distribution, legal and political facets, or interaction with religious belief systems must take a back seat to the most fundamental and important question: is this change physically viable on this finite planet in the long term? ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2021/11/caught-up-in-complexity/ Caught Up in Complexity]". Do the Math, {{W|University of California, San Diego}}. November 30, 2021. * People tend to prefer the narrative that we, ourselves, are the superheroes, and that our superpowers are not from the fossil fuel suit, but are cognitive in nature. Yet we have the same neural hardware (if not slightly downsized) as our prehistoric ancestors. The main cognitive revolution happened about 70,000 years ago when humans started to believe in things that do not exist (like spirits or potential future gains) that allowed large-scale coordination and shared identity to outcompete evolution’s more biophysical tricks of sharp teeth/claws, speed, strength, camouflage, poison, or overwhelming numbers. Global spread of homo sapiens and megafauna extinctions quickly followed, and it is at this point that the human experiment began to smolder: something was off. About 10,000 years ago, agriculture started and the first visible flame ignited. About 300–400 years ago, the Enlightenment lit a fuse by developing a scientific approach to understanding the world. It was not long before the fuse found fossil fuels and we now witness the predictable explosion that ensued. The explosion is breathtakingly rapid on any meaningful timeline, only appearing in slow motion to the few generations experiencing the phenomenon and thus seeming “normal.” So we can trace some part of our current planetary dominance to human ingenuity, but perhaps the lion’s share actually is attributable to the energy bonanza—as suggested by the dramatic change in the pace of innovation before and after the fossil transition. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2022/06/shedding-our-fossil-fuel-suit/ Shedding Our Fossil Fuel Suit]". Do the Math, {{W|University of California, San Diego}}. June 21, 2022. * A plausible scenario for ecosystem collapse... is based on the fact that we currently support 8 billion people on a fossil-intense agricultural system. We have over-leveraged that finite resource to "borrow" millions of years of eco-services (photosynthetic energy) and now host a population that probably never could have existed in ecological equilibrium. Even if fossil fuels were not going away, it seems likely we would see continued erosion of the globe's ability to support this current unsustainable mode. We have already lost about half of the wild animal life in my lifetime: is that halfway to collapse? Take away the fossil fuels, and I imagine over-hunting and rapid deforestation will take an enormous toll on ecosystem health. ** Thomas W. Murphy's self-comment on "[https://dothemath.ucsd.edu/2022/07/the-ride-of-our-lives/ The Ride of Our Lives]". Do the Math, University of California, San Diego. July 12, 2022. *[It] is truly alarming from an ecological point of view: not only has the human population grown like gangbusters, but the level of affluence per person has soared by an even larger factor. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2022/09/death-by-hockey-sticks/ Death by Hockey Sticks]". Do the Math, University of California, San Diego. September 13, 2022. * The dream of eventually having 10 billion people living at [[American Dream|American standards]] completely ignores the glaring fact that we seem to be circling the drain even at today’s impact level (i.e., overshoot). How could we possibly entertain the factor-of-five increase in resource demand that would accompany a realization of “the dream?” It seems delusional… and likely to turn into a nightmare if pursued. **Ibid. * Human population is going up… We’re not exactly doing the planet (or ultimately ourselves) any favors presently. Will adding more humans that subscribe to our current cultural model somehow make the situation better? Will improving standards of living (thus increasing resource demand) mysteriously turn things around? It’s hard to see how—not without enacting a whole new model. **Ibid. * Increasing the standard of living of a growing population makes today’s ecological pressures look adorable. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2022/09/a-climate-love-story/ A Climate Love Story]". Do the Math, University of California, San Diego. September 20, 2022. * It is easy to get caught up in the heady whirlwinds of [[modernity]]. We have accomplished amazing feats in these past few centuries, and our extrapolative minds envision a continued acceleration. Given that our life span overlaps only a portion of the tale, it is easy to lose the context that our boom (the [[Industrial Revolution]] and what followed) is almost entirely due to fossil fuels. This energy surge in turn powered a surge in material access and economic activity (and human population) in what is perhaps fittingly described as a fireworks show. ** Ibid. * What did we do with our fossil fuel bonanza? We exploded population by revolutionizing agriculture [and health]. Now when fossil fuels inevitably (and soon?) decline, we’re left with an overhang that can no longer be supported. The resulting population decline will suddenly cast [[Thomas Robert Malthus|Malthus]] in a new light: oh what a starry-eyed soothe-sayer [sic]! When that day comes, […] realize that it’s no more tragic than the ant colony waning as it must. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2022/10/the-cult-of-civilization/ The Cult of Civilization]." Do the Math, {{W|University of California, San Diego}}. October 4, 2022. * Our fossil fuel bonanza has left our ecosystem in a perilous state. We have destroyed vast forests and habitats, polluted water and soil, kicked off a rapid climate trend that natural systems may not adapt to quickly enough, and basically overrun the planet. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2022/12/finite-feeding-frenzy/ Finite Feeding Frenzy]." Do the Math (December 5, 2022). * …fossil fuels allowed us to drastically overshoot the natural carrying capacity of the planet, and that bill will come due when the underlying resource inevitably dwindles. Sometimes simple is simply right. ** Ibid. * The human explosion has accelerated across the millennia, most recently reaching a fever pitch owing to the employment of fossil fuels—leveraging stored solar energy about a million times faster than it was created. The ensuing access to minerals and ability to transform landscapes has rapidly and radically altered our world within just a few human generations. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2023/08/call-me-ishmael/ Call Me, Ishmael!]." Do the Math, August 1, 2023. * In 1800, every human on the planet had a corresponding 80 kg of mammal mass in the wild. Wildland mammals outweighed humans in an 80:50 ratio. Today, each human on the planet can only point to 2.5 kg of wild mammal mass as their “own.” Let that sink in. You only have 2.5 kg (less than 6 pounds) of wild mammal out there somewhere. A single pet cat or dog generally weighs more. Not that long ago, it was more than you could carry. Now, it seems like hardly anything! I especially fear the implications for mammals should global food distribution be severely crippled. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2023/08/ecological-cliff-edge/ Ecological Cliff Edge]." Do the Math, August 18, 2023. * As if the Enlightenment was not enough, in quick succession we joined another enormous river. One could say that the process of science opened the door to fossil fuels, but science and fossil fuels might be best described as a dynamic duo. Fossil fuels gave us the power to advance our science-amplified degree of control to an entirely new level. Resources that had been previously inaccessible became available. It became far easier to clear land for agriculture and other uses. We learned to make fertilizer from methane, unleashing unprecedented agricultural surpluses that inevitably resulted in a human population overshoot. Fossil-fueled furnaces led to steel, concrete, and other materials on a massive scale, paving the way to megacities and global trade. Science itself was amplified by having access to fossil fuels, via a flood of new devices and capabilities invented with—and powered by—cheap energy. Advances in science and technology in turn allowed greater access to buried fossil energy. This positive feedback arrangement facilitated runaway expansion of the [human] enterprise, leading to a battery of hockey stick curves. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2023/08/our-time-on-the-river/ Our Time on the River]". Do the Math, August 22, 2023. * Energy has been fundamental to our story of growth. The various hockey stick curves over the last century or so are a reflection of energy and population. What’s more, human population itself is a reflection of energy, as mechanized, fertilized agriculture was made possible by fossil fuels. Since energy per capita has also increased like a hockey stick, the ecological impact (and many other metrics like GDP) takes on the shape of a super-exponential (still resembling a hockey stick on a logarithmic plot). ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2023/09/can-modernity-last/ Can Modernity Last?]" Do the Math, September 26, 2023. * We have used [fossil fuels] to expand the human enterprise and population, knock down forests, destroy and fragment habitats, drive extinctions, and generally threaten the vitality of the planet. [But] “solving” the energy problem as fossil fuels give out is pretty frightening: how would it not simply perpetuate the ecological nosedive we have initiated? Only if we put ecological concerns above energy do we stand any chance of survival. ** Ibid. * I acknowledge that cancer is a class of disease, and no universal cure is likely to emerge. But feel free to substitute any longstanding cause of death. […] In a sense, it is death that makes life special and worthy of celebration. […] What would a successful cure look like? Human lifespans would increase. All other things being equal, a reduced death rate means more humans on the planet, putting additional pressures on the entire community of life and further threatening the vitality of the planet—including humans, to be clear. Moreover, access to the cure would almost certainly be more available to the affluent half, who are already heavy users of resources and thus cause outsized harm to the planet. So a cure to cancer would serve to boost ecological destruction, in practice. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2023/10/are-we-lucky/ Are We Lucky?]" Do the Math, October 3, 2023. * Truly, the end of modernity will probably be brutal for most of the 8 billion people on the planet, who will cling to what they know and fail to adapt. But even if they were mentally ready, the Earth is not ready to support 8 billion humans without a massive fossil subsidy, so human population will likely fall a lot in hard times. ** Thomas W. Murphy's self-comment on "[https://www.resilience.org/stories/2023-09-27/can-modernity-last/ Can Modernity Last?]". ''Resilience''. September 30, 2023. * Compared to biologically relevant timescales, the human explosion commenced just “yesterday” when grain agriculture began taking root... set[ting] the stage for planet-crushing present-day human populations in a time that is still contextually short. Each “improvement” like cities and technology only accelerated the rapidity of the unsustainable ascent. Mounting ecological damage was part and parcel of this expansionist story long before cars, planes, and smartphones arrived—like two sides of a coin. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2024/02/unsustainable-goose-chases/ Unsustainable Goose Chases]". ''Do the Math'', February 27, 2024. * Humans are voracious (big brains to feed and a lot of un-furry surface area to keep warm), and therefore are ecologically expensive. If the Earth tightens its belt, [one should]n’t assume that humans will fare well. We are summer children borne of “good” times, where “good” translates to “biodiverse.” Cleverness is no guarantee against starvation, as countless clever humans who have starved can’t tell [us]. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2024/04/post-modernity/ Post-Modernity]". ''Do the Math'', April 9, 2024. * [Our] success [in eliminating hunger and inequity] inevitably grows the population, scaling up the current tension... to planetary limits... [and] curing all diseases and achieving effective immortality would be ecologically disastrous! ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2024/05/whats-the-point/ What's the point?]" ''Do the Math'', May 14, 2024. * Since the current low levels of mortality go hand-in-hand with ecological devastation and a doomed modernity, their embrace is itself a problem… ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2024/05/watching-population-bomb/ Watching population bomb]". ''Do the Math'', May 28, 2024. * The Green Revolution transformed agriculture by inserting fossil fuels at every turn. Fertilizer came from natural gas. Diesel allowed large-scale mechanization of plowing, planting, harvesting, processing, and transporting large amounts of food. Petrochemical pesticides smote economically worthless (but ecologically invaluable) products of evolution into the foul dust. We fed a growing human population, now 8 billion strong. It boils down to a diet of fossil fuels: again, temporary. ** Thomas W. Murphy, ''Metastatic Modernity''. Episode 9: "[https://dothemath.ucsd.edu/2024/07/mm-9-recipe-for-disaster/#more-8348 Recipe for Disaster]". ''Do the Math'', July 30, 2024. * To those who resist the notion that increasing food production also means increasing human population, consider this. In 1950, the global population stood at about 2.5 billion people. The Green Revolution was about to explode into global agriculture, substantially increasing crop yields on the back of profligate fossil fuel inputs (for fertilizer, mechanization, energy for irrigation, transport, processing, etc.). Let’s say this tsunami of energy and technology had not arrived on the agricultural scene, and that moreover a global edict (“magically” followed) held annual food production at the 1950 level thereafter.<br>Would we have 8 billion people today? Impossible. We would still have 2.5 billion, correct? In 1950, the world produced enough food for 2.5 billion people, so that same amount of annual food would sustain 2.5 billion people today…or perhaps 2 billion taller, heavier people; or 3 billion people with more equitable, modest distribution and less waste. But you get the point: hold the food supply steady and you essentially hold the population below some cap. Inarguable. Those additional 5.5 billion people were made possible by a technological wave of food increase. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2025/06/food-makes-babies/ Food Makes Babies]." ''Do the Math'', June 10, 2025. * [Eight] billion humans are driving a sixth mass extinction, which leaves no room for even 10 humans if fully realized, let alone 10¹⁰. ** Thomas W. Murphy, “[https://dothemath.ucsd.edu/2025/09/8-billion-will-die/ 8 Billion Will Die],” ''Do the Math'' (September 23, 2025) *Maintaining 8 billion human people on Earth [without fossil fuels] is no more possible than invading space. It’s not an actual, realizable choice—beyond transitory and costly stunt demonstrations. **Ibid. === N === * How we live and consume matters just as much as the growing density of our numbers combined with the proliferation of our machines that devour energy on our behalf. (Roads and cell phones all consume energy and materials too.) All three demographic issues are increasing at unsustainable rates and feed each other to propel more economic growth, more emissions and more fragility. The world’s current population is 7.9 billion and grows by 80 million a year. It has slowed down in recent years because the affluent don’t need the energy of children as much as the poor. Even so civilization will add another billion to the planet every dozen years. Redistributing energy wealth (and emissions) from the rich to the poor will not avert disaster if human populations don’t overall decline. Our numbers also reflect a demographic anomaly that began with fossil fuels, a cheap energy source that served as Viagra for the species. Prior to our discovery of fossil fuels, the population of the planet never exceeded one billion. Our excessive numbers are purely a temporary artifact of cheap energy spending and all that it entails — everything from fertilizer to modern medicine. ** Andrew Nikiforuk, "[https://thetyee.ca/Analysis/2021/12/06/Andrew-Nikiforuk-Getting-Real-About-Our-Crises/ Getting Real about Our Crises]." ''The Tyee'', December 6, 2021. ===O=== * In recent decades, support for family planning has waned, and global fertility decline has decelerated as a result. Projections calibrated across the decades of strong family planning support have not acknowledged this change and are consequently underestimating global population growth. Scenarios used to model sustainable futures have used overly optimistic population projections while inferring these outcomes will happen without targeted measures to bring them about. Unless political will is rapidly restored for voluntary family planning programs, the global population will almost certainly exceed 10 billion, rendering sustainable food security and a safe climate unachievable. ** Jane N. O'Sullivan, "Demographic Delusions: World Population Growth Is Exceeding Most Projections and Jeopardising Scenarios for Sustainable Futures." ''World''. 2023. 4(3). 545-568. {{DOI|10.3390/world4030034}} === P === *Putting an end to the population explosion will not of itself save the ecosphere, but not ending it will add greatly to the dangers the planet faces. The environment can sustain a quality of life for just so many people. **[[Michael Parenti]], ''Blackshirts and Reds: Rational Fascism and the Overthrow of Communism. '' (1997), p. 155 *'''In what year will the human population grow too large for the Earth to sustain? The answer is about 1970''', according to research by the {{W|World Wildlife Fund}}. In 1970, the planet's 3 and a half billion people were {{W|Sustainable population|sustainable}}. But on this New Year's Day, the population is 8 billion. Today, wild plants and animals are running out of places to live. **[[Scott Pelley]], "[https://www.cbsnews.com/news/earth-mass-extinction-60-minutes-2023-01-01/ Scientists say planet in midst of sixth mass extinction, Earth's wildlife running out of places to live]" {{W|CBS News}}, January 1, 2023. * ... ''Homo sapiens'' have been around for about 200,000 years and we are struggling to provide 7 billion of us with sufficient food, clothing, and shelter to lead decent lives. There cannot be an economist on the planet who thinks Earth could support 7.168 trillion people. Human population growth cannot go on forever, no matter how optimistic economists might be. ** Gary Peters, "[https://ourfiniteworld.com/2011/06/13/should-we-take-united-nations’-projections-seriously/ Should We Take United Nations’ Projections Seriously?]" (June 13, 2011) *Human overpopulation, the ever-increasing power of our technology, and the demand of our omnicidal, neoliberal economic system of infinite growth on the basis of finite resources threaten the earth with total destruction. **{{W|Norm Phelps}}, quoted in ''The Politics of Total Liberation: Revolution for the 21st Century'' by [[Steven Best]], (2014), p. ix * Ever since Malthus, at least, it has been clear that means of subsistence do not grow as fast as population. No one has ever liked the idea that famine, plague, and war are nature's way of redressing the imbalance -- Malthus himself suggested that the operation of "preventive checks," which serve to reduce the birth rate, might help prolong the interval between such events. And in the two hundred years since Malthus sat down to pen his essay, there has been no worldwide cataclysm. But in the same two centuries world population has grown exponentially while irreplaceable resources were used up. Some kind of adjustment is inevitable. Today, many people who are concerned about overpopulation and environmental degradation believe that human actions can avert catastrophe. The prevailing view holds that a stable population that does not tax the environment's "carrying capacity" would be sustainable indefinitely, and that this state of equilibrium can be achieved through a combination of birth control, conservation, and reliance on "renewable" resources. Unfortunately, worldwide implementation of a rigorous program of birth control is politically impossible. Conservation is futile as long as population continues to rise. And no resources are truly renewable. ** David Price, "Energy and Human Evolution". ''From Population and Environment: A Journal of Interdisciplinary Studies'', Volume 16, Number 4, March 1995 * Around 8,000 BC, world population was something like five million. By the time of [the birth of Jesus] Christ, it was 200 to 300 million. By 1650, it was 500 million, and by 1800 it was one billion. The population of the world reached two billion by 1930. By the beginning of the '60s it was three billion; in 1975 it was four billion; and after only eleven more years it was five billion. This cannot go on forever; collapse is inevitable. The only question is when. ** Ibid. * People who believe that a stable population can live in balance with the productive capacity of the environment may see a slowdown in the growth of population and energy consumption as evidence of approaching equilibrium. But when one understands the process that has been responsible for population growth, it becomes clear that an end to growth is the beginning of collapse. Human population has grown exponentially by exhausting limited resources, like yeast in a vat or reindeer on St. Matthew Island, and is destined for a similar fate. ** Ibid. === R === * As human populations expand they necessarily appropriate ecological space required by other species. Human ‘competitive displacement’ of non-human organisms from their habitats and food sources is now the greatest contributing factor to {{W|Biodiversity loss|plunging biodiversity}}. Consider that with only 0.01 % of total Earthly {{W|Biomass (ecology)|biomass}}, H. sapiens’ expansion has eliminated 83 % of wild animal and 50 % of natural plant biomass. From a fraction of 1 % ten millennia ago, humans now constitute 36 %, and our domestic livestock another 60 %, of the planet’s much expanded mammalian biomass compared to only 4 % for all wild species combined. Similarly, domestic poultry now comprise 70 % of Earth’s remaining avian biomass. Meanwhile, commercial fishing depletes the oceans at the expense of rapidly declining marine mammals and birds. Seabirds are the most threatened bird group, with a 70 % community-level population decline between 1950 and 2010. ** {{W|William E. Rees}}, "[http://www.fraw.org.uk/data/limits/rees_2020.pdf Ecological economics for humanity’s plague phase]". ''{{W|Ecological Economics (journal)|Ecological Economics}}.'' (2020) * Population estimates are usually based on demographic data alone with no consideration of exogenous factors. This is unrealistic. For living organisms, the fact of their own existence ensures that no environment or habitat remains ideal for long. As the subject population expands, it will invariably use up any crucial resource in fixed supply. Even renewable resources can be depleted once the population goes into ‘overshoot’, a situation in which aggregate consumption exceeds food species’ recovery rates or waste accumulation exceeds natural assimilative capacity. The rise and fall of reindeer populations introduced to two previously unoccupied (by reindeer) Pribilof Islands in the early 20th century is a classic example. Collapse was attributed to overgrazed food sources (primarily lichen) abetted by the stress of exceptionally cold winter. ** William E. Rees, "[https://www.whp-journals.co.uk/JPS/article/view/653/486 The fractal biology of plague and the future of civilization]". ''The Journal of Population and Sustainability'' (2020) * ...for most of our species’ time on Earth—including most of the agricultural era—humanity’s natural propensity to expand has been held in check by negative feedback, e.g., food and other resource shortages, disease, and inter-group conflict. Circumstances changed with the scientific/industrial revolution, particularly the increasingly widespread use of fossil fuels. It took 200,000 – 350,000 years for human numbers to reach one billion early in the 19th Century, but only 200 years (as little as 1/1750th as much time!) to balloon another seven-fold by early in the 21st Century. Improvements in medicine, public sanitation, and population health contributed to this expansion, but coal, oil, and gas made it possible. Fossil fuels are the energetic means by which humans extract, transport, and transform the prodigious quantities of food and other material resources into the products needed to support our burgeoning billions. More than any other factor, fossil fuels enabled H. sapiens to eliminate or reduce normal negative feedbacks. Freed from historic constraints, our species was, at last, able to exhibit its full potential for geometric growth. ** Ibid. * Humanity is already far into ecological overshoot: we are learning the hard way that the ecosphere under stress is still immeasurably more complex than even the global human enterprise. It can generate a vastly larger arsenal of negative feedbacks in response to human excesses than any imaginable human control system can match. ** William Rees, "[https://reeswilliame.substack.com/p/variety-matters-more-than-you-think Variety Matters More Than You Think]," ''Substack'' (July 28, 2025) * Humans invade and populate all accessible favourable habitats; human populations use up all available resources; under favourable conditions, human populations are capable of exponential growth. […] The industrial/scientific revolution spawned technologies, particularly improvements in public sanitation and disease control, that greatly reduced death rates while fossil fuels alleviated food and resource shortages. With the suppression of negative factors, positive feedback prevailed; between the early 1800s and 2023, the human population exploded from one to eight billion. Meanwhile, what we now call ‘neoliberal economics’ began taking form in the late 1800s. In just two centuries, the human population grew eight times larger than the maximum attained over the previous 3000 centuries, and the world economy grew 100-fold in real terms! […] Overshoot may be a quasi-natural phenomenon, but it is also a potentially terminal condition. There are now about 80 cities in the world with populations in excess of five million—each has more people than existed on the entire planet at the dawn of agriculture 10,000 years ago. […] Life in higher-income countries just seemed to be getting better and better, at least in material terms. Little wonder that by the 1950s, MTI governments and international institutions everywhere were adopting the neoliberal vision of perpetual economic and population growth via continuous technological advance as the dominant development narrative of global culture.<br>There are, of course, significant problems—all this occurred on a finite, non-growing planet with serious history. With nurture-reinforcing-nature in propelling the expansionist juggernaut, the human enterprise surged into ecological overshoot; resource consumption and waste production are overwhelming the bio-productive and waste assimilation capacities of the ecosphere. This is not merely an aesthetic concern: the functional integrity of the ecosphere is essential for human existence. '''Overshoot may be a quasi-natural phenomenon, but it is also a potentially terminal condition.''' ** William Rees, "[https://substack.com/home/post/p-181832455 Why collapse is inevitable]," ''Substack'' (December 16, 2025) * The current human population is 14,000-fold larger than the average populations of other mammal species of similar body size! […] If humans were a typical mammal whose global population corresponded to the arithmetic mean (average) of populations of mammals of similar body size, there would be only 500,000 people on Earth! ** Ibid. * Almost all of today’s low-energy countries have a population density so great that it perpetuates dependence on intensive manual agriculture, which alone can yield barely enough food for their people. They do not have enough acreage, per capita, to justify using domestic animals or farm machinery, although better seeds, better soil management, and better hand tools could bring some improvement. A very large part of their working population must nevertheless remain on the land, and this limits the amount of surplus energy that can be produced. Most of these countries must choose between using this small energy surplus to raise their very low standard of living or [to] postpone present rewards for the sake of future gain by investing the surplus in new industries. The choice is difficult because there is no guarantee that today’s denial may not prove to have been in vain. This is so because of the rapidity with which public health measures have reduced mortality rates, resulting in population growth as high [as] or even higher than that of the high-energy nations. Theirs is a bitter choice; it accounts for much of their anti-Western feeling and may well portend a prolonged period of world instability. ** [[Hyman G. Rickover]], "Energy and Resources and Our Future" speech (May 14, 1957) * The doubling of life expectancy is largely down to medical advances. Without medical care, we’d probably be at a much lower population level. I can’t find projections, but given that even some fairly routine injuries and sicknesses would be life-threatening without medical intervention, one would expect a more pyramidal pyramid, and 2 billion people doesn’t seem unreasonable to me. This is also amplified by [there] being [fewer] people to innovate ideas like the green revolution, which [led] to higher populations.<br>In nature, population overshoot is usually remedied by a higher die-off rate, not a lower birth rate. But humans think that medical care and increased lifetimes are a sign of progress. Medical advances can even allow some who wouldn’t have been able to have children to have children, thus exacerbating overshoot. ** Mike Roberts, "[https://mikerobertsblog.wordpress.com/2024/08/09/what-can-antinatalism-achieve/ What Can Antinatalism Achieve?]" (August 9, 2024) * A lot of technologies have been utilised in storing food or growing more of it. And we know that increased access to food increases population size. The reverse is also true, of course, so we should expect [[population decline|population to fall]] as harvests come under stress from the effects of [[Global warming|climate change]]. ** Mike Roberts, "[https://mikerobertsblog.wordpress.com/2024/09/14/the-inevitability-of-our-predicament/ The Inevitability of Our Predicament]" (September 14, 2024) * Humans are a species, so they are no different in needing to reproduce to propagate their traits, which may eventually lead to what would be considered a new species, though that would likely take tens or hundreds of thousands of years. If our ancestors had considered the effects of what they were doing, why some prey species appeared to disappear, for example, then we wouldn’t be here, as we’d limit what we did, how we expanded, how we spread. Humans would, at best, have remained a very limited species, if it survived at all. But that is not the way life works. Clearly, we have followed the maximum power principle, since we’re a species, and so consume as much energy and resources as we can. In basic terms, a body needs food for energy and humans have figured out how to produce increasing quantities of food (at least in terms of calories) using agriculture, machines, artificial fertilisers and pesticides. This has enabled an explosion in population in a positive feedback loop (with higher population forecast, we figure out how to support that population, leading to more agriculture and higher yields, so we end up with a higher population). The huge success of agriculture and mechanisation, has lead to almost no human being involved in the production of the food that keeps us alive, so we’ve had to invent other ways to kill our time. We now have a huge variety of products and services to help us kill our time before we die. Some of it is pleasurable so we want to do more of it and invent new ways to live. All the time, killing more of the rest of life. But getting here was inevitable because we are a species and don’t have free will to counter those inbuilt drives. ** Mike Roberts, "[https://mikerobertsblog.wordpress.com/2024/10/03/a-retrospective-of-the-inevitable/ A Retrospective of the Inevitable]" (October 3, 2024) * As food makes babies perhaps the critical development was agriculture but then without fossil fuels, we could never have produced as much food as we do now, and deliver it across the world. But then, if we hadn’t started cooking food, we might not have been clever enough to figure out how to use fossil fuels to produce food. And without language, we could never have communicated complex ideas about agriculture, tool making and the use of fossil fuels. So we go round and round. ** Mike Roberts, "[https://mikerobertsblog.wordpress.com/2025/07/07/where-did-it-all-go-wrong/ Where Did It All Go Wrong?]" (July 7, 2025) * It is often said that humans are in overshoot. What does that mean? In simple terms, it means exceeding a limit. However, if a limit has been exceeded, then how is it a limit? People usually refer to overshoot as exceeding the carrying capacity of the planet. The ability for the planet to support the current population of humans. And yet here we are. Humans have apparently been in overshoot territory for a long time, but that hasn’t affected the numbers. Indeed, the population of humans continues to grow. ** Mike Roberts, "[https://mikerobertsblog.wordpress.com/2025/12/27/overshoot-or-undershoot/ Overshoot or Undershoot?]" (December 27, 2025) * We have well over 8 billion people on this planet. All ecosystems have been perturbed, and wildlife has been hugely depleted by over 70% in just the last half century. Deforestation continues apace at almost 5 million hectares per year. So, it’s impossible for all humans to live sustainably right now. If a few chose, and succeeded, to live sustainably, it would have no measurable effect on the planet. ** Mike Roberts, "[https://mikerobertsblog.wordpress.com/2026/01/25/would-anyone-want-to-live-sustainably/ Would Anyone Want to Live Sustainably?]" (January 25, 2026) === S === * It is apparently futile only to insist that the more back­ward countries restrict their birth rates. What is needed most of all is economic and technical assistance to these countries. This assistance must be of such scale and generosity that it is unlikely before the estrangement in the world and the egotistical, narrow-minded approach to relations between nations and races are eliminated. ** [[Andrei Sakharov]], ''Progress, Coexistence and Intellectual Freedom'', Chapter 5: "Hunger and Overpopulation (and the Psychology of Racism)" (1968) * Government policy, legislation on the family and marriage, and propaganda should not encourage an increase in the birth rates of advanced countries while demanding that it be curtailed in underdeveloped countries that are receiving assistance. Such a two-faced game would produce nothing but bitterness and nationalism. ** Ibid. * I want to emphasize that the question of regulating birth rates is highly complex and that any standardized, dogmatic solution "for all time and all peoples" would be wrong. ** Ibid. * ...increasingly, technology has come up against the law of unexpected consequences. Advances in health care have lengthened life spans, lowered infant-mortality rates, and, thus, aggravated the population problem. ** [[w:Tom Sancton|Thomas A. Sancton]], "What on Earth Are We Doing?" in ''[[w:Time (magazine)|Time]]'' (week ending January 2, 1989). * As human beings, with over 8 billion of us on planet Earth at present, we now find ourselves in a very analogous situation to both the early cyanobacteria from over 2 billion years ago and the yeast cells one would culture within a nutrient-rich broth in a petri dish. It isn’t that we’re in danger of transforming our planet into an uninhabitable hellscape, as nothing we’ve done or are in the process of doing is going to have a catastrophic effect of that magnitude. However, there are a number of ways that we’re polluting, destroying, or depleting our environment in ways that not only are non-renewable and unsustainable, but that are going to have negative downstream effects that impact future humans, hundreds and even thousands of years down the line, in ways that most of us aren’t prepared to fully reckon with.<br>And that’s unfortunate, because we should be prepared. After all, unlike yeast, cyanobacteria, or any other species that’s impacted its environment due to its collective, accumulated actions, we can not only detect and quantify the effects we’re having, but can choose to change our action at any time. ** Ethan Siegel, "[https://bigthink.com/starts-with-a-bang/humanity-yeast-cells/ Is humanity dumber than a colony of yeast cells?]." ''Big Think'' (March 8, 2023) * Erroneous belief about population growth has cost dearly. In poor countries, it has directed attention away from the factor that we now know is central in a country's economic development, its economic and political system. And in rich countries, misdirected attention to population growth and its... consequence of natural-resource shortages has caused waste through such programs as now-abandoned synthetic fuel programs, and the useless development of airplanes that would be appropriate for an age of greater scarcity. ** [[Julian Simon]], "[http://www.juliansimon.com/writings/Norton/NORTON02.txt Scarcity or Abundance? A Debate on the Environment]," on ''juliansimon.com'' * Adding more people causes problems, but people are also the means to solve these problems. The main fuel to speed our progress is our stock of knowledge, and the brake is our lack of imagination. The ultimate resource is people—skilled, spirited, and hopeful people who will exert their wills and imaginations for their own benefit, and inevitably they will benefit not only themselves but the rest of us as well. ** [[Julian Simon]], [http://www.juliansimon.com/writings/Ultimate_Resource/TCONCLUS.txt The Ultimate Resource] * In trying to solve the terrifying problems that face us in the world today, we naturally turn to the things we do best. We play from strength, and our strength is science and technology. To contain a population explosion, we look for better methods of birth control. Threatened by a nuclear holocaust, we build bigger deterrent forces and anti-ballistic missile systems. We try to stave off world famine with new foods and better ways of growing them. Improved sanitation and medicine will, we hope, control disease; better housing and transportation will solve the problems of the ghettos, and new ways of reducing or disposing of waste will stop the pollution of the environment. We can point to remarkable achievements in all these fields, and it is not surprising that we should try to extend them. But things grow steadily worse, and it is disheartening to find that technology itself is increasingly at fault. Sanitation and medicine have made the problems of population more acute, war has acquired a new horror with the invention of nuclear weapons, and the affluent pursuit of happiness is largely responsible for pollution. As Darlington has said, ‘Every new source from which man has increased his power on the earth has been used to diminish the prospects of his successors. All his progress has been at the expense of damage to his environment, which he cannot repair and could not foresee.’ **[[B. F. Skinner]], ''Beyond Freedom and Dignity'' (1971), Chapter 1: “A Technology of Behavior.” * Capitalist elites seeking to increase the size of their labour force used pro-natalist state policies to prevent women from practicing family planning. [...] We should not ignore the relationship between population growth and ecology, but we must not treat these as operating in a social and political vacuum. ** Dylan Sullivan and [[Jason Hickel]] (2023). "Capitalism and extreme poverty: A global analysis of real wages, human height, and mortality since the long 16th century". ''{{W|World Development (journal)|World Development}}''. Vol. 161. {{doi|10.1016/j.worlddev.2022.106026}} === T === * History upon Terra tells us what horrors follow upon religious mandates of unlimited reproduction. ** [[Sheri S. Tepper]], ''[[w:Grass (novel)|Grass]]'' (1989), Chapter 12 * Malthusian predictions that relentless population growth will outstrip food production and trigger starvation worldwide have recurred over the centuries. They have come and then gone as farmers have deployed new technologies to increase food output. Even now, enough food is being produced to adequately feed every person on the planet; the fact that nearly one billion people are nonetheless going hungry is a damning indictment of the world's food-distribution system. But since demand is growing, production will also have to increase in the years ahead. With the world's population expected to expand to more than nine billion by 2050 and much of that growth occurring in China, India, and other countries where living standards are rising fast, global food production will need to increase by 70-100 percent in order to keep pace and feed the already chronically hungry. This is a mighty challenge: all the more so because given current soil technology and environmental concerns, more food will have to be produced on roughly the same amount of arable land -- and with less water than is used now and at a time when both growing demand for biofuels and changing climate patterns are also putting pressure on production. Where will the needed rise in food supplies come from, and how quickly can the distribution problems be solved? ** Roger Thurow, "[https://www.foreignaffairs.com/articles/africa/2010-10-21/fertile-continent The Fertile Continent]". ''Foreign Affairs'' (October 21, 2010). * Given the Maoist position that a large population was a “resource”, rather than a burden, for the Communist state, it was politically incorrect to advocate population control [either by diet or medicine]. ** Christopher K. Tong, “The Paradox of China’s Sustainability,” ''Chinese Environmental Humanities'' (2019) * Supporting large families and unchecked growth (of which the greatest parameter is population increase) is a mantra which religion and authority have preached for thousands of years. Religions always need more clergy to reap donations from, and leaders more voters to turn into soldiers for their next war, or to make the gross (as opposed to per capita) GDP figures look good. We are being farmed, we have always been farmed for thousands of years by an economic system that prioritises cold hard profit figures over real prosperity. Competition fuels growth even more, as humans are extremely territorial. The problem with the existence of countries is that they speed up civilisational collapse. They all end up competing for economic and population growth, therefore significantly accelerating civilisational overshoot and collapse. ** George Tsakraklides, quoted in "[https://www.hawaii.edu/vice-versa/interview-tsakraklides-lewis-2-0/ Memories of the Future 2.0]." ''Vice-Versa'', University of Hawaii at Manoa (February 15, 2025) * Thanks to the discovery and exploitation of fossil fuels, humans (really just a small minority of them) are able to live richer lives today than even the queens and kings of yore could have dreamed of.<br>Furthermore, we’ve used some of those finite resources to increase food supplies and to expand the human population, which provides the economic system with both more workers and more consumers, a necessity to keep the economy growing under our current economic model. The world’s population increased from 1.6 billion in 1900 to 7 billion today, and we add about 80 million more each year. Humans have quickly become the most numerous megafauna on the planet. ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2012/01/09/the-faustian-bargain-that-modern-economists-never-mention/ The Faustian bargain that modern economists never mention]" (January 9, 2012) * Humans, because of their intelligence, have found ways to [temporarily] defeat survival of the fittest. As areas get overpopulated, humans have moved to areas where they have a better chance of survival. Humans have found ways to increase food supply, through the use of fertilizers, pesticides, irrigation, and refrigeration, all of which require fossil fuels. They have developed trade, so that so areas with shortfalls can benefit from surpluses elsewhere. Humans have developed a world financial system, which has helped enable worldwide trade. The financial system has also allowed investors to pay for goods after they are put into service, so that the cash flow resulting from an investment can be used (after the fact) to pay for the cost of the investment. This enables investment, and faster use of resources, including energy resources.<br>One of the reasons for continued upward population pressure is the fact that humans have evolved to live beyond their reproductive years. In their declining years, humans often need assistance, either from their offspring or from a public pension program, or both. Because of concern for their own old age, people without pensions tend to have enough children so that there is a significant chance that a child of the right sex will survive to adulthood. With improving medical care, this tends to lead to [an] ever-rising population. ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2012/08/17/humans-seem-to-need-external-energy/ Humans Seem to Need External Energy]" (August 17, 2012) * As long as the world’s population is rising, even in lesser developed countries, there is going to be a continuing need for more food, clothing and housing. This is an issue we don’t seem to be able even to talk about. It may offend people. ** Ibid. * The energy resource that we learned to develop this time is fossil fuels, starting with coal about 1800. '''World population was able to expand greatly because of additional food production permitted by fossil fuels and because of improvements in hygiene.''' A period of stagflation began in the 1970s, when we first encountered problems with US oil production and spiking oil prices. Now, the question is whether we are approaching the Crisis Stage as described by Turchin and Nefedov. ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2013/12/06/diminishing-returns-energy-return-on-energy-invested-and-collapse/ Diminishing Returns, Energy Return on Energy Investment and Collapse]" (December 6, 2013) * As energy supplies deplete, we will increasingly need to “choose our battles.” In the past, humans have been able to win many battles against nature. However, '''as energy per capita declines in the future, we will be able to win fewer and fewer of these battles against nature''', such as our current battle with COVID-19. At some point, we may simply need to let the chips fall where they may. '''The world economy seems unable to accommodate 7.8 billion people, and we will have no choice but to face this issue.''' ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2020/11/09/energy-is-the-economy-shrinkage-in-energy-supply-leads-to-conflict/ Energy is the economy; shrinkage in energy supply leads to conflict]" (November 9, 2020) * Many people believe that humans can have a sustainable future by using solar panels and wind turbines. Unfortunately, the only truly sustainable course, in terms of moving in cycles with nature, is interacting with the environment in a manner similar to the approach used by chimpanzees and baboons. Even this approach will eventually lead to new and different species predominating. Over a long period, such as 10 million years, we can expect the vast majority of species currently alive will become extinct, regardless of how well these species fit in with nature’s plan.<br>The key to the relative success of animals such as chimpanzees and baboons is living within a truly circular economy. Sunlight falling on trees provides the food they need. Waste products of their economy come back to the forest ecosystem as fertilizer.<br>Pre-humans lost the circular economy when they learned to control fire over one million years ago, when they were still hunter-gatherers. With the controlled use of fire, cooked food became possible, making it easier to chew and digest food. The human body adapted to the use of cooked food by reducing the size of the jaw and digestive tract and increasing the size of the brain. This adaptation made pre-humans truly different from other animals.<br>With the use of fire, pre-humans had many powers. They spent less time chewing, so they could spend more time making tools. They could burn down entire forests, if they so chose, to provide a better environment for the desired types of wild plants to grow. They could use the heat from fire to move to colder environments than the one to which they were originally adapted, thus allowing a greater total population.<br>Once pre-humans could outcompete other species, the big problem became diminishing returns. For example, once the largest beasts were killed off, only smaller beasts were available to eat. The amount of effort required to kill these smaller beasts was not proportionately less, however. ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2020/12/02/humans-left-sustainability-behind-as-hunter-gatherers/ Humans Left Sustainability Behind as Hunter-Gatherers]" (December 12, 2020) * … the problem the world is facing today is like one that smaller economies have faced, over and over, in the past: '''The population has become too large for the economy’s resource base''', which now includes fossil fuels. Today’s leaders reframe the problem as voluntarily moving away from fossil fuels to prevent climate change in order to make the situation sound less frightening. ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2023/12/15/ten-things-that-change-without-fossil-fuels/ Ten things that change without fossil fuels]" (December 15, 2023) * We are dealing with an age-old problem: Humans are able to outsmart other animals, and for this reason, human populations tend to rise except when external conditions are quite adverse. ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2024/03/17/advanced-economies-will-be-especially-hurt-by-energy-limits/ Advanced Economies Will Be Especially Hurt by Energy Limits]" (March 17, 2024) * History shows a repeated pattern of overshoot and collapse. A population would grow until the carrying capacity of the local area was reached. Food surpluses would become lower and lower, so less food could be saved up for fluctuations in rainfall and temperature. Eventually, civilizations would succumb to one or another problem: disease, attack by a neighboring group, climate fluctuations, or governments overthrown by unhappy citizens. We tell ourselves that overshoot and collapse cannot happen now, but human population is high relative to fossil fuel resources, and intermittent wind and solar are not working out well as substitutes. ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2024/07/22/how-does-the-economy-really-work/ How Does the Economy Really Work?]" (July 22, 2024) * Humans are smarter than other animals, allowing the population of humans to grow, while the population of many other species tends to fall. […] The large rise in the population of the less advanced economies contributes to the huge number of immigrants wanting new homes in higher-income countries. […] The issue is that available resources do not rise fast enough (in the area, or with the technology available) to provide enough physical goods and services for the population. If a new approach can be developed, or a neighboring area with additional resources can be conquered, [the] population can start to grow again. […] Outgrowing our resource base is not a phenomenon that began with fossil fuels. […] In 1796, when [the] world population was about one billion, Robert Thomas Malthus wrote about population growing faster than food production. This was before fossil fuels were widely used. Now, about 230 years later, [the] population has risen to eight billion, thanks to the availability of fossil fuels. We need major innovations, or additional energy resource types, if we want to work around obstacles now. ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2025/10/06/what-has-gone-wrong-with-the-economy-can-it-be-fixed/ What Has Gone Wrong with the Economy? Can It Be Fixed?]" (October 6, 2025) === V === * The hard fact is that in an age of climate breakdown, human numbers matter. And the ecological impact of another 2-3 billion humans will be immense. ** John Vidal, [https://www.theguardian.com/commentisfree/2022/nov/15/population-8-billion-climate It should not be controversial to say a population of 8 billion will have a grave impact on the climate]. ''The Guardian'', November 15, 2022. * We must look at the whole man, and at his whole environment. Above all, we must realize that every grain of rice he puts into his mouth, every bit of potato, every piece of meat, and every kernel of corn, must be replaced by another bit from the earth—somewhere. We must realize that not only does every area have a limited carrying capacity—but also that this carrying capacity is shrinking and the demand growing. Until this understanding becomes an intrinsic part of our thinking and wields a powerful influence on our formation of national and international policies we are scarcely likely to see in what direction our destiny lies. ** William Vogt, ''Road to Survival'' (1948), Chapter 4: "Industrial Man: the Great Illusion." === W === *[There's] too many people making too much muck and too much noise with too little space to do it in. ** [[Keith Waterhouse]], "End of the Rainbow", <em>Daily Mirror</em> (August 17, 1970), republished in <em>Mondays, Thursdays</em> (1976) * Today, escalating human populations have vastly exceeded global carrying capacity and now produce massive quantities of solid, liquid, and gaseous waste. Biological diversity is being threatened by over-exploitation, toxic pollution, agricultural mono-culture, invasive species, competition, habitat destruction, urban sprawl, oceanic acidification, ozone depletion, global warming, and climate change. It’s a runaway train of ecological calamities. ** [[Paul Watson]], ''[https://web.archive.org/web/20070509003646/https://seashepherd.org/editorials/editorial_070504_1.html The Beginning of the End for Life as We Know it on Planet Earth? There is a Biocentric Solution.]'' Commentary by Paul Watson, Founder and President of {{W|Sea Shepherd Conservation Society}} *''Homo sapiens''’ appetite is gargantuan. As we strive to get at dwindling resources for ever more people, we dig deeper into the Earth, blow the tops of mountains, divert rivers, cut down forests and pave over swaths of land. We fill the land, water, and air with our pollution. We’re driving record numbers of species to extinction and decimating others with activities from chemical poisoning to hunting for bushmeat, or simply by taking over their habitat.<br>Greenhouse gases from our industry are changing the Earth’s climate, with such dangerous consequences as ocean acidification, rising sea levels and flooding, changes in rainfall patterns including in vital “breadbaskets,” and loss of forest cover.<br>While the word “sustainable” has become popular, growing human numbers and activities are anything but. Increasing awareness of our impact has led to developments in renewable energy, recycling, earth-friendly farming and more. There have also been spectacular advances in family planning. But powerful—notably religious—opposition has kept governments and international bodies from actively promoting small families and prevented hundreds of millions of women who would plan their families from having access to modern methods.<br>Those who deny that overpopulation is a problem say the poor don’t consume much. Yet the poor want nothing more than to consume more, as proved by India and China. Who can blame them? And a burgeoning number of desperately poor people does have a major impact: they cut down forests to [[agriculture|grow food]], drain rivers, deplete aquifers, and overfish and over-hunt in their local area. But make these points and you’ll be accused of blaming the poor for the problems of the rich.<br>We seem bound to learn the hard way that there really is a limit to how many people the Earth can support.<br>We wish it weren’t so, but it really is starting to look as if Malthus was right. ** Madeline Weld, "[https://montrealgazette.com/opinion/columnists/opinion-sadly-malthus-was-right-now-what Sadly, Malthus was right. Now what?]" in the ''{{W|The Gazette (Montreal)|Montreal Gazette}}'' (February 14, 2016) * ...the gains of low infant and maternal mortality and rises in population longevity—brought about in great part by harnessing fossil fuels, the agricultural revolution, modernization, and disease and injury reduction efforts—in many instances impedes rather than facilitates moving toward sustainable living. It can be argued from the ecological perspective that most public health efforts, as humanitarian as they are by intention and immediate effect, through accelerating population pressures on the environment are paradoxically hastening the destruction of the earth's habitat on which the next generation of humanity depends. It raises the concern that our perceived gains may be only illusory and temporary, with huge but unmeasured and unlinked environmental costs that will eventually lead to shorter lives of misery for our descendants. ** Harold B. Weiss, [https://www.ncbi.nlm.nih.gov/pmc/articles/PMC2602943/ "Overshoot"] in ''Public Health Reports'' (January-February 2009). * In the past, when one civilization collapsed, others evolved to replace it. Today the world-wide agroindustrial complex is making unprecedented demands on the whole earth’s biological ecostructure. After a brief half-century in which factory farming enlarged the meagre diet of the poor (though not for all, nor always to their benefit), the multinational food industry has become a primary impetus towards overpopulation, obesity, pollution, and global warming. Policies and practices whose effects were once circumscribed are now a threat to human survival. ** John Whiting, "[https://www.whitings-writings.com/eating_the_earth.htm Eating the Earth]." Oxford Symposium on Food and Cookery (September 9, 2007) * Agriculture, by overcoming the limitations inherent in the closed system of hunting/gathering, made possible the open-ended expansion of both the population and the means of feeding it. Once it had been adopted, there was no turning back. The more that a civilization farmed, the more it needed extra hands, and so large families were deliberately procreated, which in turn produced still more mouths to feed. Colin Tudge calls it a vicious spiral, Ronald Wright a progress trap. ** Ibid. * Nature’s modus operandi is to kill off the weakest, leaving only the strongest and most biologically versatile to reproduce. But for ''homo sapiens'', nature is not a force to be accommodated, but an opponent to be grappled with, and so ‘farming for money’ was joined by ‘medicine for money’. On top of the lucrative agroindustry which accellerates the population explosion, we have set up an equally profitable ‘health’ industry whose job it is to keep alive those whose bodies rebel at what they are so unhealthily force-fed.<br>The result is an expanding segment of the population who, along with accellerating obesity, suffer from various diseases of malnutrition, together with allergies and intolerances to a growing list of foodstuffs that are increasingly difficult to avoid. In the end, humanity may consist of a remnant of survivors who spend their brief unhappy lives closeted against the encroaching poisons which their ancestors had so profitably created. Instant death by peanut may prove to have been a warning blip on the radar screen. ** Ibid. * Today the threat lies in the sheer scale of our greed and our technological ineptitude. We’re driving entire countries over cliffs. We are destroying the delicate ecological balance which a [sic] brief interlude of stable climate has allowed us. We make pious noises about the disappearing terrestrial species while largely ignoring the invisible havoc we’re bringing about in the earth’s oceans, the source and sustenance of life on the land. ** John Whiting, June 2015 appendix to "Eating the Earth" * The raging monster upon the land is population growth. In its presence, sustainability is but a fragile theoretical construct. To say, as many do, that the difficulties of nations are not due to people but to poor ideology or land-use management is sophistic. If Bangladesh had 10 million inhabitants instead of 115 million [as of this writing], its impoverished people could live on prosperous farms away from the dangerous floodplains midst a natural and stable upland environment. It is also sophistic to point to the Netherlands and Japan, as many commentators incredibly still do, as models of densely populated but prosperous societies. Both are highly specialized industrial nations dependent on massive imports of natural resources from the rest of the world. If all nations held the same number of people per square kilometer, they would converge in quality of life to Bangladesh rather than to the Netherlands and Japan, and their irreplaceable natural resources would soon join the seven wonders of the world as scattered vestiges of an ancient [sic] history. ** [[E. O. Wilson]], ''The Diversity of Life'' (1992) * The pattern of human population growth in the 20th century was more bacterial than primate. When ''Homo sapiens'' passed the six billion mark we had already exceeded by perhaps as much as 100 times the [[w:Biomass (ecology)|biomass]] of any large animal species that had ever existed on the land. We and the rest of life cannot afford another one hundred years like that. ** [[E. O. Wilson]], quoted in ''Life on the Brink: Environmentalists Confront Overpopulation''. University of Georgia Press (2012), p. 83 * If we fail to limit our numbers and our impact, if we do not replace our goldrush economics with a rational sharing of what the earth can yield, this new century will not grow very old before we enter an age of chaos and collapse that will dwarf all dark ages in our past. **{{W|Ronald Wright}}, "Civilization is a pyramid scheme", ''The Globe and Mail'' (August 5, 2000). * So among the things we need to know about ourselves is that the Upper Palaeolithic period, which may well have begun in genocide, ended with an all-you-can-kill wildlife barbecue. The perfection of hunting spelled the end of hunting as a way of life. Easy meat meant more babies. More babies meant more hunters. More hunters, sooner or later, meant less game. Most of the great human migrations across the world at this time must have been driven by want, as we bankrupted the land with our moveable feasts. ** Ronald Wright, ''A Short History of Progress'' (2004), Chapter II: "The Great Experiment." === Z === * What determines population growth? What has been the cause of the unprecedented growth in world population in our recent history? Many socio-economic reasons are given as explanations: medical advances, improvements in public health, sanitation and hygiene, increased food availability and agricultural productivity, extension of cultivation, and development of trade and transportation. Surprisingly, high quality energy sources are rarely mentioned or quickly discounted. Yet an argument can be made that each of the above factors contributing to population growth is aided and influenced by high quality energy supplies. Cheap and abundant fossil fuels have been a necessary precondition for the past century’s population growth. And while not all countries benefit directly from the consumption of high quality energy supplies, most countries benefit from the impact of high energy societies on low energy societies. What if energy consumption, or more precisely, energy resource availability, somehow determines population growth? Perhaps energy resources determine the Earth’s ''carrying capacity,'' or how many people the Earth can support? Perhaps different energy resources have different effects on population growth? If we hypothesize that the Earth’s population is ultimately determined by availability of energy resources, and if some of those energy resources are at or near their peak rates of production, then that may affect rates of population growth. If the correlation is strong enough, the number of people the Earth can support may also be at or near its peak. Therefore the number of people in 2050 may be very different from widespread United Nations (UN) forecasts. Growing populations consume more energy. Availability of energy allows populations to grow. Energy consumption exerts demands on energy resources making them scarcer. They become harder to extract. Nearby forests are depleted, coal mines must dig deeper, oil has to be drilled in more complex environments. In other words, energy resource extraction experiences declining marginal returns. This has led to the exploitation of new energy sources, which in turn expands the Earth’s ''carrying capacity''. Then populations grow once more. **Graham Zabel, "[https://www.resilience.org/stories/2009-04-20/peak-people-interrelationship-between-population-growth-and-energy-resources/#_Toc227469800 Peak People: The Interrelationship between Population Growth and Energy Resources]" in ''Energy Bulletin'' (April 20, 2009) * Mature populations tend to reach equilibrium – the carrying capacity – and then fluctuate around this equilibrium. If a population outgrows its carrying capacity, regulating factors come into play, such as famine, or emigration. If a population is below its carrying capacity, birth rates tend to increase, so the population grows. The common assumption is that carrying capacity is determined by the availability of food, water and land. While availability of food and water are important factors in determining the carrying capacity of populations, they cannot explain the unprecedented increases in population that have occurred in the last several hundred years. The availability of land has always been a factor in increasing carrying capacity. In the historic past, the Earth’s carrying capacity could be increased by expanding into sparsely occupied, or frontier, lands. In a fictitious future, carrying capacity could be increased by expanding outward to other planets or solar systems. At present, there is very little unoccupied, habitable land remaining on this Earth and no nearby habitable planets to release the pressure of population growth, so any increase in carrying capacity must be a result of other factors. **Ibid. * At present the world’s population is growing rapidly. The planet could not support the six billion plus people that exist today without first the commercialisation of coal, then of oil and, more recently, gas. These energy sources have been necessary for the unprecedented population growth that has occurred over the last three hundred years. It is reasonable to assume that unless current energy resource production is increased and new resources are exploited, the population will no longer grow. And if energy resources decline (e.g. a peak in production is reached), then we may see a decline in population. ** Ibid. * Roughly 10,000 years ago, increasing population pressure on wild food resources led to a shift from food gathering (hunter-gatherers) to food production (agriculturists) in several parts of the world. This led to demand-induced technologies and demand-induced searches for higher quality energy sources, such as water power for flow irrigation, animal draft power, iron tools, and fire for land clearing and for improvement of hunting and pastoralism. Population pressures in many parts of Europe in the seventeenth and eighteenth centuries led to serious shortages of wood which in turn led to many of the technological innovations that fuelled the [[Industrial Revolution]]. Coal’s replacement of wood as the most important source of energy in Western Europe is a classic example of demand-induced innovation…promoted by population pressures on forested land in Western and Central Europe. From the end of [[World War II]], coal’s premier importance as an energy source declined sharply and was replaced by crude oil. Far offshore drilling of oil began in 1947 off the coast of Louisiana. One year later, the world’s largest oil field, al-Ghawar in Saudi Arabia, was drilled. Large new discoveries of oil and gas in Africa and Asia combined with the development of oil super tankers and pipeline networks reduced the price of oil and gas at a time when the costs of producing coal were continuing to rise. Diesel locomotives represented a major substitution of oil for coal. The post World War II era also saw large increases in automobile ownership, the beginnings of highway and motorway road transportation networks and the first passenger jet aircraft –all benefiting from and encouraging consumption of cheap oil supplies. These increases in the consumption of crude oil have coincided with the highest population growth in history. After the depressed population growth during World War II, growth rose quickly to a peak of 2.2% in 1964, the highest rate the world has ever known. (''Per capita'' oil consumption peaked shortly thereafter, in the 1970s). Although population continues to rise, population growth has been declining since then. If there is a relationship between energy consumption and population growth, the different types of energy consumed may have different effects. If biomass is the only energy source, populations will not grow very fast. In such organically based economies, the problem of expanding raw material supply, and especially the related problems associated with the very modest energy supply maxima…must curb growth with increasing severity as expansion takes place. The emergence of coal as an energy source eliminated the carrying capacity limits to population growth that any traditional and biomass energy based culture would eventually face. Similarly, the predominance of oil after the middle part of the twentieth century raised the carrying capacity even further. ** Ibid. * According to the IEA [International Energy Agency], 1.6 billion people live without electricity. Much of Africa and Asia still rely on biomass as their primary source of energy, yet have very high population growth rates. '''How can there be a correlation between energy and population in these instances? While many developing world countries remain low energy societies, they, and their population growth rates, are impacted by high energy societies. Their primary energy sources may still be traditional biomass, but their population growth is due in large part to abundant oil and gas supplies.''' Vaccines and antibiotics that reduce third world mortality are discovered, produced and distributed with first world energy, and oil contributes at every step. Fertilisers, pesticides and herbicides that aided the Green Revolution in much of the developing world could not have been produced without large oil and gas inputs. The aeroplanes, boats and trains that deliver and distribute food all run on oil. '''While the commercialisation of higher quality energy sources may be very unevenly distributed, the societies that adopt new energy sources, high energy societies, have a profound impact on those societies that remain low energy societies, and these impacted populations then become part of Coal, Oil or Natural Gas Populations.''' ** Ibid. *Just 11,000 years ago, there were only roughly 5 million humans who lived on the planet Earth. The initial population growth was slow, due largely to the way humans were living—by hunting. Such lifestyle limited the size of family for practical reasons. A woman on the move cannot carry more than one infant along with her household baggage. When simple birth control means-often abstention from sex failed, a woman may elect abortion or, more commonly, infanticide to limit the family size. Further, a high mortality among the very young, the old, the ill and the disabled acted as a natural resistance to a rapid population growth. Thus it took over one million years for human population to reach the one billion mark. But the second billion was added in about 100 years, the third billion in 50 years, the fourth in 15 years, and the fifth in 12 years. Ever since humans became sedentary, some limits over the family size were lifted. With the development of agriculture, children may have become more of an asset to their families in helping with farming and other chores. By the beginning of the Christian era, human population grew to about 130 million, distributed all over the Earth. By 1650, the world population had reached 500 million. The process of industrialization had begun, bringing about profound changes over the lives of humans and their interactions with the natural world. With improved living standard, lowered death rate and prolonged life expectancy, human population grew exponentially. By 1999 there were about 6 billion people, comparing with 2.5 billion in 1950. The world population is well on its way to 7 billion with an annual growth rate of over 90 million. **Ming Zheng, “[https://www.gordon.edu/download/pages/Salem%20010731-Human%20Population%20Growth.pdf Human Population Growth]”. {{W|Gordon College (Massachusetts)|Gordon College}} (July 31, 2001) == See also == * [[Biodiversity]] * [[Climate change]] * [[Exponential growth]] * [[Fossil fuel]] * [[Global warming]] * [[Population decline]] * [[Sustainable development]] * [[Sustainability]] ==Further reading== *Smil, Vaclav. "[https://ia800709.us.archive.org/16/items/detonator-of-the-population-explosion/Detonator%20of%20the%20population%20explosion.pdf Detonator of the population explosion]." Nature 400.6743 (1999): 415-415. *Feeney, John. "[https://ia801807.us.archive.org/18/items/agriculture-ending-the-world-as-we-know-it/Agriculture_Ending_the_world_as_we_know_it.pdf AGRICULTURE: Ending the World as We Know It]." Zephyr, August—September (2010). ==External links== {{উইকিপিডিয়া|Human overpopulation}} {{উইকিঅভিধান|overpopulation}} *[https://population.org.au/about-population/global-population Quotes on Human Over-Population and Related Subjects], ''Sustainable Population Australia'' *{{ওয়েব উদ্ধৃতি|url=https://www.populationmedia.org/2014/02/11/morgan-freeman-speaks-out-on-population/|title=Morgan Freeman on the 'tyranny of agriculture' and the doomed human race|date=11 February 2014|publisher=Ecorazzi}} *[https://www.theguardian.com/global-development-professionals-network/gallery/2015/apr/01/over-population-over-consumption-in-pictures Overpopulation, overconsumption – in pictures]. ''{{W|The Guardian}}'' April 1, 2015. *{{ওয়েব উদ্ধৃতি|url=http://www.panearth.org/WVPI/Papers/FoodPopulationSummary.pdf|title=A Summary of Human Population Dynamics|work=Russell Hopfenberg|publisher=Pan Earth}} [[বিষয়শ্রেণী:জীববিজ্ঞান]] [[বিষয়শ্রেণী:সমাজতত্ত্ব]] [[Category:Sustainability]] 4djdghh63ohl7e4sk8locbmvdmiljx5 79853 79852 2026-04-22T23:55:49Z ARI 356 /* B */ ; অনুবাদ 79853 wikitext text/x-wiki [[File:Annual-World-Population-since-10-thousand-BCE-1-768x724.png|thumb|বিশ্বের জনসংখ্যা এবং সেই সাথে খ্রিস্টপূর্ব ১০,০০০ থেকে ২০৫৮ সাল পর্যন্ত জনসংখ্যার একটি সম্ভাব্য প্রক্ষেপণ বা আগাম অনুমান]] [[File:World Population and Projections by Medium Fertility and Continent or Country 1950 - 2100.png|thumb|মাঝারি প্রজনন হারের ওপর ভিত্তি করে ১৯৫০ থেকে ২১০০ সাল পর্যন্ত বিশ্বের মোট জনসংখ্যা এবং বিভিন্ন মহাদেশ ও দেশভিত্তিক জনসংখ্যার একটি প্রক্ষেপণ]] [[File:Distribution-of-earths-mammals.png|thumb|পৃথিবীর বুকে বর্তমানে বিদ্যমান সমস্ত স্তন্যপায়ী প্রাণীর মোট ওজনের ৯৬ শতাংশই দখল করে আছে মানুষ এবং তাদের লালন-পালন করা গবাদি পশু; যেখানে বন্য স্তন্যপায়ী প্রাণীর পরিমাণ হলো মাত্র ৪ শতাংশ।]] [[File:Time for the world population to increase by one billion 1805 – 2086.png|thumb|১৮০৫ সাল থেকে ২০৮৬ সাল পর্যন্ত বিশ্বের মোট জনসংখ্যা প্রতি ১০০ কোটি বা এক বিলিয়ন করে বৃদ্ধি পেতে ঠিক কতটা সময়ের প্রয়োজন হয়েছে তার একটি তুলনামূলক চিত্র]] '''অতিপ্রজতা''' হলো এমন একটি বিশেষ প্রাকৃতিক পরিস্থিতি বা অবস্থা যেখানে কোনো একটি নির্দিষ্ট ভৌগোলিক অঞ্চলে বসবাসকারী কোনো বিশেষ প্রজাতির জীবের মোট সংখ্যা সেই নির্দিষ্ট পরিবেশ বা বাসস্থানের স্বাভাবিক ধারণক্ষমতাকে পুরোপুরিভাবে ছাড়িয়ে যায়। == উক্তি == * আমরা এই পৃথিবীতে মানবজাতির ৮০০ কোটিতম সদস্যকে মাত্র স্বাগত জানালাম। নিঃসন্দেহে একটি শিশুর জন্ম খুবই আনন্দের এবং চমৎকার একটি বিষয়। '''কিন্তু আমাদের এটা বুঝতে হবে যে, মানুষের সংখ্যা যত বৃদ্ধি পাবে, আমরা এই পৃথিবীর ওপর তত বেশি প্রচণ্ড চাপ তৈরি করব।''' জীববৈচিত্র্যের কথা চিন্তা করলে দেখা যায় যে, আমরা প্রকৃতির সাথে এক প্রকার যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছি। আমাদের এখন প্রকৃতির সাথে শান্তি স্থাপন করা প্রয়োজন। কারণ এই প্রকৃতিই পৃথিবীর সমস্ত কিছুকে টিকিয়ে রাখে... বিজ্ঞান এই বিষয়ে একদম সুষ্পষ্ট। ** ইঙ্গার অ্যান্ডারসেন, জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচির নির্বাহী পরিচালক, [https://www.theguardian.com/environment/2022/dec/06/cop-15-un-chief-biodiversity-apocalypse 'উই আর অ্যাট ওয়ার উইথ নেচার': ইউএন এনভায়রনমেন্ট চিফ ওয়ার্নস অফ বায়োডাইভারসিটি অ্যাপোক্যালিপস]। ''দ্য গার্ডিয়ান'', ৬ ডিসেম্বর ২০২২। * '''শিশুরা হলো মানবজাতির শত্রু'''... বিষয়টা এভাবে ভেবে দেখা যাক: বিশ্বের জনসংখ্যা যখন দ্বিগুণ হবে, তখন আমাদের শক্তির ব্যবহারের পরিমাণ সাত গুণ বৃদ্ধি পাবে। এর অর্থ হলো আমরা সম্ভবত যে পরিমাণ দূষণ তৈরি করছি তার মাত্রাও সাত গুণ বেড়ে যাবে। আমরা যদি বর্তমান হারের দূষণ নিয়েই হুমকির মুখে থাকি, তবে দ্বিগুণ জনসংখ্যার মাঝে ছড়িয়ে পড়া এই সাত গুণ বেশি দূষণের ফলে আমাদের অবস্থা কেমন হবে? আমাদের তখন সাত গুণ বেশি হারে বিষাক্ত হয়ে পড়া মাটি থেকে দ্বিগুণ পরিমাণ খাদ্য উৎপাদন করতে হবে। ** [[আইজাক আসিমভ]] (১৯৬৯) বোস্টন ম্যাগাজিনের সাথে একটি সাক্ষাৎকারে। আংশিকভাবে এলেন প্যাক (১৯৭৬)-এর ''দ্য বেবি ট্র্যাপ'', পৃষ্ঠা ১৭। * এটি সবকিছু ধ্বংস করে দেবে। আমি এই বিষয়টি বোঝাতে বাথরুমের একটি রূপক ব্যবহার করি। যদি একটি অ্যাপার্টমেন্টে দুইজন মানুষ থাকে এবং সেখানে দুইটি বাথরুম থাকে, তবে তাদের দুইজনেরই বাথরুম ব্যবহারের পূর্ণ স্বাধীনতা থাকে। তারা যখন খুশি সেখানে যেতে পারে এবং নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী যতক্ষণ খুশি থাকতে পারে। আমার মতে এটাই হলো আদর্শ অবস্থা। আর প্রত্যেকেই বাথরুম ব্যবহারের এই স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে। এমনকি এটি সংবিধানেও থাকা উচিত। কিন্তু যদি একই অ্যাপার্টমেন্টে ২০ জন মানুষ থাকে এবং বাথরুম থাকে মাত্র দুইটি, তবে সেই বাথরুম ব্যবহারের স্বাধীনতার ওপর বিশ্বাস থাকলেও বাস্তবে তার কোনো অস্তিত্ব থাকবে না। আপনাকে তখন প্রত্যেকের জন্য আলাদা আলাদা সময় ঠিক করে দিতে হবে, আপনাকে দরজায় কড়া নেড়ে বলতে হবে, তোমার কি এখনো শেষ হয়নি? ঠিক একইভাবে, '''অতিরিক্ত জনসংখ্যার চাপে গণতন্ত্র টিকে থাকতে পারে না। মানুষের মর্যাদাও এর চাপে টিকে থাকতে পারে না। সুযোগ-সুবিধা এবং শালীনতাও এর ফলে হারিয়ে যায়।''' আপনি যখন পৃথিবীতে মানুষের সংখ্যা বাড়াতে থাকবেন, তখন জীবনের মূল্য শুধু কমবেই না বরং তা পুরোপুরি অদৃশ্য হয়ে যাবে। তখন কেউ মারা গেল কি না তাতে কিছু যায় আসবে না। ** [[আইজাক আসিমভ]] (১৯৮৮) বিল ময়ার্স-এর সাথে ''বিল ময়ার্স ওয়ার্ল্ড অফ আইডিয়াস'' দেওয়া সাক্ষাৎকারে (১৭ অক্টোবর ১৯৮৮); [http://www.pbs.org/moyers/faithandreason/print/pdfs/woi%20asimov1.pdf প্রতিলিপি] (পৃষ্ঠা ৬) - [http://www.pbs.org/moyers/faithandreason/media_players/asimovwoi_audio.html অডিও (২০:১২)] ** বিল ময়ার্সের এই প্রশ্নের উত্তরে করা মন্তব্য: যদি জনসংখ্যার এই বৃদ্ধি বর্তমান হারেই চলতে থাকে তবে মানবজাতির [[মর্যাদা]]র ধারণার কী ঘটবে বলে আপনি মনে করেন? * আমরা এই পৃথিবীর জন্য একটি অভিশাপ বা মহামারীর মতো। আগামী ৫০ বছরের মধ্যে এর ভয়াবহ ফল আমাদের ভোগ করতে হবে। এটি কেবল জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয় নয়; এটি মূলত জায়গার অভাব এবং এই বিশাল জনগোষ্ঠীর জন্য খাদ্য উৎপাদনের জায়গার সমস্যা। হয় আমাদের নিজেদেরই এই জনসংখ্যা বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করতে হবে, নয়তো প্রকৃতিই আমাদের হয়ে এই কাজটি করে দেবে। আর প্রকৃতি এখনই আমাদের ওপর সেই ব্যবস্থা নেওয়া শুরু করে দিয়েছে। ** ডেভিড অ্যাটেনবারা, "[https://www.telegraph.co.uk/news/earth/earthnews/9815862/হিউম্যানস আর প্লেগ অন আর্থ]". ''দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফ'', ২২ জানুয়ারি ২০১৩। * আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের সাফল্য বর্তমানে এতটাই ঈর্ষণীয় যে এর মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ মানুষকে বাঁচিয়ে রাখা সম্ভব হচ্ছে, যদিও তাদের সবসময় পুরোপুরি সুস্থ করা সম্ভব হয় না। আগেকার দিনে বিজ্ঞানের এই অগ্রগতির অভাবের কারণে এই মানুষগুলো সাধারণত মৃত্যুবরণ করত। শারীরিক রোগ নিরাময়ের এই দক্ষতা এবং জ্ঞানের মাঝেই আজকের দিনের একটি প্রধান বৈশ্বিক সমস্যা লুকিয়ে আছে আর তা হলো এই গ্রহের অতিপ্রজতা বা মাত্রাতিরিক্ত জনসংখ্যা। এর ফলে মানবজাতি আজ অনেকটা পালের পশুর মতো জীবনযাপন করতে বাধ্য হচ্ছে এবং এর ফলশ্রুতিতে তৈরি হচ্ছে অর্থনৈতিক সংকট। এই সাফল্যের ফলে সৃষ্ট নানা আনুষঙ্গিক সমস্যার মধ্যে এটি মাত্র একটি। জীবনের এই "অস্বাভাবিক" সুরক্ষা অনেক কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে এবং এটি যুদ্ধের একটি বড় উৎস হিসেবে কাজ করছে, যা এই গ্রহের মূল চেতনাশক্তির কর্মফলের উদ্দেশ্যের পরিপন্থী।<BR>এই বিশাল সমস্যাটি নিয়ে আমি এখানে বিস্তারিত আলোচনা করতে পারছি না। আমি কেবল এটিকে নির্দেশ করতে পারি। এই সমস্যার সমাধান তখনই হবে যখন মানুষের মন থেকে [[মৃত্যু]]র ভয় দূর হবে এবং যখন মানবজাতি সময়ের গুরুত্ব এবং প্রাকৃতিক চক্রের অর্থ বুঝতে শিখবে। **অ্যালিস বেইলি, ''এ ট্রিটিজ অন দ্য সেভেন রেজ: ভলিউম ৪: এসোটেরিক হিলিং'', পৃষ্ঠা ২৭৮ (১৯৫৩)। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৮৫৩৩০-১২১-৯। * '''আমরা যখন কোনো বাধা ছাড়াই ৭০০ কোটি থেকে ৮০০ কোটি মানুষের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি, তখন আমাদের প্রতিটি প্রজন্ম আগের প্রজন্মের চেয়েও বেশি শক্তিশালী, দূষণকারী এবং ধ্বংসাত্মক হয়ে উঠছে। আমি ভাবছি যে, জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ঋণাত্মক হওয়ার স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার জন্য ১০০ বছর কি খুব বেশি সময় হয়ে যাবে না? নাকি এই এক শতাব্দী সময়ের মধ্যে আমরা জীববৈচিত্র্যের এমন অপূরণীয় এবং স্থায়ী ক্ষতি করে ফেলব যা আমাদের অস্তিত্বের জন্যই শেষ পর্যন্ত চরম হুমকি হয়ে দাঁড়াবে।''' মৌমাছি এবং হামিংবার্ডের কথা একটু চিন্তা করুন। সারা বিশ্বজুড়ে পতঙ্গের সংখ্যা যেভাবে হঠাৎ করে কমে যাচ্ছে তার কথা ভাবুন এবং এটি খাদ্য শৃঙ্খলের ওপরের বা নিচের স্তরে থাকা প্রাণীদের ওপর কতটা দ্রুত প্রভাব ফেলতে পারে তা কল্পনা করুন। এখন, মিস্টার বায়োটেক বিলিয়নেয়ার, আপনি কি সত্যিই এই বিশ্বকে এমন সব মানুষ দিয়ে ভরিয়ে দিতে চান যারা ২০০ বা ৩০০ বছর পর্যন্ত বেঁচে থাকবে? ** অ্যালবার্ট বেটস, "[https://medium.com/the-shadow/the-great-pause-week-61-swallow-the-doctor-8cbf077f6e13 সোয়ালো দ্য ডক্টর]"। ''মিডিয়াম'' (১৬ মে ২০২১) * যদিও এই গ্রহের অচেতন ক্রিয়া এবং অন্ধ শক্তিগুলো পৃথিবীর বিবর্তনের ৪৫০ কোটি বছরের ইতিহাসে অনেক বিশৃঙ্খল পরিবর্তন ঘটিয়েছে, এখন সেই পরিবর্তনের দিক নির্ধারিত হচ্ছে একটি সচেতন এবং ইচ্ছাশক্তিসম্পন্ন সত্তা দ্বারা, যার নাম "মানবজাতি"। তবে অবশ্যই আমাদের পুরো মানবজাতিকে সমানভাবে দোষারোপ করা উচিত হবে না, কারণ এই সমস্যার মূলে রয়েছে শিল্পোন্নত পুঁজিবাদী পাশ্চাত্য বিশ্ব। অথচ জলবায়ু সংকটে যাদের অবদান সবচেয়ে কম, সেই দরিদ্র দেশগুলোই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। '''কিন্তু চীন, ভারত এবং ব্রাজিলের মতো দেশগুলো বর্তমানে এই সংকটে বড় ভূমিকা রাখছে এবং এই গ্রহের ৭৫০ কোটি মানুষের সম্মিলিত প্রভাবে সর্বত্রই প্রাণিকুলের বিলুপ্তি এবং ধ্বংসের প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হচ্ছে।''' হলোসিন যুগের সেই স্থিতিশীলতা এখন আর নেই, পরিবর্তনগুলো আমাদের বোঝার ক্ষমতা এবং নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে এবং এক ভয়াবহ বিশৃঙ্খলা আমাদের দরজায় কড়া নাড়ছে। ** স্টিভেন বেস্ট, [https://drstevebest.wordpress.com/2019/12/03/total-liberation-in-the-age-of-the-anthropocene-and-climate-emergency/  টোটাল লিবারেশন ইন দ্য এজ অফ দ্য অ্যানথ্রোপোসিন অ্যান্ড ক্লাইমেট ইমার্জেন্সি] (৩ ডিসেম্বর ২০১৯) * মানুষের জ্যামিতিক হারে বৃদ্ধির এই গতি অভূতপূর্ব এবং পৃথিবীর ইতিহাসে আগে কখনও কোনো একটি একক প্রজাতি এত বিশাল আকারে বৃদ্ধি পায়নি, যা জীবন্ত প্রাণব্যবস্থার ভারসাম্যকে পুরোপুরি নষ্ট করে দিচ্ছে। এই সমস্যাটি দিন দিন কেবল আরও খারাপের দিকেই যাচ্ছে। সাধারণ হিসাব অনুযায়ী, ২০৫০ সালের মধ্যে মানুষের জনসংখ্যা ৮০০ থেকে ১০০০ কোটিতে পৌঁছাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে এবং ২১০০ সালের মধ্যে এটি হয়তো আরও অনেক বেশি বৃদ্ধি পাবে। মানুষের এই জনসংখ্যা বৃদ্ধি একটি চরম পর্যায়ের সংকটকে নির্দেশ করে। তবে অবশ্যই এটি আমাদের সামনে থাকা অসংখ্য সংকটের মাত্র একটি দিক যার সাথে প্রজাতির বিলুপ্তি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের মতো সমস্যাগুলো যুক্ত হয়ে এক ভয়াবহ মহাবিপর্যয় তৈরি করছে। এই চ্যালেঞ্জগুলোই বর্তমানে অ্যানথ্রোপোসিন যুগে মানবজাতির সামনে এক কঠিন পরীক্ষা হিসেবে দাঁড়িয়েছে। ** স্টিভেন বেস্ট, "[https://www.all-creatures.org/lifestyle/img/failed-species.pdf ফেইলড স্পিসিস: দ্য রাইজ অ্যান্ড ফল অফ দ্য হিউম্যান এম্পায়ার]"। ''রোমানিয়ান জার্নাল অফ আর্টিস্টিক ক্রিয়েটিভিটি''। ৯ (২)। (২০২১)। * বর্তমানে আমাদের আধুনিক শিল্প সভ্যতার চাকা প্রায় পুরোপুরিভাবে বিপুল পরিমাণ জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহারের ওপর নির্ভরশীল। এটি বোঝা খুব গুরুত্বপূর্ণ যে, জীবাশ্ম জ্বালানি বা বিশেষ করে খনিজ তেল কেবল ব্যক্তিগত গাড়ি বা ট্রাক তৈরির জন্য বা চালানোর জন্য ব্যবহৃত হয় না। এগুলো ট্রাক্টর, লাঙল, সেচের পাইপ এবং পাম্প তৈরির কাজেও ব্যবহৃত হয় এবং পরে এগুলো চালাতে জ্বালানি হিসেবে কাজ করে। এই জ্বালানিগুলো অনেক গুরুত্বপূর্ণ সার এবং কীটনাশকের রাসায়নিক ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। এছাড়া কৃষিকাজে ব্যবহৃত প্লাস্টিক তৈরির উপাদানও এখান থেকেই আসে। পচনশীল দ্রব্য সংরক্ষণের জন্য যে হিমায়িত ব্যবস্থার প্রয়োজন হয়, তাও এর ওপর নির্ভরশীল। সংক্ষেপে বলতে গেলে, প্রচুর পরিমাণে জীবাশ্ম জ্বালানি ছাড়া আধুনিক শিল্প-কৃষি ব্যবস্থা অচল হয়ে পড়বে। জীবাশ্ম জ্বালানি-ভিত্তিক এই আধুনিক কৃষি ব্যবস্থা না থাকলে বিশ্বে খাদ্য উৎপাদন এতটাই কমে যাবে যা আমাদের বর্তমান জনসংখ্যাকে টিকিয়ে রাখার জন্য মোটেও পর্যাপ্ত হবে না। প্রতি বছর যে নতুন করে আরও ৮ কোটির বেশি মানুষ যুক্ত হচ্ছে, তাদের কথা তো বাদই দিলাম। মুদ্রার উল্টো পিঠ হলো এই যে, '''মানুষ যখন জীবাশ্ম জ্বালানির মধ্যে থাকা এই অসাধারণ শক্তিকে নিজেদের প্রয়োজনে ব্যবহার করে, তখন আমরা "মাত্রাতিরিক্ত শক্তিশালী" হয়ে উঠি—আর এভাবেই আমরা পৃথিবীর জীবমন্ডলকে পিষ্ট করে ফেলছি।''' জীবাশ্ম জ্বালানির শক্তি ছাড়া আমরা প্রতি মিনিটে কয়েকটি ফুটবল মাঠের সমান রেইনফরেস্ট ধ্বংস করতে পারতাম না, গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে পারতাম না, বিশাল আকারে মৎস্য চাষের চেষ্টা করতে পারতাম না বা মাইলের পর মাইল পিচ ঢালা রাস্তা দিয়ে বসতি স্থাপন করতে পারতাম না। সারসংক্ষেপে, জীবাশ্ম জ্বালানি আমাদের জনসংখ্যা এবং তার বৃদ্ধি এবং সেই সাথে আমাদের বিলাসিতা বা অতিরিক্ত ভোগ উভয়কেই টিকিয়ে রেখেছে। ** জোসেফ জে. বিশ, "[https://www.populationmedia.org/the-latest/interrelationships-human-population-fossil-fuels-and-technology ইন্টাররিলেশনশিপস: হিউম্যান পপুলেশন, ফসিল ফুয়েলস, অ্যান্ড টেকনোলজি]।" পপুলেশন মিডিয়া সেন্টার (১৫ অক্টোবর ২০২১) * আমার মতে, বর্তমানে জনসংখ্যা বৃদ্ধি আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে এবং আমাদের সম্পদ দিন দিন কমছে আমরা আমাদের সভ্যতার ইতিহাসে দেখা সবচেয়ে বড় বিপর্যয়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। আমি মনে করি আগামী ৪০ বা ৫০ বছরের মধ্যেই আমরা সেই চরম সংকটে পৌঁছে যাব। যদি আপনার জনসংখ্যার রেখাটি জ্যামিতিক হারে বাড়তে থাকে এবং সম্পদের রেখাটি জ্যামিতিক হারে কমতে থাকে, তবে সবার আগে যা ঘটবে তা হলো সম্পদের বৈষম্য বৃদ্ধি পাওয়া। এর অর্থ হলো আপনি কিছু এলাকায় ধনী মানুষের সুরক্ষিত পাড়া দেখতে পাবেন যেখানে বাইরে নিরাপত্তা রক্ষী থাকবে, আর সেই এলাকার বাইরে কেবল দারিদ্র্য আর অভাব বাড়বে। সম্পদ যত কমতে থাকবে, মানুষ পানি, খাবার এবং চাষযোগ্য জমি নিয়ে নিজেদের মধ্যে লড়াই শুরু করবে। ২০৫০ সালে জোহানেসবার্গের মতো বড় শহরগুলোতে এমন দৃশ্যই দেখা যাবে। এর লক্ষণগুলো এখনই সব জায়গায় ফুটে উঠছে। এটি কেবল অতিরিক্ত জনসংখ্যা এবং সম্পদের অভাবের ফল। আমরা আসলে আমাদের ভবিষ্যৎ ভাগ্যের ওপর কোনো নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেছি। :* নিল ব্লমক্যাম্প: ''[http://www.avclub.com/article/idistrict-9-idirector-neill-blomkamp-31606 ডিস্ট্রিক্ট ৯ ডিরেক্টর নিল ব্লমক্যাম্প],'' তাশা রবিনসন কর্তৃক '' avclub.com''-এ প্রকাশিত, ১২ আগস্ট ২০০৯। * ... ১৭৯৮ সালে রেভারেন্ড থমাস ম্যালথাস যে ভবিষ্যৎবাণী করেছিলেন মানুষ তার সংখ্যা বৃদ্ধির মাধ্যমে নিজেকে এক "দুর্ভোগ এবং অনৈতিকতার" পরিস্থিতির দিকে নিয়ে যাবে তা আজও ততটাই সত্য যতটা সেই সময়ে ছিল। জ্যামিতিক হারে জনসংখ্যা বাড়লেও খাদ্য উৎপাদন গাণিতিক হারে বাড়ে, যার ফলে এই ভারসাম্যহীনতা তৈরি হয়। তিনি একজন দূরদর্শী মানুষ ছিলেন এবং অতিপ্রজতার এই দানবীয় রূপটি পরিষ্কারভাবে দেখতে পেয়েছিলেন। তার ভবিষ্যৎবাণীর একমাত্র ভুল ছিল সময়ের হিসাবে সামান্য এদিক-ওদিক হওয়া। আমরা কৃষিবিদেরা খুব জোর দিয়ে বললে বড়জোর কয়েক দশক সময় পেতে পারি যার মধ্যে আমাদের খাদ্য উৎপাদনের সাথে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হারের একটি সফল ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে। ** নরমান বোরলাগ: [https://repository.cimmyt.org/bitstream/handle/10883/19272/9023.pdf?sequence=1 "হুইট ব্রিডিং অ্যান্ড ইটস ইমপ্যাক্ট অন ওয়ার্ল্ড ফুড সাপ্লাই।"] এতে: ''থার্ড ইন্টারন্যাশনাল হুইট জেনেটিক্স সিম্পোজিয়াম''। সিআইএমএমওয়াইটি, ১৯৬৮। * এটি স্বতস্ফূর্তভাবে প্রমাণিত যে, আমাদের পরিবেশগত সীমার এই যে অতিরিক্ত লঙ্ঘন, তা মূলত মানুষের অত্যধিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির সরাসরি ফলাফল। এই বিশাল জনগোষ্ঠী প্রচুর পরিমাণে প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবহার করছে এবং এই সীমিত গ্রহের ওপর মাত্রাতিরিক্ত বর্জ্য ত্যাগ করছে, যা মূলত সুস্থ পরিবেশ ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল। যারা বিশ্বাস করেন যে আমরা একটি সীমাবদ্ধ সম্পদের বিশ্বে বাস করি এবং আমাদের বর্জ্য শোষণের ক্ষমতাও সীমিত, তাদের কাছে এই বিষয়টি ব্যাখ্যার প্রয়োজন নেই। তবুও এখনও এমন অনেক মানুষ আছেন যারা মনে করেন যে মানুষের অনন্য বুদ্ধিমত্তা এবং প্রযুক্তিগত দক্ষতা আমাদের এই সব চ্যালেঞ্জগুলো থেকে "মুক্ত" করবে। অথচ আমাদের এই সাম্প্রতিক বিস্ফোরক জনসংখ্যা বৃদ্ধি, বিশ্বব্যাপী সম্প্রসারণ এবং শিল্পায়ন আমাদের গ্রহের সীমাগুলো অতিক্রম করে আমাদের সামনে একের পর এক কঠিন চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিচ্ছে। ** স্টিভ বুল, "[https://stevebull-4168.medium.com/todays-contemplation-collapse-cometh-cxci-the-nexus-of-population-energy-innovation-and-936076b4cf23 দ্য নেক্সাস অফ পপুলেশন, এনার্জি, ইনোভেশন, অ্যান্ড কমপ্লেক্সিটি]"। (২৮ নভেম্বর ২০২৪)। * প্রতিটি জীবিত প্রজাতিকেই বেঁচে থাকার জন্য প্রকৃতি থেকে কিছু না কিছু নিতে হয় এবং আমরাও তার ব্যতিক্রম নই। কিন্তু অন্যান্য প্রজাতির মতো আমাদের খাদ্য, আরাম-আয়েশ, বাসস্থান বা প্রজননের আকাঙ্ক্ষার কোনো শেষ নেই—বেঁচে থাকার এই মৌলিক চাহিদাগুলো এখন আমাদের অস্তিত্বের প্রয়োজনের চেয়েও অনেক বেশি মাত্রায় বেড়ে গেছে। আমরা উন্নতি করতে বাধ্য হই এবং মানুষ হিসেবে দুই পায়ে দাঁড়ানোর পর থেকেই আমরা ভূমি থেকে প্রাকৃতিক সম্পদ আহরণ করে আসছি। পুরো বিংশ শতাব্দী জুড়ে আমাদের এই বিশাল ভোগের যন্ত্রটি আরও শক্তিশালী হয়েছে এবং মানুষের এই অতৃপ্ত আকাঙ্ক্ষা আমাদের টিকিয়ে রাখা এই গ্রহের ওপরই আঘাত হেনেছে। খুব অল্প সময়ের মধ্যে মানবজাতি তার জনসংখ্যার বিস্ফোরণ, শিল্প এবং প্রযুক্তির মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী এক বিশাল পরিবর্তনের কারিগর হয়ে উঠেছে। এই সভ্যতা তার অগ্রগতির পথে যা রেখে যাচ্ছে তা হয়তো শেষ পর্যন্ত এক উন্মুক্ত এবং রিক্ত এক পৃথিবী ছাড়া আর কিছুই নয়। কিন্তু এই আগ্রাসনের মাধ্যমে আমরা নিজের অজান্তেই আমাদের বর্তমান জীবনযাত্রার এক বিশাল এবং ধ্বংসাত্মক স্মারক তৈরি করে চলেছি। ** এডওয়ার্ড বার্টিনস্কি, "[https://books.openbookpublishers.com/10.11647/obp.0193/ch13.xhtml ইমেজিং আর্থ]।" ''আর্থ ২০২০'' (২০২০)। === C === * Global biodiversity decline is best understood as too many people consuming and producing too much and displacing other species. Wild landscapes and seascapes are replaced with people, our domestics and commensals, our economic support systems, and our trash. ** Philip Cafaro, Pernilla Hansson, Frank Götmark, {{cite journal|doi=10.1016/j.biocon.2022.109646|title=Overpopulation is a major cause of biodiversity loss and smaller human populations are necessary to preserve what is left|year=2022 |journal={{W|Biological Conservation (journal)|Biological Conservation}}|volume=272|issue= |pmid=|pmc=|url=https://www.sustainable.soltechdesigns.com/Overpopulation-and-biodiversty-loss(2022).pdf}} * During the past hundred years, ''Homo sapiens''' population increased from 2 billion to nearly 8 billion and the United Nations (2019) projects an increase of 3 billion more by 2100, unless steps are taken to reduce this population growth. Ignoring this projected increase means ignoring a major driver of the unfolding biodiversity crisis; accepting current bloated human numbers as an appropriate status quo means accepting a biologically impoverished planet. ** Ibid. * Thomas Malthus, an eighteenth-century economist, once predicted that because our population size increases exponentially while our food supply increases arithmetically, our population will one day exceed our ability to sustain it. While this has now been disproven with the creation of processed foods and genetically modified organisms, [Peter] Farb’s paradox may hold true. Because Earth’s population is growing, we increase our food production. Then, because we have a surplus of food, people are more well-nourished, leading to higher life expectancies and lower infant mortality rates, and people are able to have more children. This cyclical paradox is not healthy for our planet because while we may be able to sustain our growing population’s appetites, our other important resources, such as water and oil, are dwindling. To have a sustainable population size, we should be reproducing at a replacement rate, much like Denmark and Japan are. ** Catherine Caldwell, "[https://facetsofsustainability2014.wordpress.com/2014/11/13/farb-malthus-and-ishmael-v-the-population/ Farb, Malthus, and Ishmael v. the Population]" (November 13, 2014). * Today [hu]mankind is locked into stealing ravenously from the future. Famine in the modern world must be… one of several symptoms reflecting a deeper malady of in the human condition—namely, diachronic competition, a relationship whereby contemporary well-being is achieved at the expense of our descendants. By our sheer numbers, by the state of our technological development, and by being oblivious to differences between a method that achieved lasting increments of human carrying capacity [agriculture] and one that achieves only temporary supplements [reliance on fossil fuels and other mined substances], we have made satisfaction of today's human aspirations dependent upon massive deprivation for posterity. ** {{W|William R. Catton}}, ''Overshoot'' (1980), Chapter 1: "Our Need for a New Perspective", p. 3. * We are already living on an overloaded world. Our future will be a product of that fact; that fact is a product of our past. Our first order of business, then, is to make clear to ourselves how we got where we are and why our present situation entails a certain kind of future. […] It is the story of a world that has again and again approached the condition of being saturated with human inhabitants, only to have the limit raised by human ingenuity. The first several rounds of limit-raising were accomplished by a series of technological breakthroughs that took almost two million years. These breakthroughs enabled human populations repeatedly to take over for human use portions of the earth’s total life-supporting capacity that had previously supported other species. The most recent episode of limit-raising has had much more spectacular results, although it enlarged human carrying capacity by a fundamentally different method: the drawing down of finite reservoirs of materials that do not replace themselves within any human time frame. Thus its results ''cannot be permanent''. This fact puts mankind out on a limb which the activities of modern life are busily sawing off. **William R. Catton, ''Overshoot'' (1980), Chapter 2: "The Tragic Story of Human Success", p. 17. * Scarcely more than two generations had tasted the fruits of industrialization when the growth of population was still further accelerated by truly effective death control. The role of microorganisms in producing diseases was discovered. In 1865 the practice of antiseptic surgery began. It serves... as a reasonable demarcation of the beginning of an era filled with related breakthroughs in medical technology: hygienic practices, vaccination, antibiotics, etc. The total effect of this recent series of achievements has been to emancipate mankind more... from the life-curtailing effects of the invisible creatures for which human tissues used to serve as sustenance. Like other prey species newly protected from their predators, we have been fruitful and have so multiplied that we have much more than "replenished" the earth with our kind. ** Ibid., p. 30. * People displayed either persistent ignorance of the carrying capacity concept or naive faith that carrying capacity could always be expanded, [and] that limits could always be transcended. Such an assump­tion seemed to underlie the stubborn refusal of capitalists and Marx­ists alike to acknowledge that the myth of limitlessness had, at last, become obsolete. There was also the assumption that further ad­vances in technology would necessarily enlarge carrying capacity, not reduce it. Enlargement of carrying capacity had been the role of tech­nology in the past; however… there has been a reversal of this role in the industrial era. Technology has en­larged human appetites for natural resources, thus diminishing the number of us that a given environment can support. ** Ibid., p. 32. * [Hu]man[s]... have imagined... [themselves] to be more unlike other mammals than [t]he[y] really... [are], so when human behavior has shown these same characteristics, various other explanations have been put forth which have obscured the significance of population pressure itself. In the twentieth century, with human numbers enlarged and resource draw­down becoming significant, [hu]man[kind] went to war. [T]he[y] rioted in the streets. [T]he[y] committed more... crimes of violence. [...] [Their] political atti­tudes polarized and [t]he[y] created totalitarian governments, some of which gave license to sadistic tendencies. A generation gap widened and deepened. In spite of earnest efforts by humane activists to inhibit racism and to rectify economic inequality, disparities between people remained and animosities became more virulent. Standards of de­cency in behavior toward others and expectations of considerate self-­restraint were eroded and degraded in many places. ** William R. Catton, ''Overshoot'' (1980), Chapter 6: "The Process That Matter", p. 107. * We need to realize the "load" with which we humans burden the planet's ecosystems consists of more than just a population number. People living by different cultures not only reproduce at different rates; they impose very different per capita ecological impacts. Culture includes a population's technology and people's ways of organizing themselves. Each of us living in a "developed" country (i.e., industrialized far beyond anything conceivable to Malthus) has an enormously greater resource appetite and environmental impact than does each resident of a so-called "developing" country. For our grossly unsustainable manner of living, 6 billion is far too many. ** William R. Catton, ''Worse than Foreseen by Malthus (even if the living do not outnumber the dead)''. Washington State University (March 2000) *Life has now entered a {{W|sixth mass extinction}}. This is probably the most serious environmental problem, because the loss of a species is permanent, each of them playing a greater or lesser role in the living systems on which we all depend. The species extinctions that define the current crisis are, in turn, based on the massive disappearance of their component populations, mostly since the 1800s. The massive losses that we are experiencing are being caused, directly or indirectly, by the activities of Homo sapiens. They have almost all occurred since our ancestors developed agriculture, some 11,000 y ago. At that time, we numbered about 1 million people worldwide; now there are 7.7 billion of us, and our numbers are still rapidly growing. '''As our numbers have grown, humanity has come to pose an unprecedented threat to the vast majority of its living companions'''. ** Gerardo Ceballos, [[Paul R. Ehrlich]], and {{W|Peter H. Raven}}, ''[https://www.pnas.org/content/early/2020/05/27/1922686117 Vertebrates on the brink as indicators of biological annihilation and the sixth mass extinction]''. ''{{W|PNAS}}'', June 1, 2020. * We are in the sixth mass extinction event. Unlike the previous five, this one is caused by the overgrowth of a single species, ''Homo sapiens''. ** Gerardo Ceballos, [[Paul R. Ehrlich]], "[https://www.pnas.org/doi/10.1073/pnas.2306987120 Mutilation of the tree of life via mass extinction of animal genera]".'' {{W|PNAS}}'', 2023. * Over the last century the pace of many human activities has so accelerated, and human overpopulation grown so severe, to have created a dramatic global environmental transformation. Most natural ecosystem have been highly modified or have disappeared altogether, and the abundance of wildlife has been greatly reduced. **Ibid. * Our use of energy has been increasing ever since we discovered and mastered fire and developed agriculture, but mostly since we gained access to a vastly increased energy supply by extracting millions of years of stored and concentrated solar energy from the Earth’s crust in the form of fossil fuels. Combined with the development of new energy conversion techniques, this energy bonanza made it possible to lift the secular barriers to human population and output growth. The new energy sources, forms and uses that came online since the turn of the 19th century gave us access to more materials and enabled the invention of new and increasingly sophisticated exosomatic instruments (i.e. machines), which in turn made it possible to access ever more energy and matter and to transform them ever more effectively and efficiently. This resulted in a rapid rise in our total energy and material “throughput” (i.e. the flow of raw materials and energy from the biosphere’s sources, through the human ecosystem, and back to the biosphere’s sinks), which is what we commonly measure through the proxy concept of “economic growth”. This rise never stopped since then, even if the global distribution of the flows of energy and material inputs, outputs and wastes evolved over time. Our efforts to increase the “energy efficiency” of our machines and processes (i.e. reducing the amount of energy needed to perform certain tasks) never resulted in a reduction of the total energy we used, but on the contrary only contributed to create more room for increasing the rate of our consumption. ** François-Xavier Chevallerau, "[https://www.faninitiative.net/articles/the-age-of-energy-disruptions/ The Age of Energy Disruptions]". The FAN Initiative. December 10, 2021. * Environmental analysts regard a sustainable human population as one enjoying a modest, equitable middle-class standard of living on a planet retaining its biodiversity and with climate-related adversities minimized. Analysts' estimate[s] of that population size vary between 2 and 4 billion people, a figure obviously well below the present 7.9. ** Eileen Crist, {{W|William J. Ripple}}, Paul R. Ehrlich, William E. Rees, and Christopher Wolf {{cite journal|doi=10.1016/j.scitotenv.2022.157166|title=Scientists' warning on population|year=2022 |journal={{W|Science of the Total Environment}}|volume=845|issue= |pmid=35803428|pmc=|url=https://scientistswarning.forestry.oregonstate.edu/sites/default/files/Crist2022.pdf}} ===D=== * The situation in which we find ourselves today is unique as regards the magnitude and rate of growth of the human enterprise. The turn now being taken by the vicious circle is tremendous. […] The mastery of fire, one of humans' first instances of technological development, continues to be of paramount importance today with the burning of fossil fuels. And so the vicious circle of the development of humankind churns on, and does so with ever greater momentum due to the constantly increasing consumption of fossil fuels and metals, with only the tiniest sign of resistance in the form of the efforts of environmental organisations and green political parties. ** Craig Dilworth, ''Too Smart for Our Own Good'' (2009), Chapter 6: "The Vicious Circle Today" * The population boom of the last few centuries […] was made possible by massive advances in living standards, economic growth, surpluses of food, and vastly improved public health. All of this, however, was sustained by fossil fuels. Once fossil fuel reserves peak […] production, growth, and the amenities of modern life will gradually halt. Contemporary industrial society will downgrade into a “scarcity society” that manages on minimal energy, after which it will become a “salvage society” that scrapes survival from the refuse of the defunct urban buildings, information networks, and industrial centers. ** Rick Docksai, "Is Civilization Doomed?" ''The Futurist''. March/April 2010. === E === *Part of human impact on the earth relates to our swiftly growing numbers. If we do not take deliberate, conscious action to maintain a reasonable balance between the numbers of people and the environmental wealth required to sustain us, nature will make appropriate adjustments, and famine, disease, and wars-the predictable outcomes of living beyond one's environmental means, of overspending environmental capital-will ultimately force a cruel discipline. **[[Sylvia Earle]], ''Sea Change: A Message of the Oceans'' (1995) * The key to understanding overpopulation is not population density but the numbers of people in an area relative to its resources and the capacity of the environment to sustain human activities; that is, to the area’s carrying capacity. When is an area overpopulated? When its population can’t be maintained without rapidly depleting nonrenewable resources... By this standard, the entire planet and virtually every nation is already vastly overpopulated. ** Paul R. Ehrlich, ''The Population Explosion'' (1990) *The debate regarding which individual factor, among the three key factors producing the environmental crisis, causes more damage - the size of the human population on the planet, excessive consumption of resources, or unequal/ unjust distribution of resources among countries [the wealthier countries consume much more resources, per person on average than poorer countries] - is like a debate about which contributes more to a triangle, the base or the ribs of the triangle. You can not separate the three factors. If we analyze the numbers over a relatively longer time interval, we will conclude that the size of the population has a bigger impact than consumption. On the other hand, consumption and unequal distribution are also important aspects. If we do not change these three factors all at the same time, the quality of our life will change dramatically. Today '''humanity is delivering a serious blow to [the rest of] nature, but it is clear that nature will deliver the final blow.''' ** Paul R. Ehrlich, ''[http://www.haaretz.co.il/1.1875624 People should produce far fewer children, or expect the worst]'' (Dec. 2012) *Earth is home to millions of species. Just one dominates it. Us. '''Our cleverness, our inventiveness, and our activities have modified almost every part of our planet. In fact, we are having a profound impact on it. Indeed, our cleverness, our inventiveness, and our activities are now the drivers of every global problem we face. And every one of these problems is accelerating as we continue to grow towards a global population of ten billion. In fact, I believe we can rightly call the situation we're in right now an emergency – an unprecedented planetary emergency.''' **{{W|Stephen Emmott}}, ''[https://www.theguardian.com/environment/2013/jun/30/stephen-emmott-ten-billion 10 Billion]'', as summarized in ''The Guardian'', June 30, 2013. *We humans emerged as a species about 200,000 years ago. In geological time, that is really incredibly recent. Just 10,000 years ago, there were one million of us. By 1800, just over 200 years ago, there were 1 billion of us. By 1960, 50 years ago, there were 3 billion of us. There are now over 7 billion of us. By 2050, your children, or your children's children, will be living on a planet with at least 9 billion other people. Some time towards the end of this century, there will be at least 10 billion of us. Possibly more. We got to where we are now through a number of civilization-and society-shaping “events”; most notably, the agricultural revolution, the scientific revolution, and—in the West—the public-health revolution. These events have fundamentally shaped how we live, and have fundamentally shaped our planet. Their legacy will continue to shape our future. So we need to look at our growth and activities through the lens of these developments. One of the principal reasons for this growth was the invention of agriculture. The “agricultural revolution” enabled us to go from being hunter-gatherers to highly organized producers of food, and allowed our population to grow. A useful way to think of the development and importance of agriculture is in terms of at least three agricultural “revolutions.” The first took place over 10,000 years ago. This was the domestication of animals and the cultivation of plant types. The second agricultural revolution was between the fifteenth and nineteenth centuries. This was a revolution in agricultural productivity and the mechanization of food production. The third happened between the 1950s and 2000s; the so-called “green revolution.” But there’s another story here: the start of a fundamental transformation—of land use—by humans. **Stephen Emmott, ''10 Billion'' (2013) * As our numbers continue to grow, we continue to increase our need for far more water, far more food, far more land, far more transportation, and far more energy. As a result, we are now accelerating the rate at which we’re changing our climate. In fact, our activities are not only completely interconnected with, but are now also interacting with, the complex system we live on: Earth. It is important to understand how all this is connected. An increasing population accelerates the demand for more water and more food. Demand for more food increases the need for more land, which accelerates deforestation. Increasing demand for food also increases food processing and transportation. All of these accelerate the demand for more energy. This then accelerates greenhouse gas emissions, principally CO2 and methane, which further accelerate climate change. As climate change accelerates, it increases stress on water, food, and land. And at the same time, an increasing population also accelerates stress on water, food, and land. In short, as population increases, and as economies grow, stress on the entire system accelerates sharply. ** Ibid. * Saying “Don’t have children” is utterly ridiculous. It contradicts every genetically coded piece of information we contain, and (at least in their conception) one of the most important (and fun) impulses we have. That said, the worst thing we can continue to do—globally—is have children at the current rate. Even if a global nuclear power program were set up, even if geoengineering somehow took care of the climate-change problem, and even if we consumed less, we’d still at some point hit a brick wall if the human population continues to grow at anything like its current rate. We all know there’s a link between educating women in the developing world and reducing the birth rate. But despite this, and despite contraception being free in a number of countries where population is increasing, average birth rates are still three, five, or even seven children per woman. According to the United Nations, Zambia’s population is projected to increase by 941 percent by the end of the century. The population of Nigeria is projected to grow by 349 percent—to 730 million people. Afghanistan by 242 percent, The Democratic Republic of Congo by 213 percent, Gambia by 242 percent, Guatemala by 369 percent, Iraq by 344 percent, Kenya by 284 percent, Liberia by 300 percent, Malawi by 741 percent, Mali by 408 percent, Niger by 766 percent, Somalia by 663 percent, Uganda by 396 percent, Yemen by 299 percent. Even the United States is projected to grow by 53 percent by 2100, from 315 million in 2012 to 478 million. I do just want to point out that if the current global rate of reproduction continues, by the end of this century there will not be ten billion of us. There will be twenty-eight billion of us. ** Ibid. * If we discovered tomorrow that there was an asteroid on a collision course with Earth, and—because physics is a fairly simple science—we were able to calculate that it was going to hit Earth on June 3, 2072, and we knew that its impact was going to wipe out 70 percent of all life on Earth, governments worldwide would marshal the entire planet into unprecedented action. Every scientist, engineer, university, and business would be enlisted: half to find a way of stopping it, the other half to find a way for our species to survive and rebuild if the first option were unsuccessful. We are in almost precisely that situation now, except that there isn’t a specific date and there isn’t an asteroid. The problem is us. Why we are not doing more about the situation we’re in—given the scale of the problem and the urgency—I simply cannot understand. We’re spending 8 billion euros (about 11 billion dollars [at the writing's current exchange]) at {{W|CERN}} to discover evidence of a particle called the Higgs-Boson, which may or may not eventually explain the concept of mass and provide a partial thumbs-up for the “standard model” of particle physics. And CERN’s physicists are keen to tell us it is the biggest, most important experiment on Earth. It isn’t. The biggest and most important experiment on Earth is the one we're all conducting, right now, on Earth itself. Only an idiot would deny that there is a limit to how many people our Earth can support. The question is, is it seven billion (our current population), 10 billion or 28 billion? I think we've already gone past it. Well past it. We could change the situation we are now in. Probably not by technologizing our way out of it, but by radically changing our behavior. But there is no sign that this is happening, or about to happen. I think it’s going to be business as usual for us. ** Ibid. ===F=== * Whether or not such a hypothesis fully accounts for the population increase that accompanies a sedentary life, there can be no doubt that human numbers soared. In the interval from 10,000 to 6000 years ago—a mere 160 human generations—the population of the Near East is estimated to have increased from less than 100,000 people to more than three million. With each increase, additional pressure was placed upon the food producers to domesticate new species and to invent new technologies, such as those based on the plow and on irrigation. Human beings now found themselves on a treadmill from which to this day they have not been able to get off. They are still plagued by the basic paradox of food production: Intensification of production to feed an increased population leads to a still greater increase in population. **[[Peter Farb]], ''Humankind'' (1978), p. 121 *During the brief time since James Watt's commercial production of the improved Newcomen steam engine in 1775, a revolution unparalleled in human history has occurred at all levels of society and has penetrated all aspects of culture. The technological innovations are, of course, dramatic, but equally important are the biological, political, social, and economic consequences of modernization. From a biological perspective, the most important consequence is the extension of the human life span and the growth in human numbers. In the past two centuries, life expectancy has nearly tripled and the population of our species has multiplied five times over. **Ibid. p. 189 * If left unchecked, populations (of any organism) tend to grow exponentially. But they never grow forever. Eventually resources are depleted and the population declines. When the population is again small enough that resources are plentiful, exponential growth resumes. The result is a boom-bust cycle — stability through fluctuation.<br>Of course, if the fluctuations are huge, we can hardly call this ‘stability’. But in most healthy ecosystems, population fluctuations are small. The key to dampening boom-bust cycles appears to be diversity. When there are many species in an ecosystem, each keeps the population of others in check. Prolonged exponential growth never gets a foothold. ** Blair Fix, "[https://economicsfromthetopdown.com/2020/09/12/frederick-soddys-debt-dynamics/ Frederick Soddy's Debt Dynamics]." ''Economics from the Top Down'' (September 12, 2020) * Overpopulation is described as a societal problem, with the individual and collective behavior of people as a causal agent. ** Angela K. Fournier & E. Scott Geller [https://link.springer.com/article/10.5210/bsi.v13i1.35 Behavior Analysis of Companion-Animal Overpopulation: A Conceptualization of the Problem and Suggestions for Intervention] (1 May 2004) === G === * What are [we] made of, fairy dust and happy thoughts? No, [we] are made of proteins — of food! Without a sufficient food supply, such a population cannot be achieved. We understand this as a basic biological fact for every other species on this planet, that population is a function of food supply. Yet we continue to believe that the magic of free will exempts us from such basic biological laws. ** Jason Godesky, ''[https://theanarchistlibrary.org/library/jason-godesky-thirty-theses Thirty Theses]'' (2006), Thesis #4: "Human population is a function of food supply." * When the First World rushes in with foreign aid, food, and humanitarian aid to a desert area in the midst of a famine, we serve to prop up an unsustainable population. That drives a population boom in an area that already cannot support its existing population. The result is a huge population dependent on outside intervention that itself cannot be indefinitely sustained. Eventually, that population will crash once outside help is no longer possible — and the years of aid will only make that crash even more severe. In the same way that the United States’ policy of putting out all forest fires in the 1980s led to an even worse situation in its forests, our benevolence and good intentions have paved the way to a Malthusian hell. ** Ibid. * The human race currently consumes some 40% of the earth’s photosynthetic capacity. This monopoly on the earth’s resources is having a devastating effect. We are seeing the extinction of some 140 species every day, some thousands of times higher than the normal background rate. Today, right now, we are seeing extinction rates unparalleled in the history of the earth. We are undeniably in the midst of the seventh mass extinction event in the history of the earth — the Holocene Extinction. Unlikely previous extinction events, however, this one is driven by a single species. This is the true danger of overpopulation, not our inability to feed a growing population. As much as we would deny it, we depend on the earth to live. Dwindling biodiversity threatens the very survival of our species. We are literally cutting the ground out from under our feet. Increasing food production only increases the population; our current attitudes about food security has locked us into what Daniel Quinn called a “Food Race,” by comparison to the Arms Race of the Cold War. ** Ibid. * Overpopulation is the root cause of all other environmental problems … [and] is the natural consequence of the Food Race — driven by the constant need to expand. That need is a systemic consequence of complex society. The alternative to overpopulation, then, is to reverse the trend of intensifying complexity and accept greater simplicity: in a word, collapse. ** Jason Godesky, ''Thirty Theses'' (2006), Thesis #17: "Environmental problems may lead to collapse." * The main driving force behind the Holocene Extinction is the twin forces of overpopulation and intensified agricultural production. As more land is converted into cultivated fields, we approach important tipping points in how much of the world’s photosynthetic capacity is tied up in a single species. Deforestation is driven primarily by the need to feed an ever-growing populaton, but also for that population’s other resource needs, such as lumbering and mining. That deforestation has been responsible for anthropogenic atmospheric change for thousands of years, but as the positive feedback loop of the Food Race reached new levels, we were forced to either adopt fossil fuels, or collapse. Those fuels have intensified our atmospheric impact to obscene levels, yielding a new crisis in global warming. We do not face a long laundry list of environmental problems: we face a single, multi-faceted crisis. That crisis is complex society itself. The problems we face are the direct consequence of the positive feedback loop of complex society, and the Food Race in particular. **Ibid. * If nobody died the planet would soon run out of room for more people. How would this world be run (our political systems are far from perfect now); who would decide what type of house one lived in, what type of food one ate? What would we do for a living? ** Lori Gosselin, "[https://lifeforinstance.com/would-you-like-to-live-in-a-perfect-world/ Would You Like to Live in a Perfect World?]" * The study of population is not a very exact science. No one forecast the population collapse that is occurring in post-communist European Russia, or the scale of the fall in fertility that is under way [sic] in much of the world. The margin of error in calculations of fertility and life expectancy is large. Even so, a further large increase is inevitable. […] A human population of approaching 8 billion [sic] can be maintained only by desolating the Earth. If wild habitat is given over to human cultivation and habitation, if rainforests can be turned into green deserts, if genetic engineering enables ever-higher yields to be extorted from the thinning soils – then humans will have created for themselves a new geological era, the Eremozoic, the Era of Solitude, in which little remains on the Earth but themselves and the prosthetic environment that keeps them alive. ** [[John Gray]], ''[[Straw Dogs (book)|Straw Dogs]]'' (2002), Chapter 1: "The Human" * The future is brutally simple to anticipate; all overshot species collapse, and we have – by [apparently] transcending time via the levering of fossil energy – levered our species’ overshoot more than any ever has (or, almost certainly, ever could). **Murray Grimwood, "[https://www.interest.co.nz/public-policy/128237/murray-grimwood-says-future-will-be-so-different-we-need-go-back-basics-and Wither science; whither education?]". ''Interest'' (15 June 2024) * Over the last century, billions have enjoyed better, fuller and more enriched lives than their ancestors could dream of—but when all the bills for that are paid who knows how the ledgers of the two enterprises will stand? ** Sumit Guha [https://journals.lww.com/coas/fulltext/2006/04030/the_retreat_of_the_elephants__an_environmental.9.aspx in his review of Mark Elvin's ''The Retreat of the Elephants''] (2006) * My growing environmental awareness only adds more fuel to the argument for having no children. And the logic of never-ending consumption does not just harm the environment, it kills people too. ** [[w:Xiaolu Guo|Xiaolu Guo]], ''Once Upon A Time in the East: A Story of Growing up'', Chatto & Windus, 2017, page 305 (ISBN 9781784740689). === H === * The skeleton of our primate ancestors developed for millions of years to support a creature that walked on all fours and had a relatively small head. Adjusting to an upright position was quite a challenge, especially when the scaffolding had to support an extra-large cranium. Humankind paid for its lofty vision and industrious hands with backaches and stiff necks.<br>Women paid extra. An upright gait required narrower hips, constricting the birth canal - and this just when babies’ heads were getting bigger and bigger. Death in childbirth became a major hazard for human females. Women who gave birth earlier, when the infants brain and head were still relatively small and supple, fared better and lived to have more children. Natural selection consequently favoured earlier births. And, indeed, compared to other animals, humans are born prematurely, when many of their vital systems are still underdeveloped. A colt can trot shortly after birth; a kitten leaves its mother to forage on its own when it is just a few weeks old. Human babies are helpless, dependent for many years on their elders for sustenance, protection and education.<br>This fact has contributed greatly both to humankind’s extraordinary social abilities and to its unique social problems. Lone mothers could hardly forage enough food for their offspring and themselves with needy children in tow. Raising children required constant help from other family members and neighbours. It takes a tribe to raise a human. Evolution thus favoured those capable of forming strong social ties. In addition, since humans are born underdeveloped, they can be educated and socialised to a far greater extent than any other animal. Most mammals emerge from the womb like glazed earthenware emerging from a kiln - any attempt at remoulding will scratch or break them. Humans emerge from the womb like molten glass from a furnace. They can be spun, stretched and shaped with a surprising degree of freedom. This is why today we can educate our children to become Christian or Buddhist, capitalist or socialist, warlike or peace-loving. ** Yuval Noah Harari, ''Sapiens'' (2014), Part I: "The Cognitive Revolution", Chapter 1: "An Animal of No Significance". * Rather than heralding a new era of easy living, the Agricultural Revolution left farmers with lives generally more difficult and less satisfying than those of foragers. Hunter-gatherers spent their time in more stimulating and varied ways, and were less in danger of starvation and disease. '''The Agricultural Revolution certainly enlarged the sum total of food at the disposal of humankind, but the extra food did not translate into a better diet or more leisure. Rather, it translated into population explosions and pampered elites.''' The average farmer worked harder than the average forager, and got a worse diet in return. The Agricultural Revolution was history’s biggest fraud. ** Yuval Noah Harari, ''Sapiens'' (2011), Part II: "The Agricultural Revolution", Chapter 5: "History's Biggest Fraud" * The last 500 years have witnessed a phenomenal and unprecedented growth in human power. In the year 1500, there were about 500 million Homo sapiens in the entire world. Today, there are 7 billion. The total value of goods and services produced by humankind in the year 1500 is estimated at $250 billion, in today’s dollars. Nowadays the value of a year of human production is close to $60 trillion. In 1500, humanity consumed about 13 trillion calories of energy per day. Today, we consume 1,500 trillion calories a day. (Take a second look at those figures — human population has increased fourteenfold, production 240-fold, and energy consumption 115-fold.) ** Yuval Noah Harari, ''Sapiens'' (2011), Part IV: "The Scientific Revolution", Chapter 14: "The Discovery of Ignorance". * Since the Industrial Revolution, the world's human population has burgeoned as never before. In 1700 the world was home to some 700 million humans. In 1800 there were 950 million of us. By 1900, we almost doubled our numbers to 1.6 billion. And by 2000, that quadrupled to 6 billion. Today [as of this writing] there are just shy of 7 billion Homo Sapiens. ** Yuval Noah Harari, ''Sapiens'' (2011), Part IV: "The Scientific Revolution", Chapter 18: "A Permanent Revolution". * Today [as of this writing], the earth's continents are home to almost 7 billion Sapiens. If you took all these people and put them on a large set of scales, their combined mass would be about 300 million tons. If you then took all our domesticated farmyard animals—cows, pigs, sheep, and chickens—and placed them on an even larger set of scales, their mass would amount to about 700 million tons. In contrast, the combined mass of all surviving large wild animals—from porcupines and penguins to elephants and whales—is less than 100 million tons. Our children’s books, our iconography, and our TV screens are still full of giraffes, wolves, and chimpanzees, but the real world has very few of them left. There are about 80,000 giraffes in the world, compared to 1.5 billion cattle; only 200,000 wolves, compared to 400 million domesticated dogs; only 250,000 chimpanzees—in contrast to billions of humans. Humankind really has taken over the world. ** Ibid. * Around 1990, we became the most numerous mammalian species on the planet, outnumbering even rats. ** [[Thom Hartmann]], ''The Last Hours of Ancient Sunlight'' (1999), p. 18 (ISBN 9780609805299) * All measures to thwart the degradation and destruction of our ecosystem will be useless if we do not cut population growth. By 2050, if we continue to reproduce at the current [but declining] rate, the planet will have between 8 billion and 10 billion people, according to a recent U.N. forecast. This is a 50 percent increase. And yet government-commissioned reviews, such as the Stern report in Britain, do not mention the word population. Books and documentaries that deal with the climate crisis, including [[আল গোর]]’s ''[[An Inconvenient Truth]]'', fail to discuss the danger of population growth. This omission is odd, given that a doubling in population, even if we cut back on the use of fossil fuels, shut down all our coal-burning power plants and build seas of wind turbines, will plunge us into an age of extinction and desolation unseen since the end of the Mesozoic era, 65 million years ago, when the dinosaurs disappeared. ** [[Chris Hedges]], "[https://www.truthdig.com/articles/we-are-breeding-ourselves-to-extinction/ We Are Breeding Ourselves to Extinction]", March 9, 2009. *We are experiencing an accelerated obliteration of the planet’s life forms — an estimated 8,760 species die off per year — because, simply put, there are too many people. Most of these extinctions are the direct result of the expanding need for energy, housing, food, and other resources. '''The Yangtze River dolphin, Atlantic gray whale, West African black rhino, Merriam's elk, California grizzly bear, silver trout, blue pike, dusky seaside sparrow are all victims of human overpopulation.''' Population growth, as [[E. O. Wilson]] says, is "the monster on the land." Species are vanishing at a rate of a hundred to a thousand times faster than they did before the arrival of humans. If the current rate of extinction continues, Homo sapiens will be one of the few life forms left on the planet, its members scrambling violently among themselves for water, food, fossil fuels, and perhaps air until they too disappear. Humanity, Wilson says, is leaving the Cenozoic, the age of mammals, and entering the Eremozoic — the era of solitude. As long as the Earth is viewed as the personal property of the human race, a belief embraced by everyone from born-again Christians to Marxists to free-market economists, we are destined to soon inhabit a biological wasteland. ** Ibid. * A world where 8 billion to 10 billion people are competing for diminishing resources will not be peaceful. The industrialized nations will, as we have done in Iraq, turn to their militaries to ensure a steady supply of fossil fuels, minerals and other nonrenewable resources in the vain effort to sustain a lifestyle that will, in the end, be unsustainable. The collapse of industrial farming, which is made possible only with cheap oil, will lead to an increase in famine, disease and starvation. And the reaction of those on the bottom will be the low-tech tactic of terrorism and war. Perhaps the chaos and bloodshed will be so massive that overpopulation will be solved through violence, but this is hardly a comfort. ** Ibid. * Our core ecological problem is not climate change. It is overshoot, of which global warming is a symptom. Overshoot is a systemic issue. Over the past century-and-a-half, enormous amounts of cheap energy from fossil fuels enabled the rapid growth of resource extraction, manufacturing, and consumption; and these in turn led to population increase, pollution, and loss of natural habitat and hence biodiversity. The human system expanded dramatically, overshooting Earth’s long-term carrying capacity for humans while upsetting the ecological systems we depend on for our survival. Until we understand and address this systemic imbalance, symptomatic treatment (doing what we can to reverse pollution dilemmas like climate change, trying to save threatened species, and hoping to feed a burgeoning population with genetically modified crops) will constitute an endlessly frustrating round of stopgap measures that are ultimately destined to fail. ** {{W|Richard Heinberg}}, "[https://www.ecowatch.com/climate-change-heinberg-2471869927.html Systemic Change Driven by Moral Awakening Is Our Only Hope]." ''EcoWatch'' (August 14, 2017). * During the last 200 years, per capita energy usage grew eight-fold, while human population expanded at about the same rate. As a result of energy growth, all the things we do with energy became more doable. Transportation, manufacturing, agriculture, and mining exploded in scale. Energy became so abundant that it seemed we could solve any human problem, now or in the future, just by throwing more energy at it. We even reconfigured our economic system so that it assumes and requires perpetual growth. But growth in fossil-fuel energy can’t continue much longer: depletion and climate change will see to that. And even if we make a wholehearted effort to switch to low-carbon energy sources, we face limits to nature’s supplies of materials with which to make solar panels, wind turbines, nuclear reactors, and batteries. The ways we’re currently trying to share and manage power are insufficient also because we have failed to understand power itself. Rather than accepting that power limits exist, then surveying them and adapting ourselves to them, we try to finesse or deny them. We respond to climate change by hoping for a renewable energy transition—without questioning the amounts of energy we use or what we do with it. We deal with economic inequality by establishing minimal safeguards for the poor—without examining the structural means by which some people enrich themselves to absurd degrees. ** Richard Heinberg, "[https://www.resilience.org/stories/2021-03-23/understanding-power/ Understanding Power]", ''Resilience'' (March 23, 2021). * Prior to the widespread use of coal, oil, and natural gas, agrarian societies saw cyclical periods of rise and fall. But the scale of expansion since the dawn of the fossil-fueled industrial revolution, beginning roughly at the start of the 19th century, has been unprecedented. Energy usage per capita has grown 800 percent, as has population. Meanwhile, the contours of society have been transformed: for the first time in human history, most people now live in cities. ** {{W|Richard Heinberg}}, "[https://www.postcarbon.org/the-end-of-growth-ten-years-after/ The End of Growth: Ten Years After]." {{W|Post Carbon Institute}} (December 7, 2021). *Fossil fuels enabled a dramatic expansion of energy usable by humanity, in turn enabling unprecedented growth in human population, economic activity, and material consumption. **Richard Heinberg, "[https://richardheinberg.com/museletter-353-deadly-optimism-useful-pessimism Deadly Optimism, Useful Pessimism]". Republished in ''[https://www.resilience.org/stories/2022-07-14/deadly-optimism-useful-pessimism/ Resilience]'' (July 14, 2022). *Global human population has doubled three times in the past 200 years, surging from 1 billion in 1820 to 2 billion in 1927, to 4 billion in 1974, to 8 billion today. Its highest rate of growth was in the 1960s, at over 2 percent per year; that rate is now down to 1.1 percent. If growth continues at the current rate, we’ll have about 18 billion people on Earth by the end of this century. All of this would be fine if we lived on a planet that was itself expanding, doubling its available quantities of minerals, forests, fisheries, and soil every quarter-century, and doubling its ability to absorb industrial wastes. But we don’t. It is essentially the same beautiful but finite planet that was spinning through space long before the origin of humans. **Richard Heinberg, "[https://richardheinberg.com/museletter-356-the-final-doubling The Final Doubling]". Republished in ''[https://www.resilience.org/stories/2022-11-03/the-final-doubling/ Resilience]'' (November 1, 2022). *Agriculture enabled population growth and social complexity, but it gradually robbed soils of nutrients. Sailing ships guided with clocks and navigational charts could increase the scope of trade, but building wooden ships (and making charcoal for forging steel) was leading to the deforestation of whole continents. A reckoning with limits seemed to be in store. Then a miracle happened. People who lived in some key centers of global trade started using fossil fuels—energy sources capable of delivering power in previously unimaginable and seemingly endless quantities. Coal, oil, and natural gas enabled the development of transport technologies (steamships, railroads, cars, trucks, and airplanes) that overcame prior limits to the speed of travel and trade, so that products and resources that were abundant in one place could be transported to places where they were scarce. Fossil fuels could be used to increase the rates of resource extraction via powered mining machinery, and to process lower grades of ores as more concentrated ores were depleted. They could be fashioned into plastics and chemicals to substitute for some natural materials that were getting scarce, such as hardwoods and whale oil. And they could be made into artificial fertilizers, which could replace soil nutrients lost due to unsustainable agricultural practices. All these developments together enabled population growth at rates that far outstripped historic trends: human numbers expanded from one billion to eight billion in a mere two centuries. We were, in effect, stretching existing constraints on population and consumption to the point that it was difficult for many people to see that boundaries still existed at all. **{{W|Richard Heinberg}}, "[https://richardheinberg.com/museletter-358-why-understanding-limits-is-the-key-to-humanitys-future Why Understanding Limits Is the Key to Humanity’s Future]". Republished in ''[https://www.resilience.org/stories/2023-01-19/why-understanding-limits-is-the-key-to-humanitys-future/ Resilience]'' (19 January 2023). *As we’ve grown our population and our per capita consumption rates, we’ve been taking habitat away from other organisms. As a result, nature is in full retreat. Vertebrate and invertebrate animal species have suffered average population declines of 70 percent in the past 50 years, and thousands of plant species are endangered as well. **{{W|Richard Heinberg}}, "[https://richardheinberg.com/museletter-358-why-understanding-limits-is-the-key-to-humanitys-future Why Understanding Limits Is the Key to Humanity’s Future]". Republished in ''[https://www.resilience.org/stories/2023-01-19/why-understanding-limits-is-the-key-to-humanitys-future/ Resilience]'' (19 January 2023). *For a population of field mice in overshoot, the critical resource might consist of small plants whose unusually robust growth has been triggered by high levels of rainfall. For humanity currently, the critical resource is fossil energy. Temporary energy abundance has led to many good things (for some of us, anyway): more food, more people, more commercial products, more knowledge, more comfort, and more convenience. But we are about to become victims of our own success. **{{W|Richard Heinberg}}, "[https://richardheinberg.com/museletter-358-why-understanding-limits-is-the-key-to-humanitys-future Why Understanding Limits Is the Key to Humanity’s Future]". Republished in ''[https://www.resilience.org/stories/2023-01-19/why-understanding-limits-is-the-key-to-humanitys-future/ Resilience]'' (19 January 2023). *It’s sad when loved ones die, and few of us look forward to our own demise; hence the perennial quest for an elixir of eternal life, or at least a cure for cancer. But if nobody died, the planet would quickly fill with humans and empty of all the things that feed and provision us. Death clears space for new life; it is the non-negotiable price of admission to the great banquet of existence. ** {{W|Richard Heinberg}}, "[https://richardheinberg.com/museletter-358-why-understanding-limits-is-the-key-to-humanitys-future Why Understanding Limits Is the Key to Humanity’s Future]". Republished in ''[https://www.resilience.org/stories/2023-01-19/why-understanding-limits-is-the-key-to-humanitys-future/ Resilience]'' (19 January 2023). *The past few thousand years of human history have already seen several critical accelerators. The creation of the first monetary systems roughly 5,000 years ago enabled a rapid expansion of trade that ultimately culminated in our globalized financial system. Metal weapons made warfare deadlier, leading to the takeover of less-well-armed human societies by kingdoms and empires with metallurgy. Communication tools (including writing, the alphabet, the printing press, radio, television, the internet, and social media) amplified the power of some people to influence the minds of others. And, in the past century or two, the adoption of fossil fuels facilitated resource extraction, manufacturing, food production, and transportation, enabling rapid economic expansion and population growth. Of those four past accelerators, our adoption of fossil fuels was the most potent and problematic. In just two centuries, energy usage per capita has increased eightfold, as has the size of the human population. The period since 1950, which has seen a dramatic increase in the global reliance on petroleum, has also seen the fastest economic and population growth in all of human history. Indeed, historians call it the “Great Acceleration.” Neoliberal economists hail the Great Acceleration as a success story, but its bills are just starting to come due. Industrial agriculture is destroying Earth’s topsoil at a rate of tens of billions of tons per year. Wild nature is in retreat, with animal species having lost, on average, 70 percent of their numbers in the past half-century. And we’re altering the planetary climate in ways that will have catastrophic repercussions for future generations. It’s hard to avoid the conclusion that the whole human enterprise has grown too big, and that it is turning nature (“resources”) into waste and pollution far too quickly to sustain itself. The evidence suggests we need to slow down, and, in some cases at least, reverse course by reducing population, consumption, and waste. **Richard Heinberg, "[https://richardheinberg.com/museletter-363-polycrisis-unraveling-simplification-or-collapse Polycrisis, Unraveling, Simplification, or Collapse]". Republished in ''[https://www.resilience.org/stories/2023-06-15/polycrisis-unraveling-simplification-or-collapse-coming-soon-to-a-planet-near-you/ Resilience]'' (June 15, 2023). *Depleting and climate-changing coal, oil, and natural gas have brought about dramatic human population growth, along with immense profits and unprecedented wealth (for the few). But all of these presumed and probably transitory benefits have been based on depleting natural resources, and on processes that are perilously changing the climate and degrading ecosystems across the planet. Every time we pick up a gasoline-powered machine we are viscerally linked to that chain of ersatz benefits and spiraling impacts. **Richard Heinberg, "[https://richardheinberg.com/museletter-368-the-gasoline-powered-leaf-blower-as-a-metaphor-for-industrial-society The Gasoline-Powered Leaf Blower as a Metaphor for Industrial Society]", republished in ''[https://www.resilience.org/stories/2023-11-01/the-gasoline-powered-leaf-blower-as-a-metaphor-for-industrial-society Resilience]'' (November 1, 2023). *Of course, we also have to think about the role of population going forward. The more the global population grows, the more difficult this challenge will be. As we approach this question, it's crucial—as always—that we focus on underlying structural drivers. Many women around the world do not have control over their bodies and the number of children they have. Even in liberal nations, women come under heavy social pressure to reproduce, often to the point where those who choose to have fewer or no children are interrogated and stigmatised. Poverty exacerbates these problems... And of course capitalism itself creates pressures for population growth: more people means more labour, cheaper labour, and more consumers. These pressures filter into our culture, and even into national policy: countries like France and Japan are offering incentives to get women to have more children, to keep their economies growing. **[[Jason Hickel]], ''Less is More: How Degrowth Will Save the World'', 2021, pp. 110-111 * No one lives within a day’s walk of a coal mine, an iron ore source, and a smelter that can operate without a source of electricity, plus food. The old smelters didn’t use electricity to drive the huge motors moving heavy hot metal and slag around. The first smelters were close to coal and iron ore sources, but we used them up; they no longer exist close to each other.<br>In the year 1500, we had a world population of around 450 million and grew massively over the next 250 years to the start of the industrial revolution by increasingly using the resources of the ‘new world’. We’ve been on an upward trajectory ever since, especially since around 1800 when fossil energy came into use.<br>People just don’t understand our extreme (and still growing) overpopulation problem given the imminent decline of oil, and especially diesel. Assuming “we’ll downsize this” or “relocalize that” ignores the fact that once oil supply shifts to contraction, the declines will be permanent year after year, and with diesel shortages the ability to build anything new all but disappears.<br>It will be a sad sight with suffering everywhere and increasing year after year. Survivors will have to be hard people, protecting and providing for their own, at the exclusion of others.<br>Everyone should look around their home and imagine it without the oil used to produce and deliver everything in it, because that’s the world of the future, with old decaying cold buildings and no food in cities. ** Hideaway (pseudonym for Helen Hasan), "[https://un-denial.com/2024/09/14/by-kira-hideaway-on-relocalization/ On Relocalization]". ''Un-Denial'', September 14, 2024. * Using all available resources to expand its population is what every species that’s ever existed has always done until some limit is reached. Consider a mouse plague, enabled by human agricultural practices, with its huge population until the next frost or the grain is eaten, then a massive die-off in a short time. ** Ibid. * We have over 8 billion humans on the planet, and 99.99% of them have no idea modernity is going to end abruptly, and when it does so will destroy the plans of the [few who] did see it coming and tried to prepare in some way. ** Ibid. * One might think Humanity’s success is guaranteed, except for a few things: First, the increasing scarcity of oil, coal, and natural gas suddenly threatens to remove the punch bowl from which Humanity has been feeding. Second, the carrying capacity of the Earth is far less than 8 billion humans unless we continue to supplement with increasingly scarce resources. And, last, our centuries-long party has now broken the Earth in ways Humanity cannot repair. ** Preston Howard, "[https://un-denial.com/2023/09/28/by-preston-howard-the-maximum-power-principle-and-why-it-underscores-the-certainty-of-human-extinction-in-the-near-future/ The Maximum Power Principle and Why It Underscores the Certainty of Human Extinction in the Near Future]." ''Un-Denial'' (September 28, 2023) * Is the proxy war in Ukraine turning out to be only a lead-up to something larger, involving world famine and a foreign-exchange crisis for food- and oil-deficit countries?<BR>U.S. Cold War strategy is not alone in thinking how to benefit from provoking a famine, oil and balance-of-payments crisis. [[w:Klaus Schwab|Klaus Schwab]]’s World Economic Forum worries that the world is overpopulated—at least with the “wrong kind” of people. '''As Microsoft philanthropist... Bill Gates has explained: “Population growth in Africa is a challenge.” His lobbying foundation’s 2018 “Goalkeepers” report warned: “According to U.N. data, Africa is expected to account for more than half of the world’s population growth between 2015 and 2050. Its population is projected to double by 2050,”''' with “more than 40 percent of world’s extremely poor people... in just two countries: Democratic Republic of the Congo and Nigeria.” Gates advocates cutting this projected population increase by 30 percent by improving access to birth control and expanding education to “enable more girls and women to stay in school longer, have children later.” But how can that be afforded with this summer’s looming food and oil squeeze on government budgets? ** [[Michael Hudson (economist)|Michael Hudson]], [https://michael-hudson.com/2022/06/is-us-nato-with-wef-help-pushing-for-a-global-south-famine/ Is US/NATO (with WEF help) pushing for a Global South famine?] (6 June 2022) === K === * Perhaps the most ambiguous of these [technological] achievements [of the [[Industrial Revolution|industrial age]]] is the one that began in mid-nineteenth century with improvements in public health, vaccinations, and antibiotics. These methods of death control emerged too rapidly to be offset by methods of birth control and populations exploded. Again, who can speak against this from within the old paradigm? In fact, it is only from the newer ecological paradigm that we are able to recognize that all this marvelous technology has... likely led the human population to overshoot the carrying capacity of the earth. Even from this perspective many of us would... want to save lives now in hopes that somehow there will be enough resources for those who come after us. In less complex animal populations, an overshoot leads to a crash, or die-off. Can humans somehow circumvent this conclusion without relying on further damaging drawdown strategies? … a basic change in our technologies, and acceptance of a steady state in economics reinforced by a compatible spiritual orientation, may at least mitigate human suffering and loss. ** Maynard Kaufman, ''Adapting to the end of oil'', 2008, p. 29. * Unlike plagues of the dark ages or contemporary diseases we do not yet understand, the modern plague of overpopulation is soluble by means we have discovered and with resources we possess. What is lacking is not sufficient knowledge of the solution but universal consciousness of the gravity of the problem and education of the billions who are its victims. ** [[মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র]], acceptance speech, Margaret Sanger award in human rights 1966; Lamont Hempil ''Sustainable communities''. * We have learned a lot in the 50 years since "{{W|The Population Bomb}}" was published. We should not shy away from discussing what actions are ethically permissible to facilitate a stable level of population growth, nor should we leave this discussion in the hands of the affluent. The conversation about ethics, population, and reproduction needs to shift from the perspective of white donor countries to the places and people most affected by poverty, climate change and environmental degradation. ** {{W|Frances Kissling}}, Jotham Musinguzi and [[Peter Singer]], "[https://www.washingtonpost.com/opinions/talking-about-overpopulation-is-still-taboo-that-has-to-change/2018/06/18/ca7c1838-6e6f-11e8-afd5-778aca903bbe_story.html Talking about overpopulation is still taboo. That has to change]". ''{{W|The Washington Post}}''. June 18, 2018. * All we can say now is, that, even now, 600 persons could easily live on a square mile; and that … 1,000 human beings—not idlers—living on 1,000 acres could easily, without … overwork, obtain … a luxurious vegetable and animal food, as well as the flax, wool, silk and hides necessary for their clothing. As to what may be obtained under still more perfect methods—also known but not yet tested on a large scale—is better to abstain from any forecast: so unexpected are the recent achievements of intensive culture. We thus see that the over-population fallacy does not stand the very first attempt at submitting it to a closer examination. ** [[Peter Kropotkin]], ''[[Peter Kropotkin#Fields, Factories and Workshops_(1899)|Fields, Factories and Workshops]]'' (1899) * It has been estimated that the world human population stood at about one billion around the early 1800s, which was roughly about when the industrial adventure began to gain traction. It has been inferred from this that a billion people is about the limit that the planet Earth can support when it is run on a nonindustrial basis. World population is now past six and a half billion, having more than doubled since my childhood in the 1950s. The mid-twentieth century was a time of rising anxiety over the “population explosion.” The marvelous technological victory over food shortages, including the “green revolution” in crop yields, accelerated that already robust leap in world population that had begun with modernity. Dramatic improvements in sanitation and medicine extended lives. Industry sopped up expanding populations and reassigned them from rural lands to work in the burgeoning cities. The perceived ability of the world to accommodate these newcomers and latecomers in a wholly new disposition of social and economic arrangements seemed [to] be the final nail in the coffin of [[Thomas Robert Malthus]]… ** [[James Howard Kunstler|James H. Kunstler]], ''{{W|The Long Emergency}}'', Chapter 1: "Sleepwalking into the future", pp. 5–6. * Malthus was certainly correct [that demand will outstrip supply], but... [hydrocarbons] ...skewed the [supply-demand] equation over the past [two] hundred years while the human race has enjoyed an unprecedented orgy of [a fraction of] nonrenewable condensed solar energy accumulated over eons of prehistory. The “green revolution” in boosting crop yields was minimally about scientific innovation in crop genetics and mostly about dumping massive amounts of fertilizers and pesticides made... of ...[petroleum] onto crops, as well as employing irrigation at a fantastic scale made possible by abundant oil and gas. The cheap oil age created an artificial bubble of plen[t]itude for a period not much longer than a human lifetime, a hundred years. Within that comfortable bubble, the idea took hold that only grouches, spoilsports, and godless maniacs considered population hypergrowth a problem [with a direct solution], and that to even raise the issue was indecent. ...As oil ceases to be cheap and the world reserves arc toward depletion, we will indeed suddenly be left with an enormous surplus population... that the ecology of the earth will not support. No political program of birth control will avail. The people are already here. The journey back to non-oil population homeostasis will not be pretty. '''We will discover the hard way that population hypergrowth was simply a side effect of the oil age.''' It was [more of] a condition [without a remedy], not a problem with a [direct] solution. That is what happened, and we are stuck with it. ** Ibid., p. 8. * '''Cheap oil had allowed populations to explode in precisely those parts of the world that had had, for millennia, a high infant mortality rate and modest life expectancy.''' Cheap oil was behind the "green revolution" that increased the food supply in the nonindustrial world. Oil was also behind many of the medicines and preventives that had neutralized… diseases. Now, suddenly, most of those children… survived, grew up, and produced more children who survived and grew up, and over… the twentieth century, the global populations hurtled into extreme numerical overshoot. Populations were, in effect, eating oil, notably in [the form of] food exports from the United States, where agribusiness had completely taken over from agriculture. Local farmers in Africa, Asia, or South America couldn’t compete with corporate Archer Daniels Midland’s oil-and-gas-based grain crops and U.S. government subsidies. ** James H. Kunstler, ''The Long Emergency'' (2005), Chapter 6: "Running on fumes : the hallucinated economy" pp. 187–188. * Peak human population will surely lag … peak oil and peak mineral resources until these conditions express themselves as food shortages. This means that the human population will continue to rise for a while, even as we begin to encounter these … strict resource limits. It’s not possible to estimate how much the population will increase because the relationship between energy and mineral resources and food production is a very fragile equation, subject to any number of discontinuities. To these, add the complications of weather disasters arising from climate change, including drought, the spread of plant diseases, and so forth. This lagging further rise in [the] human population will only make the inevitable contraction more acute once food shortages begin. [Overpopulation] amounts to a human population overshoot … to the planet Earth’s ecology. We're putting a strain on everything the earth has to offer us. While the combination of peak stuff and [too many] billion humans is forcing the issue, ...the truth is that '''circumstances will now determine what happens, not policies or personalities.''' … Population overshoot is therefore unlikely to yield to management. Rather, the usual suspects will enter the scene and do their thing: starvation, disease, … violence … [and] death. ** James H. Kunstler, ''Too Much Magic'', Chapter 1: "Where We're At", p. 10. === L === *Fossil fuels’ biggest impact on the agricultural sector stems from the use of natural gas in industrial fertilizer production. Industrial fertilizer was first mass-produced in 1914 using what came to be known as the {{W|Haber-Bosch process}}. This invention enabled the {{W|Green Revolution}}, a boom in agricultural production that took place in the latter half of the 20th century, starting in Mexico and India. From 1961 to 2010, cereal yields per acre increased by 217 percent in Mexico and 183 percent in India. It is no coincidence that the human population has more than quadrupled since 1920.<br>We often attribute the Green Revolution to the spread of high-yielding crop varieties. Yet these varieties typically require industrial fertilizer application. The Haber-Bosch method, combined with mechanization and pesticides derived from fossil fuels, [has] represented a massive and unsustainable injection of fossil fuels into our food system. Today, the production of one food calorie in the United States requires 2.7 fossil fuel calories. **Helene Langlamet and Alix Underwood. “[https://steadystate.org/a-trophic-perspective-on-fossil-fuels/ A Trophic Perspective on Fossil Fuels].” Center for the Advancement of the Steady State Economy, August 1, 2024. * Driven by the Anthropocene engine, human population has grown exponentially, and individual societies have approached collapse multiple times over the past 8,000 years. The disappearance of the Easter Island civilization and the collapse of the Mayan empire, for example, have been linked to the depletion of environmental resources as populations rose. The dramatic decline of the European population during the Black Death in the 1300s was a direct consequence of crowded and unsanitary living conditions that facilitated the spread of Yersenia pestis, or plague. ** Manfred Laubichler, [https://theconversation.com/8-billion-humans-how-population-growth-and-climate-change-are-connected-as-the-anthropocene-engine-transforms-the-planet-193075 8 billion humans: How population growth and climate change are connected as the ‘Anthropocene engine’ transforms the planet]. ''{{W|The Conversation (website)|The Conversation}}'', November 3, 2022. * In the 20th century we decisively broke our dependence on energy systems that were fed by the wind and sun and which we supplemented with human and animal muscle power. That leap was made possible by innovations that allowed us to extract, pump, use, and transform raw materials, particularly to unlock energy stored in coal and oil to make chemicals and plastics. That in turn allowed a massive expansion in population, lifespans, and economic growth. The rise of industrial capitalism from 1851 to 1971 went hand in hand with a surge in population, mainly in cities, provided with better food and public health. ** Charles Leadbeater, ''The Frugal Innovator'' (2014), p. 36. * On a global level, there is no threat to human survival greater than that posed by world overpopulation—paradoxical though that may seem—and it is abundantly clear that consensus decision making is ineffective for dealing with that. Some kind of “solution” is nonetheless unavoidable, and is certain to be ugly. To say that there is no visible world leadership on that transcendental question is to understate the case. Optimists on the population problem don’t measure progress in terms of a decrease in population, or even a decrease in the rate of increase, but in terms of a decrease in the rate of increase of the rate of increase. ** [[Harold Lewis]], ''Why Flip a Coin?'' (1997), <small> {{আইএসবিএন|0-471-16597-2}}, </small> pp. 98-99 * The human population will continue to increase until it can’t. When it can no longer increase, it will crash. Our extreme efforts to focus our minds elsewhere are symptoms of a desperate attempt to find solid footing, to believe in a future that will not vanish. Mankind has had a storied existence on Earth. Our thirst for knowledge and innovation has provided comfort and security. However, it is becoming increasingly evident that our remarkable progress has become our worst enemy. We know our planet is finite. Images of Earth from space make it plain for all to see. However, people routinely ignore this verifiable certainty in all aspects of their lives, treating the world as [if it were] infinite. Modern-day human activities are not only wiping out ecosystems and biodiversity but [also] plundering the clean air, water, and topsoil that helped bring about our tenure on the planet. Entire ecosystems have vanished, including the tallgrass prairie in North America, Madagascar’s rainforests, and the Aral Sea in Asia. '''We use Earth’s natural resources like a bunch of drunks on the greatest bender of all time.''' Human consumption is negatively modifying the planet and permanently damaging the biological systems upon which our continued existence depends. The deterioration of our ecosphere has been exponentially accelerating for at least 100,000 years. As technological advances improve our lives, humanity becomes increasingly detached from its environment and the natural resources allowing us to persist. People now have a much closer affinity with iPhones, Amazon, online shopping, restaurants and bars, Netflix, beauty salons, and sporting events than forests, grasslands, marshes, and oceans. Few now understand our existence on Earth is entirely dependent upon photosynthesis. Instead, they believe their survival is contingent on parents, doctors, farmers, governments, bankers, police, and other players in society. It’s not that those institutions, people, and specialties aren’t important, but they represent the retailers. Photosynthesis is the wholesaler. There is a supply chain disruption occurring on a massive scale in our relationship with the planet. The ancient forests and grasslands that provided the planet with free oxygen in the air and sequestered carbon dioxide, making it habitable for humans and other complex life, are nearly gone. For most people, the natural resources that support their existence and lifestyle might as well be from a distant galaxy. This extreme disconnect has resulted in people losing their capacity to understand the dire circumstances facing complex organisms on Earth, including themselves. The deafening alarm bells portending our extinction are routinely misunderstood or ignored. For those who perceive our state of crisis, there is a great deal of angst. Much of the frustration, anger, and sadness results from having unrealistic expectations of human beings. Despite our advanced technologies, the basic tenets of human behavior haven’t changed for centuries or millennia. Letting go of the false expectations that Homo sapiens can or will modify our behavior can bring us an element of peace. Expectations are incredibly powerful in structuring our moods and emotions. Identifying unrealistic expectations can reduce our chances of being disappointed and can increase happiness. A better understanding of our behavioral history can provide valuable insights into recognizing human capabilities and limitations. ** Lyle Lewis, ''Racing to Extinction'' (2024) * … as our population has grown, humans have been liquidating the planet’s natural resources for thousands of years. The effects of our current population on forests, grasslands, biodiversity, clean air, and water are catastrophic. Zero population growth means the planet would still be trying to support the current population, over 8 billion people. Humanity can no longer pay even the interest. We’ve already spent much of the planet’s clean air, water, and biodiversity with no mechanism for repayment. Zero population growth isn’t going to happen. We can’t curb our evolutionarily programmed need to grow and reproduce any more than we can stop the sun from rising. Like all populations of organisms on the planet, the number of humans will continue to increase until it’s no longer possible. When that day happens, Earth will be a truly inhospitable place. ** Lyle Lewis, ''Racing to Extinction: Why Humanity Will Soon Vanish'' (2024), Chapter 5. * In 1968, with the release of their book ''The Population Bomb'', [[Paul R. Ehrlich|Paul]] and Anne Ehrlich were among the first to identify the most significant factor that will precipitate the collapse of humanity. Their book inspired an environmentalist fad in the 1970s. The premise for the book was gradually rationalized away by most as the work of lunatics. It was listed by the Intercollegiate Review as one of the 50 worst books of the 20th century. In the Human Events list of the “Ten Most Harmful Books of the Nineteenth and Twentieth Centuries,” it garnered an 11th-place honorable mention. Since that time, the global population has more than doubled. During those five decades, humanity has identified six types of quarks, developed the modern internet, eradicated smallpox, decoded the human genome, and developed vaccines for Ebola and COVID-19. Despite all our new technologies and discoveries, the most basic concept of rapid human growth inside a finite system—our planet—leading to collapse is a concept too difficult for our greatest minds to reconcile. Humanity’s carefully calibrated psychological filters go into overdrive to prevent this simple mathematical postulate from entering our psyche. As seemingly prescient as the Ehrlichs were, our collision course with extinction was preordained long before their book was published in 1968. ** Lyle Lewis, ''Racing to Extinction: Why Humanity Will Soon Vanish'' (2024), Chapter 9. * Population growth vanished from the agendas of mainstream environmental organizations that previously regarded escalating numbers as a major environmental threat. These groups were primarily shackled by their fear of alienating donors, ultimately selling their purpose and integrity for money. Criticism from progressive and conservative interests claiming that overpopulation is a myth further incentivized these groups to pretend the rising global population wasn’t a factor in planetary degradation. ** Lyle Lewis, ''Racing to Extinction: Why Humanity Will Soon Vanish'' (2024), Chapter 9. * Those who defend the belief that overpopulation isn’t at the core of every environmental problem are not unique. Every myth presents itself as an authoritative, factual account, no matter how much the topic varies from natural law or ordinary experience. There is a long, bloody history of ''Homo sapiens'' defending myths against those who might either question their veracity or have a competing myth. It has resulted in the deaths of millions of people [and other animals] since the dawn of the Agricultural Revolution. As a result of ignoring the obvious reality, newborns are effectively positioned as moneymaking machines. The former prime minister of Japan suggested that women who bore no children should be barred from receiving pensions. In most countries, those who choose not to have children are required to pay for those who do through taxes. In this campaign for more babies, childbearing is reduced to a means for economic growth. Even though overpopulation, natural resource extraction, and environmental degradation are clearly linked, the needs of the economic market trump the needs of the planet. Children are nothing more than moneymakers in the eyes of politicians, forever blind to the moral, environmental, or humanitarian consequences of their policies. Market thinking has obliterated moral thinking on a grand scale. After all, if the West doesn’t produce more children, it can’t produce the wealth needed to look after parents when they retire. No social animal is ever guided by the interests of the entire species to which it belongs. No pika cares about the interests of the pika species; no northern spotted owl will lift a feather for the global northern spotted owl community; no wolf alpha male makes a bid for becoming the king of all wolves. Likewise, few humans care about the interests of ''Homo sapiens''. People only care about themselves and those who directly affect their lives. ** Lyle Lewis, ''Racing to Extinction: Why Humanity Will Soon Vanish'' (2024), Chapter 9. * Humanity has moved past the point where future generations are an issue. If there are any, they will be few in number. Ignoring the inevitable is something all species do. Humans are no different than bacteria in a Petri dish or a mountain pine beetle in a climate-stressed lodgepole pine forest. All available resources are utilized to grow and reproduce until the inevitable collapse. We’re traveling down the same path as all species that have gone through exponential increases. The only difference is ''Homo sapiens'' is doing it on a grander scale. The Herculean ability to ignore the greatest threat to our existence would be comical if not for the rapidly approaching consequential conclusion to our existence. ** Lyle Lewis, ''Racing to Extinction: Why Humanity Will Soon Vanish'' (2024), Chapter 9. * Economic and political instability will continue to increase as food and water supplies are impacted in more areas on the planet by pollution, drought, flooding, and other extreme weather events. However, while the focus is almost entirely on the supply side of the economic equation, the demand side may be the bigger issue. The planet is currently adding an additional 80 million mouths to feed each year, 4.5 times more people than the entire population of Syria. As the chasm between uncertain supplies and increasing demand widens, the social and biological implications for humanity are both unpredictable and alarming. ** Lyle Lewis, ''Racing to Extinction: Why Humanity Will Soon Vanish'' (2024), Chapter 9. * Many people, including environmentalists, often avoid linking the multitude of environmental problems to overpopulation. Some believe that a global shift to veganism could support the current population and more. Others attribute the crisis to various factors [that] are frequently cited as primary contributors to the ongoing environmental crisis, overshadowing the impact of population growth. ** Lyle Lewis, "The Locust Theory" (November 16, 2024) * [There's an] excessive number of humans who [want to] live a lifestyle that promotes equality, along with [others] being minimalist and/or vegan... [and] similar overpopulation by other organisms is considered a plague. ** Ibid. * Our emphasis [on] science has resulted in alarming rises in world populations that demand an ever-increasing emphasis [on] science to improve their standards and maintain their vigor. ** [[Charles Lindbergh]], ''The Wisdom of Wilderness'', ''{{W|Life (magazine)|LIFE}}'', December 22, 1967. * It is still the case that the worst enemies of life are, on the one hand, an excess of life (human life, in particular) and, on the other, the legislation and structure of societies based on {{W|market economy}}. The sturdier a society, the more peaceful it is; the more efficient {{W|economic growth}} (i.e., the ransacking of natural resources), the quicker {{W|Biodiversity loss|other forms of life will step aside}}. Everything that upsets the established order of society, causing chaos and panic, gives time to nature and, ultimately, humans too. ** [[Pentti Linkola]], ''Can Life Prevail?: A Revolutionary Approach to the Environmental Crisis.'' p. 166 === M === * Population, when unchecked, increases in a geometrical ratio, Subsistence, increases only in an arithmetical ratio. ** [[Thomas Robert Malthus]], ''An Essay on the Principle of Population'' (1798), Chapter I, paragraph 18, lines 1-2 * The power of population is so superior to the power in the earth to produce subsistence for man, that premature death must in some shape or other visit the human race. **Thomas Robert Malthus, ''An Essay on the Principle of Population'' (1798), Chapter VII, paragraph 20, lines 2-4 * What has caused the recent super-exponential rise in world population? Before the industrial revolution both fertility and mortality were comparatively high and irregular. The birth rate generally exceeded the death rate only slightly, and population grew exponentially, but at a very slow and uneven rate. In 1650 the average lifetime of most populations in the world was only about 30 years. Since then, [hu]mankind has developed many practices that have had profound effects on the population growth system, especially on mortality rates. With the spread of modern medicine, public health techniques, and new methods of growing and distributing foods, death rates have fallen around the world. […] On a world average the gain around the positive feedback loop (fertility) has decreased only slightly while the gain around the negative feedback loop (mortality) is decreasing. The result is an increasing dominance of the positive feedback loop and the sharp exponential rise in population […]. **Dennis Meadows et al. ''The Limits to Growth'' (1972), Chapter 1: "The Nature of Exponential Growth." * H. sapiens took around 250,000 years to reach a global population of 1 billion in 1820, and just over 200 years to go from 1 billion to 8 billion. This was largely made possible by our species’ access to cheap, easy, exosomatic energy, mainly fossil fuels. Fossil fuels enabled us to reduce negative feedback (e.g. food shortages) and thus delay and evade the consequences of surpassing natural limits. In that same 200 year period, fossil energy (FF) use increased 1300-fold, fueling a 100-fold increase in real gross world product, i.e. consumption, and the human enterprise is still expanding exponentially. ** Joseph J. Merz et al., "[https://journals.sagepub.com/doi/10.1177/00368504231201372 World scientists’ warning: The behavioural crisis driving ecological overshoot]". ''Science Progress'' Volume 106, No. 3 (2023) * There is no way we could keep going as we have been. The increase in human population in the 1990s has exceeded the total population in 1600. The population has grown more since 1950 than it did during the previous four million years. The reasons for our recent rapid growth are pretty clear. Although the Industrial Revolution speeded historical growth rates considerably, it was really the public health revolution, and its spread to the Third World at the end of the Second World War, that set us galloping. Vaccines and antibiotics came all at once, and right behind came population. In Sri Lanka in the late 1940s life expectancy was rising at least a year every twelve months. How much difference did this make? Consider the United States: if people died throughout this century at the same rate as they did at its beginning, America's population would be 140 million, not 270 million. ** [[Bill McKibben]], "[https://www.theatlantic.com/magazine/archive/1998/05/a-special-moment-in-history/377106/ A Special Moment in History]", ''The Atlantic'', May 1998. * The Earth's population is plagued by famines, energy shortages, epidemics, environmental pollution, degeneration, terrorism, dictatorship, anarchism, slavery, excessive increase of waste materials, racial hatred, food shortages, destruction of rain forests, the "greenhouse effect", pollution of lakes, streams and oceans, hatred towards asylum-seekers; radioactive emissions, chemical pollution of water, air, plants, food, human beings and animals. Crime, murder, mass murders, manslaughter; alcoholism, hatred of strangers, oppression, hatred of one's fellowman, extremism, sectarianism, drug addiction, overpopulation, annihilation of animal species, war, violence, torture and capital punishment, general mismanagement, water contamination, eradication of plant species; hatred, vice, jealousy, lovelessness, lack of logic, false humanitarianism, lack of housing, increased traffic, destruction of arable land, unemployment, the collapse of health care, the collapse of care for the elderly, destruction of nature, the collapse of solid waste removal, and the lack of living space, among others. In spite of the many efforts, '''mankind's problems are not decreasing but, instead, continue to rise steadily in direct proportion to population increases.''' ** {{W|Eduard Albert Meier}}, "[http://www.futureofmankind.co.uk/Billy_Meier/Overpopulation_Crusade A Crusade Against Overpopulation]," on ''futureofmankind.co.uk.'' * … technology use harnesses far more energy and materials than we could ever manage without it, and while doing so may make our lives much easier and more comfortable, it comes at the cost of increasing ecological overshoot. As we increase overshoot, we concomitantly increase all the symptom predicaments that overshoot causes. Technology use also has another nasty side effect. It reduces and/or eliminates negative feedbacks which once kept our numbers in check. Many diseases we once suffered from like smallpox, measles, whooping cough, tetanus, etc. have been temporarily eliminated by the technological development of vaccines. Our medical industry has also wiped out many other diseases through proper sanitation, use of antiseptics, anesthetics (allowing surgeries to correct most internal ailments), antibiotics, antifungals, and antivirals to kill or prevent many diseases, and many other innovations that allow us to live better, more comfortable lives. The development of indoor plumbing, electrical systems, heating and air conditioning systems, insulation, refrigerators and freezers, and cooking devices all allow us to accomplish daily tasks either much easier or provide more comfort to us by regulating temperature and humidity levels in our living spaces. Therefore, technology use reduces or removes negative feedback thereby promoting population growth which also promotes technology growth. However, in terms of reducing overshoot (and symptom predicaments such as climate change, energy and resource decline, pollution loading, and biodiversity decline), technology use is '''''maladaptive'''''. This will become painfully clear as time moves forward when more or different technology does not actually solve overshoot. [[Population decline]] is what will actually work to reduce overshoot, caused by the failure of our agricultural systems, increased disease caused by antimicrobial resistance and new viruses emerging, and increased failures of infrastructural systems caused by extreme weather events. Reduced technology use will be facilitated by this mechanism, and ALL species wind up experiencing die-off whether they use technology or not. ** Erik Michaels, "[https://problemspredicamentsandtechnology.blogspot.com/2023/07/how-did-we-get-here.html How Did We Get Here?]" (July 19, 2023). * Most non-domesticated life on earth is in decline and about 200 species a day are going extinct due to a wide range of environmental problems. Many humans are at risk of being harmed or killed by related problems this century.<br>All of the many problems are caused by the same thing: humans have used non-renewable energy to explode their population from 1 billion to 7 billion in 100 years, and now consume so large a share of the earth’s resources that almost all non-domesticated species are in decline. ** Rob Mielcarski, "[https://un-denial.com/2016/03/25/overpopulation-denial/ Overpopulation Denial]." ''Un-Denial'' (March 25, 2016). * We’re in serious trouble. Many red lights are flashing on the dashboard.<br>Most people are now aware that something is seriously wrong, and each has their favorite lens through which to view the problems… The common denominator to all of these problems is overshoot. Very few people are able to see through the lens of overshoot because overshoot is a very unpleasant topic with no painless solutions and no way to avoid its consequences, and because humans evolved to deny unpleasant realities like overshoot. ** Rob Mielcarski, "[https://un-denial.com/2025/06/06/what-should-can-could-will-we-do/ What… Will We Do?]." ''Un-Denial'' (June 6, 2025). * Human numbers are rising at roughly 1.2% a year, while {{W|livestock}} numbers are rising at around 2.4% a year. By 2050 the world’s living systems will have to support about 120m tonnes of extra humans and 400m tonnes of extra farm animals. ** [[George Monbiot]], "[https://www.theguardian.com/commentisfree/2015/nov/19/population-crisis-farm-animals-laying-waste-to-planet There’s a population crisis all right. But probably not the one you think]". ''The Guardian''. November 19, 2015. * [[ফ্রান্সিস বেকন|Bacon]]ian science is at the root of the apocalypse. We have been blessed by advances in medicine, agriculture and engineering. Science has done exactly what we asked of it and now we are set for annihilation. If European science had petered out after the discoveries of the seventeenth century, we would be less numerous and [the] Earth would not be [[global warming|warming]]. ** Nicholas Money. ''The Selfish Ape'' (2019), Chapter 9: "Greenhouse" * This moment is special because we have dramatically built up our population, technology, science, medicine, and democratic institutions as a direct result of vast amounts of surplus energy stemming from a one-time resource. The fossil fuel experience has made us '''dangerously confident''' about our cleverness and dominance over nature. What makes this century special, then, is that we will have to cope with a diminishing supply rate of the resource that has been of paramount importance to our high-tech existence. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2011/10/sustainable-means-bunkty-to-me/ Sustainable means "bunkty" to me]." ''Do the Math'', University of California, San Diego. October 5, 2011. * Humans collectively must ultimately face the uncomfortable question of whether Earth’s natural systems can support 8 billion or more people at a modern standard of living. Since the resource footprint of a U.S. citizen is at least four times that of the global average, the key question is whether the planet can support an increase in material throughput four times higher than present when the strain is apparent already. As noble as it may be to wish [for] a modern living standard for an eventual ten billion or more people, it is likely that committing to such a course could result in more human suffering than would transpire under the adoption of more modest goals. The responsible path is to reduce global resource dependencies and abandon the imperative for growth starting now. ** Thomas W. Murphy, David J.R. Murphy, Thomas F. Love, Melody LeHew and Ben McCall (2021). "[[doi:10.1016/j.erss.2021.102239|Modernity is incompatible with planetary limits: Developing a PLAN for the future]]." ''Energy Research & Social Science'', 81, 102239. * Even something as seemingly altruistic as health care selfishly focuses on human health, to the exclusion and often direct detriment of ecosystem health. Are we really doing ourselves favors in the long term by making the destructive human enterprise healthier, more populous, longer-living, and therefore better able to carry out its damaging activities? If this sounds abhorrently anti-human, it’s because the human enterprise is currently relentlessly anti-planet. Anything that is anti-planet will dismantle ecosystems that serve as critical life support for humans, spelling failure for the human enterprise. So it’s really the human enterprise that is anti-human by way of being anti-planet. […] The best way to assure long-term prosperity is to forge a non-human-centric partnership with nature that does not always put short-term human interests above those of non-human elements of nature. Even “good” activities like health care therefore miss the boat in terms of building a better tomorrow. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2021/05/to-what-end/ To What End?]". Do the Math, {{W|University of California, San Diego}}. May 4, 2021. * Since growth is an absurd short-lived anomaly, what about leveling out in population, resource use per capita, and adopting a steady-state economy? The problem here is that the rate at which we are depleting one-time resources today is unsustainable. We’re simply spending our bank account without paying attention to the balance and without any source of additional income. Most clearly, forests and wild spaces are down by a factor of two in the last 60 years and will be gone within 60 years at current rates of depletion. Before even getting to steady-state conditions, inevitable near-term increases in population together with sought-after increases in standards of living around the world spell an even shorter lifetime for critical habitats. Meanwhile, fisheries are failing in domino fashion; aquifers are being depleted at rates alarmingly higher than replacement; soils are degrading and arable land is lost; fertilizer depends on a finite resource; habitat loss is resulting in species extinctions far in excess of natural rates. Even the plunder of mineral resources in the seemingly infinite crust is getting harder, only a fleeting century or so into our spree. Sustaining present levels for even a few more centuries is a dubious (i.e., unsubstantiated) proposition. It is practically absurd to imagine sustaining present practices for 10,000 years. Humans simply have not yet demonstrated an ability to maintain a technological society without utter reliance on grossly unsustainable inheritance spending. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2021/05/why-worry-about-collapse/ Why Worry About Collapse?]." Do the Math, {{W|University of California, San Diego}}. May 18, 2021. * Earth has never in its history had to contend with 8 billion fire apes, intelligent enough to have leveraged power by exploiting and burning one-time resources. We now operate outside the bounds and protections of evolution: in breach of contract, without a map to success. What could possibly convince us that this fireworks show—which has not even come close to standing the test of time—can maintain anything like its current resource impact for the long haul? Humans have demonstrated convincingly that we can live in a primitive state for hundreds of thousands of years. Our present mode is a few-century flash, supported almost entirely by inheritance-spending. Arguing that we have found a new normal is a precarious position that I would not be eager to defend. Parties end. Fireworks shows end. Why would our flash be any different? It’s not just guesswork: what other outcome could result from rapid resource exploitation on a finite planet? ** Ibid. * We face unprecedented pressures on resources and on our environment, as human population and standard of living both surge on a finite planet. Nature will not allow this trend to continue indefinitely. ** Thomas W. Murphy, ''[https://escholarship.org/uc/item/9js5291m#section.18.5 Energy and Ambitions on a Finite Planet]'', p. 313 (2022) * Human population will not be allowed to grow [indefinitely]. Even small growth rates will step up pressure on natural resources, and Earth can only support so much, long-term. Independent of what the “right” number is, once settled, we will not be able to dial it up without imperiling the hard-won success. Even under steady human population, any increase in resource use per person will also not be compatible. In general, growth leads to a dead end: to failure. ** Ibid. p. 405 * As a jarring illustration of our tendency to value the human side over the prerequisite physical/ecological side, imagine that somehow we manage to emerge from the coming centuries having established a truly sustainable existence. All resources are renewed by nature at the rate of extraction for human needs; population is steady and at a level just tolerable to the planet in terms of indefinite support. Diverse ecosystems are left to thrive in their natural states. But imagine that we are still plagued by cancer and other maladies, so that life expectancy is, say, 90 years. Then what if a team of researchers hits on a cure for (most forms of) cancer? Hurray! At last! Unambiguously good, right? Well, not so fast. All other elements held the same, longer life spans translate to a higher population, putting additional resource burdens on the planet that it cannot handle in the long term. In order to adopt and implement the cure for cancer, we would have to either deliberately reduce population or lower the standard of living to accommodate the change. All other considerations of the complex society about economic impacts, equity of distribution, legal and political facets, or interaction with religious belief systems must take a back seat to the most fundamental and important question: is this change physically viable on this finite planet in the long term? ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2021/11/caught-up-in-complexity/ Caught Up in Complexity]". Do the Math, {{W|University of California, San Diego}}. November 30, 2021. * People tend to prefer the narrative that we, ourselves, are the superheroes, and that our superpowers are not from the fossil fuel suit, but are cognitive in nature. Yet we have the same neural hardware (if not slightly downsized) as our prehistoric ancestors. The main cognitive revolution happened about 70,000 years ago when humans started to believe in things that do not exist (like spirits or potential future gains) that allowed large-scale coordination and shared identity to outcompete evolution’s more biophysical tricks of sharp teeth/claws, speed, strength, camouflage, poison, or overwhelming numbers. Global spread of homo sapiens and megafauna extinctions quickly followed, and it is at this point that the human experiment began to smolder: something was off. About 10,000 years ago, agriculture started and the first visible flame ignited. About 300–400 years ago, the Enlightenment lit a fuse by developing a scientific approach to understanding the world. It was not long before the fuse found fossil fuels and we now witness the predictable explosion that ensued. The explosion is breathtakingly rapid on any meaningful timeline, only appearing in slow motion to the few generations experiencing the phenomenon and thus seeming “normal.” So we can trace some part of our current planetary dominance to human ingenuity, but perhaps the lion’s share actually is attributable to the energy bonanza—as suggested by the dramatic change in the pace of innovation before and after the fossil transition. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2022/06/shedding-our-fossil-fuel-suit/ Shedding Our Fossil Fuel Suit]". Do the Math, {{W|University of California, San Diego}}. June 21, 2022. * A plausible scenario for ecosystem collapse... is based on the fact that we currently support 8 billion people on a fossil-intense agricultural system. We have over-leveraged that finite resource to "borrow" millions of years of eco-services (photosynthetic energy) and now host a population that probably never could have existed in ecological equilibrium. Even if fossil fuels were not going away, it seems likely we would see continued erosion of the globe's ability to support this current unsustainable mode. We have already lost about half of the wild animal life in my lifetime: is that halfway to collapse? Take away the fossil fuels, and I imagine over-hunting and rapid deforestation will take an enormous toll on ecosystem health. ** Thomas W. Murphy's self-comment on "[https://dothemath.ucsd.edu/2022/07/the-ride-of-our-lives/ The Ride of Our Lives]". Do the Math, University of California, San Diego. July 12, 2022. *[It] is truly alarming from an ecological point of view: not only has the human population grown like gangbusters, but the level of affluence per person has soared by an even larger factor. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2022/09/death-by-hockey-sticks/ Death by Hockey Sticks]". Do the Math, University of California, San Diego. September 13, 2022. * The dream of eventually having 10 billion people living at [[American Dream|American standards]] completely ignores the glaring fact that we seem to be circling the drain even at today’s impact level (i.e., overshoot). How could we possibly entertain the factor-of-five increase in resource demand that would accompany a realization of “the dream?” It seems delusional… and likely to turn into a nightmare if pursued. **Ibid. * Human population is going up… We’re not exactly doing the planet (or ultimately ourselves) any favors presently. Will adding more humans that subscribe to our current cultural model somehow make the situation better? Will improving standards of living (thus increasing resource demand) mysteriously turn things around? It’s hard to see how—not without enacting a whole new model. **Ibid. * Increasing the standard of living of a growing population makes today’s ecological pressures look adorable. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2022/09/a-climate-love-story/ A Climate Love Story]". Do the Math, University of California, San Diego. September 20, 2022. * It is easy to get caught up in the heady whirlwinds of [[modernity]]. We have accomplished amazing feats in these past few centuries, and our extrapolative minds envision a continued acceleration. Given that our life span overlaps only a portion of the tale, it is easy to lose the context that our boom (the [[Industrial Revolution]] and what followed) is almost entirely due to fossil fuels. This energy surge in turn powered a surge in material access and economic activity (and human population) in what is perhaps fittingly described as a fireworks show. ** Ibid. * What did we do with our fossil fuel bonanza? We exploded population by revolutionizing agriculture [and health]. Now when fossil fuels inevitably (and soon?) decline, we’re left with an overhang that can no longer be supported. The resulting population decline will suddenly cast [[Thomas Robert Malthus|Malthus]] in a new light: oh what a starry-eyed soothe-sayer [sic]! When that day comes, […] realize that it’s no more tragic than the ant colony waning as it must. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2022/10/the-cult-of-civilization/ The Cult of Civilization]." Do the Math, {{W|University of California, San Diego}}. October 4, 2022. * Our fossil fuel bonanza has left our ecosystem in a perilous state. We have destroyed vast forests and habitats, polluted water and soil, kicked off a rapid climate trend that natural systems may not adapt to quickly enough, and basically overrun the planet. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2022/12/finite-feeding-frenzy/ Finite Feeding Frenzy]." Do the Math (December 5, 2022). * …fossil fuels allowed us to drastically overshoot the natural carrying capacity of the planet, and that bill will come due when the underlying resource inevitably dwindles. Sometimes simple is simply right. ** Ibid. * The human explosion has accelerated across the millennia, most recently reaching a fever pitch owing to the employment of fossil fuels—leveraging stored solar energy about a million times faster than it was created. The ensuing access to minerals and ability to transform landscapes has rapidly and radically altered our world within just a few human generations. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2023/08/call-me-ishmael/ Call Me, Ishmael!]." Do the Math, August 1, 2023. * In 1800, every human on the planet had a corresponding 80 kg of mammal mass in the wild. Wildland mammals outweighed humans in an 80:50 ratio. Today, each human on the planet can only point to 2.5 kg of wild mammal mass as their “own.” Let that sink in. You only have 2.5 kg (less than 6 pounds) of wild mammal out there somewhere. A single pet cat or dog generally weighs more. Not that long ago, it was more than you could carry. Now, it seems like hardly anything! I especially fear the implications for mammals should global food distribution be severely crippled. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2023/08/ecological-cliff-edge/ Ecological Cliff Edge]." Do the Math, August 18, 2023. * As if the Enlightenment was not enough, in quick succession we joined another enormous river. One could say that the process of science opened the door to fossil fuels, but science and fossil fuels might be best described as a dynamic duo. Fossil fuels gave us the power to advance our science-amplified degree of control to an entirely new level. Resources that had been previously inaccessible became available. It became far easier to clear land for agriculture and other uses. We learned to make fertilizer from methane, unleashing unprecedented agricultural surpluses that inevitably resulted in a human population overshoot. Fossil-fueled furnaces led to steel, concrete, and other materials on a massive scale, paving the way to megacities and global trade. Science itself was amplified by having access to fossil fuels, via a flood of new devices and capabilities invented with—and powered by—cheap energy. Advances in science and technology in turn allowed greater access to buried fossil energy. This positive feedback arrangement facilitated runaway expansion of the [human] enterprise, leading to a battery of hockey stick curves. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2023/08/our-time-on-the-river/ Our Time on the River]". Do the Math, August 22, 2023. * Energy has been fundamental to our story of growth. The various hockey stick curves over the last century or so are a reflection of energy and population. What’s more, human population itself is a reflection of energy, as mechanized, fertilized agriculture was made possible by fossil fuels. Since energy per capita has also increased like a hockey stick, the ecological impact (and many other metrics like GDP) takes on the shape of a super-exponential (still resembling a hockey stick on a logarithmic plot). ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2023/09/can-modernity-last/ Can Modernity Last?]" Do the Math, September 26, 2023. * We have used [fossil fuels] to expand the human enterprise and population, knock down forests, destroy and fragment habitats, drive extinctions, and generally threaten the vitality of the planet. [But] “solving” the energy problem as fossil fuels give out is pretty frightening: how would it not simply perpetuate the ecological nosedive we have initiated? Only if we put ecological concerns above energy do we stand any chance of survival. ** Ibid. * I acknowledge that cancer is a class of disease, and no universal cure is likely to emerge. But feel free to substitute any longstanding cause of death. […] In a sense, it is death that makes life special and worthy of celebration. […] What would a successful cure look like? Human lifespans would increase. All other things being equal, a reduced death rate means more humans on the planet, putting additional pressures on the entire community of life and further threatening the vitality of the planet—including humans, to be clear. Moreover, access to the cure would almost certainly be more available to the affluent half, who are already heavy users of resources and thus cause outsized harm to the planet. So a cure to cancer would serve to boost ecological destruction, in practice. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2023/10/are-we-lucky/ Are We Lucky?]" Do the Math, October 3, 2023. * Truly, the end of modernity will probably be brutal for most of the 8 billion people on the planet, who will cling to what they know and fail to adapt. But even if they were mentally ready, the Earth is not ready to support 8 billion humans without a massive fossil subsidy, so human population will likely fall a lot in hard times. ** Thomas W. Murphy's self-comment on "[https://www.resilience.org/stories/2023-09-27/can-modernity-last/ Can Modernity Last?]". ''Resilience''. September 30, 2023. * Compared to biologically relevant timescales, the human explosion commenced just “yesterday” when grain agriculture began taking root... set[ting] the stage for planet-crushing present-day human populations in a time that is still contextually short. Each “improvement” like cities and technology only accelerated the rapidity of the unsustainable ascent. Mounting ecological damage was part and parcel of this expansionist story long before cars, planes, and smartphones arrived—like two sides of a coin. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2024/02/unsustainable-goose-chases/ Unsustainable Goose Chases]". ''Do the Math'', February 27, 2024. * Humans are voracious (big brains to feed and a lot of un-furry surface area to keep warm), and therefore are ecologically expensive. If the Earth tightens its belt, [one should]n’t assume that humans will fare well. We are summer children borne of “good” times, where “good” translates to “biodiverse.” Cleverness is no guarantee against starvation, as countless clever humans who have starved can’t tell [us]. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2024/04/post-modernity/ Post-Modernity]". ''Do the Math'', April 9, 2024. * [Our] success [in eliminating hunger and inequity] inevitably grows the population, scaling up the current tension... to planetary limits... [and] curing all diseases and achieving effective immortality would be ecologically disastrous! ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2024/05/whats-the-point/ What's the point?]" ''Do the Math'', May 14, 2024. * Since the current low levels of mortality go hand-in-hand with ecological devastation and a doomed modernity, their embrace is itself a problem… ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2024/05/watching-population-bomb/ Watching population bomb]". ''Do the Math'', May 28, 2024. * The Green Revolution transformed agriculture by inserting fossil fuels at every turn. Fertilizer came from natural gas. Diesel allowed large-scale mechanization of plowing, planting, harvesting, processing, and transporting large amounts of food. Petrochemical pesticides smote economically worthless (but ecologically invaluable) products of evolution into the foul dust. We fed a growing human population, now 8 billion strong. It boils down to a diet of fossil fuels: again, temporary. ** Thomas W. Murphy, ''Metastatic Modernity''. Episode 9: "[https://dothemath.ucsd.edu/2024/07/mm-9-recipe-for-disaster/#more-8348 Recipe for Disaster]". ''Do the Math'', July 30, 2024. * To those who resist the notion that increasing food production also means increasing human population, consider this. In 1950, the global population stood at about 2.5 billion people. The Green Revolution was about to explode into global agriculture, substantially increasing crop yields on the back of profligate fossil fuel inputs (for fertilizer, mechanization, energy for irrigation, transport, processing, etc.). Let’s say this tsunami of energy and technology had not arrived on the agricultural scene, and that moreover a global edict (“magically” followed) held annual food production at the 1950 level thereafter.<br>Would we have 8 billion people today? Impossible. We would still have 2.5 billion, correct? In 1950, the world produced enough food for 2.5 billion people, so that same amount of annual food would sustain 2.5 billion people today…or perhaps 2 billion taller, heavier people; or 3 billion people with more equitable, modest distribution and less waste. But you get the point: hold the food supply steady and you essentially hold the population below some cap. Inarguable. Those additional 5.5 billion people were made possible by a technological wave of food increase. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2025/06/food-makes-babies/ Food Makes Babies]." ''Do the Math'', June 10, 2025. * [Eight] billion humans are driving a sixth mass extinction, which leaves no room for even 10 humans if fully realized, let alone 10¹⁰. ** Thomas W. Murphy, “[https://dothemath.ucsd.edu/2025/09/8-billion-will-die/ 8 Billion Will Die],” ''Do the Math'' (September 23, 2025) *Maintaining 8 billion human people on Earth [without fossil fuels] is no more possible than invading space. It’s not an actual, realizable choice—beyond transitory and costly stunt demonstrations. **Ibid. === N === * How we live and consume matters just as much as the growing density of our numbers combined with the proliferation of our machines that devour energy on our behalf. (Roads and cell phones all consume energy and materials too.) All three demographic issues are increasing at unsustainable rates and feed each other to propel more economic growth, more emissions and more fragility. The world’s current population is 7.9 billion and grows by 80 million a year. It has slowed down in recent years because the affluent don’t need the energy of children as much as the poor. Even so civilization will add another billion to the planet every dozen years. Redistributing energy wealth (and emissions) from the rich to the poor will not avert disaster if human populations don’t overall decline. Our numbers also reflect a demographic anomaly that began with fossil fuels, a cheap energy source that served as Viagra for the species. Prior to our discovery of fossil fuels, the population of the planet never exceeded one billion. Our excessive numbers are purely a temporary artifact of cheap energy spending and all that it entails — everything from fertilizer to modern medicine. ** Andrew Nikiforuk, "[https://thetyee.ca/Analysis/2021/12/06/Andrew-Nikiforuk-Getting-Real-About-Our-Crises/ Getting Real about Our Crises]." ''The Tyee'', December 6, 2021. ===O=== * In recent decades, support for family planning has waned, and global fertility decline has decelerated as a result. Projections calibrated across the decades of strong family planning support have not acknowledged this change and are consequently underestimating global population growth. Scenarios used to model sustainable futures have used overly optimistic population projections while inferring these outcomes will happen without targeted measures to bring them about. Unless political will is rapidly restored for voluntary family planning programs, the global population will almost certainly exceed 10 billion, rendering sustainable food security and a safe climate unachievable. ** Jane N. O'Sullivan, "Demographic Delusions: World Population Growth Is Exceeding Most Projections and Jeopardising Scenarios for Sustainable Futures." ''World''. 2023. 4(3). 545-568. {{DOI|10.3390/world4030034}} === P === *Putting an end to the population explosion will not of itself save the ecosphere, but not ending it will add greatly to the dangers the planet faces. The environment can sustain a quality of life for just so many people. **[[Michael Parenti]], ''Blackshirts and Reds: Rational Fascism and the Overthrow of Communism. '' (1997), p. 155 *'''In what year will the human population grow too large for the Earth to sustain? The answer is about 1970''', according to research by the {{W|World Wildlife Fund}}. In 1970, the planet's 3 and a half billion people were {{W|Sustainable population|sustainable}}. But on this New Year's Day, the population is 8 billion. Today, wild plants and animals are running out of places to live. **[[Scott Pelley]], "[https://www.cbsnews.com/news/earth-mass-extinction-60-minutes-2023-01-01/ Scientists say planet in midst of sixth mass extinction, Earth's wildlife running out of places to live]" {{W|CBS News}}, January 1, 2023. * ... ''Homo sapiens'' have been around for about 200,000 years and we are struggling to provide 7 billion of us with sufficient food, clothing, and shelter to lead decent lives. There cannot be an economist on the planet who thinks Earth could support 7.168 trillion people. Human population growth cannot go on forever, no matter how optimistic economists might be. ** Gary Peters, "[https://ourfiniteworld.com/2011/06/13/should-we-take-united-nations’-projections-seriously/ Should We Take United Nations’ Projections Seriously?]" (June 13, 2011) *Human overpopulation, the ever-increasing power of our technology, and the demand of our omnicidal, neoliberal economic system of infinite growth on the basis of finite resources threaten the earth with total destruction. **{{W|Norm Phelps}}, quoted in ''The Politics of Total Liberation: Revolution for the 21st Century'' by [[Steven Best]], (2014), p. ix * Ever since Malthus, at least, it has been clear that means of subsistence do not grow as fast as population. No one has ever liked the idea that famine, plague, and war are nature's way of redressing the imbalance -- Malthus himself suggested that the operation of "preventive checks," which serve to reduce the birth rate, might help prolong the interval between such events. And in the two hundred years since Malthus sat down to pen his essay, there has been no worldwide cataclysm. But in the same two centuries world population has grown exponentially while irreplaceable resources were used up. Some kind of adjustment is inevitable. Today, many people who are concerned about overpopulation and environmental degradation believe that human actions can avert catastrophe. The prevailing view holds that a stable population that does not tax the environment's "carrying capacity" would be sustainable indefinitely, and that this state of equilibrium can be achieved through a combination of birth control, conservation, and reliance on "renewable" resources. Unfortunately, worldwide implementation of a rigorous program of birth control is politically impossible. Conservation is futile as long as population continues to rise. And no resources are truly renewable. ** David Price, "Energy and Human Evolution". ''From Population and Environment: A Journal of Interdisciplinary Studies'', Volume 16, Number 4, March 1995 * Around 8,000 BC, world population was something like five million. By the time of [the birth of Jesus] Christ, it was 200 to 300 million. By 1650, it was 500 million, and by 1800 it was one billion. The population of the world reached two billion by 1930. By the beginning of the '60s it was three billion; in 1975 it was four billion; and after only eleven more years it was five billion. This cannot go on forever; collapse is inevitable. The only question is when. ** Ibid. * People who believe that a stable population can live in balance with the productive capacity of the environment may see a slowdown in the growth of population and energy consumption as evidence of approaching equilibrium. But when one understands the process that has been responsible for population growth, it becomes clear that an end to growth is the beginning of collapse. Human population has grown exponentially by exhausting limited resources, like yeast in a vat or reindeer on St. Matthew Island, and is destined for a similar fate. ** Ibid. === R === * As human populations expand they necessarily appropriate ecological space required by other species. Human ‘competitive displacement’ of non-human organisms from their habitats and food sources is now the greatest contributing factor to {{W|Biodiversity loss|plunging biodiversity}}. Consider that with only 0.01 % of total Earthly {{W|Biomass (ecology)|biomass}}, H. sapiens’ expansion has eliminated 83 % of wild animal and 50 % of natural plant biomass. From a fraction of 1 % ten millennia ago, humans now constitute 36 %, and our domestic livestock another 60 %, of the planet’s much expanded mammalian biomass compared to only 4 % for all wild species combined. Similarly, domestic poultry now comprise 70 % of Earth’s remaining avian biomass. Meanwhile, commercial fishing depletes the oceans at the expense of rapidly declining marine mammals and birds. Seabirds are the most threatened bird group, with a 70 % community-level population decline between 1950 and 2010. ** {{W|William E. Rees}}, "[http://www.fraw.org.uk/data/limits/rees_2020.pdf Ecological economics for humanity’s plague phase]". ''{{W|Ecological Economics (journal)|Ecological Economics}}.'' (2020) * Population estimates are usually based on demographic data alone with no consideration of exogenous factors. This is unrealistic. For living organisms, the fact of their own existence ensures that no environment or habitat remains ideal for long. As the subject population expands, it will invariably use up any crucial resource in fixed supply. Even renewable resources can be depleted once the population goes into ‘overshoot’, a situation in which aggregate consumption exceeds food species’ recovery rates or waste accumulation exceeds natural assimilative capacity. The rise and fall of reindeer populations introduced to two previously unoccupied (by reindeer) Pribilof Islands in the early 20th century is a classic example. Collapse was attributed to overgrazed food sources (primarily lichen) abetted by the stress of exceptionally cold winter. ** William E. Rees, "[https://www.whp-journals.co.uk/JPS/article/view/653/486 The fractal biology of plague and the future of civilization]". ''The Journal of Population and Sustainability'' (2020) * ...for most of our species’ time on Earth—including most of the agricultural era—humanity’s natural propensity to expand has been held in check by negative feedback, e.g., food and other resource shortages, disease, and inter-group conflict. Circumstances changed with the scientific/industrial revolution, particularly the increasingly widespread use of fossil fuels. It took 200,000 – 350,000 years for human numbers to reach one billion early in the 19th Century, but only 200 years (as little as 1/1750th as much time!) to balloon another seven-fold by early in the 21st Century. Improvements in medicine, public sanitation, and population health contributed to this expansion, but coal, oil, and gas made it possible. Fossil fuels are the energetic means by which humans extract, transport, and transform the prodigious quantities of food and other material resources into the products needed to support our burgeoning billions. More than any other factor, fossil fuels enabled H. sapiens to eliminate or reduce normal negative feedbacks. Freed from historic constraints, our species was, at last, able to exhibit its full potential for geometric growth. ** Ibid. * Humanity is already far into ecological overshoot: we are learning the hard way that the ecosphere under stress is still immeasurably more complex than even the global human enterprise. It can generate a vastly larger arsenal of negative feedbacks in response to human excesses than any imaginable human control system can match. ** William Rees, "[https://reeswilliame.substack.com/p/variety-matters-more-than-you-think Variety Matters More Than You Think]," ''Substack'' (July 28, 2025) * Humans invade and populate all accessible favourable habitats; human populations use up all available resources; under favourable conditions, human populations are capable of exponential growth. […] The industrial/scientific revolution spawned technologies, particularly improvements in public sanitation and disease control, that greatly reduced death rates while fossil fuels alleviated food and resource shortages. With the suppression of negative factors, positive feedback prevailed; between the early 1800s and 2023, the human population exploded from one to eight billion. Meanwhile, what we now call ‘neoliberal economics’ began taking form in the late 1800s. In just two centuries, the human population grew eight times larger than the maximum attained over the previous 3000 centuries, and the world economy grew 100-fold in real terms! […] Overshoot may be a quasi-natural phenomenon, but it is also a potentially terminal condition. There are now about 80 cities in the world with populations in excess of five million—each has more people than existed on the entire planet at the dawn of agriculture 10,000 years ago. […] Life in higher-income countries just seemed to be getting better and better, at least in material terms. Little wonder that by the 1950s, MTI governments and international institutions everywhere were adopting the neoliberal vision of perpetual economic and population growth via continuous technological advance as the dominant development narrative of global culture.<br>There are, of course, significant problems—all this occurred on a finite, non-growing planet with serious history. With nurture-reinforcing-nature in propelling the expansionist juggernaut, the human enterprise surged into ecological overshoot; resource consumption and waste production are overwhelming the bio-productive and waste assimilation capacities of the ecosphere. This is not merely an aesthetic concern: the functional integrity of the ecosphere is essential for human existence. '''Overshoot may be a quasi-natural phenomenon, but it is also a potentially terminal condition.''' ** William Rees, "[https://substack.com/home/post/p-181832455 Why collapse is inevitable]," ''Substack'' (December 16, 2025) * The current human population is 14,000-fold larger than the average populations of other mammal species of similar body size! […] If humans were a typical mammal whose global population corresponded to the arithmetic mean (average) of populations of mammals of similar body size, there would be only 500,000 people on Earth! ** Ibid. * Almost all of today’s low-energy countries have a population density so great that it perpetuates dependence on intensive manual agriculture, which alone can yield barely enough food for their people. They do not have enough acreage, per capita, to justify using domestic animals or farm machinery, although better seeds, better soil management, and better hand tools could bring some improvement. A very large part of their working population must nevertheless remain on the land, and this limits the amount of surplus energy that can be produced. Most of these countries must choose between using this small energy surplus to raise their very low standard of living or [to] postpone present rewards for the sake of future gain by investing the surplus in new industries. The choice is difficult because there is no guarantee that today’s denial may not prove to have been in vain. This is so because of the rapidity with which public health measures have reduced mortality rates, resulting in population growth as high [as] or even higher than that of the high-energy nations. Theirs is a bitter choice; it accounts for much of their anti-Western feeling and may well portend a prolonged period of world instability. ** [[Hyman G. Rickover]], "Energy and Resources and Our Future" speech (May 14, 1957) * The doubling of life expectancy is largely down to medical advances. Without medical care, we’d probably be at a much lower population level. I can’t find projections, but given that even some fairly routine injuries and sicknesses would be life-threatening without medical intervention, one would expect a more pyramidal pyramid, and 2 billion people doesn’t seem unreasonable to me. This is also amplified by [there] being [fewer] people to innovate ideas like the green revolution, which [led] to higher populations.<br>In nature, population overshoot is usually remedied by a higher die-off rate, not a lower birth rate. But humans think that medical care and increased lifetimes are a sign of progress. Medical advances can even allow some who wouldn’t have been able to have children to have children, thus exacerbating overshoot. ** Mike Roberts, "[https://mikerobertsblog.wordpress.com/2024/08/09/what-can-antinatalism-achieve/ What Can Antinatalism Achieve?]" (August 9, 2024) * A lot of technologies have been utilised in storing food or growing more of it. And we know that increased access to food increases population size. The reverse is also true, of course, so we should expect [[population decline|population to fall]] as harvests come under stress from the effects of [[Global warming|climate change]]. ** Mike Roberts, "[https://mikerobertsblog.wordpress.com/2024/09/14/the-inevitability-of-our-predicament/ The Inevitability of Our Predicament]" (September 14, 2024) * Humans are a species, so they are no different in needing to reproduce to propagate their traits, which may eventually lead to what would be considered a new species, though that would likely take tens or hundreds of thousands of years. If our ancestors had considered the effects of what they were doing, why some prey species appeared to disappear, for example, then we wouldn’t be here, as we’d limit what we did, how we expanded, how we spread. Humans would, at best, have remained a very limited species, if it survived at all. But that is not the way life works. Clearly, we have followed the maximum power principle, since we’re a species, and so consume as much energy and resources as we can. In basic terms, a body needs food for energy and humans have figured out how to produce increasing quantities of food (at least in terms of calories) using agriculture, machines, artificial fertilisers and pesticides. This has enabled an explosion in population in a positive feedback loop (with higher population forecast, we figure out how to support that population, leading to more agriculture and higher yields, so we end up with a higher population). The huge success of agriculture and mechanisation, has lead to almost no human being involved in the production of the food that keeps us alive, so we’ve had to invent other ways to kill our time. We now have a huge variety of products and services to help us kill our time before we die. Some of it is pleasurable so we want to do more of it and invent new ways to live. All the time, killing more of the rest of life. But getting here was inevitable because we are a species and don’t have free will to counter those inbuilt drives. ** Mike Roberts, "[https://mikerobertsblog.wordpress.com/2024/10/03/a-retrospective-of-the-inevitable/ A Retrospective of the Inevitable]" (October 3, 2024) * As food makes babies perhaps the critical development was agriculture but then without fossil fuels, we could never have produced as much food as we do now, and deliver it across the world. But then, if we hadn’t started cooking food, we might not have been clever enough to figure out how to use fossil fuels to produce food. And without language, we could never have communicated complex ideas about agriculture, tool making and the use of fossil fuels. So we go round and round. ** Mike Roberts, "[https://mikerobertsblog.wordpress.com/2025/07/07/where-did-it-all-go-wrong/ Where Did It All Go Wrong?]" (July 7, 2025) * It is often said that humans are in overshoot. What does that mean? In simple terms, it means exceeding a limit. However, if a limit has been exceeded, then how is it a limit? People usually refer to overshoot as exceeding the carrying capacity of the planet. The ability for the planet to support the current population of humans. And yet here we are. Humans have apparently been in overshoot territory for a long time, but that hasn’t affected the numbers. Indeed, the population of humans continues to grow. ** Mike Roberts, "[https://mikerobertsblog.wordpress.com/2025/12/27/overshoot-or-undershoot/ Overshoot or Undershoot?]" (December 27, 2025) * We have well over 8 billion people on this planet. All ecosystems have been perturbed, and wildlife has been hugely depleted by over 70% in just the last half century. Deforestation continues apace at almost 5 million hectares per year. So, it’s impossible for all humans to live sustainably right now. If a few chose, and succeeded, to live sustainably, it would have no measurable effect on the planet. ** Mike Roberts, "[https://mikerobertsblog.wordpress.com/2026/01/25/would-anyone-want-to-live-sustainably/ Would Anyone Want to Live Sustainably?]" (January 25, 2026) === S === * It is apparently futile only to insist that the more back­ward countries restrict their birth rates. What is needed most of all is economic and technical assistance to these countries. This assistance must be of such scale and generosity that it is unlikely before the estrangement in the world and the egotistical, narrow-minded approach to relations between nations and races are eliminated. ** [[Andrei Sakharov]], ''Progress, Coexistence and Intellectual Freedom'', Chapter 5: "Hunger and Overpopulation (and the Psychology of Racism)" (1968) * Government policy, legislation on the family and marriage, and propaganda should not encourage an increase in the birth rates of advanced countries while demanding that it be curtailed in underdeveloped countries that are receiving assistance. Such a two-faced game would produce nothing but bitterness and nationalism. ** Ibid. * I want to emphasize that the question of regulating birth rates is highly complex and that any standardized, dogmatic solution "for all time and all peoples" would be wrong. ** Ibid. * ...increasingly, technology has come up against the law of unexpected consequences. Advances in health care have lengthened life spans, lowered infant-mortality rates, and, thus, aggravated the population problem. ** [[w:Tom Sancton|Thomas A. Sancton]], "What on Earth Are We Doing?" in ''[[w:Time (magazine)|Time]]'' (week ending January 2, 1989). * As human beings, with over 8 billion of us on planet Earth at present, we now find ourselves in a very analogous situation to both the early cyanobacteria from over 2 billion years ago and the yeast cells one would culture within a nutrient-rich broth in a petri dish. It isn’t that we’re in danger of transforming our planet into an uninhabitable hellscape, as nothing we’ve done or are in the process of doing is going to have a catastrophic effect of that magnitude. However, there are a number of ways that we’re polluting, destroying, or depleting our environment in ways that not only are non-renewable and unsustainable, but that are going to have negative downstream effects that impact future humans, hundreds and even thousands of years down the line, in ways that most of us aren’t prepared to fully reckon with.<br>And that’s unfortunate, because we should be prepared. After all, unlike yeast, cyanobacteria, or any other species that’s impacted its environment due to its collective, accumulated actions, we can not only detect and quantify the effects we’re having, but can choose to change our action at any time. ** Ethan Siegel, "[https://bigthink.com/starts-with-a-bang/humanity-yeast-cells/ Is humanity dumber than a colony of yeast cells?]." ''Big Think'' (March 8, 2023) * Erroneous belief about population growth has cost dearly. In poor countries, it has directed attention away from the factor that we now know is central in a country's economic development, its economic and political system. And in rich countries, misdirected attention to population growth and its... consequence of natural-resource shortages has caused waste through such programs as now-abandoned synthetic fuel programs, and the useless development of airplanes that would be appropriate for an age of greater scarcity. ** [[Julian Simon]], "[http://www.juliansimon.com/writings/Norton/NORTON02.txt Scarcity or Abundance? A Debate on the Environment]," on ''juliansimon.com'' * Adding more people causes problems, but people are also the means to solve these problems. The main fuel to speed our progress is our stock of knowledge, and the brake is our lack of imagination. The ultimate resource is people—skilled, spirited, and hopeful people who will exert their wills and imaginations for their own benefit, and inevitably they will benefit not only themselves but the rest of us as well. ** [[Julian Simon]], [http://www.juliansimon.com/writings/Ultimate_Resource/TCONCLUS.txt The Ultimate Resource] * In trying to solve the terrifying problems that face us in the world today, we naturally turn to the things we do best. We play from strength, and our strength is science and technology. To contain a population explosion, we look for better methods of birth control. Threatened by a nuclear holocaust, we build bigger deterrent forces and anti-ballistic missile systems. We try to stave off world famine with new foods and better ways of growing them. Improved sanitation and medicine will, we hope, control disease; better housing and transportation will solve the problems of the ghettos, and new ways of reducing or disposing of waste will stop the pollution of the environment. We can point to remarkable achievements in all these fields, and it is not surprising that we should try to extend them. But things grow steadily worse, and it is disheartening to find that technology itself is increasingly at fault. Sanitation and medicine have made the problems of population more acute, war has acquired a new horror with the invention of nuclear weapons, and the affluent pursuit of happiness is largely responsible for pollution. As Darlington has said, ‘Every new source from which man has increased his power on the earth has been used to diminish the prospects of his successors. All his progress has been at the expense of damage to his environment, which he cannot repair and could not foresee.’ **[[B. F. Skinner]], ''Beyond Freedom and Dignity'' (1971), Chapter 1: “A Technology of Behavior.” * Capitalist elites seeking to increase the size of their labour force used pro-natalist state policies to prevent women from practicing family planning. [...] We should not ignore the relationship between population growth and ecology, but we must not treat these as operating in a social and political vacuum. ** Dylan Sullivan and [[Jason Hickel]] (2023). "Capitalism and extreme poverty: A global analysis of real wages, human height, and mortality since the long 16th century". ''{{W|World Development (journal)|World Development}}''. Vol. 161. {{doi|10.1016/j.worlddev.2022.106026}} === T === * History upon Terra tells us what horrors follow upon religious mandates of unlimited reproduction. ** [[Sheri S. Tepper]], ''[[w:Grass (novel)|Grass]]'' (1989), Chapter 12 * Malthusian predictions that relentless population growth will outstrip food production and trigger starvation worldwide have recurred over the centuries. They have come and then gone as farmers have deployed new technologies to increase food output. Even now, enough food is being produced to adequately feed every person on the planet; the fact that nearly one billion people are nonetheless going hungry is a damning indictment of the world's food-distribution system. But since demand is growing, production will also have to increase in the years ahead. With the world's population expected to expand to more than nine billion by 2050 and much of that growth occurring in China, India, and other countries where living standards are rising fast, global food production will need to increase by 70-100 percent in order to keep pace and feed the already chronically hungry. This is a mighty challenge: all the more so because given current soil technology and environmental concerns, more food will have to be produced on roughly the same amount of arable land -- and with less water than is used now and at a time when both growing demand for biofuels and changing climate patterns are also putting pressure on production. Where will the needed rise in food supplies come from, and how quickly can the distribution problems be solved? ** Roger Thurow, "[https://www.foreignaffairs.com/articles/africa/2010-10-21/fertile-continent The Fertile Continent]". ''Foreign Affairs'' (October 21, 2010). * Given the Maoist position that a large population was a “resource”, rather than a burden, for the Communist state, it was politically incorrect to advocate population control [either by diet or medicine]. ** Christopher K. Tong, “The Paradox of China’s Sustainability,” ''Chinese Environmental Humanities'' (2019) * Supporting large families and unchecked growth (of which the greatest parameter is population increase) is a mantra which religion and authority have preached for thousands of years. Religions always need more clergy to reap donations from, and leaders more voters to turn into soldiers for their next war, or to make the gross (as opposed to per capita) GDP figures look good. We are being farmed, we have always been farmed for thousands of years by an economic system that prioritises cold hard profit figures over real prosperity. Competition fuels growth even more, as humans are extremely territorial. The problem with the existence of countries is that they speed up civilisational collapse. They all end up competing for economic and population growth, therefore significantly accelerating civilisational overshoot and collapse. ** George Tsakraklides, quoted in "[https://www.hawaii.edu/vice-versa/interview-tsakraklides-lewis-2-0/ Memories of the Future 2.0]." ''Vice-Versa'', University of Hawaii at Manoa (February 15, 2025) * Thanks to the discovery and exploitation of fossil fuels, humans (really just a small minority of them) are able to live richer lives today than even the queens and kings of yore could have dreamed of.<br>Furthermore, we’ve used some of those finite resources to increase food supplies and to expand the human population, which provides the economic system with both more workers and more consumers, a necessity to keep the economy growing under our current economic model. The world’s population increased from 1.6 billion in 1900 to 7 billion today, and we add about 80 million more each year. Humans have quickly become the most numerous megafauna on the planet. ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2012/01/09/the-faustian-bargain-that-modern-economists-never-mention/ The Faustian bargain that modern economists never mention]" (January 9, 2012) * Humans, because of their intelligence, have found ways to [temporarily] defeat survival of the fittest. As areas get overpopulated, humans have moved to areas where they have a better chance of survival. Humans have found ways to increase food supply, through the use of fertilizers, pesticides, irrigation, and refrigeration, all of which require fossil fuels. They have developed trade, so that so areas with shortfalls can benefit from surpluses elsewhere. Humans have developed a world financial system, which has helped enable worldwide trade. The financial system has also allowed investors to pay for goods after they are put into service, so that the cash flow resulting from an investment can be used (after the fact) to pay for the cost of the investment. This enables investment, and faster use of resources, including energy resources.<br>One of the reasons for continued upward population pressure is the fact that humans have evolved to live beyond their reproductive years. In their declining years, humans often need assistance, either from their offspring or from a public pension program, or both. Because of concern for their own old age, people without pensions tend to have enough children so that there is a significant chance that a child of the right sex will survive to adulthood. With improving medical care, this tends to lead to [an] ever-rising population. ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2012/08/17/humans-seem-to-need-external-energy/ Humans Seem to Need External Energy]" (August 17, 2012) * As long as the world’s population is rising, even in lesser developed countries, there is going to be a continuing need for more food, clothing and housing. This is an issue we don’t seem to be able even to talk about. It may offend people. ** Ibid. * The energy resource that we learned to develop this time is fossil fuels, starting with coal about 1800. '''World population was able to expand greatly because of additional food production permitted by fossil fuels and because of improvements in hygiene.''' A period of stagflation began in the 1970s, when we first encountered problems with US oil production and spiking oil prices. Now, the question is whether we are approaching the Crisis Stage as described by Turchin and Nefedov. ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2013/12/06/diminishing-returns-energy-return-on-energy-invested-and-collapse/ Diminishing Returns, Energy Return on Energy Investment and Collapse]" (December 6, 2013) * As energy supplies deplete, we will increasingly need to “choose our battles.” In the past, humans have been able to win many battles against nature. However, '''as energy per capita declines in the future, we will be able to win fewer and fewer of these battles against nature''', such as our current battle with COVID-19. At some point, we may simply need to let the chips fall where they may. '''The world economy seems unable to accommodate 7.8 billion people, and we will have no choice but to face this issue.''' ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2020/11/09/energy-is-the-economy-shrinkage-in-energy-supply-leads-to-conflict/ Energy is the economy; shrinkage in energy supply leads to conflict]" (November 9, 2020) * Many people believe that humans can have a sustainable future by using solar panels and wind turbines. Unfortunately, the only truly sustainable course, in terms of moving in cycles with nature, is interacting with the environment in a manner similar to the approach used by chimpanzees and baboons. Even this approach will eventually lead to new and different species predominating. Over a long period, such as 10 million years, we can expect the vast majority of species currently alive will become extinct, regardless of how well these species fit in with nature’s plan.<br>The key to the relative success of animals such as chimpanzees and baboons is living within a truly circular economy. Sunlight falling on trees provides the food they need. Waste products of their economy come back to the forest ecosystem as fertilizer.<br>Pre-humans lost the circular economy when they learned to control fire over one million years ago, when they were still hunter-gatherers. With the controlled use of fire, cooked food became possible, making it easier to chew and digest food. The human body adapted to the use of cooked food by reducing the size of the jaw and digestive tract and increasing the size of the brain. This adaptation made pre-humans truly different from other animals.<br>With the use of fire, pre-humans had many powers. They spent less time chewing, so they could spend more time making tools. They could burn down entire forests, if they so chose, to provide a better environment for the desired types of wild plants to grow. They could use the heat from fire to move to colder environments than the one to which they were originally adapted, thus allowing a greater total population.<br>Once pre-humans could outcompete other species, the big problem became diminishing returns. For example, once the largest beasts were killed off, only smaller beasts were available to eat. The amount of effort required to kill these smaller beasts was not proportionately less, however. ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2020/12/02/humans-left-sustainability-behind-as-hunter-gatherers/ Humans Left Sustainability Behind as Hunter-Gatherers]" (December 12, 2020) * … the problem the world is facing today is like one that smaller economies have faced, over and over, in the past: '''The population has become too large for the economy’s resource base''', which now includes fossil fuels. Today’s leaders reframe the problem as voluntarily moving away from fossil fuels to prevent climate change in order to make the situation sound less frightening. ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2023/12/15/ten-things-that-change-without-fossil-fuels/ Ten things that change without fossil fuels]" (December 15, 2023) * We are dealing with an age-old problem: Humans are able to outsmart other animals, and for this reason, human populations tend to rise except when external conditions are quite adverse. ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2024/03/17/advanced-economies-will-be-especially-hurt-by-energy-limits/ Advanced Economies Will Be Especially Hurt by Energy Limits]" (March 17, 2024) * History shows a repeated pattern of overshoot and collapse. A population would grow until the carrying capacity of the local area was reached. Food surpluses would become lower and lower, so less food could be saved up for fluctuations in rainfall and temperature. Eventually, civilizations would succumb to one or another problem: disease, attack by a neighboring group, climate fluctuations, or governments overthrown by unhappy citizens. We tell ourselves that overshoot and collapse cannot happen now, but human population is high relative to fossil fuel resources, and intermittent wind and solar are not working out well as substitutes. ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2024/07/22/how-does-the-economy-really-work/ How Does the Economy Really Work?]" (July 22, 2024) * Humans are smarter than other animals, allowing the population of humans to grow, while the population of many other species tends to fall. […] The large rise in the population of the less advanced economies contributes to the huge number of immigrants wanting new homes in higher-income countries. […] The issue is that available resources do not rise fast enough (in the area, or with the technology available) to provide enough physical goods and services for the population. If a new approach can be developed, or a neighboring area with additional resources can be conquered, [the] population can start to grow again. […] Outgrowing our resource base is not a phenomenon that began with fossil fuels. […] In 1796, when [the] world population was about one billion, Robert Thomas Malthus wrote about population growing faster than food production. This was before fossil fuels were widely used. Now, about 230 years later, [the] population has risen to eight billion, thanks to the availability of fossil fuels. We need major innovations, or additional energy resource types, if we want to work around obstacles now. ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2025/10/06/what-has-gone-wrong-with-the-economy-can-it-be-fixed/ What Has Gone Wrong with the Economy? Can It Be Fixed?]" (October 6, 2025) === V === * The hard fact is that in an age of climate breakdown, human numbers matter. And the ecological impact of another 2-3 billion humans will be immense. ** John Vidal, [https://www.theguardian.com/commentisfree/2022/nov/15/population-8-billion-climate It should not be controversial to say a population of 8 billion will have a grave impact on the climate]. ''The Guardian'', November 15, 2022. * We must look at the whole man, and at his whole environment. Above all, we must realize that every grain of rice he puts into his mouth, every bit of potato, every piece of meat, and every kernel of corn, must be replaced by another bit from the earth—somewhere. We must realize that not only does every area have a limited carrying capacity—but also that this carrying capacity is shrinking and the demand growing. Until this understanding becomes an intrinsic part of our thinking and wields a powerful influence on our formation of national and international policies we are scarcely likely to see in what direction our destiny lies. ** William Vogt, ''Road to Survival'' (1948), Chapter 4: "Industrial Man: the Great Illusion." === W === *[There's] too many people making too much muck and too much noise with too little space to do it in. ** [[Keith Waterhouse]], "End of the Rainbow", <em>Daily Mirror</em> (August 17, 1970), republished in <em>Mondays, Thursdays</em> (1976) * Today, escalating human populations have vastly exceeded global carrying capacity and now produce massive quantities of solid, liquid, and gaseous waste. Biological diversity is being threatened by over-exploitation, toxic pollution, agricultural mono-culture, invasive species, competition, habitat destruction, urban sprawl, oceanic acidification, ozone depletion, global warming, and climate change. It’s a runaway train of ecological calamities. ** [[Paul Watson]], ''[https://web.archive.org/web/20070509003646/https://seashepherd.org/editorials/editorial_070504_1.html The Beginning of the End for Life as We Know it on Planet Earth? There is a Biocentric Solution.]'' Commentary by Paul Watson, Founder and President of {{W|Sea Shepherd Conservation Society}} *''Homo sapiens''’ appetite is gargantuan. As we strive to get at dwindling resources for ever more people, we dig deeper into the Earth, blow the tops of mountains, divert rivers, cut down forests and pave over swaths of land. We fill the land, water, and air with our pollution. We’re driving record numbers of species to extinction and decimating others with activities from chemical poisoning to hunting for bushmeat, or simply by taking over their habitat.<br>Greenhouse gases from our industry are changing the Earth’s climate, with such dangerous consequences as ocean acidification, rising sea levels and flooding, changes in rainfall patterns including in vital “breadbaskets,” and loss of forest cover.<br>While the word “sustainable” has become popular, growing human numbers and activities are anything but. Increasing awareness of our impact has led to developments in renewable energy, recycling, earth-friendly farming and more. There have also been spectacular advances in family planning. But powerful—notably religious—opposition has kept governments and international bodies from actively promoting small families and prevented hundreds of millions of women who would plan their families from having access to modern methods.<br>Those who deny that overpopulation is a problem say the poor don’t consume much. Yet the poor want nothing more than to consume more, as proved by India and China. Who can blame them? And a burgeoning number of desperately poor people does have a major impact: they cut down forests to [[agriculture|grow food]], drain rivers, deplete aquifers, and overfish and over-hunt in their local area. But make these points and you’ll be accused of blaming the poor for the problems of the rich.<br>We seem bound to learn the hard way that there really is a limit to how many people the Earth can support.<br>We wish it weren’t so, but it really is starting to look as if Malthus was right. ** Madeline Weld, "[https://montrealgazette.com/opinion/columnists/opinion-sadly-malthus-was-right-now-what Sadly, Malthus was right. Now what?]" in the ''{{W|The Gazette (Montreal)|Montreal Gazette}}'' (February 14, 2016) * ...the gains of low infant and maternal mortality and rises in population longevity—brought about in great part by harnessing fossil fuels, the agricultural revolution, modernization, and disease and injury reduction efforts—in many instances impedes rather than facilitates moving toward sustainable living. It can be argued from the ecological perspective that most public health efforts, as humanitarian as they are by intention and immediate effect, through accelerating population pressures on the environment are paradoxically hastening the destruction of the earth's habitat on which the next generation of humanity depends. It raises the concern that our perceived gains may be only illusory and temporary, with huge but unmeasured and unlinked environmental costs that will eventually lead to shorter lives of misery for our descendants. ** Harold B. Weiss, [https://www.ncbi.nlm.nih.gov/pmc/articles/PMC2602943/ "Overshoot"] in ''Public Health Reports'' (January-February 2009). * In the past, when one civilization collapsed, others evolved to replace it. Today the world-wide agroindustrial complex is making unprecedented demands on the whole earth’s biological ecostructure. After a brief half-century in which factory farming enlarged the meagre diet of the poor (though not for all, nor always to their benefit), the multinational food industry has become a primary impetus towards overpopulation, obesity, pollution, and global warming. Policies and practices whose effects were once circumscribed are now a threat to human survival. ** John Whiting, "[https://www.whitings-writings.com/eating_the_earth.htm Eating the Earth]." Oxford Symposium on Food and Cookery (September 9, 2007) * Agriculture, by overcoming the limitations inherent in the closed system of hunting/gathering, made possible the open-ended expansion of both the population and the means of feeding it. Once it had been adopted, there was no turning back. The more that a civilization farmed, the more it needed extra hands, and so large families were deliberately procreated, which in turn produced still more mouths to feed. Colin Tudge calls it a vicious spiral, Ronald Wright a progress trap. ** Ibid. * Nature’s modus operandi is to kill off the weakest, leaving only the strongest and most biologically versatile to reproduce. But for ''homo sapiens'', nature is not a force to be accommodated, but an opponent to be grappled with, and so ‘farming for money’ was joined by ‘medicine for money’. On top of the lucrative agroindustry which accellerates the population explosion, we have set up an equally profitable ‘health’ industry whose job it is to keep alive those whose bodies rebel at what they are so unhealthily force-fed.<br>The result is an expanding segment of the population who, along with accellerating obesity, suffer from various diseases of malnutrition, together with allergies and intolerances to a growing list of foodstuffs that are increasingly difficult to avoid. In the end, humanity may consist of a remnant of survivors who spend their brief unhappy lives closeted against the encroaching poisons which their ancestors had so profitably created. Instant death by peanut may prove to have been a warning blip on the radar screen. ** Ibid. * Today the threat lies in the sheer scale of our greed and our technological ineptitude. We’re driving entire countries over cliffs. We are destroying the delicate ecological balance which a [sic] brief interlude of stable climate has allowed us. We make pious noises about the disappearing terrestrial species while largely ignoring the invisible havoc we’re bringing about in the earth’s oceans, the source and sustenance of life on the land. ** John Whiting, June 2015 appendix to "Eating the Earth" * The raging monster upon the land is population growth. In its presence, sustainability is but a fragile theoretical construct. To say, as many do, that the difficulties of nations are not due to people but to poor ideology or land-use management is sophistic. If Bangladesh had 10 million inhabitants instead of 115 million [as of this writing], its impoverished people could live on prosperous farms away from the dangerous floodplains midst a natural and stable upland environment. It is also sophistic to point to the Netherlands and Japan, as many commentators incredibly still do, as models of densely populated but prosperous societies. Both are highly specialized industrial nations dependent on massive imports of natural resources from the rest of the world. If all nations held the same number of people per square kilometer, they would converge in quality of life to Bangladesh rather than to the Netherlands and Japan, and their irreplaceable natural resources would soon join the seven wonders of the world as scattered vestiges of an ancient [sic] history. ** [[E. O. Wilson]], ''The Diversity of Life'' (1992) * The pattern of human population growth in the 20th century was more bacterial than primate. When ''Homo sapiens'' passed the six billion mark we had already exceeded by perhaps as much as 100 times the [[w:Biomass (ecology)|biomass]] of any large animal species that had ever existed on the land. We and the rest of life cannot afford another one hundred years like that. ** [[E. O. Wilson]], quoted in ''Life on the Brink: Environmentalists Confront Overpopulation''. University of Georgia Press (2012), p. 83 * If we fail to limit our numbers and our impact, if we do not replace our goldrush economics with a rational sharing of what the earth can yield, this new century will not grow very old before we enter an age of chaos and collapse that will dwarf all dark ages in our past. **{{W|Ronald Wright}}, "Civilization is a pyramid scheme", ''The Globe and Mail'' (August 5, 2000). * So among the things we need to know about ourselves is that the Upper Palaeolithic period, which may well have begun in genocide, ended with an all-you-can-kill wildlife barbecue. The perfection of hunting spelled the end of hunting as a way of life. Easy meat meant more babies. More babies meant more hunters. More hunters, sooner or later, meant less game. Most of the great human migrations across the world at this time must have been driven by want, as we bankrupted the land with our moveable feasts. ** Ronald Wright, ''A Short History of Progress'' (2004), Chapter II: "The Great Experiment." === Z === * What determines population growth? What has been the cause of the unprecedented growth in world population in our recent history? Many socio-economic reasons are given as explanations: medical advances, improvements in public health, sanitation and hygiene, increased food availability and agricultural productivity, extension of cultivation, and development of trade and transportation. Surprisingly, high quality energy sources are rarely mentioned or quickly discounted. Yet an argument can be made that each of the above factors contributing to population growth is aided and influenced by high quality energy supplies. Cheap and abundant fossil fuels have been a necessary precondition for the past century’s population growth. And while not all countries benefit directly from the consumption of high quality energy supplies, most countries benefit from the impact of high energy societies on low energy societies. What if energy consumption, or more precisely, energy resource availability, somehow determines population growth? Perhaps energy resources determine the Earth’s ''carrying capacity,'' or how many people the Earth can support? Perhaps different energy resources have different effects on population growth? If we hypothesize that the Earth’s population is ultimately determined by availability of energy resources, and if some of those energy resources are at or near their peak rates of production, then that may affect rates of population growth. If the correlation is strong enough, the number of people the Earth can support may also be at or near its peak. Therefore the number of people in 2050 may be very different from widespread United Nations (UN) forecasts. Growing populations consume more energy. Availability of energy allows populations to grow. Energy consumption exerts demands on energy resources making them scarcer. They become harder to extract. Nearby forests are depleted, coal mines must dig deeper, oil has to be drilled in more complex environments. In other words, energy resource extraction experiences declining marginal returns. This has led to the exploitation of new energy sources, which in turn expands the Earth’s ''carrying capacity''. Then populations grow once more. **Graham Zabel, "[https://www.resilience.org/stories/2009-04-20/peak-people-interrelationship-between-population-growth-and-energy-resources/#_Toc227469800 Peak People: The Interrelationship between Population Growth and Energy Resources]" in ''Energy Bulletin'' (April 20, 2009) * Mature populations tend to reach equilibrium – the carrying capacity – and then fluctuate around this equilibrium. If a population outgrows its carrying capacity, regulating factors come into play, such as famine, or emigration. If a population is below its carrying capacity, birth rates tend to increase, so the population grows. The common assumption is that carrying capacity is determined by the availability of food, water and land. While availability of food and water are important factors in determining the carrying capacity of populations, they cannot explain the unprecedented increases in population that have occurred in the last several hundred years. The availability of land has always been a factor in increasing carrying capacity. In the historic past, the Earth’s carrying capacity could be increased by expanding into sparsely occupied, or frontier, lands. In a fictitious future, carrying capacity could be increased by expanding outward to other planets or solar systems. At present, there is very little unoccupied, habitable land remaining on this Earth and no nearby habitable planets to release the pressure of population growth, so any increase in carrying capacity must be a result of other factors. **Ibid. * At present the world’s population is growing rapidly. The planet could not support the six billion plus people that exist today without first the commercialisation of coal, then of oil and, more recently, gas. These energy sources have been necessary for the unprecedented population growth that has occurred over the last three hundred years. It is reasonable to assume that unless current energy resource production is increased and new resources are exploited, the population will no longer grow. And if energy resources decline (e.g. a peak in production is reached), then we may see a decline in population. ** Ibid. * Roughly 10,000 years ago, increasing population pressure on wild food resources led to a shift from food gathering (hunter-gatherers) to food production (agriculturists) in several parts of the world. This led to demand-induced technologies and demand-induced searches for higher quality energy sources, such as water power for flow irrigation, animal draft power, iron tools, and fire for land clearing and for improvement of hunting and pastoralism. Population pressures in many parts of Europe in the seventeenth and eighteenth centuries led to serious shortages of wood which in turn led to many of the technological innovations that fuelled the [[Industrial Revolution]]. Coal’s replacement of wood as the most important source of energy in Western Europe is a classic example of demand-induced innovation…promoted by population pressures on forested land in Western and Central Europe. From the end of [[World War II]], coal’s premier importance as an energy source declined sharply and was replaced by crude oil. Far offshore drilling of oil began in 1947 off the coast of Louisiana. One year later, the world’s largest oil field, al-Ghawar in Saudi Arabia, was drilled. Large new discoveries of oil and gas in Africa and Asia combined with the development of oil super tankers and pipeline networks reduced the price of oil and gas at a time when the costs of producing coal were continuing to rise. Diesel locomotives represented a major substitution of oil for coal. The post World War II era also saw large increases in automobile ownership, the beginnings of highway and motorway road transportation networks and the first passenger jet aircraft –all benefiting from and encouraging consumption of cheap oil supplies. These increases in the consumption of crude oil have coincided with the highest population growth in history. After the depressed population growth during World War II, growth rose quickly to a peak of 2.2% in 1964, the highest rate the world has ever known. (''Per capita'' oil consumption peaked shortly thereafter, in the 1970s). Although population continues to rise, population growth has been declining since then. If there is a relationship between energy consumption and population growth, the different types of energy consumed may have different effects. If biomass is the only energy source, populations will not grow very fast. In such organically based economies, the problem of expanding raw material supply, and especially the related problems associated with the very modest energy supply maxima…must curb growth with increasing severity as expansion takes place. The emergence of coal as an energy source eliminated the carrying capacity limits to population growth that any traditional and biomass energy based culture would eventually face. Similarly, the predominance of oil after the middle part of the twentieth century raised the carrying capacity even further. ** Ibid. * According to the IEA [International Energy Agency], 1.6 billion people live without electricity. Much of Africa and Asia still rely on biomass as their primary source of energy, yet have very high population growth rates. '''How can there be a correlation between energy and population in these instances? While many developing world countries remain low energy societies, they, and their population growth rates, are impacted by high energy societies. Their primary energy sources may still be traditional biomass, but their population growth is due in large part to abundant oil and gas supplies.''' Vaccines and antibiotics that reduce third world mortality are discovered, produced and distributed with first world energy, and oil contributes at every step. Fertilisers, pesticides and herbicides that aided the Green Revolution in much of the developing world could not have been produced without large oil and gas inputs. The aeroplanes, boats and trains that deliver and distribute food all run on oil. '''While the commercialisation of higher quality energy sources may be very unevenly distributed, the societies that adopt new energy sources, high energy societies, have a profound impact on those societies that remain low energy societies, and these impacted populations then become part of Coal, Oil or Natural Gas Populations.''' ** Ibid. *Just 11,000 years ago, there were only roughly 5 million humans who lived on the planet Earth. The initial population growth was slow, due largely to the way humans were living—by hunting. Such lifestyle limited the size of family for practical reasons. A woman on the move cannot carry more than one infant along with her household baggage. When simple birth control means-often abstention from sex failed, a woman may elect abortion or, more commonly, infanticide to limit the family size. Further, a high mortality among the very young, the old, the ill and the disabled acted as a natural resistance to a rapid population growth. Thus it took over one million years for human population to reach the one billion mark. But the second billion was added in about 100 years, the third billion in 50 years, the fourth in 15 years, and the fifth in 12 years. Ever since humans became sedentary, some limits over the family size were lifted. With the development of agriculture, children may have become more of an asset to their families in helping with farming and other chores. By the beginning of the Christian era, human population grew to about 130 million, distributed all over the Earth. By 1650, the world population had reached 500 million. The process of industrialization had begun, bringing about profound changes over the lives of humans and their interactions with the natural world. With improved living standard, lowered death rate and prolonged life expectancy, human population grew exponentially. By 1999 there were about 6 billion people, comparing with 2.5 billion in 1950. The world population is well on its way to 7 billion with an annual growth rate of over 90 million. **Ming Zheng, “[https://www.gordon.edu/download/pages/Salem%20010731-Human%20Population%20Growth.pdf Human Population Growth]”. {{W|Gordon College (Massachusetts)|Gordon College}} (July 31, 2001) == See also == * [[Biodiversity]] * [[Climate change]] * [[Exponential growth]] * [[Fossil fuel]] * [[Global warming]] * [[Population decline]] * [[Sustainable development]] * [[Sustainability]] ==Further reading== *Smil, Vaclav. "[https://ia800709.us.archive.org/16/items/detonator-of-the-population-explosion/Detonator%20of%20the%20population%20explosion.pdf Detonator of the population explosion]." Nature 400.6743 (1999): 415-415. *Feeney, John. "[https://ia801807.us.archive.org/18/items/agriculture-ending-the-world-as-we-know-it/Agriculture_Ending_the_world_as_we_know_it.pdf AGRICULTURE: Ending the World as We Know It]." Zephyr, August—September (2010). ==External links== {{উইকিপিডিয়া|Human overpopulation}} {{উইকিঅভিধান|overpopulation}} *[https://population.org.au/about-population/global-population Quotes on Human Over-Population and Related Subjects], ''Sustainable Population Australia'' *{{ওয়েব উদ্ধৃতি|url=https://www.populationmedia.org/2014/02/11/morgan-freeman-speaks-out-on-population/|title=Morgan Freeman on the 'tyranny of agriculture' and the doomed human race|date=11 February 2014|publisher=Ecorazzi}} *[https://www.theguardian.com/global-development-professionals-network/gallery/2015/apr/01/over-population-over-consumption-in-pictures Overpopulation, overconsumption – in pictures]. ''{{W|The Guardian}}'' April 1, 2015. *{{ওয়েব উদ্ধৃতি|url=http://www.panearth.org/WVPI/Papers/FoodPopulationSummary.pdf|title=A Summary of Human Population Dynamics|work=Russell Hopfenberg|publisher=Pan Earth}} [[বিষয়শ্রেণী:জীববিজ্ঞান]] [[বিষয়শ্রেণী:সমাজতত্ত্ব]] [[Category:Sustainability]] dkzz8dfg0ej7mjw2262301oe8hoxpnf 79858 79853 2026-04-23T00:11:14Z ARI 356 /* C */ 79858 wikitext text/x-wiki [[File:Annual-World-Population-since-10-thousand-BCE-1-768x724.png|thumb|বিশ্বের জনসংখ্যা এবং সেই সাথে খ্রিস্টপূর্ব ১০,০০০ থেকে ২০৫৮ সাল পর্যন্ত জনসংখ্যার একটি সম্ভাব্য প্রক্ষেপণ বা আগাম অনুমান]] [[File:World Population and Projections by Medium Fertility and Continent or Country 1950 - 2100.png|thumb|মাঝারি প্রজনন হারের ওপর ভিত্তি করে ১৯৫০ থেকে ২১০০ সাল পর্যন্ত বিশ্বের মোট জনসংখ্যা এবং বিভিন্ন মহাদেশ ও দেশভিত্তিক জনসংখ্যার একটি প্রক্ষেপণ]] [[File:Distribution-of-earths-mammals.png|thumb|পৃথিবীর বুকে বর্তমানে বিদ্যমান সমস্ত স্তন্যপায়ী প্রাণীর মোট ওজনের ৯৬ শতাংশই দখল করে আছে মানুষ এবং তাদের লালন-পালন করা গবাদি পশু; যেখানে বন্য স্তন্যপায়ী প্রাণীর পরিমাণ হলো মাত্র ৪ শতাংশ।]] [[File:Time for the world population to increase by one billion 1805 – 2086.png|thumb|১৮০৫ সাল থেকে ২০৮৬ সাল পর্যন্ত বিশ্বের মোট জনসংখ্যা প্রতি ১০০ কোটি বা এক বিলিয়ন করে বৃদ্ধি পেতে ঠিক কতটা সময়ের প্রয়োজন হয়েছে তার একটি তুলনামূলক চিত্র]] '''অতিপ্রজতা''' হলো এমন একটি বিশেষ প্রাকৃতিক পরিস্থিতি বা অবস্থা যেখানে কোনো একটি নির্দিষ্ট ভৌগোলিক অঞ্চলে বসবাসকারী কোনো বিশেষ প্রজাতির জীবের মোট সংখ্যা সেই নির্দিষ্ট পরিবেশ বা বাসস্থানের স্বাভাবিক ধারণক্ষমতাকে পুরোপুরিভাবে ছাড়িয়ে যায়। == উক্তি == * আমরা এই পৃথিবীতে মানবজাতির ৮০০ কোটিতম সদস্যকে মাত্র স্বাগত জানালাম। নিঃসন্দেহে একটি শিশুর জন্ম খুবই আনন্দের এবং চমৎকার একটি বিষয়। '''কিন্তু আমাদের এটা বুঝতে হবে যে, মানুষের সংখ্যা যত বৃদ্ধি পাবে, আমরা এই পৃথিবীর ওপর তত বেশি প্রচণ্ড চাপ তৈরি করব।''' জীববৈচিত্র্যের কথা চিন্তা করলে দেখা যায় যে, আমরা প্রকৃতির সাথে এক প্রকার যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছি। আমাদের এখন প্রকৃতির সাথে শান্তি স্থাপন করা প্রয়োজন। কারণ এই প্রকৃতিই পৃথিবীর সমস্ত কিছুকে টিকিয়ে রাখে... বিজ্ঞান এই বিষয়ে একদম সুষ্পষ্ট। ** ইঙ্গার অ্যান্ডারসেন, জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচির নির্বাহী পরিচালক, [https://www.theguardian.com/environment/2022/dec/06/cop-15-un-chief-biodiversity-apocalypse 'উই আর অ্যাট ওয়ার উইথ নেচার': ইউএন এনভায়রনমেন্ট চিফ ওয়ার্নস অফ বায়োডাইভারসিটি অ্যাপোক্যালিপস]। ''দ্য গার্ডিয়ান'', ৬ ডিসেম্বর ২০২২। * '''শিশুরা হলো মানবজাতির শত্রু'''... বিষয়টা এভাবে ভেবে দেখা যাক: বিশ্বের জনসংখ্যা যখন দ্বিগুণ হবে, তখন আমাদের শক্তির ব্যবহারের পরিমাণ সাত গুণ বৃদ্ধি পাবে। এর অর্থ হলো আমরা সম্ভবত যে পরিমাণ দূষণ তৈরি করছি তার মাত্রাও সাত গুণ বেড়ে যাবে। আমরা যদি বর্তমান হারের দূষণ নিয়েই হুমকির মুখে থাকি, তবে দ্বিগুণ জনসংখ্যার মাঝে ছড়িয়ে পড়া এই সাত গুণ বেশি দূষণের ফলে আমাদের অবস্থা কেমন হবে? আমাদের তখন সাত গুণ বেশি হারে বিষাক্ত হয়ে পড়া মাটি থেকে দ্বিগুণ পরিমাণ খাদ্য উৎপাদন করতে হবে। ** [[আইজাক আসিমভ]] (১৯৬৯) বোস্টন ম্যাগাজিনের সাথে একটি সাক্ষাৎকারে। আংশিকভাবে এলেন প্যাক (১৯৭৬)-এর ''দ্য বেবি ট্র্যাপ'', পৃষ্ঠা ১৭। * এটি সবকিছু ধ্বংস করে দেবে। আমি এই বিষয়টি বোঝাতে বাথরুমের একটি রূপক ব্যবহার করি। যদি একটি অ্যাপার্টমেন্টে দুইজন মানুষ থাকে এবং সেখানে দুইটি বাথরুম থাকে, তবে তাদের দুইজনেরই বাথরুম ব্যবহারের পূর্ণ স্বাধীনতা থাকে। তারা যখন খুশি সেখানে যেতে পারে এবং নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী যতক্ষণ খুশি থাকতে পারে। আমার মতে এটাই হলো আদর্শ অবস্থা। আর প্রত্যেকেই বাথরুম ব্যবহারের এই স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে। এমনকি এটি সংবিধানেও থাকা উচিত। কিন্তু যদি একই অ্যাপার্টমেন্টে ২০ জন মানুষ থাকে এবং বাথরুম থাকে মাত্র দুইটি, তবে সেই বাথরুম ব্যবহারের স্বাধীনতার ওপর বিশ্বাস থাকলেও বাস্তবে তার কোনো অস্তিত্ব থাকবে না। আপনাকে তখন প্রত্যেকের জন্য আলাদা আলাদা সময় ঠিক করে দিতে হবে, আপনাকে দরজায় কড়া নেড়ে বলতে হবে, তোমার কি এখনো শেষ হয়নি? ঠিক একইভাবে, '''অতিরিক্ত জনসংখ্যার চাপে গণতন্ত্র টিকে থাকতে পারে না। মানুষের মর্যাদাও এর চাপে টিকে থাকতে পারে না। সুযোগ-সুবিধা এবং শালীনতাও এর ফলে হারিয়ে যায়।''' আপনি যখন পৃথিবীতে মানুষের সংখ্যা বাড়াতে থাকবেন, তখন জীবনের মূল্য শুধু কমবেই না বরং তা পুরোপুরি অদৃশ্য হয়ে যাবে। তখন কেউ মারা গেল কি না তাতে কিছু যায় আসবে না। ** [[আইজাক আসিমভ]] (১৯৮৮) বিল ময়ার্স-এর সাথে ''বিল ময়ার্স ওয়ার্ল্ড অফ আইডিয়াস'' দেওয়া সাক্ষাৎকারে (১৭ অক্টোবর ১৯৮৮); [http://www.pbs.org/moyers/faithandreason/print/pdfs/woi%20asimov1.pdf প্রতিলিপি] (পৃষ্ঠা ৬) - [http://www.pbs.org/moyers/faithandreason/media_players/asimovwoi_audio.html অডিও (২০:১২)] ** বিল ময়ার্সের এই প্রশ্নের উত্তরে করা মন্তব্য: যদি জনসংখ্যার এই বৃদ্ধি বর্তমান হারেই চলতে থাকে তবে মানবজাতির [[মর্যাদা]]র ধারণার কী ঘটবে বলে আপনি মনে করেন? * আমরা এই পৃথিবীর জন্য একটি অভিশাপ বা মহামারীর মতো। আগামী ৫০ বছরের মধ্যে এর ভয়াবহ ফল আমাদের ভোগ করতে হবে। এটি কেবল জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয় নয়; এটি মূলত জায়গার অভাব এবং এই বিশাল জনগোষ্ঠীর জন্য খাদ্য উৎপাদনের জায়গার সমস্যা। হয় আমাদের নিজেদেরই এই জনসংখ্যা বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করতে হবে, নয়তো প্রকৃতিই আমাদের হয়ে এই কাজটি করে দেবে। আর প্রকৃতি এখনই আমাদের ওপর সেই ব্যবস্থা নেওয়া শুরু করে দিয়েছে। ** ডেভিড অ্যাটেনবারা, "[https://www.telegraph.co.uk/news/earth/earthnews/9815862/হিউম্যানস আর প্লেগ অন আর্থ]". ''দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফ'', ২২ জানুয়ারি ২০১৩। * আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের সাফল্য বর্তমানে এতটাই ঈর্ষণীয় যে এর মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ মানুষকে বাঁচিয়ে রাখা সম্ভব হচ্ছে, যদিও তাদের সবসময় পুরোপুরি সুস্থ করা সম্ভব হয় না। আগেকার দিনে বিজ্ঞানের এই অগ্রগতির অভাবের কারণে এই মানুষগুলো সাধারণত মৃত্যুবরণ করত। শারীরিক রোগ নিরাময়ের এই দক্ষতা এবং জ্ঞানের মাঝেই আজকের দিনের একটি প্রধান বৈশ্বিক সমস্যা লুকিয়ে আছে আর তা হলো এই গ্রহের অতিপ্রজতা বা মাত্রাতিরিক্ত জনসংখ্যা। এর ফলে মানবজাতি আজ অনেকটা পালের পশুর মতো জীবনযাপন করতে বাধ্য হচ্ছে এবং এর ফলশ্রুতিতে তৈরি হচ্ছে অর্থনৈতিক সংকট। এই সাফল্যের ফলে সৃষ্ট নানা আনুষঙ্গিক সমস্যার মধ্যে এটি মাত্র একটি। জীবনের এই "অস্বাভাবিক" সুরক্ষা অনেক কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে এবং এটি যুদ্ধের একটি বড় উৎস হিসেবে কাজ করছে, যা এই গ্রহের মূল চেতনাশক্তির কর্মফলের উদ্দেশ্যের পরিপন্থী।<BR>এই বিশাল সমস্যাটি নিয়ে আমি এখানে বিস্তারিত আলোচনা করতে পারছি না। আমি কেবল এটিকে নির্দেশ করতে পারি। এই সমস্যার সমাধান তখনই হবে যখন মানুষের মন থেকে [[মৃত্যু]]র ভয় দূর হবে এবং যখন মানবজাতি সময়ের গুরুত্ব এবং প্রাকৃতিক চক্রের অর্থ বুঝতে শিখবে। **অ্যালিস বেইলি, ''এ ট্রিটিজ অন দ্য সেভেন রেজ: ভলিউম ৪: এসোটেরিক হিলিং'', পৃষ্ঠা ২৭৮ (১৯৫৩)। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৮৫৩৩০-১২১-৯। * '''আমরা যখন কোনো বাধা ছাড়াই ৭০০ কোটি থেকে ৮০০ কোটি মানুষের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি, তখন আমাদের প্রতিটি প্রজন্ম আগের প্রজন্মের চেয়েও বেশি শক্তিশালী, দূষণকারী এবং ধ্বংসাত্মক হয়ে উঠছে। আমি ভাবছি যে, জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ঋণাত্মক হওয়ার স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার জন্য ১০০ বছর কি খুব বেশি সময় হয়ে যাবে না? নাকি এই এক শতাব্দী সময়ের মধ্যে আমরা জীববৈচিত্র্যের এমন অপূরণীয় এবং স্থায়ী ক্ষতি করে ফেলব যা আমাদের অস্তিত্বের জন্যই শেষ পর্যন্ত চরম হুমকি হয়ে দাঁড়াবে।''' মৌমাছি এবং হামিংবার্ডের কথা একটু চিন্তা করুন। সারা বিশ্বজুড়ে পতঙ্গের সংখ্যা যেভাবে হঠাৎ করে কমে যাচ্ছে তার কথা ভাবুন এবং এটি খাদ্য শৃঙ্খলের ওপরের বা নিচের স্তরে থাকা প্রাণীদের ওপর কতটা দ্রুত প্রভাব ফেলতে পারে তা কল্পনা করুন। এখন, মিস্টার বায়োটেক বিলিয়নেয়ার, আপনি কি সত্যিই এই বিশ্বকে এমন সব মানুষ দিয়ে ভরিয়ে দিতে চান যারা ২০০ বা ৩০০ বছর পর্যন্ত বেঁচে থাকবে? ** অ্যালবার্ট বেটস, "[https://medium.com/the-shadow/the-great-pause-week-61-swallow-the-doctor-8cbf077f6e13 সোয়ালো দ্য ডক্টর]"। ''মিডিয়াম'' (১৬ মে ২০২১) * যদিও এই গ্রহের অচেতন ক্রিয়া এবং অন্ধ শক্তিগুলো পৃথিবীর বিবর্তনের ৪৫০ কোটি বছরের ইতিহাসে অনেক বিশৃঙ্খল পরিবর্তন ঘটিয়েছে, এখন সেই পরিবর্তনের দিক নির্ধারিত হচ্ছে একটি সচেতন এবং ইচ্ছাশক্তিসম্পন্ন সত্তা দ্বারা, যার নাম "মানবজাতি"। তবে অবশ্যই আমাদের পুরো মানবজাতিকে সমানভাবে দোষারোপ করা উচিত হবে না, কারণ এই সমস্যার মূলে রয়েছে শিল্পোন্নত পুঁজিবাদী পাশ্চাত্য বিশ্ব। অথচ জলবায়ু সংকটে যাদের অবদান সবচেয়ে কম, সেই দরিদ্র দেশগুলোই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। '''কিন্তু চীন, ভারত এবং ব্রাজিলের মতো দেশগুলো বর্তমানে এই সংকটে বড় ভূমিকা রাখছে এবং এই গ্রহের ৭৫০ কোটি মানুষের সম্মিলিত প্রভাবে সর্বত্রই প্রাণিকুলের বিলুপ্তি এবং ধ্বংসের প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হচ্ছে।''' হলোসিন যুগের সেই স্থিতিশীলতা এখন আর নেই, পরিবর্তনগুলো আমাদের বোঝার ক্ষমতা এবং নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে এবং এক ভয়াবহ বিশৃঙ্খলা আমাদের দরজায় কড়া নাড়ছে। ** স্টিভেন বেস্ট, [https://drstevebest.wordpress.com/2019/12/03/total-liberation-in-the-age-of-the-anthropocene-and-climate-emergency/  টোটাল লিবারেশন ইন দ্য এজ অফ দ্য অ্যানথ্রোপোসিন অ্যান্ড ক্লাইমেট ইমার্জেন্সি] (৩ ডিসেম্বর ২০১৯) * মানুষের জ্যামিতিক হারে বৃদ্ধির এই গতি অভূতপূর্ব এবং পৃথিবীর ইতিহাসে আগে কখনও কোনো একটি একক প্রজাতি এত বিশাল আকারে বৃদ্ধি পায়নি, যা জীবন্ত প্রাণব্যবস্থার ভারসাম্যকে পুরোপুরি নষ্ট করে দিচ্ছে। এই সমস্যাটি দিন দিন কেবল আরও খারাপের দিকেই যাচ্ছে। সাধারণ হিসাব অনুযায়ী, ২০৫০ সালের মধ্যে মানুষের জনসংখ্যা ৮০০ থেকে ১০০০ কোটিতে পৌঁছাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে এবং ২১০০ সালের মধ্যে এটি হয়তো আরও অনেক বেশি বৃদ্ধি পাবে। মানুষের এই জনসংখ্যা বৃদ্ধি একটি চরম পর্যায়ের সংকটকে নির্দেশ করে। তবে অবশ্যই এটি আমাদের সামনে থাকা অসংখ্য সংকটের মাত্র একটি দিক যার সাথে প্রজাতির বিলুপ্তি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের মতো সমস্যাগুলো যুক্ত হয়ে এক ভয়াবহ মহাবিপর্যয় তৈরি করছে। এই চ্যালেঞ্জগুলোই বর্তমানে অ্যানথ্রোপোসিন যুগে মানবজাতির সামনে এক কঠিন পরীক্ষা হিসেবে দাঁড়িয়েছে। ** স্টিভেন বেস্ট, "[https://www.all-creatures.org/lifestyle/img/failed-species.pdf ফেইলড স্পিসিস: দ্য রাইজ অ্যান্ড ফল অফ দ্য হিউম্যান এম্পায়ার]"। ''রোমানিয়ান জার্নাল অফ আর্টিস্টিক ক্রিয়েটিভিটি''। ৯ (২)। (২০২১)। * বর্তমানে আমাদের আধুনিক শিল্প সভ্যতার চাকা প্রায় পুরোপুরিভাবে বিপুল পরিমাণ জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহারের ওপর নির্ভরশীল। এটি বোঝা খুব গুরুত্বপূর্ণ যে, জীবাশ্ম জ্বালানি বা বিশেষ করে খনিজ তেল কেবল ব্যক্তিগত গাড়ি বা ট্রাক তৈরির জন্য বা চালানোর জন্য ব্যবহৃত হয় না। এগুলো ট্রাক্টর, লাঙল, সেচের পাইপ এবং পাম্প তৈরির কাজেও ব্যবহৃত হয় এবং পরে এগুলো চালাতে জ্বালানি হিসেবে কাজ করে। এই জ্বালানিগুলো অনেক গুরুত্বপূর্ণ সার এবং কীটনাশকের রাসায়নিক ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। এছাড়া কৃষিকাজে ব্যবহৃত প্লাস্টিক তৈরির উপাদানও এখান থেকেই আসে। পচনশীল দ্রব্য সংরক্ষণের জন্য যে হিমায়িত ব্যবস্থার প্রয়োজন হয়, তাও এর ওপর নির্ভরশীল। সংক্ষেপে বলতে গেলে, প্রচুর পরিমাণে জীবাশ্ম জ্বালানি ছাড়া আধুনিক শিল্প-কৃষি ব্যবস্থা অচল হয়ে পড়বে। জীবাশ্ম জ্বালানি-ভিত্তিক এই আধুনিক কৃষি ব্যবস্থা না থাকলে বিশ্বে খাদ্য উৎপাদন এতটাই কমে যাবে যা আমাদের বর্তমান জনসংখ্যাকে টিকিয়ে রাখার জন্য মোটেও পর্যাপ্ত হবে না। প্রতি বছর যে নতুন করে আরও ৮ কোটির বেশি মানুষ যুক্ত হচ্ছে, তাদের কথা তো বাদই দিলাম। মুদ্রার উল্টো পিঠ হলো এই যে, '''মানুষ যখন জীবাশ্ম জ্বালানির মধ্যে থাকা এই অসাধারণ শক্তিকে নিজেদের প্রয়োজনে ব্যবহার করে, তখন আমরা "মাত্রাতিরিক্ত শক্তিশালী" হয়ে উঠি—আর এভাবেই আমরা পৃথিবীর জীবমন্ডলকে পিষ্ট করে ফেলছি।''' জীবাশ্ম জ্বালানির শক্তি ছাড়া আমরা প্রতি মিনিটে কয়েকটি ফুটবল মাঠের সমান রেইনফরেস্ট ধ্বংস করতে পারতাম না, গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে পারতাম না, বিশাল আকারে মৎস্য চাষের চেষ্টা করতে পারতাম না বা মাইলের পর মাইল পিচ ঢালা রাস্তা দিয়ে বসতি স্থাপন করতে পারতাম না। সারসংক্ষেপে, জীবাশ্ম জ্বালানি আমাদের জনসংখ্যা এবং তার বৃদ্ধি এবং সেই সাথে আমাদের বিলাসিতা বা অতিরিক্ত ভোগ উভয়কেই টিকিয়ে রেখেছে। ** জোসেফ জে. বিশ, "[https://www.populationmedia.org/the-latest/interrelationships-human-population-fossil-fuels-and-technology ইন্টাররিলেশনশিপস: হিউম্যান পপুলেশন, ফসিল ফুয়েলস, অ্যান্ড টেকনোলজি]।" পপুলেশন মিডিয়া সেন্টার (১৫ অক্টোবর ২০২১) * আমার মতে, বর্তমানে জনসংখ্যা বৃদ্ধি আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে এবং আমাদের সম্পদ দিন দিন কমছে আমরা আমাদের সভ্যতার ইতিহাসে দেখা সবচেয়ে বড় বিপর্যয়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। আমি মনে করি আগামী ৪০ বা ৫০ বছরের মধ্যেই আমরা সেই চরম সংকটে পৌঁছে যাব। যদি আপনার জনসংখ্যার রেখাটি জ্যামিতিক হারে বাড়তে থাকে এবং সম্পদের রেখাটি জ্যামিতিক হারে কমতে থাকে, তবে সবার আগে যা ঘটবে তা হলো সম্পদের বৈষম্য বৃদ্ধি পাওয়া। এর অর্থ হলো আপনি কিছু এলাকায় ধনী মানুষের সুরক্ষিত পাড়া দেখতে পাবেন যেখানে বাইরে নিরাপত্তা রক্ষী থাকবে, আর সেই এলাকার বাইরে কেবল দারিদ্র্য আর অভাব বাড়বে। সম্পদ যত কমতে থাকবে, মানুষ পানি, খাবার এবং চাষযোগ্য জমি নিয়ে নিজেদের মধ্যে লড়াই শুরু করবে। ২০৫০ সালে জোহানেসবার্গের মতো বড় শহরগুলোতে এমন দৃশ্যই দেখা যাবে। এর লক্ষণগুলো এখনই সব জায়গায় ফুটে উঠছে। এটি কেবল অতিরিক্ত জনসংখ্যা এবং সম্পদের অভাবের ফল। আমরা আসলে আমাদের ভবিষ্যৎ ভাগ্যের ওপর কোনো নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেছি। :* নিল ব্লমক্যাম্প: ''[http://www.avclub.com/article/idistrict-9-idirector-neill-blomkamp-31606 ডিস্ট্রিক্ট ৯ ডিরেক্টর নিল ব্লমক্যাম্প],'' তাশা রবিনসন কর্তৃক '' avclub.com''-এ প্রকাশিত, ১২ আগস্ট ২০০৯। * ... ১৭৯৮ সালে রেভারেন্ড থমাস ম্যালথাস যে ভবিষ্যৎবাণী করেছিলেন মানুষ তার সংখ্যা বৃদ্ধির মাধ্যমে নিজেকে এক "দুর্ভোগ এবং অনৈতিকতার" পরিস্থিতির দিকে নিয়ে যাবে তা আজও ততটাই সত্য যতটা সেই সময়ে ছিল। জ্যামিতিক হারে জনসংখ্যা বাড়লেও খাদ্য উৎপাদন গাণিতিক হারে বাড়ে, যার ফলে এই ভারসাম্যহীনতা তৈরি হয়। তিনি একজন দূরদর্শী মানুষ ছিলেন এবং অতিপ্রজতার এই দানবীয় রূপটি পরিষ্কারভাবে দেখতে পেয়েছিলেন। তার ভবিষ্যৎবাণীর একমাত্র ভুল ছিল সময়ের হিসাবে সামান্য এদিক-ওদিক হওয়া। আমরা কৃষিবিদেরা খুব জোর দিয়ে বললে বড়জোর কয়েক দশক সময় পেতে পারি যার মধ্যে আমাদের খাদ্য উৎপাদনের সাথে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হারের একটি সফল ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে। ** নরমান বোরলাগ: [https://repository.cimmyt.org/bitstream/handle/10883/19272/9023.pdf?sequence=1 "হুইট ব্রিডিং অ্যান্ড ইটস ইমপ্যাক্ট অন ওয়ার্ল্ড ফুড সাপ্লাই।"] এতে: ''থার্ড ইন্টারন্যাশনাল হুইট জেনেটিক্স সিম্পোজিয়াম''। সিআইএমএমওয়াইটি, ১৯৬৮। * এটি স্বতস্ফূর্তভাবে প্রমাণিত যে, আমাদের পরিবেশগত সীমার এই যে অতিরিক্ত লঙ্ঘন, তা মূলত মানুষের অত্যধিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির সরাসরি ফলাফল। এই বিশাল জনগোষ্ঠী প্রচুর পরিমাণে প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবহার করছে এবং এই সীমিত গ্রহের ওপর মাত্রাতিরিক্ত বর্জ্য ত্যাগ করছে, যা মূলত সুস্থ পরিবেশ ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল। যারা বিশ্বাস করেন যে আমরা একটি সীমাবদ্ধ সম্পদের বিশ্বে বাস করি এবং আমাদের বর্জ্য শোষণের ক্ষমতাও সীমিত, তাদের কাছে এই বিষয়টি ব্যাখ্যার প্রয়োজন নেই। তবুও এখনও এমন অনেক মানুষ আছেন যারা মনে করেন যে মানুষের অনন্য বুদ্ধিমত্তা এবং প্রযুক্তিগত দক্ষতা আমাদের এই সব চ্যালেঞ্জগুলো থেকে "মুক্ত" করবে। অথচ আমাদের এই সাম্প্রতিক বিস্ফোরক জনসংখ্যা বৃদ্ধি, বিশ্বব্যাপী সম্প্রসারণ এবং শিল্পায়ন আমাদের গ্রহের সীমাগুলো অতিক্রম করে আমাদের সামনে একের পর এক কঠিন চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিচ্ছে। ** স্টিভ বুল, "[https://stevebull-4168.medium.com/todays-contemplation-collapse-cometh-cxci-the-nexus-of-population-energy-innovation-and-936076b4cf23 দ্য নেক্সাস অফ পপুলেশন, এনার্জি, ইনোভেশন, অ্যান্ড কমপ্লেক্সিটি]"। (২৮ নভেম্বর ২০২৪)। * প্রতিটি জীবিত প্রজাতিকেই বেঁচে থাকার জন্য প্রকৃতি থেকে কিছু না কিছু নিতে হয় এবং আমরাও তার ব্যতিক্রম নই। কিন্তু অন্যান্য প্রজাতির মতো আমাদের খাদ্য, আরাম-আয়েশ, বাসস্থান বা প্রজননের আকাঙ্ক্ষার কোনো শেষ নেই—বেঁচে থাকার এই মৌলিক চাহিদাগুলো এখন আমাদের অস্তিত্বের প্রয়োজনের চেয়েও অনেক বেশি মাত্রায় বেড়ে গেছে। আমরা উন্নতি করতে বাধ্য হই এবং মানুষ হিসেবে দুই পায়ে দাঁড়ানোর পর থেকেই আমরা ভূমি থেকে প্রাকৃতিক সম্পদ আহরণ করে আসছি। পুরো বিংশ শতাব্দী জুড়ে আমাদের এই বিশাল ভোগের যন্ত্রটি আরও শক্তিশালী হয়েছে এবং মানুষের এই অতৃপ্ত আকাঙ্ক্ষা আমাদের টিকিয়ে রাখা এই গ্রহের ওপরই আঘাত হেনেছে। খুব অল্প সময়ের মধ্যে মানবজাতি তার জনসংখ্যার বিস্ফোরণ, শিল্প এবং প্রযুক্তির মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী এক বিশাল পরিবর্তনের কারিগর হয়ে উঠেছে। এই সভ্যতা তার অগ্রগতির পথে যা রেখে যাচ্ছে তা হয়তো শেষ পর্যন্ত এক উন্মুক্ত এবং রিক্ত এক পৃথিবী ছাড়া আর কিছুই নয়। কিন্তু এই আগ্রাসনের মাধ্যমে আমরা নিজের অজান্তেই আমাদের বর্তমান জীবনযাত্রার এক বিশাল এবং ধ্বংসাত্মক স্মারক তৈরি করে চলেছি। ** এডওয়ার্ড বার্টিনস্কি, "[https://books.openbookpublishers.com/10.11647/obp.0193/ch13.xhtml ইমেজিং আর্থ]।" ''আর্থ ২০২০'' (২০২০)। * বিশ্বজুড়ে জীববৈচিত্র্য কমে যাওয়ার বিষয়টি সবচেয়ে স্পষ্টভাবে বোঝা যায় যখন আমরা এটি অনুধাবন করি যে, অতিরিক্ত মানুষ অনেক বেশি পরিমাণে প্রাকৃতিক সম্পদ ভোগ করছে ও উৎপাদন করছে এবং এর ফলে অন্যান্য প্রজাতিগুলো তাদের নিজস্ব আবাসন থেকে বিতাড়িত হচ্ছে। বন্য প্রাকৃতিক পরিবেশ এবং সমুদ্রের তলদেশের পরিবেশ আজ মানুষ, আমাদের পোষা ও আমাদের ওপর নির্ভরশীল প্রাণী, আমাদের অর্থনৈতিক সহায়তা ব্যবস্থা এবং আমাদের ফেলে দেওয়া আবর্জনার স্তূপের মাধ্যমে দখল হয়ে যাচ্ছে। ** ফিলিপ কাফারো, পারনিলা হ্যানসন, ফ্রাঙ্ক গোটমার্ক, {{cite journal|doi=10.1016/j.biocon.2022.109646|title=অতিপ্রজতা হলো জীববৈচিত্র্য হ্রাসের একটি প্রধান কারণ এবং যা অবশিষ্ট আছে তা রক্ষা করার জন্য মানুষের সংখ্যা কমিয়ে আনা প্রয়োজন|year=২০২২ |journal={{W|Biological Conservation (journal)|বায়োলজিক্যাল কনজারভেশন}}|volume=২৭২|issue= |pmid=|pmc=|url=https://www.sustainable.soltechdesigns.com/Overpopulation-and-biodiversty-loss(2022).pdf}} * গত একশ বছরে 'হোমো সেপিয়েন্স' বা মানুষের জনসংখ্যা ২০০ কোটি থেকে বেড়ে প্রায় ৮০০ কোটিতে পৌঁছেছে। জাতিসংঘ (২০১৯) অনুমান করছে যে, যদি এই জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কমানোর জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা না হয়, তবে ২১০০ সালের মধ্যে এই সংখ্যা আরও ৩০০ কোটি বৃদ্ধি পাবে। এই সম্ভাব্য বৃদ্ধিকে উপেক্ষা করার অর্থ হলো বর্তমানে চলমান জীববৈচিত্র্য সংকটের একটি প্রধান চালিকাশক্তিকে অস্বীকার করা। মানুষের বর্তমান এই বিশাল সংখ্যাকে একটি স্বাভাবিক পরিস্থিতি হিসেবে মেনে নেওয়ার অর্থ হলো একটি জৈবিকভাবে নিঃস্ব ও রিক্ত গ্রহকে মেনে নেওয়া। ** এলবিআইডি। * আঠারো শতকের অর্থনীতিবিদ থমাস ম্যালথাস একবার ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন যে, যেহেতু আমাদের জনসংখ্যা জ্যামিতিক হারে বৃদ্ধি পায় অথচ আমাদের খাদ্য সরবরাহ বাড়ে গাণিতিক হারে, তাই আমাদের জনসংখ্যা একদিন আমাদের লালন-পালন করার ক্ষমতাকে ছাড়িয়ে যাবে। যদিও প্রক্রিয়াজাত খাদ্য এবং জেনেটিকালি পরিবর্তিত জীবের উদ্ভাবনের ফলে এটি বর্তমানে ভুল প্রমাণিত হয়েছে, তবুও পিটার ফার্বের ধাঁধাটি বর্তমানে সত্য বলে প্রতীয়মান হতে পারে। যেহেতু পৃথিবীর জনসংখ্যা প্রতিনিয়ত বাড়ছে, তাই আমরা আমাদের খাদ্য উৎপাদনও বাড়িয়ে দিচ্ছি। এর ফলে খাদ্যের উদ্বৃত্ত থাকায় মানুষ এখন আগের চেয়ে বেশি পুষ্টি পাচ্ছে। এটি মানুষের গড় আয়ু বাড়িয়ে দিচ্ছে এবং শিশু মৃত্যুর হার কমিয়ে দিচ্ছে। এর ফলে মানুষ আরও বেশি সংখ্যক সন্তান ধারণ করতে সক্ষম হচ্ছে। এই চক্রাকার ধাঁধাটি আমাদের গ্রহের জন্য মোটেও স্বাস্থ্যকর নয়। কারণ আমরা হয়তো আমাদের ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার ক্ষুধা মেটাতে সক্ষম হব, কিন্তু আমাদের অন্যান্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সম্পদ যেমন পানি এবং তেল দিন দিন ফুরিয়ে আসছে। জনসংখ্যাকে একটি স্থিতিশীল পর্যায়ে রাখার জন্য আমাদের ডেনমার্ক এবং জাপানের মতো প্রতিস্থাপন হারে প্রজনন করা উচিত। ** ক্যাথরিন ক্যালডওয়েল, "[https://facetsofsustainability2014.wordpress.com/2014/11/13/farb-malthus-and-ishmael-v-the-population/ ফার্ব, ম্যালথাস এবং ইসমায়েল বনাম জনসংখ্যা]" (১৩ নভেম্বর ২০১৪)। * বর্তমানে মানবজাতি ভবিষ্যতের সম্পদ অতি লোভীর মতো চুরি করার কাজে লিপ্ত হয়েছে। আধুনিক বিশ্বে দেখা দেওয়া দুর্ভিক্ষ অবশ্যই মানুষের বর্তমান অবস্থার একটি গভীর সমস্যার লক্ষণগুলোর মধ্যে একটি হওয়া উচিত—আর তা হলো ডায়াক্রনিক প্রতিযোগিতা। এটি এমন একটি সম্পর্ক যেখানে আমাদের বর্তমানের সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য বা ভালো থাকা নিশ্চিত করা হচ্ছে আমাদের বংশধরদের বা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুযোগ-সুবিধা কেড়ে নেওয়ার বিনিময়ে। আমাদের বিশাল জনসংখ্যা, আমাদের প্রযুক্তিগত উন্নতির স্তর এবং মানুষের ধারণক্ষমতা বৃদ্ধির স্থায়ী পদ্ধতি (যেমন কৃষি) ও সাময়িক পদ্ধতি (জীবাশ্ম জ্বালানি এবং অন্যান্য খনিজ সম্পদের ওপর নির্ভরশীলতা)-র মধ্যে পার্থক্য বুঝতে না পারার কারণে আমরা আজকের মানুষের আকাঙ্ক্ষা পূরণের বিষয়টিকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের বিশাল বঞ্চনার ওপর নির্ভরশীল করে তুলেছি। ** উইলিয়াম আর. ক্যাটন, ''ওভারশুট'' (১৯৮০), অধ্যায় ১: "আমাদের একটি নতুন দৃষ্টিভঙ্গির প্রয়োজন", পৃষ্ঠা ৩। * আমরা ইতিমধ্যেই একটি অতিরিক্ত বোঝাই বিশ্বে বাস করছি। আমাদের ভবিষ্যৎ হবে সেই সত্যেরই একটি অনিবার্য ফল। আর সেই সত্যটি হলো আমাদের অতীতের কর্মকাণ্ডের একটি ফলাফল। তাই আমাদের প্রথম কাজ হলো নিজেদের কাছে এটি স্পষ্ট করা যে আমরা কীভাবে এই বর্তমান অবস্থায় পৌঁছালাম এবং কেন আমাদের বর্তমান পরিস্থিতি একটি বিশেষ ধরণের ভবিষ্যতের দিকে আমাদের নিয়ে যাচ্ছে। […] এটি এমন একটি বিশ্বের গল্প যা বারবার মানুষের সংখ্যার দ্বারা পরিপূর্ণ হওয়ার কাছাকাছি পৌঁছেছে, কিন্তু প্রতিবারই মানুষের বুদ্ধিমত্তা সেই প্রাকৃতিক সীমাটিকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। সীমা বাড়ানোর প্রথম কয়েক ধাপ প্রায় ২০ লক্ষ বছর ধরে একগুচ্ছ প্রযুক্তিগত আবিষ্কারের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছিল। এই আবিষ্কারগুলো মানুষকে পৃথিবীর মোট জীবন ধারণের ক্ষমতার এমন সব অংশ বারবার দখল করতে সাহায্য করেছে যা আগে অন্য প্রজাতির প্রাণীদের টিকিয়ে রাখত। সীমা বাড়ানোর সবচেয়ে সাম্প্রতিক পর্বটি অনেক বেশি চমকপ্রদ ফলাফল নিয়ে এসেছে। যদিও এটি মানুষের ধারণক্ষমতা বাড়িয়েছি একদম ভিন্ন একটি পদ্ধতিতে: আর তা হলো এমন কিছু সীমিত সম্পদের ভাণ্ডার ব্যবহার করা যা মানুষের আয়ুর কোনো নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আর নতুন করে তৈরি হবে না। তাই এর ফলাফল কখনও স্থায়ী হতে পারে না। এই সত্যটি মানবজাতিকে এমন এক বিপদজনক অবস্থানে নিয়ে গেছে যেখানে আধুনিক জীবনের কর্মকাণ্ডগুলো সেই আশ্রয়স্থলকেই কেটে ফেলছে। ** উইলিয়াম আর. ক্যাটন, ''ওভারশুট'' (১৯৮০), অধ্যায় ২: "মানুষের সাফল্যের করুণ গল্প", পৃষ্ঠা ১৭। * বড়জোর দুই প্রজন্মের মানুষ যখন শিল্পায়নের সুবিধা ভোগ করছিল, তখনই অত্যন্ত কার্যকরভাবে মৃত্যু নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার আরও ত্বরান্বিত হয়। রোগ সৃষ্টির পেছনে অণুজীবের ভূমিকা আবিষ্কৃত হয়। ১৮৬৫ সালে অ্যান্টিসেপটিক সার্জারির ব্যবহার শুরু হয়। চিকিৎসা প্রযুক্তিতে এর সাথে সম্পর্কিত আরও অনেক যুগান্তকারী আবিষ্কারের সূচনা হিসেবে একে গণ্য করা যেতে পারে: যেমন স্বাস্থ্যকর অভ্যাস, টিকাদান, অ্যান্টিবায়োটিক ইত্যাদি। এই সাম্প্রতিক সিরিজের সাফল্যের সামগ্রিক ফল হলো মানবজাতিকে সেই সব অদৃশ্য জীবের হাত থেকে মুক্ত করা যারা একসময় মানুষের শরীরের টিস্যুকে খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে মানুষের জীবনকাল কমিয়ে দিত। শিকারি প্রাণীদের হাত থেকে নতুন সুরক্ষা পাওয়া অন্যান্য প্রজাতির প্রাণীর মতো আমরাও বংশবৃদ্ধি করেছি এবং নিজেদের সংখ্যা এতটাই বাড়িয়েছি যে আমরা আমাদের নিজেদের প্রজাতি দিয়ে পৃথিবীকে কেবল পরিপূর্ণই করিনি বরং উপচে ফেলেছি। ** প্রাগুক্ত, পৃষ্ঠা ৩০। * মানুষ হয় পরিবেশের ধারণক্ষমতার ধারণাটি সম্পর্কে ক্রমাগত অজ্ঞতা প্রদর্শন করেছে অথবা এই অন্ধ বিশ্বাস পোষণ করেছে যে ধারণক্ষমতা সবসময়ই বাড়ানো সম্ভব এবং যে কোনো সীমা সবসময় অতিক্রম করা যাবে। পুঁজিবাদী এবং মার্কসবাদী—উভয় পক্ষই সম্ভবত এমন একটি ভুল ধারণা পোষণ করত যার কারণে তারা এটি স্বীকার করতে অস্বীকার করেছে যে সীমাহীনতার সেই মিথ বা রূপকথাটি অবশেষে সেকেলে হয়ে গেছে। সেখানে এমন একটি ধারণাও প্রচলিত ছিল যে প্রযুক্তির আরও উন্নতি হলে তা অবশ্যই পৃথিবীর ধারণক্ষমতাকে বাড়াবে, কমাবে না। অতীতে প্রযুক্তির কাজই ছিল ধারণক্ষমতা বাড়ানো; তবে... শিল্প যুগে প্রযুক্তির এই ভূমিকায় একটি পরিবর্তন এসেছে। প্রযুক্তি প্রাকৃতিক সম্পদের প্রতি মানুষের ক্ষুধা বাড়িয়ে দিয়েছে, যার ফলে একটি নির্দিষ্ট পরিবেশ যত সংখ্যক মানুষকে টিকিয়ে রাখতে পারে সেই সংখ্যাটি দিন দিন কমছে। ** এলবিআইডি, পৃষ্ঠা ৩২। * মানুষ কল্পনা করে নিয়েছে যে তারা অন্যান্য স্তন্যপায়ী প্রাণীদের তুলনায় অনেক বেশি আলাদা বা উন্নত। তাই মানুষের আচরণে যখন সেই একই বৈশিষ্ট্যগুলো দেখা যায় তখন জনসংখ্যার চাপের গুরুত্বকে আড়াল করার জন্য আরও বিভিন্ন ধরণের সামাজিক ব্যাখ্যা দেওয়া হয়। বিংশ শতাব্দীতে মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়া এবং সম্পদের ভাণ্ডার ফুরিয়ে আসার বিষয়টি যখন স্পষ্ট হয়ে ওঠে, তখন মানুষ যুদ্ধে লিপ্ত হয়। তারা রাস্তায় দাঙ্গা শুরু করে। তারা আরও বেশি মাত্রায় সহিংস অপরাধ করতে থাকে। [...] তাদের রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি চরমপন্থী হয়ে ওঠে এবং তারা সর্বগ্রাসী সরকার গঠন করে, যার মধ্যে কিছু সরকার নিষ্ঠুর কর্মকাণ্ডের অনুমতি দিয়ে দেয়। দুই প্রজন্মের মধ্যে ব্যবধান আরও প্রকট এবং গভীর হয়। বর্ণবাদ রোধে এবং অর্থনৈতিক অসমতা দূর করার জন্য মানবতাবাদী কর্মীদের আন্তরিক প্রচেষ্টা সত্ত্বেও মানুষের মধ্যে বৈষম্য থেকে যায় এবং পারস্পরিক বিদ্বেষ আরও মারাত্মক আকার ধারণ করে। অন্যের প্রতি আচরণের ক্ষেত্রে শালীনতার মানদণ্ড এবং বিবেচনাবোধের সাথে আত্মসংযমের প্রত্যাশা অনেক জায়গায় নষ্ট এবং অবক্ষয়ের শিকার হয়। ** উইলিয়াম আর. ক্যাটন, ''ওভারশুট'' (১৯৮০), অধ্যায় ৬: "যে প্রক্রিয়াগুলো গুরুত্বপূর্ণ", পৃষ্ঠা ১০৭। * আমাদের বুঝতে হবে যে আমরা মানুষরা এই গ্রহের বাস্তুসংস্থানের ওপর যে "বোঝা" চাপিয়ে দিচ্ছি তা কেবল একটি জনসংখ্যার সংখ্যা মাত্র নয়। ভিন্ন ভিন্ন সংস্কৃতির মানুষ কেবল ভিন্ন হারেই বংশবৃদ্ধি করে না; তারা মাথাপিছু পরিবেশের ওপর ভিন্ন ভিন্ন মাত্রায় প্রভাব ফেলে। সংস্কৃতির মধ্যে একটি জনগোষ্ঠীর প্রযুক্তি এবং মানুষের নিজেদের সংগঠিত করার পদ্ধতি অন্তর্ভুক্ত থাকে। আমাদের মধ্যে যারা একটি "উন্নত" দেশে বাস করি (অর্থাৎ ম্যালথাসের কল্পনার বাইরে শিল্পোন্নত একটি সমাজ), তাদের প্রত্যেকের সম্পদের ক্ষুধা এবং পরিবেশের ওপর প্রভাব তথাকথিত একটি "উন্নয়নশীল" দেশের প্রত্যেক বাসিন্দার তুলনায় অনেক বেশি। আমাদের বর্তমানের এই চরম টেকসইহীন জীবনযাত্রার জন্য ৬০০ কোটি মানুষও সংখ্যায় অনেক বেশি। ** উইলিয়াম আর. ক্যাটন, ''ম্যালথাসের পূর্বাভাসের চেয়েও খারাপ (এমনকি যদি জীবিতরা মৃতদের চেয়ে সংখ্যায় বেশি না-ও হয়)''। ওয়াশিংটন স্টেট ইউনিভার্সিটি (মার্চ ২০০০) * জীবন এখন একটি ষষ্ঠ গণবিলুপ্তির যুগে প্রবেশ করেছে। এটি সম্ভবত পরিবেশের সবচেয়ে গুরুতর সমস্যা, কারণ একটি প্রজাতির হারিয়ে যাওয়া মানে তা চিরতরে হারিয়ে যাওয়া। এদের প্রত্যেকেই সেই জীবন্ত ব্যবস্থার মধ্যে কোনো না কোনো ছোট বা বড় ভূমিকা পালন করে যার ওপর আমরা সবাই নির্ভরশীল। বর্তমান এই সংকটকে সংজ্ঞায়িত করা প্রজাতির বিলুপ্তি মূলত তাদের অন্তর্ভুক্ত জনসংখ্যার ব্যাপক হারে নিখোঁজ হওয়ার ওপর ভিত্তি করে ঘটে চলেছে, যার বেশিরভাগই হয়েছে ১৮০০ সালের পর থেকে। আমরা যে বিশাল ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছি তা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে হোমো সেপিয়েন্স বা মানুষের কর্মকাণ্ডের কারণেই ঘটছে। আমাদের পূর্বপুরুষরা প্রায় ১১,০০০ বছর আগে কৃষিকাজ শুরু করার পর থেকে এর প্রায় সবটুকুই ঘটেছে। সেই সময় সারা বিশ্বে আমাদের সংখ্যা ছিল প্রায় ১০ লক্ষ; এখন আমাদের সংখ্যা ৭৭০ কোটি এবং এই সংখ্যাটি এখনও দ্রুত বাড়ছে। '''আমাদের সংখ্যা যত বেড়েছে, মানবজাতি তার জীবন্ত সঙ্গী বা প্রাণিকুলের বিশাল অংশের জন্য এক অভূতপূর্ব হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে'''। ** জেরার্ডো সেবালোস, পল আর. এরলিচ এবং পিটার এইচ. র‍্যাভেন, ''[https://www.pnas.org/content/early/2020/05/27/1922686117 মেরুদণ্ডী প্রাণীরা জৈবিক ধ্বংস এবং ষষ্ঠ গণবিলুপ্তির সূচক হিসেবে বিপদের মুখে]''। ''পিএনএএস'', ১ জুন ২০২০। * আমরা বর্তমানে ষষ্ঠ গণবিলুপ্তি ঘটনার মধ্যে রয়েছি। আগের পাঁচটি বিলুপ্তির মতো না হয়ে এটি ঘটছে একটি মাত্র প্রজাতির অতিরিক্ত বৃদ্ধির কারণে, যার নাম 'হোমো সেপিয়েন্স'। ** জেরার্ডো সেবালোস, পল আর. এরলিচ, "[https://www.pnas.org/doi/10.1073/pnas.2306987120 প্রাণীকুলের গণবিলুপ্তির মাধ্যমে জীবন বৃক্ষের অঙ্গহানি]"। ''পিএনএএস'', ২০২৩। * গত শতাব্দীতে মানুষের অনেক কর্মকাণ্ডের গতি এতটাই ত্বরান্বিত হয়েছে এবং মানুষের অতিপ্রজতা বা জনসংখ্যা বৃদ্ধি এতটাই ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে যে তা একটি নাটকীয় বৈশ্বিক পরিবেশগত রূপান্তর সৃষ্টি করেছে। বেশিরভাগ প্রাকৃতিক বাস্তুসংস্থান ব্যাপকভাবে পরিবর্তিত হয়েছে অথবা পুরোপুরি অদৃশ্য হয়ে গেছে এবং বন্যপ্রাণীর প্রাচুর্য অনেক বেশি কমে গেছে। ** এলবিআইডি। * আমরা যখন থেকে আগুন আবিষ্কার ও নিয়ন্ত্রণ করতে শিখেছি এবং কৃষিকাজ শুরু করেছি তখন থেকেই আমাদের শক্তির ব্যবহার বাড়ছে। তবে এটি সবচেয়ে বেশি বেড়েছে যখন আমরা পৃথিবীর ভূত্বক থেকে লক্ষ লক্ষ বছরের সঞ্চিত এবং ঘনীভূত সৌর শক্তিকে জীবাশ্ম জ্বালানি হিসেবে আহরণ করে এক বিশাল জ্বালানি ভাণ্ডারের সন্ধান পেয়েছি। নতুন শক্তি রূপান্তর কৌশলের বিকাশের সাথে সাথে এই শক্তির প্রাচুর্য মানুষের জনসংখ্যা এবং উৎপাদনের প্রবৃদ্ধির পথে থাকা দীর্ঘকালীন বাধাগুলোকে দূর করা সম্ভব করেছে। উনিশ শতকের শুরু থেকে যেসব নতুন শক্তির উৎস, রূপ এবং ব্যবহার শুরু হয়েছে তা আমাদের আরও বেশি উপকরণের যোগান দিয়েছে এবং নতুন ও আরও আধুনিক যন্ত্রপাতির উদ্ভাবন সম্ভব করেছে। এর ফলে আমাদের শক্তির ব্যবহার এবং উপকরণের প্রবাহ দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে (অর্থাৎ জীবমন্ডলের উৎস থেকে কাঁচামাল এবং শক্তির প্রবাহ মানুষের বাস্তুসংস্থানের মধ্য দিয়ে আবার জীবমন্ডলের গন্তব্যে ফিরে যাওয়া), যা আমরা সাধারণত "অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি" হিসেবে পরিমাপ করে থাকি। সেই সময় থেকে এই প্রবৃদ্ধি আর কখনও থামেনি, যদিও শক্তি এবং উপকরণের ইনপুট, আউটপুট এবং বর্জ্যের প্রবাহ সময়ের সাথে সাথে পরিবর্তিত হয়েছে। আমাদের যন্ত্র এবং প্রক্রিয়াগুলোতে "শক্তির দক্ষতা" বাড়ানোর প্রচেষ্টা (অর্থাৎ নির্দিষ্ট কাজ করার জন্য প্রয়োজনীয় শক্তির পরিমাণ কমানো) আমাদের ব্যবহৃত মোট শক্তির পরিমাণকে কখনও কমাতে পারেনি। বরং উল্টো আমাদের ভোগের হার বাড়ানোর জন্য আরও বেশি সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে। ** ফ্রাঁসোয়া-জাভিয়ের শেভালেরউ, "[https://www.faninitiative.net/articles/the-age-of-energy-disruptions/ শক্তির বিপর্যয়ের যুগ]"। দ্য ফ্যান ইনিশিয়েটিভ। ১০ ডিসেম্বর ২০২১। * পরিবেশ বিশ্লেষকরা একটি টেকসই জনসংখ্যা বলতে এমন এক জনসংখ্যাকে বোঝেন যারা জীববৈচিত্র্য বজায় রেখে এবং জলবায়ু পরিবর্তন জনিত সমস্যাগুলোকে কমিয়ে একটি পরিমিত ও সমতাপূর্ণ মধ্যবিত্ত জীবনযাত্রার মান উপভোগ করতে পারে। বিশ্লেষকদের মতে এই জনসংখ্যার আকার ২০০ কোটি থেকে ৪০০ কোটির মধ্যে হওয়া উচিত, যা বর্তমানের ৭৯০ কোটি থেকে অনেক কম। ** আইলিন ক্রিস্ট, উইলিয়াম জে. রিপল, পল আর. এরলিচ, উইলিয়াম ই. রিস এবং ক্রিস্টোফার উলফ {{cite journal|doi=10.1016/j.scitotenv.2022.157166|title=জনসংখ্যা বিষয়ে বিজ্ঞানীদের সতর্কতা|year=২০২২ |journal={{W|Science of the Total Environment}}|volume=৮৪৫|issue= |pmid=35803428|pmc=|url=https://scientistswarning.forestry.oregonstate.edu/sites/default/files/Crist2022.pdf}} ===D=== * The situation in which we find ourselves today is unique as regards the magnitude and rate of growth of the human enterprise. The turn now being taken by the vicious circle is tremendous. […] The mastery of fire, one of humans' first instances of technological development, continues to be of paramount importance today with the burning of fossil fuels. And so the vicious circle of the development of humankind churns on, and does so with ever greater momentum due to the constantly increasing consumption of fossil fuels and metals, with only the tiniest sign of resistance in the form of the efforts of environmental organisations and green political parties. ** Craig Dilworth, ''Too Smart for Our Own Good'' (2009), Chapter 6: "The Vicious Circle Today" * The population boom of the last few centuries […] was made possible by massive advances in living standards, economic growth, surpluses of food, and vastly improved public health. All of this, however, was sustained by fossil fuels. Once fossil fuel reserves peak […] production, growth, and the amenities of modern life will gradually halt. Contemporary industrial society will downgrade into a “scarcity society” that manages on minimal energy, after which it will become a “salvage society” that scrapes survival from the refuse of the defunct urban buildings, information networks, and industrial centers. ** Rick Docksai, "Is Civilization Doomed?" ''The Futurist''. March/April 2010. === E === *Part of human impact on the earth relates to our swiftly growing numbers. If we do not take deliberate, conscious action to maintain a reasonable balance between the numbers of people and the environmental wealth required to sustain us, nature will make appropriate adjustments, and famine, disease, and wars-the predictable outcomes of living beyond one's environmental means, of overspending environmental capital-will ultimately force a cruel discipline. **[[Sylvia Earle]], ''Sea Change: A Message of the Oceans'' (1995) * The key to understanding overpopulation is not population density but the numbers of people in an area relative to its resources and the capacity of the environment to sustain human activities; that is, to the area’s carrying capacity. When is an area overpopulated? When its population can’t be maintained without rapidly depleting nonrenewable resources... By this standard, the entire planet and virtually every nation is already vastly overpopulated. ** Paul R. Ehrlich, ''The Population Explosion'' (1990) *The debate regarding which individual factor, among the three key factors producing the environmental crisis, causes more damage - the size of the human population on the planet, excessive consumption of resources, or unequal/ unjust distribution of resources among countries [the wealthier countries consume much more resources, per person on average than poorer countries] - is like a debate about which contributes more to a triangle, the base or the ribs of the triangle. You can not separate the three factors. If we analyze the numbers over a relatively longer time interval, we will conclude that the size of the population has a bigger impact than consumption. On the other hand, consumption and unequal distribution are also important aspects. If we do not change these three factors all at the same time, the quality of our life will change dramatically. Today '''humanity is delivering a serious blow to [the rest of] nature, but it is clear that nature will deliver the final blow.''' ** Paul R. Ehrlich, ''[http://www.haaretz.co.il/1.1875624 People should produce far fewer children, or expect the worst]'' (Dec. 2012) *Earth is home to millions of species. Just one dominates it. Us. '''Our cleverness, our inventiveness, and our activities have modified almost every part of our planet. In fact, we are having a profound impact on it. Indeed, our cleverness, our inventiveness, and our activities are now the drivers of every global problem we face. And every one of these problems is accelerating as we continue to grow towards a global population of ten billion. In fact, I believe we can rightly call the situation we're in right now an emergency – an unprecedented planetary emergency.''' **{{W|Stephen Emmott}}, ''[https://www.theguardian.com/environment/2013/jun/30/stephen-emmott-ten-billion 10 Billion]'', as summarized in ''The Guardian'', June 30, 2013. *We humans emerged as a species about 200,000 years ago. In geological time, that is really incredibly recent. Just 10,000 years ago, there were one million of us. By 1800, just over 200 years ago, there were 1 billion of us. By 1960, 50 years ago, there were 3 billion of us. There are now over 7 billion of us. By 2050, your children, or your children's children, will be living on a planet with at least 9 billion other people. Some time towards the end of this century, there will be at least 10 billion of us. Possibly more. We got to where we are now through a number of civilization-and society-shaping “events”; most notably, the agricultural revolution, the scientific revolution, and—in the West—the public-health revolution. These events have fundamentally shaped how we live, and have fundamentally shaped our planet. Their legacy will continue to shape our future. So we need to look at our growth and activities through the lens of these developments. One of the principal reasons for this growth was the invention of agriculture. The “agricultural revolution” enabled us to go from being hunter-gatherers to highly organized producers of food, and allowed our population to grow. A useful way to think of the development and importance of agriculture is in terms of at least three agricultural “revolutions.” The first took place over 10,000 years ago. This was the domestication of animals and the cultivation of plant types. The second agricultural revolution was between the fifteenth and nineteenth centuries. This was a revolution in agricultural productivity and the mechanization of food production. The third happened between the 1950s and 2000s; the so-called “green revolution.” But there’s another story here: the start of a fundamental transformation—of land use—by humans. **Stephen Emmott, ''10 Billion'' (2013) * As our numbers continue to grow, we continue to increase our need for far more water, far more food, far more land, far more transportation, and far more energy. As a result, we are now accelerating the rate at which we’re changing our climate. In fact, our activities are not only completely interconnected with, but are now also interacting with, the complex system we live on: Earth. It is important to understand how all this is connected. An increasing population accelerates the demand for more water and more food. Demand for more food increases the need for more land, which accelerates deforestation. Increasing demand for food also increases food processing and transportation. All of these accelerate the demand for more energy. This then accelerates greenhouse gas emissions, principally CO2 and methane, which further accelerate climate change. As climate change accelerates, it increases stress on water, food, and land. And at the same time, an increasing population also accelerates stress on water, food, and land. In short, as population increases, and as economies grow, stress on the entire system accelerates sharply. ** Ibid. * Saying “Don’t have children” is utterly ridiculous. It contradicts every genetically coded piece of information we contain, and (at least in their conception) one of the most important (and fun) impulses we have. That said, the worst thing we can continue to do—globally—is have children at the current rate. Even if a global nuclear power program were set up, even if geoengineering somehow took care of the climate-change problem, and even if we consumed less, we’d still at some point hit a brick wall if the human population continues to grow at anything like its current rate. We all know there’s a link between educating women in the developing world and reducing the birth rate. But despite this, and despite contraception being free in a number of countries where population is increasing, average birth rates are still three, five, or even seven children per woman. According to the United Nations, Zambia’s population is projected to increase by 941 percent by the end of the century. The population of Nigeria is projected to grow by 349 percent—to 730 million people. Afghanistan by 242 percent, The Democratic Republic of Congo by 213 percent, Gambia by 242 percent, Guatemala by 369 percent, Iraq by 344 percent, Kenya by 284 percent, Liberia by 300 percent, Malawi by 741 percent, Mali by 408 percent, Niger by 766 percent, Somalia by 663 percent, Uganda by 396 percent, Yemen by 299 percent. Even the United States is projected to grow by 53 percent by 2100, from 315 million in 2012 to 478 million. I do just want to point out that if the current global rate of reproduction continues, by the end of this century there will not be ten billion of us. There will be twenty-eight billion of us. ** Ibid. * If we discovered tomorrow that there was an asteroid on a collision course with Earth, and—because physics is a fairly simple science—we were able to calculate that it was going to hit Earth on June 3, 2072, and we knew that its impact was going to wipe out 70 percent of all life on Earth, governments worldwide would marshal the entire planet into unprecedented action. Every scientist, engineer, university, and business would be enlisted: half to find a way of stopping it, the other half to find a way for our species to survive and rebuild if the first option were unsuccessful. We are in almost precisely that situation now, except that there isn’t a specific date and there isn’t an asteroid. The problem is us. Why we are not doing more about the situation we’re in—given the scale of the problem and the urgency—I simply cannot understand. We’re spending 8 billion euros (about 11 billion dollars [at the writing's current exchange]) at {{W|CERN}} to discover evidence of a particle called the Higgs-Boson, which may or may not eventually explain the concept of mass and provide a partial thumbs-up for the “standard model” of particle physics. And CERN’s physicists are keen to tell us it is the biggest, most important experiment on Earth. It isn’t. The biggest and most important experiment on Earth is the one we're all conducting, right now, on Earth itself. Only an idiot would deny that there is a limit to how many people our Earth can support. The question is, is it seven billion (our current population), 10 billion or 28 billion? I think we've already gone past it. Well past it. We could change the situation we are now in. Probably not by technologizing our way out of it, but by radically changing our behavior. But there is no sign that this is happening, or about to happen. I think it’s going to be business as usual for us. ** Ibid. ===F=== * Whether or not such a hypothesis fully accounts for the population increase that accompanies a sedentary life, there can be no doubt that human numbers soared. In the interval from 10,000 to 6000 years ago—a mere 160 human generations—the population of the Near East is estimated to have increased from less than 100,000 people to more than three million. With each increase, additional pressure was placed upon the food producers to domesticate new species and to invent new technologies, such as those based on the plow and on irrigation. Human beings now found themselves on a treadmill from which to this day they have not been able to get off. They are still plagued by the basic paradox of food production: Intensification of production to feed an increased population leads to a still greater increase in population. **[[Peter Farb]], ''Humankind'' (1978), p. 121 *During the brief time since James Watt's commercial production of the improved Newcomen steam engine in 1775, a revolution unparalleled in human history has occurred at all levels of society and has penetrated all aspects of culture. The technological innovations are, of course, dramatic, but equally important are the biological, political, social, and economic consequences of modernization. From a biological perspective, the most important consequence is the extension of the human life span and the growth in human numbers. In the past two centuries, life expectancy has nearly tripled and the population of our species has multiplied five times over. **Ibid. p. 189 * If left unchecked, populations (of any organism) tend to grow exponentially. But they never grow forever. Eventually resources are depleted and the population declines. When the population is again small enough that resources are plentiful, exponential growth resumes. The result is a boom-bust cycle — stability through fluctuation.<br>Of course, if the fluctuations are huge, we can hardly call this ‘stability’. But in most healthy ecosystems, population fluctuations are small. The key to dampening boom-bust cycles appears to be diversity. When there are many species in an ecosystem, each keeps the population of others in check. Prolonged exponential growth never gets a foothold. ** Blair Fix, "[https://economicsfromthetopdown.com/2020/09/12/frederick-soddys-debt-dynamics/ Frederick Soddy's Debt Dynamics]." ''Economics from the Top Down'' (September 12, 2020) * Overpopulation is described as a societal problem, with the individual and collective behavior of people as a causal agent. ** Angela K. Fournier & E. Scott Geller [https://link.springer.com/article/10.5210/bsi.v13i1.35 Behavior Analysis of Companion-Animal Overpopulation: A Conceptualization of the Problem and Suggestions for Intervention] (1 May 2004) === G === * What are [we] made of, fairy dust and happy thoughts? No, [we] are made of proteins — of food! Without a sufficient food supply, such a population cannot be achieved. We understand this as a basic biological fact for every other species on this planet, that population is a function of food supply. Yet we continue to believe that the magic of free will exempts us from such basic biological laws. ** Jason Godesky, ''[https://theanarchistlibrary.org/library/jason-godesky-thirty-theses Thirty Theses]'' (2006), Thesis #4: "Human population is a function of food supply." * When the First World rushes in with foreign aid, food, and humanitarian aid to a desert area in the midst of a famine, we serve to prop up an unsustainable population. That drives a population boom in an area that already cannot support its existing population. The result is a huge population dependent on outside intervention that itself cannot be indefinitely sustained. Eventually, that population will crash once outside help is no longer possible — and the years of aid will only make that crash even more severe. In the same way that the United States’ policy of putting out all forest fires in the 1980s led to an even worse situation in its forests, our benevolence and good intentions have paved the way to a Malthusian hell. ** Ibid. * The human race currently consumes some 40% of the earth’s photosynthetic capacity. This monopoly on the earth’s resources is having a devastating effect. We are seeing the extinction of some 140 species every day, some thousands of times higher than the normal background rate. Today, right now, we are seeing extinction rates unparalleled in the history of the earth. We are undeniably in the midst of the seventh mass extinction event in the history of the earth — the Holocene Extinction. Unlikely previous extinction events, however, this one is driven by a single species. This is the true danger of overpopulation, not our inability to feed a growing population. As much as we would deny it, we depend on the earth to live. Dwindling biodiversity threatens the very survival of our species. We are literally cutting the ground out from under our feet. Increasing food production only increases the population; our current attitudes about food security has locked us into what Daniel Quinn called a “Food Race,” by comparison to the Arms Race of the Cold War. ** Ibid. * Overpopulation is the root cause of all other environmental problems … [and] is the natural consequence of the Food Race — driven by the constant need to expand. That need is a systemic consequence of complex society. The alternative to overpopulation, then, is to reverse the trend of intensifying complexity and accept greater simplicity: in a word, collapse. ** Jason Godesky, ''Thirty Theses'' (2006), Thesis #17: "Environmental problems may lead to collapse." * The main driving force behind the Holocene Extinction is the twin forces of overpopulation and intensified agricultural production. As more land is converted into cultivated fields, we approach important tipping points in how much of the world’s photosynthetic capacity is tied up in a single species. Deforestation is driven primarily by the need to feed an ever-growing populaton, but also for that population’s other resource needs, such as lumbering and mining. That deforestation has been responsible for anthropogenic atmospheric change for thousands of years, but as the positive feedback loop of the Food Race reached new levels, we were forced to either adopt fossil fuels, or collapse. Those fuels have intensified our atmospheric impact to obscene levels, yielding a new crisis in global warming. We do not face a long laundry list of environmental problems: we face a single, multi-faceted crisis. That crisis is complex society itself. The problems we face are the direct consequence of the positive feedback loop of complex society, and the Food Race in particular. **Ibid. * If nobody died the planet would soon run out of room for more people. How would this world be run (our political systems are far from perfect now); who would decide what type of house one lived in, what type of food one ate? What would we do for a living? ** Lori Gosselin, "[https://lifeforinstance.com/would-you-like-to-live-in-a-perfect-world/ Would You Like to Live in a Perfect World?]" * The study of population is not a very exact science. No one forecast the population collapse that is occurring in post-communist European Russia, or the scale of the fall in fertility that is under way [sic] in much of the world. The margin of error in calculations of fertility and life expectancy is large. Even so, a further large increase is inevitable. […] A human population of approaching 8 billion [sic] can be maintained only by desolating the Earth. If wild habitat is given over to human cultivation and habitation, if rainforests can be turned into green deserts, if genetic engineering enables ever-higher yields to be extorted from the thinning soils – then humans will have created for themselves a new geological era, the Eremozoic, the Era of Solitude, in which little remains on the Earth but themselves and the prosthetic environment that keeps them alive. ** [[John Gray]], ''[[Straw Dogs (book)|Straw Dogs]]'' (2002), Chapter 1: "The Human" * The future is brutally simple to anticipate; all overshot species collapse, and we have – by [apparently] transcending time via the levering of fossil energy – levered our species’ overshoot more than any ever has (or, almost certainly, ever could). **Murray Grimwood, "[https://www.interest.co.nz/public-policy/128237/murray-grimwood-says-future-will-be-so-different-we-need-go-back-basics-and Wither science; whither education?]". ''Interest'' (15 June 2024) * Over the last century, billions have enjoyed better, fuller and more enriched lives than their ancestors could dream of—but when all the bills for that are paid who knows how the ledgers of the two enterprises will stand? ** Sumit Guha [https://journals.lww.com/coas/fulltext/2006/04030/the_retreat_of_the_elephants__an_environmental.9.aspx in his review of Mark Elvin's ''The Retreat of the Elephants''] (2006) * My growing environmental awareness only adds more fuel to the argument for having no children. And the logic of never-ending consumption does not just harm the environment, it kills people too. ** [[w:Xiaolu Guo|Xiaolu Guo]], ''Once Upon A Time in the East: A Story of Growing up'', Chatto & Windus, 2017, page 305 (ISBN 9781784740689). === H === * The skeleton of our primate ancestors developed for millions of years to support a creature that walked on all fours and had a relatively small head. Adjusting to an upright position was quite a challenge, especially when the scaffolding had to support an extra-large cranium. Humankind paid for its lofty vision and industrious hands with backaches and stiff necks.<br>Women paid extra. An upright gait required narrower hips, constricting the birth canal - and this just when babies’ heads were getting bigger and bigger. Death in childbirth became a major hazard for human females. Women who gave birth earlier, when the infants brain and head were still relatively small and supple, fared better and lived to have more children. Natural selection consequently favoured earlier births. And, indeed, compared to other animals, humans are born prematurely, when many of their vital systems are still underdeveloped. A colt can trot shortly after birth; a kitten leaves its mother to forage on its own when it is just a few weeks old. Human babies are helpless, dependent for many years on their elders for sustenance, protection and education.<br>This fact has contributed greatly both to humankind’s extraordinary social abilities and to its unique social problems. Lone mothers could hardly forage enough food for their offspring and themselves with needy children in tow. Raising children required constant help from other family members and neighbours. It takes a tribe to raise a human. Evolution thus favoured those capable of forming strong social ties. In addition, since humans are born underdeveloped, they can be educated and socialised to a far greater extent than any other animal. Most mammals emerge from the womb like glazed earthenware emerging from a kiln - any attempt at remoulding will scratch or break them. Humans emerge from the womb like molten glass from a furnace. They can be spun, stretched and shaped with a surprising degree of freedom. This is why today we can educate our children to become Christian or Buddhist, capitalist or socialist, warlike or peace-loving. ** Yuval Noah Harari, ''Sapiens'' (2014), Part I: "The Cognitive Revolution", Chapter 1: "An Animal of No Significance". * Rather than heralding a new era of easy living, the Agricultural Revolution left farmers with lives generally more difficult and less satisfying than those of foragers. Hunter-gatherers spent their time in more stimulating and varied ways, and were less in danger of starvation and disease. '''The Agricultural Revolution certainly enlarged the sum total of food at the disposal of humankind, but the extra food did not translate into a better diet or more leisure. Rather, it translated into population explosions and pampered elites.''' The average farmer worked harder than the average forager, and got a worse diet in return. The Agricultural Revolution was history’s biggest fraud. ** Yuval Noah Harari, ''Sapiens'' (2011), Part II: "The Agricultural Revolution", Chapter 5: "History's Biggest Fraud" * The last 500 years have witnessed a phenomenal and unprecedented growth in human power. In the year 1500, there were about 500 million Homo sapiens in the entire world. Today, there are 7 billion. The total value of goods and services produced by humankind in the year 1500 is estimated at $250 billion, in today’s dollars. Nowadays the value of a year of human production is close to $60 trillion. In 1500, humanity consumed about 13 trillion calories of energy per day. Today, we consume 1,500 trillion calories a day. (Take a second look at those figures — human population has increased fourteenfold, production 240-fold, and energy consumption 115-fold.) ** Yuval Noah Harari, ''Sapiens'' (2011), Part IV: "The Scientific Revolution", Chapter 14: "The Discovery of Ignorance". * Since the Industrial Revolution, the world's human population has burgeoned as never before. In 1700 the world was home to some 700 million humans. In 1800 there were 950 million of us. By 1900, we almost doubled our numbers to 1.6 billion. And by 2000, that quadrupled to 6 billion. Today [as of this writing] there are just shy of 7 billion Homo Sapiens. ** Yuval Noah Harari, ''Sapiens'' (2011), Part IV: "The Scientific Revolution", Chapter 18: "A Permanent Revolution". * Today [as of this writing], the earth's continents are home to almost 7 billion Sapiens. If you took all these people and put them on a large set of scales, their combined mass would be about 300 million tons. If you then took all our domesticated farmyard animals—cows, pigs, sheep, and chickens—and placed them on an even larger set of scales, their mass would amount to about 700 million tons. In contrast, the combined mass of all surviving large wild animals—from porcupines and penguins to elephants and whales—is less than 100 million tons. Our children’s books, our iconography, and our TV screens are still full of giraffes, wolves, and chimpanzees, but the real world has very few of them left. There are about 80,000 giraffes in the world, compared to 1.5 billion cattle; only 200,000 wolves, compared to 400 million domesticated dogs; only 250,000 chimpanzees—in contrast to billions of humans. Humankind really has taken over the world. ** Ibid. * Around 1990, we became the most numerous mammalian species on the planet, outnumbering even rats. ** [[Thom Hartmann]], ''The Last Hours of Ancient Sunlight'' (1999), p. 18 (ISBN 9780609805299) * All measures to thwart the degradation and destruction of our ecosystem will be useless if we do not cut population growth. By 2050, if we continue to reproduce at the current [but declining] rate, the planet will have between 8 billion and 10 billion people, according to a recent U.N. forecast. This is a 50 percent increase. And yet government-commissioned reviews, such as the Stern report in Britain, do not mention the word population. Books and documentaries that deal with the climate crisis, including [[আল গোর]]’s ''[[An Inconvenient Truth]]'', fail to discuss the danger of population growth. This omission is odd, given that a doubling in population, even if we cut back on the use of fossil fuels, shut down all our coal-burning power plants and build seas of wind turbines, will plunge us into an age of extinction and desolation unseen since the end of the Mesozoic era, 65 million years ago, when the dinosaurs disappeared. ** [[Chris Hedges]], "[https://www.truthdig.com/articles/we-are-breeding-ourselves-to-extinction/ We Are Breeding Ourselves to Extinction]", March 9, 2009. *We are experiencing an accelerated obliteration of the planet’s life forms — an estimated 8,760 species die off per year — because, simply put, there are too many people. Most of these extinctions are the direct result of the expanding need for energy, housing, food, and other resources. '''The Yangtze River dolphin, Atlantic gray whale, West African black rhino, Merriam's elk, California grizzly bear, silver trout, blue pike, dusky seaside sparrow are all victims of human overpopulation.''' Population growth, as [[E. O. Wilson]] says, is "the monster on the land." Species are vanishing at a rate of a hundred to a thousand times faster than they did before the arrival of humans. If the current rate of extinction continues, Homo sapiens will be one of the few life forms left on the planet, its members scrambling violently among themselves for water, food, fossil fuels, and perhaps air until they too disappear. Humanity, Wilson says, is leaving the Cenozoic, the age of mammals, and entering the Eremozoic — the era of solitude. As long as the Earth is viewed as the personal property of the human race, a belief embraced by everyone from born-again Christians to Marxists to free-market economists, we are destined to soon inhabit a biological wasteland. ** Ibid. * A world where 8 billion to 10 billion people are competing for diminishing resources will not be peaceful. The industrialized nations will, as we have done in Iraq, turn to their militaries to ensure a steady supply of fossil fuels, minerals and other nonrenewable resources in the vain effort to sustain a lifestyle that will, in the end, be unsustainable. The collapse of industrial farming, which is made possible only with cheap oil, will lead to an increase in famine, disease and starvation. And the reaction of those on the bottom will be the low-tech tactic of terrorism and war. Perhaps the chaos and bloodshed will be so massive that overpopulation will be solved through violence, but this is hardly a comfort. ** Ibid. * Our core ecological problem is not climate change. It is overshoot, of which global warming is a symptom. Overshoot is a systemic issue. Over the past century-and-a-half, enormous amounts of cheap energy from fossil fuels enabled the rapid growth of resource extraction, manufacturing, and consumption; and these in turn led to population increase, pollution, and loss of natural habitat and hence biodiversity. The human system expanded dramatically, overshooting Earth’s long-term carrying capacity for humans while upsetting the ecological systems we depend on for our survival. Until we understand and address this systemic imbalance, symptomatic treatment (doing what we can to reverse pollution dilemmas like climate change, trying to save threatened species, and hoping to feed a burgeoning population with genetically modified crops) will constitute an endlessly frustrating round of stopgap measures that are ultimately destined to fail. ** {{W|Richard Heinberg}}, "[https://www.ecowatch.com/climate-change-heinberg-2471869927.html Systemic Change Driven by Moral Awakening Is Our Only Hope]." ''EcoWatch'' (August 14, 2017). * During the last 200 years, per capita energy usage grew eight-fold, while human population expanded at about the same rate. As a result of energy growth, all the things we do with energy became more doable. Transportation, manufacturing, agriculture, and mining exploded in scale. Energy became so abundant that it seemed we could solve any human problem, now or in the future, just by throwing more energy at it. We even reconfigured our economic system so that it assumes and requires perpetual growth. But growth in fossil-fuel energy can’t continue much longer: depletion and climate change will see to that. And even if we make a wholehearted effort to switch to low-carbon energy sources, we face limits to nature’s supplies of materials with which to make solar panels, wind turbines, nuclear reactors, and batteries. The ways we’re currently trying to share and manage power are insufficient also because we have failed to understand power itself. Rather than accepting that power limits exist, then surveying them and adapting ourselves to them, we try to finesse or deny them. We respond to climate change by hoping for a renewable energy transition—without questioning the amounts of energy we use or what we do with it. We deal with economic inequality by establishing minimal safeguards for the poor—without examining the structural means by which some people enrich themselves to absurd degrees. ** Richard Heinberg, "[https://www.resilience.org/stories/2021-03-23/understanding-power/ Understanding Power]", ''Resilience'' (March 23, 2021). * Prior to the widespread use of coal, oil, and natural gas, agrarian societies saw cyclical periods of rise and fall. But the scale of expansion since the dawn of the fossil-fueled industrial revolution, beginning roughly at the start of the 19th century, has been unprecedented. Energy usage per capita has grown 800 percent, as has population. Meanwhile, the contours of society have been transformed: for the first time in human history, most people now live in cities. ** {{W|Richard Heinberg}}, "[https://www.postcarbon.org/the-end-of-growth-ten-years-after/ The End of Growth: Ten Years After]." {{W|Post Carbon Institute}} (December 7, 2021). *Fossil fuels enabled a dramatic expansion of energy usable by humanity, in turn enabling unprecedented growth in human population, economic activity, and material consumption. **Richard Heinberg, "[https://richardheinberg.com/museletter-353-deadly-optimism-useful-pessimism Deadly Optimism, Useful Pessimism]". Republished in ''[https://www.resilience.org/stories/2022-07-14/deadly-optimism-useful-pessimism/ Resilience]'' (July 14, 2022). *Global human population has doubled three times in the past 200 years, surging from 1 billion in 1820 to 2 billion in 1927, to 4 billion in 1974, to 8 billion today. Its highest rate of growth was in the 1960s, at over 2 percent per year; that rate is now down to 1.1 percent. If growth continues at the current rate, we’ll have about 18 billion people on Earth by the end of this century. All of this would be fine if we lived on a planet that was itself expanding, doubling its available quantities of minerals, forests, fisheries, and soil every quarter-century, and doubling its ability to absorb industrial wastes. But we don’t. It is essentially the same beautiful but finite planet that was spinning through space long before the origin of humans. **Richard Heinberg, "[https://richardheinberg.com/museletter-356-the-final-doubling The Final Doubling]". Republished in ''[https://www.resilience.org/stories/2022-11-03/the-final-doubling/ Resilience]'' (November 1, 2022). *Agriculture enabled population growth and social complexity, but it gradually robbed soils of nutrients. Sailing ships guided with clocks and navigational charts could increase the scope of trade, but building wooden ships (and making charcoal for forging steel) was leading to the deforestation of whole continents. A reckoning with limits seemed to be in store. Then a miracle happened. People who lived in some key centers of global trade started using fossil fuels—energy sources capable of delivering power in previously unimaginable and seemingly endless quantities. Coal, oil, and natural gas enabled the development of transport technologies (steamships, railroads, cars, trucks, and airplanes) that overcame prior limits to the speed of travel and trade, so that products and resources that were abundant in one place could be transported to places where they were scarce. Fossil fuels could be used to increase the rates of resource extraction via powered mining machinery, and to process lower grades of ores as more concentrated ores were depleted. They could be fashioned into plastics and chemicals to substitute for some natural materials that were getting scarce, such as hardwoods and whale oil. And they could be made into artificial fertilizers, which could replace soil nutrients lost due to unsustainable agricultural practices. All these developments together enabled population growth at rates that far outstripped historic trends: human numbers expanded from one billion to eight billion in a mere two centuries. We were, in effect, stretching existing constraints on population and consumption to the point that it was difficult for many people to see that boundaries still existed at all. **{{W|Richard Heinberg}}, "[https://richardheinberg.com/museletter-358-why-understanding-limits-is-the-key-to-humanitys-future Why Understanding Limits Is the Key to Humanity’s Future]". Republished in ''[https://www.resilience.org/stories/2023-01-19/why-understanding-limits-is-the-key-to-humanitys-future/ Resilience]'' (19 January 2023). *As we’ve grown our population and our per capita consumption rates, we’ve been taking habitat away from other organisms. As a result, nature is in full retreat. Vertebrate and invertebrate animal species have suffered average population declines of 70 percent in the past 50 years, and thousands of plant species are endangered as well. **{{W|Richard Heinberg}}, "[https://richardheinberg.com/museletter-358-why-understanding-limits-is-the-key-to-humanitys-future Why Understanding Limits Is the Key to Humanity’s Future]". Republished in ''[https://www.resilience.org/stories/2023-01-19/why-understanding-limits-is-the-key-to-humanitys-future/ Resilience]'' (19 January 2023). *For a population of field mice in overshoot, the critical resource might consist of small plants whose unusually robust growth has been triggered by high levels of rainfall. For humanity currently, the critical resource is fossil energy. Temporary energy abundance has led to many good things (for some of us, anyway): more food, more people, more commercial products, more knowledge, more comfort, and more convenience. But we are about to become victims of our own success. **{{W|Richard Heinberg}}, "[https://richardheinberg.com/museletter-358-why-understanding-limits-is-the-key-to-humanitys-future Why Understanding Limits Is the Key to Humanity’s Future]". Republished in ''[https://www.resilience.org/stories/2023-01-19/why-understanding-limits-is-the-key-to-humanitys-future/ Resilience]'' (19 January 2023). *It’s sad when loved ones die, and few of us look forward to our own demise; hence the perennial quest for an elixir of eternal life, or at least a cure for cancer. But if nobody died, the planet would quickly fill with humans and empty of all the things that feed and provision us. Death clears space for new life; it is the non-negotiable price of admission to the great banquet of existence. ** {{W|Richard Heinberg}}, "[https://richardheinberg.com/museletter-358-why-understanding-limits-is-the-key-to-humanitys-future Why Understanding Limits Is the Key to Humanity’s Future]". Republished in ''[https://www.resilience.org/stories/2023-01-19/why-understanding-limits-is-the-key-to-humanitys-future/ Resilience]'' (19 January 2023). *The past few thousand years of human history have already seen several critical accelerators. The creation of the first monetary systems roughly 5,000 years ago enabled a rapid expansion of trade that ultimately culminated in our globalized financial system. Metal weapons made warfare deadlier, leading to the takeover of less-well-armed human societies by kingdoms and empires with metallurgy. Communication tools (including writing, the alphabet, the printing press, radio, television, the internet, and social media) amplified the power of some people to influence the minds of others. And, in the past century or two, the adoption of fossil fuels facilitated resource extraction, manufacturing, food production, and transportation, enabling rapid economic expansion and population growth. Of those four past accelerators, our adoption of fossil fuels was the most potent and problematic. In just two centuries, energy usage per capita has increased eightfold, as has the size of the human population. The period since 1950, which has seen a dramatic increase in the global reliance on petroleum, has also seen the fastest economic and population growth in all of human history. Indeed, historians call it the “Great Acceleration.” Neoliberal economists hail the Great Acceleration as a success story, but its bills are just starting to come due. Industrial agriculture is destroying Earth’s topsoil at a rate of tens of billions of tons per year. Wild nature is in retreat, with animal species having lost, on average, 70 percent of their numbers in the past half-century. And we’re altering the planetary climate in ways that will have catastrophic repercussions for future generations. It’s hard to avoid the conclusion that the whole human enterprise has grown too big, and that it is turning nature (“resources”) into waste and pollution far too quickly to sustain itself. The evidence suggests we need to slow down, and, in some cases at least, reverse course by reducing population, consumption, and waste. **Richard Heinberg, "[https://richardheinberg.com/museletter-363-polycrisis-unraveling-simplification-or-collapse Polycrisis, Unraveling, Simplification, or Collapse]". Republished in ''[https://www.resilience.org/stories/2023-06-15/polycrisis-unraveling-simplification-or-collapse-coming-soon-to-a-planet-near-you/ Resilience]'' (June 15, 2023). *Depleting and climate-changing coal, oil, and natural gas have brought about dramatic human population growth, along with immense profits and unprecedented wealth (for the few). But all of these presumed and probably transitory benefits have been based on depleting natural resources, and on processes that are perilously changing the climate and degrading ecosystems across the planet. Every time we pick up a gasoline-powered machine we are viscerally linked to that chain of ersatz benefits and spiraling impacts. **Richard Heinberg, "[https://richardheinberg.com/museletter-368-the-gasoline-powered-leaf-blower-as-a-metaphor-for-industrial-society The Gasoline-Powered Leaf Blower as a Metaphor for Industrial Society]", republished in ''[https://www.resilience.org/stories/2023-11-01/the-gasoline-powered-leaf-blower-as-a-metaphor-for-industrial-society Resilience]'' (November 1, 2023). *Of course, we also have to think about the role of population going forward. The more the global population grows, the more difficult this challenge will be. As we approach this question, it's crucial—as always—that we focus on underlying structural drivers. Many women around the world do not have control over their bodies and the number of children they have. Even in liberal nations, women come under heavy social pressure to reproduce, often to the point where those who choose to have fewer or no children are interrogated and stigmatised. Poverty exacerbates these problems... And of course capitalism itself creates pressures for population growth: more people means more labour, cheaper labour, and more consumers. These pressures filter into our culture, and even into national policy: countries like France and Japan are offering incentives to get women to have more children, to keep their economies growing. **[[Jason Hickel]], ''Less is More: How Degrowth Will Save the World'', 2021, pp. 110-111 * No one lives within a day’s walk of a coal mine, an iron ore source, and a smelter that can operate without a source of electricity, plus food. The old smelters didn’t use electricity to drive the huge motors moving heavy hot metal and slag around. The first smelters were close to coal and iron ore sources, but we used them up; they no longer exist close to each other.<br>In the year 1500, we had a world population of around 450 million and grew massively over the next 250 years to the start of the industrial revolution by increasingly using the resources of the ‘new world’. We’ve been on an upward trajectory ever since, especially since around 1800 when fossil energy came into use.<br>People just don’t understand our extreme (and still growing) overpopulation problem given the imminent decline of oil, and especially diesel. Assuming “we’ll downsize this” or “relocalize that” ignores the fact that once oil supply shifts to contraction, the declines will be permanent year after year, and with diesel shortages the ability to build anything new all but disappears.<br>It will be a sad sight with suffering everywhere and increasing year after year. Survivors will have to be hard people, protecting and providing for their own, at the exclusion of others.<br>Everyone should look around their home and imagine it without the oil used to produce and deliver everything in it, because that’s the world of the future, with old decaying cold buildings and no food in cities. ** Hideaway (pseudonym for Helen Hasan), "[https://un-denial.com/2024/09/14/by-kira-hideaway-on-relocalization/ On Relocalization]". ''Un-Denial'', September 14, 2024. * Using all available resources to expand its population is what every species that’s ever existed has always done until some limit is reached. Consider a mouse plague, enabled by human agricultural practices, with its huge population until the next frost or the grain is eaten, then a massive die-off in a short time. ** Ibid. * We have over 8 billion humans on the planet, and 99.99% of them have no idea modernity is going to end abruptly, and when it does so will destroy the plans of the [few who] did see it coming and tried to prepare in some way. ** Ibid. * One might think Humanity’s success is guaranteed, except for a few things: First, the increasing scarcity of oil, coal, and natural gas suddenly threatens to remove the punch bowl from which Humanity has been feeding. Second, the carrying capacity of the Earth is far less than 8 billion humans unless we continue to supplement with increasingly scarce resources. And, last, our centuries-long party has now broken the Earth in ways Humanity cannot repair. ** Preston Howard, "[https://un-denial.com/2023/09/28/by-preston-howard-the-maximum-power-principle-and-why-it-underscores-the-certainty-of-human-extinction-in-the-near-future/ The Maximum Power Principle and Why It Underscores the Certainty of Human Extinction in the Near Future]." ''Un-Denial'' (September 28, 2023) * Is the proxy war in Ukraine turning out to be only a lead-up to something larger, involving world famine and a foreign-exchange crisis for food- and oil-deficit countries?<BR>U.S. Cold War strategy is not alone in thinking how to benefit from provoking a famine, oil and balance-of-payments crisis. [[w:Klaus Schwab|Klaus Schwab]]’s World Economic Forum worries that the world is overpopulated—at least with the “wrong kind” of people. '''As Microsoft philanthropist... Bill Gates has explained: “Population growth in Africa is a challenge.” His lobbying foundation’s 2018 “Goalkeepers” report warned: “According to U.N. data, Africa is expected to account for more than half of the world’s population growth between 2015 and 2050. Its population is projected to double by 2050,”''' with “more than 40 percent of world’s extremely poor people... in just two countries: Democratic Republic of the Congo and Nigeria.” Gates advocates cutting this projected population increase by 30 percent by improving access to birth control and expanding education to “enable more girls and women to stay in school longer, have children later.” But how can that be afforded with this summer’s looming food and oil squeeze on government budgets? ** [[Michael Hudson (economist)|Michael Hudson]], [https://michael-hudson.com/2022/06/is-us-nato-with-wef-help-pushing-for-a-global-south-famine/ Is US/NATO (with WEF help) pushing for a Global South famine?] (6 June 2022) === K === * Perhaps the most ambiguous of these [technological] achievements [of the [[Industrial Revolution|industrial age]]] is the one that began in mid-nineteenth century with improvements in public health, vaccinations, and antibiotics. These methods of death control emerged too rapidly to be offset by methods of birth control and populations exploded. Again, who can speak against this from within the old paradigm? In fact, it is only from the newer ecological paradigm that we are able to recognize that all this marvelous technology has... likely led the human population to overshoot the carrying capacity of the earth. Even from this perspective many of us would... want to save lives now in hopes that somehow there will be enough resources for those who come after us. In less complex animal populations, an overshoot leads to a crash, or die-off. Can humans somehow circumvent this conclusion without relying on further damaging drawdown strategies? … a basic change in our technologies, and acceptance of a steady state in economics reinforced by a compatible spiritual orientation, may at least mitigate human suffering and loss. ** Maynard Kaufman, ''Adapting to the end of oil'', 2008, p. 29. * Unlike plagues of the dark ages or contemporary diseases we do not yet understand, the modern plague of overpopulation is soluble by means we have discovered and with resources we possess. What is lacking is not sufficient knowledge of the solution but universal consciousness of the gravity of the problem and education of the billions who are its victims. ** [[মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র]], acceptance speech, Margaret Sanger award in human rights 1966; Lamont Hempil ''Sustainable communities''. * We have learned a lot in the 50 years since "{{W|The Population Bomb}}" was published. We should not shy away from discussing what actions are ethically permissible to facilitate a stable level of population growth, nor should we leave this discussion in the hands of the affluent. The conversation about ethics, population, and reproduction needs to shift from the perspective of white donor countries to the places and people most affected by poverty, climate change and environmental degradation. ** {{W|Frances Kissling}}, Jotham Musinguzi and [[Peter Singer]], "[https://www.washingtonpost.com/opinions/talking-about-overpopulation-is-still-taboo-that-has-to-change/2018/06/18/ca7c1838-6e6f-11e8-afd5-778aca903bbe_story.html Talking about overpopulation is still taboo. That has to change]". ''{{W|The Washington Post}}''. June 18, 2018. * All we can say now is, that, even now, 600 persons could easily live on a square mile; and that … 1,000 human beings—not idlers—living on 1,000 acres could easily, without … overwork, obtain … a luxurious vegetable and animal food, as well as the flax, wool, silk and hides necessary for their clothing. As to what may be obtained under still more perfect methods—also known but not yet tested on a large scale—is better to abstain from any forecast: so unexpected are the recent achievements of intensive culture. We thus see that the over-population fallacy does not stand the very first attempt at submitting it to a closer examination. ** [[Peter Kropotkin]], ''[[Peter Kropotkin#Fields, Factories and Workshops_(1899)|Fields, Factories and Workshops]]'' (1899) * It has been estimated that the world human population stood at about one billion around the early 1800s, which was roughly about when the industrial adventure began to gain traction. It has been inferred from this that a billion people is about the limit that the planet Earth can support when it is run on a nonindustrial basis. World population is now past six and a half billion, having more than doubled since my childhood in the 1950s. The mid-twentieth century was a time of rising anxiety over the “population explosion.” The marvelous technological victory over food shortages, including the “green revolution” in crop yields, accelerated that already robust leap in world population that had begun with modernity. Dramatic improvements in sanitation and medicine extended lives. Industry sopped up expanding populations and reassigned them from rural lands to work in the burgeoning cities. The perceived ability of the world to accommodate these newcomers and latecomers in a wholly new disposition of social and economic arrangements seemed [to] be the final nail in the coffin of [[Thomas Robert Malthus]]… ** [[James Howard Kunstler|James H. Kunstler]], ''{{W|The Long Emergency}}'', Chapter 1: "Sleepwalking into the future", pp. 5–6. * Malthus was certainly correct [that demand will outstrip supply], but... [hydrocarbons] ...skewed the [supply-demand] equation over the past [two] hundred years while the human race has enjoyed an unprecedented orgy of [a fraction of] nonrenewable condensed solar energy accumulated over eons of prehistory. The “green revolution” in boosting crop yields was minimally about scientific innovation in crop genetics and mostly about dumping massive amounts of fertilizers and pesticides made... of ...[petroleum] onto crops, as well as employing irrigation at a fantastic scale made possible by abundant oil and gas. The cheap oil age created an artificial bubble of plen[t]itude for a period not much longer than a human lifetime, a hundred years. Within that comfortable bubble, the idea took hold that only grouches, spoilsports, and godless maniacs considered population hypergrowth a problem [with a direct solution], and that to even raise the issue was indecent. ...As oil ceases to be cheap and the world reserves arc toward depletion, we will indeed suddenly be left with an enormous surplus population... that the ecology of the earth will not support. No political program of birth control will avail. The people are already here. The journey back to non-oil population homeostasis will not be pretty. '''We will discover the hard way that population hypergrowth was simply a side effect of the oil age.''' It was [more of] a condition [without a remedy], not a problem with a [direct] solution. That is what happened, and we are stuck with it. ** Ibid., p. 8. * '''Cheap oil had allowed populations to explode in precisely those parts of the world that had had, for millennia, a high infant mortality rate and modest life expectancy.''' Cheap oil was behind the "green revolution" that increased the food supply in the nonindustrial world. Oil was also behind many of the medicines and preventives that had neutralized… diseases. Now, suddenly, most of those children… survived, grew up, and produced more children who survived and grew up, and over… the twentieth century, the global populations hurtled into extreme numerical overshoot. Populations were, in effect, eating oil, notably in [the form of] food exports from the United States, where agribusiness had completely taken over from agriculture. Local farmers in Africa, Asia, or South America couldn’t compete with corporate Archer Daniels Midland’s oil-and-gas-based grain crops and U.S. government subsidies. ** James H. Kunstler, ''The Long Emergency'' (2005), Chapter 6: "Running on fumes : the hallucinated economy" pp. 187–188. * Peak human population will surely lag … peak oil and peak mineral resources until these conditions express themselves as food shortages. This means that the human population will continue to rise for a while, even as we begin to encounter these … strict resource limits. It’s not possible to estimate how much the population will increase because the relationship between energy and mineral resources and food production is a very fragile equation, subject to any number of discontinuities. To these, add the complications of weather disasters arising from climate change, including drought, the spread of plant diseases, and so forth. This lagging further rise in [the] human population will only make the inevitable contraction more acute once food shortages begin. [Overpopulation] amounts to a human population overshoot … to the planet Earth’s ecology. We're putting a strain on everything the earth has to offer us. While the combination of peak stuff and [too many] billion humans is forcing the issue, ...the truth is that '''circumstances will now determine what happens, not policies or personalities.''' … Population overshoot is therefore unlikely to yield to management. Rather, the usual suspects will enter the scene and do their thing: starvation, disease, … violence … [and] death. ** James H. Kunstler, ''Too Much Magic'', Chapter 1: "Where We're At", p. 10. === L === *Fossil fuels’ biggest impact on the agricultural sector stems from the use of natural gas in industrial fertilizer production. Industrial fertilizer was first mass-produced in 1914 using what came to be known as the {{W|Haber-Bosch process}}. This invention enabled the {{W|Green Revolution}}, a boom in agricultural production that took place in the latter half of the 20th century, starting in Mexico and India. From 1961 to 2010, cereal yields per acre increased by 217 percent in Mexico and 183 percent in India. It is no coincidence that the human population has more than quadrupled since 1920.<br>We often attribute the Green Revolution to the spread of high-yielding crop varieties. Yet these varieties typically require industrial fertilizer application. The Haber-Bosch method, combined with mechanization and pesticides derived from fossil fuels, [has] represented a massive and unsustainable injection of fossil fuels into our food system. Today, the production of one food calorie in the United States requires 2.7 fossil fuel calories. **Helene Langlamet and Alix Underwood. “[https://steadystate.org/a-trophic-perspective-on-fossil-fuels/ A Trophic Perspective on Fossil Fuels].” Center for the Advancement of the Steady State Economy, August 1, 2024. * Driven by the Anthropocene engine, human population has grown exponentially, and individual societies have approached collapse multiple times over the past 8,000 years. The disappearance of the Easter Island civilization and the collapse of the Mayan empire, for example, have been linked to the depletion of environmental resources as populations rose. The dramatic decline of the European population during the Black Death in the 1300s was a direct consequence of crowded and unsanitary living conditions that facilitated the spread of Yersenia pestis, or plague. ** Manfred Laubichler, [https://theconversation.com/8-billion-humans-how-population-growth-and-climate-change-are-connected-as-the-anthropocene-engine-transforms-the-planet-193075 8 billion humans: How population growth and climate change are connected as the ‘Anthropocene engine’ transforms the planet]. ''{{W|The Conversation (website)|The Conversation}}'', November 3, 2022. * In the 20th century we decisively broke our dependence on energy systems that were fed by the wind and sun and which we supplemented with human and animal muscle power. That leap was made possible by innovations that allowed us to extract, pump, use, and transform raw materials, particularly to unlock energy stored in coal and oil to make chemicals and plastics. That in turn allowed a massive expansion in population, lifespans, and economic growth. The rise of industrial capitalism from 1851 to 1971 went hand in hand with a surge in population, mainly in cities, provided with better food and public health. ** Charles Leadbeater, ''The Frugal Innovator'' (2014), p. 36. * On a global level, there is no threat to human survival greater than that posed by world overpopulation—paradoxical though that may seem—and it is abundantly clear that consensus decision making is ineffective for dealing with that. Some kind of “solution” is nonetheless unavoidable, and is certain to be ugly. To say that there is no visible world leadership on that transcendental question is to understate the case. Optimists on the population problem don’t measure progress in terms of a decrease in population, or even a decrease in the rate of increase, but in terms of a decrease in the rate of increase of the rate of increase. ** [[Harold Lewis]], ''Why Flip a Coin?'' (1997), <small> {{আইএসবিএন|0-471-16597-2}}, </small> pp. 98-99 * The human population will continue to increase until it can’t. When it can no longer increase, it will crash. Our extreme efforts to focus our minds elsewhere are symptoms of a desperate attempt to find solid footing, to believe in a future that will not vanish. Mankind has had a storied existence on Earth. Our thirst for knowledge and innovation has provided comfort and security. However, it is becoming increasingly evident that our remarkable progress has become our worst enemy. We know our planet is finite. Images of Earth from space make it plain for all to see. However, people routinely ignore this verifiable certainty in all aspects of their lives, treating the world as [if it were] infinite. Modern-day human activities are not only wiping out ecosystems and biodiversity but [also] plundering the clean air, water, and topsoil that helped bring about our tenure on the planet. Entire ecosystems have vanished, including the tallgrass prairie in North America, Madagascar’s rainforests, and the Aral Sea in Asia. '''We use Earth’s natural resources like a bunch of drunks on the greatest bender of all time.''' Human consumption is negatively modifying the planet and permanently damaging the biological systems upon which our continued existence depends. The deterioration of our ecosphere has been exponentially accelerating for at least 100,000 years. As technological advances improve our lives, humanity becomes increasingly detached from its environment and the natural resources allowing us to persist. People now have a much closer affinity with iPhones, Amazon, online shopping, restaurants and bars, Netflix, beauty salons, and sporting events than forests, grasslands, marshes, and oceans. Few now understand our existence on Earth is entirely dependent upon photosynthesis. Instead, they believe their survival is contingent on parents, doctors, farmers, governments, bankers, police, and other players in society. It’s not that those institutions, people, and specialties aren’t important, but they represent the retailers. Photosynthesis is the wholesaler. There is a supply chain disruption occurring on a massive scale in our relationship with the planet. The ancient forests and grasslands that provided the planet with free oxygen in the air and sequestered carbon dioxide, making it habitable for humans and other complex life, are nearly gone. For most people, the natural resources that support their existence and lifestyle might as well be from a distant galaxy. This extreme disconnect has resulted in people losing their capacity to understand the dire circumstances facing complex organisms on Earth, including themselves. The deafening alarm bells portending our extinction are routinely misunderstood or ignored. For those who perceive our state of crisis, there is a great deal of angst. Much of the frustration, anger, and sadness results from having unrealistic expectations of human beings. Despite our advanced technologies, the basic tenets of human behavior haven’t changed for centuries or millennia. Letting go of the false expectations that Homo sapiens can or will modify our behavior can bring us an element of peace. Expectations are incredibly powerful in structuring our moods and emotions. Identifying unrealistic expectations can reduce our chances of being disappointed and can increase happiness. A better understanding of our behavioral history can provide valuable insights into recognizing human capabilities and limitations. ** Lyle Lewis, ''Racing to Extinction'' (2024) * … as our population has grown, humans have been liquidating the planet’s natural resources for thousands of years. The effects of our current population on forests, grasslands, biodiversity, clean air, and water are catastrophic. Zero population growth means the planet would still be trying to support the current population, over 8 billion people. Humanity can no longer pay even the interest. We’ve already spent much of the planet’s clean air, water, and biodiversity with no mechanism for repayment. Zero population growth isn’t going to happen. We can’t curb our evolutionarily programmed need to grow and reproduce any more than we can stop the sun from rising. Like all populations of organisms on the planet, the number of humans will continue to increase until it’s no longer possible. When that day happens, Earth will be a truly inhospitable place. ** Lyle Lewis, ''Racing to Extinction: Why Humanity Will Soon Vanish'' (2024), Chapter 5. * In 1968, with the release of their book ''The Population Bomb'', [[Paul R. Ehrlich|Paul]] and Anne Ehrlich were among the first to identify the most significant factor that will precipitate the collapse of humanity. Their book inspired an environmentalist fad in the 1970s. The premise for the book was gradually rationalized away by most as the work of lunatics. It was listed by the Intercollegiate Review as one of the 50 worst books of the 20th century. In the Human Events list of the “Ten Most Harmful Books of the Nineteenth and Twentieth Centuries,” it garnered an 11th-place honorable mention. Since that time, the global population has more than doubled. During those five decades, humanity has identified six types of quarks, developed the modern internet, eradicated smallpox, decoded the human genome, and developed vaccines for Ebola and COVID-19. Despite all our new technologies and discoveries, the most basic concept of rapid human growth inside a finite system—our planet—leading to collapse is a concept too difficult for our greatest minds to reconcile. Humanity’s carefully calibrated psychological filters go into overdrive to prevent this simple mathematical postulate from entering our psyche. As seemingly prescient as the Ehrlichs were, our collision course with extinction was preordained long before their book was published in 1968. ** Lyle Lewis, ''Racing to Extinction: Why Humanity Will Soon Vanish'' (2024), Chapter 9. * Population growth vanished from the agendas of mainstream environmental organizations that previously regarded escalating numbers as a major environmental threat. These groups were primarily shackled by their fear of alienating donors, ultimately selling their purpose and integrity for money. Criticism from progressive and conservative interests claiming that overpopulation is a myth further incentivized these groups to pretend the rising global population wasn’t a factor in planetary degradation. ** Lyle Lewis, ''Racing to Extinction: Why Humanity Will Soon Vanish'' (2024), Chapter 9. * Those who defend the belief that overpopulation isn’t at the core of every environmental problem are not unique. Every myth presents itself as an authoritative, factual account, no matter how much the topic varies from natural law or ordinary experience. There is a long, bloody history of ''Homo sapiens'' defending myths against those who might either question their veracity or have a competing myth. It has resulted in the deaths of millions of people [and other animals] since the dawn of the Agricultural Revolution. As a result of ignoring the obvious reality, newborns are effectively positioned as moneymaking machines. The former prime minister of Japan suggested that women who bore no children should be barred from receiving pensions. In most countries, those who choose not to have children are required to pay for those who do through taxes. In this campaign for more babies, childbearing is reduced to a means for economic growth. Even though overpopulation, natural resource extraction, and environmental degradation are clearly linked, the needs of the economic market trump the needs of the planet. Children are nothing more than moneymakers in the eyes of politicians, forever blind to the moral, environmental, or humanitarian consequences of their policies. Market thinking has obliterated moral thinking on a grand scale. After all, if the West doesn’t produce more children, it can’t produce the wealth needed to look after parents when they retire. No social animal is ever guided by the interests of the entire species to which it belongs. No pika cares about the interests of the pika species; no northern spotted owl will lift a feather for the global northern spotted owl community; no wolf alpha male makes a bid for becoming the king of all wolves. Likewise, few humans care about the interests of ''Homo sapiens''. People only care about themselves and those who directly affect their lives. ** Lyle Lewis, ''Racing to Extinction: Why Humanity Will Soon Vanish'' (2024), Chapter 9. * Humanity has moved past the point where future generations are an issue. If there are any, they will be few in number. Ignoring the inevitable is something all species do. Humans are no different than bacteria in a Petri dish or a mountain pine beetle in a climate-stressed lodgepole pine forest. All available resources are utilized to grow and reproduce until the inevitable collapse. We’re traveling down the same path as all species that have gone through exponential increases. The only difference is ''Homo sapiens'' is doing it on a grander scale. The Herculean ability to ignore the greatest threat to our existence would be comical if not for the rapidly approaching consequential conclusion to our existence. ** Lyle Lewis, ''Racing to Extinction: Why Humanity Will Soon Vanish'' (2024), Chapter 9. * Economic and political instability will continue to increase as food and water supplies are impacted in more areas on the planet by pollution, drought, flooding, and other extreme weather events. However, while the focus is almost entirely on the supply side of the economic equation, the demand side may be the bigger issue. The planet is currently adding an additional 80 million mouths to feed each year, 4.5 times more people than the entire population of Syria. As the chasm between uncertain supplies and increasing demand widens, the social and biological implications for humanity are both unpredictable and alarming. ** Lyle Lewis, ''Racing to Extinction: Why Humanity Will Soon Vanish'' (2024), Chapter 9. * Many people, including environmentalists, often avoid linking the multitude of environmental problems to overpopulation. Some believe that a global shift to veganism could support the current population and more. Others attribute the crisis to various factors [that] are frequently cited as primary contributors to the ongoing environmental crisis, overshadowing the impact of population growth. ** Lyle Lewis, "The Locust Theory" (November 16, 2024) * [There's an] excessive number of humans who [want to] live a lifestyle that promotes equality, along with [others] being minimalist and/or vegan... [and] similar overpopulation by other organisms is considered a plague. ** Ibid. * Our emphasis [on] science has resulted in alarming rises in world populations that demand an ever-increasing emphasis [on] science to improve their standards and maintain their vigor. ** [[Charles Lindbergh]], ''The Wisdom of Wilderness'', ''{{W|Life (magazine)|LIFE}}'', December 22, 1967. * It is still the case that the worst enemies of life are, on the one hand, an excess of life (human life, in particular) and, on the other, the legislation and structure of societies based on {{W|market economy}}. The sturdier a society, the more peaceful it is; the more efficient {{W|economic growth}} (i.e., the ransacking of natural resources), the quicker {{W|Biodiversity loss|other forms of life will step aside}}. Everything that upsets the established order of society, causing chaos and panic, gives time to nature and, ultimately, humans too. ** [[Pentti Linkola]], ''Can Life Prevail?: A Revolutionary Approach to the Environmental Crisis.'' p. 166 === M === * Population, when unchecked, increases in a geometrical ratio, Subsistence, increases only in an arithmetical ratio. ** [[Thomas Robert Malthus]], ''An Essay on the Principle of Population'' (1798), Chapter I, paragraph 18, lines 1-2 * The power of population is so superior to the power in the earth to produce subsistence for man, that premature death must in some shape or other visit the human race. **Thomas Robert Malthus, ''An Essay on the Principle of Population'' (1798), Chapter VII, paragraph 20, lines 2-4 * What has caused the recent super-exponential rise in world population? Before the industrial revolution both fertility and mortality were comparatively high and irregular. The birth rate generally exceeded the death rate only slightly, and population grew exponentially, but at a very slow and uneven rate. In 1650 the average lifetime of most populations in the world was only about 30 years. Since then, [hu]mankind has developed many practices that have had profound effects on the population growth system, especially on mortality rates. With the spread of modern medicine, public health techniques, and new methods of growing and distributing foods, death rates have fallen around the world. […] On a world average the gain around the positive feedback loop (fertility) has decreased only slightly while the gain around the negative feedback loop (mortality) is decreasing. The result is an increasing dominance of the positive feedback loop and the sharp exponential rise in population […]. **Dennis Meadows et al. ''The Limits to Growth'' (1972), Chapter 1: "The Nature of Exponential Growth." * H. sapiens took around 250,000 years to reach a global population of 1 billion in 1820, and just over 200 years to go from 1 billion to 8 billion. This was largely made possible by our species’ access to cheap, easy, exosomatic energy, mainly fossil fuels. Fossil fuels enabled us to reduce negative feedback (e.g. food shortages) and thus delay and evade the consequences of surpassing natural limits. In that same 200 year period, fossil energy (FF) use increased 1300-fold, fueling a 100-fold increase in real gross world product, i.e. consumption, and the human enterprise is still expanding exponentially. ** Joseph J. Merz et al., "[https://journals.sagepub.com/doi/10.1177/00368504231201372 World scientists’ warning: The behavioural crisis driving ecological overshoot]". ''Science Progress'' Volume 106, No. 3 (2023) * There is no way we could keep going as we have been. The increase in human population in the 1990s has exceeded the total population in 1600. The population has grown more since 1950 than it did during the previous four million years. The reasons for our recent rapid growth are pretty clear. Although the Industrial Revolution speeded historical growth rates considerably, it was really the public health revolution, and its spread to the Third World at the end of the Second World War, that set us galloping. Vaccines and antibiotics came all at once, and right behind came population. In Sri Lanka in the late 1940s life expectancy was rising at least a year every twelve months. How much difference did this make? Consider the United States: if people died throughout this century at the same rate as they did at its beginning, America's population would be 140 million, not 270 million. ** [[Bill McKibben]], "[https://www.theatlantic.com/magazine/archive/1998/05/a-special-moment-in-history/377106/ A Special Moment in History]", ''The Atlantic'', May 1998. * The Earth's population is plagued by famines, energy shortages, epidemics, environmental pollution, degeneration, terrorism, dictatorship, anarchism, slavery, excessive increase of waste materials, racial hatred, food shortages, destruction of rain forests, the "greenhouse effect", pollution of lakes, streams and oceans, hatred towards asylum-seekers; radioactive emissions, chemical pollution of water, air, plants, food, human beings and animals. Crime, murder, mass murders, manslaughter; alcoholism, hatred of strangers, oppression, hatred of one's fellowman, extremism, sectarianism, drug addiction, overpopulation, annihilation of animal species, war, violence, torture and capital punishment, general mismanagement, water contamination, eradication of plant species; hatred, vice, jealousy, lovelessness, lack of logic, false humanitarianism, lack of housing, increased traffic, destruction of arable land, unemployment, the collapse of health care, the collapse of care for the elderly, destruction of nature, the collapse of solid waste removal, and the lack of living space, among others. In spite of the many efforts, '''mankind's problems are not decreasing but, instead, continue to rise steadily in direct proportion to population increases.''' ** {{W|Eduard Albert Meier}}, "[http://www.futureofmankind.co.uk/Billy_Meier/Overpopulation_Crusade A Crusade Against Overpopulation]," on ''futureofmankind.co.uk.'' * … technology use harnesses far more energy and materials than we could ever manage without it, and while doing so may make our lives much easier and more comfortable, it comes at the cost of increasing ecological overshoot. As we increase overshoot, we concomitantly increase all the symptom predicaments that overshoot causes. Technology use also has another nasty side effect. It reduces and/or eliminates negative feedbacks which once kept our numbers in check. Many diseases we once suffered from like smallpox, measles, whooping cough, tetanus, etc. have been temporarily eliminated by the technological development of vaccines. Our medical industry has also wiped out many other diseases through proper sanitation, use of antiseptics, anesthetics (allowing surgeries to correct most internal ailments), antibiotics, antifungals, and antivirals to kill or prevent many diseases, and many other innovations that allow us to live better, more comfortable lives. The development of indoor plumbing, electrical systems, heating and air conditioning systems, insulation, refrigerators and freezers, and cooking devices all allow us to accomplish daily tasks either much easier or provide more comfort to us by regulating temperature and humidity levels in our living spaces. Therefore, technology use reduces or removes negative feedback thereby promoting population growth which also promotes technology growth. However, in terms of reducing overshoot (and symptom predicaments such as climate change, energy and resource decline, pollution loading, and biodiversity decline), technology use is '''''maladaptive'''''. This will become painfully clear as time moves forward when more or different technology does not actually solve overshoot. [[Population decline]] is what will actually work to reduce overshoot, caused by the failure of our agricultural systems, increased disease caused by antimicrobial resistance and new viruses emerging, and increased failures of infrastructural systems caused by extreme weather events. Reduced technology use will be facilitated by this mechanism, and ALL species wind up experiencing die-off whether they use technology or not. ** Erik Michaels, "[https://problemspredicamentsandtechnology.blogspot.com/2023/07/how-did-we-get-here.html How Did We Get Here?]" (July 19, 2023). * Most non-domesticated life on earth is in decline and about 200 species a day are going extinct due to a wide range of environmental problems. Many humans are at risk of being harmed or killed by related problems this century.<br>All of the many problems are caused by the same thing: humans have used non-renewable energy to explode their population from 1 billion to 7 billion in 100 years, and now consume so large a share of the earth’s resources that almost all non-domesticated species are in decline. ** Rob Mielcarski, "[https://un-denial.com/2016/03/25/overpopulation-denial/ Overpopulation Denial]." ''Un-Denial'' (March 25, 2016). * We’re in serious trouble. Many red lights are flashing on the dashboard.<br>Most people are now aware that something is seriously wrong, and each has their favorite lens through which to view the problems… The common denominator to all of these problems is overshoot. Very few people are able to see through the lens of overshoot because overshoot is a very unpleasant topic with no painless solutions and no way to avoid its consequences, and because humans evolved to deny unpleasant realities like overshoot. ** Rob Mielcarski, "[https://un-denial.com/2025/06/06/what-should-can-could-will-we-do/ What… Will We Do?]." ''Un-Denial'' (June 6, 2025). * Human numbers are rising at roughly 1.2% a year, while {{W|livestock}} numbers are rising at around 2.4% a year. By 2050 the world’s living systems will have to support about 120m tonnes of extra humans and 400m tonnes of extra farm animals. ** [[George Monbiot]], "[https://www.theguardian.com/commentisfree/2015/nov/19/population-crisis-farm-animals-laying-waste-to-planet There’s a population crisis all right. But probably not the one you think]". ''The Guardian''. November 19, 2015. * [[ফ্রান্সিস বেকন|Bacon]]ian science is at the root of the apocalypse. We have been blessed by advances in medicine, agriculture and engineering. Science has done exactly what we asked of it and now we are set for annihilation. If European science had petered out after the discoveries of the seventeenth century, we would be less numerous and [the] Earth would not be [[global warming|warming]]. ** Nicholas Money. ''The Selfish Ape'' (2019), Chapter 9: "Greenhouse" * This moment is special because we have dramatically built up our population, technology, science, medicine, and democratic institutions as a direct result of vast amounts of surplus energy stemming from a one-time resource. The fossil fuel experience has made us '''dangerously confident''' about our cleverness and dominance over nature. What makes this century special, then, is that we will have to cope with a diminishing supply rate of the resource that has been of paramount importance to our high-tech existence. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2011/10/sustainable-means-bunkty-to-me/ Sustainable means "bunkty" to me]." ''Do the Math'', University of California, San Diego. October 5, 2011. * Humans collectively must ultimately face the uncomfortable question of whether Earth’s natural systems can support 8 billion or more people at a modern standard of living. Since the resource footprint of a U.S. citizen is at least four times that of the global average, the key question is whether the planet can support an increase in material throughput four times higher than present when the strain is apparent already. As noble as it may be to wish [for] a modern living standard for an eventual ten billion or more people, it is likely that committing to such a course could result in more human suffering than would transpire under the adoption of more modest goals. The responsible path is to reduce global resource dependencies and abandon the imperative for growth starting now. ** Thomas W. Murphy, David J.R. Murphy, Thomas F. Love, Melody LeHew and Ben McCall (2021). "[[doi:10.1016/j.erss.2021.102239|Modernity is incompatible with planetary limits: Developing a PLAN for the future]]." ''Energy Research & Social Science'', 81, 102239. * Even something as seemingly altruistic as health care selfishly focuses on human health, to the exclusion and often direct detriment of ecosystem health. Are we really doing ourselves favors in the long term by making the destructive human enterprise healthier, more populous, longer-living, and therefore better able to carry out its damaging activities? If this sounds abhorrently anti-human, it’s because the human enterprise is currently relentlessly anti-planet. Anything that is anti-planet will dismantle ecosystems that serve as critical life support for humans, spelling failure for the human enterprise. So it’s really the human enterprise that is anti-human by way of being anti-planet. […] The best way to assure long-term prosperity is to forge a non-human-centric partnership with nature that does not always put short-term human interests above those of non-human elements of nature. Even “good” activities like health care therefore miss the boat in terms of building a better tomorrow. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2021/05/to-what-end/ To What End?]". Do the Math, {{W|University of California, San Diego}}. May 4, 2021. * Since growth is an absurd short-lived anomaly, what about leveling out in population, resource use per capita, and adopting a steady-state economy? The problem here is that the rate at which we are depleting one-time resources today is unsustainable. We’re simply spending our bank account without paying attention to the balance and without any source of additional income. Most clearly, forests and wild spaces are down by a factor of two in the last 60 years and will be gone within 60 years at current rates of depletion. Before even getting to steady-state conditions, inevitable near-term increases in population together with sought-after increases in standards of living around the world spell an even shorter lifetime for critical habitats. Meanwhile, fisheries are failing in domino fashion; aquifers are being depleted at rates alarmingly higher than replacement; soils are degrading and arable land is lost; fertilizer depends on a finite resource; habitat loss is resulting in species extinctions far in excess of natural rates. Even the plunder of mineral resources in the seemingly infinite crust is getting harder, only a fleeting century or so into our spree. Sustaining present levels for even a few more centuries is a dubious (i.e., unsubstantiated) proposition. It is practically absurd to imagine sustaining present practices for 10,000 years. Humans simply have not yet demonstrated an ability to maintain a technological society without utter reliance on grossly unsustainable inheritance spending. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2021/05/why-worry-about-collapse/ Why Worry About Collapse?]." Do the Math, {{W|University of California, San Diego}}. May 18, 2021. * Earth has never in its history had to contend with 8 billion fire apes, intelligent enough to have leveraged power by exploiting and burning one-time resources. We now operate outside the bounds and protections of evolution: in breach of contract, without a map to success. What could possibly convince us that this fireworks show—which has not even come close to standing the test of time—can maintain anything like its current resource impact for the long haul? Humans have demonstrated convincingly that we can live in a primitive state for hundreds of thousands of years. Our present mode is a few-century flash, supported almost entirely by inheritance-spending. Arguing that we have found a new normal is a precarious position that I would not be eager to defend. Parties end. Fireworks shows end. Why would our flash be any different? It’s not just guesswork: what other outcome could result from rapid resource exploitation on a finite planet? ** Ibid. * We face unprecedented pressures on resources and on our environment, as human population and standard of living both surge on a finite planet. Nature will not allow this trend to continue indefinitely. ** Thomas W. Murphy, ''[https://escholarship.org/uc/item/9js5291m#section.18.5 Energy and Ambitions on a Finite Planet]'', p. 313 (2022) * Human population will not be allowed to grow [indefinitely]. Even small growth rates will step up pressure on natural resources, and Earth can only support so much, long-term. Independent of what the “right” number is, once settled, we will not be able to dial it up without imperiling the hard-won success. Even under steady human population, any increase in resource use per person will also not be compatible. In general, growth leads to a dead end: to failure. ** Ibid. p. 405 * As a jarring illustration of our tendency to value the human side over the prerequisite physical/ecological side, imagine that somehow we manage to emerge from the coming centuries having established a truly sustainable existence. All resources are renewed by nature at the rate of extraction for human needs; population is steady and at a level just tolerable to the planet in terms of indefinite support. Diverse ecosystems are left to thrive in their natural states. But imagine that we are still plagued by cancer and other maladies, so that life expectancy is, say, 90 years. Then what if a team of researchers hits on a cure for (most forms of) cancer? Hurray! At last! Unambiguously good, right? Well, not so fast. All other elements held the same, longer life spans translate to a higher population, putting additional resource burdens on the planet that it cannot handle in the long term. In order to adopt and implement the cure for cancer, we would have to either deliberately reduce population or lower the standard of living to accommodate the change. All other considerations of the complex society about economic impacts, equity of distribution, legal and political facets, or interaction with religious belief systems must take a back seat to the most fundamental and important question: is this change physically viable on this finite planet in the long term? ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2021/11/caught-up-in-complexity/ Caught Up in Complexity]". Do the Math, {{W|University of California, San Diego}}. November 30, 2021. * People tend to prefer the narrative that we, ourselves, are the superheroes, and that our superpowers are not from the fossil fuel suit, but are cognitive in nature. Yet we have the same neural hardware (if not slightly downsized) as our prehistoric ancestors. The main cognitive revolution happened about 70,000 years ago when humans started to believe in things that do not exist (like spirits or potential future gains) that allowed large-scale coordination and shared identity to outcompete evolution’s more biophysical tricks of sharp teeth/claws, speed, strength, camouflage, poison, or overwhelming numbers. Global spread of homo sapiens and megafauna extinctions quickly followed, and it is at this point that the human experiment began to smolder: something was off. About 10,000 years ago, agriculture started and the first visible flame ignited. About 300–400 years ago, the Enlightenment lit a fuse by developing a scientific approach to understanding the world. It was not long before the fuse found fossil fuels and we now witness the predictable explosion that ensued. The explosion is breathtakingly rapid on any meaningful timeline, only appearing in slow motion to the few generations experiencing the phenomenon and thus seeming “normal.” So we can trace some part of our current planetary dominance to human ingenuity, but perhaps the lion’s share actually is attributable to the energy bonanza—as suggested by the dramatic change in the pace of innovation before and after the fossil transition. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2022/06/shedding-our-fossil-fuel-suit/ Shedding Our Fossil Fuel Suit]". Do the Math, {{W|University of California, San Diego}}. June 21, 2022. * A plausible scenario for ecosystem collapse... is based on the fact that we currently support 8 billion people on a fossil-intense agricultural system. We have over-leveraged that finite resource to "borrow" millions of years of eco-services (photosynthetic energy) and now host a population that probably never could have existed in ecological equilibrium. Even if fossil fuels were not going away, it seems likely we would see continued erosion of the globe's ability to support this current unsustainable mode. We have already lost about half of the wild animal life in my lifetime: is that halfway to collapse? Take away the fossil fuels, and I imagine over-hunting and rapid deforestation will take an enormous toll on ecosystem health. ** Thomas W. Murphy's self-comment on "[https://dothemath.ucsd.edu/2022/07/the-ride-of-our-lives/ The Ride of Our Lives]". Do the Math, University of California, San Diego. July 12, 2022. *[It] is truly alarming from an ecological point of view: not only has the human population grown like gangbusters, but the level of affluence per person has soared by an even larger factor. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2022/09/death-by-hockey-sticks/ Death by Hockey Sticks]". Do the Math, University of California, San Diego. September 13, 2022. * The dream of eventually having 10 billion people living at [[American Dream|American standards]] completely ignores the glaring fact that we seem to be circling the drain even at today’s impact level (i.e., overshoot). How could we possibly entertain the factor-of-five increase in resource demand that would accompany a realization of “the dream?” It seems delusional… and likely to turn into a nightmare if pursued. **Ibid. * Human population is going up… We’re not exactly doing the planet (or ultimately ourselves) any favors presently. Will adding more humans that subscribe to our current cultural model somehow make the situation better? Will improving standards of living (thus increasing resource demand) mysteriously turn things around? It’s hard to see how—not without enacting a whole new model. **Ibid. * Increasing the standard of living of a growing population makes today’s ecological pressures look adorable. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2022/09/a-climate-love-story/ A Climate Love Story]". Do the Math, University of California, San Diego. September 20, 2022. * It is easy to get caught up in the heady whirlwinds of [[modernity]]. We have accomplished amazing feats in these past few centuries, and our extrapolative minds envision a continued acceleration. Given that our life span overlaps only a portion of the tale, it is easy to lose the context that our boom (the [[Industrial Revolution]] and what followed) is almost entirely due to fossil fuels. This energy surge in turn powered a surge in material access and economic activity (and human population) in what is perhaps fittingly described as a fireworks show. ** Ibid. * What did we do with our fossil fuel bonanza? We exploded population by revolutionizing agriculture [and health]. Now when fossil fuels inevitably (and soon?) decline, we’re left with an overhang that can no longer be supported. The resulting population decline will suddenly cast [[Thomas Robert Malthus|Malthus]] in a new light: oh what a starry-eyed soothe-sayer [sic]! When that day comes, […] realize that it’s no more tragic than the ant colony waning as it must. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2022/10/the-cult-of-civilization/ The Cult of Civilization]." Do the Math, {{W|University of California, San Diego}}. October 4, 2022. * Our fossil fuel bonanza has left our ecosystem in a perilous state. We have destroyed vast forests and habitats, polluted water and soil, kicked off a rapid climate trend that natural systems may not adapt to quickly enough, and basically overrun the planet. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2022/12/finite-feeding-frenzy/ Finite Feeding Frenzy]." Do the Math (December 5, 2022). * …fossil fuels allowed us to drastically overshoot the natural carrying capacity of the planet, and that bill will come due when the underlying resource inevitably dwindles. Sometimes simple is simply right. ** Ibid. * The human explosion has accelerated across the millennia, most recently reaching a fever pitch owing to the employment of fossil fuels—leveraging stored solar energy about a million times faster than it was created. The ensuing access to minerals and ability to transform landscapes has rapidly and radically altered our world within just a few human generations. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2023/08/call-me-ishmael/ Call Me, Ishmael!]." Do the Math, August 1, 2023. * In 1800, every human on the planet had a corresponding 80 kg of mammal mass in the wild. Wildland mammals outweighed humans in an 80:50 ratio. Today, each human on the planet can only point to 2.5 kg of wild mammal mass as their “own.” Let that sink in. You only have 2.5 kg (less than 6 pounds) of wild mammal out there somewhere. A single pet cat or dog generally weighs more. Not that long ago, it was more than you could carry. Now, it seems like hardly anything! I especially fear the implications for mammals should global food distribution be severely crippled. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2023/08/ecological-cliff-edge/ Ecological Cliff Edge]." Do the Math, August 18, 2023. * As if the Enlightenment was not enough, in quick succession we joined another enormous river. One could say that the process of science opened the door to fossil fuels, but science and fossil fuels might be best described as a dynamic duo. Fossil fuels gave us the power to advance our science-amplified degree of control to an entirely new level. Resources that had been previously inaccessible became available. It became far easier to clear land for agriculture and other uses. We learned to make fertilizer from methane, unleashing unprecedented agricultural surpluses that inevitably resulted in a human population overshoot. Fossil-fueled furnaces led to steel, concrete, and other materials on a massive scale, paving the way to megacities and global trade. Science itself was amplified by having access to fossil fuels, via a flood of new devices and capabilities invented with—and powered by—cheap energy. Advances in science and technology in turn allowed greater access to buried fossil energy. This positive feedback arrangement facilitated runaway expansion of the [human] enterprise, leading to a battery of hockey stick curves. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2023/08/our-time-on-the-river/ Our Time on the River]". Do the Math, August 22, 2023. * Energy has been fundamental to our story of growth. The various hockey stick curves over the last century or so are a reflection of energy and population. What’s more, human population itself is a reflection of energy, as mechanized, fertilized agriculture was made possible by fossil fuels. Since energy per capita has also increased like a hockey stick, the ecological impact (and many other metrics like GDP) takes on the shape of a super-exponential (still resembling a hockey stick on a logarithmic plot). ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2023/09/can-modernity-last/ Can Modernity Last?]" Do the Math, September 26, 2023. * We have used [fossil fuels] to expand the human enterprise and population, knock down forests, destroy and fragment habitats, drive extinctions, and generally threaten the vitality of the planet. [But] “solving” the energy problem as fossil fuels give out is pretty frightening: how would it not simply perpetuate the ecological nosedive we have initiated? Only if we put ecological concerns above energy do we stand any chance of survival. ** Ibid. * I acknowledge that cancer is a class of disease, and no universal cure is likely to emerge. But feel free to substitute any longstanding cause of death. […] In a sense, it is death that makes life special and worthy of celebration. […] What would a successful cure look like? Human lifespans would increase. All other things being equal, a reduced death rate means more humans on the planet, putting additional pressures on the entire community of life and further threatening the vitality of the planet—including humans, to be clear. Moreover, access to the cure would almost certainly be more available to the affluent half, who are already heavy users of resources and thus cause outsized harm to the planet. So a cure to cancer would serve to boost ecological destruction, in practice. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2023/10/are-we-lucky/ Are We Lucky?]" Do the Math, October 3, 2023. * Truly, the end of modernity will probably be brutal for most of the 8 billion people on the planet, who will cling to what they know and fail to adapt. But even if they were mentally ready, the Earth is not ready to support 8 billion humans without a massive fossil subsidy, so human population will likely fall a lot in hard times. ** Thomas W. Murphy's self-comment on "[https://www.resilience.org/stories/2023-09-27/can-modernity-last/ Can Modernity Last?]". ''Resilience''. September 30, 2023. * Compared to biologically relevant timescales, the human explosion commenced just “yesterday” when grain agriculture began taking root... set[ting] the stage for planet-crushing present-day human populations in a time that is still contextually short. Each “improvement” like cities and technology only accelerated the rapidity of the unsustainable ascent. Mounting ecological damage was part and parcel of this expansionist story long before cars, planes, and smartphones arrived—like two sides of a coin. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2024/02/unsustainable-goose-chases/ Unsustainable Goose Chases]". ''Do the Math'', February 27, 2024. * Humans are voracious (big brains to feed and a lot of un-furry surface area to keep warm), and therefore are ecologically expensive. If the Earth tightens its belt, [one should]n’t assume that humans will fare well. We are summer children borne of “good” times, where “good” translates to “biodiverse.” Cleverness is no guarantee against starvation, as countless clever humans who have starved can’t tell [us]. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2024/04/post-modernity/ Post-Modernity]". ''Do the Math'', April 9, 2024. * [Our] success [in eliminating hunger and inequity] inevitably grows the population, scaling up the current tension... to planetary limits... [and] curing all diseases and achieving effective immortality would be ecologically disastrous! ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2024/05/whats-the-point/ What's the point?]" ''Do the Math'', May 14, 2024. * Since the current low levels of mortality go hand-in-hand with ecological devastation and a doomed modernity, their embrace is itself a problem… ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2024/05/watching-population-bomb/ Watching population bomb]". ''Do the Math'', May 28, 2024. * The Green Revolution transformed agriculture by inserting fossil fuels at every turn. Fertilizer came from natural gas. Diesel allowed large-scale mechanization of plowing, planting, harvesting, processing, and transporting large amounts of food. Petrochemical pesticides smote economically worthless (but ecologically invaluable) products of evolution into the foul dust. We fed a growing human population, now 8 billion strong. It boils down to a diet of fossil fuels: again, temporary. ** Thomas W. Murphy, ''Metastatic Modernity''. Episode 9: "[https://dothemath.ucsd.edu/2024/07/mm-9-recipe-for-disaster/#more-8348 Recipe for Disaster]". ''Do the Math'', July 30, 2024. * To those who resist the notion that increasing food production also means increasing human population, consider this. In 1950, the global population stood at about 2.5 billion people. The Green Revolution was about to explode into global agriculture, substantially increasing crop yields on the back of profligate fossil fuel inputs (for fertilizer, mechanization, energy for irrigation, transport, processing, etc.). Let’s say this tsunami of energy and technology had not arrived on the agricultural scene, and that moreover a global edict (“magically” followed) held annual food production at the 1950 level thereafter.<br>Would we have 8 billion people today? Impossible. We would still have 2.5 billion, correct? In 1950, the world produced enough food for 2.5 billion people, so that same amount of annual food would sustain 2.5 billion people today…or perhaps 2 billion taller, heavier people; or 3 billion people with more equitable, modest distribution and less waste. But you get the point: hold the food supply steady and you essentially hold the population below some cap. Inarguable. Those additional 5.5 billion people were made possible by a technological wave of food increase. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2025/06/food-makes-babies/ Food Makes Babies]." ''Do the Math'', June 10, 2025. * [Eight] billion humans are driving a sixth mass extinction, which leaves no room for even 10 humans if fully realized, let alone 10¹⁰. ** Thomas W. Murphy, “[https://dothemath.ucsd.edu/2025/09/8-billion-will-die/ 8 Billion Will Die],” ''Do the Math'' (September 23, 2025) *Maintaining 8 billion human people on Earth [without fossil fuels] is no more possible than invading space. It’s not an actual, realizable choice—beyond transitory and costly stunt demonstrations. **Ibid. === N === * How we live and consume matters just as much as the growing density of our numbers combined with the proliferation of our machines that devour energy on our behalf. (Roads and cell phones all consume energy and materials too.) All three demographic issues are increasing at unsustainable rates and feed each other to propel more economic growth, more emissions and more fragility. The world’s current population is 7.9 billion and grows by 80 million a year. It has slowed down in recent years because the affluent don’t need the energy of children as much as the poor. Even so civilization will add another billion to the planet every dozen years. Redistributing energy wealth (and emissions) from the rich to the poor will not avert disaster if human populations don’t overall decline. Our numbers also reflect a demographic anomaly that began with fossil fuels, a cheap energy source that served as Viagra for the species. Prior to our discovery of fossil fuels, the population of the planet never exceeded one billion. Our excessive numbers are purely a temporary artifact of cheap energy spending and all that it entails — everything from fertilizer to modern medicine. ** Andrew Nikiforuk, "[https://thetyee.ca/Analysis/2021/12/06/Andrew-Nikiforuk-Getting-Real-About-Our-Crises/ Getting Real about Our Crises]." ''The Tyee'', December 6, 2021. ===O=== * In recent decades, support for family planning has waned, and global fertility decline has decelerated as a result. Projections calibrated across the decades of strong family planning support have not acknowledged this change and are consequently underestimating global population growth. Scenarios used to model sustainable futures have used overly optimistic population projections while inferring these outcomes will happen without targeted measures to bring them about. Unless political will is rapidly restored for voluntary family planning programs, the global population will almost certainly exceed 10 billion, rendering sustainable food security and a safe climate unachievable. ** Jane N. O'Sullivan, "Demographic Delusions: World Population Growth Is Exceeding Most Projections and Jeopardising Scenarios for Sustainable Futures." ''World''. 2023. 4(3). 545-568. {{DOI|10.3390/world4030034}} === P === *Putting an end to the population explosion will not of itself save the ecosphere, but not ending it will add greatly to the dangers the planet faces. The environment can sustain a quality of life for just so many people. **[[Michael Parenti]], ''Blackshirts and Reds: Rational Fascism and the Overthrow of Communism. '' (1997), p. 155 *'''In what year will the human population grow too large for the Earth to sustain? The answer is about 1970''', according to research by the {{W|World Wildlife Fund}}. In 1970, the planet's 3 and a half billion people were {{W|Sustainable population|sustainable}}. But on this New Year's Day, the population is 8 billion. Today, wild plants and animals are running out of places to live. **[[Scott Pelley]], "[https://www.cbsnews.com/news/earth-mass-extinction-60-minutes-2023-01-01/ Scientists say planet in midst of sixth mass extinction, Earth's wildlife running out of places to live]" {{W|CBS News}}, January 1, 2023. * ... ''Homo sapiens'' have been around for about 200,000 years and we are struggling to provide 7 billion of us with sufficient food, clothing, and shelter to lead decent lives. There cannot be an economist on the planet who thinks Earth could support 7.168 trillion people. Human population growth cannot go on forever, no matter how optimistic economists might be. ** Gary Peters, "[https://ourfiniteworld.com/2011/06/13/should-we-take-united-nations’-projections-seriously/ Should We Take United Nations’ Projections Seriously?]" (June 13, 2011) *Human overpopulation, the ever-increasing power of our technology, and the demand of our omnicidal, neoliberal economic system of infinite growth on the basis of finite resources threaten the earth with total destruction. **{{W|Norm Phelps}}, quoted in ''The Politics of Total Liberation: Revolution for the 21st Century'' by [[Steven Best]], (2014), p. ix * Ever since Malthus, at least, it has been clear that means of subsistence do not grow as fast as population. No one has ever liked the idea that famine, plague, and war are nature's way of redressing the imbalance -- Malthus himself suggested that the operation of "preventive checks," which serve to reduce the birth rate, might help prolong the interval between such events. And in the two hundred years since Malthus sat down to pen his essay, there has been no worldwide cataclysm. But in the same two centuries world population has grown exponentially while irreplaceable resources were used up. Some kind of adjustment is inevitable. Today, many people who are concerned about overpopulation and environmental degradation believe that human actions can avert catastrophe. The prevailing view holds that a stable population that does not tax the environment's "carrying capacity" would be sustainable indefinitely, and that this state of equilibrium can be achieved through a combination of birth control, conservation, and reliance on "renewable" resources. Unfortunately, worldwide implementation of a rigorous program of birth control is politically impossible. Conservation is futile as long as population continues to rise. And no resources are truly renewable. ** David Price, "Energy and Human Evolution". ''From Population and Environment: A Journal of Interdisciplinary Studies'', Volume 16, Number 4, March 1995 * Around 8,000 BC, world population was something like five million. By the time of [the birth of Jesus] Christ, it was 200 to 300 million. By 1650, it was 500 million, and by 1800 it was one billion. The population of the world reached two billion by 1930. By the beginning of the '60s it was three billion; in 1975 it was four billion; and after only eleven more years it was five billion. This cannot go on forever; collapse is inevitable. The only question is when. ** Ibid. * People who believe that a stable population can live in balance with the productive capacity of the environment may see a slowdown in the growth of population and energy consumption as evidence of approaching equilibrium. But when one understands the process that has been responsible for population growth, it becomes clear that an end to growth is the beginning of collapse. Human population has grown exponentially by exhausting limited resources, like yeast in a vat or reindeer on St. Matthew Island, and is destined for a similar fate. ** Ibid. === R === * As human populations expand they necessarily appropriate ecological space required by other species. Human ‘competitive displacement’ of non-human organisms from their habitats and food sources is now the greatest contributing factor to {{W|Biodiversity loss|plunging biodiversity}}. Consider that with only 0.01 % of total Earthly {{W|Biomass (ecology)|biomass}}, H. sapiens’ expansion has eliminated 83 % of wild animal and 50 % of natural plant biomass. From a fraction of 1 % ten millennia ago, humans now constitute 36 %, and our domestic livestock another 60 %, of the planet’s much expanded mammalian biomass compared to only 4 % for all wild species combined. Similarly, domestic poultry now comprise 70 % of Earth’s remaining avian biomass. Meanwhile, commercial fishing depletes the oceans at the expense of rapidly declining marine mammals and birds. Seabirds are the most threatened bird group, with a 70 % community-level population decline between 1950 and 2010. ** {{W|William E. Rees}}, "[http://www.fraw.org.uk/data/limits/rees_2020.pdf Ecological economics for humanity’s plague phase]". ''{{W|Ecological Economics (journal)|Ecological Economics}}.'' (2020) * Population estimates are usually based on demographic data alone with no consideration of exogenous factors. This is unrealistic. For living organisms, the fact of their own existence ensures that no environment or habitat remains ideal for long. As the subject population expands, it will invariably use up any crucial resource in fixed supply. Even renewable resources can be depleted once the population goes into ‘overshoot’, a situation in which aggregate consumption exceeds food species’ recovery rates or waste accumulation exceeds natural assimilative capacity. The rise and fall of reindeer populations introduced to two previously unoccupied (by reindeer) Pribilof Islands in the early 20th century is a classic example. Collapse was attributed to overgrazed food sources (primarily lichen) abetted by the stress of exceptionally cold winter. ** William E. Rees, "[https://www.whp-journals.co.uk/JPS/article/view/653/486 The fractal biology of plague and the future of civilization]". ''The Journal of Population and Sustainability'' (2020) * ...for most of our species’ time on Earth—including most of the agricultural era—humanity’s natural propensity to expand has been held in check by negative feedback, e.g., food and other resource shortages, disease, and inter-group conflict. Circumstances changed with the scientific/industrial revolution, particularly the increasingly widespread use of fossil fuels. It took 200,000 – 350,000 years for human numbers to reach one billion early in the 19th Century, but only 200 years (as little as 1/1750th as much time!) to balloon another seven-fold by early in the 21st Century. Improvements in medicine, public sanitation, and population health contributed to this expansion, but coal, oil, and gas made it possible. Fossil fuels are the energetic means by which humans extract, transport, and transform the prodigious quantities of food and other material resources into the products needed to support our burgeoning billions. More than any other factor, fossil fuels enabled H. sapiens to eliminate or reduce normal negative feedbacks. Freed from historic constraints, our species was, at last, able to exhibit its full potential for geometric growth. ** Ibid. * Humanity is already far into ecological overshoot: we are learning the hard way that the ecosphere under stress is still immeasurably more complex than even the global human enterprise. It can generate a vastly larger arsenal of negative feedbacks in response to human excesses than any imaginable human control system can match. ** William Rees, "[https://reeswilliame.substack.com/p/variety-matters-more-than-you-think Variety Matters More Than You Think]," ''Substack'' (July 28, 2025) * Humans invade and populate all accessible favourable habitats; human populations use up all available resources; under favourable conditions, human populations are capable of exponential growth. […] The industrial/scientific revolution spawned technologies, particularly improvements in public sanitation and disease control, that greatly reduced death rates while fossil fuels alleviated food and resource shortages. With the suppression of negative factors, positive feedback prevailed; between the early 1800s and 2023, the human population exploded from one to eight billion. Meanwhile, what we now call ‘neoliberal economics’ began taking form in the late 1800s. In just two centuries, the human population grew eight times larger than the maximum attained over the previous 3000 centuries, and the world economy grew 100-fold in real terms! […] Overshoot may be a quasi-natural phenomenon, but it is also a potentially terminal condition. There are now about 80 cities in the world with populations in excess of five million—each has more people than existed on the entire planet at the dawn of agriculture 10,000 years ago. […] Life in higher-income countries just seemed to be getting better and better, at least in material terms. Little wonder that by the 1950s, MTI governments and international institutions everywhere were adopting the neoliberal vision of perpetual economic and population growth via continuous technological advance as the dominant development narrative of global culture.<br>There are, of course, significant problems—all this occurred on a finite, non-growing planet with serious history. With nurture-reinforcing-nature in propelling the expansionist juggernaut, the human enterprise surged into ecological overshoot; resource consumption and waste production are overwhelming the bio-productive and waste assimilation capacities of the ecosphere. This is not merely an aesthetic concern: the functional integrity of the ecosphere is essential for human existence. '''Overshoot may be a quasi-natural phenomenon, but it is also a potentially terminal condition.''' ** William Rees, "[https://substack.com/home/post/p-181832455 Why collapse is inevitable]," ''Substack'' (December 16, 2025) * The current human population is 14,000-fold larger than the average populations of other mammal species of similar body size! […] If humans were a typical mammal whose global population corresponded to the arithmetic mean (average) of populations of mammals of similar body size, there would be only 500,000 people on Earth! ** Ibid. * Almost all of today’s low-energy countries have a population density so great that it perpetuates dependence on intensive manual agriculture, which alone can yield barely enough food for their people. They do not have enough acreage, per capita, to justify using domestic animals or farm machinery, although better seeds, better soil management, and better hand tools could bring some improvement. A very large part of their working population must nevertheless remain on the land, and this limits the amount of surplus energy that can be produced. Most of these countries must choose between using this small energy surplus to raise their very low standard of living or [to] postpone present rewards for the sake of future gain by investing the surplus in new industries. The choice is difficult because there is no guarantee that today’s denial may not prove to have been in vain. This is so because of the rapidity with which public health measures have reduced mortality rates, resulting in population growth as high [as] or even higher than that of the high-energy nations. Theirs is a bitter choice; it accounts for much of their anti-Western feeling and may well portend a prolonged period of world instability. ** [[Hyman G. Rickover]], "Energy and Resources and Our Future" speech (May 14, 1957) * The doubling of life expectancy is largely down to medical advances. Without medical care, we’d probably be at a much lower population level. I can’t find projections, but given that even some fairly routine injuries and sicknesses would be life-threatening without medical intervention, one would expect a more pyramidal pyramid, and 2 billion people doesn’t seem unreasonable to me. This is also amplified by [there] being [fewer] people to innovate ideas like the green revolution, which [led] to higher populations.<br>In nature, population overshoot is usually remedied by a higher die-off rate, not a lower birth rate. But humans think that medical care and increased lifetimes are a sign of progress. Medical advances can even allow some who wouldn’t have been able to have children to have children, thus exacerbating overshoot. ** Mike Roberts, "[https://mikerobertsblog.wordpress.com/2024/08/09/what-can-antinatalism-achieve/ What Can Antinatalism Achieve?]" (August 9, 2024) * A lot of technologies have been utilised in storing food or growing more of it. And we know that increased access to food increases population size. The reverse is also true, of course, so we should expect [[population decline|population to fall]] as harvests come under stress from the effects of [[Global warming|climate change]]. ** Mike Roberts, "[https://mikerobertsblog.wordpress.com/2024/09/14/the-inevitability-of-our-predicament/ The Inevitability of Our Predicament]" (September 14, 2024) * Humans are a species, so they are no different in needing to reproduce to propagate their traits, which may eventually lead to what would be considered a new species, though that would likely take tens or hundreds of thousands of years. If our ancestors had considered the effects of what they were doing, why some prey species appeared to disappear, for example, then we wouldn’t be here, as we’d limit what we did, how we expanded, how we spread. Humans would, at best, have remained a very limited species, if it survived at all. But that is not the way life works. Clearly, we have followed the maximum power principle, since we’re a species, and so consume as much energy and resources as we can. In basic terms, a body needs food for energy and humans have figured out how to produce increasing quantities of food (at least in terms of calories) using agriculture, machines, artificial fertilisers and pesticides. This has enabled an explosion in population in a positive feedback loop (with higher population forecast, we figure out how to support that population, leading to more agriculture and higher yields, so we end up with a higher population). The huge success of agriculture and mechanisation, has lead to almost no human being involved in the production of the food that keeps us alive, so we’ve had to invent other ways to kill our time. We now have a huge variety of products and services to help us kill our time before we die. Some of it is pleasurable so we want to do more of it and invent new ways to live. All the time, killing more of the rest of life. But getting here was inevitable because we are a species and don’t have free will to counter those inbuilt drives. ** Mike Roberts, "[https://mikerobertsblog.wordpress.com/2024/10/03/a-retrospective-of-the-inevitable/ A Retrospective of the Inevitable]" (October 3, 2024) * As food makes babies perhaps the critical development was agriculture but then without fossil fuels, we could never have produced as much food as we do now, and deliver it across the world. But then, if we hadn’t started cooking food, we might not have been clever enough to figure out how to use fossil fuels to produce food. And without language, we could never have communicated complex ideas about agriculture, tool making and the use of fossil fuels. So we go round and round. ** Mike Roberts, "[https://mikerobertsblog.wordpress.com/2025/07/07/where-did-it-all-go-wrong/ Where Did It All Go Wrong?]" (July 7, 2025) * It is often said that humans are in overshoot. What does that mean? In simple terms, it means exceeding a limit. However, if a limit has been exceeded, then how is it a limit? People usually refer to overshoot as exceeding the carrying capacity of the planet. The ability for the planet to support the current population of humans. And yet here we are. Humans have apparently been in overshoot territory for a long time, but that hasn’t affected the numbers. Indeed, the population of humans continues to grow. ** Mike Roberts, "[https://mikerobertsblog.wordpress.com/2025/12/27/overshoot-or-undershoot/ Overshoot or Undershoot?]" (December 27, 2025) * We have well over 8 billion people on this planet. All ecosystems have been perturbed, and wildlife has been hugely depleted by over 70% in just the last half century. Deforestation continues apace at almost 5 million hectares per year. So, it’s impossible for all humans to live sustainably right now. If a few chose, and succeeded, to live sustainably, it would have no measurable effect on the planet. ** Mike Roberts, "[https://mikerobertsblog.wordpress.com/2026/01/25/would-anyone-want-to-live-sustainably/ Would Anyone Want to Live Sustainably?]" (January 25, 2026) === S === * It is apparently futile only to insist that the more back­ward countries restrict their birth rates. What is needed most of all is economic and technical assistance to these countries. This assistance must be of such scale and generosity that it is unlikely before the estrangement in the world and the egotistical, narrow-minded approach to relations between nations and races are eliminated. ** [[Andrei Sakharov]], ''Progress, Coexistence and Intellectual Freedom'', Chapter 5: "Hunger and Overpopulation (and the Psychology of Racism)" (1968) * Government policy, legislation on the family and marriage, and propaganda should not encourage an increase in the birth rates of advanced countries while demanding that it be curtailed in underdeveloped countries that are receiving assistance. Such a two-faced game would produce nothing but bitterness and nationalism. ** Ibid. * I want to emphasize that the question of regulating birth rates is highly complex and that any standardized, dogmatic solution "for all time and all peoples" would be wrong. ** Ibid. * ...increasingly, technology has come up against the law of unexpected consequences. Advances in health care have lengthened life spans, lowered infant-mortality rates, and, thus, aggravated the population problem. ** [[w:Tom Sancton|Thomas A. Sancton]], "What on Earth Are We Doing?" in ''[[w:Time (magazine)|Time]]'' (week ending January 2, 1989). * As human beings, with over 8 billion of us on planet Earth at present, we now find ourselves in a very analogous situation to both the early cyanobacteria from over 2 billion years ago and the yeast cells one would culture within a nutrient-rich broth in a petri dish. It isn’t that we’re in danger of transforming our planet into an uninhabitable hellscape, as nothing we’ve done or are in the process of doing is going to have a catastrophic effect of that magnitude. However, there are a number of ways that we’re polluting, destroying, or depleting our environment in ways that not only are non-renewable and unsustainable, but that are going to have negative downstream effects that impact future humans, hundreds and even thousands of years down the line, in ways that most of us aren’t prepared to fully reckon with.<br>And that’s unfortunate, because we should be prepared. After all, unlike yeast, cyanobacteria, or any other species that’s impacted its environment due to its collective, accumulated actions, we can not only detect and quantify the effects we’re having, but can choose to change our action at any time. ** Ethan Siegel, "[https://bigthink.com/starts-with-a-bang/humanity-yeast-cells/ Is humanity dumber than a colony of yeast cells?]." ''Big Think'' (March 8, 2023) * Erroneous belief about population growth has cost dearly. In poor countries, it has directed attention away from the factor that we now know is central in a country's economic development, its economic and political system. And in rich countries, misdirected attention to population growth and its... consequence of natural-resource shortages has caused waste through such programs as now-abandoned synthetic fuel programs, and the useless development of airplanes that would be appropriate for an age of greater scarcity. ** [[Julian Simon]], "[http://www.juliansimon.com/writings/Norton/NORTON02.txt Scarcity or Abundance? A Debate on the Environment]," on ''juliansimon.com'' * Adding more people causes problems, but people are also the means to solve these problems. The main fuel to speed our progress is our stock of knowledge, and the brake is our lack of imagination. The ultimate resource is people—skilled, spirited, and hopeful people who will exert their wills and imaginations for their own benefit, and inevitably they will benefit not only themselves but the rest of us as well. ** [[Julian Simon]], [http://www.juliansimon.com/writings/Ultimate_Resource/TCONCLUS.txt The Ultimate Resource] * In trying to solve the terrifying problems that face us in the world today, we naturally turn to the things we do best. We play from strength, and our strength is science and technology. To contain a population explosion, we look for better methods of birth control. Threatened by a nuclear holocaust, we build bigger deterrent forces and anti-ballistic missile systems. We try to stave off world famine with new foods and better ways of growing them. Improved sanitation and medicine will, we hope, control disease; better housing and transportation will solve the problems of the ghettos, and new ways of reducing or disposing of waste will stop the pollution of the environment. We can point to remarkable achievements in all these fields, and it is not surprising that we should try to extend them. But things grow steadily worse, and it is disheartening to find that technology itself is increasingly at fault. Sanitation and medicine have made the problems of population more acute, war has acquired a new horror with the invention of nuclear weapons, and the affluent pursuit of happiness is largely responsible for pollution. As Darlington has said, ‘Every new source from which man has increased his power on the earth has been used to diminish the prospects of his successors. All his progress has been at the expense of damage to his environment, which he cannot repair and could not foresee.’ **[[B. F. Skinner]], ''Beyond Freedom and Dignity'' (1971), Chapter 1: “A Technology of Behavior.” * Capitalist elites seeking to increase the size of their labour force used pro-natalist state policies to prevent women from practicing family planning. [...] We should not ignore the relationship between population growth and ecology, but we must not treat these as operating in a social and political vacuum. ** Dylan Sullivan and [[Jason Hickel]] (2023). "Capitalism and extreme poverty: A global analysis of real wages, human height, and mortality since the long 16th century". ''{{W|World Development (journal)|World Development}}''. Vol. 161. {{doi|10.1016/j.worlddev.2022.106026}} === T === * History upon Terra tells us what horrors follow upon religious mandates of unlimited reproduction. ** [[Sheri S. Tepper]], ''[[w:Grass (novel)|Grass]]'' (1989), Chapter 12 * Malthusian predictions that relentless population growth will outstrip food production and trigger starvation worldwide have recurred over the centuries. They have come and then gone as farmers have deployed new technologies to increase food output. Even now, enough food is being produced to adequately feed every person on the planet; the fact that nearly one billion people are nonetheless going hungry is a damning indictment of the world's food-distribution system. But since demand is growing, production will also have to increase in the years ahead. With the world's population expected to expand to more than nine billion by 2050 and much of that growth occurring in China, India, and other countries where living standards are rising fast, global food production will need to increase by 70-100 percent in order to keep pace and feed the already chronically hungry. This is a mighty challenge: all the more so because given current soil technology and environmental concerns, more food will have to be produced on roughly the same amount of arable land -- and with less water than is used now and at a time when both growing demand for biofuels and changing climate patterns are also putting pressure on production. Where will the needed rise in food supplies come from, and how quickly can the distribution problems be solved? ** Roger Thurow, "[https://www.foreignaffairs.com/articles/africa/2010-10-21/fertile-continent The Fertile Continent]". ''Foreign Affairs'' (October 21, 2010). * Given the Maoist position that a large population was a “resource”, rather than a burden, for the Communist state, it was politically incorrect to advocate population control [either by diet or medicine]. ** Christopher K. Tong, “The Paradox of China’s Sustainability,” ''Chinese Environmental Humanities'' (2019) * Supporting large families and unchecked growth (of which the greatest parameter is population increase) is a mantra which religion and authority have preached for thousands of years. Religions always need more clergy to reap donations from, and leaders more voters to turn into soldiers for their next war, or to make the gross (as opposed to per capita) GDP figures look good. We are being farmed, we have always been farmed for thousands of years by an economic system that prioritises cold hard profit figures over real prosperity. Competition fuels growth even more, as humans are extremely territorial. The problem with the existence of countries is that they speed up civilisational collapse. They all end up competing for economic and population growth, therefore significantly accelerating civilisational overshoot and collapse. ** George Tsakraklides, quoted in "[https://www.hawaii.edu/vice-versa/interview-tsakraklides-lewis-2-0/ Memories of the Future 2.0]." ''Vice-Versa'', University of Hawaii at Manoa (February 15, 2025) * Thanks to the discovery and exploitation of fossil fuels, humans (really just a small minority of them) are able to live richer lives today than even the queens and kings of yore could have dreamed of.<br>Furthermore, we’ve used some of those finite resources to increase food supplies and to expand the human population, which provides the economic system with both more workers and more consumers, a necessity to keep the economy growing under our current economic model. The world’s population increased from 1.6 billion in 1900 to 7 billion today, and we add about 80 million more each year. Humans have quickly become the most numerous megafauna on the planet. ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2012/01/09/the-faustian-bargain-that-modern-economists-never-mention/ The Faustian bargain that modern economists never mention]" (January 9, 2012) * Humans, because of their intelligence, have found ways to [temporarily] defeat survival of the fittest. As areas get overpopulated, humans have moved to areas where they have a better chance of survival. Humans have found ways to increase food supply, through the use of fertilizers, pesticides, irrigation, and refrigeration, all of which require fossil fuels. They have developed trade, so that so areas with shortfalls can benefit from surpluses elsewhere. Humans have developed a world financial system, which has helped enable worldwide trade. The financial system has also allowed investors to pay for goods after they are put into service, so that the cash flow resulting from an investment can be used (after the fact) to pay for the cost of the investment. This enables investment, and faster use of resources, including energy resources.<br>One of the reasons for continued upward population pressure is the fact that humans have evolved to live beyond their reproductive years. In their declining years, humans often need assistance, either from their offspring or from a public pension program, or both. Because of concern for their own old age, people without pensions tend to have enough children so that there is a significant chance that a child of the right sex will survive to adulthood. With improving medical care, this tends to lead to [an] ever-rising population. ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2012/08/17/humans-seem-to-need-external-energy/ Humans Seem to Need External Energy]" (August 17, 2012) * As long as the world’s population is rising, even in lesser developed countries, there is going to be a continuing need for more food, clothing and housing. This is an issue we don’t seem to be able even to talk about. It may offend people. ** Ibid. * The energy resource that we learned to develop this time is fossil fuels, starting with coal about 1800. '''World population was able to expand greatly because of additional food production permitted by fossil fuels and because of improvements in hygiene.''' A period of stagflation began in the 1970s, when we first encountered problems with US oil production and spiking oil prices. Now, the question is whether we are approaching the Crisis Stage as described by Turchin and Nefedov. ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2013/12/06/diminishing-returns-energy-return-on-energy-invested-and-collapse/ Diminishing Returns, Energy Return on Energy Investment and Collapse]" (December 6, 2013) * As energy supplies deplete, we will increasingly need to “choose our battles.” In the past, humans have been able to win many battles against nature. However, '''as energy per capita declines in the future, we will be able to win fewer and fewer of these battles against nature''', such as our current battle with COVID-19. At some point, we may simply need to let the chips fall where they may. '''The world economy seems unable to accommodate 7.8 billion people, and we will have no choice but to face this issue.''' ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2020/11/09/energy-is-the-economy-shrinkage-in-energy-supply-leads-to-conflict/ Energy is the economy; shrinkage in energy supply leads to conflict]" (November 9, 2020) * Many people believe that humans can have a sustainable future by using solar panels and wind turbines. Unfortunately, the only truly sustainable course, in terms of moving in cycles with nature, is interacting with the environment in a manner similar to the approach used by chimpanzees and baboons. Even this approach will eventually lead to new and different species predominating. Over a long period, such as 10 million years, we can expect the vast majority of species currently alive will become extinct, regardless of how well these species fit in with nature’s plan.<br>The key to the relative success of animals such as chimpanzees and baboons is living within a truly circular economy. Sunlight falling on trees provides the food they need. Waste products of their economy come back to the forest ecosystem as fertilizer.<br>Pre-humans lost the circular economy when they learned to control fire over one million years ago, when they were still hunter-gatherers. With the controlled use of fire, cooked food became possible, making it easier to chew and digest food. The human body adapted to the use of cooked food by reducing the size of the jaw and digestive tract and increasing the size of the brain. This adaptation made pre-humans truly different from other animals.<br>With the use of fire, pre-humans had many powers. They spent less time chewing, so they could spend more time making tools. They could burn down entire forests, if they so chose, to provide a better environment for the desired types of wild plants to grow. They could use the heat from fire to move to colder environments than the one to which they were originally adapted, thus allowing a greater total population.<br>Once pre-humans could outcompete other species, the big problem became diminishing returns. For example, once the largest beasts were killed off, only smaller beasts were available to eat. The amount of effort required to kill these smaller beasts was not proportionately less, however. ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2020/12/02/humans-left-sustainability-behind-as-hunter-gatherers/ Humans Left Sustainability Behind as Hunter-Gatherers]" (December 12, 2020) * … the problem the world is facing today is like one that smaller economies have faced, over and over, in the past: '''The population has become too large for the economy’s resource base''', which now includes fossil fuels. Today’s leaders reframe the problem as voluntarily moving away from fossil fuels to prevent climate change in order to make the situation sound less frightening. ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2023/12/15/ten-things-that-change-without-fossil-fuels/ Ten things that change without fossil fuels]" (December 15, 2023) * We are dealing with an age-old problem: Humans are able to outsmart other animals, and for this reason, human populations tend to rise except when external conditions are quite adverse. ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2024/03/17/advanced-economies-will-be-especially-hurt-by-energy-limits/ Advanced Economies Will Be Especially Hurt by Energy Limits]" (March 17, 2024) * History shows a repeated pattern of overshoot and collapse. A population would grow until the carrying capacity of the local area was reached. Food surpluses would become lower and lower, so less food could be saved up for fluctuations in rainfall and temperature. Eventually, civilizations would succumb to one or another problem: disease, attack by a neighboring group, climate fluctuations, or governments overthrown by unhappy citizens. We tell ourselves that overshoot and collapse cannot happen now, but human population is high relative to fossil fuel resources, and intermittent wind and solar are not working out well as substitutes. ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2024/07/22/how-does-the-economy-really-work/ How Does the Economy Really Work?]" (July 22, 2024) * Humans are smarter than other animals, allowing the population of humans to grow, while the population of many other species tends to fall. […] The large rise in the population of the less advanced economies contributes to the huge number of immigrants wanting new homes in higher-income countries. […] The issue is that available resources do not rise fast enough (in the area, or with the technology available) to provide enough physical goods and services for the population. If a new approach can be developed, or a neighboring area with additional resources can be conquered, [the] population can start to grow again. […] Outgrowing our resource base is not a phenomenon that began with fossil fuels. […] In 1796, when [the] world population was about one billion, Robert Thomas Malthus wrote about population growing faster than food production. This was before fossil fuels were widely used. Now, about 230 years later, [the] population has risen to eight billion, thanks to the availability of fossil fuels. We need major innovations, or additional energy resource types, if we want to work around obstacles now. ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2025/10/06/what-has-gone-wrong-with-the-economy-can-it-be-fixed/ What Has Gone Wrong with the Economy? Can It Be Fixed?]" (October 6, 2025) === V === * The hard fact is that in an age of climate breakdown, human numbers matter. And the ecological impact of another 2-3 billion humans will be immense. ** John Vidal, [https://www.theguardian.com/commentisfree/2022/nov/15/population-8-billion-climate It should not be controversial to say a population of 8 billion will have a grave impact on the climate]. ''The Guardian'', November 15, 2022. * We must look at the whole man, and at his whole environment. Above all, we must realize that every grain of rice he puts into his mouth, every bit of potato, every piece of meat, and every kernel of corn, must be replaced by another bit from the earth—somewhere. We must realize that not only does every area have a limited carrying capacity—but also that this carrying capacity is shrinking and the demand growing. Until this understanding becomes an intrinsic part of our thinking and wields a powerful influence on our formation of national and international policies we are scarcely likely to see in what direction our destiny lies. ** William Vogt, ''Road to Survival'' (1948), Chapter 4: "Industrial Man: the Great Illusion." === W === *[There's] too many people making too much muck and too much noise with too little space to do it in. ** [[Keith Waterhouse]], "End of the Rainbow", <em>Daily Mirror</em> (August 17, 1970), republished in <em>Mondays, Thursdays</em> (1976) * Today, escalating human populations have vastly exceeded global carrying capacity and now produce massive quantities of solid, liquid, and gaseous waste. Biological diversity is being threatened by over-exploitation, toxic pollution, agricultural mono-culture, invasive species, competition, habitat destruction, urban sprawl, oceanic acidification, ozone depletion, global warming, and climate change. It’s a runaway train of ecological calamities. ** [[Paul Watson]], ''[https://web.archive.org/web/20070509003646/https://seashepherd.org/editorials/editorial_070504_1.html The Beginning of the End for Life as We Know it on Planet Earth? There is a Biocentric Solution.]'' Commentary by Paul Watson, Founder and President of {{W|Sea Shepherd Conservation Society}} *''Homo sapiens''’ appetite is gargantuan. As we strive to get at dwindling resources for ever more people, we dig deeper into the Earth, blow the tops of mountains, divert rivers, cut down forests and pave over swaths of land. We fill the land, water, and air with our pollution. We’re driving record numbers of species to extinction and decimating others with activities from chemical poisoning to hunting for bushmeat, or simply by taking over their habitat.<br>Greenhouse gases from our industry are changing the Earth’s climate, with such dangerous consequences as ocean acidification, rising sea levels and flooding, changes in rainfall patterns including in vital “breadbaskets,” and loss of forest cover.<br>While the word “sustainable” has become popular, growing human numbers and activities are anything but. Increasing awareness of our impact has led to developments in renewable energy, recycling, earth-friendly farming and more. There have also been spectacular advances in family planning. But powerful—notably religious—opposition has kept governments and international bodies from actively promoting small families and prevented hundreds of millions of women who would plan their families from having access to modern methods.<br>Those who deny that overpopulation is a problem say the poor don’t consume much. Yet the poor want nothing more than to consume more, as proved by India and China. Who can blame them? And a burgeoning number of desperately poor people does have a major impact: they cut down forests to [[agriculture|grow food]], drain rivers, deplete aquifers, and overfish and over-hunt in their local area. But make these points and you’ll be accused of blaming the poor for the problems of the rich.<br>We seem bound to learn the hard way that there really is a limit to how many people the Earth can support.<br>We wish it weren’t so, but it really is starting to look as if Malthus was right. ** Madeline Weld, "[https://montrealgazette.com/opinion/columnists/opinion-sadly-malthus-was-right-now-what Sadly, Malthus was right. Now what?]" in the ''{{W|The Gazette (Montreal)|Montreal Gazette}}'' (February 14, 2016) * ...the gains of low infant and maternal mortality and rises in population longevity—brought about in great part by harnessing fossil fuels, the agricultural revolution, modernization, and disease and injury reduction efforts—in many instances impedes rather than facilitates moving toward sustainable living. It can be argued from the ecological perspective that most public health efforts, as humanitarian as they are by intention and immediate effect, through accelerating population pressures on the environment are paradoxically hastening the destruction of the earth's habitat on which the next generation of humanity depends. It raises the concern that our perceived gains may be only illusory and temporary, with huge but unmeasured and unlinked environmental costs that will eventually lead to shorter lives of misery for our descendants. ** Harold B. Weiss, [https://www.ncbi.nlm.nih.gov/pmc/articles/PMC2602943/ "Overshoot"] in ''Public Health Reports'' (January-February 2009). * In the past, when one civilization collapsed, others evolved to replace it. Today the world-wide agroindustrial complex is making unprecedented demands on the whole earth’s biological ecostructure. After a brief half-century in which factory farming enlarged the meagre diet of the poor (though not for all, nor always to their benefit), the multinational food industry has become a primary impetus towards overpopulation, obesity, pollution, and global warming. Policies and practices whose effects were once circumscribed are now a threat to human survival. ** John Whiting, "[https://www.whitings-writings.com/eating_the_earth.htm Eating the Earth]." Oxford Symposium on Food and Cookery (September 9, 2007) * Agriculture, by overcoming the limitations inherent in the closed system of hunting/gathering, made possible the open-ended expansion of both the population and the means of feeding it. Once it had been adopted, there was no turning back. The more that a civilization farmed, the more it needed extra hands, and so large families were deliberately procreated, which in turn produced still more mouths to feed. Colin Tudge calls it a vicious spiral, Ronald Wright a progress trap. ** Ibid. * Nature’s modus operandi is to kill off the weakest, leaving only the strongest and most biologically versatile to reproduce. But for ''homo sapiens'', nature is not a force to be accommodated, but an opponent to be grappled with, and so ‘farming for money’ was joined by ‘medicine for money’. On top of the lucrative agroindustry which accellerates the population explosion, we have set up an equally profitable ‘health’ industry whose job it is to keep alive those whose bodies rebel at what they are so unhealthily force-fed.<br>The result is an expanding segment of the population who, along with accellerating obesity, suffer from various diseases of malnutrition, together with allergies and intolerances to a growing list of foodstuffs that are increasingly difficult to avoid. In the end, humanity may consist of a remnant of survivors who spend their brief unhappy lives closeted against the encroaching poisons which their ancestors had so profitably created. Instant death by peanut may prove to have been a warning blip on the radar screen. ** Ibid. * Today the threat lies in the sheer scale of our greed and our technological ineptitude. We’re driving entire countries over cliffs. We are destroying the delicate ecological balance which a [sic] brief interlude of stable climate has allowed us. We make pious noises about the disappearing terrestrial species while largely ignoring the invisible havoc we’re bringing about in the earth’s oceans, the source and sustenance of life on the land. ** John Whiting, June 2015 appendix to "Eating the Earth" * The raging monster upon the land is population growth. In its presence, sustainability is but a fragile theoretical construct. To say, as many do, that the difficulties of nations are not due to people but to poor ideology or land-use management is sophistic. If Bangladesh had 10 million inhabitants instead of 115 million [as of this writing], its impoverished people could live on prosperous farms away from the dangerous floodplains midst a natural and stable upland environment. It is also sophistic to point to the Netherlands and Japan, as many commentators incredibly still do, as models of densely populated but prosperous societies. Both are highly specialized industrial nations dependent on massive imports of natural resources from the rest of the world. If all nations held the same number of people per square kilometer, they would converge in quality of life to Bangladesh rather than to the Netherlands and Japan, and their irreplaceable natural resources would soon join the seven wonders of the world as scattered vestiges of an ancient [sic] history. ** [[E. O. Wilson]], ''The Diversity of Life'' (1992) * The pattern of human population growth in the 20th century was more bacterial than primate. When ''Homo sapiens'' passed the six billion mark we had already exceeded by perhaps as much as 100 times the [[w:Biomass (ecology)|biomass]] of any large animal species that had ever existed on the land. We and the rest of life cannot afford another one hundred years like that. ** [[E. O. Wilson]], quoted in ''Life on the Brink: Environmentalists Confront Overpopulation''. University of Georgia Press (2012), p. 83 * If we fail to limit our numbers and our impact, if we do not replace our goldrush economics with a rational sharing of what the earth can yield, this new century will not grow very old before we enter an age of chaos and collapse that will dwarf all dark ages in our past. **{{W|Ronald Wright}}, "Civilization is a pyramid scheme", ''The Globe and Mail'' (August 5, 2000). * So among the things we need to know about ourselves is that the Upper Palaeolithic period, which may well have begun in genocide, ended with an all-you-can-kill wildlife barbecue. The perfection of hunting spelled the end of hunting as a way of life. Easy meat meant more babies. More babies meant more hunters. More hunters, sooner or later, meant less game. Most of the great human migrations across the world at this time must have been driven by want, as we bankrupted the land with our moveable feasts. ** Ronald Wright, ''A Short History of Progress'' (2004), Chapter II: "The Great Experiment." === Z === * What determines population growth? What has been the cause of the unprecedented growth in world population in our recent history? Many socio-economic reasons are given as explanations: medical advances, improvements in public health, sanitation and hygiene, increased food availability and agricultural productivity, extension of cultivation, and development of trade and transportation. Surprisingly, high quality energy sources are rarely mentioned or quickly discounted. Yet an argument can be made that each of the above factors contributing to population growth is aided and influenced by high quality energy supplies. Cheap and abundant fossil fuels have been a necessary precondition for the past century’s population growth. And while not all countries benefit directly from the consumption of high quality energy supplies, most countries benefit from the impact of high energy societies on low energy societies. What if energy consumption, or more precisely, energy resource availability, somehow determines population growth? Perhaps energy resources determine the Earth’s ''carrying capacity,'' or how many people the Earth can support? Perhaps different energy resources have different effects on population growth? If we hypothesize that the Earth’s population is ultimately determined by availability of energy resources, and if some of those energy resources are at or near their peak rates of production, then that may affect rates of population growth. If the correlation is strong enough, the number of people the Earth can support may also be at or near its peak. Therefore the number of people in 2050 may be very different from widespread United Nations (UN) forecasts. Growing populations consume more energy. Availability of energy allows populations to grow. Energy consumption exerts demands on energy resources making them scarcer. They become harder to extract. Nearby forests are depleted, coal mines must dig deeper, oil has to be drilled in more complex environments. In other words, energy resource extraction experiences declining marginal returns. This has led to the exploitation of new energy sources, which in turn expands the Earth’s ''carrying capacity''. Then populations grow once more. **Graham Zabel, "[https://www.resilience.org/stories/2009-04-20/peak-people-interrelationship-between-population-growth-and-energy-resources/#_Toc227469800 Peak People: The Interrelationship between Population Growth and Energy Resources]" in ''Energy Bulletin'' (April 20, 2009) * Mature populations tend to reach equilibrium – the carrying capacity – and then fluctuate around this equilibrium. If a population outgrows its carrying capacity, regulating factors come into play, such as famine, or emigration. If a population is below its carrying capacity, birth rates tend to increase, so the population grows. The common assumption is that carrying capacity is determined by the availability of food, water and land. While availability of food and water are important factors in determining the carrying capacity of populations, they cannot explain the unprecedented increases in population that have occurred in the last several hundred years. The availability of land has always been a factor in increasing carrying capacity. In the historic past, the Earth’s carrying capacity could be increased by expanding into sparsely occupied, or frontier, lands. In a fictitious future, carrying capacity could be increased by expanding outward to other planets or solar systems. At present, there is very little unoccupied, habitable land remaining on this Earth and no nearby habitable planets to release the pressure of population growth, so any increase in carrying capacity must be a result of other factors. **Ibid. * At present the world’s population is growing rapidly. The planet could not support the six billion plus people that exist today without first the commercialisation of coal, then of oil and, more recently, gas. These energy sources have been necessary for the unprecedented population growth that has occurred over the last three hundred years. It is reasonable to assume that unless current energy resource production is increased and new resources are exploited, the population will no longer grow. And if energy resources decline (e.g. a peak in production is reached), then we may see a decline in population. ** Ibid. * Roughly 10,000 years ago, increasing population pressure on wild food resources led to a shift from food gathering (hunter-gatherers) to food production (agriculturists) in several parts of the world. This led to demand-induced technologies and demand-induced searches for higher quality energy sources, such as water power for flow irrigation, animal draft power, iron tools, and fire for land clearing and for improvement of hunting and pastoralism. Population pressures in many parts of Europe in the seventeenth and eighteenth centuries led to serious shortages of wood which in turn led to many of the technological innovations that fuelled the [[Industrial Revolution]]. Coal’s replacement of wood as the most important source of energy in Western Europe is a classic example of demand-induced innovation…promoted by population pressures on forested land in Western and Central Europe. From the end of [[World War II]], coal’s premier importance as an energy source declined sharply and was replaced by crude oil. Far offshore drilling of oil began in 1947 off the coast of Louisiana. One year later, the world’s largest oil field, al-Ghawar in Saudi Arabia, was drilled. Large new discoveries of oil and gas in Africa and Asia combined with the development of oil super tankers and pipeline networks reduced the price of oil and gas at a time when the costs of producing coal were continuing to rise. Diesel locomotives represented a major substitution of oil for coal. The post World War II era also saw large increases in automobile ownership, the beginnings of highway and motorway road transportation networks and the first passenger jet aircraft –all benefiting from and encouraging consumption of cheap oil supplies. These increases in the consumption of crude oil have coincided with the highest population growth in history. After the depressed population growth during World War II, growth rose quickly to a peak of 2.2% in 1964, the highest rate the world has ever known. (''Per capita'' oil consumption peaked shortly thereafter, in the 1970s). Although population continues to rise, population growth has been declining since then. If there is a relationship between energy consumption and population growth, the different types of energy consumed may have different effects. If biomass is the only energy source, populations will not grow very fast. In such organically based economies, the problem of expanding raw material supply, and especially the related problems associated with the very modest energy supply maxima…must curb growth with increasing severity as expansion takes place. The emergence of coal as an energy source eliminated the carrying capacity limits to population growth that any traditional and biomass energy based culture would eventually face. Similarly, the predominance of oil after the middle part of the twentieth century raised the carrying capacity even further. ** Ibid. * According to the IEA [International Energy Agency], 1.6 billion people live without electricity. Much of Africa and Asia still rely on biomass as their primary source of energy, yet have very high population growth rates. '''How can there be a correlation between energy and population in these instances? While many developing world countries remain low energy societies, they, and their population growth rates, are impacted by high energy societies. Their primary energy sources may still be traditional biomass, but their population growth is due in large part to abundant oil and gas supplies.''' Vaccines and antibiotics that reduce third world mortality are discovered, produced and distributed with first world energy, and oil contributes at every step. Fertilisers, pesticides and herbicides that aided the Green Revolution in much of the developing world could not have been produced without large oil and gas inputs. The aeroplanes, boats and trains that deliver and distribute food all run on oil. '''While the commercialisation of higher quality energy sources may be very unevenly distributed, the societies that adopt new energy sources, high energy societies, have a profound impact on those societies that remain low energy societies, and these impacted populations then become part of Coal, Oil or Natural Gas Populations.''' ** Ibid. *Just 11,000 years ago, there were only roughly 5 million humans who lived on the planet Earth. The initial population growth was slow, due largely to the way humans were living—by hunting. Such lifestyle limited the size of family for practical reasons. A woman on the move cannot carry more than one infant along with her household baggage. When simple birth control means-often abstention from sex failed, a woman may elect abortion or, more commonly, infanticide to limit the family size. Further, a high mortality among the very young, the old, the ill and the disabled acted as a natural resistance to a rapid population growth. Thus it took over one million years for human population to reach the one billion mark. But the second billion was added in about 100 years, the third billion in 50 years, the fourth in 15 years, and the fifth in 12 years. Ever since humans became sedentary, some limits over the family size were lifted. With the development of agriculture, children may have become more of an asset to their families in helping with farming and other chores. By the beginning of the Christian era, human population grew to about 130 million, distributed all over the Earth. By 1650, the world population had reached 500 million. The process of industrialization had begun, bringing about profound changes over the lives of humans and their interactions with the natural world. With improved living standard, lowered death rate and prolonged life expectancy, human population grew exponentially. By 1999 there were about 6 billion people, comparing with 2.5 billion in 1950. The world population is well on its way to 7 billion with an annual growth rate of over 90 million. **Ming Zheng, “[https://www.gordon.edu/download/pages/Salem%20010731-Human%20Population%20Growth.pdf Human Population Growth]”. {{W|Gordon College (Massachusetts)|Gordon College}} (July 31, 2001) == See also == * [[Biodiversity]] * [[Climate change]] * [[Exponential growth]] * [[Fossil fuel]] * [[Global warming]] * [[Population decline]] * [[Sustainable development]] * [[Sustainability]] ==Further reading== *Smil, Vaclav. "[https://ia800709.us.archive.org/16/items/detonator-of-the-population-explosion/Detonator%20of%20the%20population%20explosion.pdf Detonator of the population explosion]." Nature 400.6743 (1999): 415-415. *Feeney, John. "[https://ia801807.us.archive.org/18/items/agriculture-ending-the-world-as-we-know-it/Agriculture_Ending_the_world_as_we_know_it.pdf AGRICULTURE: Ending the World as We Know It]." Zephyr, August—September (2010). ==External links== {{উইকিপিডিয়া|Human overpopulation}} {{উইকিঅভিধান|overpopulation}} *[https://population.org.au/about-population/global-population Quotes on Human Over-Population and Related Subjects], ''Sustainable Population Australia'' *{{ওয়েব উদ্ধৃতি|url=https://www.populationmedia.org/2014/02/11/morgan-freeman-speaks-out-on-population/|title=Morgan Freeman on the 'tyranny of agriculture' and the doomed human race|date=11 February 2014|publisher=Ecorazzi}} *[https://www.theguardian.com/global-development-professionals-network/gallery/2015/apr/01/over-population-over-consumption-in-pictures Overpopulation, overconsumption – in pictures]. ''{{W|The Guardian}}'' April 1, 2015. *{{ওয়েব উদ্ধৃতি|url=http://www.panearth.org/WVPI/Papers/FoodPopulationSummary.pdf|title=A Summary of Human Population Dynamics|work=Russell Hopfenberg|publisher=Pan Earth}} [[বিষয়শ্রেণী:জীববিজ্ঞান]] [[বিষয়শ্রেণী:সমাজতত্ত্ব]] [[Category:Sustainability]] 8ukvj211j68uzn8kqxch92649z20w9v 79996 79858 2026-04-23T11:04:52Z ARI 356 /* উক্তি */ 79996 wikitext text/x-wiki [[File:Annual-World-Population-since-10-thousand-BCE-1-768x724.png|thumb|বিশ্বের জনসংখ্যা এবং সেই সাথে খ্রিস্টপূর্ব ১০,০০০ থেকে ২০৫৮ সাল পর্যন্ত জনসংখ্যার একটি সম্ভাব্য প্রক্ষেপণ বা আগাম অনুমান]] [[File:World Population and Projections by Medium Fertility and Continent or Country 1950 - 2100.png|thumb|মাঝারি প্রজনন হারের ওপর ভিত্তি করে ১৯৫০ থেকে ২১০০ সাল পর্যন্ত বিশ্বের মোট জনসংখ্যা এবং বিভিন্ন মহাদেশ ও দেশভিত্তিক জনসংখ্যার একটি প্রক্ষেপণ]] [[File:Distribution-of-earths-mammals.png|thumb|পৃথিবীর বুকে বর্তমানে বিদ্যমান সমস্ত স্তন্যপায়ী প্রাণীর মোট ওজনের ৯৬ শতাংশই দখল করে আছে মানুষ এবং তাদের লালন-পালন করা গবাদি পশু; যেখানে বন্য স্তন্যপায়ী প্রাণীর পরিমাণ হলো মাত্র ৪ শতাংশ।]] [[File:Time for the world population to increase by one billion 1805 – 2086.png|thumb|১৮০৫ সাল থেকে ২০৮৬ সাল পর্যন্ত বিশ্বের মোট জনসংখ্যা প্রতি ১০০ কোটি বা এক বিলিয়ন করে বৃদ্ধি পেতে ঠিক কতটা সময়ের প্রয়োজন হয়েছে তার একটি তুলনামূলক চিত্র]] '''অতিপ্রজতা''' হলো এমন একটি বিশেষ প্রাকৃতিক পরিস্থিতি বা অবস্থা যেখানে কোনো একটি নির্দিষ্ট ভৌগোলিক অঞ্চলে বসবাসকারী কোনো বিশেষ প্রজাতির জীবের মোট সংখ্যা সেই নির্দিষ্ট পরিবেশ বা বাসস্থানের স্বাভাবিক ধারণক্ষমতাকে পুরোপুরিভাবে ছাড়িয়ে যায়। == উক্তি == * আমরা এই পৃথিবীতে মানবজাতির ৮০০ কোটিতম সদস্যকে মাত্র স্বাগত জানালাম। নিঃসন্দেহে একটি শিশুর জন্ম খুবই আনন্দের এবং চমৎকার একটি বিষয়। '''কিন্তু আমাদের এটা বুঝতে হবে যে, মানুষের সংখ্যা যত বৃদ্ধি পাবে, আমরা এই পৃথিবীর ওপর তত বেশি প্রচণ্ড চাপ তৈরি করব।''' জীববৈচিত্র্যের কথা চিন্তা করলে দেখা যায় যে, আমরা প্রকৃতির সাথে এক প্রকার যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছি। আমাদের এখন প্রকৃতির সাথে শান্তি স্থাপন করা প্রয়োজন। কারণ এই প্রকৃতিই পৃথিবীর সমস্ত কিছুকে টিকিয়ে রাখে... বিজ্ঞান এই বিষয়ে একদম সুষ্পষ্ট। ** ইঙ্গার অ্যান্ডারসেন, জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচির নির্বাহী পরিচালক, [https://www.theguardian.com/environment/2022/dec/06/cop-15-un-chief-biodiversity-apocalypse 'উই আর অ্যাট ওয়ার উইথ নেচার': ইউএন এনভায়রনমেন্ট চিফ ওয়ার্নস অফ বায়োডাইভারসিটি অ্যাপোক্যালিপস]। ''দ্য গার্ডিয়ান'', ৬ ডিসেম্বর ২০২২। * '''শিশুরা হলো মানবজাতির শত্রু'''... বিষয়টা এভাবে ভেবে দেখা যাক: বিশ্বের জনসংখ্যা যখন দ্বিগুণ হবে, তখন আমাদের শক্তির ব্যবহারের পরিমাণ সাত গুণ বৃদ্ধি পাবে। এর অর্থ হলো আমরা সম্ভবত যে পরিমাণ দূষণ তৈরি করছি তার মাত্রাও সাত গুণ বেড়ে যাবে। আমরা যদি বর্তমান হারের দূষণ নিয়েই হুমকির মুখে থাকি, তবে দ্বিগুণ জনসংখ্যার মাঝে ছড়িয়ে পড়া এই সাত গুণ বেশি দূষণের ফলে আমাদের অবস্থা কেমন হবে? আমাদের তখন সাত গুণ বেশি হারে বিষাক্ত হয়ে পড়া মাটি থেকে দ্বিগুণ পরিমাণ খাদ্য উৎপাদন করতে হবে। ** [[আইজাক আসিমভ]] (১৯৬৯) বোস্টন ম্যাগাজিনের সাথে একটি সাক্ষাৎকারে। আংশিকভাবে এলেন প্যাক (১৯৭৬)-এর ''দ্য বেবি ট্র্যাপ'', পৃষ্ঠা ১৭। * এটি সবকিছু ধ্বংস করে দেবে। আমি এই বিষয়টি বোঝাতে বাথরুমের একটি রূপক ব্যবহার করি। যদি একটি অ্যাপার্টমেন্টে দুইজন মানুষ থাকে এবং সেখানে দুইটি বাথরুম থাকে, তবে তাদের দুইজনেরই বাথরুম ব্যবহারের পূর্ণ স্বাধীনতা থাকে। তারা যখন খুশি সেখানে যেতে পারে এবং নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী যতক্ষণ খুশি থাকতে পারে। আমার মতে এটাই হলো আদর্শ অবস্থা। আর প্রত্যেকেই বাথরুম ব্যবহারের এই স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে। এমনকি এটি সংবিধানেও থাকা উচিত। কিন্তু যদি একই অ্যাপার্টমেন্টে ২০ জন মানুষ থাকে এবং বাথরুম থাকে মাত্র দুইটি, তবে সেই বাথরুম ব্যবহারের স্বাধীনতার ওপর বিশ্বাস থাকলেও বাস্তবে তার কোনো অস্তিত্ব থাকবে না। আপনাকে তখন প্রত্যেকের জন্য আলাদা আলাদা সময় ঠিক করে দিতে হবে, আপনাকে দরজায় কড়া নেড়ে বলতে হবে, তোমার কি এখনো শেষ হয়নি? ঠিক একইভাবে, '''অতিরিক্ত জনসংখ্যার চাপে গণতন্ত্র টিকে থাকতে পারে না। মানুষের মর্যাদাও এর চাপে টিকে থাকতে পারে না। সুযোগ-সুবিধা এবং শালীনতাও এর ফলে হারিয়ে যায়।''' আপনি যখন পৃথিবীতে মানুষের সংখ্যা বাড়াতে থাকবেন, তখন জীবনের মূল্য শুধু কমবেই না বরং তা পুরোপুরি অদৃশ্য হয়ে যাবে। তখন কেউ মারা গেল কি না তাতে কিছু যায় আসবে না। ** [[আইজাক আসিমভ]] (১৯৮৮) বিল ময়ার্স-এর সাথে ''বিল ময়ার্স ওয়ার্ল্ড অফ আইডিয়াস'' দেওয়া সাক্ষাৎকারে (১৭ অক্টোবর ১৯৮৮); [http://www.pbs.org/moyers/faithandreason/print/pdfs/woi%20asimov1.pdf প্রতিলিপি] (পৃষ্ঠা ৬) - [http://www.pbs.org/moyers/faithandreason/media_players/asimovwoi_audio.html অডিও (২০:১২)] ** বিল ময়ার্সের এই প্রশ্নের উত্তরে করা মন্তব্য: যদি জনসংখ্যার এই বৃদ্ধি বর্তমান হারেই চলতে থাকে তবে মানবজাতির [[মর্যাদা]]র ধারণার কী ঘটবে বলে আপনি মনে করেন? * আমরা এই পৃথিবীর জন্য একটি অভিশাপ বা মহামারীর মতো। আগামী ৫০ বছরের মধ্যে এর ভয়াবহ ফল আমাদের ভোগ করতে হবে। এটি কেবল জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয় নয়; এটি মূলত জায়গার অভাব এবং এই বিশাল জনগোষ্ঠীর জন্য খাদ্য উৎপাদনের জায়গার সমস্যা। হয় আমাদের নিজেদেরই এই জনসংখ্যা বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করতে হবে, নয়তো প্রকৃতিই আমাদের হয়ে এই কাজটি করে দেবে। আর প্রকৃতি এখনই আমাদের ওপর সেই ব্যবস্থা নেওয়া শুরু করে দিয়েছে। ** ডেভিড অ্যাটেনবারা, "[https://www.telegraph.co.uk/news/earth/earthnews/9815862/হিউম্যানস আর প্লেগ অন আর্থ]". ''দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফ'', ২২ জানুয়ারি ২০১৩। * আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের সাফল্য বর্তমানে এতটাই ঈর্ষণীয় যে এর মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ মানুষকে বাঁচিয়ে রাখা সম্ভব হচ্ছে, যদিও তাদের সবসময় পুরোপুরি সুস্থ করা সম্ভব হয় না। আগেকার দিনে বিজ্ঞানের এই অগ্রগতির অভাবের কারণে এই মানুষগুলো সাধারণত মৃত্যুবরণ করত। শারীরিক রোগ নিরাময়ের এই দক্ষতা এবং জ্ঞানের মাঝেই আজকের দিনের একটি প্রধান বৈশ্বিক সমস্যা লুকিয়ে আছে আর তা হলো এই গ্রহের অতিপ্রজতা বা মাত্রাতিরিক্ত জনসংখ্যা। এর ফলে মানবজাতি আজ অনেকটা পালের পশুর মতো জীবনযাপন করতে বাধ্য হচ্ছে এবং এর ফলশ্রুতিতে তৈরি হচ্ছে অর্থনৈতিক সংকট। এই সাফল্যের ফলে সৃষ্ট নানা আনুষঙ্গিক সমস্যার মধ্যে এটি মাত্র একটি। জীবনের এই "অস্বাভাবিক" সুরক্ষা অনেক কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে এবং এটি যুদ্ধের একটি বড় উৎস হিসেবে কাজ করছে, যা এই গ্রহের মূল চেতনাশক্তির কর্মফলের উদ্দেশ্যের পরিপন্থী।<BR>এই বিশাল সমস্যাটি নিয়ে আমি এখানে বিস্তারিত আলোচনা করতে পারছি না। আমি কেবল এটিকে নির্দেশ করতে পারি। এই সমস্যার সমাধান তখনই হবে যখন মানুষের মন থেকে [[মৃত্যু]]র ভয় দূর হবে এবং যখন মানবজাতি সময়ের গুরুত্ব এবং প্রাকৃতিক চক্রের অর্থ বুঝতে শিখবে। **অ্যালিস বেইলি, ''এ ট্রিটিজ অন দ্য সেভেন রেজ: ভলিউম ৪: এসোটেরিক হিলিং'', পৃষ্ঠা ২৭৮ (১৯৫৩)। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৮৫৩৩০-১২১-৯। * '''আমরা যখন কোনো বাধা ছাড়াই ৭০০ কোটি থেকে ৮০০ কোটি মানুষের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি, তখন আমাদের প্রতিটি প্রজন্ম আগের প্রজন্মের চেয়েও বেশি শক্তিশালী, দূষণকারী এবং ধ্বংসাত্মক হয়ে উঠছে। আমি ভাবছি যে, জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ঋণাত্মক হওয়ার স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার জন্য ১০০ বছর কি খুব বেশি সময় হয়ে যাবে না? নাকি এই এক শতাব্দী সময়ের মধ্যে আমরা জীববৈচিত্র্যের এমন অপূরণীয় এবং স্থায়ী ক্ষতি করে ফেলব যা আমাদের অস্তিত্বের জন্যই শেষ পর্যন্ত চরম হুমকি হয়ে দাঁড়াবে।''' মৌমাছি এবং হামিংবার্ডের কথা একটু চিন্তা করুন। সারা বিশ্বজুড়ে পতঙ্গের সংখ্যা যেভাবে হঠাৎ করে কমে যাচ্ছে তার কথা ভাবুন এবং এটি খাদ্য শৃঙ্খলের ওপরের বা নিচের স্তরে থাকা প্রাণীদের ওপর কতটা দ্রুত প্রভাব ফেলতে পারে তা কল্পনা করুন। এখন, মিস্টার বায়োটেক বিলিয়নেয়ার, আপনি কি সত্যিই এই বিশ্বকে এমন সব মানুষ দিয়ে ভরিয়ে দিতে চান যারা ২০০ বা ৩০০ বছর পর্যন্ত বেঁচে থাকবে? ** অ্যালবার্ট বেটস, "[https://medium.com/the-shadow/the-great-pause-week-61-swallow-the-doctor-8cbf077f6e13 সোয়ালো দ্য ডক্টর]"। ''মিডিয়াম'' (১৬ মে ২০২১) * যদিও এই গ্রহের অচেতন ক্রিয়া এবং অন্ধ শক্তিগুলো পৃথিবীর বিবর্তনের ৪৫০ কোটি বছরের ইতিহাসে অনেক বিশৃঙ্খল পরিবর্তন ঘটিয়েছে, এখন সেই পরিবর্তনের দিক নির্ধারিত হচ্ছে একটি সচেতন এবং ইচ্ছাশক্তিসম্পন্ন সত্তা দ্বারা, যার নাম "মানবজাতি"। তবে অবশ্যই আমাদের পুরো মানবজাতিকে সমানভাবে দোষারোপ করা উচিত হবে না, কারণ এই সমস্যার মূলে রয়েছে শিল্পোন্নত পুঁজিবাদী পাশ্চাত্য বিশ্ব। অথচ জলবায়ু সংকটে যাদের অবদান সবচেয়ে কম, সেই দরিদ্র দেশগুলোই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। '''কিন্তু চীন, ভারত এবং ব্রাজিলের মতো দেশগুলো বর্তমানে এই সংকটে বড় ভূমিকা রাখছে এবং এই গ্রহের ৭৫০ কোটি মানুষের সম্মিলিত প্রভাবে সর্বত্রই প্রাণিকুলের বিলুপ্তি এবং ধ্বংসের প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হচ্ছে।''' হলোসিন যুগের সেই স্থিতিশীলতা এখন আর নেই, পরিবর্তনগুলো আমাদের বোঝার ক্ষমতা এবং নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে এবং এক ভয়াবহ বিশৃঙ্খলা আমাদের দরজায় কড়া নাড়ছে। ** স্টিভেন বেস্ট, [https://drstevebest.wordpress.com/2019/12/03/total-liberation-in-the-age-of-the-anthropocene-and-climate-emergency/  টোটাল লিবারেশন ইন দ্য এজ অফ দ্য অ্যানথ্রোপোসিন অ্যান্ড ক্লাইমেট ইমার্জেন্সি] (৩ ডিসেম্বর ২০১৯) * মানুষের জ্যামিতিক হারে বৃদ্ধির এই গতি অভূতপূর্ব এবং পৃথিবীর ইতিহাসে আগে কখনও কোনো একটি একক প্রজাতি এত বিশাল আকারে বৃদ্ধি পায়নি, যা জীবন্ত প্রাণব্যবস্থার ভারসাম্যকে পুরোপুরি নষ্ট করে দিচ্ছে। এই সমস্যাটি দিন দিন কেবল আরও খারাপের দিকেই যাচ্ছে। সাধারণ হিসাব অনুযায়ী, ২০৫০ সালের মধ্যে মানুষের জনসংখ্যা ৮০০ থেকে ১০০০ কোটিতে পৌঁছাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে এবং ২১০০ সালের মধ্যে এটি হয়তো আরও অনেক বেশি বৃদ্ধি পাবে। মানুষের এই জনসংখ্যা বৃদ্ধি একটি চরম পর্যায়ের সংকটকে নির্দেশ করে। তবে অবশ্যই এটি আমাদের সামনে থাকা অসংখ্য সংকটের মাত্র একটি দিক যার সাথে প্রজাতির বিলুপ্তি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের মতো সমস্যাগুলো যুক্ত হয়ে এক ভয়াবহ মহাবিপর্যয় তৈরি করছে। এই চ্যালেঞ্জগুলোই বর্তমানে অ্যানথ্রোপোসিন যুগে মানবজাতির সামনে এক কঠিন পরীক্ষা হিসেবে দাঁড়িয়েছে। ** স্টিভেন বেস্ট, "[https://www.all-creatures.org/lifestyle/img/failed-species.pdf ফেইলড স্পিসিস: দ্য রাইজ অ্যান্ড ফল অফ দ্য হিউম্যান এম্পায়ার]"। ''রোমানিয়ান জার্নাল অফ আর্টিস্টিক ক্রিয়েটিভিটি''। ৯ (২)। (২০২১)। * বর্তমানে আমাদের আধুনিক শিল্প সভ্যতার চাকা প্রায় পুরোপুরিভাবে বিপুল পরিমাণ জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহারের ওপর নির্ভরশীল। এটি বোঝা খুব গুরুত্বপূর্ণ যে, জীবাশ্ম জ্বালানি বা বিশেষ করে খনিজ তেল কেবল ব্যক্তিগত গাড়ি বা ট্রাক তৈরির জন্য বা চালানোর জন্য ব্যবহৃত হয় না। এগুলো ট্রাক্টর, লাঙল, সেচের পাইপ এবং পাম্প তৈরির কাজেও ব্যবহৃত হয় এবং পরে এগুলো চালাতে জ্বালানি হিসেবে কাজ করে। এই জ্বালানিগুলো অনেক গুরুত্বপূর্ণ সার এবং কীটনাশকের রাসায়নিক ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। এছাড়া কৃষিকাজে ব্যবহৃত প্লাস্টিক তৈরির উপাদানও এখান থেকেই আসে। পচনশীল দ্রব্য সংরক্ষণের জন্য যে হিমায়িত ব্যবস্থার প্রয়োজন হয়, তাও এর ওপর নির্ভরশীল। সংক্ষেপে বলতে গেলে, প্রচুর পরিমাণে জীবাশ্ম জ্বালানি ছাড়া আধুনিক শিল্প-কৃষি ব্যবস্থা অচল হয়ে পড়বে। জীবাশ্ম জ্বালানি-ভিত্তিক এই আধুনিক কৃষি ব্যবস্থা না থাকলে বিশ্বে খাদ্য উৎপাদন এতটাই কমে যাবে যা আমাদের বর্তমান জনসংখ্যাকে টিকিয়ে রাখার জন্য মোটেও পর্যাপ্ত হবে না। প্রতি বছর যে নতুন করে আরও ৮ কোটির বেশি মানুষ যুক্ত হচ্ছে, তাদের কথা তো বাদই দিলাম। মুদ্রার উল্টো পিঠ হলো এই যে, '''মানুষ যখন জীবাশ্ম জ্বালানির মধ্যে থাকা এই অসাধারণ শক্তিকে নিজেদের প্রয়োজনে ব্যবহার করে, তখন আমরা "মাত্রাতিরিক্ত শক্তিশালী" হয়ে উঠি—আর এভাবেই আমরা পৃথিবীর জীবমন্ডলকে পিষ্ট করে ফেলছি।''' জীবাশ্ম জ্বালানির শক্তি ছাড়া আমরা প্রতি মিনিটে কয়েকটি ফুটবল মাঠের সমান রেইনফরেস্ট ধ্বংস করতে পারতাম না, গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে পারতাম না, বিশাল আকারে মৎস্য চাষের চেষ্টা করতে পারতাম না বা মাইলের পর মাইল পিচ ঢালা রাস্তা দিয়ে বসতি স্থাপন করতে পারতাম না। সারসংক্ষেপে, জীবাশ্ম জ্বালানি আমাদের জনসংখ্যা এবং তার বৃদ্ধি এবং সেই সাথে আমাদের বিলাসিতা বা অতিরিক্ত ভোগ উভয়কেই টিকিয়ে রেখেছে। ** জোসেফ জে. বিশ, "[https://www.populationmedia.org/the-latest/interrelationships-human-population-fossil-fuels-and-technology ইন্টাররিলেশনশিপস: হিউম্যান পপুলেশন, ফসিল ফুয়েলস, অ্যান্ড টেকনোলজি]।" পপুলেশন মিডিয়া সেন্টার (১৫ অক্টোবর ২০২১) * আমার মতে, বর্তমানে জনসংখ্যা বৃদ্ধি আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে এবং আমাদের সম্পদ দিন দিন কমছে আমরা আমাদের সভ্যতার ইতিহাসে দেখা সবচেয়ে বড় বিপর্যয়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। আমি মনে করি আগামী ৪০ বা ৫০ বছরের মধ্যেই আমরা সেই চরম সংকটে পৌঁছে যাব। যদি আপনার জনসংখ্যার রেখাটি জ্যামিতিক হারে বাড়তে থাকে এবং সম্পদের রেখাটি জ্যামিতিক হারে কমতে থাকে, তবে সবার আগে যা ঘটবে তা হলো সম্পদের বৈষম্য বৃদ্ধি পাওয়া। এর অর্থ হলো আপনি কিছু এলাকায় ধনী মানুষের সুরক্ষিত পাড়া দেখতে পাবেন যেখানে বাইরে নিরাপত্তা রক্ষী থাকবে, আর সেই এলাকার বাইরে কেবল দারিদ্র্য আর অভাব বাড়বে। সম্পদ যত কমতে থাকবে, মানুষ পানি, খাবার এবং চাষযোগ্য জমি নিয়ে নিজেদের মধ্যে লড়াই শুরু করবে। ২০৫০ সালে জোহানেসবার্গের মতো বড় শহরগুলোতে এমন দৃশ্যই দেখা যাবে। এর লক্ষণগুলো এখনই সব জায়গায় ফুটে উঠছে। এটি কেবল অতিরিক্ত জনসংখ্যা এবং সম্পদের অভাবের ফল। আমরা আসলে আমাদের ভবিষ্যৎ ভাগ্যের ওপর কোনো নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেছি। :* নিল ব্লমক্যাম্প: ''[http://www.avclub.com/article/idistrict-9-idirector-neill-blomkamp-31606 ডিস্ট্রিক্ট ৯ ডিরেক্টর নিল ব্লমক্যাম্প],'' তাশা রবিনসন কর্তৃক '' avclub.com''-এ প্রকাশিত, ১২ আগস্ট ২০০৯। * ... ১৭৯৮ সালে রেভারেন্ড থমাস ম্যালথাস যে ভবিষ্যৎবাণী করেছিলেন মানুষ তার সংখ্যা বৃদ্ধির মাধ্যমে নিজেকে এক "দুর্ভোগ এবং অনৈতিকতার" পরিস্থিতির দিকে নিয়ে যাবে তা আজও ততটাই সত্য যতটা সেই সময়ে ছিল। জ্যামিতিক হারে জনসংখ্যা বাড়লেও খাদ্য উৎপাদন গাণিতিক হারে বাড়ে, যার ফলে এই ভারসাম্যহীনতা তৈরি হয়। তিনি একজন দূরদর্শী মানুষ ছিলেন এবং অতিপ্রজতার এই দানবীয় রূপটি পরিষ্কারভাবে দেখতে পেয়েছিলেন। তার ভবিষ্যৎবাণীর একমাত্র ভুল ছিল সময়ের হিসাবে সামান্য এদিক-ওদিক হওয়া। আমরা কৃষিবিদেরা খুব জোর দিয়ে বললে বড়জোর কয়েক দশক সময় পেতে পারি যার মধ্যে আমাদের খাদ্য উৎপাদনের সাথে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হারের একটি সফল ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে। ** নরমান বোরলাগ: [https://repository.cimmyt.org/bitstream/handle/10883/19272/9023.pdf?sequence=1 "হুইট ব্রিডিং অ্যান্ড ইটস ইমপ্যাক্ট অন ওয়ার্ল্ড ফুড সাপ্লাই।"] এতে: ''থার্ড ইন্টারন্যাশনাল হুইট জেনেটিক্স সিম্পোজিয়াম''। সিআইএমএমওয়াইটি, ১৯৬৮। * এটি স্বতস্ফূর্তভাবে প্রমাণিত যে, আমাদের পরিবেশগত সীমার এই যে অতিরিক্ত লঙ্ঘন, তা মূলত মানুষের অত্যধিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির সরাসরি ফলাফল। এই বিশাল জনগোষ্ঠী প্রচুর পরিমাণে প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবহার করছে এবং এই সীমিত গ্রহের ওপর মাত্রাতিরিক্ত বর্জ্য ত্যাগ করছে, যা মূলত সুস্থ পরিবেশ ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল। যারা বিশ্বাস করেন যে আমরা একটি সীমাবদ্ধ সম্পদের বিশ্বে বাস করি এবং আমাদের বর্জ্য শোষণের ক্ষমতাও সীমিত, তাদের কাছে এই বিষয়টি ব্যাখ্যার প্রয়োজন নেই। তবুও এখনও এমন অনেক মানুষ আছেন যারা মনে করেন যে মানুষের অনন্য বুদ্ধিমত্তা এবং প্রযুক্তিগত দক্ষতা আমাদের এই সব চ্যালেঞ্জগুলো থেকে "মুক্ত" করবে। অথচ আমাদের এই সাম্প্রতিক বিস্ফোরক জনসংখ্যা বৃদ্ধি, বিশ্বব্যাপী সম্প্রসারণ এবং শিল্পায়ন আমাদের গ্রহের সীমাগুলো অতিক্রম করে আমাদের সামনে একের পর এক কঠিন চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিচ্ছে। ** স্টিভ বুল, "[https://stevebull-4168.medium.com/todays-contemplation-collapse-cometh-cxci-the-nexus-of-population-energy-innovation-and-936076b4cf23 দ্য নেক্সাস অফ পপুলেশন, এনার্জি, ইনোভেশন, অ্যান্ড কমপ্লেক্সিটি]"। (২৮ নভেম্বর ২০২৪)। * প্রতিটি জীবিত প্রজাতিকেই বেঁচে থাকার জন্য প্রকৃতি থেকে কিছু না কিছু নিতে হয় এবং আমরাও তার ব্যতিক্রম নই। কিন্তু অন্যান্য প্রজাতির মতো আমাদের খাদ্য, আরাম-আয়েশ, বাসস্থান বা প্রজননের আকাঙ্ক্ষার কোনো শেষ নেই—বেঁচে থাকার এই মৌলিক চাহিদাগুলো এখন আমাদের অস্তিত্বের প্রয়োজনের চেয়েও অনেক বেশি মাত্রায় বেড়ে গেছে। আমরা উন্নতি করতে বাধ্য হই এবং মানুষ হিসেবে দুই পায়ে দাঁড়ানোর পর থেকেই আমরা ভূমি থেকে প্রাকৃতিক সম্পদ আহরণ করে আসছি। পুরো বিংশ শতাব্দী জুড়ে আমাদের এই বিশাল ভোগের যন্ত্রটি আরও শক্তিশালী হয়েছে এবং মানুষের এই অতৃপ্ত আকাঙ্ক্ষা আমাদের টিকিয়ে রাখা এই গ্রহের ওপরই আঘাত হেনেছে। খুব অল্প সময়ের মধ্যে মানবজাতি তার জনসংখ্যার বিস্ফোরণ, শিল্প এবং প্রযুক্তির মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী এক বিশাল পরিবর্তনের কারিগর হয়ে উঠেছে। এই সভ্যতা তার অগ্রগতির পথে যা রেখে যাচ্ছে তা হয়তো শেষ পর্যন্ত এক উন্মুক্ত এবং রিক্ত এক পৃথিবী ছাড়া আর কিছুই নয়। কিন্তু এই আগ্রাসনের মাধ্যমে আমরা নিজের অজান্তেই আমাদের বর্তমান জীবনযাত্রার এক বিশাল এবং ধ্বংসাত্মক স্মারক তৈরি করে চলেছি। ** এডওয়ার্ড বার্টিনস্কি, "[https://books.openbookpublishers.com/10.11647/obp.0193/ch13.xhtml ইমেজিং আর্থ]।" ''আর্থ ২০২০'' (২০২০)। * বিশ্বজুড়ে জীববৈচিত্র্য কমে যাওয়ার বিষয়টি সবচেয়ে স্পষ্টভাবে বোঝা যায় যখন আমরা এটি অনুধাবন করি যে, অতিরিক্ত মানুষ অনেক বেশি পরিমাণে প্রাকৃতিক সম্পদ ভোগ করছে ও উৎপাদন করছে এবং এর ফলে অন্যান্য প্রজাতিগুলো তাদের নিজস্ব আবাসন থেকে বিতাড়িত হচ্ছে। বন্য প্রাকৃতিক পরিবেশ এবং সমুদ্রের তলদেশের পরিবেশ আজ মানুষ, আমাদের পোষা ও আমাদের ওপর নির্ভরশীল প্রাণী, আমাদের অর্থনৈতিক সহায়তা ব্যবস্থা এবং আমাদের ফেলে দেওয়া আবর্জনার স্তূপের মাধ্যমে দখল হয়ে যাচ্ছে। ** ফিলিপ কাফারো, পারনিলা হ্যানসন, ফ্রাঙ্ক গোটমার্ক, {{cite journal|doi=10.1016/j.biocon.2022.109646|title=অতিপ্রজতা হলো জীববৈচিত্র্য হ্রাসের একটি প্রধান কারণ এবং যা অবশিষ্ট আছে তা রক্ষা করার জন্য মানুষের সংখ্যা কমিয়ে আনা প্রয়োজন|year=২০২২ |journal={{W|Biological Conservation (journal)|বায়োলজিক্যাল কনজারভেশন}}|volume=২৭২|issue= |pmid=|pmc=|url=https://www.sustainable.soltechdesigns.com/Overpopulation-and-biodiversty-loss(2022).pdf}} * গত একশ বছরে 'হোমো সেপিয়েন্স' বা মানুষের জনসংখ্যা ২০০ কোটি থেকে বেড়ে প্রায় ৮০০ কোটিতে পৌঁছেছে। জাতিসংঘ (২০১৯) অনুমান করছে যে, যদি এই জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কমানোর জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা না হয়, তবে ২১০০ সালের মধ্যে এই সংখ্যা আরও ৩০০ কোটি বৃদ্ধি পাবে। এই সম্ভাব্য বৃদ্ধিকে উপেক্ষা করার অর্থ হলো বর্তমানে চলমান জীববৈচিত্র্য সংকটের একটি প্রধান চালিকাশক্তিকে অস্বীকার করা। মানুষের বর্তমান এই বিশাল সংখ্যাকে একটি স্বাভাবিক পরিস্থিতি হিসেবে মেনে নেওয়ার অর্থ হলো একটি জৈবিকভাবে নিঃস্ব ও রিক্ত গ্রহকে মেনে নেওয়া। ** এলবিআইডি। * আঠারো শতকের অর্থনীতিবিদ থমাস ম্যালথাস একবার ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন যে, যেহেতু আমাদের জনসংখ্যা জ্যামিতিক হারে বৃদ্ধি পায় অথচ আমাদের খাদ্য সরবরাহ বাড়ে গাণিতিক হারে, তাই আমাদের জনসংখ্যা একদিন আমাদের লালন-পালন করার ক্ষমতাকে ছাড়িয়ে যাবে। যদিও প্রক্রিয়াজাত খাদ্য এবং জেনেটিকালি পরিবর্তিত জীবের উদ্ভাবনের ফলে এটি বর্তমানে ভুল প্রমাণিত হয়েছে, তবুও পিটার ফার্বের ধাঁধাটি বর্তমানে সত্য বলে প্রতীয়মান হতে পারে। যেহেতু পৃথিবীর জনসংখ্যা প্রতিনিয়ত বাড়ছে, তাই আমরা আমাদের খাদ্য উৎপাদনও বাড়িয়ে দিচ্ছি। এর ফলে খাদ্যের উদ্বৃত্ত থাকায় মানুষ এখন আগের চেয়ে বেশি পুষ্টি পাচ্ছে। এটি মানুষের গড় আয়ু বাড়িয়ে দিচ্ছে এবং শিশু মৃত্যুর হার কমিয়ে দিচ্ছে। এর ফলে মানুষ আরও বেশি সংখ্যক সন্তান ধারণ করতে সক্ষম হচ্ছে। এই চক্রাকার ধাঁধাটি আমাদের গ্রহের জন্য মোটেও স্বাস্থ্যকর নয়। কারণ আমরা হয়তো আমাদের ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার ক্ষুধা মেটাতে সক্ষম হব, কিন্তু আমাদের অন্যান্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সম্পদ যেমন পানি এবং তেল দিন দিন ফুরিয়ে আসছে। জনসংখ্যাকে একটি স্থিতিশীল পর্যায়ে রাখার জন্য আমাদের ডেনমার্ক এবং জাপানের মতো প্রতিস্থাপন হারে প্রজনন করা উচিত। ** ক্যাথরিন ক্যালডওয়েল, "[https://facetsofsustainability2014.wordpress.com/2014/11/13/farb-malthus-and-ishmael-v-the-population/ ফার্ব, ম্যালথাস এবং ইসমায়েল বনাম জনসংখ্যা]" (১৩ নভেম্বর ২০১৪)। * বর্তমানে মানবজাতি ভবিষ্যতের সম্পদ অতি লোভীর মতো চুরি করার কাজে লিপ্ত হয়েছে। আধুনিক বিশ্বে দেখা দেওয়া দুর্ভিক্ষ অবশ্যই মানুষের বর্তমান অবস্থার একটি গভীর সমস্যার লক্ষণগুলোর মধ্যে একটি হওয়া উচিত—আর তা হলো ডায়াক্রনিক প্রতিযোগিতা। এটি এমন একটি সম্পর্ক যেখানে আমাদের বর্তমানের সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য বা ভালো থাকা নিশ্চিত করা হচ্ছে আমাদের বংশধরদের বা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুযোগ-সুবিধা কেড়ে নেওয়ার বিনিময়ে। আমাদের বিশাল জনসংখ্যা, আমাদের প্রযুক্তিগত উন্নতির স্তর এবং মানুষের ধারণক্ষমতা বৃদ্ধির স্থায়ী পদ্ধতি (যেমন কৃষি) ও সাময়িক পদ্ধতি (জীবাশ্ম জ্বালানি এবং অন্যান্য খনিজ সম্পদের ওপর নির্ভরশীলতা)-র মধ্যে পার্থক্য বুঝতে না পারার কারণে আমরা আজকের মানুষের আকাঙ্ক্ষা পূরণের বিষয়টিকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের বিশাল বঞ্চনার ওপর নির্ভরশীল করে তুলেছি। ** উইলিয়াম আর. ক্যাটন, ''ওভারশুট'' (১৯৮০), অধ্যায় ১: "আমাদের একটি নতুন দৃষ্টিভঙ্গির প্রয়োজন", পৃষ্ঠা ৩। * আমরা ইতিমধ্যেই একটি অতিরিক্ত বোঝাই বিশ্বে বাস করছি। আমাদের ভবিষ্যৎ হবে সেই সত্যেরই একটি অনিবার্য ফল। আর সেই সত্যটি হলো আমাদের অতীতের কর্মকাণ্ডের একটি ফলাফল। তাই আমাদের প্রথম কাজ হলো নিজেদের কাছে এটি স্পষ্ট করা যে আমরা কীভাবে এই বর্তমান অবস্থায় পৌঁছালাম এবং কেন আমাদের বর্তমান পরিস্থিতি একটি বিশেষ ধরণের ভবিষ্যতের দিকে আমাদের নিয়ে যাচ্ছে। […] এটি এমন একটি বিশ্বের গল্প যা বারবার মানুষের সংখ্যার দ্বারা পরিপূর্ণ হওয়ার কাছাকাছি পৌঁছেছে, কিন্তু প্রতিবারই মানুষের বুদ্ধিমত্তা সেই প্রাকৃতিক সীমাটিকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। সীমা বাড়ানোর প্রথম কয়েক ধাপ প্রায় ২০ লক্ষ বছর ধরে একগুচ্ছ প্রযুক্তিগত আবিষ্কারের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছিল। এই আবিষ্কারগুলো মানুষকে পৃথিবীর মোট জীবন ধারণের ক্ষমতার এমন সব অংশ বারবার দখল করতে সাহায্য করেছে যা আগে অন্য প্রজাতির প্রাণীদের টিকিয়ে রাখত। সীমা বাড়ানোর সবচেয়ে সাম্প্রতিক পর্বটি অনেক বেশি চমকপ্রদ ফলাফল নিয়ে এসেছে। যদিও এটি মানুষের ধারণক্ষমতা বাড়িয়েছি একদম ভিন্ন একটি পদ্ধতিতে: আর তা হলো এমন কিছু সীমিত সম্পদের ভাণ্ডার ব্যবহার করা যা মানুষের আয়ুর কোনো নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আর নতুন করে তৈরি হবে না। তাই এর ফলাফল কখনও স্থায়ী হতে পারে না। এই সত্যটি মানবজাতিকে এমন এক বিপদজনক অবস্থানে নিয়ে গেছে যেখানে আধুনিক জীবনের কর্মকাণ্ডগুলো সেই আশ্রয়স্থলকেই কেটে ফেলছে। ** উইলিয়াম আর. ক্যাটন, ''ওভারশুট'' (১৯৮০), অধ্যায় ২: "মানুষের সাফল্যের করুণ গল্প", পৃষ্ঠা ১৭। * বড়জোর দুই প্রজন্মের মানুষ যখন শিল্পায়নের সুবিধা ভোগ করছিল, তখনই অত্যন্ত কার্যকরভাবে মৃত্যু নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার আরও ত্বরান্বিত হয়। রোগ সৃষ্টির পেছনে অণুজীবের ভূমিকা আবিষ্কৃত হয়। ১৮৬৫ সালে অ্যান্টিসেপটিক সার্জারির ব্যবহার শুরু হয়। চিকিৎসা প্রযুক্তিতে এর সাথে সম্পর্কিত আরও অনেক যুগান্তকারী আবিষ্কারের সূচনা হিসেবে একে গণ্য করা যেতে পারে: যেমন স্বাস্থ্যকর অভ্যাস, টিকাদান, অ্যান্টিবায়োটিক ইত্যাদি। এই সাম্প্রতিক সিরিজের সাফল্যের সামগ্রিক ফল হলো মানবজাতিকে সেই সব অদৃশ্য জীবের হাত থেকে মুক্ত করা যারা একসময় মানুষের শরীরের টিস্যুকে খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে মানুষের জীবনকাল কমিয়ে দিত। শিকারি প্রাণীদের হাত থেকে নতুন সুরক্ষা পাওয়া অন্যান্য প্রজাতির প্রাণীর মতো আমরাও বংশবৃদ্ধি করেছি এবং নিজেদের সংখ্যা এতটাই বাড়িয়েছি যে আমরা আমাদের নিজেদের প্রজাতি দিয়ে পৃথিবীকে কেবল পরিপূর্ণই করিনি বরং উপচে ফেলেছি। ** প্রাগুক্ত, পৃষ্ঠা ৩০। * মানুষ হয় পরিবেশের ধারণক্ষমতার ধারণাটি সম্পর্কে ক্রমাগত অজ্ঞতা প্রদর্শন করেছে অথবা এই অন্ধ বিশ্বাস পোষণ করেছে যে ধারণক্ষমতা সবসময়ই বাড়ানো সম্ভব এবং যে কোনো সীমা সবসময় অতিক্রম করা যাবে। পুঁজিবাদী এবং মার্কসবাদী—উভয় পক্ষই সম্ভবত এমন একটি ভুল ধারণা পোষণ করত যার কারণে তারা এটি স্বীকার করতে অস্বীকার করেছে যে সীমাহীনতার সেই মিথ বা রূপকথাটি অবশেষে সেকেলে হয়ে গেছে। সেখানে এমন একটি ধারণাও প্রচলিত ছিল যে প্রযুক্তির আরও উন্নতি হলে তা অবশ্যই পৃথিবীর ধারণক্ষমতাকে বাড়াবে, কমাবে না। অতীতে প্রযুক্তির কাজই ছিল ধারণক্ষমতা বাড়ানো; তবে... শিল্প যুগে প্রযুক্তির এই ভূমিকায় একটি পরিবর্তন এসেছে। প্রযুক্তি প্রাকৃতিক সম্পদের প্রতি মানুষের ক্ষুধা বাড়িয়ে দিয়েছে, যার ফলে একটি নির্দিষ্ট পরিবেশ যত সংখ্যক মানুষকে টিকিয়ে রাখতে পারে সেই সংখ্যাটি দিন দিন কমছে। ** এলবিআইডি, পৃষ্ঠা ৩২। * মানুষ কল্পনা করে নিয়েছে যে তারা অন্যান্য স্তন্যপায়ী প্রাণীদের তুলনায় অনেক বেশি আলাদা বা উন্নত। তাই মানুষের আচরণে যখন সেই একই বৈশিষ্ট্যগুলো দেখা যায় তখন জনসংখ্যার চাপের গুরুত্বকে আড়াল করার জন্য আরও বিভিন্ন ধরণের সামাজিক ব্যাখ্যা দেওয়া হয়। বিংশ শতাব্দীতে মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়া এবং সম্পদের ভাণ্ডার ফুরিয়ে আসার বিষয়টি যখন স্পষ্ট হয়ে ওঠে, তখন মানুষ যুদ্ধে লিপ্ত হয়। তারা রাস্তায় দাঙ্গা শুরু করে। তারা আরও বেশি মাত্রায় সহিংস অপরাধ করতে থাকে। [...] তাদের রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি চরমপন্থী হয়ে ওঠে এবং তারা সর্বগ্রাসী সরকার গঠন করে, যার মধ্যে কিছু সরকার নিষ্ঠুর কর্মকাণ্ডের অনুমতি দিয়ে দেয়। দুই প্রজন্মের মধ্যে ব্যবধান আরও প্রকট এবং গভীর হয়। বর্ণবাদ রোধে এবং অর্থনৈতিক অসমতা দূর করার জন্য মানবতাবাদী কর্মীদের আন্তরিক প্রচেষ্টা সত্ত্বেও মানুষের মধ্যে বৈষম্য থেকে যায় এবং পারস্পরিক বিদ্বেষ আরও মারাত্মক আকার ধারণ করে। অন্যের প্রতি আচরণের ক্ষেত্রে শালীনতার মানদণ্ড এবং বিবেচনাবোধের সাথে আত্মসংযমের প্রত্যাশা অনেক জায়গায় নষ্ট এবং অবক্ষয়ের শিকার হয়। ** উইলিয়াম আর. ক্যাটন, ''ওভারশুট'' (১৯৮০), অধ্যায় ৬: "যে প্রক্রিয়াগুলো গুরুত্বপূর্ণ", পৃষ্ঠা ১০৭। * আমাদের বুঝতে হবে যে আমরা মানুষরা এই গ্রহের বাস্তুসংস্থানের ওপর যে "বোঝা" চাপিয়ে দিচ্ছি তা কেবল একটি জনসংখ্যার সংখ্যা মাত্র নয়। ভিন্ন ভিন্ন সংস্কৃতির মানুষ কেবল ভিন্ন হারেই বংশবৃদ্ধি করে না; তারা মাথাপিছু পরিবেশের ওপর ভিন্ন ভিন্ন মাত্রায় প্রভাব ফেলে। সংস্কৃতির মধ্যে একটি জনগোষ্ঠীর প্রযুক্তি এবং মানুষের নিজেদের সংগঠিত করার পদ্ধতি অন্তর্ভুক্ত থাকে। আমাদের মধ্যে যারা একটি "উন্নত" দেশে বাস করি (অর্থাৎ ম্যালথাসের কল্পনার বাইরে শিল্পোন্নত একটি সমাজ), তাদের প্রত্যেকের সম্পদের ক্ষুধা এবং পরিবেশের ওপর প্রভাব তথাকথিত একটি "উন্নয়নশীল" দেশের প্রত্যেক বাসিন্দার তুলনায় অনেক বেশি। আমাদের বর্তমানের এই চরম টেকসইহীন জীবনযাত্রার জন্য ৬০০ কোটি মানুষও সংখ্যায় অনেক বেশি। ** উইলিয়াম আর. ক্যাটন, ''ম্যালথাসের পূর্বাভাসের চেয়েও খারাপ (এমনকি যদি জীবিতরা মৃতদের চেয়ে সংখ্যায় বেশি না-ও হয়)''। ওয়াশিংটন স্টেট ইউনিভার্সিটি (মার্চ ২০০০) * জীবন এখন একটি ষষ্ঠ গণবিলুপ্তির যুগে প্রবেশ করেছে। এটি সম্ভবত পরিবেশের সবচেয়ে গুরুতর সমস্যা, কারণ একটি প্রজাতির হারিয়ে যাওয়া মানে তা চিরতরে হারিয়ে যাওয়া। এদের প্রত্যেকেই সেই জীবন্ত ব্যবস্থার মধ্যে কোনো না কোনো ছোট বা বড় ভূমিকা পালন করে যার ওপর আমরা সবাই নির্ভরশীল। বর্তমান এই সংকটকে সংজ্ঞায়িত করা প্রজাতির বিলুপ্তি মূলত তাদের অন্তর্ভুক্ত জনসংখ্যার ব্যাপক হারে নিখোঁজ হওয়ার ওপর ভিত্তি করে ঘটে চলেছে, যার বেশিরভাগই হয়েছে ১৮০০ সালের পর থেকে। আমরা যে বিশাল ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছি তা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে হোমো সেপিয়েন্স বা মানুষের কর্মকাণ্ডের কারণেই ঘটছে। আমাদের পূর্বপুরুষরা প্রায় ১১,০০০ বছর আগে কৃষিকাজ শুরু করার পর থেকে এর প্রায় সবটুকুই ঘটেছে। সেই সময় সারা বিশ্বে আমাদের সংখ্যা ছিল প্রায় ১০ লক্ষ; এখন আমাদের সংখ্যা ৭৭০ কোটি এবং এই সংখ্যাটি এখনও দ্রুত বাড়ছে। '''আমাদের সংখ্যা যত বেড়েছে, মানবজাতি তার জীবন্ত সঙ্গী বা প্রাণিকুলের বিশাল অংশের জন্য এক অভূতপূর্ব হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে'''। ** জেরার্ডো সেবালোস, পল আর. এরলিচ এবং পিটার এইচ. র‍্যাভেন, ''[https://www.pnas.org/content/early/2020/05/27/1922686117 মেরুদণ্ডী প্রাণীরা জৈবিক ধ্বংস এবং ষষ্ঠ গণবিলুপ্তির সূচক হিসেবে বিপদের মুখে]''। ''পিএনএএস'', ১ জুন ২০২০। * আমরা বর্তমানে ষষ্ঠ গণবিলুপ্তি ঘটনার মধ্যে রয়েছি। আগের পাঁচটি বিলুপ্তির মতো না হয়ে এটি ঘটছে একটি মাত্র প্রজাতির অতিরিক্ত বৃদ্ধির কারণে, যার নাম 'হোমো সেপিয়েন্স'। ** জেরার্ডো সেবালোস, পল আর. এরলিচ, "[https://www.pnas.org/doi/10.1073/pnas.2306987120 প্রাণীকুলের গণবিলুপ্তির মাধ্যমে জীবন বৃক্ষের অঙ্গহানি]"। ''পিএনএএস'', ২০২৩। * গত শতাব্দীতে মানুষের অনেক কর্মকাণ্ডের গতি এতটাই ত্বরান্বিত হয়েছে এবং মানুষের অতিপ্রজতা বা জনসংখ্যা বৃদ্ধি এতটাই ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে যে তা একটি নাটকীয় বৈশ্বিক পরিবেশগত রূপান্তর সৃষ্টি করেছে। বেশিরভাগ প্রাকৃতিক বাস্তুসংস্থান ব্যাপকভাবে পরিবর্তিত হয়েছে অথবা পুরোপুরি অদৃশ্য হয়ে গেছে এবং বন্যপ্রাণীর প্রাচুর্য অনেক বেশি কমে গেছে। ** এলবিআইডি। * আমরা যখন থেকে আগুন আবিষ্কার ও নিয়ন্ত্রণ করতে শিখেছি এবং কৃষিকাজ শুরু করেছি তখন থেকেই আমাদের শক্তির ব্যবহার বাড়ছে। তবে এটি সবচেয়ে বেশি বেড়েছে যখন আমরা পৃথিবীর ভূত্বক থেকে লক্ষ লক্ষ বছরের সঞ্চিত এবং ঘনীভূত সৌর শক্তিকে জীবাশ্ম জ্বালানি হিসেবে আহরণ করে এক বিশাল জ্বালানি ভাণ্ডারের সন্ধান পেয়েছি। নতুন শক্তি রূপান্তর কৌশলের বিকাশের সাথে সাথে এই শক্তির প্রাচুর্য মানুষের জনসংখ্যা এবং উৎপাদনের প্রবৃদ্ধির পথে থাকা দীর্ঘকালীন বাধাগুলোকে দূর করা সম্ভব করেছে। উনিশ শতকের শুরু থেকে যেসব নতুন শক্তির উৎস, রূপ এবং ব্যবহার শুরু হয়েছে তা আমাদের আরও বেশি উপকরণের যোগান দিয়েছে এবং নতুন ও আরও আধুনিক যন্ত্রপাতির উদ্ভাবন সম্ভব করেছে। এর ফলে আমাদের শক্তির ব্যবহার এবং উপকরণের প্রবাহ দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে (অর্থাৎ জীবমন্ডলের উৎস থেকে কাঁচামাল এবং শক্তির প্রবাহ মানুষের বাস্তুসংস্থানের মধ্য দিয়ে আবার জীবমন্ডলের গন্তব্যে ফিরে যাওয়া), যা আমরা সাধারণত "অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি" হিসেবে পরিমাপ করে থাকি। সেই সময় থেকে এই প্রবৃদ্ধি আর কখনও থামেনি, যদিও শক্তি এবং উপকরণের ইনপুট, আউটপুট এবং বর্জ্যের প্রবাহ সময়ের সাথে সাথে পরিবর্তিত হয়েছে। আমাদের যন্ত্র এবং প্রক্রিয়াগুলোতে "শক্তির দক্ষতা" বাড়ানোর প্রচেষ্টা (অর্থাৎ নির্দিষ্ট কাজ করার জন্য প্রয়োজনীয় শক্তির পরিমাণ কমানো) আমাদের ব্যবহৃত মোট শক্তির পরিমাণকে কখনও কমাতে পারেনি। বরং উল্টো আমাদের ভোগের হার বাড়ানোর জন্য আরও বেশি সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে। ** ফ্রাঁসোয়া-জাভিয়ের শেভালেরউ, "[https://www.faninitiative.net/articles/the-age-of-energy-disruptions/ শক্তির বিপর্যয়ের যুগ]"। দ্য ফ্যান ইনিশিয়েটিভ। ১০ ডিসেম্বর ২০২১। * পরিবেশ বিশ্লেষকরা একটি টেকসই জনসংখ্যা বলতে এমন এক জনসংখ্যাকে বোঝেন যারা জীববৈচিত্র্য বজায় রেখে এবং জলবায়ু পরিবর্তন জনিত সমস্যাগুলোকে কমিয়ে একটি পরিমিত ও সমতাপূর্ণ মধ্যবিত্ত জীবনযাত্রার মান উপভোগ করতে পারে। বিশ্লেষকদের মতে এই জনসংখ্যার আকার ২০০ কোটি থেকে ৪০০ কোটির মধ্যে হওয়া উচিত, যা বর্তমানের ৭৯০ কোটি থেকে অনেক কম। ** আইলিন ক্রিস্ট, উইলিয়াম জে. রিপল, পল আর. এরলিচ, উইলিয়াম ই. রিস এবং ক্রিস্টোফার উলফ {{cite journal|doi=10.1016/j.scitotenv.2022.157166|title=জনসংখ্যা বিষয়ে বিজ্ঞানীদের সতর্কতা|year=২০২২ |journal=Science of the Total Environment|volume=৮৪৫|issue= |pmid=35803428|pmc=|url=https://scientistswarning.forestry.oregonstate.edu/sites/default/files/Crist2022.pdf}} ===D=== * The situation in which we find ourselves today is unique as regards the magnitude and rate of growth of the human enterprise. The turn now being taken by the vicious circle is tremendous. […] The mastery of fire, one of humans' first instances of technological development, continues to be of paramount importance today with the burning of fossil fuels. And so the vicious circle of the development of humankind churns on, and does so with ever greater momentum due to the constantly increasing consumption of fossil fuels and metals, with only the tiniest sign of resistance in the form of the efforts of environmental organisations and green political parties. ** Craig Dilworth, ''Too Smart for Our Own Good'' (2009), Chapter 6: "The Vicious Circle Today" * The population boom of the last few centuries […] was made possible by massive advances in living standards, economic growth, surpluses of food, and vastly improved public health. All of this, however, was sustained by fossil fuels. Once fossil fuel reserves peak […] production, growth, and the amenities of modern life will gradually halt. Contemporary industrial society will downgrade into a “scarcity society” that manages on minimal energy, after which it will become a “salvage society” that scrapes survival from the refuse of the defunct urban buildings, information networks, and industrial centers. ** Rick Docksai, "Is Civilization Doomed?" ''The Futurist''. March/April 2010. === E === *Part of human impact on the earth relates to our swiftly growing numbers. If we do not take deliberate, conscious action to maintain a reasonable balance between the numbers of people and the environmental wealth required to sustain us, nature will make appropriate adjustments, and famine, disease, and wars-the predictable outcomes of living beyond one's environmental means, of overspending environmental capital-will ultimately force a cruel discipline. **[[Sylvia Earle]], ''Sea Change: A Message of the Oceans'' (1995) * The key to understanding overpopulation is not population density but the numbers of people in an area relative to its resources and the capacity of the environment to sustain human activities; that is, to the area’s carrying capacity. When is an area overpopulated? When its population can’t be maintained without rapidly depleting nonrenewable resources... By this standard, the entire planet and virtually every nation is already vastly overpopulated. ** Paul R. Ehrlich, ''The Population Explosion'' (1990) *The debate regarding which individual factor, among the three key factors producing the environmental crisis, causes more damage - the size of the human population on the planet, excessive consumption of resources, or unequal/ unjust distribution of resources among countries [the wealthier countries consume much more resources, per person on average than poorer countries] - is like a debate about which contributes more to a triangle, the base or the ribs of the triangle. You can not separate the three factors. If we analyze the numbers over a relatively longer time interval, we will conclude that the size of the population has a bigger impact than consumption. On the other hand, consumption and unequal distribution are also important aspects. If we do not change these three factors all at the same time, the quality of our life will change dramatically. Today '''humanity is delivering a serious blow to [the rest of] nature, but it is clear that nature will deliver the final blow.''' ** Paul R. Ehrlich, ''[http://www.haaretz.co.il/1.1875624 People should produce far fewer children, or expect the worst]'' (Dec. 2012) *Earth is home to millions of species. Just one dominates it. Us. '''Our cleverness, our inventiveness, and our activities have modified almost every part of our planet. In fact, we are having a profound impact on it. Indeed, our cleverness, our inventiveness, and our activities are now the drivers of every global problem we face. And every one of these problems is accelerating as we continue to grow towards a global population of ten billion. In fact, I believe we can rightly call the situation we're in right now an emergency – an unprecedented planetary emergency.''' **{{W|Stephen Emmott}}, ''[https://www.theguardian.com/environment/2013/jun/30/stephen-emmott-ten-billion 10 Billion]'', as summarized in ''The Guardian'', June 30, 2013. *We humans emerged as a species about 200,000 years ago. In geological time, that is really incredibly recent. Just 10,000 years ago, there were one million of us. By 1800, just over 200 years ago, there were 1 billion of us. By 1960, 50 years ago, there were 3 billion of us. There are now over 7 billion of us. By 2050, your children, or your children's children, will be living on a planet with at least 9 billion other people. Some time towards the end of this century, there will be at least 10 billion of us. Possibly more. We got to where we are now through a number of civilization-and society-shaping “events”; most notably, the agricultural revolution, the scientific revolution, and—in the West—the public-health revolution. These events have fundamentally shaped how we live, and have fundamentally shaped our planet. Their legacy will continue to shape our future. So we need to look at our growth and activities through the lens of these developments. One of the principal reasons for this growth was the invention of agriculture. The “agricultural revolution” enabled us to go from being hunter-gatherers to highly organized producers of food, and allowed our population to grow. A useful way to think of the development and importance of agriculture is in terms of at least three agricultural “revolutions.” The first took place over 10,000 years ago. This was the domestication of animals and the cultivation of plant types. The second agricultural revolution was between the fifteenth and nineteenth centuries. This was a revolution in agricultural productivity and the mechanization of food production. The third happened between the 1950s and 2000s; the so-called “green revolution.” But there’s another story here: the start of a fundamental transformation—of land use—by humans. **Stephen Emmott, ''10 Billion'' (2013) * As our numbers continue to grow, we continue to increase our need for far more water, far more food, far more land, far more transportation, and far more energy. As a result, we are now accelerating the rate at which we’re changing our climate. In fact, our activities are not only completely interconnected with, but are now also interacting with, the complex system we live on: Earth. It is important to understand how all this is connected. An increasing population accelerates the demand for more water and more food. Demand for more food increases the need for more land, which accelerates deforestation. Increasing demand for food also increases food processing and transportation. All of these accelerate the demand for more energy. This then accelerates greenhouse gas emissions, principally CO2 and methane, which further accelerate climate change. As climate change accelerates, it increases stress on water, food, and land. And at the same time, an increasing population also accelerates stress on water, food, and land. In short, as population increases, and as economies grow, stress on the entire system accelerates sharply. ** Ibid. * Saying “Don’t have children” is utterly ridiculous. It contradicts every genetically coded piece of information we contain, and (at least in their conception) one of the most important (and fun) impulses we have. That said, the worst thing we can continue to do—globally—is have children at the current rate. Even if a global nuclear power program were set up, even if geoengineering somehow took care of the climate-change problem, and even if we consumed less, we’d still at some point hit a brick wall if the human population continues to grow at anything like its current rate. We all know there’s a link between educating women in the developing world and reducing the birth rate. But despite this, and despite contraception being free in a number of countries where population is increasing, average birth rates are still three, five, or even seven children per woman. According to the United Nations, Zambia’s population is projected to increase by 941 percent by the end of the century. The population of Nigeria is projected to grow by 349 percent—to 730 million people. Afghanistan by 242 percent, The Democratic Republic of Congo by 213 percent, Gambia by 242 percent, Guatemala by 369 percent, Iraq by 344 percent, Kenya by 284 percent, Liberia by 300 percent, Malawi by 741 percent, Mali by 408 percent, Niger by 766 percent, Somalia by 663 percent, Uganda by 396 percent, Yemen by 299 percent. Even the United States is projected to grow by 53 percent by 2100, from 315 million in 2012 to 478 million. I do just want to point out that if the current global rate of reproduction continues, by the end of this century there will not be ten billion of us. There will be twenty-eight billion of us. ** Ibid. * If we discovered tomorrow that there was an asteroid on a collision course with Earth, and—because physics is a fairly simple science—we were able to calculate that it was going to hit Earth on June 3, 2072, and we knew that its impact was going to wipe out 70 percent of all life on Earth, governments worldwide would marshal the entire planet into unprecedented action. Every scientist, engineer, university, and business would be enlisted: half to find a way of stopping it, the other half to find a way for our species to survive and rebuild if the first option were unsuccessful. We are in almost precisely that situation now, except that there isn’t a specific date and there isn’t an asteroid. The problem is us. Why we are not doing more about the situation we’re in—given the scale of the problem and the urgency—I simply cannot understand. We’re spending 8 billion euros (about 11 billion dollars [at the writing's current exchange]) at {{W|CERN}} to discover evidence of a particle called the Higgs-Boson, which may or may not eventually explain the concept of mass and provide a partial thumbs-up for the “standard model” of particle physics. And CERN’s physicists are keen to tell us it is the biggest, most important experiment on Earth. It isn’t. The biggest and most important experiment on Earth is the one we're all conducting, right now, on Earth itself. Only an idiot would deny that there is a limit to how many people our Earth can support. The question is, is it seven billion (our current population), 10 billion or 28 billion? I think we've already gone past it. Well past it. We could change the situation we are now in. Probably not by technologizing our way out of it, but by radically changing our behavior. But there is no sign that this is happening, or about to happen. I think it’s going to be business as usual for us. ** Ibid. ===F=== * Whether or not such a hypothesis fully accounts for the population increase that accompanies a sedentary life, there can be no doubt that human numbers soared. In the interval from 10,000 to 6000 years ago—a mere 160 human generations—the population of the Near East is estimated to have increased from less than 100,000 people to more than three million. With each increase, additional pressure was placed upon the food producers to domesticate new species and to invent new technologies, such as those based on the plow and on irrigation. Human beings now found themselves on a treadmill from which to this day they have not been able to get off. They are still plagued by the basic paradox of food production: Intensification of production to feed an increased population leads to a still greater increase in population. **[[Peter Farb]], ''Humankind'' (1978), p. 121 *During the brief time since James Watt's commercial production of the improved Newcomen steam engine in 1775, a revolution unparalleled in human history has occurred at all levels of society and has penetrated all aspects of culture. The technological innovations are, of course, dramatic, but equally important are the biological, political, social, and economic consequences of modernization. From a biological perspective, the most important consequence is the extension of the human life span and the growth in human numbers. In the past two centuries, life expectancy has nearly tripled and the population of our species has multiplied five times over. **Ibid. p. 189 * If left unchecked, populations (of any organism) tend to grow exponentially. But they never grow forever. Eventually resources are depleted and the population declines. When the population is again small enough that resources are plentiful, exponential growth resumes. The result is a boom-bust cycle — stability through fluctuation.<br>Of course, if the fluctuations are huge, we can hardly call this ‘stability’. But in most healthy ecosystems, population fluctuations are small. The key to dampening boom-bust cycles appears to be diversity. When there are many species in an ecosystem, each keeps the population of others in check. Prolonged exponential growth never gets a foothold. ** Blair Fix, "[https://economicsfromthetopdown.com/2020/09/12/frederick-soddys-debt-dynamics/ Frederick Soddy's Debt Dynamics]." ''Economics from the Top Down'' (September 12, 2020) * Overpopulation is described as a societal problem, with the individual and collective behavior of people as a causal agent. ** Angela K. Fournier & E. Scott Geller [https://link.springer.com/article/10.5210/bsi.v13i1.35 Behavior Analysis of Companion-Animal Overpopulation: A Conceptualization of the Problem and Suggestions for Intervention] (1 May 2004) === G === * What are [we] made of, fairy dust and happy thoughts? No, [we] are made of proteins — of food! Without a sufficient food supply, such a population cannot be achieved. We understand this as a basic biological fact for every other species on this planet, that population is a function of food supply. Yet we continue to believe that the magic of free will exempts us from such basic biological laws. ** Jason Godesky, ''[https://theanarchistlibrary.org/library/jason-godesky-thirty-theses Thirty Theses]'' (2006), Thesis #4: "Human population is a function of food supply." * When the First World rushes in with foreign aid, food, and humanitarian aid to a desert area in the midst of a famine, we serve to prop up an unsustainable population. That drives a population boom in an area that already cannot support its existing population. The result is a huge population dependent on outside intervention that itself cannot be indefinitely sustained. Eventually, that population will crash once outside help is no longer possible — and the years of aid will only make that crash even more severe. In the same way that the United States’ policy of putting out all forest fires in the 1980s led to an even worse situation in its forests, our benevolence and good intentions have paved the way to a Malthusian hell. ** Ibid. * The human race currently consumes some 40% of the earth’s photosynthetic capacity. This monopoly on the earth’s resources is having a devastating effect. We are seeing the extinction of some 140 species every day, some thousands of times higher than the normal background rate. Today, right now, we are seeing extinction rates unparalleled in the history of the earth. We are undeniably in the midst of the seventh mass extinction event in the history of the earth — the Holocene Extinction. Unlikely previous extinction events, however, this one is driven by a single species. This is the true danger of overpopulation, not our inability to feed a growing population. As much as we would deny it, we depend on the earth to live. Dwindling biodiversity threatens the very survival of our species. We are literally cutting the ground out from under our feet. Increasing food production only increases the population; our current attitudes about food security has locked us into what Daniel Quinn called a “Food Race,” by comparison to the Arms Race of the Cold War. ** Ibid. * Overpopulation is the root cause of all other environmental problems … [and] is the natural consequence of the Food Race — driven by the constant need to expand. That need is a systemic consequence of complex society. The alternative to overpopulation, then, is to reverse the trend of intensifying complexity and accept greater simplicity: in a word, collapse. ** Jason Godesky, ''Thirty Theses'' (2006), Thesis #17: "Environmental problems may lead to collapse." * The main driving force behind the Holocene Extinction is the twin forces of overpopulation and intensified agricultural production. As more land is converted into cultivated fields, we approach important tipping points in how much of the world’s photosynthetic capacity is tied up in a single species. Deforestation is driven primarily by the need to feed an ever-growing populaton, but also for that population’s other resource needs, such as lumbering and mining. That deforestation has been responsible for anthropogenic atmospheric change for thousands of years, but as the positive feedback loop of the Food Race reached new levels, we were forced to either adopt fossil fuels, or collapse. Those fuels have intensified our atmospheric impact to obscene levels, yielding a new crisis in global warming. We do not face a long laundry list of environmental problems: we face a single, multi-faceted crisis. That crisis is complex society itself. The problems we face are the direct consequence of the positive feedback loop of complex society, and the Food Race in particular. **Ibid. * If nobody died the planet would soon run out of room for more people. How would this world be run (our political systems are far from perfect now); who would decide what type of house one lived in, what type of food one ate? What would we do for a living? ** Lori Gosselin, "[https://lifeforinstance.com/would-you-like-to-live-in-a-perfect-world/ Would You Like to Live in a Perfect World?]" * The study of population is not a very exact science. No one forecast the population collapse that is occurring in post-communist European Russia, or the scale of the fall in fertility that is under way [sic] in much of the world. The margin of error in calculations of fertility and life expectancy is large. Even so, a further large increase is inevitable. […] A human population of approaching 8 billion [sic] can be maintained only by desolating the Earth. If wild habitat is given over to human cultivation and habitation, if rainforests can be turned into green deserts, if genetic engineering enables ever-higher yields to be extorted from the thinning soils – then humans will have created for themselves a new geological era, the Eremozoic, the Era of Solitude, in which little remains on the Earth but themselves and the prosthetic environment that keeps them alive. ** [[John Gray]], ''[[Straw Dogs (book)|Straw Dogs]]'' (2002), Chapter 1: "The Human" * The future is brutally simple to anticipate; all overshot species collapse, and we have – by [apparently] transcending time via the levering of fossil energy – levered our species’ overshoot more than any ever has (or, almost certainly, ever could). **Murray Grimwood, "[https://www.interest.co.nz/public-policy/128237/murray-grimwood-says-future-will-be-so-different-we-need-go-back-basics-and Wither science; whither education?]". ''Interest'' (15 June 2024) * Over the last century, billions have enjoyed better, fuller and more enriched lives than their ancestors could dream of—but when all the bills for that are paid who knows how the ledgers of the two enterprises will stand? ** Sumit Guha [https://journals.lww.com/coas/fulltext/2006/04030/the_retreat_of_the_elephants__an_environmental.9.aspx in his review of Mark Elvin's ''The Retreat of the Elephants''] (2006) * My growing environmental awareness only adds more fuel to the argument for having no children. And the logic of never-ending consumption does not just harm the environment, it kills people too. ** [[w:Xiaolu Guo|Xiaolu Guo]], ''Once Upon A Time in the East: A Story of Growing up'', Chatto & Windus, 2017, page 305 (ISBN 9781784740689). === H === * The skeleton of our primate ancestors developed for millions of years to support a creature that walked on all fours and had a relatively small head. Adjusting to an upright position was quite a challenge, especially when the scaffolding had to support an extra-large cranium. Humankind paid for its lofty vision and industrious hands with backaches and stiff necks.<br>Women paid extra. An upright gait required narrower hips, constricting the birth canal - and this just when babies’ heads were getting bigger and bigger. Death in childbirth became a major hazard for human females. Women who gave birth earlier, when the infants brain and head were still relatively small and supple, fared better and lived to have more children. Natural selection consequently favoured earlier births. And, indeed, compared to other animals, humans are born prematurely, when many of their vital systems are still underdeveloped. A colt can trot shortly after birth; a kitten leaves its mother to forage on its own when it is just a few weeks old. Human babies are helpless, dependent for many years on their elders for sustenance, protection and education.<br>This fact has contributed greatly both to humankind’s extraordinary social abilities and to its unique social problems. Lone mothers could hardly forage enough food for their offspring and themselves with needy children in tow. Raising children required constant help from other family members and neighbours. It takes a tribe to raise a human. Evolution thus favoured those capable of forming strong social ties. In addition, since humans are born underdeveloped, they can be educated and socialised to a far greater extent than any other animal. Most mammals emerge from the womb like glazed earthenware emerging from a kiln - any attempt at remoulding will scratch or break them. Humans emerge from the womb like molten glass from a furnace. They can be spun, stretched and shaped with a surprising degree of freedom. This is why today we can educate our children to become Christian or Buddhist, capitalist or socialist, warlike or peace-loving. ** Yuval Noah Harari, ''Sapiens'' (2014), Part I: "The Cognitive Revolution", Chapter 1: "An Animal of No Significance". * Rather than heralding a new era of easy living, the Agricultural Revolution left farmers with lives generally more difficult and less satisfying than those of foragers. Hunter-gatherers spent their time in more stimulating and varied ways, and were less in danger of starvation and disease. '''The Agricultural Revolution certainly enlarged the sum total of food at the disposal of humankind, but the extra food did not translate into a better diet or more leisure. Rather, it translated into population explosions and pampered elites.''' The average farmer worked harder than the average forager, and got a worse diet in return. The Agricultural Revolution was history’s biggest fraud. ** Yuval Noah Harari, ''Sapiens'' (2011), Part II: "The Agricultural Revolution", Chapter 5: "History's Biggest Fraud" * The last 500 years have witnessed a phenomenal and unprecedented growth in human power. In the year 1500, there were about 500 million Homo sapiens in the entire world. Today, there are 7 billion. The total value of goods and services produced by humankind in the year 1500 is estimated at $250 billion, in today’s dollars. Nowadays the value of a year of human production is close to $60 trillion. In 1500, humanity consumed about 13 trillion calories of energy per day. Today, we consume 1,500 trillion calories a day. (Take a second look at those figures — human population has increased fourteenfold, production 240-fold, and energy consumption 115-fold.) ** Yuval Noah Harari, ''Sapiens'' (2011), Part IV: "The Scientific Revolution", Chapter 14: "The Discovery of Ignorance". * Since the Industrial Revolution, the world's human population has burgeoned as never before. In 1700 the world was home to some 700 million humans. In 1800 there were 950 million of us. By 1900, we almost doubled our numbers to 1.6 billion. And by 2000, that quadrupled to 6 billion. Today [as of this writing] there are just shy of 7 billion Homo Sapiens. ** Yuval Noah Harari, ''Sapiens'' (2011), Part IV: "The Scientific Revolution", Chapter 18: "A Permanent Revolution". * Today [as of this writing], the earth's continents are home to almost 7 billion Sapiens. If you took all these people and put them on a large set of scales, their combined mass would be about 300 million tons. If you then took all our domesticated farmyard animals—cows, pigs, sheep, and chickens—and placed them on an even larger set of scales, their mass would amount to about 700 million tons. In contrast, the combined mass of all surviving large wild animals—from porcupines and penguins to elephants and whales—is less than 100 million tons. Our children’s books, our iconography, and our TV screens are still full of giraffes, wolves, and chimpanzees, but the real world has very few of them left. There are about 80,000 giraffes in the world, compared to 1.5 billion cattle; only 200,000 wolves, compared to 400 million domesticated dogs; only 250,000 chimpanzees—in contrast to billions of humans. Humankind really has taken over the world. ** Ibid. * Around 1990, we became the most numerous mammalian species on the planet, outnumbering even rats. ** [[Thom Hartmann]], ''The Last Hours of Ancient Sunlight'' (1999), p. 18 (ISBN 9780609805299) * All measures to thwart the degradation and destruction of our ecosystem will be useless if we do not cut population growth. By 2050, if we continue to reproduce at the current [but declining] rate, the planet will have between 8 billion and 10 billion people, according to a recent U.N. forecast. This is a 50 percent increase. And yet government-commissioned reviews, such as the Stern report in Britain, do not mention the word population. Books and documentaries that deal with the climate crisis, including [[আল গোর]]’s ''[[An Inconvenient Truth]]'', fail to discuss the danger of population growth. This omission is odd, given that a doubling in population, even if we cut back on the use of fossil fuels, shut down all our coal-burning power plants and build seas of wind turbines, will plunge us into an age of extinction and desolation unseen since the end of the Mesozoic era, 65 million years ago, when the dinosaurs disappeared. ** [[Chris Hedges]], "[https://www.truthdig.com/articles/we-are-breeding-ourselves-to-extinction/ We Are Breeding Ourselves to Extinction]", March 9, 2009. *We are experiencing an accelerated obliteration of the planet’s life forms — an estimated 8,760 species die off per year — because, simply put, there are too many people. Most of these extinctions are the direct result of the expanding need for energy, housing, food, and other resources. '''The Yangtze River dolphin, Atlantic gray whale, West African black rhino, Merriam's elk, California grizzly bear, silver trout, blue pike, dusky seaside sparrow are all victims of human overpopulation.''' Population growth, as [[E. O. Wilson]] says, is "the monster on the land." Species are vanishing at a rate of a hundred to a thousand times faster than they did before the arrival of humans. If the current rate of extinction continues, Homo sapiens will be one of the few life forms left on the planet, its members scrambling violently among themselves for water, food, fossil fuels, and perhaps air until they too disappear. Humanity, Wilson says, is leaving the Cenozoic, the age of mammals, and entering the Eremozoic — the era of solitude. As long as the Earth is viewed as the personal property of the human race, a belief embraced by everyone from born-again Christians to Marxists to free-market economists, we are destined to soon inhabit a biological wasteland. ** Ibid. * A world where 8 billion to 10 billion people are competing for diminishing resources will not be peaceful. The industrialized nations will, as we have done in Iraq, turn to their militaries to ensure a steady supply of fossil fuels, minerals and other nonrenewable resources in the vain effort to sustain a lifestyle that will, in the end, be unsustainable. The collapse of industrial farming, which is made possible only with cheap oil, will lead to an increase in famine, disease and starvation. And the reaction of those on the bottom will be the low-tech tactic of terrorism and war. Perhaps the chaos and bloodshed will be so massive that overpopulation will be solved through violence, but this is hardly a comfort. ** Ibid. * Our core ecological problem is not climate change. It is overshoot, of which global warming is a symptom. Overshoot is a systemic issue. Over the past century-and-a-half, enormous amounts of cheap energy from fossil fuels enabled the rapid growth of resource extraction, manufacturing, and consumption; and these in turn led to population increase, pollution, and loss of natural habitat and hence biodiversity. The human system expanded dramatically, overshooting Earth’s long-term carrying capacity for humans while upsetting the ecological systems we depend on for our survival. Until we understand and address this systemic imbalance, symptomatic treatment (doing what we can to reverse pollution dilemmas like climate change, trying to save threatened species, and hoping to feed a burgeoning population with genetically modified crops) will constitute an endlessly frustrating round of stopgap measures that are ultimately destined to fail. ** {{W|Richard Heinberg}}, "[https://www.ecowatch.com/climate-change-heinberg-2471869927.html Systemic Change Driven by Moral Awakening Is Our Only Hope]." ''EcoWatch'' (August 14, 2017). * During the last 200 years, per capita energy usage grew eight-fold, while human population expanded at about the same rate. As a result of energy growth, all the things we do with energy became more doable. Transportation, manufacturing, agriculture, and mining exploded in scale. Energy became so abundant that it seemed we could solve any human problem, now or in the future, just by throwing more energy at it. We even reconfigured our economic system so that it assumes and requires perpetual growth. But growth in fossil-fuel energy can’t continue much longer: depletion and climate change will see to that. And even if we make a wholehearted effort to switch to low-carbon energy sources, we face limits to nature’s supplies of materials with which to make solar panels, wind turbines, nuclear reactors, and batteries. The ways we’re currently trying to share and manage power are insufficient also because we have failed to understand power itself. Rather than accepting that power limits exist, then surveying them and adapting ourselves to them, we try to finesse or deny them. We respond to climate change by hoping for a renewable energy transition—without questioning the amounts of energy we use or what we do with it. We deal with economic inequality by establishing minimal safeguards for the poor—without examining the structural means by which some people enrich themselves to absurd degrees. ** Richard Heinberg, "[https://www.resilience.org/stories/2021-03-23/understanding-power/ Understanding Power]", ''Resilience'' (March 23, 2021). * Prior to the widespread use of coal, oil, and natural gas, agrarian societies saw cyclical periods of rise and fall. But the scale of expansion since the dawn of the fossil-fueled industrial revolution, beginning roughly at the start of the 19th century, has been unprecedented. Energy usage per capita has grown 800 percent, as has population. Meanwhile, the contours of society have been transformed: for the first time in human history, most people now live in cities. ** {{W|Richard Heinberg}}, "[https://www.postcarbon.org/the-end-of-growth-ten-years-after/ The End of Growth: Ten Years After]." {{W|Post Carbon Institute}} (December 7, 2021). *Fossil fuels enabled a dramatic expansion of energy usable by humanity, in turn enabling unprecedented growth in human population, economic activity, and material consumption. **Richard Heinberg, "[https://richardheinberg.com/museletter-353-deadly-optimism-useful-pessimism Deadly Optimism, Useful Pessimism]". Republished in ''[https://www.resilience.org/stories/2022-07-14/deadly-optimism-useful-pessimism/ Resilience]'' (July 14, 2022). *Global human population has doubled three times in the past 200 years, surging from 1 billion in 1820 to 2 billion in 1927, to 4 billion in 1974, to 8 billion today. Its highest rate of growth was in the 1960s, at over 2 percent per year; that rate is now down to 1.1 percent. If growth continues at the current rate, we’ll have about 18 billion people on Earth by the end of this century. All of this would be fine if we lived on a planet that was itself expanding, doubling its available quantities of minerals, forests, fisheries, and soil every quarter-century, and doubling its ability to absorb industrial wastes. But we don’t. It is essentially the same beautiful but finite planet that was spinning through space long before the origin of humans. **Richard Heinberg, "[https://richardheinberg.com/museletter-356-the-final-doubling The Final Doubling]". Republished in ''[https://www.resilience.org/stories/2022-11-03/the-final-doubling/ Resilience]'' (November 1, 2022). *Agriculture enabled population growth and social complexity, but it gradually robbed soils of nutrients. Sailing ships guided with clocks and navigational charts could increase the scope of trade, but building wooden ships (and making charcoal for forging steel) was leading to the deforestation of whole continents. A reckoning with limits seemed to be in store. Then a miracle happened. People who lived in some key centers of global trade started using fossil fuels—energy sources capable of delivering power in previously unimaginable and seemingly endless quantities. Coal, oil, and natural gas enabled the development of transport technologies (steamships, railroads, cars, trucks, and airplanes) that overcame prior limits to the speed of travel and trade, so that products and resources that were abundant in one place could be transported to places where they were scarce. Fossil fuels could be used to increase the rates of resource extraction via powered mining machinery, and to process lower grades of ores as more concentrated ores were depleted. They could be fashioned into plastics and chemicals to substitute for some natural materials that were getting scarce, such as hardwoods and whale oil. And they could be made into artificial fertilizers, which could replace soil nutrients lost due to unsustainable agricultural practices. All these developments together enabled population growth at rates that far outstripped historic trends: human numbers expanded from one billion to eight billion in a mere two centuries. We were, in effect, stretching existing constraints on population and consumption to the point that it was difficult for many people to see that boundaries still existed at all. **{{W|Richard Heinberg}}, "[https://richardheinberg.com/museletter-358-why-understanding-limits-is-the-key-to-humanitys-future Why Understanding Limits Is the Key to Humanity’s Future]". Republished in ''[https://www.resilience.org/stories/2023-01-19/why-understanding-limits-is-the-key-to-humanitys-future/ Resilience]'' (19 January 2023). *As we’ve grown our population and our per capita consumption rates, we’ve been taking habitat away from other organisms. As a result, nature is in full retreat. Vertebrate and invertebrate animal species have suffered average population declines of 70 percent in the past 50 years, and thousands of plant species are endangered as well. **{{W|Richard Heinberg}}, "[https://richardheinberg.com/museletter-358-why-understanding-limits-is-the-key-to-humanitys-future Why Understanding Limits Is the Key to Humanity’s Future]". Republished in ''[https://www.resilience.org/stories/2023-01-19/why-understanding-limits-is-the-key-to-humanitys-future/ Resilience]'' (19 January 2023). *For a population of field mice in overshoot, the critical resource might consist of small plants whose unusually robust growth has been triggered by high levels of rainfall. For humanity currently, the critical resource is fossil energy. Temporary energy abundance has led to many good things (for some of us, anyway): more food, more people, more commercial products, more knowledge, more comfort, and more convenience. But we are about to become victims of our own success. **{{W|Richard Heinberg}}, "[https://richardheinberg.com/museletter-358-why-understanding-limits-is-the-key-to-humanitys-future Why Understanding Limits Is the Key to Humanity’s Future]". Republished in ''[https://www.resilience.org/stories/2023-01-19/why-understanding-limits-is-the-key-to-humanitys-future/ Resilience]'' (19 January 2023). *It’s sad when loved ones die, and few of us look forward to our own demise; hence the perennial quest for an elixir of eternal life, or at least a cure for cancer. But if nobody died, the planet would quickly fill with humans and empty of all the things that feed and provision us. Death clears space for new life; it is the non-negotiable price of admission to the great banquet of existence. ** {{W|Richard Heinberg}}, "[https://richardheinberg.com/museletter-358-why-understanding-limits-is-the-key-to-humanitys-future Why Understanding Limits Is the Key to Humanity’s Future]". Republished in ''[https://www.resilience.org/stories/2023-01-19/why-understanding-limits-is-the-key-to-humanitys-future/ Resilience]'' (19 January 2023). *The past few thousand years of human history have already seen several critical accelerators. The creation of the first monetary systems roughly 5,000 years ago enabled a rapid expansion of trade that ultimately culminated in our globalized financial system. Metal weapons made warfare deadlier, leading to the takeover of less-well-armed human societies by kingdoms and empires with metallurgy. Communication tools (including writing, the alphabet, the printing press, radio, television, the internet, and social media) amplified the power of some people to influence the minds of others. And, in the past century or two, the adoption of fossil fuels facilitated resource extraction, manufacturing, food production, and transportation, enabling rapid economic expansion and population growth. Of those four past accelerators, our adoption of fossil fuels was the most potent and problematic. In just two centuries, energy usage per capita has increased eightfold, as has the size of the human population. The period since 1950, which has seen a dramatic increase in the global reliance on petroleum, has also seen the fastest economic and population growth in all of human history. Indeed, historians call it the “Great Acceleration.” Neoliberal economists hail the Great Acceleration as a success story, but its bills are just starting to come due. Industrial agriculture is destroying Earth’s topsoil at a rate of tens of billions of tons per year. Wild nature is in retreat, with animal species having lost, on average, 70 percent of their numbers in the past half-century. And we’re altering the planetary climate in ways that will have catastrophic repercussions for future generations. It’s hard to avoid the conclusion that the whole human enterprise has grown too big, and that it is turning nature (“resources”) into waste and pollution far too quickly to sustain itself. The evidence suggests we need to slow down, and, in some cases at least, reverse course by reducing population, consumption, and waste. **Richard Heinberg, "[https://richardheinberg.com/museletter-363-polycrisis-unraveling-simplification-or-collapse Polycrisis, Unraveling, Simplification, or Collapse]". Republished in ''[https://www.resilience.org/stories/2023-06-15/polycrisis-unraveling-simplification-or-collapse-coming-soon-to-a-planet-near-you/ Resilience]'' (June 15, 2023). *Depleting and climate-changing coal, oil, and natural gas have brought about dramatic human population growth, along with immense profits and unprecedented wealth (for the few). But all of these presumed and probably transitory benefits have been based on depleting natural resources, and on processes that are perilously changing the climate and degrading ecosystems across the planet. Every time we pick up a gasoline-powered machine we are viscerally linked to that chain of ersatz benefits and spiraling impacts. **Richard Heinberg, "[https://richardheinberg.com/museletter-368-the-gasoline-powered-leaf-blower-as-a-metaphor-for-industrial-society The Gasoline-Powered Leaf Blower as a Metaphor for Industrial Society]", republished in ''[https://www.resilience.org/stories/2023-11-01/the-gasoline-powered-leaf-blower-as-a-metaphor-for-industrial-society Resilience]'' (November 1, 2023). *Of course, we also have to think about the role of population going forward. The more the global population grows, the more difficult this challenge will be. As we approach this question, it's crucial—as always—that we focus on underlying structural drivers. Many women around the world do not have control over their bodies and the number of children they have. Even in liberal nations, women come under heavy social pressure to reproduce, often to the point where those who choose to have fewer or no children are interrogated and stigmatised. Poverty exacerbates these problems... And of course capitalism itself creates pressures for population growth: more people means more labour, cheaper labour, and more consumers. These pressures filter into our culture, and even into national policy: countries like France and Japan are offering incentives to get women to have more children, to keep their economies growing. **[[Jason Hickel]], ''Less is More: How Degrowth Will Save the World'', 2021, pp. 110-111 * No one lives within a day’s walk of a coal mine, an iron ore source, and a smelter that can operate without a source of electricity, plus food. The old smelters didn’t use electricity to drive the huge motors moving heavy hot metal and slag around. The first smelters were close to coal and iron ore sources, but we used them up; they no longer exist close to each other.<br>In the year 1500, we had a world population of around 450 million and grew massively over the next 250 years to the start of the industrial revolution by increasingly using the resources of the ‘new world’. We’ve been on an upward trajectory ever since, especially since around 1800 when fossil energy came into use.<br>People just don’t understand our extreme (and still growing) overpopulation problem given the imminent decline of oil, and especially diesel. Assuming “we’ll downsize this” or “relocalize that” ignores the fact that once oil supply shifts to contraction, the declines will be permanent year after year, and with diesel shortages the ability to build anything new all but disappears.<br>It will be a sad sight with suffering everywhere and increasing year after year. Survivors will have to be hard people, protecting and providing for their own, at the exclusion of others.<br>Everyone should look around their home and imagine it without the oil used to produce and deliver everything in it, because that’s the world of the future, with old decaying cold buildings and no food in cities. ** Hideaway (pseudonym for Helen Hasan), "[https://un-denial.com/2024/09/14/by-kira-hideaway-on-relocalization/ On Relocalization]". ''Un-Denial'', September 14, 2024. * Using all available resources to expand its population is what every species that’s ever existed has always done until some limit is reached. Consider a mouse plague, enabled by human agricultural practices, with its huge population until the next frost or the grain is eaten, then a massive die-off in a short time. ** Ibid. * We have over 8 billion humans on the planet, and 99.99% of them have no idea modernity is going to end abruptly, and when it does so will destroy the plans of the [few who] did see it coming and tried to prepare in some way. ** Ibid. * One might think Humanity’s success is guaranteed, except for a few things: First, the increasing scarcity of oil, coal, and natural gas suddenly threatens to remove the punch bowl from which Humanity has been feeding. Second, the carrying capacity of the Earth is far less than 8 billion humans unless we continue to supplement with increasingly scarce resources. And, last, our centuries-long party has now broken the Earth in ways Humanity cannot repair. ** Preston Howard, "[https://un-denial.com/2023/09/28/by-preston-howard-the-maximum-power-principle-and-why-it-underscores-the-certainty-of-human-extinction-in-the-near-future/ The Maximum Power Principle and Why It Underscores the Certainty of Human Extinction in the Near Future]." ''Un-Denial'' (September 28, 2023) * Is the proxy war in Ukraine turning out to be only a lead-up to something larger, involving world famine and a foreign-exchange crisis for food- and oil-deficit countries?<BR>U.S. Cold War strategy is not alone in thinking how to benefit from provoking a famine, oil and balance-of-payments crisis. [[w:Klaus Schwab|Klaus Schwab]]’s World Economic Forum worries that the world is overpopulated—at least with the “wrong kind” of people. '''As Microsoft philanthropist... Bill Gates has explained: “Population growth in Africa is a challenge.” His lobbying foundation’s 2018 “Goalkeepers” report warned: “According to U.N. data, Africa is expected to account for more than half of the world’s population growth between 2015 and 2050. Its population is projected to double by 2050,”''' with “more than 40 percent of world’s extremely poor people... in just two countries: Democratic Republic of the Congo and Nigeria.” Gates advocates cutting this projected population increase by 30 percent by improving access to birth control and expanding education to “enable more girls and women to stay in school longer, have children later.” But how can that be afforded with this summer’s looming food and oil squeeze on government budgets? ** [[Michael Hudson (economist)|Michael Hudson]], [https://michael-hudson.com/2022/06/is-us-nato-with-wef-help-pushing-for-a-global-south-famine/ Is US/NATO (with WEF help) pushing for a Global South famine?] (6 June 2022) === K === * Perhaps the most ambiguous of these [technological] achievements [of the [[Industrial Revolution|industrial age]]] is the one that began in mid-nineteenth century with improvements in public health, vaccinations, and antibiotics. These methods of death control emerged too rapidly to be offset by methods of birth control and populations exploded. Again, who can speak against this from within the old paradigm? In fact, it is only from the newer ecological paradigm that we are able to recognize that all this marvelous technology has... likely led the human population to overshoot the carrying capacity of the earth. Even from this perspective many of us would... want to save lives now in hopes that somehow there will be enough resources for those who come after us. In less complex animal populations, an overshoot leads to a crash, or die-off. Can humans somehow circumvent this conclusion without relying on further damaging drawdown strategies? … a basic change in our technologies, and acceptance of a steady state in economics reinforced by a compatible spiritual orientation, may at least mitigate human suffering and loss. ** Maynard Kaufman, ''Adapting to the end of oil'', 2008, p. 29. * Unlike plagues of the dark ages or contemporary diseases we do not yet understand, the modern plague of overpopulation is soluble by means we have discovered and with resources we possess. What is lacking is not sufficient knowledge of the solution but universal consciousness of the gravity of the problem and education of the billions who are its victims. ** [[মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র]], acceptance speech, Margaret Sanger award in human rights 1966; Lamont Hempil ''Sustainable communities''. * We have learned a lot in the 50 years since "{{W|The Population Bomb}}" was published. We should not shy away from discussing what actions are ethically permissible to facilitate a stable level of population growth, nor should we leave this discussion in the hands of the affluent. The conversation about ethics, population, and reproduction needs to shift from the perspective of white donor countries to the places and people most affected by poverty, climate change and environmental degradation. ** {{W|Frances Kissling}}, Jotham Musinguzi and [[Peter Singer]], "[https://www.washingtonpost.com/opinions/talking-about-overpopulation-is-still-taboo-that-has-to-change/2018/06/18/ca7c1838-6e6f-11e8-afd5-778aca903bbe_story.html Talking about overpopulation is still taboo. That has to change]". ''{{W|The Washington Post}}''. June 18, 2018. * All we can say now is, that, even now, 600 persons could easily live on a square mile; and that … 1,000 human beings—not idlers—living on 1,000 acres could easily, without … overwork, obtain … a luxurious vegetable and animal food, as well as the flax, wool, silk and hides necessary for their clothing. As to what may be obtained under still more perfect methods—also known but not yet tested on a large scale—is better to abstain from any forecast: so unexpected are the recent achievements of intensive culture. We thus see that the over-population fallacy does not stand the very first attempt at submitting it to a closer examination. ** [[Peter Kropotkin]], ''[[Peter Kropotkin#Fields, Factories and Workshops_(1899)|Fields, Factories and Workshops]]'' (1899) * It has been estimated that the world human population stood at about one billion around the early 1800s, which was roughly about when the industrial adventure began to gain traction. It has been inferred from this that a billion people is about the limit that the planet Earth can support when it is run on a nonindustrial basis. World population is now past six and a half billion, having more than doubled since my childhood in the 1950s. The mid-twentieth century was a time of rising anxiety over the “population explosion.” The marvelous technological victory over food shortages, including the “green revolution” in crop yields, accelerated that already robust leap in world population that had begun with modernity. Dramatic improvements in sanitation and medicine extended lives. Industry sopped up expanding populations and reassigned them from rural lands to work in the burgeoning cities. The perceived ability of the world to accommodate these newcomers and latecomers in a wholly new disposition of social and economic arrangements seemed [to] be the final nail in the coffin of [[Thomas Robert Malthus]]… ** [[James Howard Kunstler|James H. Kunstler]], ''{{W|The Long Emergency}}'', Chapter 1: "Sleepwalking into the future", pp. 5–6. * Malthus was certainly correct [that demand will outstrip supply], but... [hydrocarbons] ...skewed the [supply-demand] equation over the past [two] hundred years while the human race has enjoyed an unprecedented orgy of [a fraction of] nonrenewable condensed solar energy accumulated over eons of prehistory. The “green revolution” in boosting crop yields was minimally about scientific innovation in crop genetics and mostly about dumping massive amounts of fertilizers and pesticides made... of ...[petroleum] onto crops, as well as employing irrigation at a fantastic scale made possible by abundant oil and gas. The cheap oil age created an artificial bubble of plen[t]itude for a period not much longer than a human lifetime, a hundred years. Within that comfortable bubble, the idea took hold that only grouches, spoilsports, and godless maniacs considered population hypergrowth a problem [with a direct solution], and that to even raise the issue was indecent. ...As oil ceases to be cheap and the world reserves arc toward depletion, we will indeed suddenly be left with an enormous surplus population... that the ecology of the earth will not support. No political program of birth control will avail. The people are already here. The journey back to non-oil population homeostasis will not be pretty. '''We will discover the hard way that population hypergrowth was simply a side effect of the oil age.''' It was [more of] a condition [without a remedy], not a problem with a [direct] solution. That is what happened, and we are stuck with it. ** Ibid., p. 8. * '''Cheap oil had allowed populations to explode in precisely those parts of the world that had had, for millennia, a high infant mortality rate and modest life expectancy.''' Cheap oil was behind the "green revolution" that increased the food supply in the nonindustrial world. Oil was also behind many of the medicines and preventives that had neutralized… diseases. Now, suddenly, most of those children… survived, grew up, and produced more children who survived and grew up, and over… the twentieth century, the global populations hurtled into extreme numerical overshoot. Populations were, in effect, eating oil, notably in [the form of] food exports from the United States, where agribusiness had completely taken over from agriculture. Local farmers in Africa, Asia, or South America couldn’t compete with corporate Archer Daniels Midland’s oil-and-gas-based grain crops and U.S. government subsidies. ** James H. Kunstler, ''The Long Emergency'' (2005), Chapter 6: "Running on fumes : the hallucinated economy" pp. 187–188. * Peak human population will surely lag … peak oil and peak mineral resources until these conditions express themselves as food shortages. This means that the human population will continue to rise for a while, even as we begin to encounter these … strict resource limits. It’s not possible to estimate how much the population will increase because the relationship between energy and mineral resources and food production is a very fragile equation, subject to any number of discontinuities. To these, add the complications of weather disasters arising from climate change, including drought, the spread of plant diseases, and so forth. This lagging further rise in [the] human population will only make the inevitable contraction more acute once food shortages begin. [Overpopulation] amounts to a human population overshoot … to the planet Earth’s ecology. We're putting a strain on everything the earth has to offer us. While the combination of peak stuff and [too many] billion humans is forcing the issue, ...the truth is that '''circumstances will now determine what happens, not policies or personalities.''' … Population overshoot is therefore unlikely to yield to management. Rather, the usual suspects will enter the scene and do their thing: starvation, disease, … violence … [and] death. ** James H. Kunstler, ''Too Much Magic'', Chapter 1: "Where We're At", p. 10. === L === *Fossil fuels’ biggest impact on the agricultural sector stems from the use of natural gas in industrial fertilizer production. Industrial fertilizer was first mass-produced in 1914 using what came to be known as the {{W|Haber-Bosch process}}. This invention enabled the {{W|Green Revolution}}, a boom in agricultural production that took place in the latter half of the 20th century, starting in Mexico and India. From 1961 to 2010, cereal yields per acre increased by 217 percent in Mexico and 183 percent in India. It is no coincidence that the human population has more than quadrupled since 1920.<br>We often attribute the Green Revolution to the spread of high-yielding crop varieties. Yet these varieties typically require industrial fertilizer application. The Haber-Bosch method, combined with mechanization and pesticides derived from fossil fuels, [has] represented a massive and unsustainable injection of fossil fuels into our food system. Today, the production of one food calorie in the United States requires 2.7 fossil fuel calories. **Helene Langlamet and Alix Underwood. “[https://steadystate.org/a-trophic-perspective-on-fossil-fuels/ A Trophic Perspective on Fossil Fuels].” Center for the Advancement of the Steady State Economy, August 1, 2024. * Driven by the Anthropocene engine, human population has grown exponentially, and individual societies have approached collapse multiple times over the past 8,000 years. The disappearance of the Easter Island civilization and the collapse of the Mayan empire, for example, have been linked to the depletion of environmental resources as populations rose. The dramatic decline of the European population during the Black Death in the 1300s was a direct consequence of crowded and unsanitary living conditions that facilitated the spread of Yersenia pestis, or plague. ** Manfred Laubichler, [https://theconversation.com/8-billion-humans-how-population-growth-and-climate-change-are-connected-as-the-anthropocene-engine-transforms-the-planet-193075 8 billion humans: How population growth and climate change are connected as the ‘Anthropocene engine’ transforms the planet]. ''{{W|The Conversation (website)|The Conversation}}'', November 3, 2022. * In the 20th century we decisively broke our dependence on energy systems that were fed by the wind and sun and which we supplemented with human and animal muscle power. That leap was made possible by innovations that allowed us to extract, pump, use, and transform raw materials, particularly to unlock energy stored in coal and oil to make chemicals and plastics. That in turn allowed a massive expansion in population, lifespans, and economic growth. The rise of industrial capitalism from 1851 to 1971 went hand in hand with a surge in population, mainly in cities, provided with better food and public health. ** Charles Leadbeater, ''The Frugal Innovator'' (2014), p. 36. * On a global level, there is no threat to human survival greater than that posed by world overpopulation—paradoxical though that may seem—and it is abundantly clear that consensus decision making is ineffective for dealing with that. Some kind of “solution” is nonetheless unavoidable, and is certain to be ugly. To say that there is no visible world leadership on that transcendental question is to understate the case. Optimists on the population problem don’t measure progress in terms of a decrease in population, or even a decrease in the rate of increase, but in terms of a decrease in the rate of increase of the rate of increase. ** [[Harold Lewis]], ''Why Flip a Coin?'' (1997), <small> {{আইএসবিএন|0-471-16597-2}}, </small> pp. 98-99 * The human population will continue to increase until it can’t. When it can no longer increase, it will crash. Our extreme efforts to focus our minds elsewhere are symptoms of a desperate attempt to find solid footing, to believe in a future that will not vanish. Mankind has had a storied existence on Earth. Our thirst for knowledge and innovation has provided comfort and security. However, it is becoming increasingly evident that our remarkable progress has become our worst enemy. We know our planet is finite. Images of Earth from space make it plain for all to see. However, people routinely ignore this verifiable certainty in all aspects of their lives, treating the world as [if it were] infinite. Modern-day human activities are not only wiping out ecosystems and biodiversity but [also] plundering the clean air, water, and topsoil that helped bring about our tenure on the planet. Entire ecosystems have vanished, including the tallgrass prairie in North America, Madagascar’s rainforests, and the Aral Sea in Asia. '''We use Earth’s natural resources like a bunch of drunks on the greatest bender of all time.''' Human consumption is negatively modifying the planet and permanently damaging the biological systems upon which our continued existence depends. The deterioration of our ecosphere has been exponentially accelerating for at least 100,000 years. As technological advances improve our lives, humanity becomes increasingly detached from its environment and the natural resources allowing us to persist. People now have a much closer affinity with iPhones, Amazon, online shopping, restaurants and bars, Netflix, beauty salons, and sporting events than forests, grasslands, marshes, and oceans. Few now understand our existence on Earth is entirely dependent upon photosynthesis. Instead, they believe their survival is contingent on parents, doctors, farmers, governments, bankers, police, and other players in society. It’s not that those institutions, people, and specialties aren’t important, but they represent the retailers. Photosynthesis is the wholesaler. There is a supply chain disruption occurring on a massive scale in our relationship with the planet. The ancient forests and grasslands that provided the planet with free oxygen in the air and sequestered carbon dioxide, making it habitable for humans and other complex life, are nearly gone. For most people, the natural resources that support their existence and lifestyle might as well be from a distant galaxy. This extreme disconnect has resulted in people losing their capacity to understand the dire circumstances facing complex organisms on Earth, including themselves. The deafening alarm bells portending our extinction are routinely misunderstood or ignored. For those who perceive our state of crisis, there is a great deal of angst. Much of the frustration, anger, and sadness results from having unrealistic expectations of human beings. Despite our advanced technologies, the basic tenets of human behavior haven’t changed for centuries or millennia. Letting go of the false expectations that Homo sapiens can or will modify our behavior can bring us an element of peace. Expectations are incredibly powerful in structuring our moods and emotions. Identifying unrealistic expectations can reduce our chances of being disappointed and can increase happiness. A better understanding of our behavioral history can provide valuable insights into recognizing human capabilities and limitations. ** Lyle Lewis, ''Racing to Extinction'' (2024) * … as our population has grown, humans have been liquidating the planet’s natural resources for thousands of years. The effects of our current population on forests, grasslands, biodiversity, clean air, and water are catastrophic. Zero population growth means the planet would still be trying to support the current population, over 8 billion people. Humanity can no longer pay even the interest. We’ve already spent much of the planet’s clean air, water, and biodiversity with no mechanism for repayment. Zero population growth isn’t going to happen. We can’t curb our evolutionarily programmed need to grow and reproduce any more than we can stop the sun from rising. Like all populations of organisms on the planet, the number of humans will continue to increase until it’s no longer possible. When that day happens, Earth will be a truly inhospitable place. ** Lyle Lewis, ''Racing to Extinction: Why Humanity Will Soon Vanish'' (2024), Chapter 5. * In 1968, with the release of their book ''The Population Bomb'', [[Paul R. Ehrlich|Paul]] and Anne Ehrlich were among the first to identify the most significant factor that will precipitate the collapse of humanity. Their book inspired an environmentalist fad in the 1970s. The premise for the book was gradually rationalized away by most as the work of lunatics. It was listed by the Intercollegiate Review as one of the 50 worst books of the 20th century. In the Human Events list of the “Ten Most Harmful Books of the Nineteenth and Twentieth Centuries,” it garnered an 11th-place honorable mention. Since that time, the global population has more than doubled. During those five decades, humanity has identified six types of quarks, developed the modern internet, eradicated smallpox, decoded the human genome, and developed vaccines for Ebola and COVID-19. Despite all our new technologies and discoveries, the most basic concept of rapid human growth inside a finite system—our planet—leading to collapse is a concept too difficult for our greatest minds to reconcile. Humanity’s carefully calibrated psychological filters go into overdrive to prevent this simple mathematical postulate from entering our psyche. As seemingly prescient as the Ehrlichs were, our collision course with extinction was preordained long before their book was published in 1968. ** Lyle Lewis, ''Racing to Extinction: Why Humanity Will Soon Vanish'' (2024), Chapter 9. * Population growth vanished from the agendas of mainstream environmental organizations that previously regarded escalating numbers as a major environmental threat. These groups were primarily shackled by their fear of alienating donors, ultimately selling their purpose and integrity for money. Criticism from progressive and conservative interests claiming that overpopulation is a myth further incentivized these groups to pretend the rising global population wasn’t a factor in planetary degradation. ** Lyle Lewis, ''Racing to Extinction: Why Humanity Will Soon Vanish'' (2024), Chapter 9. * Those who defend the belief that overpopulation isn’t at the core of every environmental problem are not unique. Every myth presents itself as an authoritative, factual account, no matter how much the topic varies from natural law or ordinary experience. There is a long, bloody history of ''Homo sapiens'' defending myths against those who might either question their veracity or have a competing myth. It has resulted in the deaths of millions of people [and other animals] since the dawn of the Agricultural Revolution. As a result of ignoring the obvious reality, newborns are effectively positioned as moneymaking machines. The former prime minister of Japan suggested that women who bore no children should be barred from receiving pensions. In most countries, those who choose not to have children are required to pay for those who do through taxes. In this campaign for more babies, childbearing is reduced to a means for economic growth. Even though overpopulation, natural resource extraction, and environmental degradation are clearly linked, the needs of the economic market trump the needs of the planet. Children are nothing more than moneymakers in the eyes of politicians, forever blind to the moral, environmental, or humanitarian consequences of their policies. Market thinking has obliterated moral thinking on a grand scale. After all, if the West doesn’t produce more children, it can’t produce the wealth needed to look after parents when they retire. No social animal is ever guided by the interests of the entire species to which it belongs. No pika cares about the interests of the pika species; no northern spotted owl will lift a feather for the global northern spotted owl community; no wolf alpha male makes a bid for becoming the king of all wolves. Likewise, few humans care about the interests of ''Homo sapiens''. People only care about themselves and those who directly affect their lives. ** Lyle Lewis, ''Racing to Extinction: Why Humanity Will Soon Vanish'' (2024), Chapter 9. * Humanity has moved past the point where future generations are an issue. If there are any, they will be few in number. Ignoring the inevitable is something all species do. Humans are no different than bacteria in a Petri dish or a mountain pine beetle in a climate-stressed lodgepole pine forest. All available resources are utilized to grow and reproduce until the inevitable collapse. We’re traveling down the same path as all species that have gone through exponential increases. The only difference is ''Homo sapiens'' is doing it on a grander scale. The Herculean ability to ignore the greatest threat to our existence would be comical if not for the rapidly approaching consequential conclusion to our existence. ** Lyle Lewis, ''Racing to Extinction: Why Humanity Will Soon Vanish'' (2024), Chapter 9. * Economic and political instability will continue to increase as food and water supplies are impacted in more areas on the planet by pollution, drought, flooding, and other extreme weather events. However, while the focus is almost entirely on the supply side of the economic equation, the demand side may be the bigger issue. The planet is currently adding an additional 80 million mouths to feed each year, 4.5 times more people than the entire population of Syria. As the chasm between uncertain supplies and increasing demand widens, the social and biological implications for humanity are both unpredictable and alarming. ** Lyle Lewis, ''Racing to Extinction: Why Humanity Will Soon Vanish'' (2024), Chapter 9. * Many people, including environmentalists, often avoid linking the multitude of environmental problems to overpopulation. Some believe that a global shift to veganism could support the current population and more. Others attribute the crisis to various factors [that] are frequently cited as primary contributors to the ongoing environmental crisis, overshadowing the impact of population growth. ** Lyle Lewis, "The Locust Theory" (November 16, 2024) * [There's an] excessive number of humans who [want to] live a lifestyle that promotes equality, along with [others] being minimalist and/or vegan... [and] similar overpopulation by other organisms is considered a plague. ** Ibid. * Our emphasis [on] science has resulted in alarming rises in world populations that demand an ever-increasing emphasis [on] science to improve their standards and maintain their vigor. ** [[Charles Lindbergh]], ''The Wisdom of Wilderness'', ''{{W|Life (magazine)|LIFE}}'', December 22, 1967. * It is still the case that the worst enemies of life are, on the one hand, an excess of life (human life, in particular) and, on the other, the legislation and structure of societies based on {{W|market economy}}. The sturdier a society, the more peaceful it is; the more efficient {{W|economic growth}} (i.e., the ransacking of natural resources), the quicker {{W|Biodiversity loss|other forms of life will step aside}}. Everything that upsets the established order of society, causing chaos and panic, gives time to nature and, ultimately, humans too. ** [[Pentti Linkola]], ''Can Life Prevail?: A Revolutionary Approach to the Environmental Crisis.'' p. 166 === M === * Population, when unchecked, increases in a geometrical ratio, Subsistence, increases only in an arithmetical ratio. ** [[Thomas Robert Malthus]], ''An Essay on the Principle of Population'' (1798), Chapter I, paragraph 18, lines 1-2 * The power of population is so superior to the power in the earth to produce subsistence for man, that premature death must in some shape or other visit the human race. **Thomas Robert Malthus, ''An Essay on the Principle of Population'' (1798), Chapter VII, paragraph 20, lines 2-4 * What has caused the recent super-exponential rise in world population? Before the industrial revolution both fertility and mortality were comparatively high and irregular. The birth rate generally exceeded the death rate only slightly, and population grew exponentially, but at a very slow and uneven rate. In 1650 the average lifetime of most populations in the world was only about 30 years. Since then, [hu]mankind has developed many practices that have had profound effects on the population growth system, especially on mortality rates. With the spread of modern medicine, public health techniques, and new methods of growing and distributing foods, death rates have fallen around the world. […] On a world average the gain around the positive feedback loop (fertility) has decreased only slightly while the gain around the negative feedback loop (mortality) is decreasing. The result is an increasing dominance of the positive feedback loop and the sharp exponential rise in population […]. **Dennis Meadows et al. ''The Limits to Growth'' (1972), Chapter 1: "The Nature of Exponential Growth." * H. sapiens took around 250,000 years to reach a global population of 1 billion in 1820, and just over 200 years to go from 1 billion to 8 billion. This was largely made possible by our species’ access to cheap, easy, exosomatic energy, mainly fossil fuels. Fossil fuels enabled us to reduce negative feedback (e.g. food shortages) and thus delay and evade the consequences of surpassing natural limits. In that same 200 year period, fossil energy (FF) use increased 1300-fold, fueling a 100-fold increase in real gross world product, i.e. consumption, and the human enterprise is still expanding exponentially. ** Joseph J. Merz et al., "[https://journals.sagepub.com/doi/10.1177/00368504231201372 World scientists’ warning: The behavioural crisis driving ecological overshoot]". ''Science Progress'' Volume 106, No. 3 (2023) * There is no way we could keep going as we have been. The increase in human population in the 1990s has exceeded the total population in 1600. The population has grown more since 1950 than it did during the previous four million years. The reasons for our recent rapid growth are pretty clear. Although the Industrial Revolution speeded historical growth rates considerably, it was really the public health revolution, and its spread to the Third World at the end of the Second World War, that set us galloping. Vaccines and antibiotics came all at once, and right behind came population. In Sri Lanka in the late 1940s life expectancy was rising at least a year every twelve months. How much difference did this make? Consider the United States: if people died throughout this century at the same rate as they did at its beginning, America's population would be 140 million, not 270 million. ** [[Bill McKibben]], "[https://www.theatlantic.com/magazine/archive/1998/05/a-special-moment-in-history/377106/ A Special Moment in History]", ''The Atlantic'', May 1998. * The Earth's population is plagued by famines, energy shortages, epidemics, environmental pollution, degeneration, terrorism, dictatorship, anarchism, slavery, excessive increase of waste materials, racial hatred, food shortages, destruction of rain forests, the "greenhouse effect", pollution of lakes, streams and oceans, hatred towards asylum-seekers; radioactive emissions, chemical pollution of water, air, plants, food, human beings and animals. Crime, murder, mass murders, manslaughter; alcoholism, hatred of strangers, oppression, hatred of one's fellowman, extremism, sectarianism, drug addiction, overpopulation, annihilation of animal species, war, violence, torture and capital punishment, general mismanagement, water contamination, eradication of plant species; hatred, vice, jealousy, lovelessness, lack of logic, false humanitarianism, lack of housing, increased traffic, destruction of arable land, unemployment, the collapse of health care, the collapse of care for the elderly, destruction of nature, the collapse of solid waste removal, and the lack of living space, among others. In spite of the many efforts, '''mankind's problems are not decreasing but, instead, continue to rise steadily in direct proportion to population increases.''' ** {{W|Eduard Albert Meier}}, "[http://www.futureofmankind.co.uk/Billy_Meier/Overpopulation_Crusade A Crusade Against Overpopulation]," on ''futureofmankind.co.uk.'' * … technology use harnesses far more energy and materials than we could ever manage without it, and while doing so may make our lives much easier and more comfortable, it comes at the cost of increasing ecological overshoot. As we increase overshoot, we concomitantly increase all the symptom predicaments that overshoot causes. Technology use also has another nasty side effect. It reduces and/or eliminates negative feedbacks which once kept our numbers in check. Many diseases we once suffered from like smallpox, measles, whooping cough, tetanus, etc. have been temporarily eliminated by the technological development of vaccines. Our medical industry has also wiped out many other diseases through proper sanitation, use of antiseptics, anesthetics (allowing surgeries to correct most internal ailments), antibiotics, antifungals, and antivirals to kill or prevent many diseases, and many other innovations that allow us to live better, more comfortable lives. The development of indoor plumbing, electrical systems, heating and air conditioning systems, insulation, refrigerators and freezers, and cooking devices all allow us to accomplish daily tasks either much easier or provide more comfort to us by regulating temperature and humidity levels in our living spaces. Therefore, technology use reduces or removes negative feedback thereby promoting population growth which also promotes technology growth. However, in terms of reducing overshoot (and symptom predicaments such as climate change, energy and resource decline, pollution loading, and biodiversity decline), technology use is '''''maladaptive'''''. This will become painfully clear as time moves forward when more or different technology does not actually solve overshoot. [[Population decline]] is what will actually work to reduce overshoot, caused by the failure of our agricultural systems, increased disease caused by antimicrobial resistance and new viruses emerging, and increased failures of infrastructural systems caused by extreme weather events. Reduced technology use will be facilitated by this mechanism, and ALL species wind up experiencing die-off whether they use technology or not. ** Erik Michaels, "[https://problemspredicamentsandtechnology.blogspot.com/2023/07/how-did-we-get-here.html How Did We Get Here?]" (July 19, 2023). * Most non-domesticated life on earth is in decline and about 200 species a day are going extinct due to a wide range of environmental problems. Many humans are at risk of being harmed or killed by related problems this century.<br>All of the many problems are caused by the same thing: humans have used non-renewable energy to explode their population from 1 billion to 7 billion in 100 years, and now consume so large a share of the earth’s resources that almost all non-domesticated species are in decline. ** Rob Mielcarski, "[https://un-denial.com/2016/03/25/overpopulation-denial/ Overpopulation Denial]." ''Un-Denial'' (March 25, 2016). * We’re in serious trouble. Many red lights are flashing on the dashboard.<br>Most people are now aware that something is seriously wrong, and each has their favorite lens through which to view the problems… The common denominator to all of these problems is overshoot. Very few people are able to see through the lens of overshoot because overshoot is a very unpleasant topic with no painless solutions and no way to avoid its consequences, and because humans evolved to deny unpleasant realities like overshoot. ** Rob Mielcarski, "[https://un-denial.com/2025/06/06/what-should-can-could-will-we-do/ What… Will We Do?]." ''Un-Denial'' (June 6, 2025). * Human numbers are rising at roughly 1.2% a year, while {{W|livestock}} numbers are rising at around 2.4% a year. By 2050 the world’s living systems will have to support about 120m tonnes of extra humans and 400m tonnes of extra farm animals. ** [[George Monbiot]], "[https://www.theguardian.com/commentisfree/2015/nov/19/population-crisis-farm-animals-laying-waste-to-planet There’s a population crisis all right. But probably not the one you think]". ''The Guardian''. November 19, 2015. * [[ফ্রান্সিস বেকন|Bacon]]ian science is at the root of the apocalypse. We have been blessed by advances in medicine, agriculture and engineering. Science has done exactly what we asked of it and now we are set for annihilation. If European science had petered out after the discoveries of the seventeenth century, we would be less numerous and [the] Earth would not be [[global warming|warming]]. ** Nicholas Money. ''The Selfish Ape'' (2019), Chapter 9: "Greenhouse" * This moment is special because we have dramatically built up our population, technology, science, medicine, and democratic institutions as a direct result of vast amounts of surplus energy stemming from a one-time resource. The fossil fuel experience has made us '''dangerously confident''' about our cleverness and dominance over nature. What makes this century special, then, is that we will have to cope with a diminishing supply rate of the resource that has been of paramount importance to our high-tech existence. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2011/10/sustainable-means-bunkty-to-me/ Sustainable means "bunkty" to me]." ''Do the Math'', University of California, San Diego. October 5, 2011. * Humans collectively must ultimately face the uncomfortable question of whether Earth’s natural systems can support 8 billion or more people at a modern standard of living. Since the resource footprint of a U.S. citizen is at least four times that of the global average, the key question is whether the planet can support an increase in material throughput four times higher than present when the strain is apparent already. As noble as it may be to wish [for] a modern living standard for an eventual ten billion or more people, it is likely that committing to such a course could result in more human suffering than would transpire under the adoption of more modest goals. The responsible path is to reduce global resource dependencies and abandon the imperative for growth starting now. ** Thomas W. Murphy, David J.R. Murphy, Thomas F. Love, Melody LeHew and Ben McCall (2021). "[[doi:10.1016/j.erss.2021.102239|Modernity is incompatible with planetary limits: Developing a PLAN for the future]]." ''Energy Research & Social Science'', 81, 102239. * Even something as seemingly altruistic as health care selfishly focuses on human health, to the exclusion and often direct detriment of ecosystem health. Are we really doing ourselves favors in the long term by making the destructive human enterprise healthier, more populous, longer-living, and therefore better able to carry out its damaging activities? If this sounds abhorrently anti-human, it’s because the human enterprise is currently relentlessly anti-planet. Anything that is anti-planet will dismantle ecosystems that serve as critical life support for humans, spelling failure for the human enterprise. So it’s really the human enterprise that is anti-human by way of being anti-planet. […] The best way to assure long-term prosperity is to forge a non-human-centric partnership with nature that does not always put short-term human interests above those of non-human elements of nature. Even “good” activities like health care therefore miss the boat in terms of building a better tomorrow. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2021/05/to-what-end/ To What End?]". Do the Math, {{W|University of California, San Diego}}. May 4, 2021. * Since growth is an absurd short-lived anomaly, what about leveling out in population, resource use per capita, and adopting a steady-state economy? The problem here is that the rate at which we are depleting one-time resources today is unsustainable. We’re simply spending our bank account without paying attention to the balance and without any source of additional income. Most clearly, forests and wild spaces are down by a factor of two in the last 60 years and will be gone within 60 years at current rates of depletion. Before even getting to steady-state conditions, inevitable near-term increases in population together with sought-after increases in standards of living around the world spell an even shorter lifetime for critical habitats. Meanwhile, fisheries are failing in domino fashion; aquifers are being depleted at rates alarmingly higher than replacement; soils are degrading and arable land is lost; fertilizer depends on a finite resource; habitat loss is resulting in species extinctions far in excess of natural rates. Even the plunder of mineral resources in the seemingly infinite crust is getting harder, only a fleeting century or so into our spree. Sustaining present levels for even a few more centuries is a dubious (i.e., unsubstantiated) proposition. It is practically absurd to imagine sustaining present practices for 10,000 years. Humans simply have not yet demonstrated an ability to maintain a technological society without utter reliance on grossly unsustainable inheritance spending. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2021/05/why-worry-about-collapse/ Why Worry About Collapse?]." Do the Math, {{W|University of California, San Diego}}. May 18, 2021. * Earth has never in its history had to contend with 8 billion fire apes, intelligent enough to have leveraged power by exploiting and burning one-time resources. We now operate outside the bounds and protections of evolution: in breach of contract, without a map to success. What could possibly convince us that this fireworks show—which has not even come close to standing the test of time—can maintain anything like its current resource impact for the long haul? Humans have demonstrated convincingly that we can live in a primitive state for hundreds of thousands of years. Our present mode is a few-century flash, supported almost entirely by inheritance-spending. Arguing that we have found a new normal is a precarious position that I would not be eager to defend. Parties end. Fireworks shows end. Why would our flash be any different? It’s not just guesswork: what other outcome could result from rapid resource exploitation on a finite planet? ** Ibid. * We face unprecedented pressures on resources and on our environment, as human population and standard of living both surge on a finite planet. Nature will not allow this trend to continue indefinitely. ** Thomas W. Murphy, ''[https://escholarship.org/uc/item/9js5291m#section.18.5 Energy and Ambitions on a Finite Planet]'', p. 313 (2022) * Human population will not be allowed to grow [indefinitely]. Even small growth rates will step up pressure on natural resources, and Earth can only support so much, long-term. Independent of what the “right” number is, once settled, we will not be able to dial it up without imperiling the hard-won success. Even under steady human population, any increase in resource use per person will also not be compatible. In general, growth leads to a dead end: to failure. ** Ibid. p. 405 * As a jarring illustration of our tendency to value the human side over the prerequisite physical/ecological side, imagine that somehow we manage to emerge from the coming centuries having established a truly sustainable existence. All resources are renewed by nature at the rate of extraction for human needs; population is steady and at a level just tolerable to the planet in terms of indefinite support. Diverse ecosystems are left to thrive in their natural states. But imagine that we are still plagued by cancer and other maladies, so that life expectancy is, say, 90 years. Then what if a team of researchers hits on a cure for (most forms of) cancer? Hurray! At last! Unambiguously good, right? Well, not so fast. All other elements held the same, longer life spans translate to a higher population, putting additional resource burdens on the planet that it cannot handle in the long term. In order to adopt and implement the cure for cancer, we would have to either deliberately reduce population or lower the standard of living to accommodate the change. All other considerations of the complex society about economic impacts, equity of distribution, legal and political facets, or interaction with religious belief systems must take a back seat to the most fundamental and important question: is this change physically viable on this finite planet in the long term? ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2021/11/caught-up-in-complexity/ Caught Up in Complexity]". Do the Math, {{W|University of California, San Diego}}. November 30, 2021. * People tend to prefer the narrative that we, ourselves, are the superheroes, and that our superpowers are not from the fossil fuel suit, but are cognitive in nature. Yet we have the same neural hardware (if not slightly downsized) as our prehistoric ancestors. The main cognitive revolution happened about 70,000 years ago when humans started to believe in things that do not exist (like spirits or potential future gains) that allowed large-scale coordination and shared identity to outcompete evolution’s more biophysical tricks of sharp teeth/claws, speed, strength, camouflage, poison, or overwhelming numbers. Global spread of homo sapiens and megafauna extinctions quickly followed, and it is at this point that the human experiment began to smolder: something was off. About 10,000 years ago, agriculture started and the first visible flame ignited. About 300–400 years ago, the Enlightenment lit a fuse by developing a scientific approach to understanding the world. It was not long before the fuse found fossil fuels and we now witness the predictable explosion that ensued. The explosion is breathtakingly rapid on any meaningful timeline, only appearing in slow motion to the few generations experiencing the phenomenon and thus seeming “normal.” So we can trace some part of our current planetary dominance to human ingenuity, but perhaps the lion’s share actually is attributable to the energy bonanza—as suggested by the dramatic change in the pace of innovation before and after the fossil transition. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2022/06/shedding-our-fossil-fuel-suit/ Shedding Our Fossil Fuel Suit]". Do the Math, {{W|University of California, San Diego}}. June 21, 2022. * A plausible scenario for ecosystem collapse... is based on the fact that we currently support 8 billion people on a fossil-intense agricultural system. We have over-leveraged that finite resource to "borrow" millions of years of eco-services (photosynthetic energy) and now host a population that probably never could have existed in ecological equilibrium. Even if fossil fuels were not going away, it seems likely we would see continued erosion of the globe's ability to support this current unsustainable mode. We have already lost about half of the wild animal life in my lifetime: is that halfway to collapse? Take away the fossil fuels, and I imagine over-hunting and rapid deforestation will take an enormous toll on ecosystem health. ** Thomas W. Murphy's self-comment on "[https://dothemath.ucsd.edu/2022/07/the-ride-of-our-lives/ The Ride of Our Lives]". Do the Math, University of California, San Diego. July 12, 2022. *[It] is truly alarming from an ecological point of view: not only has the human population grown like gangbusters, but the level of affluence per person has soared by an even larger factor. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2022/09/death-by-hockey-sticks/ Death by Hockey Sticks]". Do the Math, University of California, San Diego. September 13, 2022. * The dream of eventually having 10 billion people living at [[American Dream|American standards]] completely ignores the glaring fact that we seem to be circling the drain even at today’s impact level (i.e., overshoot). How could we possibly entertain the factor-of-five increase in resource demand that would accompany a realization of “the dream?” It seems delusional… and likely to turn into a nightmare if pursued. **Ibid. * Human population is going up… We’re not exactly doing the planet (or ultimately ourselves) any favors presently. Will adding more humans that subscribe to our current cultural model somehow make the situation better? Will improving standards of living (thus increasing resource demand) mysteriously turn things around? It’s hard to see how—not without enacting a whole new model. **Ibid. * Increasing the standard of living of a growing population makes today’s ecological pressures look adorable. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2022/09/a-climate-love-story/ A Climate Love Story]". Do the Math, University of California, San Diego. September 20, 2022. * It is easy to get caught up in the heady whirlwinds of [[modernity]]. We have accomplished amazing feats in these past few centuries, and our extrapolative minds envision a continued acceleration. Given that our life span overlaps only a portion of the tale, it is easy to lose the context that our boom (the [[Industrial Revolution]] and what followed) is almost entirely due to fossil fuels. This energy surge in turn powered a surge in material access and economic activity (and human population) in what is perhaps fittingly described as a fireworks show. ** Ibid. * What did we do with our fossil fuel bonanza? We exploded population by revolutionizing agriculture [and health]. Now when fossil fuels inevitably (and soon?) decline, we’re left with an overhang that can no longer be supported. The resulting population decline will suddenly cast [[Thomas Robert Malthus|Malthus]] in a new light: oh what a starry-eyed soothe-sayer [sic]! When that day comes, […] realize that it’s no more tragic than the ant colony waning as it must. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2022/10/the-cult-of-civilization/ The Cult of Civilization]." Do the Math, {{W|University of California, San Diego}}. October 4, 2022. * Our fossil fuel bonanza has left our ecosystem in a perilous state. We have destroyed vast forests and habitats, polluted water and soil, kicked off a rapid climate trend that natural systems may not adapt to quickly enough, and basically overrun the planet. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2022/12/finite-feeding-frenzy/ Finite Feeding Frenzy]." Do the Math (December 5, 2022). * …fossil fuels allowed us to drastically overshoot the natural carrying capacity of the planet, and that bill will come due when the underlying resource inevitably dwindles. Sometimes simple is simply right. ** Ibid. * The human explosion has accelerated across the millennia, most recently reaching a fever pitch owing to the employment of fossil fuels—leveraging stored solar energy about a million times faster than it was created. The ensuing access to minerals and ability to transform landscapes has rapidly and radically altered our world within just a few human generations. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2023/08/call-me-ishmael/ Call Me, Ishmael!]." Do the Math, August 1, 2023. * In 1800, every human on the planet had a corresponding 80 kg of mammal mass in the wild. Wildland mammals outweighed humans in an 80:50 ratio. Today, each human on the planet can only point to 2.5 kg of wild mammal mass as their “own.” Let that sink in. You only have 2.5 kg (less than 6 pounds) of wild mammal out there somewhere. A single pet cat or dog generally weighs more. Not that long ago, it was more than you could carry. Now, it seems like hardly anything! I especially fear the implications for mammals should global food distribution be severely crippled. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2023/08/ecological-cliff-edge/ Ecological Cliff Edge]." Do the Math, August 18, 2023. * As if the Enlightenment was not enough, in quick succession we joined another enormous river. One could say that the process of science opened the door to fossil fuels, but science and fossil fuels might be best described as a dynamic duo. Fossil fuels gave us the power to advance our science-amplified degree of control to an entirely new level. Resources that had been previously inaccessible became available. It became far easier to clear land for agriculture and other uses. We learned to make fertilizer from methane, unleashing unprecedented agricultural surpluses that inevitably resulted in a human population overshoot. Fossil-fueled furnaces led to steel, concrete, and other materials on a massive scale, paving the way to megacities and global trade. Science itself was amplified by having access to fossil fuels, via a flood of new devices and capabilities invented with—and powered by—cheap energy. Advances in science and technology in turn allowed greater access to buried fossil energy. This positive feedback arrangement facilitated runaway expansion of the [human] enterprise, leading to a battery of hockey stick curves. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2023/08/our-time-on-the-river/ Our Time on the River]". Do the Math, August 22, 2023. * Energy has been fundamental to our story of growth. The various hockey stick curves over the last century or so are a reflection of energy and population. What’s more, human population itself is a reflection of energy, as mechanized, fertilized agriculture was made possible by fossil fuels. Since energy per capita has also increased like a hockey stick, the ecological impact (and many other metrics like GDP) takes on the shape of a super-exponential (still resembling a hockey stick on a logarithmic plot). ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2023/09/can-modernity-last/ Can Modernity Last?]" Do the Math, September 26, 2023. * We have used [fossil fuels] to expand the human enterprise and population, knock down forests, destroy and fragment habitats, drive extinctions, and generally threaten the vitality of the planet. [But] “solving” the energy problem as fossil fuels give out is pretty frightening: how would it not simply perpetuate the ecological nosedive we have initiated? Only if we put ecological concerns above energy do we stand any chance of survival. ** Ibid. * I acknowledge that cancer is a class of disease, and no universal cure is likely to emerge. But feel free to substitute any longstanding cause of death. […] In a sense, it is death that makes life special and worthy of celebration. […] What would a successful cure look like? Human lifespans would increase. All other things being equal, a reduced death rate means more humans on the planet, putting additional pressures on the entire community of life and further threatening the vitality of the planet—including humans, to be clear. Moreover, access to the cure would almost certainly be more available to the affluent half, who are already heavy users of resources and thus cause outsized harm to the planet. So a cure to cancer would serve to boost ecological destruction, in practice. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2023/10/are-we-lucky/ Are We Lucky?]" Do the Math, October 3, 2023. * Truly, the end of modernity will probably be brutal for most of the 8 billion people on the planet, who will cling to what they know and fail to adapt. But even if they were mentally ready, the Earth is not ready to support 8 billion humans without a massive fossil subsidy, so human population will likely fall a lot in hard times. ** Thomas W. Murphy's self-comment on "[https://www.resilience.org/stories/2023-09-27/can-modernity-last/ Can Modernity Last?]". ''Resilience''. September 30, 2023. * Compared to biologically relevant timescales, the human explosion commenced just “yesterday” when grain agriculture began taking root... set[ting] the stage for planet-crushing present-day human populations in a time that is still contextually short. Each “improvement” like cities and technology only accelerated the rapidity of the unsustainable ascent. Mounting ecological damage was part and parcel of this expansionist story long before cars, planes, and smartphones arrived—like two sides of a coin. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2024/02/unsustainable-goose-chases/ Unsustainable Goose Chases]". ''Do the Math'', February 27, 2024. * Humans are voracious (big brains to feed and a lot of un-furry surface area to keep warm), and therefore are ecologically expensive. If the Earth tightens its belt, [one should]n’t assume that humans will fare well. We are summer children borne of “good” times, where “good” translates to “biodiverse.” Cleverness is no guarantee against starvation, as countless clever humans who have starved can’t tell [us]. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2024/04/post-modernity/ Post-Modernity]". ''Do the Math'', April 9, 2024. * [Our] success [in eliminating hunger and inequity] inevitably grows the population, scaling up the current tension... to planetary limits... [and] curing all diseases and achieving effective immortality would be ecologically disastrous! ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2024/05/whats-the-point/ What's the point?]" ''Do the Math'', May 14, 2024. * Since the current low levels of mortality go hand-in-hand with ecological devastation and a doomed modernity, their embrace is itself a problem… ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2024/05/watching-population-bomb/ Watching population bomb]". ''Do the Math'', May 28, 2024. * The Green Revolution transformed agriculture by inserting fossil fuels at every turn. Fertilizer came from natural gas. Diesel allowed large-scale mechanization of plowing, planting, harvesting, processing, and transporting large amounts of food. Petrochemical pesticides smote economically worthless (but ecologically invaluable) products of evolution into the foul dust. We fed a growing human population, now 8 billion strong. It boils down to a diet of fossil fuels: again, temporary. ** Thomas W. Murphy, ''Metastatic Modernity''. Episode 9: "[https://dothemath.ucsd.edu/2024/07/mm-9-recipe-for-disaster/#more-8348 Recipe for Disaster]". ''Do the Math'', July 30, 2024. * To those who resist the notion that increasing food production also means increasing human population, consider this. In 1950, the global population stood at about 2.5 billion people. The Green Revolution was about to explode into global agriculture, substantially increasing crop yields on the back of profligate fossil fuel inputs (for fertilizer, mechanization, energy for irrigation, transport, processing, etc.). Let’s say this tsunami of energy and technology had not arrived on the agricultural scene, and that moreover a global edict (“magically” followed) held annual food production at the 1950 level thereafter.<br>Would we have 8 billion people today? Impossible. We would still have 2.5 billion, correct? In 1950, the world produced enough food for 2.5 billion people, so that same amount of annual food would sustain 2.5 billion people today…or perhaps 2 billion taller, heavier people; or 3 billion people with more equitable, modest distribution and less waste. But you get the point: hold the food supply steady and you essentially hold the population below some cap. Inarguable. Those additional 5.5 billion people were made possible by a technological wave of food increase. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2025/06/food-makes-babies/ Food Makes Babies]." ''Do the Math'', June 10, 2025. * [Eight] billion humans are driving a sixth mass extinction, which leaves no room for even 10 humans if fully realized, let alone 10¹⁰. ** Thomas W. Murphy, “[https://dothemath.ucsd.edu/2025/09/8-billion-will-die/ 8 Billion Will Die],” ''Do the Math'' (September 23, 2025) *Maintaining 8 billion human people on Earth [without fossil fuels] is no more possible than invading space. It’s not an actual, realizable choice—beyond transitory and costly stunt demonstrations. **Ibid. === N === * How we live and consume matters just as much as the growing density of our numbers combined with the proliferation of our machines that devour energy on our behalf. (Roads and cell phones all consume energy and materials too.) All three demographic issues are increasing at unsustainable rates and feed each other to propel more economic growth, more emissions and more fragility. The world’s current population is 7.9 billion and grows by 80 million a year. It has slowed down in recent years because the affluent don’t need the energy of children as much as the poor. Even so civilization will add another billion to the planet every dozen years. Redistributing energy wealth (and emissions) from the rich to the poor will not avert disaster if human populations don’t overall decline. Our numbers also reflect a demographic anomaly that began with fossil fuels, a cheap energy source that served as Viagra for the species. Prior to our discovery of fossil fuels, the population of the planet never exceeded one billion. Our excessive numbers are purely a temporary artifact of cheap energy spending and all that it entails — everything from fertilizer to modern medicine. ** Andrew Nikiforuk, "[https://thetyee.ca/Analysis/2021/12/06/Andrew-Nikiforuk-Getting-Real-About-Our-Crises/ Getting Real about Our Crises]." ''The Tyee'', December 6, 2021. ===O=== * In recent decades, support for family planning has waned, and global fertility decline has decelerated as a result. Projections calibrated across the decades of strong family planning support have not acknowledged this change and are consequently underestimating global population growth. Scenarios used to model sustainable futures have used overly optimistic population projections while inferring these outcomes will happen without targeted measures to bring them about. Unless political will is rapidly restored for voluntary family planning programs, the global population will almost certainly exceed 10 billion, rendering sustainable food security and a safe climate unachievable. ** Jane N. O'Sullivan, "Demographic Delusions: World Population Growth Is Exceeding Most Projections and Jeopardising Scenarios for Sustainable Futures." ''World''. 2023. 4(3). 545-568. {{DOI|10.3390/world4030034}} === P === *Putting an end to the population explosion will not of itself save the ecosphere, but not ending it will add greatly to the dangers the planet faces. The environment can sustain a quality of life for just so many people. **[[Michael Parenti]], ''Blackshirts and Reds: Rational Fascism and the Overthrow of Communism. '' (1997), p. 155 *'''In what year will the human population grow too large for the Earth to sustain? The answer is about 1970''', according to research by the {{W|World Wildlife Fund}}. In 1970, the planet's 3 and a half billion people were {{W|Sustainable population|sustainable}}. But on this New Year's Day, the population is 8 billion. Today, wild plants and animals are running out of places to live. **[[Scott Pelley]], "[https://www.cbsnews.com/news/earth-mass-extinction-60-minutes-2023-01-01/ Scientists say planet in midst of sixth mass extinction, Earth's wildlife running out of places to live]" {{W|CBS News}}, January 1, 2023. * ... ''Homo sapiens'' have been around for about 200,000 years and we are struggling to provide 7 billion of us with sufficient food, clothing, and shelter to lead decent lives. There cannot be an economist on the planet who thinks Earth could support 7.168 trillion people. Human population growth cannot go on forever, no matter how optimistic economists might be. ** Gary Peters, "[https://ourfiniteworld.com/2011/06/13/should-we-take-united-nations’-projections-seriously/ Should We Take United Nations’ Projections Seriously?]" (June 13, 2011) *Human overpopulation, the ever-increasing power of our technology, and the demand of our omnicidal, neoliberal economic system of infinite growth on the basis of finite resources threaten the earth with total destruction. **{{W|Norm Phelps}}, quoted in ''The Politics of Total Liberation: Revolution for the 21st Century'' by [[Steven Best]], (2014), p. ix * Ever since Malthus, at least, it has been clear that means of subsistence do not grow as fast as population. No one has ever liked the idea that famine, plague, and war are nature's way of redressing the imbalance -- Malthus himself suggested that the operation of "preventive checks," which serve to reduce the birth rate, might help prolong the interval between such events. And in the two hundred years since Malthus sat down to pen his essay, there has been no worldwide cataclysm. But in the same two centuries world population has grown exponentially while irreplaceable resources were used up. Some kind of adjustment is inevitable. Today, many people who are concerned about overpopulation and environmental degradation believe that human actions can avert catastrophe. The prevailing view holds that a stable population that does not tax the environment's "carrying capacity" would be sustainable indefinitely, and that this state of equilibrium can be achieved through a combination of birth control, conservation, and reliance on "renewable" resources. Unfortunately, worldwide implementation of a rigorous program of birth control is politically impossible. Conservation is futile as long as population continues to rise. And no resources are truly renewable. ** David Price, "Energy and Human Evolution". ''From Population and Environment: A Journal of Interdisciplinary Studies'', Volume 16, Number 4, March 1995 * Around 8,000 BC, world population was something like five million. By the time of [the birth of Jesus] Christ, it was 200 to 300 million. By 1650, it was 500 million, and by 1800 it was one billion. The population of the world reached two billion by 1930. By the beginning of the '60s it was three billion; in 1975 it was four billion; and after only eleven more years it was five billion. This cannot go on forever; collapse is inevitable. The only question is when. ** Ibid. * People who believe that a stable population can live in balance with the productive capacity of the environment may see a slowdown in the growth of population and energy consumption as evidence of approaching equilibrium. But when one understands the process that has been responsible for population growth, it becomes clear that an end to growth is the beginning of collapse. Human population has grown exponentially by exhausting limited resources, like yeast in a vat or reindeer on St. Matthew Island, and is destined for a similar fate. ** Ibid. === R === * As human populations expand they necessarily appropriate ecological space required by other species. Human ‘competitive displacement’ of non-human organisms from their habitats and food sources is now the greatest contributing factor to {{W|Biodiversity loss|plunging biodiversity}}. Consider that with only 0.01 % of total Earthly {{W|Biomass (ecology)|biomass}}, H. sapiens’ expansion has eliminated 83 % of wild animal and 50 % of natural plant biomass. From a fraction of 1 % ten millennia ago, humans now constitute 36 %, and our domestic livestock another 60 %, of the planet’s much expanded mammalian biomass compared to only 4 % for all wild species combined. Similarly, domestic poultry now comprise 70 % of Earth’s remaining avian biomass. Meanwhile, commercial fishing depletes the oceans at the expense of rapidly declining marine mammals and birds. Seabirds are the most threatened bird group, with a 70 % community-level population decline between 1950 and 2010. ** {{W|William E. Rees}}, "[http://www.fraw.org.uk/data/limits/rees_2020.pdf Ecological economics for humanity’s plague phase]". ''{{W|Ecological Economics (journal)|Ecological Economics}}.'' (2020) * Population estimates are usually based on demographic data alone with no consideration of exogenous factors. This is unrealistic. For living organisms, the fact of their own existence ensures that no environment or habitat remains ideal for long. As the subject population expands, it will invariably use up any crucial resource in fixed supply. Even renewable resources can be depleted once the population goes into ‘overshoot’, a situation in which aggregate consumption exceeds food species’ recovery rates or waste accumulation exceeds natural assimilative capacity. The rise and fall of reindeer populations introduced to two previously unoccupied (by reindeer) Pribilof Islands in the early 20th century is a classic example. Collapse was attributed to overgrazed food sources (primarily lichen) abetted by the stress of exceptionally cold winter. ** William E. Rees, "[https://www.whp-journals.co.uk/JPS/article/view/653/486 The fractal biology of plague and the future of civilization]". ''The Journal of Population and Sustainability'' (2020) * ...for most of our species’ time on Earth—including most of the agricultural era—humanity’s natural propensity to expand has been held in check by negative feedback, e.g., food and other resource shortages, disease, and inter-group conflict. Circumstances changed with the scientific/industrial revolution, particularly the increasingly widespread use of fossil fuels. It took 200,000 – 350,000 years for human numbers to reach one billion early in the 19th Century, but only 200 years (as little as 1/1750th as much time!) to balloon another seven-fold by early in the 21st Century. Improvements in medicine, public sanitation, and population health contributed to this expansion, but coal, oil, and gas made it possible. Fossil fuels are the energetic means by which humans extract, transport, and transform the prodigious quantities of food and other material resources into the products needed to support our burgeoning billions. More than any other factor, fossil fuels enabled H. sapiens to eliminate or reduce normal negative feedbacks. Freed from historic constraints, our species was, at last, able to exhibit its full potential for geometric growth. ** Ibid. * Humanity is already far into ecological overshoot: we are learning the hard way that the ecosphere under stress is still immeasurably more complex than even the global human enterprise. It can generate a vastly larger arsenal of negative feedbacks in response to human excesses than any imaginable human control system can match. ** William Rees, "[https://reeswilliame.substack.com/p/variety-matters-more-than-you-think Variety Matters More Than You Think]," ''Substack'' (July 28, 2025) * Humans invade and populate all accessible favourable habitats; human populations use up all available resources; under favourable conditions, human populations are capable of exponential growth. […] The industrial/scientific revolution spawned technologies, particularly improvements in public sanitation and disease control, that greatly reduced death rates while fossil fuels alleviated food and resource shortages. With the suppression of negative factors, positive feedback prevailed; between the early 1800s and 2023, the human population exploded from one to eight billion. Meanwhile, what we now call ‘neoliberal economics’ began taking form in the late 1800s. In just two centuries, the human population grew eight times larger than the maximum attained over the previous 3000 centuries, and the world economy grew 100-fold in real terms! […] Overshoot may be a quasi-natural phenomenon, but it is also a potentially terminal condition. There are now about 80 cities in the world with populations in excess of five million—each has more people than existed on the entire planet at the dawn of agriculture 10,000 years ago. […] Life in higher-income countries just seemed to be getting better and better, at least in material terms. Little wonder that by the 1950s, MTI governments and international institutions everywhere were adopting the neoliberal vision of perpetual economic and population growth via continuous technological advance as the dominant development narrative of global culture.<br>There are, of course, significant problems—all this occurred on a finite, non-growing planet with serious history. With nurture-reinforcing-nature in propelling the expansionist juggernaut, the human enterprise surged into ecological overshoot; resource consumption and waste production are overwhelming the bio-productive and waste assimilation capacities of the ecosphere. This is not merely an aesthetic concern: the functional integrity of the ecosphere is essential for human existence. '''Overshoot may be a quasi-natural phenomenon, but it is also a potentially terminal condition.''' ** William Rees, "[https://substack.com/home/post/p-181832455 Why collapse is inevitable]," ''Substack'' (December 16, 2025) * The current human population is 14,000-fold larger than the average populations of other mammal species of similar body size! […] If humans were a typical mammal whose global population corresponded to the arithmetic mean (average) of populations of mammals of similar body size, there would be only 500,000 people on Earth! ** Ibid. * Almost all of today’s low-energy countries have a population density so great that it perpetuates dependence on intensive manual agriculture, which alone can yield barely enough food for their people. They do not have enough acreage, per capita, to justify using domestic animals or farm machinery, although better seeds, better soil management, and better hand tools could bring some improvement. A very large part of their working population must nevertheless remain on the land, and this limits the amount of surplus energy that can be produced. Most of these countries must choose between using this small energy surplus to raise their very low standard of living or [to] postpone present rewards for the sake of future gain by investing the surplus in new industries. The choice is difficult because there is no guarantee that today’s denial may not prove to have been in vain. This is so because of the rapidity with which public health measures have reduced mortality rates, resulting in population growth as high [as] or even higher than that of the high-energy nations. Theirs is a bitter choice; it accounts for much of their anti-Western feeling and may well portend a prolonged period of world instability. ** [[Hyman G. Rickover]], "Energy and Resources and Our Future" speech (May 14, 1957) * The doubling of life expectancy is largely down to medical advances. Without medical care, we’d probably be at a much lower population level. I can’t find projections, but given that even some fairly routine injuries and sicknesses would be life-threatening without medical intervention, one would expect a more pyramidal pyramid, and 2 billion people doesn’t seem unreasonable to me. This is also amplified by [there] being [fewer] people to innovate ideas like the green revolution, which [led] to higher populations.<br>In nature, population overshoot is usually remedied by a higher die-off rate, not a lower birth rate. But humans think that medical care and increased lifetimes are a sign of progress. Medical advances can even allow some who wouldn’t have been able to have children to have children, thus exacerbating overshoot. ** Mike Roberts, "[https://mikerobertsblog.wordpress.com/2024/08/09/what-can-antinatalism-achieve/ What Can Antinatalism Achieve?]" (August 9, 2024) * A lot of technologies have been utilised in storing food or growing more of it. And we know that increased access to food increases population size. The reverse is also true, of course, so we should expect [[population decline|population to fall]] as harvests come under stress from the effects of [[Global warming|climate change]]. ** Mike Roberts, "[https://mikerobertsblog.wordpress.com/2024/09/14/the-inevitability-of-our-predicament/ The Inevitability of Our Predicament]" (September 14, 2024) * Humans are a species, so they are no different in needing to reproduce to propagate their traits, which may eventually lead to what would be considered a new species, though that would likely take tens or hundreds of thousands of years. If our ancestors had considered the effects of what they were doing, why some prey species appeared to disappear, for example, then we wouldn’t be here, as we’d limit what we did, how we expanded, how we spread. Humans would, at best, have remained a very limited species, if it survived at all. But that is not the way life works. Clearly, we have followed the maximum power principle, since we’re a species, and so consume as much energy and resources as we can. In basic terms, a body needs food for energy and humans have figured out how to produce increasing quantities of food (at least in terms of calories) using agriculture, machines, artificial fertilisers and pesticides. This has enabled an explosion in population in a positive feedback loop (with higher population forecast, we figure out how to support that population, leading to more agriculture and higher yields, so we end up with a higher population). The huge success of agriculture and mechanisation, has lead to almost no human being involved in the production of the food that keeps us alive, so we’ve had to invent other ways to kill our time. We now have a huge variety of products and services to help us kill our time before we die. Some of it is pleasurable so we want to do more of it and invent new ways to live. All the time, killing more of the rest of life. But getting here was inevitable because we are a species and don’t have free will to counter those inbuilt drives. ** Mike Roberts, "[https://mikerobertsblog.wordpress.com/2024/10/03/a-retrospective-of-the-inevitable/ A Retrospective of the Inevitable]" (October 3, 2024) * As food makes babies perhaps the critical development was agriculture but then without fossil fuels, we could never have produced as much food as we do now, and deliver it across the world. But then, if we hadn’t started cooking food, we might not have been clever enough to figure out how to use fossil fuels to produce food. And without language, we could never have communicated complex ideas about agriculture, tool making and the use of fossil fuels. So we go round and round. ** Mike Roberts, "[https://mikerobertsblog.wordpress.com/2025/07/07/where-did-it-all-go-wrong/ Where Did It All Go Wrong?]" (July 7, 2025) * It is often said that humans are in overshoot. What does that mean? In simple terms, it means exceeding a limit. However, if a limit has been exceeded, then how is it a limit? People usually refer to overshoot as exceeding the carrying capacity of the planet. The ability for the planet to support the current population of humans. And yet here we are. Humans have apparently been in overshoot territory for a long time, but that hasn’t affected the numbers. Indeed, the population of humans continues to grow. ** Mike Roberts, "[https://mikerobertsblog.wordpress.com/2025/12/27/overshoot-or-undershoot/ Overshoot or Undershoot?]" (December 27, 2025) * We have well over 8 billion people on this planet. All ecosystems have been perturbed, and wildlife has been hugely depleted by over 70% in just the last half century. Deforestation continues apace at almost 5 million hectares per year. So, it’s impossible for all humans to live sustainably right now. If a few chose, and succeeded, to live sustainably, it would have no measurable effect on the planet. ** Mike Roberts, "[https://mikerobertsblog.wordpress.com/2026/01/25/would-anyone-want-to-live-sustainably/ Would Anyone Want to Live Sustainably?]" (January 25, 2026) === S === * It is apparently futile only to insist that the more back­ward countries restrict their birth rates. What is needed most of all is economic and technical assistance to these countries. This assistance must be of such scale and generosity that it is unlikely before the estrangement in the world and the egotistical, narrow-minded approach to relations between nations and races are eliminated. ** [[Andrei Sakharov]], ''Progress, Coexistence and Intellectual Freedom'', Chapter 5: "Hunger and Overpopulation (and the Psychology of Racism)" (1968) * Government policy, legislation on the family and marriage, and propaganda should not encourage an increase in the birth rates of advanced countries while demanding that it be curtailed in underdeveloped countries that are receiving assistance. Such a two-faced game would produce nothing but bitterness and nationalism. ** Ibid. * I want to emphasize that the question of regulating birth rates is highly complex and that any standardized, dogmatic solution "for all time and all peoples" would be wrong. ** Ibid. * ...increasingly, technology has come up against the law of unexpected consequences. Advances in health care have lengthened life spans, lowered infant-mortality rates, and, thus, aggravated the population problem. ** [[w:Tom Sancton|Thomas A. Sancton]], "What on Earth Are We Doing?" in ''[[w:Time (magazine)|Time]]'' (week ending January 2, 1989). * As human beings, with over 8 billion of us on planet Earth at present, we now find ourselves in a very analogous situation to both the early cyanobacteria from over 2 billion years ago and the yeast cells one would culture within a nutrient-rich broth in a petri dish. It isn’t that we’re in danger of transforming our planet into an uninhabitable hellscape, as nothing we’ve done or are in the process of doing is going to have a catastrophic effect of that magnitude. However, there are a number of ways that we’re polluting, destroying, or depleting our environment in ways that not only are non-renewable and unsustainable, but that are going to have negative downstream effects that impact future humans, hundreds and even thousands of years down the line, in ways that most of us aren’t prepared to fully reckon with.<br>And that’s unfortunate, because we should be prepared. After all, unlike yeast, cyanobacteria, or any other species that’s impacted its environment due to its collective, accumulated actions, we can not only detect and quantify the effects we’re having, but can choose to change our action at any time. ** Ethan Siegel, "[https://bigthink.com/starts-with-a-bang/humanity-yeast-cells/ Is humanity dumber than a colony of yeast cells?]." ''Big Think'' (March 8, 2023) * Erroneous belief about population growth has cost dearly. In poor countries, it has directed attention away from the factor that we now know is central in a country's economic development, its economic and political system. And in rich countries, misdirected attention to population growth and its... consequence of natural-resource shortages has caused waste through such programs as now-abandoned synthetic fuel programs, and the useless development of airplanes that would be appropriate for an age of greater scarcity. ** [[Julian Simon]], "[http://www.juliansimon.com/writings/Norton/NORTON02.txt Scarcity or Abundance? A Debate on the Environment]," on ''juliansimon.com'' * Adding more people causes problems, but people are also the means to solve these problems. The main fuel to speed our progress is our stock of knowledge, and the brake is our lack of imagination. The ultimate resource is people—skilled, spirited, and hopeful people who will exert their wills and imaginations for their own benefit, and inevitably they will benefit not only themselves but the rest of us as well. ** [[Julian Simon]], [http://www.juliansimon.com/writings/Ultimate_Resource/TCONCLUS.txt The Ultimate Resource] * In trying to solve the terrifying problems that face us in the world today, we naturally turn to the things we do best. We play from strength, and our strength is science and technology. To contain a population explosion, we look for better methods of birth control. Threatened by a nuclear holocaust, we build bigger deterrent forces and anti-ballistic missile systems. We try to stave off world famine with new foods and better ways of growing them. Improved sanitation and medicine will, we hope, control disease; better housing and transportation will solve the problems of the ghettos, and new ways of reducing or disposing of waste will stop the pollution of the environment. We can point to remarkable achievements in all these fields, and it is not surprising that we should try to extend them. But things grow steadily worse, and it is disheartening to find that technology itself is increasingly at fault. Sanitation and medicine have made the problems of population more acute, war has acquired a new horror with the invention of nuclear weapons, and the affluent pursuit of happiness is largely responsible for pollution. As Darlington has said, ‘Every new source from which man has increased his power on the earth has been used to diminish the prospects of his successors. All his progress has been at the expense of damage to his environment, which he cannot repair and could not foresee.’ **[[B. F. Skinner]], ''Beyond Freedom and Dignity'' (1971), Chapter 1: “A Technology of Behavior.” * Capitalist elites seeking to increase the size of their labour force used pro-natalist state policies to prevent women from practicing family planning. [...] We should not ignore the relationship between population growth and ecology, but we must not treat these as operating in a social and political vacuum. ** Dylan Sullivan and [[Jason Hickel]] (2023). "Capitalism and extreme poverty: A global analysis of real wages, human height, and mortality since the long 16th century". ''{{W|World Development (journal)|World Development}}''. Vol. 161. {{doi|10.1016/j.worlddev.2022.106026}} === T === * History upon Terra tells us what horrors follow upon religious mandates of unlimited reproduction. ** [[Sheri S. Tepper]], ''[[w:Grass (novel)|Grass]]'' (1989), Chapter 12 * Malthusian predictions that relentless population growth will outstrip food production and trigger starvation worldwide have recurred over the centuries. They have come and then gone as farmers have deployed new technologies to increase food output. Even now, enough food is being produced to adequately feed every person on the planet; the fact that nearly one billion people are nonetheless going hungry is a damning indictment of the world's food-distribution system. But since demand is growing, production will also have to increase in the years ahead. With the world's population expected to expand to more than nine billion by 2050 and much of that growth occurring in China, India, and other countries where living standards are rising fast, global food production will need to increase by 70-100 percent in order to keep pace and feed the already chronically hungry. This is a mighty challenge: all the more so because given current soil technology and environmental concerns, more food will have to be produced on roughly the same amount of arable land -- and with less water than is used now and at a time when both growing demand for biofuels and changing climate patterns are also putting pressure on production. Where will the needed rise in food supplies come from, and how quickly can the distribution problems be solved? ** Roger Thurow, "[https://www.foreignaffairs.com/articles/africa/2010-10-21/fertile-continent The Fertile Continent]". ''Foreign Affairs'' (October 21, 2010). * Given the Maoist position that a large population was a “resource”, rather than a burden, for the Communist state, it was politically incorrect to advocate population control [either by diet or medicine]. ** Christopher K. Tong, “The Paradox of China’s Sustainability,” ''Chinese Environmental Humanities'' (2019) * Supporting large families and unchecked growth (of which the greatest parameter is population increase) is a mantra which religion and authority have preached for thousands of years. Religions always need more clergy to reap donations from, and leaders more voters to turn into soldiers for their next war, or to make the gross (as opposed to per capita) GDP figures look good. We are being farmed, we have always been farmed for thousands of years by an economic system that prioritises cold hard profit figures over real prosperity. Competition fuels growth even more, as humans are extremely territorial. The problem with the existence of countries is that they speed up civilisational collapse. They all end up competing for economic and population growth, therefore significantly accelerating civilisational overshoot and collapse. ** George Tsakraklides, quoted in "[https://www.hawaii.edu/vice-versa/interview-tsakraklides-lewis-2-0/ Memories of the Future 2.0]." ''Vice-Versa'', University of Hawaii at Manoa (February 15, 2025) * Thanks to the discovery and exploitation of fossil fuels, humans (really just a small minority of them) are able to live richer lives today than even the queens and kings of yore could have dreamed of.<br>Furthermore, we’ve used some of those finite resources to increase food supplies and to expand the human population, which provides the economic system with both more workers and more consumers, a necessity to keep the economy growing under our current economic model. The world’s population increased from 1.6 billion in 1900 to 7 billion today, and we add about 80 million more each year. Humans have quickly become the most numerous megafauna on the planet. ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2012/01/09/the-faustian-bargain-that-modern-economists-never-mention/ The Faustian bargain that modern economists never mention]" (January 9, 2012) * Humans, because of their intelligence, have found ways to [temporarily] defeat survival of the fittest. As areas get overpopulated, humans have moved to areas where they have a better chance of survival. Humans have found ways to increase food supply, through the use of fertilizers, pesticides, irrigation, and refrigeration, all of which require fossil fuels. They have developed trade, so that so areas with shortfalls can benefit from surpluses elsewhere. Humans have developed a world financial system, which has helped enable worldwide trade. The financial system has also allowed investors to pay for goods after they are put into service, so that the cash flow resulting from an investment can be used (after the fact) to pay for the cost of the investment. This enables investment, and faster use of resources, including energy resources.<br>One of the reasons for continued upward population pressure is the fact that humans have evolved to live beyond their reproductive years. In their declining years, humans often need assistance, either from their offspring or from a public pension program, or both. Because of concern for their own old age, people without pensions tend to have enough children so that there is a significant chance that a child of the right sex will survive to adulthood. With improving medical care, this tends to lead to [an] ever-rising population. ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2012/08/17/humans-seem-to-need-external-energy/ Humans Seem to Need External Energy]" (August 17, 2012) * As long as the world’s population is rising, even in lesser developed countries, there is going to be a continuing need for more food, clothing and housing. This is an issue we don’t seem to be able even to talk about. It may offend people. ** Ibid. * The energy resource that we learned to develop this time is fossil fuels, starting with coal about 1800. '''World population was able to expand greatly because of additional food production permitted by fossil fuels and because of improvements in hygiene.''' A period of stagflation began in the 1970s, when we first encountered problems with US oil production and spiking oil prices. Now, the question is whether we are approaching the Crisis Stage as described by Turchin and Nefedov. ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2013/12/06/diminishing-returns-energy-return-on-energy-invested-and-collapse/ Diminishing Returns, Energy Return on Energy Investment and Collapse]" (December 6, 2013) * As energy supplies deplete, we will increasingly need to “choose our battles.” In the past, humans have been able to win many battles against nature. However, '''as energy per capita declines in the future, we will be able to win fewer and fewer of these battles against nature''', such as our current battle with COVID-19. At some point, we may simply need to let the chips fall where they may. '''The world economy seems unable to accommodate 7.8 billion people, and we will have no choice but to face this issue.''' ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2020/11/09/energy-is-the-economy-shrinkage-in-energy-supply-leads-to-conflict/ Energy is the economy; shrinkage in energy supply leads to conflict]" (November 9, 2020) * Many people believe that humans can have a sustainable future by using solar panels and wind turbines. Unfortunately, the only truly sustainable course, in terms of moving in cycles with nature, is interacting with the environment in a manner similar to the approach used by chimpanzees and baboons. Even this approach will eventually lead to new and different species predominating. Over a long period, such as 10 million years, we can expect the vast majority of species currently alive will become extinct, regardless of how well these species fit in with nature’s plan.<br>The key to the relative success of animals such as chimpanzees and baboons is living within a truly circular economy. Sunlight falling on trees provides the food they need. Waste products of their economy come back to the forest ecosystem as fertilizer.<br>Pre-humans lost the circular economy when they learned to control fire over one million years ago, when they were still hunter-gatherers. With the controlled use of fire, cooked food became possible, making it easier to chew and digest food. The human body adapted to the use of cooked food by reducing the size of the jaw and digestive tract and increasing the size of the brain. This adaptation made pre-humans truly different from other animals.<br>With the use of fire, pre-humans had many powers. They spent less time chewing, so they could spend more time making tools. They could burn down entire forests, if they so chose, to provide a better environment for the desired types of wild plants to grow. They could use the heat from fire to move to colder environments than the one to which they were originally adapted, thus allowing a greater total population.<br>Once pre-humans could outcompete other species, the big problem became diminishing returns. For example, once the largest beasts were killed off, only smaller beasts were available to eat. The amount of effort required to kill these smaller beasts was not proportionately less, however. ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2020/12/02/humans-left-sustainability-behind-as-hunter-gatherers/ Humans Left Sustainability Behind as Hunter-Gatherers]" (December 12, 2020) * … the problem the world is facing today is like one that smaller economies have faced, over and over, in the past: '''The population has become too large for the economy’s resource base''', which now includes fossil fuels. Today’s leaders reframe the problem as voluntarily moving away from fossil fuels to prevent climate change in order to make the situation sound less frightening. ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2023/12/15/ten-things-that-change-without-fossil-fuels/ Ten things that change without fossil fuels]" (December 15, 2023) * We are dealing with an age-old problem: Humans are able to outsmart other animals, and for this reason, human populations tend to rise except when external conditions are quite adverse. ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2024/03/17/advanced-economies-will-be-especially-hurt-by-energy-limits/ Advanced Economies Will Be Especially Hurt by Energy Limits]" (March 17, 2024) * History shows a repeated pattern of overshoot and collapse. A population would grow until the carrying capacity of the local area was reached. Food surpluses would become lower and lower, so less food could be saved up for fluctuations in rainfall and temperature. Eventually, civilizations would succumb to one or another problem: disease, attack by a neighboring group, climate fluctuations, or governments overthrown by unhappy citizens. We tell ourselves that overshoot and collapse cannot happen now, but human population is high relative to fossil fuel resources, and intermittent wind and solar are not working out well as substitutes. ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2024/07/22/how-does-the-economy-really-work/ How Does the Economy Really Work?]" (July 22, 2024) * Humans are smarter than other animals, allowing the population of humans to grow, while the population of many other species tends to fall. […] The large rise in the population of the less advanced economies contributes to the huge number of immigrants wanting new homes in higher-income countries. […] The issue is that available resources do not rise fast enough (in the area, or with the technology available) to provide enough physical goods and services for the population. If a new approach can be developed, or a neighboring area with additional resources can be conquered, [the] population can start to grow again. […] Outgrowing our resource base is not a phenomenon that began with fossil fuels. […] In 1796, when [the] world population was about one billion, Robert Thomas Malthus wrote about population growing faster than food production. This was before fossil fuels were widely used. Now, about 230 years later, [the] population has risen to eight billion, thanks to the availability of fossil fuels. We need major innovations, or additional energy resource types, if we want to work around obstacles now. ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2025/10/06/what-has-gone-wrong-with-the-economy-can-it-be-fixed/ What Has Gone Wrong with the Economy? Can It Be Fixed?]" (October 6, 2025) === V === * The hard fact is that in an age of climate breakdown, human numbers matter. And the ecological impact of another 2-3 billion humans will be immense. ** John Vidal, [https://www.theguardian.com/commentisfree/2022/nov/15/population-8-billion-climate It should not be controversial to say a population of 8 billion will have a grave impact on the climate]. ''The Guardian'', November 15, 2022. * We must look at the whole man, and at his whole environment. Above all, we must realize that every grain of rice he puts into his mouth, every bit of potato, every piece of meat, and every kernel of corn, must be replaced by another bit from the earth—somewhere. We must realize that not only does every area have a limited carrying capacity—but also that this carrying capacity is shrinking and the demand growing. Until this understanding becomes an intrinsic part of our thinking and wields a powerful influence on our formation of national and international policies we are scarcely likely to see in what direction our destiny lies. ** William Vogt, ''Road to Survival'' (1948), Chapter 4: "Industrial Man: the Great Illusion." === W === *[There's] too many people making too much muck and too much noise with too little space to do it in. ** [[Keith Waterhouse]], "End of the Rainbow", <em>Daily Mirror</em> (August 17, 1970), republished in <em>Mondays, Thursdays</em> (1976) * Today, escalating human populations have vastly exceeded global carrying capacity and now produce massive quantities of solid, liquid, and gaseous waste. Biological diversity is being threatened by over-exploitation, toxic pollution, agricultural mono-culture, invasive species, competition, habitat destruction, urban sprawl, oceanic acidification, ozone depletion, global warming, and climate change. It’s a runaway train of ecological calamities. ** [[Paul Watson]], ''[https://web.archive.org/web/20070509003646/https://seashepherd.org/editorials/editorial_070504_1.html The Beginning of the End for Life as We Know it on Planet Earth? There is a Biocentric Solution.]'' Commentary by Paul Watson, Founder and President of {{W|Sea Shepherd Conservation Society}} *''Homo sapiens''’ appetite is gargantuan. As we strive to get at dwindling resources for ever more people, we dig deeper into the Earth, blow the tops of mountains, divert rivers, cut down forests and pave over swaths of land. We fill the land, water, and air with our pollution. We’re driving record numbers of species to extinction and decimating others with activities from chemical poisoning to hunting for bushmeat, or simply by taking over their habitat.<br>Greenhouse gases from our industry are changing the Earth’s climate, with such dangerous consequences as ocean acidification, rising sea levels and flooding, changes in rainfall patterns including in vital “breadbaskets,” and loss of forest cover.<br>While the word “sustainable” has become popular, growing human numbers and activities are anything but. Increasing awareness of our impact has led to developments in renewable energy, recycling, earth-friendly farming and more. There have also been spectacular advances in family planning. But powerful—notably religious—opposition has kept governments and international bodies from actively promoting small families and prevented hundreds of millions of women who would plan their families from having access to modern methods.<br>Those who deny that overpopulation is a problem say the poor don’t consume much. Yet the poor want nothing more than to consume more, as proved by India and China. Who can blame them? And a burgeoning number of desperately poor people does have a major impact: they cut down forests to [[agriculture|grow food]], drain rivers, deplete aquifers, and overfish and over-hunt in their local area. But make these points and you’ll be accused of blaming the poor for the problems of the rich.<br>We seem bound to learn the hard way that there really is a limit to how many people the Earth can support.<br>We wish it weren’t so, but it really is starting to look as if Malthus was right. ** Madeline Weld, "[https://montrealgazette.com/opinion/columnists/opinion-sadly-malthus-was-right-now-what Sadly, Malthus was right. Now what?]" in the ''{{W|The Gazette (Montreal)|Montreal Gazette}}'' (February 14, 2016) * ...the gains of low infant and maternal mortality and rises in population longevity—brought about in great part by harnessing fossil fuels, the agricultural revolution, modernization, and disease and injury reduction efforts—in many instances impedes rather than facilitates moving toward sustainable living. It can be argued from the ecological perspective that most public health efforts, as humanitarian as they are by intention and immediate effect, through accelerating population pressures on the environment are paradoxically hastening the destruction of the earth's habitat on which the next generation of humanity depends. It raises the concern that our perceived gains may be only illusory and temporary, with huge but unmeasured and unlinked environmental costs that will eventually lead to shorter lives of misery for our descendants. ** Harold B. Weiss, [https://www.ncbi.nlm.nih.gov/pmc/articles/PMC2602943/ "Overshoot"] in ''Public Health Reports'' (January-February 2009). * In the past, when one civilization collapsed, others evolved to replace it. Today the world-wide agroindustrial complex is making unprecedented demands on the whole earth’s biological ecostructure. After a brief half-century in which factory farming enlarged the meagre diet of the poor (though not for all, nor always to their benefit), the multinational food industry has become a primary impetus towards overpopulation, obesity, pollution, and global warming. Policies and practices whose effects were once circumscribed are now a threat to human survival. ** John Whiting, "[https://www.whitings-writings.com/eating_the_earth.htm Eating the Earth]." Oxford Symposium on Food and Cookery (September 9, 2007) * Agriculture, by overcoming the limitations inherent in the closed system of hunting/gathering, made possible the open-ended expansion of both the population and the means of feeding it. Once it had been adopted, there was no turning back. The more that a civilization farmed, the more it needed extra hands, and so large families were deliberately procreated, which in turn produced still more mouths to feed. Colin Tudge calls it a vicious spiral, Ronald Wright a progress trap. ** Ibid. * Nature’s modus operandi is to kill off the weakest, leaving only the strongest and most biologically versatile to reproduce. But for ''homo sapiens'', nature is not a force to be accommodated, but an opponent to be grappled with, and so ‘farming for money’ was joined by ‘medicine for money’. On top of the lucrative agroindustry which accellerates the population explosion, we have set up an equally profitable ‘health’ industry whose job it is to keep alive those whose bodies rebel at what they are so unhealthily force-fed.<br>The result is an expanding segment of the population who, along with accellerating obesity, suffer from various diseases of malnutrition, together with allergies and intolerances to a growing list of foodstuffs that are increasingly difficult to avoid. In the end, humanity may consist of a remnant of survivors who spend their brief unhappy lives closeted against the encroaching poisons which their ancestors had so profitably created. Instant death by peanut may prove to have been a warning blip on the radar screen. ** Ibid. * Today the threat lies in the sheer scale of our greed and our technological ineptitude. We’re driving entire countries over cliffs. We are destroying the delicate ecological balance which a [sic] brief interlude of stable climate has allowed us. We make pious noises about the disappearing terrestrial species while largely ignoring the invisible havoc we’re bringing about in the earth’s oceans, the source and sustenance of life on the land. ** John Whiting, June 2015 appendix to "Eating the Earth" * The raging monster upon the land is population growth. In its presence, sustainability is but a fragile theoretical construct. To say, as many do, that the difficulties of nations are not due to people but to poor ideology or land-use management is sophistic. If Bangladesh had 10 million inhabitants instead of 115 million [as of this writing], its impoverished people could live on prosperous farms away from the dangerous floodplains midst a natural and stable upland environment. It is also sophistic to point to the Netherlands and Japan, as many commentators incredibly still do, as models of densely populated but prosperous societies. Both are highly specialized industrial nations dependent on massive imports of natural resources from the rest of the world. If all nations held the same number of people per square kilometer, they would converge in quality of life to Bangladesh rather than to the Netherlands and Japan, and their irreplaceable natural resources would soon join the seven wonders of the world as scattered vestiges of an ancient [sic] history. ** [[E. O. Wilson]], ''The Diversity of Life'' (1992) * The pattern of human population growth in the 20th century was more bacterial than primate. When ''Homo sapiens'' passed the six billion mark we had already exceeded by perhaps as much as 100 times the [[w:Biomass (ecology)|biomass]] of any large animal species that had ever existed on the land. We and the rest of life cannot afford another one hundred years like that. ** [[E. O. Wilson]], quoted in ''Life on the Brink: Environmentalists Confront Overpopulation''. University of Georgia Press (2012), p. 83 * If we fail to limit our numbers and our impact, if we do not replace our goldrush economics with a rational sharing of what the earth can yield, this new century will not grow very old before we enter an age of chaos and collapse that will dwarf all dark ages in our past. **{{W|Ronald Wright}}, "Civilization is a pyramid scheme", ''The Globe and Mail'' (August 5, 2000). * So among the things we need to know about ourselves is that the Upper Palaeolithic period, which may well have begun in genocide, ended with an all-you-can-kill wildlife barbecue. The perfection of hunting spelled the end of hunting as a way of life. Easy meat meant more babies. More babies meant more hunters. More hunters, sooner or later, meant less game. Most of the great human migrations across the world at this time must have been driven by want, as we bankrupted the land with our moveable feasts. ** Ronald Wright, ''A Short History of Progress'' (2004), Chapter II: "The Great Experiment." === Z === * What determines population growth? What has been the cause of the unprecedented growth in world population in our recent history? Many socio-economic reasons are given as explanations: medical advances, improvements in public health, sanitation and hygiene, increased food availability and agricultural productivity, extension of cultivation, and development of trade and transportation. Surprisingly, high quality energy sources are rarely mentioned or quickly discounted. Yet an argument can be made that each of the above factors contributing to population growth is aided and influenced by high quality energy supplies. Cheap and abundant fossil fuels have been a necessary precondition for the past century’s population growth. And while not all countries benefit directly from the consumption of high quality energy supplies, most countries benefit from the impact of high energy societies on low energy societies. What if energy consumption, or more precisely, energy resource availability, somehow determines population growth? Perhaps energy resources determine the Earth’s ''carrying capacity,'' or how many people the Earth can support? Perhaps different energy resources have different effects on population growth? If we hypothesize that the Earth’s population is ultimately determined by availability of energy resources, and if some of those energy resources are at or near their peak rates of production, then that may affect rates of population growth. If the correlation is strong enough, the number of people the Earth can support may also be at or near its peak. Therefore the number of people in 2050 may be very different from widespread United Nations (UN) forecasts. Growing populations consume more energy. Availability of energy allows populations to grow. Energy consumption exerts demands on energy resources making them scarcer. They become harder to extract. Nearby forests are depleted, coal mines must dig deeper, oil has to be drilled in more complex environments. In other words, energy resource extraction experiences declining marginal returns. This has led to the exploitation of new energy sources, which in turn expands the Earth’s ''carrying capacity''. Then populations grow once more. **Graham Zabel, "[https://www.resilience.org/stories/2009-04-20/peak-people-interrelationship-between-population-growth-and-energy-resources/#_Toc227469800 Peak People: The Interrelationship between Population Growth and Energy Resources]" in ''Energy Bulletin'' (April 20, 2009) * Mature populations tend to reach equilibrium – the carrying capacity – and then fluctuate around this equilibrium. If a population outgrows its carrying capacity, regulating factors come into play, such as famine, or emigration. If a population is below its carrying capacity, birth rates tend to increase, so the population grows. The common assumption is that carrying capacity is determined by the availability of food, water and land. While availability of food and water are important factors in determining the carrying capacity of populations, they cannot explain the unprecedented increases in population that have occurred in the last several hundred years. The availability of land has always been a factor in increasing carrying capacity. In the historic past, the Earth’s carrying capacity could be increased by expanding into sparsely occupied, or frontier, lands. In a fictitious future, carrying capacity could be increased by expanding outward to other planets or solar systems. At present, there is very little unoccupied, habitable land remaining on this Earth and no nearby habitable planets to release the pressure of population growth, so any increase in carrying capacity must be a result of other factors. **Ibid. * At present the world’s population is growing rapidly. The planet could not support the six billion plus people that exist today without first the commercialisation of coal, then of oil and, more recently, gas. These energy sources have been necessary for the unprecedented population growth that has occurred over the last three hundred years. It is reasonable to assume that unless current energy resource production is increased and new resources are exploited, the population will no longer grow. And if energy resources decline (e.g. a peak in production is reached), then we may see a decline in population. ** Ibid. * Roughly 10,000 years ago, increasing population pressure on wild food resources led to a shift from food gathering (hunter-gatherers) to food production (agriculturists) in several parts of the world. This led to demand-induced technologies and demand-induced searches for higher quality energy sources, such as water power for flow irrigation, animal draft power, iron tools, and fire for land clearing and for improvement of hunting and pastoralism. Population pressures in many parts of Europe in the seventeenth and eighteenth centuries led to serious shortages of wood which in turn led to many of the technological innovations that fuelled the [[Industrial Revolution]]. Coal’s replacement of wood as the most important source of energy in Western Europe is a classic example of demand-induced innovation…promoted by population pressures on forested land in Western and Central Europe. From the end of [[World War II]], coal’s premier importance as an energy source declined sharply and was replaced by crude oil. Far offshore drilling of oil began in 1947 off the coast of Louisiana. One year later, the world’s largest oil field, al-Ghawar in Saudi Arabia, was drilled. Large new discoveries of oil and gas in Africa and Asia combined with the development of oil super tankers and pipeline networks reduced the price of oil and gas at a time when the costs of producing coal were continuing to rise. Diesel locomotives represented a major substitution of oil for coal. The post World War II era also saw large increases in automobile ownership, the beginnings of highway and motorway road transportation networks and the first passenger jet aircraft –all benefiting from and encouraging consumption of cheap oil supplies. These increases in the consumption of crude oil have coincided with the highest population growth in history. After the depressed population growth during World War II, growth rose quickly to a peak of 2.2% in 1964, the highest rate the world has ever known. (''Per capita'' oil consumption peaked shortly thereafter, in the 1970s). Although population continues to rise, population growth has been declining since then. If there is a relationship between energy consumption and population growth, the different types of energy consumed may have different effects. If biomass is the only energy source, populations will not grow very fast. In such organically based economies, the problem of expanding raw material supply, and especially the related problems associated with the very modest energy supply maxima…must curb growth with increasing severity as expansion takes place. The emergence of coal as an energy source eliminated the carrying capacity limits to population growth that any traditional and biomass energy based culture would eventually face. Similarly, the predominance of oil after the middle part of the twentieth century raised the carrying capacity even further. ** Ibid. * According to the IEA [International Energy Agency], 1.6 billion people live without electricity. Much of Africa and Asia still rely on biomass as their primary source of energy, yet have very high population growth rates. '''How can there be a correlation between energy and population in these instances? While many developing world countries remain low energy societies, they, and their population growth rates, are impacted by high energy societies. Their primary energy sources may still be traditional biomass, but their population growth is due in large part to abundant oil and gas supplies.''' Vaccines and antibiotics that reduce third world mortality are discovered, produced and distributed with first world energy, and oil contributes at every step. Fertilisers, pesticides and herbicides that aided the Green Revolution in much of the developing world could not have been produced without large oil and gas inputs. The aeroplanes, boats and trains that deliver and distribute food all run on oil. '''While the commercialisation of higher quality energy sources may be very unevenly distributed, the societies that adopt new energy sources, high energy societies, have a profound impact on those societies that remain low energy societies, and these impacted populations then become part of Coal, Oil or Natural Gas Populations.''' ** Ibid. *Just 11,000 years ago, there were only roughly 5 million humans who lived on the planet Earth. The initial population growth was slow, due largely to the way humans were living—by hunting. Such lifestyle limited the size of family for practical reasons. A woman on the move cannot carry more than one infant along with her household baggage. When simple birth control means-often abstention from sex failed, a woman may elect abortion or, more commonly, infanticide to limit the family size. Further, a high mortality among the very young, the old, the ill and the disabled acted as a natural resistance to a rapid population growth. Thus it took over one million years for human population to reach the one billion mark. But the second billion was added in about 100 years, the third billion in 50 years, the fourth in 15 years, and the fifth in 12 years. Ever since humans became sedentary, some limits over the family size were lifted. With the development of agriculture, children may have become more of an asset to their families in helping with farming and other chores. By the beginning of the Christian era, human population grew to about 130 million, distributed all over the Earth. By 1650, the world population had reached 500 million. The process of industrialization had begun, bringing about profound changes over the lives of humans and their interactions with the natural world. With improved living standard, lowered death rate and prolonged life expectancy, human population grew exponentially. By 1999 there were about 6 billion people, comparing with 2.5 billion in 1950. The world population is well on its way to 7 billion with an annual growth rate of over 90 million. **Ming Zheng, “[https://www.gordon.edu/download/pages/Salem%20010731-Human%20Population%20Growth.pdf Human Population Growth]”. {{W|Gordon College (Massachusetts)|Gordon College}} (July 31, 2001) == See also == * [[Biodiversity]] * [[Climate change]] * [[Exponential growth]] * [[Fossil fuel]] * [[Global warming]] * [[Population decline]] * [[Sustainable development]] * [[Sustainability]] ==Further reading== *Smil, Vaclav. "[https://ia800709.us.archive.org/16/items/detonator-of-the-population-explosion/Detonator%20of%20the%20population%20explosion.pdf Detonator of the population explosion]." Nature 400.6743 (1999): 415-415. *Feeney, John. "[https://ia801807.us.archive.org/18/items/agriculture-ending-the-world-as-we-know-it/Agriculture_Ending_the_world_as_we_know_it.pdf AGRICULTURE: Ending the World as We Know It]." Zephyr, August—September (2010). ==External links== {{উইকিপিডিয়া|Human overpopulation}} {{উইকিঅভিধান|overpopulation}} *[https://population.org.au/about-population/global-population Quotes on Human Over-Population and Related Subjects], ''Sustainable Population Australia'' *{{ওয়েব উদ্ধৃতি|url=https://www.populationmedia.org/2014/02/11/morgan-freeman-speaks-out-on-population/|title=Morgan Freeman on the 'tyranny of agriculture' and the doomed human race|date=11 February 2014|publisher=Ecorazzi}} *[https://www.theguardian.com/global-development-professionals-network/gallery/2015/apr/01/over-population-over-consumption-in-pictures Overpopulation, overconsumption – in pictures]. ''{{W|The Guardian}}'' April 1, 2015. *{{ওয়েব উদ্ধৃতি|url=http://www.panearth.org/WVPI/Papers/FoodPopulationSummary.pdf|title=A Summary of Human Population Dynamics|work=Russell Hopfenberg|publisher=Pan Earth}} [[বিষয়শ্রেণী:জীববিজ্ঞান]] [[বিষয়শ্রেণী:সমাজতত্ত্ব]] [[Category:Sustainability]] aoisihz504cl141vcxfh9xmm7vg1izb 79997 79996 2026-04-23T11:06:20Z ARI 356 /* D */ ; অনুবাদ 79997 wikitext text/x-wiki [[File:Annual-World-Population-since-10-thousand-BCE-1-768x724.png|thumb|বিশ্বের জনসংখ্যা এবং সেই সাথে খ্রিস্টপূর্ব ১০,০০০ থেকে ২০৫৮ সাল পর্যন্ত জনসংখ্যার একটি সম্ভাব্য প্রক্ষেপণ বা আগাম অনুমান]] [[File:World Population and Projections by Medium Fertility and Continent or Country 1950 - 2100.png|thumb|মাঝারি প্রজনন হারের ওপর ভিত্তি করে ১৯৫০ থেকে ২১০০ সাল পর্যন্ত বিশ্বের মোট জনসংখ্যা এবং বিভিন্ন মহাদেশ ও দেশভিত্তিক জনসংখ্যার একটি প্রক্ষেপণ]] [[File:Distribution-of-earths-mammals.png|thumb|পৃথিবীর বুকে বর্তমানে বিদ্যমান সমস্ত স্তন্যপায়ী প্রাণীর মোট ওজনের ৯৬ শতাংশই দখল করে আছে মানুষ এবং তাদের লালন-পালন করা গবাদি পশু; যেখানে বন্য স্তন্যপায়ী প্রাণীর পরিমাণ হলো মাত্র ৪ শতাংশ।]] [[File:Time for the world population to increase by one billion 1805 – 2086.png|thumb|১৮০৫ সাল থেকে ২০৮৬ সাল পর্যন্ত বিশ্বের মোট জনসংখ্যা প্রতি ১০০ কোটি বা এক বিলিয়ন করে বৃদ্ধি পেতে ঠিক কতটা সময়ের প্রয়োজন হয়েছে তার একটি তুলনামূলক চিত্র]] '''অতিপ্রজতা''' হলো এমন একটি বিশেষ প্রাকৃতিক পরিস্থিতি বা অবস্থা যেখানে কোনো একটি নির্দিষ্ট ভৌগোলিক অঞ্চলে বসবাসকারী কোনো বিশেষ প্রজাতির জীবের মোট সংখ্যা সেই নির্দিষ্ট পরিবেশ বা বাসস্থানের স্বাভাবিক ধারণক্ষমতাকে পুরোপুরিভাবে ছাড়িয়ে যায়। == উক্তি == * আমরা এই পৃথিবীতে মানবজাতির ৮০০ কোটিতম সদস্যকে মাত্র স্বাগত জানালাম। নিঃসন্দেহে একটি শিশুর জন্ম খুবই আনন্দের এবং চমৎকার একটি বিষয়। '''কিন্তু আমাদের এটা বুঝতে হবে যে, মানুষের সংখ্যা যত বৃদ্ধি পাবে, আমরা এই পৃথিবীর ওপর তত বেশি প্রচণ্ড চাপ তৈরি করব।''' জীববৈচিত্র্যের কথা চিন্তা করলে দেখা যায় যে, আমরা প্রকৃতির সাথে এক প্রকার যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছি। আমাদের এখন প্রকৃতির সাথে শান্তি স্থাপন করা প্রয়োজন। কারণ এই প্রকৃতিই পৃথিবীর সমস্ত কিছুকে টিকিয়ে রাখে... বিজ্ঞান এই বিষয়ে একদম সুষ্পষ্ট। ** ইঙ্গার অ্যান্ডারসেন, জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচির নির্বাহী পরিচালক, [https://www.theguardian.com/environment/2022/dec/06/cop-15-un-chief-biodiversity-apocalypse 'উই আর অ্যাট ওয়ার উইথ নেচার': ইউএন এনভায়রনমেন্ট চিফ ওয়ার্নস অফ বায়োডাইভারসিটি অ্যাপোক্যালিপস]। ''দ্য গার্ডিয়ান'', ৬ ডিসেম্বর ২০২২। * '''শিশুরা হলো মানবজাতির শত্রু'''... বিষয়টা এভাবে ভেবে দেখা যাক: বিশ্বের জনসংখ্যা যখন দ্বিগুণ হবে, তখন আমাদের শক্তির ব্যবহারের পরিমাণ সাত গুণ বৃদ্ধি পাবে। এর অর্থ হলো আমরা সম্ভবত যে পরিমাণ দূষণ তৈরি করছি তার মাত্রাও সাত গুণ বেড়ে যাবে। আমরা যদি বর্তমান হারের দূষণ নিয়েই হুমকির মুখে থাকি, তবে দ্বিগুণ জনসংখ্যার মাঝে ছড়িয়ে পড়া এই সাত গুণ বেশি দূষণের ফলে আমাদের অবস্থা কেমন হবে? আমাদের তখন সাত গুণ বেশি হারে বিষাক্ত হয়ে পড়া মাটি থেকে দ্বিগুণ পরিমাণ খাদ্য উৎপাদন করতে হবে। ** [[আইজাক আসিমভ]] (১৯৬৯) বোস্টন ম্যাগাজিনের সাথে একটি সাক্ষাৎকারে। আংশিকভাবে এলেন প্যাক (১৯৭৬)-এর ''দ্য বেবি ট্র্যাপ'', পৃষ্ঠা ১৭। * এটি সবকিছু ধ্বংস করে দেবে। আমি এই বিষয়টি বোঝাতে বাথরুমের একটি রূপক ব্যবহার করি। যদি একটি অ্যাপার্টমেন্টে দুইজন মানুষ থাকে এবং সেখানে দুইটি বাথরুম থাকে, তবে তাদের দুইজনেরই বাথরুম ব্যবহারের পূর্ণ স্বাধীনতা থাকে। তারা যখন খুশি সেখানে যেতে পারে এবং নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী যতক্ষণ খুশি থাকতে পারে। আমার মতে এটাই হলো আদর্শ অবস্থা। আর প্রত্যেকেই বাথরুম ব্যবহারের এই স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে। এমনকি এটি সংবিধানেও থাকা উচিত। কিন্তু যদি একই অ্যাপার্টমেন্টে ২০ জন মানুষ থাকে এবং বাথরুম থাকে মাত্র দুইটি, তবে সেই বাথরুম ব্যবহারের স্বাধীনতার ওপর বিশ্বাস থাকলেও বাস্তবে তার কোনো অস্তিত্ব থাকবে না। আপনাকে তখন প্রত্যেকের জন্য আলাদা আলাদা সময় ঠিক করে দিতে হবে, আপনাকে দরজায় কড়া নেড়ে বলতে হবে, তোমার কি এখনো শেষ হয়নি? ঠিক একইভাবে, '''অতিরিক্ত জনসংখ্যার চাপে গণতন্ত্র টিকে থাকতে পারে না। মানুষের মর্যাদাও এর চাপে টিকে থাকতে পারে না। সুযোগ-সুবিধা এবং শালীনতাও এর ফলে হারিয়ে যায়।''' আপনি যখন পৃথিবীতে মানুষের সংখ্যা বাড়াতে থাকবেন, তখন জীবনের মূল্য শুধু কমবেই না বরং তা পুরোপুরি অদৃশ্য হয়ে যাবে। তখন কেউ মারা গেল কি না তাতে কিছু যায় আসবে না। ** [[আইজাক আসিমভ]] (১৯৮৮) বিল ময়ার্স-এর সাথে ''বিল ময়ার্স ওয়ার্ল্ড অফ আইডিয়াস'' দেওয়া সাক্ষাৎকারে (১৭ অক্টোবর ১৯৮৮); [http://www.pbs.org/moyers/faithandreason/print/pdfs/woi%20asimov1.pdf প্রতিলিপি] (পৃষ্ঠা ৬) - [http://www.pbs.org/moyers/faithandreason/media_players/asimovwoi_audio.html অডিও (২০:১২)] ** বিল ময়ার্সের এই প্রশ্নের উত্তরে করা মন্তব্য: যদি জনসংখ্যার এই বৃদ্ধি বর্তমান হারেই চলতে থাকে তবে মানবজাতির [[মর্যাদা]]র ধারণার কী ঘটবে বলে আপনি মনে করেন? * আমরা এই পৃথিবীর জন্য একটি অভিশাপ বা মহামারীর মতো। আগামী ৫০ বছরের মধ্যে এর ভয়াবহ ফল আমাদের ভোগ করতে হবে। এটি কেবল জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয় নয়; এটি মূলত জায়গার অভাব এবং এই বিশাল জনগোষ্ঠীর জন্য খাদ্য উৎপাদনের জায়গার সমস্যা। হয় আমাদের নিজেদেরই এই জনসংখ্যা বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করতে হবে, নয়তো প্রকৃতিই আমাদের হয়ে এই কাজটি করে দেবে। আর প্রকৃতি এখনই আমাদের ওপর সেই ব্যবস্থা নেওয়া শুরু করে দিয়েছে। ** ডেভিড অ্যাটেনবারা, "[https://www.telegraph.co.uk/news/earth/earthnews/9815862/হিউম্যানস আর প্লেগ অন আর্থ]". ''দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফ'', ২২ জানুয়ারি ২০১৩। * আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের সাফল্য বর্তমানে এতটাই ঈর্ষণীয় যে এর মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ মানুষকে বাঁচিয়ে রাখা সম্ভব হচ্ছে, যদিও তাদের সবসময় পুরোপুরি সুস্থ করা সম্ভব হয় না। আগেকার দিনে বিজ্ঞানের এই অগ্রগতির অভাবের কারণে এই মানুষগুলো সাধারণত মৃত্যুবরণ করত। শারীরিক রোগ নিরাময়ের এই দক্ষতা এবং জ্ঞানের মাঝেই আজকের দিনের একটি প্রধান বৈশ্বিক সমস্যা লুকিয়ে আছে আর তা হলো এই গ্রহের অতিপ্রজতা বা মাত্রাতিরিক্ত জনসংখ্যা। এর ফলে মানবজাতি আজ অনেকটা পালের পশুর মতো জীবনযাপন করতে বাধ্য হচ্ছে এবং এর ফলশ্রুতিতে তৈরি হচ্ছে অর্থনৈতিক সংকট। এই সাফল্যের ফলে সৃষ্ট নানা আনুষঙ্গিক সমস্যার মধ্যে এটি মাত্র একটি। জীবনের এই "অস্বাভাবিক" সুরক্ষা অনেক কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে এবং এটি যুদ্ধের একটি বড় উৎস হিসেবে কাজ করছে, যা এই গ্রহের মূল চেতনাশক্তির কর্মফলের উদ্দেশ্যের পরিপন্থী।<BR>এই বিশাল সমস্যাটি নিয়ে আমি এখানে বিস্তারিত আলোচনা করতে পারছি না। আমি কেবল এটিকে নির্দেশ করতে পারি। এই সমস্যার সমাধান তখনই হবে যখন মানুষের মন থেকে [[মৃত্যু]]র ভয় দূর হবে এবং যখন মানবজাতি সময়ের গুরুত্ব এবং প্রাকৃতিক চক্রের অর্থ বুঝতে শিখবে। **অ্যালিস বেইলি, ''এ ট্রিটিজ অন দ্য সেভেন রেজ: ভলিউম ৪: এসোটেরিক হিলিং'', পৃষ্ঠা ২৭৮ (১৯৫৩)। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৮৫৩৩০-১২১-৯। * '''আমরা যখন কোনো বাধা ছাড়াই ৭০০ কোটি থেকে ৮০০ কোটি মানুষের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি, তখন আমাদের প্রতিটি প্রজন্ম আগের প্রজন্মের চেয়েও বেশি শক্তিশালী, দূষণকারী এবং ধ্বংসাত্মক হয়ে উঠছে। আমি ভাবছি যে, জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ঋণাত্মক হওয়ার স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার জন্য ১০০ বছর কি খুব বেশি সময় হয়ে যাবে না? নাকি এই এক শতাব্দী সময়ের মধ্যে আমরা জীববৈচিত্র্যের এমন অপূরণীয় এবং স্থায়ী ক্ষতি করে ফেলব যা আমাদের অস্তিত্বের জন্যই শেষ পর্যন্ত চরম হুমকি হয়ে দাঁড়াবে।''' মৌমাছি এবং হামিংবার্ডের কথা একটু চিন্তা করুন। সারা বিশ্বজুড়ে পতঙ্গের সংখ্যা যেভাবে হঠাৎ করে কমে যাচ্ছে তার কথা ভাবুন এবং এটি খাদ্য শৃঙ্খলের ওপরের বা নিচের স্তরে থাকা প্রাণীদের ওপর কতটা দ্রুত প্রভাব ফেলতে পারে তা কল্পনা করুন। এখন, মিস্টার বায়োটেক বিলিয়নেয়ার, আপনি কি সত্যিই এই বিশ্বকে এমন সব মানুষ দিয়ে ভরিয়ে দিতে চান যারা ২০০ বা ৩০০ বছর পর্যন্ত বেঁচে থাকবে? ** অ্যালবার্ট বেটস, "[https://medium.com/the-shadow/the-great-pause-week-61-swallow-the-doctor-8cbf077f6e13 সোয়ালো দ্য ডক্টর]"। ''মিডিয়াম'' (১৬ মে ২০২১) * যদিও এই গ্রহের অচেতন ক্রিয়া এবং অন্ধ শক্তিগুলো পৃথিবীর বিবর্তনের ৪৫০ কোটি বছরের ইতিহাসে অনেক বিশৃঙ্খল পরিবর্তন ঘটিয়েছে, এখন সেই পরিবর্তনের দিক নির্ধারিত হচ্ছে একটি সচেতন এবং ইচ্ছাশক্তিসম্পন্ন সত্তা দ্বারা, যার নাম "মানবজাতি"। তবে অবশ্যই আমাদের পুরো মানবজাতিকে সমানভাবে দোষারোপ করা উচিত হবে না, কারণ এই সমস্যার মূলে রয়েছে শিল্পোন্নত পুঁজিবাদী পাশ্চাত্য বিশ্ব। অথচ জলবায়ু সংকটে যাদের অবদান সবচেয়ে কম, সেই দরিদ্র দেশগুলোই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। '''কিন্তু চীন, ভারত এবং ব্রাজিলের মতো দেশগুলো বর্তমানে এই সংকটে বড় ভূমিকা রাখছে এবং এই গ্রহের ৭৫০ কোটি মানুষের সম্মিলিত প্রভাবে সর্বত্রই প্রাণিকুলের বিলুপ্তি এবং ধ্বংসের প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হচ্ছে।''' হলোসিন যুগের সেই স্থিতিশীলতা এখন আর নেই, পরিবর্তনগুলো আমাদের বোঝার ক্ষমতা এবং নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে এবং এক ভয়াবহ বিশৃঙ্খলা আমাদের দরজায় কড়া নাড়ছে। ** স্টিভেন বেস্ট, [https://drstevebest.wordpress.com/2019/12/03/total-liberation-in-the-age-of-the-anthropocene-and-climate-emergency/  টোটাল লিবারেশন ইন দ্য এজ অফ দ্য অ্যানথ্রোপোসিন অ্যান্ড ক্লাইমেট ইমার্জেন্সি] (৩ ডিসেম্বর ২০১৯) * মানুষের জ্যামিতিক হারে বৃদ্ধির এই গতি অভূতপূর্ব এবং পৃথিবীর ইতিহাসে আগে কখনও কোনো একটি একক প্রজাতি এত বিশাল আকারে বৃদ্ধি পায়নি, যা জীবন্ত প্রাণব্যবস্থার ভারসাম্যকে পুরোপুরি নষ্ট করে দিচ্ছে। এই সমস্যাটি দিন দিন কেবল আরও খারাপের দিকেই যাচ্ছে। সাধারণ হিসাব অনুযায়ী, ২০৫০ সালের মধ্যে মানুষের জনসংখ্যা ৮০০ থেকে ১০০০ কোটিতে পৌঁছাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে এবং ২১০০ সালের মধ্যে এটি হয়তো আরও অনেক বেশি বৃদ্ধি পাবে। মানুষের এই জনসংখ্যা বৃদ্ধি একটি চরম পর্যায়ের সংকটকে নির্দেশ করে। তবে অবশ্যই এটি আমাদের সামনে থাকা অসংখ্য সংকটের মাত্র একটি দিক যার সাথে প্রজাতির বিলুপ্তি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের মতো সমস্যাগুলো যুক্ত হয়ে এক ভয়াবহ মহাবিপর্যয় তৈরি করছে। এই চ্যালেঞ্জগুলোই বর্তমানে অ্যানথ্রোপোসিন যুগে মানবজাতির সামনে এক কঠিন পরীক্ষা হিসেবে দাঁড়িয়েছে। ** স্টিভেন বেস্ট, "[https://www.all-creatures.org/lifestyle/img/failed-species.pdf ফেইলড স্পিসিস: দ্য রাইজ অ্যান্ড ফল অফ দ্য হিউম্যান এম্পায়ার]"। ''রোমানিয়ান জার্নাল অফ আর্টিস্টিক ক্রিয়েটিভিটি''। ৯ (২)। (২০২১)। * বর্তমানে আমাদের আধুনিক শিল্প সভ্যতার চাকা প্রায় পুরোপুরিভাবে বিপুল পরিমাণ জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহারের ওপর নির্ভরশীল। এটি বোঝা খুব গুরুত্বপূর্ণ যে, জীবাশ্ম জ্বালানি বা বিশেষ করে খনিজ তেল কেবল ব্যক্তিগত গাড়ি বা ট্রাক তৈরির জন্য বা চালানোর জন্য ব্যবহৃত হয় না। এগুলো ট্রাক্টর, লাঙল, সেচের পাইপ এবং পাম্প তৈরির কাজেও ব্যবহৃত হয় এবং পরে এগুলো চালাতে জ্বালানি হিসেবে কাজ করে। এই জ্বালানিগুলো অনেক গুরুত্বপূর্ণ সার এবং কীটনাশকের রাসায়নিক ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। এছাড়া কৃষিকাজে ব্যবহৃত প্লাস্টিক তৈরির উপাদানও এখান থেকেই আসে। পচনশীল দ্রব্য সংরক্ষণের জন্য যে হিমায়িত ব্যবস্থার প্রয়োজন হয়, তাও এর ওপর নির্ভরশীল। সংক্ষেপে বলতে গেলে, প্রচুর পরিমাণে জীবাশ্ম জ্বালানি ছাড়া আধুনিক শিল্প-কৃষি ব্যবস্থা অচল হয়ে পড়বে। জীবাশ্ম জ্বালানি-ভিত্তিক এই আধুনিক কৃষি ব্যবস্থা না থাকলে বিশ্বে খাদ্য উৎপাদন এতটাই কমে যাবে যা আমাদের বর্তমান জনসংখ্যাকে টিকিয়ে রাখার জন্য মোটেও পর্যাপ্ত হবে না। প্রতি বছর যে নতুন করে আরও ৮ কোটির বেশি মানুষ যুক্ত হচ্ছে, তাদের কথা তো বাদই দিলাম। মুদ্রার উল্টো পিঠ হলো এই যে, '''মানুষ যখন জীবাশ্ম জ্বালানির মধ্যে থাকা এই অসাধারণ শক্তিকে নিজেদের প্রয়োজনে ব্যবহার করে, তখন আমরা "মাত্রাতিরিক্ত শক্তিশালী" হয়ে উঠি—আর এভাবেই আমরা পৃথিবীর জীবমন্ডলকে পিষ্ট করে ফেলছি।''' জীবাশ্ম জ্বালানির শক্তি ছাড়া আমরা প্রতি মিনিটে কয়েকটি ফুটবল মাঠের সমান রেইনফরেস্ট ধ্বংস করতে পারতাম না, গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে পারতাম না, বিশাল আকারে মৎস্য চাষের চেষ্টা করতে পারতাম না বা মাইলের পর মাইল পিচ ঢালা রাস্তা দিয়ে বসতি স্থাপন করতে পারতাম না। সারসংক্ষেপে, জীবাশ্ম জ্বালানি আমাদের জনসংখ্যা এবং তার বৃদ্ধি এবং সেই সাথে আমাদের বিলাসিতা বা অতিরিক্ত ভোগ উভয়কেই টিকিয়ে রেখেছে। ** জোসেফ জে. বিশ, "[https://www.populationmedia.org/the-latest/interrelationships-human-population-fossil-fuels-and-technology ইন্টাররিলেশনশিপস: হিউম্যান পপুলেশন, ফসিল ফুয়েলস, অ্যান্ড টেকনোলজি]।" পপুলেশন মিডিয়া সেন্টার (১৫ অক্টোবর ২০২১) * আমার মতে, বর্তমানে জনসংখ্যা বৃদ্ধি আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে এবং আমাদের সম্পদ দিন দিন কমছে আমরা আমাদের সভ্যতার ইতিহাসে দেখা সবচেয়ে বড় বিপর্যয়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। আমি মনে করি আগামী ৪০ বা ৫০ বছরের মধ্যেই আমরা সেই চরম সংকটে পৌঁছে যাব। যদি আপনার জনসংখ্যার রেখাটি জ্যামিতিক হারে বাড়তে থাকে এবং সম্পদের রেখাটি জ্যামিতিক হারে কমতে থাকে, তবে সবার আগে যা ঘটবে তা হলো সম্পদের বৈষম্য বৃদ্ধি পাওয়া। এর অর্থ হলো আপনি কিছু এলাকায় ধনী মানুষের সুরক্ষিত পাড়া দেখতে পাবেন যেখানে বাইরে নিরাপত্তা রক্ষী থাকবে, আর সেই এলাকার বাইরে কেবল দারিদ্র্য আর অভাব বাড়বে। সম্পদ যত কমতে থাকবে, মানুষ পানি, খাবার এবং চাষযোগ্য জমি নিয়ে নিজেদের মধ্যে লড়াই শুরু করবে। ২০৫০ সালে জোহানেসবার্গের মতো বড় শহরগুলোতে এমন দৃশ্যই দেখা যাবে। এর লক্ষণগুলো এখনই সব জায়গায় ফুটে উঠছে। এটি কেবল অতিরিক্ত জনসংখ্যা এবং সম্পদের অভাবের ফল। আমরা আসলে আমাদের ভবিষ্যৎ ভাগ্যের ওপর কোনো নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেছি। :* নিল ব্লমক্যাম্প: ''[http://www.avclub.com/article/idistrict-9-idirector-neill-blomkamp-31606 ডিস্ট্রিক্ট ৯ ডিরেক্টর নিল ব্লমক্যাম্প],'' তাশা রবিনসন কর্তৃক '' avclub.com''-এ প্রকাশিত, ১২ আগস্ট ২০০৯। * ... ১৭৯৮ সালে রেভারেন্ড থমাস ম্যালথাস যে ভবিষ্যৎবাণী করেছিলেন মানুষ তার সংখ্যা বৃদ্ধির মাধ্যমে নিজেকে এক "দুর্ভোগ এবং অনৈতিকতার" পরিস্থিতির দিকে নিয়ে যাবে তা আজও ততটাই সত্য যতটা সেই সময়ে ছিল। জ্যামিতিক হারে জনসংখ্যা বাড়লেও খাদ্য উৎপাদন গাণিতিক হারে বাড়ে, যার ফলে এই ভারসাম্যহীনতা তৈরি হয়। তিনি একজন দূরদর্শী মানুষ ছিলেন এবং অতিপ্রজতার এই দানবীয় রূপটি পরিষ্কারভাবে দেখতে পেয়েছিলেন। তার ভবিষ্যৎবাণীর একমাত্র ভুল ছিল সময়ের হিসাবে সামান্য এদিক-ওদিক হওয়া। আমরা কৃষিবিদেরা খুব জোর দিয়ে বললে বড়জোর কয়েক দশক সময় পেতে পারি যার মধ্যে আমাদের খাদ্য উৎপাদনের সাথে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হারের একটি সফল ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে। ** নরমান বোরলাগ: [https://repository.cimmyt.org/bitstream/handle/10883/19272/9023.pdf?sequence=1 "হুইট ব্রিডিং অ্যান্ড ইটস ইমপ্যাক্ট অন ওয়ার্ল্ড ফুড সাপ্লাই।"] এতে: ''থার্ড ইন্টারন্যাশনাল হুইট জেনেটিক্স সিম্পোজিয়াম''। সিআইএমএমওয়াইটি, ১৯৬৮। * এটি স্বতস্ফূর্তভাবে প্রমাণিত যে, আমাদের পরিবেশগত সীমার এই যে অতিরিক্ত লঙ্ঘন, তা মূলত মানুষের অত্যধিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির সরাসরি ফলাফল। এই বিশাল জনগোষ্ঠী প্রচুর পরিমাণে প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবহার করছে এবং এই সীমিত গ্রহের ওপর মাত্রাতিরিক্ত বর্জ্য ত্যাগ করছে, যা মূলত সুস্থ পরিবেশ ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল। যারা বিশ্বাস করেন যে আমরা একটি সীমাবদ্ধ সম্পদের বিশ্বে বাস করি এবং আমাদের বর্জ্য শোষণের ক্ষমতাও সীমিত, তাদের কাছে এই বিষয়টি ব্যাখ্যার প্রয়োজন নেই। তবুও এখনও এমন অনেক মানুষ আছেন যারা মনে করেন যে মানুষের অনন্য বুদ্ধিমত্তা এবং প্রযুক্তিগত দক্ষতা আমাদের এই সব চ্যালেঞ্জগুলো থেকে "মুক্ত" করবে। অথচ আমাদের এই সাম্প্রতিক বিস্ফোরক জনসংখ্যা বৃদ্ধি, বিশ্বব্যাপী সম্প্রসারণ এবং শিল্পায়ন আমাদের গ্রহের সীমাগুলো অতিক্রম করে আমাদের সামনে একের পর এক কঠিন চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিচ্ছে। ** স্টিভ বুল, "[https://stevebull-4168.medium.com/todays-contemplation-collapse-cometh-cxci-the-nexus-of-population-energy-innovation-and-936076b4cf23 দ্য নেক্সাস অফ পপুলেশন, এনার্জি, ইনোভেশন, অ্যান্ড কমপ্লেক্সিটি]"। (২৮ নভেম্বর ২০২৪)। * প্রতিটি জীবিত প্রজাতিকেই বেঁচে থাকার জন্য প্রকৃতি থেকে কিছু না কিছু নিতে হয় এবং আমরাও তার ব্যতিক্রম নই। কিন্তু অন্যান্য প্রজাতির মতো আমাদের খাদ্য, আরাম-আয়েশ, বাসস্থান বা প্রজননের আকাঙ্ক্ষার কোনো শেষ নেই—বেঁচে থাকার এই মৌলিক চাহিদাগুলো এখন আমাদের অস্তিত্বের প্রয়োজনের চেয়েও অনেক বেশি মাত্রায় বেড়ে গেছে। আমরা উন্নতি করতে বাধ্য হই এবং মানুষ হিসেবে দুই পায়ে দাঁড়ানোর পর থেকেই আমরা ভূমি থেকে প্রাকৃতিক সম্পদ আহরণ করে আসছি। পুরো বিংশ শতাব্দী জুড়ে আমাদের এই বিশাল ভোগের যন্ত্রটি আরও শক্তিশালী হয়েছে এবং মানুষের এই অতৃপ্ত আকাঙ্ক্ষা আমাদের টিকিয়ে রাখা এই গ্রহের ওপরই আঘাত হেনেছে। খুব অল্প সময়ের মধ্যে মানবজাতি তার জনসংখ্যার বিস্ফোরণ, শিল্প এবং প্রযুক্তির মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী এক বিশাল পরিবর্তনের কারিগর হয়ে উঠেছে। এই সভ্যতা তার অগ্রগতির পথে যা রেখে যাচ্ছে তা হয়তো শেষ পর্যন্ত এক উন্মুক্ত এবং রিক্ত এক পৃথিবী ছাড়া আর কিছুই নয়। কিন্তু এই আগ্রাসনের মাধ্যমে আমরা নিজের অজান্তেই আমাদের বর্তমান জীবনযাত্রার এক বিশাল এবং ধ্বংসাত্মক স্মারক তৈরি করে চলেছি। ** এডওয়ার্ড বার্টিনস্কি, "[https://books.openbookpublishers.com/10.11647/obp.0193/ch13.xhtml ইমেজিং আর্থ]।" ''আর্থ ২০২০'' (২০২০)। * বিশ্বজুড়ে জীববৈচিত্র্য কমে যাওয়ার বিষয়টি সবচেয়ে স্পষ্টভাবে বোঝা যায় যখন আমরা এটি অনুধাবন করি যে, অতিরিক্ত মানুষ অনেক বেশি পরিমাণে প্রাকৃতিক সম্পদ ভোগ করছে ও উৎপাদন করছে এবং এর ফলে অন্যান্য প্রজাতিগুলো তাদের নিজস্ব আবাসন থেকে বিতাড়িত হচ্ছে। বন্য প্রাকৃতিক পরিবেশ এবং সমুদ্রের তলদেশের পরিবেশ আজ মানুষ, আমাদের পোষা ও আমাদের ওপর নির্ভরশীল প্রাণী, আমাদের অর্থনৈতিক সহায়তা ব্যবস্থা এবং আমাদের ফেলে দেওয়া আবর্জনার স্তূপের মাধ্যমে দখল হয়ে যাচ্ছে। ** ফিলিপ কাফারো, পারনিলা হ্যানসন, ফ্রাঙ্ক গোটমার্ক, {{cite journal|doi=10.1016/j.biocon.2022.109646|title=অতিপ্রজতা হলো জীববৈচিত্র্য হ্রাসের একটি প্রধান কারণ এবং যা অবশিষ্ট আছে তা রক্ষা করার জন্য মানুষের সংখ্যা কমিয়ে আনা প্রয়োজন|year=২০২২ |journal={{W|Biological Conservation (journal)|বায়োলজিক্যাল কনজারভেশন}}|volume=২৭২|issue= |pmid=|pmc=|url=https://www.sustainable.soltechdesigns.com/Overpopulation-and-biodiversty-loss(2022).pdf}} * গত একশ বছরে 'হোমো সেপিয়েন্স' বা মানুষের জনসংখ্যা ২০০ কোটি থেকে বেড়ে প্রায় ৮০০ কোটিতে পৌঁছেছে। জাতিসংঘ (২০১৯) অনুমান করছে যে, যদি এই জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কমানোর জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা না হয়, তবে ২১০০ সালের মধ্যে এই সংখ্যা আরও ৩০০ কোটি বৃদ্ধি পাবে। এই সম্ভাব্য বৃদ্ধিকে উপেক্ষা করার অর্থ হলো বর্তমানে চলমান জীববৈচিত্র্য সংকটের একটি প্রধান চালিকাশক্তিকে অস্বীকার করা। মানুষের বর্তমান এই বিশাল সংখ্যাকে একটি স্বাভাবিক পরিস্থিতি হিসেবে মেনে নেওয়ার অর্থ হলো একটি জৈবিকভাবে নিঃস্ব ও রিক্ত গ্রহকে মেনে নেওয়া। ** এলবিআইডি। * আঠারো শতকের অর্থনীতিবিদ থমাস ম্যালথাস একবার ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন যে, যেহেতু আমাদের জনসংখ্যা জ্যামিতিক হারে বৃদ্ধি পায় অথচ আমাদের খাদ্য সরবরাহ বাড়ে গাণিতিক হারে, তাই আমাদের জনসংখ্যা একদিন আমাদের লালন-পালন করার ক্ষমতাকে ছাড়িয়ে যাবে। যদিও প্রক্রিয়াজাত খাদ্য এবং জেনেটিকালি পরিবর্তিত জীবের উদ্ভাবনের ফলে এটি বর্তমানে ভুল প্রমাণিত হয়েছে, তবুও পিটার ফার্বের ধাঁধাটি বর্তমানে সত্য বলে প্রতীয়মান হতে পারে। যেহেতু পৃথিবীর জনসংখ্যা প্রতিনিয়ত বাড়ছে, তাই আমরা আমাদের খাদ্য উৎপাদনও বাড়িয়ে দিচ্ছি। এর ফলে খাদ্যের উদ্বৃত্ত থাকায় মানুষ এখন আগের চেয়ে বেশি পুষ্টি পাচ্ছে। এটি মানুষের গড় আয়ু বাড়িয়ে দিচ্ছে এবং শিশু মৃত্যুর হার কমিয়ে দিচ্ছে। এর ফলে মানুষ আরও বেশি সংখ্যক সন্তান ধারণ করতে সক্ষম হচ্ছে। এই চক্রাকার ধাঁধাটি আমাদের গ্রহের জন্য মোটেও স্বাস্থ্যকর নয়। কারণ আমরা হয়তো আমাদের ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার ক্ষুধা মেটাতে সক্ষম হব, কিন্তু আমাদের অন্যান্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সম্পদ যেমন পানি এবং তেল দিন দিন ফুরিয়ে আসছে। জনসংখ্যাকে একটি স্থিতিশীল পর্যায়ে রাখার জন্য আমাদের ডেনমার্ক এবং জাপানের মতো প্রতিস্থাপন হারে প্রজনন করা উচিত। ** ক্যাথরিন ক্যালডওয়েল, "[https://facetsofsustainability2014.wordpress.com/2014/11/13/farb-malthus-and-ishmael-v-the-population/ ফার্ব, ম্যালথাস এবং ইসমায়েল বনাম জনসংখ্যা]" (১৩ নভেম্বর ২০১৪)। * বর্তমানে মানবজাতি ভবিষ্যতের সম্পদ অতি লোভীর মতো চুরি করার কাজে লিপ্ত হয়েছে। আধুনিক বিশ্বে দেখা দেওয়া দুর্ভিক্ষ অবশ্যই মানুষের বর্তমান অবস্থার একটি গভীর সমস্যার লক্ষণগুলোর মধ্যে একটি হওয়া উচিত—আর তা হলো ডায়াক্রনিক প্রতিযোগিতা। এটি এমন একটি সম্পর্ক যেখানে আমাদের বর্তমানের সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য বা ভালো থাকা নিশ্চিত করা হচ্ছে আমাদের বংশধরদের বা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুযোগ-সুবিধা কেড়ে নেওয়ার বিনিময়ে। আমাদের বিশাল জনসংখ্যা, আমাদের প্রযুক্তিগত উন্নতির স্তর এবং মানুষের ধারণক্ষমতা বৃদ্ধির স্থায়ী পদ্ধতি (যেমন কৃষি) ও সাময়িক পদ্ধতি (জীবাশ্ম জ্বালানি এবং অন্যান্য খনিজ সম্পদের ওপর নির্ভরশীলতা)-র মধ্যে পার্থক্য বুঝতে না পারার কারণে আমরা আজকের মানুষের আকাঙ্ক্ষা পূরণের বিষয়টিকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের বিশাল বঞ্চনার ওপর নির্ভরশীল করে তুলেছি। ** উইলিয়াম আর. ক্যাটন, ''ওভারশুট'' (১৯৮০), অধ্যায় ১: "আমাদের একটি নতুন দৃষ্টিভঙ্গির প্রয়োজন", পৃষ্ঠা ৩। * আমরা ইতিমধ্যেই একটি অতিরিক্ত বোঝাই বিশ্বে বাস করছি। আমাদের ভবিষ্যৎ হবে সেই সত্যেরই একটি অনিবার্য ফল। আর সেই সত্যটি হলো আমাদের অতীতের কর্মকাণ্ডের একটি ফলাফল। তাই আমাদের প্রথম কাজ হলো নিজেদের কাছে এটি স্পষ্ট করা যে আমরা কীভাবে এই বর্তমান অবস্থায় পৌঁছালাম এবং কেন আমাদের বর্তমান পরিস্থিতি একটি বিশেষ ধরণের ভবিষ্যতের দিকে আমাদের নিয়ে যাচ্ছে। […] এটি এমন একটি বিশ্বের গল্প যা বারবার মানুষের সংখ্যার দ্বারা পরিপূর্ণ হওয়ার কাছাকাছি পৌঁছেছে, কিন্তু প্রতিবারই মানুষের বুদ্ধিমত্তা সেই প্রাকৃতিক সীমাটিকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। সীমা বাড়ানোর প্রথম কয়েক ধাপ প্রায় ২০ লক্ষ বছর ধরে একগুচ্ছ প্রযুক্তিগত আবিষ্কারের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছিল। এই আবিষ্কারগুলো মানুষকে পৃথিবীর মোট জীবন ধারণের ক্ষমতার এমন সব অংশ বারবার দখল করতে সাহায্য করেছে যা আগে অন্য প্রজাতির প্রাণীদের টিকিয়ে রাখত। সীমা বাড়ানোর সবচেয়ে সাম্প্রতিক পর্বটি অনেক বেশি চমকপ্রদ ফলাফল নিয়ে এসেছে। যদিও এটি মানুষের ধারণক্ষমতা বাড়িয়েছি একদম ভিন্ন একটি পদ্ধতিতে: আর তা হলো এমন কিছু সীমিত সম্পদের ভাণ্ডার ব্যবহার করা যা মানুষের আয়ুর কোনো নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আর নতুন করে তৈরি হবে না। তাই এর ফলাফল কখনও স্থায়ী হতে পারে না। এই সত্যটি মানবজাতিকে এমন এক বিপদজনক অবস্থানে নিয়ে গেছে যেখানে আধুনিক জীবনের কর্মকাণ্ডগুলো সেই আশ্রয়স্থলকেই কেটে ফেলছে। ** উইলিয়াম আর. ক্যাটন, ''ওভারশুট'' (১৯৮০), অধ্যায় ২: "মানুষের সাফল্যের করুণ গল্প", পৃষ্ঠা ১৭। * বড়জোর দুই প্রজন্মের মানুষ যখন শিল্পায়নের সুবিধা ভোগ করছিল, তখনই অত্যন্ত কার্যকরভাবে মৃত্যু নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার আরও ত্বরান্বিত হয়। রোগ সৃষ্টির পেছনে অণুজীবের ভূমিকা আবিষ্কৃত হয়। ১৮৬৫ সালে অ্যান্টিসেপটিক সার্জারির ব্যবহার শুরু হয়। চিকিৎসা প্রযুক্তিতে এর সাথে সম্পর্কিত আরও অনেক যুগান্তকারী আবিষ্কারের সূচনা হিসেবে একে গণ্য করা যেতে পারে: যেমন স্বাস্থ্যকর অভ্যাস, টিকাদান, অ্যান্টিবায়োটিক ইত্যাদি। এই সাম্প্রতিক সিরিজের সাফল্যের সামগ্রিক ফল হলো মানবজাতিকে সেই সব অদৃশ্য জীবের হাত থেকে মুক্ত করা যারা একসময় মানুষের শরীরের টিস্যুকে খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে মানুষের জীবনকাল কমিয়ে দিত। শিকারি প্রাণীদের হাত থেকে নতুন সুরক্ষা পাওয়া অন্যান্য প্রজাতির প্রাণীর মতো আমরাও বংশবৃদ্ধি করেছি এবং নিজেদের সংখ্যা এতটাই বাড়িয়েছি যে আমরা আমাদের নিজেদের প্রজাতি দিয়ে পৃথিবীকে কেবল পরিপূর্ণই করিনি বরং উপচে ফেলেছি। ** প্রাগুক্ত, পৃষ্ঠা ৩০। * মানুষ হয় পরিবেশের ধারণক্ষমতার ধারণাটি সম্পর্কে ক্রমাগত অজ্ঞতা প্রদর্শন করেছে অথবা এই অন্ধ বিশ্বাস পোষণ করেছে যে ধারণক্ষমতা সবসময়ই বাড়ানো সম্ভব এবং যে কোনো সীমা সবসময় অতিক্রম করা যাবে। পুঁজিবাদী এবং মার্কসবাদী—উভয় পক্ষই সম্ভবত এমন একটি ভুল ধারণা পোষণ করত যার কারণে তারা এটি স্বীকার করতে অস্বীকার করেছে যে সীমাহীনতার সেই মিথ বা রূপকথাটি অবশেষে সেকেলে হয়ে গেছে। সেখানে এমন একটি ধারণাও প্রচলিত ছিল যে প্রযুক্তির আরও উন্নতি হলে তা অবশ্যই পৃথিবীর ধারণক্ষমতাকে বাড়াবে, কমাবে না। অতীতে প্রযুক্তির কাজই ছিল ধারণক্ষমতা বাড়ানো; তবে... শিল্প যুগে প্রযুক্তির এই ভূমিকায় একটি পরিবর্তন এসেছে। প্রযুক্তি প্রাকৃতিক সম্পদের প্রতি মানুষের ক্ষুধা বাড়িয়ে দিয়েছে, যার ফলে একটি নির্দিষ্ট পরিবেশ যত সংখ্যক মানুষকে টিকিয়ে রাখতে পারে সেই সংখ্যাটি দিন দিন কমছে। ** এলবিআইডি, পৃষ্ঠা ৩২। * মানুষ কল্পনা করে নিয়েছে যে তারা অন্যান্য স্তন্যপায়ী প্রাণীদের তুলনায় অনেক বেশি আলাদা বা উন্নত। তাই মানুষের আচরণে যখন সেই একই বৈশিষ্ট্যগুলো দেখা যায় তখন জনসংখ্যার চাপের গুরুত্বকে আড়াল করার জন্য আরও বিভিন্ন ধরণের সামাজিক ব্যাখ্যা দেওয়া হয়। বিংশ শতাব্দীতে মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়া এবং সম্পদের ভাণ্ডার ফুরিয়ে আসার বিষয়টি যখন স্পষ্ট হয়ে ওঠে, তখন মানুষ যুদ্ধে লিপ্ত হয়। তারা রাস্তায় দাঙ্গা শুরু করে। তারা আরও বেশি মাত্রায় সহিংস অপরাধ করতে থাকে। [...] তাদের রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি চরমপন্থী হয়ে ওঠে এবং তারা সর্বগ্রাসী সরকার গঠন করে, যার মধ্যে কিছু সরকার নিষ্ঠুর কর্মকাণ্ডের অনুমতি দিয়ে দেয়। দুই প্রজন্মের মধ্যে ব্যবধান আরও প্রকট এবং গভীর হয়। বর্ণবাদ রোধে এবং অর্থনৈতিক অসমতা দূর করার জন্য মানবতাবাদী কর্মীদের আন্তরিক প্রচেষ্টা সত্ত্বেও মানুষের মধ্যে বৈষম্য থেকে যায় এবং পারস্পরিক বিদ্বেষ আরও মারাত্মক আকার ধারণ করে। অন্যের প্রতি আচরণের ক্ষেত্রে শালীনতার মানদণ্ড এবং বিবেচনাবোধের সাথে আত্মসংযমের প্রত্যাশা অনেক জায়গায় নষ্ট এবং অবক্ষয়ের শিকার হয়। ** উইলিয়াম আর. ক্যাটন, ''ওভারশুট'' (১৯৮০), অধ্যায় ৬: "যে প্রক্রিয়াগুলো গুরুত্বপূর্ণ", পৃষ্ঠা ১০৭। * আমাদের বুঝতে হবে যে আমরা মানুষরা এই গ্রহের বাস্তুসংস্থানের ওপর যে "বোঝা" চাপিয়ে দিচ্ছি তা কেবল একটি জনসংখ্যার সংখ্যা মাত্র নয়। ভিন্ন ভিন্ন সংস্কৃতির মানুষ কেবল ভিন্ন হারেই বংশবৃদ্ধি করে না; তারা মাথাপিছু পরিবেশের ওপর ভিন্ন ভিন্ন মাত্রায় প্রভাব ফেলে। সংস্কৃতির মধ্যে একটি জনগোষ্ঠীর প্রযুক্তি এবং মানুষের নিজেদের সংগঠিত করার পদ্ধতি অন্তর্ভুক্ত থাকে। আমাদের মধ্যে যারা একটি "উন্নত" দেশে বাস করি (অর্থাৎ ম্যালথাসের কল্পনার বাইরে শিল্পোন্নত একটি সমাজ), তাদের প্রত্যেকের সম্পদের ক্ষুধা এবং পরিবেশের ওপর প্রভাব তথাকথিত একটি "উন্নয়নশীল" দেশের প্রত্যেক বাসিন্দার তুলনায় অনেক বেশি। আমাদের বর্তমানের এই চরম টেকসইহীন জীবনযাত্রার জন্য ৬০০ কোটি মানুষও সংখ্যায় অনেক বেশি। ** উইলিয়াম আর. ক্যাটন, ''ম্যালথাসের পূর্বাভাসের চেয়েও খারাপ (এমনকি যদি জীবিতরা মৃতদের চেয়ে সংখ্যায় বেশি না-ও হয়)''। ওয়াশিংটন স্টেট ইউনিভার্সিটি (মার্চ ২০০০) * জীবন এখন একটি ষষ্ঠ গণবিলুপ্তির যুগে প্রবেশ করেছে। এটি সম্ভবত পরিবেশের সবচেয়ে গুরুতর সমস্যা, কারণ একটি প্রজাতির হারিয়ে যাওয়া মানে তা চিরতরে হারিয়ে যাওয়া। এদের প্রত্যেকেই সেই জীবন্ত ব্যবস্থার মধ্যে কোনো না কোনো ছোট বা বড় ভূমিকা পালন করে যার ওপর আমরা সবাই নির্ভরশীল। বর্তমান এই সংকটকে সংজ্ঞায়িত করা প্রজাতির বিলুপ্তি মূলত তাদের অন্তর্ভুক্ত জনসংখ্যার ব্যাপক হারে নিখোঁজ হওয়ার ওপর ভিত্তি করে ঘটে চলেছে, যার বেশিরভাগই হয়েছে ১৮০০ সালের পর থেকে। আমরা যে বিশাল ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছি তা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে হোমো সেপিয়েন্স বা মানুষের কর্মকাণ্ডের কারণেই ঘটছে। আমাদের পূর্বপুরুষরা প্রায় ১১,০০০ বছর আগে কৃষিকাজ শুরু করার পর থেকে এর প্রায় সবটুকুই ঘটেছে। সেই সময় সারা বিশ্বে আমাদের সংখ্যা ছিল প্রায় ১০ লক্ষ; এখন আমাদের সংখ্যা ৭৭০ কোটি এবং এই সংখ্যাটি এখনও দ্রুত বাড়ছে। '''আমাদের সংখ্যা যত বেড়েছে, মানবজাতি তার জীবন্ত সঙ্গী বা প্রাণিকুলের বিশাল অংশের জন্য এক অভূতপূর্ব হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে'''। ** জেরার্ডো সেবালোস, পল আর. এরলিচ এবং পিটার এইচ. র‍্যাভেন, ''[https://www.pnas.org/content/early/2020/05/27/1922686117 মেরুদণ্ডী প্রাণীরা জৈবিক ধ্বংস এবং ষষ্ঠ গণবিলুপ্তির সূচক হিসেবে বিপদের মুখে]''। ''পিএনএএস'', ১ জুন ২০২০। * আমরা বর্তমানে ষষ্ঠ গণবিলুপ্তি ঘটনার মধ্যে রয়েছি। আগের পাঁচটি বিলুপ্তির মতো না হয়ে এটি ঘটছে একটি মাত্র প্রজাতির অতিরিক্ত বৃদ্ধির কারণে, যার নাম 'হোমো সেপিয়েন্স'। ** জেরার্ডো সেবালোস, পল আর. এরলিচ, "[https://www.pnas.org/doi/10.1073/pnas.2306987120 প্রাণীকুলের গণবিলুপ্তির মাধ্যমে জীবন বৃক্ষের অঙ্গহানি]"। ''পিএনএএস'', ২০২৩। * গত শতাব্দীতে মানুষের অনেক কর্মকাণ্ডের গতি এতটাই ত্বরান্বিত হয়েছে এবং মানুষের অতিপ্রজতা বা জনসংখ্যা বৃদ্ধি এতটাই ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে যে তা একটি নাটকীয় বৈশ্বিক পরিবেশগত রূপান্তর সৃষ্টি করেছে। বেশিরভাগ প্রাকৃতিক বাস্তুসংস্থান ব্যাপকভাবে পরিবর্তিত হয়েছে অথবা পুরোপুরি অদৃশ্য হয়ে গেছে এবং বন্যপ্রাণীর প্রাচুর্য অনেক বেশি কমে গেছে। ** এলবিআইডি। * আমরা যখন থেকে আগুন আবিষ্কার ও নিয়ন্ত্রণ করতে শিখেছি এবং কৃষিকাজ শুরু করেছি তখন থেকেই আমাদের শক্তির ব্যবহার বাড়ছে। তবে এটি সবচেয়ে বেশি বেড়েছে যখন আমরা পৃথিবীর ভূত্বক থেকে লক্ষ লক্ষ বছরের সঞ্চিত এবং ঘনীভূত সৌর শক্তিকে জীবাশ্ম জ্বালানি হিসেবে আহরণ করে এক বিশাল জ্বালানি ভাণ্ডারের সন্ধান পেয়েছি। নতুন শক্তি রূপান্তর কৌশলের বিকাশের সাথে সাথে এই শক্তির প্রাচুর্য মানুষের জনসংখ্যা এবং উৎপাদনের প্রবৃদ্ধির পথে থাকা দীর্ঘকালীন বাধাগুলোকে দূর করা সম্ভব করেছে। উনিশ শতকের শুরু থেকে যেসব নতুন শক্তির উৎস, রূপ এবং ব্যবহার শুরু হয়েছে তা আমাদের আরও বেশি উপকরণের যোগান দিয়েছে এবং নতুন ও আরও আধুনিক যন্ত্রপাতির উদ্ভাবন সম্ভব করেছে। এর ফলে আমাদের শক্তির ব্যবহার এবং উপকরণের প্রবাহ দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে (অর্থাৎ জীবমন্ডলের উৎস থেকে কাঁচামাল এবং শক্তির প্রবাহ মানুষের বাস্তুসংস্থানের মধ্য দিয়ে আবার জীবমন্ডলের গন্তব্যে ফিরে যাওয়া), যা আমরা সাধারণত "অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি" হিসেবে পরিমাপ করে থাকি। সেই সময় থেকে এই প্রবৃদ্ধি আর কখনও থামেনি, যদিও শক্তি এবং উপকরণের ইনপুট, আউটপুট এবং বর্জ্যের প্রবাহ সময়ের সাথে সাথে পরিবর্তিত হয়েছে। আমাদের যন্ত্র এবং প্রক্রিয়াগুলোতে "শক্তির দক্ষতা" বাড়ানোর প্রচেষ্টা (অর্থাৎ নির্দিষ্ট কাজ করার জন্য প্রয়োজনীয় শক্তির পরিমাণ কমানো) আমাদের ব্যবহৃত মোট শক্তির পরিমাণকে কখনও কমাতে পারেনি। বরং উল্টো আমাদের ভোগের হার বাড়ানোর জন্য আরও বেশি সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে। ** ফ্রাঁসোয়া-জাভিয়ের শেভালেরউ, "[https://www.faninitiative.net/articles/the-age-of-energy-disruptions/ শক্তির বিপর্যয়ের যুগ]"। দ্য ফ্যান ইনিশিয়েটিভ। ১০ ডিসেম্বর ২০২১। * পরিবেশ বিশ্লেষকরা একটি টেকসই জনসংখ্যা বলতে এমন এক জনসংখ্যাকে বোঝেন যারা জীববৈচিত্র্য বজায় রেখে এবং জলবায়ু পরিবর্তন জনিত সমস্যাগুলোকে কমিয়ে একটি পরিমিত ও সমতাপূর্ণ মধ্যবিত্ত জীবনযাত্রার মান উপভোগ করতে পারে। বিশ্লেষকদের মতে এই জনসংখ্যার আকার ২০০ কোটি থেকে ৪০০ কোটির মধ্যে হওয়া উচিত, যা বর্তমানের ৭৯০ কোটি থেকে অনেক কম। ** আইলিন ক্রিস্ট, উইলিয়াম জে. রিপল, পল আর. এরলিচ, উইলিয়াম ই. রিস এবং ক্রিস্টোফার উলফ {{cite journal|doi=10.1016/j.scitotenv.2022.157166|title=জনসংখ্যা বিষয়ে বিজ্ঞানীদের সতর্কতা|year=২০২২ |journal=Science of the Total Environment|volume=৮৪৫|issue= |pmid=35803428|pmc=|url=https://scientistswarning.forestry.oregonstate.edu/sites/default/files/Crist2022.pdf}} * আজ আমরা যে পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছি তা মানবজাতির বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের বিশালতা এবং তাদের বৃদ্ধির হারের বিচারে সম্পূর্ণ অনন্য। এই দুষ্টচক্রটি বর্তমানে যে মারাত্মক মোড় নিতে যাচ্ছে তা সত্যিই এক বিশাল এবং ভয়াবহ পরিবর্তনের সংকেত দিচ্ছে। […] আগুনকে আয়ত্তে আনা ছিল মানুষের প্রযুক্তিগত উন্নয়নের একদম প্রাথমিক পর্যায়ের একটি বিশেষ মাইলফলক। জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানোর মাধ্যমে আজও সেই আগুনের ব্যবহার আমাদের জীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং অপরিহার্য হয়ে রয়েছে। আর এভাবেই মানব সভ্যতার উন্নয়নের এই দুষ্টচক্রটি ক্রমাগত নিজেকে আবর্তিত করে চলেছে। জীবাশ্ম জ্বালানি এবং বিভিন্ন ধাতব সম্পদের ক্রমাগত ক্রমবর্ধমান ব্যবহারের ফলে এই চক্রের গতিবেগ দিন দিন আরও তীব্র হয়ে উঠছে। যদিও বিভিন্ন পরিবেশবাদী সংগঠন এবং সবুজ বা পরিবেশবান্ধব রাজনৈতিক দলগুলো এই পরিস্থিতি প্রতিরোধের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু বর্তমান সংকটের তুলনায় সেই প্রতিরোধের চিহ্নটি একেবারেই নগণ্য। ** ক্রেগ ডিলওয়ার্থ, ''টু স্মার্ট ফর আওয়ার ওন গুড'' (২০০৯), অধ্যায় ৬: "দ্য ভিশাস সার্কেল টুডে" * গত কয়েক শতাব্দী ধরে জনসংখ্যার যে বিশাল বিস্ফোরণ আমরা লক্ষ্য করছি […] তা মূলত সম্ভব হয়েছে মানুষের জীবনযাত্রার মানের ব্যাপক উন্নতি, দ্রুত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, খাদ্যের বিপুল প্রাচুর্য এবং জনস্বাস্থ্যের অভূতপূর্ব অগ্রগতির কারণে। তবে আমাদের এই সব ধরণের উন্নতি ও অগ্রগতি মূলত জীবাশ্ম জ্বালানির শক্তির ওপর ভিত্তি করেই টিকে রয়েছে। যখন জীবাশ্ম জ্বালানির ভাণ্ডার তার সর্বোচ্চ সীমায় পৌঁছে যাবে […] তখন শিল্প উৎপাদন, প্রবৃদ্ধি এবং আধুনিক জীবনের যাবতীয় সুযোগ-সুবিধাগুলো ধীরে ধীরে পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যেতে শুরু করবে। বর্তমানের এই আধুনিক শিল্প সমাজ তখন এক "অভাবী সমাজে" রূপান্তরিত হবে যা খুব সামান্য পরিমাণ শক্তির সাহায্যে নিজেদের পরিচালনা করবে। এরপর একসময় এটি একটি "উদ্ধারকারী সমাজে" পরিণত হবে যা পরিত্যক্ত হয়ে যাওয়া শহরের ভবন, যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং শিল্প কেন্দ্রগুলোর আবর্জনা বা ধ্বংসাবশেষ থেকে নিজেদের বেঁচে থাকার রসদ কোনোমতে সংগ্রহ করবে। ** রিক ডকসাই, "ইজ সিভিলাইজেশন ডুমড?" ''দ্য ফিউচারিস্ট''। মার্চ/এপ্রিল ২০১০। === E === *Part of human impact on the earth relates to our swiftly growing numbers. If we do not take deliberate, conscious action to maintain a reasonable balance between the numbers of people and the environmental wealth required to sustain us, nature will make appropriate adjustments, and famine, disease, and wars-the predictable outcomes of living beyond one's environmental means, of overspending environmental capital-will ultimately force a cruel discipline. **[[Sylvia Earle]], ''Sea Change: A Message of the Oceans'' (1995) * The key to understanding overpopulation is not population density but the numbers of people in an area relative to its resources and the capacity of the environment to sustain human activities; that is, to the area’s carrying capacity. When is an area overpopulated? When its population can’t be maintained without rapidly depleting nonrenewable resources... By this standard, the entire planet and virtually every nation is already vastly overpopulated. ** Paul R. Ehrlich, ''The Population Explosion'' (1990) *The debate regarding which individual factor, among the three key factors producing the environmental crisis, causes more damage - the size of the human population on the planet, excessive consumption of resources, or unequal/ unjust distribution of resources among countries [the wealthier countries consume much more resources, per person on average than poorer countries] - is like a debate about which contributes more to a triangle, the base or the ribs of the triangle. You can not separate the three factors. If we analyze the numbers over a relatively longer time interval, we will conclude that the size of the population has a bigger impact than consumption. On the other hand, consumption and unequal distribution are also important aspects. If we do not change these three factors all at the same time, the quality of our life will change dramatically. Today '''humanity is delivering a serious blow to [the rest of] nature, but it is clear that nature will deliver the final blow.''' ** Paul R. Ehrlich, ''[http://www.haaretz.co.il/1.1875624 People should produce far fewer children, or expect the worst]'' (Dec. 2012) *Earth is home to millions of species. Just one dominates it. Us. '''Our cleverness, our inventiveness, and our activities have modified almost every part of our planet. In fact, we are having a profound impact on it. Indeed, our cleverness, our inventiveness, and our activities are now the drivers of every global problem we face. And every one of these problems is accelerating as we continue to grow towards a global population of ten billion. In fact, I believe we can rightly call the situation we're in right now an emergency – an unprecedented planetary emergency.''' **{{W|Stephen Emmott}}, ''[https://www.theguardian.com/environment/2013/jun/30/stephen-emmott-ten-billion 10 Billion]'', as summarized in ''The Guardian'', June 30, 2013. *We humans emerged as a species about 200,000 years ago. In geological time, that is really incredibly recent. Just 10,000 years ago, there were one million of us. By 1800, just over 200 years ago, there were 1 billion of us. By 1960, 50 years ago, there were 3 billion of us. There are now over 7 billion of us. By 2050, your children, or your children's children, will be living on a planet with at least 9 billion other people. Some time towards the end of this century, there will be at least 10 billion of us. Possibly more. We got to where we are now through a number of civilization-and society-shaping “events”; most notably, the agricultural revolution, the scientific revolution, and—in the West—the public-health revolution. These events have fundamentally shaped how we live, and have fundamentally shaped our planet. Their legacy will continue to shape our future. So we need to look at our growth and activities through the lens of these developments. One of the principal reasons for this growth was the invention of agriculture. The “agricultural revolution” enabled us to go from being hunter-gatherers to highly organized producers of food, and allowed our population to grow. A useful way to think of the development and importance of agriculture is in terms of at least three agricultural “revolutions.” The first took place over 10,000 years ago. This was the domestication of animals and the cultivation of plant types. The second agricultural revolution was between the fifteenth and nineteenth centuries. This was a revolution in agricultural productivity and the mechanization of food production. The third happened between the 1950s and 2000s; the so-called “green revolution.” But there’s another story here: the start of a fundamental transformation—of land use—by humans. **Stephen Emmott, ''10 Billion'' (2013) * As our numbers continue to grow, we continue to increase our need for far more water, far more food, far more land, far more transportation, and far more energy. As a result, we are now accelerating the rate at which we’re changing our climate. In fact, our activities are not only completely interconnected with, but are now also interacting with, the complex system we live on: Earth. It is important to understand how all this is connected. An increasing population accelerates the demand for more water and more food. Demand for more food increases the need for more land, which accelerates deforestation. Increasing demand for food also increases food processing and transportation. All of these accelerate the demand for more energy. This then accelerates greenhouse gas emissions, principally CO2 and methane, which further accelerate climate change. As climate change accelerates, it increases stress on water, food, and land. And at the same time, an increasing population also accelerates stress on water, food, and land. In short, as population increases, and as economies grow, stress on the entire system accelerates sharply. ** Ibid. * Saying “Don’t have children” is utterly ridiculous. It contradicts every genetically coded piece of information we contain, and (at least in their conception) one of the most important (and fun) impulses we have. That said, the worst thing we can continue to do—globally—is have children at the current rate. Even if a global nuclear power program were set up, even if geoengineering somehow took care of the climate-change problem, and even if we consumed less, we’d still at some point hit a brick wall if the human population continues to grow at anything like its current rate. We all know there’s a link between educating women in the developing world and reducing the birth rate. But despite this, and despite contraception being free in a number of countries where population is increasing, average birth rates are still three, five, or even seven children per woman. According to the United Nations, Zambia’s population is projected to increase by 941 percent by the end of the century. The population of Nigeria is projected to grow by 349 percent—to 730 million people. Afghanistan by 242 percent, The Democratic Republic of Congo by 213 percent, Gambia by 242 percent, Guatemala by 369 percent, Iraq by 344 percent, Kenya by 284 percent, Liberia by 300 percent, Malawi by 741 percent, Mali by 408 percent, Niger by 766 percent, Somalia by 663 percent, Uganda by 396 percent, Yemen by 299 percent. Even the United States is projected to grow by 53 percent by 2100, from 315 million in 2012 to 478 million. I do just want to point out that if the current global rate of reproduction continues, by the end of this century there will not be ten billion of us. There will be twenty-eight billion of us. ** Ibid. * If we discovered tomorrow that there was an asteroid on a collision course with Earth, and—because physics is a fairly simple science—we were able to calculate that it was going to hit Earth on June 3, 2072, and we knew that its impact was going to wipe out 70 percent of all life on Earth, governments worldwide would marshal the entire planet into unprecedented action. Every scientist, engineer, university, and business would be enlisted: half to find a way of stopping it, the other half to find a way for our species to survive and rebuild if the first option were unsuccessful. We are in almost precisely that situation now, except that there isn’t a specific date and there isn’t an asteroid. The problem is us. Why we are not doing more about the situation we’re in—given the scale of the problem and the urgency—I simply cannot understand. We’re spending 8 billion euros (about 11 billion dollars [at the writing's current exchange]) at {{W|CERN}} to discover evidence of a particle called the Higgs-Boson, which may or may not eventually explain the concept of mass and provide a partial thumbs-up for the “standard model” of particle physics. And CERN’s physicists are keen to tell us it is the biggest, most important experiment on Earth. It isn’t. The biggest and most important experiment on Earth is the one we're all conducting, right now, on Earth itself. Only an idiot would deny that there is a limit to how many people our Earth can support. The question is, is it seven billion (our current population), 10 billion or 28 billion? I think we've already gone past it. Well past it. We could change the situation we are now in. Probably not by technologizing our way out of it, but by radically changing our behavior. But there is no sign that this is happening, or about to happen. I think it’s going to be business as usual for us. ** Ibid. ===F=== * Whether or not such a hypothesis fully accounts for the population increase that accompanies a sedentary life, there can be no doubt that human numbers soared. In the interval from 10,000 to 6000 years ago—a mere 160 human generations—the population of the Near East is estimated to have increased from less than 100,000 people to more than three million. With each increase, additional pressure was placed upon the food producers to domesticate new species and to invent new technologies, such as those based on the plow and on irrigation. Human beings now found themselves on a treadmill from which to this day they have not been able to get off. They are still plagued by the basic paradox of food production: Intensification of production to feed an increased population leads to a still greater increase in population. **[[Peter Farb]], ''Humankind'' (1978), p. 121 *During the brief time since James Watt's commercial production of the improved Newcomen steam engine in 1775, a revolution unparalleled in human history has occurred at all levels of society and has penetrated all aspects of culture. The technological innovations are, of course, dramatic, but equally important are the biological, political, social, and economic consequences of modernization. From a biological perspective, the most important consequence is the extension of the human life span and the growth in human numbers. In the past two centuries, life expectancy has nearly tripled and the population of our species has multiplied five times over. **Ibid. p. 189 * If left unchecked, populations (of any organism) tend to grow exponentially. But they never grow forever. Eventually resources are depleted and the population declines. When the population is again small enough that resources are plentiful, exponential growth resumes. The result is a boom-bust cycle — stability through fluctuation.<br>Of course, if the fluctuations are huge, we can hardly call this ‘stability’. But in most healthy ecosystems, population fluctuations are small. The key to dampening boom-bust cycles appears to be diversity. When there are many species in an ecosystem, each keeps the population of others in check. Prolonged exponential growth never gets a foothold. ** Blair Fix, "[https://economicsfromthetopdown.com/2020/09/12/frederick-soddys-debt-dynamics/ Frederick Soddy's Debt Dynamics]." ''Economics from the Top Down'' (September 12, 2020) * Overpopulation is described as a societal problem, with the individual and collective behavior of people as a causal agent. ** Angela K. Fournier & E. Scott Geller [https://link.springer.com/article/10.5210/bsi.v13i1.35 Behavior Analysis of Companion-Animal Overpopulation: A Conceptualization of the Problem and Suggestions for Intervention] (1 May 2004) === G === * What are [we] made of, fairy dust and happy thoughts? No, [we] are made of proteins — of food! Without a sufficient food supply, such a population cannot be achieved. We understand this as a basic biological fact for every other species on this planet, that population is a function of food supply. Yet we continue to believe that the magic of free will exempts us from such basic biological laws. ** Jason Godesky, ''[https://theanarchistlibrary.org/library/jason-godesky-thirty-theses Thirty Theses]'' (2006), Thesis #4: "Human population is a function of food supply." * When the First World rushes in with foreign aid, food, and humanitarian aid to a desert area in the midst of a famine, we serve to prop up an unsustainable population. That drives a population boom in an area that already cannot support its existing population. The result is a huge population dependent on outside intervention that itself cannot be indefinitely sustained. Eventually, that population will crash once outside help is no longer possible — and the years of aid will only make that crash even more severe. In the same way that the United States’ policy of putting out all forest fires in the 1980s led to an even worse situation in its forests, our benevolence and good intentions have paved the way to a Malthusian hell. ** Ibid. * The human race currently consumes some 40% of the earth’s photosynthetic capacity. This monopoly on the earth’s resources is having a devastating effect. We are seeing the extinction of some 140 species every day, some thousands of times higher than the normal background rate. Today, right now, we are seeing extinction rates unparalleled in the history of the earth. We are undeniably in the midst of the seventh mass extinction event in the history of the earth — the Holocene Extinction. Unlikely previous extinction events, however, this one is driven by a single species. This is the true danger of overpopulation, not our inability to feed a growing population. As much as we would deny it, we depend on the earth to live. Dwindling biodiversity threatens the very survival of our species. We are literally cutting the ground out from under our feet. Increasing food production only increases the population; our current attitudes about food security has locked us into what Daniel Quinn called a “Food Race,” by comparison to the Arms Race of the Cold War. ** Ibid. * Overpopulation is the root cause of all other environmental problems … [and] is the natural consequence of the Food Race — driven by the constant need to expand. That need is a systemic consequence of complex society. The alternative to overpopulation, then, is to reverse the trend of intensifying complexity and accept greater simplicity: in a word, collapse. ** Jason Godesky, ''Thirty Theses'' (2006), Thesis #17: "Environmental problems may lead to collapse." * The main driving force behind the Holocene Extinction is the twin forces of overpopulation and intensified agricultural production. As more land is converted into cultivated fields, we approach important tipping points in how much of the world’s photosynthetic capacity is tied up in a single species. Deforestation is driven primarily by the need to feed an ever-growing populaton, but also for that population’s other resource needs, such as lumbering and mining. That deforestation has been responsible for anthropogenic atmospheric change for thousands of years, but as the positive feedback loop of the Food Race reached new levels, we were forced to either adopt fossil fuels, or collapse. Those fuels have intensified our atmospheric impact to obscene levels, yielding a new crisis in global warming. We do not face a long laundry list of environmental problems: we face a single, multi-faceted crisis. That crisis is complex society itself. The problems we face are the direct consequence of the positive feedback loop of complex society, and the Food Race in particular. **Ibid. * If nobody died the planet would soon run out of room for more people. How would this world be run (our political systems are far from perfect now); who would decide what type of house one lived in, what type of food one ate? What would we do for a living? ** Lori Gosselin, "[https://lifeforinstance.com/would-you-like-to-live-in-a-perfect-world/ Would You Like to Live in a Perfect World?]" * The study of population is not a very exact science. No one forecast the population collapse that is occurring in post-communist European Russia, or the scale of the fall in fertility that is under way [sic] in much of the world. The margin of error in calculations of fertility and life expectancy is large. Even so, a further large increase is inevitable. […] A human population of approaching 8 billion [sic] can be maintained only by desolating the Earth. If wild habitat is given over to human cultivation and habitation, if rainforests can be turned into green deserts, if genetic engineering enables ever-higher yields to be extorted from the thinning soils – then humans will have created for themselves a new geological era, the Eremozoic, the Era of Solitude, in which little remains on the Earth but themselves and the prosthetic environment that keeps them alive. ** [[John Gray]], ''[[Straw Dogs (book)|Straw Dogs]]'' (2002), Chapter 1: "The Human" * The future is brutally simple to anticipate; all overshot species collapse, and we have – by [apparently] transcending time via the levering of fossil energy – levered our species’ overshoot more than any ever has (or, almost certainly, ever could). **Murray Grimwood, "[https://www.interest.co.nz/public-policy/128237/murray-grimwood-says-future-will-be-so-different-we-need-go-back-basics-and Wither science; whither education?]". ''Interest'' (15 June 2024) * Over the last century, billions have enjoyed better, fuller and more enriched lives than their ancestors could dream of—but when all the bills for that are paid who knows how the ledgers of the two enterprises will stand? ** Sumit Guha [https://journals.lww.com/coas/fulltext/2006/04030/the_retreat_of_the_elephants__an_environmental.9.aspx in his review of Mark Elvin's ''The Retreat of the Elephants''] (2006) * My growing environmental awareness only adds more fuel to the argument for having no children. And the logic of never-ending consumption does not just harm the environment, it kills people too. ** [[w:Xiaolu Guo|Xiaolu Guo]], ''Once Upon A Time in the East: A Story of Growing up'', Chatto & Windus, 2017, page 305 (ISBN 9781784740689). === H === * The skeleton of our primate ancestors developed for millions of years to support a creature that walked on all fours and had a relatively small head. Adjusting to an upright position was quite a challenge, especially when the scaffolding had to support an extra-large cranium. Humankind paid for its lofty vision and industrious hands with backaches and stiff necks.<br>Women paid extra. An upright gait required narrower hips, constricting the birth canal - and this just when babies’ heads were getting bigger and bigger. Death in childbirth became a major hazard for human females. Women who gave birth earlier, when the infants brain and head were still relatively small and supple, fared better and lived to have more children. Natural selection consequently favoured earlier births. And, indeed, compared to other animals, humans are born prematurely, when many of their vital systems are still underdeveloped. A colt can trot shortly after birth; a kitten leaves its mother to forage on its own when it is just a few weeks old. Human babies are helpless, dependent for many years on their elders for sustenance, protection and education.<br>This fact has contributed greatly both to humankind’s extraordinary social abilities and to its unique social problems. Lone mothers could hardly forage enough food for their offspring and themselves with needy children in tow. Raising children required constant help from other family members and neighbours. It takes a tribe to raise a human. Evolution thus favoured those capable of forming strong social ties. In addition, since humans are born underdeveloped, they can be educated and socialised to a far greater extent than any other animal. Most mammals emerge from the womb like glazed earthenware emerging from a kiln - any attempt at remoulding will scratch or break them. Humans emerge from the womb like molten glass from a furnace. They can be spun, stretched and shaped with a surprising degree of freedom. This is why today we can educate our children to become Christian or Buddhist, capitalist or socialist, warlike or peace-loving. ** Yuval Noah Harari, ''Sapiens'' (2014), Part I: "The Cognitive Revolution", Chapter 1: "An Animal of No Significance". * Rather than heralding a new era of easy living, the Agricultural Revolution left farmers with lives generally more difficult and less satisfying than those of foragers. Hunter-gatherers spent their time in more stimulating and varied ways, and were less in danger of starvation and disease. '''The Agricultural Revolution certainly enlarged the sum total of food at the disposal of humankind, but the extra food did not translate into a better diet or more leisure. Rather, it translated into population explosions and pampered elites.''' The average farmer worked harder than the average forager, and got a worse diet in return. The Agricultural Revolution was history’s biggest fraud. ** Yuval Noah Harari, ''Sapiens'' (2011), Part II: "The Agricultural Revolution", Chapter 5: "History's Biggest Fraud" * The last 500 years have witnessed a phenomenal and unprecedented growth in human power. In the year 1500, there were about 500 million Homo sapiens in the entire world. Today, there are 7 billion. The total value of goods and services produced by humankind in the year 1500 is estimated at $250 billion, in today’s dollars. Nowadays the value of a year of human production is close to $60 trillion. In 1500, humanity consumed about 13 trillion calories of energy per day. Today, we consume 1,500 trillion calories a day. (Take a second look at those figures — human population has increased fourteenfold, production 240-fold, and energy consumption 115-fold.) ** Yuval Noah Harari, ''Sapiens'' (2011), Part IV: "The Scientific Revolution", Chapter 14: "The Discovery of Ignorance". * Since the Industrial Revolution, the world's human population has burgeoned as never before. In 1700 the world was home to some 700 million humans. In 1800 there were 950 million of us. By 1900, we almost doubled our numbers to 1.6 billion. And by 2000, that quadrupled to 6 billion. Today [as of this writing] there are just shy of 7 billion Homo Sapiens. ** Yuval Noah Harari, ''Sapiens'' (2011), Part IV: "The Scientific Revolution", Chapter 18: "A Permanent Revolution". * Today [as of this writing], the earth's continents are home to almost 7 billion Sapiens. If you took all these people and put them on a large set of scales, their combined mass would be about 300 million tons. If you then took all our domesticated farmyard animals—cows, pigs, sheep, and chickens—and placed them on an even larger set of scales, their mass would amount to about 700 million tons. In contrast, the combined mass of all surviving large wild animals—from porcupines and penguins to elephants and whales—is less than 100 million tons. Our children’s books, our iconography, and our TV screens are still full of giraffes, wolves, and chimpanzees, but the real world has very few of them left. There are about 80,000 giraffes in the world, compared to 1.5 billion cattle; only 200,000 wolves, compared to 400 million domesticated dogs; only 250,000 chimpanzees—in contrast to billions of humans. Humankind really has taken over the world. ** Ibid. * Around 1990, we became the most numerous mammalian species on the planet, outnumbering even rats. ** [[Thom Hartmann]], ''The Last Hours of Ancient Sunlight'' (1999), p. 18 (ISBN 9780609805299) * All measures to thwart the degradation and destruction of our ecosystem will be useless if we do not cut population growth. By 2050, if we continue to reproduce at the current [but declining] rate, the planet will have between 8 billion and 10 billion people, according to a recent U.N. forecast. This is a 50 percent increase. And yet government-commissioned reviews, such as the Stern report in Britain, do not mention the word population. Books and documentaries that deal with the climate crisis, including [[আল গোর]]’s ''[[An Inconvenient Truth]]'', fail to discuss the danger of population growth. This omission is odd, given that a doubling in population, even if we cut back on the use of fossil fuels, shut down all our coal-burning power plants and build seas of wind turbines, will plunge us into an age of extinction and desolation unseen since the end of the Mesozoic era, 65 million years ago, when the dinosaurs disappeared. ** [[Chris Hedges]], "[https://www.truthdig.com/articles/we-are-breeding-ourselves-to-extinction/ We Are Breeding Ourselves to Extinction]", March 9, 2009. *We are experiencing an accelerated obliteration of the planet’s life forms — an estimated 8,760 species die off per year — because, simply put, there are too many people. Most of these extinctions are the direct result of the expanding need for energy, housing, food, and other resources. '''The Yangtze River dolphin, Atlantic gray whale, West African black rhino, Merriam's elk, California grizzly bear, silver trout, blue pike, dusky seaside sparrow are all victims of human overpopulation.''' Population growth, as [[E. O. Wilson]] says, is "the monster on the land." Species are vanishing at a rate of a hundred to a thousand times faster than they did before the arrival of humans. If the current rate of extinction continues, Homo sapiens will be one of the few life forms left on the planet, its members scrambling violently among themselves for water, food, fossil fuels, and perhaps air until they too disappear. Humanity, Wilson says, is leaving the Cenozoic, the age of mammals, and entering the Eremozoic — the era of solitude. As long as the Earth is viewed as the personal property of the human race, a belief embraced by everyone from born-again Christians to Marxists to free-market economists, we are destined to soon inhabit a biological wasteland. ** Ibid. * A world where 8 billion to 10 billion people are competing for diminishing resources will not be peaceful. The industrialized nations will, as we have done in Iraq, turn to their militaries to ensure a steady supply of fossil fuels, minerals and other nonrenewable resources in the vain effort to sustain a lifestyle that will, in the end, be unsustainable. The collapse of industrial farming, which is made possible only with cheap oil, will lead to an increase in famine, disease and starvation. And the reaction of those on the bottom will be the low-tech tactic of terrorism and war. Perhaps the chaos and bloodshed will be so massive that overpopulation will be solved through violence, but this is hardly a comfort. ** Ibid. * Our core ecological problem is not climate change. It is overshoot, of which global warming is a symptom. Overshoot is a systemic issue. Over the past century-and-a-half, enormous amounts of cheap energy from fossil fuels enabled the rapid growth of resource extraction, manufacturing, and consumption; and these in turn led to population increase, pollution, and loss of natural habitat and hence biodiversity. The human system expanded dramatically, overshooting Earth’s long-term carrying capacity for humans while upsetting the ecological systems we depend on for our survival. Until we understand and address this systemic imbalance, symptomatic treatment (doing what we can to reverse pollution dilemmas like climate change, trying to save threatened species, and hoping to feed a burgeoning population with genetically modified crops) will constitute an endlessly frustrating round of stopgap measures that are ultimately destined to fail. ** {{W|Richard Heinberg}}, "[https://www.ecowatch.com/climate-change-heinberg-2471869927.html Systemic Change Driven by Moral Awakening Is Our Only Hope]." ''EcoWatch'' (August 14, 2017). * During the last 200 years, per capita energy usage grew eight-fold, while human population expanded at about the same rate. As a result of energy growth, all the things we do with energy became more doable. Transportation, manufacturing, agriculture, and mining exploded in scale. Energy became so abundant that it seemed we could solve any human problem, now or in the future, just by throwing more energy at it. We even reconfigured our economic system so that it assumes and requires perpetual growth. But growth in fossil-fuel energy can’t continue much longer: depletion and climate change will see to that. And even if we make a wholehearted effort to switch to low-carbon energy sources, we face limits to nature’s supplies of materials with which to make solar panels, wind turbines, nuclear reactors, and batteries. The ways we’re currently trying to share and manage power are insufficient also because we have failed to understand power itself. Rather than accepting that power limits exist, then surveying them and adapting ourselves to them, we try to finesse or deny them. We respond to climate change by hoping for a renewable energy transition—without questioning the amounts of energy we use or what we do with it. We deal with economic inequality by establishing minimal safeguards for the poor—without examining the structural means by which some people enrich themselves to absurd degrees. ** Richard Heinberg, "[https://www.resilience.org/stories/2021-03-23/understanding-power/ Understanding Power]", ''Resilience'' (March 23, 2021). * Prior to the widespread use of coal, oil, and natural gas, agrarian societies saw cyclical periods of rise and fall. But the scale of expansion since the dawn of the fossil-fueled industrial revolution, beginning roughly at the start of the 19th century, has been unprecedented. Energy usage per capita has grown 800 percent, as has population. Meanwhile, the contours of society have been transformed: for the first time in human history, most people now live in cities. ** {{W|Richard Heinberg}}, "[https://www.postcarbon.org/the-end-of-growth-ten-years-after/ The End of Growth: Ten Years After]." {{W|Post Carbon Institute}} (December 7, 2021). *Fossil fuels enabled a dramatic expansion of energy usable by humanity, in turn enabling unprecedented growth in human population, economic activity, and material consumption. **Richard Heinberg, "[https://richardheinberg.com/museletter-353-deadly-optimism-useful-pessimism Deadly Optimism, Useful Pessimism]". Republished in ''[https://www.resilience.org/stories/2022-07-14/deadly-optimism-useful-pessimism/ Resilience]'' (July 14, 2022). *Global human population has doubled three times in the past 200 years, surging from 1 billion in 1820 to 2 billion in 1927, to 4 billion in 1974, to 8 billion today. Its highest rate of growth was in the 1960s, at over 2 percent per year; that rate is now down to 1.1 percent. If growth continues at the current rate, we’ll have about 18 billion people on Earth by the end of this century. All of this would be fine if we lived on a planet that was itself expanding, doubling its available quantities of minerals, forests, fisheries, and soil every quarter-century, and doubling its ability to absorb industrial wastes. But we don’t. It is essentially the same beautiful but finite planet that was spinning through space long before the origin of humans. **Richard Heinberg, "[https://richardheinberg.com/museletter-356-the-final-doubling The Final Doubling]". Republished in ''[https://www.resilience.org/stories/2022-11-03/the-final-doubling/ Resilience]'' (November 1, 2022). *Agriculture enabled population growth and social complexity, but it gradually robbed soils of nutrients. Sailing ships guided with clocks and navigational charts could increase the scope of trade, but building wooden ships (and making charcoal for forging steel) was leading to the deforestation of whole continents. A reckoning with limits seemed to be in store. Then a miracle happened. People who lived in some key centers of global trade started using fossil fuels—energy sources capable of delivering power in previously unimaginable and seemingly endless quantities. Coal, oil, and natural gas enabled the development of transport technologies (steamships, railroads, cars, trucks, and airplanes) that overcame prior limits to the speed of travel and trade, so that products and resources that were abundant in one place could be transported to places where they were scarce. Fossil fuels could be used to increase the rates of resource extraction via powered mining machinery, and to process lower grades of ores as more concentrated ores were depleted. They could be fashioned into plastics and chemicals to substitute for some natural materials that were getting scarce, such as hardwoods and whale oil. And they could be made into artificial fertilizers, which could replace soil nutrients lost due to unsustainable agricultural practices. All these developments together enabled population growth at rates that far outstripped historic trends: human numbers expanded from one billion to eight billion in a mere two centuries. We were, in effect, stretching existing constraints on population and consumption to the point that it was difficult for many people to see that boundaries still existed at all. **{{W|Richard Heinberg}}, "[https://richardheinberg.com/museletter-358-why-understanding-limits-is-the-key-to-humanitys-future Why Understanding Limits Is the Key to Humanity’s Future]". Republished in ''[https://www.resilience.org/stories/2023-01-19/why-understanding-limits-is-the-key-to-humanitys-future/ Resilience]'' (19 January 2023). *As we’ve grown our population and our per capita consumption rates, we’ve been taking habitat away from other organisms. As a result, nature is in full retreat. Vertebrate and invertebrate animal species have suffered average population declines of 70 percent in the past 50 years, and thousands of plant species are endangered as well. **{{W|Richard Heinberg}}, "[https://richardheinberg.com/museletter-358-why-understanding-limits-is-the-key-to-humanitys-future Why Understanding Limits Is the Key to Humanity’s Future]". Republished in ''[https://www.resilience.org/stories/2023-01-19/why-understanding-limits-is-the-key-to-humanitys-future/ Resilience]'' (19 January 2023). *For a population of field mice in overshoot, the critical resource might consist of small plants whose unusually robust growth has been triggered by high levels of rainfall. For humanity currently, the critical resource is fossil energy. Temporary energy abundance has led to many good things (for some of us, anyway): more food, more people, more commercial products, more knowledge, more comfort, and more convenience. But we are about to become victims of our own success. **{{W|Richard Heinberg}}, "[https://richardheinberg.com/museletter-358-why-understanding-limits-is-the-key-to-humanitys-future Why Understanding Limits Is the Key to Humanity’s Future]". Republished in ''[https://www.resilience.org/stories/2023-01-19/why-understanding-limits-is-the-key-to-humanitys-future/ Resilience]'' (19 January 2023). *It’s sad when loved ones die, and few of us look forward to our own demise; hence the perennial quest for an elixir of eternal life, or at least a cure for cancer. But if nobody died, the planet would quickly fill with humans and empty of all the things that feed and provision us. Death clears space for new life; it is the non-negotiable price of admission to the great banquet of existence. ** {{W|Richard Heinberg}}, "[https://richardheinberg.com/museletter-358-why-understanding-limits-is-the-key-to-humanitys-future Why Understanding Limits Is the Key to Humanity’s Future]". Republished in ''[https://www.resilience.org/stories/2023-01-19/why-understanding-limits-is-the-key-to-humanitys-future/ Resilience]'' (19 January 2023). *The past few thousand years of human history have already seen several critical accelerators. The creation of the first monetary systems roughly 5,000 years ago enabled a rapid expansion of trade that ultimately culminated in our globalized financial system. Metal weapons made warfare deadlier, leading to the takeover of less-well-armed human societies by kingdoms and empires with metallurgy. Communication tools (including writing, the alphabet, the printing press, radio, television, the internet, and social media) amplified the power of some people to influence the minds of others. And, in the past century or two, the adoption of fossil fuels facilitated resource extraction, manufacturing, food production, and transportation, enabling rapid economic expansion and population growth. Of those four past accelerators, our adoption of fossil fuels was the most potent and problematic. In just two centuries, energy usage per capita has increased eightfold, as has the size of the human population. The period since 1950, which has seen a dramatic increase in the global reliance on petroleum, has also seen the fastest economic and population growth in all of human history. Indeed, historians call it the “Great Acceleration.” Neoliberal economists hail the Great Acceleration as a success story, but its bills are just starting to come due. Industrial agriculture is destroying Earth’s topsoil at a rate of tens of billions of tons per year. Wild nature is in retreat, with animal species having lost, on average, 70 percent of their numbers in the past half-century. And we’re altering the planetary climate in ways that will have catastrophic repercussions for future generations. It’s hard to avoid the conclusion that the whole human enterprise has grown too big, and that it is turning nature (“resources”) into waste and pollution far too quickly to sustain itself. The evidence suggests we need to slow down, and, in some cases at least, reverse course by reducing population, consumption, and waste. **Richard Heinberg, "[https://richardheinberg.com/museletter-363-polycrisis-unraveling-simplification-or-collapse Polycrisis, Unraveling, Simplification, or Collapse]". Republished in ''[https://www.resilience.org/stories/2023-06-15/polycrisis-unraveling-simplification-or-collapse-coming-soon-to-a-planet-near-you/ Resilience]'' (June 15, 2023). *Depleting and climate-changing coal, oil, and natural gas have brought about dramatic human population growth, along with immense profits and unprecedented wealth (for the few). But all of these presumed and probably transitory benefits have been based on depleting natural resources, and on processes that are perilously changing the climate and degrading ecosystems across the planet. Every time we pick up a gasoline-powered machine we are viscerally linked to that chain of ersatz benefits and spiraling impacts. **Richard Heinberg, "[https://richardheinberg.com/museletter-368-the-gasoline-powered-leaf-blower-as-a-metaphor-for-industrial-society The Gasoline-Powered Leaf Blower as a Metaphor for Industrial Society]", republished in ''[https://www.resilience.org/stories/2023-11-01/the-gasoline-powered-leaf-blower-as-a-metaphor-for-industrial-society Resilience]'' (November 1, 2023). *Of course, we also have to think about the role of population going forward. The more the global population grows, the more difficult this challenge will be. As we approach this question, it's crucial—as always—that we focus on underlying structural drivers. Many women around the world do not have control over their bodies and the number of children they have. Even in liberal nations, women come under heavy social pressure to reproduce, often to the point where those who choose to have fewer or no children are interrogated and stigmatised. Poverty exacerbates these problems... And of course capitalism itself creates pressures for population growth: more people means more labour, cheaper labour, and more consumers. These pressures filter into our culture, and even into national policy: countries like France and Japan are offering incentives to get women to have more children, to keep their economies growing. **[[Jason Hickel]], ''Less is More: How Degrowth Will Save the World'', 2021, pp. 110-111 * No one lives within a day’s walk of a coal mine, an iron ore source, and a smelter that can operate without a source of electricity, plus food. The old smelters didn’t use electricity to drive the huge motors moving heavy hot metal and slag around. The first smelters were close to coal and iron ore sources, but we used them up; they no longer exist close to each other.<br>In the year 1500, we had a world population of around 450 million and grew massively over the next 250 years to the start of the industrial revolution by increasingly using the resources of the ‘new world’. We’ve been on an upward trajectory ever since, especially since around 1800 when fossil energy came into use.<br>People just don’t understand our extreme (and still growing) overpopulation problem given the imminent decline of oil, and especially diesel. Assuming “we’ll downsize this” or “relocalize that” ignores the fact that once oil supply shifts to contraction, the declines will be permanent year after year, and with diesel shortages the ability to build anything new all but disappears.<br>It will be a sad sight with suffering everywhere and increasing year after year. Survivors will have to be hard people, protecting and providing for their own, at the exclusion of others.<br>Everyone should look around their home and imagine it without the oil used to produce and deliver everything in it, because that’s the world of the future, with old decaying cold buildings and no food in cities. ** Hideaway (pseudonym for Helen Hasan), "[https://un-denial.com/2024/09/14/by-kira-hideaway-on-relocalization/ On Relocalization]". ''Un-Denial'', September 14, 2024. * Using all available resources to expand its population is what every species that’s ever existed has always done until some limit is reached. Consider a mouse plague, enabled by human agricultural practices, with its huge population until the next frost or the grain is eaten, then a massive die-off in a short time. ** Ibid. * We have over 8 billion humans on the planet, and 99.99% of them have no idea modernity is going to end abruptly, and when it does so will destroy the plans of the [few who] did see it coming and tried to prepare in some way. ** Ibid. * One might think Humanity’s success is guaranteed, except for a few things: First, the increasing scarcity of oil, coal, and natural gas suddenly threatens to remove the punch bowl from which Humanity has been feeding. Second, the carrying capacity of the Earth is far less than 8 billion humans unless we continue to supplement with increasingly scarce resources. And, last, our centuries-long party has now broken the Earth in ways Humanity cannot repair. ** Preston Howard, "[https://un-denial.com/2023/09/28/by-preston-howard-the-maximum-power-principle-and-why-it-underscores-the-certainty-of-human-extinction-in-the-near-future/ The Maximum Power Principle and Why It Underscores the Certainty of Human Extinction in the Near Future]." ''Un-Denial'' (September 28, 2023) * Is the proxy war in Ukraine turning out to be only a lead-up to something larger, involving world famine and a foreign-exchange crisis for food- and oil-deficit countries?<BR>U.S. Cold War strategy is not alone in thinking how to benefit from provoking a famine, oil and balance-of-payments crisis. [[w:Klaus Schwab|Klaus Schwab]]’s World Economic Forum worries that the world is overpopulated—at least with the “wrong kind” of people. '''As Microsoft philanthropist... Bill Gates has explained: “Population growth in Africa is a challenge.” His lobbying foundation’s 2018 “Goalkeepers” report warned: “According to U.N. data, Africa is expected to account for more than half of the world’s population growth between 2015 and 2050. Its population is projected to double by 2050,”''' with “more than 40 percent of world’s extremely poor people... in just two countries: Democratic Republic of the Congo and Nigeria.” Gates advocates cutting this projected population increase by 30 percent by improving access to birth control and expanding education to “enable more girls and women to stay in school longer, have children later.” But how can that be afforded with this summer’s looming food and oil squeeze on government budgets? ** [[Michael Hudson (economist)|Michael Hudson]], [https://michael-hudson.com/2022/06/is-us-nato-with-wef-help-pushing-for-a-global-south-famine/ Is US/NATO (with WEF help) pushing for a Global South famine?] (6 June 2022) === K === * Perhaps the most ambiguous of these [technological] achievements [of the [[Industrial Revolution|industrial age]]] is the one that began in mid-nineteenth century with improvements in public health, vaccinations, and antibiotics. These methods of death control emerged too rapidly to be offset by methods of birth control and populations exploded. Again, who can speak against this from within the old paradigm? In fact, it is only from the newer ecological paradigm that we are able to recognize that all this marvelous technology has... likely led the human population to overshoot the carrying capacity of the earth. Even from this perspective many of us would... want to save lives now in hopes that somehow there will be enough resources for those who come after us. In less complex animal populations, an overshoot leads to a crash, or die-off. Can humans somehow circumvent this conclusion without relying on further damaging drawdown strategies? … a basic change in our technologies, and acceptance of a steady state in economics reinforced by a compatible spiritual orientation, may at least mitigate human suffering and loss. ** Maynard Kaufman, ''Adapting to the end of oil'', 2008, p. 29. * Unlike plagues of the dark ages or contemporary diseases we do not yet understand, the modern plague of overpopulation is soluble by means we have discovered and with resources we possess. What is lacking is not sufficient knowledge of the solution but universal consciousness of the gravity of the problem and education of the billions who are its victims. ** [[মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র]], acceptance speech, Margaret Sanger award in human rights 1966; Lamont Hempil ''Sustainable communities''. * We have learned a lot in the 50 years since "{{W|The Population Bomb}}" was published. We should not shy away from discussing what actions are ethically permissible to facilitate a stable level of population growth, nor should we leave this discussion in the hands of the affluent. The conversation about ethics, population, and reproduction needs to shift from the perspective of white donor countries to the places and people most affected by poverty, climate change and environmental degradation. ** {{W|Frances Kissling}}, Jotham Musinguzi and [[Peter Singer]], "[https://www.washingtonpost.com/opinions/talking-about-overpopulation-is-still-taboo-that-has-to-change/2018/06/18/ca7c1838-6e6f-11e8-afd5-778aca903bbe_story.html Talking about overpopulation is still taboo. That has to change]". ''{{W|The Washington Post}}''. June 18, 2018. * All we can say now is, that, even now, 600 persons could easily live on a square mile; and that … 1,000 human beings—not idlers—living on 1,000 acres could easily, without … overwork, obtain … a luxurious vegetable and animal food, as well as the flax, wool, silk and hides necessary for their clothing. As to what may be obtained under still more perfect methods—also known but not yet tested on a large scale—is better to abstain from any forecast: so unexpected are the recent achievements of intensive culture. We thus see that the over-population fallacy does not stand the very first attempt at submitting it to a closer examination. ** [[Peter Kropotkin]], ''[[Peter Kropotkin#Fields, Factories and Workshops_(1899)|Fields, Factories and Workshops]]'' (1899) * It has been estimated that the world human population stood at about one billion around the early 1800s, which was roughly about when the industrial adventure began to gain traction. It has been inferred from this that a billion people is about the limit that the planet Earth can support when it is run on a nonindustrial basis. World population is now past six and a half billion, having more than doubled since my childhood in the 1950s. The mid-twentieth century was a time of rising anxiety over the “population explosion.” The marvelous technological victory over food shortages, including the “green revolution” in crop yields, accelerated that already robust leap in world population that had begun with modernity. Dramatic improvements in sanitation and medicine extended lives. Industry sopped up expanding populations and reassigned them from rural lands to work in the burgeoning cities. The perceived ability of the world to accommodate these newcomers and latecomers in a wholly new disposition of social and economic arrangements seemed [to] be the final nail in the coffin of [[Thomas Robert Malthus]]… ** [[James Howard Kunstler|James H. Kunstler]], ''{{W|The Long Emergency}}'', Chapter 1: "Sleepwalking into the future", pp. 5–6. * Malthus was certainly correct [that demand will outstrip supply], but... [hydrocarbons] ...skewed the [supply-demand] equation over the past [two] hundred years while the human race has enjoyed an unprecedented orgy of [a fraction of] nonrenewable condensed solar energy accumulated over eons of prehistory. The “green revolution” in boosting crop yields was minimally about scientific innovation in crop genetics and mostly about dumping massive amounts of fertilizers and pesticides made... of ...[petroleum] onto crops, as well as employing irrigation at a fantastic scale made possible by abundant oil and gas. The cheap oil age created an artificial bubble of plen[t]itude for a period not much longer than a human lifetime, a hundred years. Within that comfortable bubble, the idea took hold that only grouches, spoilsports, and godless maniacs considered population hypergrowth a problem [with a direct solution], and that to even raise the issue was indecent. ...As oil ceases to be cheap and the world reserves arc toward depletion, we will indeed suddenly be left with an enormous surplus population... that the ecology of the earth will not support. No political program of birth control will avail. The people are already here. The journey back to non-oil population homeostasis will not be pretty. '''We will discover the hard way that population hypergrowth was simply a side effect of the oil age.''' It was [more of] a condition [without a remedy], not a problem with a [direct] solution. That is what happened, and we are stuck with it. ** Ibid., p. 8. * '''Cheap oil had allowed populations to explode in precisely those parts of the world that had had, for millennia, a high infant mortality rate and modest life expectancy.''' Cheap oil was behind the "green revolution" that increased the food supply in the nonindustrial world. Oil was also behind many of the medicines and preventives that had neutralized… diseases. Now, suddenly, most of those children… survived, grew up, and produced more children who survived and grew up, and over… the twentieth century, the global populations hurtled into extreme numerical overshoot. Populations were, in effect, eating oil, notably in [the form of] food exports from the United States, where agribusiness had completely taken over from agriculture. Local farmers in Africa, Asia, or South America couldn’t compete with corporate Archer Daniels Midland’s oil-and-gas-based grain crops and U.S. government subsidies. ** James H. Kunstler, ''The Long Emergency'' (2005), Chapter 6: "Running on fumes : the hallucinated economy" pp. 187–188. * Peak human population will surely lag … peak oil and peak mineral resources until these conditions express themselves as food shortages. This means that the human population will continue to rise for a while, even as we begin to encounter these … strict resource limits. It’s not possible to estimate how much the population will increase because the relationship between energy and mineral resources and food production is a very fragile equation, subject to any number of discontinuities. To these, add the complications of weather disasters arising from climate change, including drought, the spread of plant diseases, and so forth. This lagging further rise in [the] human population will only make the inevitable contraction more acute once food shortages begin. [Overpopulation] amounts to a human population overshoot … to the planet Earth’s ecology. We're putting a strain on everything the earth has to offer us. While the combination of peak stuff and [too many] billion humans is forcing the issue, ...the truth is that '''circumstances will now determine what happens, not policies or personalities.''' … Population overshoot is therefore unlikely to yield to management. Rather, the usual suspects will enter the scene and do their thing: starvation, disease, … violence … [and] death. ** James H. Kunstler, ''Too Much Magic'', Chapter 1: "Where We're At", p. 10. === L === *Fossil fuels’ biggest impact on the agricultural sector stems from the use of natural gas in industrial fertilizer production. Industrial fertilizer was first mass-produced in 1914 using what came to be known as the {{W|Haber-Bosch process}}. This invention enabled the {{W|Green Revolution}}, a boom in agricultural production that took place in the latter half of the 20th century, starting in Mexico and India. From 1961 to 2010, cereal yields per acre increased by 217 percent in Mexico and 183 percent in India. It is no coincidence that the human population has more than quadrupled since 1920.<br>We often attribute the Green Revolution to the spread of high-yielding crop varieties. Yet these varieties typically require industrial fertilizer application. The Haber-Bosch method, combined with mechanization and pesticides derived from fossil fuels, [has] represented a massive and unsustainable injection of fossil fuels into our food system. Today, the production of one food calorie in the United States requires 2.7 fossil fuel calories. **Helene Langlamet and Alix Underwood. “[https://steadystate.org/a-trophic-perspective-on-fossil-fuels/ A Trophic Perspective on Fossil Fuels].” Center for the Advancement of the Steady State Economy, August 1, 2024. * Driven by the Anthropocene engine, human population has grown exponentially, and individual societies have approached collapse multiple times over the past 8,000 years. The disappearance of the Easter Island civilization and the collapse of the Mayan empire, for example, have been linked to the depletion of environmental resources as populations rose. The dramatic decline of the European population during the Black Death in the 1300s was a direct consequence of crowded and unsanitary living conditions that facilitated the spread of Yersenia pestis, or plague. ** Manfred Laubichler, [https://theconversation.com/8-billion-humans-how-population-growth-and-climate-change-are-connected-as-the-anthropocene-engine-transforms-the-planet-193075 8 billion humans: How population growth and climate change are connected as the ‘Anthropocene engine’ transforms the planet]. ''{{W|The Conversation (website)|The Conversation}}'', November 3, 2022. * In the 20th century we decisively broke our dependence on energy systems that were fed by the wind and sun and which we supplemented with human and animal muscle power. That leap was made possible by innovations that allowed us to extract, pump, use, and transform raw materials, particularly to unlock energy stored in coal and oil to make chemicals and plastics. That in turn allowed a massive expansion in population, lifespans, and economic growth. The rise of industrial capitalism from 1851 to 1971 went hand in hand with a surge in population, mainly in cities, provided with better food and public health. ** Charles Leadbeater, ''The Frugal Innovator'' (2014), p. 36. * On a global level, there is no threat to human survival greater than that posed by world overpopulation—paradoxical though that may seem—and it is abundantly clear that consensus decision making is ineffective for dealing with that. Some kind of “solution” is nonetheless unavoidable, and is certain to be ugly. To say that there is no visible world leadership on that transcendental question is to understate the case. Optimists on the population problem don’t measure progress in terms of a decrease in population, or even a decrease in the rate of increase, but in terms of a decrease in the rate of increase of the rate of increase. ** [[Harold Lewis]], ''Why Flip a Coin?'' (1997), <small> {{আইএসবিএন|0-471-16597-2}}, </small> pp. 98-99 * The human population will continue to increase until it can’t. When it can no longer increase, it will crash. Our extreme efforts to focus our minds elsewhere are symptoms of a desperate attempt to find solid footing, to believe in a future that will not vanish. Mankind has had a storied existence on Earth. Our thirst for knowledge and innovation has provided comfort and security. However, it is becoming increasingly evident that our remarkable progress has become our worst enemy. We know our planet is finite. Images of Earth from space make it plain for all to see. However, people routinely ignore this verifiable certainty in all aspects of their lives, treating the world as [if it were] infinite. Modern-day human activities are not only wiping out ecosystems and biodiversity but [also] plundering the clean air, water, and topsoil that helped bring about our tenure on the planet. Entire ecosystems have vanished, including the tallgrass prairie in North America, Madagascar’s rainforests, and the Aral Sea in Asia. '''We use Earth’s natural resources like a bunch of drunks on the greatest bender of all time.''' Human consumption is negatively modifying the planet and permanently damaging the biological systems upon which our continued existence depends. The deterioration of our ecosphere has been exponentially accelerating for at least 100,000 years. As technological advances improve our lives, humanity becomes increasingly detached from its environment and the natural resources allowing us to persist. People now have a much closer affinity with iPhones, Amazon, online shopping, restaurants and bars, Netflix, beauty salons, and sporting events than forests, grasslands, marshes, and oceans. Few now understand our existence on Earth is entirely dependent upon photosynthesis. Instead, they believe their survival is contingent on parents, doctors, farmers, governments, bankers, police, and other players in society. It’s not that those institutions, people, and specialties aren’t important, but they represent the retailers. Photosynthesis is the wholesaler. There is a supply chain disruption occurring on a massive scale in our relationship with the planet. The ancient forests and grasslands that provided the planet with free oxygen in the air and sequestered carbon dioxide, making it habitable for humans and other complex life, are nearly gone. For most people, the natural resources that support their existence and lifestyle might as well be from a distant galaxy. This extreme disconnect has resulted in people losing their capacity to understand the dire circumstances facing complex organisms on Earth, including themselves. The deafening alarm bells portending our extinction are routinely misunderstood or ignored. For those who perceive our state of crisis, there is a great deal of angst. Much of the frustration, anger, and sadness results from having unrealistic expectations of human beings. Despite our advanced technologies, the basic tenets of human behavior haven’t changed for centuries or millennia. Letting go of the false expectations that Homo sapiens can or will modify our behavior can bring us an element of peace. Expectations are incredibly powerful in structuring our moods and emotions. Identifying unrealistic expectations can reduce our chances of being disappointed and can increase happiness. A better understanding of our behavioral history can provide valuable insights into recognizing human capabilities and limitations. ** Lyle Lewis, ''Racing to Extinction'' (2024) * … as our population has grown, humans have been liquidating the planet’s natural resources for thousands of years. The effects of our current population on forests, grasslands, biodiversity, clean air, and water are catastrophic. Zero population growth means the planet would still be trying to support the current population, over 8 billion people. Humanity can no longer pay even the interest. We’ve already spent much of the planet’s clean air, water, and biodiversity with no mechanism for repayment. Zero population growth isn’t going to happen. We can’t curb our evolutionarily programmed need to grow and reproduce any more than we can stop the sun from rising. Like all populations of organisms on the planet, the number of humans will continue to increase until it’s no longer possible. When that day happens, Earth will be a truly inhospitable place. ** Lyle Lewis, ''Racing to Extinction: Why Humanity Will Soon Vanish'' (2024), Chapter 5. * In 1968, with the release of their book ''The Population Bomb'', [[Paul R. Ehrlich|Paul]] and Anne Ehrlich were among the first to identify the most significant factor that will precipitate the collapse of humanity. Their book inspired an environmentalist fad in the 1970s. The premise for the book was gradually rationalized away by most as the work of lunatics. It was listed by the Intercollegiate Review as one of the 50 worst books of the 20th century. In the Human Events list of the “Ten Most Harmful Books of the Nineteenth and Twentieth Centuries,” it garnered an 11th-place honorable mention. Since that time, the global population has more than doubled. During those five decades, humanity has identified six types of quarks, developed the modern internet, eradicated smallpox, decoded the human genome, and developed vaccines for Ebola and COVID-19. Despite all our new technologies and discoveries, the most basic concept of rapid human growth inside a finite system—our planet—leading to collapse is a concept too difficult for our greatest minds to reconcile. Humanity’s carefully calibrated psychological filters go into overdrive to prevent this simple mathematical postulate from entering our psyche. As seemingly prescient as the Ehrlichs were, our collision course with extinction was preordained long before their book was published in 1968. ** Lyle Lewis, ''Racing to Extinction: Why Humanity Will Soon Vanish'' (2024), Chapter 9. * Population growth vanished from the agendas of mainstream environmental organizations that previously regarded escalating numbers as a major environmental threat. These groups were primarily shackled by their fear of alienating donors, ultimately selling their purpose and integrity for money. Criticism from progressive and conservative interests claiming that overpopulation is a myth further incentivized these groups to pretend the rising global population wasn’t a factor in planetary degradation. ** Lyle Lewis, ''Racing to Extinction: Why Humanity Will Soon Vanish'' (2024), Chapter 9. * Those who defend the belief that overpopulation isn’t at the core of every environmental problem are not unique. Every myth presents itself as an authoritative, factual account, no matter how much the topic varies from natural law or ordinary experience. There is a long, bloody history of ''Homo sapiens'' defending myths against those who might either question their veracity or have a competing myth. It has resulted in the deaths of millions of people [and other animals] since the dawn of the Agricultural Revolution. As a result of ignoring the obvious reality, newborns are effectively positioned as moneymaking machines. The former prime minister of Japan suggested that women who bore no children should be barred from receiving pensions. In most countries, those who choose not to have children are required to pay for those who do through taxes. In this campaign for more babies, childbearing is reduced to a means for economic growth. Even though overpopulation, natural resource extraction, and environmental degradation are clearly linked, the needs of the economic market trump the needs of the planet. Children are nothing more than moneymakers in the eyes of politicians, forever blind to the moral, environmental, or humanitarian consequences of their policies. Market thinking has obliterated moral thinking on a grand scale. After all, if the West doesn’t produce more children, it can’t produce the wealth needed to look after parents when they retire. No social animal is ever guided by the interests of the entire species to which it belongs. No pika cares about the interests of the pika species; no northern spotted owl will lift a feather for the global northern spotted owl community; no wolf alpha male makes a bid for becoming the king of all wolves. Likewise, few humans care about the interests of ''Homo sapiens''. People only care about themselves and those who directly affect their lives. ** Lyle Lewis, ''Racing to Extinction: Why Humanity Will Soon Vanish'' (2024), Chapter 9. * Humanity has moved past the point where future generations are an issue. If there are any, they will be few in number. Ignoring the inevitable is something all species do. Humans are no different than bacteria in a Petri dish or a mountain pine beetle in a climate-stressed lodgepole pine forest. All available resources are utilized to grow and reproduce until the inevitable collapse. We’re traveling down the same path as all species that have gone through exponential increases. The only difference is ''Homo sapiens'' is doing it on a grander scale. The Herculean ability to ignore the greatest threat to our existence would be comical if not for the rapidly approaching consequential conclusion to our existence. ** Lyle Lewis, ''Racing to Extinction: Why Humanity Will Soon Vanish'' (2024), Chapter 9. * Economic and political instability will continue to increase as food and water supplies are impacted in more areas on the planet by pollution, drought, flooding, and other extreme weather events. However, while the focus is almost entirely on the supply side of the economic equation, the demand side may be the bigger issue. The planet is currently adding an additional 80 million mouths to feed each year, 4.5 times more people than the entire population of Syria. As the chasm between uncertain supplies and increasing demand widens, the social and biological implications for humanity are both unpredictable and alarming. ** Lyle Lewis, ''Racing to Extinction: Why Humanity Will Soon Vanish'' (2024), Chapter 9. * Many people, including environmentalists, often avoid linking the multitude of environmental problems to overpopulation. Some believe that a global shift to veganism could support the current population and more. Others attribute the crisis to various factors [that] are frequently cited as primary contributors to the ongoing environmental crisis, overshadowing the impact of population growth. ** Lyle Lewis, "The Locust Theory" (November 16, 2024) * [There's an] excessive number of humans who [want to] live a lifestyle that promotes equality, along with [others] being minimalist and/or vegan... [and] similar overpopulation by other organisms is considered a plague. ** Ibid. * Our emphasis [on] science has resulted in alarming rises in world populations that demand an ever-increasing emphasis [on] science to improve their standards and maintain their vigor. ** [[Charles Lindbergh]], ''The Wisdom of Wilderness'', ''{{W|Life (magazine)|LIFE}}'', December 22, 1967. * It is still the case that the worst enemies of life are, on the one hand, an excess of life (human life, in particular) and, on the other, the legislation and structure of societies based on {{W|market economy}}. The sturdier a society, the more peaceful it is; the more efficient {{W|economic growth}} (i.e., the ransacking of natural resources), the quicker {{W|Biodiversity loss|other forms of life will step aside}}. Everything that upsets the established order of society, causing chaos and panic, gives time to nature and, ultimately, humans too. ** [[Pentti Linkola]], ''Can Life Prevail?: A Revolutionary Approach to the Environmental Crisis.'' p. 166 === M === * Population, when unchecked, increases in a geometrical ratio, Subsistence, increases only in an arithmetical ratio. ** [[Thomas Robert Malthus]], ''An Essay on the Principle of Population'' (1798), Chapter I, paragraph 18, lines 1-2 * The power of population is so superior to the power in the earth to produce subsistence for man, that premature death must in some shape or other visit the human race. **Thomas Robert Malthus, ''An Essay on the Principle of Population'' (1798), Chapter VII, paragraph 20, lines 2-4 * What has caused the recent super-exponential rise in world population? Before the industrial revolution both fertility and mortality were comparatively high and irregular. The birth rate generally exceeded the death rate only slightly, and population grew exponentially, but at a very slow and uneven rate. In 1650 the average lifetime of most populations in the world was only about 30 years. Since then, [hu]mankind has developed many practices that have had profound effects on the population growth system, especially on mortality rates. With the spread of modern medicine, public health techniques, and new methods of growing and distributing foods, death rates have fallen around the world. […] On a world average the gain around the positive feedback loop (fertility) has decreased only slightly while the gain around the negative feedback loop (mortality) is decreasing. The result is an increasing dominance of the positive feedback loop and the sharp exponential rise in population […]. **Dennis Meadows et al. ''The Limits to Growth'' (1972), Chapter 1: "The Nature of Exponential Growth." * H. sapiens took around 250,000 years to reach a global population of 1 billion in 1820, and just over 200 years to go from 1 billion to 8 billion. This was largely made possible by our species’ access to cheap, easy, exosomatic energy, mainly fossil fuels. Fossil fuels enabled us to reduce negative feedback (e.g. food shortages) and thus delay and evade the consequences of surpassing natural limits. In that same 200 year period, fossil energy (FF) use increased 1300-fold, fueling a 100-fold increase in real gross world product, i.e. consumption, and the human enterprise is still expanding exponentially. ** Joseph J. Merz et al., "[https://journals.sagepub.com/doi/10.1177/00368504231201372 World scientists’ warning: The behavioural crisis driving ecological overshoot]". ''Science Progress'' Volume 106, No. 3 (2023) * There is no way we could keep going as we have been. The increase in human population in the 1990s has exceeded the total population in 1600. The population has grown more since 1950 than it did during the previous four million years. The reasons for our recent rapid growth are pretty clear. Although the Industrial Revolution speeded historical growth rates considerably, it was really the public health revolution, and its spread to the Third World at the end of the Second World War, that set us galloping. Vaccines and antibiotics came all at once, and right behind came population. In Sri Lanka in the late 1940s life expectancy was rising at least a year every twelve months. How much difference did this make? Consider the United States: if people died throughout this century at the same rate as they did at its beginning, America's population would be 140 million, not 270 million. ** [[Bill McKibben]], "[https://www.theatlantic.com/magazine/archive/1998/05/a-special-moment-in-history/377106/ A Special Moment in History]", ''The Atlantic'', May 1998. * The Earth's population is plagued by famines, energy shortages, epidemics, environmental pollution, degeneration, terrorism, dictatorship, anarchism, slavery, excessive increase of waste materials, racial hatred, food shortages, destruction of rain forests, the "greenhouse effect", pollution of lakes, streams and oceans, hatred towards asylum-seekers; radioactive emissions, chemical pollution of water, air, plants, food, human beings and animals. Crime, murder, mass murders, manslaughter; alcoholism, hatred of strangers, oppression, hatred of one's fellowman, extremism, sectarianism, drug addiction, overpopulation, annihilation of animal species, war, violence, torture and capital punishment, general mismanagement, water contamination, eradication of plant species; hatred, vice, jealousy, lovelessness, lack of logic, false humanitarianism, lack of housing, increased traffic, destruction of arable land, unemployment, the collapse of health care, the collapse of care for the elderly, destruction of nature, the collapse of solid waste removal, and the lack of living space, among others. In spite of the many efforts, '''mankind's problems are not decreasing but, instead, continue to rise steadily in direct proportion to population increases.''' ** {{W|Eduard Albert Meier}}, "[http://www.futureofmankind.co.uk/Billy_Meier/Overpopulation_Crusade A Crusade Against Overpopulation]," on ''futureofmankind.co.uk.'' * … technology use harnesses far more energy and materials than we could ever manage without it, and while doing so may make our lives much easier and more comfortable, it comes at the cost of increasing ecological overshoot. As we increase overshoot, we concomitantly increase all the symptom predicaments that overshoot causes. Technology use also has another nasty side effect. It reduces and/or eliminates negative feedbacks which once kept our numbers in check. Many diseases we once suffered from like smallpox, measles, whooping cough, tetanus, etc. have been temporarily eliminated by the technological development of vaccines. Our medical industry has also wiped out many other diseases through proper sanitation, use of antiseptics, anesthetics (allowing surgeries to correct most internal ailments), antibiotics, antifungals, and antivirals to kill or prevent many diseases, and many other innovations that allow us to live better, more comfortable lives. The development of indoor plumbing, electrical systems, heating and air conditioning systems, insulation, refrigerators and freezers, and cooking devices all allow us to accomplish daily tasks either much easier or provide more comfort to us by regulating temperature and humidity levels in our living spaces. Therefore, technology use reduces or removes negative feedback thereby promoting population growth which also promotes technology growth. However, in terms of reducing overshoot (and symptom predicaments such as climate change, energy and resource decline, pollution loading, and biodiversity decline), technology use is '''''maladaptive'''''. This will become painfully clear as time moves forward when more or different technology does not actually solve overshoot. [[Population decline]] is what will actually work to reduce overshoot, caused by the failure of our agricultural systems, increased disease caused by antimicrobial resistance and new viruses emerging, and increased failures of infrastructural systems caused by extreme weather events. Reduced technology use will be facilitated by this mechanism, and ALL species wind up experiencing die-off whether they use technology or not. ** Erik Michaels, "[https://problemspredicamentsandtechnology.blogspot.com/2023/07/how-did-we-get-here.html How Did We Get Here?]" (July 19, 2023). * Most non-domesticated life on earth is in decline and about 200 species a day are going extinct due to a wide range of environmental problems. Many humans are at risk of being harmed or killed by related problems this century.<br>All of the many problems are caused by the same thing: humans have used non-renewable energy to explode their population from 1 billion to 7 billion in 100 years, and now consume so large a share of the earth’s resources that almost all non-domesticated species are in decline. ** Rob Mielcarski, "[https://un-denial.com/2016/03/25/overpopulation-denial/ Overpopulation Denial]." ''Un-Denial'' (March 25, 2016). * We’re in serious trouble. Many red lights are flashing on the dashboard.<br>Most people are now aware that something is seriously wrong, and each has their favorite lens through which to view the problems… The common denominator to all of these problems is overshoot. Very few people are able to see through the lens of overshoot because overshoot is a very unpleasant topic with no painless solutions and no way to avoid its consequences, and because humans evolved to deny unpleasant realities like overshoot. ** Rob Mielcarski, "[https://un-denial.com/2025/06/06/what-should-can-could-will-we-do/ What… Will We Do?]." ''Un-Denial'' (June 6, 2025). * Human numbers are rising at roughly 1.2% a year, while {{W|livestock}} numbers are rising at around 2.4% a year. By 2050 the world’s living systems will have to support about 120m tonnes of extra humans and 400m tonnes of extra farm animals. ** [[George Monbiot]], "[https://www.theguardian.com/commentisfree/2015/nov/19/population-crisis-farm-animals-laying-waste-to-planet There’s a population crisis all right. But probably not the one you think]". ''The Guardian''. November 19, 2015. * [[ফ্রান্সিস বেকন|Bacon]]ian science is at the root of the apocalypse. We have been blessed by advances in medicine, agriculture and engineering. Science has done exactly what we asked of it and now we are set for annihilation. If European science had petered out after the discoveries of the seventeenth century, we would be less numerous and [the] Earth would not be [[global warming|warming]]. ** Nicholas Money. ''The Selfish Ape'' (2019), Chapter 9: "Greenhouse" * This moment is special because we have dramatically built up our population, technology, science, medicine, and democratic institutions as a direct result of vast amounts of surplus energy stemming from a one-time resource. The fossil fuel experience has made us '''dangerously confident''' about our cleverness and dominance over nature. What makes this century special, then, is that we will have to cope with a diminishing supply rate of the resource that has been of paramount importance to our high-tech existence. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2011/10/sustainable-means-bunkty-to-me/ Sustainable means "bunkty" to me]." ''Do the Math'', University of California, San Diego. October 5, 2011. * Humans collectively must ultimately face the uncomfortable question of whether Earth’s natural systems can support 8 billion or more people at a modern standard of living. Since the resource footprint of a U.S. citizen is at least four times that of the global average, the key question is whether the planet can support an increase in material throughput four times higher than present when the strain is apparent already. As noble as it may be to wish [for] a modern living standard for an eventual ten billion or more people, it is likely that committing to such a course could result in more human suffering than would transpire under the adoption of more modest goals. The responsible path is to reduce global resource dependencies and abandon the imperative for growth starting now. ** Thomas W. Murphy, David J.R. Murphy, Thomas F. Love, Melody LeHew and Ben McCall (2021). "[[doi:10.1016/j.erss.2021.102239|Modernity is incompatible with planetary limits: Developing a PLAN for the future]]." ''Energy Research & Social Science'', 81, 102239. * Even something as seemingly altruistic as health care selfishly focuses on human health, to the exclusion and often direct detriment of ecosystem health. Are we really doing ourselves favors in the long term by making the destructive human enterprise healthier, more populous, longer-living, and therefore better able to carry out its damaging activities? If this sounds abhorrently anti-human, it’s because the human enterprise is currently relentlessly anti-planet. Anything that is anti-planet will dismantle ecosystems that serve as critical life support for humans, spelling failure for the human enterprise. So it’s really the human enterprise that is anti-human by way of being anti-planet. […] The best way to assure long-term prosperity is to forge a non-human-centric partnership with nature that does not always put short-term human interests above those of non-human elements of nature. Even “good” activities like health care therefore miss the boat in terms of building a better tomorrow. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2021/05/to-what-end/ To What End?]". Do the Math, {{W|University of California, San Diego}}. May 4, 2021. * Since growth is an absurd short-lived anomaly, what about leveling out in population, resource use per capita, and adopting a steady-state economy? The problem here is that the rate at which we are depleting one-time resources today is unsustainable. We’re simply spending our bank account without paying attention to the balance and without any source of additional income. Most clearly, forests and wild spaces are down by a factor of two in the last 60 years and will be gone within 60 years at current rates of depletion. Before even getting to steady-state conditions, inevitable near-term increases in population together with sought-after increases in standards of living around the world spell an even shorter lifetime for critical habitats. Meanwhile, fisheries are failing in domino fashion; aquifers are being depleted at rates alarmingly higher than replacement; soils are degrading and arable land is lost; fertilizer depends on a finite resource; habitat loss is resulting in species extinctions far in excess of natural rates. Even the plunder of mineral resources in the seemingly infinite crust is getting harder, only a fleeting century or so into our spree. Sustaining present levels for even a few more centuries is a dubious (i.e., unsubstantiated) proposition. It is practically absurd to imagine sustaining present practices for 10,000 years. Humans simply have not yet demonstrated an ability to maintain a technological society without utter reliance on grossly unsustainable inheritance spending. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2021/05/why-worry-about-collapse/ Why Worry About Collapse?]." Do the Math, {{W|University of California, San Diego}}. May 18, 2021. * Earth has never in its history had to contend with 8 billion fire apes, intelligent enough to have leveraged power by exploiting and burning one-time resources. We now operate outside the bounds and protections of evolution: in breach of contract, without a map to success. What could possibly convince us that this fireworks show—which has not even come close to standing the test of time—can maintain anything like its current resource impact for the long haul? Humans have demonstrated convincingly that we can live in a primitive state for hundreds of thousands of years. Our present mode is a few-century flash, supported almost entirely by inheritance-spending. Arguing that we have found a new normal is a precarious position that I would not be eager to defend. Parties end. Fireworks shows end. Why would our flash be any different? It’s not just guesswork: what other outcome could result from rapid resource exploitation on a finite planet? ** Ibid. * We face unprecedented pressures on resources and on our environment, as human population and standard of living both surge on a finite planet. Nature will not allow this trend to continue indefinitely. ** Thomas W. Murphy, ''[https://escholarship.org/uc/item/9js5291m#section.18.5 Energy and Ambitions on a Finite Planet]'', p. 313 (2022) * Human population will not be allowed to grow [indefinitely]. Even small growth rates will step up pressure on natural resources, and Earth can only support so much, long-term. Independent of what the “right” number is, once settled, we will not be able to dial it up without imperiling the hard-won success. Even under steady human population, any increase in resource use per person will also not be compatible. In general, growth leads to a dead end: to failure. ** Ibid. p. 405 * As a jarring illustration of our tendency to value the human side over the prerequisite physical/ecological side, imagine that somehow we manage to emerge from the coming centuries having established a truly sustainable existence. All resources are renewed by nature at the rate of extraction for human needs; population is steady and at a level just tolerable to the planet in terms of indefinite support. Diverse ecosystems are left to thrive in their natural states. But imagine that we are still plagued by cancer and other maladies, so that life expectancy is, say, 90 years. Then what if a team of researchers hits on a cure for (most forms of) cancer? Hurray! At last! Unambiguously good, right? Well, not so fast. All other elements held the same, longer life spans translate to a higher population, putting additional resource burdens on the planet that it cannot handle in the long term. In order to adopt and implement the cure for cancer, we would have to either deliberately reduce population or lower the standard of living to accommodate the change. All other considerations of the complex society about economic impacts, equity of distribution, legal and political facets, or interaction with religious belief systems must take a back seat to the most fundamental and important question: is this change physically viable on this finite planet in the long term? ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2021/11/caught-up-in-complexity/ Caught Up in Complexity]". Do the Math, {{W|University of California, San Diego}}. November 30, 2021. * People tend to prefer the narrative that we, ourselves, are the superheroes, and that our superpowers are not from the fossil fuel suit, but are cognitive in nature. Yet we have the same neural hardware (if not slightly downsized) as our prehistoric ancestors. The main cognitive revolution happened about 70,000 years ago when humans started to believe in things that do not exist (like spirits or potential future gains) that allowed large-scale coordination and shared identity to outcompete evolution’s more biophysical tricks of sharp teeth/claws, speed, strength, camouflage, poison, or overwhelming numbers. Global spread of homo sapiens and megafauna extinctions quickly followed, and it is at this point that the human experiment began to smolder: something was off. About 10,000 years ago, agriculture started and the first visible flame ignited. About 300–400 years ago, the Enlightenment lit a fuse by developing a scientific approach to understanding the world. It was not long before the fuse found fossil fuels and we now witness the predictable explosion that ensued. The explosion is breathtakingly rapid on any meaningful timeline, only appearing in slow motion to the few generations experiencing the phenomenon and thus seeming “normal.” So we can trace some part of our current planetary dominance to human ingenuity, but perhaps the lion’s share actually is attributable to the energy bonanza—as suggested by the dramatic change in the pace of innovation before and after the fossil transition. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2022/06/shedding-our-fossil-fuel-suit/ Shedding Our Fossil Fuel Suit]". Do the Math, {{W|University of California, San Diego}}. June 21, 2022. * A plausible scenario for ecosystem collapse... is based on the fact that we currently support 8 billion people on a fossil-intense agricultural system. We have over-leveraged that finite resource to "borrow" millions of years of eco-services (photosynthetic energy) and now host a population that probably never could have existed in ecological equilibrium. Even if fossil fuels were not going away, it seems likely we would see continued erosion of the globe's ability to support this current unsustainable mode. We have already lost about half of the wild animal life in my lifetime: is that halfway to collapse? Take away the fossil fuels, and I imagine over-hunting and rapid deforestation will take an enormous toll on ecosystem health. ** Thomas W. Murphy's self-comment on "[https://dothemath.ucsd.edu/2022/07/the-ride-of-our-lives/ The Ride of Our Lives]". Do the Math, University of California, San Diego. July 12, 2022. *[It] is truly alarming from an ecological point of view: not only has the human population grown like gangbusters, but the level of affluence per person has soared by an even larger factor. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2022/09/death-by-hockey-sticks/ Death by Hockey Sticks]". Do the Math, University of California, San Diego. September 13, 2022. * The dream of eventually having 10 billion people living at [[American Dream|American standards]] completely ignores the glaring fact that we seem to be circling the drain even at today’s impact level (i.e., overshoot). How could we possibly entertain the factor-of-five increase in resource demand that would accompany a realization of “the dream?” It seems delusional… and likely to turn into a nightmare if pursued. **Ibid. * Human population is going up… We’re not exactly doing the planet (or ultimately ourselves) any favors presently. Will adding more humans that subscribe to our current cultural model somehow make the situation better? Will improving standards of living (thus increasing resource demand) mysteriously turn things around? It’s hard to see how—not without enacting a whole new model. **Ibid. * Increasing the standard of living of a growing population makes today’s ecological pressures look adorable. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2022/09/a-climate-love-story/ A Climate Love Story]". Do the Math, University of California, San Diego. September 20, 2022. * It is easy to get caught up in the heady whirlwinds of [[modernity]]. We have accomplished amazing feats in these past few centuries, and our extrapolative minds envision a continued acceleration. Given that our life span overlaps only a portion of the tale, it is easy to lose the context that our boom (the [[Industrial Revolution]] and what followed) is almost entirely due to fossil fuels. This energy surge in turn powered a surge in material access and economic activity (and human population) in what is perhaps fittingly described as a fireworks show. ** Ibid. * What did we do with our fossil fuel bonanza? We exploded population by revolutionizing agriculture [and health]. Now when fossil fuels inevitably (and soon?) decline, we’re left with an overhang that can no longer be supported. The resulting population decline will suddenly cast [[Thomas Robert Malthus|Malthus]] in a new light: oh what a starry-eyed soothe-sayer [sic]! When that day comes, […] realize that it’s no more tragic than the ant colony waning as it must. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2022/10/the-cult-of-civilization/ The Cult of Civilization]." Do the Math, {{W|University of California, San Diego}}. October 4, 2022. * Our fossil fuel bonanza has left our ecosystem in a perilous state. We have destroyed vast forests and habitats, polluted water and soil, kicked off a rapid climate trend that natural systems may not adapt to quickly enough, and basically overrun the planet. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2022/12/finite-feeding-frenzy/ Finite Feeding Frenzy]." Do the Math (December 5, 2022). * …fossil fuels allowed us to drastically overshoot the natural carrying capacity of the planet, and that bill will come due when the underlying resource inevitably dwindles. Sometimes simple is simply right. ** Ibid. * The human explosion has accelerated across the millennia, most recently reaching a fever pitch owing to the employment of fossil fuels—leveraging stored solar energy about a million times faster than it was created. The ensuing access to minerals and ability to transform landscapes has rapidly and radically altered our world within just a few human generations. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2023/08/call-me-ishmael/ Call Me, Ishmael!]." Do the Math, August 1, 2023. * In 1800, every human on the planet had a corresponding 80 kg of mammal mass in the wild. Wildland mammals outweighed humans in an 80:50 ratio. Today, each human on the planet can only point to 2.5 kg of wild mammal mass as their “own.” Let that sink in. You only have 2.5 kg (less than 6 pounds) of wild mammal out there somewhere. A single pet cat or dog generally weighs more. Not that long ago, it was more than you could carry. Now, it seems like hardly anything! I especially fear the implications for mammals should global food distribution be severely crippled. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2023/08/ecological-cliff-edge/ Ecological Cliff Edge]." Do the Math, August 18, 2023. * As if the Enlightenment was not enough, in quick succession we joined another enormous river. One could say that the process of science opened the door to fossil fuels, but science and fossil fuels might be best described as a dynamic duo. Fossil fuels gave us the power to advance our science-amplified degree of control to an entirely new level. Resources that had been previously inaccessible became available. It became far easier to clear land for agriculture and other uses. We learned to make fertilizer from methane, unleashing unprecedented agricultural surpluses that inevitably resulted in a human population overshoot. Fossil-fueled furnaces led to steel, concrete, and other materials on a massive scale, paving the way to megacities and global trade. Science itself was amplified by having access to fossil fuels, via a flood of new devices and capabilities invented with—and powered by—cheap energy. Advances in science and technology in turn allowed greater access to buried fossil energy. This positive feedback arrangement facilitated runaway expansion of the [human] enterprise, leading to a battery of hockey stick curves. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2023/08/our-time-on-the-river/ Our Time on the River]". Do the Math, August 22, 2023. * Energy has been fundamental to our story of growth. The various hockey stick curves over the last century or so are a reflection of energy and population. What’s more, human population itself is a reflection of energy, as mechanized, fertilized agriculture was made possible by fossil fuels. Since energy per capita has also increased like a hockey stick, the ecological impact (and many other metrics like GDP) takes on the shape of a super-exponential (still resembling a hockey stick on a logarithmic plot). ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2023/09/can-modernity-last/ Can Modernity Last?]" Do the Math, September 26, 2023. * We have used [fossil fuels] to expand the human enterprise and population, knock down forests, destroy and fragment habitats, drive extinctions, and generally threaten the vitality of the planet. [But] “solving” the energy problem as fossil fuels give out is pretty frightening: how would it not simply perpetuate the ecological nosedive we have initiated? Only if we put ecological concerns above energy do we stand any chance of survival. ** Ibid. * I acknowledge that cancer is a class of disease, and no universal cure is likely to emerge. But feel free to substitute any longstanding cause of death. […] In a sense, it is death that makes life special and worthy of celebration. […] What would a successful cure look like? Human lifespans would increase. All other things being equal, a reduced death rate means more humans on the planet, putting additional pressures on the entire community of life and further threatening the vitality of the planet—including humans, to be clear. Moreover, access to the cure would almost certainly be more available to the affluent half, who are already heavy users of resources and thus cause outsized harm to the planet. So a cure to cancer would serve to boost ecological destruction, in practice. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2023/10/are-we-lucky/ Are We Lucky?]" Do the Math, October 3, 2023. * Truly, the end of modernity will probably be brutal for most of the 8 billion people on the planet, who will cling to what they know and fail to adapt. But even if they were mentally ready, the Earth is not ready to support 8 billion humans without a massive fossil subsidy, so human population will likely fall a lot in hard times. ** Thomas W. Murphy's self-comment on "[https://www.resilience.org/stories/2023-09-27/can-modernity-last/ Can Modernity Last?]". ''Resilience''. September 30, 2023. * Compared to biologically relevant timescales, the human explosion commenced just “yesterday” when grain agriculture began taking root... set[ting] the stage for planet-crushing present-day human populations in a time that is still contextually short. Each “improvement” like cities and technology only accelerated the rapidity of the unsustainable ascent. Mounting ecological damage was part and parcel of this expansionist story long before cars, planes, and smartphones arrived—like two sides of a coin. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2024/02/unsustainable-goose-chases/ Unsustainable Goose Chases]". ''Do the Math'', February 27, 2024. * Humans are voracious (big brains to feed and a lot of un-furry surface area to keep warm), and therefore are ecologically expensive. If the Earth tightens its belt, [one should]n’t assume that humans will fare well. We are summer children borne of “good” times, where “good” translates to “biodiverse.” Cleverness is no guarantee against starvation, as countless clever humans who have starved can’t tell [us]. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2024/04/post-modernity/ Post-Modernity]". ''Do the Math'', April 9, 2024. * [Our] success [in eliminating hunger and inequity] inevitably grows the population, scaling up the current tension... to planetary limits... [and] curing all diseases and achieving effective immortality would be ecologically disastrous! ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2024/05/whats-the-point/ What's the point?]" ''Do the Math'', May 14, 2024. * Since the current low levels of mortality go hand-in-hand with ecological devastation and a doomed modernity, their embrace is itself a problem… ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2024/05/watching-population-bomb/ Watching population bomb]". ''Do the Math'', May 28, 2024. * The Green Revolution transformed agriculture by inserting fossil fuels at every turn. Fertilizer came from natural gas. Diesel allowed large-scale mechanization of plowing, planting, harvesting, processing, and transporting large amounts of food. Petrochemical pesticides smote economically worthless (but ecologically invaluable) products of evolution into the foul dust. We fed a growing human population, now 8 billion strong. It boils down to a diet of fossil fuels: again, temporary. ** Thomas W. Murphy, ''Metastatic Modernity''. Episode 9: "[https://dothemath.ucsd.edu/2024/07/mm-9-recipe-for-disaster/#more-8348 Recipe for Disaster]". ''Do the Math'', July 30, 2024. * To those who resist the notion that increasing food production also means increasing human population, consider this. In 1950, the global population stood at about 2.5 billion people. The Green Revolution was about to explode into global agriculture, substantially increasing crop yields on the back of profligate fossil fuel inputs (for fertilizer, mechanization, energy for irrigation, transport, processing, etc.). Let’s say this tsunami of energy and technology had not arrived on the agricultural scene, and that moreover a global edict (“magically” followed) held annual food production at the 1950 level thereafter.<br>Would we have 8 billion people today? Impossible. We would still have 2.5 billion, correct? In 1950, the world produced enough food for 2.5 billion people, so that same amount of annual food would sustain 2.5 billion people today…or perhaps 2 billion taller, heavier people; or 3 billion people with more equitable, modest distribution and less waste. But you get the point: hold the food supply steady and you essentially hold the population below some cap. Inarguable. Those additional 5.5 billion people were made possible by a technological wave of food increase. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2025/06/food-makes-babies/ Food Makes Babies]." ''Do the Math'', June 10, 2025. * [Eight] billion humans are driving a sixth mass extinction, which leaves no room for even 10 humans if fully realized, let alone 10¹⁰. ** Thomas W. Murphy, “[https://dothemath.ucsd.edu/2025/09/8-billion-will-die/ 8 Billion Will Die],” ''Do the Math'' (September 23, 2025) *Maintaining 8 billion human people on Earth [without fossil fuels] is no more possible than invading space. It’s not an actual, realizable choice—beyond transitory and costly stunt demonstrations. **Ibid. === N === * How we live and consume matters just as much as the growing density of our numbers combined with the proliferation of our machines that devour energy on our behalf. (Roads and cell phones all consume energy and materials too.) All three demographic issues are increasing at unsustainable rates and feed each other to propel more economic growth, more emissions and more fragility. The world’s current population is 7.9 billion and grows by 80 million a year. It has slowed down in recent years because the affluent don’t need the energy of children as much as the poor. Even so civilization will add another billion to the planet every dozen years. Redistributing energy wealth (and emissions) from the rich to the poor will not avert disaster if human populations don’t overall decline. Our numbers also reflect a demographic anomaly that began with fossil fuels, a cheap energy source that served as Viagra for the species. Prior to our discovery of fossil fuels, the population of the planet never exceeded one billion. Our excessive numbers are purely a temporary artifact of cheap energy spending and all that it entails — everything from fertilizer to modern medicine. ** Andrew Nikiforuk, "[https://thetyee.ca/Analysis/2021/12/06/Andrew-Nikiforuk-Getting-Real-About-Our-Crises/ Getting Real about Our Crises]." ''The Tyee'', December 6, 2021. ===O=== * In recent decades, support for family planning has waned, and global fertility decline has decelerated as a result. Projections calibrated across the decades of strong family planning support have not acknowledged this change and are consequently underestimating global population growth. Scenarios used to model sustainable futures have used overly optimistic population projections while inferring these outcomes will happen without targeted measures to bring them about. Unless political will is rapidly restored for voluntary family planning programs, the global population will almost certainly exceed 10 billion, rendering sustainable food security and a safe climate unachievable. ** Jane N. O'Sullivan, "Demographic Delusions: World Population Growth Is Exceeding Most Projections and Jeopardising Scenarios for Sustainable Futures." ''World''. 2023. 4(3). 545-568. {{DOI|10.3390/world4030034}} === P === *Putting an end to the population explosion will not of itself save the ecosphere, but not ending it will add greatly to the dangers the planet faces. The environment can sustain a quality of life for just so many people. **[[Michael Parenti]], ''Blackshirts and Reds: Rational Fascism and the Overthrow of Communism. '' (1997), p. 155 *'''In what year will the human population grow too large for the Earth to sustain? The answer is about 1970''', according to research by the {{W|World Wildlife Fund}}. In 1970, the planet's 3 and a half billion people were {{W|Sustainable population|sustainable}}. But on this New Year's Day, the population is 8 billion. Today, wild plants and animals are running out of places to live. **[[Scott Pelley]], "[https://www.cbsnews.com/news/earth-mass-extinction-60-minutes-2023-01-01/ Scientists say planet in midst of sixth mass extinction, Earth's wildlife running out of places to live]" {{W|CBS News}}, January 1, 2023. * ... ''Homo sapiens'' have been around for about 200,000 years and we are struggling to provide 7 billion of us with sufficient food, clothing, and shelter to lead decent lives. There cannot be an economist on the planet who thinks Earth could support 7.168 trillion people. Human population growth cannot go on forever, no matter how optimistic economists might be. ** Gary Peters, "[https://ourfiniteworld.com/2011/06/13/should-we-take-united-nations’-projections-seriously/ Should We Take United Nations’ Projections Seriously?]" (June 13, 2011) *Human overpopulation, the ever-increasing power of our technology, and the demand of our omnicidal, neoliberal economic system of infinite growth on the basis of finite resources threaten the earth with total destruction. **{{W|Norm Phelps}}, quoted in ''The Politics of Total Liberation: Revolution for the 21st Century'' by [[Steven Best]], (2014), p. ix * Ever since Malthus, at least, it has been clear that means of subsistence do not grow as fast as population. No one has ever liked the idea that famine, plague, and war are nature's way of redressing the imbalance -- Malthus himself suggested that the operation of "preventive checks," which serve to reduce the birth rate, might help prolong the interval between such events. And in the two hundred years since Malthus sat down to pen his essay, there has been no worldwide cataclysm. But in the same two centuries world population has grown exponentially while irreplaceable resources were used up. Some kind of adjustment is inevitable. Today, many people who are concerned about overpopulation and environmental degradation believe that human actions can avert catastrophe. The prevailing view holds that a stable population that does not tax the environment's "carrying capacity" would be sustainable indefinitely, and that this state of equilibrium can be achieved through a combination of birth control, conservation, and reliance on "renewable" resources. Unfortunately, worldwide implementation of a rigorous program of birth control is politically impossible. Conservation is futile as long as population continues to rise. And no resources are truly renewable. ** David Price, "Energy and Human Evolution". ''From Population and Environment: A Journal of Interdisciplinary Studies'', Volume 16, Number 4, March 1995 * Around 8,000 BC, world population was something like five million. By the time of [the birth of Jesus] Christ, it was 200 to 300 million. By 1650, it was 500 million, and by 1800 it was one billion. The population of the world reached two billion by 1930. By the beginning of the '60s it was three billion; in 1975 it was four billion; and after only eleven more years it was five billion. This cannot go on forever; collapse is inevitable. The only question is when. ** Ibid. * People who believe that a stable population can live in balance with the productive capacity of the environment may see a slowdown in the growth of population and energy consumption as evidence of approaching equilibrium. But when one understands the process that has been responsible for population growth, it becomes clear that an end to growth is the beginning of collapse. Human population has grown exponentially by exhausting limited resources, like yeast in a vat or reindeer on St. Matthew Island, and is destined for a similar fate. ** Ibid. === R === * As human populations expand they necessarily appropriate ecological space required by other species. Human ‘competitive displacement’ of non-human organisms from their habitats and food sources is now the greatest contributing factor to {{W|Biodiversity loss|plunging biodiversity}}. Consider that with only 0.01 % of total Earthly {{W|Biomass (ecology)|biomass}}, H. sapiens’ expansion has eliminated 83 % of wild animal and 50 % of natural plant biomass. From a fraction of 1 % ten millennia ago, humans now constitute 36 %, and our domestic livestock another 60 %, of the planet’s much expanded mammalian biomass compared to only 4 % for all wild species combined. Similarly, domestic poultry now comprise 70 % of Earth’s remaining avian biomass. Meanwhile, commercial fishing depletes the oceans at the expense of rapidly declining marine mammals and birds. Seabirds are the most threatened bird group, with a 70 % community-level population decline between 1950 and 2010. ** {{W|William E. Rees}}, "[http://www.fraw.org.uk/data/limits/rees_2020.pdf Ecological economics for humanity’s plague phase]". ''{{W|Ecological Economics (journal)|Ecological Economics}}.'' (2020) * Population estimates are usually based on demographic data alone with no consideration of exogenous factors. This is unrealistic. For living organisms, the fact of their own existence ensures that no environment or habitat remains ideal for long. As the subject population expands, it will invariably use up any crucial resource in fixed supply. Even renewable resources can be depleted once the population goes into ‘overshoot’, a situation in which aggregate consumption exceeds food species’ recovery rates or waste accumulation exceeds natural assimilative capacity. The rise and fall of reindeer populations introduced to two previously unoccupied (by reindeer) Pribilof Islands in the early 20th century is a classic example. Collapse was attributed to overgrazed food sources (primarily lichen) abetted by the stress of exceptionally cold winter. ** William E. Rees, "[https://www.whp-journals.co.uk/JPS/article/view/653/486 The fractal biology of plague and the future of civilization]". ''The Journal of Population and Sustainability'' (2020) * ...for most of our species’ time on Earth—including most of the agricultural era—humanity’s natural propensity to expand has been held in check by negative feedback, e.g., food and other resource shortages, disease, and inter-group conflict. Circumstances changed with the scientific/industrial revolution, particularly the increasingly widespread use of fossil fuels. It took 200,000 – 350,000 years for human numbers to reach one billion early in the 19th Century, but only 200 years (as little as 1/1750th as much time!) to balloon another seven-fold by early in the 21st Century. Improvements in medicine, public sanitation, and population health contributed to this expansion, but coal, oil, and gas made it possible. Fossil fuels are the energetic means by which humans extract, transport, and transform the prodigious quantities of food and other material resources into the products needed to support our burgeoning billions. More than any other factor, fossil fuels enabled H. sapiens to eliminate or reduce normal negative feedbacks. Freed from historic constraints, our species was, at last, able to exhibit its full potential for geometric growth. ** Ibid. * Humanity is already far into ecological overshoot: we are learning the hard way that the ecosphere under stress is still immeasurably more complex than even the global human enterprise. It can generate a vastly larger arsenal of negative feedbacks in response to human excesses than any imaginable human control system can match. ** William Rees, "[https://reeswilliame.substack.com/p/variety-matters-more-than-you-think Variety Matters More Than You Think]," ''Substack'' (July 28, 2025) * Humans invade and populate all accessible favourable habitats; human populations use up all available resources; under favourable conditions, human populations are capable of exponential growth. […] The industrial/scientific revolution spawned technologies, particularly improvements in public sanitation and disease control, that greatly reduced death rates while fossil fuels alleviated food and resource shortages. With the suppression of negative factors, positive feedback prevailed; between the early 1800s and 2023, the human population exploded from one to eight billion. Meanwhile, what we now call ‘neoliberal economics’ began taking form in the late 1800s. In just two centuries, the human population grew eight times larger than the maximum attained over the previous 3000 centuries, and the world economy grew 100-fold in real terms! […] Overshoot may be a quasi-natural phenomenon, but it is also a potentially terminal condition. There are now about 80 cities in the world with populations in excess of five million—each has more people than existed on the entire planet at the dawn of agriculture 10,000 years ago. […] Life in higher-income countries just seemed to be getting better and better, at least in material terms. Little wonder that by the 1950s, MTI governments and international institutions everywhere were adopting the neoliberal vision of perpetual economic and population growth via continuous technological advance as the dominant development narrative of global culture.<br>There are, of course, significant problems—all this occurred on a finite, non-growing planet with serious history. With nurture-reinforcing-nature in propelling the expansionist juggernaut, the human enterprise surged into ecological overshoot; resource consumption and waste production are overwhelming the bio-productive and waste assimilation capacities of the ecosphere. This is not merely an aesthetic concern: the functional integrity of the ecosphere is essential for human existence. '''Overshoot may be a quasi-natural phenomenon, but it is also a potentially terminal condition.''' ** William Rees, "[https://substack.com/home/post/p-181832455 Why collapse is inevitable]," ''Substack'' (December 16, 2025) * The current human population is 14,000-fold larger than the average populations of other mammal species of similar body size! […] If humans were a typical mammal whose global population corresponded to the arithmetic mean (average) of populations of mammals of similar body size, there would be only 500,000 people on Earth! ** Ibid. * Almost all of today’s low-energy countries have a population density so great that it perpetuates dependence on intensive manual agriculture, which alone can yield barely enough food for their people. They do not have enough acreage, per capita, to justify using domestic animals or farm machinery, although better seeds, better soil management, and better hand tools could bring some improvement. A very large part of their working population must nevertheless remain on the land, and this limits the amount of surplus energy that can be produced. Most of these countries must choose between using this small energy surplus to raise their very low standard of living or [to] postpone present rewards for the sake of future gain by investing the surplus in new industries. The choice is difficult because there is no guarantee that today’s denial may not prove to have been in vain. This is so because of the rapidity with which public health measures have reduced mortality rates, resulting in population growth as high [as] or even higher than that of the high-energy nations. Theirs is a bitter choice; it accounts for much of their anti-Western feeling and may well portend a prolonged period of world instability. ** [[Hyman G. Rickover]], "Energy and Resources and Our Future" speech (May 14, 1957) * The doubling of life expectancy is largely down to medical advances. Without medical care, we’d probably be at a much lower population level. I can’t find projections, but given that even some fairly routine injuries and sicknesses would be life-threatening without medical intervention, one would expect a more pyramidal pyramid, and 2 billion people doesn’t seem unreasonable to me. This is also amplified by [there] being [fewer] people to innovate ideas like the green revolution, which [led] to higher populations.<br>In nature, population overshoot is usually remedied by a higher die-off rate, not a lower birth rate. But humans think that medical care and increased lifetimes are a sign of progress. Medical advances can even allow some who wouldn’t have been able to have children to have children, thus exacerbating overshoot. ** Mike Roberts, "[https://mikerobertsblog.wordpress.com/2024/08/09/what-can-antinatalism-achieve/ What Can Antinatalism Achieve?]" (August 9, 2024) * A lot of technologies have been utilised in storing food or growing more of it. And we know that increased access to food increases population size. The reverse is also true, of course, so we should expect [[population decline|population to fall]] as harvests come under stress from the effects of [[Global warming|climate change]]. ** Mike Roberts, "[https://mikerobertsblog.wordpress.com/2024/09/14/the-inevitability-of-our-predicament/ The Inevitability of Our Predicament]" (September 14, 2024) * Humans are a species, so they are no different in needing to reproduce to propagate their traits, which may eventually lead to what would be considered a new species, though that would likely take tens or hundreds of thousands of years. If our ancestors had considered the effects of what they were doing, why some prey species appeared to disappear, for example, then we wouldn’t be here, as we’d limit what we did, how we expanded, how we spread. Humans would, at best, have remained a very limited species, if it survived at all. But that is not the way life works. Clearly, we have followed the maximum power principle, since we’re a species, and so consume as much energy and resources as we can. In basic terms, a body needs food for energy and humans have figured out how to produce increasing quantities of food (at least in terms of calories) using agriculture, machines, artificial fertilisers and pesticides. This has enabled an explosion in population in a positive feedback loop (with higher population forecast, we figure out how to support that population, leading to more agriculture and higher yields, so we end up with a higher population). The huge success of agriculture and mechanisation, has lead to almost no human being involved in the production of the food that keeps us alive, so we’ve had to invent other ways to kill our time. We now have a huge variety of products and services to help us kill our time before we die. Some of it is pleasurable so we want to do more of it and invent new ways to live. All the time, killing more of the rest of life. But getting here was inevitable because we are a species and don’t have free will to counter those inbuilt drives. ** Mike Roberts, "[https://mikerobertsblog.wordpress.com/2024/10/03/a-retrospective-of-the-inevitable/ A Retrospective of the Inevitable]" (October 3, 2024) * As food makes babies perhaps the critical development was agriculture but then without fossil fuels, we could never have produced as much food as we do now, and deliver it across the world. But then, if we hadn’t started cooking food, we might not have been clever enough to figure out how to use fossil fuels to produce food. And without language, we could never have communicated complex ideas about agriculture, tool making and the use of fossil fuels. So we go round and round. ** Mike Roberts, "[https://mikerobertsblog.wordpress.com/2025/07/07/where-did-it-all-go-wrong/ Where Did It All Go Wrong?]" (July 7, 2025) * It is often said that humans are in overshoot. What does that mean? In simple terms, it means exceeding a limit. However, if a limit has been exceeded, then how is it a limit? People usually refer to overshoot as exceeding the carrying capacity of the planet. The ability for the planet to support the current population of humans. And yet here we are. Humans have apparently been in overshoot territory for a long time, but that hasn’t affected the numbers. Indeed, the population of humans continues to grow. ** Mike Roberts, "[https://mikerobertsblog.wordpress.com/2025/12/27/overshoot-or-undershoot/ Overshoot or Undershoot?]" (December 27, 2025) * We have well over 8 billion people on this planet. All ecosystems have been perturbed, and wildlife has been hugely depleted by over 70% in just the last half century. Deforestation continues apace at almost 5 million hectares per year. So, it’s impossible for all humans to live sustainably right now. If a few chose, and succeeded, to live sustainably, it would have no measurable effect on the planet. ** Mike Roberts, "[https://mikerobertsblog.wordpress.com/2026/01/25/would-anyone-want-to-live-sustainably/ Would Anyone Want to Live Sustainably?]" (January 25, 2026) === S === * It is apparently futile only to insist that the more back­ward countries restrict their birth rates. What is needed most of all is economic and technical assistance to these countries. This assistance must be of such scale and generosity that it is unlikely before the estrangement in the world and the egotistical, narrow-minded approach to relations between nations and races are eliminated. ** [[Andrei Sakharov]], ''Progress, Coexistence and Intellectual Freedom'', Chapter 5: "Hunger and Overpopulation (and the Psychology of Racism)" (1968) * Government policy, legislation on the family and marriage, and propaganda should not encourage an increase in the birth rates of advanced countries while demanding that it be curtailed in underdeveloped countries that are receiving assistance. Such a two-faced game would produce nothing but bitterness and nationalism. ** Ibid. * I want to emphasize that the question of regulating birth rates is highly complex and that any standardized, dogmatic solution "for all time and all peoples" would be wrong. ** Ibid. * ...increasingly, technology has come up against the law of unexpected consequences. Advances in health care have lengthened life spans, lowered infant-mortality rates, and, thus, aggravated the population problem. ** [[w:Tom Sancton|Thomas A. Sancton]], "What on Earth Are We Doing?" in ''[[w:Time (magazine)|Time]]'' (week ending January 2, 1989). * As human beings, with over 8 billion of us on planet Earth at present, we now find ourselves in a very analogous situation to both the early cyanobacteria from over 2 billion years ago and the yeast cells one would culture within a nutrient-rich broth in a petri dish. It isn’t that we’re in danger of transforming our planet into an uninhabitable hellscape, as nothing we’ve done or are in the process of doing is going to have a catastrophic effect of that magnitude. However, there are a number of ways that we’re polluting, destroying, or depleting our environment in ways that not only are non-renewable and unsustainable, but that are going to have negative downstream effects that impact future humans, hundreds and even thousands of years down the line, in ways that most of us aren’t prepared to fully reckon with.<br>And that’s unfortunate, because we should be prepared. After all, unlike yeast, cyanobacteria, or any other species that’s impacted its environment due to its collective, accumulated actions, we can not only detect and quantify the effects we’re having, but can choose to change our action at any time. ** Ethan Siegel, "[https://bigthink.com/starts-with-a-bang/humanity-yeast-cells/ Is humanity dumber than a colony of yeast cells?]." ''Big Think'' (March 8, 2023) * Erroneous belief about population growth has cost dearly. In poor countries, it has directed attention away from the factor that we now know is central in a country's economic development, its economic and political system. And in rich countries, misdirected attention to population growth and its... consequence of natural-resource shortages has caused waste through such programs as now-abandoned synthetic fuel programs, and the useless development of airplanes that would be appropriate for an age of greater scarcity. ** [[Julian Simon]], "[http://www.juliansimon.com/writings/Norton/NORTON02.txt Scarcity or Abundance? A Debate on the Environment]," on ''juliansimon.com'' * Adding more people causes problems, but people are also the means to solve these problems. The main fuel to speed our progress is our stock of knowledge, and the brake is our lack of imagination. The ultimate resource is people—skilled, spirited, and hopeful people who will exert their wills and imaginations for their own benefit, and inevitably they will benefit not only themselves but the rest of us as well. ** [[Julian Simon]], [http://www.juliansimon.com/writings/Ultimate_Resource/TCONCLUS.txt The Ultimate Resource] * In trying to solve the terrifying problems that face us in the world today, we naturally turn to the things we do best. We play from strength, and our strength is science and technology. To contain a population explosion, we look for better methods of birth control. Threatened by a nuclear holocaust, we build bigger deterrent forces and anti-ballistic missile systems. We try to stave off world famine with new foods and better ways of growing them. Improved sanitation and medicine will, we hope, control disease; better housing and transportation will solve the problems of the ghettos, and new ways of reducing or disposing of waste will stop the pollution of the environment. We can point to remarkable achievements in all these fields, and it is not surprising that we should try to extend them. But things grow steadily worse, and it is disheartening to find that technology itself is increasingly at fault. Sanitation and medicine have made the problems of population more acute, war has acquired a new horror with the invention of nuclear weapons, and the affluent pursuit of happiness is largely responsible for pollution. As Darlington has said, ‘Every new source from which man has increased his power on the earth has been used to diminish the prospects of his successors. All his progress has been at the expense of damage to his environment, which he cannot repair and could not foresee.’ **[[B. F. Skinner]], ''Beyond Freedom and Dignity'' (1971), Chapter 1: “A Technology of Behavior.” * Capitalist elites seeking to increase the size of their labour force used pro-natalist state policies to prevent women from practicing family planning. [...] We should not ignore the relationship between population growth and ecology, but we must not treat these as operating in a social and political vacuum. ** Dylan Sullivan and [[Jason Hickel]] (2023). "Capitalism and extreme poverty: A global analysis of real wages, human height, and mortality since the long 16th century". ''{{W|World Development (journal)|World Development}}''. Vol. 161. {{doi|10.1016/j.worlddev.2022.106026}} === T === * History upon Terra tells us what horrors follow upon religious mandates of unlimited reproduction. ** [[Sheri S. Tepper]], ''[[w:Grass (novel)|Grass]]'' (1989), Chapter 12 * Malthusian predictions that relentless population growth will outstrip food production and trigger starvation worldwide have recurred over the centuries. They have come and then gone as farmers have deployed new technologies to increase food output. Even now, enough food is being produced to adequately feed every person on the planet; the fact that nearly one billion people are nonetheless going hungry is a damning indictment of the world's food-distribution system. But since demand is growing, production will also have to increase in the years ahead. With the world's population expected to expand to more than nine billion by 2050 and much of that growth occurring in China, India, and other countries where living standards are rising fast, global food production will need to increase by 70-100 percent in order to keep pace and feed the already chronically hungry. This is a mighty challenge: all the more so because given current soil technology and environmental concerns, more food will have to be produced on roughly the same amount of arable land -- and with less water than is used now and at a time when both growing demand for biofuels and changing climate patterns are also putting pressure on production. Where will the needed rise in food supplies come from, and how quickly can the distribution problems be solved? ** Roger Thurow, "[https://www.foreignaffairs.com/articles/africa/2010-10-21/fertile-continent The Fertile Continent]". ''Foreign Affairs'' (October 21, 2010). * Given the Maoist position that a large population was a “resource”, rather than a burden, for the Communist state, it was politically incorrect to advocate population control [either by diet or medicine]. ** Christopher K. Tong, “The Paradox of China’s Sustainability,” ''Chinese Environmental Humanities'' (2019) * Supporting large families and unchecked growth (of which the greatest parameter is population increase) is a mantra which religion and authority have preached for thousands of years. Religions always need more clergy to reap donations from, and leaders more voters to turn into soldiers for their next war, or to make the gross (as opposed to per capita) GDP figures look good. We are being farmed, we have always been farmed for thousands of years by an economic system that prioritises cold hard profit figures over real prosperity. Competition fuels growth even more, as humans are extremely territorial. The problem with the existence of countries is that they speed up civilisational collapse. They all end up competing for economic and population growth, therefore significantly accelerating civilisational overshoot and collapse. ** George Tsakraklides, quoted in "[https://www.hawaii.edu/vice-versa/interview-tsakraklides-lewis-2-0/ Memories of the Future 2.0]." ''Vice-Versa'', University of Hawaii at Manoa (February 15, 2025) * Thanks to the discovery and exploitation of fossil fuels, humans (really just a small minority of them) are able to live richer lives today than even the queens and kings of yore could have dreamed of.<br>Furthermore, we’ve used some of those finite resources to increase food supplies and to expand the human population, which provides the economic system with both more workers and more consumers, a necessity to keep the economy growing under our current economic model. The world’s population increased from 1.6 billion in 1900 to 7 billion today, and we add about 80 million more each year. Humans have quickly become the most numerous megafauna on the planet. ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2012/01/09/the-faustian-bargain-that-modern-economists-never-mention/ The Faustian bargain that modern economists never mention]" (January 9, 2012) * Humans, because of their intelligence, have found ways to [temporarily] defeat survival of the fittest. As areas get overpopulated, humans have moved to areas where they have a better chance of survival. Humans have found ways to increase food supply, through the use of fertilizers, pesticides, irrigation, and refrigeration, all of which require fossil fuels. They have developed trade, so that so areas with shortfalls can benefit from surpluses elsewhere. Humans have developed a world financial system, which has helped enable worldwide trade. The financial system has also allowed investors to pay for goods after they are put into service, so that the cash flow resulting from an investment can be used (after the fact) to pay for the cost of the investment. This enables investment, and faster use of resources, including energy resources.<br>One of the reasons for continued upward population pressure is the fact that humans have evolved to live beyond their reproductive years. In their declining years, humans often need assistance, either from their offspring or from a public pension program, or both. Because of concern for their own old age, people without pensions tend to have enough children so that there is a significant chance that a child of the right sex will survive to adulthood. With improving medical care, this tends to lead to [an] ever-rising population. ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2012/08/17/humans-seem-to-need-external-energy/ Humans Seem to Need External Energy]" (August 17, 2012) * As long as the world’s population is rising, even in lesser developed countries, there is going to be a continuing need for more food, clothing and housing. This is an issue we don’t seem to be able even to talk about. It may offend people. ** Ibid. * The energy resource that we learned to develop this time is fossil fuels, starting with coal about 1800. '''World population was able to expand greatly because of additional food production permitted by fossil fuels and because of improvements in hygiene.''' A period of stagflation began in the 1970s, when we first encountered problems with US oil production and spiking oil prices. Now, the question is whether we are approaching the Crisis Stage as described by Turchin and Nefedov. ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2013/12/06/diminishing-returns-energy-return-on-energy-invested-and-collapse/ Diminishing Returns, Energy Return on Energy Investment and Collapse]" (December 6, 2013) * As energy supplies deplete, we will increasingly need to “choose our battles.” In the past, humans have been able to win many battles against nature. However, '''as energy per capita declines in the future, we will be able to win fewer and fewer of these battles against nature''', such as our current battle with COVID-19. At some point, we may simply need to let the chips fall where they may. '''The world economy seems unable to accommodate 7.8 billion people, and we will have no choice but to face this issue.''' ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2020/11/09/energy-is-the-economy-shrinkage-in-energy-supply-leads-to-conflict/ Energy is the economy; shrinkage in energy supply leads to conflict]" (November 9, 2020) * Many people believe that humans can have a sustainable future by using solar panels and wind turbines. Unfortunately, the only truly sustainable course, in terms of moving in cycles with nature, is interacting with the environment in a manner similar to the approach used by chimpanzees and baboons. Even this approach will eventually lead to new and different species predominating. Over a long period, such as 10 million years, we can expect the vast majority of species currently alive will become extinct, regardless of how well these species fit in with nature’s plan.<br>The key to the relative success of animals such as chimpanzees and baboons is living within a truly circular economy. Sunlight falling on trees provides the food they need. Waste products of their economy come back to the forest ecosystem as fertilizer.<br>Pre-humans lost the circular economy when they learned to control fire over one million years ago, when they were still hunter-gatherers. With the controlled use of fire, cooked food became possible, making it easier to chew and digest food. The human body adapted to the use of cooked food by reducing the size of the jaw and digestive tract and increasing the size of the brain. This adaptation made pre-humans truly different from other animals.<br>With the use of fire, pre-humans had many powers. They spent less time chewing, so they could spend more time making tools. They could burn down entire forests, if they so chose, to provide a better environment for the desired types of wild plants to grow. They could use the heat from fire to move to colder environments than the one to which they were originally adapted, thus allowing a greater total population.<br>Once pre-humans could outcompete other species, the big problem became diminishing returns. For example, once the largest beasts were killed off, only smaller beasts were available to eat. The amount of effort required to kill these smaller beasts was not proportionately less, however. ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2020/12/02/humans-left-sustainability-behind-as-hunter-gatherers/ Humans Left Sustainability Behind as Hunter-Gatherers]" (December 12, 2020) * … the problem the world is facing today is like one that smaller economies have faced, over and over, in the past: '''The population has become too large for the economy’s resource base''', which now includes fossil fuels. Today’s leaders reframe the problem as voluntarily moving away from fossil fuels to prevent climate change in order to make the situation sound less frightening. ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2023/12/15/ten-things-that-change-without-fossil-fuels/ Ten things that change without fossil fuels]" (December 15, 2023) * We are dealing with an age-old problem: Humans are able to outsmart other animals, and for this reason, human populations tend to rise except when external conditions are quite adverse. ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2024/03/17/advanced-economies-will-be-especially-hurt-by-energy-limits/ Advanced Economies Will Be Especially Hurt by Energy Limits]" (March 17, 2024) * History shows a repeated pattern of overshoot and collapse. A population would grow until the carrying capacity of the local area was reached. Food surpluses would become lower and lower, so less food could be saved up for fluctuations in rainfall and temperature. Eventually, civilizations would succumb to one or another problem: disease, attack by a neighboring group, climate fluctuations, or governments overthrown by unhappy citizens. We tell ourselves that overshoot and collapse cannot happen now, but human population is high relative to fossil fuel resources, and intermittent wind and solar are not working out well as substitutes. ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2024/07/22/how-does-the-economy-really-work/ How Does the Economy Really Work?]" (July 22, 2024) * Humans are smarter than other animals, allowing the population of humans to grow, while the population of many other species tends to fall. […] The large rise in the population of the less advanced economies contributes to the huge number of immigrants wanting new homes in higher-income countries. […] The issue is that available resources do not rise fast enough (in the area, or with the technology available) to provide enough physical goods and services for the population. If a new approach can be developed, or a neighboring area with additional resources can be conquered, [the] population can start to grow again. […] Outgrowing our resource base is not a phenomenon that began with fossil fuels. […] In 1796, when [the] world population was about one billion, Robert Thomas Malthus wrote about population growing faster than food production. This was before fossil fuels were widely used. Now, about 230 years later, [the] population has risen to eight billion, thanks to the availability of fossil fuels. We need major innovations, or additional energy resource types, if we want to work around obstacles now. ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2025/10/06/what-has-gone-wrong-with-the-economy-can-it-be-fixed/ What Has Gone Wrong with the Economy? Can It Be Fixed?]" (October 6, 2025) === V === * The hard fact is that in an age of climate breakdown, human numbers matter. And the ecological impact of another 2-3 billion humans will be immense. ** John Vidal, [https://www.theguardian.com/commentisfree/2022/nov/15/population-8-billion-climate It should not be controversial to say a population of 8 billion will have a grave impact on the climate]. ''The Guardian'', November 15, 2022. * We must look at the whole man, and at his whole environment. Above all, we must realize that every grain of rice he puts into his mouth, every bit of potato, every piece of meat, and every kernel of corn, must be replaced by another bit from the earth—somewhere. We must realize that not only does every area have a limited carrying capacity—but also that this carrying capacity is shrinking and the demand growing. Until this understanding becomes an intrinsic part of our thinking and wields a powerful influence on our formation of national and international policies we are scarcely likely to see in what direction our destiny lies. ** William Vogt, ''Road to Survival'' (1948), Chapter 4: "Industrial Man: the Great Illusion." === W === *[There's] too many people making too much muck and too much noise with too little space to do it in. ** [[Keith Waterhouse]], "End of the Rainbow", <em>Daily Mirror</em> (August 17, 1970), republished in <em>Mondays, Thursdays</em> (1976) * Today, escalating human populations have vastly exceeded global carrying capacity and now produce massive quantities of solid, liquid, and gaseous waste. Biological diversity is being threatened by over-exploitation, toxic pollution, agricultural mono-culture, invasive species, competition, habitat destruction, urban sprawl, oceanic acidification, ozone depletion, global warming, and climate change. It’s a runaway train of ecological calamities. ** [[Paul Watson]], ''[https://web.archive.org/web/20070509003646/https://seashepherd.org/editorials/editorial_070504_1.html The Beginning of the End for Life as We Know it on Planet Earth? There is a Biocentric Solution.]'' Commentary by Paul Watson, Founder and President of {{W|Sea Shepherd Conservation Society}} *''Homo sapiens''’ appetite is gargantuan. As we strive to get at dwindling resources for ever more people, we dig deeper into the Earth, blow the tops of mountains, divert rivers, cut down forests and pave over swaths of land. We fill the land, water, and air with our pollution. We’re driving record numbers of species to extinction and decimating others with activities from chemical poisoning to hunting for bushmeat, or simply by taking over their habitat.<br>Greenhouse gases from our industry are changing the Earth’s climate, with such dangerous consequences as ocean acidification, rising sea levels and flooding, changes in rainfall patterns including in vital “breadbaskets,” and loss of forest cover.<br>While the word “sustainable” has become popular, growing human numbers and activities are anything but. Increasing awareness of our impact has led to developments in renewable energy, recycling, earth-friendly farming and more. There have also been spectacular advances in family planning. But powerful—notably religious—opposition has kept governments and international bodies from actively promoting small families and prevented hundreds of millions of women who would plan their families from having access to modern methods.<br>Those who deny that overpopulation is a problem say the poor don’t consume much. Yet the poor want nothing more than to consume more, as proved by India and China. Who can blame them? And a burgeoning number of desperately poor people does have a major impact: they cut down forests to [[agriculture|grow food]], drain rivers, deplete aquifers, and overfish and over-hunt in their local area. But make these points and you’ll be accused of blaming the poor for the problems of the rich.<br>We seem bound to learn the hard way that there really is a limit to how many people the Earth can support.<br>We wish it weren’t so, but it really is starting to look as if Malthus was right. ** Madeline Weld, "[https://montrealgazette.com/opinion/columnists/opinion-sadly-malthus-was-right-now-what Sadly, Malthus was right. Now what?]" in the ''{{W|The Gazette (Montreal)|Montreal Gazette}}'' (February 14, 2016) * ...the gains of low infant and maternal mortality and rises in population longevity—brought about in great part by harnessing fossil fuels, the agricultural revolution, modernization, and disease and injury reduction efforts—in many instances impedes rather than facilitates moving toward sustainable living. It can be argued from the ecological perspective that most public health efforts, as humanitarian as they are by intention and immediate effect, through accelerating population pressures on the environment are paradoxically hastening the destruction of the earth's habitat on which the next generation of humanity depends. It raises the concern that our perceived gains may be only illusory and temporary, with huge but unmeasured and unlinked environmental costs that will eventually lead to shorter lives of misery for our descendants. ** Harold B. Weiss, [https://www.ncbi.nlm.nih.gov/pmc/articles/PMC2602943/ "Overshoot"] in ''Public Health Reports'' (January-February 2009). * In the past, when one civilization collapsed, others evolved to replace it. Today the world-wide agroindustrial complex is making unprecedented demands on the whole earth’s biological ecostructure. After a brief half-century in which factory farming enlarged the meagre diet of the poor (though not for all, nor always to their benefit), the multinational food industry has become a primary impetus towards overpopulation, obesity, pollution, and global warming. Policies and practices whose effects were once circumscribed are now a threat to human survival. ** John Whiting, "[https://www.whitings-writings.com/eating_the_earth.htm Eating the Earth]." Oxford Symposium on Food and Cookery (September 9, 2007) * Agriculture, by overcoming the limitations inherent in the closed system of hunting/gathering, made possible the open-ended expansion of both the population and the means of feeding it. Once it had been adopted, there was no turning back. The more that a civilization farmed, the more it needed extra hands, and so large families were deliberately procreated, which in turn produced still more mouths to feed. Colin Tudge calls it a vicious spiral, Ronald Wright a progress trap. ** Ibid. * Nature’s modus operandi is to kill off the weakest, leaving only the strongest and most biologically versatile to reproduce. But for ''homo sapiens'', nature is not a force to be accommodated, but an opponent to be grappled with, and so ‘farming for money’ was joined by ‘medicine for money’. On top of the lucrative agroindustry which accellerates the population explosion, we have set up an equally profitable ‘health’ industry whose job it is to keep alive those whose bodies rebel at what they are so unhealthily force-fed.<br>The result is an expanding segment of the population who, along with accellerating obesity, suffer from various diseases of malnutrition, together with allergies and intolerances to a growing list of foodstuffs that are increasingly difficult to avoid. In the end, humanity may consist of a remnant of survivors who spend their brief unhappy lives closeted against the encroaching poisons which their ancestors had so profitably created. Instant death by peanut may prove to have been a warning blip on the radar screen. ** Ibid. * Today the threat lies in the sheer scale of our greed and our technological ineptitude. We’re driving entire countries over cliffs. We are destroying the delicate ecological balance which a [sic] brief interlude of stable climate has allowed us. We make pious noises about the disappearing terrestrial species while largely ignoring the invisible havoc we’re bringing about in the earth’s oceans, the source and sustenance of life on the land. ** John Whiting, June 2015 appendix to "Eating the Earth" * The raging monster upon the land is population growth. In its presence, sustainability is but a fragile theoretical construct. To say, as many do, that the difficulties of nations are not due to people but to poor ideology or land-use management is sophistic. If Bangladesh had 10 million inhabitants instead of 115 million [as of this writing], its impoverished people could live on prosperous farms away from the dangerous floodplains midst a natural and stable upland environment. It is also sophistic to point to the Netherlands and Japan, as many commentators incredibly still do, as models of densely populated but prosperous societies. Both are highly specialized industrial nations dependent on massive imports of natural resources from the rest of the world. If all nations held the same number of people per square kilometer, they would converge in quality of life to Bangladesh rather than to the Netherlands and Japan, and their irreplaceable natural resources would soon join the seven wonders of the world as scattered vestiges of an ancient [sic] history. ** [[E. O. Wilson]], ''The Diversity of Life'' (1992) * The pattern of human population growth in the 20th century was more bacterial than primate. When ''Homo sapiens'' passed the six billion mark we had already exceeded by perhaps as much as 100 times the [[w:Biomass (ecology)|biomass]] of any large animal species that had ever existed on the land. We and the rest of life cannot afford another one hundred years like that. ** [[E. O. Wilson]], quoted in ''Life on the Brink: Environmentalists Confront Overpopulation''. University of Georgia Press (2012), p. 83 * If we fail to limit our numbers and our impact, if we do not replace our goldrush economics with a rational sharing of what the earth can yield, this new century will not grow very old before we enter an age of chaos and collapse that will dwarf all dark ages in our past. **{{W|Ronald Wright}}, "Civilization is a pyramid scheme", ''The Globe and Mail'' (August 5, 2000). * So among the things we need to know about ourselves is that the Upper Palaeolithic period, which may well have begun in genocide, ended with an all-you-can-kill wildlife barbecue. The perfection of hunting spelled the end of hunting as a way of life. Easy meat meant more babies. More babies meant more hunters. More hunters, sooner or later, meant less game. Most of the great human migrations across the world at this time must have been driven by want, as we bankrupted the land with our moveable feasts. ** Ronald Wright, ''A Short History of Progress'' (2004), Chapter II: "The Great Experiment." === Z === * What determines population growth? What has been the cause of the unprecedented growth in world population in our recent history? Many socio-economic reasons are given as explanations: medical advances, improvements in public health, sanitation and hygiene, increased food availability and agricultural productivity, extension of cultivation, and development of trade and transportation. Surprisingly, high quality energy sources are rarely mentioned or quickly discounted. Yet an argument can be made that each of the above factors contributing to population growth is aided and influenced by high quality energy supplies. Cheap and abundant fossil fuels have been a necessary precondition for the past century’s population growth. And while not all countries benefit directly from the consumption of high quality energy supplies, most countries benefit from the impact of high energy societies on low energy societies. What if energy consumption, or more precisely, energy resource availability, somehow determines population growth? Perhaps energy resources determine the Earth’s ''carrying capacity,'' or how many people the Earth can support? Perhaps different energy resources have different effects on population growth? If we hypothesize that the Earth’s population is ultimately determined by availability of energy resources, and if some of those energy resources are at or near their peak rates of production, then that may affect rates of population growth. If the correlation is strong enough, the number of people the Earth can support may also be at or near its peak. Therefore the number of people in 2050 may be very different from widespread United Nations (UN) forecasts. Growing populations consume more energy. Availability of energy allows populations to grow. Energy consumption exerts demands on energy resources making them scarcer. They become harder to extract. Nearby forests are depleted, coal mines must dig deeper, oil has to be drilled in more complex environments. In other words, energy resource extraction experiences declining marginal returns. This has led to the exploitation of new energy sources, which in turn expands the Earth’s ''carrying capacity''. Then populations grow once more. **Graham Zabel, "[https://www.resilience.org/stories/2009-04-20/peak-people-interrelationship-between-population-growth-and-energy-resources/#_Toc227469800 Peak People: The Interrelationship between Population Growth and Energy Resources]" in ''Energy Bulletin'' (April 20, 2009) * Mature populations tend to reach equilibrium – the carrying capacity – and then fluctuate around this equilibrium. If a population outgrows its carrying capacity, regulating factors come into play, such as famine, or emigration. If a population is below its carrying capacity, birth rates tend to increase, so the population grows. The common assumption is that carrying capacity is determined by the availability of food, water and land. While availability of food and water are important factors in determining the carrying capacity of populations, they cannot explain the unprecedented increases in population that have occurred in the last several hundred years. The availability of land has always been a factor in increasing carrying capacity. In the historic past, the Earth’s carrying capacity could be increased by expanding into sparsely occupied, or frontier, lands. In a fictitious future, carrying capacity could be increased by expanding outward to other planets or solar systems. At present, there is very little unoccupied, habitable land remaining on this Earth and no nearby habitable planets to release the pressure of population growth, so any increase in carrying capacity must be a result of other factors. **Ibid. * At present the world’s population is growing rapidly. The planet could not support the six billion plus people that exist today without first the commercialisation of coal, then of oil and, more recently, gas. These energy sources have been necessary for the unprecedented population growth that has occurred over the last three hundred years. It is reasonable to assume that unless current energy resource production is increased and new resources are exploited, the population will no longer grow. And if energy resources decline (e.g. a peak in production is reached), then we may see a decline in population. ** Ibid. * Roughly 10,000 years ago, increasing population pressure on wild food resources led to a shift from food gathering (hunter-gatherers) to food production (agriculturists) in several parts of the world. This led to demand-induced technologies and demand-induced searches for higher quality energy sources, such as water power for flow irrigation, animal draft power, iron tools, and fire for land clearing and for improvement of hunting and pastoralism. Population pressures in many parts of Europe in the seventeenth and eighteenth centuries led to serious shortages of wood which in turn led to many of the technological innovations that fuelled the [[Industrial Revolution]]. Coal’s replacement of wood as the most important source of energy in Western Europe is a classic example of demand-induced innovation…promoted by population pressures on forested land in Western and Central Europe. From the end of [[World War II]], coal’s premier importance as an energy source declined sharply and was replaced by crude oil. Far offshore drilling of oil began in 1947 off the coast of Louisiana. One year later, the world’s largest oil field, al-Ghawar in Saudi Arabia, was drilled. Large new discoveries of oil and gas in Africa and Asia combined with the development of oil super tankers and pipeline networks reduced the price of oil and gas at a time when the costs of producing coal were continuing to rise. Diesel locomotives represented a major substitution of oil for coal. The post World War II era also saw large increases in automobile ownership, the beginnings of highway and motorway road transportation networks and the first passenger jet aircraft –all benefiting from and encouraging consumption of cheap oil supplies. These increases in the consumption of crude oil have coincided with the highest population growth in history. After the depressed population growth during World War II, growth rose quickly to a peak of 2.2% in 1964, the highest rate the world has ever known. (''Per capita'' oil consumption peaked shortly thereafter, in the 1970s). Although population continues to rise, population growth has been declining since then. If there is a relationship between energy consumption and population growth, the different types of energy consumed may have different effects. If biomass is the only energy source, populations will not grow very fast. In such organically based economies, the problem of expanding raw material supply, and especially the related problems associated with the very modest energy supply maxima…must curb growth with increasing severity as expansion takes place. The emergence of coal as an energy source eliminated the carrying capacity limits to population growth that any traditional and biomass energy based culture would eventually face. Similarly, the predominance of oil after the middle part of the twentieth century raised the carrying capacity even further. ** Ibid. * According to the IEA [International Energy Agency], 1.6 billion people live without electricity. Much of Africa and Asia still rely on biomass as their primary source of energy, yet have very high population growth rates. '''How can there be a correlation between energy and population in these instances? While many developing world countries remain low energy societies, they, and their population growth rates, are impacted by high energy societies. Their primary energy sources may still be traditional biomass, but their population growth is due in large part to abundant oil and gas supplies.''' Vaccines and antibiotics that reduce third world mortality are discovered, produced and distributed with first world energy, and oil contributes at every step. Fertilisers, pesticides and herbicides that aided the Green Revolution in much of the developing world could not have been produced without large oil and gas inputs. The aeroplanes, boats and trains that deliver and distribute food all run on oil. '''While the commercialisation of higher quality energy sources may be very unevenly distributed, the societies that adopt new energy sources, high energy societies, have a profound impact on those societies that remain low energy societies, and these impacted populations then become part of Coal, Oil or Natural Gas Populations.''' ** Ibid. *Just 11,000 years ago, there were only roughly 5 million humans who lived on the planet Earth. The initial population growth was slow, due largely to the way humans were living—by hunting. Such lifestyle limited the size of family for practical reasons. A woman on the move cannot carry more than one infant along with her household baggage. When simple birth control means-often abstention from sex failed, a woman may elect abortion or, more commonly, infanticide to limit the family size. Further, a high mortality among the very young, the old, the ill and the disabled acted as a natural resistance to a rapid population growth. Thus it took over one million years for human population to reach the one billion mark. But the second billion was added in about 100 years, the third billion in 50 years, the fourth in 15 years, and the fifth in 12 years. Ever since humans became sedentary, some limits over the family size were lifted. With the development of agriculture, children may have become more of an asset to their families in helping with farming and other chores. By the beginning of the Christian era, human population grew to about 130 million, distributed all over the Earth. By 1650, the world population had reached 500 million. The process of industrialization had begun, bringing about profound changes over the lives of humans and their interactions with the natural world. With improved living standard, lowered death rate and prolonged life expectancy, human population grew exponentially. By 1999 there were about 6 billion people, comparing with 2.5 billion in 1950. The world population is well on its way to 7 billion with an annual growth rate of over 90 million. **Ming Zheng, “[https://www.gordon.edu/download/pages/Salem%20010731-Human%20Population%20Growth.pdf Human Population Growth]”. {{W|Gordon College (Massachusetts)|Gordon College}} (July 31, 2001) == See also == * [[Biodiversity]] * [[Climate change]] * [[Exponential growth]] * [[Fossil fuel]] * [[Global warming]] * [[Population decline]] * [[Sustainable development]] * [[Sustainability]] ==Further reading== *Smil, Vaclav. "[https://ia800709.us.archive.org/16/items/detonator-of-the-population-explosion/Detonator%20of%20the%20population%20explosion.pdf Detonator of the population explosion]." Nature 400.6743 (1999): 415-415. *Feeney, John. "[https://ia801807.us.archive.org/18/items/agriculture-ending-the-world-as-we-know-it/Agriculture_Ending_the_world_as_we_know_it.pdf AGRICULTURE: Ending the World as We Know It]." Zephyr, August—September (2010). ==External links== {{উইকিপিডিয়া|Human overpopulation}} {{উইকিঅভিধান|overpopulation}} *[https://population.org.au/about-population/global-population Quotes on Human Over-Population and Related Subjects], ''Sustainable Population Australia'' *{{ওয়েব উদ্ধৃতি|url=https://www.populationmedia.org/2014/02/11/morgan-freeman-speaks-out-on-population/|title=Morgan Freeman on the 'tyranny of agriculture' and the doomed human race|date=11 February 2014|publisher=Ecorazzi}} *[https://www.theguardian.com/global-development-professionals-network/gallery/2015/apr/01/over-population-over-consumption-in-pictures Overpopulation, overconsumption – in pictures]. ''{{W|The Guardian}}'' April 1, 2015. *{{ওয়েব উদ্ধৃতি|url=http://www.panearth.org/WVPI/Papers/FoodPopulationSummary.pdf|title=A Summary of Human Population Dynamics|work=Russell Hopfenberg|publisher=Pan Earth}} [[বিষয়শ্রেণী:জীববিজ্ঞান]] [[বিষয়শ্রেণী:সমাজতত্ত্ব]] [[Category:Sustainability]] ffkjwxznbirywmp8uqnpl71hk16e5cr 79998 79997 2026-04-23T11:11:28Z ARI 356 /* E */ ; অনুবাদ 79998 wikitext text/x-wiki [[File:Annual-World-Population-since-10-thousand-BCE-1-768x724.png|thumb|বিশ্বের জনসংখ্যা এবং সেই সাথে খ্রিস্টপূর্ব ১০,০০০ থেকে ২০৫৮ সাল পর্যন্ত জনসংখ্যার একটি সম্ভাব্য প্রক্ষেপণ বা আগাম অনুমান]] [[File:World Population and Projections by Medium Fertility and Continent or Country 1950 - 2100.png|thumb|মাঝারি প্রজনন হারের ওপর ভিত্তি করে ১৯৫০ থেকে ২১০০ সাল পর্যন্ত বিশ্বের মোট জনসংখ্যা এবং বিভিন্ন মহাদেশ ও দেশভিত্তিক জনসংখ্যার একটি প্রক্ষেপণ]] [[File:Distribution-of-earths-mammals.png|thumb|পৃথিবীর বুকে বর্তমানে বিদ্যমান সমস্ত স্তন্যপায়ী প্রাণীর মোট ওজনের ৯৬ শতাংশই দখল করে আছে মানুষ এবং তাদের লালন-পালন করা গবাদি পশু; যেখানে বন্য স্তন্যপায়ী প্রাণীর পরিমাণ হলো মাত্র ৪ শতাংশ।]] [[File:Time for the world population to increase by one billion 1805 – 2086.png|thumb|১৮০৫ সাল থেকে ২০৮৬ সাল পর্যন্ত বিশ্বের মোট জনসংখ্যা প্রতি ১০০ কোটি বা এক বিলিয়ন করে বৃদ্ধি পেতে ঠিক কতটা সময়ের প্রয়োজন হয়েছে তার একটি তুলনামূলক চিত্র]] '''অতিপ্রজতা''' হলো এমন একটি বিশেষ প্রাকৃতিক পরিস্থিতি বা অবস্থা যেখানে কোনো একটি নির্দিষ্ট ভৌগোলিক অঞ্চলে বসবাসকারী কোনো বিশেষ প্রজাতির জীবের মোট সংখ্যা সেই নির্দিষ্ট পরিবেশ বা বাসস্থানের স্বাভাবিক ধারণক্ষমতাকে পুরোপুরিভাবে ছাড়িয়ে যায়। == উক্তি == * আমরা এই পৃথিবীতে মানবজাতির ৮০০ কোটিতম সদস্যকে মাত্র স্বাগত জানালাম। নিঃসন্দেহে একটি শিশুর জন্ম খুবই আনন্দের এবং চমৎকার একটি বিষয়। '''কিন্তু আমাদের এটা বুঝতে হবে যে, মানুষের সংখ্যা যত বৃদ্ধি পাবে, আমরা এই পৃথিবীর ওপর তত বেশি প্রচণ্ড চাপ তৈরি করব।''' জীববৈচিত্র্যের কথা চিন্তা করলে দেখা যায় যে, আমরা প্রকৃতির সাথে এক প্রকার যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছি। আমাদের এখন প্রকৃতির সাথে শান্তি স্থাপন করা প্রয়োজন। কারণ এই প্রকৃতিই পৃথিবীর সমস্ত কিছুকে টিকিয়ে রাখে... বিজ্ঞান এই বিষয়ে একদম সুষ্পষ্ট। ** ইঙ্গার অ্যান্ডারসেন, জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচির নির্বাহী পরিচালক, [https://www.theguardian.com/environment/2022/dec/06/cop-15-un-chief-biodiversity-apocalypse 'উই আর অ্যাট ওয়ার উইথ নেচার': ইউএন এনভায়রনমেন্ট চিফ ওয়ার্নস অফ বায়োডাইভারসিটি অ্যাপোক্যালিপস]। ''দ্য গার্ডিয়ান'', ৬ ডিসেম্বর ২০২২। * '''শিশুরা হলো মানবজাতির শত্রু'''... বিষয়টা এভাবে ভেবে দেখা যাক: বিশ্বের জনসংখ্যা যখন দ্বিগুণ হবে, তখন আমাদের শক্তির ব্যবহারের পরিমাণ সাত গুণ বৃদ্ধি পাবে। এর অর্থ হলো আমরা সম্ভবত যে পরিমাণ দূষণ তৈরি করছি তার মাত্রাও সাত গুণ বেড়ে যাবে। আমরা যদি বর্তমান হারের দূষণ নিয়েই হুমকির মুখে থাকি, তবে দ্বিগুণ জনসংখ্যার মাঝে ছড়িয়ে পড়া এই সাত গুণ বেশি দূষণের ফলে আমাদের অবস্থা কেমন হবে? আমাদের তখন সাত গুণ বেশি হারে বিষাক্ত হয়ে পড়া মাটি থেকে দ্বিগুণ পরিমাণ খাদ্য উৎপাদন করতে হবে। ** [[আইজাক আসিমভ]] (১৯৬৯) বোস্টন ম্যাগাজিনের সাথে একটি সাক্ষাৎকারে। আংশিকভাবে এলেন প্যাক (১৯৭৬)-এর ''দ্য বেবি ট্র্যাপ'', পৃষ্ঠা ১৭। * এটি সবকিছু ধ্বংস করে দেবে। আমি এই বিষয়টি বোঝাতে বাথরুমের একটি রূপক ব্যবহার করি। যদি একটি অ্যাপার্টমেন্টে দুইজন মানুষ থাকে এবং সেখানে দুইটি বাথরুম থাকে, তবে তাদের দুইজনেরই বাথরুম ব্যবহারের পূর্ণ স্বাধীনতা থাকে। তারা যখন খুশি সেখানে যেতে পারে এবং নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী যতক্ষণ খুশি থাকতে পারে। আমার মতে এটাই হলো আদর্শ অবস্থা। আর প্রত্যেকেই বাথরুম ব্যবহারের এই স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে। এমনকি এটি সংবিধানেও থাকা উচিত। কিন্তু যদি একই অ্যাপার্টমেন্টে ২০ জন মানুষ থাকে এবং বাথরুম থাকে মাত্র দুইটি, তবে সেই বাথরুম ব্যবহারের স্বাধীনতার ওপর বিশ্বাস থাকলেও বাস্তবে তার কোনো অস্তিত্ব থাকবে না। আপনাকে তখন প্রত্যেকের জন্য আলাদা আলাদা সময় ঠিক করে দিতে হবে, আপনাকে দরজায় কড়া নেড়ে বলতে হবে, তোমার কি এখনো শেষ হয়নি? ঠিক একইভাবে, '''অতিরিক্ত জনসংখ্যার চাপে গণতন্ত্র টিকে থাকতে পারে না। মানুষের মর্যাদাও এর চাপে টিকে থাকতে পারে না। সুযোগ-সুবিধা এবং শালীনতাও এর ফলে হারিয়ে যায়।''' আপনি যখন পৃথিবীতে মানুষের সংখ্যা বাড়াতে থাকবেন, তখন জীবনের মূল্য শুধু কমবেই না বরং তা পুরোপুরি অদৃশ্য হয়ে যাবে। তখন কেউ মারা গেল কি না তাতে কিছু যায় আসবে না। ** [[আইজাক আসিমভ]] (১৯৮৮) বিল ময়ার্স-এর সাথে ''বিল ময়ার্স ওয়ার্ল্ড অফ আইডিয়াস'' দেওয়া সাক্ষাৎকারে (১৭ অক্টোবর ১৯৮৮); [http://www.pbs.org/moyers/faithandreason/print/pdfs/woi%20asimov1.pdf প্রতিলিপি] (পৃষ্ঠা ৬) - [http://www.pbs.org/moyers/faithandreason/media_players/asimovwoi_audio.html অডিও (২০:১২)] ** বিল ময়ার্সের এই প্রশ্নের উত্তরে করা মন্তব্য: যদি জনসংখ্যার এই বৃদ্ধি বর্তমান হারেই চলতে থাকে তবে মানবজাতির [[মর্যাদা]]র ধারণার কী ঘটবে বলে আপনি মনে করেন? * আমরা এই পৃথিবীর জন্য একটি অভিশাপ বা মহামারীর মতো। আগামী ৫০ বছরের মধ্যে এর ভয়াবহ ফল আমাদের ভোগ করতে হবে। এটি কেবল জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয় নয়; এটি মূলত জায়গার অভাব এবং এই বিশাল জনগোষ্ঠীর জন্য খাদ্য উৎপাদনের জায়গার সমস্যা। হয় আমাদের নিজেদেরই এই জনসংখ্যা বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করতে হবে, নয়তো প্রকৃতিই আমাদের হয়ে এই কাজটি করে দেবে। আর প্রকৃতি এখনই আমাদের ওপর সেই ব্যবস্থা নেওয়া শুরু করে দিয়েছে। ** ডেভিড অ্যাটেনবারা, "[https://www.telegraph.co.uk/news/earth/earthnews/9815862/হিউম্যানস আর প্লেগ অন আর্থ]". ''দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফ'', ২২ জানুয়ারি ২০১৩। * আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের সাফল্য বর্তমানে এতটাই ঈর্ষণীয় যে এর মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ মানুষকে বাঁচিয়ে রাখা সম্ভব হচ্ছে, যদিও তাদের সবসময় পুরোপুরি সুস্থ করা সম্ভব হয় না। আগেকার দিনে বিজ্ঞানের এই অগ্রগতির অভাবের কারণে এই মানুষগুলো সাধারণত মৃত্যুবরণ করত। শারীরিক রোগ নিরাময়ের এই দক্ষতা এবং জ্ঞানের মাঝেই আজকের দিনের একটি প্রধান বৈশ্বিক সমস্যা লুকিয়ে আছে আর তা হলো এই গ্রহের অতিপ্রজতা বা মাত্রাতিরিক্ত জনসংখ্যা। এর ফলে মানবজাতি আজ অনেকটা পালের পশুর মতো জীবনযাপন করতে বাধ্য হচ্ছে এবং এর ফলশ্রুতিতে তৈরি হচ্ছে অর্থনৈতিক সংকট। এই সাফল্যের ফলে সৃষ্ট নানা আনুষঙ্গিক সমস্যার মধ্যে এটি মাত্র একটি। জীবনের এই "অস্বাভাবিক" সুরক্ষা অনেক কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে এবং এটি যুদ্ধের একটি বড় উৎস হিসেবে কাজ করছে, যা এই গ্রহের মূল চেতনাশক্তির কর্মফলের উদ্দেশ্যের পরিপন্থী।<BR>এই বিশাল সমস্যাটি নিয়ে আমি এখানে বিস্তারিত আলোচনা করতে পারছি না। আমি কেবল এটিকে নির্দেশ করতে পারি। এই সমস্যার সমাধান তখনই হবে যখন মানুষের মন থেকে [[মৃত্যু]]র ভয় দূর হবে এবং যখন মানবজাতি সময়ের গুরুত্ব এবং প্রাকৃতিক চক্রের অর্থ বুঝতে শিখবে। **অ্যালিস বেইলি, ''এ ট্রিটিজ অন দ্য সেভেন রেজ: ভলিউম ৪: এসোটেরিক হিলিং'', পৃষ্ঠা ২৭৮ (১৯৫৩)। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৮৫৩৩০-১২১-৯। * '''আমরা যখন কোনো বাধা ছাড়াই ৭০০ কোটি থেকে ৮০০ কোটি মানুষের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি, তখন আমাদের প্রতিটি প্রজন্ম আগের প্রজন্মের চেয়েও বেশি শক্তিশালী, দূষণকারী এবং ধ্বংসাত্মক হয়ে উঠছে। আমি ভাবছি যে, জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ঋণাত্মক হওয়ার স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার জন্য ১০০ বছর কি খুব বেশি সময় হয়ে যাবে না? নাকি এই এক শতাব্দী সময়ের মধ্যে আমরা জীববৈচিত্র্যের এমন অপূরণীয় এবং স্থায়ী ক্ষতি করে ফেলব যা আমাদের অস্তিত্বের জন্যই শেষ পর্যন্ত চরম হুমকি হয়ে দাঁড়াবে।''' মৌমাছি এবং হামিংবার্ডের কথা একটু চিন্তা করুন। সারা বিশ্বজুড়ে পতঙ্গের সংখ্যা যেভাবে হঠাৎ করে কমে যাচ্ছে তার কথা ভাবুন এবং এটি খাদ্য শৃঙ্খলের ওপরের বা নিচের স্তরে থাকা প্রাণীদের ওপর কতটা দ্রুত প্রভাব ফেলতে পারে তা কল্পনা করুন। এখন, মিস্টার বায়োটেক বিলিয়নেয়ার, আপনি কি সত্যিই এই বিশ্বকে এমন সব মানুষ দিয়ে ভরিয়ে দিতে চান যারা ২০০ বা ৩০০ বছর পর্যন্ত বেঁচে থাকবে? ** অ্যালবার্ট বেটস, "[https://medium.com/the-shadow/the-great-pause-week-61-swallow-the-doctor-8cbf077f6e13 সোয়ালো দ্য ডক্টর]"। ''মিডিয়াম'' (১৬ মে ২০২১) * যদিও এই গ্রহের অচেতন ক্রিয়া এবং অন্ধ শক্তিগুলো পৃথিবীর বিবর্তনের ৪৫০ কোটি বছরের ইতিহাসে অনেক বিশৃঙ্খল পরিবর্তন ঘটিয়েছে, এখন সেই পরিবর্তনের দিক নির্ধারিত হচ্ছে একটি সচেতন এবং ইচ্ছাশক্তিসম্পন্ন সত্তা দ্বারা, যার নাম "মানবজাতি"। তবে অবশ্যই আমাদের পুরো মানবজাতিকে সমানভাবে দোষারোপ করা উচিত হবে না, কারণ এই সমস্যার মূলে রয়েছে শিল্পোন্নত পুঁজিবাদী পাশ্চাত্য বিশ্ব। অথচ জলবায়ু সংকটে যাদের অবদান সবচেয়ে কম, সেই দরিদ্র দেশগুলোই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। '''কিন্তু চীন, ভারত এবং ব্রাজিলের মতো দেশগুলো বর্তমানে এই সংকটে বড় ভূমিকা রাখছে এবং এই গ্রহের ৭৫০ কোটি মানুষের সম্মিলিত প্রভাবে সর্বত্রই প্রাণিকুলের বিলুপ্তি এবং ধ্বংসের প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হচ্ছে।''' হলোসিন যুগের সেই স্থিতিশীলতা এখন আর নেই, পরিবর্তনগুলো আমাদের বোঝার ক্ষমতা এবং নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে এবং এক ভয়াবহ বিশৃঙ্খলা আমাদের দরজায় কড়া নাড়ছে। ** স্টিভেন বেস্ট, [https://drstevebest.wordpress.com/2019/12/03/total-liberation-in-the-age-of-the-anthropocene-and-climate-emergency/  টোটাল লিবারেশন ইন দ্য এজ অফ দ্য অ্যানথ্রোপোসিন অ্যান্ড ক্লাইমেট ইমার্জেন্সি] (৩ ডিসেম্বর ২০১৯) * মানুষের জ্যামিতিক হারে বৃদ্ধির এই গতি অভূতপূর্ব এবং পৃথিবীর ইতিহাসে আগে কখনও কোনো একটি একক প্রজাতি এত বিশাল আকারে বৃদ্ধি পায়নি, যা জীবন্ত প্রাণব্যবস্থার ভারসাম্যকে পুরোপুরি নষ্ট করে দিচ্ছে। এই সমস্যাটি দিন দিন কেবল আরও খারাপের দিকেই যাচ্ছে। সাধারণ হিসাব অনুযায়ী, ২০৫০ সালের মধ্যে মানুষের জনসংখ্যা ৮০০ থেকে ১০০০ কোটিতে পৌঁছাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে এবং ২১০০ সালের মধ্যে এটি হয়তো আরও অনেক বেশি বৃদ্ধি পাবে। মানুষের এই জনসংখ্যা বৃদ্ধি একটি চরম পর্যায়ের সংকটকে নির্দেশ করে। তবে অবশ্যই এটি আমাদের সামনে থাকা অসংখ্য সংকটের মাত্র একটি দিক যার সাথে প্রজাতির বিলুপ্তি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের মতো সমস্যাগুলো যুক্ত হয়ে এক ভয়াবহ মহাবিপর্যয় তৈরি করছে। এই চ্যালেঞ্জগুলোই বর্তমানে অ্যানথ্রোপোসিন যুগে মানবজাতির সামনে এক কঠিন পরীক্ষা হিসেবে দাঁড়িয়েছে। ** স্টিভেন বেস্ট, "[https://www.all-creatures.org/lifestyle/img/failed-species.pdf ফেইলড স্পিসিস: দ্য রাইজ অ্যান্ড ফল অফ দ্য হিউম্যান এম্পায়ার]"। ''রোমানিয়ান জার্নাল অফ আর্টিস্টিক ক্রিয়েটিভিটি''। ৯ (২)। (২০২১)। * বর্তমানে আমাদের আধুনিক শিল্প সভ্যতার চাকা প্রায় পুরোপুরিভাবে বিপুল পরিমাণ জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহারের ওপর নির্ভরশীল। এটি বোঝা খুব গুরুত্বপূর্ণ যে, জীবাশ্ম জ্বালানি বা বিশেষ করে খনিজ তেল কেবল ব্যক্তিগত গাড়ি বা ট্রাক তৈরির জন্য বা চালানোর জন্য ব্যবহৃত হয় না। এগুলো ট্রাক্টর, লাঙল, সেচের পাইপ এবং পাম্প তৈরির কাজেও ব্যবহৃত হয় এবং পরে এগুলো চালাতে জ্বালানি হিসেবে কাজ করে। এই জ্বালানিগুলো অনেক গুরুত্বপূর্ণ সার এবং কীটনাশকের রাসায়নিক ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। এছাড়া কৃষিকাজে ব্যবহৃত প্লাস্টিক তৈরির উপাদানও এখান থেকেই আসে। পচনশীল দ্রব্য সংরক্ষণের জন্য যে হিমায়িত ব্যবস্থার প্রয়োজন হয়, তাও এর ওপর নির্ভরশীল। সংক্ষেপে বলতে গেলে, প্রচুর পরিমাণে জীবাশ্ম জ্বালানি ছাড়া আধুনিক শিল্প-কৃষি ব্যবস্থা অচল হয়ে পড়বে। জীবাশ্ম জ্বালানি-ভিত্তিক এই আধুনিক কৃষি ব্যবস্থা না থাকলে বিশ্বে খাদ্য উৎপাদন এতটাই কমে যাবে যা আমাদের বর্তমান জনসংখ্যাকে টিকিয়ে রাখার জন্য মোটেও পর্যাপ্ত হবে না। প্রতি বছর যে নতুন করে আরও ৮ কোটির বেশি মানুষ যুক্ত হচ্ছে, তাদের কথা তো বাদই দিলাম। মুদ্রার উল্টো পিঠ হলো এই যে, '''মানুষ যখন জীবাশ্ম জ্বালানির মধ্যে থাকা এই অসাধারণ শক্তিকে নিজেদের প্রয়োজনে ব্যবহার করে, তখন আমরা "মাত্রাতিরিক্ত শক্তিশালী" হয়ে উঠি—আর এভাবেই আমরা পৃথিবীর জীবমন্ডলকে পিষ্ট করে ফেলছি।''' জীবাশ্ম জ্বালানির শক্তি ছাড়া আমরা প্রতি মিনিটে কয়েকটি ফুটবল মাঠের সমান রেইনফরেস্ট ধ্বংস করতে পারতাম না, গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে পারতাম না, বিশাল আকারে মৎস্য চাষের চেষ্টা করতে পারতাম না বা মাইলের পর মাইল পিচ ঢালা রাস্তা দিয়ে বসতি স্থাপন করতে পারতাম না। সারসংক্ষেপে, জীবাশ্ম জ্বালানি আমাদের জনসংখ্যা এবং তার বৃদ্ধি এবং সেই সাথে আমাদের বিলাসিতা বা অতিরিক্ত ভোগ উভয়কেই টিকিয়ে রেখেছে। ** জোসেফ জে. বিশ, "[https://www.populationmedia.org/the-latest/interrelationships-human-population-fossil-fuels-and-technology ইন্টাররিলেশনশিপস: হিউম্যান পপুলেশন, ফসিল ফুয়েলস, অ্যান্ড টেকনোলজি]।" পপুলেশন মিডিয়া সেন্টার (১৫ অক্টোবর ২০২১) * আমার মতে, বর্তমানে জনসংখ্যা বৃদ্ধি আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে এবং আমাদের সম্পদ দিন দিন কমছে আমরা আমাদের সভ্যতার ইতিহাসে দেখা সবচেয়ে বড় বিপর্যয়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। আমি মনে করি আগামী ৪০ বা ৫০ বছরের মধ্যেই আমরা সেই চরম সংকটে পৌঁছে যাব। যদি আপনার জনসংখ্যার রেখাটি জ্যামিতিক হারে বাড়তে থাকে এবং সম্পদের রেখাটি জ্যামিতিক হারে কমতে থাকে, তবে সবার আগে যা ঘটবে তা হলো সম্পদের বৈষম্য বৃদ্ধি পাওয়া। এর অর্থ হলো আপনি কিছু এলাকায় ধনী মানুষের সুরক্ষিত পাড়া দেখতে পাবেন যেখানে বাইরে নিরাপত্তা রক্ষী থাকবে, আর সেই এলাকার বাইরে কেবল দারিদ্র্য আর অভাব বাড়বে। সম্পদ যত কমতে থাকবে, মানুষ পানি, খাবার এবং চাষযোগ্য জমি নিয়ে নিজেদের মধ্যে লড়াই শুরু করবে। ২০৫০ সালে জোহানেসবার্গের মতো বড় শহরগুলোতে এমন দৃশ্যই দেখা যাবে। এর লক্ষণগুলো এখনই সব জায়গায় ফুটে উঠছে। এটি কেবল অতিরিক্ত জনসংখ্যা এবং সম্পদের অভাবের ফল। আমরা আসলে আমাদের ভবিষ্যৎ ভাগ্যের ওপর কোনো নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেছি। :* নিল ব্লমক্যাম্প: ''[http://www.avclub.com/article/idistrict-9-idirector-neill-blomkamp-31606 ডিস্ট্রিক্ট ৯ ডিরেক্টর নিল ব্লমক্যাম্প],'' তাশা রবিনসন কর্তৃক '' avclub.com''-এ প্রকাশিত, ১২ আগস্ট ২০০৯। * ... ১৭৯৮ সালে রেভারেন্ড থমাস ম্যালথাস যে ভবিষ্যৎবাণী করেছিলেন মানুষ তার সংখ্যা বৃদ্ধির মাধ্যমে নিজেকে এক "দুর্ভোগ এবং অনৈতিকতার" পরিস্থিতির দিকে নিয়ে যাবে তা আজও ততটাই সত্য যতটা সেই সময়ে ছিল। জ্যামিতিক হারে জনসংখ্যা বাড়লেও খাদ্য উৎপাদন গাণিতিক হারে বাড়ে, যার ফলে এই ভারসাম্যহীনতা তৈরি হয়। তিনি একজন দূরদর্শী মানুষ ছিলেন এবং অতিপ্রজতার এই দানবীয় রূপটি পরিষ্কারভাবে দেখতে পেয়েছিলেন। তার ভবিষ্যৎবাণীর একমাত্র ভুল ছিল সময়ের হিসাবে সামান্য এদিক-ওদিক হওয়া। আমরা কৃষিবিদেরা খুব জোর দিয়ে বললে বড়জোর কয়েক দশক সময় পেতে পারি যার মধ্যে আমাদের খাদ্য উৎপাদনের সাথে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হারের একটি সফল ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে। ** নরমান বোরলাগ: [https://repository.cimmyt.org/bitstream/handle/10883/19272/9023.pdf?sequence=1 "হুইট ব্রিডিং অ্যান্ড ইটস ইমপ্যাক্ট অন ওয়ার্ল্ড ফুড সাপ্লাই।"] এতে: ''থার্ড ইন্টারন্যাশনাল হুইট জেনেটিক্স সিম্পোজিয়াম''। সিআইএমএমওয়াইটি, ১৯৬৮। * এটি স্বতস্ফূর্তভাবে প্রমাণিত যে, আমাদের পরিবেশগত সীমার এই যে অতিরিক্ত লঙ্ঘন, তা মূলত মানুষের অত্যধিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির সরাসরি ফলাফল। এই বিশাল জনগোষ্ঠী প্রচুর পরিমাণে প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবহার করছে এবং এই সীমিত গ্রহের ওপর মাত্রাতিরিক্ত বর্জ্য ত্যাগ করছে, যা মূলত সুস্থ পরিবেশ ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল। যারা বিশ্বাস করেন যে আমরা একটি সীমাবদ্ধ সম্পদের বিশ্বে বাস করি এবং আমাদের বর্জ্য শোষণের ক্ষমতাও সীমিত, তাদের কাছে এই বিষয়টি ব্যাখ্যার প্রয়োজন নেই। তবুও এখনও এমন অনেক মানুষ আছেন যারা মনে করেন যে মানুষের অনন্য বুদ্ধিমত্তা এবং প্রযুক্তিগত দক্ষতা আমাদের এই সব চ্যালেঞ্জগুলো থেকে "মুক্ত" করবে। অথচ আমাদের এই সাম্প্রতিক বিস্ফোরক জনসংখ্যা বৃদ্ধি, বিশ্বব্যাপী সম্প্রসারণ এবং শিল্পায়ন আমাদের গ্রহের সীমাগুলো অতিক্রম করে আমাদের সামনে একের পর এক কঠিন চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিচ্ছে। ** স্টিভ বুল, "[https://stevebull-4168.medium.com/todays-contemplation-collapse-cometh-cxci-the-nexus-of-population-energy-innovation-and-936076b4cf23 দ্য নেক্সাস অফ পপুলেশন, এনার্জি, ইনোভেশন, অ্যান্ড কমপ্লেক্সিটি]"। (২৮ নভেম্বর ২০২৪)। * প্রতিটি জীবিত প্রজাতিকেই বেঁচে থাকার জন্য প্রকৃতি থেকে কিছু না কিছু নিতে হয় এবং আমরাও তার ব্যতিক্রম নই। কিন্তু অন্যান্য প্রজাতির মতো আমাদের খাদ্য, আরাম-আয়েশ, বাসস্থান বা প্রজননের আকাঙ্ক্ষার কোনো শেষ নেই—বেঁচে থাকার এই মৌলিক চাহিদাগুলো এখন আমাদের অস্তিত্বের প্রয়োজনের চেয়েও অনেক বেশি মাত্রায় বেড়ে গেছে। আমরা উন্নতি করতে বাধ্য হই এবং মানুষ হিসেবে দুই পায়ে দাঁড়ানোর পর থেকেই আমরা ভূমি থেকে প্রাকৃতিক সম্পদ আহরণ করে আসছি। পুরো বিংশ শতাব্দী জুড়ে আমাদের এই বিশাল ভোগের যন্ত্রটি আরও শক্তিশালী হয়েছে এবং মানুষের এই অতৃপ্ত আকাঙ্ক্ষা আমাদের টিকিয়ে রাখা এই গ্রহের ওপরই আঘাত হেনেছে। খুব অল্প সময়ের মধ্যে মানবজাতি তার জনসংখ্যার বিস্ফোরণ, শিল্প এবং প্রযুক্তির মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী এক বিশাল পরিবর্তনের কারিগর হয়ে উঠেছে। এই সভ্যতা তার অগ্রগতির পথে যা রেখে যাচ্ছে তা হয়তো শেষ পর্যন্ত এক উন্মুক্ত এবং রিক্ত এক পৃথিবী ছাড়া আর কিছুই নয়। কিন্তু এই আগ্রাসনের মাধ্যমে আমরা নিজের অজান্তেই আমাদের বর্তমান জীবনযাত্রার এক বিশাল এবং ধ্বংসাত্মক স্মারক তৈরি করে চলেছি। ** এডওয়ার্ড বার্টিনস্কি, "[https://books.openbookpublishers.com/10.11647/obp.0193/ch13.xhtml ইমেজিং আর্থ]।" ''আর্থ ২০২০'' (২০২০)। * বিশ্বজুড়ে জীববৈচিত্র্য কমে যাওয়ার বিষয়টি সবচেয়ে স্পষ্টভাবে বোঝা যায় যখন আমরা এটি অনুধাবন করি যে, অতিরিক্ত মানুষ অনেক বেশি পরিমাণে প্রাকৃতিক সম্পদ ভোগ করছে ও উৎপাদন করছে এবং এর ফলে অন্যান্য প্রজাতিগুলো তাদের নিজস্ব আবাসন থেকে বিতাড়িত হচ্ছে। বন্য প্রাকৃতিক পরিবেশ এবং সমুদ্রের তলদেশের পরিবেশ আজ মানুষ, আমাদের পোষা ও আমাদের ওপর নির্ভরশীল প্রাণী, আমাদের অর্থনৈতিক সহায়তা ব্যবস্থা এবং আমাদের ফেলে দেওয়া আবর্জনার স্তূপের মাধ্যমে দখল হয়ে যাচ্ছে। ** ফিলিপ কাফারো, পারনিলা হ্যানসন, ফ্রাঙ্ক গোটমার্ক, {{cite journal|doi=10.1016/j.biocon.2022.109646|title=অতিপ্রজতা হলো জীববৈচিত্র্য হ্রাসের একটি প্রধান কারণ এবং যা অবশিষ্ট আছে তা রক্ষা করার জন্য মানুষের সংখ্যা কমিয়ে আনা প্রয়োজন|year=২০২২ |journal={{W|Biological Conservation (journal)|বায়োলজিক্যাল কনজারভেশন}}|volume=২৭২|issue= |pmid=|pmc=|url=https://www.sustainable.soltechdesigns.com/Overpopulation-and-biodiversty-loss(2022).pdf}} * গত একশ বছরে 'হোমো সেপিয়েন্স' বা মানুষের জনসংখ্যা ২০০ কোটি থেকে বেড়ে প্রায় ৮০০ কোটিতে পৌঁছেছে। জাতিসংঘ (২০১৯) অনুমান করছে যে, যদি এই জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কমানোর জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা না হয়, তবে ২১০০ সালের মধ্যে এই সংখ্যা আরও ৩০০ কোটি বৃদ্ধি পাবে। এই সম্ভাব্য বৃদ্ধিকে উপেক্ষা করার অর্থ হলো বর্তমানে চলমান জীববৈচিত্র্য সংকটের একটি প্রধান চালিকাশক্তিকে অস্বীকার করা। মানুষের বর্তমান এই বিশাল সংখ্যাকে একটি স্বাভাবিক পরিস্থিতি হিসেবে মেনে নেওয়ার অর্থ হলো একটি জৈবিকভাবে নিঃস্ব ও রিক্ত গ্রহকে মেনে নেওয়া। ** এলবিআইডি। * আঠারো শতকের অর্থনীতিবিদ থমাস ম্যালথাস একবার ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন যে, যেহেতু আমাদের জনসংখ্যা জ্যামিতিক হারে বৃদ্ধি পায় অথচ আমাদের খাদ্য সরবরাহ বাড়ে গাণিতিক হারে, তাই আমাদের জনসংখ্যা একদিন আমাদের লালন-পালন করার ক্ষমতাকে ছাড়িয়ে যাবে। যদিও প্রক্রিয়াজাত খাদ্য এবং জেনেটিকালি পরিবর্তিত জীবের উদ্ভাবনের ফলে এটি বর্তমানে ভুল প্রমাণিত হয়েছে, তবুও পিটার ফার্বের ধাঁধাটি বর্তমানে সত্য বলে প্রতীয়মান হতে পারে। যেহেতু পৃথিবীর জনসংখ্যা প্রতিনিয়ত বাড়ছে, তাই আমরা আমাদের খাদ্য উৎপাদনও বাড়িয়ে দিচ্ছি। এর ফলে খাদ্যের উদ্বৃত্ত থাকায় মানুষ এখন আগের চেয়ে বেশি পুষ্টি পাচ্ছে। এটি মানুষের গড় আয়ু বাড়িয়ে দিচ্ছে এবং শিশু মৃত্যুর হার কমিয়ে দিচ্ছে। এর ফলে মানুষ আরও বেশি সংখ্যক সন্তান ধারণ করতে সক্ষম হচ্ছে। এই চক্রাকার ধাঁধাটি আমাদের গ্রহের জন্য মোটেও স্বাস্থ্যকর নয়। কারণ আমরা হয়তো আমাদের ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার ক্ষুধা মেটাতে সক্ষম হব, কিন্তু আমাদের অন্যান্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সম্পদ যেমন পানি এবং তেল দিন দিন ফুরিয়ে আসছে। জনসংখ্যাকে একটি স্থিতিশীল পর্যায়ে রাখার জন্য আমাদের ডেনমার্ক এবং জাপানের মতো প্রতিস্থাপন হারে প্রজনন করা উচিত। ** ক্যাথরিন ক্যালডওয়েল, "[https://facetsofsustainability2014.wordpress.com/2014/11/13/farb-malthus-and-ishmael-v-the-population/ ফার্ব, ম্যালথাস এবং ইসমায়েল বনাম জনসংখ্যা]" (১৩ নভেম্বর ২০১৪)। * বর্তমানে মানবজাতি ভবিষ্যতের সম্পদ অতি লোভীর মতো চুরি করার কাজে লিপ্ত হয়েছে। আধুনিক বিশ্বে দেখা দেওয়া দুর্ভিক্ষ অবশ্যই মানুষের বর্তমান অবস্থার একটি গভীর সমস্যার লক্ষণগুলোর মধ্যে একটি হওয়া উচিত—আর তা হলো ডায়াক্রনিক প্রতিযোগিতা। এটি এমন একটি সম্পর্ক যেখানে আমাদের বর্তমানের সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য বা ভালো থাকা নিশ্চিত করা হচ্ছে আমাদের বংশধরদের বা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুযোগ-সুবিধা কেড়ে নেওয়ার বিনিময়ে। আমাদের বিশাল জনসংখ্যা, আমাদের প্রযুক্তিগত উন্নতির স্তর এবং মানুষের ধারণক্ষমতা বৃদ্ধির স্থায়ী পদ্ধতি (যেমন কৃষি) ও সাময়িক পদ্ধতি (জীবাশ্ম জ্বালানি এবং অন্যান্য খনিজ সম্পদের ওপর নির্ভরশীলতা)-র মধ্যে পার্থক্য বুঝতে না পারার কারণে আমরা আজকের মানুষের আকাঙ্ক্ষা পূরণের বিষয়টিকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের বিশাল বঞ্চনার ওপর নির্ভরশীল করে তুলেছি। ** উইলিয়াম আর. ক্যাটন, ''ওভারশুট'' (১৯৮০), অধ্যায় ১: "আমাদের একটি নতুন দৃষ্টিভঙ্গির প্রয়োজন", পৃষ্ঠা ৩। * আমরা ইতিমধ্যেই একটি অতিরিক্ত বোঝাই বিশ্বে বাস করছি। আমাদের ভবিষ্যৎ হবে সেই সত্যেরই একটি অনিবার্য ফল। আর সেই সত্যটি হলো আমাদের অতীতের কর্মকাণ্ডের একটি ফলাফল। তাই আমাদের প্রথম কাজ হলো নিজেদের কাছে এটি স্পষ্ট করা যে আমরা কীভাবে এই বর্তমান অবস্থায় পৌঁছালাম এবং কেন আমাদের বর্তমান পরিস্থিতি একটি বিশেষ ধরণের ভবিষ্যতের দিকে আমাদের নিয়ে যাচ্ছে। […] এটি এমন একটি বিশ্বের গল্প যা বারবার মানুষের সংখ্যার দ্বারা পরিপূর্ণ হওয়ার কাছাকাছি পৌঁছেছে, কিন্তু প্রতিবারই মানুষের বুদ্ধিমত্তা সেই প্রাকৃতিক সীমাটিকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। সীমা বাড়ানোর প্রথম কয়েক ধাপ প্রায় ২০ লক্ষ বছর ধরে একগুচ্ছ প্রযুক্তিগত আবিষ্কারের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছিল। এই আবিষ্কারগুলো মানুষকে পৃথিবীর মোট জীবন ধারণের ক্ষমতার এমন সব অংশ বারবার দখল করতে সাহায্য করেছে যা আগে অন্য প্রজাতির প্রাণীদের টিকিয়ে রাখত। সীমা বাড়ানোর সবচেয়ে সাম্প্রতিক পর্বটি অনেক বেশি চমকপ্রদ ফলাফল নিয়ে এসেছে। যদিও এটি মানুষের ধারণক্ষমতা বাড়িয়েছি একদম ভিন্ন একটি পদ্ধতিতে: আর তা হলো এমন কিছু সীমিত সম্পদের ভাণ্ডার ব্যবহার করা যা মানুষের আয়ুর কোনো নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আর নতুন করে তৈরি হবে না। তাই এর ফলাফল কখনও স্থায়ী হতে পারে না। এই সত্যটি মানবজাতিকে এমন এক বিপদজনক অবস্থানে নিয়ে গেছে যেখানে আধুনিক জীবনের কর্মকাণ্ডগুলো সেই আশ্রয়স্থলকেই কেটে ফেলছে। ** উইলিয়াম আর. ক্যাটন, ''ওভারশুট'' (১৯৮০), অধ্যায় ২: "মানুষের সাফল্যের করুণ গল্প", পৃষ্ঠা ১৭। * বড়জোর দুই প্রজন্মের মানুষ যখন শিল্পায়নের সুবিধা ভোগ করছিল, তখনই অত্যন্ত কার্যকরভাবে মৃত্যু নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার আরও ত্বরান্বিত হয়। রোগ সৃষ্টির পেছনে অণুজীবের ভূমিকা আবিষ্কৃত হয়। ১৮৬৫ সালে অ্যান্টিসেপটিক সার্জারির ব্যবহার শুরু হয়। চিকিৎসা প্রযুক্তিতে এর সাথে সম্পর্কিত আরও অনেক যুগান্তকারী আবিষ্কারের সূচনা হিসেবে একে গণ্য করা যেতে পারে: যেমন স্বাস্থ্যকর অভ্যাস, টিকাদান, অ্যান্টিবায়োটিক ইত্যাদি। এই সাম্প্রতিক সিরিজের সাফল্যের সামগ্রিক ফল হলো মানবজাতিকে সেই সব অদৃশ্য জীবের হাত থেকে মুক্ত করা যারা একসময় মানুষের শরীরের টিস্যুকে খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে মানুষের জীবনকাল কমিয়ে দিত। শিকারি প্রাণীদের হাত থেকে নতুন সুরক্ষা পাওয়া অন্যান্য প্রজাতির প্রাণীর মতো আমরাও বংশবৃদ্ধি করেছি এবং নিজেদের সংখ্যা এতটাই বাড়িয়েছি যে আমরা আমাদের নিজেদের প্রজাতি দিয়ে পৃথিবীকে কেবল পরিপূর্ণই করিনি বরং উপচে ফেলেছি। ** প্রাগুক্ত, পৃষ্ঠা ৩০। * মানুষ হয় পরিবেশের ধারণক্ষমতার ধারণাটি সম্পর্কে ক্রমাগত অজ্ঞতা প্রদর্শন করেছে অথবা এই অন্ধ বিশ্বাস পোষণ করেছে যে ধারণক্ষমতা সবসময়ই বাড়ানো সম্ভব এবং যে কোনো সীমা সবসময় অতিক্রম করা যাবে। পুঁজিবাদী এবং মার্কসবাদী—উভয় পক্ষই সম্ভবত এমন একটি ভুল ধারণা পোষণ করত যার কারণে তারা এটি স্বীকার করতে অস্বীকার করেছে যে সীমাহীনতার সেই মিথ বা রূপকথাটি অবশেষে সেকেলে হয়ে গেছে। সেখানে এমন একটি ধারণাও প্রচলিত ছিল যে প্রযুক্তির আরও উন্নতি হলে তা অবশ্যই পৃথিবীর ধারণক্ষমতাকে বাড়াবে, কমাবে না। অতীতে প্রযুক্তির কাজই ছিল ধারণক্ষমতা বাড়ানো; তবে... শিল্প যুগে প্রযুক্তির এই ভূমিকায় একটি পরিবর্তন এসেছে। প্রযুক্তি প্রাকৃতিক সম্পদের প্রতি মানুষের ক্ষুধা বাড়িয়ে দিয়েছে, যার ফলে একটি নির্দিষ্ট পরিবেশ যত সংখ্যক মানুষকে টিকিয়ে রাখতে পারে সেই সংখ্যাটি দিন দিন কমছে। ** এলবিআইডি, পৃষ্ঠা ৩২। * মানুষ কল্পনা করে নিয়েছে যে তারা অন্যান্য স্তন্যপায়ী প্রাণীদের তুলনায় অনেক বেশি আলাদা বা উন্নত। তাই মানুষের আচরণে যখন সেই একই বৈশিষ্ট্যগুলো দেখা যায় তখন জনসংখ্যার চাপের গুরুত্বকে আড়াল করার জন্য আরও বিভিন্ন ধরণের সামাজিক ব্যাখ্যা দেওয়া হয়। বিংশ শতাব্দীতে মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়া এবং সম্পদের ভাণ্ডার ফুরিয়ে আসার বিষয়টি যখন স্পষ্ট হয়ে ওঠে, তখন মানুষ যুদ্ধে লিপ্ত হয়। তারা রাস্তায় দাঙ্গা শুরু করে। তারা আরও বেশি মাত্রায় সহিংস অপরাধ করতে থাকে। [...] তাদের রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি চরমপন্থী হয়ে ওঠে এবং তারা সর্বগ্রাসী সরকার গঠন করে, যার মধ্যে কিছু সরকার নিষ্ঠুর কর্মকাণ্ডের অনুমতি দিয়ে দেয়। দুই প্রজন্মের মধ্যে ব্যবধান আরও প্রকট এবং গভীর হয়। বর্ণবাদ রোধে এবং অর্থনৈতিক অসমতা দূর করার জন্য মানবতাবাদী কর্মীদের আন্তরিক প্রচেষ্টা সত্ত্বেও মানুষের মধ্যে বৈষম্য থেকে যায় এবং পারস্পরিক বিদ্বেষ আরও মারাত্মক আকার ধারণ করে। অন্যের প্রতি আচরণের ক্ষেত্রে শালীনতার মানদণ্ড এবং বিবেচনাবোধের সাথে আত্মসংযমের প্রত্যাশা অনেক জায়গায় নষ্ট এবং অবক্ষয়ের শিকার হয়। ** উইলিয়াম আর. ক্যাটন, ''ওভারশুট'' (১৯৮০), অধ্যায় ৬: "যে প্রক্রিয়াগুলো গুরুত্বপূর্ণ", পৃষ্ঠা ১০৭। * আমাদের বুঝতে হবে যে আমরা মানুষরা এই গ্রহের বাস্তুসংস্থানের ওপর যে "বোঝা" চাপিয়ে দিচ্ছি তা কেবল একটি জনসংখ্যার সংখ্যা মাত্র নয়। ভিন্ন ভিন্ন সংস্কৃতির মানুষ কেবল ভিন্ন হারেই বংশবৃদ্ধি করে না; তারা মাথাপিছু পরিবেশের ওপর ভিন্ন ভিন্ন মাত্রায় প্রভাব ফেলে। সংস্কৃতির মধ্যে একটি জনগোষ্ঠীর প্রযুক্তি এবং মানুষের নিজেদের সংগঠিত করার পদ্ধতি অন্তর্ভুক্ত থাকে। আমাদের মধ্যে যারা একটি "উন্নত" দেশে বাস করি (অর্থাৎ ম্যালথাসের কল্পনার বাইরে শিল্পোন্নত একটি সমাজ), তাদের প্রত্যেকের সম্পদের ক্ষুধা এবং পরিবেশের ওপর প্রভাব তথাকথিত একটি "উন্নয়নশীল" দেশের প্রত্যেক বাসিন্দার তুলনায় অনেক বেশি। আমাদের বর্তমানের এই চরম টেকসইহীন জীবনযাত্রার জন্য ৬০০ কোটি মানুষও সংখ্যায় অনেক বেশি। ** উইলিয়াম আর. ক্যাটন, ''ম্যালথাসের পূর্বাভাসের চেয়েও খারাপ (এমনকি যদি জীবিতরা মৃতদের চেয়ে সংখ্যায় বেশি না-ও হয়)''। ওয়াশিংটন স্টেট ইউনিভার্সিটি (মার্চ ২০০০) * জীবন এখন একটি ষষ্ঠ গণবিলুপ্তির যুগে প্রবেশ করেছে। এটি সম্ভবত পরিবেশের সবচেয়ে গুরুতর সমস্যা, কারণ একটি প্রজাতির হারিয়ে যাওয়া মানে তা চিরতরে হারিয়ে যাওয়া। এদের প্রত্যেকেই সেই জীবন্ত ব্যবস্থার মধ্যে কোনো না কোনো ছোট বা বড় ভূমিকা পালন করে যার ওপর আমরা সবাই নির্ভরশীল। বর্তমান এই সংকটকে সংজ্ঞায়িত করা প্রজাতির বিলুপ্তি মূলত তাদের অন্তর্ভুক্ত জনসংখ্যার ব্যাপক হারে নিখোঁজ হওয়ার ওপর ভিত্তি করে ঘটে চলেছে, যার বেশিরভাগই হয়েছে ১৮০০ সালের পর থেকে। আমরা যে বিশাল ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছি তা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে হোমো সেপিয়েন্স বা মানুষের কর্মকাণ্ডের কারণেই ঘটছে। আমাদের পূর্বপুরুষরা প্রায় ১১,০০০ বছর আগে কৃষিকাজ শুরু করার পর থেকে এর প্রায় সবটুকুই ঘটেছে। সেই সময় সারা বিশ্বে আমাদের সংখ্যা ছিল প্রায় ১০ লক্ষ; এখন আমাদের সংখ্যা ৭৭০ কোটি এবং এই সংখ্যাটি এখনও দ্রুত বাড়ছে। '''আমাদের সংখ্যা যত বেড়েছে, মানবজাতি তার জীবন্ত সঙ্গী বা প্রাণিকুলের বিশাল অংশের জন্য এক অভূতপূর্ব হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে'''। ** জেরার্ডো সেবালোস, পল আর. এরলিচ এবং পিটার এইচ. র‍্যাভেন, ''[https://www.pnas.org/content/early/2020/05/27/1922686117 মেরুদণ্ডী প্রাণীরা জৈবিক ধ্বংস এবং ষষ্ঠ গণবিলুপ্তির সূচক হিসেবে বিপদের মুখে]''। ''পিএনএএস'', ১ জুন ২০২০। * আমরা বর্তমানে ষষ্ঠ গণবিলুপ্তি ঘটনার মধ্যে রয়েছি। আগের পাঁচটি বিলুপ্তির মতো না হয়ে এটি ঘটছে একটি মাত্র প্রজাতির অতিরিক্ত বৃদ্ধির কারণে, যার নাম 'হোমো সেপিয়েন্স'। ** জেরার্ডো সেবালোস, পল আর. এরলিচ, "[https://www.pnas.org/doi/10.1073/pnas.2306987120 প্রাণীকুলের গণবিলুপ্তির মাধ্যমে জীবন বৃক্ষের অঙ্গহানি]"। ''পিএনএএস'', ২০২৩। * গত শতাব্দীতে মানুষের অনেক কর্মকাণ্ডের গতি এতটাই ত্বরান্বিত হয়েছে এবং মানুষের অতিপ্রজতা বা জনসংখ্যা বৃদ্ধি এতটাই ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে যে তা একটি নাটকীয় বৈশ্বিক পরিবেশগত রূপান্তর সৃষ্টি করেছে। বেশিরভাগ প্রাকৃতিক বাস্তুসংস্থান ব্যাপকভাবে পরিবর্তিত হয়েছে অথবা পুরোপুরি অদৃশ্য হয়ে গেছে এবং বন্যপ্রাণীর প্রাচুর্য অনেক বেশি কমে গেছে। ** এলবিআইডি। * আমরা যখন থেকে আগুন আবিষ্কার ও নিয়ন্ত্রণ করতে শিখেছি এবং কৃষিকাজ শুরু করেছি তখন থেকেই আমাদের শক্তির ব্যবহার বাড়ছে। তবে এটি সবচেয়ে বেশি বেড়েছে যখন আমরা পৃথিবীর ভূত্বক থেকে লক্ষ লক্ষ বছরের সঞ্চিত এবং ঘনীভূত সৌর শক্তিকে জীবাশ্ম জ্বালানি হিসেবে আহরণ করে এক বিশাল জ্বালানি ভাণ্ডারের সন্ধান পেয়েছি। নতুন শক্তি রূপান্তর কৌশলের বিকাশের সাথে সাথে এই শক্তির প্রাচুর্য মানুষের জনসংখ্যা এবং উৎপাদনের প্রবৃদ্ধির পথে থাকা দীর্ঘকালীন বাধাগুলোকে দূর করা সম্ভব করেছে। উনিশ শতকের শুরু থেকে যেসব নতুন শক্তির উৎস, রূপ এবং ব্যবহার শুরু হয়েছে তা আমাদের আরও বেশি উপকরণের যোগান দিয়েছে এবং নতুন ও আরও আধুনিক যন্ত্রপাতির উদ্ভাবন সম্ভব করেছে। এর ফলে আমাদের শক্তির ব্যবহার এবং উপকরণের প্রবাহ দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে (অর্থাৎ জীবমন্ডলের উৎস থেকে কাঁচামাল এবং শক্তির প্রবাহ মানুষের বাস্তুসংস্থানের মধ্য দিয়ে আবার জীবমন্ডলের গন্তব্যে ফিরে যাওয়া), যা আমরা সাধারণত "অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি" হিসেবে পরিমাপ করে থাকি। সেই সময় থেকে এই প্রবৃদ্ধি আর কখনও থামেনি, যদিও শক্তি এবং উপকরণের ইনপুট, আউটপুট এবং বর্জ্যের প্রবাহ সময়ের সাথে সাথে পরিবর্তিত হয়েছে। আমাদের যন্ত্র এবং প্রক্রিয়াগুলোতে "শক্তির দক্ষতা" বাড়ানোর প্রচেষ্টা (অর্থাৎ নির্দিষ্ট কাজ করার জন্য প্রয়োজনীয় শক্তির পরিমাণ কমানো) আমাদের ব্যবহৃত মোট শক্তির পরিমাণকে কখনও কমাতে পারেনি। বরং উল্টো আমাদের ভোগের হার বাড়ানোর জন্য আরও বেশি সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে। ** ফ্রাঁসোয়া-জাভিয়ের শেভালেরউ, "[https://www.faninitiative.net/articles/the-age-of-energy-disruptions/ শক্তির বিপর্যয়ের যুগ]"। দ্য ফ্যান ইনিশিয়েটিভ। ১০ ডিসেম্বর ২০২১। * পরিবেশ বিশ্লেষকরা একটি টেকসই জনসংখ্যা বলতে এমন এক জনসংখ্যাকে বোঝেন যারা জীববৈচিত্র্য বজায় রেখে এবং জলবায়ু পরিবর্তন জনিত সমস্যাগুলোকে কমিয়ে একটি পরিমিত ও সমতাপূর্ণ মধ্যবিত্ত জীবনযাত্রার মান উপভোগ করতে পারে। বিশ্লেষকদের মতে এই জনসংখ্যার আকার ২০০ কোটি থেকে ৪০০ কোটির মধ্যে হওয়া উচিত, যা বর্তমানের ৭৯০ কোটি থেকে অনেক কম। ** আইলিন ক্রিস্ট, উইলিয়াম জে. রিপল, পল আর. এরলিচ, উইলিয়াম ই. রিস এবং ক্রিস্টোফার উলফ {{cite journal|doi=10.1016/j.scitotenv.2022.157166|title=জনসংখ্যা বিষয়ে বিজ্ঞানীদের সতর্কতা|year=২০২২ |journal=Science of the Total Environment|volume=৮৪৫|issue= |pmid=35803428|pmc=|url=https://scientistswarning.forestry.oregonstate.edu/sites/default/files/Crist2022.pdf}} * আজ আমরা যে পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছি তা মানবজাতির বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের বিশালতা এবং তাদের বৃদ্ধির হারের বিচারে সম্পূর্ণ অনন্য। এই দুষ্টচক্রটি বর্তমানে যে মারাত্মক মোড় নিতে যাচ্ছে তা সত্যিই এক বিশাল এবং ভয়াবহ পরিবর্তনের সংকেত দিচ্ছে। […] আগুনকে আয়ত্তে আনা ছিল মানুষের প্রযুক্তিগত উন্নয়নের একদম প্রাথমিক পর্যায়ের একটি বিশেষ মাইলফলক। জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানোর মাধ্যমে আজও সেই আগুনের ব্যবহার আমাদের জীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং অপরিহার্য হয়ে রয়েছে। আর এভাবেই মানব সভ্যতার উন্নয়নের এই দুষ্টচক্রটি ক্রমাগত নিজেকে আবর্তিত করে চলেছে। জীবাশ্ম জ্বালানি এবং বিভিন্ন ধাতব সম্পদের ক্রমাগত ক্রমবর্ধমান ব্যবহারের ফলে এই চক্রের গতিবেগ দিন দিন আরও তীব্র হয়ে উঠছে। যদিও বিভিন্ন পরিবেশবাদী সংগঠন এবং সবুজ বা পরিবেশবান্ধব রাজনৈতিক দলগুলো এই পরিস্থিতি প্রতিরোধের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু বর্তমান সংকটের তুলনায় সেই প্রতিরোধের চিহ্নটি একেবারেই নগণ্য। ** ক্রেগ ডিলওয়ার্থ, ''টু স্মার্ট ফর আওয়ার ওন গুড'' (২০০৯), অধ্যায় ৬: "দ্য ভিশাস সার্কেল টুডে" * গত কয়েক শতাব্দী ধরে জনসংখ্যার যে বিশাল বিস্ফোরণ আমরা লক্ষ্য করছি […] তা মূলত সম্ভব হয়েছে মানুষের জীবনযাত্রার মানের ব্যাপক উন্নতি, দ্রুত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, খাদ্যের বিপুল প্রাচুর্য এবং জনস্বাস্থ্যের অভূতপূর্ব অগ্রগতির কারণে। তবে আমাদের এই সব ধরণের উন্নতি ও অগ্রগতি মূলত জীবাশ্ম জ্বালানির শক্তির ওপর ভিত্তি করেই টিকে রয়েছে। যখন জীবাশ্ম জ্বালানির ভাণ্ডার তার সর্বোচ্চ সীমায় পৌঁছে যাবে […] তখন শিল্প উৎপাদন, প্রবৃদ্ধি এবং আধুনিক জীবনের যাবতীয় সুযোগ-সুবিধাগুলো ধীরে ধীরে পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যেতে শুরু করবে। বর্তমানের এই আধুনিক শিল্প সমাজ তখন এক "অভাবী সমাজে" রূপান্তরিত হবে যা খুব সামান্য পরিমাণ শক্তির সাহায্যে নিজেদের পরিচালনা করবে। এরপর একসময় এটি একটি "উদ্ধারকারী সমাজে" পরিণত হবে যা পরিত্যক্ত হয়ে যাওয়া শহরের ভবন, যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং শিল্প কেন্দ্রগুলোর আবর্জনা বা ধ্বংসাবশেষ থেকে নিজেদের বেঁচে থাকার রসদ কোনোমতে সংগ্রহ করবে। ** রিক ডকসাই, "ইজ সিভিলাইজেশন ডুমড?" ''দ্য ফিউচারিস্ট''। মার্চ/এপ্রিল ২০১০। * পৃথিবীর ওপর মানুষের প্রভাবের একটি বড় অংশ আমাদের দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়া জনসংখ্যার সাথে সম্পর্কিত। যদি আমরা মানুষের সংখ্যা এবং আমাদের টিকিয়ে রাখার জন্য প্রয়োজনীয় পরিবেশগত সম্পদের মধ্যে একটি যৌক্তিক ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য কোনো সচেতন বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত পদক্ষেপ না নিই, তবে প্রকৃতি নিজেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। দুর্ভিক্ষ, রোগব্যাধি এবং যুদ্ধ যা মূলত নিজের পরিবেশগত সীমার বাইরে জীবনযাপন এবং প্রাকৃতিক সম্পদ অতিরিক্ত ব্যয় করার এক অনিবার্য পরিণতি শেষ পর্যন্ত আমাদের ওপর এক নিষ্ঠুর নিয়ম বা শৃঙ্খলা চাপিয়ে দিতে বাধ্য করবে। ** সিলভিয়া আর্ল, ''সি চেঞ্জ: আ মেসেজ অফ দ্য ওশেনস'' (১৯৯৫) * অতিপ্রজতা বা অতিরিক্ত জনসংখ্যা বিষয়টি বোঝার আসল চাবিকাঠি কিন্তু জনসংখ্যার ঘনত্ব নয়, বরং কোনো একটি এলাকার সম্পদের তুলনায় এবং মানুষের কর্মকাণ্ডকে টিকিয়ে রাখার জন্য সেই পরিবেশের সক্ষমতার সাপেক্ষে মানুষের সংখ্যা; অর্থাৎ, এটি মূলত সেই অঞ্চলের ধারণক্ষমতার সাথে সম্পর্কিত। একটি অঞ্চল কখন অতি জনবহুল হয়? যখন সেই অঞ্চলের জনসংখ্যাকে অনবায়নযোগ্য প্রাকৃতিক সম্পদ দ্রুত নিঃশেষ করা ছাড়া আর টিকিয়ে রাখা সম্ভব হয় না... এই মানদণ্ড অনুযায়ী, পুরো পৃথিবী এবং কার্যত প্রতিটি রাষ্ট্রই ইতিমধ্যে মারাত্মকভাবে অতি জনবহুল হয়ে পড়েছে। ** পল আর. এরলিচ, ''দ্য পপুলেশন এক্সপ্লোশন'' (১৯৯০) * পরিবেশগত সংকট সৃষ্টির পেছনে থাকা তিনটি প্রধান কারণের মধ্যে ঠিক কোনটি বেশি ক্ষতি করছে পৃথিবীতে মানুষের বর্তমান জনসংখ্যার আকার, প্রাকৃতিক সম্পদের অত্যধিক ভোগ নাকি দেশগুলোর মধ্যে সম্পদের অসম বা অন্যায্য বণ্টন (যেখানে ধনী দেশগুলো গরিব দেশগুলোর তুলনায় গড়ে মাথাপিছু অনেক বেশি সম্পদ ভোগ করে) তা নিয়ে বিতর্ক করা অনেকটা একটি ত্রিভুজের ভূমি না কি তার বাহুগুলো বেশি অবদান রাখছে তা নিয়ে বিতর্ক করার মতো। আপনি এই তিনটি কারণকে কোনোভাবেই আলাদা করতে পারবেন না। আমরা যদি দীর্ঘ সময়ের ব্যবধানে এই সংখ্যাগুলো বিশ্লেষণ করি, তবে আমরা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছাব যে ভোগের তুলনায় জনসংখ্যার আকারের প্রভাব অনেক বেশি। অন্যদিকে, ভোগ এবং অসম বণ্টনও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আমরা যদি একই সাথে এই তিনটি কারণ পরিবর্তন না করি, তবে আমাদের জীবনযাত্রার মান নাটকীয়ভাবে বদলে যাবে। আজ '''মানবজাতি প্রকৃতির ওপর একটি বড় ধরণের আঘাত হানছে, কিন্তু এটি একদম স্পষ্ট যে প্রকৃতিই শেষ পর্যন্ত চূড়ান্ত আঘাতটি করবে।''' ** পল আর. এরলিচ, ''[http://www.haaretz.co.il/1.1875624 পিপল শুড প্রোডিউস ফার ফিউয়ার চিলড্রেন, অর এক্সপেক্ট দ্য ওয়ার্স্ট]'' (ডিসেম্বর ২০১২) * পৃথিবীতে লক্ষ লক্ষ প্রজাতির আবাসস্থল। তার মধ্যে কেবল একটি প্রজাতিই আধিপত্য বিস্তার করে আছে। আর তারা হলাম আমরা। '''আমাদের বুদ্ধিমত্তা, আমাদের উদ্ভাবনী শক্তি এবং আমাদের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড আমাদের এই গ্রহের প্রায় প্রতিটি অংশকেই পরিবর্তিত করে ফেলেছে। প্রকৃতপক্ষে, আমরা এর ওপর এক গভীর প্রভাব ফেলছি। সত্যি বলতে, আমাদের চতুরতা, উদ্ভাবন এবং কর্মকাণ্ডই এখন আমাদের সামনে আসা প্রতিটি বৈশ্বিক সমস্যার মূল কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর আমরা যখন ১০০ কোটি বা ১০ বিলিয়ন জনসংখ্যার দিকে এগিয়ে যাচ্ছি, তখন এই প্রতিটি সমস্যা আরও দ্রুত ত্বরান্বিত হচ্ছে। আসলে আমি বিশ্বাস করি যে, আমরা বর্তমানে যে পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছি তাকে যথার্থভাবেই একটি জরুরি অবস্থা বলা যেতে পারে—যা একটি অভূতপূর্ব বৈশ্বিক বা গ্রহগত জরুরি অবস্থা।''' ** স্টিফেন এমট, ''[https://www.theguardian.com/environment/2013/jun/30/stephen-emmott-ten-billion ১০ বিলিয়ন]'', ''দ্য গার্ডিয়ান'' প্রকাশিত সারাংশ অনুযায়ী, ৩০ জুন ২০১৩। * আমরা মানুষ হিসেবে প্রায় ২,০০,০০০ বছর আগে একটি প্রজাতি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছি। ভূতাত্ত্বিক সময়ের হিসাবে এটি কিন্তু সত্যিই অবিশ্বাস্য রকমের সাম্প্রতিক। মাত্র ১০,০০০ বছর আগে আমাদের সংখ্যা ছিল ১০ লক্ষ। ১৮০০ সালের মধ্যে, অর্থাৎ মাত্র ২০০ বছরেরও কিছু বেশি সময় আগে আমাদের সংখ্যা ছিল ১০০ কোটি। ১৯৬০ সালে বা ৫০ বছর আগে আমাদের সংখ্যা ছিল ৩০০ কোটি। এখন আমাদের সংখ্যা ৭০০ কোটিরও বেশি। ২০৫০ সালের মধ্যে আপনাদের সন্তানরা অথবা নাতি-নাতনিরা এমন একটি পৃথিবীতে বাস করবে যেখানে অন্তত আরও ৯০০ কোটি মানুষ থাকবে। এই শতাব্দীর শেষের কোনো এক সময়ে আমাদের সংখ্যা কমপক্ষে ১,০০০ কোটি হয়ে যাবে। সম্ভবত আরও বেশি। আমরা বর্তমানে যে অবস্থায় আছি সেখানে পৌঁছানোর পেছনে সভ্যতা ও সমাজ গঠনকারী বেশ কিছু "ঘটনা" রয়েছে; যার মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হলো কৃষি বিপ্লব, বৈজ্ঞানিক বিপ্লব এবং—পাশ্চাত্যে—জনস্বাস্থ্য বিপ্লব। এই ঘটনাগুলো আমরা কীভাবে জীবনযাপন করি এবং আমাদের এই গ্রহকে মৌলিকভাবে গঠন করেছে। তাদের এই উত্তরাধিকার আমাদের ভবিষ্যৎকেও গঠন করতে থাকবে। তাই আমাদের এই উন্নয়নের আলোকে আমাদের প্রবৃদ্ধি এবং কর্মকাণ্ডগুলোকে দেখা প্রয়োজন। এই বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান কারণ ছিল কৃষির উদ্ভাবন। এই "কৃষি বিপ্লব" আমাদের শিকারি ও সংগ্রাহক অবস্থা থেকে খাদ্য উৎপাদনে অত্যন্ত সুসংগঠিত করে তুলেছে এবং আমাদের জনসংখ্যা বৃদ্ধিতে সহায়তা করেছে। কৃষির বিকাশ এবং গুরুত্ব বোঝার একটি ভালো উপায় হলো অন্তত তিনটি কৃষি "বিপ্লব" নিয়ে চিন্তা করা। প্রথমটি ঘটেছিল ১০,০০০ বছরেরও বেশি সময় আগে। এটি ছিল পশুদের গৃহপালিত করা এবং বিভিন্ন ধরণের গাছপালা চাষ করার মাধ্যমে। দ্বিতীয় কৃষি বিপ্লব ঘটেছিল ১৫শ থেকে ১৯শ শতাব্দীর মধ্যে। এটি ছিল কৃষি উৎপাদনশীলতা এবং খাদ্য উৎপাদনে যান্ত্রিকীকরণের একটি বিপ্লব। তৃতীয়টি ঘটেছিল ১৯৫০ থেকে ২০০০ সালের মধ্যে; যাকে তথাকথিত "সবুজ বিপ্লব" বলা হয়। কিন্তু এখানে আরেকটি গল্পও আছে: তা হলো মানুষের দ্বারা ভূমির ব্যবহারের এক মৌলিক রূপান্তরের সূচনা। ** স্টিফেন এমট, ''১০ বিলিয়ন'' (২০১৩) * আমাদের সংখ্যা যত বাড়তে থাকে, আমাদের অনেক বেশি পানি, অনেক বেশি খাবার, অনেক বেশি জমি, অনেক বেশি পরিবহন এবং অনেক বেশি শক্তির প্রয়োজন হতে থাকে। ফলস্বরূপ, আমরা এখন আমাদের জলবায়ু পরিবর্তনের গতিকেও আরও ত্বরান্বিত করছি। প্রকৃতপক্ষে, আমাদের কর্মকাণ্ডগুলো কেবল একে অপরের সাথে সম্পূর্ণভাবে যুক্তই নয়, বরং আমরা যে জটিল ব্যবস্থার মধ্যে বাস করি অর্থাৎ এই পৃথিবী তার সাথেও এখন মিথস্ক্রিয়া করছে। এই সবকিছু কীভাবে একে অপরের সাথে যুক্ত তা বোঝা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা আরও বেশি পানি এবং খাবারের চাহিদাকে ত্বরান্বিত করে। বেশি খাবারের চাহিদা জমির প্রয়োজনীয়তা বাড়িয়ে দেয়, যা বন উজাড় করার প্রক্রিয়াকে দ্রুত করে। খাদ্যের ক্রমবর্ধমান চাহিদা খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ এবং পরিবহনের পরিমাণও বাড়িয়ে দেয়। এই সবকিছু আবার শক্তির চাহিদাকে ত্বরান্বিত করে। এটি তখন গ্রিনহাউস গ্যাসের নিঃসরণ বাড়ায়, বিশেষ করে কার্বন ডাই অক্সাইড এবং মিথেন, যা জলবায়ু পরিবর্তনকে আরও ত্বরান্বিত করে। জলবায়ু পরিবর্তন যত বাড়ে, এটি পানি, খাদ্য এবং জমির ওপর চাপ আরও বাড়িয়ে দেয়। আর ঠিক একই সময়ে ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যাও পানি, খাদ্য এবং জমির ওপর এই চাপ বাড়িয়ে দিচ্ছে। সংক্ষেপে বলতে গেলে, জনসংখ্যা যত বাড়ছে এবং অর্থনীতি যত বড় হচ্ছে, পুরো ব্যবস্থার ওপর চাপের পরিমাণও তীব্রভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। ** আইবিআইডি। * "সন্তান নেবেন না" এ কথা বলা অত্যন্ত হাস্যকর একটি বিষয়। এটি আমাদের জিনে থাকা প্রতিটি তথ্যের বিরোধী এবং আমাদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ (এবং আনন্দদায়ক) একটি অনুপ্রেরণার বিপরীত। তবে এটি ঠিক যে, আমরা বিশ্বব্যাপী বর্তমানে যে হারে সন্তান জন্ম দিচ্ছি, তা আমাদের করা সবচেয়ে খারাপ একটি কাজ হতে পারে। এমনকি যদি বিশ্বব্যাপী পারমাণবিক বিদ্যুৎ কর্মসূচি চালু করা হয়, যদি জিও-ইঞ্জিনিয়ারিং কোনোভাবে জলবায়ু পরিবর্তনের সমস্যার সমাধান করে দেয় এবং এমনকি যদি আমরা ভোগ কমিয়ে দিই, তবুও মানুষের জনসংখ্যা যদি বর্তমান হারের মতো বাড়তে থাকে তবে আমরা একসময় এক কঠিন দেয়ালের সামনে এসে থমকে দাঁড়াব। আমরা সবাই জানি যে উন্নয়নশীল বিশ্বে নারীদের শিক্ষিত করার সাথে জন্মহার কমানোর একটি গভীর সম্পর্ক রয়েছে। কিন্তু তা সত্ত্বেও এবং জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে এমন বেশ কিছু দেশে জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী বিনামূল্যে পাওয়া গেলেও গড় জন্মহার এখনও প্রতি মহিলার বিপরীতে তিন, পাঁচ এমনকি সাতটি শিশু। জাতিসংঘের মতে, জাম্বিয়ার জনসংখ্যা এই শতাব্দীর শেষ নাগাদ ৯৪১% বৃদ্ধি পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নাইজেরিয়ার জনসংখ্যা ৭৩০ কোটিতে—অর্থাৎ ৩৪৯% বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আফগানিস্তানে ২৪২%, কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রে ২১%, গাম্বিয়াতে ২৪২%, গুয়াতেমালাতে ৩৬৯%, ইরাকে ৩৪৪%, কেনিয়াতে ২৮৪ %, লাইবেরিয়াতে ৩০০%, মালাউইয়ে ৭৪১%, মালিতে ৪০৮ %, নাইজারে ৭৬৬%, সোমালিয়াতে ৬৬৩%, উগান্ডাতে ৩৯৬% এবং ইয়েমেনে ২৯৯ % বৃদ্ধি পেতে পারে। এমনকি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জনসংখ্যাও ২১০০ সালের মধ্যে ৫৩% বৃদ্ধি পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যা ২০১২ সালের ৩১ কোটি ৫০ লক্ষ থেকে বেড়ে ৪৭ কোটি ৮০ লক্ষ হবে। আমি শুধু এটি নির্দেশ করতে চাই যে যদি বর্তমানে বিশ্বে প্রজননের এই হার বজায় থাকে, তবে এই শতাব্দীর শেষ নাগাদ আমাদের সংখ্যা ১০০ কোটি বা ১০ বিলিয়ন হবে না। বরং তখন আমাদের সংখ্যা হবে ২,৮০০ কোটি বা ২৮ বিলিয়ন। ** আইবিআইডি। * আমরা যদি আগামীকাল আবিষ্কার করি যে একটি গ্রহাণু পৃথিবীর সাথে সংঘর্ষের পথে রয়েছে এবং—যেহেতু পদার্থবিজ্ঞান একটি বেশ সহজ বিজ্ঞান—আমরা যদি এটি হিসাব করতে সক্ষম হই যে এটি ২০৭২ সালের ৩ জুন পৃথিবীকে আঘাত করবে এবং আমরা যদি জানতে পারি যে এর ফলে পৃথিবীর ৭০ % প্রাণের অস্তিত্ব মুছে যাবে, তবে সারা বিশ্বের সরকারগুলো সমগ্র গ্রহকে এক অভূতপূর্ব পদক্ষেপের দিকে পরিচালিত করত। প্রতিটি বিজ্ঞানী, প্রকৌশলী, বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে এই কাজে নিয়োজিত করা হতো: অর্ধেক লোক এটি থামানোর উপায় খুঁজত এবং বাকি অর্ধেক লোক প্রথম বিকল্পটি সফল না হলে আমাদের প্রজাতিকে কীভাবে বাঁচিয়ে রাখা যায় এবং নতুন করে গড়ে তোলা যায় তার পথ খুঁজত। আমরা এখন ঠিক তেমনই একটি পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছি, তফাত শুধু এই যে এখানে কোনো নির্দিষ্ট তারিখ নেই এবং কোনো গ্রহাণুও নেই। এখানে সমস্যা হলো আমরা নিজেরাই। এই সমস্যার বিশালতা এবং জরুরি অবস্থা বিবেচনা করার পরেও কেন আমরা এই পরিস্থিতি নিয়ে আরও বেশি কিছু করছি না—তা আমি কোনোভাবেই বুঝতে পারছি না। আমরা হিগস-বোসন নামক একটি কণার অস্তিত্ব খুঁজে বের করার জন্য সার্ন-এ ৮০০ কোটি ইউরো (অর্থাৎ লেখার সময়কার বিনিময় হার অনুযায়ী প্রায় ১,১০০ কোটি ডলার) খরচ করছি, যা হয়তো শেষ পর্যন্ত ভরের ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারে বা নাও পারে এবং কণা পদার্থবিজ্ঞানের "স্ট্যান্ডার্ড মডেল"-কে আংশিক সমর্থন দিতে পারে। আর সার্ন-এর পদার্থবিজ্ঞানীরা আমাদের বেশ জোর দিয়ে বলতে চান যে এটিই পৃথিবীর সবচেয়ে বড় এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা। আসলে তা নয়। পৃথিবীর সবচেয়ে বড় এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষাটি হলো আমরা বর্তমানে পৃথিবীর ওপর যে পরীক্ষাটি চালাচ্ছি সেটি। কেবল একজন নির্বোধই এটি অস্বীকার করবেন যে এই পৃথিবী কত সংখ্যক মানুষকে ধারণ করতে পারে তার একটি সীমা রয়েছে। প্রশ্ন হলো সেই সীমা কি ৭০০ কোটি (আমাদের বর্তমান জনসংখ্যা), ১,০০০ কোটি নাকি ২,৮০০ কোটি? আমি মনে করি আমরা ইতিমধ্যে সেই সীমা অতিক্রম করে গেছি। অনেক আগেই পার হয়ে গেছি। আমরা বর্তমানে যে পরিস্থিতির মধ্যে আছি তা পরিবর্তন করতে পারতাম। সম্ভবত কোনো প্রযুক্তিগত উপায়ের মাধ্যমে নয়, বরং আমাদের আচরণের আমূল পরিবর্তনের মাধ্যমে। কিন্তু এমন কিছু ঘটার বা খুব দ্রুত ঘটবে এমন কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। আমার মনে হয় আমাদের এই গতানুগতিক বা প্রথাগত ধারাটিই বজায় থাকবে। ** আইবিআইডি। ===F=== * Whether or not such a hypothesis fully accounts for the population increase that accompanies a sedentary life, there can be no doubt that human numbers soared. In the interval from 10,000 to 6000 years ago—a mere 160 human generations—the population of the Near East is estimated to have increased from less than 100,000 people to more than three million. With each increase, additional pressure was placed upon the food producers to domesticate new species and to invent new technologies, such as those based on the plow and on irrigation. Human beings now found themselves on a treadmill from which to this day they have not been able to get off. They are still plagued by the basic paradox of food production: Intensification of production to feed an increased population leads to a still greater increase in population. **[[Peter Farb]], ''Humankind'' (1978), p. 121 *During the brief time since James Watt's commercial production of the improved Newcomen steam engine in 1775, a revolution unparalleled in human history has occurred at all levels of society and has penetrated all aspects of culture. The technological innovations are, of course, dramatic, but equally important are the biological, political, social, and economic consequences of modernization. From a biological perspective, the most important consequence is the extension of the human life span and the growth in human numbers. In the past two centuries, life expectancy has nearly tripled and the population of our species has multiplied five times over. **Ibid. p. 189 * If left unchecked, populations (of any organism) tend to grow exponentially. But they never grow forever. Eventually resources are depleted and the population declines. When the population is again small enough that resources are plentiful, exponential growth resumes. The result is a boom-bust cycle — stability through fluctuation.<br>Of course, if the fluctuations are huge, we can hardly call this ‘stability’. But in most healthy ecosystems, population fluctuations are small. The key to dampening boom-bust cycles appears to be diversity. When there are many species in an ecosystem, each keeps the population of others in check. Prolonged exponential growth never gets a foothold. ** Blair Fix, "[https://economicsfromthetopdown.com/2020/09/12/frederick-soddys-debt-dynamics/ Frederick Soddy's Debt Dynamics]." ''Economics from the Top Down'' (September 12, 2020) * Overpopulation is described as a societal problem, with the individual and collective behavior of people as a causal agent. ** Angela K. Fournier & E. Scott Geller [https://link.springer.com/article/10.5210/bsi.v13i1.35 Behavior Analysis of Companion-Animal Overpopulation: A Conceptualization of the Problem and Suggestions for Intervention] (1 May 2004) === G === * What are [we] made of, fairy dust and happy thoughts? No, [we] are made of proteins — of food! Without a sufficient food supply, such a population cannot be achieved. We understand this as a basic biological fact for every other species on this planet, that population is a function of food supply. Yet we continue to believe that the magic of free will exempts us from such basic biological laws. ** Jason Godesky, ''[https://theanarchistlibrary.org/library/jason-godesky-thirty-theses Thirty Theses]'' (2006), Thesis #4: "Human population is a function of food supply." * When the First World rushes in with foreign aid, food, and humanitarian aid to a desert area in the midst of a famine, we serve to prop up an unsustainable population. That drives a population boom in an area that already cannot support its existing population. The result is a huge population dependent on outside intervention that itself cannot be indefinitely sustained. Eventually, that population will crash once outside help is no longer possible — and the years of aid will only make that crash even more severe. In the same way that the United States’ policy of putting out all forest fires in the 1980s led to an even worse situation in its forests, our benevolence and good intentions have paved the way to a Malthusian hell. ** Ibid. * The human race currently consumes some 40% of the earth’s photosynthetic capacity. This monopoly on the earth’s resources is having a devastating effect. We are seeing the extinction of some 140 species every day, some thousands of times higher than the normal background rate. Today, right now, we are seeing extinction rates unparalleled in the history of the earth. We are undeniably in the midst of the seventh mass extinction event in the history of the earth — the Holocene Extinction. Unlikely previous extinction events, however, this one is driven by a single species. This is the true danger of overpopulation, not our inability to feed a growing population. As much as we would deny it, we depend on the earth to live. Dwindling biodiversity threatens the very survival of our species. We are literally cutting the ground out from under our feet. Increasing food production only increases the population; our current attitudes about food security has locked us into what Daniel Quinn called a “Food Race,” by comparison to the Arms Race of the Cold War. ** Ibid. * Overpopulation is the root cause of all other environmental problems … [and] is the natural consequence of the Food Race — driven by the constant need to expand. That need is a systemic consequence of complex society. The alternative to overpopulation, then, is to reverse the trend of intensifying complexity and accept greater simplicity: in a word, collapse. ** Jason Godesky, ''Thirty Theses'' (2006), Thesis #17: "Environmental problems may lead to collapse." * The main driving force behind the Holocene Extinction is the twin forces of overpopulation and intensified agricultural production. As more land is converted into cultivated fields, we approach important tipping points in how much of the world’s photosynthetic capacity is tied up in a single species. Deforestation is driven primarily by the need to feed an ever-growing populaton, but also for that population’s other resource needs, such as lumbering and mining. That deforestation has been responsible for anthropogenic atmospheric change for thousands of years, but as the positive feedback loop of the Food Race reached new levels, we were forced to either adopt fossil fuels, or collapse. Those fuels have intensified our atmospheric impact to obscene levels, yielding a new crisis in global warming. We do not face a long laundry list of environmental problems: we face a single, multi-faceted crisis. That crisis is complex society itself. The problems we face are the direct consequence of the positive feedback loop of complex society, and the Food Race in particular. **Ibid. * If nobody died the planet would soon run out of room for more people. How would this world be run (our political systems are far from perfect now); who would decide what type of house one lived in, what type of food one ate? What would we do for a living? ** Lori Gosselin, "[https://lifeforinstance.com/would-you-like-to-live-in-a-perfect-world/ Would You Like to Live in a Perfect World?]" * The study of population is not a very exact science. No one forecast the population collapse that is occurring in post-communist European Russia, or the scale of the fall in fertility that is under way [sic] in much of the world. The margin of error in calculations of fertility and life expectancy is large. Even so, a further large increase is inevitable. […] A human population of approaching 8 billion [sic] can be maintained only by desolating the Earth. If wild habitat is given over to human cultivation and habitation, if rainforests can be turned into green deserts, if genetic engineering enables ever-higher yields to be extorted from the thinning soils – then humans will have created for themselves a new geological era, the Eremozoic, the Era of Solitude, in which little remains on the Earth but themselves and the prosthetic environment that keeps them alive. ** [[John Gray]], ''[[Straw Dogs (book)|Straw Dogs]]'' (2002), Chapter 1: "The Human" * The future is brutally simple to anticipate; all overshot species collapse, and we have – by [apparently] transcending time via the levering of fossil energy – levered our species’ overshoot more than any ever has (or, almost certainly, ever could). **Murray Grimwood, "[https://www.interest.co.nz/public-policy/128237/murray-grimwood-says-future-will-be-so-different-we-need-go-back-basics-and Wither science; whither education?]". ''Interest'' (15 June 2024) * Over the last century, billions have enjoyed better, fuller and more enriched lives than their ancestors could dream of—but when all the bills for that are paid who knows how the ledgers of the two enterprises will stand? ** Sumit Guha [https://journals.lww.com/coas/fulltext/2006/04030/the_retreat_of_the_elephants__an_environmental.9.aspx in his review of Mark Elvin's ''The Retreat of the Elephants''] (2006) * My growing environmental awareness only adds more fuel to the argument for having no children. And the logic of never-ending consumption does not just harm the environment, it kills people too. ** [[w:Xiaolu Guo|Xiaolu Guo]], ''Once Upon A Time in the East: A Story of Growing up'', Chatto & Windus, 2017, page 305 (ISBN 9781784740689). === H === * The skeleton of our primate ancestors developed for millions of years to support a creature that walked on all fours and had a relatively small head. Adjusting to an upright position was quite a challenge, especially when the scaffolding had to support an extra-large cranium. Humankind paid for its lofty vision and industrious hands with backaches and stiff necks.<br>Women paid extra. An upright gait required narrower hips, constricting the birth canal - and this just when babies’ heads were getting bigger and bigger. Death in childbirth became a major hazard for human females. Women who gave birth earlier, when the infants brain and head were still relatively small and supple, fared better and lived to have more children. Natural selection consequently favoured earlier births. And, indeed, compared to other animals, humans are born prematurely, when many of their vital systems are still underdeveloped. A colt can trot shortly after birth; a kitten leaves its mother to forage on its own when it is just a few weeks old. Human babies are helpless, dependent for many years on their elders for sustenance, protection and education.<br>This fact has contributed greatly both to humankind’s extraordinary social abilities and to its unique social problems. Lone mothers could hardly forage enough food for their offspring and themselves with needy children in tow. Raising children required constant help from other family members and neighbours. It takes a tribe to raise a human. Evolution thus favoured those capable of forming strong social ties. In addition, since humans are born underdeveloped, they can be educated and socialised to a far greater extent than any other animal. Most mammals emerge from the womb like glazed earthenware emerging from a kiln - any attempt at remoulding will scratch or break them. Humans emerge from the womb like molten glass from a furnace. They can be spun, stretched and shaped with a surprising degree of freedom. This is why today we can educate our children to become Christian or Buddhist, capitalist or socialist, warlike or peace-loving. ** Yuval Noah Harari, ''Sapiens'' (2014), Part I: "The Cognitive Revolution", Chapter 1: "An Animal of No Significance". * Rather than heralding a new era of easy living, the Agricultural Revolution left farmers with lives generally more difficult and less satisfying than those of foragers. Hunter-gatherers spent their time in more stimulating and varied ways, and were less in danger of starvation and disease. '''The Agricultural Revolution certainly enlarged the sum total of food at the disposal of humankind, but the extra food did not translate into a better diet or more leisure. Rather, it translated into population explosions and pampered elites.''' The average farmer worked harder than the average forager, and got a worse diet in return. The Agricultural Revolution was history’s biggest fraud. ** Yuval Noah Harari, ''Sapiens'' (2011), Part II: "The Agricultural Revolution", Chapter 5: "History's Biggest Fraud" * The last 500 years have witnessed a phenomenal and unprecedented growth in human power. In the year 1500, there were about 500 million Homo sapiens in the entire world. Today, there are 7 billion. The total value of goods and services produced by humankind in the year 1500 is estimated at $250 billion, in today’s dollars. Nowadays the value of a year of human production is close to $60 trillion. In 1500, humanity consumed about 13 trillion calories of energy per day. Today, we consume 1,500 trillion calories a day. (Take a second look at those figures — human population has increased fourteenfold, production 240-fold, and energy consumption 115-fold.) ** Yuval Noah Harari, ''Sapiens'' (2011), Part IV: "The Scientific Revolution", Chapter 14: "The Discovery of Ignorance". * Since the Industrial Revolution, the world's human population has burgeoned as never before. In 1700 the world was home to some 700 million humans. In 1800 there were 950 million of us. By 1900, we almost doubled our numbers to 1.6 billion. And by 2000, that quadrupled to 6 billion. Today [as of this writing] there are just shy of 7 billion Homo Sapiens. ** Yuval Noah Harari, ''Sapiens'' (2011), Part IV: "The Scientific Revolution", Chapter 18: "A Permanent Revolution". * Today [as of this writing], the earth's continents are home to almost 7 billion Sapiens. If you took all these people and put them on a large set of scales, their combined mass would be about 300 million tons. If you then took all our domesticated farmyard animals—cows, pigs, sheep, and chickens—and placed them on an even larger set of scales, their mass would amount to about 700 million tons. In contrast, the combined mass of all surviving large wild animals—from porcupines and penguins to elephants and whales—is less than 100 million tons. Our children’s books, our iconography, and our TV screens are still full of giraffes, wolves, and chimpanzees, but the real world has very few of them left. There are about 80,000 giraffes in the world, compared to 1.5 billion cattle; only 200,000 wolves, compared to 400 million domesticated dogs; only 250,000 chimpanzees—in contrast to billions of humans. Humankind really has taken over the world. ** Ibid. * Around 1990, we became the most numerous mammalian species on the planet, outnumbering even rats. ** [[Thom Hartmann]], ''The Last Hours of Ancient Sunlight'' (1999), p. 18 (ISBN 9780609805299) * All measures to thwart the degradation and destruction of our ecosystem will be useless if we do not cut population growth. By 2050, if we continue to reproduce at the current [but declining] rate, the planet will have between 8 billion and 10 billion people, according to a recent U.N. forecast. This is a 50 percent increase. And yet government-commissioned reviews, such as the Stern report in Britain, do not mention the word population. Books and documentaries that deal with the climate crisis, including [[আল গোর]]’s ''[[An Inconvenient Truth]]'', fail to discuss the danger of population growth. This omission is odd, given that a doubling in population, even if we cut back on the use of fossil fuels, shut down all our coal-burning power plants and build seas of wind turbines, will plunge us into an age of extinction and desolation unseen since the end of the Mesozoic era, 65 million years ago, when the dinosaurs disappeared. ** [[Chris Hedges]], "[https://www.truthdig.com/articles/we-are-breeding-ourselves-to-extinction/ We Are Breeding Ourselves to Extinction]", March 9, 2009. *We are experiencing an accelerated obliteration of the planet’s life forms — an estimated 8,760 species die off per year — because, simply put, there are too many people. Most of these extinctions are the direct result of the expanding need for energy, housing, food, and other resources. '''The Yangtze River dolphin, Atlantic gray whale, West African black rhino, Merriam's elk, California grizzly bear, silver trout, blue pike, dusky seaside sparrow are all victims of human overpopulation.''' Population growth, as [[E. O. Wilson]] says, is "the monster on the land." Species are vanishing at a rate of a hundred to a thousand times faster than they did before the arrival of humans. If the current rate of extinction continues, Homo sapiens will be one of the few life forms left on the planet, its members scrambling violently among themselves for water, food, fossil fuels, and perhaps air until they too disappear. Humanity, Wilson says, is leaving the Cenozoic, the age of mammals, and entering the Eremozoic — the era of solitude. As long as the Earth is viewed as the personal property of the human race, a belief embraced by everyone from born-again Christians to Marxists to free-market economists, we are destined to soon inhabit a biological wasteland. ** Ibid. * A world where 8 billion to 10 billion people are competing for diminishing resources will not be peaceful. The industrialized nations will, as we have done in Iraq, turn to their militaries to ensure a steady supply of fossil fuels, minerals and other nonrenewable resources in the vain effort to sustain a lifestyle that will, in the end, be unsustainable. The collapse of industrial farming, which is made possible only with cheap oil, will lead to an increase in famine, disease and starvation. And the reaction of those on the bottom will be the low-tech tactic of terrorism and war. Perhaps the chaos and bloodshed will be so massive that overpopulation will be solved through violence, but this is hardly a comfort. ** Ibid. * Our core ecological problem is not climate change. It is overshoot, of which global warming is a symptom. Overshoot is a systemic issue. Over the past century-and-a-half, enormous amounts of cheap energy from fossil fuels enabled the rapid growth of resource extraction, manufacturing, and consumption; and these in turn led to population increase, pollution, and loss of natural habitat and hence biodiversity. The human system expanded dramatically, overshooting Earth’s long-term carrying capacity for humans while upsetting the ecological systems we depend on for our survival. Until we understand and address this systemic imbalance, symptomatic treatment (doing what we can to reverse pollution dilemmas like climate change, trying to save threatened species, and hoping to feed a burgeoning population with genetically modified crops) will constitute an endlessly frustrating round of stopgap measures that are ultimately destined to fail. ** {{W|Richard Heinberg}}, "[https://www.ecowatch.com/climate-change-heinberg-2471869927.html Systemic Change Driven by Moral Awakening Is Our Only Hope]." ''EcoWatch'' (August 14, 2017). * During the last 200 years, per capita energy usage grew eight-fold, while human population expanded at about the same rate. As a result of energy growth, all the things we do with energy became more doable. Transportation, manufacturing, agriculture, and mining exploded in scale. Energy became so abundant that it seemed we could solve any human problem, now or in the future, just by throwing more energy at it. We even reconfigured our economic system so that it assumes and requires perpetual growth. But growth in fossil-fuel energy can’t continue much longer: depletion and climate change will see to that. And even if we make a wholehearted effort to switch to low-carbon energy sources, we face limits to nature’s supplies of materials with which to make solar panels, wind turbines, nuclear reactors, and batteries. The ways we’re currently trying to share and manage power are insufficient also because we have failed to understand power itself. Rather than accepting that power limits exist, then surveying them and adapting ourselves to them, we try to finesse or deny them. We respond to climate change by hoping for a renewable energy transition—without questioning the amounts of energy we use or what we do with it. We deal with economic inequality by establishing minimal safeguards for the poor—without examining the structural means by which some people enrich themselves to absurd degrees. ** Richard Heinberg, "[https://www.resilience.org/stories/2021-03-23/understanding-power/ Understanding Power]", ''Resilience'' (March 23, 2021). * Prior to the widespread use of coal, oil, and natural gas, agrarian societies saw cyclical periods of rise and fall. But the scale of expansion since the dawn of the fossil-fueled industrial revolution, beginning roughly at the start of the 19th century, has been unprecedented. Energy usage per capita has grown 800 percent, as has population. Meanwhile, the contours of society have been transformed: for the first time in human history, most people now live in cities. ** {{W|Richard Heinberg}}, "[https://www.postcarbon.org/the-end-of-growth-ten-years-after/ The End of Growth: Ten Years After]." {{W|Post Carbon Institute}} (December 7, 2021). *Fossil fuels enabled a dramatic expansion of energy usable by humanity, in turn enabling unprecedented growth in human population, economic activity, and material consumption. **Richard Heinberg, "[https://richardheinberg.com/museletter-353-deadly-optimism-useful-pessimism Deadly Optimism, Useful Pessimism]". Republished in ''[https://www.resilience.org/stories/2022-07-14/deadly-optimism-useful-pessimism/ Resilience]'' (July 14, 2022). *Global human population has doubled three times in the past 200 years, surging from 1 billion in 1820 to 2 billion in 1927, to 4 billion in 1974, to 8 billion today. Its highest rate of growth was in the 1960s, at over 2 percent per year; that rate is now down to 1.1 percent. If growth continues at the current rate, we’ll have about 18 billion people on Earth by the end of this century. All of this would be fine if we lived on a planet that was itself expanding, doubling its available quantities of minerals, forests, fisheries, and soil every quarter-century, and doubling its ability to absorb industrial wastes. But we don’t. It is essentially the same beautiful but finite planet that was spinning through space long before the origin of humans. **Richard Heinberg, "[https://richardheinberg.com/museletter-356-the-final-doubling The Final Doubling]". Republished in ''[https://www.resilience.org/stories/2022-11-03/the-final-doubling/ Resilience]'' (November 1, 2022). *Agriculture enabled population growth and social complexity, but it gradually robbed soils of nutrients. Sailing ships guided with clocks and navigational charts could increase the scope of trade, but building wooden ships (and making charcoal for forging steel) was leading to the deforestation of whole continents. A reckoning with limits seemed to be in store. Then a miracle happened. People who lived in some key centers of global trade started using fossil fuels—energy sources capable of delivering power in previously unimaginable and seemingly endless quantities. Coal, oil, and natural gas enabled the development of transport technologies (steamships, railroads, cars, trucks, and airplanes) that overcame prior limits to the speed of travel and trade, so that products and resources that were abundant in one place could be transported to places where they were scarce. Fossil fuels could be used to increase the rates of resource extraction via powered mining machinery, and to process lower grades of ores as more concentrated ores were depleted. They could be fashioned into plastics and chemicals to substitute for some natural materials that were getting scarce, such as hardwoods and whale oil. And they could be made into artificial fertilizers, which could replace soil nutrients lost due to unsustainable agricultural practices. All these developments together enabled population growth at rates that far outstripped historic trends: human numbers expanded from one billion to eight billion in a mere two centuries. We were, in effect, stretching existing constraints on population and consumption to the point that it was difficult for many people to see that boundaries still existed at all. **{{W|Richard Heinberg}}, "[https://richardheinberg.com/museletter-358-why-understanding-limits-is-the-key-to-humanitys-future Why Understanding Limits Is the Key to Humanity’s Future]". Republished in ''[https://www.resilience.org/stories/2023-01-19/why-understanding-limits-is-the-key-to-humanitys-future/ Resilience]'' (19 January 2023). *As we’ve grown our population and our per capita consumption rates, we’ve been taking habitat away from other organisms. As a result, nature is in full retreat. Vertebrate and invertebrate animal species have suffered average population declines of 70 percent in the past 50 years, and thousands of plant species are endangered as well. **{{W|Richard Heinberg}}, "[https://richardheinberg.com/museletter-358-why-understanding-limits-is-the-key-to-humanitys-future Why Understanding Limits Is the Key to Humanity’s Future]". Republished in ''[https://www.resilience.org/stories/2023-01-19/why-understanding-limits-is-the-key-to-humanitys-future/ Resilience]'' (19 January 2023). *For a population of field mice in overshoot, the critical resource might consist of small plants whose unusually robust growth has been triggered by high levels of rainfall. For humanity currently, the critical resource is fossil energy. Temporary energy abundance has led to many good things (for some of us, anyway): more food, more people, more commercial products, more knowledge, more comfort, and more convenience. But we are about to become victims of our own success. **{{W|Richard Heinberg}}, "[https://richardheinberg.com/museletter-358-why-understanding-limits-is-the-key-to-humanitys-future Why Understanding Limits Is the Key to Humanity’s Future]". Republished in ''[https://www.resilience.org/stories/2023-01-19/why-understanding-limits-is-the-key-to-humanitys-future/ Resilience]'' (19 January 2023). *It’s sad when loved ones die, and few of us look forward to our own demise; hence the perennial quest for an elixir of eternal life, or at least a cure for cancer. But if nobody died, the planet would quickly fill with humans and empty of all the things that feed and provision us. Death clears space for new life; it is the non-negotiable price of admission to the great banquet of existence. ** {{W|Richard Heinberg}}, "[https://richardheinberg.com/museletter-358-why-understanding-limits-is-the-key-to-humanitys-future Why Understanding Limits Is the Key to Humanity’s Future]". Republished in ''[https://www.resilience.org/stories/2023-01-19/why-understanding-limits-is-the-key-to-humanitys-future/ Resilience]'' (19 January 2023). *The past few thousand years of human history have already seen several critical accelerators. The creation of the first monetary systems roughly 5,000 years ago enabled a rapid expansion of trade that ultimately culminated in our globalized financial system. Metal weapons made warfare deadlier, leading to the takeover of less-well-armed human societies by kingdoms and empires with metallurgy. Communication tools (including writing, the alphabet, the printing press, radio, television, the internet, and social media) amplified the power of some people to influence the minds of others. And, in the past century or two, the adoption of fossil fuels facilitated resource extraction, manufacturing, food production, and transportation, enabling rapid economic expansion and population growth. Of those four past accelerators, our adoption of fossil fuels was the most potent and problematic. In just two centuries, energy usage per capita has increased eightfold, as has the size of the human population. The period since 1950, which has seen a dramatic increase in the global reliance on petroleum, has also seen the fastest economic and population growth in all of human history. Indeed, historians call it the “Great Acceleration.” Neoliberal economists hail the Great Acceleration as a success story, but its bills are just starting to come due. Industrial agriculture is destroying Earth’s topsoil at a rate of tens of billions of tons per year. Wild nature is in retreat, with animal species having lost, on average, 70 percent of their numbers in the past half-century. And we’re altering the planetary climate in ways that will have catastrophic repercussions for future generations. It’s hard to avoid the conclusion that the whole human enterprise has grown too big, and that it is turning nature (“resources”) into waste and pollution far too quickly to sustain itself. The evidence suggests we need to slow down, and, in some cases at least, reverse course by reducing population, consumption, and waste. **Richard Heinberg, "[https://richardheinberg.com/museletter-363-polycrisis-unraveling-simplification-or-collapse Polycrisis, Unraveling, Simplification, or Collapse]". Republished in ''[https://www.resilience.org/stories/2023-06-15/polycrisis-unraveling-simplification-or-collapse-coming-soon-to-a-planet-near-you/ Resilience]'' (June 15, 2023). *Depleting and climate-changing coal, oil, and natural gas have brought about dramatic human population growth, along with immense profits and unprecedented wealth (for the few). But all of these presumed and probably transitory benefits have been based on depleting natural resources, and on processes that are perilously changing the climate and degrading ecosystems across the planet. Every time we pick up a gasoline-powered machine we are viscerally linked to that chain of ersatz benefits and spiraling impacts. **Richard Heinberg, "[https://richardheinberg.com/museletter-368-the-gasoline-powered-leaf-blower-as-a-metaphor-for-industrial-society The Gasoline-Powered Leaf Blower as a Metaphor for Industrial Society]", republished in ''[https://www.resilience.org/stories/2023-11-01/the-gasoline-powered-leaf-blower-as-a-metaphor-for-industrial-society Resilience]'' (November 1, 2023). *Of course, we also have to think about the role of population going forward. The more the global population grows, the more difficult this challenge will be. As we approach this question, it's crucial—as always—that we focus on underlying structural drivers. Many women around the world do not have control over their bodies and the number of children they have. Even in liberal nations, women come under heavy social pressure to reproduce, often to the point where those who choose to have fewer or no children are interrogated and stigmatised. Poverty exacerbates these problems... And of course capitalism itself creates pressures for population growth: more people means more labour, cheaper labour, and more consumers. These pressures filter into our culture, and even into national policy: countries like France and Japan are offering incentives to get women to have more children, to keep their economies growing. **[[Jason Hickel]], ''Less is More: How Degrowth Will Save the World'', 2021, pp. 110-111 * No one lives within a day’s walk of a coal mine, an iron ore source, and a smelter that can operate without a source of electricity, plus food. The old smelters didn’t use electricity to drive the huge motors moving heavy hot metal and slag around. The first smelters were close to coal and iron ore sources, but we used them up; they no longer exist close to each other.<br>In the year 1500, we had a world population of around 450 million and grew massively over the next 250 years to the start of the industrial revolution by increasingly using the resources of the ‘new world’. We’ve been on an upward trajectory ever since, especially since around 1800 when fossil energy came into use.<br>People just don’t understand our extreme (and still growing) overpopulation problem given the imminent decline of oil, and especially diesel. Assuming “we’ll downsize this” or “relocalize that” ignores the fact that once oil supply shifts to contraction, the declines will be permanent year after year, and with diesel shortages the ability to build anything new all but disappears.<br>It will be a sad sight with suffering everywhere and increasing year after year. Survivors will have to be hard people, protecting and providing for their own, at the exclusion of others.<br>Everyone should look around their home and imagine it without the oil used to produce and deliver everything in it, because that’s the world of the future, with old decaying cold buildings and no food in cities. ** Hideaway (pseudonym for Helen Hasan), "[https://un-denial.com/2024/09/14/by-kira-hideaway-on-relocalization/ On Relocalization]". ''Un-Denial'', September 14, 2024. * Using all available resources to expand its population is what every species that’s ever existed has always done until some limit is reached. Consider a mouse plague, enabled by human agricultural practices, with its huge population until the next frost or the grain is eaten, then a massive die-off in a short time. ** Ibid. * We have over 8 billion humans on the planet, and 99.99% of them have no idea modernity is going to end abruptly, and when it does so will destroy the plans of the [few who] did see it coming and tried to prepare in some way. ** Ibid. * One might think Humanity’s success is guaranteed, except for a few things: First, the increasing scarcity of oil, coal, and natural gas suddenly threatens to remove the punch bowl from which Humanity has been feeding. Second, the carrying capacity of the Earth is far less than 8 billion humans unless we continue to supplement with increasingly scarce resources. And, last, our centuries-long party has now broken the Earth in ways Humanity cannot repair. ** Preston Howard, "[https://un-denial.com/2023/09/28/by-preston-howard-the-maximum-power-principle-and-why-it-underscores-the-certainty-of-human-extinction-in-the-near-future/ The Maximum Power Principle and Why It Underscores the Certainty of Human Extinction in the Near Future]." ''Un-Denial'' (September 28, 2023) * Is the proxy war in Ukraine turning out to be only a lead-up to something larger, involving world famine and a foreign-exchange crisis for food- and oil-deficit countries?<BR>U.S. Cold War strategy is not alone in thinking how to benefit from provoking a famine, oil and balance-of-payments crisis. [[w:Klaus Schwab|Klaus Schwab]]’s World Economic Forum worries that the world is overpopulated—at least with the “wrong kind” of people. '''As Microsoft philanthropist... Bill Gates has explained: “Population growth in Africa is a challenge.” His lobbying foundation’s 2018 “Goalkeepers” report warned: “According to U.N. data, Africa is expected to account for more than half of the world’s population growth between 2015 and 2050. Its population is projected to double by 2050,”''' with “more than 40 percent of world’s extremely poor people... in just two countries: Democratic Republic of the Congo and Nigeria.” Gates advocates cutting this projected population increase by 30 percent by improving access to birth control and expanding education to “enable more girls and women to stay in school longer, have children later.” But how can that be afforded with this summer’s looming food and oil squeeze on government budgets? ** [[Michael Hudson (economist)|Michael Hudson]], [https://michael-hudson.com/2022/06/is-us-nato-with-wef-help-pushing-for-a-global-south-famine/ Is US/NATO (with WEF help) pushing for a Global South famine?] (6 June 2022) === K === * Perhaps the most ambiguous of these [technological] achievements [of the [[Industrial Revolution|industrial age]]] is the one that began in mid-nineteenth century with improvements in public health, vaccinations, and antibiotics. These methods of death control emerged too rapidly to be offset by methods of birth control and populations exploded. Again, who can speak against this from within the old paradigm? In fact, it is only from the newer ecological paradigm that we are able to recognize that all this marvelous technology has... likely led the human population to overshoot the carrying capacity of the earth. Even from this perspective many of us would... want to save lives now in hopes that somehow there will be enough resources for those who come after us. In less complex animal populations, an overshoot leads to a crash, or die-off. Can humans somehow circumvent this conclusion without relying on further damaging drawdown strategies? … a basic change in our technologies, and acceptance of a steady state in economics reinforced by a compatible spiritual orientation, may at least mitigate human suffering and loss. ** Maynard Kaufman, ''Adapting to the end of oil'', 2008, p. 29. * Unlike plagues of the dark ages or contemporary diseases we do not yet understand, the modern plague of overpopulation is soluble by means we have discovered and with resources we possess. What is lacking is not sufficient knowledge of the solution but universal consciousness of the gravity of the problem and education of the billions who are its victims. ** [[মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র]], acceptance speech, Margaret Sanger award in human rights 1966; Lamont Hempil ''Sustainable communities''. * We have learned a lot in the 50 years since "{{W|The Population Bomb}}" was published. We should not shy away from discussing what actions are ethically permissible to facilitate a stable level of population growth, nor should we leave this discussion in the hands of the affluent. The conversation about ethics, population, and reproduction needs to shift from the perspective of white donor countries to the places and people most affected by poverty, climate change and environmental degradation. ** {{W|Frances Kissling}}, Jotham Musinguzi and [[Peter Singer]], "[https://www.washingtonpost.com/opinions/talking-about-overpopulation-is-still-taboo-that-has-to-change/2018/06/18/ca7c1838-6e6f-11e8-afd5-778aca903bbe_story.html Talking about overpopulation is still taboo. That has to change]". ''{{W|The Washington Post}}''. June 18, 2018. * All we can say now is, that, even now, 600 persons could easily live on a square mile; and that … 1,000 human beings—not idlers—living on 1,000 acres could easily, without … overwork, obtain … a luxurious vegetable and animal food, as well as the flax, wool, silk and hides necessary for their clothing. As to what may be obtained under still more perfect methods—also known but not yet tested on a large scale—is better to abstain from any forecast: so unexpected are the recent achievements of intensive culture. We thus see that the over-population fallacy does not stand the very first attempt at submitting it to a closer examination. ** [[Peter Kropotkin]], ''[[Peter Kropotkin#Fields, Factories and Workshops_(1899)|Fields, Factories and Workshops]]'' (1899) * It has been estimated that the world human population stood at about one billion around the early 1800s, which was roughly about when the industrial adventure began to gain traction. It has been inferred from this that a billion people is about the limit that the planet Earth can support when it is run on a nonindustrial basis. World population is now past six and a half billion, having more than doubled since my childhood in the 1950s. The mid-twentieth century was a time of rising anxiety over the “population explosion.” The marvelous technological victory over food shortages, including the “green revolution” in crop yields, accelerated that already robust leap in world population that had begun with modernity. Dramatic improvements in sanitation and medicine extended lives. Industry sopped up expanding populations and reassigned them from rural lands to work in the burgeoning cities. The perceived ability of the world to accommodate these newcomers and latecomers in a wholly new disposition of social and economic arrangements seemed [to] be the final nail in the coffin of [[Thomas Robert Malthus]]… ** [[James Howard Kunstler|James H. Kunstler]], ''{{W|The Long Emergency}}'', Chapter 1: "Sleepwalking into the future", pp. 5–6. * Malthus was certainly correct [that demand will outstrip supply], but... [hydrocarbons] ...skewed the [supply-demand] equation over the past [two] hundred years while the human race has enjoyed an unprecedented orgy of [a fraction of] nonrenewable condensed solar energy accumulated over eons of prehistory. The “green revolution” in boosting crop yields was minimally about scientific innovation in crop genetics and mostly about dumping massive amounts of fertilizers and pesticides made... of ...[petroleum] onto crops, as well as employing irrigation at a fantastic scale made possible by abundant oil and gas. The cheap oil age created an artificial bubble of plen[t]itude for a period not much longer than a human lifetime, a hundred years. Within that comfortable bubble, the idea took hold that only grouches, spoilsports, and godless maniacs considered population hypergrowth a problem [with a direct solution], and that to even raise the issue was indecent. ...As oil ceases to be cheap and the world reserves arc toward depletion, we will indeed suddenly be left with an enormous surplus population... that the ecology of the earth will not support. No political program of birth control will avail. The people are already here. The journey back to non-oil population homeostasis will not be pretty. '''We will discover the hard way that population hypergrowth was simply a side effect of the oil age.''' It was [more of] a condition [without a remedy], not a problem with a [direct] solution. That is what happened, and we are stuck with it. ** Ibid., p. 8. * '''Cheap oil had allowed populations to explode in precisely those parts of the world that had had, for millennia, a high infant mortality rate and modest life expectancy.''' Cheap oil was behind the "green revolution" that increased the food supply in the nonindustrial world. Oil was also behind many of the medicines and preventives that had neutralized… diseases. Now, suddenly, most of those children… survived, grew up, and produced more children who survived and grew up, and over… the twentieth century, the global populations hurtled into extreme numerical overshoot. Populations were, in effect, eating oil, notably in [the form of] food exports from the United States, where agribusiness had completely taken over from agriculture. Local farmers in Africa, Asia, or South America couldn’t compete with corporate Archer Daniels Midland’s oil-and-gas-based grain crops and U.S. government subsidies. ** James H. Kunstler, ''The Long Emergency'' (2005), Chapter 6: "Running on fumes : the hallucinated economy" pp. 187–188. * Peak human population will surely lag … peak oil and peak mineral resources until these conditions express themselves as food shortages. This means that the human population will continue to rise for a while, even as we begin to encounter these … strict resource limits. It’s not possible to estimate how much the population will increase because the relationship between energy and mineral resources and food production is a very fragile equation, subject to any number of discontinuities. To these, add the complications of weather disasters arising from climate change, including drought, the spread of plant diseases, and so forth. This lagging further rise in [the] human population will only make the inevitable contraction more acute once food shortages begin. [Overpopulation] amounts to a human population overshoot … to the planet Earth’s ecology. We're putting a strain on everything the earth has to offer us. While the combination of peak stuff and [too many] billion humans is forcing the issue, ...the truth is that '''circumstances will now determine what happens, not policies or personalities.''' … Population overshoot is therefore unlikely to yield to management. Rather, the usual suspects will enter the scene and do their thing: starvation, disease, … violence … [and] death. ** James H. Kunstler, ''Too Much Magic'', Chapter 1: "Where We're At", p. 10. === L === *Fossil fuels’ biggest impact on the agricultural sector stems from the use of natural gas in industrial fertilizer production. Industrial fertilizer was first mass-produced in 1914 using what came to be known as the {{W|Haber-Bosch process}}. This invention enabled the {{W|Green Revolution}}, a boom in agricultural production that took place in the latter half of the 20th century, starting in Mexico and India. From 1961 to 2010, cereal yields per acre increased by 217 percent in Mexico and 183 percent in India. It is no coincidence that the human population has more than quadrupled since 1920.<br>We often attribute the Green Revolution to the spread of high-yielding crop varieties. Yet these varieties typically require industrial fertilizer application. The Haber-Bosch method, combined with mechanization and pesticides derived from fossil fuels, [has] represented a massive and unsustainable injection of fossil fuels into our food system. Today, the production of one food calorie in the United States requires 2.7 fossil fuel calories. **Helene Langlamet and Alix Underwood. “[https://steadystate.org/a-trophic-perspective-on-fossil-fuels/ A Trophic Perspective on Fossil Fuels].” Center for the Advancement of the Steady State Economy, August 1, 2024. * Driven by the Anthropocene engine, human population has grown exponentially, and individual societies have approached collapse multiple times over the past 8,000 years. The disappearance of the Easter Island civilization and the collapse of the Mayan empire, for example, have been linked to the depletion of environmental resources as populations rose. The dramatic decline of the European population during the Black Death in the 1300s was a direct consequence of crowded and unsanitary living conditions that facilitated the spread of Yersenia pestis, or plague. ** Manfred Laubichler, [https://theconversation.com/8-billion-humans-how-population-growth-and-climate-change-are-connected-as-the-anthropocene-engine-transforms-the-planet-193075 8 billion humans: How population growth and climate change are connected as the ‘Anthropocene engine’ transforms the planet]. ''{{W|The Conversation (website)|The Conversation}}'', November 3, 2022. * In the 20th century we decisively broke our dependence on energy systems that were fed by the wind and sun and which we supplemented with human and animal muscle power. That leap was made possible by innovations that allowed us to extract, pump, use, and transform raw materials, particularly to unlock energy stored in coal and oil to make chemicals and plastics. That in turn allowed a massive expansion in population, lifespans, and economic growth. The rise of industrial capitalism from 1851 to 1971 went hand in hand with a surge in population, mainly in cities, provided with better food and public health. ** Charles Leadbeater, ''The Frugal Innovator'' (2014), p. 36. * On a global level, there is no threat to human survival greater than that posed by world overpopulation—paradoxical though that may seem—and it is abundantly clear that consensus decision making is ineffective for dealing with that. Some kind of “solution” is nonetheless unavoidable, and is certain to be ugly. To say that there is no visible world leadership on that transcendental question is to understate the case. Optimists on the population problem don’t measure progress in terms of a decrease in population, or even a decrease in the rate of increase, but in terms of a decrease in the rate of increase of the rate of increase. ** [[Harold Lewis]], ''Why Flip a Coin?'' (1997), <small> {{আইএসবিএন|0-471-16597-2}}, </small> pp. 98-99 * The human population will continue to increase until it can’t. When it can no longer increase, it will crash. Our extreme efforts to focus our minds elsewhere are symptoms of a desperate attempt to find solid footing, to believe in a future that will not vanish. Mankind has had a storied existence on Earth. Our thirst for knowledge and innovation has provided comfort and security. However, it is becoming increasingly evident that our remarkable progress has become our worst enemy. We know our planet is finite. Images of Earth from space make it plain for all to see. However, people routinely ignore this verifiable certainty in all aspects of their lives, treating the world as [if it were] infinite. Modern-day human activities are not only wiping out ecosystems and biodiversity but [also] plundering the clean air, water, and topsoil that helped bring about our tenure on the planet. Entire ecosystems have vanished, including the tallgrass prairie in North America, Madagascar’s rainforests, and the Aral Sea in Asia. '''We use Earth’s natural resources like a bunch of drunks on the greatest bender of all time.''' Human consumption is negatively modifying the planet and permanently damaging the biological systems upon which our continued existence depends. The deterioration of our ecosphere has been exponentially accelerating for at least 100,000 years. As technological advances improve our lives, humanity becomes increasingly detached from its environment and the natural resources allowing us to persist. People now have a much closer affinity with iPhones, Amazon, online shopping, restaurants and bars, Netflix, beauty salons, and sporting events than forests, grasslands, marshes, and oceans. Few now understand our existence on Earth is entirely dependent upon photosynthesis. Instead, they believe their survival is contingent on parents, doctors, farmers, governments, bankers, police, and other players in society. It’s not that those institutions, people, and specialties aren’t important, but they represent the retailers. Photosynthesis is the wholesaler. There is a supply chain disruption occurring on a massive scale in our relationship with the planet. The ancient forests and grasslands that provided the planet with free oxygen in the air and sequestered carbon dioxide, making it habitable for humans and other complex life, are nearly gone. For most people, the natural resources that support their existence and lifestyle might as well be from a distant galaxy. This extreme disconnect has resulted in people losing their capacity to understand the dire circumstances facing complex organisms on Earth, including themselves. The deafening alarm bells portending our extinction are routinely misunderstood or ignored. For those who perceive our state of crisis, there is a great deal of angst. Much of the frustration, anger, and sadness results from having unrealistic expectations of human beings. Despite our advanced technologies, the basic tenets of human behavior haven’t changed for centuries or millennia. Letting go of the false expectations that Homo sapiens can or will modify our behavior can bring us an element of peace. Expectations are incredibly powerful in structuring our moods and emotions. Identifying unrealistic expectations can reduce our chances of being disappointed and can increase happiness. A better understanding of our behavioral history can provide valuable insights into recognizing human capabilities and limitations. ** Lyle Lewis, ''Racing to Extinction'' (2024) * … as our population has grown, humans have been liquidating the planet’s natural resources for thousands of years. The effects of our current population on forests, grasslands, biodiversity, clean air, and water are catastrophic. Zero population growth means the planet would still be trying to support the current population, over 8 billion people. Humanity can no longer pay even the interest. We’ve already spent much of the planet’s clean air, water, and biodiversity with no mechanism for repayment. Zero population growth isn’t going to happen. We can’t curb our evolutionarily programmed need to grow and reproduce any more than we can stop the sun from rising. Like all populations of organisms on the planet, the number of humans will continue to increase until it’s no longer possible. When that day happens, Earth will be a truly inhospitable place. ** Lyle Lewis, ''Racing to Extinction: Why Humanity Will Soon Vanish'' (2024), Chapter 5. * In 1968, with the release of their book ''The Population Bomb'', [[Paul R. Ehrlich|Paul]] and Anne Ehrlich were among the first to identify the most significant factor that will precipitate the collapse of humanity. Their book inspired an environmentalist fad in the 1970s. The premise for the book was gradually rationalized away by most as the work of lunatics. It was listed by the Intercollegiate Review as one of the 50 worst books of the 20th century. In the Human Events list of the “Ten Most Harmful Books of the Nineteenth and Twentieth Centuries,” it garnered an 11th-place honorable mention. Since that time, the global population has more than doubled. During those five decades, humanity has identified six types of quarks, developed the modern internet, eradicated smallpox, decoded the human genome, and developed vaccines for Ebola and COVID-19. Despite all our new technologies and discoveries, the most basic concept of rapid human growth inside a finite system—our planet—leading to collapse is a concept too difficult for our greatest minds to reconcile. Humanity’s carefully calibrated psychological filters go into overdrive to prevent this simple mathematical postulate from entering our psyche. As seemingly prescient as the Ehrlichs were, our collision course with extinction was preordained long before their book was published in 1968. ** Lyle Lewis, ''Racing to Extinction: Why Humanity Will Soon Vanish'' (2024), Chapter 9. * Population growth vanished from the agendas of mainstream environmental organizations that previously regarded escalating numbers as a major environmental threat. These groups were primarily shackled by their fear of alienating donors, ultimately selling their purpose and integrity for money. Criticism from progressive and conservative interests claiming that overpopulation is a myth further incentivized these groups to pretend the rising global population wasn’t a factor in planetary degradation. ** Lyle Lewis, ''Racing to Extinction: Why Humanity Will Soon Vanish'' (2024), Chapter 9. * Those who defend the belief that overpopulation isn’t at the core of every environmental problem are not unique. Every myth presents itself as an authoritative, factual account, no matter how much the topic varies from natural law or ordinary experience. There is a long, bloody history of ''Homo sapiens'' defending myths against those who might either question their veracity or have a competing myth. It has resulted in the deaths of millions of people [and other animals] since the dawn of the Agricultural Revolution. As a result of ignoring the obvious reality, newborns are effectively positioned as moneymaking machines. The former prime minister of Japan suggested that women who bore no children should be barred from receiving pensions. In most countries, those who choose not to have children are required to pay for those who do through taxes. In this campaign for more babies, childbearing is reduced to a means for economic growth. Even though overpopulation, natural resource extraction, and environmental degradation are clearly linked, the needs of the economic market trump the needs of the planet. Children are nothing more than moneymakers in the eyes of politicians, forever blind to the moral, environmental, or humanitarian consequences of their policies. Market thinking has obliterated moral thinking on a grand scale. After all, if the West doesn’t produce more children, it can’t produce the wealth needed to look after parents when they retire. No social animal is ever guided by the interests of the entire species to which it belongs. No pika cares about the interests of the pika species; no northern spotted owl will lift a feather for the global northern spotted owl community; no wolf alpha male makes a bid for becoming the king of all wolves. Likewise, few humans care about the interests of ''Homo sapiens''. People only care about themselves and those who directly affect their lives. ** Lyle Lewis, ''Racing to Extinction: Why Humanity Will Soon Vanish'' (2024), Chapter 9. * Humanity has moved past the point where future generations are an issue. If there are any, they will be few in number. Ignoring the inevitable is something all species do. Humans are no different than bacteria in a Petri dish or a mountain pine beetle in a climate-stressed lodgepole pine forest. All available resources are utilized to grow and reproduce until the inevitable collapse. We’re traveling down the same path as all species that have gone through exponential increases. The only difference is ''Homo sapiens'' is doing it on a grander scale. The Herculean ability to ignore the greatest threat to our existence would be comical if not for the rapidly approaching consequential conclusion to our existence. ** Lyle Lewis, ''Racing to Extinction: Why Humanity Will Soon Vanish'' (2024), Chapter 9. * Economic and political instability will continue to increase as food and water supplies are impacted in more areas on the planet by pollution, drought, flooding, and other extreme weather events. However, while the focus is almost entirely on the supply side of the economic equation, the demand side may be the bigger issue. The planet is currently adding an additional 80 million mouths to feed each year, 4.5 times more people than the entire population of Syria. As the chasm between uncertain supplies and increasing demand widens, the social and biological implications for humanity are both unpredictable and alarming. ** Lyle Lewis, ''Racing to Extinction: Why Humanity Will Soon Vanish'' (2024), Chapter 9. * Many people, including environmentalists, often avoid linking the multitude of environmental problems to overpopulation. Some believe that a global shift to veganism could support the current population and more. Others attribute the crisis to various factors [that] are frequently cited as primary contributors to the ongoing environmental crisis, overshadowing the impact of population growth. ** Lyle Lewis, "The Locust Theory" (November 16, 2024) * [There's an] excessive number of humans who [want to] live a lifestyle that promotes equality, along with [others] being minimalist and/or vegan... [and] similar overpopulation by other organisms is considered a plague. ** Ibid. * Our emphasis [on] science has resulted in alarming rises in world populations that demand an ever-increasing emphasis [on] science to improve their standards and maintain their vigor. ** [[Charles Lindbergh]], ''The Wisdom of Wilderness'', ''{{W|Life (magazine)|LIFE}}'', December 22, 1967. * It is still the case that the worst enemies of life are, on the one hand, an excess of life (human life, in particular) and, on the other, the legislation and structure of societies based on {{W|market economy}}. The sturdier a society, the more peaceful it is; the more efficient {{W|economic growth}} (i.e., the ransacking of natural resources), the quicker {{W|Biodiversity loss|other forms of life will step aside}}. Everything that upsets the established order of society, causing chaos and panic, gives time to nature and, ultimately, humans too. ** [[Pentti Linkola]], ''Can Life Prevail?: A Revolutionary Approach to the Environmental Crisis.'' p. 166 === M === * Population, when unchecked, increases in a geometrical ratio, Subsistence, increases only in an arithmetical ratio. ** [[Thomas Robert Malthus]], ''An Essay on the Principle of Population'' (1798), Chapter I, paragraph 18, lines 1-2 * The power of population is so superior to the power in the earth to produce subsistence for man, that premature death must in some shape or other visit the human race. **Thomas Robert Malthus, ''An Essay on the Principle of Population'' (1798), Chapter VII, paragraph 20, lines 2-4 * What has caused the recent super-exponential rise in world population? Before the industrial revolution both fertility and mortality were comparatively high and irregular. The birth rate generally exceeded the death rate only slightly, and population grew exponentially, but at a very slow and uneven rate. In 1650 the average lifetime of most populations in the world was only about 30 years. Since then, [hu]mankind has developed many practices that have had profound effects on the population growth system, especially on mortality rates. With the spread of modern medicine, public health techniques, and new methods of growing and distributing foods, death rates have fallen around the world. […] On a world average the gain around the positive feedback loop (fertility) has decreased only slightly while the gain around the negative feedback loop (mortality) is decreasing. The result is an increasing dominance of the positive feedback loop and the sharp exponential rise in population […]. **Dennis Meadows et al. ''The Limits to Growth'' (1972), Chapter 1: "The Nature of Exponential Growth." * H. sapiens took around 250,000 years to reach a global population of 1 billion in 1820, and just over 200 years to go from 1 billion to 8 billion. This was largely made possible by our species’ access to cheap, easy, exosomatic energy, mainly fossil fuels. Fossil fuels enabled us to reduce negative feedback (e.g. food shortages) and thus delay and evade the consequences of surpassing natural limits. In that same 200 year period, fossil energy (FF) use increased 1300-fold, fueling a 100-fold increase in real gross world product, i.e. consumption, and the human enterprise is still expanding exponentially. ** Joseph J. Merz et al., "[https://journals.sagepub.com/doi/10.1177/00368504231201372 World scientists’ warning: The behavioural crisis driving ecological overshoot]". ''Science Progress'' Volume 106, No. 3 (2023) * There is no way we could keep going as we have been. The increase in human population in the 1990s has exceeded the total population in 1600. The population has grown more since 1950 than it did during the previous four million years. The reasons for our recent rapid growth are pretty clear. Although the Industrial Revolution speeded historical growth rates considerably, it was really the public health revolution, and its spread to the Third World at the end of the Second World War, that set us galloping. Vaccines and antibiotics came all at once, and right behind came population. In Sri Lanka in the late 1940s life expectancy was rising at least a year every twelve months. How much difference did this make? Consider the United States: if people died throughout this century at the same rate as they did at its beginning, America's population would be 140 million, not 270 million. ** [[Bill McKibben]], "[https://www.theatlantic.com/magazine/archive/1998/05/a-special-moment-in-history/377106/ A Special Moment in History]", ''The Atlantic'', May 1998. * The Earth's population is plagued by famines, energy shortages, epidemics, environmental pollution, degeneration, terrorism, dictatorship, anarchism, slavery, excessive increase of waste materials, racial hatred, food shortages, destruction of rain forests, the "greenhouse effect", pollution of lakes, streams and oceans, hatred towards asylum-seekers; radioactive emissions, chemical pollution of water, air, plants, food, human beings and animals. Crime, murder, mass murders, manslaughter; alcoholism, hatred of strangers, oppression, hatred of one's fellowman, extremism, sectarianism, drug addiction, overpopulation, annihilation of animal species, war, violence, torture and capital punishment, general mismanagement, water contamination, eradication of plant species; hatred, vice, jealousy, lovelessness, lack of logic, false humanitarianism, lack of housing, increased traffic, destruction of arable land, unemployment, the collapse of health care, the collapse of care for the elderly, destruction of nature, the collapse of solid waste removal, and the lack of living space, among others. In spite of the many efforts, '''mankind's problems are not decreasing but, instead, continue to rise steadily in direct proportion to population increases.''' ** {{W|Eduard Albert Meier}}, "[http://www.futureofmankind.co.uk/Billy_Meier/Overpopulation_Crusade A Crusade Against Overpopulation]," on ''futureofmankind.co.uk.'' * … technology use harnesses far more energy and materials than we could ever manage without it, and while doing so may make our lives much easier and more comfortable, it comes at the cost of increasing ecological overshoot. As we increase overshoot, we concomitantly increase all the symptom predicaments that overshoot causes. Technology use also has another nasty side effect. It reduces and/or eliminates negative feedbacks which once kept our numbers in check. Many diseases we once suffered from like smallpox, measles, whooping cough, tetanus, etc. have been temporarily eliminated by the technological development of vaccines. Our medical industry has also wiped out many other diseases through proper sanitation, use of antiseptics, anesthetics (allowing surgeries to correct most internal ailments), antibiotics, antifungals, and antivirals to kill or prevent many diseases, and many other innovations that allow us to live better, more comfortable lives. The development of indoor plumbing, electrical systems, heating and air conditioning systems, insulation, refrigerators and freezers, and cooking devices all allow us to accomplish daily tasks either much easier or provide more comfort to us by regulating temperature and humidity levels in our living spaces. Therefore, technology use reduces or removes negative feedback thereby promoting population growth which also promotes technology growth. However, in terms of reducing overshoot (and symptom predicaments such as climate change, energy and resource decline, pollution loading, and biodiversity decline), technology use is '''''maladaptive'''''. This will become painfully clear as time moves forward when more or different technology does not actually solve overshoot. [[Population decline]] is what will actually work to reduce overshoot, caused by the failure of our agricultural systems, increased disease caused by antimicrobial resistance and new viruses emerging, and increased failures of infrastructural systems caused by extreme weather events. Reduced technology use will be facilitated by this mechanism, and ALL species wind up experiencing die-off whether they use technology or not. ** Erik Michaels, "[https://problemspredicamentsandtechnology.blogspot.com/2023/07/how-did-we-get-here.html How Did We Get Here?]" (July 19, 2023). * Most non-domesticated life on earth is in decline and about 200 species a day are going extinct due to a wide range of environmental problems. Many humans are at risk of being harmed or killed by related problems this century.<br>All of the many problems are caused by the same thing: humans have used non-renewable energy to explode their population from 1 billion to 7 billion in 100 years, and now consume so large a share of the earth’s resources that almost all non-domesticated species are in decline. ** Rob Mielcarski, "[https://un-denial.com/2016/03/25/overpopulation-denial/ Overpopulation Denial]." ''Un-Denial'' (March 25, 2016). * We’re in serious trouble. Many red lights are flashing on the dashboard.<br>Most people are now aware that something is seriously wrong, and each has their favorite lens through which to view the problems… The common denominator to all of these problems is overshoot. Very few people are able to see through the lens of overshoot because overshoot is a very unpleasant topic with no painless solutions and no way to avoid its consequences, and because humans evolved to deny unpleasant realities like overshoot. ** Rob Mielcarski, "[https://un-denial.com/2025/06/06/what-should-can-could-will-we-do/ What… Will We Do?]." ''Un-Denial'' (June 6, 2025). * Human numbers are rising at roughly 1.2% a year, while {{W|livestock}} numbers are rising at around 2.4% a year. By 2050 the world’s living systems will have to support about 120m tonnes of extra humans and 400m tonnes of extra farm animals. ** [[George Monbiot]], "[https://www.theguardian.com/commentisfree/2015/nov/19/population-crisis-farm-animals-laying-waste-to-planet There’s a population crisis all right. But probably not the one you think]". ''The Guardian''. November 19, 2015. * [[ফ্রান্সিস বেকন|Bacon]]ian science is at the root of the apocalypse. We have been blessed by advances in medicine, agriculture and engineering. Science has done exactly what we asked of it and now we are set for annihilation. If European science had petered out after the discoveries of the seventeenth century, we would be less numerous and [the] Earth would not be [[global warming|warming]]. ** Nicholas Money. ''The Selfish Ape'' (2019), Chapter 9: "Greenhouse" * This moment is special because we have dramatically built up our population, technology, science, medicine, and democratic institutions as a direct result of vast amounts of surplus energy stemming from a one-time resource. The fossil fuel experience has made us '''dangerously confident''' about our cleverness and dominance over nature. What makes this century special, then, is that we will have to cope with a diminishing supply rate of the resource that has been of paramount importance to our high-tech existence. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2011/10/sustainable-means-bunkty-to-me/ Sustainable means "bunkty" to me]." ''Do the Math'', University of California, San Diego. October 5, 2011. * Humans collectively must ultimately face the uncomfortable question of whether Earth’s natural systems can support 8 billion or more people at a modern standard of living. Since the resource footprint of a U.S. citizen is at least four times that of the global average, the key question is whether the planet can support an increase in material throughput four times higher than present when the strain is apparent already. As noble as it may be to wish [for] a modern living standard for an eventual ten billion or more people, it is likely that committing to such a course could result in more human suffering than would transpire under the adoption of more modest goals. The responsible path is to reduce global resource dependencies and abandon the imperative for growth starting now. ** Thomas W. Murphy, David J.R. Murphy, Thomas F. Love, Melody LeHew and Ben McCall (2021). "[[doi:10.1016/j.erss.2021.102239|Modernity is incompatible with planetary limits: Developing a PLAN for the future]]." ''Energy Research & Social Science'', 81, 102239. * Even something as seemingly altruistic as health care selfishly focuses on human health, to the exclusion and often direct detriment of ecosystem health. Are we really doing ourselves favors in the long term by making the destructive human enterprise healthier, more populous, longer-living, and therefore better able to carry out its damaging activities? If this sounds abhorrently anti-human, it’s because the human enterprise is currently relentlessly anti-planet. Anything that is anti-planet will dismantle ecosystems that serve as critical life support for humans, spelling failure for the human enterprise. So it’s really the human enterprise that is anti-human by way of being anti-planet. […] The best way to assure long-term prosperity is to forge a non-human-centric partnership with nature that does not always put short-term human interests above those of non-human elements of nature. Even “good” activities like health care therefore miss the boat in terms of building a better tomorrow. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2021/05/to-what-end/ To What End?]". Do the Math, {{W|University of California, San Diego}}. May 4, 2021. * Since growth is an absurd short-lived anomaly, what about leveling out in population, resource use per capita, and adopting a steady-state economy? The problem here is that the rate at which we are depleting one-time resources today is unsustainable. We’re simply spending our bank account without paying attention to the balance and without any source of additional income. Most clearly, forests and wild spaces are down by a factor of two in the last 60 years and will be gone within 60 years at current rates of depletion. Before even getting to steady-state conditions, inevitable near-term increases in population together with sought-after increases in standards of living around the world spell an even shorter lifetime for critical habitats. Meanwhile, fisheries are failing in domino fashion; aquifers are being depleted at rates alarmingly higher than replacement; soils are degrading and arable land is lost; fertilizer depends on a finite resource; habitat loss is resulting in species extinctions far in excess of natural rates. Even the plunder of mineral resources in the seemingly infinite crust is getting harder, only a fleeting century or so into our spree. Sustaining present levels for even a few more centuries is a dubious (i.e., unsubstantiated) proposition. It is practically absurd to imagine sustaining present practices for 10,000 years. Humans simply have not yet demonstrated an ability to maintain a technological society without utter reliance on grossly unsustainable inheritance spending. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2021/05/why-worry-about-collapse/ Why Worry About Collapse?]." Do the Math, {{W|University of California, San Diego}}. May 18, 2021. * Earth has never in its history had to contend with 8 billion fire apes, intelligent enough to have leveraged power by exploiting and burning one-time resources. We now operate outside the bounds and protections of evolution: in breach of contract, without a map to success. What could possibly convince us that this fireworks show—which has not even come close to standing the test of time—can maintain anything like its current resource impact for the long haul? Humans have demonstrated convincingly that we can live in a primitive state for hundreds of thousands of years. Our present mode is a few-century flash, supported almost entirely by inheritance-spending. Arguing that we have found a new normal is a precarious position that I would not be eager to defend. Parties end. Fireworks shows end. Why would our flash be any different? It’s not just guesswork: what other outcome could result from rapid resource exploitation on a finite planet? ** Ibid. * We face unprecedented pressures on resources and on our environment, as human population and standard of living both surge on a finite planet. Nature will not allow this trend to continue indefinitely. ** Thomas W. Murphy, ''[https://escholarship.org/uc/item/9js5291m#section.18.5 Energy and Ambitions on a Finite Planet]'', p. 313 (2022) * Human population will not be allowed to grow [indefinitely]. Even small growth rates will step up pressure on natural resources, and Earth can only support so much, long-term. Independent of what the “right” number is, once settled, we will not be able to dial it up without imperiling the hard-won success. Even under steady human population, any increase in resource use per person will also not be compatible. In general, growth leads to a dead end: to failure. ** Ibid. p. 405 * As a jarring illustration of our tendency to value the human side over the prerequisite physical/ecological side, imagine that somehow we manage to emerge from the coming centuries having established a truly sustainable existence. All resources are renewed by nature at the rate of extraction for human needs; population is steady and at a level just tolerable to the planet in terms of indefinite support. Diverse ecosystems are left to thrive in their natural states. But imagine that we are still plagued by cancer and other maladies, so that life expectancy is, say, 90 years. Then what if a team of researchers hits on a cure for (most forms of) cancer? Hurray! At last! Unambiguously good, right? Well, not so fast. All other elements held the same, longer life spans translate to a higher population, putting additional resource burdens on the planet that it cannot handle in the long term. In order to adopt and implement the cure for cancer, we would have to either deliberately reduce population or lower the standard of living to accommodate the change. All other considerations of the complex society about economic impacts, equity of distribution, legal and political facets, or interaction with religious belief systems must take a back seat to the most fundamental and important question: is this change physically viable on this finite planet in the long term? ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2021/11/caught-up-in-complexity/ Caught Up in Complexity]". Do the Math, {{W|University of California, San Diego}}. November 30, 2021. * People tend to prefer the narrative that we, ourselves, are the superheroes, and that our superpowers are not from the fossil fuel suit, but are cognitive in nature. Yet we have the same neural hardware (if not slightly downsized) as our prehistoric ancestors. The main cognitive revolution happened about 70,000 years ago when humans started to believe in things that do not exist (like spirits or potential future gains) that allowed large-scale coordination and shared identity to outcompete evolution’s more biophysical tricks of sharp teeth/claws, speed, strength, camouflage, poison, or overwhelming numbers. Global spread of homo sapiens and megafauna extinctions quickly followed, and it is at this point that the human experiment began to smolder: something was off. About 10,000 years ago, agriculture started and the first visible flame ignited. About 300–400 years ago, the Enlightenment lit a fuse by developing a scientific approach to understanding the world. It was not long before the fuse found fossil fuels and we now witness the predictable explosion that ensued. The explosion is breathtakingly rapid on any meaningful timeline, only appearing in slow motion to the few generations experiencing the phenomenon and thus seeming “normal.” So we can trace some part of our current planetary dominance to human ingenuity, but perhaps the lion’s share actually is attributable to the energy bonanza—as suggested by the dramatic change in the pace of innovation before and after the fossil transition. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2022/06/shedding-our-fossil-fuel-suit/ Shedding Our Fossil Fuel Suit]". Do the Math, {{W|University of California, San Diego}}. June 21, 2022. * A plausible scenario for ecosystem collapse... is based on the fact that we currently support 8 billion people on a fossil-intense agricultural system. We have over-leveraged that finite resource to "borrow" millions of years of eco-services (photosynthetic energy) and now host a population that probably never could have existed in ecological equilibrium. Even if fossil fuels were not going away, it seems likely we would see continued erosion of the globe's ability to support this current unsustainable mode. We have already lost about half of the wild animal life in my lifetime: is that halfway to collapse? Take away the fossil fuels, and I imagine over-hunting and rapid deforestation will take an enormous toll on ecosystem health. ** Thomas W. Murphy's self-comment on "[https://dothemath.ucsd.edu/2022/07/the-ride-of-our-lives/ The Ride of Our Lives]". Do the Math, University of California, San Diego. July 12, 2022. *[It] is truly alarming from an ecological point of view: not only has the human population grown like gangbusters, but the level of affluence per person has soared by an even larger factor. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2022/09/death-by-hockey-sticks/ Death by Hockey Sticks]". Do the Math, University of California, San Diego. September 13, 2022. * The dream of eventually having 10 billion people living at [[American Dream|American standards]] completely ignores the glaring fact that we seem to be circling the drain even at today’s impact level (i.e., overshoot). How could we possibly entertain the factor-of-five increase in resource demand that would accompany a realization of “the dream?” It seems delusional… and likely to turn into a nightmare if pursued. **Ibid. * Human population is going up… We’re not exactly doing the planet (or ultimately ourselves) any favors presently. Will adding more humans that subscribe to our current cultural model somehow make the situation better? Will improving standards of living (thus increasing resource demand) mysteriously turn things around? It’s hard to see how—not without enacting a whole new model. **Ibid. * Increasing the standard of living of a growing population makes today’s ecological pressures look adorable. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2022/09/a-climate-love-story/ A Climate Love Story]". Do the Math, University of California, San Diego. September 20, 2022. * It is easy to get caught up in the heady whirlwinds of [[modernity]]. We have accomplished amazing feats in these past few centuries, and our extrapolative minds envision a continued acceleration. Given that our life span overlaps only a portion of the tale, it is easy to lose the context that our boom (the [[Industrial Revolution]] and what followed) is almost entirely due to fossil fuels. This energy surge in turn powered a surge in material access and economic activity (and human population) in what is perhaps fittingly described as a fireworks show. ** Ibid. * What did we do with our fossil fuel bonanza? We exploded population by revolutionizing agriculture [and health]. Now when fossil fuels inevitably (and soon?) decline, we’re left with an overhang that can no longer be supported. The resulting population decline will suddenly cast [[Thomas Robert Malthus|Malthus]] in a new light: oh what a starry-eyed soothe-sayer [sic]! When that day comes, […] realize that it’s no more tragic than the ant colony waning as it must. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2022/10/the-cult-of-civilization/ The Cult of Civilization]." Do the Math, {{W|University of California, San Diego}}. October 4, 2022. * Our fossil fuel bonanza has left our ecosystem in a perilous state. We have destroyed vast forests and habitats, polluted water and soil, kicked off a rapid climate trend that natural systems may not adapt to quickly enough, and basically overrun the planet. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2022/12/finite-feeding-frenzy/ Finite Feeding Frenzy]." Do the Math (December 5, 2022). * …fossil fuels allowed us to drastically overshoot the natural carrying capacity of the planet, and that bill will come due when the underlying resource inevitably dwindles. Sometimes simple is simply right. ** Ibid. * The human explosion has accelerated across the millennia, most recently reaching a fever pitch owing to the employment of fossil fuels—leveraging stored solar energy about a million times faster than it was created. The ensuing access to minerals and ability to transform landscapes has rapidly and radically altered our world within just a few human generations. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2023/08/call-me-ishmael/ Call Me, Ishmael!]." Do the Math, August 1, 2023. * In 1800, every human on the planet had a corresponding 80 kg of mammal mass in the wild. Wildland mammals outweighed humans in an 80:50 ratio. Today, each human on the planet can only point to 2.5 kg of wild mammal mass as their “own.” Let that sink in. You only have 2.5 kg (less than 6 pounds) of wild mammal out there somewhere. A single pet cat or dog generally weighs more. Not that long ago, it was more than you could carry. Now, it seems like hardly anything! I especially fear the implications for mammals should global food distribution be severely crippled. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2023/08/ecological-cliff-edge/ Ecological Cliff Edge]." Do the Math, August 18, 2023. * As if the Enlightenment was not enough, in quick succession we joined another enormous river. One could say that the process of science opened the door to fossil fuels, but science and fossil fuels might be best described as a dynamic duo. Fossil fuels gave us the power to advance our science-amplified degree of control to an entirely new level. Resources that had been previously inaccessible became available. It became far easier to clear land for agriculture and other uses. We learned to make fertilizer from methane, unleashing unprecedented agricultural surpluses that inevitably resulted in a human population overshoot. Fossil-fueled furnaces led to steel, concrete, and other materials on a massive scale, paving the way to megacities and global trade. Science itself was amplified by having access to fossil fuels, via a flood of new devices and capabilities invented with—and powered by—cheap energy. Advances in science and technology in turn allowed greater access to buried fossil energy. This positive feedback arrangement facilitated runaway expansion of the [human] enterprise, leading to a battery of hockey stick curves. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2023/08/our-time-on-the-river/ Our Time on the River]". Do the Math, August 22, 2023. * Energy has been fundamental to our story of growth. The various hockey stick curves over the last century or so are a reflection of energy and population. What’s more, human population itself is a reflection of energy, as mechanized, fertilized agriculture was made possible by fossil fuels. Since energy per capita has also increased like a hockey stick, the ecological impact (and many other metrics like GDP) takes on the shape of a super-exponential (still resembling a hockey stick on a logarithmic plot). ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2023/09/can-modernity-last/ Can Modernity Last?]" Do the Math, September 26, 2023. * We have used [fossil fuels] to expand the human enterprise and population, knock down forests, destroy and fragment habitats, drive extinctions, and generally threaten the vitality of the planet. [But] “solving” the energy problem as fossil fuels give out is pretty frightening: how would it not simply perpetuate the ecological nosedive we have initiated? Only if we put ecological concerns above energy do we stand any chance of survival. ** Ibid. * I acknowledge that cancer is a class of disease, and no universal cure is likely to emerge. But feel free to substitute any longstanding cause of death. […] In a sense, it is death that makes life special and worthy of celebration. […] What would a successful cure look like? Human lifespans would increase. All other things being equal, a reduced death rate means more humans on the planet, putting additional pressures on the entire community of life and further threatening the vitality of the planet—including humans, to be clear. Moreover, access to the cure would almost certainly be more available to the affluent half, who are already heavy users of resources and thus cause outsized harm to the planet. So a cure to cancer would serve to boost ecological destruction, in practice. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2023/10/are-we-lucky/ Are We Lucky?]" Do the Math, October 3, 2023. * Truly, the end of modernity will probably be brutal for most of the 8 billion people on the planet, who will cling to what they know and fail to adapt. But even if they were mentally ready, the Earth is not ready to support 8 billion humans without a massive fossil subsidy, so human population will likely fall a lot in hard times. ** Thomas W. Murphy's self-comment on "[https://www.resilience.org/stories/2023-09-27/can-modernity-last/ Can Modernity Last?]". ''Resilience''. September 30, 2023. * Compared to biologically relevant timescales, the human explosion commenced just “yesterday” when grain agriculture began taking root... set[ting] the stage for planet-crushing present-day human populations in a time that is still contextually short. Each “improvement” like cities and technology only accelerated the rapidity of the unsustainable ascent. Mounting ecological damage was part and parcel of this expansionist story long before cars, planes, and smartphones arrived—like two sides of a coin. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2024/02/unsustainable-goose-chases/ Unsustainable Goose Chases]". ''Do the Math'', February 27, 2024. * Humans are voracious (big brains to feed and a lot of un-furry surface area to keep warm), and therefore are ecologically expensive. If the Earth tightens its belt, [one should]n’t assume that humans will fare well. We are summer children borne of “good” times, where “good” translates to “biodiverse.” Cleverness is no guarantee against starvation, as countless clever humans who have starved can’t tell [us]. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2024/04/post-modernity/ Post-Modernity]". ''Do the Math'', April 9, 2024. * [Our] success [in eliminating hunger and inequity] inevitably grows the population, scaling up the current tension... to planetary limits... [and] curing all diseases and achieving effective immortality would be ecologically disastrous! ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2024/05/whats-the-point/ What's the point?]" ''Do the Math'', May 14, 2024. * Since the current low levels of mortality go hand-in-hand with ecological devastation and a doomed modernity, their embrace is itself a problem… ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2024/05/watching-population-bomb/ Watching population bomb]". ''Do the Math'', May 28, 2024. * The Green Revolution transformed agriculture by inserting fossil fuels at every turn. Fertilizer came from natural gas. Diesel allowed large-scale mechanization of plowing, planting, harvesting, processing, and transporting large amounts of food. Petrochemical pesticides smote economically worthless (but ecologically invaluable) products of evolution into the foul dust. We fed a growing human population, now 8 billion strong. It boils down to a diet of fossil fuels: again, temporary. ** Thomas W. Murphy, ''Metastatic Modernity''. Episode 9: "[https://dothemath.ucsd.edu/2024/07/mm-9-recipe-for-disaster/#more-8348 Recipe for Disaster]". ''Do the Math'', July 30, 2024. * To those who resist the notion that increasing food production also means increasing human population, consider this. In 1950, the global population stood at about 2.5 billion people. The Green Revolution was about to explode into global agriculture, substantially increasing crop yields on the back of profligate fossil fuel inputs (for fertilizer, mechanization, energy for irrigation, transport, processing, etc.). Let’s say this tsunami of energy and technology had not arrived on the agricultural scene, and that moreover a global edict (“magically” followed) held annual food production at the 1950 level thereafter.<br>Would we have 8 billion people today? Impossible. We would still have 2.5 billion, correct? In 1950, the world produced enough food for 2.5 billion people, so that same amount of annual food would sustain 2.5 billion people today…or perhaps 2 billion taller, heavier people; or 3 billion people with more equitable, modest distribution and less waste. But you get the point: hold the food supply steady and you essentially hold the population below some cap. Inarguable. Those additional 5.5 billion people were made possible by a technological wave of food increase. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2025/06/food-makes-babies/ Food Makes Babies]." ''Do the Math'', June 10, 2025. * [Eight] billion humans are driving a sixth mass extinction, which leaves no room for even 10 humans if fully realized, let alone 10¹⁰. ** Thomas W. Murphy, “[https://dothemath.ucsd.edu/2025/09/8-billion-will-die/ 8 Billion Will Die],” ''Do the Math'' (September 23, 2025) *Maintaining 8 billion human people on Earth [without fossil fuels] is no more possible than invading space. It’s not an actual, realizable choice—beyond transitory and costly stunt demonstrations. **Ibid. === N === * How we live and consume matters just as much as the growing density of our numbers combined with the proliferation of our machines that devour energy on our behalf. (Roads and cell phones all consume energy and materials too.) All three demographic issues are increasing at unsustainable rates and feed each other to propel more economic growth, more emissions and more fragility. The world’s current population is 7.9 billion and grows by 80 million a year. It has slowed down in recent years because the affluent don’t need the energy of children as much as the poor. Even so civilization will add another billion to the planet every dozen years. Redistributing energy wealth (and emissions) from the rich to the poor will not avert disaster if human populations don’t overall decline. Our numbers also reflect a demographic anomaly that began with fossil fuels, a cheap energy source that served as Viagra for the species. Prior to our discovery of fossil fuels, the population of the planet never exceeded one billion. Our excessive numbers are purely a temporary artifact of cheap energy spending and all that it entails — everything from fertilizer to modern medicine. ** Andrew Nikiforuk, "[https://thetyee.ca/Analysis/2021/12/06/Andrew-Nikiforuk-Getting-Real-About-Our-Crises/ Getting Real about Our Crises]." ''The Tyee'', December 6, 2021. ===O=== * In recent decades, support for family planning has waned, and global fertility decline has decelerated as a result. Projections calibrated across the decades of strong family planning support have not acknowledged this change and are consequently underestimating global population growth. Scenarios used to model sustainable futures have used overly optimistic population projections while inferring these outcomes will happen without targeted measures to bring them about. Unless political will is rapidly restored for voluntary family planning programs, the global population will almost certainly exceed 10 billion, rendering sustainable food security and a safe climate unachievable. ** Jane N. O'Sullivan, "Demographic Delusions: World Population Growth Is Exceeding Most Projections and Jeopardising Scenarios for Sustainable Futures." ''World''. 2023. 4(3). 545-568. {{DOI|10.3390/world4030034}} === P === *Putting an end to the population explosion will not of itself save the ecosphere, but not ending it will add greatly to the dangers the planet faces. The environment can sustain a quality of life for just so many people. **[[Michael Parenti]], ''Blackshirts and Reds: Rational Fascism and the Overthrow of Communism. '' (1997), p. 155 *'''In what year will the human population grow too large for the Earth to sustain? The answer is about 1970''', according to research by the {{W|World Wildlife Fund}}. In 1970, the planet's 3 and a half billion people were {{W|Sustainable population|sustainable}}. But on this New Year's Day, the population is 8 billion. Today, wild plants and animals are running out of places to live. **[[Scott Pelley]], "[https://www.cbsnews.com/news/earth-mass-extinction-60-minutes-2023-01-01/ Scientists say planet in midst of sixth mass extinction, Earth's wildlife running out of places to live]" {{W|CBS News}}, January 1, 2023. * ... ''Homo sapiens'' have been around for about 200,000 years and we are struggling to provide 7 billion of us with sufficient food, clothing, and shelter to lead decent lives. There cannot be an economist on the planet who thinks Earth could support 7.168 trillion people. Human population growth cannot go on forever, no matter how optimistic economists might be. ** Gary Peters, "[https://ourfiniteworld.com/2011/06/13/should-we-take-united-nations’-projections-seriously/ Should We Take United Nations’ Projections Seriously?]" (June 13, 2011) *Human overpopulation, the ever-increasing power of our technology, and the demand of our omnicidal, neoliberal economic system of infinite growth on the basis of finite resources threaten the earth with total destruction. **{{W|Norm Phelps}}, quoted in ''The Politics of Total Liberation: Revolution for the 21st Century'' by [[Steven Best]], (2014), p. ix * Ever since Malthus, at least, it has been clear that means of subsistence do not grow as fast as population. No one has ever liked the idea that famine, plague, and war are nature's way of redressing the imbalance -- Malthus himself suggested that the operation of "preventive checks," which serve to reduce the birth rate, might help prolong the interval between such events. And in the two hundred years since Malthus sat down to pen his essay, there has been no worldwide cataclysm. But in the same two centuries world population has grown exponentially while irreplaceable resources were used up. Some kind of adjustment is inevitable. Today, many people who are concerned about overpopulation and environmental degradation believe that human actions can avert catastrophe. The prevailing view holds that a stable population that does not tax the environment's "carrying capacity" would be sustainable indefinitely, and that this state of equilibrium can be achieved through a combination of birth control, conservation, and reliance on "renewable" resources. Unfortunately, worldwide implementation of a rigorous program of birth control is politically impossible. Conservation is futile as long as population continues to rise. And no resources are truly renewable. ** David Price, "Energy and Human Evolution". ''From Population and Environment: A Journal of Interdisciplinary Studies'', Volume 16, Number 4, March 1995 * Around 8,000 BC, world population was something like five million. By the time of [the birth of Jesus] Christ, it was 200 to 300 million. By 1650, it was 500 million, and by 1800 it was one billion. The population of the world reached two billion by 1930. By the beginning of the '60s it was three billion; in 1975 it was four billion; and after only eleven more years it was five billion. This cannot go on forever; collapse is inevitable. The only question is when. ** Ibid. * People who believe that a stable population can live in balance with the productive capacity of the environment may see a slowdown in the growth of population and energy consumption as evidence of approaching equilibrium. But when one understands the process that has been responsible for population growth, it becomes clear that an end to growth is the beginning of collapse. Human population has grown exponentially by exhausting limited resources, like yeast in a vat or reindeer on St. Matthew Island, and is destined for a similar fate. ** Ibid. === R === * As human populations expand they necessarily appropriate ecological space required by other species. Human ‘competitive displacement’ of non-human organisms from their habitats and food sources is now the greatest contributing factor to {{W|Biodiversity loss|plunging biodiversity}}. Consider that with only 0.01 % of total Earthly {{W|Biomass (ecology)|biomass}}, H. sapiens’ expansion has eliminated 83 % of wild animal and 50 % of natural plant biomass. From a fraction of 1 % ten millennia ago, humans now constitute 36 %, and our domestic livestock another 60 %, of the planet’s much expanded mammalian biomass compared to only 4 % for all wild species combined. Similarly, domestic poultry now comprise 70 % of Earth’s remaining avian biomass. Meanwhile, commercial fishing depletes the oceans at the expense of rapidly declining marine mammals and birds. Seabirds are the most threatened bird group, with a 70 % community-level population decline between 1950 and 2010. ** {{W|William E. Rees}}, "[http://www.fraw.org.uk/data/limits/rees_2020.pdf Ecological economics for humanity’s plague phase]". ''{{W|Ecological Economics (journal)|Ecological Economics}}.'' (2020) * Population estimates are usually based on demographic data alone with no consideration of exogenous factors. This is unrealistic. For living organisms, the fact of their own existence ensures that no environment or habitat remains ideal for long. As the subject population expands, it will invariably use up any crucial resource in fixed supply. Even renewable resources can be depleted once the population goes into ‘overshoot’, a situation in which aggregate consumption exceeds food species’ recovery rates or waste accumulation exceeds natural assimilative capacity. The rise and fall of reindeer populations introduced to two previously unoccupied (by reindeer) Pribilof Islands in the early 20th century is a classic example. Collapse was attributed to overgrazed food sources (primarily lichen) abetted by the stress of exceptionally cold winter. ** William E. Rees, "[https://www.whp-journals.co.uk/JPS/article/view/653/486 The fractal biology of plague and the future of civilization]". ''The Journal of Population and Sustainability'' (2020) * ...for most of our species’ time on Earth—including most of the agricultural era—humanity’s natural propensity to expand has been held in check by negative feedback, e.g., food and other resource shortages, disease, and inter-group conflict. Circumstances changed with the scientific/industrial revolution, particularly the increasingly widespread use of fossil fuels. It took 200,000 – 350,000 years for human numbers to reach one billion early in the 19th Century, but only 200 years (as little as 1/1750th as much time!) to balloon another seven-fold by early in the 21st Century. Improvements in medicine, public sanitation, and population health contributed to this expansion, but coal, oil, and gas made it possible. Fossil fuels are the energetic means by which humans extract, transport, and transform the prodigious quantities of food and other material resources into the products needed to support our burgeoning billions. More than any other factor, fossil fuels enabled H. sapiens to eliminate or reduce normal negative feedbacks. Freed from historic constraints, our species was, at last, able to exhibit its full potential for geometric growth. ** Ibid. * Humanity is already far into ecological overshoot: we are learning the hard way that the ecosphere under stress is still immeasurably more complex than even the global human enterprise. It can generate a vastly larger arsenal of negative feedbacks in response to human excesses than any imaginable human control system can match. ** William Rees, "[https://reeswilliame.substack.com/p/variety-matters-more-than-you-think Variety Matters More Than You Think]," ''Substack'' (July 28, 2025) * Humans invade and populate all accessible favourable habitats; human populations use up all available resources; under favourable conditions, human populations are capable of exponential growth. […] The industrial/scientific revolution spawned technologies, particularly improvements in public sanitation and disease control, that greatly reduced death rates while fossil fuels alleviated food and resource shortages. With the suppression of negative factors, positive feedback prevailed; between the early 1800s and 2023, the human population exploded from one to eight billion. Meanwhile, what we now call ‘neoliberal economics’ began taking form in the late 1800s. In just two centuries, the human population grew eight times larger than the maximum attained over the previous 3000 centuries, and the world economy grew 100-fold in real terms! […] Overshoot may be a quasi-natural phenomenon, but it is also a potentially terminal condition. There are now about 80 cities in the world with populations in excess of five million—each has more people than existed on the entire planet at the dawn of agriculture 10,000 years ago. […] Life in higher-income countries just seemed to be getting better and better, at least in material terms. Little wonder that by the 1950s, MTI governments and international institutions everywhere were adopting the neoliberal vision of perpetual economic and population growth via continuous technological advance as the dominant development narrative of global culture.<br>There are, of course, significant problems—all this occurred on a finite, non-growing planet with serious history. With nurture-reinforcing-nature in propelling the expansionist juggernaut, the human enterprise surged into ecological overshoot; resource consumption and waste production are overwhelming the bio-productive and waste assimilation capacities of the ecosphere. This is not merely an aesthetic concern: the functional integrity of the ecosphere is essential for human existence. '''Overshoot may be a quasi-natural phenomenon, but it is also a potentially terminal condition.''' ** William Rees, "[https://substack.com/home/post/p-181832455 Why collapse is inevitable]," ''Substack'' (December 16, 2025) * The current human population is 14,000-fold larger than the average populations of other mammal species of similar body size! […] If humans were a typical mammal whose global population corresponded to the arithmetic mean (average) of populations of mammals of similar body size, there would be only 500,000 people on Earth! ** Ibid. * Almost all of today’s low-energy countries have a population density so great that it perpetuates dependence on intensive manual agriculture, which alone can yield barely enough food for their people. They do not have enough acreage, per capita, to justify using domestic animals or farm machinery, although better seeds, better soil management, and better hand tools could bring some improvement. A very large part of their working population must nevertheless remain on the land, and this limits the amount of surplus energy that can be produced. Most of these countries must choose between using this small energy surplus to raise their very low standard of living or [to] postpone present rewards for the sake of future gain by investing the surplus in new industries. The choice is difficult because there is no guarantee that today’s denial may not prove to have been in vain. This is so because of the rapidity with which public health measures have reduced mortality rates, resulting in population growth as high [as] or even higher than that of the high-energy nations. Theirs is a bitter choice; it accounts for much of their anti-Western feeling and may well portend a prolonged period of world instability. ** [[Hyman G. Rickover]], "Energy and Resources and Our Future" speech (May 14, 1957) * The doubling of life expectancy is largely down to medical advances. Without medical care, we’d probably be at a much lower population level. I can’t find projections, but given that even some fairly routine injuries and sicknesses would be life-threatening without medical intervention, one would expect a more pyramidal pyramid, and 2 billion people doesn’t seem unreasonable to me. This is also amplified by [there] being [fewer] people to innovate ideas like the green revolution, which [led] to higher populations.<br>In nature, population overshoot is usually remedied by a higher die-off rate, not a lower birth rate. But humans think that medical care and increased lifetimes are a sign of progress. Medical advances can even allow some who wouldn’t have been able to have children to have children, thus exacerbating overshoot. ** Mike Roberts, "[https://mikerobertsblog.wordpress.com/2024/08/09/what-can-antinatalism-achieve/ What Can Antinatalism Achieve?]" (August 9, 2024) * A lot of technologies have been utilised in storing food or growing more of it. And we know that increased access to food increases population size. The reverse is also true, of course, so we should expect [[population decline|population to fall]] as harvests come under stress from the effects of [[Global warming|climate change]]. ** Mike Roberts, "[https://mikerobertsblog.wordpress.com/2024/09/14/the-inevitability-of-our-predicament/ The Inevitability of Our Predicament]" (September 14, 2024) * Humans are a species, so they are no different in needing to reproduce to propagate their traits, which may eventually lead to what would be considered a new species, though that would likely take tens or hundreds of thousands of years. If our ancestors had considered the effects of what they were doing, why some prey species appeared to disappear, for example, then we wouldn’t be here, as we’d limit what we did, how we expanded, how we spread. Humans would, at best, have remained a very limited species, if it survived at all. But that is not the way life works. Clearly, we have followed the maximum power principle, since we’re a species, and so consume as much energy and resources as we can. In basic terms, a body needs food for energy and humans have figured out how to produce increasing quantities of food (at least in terms of calories) using agriculture, machines, artificial fertilisers and pesticides. This has enabled an explosion in population in a positive feedback loop (with higher population forecast, we figure out how to support that population, leading to more agriculture and higher yields, so we end up with a higher population). The huge success of agriculture and mechanisation, has lead to almost no human being involved in the production of the food that keeps us alive, so we’ve had to invent other ways to kill our time. We now have a huge variety of products and services to help us kill our time before we die. Some of it is pleasurable so we want to do more of it and invent new ways to live. All the time, killing more of the rest of life. But getting here was inevitable because we are a species and don’t have free will to counter those inbuilt drives. ** Mike Roberts, "[https://mikerobertsblog.wordpress.com/2024/10/03/a-retrospective-of-the-inevitable/ A Retrospective of the Inevitable]" (October 3, 2024) * As food makes babies perhaps the critical development was agriculture but then without fossil fuels, we could never have produced as much food as we do now, and deliver it across the world. But then, if we hadn’t started cooking food, we might not have been clever enough to figure out how to use fossil fuels to produce food. And without language, we could never have communicated complex ideas about agriculture, tool making and the use of fossil fuels. So we go round and round. ** Mike Roberts, "[https://mikerobertsblog.wordpress.com/2025/07/07/where-did-it-all-go-wrong/ Where Did It All Go Wrong?]" (July 7, 2025) * It is often said that humans are in overshoot. What does that mean? In simple terms, it means exceeding a limit. However, if a limit has been exceeded, then how is it a limit? People usually refer to overshoot as exceeding the carrying capacity of the planet. The ability for the planet to support the current population of humans. And yet here we are. Humans have apparently been in overshoot territory for a long time, but that hasn’t affected the numbers. Indeed, the population of humans continues to grow. ** Mike Roberts, "[https://mikerobertsblog.wordpress.com/2025/12/27/overshoot-or-undershoot/ Overshoot or Undershoot?]" (December 27, 2025) * We have well over 8 billion people on this planet. All ecosystems have been perturbed, and wildlife has been hugely depleted by over 70% in just the last half century. Deforestation continues apace at almost 5 million hectares per year. So, it’s impossible for all humans to live sustainably right now. If a few chose, and succeeded, to live sustainably, it would have no measurable effect on the planet. ** Mike Roberts, "[https://mikerobertsblog.wordpress.com/2026/01/25/would-anyone-want-to-live-sustainably/ Would Anyone Want to Live Sustainably?]" (January 25, 2026) === S === * It is apparently futile only to insist that the more back­ward countries restrict their birth rates. What is needed most of all is economic and technical assistance to these countries. This assistance must be of such scale and generosity that it is unlikely before the estrangement in the world and the egotistical, narrow-minded approach to relations between nations and races are eliminated. ** [[Andrei Sakharov]], ''Progress, Coexistence and Intellectual Freedom'', Chapter 5: "Hunger and Overpopulation (and the Psychology of Racism)" (1968) * Government policy, legislation on the family and marriage, and propaganda should not encourage an increase in the birth rates of advanced countries while demanding that it be curtailed in underdeveloped countries that are receiving assistance. Such a two-faced game would produce nothing but bitterness and nationalism. ** Ibid. * I want to emphasize that the question of regulating birth rates is highly complex and that any standardized, dogmatic solution "for all time and all peoples" would be wrong. ** Ibid. * ...increasingly, technology has come up against the law of unexpected consequences. Advances in health care have lengthened life spans, lowered infant-mortality rates, and, thus, aggravated the population problem. ** [[w:Tom Sancton|Thomas A. Sancton]], "What on Earth Are We Doing?" in ''[[w:Time (magazine)|Time]]'' (week ending January 2, 1989). * As human beings, with over 8 billion of us on planet Earth at present, we now find ourselves in a very analogous situation to both the early cyanobacteria from over 2 billion years ago and the yeast cells one would culture within a nutrient-rich broth in a petri dish. It isn’t that we’re in danger of transforming our planet into an uninhabitable hellscape, as nothing we’ve done or are in the process of doing is going to have a catastrophic effect of that magnitude. However, there are a number of ways that we’re polluting, destroying, or depleting our environment in ways that not only are non-renewable and unsustainable, but that are going to have negative downstream effects that impact future humans, hundreds and even thousands of years down the line, in ways that most of us aren’t prepared to fully reckon with.<br>And that’s unfortunate, because we should be prepared. After all, unlike yeast, cyanobacteria, or any other species that’s impacted its environment due to its collective, accumulated actions, we can not only detect and quantify the effects we’re having, but can choose to change our action at any time. ** Ethan Siegel, "[https://bigthink.com/starts-with-a-bang/humanity-yeast-cells/ Is humanity dumber than a colony of yeast cells?]." ''Big Think'' (March 8, 2023) * Erroneous belief about population growth has cost dearly. In poor countries, it has directed attention away from the factor that we now know is central in a country's economic development, its economic and political system. And in rich countries, misdirected attention to population growth and its... consequence of natural-resource shortages has caused waste through such programs as now-abandoned synthetic fuel programs, and the useless development of airplanes that would be appropriate for an age of greater scarcity. ** [[Julian Simon]], "[http://www.juliansimon.com/writings/Norton/NORTON02.txt Scarcity or Abundance? A Debate on the Environment]," on ''juliansimon.com'' * Adding more people causes problems, but people are also the means to solve these problems. The main fuel to speed our progress is our stock of knowledge, and the brake is our lack of imagination. The ultimate resource is people—skilled, spirited, and hopeful people who will exert their wills and imaginations for their own benefit, and inevitably they will benefit not only themselves but the rest of us as well. ** [[Julian Simon]], [http://www.juliansimon.com/writings/Ultimate_Resource/TCONCLUS.txt The Ultimate Resource] * In trying to solve the terrifying problems that face us in the world today, we naturally turn to the things we do best. We play from strength, and our strength is science and technology. To contain a population explosion, we look for better methods of birth control. Threatened by a nuclear holocaust, we build bigger deterrent forces and anti-ballistic missile systems. We try to stave off world famine with new foods and better ways of growing them. Improved sanitation and medicine will, we hope, control disease; better housing and transportation will solve the problems of the ghettos, and new ways of reducing or disposing of waste will stop the pollution of the environment. We can point to remarkable achievements in all these fields, and it is not surprising that we should try to extend them. But things grow steadily worse, and it is disheartening to find that technology itself is increasingly at fault. Sanitation and medicine have made the problems of population more acute, war has acquired a new horror with the invention of nuclear weapons, and the affluent pursuit of happiness is largely responsible for pollution. As Darlington has said, ‘Every new source from which man has increased his power on the earth has been used to diminish the prospects of his successors. All his progress has been at the expense of damage to his environment, which he cannot repair and could not foresee.’ **[[B. F. Skinner]], ''Beyond Freedom and Dignity'' (1971), Chapter 1: “A Technology of Behavior.” * Capitalist elites seeking to increase the size of their labour force used pro-natalist state policies to prevent women from practicing family planning. [...] We should not ignore the relationship between population growth and ecology, but we must not treat these as operating in a social and political vacuum. ** Dylan Sullivan and [[Jason Hickel]] (2023). "Capitalism and extreme poverty: A global analysis of real wages, human height, and mortality since the long 16th century". ''{{W|World Development (journal)|World Development}}''. Vol. 161. {{doi|10.1016/j.worlddev.2022.106026}} === T === * History upon Terra tells us what horrors follow upon religious mandates of unlimited reproduction. ** [[Sheri S. Tepper]], ''[[w:Grass (novel)|Grass]]'' (1989), Chapter 12 * Malthusian predictions that relentless population growth will outstrip food production and trigger starvation worldwide have recurred over the centuries. They have come and then gone as farmers have deployed new technologies to increase food output. Even now, enough food is being produced to adequately feed every person on the planet; the fact that nearly one billion people are nonetheless going hungry is a damning indictment of the world's food-distribution system. But since demand is growing, production will also have to increase in the years ahead. With the world's population expected to expand to more than nine billion by 2050 and much of that growth occurring in China, India, and other countries where living standards are rising fast, global food production will need to increase by 70-100 percent in order to keep pace and feed the already chronically hungry. This is a mighty challenge: all the more so because given current soil technology and environmental concerns, more food will have to be produced on roughly the same amount of arable land -- and with less water than is used now and at a time when both growing demand for biofuels and changing climate patterns are also putting pressure on production. Where will the needed rise in food supplies come from, and how quickly can the distribution problems be solved? ** Roger Thurow, "[https://www.foreignaffairs.com/articles/africa/2010-10-21/fertile-continent The Fertile Continent]". ''Foreign Affairs'' (October 21, 2010). * Given the Maoist position that a large population was a “resource”, rather than a burden, for the Communist state, it was politically incorrect to advocate population control [either by diet or medicine]. ** Christopher K. Tong, “The Paradox of China’s Sustainability,” ''Chinese Environmental Humanities'' (2019) * Supporting large families and unchecked growth (of which the greatest parameter is population increase) is a mantra which religion and authority have preached for thousands of years. Religions always need more clergy to reap donations from, and leaders more voters to turn into soldiers for their next war, or to make the gross (as opposed to per capita) GDP figures look good. We are being farmed, we have always been farmed for thousands of years by an economic system that prioritises cold hard profit figures over real prosperity. Competition fuels growth even more, as humans are extremely territorial. The problem with the existence of countries is that they speed up civilisational collapse. They all end up competing for economic and population growth, therefore significantly accelerating civilisational overshoot and collapse. ** George Tsakraklides, quoted in "[https://www.hawaii.edu/vice-versa/interview-tsakraklides-lewis-2-0/ Memories of the Future 2.0]." ''Vice-Versa'', University of Hawaii at Manoa (February 15, 2025) * Thanks to the discovery and exploitation of fossil fuels, humans (really just a small minority of them) are able to live richer lives today than even the queens and kings of yore could have dreamed of.<br>Furthermore, we’ve used some of those finite resources to increase food supplies and to expand the human population, which provides the economic system with both more workers and more consumers, a necessity to keep the economy growing under our current economic model. The world’s population increased from 1.6 billion in 1900 to 7 billion today, and we add about 80 million more each year. Humans have quickly become the most numerous megafauna on the planet. ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2012/01/09/the-faustian-bargain-that-modern-economists-never-mention/ The Faustian bargain that modern economists never mention]" (January 9, 2012) * Humans, because of their intelligence, have found ways to [temporarily] defeat survival of the fittest. As areas get overpopulated, humans have moved to areas where they have a better chance of survival. Humans have found ways to increase food supply, through the use of fertilizers, pesticides, irrigation, and refrigeration, all of which require fossil fuels. They have developed trade, so that so areas with shortfalls can benefit from surpluses elsewhere. Humans have developed a world financial system, which has helped enable worldwide trade. The financial system has also allowed investors to pay for goods after they are put into service, so that the cash flow resulting from an investment can be used (after the fact) to pay for the cost of the investment. This enables investment, and faster use of resources, including energy resources.<br>One of the reasons for continued upward population pressure is the fact that humans have evolved to live beyond their reproductive years. In their declining years, humans often need assistance, either from their offspring or from a public pension program, or both. Because of concern for their own old age, people without pensions tend to have enough children so that there is a significant chance that a child of the right sex will survive to adulthood. With improving medical care, this tends to lead to [an] ever-rising population. ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2012/08/17/humans-seem-to-need-external-energy/ Humans Seem to Need External Energy]" (August 17, 2012) * As long as the world’s population is rising, even in lesser developed countries, there is going to be a continuing need for more food, clothing and housing. This is an issue we don’t seem to be able even to talk about. It may offend people. ** Ibid. * The energy resource that we learned to develop this time is fossil fuels, starting with coal about 1800. '''World population was able to expand greatly because of additional food production permitted by fossil fuels and because of improvements in hygiene.''' A period of stagflation began in the 1970s, when we first encountered problems with US oil production and spiking oil prices. Now, the question is whether we are approaching the Crisis Stage as described by Turchin and Nefedov. ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2013/12/06/diminishing-returns-energy-return-on-energy-invested-and-collapse/ Diminishing Returns, Energy Return on Energy Investment and Collapse]" (December 6, 2013) * As energy supplies deplete, we will increasingly need to “choose our battles.” In the past, humans have been able to win many battles against nature. However, '''as energy per capita declines in the future, we will be able to win fewer and fewer of these battles against nature''', such as our current battle with COVID-19. At some point, we may simply need to let the chips fall where they may. '''The world economy seems unable to accommodate 7.8 billion people, and we will have no choice but to face this issue.''' ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2020/11/09/energy-is-the-economy-shrinkage-in-energy-supply-leads-to-conflict/ Energy is the economy; shrinkage in energy supply leads to conflict]" (November 9, 2020) * Many people believe that humans can have a sustainable future by using solar panels and wind turbines. Unfortunately, the only truly sustainable course, in terms of moving in cycles with nature, is interacting with the environment in a manner similar to the approach used by chimpanzees and baboons. Even this approach will eventually lead to new and different species predominating. Over a long period, such as 10 million years, we can expect the vast majority of species currently alive will become extinct, regardless of how well these species fit in with nature’s plan.<br>The key to the relative success of animals such as chimpanzees and baboons is living within a truly circular economy. Sunlight falling on trees provides the food they need. Waste products of their economy come back to the forest ecosystem as fertilizer.<br>Pre-humans lost the circular economy when they learned to control fire over one million years ago, when they were still hunter-gatherers. With the controlled use of fire, cooked food became possible, making it easier to chew and digest food. The human body adapted to the use of cooked food by reducing the size of the jaw and digestive tract and increasing the size of the brain. This adaptation made pre-humans truly different from other animals.<br>With the use of fire, pre-humans had many powers. They spent less time chewing, so they could spend more time making tools. They could burn down entire forests, if they so chose, to provide a better environment for the desired types of wild plants to grow. They could use the heat from fire to move to colder environments than the one to which they were originally adapted, thus allowing a greater total population.<br>Once pre-humans could outcompete other species, the big problem became diminishing returns. For example, once the largest beasts were killed off, only smaller beasts were available to eat. The amount of effort required to kill these smaller beasts was not proportionately less, however. ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2020/12/02/humans-left-sustainability-behind-as-hunter-gatherers/ Humans Left Sustainability Behind as Hunter-Gatherers]" (December 12, 2020) * … the problem the world is facing today is like one that smaller economies have faced, over and over, in the past: '''The population has become too large for the economy’s resource base''', which now includes fossil fuels. Today’s leaders reframe the problem as voluntarily moving away from fossil fuels to prevent climate change in order to make the situation sound less frightening. ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2023/12/15/ten-things-that-change-without-fossil-fuels/ Ten things that change without fossil fuels]" (December 15, 2023) * We are dealing with an age-old problem: Humans are able to outsmart other animals, and for this reason, human populations tend to rise except when external conditions are quite adverse. ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2024/03/17/advanced-economies-will-be-especially-hurt-by-energy-limits/ Advanced Economies Will Be Especially Hurt by Energy Limits]" (March 17, 2024) * History shows a repeated pattern of overshoot and collapse. A population would grow until the carrying capacity of the local area was reached. Food surpluses would become lower and lower, so less food could be saved up for fluctuations in rainfall and temperature. Eventually, civilizations would succumb to one or another problem: disease, attack by a neighboring group, climate fluctuations, or governments overthrown by unhappy citizens. We tell ourselves that overshoot and collapse cannot happen now, but human population is high relative to fossil fuel resources, and intermittent wind and solar are not working out well as substitutes. ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2024/07/22/how-does-the-economy-really-work/ How Does the Economy Really Work?]" (July 22, 2024) * Humans are smarter than other animals, allowing the population of humans to grow, while the population of many other species tends to fall. […] The large rise in the population of the less advanced economies contributes to the huge number of immigrants wanting new homes in higher-income countries. […] The issue is that available resources do not rise fast enough (in the area, or with the technology available) to provide enough physical goods and services for the population. If a new approach can be developed, or a neighboring area with additional resources can be conquered, [the] population can start to grow again. […] Outgrowing our resource base is not a phenomenon that began with fossil fuels. […] In 1796, when [the] world population was about one billion, Robert Thomas Malthus wrote about population growing faster than food production. This was before fossil fuels were widely used. Now, about 230 years later, [the] population has risen to eight billion, thanks to the availability of fossil fuels. We need major innovations, or additional energy resource types, if we want to work around obstacles now. ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2025/10/06/what-has-gone-wrong-with-the-economy-can-it-be-fixed/ What Has Gone Wrong with the Economy? Can It Be Fixed?]" (October 6, 2025) === V === * The hard fact is that in an age of climate breakdown, human numbers matter. And the ecological impact of another 2-3 billion humans will be immense. ** John Vidal, [https://www.theguardian.com/commentisfree/2022/nov/15/population-8-billion-climate It should not be controversial to say a population of 8 billion will have a grave impact on the climate]. ''The Guardian'', November 15, 2022. * We must look at the whole man, and at his whole environment. Above all, we must realize that every grain of rice he puts into his mouth, every bit of potato, every piece of meat, and every kernel of corn, must be replaced by another bit from the earth—somewhere. We must realize that not only does every area have a limited carrying capacity—but also that this carrying capacity is shrinking and the demand growing. Until this understanding becomes an intrinsic part of our thinking and wields a powerful influence on our formation of national and international policies we are scarcely likely to see in what direction our destiny lies. ** William Vogt, ''Road to Survival'' (1948), Chapter 4: "Industrial Man: the Great Illusion." === W === *[There's] too many people making too much muck and too much noise with too little space to do it in. ** [[Keith Waterhouse]], "End of the Rainbow", <em>Daily Mirror</em> (August 17, 1970), republished in <em>Mondays, Thursdays</em> (1976) * Today, escalating human populations have vastly exceeded global carrying capacity and now produce massive quantities of solid, liquid, and gaseous waste. Biological diversity is being threatened by over-exploitation, toxic pollution, agricultural mono-culture, invasive species, competition, habitat destruction, urban sprawl, oceanic acidification, ozone depletion, global warming, and climate change. It’s a runaway train of ecological calamities. ** [[Paul Watson]], ''[https://web.archive.org/web/20070509003646/https://seashepherd.org/editorials/editorial_070504_1.html The Beginning of the End for Life as We Know it on Planet Earth? There is a Biocentric Solution.]'' Commentary by Paul Watson, Founder and President of {{W|Sea Shepherd Conservation Society}} *''Homo sapiens''’ appetite is gargantuan. As we strive to get at dwindling resources for ever more people, we dig deeper into the Earth, blow the tops of mountains, divert rivers, cut down forests and pave over swaths of land. We fill the land, water, and air with our pollution. We’re driving record numbers of species to extinction and decimating others with activities from chemical poisoning to hunting for bushmeat, or simply by taking over their habitat.<br>Greenhouse gases from our industry are changing the Earth’s climate, with such dangerous consequences as ocean acidification, rising sea levels and flooding, changes in rainfall patterns including in vital “breadbaskets,” and loss of forest cover.<br>While the word “sustainable” has become popular, growing human numbers and activities are anything but. Increasing awareness of our impact has led to developments in renewable energy, recycling, earth-friendly farming and more. There have also been spectacular advances in family planning. But powerful—notably religious—opposition has kept governments and international bodies from actively promoting small families and prevented hundreds of millions of women who would plan their families from having access to modern methods.<br>Those who deny that overpopulation is a problem say the poor don’t consume much. Yet the poor want nothing more than to consume more, as proved by India and China. Who can blame them? And a burgeoning number of desperately poor people does have a major impact: they cut down forests to [[agriculture|grow food]], drain rivers, deplete aquifers, and overfish and over-hunt in their local area. But make these points and you’ll be accused of blaming the poor for the problems of the rich.<br>We seem bound to learn the hard way that there really is a limit to how many people the Earth can support.<br>We wish it weren’t so, but it really is starting to look as if Malthus was right. ** Madeline Weld, "[https://montrealgazette.com/opinion/columnists/opinion-sadly-malthus-was-right-now-what Sadly, Malthus was right. Now what?]" in the ''{{W|The Gazette (Montreal)|Montreal Gazette}}'' (February 14, 2016) * ...the gains of low infant and maternal mortality and rises in population longevity—brought about in great part by harnessing fossil fuels, the agricultural revolution, modernization, and disease and injury reduction efforts—in many instances impedes rather than facilitates moving toward sustainable living. It can be argued from the ecological perspective that most public health efforts, as humanitarian as they are by intention and immediate effect, through accelerating population pressures on the environment are paradoxically hastening the destruction of the earth's habitat on which the next generation of humanity depends. It raises the concern that our perceived gains may be only illusory and temporary, with huge but unmeasured and unlinked environmental costs that will eventually lead to shorter lives of misery for our descendants. ** Harold B. Weiss, [https://www.ncbi.nlm.nih.gov/pmc/articles/PMC2602943/ "Overshoot"] in ''Public Health Reports'' (January-February 2009). * In the past, when one civilization collapsed, others evolved to replace it. Today the world-wide agroindustrial complex is making unprecedented demands on the whole earth’s biological ecostructure. After a brief half-century in which factory farming enlarged the meagre diet of the poor (though not for all, nor always to their benefit), the multinational food industry has become a primary impetus towards overpopulation, obesity, pollution, and global warming. Policies and practices whose effects were once circumscribed are now a threat to human survival. ** John Whiting, "[https://www.whitings-writings.com/eating_the_earth.htm Eating the Earth]." Oxford Symposium on Food and Cookery (September 9, 2007) * Agriculture, by overcoming the limitations inherent in the closed system of hunting/gathering, made possible the open-ended expansion of both the population and the means of feeding it. Once it had been adopted, there was no turning back. The more that a civilization farmed, the more it needed extra hands, and so large families were deliberately procreated, which in turn produced still more mouths to feed. Colin Tudge calls it a vicious spiral, Ronald Wright a progress trap. ** Ibid. * Nature’s modus operandi is to kill off the weakest, leaving only the strongest and most biologically versatile to reproduce. But for ''homo sapiens'', nature is not a force to be accommodated, but an opponent to be grappled with, and so ‘farming for money’ was joined by ‘medicine for money’. On top of the lucrative agroindustry which accellerates the population explosion, we have set up an equally profitable ‘health’ industry whose job it is to keep alive those whose bodies rebel at what they are so unhealthily force-fed.<br>The result is an expanding segment of the population who, along with accellerating obesity, suffer from various diseases of malnutrition, together with allergies and intolerances to a growing list of foodstuffs that are increasingly difficult to avoid. In the end, humanity may consist of a remnant of survivors who spend their brief unhappy lives closeted against the encroaching poisons which their ancestors had so profitably created. Instant death by peanut may prove to have been a warning blip on the radar screen. ** Ibid. * Today the threat lies in the sheer scale of our greed and our technological ineptitude. We’re driving entire countries over cliffs. We are destroying the delicate ecological balance which a [sic] brief interlude of stable climate has allowed us. We make pious noises about the disappearing terrestrial species while largely ignoring the invisible havoc we’re bringing about in the earth’s oceans, the source and sustenance of life on the land. ** John Whiting, June 2015 appendix to "Eating the Earth" * The raging monster upon the land is population growth. In its presence, sustainability is but a fragile theoretical construct. To say, as many do, that the difficulties of nations are not due to people but to poor ideology or land-use management is sophistic. If Bangladesh had 10 million inhabitants instead of 115 million [as of this writing], its impoverished people could live on prosperous farms away from the dangerous floodplains midst a natural and stable upland environment. It is also sophistic to point to the Netherlands and Japan, as many commentators incredibly still do, as models of densely populated but prosperous societies. Both are highly specialized industrial nations dependent on massive imports of natural resources from the rest of the world. If all nations held the same number of people per square kilometer, they would converge in quality of life to Bangladesh rather than to the Netherlands and Japan, and their irreplaceable natural resources would soon join the seven wonders of the world as scattered vestiges of an ancient [sic] history. ** [[E. O. Wilson]], ''The Diversity of Life'' (1992) * The pattern of human population growth in the 20th century was more bacterial than primate. When ''Homo sapiens'' passed the six billion mark we had already exceeded by perhaps as much as 100 times the [[w:Biomass (ecology)|biomass]] of any large animal species that had ever existed on the land. We and the rest of life cannot afford another one hundred years like that. ** [[E. O. Wilson]], quoted in ''Life on the Brink: Environmentalists Confront Overpopulation''. University of Georgia Press (2012), p. 83 * If we fail to limit our numbers and our impact, if we do not replace our goldrush economics with a rational sharing of what the earth can yield, this new century will not grow very old before we enter an age of chaos and collapse that will dwarf all dark ages in our past. **{{W|Ronald Wright}}, "Civilization is a pyramid scheme", ''The Globe and Mail'' (August 5, 2000). * So among the things we need to know about ourselves is that the Upper Palaeolithic period, which may well have begun in genocide, ended with an all-you-can-kill wildlife barbecue. The perfection of hunting spelled the end of hunting as a way of life. Easy meat meant more babies. More babies meant more hunters. More hunters, sooner or later, meant less game. Most of the great human migrations across the world at this time must have been driven by want, as we bankrupted the land with our moveable feasts. ** Ronald Wright, ''A Short History of Progress'' (2004), Chapter II: "The Great Experiment." === Z === * What determines population growth? What has been the cause of the unprecedented growth in world population in our recent history? Many socio-economic reasons are given as explanations: medical advances, improvements in public health, sanitation and hygiene, increased food availability and agricultural productivity, extension of cultivation, and development of trade and transportation. Surprisingly, high quality energy sources are rarely mentioned or quickly discounted. Yet an argument can be made that each of the above factors contributing to population growth is aided and influenced by high quality energy supplies. Cheap and abundant fossil fuels have been a necessary precondition for the past century’s population growth. And while not all countries benefit directly from the consumption of high quality energy supplies, most countries benefit from the impact of high energy societies on low energy societies. What if energy consumption, or more precisely, energy resource availability, somehow determines population growth? Perhaps energy resources determine the Earth’s ''carrying capacity,'' or how many people the Earth can support? Perhaps different energy resources have different effects on population growth? If we hypothesize that the Earth’s population is ultimately determined by availability of energy resources, and if some of those energy resources are at or near their peak rates of production, then that may affect rates of population growth. If the correlation is strong enough, the number of people the Earth can support may also be at or near its peak. Therefore the number of people in 2050 may be very different from widespread United Nations (UN) forecasts. Growing populations consume more energy. Availability of energy allows populations to grow. Energy consumption exerts demands on energy resources making them scarcer. They become harder to extract. Nearby forests are depleted, coal mines must dig deeper, oil has to be drilled in more complex environments. In other words, energy resource extraction experiences declining marginal returns. This has led to the exploitation of new energy sources, which in turn expands the Earth’s ''carrying capacity''. Then populations grow once more. **Graham Zabel, "[https://www.resilience.org/stories/2009-04-20/peak-people-interrelationship-between-population-growth-and-energy-resources/#_Toc227469800 Peak People: The Interrelationship between Population Growth and Energy Resources]" in ''Energy Bulletin'' (April 20, 2009) * Mature populations tend to reach equilibrium – the carrying capacity – and then fluctuate around this equilibrium. If a population outgrows its carrying capacity, regulating factors come into play, such as famine, or emigration. If a population is below its carrying capacity, birth rates tend to increase, so the population grows. The common assumption is that carrying capacity is determined by the availability of food, water and land. While availability of food and water are important factors in determining the carrying capacity of populations, they cannot explain the unprecedented increases in population that have occurred in the last several hundred years. The availability of land has always been a factor in increasing carrying capacity. In the historic past, the Earth’s carrying capacity could be increased by expanding into sparsely occupied, or frontier, lands. In a fictitious future, carrying capacity could be increased by expanding outward to other planets or solar systems. At present, there is very little unoccupied, habitable land remaining on this Earth and no nearby habitable planets to release the pressure of population growth, so any increase in carrying capacity must be a result of other factors. **Ibid. * At present the world’s population is growing rapidly. The planet could not support the six billion plus people that exist today without first the commercialisation of coal, then of oil and, more recently, gas. These energy sources have been necessary for the unprecedented population growth that has occurred over the last three hundred years. It is reasonable to assume that unless current energy resource production is increased and new resources are exploited, the population will no longer grow. And if energy resources decline (e.g. a peak in production is reached), then we may see a decline in population. ** Ibid. * Roughly 10,000 years ago, increasing population pressure on wild food resources led to a shift from food gathering (hunter-gatherers) to food production (agriculturists) in several parts of the world. This led to demand-induced technologies and demand-induced searches for higher quality energy sources, such as water power for flow irrigation, animal draft power, iron tools, and fire for land clearing and for improvement of hunting and pastoralism. Population pressures in many parts of Europe in the seventeenth and eighteenth centuries led to serious shortages of wood which in turn led to many of the technological innovations that fuelled the [[Industrial Revolution]]. Coal’s replacement of wood as the most important source of energy in Western Europe is a classic example of demand-induced innovation…promoted by population pressures on forested land in Western and Central Europe. From the end of [[World War II]], coal’s premier importance as an energy source declined sharply and was replaced by crude oil. Far offshore drilling of oil began in 1947 off the coast of Louisiana. One year later, the world’s largest oil field, al-Ghawar in Saudi Arabia, was drilled. Large new discoveries of oil and gas in Africa and Asia combined with the development of oil super tankers and pipeline networks reduced the price of oil and gas at a time when the costs of producing coal were continuing to rise. Diesel locomotives represented a major substitution of oil for coal. The post World War II era also saw large increases in automobile ownership, the beginnings of highway and motorway road transportation networks and the first passenger jet aircraft –all benefiting from and encouraging consumption of cheap oil supplies. These increases in the consumption of crude oil have coincided with the highest population growth in history. After the depressed population growth during World War II, growth rose quickly to a peak of 2.2% in 1964, the highest rate the world has ever known. (''Per capita'' oil consumption peaked shortly thereafter, in the 1970s). Although population continues to rise, population growth has been declining since then. If there is a relationship between energy consumption and population growth, the different types of energy consumed may have different effects. If biomass is the only energy source, populations will not grow very fast. In such organically based economies, the problem of expanding raw material supply, and especially the related problems associated with the very modest energy supply maxima…must curb growth with increasing severity as expansion takes place. The emergence of coal as an energy source eliminated the carrying capacity limits to population growth that any traditional and biomass energy based culture would eventually face. Similarly, the predominance of oil after the middle part of the twentieth century raised the carrying capacity even further. ** Ibid. * According to the IEA [International Energy Agency], 1.6 billion people live without electricity. Much of Africa and Asia still rely on biomass as their primary source of energy, yet have very high population growth rates. '''How can there be a correlation between energy and population in these instances? While many developing world countries remain low energy societies, they, and their population growth rates, are impacted by high energy societies. Their primary energy sources may still be traditional biomass, but their population growth is due in large part to abundant oil and gas supplies.''' Vaccines and antibiotics that reduce third world mortality are discovered, produced and distributed with first world energy, and oil contributes at every step. Fertilisers, pesticides and herbicides that aided the Green Revolution in much of the developing world could not have been produced without large oil and gas inputs. The aeroplanes, boats and trains that deliver and distribute food all run on oil. '''While the commercialisation of higher quality energy sources may be very unevenly distributed, the societies that adopt new energy sources, high energy societies, have a profound impact on those societies that remain low energy societies, and these impacted populations then become part of Coal, Oil or Natural Gas Populations.''' ** Ibid. *Just 11,000 years ago, there were only roughly 5 million humans who lived on the planet Earth. The initial population growth was slow, due largely to the way humans were living—by hunting. Such lifestyle limited the size of family for practical reasons. A woman on the move cannot carry more than one infant along with her household baggage. When simple birth control means-often abstention from sex failed, a woman may elect abortion or, more commonly, infanticide to limit the family size. Further, a high mortality among the very young, the old, the ill and the disabled acted as a natural resistance to a rapid population growth. Thus it took over one million years for human population to reach the one billion mark. But the second billion was added in about 100 years, the third billion in 50 years, the fourth in 15 years, and the fifth in 12 years. Ever since humans became sedentary, some limits over the family size were lifted. With the development of agriculture, children may have become more of an asset to their families in helping with farming and other chores. By the beginning of the Christian era, human population grew to about 130 million, distributed all over the Earth. By 1650, the world population had reached 500 million. The process of industrialization had begun, bringing about profound changes over the lives of humans and their interactions with the natural world. With improved living standard, lowered death rate and prolonged life expectancy, human population grew exponentially. By 1999 there were about 6 billion people, comparing with 2.5 billion in 1950. The world population is well on its way to 7 billion with an annual growth rate of over 90 million. **Ming Zheng, “[https://www.gordon.edu/download/pages/Salem%20010731-Human%20Population%20Growth.pdf Human Population Growth]”. {{W|Gordon College (Massachusetts)|Gordon College}} (July 31, 2001) == See also == * [[Biodiversity]] * [[Climate change]] * [[Exponential growth]] * [[Fossil fuel]] * [[Global warming]] * [[Population decline]] * [[Sustainable development]] * [[Sustainability]] ==Further reading== *Smil, Vaclav. "[https://ia800709.us.archive.org/16/items/detonator-of-the-population-explosion/Detonator%20of%20the%20population%20explosion.pdf Detonator of the population explosion]." Nature 400.6743 (1999): 415-415. *Feeney, John. "[https://ia801807.us.archive.org/18/items/agriculture-ending-the-world-as-we-know-it/Agriculture_Ending_the_world_as_we_know_it.pdf AGRICULTURE: Ending the World as We Know It]." Zephyr, August—September (2010). ==External links== {{উইকিপিডিয়া|Human overpopulation}} {{উইকিঅভিধান|overpopulation}} *[https://population.org.au/about-population/global-population Quotes on Human Over-Population and Related Subjects], ''Sustainable Population Australia'' *{{ওয়েব উদ্ধৃতি|url=https://www.populationmedia.org/2014/02/11/morgan-freeman-speaks-out-on-population/|title=Morgan Freeman on the 'tyranny of agriculture' and the doomed human race|date=11 February 2014|publisher=Ecorazzi}} *[https://www.theguardian.com/global-development-professionals-network/gallery/2015/apr/01/over-population-over-consumption-in-pictures Overpopulation, overconsumption – in pictures]. ''{{W|The Guardian}}'' April 1, 2015. *{{ওয়েব উদ্ধৃতি|url=http://www.panearth.org/WVPI/Papers/FoodPopulationSummary.pdf|title=A Summary of Human Population Dynamics|work=Russell Hopfenberg|publisher=Pan Earth}} [[বিষয়শ্রেণী:জীববিজ্ঞান]] [[বিষয়শ্রেণী:সমাজতত্ত্ব]] [[Category:Sustainability]] 5ift9bazb4c7z5yjyz4ixpjwlg1uyja 79999 79998 2026-04-23T11:13:26Z ARI 356 /* F */ ; অনুবাদ 79999 wikitext text/x-wiki [[File:Annual-World-Population-since-10-thousand-BCE-1-768x724.png|thumb|বিশ্বের জনসংখ্যা এবং সেই সাথে খ্রিস্টপূর্ব ১০,০০০ থেকে ২০৫৮ সাল পর্যন্ত জনসংখ্যার একটি সম্ভাব্য প্রক্ষেপণ বা আগাম অনুমান]] [[File:World Population and Projections by Medium Fertility and Continent or Country 1950 - 2100.png|thumb|মাঝারি প্রজনন হারের ওপর ভিত্তি করে ১৯৫০ থেকে ২১০০ সাল পর্যন্ত বিশ্বের মোট জনসংখ্যা এবং বিভিন্ন মহাদেশ ও দেশভিত্তিক জনসংখ্যার একটি প্রক্ষেপণ]] [[File:Distribution-of-earths-mammals.png|thumb|পৃথিবীর বুকে বর্তমানে বিদ্যমান সমস্ত স্তন্যপায়ী প্রাণীর মোট ওজনের ৯৬ শতাংশই দখল করে আছে মানুষ এবং তাদের লালন-পালন করা গবাদি পশু; যেখানে বন্য স্তন্যপায়ী প্রাণীর পরিমাণ হলো মাত্র ৪ শতাংশ।]] [[File:Time for the world population to increase by one billion 1805 – 2086.png|thumb|১৮০৫ সাল থেকে ২০৮৬ সাল পর্যন্ত বিশ্বের মোট জনসংখ্যা প্রতি ১০০ কোটি বা এক বিলিয়ন করে বৃদ্ধি পেতে ঠিক কতটা সময়ের প্রয়োজন হয়েছে তার একটি তুলনামূলক চিত্র]] '''অতিপ্রজতা''' হলো এমন একটি বিশেষ প্রাকৃতিক পরিস্থিতি বা অবস্থা যেখানে কোনো একটি নির্দিষ্ট ভৌগোলিক অঞ্চলে বসবাসকারী কোনো বিশেষ প্রজাতির জীবের মোট সংখ্যা সেই নির্দিষ্ট পরিবেশ বা বাসস্থানের স্বাভাবিক ধারণক্ষমতাকে পুরোপুরিভাবে ছাড়িয়ে যায়। == উক্তি == * আমরা এই পৃথিবীতে মানবজাতির ৮০০ কোটিতম সদস্যকে মাত্র স্বাগত জানালাম। নিঃসন্দেহে একটি শিশুর জন্ম খুবই আনন্দের এবং চমৎকার একটি বিষয়। '''কিন্তু আমাদের এটা বুঝতে হবে যে, মানুষের সংখ্যা যত বৃদ্ধি পাবে, আমরা এই পৃথিবীর ওপর তত বেশি প্রচণ্ড চাপ তৈরি করব।''' জীববৈচিত্র্যের কথা চিন্তা করলে দেখা যায় যে, আমরা প্রকৃতির সাথে এক প্রকার যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছি। আমাদের এখন প্রকৃতির সাথে শান্তি স্থাপন করা প্রয়োজন। কারণ এই প্রকৃতিই পৃথিবীর সমস্ত কিছুকে টিকিয়ে রাখে... বিজ্ঞান এই বিষয়ে একদম সুষ্পষ্ট। ** ইঙ্গার অ্যান্ডারসেন, জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচির নির্বাহী পরিচালক, [https://www.theguardian.com/environment/2022/dec/06/cop-15-un-chief-biodiversity-apocalypse 'উই আর অ্যাট ওয়ার উইথ নেচার': ইউএন এনভায়রনমেন্ট চিফ ওয়ার্নস অফ বায়োডাইভারসিটি অ্যাপোক্যালিপস]। ''দ্য গার্ডিয়ান'', ৬ ডিসেম্বর ২০২২। * '''শিশুরা হলো মানবজাতির শত্রু'''... বিষয়টা এভাবে ভেবে দেখা যাক: বিশ্বের জনসংখ্যা যখন দ্বিগুণ হবে, তখন আমাদের শক্তির ব্যবহারের পরিমাণ সাত গুণ বৃদ্ধি পাবে। এর অর্থ হলো আমরা সম্ভবত যে পরিমাণ দূষণ তৈরি করছি তার মাত্রাও সাত গুণ বেড়ে যাবে। আমরা যদি বর্তমান হারের দূষণ নিয়েই হুমকির মুখে থাকি, তবে দ্বিগুণ জনসংখ্যার মাঝে ছড়িয়ে পড়া এই সাত গুণ বেশি দূষণের ফলে আমাদের অবস্থা কেমন হবে? আমাদের তখন সাত গুণ বেশি হারে বিষাক্ত হয়ে পড়া মাটি থেকে দ্বিগুণ পরিমাণ খাদ্য উৎপাদন করতে হবে। ** [[আইজাক আসিমভ]] (১৯৬৯) বোস্টন ম্যাগাজিনের সাথে একটি সাক্ষাৎকারে। আংশিকভাবে এলেন প্যাক (১৯৭৬)-এর ''দ্য বেবি ট্র্যাপ'', পৃষ্ঠা ১৭। * এটি সবকিছু ধ্বংস করে দেবে। আমি এই বিষয়টি বোঝাতে বাথরুমের একটি রূপক ব্যবহার করি। যদি একটি অ্যাপার্টমেন্টে দুইজন মানুষ থাকে এবং সেখানে দুইটি বাথরুম থাকে, তবে তাদের দুইজনেরই বাথরুম ব্যবহারের পূর্ণ স্বাধীনতা থাকে। তারা যখন খুশি সেখানে যেতে পারে এবং নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী যতক্ষণ খুশি থাকতে পারে। আমার মতে এটাই হলো আদর্শ অবস্থা। আর প্রত্যেকেই বাথরুম ব্যবহারের এই স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে। এমনকি এটি সংবিধানেও থাকা উচিত। কিন্তু যদি একই অ্যাপার্টমেন্টে ২০ জন মানুষ থাকে এবং বাথরুম থাকে মাত্র দুইটি, তবে সেই বাথরুম ব্যবহারের স্বাধীনতার ওপর বিশ্বাস থাকলেও বাস্তবে তার কোনো অস্তিত্ব থাকবে না। আপনাকে তখন প্রত্যেকের জন্য আলাদা আলাদা সময় ঠিক করে দিতে হবে, আপনাকে দরজায় কড়া নেড়ে বলতে হবে, তোমার কি এখনো শেষ হয়নি? ঠিক একইভাবে, '''অতিরিক্ত জনসংখ্যার চাপে গণতন্ত্র টিকে থাকতে পারে না। মানুষের মর্যাদাও এর চাপে টিকে থাকতে পারে না। সুযোগ-সুবিধা এবং শালীনতাও এর ফলে হারিয়ে যায়।''' আপনি যখন পৃথিবীতে মানুষের সংখ্যা বাড়াতে থাকবেন, তখন জীবনের মূল্য শুধু কমবেই না বরং তা পুরোপুরি অদৃশ্য হয়ে যাবে। তখন কেউ মারা গেল কি না তাতে কিছু যায় আসবে না। ** [[আইজাক আসিমভ]] (১৯৮৮) বিল ময়ার্স-এর সাথে ''বিল ময়ার্স ওয়ার্ল্ড অফ আইডিয়াস'' দেওয়া সাক্ষাৎকারে (১৭ অক্টোবর ১৯৮৮); [http://www.pbs.org/moyers/faithandreason/print/pdfs/woi%20asimov1.pdf প্রতিলিপি] (পৃষ্ঠা ৬) - [http://www.pbs.org/moyers/faithandreason/media_players/asimovwoi_audio.html অডিও (২০:১২)] ** বিল ময়ার্সের এই প্রশ্নের উত্তরে করা মন্তব্য: যদি জনসংখ্যার এই বৃদ্ধি বর্তমান হারেই চলতে থাকে তবে মানবজাতির [[মর্যাদা]]র ধারণার কী ঘটবে বলে আপনি মনে করেন? * আমরা এই পৃথিবীর জন্য একটি অভিশাপ বা মহামারীর মতো। আগামী ৫০ বছরের মধ্যে এর ভয়াবহ ফল আমাদের ভোগ করতে হবে। এটি কেবল জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয় নয়; এটি মূলত জায়গার অভাব এবং এই বিশাল জনগোষ্ঠীর জন্য খাদ্য উৎপাদনের জায়গার সমস্যা। হয় আমাদের নিজেদেরই এই জনসংখ্যা বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করতে হবে, নয়তো প্রকৃতিই আমাদের হয়ে এই কাজটি করে দেবে। আর প্রকৃতি এখনই আমাদের ওপর সেই ব্যবস্থা নেওয়া শুরু করে দিয়েছে। ** ডেভিড অ্যাটেনবারা, "[https://www.telegraph.co.uk/news/earth/earthnews/9815862/হিউম্যানস আর প্লেগ অন আর্থ]". ''দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফ'', ২২ জানুয়ারি ২০১৩। * আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের সাফল্য বর্তমানে এতটাই ঈর্ষণীয় যে এর মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ মানুষকে বাঁচিয়ে রাখা সম্ভব হচ্ছে, যদিও তাদের সবসময় পুরোপুরি সুস্থ করা সম্ভব হয় না। আগেকার দিনে বিজ্ঞানের এই অগ্রগতির অভাবের কারণে এই মানুষগুলো সাধারণত মৃত্যুবরণ করত। শারীরিক রোগ নিরাময়ের এই দক্ষতা এবং জ্ঞানের মাঝেই আজকের দিনের একটি প্রধান বৈশ্বিক সমস্যা লুকিয়ে আছে আর তা হলো এই গ্রহের অতিপ্রজতা বা মাত্রাতিরিক্ত জনসংখ্যা। এর ফলে মানবজাতি আজ অনেকটা পালের পশুর মতো জীবনযাপন করতে বাধ্য হচ্ছে এবং এর ফলশ্রুতিতে তৈরি হচ্ছে অর্থনৈতিক সংকট। এই সাফল্যের ফলে সৃষ্ট নানা আনুষঙ্গিক সমস্যার মধ্যে এটি মাত্র একটি। জীবনের এই "অস্বাভাবিক" সুরক্ষা অনেক কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে এবং এটি যুদ্ধের একটি বড় উৎস হিসেবে কাজ করছে, যা এই গ্রহের মূল চেতনাশক্তির কর্মফলের উদ্দেশ্যের পরিপন্থী।<BR>এই বিশাল সমস্যাটি নিয়ে আমি এখানে বিস্তারিত আলোচনা করতে পারছি না। আমি কেবল এটিকে নির্দেশ করতে পারি। এই সমস্যার সমাধান তখনই হবে যখন মানুষের মন থেকে [[মৃত্যু]]র ভয় দূর হবে এবং যখন মানবজাতি সময়ের গুরুত্ব এবং প্রাকৃতিক চক্রের অর্থ বুঝতে শিখবে। **অ্যালিস বেইলি, ''এ ট্রিটিজ অন দ্য সেভেন রেজ: ভলিউম ৪: এসোটেরিক হিলিং'', পৃষ্ঠা ২৭৮ (১৯৫৩)। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৮৫৩৩০-১২১-৯। * '''আমরা যখন কোনো বাধা ছাড়াই ৭০০ কোটি থেকে ৮০০ কোটি মানুষের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি, তখন আমাদের প্রতিটি প্রজন্ম আগের প্রজন্মের চেয়েও বেশি শক্তিশালী, দূষণকারী এবং ধ্বংসাত্মক হয়ে উঠছে। আমি ভাবছি যে, জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ঋণাত্মক হওয়ার স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার জন্য ১০০ বছর কি খুব বেশি সময় হয়ে যাবে না? নাকি এই এক শতাব্দী সময়ের মধ্যে আমরা জীববৈচিত্র্যের এমন অপূরণীয় এবং স্থায়ী ক্ষতি করে ফেলব যা আমাদের অস্তিত্বের জন্যই শেষ পর্যন্ত চরম হুমকি হয়ে দাঁড়াবে।''' মৌমাছি এবং হামিংবার্ডের কথা একটু চিন্তা করুন। সারা বিশ্বজুড়ে পতঙ্গের সংখ্যা যেভাবে হঠাৎ করে কমে যাচ্ছে তার কথা ভাবুন এবং এটি খাদ্য শৃঙ্খলের ওপরের বা নিচের স্তরে থাকা প্রাণীদের ওপর কতটা দ্রুত প্রভাব ফেলতে পারে তা কল্পনা করুন। এখন, মিস্টার বায়োটেক বিলিয়নেয়ার, আপনি কি সত্যিই এই বিশ্বকে এমন সব মানুষ দিয়ে ভরিয়ে দিতে চান যারা ২০০ বা ৩০০ বছর পর্যন্ত বেঁচে থাকবে? ** অ্যালবার্ট বেটস, "[https://medium.com/the-shadow/the-great-pause-week-61-swallow-the-doctor-8cbf077f6e13 সোয়ালো দ্য ডক্টর]"। ''মিডিয়াম'' (১৬ মে ২০২১) * যদিও এই গ্রহের অচেতন ক্রিয়া এবং অন্ধ শক্তিগুলো পৃথিবীর বিবর্তনের ৪৫০ কোটি বছরের ইতিহাসে অনেক বিশৃঙ্খল পরিবর্তন ঘটিয়েছে, এখন সেই পরিবর্তনের দিক নির্ধারিত হচ্ছে একটি সচেতন এবং ইচ্ছাশক্তিসম্পন্ন সত্তা দ্বারা, যার নাম "মানবজাতি"। তবে অবশ্যই আমাদের পুরো মানবজাতিকে সমানভাবে দোষারোপ করা উচিত হবে না, কারণ এই সমস্যার মূলে রয়েছে শিল্পোন্নত পুঁজিবাদী পাশ্চাত্য বিশ্ব। অথচ জলবায়ু সংকটে যাদের অবদান সবচেয়ে কম, সেই দরিদ্র দেশগুলোই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। '''কিন্তু চীন, ভারত এবং ব্রাজিলের মতো দেশগুলো বর্তমানে এই সংকটে বড় ভূমিকা রাখছে এবং এই গ্রহের ৭৫০ কোটি মানুষের সম্মিলিত প্রভাবে সর্বত্রই প্রাণিকুলের বিলুপ্তি এবং ধ্বংসের প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হচ্ছে।''' হলোসিন যুগের সেই স্থিতিশীলতা এখন আর নেই, পরিবর্তনগুলো আমাদের বোঝার ক্ষমতা এবং নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে এবং এক ভয়াবহ বিশৃঙ্খলা আমাদের দরজায় কড়া নাড়ছে। ** স্টিভেন বেস্ট, [https://drstevebest.wordpress.com/2019/12/03/total-liberation-in-the-age-of-the-anthropocene-and-climate-emergency/  টোটাল লিবারেশন ইন দ্য এজ অফ দ্য অ্যানথ্রোপোসিন অ্যান্ড ক্লাইমেট ইমার্জেন্সি] (৩ ডিসেম্বর ২০১৯) * মানুষের জ্যামিতিক হারে বৃদ্ধির এই গতি অভূতপূর্ব এবং পৃথিবীর ইতিহাসে আগে কখনও কোনো একটি একক প্রজাতি এত বিশাল আকারে বৃদ্ধি পায়নি, যা জীবন্ত প্রাণব্যবস্থার ভারসাম্যকে পুরোপুরি নষ্ট করে দিচ্ছে। এই সমস্যাটি দিন দিন কেবল আরও খারাপের দিকেই যাচ্ছে। সাধারণ হিসাব অনুযায়ী, ২০৫০ সালের মধ্যে মানুষের জনসংখ্যা ৮০০ থেকে ১০০০ কোটিতে পৌঁছাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে এবং ২১০০ সালের মধ্যে এটি হয়তো আরও অনেক বেশি বৃদ্ধি পাবে। মানুষের এই জনসংখ্যা বৃদ্ধি একটি চরম পর্যায়ের সংকটকে নির্দেশ করে। তবে অবশ্যই এটি আমাদের সামনে থাকা অসংখ্য সংকটের মাত্র একটি দিক যার সাথে প্রজাতির বিলুপ্তি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের মতো সমস্যাগুলো যুক্ত হয়ে এক ভয়াবহ মহাবিপর্যয় তৈরি করছে। এই চ্যালেঞ্জগুলোই বর্তমানে অ্যানথ্রোপোসিন যুগে মানবজাতির সামনে এক কঠিন পরীক্ষা হিসেবে দাঁড়িয়েছে। ** স্টিভেন বেস্ট, "[https://www.all-creatures.org/lifestyle/img/failed-species.pdf ফেইলড স্পিসিস: দ্য রাইজ অ্যান্ড ফল অফ দ্য হিউম্যান এম্পায়ার]"। ''রোমানিয়ান জার্নাল অফ আর্টিস্টিক ক্রিয়েটিভিটি''। ৯ (২)। (২০২১)। * বর্তমানে আমাদের আধুনিক শিল্প সভ্যতার চাকা প্রায় পুরোপুরিভাবে বিপুল পরিমাণ জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহারের ওপর নির্ভরশীল। এটি বোঝা খুব গুরুত্বপূর্ণ যে, জীবাশ্ম জ্বালানি বা বিশেষ করে খনিজ তেল কেবল ব্যক্তিগত গাড়ি বা ট্রাক তৈরির জন্য বা চালানোর জন্য ব্যবহৃত হয় না। এগুলো ট্রাক্টর, লাঙল, সেচের পাইপ এবং পাম্প তৈরির কাজেও ব্যবহৃত হয় এবং পরে এগুলো চালাতে জ্বালানি হিসেবে কাজ করে। এই জ্বালানিগুলো অনেক গুরুত্বপূর্ণ সার এবং কীটনাশকের রাসায়নিক ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। এছাড়া কৃষিকাজে ব্যবহৃত প্লাস্টিক তৈরির উপাদানও এখান থেকেই আসে। পচনশীল দ্রব্য সংরক্ষণের জন্য যে হিমায়িত ব্যবস্থার প্রয়োজন হয়, তাও এর ওপর নির্ভরশীল। সংক্ষেপে বলতে গেলে, প্রচুর পরিমাণে জীবাশ্ম জ্বালানি ছাড়া আধুনিক শিল্প-কৃষি ব্যবস্থা অচল হয়ে পড়বে। জীবাশ্ম জ্বালানি-ভিত্তিক এই আধুনিক কৃষি ব্যবস্থা না থাকলে বিশ্বে খাদ্য উৎপাদন এতটাই কমে যাবে যা আমাদের বর্তমান জনসংখ্যাকে টিকিয়ে রাখার জন্য মোটেও পর্যাপ্ত হবে না। প্রতি বছর যে নতুন করে আরও ৮ কোটির বেশি মানুষ যুক্ত হচ্ছে, তাদের কথা তো বাদই দিলাম। মুদ্রার উল্টো পিঠ হলো এই যে, '''মানুষ যখন জীবাশ্ম জ্বালানির মধ্যে থাকা এই অসাধারণ শক্তিকে নিজেদের প্রয়োজনে ব্যবহার করে, তখন আমরা "মাত্রাতিরিক্ত শক্তিশালী" হয়ে উঠি—আর এভাবেই আমরা পৃথিবীর জীবমন্ডলকে পিষ্ট করে ফেলছি।''' জীবাশ্ম জ্বালানির শক্তি ছাড়া আমরা প্রতি মিনিটে কয়েকটি ফুটবল মাঠের সমান রেইনফরেস্ট ধ্বংস করতে পারতাম না, গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে পারতাম না, বিশাল আকারে মৎস্য চাষের চেষ্টা করতে পারতাম না বা মাইলের পর মাইল পিচ ঢালা রাস্তা দিয়ে বসতি স্থাপন করতে পারতাম না। সারসংক্ষেপে, জীবাশ্ম জ্বালানি আমাদের জনসংখ্যা এবং তার বৃদ্ধি এবং সেই সাথে আমাদের বিলাসিতা বা অতিরিক্ত ভোগ উভয়কেই টিকিয়ে রেখেছে। ** জোসেফ জে. বিশ, "[https://www.populationmedia.org/the-latest/interrelationships-human-population-fossil-fuels-and-technology ইন্টাররিলেশনশিপস: হিউম্যান পপুলেশন, ফসিল ফুয়েলস, অ্যান্ড টেকনোলজি]।" পপুলেশন মিডিয়া সেন্টার (১৫ অক্টোবর ২০২১) * আমার মতে, বর্তমানে জনসংখ্যা বৃদ্ধি আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে এবং আমাদের সম্পদ দিন দিন কমছে আমরা আমাদের সভ্যতার ইতিহাসে দেখা সবচেয়ে বড় বিপর্যয়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। আমি মনে করি আগামী ৪০ বা ৫০ বছরের মধ্যেই আমরা সেই চরম সংকটে পৌঁছে যাব। যদি আপনার জনসংখ্যার রেখাটি জ্যামিতিক হারে বাড়তে থাকে এবং সম্পদের রেখাটি জ্যামিতিক হারে কমতে থাকে, তবে সবার আগে যা ঘটবে তা হলো সম্পদের বৈষম্য বৃদ্ধি পাওয়া। এর অর্থ হলো আপনি কিছু এলাকায় ধনী মানুষের সুরক্ষিত পাড়া দেখতে পাবেন যেখানে বাইরে নিরাপত্তা রক্ষী থাকবে, আর সেই এলাকার বাইরে কেবল দারিদ্র্য আর অভাব বাড়বে। সম্পদ যত কমতে থাকবে, মানুষ পানি, খাবার এবং চাষযোগ্য জমি নিয়ে নিজেদের মধ্যে লড়াই শুরু করবে। ২০৫০ সালে জোহানেসবার্গের মতো বড় শহরগুলোতে এমন দৃশ্যই দেখা যাবে। এর লক্ষণগুলো এখনই সব জায়গায় ফুটে উঠছে। এটি কেবল অতিরিক্ত জনসংখ্যা এবং সম্পদের অভাবের ফল। আমরা আসলে আমাদের ভবিষ্যৎ ভাগ্যের ওপর কোনো নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেছি। :* নিল ব্লমক্যাম্প: ''[http://www.avclub.com/article/idistrict-9-idirector-neill-blomkamp-31606 ডিস্ট্রিক্ট ৯ ডিরেক্টর নিল ব্লমক্যাম্প],'' তাশা রবিনসন কর্তৃক '' avclub.com''-এ প্রকাশিত, ১২ আগস্ট ২০০৯। * ... ১৭৯৮ সালে রেভারেন্ড থমাস ম্যালথাস যে ভবিষ্যৎবাণী করেছিলেন মানুষ তার সংখ্যা বৃদ্ধির মাধ্যমে নিজেকে এক "দুর্ভোগ এবং অনৈতিকতার" পরিস্থিতির দিকে নিয়ে যাবে তা আজও ততটাই সত্য যতটা সেই সময়ে ছিল। জ্যামিতিক হারে জনসংখ্যা বাড়লেও খাদ্য উৎপাদন গাণিতিক হারে বাড়ে, যার ফলে এই ভারসাম্যহীনতা তৈরি হয়। তিনি একজন দূরদর্শী মানুষ ছিলেন এবং অতিপ্রজতার এই দানবীয় রূপটি পরিষ্কারভাবে দেখতে পেয়েছিলেন। তার ভবিষ্যৎবাণীর একমাত্র ভুল ছিল সময়ের হিসাবে সামান্য এদিক-ওদিক হওয়া। আমরা কৃষিবিদেরা খুব জোর দিয়ে বললে বড়জোর কয়েক দশক সময় পেতে পারি যার মধ্যে আমাদের খাদ্য উৎপাদনের সাথে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হারের একটি সফল ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে। ** নরমান বোরলাগ: [https://repository.cimmyt.org/bitstream/handle/10883/19272/9023.pdf?sequence=1 "হুইট ব্রিডিং অ্যান্ড ইটস ইমপ্যাক্ট অন ওয়ার্ল্ড ফুড সাপ্লাই।"] এতে: ''থার্ড ইন্টারন্যাশনাল হুইট জেনেটিক্স সিম্পোজিয়াম''। সিআইএমএমওয়াইটি, ১৯৬৮। * এটি স্বতস্ফূর্তভাবে প্রমাণিত যে, আমাদের পরিবেশগত সীমার এই যে অতিরিক্ত লঙ্ঘন, তা মূলত মানুষের অত্যধিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির সরাসরি ফলাফল। এই বিশাল জনগোষ্ঠী প্রচুর পরিমাণে প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবহার করছে এবং এই সীমিত গ্রহের ওপর মাত্রাতিরিক্ত বর্জ্য ত্যাগ করছে, যা মূলত সুস্থ পরিবেশ ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল। যারা বিশ্বাস করেন যে আমরা একটি সীমাবদ্ধ সম্পদের বিশ্বে বাস করি এবং আমাদের বর্জ্য শোষণের ক্ষমতাও সীমিত, তাদের কাছে এই বিষয়টি ব্যাখ্যার প্রয়োজন নেই। তবুও এখনও এমন অনেক মানুষ আছেন যারা মনে করেন যে মানুষের অনন্য বুদ্ধিমত্তা এবং প্রযুক্তিগত দক্ষতা আমাদের এই সব চ্যালেঞ্জগুলো থেকে "মুক্ত" করবে। অথচ আমাদের এই সাম্প্রতিক বিস্ফোরক জনসংখ্যা বৃদ্ধি, বিশ্বব্যাপী সম্প্রসারণ এবং শিল্পায়ন আমাদের গ্রহের সীমাগুলো অতিক্রম করে আমাদের সামনে একের পর এক কঠিন চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিচ্ছে। ** স্টিভ বুল, "[https://stevebull-4168.medium.com/todays-contemplation-collapse-cometh-cxci-the-nexus-of-population-energy-innovation-and-936076b4cf23 দ্য নেক্সাস অফ পপুলেশন, এনার্জি, ইনোভেশন, অ্যান্ড কমপ্লেক্সিটি]"। (২৮ নভেম্বর ২০২৪)। * প্রতিটি জীবিত প্রজাতিকেই বেঁচে থাকার জন্য প্রকৃতি থেকে কিছু না কিছু নিতে হয় এবং আমরাও তার ব্যতিক্রম নই। কিন্তু অন্যান্য প্রজাতির মতো আমাদের খাদ্য, আরাম-আয়েশ, বাসস্থান বা প্রজননের আকাঙ্ক্ষার কোনো শেষ নেই—বেঁচে থাকার এই মৌলিক চাহিদাগুলো এখন আমাদের অস্তিত্বের প্রয়োজনের চেয়েও অনেক বেশি মাত্রায় বেড়ে গেছে। আমরা উন্নতি করতে বাধ্য হই এবং মানুষ হিসেবে দুই পায়ে দাঁড়ানোর পর থেকেই আমরা ভূমি থেকে প্রাকৃতিক সম্পদ আহরণ করে আসছি। পুরো বিংশ শতাব্দী জুড়ে আমাদের এই বিশাল ভোগের যন্ত্রটি আরও শক্তিশালী হয়েছে এবং মানুষের এই অতৃপ্ত আকাঙ্ক্ষা আমাদের টিকিয়ে রাখা এই গ্রহের ওপরই আঘাত হেনেছে। খুব অল্প সময়ের মধ্যে মানবজাতি তার জনসংখ্যার বিস্ফোরণ, শিল্প এবং প্রযুক্তির মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী এক বিশাল পরিবর্তনের কারিগর হয়ে উঠেছে। এই সভ্যতা তার অগ্রগতির পথে যা রেখে যাচ্ছে তা হয়তো শেষ পর্যন্ত এক উন্মুক্ত এবং রিক্ত এক পৃথিবী ছাড়া আর কিছুই নয়। কিন্তু এই আগ্রাসনের মাধ্যমে আমরা নিজের অজান্তেই আমাদের বর্তমান জীবনযাত্রার এক বিশাল এবং ধ্বংসাত্মক স্মারক তৈরি করে চলেছি। ** এডওয়ার্ড বার্টিনস্কি, "[https://books.openbookpublishers.com/10.11647/obp.0193/ch13.xhtml ইমেজিং আর্থ]।" ''আর্থ ২০২০'' (২০২০)। * বিশ্বজুড়ে জীববৈচিত্র্য কমে যাওয়ার বিষয়টি সবচেয়ে স্পষ্টভাবে বোঝা যায় যখন আমরা এটি অনুধাবন করি যে, অতিরিক্ত মানুষ অনেক বেশি পরিমাণে প্রাকৃতিক সম্পদ ভোগ করছে ও উৎপাদন করছে এবং এর ফলে অন্যান্য প্রজাতিগুলো তাদের নিজস্ব আবাসন থেকে বিতাড়িত হচ্ছে। বন্য প্রাকৃতিক পরিবেশ এবং সমুদ্রের তলদেশের পরিবেশ আজ মানুষ, আমাদের পোষা ও আমাদের ওপর নির্ভরশীল প্রাণী, আমাদের অর্থনৈতিক সহায়তা ব্যবস্থা এবং আমাদের ফেলে দেওয়া আবর্জনার স্তূপের মাধ্যমে দখল হয়ে যাচ্ছে। ** ফিলিপ কাফারো, পারনিলা হ্যানসন, ফ্রাঙ্ক গোটমার্ক, {{cite journal|doi=10.1016/j.biocon.2022.109646|title=অতিপ্রজতা হলো জীববৈচিত্র্য হ্রাসের একটি প্রধান কারণ এবং যা অবশিষ্ট আছে তা রক্ষা করার জন্য মানুষের সংখ্যা কমিয়ে আনা প্রয়োজন|year=২০২২ |journal={{W|Biological Conservation (journal)|বায়োলজিক্যাল কনজারভেশন}}|volume=২৭২|issue= |pmid=|pmc=|url=https://www.sustainable.soltechdesigns.com/Overpopulation-and-biodiversty-loss(2022).pdf}} * গত একশ বছরে 'হোমো সেপিয়েন্স' বা মানুষের জনসংখ্যা ২০০ কোটি থেকে বেড়ে প্রায় ৮০০ কোটিতে পৌঁছেছে। জাতিসংঘ (২০১৯) অনুমান করছে যে, যদি এই জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কমানোর জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা না হয়, তবে ২১০০ সালের মধ্যে এই সংখ্যা আরও ৩০০ কোটি বৃদ্ধি পাবে। এই সম্ভাব্য বৃদ্ধিকে উপেক্ষা করার অর্থ হলো বর্তমানে চলমান জীববৈচিত্র্য সংকটের একটি প্রধান চালিকাশক্তিকে অস্বীকার করা। মানুষের বর্তমান এই বিশাল সংখ্যাকে একটি স্বাভাবিক পরিস্থিতি হিসেবে মেনে নেওয়ার অর্থ হলো একটি জৈবিকভাবে নিঃস্ব ও রিক্ত গ্রহকে মেনে নেওয়া। ** এলবিআইডি। * আঠারো শতকের অর্থনীতিবিদ থমাস ম্যালথাস একবার ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন যে, যেহেতু আমাদের জনসংখ্যা জ্যামিতিক হারে বৃদ্ধি পায় অথচ আমাদের খাদ্য সরবরাহ বাড়ে গাণিতিক হারে, তাই আমাদের জনসংখ্যা একদিন আমাদের লালন-পালন করার ক্ষমতাকে ছাড়িয়ে যাবে। যদিও প্রক্রিয়াজাত খাদ্য এবং জেনেটিকালি পরিবর্তিত জীবের উদ্ভাবনের ফলে এটি বর্তমানে ভুল প্রমাণিত হয়েছে, তবুও পিটার ফার্বের ধাঁধাটি বর্তমানে সত্য বলে প্রতীয়মান হতে পারে। যেহেতু পৃথিবীর জনসংখ্যা প্রতিনিয়ত বাড়ছে, তাই আমরা আমাদের খাদ্য উৎপাদনও বাড়িয়ে দিচ্ছি। এর ফলে খাদ্যের উদ্বৃত্ত থাকায় মানুষ এখন আগের চেয়ে বেশি পুষ্টি পাচ্ছে। এটি মানুষের গড় আয়ু বাড়িয়ে দিচ্ছে এবং শিশু মৃত্যুর হার কমিয়ে দিচ্ছে। এর ফলে মানুষ আরও বেশি সংখ্যক সন্তান ধারণ করতে সক্ষম হচ্ছে। এই চক্রাকার ধাঁধাটি আমাদের গ্রহের জন্য মোটেও স্বাস্থ্যকর নয়। কারণ আমরা হয়তো আমাদের ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার ক্ষুধা মেটাতে সক্ষম হব, কিন্তু আমাদের অন্যান্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সম্পদ যেমন পানি এবং তেল দিন দিন ফুরিয়ে আসছে। জনসংখ্যাকে একটি স্থিতিশীল পর্যায়ে রাখার জন্য আমাদের ডেনমার্ক এবং জাপানের মতো প্রতিস্থাপন হারে প্রজনন করা উচিত। ** ক্যাথরিন ক্যালডওয়েল, "[https://facetsofsustainability2014.wordpress.com/2014/11/13/farb-malthus-and-ishmael-v-the-population/ ফার্ব, ম্যালথাস এবং ইসমায়েল বনাম জনসংখ্যা]" (১৩ নভেম্বর ২০১৪)। * বর্তমানে মানবজাতি ভবিষ্যতের সম্পদ অতি লোভীর মতো চুরি করার কাজে লিপ্ত হয়েছে। আধুনিক বিশ্বে দেখা দেওয়া দুর্ভিক্ষ অবশ্যই মানুষের বর্তমান অবস্থার একটি গভীর সমস্যার লক্ষণগুলোর মধ্যে একটি হওয়া উচিত—আর তা হলো ডায়াক্রনিক প্রতিযোগিতা। এটি এমন একটি সম্পর্ক যেখানে আমাদের বর্তমানের সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য বা ভালো থাকা নিশ্চিত করা হচ্ছে আমাদের বংশধরদের বা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুযোগ-সুবিধা কেড়ে নেওয়ার বিনিময়ে। আমাদের বিশাল জনসংখ্যা, আমাদের প্রযুক্তিগত উন্নতির স্তর এবং মানুষের ধারণক্ষমতা বৃদ্ধির স্থায়ী পদ্ধতি (যেমন কৃষি) ও সাময়িক পদ্ধতি (জীবাশ্ম জ্বালানি এবং অন্যান্য খনিজ সম্পদের ওপর নির্ভরশীলতা)-র মধ্যে পার্থক্য বুঝতে না পারার কারণে আমরা আজকের মানুষের আকাঙ্ক্ষা পূরণের বিষয়টিকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের বিশাল বঞ্চনার ওপর নির্ভরশীল করে তুলেছি। ** উইলিয়াম আর. ক্যাটন, ''ওভারশুট'' (১৯৮০), অধ্যায় ১: "আমাদের একটি নতুন দৃষ্টিভঙ্গির প্রয়োজন", পৃষ্ঠা ৩। * আমরা ইতিমধ্যেই একটি অতিরিক্ত বোঝাই বিশ্বে বাস করছি। আমাদের ভবিষ্যৎ হবে সেই সত্যেরই একটি অনিবার্য ফল। আর সেই সত্যটি হলো আমাদের অতীতের কর্মকাণ্ডের একটি ফলাফল। তাই আমাদের প্রথম কাজ হলো নিজেদের কাছে এটি স্পষ্ট করা যে আমরা কীভাবে এই বর্তমান অবস্থায় পৌঁছালাম এবং কেন আমাদের বর্তমান পরিস্থিতি একটি বিশেষ ধরণের ভবিষ্যতের দিকে আমাদের নিয়ে যাচ্ছে। […] এটি এমন একটি বিশ্বের গল্প যা বারবার মানুষের সংখ্যার দ্বারা পরিপূর্ণ হওয়ার কাছাকাছি পৌঁছেছে, কিন্তু প্রতিবারই মানুষের বুদ্ধিমত্তা সেই প্রাকৃতিক সীমাটিকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। সীমা বাড়ানোর প্রথম কয়েক ধাপ প্রায় ২০ লক্ষ বছর ধরে একগুচ্ছ প্রযুক্তিগত আবিষ্কারের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছিল। এই আবিষ্কারগুলো মানুষকে পৃথিবীর মোট জীবন ধারণের ক্ষমতার এমন সব অংশ বারবার দখল করতে সাহায্য করেছে যা আগে অন্য প্রজাতির প্রাণীদের টিকিয়ে রাখত। সীমা বাড়ানোর সবচেয়ে সাম্প্রতিক পর্বটি অনেক বেশি চমকপ্রদ ফলাফল নিয়ে এসেছে। যদিও এটি মানুষের ধারণক্ষমতা বাড়িয়েছি একদম ভিন্ন একটি পদ্ধতিতে: আর তা হলো এমন কিছু সীমিত সম্পদের ভাণ্ডার ব্যবহার করা যা মানুষের আয়ুর কোনো নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আর নতুন করে তৈরি হবে না। তাই এর ফলাফল কখনও স্থায়ী হতে পারে না। এই সত্যটি মানবজাতিকে এমন এক বিপদজনক অবস্থানে নিয়ে গেছে যেখানে আধুনিক জীবনের কর্মকাণ্ডগুলো সেই আশ্রয়স্থলকেই কেটে ফেলছে। ** উইলিয়াম আর. ক্যাটন, ''ওভারশুট'' (১৯৮০), অধ্যায় ২: "মানুষের সাফল্যের করুণ গল্প", পৃষ্ঠা ১৭। * বড়জোর দুই প্রজন্মের মানুষ যখন শিল্পায়নের সুবিধা ভোগ করছিল, তখনই অত্যন্ত কার্যকরভাবে মৃত্যু নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার আরও ত্বরান্বিত হয়। রোগ সৃষ্টির পেছনে অণুজীবের ভূমিকা আবিষ্কৃত হয়। ১৮৬৫ সালে অ্যান্টিসেপটিক সার্জারির ব্যবহার শুরু হয়। চিকিৎসা প্রযুক্তিতে এর সাথে সম্পর্কিত আরও অনেক যুগান্তকারী আবিষ্কারের সূচনা হিসেবে একে গণ্য করা যেতে পারে: যেমন স্বাস্থ্যকর অভ্যাস, টিকাদান, অ্যান্টিবায়োটিক ইত্যাদি। এই সাম্প্রতিক সিরিজের সাফল্যের সামগ্রিক ফল হলো মানবজাতিকে সেই সব অদৃশ্য জীবের হাত থেকে মুক্ত করা যারা একসময় মানুষের শরীরের টিস্যুকে খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে মানুষের জীবনকাল কমিয়ে দিত। শিকারি প্রাণীদের হাত থেকে নতুন সুরক্ষা পাওয়া অন্যান্য প্রজাতির প্রাণীর মতো আমরাও বংশবৃদ্ধি করেছি এবং নিজেদের সংখ্যা এতটাই বাড়িয়েছি যে আমরা আমাদের নিজেদের প্রজাতি দিয়ে পৃথিবীকে কেবল পরিপূর্ণই করিনি বরং উপচে ফেলেছি। ** প্রাগুক্ত, পৃষ্ঠা ৩০। * মানুষ হয় পরিবেশের ধারণক্ষমতার ধারণাটি সম্পর্কে ক্রমাগত অজ্ঞতা প্রদর্শন করেছে অথবা এই অন্ধ বিশ্বাস পোষণ করেছে যে ধারণক্ষমতা সবসময়ই বাড়ানো সম্ভব এবং যে কোনো সীমা সবসময় অতিক্রম করা যাবে। পুঁজিবাদী এবং মার্কসবাদী—উভয় পক্ষই সম্ভবত এমন একটি ভুল ধারণা পোষণ করত যার কারণে তারা এটি স্বীকার করতে অস্বীকার করেছে যে সীমাহীনতার সেই মিথ বা রূপকথাটি অবশেষে সেকেলে হয়ে গেছে। সেখানে এমন একটি ধারণাও প্রচলিত ছিল যে প্রযুক্তির আরও উন্নতি হলে তা অবশ্যই পৃথিবীর ধারণক্ষমতাকে বাড়াবে, কমাবে না। অতীতে প্রযুক্তির কাজই ছিল ধারণক্ষমতা বাড়ানো; তবে... শিল্প যুগে প্রযুক্তির এই ভূমিকায় একটি পরিবর্তন এসেছে। প্রযুক্তি প্রাকৃতিক সম্পদের প্রতি মানুষের ক্ষুধা বাড়িয়ে দিয়েছে, যার ফলে একটি নির্দিষ্ট পরিবেশ যত সংখ্যক মানুষকে টিকিয়ে রাখতে পারে সেই সংখ্যাটি দিন দিন কমছে। ** এলবিআইডি, পৃষ্ঠা ৩২। * মানুষ কল্পনা করে নিয়েছে যে তারা অন্যান্য স্তন্যপায়ী প্রাণীদের তুলনায় অনেক বেশি আলাদা বা উন্নত। তাই মানুষের আচরণে যখন সেই একই বৈশিষ্ট্যগুলো দেখা যায় তখন জনসংখ্যার চাপের গুরুত্বকে আড়াল করার জন্য আরও বিভিন্ন ধরণের সামাজিক ব্যাখ্যা দেওয়া হয়। বিংশ শতাব্দীতে মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়া এবং সম্পদের ভাণ্ডার ফুরিয়ে আসার বিষয়টি যখন স্পষ্ট হয়ে ওঠে, তখন মানুষ যুদ্ধে লিপ্ত হয়। তারা রাস্তায় দাঙ্গা শুরু করে। তারা আরও বেশি মাত্রায় সহিংস অপরাধ করতে থাকে। [...] তাদের রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি চরমপন্থী হয়ে ওঠে এবং তারা সর্বগ্রাসী সরকার গঠন করে, যার মধ্যে কিছু সরকার নিষ্ঠুর কর্মকাণ্ডের অনুমতি দিয়ে দেয়। দুই প্রজন্মের মধ্যে ব্যবধান আরও প্রকট এবং গভীর হয়। বর্ণবাদ রোধে এবং অর্থনৈতিক অসমতা দূর করার জন্য মানবতাবাদী কর্মীদের আন্তরিক প্রচেষ্টা সত্ত্বেও মানুষের মধ্যে বৈষম্য থেকে যায় এবং পারস্পরিক বিদ্বেষ আরও মারাত্মক আকার ধারণ করে। অন্যের প্রতি আচরণের ক্ষেত্রে শালীনতার মানদণ্ড এবং বিবেচনাবোধের সাথে আত্মসংযমের প্রত্যাশা অনেক জায়গায় নষ্ট এবং অবক্ষয়ের শিকার হয়। ** উইলিয়াম আর. ক্যাটন, ''ওভারশুট'' (১৯৮০), অধ্যায় ৬: "যে প্রক্রিয়াগুলো গুরুত্বপূর্ণ", পৃষ্ঠা ১০৭। * আমাদের বুঝতে হবে যে আমরা মানুষরা এই গ্রহের বাস্তুসংস্থানের ওপর যে "বোঝা" চাপিয়ে দিচ্ছি তা কেবল একটি জনসংখ্যার সংখ্যা মাত্র নয়। ভিন্ন ভিন্ন সংস্কৃতির মানুষ কেবল ভিন্ন হারেই বংশবৃদ্ধি করে না; তারা মাথাপিছু পরিবেশের ওপর ভিন্ন ভিন্ন মাত্রায় প্রভাব ফেলে। সংস্কৃতির মধ্যে একটি জনগোষ্ঠীর প্রযুক্তি এবং মানুষের নিজেদের সংগঠিত করার পদ্ধতি অন্তর্ভুক্ত থাকে। আমাদের মধ্যে যারা একটি "উন্নত" দেশে বাস করি (অর্থাৎ ম্যালথাসের কল্পনার বাইরে শিল্পোন্নত একটি সমাজ), তাদের প্রত্যেকের সম্পদের ক্ষুধা এবং পরিবেশের ওপর প্রভাব তথাকথিত একটি "উন্নয়নশীল" দেশের প্রত্যেক বাসিন্দার তুলনায় অনেক বেশি। আমাদের বর্তমানের এই চরম টেকসইহীন জীবনযাত্রার জন্য ৬০০ কোটি মানুষও সংখ্যায় অনেক বেশি। ** উইলিয়াম আর. ক্যাটন, ''ম্যালথাসের পূর্বাভাসের চেয়েও খারাপ (এমনকি যদি জীবিতরা মৃতদের চেয়ে সংখ্যায় বেশি না-ও হয়)''। ওয়াশিংটন স্টেট ইউনিভার্সিটি (মার্চ ২০০০) * জীবন এখন একটি ষষ্ঠ গণবিলুপ্তির যুগে প্রবেশ করেছে। এটি সম্ভবত পরিবেশের সবচেয়ে গুরুতর সমস্যা, কারণ একটি প্রজাতির হারিয়ে যাওয়া মানে তা চিরতরে হারিয়ে যাওয়া। এদের প্রত্যেকেই সেই জীবন্ত ব্যবস্থার মধ্যে কোনো না কোনো ছোট বা বড় ভূমিকা পালন করে যার ওপর আমরা সবাই নির্ভরশীল। বর্তমান এই সংকটকে সংজ্ঞায়িত করা প্রজাতির বিলুপ্তি মূলত তাদের অন্তর্ভুক্ত জনসংখ্যার ব্যাপক হারে নিখোঁজ হওয়ার ওপর ভিত্তি করে ঘটে চলেছে, যার বেশিরভাগই হয়েছে ১৮০০ সালের পর থেকে। আমরা যে বিশাল ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছি তা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে হোমো সেপিয়েন্স বা মানুষের কর্মকাণ্ডের কারণেই ঘটছে। আমাদের পূর্বপুরুষরা প্রায় ১১,০০০ বছর আগে কৃষিকাজ শুরু করার পর থেকে এর প্রায় সবটুকুই ঘটেছে। সেই সময় সারা বিশ্বে আমাদের সংখ্যা ছিল প্রায় ১০ লক্ষ; এখন আমাদের সংখ্যা ৭৭০ কোটি এবং এই সংখ্যাটি এখনও দ্রুত বাড়ছে। '''আমাদের সংখ্যা যত বেড়েছে, মানবজাতি তার জীবন্ত সঙ্গী বা প্রাণিকুলের বিশাল অংশের জন্য এক অভূতপূর্ব হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে'''। ** জেরার্ডো সেবালোস, পল আর. এরলিচ এবং পিটার এইচ. র‍্যাভেন, ''[https://www.pnas.org/content/early/2020/05/27/1922686117 মেরুদণ্ডী প্রাণীরা জৈবিক ধ্বংস এবং ষষ্ঠ গণবিলুপ্তির সূচক হিসেবে বিপদের মুখে]''। ''পিএনএএস'', ১ জুন ২০২০। * আমরা বর্তমানে ষষ্ঠ গণবিলুপ্তি ঘটনার মধ্যে রয়েছি। আগের পাঁচটি বিলুপ্তির মতো না হয়ে এটি ঘটছে একটি মাত্র প্রজাতির অতিরিক্ত বৃদ্ধির কারণে, যার নাম 'হোমো সেপিয়েন্স'। ** জেরার্ডো সেবালোস, পল আর. এরলিচ, "[https://www.pnas.org/doi/10.1073/pnas.2306987120 প্রাণীকুলের গণবিলুপ্তির মাধ্যমে জীবন বৃক্ষের অঙ্গহানি]"। ''পিএনএএস'', ২০২৩। * গত শতাব্দীতে মানুষের অনেক কর্মকাণ্ডের গতি এতটাই ত্বরান্বিত হয়েছে এবং মানুষের অতিপ্রজতা বা জনসংখ্যা বৃদ্ধি এতটাই ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে যে তা একটি নাটকীয় বৈশ্বিক পরিবেশগত রূপান্তর সৃষ্টি করেছে। বেশিরভাগ প্রাকৃতিক বাস্তুসংস্থান ব্যাপকভাবে পরিবর্তিত হয়েছে অথবা পুরোপুরি অদৃশ্য হয়ে গেছে এবং বন্যপ্রাণীর প্রাচুর্য অনেক বেশি কমে গেছে। ** এলবিআইডি। * আমরা যখন থেকে আগুন আবিষ্কার ও নিয়ন্ত্রণ করতে শিখেছি এবং কৃষিকাজ শুরু করেছি তখন থেকেই আমাদের শক্তির ব্যবহার বাড়ছে। তবে এটি সবচেয়ে বেশি বেড়েছে যখন আমরা পৃথিবীর ভূত্বক থেকে লক্ষ লক্ষ বছরের সঞ্চিত এবং ঘনীভূত সৌর শক্তিকে জীবাশ্ম জ্বালানি হিসেবে আহরণ করে এক বিশাল জ্বালানি ভাণ্ডারের সন্ধান পেয়েছি। নতুন শক্তি রূপান্তর কৌশলের বিকাশের সাথে সাথে এই শক্তির প্রাচুর্য মানুষের জনসংখ্যা এবং উৎপাদনের প্রবৃদ্ধির পথে থাকা দীর্ঘকালীন বাধাগুলোকে দূর করা সম্ভব করেছে। উনিশ শতকের শুরু থেকে যেসব নতুন শক্তির উৎস, রূপ এবং ব্যবহার শুরু হয়েছে তা আমাদের আরও বেশি উপকরণের যোগান দিয়েছে এবং নতুন ও আরও আধুনিক যন্ত্রপাতির উদ্ভাবন সম্ভব করেছে। এর ফলে আমাদের শক্তির ব্যবহার এবং উপকরণের প্রবাহ দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে (অর্থাৎ জীবমন্ডলের উৎস থেকে কাঁচামাল এবং শক্তির প্রবাহ মানুষের বাস্তুসংস্থানের মধ্য দিয়ে আবার জীবমন্ডলের গন্তব্যে ফিরে যাওয়া), যা আমরা সাধারণত "অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি" হিসেবে পরিমাপ করে থাকি। সেই সময় থেকে এই প্রবৃদ্ধি আর কখনও থামেনি, যদিও শক্তি এবং উপকরণের ইনপুট, আউটপুট এবং বর্জ্যের প্রবাহ সময়ের সাথে সাথে পরিবর্তিত হয়েছে। আমাদের যন্ত্র এবং প্রক্রিয়াগুলোতে "শক্তির দক্ষতা" বাড়ানোর প্রচেষ্টা (অর্থাৎ নির্দিষ্ট কাজ করার জন্য প্রয়োজনীয় শক্তির পরিমাণ কমানো) আমাদের ব্যবহৃত মোট শক্তির পরিমাণকে কখনও কমাতে পারেনি। বরং উল্টো আমাদের ভোগের হার বাড়ানোর জন্য আরও বেশি সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে। ** ফ্রাঁসোয়া-জাভিয়ের শেভালেরউ, "[https://www.faninitiative.net/articles/the-age-of-energy-disruptions/ শক্তির বিপর্যয়ের যুগ]"। দ্য ফ্যান ইনিশিয়েটিভ। ১০ ডিসেম্বর ২০২১। * পরিবেশ বিশ্লেষকরা একটি টেকসই জনসংখ্যা বলতে এমন এক জনসংখ্যাকে বোঝেন যারা জীববৈচিত্র্য বজায় রেখে এবং জলবায়ু পরিবর্তন জনিত সমস্যাগুলোকে কমিয়ে একটি পরিমিত ও সমতাপূর্ণ মধ্যবিত্ত জীবনযাত্রার মান উপভোগ করতে পারে। বিশ্লেষকদের মতে এই জনসংখ্যার আকার ২০০ কোটি থেকে ৪০০ কোটির মধ্যে হওয়া উচিত, যা বর্তমানের ৭৯০ কোটি থেকে অনেক কম। ** আইলিন ক্রিস্ট, উইলিয়াম জে. রিপল, পল আর. এরলিচ, উইলিয়াম ই. রিস এবং ক্রিস্টোফার উলফ {{cite journal|doi=10.1016/j.scitotenv.2022.157166|title=জনসংখ্যা বিষয়ে বিজ্ঞানীদের সতর্কতা|year=২০২২ |journal=Science of the Total Environment|volume=৮৪৫|issue= |pmid=35803428|pmc=|url=https://scientistswarning.forestry.oregonstate.edu/sites/default/files/Crist2022.pdf}} * আজ আমরা যে পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছি তা মানবজাতির বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের বিশালতা এবং তাদের বৃদ্ধির হারের বিচারে সম্পূর্ণ অনন্য। এই দুষ্টচক্রটি বর্তমানে যে মারাত্মক মোড় নিতে যাচ্ছে তা সত্যিই এক বিশাল এবং ভয়াবহ পরিবর্তনের সংকেত দিচ্ছে। […] আগুনকে আয়ত্তে আনা ছিল মানুষের প্রযুক্তিগত উন্নয়নের একদম প্রাথমিক পর্যায়ের একটি বিশেষ মাইলফলক। জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানোর মাধ্যমে আজও সেই আগুনের ব্যবহার আমাদের জীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং অপরিহার্য হয়ে রয়েছে। আর এভাবেই মানব সভ্যতার উন্নয়নের এই দুষ্টচক্রটি ক্রমাগত নিজেকে আবর্তিত করে চলেছে। জীবাশ্ম জ্বালানি এবং বিভিন্ন ধাতব সম্পদের ক্রমাগত ক্রমবর্ধমান ব্যবহারের ফলে এই চক্রের গতিবেগ দিন দিন আরও তীব্র হয়ে উঠছে। যদিও বিভিন্ন পরিবেশবাদী সংগঠন এবং সবুজ বা পরিবেশবান্ধব রাজনৈতিক দলগুলো এই পরিস্থিতি প্রতিরোধের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু বর্তমান সংকটের তুলনায় সেই প্রতিরোধের চিহ্নটি একেবারেই নগণ্য। ** ক্রেগ ডিলওয়ার্থ, ''টু স্মার্ট ফর আওয়ার ওন গুড'' (২০০৯), অধ্যায় ৬: "দ্য ভিশাস সার্কেল টুডে" * গত কয়েক শতাব্দী ধরে জনসংখ্যার যে বিশাল বিস্ফোরণ আমরা লক্ষ্য করছি […] তা মূলত সম্ভব হয়েছে মানুষের জীবনযাত্রার মানের ব্যাপক উন্নতি, দ্রুত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, খাদ্যের বিপুল প্রাচুর্য এবং জনস্বাস্থ্যের অভূতপূর্ব অগ্রগতির কারণে। তবে আমাদের এই সব ধরণের উন্নতি ও অগ্রগতি মূলত জীবাশ্ম জ্বালানির শক্তির ওপর ভিত্তি করেই টিকে রয়েছে। যখন জীবাশ্ম জ্বালানির ভাণ্ডার তার সর্বোচ্চ সীমায় পৌঁছে যাবে […] তখন শিল্প উৎপাদন, প্রবৃদ্ধি এবং আধুনিক জীবনের যাবতীয় সুযোগ-সুবিধাগুলো ধীরে ধীরে পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যেতে শুরু করবে। বর্তমানের এই আধুনিক শিল্প সমাজ তখন এক "অভাবী সমাজে" রূপান্তরিত হবে যা খুব সামান্য পরিমাণ শক্তির সাহায্যে নিজেদের পরিচালনা করবে। এরপর একসময় এটি একটি "উদ্ধারকারী সমাজে" পরিণত হবে যা পরিত্যক্ত হয়ে যাওয়া শহরের ভবন, যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং শিল্প কেন্দ্রগুলোর আবর্জনা বা ধ্বংসাবশেষ থেকে নিজেদের বেঁচে থাকার রসদ কোনোমতে সংগ্রহ করবে। ** রিক ডকসাই, "ইজ সিভিলাইজেশন ডুমড?" ''দ্য ফিউচারিস্ট''। মার্চ/এপ্রিল ২০১০। * পৃথিবীর ওপর মানুষের প্রভাবের একটি বড় অংশ আমাদের দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়া জনসংখ্যার সাথে সম্পর্কিত। যদি আমরা মানুষের সংখ্যা এবং আমাদের টিকিয়ে রাখার জন্য প্রয়োজনীয় পরিবেশগত সম্পদের মধ্যে একটি যৌক্তিক ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য কোনো সচেতন বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত পদক্ষেপ না নিই, তবে প্রকৃতি নিজেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। দুর্ভিক্ষ, রোগব্যাধি এবং যুদ্ধ যা মূলত নিজের পরিবেশগত সীমার বাইরে জীবনযাপন এবং প্রাকৃতিক সম্পদ অতিরিক্ত ব্যয় করার এক অনিবার্য পরিণতি শেষ পর্যন্ত আমাদের ওপর এক নিষ্ঠুর নিয়ম বা শৃঙ্খলা চাপিয়ে দিতে বাধ্য করবে। ** সিলভিয়া আর্ল, ''সি চেঞ্জ: আ মেসেজ অফ দ্য ওশেনস'' (১৯৯৫) * অতিপ্রজতা বা অতিরিক্ত জনসংখ্যা বিষয়টি বোঝার আসল চাবিকাঠি কিন্তু জনসংখ্যার ঘনত্ব নয়, বরং কোনো একটি এলাকার সম্পদের তুলনায় এবং মানুষের কর্মকাণ্ডকে টিকিয়ে রাখার জন্য সেই পরিবেশের সক্ষমতার সাপেক্ষে মানুষের সংখ্যা; অর্থাৎ, এটি মূলত সেই অঞ্চলের ধারণক্ষমতার সাথে সম্পর্কিত। একটি অঞ্চল কখন অতি জনবহুল হয়? যখন সেই অঞ্চলের জনসংখ্যাকে অনবায়নযোগ্য প্রাকৃতিক সম্পদ দ্রুত নিঃশেষ করা ছাড়া আর টিকিয়ে রাখা সম্ভব হয় না... এই মানদণ্ড অনুযায়ী, পুরো পৃথিবী এবং কার্যত প্রতিটি রাষ্ট্রই ইতিমধ্যে মারাত্মকভাবে অতি জনবহুল হয়ে পড়েছে। ** পল আর. এরলিচ, ''দ্য পপুলেশন এক্সপ্লোশন'' (১৯৯০) * পরিবেশগত সংকট সৃষ্টির পেছনে থাকা তিনটি প্রধান কারণের মধ্যে ঠিক কোনটি বেশি ক্ষতি করছে পৃথিবীতে মানুষের বর্তমান জনসংখ্যার আকার, প্রাকৃতিক সম্পদের অত্যধিক ভোগ নাকি দেশগুলোর মধ্যে সম্পদের অসম বা অন্যায্য বণ্টন (যেখানে ধনী দেশগুলো গরিব দেশগুলোর তুলনায় গড়ে মাথাপিছু অনেক বেশি সম্পদ ভোগ করে) তা নিয়ে বিতর্ক করা অনেকটা একটি ত্রিভুজের ভূমি না কি তার বাহুগুলো বেশি অবদান রাখছে তা নিয়ে বিতর্ক করার মতো। আপনি এই তিনটি কারণকে কোনোভাবেই আলাদা করতে পারবেন না। আমরা যদি দীর্ঘ সময়ের ব্যবধানে এই সংখ্যাগুলো বিশ্লেষণ করি, তবে আমরা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছাব যে ভোগের তুলনায় জনসংখ্যার আকারের প্রভাব অনেক বেশি। অন্যদিকে, ভোগ এবং অসম বণ্টনও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আমরা যদি একই সাথে এই তিনটি কারণ পরিবর্তন না করি, তবে আমাদের জীবনযাত্রার মান নাটকীয়ভাবে বদলে যাবে। আজ '''মানবজাতি প্রকৃতির ওপর একটি বড় ধরণের আঘাত হানছে, কিন্তু এটি একদম স্পষ্ট যে প্রকৃতিই শেষ পর্যন্ত চূড়ান্ত আঘাতটি করবে।''' ** পল আর. এরলিচ, ''[http://www.haaretz.co.il/1.1875624 পিপল শুড প্রোডিউস ফার ফিউয়ার চিলড্রেন, অর এক্সপেক্ট দ্য ওয়ার্স্ট]'' (ডিসেম্বর ২০১২) * পৃথিবীতে লক্ষ লক্ষ প্রজাতির আবাসস্থল। তার মধ্যে কেবল একটি প্রজাতিই আধিপত্য বিস্তার করে আছে। আর তারা হলাম আমরা। '''আমাদের বুদ্ধিমত্তা, আমাদের উদ্ভাবনী শক্তি এবং আমাদের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড আমাদের এই গ্রহের প্রায় প্রতিটি অংশকেই পরিবর্তিত করে ফেলেছে। প্রকৃতপক্ষে, আমরা এর ওপর এক গভীর প্রভাব ফেলছি। সত্যি বলতে, আমাদের চতুরতা, উদ্ভাবন এবং কর্মকাণ্ডই এখন আমাদের সামনে আসা প্রতিটি বৈশ্বিক সমস্যার মূল কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর আমরা যখন ১০০ কোটি বা ১০ বিলিয়ন জনসংখ্যার দিকে এগিয়ে যাচ্ছি, তখন এই প্রতিটি সমস্যা আরও দ্রুত ত্বরান্বিত হচ্ছে। আসলে আমি বিশ্বাস করি যে, আমরা বর্তমানে যে পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছি তাকে যথার্থভাবেই একটি জরুরি অবস্থা বলা যেতে পারে—যা একটি অভূতপূর্ব বৈশ্বিক বা গ্রহগত জরুরি অবস্থা।''' ** স্টিফেন এমট, ''[https://www.theguardian.com/environment/2013/jun/30/stephen-emmott-ten-billion ১০ বিলিয়ন]'', ''দ্য গার্ডিয়ান'' প্রকাশিত সারাংশ অনুযায়ী, ৩০ জুন ২০১৩। * আমরা মানুষ হিসেবে প্রায় ২,০০,০০০ বছর আগে একটি প্রজাতি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছি। ভূতাত্ত্বিক সময়ের হিসাবে এটি কিন্তু সত্যিই অবিশ্বাস্য রকমের সাম্প্রতিক। মাত্র ১০,০০০ বছর আগে আমাদের সংখ্যা ছিল ১০ লক্ষ। ১৮০০ সালের মধ্যে, অর্থাৎ মাত্র ২০০ বছরেরও কিছু বেশি সময় আগে আমাদের সংখ্যা ছিল ১০০ কোটি। ১৯৬০ সালে বা ৫০ বছর আগে আমাদের সংখ্যা ছিল ৩০০ কোটি। এখন আমাদের সংখ্যা ৭০০ কোটিরও বেশি। ২০৫০ সালের মধ্যে আপনাদের সন্তানরা অথবা নাতি-নাতনিরা এমন একটি পৃথিবীতে বাস করবে যেখানে অন্তত আরও ৯০০ কোটি মানুষ থাকবে। এই শতাব্দীর শেষের কোনো এক সময়ে আমাদের সংখ্যা কমপক্ষে ১,০০০ কোটি হয়ে যাবে। সম্ভবত আরও বেশি। আমরা বর্তমানে যে অবস্থায় আছি সেখানে পৌঁছানোর পেছনে সভ্যতা ও সমাজ গঠনকারী বেশ কিছু "ঘটনা" রয়েছে; যার মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হলো কৃষি বিপ্লব, বৈজ্ঞানিক বিপ্লব এবং—পাশ্চাত্যে—জনস্বাস্থ্য বিপ্লব। এই ঘটনাগুলো আমরা কীভাবে জীবনযাপন করি এবং আমাদের এই গ্রহকে মৌলিকভাবে গঠন করেছে। তাদের এই উত্তরাধিকার আমাদের ভবিষ্যৎকেও গঠন করতে থাকবে। তাই আমাদের এই উন্নয়নের আলোকে আমাদের প্রবৃদ্ধি এবং কর্মকাণ্ডগুলোকে দেখা প্রয়োজন। এই বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান কারণ ছিল কৃষির উদ্ভাবন। এই "কৃষি বিপ্লব" আমাদের শিকারি ও সংগ্রাহক অবস্থা থেকে খাদ্য উৎপাদনে অত্যন্ত সুসংগঠিত করে তুলেছে এবং আমাদের জনসংখ্যা বৃদ্ধিতে সহায়তা করেছে। কৃষির বিকাশ এবং গুরুত্ব বোঝার একটি ভালো উপায় হলো অন্তত তিনটি কৃষি "বিপ্লব" নিয়ে চিন্তা করা। প্রথমটি ঘটেছিল ১০,০০০ বছরেরও বেশি সময় আগে। এটি ছিল পশুদের গৃহপালিত করা এবং বিভিন্ন ধরণের গাছপালা চাষ করার মাধ্যমে। দ্বিতীয় কৃষি বিপ্লব ঘটেছিল ১৫শ থেকে ১৯শ শতাব্দীর মধ্যে। এটি ছিল কৃষি উৎপাদনশীলতা এবং খাদ্য উৎপাদনে যান্ত্রিকীকরণের একটি বিপ্লব। তৃতীয়টি ঘটেছিল ১৯৫০ থেকে ২০০০ সালের মধ্যে; যাকে তথাকথিত "সবুজ বিপ্লব" বলা হয়। কিন্তু এখানে আরেকটি গল্পও আছে: তা হলো মানুষের দ্বারা ভূমির ব্যবহারের এক মৌলিক রূপান্তরের সূচনা। ** স্টিফেন এমট, ''১০ বিলিয়ন'' (২০১৩) * আমাদের সংখ্যা যত বাড়তে থাকে, আমাদের অনেক বেশি পানি, অনেক বেশি খাবার, অনেক বেশি জমি, অনেক বেশি পরিবহন এবং অনেক বেশি শক্তির প্রয়োজন হতে থাকে। ফলস্বরূপ, আমরা এখন আমাদের জলবায়ু পরিবর্তনের গতিকেও আরও ত্বরান্বিত করছি। প্রকৃতপক্ষে, আমাদের কর্মকাণ্ডগুলো কেবল একে অপরের সাথে সম্পূর্ণভাবে যুক্তই নয়, বরং আমরা যে জটিল ব্যবস্থার মধ্যে বাস করি অর্থাৎ এই পৃথিবী তার সাথেও এখন মিথস্ক্রিয়া করছে। এই সবকিছু কীভাবে একে অপরের সাথে যুক্ত তা বোঝা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা আরও বেশি পানি এবং খাবারের চাহিদাকে ত্বরান্বিত করে। বেশি খাবারের চাহিদা জমির প্রয়োজনীয়তা বাড়িয়ে দেয়, যা বন উজাড় করার প্রক্রিয়াকে দ্রুত করে। খাদ্যের ক্রমবর্ধমান চাহিদা খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ এবং পরিবহনের পরিমাণও বাড়িয়ে দেয়। এই সবকিছু আবার শক্তির চাহিদাকে ত্বরান্বিত করে। এটি তখন গ্রিনহাউস গ্যাসের নিঃসরণ বাড়ায়, বিশেষ করে কার্বন ডাই অক্সাইড এবং মিথেন, যা জলবায়ু পরিবর্তনকে আরও ত্বরান্বিত করে। জলবায়ু পরিবর্তন যত বাড়ে, এটি পানি, খাদ্য এবং জমির ওপর চাপ আরও বাড়িয়ে দেয়। আর ঠিক একই সময়ে ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যাও পানি, খাদ্য এবং জমির ওপর এই চাপ বাড়িয়ে দিচ্ছে। সংক্ষেপে বলতে গেলে, জনসংখ্যা যত বাড়ছে এবং অর্থনীতি যত বড় হচ্ছে, পুরো ব্যবস্থার ওপর চাপের পরিমাণও তীব্রভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। ** আইবিআইডি। * "সন্তান নেবেন না" এ কথা বলা অত্যন্ত হাস্যকর একটি বিষয়। এটি আমাদের জিনে থাকা প্রতিটি তথ্যের বিরোধী এবং আমাদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ (এবং আনন্দদায়ক) একটি অনুপ্রেরণার বিপরীত। তবে এটি ঠিক যে, আমরা বিশ্বব্যাপী বর্তমানে যে হারে সন্তান জন্ম দিচ্ছি, তা আমাদের করা সবচেয়ে খারাপ একটি কাজ হতে পারে। এমনকি যদি বিশ্বব্যাপী পারমাণবিক বিদ্যুৎ কর্মসূচি চালু করা হয়, যদি জিও-ইঞ্জিনিয়ারিং কোনোভাবে জলবায়ু পরিবর্তনের সমস্যার সমাধান করে দেয় এবং এমনকি যদি আমরা ভোগ কমিয়ে দিই, তবুও মানুষের জনসংখ্যা যদি বর্তমান হারের মতো বাড়তে থাকে তবে আমরা একসময় এক কঠিন দেয়ালের সামনে এসে থমকে দাঁড়াব। আমরা সবাই জানি যে উন্নয়নশীল বিশ্বে নারীদের শিক্ষিত করার সাথে জন্মহার কমানোর একটি গভীর সম্পর্ক রয়েছে। কিন্তু তা সত্ত্বেও এবং জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে এমন বেশ কিছু দেশে জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী বিনামূল্যে পাওয়া গেলেও গড় জন্মহার এখনও প্রতি মহিলার বিপরীতে তিন, পাঁচ এমনকি সাতটি শিশু। জাতিসংঘের মতে, জাম্বিয়ার জনসংখ্যা এই শতাব্দীর শেষ নাগাদ ৯৪১% বৃদ্ধি পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নাইজেরিয়ার জনসংখ্যা ৭৩০ কোটিতে—অর্থাৎ ৩৪৯% বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আফগানিস্তানে ২৪২%, কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রে ২১%, গাম্বিয়াতে ২৪২%, গুয়াতেমালাতে ৩৬৯%, ইরাকে ৩৪৪%, কেনিয়াতে ২৮৪ %, লাইবেরিয়াতে ৩০০%, মালাউইয়ে ৭৪১%, মালিতে ৪০৮ %, নাইজারে ৭৬৬%, সোমালিয়াতে ৬৬৩%, উগান্ডাতে ৩৯৬% এবং ইয়েমেনে ২৯৯ % বৃদ্ধি পেতে পারে। এমনকি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জনসংখ্যাও ২১০০ সালের মধ্যে ৫৩% বৃদ্ধি পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যা ২০১২ সালের ৩১ কোটি ৫০ লক্ষ থেকে বেড়ে ৪৭ কোটি ৮০ লক্ষ হবে। আমি শুধু এটি নির্দেশ করতে চাই যে যদি বর্তমানে বিশ্বে প্রজননের এই হার বজায় থাকে, তবে এই শতাব্দীর শেষ নাগাদ আমাদের সংখ্যা ১০০ কোটি বা ১০ বিলিয়ন হবে না। বরং তখন আমাদের সংখ্যা হবে ২,৮০০ কোটি বা ২৮ বিলিয়ন। ** আইবিআইডি। * আমরা যদি আগামীকাল আবিষ্কার করি যে একটি গ্রহাণু পৃথিবীর সাথে সংঘর্ষের পথে রয়েছে এবং—যেহেতু পদার্থবিজ্ঞান একটি বেশ সহজ বিজ্ঞান—আমরা যদি এটি হিসাব করতে সক্ষম হই যে এটি ২০৭২ সালের ৩ জুন পৃথিবীকে আঘাত করবে এবং আমরা যদি জানতে পারি যে এর ফলে পৃথিবীর ৭০ % প্রাণের অস্তিত্ব মুছে যাবে, তবে সারা বিশ্বের সরকারগুলো সমগ্র গ্রহকে এক অভূতপূর্ব পদক্ষেপের দিকে পরিচালিত করত। প্রতিটি বিজ্ঞানী, প্রকৌশলী, বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে এই কাজে নিয়োজিত করা হতো: অর্ধেক লোক এটি থামানোর উপায় খুঁজত এবং বাকি অর্ধেক লোক প্রথম বিকল্পটি সফল না হলে আমাদের প্রজাতিকে কীভাবে বাঁচিয়ে রাখা যায় এবং নতুন করে গড়ে তোলা যায় তার পথ খুঁজত। আমরা এখন ঠিক তেমনই একটি পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছি, তফাত শুধু এই যে এখানে কোনো নির্দিষ্ট তারিখ নেই এবং কোনো গ্রহাণুও নেই। এখানে সমস্যা হলো আমরা নিজেরাই। এই সমস্যার বিশালতা এবং জরুরি অবস্থা বিবেচনা করার পরেও কেন আমরা এই পরিস্থিতি নিয়ে আরও বেশি কিছু করছি না—তা আমি কোনোভাবেই বুঝতে পারছি না। আমরা হিগস-বোসন নামক একটি কণার অস্তিত্ব খুঁজে বের করার জন্য সার্ন-এ ৮০০ কোটি ইউরো (অর্থাৎ লেখার সময়কার বিনিময় হার অনুযায়ী প্রায় ১,১০০ কোটি ডলার) খরচ করছি, যা হয়তো শেষ পর্যন্ত ভরের ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারে বা নাও পারে এবং কণা পদার্থবিজ্ঞানের "স্ট্যান্ডার্ড মডেল"-কে আংশিক সমর্থন দিতে পারে। আর সার্ন-এর পদার্থবিজ্ঞানীরা আমাদের বেশ জোর দিয়ে বলতে চান যে এটিই পৃথিবীর সবচেয়ে বড় এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা। আসলে তা নয়। পৃথিবীর সবচেয়ে বড় এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষাটি হলো আমরা বর্তমানে পৃথিবীর ওপর যে পরীক্ষাটি চালাচ্ছি সেটি। কেবল একজন নির্বোধই এটি অস্বীকার করবেন যে এই পৃথিবী কত সংখ্যক মানুষকে ধারণ করতে পারে তার একটি সীমা রয়েছে। প্রশ্ন হলো সেই সীমা কি ৭০০ কোটি (আমাদের বর্তমান জনসংখ্যা), ১,০০০ কোটি নাকি ২,৮০০ কোটি? আমি মনে করি আমরা ইতিমধ্যে সেই সীমা অতিক্রম করে গেছি। অনেক আগেই পার হয়ে গেছি। আমরা বর্তমানে যে পরিস্থিতির মধ্যে আছি তা পরিবর্তন করতে পারতাম। সম্ভবত কোনো প্রযুক্তিগত উপায়ের মাধ্যমে নয়, বরং আমাদের আচরণের আমূল পরিবর্তনের মাধ্যমে। কিন্তু এমন কিছু ঘটার বা খুব দ্রুত ঘটবে এমন কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। আমার মনে হয় আমাদের এই গতানুগতিক বা প্রথাগত ধারাটিই বজায় থাকবে। ** আইবিআইডি। * এমন কোনো ধারণা বা অনুমান একটি স্থায়ী বা থিতু জীবনযাত্রার সাথে জনসংখ্যা বৃদ্ধির বিষয়টি পুরোপুরি ব্যাখ্যা করতে পারুক বা না পারুক, এতে কোনো সন্দেহ নেই যে মানুষের সংখ্যা একসময় নাটকীয়ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছিল। ১০,০০০ থেকে ৬,০০০ বছর আগের সেই সময়ের মধ্যে—যা মানুষের মাত্র ১৬০টি প্রজন্মের সমান—নিকট প্রাচ্যের জনসংখ্যা আনুমানিক ১,০০,০০০-এর কম থেকে বেড়ে ৩০ লক্ষেরও বেশিতে পৌঁছেছিল বলে ধারণা করা হয়। প্রতিটি বৃদ্ধির সাথে সাথে খাদ্য উৎপাদনকারীদের ওপর নতুন নতুন প্রজাতিকে গৃহপালিত করার এবং নতুন নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন করার জন্য অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয়েছিল, যেমন লাঙল এবং সেচ ব্যবস্থার ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা প্রযুক্তি। মানুষ এখন নিজেদের এমন এক অবিরাম পরিস্থিতির মধ্যে খুঁজে পেয়েছে যেখান থেকে আজ পর্যন্ত তারা কোনোভাবেই বের হতে পারেনি। তারা এখনও খাদ্য উৎপাদনের সেই মৌলিক ধাঁধা বা স্ববিরোধী সমস্যার মধ্যে আটকে আছে: ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার ক্ষুধা মেটানোর জন্য উৎপাদনের মাত্রা বাড়িয়ে দিলে তা শেষ পর্যন্ত জনসংখ্যার আরও বেশি বৃদ্ধির পথ তৈরি করে দেয়। ** পিটার ফার্ব, ''হিউম্যানকাইন্ড'' (১৯৭৮), পৃষ্ঠা ১২১ * ১৭৭৫ সালে জেমস ওয়াট যখন নিউকমেন স্টিম ইঞ্জিনের একটি উন্নত সংস্করণ বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন শুরু করেন, তারপর থেকে মানব ইতিহাসে এমন এক অতুলনীয় বিপ্লব ঘটে গেছে যা সমাজের প্রতিটি স্তরে এবং সংস্কৃতির প্রতিটি দিককে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে। প্রযুক্তিগত এই উদ্ভাবনগুলো অবশ্যই অত্যন্ত চমকপ্রদ ছিল, কিন্তু আধুনিকায়নের ফলে সৃষ্ট জৈবিক, রাজনৈতিক, সামাজিক এবং অর্থনৈতিক ফলাফলগুলোও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। জৈবিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দেখলে, এর সবচেয়ে বড় এবং প্রধান ফলাফল হলো মানুষের গড় আয়ু বৃদ্ধি পাওয়া এবং মানুষের সংখ্যা জ্যামিতিক হারে বেড়ে যাওয়া। গত দুই শতাব্দীতে মানুষের গড় আয়ু প্রায় তিন গুণ বেড়ে গেছে এবং আমাদের প্রজাতির মোট জনসংখ্যা প্রায় পাঁচ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। ** আইবিআইডি, পৃষ্ঠা ১৮৯ * যদি কোনো বাধা বা নিয়ন্ত্রণ না থাকে, তবে যে কোনো জীবের জনসংখ্যা সাধারণত জ্যামিতিক হারে বৃদ্ধি পাওয়ার প্রবণতা দেখায়। কিন্তু এই বৃদ্ধি কখনও চিরকাল চলতে পারে না। একসময় প্রাকৃতিক সম্পদ ফুরিয়ে আসে এবং জনসংখ্যার হারও কমতে শুরু করে। যখন জনসংখ্যা আবারও পর্যাপ্ত পরিমাণ সম্পদের জন্য যথেষ্ট কম হয়ে যায়, তখন পুনরায় জ্যামিতিক হারে বৃদ্ধি শুরু হয়। এর ফলাফল হলো এক ধরণের উত্থান-পতনের চক্র—যা মূলত অস্থিরতার মধ্য দিয়েই একটি ভারসাম্য বা স্থিতিশীলতা বজায় রাখে।<br>অবশ্যই, যদি এই উত্থান-পতনের মাত্রা অনেক বড় হয়, তবে আমরা একে কোনোভাবেই 'স্থিতিশীলতা' বলতে পারি না। কিন্তু বেশিরভাগ সুস্থ বাস্তুসংস্থানে জনসংখ্যার এই ধরণের পরিবর্তনগুলো সাধারণত বেশ কম বা সীমিত থাকে। এই উত্থান-পতনের চক্রকে কমিয়ে আনার প্রধান চাবিকাঠি হলো বৈচিত্র্য। যখন একটি বাস্তুসংস্থানে অনেক ধরণের প্রজাতির বাস থাকে, তখন তাদের প্রত্যেকে একে অপরের জনসংখ্যাকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। এর ফলে দীর্ঘস্থায়ী জ্যামিতিক বৃদ্ধি বা জনসংখ্যার বিস্ফোরণ সেখানে সহজে শিকড় গাড়তে পারে না। ** ব্লেয়ার ফিক্স, "[https://economicsfromthetopdown.com/2020/09/12/frederick-soddys-debt-dynamics/ ফ্রেডরিক সোডির ডেবট ডায়নামিক্স]।" ''ইকোনমিক্স ফ্রম দ্য টপ ডাউন'' (১২ সেপ্টেম্বর ২০২০) * অতিপ্রজতা বা অতিরিক্ত জনসংখ্যাকে একটি সামাজিক সমস্যা হিসেবে বর্ণনা করা হয়, যেখানে মানুষের ব্যক্তিগত এবং সম্মিলিত আচরণই এই সমস্যা সৃষ্টির প্রধান কারণ বা চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে। ** অ্যাঞ্জেলা কে. ফোরনিয়ার এবং ই. স্কট গেলার [https://link.springer.com/article/10.5210/bsi.v13i1.35 বিহেভিয়ার অ্যানালাইসিস অফ কমপ্যানিয়ন-অ্যানিম্যাল ওভারপপুলেশন: আ কনসেপচুয়ালাইজেশন অফ দ্য প্রবলেম অ্যান্ড সাজেশনস ফর ইন্টারভেনশন] (১ মে ২০০৪) === G === * What are [we] made of, fairy dust and happy thoughts? No, [we] are made of proteins — of food! Without a sufficient food supply, such a population cannot be achieved. We understand this as a basic biological fact for every other species on this planet, that population is a function of food supply. Yet we continue to believe that the magic of free will exempts us from such basic biological laws. ** Jason Godesky, ''[https://theanarchistlibrary.org/library/jason-godesky-thirty-theses Thirty Theses]'' (2006), Thesis #4: "Human population is a function of food supply." * When the First World rushes in with foreign aid, food, and humanitarian aid to a desert area in the midst of a famine, we serve to prop up an unsustainable population. That drives a population boom in an area that already cannot support its existing population. The result is a huge population dependent on outside intervention that itself cannot be indefinitely sustained. Eventually, that population will crash once outside help is no longer possible — and the years of aid will only make that crash even more severe. In the same way that the United States’ policy of putting out all forest fires in the 1980s led to an even worse situation in its forests, our benevolence and good intentions have paved the way to a Malthusian hell. ** Ibid. * The human race currently consumes some 40% of the earth’s photosynthetic capacity. This monopoly on the earth’s resources is having a devastating effect. We are seeing the extinction of some 140 species every day, some thousands of times higher than the normal background rate. Today, right now, we are seeing extinction rates unparalleled in the history of the earth. We are undeniably in the midst of the seventh mass extinction event in the history of the earth — the Holocene Extinction. Unlikely previous extinction events, however, this one is driven by a single species. This is the true danger of overpopulation, not our inability to feed a growing population. As much as we would deny it, we depend on the earth to live. Dwindling biodiversity threatens the very survival of our species. We are literally cutting the ground out from under our feet. Increasing food production only increases the population; our current attitudes about food security has locked us into what Daniel Quinn called a “Food Race,” by comparison to the Arms Race of the Cold War. ** Ibid. * Overpopulation is the root cause of all other environmental problems … [and] is the natural consequence of the Food Race — driven by the constant need to expand. That need is a systemic consequence of complex society. The alternative to overpopulation, then, is to reverse the trend of intensifying complexity and accept greater simplicity: in a word, collapse. ** Jason Godesky, ''Thirty Theses'' (2006), Thesis #17: "Environmental problems may lead to collapse." * The main driving force behind the Holocene Extinction is the twin forces of overpopulation and intensified agricultural production. As more land is converted into cultivated fields, we approach important tipping points in how much of the world’s photosynthetic capacity is tied up in a single species. Deforestation is driven primarily by the need to feed an ever-growing populaton, but also for that population’s other resource needs, such as lumbering and mining. That deforestation has been responsible for anthropogenic atmospheric change for thousands of years, but as the positive feedback loop of the Food Race reached new levels, we were forced to either adopt fossil fuels, or collapse. Those fuels have intensified our atmospheric impact to obscene levels, yielding a new crisis in global warming. We do not face a long laundry list of environmental problems: we face a single, multi-faceted crisis. That crisis is complex society itself. The problems we face are the direct consequence of the positive feedback loop of complex society, and the Food Race in particular. **Ibid. * If nobody died the planet would soon run out of room for more people. How would this world be run (our political systems are far from perfect now); who would decide what type of house one lived in, what type of food one ate? What would we do for a living? ** Lori Gosselin, "[https://lifeforinstance.com/would-you-like-to-live-in-a-perfect-world/ Would You Like to Live in a Perfect World?]" * The study of population is not a very exact science. No one forecast the population collapse that is occurring in post-communist European Russia, or the scale of the fall in fertility that is under way [sic] in much of the world. The margin of error in calculations of fertility and life expectancy is large. Even so, a further large increase is inevitable. […] A human population of approaching 8 billion [sic] can be maintained only by desolating the Earth. If wild habitat is given over to human cultivation and habitation, if rainforests can be turned into green deserts, if genetic engineering enables ever-higher yields to be extorted from the thinning soils – then humans will have created for themselves a new geological era, the Eremozoic, the Era of Solitude, in which little remains on the Earth but themselves and the prosthetic environment that keeps them alive. ** [[John Gray]], ''[[Straw Dogs (book)|Straw Dogs]]'' (2002), Chapter 1: "The Human" * The future is brutally simple to anticipate; all overshot species collapse, and we have – by [apparently] transcending time via the levering of fossil energy – levered our species’ overshoot more than any ever has (or, almost certainly, ever could). **Murray Grimwood, "[https://www.interest.co.nz/public-policy/128237/murray-grimwood-says-future-will-be-so-different-we-need-go-back-basics-and Wither science; whither education?]". ''Interest'' (15 June 2024) * Over the last century, billions have enjoyed better, fuller and more enriched lives than their ancestors could dream of—but when all the bills for that are paid who knows how the ledgers of the two enterprises will stand? ** Sumit Guha [https://journals.lww.com/coas/fulltext/2006/04030/the_retreat_of_the_elephants__an_environmental.9.aspx in his review of Mark Elvin's ''The Retreat of the Elephants''] (2006) * My growing environmental awareness only adds more fuel to the argument for having no children. And the logic of never-ending consumption does not just harm the environment, it kills people too. ** [[w:Xiaolu Guo|Xiaolu Guo]], ''Once Upon A Time in the East: A Story of Growing up'', Chatto & Windus, 2017, page 305 (ISBN 9781784740689). === H === * The skeleton of our primate ancestors developed for millions of years to support a creature that walked on all fours and had a relatively small head. Adjusting to an upright position was quite a challenge, especially when the scaffolding had to support an extra-large cranium. Humankind paid for its lofty vision and industrious hands with backaches and stiff necks.<br>Women paid extra. An upright gait required narrower hips, constricting the birth canal - and this just when babies’ heads were getting bigger and bigger. Death in childbirth became a major hazard for human females. Women who gave birth earlier, when the infants brain and head were still relatively small and supple, fared better and lived to have more children. Natural selection consequently favoured earlier births. And, indeed, compared to other animals, humans are born prematurely, when many of their vital systems are still underdeveloped. A colt can trot shortly after birth; a kitten leaves its mother to forage on its own when it is just a few weeks old. Human babies are helpless, dependent for many years on their elders for sustenance, protection and education.<br>This fact has contributed greatly both to humankind’s extraordinary social abilities and to its unique social problems. Lone mothers could hardly forage enough food for their offspring and themselves with needy children in tow. Raising children required constant help from other family members and neighbours. It takes a tribe to raise a human. Evolution thus favoured those capable of forming strong social ties. In addition, since humans are born underdeveloped, they can be educated and socialised to a far greater extent than any other animal. Most mammals emerge from the womb like glazed earthenware emerging from a kiln - any attempt at remoulding will scratch or break them. Humans emerge from the womb like molten glass from a furnace. They can be spun, stretched and shaped with a surprising degree of freedom. This is why today we can educate our children to become Christian or Buddhist, capitalist or socialist, warlike or peace-loving. ** Yuval Noah Harari, ''Sapiens'' (2014), Part I: "The Cognitive Revolution", Chapter 1: "An Animal of No Significance". * Rather than heralding a new era of easy living, the Agricultural Revolution left farmers with lives generally more difficult and less satisfying than those of foragers. Hunter-gatherers spent their time in more stimulating and varied ways, and were less in danger of starvation and disease. '''The Agricultural Revolution certainly enlarged the sum total of food at the disposal of humankind, but the extra food did not translate into a better diet or more leisure. Rather, it translated into population explosions and pampered elites.''' The average farmer worked harder than the average forager, and got a worse diet in return. The Agricultural Revolution was history’s biggest fraud. ** Yuval Noah Harari, ''Sapiens'' (2011), Part II: "The Agricultural Revolution", Chapter 5: "History's Biggest Fraud" * The last 500 years have witnessed a phenomenal and unprecedented growth in human power. In the year 1500, there were about 500 million Homo sapiens in the entire world. Today, there are 7 billion. The total value of goods and services produced by humankind in the year 1500 is estimated at $250 billion, in today’s dollars. Nowadays the value of a year of human production is close to $60 trillion. In 1500, humanity consumed about 13 trillion calories of energy per day. Today, we consume 1,500 trillion calories a day. (Take a second look at those figures — human population has increased fourteenfold, production 240-fold, and energy consumption 115-fold.) ** Yuval Noah Harari, ''Sapiens'' (2011), Part IV: "The Scientific Revolution", Chapter 14: "The Discovery of Ignorance". * Since the Industrial Revolution, the world's human population has burgeoned as never before. In 1700 the world was home to some 700 million humans. In 1800 there were 950 million of us. By 1900, we almost doubled our numbers to 1.6 billion. And by 2000, that quadrupled to 6 billion. Today [as of this writing] there are just shy of 7 billion Homo Sapiens. ** Yuval Noah Harari, ''Sapiens'' (2011), Part IV: "The Scientific Revolution", Chapter 18: "A Permanent Revolution". * Today [as of this writing], the earth's continents are home to almost 7 billion Sapiens. If you took all these people and put them on a large set of scales, their combined mass would be about 300 million tons. If you then took all our domesticated farmyard animals—cows, pigs, sheep, and chickens—and placed them on an even larger set of scales, their mass would amount to about 700 million tons. In contrast, the combined mass of all surviving large wild animals—from porcupines and penguins to elephants and whales—is less than 100 million tons. Our children’s books, our iconography, and our TV screens are still full of giraffes, wolves, and chimpanzees, but the real world has very few of them left. There are about 80,000 giraffes in the world, compared to 1.5 billion cattle; only 200,000 wolves, compared to 400 million domesticated dogs; only 250,000 chimpanzees—in contrast to billions of humans. Humankind really has taken over the world. ** Ibid. * Around 1990, we became the most numerous mammalian species on the planet, outnumbering even rats. ** [[Thom Hartmann]], ''The Last Hours of Ancient Sunlight'' (1999), p. 18 (ISBN 9780609805299) * All measures to thwart the degradation and destruction of our ecosystem will be useless if we do not cut population growth. By 2050, if we continue to reproduce at the current [but declining] rate, the planet will have between 8 billion and 10 billion people, according to a recent U.N. forecast. This is a 50 percent increase. And yet government-commissioned reviews, such as the Stern report in Britain, do not mention the word population. Books and documentaries that deal with the climate crisis, including [[আল গোর]]’s ''[[An Inconvenient Truth]]'', fail to discuss the danger of population growth. This omission is odd, given that a doubling in population, even if we cut back on the use of fossil fuels, shut down all our coal-burning power plants and build seas of wind turbines, will plunge us into an age of extinction and desolation unseen since the end of the Mesozoic era, 65 million years ago, when the dinosaurs disappeared. ** [[Chris Hedges]], "[https://www.truthdig.com/articles/we-are-breeding-ourselves-to-extinction/ We Are Breeding Ourselves to Extinction]", March 9, 2009. *We are experiencing an accelerated obliteration of the planet’s life forms — an estimated 8,760 species die off per year — because, simply put, there are too many people. Most of these extinctions are the direct result of the expanding need for energy, housing, food, and other resources. '''The Yangtze River dolphin, Atlantic gray whale, West African black rhino, Merriam's elk, California grizzly bear, silver trout, blue pike, dusky seaside sparrow are all victims of human overpopulation.''' Population growth, as [[E. O. Wilson]] says, is "the monster on the land." Species are vanishing at a rate of a hundred to a thousand times faster than they did before the arrival of humans. If the current rate of extinction continues, Homo sapiens will be one of the few life forms left on the planet, its members scrambling violently among themselves for water, food, fossil fuels, and perhaps air until they too disappear. Humanity, Wilson says, is leaving the Cenozoic, the age of mammals, and entering the Eremozoic — the era of solitude. As long as the Earth is viewed as the personal property of the human race, a belief embraced by everyone from born-again Christians to Marxists to free-market economists, we are destined to soon inhabit a biological wasteland. ** Ibid. * A world where 8 billion to 10 billion people are competing for diminishing resources will not be peaceful. The industrialized nations will, as we have done in Iraq, turn to their militaries to ensure a steady supply of fossil fuels, minerals and other nonrenewable resources in the vain effort to sustain a lifestyle that will, in the end, be unsustainable. The collapse of industrial farming, which is made possible only with cheap oil, will lead to an increase in famine, disease and starvation. And the reaction of those on the bottom will be the low-tech tactic of terrorism and war. Perhaps the chaos and bloodshed will be so massive that overpopulation will be solved through violence, but this is hardly a comfort. ** Ibid. * Our core ecological problem is not climate change. It is overshoot, of which global warming is a symptom. Overshoot is a systemic issue. Over the past century-and-a-half, enormous amounts of cheap energy from fossil fuels enabled the rapid growth of resource extraction, manufacturing, and consumption; and these in turn led to population increase, pollution, and loss of natural habitat and hence biodiversity. The human system expanded dramatically, overshooting Earth’s long-term carrying capacity for humans while upsetting the ecological systems we depend on for our survival. Until we understand and address this systemic imbalance, symptomatic treatment (doing what we can to reverse pollution dilemmas like climate change, trying to save threatened species, and hoping to feed a burgeoning population with genetically modified crops) will constitute an endlessly frustrating round of stopgap measures that are ultimately destined to fail. ** {{W|Richard Heinberg}}, "[https://www.ecowatch.com/climate-change-heinberg-2471869927.html Systemic Change Driven by Moral Awakening Is Our Only Hope]." ''EcoWatch'' (August 14, 2017). * During the last 200 years, per capita energy usage grew eight-fold, while human population expanded at about the same rate. As a result of energy growth, all the things we do with energy became more doable. Transportation, manufacturing, agriculture, and mining exploded in scale. Energy became so abundant that it seemed we could solve any human problem, now or in the future, just by throwing more energy at it. We even reconfigured our economic system so that it assumes and requires perpetual growth. But growth in fossil-fuel energy can’t continue much longer: depletion and climate change will see to that. And even if we make a wholehearted effort to switch to low-carbon energy sources, we face limits to nature’s supplies of materials with which to make solar panels, wind turbines, nuclear reactors, and batteries. The ways we’re currently trying to share and manage power are insufficient also because we have failed to understand power itself. Rather than accepting that power limits exist, then surveying them and adapting ourselves to them, we try to finesse or deny them. We respond to climate change by hoping for a renewable energy transition—without questioning the amounts of energy we use or what we do with it. We deal with economic inequality by establishing minimal safeguards for the poor—without examining the structural means by which some people enrich themselves to absurd degrees. ** Richard Heinberg, "[https://www.resilience.org/stories/2021-03-23/understanding-power/ Understanding Power]", ''Resilience'' (March 23, 2021). * Prior to the widespread use of coal, oil, and natural gas, agrarian societies saw cyclical periods of rise and fall. But the scale of expansion since the dawn of the fossil-fueled industrial revolution, beginning roughly at the start of the 19th century, has been unprecedented. Energy usage per capita has grown 800 percent, as has population. Meanwhile, the contours of society have been transformed: for the first time in human history, most people now live in cities. ** {{W|Richard Heinberg}}, "[https://www.postcarbon.org/the-end-of-growth-ten-years-after/ The End of Growth: Ten Years After]." {{W|Post Carbon Institute}} (December 7, 2021). *Fossil fuels enabled a dramatic expansion of energy usable by humanity, in turn enabling unprecedented growth in human population, economic activity, and material consumption. **Richard Heinberg, "[https://richardheinberg.com/museletter-353-deadly-optimism-useful-pessimism Deadly Optimism, Useful Pessimism]". Republished in ''[https://www.resilience.org/stories/2022-07-14/deadly-optimism-useful-pessimism/ Resilience]'' (July 14, 2022). *Global human population has doubled three times in the past 200 years, surging from 1 billion in 1820 to 2 billion in 1927, to 4 billion in 1974, to 8 billion today. Its highest rate of growth was in the 1960s, at over 2 percent per year; that rate is now down to 1.1 percent. If growth continues at the current rate, we’ll have about 18 billion people on Earth by the end of this century. All of this would be fine if we lived on a planet that was itself expanding, doubling its available quantities of minerals, forests, fisheries, and soil every quarter-century, and doubling its ability to absorb industrial wastes. But we don’t. It is essentially the same beautiful but finite planet that was spinning through space long before the origin of humans. **Richard Heinberg, "[https://richardheinberg.com/museletter-356-the-final-doubling The Final Doubling]". Republished in ''[https://www.resilience.org/stories/2022-11-03/the-final-doubling/ Resilience]'' (November 1, 2022). *Agriculture enabled population growth and social complexity, but it gradually robbed soils of nutrients. Sailing ships guided with clocks and navigational charts could increase the scope of trade, but building wooden ships (and making charcoal for forging steel) was leading to the deforestation of whole continents. A reckoning with limits seemed to be in store. Then a miracle happened. People who lived in some key centers of global trade started using fossil fuels—energy sources capable of delivering power in previously unimaginable and seemingly endless quantities. Coal, oil, and natural gas enabled the development of transport technologies (steamships, railroads, cars, trucks, and airplanes) that overcame prior limits to the speed of travel and trade, so that products and resources that were abundant in one place could be transported to places where they were scarce. Fossil fuels could be used to increase the rates of resource extraction via powered mining machinery, and to process lower grades of ores as more concentrated ores were depleted. They could be fashioned into plastics and chemicals to substitute for some natural materials that were getting scarce, such as hardwoods and whale oil. And they could be made into artificial fertilizers, which could replace soil nutrients lost due to unsustainable agricultural practices. All these developments together enabled population growth at rates that far outstripped historic trends: human numbers expanded from one billion to eight billion in a mere two centuries. We were, in effect, stretching existing constraints on population and consumption to the point that it was difficult for many people to see that boundaries still existed at all. **{{W|Richard Heinberg}}, "[https://richardheinberg.com/museletter-358-why-understanding-limits-is-the-key-to-humanitys-future Why Understanding Limits Is the Key to Humanity’s Future]". Republished in ''[https://www.resilience.org/stories/2023-01-19/why-understanding-limits-is-the-key-to-humanitys-future/ Resilience]'' (19 January 2023). *As we’ve grown our population and our per capita consumption rates, we’ve been taking habitat away from other organisms. As a result, nature is in full retreat. Vertebrate and invertebrate animal species have suffered average population declines of 70 percent in the past 50 years, and thousands of plant species are endangered as well. **{{W|Richard Heinberg}}, "[https://richardheinberg.com/museletter-358-why-understanding-limits-is-the-key-to-humanitys-future Why Understanding Limits Is the Key to Humanity’s Future]". Republished in ''[https://www.resilience.org/stories/2023-01-19/why-understanding-limits-is-the-key-to-humanitys-future/ Resilience]'' (19 January 2023). *For a population of field mice in overshoot, the critical resource might consist of small plants whose unusually robust growth has been triggered by high levels of rainfall. For humanity currently, the critical resource is fossil energy. Temporary energy abundance has led to many good things (for some of us, anyway): more food, more people, more commercial products, more knowledge, more comfort, and more convenience. But we are about to become victims of our own success. **{{W|Richard Heinberg}}, "[https://richardheinberg.com/museletter-358-why-understanding-limits-is-the-key-to-humanitys-future Why Understanding Limits Is the Key to Humanity’s Future]". Republished in ''[https://www.resilience.org/stories/2023-01-19/why-understanding-limits-is-the-key-to-humanitys-future/ Resilience]'' (19 January 2023). *It’s sad when loved ones die, and few of us look forward to our own demise; hence the perennial quest for an elixir of eternal life, or at least a cure for cancer. But if nobody died, the planet would quickly fill with humans and empty of all the things that feed and provision us. Death clears space for new life; it is the non-negotiable price of admission to the great banquet of existence. ** {{W|Richard Heinberg}}, "[https://richardheinberg.com/museletter-358-why-understanding-limits-is-the-key-to-humanitys-future Why Understanding Limits Is the Key to Humanity’s Future]". Republished in ''[https://www.resilience.org/stories/2023-01-19/why-understanding-limits-is-the-key-to-humanitys-future/ Resilience]'' (19 January 2023). *The past few thousand years of human history have already seen several critical accelerators. The creation of the first monetary systems roughly 5,000 years ago enabled a rapid expansion of trade that ultimately culminated in our globalized financial system. Metal weapons made warfare deadlier, leading to the takeover of less-well-armed human societies by kingdoms and empires with metallurgy. Communication tools (including writing, the alphabet, the printing press, radio, television, the internet, and social media) amplified the power of some people to influence the minds of others. And, in the past century or two, the adoption of fossil fuels facilitated resource extraction, manufacturing, food production, and transportation, enabling rapid economic expansion and population growth. Of those four past accelerators, our adoption of fossil fuels was the most potent and problematic. In just two centuries, energy usage per capita has increased eightfold, as has the size of the human population. The period since 1950, which has seen a dramatic increase in the global reliance on petroleum, has also seen the fastest economic and population growth in all of human history. Indeed, historians call it the “Great Acceleration.” Neoliberal economists hail the Great Acceleration as a success story, but its bills are just starting to come due. Industrial agriculture is destroying Earth’s topsoil at a rate of tens of billions of tons per year. Wild nature is in retreat, with animal species having lost, on average, 70 percent of their numbers in the past half-century. And we’re altering the planetary climate in ways that will have catastrophic repercussions for future generations. It’s hard to avoid the conclusion that the whole human enterprise has grown too big, and that it is turning nature (“resources”) into waste and pollution far too quickly to sustain itself. The evidence suggests we need to slow down, and, in some cases at least, reverse course by reducing population, consumption, and waste. **Richard Heinberg, "[https://richardheinberg.com/museletter-363-polycrisis-unraveling-simplification-or-collapse Polycrisis, Unraveling, Simplification, or Collapse]". Republished in ''[https://www.resilience.org/stories/2023-06-15/polycrisis-unraveling-simplification-or-collapse-coming-soon-to-a-planet-near-you/ Resilience]'' (June 15, 2023). *Depleting and climate-changing coal, oil, and natural gas have brought about dramatic human population growth, along with immense profits and unprecedented wealth (for the few). But all of these presumed and probably transitory benefits have been based on depleting natural resources, and on processes that are perilously changing the climate and degrading ecosystems across the planet. Every time we pick up a gasoline-powered machine we are viscerally linked to that chain of ersatz benefits and spiraling impacts. **Richard Heinberg, "[https://richardheinberg.com/museletter-368-the-gasoline-powered-leaf-blower-as-a-metaphor-for-industrial-society The Gasoline-Powered Leaf Blower as a Metaphor for Industrial Society]", republished in ''[https://www.resilience.org/stories/2023-11-01/the-gasoline-powered-leaf-blower-as-a-metaphor-for-industrial-society Resilience]'' (November 1, 2023). *Of course, we also have to think about the role of population going forward. The more the global population grows, the more difficult this challenge will be. As we approach this question, it's crucial—as always—that we focus on underlying structural drivers. Many women around the world do not have control over their bodies and the number of children they have. Even in liberal nations, women come under heavy social pressure to reproduce, often to the point where those who choose to have fewer or no children are interrogated and stigmatised. Poverty exacerbates these problems... And of course capitalism itself creates pressures for population growth: more people means more labour, cheaper labour, and more consumers. These pressures filter into our culture, and even into national policy: countries like France and Japan are offering incentives to get women to have more children, to keep their economies growing. **[[Jason Hickel]], ''Less is More: How Degrowth Will Save the World'', 2021, pp. 110-111 * No one lives within a day’s walk of a coal mine, an iron ore source, and a smelter that can operate without a source of electricity, plus food. The old smelters didn’t use electricity to drive the huge motors moving heavy hot metal and slag around. The first smelters were close to coal and iron ore sources, but we used them up; they no longer exist close to each other.<br>In the year 1500, we had a world population of around 450 million and grew massively over the next 250 years to the start of the industrial revolution by increasingly using the resources of the ‘new world’. We’ve been on an upward trajectory ever since, especially since around 1800 when fossil energy came into use.<br>People just don’t understand our extreme (and still growing) overpopulation problem given the imminent decline of oil, and especially diesel. Assuming “we’ll downsize this” or “relocalize that” ignores the fact that once oil supply shifts to contraction, the declines will be permanent year after year, and with diesel shortages the ability to build anything new all but disappears.<br>It will be a sad sight with suffering everywhere and increasing year after year. Survivors will have to be hard people, protecting and providing for their own, at the exclusion of others.<br>Everyone should look around their home and imagine it without the oil used to produce and deliver everything in it, because that’s the world of the future, with old decaying cold buildings and no food in cities. ** Hideaway (pseudonym for Helen Hasan), "[https://un-denial.com/2024/09/14/by-kira-hideaway-on-relocalization/ On Relocalization]". ''Un-Denial'', September 14, 2024. * Using all available resources to expand its population is what every species that’s ever existed has always done until some limit is reached. Consider a mouse plague, enabled by human agricultural practices, with its huge population until the next frost or the grain is eaten, then a massive die-off in a short time. ** Ibid. * We have over 8 billion humans on the planet, and 99.99% of them have no idea modernity is going to end abruptly, and when it does so will destroy the plans of the [few who] did see it coming and tried to prepare in some way. ** Ibid. * One might think Humanity’s success is guaranteed, except for a few things: First, the increasing scarcity of oil, coal, and natural gas suddenly threatens to remove the punch bowl from which Humanity has been feeding. Second, the carrying capacity of the Earth is far less than 8 billion humans unless we continue to supplement with increasingly scarce resources. And, last, our centuries-long party has now broken the Earth in ways Humanity cannot repair. ** Preston Howard, "[https://un-denial.com/2023/09/28/by-preston-howard-the-maximum-power-principle-and-why-it-underscores-the-certainty-of-human-extinction-in-the-near-future/ The Maximum Power Principle and Why It Underscores the Certainty of Human Extinction in the Near Future]." ''Un-Denial'' (September 28, 2023) * Is the proxy war in Ukraine turning out to be only a lead-up to something larger, involving world famine and a foreign-exchange crisis for food- and oil-deficit countries?<BR>U.S. Cold War strategy is not alone in thinking how to benefit from provoking a famine, oil and balance-of-payments crisis. [[w:Klaus Schwab|Klaus Schwab]]’s World Economic Forum worries that the world is overpopulated—at least with the “wrong kind” of people. '''As Microsoft philanthropist... Bill Gates has explained: “Population growth in Africa is a challenge.” His lobbying foundation’s 2018 “Goalkeepers” report warned: “According to U.N. data, Africa is expected to account for more than half of the world’s population growth between 2015 and 2050. Its population is projected to double by 2050,”''' with “more than 40 percent of world’s extremely poor people... in just two countries: Democratic Republic of the Congo and Nigeria.” Gates advocates cutting this projected population increase by 30 percent by improving access to birth control and expanding education to “enable more girls and women to stay in school longer, have children later.” But how can that be afforded with this summer’s looming food and oil squeeze on government budgets? ** [[Michael Hudson (economist)|Michael Hudson]], [https://michael-hudson.com/2022/06/is-us-nato-with-wef-help-pushing-for-a-global-south-famine/ Is US/NATO (with WEF help) pushing for a Global South famine?] (6 June 2022) === K === * Perhaps the most ambiguous of these [technological] achievements [of the [[Industrial Revolution|industrial age]]] is the one that began in mid-nineteenth century with improvements in public health, vaccinations, and antibiotics. These methods of death control emerged too rapidly to be offset by methods of birth control and populations exploded. Again, who can speak against this from within the old paradigm? In fact, it is only from the newer ecological paradigm that we are able to recognize that all this marvelous technology has... likely led the human population to overshoot the carrying capacity of the earth. Even from this perspective many of us would... want to save lives now in hopes that somehow there will be enough resources for those who come after us. In less complex animal populations, an overshoot leads to a crash, or die-off. Can humans somehow circumvent this conclusion without relying on further damaging drawdown strategies? … a basic change in our technologies, and acceptance of a steady state in economics reinforced by a compatible spiritual orientation, may at least mitigate human suffering and loss. ** Maynard Kaufman, ''Adapting to the end of oil'', 2008, p. 29. * Unlike plagues of the dark ages or contemporary diseases we do not yet understand, the modern plague of overpopulation is soluble by means we have discovered and with resources we possess. What is lacking is not sufficient knowledge of the solution but universal consciousness of the gravity of the problem and education of the billions who are its victims. ** [[মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র]], acceptance speech, Margaret Sanger award in human rights 1966; Lamont Hempil ''Sustainable communities''. * We have learned a lot in the 50 years since "{{W|The Population Bomb}}" was published. We should not shy away from discussing what actions are ethically permissible to facilitate a stable level of population growth, nor should we leave this discussion in the hands of the affluent. The conversation about ethics, population, and reproduction needs to shift from the perspective of white donor countries to the places and people most affected by poverty, climate change and environmental degradation. ** {{W|Frances Kissling}}, Jotham Musinguzi and [[Peter Singer]], "[https://www.washingtonpost.com/opinions/talking-about-overpopulation-is-still-taboo-that-has-to-change/2018/06/18/ca7c1838-6e6f-11e8-afd5-778aca903bbe_story.html Talking about overpopulation is still taboo. That has to change]". ''{{W|The Washington Post}}''. June 18, 2018. * All we can say now is, that, even now, 600 persons could easily live on a square mile; and that … 1,000 human beings—not idlers—living on 1,000 acres could easily, without … overwork, obtain … a luxurious vegetable and animal food, as well as the flax, wool, silk and hides necessary for their clothing. As to what may be obtained under still more perfect methods—also known but not yet tested on a large scale—is better to abstain from any forecast: so unexpected are the recent achievements of intensive culture. We thus see that the over-population fallacy does not stand the very first attempt at submitting it to a closer examination. ** [[Peter Kropotkin]], ''[[Peter Kropotkin#Fields, Factories and Workshops_(1899)|Fields, Factories and Workshops]]'' (1899) * It has been estimated that the world human population stood at about one billion around the early 1800s, which was roughly about when the industrial adventure began to gain traction. It has been inferred from this that a billion people is about the limit that the planet Earth can support when it is run on a nonindustrial basis. World population is now past six and a half billion, having more than doubled since my childhood in the 1950s. The mid-twentieth century was a time of rising anxiety over the “population explosion.” The marvelous technological victory over food shortages, including the “green revolution” in crop yields, accelerated that already robust leap in world population that had begun with modernity. Dramatic improvements in sanitation and medicine extended lives. Industry sopped up expanding populations and reassigned them from rural lands to work in the burgeoning cities. The perceived ability of the world to accommodate these newcomers and latecomers in a wholly new disposition of social and economic arrangements seemed [to] be the final nail in the coffin of [[Thomas Robert Malthus]]… ** [[James Howard Kunstler|James H. Kunstler]], ''{{W|The Long Emergency}}'', Chapter 1: "Sleepwalking into the future", pp. 5–6. * Malthus was certainly correct [that demand will outstrip supply], but... [hydrocarbons] ...skewed the [supply-demand] equation over the past [two] hundred years while the human race has enjoyed an unprecedented orgy of [a fraction of] nonrenewable condensed solar energy accumulated over eons of prehistory. The “green revolution” in boosting crop yields was minimally about scientific innovation in crop genetics and mostly about dumping massive amounts of fertilizers and pesticides made... of ...[petroleum] onto crops, as well as employing irrigation at a fantastic scale made possible by abundant oil and gas. The cheap oil age created an artificial bubble of plen[t]itude for a period not much longer than a human lifetime, a hundred years. Within that comfortable bubble, the idea took hold that only grouches, spoilsports, and godless maniacs considered population hypergrowth a problem [with a direct solution], and that to even raise the issue was indecent. ...As oil ceases to be cheap and the world reserves arc toward depletion, we will indeed suddenly be left with an enormous surplus population... that the ecology of the earth will not support. No political program of birth control will avail. The people are already here. The journey back to non-oil population homeostasis will not be pretty. '''We will discover the hard way that population hypergrowth was simply a side effect of the oil age.''' It was [more of] a condition [without a remedy], not a problem with a [direct] solution. That is what happened, and we are stuck with it. ** Ibid., p. 8. * '''Cheap oil had allowed populations to explode in precisely those parts of the world that had had, for millennia, a high infant mortality rate and modest life expectancy.''' Cheap oil was behind the "green revolution" that increased the food supply in the nonindustrial world. Oil was also behind many of the medicines and preventives that had neutralized… diseases. Now, suddenly, most of those children… survived, grew up, and produced more children who survived and grew up, and over… the twentieth century, the global populations hurtled into extreme numerical overshoot. Populations were, in effect, eating oil, notably in [the form of] food exports from the United States, where agribusiness had completely taken over from agriculture. Local farmers in Africa, Asia, or South America couldn’t compete with corporate Archer Daniels Midland’s oil-and-gas-based grain crops and U.S. government subsidies. ** James H. Kunstler, ''The Long Emergency'' (2005), Chapter 6: "Running on fumes : the hallucinated economy" pp. 187–188. * Peak human population will surely lag … peak oil and peak mineral resources until these conditions express themselves as food shortages. This means that the human population will continue to rise for a while, even as we begin to encounter these … strict resource limits. It’s not possible to estimate how much the population will increase because the relationship between energy and mineral resources and food production is a very fragile equation, subject to any number of discontinuities. To these, add the complications of weather disasters arising from climate change, including drought, the spread of plant diseases, and so forth. This lagging further rise in [the] human population will only make the inevitable contraction more acute once food shortages begin. [Overpopulation] amounts to a human population overshoot … to the planet Earth’s ecology. We're putting a strain on everything the earth has to offer us. While the combination of peak stuff and [too many] billion humans is forcing the issue, ...the truth is that '''circumstances will now determine what happens, not policies or personalities.''' … Population overshoot is therefore unlikely to yield to management. Rather, the usual suspects will enter the scene and do their thing: starvation, disease, … violence … [and] death. ** James H. Kunstler, ''Too Much Magic'', Chapter 1: "Where We're At", p. 10. === L === *Fossil fuels’ biggest impact on the agricultural sector stems from the use of natural gas in industrial fertilizer production. Industrial fertilizer was first mass-produced in 1914 using what came to be known as the {{W|Haber-Bosch process}}. This invention enabled the {{W|Green Revolution}}, a boom in agricultural production that took place in the latter half of the 20th century, starting in Mexico and India. From 1961 to 2010, cereal yields per acre increased by 217 percent in Mexico and 183 percent in India. It is no coincidence that the human population has more than quadrupled since 1920.<br>We often attribute the Green Revolution to the spread of high-yielding crop varieties. Yet these varieties typically require industrial fertilizer application. The Haber-Bosch method, combined with mechanization and pesticides derived from fossil fuels, [has] represented a massive and unsustainable injection of fossil fuels into our food system. Today, the production of one food calorie in the United States requires 2.7 fossil fuel calories. **Helene Langlamet and Alix Underwood. “[https://steadystate.org/a-trophic-perspective-on-fossil-fuels/ A Trophic Perspective on Fossil Fuels].” Center for the Advancement of the Steady State Economy, August 1, 2024. * Driven by the Anthropocene engine, human population has grown exponentially, and individual societies have approached collapse multiple times over the past 8,000 years. The disappearance of the Easter Island civilization and the collapse of the Mayan empire, for example, have been linked to the depletion of environmental resources as populations rose. The dramatic decline of the European population during the Black Death in the 1300s was a direct consequence of crowded and unsanitary living conditions that facilitated the spread of Yersenia pestis, or plague. ** Manfred Laubichler, [https://theconversation.com/8-billion-humans-how-population-growth-and-climate-change-are-connected-as-the-anthropocene-engine-transforms-the-planet-193075 8 billion humans: How population growth and climate change are connected as the ‘Anthropocene engine’ transforms the planet]. ''{{W|The Conversation (website)|The Conversation}}'', November 3, 2022. * In the 20th century we decisively broke our dependence on energy systems that were fed by the wind and sun and which we supplemented with human and animal muscle power. That leap was made possible by innovations that allowed us to extract, pump, use, and transform raw materials, particularly to unlock energy stored in coal and oil to make chemicals and plastics. That in turn allowed a massive expansion in population, lifespans, and economic growth. The rise of industrial capitalism from 1851 to 1971 went hand in hand with a surge in population, mainly in cities, provided with better food and public health. ** Charles Leadbeater, ''The Frugal Innovator'' (2014), p. 36. * On a global level, there is no threat to human survival greater than that posed by world overpopulation—paradoxical though that may seem—and it is abundantly clear that consensus decision making is ineffective for dealing with that. Some kind of “solution” is nonetheless unavoidable, and is certain to be ugly. To say that there is no visible world leadership on that transcendental question is to understate the case. Optimists on the population problem don’t measure progress in terms of a decrease in population, or even a decrease in the rate of increase, but in terms of a decrease in the rate of increase of the rate of increase. ** [[Harold Lewis]], ''Why Flip a Coin?'' (1997), <small> {{আইএসবিএন|0-471-16597-2}}, </small> pp. 98-99 * The human population will continue to increase until it can’t. When it can no longer increase, it will crash. Our extreme efforts to focus our minds elsewhere are symptoms of a desperate attempt to find solid footing, to believe in a future that will not vanish. Mankind has had a storied existence on Earth. Our thirst for knowledge and innovation has provided comfort and security. However, it is becoming increasingly evident that our remarkable progress has become our worst enemy. We know our planet is finite. Images of Earth from space make it plain for all to see. However, people routinely ignore this verifiable certainty in all aspects of their lives, treating the world as [if it were] infinite. Modern-day human activities are not only wiping out ecosystems and biodiversity but [also] plundering the clean air, water, and topsoil that helped bring about our tenure on the planet. Entire ecosystems have vanished, including the tallgrass prairie in North America, Madagascar’s rainforests, and the Aral Sea in Asia. '''We use Earth’s natural resources like a bunch of drunks on the greatest bender of all time.''' Human consumption is negatively modifying the planet and permanently damaging the biological systems upon which our continued existence depends. The deterioration of our ecosphere has been exponentially accelerating for at least 100,000 years. As technological advances improve our lives, humanity becomes increasingly detached from its environment and the natural resources allowing us to persist. People now have a much closer affinity with iPhones, Amazon, online shopping, restaurants and bars, Netflix, beauty salons, and sporting events than forests, grasslands, marshes, and oceans. Few now understand our existence on Earth is entirely dependent upon photosynthesis. Instead, they believe their survival is contingent on parents, doctors, farmers, governments, bankers, police, and other players in society. It’s not that those institutions, people, and specialties aren’t important, but they represent the retailers. Photosynthesis is the wholesaler. There is a supply chain disruption occurring on a massive scale in our relationship with the planet. The ancient forests and grasslands that provided the planet with free oxygen in the air and sequestered carbon dioxide, making it habitable for humans and other complex life, are nearly gone. For most people, the natural resources that support their existence and lifestyle might as well be from a distant galaxy. This extreme disconnect has resulted in people losing their capacity to understand the dire circumstances facing complex organisms on Earth, including themselves. The deafening alarm bells portending our extinction are routinely misunderstood or ignored. For those who perceive our state of crisis, there is a great deal of angst. Much of the frustration, anger, and sadness results from having unrealistic expectations of human beings. Despite our advanced technologies, the basic tenets of human behavior haven’t changed for centuries or millennia. Letting go of the false expectations that Homo sapiens can or will modify our behavior can bring us an element of peace. Expectations are incredibly powerful in structuring our moods and emotions. Identifying unrealistic expectations can reduce our chances of being disappointed and can increase happiness. A better understanding of our behavioral history can provide valuable insights into recognizing human capabilities and limitations. ** Lyle Lewis, ''Racing to Extinction'' (2024) * … as our population has grown, humans have been liquidating the planet’s natural resources for thousands of years. The effects of our current population on forests, grasslands, biodiversity, clean air, and water are catastrophic. Zero population growth means the planet would still be trying to support the current population, over 8 billion people. Humanity can no longer pay even the interest. We’ve already spent much of the planet’s clean air, water, and biodiversity with no mechanism for repayment. Zero population growth isn’t going to happen. We can’t curb our evolutionarily programmed need to grow and reproduce any more than we can stop the sun from rising. Like all populations of organisms on the planet, the number of humans will continue to increase until it’s no longer possible. When that day happens, Earth will be a truly inhospitable place. ** Lyle Lewis, ''Racing to Extinction: Why Humanity Will Soon Vanish'' (2024), Chapter 5. * In 1968, with the release of their book ''The Population Bomb'', [[Paul R. Ehrlich|Paul]] and Anne Ehrlich were among the first to identify the most significant factor that will precipitate the collapse of humanity. Their book inspired an environmentalist fad in the 1970s. The premise for the book was gradually rationalized away by most as the work of lunatics. It was listed by the Intercollegiate Review as one of the 50 worst books of the 20th century. In the Human Events list of the “Ten Most Harmful Books of the Nineteenth and Twentieth Centuries,” it garnered an 11th-place honorable mention. Since that time, the global population has more than doubled. During those five decades, humanity has identified six types of quarks, developed the modern internet, eradicated smallpox, decoded the human genome, and developed vaccines for Ebola and COVID-19. Despite all our new technologies and discoveries, the most basic concept of rapid human growth inside a finite system—our planet—leading to collapse is a concept too difficult for our greatest minds to reconcile. Humanity’s carefully calibrated psychological filters go into overdrive to prevent this simple mathematical postulate from entering our psyche. As seemingly prescient as the Ehrlichs were, our collision course with extinction was preordained long before their book was published in 1968. ** Lyle Lewis, ''Racing to Extinction: Why Humanity Will Soon Vanish'' (2024), Chapter 9. * Population growth vanished from the agendas of mainstream environmental organizations that previously regarded escalating numbers as a major environmental threat. These groups were primarily shackled by their fear of alienating donors, ultimately selling their purpose and integrity for money. Criticism from progressive and conservative interests claiming that overpopulation is a myth further incentivized these groups to pretend the rising global population wasn’t a factor in planetary degradation. ** Lyle Lewis, ''Racing to Extinction: Why Humanity Will Soon Vanish'' (2024), Chapter 9. * Those who defend the belief that overpopulation isn’t at the core of every environmental problem are not unique. Every myth presents itself as an authoritative, factual account, no matter how much the topic varies from natural law or ordinary experience. There is a long, bloody history of ''Homo sapiens'' defending myths against those who might either question their veracity or have a competing myth. It has resulted in the deaths of millions of people [and other animals] since the dawn of the Agricultural Revolution. As a result of ignoring the obvious reality, newborns are effectively positioned as moneymaking machines. The former prime minister of Japan suggested that women who bore no children should be barred from receiving pensions. In most countries, those who choose not to have children are required to pay for those who do through taxes. In this campaign for more babies, childbearing is reduced to a means for economic growth. Even though overpopulation, natural resource extraction, and environmental degradation are clearly linked, the needs of the economic market trump the needs of the planet. Children are nothing more than moneymakers in the eyes of politicians, forever blind to the moral, environmental, or humanitarian consequences of their policies. Market thinking has obliterated moral thinking on a grand scale. After all, if the West doesn’t produce more children, it can’t produce the wealth needed to look after parents when they retire. No social animal is ever guided by the interests of the entire species to which it belongs. No pika cares about the interests of the pika species; no northern spotted owl will lift a feather for the global northern spotted owl community; no wolf alpha male makes a bid for becoming the king of all wolves. Likewise, few humans care about the interests of ''Homo sapiens''. People only care about themselves and those who directly affect their lives. ** Lyle Lewis, ''Racing to Extinction: Why Humanity Will Soon Vanish'' (2024), Chapter 9. * Humanity has moved past the point where future generations are an issue. If there are any, they will be few in number. Ignoring the inevitable is something all species do. Humans are no different than bacteria in a Petri dish or a mountain pine beetle in a climate-stressed lodgepole pine forest. All available resources are utilized to grow and reproduce until the inevitable collapse. We’re traveling down the same path as all species that have gone through exponential increases. The only difference is ''Homo sapiens'' is doing it on a grander scale. The Herculean ability to ignore the greatest threat to our existence would be comical if not for the rapidly approaching consequential conclusion to our existence. ** Lyle Lewis, ''Racing to Extinction: Why Humanity Will Soon Vanish'' (2024), Chapter 9. * Economic and political instability will continue to increase as food and water supplies are impacted in more areas on the planet by pollution, drought, flooding, and other extreme weather events. However, while the focus is almost entirely on the supply side of the economic equation, the demand side may be the bigger issue. The planet is currently adding an additional 80 million mouths to feed each year, 4.5 times more people than the entire population of Syria. As the chasm between uncertain supplies and increasing demand widens, the social and biological implications for humanity are both unpredictable and alarming. ** Lyle Lewis, ''Racing to Extinction: Why Humanity Will Soon Vanish'' (2024), Chapter 9. * Many people, including environmentalists, often avoid linking the multitude of environmental problems to overpopulation. Some believe that a global shift to veganism could support the current population and more. Others attribute the crisis to various factors [that] are frequently cited as primary contributors to the ongoing environmental crisis, overshadowing the impact of population growth. ** Lyle Lewis, "The Locust Theory" (November 16, 2024) * [There's an] excessive number of humans who [want to] live a lifestyle that promotes equality, along with [others] being minimalist and/or vegan... [and] similar overpopulation by other organisms is considered a plague. ** Ibid. * Our emphasis [on] science has resulted in alarming rises in world populations that demand an ever-increasing emphasis [on] science to improve their standards and maintain their vigor. ** [[Charles Lindbergh]], ''The Wisdom of Wilderness'', ''{{W|Life (magazine)|LIFE}}'', December 22, 1967. * It is still the case that the worst enemies of life are, on the one hand, an excess of life (human life, in particular) and, on the other, the legislation and structure of societies based on {{W|market economy}}. The sturdier a society, the more peaceful it is; the more efficient {{W|economic growth}} (i.e., the ransacking of natural resources), the quicker {{W|Biodiversity loss|other forms of life will step aside}}. Everything that upsets the established order of society, causing chaos and panic, gives time to nature and, ultimately, humans too. ** [[Pentti Linkola]], ''Can Life Prevail?: A Revolutionary Approach to the Environmental Crisis.'' p. 166 === M === * Population, when unchecked, increases in a geometrical ratio, Subsistence, increases only in an arithmetical ratio. ** [[Thomas Robert Malthus]], ''An Essay on the Principle of Population'' (1798), Chapter I, paragraph 18, lines 1-2 * The power of population is so superior to the power in the earth to produce subsistence for man, that premature death must in some shape or other visit the human race. **Thomas Robert Malthus, ''An Essay on the Principle of Population'' (1798), Chapter VII, paragraph 20, lines 2-4 * What has caused the recent super-exponential rise in world population? Before the industrial revolution both fertility and mortality were comparatively high and irregular. The birth rate generally exceeded the death rate only slightly, and population grew exponentially, but at a very slow and uneven rate. In 1650 the average lifetime of most populations in the world was only about 30 years. Since then, [hu]mankind has developed many practices that have had profound effects on the population growth system, especially on mortality rates. With the spread of modern medicine, public health techniques, and new methods of growing and distributing foods, death rates have fallen around the world. […] On a world average the gain around the positive feedback loop (fertility) has decreased only slightly while the gain around the negative feedback loop (mortality) is decreasing. The result is an increasing dominance of the positive feedback loop and the sharp exponential rise in population […]. **Dennis Meadows et al. ''The Limits to Growth'' (1972), Chapter 1: "The Nature of Exponential Growth." * H. sapiens took around 250,000 years to reach a global population of 1 billion in 1820, and just over 200 years to go from 1 billion to 8 billion. This was largely made possible by our species’ access to cheap, easy, exosomatic energy, mainly fossil fuels. Fossil fuels enabled us to reduce negative feedback (e.g. food shortages) and thus delay and evade the consequences of surpassing natural limits. In that same 200 year period, fossil energy (FF) use increased 1300-fold, fueling a 100-fold increase in real gross world product, i.e. consumption, and the human enterprise is still expanding exponentially. ** Joseph J. Merz et al., "[https://journals.sagepub.com/doi/10.1177/00368504231201372 World scientists’ warning: The behavioural crisis driving ecological overshoot]". ''Science Progress'' Volume 106, No. 3 (2023) * There is no way we could keep going as we have been. The increase in human population in the 1990s has exceeded the total population in 1600. The population has grown more since 1950 than it did during the previous four million years. The reasons for our recent rapid growth are pretty clear. Although the Industrial Revolution speeded historical growth rates considerably, it was really the public health revolution, and its spread to the Third World at the end of the Second World War, that set us galloping. Vaccines and antibiotics came all at once, and right behind came population. In Sri Lanka in the late 1940s life expectancy was rising at least a year every twelve months. How much difference did this make? Consider the United States: if people died throughout this century at the same rate as they did at its beginning, America's population would be 140 million, not 270 million. ** [[Bill McKibben]], "[https://www.theatlantic.com/magazine/archive/1998/05/a-special-moment-in-history/377106/ A Special Moment in History]", ''The Atlantic'', May 1998. * The Earth's population is plagued by famines, energy shortages, epidemics, environmental pollution, degeneration, terrorism, dictatorship, anarchism, slavery, excessive increase of waste materials, racial hatred, food shortages, destruction of rain forests, the "greenhouse effect", pollution of lakes, streams and oceans, hatred towards asylum-seekers; radioactive emissions, chemical pollution of water, air, plants, food, human beings and animals. Crime, murder, mass murders, manslaughter; alcoholism, hatred of strangers, oppression, hatred of one's fellowman, extremism, sectarianism, drug addiction, overpopulation, annihilation of animal species, war, violence, torture and capital punishment, general mismanagement, water contamination, eradication of plant species; hatred, vice, jealousy, lovelessness, lack of logic, false humanitarianism, lack of housing, increased traffic, destruction of arable land, unemployment, the collapse of health care, the collapse of care for the elderly, destruction of nature, the collapse of solid waste removal, and the lack of living space, among others. In spite of the many efforts, '''mankind's problems are not decreasing but, instead, continue to rise steadily in direct proportion to population increases.''' ** {{W|Eduard Albert Meier}}, "[http://www.futureofmankind.co.uk/Billy_Meier/Overpopulation_Crusade A Crusade Against Overpopulation]," on ''futureofmankind.co.uk.'' * … technology use harnesses far more energy and materials than we could ever manage without it, and while doing so may make our lives much easier and more comfortable, it comes at the cost of increasing ecological overshoot. As we increase overshoot, we concomitantly increase all the symptom predicaments that overshoot causes. Technology use also has another nasty side effect. It reduces and/or eliminates negative feedbacks which once kept our numbers in check. Many diseases we once suffered from like smallpox, measles, whooping cough, tetanus, etc. have been temporarily eliminated by the technological development of vaccines. Our medical industry has also wiped out many other diseases through proper sanitation, use of antiseptics, anesthetics (allowing surgeries to correct most internal ailments), antibiotics, antifungals, and antivirals to kill or prevent many diseases, and many other innovations that allow us to live better, more comfortable lives. The development of indoor plumbing, electrical systems, heating and air conditioning systems, insulation, refrigerators and freezers, and cooking devices all allow us to accomplish daily tasks either much easier or provide more comfort to us by regulating temperature and humidity levels in our living spaces. Therefore, technology use reduces or removes negative feedback thereby promoting population growth which also promotes technology growth. However, in terms of reducing overshoot (and symptom predicaments such as climate change, energy and resource decline, pollution loading, and biodiversity decline), technology use is '''''maladaptive'''''. This will become painfully clear as time moves forward when more or different technology does not actually solve overshoot. [[Population decline]] is what will actually work to reduce overshoot, caused by the failure of our agricultural systems, increased disease caused by antimicrobial resistance and new viruses emerging, and increased failures of infrastructural systems caused by extreme weather events. Reduced technology use will be facilitated by this mechanism, and ALL species wind up experiencing die-off whether they use technology or not. ** Erik Michaels, "[https://problemspredicamentsandtechnology.blogspot.com/2023/07/how-did-we-get-here.html How Did We Get Here?]" (July 19, 2023). * Most non-domesticated life on earth is in decline and about 200 species a day are going extinct due to a wide range of environmental problems. Many humans are at risk of being harmed or killed by related problems this century.<br>All of the many problems are caused by the same thing: humans have used non-renewable energy to explode their population from 1 billion to 7 billion in 100 years, and now consume so large a share of the earth’s resources that almost all non-domesticated species are in decline. ** Rob Mielcarski, "[https://un-denial.com/2016/03/25/overpopulation-denial/ Overpopulation Denial]." ''Un-Denial'' (March 25, 2016). * We’re in serious trouble. Many red lights are flashing on the dashboard.<br>Most people are now aware that something is seriously wrong, and each has their favorite lens through which to view the problems… The common denominator to all of these problems is overshoot. Very few people are able to see through the lens of overshoot because overshoot is a very unpleasant topic with no painless solutions and no way to avoid its consequences, and because humans evolved to deny unpleasant realities like overshoot. ** Rob Mielcarski, "[https://un-denial.com/2025/06/06/what-should-can-could-will-we-do/ What… Will We Do?]." ''Un-Denial'' (June 6, 2025). * Human numbers are rising at roughly 1.2% a year, while {{W|livestock}} numbers are rising at around 2.4% a year. By 2050 the world’s living systems will have to support about 120m tonnes of extra humans and 400m tonnes of extra farm animals. ** [[George Monbiot]], "[https://www.theguardian.com/commentisfree/2015/nov/19/population-crisis-farm-animals-laying-waste-to-planet There’s a population crisis all right. But probably not the one you think]". ''The Guardian''. November 19, 2015. * [[ফ্রান্সিস বেকন|Bacon]]ian science is at the root of the apocalypse. We have been blessed by advances in medicine, agriculture and engineering. Science has done exactly what we asked of it and now we are set for annihilation. If European science had petered out after the discoveries of the seventeenth century, we would be less numerous and [the] Earth would not be [[global warming|warming]]. ** Nicholas Money. ''The Selfish Ape'' (2019), Chapter 9: "Greenhouse" * This moment is special because we have dramatically built up our population, technology, science, medicine, and democratic institutions as a direct result of vast amounts of surplus energy stemming from a one-time resource. The fossil fuel experience has made us '''dangerously confident''' about our cleverness and dominance over nature. What makes this century special, then, is that we will have to cope with a diminishing supply rate of the resource that has been of paramount importance to our high-tech existence. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2011/10/sustainable-means-bunkty-to-me/ Sustainable means "bunkty" to me]." ''Do the Math'', University of California, San Diego. October 5, 2011. * Humans collectively must ultimately face the uncomfortable question of whether Earth’s natural systems can support 8 billion or more people at a modern standard of living. Since the resource footprint of a U.S. citizen is at least four times that of the global average, the key question is whether the planet can support an increase in material throughput four times higher than present when the strain is apparent already. As noble as it may be to wish [for] a modern living standard for an eventual ten billion or more people, it is likely that committing to such a course could result in more human suffering than would transpire under the adoption of more modest goals. The responsible path is to reduce global resource dependencies and abandon the imperative for growth starting now. ** Thomas W. Murphy, David J.R. Murphy, Thomas F. Love, Melody LeHew and Ben McCall (2021). "[[doi:10.1016/j.erss.2021.102239|Modernity is incompatible with planetary limits: Developing a PLAN for the future]]." ''Energy Research & Social Science'', 81, 102239. * Even something as seemingly altruistic as health care selfishly focuses on human health, to the exclusion and often direct detriment of ecosystem health. Are we really doing ourselves favors in the long term by making the destructive human enterprise healthier, more populous, longer-living, and therefore better able to carry out its damaging activities? If this sounds abhorrently anti-human, it’s because the human enterprise is currently relentlessly anti-planet. Anything that is anti-planet will dismantle ecosystems that serve as critical life support for humans, spelling failure for the human enterprise. So it’s really the human enterprise that is anti-human by way of being anti-planet. […] The best way to assure long-term prosperity is to forge a non-human-centric partnership with nature that does not always put short-term human interests above those of non-human elements of nature. Even “good” activities like health care therefore miss the boat in terms of building a better tomorrow. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2021/05/to-what-end/ To What End?]". Do the Math, {{W|University of California, San Diego}}. May 4, 2021. * Since growth is an absurd short-lived anomaly, what about leveling out in population, resource use per capita, and adopting a steady-state economy? The problem here is that the rate at which we are depleting one-time resources today is unsustainable. We’re simply spending our bank account without paying attention to the balance and without any source of additional income. Most clearly, forests and wild spaces are down by a factor of two in the last 60 years and will be gone within 60 years at current rates of depletion. Before even getting to steady-state conditions, inevitable near-term increases in population together with sought-after increases in standards of living around the world spell an even shorter lifetime for critical habitats. Meanwhile, fisheries are failing in domino fashion; aquifers are being depleted at rates alarmingly higher than replacement; soils are degrading and arable land is lost; fertilizer depends on a finite resource; habitat loss is resulting in species extinctions far in excess of natural rates. Even the plunder of mineral resources in the seemingly infinite crust is getting harder, only a fleeting century or so into our spree. Sustaining present levels for even a few more centuries is a dubious (i.e., unsubstantiated) proposition. It is practically absurd to imagine sustaining present practices for 10,000 years. Humans simply have not yet demonstrated an ability to maintain a technological society without utter reliance on grossly unsustainable inheritance spending. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2021/05/why-worry-about-collapse/ Why Worry About Collapse?]." Do the Math, {{W|University of California, San Diego}}. May 18, 2021. * Earth has never in its history had to contend with 8 billion fire apes, intelligent enough to have leveraged power by exploiting and burning one-time resources. We now operate outside the bounds and protections of evolution: in breach of contract, without a map to success. What could possibly convince us that this fireworks show—which has not even come close to standing the test of time—can maintain anything like its current resource impact for the long haul? Humans have demonstrated convincingly that we can live in a primitive state for hundreds of thousands of years. Our present mode is a few-century flash, supported almost entirely by inheritance-spending. Arguing that we have found a new normal is a precarious position that I would not be eager to defend. Parties end. Fireworks shows end. Why would our flash be any different? It’s not just guesswork: what other outcome could result from rapid resource exploitation on a finite planet? ** Ibid. * We face unprecedented pressures on resources and on our environment, as human population and standard of living both surge on a finite planet. Nature will not allow this trend to continue indefinitely. ** Thomas W. Murphy, ''[https://escholarship.org/uc/item/9js5291m#section.18.5 Energy and Ambitions on a Finite Planet]'', p. 313 (2022) * Human population will not be allowed to grow [indefinitely]. Even small growth rates will step up pressure on natural resources, and Earth can only support so much, long-term. Independent of what the “right” number is, once settled, we will not be able to dial it up without imperiling the hard-won success. Even under steady human population, any increase in resource use per person will also not be compatible. In general, growth leads to a dead end: to failure. ** Ibid. p. 405 * As a jarring illustration of our tendency to value the human side over the prerequisite physical/ecological side, imagine that somehow we manage to emerge from the coming centuries having established a truly sustainable existence. All resources are renewed by nature at the rate of extraction for human needs; population is steady and at a level just tolerable to the planet in terms of indefinite support. Diverse ecosystems are left to thrive in their natural states. But imagine that we are still plagued by cancer and other maladies, so that life expectancy is, say, 90 years. Then what if a team of researchers hits on a cure for (most forms of) cancer? Hurray! At last! Unambiguously good, right? Well, not so fast. All other elements held the same, longer life spans translate to a higher population, putting additional resource burdens on the planet that it cannot handle in the long term. In order to adopt and implement the cure for cancer, we would have to either deliberately reduce population or lower the standard of living to accommodate the change. All other considerations of the complex society about economic impacts, equity of distribution, legal and political facets, or interaction with religious belief systems must take a back seat to the most fundamental and important question: is this change physically viable on this finite planet in the long term? ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2021/11/caught-up-in-complexity/ Caught Up in Complexity]". Do the Math, {{W|University of California, San Diego}}. November 30, 2021. * People tend to prefer the narrative that we, ourselves, are the superheroes, and that our superpowers are not from the fossil fuel suit, but are cognitive in nature. Yet we have the same neural hardware (if not slightly downsized) as our prehistoric ancestors. The main cognitive revolution happened about 70,000 years ago when humans started to believe in things that do not exist (like spirits or potential future gains) that allowed large-scale coordination and shared identity to outcompete evolution’s more biophysical tricks of sharp teeth/claws, speed, strength, camouflage, poison, or overwhelming numbers. Global spread of homo sapiens and megafauna extinctions quickly followed, and it is at this point that the human experiment began to smolder: something was off. About 10,000 years ago, agriculture started and the first visible flame ignited. About 300–400 years ago, the Enlightenment lit a fuse by developing a scientific approach to understanding the world. It was not long before the fuse found fossil fuels and we now witness the predictable explosion that ensued. The explosion is breathtakingly rapid on any meaningful timeline, only appearing in slow motion to the few generations experiencing the phenomenon and thus seeming “normal.” So we can trace some part of our current planetary dominance to human ingenuity, but perhaps the lion’s share actually is attributable to the energy bonanza—as suggested by the dramatic change in the pace of innovation before and after the fossil transition. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2022/06/shedding-our-fossil-fuel-suit/ Shedding Our Fossil Fuel Suit]". Do the Math, {{W|University of California, San Diego}}. June 21, 2022. * A plausible scenario for ecosystem collapse... is based on the fact that we currently support 8 billion people on a fossil-intense agricultural system. We have over-leveraged that finite resource to "borrow" millions of years of eco-services (photosynthetic energy) and now host a population that probably never could have existed in ecological equilibrium. Even if fossil fuels were not going away, it seems likely we would see continued erosion of the globe's ability to support this current unsustainable mode. We have already lost about half of the wild animal life in my lifetime: is that halfway to collapse? Take away the fossil fuels, and I imagine over-hunting and rapid deforestation will take an enormous toll on ecosystem health. ** Thomas W. Murphy's self-comment on "[https://dothemath.ucsd.edu/2022/07/the-ride-of-our-lives/ The Ride of Our Lives]". Do the Math, University of California, San Diego. July 12, 2022. *[It] is truly alarming from an ecological point of view: not only has the human population grown like gangbusters, but the level of affluence per person has soared by an even larger factor. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2022/09/death-by-hockey-sticks/ Death by Hockey Sticks]". Do the Math, University of California, San Diego. September 13, 2022. * The dream of eventually having 10 billion people living at [[American Dream|American standards]] completely ignores the glaring fact that we seem to be circling the drain even at today’s impact level (i.e., overshoot). How could we possibly entertain the factor-of-five increase in resource demand that would accompany a realization of “the dream?” It seems delusional… and likely to turn into a nightmare if pursued. **Ibid. * Human population is going up… We’re not exactly doing the planet (or ultimately ourselves) any favors presently. Will adding more humans that subscribe to our current cultural model somehow make the situation better? Will improving standards of living (thus increasing resource demand) mysteriously turn things around? It’s hard to see how—not without enacting a whole new model. **Ibid. * Increasing the standard of living of a growing population makes today’s ecological pressures look adorable. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2022/09/a-climate-love-story/ A Climate Love Story]". Do the Math, University of California, San Diego. September 20, 2022. * It is easy to get caught up in the heady whirlwinds of [[modernity]]. We have accomplished amazing feats in these past few centuries, and our extrapolative minds envision a continued acceleration. Given that our life span overlaps only a portion of the tale, it is easy to lose the context that our boom (the [[Industrial Revolution]] and what followed) is almost entirely due to fossil fuels. This energy surge in turn powered a surge in material access and economic activity (and human population) in what is perhaps fittingly described as a fireworks show. ** Ibid. * What did we do with our fossil fuel bonanza? We exploded population by revolutionizing agriculture [and health]. Now when fossil fuels inevitably (and soon?) decline, we’re left with an overhang that can no longer be supported. The resulting population decline will suddenly cast [[Thomas Robert Malthus|Malthus]] in a new light: oh what a starry-eyed soothe-sayer [sic]! When that day comes, […] realize that it’s no more tragic than the ant colony waning as it must. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2022/10/the-cult-of-civilization/ The Cult of Civilization]." Do the Math, {{W|University of California, San Diego}}. October 4, 2022. * Our fossil fuel bonanza has left our ecosystem in a perilous state. We have destroyed vast forests and habitats, polluted water and soil, kicked off a rapid climate trend that natural systems may not adapt to quickly enough, and basically overrun the planet. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2022/12/finite-feeding-frenzy/ Finite Feeding Frenzy]." Do the Math (December 5, 2022). * …fossil fuels allowed us to drastically overshoot the natural carrying capacity of the planet, and that bill will come due when the underlying resource inevitably dwindles. Sometimes simple is simply right. ** Ibid. * The human explosion has accelerated across the millennia, most recently reaching a fever pitch owing to the employment of fossil fuels—leveraging stored solar energy about a million times faster than it was created. The ensuing access to minerals and ability to transform landscapes has rapidly and radically altered our world within just a few human generations. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2023/08/call-me-ishmael/ Call Me, Ishmael!]." Do the Math, August 1, 2023. * In 1800, every human on the planet had a corresponding 80 kg of mammal mass in the wild. Wildland mammals outweighed humans in an 80:50 ratio. Today, each human on the planet can only point to 2.5 kg of wild mammal mass as their “own.” Let that sink in. You only have 2.5 kg (less than 6 pounds) of wild mammal out there somewhere. A single pet cat or dog generally weighs more. Not that long ago, it was more than you could carry. Now, it seems like hardly anything! I especially fear the implications for mammals should global food distribution be severely crippled. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2023/08/ecological-cliff-edge/ Ecological Cliff Edge]." Do the Math, August 18, 2023. * As if the Enlightenment was not enough, in quick succession we joined another enormous river. One could say that the process of science opened the door to fossil fuels, but science and fossil fuels might be best described as a dynamic duo. Fossil fuels gave us the power to advance our science-amplified degree of control to an entirely new level. Resources that had been previously inaccessible became available. It became far easier to clear land for agriculture and other uses. We learned to make fertilizer from methane, unleashing unprecedented agricultural surpluses that inevitably resulted in a human population overshoot. Fossil-fueled furnaces led to steel, concrete, and other materials on a massive scale, paving the way to megacities and global trade. Science itself was amplified by having access to fossil fuels, via a flood of new devices and capabilities invented with—and powered by—cheap energy. Advances in science and technology in turn allowed greater access to buried fossil energy. This positive feedback arrangement facilitated runaway expansion of the [human] enterprise, leading to a battery of hockey stick curves. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2023/08/our-time-on-the-river/ Our Time on the River]". Do the Math, August 22, 2023. * Energy has been fundamental to our story of growth. The various hockey stick curves over the last century or so are a reflection of energy and population. What’s more, human population itself is a reflection of energy, as mechanized, fertilized agriculture was made possible by fossil fuels. Since energy per capita has also increased like a hockey stick, the ecological impact (and many other metrics like GDP) takes on the shape of a super-exponential (still resembling a hockey stick on a logarithmic plot). ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2023/09/can-modernity-last/ Can Modernity Last?]" Do the Math, September 26, 2023. * We have used [fossil fuels] to expand the human enterprise and population, knock down forests, destroy and fragment habitats, drive extinctions, and generally threaten the vitality of the planet. [But] “solving” the energy problem as fossil fuels give out is pretty frightening: how would it not simply perpetuate the ecological nosedive we have initiated? Only if we put ecological concerns above energy do we stand any chance of survival. ** Ibid. * I acknowledge that cancer is a class of disease, and no universal cure is likely to emerge. But feel free to substitute any longstanding cause of death. […] In a sense, it is death that makes life special and worthy of celebration. […] What would a successful cure look like? Human lifespans would increase. All other things being equal, a reduced death rate means more humans on the planet, putting additional pressures on the entire community of life and further threatening the vitality of the planet—including humans, to be clear. Moreover, access to the cure would almost certainly be more available to the affluent half, who are already heavy users of resources and thus cause outsized harm to the planet. So a cure to cancer would serve to boost ecological destruction, in practice. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2023/10/are-we-lucky/ Are We Lucky?]" Do the Math, October 3, 2023. * Truly, the end of modernity will probably be brutal for most of the 8 billion people on the planet, who will cling to what they know and fail to adapt. But even if they were mentally ready, the Earth is not ready to support 8 billion humans without a massive fossil subsidy, so human population will likely fall a lot in hard times. ** Thomas W. Murphy's self-comment on "[https://www.resilience.org/stories/2023-09-27/can-modernity-last/ Can Modernity Last?]". ''Resilience''. September 30, 2023. * Compared to biologically relevant timescales, the human explosion commenced just “yesterday” when grain agriculture began taking root... set[ting] the stage for planet-crushing present-day human populations in a time that is still contextually short. Each “improvement” like cities and technology only accelerated the rapidity of the unsustainable ascent. Mounting ecological damage was part and parcel of this expansionist story long before cars, planes, and smartphones arrived—like two sides of a coin. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2024/02/unsustainable-goose-chases/ Unsustainable Goose Chases]". ''Do the Math'', February 27, 2024. * Humans are voracious (big brains to feed and a lot of un-furry surface area to keep warm), and therefore are ecologically expensive. If the Earth tightens its belt, [one should]n’t assume that humans will fare well. We are summer children borne of “good” times, where “good” translates to “biodiverse.” Cleverness is no guarantee against starvation, as countless clever humans who have starved can’t tell [us]. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2024/04/post-modernity/ Post-Modernity]". ''Do the Math'', April 9, 2024. * [Our] success [in eliminating hunger and inequity] inevitably grows the population, scaling up the current tension... to planetary limits... [and] curing all diseases and achieving effective immortality would be ecologically disastrous! ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2024/05/whats-the-point/ What's the point?]" ''Do the Math'', May 14, 2024. * Since the current low levels of mortality go hand-in-hand with ecological devastation and a doomed modernity, their embrace is itself a problem… ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2024/05/watching-population-bomb/ Watching population bomb]". ''Do the Math'', May 28, 2024. * The Green Revolution transformed agriculture by inserting fossil fuels at every turn. Fertilizer came from natural gas. Diesel allowed large-scale mechanization of plowing, planting, harvesting, processing, and transporting large amounts of food. Petrochemical pesticides smote economically worthless (but ecologically invaluable) products of evolution into the foul dust. We fed a growing human population, now 8 billion strong. It boils down to a diet of fossil fuels: again, temporary. ** Thomas W. Murphy, ''Metastatic Modernity''. Episode 9: "[https://dothemath.ucsd.edu/2024/07/mm-9-recipe-for-disaster/#more-8348 Recipe for Disaster]". ''Do the Math'', July 30, 2024. * To those who resist the notion that increasing food production also means increasing human population, consider this. In 1950, the global population stood at about 2.5 billion people. The Green Revolution was about to explode into global agriculture, substantially increasing crop yields on the back of profligate fossil fuel inputs (for fertilizer, mechanization, energy for irrigation, transport, processing, etc.). Let’s say this tsunami of energy and technology had not arrived on the agricultural scene, and that moreover a global edict (“magically” followed) held annual food production at the 1950 level thereafter.<br>Would we have 8 billion people today? Impossible. We would still have 2.5 billion, correct? In 1950, the world produced enough food for 2.5 billion people, so that same amount of annual food would sustain 2.5 billion people today…or perhaps 2 billion taller, heavier people; or 3 billion people with more equitable, modest distribution and less waste. But you get the point: hold the food supply steady and you essentially hold the population below some cap. Inarguable. Those additional 5.5 billion people were made possible by a technological wave of food increase. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2025/06/food-makes-babies/ Food Makes Babies]." ''Do the Math'', June 10, 2025. * [Eight] billion humans are driving a sixth mass extinction, which leaves no room for even 10 humans if fully realized, let alone 10¹⁰. ** Thomas W. Murphy, “[https://dothemath.ucsd.edu/2025/09/8-billion-will-die/ 8 Billion Will Die],” ''Do the Math'' (September 23, 2025) *Maintaining 8 billion human people on Earth [without fossil fuels] is no more possible than invading space. It’s not an actual, realizable choice—beyond transitory and costly stunt demonstrations. **Ibid. === N === * How we live and consume matters just as much as the growing density of our numbers combined with the proliferation of our machines that devour energy on our behalf. (Roads and cell phones all consume energy and materials too.) All three demographic issues are increasing at unsustainable rates and feed each other to propel more economic growth, more emissions and more fragility. The world’s current population is 7.9 billion and grows by 80 million a year. It has slowed down in recent years because the affluent don’t need the energy of children as much as the poor. Even so civilization will add another billion to the planet every dozen years. Redistributing energy wealth (and emissions) from the rich to the poor will not avert disaster if human populations don’t overall decline. Our numbers also reflect a demographic anomaly that began with fossil fuels, a cheap energy source that served as Viagra for the species. Prior to our discovery of fossil fuels, the population of the planet never exceeded one billion. Our excessive numbers are purely a temporary artifact of cheap energy spending and all that it entails — everything from fertilizer to modern medicine. ** Andrew Nikiforuk, "[https://thetyee.ca/Analysis/2021/12/06/Andrew-Nikiforuk-Getting-Real-About-Our-Crises/ Getting Real about Our Crises]." ''The Tyee'', December 6, 2021. ===O=== * In recent decades, support for family planning has waned, and global fertility decline has decelerated as a result. Projections calibrated across the decades of strong family planning support have not acknowledged this change and are consequently underestimating global population growth. Scenarios used to model sustainable futures have used overly optimistic population projections while inferring these outcomes will happen without targeted measures to bring them about. Unless political will is rapidly restored for voluntary family planning programs, the global population will almost certainly exceed 10 billion, rendering sustainable food security and a safe climate unachievable. ** Jane N. O'Sullivan, "Demographic Delusions: World Population Growth Is Exceeding Most Projections and Jeopardising Scenarios for Sustainable Futures." ''World''. 2023. 4(3). 545-568. {{DOI|10.3390/world4030034}} === P === *Putting an end to the population explosion will not of itself save the ecosphere, but not ending it will add greatly to the dangers the planet faces. The environment can sustain a quality of life for just so many people. **[[Michael Parenti]], ''Blackshirts and Reds: Rational Fascism and the Overthrow of Communism. '' (1997), p. 155 *'''In what year will the human population grow too large for the Earth to sustain? The answer is about 1970''', according to research by the {{W|World Wildlife Fund}}. In 1970, the planet's 3 and a half billion people were {{W|Sustainable population|sustainable}}. But on this New Year's Day, the population is 8 billion. Today, wild plants and animals are running out of places to live. **[[Scott Pelley]], "[https://www.cbsnews.com/news/earth-mass-extinction-60-minutes-2023-01-01/ Scientists say planet in midst of sixth mass extinction, Earth's wildlife running out of places to live]" {{W|CBS News}}, January 1, 2023. * ... ''Homo sapiens'' have been around for about 200,000 years and we are struggling to provide 7 billion of us with sufficient food, clothing, and shelter to lead decent lives. There cannot be an economist on the planet who thinks Earth could support 7.168 trillion people. Human population growth cannot go on forever, no matter how optimistic economists might be. ** Gary Peters, "[https://ourfiniteworld.com/2011/06/13/should-we-take-united-nations’-projections-seriously/ Should We Take United Nations’ Projections Seriously?]" (June 13, 2011) *Human overpopulation, the ever-increasing power of our technology, and the demand of our omnicidal, neoliberal economic system of infinite growth on the basis of finite resources threaten the earth with total destruction. **{{W|Norm Phelps}}, quoted in ''The Politics of Total Liberation: Revolution for the 21st Century'' by [[Steven Best]], (2014), p. ix * Ever since Malthus, at least, it has been clear that means of subsistence do not grow as fast as population. No one has ever liked the idea that famine, plague, and war are nature's way of redressing the imbalance -- Malthus himself suggested that the operation of "preventive checks," which serve to reduce the birth rate, might help prolong the interval between such events. And in the two hundred years since Malthus sat down to pen his essay, there has been no worldwide cataclysm. But in the same two centuries world population has grown exponentially while irreplaceable resources were used up. Some kind of adjustment is inevitable. Today, many people who are concerned about overpopulation and environmental degradation believe that human actions can avert catastrophe. The prevailing view holds that a stable population that does not tax the environment's "carrying capacity" would be sustainable indefinitely, and that this state of equilibrium can be achieved through a combination of birth control, conservation, and reliance on "renewable" resources. Unfortunately, worldwide implementation of a rigorous program of birth control is politically impossible. Conservation is futile as long as population continues to rise. And no resources are truly renewable. ** David Price, "Energy and Human Evolution". ''From Population and Environment: A Journal of Interdisciplinary Studies'', Volume 16, Number 4, March 1995 * Around 8,000 BC, world population was something like five million. By the time of [the birth of Jesus] Christ, it was 200 to 300 million. By 1650, it was 500 million, and by 1800 it was one billion. The population of the world reached two billion by 1930. By the beginning of the '60s it was three billion; in 1975 it was four billion; and after only eleven more years it was five billion. This cannot go on forever; collapse is inevitable. The only question is when. ** Ibid. * People who believe that a stable population can live in balance with the productive capacity of the environment may see a slowdown in the growth of population and energy consumption as evidence of approaching equilibrium. But when one understands the process that has been responsible for population growth, it becomes clear that an end to growth is the beginning of collapse. Human population has grown exponentially by exhausting limited resources, like yeast in a vat or reindeer on St. Matthew Island, and is destined for a similar fate. ** Ibid. === R === * As human populations expand they necessarily appropriate ecological space required by other species. Human ‘competitive displacement’ of non-human organisms from their habitats and food sources is now the greatest contributing factor to {{W|Biodiversity loss|plunging biodiversity}}. Consider that with only 0.01 % of total Earthly {{W|Biomass (ecology)|biomass}}, H. sapiens’ expansion has eliminated 83 % of wild animal and 50 % of natural plant biomass. From a fraction of 1 % ten millennia ago, humans now constitute 36 %, and our domestic livestock another 60 %, of the planet’s much expanded mammalian biomass compared to only 4 % for all wild species combined. Similarly, domestic poultry now comprise 70 % of Earth’s remaining avian biomass. Meanwhile, commercial fishing depletes the oceans at the expense of rapidly declining marine mammals and birds. Seabirds are the most threatened bird group, with a 70 % community-level population decline between 1950 and 2010. ** {{W|William E. Rees}}, "[http://www.fraw.org.uk/data/limits/rees_2020.pdf Ecological economics for humanity’s plague phase]". ''{{W|Ecological Economics (journal)|Ecological Economics}}.'' (2020) * Population estimates are usually based on demographic data alone with no consideration of exogenous factors. This is unrealistic. For living organisms, the fact of their own existence ensures that no environment or habitat remains ideal for long. As the subject population expands, it will invariably use up any crucial resource in fixed supply. Even renewable resources can be depleted once the population goes into ‘overshoot’, a situation in which aggregate consumption exceeds food species’ recovery rates or waste accumulation exceeds natural assimilative capacity. The rise and fall of reindeer populations introduced to two previously unoccupied (by reindeer) Pribilof Islands in the early 20th century is a classic example. Collapse was attributed to overgrazed food sources (primarily lichen) abetted by the stress of exceptionally cold winter. ** William E. Rees, "[https://www.whp-journals.co.uk/JPS/article/view/653/486 The fractal biology of plague and the future of civilization]". ''The Journal of Population and Sustainability'' (2020) * ...for most of our species’ time on Earth—including most of the agricultural era—humanity’s natural propensity to expand has been held in check by negative feedback, e.g., food and other resource shortages, disease, and inter-group conflict. Circumstances changed with the scientific/industrial revolution, particularly the increasingly widespread use of fossil fuels. It took 200,000 – 350,000 years for human numbers to reach one billion early in the 19th Century, but only 200 years (as little as 1/1750th as much time!) to balloon another seven-fold by early in the 21st Century. Improvements in medicine, public sanitation, and population health contributed to this expansion, but coal, oil, and gas made it possible. Fossil fuels are the energetic means by which humans extract, transport, and transform the prodigious quantities of food and other material resources into the products needed to support our burgeoning billions. More than any other factor, fossil fuels enabled H. sapiens to eliminate or reduce normal negative feedbacks. Freed from historic constraints, our species was, at last, able to exhibit its full potential for geometric growth. ** Ibid. * Humanity is already far into ecological overshoot: we are learning the hard way that the ecosphere under stress is still immeasurably more complex than even the global human enterprise. It can generate a vastly larger arsenal of negative feedbacks in response to human excesses than any imaginable human control system can match. ** William Rees, "[https://reeswilliame.substack.com/p/variety-matters-more-than-you-think Variety Matters More Than You Think]," ''Substack'' (July 28, 2025) * Humans invade and populate all accessible favourable habitats; human populations use up all available resources; under favourable conditions, human populations are capable of exponential growth. […] The industrial/scientific revolution spawned technologies, particularly improvements in public sanitation and disease control, that greatly reduced death rates while fossil fuels alleviated food and resource shortages. With the suppression of negative factors, positive feedback prevailed; between the early 1800s and 2023, the human population exploded from one to eight billion. Meanwhile, what we now call ‘neoliberal economics’ began taking form in the late 1800s. In just two centuries, the human population grew eight times larger than the maximum attained over the previous 3000 centuries, and the world economy grew 100-fold in real terms! […] Overshoot may be a quasi-natural phenomenon, but it is also a potentially terminal condition. There are now about 80 cities in the world with populations in excess of five million—each has more people than existed on the entire planet at the dawn of agriculture 10,000 years ago. […] Life in higher-income countries just seemed to be getting better and better, at least in material terms. Little wonder that by the 1950s, MTI governments and international institutions everywhere were adopting the neoliberal vision of perpetual economic and population growth via continuous technological advance as the dominant development narrative of global culture.<br>There are, of course, significant problems—all this occurred on a finite, non-growing planet with serious history. With nurture-reinforcing-nature in propelling the expansionist juggernaut, the human enterprise surged into ecological overshoot; resource consumption and waste production are overwhelming the bio-productive and waste assimilation capacities of the ecosphere. This is not merely an aesthetic concern: the functional integrity of the ecosphere is essential for human existence. '''Overshoot may be a quasi-natural phenomenon, but it is also a potentially terminal condition.''' ** William Rees, "[https://substack.com/home/post/p-181832455 Why collapse is inevitable]," ''Substack'' (December 16, 2025) * The current human population is 14,000-fold larger than the average populations of other mammal species of similar body size! […] If humans were a typical mammal whose global population corresponded to the arithmetic mean (average) of populations of mammals of similar body size, there would be only 500,000 people on Earth! ** Ibid. * Almost all of today’s low-energy countries have a population density so great that it perpetuates dependence on intensive manual agriculture, which alone can yield barely enough food for their people. They do not have enough acreage, per capita, to justify using domestic animals or farm machinery, although better seeds, better soil management, and better hand tools could bring some improvement. A very large part of their working population must nevertheless remain on the land, and this limits the amount of surplus energy that can be produced. Most of these countries must choose between using this small energy surplus to raise their very low standard of living or [to] postpone present rewards for the sake of future gain by investing the surplus in new industries. The choice is difficult because there is no guarantee that today’s denial may not prove to have been in vain. This is so because of the rapidity with which public health measures have reduced mortality rates, resulting in population growth as high [as] or even higher than that of the high-energy nations. Theirs is a bitter choice; it accounts for much of their anti-Western feeling and may well portend a prolonged period of world instability. ** [[Hyman G. Rickover]], "Energy and Resources and Our Future" speech (May 14, 1957) * The doubling of life expectancy is largely down to medical advances. Without medical care, we’d probably be at a much lower population level. I can’t find projections, but given that even some fairly routine injuries and sicknesses would be life-threatening without medical intervention, one would expect a more pyramidal pyramid, and 2 billion people doesn’t seem unreasonable to me. This is also amplified by [there] being [fewer] people to innovate ideas like the green revolution, which [led] to higher populations.<br>In nature, population overshoot is usually remedied by a higher die-off rate, not a lower birth rate. But humans think that medical care and increased lifetimes are a sign of progress. Medical advances can even allow some who wouldn’t have been able to have children to have children, thus exacerbating overshoot. ** Mike Roberts, "[https://mikerobertsblog.wordpress.com/2024/08/09/what-can-antinatalism-achieve/ What Can Antinatalism Achieve?]" (August 9, 2024) * A lot of technologies have been utilised in storing food or growing more of it. And we know that increased access to food increases population size. The reverse is also true, of course, so we should expect [[population decline|population to fall]] as harvests come under stress from the effects of [[Global warming|climate change]]. ** Mike Roberts, "[https://mikerobertsblog.wordpress.com/2024/09/14/the-inevitability-of-our-predicament/ The Inevitability of Our Predicament]" (September 14, 2024) * Humans are a species, so they are no different in needing to reproduce to propagate their traits, which may eventually lead to what would be considered a new species, though that would likely take tens or hundreds of thousands of years. If our ancestors had considered the effects of what they were doing, why some prey species appeared to disappear, for example, then we wouldn’t be here, as we’d limit what we did, how we expanded, how we spread. Humans would, at best, have remained a very limited species, if it survived at all. But that is not the way life works. Clearly, we have followed the maximum power principle, since we’re a species, and so consume as much energy and resources as we can. In basic terms, a body needs food for energy and humans have figured out how to produce increasing quantities of food (at least in terms of calories) using agriculture, machines, artificial fertilisers and pesticides. This has enabled an explosion in population in a positive feedback loop (with higher population forecast, we figure out how to support that population, leading to more agriculture and higher yields, so we end up with a higher population). The huge success of agriculture and mechanisation, has lead to almost no human being involved in the production of the food that keeps us alive, so we’ve had to invent other ways to kill our time. We now have a huge variety of products and services to help us kill our time before we die. Some of it is pleasurable so we want to do more of it and invent new ways to live. All the time, killing more of the rest of life. But getting here was inevitable because we are a species and don’t have free will to counter those inbuilt drives. ** Mike Roberts, "[https://mikerobertsblog.wordpress.com/2024/10/03/a-retrospective-of-the-inevitable/ A Retrospective of the Inevitable]" (October 3, 2024) * As food makes babies perhaps the critical development was agriculture but then without fossil fuels, we could never have produced as much food as we do now, and deliver it across the world. But then, if we hadn’t started cooking food, we might not have been clever enough to figure out how to use fossil fuels to produce food. And without language, we could never have communicated complex ideas about agriculture, tool making and the use of fossil fuels. So we go round and round. ** Mike Roberts, "[https://mikerobertsblog.wordpress.com/2025/07/07/where-did-it-all-go-wrong/ Where Did It All Go Wrong?]" (July 7, 2025) * It is often said that humans are in overshoot. What does that mean? In simple terms, it means exceeding a limit. However, if a limit has been exceeded, then how is it a limit? People usually refer to overshoot as exceeding the carrying capacity of the planet. The ability for the planet to support the current population of humans. And yet here we are. Humans have apparently been in overshoot territory for a long time, but that hasn’t affected the numbers. Indeed, the population of humans continues to grow. ** Mike Roberts, "[https://mikerobertsblog.wordpress.com/2025/12/27/overshoot-or-undershoot/ Overshoot or Undershoot?]" (December 27, 2025) * We have well over 8 billion people on this planet. All ecosystems have been perturbed, and wildlife has been hugely depleted by over 70% in just the last half century. Deforestation continues apace at almost 5 million hectares per year. So, it’s impossible for all humans to live sustainably right now. If a few chose, and succeeded, to live sustainably, it would have no measurable effect on the planet. ** Mike Roberts, "[https://mikerobertsblog.wordpress.com/2026/01/25/would-anyone-want-to-live-sustainably/ Would Anyone Want to Live Sustainably?]" (January 25, 2026) === S === * It is apparently futile only to insist that the more back­ward countries restrict their birth rates. What is needed most of all is economic and technical assistance to these countries. This assistance must be of such scale and generosity that it is unlikely before the estrangement in the world and the egotistical, narrow-minded approach to relations between nations and races are eliminated. ** [[Andrei Sakharov]], ''Progress, Coexistence and Intellectual Freedom'', Chapter 5: "Hunger and Overpopulation (and the Psychology of Racism)" (1968) * Government policy, legislation on the family and marriage, and propaganda should not encourage an increase in the birth rates of advanced countries while demanding that it be curtailed in underdeveloped countries that are receiving assistance. Such a two-faced game would produce nothing but bitterness and nationalism. ** Ibid. * I want to emphasize that the question of regulating birth rates is highly complex and that any standardized, dogmatic solution "for all time and all peoples" would be wrong. ** Ibid. * ...increasingly, technology has come up against the law of unexpected consequences. Advances in health care have lengthened life spans, lowered infant-mortality rates, and, thus, aggravated the population problem. ** [[w:Tom Sancton|Thomas A. Sancton]], "What on Earth Are We Doing?" in ''[[w:Time (magazine)|Time]]'' (week ending January 2, 1989). * As human beings, with over 8 billion of us on planet Earth at present, we now find ourselves in a very analogous situation to both the early cyanobacteria from over 2 billion years ago and the yeast cells one would culture within a nutrient-rich broth in a petri dish. It isn’t that we’re in danger of transforming our planet into an uninhabitable hellscape, as nothing we’ve done or are in the process of doing is going to have a catastrophic effect of that magnitude. However, there are a number of ways that we’re polluting, destroying, or depleting our environment in ways that not only are non-renewable and unsustainable, but that are going to have negative downstream effects that impact future humans, hundreds and even thousands of years down the line, in ways that most of us aren’t prepared to fully reckon with.<br>And that’s unfortunate, because we should be prepared. After all, unlike yeast, cyanobacteria, or any other species that’s impacted its environment due to its collective, accumulated actions, we can not only detect and quantify the effects we’re having, but can choose to change our action at any time. ** Ethan Siegel, "[https://bigthink.com/starts-with-a-bang/humanity-yeast-cells/ Is humanity dumber than a colony of yeast cells?]." ''Big Think'' (March 8, 2023) * Erroneous belief about population growth has cost dearly. In poor countries, it has directed attention away from the factor that we now know is central in a country's economic development, its economic and political system. And in rich countries, misdirected attention to population growth and its... consequence of natural-resource shortages has caused waste through such programs as now-abandoned synthetic fuel programs, and the useless development of airplanes that would be appropriate for an age of greater scarcity. ** [[Julian Simon]], "[http://www.juliansimon.com/writings/Norton/NORTON02.txt Scarcity or Abundance? A Debate on the Environment]," on ''juliansimon.com'' * Adding more people causes problems, but people are also the means to solve these problems. The main fuel to speed our progress is our stock of knowledge, and the brake is our lack of imagination. The ultimate resource is people—skilled, spirited, and hopeful people who will exert their wills and imaginations for their own benefit, and inevitably they will benefit not only themselves but the rest of us as well. ** [[Julian Simon]], [http://www.juliansimon.com/writings/Ultimate_Resource/TCONCLUS.txt The Ultimate Resource] * In trying to solve the terrifying problems that face us in the world today, we naturally turn to the things we do best. We play from strength, and our strength is science and technology. To contain a population explosion, we look for better methods of birth control. Threatened by a nuclear holocaust, we build bigger deterrent forces and anti-ballistic missile systems. We try to stave off world famine with new foods and better ways of growing them. Improved sanitation and medicine will, we hope, control disease; better housing and transportation will solve the problems of the ghettos, and new ways of reducing or disposing of waste will stop the pollution of the environment. We can point to remarkable achievements in all these fields, and it is not surprising that we should try to extend them. But things grow steadily worse, and it is disheartening to find that technology itself is increasingly at fault. Sanitation and medicine have made the problems of population more acute, war has acquired a new horror with the invention of nuclear weapons, and the affluent pursuit of happiness is largely responsible for pollution. As Darlington has said, ‘Every new source from which man has increased his power on the earth has been used to diminish the prospects of his successors. All his progress has been at the expense of damage to his environment, which he cannot repair and could not foresee.’ **[[B. F. Skinner]], ''Beyond Freedom and Dignity'' (1971), Chapter 1: “A Technology of Behavior.” * Capitalist elites seeking to increase the size of their labour force used pro-natalist state policies to prevent women from practicing family planning. [...] We should not ignore the relationship between population growth and ecology, but we must not treat these as operating in a social and political vacuum. ** Dylan Sullivan and [[Jason Hickel]] (2023). "Capitalism and extreme poverty: A global analysis of real wages, human height, and mortality since the long 16th century". ''{{W|World Development (journal)|World Development}}''. Vol. 161. {{doi|10.1016/j.worlddev.2022.106026}} === T === * History upon Terra tells us what horrors follow upon religious mandates of unlimited reproduction. ** [[Sheri S. Tepper]], ''[[w:Grass (novel)|Grass]]'' (1989), Chapter 12 * Malthusian predictions that relentless population growth will outstrip food production and trigger starvation worldwide have recurred over the centuries. They have come and then gone as farmers have deployed new technologies to increase food output. Even now, enough food is being produced to adequately feed every person on the planet; the fact that nearly one billion people are nonetheless going hungry is a damning indictment of the world's food-distribution system. But since demand is growing, production will also have to increase in the years ahead. With the world's population expected to expand to more than nine billion by 2050 and much of that growth occurring in China, India, and other countries where living standards are rising fast, global food production will need to increase by 70-100 percent in order to keep pace and feed the already chronically hungry. This is a mighty challenge: all the more so because given current soil technology and environmental concerns, more food will have to be produced on roughly the same amount of arable land -- and with less water than is used now and at a time when both growing demand for biofuels and changing climate patterns are also putting pressure on production. Where will the needed rise in food supplies come from, and how quickly can the distribution problems be solved? ** Roger Thurow, "[https://www.foreignaffairs.com/articles/africa/2010-10-21/fertile-continent The Fertile Continent]". ''Foreign Affairs'' (October 21, 2010). * Given the Maoist position that a large population was a “resource”, rather than a burden, for the Communist state, it was politically incorrect to advocate population control [either by diet or medicine]. ** Christopher K. Tong, “The Paradox of China’s Sustainability,” ''Chinese Environmental Humanities'' (2019) * Supporting large families and unchecked growth (of which the greatest parameter is population increase) is a mantra which religion and authority have preached for thousands of years. Religions always need more clergy to reap donations from, and leaders more voters to turn into soldiers for their next war, or to make the gross (as opposed to per capita) GDP figures look good. We are being farmed, we have always been farmed for thousands of years by an economic system that prioritises cold hard profit figures over real prosperity. Competition fuels growth even more, as humans are extremely territorial. The problem with the existence of countries is that they speed up civilisational collapse. They all end up competing for economic and population growth, therefore significantly accelerating civilisational overshoot and collapse. ** George Tsakraklides, quoted in "[https://www.hawaii.edu/vice-versa/interview-tsakraklides-lewis-2-0/ Memories of the Future 2.0]." ''Vice-Versa'', University of Hawaii at Manoa (February 15, 2025) * Thanks to the discovery and exploitation of fossil fuels, humans (really just a small minority of them) are able to live richer lives today than even the queens and kings of yore could have dreamed of.<br>Furthermore, we’ve used some of those finite resources to increase food supplies and to expand the human population, which provides the economic system with both more workers and more consumers, a necessity to keep the economy growing under our current economic model. The world’s population increased from 1.6 billion in 1900 to 7 billion today, and we add about 80 million more each year. Humans have quickly become the most numerous megafauna on the planet. ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2012/01/09/the-faustian-bargain-that-modern-economists-never-mention/ The Faustian bargain that modern economists never mention]" (January 9, 2012) * Humans, because of their intelligence, have found ways to [temporarily] defeat survival of the fittest. As areas get overpopulated, humans have moved to areas where they have a better chance of survival. Humans have found ways to increase food supply, through the use of fertilizers, pesticides, irrigation, and refrigeration, all of which require fossil fuels. They have developed trade, so that so areas with shortfalls can benefit from surpluses elsewhere. Humans have developed a world financial system, which has helped enable worldwide trade. The financial system has also allowed investors to pay for goods after they are put into service, so that the cash flow resulting from an investment can be used (after the fact) to pay for the cost of the investment. This enables investment, and faster use of resources, including energy resources.<br>One of the reasons for continued upward population pressure is the fact that humans have evolved to live beyond their reproductive years. In their declining years, humans often need assistance, either from their offspring or from a public pension program, or both. Because of concern for their own old age, people without pensions tend to have enough children so that there is a significant chance that a child of the right sex will survive to adulthood. With improving medical care, this tends to lead to [an] ever-rising population. ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2012/08/17/humans-seem-to-need-external-energy/ Humans Seem to Need External Energy]" (August 17, 2012) * As long as the world’s population is rising, even in lesser developed countries, there is going to be a continuing need for more food, clothing and housing. This is an issue we don’t seem to be able even to talk about. It may offend people. ** Ibid. * The energy resource that we learned to develop this time is fossil fuels, starting with coal about 1800. '''World population was able to expand greatly because of additional food production permitted by fossil fuels and because of improvements in hygiene.''' A period of stagflation began in the 1970s, when we first encountered problems with US oil production and spiking oil prices. Now, the question is whether we are approaching the Crisis Stage as described by Turchin and Nefedov. ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2013/12/06/diminishing-returns-energy-return-on-energy-invested-and-collapse/ Diminishing Returns, Energy Return on Energy Investment and Collapse]" (December 6, 2013) * As energy supplies deplete, we will increasingly need to “choose our battles.” In the past, humans have been able to win many battles against nature. However, '''as energy per capita declines in the future, we will be able to win fewer and fewer of these battles against nature''', such as our current battle with COVID-19. At some point, we may simply need to let the chips fall where they may. '''The world economy seems unable to accommodate 7.8 billion people, and we will have no choice but to face this issue.''' ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2020/11/09/energy-is-the-economy-shrinkage-in-energy-supply-leads-to-conflict/ Energy is the economy; shrinkage in energy supply leads to conflict]" (November 9, 2020) * Many people believe that humans can have a sustainable future by using solar panels and wind turbines. Unfortunately, the only truly sustainable course, in terms of moving in cycles with nature, is interacting with the environment in a manner similar to the approach used by chimpanzees and baboons. Even this approach will eventually lead to new and different species predominating. Over a long period, such as 10 million years, we can expect the vast majority of species currently alive will become extinct, regardless of how well these species fit in with nature’s plan.<br>The key to the relative success of animals such as chimpanzees and baboons is living within a truly circular economy. Sunlight falling on trees provides the food they need. Waste products of their economy come back to the forest ecosystem as fertilizer.<br>Pre-humans lost the circular economy when they learned to control fire over one million years ago, when they were still hunter-gatherers. With the controlled use of fire, cooked food became possible, making it easier to chew and digest food. The human body adapted to the use of cooked food by reducing the size of the jaw and digestive tract and increasing the size of the brain. This adaptation made pre-humans truly different from other animals.<br>With the use of fire, pre-humans had many powers. They spent less time chewing, so they could spend more time making tools. They could burn down entire forests, if they so chose, to provide a better environment for the desired types of wild plants to grow. They could use the heat from fire to move to colder environments than the one to which they were originally adapted, thus allowing a greater total population.<br>Once pre-humans could outcompete other species, the big problem became diminishing returns. For example, once the largest beasts were killed off, only smaller beasts were available to eat. The amount of effort required to kill these smaller beasts was not proportionately less, however. ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2020/12/02/humans-left-sustainability-behind-as-hunter-gatherers/ Humans Left Sustainability Behind as Hunter-Gatherers]" (December 12, 2020) * … the problem the world is facing today is like one that smaller economies have faced, over and over, in the past: '''The population has become too large for the economy’s resource base''', which now includes fossil fuels. Today’s leaders reframe the problem as voluntarily moving away from fossil fuels to prevent climate change in order to make the situation sound less frightening. ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2023/12/15/ten-things-that-change-without-fossil-fuels/ Ten things that change without fossil fuels]" (December 15, 2023) * We are dealing with an age-old problem: Humans are able to outsmart other animals, and for this reason, human populations tend to rise except when external conditions are quite adverse. ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2024/03/17/advanced-economies-will-be-especially-hurt-by-energy-limits/ Advanced Economies Will Be Especially Hurt by Energy Limits]" (March 17, 2024) * History shows a repeated pattern of overshoot and collapse. A population would grow until the carrying capacity of the local area was reached. Food surpluses would become lower and lower, so less food could be saved up for fluctuations in rainfall and temperature. Eventually, civilizations would succumb to one or another problem: disease, attack by a neighboring group, climate fluctuations, or governments overthrown by unhappy citizens. We tell ourselves that overshoot and collapse cannot happen now, but human population is high relative to fossil fuel resources, and intermittent wind and solar are not working out well as substitutes. ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2024/07/22/how-does-the-economy-really-work/ How Does the Economy Really Work?]" (July 22, 2024) * Humans are smarter than other animals, allowing the population of humans to grow, while the population of many other species tends to fall. […] The large rise in the population of the less advanced economies contributes to the huge number of immigrants wanting new homes in higher-income countries. […] The issue is that available resources do not rise fast enough (in the area, or with the technology available) to provide enough physical goods and services for the population. If a new approach can be developed, or a neighboring area with additional resources can be conquered, [the] population can start to grow again. […] Outgrowing our resource base is not a phenomenon that began with fossil fuels. […] In 1796, when [the] world population was about one billion, Robert Thomas Malthus wrote about population growing faster than food production. This was before fossil fuels were widely used. Now, about 230 years later, [the] population has risen to eight billion, thanks to the availability of fossil fuels. We need major innovations, or additional energy resource types, if we want to work around obstacles now. ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2025/10/06/what-has-gone-wrong-with-the-economy-can-it-be-fixed/ What Has Gone Wrong with the Economy? Can It Be Fixed?]" (October 6, 2025) === V === * The hard fact is that in an age of climate breakdown, human numbers matter. And the ecological impact of another 2-3 billion humans will be immense. ** John Vidal, [https://www.theguardian.com/commentisfree/2022/nov/15/population-8-billion-climate It should not be controversial to say a population of 8 billion will have a grave impact on the climate]. ''The Guardian'', November 15, 2022. * We must look at the whole man, and at his whole environment. Above all, we must realize that every grain of rice he puts into his mouth, every bit of potato, every piece of meat, and every kernel of corn, must be replaced by another bit from the earth—somewhere. We must realize that not only does every area have a limited carrying capacity—but also that this carrying capacity is shrinking and the demand growing. Until this understanding becomes an intrinsic part of our thinking and wields a powerful influence on our formation of national and international policies we are scarcely likely to see in what direction our destiny lies. ** William Vogt, ''Road to Survival'' (1948), Chapter 4: "Industrial Man: the Great Illusion." === W === *[There's] too many people making too much muck and too much noise with too little space to do it in. ** [[Keith Waterhouse]], "End of the Rainbow", <em>Daily Mirror</em> (August 17, 1970), republished in <em>Mondays, Thursdays</em> (1976) * Today, escalating human populations have vastly exceeded global carrying capacity and now produce massive quantities of solid, liquid, and gaseous waste. Biological diversity is being threatened by over-exploitation, toxic pollution, agricultural mono-culture, invasive species, competition, habitat destruction, urban sprawl, oceanic acidification, ozone depletion, global warming, and climate change. It’s a runaway train of ecological calamities. ** [[Paul Watson]], ''[https://web.archive.org/web/20070509003646/https://seashepherd.org/editorials/editorial_070504_1.html The Beginning of the End for Life as We Know it on Planet Earth? There is a Biocentric Solution.]'' Commentary by Paul Watson, Founder and President of {{W|Sea Shepherd Conservation Society}} *''Homo sapiens''’ appetite is gargantuan. As we strive to get at dwindling resources for ever more people, we dig deeper into the Earth, blow the tops of mountains, divert rivers, cut down forests and pave over swaths of land. We fill the land, water, and air with our pollution. We’re driving record numbers of species to extinction and decimating others with activities from chemical poisoning to hunting for bushmeat, or simply by taking over their habitat.<br>Greenhouse gases from our industry are changing the Earth’s climate, with such dangerous consequences as ocean acidification, rising sea levels and flooding, changes in rainfall patterns including in vital “breadbaskets,” and loss of forest cover.<br>While the word “sustainable” has become popular, growing human numbers and activities are anything but. Increasing awareness of our impact has led to developments in renewable energy, recycling, earth-friendly farming and more. There have also been spectacular advances in family planning. But powerful—notably religious—opposition has kept governments and international bodies from actively promoting small families and prevented hundreds of millions of women who would plan their families from having access to modern methods.<br>Those who deny that overpopulation is a problem say the poor don’t consume much. Yet the poor want nothing more than to consume more, as proved by India and China. Who can blame them? And a burgeoning number of desperately poor people does have a major impact: they cut down forests to [[agriculture|grow food]], drain rivers, deplete aquifers, and overfish and over-hunt in their local area. But make these points and you’ll be accused of blaming the poor for the problems of the rich.<br>We seem bound to learn the hard way that there really is a limit to how many people the Earth can support.<br>We wish it weren’t so, but it really is starting to look as if Malthus was right. ** Madeline Weld, "[https://montrealgazette.com/opinion/columnists/opinion-sadly-malthus-was-right-now-what Sadly, Malthus was right. Now what?]" in the ''{{W|The Gazette (Montreal)|Montreal Gazette}}'' (February 14, 2016) * ...the gains of low infant and maternal mortality and rises in population longevity—brought about in great part by harnessing fossil fuels, the agricultural revolution, modernization, and disease and injury reduction efforts—in many instances impedes rather than facilitates moving toward sustainable living. It can be argued from the ecological perspective that most public health efforts, as humanitarian as they are by intention and immediate effect, through accelerating population pressures on the environment are paradoxically hastening the destruction of the earth's habitat on which the next generation of humanity depends. It raises the concern that our perceived gains may be only illusory and temporary, with huge but unmeasured and unlinked environmental costs that will eventually lead to shorter lives of misery for our descendants. ** Harold B. Weiss, [https://www.ncbi.nlm.nih.gov/pmc/articles/PMC2602943/ "Overshoot"] in ''Public Health Reports'' (January-February 2009). * In the past, when one civilization collapsed, others evolved to replace it. Today the world-wide agroindustrial complex is making unprecedented demands on the whole earth’s biological ecostructure. After a brief half-century in which factory farming enlarged the meagre diet of the poor (though not for all, nor always to their benefit), the multinational food industry has become a primary impetus towards overpopulation, obesity, pollution, and global warming. Policies and practices whose effects were once circumscribed are now a threat to human survival. ** John Whiting, "[https://www.whitings-writings.com/eating_the_earth.htm Eating the Earth]." Oxford Symposium on Food and Cookery (September 9, 2007) * Agriculture, by overcoming the limitations inherent in the closed system of hunting/gathering, made possible the open-ended expansion of both the population and the means of feeding it. Once it had been adopted, there was no turning back. The more that a civilization farmed, the more it needed extra hands, and so large families were deliberately procreated, which in turn produced still more mouths to feed. Colin Tudge calls it a vicious spiral, Ronald Wright a progress trap. ** Ibid. * Nature’s modus operandi is to kill off the weakest, leaving only the strongest and most biologically versatile to reproduce. But for ''homo sapiens'', nature is not a force to be accommodated, but an opponent to be grappled with, and so ‘farming for money’ was joined by ‘medicine for money’. On top of the lucrative agroindustry which accellerates the population explosion, we have set up an equally profitable ‘health’ industry whose job it is to keep alive those whose bodies rebel at what they are so unhealthily force-fed.<br>The result is an expanding segment of the population who, along with accellerating obesity, suffer from various diseases of malnutrition, together with allergies and intolerances to a growing list of foodstuffs that are increasingly difficult to avoid. In the end, humanity may consist of a remnant of survivors who spend their brief unhappy lives closeted against the encroaching poisons which their ancestors had so profitably created. Instant death by peanut may prove to have been a warning blip on the radar screen. ** Ibid. * Today the threat lies in the sheer scale of our greed and our technological ineptitude. We’re driving entire countries over cliffs. We are destroying the delicate ecological balance which a [sic] brief interlude of stable climate has allowed us. We make pious noises about the disappearing terrestrial species while largely ignoring the invisible havoc we’re bringing about in the earth’s oceans, the source and sustenance of life on the land. ** John Whiting, June 2015 appendix to "Eating the Earth" * The raging monster upon the land is population growth. In its presence, sustainability is but a fragile theoretical construct. To say, as many do, that the difficulties of nations are not due to people but to poor ideology or land-use management is sophistic. If Bangladesh had 10 million inhabitants instead of 115 million [as of this writing], its impoverished people could live on prosperous farms away from the dangerous floodplains midst a natural and stable upland environment. It is also sophistic to point to the Netherlands and Japan, as many commentators incredibly still do, as models of densely populated but prosperous societies. Both are highly specialized industrial nations dependent on massive imports of natural resources from the rest of the world. If all nations held the same number of people per square kilometer, they would converge in quality of life to Bangladesh rather than to the Netherlands and Japan, and their irreplaceable natural resources would soon join the seven wonders of the world as scattered vestiges of an ancient [sic] history. ** [[E. O. Wilson]], ''The Diversity of Life'' (1992) * The pattern of human population growth in the 20th century was more bacterial than primate. When ''Homo sapiens'' passed the six billion mark we had already exceeded by perhaps as much as 100 times the [[w:Biomass (ecology)|biomass]] of any large animal species that had ever existed on the land. We and the rest of life cannot afford another one hundred years like that. ** [[E. O. Wilson]], quoted in ''Life on the Brink: Environmentalists Confront Overpopulation''. University of Georgia Press (2012), p. 83 * If we fail to limit our numbers and our impact, if we do not replace our goldrush economics with a rational sharing of what the earth can yield, this new century will not grow very old before we enter an age of chaos and collapse that will dwarf all dark ages in our past. **{{W|Ronald Wright}}, "Civilization is a pyramid scheme", ''The Globe and Mail'' (August 5, 2000). * So among the things we need to know about ourselves is that the Upper Palaeolithic period, which may well have begun in genocide, ended with an all-you-can-kill wildlife barbecue. The perfection of hunting spelled the end of hunting as a way of life. Easy meat meant more babies. More babies meant more hunters. More hunters, sooner or later, meant less game. Most of the great human migrations across the world at this time must have been driven by want, as we bankrupted the land with our moveable feasts. ** Ronald Wright, ''A Short History of Progress'' (2004), Chapter II: "The Great Experiment." === Z === * What determines population growth? What has been the cause of the unprecedented growth in world population in our recent history? Many socio-economic reasons are given as explanations: medical advances, improvements in public health, sanitation and hygiene, increased food availability and agricultural productivity, extension of cultivation, and development of trade and transportation. Surprisingly, high quality energy sources are rarely mentioned or quickly discounted. Yet an argument can be made that each of the above factors contributing to population growth is aided and influenced by high quality energy supplies. Cheap and abundant fossil fuels have been a necessary precondition for the past century’s population growth. And while not all countries benefit directly from the consumption of high quality energy supplies, most countries benefit from the impact of high energy societies on low energy societies. What if energy consumption, or more precisely, energy resource availability, somehow determines population growth? Perhaps energy resources determine the Earth’s ''carrying capacity,'' or how many people the Earth can support? Perhaps different energy resources have different effects on population growth? If we hypothesize that the Earth’s population is ultimately determined by availability of energy resources, and if some of those energy resources are at or near their peak rates of production, then that may affect rates of population growth. If the correlation is strong enough, the number of people the Earth can support may also be at or near its peak. Therefore the number of people in 2050 may be very different from widespread United Nations (UN) forecasts. Growing populations consume more energy. Availability of energy allows populations to grow. Energy consumption exerts demands on energy resources making them scarcer. They become harder to extract. Nearby forests are depleted, coal mines must dig deeper, oil has to be drilled in more complex environments. In other words, energy resource extraction experiences declining marginal returns. This has led to the exploitation of new energy sources, which in turn expands the Earth’s ''carrying capacity''. Then populations grow once more. **Graham Zabel, "[https://www.resilience.org/stories/2009-04-20/peak-people-interrelationship-between-population-growth-and-energy-resources/#_Toc227469800 Peak People: The Interrelationship between Population Growth and Energy Resources]" in ''Energy Bulletin'' (April 20, 2009) * Mature populations tend to reach equilibrium – the carrying capacity – and then fluctuate around this equilibrium. If a population outgrows its carrying capacity, regulating factors come into play, such as famine, or emigration. If a population is below its carrying capacity, birth rates tend to increase, so the population grows. The common assumption is that carrying capacity is determined by the availability of food, water and land. While availability of food and water are important factors in determining the carrying capacity of populations, they cannot explain the unprecedented increases in population that have occurred in the last several hundred years. The availability of land has always been a factor in increasing carrying capacity. In the historic past, the Earth’s carrying capacity could be increased by expanding into sparsely occupied, or frontier, lands. In a fictitious future, carrying capacity could be increased by expanding outward to other planets or solar systems. At present, there is very little unoccupied, habitable land remaining on this Earth and no nearby habitable planets to release the pressure of population growth, so any increase in carrying capacity must be a result of other factors. **Ibid. * At present the world’s population is growing rapidly. The planet could not support the six billion plus people that exist today without first the commercialisation of coal, then of oil and, more recently, gas. These energy sources have been necessary for the unprecedented population growth that has occurred over the last three hundred years. It is reasonable to assume that unless current energy resource production is increased and new resources are exploited, the population will no longer grow. And if energy resources decline (e.g. a peak in production is reached), then we may see a decline in population. ** Ibid. * Roughly 10,000 years ago, increasing population pressure on wild food resources led to a shift from food gathering (hunter-gatherers) to food production (agriculturists) in several parts of the world. This led to demand-induced technologies and demand-induced searches for higher quality energy sources, such as water power for flow irrigation, animal draft power, iron tools, and fire for land clearing and for improvement of hunting and pastoralism. Population pressures in many parts of Europe in the seventeenth and eighteenth centuries led to serious shortages of wood which in turn led to many of the technological innovations that fuelled the [[Industrial Revolution]]. Coal’s replacement of wood as the most important source of energy in Western Europe is a classic example of demand-induced innovation…promoted by population pressures on forested land in Western and Central Europe. From the end of [[World War II]], coal’s premier importance as an energy source declined sharply and was replaced by crude oil. Far offshore drilling of oil began in 1947 off the coast of Louisiana. One year later, the world’s largest oil field, al-Ghawar in Saudi Arabia, was drilled. Large new discoveries of oil and gas in Africa and Asia combined with the development of oil super tankers and pipeline networks reduced the price of oil and gas at a time when the costs of producing coal were continuing to rise. Diesel locomotives represented a major substitution of oil for coal. The post World War II era also saw large increases in automobile ownership, the beginnings of highway and motorway road transportation networks and the first passenger jet aircraft –all benefiting from and encouraging consumption of cheap oil supplies. These increases in the consumption of crude oil have coincided with the highest population growth in history. After the depressed population growth during World War II, growth rose quickly to a peak of 2.2% in 1964, the highest rate the world has ever known. (''Per capita'' oil consumption peaked shortly thereafter, in the 1970s). Although population continues to rise, population growth has been declining since then. If there is a relationship between energy consumption and population growth, the different types of energy consumed may have different effects. If biomass is the only energy source, populations will not grow very fast. In such organically based economies, the problem of expanding raw material supply, and especially the related problems associated with the very modest energy supply maxima…must curb growth with increasing severity as expansion takes place. The emergence of coal as an energy source eliminated the carrying capacity limits to population growth that any traditional and biomass energy based culture would eventually face. Similarly, the predominance of oil after the middle part of the twentieth century raised the carrying capacity even further. ** Ibid. * According to the IEA [International Energy Agency], 1.6 billion people live without electricity. Much of Africa and Asia still rely on biomass as their primary source of energy, yet have very high population growth rates. '''How can there be a correlation between energy and population in these instances? While many developing world countries remain low energy societies, they, and their population growth rates, are impacted by high energy societies. Their primary energy sources may still be traditional biomass, but their population growth is due in large part to abundant oil and gas supplies.''' Vaccines and antibiotics that reduce third world mortality are discovered, produced and distributed with first world energy, and oil contributes at every step. Fertilisers, pesticides and herbicides that aided the Green Revolution in much of the developing world could not have been produced without large oil and gas inputs. The aeroplanes, boats and trains that deliver and distribute food all run on oil. '''While the commercialisation of higher quality energy sources may be very unevenly distributed, the societies that adopt new energy sources, high energy societies, have a profound impact on those societies that remain low energy societies, and these impacted populations then become part of Coal, Oil or Natural Gas Populations.''' ** Ibid. *Just 11,000 years ago, there were only roughly 5 million humans who lived on the planet Earth. The initial population growth was slow, due largely to the way humans were living—by hunting. Such lifestyle limited the size of family for practical reasons. A woman on the move cannot carry more than one infant along with her household baggage. When simple birth control means-often abstention from sex failed, a woman may elect abortion or, more commonly, infanticide to limit the family size. Further, a high mortality among the very young, the old, the ill and the disabled acted as a natural resistance to a rapid population growth. Thus it took over one million years for human population to reach the one billion mark. But the second billion was added in about 100 years, the third billion in 50 years, the fourth in 15 years, and the fifth in 12 years. Ever since humans became sedentary, some limits over the family size were lifted. With the development of agriculture, children may have become more of an asset to their families in helping with farming and other chores. By the beginning of the Christian era, human population grew to about 130 million, distributed all over the Earth. By 1650, the world population had reached 500 million. The process of industrialization had begun, bringing about profound changes over the lives of humans and their interactions with the natural world. With improved living standard, lowered death rate and prolonged life expectancy, human population grew exponentially. By 1999 there were about 6 billion people, comparing with 2.5 billion in 1950. The world population is well on its way to 7 billion with an annual growth rate of over 90 million. **Ming Zheng, “[https://www.gordon.edu/download/pages/Salem%20010731-Human%20Population%20Growth.pdf Human Population Growth]”. {{W|Gordon College (Massachusetts)|Gordon College}} (July 31, 2001) == See also == * [[Biodiversity]] * [[Climate change]] * [[Exponential growth]] * [[Fossil fuel]] * [[Global warming]] * [[Population decline]] * [[Sustainable development]] * [[Sustainability]] ==Further reading== *Smil, Vaclav. "[https://ia800709.us.archive.org/16/items/detonator-of-the-population-explosion/Detonator%20of%20the%20population%20explosion.pdf Detonator of the population explosion]." Nature 400.6743 (1999): 415-415. *Feeney, John. "[https://ia801807.us.archive.org/18/items/agriculture-ending-the-world-as-we-know-it/Agriculture_Ending_the_world_as_we_know_it.pdf AGRICULTURE: Ending the World as We Know It]." Zephyr, August—September (2010). ==External links== {{উইকিপিডিয়া|Human overpopulation}} {{উইকিঅভিধান|overpopulation}} *[https://population.org.au/about-population/global-population Quotes on Human Over-Population and Related Subjects], ''Sustainable Population Australia'' *{{ওয়েব উদ্ধৃতি|url=https://www.populationmedia.org/2014/02/11/morgan-freeman-speaks-out-on-population/|title=Morgan Freeman on the 'tyranny of agriculture' and the doomed human race|date=11 February 2014|publisher=Ecorazzi}} *[https://www.theguardian.com/global-development-professionals-network/gallery/2015/apr/01/over-population-over-consumption-in-pictures Overpopulation, overconsumption – in pictures]. ''{{W|The Guardian}}'' April 1, 2015. *{{ওয়েব উদ্ধৃতি|url=http://www.panearth.org/WVPI/Papers/FoodPopulationSummary.pdf|title=A Summary of Human Population Dynamics|work=Russell Hopfenberg|publisher=Pan Earth}} [[বিষয়শ্রেণী:জীববিজ্ঞান]] [[বিষয়শ্রেণী:সমাজতত্ত্ব]] [[Category:Sustainability]] ewii75r121ewamqjvdu5t5wu4gk263r 80000 79999 2026-04-23T11:16:11Z ARI 356 /* G */ ; অনুবাদ 80000 wikitext text/x-wiki [[File:Annual-World-Population-since-10-thousand-BCE-1-768x724.png|thumb|বিশ্বের জনসংখ্যা এবং সেই সাথে খ্রিস্টপূর্ব ১০,০০০ থেকে ২০৫৮ সাল পর্যন্ত জনসংখ্যার একটি সম্ভাব্য প্রক্ষেপণ বা আগাম অনুমান]] [[File:World Population and Projections by Medium Fertility and Continent or Country 1950 - 2100.png|thumb|মাঝারি প্রজনন হারের ওপর ভিত্তি করে ১৯৫০ থেকে ২১০০ সাল পর্যন্ত বিশ্বের মোট জনসংখ্যা এবং বিভিন্ন মহাদেশ ও দেশভিত্তিক জনসংখ্যার একটি প্রক্ষেপণ]] [[File:Distribution-of-earths-mammals.png|thumb|পৃথিবীর বুকে বর্তমানে বিদ্যমান সমস্ত স্তন্যপায়ী প্রাণীর মোট ওজনের ৯৬ শতাংশই দখল করে আছে মানুষ এবং তাদের লালন-পালন করা গবাদি পশু; যেখানে বন্য স্তন্যপায়ী প্রাণীর পরিমাণ হলো মাত্র ৪ শতাংশ।]] [[File:Time for the world population to increase by one billion 1805 – 2086.png|thumb|১৮০৫ সাল থেকে ২০৮৬ সাল পর্যন্ত বিশ্বের মোট জনসংখ্যা প্রতি ১০০ কোটি বা এক বিলিয়ন করে বৃদ্ধি পেতে ঠিক কতটা সময়ের প্রয়োজন হয়েছে তার একটি তুলনামূলক চিত্র]] '''অতিপ্রজতা''' হলো এমন একটি বিশেষ প্রাকৃতিক পরিস্থিতি বা অবস্থা যেখানে কোনো একটি নির্দিষ্ট ভৌগোলিক অঞ্চলে বসবাসকারী কোনো বিশেষ প্রজাতির জীবের মোট সংখ্যা সেই নির্দিষ্ট পরিবেশ বা বাসস্থানের স্বাভাবিক ধারণক্ষমতাকে পুরোপুরিভাবে ছাড়িয়ে যায়। == উক্তি == * আমরা এই পৃথিবীতে মানবজাতির ৮০০ কোটিতম সদস্যকে মাত্র স্বাগত জানালাম। নিঃসন্দেহে একটি শিশুর জন্ম খুবই আনন্দের এবং চমৎকার একটি বিষয়। '''কিন্তু আমাদের এটা বুঝতে হবে যে, মানুষের সংখ্যা যত বৃদ্ধি পাবে, আমরা এই পৃথিবীর ওপর তত বেশি প্রচণ্ড চাপ তৈরি করব।''' জীববৈচিত্র্যের কথা চিন্তা করলে দেখা যায় যে, আমরা প্রকৃতির সাথে এক প্রকার যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছি। আমাদের এখন প্রকৃতির সাথে শান্তি স্থাপন করা প্রয়োজন। কারণ এই প্রকৃতিই পৃথিবীর সমস্ত কিছুকে টিকিয়ে রাখে... বিজ্ঞান এই বিষয়ে একদম সুষ্পষ্ট। ** ইঙ্গার অ্যান্ডারসেন, জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচির নির্বাহী পরিচালক, [https://www.theguardian.com/environment/2022/dec/06/cop-15-un-chief-biodiversity-apocalypse 'উই আর অ্যাট ওয়ার উইথ নেচার': ইউএন এনভায়রনমেন্ট চিফ ওয়ার্নস অফ বায়োডাইভারসিটি অ্যাপোক্যালিপস]। ''দ্য গার্ডিয়ান'', ৬ ডিসেম্বর ২০২২। * '''শিশুরা হলো মানবজাতির শত্রু'''... বিষয়টা এভাবে ভেবে দেখা যাক: বিশ্বের জনসংখ্যা যখন দ্বিগুণ হবে, তখন আমাদের শক্তির ব্যবহারের পরিমাণ সাত গুণ বৃদ্ধি পাবে। এর অর্থ হলো আমরা সম্ভবত যে পরিমাণ দূষণ তৈরি করছি তার মাত্রাও সাত গুণ বেড়ে যাবে। আমরা যদি বর্তমান হারের দূষণ নিয়েই হুমকির মুখে থাকি, তবে দ্বিগুণ জনসংখ্যার মাঝে ছড়িয়ে পড়া এই সাত গুণ বেশি দূষণের ফলে আমাদের অবস্থা কেমন হবে? আমাদের তখন সাত গুণ বেশি হারে বিষাক্ত হয়ে পড়া মাটি থেকে দ্বিগুণ পরিমাণ খাদ্য উৎপাদন করতে হবে। ** [[আইজাক আসিমভ]] (১৯৬৯) বোস্টন ম্যাগাজিনের সাথে একটি সাক্ষাৎকারে। আংশিকভাবে এলেন প্যাক (১৯৭৬)-এর ''দ্য বেবি ট্র্যাপ'', পৃষ্ঠা ১৭। * এটি সবকিছু ধ্বংস করে দেবে। আমি এই বিষয়টি বোঝাতে বাথরুমের একটি রূপক ব্যবহার করি। যদি একটি অ্যাপার্টমেন্টে দুইজন মানুষ থাকে এবং সেখানে দুইটি বাথরুম থাকে, তবে তাদের দুইজনেরই বাথরুম ব্যবহারের পূর্ণ স্বাধীনতা থাকে। তারা যখন খুশি সেখানে যেতে পারে এবং নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী যতক্ষণ খুশি থাকতে পারে। আমার মতে এটাই হলো আদর্শ অবস্থা। আর প্রত্যেকেই বাথরুম ব্যবহারের এই স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে। এমনকি এটি সংবিধানেও থাকা উচিত। কিন্তু যদি একই অ্যাপার্টমেন্টে ২০ জন মানুষ থাকে এবং বাথরুম থাকে মাত্র দুইটি, তবে সেই বাথরুম ব্যবহারের স্বাধীনতার ওপর বিশ্বাস থাকলেও বাস্তবে তার কোনো অস্তিত্ব থাকবে না। আপনাকে তখন প্রত্যেকের জন্য আলাদা আলাদা সময় ঠিক করে দিতে হবে, আপনাকে দরজায় কড়া নেড়ে বলতে হবে, তোমার কি এখনো শেষ হয়নি? ঠিক একইভাবে, '''অতিরিক্ত জনসংখ্যার চাপে গণতন্ত্র টিকে থাকতে পারে না। মানুষের মর্যাদাও এর চাপে টিকে থাকতে পারে না। সুযোগ-সুবিধা এবং শালীনতাও এর ফলে হারিয়ে যায়।''' আপনি যখন পৃথিবীতে মানুষের সংখ্যা বাড়াতে থাকবেন, তখন জীবনের মূল্য শুধু কমবেই না বরং তা পুরোপুরি অদৃশ্য হয়ে যাবে। তখন কেউ মারা গেল কি না তাতে কিছু যায় আসবে না। ** [[আইজাক আসিমভ]] (১৯৮৮) বিল ময়ার্স-এর সাথে ''বিল ময়ার্স ওয়ার্ল্ড অফ আইডিয়াস'' দেওয়া সাক্ষাৎকারে (১৭ অক্টোবর ১৯৮৮); [http://www.pbs.org/moyers/faithandreason/print/pdfs/woi%20asimov1.pdf প্রতিলিপি] (পৃষ্ঠা ৬) - [http://www.pbs.org/moyers/faithandreason/media_players/asimovwoi_audio.html অডিও (২০:১২)] ** বিল ময়ার্সের এই প্রশ্নের উত্তরে করা মন্তব্য: যদি জনসংখ্যার এই বৃদ্ধি বর্তমান হারেই চলতে থাকে তবে মানবজাতির [[মর্যাদা]]র ধারণার কী ঘটবে বলে আপনি মনে করেন? * আমরা এই পৃথিবীর জন্য একটি অভিশাপ বা মহামারীর মতো। আগামী ৫০ বছরের মধ্যে এর ভয়াবহ ফল আমাদের ভোগ করতে হবে। এটি কেবল জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয় নয়; এটি মূলত জায়গার অভাব এবং এই বিশাল জনগোষ্ঠীর জন্য খাদ্য উৎপাদনের জায়গার সমস্যা। হয় আমাদের নিজেদেরই এই জনসংখ্যা বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করতে হবে, নয়তো প্রকৃতিই আমাদের হয়ে এই কাজটি করে দেবে। আর প্রকৃতি এখনই আমাদের ওপর সেই ব্যবস্থা নেওয়া শুরু করে দিয়েছে। ** ডেভিড অ্যাটেনবারা, "[https://www.telegraph.co.uk/news/earth/earthnews/9815862/হিউম্যানস আর প্লেগ অন আর্থ]". ''দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফ'', ২২ জানুয়ারি ২০১৩। * আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের সাফল্য বর্তমানে এতটাই ঈর্ষণীয় যে এর মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ মানুষকে বাঁচিয়ে রাখা সম্ভব হচ্ছে, যদিও তাদের সবসময় পুরোপুরি সুস্থ করা সম্ভব হয় না। আগেকার দিনে বিজ্ঞানের এই অগ্রগতির অভাবের কারণে এই মানুষগুলো সাধারণত মৃত্যুবরণ করত। শারীরিক রোগ নিরাময়ের এই দক্ষতা এবং জ্ঞানের মাঝেই আজকের দিনের একটি প্রধান বৈশ্বিক সমস্যা লুকিয়ে আছে আর তা হলো এই গ্রহের অতিপ্রজতা বা মাত্রাতিরিক্ত জনসংখ্যা। এর ফলে মানবজাতি আজ অনেকটা পালের পশুর মতো জীবনযাপন করতে বাধ্য হচ্ছে এবং এর ফলশ্রুতিতে তৈরি হচ্ছে অর্থনৈতিক সংকট। এই সাফল্যের ফলে সৃষ্ট নানা আনুষঙ্গিক সমস্যার মধ্যে এটি মাত্র একটি। জীবনের এই "অস্বাভাবিক" সুরক্ষা অনেক কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে এবং এটি যুদ্ধের একটি বড় উৎস হিসেবে কাজ করছে, যা এই গ্রহের মূল চেতনাশক্তির কর্মফলের উদ্দেশ্যের পরিপন্থী।<BR>এই বিশাল সমস্যাটি নিয়ে আমি এখানে বিস্তারিত আলোচনা করতে পারছি না। আমি কেবল এটিকে নির্দেশ করতে পারি। এই সমস্যার সমাধান তখনই হবে যখন মানুষের মন থেকে [[মৃত্যু]]র ভয় দূর হবে এবং যখন মানবজাতি সময়ের গুরুত্ব এবং প্রাকৃতিক চক্রের অর্থ বুঝতে শিখবে। **অ্যালিস বেইলি, ''এ ট্রিটিজ অন দ্য সেভেন রেজ: ভলিউম ৪: এসোটেরিক হিলিং'', পৃষ্ঠা ২৭৮ (১৯৫৩)। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৮৫৩৩০-১২১-৯। * '''আমরা যখন কোনো বাধা ছাড়াই ৭০০ কোটি থেকে ৮০০ কোটি মানুষের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি, তখন আমাদের প্রতিটি প্রজন্ম আগের প্রজন্মের চেয়েও বেশি শক্তিশালী, দূষণকারী এবং ধ্বংসাত্মক হয়ে উঠছে। আমি ভাবছি যে, জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ঋণাত্মক হওয়ার স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার জন্য ১০০ বছর কি খুব বেশি সময় হয়ে যাবে না? নাকি এই এক শতাব্দী সময়ের মধ্যে আমরা জীববৈচিত্র্যের এমন অপূরণীয় এবং স্থায়ী ক্ষতি করে ফেলব যা আমাদের অস্তিত্বের জন্যই শেষ পর্যন্ত চরম হুমকি হয়ে দাঁড়াবে।''' মৌমাছি এবং হামিংবার্ডের কথা একটু চিন্তা করুন। সারা বিশ্বজুড়ে পতঙ্গের সংখ্যা যেভাবে হঠাৎ করে কমে যাচ্ছে তার কথা ভাবুন এবং এটি খাদ্য শৃঙ্খলের ওপরের বা নিচের স্তরে থাকা প্রাণীদের ওপর কতটা দ্রুত প্রভাব ফেলতে পারে তা কল্পনা করুন। এখন, মিস্টার বায়োটেক বিলিয়নেয়ার, আপনি কি সত্যিই এই বিশ্বকে এমন সব মানুষ দিয়ে ভরিয়ে দিতে চান যারা ২০০ বা ৩০০ বছর পর্যন্ত বেঁচে থাকবে? ** অ্যালবার্ট বেটস, "[https://medium.com/the-shadow/the-great-pause-week-61-swallow-the-doctor-8cbf077f6e13 সোয়ালো দ্য ডক্টর]"। ''মিডিয়াম'' (১৬ মে ২০২১) * যদিও এই গ্রহের অচেতন ক্রিয়া এবং অন্ধ শক্তিগুলো পৃথিবীর বিবর্তনের ৪৫০ কোটি বছরের ইতিহাসে অনেক বিশৃঙ্খল পরিবর্তন ঘটিয়েছে, এখন সেই পরিবর্তনের দিক নির্ধারিত হচ্ছে একটি সচেতন এবং ইচ্ছাশক্তিসম্পন্ন সত্তা দ্বারা, যার নাম "মানবজাতি"। তবে অবশ্যই আমাদের পুরো মানবজাতিকে সমানভাবে দোষারোপ করা উচিত হবে না, কারণ এই সমস্যার মূলে রয়েছে শিল্পোন্নত পুঁজিবাদী পাশ্চাত্য বিশ্ব। অথচ জলবায়ু সংকটে যাদের অবদান সবচেয়ে কম, সেই দরিদ্র দেশগুলোই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। '''কিন্তু চীন, ভারত এবং ব্রাজিলের মতো দেশগুলো বর্তমানে এই সংকটে বড় ভূমিকা রাখছে এবং এই গ্রহের ৭৫০ কোটি মানুষের সম্মিলিত প্রভাবে সর্বত্রই প্রাণিকুলের বিলুপ্তি এবং ধ্বংসের প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হচ্ছে।''' হলোসিন যুগের সেই স্থিতিশীলতা এখন আর নেই, পরিবর্তনগুলো আমাদের বোঝার ক্ষমতা এবং নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে এবং এক ভয়াবহ বিশৃঙ্খলা আমাদের দরজায় কড়া নাড়ছে। ** স্টিভেন বেস্ট, [https://drstevebest.wordpress.com/2019/12/03/total-liberation-in-the-age-of-the-anthropocene-and-climate-emergency/  টোটাল লিবারেশন ইন দ্য এজ অফ দ্য অ্যানথ্রোপোসিন অ্যান্ড ক্লাইমেট ইমার্জেন্সি] (৩ ডিসেম্বর ২০১৯) * মানুষের জ্যামিতিক হারে বৃদ্ধির এই গতি অভূতপূর্ব এবং পৃথিবীর ইতিহাসে আগে কখনও কোনো একটি একক প্রজাতি এত বিশাল আকারে বৃদ্ধি পায়নি, যা জীবন্ত প্রাণব্যবস্থার ভারসাম্যকে পুরোপুরি নষ্ট করে দিচ্ছে। এই সমস্যাটি দিন দিন কেবল আরও খারাপের দিকেই যাচ্ছে। সাধারণ হিসাব অনুযায়ী, ২০৫০ সালের মধ্যে মানুষের জনসংখ্যা ৮০০ থেকে ১০০০ কোটিতে পৌঁছাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে এবং ২১০০ সালের মধ্যে এটি হয়তো আরও অনেক বেশি বৃদ্ধি পাবে। মানুষের এই জনসংখ্যা বৃদ্ধি একটি চরম পর্যায়ের সংকটকে নির্দেশ করে। তবে অবশ্যই এটি আমাদের সামনে থাকা অসংখ্য সংকটের মাত্র একটি দিক যার সাথে প্রজাতির বিলুপ্তি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের মতো সমস্যাগুলো যুক্ত হয়ে এক ভয়াবহ মহাবিপর্যয় তৈরি করছে। এই চ্যালেঞ্জগুলোই বর্তমানে অ্যানথ্রোপোসিন যুগে মানবজাতির সামনে এক কঠিন পরীক্ষা হিসেবে দাঁড়িয়েছে। ** স্টিভেন বেস্ট, "[https://www.all-creatures.org/lifestyle/img/failed-species.pdf ফেইলড স্পিসিস: দ্য রাইজ অ্যান্ড ফল অফ দ্য হিউম্যান এম্পায়ার]"। ''রোমানিয়ান জার্নাল অফ আর্টিস্টিক ক্রিয়েটিভিটি''। ৯ (২)। (২০২১)। * বর্তমানে আমাদের আধুনিক শিল্প সভ্যতার চাকা প্রায় পুরোপুরিভাবে বিপুল পরিমাণ জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহারের ওপর নির্ভরশীল। এটি বোঝা খুব গুরুত্বপূর্ণ যে, জীবাশ্ম জ্বালানি বা বিশেষ করে খনিজ তেল কেবল ব্যক্তিগত গাড়ি বা ট্রাক তৈরির জন্য বা চালানোর জন্য ব্যবহৃত হয় না। এগুলো ট্রাক্টর, লাঙল, সেচের পাইপ এবং পাম্প তৈরির কাজেও ব্যবহৃত হয় এবং পরে এগুলো চালাতে জ্বালানি হিসেবে কাজ করে। এই জ্বালানিগুলো অনেক গুরুত্বপূর্ণ সার এবং কীটনাশকের রাসায়নিক ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। এছাড়া কৃষিকাজে ব্যবহৃত প্লাস্টিক তৈরির উপাদানও এখান থেকেই আসে। পচনশীল দ্রব্য সংরক্ষণের জন্য যে হিমায়িত ব্যবস্থার প্রয়োজন হয়, তাও এর ওপর নির্ভরশীল। সংক্ষেপে বলতে গেলে, প্রচুর পরিমাণে জীবাশ্ম জ্বালানি ছাড়া আধুনিক শিল্প-কৃষি ব্যবস্থা অচল হয়ে পড়বে। জীবাশ্ম জ্বালানি-ভিত্তিক এই আধুনিক কৃষি ব্যবস্থা না থাকলে বিশ্বে খাদ্য উৎপাদন এতটাই কমে যাবে যা আমাদের বর্তমান জনসংখ্যাকে টিকিয়ে রাখার জন্য মোটেও পর্যাপ্ত হবে না। প্রতি বছর যে নতুন করে আরও ৮ কোটির বেশি মানুষ যুক্ত হচ্ছে, তাদের কথা তো বাদই দিলাম। মুদ্রার উল্টো পিঠ হলো এই যে, '''মানুষ যখন জীবাশ্ম জ্বালানির মধ্যে থাকা এই অসাধারণ শক্তিকে নিজেদের প্রয়োজনে ব্যবহার করে, তখন আমরা "মাত্রাতিরিক্ত শক্তিশালী" হয়ে উঠি—আর এভাবেই আমরা পৃথিবীর জীবমন্ডলকে পিষ্ট করে ফেলছি।''' জীবাশ্ম জ্বালানির শক্তি ছাড়া আমরা প্রতি মিনিটে কয়েকটি ফুটবল মাঠের সমান রেইনফরেস্ট ধ্বংস করতে পারতাম না, গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে পারতাম না, বিশাল আকারে মৎস্য চাষের চেষ্টা করতে পারতাম না বা মাইলের পর মাইল পিচ ঢালা রাস্তা দিয়ে বসতি স্থাপন করতে পারতাম না। সারসংক্ষেপে, জীবাশ্ম জ্বালানি আমাদের জনসংখ্যা এবং তার বৃদ্ধি এবং সেই সাথে আমাদের বিলাসিতা বা অতিরিক্ত ভোগ উভয়কেই টিকিয়ে রেখেছে। ** জোসেফ জে. বিশ, "[https://www.populationmedia.org/the-latest/interrelationships-human-population-fossil-fuels-and-technology ইন্টাররিলেশনশিপস: হিউম্যান পপুলেশন, ফসিল ফুয়েলস, অ্যান্ড টেকনোলজি]।" পপুলেশন মিডিয়া সেন্টার (১৫ অক্টোবর ২০২১) * আমার মতে, বর্তমানে জনসংখ্যা বৃদ্ধি আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে এবং আমাদের সম্পদ দিন দিন কমছে আমরা আমাদের সভ্যতার ইতিহাসে দেখা সবচেয়ে বড় বিপর্যয়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। আমি মনে করি আগামী ৪০ বা ৫০ বছরের মধ্যেই আমরা সেই চরম সংকটে পৌঁছে যাব। যদি আপনার জনসংখ্যার রেখাটি জ্যামিতিক হারে বাড়তে থাকে এবং সম্পদের রেখাটি জ্যামিতিক হারে কমতে থাকে, তবে সবার আগে যা ঘটবে তা হলো সম্পদের বৈষম্য বৃদ্ধি পাওয়া। এর অর্থ হলো আপনি কিছু এলাকায় ধনী মানুষের সুরক্ষিত পাড়া দেখতে পাবেন যেখানে বাইরে নিরাপত্তা রক্ষী থাকবে, আর সেই এলাকার বাইরে কেবল দারিদ্র্য আর অভাব বাড়বে। সম্পদ যত কমতে থাকবে, মানুষ পানি, খাবার এবং চাষযোগ্য জমি নিয়ে নিজেদের মধ্যে লড়াই শুরু করবে। ২০৫০ সালে জোহানেসবার্গের মতো বড় শহরগুলোতে এমন দৃশ্যই দেখা যাবে। এর লক্ষণগুলো এখনই সব জায়গায় ফুটে উঠছে। এটি কেবল অতিরিক্ত জনসংখ্যা এবং সম্পদের অভাবের ফল। আমরা আসলে আমাদের ভবিষ্যৎ ভাগ্যের ওপর কোনো নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেছি। :* নিল ব্লমক্যাম্প: ''[http://www.avclub.com/article/idistrict-9-idirector-neill-blomkamp-31606 ডিস্ট্রিক্ট ৯ ডিরেক্টর নিল ব্লমক্যাম্প],'' তাশা রবিনসন কর্তৃক '' avclub.com''-এ প্রকাশিত, ১২ আগস্ট ২০০৯। * ... ১৭৯৮ সালে রেভারেন্ড থমাস ম্যালথাস যে ভবিষ্যৎবাণী করেছিলেন মানুষ তার সংখ্যা বৃদ্ধির মাধ্যমে নিজেকে এক "দুর্ভোগ এবং অনৈতিকতার" পরিস্থিতির দিকে নিয়ে যাবে তা আজও ততটাই সত্য যতটা সেই সময়ে ছিল। জ্যামিতিক হারে জনসংখ্যা বাড়লেও খাদ্য উৎপাদন গাণিতিক হারে বাড়ে, যার ফলে এই ভারসাম্যহীনতা তৈরি হয়। তিনি একজন দূরদর্শী মানুষ ছিলেন এবং অতিপ্রজতার এই দানবীয় রূপটি পরিষ্কারভাবে দেখতে পেয়েছিলেন। তার ভবিষ্যৎবাণীর একমাত্র ভুল ছিল সময়ের হিসাবে সামান্য এদিক-ওদিক হওয়া। আমরা কৃষিবিদেরা খুব জোর দিয়ে বললে বড়জোর কয়েক দশক সময় পেতে পারি যার মধ্যে আমাদের খাদ্য উৎপাদনের সাথে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হারের একটি সফল ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে। ** নরমান বোরলাগ: [https://repository.cimmyt.org/bitstream/handle/10883/19272/9023.pdf?sequence=1 "হুইট ব্রিডিং অ্যান্ড ইটস ইমপ্যাক্ট অন ওয়ার্ল্ড ফুড সাপ্লাই।"] এতে: ''থার্ড ইন্টারন্যাশনাল হুইট জেনেটিক্স সিম্পোজিয়াম''। সিআইএমএমওয়াইটি, ১৯৬৮। * এটি স্বতস্ফূর্তভাবে প্রমাণিত যে, আমাদের পরিবেশগত সীমার এই যে অতিরিক্ত লঙ্ঘন, তা মূলত মানুষের অত্যধিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির সরাসরি ফলাফল। এই বিশাল জনগোষ্ঠী প্রচুর পরিমাণে প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবহার করছে এবং এই সীমিত গ্রহের ওপর মাত্রাতিরিক্ত বর্জ্য ত্যাগ করছে, যা মূলত সুস্থ পরিবেশ ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল। যারা বিশ্বাস করেন যে আমরা একটি সীমাবদ্ধ সম্পদের বিশ্বে বাস করি এবং আমাদের বর্জ্য শোষণের ক্ষমতাও সীমিত, তাদের কাছে এই বিষয়টি ব্যাখ্যার প্রয়োজন নেই। তবুও এখনও এমন অনেক মানুষ আছেন যারা মনে করেন যে মানুষের অনন্য বুদ্ধিমত্তা এবং প্রযুক্তিগত দক্ষতা আমাদের এই সব চ্যালেঞ্জগুলো থেকে "মুক্ত" করবে। অথচ আমাদের এই সাম্প্রতিক বিস্ফোরক জনসংখ্যা বৃদ্ধি, বিশ্বব্যাপী সম্প্রসারণ এবং শিল্পায়ন আমাদের গ্রহের সীমাগুলো অতিক্রম করে আমাদের সামনে একের পর এক কঠিন চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিচ্ছে। ** স্টিভ বুল, "[https://stevebull-4168.medium.com/todays-contemplation-collapse-cometh-cxci-the-nexus-of-population-energy-innovation-and-936076b4cf23 দ্য নেক্সাস অফ পপুলেশন, এনার্জি, ইনোভেশন, অ্যান্ড কমপ্লেক্সিটি]"। (২৮ নভেম্বর ২০২৪)। * প্রতিটি জীবিত প্রজাতিকেই বেঁচে থাকার জন্য প্রকৃতি থেকে কিছু না কিছু নিতে হয় এবং আমরাও তার ব্যতিক্রম নই। কিন্তু অন্যান্য প্রজাতির মতো আমাদের খাদ্য, আরাম-আয়েশ, বাসস্থান বা প্রজননের আকাঙ্ক্ষার কোনো শেষ নেই—বেঁচে থাকার এই মৌলিক চাহিদাগুলো এখন আমাদের অস্তিত্বের প্রয়োজনের চেয়েও অনেক বেশি মাত্রায় বেড়ে গেছে। আমরা উন্নতি করতে বাধ্য হই এবং মানুষ হিসেবে দুই পায়ে দাঁড়ানোর পর থেকেই আমরা ভূমি থেকে প্রাকৃতিক সম্পদ আহরণ করে আসছি। পুরো বিংশ শতাব্দী জুড়ে আমাদের এই বিশাল ভোগের যন্ত্রটি আরও শক্তিশালী হয়েছে এবং মানুষের এই অতৃপ্ত আকাঙ্ক্ষা আমাদের টিকিয়ে রাখা এই গ্রহের ওপরই আঘাত হেনেছে। খুব অল্প সময়ের মধ্যে মানবজাতি তার জনসংখ্যার বিস্ফোরণ, শিল্প এবং প্রযুক্তির মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী এক বিশাল পরিবর্তনের কারিগর হয়ে উঠেছে। এই সভ্যতা তার অগ্রগতির পথে যা রেখে যাচ্ছে তা হয়তো শেষ পর্যন্ত এক উন্মুক্ত এবং রিক্ত এক পৃথিবী ছাড়া আর কিছুই নয়। কিন্তু এই আগ্রাসনের মাধ্যমে আমরা নিজের অজান্তেই আমাদের বর্তমান জীবনযাত্রার এক বিশাল এবং ধ্বংসাত্মক স্মারক তৈরি করে চলেছি। ** এডওয়ার্ড বার্টিনস্কি, "[https://books.openbookpublishers.com/10.11647/obp.0193/ch13.xhtml ইমেজিং আর্থ]।" ''আর্থ ২০২০'' (২০২০)। * বিশ্বজুড়ে জীববৈচিত্র্য কমে যাওয়ার বিষয়টি সবচেয়ে স্পষ্টভাবে বোঝা যায় যখন আমরা এটি অনুধাবন করি যে, অতিরিক্ত মানুষ অনেক বেশি পরিমাণে প্রাকৃতিক সম্পদ ভোগ করছে ও উৎপাদন করছে এবং এর ফলে অন্যান্য প্রজাতিগুলো তাদের নিজস্ব আবাসন থেকে বিতাড়িত হচ্ছে। বন্য প্রাকৃতিক পরিবেশ এবং সমুদ্রের তলদেশের পরিবেশ আজ মানুষ, আমাদের পোষা ও আমাদের ওপর নির্ভরশীল প্রাণী, আমাদের অর্থনৈতিক সহায়তা ব্যবস্থা এবং আমাদের ফেলে দেওয়া আবর্জনার স্তূপের মাধ্যমে দখল হয়ে যাচ্ছে। ** ফিলিপ কাফারো, পারনিলা হ্যানসন, ফ্রাঙ্ক গোটমার্ক, {{cite journal|doi=10.1016/j.biocon.2022.109646|title=অতিপ্রজতা হলো জীববৈচিত্র্য হ্রাসের একটি প্রধান কারণ এবং যা অবশিষ্ট আছে তা রক্ষা করার জন্য মানুষের সংখ্যা কমিয়ে আনা প্রয়োজন|year=২০২২ |journal={{W|Biological Conservation (journal)|বায়োলজিক্যাল কনজারভেশন}}|volume=২৭২|issue= |pmid=|pmc=|url=https://www.sustainable.soltechdesigns.com/Overpopulation-and-biodiversty-loss(2022).pdf}} * গত একশ বছরে 'হোমো সেপিয়েন্স' বা মানুষের জনসংখ্যা ২০০ কোটি থেকে বেড়ে প্রায় ৮০০ কোটিতে পৌঁছেছে। জাতিসংঘ (২০১৯) অনুমান করছে যে, যদি এই জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কমানোর জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা না হয়, তবে ২১০০ সালের মধ্যে এই সংখ্যা আরও ৩০০ কোটি বৃদ্ধি পাবে। এই সম্ভাব্য বৃদ্ধিকে উপেক্ষা করার অর্থ হলো বর্তমানে চলমান জীববৈচিত্র্য সংকটের একটি প্রধান চালিকাশক্তিকে অস্বীকার করা। মানুষের বর্তমান এই বিশাল সংখ্যাকে একটি স্বাভাবিক পরিস্থিতি হিসেবে মেনে নেওয়ার অর্থ হলো একটি জৈবিকভাবে নিঃস্ব ও রিক্ত গ্রহকে মেনে নেওয়া। ** এলবিআইডি। * আঠারো শতকের অর্থনীতিবিদ থমাস ম্যালথাস একবার ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন যে, যেহেতু আমাদের জনসংখ্যা জ্যামিতিক হারে বৃদ্ধি পায় অথচ আমাদের খাদ্য সরবরাহ বাড়ে গাণিতিক হারে, তাই আমাদের জনসংখ্যা একদিন আমাদের লালন-পালন করার ক্ষমতাকে ছাড়িয়ে যাবে। যদিও প্রক্রিয়াজাত খাদ্য এবং জেনেটিকালি পরিবর্তিত জীবের উদ্ভাবনের ফলে এটি বর্তমানে ভুল প্রমাণিত হয়েছে, তবুও পিটার ফার্বের ধাঁধাটি বর্তমানে সত্য বলে প্রতীয়মান হতে পারে। যেহেতু পৃথিবীর জনসংখ্যা প্রতিনিয়ত বাড়ছে, তাই আমরা আমাদের খাদ্য উৎপাদনও বাড়িয়ে দিচ্ছি। এর ফলে খাদ্যের উদ্বৃত্ত থাকায় মানুষ এখন আগের চেয়ে বেশি পুষ্টি পাচ্ছে। এটি মানুষের গড় আয়ু বাড়িয়ে দিচ্ছে এবং শিশু মৃত্যুর হার কমিয়ে দিচ্ছে। এর ফলে মানুষ আরও বেশি সংখ্যক সন্তান ধারণ করতে সক্ষম হচ্ছে। এই চক্রাকার ধাঁধাটি আমাদের গ্রহের জন্য মোটেও স্বাস্থ্যকর নয়। কারণ আমরা হয়তো আমাদের ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার ক্ষুধা মেটাতে সক্ষম হব, কিন্তু আমাদের অন্যান্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সম্পদ যেমন পানি এবং তেল দিন দিন ফুরিয়ে আসছে। জনসংখ্যাকে একটি স্থিতিশীল পর্যায়ে রাখার জন্য আমাদের ডেনমার্ক এবং জাপানের মতো প্রতিস্থাপন হারে প্রজনন করা উচিত। ** ক্যাথরিন ক্যালডওয়েল, "[https://facetsofsustainability2014.wordpress.com/2014/11/13/farb-malthus-and-ishmael-v-the-population/ ফার্ব, ম্যালথাস এবং ইসমায়েল বনাম জনসংখ্যা]" (১৩ নভেম্বর ২০১৪)। * বর্তমানে মানবজাতি ভবিষ্যতের সম্পদ অতি লোভীর মতো চুরি করার কাজে লিপ্ত হয়েছে। আধুনিক বিশ্বে দেখা দেওয়া দুর্ভিক্ষ অবশ্যই মানুষের বর্তমান অবস্থার একটি গভীর সমস্যার লক্ষণগুলোর মধ্যে একটি হওয়া উচিত—আর তা হলো ডায়াক্রনিক প্রতিযোগিতা। এটি এমন একটি সম্পর্ক যেখানে আমাদের বর্তমানের সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য বা ভালো থাকা নিশ্চিত করা হচ্ছে আমাদের বংশধরদের বা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুযোগ-সুবিধা কেড়ে নেওয়ার বিনিময়ে। আমাদের বিশাল জনসংখ্যা, আমাদের প্রযুক্তিগত উন্নতির স্তর এবং মানুষের ধারণক্ষমতা বৃদ্ধির স্থায়ী পদ্ধতি (যেমন কৃষি) ও সাময়িক পদ্ধতি (জীবাশ্ম জ্বালানি এবং অন্যান্য খনিজ সম্পদের ওপর নির্ভরশীলতা)-র মধ্যে পার্থক্য বুঝতে না পারার কারণে আমরা আজকের মানুষের আকাঙ্ক্ষা পূরণের বিষয়টিকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের বিশাল বঞ্চনার ওপর নির্ভরশীল করে তুলেছি। ** উইলিয়াম আর. ক্যাটন, ''ওভারশুট'' (১৯৮০), অধ্যায় ১: "আমাদের একটি নতুন দৃষ্টিভঙ্গির প্রয়োজন", পৃষ্ঠা ৩। * আমরা ইতিমধ্যেই একটি অতিরিক্ত বোঝাই বিশ্বে বাস করছি। আমাদের ভবিষ্যৎ হবে সেই সত্যেরই একটি অনিবার্য ফল। আর সেই সত্যটি হলো আমাদের অতীতের কর্মকাণ্ডের একটি ফলাফল। তাই আমাদের প্রথম কাজ হলো নিজেদের কাছে এটি স্পষ্ট করা যে আমরা কীভাবে এই বর্তমান অবস্থায় পৌঁছালাম এবং কেন আমাদের বর্তমান পরিস্থিতি একটি বিশেষ ধরণের ভবিষ্যতের দিকে আমাদের নিয়ে যাচ্ছে। […] এটি এমন একটি বিশ্বের গল্প যা বারবার মানুষের সংখ্যার দ্বারা পরিপূর্ণ হওয়ার কাছাকাছি পৌঁছেছে, কিন্তু প্রতিবারই মানুষের বুদ্ধিমত্তা সেই প্রাকৃতিক সীমাটিকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। সীমা বাড়ানোর প্রথম কয়েক ধাপ প্রায় ২০ লক্ষ বছর ধরে একগুচ্ছ প্রযুক্তিগত আবিষ্কারের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছিল। এই আবিষ্কারগুলো মানুষকে পৃথিবীর মোট জীবন ধারণের ক্ষমতার এমন সব অংশ বারবার দখল করতে সাহায্য করেছে যা আগে অন্য প্রজাতির প্রাণীদের টিকিয়ে রাখত। সীমা বাড়ানোর সবচেয়ে সাম্প্রতিক পর্বটি অনেক বেশি চমকপ্রদ ফলাফল নিয়ে এসেছে। যদিও এটি মানুষের ধারণক্ষমতা বাড়িয়েছি একদম ভিন্ন একটি পদ্ধতিতে: আর তা হলো এমন কিছু সীমিত সম্পদের ভাণ্ডার ব্যবহার করা যা মানুষের আয়ুর কোনো নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আর নতুন করে তৈরি হবে না। তাই এর ফলাফল কখনও স্থায়ী হতে পারে না। এই সত্যটি মানবজাতিকে এমন এক বিপদজনক অবস্থানে নিয়ে গেছে যেখানে আধুনিক জীবনের কর্মকাণ্ডগুলো সেই আশ্রয়স্থলকেই কেটে ফেলছে। ** উইলিয়াম আর. ক্যাটন, ''ওভারশুট'' (১৯৮০), অধ্যায় ২: "মানুষের সাফল্যের করুণ গল্প", পৃষ্ঠা ১৭। * বড়জোর দুই প্রজন্মের মানুষ যখন শিল্পায়নের সুবিধা ভোগ করছিল, তখনই অত্যন্ত কার্যকরভাবে মৃত্যু নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার আরও ত্বরান্বিত হয়। রোগ সৃষ্টির পেছনে অণুজীবের ভূমিকা আবিষ্কৃত হয়। ১৮৬৫ সালে অ্যান্টিসেপটিক সার্জারির ব্যবহার শুরু হয়। চিকিৎসা প্রযুক্তিতে এর সাথে সম্পর্কিত আরও অনেক যুগান্তকারী আবিষ্কারের সূচনা হিসেবে একে গণ্য করা যেতে পারে: যেমন স্বাস্থ্যকর অভ্যাস, টিকাদান, অ্যান্টিবায়োটিক ইত্যাদি। এই সাম্প্রতিক সিরিজের সাফল্যের সামগ্রিক ফল হলো মানবজাতিকে সেই সব অদৃশ্য জীবের হাত থেকে মুক্ত করা যারা একসময় মানুষের শরীরের টিস্যুকে খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে মানুষের জীবনকাল কমিয়ে দিত। শিকারি প্রাণীদের হাত থেকে নতুন সুরক্ষা পাওয়া অন্যান্য প্রজাতির প্রাণীর মতো আমরাও বংশবৃদ্ধি করেছি এবং নিজেদের সংখ্যা এতটাই বাড়িয়েছি যে আমরা আমাদের নিজেদের প্রজাতি দিয়ে পৃথিবীকে কেবল পরিপূর্ণই করিনি বরং উপচে ফেলেছি। ** প্রাগুক্ত, পৃষ্ঠা ৩০। * মানুষ হয় পরিবেশের ধারণক্ষমতার ধারণাটি সম্পর্কে ক্রমাগত অজ্ঞতা প্রদর্শন করেছে অথবা এই অন্ধ বিশ্বাস পোষণ করেছে যে ধারণক্ষমতা সবসময়ই বাড়ানো সম্ভব এবং যে কোনো সীমা সবসময় অতিক্রম করা যাবে। পুঁজিবাদী এবং মার্কসবাদী—উভয় পক্ষই সম্ভবত এমন একটি ভুল ধারণা পোষণ করত যার কারণে তারা এটি স্বীকার করতে অস্বীকার করেছে যে সীমাহীনতার সেই মিথ বা রূপকথাটি অবশেষে সেকেলে হয়ে গেছে। সেখানে এমন একটি ধারণাও প্রচলিত ছিল যে প্রযুক্তির আরও উন্নতি হলে তা অবশ্যই পৃথিবীর ধারণক্ষমতাকে বাড়াবে, কমাবে না। অতীতে প্রযুক্তির কাজই ছিল ধারণক্ষমতা বাড়ানো; তবে... শিল্প যুগে প্রযুক্তির এই ভূমিকায় একটি পরিবর্তন এসেছে। প্রযুক্তি প্রাকৃতিক সম্পদের প্রতি মানুষের ক্ষুধা বাড়িয়ে দিয়েছে, যার ফলে একটি নির্দিষ্ট পরিবেশ যত সংখ্যক মানুষকে টিকিয়ে রাখতে পারে সেই সংখ্যাটি দিন দিন কমছে। ** এলবিআইডি, পৃষ্ঠা ৩২। * মানুষ কল্পনা করে নিয়েছে যে তারা অন্যান্য স্তন্যপায়ী প্রাণীদের তুলনায় অনেক বেশি আলাদা বা উন্নত। তাই মানুষের আচরণে যখন সেই একই বৈশিষ্ট্যগুলো দেখা যায় তখন জনসংখ্যার চাপের গুরুত্বকে আড়াল করার জন্য আরও বিভিন্ন ধরণের সামাজিক ব্যাখ্যা দেওয়া হয়। বিংশ শতাব্দীতে মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়া এবং সম্পদের ভাণ্ডার ফুরিয়ে আসার বিষয়টি যখন স্পষ্ট হয়ে ওঠে, তখন মানুষ যুদ্ধে লিপ্ত হয়। তারা রাস্তায় দাঙ্গা শুরু করে। তারা আরও বেশি মাত্রায় সহিংস অপরাধ করতে থাকে। [...] তাদের রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি চরমপন্থী হয়ে ওঠে এবং তারা সর্বগ্রাসী সরকার গঠন করে, যার মধ্যে কিছু সরকার নিষ্ঠুর কর্মকাণ্ডের অনুমতি দিয়ে দেয়। দুই প্রজন্মের মধ্যে ব্যবধান আরও প্রকট এবং গভীর হয়। বর্ণবাদ রোধে এবং অর্থনৈতিক অসমতা দূর করার জন্য মানবতাবাদী কর্মীদের আন্তরিক প্রচেষ্টা সত্ত্বেও মানুষের মধ্যে বৈষম্য থেকে যায় এবং পারস্পরিক বিদ্বেষ আরও মারাত্মক আকার ধারণ করে। অন্যের প্রতি আচরণের ক্ষেত্রে শালীনতার মানদণ্ড এবং বিবেচনাবোধের সাথে আত্মসংযমের প্রত্যাশা অনেক জায়গায় নষ্ট এবং অবক্ষয়ের শিকার হয়। ** উইলিয়াম আর. ক্যাটন, ''ওভারশুট'' (১৯৮০), অধ্যায় ৬: "যে প্রক্রিয়াগুলো গুরুত্বপূর্ণ", পৃষ্ঠা ১০৭। * আমাদের বুঝতে হবে যে আমরা মানুষরা এই গ্রহের বাস্তুসংস্থানের ওপর যে "বোঝা" চাপিয়ে দিচ্ছি তা কেবল একটি জনসংখ্যার সংখ্যা মাত্র নয়। ভিন্ন ভিন্ন সংস্কৃতির মানুষ কেবল ভিন্ন হারেই বংশবৃদ্ধি করে না; তারা মাথাপিছু পরিবেশের ওপর ভিন্ন ভিন্ন মাত্রায় প্রভাব ফেলে। সংস্কৃতির মধ্যে একটি জনগোষ্ঠীর প্রযুক্তি এবং মানুষের নিজেদের সংগঠিত করার পদ্ধতি অন্তর্ভুক্ত থাকে। আমাদের মধ্যে যারা একটি "উন্নত" দেশে বাস করি (অর্থাৎ ম্যালথাসের কল্পনার বাইরে শিল্পোন্নত একটি সমাজ), তাদের প্রত্যেকের সম্পদের ক্ষুধা এবং পরিবেশের ওপর প্রভাব তথাকথিত একটি "উন্নয়নশীল" দেশের প্রত্যেক বাসিন্দার তুলনায় অনেক বেশি। আমাদের বর্তমানের এই চরম টেকসইহীন জীবনযাত্রার জন্য ৬০০ কোটি মানুষও সংখ্যায় অনেক বেশি। ** উইলিয়াম আর. ক্যাটন, ''ম্যালথাসের পূর্বাভাসের চেয়েও খারাপ (এমনকি যদি জীবিতরা মৃতদের চেয়ে সংখ্যায় বেশি না-ও হয়)''। ওয়াশিংটন স্টেট ইউনিভার্সিটি (মার্চ ২০০০) * জীবন এখন একটি ষষ্ঠ গণবিলুপ্তির যুগে প্রবেশ করেছে। এটি সম্ভবত পরিবেশের সবচেয়ে গুরুতর সমস্যা, কারণ একটি প্রজাতির হারিয়ে যাওয়া মানে তা চিরতরে হারিয়ে যাওয়া। এদের প্রত্যেকেই সেই জীবন্ত ব্যবস্থার মধ্যে কোনো না কোনো ছোট বা বড় ভূমিকা পালন করে যার ওপর আমরা সবাই নির্ভরশীল। বর্তমান এই সংকটকে সংজ্ঞায়িত করা প্রজাতির বিলুপ্তি মূলত তাদের অন্তর্ভুক্ত জনসংখ্যার ব্যাপক হারে নিখোঁজ হওয়ার ওপর ভিত্তি করে ঘটে চলেছে, যার বেশিরভাগই হয়েছে ১৮০০ সালের পর থেকে। আমরা যে বিশাল ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছি তা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে হোমো সেপিয়েন্স বা মানুষের কর্মকাণ্ডের কারণেই ঘটছে। আমাদের পূর্বপুরুষরা প্রায় ১১,০০০ বছর আগে কৃষিকাজ শুরু করার পর থেকে এর প্রায় সবটুকুই ঘটেছে। সেই সময় সারা বিশ্বে আমাদের সংখ্যা ছিল প্রায় ১০ লক্ষ; এখন আমাদের সংখ্যা ৭৭০ কোটি এবং এই সংখ্যাটি এখনও দ্রুত বাড়ছে। '''আমাদের সংখ্যা যত বেড়েছে, মানবজাতি তার জীবন্ত সঙ্গী বা প্রাণিকুলের বিশাল অংশের জন্য এক অভূতপূর্ব হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে'''। ** জেরার্ডো সেবালোস, পল আর. এরলিচ এবং পিটার এইচ. র‍্যাভেন, ''[https://www.pnas.org/content/early/2020/05/27/1922686117 মেরুদণ্ডী প্রাণীরা জৈবিক ধ্বংস এবং ষষ্ঠ গণবিলুপ্তির সূচক হিসেবে বিপদের মুখে]''। ''পিএনএএস'', ১ জুন ২০২০। * আমরা বর্তমানে ষষ্ঠ গণবিলুপ্তি ঘটনার মধ্যে রয়েছি। আগের পাঁচটি বিলুপ্তির মতো না হয়ে এটি ঘটছে একটি মাত্র প্রজাতির অতিরিক্ত বৃদ্ধির কারণে, যার নাম 'হোমো সেপিয়েন্স'। ** জেরার্ডো সেবালোস, পল আর. এরলিচ, "[https://www.pnas.org/doi/10.1073/pnas.2306987120 প্রাণীকুলের গণবিলুপ্তির মাধ্যমে জীবন বৃক্ষের অঙ্গহানি]"। ''পিএনএএস'', ২০২৩। * গত শতাব্দীতে মানুষের অনেক কর্মকাণ্ডের গতি এতটাই ত্বরান্বিত হয়েছে এবং মানুষের অতিপ্রজতা বা জনসংখ্যা বৃদ্ধি এতটাই ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে যে তা একটি নাটকীয় বৈশ্বিক পরিবেশগত রূপান্তর সৃষ্টি করেছে। বেশিরভাগ প্রাকৃতিক বাস্তুসংস্থান ব্যাপকভাবে পরিবর্তিত হয়েছে অথবা পুরোপুরি অদৃশ্য হয়ে গেছে এবং বন্যপ্রাণীর প্রাচুর্য অনেক বেশি কমে গেছে। ** এলবিআইডি। * আমরা যখন থেকে আগুন আবিষ্কার ও নিয়ন্ত্রণ করতে শিখেছি এবং কৃষিকাজ শুরু করেছি তখন থেকেই আমাদের শক্তির ব্যবহার বাড়ছে। তবে এটি সবচেয়ে বেশি বেড়েছে যখন আমরা পৃথিবীর ভূত্বক থেকে লক্ষ লক্ষ বছরের সঞ্চিত এবং ঘনীভূত সৌর শক্তিকে জীবাশ্ম জ্বালানি হিসেবে আহরণ করে এক বিশাল জ্বালানি ভাণ্ডারের সন্ধান পেয়েছি। নতুন শক্তি রূপান্তর কৌশলের বিকাশের সাথে সাথে এই শক্তির প্রাচুর্য মানুষের জনসংখ্যা এবং উৎপাদনের প্রবৃদ্ধির পথে থাকা দীর্ঘকালীন বাধাগুলোকে দূর করা সম্ভব করেছে। উনিশ শতকের শুরু থেকে যেসব নতুন শক্তির উৎস, রূপ এবং ব্যবহার শুরু হয়েছে তা আমাদের আরও বেশি উপকরণের যোগান দিয়েছে এবং নতুন ও আরও আধুনিক যন্ত্রপাতির উদ্ভাবন সম্ভব করেছে। এর ফলে আমাদের শক্তির ব্যবহার এবং উপকরণের প্রবাহ দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে (অর্থাৎ জীবমন্ডলের উৎস থেকে কাঁচামাল এবং শক্তির প্রবাহ মানুষের বাস্তুসংস্থানের মধ্য দিয়ে আবার জীবমন্ডলের গন্তব্যে ফিরে যাওয়া), যা আমরা সাধারণত "অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি" হিসেবে পরিমাপ করে থাকি। সেই সময় থেকে এই প্রবৃদ্ধি আর কখনও থামেনি, যদিও শক্তি এবং উপকরণের ইনপুট, আউটপুট এবং বর্জ্যের প্রবাহ সময়ের সাথে সাথে পরিবর্তিত হয়েছে। আমাদের যন্ত্র এবং প্রক্রিয়াগুলোতে "শক্তির দক্ষতা" বাড়ানোর প্রচেষ্টা (অর্থাৎ নির্দিষ্ট কাজ করার জন্য প্রয়োজনীয় শক্তির পরিমাণ কমানো) আমাদের ব্যবহৃত মোট শক্তির পরিমাণকে কখনও কমাতে পারেনি। বরং উল্টো আমাদের ভোগের হার বাড়ানোর জন্য আরও বেশি সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে। ** ফ্রাঁসোয়া-জাভিয়ের শেভালেরউ, "[https://www.faninitiative.net/articles/the-age-of-energy-disruptions/ শক্তির বিপর্যয়ের যুগ]"। দ্য ফ্যান ইনিশিয়েটিভ। ১০ ডিসেম্বর ২০২১। * পরিবেশ বিশ্লেষকরা একটি টেকসই জনসংখ্যা বলতে এমন এক জনসংখ্যাকে বোঝেন যারা জীববৈচিত্র্য বজায় রেখে এবং জলবায়ু পরিবর্তন জনিত সমস্যাগুলোকে কমিয়ে একটি পরিমিত ও সমতাপূর্ণ মধ্যবিত্ত জীবনযাত্রার মান উপভোগ করতে পারে। বিশ্লেষকদের মতে এই জনসংখ্যার আকার ২০০ কোটি থেকে ৪০০ কোটির মধ্যে হওয়া উচিত, যা বর্তমানের ৭৯০ কোটি থেকে অনেক কম। ** আইলিন ক্রিস্ট, উইলিয়াম জে. রিপল, পল আর. এরলিচ, উইলিয়াম ই. রিস এবং ক্রিস্টোফার উলফ {{cite journal|doi=10.1016/j.scitotenv.2022.157166|title=জনসংখ্যা বিষয়ে বিজ্ঞানীদের সতর্কতা|year=২০২২ |journal=Science of the Total Environment|volume=৮৪৫|issue= |pmid=35803428|pmc=|url=https://scientistswarning.forestry.oregonstate.edu/sites/default/files/Crist2022.pdf}} * আজ আমরা যে পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছি তা মানবজাতির বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের বিশালতা এবং তাদের বৃদ্ধির হারের বিচারে সম্পূর্ণ অনন্য। এই দুষ্টচক্রটি বর্তমানে যে মারাত্মক মোড় নিতে যাচ্ছে তা সত্যিই এক বিশাল এবং ভয়াবহ পরিবর্তনের সংকেত দিচ্ছে। […] আগুনকে আয়ত্তে আনা ছিল মানুষের প্রযুক্তিগত উন্নয়নের একদম প্রাথমিক পর্যায়ের একটি বিশেষ মাইলফলক। জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানোর মাধ্যমে আজও সেই আগুনের ব্যবহার আমাদের জীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং অপরিহার্য হয়ে রয়েছে। আর এভাবেই মানব সভ্যতার উন্নয়নের এই দুষ্টচক্রটি ক্রমাগত নিজেকে আবর্তিত করে চলেছে। জীবাশ্ম জ্বালানি এবং বিভিন্ন ধাতব সম্পদের ক্রমাগত ক্রমবর্ধমান ব্যবহারের ফলে এই চক্রের গতিবেগ দিন দিন আরও তীব্র হয়ে উঠছে। যদিও বিভিন্ন পরিবেশবাদী সংগঠন এবং সবুজ বা পরিবেশবান্ধব রাজনৈতিক দলগুলো এই পরিস্থিতি প্রতিরোধের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু বর্তমান সংকটের তুলনায় সেই প্রতিরোধের চিহ্নটি একেবারেই নগণ্য। ** ক্রেগ ডিলওয়ার্থ, ''টু স্মার্ট ফর আওয়ার ওন গুড'' (২০০৯), অধ্যায় ৬: "দ্য ভিশাস সার্কেল টুডে" * গত কয়েক শতাব্দী ধরে জনসংখ্যার যে বিশাল বিস্ফোরণ আমরা লক্ষ্য করছি […] তা মূলত সম্ভব হয়েছে মানুষের জীবনযাত্রার মানের ব্যাপক উন্নতি, দ্রুত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, খাদ্যের বিপুল প্রাচুর্য এবং জনস্বাস্থ্যের অভূতপূর্ব অগ্রগতির কারণে। তবে আমাদের এই সব ধরণের উন্নতি ও অগ্রগতি মূলত জীবাশ্ম জ্বালানির শক্তির ওপর ভিত্তি করেই টিকে রয়েছে। যখন জীবাশ্ম জ্বালানির ভাণ্ডার তার সর্বোচ্চ সীমায় পৌঁছে যাবে […] তখন শিল্প উৎপাদন, প্রবৃদ্ধি এবং আধুনিক জীবনের যাবতীয় সুযোগ-সুবিধাগুলো ধীরে ধীরে পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যেতে শুরু করবে। বর্তমানের এই আধুনিক শিল্প সমাজ তখন এক "অভাবী সমাজে" রূপান্তরিত হবে যা খুব সামান্য পরিমাণ শক্তির সাহায্যে নিজেদের পরিচালনা করবে। এরপর একসময় এটি একটি "উদ্ধারকারী সমাজে" পরিণত হবে যা পরিত্যক্ত হয়ে যাওয়া শহরের ভবন, যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং শিল্প কেন্দ্রগুলোর আবর্জনা বা ধ্বংসাবশেষ থেকে নিজেদের বেঁচে থাকার রসদ কোনোমতে সংগ্রহ করবে। ** রিক ডকসাই, "ইজ সিভিলাইজেশন ডুমড?" ''দ্য ফিউচারিস্ট''। মার্চ/এপ্রিল ২০১০। * পৃথিবীর ওপর মানুষের প্রভাবের একটি বড় অংশ আমাদের দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়া জনসংখ্যার সাথে সম্পর্কিত। যদি আমরা মানুষের সংখ্যা এবং আমাদের টিকিয়ে রাখার জন্য প্রয়োজনীয় পরিবেশগত সম্পদের মধ্যে একটি যৌক্তিক ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য কোনো সচেতন বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত পদক্ষেপ না নিই, তবে প্রকৃতি নিজেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। দুর্ভিক্ষ, রোগব্যাধি এবং যুদ্ধ যা মূলত নিজের পরিবেশগত সীমার বাইরে জীবনযাপন এবং প্রাকৃতিক সম্পদ অতিরিক্ত ব্যয় করার এক অনিবার্য পরিণতি শেষ পর্যন্ত আমাদের ওপর এক নিষ্ঠুর নিয়ম বা শৃঙ্খলা চাপিয়ে দিতে বাধ্য করবে। ** সিলভিয়া আর্ল, ''সি চেঞ্জ: আ মেসেজ অফ দ্য ওশেনস'' (১৯৯৫) * অতিপ্রজতা বা অতিরিক্ত জনসংখ্যা বিষয়টি বোঝার আসল চাবিকাঠি কিন্তু জনসংখ্যার ঘনত্ব নয়, বরং কোনো একটি এলাকার সম্পদের তুলনায় এবং মানুষের কর্মকাণ্ডকে টিকিয়ে রাখার জন্য সেই পরিবেশের সক্ষমতার সাপেক্ষে মানুষের সংখ্যা; অর্থাৎ, এটি মূলত সেই অঞ্চলের ধারণক্ষমতার সাথে সম্পর্কিত। একটি অঞ্চল কখন অতি জনবহুল হয়? যখন সেই অঞ্চলের জনসংখ্যাকে অনবায়নযোগ্য প্রাকৃতিক সম্পদ দ্রুত নিঃশেষ করা ছাড়া আর টিকিয়ে রাখা সম্ভব হয় না... এই মানদণ্ড অনুযায়ী, পুরো পৃথিবী এবং কার্যত প্রতিটি রাষ্ট্রই ইতিমধ্যে মারাত্মকভাবে অতি জনবহুল হয়ে পড়েছে। ** পল আর. এরলিচ, ''দ্য পপুলেশন এক্সপ্লোশন'' (১৯৯০) * পরিবেশগত সংকট সৃষ্টির পেছনে থাকা তিনটি প্রধান কারণের মধ্যে ঠিক কোনটি বেশি ক্ষতি করছে পৃথিবীতে মানুষের বর্তমান জনসংখ্যার আকার, প্রাকৃতিক সম্পদের অত্যধিক ভোগ নাকি দেশগুলোর মধ্যে সম্পদের অসম বা অন্যায্য বণ্টন (যেখানে ধনী দেশগুলো গরিব দেশগুলোর তুলনায় গড়ে মাথাপিছু অনেক বেশি সম্পদ ভোগ করে) তা নিয়ে বিতর্ক করা অনেকটা একটি ত্রিভুজের ভূমি না কি তার বাহুগুলো বেশি অবদান রাখছে তা নিয়ে বিতর্ক করার মতো। আপনি এই তিনটি কারণকে কোনোভাবেই আলাদা করতে পারবেন না। আমরা যদি দীর্ঘ সময়ের ব্যবধানে এই সংখ্যাগুলো বিশ্লেষণ করি, তবে আমরা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছাব যে ভোগের তুলনায় জনসংখ্যার আকারের প্রভাব অনেক বেশি। অন্যদিকে, ভোগ এবং অসম বণ্টনও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আমরা যদি একই সাথে এই তিনটি কারণ পরিবর্তন না করি, তবে আমাদের জীবনযাত্রার মান নাটকীয়ভাবে বদলে যাবে। আজ '''মানবজাতি প্রকৃতির ওপর একটি বড় ধরণের আঘাত হানছে, কিন্তু এটি একদম স্পষ্ট যে প্রকৃতিই শেষ পর্যন্ত চূড়ান্ত আঘাতটি করবে।''' ** পল আর. এরলিচ, ''[http://www.haaretz.co.il/1.1875624 পিপল শুড প্রোডিউস ফার ফিউয়ার চিলড্রেন, অর এক্সপেক্ট দ্য ওয়ার্স্ট]'' (ডিসেম্বর ২০১২) * পৃথিবীতে লক্ষ লক্ষ প্রজাতির আবাসস্থল। তার মধ্যে কেবল একটি প্রজাতিই আধিপত্য বিস্তার করে আছে। আর তারা হলাম আমরা। '''আমাদের বুদ্ধিমত্তা, আমাদের উদ্ভাবনী শক্তি এবং আমাদের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড আমাদের এই গ্রহের প্রায় প্রতিটি অংশকেই পরিবর্তিত করে ফেলেছে। প্রকৃতপক্ষে, আমরা এর ওপর এক গভীর প্রভাব ফেলছি। সত্যি বলতে, আমাদের চতুরতা, উদ্ভাবন এবং কর্মকাণ্ডই এখন আমাদের সামনে আসা প্রতিটি বৈশ্বিক সমস্যার মূল কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর আমরা যখন ১০০ কোটি বা ১০ বিলিয়ন জনসংখ্যার দিকে এগিয়ে যাচ্ছি, তখন এই প্রতিটি সমস্যা আরও দ্রুত ত্বরান্বিত হচ্ছে। আসলে আমি বিশ্বাস করি যে, আমরা বর্তমানে যে পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছি তাকে যথার্থভাবেই একটি জরুরি অবস্থা বলা যেতে পারে—যা একটি অভূতপূর্ব বৈশ্বিক বা গ্রহগত জরুরি অবস্থা।''' ** স্টিফেন এমট, ''[https://www.theguardian.com/environment/2013/jun/30/stephen-emmott-ten-billion ১০ বিলিয়ন]'', ''দ্য গার্ডিয়ান'' প্রকাশিত সারাংশ অনুযায়ী, ৩০ জুন ২০১৩। * আমরা মানুষ হিসেবে প্রায় ২,০০,০০০ বছর আগে একটি প্রজাতি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছি। ভূতাত্ত্বিক সময়ের হিসাবে এটি কিন্তু সত্যিই অবিশ্বাস্য রকমের সাম্প্রতিক। মাত্র ১০,০০০ বছর আগে আমাদের সংখ্যা ছিল ১০ লক্ষ। ১৮০০ সালের মধ্যে, অর্থাৎ মাত্র ২০০ বছরেরও কিছু বেশি সময় আগে আমাদের সংখ্যা ছিল ১০০ কোটি। ১৯৬০ সালে বা ৫০ বছর আগে আমাদের সংখ্যা ছিল ৩০০ কোটি। এখন আমাদের সংখ্যা ৭০০ কোটিরও বেশি। ২০৫০ সালের মধ্যে আপনাদের সন্তানরা অথবা নাতি-নাতনিরা এমন একটি পৃথিবীতে বাস করবে যেখানে অন্তত আরও ৯০০ কোটি মানুষ থাকবে। এই শতাব্দীর শেষের কোনো এক সময়ে আমাদের সংখ্যা কমপক্ষে ১,০০০ কোটি হয়ে যাবে। সম্ভবত আরও বেশি। আমরা বর্তমানে যে অবস্থায় আছি সেখানে পৌঁছানোর পেছনে সভ্যতা ও সমাজ গঠনকারী বেশ কিছু "ঘটনা" রয়েছে; যার মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হলো কৃষি বিপ্লব, বৈজ্ঞানিক বিপ্লব এবং—পাশ্চাত্যে—জনস্বাস্থ্য বিপ্লব। এই ঘটনাগুলো আমরা কীভাবে জীবনযাপন করি এবং আমাদের এই গ্রহকে মৌলিকভাবে গঠন করেছে। তাদের এই উত্তরাধিকার আমাদের ভবিষ্যৎকেও গঠন করতে থাকবে। তাই আমাদের এই উন্নয়নের আলোকে আমাদের প্রবৃদ্ধি এবং কর্মকাণ্ডগুলোকে দেখা প্রয়োজন। এই বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান কারণ ছিল কৃষির উদ্ভাবন। এই "কৃষি বিপ্লব" আমাদের শিকারি ও সংগ্রাহক অবস্থা থেকে খাদ্য উৎপাদনে অত্যন্ত সুসংগঠিত করে তুলেছে এবং আমাদের জনসংখ্যা বৃদ্ধিতে সহায়তা করেছে। কৃষির বিকাশ এবং গুরুত্ব বোঝার একটি ভালো উপায় হলো অন্তত তিনটি কৃষি "বিপ্লব" নিয়ে চিন্তা করা। প্রথমটি ঘটেছিল ১০,০০০ বছরেরও বেশি সময় আগে। এটি ছিল পশুদের গৃহপালিত করা এবং বিভিন্ন ধরণের গাছপালা চাষ করার মাধ্যমে। দ্বিতীয় কৃষি বিপ্লব ঘটেছিল ১৫শ থেকে ১৯শ শতাব্দীর মধ্যে। এটি ছিল কৃষি উৎপাদনশীলতা এবং খাদ্য উৎপাদনে যান্ত্রিকীকরণের একটি বিপ্লব। তৃতীয়টি ঘটেছিল ১৯৫০ থেকে ২০০০ সালের মধ্যে; যাকে তথাকথিত "সবুজ বিপ্লব" বলা হয়। কিন্তু এখানে আরেকটি গল্পও আছে: তা হলো মানুষের দ্বারা ভূমির ব্যবহারের এক মৌলিক রূপান্তরের সূচনা। ** স্টিফেন এমট, ''১০ বিলিয়ন'' (২০১৩) * আমাদের সংখ্যা যত বাড়তে থাকে, আমাদের অনেক বেশি পানি, অনেক বেশি খাবার, অনেক বেশি জমি, অনেক বেশি পরিবহন এবং অনেক বেশি শক্তির প্রয়োজন হতে থাকে। ফলস্বরূপ, আমরা এখন আমাদের জলবায়ু পরিবর্তনের গতিকেও আরও ত্বরান্বিত করছি। প্রকৃতপক্ষে, আমাদের কর্মকাণ্ডগুলো কেবল একে অপরের সাথে সম্পূর্ণভাবে যুক্তই নয়, বরং আমরা যে জটিল ব্যবস্থার মধ্যে বাস করি অর্থাৎ এই পৃথিবী তার সাথেও এখন মিথস্ক্রিয়া করছে। এই সবকিছু কীভাবে একে অপরের সাথে যুক্ত তা বোঝা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা আরও বেশি পানি এবং খাবারের চাহিদাকে ত্বরান্বিত করে। বেশি খাবারের চাহিদা জমির প্রয়োজনীয়তা বাড়িয়ে দেয়, যা বন উজাড় করার প্রক্রিয়াকে দ্রুত করে। খাদ্যের ক্রমবর্ধমান চাহিদা খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ এবং পরিবহনের পরিমাণও বাড়িয়ে দেয়। এই সবকিছু আবার শক্তির চাহিদাকে ত্বরান্বিত করে। এটি তখন গ্রিনহাউস গ্যাসের নিঃসরণ বাড়ায়, বিশেষ করে কার্বন ডাই অক্সাইড এবং মিথেন, যা জলবায়ু পরিবর্তনকে আরও ত্বরান্বিত করে। জলবায়ু পরিবর্তন যত বাড়ে, এটি পানি, খাদ্য এবং জমির ওপর চাপ আরও বাড়িয়ে দেয়। আর ঠিক একই সময়ে ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যাও পানি, খাদ্য এবং জমির ওপর এই চাপ বাড়িয়ে দিচ্ছে। সংক্ষেপে বলতে গেলে, জনসংখ্যা যত বাড়ছে এবং অর্থনীতি যত বড় হচ্ছে, পুরো ব্যবস্থার ওপর চাপের পরিমাণও তীব্রভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। ** আইবিআইডি। * "সন্তান নেবেন না" এ কথা বলা অত্যন্ত হাস্যকর একটি বিষয়। এটি আমাদের জিনে থাকা প্রতিটি তথ্যের বিরোধী এবং আমাদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ (এবং আনন্দদায়ক) একটি অনুপ্রেরণার বিপরীত। তবে এটি ঠিক যে, আমরা বিশ্বব্যাপী বর্তমানে যে হারে সন্তান জন্ম দিচ্ছি, তা আমাদের করা সবচেয়ে খারাপ একটি কাজ হতে পারে। এমনকি যদি বিশ্বব্যাপী পারমাণবিক বিদ্যুৎ কর্মসূচি চালু করা হয়, যদি জিও-ইঞ্জিনিয়ারিং কোনোভাবে জলবায়ু পরিবর্তনের সমস্যার সমাধান করে দেয় এবং এমনকি যদি আমরা ভোগ কমিয়ে দিই, তবুও মানুষের জনসংখ্যা যদি বর্তমান হারের মতো বাড়তে থাকে তবে আমরা একসময় এক কঠিন দেয়ালের সামনে এসে থমকে দাঁড়াব। আমরা সবাই জানি যে উন্নয়নশীল বিশ্বে নারীদের শিক্ষিত করার সাথে জন্মহার কমানোর একটি গভীর সম্পর্ক রয়েছে। কিন্তু তা সত্ত্বেও এবং জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে এমন বেশ কিছু দেশে জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী বিনামূল্যে পাওয়া গেলেও গড় জন্মহার এখনও প্রতি মহিলার বিপরীতে তিন, পাঁচ এমনকি সাতটি শিশু। জাতিসংঘের মতে, জাম্বিয়ার জনসংখ্যা এই শতাব্দীর শেষ নাগাদ ৯৪১% বৃদ্ধি পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নাইজেরিয়ার জনসংখ্যা ৭৩০ কোটিতে—অর্থাৎ ৩৪৯% বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আফগানিস্তানে ২৪২%, কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রে ২১%, গাম্বিয়াতে ২৪২%, গুয়াতেমালাতে ৩৬৯%, ইরাকে ৩৪৪%, কেনিয়াতে ২৮৪ %, লাইবেরিয়াতে ৩০০%, মালাউইয়ে ৭৪১%, মালিতে ৪০৮ %, নাইজারে ৭৬৬%, সোমালিয়াতে ৬৬৩%, উগান্ডাতে ৩৯৬% এবং ইয়েমেনে ২৯৯ % বৃদ্ধি পেতে পারে। এমনকি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জনসংখ্যাও ২১০০ সালের মধ্যে ৫৩% বৃদ্ধি পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যা ২০১২ সালের ৩১ কোটি ৫০ লক্ষ থেকে বেড়ে ৪৭ কোটি ৮০ লক্ষ হবে। আমি শুধু এটি নির্দেশ করতে চাই যে যদি বর্তমানে বিশ্বে প্রজননের এই হার বজায় থাকে, তবে এই শতাব্দীর শেষ নাগাদ আমাদের সংখ্যা ১০০ কোটি বা ১০ বিলিয়ন হবে না। বরং তখন আমাদের সংখ্যা হবে ২,৮০০ কোটি বা ২৮ বিলিয়ন। ** আইবিআইডি। * আমরা যদি আগামীকাল আবিষ্কার করি যে একটি গ্রহাণু পৃথিবীর সাথে সংঘর্ষের পথে রয়েছে এবং—যেহেতু পদার্থবিজ্ঞান একটি বেশ সহজ বিজ্ঞান—আমরা যদি এটি হিসাব করতে সক্ষম হই যে এটি ২০৭২ সালের ৩ জুন পৃথিবীকে আঘাত করবে এবং আমরা যদি জানতে পারি যে এর ফলে পৃথিবীর ৭০ % প্রাণের অস্তিত্ব মুছে যাবে, তবে সারা বিশ্বের সরকারগুলো সমগ্র গ্রহকে এক অভূতপূর্ব পদক্ষেপের দিকে পরিচালিত করত। প্রতিটি বিজ্ঞানী, প্রকৌশলী, বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে এই কাজে নিয়োজিত করা হতো: অর্ধেক লোক এটি থামানোর উপায় খুঁজত এবং বাকি অর্ধেক লোক প্রথম বিকল্পটি সফল না হলে আমাদের প্রজাতিকে কীভাবে বাঁচিয়ে রাখা যায় এবং নতুন করে গড়ে তোলা যায় তার পথ খুঁজত। আমরা এখন ঠিক তেমনই একটি পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছি, তফাত শুধু এই যে এখানে কোনো নির্দিষ্ট তারিখ নেই এবং কোনো গ্রহাণুও নেই। এখানে সমস্যা হলো আমরা নিজেরাই। এই সমস্যার বিশালতা এবং জরুরি অবস্থা বিবেচনা করার পরেও কেন আমরা এই পরিস্থিতি নিয়ে আরও বেশি কিছু করছি না—তা আমি কোনোভাবেই বুঝতে পারছি না। আমরা হিগস-বোসন নামক একটি কণার অস্তিত্ব খুঁজে বের করার জন্য সার্ন-এ ৮০০ কোটি ইউরো (অর্থাৎ লেখার সময়কার বিনিময় হার অনুযায়ী প্রায় ১,১০০ কোটি ডলার) খরচ করছি, যা হয়তো শেষ পর্যন্ত ভরের ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারে বা নাও পারে এবং কণা পদার্থবিজ্ঞানের "স্ট্যান্ডার্ড মডেল"-কে আংশিক সমর্থন দিতে পারে। আর সার্ন-এর পদার্থবিজ্ঞানীরা আমাদের বেশ জোর দিয়ে বলতে চান যে এটিই পৃথিবীর সবচেয়ে বড় এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা। আসলে তা নয়। পৃথিবীর সবচেয়ে বড় এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষাটি হলো আমরা বর্তমানে পৃথিবীর ওপর যে পরীক্ষাটি চালাচ্ছি সেটি। কেবল একজন নির্বোধই এটি অস্বীকার করবেন যে এই পৃথিবী কত সংখ্যক মানুষকে ধারণ করতে পারে তার একটি সীমা রয়েছে। প্রশ্ন হলো সেই সীমা কি ৭০০ কোটি (আমাদের বর্তমান জনসংখ্যা), ১,০০০ কোটি নাকি ২,৮০০ কোটি? আমি মনে করি আমরা ইতিমধ্যে সেই সীমা অতিক্রম করে গেছি। অনেক আগেই পার হয়ে গেছি। আমরা বর্তমানে যে পরিস্থিতির মধ্যে আছি তা পরিবর্তন করতে পারতাম। সম্ভবত কোনো প্রযুক্তিগত উপায়ের মাধ্যমে নয়, বরং আমাদের আচরণের আমূল পরিবর্তনের মাধ্যমে। কিন্তু এমন কিছু ঘটার বা খুব দ্রুত ঘটবে এমন কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। আমার মনে হয় আমাদের এই গতানুগতিক বা প্রথাগত ধারাটিই বজায় থাকবে। ** আইবিআইডি। * এমন কোনো ধারণা বা অনুমান একটি স্থায়ী বা থিতু জীবনযাত্রার সাথে জনসংখ্যা বৃদ্ধির বিষয়টি পুরোপুরি ব্যাখ্যা করতে পারুক বা না পারুক, এতে কোনো সন্দেহ নেই যে মানুষের সংখ্যা একসময় নাটকীয়ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছিল। ১০,০০০ থেকে ৬,০০০ বছর আগের সেই সময়ের মধ্যে—যা মানুষের মাত্র ১৬০টি প্রজন্মের সমান—নিকট প্রাচ্যের জনসংখ্যা আনুমানিক ১,০০,০০০-এর কম থেকে বেড়ে ৩০ লক্ষেরও বেশিতে পৌঁছেছিল বলে ধারণা করা হয়। প্রতিটি বৃদ্ধির সাথে সাথে খাদ্য উৎপাদনকারীদের ওপর নতুন নতুন প্রজাতিকে গৃহপালিত করার এবং নতুন নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন করার জন্য অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয়েছিল, যেমন লাঙল এবং সেচ ব্যবস্থার ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা প্রযুক্তি। মানুষ এখন নিজেদের এমন এক অবিরাম পরিস্থিতির মধ্যে খুঁজে পেয়েছে যেখান থেকে আজ পর্যন্ত তারা কোনোভাবেই বের হতে পারেনি। তারা এখনও খাদ্য উৎপাদনের সেই মৌলিক ধাঁধা বা স্ববিরোধী সমস্যার মধ্যে আটকে আছে: ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার ক্ষুধা মেটানোর জন্য উৎপাদনের মাত্রা বাড়িয়ে দিলে তা শেষ পর্যন্ত জনসংখ্যার আরও বেশি বৃদ্ধির পথ তৈরি করে দেয়। ** পিটার ফার্ব, ''হিউম্যানকাইন্ড'' (১৯৭৮), পৃষ্ঠা ১২১ * ১৭৭৫ সালে জেমস ওয়াট যখন নিউকমেন স্টিম ইঞ্জিনের একটি উন্নত সংস্করণ বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন শুরু করেন, তারপর থেকে মানব ইতিহাসে এমন এক অতুলনীয় বিপ্লব ঘটে গেছে যা সমাজের প্রতিটি স্তরে এবং সংস্কৃতির প্রতিটি দিককে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে। প্রযুক্তিগত এই উদ্ভাবনগুলো অবশ্যই অত্যন্ত চমকপ্রদ ছিল, কিন্তু আধুনিকায়নের ফলে সৃষ্ট জৈবিক, রাজনৈতিক, সামাজিক এবং অর্থনৈতিক ফলাফলগুলোও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। জৈবিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দেখলে, এর সবচেয়ে বড় এবং প্রধান ফলাফল হলো মানুষের গড় আয়ু বৃদ্ধি পাওয়া এবং মানুষের সংখ্যা জ্যামিতিক হারে বেড়ে যাওয়া। গত দুই শতাব্দীতে মানুষের গড় আয়ু প্রায় তিন গুণ বেড়ে গেছে এবং আমাদের প্রজাতির মোট জনসংখ্যা প্রায় পাঁচ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। ** আইবিআইডি, পৃষ্ঠা ১৮৯ * যদি কোনো বাধা বা নিয়ন্ত্রণ না থাকে, তবে যে কোনো জীবের জনসংখ্যা সাধারণত জ্যামিতিক হারে বৃদ্ধি পাওয়ার প্রবণতা দেখায়। কিন্তু এই বৃদ্ধি কখনও চিরকাল চলতে পারে না। একসময় প্রাকৃতিক সম্পদ ফুরিয়ে আসে এবং জনসংখ্যার হারও কমতে শুরু করে। যখন জনসংখ্যা আবারও পর্যাপ্ত পরিমাণ সম্পদের জন্য যথেষ্ট কম হয়ে যায়, তখন পুনরায় জ্যামিতিক হারে বৃদ্ধি শুরু হয়। এর ফলাফল হলো এক ধরণের উত্থান-পতনের চক্র—যা মূলত অস্থিরতার মধ্য দিয়েই একটি ভারসাম্য বা স্থিতিশীলতা বজায় রাখে।<br>অবশ্যই, যদি এই উত্থান-পতনের মাত্রা অনেক বড় হয়, তবে আমরা একে কোনোভাবেই 'স্থিতিশীলতা' বলতে পারি না। কিন্তু বেশিরভাগ সুস্থ বাস্তুসংস্থানে জনসংখ্যার এই ধরণের পরিবর্তনগুলো সাধারণত বেশ কম বা সীমিত থাকে। এই উত্থান-পতনের চক্রকে কমিয়ে আনার প্রধান চাবিকাঠি হলো বৈচিত্র্য। যখন একটি বাস্তুসংস্থানে অনেক ধরণের প্রজাতির বাস থাকে, তখন তাদের প্রত্যেকে একে অপরের জনসংখ্যাকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। এর ফলে দীর্ঘস্থায়ী জ্যামিতিক বৃদ্ধি বা জনসংখ্যার বিস্ফোরণ সেখানে সহজে শিকড় গাড়তে পারে না। ** ব্লেয়ার ফিক্স, "[https://economicsfromthetopdown.com/2020/09/12/frederick-soddys-debt-dynamics/ ফ্রেডরিক সোডির ডেবট ডায়নামিক্স]।" ''ইকোনমিক্স ফ্রম দ্য টপ ডাউন'' (১২ সেপ্টেম্বর ২০২০) * অতিপ্রজতা বা অতিরিক্ত জনসংখ্যাকে একটি সামাজিক সমস্যা হিসেবে বর্ণনা করা হয়, যেখানে মানুষের ব্যক্তিগত এবং সম্মিলিত আচরণই এই সমস্যা সৃষ্টির প্রধান কারণ বা চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে। ** অ্যাঞ্জেলা কে. ফোরনিয়ার এবং ই. স্কট গেলার [https://link.springer.com/article/10.5210/bsi.v13i1.35 বিহেভিয়ার অ্যানালাইসিস অফ কমপ্যানিয়ন-অ্যানিম্যাল ওভারপপুলেশন: আ কনসেপচুয়ালাইজেশন অফ দ্য প্রবলেম অ্যান্ড সাজেশনস ফর ইন্টারভেনশন] (১ মে ২০০৪) * আমরা কী দিয়ে তৈরি, পরীর ধুলো আর সুখের চিন্তা দিয়ে? না, আমরা প্রোটিন দিয়ে তৈরি—অর্থাৎ খাবার দিয়ে! পর্যাপ্ত পরিমাণ খাদ্য সরবরাহ ছাড়া এই ধরনের বিশাল জনসংখ্যা অর্জন করা কোনোভাবেই সম্ভব নয়। আমরা এই সত্যটি এই গ্রহের অন্য প্রতিটি প্রজাতির ক্ষেত্রে একটি মৌলিক জৈবিক সত্য হিসেবে মেনে নিই যে, জনসংখ্যা হলো খাদ্য সরবরাহের একটি বিশেষ ফলাফল। তবুও আমরা বিশ্বাস করে চলি যে, আমাদের স্বাধীন ইচ্ছাশক্তির জাদু আমাদের এই ধরনের মৌলিক জৈবিক নিয়মগুলো থেকে মুক্তি দেয়। ** জেসন গোডেস্কি, ''[https://theanarchistlibrary.org/library/jason-godesky-thirty-theses থার্টি থিসিস]'' (২০০৬), থিসিস #৪: "হিউম্যান পপুলেশন ইজ আ ফাংশন অফ ফুড সাপ্লাই।" * প্রথম বিশ্বের দেশগুলো যখন বৈদেশিক সাহায্য, খাবার এবং মানবিক সহায়তা নিয়ে দুর্ভিক্ষের কবলে পড়া কোনো মরুভূমি এলাকায় ছুটে যায়, তখন আমরা মূলত একটি স্থায়িত্বহীন জনসংখ্যাকে টিকিয়ে রাখতে সাহায্য করি। এটি এমন একটি এলাকায় জনসংখ্যার বিস্ফোরণ ঘটায় যা ইতিমধ্যে তার বিদ্যমান জনসংখ্যাকে টিকিয়ে রাখতে সক্ষম নয়। এর ফলে এমন এক বিশাল জনসংখ্যা তৈরি হয় যা বাইরের হস্তক্ষেপের ওপর পুরোপুরি নির্ভরশীল হয়ে পড়ে, আর সেই সহায়তা নিজেও অনির্দিষ্টকালের জন্য চালিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। অবশেষে যখন বাইরের সাহায্য পাওয়া আর সম্ভব হবে না, তখন সেই জনসংখ্যাটি চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়বে এবং পুরোপুরি ভেঙে পড়বে - আর দীর্ঘ বছরের এই সাহায্য সেই পতনকে আরও অনেক বেশি ভয়াবহ করে তুলবে। ঠিক যেভাবে ১৯৮০-র দশকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমস্ত বনের আগুন নিভিয়ে ফেলার নীতি তাদের বনাঞ্চলের অবস্থাকে আরও বেশি খারাপ করে দিয়েছিল, আমাদের পরোপকার এবং সদিচ্ছাগুলোও ঠিক একইভাবে একটি ম্যালথাসীয় নরকের পথ তৈরি করে দিয়েছে। ** আইবিআইডি। * মানবজাতি বর্তমানে পৃথিবীর মোট সালোকসংশ্লেষীয় ক্ষমতার প্রায় ৪০ শতাংশ ভোগ করছে। পৃথিবীর সম্পদের ওপর এই একচেটিয়া আধিপত্য আমাদের পরিবেশে এক বিনাশকারী প্রভাব ফেলছে। আমরা প্রতিদিন প্রায় ১৪০টি প্রজাতির বিলুপ্তি প্রত্যক্ষ করছি, যা স্বাভাবিক বিলুপ্তির হারের তুলনায় কয়েক হাজার গুণ বেশি। আজ ঠিক এই মুহূর্তে আমরা পৃথিবীর ইতিহাসে এক অতুলনীয় বিলুপ্তির হার দেখতে পাচ্ছি। আমরা নিঃসন্দেহে পৃথিবীর ইতিহাসের সপ্তম গণবিলুপ্তির মধ্যে রয়েছি - যাকে হলোসিন বিলুপ্তি বলা হয়ে থাকে। তবে আগের বিলুপ্তিগুলোর মতো না হয়ে এটি একটি মাত্র প্রজাতি বা মানুষের দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে। এটিই হলো অতিপ্রজতার আসল এবং প্রধান বিপদ, একটি ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যাকে খাবার দিতে না পারাটা এখানে মূল সমস্যা নয়। আমরা যতই অস্বীকার করার চেষ্টা করি না কেন, বেঁচে থাকার জন্য আমরা প্রতিটি মুহূর্তে এই পৃথিবীর ওপরই নির্ভরশীল। দিন দিন হ্রাস পাওয়া জীববৈচিত্র্য আমাদের নিজস্ব প্রজাতির টিকে থাকাকেই এখন হুমকির মুখে ফেলে দিচ্ছে। আমরা আক্ষরিক অর্থেই নিজেদের পায়ের তলার মাটি কেটে ফেলছি। খাদ্য উৎপাদন বাড়ানো কেবল জনসংখ্যাকেই আরও বাড়িয়ে দেয়। খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে আমাদের বর্তমান মনোভাব আমাদের এমন একটি পরিস্থিতির মধ্যে আটকে দিয়েছে যাকে ড্যানিয়েল কুইন "খাদ্য প্রতিযোগিতা" (ফুড রেস) বলে অভিহিত করেছেন, যা অনেকটা সেই কোল্ড ওয়ার বা ঠান্ডা লড়াইয়ের অস্ত্র প্রতিযোগিতার সাথে তুলনীয়। ** আইবিআইডি। * অতিপ্রজতা হলো অন্য সমস্ত পরিবেশগত সমস্যার মূল কারণ ... [এবং] এটি মূলত ক্রমাগত বিস্তারের প্রয়োজনীয়তা থেকে তৈরি হওয়া খাদ্য প্রতিযোগিতার এক স্বাভাবিক এবং অনিবার্য পরিণতি। সেই প্রয়োজনীয়তা মূলত আমাদের এই জটিল সমাজ ব্যবস্থার একটি পদ্ধতিগত ফল। তাহলে অতিপ্রজতার বিকল্প হলো এই ক্রমবর্ধমান জটিলতার ধারাকে উল্টে দেওয়া এবং জীবনযাত্রায় বৃহত্তর সরলতাকে গ্রহণ করা: এক কথায় বলতে গেলে, পতন। ** জেসন গোডেস্কি, ''থার্টি থিসিস'' (২০০৬), থিসিস #১৭: "এনভায়রনমেন্টাল প্রবলেমস মে লিড টু ক্ল্যাপস।" * হলোসিন বিলুপ্তির পেছনের প্রধান চালিকাশক্তি হলো অতিপ্রজতা এবং নিবিড় কৃষি উৎপাদনের এই দ্বৈত প্রভাব। যেহেতু বিশ্বের আরও বেশি জমি চাষের জমিতে রূপান্তরিত হচ্ছে, তাই আমরা সেই বিপজ্জনক সীমার কাছাকাছি পৌঁছে যাচ্ছি যেখানে বিশ্বের সালোকসংশ্লেষীয় ক্ষমতার বেশিরভাগ অংশ একটি মাত্র প্রজাতির সাথে যুক্ত হয়ে পড়ছে। বন উজাড় হওয়ার মূল কারণ হলো ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার ক্ষুধা মেটানো, তবে এর পাশাপাশি সেই জনসংখ্যার অন্যান্য সম্পদের চাহিদা যেমন কাঠ সংগ্রহ এবং খনিজ উত্তোলনের বিষয়গুলোও এর সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। সেই বন উজাড় হাজার হাজার বছর ধরে মানুষের তৈরি বায়ুমণ্ডলীয় পরিবর্তনের জন্য দায়ী। কিন্তু যখন খাদ্য প্রতিযোগিতার এই চক্রটি নতুন মাত্রায় পৌঁছেছে, তখন আমরা হয় জীবাশ্ম জ্বালানি গ্রহণ করতে নয়তো পতনের সম্মুখীন হতে বাধ্য হয়েছি। সেই জ্বালানিগুলো বায়ুমণ্ডলের ওপর আমাদের প্রভাবকে এক ভয়াবহ স্তরে নিয়ে গেছে, যা বৈশ্বিক উষ্ণায়নের এক নতুন সংকট তৈরি করেছে। আমরা আসলে অনেকগুলো আলাদা আলাদা পরিবেশগত সমস্যার সম্মুখীন হইনি; বরং আমরা একটি একক এবং বহুমুখী সংকটের মুখোমুখি হয়েছি। সেই সংকট হলো খোদ এই জটিল সমাজ ব্যবস্থা। আমরা বর্তমানে যে সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছি তা মূলত জটিল সমাজের এই দুষ্টচক্রের এবং বিশেষ করে খাদ্য প্রতিযোগিতার সরাসরি ফলাফল। ** আইবিআইডি। * যদি কেউ মারা না যেত তবে এই গ্রহটি খুব দ্রুত নতুন মানুষের জন্য জায়গার অভাবে পরিপূর্ণ হয়ে যেত। তখন কীভাবে এই পৃথিবী পরিচালিত হতো (আমাদের রাজনৈতিক ব্যবস্থাগুলো এখনই নিখুঁত নয়); কে ঠিক করে দিত যে একজন মানুষ কোন ধরণের বাড়িতে বসবাস করবে অথবা সে কোন ধরণের খাবার খাবে? আমরা তখন জীবিকার জন্য কী করতাম? ** লরি গোসেলিন, "[https://lifeforinstance.com/would-you-like-to-live-in-a-perfect-world/ উড ইউ লাইক টু লিভ ইন আ পারফেক্ট ওয়ার্ল্ড?]" * জনসংখ্যা বিষয়ক গবেষণা বা পড়াশোনা খুব একটা নিখুঁত বিজ্ঞান নয়। উত্তর-কমিউনিস্ট ইউরোপীয় রাশিয়াতে যে জনসংখ্যার পতন ঘটছে বা বিশ্বের অনেক অংশে প্রজনন হার যেভাবে কমে যাচ্ছে, তা কেউ আগে থেকে একদম সঠিকভাবে অনুমান করতে পারেনি। প্রজনন হার এবং গড় আয়ুর হিসাবের ক্ষেত্রে ভুলের মাত্রা অনেক সময় বেশ বড় হয়ে থাকে। তা সত্ত্বেও, জনসংখ্যার আরও বড় ধরণের বৃদ্ধি অনিবার্য। প্রায় ৮০০ কোটির কাছাকাছি পৌঁছানো এই বিশাল জনসংখ্যাকে কেবল এই পৃথিবীকে ধ্বংস করার মাধ্যমেই টিকিয়ে রাখা সম্ভব। যদি বন্য প্রাণীদের আবাসস্থল মানুষের চাষাবাদ এবং বসবাসের জন্য পুরোপুরি দিয়ে দেওয়া হয়, যদি রেইনফরেস্টগুলোকে সবুজ মরুভূমিতে পরিণত করা যায়, যদি জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং শুকিয়ে যাওয়া মাটি থেকে আরও বেশি ফসল উৎপাদন করতে সাহায্য করে - তবে মানুষ নিজেদের জন্য এক নতুন ভূতাত্ত্বিক যুগ তৈরি করবে। এর নাম এরেমোজোয়িক বা একাকীত্বের যুগ, যেখানে পৃথিবীতে তারা নিজেরা এবং তাদের বাঁচিয়ে রাখার জন্য প্রয়োজনীয় কৃত্রিম পরিবেশ ছাড়া আর কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না। ** জন গ্রে, ''স্ট্র ডগস'' (২০০২), অধ্যায় ১: "দ্য হিউম্যান" * ভবিষ্যতের পূর্বাভাস দেওয়া নিষ্ঠুরভাবে সহজ; সীমা অতিক্রম করা প্রতিটি প্রজাতিই একসময় ভেঙে পড়ে। আর আমরা - আপাতদৃষ্টিতে জীবাশ্ম জ্বালানির শক্তির মাধ্যমে সময়কে জয় করে - আমাদের প্রজাতির সীমাটি অন্য যে কারও চেয়ে অনেক বেশি বাড়িয়ে নিয়েছি (অথবা সম্ভবত অন্য কারও পক্ষে এটি করা কখনও সম্ভব ছিল না)। ** মারে গ্রিমউড, "[https://www.interest.co.nz/public-policy/128237/murray-grimwood-says-future-will-be-so-different-we-need-go-back-basics-and উইদার সায়েন্স; উইদার এডুকেশন?]"। ''ইন্টারেস্ট'' (১৫ জুন ২০২৪) * গত শতাব্দীতে কোটি কোটি মানুষ তাদের পূর্বপুরুষদের কল্পনার চেয়েও অনেক ভালো, পূর্ণাঙ্গ এবং সমৃদ্ধ জীবন উপভোগ করেছে। কিন্তু যখন এই সবকিছুর শেষ হিসাব কষার সময় আসবে, তখন কে জানে এই দুই ধরণের প্রচেষ্টার খাতা বা লেজারের অবস্থা ঠিক কেমন হবে? ** সুমিত গুহ, মার্ক এলভিনের ''দ্য রিট্রিট অফ দ্য এলিফ্যান্টস'' এর পর্যালোচনায় (২০০৬) * আমার ক্রমবর্ধমান পরিবেশগত সচেতনতা সন্তান না নেওয়ার যুক্তিতে কেবল আরও ইন্ধন জোগায়। আর এই অন্তহীন ভোগের যুক্তি কেবল পরিবেশেরই ক্ষতি করে না, এটি শেষ পর্যন্ত মানুষকে হত্যাও করে। ** শিয়াওলু গুয়ো, ''ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন দ্য ইস্ট: আ স্টোরি অফ গ্রোয়িং আপ'', চ্যাটো অ্যান্ড উইন্ডাস, ২০১৭, পৃষ্ঠা ৩০৫ ({{আইএসবিএন|৯৭৮১৭৮৪৭৪০৬৮৯}})। === H === * The skeleton of our primate ancestors developed for millions of years to support a creature that walked on all fours and had a relatively small head. Adjusting to an upright position was quite a challenge, especially when the scaffolding had to support an extra-large cranium. Humankind paid for its lofty vision and industrious hands with backaches and stiff necks.<br>Women paid extra. An upright gait required narrower hips, constricting the birth canal - and this just when babies’ heads were getting bigger and bigger. Death in childbirth became a major hazard for human females. Women who gave birth earlier, when the infants brain and head were still relatively small and supple, fared better and lived to have more children. Natural selection consequently favoured earlier births. And, indeed, compared to other animals, humans are born prematurely, when many of their vital systems are still underdeveloped. A colt can trot shortly after birth; a kitten leaves its mother to forage on its own when it is just a few weeks old. Human babies are helpless, dependent for many years on their elders for sustenance, protection and education.<br>This fact has contributed greatly both to humankind’s extraordinary social abilities and to its unique social problems. Lone mothers could hardly forage enough food for their offspring and themselves with needy children in tow. Raising children required constant help from other family members and neighbours. It takes a tribe to raise a human. Evolution thus favoured those capable of forming strong social ties. In addition, since humans are born underdeveloped, they can be educated and socialised to a far greater extent than any other animal. Most mammals emerge from the womb like glazed earthenware emerging from a kiln - any attempt at remoulding will scratch or break them. Humans emerge from the womb like molten glass from a furnace. They can be spun, stretched and shaped with a surprising degree of freedom. This is why today we can educate our children to become Christian or Buddhist, capitalist or socialist, warlike or peace-loving. ** Yuval Noah Harari, ''Sapiens'' (2014), Part I: "The Cognitive Revolution", Chapter 1: "An Animal of No Significance". * Rather than heralding a new era of easy living, the Agricultural Revolution left farmers with lives generally more difficult and less satisfying than those of foragers. Hunter-gatherers spent their time in more stimulating and varied ways, and were less in danger of starvation and disease. '''The Agricultural Revolution certainly enlarged the sum total of food at the disposal of humankind, but the extra food did not translate into a better diet or more leisure. Rather, it translated into population explosions and pampered elites.''' The average farmer worked harder than the average forager, and got a worse diet in return. The Agricultural Revolution was history’s biggest fraud. ** Yuval Noah Harari, ''Sapiens'' (2011), Part II: "The Agricultural Revolution", Chapter 5: "History's Biggest Fraud" * The last 500 years have witnessed a phenomenal and unprecedented growth in human power. In the year 1500, there were about 500 million Homo sapiens in the entire world. Today, there are 7 billion. The total value of goods and services produced by humankind in the year 1500 is estimated at $250 billion, in today’s dollars. Nowadays the value of a year of human production is close to $60 trillion. In 1500, humanity consumed about 13 trillion calories of energy per day. Today, we consume 1,500 trillion calories a day. (Take a second look at those figures — human population has increased fourteenfold, production 240-fold, and energy consumption 115-fold.) ** Yuval Noah Harari, ''Sapiens'' (2011), Part IV: "The Scientific Revolution", Chapter 14: "The Discovery of Ignorance". * Since the Industrial Revolution, the world's human population has burgeoned as never before. In 1700 the world was home to some 700 million humans. In 1800 there were 950 million of us. By 1900, we almost doubled our numbers to 1.6 billion. And by 2000, that quadrupled to 6 billion. Today [as of this writing] there are just shy of 7 billion Homo Sapiens. ** Yuval Noah Harari, ''Sapiens'' (2011), Part IV: "The Scientific Revolution", Chapter 18: "A Permanent Revolution". * Today [as of this writing], the earth's continents are home to almost 7 billion Sapiens. If you took all these people and put them on a large set of scales, their combined mass would be about 300 million tons. If you then took all our domesticated farmyard animals—cows, pigs, sheep, and chickens—and placed them on an even larger set of scales, their mass would amount to about 700 million tons. In contrast, the combined mass of all surviving large wild animals—from porcupines and penguins to elephants and whales—is less than 100 million tons. Our children’s books, our iconography, and our TV screens are still full of giraffes, wolves, and chimpanzees, but the real world has very few of them left. There are about 80,000 giraffes in the world, compared to 1.5 billion cattle; only 200,000 wolves, compared to 400 million domesticated dogs; only 250,000 chimpanzees—in contrast to billions of humans. Humankind really has taken over the world. ** Ibid. * Around 1990, we became the most numerous mammalian species on the planet, outnumbering even rats. ** [[Thom Hartmann]], ''The Last Hours of Ancient Sunlight'' (1999), p. 18 (ISBN 9780609805299) * All measures to thwart the degradation and destruction of our ecosystem will be useless if we do not cut population growth. By 2050, if we continue to reproduce at the current [but declining] rate, the planet will have between 8 billion and 10 billion people, according to a recent U.N. forecast. This is a 50 percent increase. And yet government-commissioned reviews, such as the Stern report in Britain, do not mention the word population. Books and documentaries that deal with the climate crisis, including [[আল গোর]]’s ''[[An Inconvenient Truth]]'', fail to discuss the danger of population growth. This omission is odd, given that a doubling in population, even if we cut back on the use of fossil fuels, shut down all our coal-burning power plants and build seas of wind turbines, will plunge us into an age of extinction and desolation unseen since the end of the Mesozoic era, 65 million years ago, when the dinosaurs disappeared. ** [[Chris Hedges]], "[https://www.truthdig.com/articles/we-are-breeding-ourselves-to-extinction/ We Are Breeding Ourselves to Extinction]", March 9, 2009. *We are experiencing an accelerated obliteration of the planet’s life forms — an estimated 8,760 species die off per year — because, simply put, there are too many people. Most of these extinctions are the direct result of the expanding need for energy, housing, food, and other resources. '''The Yangtze River dolphin, Atlantic gray whale, West African black rhino, Merriam's elk, California grizzly bear, silver trout, blue pike, dusky seaside sparrow are all victims of human overpopulation.''' Population growth, as [[E. O. Wilson]] says, is "the monster on the land." Species are vanishing at a rate of a hundred to a thousand times faster than they did before the arrival of humans. If the current rate of extinction continues, Homo sapiens will be one of the few life forms left on the planet, its members scrambling violently among themselves for water, food, fossil fuels, and perhaps air until they too disappear. Humanity, Wilson says, is leaving the Cenozoic, the age of mammals, and entering the Eremozoic — the era of solitude. As long as the Earth is viewed as the personal property of the human race, a belief embraced by everyone from born-again Christians to Marxists to free-market economists, we are destined to soon inhabit a biological wasteland. ** Ibid. * A world where 8 billion to 10 billion people are competing for diminishing resources will not be peaceful. The industrialized nations will, as we have done in Iraq, turn to their militaries to ensure a steady supply of fossil fuels, minerals and other nonrenewable resources in the vain effort to sustain a lifestyle that will, in the end, be unsustainable. The collapse of industrial farming, which is made possible only with cheap oil, will lead to an increase in famine, disease and starvation. And the reaction of those on the bottom will be the low-tech tactic of terrorism and war. Perhaps the chaos and bloodshed will be so massive that overpopulation will be solved through violence, but this is hardly a comfort. ** Ibid. * Our core ecological problem is not climate change. It is overshoot, of which global warming is a symptom. Overshoot is a systemic issue. Over the past century-and-a-half, enormous amounts of cheap energy from fossil fuels enabled the rapid growth of resource extraction, manufacturing, and consumption; and these in turn led to population increase, pollution, and loss of natural habitat and hence biodiversity. The human system expanded dramatically, overshooting Earth’s long-term carrying capacity for humans while upsetting the ecological systems we depend on for our survival. Until we understand and address this systemic imbalance, symptomatic treatment (doing what we can to reverse pollution dilemmas like climate change, trying to save threatened species, and hoping to feed a burgeoning population with genetically modified crops) will constitute an endlessly frustrating round of stopgap measures that are ultimately destined to fail. ** {{W|Richard Heinberg}}, "[https://www.ecowatch.com/climate-change-heinberg-2471869927.html Systemic Change Driven by Moral Awakening Is Our Only Hope]." ''EcoWatch'' (August 14, 2017). * During the last 200 years, per capita energy usage grew eight-fold, while human population expanded at about the same rate. As a result of energy growth, all the things we do with energy became more doable. Transportation, manufacturing, agriculture, and mining exploded in scale. Energy became so abundant that it seemed we could solve any human problem, now or in the future, just by throwing more energy at it. We even reconfigured our economic system so that it assumes and requires perpetual growth. But growth in fossil-fuel energy can’t continue much longer: depletion and climate change will see to that. And even if we make a wholehearted effort to switch to low-carbon energy sources, we face limits to nature’s supplies of materials with which to make solar panels, wind turbines, nuclear reactors, and batteries. The ways we’re currently trying to share and manage power are insufficient also because we have failed to understand power itself. Rather than accepting that power limits exist, then surveying them and adapting ourselves to them, we try to finesse or deny them. We respond to climate change by hoping for a renewable energy transition—without questioning the amounts of energy we use or what we do with it. We deal with economic inequality by establishing minimal safeguards for the poor—without examining the structural means by which some people enrich themselves to absurd degrees. ** Richard Heinberg, "[https://www.resilience.org/stories/2021-03-23/understanding-power/ Understanding Power]", ''Resilience'' (March 23, 2021). * Prior to the widespread use of coal, oil, and natural gas, agrarian societies saw cyclical periods of rise and fall. But the scale of expansion since the dawn of the fossil-fueled industrial revolution, beginning roughly at the start of the 19th century, has been unprecedented. Energy usage per capita has grown 800 percent, as has population. Meanwhile, the contours of society have been transformed: for the first time in human history, most people now live in cities. ** {{W|Richard Heinberg}}, "[https://www.postcarbon.org/the-end-of-growth-ten-years-after/ The End of Growth: Ten Years After]." {{W|Post Carbon Institute}} (December 7, 2021). *Fossil fuels enabled a dramatic expansion of energy usable by humanity, in turn enabling unprecedented growth in human population, economic activity, and material consumption. **Richard Heinberg, "[https://richardheinberg.com/museletter-353-deadly-optimism-useful-pessimism Deadly Optimism, Useful Pessimism]". Republished in ''[https://www.resilience.org/stories/2022-07-14/deadly-optimism-useful-pessimism/ Resilience]'' (July 14, 2022). *Global human population has doubled three times in the past 200 years, surging from 1 billion in 1820 to 2 billion in 1927, to 4 billion in 1974, to 8 billion today. Its highest rate of growth was in the 1960s, at over 2 percent per year; that rate is now down to 1.1 percent. If growth continues at the current rate, we’ll have about 18 billion people on Earth by the end of this century. All of this would be fine if we lived on a planet that was itself expanding, doubling its available quantities of minerals, forests, fisheries, and soil every quarter-century, and doubling its ability to absorb industrial wastes. But we don’t. It is essentially the same beautiful but finite planet that was spinning through space long before the origin of humans. **Richard Heinberg, "[https://richardheinberg.com/museletter-356-the-final-doubling The Final Doubling]". Republished in ''[https://www.resilience.org/stories/2022-11-03/the-final-doubling/ Resilience]'' (November 1, 2022). *Agriculture enabled population growth and social complexity, but it gradually robbed soils of nutrients. Sailing ships guided with clocks and navigational charts could increase the scope of trade, but building wooden ships (and making charcoal for forging steel) was leading to the deforestation of whole continents. A reckoning with limits seemed to be in store. Then a miracle happened. People who lived in some key centers of global trade started using fossil fuels—energy sources capable of delivering power in previously unimaginable and seemingly endless quantities. Coal, oil, and natural gas enabled the development of transport technologies (steamships, railroads, cars, trucks, and airplanes) that overcame prior limits to the speed of travel and trade, so that products and resources that were abundant in one place could be transported to places where they were scarce. Fossil fuels could be used to increase the rates of resource extraction via powered mining machinery, and to process lower grades of ores as more concentrated ores were depleted. They could be fashioned into plastics and chemicals to substitute for some natural materials that were getting scarce, such as hardwoods and whale oil. And they could be made into artificial fertilizers, which could replace soil nutrients lost due to unsustainable agricultural practices. All these developments together enabled population growth at rates that far outstripped historic trends: human numbers expanded from one billion to eight billion in a mere two centuries. We were, in effect, stretching existing constraints on population and consumption to the point that it was difficult for many people to see that boundaries still existed at all. **{{W|Richard Heinberg}}, "[https://richardheinberg.com/museletter-358-why-understanding-limits-is-the-key-to-humanitys-future Why Understanding Limits Is the Key to Humanity’s Future]". Republished in ''[https://www.resilience.org/stories/2023-01-19/why-understanding-limits-is-the-key-to-humanitys-future/ Resilience]'' (19 January 2023). *As we’ve grown our population and our per capita consumption rates, we’ve been taking habitat away from other organisms. As a result, nature is in full retreat. Vertebrate and invertebrate animal species have suffered average population declines of 70 percent in the past 50 years, and thousands of plant species are endangered as well. **{{W|Richard Heinberg}}, "[https://richardheinberg.com/museletter-358-why-understanding-limits-is-the-key-to-humanitys-future Why Understanding Limits Is the Key to Humanity’s Future]". Republished in ''[https://www.resilience.org/stories/2023-01-19/why-understanding-limits-is-the-key-to-humanitys-future/ Resilience]'' (19 January 2023). *For a population of field mice in overshoot, the critical resource might consist of small plants whose unusually robust growth has been triggered by high levels of rainfall. For humanity currently, the critical resource is fossil energy. Temporary energy abundance has led to many good things (for some of us, anyway): more food, more people, more commercial products, more knowledge, more comfort, and more convenience. But we are about to become victims of our own success. **{{W|Richard Heinberg}}, "[https://richardheinberg.com/museletter-358-why-understanding-limits-is-the-key-to-humanitys-future Why Understanding Limits Is the Key to Humanity’s Future]". Republished in ''[https://www.resilience.org/stories/2023-01-19/why-understanding-limits-is-the-key-to-humanitys-future/ Resilience]'' (19 January 2023). *It’s sad when loved ones die, and few of us look forward to our own demise; hence the perennial quest for an elixir of eternal life, or at least a cure for cancer. But if nobody died, the planet would quickly fill with humans and empty of all the things that feed and provision us. Death clears space for new life; it is the non-negotiable price of admission to the great banquet of existence. ** {{W|Richard Heinberg}}, "[https://richardheinberg.com/museletter-358-why-understanding-limits-is-the-key-to-humanitys-future Why Understanding Limits Is the Key to Humanity’s Future]". Republished in ''[https://www.resilience.org/stories/2023-01-19/why-understanding-limits-is-the-key-to-humanitys-future/ Resilience]'' (19 January 2023). *The past few thousand years of human history have already seen several critical accelerators. The creation of the first monetary systems roughly 5,000 years ago enabled a rapid expansion of trade that ultimately culminated in our globalized financial system. Metal weapons made warfare deadlier, leading to the takeover of less-well-armed human societies by kingdoms and empires with metallurgy. Communication tools (including writing, the alphabet, the printing press, radio, television, the internet, and social media) amplified the power of some people to influence the minds of others. And, in the past century or two, the adoption of fossil fuels facilitated resource extraction, manufacturing, food production, and transportation, enabling rapid economic expansion and population growth. Of those four past accelerators, our adoption of fossil fuels was the most potent and problematic. In just two centuries, energy usage per capita has increased eightfold, as has the size of the human population. The period since 1950, which has seen a dramatic increase in the global reliance on petroleum, has also seen the fastest economic and population growth in all of human history. Indeed, historians call it the “Great Acceleration.” Neoliberal economists hail the Great Acceleration as a success story, but its bills are just starting to come due. Industrial agriculture is destroying Earth’s topsoil at a rate of tens of billions of tons per year. Wild nature is in retreat, with animal species having lost, on average, 70 percent of their numbers in the past half-century. And we’re altering the planetary climate in ways that will have catastrophic repercussions for future generations. It’s hard to avoid the conclusion that the whole human enterprise has grown too big, and that it is turning nature (“resources”) into waste and pollution far too quickly to sustain itself. The evidence suggests we need to slow down, and, in some cases at least, reverse course by reducing population, consumption, and waste. **Richard Heinberg, "[https://richardheinberg.com/museletter-363-polycrisis-unraveling-simplification-or-collapse Polycrisis, Unraveling, Simplification, or Collapse]". Republished in ''[https://www.resilience.org/stories/2023-06-15/polycrisis-unraveling-simplification-or-collapse-coming-soon-to-a-planet-near-you/ Resilience]'' (June 15, 2023). *Depleting and climate-changing coal, oil, and natural gas have brought about dramatic human population growth, along with immense profits and unprecedented wealth (for the few). But all of these presumed and probably transitory benefits have been based on depleting natural resources, and on processes that are perilously changing the climate and degrading ecosystems across the planet. Every time we pick up a gasoline-powered machine we are viscerally linked to that chain of ersatz benefits and spiraling impacts. **Richard Heinberg, "[https://richardheinberg.com/museletter-368-the-gasoline-powered-leaf-blower-as-a-metaphor-for-industrial-society The Gasoline-Powered Leaf Blower as a Metaphor for Industrial Society]", republished in ''[https://www.resilience.org/stories/2023-11-01/the-gasoline-powered-leaf-blower-as-a-metaphor-for-industrial-society Resilience]'' (November 1, 2023). *Of course, we also have to think about the role of population going forward. The more the global population grows, the more difficult this challenge will be. As we approach this question, it's crucial—as always—that we focus on underlying structural drivers. Many women around the world do not have control over their bodies and the number of children they have. Even in liberal nations, women come under heavy social pressure to reproduce, often to the point where those who choose to have fewer or no children are interrogated and stigmatised. Poverty exacerbates these problems... And of course capitalism itself creates pressures for population growth: more people means more labour, cheaper labour, and more consumers. These pressures filter into our culture, and even into national policy: countries like France and Japan are offering incentives to get women to have more children, to keep their economies growing. **[[Jason Hickel]], ''Less is More: How Degrowth Will Save the World'', 2021, pp. 110-111 * No one lives within a day’s walk of a coal mine, an iron ore source, and a smelter that can operate without a source of electricity, plus food. The old smelters didn’t use electricity to drive the huge motors moving heavy hot metal and slag around. The first smelters were close to coal and iron ore sources, but we used them up; they no longer exist close to each other.<br>In the year 1500, we had a world population of around 450 million and grew massively over the next 250 years to the start of the industrial revolution by increasingly using the resources of the ‘new world’. We’ve been on an upward trajectory ever since, especially since around 1800 when fossil energy came into use.<br>People just don’t understand our extreme (and still growing) overpopulation problem given the imminent decline of oil, and especially diesel. Assuming “we’ll downsize this” or “relocalize that” ignores the fact that once oil supply shifts to contraction, the declines will be permanent year after year, and with diesel shortages the ability to build anything new all but disappears.<br>It will be a sad sight with suffering everywhere and increasing year after year. Survivors will have to be hard people, protecting and providing for their own, at the exclusion of others.<br>Everyone should look around their home and imagine it without the oil used to produce and deliver everything in it, because that’s the world of the future, with old decaying cold buildings and no food in cities. ** Hideaway (pseudonym for Helen Hasan), "[https://un-denial.com/2024/09/14/by-kira-hideaway-on-relocalization/ On Relocalization]". ''Un-Denial'', September 14, 2024. * Using all available resources to expand its population is what every species that’s ever existed has always done until some limit is reached. Consider a mouse plague, enabled by human agricultural practices, with its huge population until the next frost or the grain is eaten, then a massive die-off in a short time. ** Ibid. * We have over 8 billion humans on the planet, and 99.99% of them have no idea modernity is going to end abruptly, and when it does so will destroy the plans of the [few who] did see it coming and tried to prepare in some way. ** Ibid. * One might think Humanity’s success is guaranteed, except for a few things: First, the increasing scarcity of oil, coal, and natural gas suddenly threatens to remove the punch bowl from which Humanity has been feeding. Second, the carrying capacity of the Earth is far less than 8 billion humans unless we continue to supplement with increasingly scarce resources. And, last, our centuries-long party has now broken the Earth in ways Humanity cannot repair. ** Preston Howard, "[https://un-denial.com/2023/09/28/by-preston-howard-the-maximum-power-principle-and-why-it-underscores-the-certainty-of-human-extinction-in-the-near-future/ The Maximum Power Principle and Why It Underscores the Certainty of Human Extinction in the Near Future]." ''Un-Denial'' (September 28, 2023) * Is the proxy war in Ukraine turning out to be only a lead-up to something larger, involving world famine and a foreign-exchange crisis for food- and oil-deficit countries?<BR>U.S. Cold War strategy is not alone in thinking how to benefit from provoking a famine, oil and balance-of-payments crisis. [[w:Klaus Schwab|Klaus Schwab]]’s World Economic Forum worries that the world is overpopulated—at least with the “wrong kind” of people. '''As Microsoft philanthropist... Bill Gates has explained: “Population growth in Africa is a challenge.” His lobbying foundation’s 2018 “Goalkeepers” report warned: “According to U.N. data, Africa is expected to account for more than half of the world’s population growth between 2015 and 2050. Its population is projected to double by 2050,”''' with “more than 40 percent of world’s extremely poor people... in just two countries: Democratic Republic of the Congo and Nigeria.” Gates advocates cutting this projected population increase by 30 percent by improving access to birth control and expanding education to “enable more girls and women to stay in school longer, have children later.” But how can that be afforded with this summer’s looming food and oil squeeze on government budgets? ** [[Michael Hudson (economist)|Michael Hudson]], [https://michael-hudson.com/2022/06/is-us-nato-with-wef-help-pushing-for-a-global-south-famine/ Is US/NATO (with WEF help) pushing for a Global South famine?] (6 June 2022) === K === * Perhaps the most ambiguous of these [technological] achievements [of the [[Industrial Revolution|industrial age]]] is the one that began in mid-nineteenth century with improvements in public health, vaccinations, and antibiotics. These methods of death control emerged too rapidly to be offset by methods of birth control and populations exploded. Again, who can speak against this from within the old paradigm? In fact, it is only from the newer ecological paradigm that we are able to recognize that all this marvelous technology has... likely led the human population to overshoot the carrying capacity of the earth. Even from this perspective many of us would... want to save lives now in hopes that somehow there will be enough resources for those who come after us. In less complex animal populations, an overshoot leads to a crash, or die-off. Can humans somehow circumvent this conclusion without relying on further damaging drawdown strategies? … a basic change in our technologies, and acceptance of a steady state in economics reinforced by a compatible spiritual orientation, may at least mitigate human suffering and loss. ** Maynard Kaufman, ''Adapting to the end of oil'', 2008, p. 29. * Unlike plagues of the dark ages or contemporary diseases we do not yet understand, the modern plague of overpopulation is soluble by means we have discovered and with resources we possess. What is lacking is not sufficient knowledge of the solution but universal consciousness of the gravity of the problem and education of the billions who are its victims. ** [[মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র]], acceptance speech, Margaret Sanger award in human rights 1966; Lamont Hempil ''Sustainable communities''. * We have learned a lot in the 50 years since "{{W|The Population Bomb}}" was published. We should not shy away from discussing what actions are ethically permissible to facilitate a stable level of population growth, nor should we leave this discussion in the hands of the affluent. The conversation about ethics, population, and reproduction needs to shift from the perspective of white donor countries to the places and people most affected by poverty, climate change and environmental degradation. ** {{W|Frances Kissling}}, Jotham Musinguzi and [[Peter Singer]], "[https://www.washingtonpost.com/opinions/talking-about-overpopulation-is-still-taboo-that-has-to-change/2018/06/18/ca7c1838-6e6f-11e8-afd5-778aca903bbe_story.html Talking about overpopulation is still taboo. That has to change]". ''{{W|The Washington Post}}''. June 18, 2018. * All we can say now is, that, even now, 600 persons could easily live on a square mile; and that … 1,000 human beings—not idlers—living on 1,000 acres could easily, without … overwork, obtain … a luxurious vegetable and animal food, as well as the flax, wool, silk and hides necessary for their clothing. As to what may be obtained under still more perfect methods—also known but not yet tested on a large scale—is better to abstain from any forecast: so unexpected are the recent achievements of intensive culture. We thus see that the over-population fallacy does not stand the very first attempt at submitting it to a closer examination. ** [[Peter Kropotkin]], ''[[Peter Kropotkin#Fields, Factories and Workshops_(1899)|Fields, Factories and Workshops]]'' (1899) * It has been estimated that the world human population stood at about one billion around the early 1800s, which was roughly about when the industrial adventure began to gain traction. It has been inferred from this that a billion people is about the limit that the planet Earth can support when it is run on a nonindustrial basis. World population is now past six and a half billion, having more than doubled since my childhood in the 1950s. The mid-twentieth century was a time of rising anxiety over the “population explosion.” The marvelous technological victory over food shortages, including the “green revolution” in crop yields, accelerated that already robust leap in world population that had begun with modernity. Dramatic improvements in sanitation and medicine extended lives. Industry sopped up expanding populations and reassigned them from rural lands to work in the burgeoning cities. The perceived ability of the world to accommodate these newcomers and latecomers in a wholly new disposition of social and economic arrangements seemed [to] be the final nail in the coffin of [[Thomas Robert Malthus]]… ** [[James Howard Kunstler|James H. Kunstler]], ''{{W|The Long Emergency}}'', Chapter 1: "Sleepwalking into the future", pp. 5–6. * Malthus was certainly correct [that demand will outstrip supply], but... [hydrocarbons] ...skewed the [supply-demand] equation over the past [two] hundred years while the human race has enjoyed an unprecedented orgy of [a fraction of] nonrenewable condensed solar energy accumulated over eons of prehistory. The “green revolution” in boosting crop yields was minimally about scientific innovation in crop genetics and mostly about dumping massive amounts of fertilizers and pesticides made... of ...[petroleum] onto crops, as well as employing irrigation at a fantastic scale made possible by abundant oil and gas. The cheap oil age created an artificial bubble of plen[t]itude for a period not much longer than a human lifetime, a hundred years. Within that comfortable bubble, the idea took hold that only grouches, spoilsports, and godless maniacs considered population hypergrowth a problem [with a direct solution], and that to even raise the issue was indecent. ...As oil ceases to be cheap and the world reserves arc toward depletion, we will indeed suddenly be left with an enormous surplus population... that the ecology of the earth will not support. No political program of birth control will avail. The people are already here. The journey back to non-oil population homeostasis will not be pretty. '''We will discover the hard way that population hypergrowth was simply a side effect of the oil age.''' It was [more of] a condition [without a remedy], not a problem with a [direct] solution. That is what happened, and we are stuck with it. ** Ibid., p. 8. * '''Cheap oil had allowed populations to explode in precisely those parts of the world that had had, for millennia, a high infant mortality rate and modest life expectancy.''' Cheap oil was behind the "green revolution" that increased the food supply in the nonindustrial world. Oil was also behind many of the medicines and preventives that had neutralized… diseases. Now, suddenly, most of those children… survived, grew up, and produced more children who survived and grew up, and over… the twentieth century, the global populations hurtled into extreme numerical overshoot. Populations were, in effect, eating oil, notably in [the form of] food exports from the United States, where agribusiness had completely taken over from agriculture. Local farmers in Africa, Asia, or South America couldn’t compete with corporate Archer Daniels Midland’s oil-and-gas-based grain crops and U.S. government subsidies. ** James H. Kunstler, ''The Long Emergency'' (2005), Chapter 6: "Running on fumes : the hallucinated economy" pp. 187–188. * Peak human population will surely lag … peak oil and peak mineral resources until these conditions express themselves as food shortages. This means that the human population will continue to rise for a while, even as we begin to encounter these … strict resource limits. It’s not possible to estimate how much the population will increase because the relationship between energy and mineral resources and food production is a very fragile equation, subject to any number of discontinuities. To these, add the complications of weather disasters arising from climate change, including drought, the spread of plant diseases, and so forth. This lagging further rise in [the] human population will only make the inevitable contraction more acute once food shortages begin. [Overpopulation] amounts to a human population overshoot … to the planet Earth’s ecology. We're putting a strain on everything the earth has to offer us. While the combination of peak stuff and [too many] billion humans is forcing the issue, ...the truth is that '''circumstances will now determine what happens, not policies or personalities.''' … Population overshoot is therefore unlikely to yield to management. Rather, the usual suspects will enter the scene and do their thing: starvation, disease, … violence … [and] death. ** James H. Kunstler, ''Too Much Magic'', Chapter 1: "Where We're At", p. 10. === L === *Fossil fuels’ biggest impact on the agricultural sector stems from the use of natural gas in industrial fertilizer production. Industrial fertilizer was first mass-produced in 1914 using what came to be known as the {{W|Haber-Bosch process}}. This invention enabled the {{W|Green Revolution}}, a boom in agricultural production that took place in the latter half of the 20th century, starting in Mexico and India. From 1961 to 2010, cereal yields per acre increased by 217 percent in Mexico and 183 percent in India. It is no coincidence that the human population has more than quadrupled since 1920.<br>We often attribute the Green Revolution to the spread of high-yielding crop varieties. Yet these varieties typically require industrial fertilizer application. The Haber-Bosch method, combined with mechanization and pesticides derived from fossil fuels, [has] represented a massive and unsustainable injection of fossil fuels into our food system. Today, the production of one food calorie in the United States requires 2.7 fossil fuel calories. **Helene Langlamet and Alix Underwood. “[https://steadystate.org/a-trophic-perspective-on-fossil-fuels/ A Trophic Perspective on Fossil Fuels].” Center for the Advancement of the Steady State Economy, August 1, 2024. * Driven by the Anthropocene engine, human population has grown exponentially, and individual societies have approached collapse multiple times over the past 8,000 years. The disappearance of the Easter Island civilization and the collapse of the Mayan empire, for example, have been linked to the depletion of environmental resources as populations rose. The dramatic decline of the European population during the Black Death in the 1300s was a direct consequence of crowded and unsanitary living conditions that facilitated the spread of Yersenia pestis, or plague. ** Manfred Laubichler, [https://theconversation.com/8-billion-humans-how-population-growth-and-climate-change-are-connected-as-the-anthropocene-engine-transforms-the-planet-193075 8 billion humans: How population growth and climate change are connected as the ‘Anthropocene engine’ transforms the planet]. ''{{W|The Conversation (website)|The Conversation}}'', November 3, 2022. * In the 20th century we decisively broke our dependence on energy systems that were fed by the wind and sun and which we supplemented with human and animal muscle power. That leap was made possible by innovations that allowed us to extract, pump, use, and transform raw materials, particularly to unlock energy stored in coal and oil to make chemicals and plastics. That in turn allowed a massive expansion in population, lifespans, and economic growth. The rise of industrial capitalism from 1851 to 1971 went hand in hand with a surge in population, mainly in cities, provided with better food and public health. ** Charles Leadbeater, ''The Frugal Innovator'' (2014), p. 36. * On a global level, there is no threat to human survival greater than that posed by world overpopulation—paradoxical though that may seem—and it is abundantly clear that consensus decision making is ineffective for dealing with that. Some kind of “solution” is nonetheless unavoidable, and is certain to be ugly. To say that there is no visible world leadership on that transcendental question is to understate the case. Optimists on the population problem don’t measure progress in terms of a decrease in population, or even a decrease in the rate of increase, but in terms of a decrease in the rate of increase of the rate of increase. ** [[Harold Lewis]], ''Why Flip a Coin?'' (1997), <small> {{আইএসবিএন|0-471-16597-2}}, </small> pp. 98-99 * The human population will continue to increase until it can’t. When it can no longer increase, it will crash. Our extreme efforts to focus our minds elsewhere are symptoms of a desperate attempt to find solid footing, to believe in a future that will not vanish. Mankind has had a storied existence on Earth. Our thirst for knowledge and innovation has provided comfort and security. However, it is becoming increasingly evident that our remarkable progress has become our worst enemy. We know our planet is finite. Images of Earth from space make it plain for all to see. However, people routinely ignore this verifiable certainty in all aspects of their lives, treating the world as [if it were] infinite. Modern-day human activities are not only wiping out ecosystems and biodiversity but [also] plundering the clean air, water, and topsoil that helped bring about our tenure on the planet. Entire ecosystems have vanished, including the tallgrass prairie in North America, Madagascar’s rainforests, and the Aral Sea in Asia. '''We use Earth’s natural resources like a bunch of drunks on the greatest bender of all time.''' Human consumption is negatively modifying the planet and permanently damaging the biological systems upon which our continued existence depends. The deterioration of our ecosphere has been exponentially accelerating for at least 100,000 years. As technological advances improve our lives, humanity becomes increasingly detached from its environment and the natural resources allowing us to persist. People now have a much closer affinity with iPhones, Amazon, online shopping, restaurants and bars, Netflix, beauty salons, and sporting events than forests, grasslands, marshes, and oceans. Few now understand our existence on Earth is entirely dependent upon photosynthesis. Instead, they believe their survival is contingent on parents, doctors, farmers, governments, bankers, police, and other players in society. It’s not that those institutions, people, and specialties aren’t important, but they represent the retailers. Photosynthesis is the wholesaler. There is a supply chain disruption occurring on a massive scale in our relationship with the planet. The ancient forests and grasslands that provided the planet with free oxygen in the air and sequestered carbon dioxide, making it habitable for humans and other complex life, are nearly gone. For most people, the natural resources that support their existence and lifestyle might as well be from a distant galaxy. This extreme disconnect has resulted in people losing their capacity to understand the dire circumstances facing complex organisms on Earth, including themselves. The deafening alarm bells portending our extinction are routinely misunderstood or ignored. For those who perceive our state of crisis, there is a great deal of angst. Much of the frustration, anger, and sadness results from having unrealistic expectations of human beings. Despite our advanced technologies, the basic tenets of human behavior haven’t changed for centuries or millennia. Letting go of the false expectations that Homo sapiens can or will modify our behavior can bring us an element of peace. Expectations are incredibly powerful in structuring our moods and emotions. Identifying unrealistic expectations can reduce our chances of being disappointed and can increase happiness. A better understanding of our behavioral history can provide valuable insights into recognizing human capabilities and limitations. ** Lyle Lewis, ''Racing to Extinction'' (2024) * … as our population has grown, humans have been liquidating the planet’s natural resources for thousands of years. The effects of our current population on forests, grasslands, biodiversity, clean air, and water are catastrophic. Zero population growth means the planet would still be trying to support the current population, over 8 billion people. Humanity can no longer pay even the interest. We’ve already spent much of the planet’s clean air, water, and biodiversity with no mechanism for repayment. Zero population growth isn’t going to happen. We can’t curb our evolutionarily programmed need to grow and reproduce any more than we can stop the sun from rising. Like all populations of organisms on the planet, the number of humans will continue to increase until it’s no longer possible. When that day happens, Earth will be a truly inhospitable place. ** Lyle Lewis, ''Racing to Extinction: Why Humanity Will Soon Vanish'' (2024), Chapter 5. * In 1968, with the release of their book ''The Population Bomb'', [[Paul R. Ehrlich|Paul]] and Anne Ehrlich were among the first to identify the most significant factor that will precipitate the collapse of humanity. Their book inspired an environmentalist fad in the 1970s. The premise for the book was gradually rationalized away by most as the work of lunatics. It was listed by the Intercollegiate Review as one of the 50 worst books of the 20th century. In the Human Events list of the “Ten Most Harmful Books of the Nineteenth and Twentieth Centuries,” it garnered an 11th-place honorable mention. Since that time, the global population has more than doubled. During those five decades, humanity has identified six types of quarks, developed the modern internet, eradicated smallpox, decoded the human genome, and developed vaccines for Ebola and COVID-19. Despite all our new technologies and discoveries, the most basic concept of rapid human growth inside a finite system—our planet—leading to collapse is a concept too difficult for our greatest minds to reconcile. Humanity’s carefully calibrated psychological filters go into overdrive to prevent this simple mathematical postulate from entering our psyche. As seemingly prescient as the Ehrlichs were, our collision course with extinction was preordained long before their book was published in 1968. ** Lyle Lewis, ''Racing to Extinction: Why Humanity Will Soon Vanish'' (2024), Chapter 9. * Population growth vanished from the agendas of mainstream environmental organizations that previously regarded escalating numbers as a major environmental threat. These groups were primarily shackled by their fear of alienating donors, ultimately selling their purpose and integrity for money. Criticism from progressive and conservative interests claiming that overpopulation is a myth further incentivized these groups to pretend the rising global population wasn’t a factor in planetary degradation. ** Lyle Lewis, ''Racing to Extinction: Why Humanity Will Soon Vanish'' (2024), Chapter 9. * Those who defend the belief that overpopulation isn’t at the core of every environmental problem are not unique. Every myth presents itself as an authoritative, factual account, no matter how much the topic varies from natural law or ordinary experience. There is a long, bloody history of ''Homo sapiens'' defending myths against those who might either question their veracity or have a competing myth. It has resulted in the deaths of millions of people [and other animals] since the dawn of the Agricultural Revolution. As a result of ignoring the obvious reality, newborns are effectively positioned as moneymaking machines. The former prime minister of Japan suggested that women who bore no children should be barred from receiving pensions. In most countries, those who choose not to have children are required to pay for those who do through taxes. In this campaign for more babies, childbearing is reduced to a means for economic growth. Even though overpopulation, natural resource extraction, and environmental degradation are clearly linked, the needs of the economic market trump the needs of the planet. Children are nothing more than moneymakers in the eyes of politicians, forever blind to the moral, environmental, or humanitarian consequences of their policies. Market thinking has obliterated moral thinking on a grand scale. After all, if the West doesn’t produce more children, it can’t produce the wealth needed to look after parents when they retire. No social animal is ever guided by the interests of the entire species to which it belongs. No pika cares about the interests of the pika species; no northern spotted owl will lift a feather for the global northern spotted owl community; no wolf alpha male makes a bid for becoming the king of all wolves. Likewise, few humans care about the interests of ''Homo sapiens''. People only care about themselves and those who directly affect their lives. ** Lyle Lewis, ''Racing to Extinction: Why Humanity Will Soon Vanish'' (2024), Chapter 9. * Humanity has moved past the point where future generations are an issue. If there are any, they will be few in number. Ignoring the inevitable is something all species do. Humans are no different than bacteria in a Petri dish or a mountain pine beetle in a climate-stressed lodgepole pine forest. All available resources are utilized to grow and reproduce until the inevitable collapse. We’re traveling down the same path as all species that have gone through exponential increases. The only difference is ''Homo sapiens'' is doing it on a grander scale. The Herculean ability to ignore the greatest threat to our existence would be comical if not for the rapidly approaching consequential conclusion to our existence. ** Lyle Lewis, ''Racing to Extinction: Why Humanity Will Soon Vanish'' (2024), Chapter 9. * Economic and political instability will continue to increase as food and water supplies are impacted in more areas on the planet by pollution, drought, flooding, and other extreme weather events. However, while the focus is almost entirely on the supply side of the economic equation, the demand side may be the bigger issue. The planet is currently adding an additional 80 million mouths to feed each year, 4.5 times more people than the entire population of Syria. As the chasm between uncertain supplies and increasing demand widens, the social and biological implications for humanity are both unpredictable and alarming. ** Lyle Lewis, ''Racing to Extinction: Why Humanity Will Soon Vanish'' (2024), Chapter 9. * Many people, including environmentalists, often avoid linking the multitude of environmental problems to overpopulation. Some believe that a global shift to veganism could support the current population and more. Others attribute the crisis to various factors [that] are frequently cited as primary contributors to the ongoing environmental crisis, overshadowing the impact of population growth. ** Lyle Lewis, "The Locust Theory" (November 16, 2024) * [There's an] excessive number of humans who [want to] live a lifestyle that promotes equality, along with [others] being minimalist and/or vegan... [and] similar overpopulation by other organisms is considered a plague. ** Ibid. * Our emphasis [on] science has resulted in alarming rises in world populations that demand an ever-increasing emphasis [on] science to improve their standards and maintain their vigor. ** [[Charles Lindbergh]], ''The Wisdom of Wilderness'', ''{{W|Life (magazine)|LIFE}}'', December 22, 1967. * It is still the case that the worst enemies of life are, on the one hand, an excess of life (human life, in particular) and, on the other, the legislation and structure of societies based on {{W|market economy}}. The sturdier a society, the more peaceful it is; the more efficient {{W|economic growth}} (i.e., the ransacking of natural resources), the quicker {{W|Biodiversity loss|other forms of life will step aside}}. Everything that upsets the established order of society, causing chaos and panic, gives time to nature and, ultimately, humans too. ** [[Pentti Linkola]], ''Can Life Prevail?: A Revolutionary Approach to the Environmental Crisis.'' p. 166 === M === * Population, when unchecked, increases in a geometrical ratio, Subsistence, increases only in an arithmetical ratio. ** [[Thomas Robert Malthus]], ''An Essay on the Principle of Population'' (1798), Chapter I, paragraph 18, lines 1-2 * The power of population is so superior to the power in the earth to produce subsistence for man, that premature death must in some shape or other visit the human race. **Thomas Robert Malthus, ''An Essay on the Principle of Population'' (1798), Chapter VII, paragraph 20, lines 2-4 * What has caused the recent super-exponential rise in world population? Before the industrial revolution both fertility and mortality were comparatively high and irregular. The birth rate generally exceeded the death rate only slightly, and population grew exponentially, but at a very slow and uneven rate. In 1650 the average lifetime of most populations in the world was only about 30 years. Since then, [hu]mankind has developed many practices that have had profound effects on the population growth system, especially on mortality rates. With the spread of modern medicine, public health techniques, and new methods of growing and distributing foods, death rates have fallen around the world. […] On a world average the gain around the positive feedback loop (fertility) has decreased only slightly while the gain around the negative feedback loop (mortality) is decreasing. The result is an increasing dominance of the positive feedback loop and the sharp exponential rise in population […]. **Dennis Meadows et al. ''The Limits to Growth'' (1972), Chapter 1: "The Nature of Exponential Growth." * H. sapiens took around 250,000 years to reach a global population of 1 billion in 1820, and just over 200 years to go from 1 billion to 8 billion. This was largely made possible by our species’ access to cheap, easy, exosomatic energy, mainly fossil fuels. Fossil fuels enabled us to reduce negative feedback (e.g. food shortages) and thus delay and evade the consequences of surpassing natural limits. In that same 200 year period, fossil energy (FF) use increased 1300-fold, fueling a 100-fold increase in real gross world product, i.e. consumption, and the human enterprise is still expanding exponentially. ** Joseph J. Merz et al., "[https://journals.sagepub.com/doi/10.1177/00368504231201372 World scientists’ warning: The behavioural crisis driving ecological overshoot]". ''Science Progress'' Volume 106, No. 3 (2023) * There is no way we could keep going as we have been. The increase in human population in the 1990s has exceeded the total population in 1600. The population has grown more since 1950 than it did during the previous four million years. The reasons for our recent rapid growth are pretty clear. Although the Industrial Revolution speeded historical growth rates considerably, it was really the public health revolution, and its spread to the Third World at the end of the Second World War, that set us galloping. Vaccines and antibiotics came all at once, and right behind came population. In Sri Lanka in the late 1940s life expectancy was rising at least a year every twelve months. How much difference did this make? Consider the United States: if people died throughout this century at the same rate as they did at its beginning, America's population would be 140 million, not 270 million. ** [[Bill McKibben]], "[https://www.theatlantic.com/magazine/archive/1998/05/a-special-moment-in-history/377106/ A Special Moment in History]", ''The Atlantic'', May 1998. * The Earth's population is plagued by famines, energy shortages, epidemics, environmental pollution, degeneration, terrorism, dictatorship, anarchism, slavery, excessive increase of waste materials, racial hatred, food shortages, destruction of rain forests, the "greenhouse effect", pollution of lakes, streams and oceans, hatred towards asylum-seekers; radioactive emissions, chemical pollution of water, air, plants, food, human beings and animals. Crime, murder, mass murders, manslaughter; alcoholism, hatred of strangers, oppression, hatred of one's fellowman, extremism, sectarianism, drug addiction, overpopulation, annihilation of animal species, war, violence, torture and capital punishment, general mismanagement, water contamination, eradication of plant species; hatred, vice, jealousy, lovelessness, lack of logic, false humanitarianism, lack of housing, increased traffic, destruction of arable land, unemployment, the collapse of health care, the collapse of care for the elderly, destruction of nature, the collapse of solid waste removal, and the lack of living space, among others. In spite of the many efforts, '''mankind's problems are not decreasing but, instead, continue to rise steadily in direct proportion to population increases.''' ** {{W|Eduard Albert Meier}}, "[http://www.futureofmankind.co.uk/Billy_Meier/Overpopulation_Crusade A Crusade Against Overpopulation]," on ''futureofmankind.co.uk.'' * … technology use harnesses far more energy and materials than we could ever manage without it, and while doing so may make our lives much easier and more comfortable, it comes at the cost of increasing ecological overshoot. As we increase overshoot, we concomitantly increase all the symptom predicaments that overshoot causes. Technology use also has another nasty side effect. It reduces and/or eliminates negative feedbacks which once kept our numbers in check. Many diseases we once suffered from like smallpox, measles, whooping cough, tetanus, etc. have been temporarily eliminated by the technological development of vaccines. Our medical industry has also wiped out many other diseases through proper sanitation, use of antiseptics, anesthetics (allowing surgeries to correct most internal ailments), antibiotics, antifungals, and antivirals to kill or prevent many diseases, and many other innovations that allow us to live better, more comfortable lives. The development of indoor plumbing, electrical systems, heating and air conditioning systems, insulation, refrigerators and freezers, and cooking devices all allow us to accomplish daily tasks either much easier or provide more comfort to us by regulating temperature and humidity levels in our living spaces. Therefore, technology use reduces or removes negative feedback thereby promoting population growth which also promotes technology growth. However, in terms of reducing overshoot (and symptom predicaments such as climate change, energy and resource decline, pollution loading, and biodiversity decline), technology use is '''''maladaptive'''''. This will become painfully clear as time moves forward when more or different technology does not actually solve overshoot. [[Population decline]] is what will actually work to reduce overshoot, caused by the failure of our agricultural systems, increased disease caused by antimicrobial resistance and new viruses emerging, and increased failures of infrastructural systems caused by extreme weather events. Reduced technology use will be facilitated by this mechanism, and ALL species wind up experiencing die-off whether they use technology or not. ** Erik Michaels, "[https://problemspredicamentsandtechnology.blogspot.com/2023/07/how-did-we-get-here.html How Did We Get Here?]" (July 19, 2023). * Most non-domesticated life on earth is in decline and about 200 species a day are going extinct due to a wide range of environmental problems. Many humans are at risk of being harmed or killed by related problems this century.<br>All of the many problems are caused by the same thing: humans have used non-renewable energy to explode their population from 1 billion to 7 billion in 100 years, and now consume so large a share of the earth’s resources that almost all non-domesticated species are in decline. ** Rob Mielcarski, "[https://un-denial.com/2016/03/25/overpopulation-denial/ Overpopulation Denial]." ''Un-Denial'' (March 25, 2016). * We’re in serious trouble. Many red lights are flashing on the dashboard.<br>Most people are now aware that something is seriously wrong, and each has their favorite lens through which to view the problems… The common denominator to all of these problems is overshoot. Very few people are able to see through the lens of overshoot because overshoot is a very unpleasant topic with no painless solutions and no way to avoid its consequences, and because humans evolved to deny unpleasant realities like overshoot. ** Rob Mielcarski, "[https://un-denial.com/2025/06/06/what-should-can-could-will-we-do/ What… Will We Do?]." ''Un-Denial'' (June 6, 2025). * Human numbers are rising at roughly 1.2% a year, while {{W|livestock}} numbers are rising at around 2.4% a year. By 2050 the world’s living systems will have to support about 120m tonnes of extra humans and 400m tonnes of extra farm animals. ** [[George Monbiot]], "[https://www.theguardian.com/commentisfree/2015/nov/19/population-crisis-farm-animals-laying-waste-to-planet There’s a population crisis all right. But probably not the one you think]". ''The Guardian''. November 19, 2015. * [[ফ্রান্সিস বেকন|Bacon]]ian science is at the root of the apocalypse. We have been blessed by advances in medicine, agriculture and engineering. Science has done exactly what we asked of it and now we are set for annihilation. If European science had petered out after the discoveries of the seventeenth century, we would be less numerous and [the] Earth would not be [[global warming|warming]]. ** Nicholas Money. ''The Selfish Ape'' (2019), Chapter 9: "Greenhouse" * This moment is special because we have dramatically built up our population, technology, science, medicine, and democratic institutions as a direct result of vast amounts of surplus energy stemming from a one-time resource. The fossil fuel experience has made us '''dangerously confident''' about our cleverness and dominance over nature. What makes this century special, then, is that we will have to cope with a diminishing supply rate of the resource that has been of paramount importance to our high-tech existence. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2011/10/sustainable-means-bunkty-to-me/ Sustainable means "bunkty" to me]." ''Do the Math'', University of California, San Diego. October 5, 2011. * Humans collectively must ultimately face the uncomfortable question of whether Earth’s natural systems can support 8 billion or more people at a modern standard of living. Since the resource footprint of a U.S. citizen is at least four times that of the global average, the key question is whether the planet can support an increase in material throughput four times higher than present when the strain is apparent already. As noble as it may be to wish [for] a modern living standard for an eventual ten billion or more people, it is likely that committing to such a course could result in more human suffering than would transpire under the adoption of more modest goals. The responsible path is to reduce global resource dependencies and abandon the imperative for growth starting now. ** Thomas W. Murphy, David J.R. Murphy, Thomas F. Love, Melody LeHew and Ben McCall (2021). "[[doi:10.1016/j.erss.2021.102239|Modernity is incompatible with planetary limits: Developing a PLAN for the future]]." ''Energy Research & Social Science'', 81, 102239. * Even something as seemingly altruistic as health care selfishly focuses on human health, to the exclusion and often direct detriment of ecosystem health. Are we really doing ourselves favors in the long term by making the destructive human enterprise healthier, more populous, longer-living, and therefore better able to carry out its damaging activities? If this sounds abhorrently anti-human, it’s because the human enterprise is currently relentlessly anti-planet. Anything that is anti-planet will dismantle ecosystems that serve as critical life support for humans, spelling failure for the human enterprise. So it’s really the human enterprise that is anti-human by way of being anti-planet. […] The best way to assure long-term prosperity is to forge a non-human-centric partnership with nature that does not always put short-term human interests above those of non-human elements of nature. Even “good” activities like health care therefore miss the boat in terms of building a better tomorrow. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2021/05/to-what-end/ To What End?]". Do the Math, {{W|University of California, San Diego}}. May 4, 2021. * Since growth is an absurd short-lived anomaly, what about leveling out in population, resource use per capita, and adopting a steady-state economy? The problem here is that the rate at which we are depleting one-time resources today is unsustainable. We’re simply spending our bank account without paying attention to the balance and without any source of additional income. Most clearly, forests and wild spaces are down by a factor of two in the last 60 years and will be gone within 60 years at current rates of depletion. Before even getting to steady-state conditions, inevitable near-term increases in population together with sought-after increases in standards of living around the world spell an even shorter lifetime for critical habitats. Meanwhile, fisheries are failing in domino fashion; aquifers are being depleted at rates alarmingly higher than replacement; soils are degrading and arable land is lost; fertilizer depends on a finite resource; habitat loss is resulting in species extinctions far in excess of natural rates. Even the plunder of mineral resources in the seemingly infinite crust is getting harder, only a fleeting century or so into our spree. Sustaining present levels for even a few more centuries is a dubious (i.e., unsubstantiated) proposition. It is practically absurd to imagine sustaining present practices for 10,000 years. Humans simply have not yet demonstrated an ability to maintain a technological society without utter reliance on grossly unsustainable inheritance spending. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2021/05/why-worry-about-collapse/ Why Worry About Collapse?]." Do the Math, {{W|University of California, San Diego}}. May 18, 2021. * Earth has never in its history had to contend with 8 billion fire apes, intelligent enough to have leveraged power by exploiting and burning one-time resources. We now operate outside the bounds and protections of evolution: in breach of contract, without a map to success. What could possibly convince us that this fireworks show—which has not even come close to standing the test of time—can maintain anything like its current resource impact for the long haul? Humans have demonstrated convincingly that we can live in a primitive state for hundreds of thousands of years. Our present mode is a few-century flash, supported almost entirely by inheritance-spending. Arguing that we have found a new normal is a precarious position that I would not be eager to defend. Parties end. Fireworks shows end. Why would our flash be any different? It’s not just guesswork: what other outcome could result from rapid resource exploitation on a finite planet? ** Ibid. * We face unprecedented pressures on resources and on our environment, as human population and standard of living both surge on a finite planet. Nature will not allow this trend to continue indefinitely. ** Thomas W. Murphy, ''[https://escholarship.org/uc/item/9js5291m#section.18.5 Energy and Ambitions on a Finite Planet]'', p. 313 (2022) * Human population will not be allowed to grow [indefinitely]. Even small growth rates will step up pressure on natural resources, and Earth can only support so much, long-term. Independent of what the “right” number is, once settled, we will not be able to dial it up without imperiling the hard-won success. Even under steady human population, any increase in resource use per person will also not be compatible. In general, growth leads to a dead end: to failure. ** Ibid. p. 405 * As a jarring illustration of our tendency to value the human side over the prerequisite physical/ecological side, imagine that somehow we manage to emerge from the coming centuries having established a truly sustainable existence. All resources are renewed by nature at the rate of extraction for human needs; population is steady and at a level just tolerable to the planet in terms of indefinite support. Diverse ecosystems are left to thrive in their natural states. But imagine that we are still plagued by cancer and other maladies, so that life expectancy is, say, 90 years. Then what if a team of researchers hits on a cure for (most forms of) cancer? Hurray! At last! Unambiguously good, right? Well, not so fast. All other elements held the same, longer life spans translate to a higher population, putting additional resource burdens on the planet that it cannot handle in the long term. In order to adopt and implement the cure for cancer, we would have to either deliberately reduce population or lower the standard of living to accommodate the change. All other considerations of the complex society about economic impacts, equity of distribution, legal and political facets, or interaction with religious belief systems must take a back seat to the most fundamental and important question: is this change physically viable on this finite planet in the long term? ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2021/11/caught-up-in-complexity/ Caught Up in Complexity]". Do the Math, {{W|University of California, San Diego}}. November 30, 2021. * People tend to prefer the narrative that we, ourselves, are the superheroes, and that our superpowers are not from the fossil fuel suit, but are cognitive in nature. Yet we have the same neural hardware (if not slightly downsized) as our prehistoric ancestors. The main cognitive revolution happened about 70,000 years ago when humans started to believe in things that do not exist (like spirits or potential future gains) that allowed large-scale coordination and shared identity to outcompete evolution’s more biophysical tricks of sharp teeth/claws, speed, strength, camouflage, poison, or overwhelming numbers. Global spread of homo sapiens and megafauna extinctions quickly followed, and it is at this point that the human experiment began to smolder: something was off. About 10,000 years ago, agriculture started and the first visible flame ignited. About 300–400 years ago, the Enlightenment lit a fuse by developing a scientific approach to understanding the world. It was not long before the fuse found fossil fuels and we now witness the predictable explosion that ensued. The explosion is breathtakingly rapid on any meaningful timeline, only appearing in slow motion to the few generations experiencing the phenomenon and thus seeming “normal.” So we can trace some part of our current planetary dominance to human ingenuity, but perhaps the lion’s share actually is attributable to the energy bonanza—as suggested by the dramatic change in the pace of innovation before and after the fossil transition. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2022/06/shedding-our-fossil-fuel-suit/ Shedding Our Fossil Fuel Suit]". Do the Math, {{W|University of California, San Diego}}. June 21, 2022. * A plausible scenario for ecosystem collapse... is based on the fact that we currently support 8 billion people on a fossil-intense agricultural system. We have over-leveraged that finite resource to "borrow" millions of years of eco-services (photosynthetic energy) and now host a population that probably never could have existed in ecological equilibrium. Even if fossil fuels were not going away, it seems likely we would see continued erosion of the globe's ability to support this current unsustainable mode. We have already lost about half of the wild animal life in my lifetime: is that halfway to collapse? Take away the fossil fuels, and I imagine over-hunting and rapid deforestation will take an enormous toll on ecosystem health. ** Thomas W. Murphy's self-comment on "[https://dothemath.ucsd.edu/2022/07/the-ride-of-our-lives/ The Ride of Our Lives]". Do the Math, University of California, San Diego. July 12, 2022. *[It] is truly alarming from an ecological point of view: not only has the human population grown like gangbusters, but the level of affluence per person has soared by an even larger factor. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2022/09/death-by-hockey-sticks/ Death by Hockey Sticks]". Do the Math, University of California, San Diego. September 13, 2022. * The dream of eventually having 10 billion people living at [[American Dream|American standards]] completely ignores the glaring fact that we seem to be circling the drain even at today’s impact level (i.e., overshoot). How could we possibly entertain the factor-of-five increase in resource demand that would accompany a realization of “the dream?” It seems delusional… and likely to turn into a nightmare if pursued. **Ibid. * Human population is going up… We’re not exactly doing the planet (or ultimately ourselves) any favors presently. Will adding more humans that subscribe to our current cultural model somehow make the situation better? Will improving standards of living (thus increasing resource demand) mysteriously turn things around? It’s hard to see how—not without enacting a whole new model. **Ibid. * Increasing the standard of living of a growing population makes today’s ecological pressures look adorable. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2022/09/a-climate-love-story/ A Climate Love Story]". Do the Math, University of California, San Diego. September 20, 2022. * It is easy to get caught up in the heady whirlwinds of [[modernity]]. We have accomplished amazing feats in these past few centuries, and our extrapolative minds envision a continued acceleration. Given that our life span overlaps only a portion of the tale, it is easy to lose the context that our boom (the [[Industrial Revolution]] and what followed) is almost entirely due to fossil fuels. This energy surge in turn powered a surge in material access and economic activity (and human population) in what is perhaps fittingly described as a fireworks show. ** Ibid. * What did we do with our fossil fuel bonanza? We exploded population by revolutionizing agriculture [and health]. Now when fossil fuels inevitably (and soon?) decline, we’re left with an overhang that can no longer be supported. The resulting population decline will suddenly cast [[Thomas Robert Malthus|Malthus]] in a new light: oh what a starry-eyed soothe-sayer [sic]! When that day comes, […] realize that it’s no more tragic than the ant colony waning as it must. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2022/10/the-cult-of-civilization/ The Cult of Civilization]." Do the Math, {{W|University of California, San Diego}}. October 4, 2022. * Our fossil fuel bonanza has left our ecosystem in a perilous state. We have destroyed vast forests and habitats, polluted water and soil, kicked off a rapid climate trend that natural systems may not adapt to quickly enough, and basically overrun the planet. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2022/12/finite-feeding-frenzy/ Finite Feeding Frenzy]." Do the Math (December 5, 2022). * …fossil fuels allowed us to drastically overshoot the natural carrying capacity of the planet, and that bill will come due when the underlying resource inevitably dwindles. Sometimes simple is simply right. ** Ibid. * The human explosion has accelerated across the millennia, most recently reaching a fever pitch owing to the employment of fossil fuels—leveraging stored solar energy about a million times faster than it was created. The ensuing access to minerals and ability to transform landscapes has rapidly and radically altered our world within just a few human generations. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2023/08/call-me-ishmael/ Call Me, Ishmael!]." Do the Math, August 1, 2023. * In 1800, every human on the planet had a corresponding 80 kg of mammal mass in the wild. Wildland mammals outweighed humans in an 80:50 ratio. Today, each human on the planet can only point to 2.5 kg of wild mammal mass as their “own.” Let that sink in. You only have 2.5 kg (less than 6 pounds) of wild mammal out there somewhere. A single pet cat or dog generally weighs more. Not that long ago, it was more than you could carry. Now, it seems like hardly anything! I especially fear the implications for mammals should global food distribution be severely crippled. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2023/08/ecological-cliff-edge/ Ecological Cliff Edge]." Do the Math, August 18, 2023. * As if the Enlightenment was not enough, in quick succession we joined another enormous river. One could say that the process of science opened the door to fossil fuels, but science and fossil fuels might be best described as a dynamic duo. Fossil fuels gave us the power to advance our science-amplified degree of control to an entirely new level. Resources that had been previously inaccessible became available. It became far easier to clear land for agriculture and other uses. We learned to make fertilizer from methane, unleashing unprecedented agricultural surpluses that inevitably resulted in a human population overshoot. Fossil-fueled furnaces led to steel, concrete, and other materials on a massive scale, paving the way to megacities and global trade. Science itself was amplified by having access to fossil fuels, via a flood of new devices and capabilities invented with—and powered by—cheap energy. Advances in science and technology in turn allowed greater access to buried fossil energy. This positive feedback arrangement facilitated runaway expansion of the [human] enterprise, leading to a battery of hockey stick curves. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2023/08/our-time-on-the-river/ Our Time on the River]". Do the Math, August 22, 2023. * Energy has been fundamental to our story of growth. The various hockey stick curves over the last century or so are a reflection of energy and population. What’s more, human population itself is a reflection of energy, as mechanized, fertilized agriculture was made possible by fossil fuels. Since energy per capita has also increased like a hockey stick, the ecological impact (and many other metrics like GDP) takes on the shape of a super-exponential (still resembling a hockey stick on a logarithmic plot). ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2023/09/can-modernity-last/ Can Modernity Last?]" Do the Math, September 26, 2023. * We have used [fossil fuels] to expand the human enterprise and population, knock down forests, destroy and fragment habitats, drive extinctions, and generally threaten the vitality of the planet. [But] “solving” the energy problem as fossil fuels give out is pretty frightening: how would it not simply perpetuate the ecological nosedive we have initiated? Only if we put ecological concerns above energy do we stand any chance of survival. ** Ibid. * I acknowledge that cancer is a class of disease, and no universal cure is likely to emerge. But feel free to substitute any longstanding cause of death. […] In a sense, it is death that makes life special and worthy of celebration. […] What would a successful cure look like? Human lifespans would increase. All other things being equal, a reduced death rate means more humans on the planet, putting additional pressures on the entire community of life and further threatening the vitality of the planet—including humans, to be clear. Moreover, access to the cure would almost certainly be more available to the affluent half, who are already heavy users of resources and thus cause outsized harm to the planet. So a cure to cancer would serve to boost ecological destruction, in practice. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2023/10/are-we-lucky/ Are We Lucky?]" Do the Math, October 3, 2023. * Truly, the end of modernity will probably be brutal for most of the 8 billion people on the planet, who will cling to what they know and fail to adapt. But even if they were mentally ready, the Earth is not ready to support 8 billion humans without a massive fossil subsidy, so human population will likely fall a lot in hard times. ** Thomas W. Murphy's self-comment on "[https://www.resilience.org/stories/2023-09-27/can-modernity-last/ Can Modernity Last?]". ''Resilience''. September 30, 2023. * Compared to biologically relevant timescales, the human explosion commenced just “yesterday” when grain agriculture began taking root... set[ting] the stage for planet-crushing present-day human populations in a time that is still contextually short. Each “improvement” like cities and technology only accelerated the rapidity of the unsustainable ascent. Mounting ecological damage was part and parcel of this expansionist story long before cars, planes, and smartphones arrived—like two sides of a coin. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2024/02/unsustainable-goose-chases/ Unsustainable Goose Chases]". ''Do the Math'', February 27, 2024. * Humans are voracious (big brains to feed and a lot of un-furry surface area to keep warm), and therefore are ecologically expensive. If the Earth tightens its belt, [one should]n’t assume that humans will fare well. We are summer children borne of “good” times, where “good” translates to “biodiverse.” Cleverness is no guarantee against starvation, as countless clever humans who have starved can’t tell [us]. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2024/04/post-modernity/ Post-Modernity]". ''Do the Math'', April 9, 2024. * [Our] success [in eliminating hunger and inequity] inevitably grows the population, scaling up the current tension... to planetary limits... [and] curing all diseases and achieving effective immortality would be ecologically disastrous! ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2024/05/whats-the-point/ What's the point?]" ''Do the Math'', May 14, 2024. * Since the current low levels of mortality go hand-in-hand with ecological devastation and a doomed modernity, their embrace is itself a problem… ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2024/05/watching-population-bomb/ Watching population bomb]". ''Do the Math'', May 28, 2024. * The Green Revolution transformed agriculture by inserting fossil fuels at every turn. Fertilizer came from natural gas. Diesel allowed large-scale mechanization of plowing, planting, harvesting, processing, and transporting large amounts of food. Petrochemical pesticides smote economically worthless (but ecologically invaluable) products of evolution into the foul dust. We fed a growing human population, now 8 billion strong. It boils down to a diet of fossil fuels: again, temporary. ** Thomas W. Murphy, ''Metastatic Modernity''. Episode 9: "[https://dothemath.ucsd.edu/2024/07/mm-9-recipe-for-disaster/#more-8348 Recipe for Disaster]". ''Do the Math'', July 30, 2024. * To those who resist the notion that increasing food production also means increasing human population, consider this. In 1950, the global population stood at about 2.5 billion people. The Green Revolution was about to explode into global agriculture, substantially increasing crop yields on the back of profligate fossil fuel inputs (for fertilizer, mechanization, energy for irrigation, transport, processing, etc.). Let’s say this tsunami of energy and technology had not arrived on the agricultural scene, and that moreover a global edict (“magically” followed) held annual food production at the 1950 level thereafter.<br>Would we have 8 billion people today? Impossible. We would still have 2.5 billion, correct? In 1950, the world produced enough food for 2.5 billion people, so that same amount of annual food would sustain 2.5 billion people today…or perhaps 2 billion taller, heavier people; or 3 billion people with more equitable, modest distribution and less waste. But you get the point: hold the food supply steady and you essentially hold the population below some cap. Inarguable. Those additional 5.5 billion people were made possible by a technological wave of food increase. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2025/06/food-makes-babies/ Food Makes Babies]." ''Do the Math'', June 10, 2025. * [Eight] billion humans are driving a sixth mass extinction, which leaves no room for even 10 humans if fully realized, let alone 10¹⁰. ** Thomas W. Murphy, “[https://dothemath.ucsd.edu/2025/09/8-billion-will-die/ 8 Billion Will Die],” ''Do the Math'' (September 23, 2025) *Maintaining 8 billion human people on Earth [without fossil fuels] is no more possible than invading space. It’s not an actual, realizable choice—beyond transitory and costly stunt demonstrations. **Ibid. === N === * How we live and consume matters just as much as the growing density of our numbers combined with the proliferation of our machines that devour energy on our behalf. (Roads and cell phones all consume energy and materials too.) All three demographic issues are increasing at unsustainable rates and feed each other to propel more economic growth, more emissions and more fragility. The world’s current population is 7.9 billion and grows by 80 million a year. It has slowed down in recent years because the affluent don’t need the energy of children as much as the poor. Even so civilization will add another billion to the planet every dozen years. Redistributing energy wealth (and emissions) from the rich to the poor will not avert disaster if human populations don’t overall decline. Our numbers also reflect a demographic anomaly that began with fossil fuels, a cheap energy source that served as Viagra for the species. Prior to our discovery of fossil fuels, the population of the planet never exceeded one billion. Our excessive numbers are purely a temporary artifact of cheap energy spending and all that it entails — everything from fertilizer to modern medicine. ** Andrew Nikiforuk, "[https://thetyee.ca/Analysis/2021/12/06/Andrew-Nikiforuk-Getting-Real-About-Our-Crises/ Getting Real about Our Crises]." ''The Tyee'', December 6, 2021. ===O=== * In recent decades, support for family planning has waned, and global fertility decline has decelerated as a result. Projections calibrated across the decades of strong family planning support have not acknowledged this change and are consequently underestimating global population growth. Scenarios used to model sustainable futures have used overly optimistic population projections while inferring these outcomes will happen without targeted measures to bring them about. Unless political will is rapidly restored for voluntary family planning programs, the global population will almost certainly exceed 10 billion, rendering sustainable food security and a safe climate unachievable. ** Jane N. O'Sullivan, "Demographic Delusions: World Population Growth Is Exceeding Most Projections and Jeopardising Scenarios for Sustainable Futures." ''World''. 2023. 4(3). 545-568. {{DOI|10.3390/world4030034}} === P === *Putting an end to the population explosion will not of itself save the ecosphere, but not ending it will add greatly to the dangers the planet faces. The environment can sustain a quality of life for just so many people. **[[Michael Parenti]], ''Blackshirts and Reds: Rational Fascism and the Overthrow of Communism. '' (1997), p. 155 *'''In what year will the human population grow too large for the Earth to sustain? The answer is about 1970''', according to research by the {{W|World Wildlife Fund}}. In 1970, the planet's 3 and a half billion people were {{W|Sustainable population|sustainable}}. But on this New Year's Day, the population is 8 billion. Today, wild plants and animals are running out of places to live. **[[Scott Pelley]], "[https://www.cbsnews.com/news/earth-mass-extinction-60-minutes-2023-01-01/ Scientists say planet in midst of sixth mass extinction, Earth's wildlife running out of places to live]" {{W|CBS News}}, January 1, 2023. * ... ''Homo sapiens'' have been around for about 200,000 years and we are struggling to provide 7 billion of us with sufficient food, clothing, and shelter to lead decent lives. There cannot be an economist on the planet who thinks Earth could support 7.168 trillion people. Human population growth cannot go on forever, no matter how optimistic economists might be. ** Gary Peters, "[https://ourfiniteworld.com/2011/06/13/should-we-take-united-nations’-projections-seriously/ Should We Take United Nations’ Projections Seriously?]" (June 13, 2011) *Human overpopulation, the ever-increasing power of our technology, and the demand of our omnicidal, neoliberal economic system of infinite growth on the basis of finite resources threaten the earth with total destruction. **{{W|Norm Phelps}}, quoted in ''The Politics of Total Liberation: Revolution for the 21st Century'' by [[Steven Best]], (2014), p. ix * Ever since Malthus, at least, it has been clear that means of subsistence do not grow as fast as population. No one has ever liked the idea that famine, plague, and war are nature's way of redressing the imbalance -- Malthus himself suggested that the operation of "preventive checks," which serve to reduce the birth rate, might help prolong the interval between such events. And in the two hundred years since Malthus sat down to pen his essay, there has been no worldwide cataclysm. But in the same two centuries world population has grown exponentially while irreplaceable resources were used up. Some kind of adjustment is inevitable. Today, many people who are concerned about overpopulation and environmental degradation believe that human actions can avert catastrophe. The prevailing view holds that a stable population that does not tax the environment's "carrying capacity" would be sustainable indefinitely, and that this state of equilibrium can be achieved through a combination of birth control, conservation, and reliance on "renewable" resources. Unfortunately, worldwide implementation of a rigorous program of birth control is politically impossible. Conservation is futile as long as population continues to rise. And no resources are truly renewable. ** David Price, "Energy and Human Evolution". ''From Population and Environment: A Journal of Interdisciplinary Studies'', Volume 16, Number 4, March 1995 * Around 8,000 BC, world population was something like five million. By the time of [the birth of Jesus] Christ, it was 200 to 300 million. By 1650, it was 500 million, and by 1800 it was one billion. The population of the world reached two billion by 1930. By the beginning of the '60s it was three billion; in 1975 it was four billion; and after only eleven more years it was five billion. This cannot go on forever; collapse is inevitable. The only question is when. ** Ibid. * People who believe that a stable population can live in balance with the productive capacity of the environment may see a slowdown in the growth of population and energy consumption as evidence of approaching equilibrium. But when one understands the process that has been responsible for population growth, it becomes clear that an end to growth is the beginning of collapse. Human population has grown exponentially by exhausting limited resources, like yeast in a vat or reindeer on St. Matthew Island, and is destined for a similar fate. ** Ibid. === R === * As human populations expand they necessarily appropriate ecological space required by other species. Human ‘competitive displacement’ of non-human organisms from their habitats and food sources is now the greatest contributing factor to {{W|Biodiversity loss|plunging biodiversity}}. Consider that with only 0.01 % of total Earthly {{W|Biomass (ecology)|biomass}}, H. sapiens’ expansion has eliminated 83 % of wild animal and 50 % of natural plant biomass. From a fraction of 1 % ten millennia ago, humans now constitute 36 %, and our domestic livestock another 60 %, of the planet’s much expanded mammalian biomass compared to only 4 % for all wild species combined. Similarly, domestic poultry now comprise 70 % of Earth’s remaining avian biomass. Meanwhile, commercial fishing depletes the oceans at the expense of rapidly declining marine mammals and birds. Seabirds are the most threatened bird group, with a 70 % community-level population decline between 1950 and 2010. ** {{W|William E. Rees}}, "[http://www.fraw.org.uk/data/limits/rees_2020.pdf Ecological economics for humanity’s plague phase]". ''{{W|Ecological Economics (journal)|Ecological Economics}}.'' (2020) * Population estimates are usually based on demographic data alone with no consideration of exogenous factors. This is unrealistic. For living organisms, the fact of their own existence ensures that no environment or habitat remains ideal for long. As the subject population expands, it will invariably use up any crucial resource in fixed supply. Even renewable resources can be depleted once the population goes into ‘overshoot’, a situation in which aggregate consumption exceeds food species’ recovery rates or waste accumulation exceeds natural assimilative capacity. The rise and fall of reindeer populations introduced to two previously unoccupied (by reindeer) Pribilof Islands in the early 20th century is a classic example. Collapse was attributed to overgrazed food sources (primarily lichen) abetted by the stress of exceptionally cold winter. ** William E. Rees, "[https://www.whp-journals.co.uk/JPS/article/view/653/486 The fractal biology of plague and the future of civilization]". ''The Journal of Population and Sustainability'' (2020) * ...for most of our species’ time on Earth—including most of the agricultural era—humanity’s natural propensity to expand has been held in check by negative feedback, e.g., food and other resource shortages, disease, and inter-group conflict. Circumstances changed with the scientific/industrial revolution, particularly the increasingly widespread use of fossil fuels. It took 200,000 – 350,000 years for human numbers to reach one billion early in the 19th Century, but only 200 years (as little as 1/1750th as much time!) to balloon another seven-fold by early in the 21st Century. Improvements in medicine, public sanitation, and population health contributed to this expansion, but coal, oil, and gas made it possible. Fossil fuels are the energetic means by which humans extract, transport, and transform the prodigious quantities of food and other material resources into the products needed to support our burgeoning billions. More than any other factor, fossil fuels enabled H. sapiens to eliminate or reduce normal negative feedbacks. Freed from historic constraints, our species was, at last, able to exhibit its full potential for geometric growth. ** Ibid. * Humanity is already far into ecological overshoot: we are learning the hard way that the ecosphere under stress is still immeasurably more complex than even the global human enterprise. It can generate a vastly larger arsenal of negative feedbacks in response to human excesses than any imaginable human control system can match. ** William Rees, "[https://reeswilliame.substack.com/p/variety-matters-more-than-you-think Variety Matters More Than You Think]," ''Substack'' (July 28, 2025) * Humans invade and populate all accessible favourable habitats; human populations use up all available resources; under favourable conditions, human populations are capable of exponential growth. […] The industrial/scientific revolution spawned technologies, particularly improvements in public sanitation and disease control, that greatly reduced death rates while fossil fuels alleviated food and resource shortages. With the suppression of negative factors, positive feedback prevailed; between the early 1800s and 2023, the human population exploded from one to eight billion. Meanwhile, what we now call ‘neoliberal economics’ began taking form in the late 1800s. In just two centuries, the human population grew eight times larger than the maximum attained over the previous 3000 centuries, and the world economy grew 100-fold in real terms! […] Overshoot may be a quasi-natural phenomenon, but it is also a potentially terminal condition. There are now about 80 cities in the world with populations in excess of five million—each has more people than existed on the entire planet at the dawn of agriculture 10,000 years ago. […] Life in higher-income countries just seemed to be getting better and better, at least in material terms. Little wonder that by the 1950s, MTI governments and international institutions everywhere were adopting the neoliberal vision of perpetual economic and population growth via continuous technological advance as the dominant development narrative of global culture.<br>There are, of course, significant problems—all this occurred on a finite, non-growing planet with serious history. With nurture-reinforcing-nature in propelling the expansionist juggernaut, the human enterprise surged into ecological overshoot; resource consumption and waste production are overwhelming the bio-productive and waste assimilation capacities of the ecosphere. This is not merely an aesthetic concern: the functional integrity of the ecosphere is essential for human existence. '''Overshoot may be a quasi-natural phenomenon, but it is also a potentially terminal condition.''' ** William Rees, "[https://substack.com/home/post/p-181832455 Why collapse is inevitable]," ''Substack'' (December 16, 2025) * The current human population is 14,000-fold larger than the average populations of other mammal species of similar body size! […] If humans were a typical mammal whose global population corresponded to the arithmetic mean (average) of populations of mammals of similar body size, there would be only 500,000 people on Earth! ** Ibid. * Almost all of today’s low-energy countries have a population density so great that it perpetuates dependence on intensive manual agriculture, which alone can yield barely enough food for their people. They do not have enough acreage, per capita, to justify using domestic animals or farm machinery, although better seeds, better soil management, and better hand tools could bring some improvement. A very large part of their working population must nevertheless remain on the land, and this limits the amount of surplus energy that can be produced. Most of these countries must choose between using this small energy surplus to raise their very low standard of living or [to] postpone present rewards for the sake of future gain by investing the surplus in new industries. The choice is difficult because there is no guarantee that today’s denial may not prove to have been in vain. This is so because of the rapidity with which public health measures have reduced mortality rates, resulting in population growth as high [as] or even higher than that of the high-energy nations. Theirs is a bitter choice; it accounts for much of their anti-Western feeling and may well portend a prolonged period of world instability. ** [[Hyman G. Rickover]], "Energy and Resources and Our Future" speech (May 14, 1957) * The doubling of life expectancy is largely down to medical advances. Without medical care, we’d probably be at a much lower population level. I can’t find projections, but given that even some fairly routine injuries and sicknesses would be life-threatening without medical intervention, one would expect a more pyramidal pyramid, and 2 billion people doesn’t seem unreasonable to me. This is also amplified by [there] being [fewer] people to innovate ideas like the green revolution, which [led] to higher populations.<br>In nature, population overshoot is usually remedied by a higher die-off rate, not a lower birth rate. But humans think that medical care and increased lifetimes are a sign of progress. Medical advances can even allow some who wouldn’t have been able to have children to have children, thus exacerbating overshoot. ** Mike Roberts, "[https://mikerobertsblog.wordpress.com/2024/08/09/what-can-antinatalism-achieve/ What Can Antinatalism Achieve?]" (August 9, 2024) * A lot of technologies have been utilised in storing food or growing more of it. And we know that increased access to food increases population size. The reverse is also true, of course, so we should expect [[population decline|population to fall]] as harvests come under stress from the effects of [[Global warming|climate change]]. ** Mike Roberts, "[https://mikerobertsblog.wordpress.com/2024/09/14/the-inevitability-of-our-predicament/ The Inevitability of Our Predicament]" (September 14, 2024) * Humans are a species, so they are no different in needing to reproduce to propagate their traits, which may eventually lead to what would be considered a new species, though that would likely take tens or hundreds of thousands of years. If our ancestors had considered the effects of what they were doing, why some prey species appeared to disappear, for example, then we wouldn’t be here, as we’d limit what we did, how we expanded, how we spread. Humans would, at best, have remained a very limited species, if it survived at all. But that is not the way life works. Clearly, we have followed the maximum power principle, since we’re a species, and so consume as much energy and resources as we can. In basic terms, a body needs food for energy and humans have figured out how to produce increasing quantities of food (at least in terms of calories) using agriculture, machines, artificial fertilisers and pesticides. This has enabled an explosion in population in a positive feedback loop (with higher population forecast, we figure out how to support that population, leading to more agriculture and higher yields, so we end up with a higher population). The huge success of agriculture and mechanisation, has lead to almost no human being involved in the production of the food that keeps us alive, so we’ve had to invent other ways to kill our time. We now have a huge variety of products and services to help us kill our time before we die. Some of it is pleasurable so we want to do more of it and invent new ways to live. All the time, killing more of the rest of life. But getting here was inevitable because we are a species and don’t have free will to counter those inbuilt drives. ** Mike Roberts, "[https://mikerobertsblog.wordpress.com/2024/10/03/a-retrospective-of-the-inevitable/ A Retrospective of the Inevitable]" (October 3, 2024) * As food makes babies perhaps the critical development was agriculture but then without fossil fuels, we could never have produced as much food as we do now, and deliver it across the world. But then, if we hadn’t started cooking food, we might not have been clever enough to figure out how to use fossil fuels to produce food. And without language, we could never have communicated complex ideas about agriculture, tool making and the use of fossil fuels. So we go round and round. ** Mike Roberts, "[https://mikerobertsblog.wordpress.com/2025/07/07/where-did-it-all-go-wrong/ Where Did It All Go Wrong?]" (July 7, 2025) * It is often said that humans are in overshoot. What does that mean? In simple terms, it means exceeding a limit. However, if a limit has been exceeded, then how is it a limit? People usually refer to overshoot as exceeding the carrying capacity of the planet. The ability for the planet to support the current population of humans. And yet here we are. Humans have apparently been in overshoot territory for a long time, but that hasn’t affected the numbers. Indeed, the population of humans continues to grow. ** Mike Roberts, "[https://mikerobertsblog.wordpress.com/2025/12/27/overshoot-or-undershoot/ Overshoot or Undershoot?]" (December 27, 2025) * We have well over 8 billion people on this planet. All ecosystems have been perturbed, and wildlife has been hugely depleted by over 70% in just the last half century. Deforestation continues apace at almost 5 million hectares per year. So, it’s impossible for all humans to live sustainably right now. If a few chose, and succeeded, to live sustainably, it would have no measurable effect on the planet. ** Mike Roberts, "[https://mikerobertsblog.wordpress.com/2026/01/25/would-anyone-want-to-live-sustainably/ Would Anyone Want to Live Sustainably?]" (January 25, 2026) === S === * It is apparently futile only to insist that the more back­ward countries restrict their birth rates. What is needed most of all is economic and technical assistance to these countries. This assistance must be of such scale and generosity that it is unlikely before the estrangement in the world and the egotistical, narrow-minded approach to relations between nations and races are eliminated. ** [[Andrei Sakharov]], ''Progress, Coexistence and Intellectual Freedom'', Chapter 5: "Hunger and Overpopulation (and the Psychology of Racism)" (1968) * Government policy, legislation on the family and marriage, and propaganda should not encourage an increase in the birth rates of advanced countries while demanding that it be curtailed in underdeveloped countries that are receiving assistance. Such a two-faced game would produce nothing but bitterness and nationalism. ** Ibid. * I want to emphasize that the question of regulating birth rates is highly complex and that any standardized, dogmatic solution "for all time and all peoples" would be wrong. ** Ibid. * ...increasingly, technology has come up against the law of unexpected consequences. Advances in health care have lengthened life spans, lowered infant-mortality rates, and, thus, aggravated the population problem. ** [[w:Tom Sancton|Thomas A. Sancton]], "What on Earth Are We Doing?" in ''[[w:Time (magazine)|Time]]'' (week ending January 2, 1989). * As human beings, with over 8 billion of us on planet Earth at present, we now find ourselves in a very analogous situation to both the early cyanobacteria from over 2 billion years ago and the yeast cells one would culture within a nutrient-rich broth in a petri dish. It isn’t that we’re in danger of transforming our planet into an uninhabitable hellscape, as nothing we’ve done or are in the process of doing is going to have a catastrophic effect of that magnitude. However, there are a number of ways that we’re polluting, destroying, or depleting our environment in ways that not only are non-renewable and unsustainable, but that are going to have negative downstream effects that impact future humans, hundreds and even thousands of years down the line, in ways that most of us aren’t prepared to fully reckon with.<br>And that’s unfortunate, because we should be prepared. After all, unlike yeast, cyanobacteria, or any other species that’s impacted its environment due to its collective, accumulated actions, we can not only detect and quantify the effects we’re having, but can choose to change our action at any time. ** Ethan Siegel, "[https://bigthink.com/starts-with-a-bang/humanity-yeast-cells/ Is humanity dumber than a colony of yeast cells?]." ''Big Think'' (March 8, 2023) * Erroneous belief about population growth has cost dearly. In poor countries, it has directed attention away from the factor that we now know is central in a country's economic development, its economic and political system. And in rich countries, misdirected attention to population growth and its... consequence of natural-resource shortages has caused waste through such programs as now-abandoned synthetic fuel programs, and the useless development of airplanes that would be appropriate for an age of greater scarcity. ** [[Julian Simon]], "[http://www.juliansimon.com/writings/Norton/NORTON02.txt Scarcity or Abundance? A Debate on the Environment]," on ''juliansimon.com'' * Adding more people causes problems, but people are also the means to solve these problems. The main fuel to speed our progress is our stock of knowledge, and the brake is our lack of imagination. The ultimate resource is people—skilled, spirited, and hopeful people who will exert their wills and imaginations for their own benefit, and inevitably they will benefit not only themselves but the rest of us as well. ** [[Julian Simon]], [http://www.juliansimon.com/writings/Ultimate_Resource/TCONCLUS.txt The Ultimate Resource] * In trying to solve the terrifying problems that face us in the world today, we naturally turn to the things we do best. We play from strength, and our strength is science and technology. To contain a population explosion, we look for better methods of birth control. Threatened by a nuclear holocaust, we build bigger deterrent forces and anti-ballistic missile systems. We try to stave off world famine with new foods and better ways of growing them. Improved sanitation and medicine will, we hope, control disease; better housing and transportation will solve the problems of the ghettos, and new ways of reducing or disposing of waste will stop the pollution of the environment. We can point to remarkable achievements in all these fields, and it is not surprising that we should try to extend them. But things grow steadily worse, and it is disheartening to find that technology itself is increasingly at fault. Sanitation and medicine have made the problems of population more acute, war has acquired a new horror with the invention of nuclear weapons, and the affluent pursuit of happiness is largely responsible for pollution. As Darlington has said, ‘Every new source from which man has increased his power on the earth has been used to diminish the prospects of his successors. All his progress has been at the expense of damage to his environment, which he cannot repair and could not foresee.’ **[[B. F. Skinner]], ''Beyond Freedom and Dignity'' (1971), Chapter 1: “A Technology of Behavior.” * Capitalist elites seeking to increase the size of their labour force used pro-natalist state policies to prevent women from practicing family planning. [...] We should not ignore the relationship between population growth and ecology, but we must not treat these as operating in a social and political vacuum. ** Dylan Sullivan and [[Jason Hickel]] (2023). "Capitalism and extreme poverty: A global analysis of real wages, human height, and mortality since the long 16th century". ''{{W|World Development (journal)|World Development}}''. Vol. 161. {{doi|10.1016/j.worlddev.2022.106026}} === T === * History upon Terra tells us what horrors follow upon religious mandates of unlimited reproduction. ** [[Sheri S. Tepper]], ''[[w:Grass (novel)|Grass]]'' (1989), Chapter 12 * Malthusian predictions that relentless population growth will outstrip food production and trigger starvation worldwide have recurred over the centuries. They have come and then gone as farmers have deployed new technologies to increase food output. Even now, enough food is being produced to adequately feed every person on the planet; the fact that nearly one billion people are nonetheless going hungry is a damning indictment of the world's food-distribution system. But since demand is growing, production will also have to increase in the years ahead. With the world's population expected to expand to more than nine billion by 2050 and much of that growth occurring in China, India, and other countries where living standards are rising fast, global food production will need to increase by 70-100 percent in order to keep pace and feed the already chronically hungry. This is a mighty challenge: all the more so because given current soil technology and environmental concerns, more food will have to be produced on roughly the same amount of arable land -- and with less water than is used now and at a time when both growing demand for biofuels and changing climate patterns are also putting pressure on production. Where will the needed rise in food supplies come from, and how quickly can the distribution problems be solved? ** Roger Thurow, "[https://www.foreignaffairs.com/articles/africa/2010-10-21/fertile-continent The Fertile Continent]". ''Foreign Affairs'' (October 21, 2010). * Given the Maoist position that a large population was a “resource”, rather than a burden, for the Communist state, it was politically incorrect to advocate population control [either by diet or medicine]. ** Christopher K. Tong, “The Paradox of China’s Sustainability,” ''Chinese Environmental Humanities'' (2019) * Supporting large families and unchecked growth (of which the greatest parameter is population increase) is a mantra which religion and authority have preached for thousands of years. Religions always need more clergy to reap donations from, and leaders more voters to turn into soldiers for their next war, or to make the gross (as opposed to per capita) GDP figures look good. We are being farmed, we have always been farmed for thousands of years by an economic system that prioritises cold hard profit figures over real prosperity. Competition fuels growth even more, as humans are extremely territorial. The problem with the existence of countries is that they speed up civilisational collapse. They all end up competing for economic and population growth, therefore significantly accelerating civilisational overshoot and collapse. ** George Tsakraklides, quoted in "[https://www.hawaii.edu/vice-versa/interview-tsakraklides-lewis-2-0/ Memories of the Future 2.0]." ''Vice-Versa'', University of Hawaii at Manoa (February 15, 2025) * Thanks to the discovery and exploitation of fossil fuels, humans (really just a small minority of them) are able to live richer lives today than even the queens and kings of yore could have dreamed of.<br>Furthermore, we’ve used some of those finite resources to increase food supplies and to expand the human population, which provides the economic system with both more workers and more consumers, a necessity to keep the economy growing under our current economic model. The world’s population increased from 1.6 billion in 1900 to 7 billion today, and we add about 80 million more each year. Humans have quickly become the most numerous megafauna on the planet. ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2012/01/09/the-faustian-bargain-that-modern-economists-never-mention/ The Faustian bargain that modern economists never mention]" (January 9, 2012) * Humans, because of their intelligence, have found ways to [temporarily] defeat survival of the fittest. As areas get overpopulated, humans have moved to areas where they have a better chance of survival. Humans have found ways to increase food supply, through the use of fertilizers, pesticides, irrigation, and refrigeration, all of which require fossil fuels. They have developed trade, so that so areas with shortfalls can benefit from surpluses elsewhere. Humans have developed a world financial system, which has helped enable worldwide trade. The financial system has also allowed investors to pay for goods after they are put into service, so that the cash flow resulting from an investment can be used (after the fact) to pay for the cost of the investment. This enables investment, and faster use of resources, including energy resources.<br>One of the reasons for continued upward population pressure is the fact that humans have evolved to live beyond their reproductive years. In their declining years, humans often need assistance, either from their offspring or from a public pension program, or both. Because of concern for their own old age, people without pensions tend to have enough children so that there is a significant chance that a child of the right sex will survive to adulthood. With improving medical care, this tends to lead to [an] ever-rising population. ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2012/08/17/humans-seem-to-need-external-energy/ Humans Seem to Need External Energy]" (August 17, 2012) * As long as the world’s population is rising, even in lesser developed countries, there is going to be a continuing need for more food, clothing and housing. This is an issue we don’t seem to be able even to talk about. It may offend people. ** Ibid. * The energy resource that we learned to develop this time is fossil fuels, starting with coal about 1800. '''World population was able to expand greatly because of additional food production permitted by fossil fuels and because of improvements in hygiene.''' A period of stagflation began in the 1970s, when we first encountered problems with US oil production and spiking oil prices. Now, the question is whether we are approaching the Crisis Stage as described by Turchin and Nefedov. ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2013/12/06/diminishing-returns-energy-return-on-energy-invested-and-collapse/ Diminishing Returns, Energy Return on Energy Investment and Collapse]" (December 6, 2013) * As energy supplies deplete, we will increasingly need to “choose our battles.” In the past, humans have been able to win many battles against nature. However, '''as energy per capita declines in the future, we will be able to win fewer and fewer of these battles against nature''', such as our current battle with COVID-19. At some point, we may simply need to let the chips fall where they may. '''The world economy seems unable to accommodate 7.8 billion people, and we will have no choice but to face this issue.''' ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2020/11/09/energy-is-the-economy-shrinkage-in-energy-supply-leads-to-conflict/ Energy is the economy; shrinkage in energy supply leads to conflict]" (November 9, 2020) * Many people believe that humans can have a sustainable future by using solar panels and wind turbines. Unfortunately, the only truly sustainable course, in terms of moving in cycles with nature, is interacting with the environment in a manner similar to the approach used by chimpanzees and baboons. Even this approach will eventually lead to new and different species predominating. Over a long period, such as 10 million years, we can expect the vast majority of species currently alive will become extinct, regardless of how well these species fit in with nature’s plan.<br>The key to the relative success of animals such as chimpanzees and baboons is living within a truly circular economy. Sunlight falling on trees provides the food they need. Waste products of their economy come back to the forest ecosystem as fertilizer.<br>Pre-humans lost the circular economy when they learned to control fire over one million years ago, when they were still hunter-gatherers. With the controlled use of fire, cooked food became possible, making it easier to chew and digest food. The human body adapted to the use of cooked food by reducing the size of the jaw and digestive tract and increasing the size of the brain. This adaptation made pre-humans truly different from other animals.<br>With the use of fire, pre-humans had many powers. They spent less time chewing, so they could spend more time making tools. They could burn down entire forests, if they so chose, to provide a better environment for the desired types of wild plants to grow. They could use the heat from fire to move to colder environments than the one to which they were originally adapted, thus allowing a greater total population.<br>Once pre-humans could outcompete other species, the big problem became diminishing returns. For example, once the largest beasts were killed off, only smaller beasts were available to eat. The amount of effort required to kill these smaller beasts was not proportionately less, however. ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2020/12/02/humans-left-sustainability-behind-as-hunter-gatherers/ Humans Left Sustainability Behind as Hunter-Gatherers]" (December 12, 2020) * … the problem the world is facing today is like one that smaller economies have faced, over and over, in the past: '''The population has become too large for the economy’s resource base''', which now includes fossil fuels. Today’s leaders reframe the problem as voluntarily moving away from fossil fuels to prevent climate change in order to make the situation sound less frightening. ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2023/12/15/ten-things-that-change-without-fossil-fuels/ Ten things that change without fossil fuels]" (December 15, 2023) * We are dealing with an age-old problem: Humans are able to outsmart other animals, and for this reason, human populations tend to rise except when external conditions are quite adverse. ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2024/03/17/advanced-economies-will-be-especially-hurt-by-energy-limits/ Advanced Economies Will Be Especially Hurt by Energy Limits]" (March 17, 2024) * History shows a repeated pattern of overshoot and collapse. A population would grow until the carrying capacity of the local area was reached. Food surpluses would become lower and lower, so less food could be saved up for fluctuations in rainfall and temperature. Eventually, civilizations would succumb to one or another problem: disease, attack by a neighboring group, climate fluctuations, or governments overthrown by unhappy citizens. We tell ourselves that overshoot and collapse cannot happen now, but human population is high relative to fossil fuel resources, and intermittent wind and solar are not working out well as substitutes. ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2024/07/22/how-does-the-economy-really-work/ How Does the Economy Really Work?]" (July 22, 2024) * Humans are smarter than other animals, allowing the population of humans to grow, while the population of many other species tends to fall. […] The large rise in the population of the less advanced economies contributes to the huge number of immigrants wanting new homes in higher-income countries. […] The issue is that available resources do not rise fast enough (in the area, or with the technology available) to provide enough physical goods and services for the population. If a new approach can be developed, or a neighboring area with additional resources can be conquered, [the] population can start to grow again. […] Outgrowing our resource base is not a phenomenon that began with fossil fuels. […] In 1796, when [the] world population was about one billion, Robert Thomas Malthus wrote about population growing faster than food production. This was before fossil fuels were widely used. Now, about 230 years later, [the] population has risen to eight billion, thanks to the availability of fossil fuels. We need major innovations, or additional energy resource types, if we want to work around obstacles now. ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2025/10/06/what-has-gone-wrong-with-the-economy-can-it-be-fixed/ What Has Gone Wrong with the Economy? Can It Be Fixed?]" (October 6, 2025) === V === * The hard fact is that in an age of climate breakdown, human numbers matter. And the ecological impact of another 2-3 billion humans will be immense. ** John Vidal, [https://www.theguardian.com/commentisfree/2022/nov/15/population-8-billion-climate It should not be controversial to say a population of 8 billion will have a grave impact on the climate]. ''The Guardian'', November 15, 2022. * We must look at the whole man, and at his whole environment. Above all, we must realize that every grain of rice he puts into his mouth, every bit of potato, every piece of meat, and every kernel of corn, must be replaced by another bit from the earth—somewhere. We must realize that not only does every area have a limited carrying capacity—but also that this carrying capacity is shrinking and the demand growing. Until this understanding becomes an intrinsic part of our thinking and wields a powerful influence on our formation of national and international policies we are scarcely likely to see in what direction our destiny lies. ** William Vogt, ''Road to Survival'' (1948), Chapter 4: "Industrial Man: the Great Illusion." === W === *[There's] too many people making too much muck and too much noise with too little space to do it in. ** [[Keith Waterhouse]], "End of the Rainbow", <em>Daily Mirror</em> (August 17, 1970), republished in <em>Mondays, Thursdays</em> (1976) * Today, escalating human populations have vastly exceeded global carrying capacity and now produce massive quantities of solid, liquid, and gaseous waste. Biological diversity is being threatened by over-exploitation, toxic pollution, agricultural mono-culture, invasive species, competition, habitat destruction, urban sprawl, oceanic acidification, ozone depletion, global warming, and climate change. It’s a runaway train of ecological calamities. ** [[Paul Watson]], ''[https://web.archive.org/web/20070509003646/https://seashepherd.org/editorials/editorial_070504_1.html The Beginning of the End for Life as We Know it on Planet Earth? There is a Biocentric Solution.]'' Commentary by Paul Watson, Founder and President of {{W|Sea Shepherd Conservation Society}} *''Homo sapiens''’ appetite is gargantuan. As we strive to get at dwindling resources for ever more people, we dig deeper into the Earth, blow the tops of mountains, divert rivers, cut down forests and pave over swaths of land. We fill the land, water, and air with our pollution. We’re driving record numbers of species to extinction and decimating others with activities from chemical poisoning to hunting for bushmeat, or simply by taking over their habitat.<br>Greenhouse gases from our industry are changing the Earth’s climate, with such dangerous consequences as ocean acidification, rising sea levels and flooding, changes in rainfall patterns including in vital “breadbaskets,” and loss of forest cover.<br>While the word “sustainable” has become popular, growing human numbers and activities are anything but. Increasing awareness of our impact has led to developments in renewable energy, recycling, earth-friendly farming and more. There have also been spectacular advances in family planning. But powerful—notably religious—opposition has kept governments and international bodies from actively promoting small families and prevented hundreds of millions of women who would plan their families from having access to modern methods.<br>Those who deny that overpopulation is a problem say the poor don’t consume much. Yet the poor want nothing more than to consume more, as proved by India and China. Who can blame them? And a burgeoning number of desperately poor people does have a major impact: they cut down forests to [[agriculture|grow food]], drain rivers, deplete aquifers, and overfish and over-hunt in their local area. But make these points and you’ll be accused of blaming the poor for the problems of the rich.<br>We seem bound to learn the hard way that there really is a limit to how many people the Earth can support.<br>We wish it weren’t so, but it really is starting to look as if Malthus was right. ** Madeline Weld, "[https://montrealgazette.com/opinion/columnists/opinion-sadly-malthus-was-right-now-what Sadly, Malthus was right. Now what?]" in the ''{{W|The Gazette (Montreal)|Montreal Gazette}}'' (February 14, 2016) * ...the gains of low infant and maternal mortality and rises in population longevity—brought about in great part by harnessing fossil fuels, the agricultural revolution, modernization, and disease and injury reduction efforts—in many instances impedes rather than facilitates moving toward sustainable living. It can be argued from the ecological perspective that most public health efforts, as humanitarian as they are by intention and immediate effect, through accelerating population pressures on the environment are paradoxically hastening the destruction of the earth's habitat on which the next generation of humanity depends. It raises the concern that our perceived gains may be only illusory and temporary, with huge but unmeasured and unlinked environmental costs that will eventually lead to shorter lives of misery for our descendants. ** Harold B. Weiss, [https://www.ncbi.nlm.nih.gov/pmc/articles/PMC2602943/ "Overshoot"] in ''Public Health Reports'' (January-February 2009). * In the past, when one civilization collapsed, others evolved to replace it. Today the world-wide agroindustrial complex is making unprecedented demands on the whole earth’s biological ecostructure. After a brief half-century in which factory farming enlarged the meagre diet of the poor (though not for all, nor always to their benefit), the multinational food industry has become a primary impetus towards overpopulation, obesity, pollution, and global warming. Policies and practices whose effects were once circumscribed are now a threat to human survival. ** John Whiting, "[https://www.whitings-writings.com/eating_the_earth.htm Eating the Earth]." Oxford Symposium on Food and Cookery (September 9, 2007) * Agriculture, by overcoming the limitations inherent in the closed system of hunting/gathering, made possible the open-ended expansion of both the population and the means of feeding it. Once it had been adopted, there was no turning back. The more that a civilization farmed, the more it needed extra hands, and so large families were deliberately procreated, which in turn produced still more mouths to feed. Colin Tudge calls it a vicious spiral, Ronald Wright a progress trap. ** Ibid. * Nature’s modus operandi is to kill off the weakest, leaving only the strongest and most biologically versatile to reproduce. But for ''homo sapiens'', nature is not a force to be accommodated, but an opponent to be grappled with, and so ‘farming for money’ was joined by ‘medicine for money’. On top of the lucrative agroindustry which accellerates the population explosion, we have set up an equally profitable ‘health’ industry whose job it is to keep alive those whose bodies rebel at what they are so unhealthily force-fed.<br>The result is an expanding segment of the population who, along with accellerating obesity, suffer from various diseases of malnutrition, together with allergies and intolerances to a growing list of foodstuffs that are increasingly difficult to avoid. In the end, humanity may consist of a remnant of survivors who spend their brief unhappy lives closeted against the encroaching poisons which their ancestors had so profitably created. Instant death by peanut may prove to have been a warning blip on the radar screen. ** Ibid. * Today the threat lies in the sheer scale of our greed and our technological ineptitude. We’re driving entire countries over cliffs. We are destroying the delicate ecological balance which a [sic] brief interlude of stable climate has allowed us. We make pious noises about the disappearing terrestrial species while largely ignoring the invisible havoc we’re bringing about in the earth’s oceans, the source and sustenance of life on the land. ** John Whiting, June 2015 appendix to "Eating the Earth" * The raging monster upon the land is population growth. In its presence, sustainability is but a fragile theoretical construct. To say, as many do, that the difficulties of nations are not due to people but to poor ideology or land-use management is sophistic. If Bangladesh had 10 million inhabitants instead of 115 million [as of this writing], its impoverished people could live on prosperous farms away from the dangerous floodplains midst a natural and stable upland environment. It is also sophistic to point to the Netherlands and Japan, as many commentators incredibly still do, as models of densely populated but prosperous societies. Both are highly specialized industrial nations dependent on massive imports of natural resources from the rest of the world. If all nations held the same number of people per square kilometer, they would converge in quality of life to Bangladesh rather than to the Netherlands and Japan, and their irreplaceable natural resources would soon join the seven wonders of the world as scattered vestiges of an ancient [sic] history. ** [[E. O. Wilson]], ''The Diversity of Life'' (1992) * The pattern of human population growth in the 20th century was more bacterial than primate. When ''Homo sapiens'' passed the six billion mark we had already exceeded by perhaps as much as 100 times the [[w:Biomass (ecology)|biomass]] of any large animal species that had ever existed on the land. We and the rest of life cannot afford another one hundred years like that. ** [[E. O. Wilson]], quoted in ''Life on the Brink: Environmentalists Confront Overpopulation''. University of Georgia Press (2012), p. 83 * If we fail to limit our numbers and our impact, if we do not replace our goldrush economics with a rational sharing of what the earth can yield, this new century will not grow very old before we enter an age of chaos and collapse that will dwarf all dark ages in our past. **{{W|Ronald Wright}}, "Civilization is a pyramid scheme", ''The Globe and Mail'' (August 5, 2000). * So among the things we need to know about ourselves is that the Upper Palaeolithic period, which may well have begun in genocide, ended with an all-you-can-kill wildlife barbecue. The perfection of hunting spelled the end of hunting as a way of life. Easy meat meant more babies. More babies meant more hunters. More hunters, sooner or later, meant less game. Most of the great human migrations across the world at this time must have been driven by want, as we bankrupted the land with our moveable feasts. ** Ronald Wright, ''A Short History of Progress'' (2004), Chapter II: "The Great Experiment." === Z === * What determines population growth? What has been the cause of the unprecedented growth in world population in our recent history? Many socio-economic reasons are given as explanations: medical advances, improvements in public health, sanitation and hygiene, increased food availability and agricultural productivity, extension of cultivation, and development of trade and transportation. Surprisingly, high quality energy sources are rarely mentioned or quickly discounted. Yet an argument can be made that each of the above factors contributing to population growth is aided and influenced by high quality energy supplies. Cheap and abundant fossil fuels have been a necessary precondition for the past century’s population growth. And while not all countries benefit directly from the consumption of high quality energy supplies, most countries benefit from the impact of high energy societies on low energy societies. What if energy consumption, or more precisely, energy resource availability, somehow determines population growth? Perhaps energy resources determine the Earth’s ''carrying capacity,'' or how many people the Earth can support? Perhaps different energy resources have different effects on population growth? If we hypothesize that the Earth’s population is ultimately determined by availability of energy resources, and if some of those energy resources are at or near their peak rates of production, then that may affect rates of population growth. If the correlation is strong enough, the number of people the Earth can support may also be at or near its peak. Therefore the number of people in 2050 may be very different from widespread United Nations (UN) forecasts. Growing populations consume more energy. Availability of energy allows populations to grow. Energy consumption exerts demands on energy resources making them scarcer. They become harder to extract. Nearby forests are depleted, coal mines must dig deeper, oil has to be drilled in more complex environments. In other words, energy resource extraction experiences declining marginal returns. This has led to the exploitation of new energy sources, which in turn expands the Earth’s ''carrying capacity''. Then populations grow once more. **Graham Zabel, "[https://www.resilience.org/stories/2009-04-20/peak-people-interrelationship-between-population-growth-and-energy-resources/#_Toc227469800 Peak People: The Interrelationship between Population Growth and Energy Resources]" in ''Energy Bulletin'' (April 20, 2009) * Mature populations tend to reach equilibrium – the carrying capacity – and then fluctuate around this equilibrium. If a population outgrows its carrying capacity, regulating factors come into play, such as famine, or emigration. If a population is below its carrying capacity, birth rates tend to increase, so the population grows. The common assumption is that carrying capacity is determined by the availability of food, water and land. While availability of food and water are important factors in determining the carrying capacity of populations, they cannot explain the unprecedented increases in population that have occurred in the last several hundred years. The availability of land has always been a factor in increasing carrying capacity. In the historic past, the Earth’s carrying capacity could be increased by expanding into sparsely occupied, or frontier, lands. In a fictitious future, carrying capacity could be increased by expanding outward to other planets or solar systems. At present, there is very little unoccupied, habitable land remaining on this Earth and no nearby habitable planets to release the pressure of population growth, so any increase in carrying capacity must be a result of other factors. **Ibid. * At present the world’s population is growing rapidly. The planet could not support the six billion plus people that exist today without first the commercialisation of coal, then of oil and, more recently, gas. These energy sources have been necessary for the unprecedented population growth that has occurred over the last three hundred years. It is reasonable to assume that unless current energy resource production is increased and new resources are exploited, the population will no longer grow. And if energy resources decline (e.g. a peak in production is reached), then we may see a decline in population. ** Ibid. * Roughly 10,000 years ago, increasing population pressure on wild food resources led to a shift from food gathering (hunter-gatherers) to food production (agriculturists) in several parts of the world. This led to demand-induced technologies and demand-induced searches for higher quality energy sources, such as water power for flow irrigation, animal draft power, iron tools, and fire for land clearing and for improvement of hunting and pastoralism. Population pressures in many parts of Europe in the seventeenth and eighteenth centuries led to serious shortages of wood which in turn led to many of the technological innovations that fuelled the [[Industrial Revolution]]. Coal’s replacement of wood as the most important source of energy in Western Europe is a classic example of demand-induced innovation…promoted by population pressures on forested land in Western and Central Europe. From the end of [[World War II]], coal’s premier importance as an energy source declined sharply and was replaced by crude oil. Far offshore drilling of oil began in 1947 off the coast of Louisiana. One year later, the world’s largest oil field, al-Ghawar in Saudi Arabia, was drilled. Large new discoveries of oil and gas in Africa and Asia combined with the development of oil super tankers and pipeline networks reduced the price of oil and gas at a time when the costs of producing coal were continuing to rise. Diesel locomotives represented a major substitution of oil for coal. The post World War II era also saw large increases in automobile ownership, the beginnings of highway and motorway road transportation networks and the first passenger jet aircraft –all benefiting from and encouraging consumption of cheap oil supplies. These increases in the consumption of crude oil have coincided with the highest population growth in history. After the depressed population growth during World War II, growth rose quickly to a peak of 2.2% in 1964, the highest rate the world has ever known. (''Per capita'' oil consumption peaked shortly thereafter, in the 1970s). Although population continues to rise, population growth has been declining since then. If there is a relationship between energy consumption and population growth, the different types of energy consumed may have different effects. If biomass is the only energy source, populations will not grow very fast. In such organically based economies, the problem of expanding raw material supply, and especially the related problems associated with the very modest energy supply maxima…must curb growth with increasing severity as expansion takes place. The emergence of coal as an energy source eliminated the carrying capacity limits to population growth that any traditional and biomass energy based culture would eventually face. Similarly, the predominance of oil after the middle part of the twentieth century raised the carrying capacity even further. ** Ibid. * According to the IEA [International Energy Agency], 1.6 billion people live without electricity. Much of Africa and Asia still rely on biomass as their primary source of energy, yet have very high population growth rates. '''How can there be a correlation between energy and population in these instances? While many developing world countries remain low energy societies, they, and their population growth rates, are impacted by high energy societies. Their primary energy sources may still be traditional biomass, but their population growth is due in large part to abundant oil and gas supplies.''' Vaccines and antibiotics that reduce third world mortality are discovered, produced and distributed with first world energy, and oil contributes at every step. Fertilisers, pesticides and herbicides that aided the Green Revolution in much of the developing world could not have been produced without large oil and gas inputs. The aeroplanes, boats and trains that deliver and distribute food all run on oil. '''While the commercialisation of higher quality energy sources may be very unevenly distributed, the societies that adopt new energy sources, high energy societies, have a profound impact on those societies that remain low energy societies, and these impacted populations then become part of Coal, Oil or Natural Gas Populations.''' ** Ibid. *Just 11,000 years ago, there were only roughly 5 million humans who lived on the planet Earth. The initial population growth was slow, due largely to the way humans were living—by hunting. Such lifestyle limited the size of family for practical reasons. A woman on the move cannot carry more than one infant along with her household baggage. When simple birth control means-often abstention from sex failed, a woman may elect abortion or, more commonly, infanticide to limit the family size. Further, a high mortality among the very young, the old, the ill and the disabled acted as a natural resistance to a rapid population growth. Thus it took over one million years for human population to reach the one billion mark. But the second billion was added in about 100 years, the third billion in 50 years, the fourth in 15 years, and the fifth in 12 years. Ever since humans became sedentary, some limits over the family size were lifted. With the development of agriculture, children may have become more of an asset to their families in helping with farming and other chores. By the beginning of the Christian era, human population grew to about 130 million, distributed all over the Earth. By 1650, the world population had reached 500 million. The process of industrialization had begun, bringing about profound changes over the lives of humans and their interactions with the natural world. With improved living standard, lowered death rate and prolonged life expectancy, human population grew exponentially. By 1999 there were about 6 billion people, comparing with 2.5 billion in 1950. The world population is well on its way to 7 billion with an annual growth rate of over 90 million. **Ming Zheng, “[https://www.gordon.edu/download/pages/Salem%20010731-Human%20Population%20Growth.pdf Human Population Growth]”. {{W|Gordon College (Massachusetts)|Gordon College}} (July 31, 2001) == See also == * [[Biodiversity]] * [[Climate change]] * [[Exponential growth]] * [[Fossil fuel]] * [[Global warming]] * [[Population decline]] * [[Sustainable development]] * [[Sustainability]] ==Further reading== *Smil, Vaclav. "[https://ia800709.us.archive.org/16/items/detonator-of-the-population-explosion/Detonator%20of%20the%20population%20explosion.pdf Detonator of the population explosion]." Nature 400.6743 (1999): 415-415. *Feeney, John. "[https://ia801807.us.archive.org/18/items/agriculture-ending-the-world-as-we-know-it/Agriculture_Ending_the_world_as_we_know_it.pdf AGRICULTURE: Ending the World as We Know It]." Zephyr, August—September (2010). ==External links== {{উইকিপিডিয়া|Human overpopulation}} {{উইকিঅভিধান|overpopulation}} *[https://population.org.au/about-population/global-population Quotes on Human Over-Population and Related Subjects], ''Sustainable Population Australia'' *{{ওয়েব উদ্ধৃতি|url=https://www.populationmedia.org/2014/02/11/morgan-freeman-speaks-out-on-population/|title=Morgan Freeman on the 'tyranny of agriculture' and the doomed human race|date=11 February 2014|publisher=Ecorazzi}} *[https://www.theguardian.com/global-development-professionals-network/gallery/2015/apr/01/over-population-over-consumption-in-pictures Overpopulation, overconsumption – in pictures]. ''{{W|The Guardian}}'' April 1, 2015. *{{ওয়েব উদ্ধৃতি|url=http://www.panearth.org/WVPI/Papers/FoodPopulationSummary.pdf|title=A Summary of Human Population Dynamics|work=Russell Hopfenberg|publisher=Pan Earth}} [[বিষয়শ্রেণী:জীববিজ্ঞান]] [[বিষয়শ্রেণী:সমাজতত্ত্ব]] [[Category:Sustainability]] 6fuvo5xzu76twrfsqeelqgke891o18e 80001 80000 2026-04-23T11:24:30Z ARI 356 /* H */ ; অনুবাদ 80001 wikitext text/x-wiki [[File:Annual-World-Population-since-10-thousand-BCE-1-768x724.png|thumb|বিশ্বের জনসংখ্যা এবং সেই সাথে খ্রিস্টপূর্ব ১০,০০০ থেকে ২০৫৮ সাল পর্যন্ত জনসংখ্যার একটি সম্ভাব্য প্রক্ষেপণ বা আগাম অনুমান]] [[File:World Population and Projections by Medium Fertility and Continent or Country 1950 - 2100.png|thumb|মাঝারি প্রজনন হারের ওপর ভিত্তি করে ১৯৫০ থেকে ২১০০ সাল পর্যন্ত বিশ্বের মোট জনসংখ্যা এবং বিভিন্ন মহাদেশ ও দেশভিত্তিক জনসংখ্যার একটি প্রক্ষেপণ]] [[File:Distribution-of-earths-mammals.png|thumb|পৃথিবীর বুকে বর্তমানে বিদ্যমান সমস্ত স্তন্যপায়ী প্রাণীর মোট ওজনের ৯৬ শতাংশই দখল করে আছে মানুষ এবং তাদের লালন-পালন করা গবাদি পশু; যেখানে বন্য স্তন্যপায়ী প্রাণীর পরিমাণ হলো মাত্র ৪ শতাংশ।]] [[File:Time for the world population to increase by one billion 1805 – 2086.png|thumb|১৮০৫ সাল থেকে ২০৮৬ সাল পর্যন্ত বিশ্বের মোট জনসংখ্যা প্রতি ১০০ কোটি বা এক বিলিয়ন করে বৃদ্ধি পেতে ঠিক কতটা সময়ের প্রয়োজন হয়েছে তার একটি তুলনামূলক চিত্র]] '''অতিপ্রজতা''' হলো এমন একটি বিশেষ প্রাকৃতিক পরিস্থিতি বা অবস্থা যেখানে কোনো একটি নির্দিষ্ট ভৌগোলিক অঞ্চলে বসবাসকারী কোনো বিশেষ প্রজাতির জীবের মোট সংখ্যা সেই নির্দিষ্ট পরিবেশ বা বাসস্থানের স্বাভাবিক ধারণক্ষমতাকে পুরোপুরিভাবে ছাড়িয়ে যায়। == উক্তি == * আমরা এই পৃথিবীতে মানবজাতির ৮০০ কোটিতম সদস্যকে মাত্র স্বাগত জানালাম। নিঃসন্দেহে একটি শিশুর জন্ম খুবই আনন্দের এবং চমৎকার একটি বিষয়। '''কিন্তু আমাদের এটা বুঝতে হবে যে, মানুষের সংখ্যা যত বৃদ্ধি পাবে, আমরা এই পৃথিবীর ওপর তত বেশি প্রচণ্ড চাপ তৈরি করব।''' জীববৈচিত্র্যের কথা চিন্তা করলে দেখা যায় যে, আমরা প্রকৃতির সাথে এক প্রকার যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছি। আমাদের এখন প্রকৃতির সাথে শান্তি স্থাপন করা প্রয়োজন। কারণ এই প্রকৃতিই পৃথিবীর সমস্ত কিছুকে টিকিয়ে রাখে... বিজ্ঞান এই বিষয়ে একদম সুষ্পষ্ট। ** ইঙ্গার অ্যান্ডারসেন, জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচির নির্বাহী পরিচালক, [https://www.theguardian.com/environment/2022/dec/06/cop-15-un-chief-biodiversity-apocalypse 'উই আর অ্যাট ওয়ার উইথ নেচার': ইউএন এনভায়রনমেন্ট চিফ ওয়ার্নস অফ বায়োডাইভারসিটি অ্যাপোক্যালিপস]। ''দ্য গার্ডিয়ান'', ৬ ডিসেম্বর ২০২২। * '''শিশুরা হলো মানবজাতির শত্রু'''... বিষয়টা এভাবে ভেবে দেখা যাক: বিশ্বের জনসংখ্যা যখন দ্বিগুণ হবে, তখন আমাদের শক্তির ব্যবহারের পরিমাণ সাত গুণ বৃদ্ধি পাবে। এর অর্থ হলো আমরা সম্ভবত যে পরিমাণ দূষণ তৈরি করছি তার মাত্রাও সাত গুণ বেড়ে যাবে। আমরা যদি বর্তমান হারের দূষণ নিয়েই হুমকির মুখে থাকি, তবে দ্বিগুণ জনসংখ্যার মাঝে ছড়িয়ে পড়া এই সাত গুণ বেশি দূষণের ফলে আমাদের অবস্থা কেমন হবে? আমাদের তখন সাত গুণ বেশি হারে বিষাক্ত হয়ে পড়া মাটি থেকে দ্বিগুণ পরিমাণ খাদ্য উৎপাদন করতে হবে। ** [[আইজাক আসিমভ]] (১৯৬৯) বোস্টন ম্যাগাজিনের সাথে একটি সাক্ষাৎকারে। আংশিকভাবে এলেন প্যাক (১৯৭৬)-এর ''দ্য বেবি ট্র্যাপ'', পৃষ্ঠা ১৭। * এটি সবকিছু ধ্বংস করে দেবে। আমি এই বিষয়টি বোঝাতে বাথরুমের একটি রূপক ব্যবহার করি। যদি একটি অ্যাপার্টমেন্টে দুইজন মানুষ থাকে এবং সেখানে দুইটি বাথরুম থাকে, তবে তাদের দুইজনেরই বাথরুম ব্যবহারের পূর্ণ স্বাধীনতা থাকে। তারা যখন খুশি সেখানে যেতে পারে এবং নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী যতক্ষণ খুশি থাকতে পারে। আমার মতে এটাই হলো আদর্শ অবস্থা। আর প্রত্যেকেই বাথরুম ব্যবহারের এই স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে। এমনকি এটি সংবিধানেও থাকা উচিত। কিন্তু যদি একই অ্যাপার্টমেন্টে ২০ জন মানুষ থাকে এবং বাথরুম থাকে মাত্র দুইটি, তবে সেই বাথরুম ব্যবহারের স্বাধীনতার ওপর বিশ্বাস থাকলেও বাস্তবে তার কোনো অস্তিত্ব থাকবে না। আপনাকে তখন প্রত্যেকের জন্য আলাদা আলাদা সময় ঠিক করে দিতে হবে, আপনাকে দরজায় কড়া নেড়ে বলতে হবে, তোমার কি এখনো শেষ হয়নি? ঠিক একইভাবে, '''অতিরিক্ত জনসংখ্যার চাপে গণতন্ত্র টিকে থাকতে পারে না। মানুষের মর্যাদাও এর চাপে টিকে থাকতে পারে না। সুযোগ-সুবিধা এবং শালীনতাও এর ফলে হারিয়ে যায়।''' আপনি যখন পৃথিবীতে মানুষের সংখ্যা বাড়াতে থাকবেন, তখন জীবনের মূল্য শুধু কমবেই না বরং তা পুরোপুরি অদৃশ্য হয়ে যাবে। তখন কেউ মারা গেল কি না তাতে কিছু যায় আসবে না। ** [[আইজাক আসিমভ]] (১৯৮৮) বিল ময়ার্স-এর সাথে ''বিল ময়ার্স ওয়ার্ল্ড অফ আইডিয়াস'' দেওয়া সাক্ষাৎকারে (১৭ অক্টোবর ১৯৮৮); [http://www.pbs.org/moyers/faithandreason/print/pdfs/woi%20asimov1.pdf প্রতিলিপি] (পৃষ্ঠা ৬) - [http://www.pbs.org/moyers/faithandreason/media_players/asimovwoi_audio.html অডিও (২০:১২)] ** বিল ময়ার্সের এই প্রশ্নের উত্তরে করা মন্তব্য: যদি জনসংখ্যার এই বৃদ্ধি বর্তমান হারেই চলতে থাকে তবে মানবজাতির [[মর্যাদা]]র ধারণার কী ঘটবে বলে আপনি মনে করেন? * আমরা এই পৃথিবীর জন্য একটি অভিশাপ বা মহামারীর মতো। আগামী ৫০ বছরের মধ্যে এর ভয়াবহ ফল আমাদের ভোগ করতে হবে। এটি কেবল জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয় নয়; এটি মূলত জায়গার অভাব এবং এই বিশাল জনগোষ্ঠীর জন্য খাদ্য উৎপাদনের জায়গার সমস্যা। হয় আমাদের নিজেদেরই এই জনসংখ্যা বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করতে হবে, নয়তো প্রকৃতিই আমাদের হয়ে এই কাজটি করে দেবে। আর প্রকৃতি এখনই আমাদের ওপর সেই ব্যবস্থা নেওয়া শুরু করে দিয়েছে। ** ডেভিড অ্যাটেনবারা, "[https://www.telegraph.co.uk/news/earth/earthnews/9815862/হিউম্যানস আর প্লেগ অন আর্থ]". ''দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফ'', ২২ জানুয়ারি ২০১৩। * আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের সাফল্য বর্তমানে এতটাই ঈর্ষণীয় যে এর মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ মানুষকে বাঁচিয়ে রাখা সম্ভব হচ্ছে, যদিও তাদের সবসময় পুরোপুরি সুস্থ করা সম্ভব হয় না। আগেকার দিনে বিজ্ঞানের এই অগ্রগতির অভাবের কারণে এই মানুষগুলো সাধারণত মৃত্যুবরণ করত। শারীরিক রোগ নিরাময়ের এই দক্ষতা এবং জ্ঞানের মাঝেই আজকের দিনের একটি প্রধান বৈশ্বিক সমস্যা লুকিয়ে আছে আর তা হলো এই গ্রহের অতিপ্রজতা বা মাত্রাতিরিক্ত জনসংখ্যা। এর ফলে মানবজাতি আজ অনেকটা পালের পশুর মতো জীবনযাপন করতে বাধ্য হচ্ছে এবং এর ফলশ্রুতিতে তৈরি হচ্ছে অর্থনৈতিক সংকট। এই সাফল্যের ফলে সৃষ্ট নানা আনুষঙ্গিক সমস্যার মধ্যে এটি মাত্র একটি। জীবনের এই "অস্বাভাবিক" সুরক্ষা অনেক কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে এবং এটি যুদ্ধের একটি বড় উৎস হিসেবে কাজ করছে, যা এই গ্রহের মূল চেতনাশক্তির কর্মফলের উদ্দেশ্যের পরিপন্থী।<BR>এই বিশাল সমস্যাটি নিয়ে আমি এখানে বিস্তারিত আলোচনা করতে পারছি না। আমি কেবল এটিকে নির্দেশ করতে পারি। এই সমস্যার সমাধান তখনই হবে যখন মানুষের মন থেকে [[মৃত্যু]]র ভয় দূর হবে এবং যখন মানবজাতি সময়ের গুরুত্ব এবং প্রাকৃতিক চক্রের অর্থ বুঝতে শিখবে। **অ্যালিস বেইলি, ''এ ট্রিটিজ অন দ্য সেভেন রেজ: ভলিউম ৪: এসোটেরিক হিলিং'', পৃষ্ঠা ২৭৮ (১৯৫৩)। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৮৫৩৩০-১২১-৯। * '''আমরা যখন কোনো বাধা ছাড়াই ৭০০ কোটি থেকে ৮০০ কোটি মানুষের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি, তখন আমাদের প্রতিটি প্রজন্ম আগের প্রজন্মের চেয়েও বেশি শক্তিশালী, দূষণকারী এবং ধ্বংসাত্মক হয়ে উঠছে। আমি ভাবছি যে, জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ঋণাত্মক হওয়ার স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার জন্য ১০০ বছর কি খুব বেশি সময় হয়ে যাবে না? নাকি এই এক শতাব্দী সময়ের মধ্যে আমরা জীববৈচিত্র্যের এমন অপূরণীয় এবং স্থায়ী ক্ষতি করে ফেলব যা আমাদের অস্তিত্বের জন্যই শেষ পর্যন্ত চরম হুমকি হয়ে দাঁড়াবে।''' মৌমাছি এবং হামিংবার্ডের কথা একটু চিন্তা করুন। সারা বিশ্বজুড়ে পতঙ্গের সংখ্যা যেভাবে হঠাৎ করে কমে যাচ্ছে তার কথা ভাবুন এবং এটি খাদ্য শৃঙ্খলের ওপরের বা নিচের স্তরে থাকা প্রাণীদের ওপর কতটা দ্রুত প্রভাব ফেলতে পারে তা কল্পনা করুন। এখন, মিস্টার বায়োটেক বিলিয়নেয়ার, আপনি কি সত্যিই এই বিশ্বকে এমন সব মানুষ দিয়ে ভরিয়ে দিতে চান যারা ২০০ বা ৩০০ বছর পর্যন্ত বেঁচে থাকবে? ** অ্যালবার্ট বেটস, "[https://medium.com/the-shadow/the-great-pause-week-61-swallow-the-doctor-8cbf077f6e13 সোয়ালো দ্য ডক্টর]"। ''মিডিয়াম'' (১৬ মে ২০২১) * যদিও এই গ্রহের অচেতন ক্রিয়া এবং অন্ধ শক্তিগুলো পৃথিবীর বিবর্তনের ৪৫০ কোটি বছরের ইতিহাসে অনেক বিশৃঙ্খল পরিবর্তন ঘটিয়েছে, এখন সেই পরিবর্তনের দিক নির্ধারিত হচ্ছে একটি সচেতন এবং ইচ্ছাশক্তিসম্পন্ন সত্তা দ্বারা, যার নাম "মানবজাতি"। তবে অবশ্যই আমাদের পুরো মানবজাতিকে সমানভাবে দোষারোপ করা উচিত হবে না, কারণ এই সমস্যার মূলে রয়েছে শিল্পোন্নত পুঁজিবাদী পাশ্চাত্য বিশ্ব। অথচ জলবায়ু সংকটে যাদের অবদান সবচেয়ে কম, সেই দরিদ্র দেশগুলোই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। '''কিন্তু চীন, ভারত এবং ব্রাজিলের মতো দেশগুলো বর্তমানে এই সংকটে বড় ভূমিকা রাখছে এবং এই গ্রহের ৭৫০ কোটি মানুষের সম্মিলিত প্রভাবে সর্বত্রই প্রাণিকুলের বিলুপ্তি এবং ধ্বংসের প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হচ্ছে।''' হলোসিন যুগের সেই স্থিতিশীলতা এখন আর নেই, পরিবর্তনগুলো আমাদের বোঝার ক্ষমতা এবং নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে এবং এক ভয়াবহ বিশৃঙ্খলা আমাদের দরজায় কড়া নাড়ছে। ** স্টিভেন বেস্ট, [https://drstevebest.wordpress.com/2019/12/03/total-liberation-in-the-age-of-the-anthropocene-and-climate-emergency/  টোটাল লিবারেশন ইন দ্য এজ অফ দ্য অ্যানথ্রোপোসিন অ্যান্ড ক্লাইমেট ইমার্জেন্সি] (৩ ডিসেম্বর ২০১৯) * মানুষের জ্যামিতিক হারে বৃদ্ধির এই গতি অভূতপূর্ব এবং পৃথিবীর ইতিহাসে আগে কখনও কোনো একটি একক প্রজাতি এত বিশাল আকারে বৃদ্ধি পায়নি, যা জীবন্ত প্রাণব্যবস্থার ভারসাম্যকে পুরোপুরি নষ্ট করে দিচ্ছে। এই সমস্যাটি দিন দিন কেবল আরও খারাপের দিকেই যাচ্ছে। সাধারণ হিসাব অনুযায়ী, ২০৫০ সালের মধ্যে মানুষের জনসংখ্যা ৮০০ থেকে ১০০০ কোটিতে পৌঁছাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে এবং ২১০০ সালের মধ্যে এটি হয়তো আরও অনেক বেশি বৃদ্ধি পাবে। মানুষের এই জনসংখ্যা বৃদ্ধি একটি চরম পর্যায়ের সংকটকে নির্দেশ করে। তবে অবশ্যই এটি আমাদের সামনে থাকা অসংখ্য সংকটের মাত্র একটি দিক যার সাথে প্রজাতির বিলুপ্তি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের মতো সমস্যাগুলো যুক্ত হয়ে এক ভয়াবহ মহাবিপর্যয় তৈরি করছে। এই চ্যালেঞ্জগুলোই বর্তমানে অ্যানথ্রোপোসিন যুগে মানবজাতির সামনে এক কঠিন পরীক্ষা হিসেবে দাঁড়িয়েছে। ** স্টিভেন বেস্ট, "[https://www.all-creatures.org/lifestyle/img/failed-species.pdf ফেইলড স্পিসিস: দ্য রাইজ অ্যান্ড ফল অফ দ্য হিউম্যান এম্পায়ার]"। ''রোমানিয়ান জার্নাল অফ আর্টিস্টিক ক্রিয়েটিভিটি''। ৯ (২)। (২০২১)। * বর্তমানে আমাদের আধুনিক শিল্প সভ্যতার চাকা প্রায় পুরোপুরিভাবে বিপুল পরিমাণ জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহারের ওপর নির্ভরশীল। এটি বোঝা খুব গুরুত্বপূর্ণ যে, জীবাশ্ম জ্বালানি বা বিশেষ করে খনিজ তেল কেবল ব্যক্তিগত গাড়ি বা ট্রাক তৈরির জন্য বা চালানোর জন্য ব্যবহৃত হয় না। এগুলো ট্রাক্টর, লাঙল, সেচের পাইপ এবং পাম্প তৈরির কাজেও ব্যবহৃত হয় এবং পরে এগুলো চালাতে জ্বালানি হিসেবে কাজ করে। এই জ্বালানিগুলো অনেক গুরুত্বপূর্ণ সার এবং কীটনাশকের রাসায়নিক ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। এছাড়া কৃষিকাজে ব্যবহৃত প্লাস্টিক তৈরির উপাদানও এখান থেকেই আসে। পচনশীল দ্রব্য সংরক্ষণের জন্য যে হিমায়িত ব্যবস্থার প্রয়োজন হয়, তাও এর ওপর নির্ভরশীল। সংক্ষেপে বলতে গেলে, প্রচুর পরিমাণে জীবাশ্ম জ্বালানি ছাড়া আধুনিক শিল্প-কৃষি ব্যবস্থা অচল হয়ে পড়বে। জীবাশ্ম জ্বালানি-ভিত্তিক এই আধুনিক কৃষি ব্যবস্থা না থাকলে বিশ্বে খাদ্য উৎপাদন এতটাই কমে যাবে যা আমাদের বর্তমান জনসংখ্যাকে টিকিয়ে রাখার জন্য মোটেও পর্যাপ্ত হবে না। প্রতি বছর যে নতুন করে আরও ৮ কোটির বেশি মানুষ যুক্ত হচ্ছে, তাদের কথা তো বাদই দিলাম। মুদ্রার উল্টো পিঠ হলো এই যে, '''মানুষ যখন জীবাশ্ম জ্বালানির মধ্যে থাকা এই অসাধারণ শক্তিকে নিজেদের প্রয়োজনে ব্যবহার করে, তখন আমরা "মাত্রাতিরিক্ত শক্তিশালী" হয়ে উঠি—আর এভাবেই আমরা পৃথিবীর জীবমন্ডলকে পিষ্ট করে ফেলছি।''' জীবাশ্ম জ্বালানির শক্তি ছাড়া আমরা প্রতি মিনিটে কয়েকটি ফুটবল মাঠের সমান রেইনফরেস্ট ধ্বংস করতে পারতাম না, গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে পারতাম না, বিশাল আকারে মৎস্য চাষের চেষ্টা করতে পারতাম না বা মাইলের পর মাইল পিচ ঢালা রাস্তা দিয়ে বসতি স্থাপন করতে পারতাম না। সারসংক্ষেপে, জীবাশ্ম জ্বালানি আমাদের জনসংখ্যা এবং তার বৃদ্ধি এবং সেই সাথে আমাদের বিলাসিতা বা অতিরিক্ত ভোগ উভয়কেই টিকিয়ে রেখেছে। ** জোসেফ জে. বিশ, "[https://www.populationmedia.org/the-latest/interrelationships-human-population-fossil-fuels-and-technology ইন্টাররিলেশনশিপস: হিউম্যান পপুলেশন, ফসিল ফুয়েলস, অ্যান্ড টেকনোলজি]।" পপুলেশন মিডিয়া সেন্টার (১৫ অক্টোবর ২০২১) * আমার মতে, বর্তমানে জনসংখ্যা বৃদ্ধি আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে এবং আমাদের সম্পদ দিন দিন কমছে আমরা আমাদের সভ্যতার ইতিহাসে দেখা সবচেয়ে বড় বিপর্যয়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। আমি মনে করি আগামী ৪০ বা ৫০ বছরের মধ্যেই আমরা সেই চরম সংকটে পৌঁছে যাব। যদি আপনার জনসংখ্যার রেখাটি জ্যামিতিক হারে বাড়তে থাকে এবং সম্পদের রেখাটি জ্যামিতিক হারে কমতে থাকে, তবে সবার আগে যা ঘটবে তা হলো সম্পদের বৈষম্য বৃদ্ধি পাওয়া। এর অর্থ হলো আপনি কিছু এলাকায় ধনী মানুষের সুরক্ষিত পাড়া দেখতে পাবেন যেখানে বাইরে নিরাপত্তা রক্ষী থাকবে, আর সেই এলাকার বাইরে কেবল দারিদ্র্য আর অভাব বাড়বে। সম্পদ যত কমতে থাকবে, মানুষ পানি, খাবার এবং চাষযোগ্য জমি নিয়ে নিজেদের মধ্যে লড়াই শুরু করবে। ২০৫০ সালে জোহানেসবার্গের মতো বড় শহরগুলোতে এমন দৃশ্যই দেখা যাবে। এর লক্ষণগুলো এখনই সব জায়গায় ফুটে উঠছে। এটি কেবল অতিরিক্ত জনসংখ্যা এবং সম্পদের অভাবের ফল। আমরা আসলে আমাদের ভবিষ্যৎ ভাগ্যের ওপর কোনো নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেছি। :* নিল ব্লমক্যাম্প: ''[http://www.avclub.com/article/idistrict-9-idirector-neill-blomkamp-31606 ডিস্ট্রিক্ট ৯ ডিরেক্টর নিল ব্লমক্যাম্প],'' তাশা রবিনসন কর্তৃক '' avclub.com''-এ প্রকাশিত, ১২ আগস্ট ২০০৯। * ... ১৭৯৮ সালে রেভারেন্ড থমাস ম্যালথাস যে ভবিষ্যৎবাণী করেছিলেন মানুষ তার সংখ্যা বৃদ্ধির মাধ্যমে নিজেকে এক "দুর্ভোগ এবং অনৈতিকতার" পরিস্থিতির দিকে নিয়ে যাবে তা আজও ততটাই সত্য যতটা সেই সময়ে ছিল। জ্যামিতিক হারে জনসংখ্যা বাড়লেও খাদ্য উৎপাদন গাণিতিক হারে বাড়ে, যার ফলে এই ভারসাম্যহীনতা তৈরি হয়। তিনি একজন দূরদর্শী মানুষ ছিলেন এবং অতিপ্রজতার এই দানবীয় রূপটি পরিষ্কারভাবে দেখতে পেয়েছিলেন। তার ভবিষ্যৎবাণীর একমাত্র ভুল ছিল সময়ের হিসাবে সামান্য এদিক-ওদিক হওয়া। আমরা কৃষিবিদেরা খুব জোর দিয়ে বললে বড়জোর কয়েক দশক সময় পেতে পারি যার মধ্যে আমাদের খাদ্য উৎপাদনের সাথে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হারের একটি সফল ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে। ** নরমান বোরলাগ: [https://repository.cimmyt.org/bitstream/handle/10883/19272/9023.pdf?sequence=1 "হুইট ব্রিডিং অ্যান্ড ইটস ইমপ্যাক্ট অন ওয়ার্ল্ড ফুড সাপ্লাই।"] এতে: ''থার্ড ইন্টারন্যাশনাল হুইট জেনেটিক্স সিম্পোজিয়াম''। সিআইএমএমওয়াইটি, ১৯৬৮। * এটি স্বতস্ফূর্তভাবে প্রমাণিত যে, আমাদের পরিবেশগত সীমার এই যে অতিরিক্ত লঙ্ঘন, তা মূলত মানুষের অত্যধিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির সরাসরি ফলাফল। এই বিশাল জনগোষ্ঠী প্রচুর পরিমাণে প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবহার করছে এবং এই সীমিত গ্রহের ওপর মাত্রাতিরিক্ত বর্জ্য ত্যাগ করছে, যা মূলত সুস্থ পরিবেশ ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল। যারা বিশ্বাস করেন যে আমরা একটি সীমাবদ্ধ সম্পদের বিশ্বে বাস করি এবং আমাদের বর্জ্য শোষণের ক্ষমতাও সীমিত, তাদের কাছে এই বিষয়টি ব্যাখ্যার প্রয়োজন নেই। তবুও এখনও এমন অনেক মানুষ আছেন যারা মনে করেন যে মানুষের অনন্য বুদ্ধিমত্তা এবং প্রযুক্তিগত দক্ষতা আমাদের এই সব চ্যালেঞ্জগুলো থেকে "মুক্ত" করবে। অথচ আমাদের এই সাম্প্রতিক বিস্ফোরক জনসংখ্যা বৃদ্ধি, বিশ্বব্যাপী সম্প্রসারণ এবং শিল্পায়ন আমাদের গ্রহের সীমাগুলো অতিক্রম করে আমাদের সামনে একের পর এক কঠিন চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিচ্ছে। ** স্টিভ বুল, "[https://stevebull-4168.medium.com/todays-contemplation-collapse-cometh-cxci-the-nexus-of-population-energy-innovation-and-936076b4cf23 দ্য নেক্সাস অফ পপুলেশন, এনার্জি, ইনোভেশন, অ্যান্ড কমপ্লেক্সিটি]"। (২৮ নভেম্বর ২০২৪)। * প্রতিটি জীবিত প্রজাতিকেই বেঁচে থাকার জন্য প্রকৃতি থেকে কিছু না কিছু নিতে হয় এবং আমরাও তার ব্যতিক্রম নই। কিন্তু অন্যান্য প্রজাতির মতো আমাদের খাদ্য, আরাম-আয়েশ, বাসস্থান বা প্রজননের আকাঙ্ক্ষার কোনো শেষ নেই—বেঁচে থাকার এই মৌলিক চাহিদাগুলো এখন আমাদের অস্তিত্বের প্রয়োজনের চেয়েও অনেক বেশি মাত্রায় বেড়ে গেছে। আমরা উন্নতি করতে বাধ্য হই এবং মানুষ হিসেবে দুই পায়ে দাঁড়ানোর পর থেকেই আমরা ভূমি থেকে প্রাকৃতিক সম্পদ আহরণ করে আসছি। পুরো বিংশ শতাব্দী জুড়ে আমাদের এই বিশাল ভোগের যন্ত্রটি আরও শক্তিশালী হয়েছে এবং মানুষের এই অতৃপ্ত আকাঙ্ক্ষা আমাদের টিকিয়ে রাখা এই গ্রহের ওপরই আঘাত হেনেছে। খুব অল্প সময়ের মধ্যে মানবজাতি তার জনসংখ্যার বিস্ফোরণ, শিল্প এবং প্রযুক্তির মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী এক বিশাল পরিবর্তনের কারিগর হয়ে উঠেছে। এই সভ্যতা তার অগ্রগতির পথে যা রেখে যাচ্ছে তা হয়তো শেষ পর্যন্ত এক উন্মুক্ত এবং রিক্ত এক পৃথিবী ছাড়া আর কিছুই নয়। কিন্তু এই আগ্রাসনের মাধ্যমে আমরা নিজের অজান্তেই আমাদের বর্তমান জীবনযাত্রার এক বিশাল এবং ধ্বংসাত্মক স্মারক তৈরি করে চলেছি। ** এডওয়ার্ড বার্টিনস্কি, "[https://books.openbookpublishers.com/10.11647/obp.0193/ch13.xhtml ইমেজিং আর্থ]।" ''আর্থ ২০২০'' (২০২০)। * বিশ্বজুড়ে জীববৈচিত্র্য কমে যাওয়ার বিষয়টি সবচেয়ে স্পষ্টভাবে বোঝা যায় যখন আমরা এটি অনুধাবন করি যে, অতিরিক্ত মানুষ অনেক বেশি পরিমাণে প্রাকৃতিক সম্পদ ভোগ করছে ও উৎপাদন করছে এবং এর ফলে অন্যান্য প্রজাতিগুলো তাদের নিজস্ব আবাসন থেকে বিতাড়িত হচ্ছে। বন্য প্রাকৃতিক পরিবেশ এবং সমুদ্রের তলদেশের পরিবেশ আজ মানুষ, আমাদের পোষা ও আমাদের ওপর নির্ভরশীল প্রাণী, আমাদের অর্থনৈতিক সহায়তা ব্যবস্থা এবং আমাদের ফেলে দেওয়া আবর্জনার স্তূপের মাধ্যমে দখল হয়ে যাচ্ছে। ** ফিলিপ কাফারো, পারনিলা হ্যানসন, ফ্রাঙ্ক গোটমার্ক, {{cite journal|doi=10.1016/j.biocon.2022.109646|title=অতিপ্রজতা হলো জীববৈচিত্র্য হ্রাসের একটি প্রধান কারণ এবং যা অবশিষ্ট আছে তা রক্ষা করার জন্য মানুষের সংখ্যা কমিয়ে আনা প্রয়োজন|year=২০২২ |journal={{W|Biological Conservation (journal)|বায়োলজিক্যাল কনজারভেশন}}|volume=২৭২|issue= |pmid=|pmc=|url=https://www.sustainable.soltechdesigns.com/Overpopulation-and-biodiversty-loss(2022).pdf}} * গত একশ বছরে 'হোমো সেপিয়েন্স' বা মানুষের জনসংখ্যা ২০০ কোটি থেকে বেড়ে প্রায় ৮০০ কোটিতে পৌঁছেছে। জাতিসংঘ (২০১৯) অনুমান করছে যে, যদি এই জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কমানোর জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা না হয়, তবে ২১০০ সালের মধ্যে এই সংখ্যা আরও ৩০০ কোটি বৃদ্ধি পাবে। এই সম্ভাব্য বৃদ্ধিকে উপেক্ষা করার অর্থ হলো বর্তমানে চলমান জীববৈচিত্র্য সংকটের একটি প্রধান চালিকাশক্তিকে অস্বীকার করা। মানুষের বর্তমান এই বিশাল সংখ্যাকে একটি স্বাভাবিক পরিস্থিতি হিসেবে মেনে নেওয়ার অর্থ হলো একটি জৈবিকভাবে নিঃস্ব ও রিক্ত গ্রহকে মেনে নেওয়া। ** এলবিআইডি। * আঠারো শতকের অর্থনীতিবিদ থমাস ম্যালথাস একবার ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন যে, যেহেতু আমাদের জনসংখ্যা জ্যামিতিক হারে বৃদ্ধি পায় অথচ আমাদের খাদ্য সরবরাহ বাড়ে গাণিতিক হারে, তাই আমাদের জনসংখ্যা একদিন আমাদের লালন-পালন করার ক্ষমতাকে ছাড়িয়ে যাবে। যদিও প্রক্রিয়াজাত খাদ্য এবং জেনেটিকালি পরিবর্তিত জীবের উদ্ভাবনের ফলে এটি বর্তমানে ভুল প্রমাণিত হয়েছে, তবুও পিটার ফার্বের ধাঁধাটি বর্তমানে সত্য বলে প্রতীয়মান হতে পারে। যেহেতু পৃথিবীর জনসংখ্যা প্রতিনিয়ত বাড়ছে, তাই আমরা আমাদের খাদ্য উৎপাদনও বাড়িয়ে দিচ্ছি। এর ফলে খাদ্যের উদ্বৃত্ত থাকায় মানুষ এখন আগের চেয়ে বেশি পুষ্টি পাচ্ছে। এটি মানুষের গড় আয়ু বাড়িয়ে দিচ্ছে এবং শিশু মৃত্যুর হার কমিয়ে দিচ্ছে। এর ফলে মানুষ আরও বেশি সংখ্যক সন্তান ধারণ করতে সক্ষম হচ্ছে। এই চক্রাকার ধাঁধাটি আমাদের গ্রহের জন্য মোটেও স্বাস্থ্যকর নয়। কারণ আমরা হয়তো আমাদের ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার ক্ষুধা মেটাতে সক্ষম হব, কিন্তু আমাদের অন্যান্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সম্পদ যেমন পানি এবং তেল দিন দিন ফুরিয়ে আসছে। জনসংখ্যাকে একটি স্থিতিশীল পর্যায়ে রাখার জন্য আমাদের ডেনমার্ক এবং জাপানের মতো প্রতিস্থাপন হারে প্রজনন করা উচিত। ** ক্যাথরিন ক্যালডওয়েল, "[https://facetsofsustainability2014.wordpress.com/2014/11/13/farb-malthus-and-ishmael-v-the-population/ ফার্ব, ম্যালথাস এবং ইসমায়েল বনাম জনসংখ্যা]" (১৩ নভেম্বর ২০১৪)। * বর্তমানে মানবজাতি ভবিষ্যতের সম্পদ অতি লোভীর মতো চুরি করার কাজে লিপ্ত হয়েছে। আধুনিক বিশ্বে দেখা দেওয়া দুর্ভিক্ষ অবশ্যই মানুষের বর্তমান অবস্থার একটি গভীর সমস্যার লক্ষণগুলোর মধ্যে একটি হওয়া উচিত—আর তা হলো ডায়াক্রনিক প্রতিযোগিতা। এটি এমন একটি সম্পর্ক যেখানে আমাদের বর্তমানের সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য বা ভালো থাকা নিশ্চিত করা হচ্ছে আমাদের বংশধরদের বা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুযোগ-সুবিধা কেড়ে নেওয়ার বিনিময়ে। আমাদের বিশাল জনসংখ্যা, আমাদের প্রযুক্তিগত উন্নতির স্তর এবং মানুষের ধারণক্ষমতা বৃদ্ধির স্থায়ী পদ্ধতি (যেমন কৃষি) ও সাময়িক পদ্ধতি (জীবাশ্ম জ্বালানি এবং অন্যান্য খনিজ সম্পদের ওপর নির্ভরশীলতা)-র মধ্যে পার্থক্য বুঝতে না পারার কারণে আমরা আজকের মানুষের আকাঙ্ক্ষা পূরণের বিষয়টিকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের বিশাল বঞ্চনার ওপর নির্ভরশীল করে তুলেছি। ** উইলিয়াম আর. ক্যাটন, ''ওভারশুট'' (১৯৮০), অধ্যায় ১: "আমাদের একটি নতুন দৃষ্টিভঙ্গির প্রয়োজন", পৃষ্ঠা ৩। * আমরা ইতিমধ্যেই একটি অতিরিক্ত বোঝাই বিশ্বে বাস করছি। আমাদের ভবিষ্যৎ হবে সেই সত্যেরই একটি অনিবার্য ফল। আর সেই সত্যটি হলো আমাদের অতীতের কর্মকাণ্ডের একটি ফলাফল। তাই আমাদের প্রথম কাজ হলো নিজেদের কাছে এটি স্পষ্ট করা যে আমরা কীভাবে এই বর্তমান অবস্থায় পৌঁছালাম এবং কেন আমাদের বর্তমান পরিস্থিতি একটি বিশেষ ধরণের ভবিষ্যতের দিকে আমাদের নিয়ে যাচ্ছে। […] এটি এমন একটি বিশ্বের গল্প যা বারবার মানুষের সংখ্যার দ্বারা পরিপূর্ণ হওয়ার কাছাকাছি পৌঁছেছে, কিন্তু প্রতিবারই মানুষের বুদ্ধিমত্তা সেই প্রাকৃতিক সীমাটিকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। সীমা বাড়ানোর প্রথম কয়েক ধাপ প্রায় ২০ লক্ষ বছর ধরে একগুচ্ছ প্রযুক্তিগত আবিষ্কারের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছিল। এই আবিষ্কারগুলো মানুষকে পৃথিবীর মোট জীবন ধারণের ক্ষমতার এমন সব অংশ বারবার দখল করতে সাহায্য করেছে যা আগে অন্য প্রজাতির প্রাণীদের টিকিয়ে রাখত। সীমা বাড়ানোর সবচেয়ে সাম্প্রতিক পর্বটি অনেক বেশি চমকপ্রদ ফলাফল নিয়ে এসেছে। যদিও এটি মানুষের ধারণক্ষমতা বাড়িয়েছি একদম ভিন্ন একটি পদ্ধতিতে: আর তা হলো এমন কিছু সীমিত সম্পদের ভাণ্ডার ব্যবহার করা যা মানুষের আয়ুর কোনো নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আর নতুন করে তৈরি হবে না। তাই এর ফলাফল কখনও স্থায়ী হতে পারে না। এই সত্যটি মানবজাতিকে এমন এক বিপদজনক অবস্থানে নিয়ে গেছে যেখানে আধুনিক জীবনের কর্মকাণ্ডগুলো সেই আশ্রয়স্থলকেই কেটে ফেলছে। ** উইলিয়াম আর. ক্যাটন, ''ওভারশুট'' (১৯৮০), অধ্যায় ২: "মানুষের সাফল্যের করুণ গল্প", পৃষ্ঠা ১৭। * বড়জোর দুই প্রজন্মের মানুষ যখন শিল্পায়নের সুবিধা ভোগ করছিল, তখনই অত্যন্ত কার্যকরভাবে মৃত্যু নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার আরও ত্বরান্বিত হয়। রোগ সৃষ্টির পেছনে অণুজীবের ভূমিকা আবিষ্কৃত হয়। ১৮৬৫ সালে অ্যান্টিসেপটিক সার্জারির ব্যবহার শুরু হয়। চিকিৎসা প্রযুক্তিতে এর সাথে সম্পর্কিত আরও অনেক যুগান্তকারী আবিষ্কারের সূচনা হিসেবে একে গণ্য করা যেতে পারে: যেমন স্বাস্থ্যকর অভ্যাস, টিকাদান, অ্যান্টিবায়োটিক ইত্যাদি। এই সাম্প্রতিক সিরিজের সাফল্যের সামগ্রিক ফল হলো মানবজাতিকে সেই সব অদৃশ্য জীবের হাত থেকে মুক্ত করা যারা একসময় মানুষের শরীরের টিস্যুকে খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে মানুষের জীবনকাল কমিয়ে দিত। শিকারি প্রাণীদের হাত থেকে নতুন সুরক্ষা পাওয়া অন্যান্য প্রজাতির প্রাণীর মতো আমরাও বংশবৃদ্ধি করেছি এবং নিজেদের সংখ্যা এতটাই বাড়িয়েছি যে আমরা আমাদের নিজেদের প্রজাতি দিয়ে পৃথিবীকে কেবল পরিপূর্ণই করিনি বরং উপচে ফেলেছি। ** প্রাগুক্ত, পৃষ্ঠা ৩০। * মানুষ হয় পরিবেশের ধারণক্ষমতার ধারণাটি সম্পর্কে ক্রমাগত অজ্ঞতা প্রদর্শন করেছে অথবা এই অন্ধ বিশ্বাস পোষণ করেছে যে ধারণক্ষমতা সবসময়ই বাড়ানো সম্ভব এবং যে কোনো সীমা সবসময় অতিক্রম করা যাবে। পুঁজিবাদী এবং মার্কসবাদী—উভয় পক্ষই সম্ভবত এমন একটি ভুল ধারণা পোষণ করত যার কারণে তারা এটি স্বীকার করতে অস্বীকার করেছে যে সীমাহীনতার সেই মিথ বা রূপকথাটি অবশেষে সেকেলে হয়ে গেছে। সেখানে এমন একটি ধারণাও প্রচলিত ছিল যে প্রযুক্তির আরও উন্নতি হলে তা অবশ্যই পৃথিবীর ধারণক্ষমতাকে বাড়াবে, কমাবে না। অতীতে প্রযুক্তির কাজই ছিল ধারণক্ষমতা বাড়ানো; তবে... শিল্প যুগে প্রযুক্তির এই ভূমিকায় একটি পরিবর্তন এসেছে। প্রযুক্তি প্রাকৃতিক সম্পদের প্রতি মানুষের ক্ষুধা বাড়িয়ে দিয়েছে, যার ফলে একটি নির্দিষ্ট পরিবেশ যত সংখ্যক মানুষকে টিকিয়ে রাখতে পারে সেই সংখ্যাটি দিন দিন কমছে। ** এলবিআইডি, পৃষ্ঠা ৩২। * মানুষ কল্পনা করে নিয়েছে যে তারা অন্যান্য স্তন্যপায়ী প্রাণীদের তুলনায় অনেক বেশি আলাদা বা উন্নত। তাই মানুষের আচরণে যখন সেই একই বৈশিষ্ট্যগুলো দেখা যায় তখন জনসংখ্যার চাপের গুরুত্বকে আড়াল করার জন্য আরও বিভিন্ন ধরণের সামাজিক ব্যাখ্যা দেওয়া হয়। বিংশ শতাব্দীতে মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়া এবং সম্পদের ভাণ্ডার ফুরিয়ে আসার বিষয়টি যখন স্পষ্ট হয়ে ওঠে, তখন মানুষ যুদ্ধে লিপ্ত হয়। তারা রাস্তায় দাঙ্গা শুরু করে। তারা আরও বেশি মাত্রায় সহিংস অপরাধ করতে থাকে। [...] তাদের রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি চরমপন্থী হয়ে ওঠে এবং তারা সর্বগ্রাসী সরকার গঠন করে, যার মধ্যে কিছু সরকার নিষ্ঠুর কর্মকাণ্ডের অনুমতি দিয়ে দেয়। দুই প্রজন্মের মধ্যে ব্যবধান আরও প্রকট এবং গভীর হয়। বর্ণবাদ রোধে এবং অর্থনৈতিক অসমতা দূর করার জন্য মানবতাবাদী কর্মীদের আন্তরিক প্রচেষ্টা সত্ত্বেও মানুষের মধ্যে বৈষম্য থেকে যায় এবং পারস্পরিক বিদ্বেষ আরও মারাত্মক আকার ধারণ করে। অন্যের প্রতি আচরণের ক্ষেত্রে শালীনতার মানদণ্ড এবং বিবেচনাবোধের সাথে আত্মসংযমের প্রত্যাশা অনেক জায়গায় নষ্ট এবং অবক্ষয়ের শিকার হয়। ** উইলিয়াম আর. ক্যাটন, ''ওভারশুট'' (১৯৮০), অধ্যায় ৬: "যে প্রক্রিয়াগুলো গুরুত্বপূর্ণ", পৃষ্ঠা ১০৭। * আমাদের বুঝতে হবে যে আমরা মানুষরা এই গ্রহের বাস্তুসংস্থানের ওপর যে "বোঝা" চাপিয়ে দিচ্ছি তা কেবল একটি জনসংখ্যার সংখ্যা মাত্র নয়। ভিন্ন ভিন্ন সংস্কৃতির মানুষ কেবল ভিন্ন হারেই বংশবৃদ্ধি করে না; তারা মাথাপিছু পরিবেশের ওপর ভিন্ন ভিন্ন মাত্রায় প্রভাব ফেলে। সংস্কৃতির মধ্যে একটি জনগোষ্ঠীর প্রযুক্তি এবং মানুষের নিজেদের সংগঠিত করার পদ্ধতি অন্তর্ভুক্ত থাকে। আমাদের মধ্যে যারা একটি "উন্নত" দেশে বাস করি (অর্থাৎ ম্যালথাসের কল্পনার বাইরে শিল্পোন্নত একটি সমাজ), তাদের প্রত্যেকের সম্পদের ক্ষুধা এবং পরিবেশের ওপর প্রভাব তথাকথিত একটি "উন্নয়নশীল" দেশের প্রত্যেক বাসিন্দার তুলনায় অনেক বেশি। আমাদের বর্তমানের এই চরম টেকসইহীন জীবনযাত্রার জন্য ৬০০ কোটি মানুষও সংখ্যায় অনেক বেশি। ** উইলিয়াম আর. ক্যাটন, ''ম্যালথাসের পূর্বাভাসের চেয়েও খারাপ (এমনকি যদি জীবিতরা মৃতদের চেয়ে সংখ্যায় বেশি না-ও হয়)''। ওয়াশিংটন স্টেট ইউনিভার্সিটি (মার্চ ২০০০) * জীবন এখন একটি ষষ্ঠ গণবিলুপ্তির যুগে প্রবেশ করেছে। এটি সম্ভবত পরিবেশের সবচেয়ে গুরুতর সমস্যা, কারণ একটি প্রজাতির হারিয়ে যাওয়া মানে তা চিরতরে হারিয়ে যাওয়া। এদের প্রত্যেকেই সেই জীবন্ত ব্যবস্থার মধ্যে কোনো না কোনো ছোট বা বড় ভূমিকা পালন করে যার ওপর আমরা সবাই নির্ভরশীল। বর্তমান এই সংকটকে সংজ্ঞায়িত করা প্রজাতির বিলুপ্তি মূলত তাদের অন্তর্ভুক্ত জনসংখ্যার ব্যাপক হারে নিখোঁজ হওয়ার ওপর ভিত্তি করে ঘটে চলেছে, যার বেশিরভাগই হয়েছে ১৮০০ সালের পর থেকে। আমরা যে বিশাল ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছি তা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে হোমো সেপিয়েন্স বা মানুষের কর্মকাণ্ডের কারণেই ঘটছে। আমাদের পূর্বপুরুষরা প্রায় ১১,০০০ বছর আগে কৃষিকাজ শুরু করার পর থেকে এর প্রায় সবটুকুই ঘটেছে। সেই সময় সারা বিশ্বে আমাদের সংখ্যা ছিল প্রায় ১০ লক্ষ; এখন আমাদের সংখ্যা ৭৭০ কোটি এবং এই সংখ্যাটি এখনও দ্রুত বাড়ছে। '''আমাদের সংখ্যা যত বেড়েছে, মানবজাতি তার জীবন্ত সঙ্গী বা প্রাণিকুলের বিশাল অংশের জন্য এক অভূতপূর্ব হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে'''। ** জেরার্ডো সেবালোস, পল আর. এরলিচ এবং পিটার এইচ. র‍্যাভেন, ''[https://www.pnas.org/content/early/2020/05/27/1922686117 মেরুদণ্ডী প্রাণীরা জৈবিক ধ্বংস এবং ষষ্ঠ গণবিলুপ্তির সূচক হিসেবে বিপদের মুখে]''। ''পিএনএএস'', ১ জুন ২০২০। * আমরা বর্তমানে ষষ্ঠ গণবিলুপ্তি ঘটনার মধ্যে রয়েছি। আগের পাঁচটি বিলুপ্তির মতো না হয়ে এটি ঘটছে একটি মাত্র প্রজাতির অতিরিক্ত বৃদ্ধির কারণে, যার নাম 'হোমো সেপিয়েন্স'। ** জেরার্ডো সেবালোস, পল আর. এরলিচ, "[https://www.pnas.org/doi/10.1073/pnas.2306987120 প্রাণীকুলের গণবিলুপ্তির মাধ্যমে জীবন বৃক্ষের অঙ্গহানি]"। ''পিএনএএস'', ২০২৩। * গত শতাব্দীতে মানুষের অনেক কর্মকাণ্ডের গতি এতটাই ত্বরান্বিত হয়েছে এবং মানুষের অতিপ্রজতা বা জনসংখ্যা বৃদ্ধি এতটাই ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে যে তা একটি নাটকীয় বৈশ্বিক পরিবেশগত রূপান্তর সৃষ্টি করেছে। বেশিরভাগ প্রাকৃতিক বাস্তুসংস্থান ব্যাপকভাবে পরিবর্তিত হয়েছে অথবা পুরোপুরি অদৃশ্য হয়ে গেছে এবং বন্যপ্রাণীর প্রাচুর্য অনেক বেশি কমে গেছে। ** এলবিআইডি। * আমরা যখন থেকে আগুন আবিষ্কার ও নিয়ন্ত্রণ করতে শিখেছি এবং কৃষিকাজ শুরু করেছি তখন থেকেই আমাদের শক্তির ব্যবহার বাড়ছে। তবে এটি সবচেয়ে বেশি বেড়েছে যখন আমরা পৃথিবীর ভূত্বক থেকে লক্ষ লক্ষ বছরের সঞ্চিত এবং ঘনীভূত সৌর শক্তিকে জীবাশ্ম জ্বালানি হিসেবে আহরণ করে এক বিশাল জ্বালানি ভাণ্ডারের সন্ধান পেয়েছি। নতুন শক্তি রূপান্তর কৌশলের বিকাশের সাথে সাথে এই শক্তির প্রাচুর্য মানুষের জনসংখ্যা এবং উৎপাদনের প্রবৃদ্ধির পথে থাকা দীর্ঘকালীন বাধাগুলোকে দূর করা সম্ভব করেছে। উনিশ শতকের শুরু থেকে যেসব নতুন শক্তির উৎস, রূপ এবং ব্যবহার শুরু হয়েছে তা আমাদের আরও বেশি উপকরণের যোগান দিয়েছে এবং নতুন ও আরও আধুনিক যন্ত্রপাতির উদ্ভাবন সম্ভব করেছে। এর ফলে আমাদের শক্তির ব্যবহার এবং উপকরণের প্রবাহ দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে (অর্থাৎ জীবমন্ডলের উৎস থেকে কাঁচামাল এবং শক্তির প্রবাহ মানুষের বাস্তুসংস্থানের মধ্য দিয়ে আবার জীবমন্ডলের গন্তব্যে ফিরে যাওয়া), যা আমরা সাধারণত "অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি" হিসেবে পরিমাপ করে থাকি। সেই সময় থেকে এই প্রবৃদ্ধি আর কখনও থামেনি, যদিও শক্তি এবং উপকরণের ইনপুট, আউটপুট এবং বর্জ্যের প্রবাহ সময়ের সাথে সাথে পরিবর্তিত হয়েছে। আমাদের যন্ত্র এবং প্রক্রিয়াগুলোতে "শক্তির দক্ষতা" বাড়ানোর প্রচেষ্টা (অর্থাৎ নির্দিষ্ট কাজ করার জন্য প্রয়োজনীয় শক্তির পরিমাণ কমানো) আমাদের ব্যবহৃত মোট শক্তির পরিমাণকে কখনও কমাতে পারেনি। বরং উল্টো আমাদের ভোগের হার বাড়ানোর জন্য আরও বেশি সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে। ** ফ্রাঁসোয়া-জাভিয়ের শেভালেরউ, "[https://www.faninitiative.net/articles/the-age-of-energy-disruptions/ শক্তির বিপর্যয়ের যুগ]"। দ্য ফ্যান ইনিশিয়েটিভ। ১০ ডিসেম্বর ২০২১। * পরিবেশ বিশ্লেষকরা একটি টেকসই জনসংখ্যা বলতে এমন এক জনসংখ্যাকে বোঝেন যারা জীববৈচিত্র্য বজায় রেখে এবং জলবায়ু পরিবর্তন জনিত সমস্যাগুলোকে কমিয়ে একটি পরিমিত ও সমতাপূর্ণ মধ্যবিত্ত জীবনযাত্রার মান উপভোগ করতে পারে। বিশ্লেষকদের মতে এই জনসংখ্যার আকার ২০০ কোটি থেকে ৪০০ কোটির মধ্যে হওয়া উচিত, যা বর্তমানের ৭৯০ কোটি থেকে অনেক কম। ** আইলিন ক্রিস্ট, উইলিয়াম জে. রিপল, পল আর. এরলিচ, উইলিয়াম ই. রিস এবং ক্রিস্টোফার উলফ {{cite journal|doi=10.1016/j.scitotenv.2022.157166|title=জনসংখ্যা বিষয়ে বিজ্ঞানীদের সতর্কতা|year=২০২২ |journal=Science of the Total Environment|volume=৮৪৫|issue= |pmid=35803428|pmc=|url=https://scientistswarning.forestry.oregonstate.edu/sites/default/files/Crist2022.pdf}} * আজ আমরা যে পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছি তা মানবজাতির বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের বিশালতা এবং তাদের বৃদ্ধির হারের বিচারে সম্পূর্ণ অনন্য। এই দুষ্টচক্রটি বর্তমানে যে মারাত্মক মোড় নিতে যাচ্ছে তা সত্যিই এক বিশাল এবং ভয়াবহ পরিবর্তনের সংকেত দিচ্ছে। […] আগুনকে আয়ত্তে আনা ছিল মানুষের প্রযুক্তিগত উন্নয়নের একদম প্রাথমিক পর্যায়ের একটি বিশেষ মাইলফলক। জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানোর মাধ্যমে আজও সেই আগুনের ব্যবহার আমাদের জীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং অপরিহার্য হয়ে রয়েছে। আর এভাবেই মানব সভ্যতার উন্নয়নের এই দুষ্টচক্রটি ক্রমাগত নিজেকে আবর্তিত করে চলেছে। জীবাশ্ম জ্বালানি এবং বিভিন্ন ধাতব সম্পদের ক্রমাগত ক্রমবর্ধমান ব্যবহারের ফলে এই চক্রের গতিবেগ দিন দিন আরও তীব্র হয়ে উঠছে। যদিও বিভিন্ন পরিবেশবাদী সংগঠন এবং সবুজ বা পরিবেশবান্ধব রাজনৈতিক দলগুলো এই পরিস্থিতি প্রতিরোধের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু বর্তমান সংকটের তুলনায় সেই প্রতিরোধের চিহ্নটি একেবারেই নগণ্য। ** ক্রেগ ডিলওয়ার্থ, ''টু স্মার্ট ফর আওয়ার ওন গুড'' (২০০৯), অধ্যায় ৬: "দ্য ভিশাস সার্কেল টুডে" * গত কয়েক শতাব্দী ধরে জনসংখ্যার যে বিশাল বিস্ফোরণ আমরা লক্ষ্য করছি […] তা মূলত সম্ভব হয়েছে মানুষের জীবনযাত্রার মানের ব্যাপক উন্নতি, দ্রুত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, খাদ্যের বিপুল প্রাচুর্য এবং জনস্বাস্থ্যের অভূতপূর্ব অগ্রগতির কারণে। তবে আমাদের এই সব ধরণের উন্নতি ও অগ্রগতি মূলত জীবাশ্ম জ্বালানির শক্তির ওপর ভিত্তি করেই টিকে রয়েছে। যখন জীবাশ্ম জ্বালানির ভাণ্ডার তার সর্বোচ্চ সীমায় পৌঁছে যাবে […] তখন শিল্প উৎপাদন, প্রবৃদ্ধি এবং আধুনিক জীবনের যাবতীয় সুযোগ-সুবিধাগুলো ধীরে ধীরে পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যেতে শুরু করবে। বর্তমানের এই আধুনিক শিল্প সমাজ তখন এক "অভাবী সমাজে" রূপান্তরিত হবে যা খুব সামান্য পরিমাণ শক্তির সাহায্যে নিজেদের পরিচালনা করবে। এরপর একসময় এটি একটি "উদ্ধারকারী সমাজে" পরিণত হবে যা পরিত্যক্ত হয়ে যাওয়া শহরের ভবন, যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং শিল্প কেন্দ্রগুলোর আবর্জনা বা ধ্বংসাবশেষ থেকে নিজেদের বেঁচে থাকার রসদ কোনোমতে সংগ্রহ করবে। ** রিক ডকসাই, "ইজ সিভিলাইজেশন ডুমড?" ''দ্য ফিউচারিস্ট''। মার্চ/এপ্রিল ২০১০। * পৃথিবীর ওপর মানুষের প্রভাবের একটি বড় অংশ আমাদের দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়া জনসংখ্যার সাথে সম্পর্কিত। যদি আমরা মানুষের সংখ্যা এবং আমাদের টিকিয়ে রাখার জন্য প্রয়োজনীয় পরিবেশগত সম্পদের মধ্যে একটি যৌক্তিক ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য কোনো সচেতন বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত পদক্ষেপ না নিই, তবে প্রকৃতি নিজেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। দুর্ভিক্ষ, রোগব্যাধি এবং যুদ্ধ যা মূলত নিজের পরিবেশগত সীমার বাইরে জীবনযাপন এবং প্রাকৃতিক সম্পদ অতিরিক্ত ব্যয় করার এক অনিবার্য পরিণতি শেষ পর্যন্ত আমাদের ওপর এক নিষ্ঠুর নিয়ম বা শৃঙ্খলা চাপিয়ে দিতে বাধ্য করবে। ** সিলভিয়া আর্ল, ''সি চেঞ্জ: আ মেসেজ অফ দ্য ওশেনস'' (১৯৯৫) * অতিপ্রজতা বা অতিরিক্ত জনসংখ্যা বিষয়টি বোঝার আসল চাবিকাঠি কিন্তু জনসংখ্যার ঘনত্ব নয়, বরং কোনো একটি এলাকার সম্পদের তুলনায় এবং মানুষের কর্মকাণ্ডকে টিকিয়ে রাখার জন্য সেই পরিবেশের সক্ষমতার সাপেক্ষে মানুষের সংখ্যা; অর্থাৎ, এটি মূলত সেই অঞ্চলের ধারণক্ষমতার সাথে সম্পর্কিত। একটি অঞ্চল কখন অতি জনবহুল হয়? যখন সেই অঞ্চলের জনসংখ্যাকে অনবায়নযোগ্য প্রাকৃতিক সম্পদ দ্রুত নিঃশেষ করা ছাড়া আর টিকিয়ে রাখা সম্ভব হয় না... এই মানদণ্ড অনুযায়ী, পুরো পৃথিবী এবং কার্যত প্রতিটি রাষ্ট্রই ইতিমধ্যে মারাত্মকভাবে অতি জনবহুল হয়ে পড়েছে। ** পল আর. এরলিচ, ''দ্য পপুলেশন এক্সপ্লোশন'' (১৯৯০) * পরিবেশগত সংকট সৃষ্টির পেছনে থাকা তিনটি প্রধান কারণের মধ্যে ঠিক কোনটি বেশি ক্ষতি করছে পৃথিবীতে মানুষের বর্তমান জনসংখ্যার আকার, প্রাকৃতিক সম্পদের অত্যধিক ভোগ নাকি দেশগুলোর মধ্যে সম্পদের অসম বা অন্যায্য বণ্টন (যেখানে ধনী দেশগুলো গরিব দেশগুলোর তুলনায় গড়ে মাথাপিছু অনেক বেশি সম্পদ ভোগ করে) তা নিয়ে বিতর্ক করা অনেকটা একটি ত্রিভুজের ভূমি না কি তার বাহুগুলো বেশি অবদান রাখছে তা নিয়ে বিতর্ক করার মতো। আপনি এই তিনটি কারণকে কোনোভাবেই আলাদা করতে পারবেন না। আমরা যদি দীর্ঘ সময়ের ব্যবধানে এই সংখ্যাগুলো বিশ্লেষণ করি, তবে আমরা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছাব যে ভোগের তুলনায় জনসংখ্যার আকারের প্রভাব অনেক বেশি। অন্যদিকে, ভোগ এবং অসম বণ্টনও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আমরা যদি একই সাথে এই তিনটি কারণ পরিবর্তন না করি, তবে আমাদের জীবনযাত্রার মান নাটকীয়ভাবে বদলে যাবে। আজ '''মানবজাতি প্রকৃতির ওপর একটি বড় ধরণের আঘাত হানছে, কিন্তু এটি একদম স্পষ্ট যে প্রকৃতিই শেষ পর্যন্ত চূড়ান্ত আঘাতটি করবে।''' ** পল আর. এরলিচ, ''[http://www.haaretz.co.il/1.1875624 পিপল শুড প্রোডিউস ফার ফিউয়ার চিলড্রেন, অর এক্সপেক্ট দ্য ওয়ার্স্ট]'' (ডিসেম্বর ২০১২) * পৃথিবীতে লক্ষ লক্ষ প্রজাতির আবাসস্থল। তার মধ্যে কেবল একটি প্রজাতিই আধিপত্য বিস্তার করে আছে। আর তারা হলাম আমরা। '''আমাদের বুদ্ধিমত্তা, আমাদের উদ্ভাবনী শক্তি এবং আমাদের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড আমাদের এই গ্রহের প্রায় প্রতিটি অংশকেই পরিবর্তিত করে ফেলেছে। প্রকৃতপক্ষে, আমরা এর ওপর এক গভীর প্রভাব ফেলছি। সত্যি বলতে, আমাদের চতুরতা, উদ্ভাবন এবং কর্মকাণ্ডই এখন আমাদের সামনে আসা প্রতিটি বৈশ্বিক সমস্যার মূল কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর আমরা যখন ১০০ কোটি বা ১০ বিলিয়ন জনসংখ্যার দিকে এগিয়ে যাচ্ছি, তখন এই প্রতিটি সমস্যা আরও দ্রুত ত্বরান্বিত হচ্ছে। আসলে আমি বিশ্বাস করি যে, আমরা বর্তমানে যে পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছি তাকে যথার্থভাবেই একটি জরুরি অবস্থা বলা যেতে পারে—যা একটি অভূতপূর্ব বৈশ্বিক বা গ্রহগত জরুরি অবস্থা।''' ** স্টিফেন এমট, ''[https://www.theguardian.com/environment/2013/jun/30/stephen-emmott-ten-billion ১০ বিলিয়ন]'', ''দ্য গার্ডিয়ান'' প্রকাশিত সারাংশ অনুযায়ী, ৩০ জুন ২০১৩। * আমরা মানুষ হিসেবে প্রায় ২,০০,০০০ বছর আগে একটি প্রজাতি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছি। ভূতাত্ত্বিক সময়ের হিসাবে এটি কিন্তু সত্যিই অবিশ্বাস্য রকমের সাম্প্রতিক। মাত্র ১০,০০০ বছর আগে আমাদের সংখ্যা ছিল ১০ লক্ষ। ১৮০০ সালের মধ্যে, অর্থাৎ মাত্র ২০০ বছরেরও কিছু বেশি সময় আগে আমাদের সংখ্যা ছিল ১০০ কোটি। ১৯৬০ সালে বা ৫০ বছর আগে আমাদের সংখ্যা ছিল ৩০০ কোটি। এখন আমাদের সংখ্যা ৭০০ কোটিরও বেশি। ২০৫০ সালের মধ্যে আপনাদের সন্তানরা অথবা নাতি-নাতনিরা এমন একটি পৃথিবীতে বাস করবে যেখানে অন্তত আরও ৯০০ কোটি মানুষ থাকবে। এই শতাব্দীর শেষের কোনো এক সময়ে আমাদের সংখ্যা কমপক্ষে ১,০০০ কোটি হয়ে যাবে। সম্ভবত আরও বেশি। আমরা বর্তমানে যে অবস্থায় আছি সেখানে পৌঁছানোর পেছনে সভ্যতা ও সমাজ গঠনকারী বেশ কিছু "ঘটনা" রয়েছে; যার মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হলো কৃষি বিপ্লব, বৈজ্ঞানিক বিপ্লব এবং—পাশ্চাত্যে—জনস্বাস্থ্য বিপ্লব। এই ঘটনাগুলো আমরা কীভাবে জীবনযাপন করি এবং আমাদের এই গ্রহকে মৌলিকভাবে গঠন করেছে। তাদের এই উত্তরাধিকার আমাদের ভবিষ্যৎকেও গঠন করতে থাকবে। তাই আমাদের এই উন্নয়নের আলোকে আমাদের প্রবৃদ্ধি এবং কর্মকাণ্ডগুলোকে দেখা প্রয়োজন। এই বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান কারণ ছিল কৃষির উদ্ভাবন। এই "কৃষি বিপ্লব" আমাদের শিকারি ও সংগ্রাহক অবস্থা থেকে খাদ্য উৎপাদনে অত্যন্ত সুসংগঠিত করে তুলেছে এবং আমাদের জনসংখ্যা বৃদ্ধিতে সহায়তা করেছে। কৃষির বিকাশ এবং গুরুত্ব বোঝার একটি ভালো উপায় হলো অন্তত তিনটি কৃষি "বিপ্লব" নিয়ে চিন্তা করা। প্রথমটি ঘটেছিল ১০,০০০ বছরেরও বেশি সময় আগে। এটি ছিল পশুদের গৃহপালিত করা এবং বিভিন্ন ধরণের গাছপালা চাষ করার মাধ্যমে। দ্বিতীয় কৃষি বিপ্লব ঘটেছিল ১৫শ থেকে ১৯শ শতাব্দীর মধ্যে। এটি ছিল কৃষি উৎপাদনশীলতা এবং খাদ্য উৎপাদনে যান্ত্রিকীকরণের একটি বিপ্লব। তৃতীয়টি ঘটেছিল ১৯৫০ থেকে ২০০০ সালের মধ্যে; যাকে তথাকথিত "সবুজ বিপ্লব" বলা হয়। কিন্তু এখানে আরেকটি গল্পও আছে: তা হলো মানুষের দ্বারা ভূমির ব্যবহারের এক মৌলিক রূপান্তরের সূচনা। ** স্টিফেন এমট, ''১০ বিলিয়ন'' (২০১৩) * আমাদের সংখ্যা যত বাড়তে থাকে, আমাদের অনেক বেশি পানি, অনেক বেশি খাবার, অনেক বেশি জমি, অনেক বেশি পরিবহন এবং অনেক বেশি শক্তির প্রয়োজন হতে থাকে। ফলস্বরূপ, আমরা এখন আমাদের জলবায়ু পরিবর্তনের গতিকেও আরও ত্বরান্বিত করছি। প্রকৃতপক্ষে, আমাদের কর্মকাণ্ডগুলো কেবল একে অপরের সাথে সম্পূর্ণভাবে যুক্তই নয়, বরং আমরা যে জটিল ব্যবস্থার মধ্যে বাস করি অর্থাৎ এই পৃথিবী তার সাথেও এখন মিথস্ক্রিয়া করছে। এই সবকিছু কীভাবে একে অপরের সাথে যুক্ত তা বোঝা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা আরও বেশি পানি এবং খাবারের চাহিদাকে ত্বরান্বিত করে। বেশি খাবারের চাহিদা জমির প্রয়োজনীয়তা বাড়িয়ে দেয়, যা বন উজাড় করার প্রক্রিয়াকে দ্রুত করে। খাদ্যের ক্রমবর্ধমান চাহিদা খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ এবং পরিবহনের পরিমাণও বাড়িয়ে দেয়। এই সবকিছু আবার শক্তির চাহিদাকে ত্বরান্বিত করে। এটি তখন গ্রিনহাউস গ্যাসের নিঃসরণ বাড়ায়, বিশেষ করে কার্বন ডাই অক্সাইড এবং মিথেন, যা জলবায়ু পরিবর্তনকে আরও ত্বরান্বিত করে। জলবায়ু পরিবর্তন যত বাড়ে, এটি পানি, খাদ্য এবং জমির ওপর চাপ আরও বাড়িয়ে দেয়। আর ঠিক একই সময়ে ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যাও পানি, খাদ্য এবং জমির ওপর এই চাপ বাড়িয়ে দিচ্ছে। সংক্ষেপে বলতে গেলে, জনসংখ্যা যত বাড়ছে এবং অর্থনীতি যত বড় হচ্ছে, পুরো ব্যবস্থার ওপর চাপের পরিমাণও তীব্রভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। ** আইবিআইডি। * "সন্তান নেবেন না" এ কথা বলা অত্যন্ত হাস্যকর একটি বিষয়। এটি আমাদের জিনে থাকা প্রতিটি তথ্যের বিরোধী এবং আমাদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ (এবং আনন্দদায়ক) একটি অনুপ্রেরণার বিপরীত। তবে এটি ঠিক যে, আমরা বিশ্বব্যাপী বর্তমানে যে হারে সন্তান জন্ম দিচ্ছি, তা আমাদের করা সবচেয়ে খারাপ একটি কাজ হতে পারে। এমনকি যদি বিশ্বব্যাপী পারমাণবিক বিদ্যুৎ কর্মসূচি চালু করা হয়, যদি জিও-ইঞ্জিনিয়ারিং কোনোভাবে জলবায়ু পরিবর্তনের সমস্যার সমাধান করে দেয় এবং এমনকি যদি আমরা ভোগ কমিয়ে দিই, তবুও মানুষের জনসংখ্যা যদি বর্তমান হারের মতো বাড়তে থাকে তবে আমরা একসময় এক কঠিন দেয়ালের সামনে এসে থমকে দাঁড়াব। আমরা সবাই জানি যে উন্নয়নশীল বিশ্বে নারীদের শিক্ষিত করার সাথে জন্মহার কমানোর একটি গভীর সম্পর্ক রয়েছে। কিন্তু তা সত্ত্বেও এবং জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে এমন বেশ কিছু দেশে জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী বিনামূল্যে পাওয়া গেলেও গড় জন্মহার এখনও প্রতি মহিলার বিপরীতে তিন, পাঁচ এমনকি সাতটি শিশু। জাতিসংঘের মতে, জাম্বিয়ার জনসংখ্যা এই শতাব্দীর শেষ নাগাদ ৯৪১% বৃদ্ধি পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নাইজেরিয়ার জনসংখ্যা ৭৩০ কোটিতে—অর্থাৎ ৩৪৯% বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আফগানিস্তানে ২৪২%, কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রে ২১%, গাম্বিয়াতে ২৪২%, গুয়াতেমালাতে ৩৬৯%, ইরাকে ৩৪৪%, কেনিয়াতে ২৮৪ %, লাইবেরিয়াতে ৩০০%, মালাউইয়ে ৭৪১%, মালিতে ৪০৮ %, নাইজারে ৭৬৬%, সোমালিয়াতে ৬৬৩%, উগান্ডাতে ৩৯৬% এবং ইয়েমেনে ২৯৯ % বৃদ্ধি পেতে পারে। এমনকি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জনসংখ্যাও ২১০০ সালের মধ্যে ৫৩% বৃদ্ধি পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যা ২০১২ সালের ৩১ কোটি ৫০ লক্ষ থেকে বেড়ে ৪৭ কোটি ৮০ লক্ষ হবে। আমি শুধু এটি নির্দেশ করতে চাই যে যদি বর্তমানে বিশ্বে প্রজননের এই হার বজায় থাকে, তবে এই শতাব্দীর শেষ নাগাদ আমাদের সংখ্যা ১০০ কোটি বা ১০ বিলিয়ন হবে না। বরং তখন আমাদের সংখ্যা হবে ২,৮০০ কোটি বা ২৮ বিলিয়ন। ** আইবিআইডি। * আমরা যদি আগামীকাল আবিষ্কার করি যে একটি গ্রহাণু পৃথিবীর সাথে সংঘর্ষের পথে রয়েছে এবং—যেহেতু পদার্থবিজ্ঞান একটি বেশ সহজ বিজ্ঞান—আমরা যদি এটি হিসাব করতে সক্ষম হই যে এটি ২০৭২ সালের ৩ জুন পৃথিবীকে আঘাত করবে এবং আমরা যদি জানতে পারি যে এর ফলে পৃথিবীর ৭০ % প্রাণের অস্তিত্ব মুছে যাবে, তবে সারা বিশ্বের সরকারগুলো সমগ্র গ্রহকে এক অভূতপূর্ব পদক্ষেপের দিকে পরিচালিত করত। প্রতিটি বিজ্ঞানী, প্রকৌশলী, বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে এই কাজে নিয়োজিত করা হতো: অর্ধেক লোক এটি থামানোর উপায় খুঁজত এবং বাকি অর্ধেক লোক প্রথম বিকল্পটি সফল না হলে আমাদের প্রজাতিকে কীভাবে বাঁচিয়ে রাখা যায় এবং নতুন করে গড়ে তোলা যায় তার পথ খুঁজত। আমরা এখন ঠিক তেমনই একটি পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছি, তফাত শুধু এই যে এখানে কোনো নির্দিষ্ট তারিখ নেই এবং কোনো গ্রহাণুও নেই। এখানে সমস্যা হলো আমরা নিজেরাই। এই সমস্যার বিশালতা এবং জরুরি অবস্থা বিবেচনা করার পরেও কেন আমরা এই পরিস্থিতি নিয়ে আরও বেশি কিছু করছি না—তা আমি কোনোভাবেই বুঝতে পারছি না। আমরা হিগস-বোসন নামক একটি কণার অস্তিত্ব খুঁজে বের করার জন্য সার্ন-এ ৮০০ কোটি ইউরো (অর্থাৎ লেখার সময়কার বিনিময় হার অনুযায়ী প্রায় ১,১০০ কোটি ডলার) খরচ করছি, যা হয়তো শেষ পর্যন্ত ভরের ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারে বা নাও পারে এবং কণা পদার্থবিজ্ঞানের "স্ট্যান্ডার্ড মডেল"-কে আংশিক সমর্থন দিতে পারে। আর সার্ন-এর পদার্থবিজ্ঞানীরা আমাদের বেশ জোর দিয়ে বলতে চান যে এটিই পৃথিবীর সবচেয়ে বড় এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা। আসলে তা নয়। পৃথিবীর সবচেয়ে বড় এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষাটি হলো আমরা বর্তমানে পৃথিবীর ওপর যে পরীক্ষাটি চালাচ্ছি সেটি। কেবল একজন নির্বোধই এটি অস্বীকার করবেন যে এই পৃথিবী কত সংখ্যক মানুষকে ধারণ করতে পারে তার একটি সীমা রয়েছে। প্রশ্ন হলো সেই সীমা কি ৭০০ কোটি (আমাদের বর্তমান জনসংখ্যা), ১,০০০ কোটি নাকি ২,৮০০ কোটি? আমি মনে করি আমরা ইতিমধ্যে সেই সীমা অতিক্রম করে গেছি। অনেক আগেই পার হয়ে গেছি। আমরা বর্তমানে যে পরিস্থিতির মধ্যে আছি তা পরিবর্তন করতে পারতাম। সম্ভবত কোনো প্রযুক্তিগত উপায়ের মাধ্যমে নয়, বরং আমাদের আচরণের আমূল পরিবর্তনের মাধ্যমে। কিন্তু এমন কিছু ঘটার বা খুব দ্রুত ঘটবে এমন কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। আমার মনে হয় আমাদের এই গতানুগতিক বা প্রথাগত ধারাটিই বজায় থাকবে। ** আইবিআইডি। * এমন কোনো ধারণা বা অনুমান একটি স্থায়ী বা থিতু জীবনযাত্রার সাথে জনসংখ্যা বৃদ্ধির বিষয়টি পুরোপুরি ব্যাখ্যা করতে পারুক বা না পারুক, এতে কোনো সন্দেহ নেই যে মানুষের সংখ্যা একসময় নাটকীয়ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছিল। ১০,০০০ থেকে ৬,০০০ বছর আগের সেই সময়ের মধ্যে—যা মানুষের মাত্র ১৬০টি প্রজন্মের সমান—নিকট প্রাচ্যের জনসংখ্যা আনুমানিক ১,০০,০০০-এর কম থেকে বেড়ে ৩০ লক্ষেরও বেশিতে পৌঁছেছিল বলে ধারণা করা হয়। প্রতিটি বৃদ্ধির সাথে সাথে খাদ্য উৎপাদনকারীদের ওপর নতুন নতুন প্রজাতিকে গৃহপালিত করার এবং নতুন নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন করার জন্য অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয়েছিল, যেমন লাঙল এবং সেচ ব্যবস্থার ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা প্রযুক্তি। মানুষ এখন নিজেদের এমন এক অবিরাম পরিস্থিতির মধ্যে খুঁজে পেয়েছে যেখান থেকে আজ পর্যন্ত তারা কোনোভাবেই বের হতে পারেনি। তারা এখনও খাদ্য উৎপাদনের সেই মৌলিক ধাঁধা বা স্ববিরোধী সমস্যার মধ্যে আটকে আছে: ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার ক্ষুধা মেটানোর জন্য উৎপাদনের মাত্রা বাড়িয়ে দিলে তা শেষ পর্যন্ত জনসংখ্যার আরও বেশি বৃদ্ধির পথ তৈরি করে দেয়। ** পিটার ফার্ব, ''হিউম্যানকাইন্ড'' (১৯৭৮), পৃষ্ঠা ১২১ * ১৭৭৫ সালে জেমস ওয়াট যখন নিউকমেন স্টিম ইঞ্জিনের একটি উন্নত সংস্করণ বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন শুরু করেন, তারপর থেকে মানব ইতিহাসে এমন এক অতুলনীয় বিপ্লব ঘটে গেছে যা সমাজের প্রতিটি স্তরে এবং সংস্কৃতির প্রতিটি দিককে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে। প্রযুক্তিগত এই উদ্ভাবনগুলো অবশ্যই অত্যন্ত চমকপ্রদ ছিল, কিন্তু আধুনিকায়নের ফলে সৃষ্ট জৈবিক, রাজনৈতিক, সামাজিক এবং অর্থনৈতিক ফলাফলগুলোও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। জৈবিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দেখলে, এর সবচেয়ে বড় এবং প্রধান ফলাফল হলো মানুষের গড় আয়ু বৃদ্ধি পাওয়া এবং মানুষের সংখ্যা জ্যামিতিক হারে বেড়ে যাওয়া। গত দুই শতাব্দীতে মানুষের গড় আয়ু প্রায় তিন গুণ বেড়ে গেছে এবং আমাদের প্রজাতির মোট জনসংখ্যা প্রায় পাঁচ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। ** আইবিআইডি, পৃষ্ঠা ১৮৯ * যদি কোনো বাধা বা নিয়ন্ত্রণ না থাকে, তবে যে কোনো জীবের জনসংখ্যা সাধারণত জ্যামিতিক হারে বৃদ্ধি পাওয়ার প্রবণতা দেখায়। কিন্তু এই বৃদ্ধি কখনও চিরকাল চলতে পারে না। একসময় প্রাকৃতিক সম্পদ ফুরিয়ে আসে এবং জনসংখ্যার হারও কমতে শুরু করে। যখন জনসংখ্যা আবারও পর্যাপ্ত পরিমাণ সম্পদের জন্য যথেষ্ট কম হয়ে যায়, তখন পুনরায় জ্যামিতিক হারে বৃদ্ধি শুরু হয়। এর ফলাফল হলো এক ধরণের উত্থান-পতনের চক্র—যা মূলত অস্থিরতার মধ্য দিয়েই একটি ভারসাম্য বা স্থিতিশীলতা বজায় রাখে।<br>অবশ্যই, যদি এই উত্থান-পতনের মাত্রা অনেক বড় হয়, তবে আমরা একে কোনোভাবেই 'স্থিতিশীলতা' বলতে পারি না। কিন্তু বেশিরভাগ সুস্থ বাস্তুসংস্থানে জনসংখ্যার এই ধরণের পরিবর্তনগুলো সাধারণত বেশ কম বা সীমিত থাকে। এই উত্থান-পতনের চক্রকে কমিয়ে আনার প্রধান চাবিকাঠি হলো বৈচিত্র্য। যখন একটি বাস্তুসংস্থানে অনেক ধরণের প্রজাতির বাস থাকে, তখন তাদের প্রত্যেকে একে অপরের জনসংখ্যাকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। এর ফলে দীর্ঘস্থায়ী জ্যামিতিক বৃদ্ধি বা জনসংখ্যার বিস্ফোরণ সেখানে সহজে শিকড় গাড়তে পারে না। ** ব্লেয়ার ফিক্স, "[https://economicsfromthetopdown.com/2020/09/12/frederick-soddys-debt-dynamics/ ফ্রেডরিক সোডির ডেবট ডায়নামিক্স]।" ''ইকোনমিক্স ফ্রম দ্য টপ ডাউন'' (১২ সেপ্টেম্বর ২০২০) * অতিপ্রজতা বা অতিরিক্ত জনসংখ্যাকে একটি সামাজিক সমস্যা হিসেবে বর্ণনা করা হয়, যেখানে মানুষের ব্যক্তিগত এবং সম্মিলিত আচরণই এই সমস্যা সৃষ্টির প্রধান কারণ বা চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে। ** অ্যাঞ্জেলা কে. ফোরনিয়ার এবং ই. স্কট গেলার [https://link.springer.com/article/10.5210/bsi.v13i1.35 বিহেভিয়ার অ্যানালাইসিস অফ কমপ্যানিয়ন-অ্যানিম্যাল ওভারপপুলেশন: আ কনসেপচুয়ালাইজেশন অফ দ্য প্রবলেম অ্যান্ড সাজেশনস ফর ইন্টারভেনশন] (১ মে ২০০৪) * আমরা কী দিয়ে তৈরি, পরীর ধুলো আর সুখের চিন্তা দিয়ে? না, আমরা প্রোটিন দিয়ে তৈরি—অর্থাৎ খাবার দিয়ে! পর্যাপ্ত পরিমাণ খাদ্য সরবরাহ ছাড়া এই ধরনের বিশাল জনসংখ্যা অর্জন করা কোনোভাবেই সম্ভব নয়। আমরা এই সত্যটি এই গ্রহের অন্য প্রতিটি প্রজাতির ক্ষেত্রে একটি মৌলিক জৈবিক সত্য হিসেবে মেনে নিই যে, জনসংখ্যা হলো খাদ্য সরবরাহের একটি বিশেষ ফলাফল। তবুও আমরা বিশ্বাস করে চলি যে, আমাদের স্বাধীন ইচ্ছাশক্তির জাদু আমাদের এই ধরনের মৌলিক জৈবিক নিয়মগুলো থেকে মুক্তি দেয়। ** জেসন গোডেস্কি, ''[https://theanarchistlibrary.org/library/jason-godesky-thirty-theses থার্টি থিসিস]'' (২০০৬), থিসিস #৪: "হিউম্যান পপুলেশন ইজ আ ফাংশন অফ ফুড সাপ্লাই।" * প্রথম বিশ্বের দেশগুলো যখন বৈদেশিক সাহায্য, খাবার এবং মানবিক সহায়তা নিয়ে দুর্ভিক্ষের কবলে পড়া কোনো মরুভূমি এলাকায় ছুটে যায়, তখন আমরা মূলত একটি স্থায়িত্বহীন জনসংখ্যাকে টিকিয়ে রাখতে সাহায্য করি। এটি এমন একটি এলাকায় জনসংখ্যার বিস্ফোরণ ঘটায় যা ইতিমধ্যে তার বিদ্যমান জনসংখ্যাকে টিকিয়ে রাখতে সক্ষম নয়। এর ফলে এমন এক বিশাল জনসংখ্যা তৈরি হয় যা বাইরের হস্তক্ষেপের ওপর পুরোপুরি নির্ভরশীল হয়ে পড়ে, আর সেই সহায়তা নিজেও অনির্দিষ্টকালের জন্য চালিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। অবশেষে যখন বাইরের সাহায্য পাওয়া আর সম্ভব হবে না, তখন সেই জনসংখ্যাটি চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়বে এবং পুরোপুরি ভেঙে পড়বে - আর দীর্ঘ বছরের এই সাহায্য সেই পতনকে আরও অনেক বেশি ভয়াবহ করে তুলবে। ঠিক যেভাবে ১৯৮০-র দশকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমস্ত বনের আগুন নিভিয়ে ফেলার নীতি তাদের বনাঞ্চলের অবস্থাকে আরও বেশি খারাপ করে দিয়েছিল, আমাদের পরোপকার এবং সদিচ্ছাগুলোও ঠিক একইভাবে একটি ম্যালথাসীয় নরকের পথ তৈরি করে দিয়েছে। ** আইবিআইডি। * মানবজাতি বর্তমানে পৃথিবীর মোট সালোকসংশ্লেষীয় ক্ষমতার প্রায় ৪০ শতাংশ ভোগ করছে। পৃথিবীর সম্পদের ওপর এই একচেটিয়া আধিপত্য আমাদের পরিবেশে এক বিনাশকারী প্রভাব ফেলছে। আমরা প্রতিদিন প্রায় ১৪০টি প্রজাতির বিলুপ্তি প্রত্যক্ষ করছি, যা স্বাভাবিক বিলুপ্তির হারের তুলনায় কয়েক হাজার গুণ বেশি। আজ ঠিক এই মুহূর্তে আমরা পৃথিবীর ইতিহাসে এক অতুলনীয় বিলুপ্তির হার দেখতে পাচ্ছি। আমরা নিঃসন্দেহে পৃথিবীর ইতিহাসের সপ্তম গণবিলুপ্তির মধ্যে রয়েছি - যাকে হলোসিন বিলুপ্তি বলা হয়ে থাকে। তবে আগের বিলুপ্তিগুলোর মতো না হয়ে এটি একটি মাত্র প্রজাতি বা মানুষের দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে। এটিই হলো অতিপ্রজতার আসল এবং প্রধান বিপদ, একটি ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যাকে খাবার দিতে না পারাটা এখানে মূল সমস্যা নয়। আমরা যতই অস্বীকার করার চেষ্টা করি না কেন, বেঁচে থাকার জন্য আমরা প্রতিটি মুহূর্তে এই পৃথিবীর ওপরই নির্ভরশীল। দিন দিন হ্রাস পাওয়া জীববৈচিত্র্য আমাদের নিজস্ব প্রজাতির টিকে থাকাকেই এখন হুমকির মুখে ফেলে দিচ্ছে। আমরা আক্ষরিক অর্থেই নিজেদের পায়ের তলার মাটি কেটে ফেলছি। খাদ্য উৎপাদন বাড়ানো কেবল জনসংখ্যাকেই আরও বাড়িয়ে দেয়। খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে আমাদের বর্তমান মনোভাব আমাদের এমন একটি পরিস্থিতির মধ্যে আটকে দিয়েছে যাকে ড্যানিয়েল কুইন "খাদ্য প্রতিযোগিতা" (ফুড রেস) বলে অভিহিত করেছেন, যা অনেকটা সেই কোল্ড ওয়ার বা ঠান্ডা লড়াইয়ের অস্ত্র প্রতিযোগিতার সাথে তুলনীয়। ** আইবিআইডি। * অতিপ্রজতা হলো অন্য সমস্ত পরিবেশগত সমস্যার মূল কারণ ... [এবং] এটি মূলত ক্রমাগত বিস্তারের প্রয়োজনীয়তা থেকে তৈরি হওয়া খাদ্য প্রতিযোগিতার এক স্বাভাবিক এবং অনিবার্য পরিণতি। সেই প্রয়োজনীয়তা মূলত আমাদের এই জটিল সমাজ ব্যবস্থার একটি পদ্ধতিগত ফল। তাহলে অতিপ্রজতার বিকল্প হলো এই ক্রমবর্ধমান জটিলতার ধারাকে উল্টে দেওয়া এবং জীবনযাত্রায় বৃহত্তর সরলতাকে গ্রহণ করা: এক কথায় বলতে গেলে, পতন। ** জেসন গোডেস্কি, ''থার্টি থিসিস'' (২০০৬), থিসিস #১৭: "এনভায়রনমেন্টাল প্রবলেমস মে লিড টু ক্ল্যাপস।" * হলোসিন বিলুপ্তির পেছনের প্রধান চালিকাশক্তি হলো অতিপ্রজতা এবং নিবিড় কৃষি উৎপাদনের এই দ্বৈত প্রভাব। যেহেতু বিশ্বের আরও বেশি জমি চাষের জমিতে রূপান্তরিত হচ্ছে, তাই আমরা সেই বিপজ্জনক সীমার কাছাকাছি পৌঁছে যাচ্ছি যেখানে বিশ্বের সালোকসংশ্লেষীয় ক্ষমতার বেশিরভাগ অংশ একটি মাত্র প্রজাতির সাথে যুক্ত হয়ে পড়ছে। বন উজাড় হওয়ার মূল কারণ হলো ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার ক্ষুধা মেটানো, তবে এর পাশাপাশি সেই জনসংখ্যার অন্যান্য সম্পদের চাহিদা যেমন কাঠ সংগ্রহ এবং খনিজ উত্তোলনের বিষয়গুলোও এর সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। সেই বন উজাড় হাজার হাজার বছর ধরে মানুষের তৈরি বায়ুমণ্ডলীয় পরিবর্তনের জন্য দায়ী। কিন্তু যখন খাদ্য প্রতিযোগিতার এই চক্রটি নতুন মাত্রায় পৌঁছেছে, তখন আমরা হয় জীবাশ্ম জ্বালানি গ্রহণ করতে নয়তো পতনের সম্মুখীন হতে বাধ্য হয়েছি। সেই জ্বালানিগুলো বায়ুমণ্ডলের ওপর আমাদের প্রভাবকে এক ভয়াবহ স্তরে নিয়ে গেছে, যা বৈশ্বিক উষ্ণায়নের এক নতুন সংকট তৈরি করেছে। আমরা আসলে অনেকগুলো আলাদা আলাদা পরিবেশগত সমস্যার সম্মুখীন হইনি; বরং আমরা একটি একক এবং বহুমুখী সংকটের মুখোমুখি হয়েছি। সেই সংকট হলো খোদ এই জটিল সমাজ ব্যবস্থা। আমরা বর্তমানে যে সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছি তা মূলত জটিল সমাজের এই দুষ্টচক্রের এবং বিশেষ করে খাদ্য প্রতিযোগিতার সরাসরি ফলাফল। ** আইবিআইডি। * যদি কেউ মারা না যেত তবে এই গ্রহটি খুব দ্রুত নতুন মানুষের জন্য জায়গার অভাবে পরিপূর্ণ হয়ে যেত। তখন কীভাবে এই পৃথিবী পরিচালিত হতো (আমাদের রাজনৈতিক ব্যবস্থাগুলো এখনই নিখুঁত নয়); কে ঠিক করে দিত যে একজন মানুষ কোন ধরণের বাড়িতে বসবাস করবে অথবা সে কোন ধরণের খাবার খাবে? আমরা তখন জীবিকার জন্য কী করতাম? ** লরি গোসেলিন, "[https://lifeforinstance.com/would-you-like-to-live-in-a-perfect-world/ উড ইউ লাইক টু লিভ ইন আ পারফেক্ট ওয়ার্ল্ড?]" * জনসংখ্যা বিষয়ক গবেষণা বা পড়াশোনা খুব একটা নিখুঁত বিজ্ঞান নয়। উত্তর-কমিউনিস্ট ইউরোপীয় রাশিয়াতে যে জনসংখ্যার পতন ঘটছে বা বিশ্বের অনেক অংশে প্রজনন হার যেভাবে কমে যাচ্ছে, তা কেউ আগে থেকে একদম সঠিকভাবে অনুমান করতে পারেনি। প্রজনন হার এবং গড় আয়ুর হিসাবের ক্ষেত্রে ভুলের মাত্রা অনেক সময় বেশ বড় হয়ে থাকে। তা সত্ত্বেও, জনসংখ্যার আরও বড় ধরণের বৃদ্ধি অনিবার্য। প্রায় ৮০০ কোটির কাছাকাছি পৌঁছানো এই বিশাল জনসংখ্যাকে কেবল এই পৃথিবীকে ধ্বংস করার মাধ্যমেই টিকিয়ে রাখা সম্ভব। যদি বন্য প্রাণীদের আবাসস্থল মানুষের চাষাবাদ এবং বসবাসের জন্য পুরোপুরি দিয়ে দেওয়া হয়, যদি রেইনফরেস্টগুলোকে সবুজ মরুভূমিতে পরিণত করা যায়, যদি জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং শুকিয়ে যাওয়া মাটি থেকে আরও বেশি ফসল উৎপাদন করতে সাহায্য করে - তবে মানুষ নিজেদের জন্য এক নতুন ভূতাত্ত্বিক যুগ তৈরি করবে। এর নাম এরেমোজোয়িক বা একাকীত্বের যুগ, যেখানে পৃথিবীতে তারা নিজেরা এবং তাদের বাঁচিয়ে রাখার জন্য প্রয়োজনীয় কৃত্রিম পরিবেশ ছাড়া আর কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না। ** জন গ্রে, ''স্ট্র ডগস'' (২০০২), অধ্যায় ১: "দ্য হিউম্যান" * ভবিষ্যতের পূর্বাভাস দেওয়া নিষ্ঠুরভাবে সহজ; সীমা অতিক্রম করা প্রতিটি প্রজাতিই একসময় ভেঙে পড়ে। আর আমরা - আপাতদৃষ্টিতে জীবাশ্ম জ্বালানির শক্তির মাধ্যমে সময়কে জয় করে - আমাদের প্রজাতির সীমাটি অন্য যে কারও চেয়ে অনেক বেশি বাড়িয়ে নিয়েছি (অথবা সম্ভবত অন্য কারও পক্ষে এটি করা কখনও সম্ভব ছিল না)। ** মারে গ্রিমউড, "[https://www.interest.co.nz/public-policy/128237/murray-grimwood-says-future-will-be-so-different-we-need-go-back-basics-and উইদার সায়েন্স; উইদার এডুকেশন?]"। ''ইন্টারেস্ট'' (১৫ জুন ২০২৪) * গত শতাব্দীতে কোটি কোটি মানুষ তাদের পূর্বপুরুষদের কল্পনার চেয়েও অনেক ভালো, পূর্ণাঙ্গ এবং সমৃদ্ধ জীবন উপভোগ করেছে। কিন্তু যখন এই সবকিছুর শেষ হিসাব কষার সময় আসবে, তখন কে জানে এই দুই ধরণের প্রচেষ্টার খাতা বা লেজারের অবস্থা ঠিক কেমন হবে? ** সুমিত গুহ, মার্ক এলভিনের ''দ্য রিট্রিট অফ দ্য এলিফ্যান্টস'' এর পর্যালোচনায় (২০০৬) * আমার ক্রমবর্ধমান পরিবেশগত সচেতনতা সন্তান না নেওয়ার যুক্তিতে কেবল আরও ইন্ধন জোগায়। আর এই অন্তহীন ভোগের যুক্তি কেবল পরিবেশেরই ক্ষতি করে না, এটি শেষ পর্যন্ত মানুষকে হত্যাও করে। ** শিয়াওলু গুয়ো, ''ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন দ্য ইস্ট: আ স্টোরি অফ গ্রোয়িং আপ'', চ্যাটো অ্যান্ড উইন্ডাস, ২০১৭, পৃষ্ঠা ৩০৫ ({{আইএসবিএন|৯৭৮১৭৮৪৭৪০৬৮৯}})। * আমাদের আদিপুরুষ বা পূর্বপুরুষদের কঙ্কাল লক্ষ লক্ষ বছর ধরে এমনভাবে বিবর্তিত হয়েছিল যা চার পায়ে চলাফেরা করতে পারে এমন প্রাণীদের ভার বহন করতে সক্ষম ছিল। সেইসব প্রাণীদের মাথা শরীরের তুলনায় ছিল বেশ ছোট। কিন্তু বিবর্তনের ধারায় দুই পায়ে ভর দিয়ে সোজা হয়ে দাঁড়ানোর বিষয়টি ছিল এক বিশাল চ্যালেঞ্জ। বিশেষ করে যখন আমাদের এই শারীরিক কাঠামোটিকে একটি বিশাল আকারের মাথার খুলির ভার বহন করতে হতো। দৃষ্টিসীমা বাড়ানো এবং হাত দুটোকে সৃজনশীল কাজের উপযোগী করার জন্য মানবজাতিকে চরম মূল্য দিতে হয়েছে। এর ফলে আমাদের ঘাড় এবং পিঠের ব্যথার মতো যন্ত্রণাদায়ক সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে।<br>তবে নারীদের এই পরিবর্তনের জন্য আরও বেশি চড়া মূল্য দিতে হয়েছে। সোজা হয়ে হাঁটার কারণে নারীদের কোমরের হাড় সরু হয়ে গিয়েছিল, যার ফলে তাদের প্রসবের পথটি সংকুচিত হয়ে পড়ে। অথচ ঠিক সেই সময়েই মানুষের শিশুদের মাথার আকার দিন দিন বড় হতে শুরু করেছিল। এর ফলে প্রসবের সময় মৃত্যু হওয়া নারীদের জন্য একটি মারাত্মক ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। যেসব নারীরা সময়ের কিছুটা আগে সন্তান জন্ম দিতেন, যখন শিশুর মস্তিষ্ক এবং মাথার খুলি তুলনামূলক ছোট এবং নমনীয় থাকত, তারা এই বিপদ থেকে সহজে রক্ষা পেতেন। এর ফলে তারা বেঁচে থাকতেন এবং আরও অনেক সন্তান জন্ম দেওয়ার সুযোগ পেতেন। ফলশ্রুতিতে প্রাকৃতিক নির্বাচনের মাধ্যমে সময়ের আগে জন্ম নেওয়ার বিষয়টি বিবর্তনে প্রাধান্য পেতে থাকে। আর প্রকৃতপক্ষে অন্যান্য প্রাণীর তুলনায় মানুষের শিশুরা বেশ অপরিপক্ক অবস্থায় জন্ম নেয়। তখন তাদের শরীরের অনেক গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গ পুরোপুরি বিকশিত থাকে না। যেমন একটি ঘোড়ার বাচ্চা জন্মের কিছুক্ষণের মধ্যেই দৌড়াতে পারে; একটি বিড়াল ছানা মাত্র কয়েক সপ্তাহ বয়সেই নিজের খাবার নিজে খুঁজে নিতে পারে। কিন্তু মানুষের শিশুরা অত্যন্ত অসহায় অবস্থায় জন্মায় এবং তারা খাবার, সুরক্ষা ও শিক্ষার জন্য অনেক বছর ধরে তাদের বড়দের ওপর পুরোপুরি নির্ভরশীল থাকে।<br>এই বিষয়টি মানবজাতির অসাধারণ সামাজিক দক্ষতা বৃদ্ধি এবং সেই সাথে অনন্য কিছু সামাজিক সমস্যা সৃষ্টির পেছনেও বড় ভূমিকা রেখেছে। অসহায় সন্তানদের নিয়ে একজন একাকী মায়ের পক্ষে নিজের এবং সন্তানদের জন্য পর্যাপ্ত খাবার সংগ্রহ করা প্রায় অসম্ভব ছিল। শিশুদের লালন-পালনের জন্য পরিবারের অন্য সদস্য এবং প্রতিবেশীদের নিরন্তর সাহায্যের প্রয়োজন হতো। তাই একজন মানুষকে গড়ে তুলতে পুরো একটি গোত্র বা সমাজের প্রয়োজন হয়। বিবর্তন এভাবে সেইসব মানুষদেরই প্রাধান্য দিয়েছে যারা শক্তিশালী সামাজিক বন্ধন তৈরি করতে সক্ষম ছিল। এছাড়া মানুষ যেহেতু অপরিপক্ক অবস্থায় জন্মায়, তাই তাদের অন্যান্য প্রাণীর তুলনায় অনেক বেশি শিক্ষিত এবং সামাজিকভাবে দক্ষ করে গড়ে তোলা সম্ভব। বেশিরভাগ স্তন্যপায়ী প্রাণীই মাতৃগর্ভ থেকে অনেকটা চুল্লিতে পুড়ানো মাটির পাত্রের মতো বের হয়—যাকে নতুন করে রূপ দেওয়ার চেষ্টা করলে তা ভেঙে বা ফেটে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। কিন্তু মানুষের জন্ম অনেকটা ফার্নেসের উত্তপ্ত তরল কাঁচের মতো। তাদের আশ্চর্যজনক মাত্রায় স্বাধীনতা দিয়ে ইচ্ছামতো যেকোনো আকার বা রূপ দেওয়া সম্ভব। আর ঠিক এই কারণেই আজ আমরা আমাদের সন্তানদের খ্রিষ্টান বা বৌদ্ধ, পুঁজিবাদী বা সমাজতন্ত্রী, যুদ্ধবাজ বা শান্তিকামী হিসেবে গড়ে তুলতে পারছি। ** ইউভাল নোয়াহ হারারি, ''স্যাপিয়েন্স'' (২০১৪), প্রথম খণ্ড: "দ্য কগনিটিভ রেভোলিউশন", অধ্যায় ১: "অ্যা অ্যানিম্যাল অফ নো সিগনিফিকেন্স"। * কৃষি বিপ্লব মানুষের জীবনে সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় এক নতুন যুগের সূচনা করার পরিবর্তে কৃষকদের জীবনকে শিকারি ও সংগ্রাহকদের তুলনায় অনেক বেশি কঠিন এবং কম তৃপ্তিদায়ক করে তুলেছে। শিকারি ও সংগ্রাহকরা তাদের সময় অনেক বেশি উদ্দীপনাপূর্ণ এবং বৈচিত্র্যময় কাজে ব্যয় করত এবং তাদের অনাহার বা রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিও ছিল অনেক কম। '''কৃষি বিপ্লব অবশ্যই মানবজাতির জন্য খাবারের মোট পরিমাণ বাড়িয়ে দিয়েছিল, কিন্তু এই বাড়তি খাবার মানুষের জন্য উন্নত খাদ্যাভ্যাস বা বেশি অবসর সময় নিশ্চিত করতে পারেনি। বরং এর ফলে জনসংখ্যার বিস্ফোরণ ঘটে এবং একদল বিলাসী অভিজাত শ্রেণীর সৃষ্টি হয়।''' একজন সাধারণ কৃষক একজন সাধারণ সংগ্রাহকের তুলনায় অনেক বেশি কঠোর পরিশ্রম করত এবং বিনিময়ে সে অনেক বেশি নিম্নমানের খাবার পেত। প্রকৃতপক্ষে কৃষি বিপ্লব ছিল ইতিহাসের সবচেয়ে বড় একটি প্রতারণা। ** ইউভাল নোয়াহ হারারি, ''স্যাপিয়েন্স'' (২০১১), দ্বিতীয় খণ্ড: "দ্য এগ্রিকালচারাল রেভোলিউশন", অধ্যায় ৫: "হিস্ট্রি'জ বিগেস্ট ফ্রড" * গত ৫০০ বছরের ইতিহাসে মানুষের ক্ষমতার এক অভাবনীয় এবং অভূতপূর্ব বৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে। ১৫০০ সালে সারা বিশ্বে হোমো সেপিয়েন্স বা মানুষের সংখ্যা ছিল মাত্র ৫০ কোটির মতো। কিন্তু আজ আমাদের সংখ্যা ৭০০ কোটিতে পৌঁছে গেছে। বর্তমানের ডলারের মান অনুযায়ী ১৫০০ সালে মানবজাতির উৎপাদিত পণ্য ও পরিষেবার মোট মূল্য ছিল আনুমানিক ২৫০ বিলিয়ন ডলার। আর বর্তমানে মানুষের বার্ষিক উৎপাদনের মূল্য প্রায় ৬০ ট্রিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি। ১৫০০ সালে মানবজাতি প্রতিদিন প্রায় ১৩ ট্রিলিয়ন ক্যালরি শক্তি খরচ করত। অথচ আজ আমরা প্রতিদিন ১,৫০০ ট্রিলিয়ন ক্যালরি শক্তি ব্যবহার করছি। (এই পরিসংখ্যানগুলোর দিকে দ্বিতীয়বার নজর দিন—মানুষের জনসংখ্যা বেড়েছে ১৪ গুণ, উৎপাদন বেড়েছে ২৪০ গুণ এবং শক্তির ব্যবহার বেড়েছে ১১৫ গুণ।) ** ইউভাল নোয়াহ হারারি, ''স্যাপিয়েন্স'' (২০১১), চতুর্থ খণ্ড: "দ্য সায়েন্টিফিক রেভোলিউশন", অধ্যায় ১৪: "দ্য ডিসকভারি অফ ইগনোরেন্স"। * শিল্প বিপ্লবের পর থেকে বিশ্বের জনসংখ্যা আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় অনেক বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। ১৭০০ সালে পৃথিবীতে মানুষের সংখ্যা ছিল মাত্র ৭০ কোটির মতো। ১৮০০ সালে আমাদের সংখ্যা দাঁড়ায় ৯৫ কোটিতে। ১৯০০ সালের মধ্যে আমাদের সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ বেড়ে ১৬০ কোটিতে পৌঁছে যায়। আর ২০০০ সালের মধ্যে সেই সংখ্যা চার গুণ বৃদ্ধি পেয়ে ৬০০ কোটিতে পৌঁছায়। আজ [এই লেখা চলাকালীন] হোমো সেপিয়েন্সের সংখ্যা প্রায় ৭০০ কোটির কাছাকাছি। ** ইউভাল নোয়াহ হারারি, ''স্যাপিয়েন্স'' (২০১১), চতুর্থ খণ্ড: "দ্য সায়েন্টিফিক রেভোলিউশন", অধ্যায় ১৮: "অ্যা পার্মানেন্ট রেভোলিউশন"। * আজ [এই লেখা চলাকালীন] পৃথিবীর প্রতিটি মহাদেশ মিলিয়ে প্রায় ৭০০ কোটি স্যাপিয়েন্সের বসবাস। আপনি যদি এই সব মানুষকে একটি বিশাল তুলাদণ্ডে ওজন করেন, তবে তাদের সম্মিলিত ওজন হবে প্রায় ৩০ কোটি টন। এরপর আপনি যদি আমাদের সমস্ত গৃহপালিত প্রাণী—যেমন গরু, শুকর, ভেড়া এবং মুরগি—কে আরও বড় একটি তুলাদণ্ডে ওজন করেন, তবে তাদের মোট ওজন দাঁড়াবে প্রায় ৭০ কোটি টন। এর বিপরীতে পৃথিবীতে টিকে থাকা সমস্ত বন্য প্রাণীদের—যেমন সজারু ও পেঙ্গুইন থেকে শুরু করে হাতি ও তিমি পর্যন্ত—সম্মিলিত ওজন ১০ কোটি টনেরও কম। আমাদের শিশুদের বই, আমাদের ছবির জগত এবং টেলিভিশনের পর্দাগুলো এখনও জিরাফ, নেকড়ে এবং শিম্পাঞ্জিতে ঠাসা থাকলেও বাস্তবে তাদের সংখ্যা আজ নগণ্য হয়ে পড়েছে। পৃথিবীতে যেখানে মাত্র ৮০,০০০ জিরাফ অবশিষ্ট আছে, সেখানে গবাদি পশুর সংখ্যা হলো ১৫০ কোটি; মাত্র ২,০০,০০০ নেকড়ের বিপরীতে আমাদের পোষা কুকুরের সংখ্যা হলো ৪০ কোটি; আর মাত্র ২,৫০,০০০ শিম্পাঞ্জির বিপরীতে মানুষের সংখ্যা হলো শত শত কোটি। মানবজাতি সত্যিই এই বিশ্বকে নিজেদের দখলে নিয়ে নিয়েছে। ** আইবিআইডি। * ১৯৯০ সালের কাছাকাছি সময়ে আমরা এই গ্রহের সবচেয়ে জনবহুল স্তন্যপায়ী প্রজাতিতে পরিণত হয়েছি, এমনকি আমাদের সংখ্যা তখন ইঁদুরের সংখ্যাকেও ছাড়িয়ে গেছে। ** থম হার্টম্যান, ''দ্য লাস্ট আওয়ারস অফ এনশিয়েন্ট সানলাইট'' (১৯৯৯), পৃষ্ঠা ১৮ ({{আইএসবিএন|৯৭৮০৬০৯৮০৫২৯৯}}) * আমাদের বাস্তুসংস্থানের অবক্ষয় এবং ধ্বংস রোধ করার জন্য নেওয়া সমস্ত পদক্ষেপই ব্যর্থ হবে যদি আমরা জনসংখ্যা বৃদ্ধি কমাতে না পারি। জাতিসংঘের একটি সাম্প্রতিক পূর্বাভাস অনুযায়ী, আমরা যদি বর্তমানের [যদিও কিছুটা হ্রাসপ্রাপ্ত] হারেই বংশবৃদ্ধি চালিয়ে যাই, তবে ২০৫০ সালের মধ্যে এই গ্রহের জনসংখ্যা ৮০০ কোটি থেকে ১,০০০ কোটির মধ্যে হবে। এটি বর্তমান জনসংখ্যার তুলনায় ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি। অথচ সরকারিভাবে তৈরি করা বিভিন্ন প্রতিবেদন, যেমন ব্রিটেনের স্টার্ন রিপোর্ট, জনসংখ্যা শব্দটি পর্যন্ত উচ্চারণ করে না। জলবায়ু সংকট নিয়ে লেখা বই এবং তথ্যচিত্রগুলোও, যার মধ্যে আল গোর-এর ''অ্যান ইনকনভেনিয়েন্ট ট্রুথ'' অন্তর্ভুক্ত, জনসংখ্যা বৃদ্ধির বিপদ সম্পর্কে আলোচনা করতে ব্যর্থ হয়েছে। এই বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়া খুবই অদ্ভুত। কারণ জনসংখ্যা যদি দ্বিগুণ হয়ে যায়, তবে আমরা জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহার কমিয়ে দিলেও, সমস্ত কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ করে দিলেও এবং সমুদ্রের বুকে হাজার হাজার বায়ুকল তৈরি করলেও তা আমাদের এমন এক বিলুপ্তি ও ধ্বংসের যুগে নিয়ে যাবে যা ৬৫ কোটি বছর আগে মেসোজোয়িক যুগের শেষের দিকে ডাইনোসরদের বিলুপ্তির পর আর দেখা যায়নি। ** ক্রিস হেজেস, "[https://www.truthdig.com/articles/we-are-breeding-ourselves-to-extinction/ উই আর ব্রিডিং আওয়ারসেলভস টু এক্সটিংকশন]", ৯ মার্চ ২০০৯। * আমরা এই গ্রহের বিভিন্ন প্রাণের অস্তিত্বকে অত্যন্ত দ্রুততার সাথে বিলুপ্তির দিকে ঠেলে দিচ্ছি—অনুমান করা হয় যে প্রতি বছর ৮,৭৬০টি প্রজাতি মারা যাচ্ছে—কারণ খুব সহজভাবে বললে, মানুষের সংখ্যা আজ অনেক বেশি। এই বিলুপ্তিগুলোর বেশিরভাগই হলো আমাদের শক্তি, বাসস্থান, খাদ্য এবং অন্যান্য সম্পদের ক্রমবর্ধমান চাহিদার সরাসরি ফলাফল। '''ইয়াংজি নদীর ডলফিন, আটলান্টিক গ্রে তিমি, পশ্চিম আফ্রিকান কালো গণ্ডার, মেরিয়াম'স এলক, ক্যালিফোর্নিয়া গ্রিজলি বিয়ার, সিলভার ট্রাউট, ব্লু পাইক এবং ডাস্কি সি-সাইড স্প্যারো এই সবই মানুষের অতিপ্রজতার শিকার হয়েছে।''' জনসংখ্যা বৃদ্ধি হলো ই. ও. উইলসনের ভাষায় "ভূমির ওপর এক দানব"। মানুষের আগমনের আগের সময়ের তুলনায় এখন প্রজাতিগুলো ১০০ থেকে ১,০০০ গুণ দ্রুতগতিতে হারিয়ে যাচ্ছে। যদি বিলুপ্তির এই হার চলতে থাকে, তবে হোমো সেপিয়েন্স হবে এই গ্রহের টিকে থাকা হাতেগোনা কয়েকটি প্রাণীর মধ্যে একটি। তখন তারা পানি, খাবার, জীবাশ্ম জ্বালানি এবং হয়তো বাতাসের জন্য নিজেদের মধ্যে চরম সহিংসতায় লিপ্ত হবে যতক্ষণ না তারাও চিরতরে অদৃশ্য হয়ে যায়। উইলসন বলেন, মানবজাতি সিনোজোয়িক বা স্তন্যপায়ী প্রাণীদের যুগ থেকে বিদায় নিয়ে এরেমোজোয়িক বা একাকীত্বের যুগে প্রবেশ করছে। যতক্ষণ পর্যন্ত এই পৃথিবীকে মানবজাতির ব্যক্তিগত সম্পত্তি হিসেবে দেখা হবে যে বিশ্বাসটি পুনর্জন্মবাদী খ্রিষ্টান থেকে শুরু করে মার্কসবাদী এবং মুক্তবাজার অর্থনীতিবিদরা পর্যন্ত পোষণ করেন ততক্ষণ আমরা খুব শীঘ্রই একটি জৈবিক মরুভূমিতে বসবাস করতে বাধ্য হব। ** আইবিআইডি। * এমন এক পৃথিবী যেখানে ৮০০ কোটি থেকে ১,০০০ কোটি মানুষ দিন দিন ফুরিয়ে আসা সম্পদের জন্য প্রতিযোগিতা করছে, তা কখনোই শান্তিপূর্ণ হতে পারে না। শিল্পোন্নত দেশগুলো, যেমনটি তারা ইরাকে করেছে, তাদের সামরিক শক্তি ব্যবহার করে জীবাশ্ম জ্বালানি, খনিজ এবং অন্যান্য অনবায়নযোগ্য সম্পদের সরবরাহ নিশ্চিত করার বৃথা চেষ্টা করবে। তারা এমন এক জীবনধারা বজায় রাখার চেষ্টা করবে যা শেষ পর্যন্ত কোনোভাবেই টিকিয়ে রাখা সম্ভব নয়। সস্তা তেলের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা শিল্প-কৃষি ব্যবস্থার পতন ঘটলে তা দুর্ভিক্ষ, রোগব্যাধি এবং অনাহারের দিকে আমাদের নিয়ে যাবে। আর সমাজের নিচু স্তরে থাকা মানুষদের প্রতিক্রিয়া হবে সন্ত্রাসবাদ এবং যুদ্ধের মতো নিম্নমানের কৌশল। সম্ভবত সেই বিশৃঙ্খলা এবং রক্তপাত এতটাই ব্যাপক হবে যে সহিংসতার মাধ্যমেই এই অতিপ্রজতার সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে, কিন্তু এটি কোনোভাবেই স্বস্তির বিষয় নয়। ** আইবিআইডি। * আমাদের মূল পরিবেশগত সমস্যা জলবায়ু পরিবর্তন নয়। এটি মূলত ওভারশুট বা সীমার অতিরিক্ত লঙ্ঘন, যার একটি লক্ষণ হলো বৈশ্বিক উষ্ণায়ন। এই ওভারশুট হলো একটি পদ্ধতিগত সমস্যা। গত দেড় শতাব্দী ধরে জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে পাওয়া বিপুল পরিমাণ সস্তা শক্তি আমাদের প্রাকৃতিক সম্পদ উত্তোলন, উৎপাদন এবং ভোগের হারকে দ্রুত বাড়িয়ে দিয়েছে; আর এই সবকিছুই শেষ পর্যন্ত জনসংখ্যা বৃদ্ধি, দূষণ এবং প্রাকৃতিক আবাসস্থল ও জীববৈচিত্র্য ধ্বংসের দিকে নিয়ে গেছে। মানুষের এই ব্যবস্থাটি নাটকীয়ভাবে প্রসারিত হয়েছে এবং মানুষের জন্য পৃথিবীর দীর্ঘমেয়াদী ধারণক্ষমতাকে ছাড়িয়ে গেছে। এর ফলে আমরা সেই বাস্তুসংস্থানকেই ধ্বংস করে ফেলছি যার ওপর আমাদের বেঁচে থাকা নির্ভর করে। যতক্ষণ না আমরা এই পদ্ধতিগত ভারসাম্যহীনতা বুঝতে পারছি এবং এর সমাধান করছি, ততক্ষণ পর্যন্ত লক্ষণীয় চিকিৎসা (যেমন জলবায়ু পরিবর্তনের মতো দূষণ রোধ করার চেষ্টা করা, বিপন্ন প্রজাতিগুলোকে বাঁচানোর চেষ্টা করা অথবা জেনেটিকালি পরিবর্তিত ফসলের মাধ্যমে ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যাকে খাওয়ানোর আশা করা) হবে এক ধরণের নিরর্থক ও সাময়িক ব্যবস্থা যা শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হতে বাধ্য। ** রিচার্ড হেইনবার্গ, "[https://www.ecowatch.com/climate-change-heinberg-2471869927.html সিস্টেমেিক চেঞ্জ ড্রিভেন বাই মোরাল অ্যাওয়েকেনিং ইজ আওয়ার অনলি হোপ]।" ''ইকোওয়াচ'' (১৪ আগস্ট ২০১৭)। * গত ২০০ বছরে মানুষের মাথাপিছু শক্তির ব্যবহার আট গুণ বেড়েছে, আর ঠিক একই হারে মানুষের জনসংখ্যাও বৃদ্ধি পেয়েছে। শক্তির এই প্রবৃদ্ধির ফলে শক্তির মাধ্যমে আমরা যা কিছু করি তার পরিধি অনেক বেড়ে গেছে। পরিবহন, উৎপাদন, কৃষি এবং খনিজ উত্তোলনের মাত্রা ব্যাপকভাবে প্রসারিত হয়েছে। শক্তি এখন এতটাই সহজলভ্য যে আমাদের মনে হয় মানুষের যেকোনো সমস্যা এখন বা ভবিষ্যতে কেবল আরও বেশি শক্তি ব্যবহারের মাধ্যমেই সমাধান করা সম্ভব। এমনকি আমরা আমাদের অর্থনৈতিক ব্যবস্থাকে এমনভাবে পুনর্গঠন করেছি যা চিরস্থায়ী প্রবৃদ্ধি হবে বলে ধরে নেয় এবং সেই প্রবৃদ্ধির দাবি করে। কিন্তু জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহারের এই প্রবৃদ্ধি খুব বেশিদিন চলতে পারে না; সম্পদের স্বল্পতা এবং জলবায়ু পরিবর্তন অচিরেই সেই পথ বন্ধ করে দেবে। এমনকি যদি আমরা নিম্ন-কার্বন শক্তির উৎসের দিকে পুরোপুরি ফিরে যাওয়ার চেষ্টাও করি, তবুও সোলার প্যানেল, উইন্ড টারবাইন, পারমাণবিক চুল্লি এবং ব্যাটারি তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণের ক্ষেত্রে আমরা প্রকৃতির সীমার সম্মুখীন হব। আমরা বর্তমানে শক্তি ভাগাভাগি এবং পরিচালনার যেসব পদ্ধতি ব্যবহার করছি তা পর্যাপ্ত নয় কারণ আমরা শক্তির প্রকৃত চরিত্র বুঝতে ব্যর্থ হয়েছি। শক্তির একটি নির্দিষ্ট সীমা আছে—এটি মেনে নিয়ে সেই অনুযায়ী নিজেদের মানিয়ে নেওয়ার পরিবর্তে আমরা একে অস্বীকার করার চেষ্টা করছি। আমরা জলবায়ু পরিবর্তনের মোকাবিলা করার জন্য নবায়নযোগ্য শক্তির রূপান্তরের আশা করি—কিন্তু আমরা কতটা শক্তি ব্যবহার করছি বা তা দিয়ে কী করছি তা নিয়ে কোনো প্রশ্ন তুলি না। আমরা দরিদ্রদের জন্য নামমাত্র নিরাপত্তার ব্যবস্থা করে অর্থনৈতিক অসমতা দূর করার চেষ্টা করি—কিন্তু কিছু মানুষ ঠিক কোন কাঠামোগত উপায়ে নিজেদের অস্বাভাবিকভাবে ধনী করে তুলছে তা খতিয়ে দেখি না। ** রিচার্ড হেইনবার্গ, "[https://www.resilience.org/stories/2021-03-23/understanding-power/ আন্ডারস্ট্যান্ডিং পাওয়ার]", ''রেজিলিয়েন্স'' (২৩ মার্চ ২০২১)। * কয়লা, তেল এবং প্রাকৃতিক গ্যাসের ব্যাপক ব্যবহারের আগে কৃষিপ্রধান সমাজগুলো উত্থান ও পতনের চক্রাকার সময়ের মধ্য দিয়ে গেছে। কিন্তু জীবাশ্ম জ্বালানি-চালিত শিল্প বিপ্লবের সূচনা থেকে, যা মোটামুটি ১৯ শতকের শুরু থেকে শুরু হয়েছে, সম্প্রসারণের এই মাত্রা ছিল একদম অভূতপূর্ব। মাথাপিছু শক্তির ব্যবহার ৮০০ শতাংশ বেড়েছে এবং সেই সাথে জনসংখ্যাও একই হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে সমাজের কাঠামোরও আমূল পরিবর্তন হয়েছে: মানব ইতিহাসে এই প্রথমবার বেশিরভাগ মানুষ এখন শহরে বসবাস করছে। ** রিচার্ড হেইনবার্গ, "[https://www.postcarbon.org/the-end-of-growth-ten-years-after/ দ্য এন্ড অফ গ্রোথ: টেন ইয়ারস আফটার]।" পোস্ট কার্বন ইনস্টিটিউট (৭ ডিসেম্বর ২০২১)। * জীবাশ্ম জ্বালানি মানবজাতির ব্যবহারের জন্য শক্তির এক বিশাল প্রসারের সুযোগ করে দিয়েছে, যা বিনিময়ে মানুষের জনসংখ্যা, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং বৈষয়িক ভোগের ক্ষেত্রে এক অভূতপূর্ব প্রবৃদ্ধির পথ তৈরি করেছে। ** রিচার্ড হেইনবার্গ, "[https://richardheinberg.com/museletter-353-deadly-optimism-useful-pessimism/ ডেডলি অপটিমিজম, ইউজফুল পেসিমিজম]"। ''রেজিলিয়েন্স'' (১৪ জুলাই ২০২২)-এ পুনরায় প্রকাশিত। * গত ২০০ বছরে বিশ্বের মানুষের জনসংখ্যা তিনবার দ্বিগুণ হয়েছে। ১৮২০ সালে যেখানে এই সংখ্যা ছিল মাত্র ১০০ কোটি, ১৯২৭ সালে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছিল ২০০ কোটিতে। এরপর ১৯৭৪ সালে তা আরও বৃদ্ধি পেয়ে ৪০০ কোটিতে পৌঁছায় এবং আজ আমাদের সংখ্যা বর্তমানে ৮০০ কোটিতে এসে দাঁড়িয়েছে। জনসংখ্যার এই বৃদ্ধির হার ১৯৬০-এর দশকে সবচেয়ে বেশি ছিল, যা বছরে ২ শতাংশের চেয়েও বেশি গতিতে বাড়ছিল; এখন সেই বৃদ্ধির হার কিছুটা কমে ১.১ শতাংশে নেমে এসেছে। যদি বর্তমান হারেই জনসংখ্যা বৃদ্ধি পেতে থাকে, তবে এই শতাব্দীর শেষ নাগাদ পৃথিবীতে প্রায় ১,৮০০ কোটি মানুষের বসবাস হবে। এই সবকিছুই হয়তো ঠিকঠাক বা স্বাভাবিক বলে মনে হতো যদি আমরা এমন একটি গ্রহে বাস করতাম যা নিজেও প্রতি ২৫ বছর অন্তর প্রসারিত হতো এবং তার খনিজ সম্পদ, বনভূমি, মৎস্য ভাণ্ডার ও মাটির পরিমাণ দ্বিগুণ করে নিতে পারত এবং শিল্প বর্জ্য শোষণ করার ক্ষমতাও সমানভাবে বাড়াতে পারত। কিন্তু বাস্তব পরিস্থিতি আসলে তেমন নয়। এটি মূলত সেই একই সুন্দর কিন্তু সীমিত সম্পদসম্পন্ন একটি গ্রহ যা মানুষের জন্মের অনেক আগে থেকেই মহাকাশে অবিরাম ঘুরে চলেছিল। ** রিচার্ড হেইনবার্গ, "[https://richardheinberg.com/museletter-356-the-final-doubling দ্য ফাইনাল ডাবলিং]"। ''[https://www.resilience.org/stories/2022-11-03/the-final-doubling/ রেজিলিয়েন্স]'' পুনরায় প্রকাশিত (১ নভেম্বর ২০২২)। * কৃষিকাজ মানুষের জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং সমাজের জটিলতা বৃদ্ধির পথ প্রশস্ত করেছে সত্য, কিন্তু এটি ধীরে ধীরে মাটির পুষ্টিগুণকেও নিঃশেষ করে দিয়েছে। ঘড়ি এবং নৌ-মানচিত্রের সাহায্যে চালিত পালতোলা জাহাজগুলো বাণিজ্যের পরিধি অনেক বাড়াতে পেরেছিল। কিন্তু এই কাঠের জাহাজ তৈরি করা এবং ইস্পাত তৈরির জন্য কাঠকয়লা উৎপাদন করার বিষয়টি শেষ পর্যন্ত পুরো মহাদেশের বনভূমি উজাড় করার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। একসময় মনে হচ্ছিল যে আমরা হয়তো প্রকৃতির এই সব সীমাবদ্ধতার মুখোমুখি হতে চলেছি। কিন্তু ঠিক তখনই একটি অভাবনীয় ঘটনা বা "অলৌকিক" কিছু ঘটল। বিশ্ব বাণিজ্যের কিছু প্রধান কেন্দ্রে বসবাসকারী মানুষরা জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহার করতে শুরু করল শক্তির এমন এক উৎস যা আগেকার দিনের তুলনায় অকল্পনীয় এবং আপাতদৃষ্টিতে অন্তহীন ক্ষমতা প্রদানে সক্ষম ছিল। কয়লা, তেল এবং প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবহন প্রযুক্তির (যেমন বাষ্পীয় জাহাজ, রেলপথ, গাড়ি, ট্রাক এবং বিমান) দ্রুত বিকাশে সহায়তা করেছে। এর ফলে ভ্রমণের গতি এবং বাণিজ্যের সীমাবদ্ধতাগুলো দূর করা সম্ভব হয়েছে। যার ফলে এক জায়গায় প্রচুর পরিমাণে থাকা পণ্য ও সম্পদ অন্য জায়গায় যেখানে তার অভাব রয়েছে সেখানে সহজেই নিয়ে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে। শক্তির সাহায্যে চালিত খনির যন্ত্রপাতির মাধ্যমে সম্পদ আহরণের হার বাড়ানোর জন্য এবং উন্নত মানের আকরিক ফুরিয়ে গেলে নিম্নমানের আকরিক প্রক্রিয়াজাত করার জন্য জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহার করা সম্ভব হয়েছে। শক্ত কাঠ বা তিমির তেলের মতো যেসব প্রাকৃতিক সম্পদ দিন দিন কমে আসছিল, সেগুলোর বিকল্প হিসেবে প্লাস্টিক এবং বিভিন্ন রাসায়নিক তৈরি করা সম্ভব হয়েছে। এছাড়া এগুলো কৃত্রিম সার তৈরির কাজেও ব্যবহার করা হয়েছে যা কৃষিকাজের ফলে মাটির হারিয়ে যাওয়া পুষ্টিগুণ ফিরিয়ে দিতে সাহায্য করেছে। এই সমস্ত উন্নয়নগুলো একসাথে মিলে জনসংখ্যার বৃদ্ধির হারকে এতটাই বাড়িয়ে দিয়েছে যা ইতিহাসের সমস্ত রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেছে: মাত্র দুই শতাব্দীর মধ্যে মানুষের সংখ্যা ১০০ কোটি থেকে বেড়ে ৮০০ কোটিতে পৌঁছেছে। আমরা আসলে জনসংখ্যা এবং ভোগের ওপর থাকা বিদ্যমান প্রাকৃতিক সীমাবদ্ধতাগুলোকে এতটাই প্রসারিত করেছি যে অনেক মানুষের পক্ষেই এখন এটি দেখা বা বোঝা কঠিন হয়ে পড়েছে যে আসলে কোনো সীমাবদ্ধতা আদৌ আছে কি না। ** [[রিচার্ড হেইনবার্গ]], "[https://richardheinberg.com/museletter-358-why-understanding-limits-is-the-key-to-humanitys-future হোয়াই আন্ডারস্ট্যান্ডিং লিমিটস ইজ দ্য কি টু হিউম্যানিটি’জ ফিউচার]"। ''[https://www.resilience.org/stories/2023-01-19/why-understanding-limits-is-the-key-to-humanitys-future/ রেজিলিয়েন্স]''-এ পুনরায় প্রকাশিত (১৯ জানুয়ারি ২০২৩)। * আমরা যেভাবে আমাদের জনসংখ্যা এবং মাথাপিছু ভোগের হার বাড়িয়েছি, তার ফলে আমরা অন্যান্য প্রাণের প্রাকৃতিক আবাসস্থল কেড়ে নিচ্ছি। এর ফলে প্রকৃতি এখন পিছু হঠতে বাধ্য হচ্ছে। গত ৫০ বছরে মেরুদণ্ডী এবং অমেরুদণ্ডী প্রাণীর সংখ্যা গড়ে ৭০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে এবং সেই সাথে হাজার হাজার প্রজাতির গাছপালাও আজ বিলুপ্তির হুমকির মুখে রয়েছে। ** [[রিচার্ড হেইনবার্গ]], "[https://richardheinberg.com/museletter-358-why-understanding-limits-is-the-key-to-humanitys-future হোয়াই আন্ডারস্ট্যান্ডিং লিমিটস ইজ দ্য কি টু হিউম্যানিটি’জ ফিউচার]"। ''[https://www.resilience.org/stories/2023-01-19/why-understanding-limits-is-the-key-to-humanitys-future/ রেজিলিয়েন্স]''-এ পুনরায় প্রকাশিত (১৯ জানুয়ারি ২০২৩)। * মাঠের ইঁদুরের জনসংখ্যার মাত্রাতিরিক্ত বৃদ্ধির ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ বা সংকটাপন্ন সম্পদ হতে পারে ছোট ছোট গাছপালা, যা অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে দ্রুত বৃদ্ধি পায়। বর্তমানের মানবজাতির জন্য সেই গুরুত্বপূর্ণ সম্পদটি হলো জীবাশ্ম শক্তি। শক্তির এই সাময়িক প্রাচুর্য অনেক ভালো ফল নিয়ে এসেছে (কমপক্ষে আমাদের মধ্যে কিছু মানুষের জন্য তো বটেই): যেমন অনেক বেশি খাবার, অনেক বেশি মানুষ, অনেক বেশি বাণিজ্যিক পণ্য, জ্ঞান, আরাম এবং অনেক বেশি সুযোগ-সুবিধা। কিন্তু আমরা এখন আমাদের নিজেদের এই অভাবনীয় সাফল্যেরই শিকার হতে চলেছি। ** [[রিচার্ড হেইনবার্গ]], "[https://richardheinberg.com/museletter-358-why-understanding-limits-is-the-key-to-humanitys-future হোয়াই আন্ডারস্ট্যান্ডিং লিমিটস ইজ দ্য কি টু হিউম্যানিটি’জ ফিউচার]"। ''[https://www.resilience.org/stories/2023-01-19/why-understanding-limits-is-the-key-to-humanitys-future/ রেজিলিয়েন্স]''-এ পুনরায় প্রকাশিত (১৯ জানুয়ারি ২০২৩)। * প্রিয়জনের মৃত্যু সবসময়ই অত্যন্ত দুঃখের বিষয় এবং আমরা খুব কম মানুষই নিজেদের মৃত্যুর প্রত্যাশা করি। আর ঠিক এই কারণেই মানুষ চিরকাল ধরে অমরত্বের সুধা বা অন্তত ক্যান্সারের মতো মরণব্যাধির নিরাময় খুঁজে চলেছে। কিন্তু যদি কেউ মারা না যেত, তবে এই গ্রহটি খুব দ্রুত মানুষে পরিপূর্ণ হয়ে যেত এবং আমাদের বাঁচিয়ে রাখার জন্য প্রয়োজনীয় সব সম্পদ ফুরিয়ে রিক্ত হয়ে পড়ত। মৃত্যু মূলত নতুন জীবনের জন্য জায়গা করে দেয়; অস্তিত্বের এই মহাজাগতিক আসরে প্রবেশ করার জন্য এটি হলো এক অনিবার্য এবং অলঙ্ঘনীয় মূল্য। ** [[রিচার্ড হেইনবার্গ]], "[https://richardheinberg.com/museletter-358-why-understanding-limits-is-the-key-to-humanitys-future হোয়াই আন্ডারস্ট্যান্ডিং লিমিটস ইজ দ্য কি টু হিউম্যানিটি’জ ফিউচার]"। ''[https://www.resilience.org/stories/2023-01-19/why-understanding-limits-is-the-key-to-humanitys-future/ রেজিলিয়েন্স]''-এ পুনরায় প্রকাশিত (১৯ জানুয়ারি ২০২৩)। * গত কয়েক হাজার বছরের মানব ইতিহাসে আমরা ইতিমধ্যে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ এবং গতিশীল পরিবর্তনের সাক্ষী হয়েছি। প্রায় ৫,০০০ বছর আগে প্রথম মুদ্রাব্যবস্থার প্রচলন বাণিজ্যের দ্রুত প্রসারে সহায়তা করেছিল যা শেষ পর্যন্ত আমাদের আজকের এই বিশ্বায়িত আর্থিক ব্যবস্থায় রূপ নিয়েছে। ধাতব অস্ত্রের ব্যবহার যুদ্ধবিগ্রহকে আরও মারাত্মক করে তুলেছে এবং এর ফলে উন্নত ধাতব প্রযুক্তি সম্পন্ন রাজ্য ও সাম্রাজ্যগুলো কম শক্তিশালী সমাজগুলোকে নিজেদের দখলে নিয়ে নিয়েছে। যোগাযোগের বিভিন্ন মাধ্যম (যার মধ্যে রয়েছে লেখালেখি, বর্ণমালা, ছাপাখানা, রেডিও, টেলিভিশন, ইন্টারনেট এবং সোশ্যাল মিডিয়া) কিছু বিশেষ মানুষের হাতে অন্যদের মনকে প্রভাবিত করার ক্ষমতা বাড়িয়ে দিয়েছে। আর গত এক বা দুই শতাব্দীতে জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার প্রাকৃতিক সম্পদ আহরণ, উৎপাদন, খাদ্য উৎপাদন এবং পরিবহনের কাজকে অনেক সহজ করে তুলেছে। যা দ্রুত অর্থনৈতিক প্রসার এবং জনসংখ্যা বৃদ্ধিতে সহায়তা করেছে। এই চারটি প্রধান পরিবর্তনের মধ্যে আমাদের জীবাশ্ম জ্বালানি গ্রহণ ছিল সবচেয়ে বেশি শক্তিশালী এবং একই সাথে সমস্যাযুক্ত। মাত্র দুই শতাব্দীর মধ্যে মাথাপিছু শক্তির ব্যবহার আট গুণ বেড়েছে এবং ঠিক একইভাবে মানুষের জনসংখ্যার আকারও বৃদ্ধি পেয়েছে। ১৯৫০ সালের পরের সময়টিতে পেট্রোলিয়ামের ওপর বিশ্বব্যাপী নির্ভরতা নাটকীয়ভাবে বেড়েছে এবং এই সময়েই মানব ইতিহাসের সবচেয়ে দ্রুততম অর্থনৈতিক ও জনসংখ্যা বৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে। প্রকৃতপক্ষে ইতিহাসবিদরা একে "গ্রেট অ্যাক্সিলারেশন" বা মহা-ত্বরণ বলে অভিহিত করেন। নব্য-উদারবাদী অর্থনীতিবিদরা এই মহা-ত্বরণকে একটি সাফল্যের গল্প হিসেবে প্রচার করলেও এর ক্ষতিকর প্রভাবগুলো এখন সবেমাত্র দৃশ্যমান হতে শুরু করেছে। শিল্প-কৃষি ব্যবস্থা প্রতি বছর কয়েক হাজার কোটি টন হারে পৃথিবীর উপরিভাগের উর্বর মাটি ধ্বংস করছে। বন্য প্রকৃতি আজ বিলুপ্তির পথে, গত অর্ধশতাব্দীতে প্রাণিকুল তাদের সংখ্যার গড়ে ৭০ শতাংশ হারিয়ে ফেলেছে। আর আমরা এই গ্রহের জলবায়ুকে এমনভাবে পরিবর্তিত করছি যার ফলশ্রুতিতে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে এক ভয়াবহ বিপর্যয়ের সম্মুখীন হতে হবে। এই সিদ্ধান্ত থেকে দূরে সরে থাকা কঠিন যে মানুষের এই সামগ্রিক কর্মকাণ্ড আজ মাত্রাতিরিক্ত বিশাল হয়ে গেছে এবং এটি প্রকৃতিকে ("সম্পদ") বর্জ্য এবং দূষণে খুব দ্রুত রূপান্তরিত করছে যা নিজেকে টিকিয়ে রাখার ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। বিদ্যমান তথ্যপ্রমাণ বলছে যে আমাদের এখন গতি কমিয়ে দেওয়া উচিত এবং কিছু ক্ষেত্রে অন্তত জনসংখ্যা, ভোগ ও বর্জ্যের পরিমাণ কমিয়ে আমাদের গতিপথ পরিবর্তনের প্রয়োজন রয়েছে। ** রিচার্ড হেইনবার্গ, "[https://richardheinberg.com/museletter-363-polycrisis-unraveling-simplification-or-collapse পলিসাইসিস, আনর‍্যাভেলিং, সিম্প্লিফিকেশন, অর ক্ল্যাপস]"। ''[https://www.resilience.org/stories/2023-06-15/polycrisis-unraveling-simplification-or-collapse-coming-soon-to-a-planet-near-you/ রেজিলিয়েন্স]''-এ পুনরায় প্রকাশিত (১৫ জুন ২০২৩)। * ফুরিয়ে আসা এবং জলবায়ু পরিবর্তনকারী কয়লা, তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস মানুষের জনসংখ্যার এক নাটকীয় বৃদ্ধি নিয়ে এসেছে এবং সেই সাথে মুষ্টিমেয় কিছু মানুষের জন্য নিয়ে এসেছে বিপুল মুনাফা ও অভূতপূর্ব সম্পদ। কিন্তু এই সমস্ত অনুমিত এবং সম্ভবত সাময়িক সুবিধাগুলো গড়ে উঠেছে প্রাকৃতিক সম্পদ নিঃশেষ করার মাধ্যমে এবং এমন সব প্রক্রিয়ার ওপর ভিত্তি করে যা জলবায়ুকে বিপজ্জনকভাবে বদলে দিচ্ছে ও সারা বিশ্বের বাস্তুসংস্থানকে ধ্বংস করছে। প্রতিবার যখন আমরা একটি পেট্রল-চালিত যন্ত্রপাতি ব্যবহার করি, তখন আমরা আক্ষরিক অর্থেই সেই কৃত্রিম সুবিধার শিকল এবং ক্রমাগত বাড়তে থাকা ক্ষতিকর প্রভাবের সাথে জড়িয়ে পড়ি। ** রিচার্ড হেইনবার্গ, "[https://richardheinberg.com/museletter-368-the-gasoline-powered-leaf-blower-as-a-metaphor-for-industrial-society দ্য গ্যাসোলিন-পাওয়ার্ড লিফ ব্লোয়ার অ্যাজ আ মেটাফোর ফর ইন্ডাস্ট্রিয়াল সোসাইটি]", ''[https://www.resilience.org/stories/2023-11-01/the-gasoline-powered-leaf-blower-as-a-metaphor-for-industrial-society রেজিলিয়েন্স]''-এ পুনরায় প্রকাশিত (১ নভেম্বর ২০২৩)। * অবশ্যই আমাদের ভবিষ্যৎ গড়ার ক্ষেত্রে জনসংখ্যার ভূমিকার কথা চিন্তা করতে হবে। বিশ্বের জনসংখ্যা যত বৃদ্ধি পাবে, এই চ্যালেঞ্জটি মোকাবিলা করা আমাদের জন্য ততই কঠিন হয়ে দাঁড়াবে। আমরা যখন এই প্রশ্নটি নিয়ে ভাবব, তখন আমাদের জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যে আমরা যেন এর মূলে থাকা কাঠামোগত চালিকাশক্তিগুলোর ওপর আলোকপাত করি। সারা বিশ্বের অনেক নারীরই আজ নিজের শরীরের ওপর এবং কয়টি সন্তান নেবেন সেই সিদ্ধান্তের ওপর কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। এমনকি উদারনৈতিক দেশগুলোতেও নারীদের সন্তান জন্ম দেওয়ার জন্য এক ধরণের সামাজিক চাপের সম্মুখীন হতে হয়। এমনকি যারা কম সন্তান নিতে চান বা একদমই সন্তান নিতে চান না, তাদের প্রায়ই নানা প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয় এবং সামাজিকভাবে হেয় করা হয়। দারিদ্র্য এই সমস্যাগুলোকে আরও বেশি জটিল করে তোলে... আর অবশ্যই পুঁজিবাদ নিজেই জনসংখ্যা বৃদ্ধির জন্য এক ধরণের চাপ সৃষ্টি করে: কারণ বেশি মানুষ মানেই হলো বেশি শ্রমিক, সস্তা শ্রম এবং আরও বেশি সংখ্যক ভোক্তা। এই চাপগুলো আমাদের সংস্কৃতিতে এবং এমনকি জাতীয় নীতিতেও প্রভাব ফেলে: যেমন ফ্রান্স এবং জাপানের মতো দেশগুলো তাদের অর্থনীতিকে সচল রাখার জন্য নারীদের বেশি সন্তান নিতে বিভিন্ন ধরণের উৎসাহ ও প্রণোদনা দিচ্ছে। ** [[জেসন হিকেলে]], ''লেস ইজ মোর: হাউ ডিগ্রোথ উইল সেভ দ্য ওয়ার্ল্ড'', ২০২১, পৃষ্ঠা ১১০-১১১ * এমন কেউ নেই যে একটি কয়লা খনি, লোহার আকরিকের উৎস এবং একটি বিদ্যুৎ চালিত কারখানা ও খাবারের জোগানের এক দিনের হাঁটা পথের দূরত্বের মধ্যে বাস করে। পুরনো দিনের কারখানাগুলো ভারী গরম ধাতু এবং আবর্জনা সরানোর বড় মোটরগুলো চালানোর জন্য বিদ্যুৎ ব্যবহার করত না। প্রথম দিকের কারখানাগুলো কয়লা এবং লোহার খনির খুব কাছেই ছিল, কিন্তু আমরা সেই সব সম্পদ ব্যবহার করে শেষ করে ফেলেছি; এখন আর সেগুলো একে অপরের খুব কাছে নেই।<br>১৫০০ সালে বিশ্বের জনসংখ্যা ছিল মাত্র ৪৫ কোটির মতো এবং পরবর্তী ২৫০ বছরে 'নতুন বিশ্বের' সম্পদ ব্যবহারের মাধ্যমে শিল্প বিপ্লবের শুরু পর্যন্ত তা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায়। এরপর থেকে আমরা কেবল উপরের দিকেই উঠেছি, বিশেষ করে ১৮০০ সালের পর থেকে যখন জীবাশ্ম শক্তির ব্যবহার শুরু হয়েছে।<br>তেল এবং বিশেষ করে ডিজেল ব্যবহারের আসন্ন হ্রাসের কথা বিবেচনা করলে মানুষ আমাদের এই চরম (এবং এখনও ক্রমবর্ধমান) অতিপ্রজতার সমস্যাটি মোটেও বুঝতে পারে না। "আমরা এটি ছোট করে দেব" বা "সেটি স্থানীয়ভাবে তৈরি করব"—এমন ধারণা এই সত্যটিকে এড়িয়ে যায় যে একবার তেলের সরবরাহ কমে যেতে শুরু করলে প্রতি বছরই এই ঘাটতি স্থায়ীভাবে বাড়তে থাকবে। আর ডিজেলের অভাব দেখা দিলে নতুন কিছু তৈরি করার ক্ষমতাও পুরোপুরি বিলুপ্ত হয়ে যাবে।<br>এটি হবে এক করুণ দৃশ্য যেখানে সর্বত্র কষ্ট বাড়তে থাকবে। তখন যারা বেঁচে থাকবে তাদের হতে হবে অত্যন্ত কঠোর মনের মানুষ, যারা অন্যের কথা চিন্তা না করে কেবল নিজেদের আপনজনদের রক্ষা করার এবং তাদের প্রয়োজন মেটানোর চেষ্টা করবে।<br>প্রত্যেকের উচিত তাদের নিজেদের ঘরের চারদিকে তাকানো এবং কল্পনা করা যে বাড়ির প্রতিটি জিনিস তৈরি এবং পৌঁছে দিতে যে তেলের প্রয়োজন হয়েছে তা ছাড়া ঘরটি কেমন হবে। কারণ ভবিষ্যতে আমাদের এমন এক জগতের মুখোমুখি হতে হবে যেখানে শহরগুলোতে থাকবে পুরনো ক্ষয়িষ্ণু শীতাতপহীন ভবন এবং সেখানে কোনো খাবার থাকবে না। ** হাইডঅ্যাওয়ে (হেলেন হাসানের ছদ্মনাম), "[https://un-denial.com/2024/09/14/by-kira-hideaway-on-relocalization/ অন রিলোক্যালাইজেশন]"। ''আন-ডিনায়েল'', ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪। * প্রতিটি প্রজাতিই তার অস্তিত্ব রক্ষায় তার হাতে থাকা সমস্ত সম্পদ ব্যবহার করে নিজেদের জনসংখ্যা বাড়ানোর চেষ্টা করে এবং কোনো একটি সীমার কাছাকাছি না পৌঁছানো পর্যন্ত এটি চলতেই থাকে। ইঁদুরের মহামারীর কথা চিন্তা করুন, মানুষের কৃষিকাজের সুবিধার ফলে তাদের জনসংখ্যা ব্যাপক হারে বেড়ে যায় যতক্ষণ না পরবর্তী শীত বা তুষারপাত ঘটে অথবা শস্য শেষ হয়ে যায়। এরপর খুব অল্প সময়ের মধ্যে তাদের এক বিশাল বিলুপ্তি বা মৃত্যু ঘটে। ** আইবিআইডি। * এই গ্রহে আমাদের ৮০০ কোটিরও বেশি মানুষ রয়েছে এবং তাদের মধ্যে ৯৯.৯৯ শতাংশেরই কোনো ধারণা নেই যে এই আধুনিক সভ্যতা হঠাৎ করে এক চরম পরিণতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। আর যখন এটি ঘটবে, তখন যারা এই বিপদটি আগে থেকেই বুঝতে পেরেছিল এবং প্রস্তুতি নেওয়ার চেষ্টা করেছিল, তাদের সমস্ত পরিকল্পনাও ধূলিসাৎ হয়ে যাবে। ** আইবিআইডি। * কেউ হয়তো ভাবতে পারেন যে মানবজাতির সাফল্য নিশ্চিত, তবে কিছু বিষয় এখানে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে: প্রথমত, তেল, কয়লা এবং প্রাকৃতিক গ্যাসের ক্রমবর্ধমান ঘাটতি হঠাৎ করেই আমাদের সেই সম্পদের ভাণ্ডার কেড়ে নেওয়ার হুমকি দিচ্ছে যা দিয়ে মানবজাতি নিজেদের ভরণপোষণ করে আসছে। দ্বিতীয়ত, আমরা যদি দিন দিন ফুরিয়ে আসা এই সম্পদগুলোর সহায়তা নিতে না পারি, তবে পৃথিবীর ধারণক্ষমতা ৮০০ কোটি মানুষকে টিকিয়ে রাখার জন্য মোটেও পর্যাপ্ত নয়। আর সবশেষে, গত কয়েক শতাব্দী ধরে আমাদের এই ভোগ-বিলাসের উৎসব পৃথিবীকে এমনভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে যা সারিয়ে তোলা এখন আর মানুষের পক্ষে সম্ভব নয়। ** প্রেস্টন হাওয়ার্ড, "[https://un-denial.com/2023/09/28/by-preston-howard-the-maximum-power-principle-and-why-it-underscores-the-certainty-of-human-extinction-in-the-near-future/ দ্য ম্যাক্সিমাম পাওয়ার প্রিন্সিপল অ্যান্ড হোয়াই ইট আন্ডারস্কোরস দ্য সারটেইনটি অফ হিউম্যান এক্সটিংকশন ইন দ্য নিয়ার ফিউচার]।" ''আন-ডিনায়েল'' (২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩) * ইউক্রেনের এই ছায়াযুদ্ধ বা প্রক্সি ওয়ার কি আসলে আরও বড় কিছুর দিকে যাওয়ার সংকেত দিচ্ছে, যার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে বিশ্বব্যাপী দুর্ভিক্ষ এবং খাদ্য ও তেলের ঘাটতিতে থাকা দেশগুলোর জন্য বৈদেশিক মুদ্রার সংকট?<BR>মার্কিন শীতল যুদ্ধের কৌশল কেবল দুর্ভিক্ষ বা তেল ও ব্যালেন্স-অফ-পেমেন্ট সংকট থেকে কীভাবে সুবিধা নেওয়া যায় তা নিয়েই ভাবছে না। ক্লজ শোয়াব-এর ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামও উদ্বিগ্ন যে বিশ্বের জনসংখ্যা অতিরিক্ত বেড়ে গেছে—অন্তত "ভুল ধরণের" মানুষের সংখ্যা। '''মাইক্রোসফ্ট জনহিতৈষী... বিল গেটস যেমন ব্যাখ্যা করেছেন: "আফ্রিকায় জনসংখ্যা বৃদ্ধি একটি বড় চ্যালেঞ্জ।" তার লবিং ফাউন্ডেশনের ২০১৮ সালের "গোলকিপার্স" প্রতিবেদনে সতর্ক করা হয়েছে: "জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৫ থেকে ২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বের মোট জনসংখ্যা বৃদ্ধির অর্ধেকেরও বেশি হবে আফ্রিকায়। ২০৫০ সালের মধ্যে আফ্রিকার জনসংখ্যা দ্বিগুণ হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।"''' যার ফলে "বিশ্বের অত্যন্ত দরিদ্র মানুষের ৪০ শতাংশেরও বেশি মানুষ বাস করবে মাত্র দুটি দেশে: কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র এবং নাইজেরিয়া।" গেটস পরামর্শ দিয়েছেন যে জন্মনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার উন্নতি ঘটিয়ে এবং শিক্ষার প্রসার ঘটিয়ে জনসংখ্যার এই সম্ভাব্য বৃদ্ধি ৩০ শতাংশ কমিয়ে আনা সম্ভব যাতে "আরও বেশি মেয়ে ও নারী দীর্ঘ সময় স্কুলে থাকতে পারে এবং দেরিতে সন্তান গ্রহণ করতে পারে।" কিন্তু এই গ্রীষ্মে খাদ্য ও তেলের সংকটের কারণে যখন সরকারি বাজেট হিমশিম খাচ্ছে, তখন কীভাবে এই সবকিছুর খরচ মেটানো সম্ভব হবে? ** [[মাইকেল হাডসন (অর্থনীতিবিদ)|মাইকেল হাডসন]], [https://michael-hudson.com/2022/06/is-us-nato-with-wef-help-pushing-for-a-global-south-famine/ ইজ ইউএস/ন্যাটো (উইথ ডব্লিউইএফ হেল্প) পুশিং ফর আ গ্লোবাল সাউথ ফেমিন?] (৬ জুন ২০২২) === K === * Perhaps the most ambiguous of these [technological] achievements [of the [[Industrial Revolution|industrial age]]] is the one that began in mid-nineteenth century with improvements in public health, vaccinations, and antibiotics. These methods of death control emerged too rapidly to be offset by methods of birth control and populations exploded. Again, who can speak against this from within the old paradigm? In fact, it is only from the newer ecological paradigm that we are able to recognize that all this marvelous technology has... likely led the human population to overshoot the carrying capacity of the earth. Even from this perspective many of us would... want to save lives now in hopes that somehow there will be enough resources for those who come after us. In less complex animal populations, an overshoot leads to a crash, or die-off. Can humans somehow circumvent this conclusion without relying on further damaging drawdown strategies? … a basic change in our technologies, and acceptance of a steady state in economics reinforced by a compatible spiritual orientation, may at least mitigate human suffering and loss. ** Maynard Kaufman, ''Adapting to the end of oil'', 2008, p. 29. * Unlike plagues of the dark ages or contemporary diseases we do not yet understand, the modern plague of overpopulation is soluble by means we have discovered and with resources we possess. What is lacking is not sufficient knowledge of the solution but universal consciousness of the gravity of the problem and education of the billions who are its victims. ** [[মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র]], acceptance speech, Margaret Sanger award in human rights 1966; Lamont Hempil ''Sustainable communities''. * We have learned a lot in the 50 years since "{{W|The Population Bomb}}" was published. We should not shy away from discussing what actions are ethically permissible to facilitate a stable level of population growth, nor should we leave this discussion in the hands of the affluent. The conversation about ethics, population, and reproduction needs to shift from the perspective of white donor countries to the places and people most affected by poverty, climate change and environmental degradation. ** {{W|Frances Kissling}}, Jotham Musinguzi and [[Peter Singer]], "[https://www.washingtonpost.com/opinions/talking-about-overpopulation-is-still-taboo-that-has-to-change/2018/06/18/ca7c1838-6e6f-11e8-afd5-778aca903bbe_story.html Talking about overpopulation is still taboo. That has to change]". ''{{W|The Washington Post}}''. June 18, 2018. * All we can say now is, that, even now, 600 persons could easily live on a square mile; and that … 1,000 human beings—not idlers—living on 1,000 acres could easily, without … overwork, obtain … a luxurious vegetable and animal food, as well as the flax, wool, silk and hides necessary for their clothing. As to what may be obtained under still more perfect methods—also known but not yet tested on a large scale—is better to abstain from any forecast: so unexpected are the recent achievements of intensive culture. We thus see that the over-population fallacy does not stand the very first attempt at submitting it to a closer examination. ** [[Peter Kropotkin]], ''[[Peter Kropotkin#Fields, Factories and Workshops_(1899)|Fields, Factories and Workshops]]'' (1899) * It has been estimated that the world human population stood at about one billion around the early 1800s, which was roughly about when the industrial adventure began to gain traction. It has been inferred from this that a billion people is about the limit that the planet Earth can support when it is run on a nonindustrial basis. World population is now past six and a half billion, having more than doubled since my childhood in the 1950s. The mid-twentieth century was a time of rising anxiety over the “population explosion.” The marvelous technological victory over food shortages, including the “green revolution” in crop yields, accelerated that already robust leap in world population that had begun with modernity. Dramatic improvements in sanitation and medicine extended lives. Industry sopped up expanding populations and reassigned them from rural lands to work in the burgeoning cities. The perceived ability of the world to accommodate these newcomers and latecomers in a wholly new disposition of social and economic arrangements seemed [to] be the final nail in the coffin of [[Thomas Robert Malthus]]… ** [[James Howard Kunstler|James H. Kunstler]], ''{{W|The Long Emergency}}'', Chapter 1: "Sleepwalking into the future", pp. 5–6. * Malthus was certainly correct [that demand will outstrip supply], but... [hydrocarbons] ...skewed the [supply-demand] equation over the past [two] hundred years while the human race has enjoyed an unprecedented orgy of [a fraction of] nonrenewable condensed solar energy accumulated over eons of prehistory. The “green revolution” in boosting crop yields was minimally about scientific innovation in crop genetics and mostly about dumping massive amounts of fertilizers and pesticides made... of ...[petroleum] onto crops, as well as employing irrigation at a fantastic scale made possible by abundant oil and gas. The cheap oil age created an artificial bubble of plen[t]itude for a period not much longer than a human lifetime, a hundred years. Within that comfortable bubble, the idea took hold that only grouches, spoilsports, and godless maniacs considered population hypergrowth a problem [with a direct solution], and that to even raise the issue was indecent. ...As oil ceases to be cheap and the world reserves arc toward depletion, we will indeed suddenly be left with an enormous surplus population... that the ecology of the earth will not support. No political program of birth control will avail. The people are already here. The journey back to non-oil population homeostasis will not be pretty. '''We will discover the hard way that population hypergrowth was simply a side effect of the oil age.''' It was [more of] a condition [without a remedy], not a problem with a [direct] solution. That is what happened, and we are stuck with it. ** Ibid., p. 8. * '''Cheap oil had allowed populations to explode in precisely those parts of the world that had had, for millennia, a high infant mortality rate and modest life expectancy.''' Cheap oil was behind the "green revolution" that increased the food supply in the nonindustrial world. Oil was also behind many of the medicines and preventives that had neutralized… diseases. Now, suddenly, most of those children… survived, grew up, and produced more children who survived and grew up, and over… the twentieth century, the global populations hurtled into extreme numerical overshoot. Populations were, in effect, eating oil, notably in [the form of] food exports from the United States, where agribusiness had completely taken over from agriculture. Local farmers in Africa, Asia, or South America couldn’t compete with corporate Archer Daniels Midland’s oil-and-gas-based grain crops and U.S. government subsidies. ** James H. Kunstler, ''The Long Emergency'' (2005), Chapter 6: "Running on fumes : the hallucinated economy" pp. 187–188. * Peak human population will surely lag … peak oil and peak mineral resources until these conditions express themselves as food shortages. This means that the human population will continue to rise for a while, even as we begin to encounter these … strict resource limits. It’s not possible to estimate how much the population will increase because the relationship between energy and mineral resources and food production is a very fragile equation, subject to any number of discontinuities. To these, add the complications of weather disasters arising from climate change, including drought, the spread of plant diseases, and so forth. This lagging further rise in [the] human population will only make the inevitable contraction more acute once food shortages begin. [Overpopulation] amounts to a human population overshoot … to the planet Earth’s ecology. We're putting a strain on everything the earth has to offer us. While the combination of peak stuff and [too many] billion humans is forcing the issue, ...the truth is that '''circumstances will now determine what happens, not policies or personalities.''' … Population overshoot is therefore unlikely to yield to management. Rather, the usual suspects will enter the scene and do their thing: starvation, disease, … violence … [and] death. ** James H. Kunstler, ''Too Much Magic'', Chapter 1: "Where We're At", p. 10. === L === *Fossil fuels’ biggest impact on the agricultural sector stems from the use of natural gas in industrial fertilizer production. Industrial fertilizer was first mass-produced in 1914 using what came to be known as the {{W|Haber-Bosch process}}. This invention enabled the {{W|Green Revolution}}, a boom in agricultural production that took place in the latter half of the 20th century, starting in Mexico and India. From 1961 to 2010, cereal yields per acre increased by 217 percent in Mexico and 183 percent in India. It is no coincidence that the human population has more than quadrupled since 1920.<br>We often attribute the Green Revolution to the spread of high-yielding crop varieties. Yet these varieties typically require industrial fertilizer application. The Haber-Bosch method, combined with mechanization and pesticides derived from fossil fuels, [has] represented a massive and unsustainable injection of fossil fuels into our food system. Today, the production of one food calorie in the United States requires 2.7 fossil fuel calories. **Helene Langlamet and Alix Underwood. “[https://steadystate.org/a-trophic-perspective-on-fossil-fuels/ A Trophic Perspective on Fossil Fuels].” Center for the Advancement of the Steady State Economy, August 1, 2024. * Driven by the Anthropocene engine, human population has grown exponentially, and individual societies have approached collapse multiple times over the past 8,000 years. The disappearance of the Easter Island civilization and the collapse of the Mayan empire, for example, have been linked to the depletion of environmental resources as populations rose. The dramatic decline of the European population during the Black Death in the 1300s was a direct consequence of crowded and unsanitary living conditions that facilitated the spread of Yersenia pestis, or plague. ** Manfred Laubichler, [https://theconversation.com/8-billion-humans-how-population-growth-and-climate-change-are-connected-as-the-anthropocene-engine-transforms-the-planet-193075 8 billion humans: How population growth and climate change are connected as the ‘Anthropocene engine’ transforms the planet]. ''{{W|The Conversation (website)|The Conversation}}'', November 3, 2022. * In the 20th century we decisively broke our dependence on energy systems that were fed by the wind and sun and which we supplemented with human and animal muscle power. That leap was made possible by innovations that allowed us to extract, pump, use, and transform raw materials, particularly to unlock energy stored in coal and oil to make chemicals and plastics. That in turn allowed a massive expansion in population, lifespans, and economic growth. The rise of industrial capitalism from 1851 to 1971 went hand in hand with a surge in population, mainly in cities, provided with better food and public health. ** Charles Leadbeater, ''The Frugal Innovator'' (2014), p. 36. * On a global level, there is no threat to human survival greater than that posed by world overpopulation—paradoxical though that may seem—and it is abundantly clear that consensus decision making is ineffective for dealing with that. Some kind of “solution” is nonetheless unavoidable, and is certain to be ugly. To say that there is no visible world leadership on that transcendental question is to understate the case. Optimists on the population problem don’t measure progress in terms of a decrease in population, or even a decrease in the rate of increase, but in terms of a decrease in the rate of increase of the rate of increase. ** [[Harold Lewis]], ''Why Flip a Coin?'' (1997), <small> {{আইএসবিএন|0-471-16597-2}}, </small> pp. 98-99 * The human population will continue to increase until it can’t. When it can no longer increase, it will crash. Our extreme efforts to focus our minds elsewhere are symptoms of a desperate attempt to find solid footing, to believe in a future that will not vanish. Mankind has had a storied existence on Earth. Our thirst for knowledge and innovation has provided comfort and security. However, it is becoming increasingly evident that our remarkable progress has become our worst enemy. We know our planet is finite. Images of Earth from space make it plain for all to see. However, people routinely ignore this verifiable certainty in all aspects of their lives, treating the world as [if it were] infinite. Modern-day human activities are not only wiping out ecosystems and biodiversity but [also] plundering the clean air, water, and topsoil that helped bring about our tenure on the planet. Entire ecosystems have vanished, including the tallgrass prairie in North America, Madagascar’s rainforests, and the Aral Sea in Asia. '''We use Earth’s natural resources like a bunch of drunks on the greatest bender of all time.''' Human consumption is negatively modifying the planet and permanently damaging the biological systems upon which our continued existence depends. The deterioration of our ecosphere has been exponentially accelerating for at least 100,000 years. As technological advances improve our lives, humanity becomes increasingly detached from its environment and the natural resources allowing us to persist. People now have a much closer affinity with iPhones, Amazon, online shopping, restaurants and bars, Netflix, beauty salons, and sporting events than forests, grasslands, marshes, and oceans. Few now understand our existence on Earth is entirely dependent upon photosynthesis. Instead, they believe their survival is contingent on parents, doctors, farmers, governments, bankers, police, and other players in society. It’s not that those institutions, people, and specialties aren’t important, but they represent the retailers. Photosynthesis is the wholesaler. There is a supply chain disruption occurring on a massive scale in our relationship with the planet. The ancient forests and grasslands that provided the planet with free oxygen in the air and sequestered carbon dioxide, making it habitable for humans and other complex life, are nearly gone. For most people, the natural resources that support their existence and lifestyle might as well be from a distant galaxy. This extreme disconnect has resulted in people losing their capacity to understand the dire circumstances facing complex organisms on Earth, including themselves. The deafening alarm bells portending our extinction are routinely misunderstood or ignored. For those who perceive our state of crisis, there is a great deal of angst. Much of the frustration, anger, and sadness results from having unrealistic expectations of human beings. Despite our advanced technologies, the basic tenets of human behavior haven’t changed for centuries or millennia. Letting go of the false expectations that Homo sapiens can or will modify our behavior can bring us an element of peace. Expectations are incredibly powerful in structuring our moods and emotions. Identifying unrealistic expectations can reduce our chances of being disappointed and can increase happiness. A better understanding of our behavioral history can provide valuable insights into recognizing human capabilities and limitations. ** Lyle Lewis, ''Racing to Extinction'' (2024) * … as our population has grown, humans have been liquidating the planet’s natural resources for thousands of years. The effects of our current population on forests, grasslands, biodiversity, clean air, and water are catastrophic. Zero population growth means the planet would still be trying to support the current population, over 8 billion people. Humanity can no longer pay even the interest. We’ve already spent much of the planet’s clean air, water, and biodiversity with no mechanism for repayment. Zero population growth isn’t going to happen. We can’t curb our evolutionarily programmed need to grow and reproduce any more than we can stop the sun from rising. Like all populations of organisms on the planet, the number of humans will continue to increase until it’s no longer possible. When that day happens, Earth will be a truly inhospitable place. ** Lyle Lewis, ''Racing to Extinction: Why Humanity Will Soon Vanish'' (2024), Chapter 5. * In 1968, with the release of their book ''The Population Bomb'', [[Paul R. Ehrlich|Paul]] and Anne Ehrlich were among the first to identify the most significant factor that will precipitate the collapse of humanity. Their book inspired an environmentalist fad in the 1970s. The premise for the book was gradually rationalized away by most as the work of lunatics. It was listed by the Intercollegiate Review as one of the 50 worst books of the 20th century. In the Human Events list of the “Ten Most Harmful Books of the Nineteenth and Twentieth Centuries,” it garnered an 11th-place honorable mention. Since that time, the global population has more than doubled. During those five decades, humanity has identified six types of quarks, developed the modern internet, eradicated smallpox, decoded the human genome, and developed vaccines for Ebola and COVID-19. Despite all our new technologies and discoveries, the most basic concept of rapid human growth inside a finite system—our planet—leading to collapse is a concept too difficult for our greatest minds to reconcile. Humanity’s carefully calibrated psychological filters go into overdrive to prevent this simple mathematical postulate from entering our psyche. As seemingly prescient as the Ehrlichs were, our collision course with extinction was preordained long before their book was published in 1968. ** Lyle Lewis, ''Racing to Extinction: Why Humanity Will Soon Vanish'' (2024), Chapter 9. * Population growth vanished from the agendas of mainstream environmental organizations that previously regarded escalating numbers as a major environmental threat. These groups were primarily shackled by their fear of alienating donors, ultimately selling their purpose and integrity for money. Criticism from progressive and conservative interests claiming that overpopulation is a myth further incentivized these groups to pretend the rising global population wasn’t a factor in planetary degradation. ** Lyle Lewis, ''Racing to Extinction: Why Humanity Will Soon Vanish'' (2024), Chapter 9. * Those who defend the belief that overpopulation isn’t at the core of every environmental problem are not unique. Every myth presents itself as an authoritative, factual account, no matter how much the topic varies from natural law or ordinary experience. There is a long, bloody history of ''Homo sapiens'' defending myths against those who might either question their veracity or have a competing myth. It has resulted in the deaths of millions of people [and other animals] since the dawn of the Agricultural Revolution. As a result of ignoring the obvious reality, newborns are effectively positioned as moneymaking machines. The former prime minister of Japan suggested that women who bore no children should be barred from receiving pensions. In most countries, those who choose not to have children are required to pay for those who do through taxes. In this campaign for more babies, childbearing is reduced to a means for economic growth. Even though overpopulation, natural resource extraction, and environmental degradation are clearly linked, the needs of the economic market trump the needs of the planet. Children are nothing more than moneymakers in the eyes of politicians, forever blind to the moral, environmental, or humanitarian consequences of their policies. Market thinking has obliterated moral thinking on a grand scale. After all, if the West doesn’t produce more children, it can’t produce the wealth needed to look after parents when they retire. No social animal is ever guided by the interests of the entire species to which it belongs. No pika cares about the interests of the pika species; no northern spotted owl will lift a feather for the global northern spotted owl community; no wolf alpha male makes a bid for becoming the king of all wolves. Likewise, few humans care about the interests of ''Homo sapiens''. People only care about themselves and those who directly affect their lives. ** Lyle Lewis, ''Racing to Extinction: Why Humanity Will Soon Vanish'' (2024), Chapter 9. * Humanity has moved past the point where future generations are an issue. If there are any, they will be few in number. Ignoring the inevitable is something all species do. Humans are no different than bacteria in a Petri dish or a mountain pine beetle in a climate-stressed lodgepole pine forest. All available resources are utilized to grow and reproduce until the inevitable collapse. We’re traveling down the same path as all species that have gone through exponential increases. The only difference is ''Homo sapiens'' is doing it on a grander scale. The Herculean ability to ignore the greatest threat to our existence would be comical if not for the rapidly approaching consequential conclusion to our existence. ** Lyle Lewis, ''Racing to Extinction: Why Humanity Will Soon Vanish'' (2024), Chapter 9. * Economic and political instability will continue to increase as food and water supplies are impacted in more areas on the planet by pollution, drought, flooding, and other extreme weather events. However, while the focus is almost entirely on the supply side of the economic equation, the demand side may be the bigger issue. The planet is currently adding an additional 80 million mouths to feed each year, 4.5 times more people than the entire population of Syria. As the chasm between uncertain supplies and increasing demand widens, the social and biological implications for humanity are both unpredictable and alarming. ** Lyle Lewis, ''Racing to Extinction: Why Humanity Will Soon Vanish'' (2024), Chapter 9. * Many people, including environmentalists, often avoid linking the multitude of environmental problems to overpopulation. Some believe that a global shift to veganism could support the current population and more. Others attribute the crisis to various factors [that] are frequently cited as primary contributors to the ongoing environmental crisis, overshadowing the impact of population growth. ** Lyle Lewis, "The Locust Theory" (November 16, 2024) * [There's an] excessive number of humans who [want to] live a lifestyle that promotes equality, along with [others] being minimalist and/or vegan... [and] similar overpopulation by other organisms is considered a plague. ** Ibid. * Our emphasis [on] science has resulted in alarming rises in world populations that demand an ever-increasing emphasis [on] science to improve their standards and maintain their vigor. ** [[Charles Lindbergh]], ''The Wisdom of Wilderness'', ''{{W|Life (magazine)|LIFE}}'', December 22, 1967. * It is still the case that the worst enemies of life are, on the one hand, an excess of life (human life, in particular) and, on the other, the legislation and structure of societies based on {{W|market economy}}. The sturdier a society, the more peaceful it is; the more efficient {{W|economic growth}} (i.e., the ransacking of natural resources), the quicker {{W|Biodiversity loss|other forms of life will step aside}}. Everything that upsets the established order of society, causing chaos and panic, gives time to nature and, ultimately, humans too. ** [[Pentti Linkola]], ''Can Life Prevail?: A Revolutionary Approach to the Environmental Crisis.'' p. 166 === M === * Population, when unchecked, increases in a geometrical ratio, Subsistence, increases only in an arithmetical ratio. ** [[Thomas Robert Malthus]], ''An Essay on the Principle of Population'' (1798), Chapter I, paragraph 18, lines 1-2 * The power of population is so superior to the power in the earth to produce subsistence for man, that premature death must in some shape or other visit the human race. **Thomas Robert Malthus, ''An Essay on the Principle of Population'' (1798), Chapter VII, paragraph 20, lines 2-4 * What has caused the recent super-exponential rise in world population? Before the industrial revolution both fertility and mortality were comparatively high and irregular. The birth rate generally exceeded the death rate only slightly, and population grew exponentially, but at a very slow and uneven rate. In 1650 the average lifetime of most populations in the world was only about 30 years. Since then, [hu]mankind has developed many practices that have had profound effects on the population growth system, especially on mortality rates. With the spread of modern medicine, public health techniques, and new methods of growing and distributing foods, death rates have fallen around the world. […] On a world average the gain around the positive feedback loop (fertility) has decreased only slightly while the gain around the negative feedback loop (mortality) is decreasing. The result is an increasing dominance of the positive feedback loop and the sharp exponential rise in population […]. **Dennis Meadows et al. ''The Limits to Growth'' (1972), Chapter 1: "The Nature of Exponential Growth." * H. sapiens took around 250,000 years to reach a global population of 1 billion in 1820, and just over 200 years to go from 1 billion to 8 billion. This was largely made possible by our species’ access to cheap, easy, exosomatic energy, mainly fossil fuels. Fossil fuels enabled us to reduce negative feedback (e.g. food shortages) and thus delay and evade the consequences of surpassing natural limits. In that same 200 year period, fossil energy (FF) use increased 1300-fold, fueling a 100-fold increase in real gross world product, i.e. consumption, and the human enterprise is still expanding exponentially. ** Joseph J. Merz et al., "[https://journals.sagepub.com/doi/10.1177/00368504231201372 World scientists’ warning: The behavioural crisis driving ecological overshoot]". ''Science Progress'' Volume 106, No. 3 (2023) * There is no way we could keep going as we have been. The increase in human population in the 1990s has exceeded the total population in 1600. The population has grown more since 1950 than it did during the previous four million years. The reasons for our recent rapid growth are pretty clear. Although the Industrial Revolution speeded historical growth rates considerably, it was really the public health revolution, and its spread to the Third World at the end of the Second World War, that set us galloping. Vaccines and antibiotics came all at once, and right behind came population. In Sri Lanka in the late 1940s life expectancy was rising at least a year every twelve months. How much difference did this make? Consider the United States: if people died throughout this century at the same rate as they did at its beginning, America's population would be 140 million, not 270 million. ** [[Bill McKibben]], "[https://www.theatlantic.com/magazine/archive/1998/05/a-special-moment-in-history/377106/ A Special Moment in History]", ''The Atlantic'', May 1998. * The Earth's population is plagued by famines, energy shortages, epidemics, environmental pollution, degeneration, terrorism, dictatorship, anarchism, slavery, excessive increase of waste materials, racial hatred, food shortages, destruction of rain forests, the "greenhouse effect", pollution of lakes, streams and oceans, hatred towards asylum-seekers; radioactive emissions, chemical pollution of water, air, plants, food, human beings and animals. Crime, murder, mass murders, manslaughter; alcoholism, hatred of strangers, oppression, hatred of one's fellowman, extremism, sectarianism, drug addiction, overpopulation, annihilation of animal species, war, violence, torture and capital punishment, general mismanagement, water contamination, eradication of plant species; hatred, vice, jealousy, lovelessness, lack of logic, false humanitarianism, lack of housing, increased traffic, destruction of arable land, unemployment, the collapse of health care, the collapse of care for the elderly, destruction of nature, the collapse of solid waste removal, and the lack of living space, among others. In spite of the many efforts, '''mankind's problems are not decreasing but, instead, continue to rise steadily in direct proportion to population increases.''' ** {{W|Eduard Albert Meier}}, "[http://www.futureofmankind.co.uk/Billy_Meier/Overpopulation_Crusade A Crusade Against Overpopulation]," on ''futureofmankind.co.uk.'' * … technology use harnesses far more energy and materials than we could ever manage without it, and while doing so may make our lives much easier and more comfortable, it comes at the cost of increasing ecological overshoot. As we increase overshoot, we concomitantly increase all the symptom predicaments that overshoot causes. Technology use also has another nasty side effect. It reduces and/or eliminates negative feedbacks which once kept our numbers in check. Many diseases we once suffered from like smallpox, measles, whooping cough, tetanus, etc. have been temporarily eliminated by the technological development of vaccines. Our medical industry has also wiped out many other diseases through proper sanitation, use of antiseptics, anesthetics (allowing surgeries to correct most internal ailments), antibiotics, antifungals, and antivirals to kill or prevent many diseases, and many other innovations that allow us to live better, more comfortable lives. The development of indoor plumbing, electrical systems, heating and air conditioning systems, insulation, refrigerators and freezers, and cooking devices all allow us to accomplish daily tasks either much easier or provide more comfort to us by regulating temperature and humidity levels in our living spaces. Therefore, technology use reduces or removes negative feedback thereby promoting population growth which also promotes technology growth. However, in terms of reducing overshoot (and symptom predicaments such as climate change, energy and resource decline, pollution loading, and biodiversity decline), technology use is '''''maladaptive'''''. This will become painfully clear as time moves forward when more or different technology does not actually solve overshoot. [[Population decline]] is what will actually work to reduce overshoot, caused by the failure of our agricultural systems, increased disease caused by antimicrobial resistance and new viruses emerging, and increased failures of infrastructural systems caused by extreme weather events. Reduced technology use will be facilitated by this mechanism, and ALL species wind up experiencing die-off whether they use technology or not. ** Erik Michaels, "[https://problemspredicamentsandtechnology.blogspot.com/2023/07/how-did-we-get-here.html How Did We Get Here?]" (July 19, 2023). * Most non-domesticated life on earth is in decline and about 200 species a day are going extinct due to a wide range of environmental problems. Many humans are at risk of being harmed or killed by related problems this century.<br>All of the many problems are caused by the same thing: humans have used non-renewable energy to explode their population from 1 billion to 7 billion in 100 years, and now consume so large a share of the earth’s resources that almost all non-domesticated species are in decline. ** Rob Mielcarski, "[https://un-denial.com/2016/03/25/overpopulation-denial/ Overpopulation Denial]." ''Un-Denial'' (March 25, 2016). * We’re in serious trouble. Many red lights are flashing on the dashboard.<br>Most people are now aware that something is seriously wrong, and each has their favorite lens through which to view the problems… The common denominator to all of these problems is overshoot. Very few people are able to see through the lens of overshoot because overshoot is a very unpleasant topic with no painless solutions and no way to avoid its consequences, and because humans evolved to deny unpleasant realities like overshoot. ** Rob Mielcarski, "[https://un-denial.com/2025/06/06/what-should-can-could-will-we-do/ What… Will We Do?]." ''Un-Denial'' (June 6, 2025). * Human numbers are rising at roughly 1.2% a year, while {{W|livestock}} numbers are rising at around 2.4% a year. By 2050 the world’s living systems will have to support about 120m tonnes of extra humans and 400m tonnes of extra farm animals. ** [[George Monbiot]], "[https://www.theguardian.com/commentisfree/2015/nov/19/population-crisis-farm-animals-laying-waste-to-planet There’s a population crisis all right. But probably not the one you think]". ''The Guardian''. November 19, 2015. * [[ফ্রান্সিস বেকন|Bacon]]ian science is at the root of the apocalypse. We have been blessed by advances in medicine, agriculture and engineering. Science has done exactly what we asked of it and now we are set for annihilation. If European science had petered out after the discoveries of the seventeenth century, we would be less numerous and [the] Earth would not be [[global warming|warming]]. ** Nicholas Money. ''The Selfish Ape'' (2019), Chapter 9: "Greenhouse" * This moment is special because we have dramatically built up our population, technology, science, medicine, and democratic institutions as a direct result of vast amounts of surplus energy stemming from a one-time resource. The fossil fuel experience has made us '''dangerously confident''' about our cleverness and dominance over nature. What makes this century special, then, is that we will have to cope with a diminishing supply rate of the resource that has been of paramount importance to our high-tech existence. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2011/10/sustainable-means-bunkty-to-me/ Sustainable means "bunkty" to me]." ''Do the Math'', University of California, San Diego. October 5, 2011. * Humans collectively must ultimately face the uncomfortable question of whether Earth’s natural systems can support 8 billion or more people at a modern standard of living. Since the resource footprint of a U.S. citizen is at least four times that of the global average, the key question is whether the planet can support an increase in material throughput four times higher than present when the strain is apparent already. As noble as it may be to wish [for] a modern living standard for an eventual ten billion or more people, it is likely that committing to such a course could result in more human suffering than would transpire under the adoption of more modest goals. The responsible path is to reduce global resource dependencies and abandon the imperative for growth starting now. ** Thomas W. Murphy, David J.R. Murphy, Thomas F. Love, Melody LeHew and Ben McCall (2021). "[[doi:10.1016/j.erss.2021.102239|Modernity is incompatible with planetary limits: Developing a PLAN for the future]]." ''Energy Research & Social Science'', 81, 102239. * Even something as seemingly altruistic as health care selfishly focuses on human health, to the exclusion and often direct detriment of ecosystem health. Are we really doing ourselves favors in the long term by making the destructive human enterprise healthier, more populous, longer-living, and therefore better able to carry out its damaging activities? If this sounds abhorrently anti-human, it’s because the human enterprise is currently relentlessly anti-planet. Anything that is anti-planet will dismantle ecosystems that serve as critical life support for humans, spelling failure for the human enterprise. So it’s really the human enterprise that is anti-human by way of being anti-planet. […] The best way to assure long-term prosperity is to forge a non-human-centric partnership with nature that does not always put short-term human interests above those of non-human elements of nature. Even “good” activities like health care therefore miss the boat in terms of building a better tomorrow. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2021/05/to-what-end/ To What End?]". Do the Math, {{W|University of California, San Diego}}. May 4, 2021. * Since growth is an absurd short-lived anomaly, what about leveling out in population, resource use per capita, and adopting a steady-state economy? The problem here is that the rate at which we are depleting one-time resources today is unsustainable. We’re simply spending our bank account without paying attention to the balance and without any source of additional income. Most clearly, forests and wild spaces are down by a factor of two in the last 60 years and will be gone within 60 years at current rates of depletion. Before even getting to steady-state conditions, inevitable near-term increases in population together with sought-after increases in standards of living around the world spell an even shorter lifetime for critical habitats. Meanwhile, fisheries are failing in domino fashion; aquifers are being depleted at rates alarmingly higher than replacement; soils are degrading and arable land is lost; fertilizer depends on a finite resource; habitat loss is resulting in species extinctions far in excess of natural rates. Even the plunder of mineral resources in the seemingly infinite crust is getting harder, only a fleeting century or so into our spree. Sustaining present levels for even a few more centuries is a dubious (i.e., unsubstantiated) proposition. It is practically absurd to imagine sustaining present practices for 10,000 years. Humans simply have not yet demonstrated an ability to maintain a technological society without utter reliance on grossly unsustainable inheritance spending. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2021/05/why-worry-about-collapse/ Why Worry About Collapse?]." Do the Math, {{W|University of California, San Diego}}. May 18, 2021. * Earth has never in its history had to contend with 8 billion fire apes, intelligent enough to have leveraged power by exploiting and burning one-time resources. We now operate outside the bounds and protections of evolution: in breach of contract, without a map to success. What could possibly convince us that this fireworks show—which has not even come close to standing the test of time—can maintain anything like its current resource impact for the long haul? Humans have demonstrated convincingly that we can live in a primitive state for hundreds of thousands of years. Our present mode is a few-century flash, supported almost entirely by inheritance-spending. Arguing that we have found a new normal is a precarious position that I would not be eager to defend. Parties end. Fireworks shows end. Why would our flash be any different? It’s not just guesswork: what other outcome could result from rapid resource exploitation on a finite planet? ** Ibid. * We face unprecedented pressures on resources and on our environment, as human population and standard of living both surge on a finite planet. Nature will not allow this trend to continue indefinitely. ** Thomas W. Murphy, ''[https://escholarship.org/uc/item/9js5291m#section.18.5 Energy and Ambitions on a Finite Planet]'', p. 313 (2022) * Human population will not be allowed to grow [indefinitely]. Even small growth rates will step up pressure on natural resources, and Earth can only support so much, long-term. Independent of what the “right” number is, once settled, we will not be able to dial it up without imperiling the hard-won success. Even under steady human population, any increase in resource use per person will also not be compatible. In general, growth leads to a dead end: to failure. ** Ibid. p. 405 * As a jarring illustration of our tendency to value the human side over the prerequisite physical/ecological side, imagine that somehow we manage to emerge from the coming centuries having established a truly sustainable existence. All resources are renewed by nature at the rate of extraction for human needs; population is steady and at a level just tolerable to the planet in terms of indefinite support. Diverse ecosystems are left to thrive in their natural states. But imagine that we are still plagued by cancer and other maladies, so that life expectancy is, say, 90 years. Then what if a team of researchers hits on a cure for (most forms of) cancer? Hurray! At last! Unambiguously good, right? Well, not so fast. All other elements held the same, longer life spans translate to a higher population, putting additional resource burdens on the planet that it cannot handle in the long term. In order to adopt and implement the cure for cancer, we would have to either deliberately reduce population or lower the standard of living to accommodate the change. All other considerations of the complex society about economic impacts, equity of distribution, legal and political facets, or interaction with religious belief systems must take a back seat to the most fundamental and important question: is this change physically viable on this finite planet in the long term? ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2021/11/caught-up-in-complexity/ Caught Up in Complexity]". Do the Math, {{W|University of California, San Diego}}. November 30, 2021. * People tend to prefer the narrative that we, ourselves, are the superheroes, and that our superpowers are not from the fossil fuel suit, but are cognitive in nature. Yet we have the same neural hardware (if not slightly downsized) as our prehistoric ancestors. The main cognitive revolution happened about 70,000 years ago when humans started to believe in things that do not exist (like spirits or potential future gains) that allowed large-scale coordination and shared identity to outcompete evolution’s more biophysical tricks of sharp teeth/claws, speed, strength, camouflage, poison, or overwhelming numbers. Global spread of homo sapiens and megafauna extinctions quickly followed, and it is at this point that the human experiment began to smolder: something was off. About 10,000 years ago, agriculture started and the first visible flame ignited. About 300–400 years ago, the Enlightenment lit a fuse by developing a scientific approach to understanding the world. It was not long before the fuse found fossil fuels and we now witness the predictable explosion that ensued. The explosion is breathtakingly rapid on any meaningful timeline, only appearing in slow motion to the few generations experiencing the phenomenon and thus seeming “normal.” So we can trace some part of our current planetary dominance to human ingenuity, but perhaps the lion’s share actually is attributable to the energy bonanza—as suggested by the dramatic change in the pace of innovation before and after the fossil transition. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2022/06/shedding-our-fossil-fuel-suit/ Shedding Our Fossil Fuel Suit]". Do the Math, {{W|University of California, San Diego}}. June 21, 2022. * A plausible scenario for ecosystem collapse... is based on the fact that we currently support 8 billion people on a fossil-intense agricultural system. We have over-leveraged that finite resource to "borrow" millions of years of eco-services (photosynthetic energy) and now host a population that probably never could have existed in ecological equilibrium. Even if fossil fuels were not going away, it seems likely we would see continued erosion of the globe's ability to support this current unsustainable mode. We have already lost about half of the wild animal life in my lifetime: is that halfway to collapse? Take away the fossil fuels, and I imagine over-hunting and rapid deforestation will take an enormous toll on ecosystem health. ** Thomas W. Murphy's self-comment on "[https://dothemath.ucsd.edu/2022/07/the-ride-of-our-lives/ The Ride of Our Lives]". Do the Math, University of California, San Diego. July 12, 2022. *[It] is truly alarming from an ecological point of view: not only has the human population grown like gangbusters, but the level of affluence per person has soared by an even larger factor. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2022/09/death-by-hockey-sticks/ Death by Hockey Sticks]". Do the Math, University of California, San Diego. September 13, 2022. * The dream of eventually having 10 billion people living at [[American Dream|American standards]] completely ignores the glaring fact that we seem to be circling the drain even at today’s impact level (i.e., overshoot). How could we possibly entertain the factor-of-five increase in resource demand that would accompany a realization of “the dream?” It seems delusional… and likely to turn into a nightmare if pursued. **Ibid. * Human population is going up… We’re not exactly doing the planet (or ultimately ourselves) any favors presently. Will adding more humans that subscribe to our current cultural model somehow make the situation better? Will improving standards of living (thus increasing resource demand) mysteriously turn things around? It’s hard to see how—not without enacting a whole new model. **Ibid. * Increasing the standard of living of a growing population makes today’s ecological pressures look adorable. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2022/09/a-climate-love-story/ A Climate Love Story]". Do the Math, University of California, San Diego. September 20, 2022. * It is easy to get caught up in the heady whirlwinds of [[modernity]]. We have accomplished amazing feats in these past few centuries, and our extrapolative minds envision a continued acceleration. Given that our life span overlaps only a portion of the tale, it is easy to lose the context that our boom (the [[Industrial Revolution]] and what followed) is almost entirely due to fossil fuels. This energy surge in turn powered a surge in material access and economic activity (and human population) in what is perhaps fittingly described as a fireworks show. ** Ibid. * What did we do with our fossil fuel bonanza? We exploded population by revolutionizing agriculture [and health]. Now when fossil fuels inevitably (and soon?) decline, we’re left with an overhang that can no longer be supported. The resulting population decline will suddenly cast [[Thomas Robert Malthus|Malthus]] in a new light: oh what a starry-eyed soothe-sayer [sic]! When that day comes, […] realize that it’s no more tragic than the ant colony waning as it must. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2022/10/the-cult-of-civilization/ The Cult of Civilization]." Do the Math, {{W|University of California, San Diego}}. October 4, 2022. * Our fossil fuel bonanza has left our ecosystem in a perilous state. We have destroyed vast forests and habitats, polluted water and soil, kicked off a rapid climate trend that natural systems may not adapt to quickly enough, and basically overrun the planet. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2022/12/finite-feeding-frenzy/ Finite Feeding Frenzy]." Do the Math (December 5, 2022). * …fossil fuels allowed us to drastically overshoot the natural carrying capacity of the planet, and that bill will come due when the underlying resource inevitably dwindles. Sometimes simple is simply right. ** Ibid. * The human explosion has accelerated across the millennia, most recently reaching a fever pitch owing to the employment of fossil fuels—leveraging stored solar energy about a million times faster than it was created. The ensuing access to minerals and ability to transform landscapes has rapidly and radically altered our world within just a few human generations. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2023/08/call-me-ishmael/ Call Me, Ishmael!]." Do the Math, August 1, 2023. * In 1800, every human on the planet had a corresponding 80 kg of mammal mass in the wild. Wildland mammals outweighed humans in an 80:50 ratio. Today, each human on the planet can only point to 2.5 kg of wild mammal mass as their “own.” Let that sink in. You only have 2.5 kg (less than 6 pounds) of wild mammal out there somewhere. A single pet cat or dog generally weighs more. Not that long ago, it was more than you could carry. Now, it seems like hardly anything! I especially fear the implications for mammals should global food distribution be severely crippled. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2023/08/ecological-cliff-edge/ Ecological Cliff Edge]." Do the Math, August 18, 2023. * As if the Enlightenment was not enough, in quick succession we joined another enormous river. One could say that the process of science opened the door to fossil fuels, but science and fossil fuels might be best described as a dynamic duo. Fossil fuels gave us the power to advance our science-amplified degree of control to an entirely new level. Resources that had been previously inaccessible became available. It became far easier to clear land for agriculture and other uses. We learned to make fertilizer from methane, unleashing unprecedented agricultural surpluses that inevitably resulted in a human population overshoot. Fossil-fueled furnaces led to steel, concrete, and other materials on a massive scale, paving the way to megacities and global trade. Science itself was amplified by having access to fossil fuels, via a flood of new devices and capabilities invented with—and powered by—cheap energy. Advances in science and technology in turn allowed greater access to buried fossil energy. This positive feedback arrangement facilitated runaway expansion of the [human] enterprise, leading to a battery of hockey stick curves. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2023/08/our-time-on-the-river/ Our Time on the River]". Do the Math, August 22, 2023. * Energy has been fundamental to our story of growth. The various hockey stick curves over the last century or so are a reflection of energy and population. What’s more, human population itself is a reflection of energy, as mechanized, fertilized agriculture was made possible by fossil fuels. Since energy per capita has also increased like a hockey stick, the ecological impact (and many other metrics like GDP) takes on the shape of a super-exponential (still resembling a hockey stick on a logarithmic plot). ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2023/09/can-modernity-last/ Can Modernity Last?]" Do the Math, September 26, 2023. * We have used [fossil fuels] to expand the human enterprise and population, knock down forests, destroy and fragment habitats, drive extinctions, and generally threaten the vitality of the planet. [But] “solving” the energy problem as fossil fuels give out is pretty frightening: how would it not simply perpetuate the ecological nosedive we have initiated? Only if we put ecological concerns above energy do we stand any chance of survival. ** Ibid. * I acknowledge that cancer is a class of disease, and no universal cure is likely to emerge. But feel free to substitute any longstanding cause of death. […] In a sense, it is death that makes life special and worthy of celebration. […] What would a successful cure look like? Human lifespans would increase. All other things being equal, a reduced death rate means more humans on the planet, putting additional pressures on the entire community of life and further threatening the vitality of the planet—including humans, to be clear. Moreover, access to the cure would almost certainly be more available to the affluent half, who are already heavy users of resources and thus cause outsized harm to the planet. So a cure to cancer would serve to boost ecological destruction, in practice. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2023/10/are-we-lucky/ Are We Lucky?]" Do the Math, October 3, 2023. * Truly, the end of modernity will probably be brutal for most of the 8 billion people on the planet, who will cling to what they know and fail to adapt. But even if they were mentally ready, the Earth is not ready to support 8 billion humans without a massive fossil subsidy, so human population will likely fall a lot in hard times. ** Thomas W. Murphy's self-comment on "[https://www.resilience.org/stories/2023-09-27/can-modernity-last/ Can Modernity Last?]". ''Resilience''. September 30, 2023. * Compared to biologically relevant timescales, the human explosion commenced just “yesterday” when grain agriculture began taking root... set[ting] the stage for planet-crushing present-day human populations in a time that is still contextually short. Each “improvement” like cities and technology only accelerated the rapidity of the unsustainable ascent. Mounting ecological damage was part and parcel of this expansionist story long before cars, planes, and smartphones arrived—like two sides of a coin. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2024/02/unsustainable-goose-chases/ Unsustainable Goose Chases]". ''Do the Math'', February 27, 2024. * Humans are voracious (big brains to feed and a lot of un-furry surface area to keep warm), and therefore are ecologically expensive. If the Earth tightens its belt, [one should]n’t assume that humans will fare well. We are summer children borne of “good” times, where “good” translates to “biodiverse.” Cleverness is no guarantee against starvation, as countless clever humans who have starved can’t tell [us]. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2024/04/post-modernity/ Post-Modernity]". ''Do the Math'', April 9, 2024. * [Our] success [in eliminating hunger and inequity] inevitably grows the population, scaling up the current tension... to planetary limits... [and] curing all diseases and achieving effective immortality would be ecologically disastrous! ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2024/05/whats-the-point/ What's the point?]" ''Do the Math'', May 14, 2024. * Since the current low levels of mortality go hand-in-hand with ecological devastation and a doomed modernity, their embrace is itself a problem… ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2024/05/watching-population-bomb/ Watching population bomb]". ''Do the Math'', May 28, 2024. * The Green Revolution transformed agriculture by inserting fossil fuels at every turn. Fertilizer came from natural gas. Diesel allowed large-scale mechanization of plowing, planting, harvesting, processing, and transporting large amounts of food. Petrochemical pesticides smote economically worthless (but ecologically invaluable) products of evolution into the foul dust. We fed a growing human population, now 8 billion strong. It boils down to a diet of fossil fuels: again, temporary. ** Thomas W. Murphy, ''Metastatic Modernity''. Episode 9: "[https://dothemath.ucsd.edu/2024/07/mm-9-recipe-for-disaster/#more-8348 Recipe for Disaster]". ''Do the Math'', July 30, 2024. * To those who resist the notion that increasing food production also means increasing human population, consider this. In 1950, the global population stood at about 2.5 billion people. The Green Revolution was about to explode into global agriculture, substantially increasing crop yields on the back of profligate fossil fuel inputs (for fertilizer, mechanization, energy for irrigation, transport, processing, etc.). Let’s say this tsunami of energy and technology had not arrived on the agricultural scene, and that moreover a global edict (“magically” followed) held annual food production at the 1950 level thereafter.<br>Would we have 8 billion people today? Impossible. We would still have 2.5 billion, correct? In 1950, the world produced enough food for 2.5 billion people, so that same amount of annual food would sustain 2.5 billion people today…or perhaps 2 billion taller, heavier people; or 3 billion people with more equitable, modest distribution and less waste. But you get the point: hold the food supply steady and you essentially hold the population below some cap. Inarguable. Those additional 5.5 billion people were made possible by a technological wave of food increase. ** Thomas W. Murphy, "[https://dothemath.ucsd.edu/2025/06/food-makes-babies/ Food Makes Babies]." ''Do the Math'', June 10, 2025. * [Eight] billion humans are driving a sixth mass extinction, which leaves no room for even 10 humans if fully realized, let alone 10¹⁰. ** Thomas W. Murphy, “[https://dothemath.ucsd.edu/2025/09/8-billion-will-die/ 8 Billion Will Die],” ''Do the Math'' (September 23, 2025) *Maintaining 8 billion human people on Earth [without fossil fuels] is no more possible than invading space. It’s not an actual, realizable choice—beyond transitory and costly stunt demonstrations. **Ibid. === N === * How we live and consume matters just as much as the growing density of our numbers combined with the proliferation of our machines that devour energy on our behalf. (Roads and cell phones all consume energy and materials too.) All three demographic issues are increasing at unsustainable rates and feed each other to propel more economic growth, more emissions and more fragility. The world’s current population is 7.9 billion and grows by 80 million a year. It has slowed down in recent years because the affluent don’t need the energy of children as much as the poor. Even so civilization will add another billion to the planet every dozen years. Redistributing energy wealth (and emissions) from the rich to the poor will not avert disaster if human populations don’t overall decline. Our numbers also reflect a demographic anomaly that began with fossil fuels, a cheap energy source that served as Viagra for the species. Prior to our discovery of fossil fuels, the population of the planet never exceeded one billion. Our excessive numbers are purely a temporary artifact of cheap energy spending and all that it entails — everything from fertilizer to modern medicine. ** Andrew Nikiforuk, "[https://thetyee.ca/Analysis/2021/12/06/Andrew-Nikiforuk-Getting-Real-About-Our-Crises/ Getting Real about Our Crises]." ''The Tyee'', December 6, 2021. ===O=== * In recent decades, support for family planning has waned, and global fertility decline has decelerated as a result. Projections calibrated across the decades of strong family planning support have not acknowledged this change and are consequently underestimating global population growth. Scenarios used to model sustainable futures have used overly optimistic population projections while inferring these outcomes will happen without targeted measures to bring them about. Unless political will is rapidly restored for voluntary family planning programs, the global population will almost certainly exceed 10 billion, rendering sustainable food security and a safe climate unachievable. ** Jane N. O'Sullivan, "Demographic Delusions: World Population Growth Is Exceeding Most Projections and Jeopardising Scenarios for Sustainable Futures." ''World''. 2023. 4(3). 545-568. {{DOI|10.3390/world4030034}} === P === *Putting an end to the population explosion will not of itself save the ecosphere, but not ending it will add greatly to the dangers the planet faces. The environment can sustain a quality of life for just so many people. **[[Michael Parenti]], ''Blackshirts and Reds: Rational Fascism and the Overthrow of Communism. '' (1997), p. 155 *'''In what year will the human population grow too large for the Earth to sustain? The answer is about 1970''', according to research by the {{W|World Wildlife Fund}}. In 1970, the planet's 3 and a half billion people were {{W|Sustainable population|sustainable}}. But on this New Year's Day, the population is 8 billion. Today, wild plants and animals are running out of places to live. **[[Scott Pelley]], "[https://www.cbsnews.com/news/earth-mass-extinction-60-minutes-2023-01-01/ Scientists say planet in midst of sixth mass extinction, Earth's wildlife running out of places to live]" {{W|CBS News}}, January 1, 2023. * ... ''Homo sapiens'' have been around for about 200,000 years and we are struggling to provide 7 billion of us with sufficient food, clothing, and shelter to lead decent lives. There cannot be an economist on the planet who thinks Earth could support 7.168 trillion people. Human population growth cannot go on forever, no matter how optimistic economists might be. ** Gary Peters, "[https://ourfiniteworld.com/2011/06/13/should-we-take-united-nations’-projections-seriously/ Should We Take United Nations’ Projections Seriously?]" (June 13, 2011) *Human overpopulation, the ever-increasing power of our technology, and the demand of our omnicidal, neoliberal economic system of infinite growth on the basis of finite resources threaten the earth with total destruction. **{{W|Norm Phelps}}, quoted in ''The Politics of Total Liberation: Revolution for the 21st Century'' by [[Steven Best]], (2014), p. ix * Ever since Malthus, at least, it has been clear that means of subsistence do not grow as fast as population. No one has ever liked the idea that famine, plague, and war are nature's way of redressing the imbalance -- Malthus himself suggested that the operation of "preventive checks," which serve to reduce the birth rate, might help prolong the interval between such events. And in the two hundred years since Malthus sat down to pen his essay, there has been no worldwide cataclysm. But in the same two centuries world population has grown exponentially while irreplaceable resources were used up. Some kind of adjustment is inevitable. Today, many people who are concerned about overpopulation and environmental degradation believe that human actions can avert catastrophe. The prevailing view holds that a stable population that does not tax the environment's "carrying capacity" would be sustainable indefinitely, and that this state of equilibrium can be achieved through a combination of birth control, conservation, and reliance on "renewable" resources. Unfortunately, worldwide implementation of a rigorous program of birth control is politically impossible. Conservation is futile as long as population continues to rise. And no resources are truly renewable. ** David Price, "Energy and Human Evolution". ''From Population and Environment: A Journal of Interdisciplinary Studies'', Volume 16, Number 4, March 1995 * Around 8,000 BC, world population was something like five million. By the time of [the birth of Jesus] Christ, it was 200 to 300 million. By 1650, it was 500 million, and by 1800 it was one billion. The population of the world reached two billion by 1930. By the beginning of the '60s it was three billion; in 1975 it was four billion; and after only eleven more years it was five billion. This cannot go on forever; collapse is inevitable. The only question is when. ** Ibid. * People who believe that a stable population can live in balance with the productive capacity of the environment may see a slowdown in the growth of population and energy consumption as evidence of approaching equilibrium. But when one understands the process that has been responsible for population growth, it becomes clear that an end to growth is the beginning of collapse. Human population has grown exponentially by exhausting limited resources, like yeast in a vat or reindeer on St. Matthew Island, and is destined for a similar fate. ** Ibid. === R === * As human populations expand they necessarily appropriate ecological space required by other species. Human ‘competitive displacement’ of non-human organisms from their habitats and food sources is now the greatest contributing factor to {{W|Biodiversity loss|plunging biodiversity}}. Consider that with only 0.01 % of total Earthly {{W|Biomass (ecology)|biomass}}, H. sapiens’ expansion has eliminated 83 % of wild animal and 50 % of natural plant biomass. From a fraction of 1 % ten millennia ago, humans now constitute 36 %, and our domestic livestock another 60 %, of the planet’s much expanded mammalian biomass compared to only 4 % for all wild species combined. Similarly, domestic poultry now comprise 70 % of Earth’s remaining avian biomass. Meanwhile, commercial fishing depletes the oceans at the expense of rapidly declining marine mammals and birds. Seabirds are the most threatened bird group, with a 70 % community-level population decline between 1950 and 2010. ** {{W|William E. Rees}}, "[http://www.fraw.org.uk/data/limits/rees_2020.pdf Ecological economics for humanity’s plague phase]". ''{{W|Ecological Economics (journal)|Ecological Economics}}.'' (2020) * Population estimates are usually based on demographic data alone with no consideration of exogenous factors. This is unrealistic. For living organisms, the fact of their own existence ensures that no environment or habitat remains ideal for long. As the subject population expands, it will invariably use up any crucial resource in fixed supply. Even renewable resources can be depleted once the population goes into ‘overshoot’, a situation in which aggregate consumption exceeds food species’ recovery rates or waste accumulation exceeds natural assimilative capacity. The rise and fall of reindeer populations introduced to two previously unoccupied (by reindeer) Pribilof Islands in the early 20th century is a classic example. Collapse was attributed to overgrazed food sources (primarily lichen) abetted by the stress of exceptionally cold winter. ** William E. Rees, "[https://www.whp-journals.co.uk/JPS/article/view/653/486 The fractal biology of plague and the future of civilization]". ''The Journal of Population and Sustainability'' (2020) * ...for most of our species’ time on Earth—including most of the agricultural era—humanity’s natural propensity to expand has been held in check by negative feedback, e.g., food and other resource shortages, disease, and inter-group conflict. Circumstances changed with the scientific/industrial revolution, particularly the increasingly widespread use of fossil fuels. It took 200,000 – 350,000 years for human numbers to reach one billion early in the 19th Century, but only 200 years (as little as 1/1750th as much time!) to balloon another seven-fold by early in the 21st Century. Improvements in medicine, public sanitation, and population health contributed to this expansion, but coal, oil, and gas made it possible. Fossil fuels are the energetic means by which humans extract, transport, and transform the prodigious quantities of food and other material resources into the products needed to support our burgeoning billions. More than any other factor, fossil fuels enabled H. sapiens to eliminate or reduce normal negative feedbacks. Freed from historic constraints, our species was, at last, able to exhibit its full potential for geometric growth. ** Ibid. * Humanity is already far into ecological overshoot: we are learning the hard way that the ecosphere under stress is still immeasurably more complex than even the global human enterprise. It can generate a vastly larger arsenal of negative feedbacks in response to human excesses than any imaginable human control system can match. ** William Rees, "[https://reeswilliame.substack.com/p/variety-matters-more-than-you-think Variety Matters More Than You Think]," ''Substack'' (July 28, 2025) * Humans invade and populate all accessible favourable habitats; human populations use up all available resources; under favourable conditions, human populations are capable of exponential growth. […] The industrial/scientific revolution spawned technologies, particularly improvements in public sanitation and disease control, that greatly reduced death rates while fossil fuels alleviated food and resource shortages. With the suppression of negative factors, positive feedback prevailed; between the early 1800s and 2023, the human population exploded from one to eight billion. Meanwhile, what we now call ‘neoliberal economics’ began taking form in the late 1800s. In just two centuries, the human population grew eight times larger than the maximum attained over the previous 3000 centuries, and the world economy grew 100-fold in real terms! […] Overshoot may be a quasi-natural phenomenon, but it is also a potentially terminal condition. There are now about 80 cities in the world with populations in excess of five million—each has more people than existed on the entire planet at the dawn of agriculture 10,000 years ago. […] Life in higher-income countries just seemed to be getting better and better, at least in material terms. Little wonder that by the 1950s, MTI governments and international institutions everywhere were adopting the neoliberal vision of perpetual economic and population growth via continuous technological advance as the dominant development narrative of global culture.<br>There are, of course, significant problems—all this occurred on a finite, non-growing planet with serious history. With nurture-reinforcing-nature in propelling the expansionist juggernaut, the human enterprise surged into ecological overshoot; resource consumption and waste production are overwhelming the bio-productive and waste assimilation capacities of the ecosphere. This is not merely an aesthetic concern: the functional integrity of the ecosphere is essential for human existence. '''Overshoot may be a quasi-natural phenomenon, but it is also a potentially terminal condition.''' ** William Rees, "[https://substack.com/home/post/p-181832455 Why collapse is inevitable]," ''Substack'' (December 16, 2025) * The current human population is 14,000-fold larger than the average populations of other mammal species of similar body size! […] If humans were a typical mammal whose global population corresponded to the arithmetic mean (average) of populations of mammals of similar body size, there would be only 500,000 people on Earth! ** Ibid. * Almost all of today’s low-energy countries have a population density so great that it perpetuates dependence on intensive manual agriculture, which alone can yield barely enough food for their people. They do not have enough acreage, per capita, to justify using domestic animals or farm machinery, although better seeds, better soil management, and better hand tools could bring some improvement. A very large part of their working population must nevertheless remain on the land, and this limits the amount of surplus energy that can be produced. Most of these countries must choose between using this small energy surplus to raise their very low standard of living or [to] postpone present rewards for the sake of future gain by investing the surplus in new industries. The choice is difficult because there is no guarantee that today’s denial may not prove to have been in vain. This is so because of the rapidity with which public health measures have reduced mortality rates, resulting in population growth as high [as] or even higher than that of the high-energy nations. Theirs is a bitter choice; it accounts for much of their anti-Western feeling and may well portend a prolonged period of world instability. ** [[Hyman G. Rickover]], "Energy and Resources and Our Future" speech (May 14, 1957) * The doubling of life expectancy is largely down to medical advances. Without medical care, we’d probably be at a much lower population level. I can’t find projections, but given that even some fairly routine injuries and sicknesses would be life-threatening without medical intervention, one would expect a more pyramidal pyramid, and 2 billion people doesn’t seem unreasonable to me. This is also amplified by [there] being [fewer] people to innovate ideas like the green revolution, which [led] to higher populations.<br>In nature, population overshoot is usually remedied by a higher die-off rate, not a lower birth rate. But humans think that medical care and increased lifetimes are a sign of progress. Medical advances can even allow some who wouldn’t have been able to have children to have children, thus exacerbating overshoot. ** Mike Roberts, "[https://mikerobertsblog.wordpress.com/2024/08/09/what-can-antinatalism-achieve/ What Can Antinatalism Achieve?]" (August 9, 2024) * A lot of technologies have been utilised in storing food or growing more of it. And we know that increased access to food increases population size. The reverse is also true, of course, so we should expect [[population decline|population to fall]] as harvests come under stress from the effects of [[Global warming|climate change]]. ** Mike Roberts, "[https://mikerobertsblog.wordpress.com/2024/09/14/the-inevitability-of-our-predicament/ The Inevitability of Our Predicament]" (September 14, 2024) * Humans are a species, so they are no different in needing to reproduce to propagate their traits, which may eventually lead to what would be considered a new species, though that would likely take tens or hundreds of thousands of years. If our ancestors had considered the effects of what they were doing, why some prey species appeared to disappear, for example, then we wouldn’t be here, as we’d limit what we did, how we expanded, how we spread. Humans would, at best, have remained a very limited species, if it survived at all. But that is not the way life works. Clearly, we have followed the maximum power principle, since we’re a species, and so consume as much energy and resources as we can. In basic terms, a body needs food for energy and humans have figured out how to produce increasing quantities of food (at least in terms of calories) using agriculture, machines, artificial fertilisers and pesticides. This has enabled an explosion in population in a positive feedback loop (with higher population forecast, we figure out how to support that population, leading to more agriculture and higher yields, so we end up with a higher population). The huge success of agriculture and mechanisation, has lead to almost no human being involved in the production of the food that keeps us alive, so we’ve had to invent other ways to kill our time. We now have a huge variety of products and services to help us kill our time before we die. Some of it is pleasurable so we want to do more of it and invent new ways to live. All the time, killing more of the rest of life. But getting here was inevitable because we are a species and don’t have free will to counter those inbuilt drives. ** Mike Roberts, "[https://mikerobertsblog.wordpress.com/2024/10/03/a-retrospective-of-the-inevitable/ A Retrospective of the Inevitable]" (October 3, 2024) * As food makes babies perhaps the critical development was agriculture but then without fossil fuels, we could never have produced as much food as we do now, and deliver it across the world. But then, if we hadn’t started cooking food, we might not have been clever enough to figure out how to use fossil fuels to produce food. And without language, we could never have communicated complex ideas about agriculture, tool making and the use of fossil fuels. So we go round and round. ** Mike Roberts, "[https://mikerobertsblog.wordpress.com/2025/07/07/where-did-it-all-go-wrong/ Where Did It All Go Wrong?]" (July 7, 2025) * It is often said that humans are in overshoot. What does that mean? In simple terms, it means exceeding a limit. However, if a limit has been exceeded, then how is it a limit? People usually refer to overshoot as exceeding the carrying capacity of the planet. The ability for the planet to support the current population of humans. And yet here we are. Humans have apparently been in overshoot territory for a long time, but that hasn’t affected the numbers. Indeed, the population of humans continues to grow. ** Mike Roberts, "[https://mikerobertsblog.wordpress.com/2025/12/27/overshoot-or-undershoot/ Overshoot or Undershoot?]" (December 27, 2025) * We have well over 8 billion people on this planet. All ecosystems have been perturbed, and wildlife has been hugely depleted by over 70% in just the last half century. Deforestation continues apace at almost 5 million hectares per year. So, it’s impossible for all humans to live sustainably right now. If a few chose, and succeeded, to live sustainably, it would have no measurable effect on the planet. ** Mike Roberts, "[https://mikerobertsblog.wordpress.com/2026/01/25/would-anyone-want-to-live-sustainably/ Would Anyone Want to Live Sustainably?]" (January 25, 2026) === S === * It is apparently futile only to insist that the more back­ward countries restrict their birth rates. What is needed most of all is economic and technical assistance to these countries. This assistance must be of such scale and generosity that it is unlikely before the estrangement in the world and the egotistical, narrow-minded approach to relations between nations and races are eliminated. ** [[Andrei Sakharov]], ''Progress, Coexistence and Intellectual Freedom'', Chapter 5: "Hunger and Overpopulation (and the Psychology of Racism)" (1968) * Government policy, legislation on the family and marriage, and propaganda should not encourage an increase in the birth rates of advanced countries while demanding that it be curtailed in underdeveloped countries that are receiving assistance. Such a two-faced game would produce nothing but bitterness and nationalism. ** Ibid. * I want to emphasize that the question of regulating birth rates is highly complex and that any standardized, dogmatic solution "for all time and all peoples" would be wrong. ** Ibid. * ...increasingly, technology has come up against the law of unexpected consequences. Advances in health care have lengthened life spans, lowered infant-mortality rates, and, thus, aggravated the population problem. ** [[w:Tom Sancton|Thomas A. Sancton]], "What on Earth Are We Doing?" in ''[[w:Time (magazine)|Time]]'' (week ending January 2, 1989). * As human beings, with over 8 billion of us on planet Earth at present, we now find ourselves in a very analogous situation to both the early cyanobacteria from over 2 billion years ago and the yeast cells one would culture within a nutrient-rich broth in a petri dish. It isn’t that we’re in danger of transforming our planet into an uninhabitable hellscape, as nothing we’ve done or are in the process of doing is going to have a catastrophic effect of that magnitude. However, there are a number of ways that we’re polluting, destroying, or depleting our environment in ways that not only are non-renewable and unsustainable, but that are going to have negative downstream effects that impact future humans, hundreds and even thousands of years down the line, in ways that most of us aren’t prepared to fully reckon with.<br>And that’s unfortunate, because we should be prepared. After all, unlike yeast, cyanobacteria, or any other species that’s impacted its environment due to its collective, accumulated actions, we can not only detect and quantify the effects we’re having, but can choose to change our action at any time. ** Ethan Siegel, "[https://bigthink.com/starts-with-a-bang/humanity-yeast-cells/ Is humanity dumber than a colony of yeast cells?]." ''Big Think'' (March 8, 2023) * Erroneous belief about population growth has cost dearly. In poor countries, it has directed attention away from the factor that we now know is central in a country's economic development, its economic and political system. And in rich countries, misdirected attention to population growth and its... consequence of natural-resource shortages has caused waste through such programs as now-abandoned synthetic fuel programs, and the useless development of airplanes that would be appropriate for an age of greater scarcity. ** [[Julian Simon]], "[http://www.juliansimon.com/writings/Norton/NORTON02.txt Scarcity or Abundance? A Debate on the Environment]," on ''juliansimon.com'' * Adding more people causes problems, but people are also the means to solve these problems. The main fuel to speed our progress is our stock of knowledge, and the brake is our lack of imagination. The ultimate resource is people—skilled, spirited, and hopeful people who will exert their wills and imaginations for their own benefit, and inevitably they will benefit not only themselves but the rest of us as well. ** [[Julian Simon]], [http://www.juliansimon.com/writings/Ultimate_Resource/TCONCLUS.txt The Ultimate Resource] * In trying to solve the terrifying problems that face us in the world today, we naturally turn to the things we do best. We play from strength, and our strength is science and technology. To contain a population explosion, we look for better methods of birth control. Threatened by a nuclear holocaust, we build bigger deterrent forces and anti-ballistic missile systems. We try to stave off world famine with new foods and better ways of growing them. Improved sanitation and medicine will, we hope, control disease; better housing and transportation will solve the problems of the ghettos, and new ways of reducing or disposing of waste will stop the pollution of the environment. We can point to remarkable achievements in all these fields, and it is not surprising that we should try to extend them. But things grow steadily worse, and it is disheartening to find that technology itself is increasingly at fault. Sanitation and medicine have made the problems of population more acute, war has acquired a new horror with the invention of nuclear weapons, and the affluent pursuit of happiness is largely responsible for pollution. As Darlington has said, ‘Every new source from which man has increased his power on the earth has been used to diminish the prospects of his successors. All his progress has been at the expense of damage to his environment, which he cannot repair and could not foresee.’ **[[B. F. Skinner]], ''Beyond Freedom and Dignity'' (1971), Chapter 1: “A Technology of Behavior.” * Capitalist elites seeking to increase the size of their labour force used pro-natalist state policies to prevent women from practicing family planning. [...] We should not ignore the relationship between population growth and ecology, but we must not treat these as operating in a social and political vacuum. ** Dylan Sullivan and [[Jason Hickel]] (2023). "Capitalism and extreme poverty: A global analysis of real wages, human height, and mortality since the long 16th century". ''{{W|World Development (journal)|World Development}}''. Vol. 161. {{doi|10.1016/j.worlddev.2022.106026}} === T === * History upon Terra tells us what horrors follow upon religious mandates of unlimited reproduction. ** [[Sheri S. Tepper]], ''[[w:Grass (novel)|Grass]]'' (1989), Chapter 12 * Malthusian predictions that relentless population growth will outstrip food production and trigger starvation worldwide have recurred over the centuries. They have come and then gone as farmers have deployed new technologies to increase food output. Even now, enough food is being produced to adequately feed every person on the planet; the fact that nearly one billion people are nonetheless going hungry is a damning indictment of the world's food-distribution system. But since demand is growing, production will also have to increase in the years ahead. With the world's population expected to expand to more than nine billion by 2050 and much of that growth occurring in China, India, and other countries where living standards are rising fast, global food production will need to increase by 70-100 percent in order to keep pace and feed the already chronically hungry. This is a mighty challenge: all the more so because given current soil technology and environmental concerns, more food will have to be produced on roughly the same amount of arable land -- and with less water than is used now and at a time when both growing demand for biofuels and changing climate patterns are also putting pressure on production. Where will the needed rise in food supplies come from, and how quickly can the distribution problems be solved? ** Roger Thurow, "[https://www.foreignaffairs.com/articles/africa/2010-10-21/fertile-continent The Fertile Continent]". ''Foreign Affairs'' (October 21, 2010). * Given the Maoist position that a large population was a “resource”, rather than a burden, for the Communist state, it was politically incorrect to advocate population control [either by diet or medicine]. ** Christopher K. Tong, “The Paradox of China’s Sustainability,” ''Chinese Environmental Humanities'' (2019) * Supporting large families and unchecked growth (of which the greatest parameter is population increase) is a mantra which religion and authority have preached for thousands of years. Religions always need more clergy to reap donations from, and leaders more voters to turn into soldiers for their next war, or to make the gross (as opposed to per capita) GDP figures look good. We are being farmed, we have always been farmed for thousands of years by an economic system that prioritises cold hard profit figures over real prosperity. Competition fuels growth even more, as humans are extremely territorial. The problem with the existence of countries is that they speed up civilisational collapse. They all end up competing for economic and population growth, therefore significantly accelerating civilisational overshoot and collapse. ** George Tsakraklides, quoted in "[https://www.hawaii.edu/vice-versa/interview-tsakraklides-lewis-2-0/ Memories of the Future 2.0]." ''Vice-Versa'', University of Hawaii at Manoa (February 15, 2025) * Thanks to the discovery and exploitation of fossil fuels, humans (really just a small minority of them) are able to live richer lives today than even the queens and kings of yore could have dreamed of.<br>Furthermore, we’ve used some of those finite resources to increase food supplies and to expand the human population, which provides the economic system with both more workers and more consumers, a necessity to keep the economy growing under our current economic model. The world’s population increased from 1.6 billion in 1900 to 7 billion today, and we add about 80 million more each year. Humans have quickly become the most numerous megafauna on the planet. ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2012/01/09/the-faustian-bargain-that-modern-economists-never-mention/ The Faustian bargain that modern economists never mention]" (January 9, 2012) * Humans, because of their intelligence, have found ways to [temporarily] defeat survival of the fittest. As areas get overpopulated, humans have moved to areas where they have a better chance of survival. Humans have found ways to increase food supply, through the use of fertilizers, pesticides, irrigation, and refrigeration, all of which require fossil fuels. They have developed trade, so that so areas with shortfalls can benefit from surpluses elsewhere. Humans have developed a world financial system, which has helped enable worldwide trade. The financial system has also allowed investors to pay for goods after they are put into service, so that the cash flow resulting from an investment can be used (after the fact) to pay for the cost of the investment. This enables investment, and faster use of resources, including energy resources.<br>One of the reasons for continued upward population pressure is the fact that humans have evolved to live beyond their reproductive years. In their declining years, humans often need assistance, either from their offspring or from a public pension program, or both. Because of concern for their own old age, people without pensions tend to have enough children so that there is a significant chance that a child of the right sex will survive to adulthood. With improving medical care, this tends to lead to [an] ever-rising population. ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2012/08/17/humans-seem-to-need-external-energy/ Humans Seem to Need External Energy]" (August 17, 2012) * As long as the world’s population is rising, even in lesser developed countries, there is going to be a continuing need for more food, clothing and housing. This is an issue we don’t seem to be able even to talk about. It may offend people. ** Ibid. * The energy resource that we learned to develop this time is fossil fuels, starting with coal about 1800. '''World population was able to expand greatly because of additional food production permitted by fossil fuels and because of improvements in hygiene.''' A period of stagflation began in the 1970s, when we first encountered problems with US oil production and spiking oil prices. Now, the question is whether we are approaching the Crisis Stage as described by Turchin and Nefedov. ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2013/12/06/diminishing-returns-energy-return-on-energy-invested-and-collapse/ Diminishing Returns, Energy Return on Energy Investment and Collapse]" (December 6, 2013) * As energy supplies deplete, we will increasingly need to “choose our battles.” In the past, humans have been able to win many battles against nature. However, '''as energy per capita declines in the future, we will be able to win fewer and fewer of these battles against nature''', such as our current battle with COVID-19. At some point, we may simply need to let the chips fall where they may. '''The world economy seems unable to accommodate 7.8 billion people, and we will have no choice but to face this issue.''' ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2020/11/09/energy-is-the-economy-shrinkage-in-energy-supply-leads-to-conflict/ Energy is the economy; shrinkage in energy supply leads to conflict]" (November 9, 2020) * Many people believe that humans can have a sustainable future by using solar panels and wind turbines. Unfortunately, the only truly sustainable course, in terms of moving in cycles with nature, is interacting with the environment in a manner similar to the approach used by chimpanzees and baboons. Even this approach will eventually lead to new and different species predominating. Over a long period, such as 10 million years, we can expect the vast majority of species currently alive will become extinct, regardless of how well these species fit in with nature’s plan.<br>The key to the relative success of animals such as chimpanzees and baboons is living within a truly circular economy. Sunlight falling on trees provides the food they need. Waste products of their economy come back to the forest ecosystem as fertilizer.<br>Pre-humans lost the circular economy when they learned to control fire over one million years ago, when they were still hunter-gatherers. With the controlled use of fire, cooked food became possible, making it easier to chew and digest food. The human body adapted to the use of cooked food by reducing the size of the jaw and digestive tract and increasing the size of the brain. This adaptation made pre-humans truly different from other animals.<br>With the use of fire, pre-humans had many powers. They spent less time chewing, so they could spend more time making tools. They could burn down entire forests, if they so chose, to provide a better environment for the desired types of wild plants to grow. They could use the heat from fire to move to colder environments than the one to which they were originally adapted, thus allowing a greater total population.<br>Once pre-humans could outcompete other species, the big problem became diminishing returns. For example, once the largest beasts were killed off, only smaller beasts were available to eat. The amount of effort required to kill these smaller beasts was not proportionately less, however. ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2020/12/02/humans-left-sustainability-behind-as-hunter-gatherers/ Humans Left Sustainability Behind as Hunter-Gatherers]" (December 12, 2020) * … the problem the world is facing today is like one that smaller economies have faced, over and over, in the past: '''The population has become too large for the economy’s resource base''', which now includes fossil fuels. Today’s leaders reframe the problem as voluntarily moving away from fossil fuels to prevent climate change in order to make the situation sound less frightening. ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2023/12/15/ten-things-that-change-without-fossil-fuels/ Ten things that change without fossil fuels]" (December 15, 2023) * We are dealing with an age-old problem: Humans are able to outsmart other animals, and for this reason, human populations tend to rise except when external conditions are quite adverse. ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2024/03/17/advanced-economies-will-be-especially-hurt-by-energy-limits/ Advanced Economies Will Be Especially Hurt by Energy Limits]" (March 17, 2024) * History shows a repeated pattern of overshoot and collapse. A population would grow until the carrying capacity of the local area was reached. Food surpluses would become lower and lower, so less food could be saved up for fluctuations in rainfall and temperature. Eventually, civilizations would succumb to one or another problem: disease, attack by a neighboring group, climate fluctuations, or governments overthrown by unhappy citizens. We tell ourselves that overshoot and collapse cannot happen now, but human population is high relative to fossil fuel resources, and intermittent wind and solar are not working out well as substitutes. ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2024/07/22/how-does-the-economy-really-work/ How Does the Economy Really Work?]" (July 22, 2024) * Humans are smarter than other animals, allowing the population of humans to grow, while the population of many other species tends to fall. […] The large rise in the population of the less advanced economies contributes to the huge number of immigrants wanting new homes in higher-income countries. […] The issue is that available resources do not rise fast enough (in the area, or with the technology available) to provide enough physical goods and services for the population. If a new approach can be developed, or a neighboring area with additional resources can be conquered, [the] population can start to grow again. […] Outgrowing our resource base is not a phenomenon that began with fossil fuels. […] In 1796, when [the] world population was about one billion, Robert Thomas Malthus wrote about population growing faster than food production. This was before fossil fuels were widely used. Now, about 230 years later, [the] population has risen to eight billion, thanks to the availability of fossil fuels. We need major innovations, or additional energy resource types, if we want to work around obstacles now. ** Gail Tverberg, "[https://ourfiniteworld.com/2025/10/06/what-has-gone-wrong-with-the-economy-can-it-be-fixed/ What Has Gone Wrong with the Economy? Can It Be Fixed?]" (October 6, 2025) === V === * The hard fact is that in an age of climate breakdown, human numbers matter. And the ecological impact of another 2-3 billion humans will be immense. ** John Vidal, [https://www.theguardian.com/commentisfree/2022/nov/15/population-8-billion-climate It should not be controversial to say a population of 8 billion will have a grave impact on the climate]. ''The Guardian'', November 15, 2022. * We must look at the whole man, and at his whole environment. Above all, we must realize that every grain of rice he puts into his mouth, every bit of potato, every piece of meat, and every kernel of corn, must be replaced by another bit from the earth—somewhere. We must realize that not only does every area have a limited carrying capacity—but also that this carrying capacity is shrinking and the demand growing. Until this understanding becomes an intrinsic part of our thinking and wields a powerful influence on our formation of national and international policies we are scarcely likely to see in what direction our destiny lies. ** William Vogt, ''Road to Survival'' (1948), Chapter 4: "Industrial Man: the Great Illusion." === W === *[There's] too many people making too much muck and too much noise with too little space to do it in. ** [[Keith Waterhouse]], "End of the Rainbow", <em>Daily Mirror</em> (August 17, 1970), republished in <em>Mondays, Thursdays</em> (1976) * Today, escalating human populations have vastly exceeded global carrying capacity and now produce massive quantities of solid, liquid, and gaseous waste. Biological diversity is being threatened by over-exploitation, toxic pollution, agricultural mono-culture, invasive species, competition, habitat destruction, urban sprawl, oceanic acidification, ozone depletion, global warming, and climate change. It’s a runaway train of ecological calamities. ** [[Paul Watson]], ''[https://web.archive.org/web/20070509003646/https://seashepherd.org/editorials/editorial_070504_1.html The Beginning of the End for Life as We Know it on Planet Earth? There is a Biocentric Solution.]'' Commentary by Paul Watson, Founder and President of {{W|Sea Shepherd Conservation Society}} *''Homo sapiens''’ appetite is gargantuan. As we strive to get at dwindling resources for ever more people, we dig deeper into the Earth, blow the tops of mountains, divert rivers, cut down forests and pave over swaths of land. We fill the land, water, and air with our pollution. We’re driving record numbers of species to extinction and decimating others with activities from chemical poisoning to hunting for bushmeat, or simply by taking over their habitat.<br>Greenhouse gases from our industry are changing the Earth’s climate, with such dangerous consequences as ocean acidification, rising sea levels and flooding, changes in rainfall patterns including in vital “breadbaskets,” and loss of forest cover.<br>While the word “sustainable” has become popular, growing human numbers and activities are anything but. Increasing awareness of our impact has led to developments in renewable energy, recycling, earth-friendly farming and more. There have also been spectacular advances in family planning. But powerful—notably religious—opposition has kept governments and international bodies from actively promoting small families and prevented hundreds of millions of women who would plan their families from having access to modern methods.<br>Those who deny that overpopulation is a problem say the poor don’t consume much. Yet the poor want nothing more than to consume more, as proved by India and China. Who can blame them? And a burgeoning number of desperately poor people does have a major impact: they cut down forests to [[agriculture|grow food]], drain rivers, deplete aquifers, and overfish and over-hunt in their local area. But make these points and you’ll be accused of blaming the poor for the problems of the rich.<br>We seem bound to learn the hard way that there really is a limit to how many people the Earth can support.<br>We wish it weren’t so, but it really is starting to look as if Malthus was right. ** Madeline Weld, "[https://montrealgazette.com/opinion/columnists/opinion-sadly-malthus-was-right-now-what Sadly, Malthus was right. Now what?]" in the ''{{W|The Gazette (Montreal)|Montreal Gazette}}'' (February 14, 2016) * ...the gains of low infant and maternal mortality and rises in population longevity—brought about in great part by harnessing fossil fuels, the agricultural revolution, modernization, and disease and injury reduction efforts—in many instances impedes rather than facilitates moving toward sustainable living. It can be argued from the ecological perspective that most public health efforts, as humanitarian as they are by intention and immediate effect, through accelerating population pressures on the environment are paradoxically hastening the destruction of the earth's habitat on which the next generation of humanity depends. It raises the concern that our perceived gains may be only illusory and temporary, with huge but unmeasured and unlinked environmental costs that will eventually lead to shorter lives of misery for our descendants. ** Harold B. Weiss, [https://www.ncbi.nlm.nih.gov/pmc/articles/PMC2602943/ "Overshoot"] in ''Public Health Reports'' (January-February 2009). * In the past, when one civilization collapsed, others evolved to replace it. Today the world-wide agroindustrial complex is making unprecedented demands on the whole earth’s biological ecostructure. After a brief half-century in which factory farming enlarged the meagre diet of the poor (though not for all, nor always to their benefit), the multinational food industry has become a primary impetus towards overpopulation, obesity, pollution, and global warming. Policies and practices whose effects were once circumscribed are now a threat to human survival. ** John Whiting, "[https://www.whitings-writings.com/eating_the_earth.htm Eating the Earth]." Oxford Symposium on Food and Cookery (September 9, 2007) * Agriculture, by overcoming the limitations inherent in the closed system of hunting/gathering, made possible the open-ended expansion of both the population and the means of feeding it. Once it had been adopted, there was no turning back. The more that a civilization farmed, the more it needed extra hands, and so large families were deliberately procreated, which in turn produced still more mouths to feed. Colin Tudge calls it a vicious spiral, Ronald Wright a progress trap. ** Ibid. * Nature’s modus operandi is to kill off the weakest, leaving only the strongest and most biologically versatile to reproduce. But for ''homo sapiens'', nature is not a force to be accommodated, but an opponent to be grappled with, and so ‘farming for money’ was joined by ‘medicine for money’. On top of the lucrative agroindustry which accellerates the population explosion, we have set up an equally profitable ‘health’ industry whose job it is to keep alive those whose bodies rebel at what they are so unhealthily force-fed.<br>The result is an expanding segment of the population who, along with accellerating obesity, suffer from various diseases of malnutrition, together with allergies and intolerances to a growing list of foodstuffs that are increasingly difficult to avoid. In the end, humanity may consist of a remnant of survivors who spend their brief unhappy lives closeted against the encroaching poisons which their ancestors had so profitably created. Instant death by peanut may prove to have been a warning blip on the radar screen. ** Ibid. * Today the threat lies in the sheer scale of our greed and our technological ineptitude. We’re driving entire countries over cliffs. We are destroying the delicate ecological balance which a [sic] brief interlude of stable climate has allowed us. We make pious noises about the disappearing terrestrial species while largely ignoring the invisible havoc we’re bringing about in the earth’s oceans, the source and sustenance of life on the land. ** John Whiting, June 2015 appendix to "Eating the Earth" * The raging monster upon the land is population growth. In its presence, sustainability is but a fragile theoretical construct. To say, as many do, that the difficulties of nations are not due to people but to poor ideology or land-use management is sophistic. If Bangladesh had 10 million inhabitants instead of 115 million [as of this writing], its impoverished people could live on prosperous farms away from the dangerous floodplains midst a natural and stable upland environment. It is also sophistic to point to the Netherlands and Japan, as many commentators incredibly still do, as models of densely populated but prosperous societies. Both are highly specialized industrial nations dependent on massive imports of natural resources from the rest of the world. If all nations held the same number of people per square kilometer, they would converge in quality of life to Bangladesh rather than to the Netherlands and Japan, and their irreplaceable natural resources would soon join the seven wonders of the world as scattered vestiges of an ancient [sic] history. ** [[E. O. Wilson]], ''The Diversity of Life'' (1992) * The pattern of human population growth in the 20th century was more bacterial than primate. When ''Homo sapiens'' passed the six billion mark we had already exceeded by perhaps as much as 100 times the [[w:Biomass (ecology)|biomass]] of any large animal species that had ever existed on the land. We and the rest of life cannot afford another one hundred years like that. ** [[E. O. Wilson]], quoted in ''Life on the Brink: Environmentalists Confront Overpopulation''. University of Georgia Press (2012), p. 83 * If we fail to limit our numbers and our impact, if we do not replace our goldrush economics with a rational sharing of what the earth can yield, this new century will not grow very old before we enter an age of chaos and collapse that will dwarf all dark ages in our past. **{{W|Ronald Wright}}, "Civilization is a pyramid scheme", ''The Globe and Mail'' (August 5, 2000). * So among the things we need to know about ourselves is that the Upper Palaeolithic period, which may well have begun in genocide, ended with an all-you-can-kill wildlife barbecue. The perfection of hunting spelled the end of hunting as a way of life. Easy meat meant more babies. More babies meant more hunters. More hunters, sooner or later, meant less game. Most of the great human migrations across the world at this time must have been driven by want, as we bankrupted the land with our moveable feasts. ** Ronald Wright, ''A Short History of Progress'' (2004), Chapter II: "The Great Experiment." === Z === * What determines population growth? What has been the cause of the unprecedented growth in world population in our recent history? Many socio-economic reasons are given as explanations: medical advances, improvements in public health, sanitation and hygiene, increased food availability and agricultural productivity, extension of cultivation, and development of trade and transportation. Surprisingly, high quality energy sources are rarely mentioned or quickly discounted. Yet an argument can be made that each of the above factors contributing to population growth is aided and influenced by high quality energy supplies. Cheap and abundant fossil fuels have been a necessary precondition for the past century’s population growth. And while not all countries benefit directly from the consumption of high quality energy supplies, most countries benefit from the impact of high energy societies on low energy societies. What if energy consumption, or more precisely, energy resource availability, somehow determines population growth? Perhaps energy resources determine the Earth’s ''carrying capacity,'' or how many people the Earth can support? Perhaps different energy resources have different effects on population growth? If we hypothesize that the Earth’s population is ultimately determined by availability of energy resources, and if some of those energy resources are at or near their peak rates of production, then that may affect rates of population growth. If the correlation is strong enough, the number of people the Earth can support may also be at or near its peak. Therefore the number of people in 2050 may be very different from widespread United Nations (UN) forecasts. Growing populations consume more energy. Availability of energy allows populations to grow. Energy consumption exerts demands on energy resources making them scarcer. They become harder to extract. Nearby forests are depleted, coal mines must dig deeper, oil has to be drilled in more complex environments. In other words, energy resource extraction experiences declining marginal returns. This has led to the exploitation of new energy sources, which in turn expands the Earth’s ''carrying capacity''. Then populations grow once more. **Graham Zabel, "[https://www.resilience.org/stories/2009-04-20/peak-people-interrelationship-between-population-growth-and-energy-resources/#_Toc227469800 Peak People: The Interrelationship between Population Growth and Energy Resources]" in ''Energy Bulletin'' (April 20, 2009) * Mature populations tend to reach equilibrium – the carrying capacity – and then fluctuate around this equilibrium. If a population outgrows its carrying capacity, regulating factors come into play, such as famine, or emigration. If a population is below its carrying capacity, birth rates tend to increase, so the population grows. The common assumption is that carrying capacity is determined by the availability of food, water and land. While availability of food and water are important factors in determining the carrying capacity of populations, they cannot explain the unprecedented increases in population that have occurred in the last several hundred years. The availability of land has always been a factor in increasing carrying capacity. In the historic past, the Earth’s carrying capacity could be increased by expanding into sparsely occupied, or frontier, lands. In a fictitious future, carrying capacity could be increased by expanding outward to other planets or solar systems. At present, there is very little unoccupied, habitable land remaining on this Earth and no nearby habitable planets to release the pressure of population growth, so any increase in carrying capacity must be a result of other factors. **Ibid. * At present the world’s population is growing rapidly. The planet could not support the six billion plus people that exist today without first the commercialisation of coal, then of oil and, more recently, gas. These energy sources have been necessary for the unprecedented population growth that has occurred over the last three hundred years. It is reasonable to assume that unless current energy resource production is increased and new resources are exploited, the population will no longer grow. And if energy resources decline (e.g. a peak in production is reached), then we may see a decline in population. ** Ibid. * Roughly 10,000 years ago, increasing population pressure on wild food resources led to a shift from food gathering (hunter-gatherers) to food production (agriculturists) in several parts of the world. This led to demand-induced technologies and demand-induced searches for higher quality energy sources, such as water power for flow irrigation, animal draft power, iron tools, and fire for land clearing and for improvement of hunting and pastoralism. Population pressures in many parts of Europe in the seventeenth and eighteenth centuries led to serious shortages of wood which in turn led to many of the technological innovations that fuelled the [[Industrial Revolution]]. Coal’s replacement of wood as the most important source of energy in Western Europe is a classic example of demand-induced innovation…promoted by population pressures on forested land in Western and Central Europe. From the end of [[World War II]], coal’s premier importance as an energy source declined sharply and was replaced by crude oil. Far offshore drilling of oil began in 1947 off the coast of Louisiana. One year later, the world’s largest oil field, al-Ghawar in Saudi Arabia, was drilled. Large new discoveries of oil and gas in Africa and Asia combined with the development of oil super tankers and pipeline networks reduced the price of oil and gas at a time when the costs of producing coal were continuing to rise. Diesel locomotives represented a major substitution of oil for coal. The post World War II era also saw large increases in automobile ownership, the beginnings of highway and motorway road transportation networks and the first passenger jet aircraft –all benefiting from and encouraging consumption of cheap oil supplies. These increases in the consumption of crude oil have coincided with the highest population growth in history. After the depressed population growth during World War II, growth rose quickly to a peak of 2.2% in 1964, the highest rate the world has ever known. (''Per capita'' oil consumption peaked shortly thereafter, in the 1970s). Although population continues to rise, population growth has been declining since then. If there is a relationship between energy consumption and population growth, the different types of energy consumed may have different effects. If biomass is the only energy source, populations will not grow very fast. In such organically based economies, the problem of expanding raw material supply, and especially the related problems associated with the very modest energy supply maxima…must curb growth with increasing severity as expansion takes place. The emergence of coal as an energy source eliminated the carrying capacity limits to population growth that any traditional and biomass energy based culture would eventually face. Similarly, the predominance of oil after the middle part of the twentieth century raised the carrying capacity even further. ** Ibid. * According to the IEA [International Energy Agency], 1.6 billion people live without electricity. Much of Africa and Asia still rely on biomass as their primary source of energy, yet have very high population growth rates. '''How can there be a correlation between energy and population in these instances? While many developing world countries remain low energy societies, they, and their population growth rates, are impacted by high energy societies. Their primary energy sources may still be traditional biomass, but their population growth is due in large part to abundant oil and gas supplies.''' Vaccines and antibiotics that reduce third world mortality are discovered, produced and distributed with first world energy, and oil contributes at every step. Fertilisers, pesticides and herbicides that aided the Green Revolution in much of the developing world could not have been produced without large oil and gas inputs. The aeroplanes, boats and trains that deliver and distribute food all run on oil. '''While the commercialisation of higher quality energy sources may be very unevenly distributed, the societies that adopt new energy sources, high energy societies, have a profound impact on those societies that remain low energy societies, and these impacted populations then become part of Coal, Oil or Natural Gas Populations.''' ** Ibid. *Just 11,000 years ago, there were only roughly 5 million humans who lived on the planet Earth. The initial population growth was slow, due largely to the way humans were living—by hunting. Such lifestyle limited the size of family for practical reasons. A woman on the move cannot carry more than one infant along with her household baggage. When simple birth control means-often abstention from sex failed, a woman may elect abortion or, more commonly, infanticide to limit the family size. Further, a high mortality among the very young, the old, the ill and the disabled acted as a natural resistance to a rapid population growth. Thus it took over one million years for human population to reach the one billion mark. But the second billion was added in about 100 years, the third billion in 50 years, the fourth in 15 years, and the fifth in 12 years. Ever since humans became sedentary, some limits over the family size were lifted. With the development of agriculture, children may have become more of an asset to their families in helping with farming and other chores. By the beginning of the Christian era, human population grew to about 130 million, distributed all over the Earth. By 1650, the world population had reached 500 million. The process of industrialization had begun, bringing about profound changes over the lives of humans and their interactions with the natural world. With improved living standard, lowered death rate and prolonged life expectancy, human population grew exponentially. By 1999 there were about 6 billion people, comparing with 2.5 billion in 1950. The world population is well on its way to 7 billion with an annual growth rate of over 90 million. **Ming Zheng, “[https://www.gordon.edu/download/pages/Salem%20010731-Human%20Population%20Growth.pdf Human Population Growth]”. {{W|Gordon College (Massachusetts)|Gordon College}} (July 31, 2001) == See also == * [[Biodiversity]] * [[Climate change]] * [[Exponential growth]] * [[Fossil fuel]] * [[Global warming]] * [[Population decline]] * [[Sustainable development]] * [[Sustainability]] ==Further reading== *Smil, Vaclav. "[https://ia800709.us.archive.org/16/items/detonator-of-the-population-explosion/Detonator%20of%20the%20population%20explosion.pdf Detonator of the population explosion]." Nature 400.6743 (1999): 415-415. *Feeney, John. "[https://ia801807.us.archive.org/18/items/agriculture-ending-the-world-as-we-know-it/Agriculture_Ending_the_world_as_we_know_it.pdf AGRICULTURE: Ending the World as We Know It]." Zephyr, August—September (2010). ==External links== {{উইকিপিডিয়া|Human overpopulation}} {{উইকিঅভিধান|overpopulation}} *[https://population.org.au/about-population/global-population Quotes on Human Over-Population and Related Subjects], ''Sustainable Population Australia'' *{{ওয়েব উদ্ধৃতি|url=https://www.populationmedia.org/2014/02/11/morgan-freeman-speaks-out-on-population/|title=Morgan Freeman on the 'tyranny of agriculture' and the doomed human race|date=11 February 2014|publisher=Ecorazzi}} *[https://www.theguardian.com/global-development-professionals-network/gallery/2015/apr/01/over-population-over-consumption-in-pictures Overpopulation, overconsumption – in pictures]. ''{{W|The Guardian}}'' April 1, 2015. *{{ওয়েব উদ্ধৃতি|url=http://www.panearth.org/WVPI/Papers/FoodPopulationSummary.pdf|title=A Summary of Human Population Dynamics|work=Russell Hopfenberg|publisher=Pan Earth}} [[বিষয়শ্রেণী:জীববিজ্ঞান]] [[বিষয়শ্রেণী:সমাজতত্ত্ব]] [[Category:Sustainability]] llux251cqyhpgjagrebr5vrg6gfc08n ইয়ান উইলমুট 0 13253 79860 2026-04-23T00:45:13Z Sumanta3023 4175 "Hi" দিয়ে পাতা তৈরি 79860 wikitext text/x-wiki Hi he0da0q8s1r2umjl1vwjjxep15c52yo 79861 79860 2026-04-23T00:53:51Z Sumanta3023 4175 79861 wikitext text/x-wiki '''[[w:ইয়ান উইলমুট|স্যার ইয়ান উইলমুট]]''' (৭ জুলাই ১৯৪৪ – ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৩) ছিলেন একজন ইংরেজ [[w:ভ্রূণতত্ত্ব|ভ্রূণতত্ত্ববিদ]], যিনি ১৯৯৬ সালে প্রাপ্তবয়স্ক স্তন্যপায়ী কোষ থেকে প্রথমবারের মতো একটি স্তন্যপায়ী প্রাণীর ক্লোন করা দলের নেতা হিসেবে সবচেয়ে বেশি পরিচিত। তাদের ক্লোন করা সেই ভেড়াটির নাম ছিল [[w:ডলি (ভেড়া)|ডলি]]। {{বিজ্ঞানী-অসম্পূর্ণ}} == উক্তি == * এটি সম্ভব হওয়ার যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে, হ্যাঁ। তবে আমরা বরাবরই যা বলে আসছি রোজলিন ইনস্টিটিউট এবং পিপিএল স্টাফ উভয়ের পক্ষ থেকেইতা হলো, এমন কিছু করার কথা ভাবা আমাদের কাছে নৈতিকভাবে গ্রহণযোগ্য নয়। এটি করার মতো কোনো কারণ আমরা খুঁজে পাচ্ছি না। যদি কোনো মানুষকে অবিকল নকল করার মতো কোনো কারণ থাকত, তবে আমরা তা করতাম, কিন্তু সেরকম কোনো কারণ নেই। ** মানুষের ক্লোনিং প্রসঙ্গে, [http://web.archive.org/web/20000301033550/http://www.salon.com/feb97/news/news2970224.html ''স্যালন''-এ অ্যান্ড্রু রস লিখিত "ডক্টর ফ্রাঙ্কেনস্টাইন, আই প্রিজুম?" (ফেব্রুয়ারি ১৯৯৭)]। * মানব ভ্রূণের ওপর যেকোনো ধরনের কারসাজি নিষিদ্ধ হওয়া উচিত। ** ''স্যালন''-এ (ফেব্রুয়ারি ১৯৯৭) অ্যান্ড্রু রস লিখিত "ডক্টর ফ্রাঙ্কেনস্টাইন, আই প্রিজুম?"-এ উদ্ধৃত। * আমি আপনাদের মনে করিয়ে দিতে চাই যে এখন পর্যন্ত এই পরীক্ষাগুলোতে, জীবিত জন্মানো ভেড়ার ছানাগুলোর প্রায় এক-চতুর্থাংশ কয়েক দিনের মধ্যেই মারা গেছে কারণ তাদের স্বাভাবিক বিকাশ সম্পন্ন হয়নি। এখন, এখানে যা প্রস্তাব করা হচ্ছে তা হলো শিশুদের অবিকল নকল তৈরি করা হবে এবং তাদের মধ্যে কেউ কেউ জন্মের পরপরই মারা যাবে। তাই আমি মনে করি একজন চিকিৎসকের পক্ষ থেকে এমন প্রস্তাব দেওয়া অত্যন্ত ভয়াবহ এবং দুঃখজনক একটি বিষয়। ** মানুষের ক্লোনিংয়ের প্রস্তাব প্রসঙ্গে, [http://www.pbs.org/newshour/bb/science/jan-june98/cloning_1-8.html ''দ্য নিউজআওয়ার'', পিবিএস-এ সাক্ষাৎকার (৮ জানুয়ারি ১৯৯৮)]। * আমি মনে করি কৃষিকাজে আমার আগ্রহী হওয়ার প্রাথমিক কারণ ছিল যে আমি বাইরে (প্রকৃতির সান্নিধ্যে) থাকতে চেয়েছিলাম। আমি সবসময়ই বাইরে থাকা উপভোগ করি। আর তাই, আমি যখন উচ্চবিদ্যালয়ে পড়তাম সম্ভবত তখন আমার বয়স ১৪ বছর আমার বাবা-মা বন্ধুদের মাধ্যমে আমার জন্য ছুটির দিনে খামারে কাজ করার ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন। ** [http://www.achievement.org/autodoc/printmember/wil0int-1 অ্যাকাডেমি অফ অ্যাচিভমেন্টে সাক্ষাৎকার (২৩ মে ১৯৯৮)]। * এই ধরনের বিষয় যা নিয়ে ভাবা হচ্ছে, তা কি উপকারী? উদাহরণস্বরূপ, আপনি যদি প্রশ্ন করেন, "একজন ব্যক্তির অবিকল নকল তৈরির কথা ভাবা কি সমীচীন?" তবে আপনাকে কেবল এটিই জিজ্ঞাসা করলে চলবে না যে, "যারা এটি করতে বলছেন তাদের জন্য এর সুফল কী?" বরং এটিও জিজ্ঞাসা করতে হবে যে, "যে শিশুটি এর মাধ্যমে জন্ম নেবে, তার ওপর এর প্রভাব কী পড়বে?" আর আমার মনে হয় শেষের এই অংশটিই প্রায়শই এড়িয়ে যাওয়া হয়। ** অ্যাকাডেমি অফ অ্যাচিভমেন্টে সাক্ষাৎকার (২৩ মে ১৯৯৮)। == বহিঃসংযোগ == {{wikipedia}} * [http://www.ed.ac.uk/news/050324reprodbiol.html ডলি বিজ্ঞানী এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদান করেছেন] * [http://www.telegraph.co.uk/news/uknews/1512377/I-didn%27t-clone-Dolly-the-sheep%2C-says-prof.html "আমি ভেড়া ডলিকে ক্লোন করিনি, বললেন অধ্যাপক" ''দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফ'' (৮ মার্চ ২০০৬)] * [http://www.guardian.co.uk/science/2006/mar/11/genetics.highereducation1 "আসলে কে ডলিকে তৈরি করেছিল? ব্রিটিশ সাফল্যের গল্প বিজ্ঞানীদের ঝগড়ায় পর্যবসিত" ''দ্য গার্ডিয়ান'' (১১ মার্চ ২০০৬)] * [http://english.people.com.cn/200603/13/eng20060313_250276.html "ক্লোন ডলি তৈরির অধিকার" ''দ্য পিপলস ডেইলি'' (১৩ মার্চ ২০০৬)] * [http://www.geneticsandsociety.org/article.php?id=2625 "ক্লোনিং বিজ্ঞানী আর শ্রেষ্ঠ নন" ''জেনেটিক ক্রসরোডস'' (২৯ মার্চ ২০০৬)] * [http://edinburghnews.scotsman.com/topstories/Call-to-strip-39Dolly-creator39.3736925.jp "উইলমুটের নাইটহুড কেড়ে নেওয়ার আহ্বান" ''দ্য স্কটসম্যান'' (১ ফেব্রুয়ারি ২০০৮)] {{DEFAULTSORT:উইলমুট, ইয়ান}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৪৪-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:২০২৩-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাজ্যের শিক্ষাবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:জেনেটিসিস্ট]] [[বিষয়শ্রেণী:ইংল্যান্ডের জীববিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:উদ্ভাবক]] [[বিষয়শ্রেণী:ইংল্যান্ডের নাস্তিক]] 0g9wcdk3um0a23cm4cmutqsot53nnac 79862 79861 2026-04-23T00:54:12Z Sumanta3023 4175 79862 wikitext text/x-wiki '''[[w:ইয়ান উইলমুট|স্যার ইয়ান উইলমুট]]''' (৭ জুলাই ১৯৪৪ – ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৩) ছিলেন একজন ইংরেজ [[w:ভ্রূণতত্ত্ব|ভ্রূণতত্ত্ববিদ]], যিনি ১৯৯৬ সালে প্রাপ্তবয়স্ক স্তন্যপায়ী কোষ থেকে প্রথমবারের মতো একটি স্তন্যপায়ী প্রাণীর ক্লোন করা দলের নেতা হিসেবে সবচেয়ে বেশি পরিচিত। তাদের ক্লোন করা সেই ভেড়াটির নাম ছিল [[w:ডলি (ভেড়া)|ডলি]]। {{scientist-stub}} == উক্তি == * এটি সম্ভব হওয়ার যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে, হ্যাঁ। তবে আমরা বরাবরই যা বলে আসছি রোজলিন ইনস্টিটিউট এবং পিপিএল স্টাফ উভয়ের পক্ষ থেকেইতা হলো, এমন কিছু করার কথা ভাবা আমাদের কাছে নৈতিকভাবে গ্রহণযোগ্য নয়। এটি করার মতো কোনো কারণ আমরা খুঁজে পাচ্ছি না। যদি কোনো মানুষকে অবিকল নকল করার মতো কোনো কারণ থাকত, তবে আমরা তা করতাম, কিন্তু সেরকম কোনো কারণ নেই। ** মানুষের ক্লোনিং প্রসঙ্গে, [http://web.archive.org/web/20000301033550/http://www.salon.com/feb97/news/news2970224.html ''স্যালন''-এ অ্যান্ড্রু রস লিখিত "ডক্টর ফ্রাঙ্কেনস্টাইন, আই প্রিজুম?" (ফেব্রুয়ারি ১৯৯৭)]। * মানব ভ্রূণের ওপর যেকোনো ধরনের কারসাজি নিষিদ্ধ হওয়া উচিত। ** ''স্যালন''-এ (ফেব্রুয়ারি ১৯৯৭) অ্যান্ড্রু রস লিখিত "ডক্টর ফ্রাঙ্কেনস্টাইন, আই প্রিজুম?"-এ উদ্ধৃত। * আমি আপনাদের মনে করিয়ে দিতে চাই যে এখন পর্যন্ত এই পরীক্ষাগুলোতে, জীবিত জন্মানো ভেড়ার ছানাগুলোর প্রায় এক-চতুর্থাংশ কয়েক দিনের মধ্যেই মারা গেছে কারণ তাদের স্বাভাবিক বিকাশ সম্পন্ন হয়নি। এখন, এখানে যা প্রস্তাব করা হচ্ছে তা হলো শিশুদের অবিকল নকল তৈরি করা হবে এবং তাদের মধ্যে কেউ কেউ জন্মের পরপরই মারা যাবে। তাই আমি মনে করি একজন চিকিৎসকের পক্ষ থেকে এমন প্রস্তাব দেওয়া অত্যন্ত ভয়াবহ এবং দুঃখজনক একটি বিষয়। ** মানুষের ক্লোনিংয়ের প্রস্তাব প্রসঙ্গে, [http://www.pbs.org/newshour/bb/science/jan-june98/cloning_1-8.html ''দ্য নিউজআওয়ার'', পিবিএস-এ সাক্ষাৎকার (৮ জানুয়ারি ১৯৯৮)]। * আমি মনে করি কৃষিকাজে আমার আগ্রহী হওয়ার প্রাথমিক কারণ ছিল যে আমি বাইরে (প্রকৃতির সান্নিধ্যে) থাকতে চেয়েছিলাম। আমি সবসময়ই বাইরে থাকা উপভোগ করি। আর তাই, আমি যখন উচ্চবিদ্যালয়ে পড়তাম সম্ভবত তখন আমার বয়স ১৪ বছর আমার বাবা-মা বন্ধুদের মাধ্যমে আমার জন্য ছুটির দিনে খামারে কাজ করার ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন। ** [http://www.achievement.org/autodoc/printmember/wil0int-1 অ্যাকাডেমি অফ অ্যাচিভমেন্টে সাক্ষাৎকার (২৩ মে ১৯৯৮)]। * এই ধরনের বিষয় যা নিয়ে ভাবা হচ্ছে, তা কি উপকারী? উদাহরণস্বরূপ, আপনি যদি প্রশ্ন করেন, "একজন ব্যক্তির অবিকল নকল তৈরির কথা ভাবা কি সমীচীন?" তবে আপনাকে কেবল এটিই জিজ্ঞাসা করলে চলবে না যে, "যারা এটি করতে বলছেন তাদের জন্য এর সুফল কী?" বরং এটিও জিজ্ঞাসা করতে হবে যে, "যে শিশুটি এর মাধ্যমে জন্ম নেবে, তার ওপর এর প্রভাব কী পড়বে?" আর আমার মনে হয় শেষের এই অংশটিই প্রায়শই এড়িয়ে যাওয়া হয়। ** অ্যাকাডেমি অফ অ্যাচিভমেন্টে সাক্ষাৎকার (২৩ মে ১৯৯৮)। == বহিঃসংযোগ == {{wikipedia}} * [http://www.ed.ac.uk/news/050324reprodbiol.html ডলি বিজ্ঞানী এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদান করেছেন] * [http://www.telegraph.co.uk/news/uknews/1512377/I-didn%27t-clone-Dolly-the-sheep%2C-says-prof.html "আমি ভেড়া ডলিকে ক্লোন করিনি, বললেন অধ্যাপক" ''দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফ'' (৮ মার্চ ২০০৬)] * [http://www.guardian.co.uk/science/2006/mar/11/genetics.highereducation1 "আসলে কে ডলিকে তৈরি করেছিল? ব্রিটিশ সাফল্যের গল্প বিজ্ঞানীদের ঝগড়ায় পর্যবসিত" ''দ্য গার্ডিয়ান'' (১১ মার্চ ২০০৬)] * [http://english.people.com.cn/200603/13/eng20060313_250276.html "ক্লোন ডলি তৈরির অধিকার" ''দ্য পিপলস ডেইলি'' (১৩ মার্চ ২০০৬)] * [http://www.geneticsandsociety.org/article.php?id=2625 "ক্লোনিং বিজ্ঞানী আর শ্রেষ্ঠ নন" ''জেনেটিক ক্রসরোডস'' (২৯ মার্চ ২০০৬)] * [http://edinburghnews.scotsman.com/topstories/Call-to-strip-39Dolly-creator39.3736925.jp "উইলমুটের নাইটহুড কেড়ে নেওয়ার আহ্বান" ''দ্য স্কটসম্যান'' (১ ফেব্রুয়ারি ২০০৮)] {{DEFAULTSORT:উইলমুট, ইয়ান}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৪৪-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:২০২৩-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাজ্যের শিক্ষাবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:জেনেটিসিস্ট]] [[বিষয়শ্রেণী:ইংল্যান্ডের জীববিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:উদ্ভাবক]] [[বিষয়শ্রেণী:ইংল্যান্ডের নাস্তিক]] 9le6h3jtrgn1kngg1j41au7khib90x6 আলাপ:ইয়ান উইলমুট 1 13254 79863 2026-04-23T00:54:27Z Sumanta3023 4175 https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026 79863 wikitext text/x-wiki {{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}} s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm ইনগ্রিড ডোবিচি 0 13255 79865 2026-04-23T01:07:23Z Sumanta3023 4175 "[[File:Ingrid Daubechies (2005) (cropped).jpg|thumb|২০০৫ সালে ইনগ্রিড ডোবিচি]] [[w:ইনগ্রিড ডোবিচি|'''ব্যারনেস ইনগ্রিড ডোবিচি''']] (জন্ম ১৭ আগস্ট ১৯৫৪) হলেন একজন [[w:বেলজিয়াম|বেলজীয়]] w:পদার্থবিজ্ঞানী|পদার্থবিজ্..." দিয়ে পাতা তৈরি 79865 wikitext text/x-wiki [[File:Ingrid Daubechies (2005) (cropped).jpg|thumb|২০০৫ সালে ইনগ্রিড ডোবিচি]] [[w:ইনগ্রিড ডোবিচি|'''ব্যারনেস ইনগ্রিড ডোবিচি''']] (জন্ম ১৭ আগস্ট ১৯৫৪) হলেন একজন [[w:বেলজিয়াম|বেলজীয়]] [[w:পদার্থবিজ্ঞানী|পদার্থবিজ্ঞানী]] ও [[w:গণিতবিদ|গণিতবিদ]]। তিনি [[w:ইমেজ কমপ্রেশন|ইমেজ কমপ্রেশনে]] [[w:ওয়েভলেট|ওয়েভলেট]] সংক্রান্ত কাজের জন্য সবচেয়ে বেশি পরিচিত, যার মধ্যে [[w:ডোবিচি ওয়েভলেট|ডোবিচি ওয়েভলেট]] অন্যতম। ইমেজ-কমপ্রেশন প্রযুক্তিকে উন্নত করে এমন গাণিতিক পদ্ধতিগুলো নিয়ে গবেষণার জন্য তিনি বিশেষভাবে স্বীকৃত। তিনি [[w:ন্যাশনাল একাডেমি অফ ইঞ্জিনিয়ারিং|ন্যাশনাল একাডেমি অফ ইঞ্জিনিয়ারিং]], ন্যাশনাল একাডেমি অফ সায়েন্সেস এবং আমেরিকান একাডেমি অফ আর্টস অ্যান্ড সায়েন্সেসের একজন সদস্য। == উক্তি == * ওয়েভলেট ট্রান্সফর্ম হলো এমন একটি সরঞ্জাম যা উপাত্ত , ফাংশন বা অপারেটরগুলোকে বিভিন্ন কম্পাঙ্ক উপাদানে বিভক্ত করে এবং এরপর প্রতিটি উপাদানকে তার স্কেলের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ রেজোলিউশন দিয়ে বিশ্লেষণ করে। এই কৌশলের অগ্রদূতরা বিশুদ্ধ গণিত (হারমোনিক অ্যানালাইসিসে ক্যালডেরনের রেজোলিউশন অফ দ্য আইডেন্টিটি—দ্রষ্টব্য ক্যালডেরন ১৯৬৪), পদার্থবিজ্ঞান (কোয়ান্টাম মেকানিক্সে (ax + b)-গ্রুপের জন্য কোহেরেন্ট স্টেট, যা প্রথম আসলাকসেন এবং ক্লাউডার ১৯৬৮ সালে তৈরি করেন এবং ১৯৮৫ সালে পল একে হাইড্রোজেন পরমাণুর হ্যামিল্টোনিয়ানের সাথে যুক্ত করেন) এবং প্রকৌশলবিদ্যায় (১৯৭৭ সালে এস্তেবান এবং গ্যাল্যান্ডের কিউএমএফ ফিল্টার এবং পরবর্তীতে ১৯৮৬ সালে ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্মিথ ও বার্নওয়েল এবং ভেটারলি কর্তৃক সঠিক পুনর্গঠন ক্ষমতাসম্পন্ন কিউএমএফ ফিল্টার; ১৯৮৩ সালে জে. মরলেট কর্তৃক সিসমিক উপাত্ত বিশ্লেষণের জন্য ওয়েভলেটের প্রস্তাব) স্বতন্ত্রভাবে উদ্ভাবিত হয়েছিল। গত পাঁচ বছরে এই সমস্ত ভিন্ন ভিন্ন পদ্ধতির মধ্যে একটি সমন্বয় দেখা গেছে, যা সংশ্লিষ্ট সকল ক্ষেত্রের জন্য অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়েছে। ** {{cite book|title=Ten Lectures on Wavelets|url=https://books.google.com/books?id=B3C5aG4OboIC&pg=PA1|date=১ জুন ১৯৯২|page=১|publisher=SIAM|isbn=978-0-89871-274-2}} * ... তাদের গাণিতিক দিক থেকে বিচার করলে, ওয়েভলেটের মূল নিহিত রয়েছে হারমোনিক অ্যানালাইসিসে ক্যালডেরন-জিগমুন্ড তত্ত্বে ডাইলেশন এবং কনভোলিউশনের ব্যবহারের মধ্যে। ... অ্যালগরিদমের দিক থেকে ওয়েভলেটগুলো ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সাবব্যান্ড ফিল্টারিংয়ের সাথে সম্পর্কিত। ৭০-এর দশক থেকে সাবব্যান্ড ফিল্টারিং বিকশিত হয়েছিল; আর ৮০-এর দশকের শুরুর দিকে 'একজ্যাক্ট রিকনস্ট্রাকশন' বা নির্ভুল পুনর্গঠন পদ্ধতি আবিষ্কৃত হয়। এগুলো স্পষ্টতই ছিল অত্যন্ত দ্রুতগতির অ্যালগরিদম, যা বিভিন্ন ধরণের সিগন্যালের তথ্য এনকোডিং বা কমপ্রেশন করার আগে একটি ফ্রন্ট-এন্ড প্রসেসিং ধাপ হিসেবে ব্যবহারের জন্য তৈরি করা হয়েছিল। বিভিন্ন ক্ষেত্রে এই ফিল্টারগুলোকে অপ্টিমাইজ বা আরও কার্যকর করার জন্য প্রচুর প্রচেষ্টা চালানো হয়েছে এবং ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের এই উপশাখাটি এখন বেশ পরিপক্ক। ... ওয়েভলেটের আরেকটি অ্যালগরিদমিক পূর্বপুরুষ হলো নিউমেরিক্যাল অ্যানালাইসিসের একাধিক অ্যালগরিদম, যা গণিতের কাছাকাছি হলেও কিছুটা অ্যাড-হক প্রকৃতির। ** (১৯৯৩) ভূমিকা। সূত্র: ডোবিচি, আই. (সম্পাদক)। ''ডিফারেন্ট পারসপেক্টিভস অন ওয়েভলেটস: আমেরিকান ম্যাথমেটিক্যাল সোসাইটি শর্ট কোর্স, জানুয়ারি ১১–১২, ১৯৯৩, সান আন্তোনিও, টেক্সাস''। প্রসিডিংস অফ সিম্পোজিয়া ইন অ্যাপ্লাইড ম্যাথমেটিক্স, খণ্ড ৪৭। আমেরিকান ম্যাথমেটিক্যাল সোসাইটি, প্রভিডেন্স, রোড আইল্যান্ড। [https://books.google.com/books?id=KqizCwAAQBAJ&pg=PR9 ২০১৬ পুনর্মুদ্রণ] (পৃষ্ঠা ix থেকে উদ্ধৃত) * নতুন উপপাদ্য এবং গঠনশৈলীর গুণাগুণ বিচার করার জন্য গণিতবিদদের বিভিন্ন উপায় রয়েছে। একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মাপকাঠি হলো নান্দনিকতা—কিছু গাণিতিক উন্নয়ন কেবল মনের দিক থেকে সঠিক, যথাযথ এবং সুন্দর বলে "অনুভূত" হয়। সৌন্দর্য বা নান্দনিকতা আলোচিত হয় এমন অন্যান্য ক্ষেত্রের মতোই এখানেও রুচি একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, তবে আমি মনে করি আমি একা নই যে তখন বিশেষভাবে রোমাঞ্চিত হই যখন আপাতদৃষ্টিতে ভিন্ন ভিন্ন ক্ষেত্রগুলো হঠাৎ কোনো নতুন ধারণা বা নতুন উপলব্ধিতে এসে মিলিত হয়। প্রায়শই এই ধরণের মোলাকাতের স্ফুলিঙ্গ থেকেই গণিতের প্রতি আমাদের নান্দনিক আনন্দের জন্ম হয়। <br>গণিতের কোনো বিশেষ অংশের গুণ নির্ধারণের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ মাপকাঠি হলো বাস্তব প্রয়োগের ক্ষেত্রে এটি কতটা উপযোগী হতে পারে; এই মাপকাঠিটি প্রায় একচেটিয়াভাবে অ-গণিতবিদরা ব্যবহার করে থাকেন। ** (১৯৯৫) ওয়েভলেটস অ্যান্ড আদার ফেজ স্পেস লোকালাইজেশন মেথডস। সূত্র: চ্যাটার্জি, এস.ডি. (সম্পাদক)। ''প্রসিডিংস অফ দ্য ইন্টারন্যাশনাল কংগ্রেস অফ ম্যাথমেটিশিয়ানস''। বির্খাউজার, বাসেল। * ওয়েভলেটের বিকাশ এমন একটি উদাহরণ যেখানে বিভিন্ন ক্ষেত্রের ধারণাগুলো একত্রিত হয়ে এমন একটি পূর্ণাঙ্গ রূপ ধারণ করেছে যা এর খণ্ড অংশগুলোর সমষ্টির চেয়েও বড়। ওয়েভলেটের এই বিষয়বস্তুটি, যা মূলত গত ১৫ বছরে বিকশিত হয়েছে, তা বিশুদ্ধ ও ফলিত গণিত, পদার্থবিজ্ঞান, কম্পিউটার বিজ্ঞান এবং প্রকৌশলসহ আরও অনেক ক্ষেত্রের পুরনো ধারণাগুলোর সাথে সংযুক্ত। ** {{cite journal|title=Where do wavelets come from? A personal point of view|journal=প্রসিডিংস অফ দ্য আইইইই |volume=৮৪|issue=৪|year=১৯৯৬|pages=৫১০–৫১৩|url=https://ieeexplore.ieee.org/abstract/document/488696}} * আমরা ওয়েভলেট এবং সাবডিভিশনের ক্ষেত্রে সাম্প্রতিক তিনটি উন্নয়ন উপস্থাপন করছি: ওয়েভলেট-ধরণের ট্রান্সফর্ম যা পূর্ণসংখ্যাকে পূর্ণসংখ্যায় ম্যাপ করে, যার একটি প্রয়োগ হলো ছবির লসলেস কোডিং; রেট-ডিসটরশন বাউন্ডস যা এমন একটি মডেলের জন্য নন-লিনিয়ার অ্যাপ্রোক্সিমেশন উপপাদ্য দ্বারা প্রদত্ত কমপ্রেশন বাস্তবায়ন করে যেখানে ওয়েভলেট কমপ্রেশন কারহুনেন-লোভ পদ্ধতির চেয়েও ভালো কাজ করে; এবং অনিয়মিত ব্যবধানযুক্ত সাবডিভিশন স্কিমগুলোর জন্য স্মুথনেস ফলাফল, যা অনিয়মিত ব্যবধানযুক্ত উপাত্তের ওয়েভলেট কমপ্রেশনের সাথে সম্পর্কিত। ** {{cite book|chapter=Recent results in wavelet applications|title=ওয়েভলেট অ্যাপ্লিকেশনস V, খণ্ড ৩৩৯১|year=১৯৯৮|editor1-last=সু|editor1-first=হ্যারল্ড এইচ|last1=ডোবিচি|first1=ইনগ্রিড|publisher=সোসাইটি অফ ফটো-অপটিক্যাল ইনস্ট্রুমেন্টেশন ইঞ্জিনিয়ার্স|pages=২–৯}} == বহিঃসংযোগ == {{wikipedia}} {{DEFAULTSORT:ডোবিচি, ইনগ্রিড}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৫৪-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:বেলজিয়ামের শিক্ষাবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:বেলজিয়ামের গণিতবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:বেলজিয়ামের পদার্থবিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:বেলজিয়ামের নারী বিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:ম্যাকআর্থার ফেলো]] [[বিষয়শ্রেণী:গণিতে উলফ পুরস্কার বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:আমেরিকান ফিলোসফিক্যাল সোসাইটির সদস্য]] tgieq20v2ph9wz6qultc3um1nbj75m9 আলাপ:ইনগ্রিড ডোবিচি 1 13256 79866 2026-04-23T01:07:45Z Sumanta3023 4175 https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026 79866 wikitext text/x-wiki {{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}} s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm টিমথি শালামে 0 13257 79871 2026-04-23T03:38:15Z Tanbiruzzaman 806 "[[File:Timothée Chalamet 2017 Berlinale.jpg|thumb|২০১৭ সালে টিমথি শালামে]] '''{{w|টিমথি শালামে}}''' (জন্ম ২৭ ডিসেম্বর, ১৯৯৫) একজন আমেরিকান অভিনেতা। তিনি তার কর্মজীবনে বেশ কিছু সম্মাননা পেয়েছেন, যার মধ্যে রয়েছ..." দিয়ে পাতা তৈরি 79871 wikitext text/x-wiki [[File:Timothée Chalamet 2017 Berlinale.jpg|thumb|২০১৭ সালে টিমথি শালামে]] '''{{w|টিমথি শালামে}}''' (জন্ম ২৭ ডিসেম্বর, ১৯৯৫) একজন আমেরিকান অভিনেতা। তিনি তার কর্মজীবনে বেশ কিছু সম্মাননা পেয়েছেন, যার মধ্যে রয়েছে একটি {{w|একাডেমি পুরস্কার}}ের মনোনয়ন, তিনটি {{w|ব্রিটিশ অ্যাকাডেমি চলচ্চিত্র পুরস্কার}}, দুটি {{w|গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার}}, চারটি {{w|অ্যাক্টর পুরস্কার}} এবং চারটি {{w|ক্রিটিকস চয়েস চলচ্চিত্র পুরস্কার}}। শালামে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র এবং বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে তার অভিনয় জীবন শুরু করেন এবং ২০১২ সালে টেলিভিশন ড্রামা সিরিজ ''হোমল্যান্ড''-এ অভিনয় করেন। দুই বছর পর তিনি কমেডি-ড্রামা ''মেন, ওমেন অ্যান্ড চিলড্রেন''-এর মাধ্যমে পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে আত্মপ্রকাশ করেন এবং পরবর্তীতে সাইন্স-ফিকশন চলচ্চিত্র ''{{w|ইন্টারস্টেলার (চলচ্চিত্র)|ইন্টারস্টেলার}}''-এ অভিনয় করেন। শালামের সাফল্য আসে ২০১৭ সালে লুকা গুয়াডাগনিনোর বয়ঃসন্ধিকালীন রোমান্টিক ড্রামা ''{{w|কল মি বাই ইয়োর নেম (চলচ্চিত্র)|কল মি বাই ইয়োর নেম}}''-এ এলিও পার্লম্যান চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে। এরপর তিনি ''হট সামার নাইটস'' ও ''{{w|লেডি বার্ড (চলচ্চিত্র)|লেডি বার্ড}}''-এর মতো বয়ঃসন্ধিকালীন চলচ্চিত্রের পাশাপাশি ওয়েস্টার্ন চলচ্চিত্র ''হোস্টাইলস''-এ অভিনয় করেন। ''কল মি বাই ইয়োর নেম''-এ তার অভিনয়ের জন্য তিনি {{w|শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে একাডেমি পুরস্কার|শ্রেষ্ঠ অভিনেতা}} হিসেবে একাডেমি অ্যাওয়ার্ডের মনোনয়ন লাভ করেন। ২২ বছর বয়সে, এটি তাকে এই বিভাগে তৃতীয়-কনিষ্ঠতম মনোনীত ব্যক্তি করে তোলে। এরপর তিনি আত্মজীবনীমূলক ড্রামা ''বিউটিফুল বয়'' (২০১৮)-এ নিক শেফের ভূমিকায় অভিনয় করেন, যার জন্য তিনি {{W|চলচ্চিত্রে শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেতা বিভাগে গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার|গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার}}, {{w|পার্শ্ব চরিত্রে অভিনেতার সেরা অভিনয় বিভাগে অ্যাক্টর পুরস্কার|অ্যাক্টর পুরস্কার}} এবং {{w|শ্রেষ্ঠ পার্শ্বচরিত্রে অভিনেতা বিভাগে বাফটা পুরস্কার|বাফটা পুরস্কারের}} জন্য মনোনীত হন। ২০১৯ সালে, শালামে পিরিয়ড ড্রামা ''দ্য কিং'' এবং ''লিটল ওমেন''-এ যথাক্রমে ইংল্যান্ডের পঞ্চম হেনরি এবং থিওডোর "লরি" লরেন্সের ভূমিকায় অভিনয় করেন। তিনি {{w|দ্যনি ভিলনোভ}}ের ডিউন ত্রয়ী ''{{ডিউন (২০২১-এর চলচ্চিত্র)|ডিউন}}'', ''{{w|ডিউন: পার্ট ২}}'' এবং ''{{w|ডিউন: পার্ট ৩}}-এ পল অ্যাট্রিডিসের প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন। == উক্তি == * আমার প্রায়ই মনে হয়, প্রকৃত চুম্বন বা যৌন দৃশ্যের শারীরিক কৌশলের বিপরীতে স্পর্শের অভাবে মধ্যকার রসায়নটা আরও বেশি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ** [https://www.gq-magazine.co.uk/article/armie-hammer-timothee-chalamet-interview ''জিকিউ ম্যাগাজিনে'' "বন্ধুত্ব, অস্কার এবং সেই পীচ ফলের দৃশ্য নিয়ে টিমোথি শালামে ও আর্মি হ্যামারের ভাষ্য"] (১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৭) * আমি আমার বাবা-মাকে শুধু বলেছিলাম যে আমি একা যাচ্ছি। আমার বরাবরই মনে হয়েছে যে অভিভাবক থাকলে সেটে সৃজনশীলতার সুযোগ কম থাকে। তাই অল্প বয়সেই আমি স্বাধীন অনুভব করতাম। ** [https://webcache.googleusercontent.com/search?q=cache:cjt5QVEK718J:https://www.latimes.com/entertainment/movies/la-ca-mn-timothee-chalamet-call-me-by-your-name-20171116-story.html+&cd=55&hl=en&ct=clnk&gl=us "কল মি বাই ইয়োর নেম’ এবং ‘লেডি বার্ড’ দিয়ে টিমোথি শালামে হলিউডের পরবর্তী বড় তারকা" - ''লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস''] (১৭ নভেম্বর ২০১৭) o7z8pmmjp3qibwtw2y257phqeqlgouk 79872 79871 2026-04-23T03:39:39Z Tanbiruzzaman 806 79872 wikitext text/x-wiki [[File:Timothée Chalamet 2017 Berlinale.jpg|thumb|২০১৭ সালে টিমথি শালামে]] '''{{w|টিমথি শালামে}}''' (জন্ম ২৭ ডিসেম্বর, ১৯৯৫) একজন আমেরিকান অভিনেতা। তিনি তার কর্মজীবনে বেশ কিছু সম্মাননা পেয়েছেন, যার মধ্যে রয়েছে একটি {{w|একাডেমি পুরস্কার}}ের মনোনয়ন, তিনটি {{w|ব্রিটিশ অ্যাকাডেমি চলচ্চিত্র পুরস্কার}}, দুটি {{w|গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার}}, চারটি {{w|অ্যাক্টর পুরস্কার}} এবং চারটি {{w|ক্রিটিকস চয়েস চলচ্চিত্র পুরস্কার}}। শালামে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র এবং বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে তার অভিনয় জীবন শুরু করেন এবং ২০১২ সালে টেলিভিশন ড্রামা সিরিজ ''হোমল্যান্ড''-এ অভিনয় করেন। দুই বছর পর তিনি কমেডি-ড্রামা ''মেন, ওমেন অ্যান্ড চিলড্রেন''-এর মাধ্যমে পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে আত্মপ্রকাশ করেন এবং পরবর্তীতে সাইন্স-ফিকশন চলচ্চিত্র ''{{w|ইন্টারস্টেলার (চলচ্চিত্র)|ইন্টারস্টেলার}}''-এ অভিনয় করেন। শালামের সাফল্য আসে ২০১৭ সালে লুকা গুয়াডাগনিনোর বয়ঃসন্ধিকালীন রোমান্টিক ড্রামা ''{{w|কল মি বাই ইয়োর নেম (চলচ্চিত্র)|কল মি বাই ইয়োর নেম}}''-এ এলিও পার্লম্যান চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে। এরপর তিনি ''হট সামার নাইটস'' ও ''{{w|লেডি বার্ড (চলচ্চিত্র)|লেডি বার্ড}}''-এর মতো বয়ঃসন্ধিকালীন চলচ্চিত্রের পাশাপাশি ওয়েস্টার্ন চলচ্চিত্র ''হোস্টাইলস''-এ অভিনয় করেন। ''কল মি বাই ইয়োর নেম''-এ তার অভিনয়ের জন্য তিনি {{w|শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে একাডেমি পুরস্কার|শ্রেষ্ঠ অভিনেতা}} হিসেবে একাডেমি অ্যাওয়ার্ডের মনোনয়ন লাভ করেন। ২২ বছর বয়সে, এটি তাকে এই বিভাগে তৃতীয়-কনিষ্ঠতম মনোনীত ব্যক্তি করে তোলে। এরপর তিনি আত্মজীবনীমূলক ড্রামা ''বিউটিফুল বয়'' (২০১৮)-এ নিক শেফের ভূমিকায় অভিনয় করেন, যার জন্য তিনি {{W|চলচ্চিত্রে শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেতা বিভাগে গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার|গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার}}, {{w|পার্শ্ব চরিত্রে অভিনেতার সেরা অভিনয় বিভাগে অ্যাক্টর পুরস্কার|অ্যাক্টর পুরস্কার}} এবং {{w|শ্রেষ্ঠ পার্শ্বচরিত্রে অভিনেতা বিভাগে বাফটা পুরস্কার|বাফটা পুরস্কারের}} জন্য মনোনীত হন। ২০১৯ সালে, শালামে পিরিয়ড ড্রামা ''দ্য কিং'' এবং ''লিটল ওমেন''-এ যথাক্রমে ইংল্যান্ডের পঞ্চম হেনরি এবং থিওডোর "লরি" লরেন্সের ভূমিকায় অভিনয় করেন। তিনি {{w|দ্যনি ভিলনোভ}}ের ডিউন ত্রয়ী ''{{ডিউন (২০২১-এর চলচ্চিত্র)|ডিউন}}'', ''{{w|ডিউন: পার্ট ২}}'' এবং ''{{w|ডিউন: পার্ট ৩}}''-এ পল অ্যাট্রিডিসের প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন। == উক্তি == * আমার প্রায়ই মনে হয়, প্রকৃত চুম্বন বা যৌন দৃশ্যের শারীরিক কৌশলের বিপরীতে স্পর্শের অভাবে মধ্যকার রসায়নটা আরও বেশি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ** [https://www.gq-magazine.co.uk/article/armie-hammer-timothee-chalamet-interview ''জিকিউ ম্যাগাজিনে'' "বন্ধুত্ব, অস্কার এবং সেই পীচ ফলের দৃশ্য নিয়ে টিমোথি শালামে ও আর্মি হ্যামারের ভাষ্য"] (১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৭) * আমি আমার বাবা-মাকে শুধু বলেছিলাম যে আমি একা যাচ্ছি। আমার বরাবরই মনে হয়েছে যে অভিভাবক থাকলে সেটে সৃজনশীলতার সুযোগ কম থাকে। তাই অল্প বয়সেই আমি স্বাধীন অনুভব করতাম। ** [https://webcache.googleusercontent.com/search?q=cache:cjt5QVEK718J:https://www.latimes.com/entertainment/movies/la-ca-mn-timothee-chalamet-call-me-by-your-name-20171116-story.html+&cd=55&hl=en&ct=clnk&gl=us "কল মি বাই ইয়োর নেম’ এবং ‘লেডি বার্ড’ দিয়ে টিমোথি শালামে হলিউডের পরবর্তী বড় তারকা" - ''লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস''] (১৭ নভেম্বর ২০১৭) r8majqvha0i2tfcspu99v41fxd9xegr 79873 79872 2026-04-23T03:39:58Z Tanbiruzzaman 806 79873 wikitext text/x-wiki [[File:Timothée Chalamet 2017 Berlinale.jpg|thumb|২০১৭ সালে টিমথি শালামে]] '''{{w|টিমথি শালামে}}''' (জন্ম ২৭ ডিসেম্বর, ১৯৯৫) একজন আমেরিকান অভিনেতা। তিনি তার কর্মজীবনে বেশ কিছু সম্মাননা পেয়েছেন, যার মধ্যে রয়েছে একটি {{w|একাডেমি পুরস্কার}}ের মনোনয়ন, তিনটি {{w|ব্রিটিশ অ্যাকাডেমি চলচ্চিত্র পুরস্কার}}, দুটি {{w|গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার}}, চারটি {{w|অ্যাক্টর পুরস্কার}} এবং চারটি {{w|ক্রিটিকস চয়েস চলচ্চিত্র পুরস্কার}}। শালামে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র এবং বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে তার অভিনয় জীবন শুরু করেন এবং ২০১২ সালে টেলিভিশন ড্রামা সিরিজ ''হোমল্যান্ড''-এ অভিনয় করেন। দুই বছর পর তিনি কমেডি-ড্রামা ''মেন, ওমেন অ্যান্ড চিলড্রেন''-এর মাধ্যমে পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে আত্মপ্রকাশ করেন এবং পরবর্তীতে সাইন্স-ফিকশন চলচ্চিত্র ''{{w|ইন্টারস্টেলার (চলচ্চিত্র)|ইন্টারস্টেলার}}''-এ অভিনয় করেন। শালামের সাফল্য আসে ২০১৭ সালে লুকা গুয়াডাগনিনোর বয়ঃসন্ধিকালীন রোমান্টিক ড্রামা ''{{w|কল মি বাই ইয়োর নেম (চলচ্চিত্র)|কল মি বাই ইয়োর নেম}}''-এ এলিও পার্লম্যান চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে। এরপর তিনি ''হট সামার নাইটস'' ও ''{{w|লেডি বার্ড (চলচ্চিত্র)|লেডি বার্ড}}''-এর মতো বয়ঃসন্ধিকালীন চলচ্চিত্রের পাশাপাশি ওয়েস্টার্ন চলচ্চিত্র ''হোস্টাইলস''-এ অভিনয় করেন। ''কল মি বাই ইয়োর নেম''-এ তার অভিনয়ের জন্য তিনি {{w|শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে একাডেমি পুরস্কার|শ্রেষ্ঠ অভিনেতা}} হিসেবে একাডেমি অ্যাওয়ার্ডের মনোনয়ন লাভ করেন। ২২ বছর বয়সে, এটি তাকে এই বিভাগে তৃতীয়-কনিষ্ঠতম মনোনীত ব্যক্তি করে তোলে। এরপর তিনি আত্মজীবনীমূলক ড্রামা ''বিউটিফুল বয়'' (২০১৮)-এ নিক শেফের ভূমিকায় অভিনয় করেন, যার জন্য তিনি {{W|চলচ্চিত্রে শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেতা বিভাগে গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার|গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার}}, {{w|পার্শ্ব চরিত্রে অভিনেতার সেরা অভিনয় বিভাগে অ্যাক্টর পুরস্কার|অ্যাক্টর পুরস্কার}} এবং {{w|শ্রেষ্ঠ পার্শ্বচরিত্রে অভিনেতা বিভাগে বাফটা পুরস্কার|বাফটা পুরস্কারের}} জন্য মনোনীত হন। ২০১৯ সালে, শালামে পিরিয়ড ড্রামা ''দ্য কিং'' এবং ''লিটল ওমেন''-এ যথাক্রমে ইংল্যান্ডের পঞ্চম হেনরি এবং থিওডোর "লরি" লরেন্সের ভূমিকায় অভিনয় করেন। তিনি {{w|দ্যনি ভিলনোভ}}ের ডিউন ত্রয়ী ''{{w|ডিউন (২০২১-এর চলচ্চিত্র)|ডিউন}}'', ''{{w|ডিউন: পার্ট ২}}'' এবং ''{{w|ডিউন: পার্ট ৩}}''-এ পল অ্যাট্রিডিসের প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন। == উক্তি == * আমার প্রায়ই মনে হয়, প্রকৃত চুম্বন বা যৌন দৃশ্যের শারীরিক কৌশলের বিপরীতে স্পর্শের অভাবে মধ্যকার রসায়নটা আরও বেশি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ** [https://www.gq-magazine.co.uk/article/armie-hammer-timothee-chalamet-interview ''জিকিউ ম্যাগাজিনে'' "বন্ধুত্ব, অস্কার এবং সেই পীচ ফলের দৃশ্য নিয়ে টিমোথি শালামে ও আর্মি হ্যামারের ভাষ্য"] (১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৭) * আমি আমার বাবা-মাকে শুধু বলেছিলাম যে আমি একা যাচ্ছি। আমার বরাবরই মনে হয়েছে যে অভিভাবক থাকলে সেটে সৃজনশীলতার সুযোগ কম থাকে। তাই অল্প বয়সেই আমি স্বাধীন অনুভব করতাম। ** [https://webcache.googleusercontent.com/search?q=cache:cjt5QVEK718J:https://www.latimes.com/entertainment/movies/la-ca-mn-timothee-chalamet-call-me-by-your-name-20171116-story.html+&cd=55&hl=en&ct=clnk&gl=us "কল মি বাই ইয়োর নেম’ এবং ‘লেডি বার্ড’ দিয়ে টিমোথি শালামে হলিউডের পরবর্তী বড় তারকা" - ''লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস''] (১৭ নভেম্বর ২০১৭) 4tmwig9i4o5slqs53oxupmlpvng5fs5 79888 79873 2026-04-23T06:07:44Z Saroj 158 হটক্যাটের মাধ্যমে +[[বিষয়শ্রেণী:১৯৯৫-এ জন্ম]]; +[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]; +[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অভিনেতা]] 79888 wikitext text/x-wiki [[File:Timothée Chalamet 2017 Berlinale.jpg|thumb|২০১৭ সালে টিমথি শালামে]] '''{{w|টিমথি শালামে}}''' (জন্ম ২৭ ডিসেম্বর, ১৯৯৫) একজন আমেরিকান অভিনেতা। তিনি তার কর্মজীবনে বেশ কিছু সম্মাননা পেয়েছেন, যার মধ্যে রয়েছে একটি {{w|একাডেমি পুরস্কার}}ের মনোনয়ন, তিনটি {{w|ব্রিটিশ অ্যাকাডেমি চলচ্চিত্র পুরস্কার}}, দুটি {{w|গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার}}, চারটি {{w|অ্যাক্টর পুরস্কার}} এবং চারটি {{w|ক্রিটিকস চয়েস চলচ্চিত্র পুরস্কার}}। শালামে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র এবং বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে তার অভিনয় জীবন শুরু করেন এবং ২০১২ সালে টেলিভিশন ড্রামা সিরিজ ''হোমল্যান্ড''-এ অভিনয় করেন। দুই বছর পর তিনি কমেডি-ড্রামা ''মেন, ওমেন অ্যান্ড চিলড্রেন''-এর মাধ্যমে পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে আত্মপ্রকাশ করেন এবং পরবর্তীতে সাইন্স-ফিকশন চলচ্চিত্র ''{{w|ইন্টারস্টেলার (চলচ্চিত্র)|ইন্টারস্টেলার}}''-এ অভিনয় করেন। শালামের সাফল্য আসে ২০১৭ সালে লুকা গুয়াডাগনিনোর বয়ঃসন্ধিকালীন রোমান্টিক ড্রামা ''{{w|কল মি বাই ইয়োর নেম (চলচ্চিত্র)|কল মি বাই ইয়োর নেম}}''-এ এলিও পার্লম্যান চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে। এরপর তিনি ''হট সামার নাইটস'' ও ''{{w|লেডি বার্ড (চলচ্চিত্র)|লেডি বার্ড}}''-এর মতো বয়ঃসন্ধিকালীন চলচ্চিত্রের পাশাপাশি ওয়েস্টার্ন চলচ্চিত্র ''হোস্টাইলস''-এ অভিনয় করেন। ''কল মি বাই ইয়োর নেম''-এ তার অভিনয়ের জন্য তিনি {{w|শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে একাডেমি পুরস্কার|শ্রেষ্ঠ অভিনেতা}} হিসেবে একাডেমি অ্যাওয়ার্ডের মনোনয়ন লাভ করেন। ২২ বছর বয়সে, এটি তাকে এই বিভাগে তৃতীয়-কনিষ্ঠতম মনোনীত ব্যক্তি করে তোলে। এরপর তিনি আত্মজীবনীমূলক ড্রামা ''বিউটিফুল বয়'' (২০১৮)-এ নিক শেফের ভূমিকায় অভিনয় করেন, যার জন্য তিনি {{W|চলচ্চিত্রে শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেতা বিভাগে গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার|গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার}}, {{w|পার্শ্ব চরিত্রে অভিনেতার সেরা অভিনয় বিভাগে অ্যাক্টর পুরস্কার|অ্যাক্টর পুরস্কার}} এবং {{w|শ্রেষ্ঠ পার্শ্বচরিত্রে অভিনেতা বিভাগে বাফটা পুরস্কার|বাফটা পুরস্কারের}} জন্য মনোনীত হন। ২০১৯ সালে, শালামে পিরিয়ড ড্রামা ''দ্য কিং'' এবং ''লিটল ওমেন''-এ যথাক্রমে ইংল্যান্ডের পঞ্চম হেনরি এবং থিওডোর "লরি" লরেন্সের ভূমিকায় অভিনয় করেন। তিনি {{w|দ্যনি ভিলনোভ}}ের ডিউন ত্রয়ী ''{{w|ডিউন (২০২১-এর চলচ্চিত্র)|ডিউন}}'', ''{{w|ডিউন: পার্ট ২}}'' এবং ''{{w|ডিউন: পার্ট ৩}}''-এ পল অ্যাট্রিডিসের প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন। == উক্তি == * আমার প্রায়ই মনে হয়, প্রকৃত চুম্বন বা যৌন দৃশ্যের শারীরিক কৌশলের বিপরীতে স্পর্শের অভাবে মধ্যকার রসায়নটা আরও বেশি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ** [https://www.gq-magazine.co.uk/article/armie-hammer-timothee-chalamet-interview ''জিকিউ ম্যাগাজিনে'' "বন্ধুত্ব, অস্কার এবং সেই পীচ ফলের দৃশ্য নিয়ে টিমোথি শালামে ও আর্মি হ্যামারের ভাষ্য"] (১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৭) * আমি আমার বাবা-মাকে শুধু বলেছিলাম যে আমি একা যাচ্ছি। আমার বরাবরই মনে হয়েছে যে অভিভাবক থাকলে সেটে সৃজনশীলতার সুযোগ কম থাকে। তাই অল্প বয়সেই আমি স্বাধীন অনুভব করতাম। ** [https://webcache.googleusercontent.com/search?q=cache:cjt5QVEK718J:https://www.latimes.com/entertainment/movies/la-ca-mn-timothee-chalamet-call-me-by-your-name-20171116-story.html+&cd=55&hl=en&ct=clnk&gl=us "কল মি বাই ইয়োর নেম’ এবং ‘লেডি বার্ড’ দিয়ে টিমোথি শালামে হলিউডের পরবর্তী বড় তারকা" - ''লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস''] (১৭ নভেম্বর ২০১৭) [[বিষয়শ্রেণী:১৯৯৫-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অভিনেতা]] nenajk5r8tzaxu7eu6584kh8xzsbi80 79893 79888 2026-04-23T06:13:29Z Tanbiruzzaman 806 /* উক্তি */ 79893 wikitext text/x-wiki [[File:Timothée Chalamet 2017 Berlinale.jpg|thumb|২০১৭ সালে টিমথি শালামে]] '''{{w|টিমথি শালামে}}''' (জন্ম ২৭ ডিসেম্বর, ১৯৯৫) একজন আমেরিকান অভিনেতা। তিনি তার কর্মজীবনে বেশ কিছু সম্মাননা পেয়েছেন, যার মধ্যে রয়েছে একটি {{w|একাডেমি পুরস্কার}}ের মনোনয়ন, তিনটি {{w|ব্রিটিশ অ্যাকাডেমি চলচ্চিত্র পুরস্কার}}, দুটি {{w|গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার}}, চারটি {{w|অ্যাক্টর পুরস্কার}} এবং চারটি {{w|ক্রিটিকস চয়েস চলচ্চিত্র পুরস্কার}}। শালামে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র এবং বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে তার অভিনয় জীবন শুরু করেন এবং ২০১২ সালে টেলিভিশন ড্রামা সিরিজ ''হোমল্যান্ড''-এ অভিনয় করেন। দুই বছর পর তিনি কমেডি-ড্রামা ''মেন, ওমেন অ্যান্ড চিলড্রেন''-এর মাধ্যমে পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে আত্মপ্রকাশ করেন এবং পরবর্তীতে সাইন্স-ফিকশন চলচ্চিত্র ''{{w|ইন্টারস্টেলার (চলচ্চিত্র)|ইন্টারস্টেলার}}''-এ অভিনয় করেন। শালামের সাফল্য আসে ২০১৭ সালে লুকা গুয়াডাগনিনোর বয়ঃসন্ধিকালীন রোমান্টিক ড্রামা ''{{w|কল মি বাই ইয়োর নেম (চলচ্চিত্র)|কল মি বাই ইয়োর নেম}}''-এ এলিও পার্লম্যান চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে। এরপর তিনি ''হট সামার নাইটস'' ও ''{{w|লেডি বার্ড (চলচ্চিত্র)|লেডি বার্ড}}''-এর মতো বয়ঃসন্ধিকালীন চলচ্চিত্রের পাশাপাশি ওয়েস্টার্ন চলচ্চিত্র ''হোস্টাইলস''-এ অভিনয় করেন। ''কল মি বাই ইয়োর নেম''-এ তার অভিনয়ের জন্য তিনি {{w|শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে একাডেমি পুরস্কার|শ্রেষ্ঠ অভিনেতা}} হিসেবে একাডেমি অ্যাওয়ার্ডের মনোনয়ন লাভ করেন। ২২ বছর বয়সে, এটি তাকে এই বিভাগে তৃতীয়-কনিষ্ঠতম মনোনীত ব্যক্তি করে তোলে। এরপর তিনি আত্মজীবনীমূলক ড্রামা ''বিউটিফুল বয়'' (২০১৮)-এ নিক শেফের ভূমিকায় অভিনয় করেন, যার জন্য তিনি {{W|চলচ্চিত্রে শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেতা বিভাগে গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার|গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার}}, {{w|পার্শ্ব চরিত্রে অভিনেতার সেরা অভিনয় বিভাগে অ্যাক্টর পুরস্কার|অ্যাক্টর পুরস্কার}} এবং {{w|শ্রেষ্ঠ পার্শ্বচরিত্রে অভিনেতা বিভাগে বাফটা পুরস্কার|বাফটা পুরস্কারের}} জন্য মনোনীত হন। ২০১৯ সালে, শালামে পিরিয়ড ড্রামা ''দ্য কিং'' এবং ''লিটল ওমেন''-এ যথাক্রমে ইংল্যান্ডের পঞ্চম হেনরি এবং থিওডোর "লরি" লরেন্সের ভূমিকায় অভিনয় করেন। তিনি {{w|দ্যনি ভিলনোভ}}ের ডিউন ত্রয়ী ''{{w|ডিউন (২০২১-এর চলচ্চিত্র)|ডিউন}}'', ''{{w|ডিউন: পার্ট ২}}'' এবং ''{{w|ডিউন: পার্ট ৩}}''-এ পল অ্যাট্রিডিসের প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন। == উক্তি == * আমার প্রায়ই মনে হয়, প্রকৃত চুম্বন বা যৌন দৃশ্যের শারীরিক কৌশলের বিপরীতে স্পর্শের অভাবে মধ্যকার রসায়নটা আরও বেশি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ** [https://www.gq-magazine.co.uk/article/armie-hammer-timothee-chalamet-interview ''জিকিউ ম্যাগাজিনে'' "বন্ধুত্ব, অস্কার এবং সেই পীচ ফলের দৃশ্য নিয়ে টিমোথি শালামে ও আর্মি হ্যামারের ভাষ্য"] (১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৭) * আমি আমার বাবা-মাকে শুধু বলেছিলাম যে আমি একা যাচ্ছি। আমার বরাবরই মনে হয়েছে যে অভিভাবক থাকলে সেটে সৃজনশীলতার সুযোগ কম থাকে। তাই অল্প বয়সেই আমি স্বাধীন অনুভব করতাম। ** [https://webcache.googleusercontent.com/search?q=cache:cjt5QVEK718J:https://www.latimes.com/entertainment/movies/la-ca-mn-timothee-chalamet-call-me-by-your-name-20171116-story.html+&cd=55&hl=en&ct=clnk&gl=us "কল মি বাই ইয়োর নেম’ এবং ‘লেডি বার্ড’ দিয়ে টিমোথি শালামে হলিউডের পরবর্তী বড় তারকা" - ''লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস''] (১৭ নভেম্বর ২০১৭) * এটা চাপ কিনা জানি না, তবে আমি এটাকে একটা দায়িত্ব বলে মনে করি। আমি স্টিভ ক্যারেলের সাথে এই বিষয়ে কথা বলছিলাম যে, আগের প্রজন্মগুলোর মধ্যে একটা সাধারণ আত্মতুষ্টি ছিল যে সবকিছু বেশ ভালোভাবেই চলছিল, আর সেটাই ঝুঁকির মাত্রা অনেক বাড়িয়ে দিয়েছিল। আমাদের বয়সের মানুষেরা এখন অনেক বেশি সম্পৃক্ত, এবং আমি মনে করি এটা একটা ভালো দিক। ** [https://www.highsnobiety.com/p/harry-styles-timothee-chalamet-id-interview/ ''হাইস্নোবিয়েটিতে'' "খ্যাতি, পৌরুষ এবং পীচ খাওয়া নিয়ে টিমথি শালামের সাক্ষাৎকার নিলেন হ্যারি স্টাইলস"] (২০১৮) * তিনি এমন একজন যার সান্নিধ্যে থাকতে ইচ্ছে করে। তিনি এমন একজন যার সাথে কথা বলতে ইচ্ছে করে। তিনি একজন অত্যন্ত নিবেদিতপ্রাণ অভিনেতা এবং নিজের কাজকে গুরুত্বের সাথে নেন, কিন্তু একই সাথে তিনি পুরোপুরি খোলামেলা। ** স্টিভ ক্যারেল, অভিনেতা, [https://www.boston.com/culture/entertainment/2018/10/10/steve-carell-and-timothee-chalamet-on-bonding-for-the-film-beautiful-boy/ "Boston.com"-এ প্রকাশিত "বিউটিফুল বয়" চলচ্চিত্রে স্টিভ ক্যারেল ও টিমথি শালামের মধ্যকার বন্ধন নিয়ে আলোচনা] (১০ অক্টোবর ২০১৮) * আমার মনে হয় এটা ন্যায্য, মানে, আমি জানি না এটা ন্যায্য কি না, তবে আমার মনে হয় প্রত্যেকের নিজস্ব প্রতিক্রিয়া দেখানোর অধিকার আছে। ** [https://www.theguardian.com/film/2018/dec/13/steve-carell-and-timothee-chalamet-on-drugs-disillusionment-and-playing-father-and-son "দ্য গার্ডিয়ান"-এ প্রকাশিত "মাদক, মোহভঙ্গ এবং বাবা-ছেলের চরিত্রে অভিনয় প্রসঙ্গে স্টিভ ক্যারেল ও টিমথি শালামে"] (১৩ ডিসেম্বর ২০১৮) * আমার মনে হয়, অস্কারের মনোনয়ন সুযোগের দরজা খুলে দেয়। চলচ্চিত্রটির পর থেকে আমি সৌভাগ্যক্রমে কিছু অসাধারণ চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ পেয়েছি। এর পেছনে মনোনয়নের কোনো ভূমিকা ছিল কি না, তা আমি জানি না; আমি শুধু এটুকু জানি যে, আমি যে কাজগুলো পাচ্ছি তার জন্য আমি অত্যন্ত কৃতজ্ঞ। ** [https://www.silverkris.com/interview-timothee-chalamet/ "সাক্ষাৎকার: তরুণ হলিউড অভিনেতা হিসেবে টিমথি শালামে", ''সিলভারক্রিস''] (১৩ ডিসেম্বর ২০১৯) * সারাজীবন আমি টিমি ছিলাম, কিন্তু বয়স বাড়ার সাথে সাথে মনে হলো টিমি নামটা যেন আমাকে তরুণ করে তুলছে, তাই তখন থেকে আমার নাম টিমথি। আমি টিমো আর টিমও চেষ্টা করেছিলাম। আসল উচ্চারণটা হলো টিমো-তে, কিন্তু আমি লোকেদের আমাকে ওই নামে ডাকতে বলতে পারি না; এটা কেমন যেন ভড়ং মনে হয়। ** [https://vman.com/article/timothee-chalamet-frank-ocean/ "থ্রোব্যাক থার্সডে: ফ্র্যাঙ্ক ওশান টিমথি শালামের সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন" VMAN39-এ] (১৬ এপ্রিল ২০২০) [[বিষয়শ্রেণী:১৯৯৫-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অভিনেতা]] sqc7ev1vyycu5goupyqxhks3yaqyhp4 79895 79893 2026-04-23T06:14:22Z Tanbiruzzaman 806 /* উক্তি */ 79895 wikitext text/x-wiki [[File:Timothée Chalamet 2017 Berlinale.jpg|thumb|২০১৭ সালে টিমথি শালামে]] '''{{w|টিমথি শালামে}}''' (জন্ম ২৭ ডিসেম্বর, ১৯৯৫) একজন আমেরিকান অভিনেতা। তিনি তার কর্মজীবনে বেশ কিছু সম্মাননা পেয়েছেন, যার মধ্যে রয়েছে একটি {{w|একাডেমি পুরস্কার}}ের মনোনয়ন, তিনটি {{w|ব্রিটিশ অ্যাকাডেমি চলচ্চিত্র পুরস্কার}}, দুটি {{w|গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার}}, চারটি {{w|অ্যাক্টর পুরস্কার}} এবং চারটি {{w|ক্রিটিকস চয়েস চলচ্চিত্র পুরস্কার}}। শালামে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র এবং বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে তার অভিনয় জীবন শুরু করেন এবং ২০১২ সালে টেলিভিশন ড্রামা সিরিজ ''হোমল্যান্ড''-এ অভিনয় করেন। দুই বছর পর তিনি কমেডি-ড্রামা ''মেন, ওমেন অ্যান্ড চিলড্রেন''-এর মাধ্যমে পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে আত্মপ্রকাশ করেন এবং পরবর্তীতে সাইন্স-ফিকশন চলচ্চিত্র ''{{w|ইন্টারস্টেলার (চলচ্চিত্র)|ইন্টারস্টেলার}}''-এ অভিনয় করেন। শালামের সাফল্য আসে ২০১৭ সালে লুকা গুয়াডাগনিনোর বয়ঃসন্ধিকালীন রোমান্টিক ড্রামা ''{{w|কল মি বাই ইয়োর নেম (চলচ্চিত্র)|কল মি বাই ইয়োর নেম}}''-এ এলিও পার্লম্যান চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে। এরপর তিনি ''হট সামার নাইটস'' ও ''{{w|লেডি বার্ড (চলচ্চিত্র)|লেডি বার্ড}}''-এর মতো বয়ঃসন্ধিকালীন চলচ্চিত্রের পাশাপাশি ওয়েস্টার্ন চলচ্চিত্র ''হোস্টাইলস''-এ অভিনয় করেন। ''কল মি বাই ইয়োর নেম''-এ তার অভিনয়ের জন্য তিনি {{w|শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে একাডেমি পুরস্কার|শ্রেষ্ঠ অভিনেতা}} হিসেবে একাডেমি অ্যাওয়ার্ডের মনোনয়ন লাভ করেন। ২২ বছর বয়সে, এটি তাকে এই বিভাগে তৃতীয়-কনিষ্ঠতম মনোনীত ব্যক্তি করে তোলে। এরপর তিনি আত্মজীবনীমূলক ড্রামা ''বিউটিফুল বয়'' (২০১৮)-এ নিক শেফের ভূমিকায় অভিনয় করেন, যার জন্য তিনি {{W|চলচ্চিত্রে শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেতা বিভাগে গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার|গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার}}, {{w|পার্শ্ব চরিত্রে অভিনেতার সেরা অভিনয় বিভাগে অ্যাক্টর পুরস্কার|অ্যাক্টর পুরস্কার}} এবং {{w|শ্রেষ্ঠ পার্শ্বচরিত্রে অভিনেতা বিভাগে বাফটা পুরস্কার|বাফটা পুরস্কারের}} জন্য মনোনীত হন। ২০১৯ সালে, শালামে পিরিয়ড ড্রামা ''দ্য কিং'' এবং ''লিটল ওমেন''-এ যথাক্রমে ইংল্যান্ডের পঞ্চম হেনরি এবং থিওডোর "লরি" লরেন্সের ভূমিকায় অভিনয় করেন। তিনি {{w|দ্যনি ভিলনোভ}}ের ডিউন ত্রয়ী ''{{w|ডিউন (২০২১-এর চলচ্চিত্র)|ডিউন}}'', ''{{w|ডিউন: পার্ট ২}}'' এবং ''{{w|ডিউন: পার্ট ৩}}''-এ পল অ্যাট্রিডিসের প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন। == উক্তি == * আমার প্রায়ই মনে হয়, প্রকৃত চুম্বন বা যৌন দৃশ্যের শারীরিক কৌশলের বিপরীতে স্পর্শের অভাবে মধ্যকার রসায়নটা আরও বেশি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ** [https://www.gq-magazine.co.uk/article/armie-hammer-timothee-chalamet-interview ''জিকিউ ম্যাগাজিনে'' "বন্ধুত্ব, অস্কার এবং সেই পীচ ফলের দৃশ্য নিয়ে টিমোথি শালামে ও আর্মি হ্যামারের ভাষ্য"] (১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৭) * আমি আমার বাবা-মাকে শুধু বলেছিলাম যে আমি একা যাচ্ছি। আমার বরাবরই মনে হয়েছে যে অভিভাবক থাকলে সেটে সৃজনশীলতার সুযোগ কম থাকে। তাই অল্প বয়সেই আমি স্বাধীন অনুভব করতাম। ** [https://webcache.googleusercontent.com/search?q=cache:cjt5QVEK718J:https://www.latimes.com/entertainment/movies/la-ca-mn-timothee-chalamet-call-me-by-your-name-20171116-story.html+&cd=55&hl=en&ct=clnk&gl=us "কল মি বাই ইয়োর নেম’ এবং ‘লেডি বার্ড’ দিয়ে টিমোথি শালামে হলিউডের পরবর্তী বড় তারকা" - ''লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস''] (১৭ নভেম্বর ২০১৭) * এটা চাপ কিনা জানি না, তবে আমি এটাকে একটা দায়িত্ব বলে মনে করি। আমি স্টিভ ক্যারেলের সাথে এই বিষয়ে কথা বলছিলাম যে, আগের প্রজন্মগুলোর মধ্যে একটা সাধারণ আত্মতুষ্টি ছিল যে সবকিছু বেশ ভালোভাবেই চলছিল, আর সেটাই ঝুঁকির মাত্রা অনেক বাড়িয়ে দিয়েছিল। আমাদের বয়সের মানুষেরা এখন অনেক বেশি সম্পৃক্ত, এবং আমি মনে করি এটা একটা ভালো দিক। ** [https://www.highsnobiety.com/p/harry-styles-timothee-chalamet-id-interview/ ''হাইস্নোবিয়েটিতে'' "খ্যাতি, পৌরুষ এবং পীচ খাওয়া নিয়ে টিমথি শালামের সাক্ষাৎকার নিলেন হ্যারি স্টাইলস"] (২০১৮) * তিনি এমন একজন যার সান্নিধ্যে থাকতে ইচ্ছে করে। তিনি এমন একজন যার সাথে কথা বলতে ইচ্ছে করে। তিনি একজন অত্যন্ত নিবেদিতপ্রাণ অভিনেতা এবং নিজের কাজকে গুরুত্বের সাথে নেন, কিন্তু একই সাথে তিনি পুরোপুরি খোলামেলা। ** স্টিভ ক্যারেল, অভিনেতা, [https://www.boston.com/culture/entertainment/2018/10/10/steve-carell-and-timothee-chalamet-on-bonding-for-the-film-beautiful-boy/ "Boston.com"-এ প্রকাশিত "বিউটিফুল বয়" চলচ্চিত্রে স্টিভ ক্যারেল ও টিমথি শালামের মধ্যকার বন্ধন নিয়ে আলোচনা] (১০ অক্টোবর ২০১৮) * আমার মনে হয় এটা ন্যায্য, মানে, আমি জানি না এটা ন্যায্য কি না, তবে আমার মনে হয় প্রত্যেকের নিজস্ব প্রতিক্রিয়া দেখানোর অধিকার আছে। ** [https://www.theguardian.com/film/2018/dec/13/steve-carell-and-timothee-chalamet-on-drugs-disillusionment-and-playing-father-and-son "দ্য গার্ডিয়ান"-এ প্রকাশিত "মাদক, মোহভঙ্গ এবং বাবা-ছেলের চরিত্রে অভিনয় প্রসঙ্গে স্টিভ ক্যারেল ও টিমথি শালামে"] (১৩ ডিসেম্বর ২০১৮) * আমার মনে হয়, অস্কারের মনোনয়ন সুযোগের দরজা খুলে দেয়। চলচ্চিত্রটির পর থেকে আমি সৌভাগ্যক্রমে কিছু অসাধারণ চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ পেয়েছি। এর পেছনে মনোনয়নের কোনো ভূমিকা ছিল কি না, তা আমি জানি না; আমি শুধু এটুকু জানি যে, আমি যে কাজগুলো পাচ্ছি তার জন্য আমি অত্যন্ত কৃতজ্ঞ। ** [https://www.silverkris.com/interview-timothee-chalamet/ "সাক্ষাৎকার: তরুণ হলিউড অভিনেতা হিসেবে টিমথি শালামে", ''সিলভারক্রিস''] (১৩ ডিসেম্বর ২০১৯) * সারাজীবন আমি টিমি ছিলাম, কিন্তু বয়স বাড়ার সাথে সাথে মনে হলো টিমি নামটা যেন আমাকে তরুণ করে তুলছে, তাই তখন থেকে আমার নাম টিমথি। আমি টিমো আর টিমও চেষ্টা করেছিলাম। আসল উচ্চারণটা হলো টিমো-তে, কিন্তু আমি লোকেদের আমাকে ওই নামে ডাকতে বলতে পারি না; এটা কেমন যেন ভড়ং মনে হয়। ** [https://vman.com/article/timothee-chalamet-frank-ocean/ "থ্রোব্যাক থার্সডে: ফ্র্যাঙ্ক ওশান টিমথি শালামের সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন" VMAN39-এ] (১৬ এপ্রিল ২০২০) == টিমথি শালামে সম্পর্কে উক্তি == == বহিঃসংযোগ == [[বিষয়শ্রেণী:১৯৯৫-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অভিনেতা]] m48mlzvvjs9xlisevvpqkn6yfs65yu9 79898 79895 2026-04-23T06:23:38Z Tanbiruzzaman 806 /* উক্তি */ 79898 wikitext text/x-wiki [[File:Timothée Chalamet 2017 Berlinale.jpg|thumb|২০১৭ সালে টিমথি শালামে]] '''{{w|টিমথি শালামে}}''' (জন্ম ২৭ ডিসেম্বর, ১৯৯৫) একজন আমেরিকান অভিনেতা। তিনি তার কর্মজীবনে বেশ কিছু সম্মাননা পেয়েছেন, যার মধ্যে রয়েছে একটি {{w|একাডেমি পুরস্কার}}ের মনোনয়ন, তিনটি {{w|ব্রিটিশ অ্যাকাডেমি চলচ্চিত্র পুরস্কার}}, দুটি {{w|গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার}}, চারটি {{w|অ্যাক্টর পুরস্কার}} এবং চারটি {{w|ক্রিটিকস চয়েস চলচ্চিত্র পুরস্কার}}। শালামে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র এবং বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে তার অভিনয় জীবন শুরু করেন এবং ২০১২ সালে টেলিভিশন ড্রামা সিরিজ ''হোমল্যান্ড''-এ অভিনয় করেন। দুই বছর পর তিনি কমেডি-ড্রামা ''মেন, ওমেন অ্যান্ড চিলড্রেন''-এর মাধ্যমে পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে আত্মপ্রকাশ করেন এবং পরবর্তীতে সাইন্স-ফিকশন চলচ্চিত্র ''{{w|ইন্টারস্টেলার (চলচ্চিত্র)|ইন্টারস্টেলার}}''-এ অভিনয় করেন। শালামের সাফল্য আসে ২০১৭ সালে লুকা গুয়াডাগনিনোর বয়ঃসন্ধিকালীন রোমান্টিক ড্রামা ''{{w|কল মি বাই ইয়োর নেম (চলচ্চিত্র)|কল মি বাই ইয়োর নেম}}''-এ এলিও পার্লম্যান চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে। এরপর তিনি ''হট সামার নাইটস'' ও ''{{w|লেডি বার্ড (চলচ্চিত্র)|লেডি বার্ড}}''-এর মতো বয়ঃসন্ধিকালীন চলচ্চিত্রের পাশাপাশি ওয়েস্টার্ন চলচ্চিত্র ''হোস্টাইলস''-এ অভিনয় করেন। ''কল মি বাই ইয়োর নেম''-এ তার অভিনয়ের জন্য তিনি {{w|শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে একাডেমি পুরস্কার|শ্রেষ্ঠ অভিনেতা}} হিসেবে একাডেমি অ্যাওয়ার্ডের মনোনয়ন লাভ করেন। ২২ বছর বয়সে, এটি তাকে এই বিভাগে তৃতীয়-কনিষ্ঠতম মনোনীত ব্যক্তি করে তোলে। এরপর তিনি আত্মজীবনীমূলক ড্রামা ''বিউটিফুল বয়'' (২০১৮)-এ নিক শেফের ভূমিকায় অভিনয় করেন, যার জন্য তিনি {{W|চলচ্চিত্রে শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেতা বিভাগে গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার|গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার}}, {{w|পার্শ্ব চরিত্রে অভিনেতার সেরা অভিনয় বিভাগে অ্যাক্টর পুরস্কার|অ্যাক্টর পুরস্কার}} এবং {{w|শ্রেষ্ঠ পার্শ্বচরিত্রে অভিনেতা বিভাগে বাফটা পুরস্কার|বাফটা পুরস্কারের}} জন্য মনোনীত হন। ২০১৯ সালে, শালামে পিরিয়ড ড্রামা ''দ্য কিং'' এবং ''লিটল ওমেন''-এ যথাক্রমে ইংল্যান্ডের পঞ্চম হেনরি এবং থিওডোর "লরি" লরেন্সের ভূমিকায় অভিনয় করেন। তিনি {{w|দ্যনি ভিলনোভ}}ের ডিউন ত্রয়ী ''{{w|ডিউন (২০২১-এর চলচ্চিত্র)|ডিউন}}'', ''{{w|ডিউন: পার্ট ২}}'' এবং ''{{w|ডিউন: পার্ট ৩}}''-এ পল অ্যাট্রিডিসের প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন। == উক্তি == * আমার প্রায়ই মনে হয়, প্রকৃত চুম্বন বা যৌন দৃশ্যের শারীরিক কৌশলের বিপরীতে স্পর্শের অভাবে মধ্যকার রসায়নটা আরও বেশি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ** [https://www.gq-magazine.co.uk/article/armie-hammer-timothee-chalamet-interview ''জিকিউ ম্যাগাজিনে'' "বন্ধুত্ব, অস্কার এবং সেই পীচ ফলের দৃশ্য নিয়ে টিমোথি শালামে ও আর্মি হ্যামারের ভাষ্য"] (১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৭) * আমি আমার বাবা-মাকে শুধু বলেছিলাম যে আমি একা যাচ্ছি। আমার বরাবরই মনে হয়েছে যে অভিভাবক থাকলে সেটে সৃজনশীলতার সুযোগ কম থাকে। তাই অল্প বয়সেই আমি স্বাধীন অনুভব করতাম। ** [https://webcache.googleusercontent.com/search?q=cache:cjt5QVEK718J:https://www.latimes.com/entertainment/movies/la-ca-mn-timothee-chalamet-call-me-by-your-name-20171116-story.html+&cd=55&hl=en&ct=clnk&gl=us "কল মি বাই ইয়োর নেম’ এবং ‘লেডি বার্ড’ দিয়ে টিমোথি শালামে হলিউডের পরবর্তী বড় তারকা" - ''লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস''] (১৭ নভেম্বর ২০১৭) * এটা চাপ কিনা জানি না, তবে আমি এটাকে একটা দায়িত্ব বলে মনে করি। আমি স্টিভ ক্যারেলের সাথে এই বিষয়ে কথা বলছিলাম যে, আগের প্রজন্মগুলোর মধ্যে একটা সাধারণ আত্মতুষ্টি ছিল যে সবকিছু বেশ ভালোভাবেই চলছিল, আর সেটাই ঝুঁকির মাত্রা অনেক বাড়িয়ে দিয়েছিল। আমাদের বয়সের মানুষেরা এখন অনেক বেশি সম্পৃক্ত, এবং আমি মনে করি এটা একটা ভালো দিক। ** [https://www.highsnobiety.com/p/harry-styles-timothee-chalamet-id-interview/ ''হাইস্নোবিয়েটিতে'' "খ্যাতি, পৌরুষ এবং পীচ খাওয়া নিয়ে টিমথি শালামের সাক্ষাৎকার নিলেন হ্যারি স্টাইলস"] (২০১৮) * তিনি এমন একজন যার সান্নিধ্যে থাকতে ইচ্ছে করে। তিনি এমন একজন যার সাথে কথা বলতে ইচ্ছে করে। তিনি একজন অত্যন্ত নিবেদিতপ্রাণ অভিনেতা এবং নিজের কাজকে গুরুত্বের সাথে নেন, কিন্তু একই সাথে তিনি পুরোপুরি খোলামেলা। ** স্টিভ ক্যারেল, অভিনেতা, [https://www.boston.com/culture/entertainment/2018/10/10/steve-carell-and-timothee-chalamet-on-bonding-for-the-film-beautiful-boy/ "Boston.com"-এ প্রকাশিত "বিউটিফুল বয়" চলচ্চিত্রে স্টিভ ক্যারেল ও টিমথি শালামের মধ্যকার বন্ধন নিয়ে আলোচনা] (১০ অক্টোবর ২০১৮) * আমার মনে হয় এটা ন্যায্য, মানে, আমি জানি না এটা ন্যায্য কি না, তবে আমার মনে হয় প্রত্যেকের নিজস্ব প্রতিক্রিয়া দেখানোর অধিকার আছে। ** [https://www.theguardian.com/film/2018/dec/13/steve-carell-and-timothee-chalamet-on-drugs-disillusionment-and-playing-father-and-son "দ্য গার্ডিয়ান"-এ প্রকাশিত "মাদক, মোহভঙ্গ এবং বাবা-ছেলের চরিত্রে অভিনয় প্রসঙ্গে স্টিভ ক্যারেল ও টিমথি শালামে"] (১৩ ডিসেম্বর ২০১৮) * আমার মনে হয়, অস্কারের মনোনয়ন সুযোগের দরজা খুলে দেয়। চলচ্চিত্রটির পর থেকে আমি সৌভাগ্যক্রমে কিছু অসাধারণ চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ পেয়েছি। এর পেছনে মনোনয়নের কোনো ভূমিকা ছিল কি না, তা আমি জানি না; আমি শুধু এটুকু জানি যে, আমি যে কাজগুলো পাচ্ছি তার জন্য আমি অত্যন্ত কৃতজ্ঞ। ** [https://www.silverkris.com/interview-timothee-chalamet/ "সাক্ষাৎকার: তরুণ হলিউড অভিনেতা হিসেবে টিমথি শালামে", ''সিলভারক্রিস''] (১৩ ডিসেম্বর ২০১৯) * সারাজীবন আমি টিমি ছিলাম, কিন্তু বয়স বাড়ার সাথে সাথে মনে হলো টিমি নামটা যেন আমাকে তরুণ করে তুলছে, তাই তখন থেকে আমার নাম টিমথি। আমি টিমো আর টিমও চেষ্টা করেছিলাম। আসল উচ্চারণটা হলো টিমো-তে, কিন্তু আমি লোকেদের আমাকে ওই নামে ডাকতে বলতে পারি না; এটা কেমন যেন ভড়ং মনে হয়। ** [https://vman.com/article/timothee-chalamet-frank-ocean/ "থ্রোব্যাক থার্সডে: ফ্র্যাঙ্ক ওশান টিমথি শালামের সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন" VMAN39-এ] (১৬ এপ্রিল ২০২০) * আমি অত্যন্ত সতর্ক থাকার চেষ্টা করি। বিপদটা হলো, আপনি ক্যামেরার সামনের ঘটনার চেয়ে ক্যামেরার পেছনের ঘটনার দিকেই বেশি মনোযোগ দিয়ে ফেলতে পারেন। শুধু বিনোদনের জন্য বিনোদন দেওয়াটা ঠিক নয়। কাজটা কাজই হওয়া উচিত। যদি তা মানুষের মনে দাগ কাটে, তবে তা কাটবেই, এবং তখন মানুষ স্বাভাবিকভাবেই জানতে আগ্রহী হবে যে আপনি সেই লক্ষ্যে কীভাবে পৌঁছালেন। আপনি কীভাবে সেখানে পৌঁছাচ্ছেন, তা নিয়ে ভাবার কোনো অবকাশ নেই। ** [https://vman.com/article/timothee-chalamet-frank-ocean/ "থ্রোব্যাক থার্সডে: ফ্র্যাঙ্ক ওশান টিমথি শালামের সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন" VMAN39-এ] (১৬ এপ্রিল ২০২০) * আমার পৃথিবীটা ওলটপালট হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিলে সবকিছু আগের মতোই মনে হতে পারত। আমি এই দুটো বাস্তবতাকে মেলানোর চেষ্টা করছিলাম। কিন্তু আমার মনে হয় না আমি নিজেও জানতাম যে আমি ঠিক এটাই করছিলাম। সেই অমিলটা ছিল বাস্তব। আর ঈশ্বরকে ধন্যবাদ। কারণ আমার মনে হয়, যদি আমি সাথে সাথেই ব্যাপারটা ধরে ফেলতাম, তাহলে আমি হয়তো একজন সাইকোপ্যাথ বা ওই জাতীয় কিছু হয়ে যেতাম। ** [https://www.gq.com/story/timothee-chalamet-november-2020-cover-profile "টিমথি শালামের গড়ে ওঠা (এবং পুনর্নির্মাণ)" জিকিউ ম্যাগাজিনে] (১৫ অক্টোবর ২০২০) * আমাদের রাজনৈতিক ও সামাজিক বর্তমান যতই বিশৃঙ্খল হোক না কেন, আমি এখন বেঁচে থেকে সন্তুষ্ট। আমার মনে হয়, আপনি যেই হোন না কেন, যখন অতীতের রোমান্টিকতায় প্রলুব্ধ হন, তখন ভুলে যান যে তার কতটা অংশই কতটা বিশৃঙ্খল ছিল। স্বাস্থ্যসেবার শোচনীয় অবস্থাকে একটি মামুলি উদাহরণ হিসেবে নিন। অথবা, আরও গুরুতরভাবে নাগরিক অধিকার আন্দোলনের আগে (এবং সেই সাথে তার পরেও) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কেমন ছিল। ** [https://www.documentjournal.com/2020/12/timothee-chalamet-interview-the-role-of-the-artist-during-social-unrest-and-dune-sci-fi-futures/ "সামাজিক অস্থিরতার সময়ে শিল্পীর ভূমিকা এবং কীভাবে কল্পবিজ্ঞানভিত্তিক ভবিষ্যৎ আমাদের চারপাশের বিশ্বকে ব্যাখ্যা করতে পারে" ডকুমেন্ট জার্নালে] (ডিসেম্বর ২০২০) * একজন তরুণ অভিনেতার দৃষ্টিকোণ থেকে যেকোনো চলচ্চিত্রতেই আপনি নতুন কিছু দক্ষতা অর্জন করেন। ড্রামা হাই স্কুল থেকে আমার মাত্র ছয় বছর বাকি। তেইশ বা চব্বিশ বছর বয়সে আপনি প্রতিদিন নতুন কিছু শিখছেন। সত্যি বলতে, আমি ভাগ্যবান ছিলাম যে আগে থেকে কোনো অভিনেতাকে চিনতাম না। চলচ্চিত্রটিকে দুর্দান্ত করে তোলার একটা সম্মিলিত গোপন উদ্দেশ্য ছিল। এটা ভালো লেগেছিল। সবকিছুকে ব্যবহারিক হতে হবে। শিল্প ও সৃজনশীলতার কাছে যাওয়ার এটাই সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর উপায়, জানেন তো। কোনো অহংবোধ নেই। ** [https://www.empireonline.com/movies/features/timothee-chalamet-dune-interview/ "টিমথি শালামে অন ডিউন: ‘আই ফেল্ট এ ডিপ ডিজায়ার টু বি ইনভলভড’" -এম্পায়ার] (২৪ আগস্ট ২০২১) * আমি সেইসব মানুষদের প্রশংসা করি, এবং আমি নিজেও এটা করেছি, যারা টক শো-তে গিয়ে বলেন, ‘আরে, আমাদের সিনেমা হলগুলোকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে, আমাদের এই ধারাটিকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে,’ এবং আমার মনের আরেকটা অংশ মনে করে যে, মানুষ যদি বার্বি বা ওপেনহাইমারের মতো কিছু দেখতে চায়, তাহলে তারা তা দেখতে যাবে এবং সেটার ব্যাপারে সোচ্চার ও গর্বিত হতে উঠেপড়ে লাগবে। আমি ব্যালে, অপেরা বা এমন কোনো কিছুতে কাজ করতে চাই না, যেখানে বলা হয়, ‘আরে, এই জিনিসটাকে বাঁচিয়ে রাখো, যদিও এখন আর কেউ এটা নিয়ে মাথা ঘামায় না।’ ব্যালে এবং অপেরার সাথে জড়িত সকলের প্রতি আমার পূর্ণ শ্রদ্ধা। আমি এইমাত্র দর্শকসংখ্যায় ১৪ সেন্ট হারালাম। আমি অকারণেই কটাক্ষের শিকার হলাম। ** [https://people.com/timothee-chalamet-faces-backlash-after-saying-no-one-cares-about-ballet-and-opera-11920142 ব্যালে এবং অপেরা নিয়ে ‘কেউ মাথা ঘামায় না’ বলার পর সমালোচনার মুখে টিমথি শালামে] (৫ মার্চ ২০২৬) == টিমথি শালামে সম্পর্কে উক্তি == == বহিঃসংযোগ == [[বিষয়শ্রেণী:১৯৯৫-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অভিনেতা]] 07w5h3686rimwe4mxv2qs9h5f3ompwi 79900 79898 2026-04-23T06:26:04Z Tanbiruzzaman 806 /* উক্তি */ 79900 wikitext text/x-wiki [[File:Timothée Chalamet 2017 Berlinale.jpg|thumb|২০১৭ সালে টিমথি শালামে]] '''{{w|টিমথি শালামে}}''' (জন্ম ২৭ ডিসেম্বর, ১৯৯৫) একজন আমেরিকান অভিনেতা। তিনি তার কর্মজীবনে বেশ কিছু সম্মাননা পেয়েছেন, যার মধ্যে রয়েছে একটি {{w|একাডেমি পুরস্কার}}ের মনোনয়ন, তিনটি {{w|ব্রিটিশ অ্যাকাডেমি চলচ্চিত্র পুরস্কার}}, দুটি {{w|গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার}}, চারটি {{w|অ্যাক্টর পুরস্কার}} এবং চারটি {{w|ক্রিটিকস চয়েস চলচ্চিত্র পুরস্কার}}। শালামে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র এবং বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে তার অভিনয় জীবন শুরু করেন এবং ২০১২ সালে টেলিভিশন ড্রামা সিরিজ ''হোমল্যান্ড''-এ অভিনয় করেন। দুই বছর পর তিনি কমেডি-ড্রামা ''মেন, ওমেন অ্যান্ড চিলড্রেন''-এর মাধ্যমে পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে আত্মপ্রকাশ করেন এবং পরবর্তীতে সাইন্স-ফিকশন চলচ্চিত্র ''{{w|ইন্টারস্টেলার (চলচ্চিত্র)|ইন্টারস্টেলার}}''-এ অভিনয় করেন। শালামের সাফল্য আসে ২০১৭ সালে লুকা গুয়াডাগনিনোর বয়ঃসন্ধিকালীন রোমান্টিক ড্রামা ''{{w|কল মি বাই ইয়োর নেম (চলচ্চিত্র)|কল মি বাই ইয়োর নেম}}''-এ এলিও পার্লম্যান চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে। এরপর তিনি ''হট সামার নাইটস'' ও ''{{w|লেডি বার্ড (চলচ্চিত্র)|লেডি বার্ড}}''-এর মতো বয়ঃসন্ধিকালীন চলচ্চিত্রের পাশাপাশি ওয়েস্টার্ন চলচ্চিত্র ''হোস্টাইলস''-এ অভিনয় করেন। ''কল মি বাই ইয়োর নেম''-এ তার অভিনয়ের জন্য তিনি {{w|শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে একাডেমি পুরস্কার|শ্রেষ্ঠ অভিনেতা}} হিসেবে একাডেমি অ্যাওয়ার্ডের মনোনয়ন লাভ করেন। ২২ বছর বয়সে, এটি তাকে এই বিভাগে তৃতীয়-কনিষ্ঠতম মনোনীত ব্যক্তি করে তোলে। এরপর তিনি আত্মজীবনীমূলক ড্রামা ''বিউটিফুল বয়'' (২০১৮)-এ নিক শেফের ভূমিকায় অভিনয় করেন, যার জন্য তিনি {{W|চলচ্চিত্রে শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেতা বিভাগে গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার|গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার}}, {{w|পার্শ্ব চরিত্রে অভিনেতার সেরা অভিনয় বিভাগে অ্যাক্টর পুরস্কার|অ্যাক্টর পুরস্কার}} এবং {{w|শ্রেষ্ঠ পার্শ্বচরিত্রে অভিনেতা বিভাগে বাফটা পুরস্কার|বাফটা পুরস্কারের}} জন্য মনোনীত হন। ২০১৯ সালে, শালামে পিরিয়ড ড্রামা ''দ্য কিং'' এবং ''লিটল ওমেন''-এ যথাক্রমে ইংল্যান্ডের পঞ্চম হেনরি এবং থিওডোর "লরি" লরেন্সের ভূমিকায় অভিনয় করেন। তিনি {{w|দ্যনি ভিলনোভ}}ের ডিউন ত্রয়ী ''{{w|ডিউন (২০২১-এর চলচ্চিত্র)|ডিউন}}'', ''{{w|ডিউন: পার্ট ২}}'' এবং ''{{w|ডিউন: পার্ট ৩}}''-এ পল অ্যাট্রিডিসের প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন। == উক্তি == * আমার প্রায়ই মনে হয়, প্রকৃত চুম্বন বা যৌন দৃশ্যের শারীরিক কৌশলের বিপরীতে স্পর্শের অভাবে মধ্যকার রসায়নটা আরও বেশি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ** [https://www.gq-magazine.co.uk/article/armie-hammer-timothee-chalamet-interview ''জিকিউ ম্যাগাজিনে'' "বন্ধুত্ব, অস্কার এবং সেই পীচ ফলের দৃশ্য নিয়ে টিমোথি শালামে ও আর্মি হ্যামারের ভাষ্য"] (১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৭) * আমি আমার বাবা-মাকে শুধু বলেছিলাম যে আমি একা যাচ্ছি। আমার বরাবরই মনে হয়েছে যে অভিভাবক থাকলে সেটে সৃজনশীলতার সুযোগ কম থাকে। তাই অল্প বয়সেই আমি স্বাধীন অনুভব করতাম। ** [https://webcache.googleusercontent.com/search?q=cache:cjt5QVEK718J:https://www.latimes.com/entertainment/movies/la-ca-mn-timothee-chalamet-call-me-by-your-name-20171116-story.html+&cd=55&hl=en&ct=clnk&gl=us "কল মি বাই ইয়োর নেম’ এবং ‘লেডি বার্ড’ দিয়ে টিমোথি শালামে হলিউডের পরবর্তী বড় তারকা" - ''লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস''] (১৭ নভেম্বর ২০১৭) * এটা চাপ কিনা জানি না, তবে আমি এটাকে একটা দায়িত্ব বলে মনে করি। আমি স্টিভ ক্যারেলের সাথে এই বিষয়ে কথা বলছিলাম যে, আগের প্রজন্মগুলোর মধ্যে একটা সাধারণ আত্মতুষ্টি ছিল যে সবকিছু বেশ ভালোভাবেই চলছিল, আর সেটাই ঝুঁকির মাত্রা অনেক বাড়িয়ে দিয়েছিল। আমাদের বয়সের মানুষেরা এখন অনেক বেশি সম্পৃক্ত, এবং আমি মনে করি এটা একটা ভালো দিক। ** [https://www.highsnobiety.com/p/harry-styles-timothee-chalamet-id-interview/ ''হাইস্নোবিয়েটিতে'' "খ্যাতি, পৌরুষ এবং পীচ খাওয়া নিয়ে টিমথি শালামের সাক্ষাৎকার নিলেন হ্যারি স্টাইলস"] (২০১৮) * তিনি এমন একজন যার সান্নিধ্যে থাকতে ইচ্ছে করে। তিনি এমন একজন যার সাথে কথা বলতে ইচ্ছে করে। তিনি একজন অত্যন্ত নিবেদিতপ্রাণ অভিনেতা এবং নিজের কাজকে গুরুত্বের সাথে নেন, কিন্তু একই সাথে তিনি পুরোপুরি খোলামেলা। ** স্টিভ ক্যারেল, অভিনেতা, [https://www.boston.com/culture/entertainment/2018/10/10/steve-carell-and-timothee-chalamet-on-bonding-for-the-film-beautiful-boy/ "Boston.com"-এ প্রকাশিত "বিউটিফুল বয়" চলচ্চিত্রে স্টিভ ক্যারেল ও টিমথি শালামের মধ্যকার বন্ধন নিয়ে আলোচনা] (১০ অক্টোবর ২০১৮) * আমার মনে হয় এটা ন্যায্য, মানে, আমি জানি না এটা ন্যায্য কি না, তবে আমার মনে হয় প্রত্যেকের নিজস্ব প্রতিক্রিয়া দেখানোর অধিকার আছে। ** [https://www.theguardian.com/film/2018/dec/13/steve-carell-and-timothee-chalamet-on-drugs-disillusionment-and-playing-father-and-son "দ্য গার্ডিয়ান"-এ প্রকাশিত "মাদক, মোহভঙ্গ এবং বাবা-ছেলের চরিত্রে অভিনয় প্রসঙ্গে স্টিভ ক্যারেল ও টিমথি শালামে"] (১৩ ডিসেম্বর ২০১৮) * আমার মনে হয়, অস্কারের মনোনয়ন সুযোগের দরজা খুলে দেয়। চলচ্চিত্রটির পর থেকে আমি সৌভাগ্যক্রমে কিছু অসাধারণ চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ পেয়েছি। এর পেছনে মনোনয়নের কোনো ভূমিকা ছিল কি না, তা আমি জানি না; আমি শুধু এটুকু জানি যে, আমি যে কাজগুলো পাচ্ছি তার জন্য আমি অত্যন্ত কৃতজ্ঞ। ** [https://www.silverkris.com/interview-timothee-chalamet/ "সাক্ষাৎকার: তরুণ হলিউড অভিনেতা হিসেবে টিমথি শালামে", ''সিলভারক্রিস''] (১৩ ডিসেম্বর ২০১৯) * সারাজীবন আমি টিমি ছিলাম, কিন্তু বয়স বাড়ার সাথে সাথে মনে হলো টিমি নামটা যেন আমাকে তরুণ করে তুলছে, তাই তখন থেকে আমার নাম টিমথি। আমি টিমো আর টিমও চেষ্টা করেছিলাম। আসল উচ্চারণটা হলো টিমো-তে, কিন্তু আমি লোকেদের আমাকে ওই নামে ডাকতে বলতে পারি না; এটা কেমন যেন ভড়ং মনে হয়। ** [https://vman.com/article/timothee-chalamet-frank-ocean/ "থ্রোব্যাক থার্সডে: ফ্র্যাঙ্ক ওশান টিমথি শালামের সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন" VMAN39-এ] (১৬ এপ্রিল ২০২০) * আমি অত্যন্ত সতর্ক থাকার চেষ্টা করি। বিপদটা হলো, আপনি ক্যামেরার সামনের ঘটনার চেয়ে ক্যামেরার পেছনের ঘটনার দিকেই বেশি মনোযোগ দিয়ে ফেলতে পারেন। শুধু বিনোদনের জন্য বিনোদন দেওয়াটা ঠিক নয়। কাজটা কাজই হওয়া উচিত। যদি তা মানুষের মনে দাগ কাটে, তবে তা কাটবেই, এবং তখন মানুষ স্বাভাবিকভাবেই জানতে আগ্রহী হবে যে আপনি সেই লক্ষ্যে কীভাবে পৌঁছালেন। আপনি কীভাবে সেখানে পৌঁছাচ্ছেন, তা নিয়ে ভাবার কোনো অবকাশ নেই। ** [https://vman.com/article/timothee-chalamet-frank-ocean/ "থ্রোব্যাক থার্সডে: ফ্র্যাঙ্ক ওশান টিমথি শালামের সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন" VMAN39-এ] (১৬ এপ্রিল ২০২০) * আমার পৃথিবীটা ওলটপালট হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিলে সবকিছু আগের মতোই মনে হতে পারত। আমি এই দুটো বাস্তবতাকে মেলানোর চেষ্টা করছিলাম। কিন্তু আমার মনে হয় না আমি নিজেও জানতাম যে আমি ঠিক এটাই করছিলাম। সেই অমিলটা ছিল বাস্তব। আর ঈশ্বরকে ধন্যবাদ। কারণ আমার মনে হয়, যদি আমি সাথে সাথেই ব্যাপারটা ধরে ফেলতাম, তাহলে আমি হয়তো একজন সাইকোপ্যাথ বা ওই জাতীয় কিছু হয়ে যেতাম। ** [https://www.gq.com/story/timothee-chalamet-november-2020-cover-profile "টিমথি শালামের গড়ে ওঠা (এবং পুনর্নির্মাণ)" জিকিউ ম্যাগাজিনে] (১৫ অক্টোবর ২০২০) * আমাদের রাজনৈতিক ও সামাজিক বর্তমান যতই বিশৃঙ্খল হোক না কেন, আমি এখন বেঁচে থেকে সন্তুষ্ট। আমার মনে হয়, আপনি যেই হোন না কেন, যখন অতীতের রোমান্টিকতায় প্রলুব্ধ হন, তখন ভুলে যান যে তার কতটা অংশই কতটা বিশৃঙ্খল ছিল। স্বাস্থ্যসেবার শোচনীয় অবস্থাকে একটি মামুলি উদাহরণ হিসেবে নিন। অথবা, আরও গুরুতরভাবে নাগরিক অধিকার আন্দোলনের আগে (এবং সেই সাথে তার পরেও) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কেমন ছিল। ** [https://www.documentjournal.com/2020/12/timothee-chalamet-interview-the-role-of-the-artist-during-social-unrest-and-dune-sci-fi-futures/ "সামাজিক অস্থিরতার সময়ে শিল্পীর ভূমিকা এবং কীভাবে কল্পবিজ্ঞানভিত্তিক ভবিষ্যৎ আমাদের চারপাশের বিশ্বকে ব্যাখ্যা করতে পারে" ডকুমেন্ট জার্নালে] (ডিসেম্বর ২০২০) * একজন তরুণ অভিনেতার দৃষ্টিকোণ থেকে যেকোনো চলচ্চিত্রতেই আপনি নতুন কিছু দক্ষতা অর্জন করেন। ড্রামা হাই স্কুল থেকে আমার মাত্র ছয় বছর বাকি। তেইশ বা চব্বিশ বছর বয়সে আপনি প্রতিদিন নতুন কিছু শিখছেন। সত্যি বলতে, আমি ভাগ্যবান ছিলাম যে আগে থেকে কোনো অভিনেতাকে চিনতাম না। চলচ্চিত্রটিকে দুর্দান্ত করে তোলার একটা সম্মিলিত গোপন উদ্দেশ্য ছিল। এটা ভালো লেগেছিল। সবকিছুকে ব্যবহারিক হতে হবে। শিল্প ও সৃজনশীলতার কাছে যাওয়ার এটাই সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর উপায়, জানেন তো। কোনো অহংবোধ নেই। ** [https://www.empireonline.com/movies/features/timothee-chalamet-dune-interview/ "টিমথি শালামে অন ডিউন: ‘আই ফেল্ট এ ডিপ ডিজায়ার টু বি ইনভলভড’" -এম্পায়ার] (২৪ আগস্ট ২০২১) * আমি সেইসব মানুষদের প্রশংসা করি, এবং আমি নিজেও এটা করেছি, যারা টক শো-তে গিয়ে বলেন, ‘আরে, আমাদের সিনেমা হলগুলোকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে, আমাদের এই ধারাটিকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে,’ এবং আমার মনের আরেকটা অংশ মনে করে যে, মানুষ যদি [[বার্বি (চলচ্চিত্র)|বার্বি]] বা [[অপেনহাইমার (চলচ্চিত্র)|অপেনহাইমারের]] মতো কিছু দেখতে চায়, তাহলে তারা তা দেখতে যাবে এবং সেটার ব্যাপারে সোচ্চার ও গর্বিত হতে উঠেপড়ে লাগবে। আমি ব্যালে, অপেরা বা এমন কোনো কিছুতে কাজ করতে চাই না, যেখানে বলা হয়, ‘আরে, এই জিনিসটাকে বাঁচিয়ে রাখো, যদিও এখন আর কেউ এটা নিয়ে মাথা ঘামায় না।’ ব্যালে এবং অপেরার সাথে জড়িত সকলের প্রতি আমার পূর্ণ শ্রদ্ধা। আমি এইমাত্র দর্শকসংখ্যায় ১৪ সেন্ট হারালাম। আমি অকারণেই কটাক্ষের শিকার হলাম। ** [https://people.com/timothee-chalamet-faces-backlash-after-saying-no-one-cares-about-ballet-and-opera-11920142 ব্যালে এবং অপেরা নিয়ে ‘কেউ মাথা ঘামায় না’ বলার পর সমালোচনার মুখে টিমথি শালামে] (৫ মার্চ ২০২৬) == টিমথি শালামে সম্পর্কে উক্তি == == বহিঃসংযোগ == [[বিষয়শ্রেণী:১৯৯৫-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অভিনেতা]] mr429nood0oudrbm640l3j8pboqo3dd 79903 79900 2026-04-23T06:31:51Z Tanbiruzzaman 806 /* টিমথি শালামে সম্পর্কে উক্তি */ 79903 wikitext text/x-wiki [[File:Timothée Chalamet 2017 Berlinale.jpg|thumb|২০১৭ সালে টিমথি শালামে]] '''{{w|টিমথি শালামে}}''' (জন্ম ২৭ ডিসেম্বর, ১৯৯৫) একজন আমেরিকান অভিনেতা। তিনি তার কর্মজীবনে বেশ কিছু সম্মাননা পেয়েছেন, যার মধ্যে রয়েছে একটি {{w|একাডেমি পুরস্কার}}ের মনোনয়ন, তিনটি {{w|ব্রিটিশ অ্যাকাডেমি চলচ্চিত্র পুরস্কার}}, দুটি {{w|গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার}}, চারটি {{w|অ্যাক্টর পুরস্কার}} এবং চারটি {{w|ক্রিটিকস চয়েস চলচ্চিত্র পুরস্কার}}। শালামে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র এবং বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে তার অভিনয় জীবন শুরু করেন এবং ২০১২ সালে টেলিভিশন ড্রামা সিরিজ ''হোমল্যান্ড''-এ অভিনয় করেন। দুই বছর পর তিনি কমেডি-ড্রামা ''মেন, ওমেন অ্যান্ড চিলড্রেন''-এর মাধ্যমে পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে আত্মপ্রকাশ করেন এবং পরবর্তীতে সাইন্স-ফিকশন চলচ্চিত্র ''{{w|ইন্টারস্টেলার (চলচ্চিত্র)|ইন্টারস্টেলার}}''-এ অভিনয় করেন। শালামের সাফল্য আসে ২০১৭ সালে লুকা গুয়াডাগনিনোর বয়ঃসন্ধিকালীন রোমান্টিক ড্রামা ''{{w|কল মি বাই ইয়োর নেম (চলচ্চিত্র)|কল মি বাই ইয়োর নেম}}''-এ এলিও পার্লম্যান চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে। এরপর তিনি ''হট সামার নাইটস'' ও ''{{w|লেডি বার্ড (চলচ্চিত্র)|লেডি বার্ড}}''-এর মতো বয়ঃসন্ধিকালীন চলচ্চিত্রের পাশাপাশি ওয়েস্টার্ন চলচ্চিত্র ''হোস্টাইলস''-এ অভিনয় করেন। ''কল মি বাই ইয়োর নেম''-এ তার অভিনয়ের জন্য তিনি {{w|শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে একাডেমি পুরস্কার|শ্রেষ্ঠ অভিনেতা}} হিসেবে একাডেমি অ্যাওয়ার্ডের মনোনয়ন লাভ করেন। ২২ বছর বয়সে, এটি তাকে এই বিভাগে তৃতীয়-কনিষ্ঠতম মনোনীত ব্যক্তি করে তোলে। এরপর তিনি আত্মজীবনীমূলক ড্রামা ''বিউটিফুল বয়'' (২০১৮)-এ নিক শেফের ভূমিকায় অভিনয় করেন, যার জন্য তিনি {{W|চলচ্চিত্রে শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেতা বিভাগে গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার|গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার}}, {{w|পার্শ্ব চরিত্রে অভিনেতার সেরা অভিনয় বিভাগে অ্যাক্টর পুরস্কার|অ্যাক্টর পুরস্কার}} এবং {{w|শ্রেষ্ঠ পার্শ্বচরিত্রে অভিনেতা বিভাগে বাফটা পুরস্কার|বাফটা পুরস্কারের}} জন্য মনোনীত হন। ২০১৯ সালে, শালামে পিরিয়ড ড্রামা ''দ্য কিং'' এবং ''লিটল ওমেন''-এ যথাক্রমে ইংল্যান্ডের পঞ্চম হেনরি এবং থিওডোর "লরি" লরেন্সের ভূমিকায় অভিনয় করেন। তিনি {{w|দ্যনি ভিলনোভ}}ের ডিউন ত্রয়ী ''{{w|ডিউন (২০২১-এর চলচ্চিত্র)|ডিউন}}'', ''{{w|ডিউন: পার্ট ২}}'' এবং ''{{w|ডিউন: পার্ট ৩}}''-এ পল অ্যাট্রিডিসের প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন। == উক্তি == * আমার প্রায়ই মনে হয়, প্রকৃত চুম্বন বা যৌন দৃশ্যের শারীরিক কৌশলের বিপরীতে স্পর্শের অভাবে মধ্যকার রসায়নটা আরও বেশি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ** [https://www.gq-magazine.co.uk/article/armie-hammer-timothee-chalamet-interview ''জিকিউ ম্যাগাজিনে'' "বন্ধুত্ব, অস্কার এবং সেই পীচ ফলের দৃশ্য নিয়ে টিমোথি শালামে ও আর্মি হ্যামারের ভাষ্য"] (১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৭) * আমি আমার বাবা-মাকে শুধু বলেছিলাম যে আমি একা যাচ্ছি। আমার বরাবরই মনে হয়েছে যে অভিভাবক থাকলে সেটে সৃজনশীলতার সুযোগ কম থাকে। তাই অল্প বয়সেই আমি স্বাধীন অনুভব করতাম। ** [https://webcache.googleusercontent.com/search?q=cache:cjt5QVEK718J:https://www.latimes.com/entertainment/movies/la-ca-mn-timothee-chalamet-call-me-by-your-name-20171116-story.html+&cd=55&hl=en&ct=clnk&gl=us "কল মি বাই ইয়োর নেম’ এবং ‘লেডি বার্ড’ দিয়ে টিমোথি শালামে হলিউডের পরবর্তী বড় তারকা" - ''লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস''] (১৭ নভেম্বর ২০১৭) * এটা চাপ কিনা জানি না, তবে আমি এটাকে একটা দায়িত্ব বলে মনে করি। আমি স্টিভ ক্যারেলের সাথে এই বিষয়ে কথা বলছিলাম যে, আগের প্রজন্মগুলোর মধ্যে একটা সাধারণ আত্মতুষ্টি ছিল যে সবকিছু বেশ ভালোভাবেই চলছিল, আর সেটাই ঝুঁকির মাত্রা অনেক বাড়িয়ে দিয়েছিল। আমাদের বয়সের মানুষেরা এখন অনেক বেশি সম্পৃক্ত, এবং আমি মনে করি এটা একটা ভালো দিক। ** [https://www.highsnobiety.com/p/harry-styles-timothee-chalamet-id-interview/ ''হাইস্নোবিয়েটিতে'' "খ্যাতি, পৌরুষ এবং পীচ খাওয়া নিয়ে টিমথি শালামের সাক্ষাৎকার নিলেন হ্যারি স্টাইলস"] (২০১৮) * তিনি এমন একজন যার সান্নিধ্যে থাকতে ইচ্ছে করে। তিনি এমন একজন যার সাথে কথা বলতে ইচ্ছে করে। তিনি একজন অত্যন্ত নিবেদিতপ্রাণ অভিনেতা এবং নিজের কাজকে গুরুত্বের সাথে নেন, কিন্তু একই সাথে তিনি পুরোপুরি খোলামেলা। ** স্টিভ ক্যারেল, অভিনেতা, [https://www.boston.com/culture/entertainment/2018/10/10/steve-carell-and-timothee-chalamet-on-bonding-for-the-film-beautiful-boy/ "Boston.com"-এ প্রকাশিত "বিউটিফুল বয়" চলচ্চিত্রে স্টিভ ক্যারেল ও টিমথি শালামের মধ্যকার বন্ধন নিয়ে আলোচনা] (১০ অক্টোবর ২০১৮) * আমার মনে হয় এটা ন্যায্য, মানে, আমি জানি না এটা ন্যায্য কি না, তবে আমার মনে হয় প্রত্যেকের নিজস্ব প্রতিক্রিয়া দেখানোর অধিকার আছে। ** [https://www.theguardian.com/film/2018/dec/13/steve-carell-and-timothee-chalamet-on-drugs-disillusionment-and-playing-father-and-son "দ্য গার্ডিয়ান"-এ প্রকাশিত "মাদক, মোহভঙ্গ এবং বাবা-ছেলের চরিত্রে অভিনয় প্রসঙ্গে স্টিভ ক্যারেল ও টিমথি শালামে"] (১৩ ডিসেম্বর ২০১৮) * আমার মনে হয়, অস্কারের মনোনয়ন সুযোগের দরজা খুলে দেয়। চলচ্চিত্রটির পর থেকে আমি সৌভাগ্যক্রমে কিছু অসাধারণ চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ পেয়েছি। এর পেছনে মনোনয়নের কোনো ভূমিকা ছিল কি না, তা আমি জানি না; আমি শুধু এটুকু জানি যে, আমি যে কাজগুলো পাচ্ছি তার জন্য আমি অত্যন্ত কৃতজ্ঞ। ** [https://www.silverkris.com/interview-timothee-chalamet/ "সাক্ষাৎকার: তরুণ হলিউড অভিনেতা হিসেবে টিমথি শালামে", ''সিলভারক্রিস''] (১৩ ডিসেম্বর ২০১৯) * সারাজীবন আমি টিমি ছিলাম, কিন্তু বয়স বাড়ার সাথে সাথে মনে হলো টিমি নামটা যেন আমাকে তরুণ করে তুলছে, তাই তখন থেকে আমার নাম টিমথি। আমি টিমো আর টিমও চেষ্টা করেছিলাম। আসল উচ্চারণটা হলো টিমো-তে, কিন্তু আমি লোকেদের আমাকে ওই নামে ডাকতে বলতে পারি না; এটা কেমন যেন ভড়ং মনে হয়। ** [https://vman.com/article/timothee-chalamet-frank-ocean/ "থ্রোব্যাক থার্সডে: ফ্র্যাঙ্ক ওশান টিমথি শালামের সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন" VMAN39-এ] (১৬ এপ্রিল ২০২০) * আমি অত্যন্ত সতর্ক থাকার চেষ্টা করি। বিপদটা হলো, আপনি ক্যামেরার সামনের ঘটনার চেয়ে ক্যামেরার পেছনের ঘটনার দিকেই বেশি মনোযোগ দিয়ে ফেলতে পারেন। শুধু বিনোদনের জন্য বিনোদন দেওয়াটা ঠিক নয়। কাজটা কাজই হওয়া উচিত। যদি তা মানুষের মনে দাগ কাটে, তবে তা কাটবেই, এবং তখন মানুষ স্বাভাবিকভাবেই জানতে আগ্রহী হবে যে আপনি সেই লক্ষ্যে কীভাবে পৌঁছালেন। আপনি কীভাবে সেখানে পৌঁছাচ্ছেন, তা নিয়ে ভাবার কোনো অবকাশ নেই। ** [https://vman.com/article/timothee-chalamet-frank-ocean/ "থ্রোব্যাক থার্সডে: ফ্র্যাঙ্ক ওশান টিমথি শালামের সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন" VMAN39-এ] (১৬ এপ্রিল ২০২০) * আমার পৃথিবীটা ওলটপালট হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিলে সবকিছু আগের মতোই মনে হতে পারত। আমি এই দুটো বাস্তবতাকে মেলানোর চেষ্টা করছিলাম। কিন্তু আমার মনে হয় না আমি নিজেও জানতাম যে আমি ঠিক এটাই করছিলাম। সেই অমিলটা ছিল বাস্তব। আর ঈশ্বরকে ধন্যবাদ। কারণ আমার মনে হয়, যদি আমি সাথে সাথেই ব্যাপারটা ধরে ফেলতাম, তাহলে আমি হয়তো একজন সাইকোপ্যাথ বা ওই জাতীয় কিছু হয়ে যেতাম। ** [https://www.gq.com/story/timothee-chalamet-november-2020-cover-profile "টিমথি শালামের গড়ে ওঠা (এবং পুনর্নির্মাণ)" জিকিউ ম্যাগাজিনে] (১৫ অক্টোবর ২০২০) * আমাদের রাজনৈতিক ও সামাজিক বর্তমান যতই বিশৃঙ্খল হোক না কেন, আমি এখন বেঁচে থেকে সন্তুষ্ট। আমার মনে হয়, আপনি যেই হোন না কেন, যখন অতীতের রোমান্টিকতায় প্রলুব্ধ হন, তখন ভুলে যান যে তার কতটা অংশই কতটা বিশৃঙ্খল ছিল। স্বাস্থ্যসেবার শোচনীয় অবস্থাকে একটি মামুলি উদাহরণ হিসেবে নিন। অথবা, আরও গুরুতরভাবে নাগরিক অধিকার আন্দোলনের আগে (এবং সেই সাথে তার পরেও) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কেমন ছিল। ** [https://www.documentjournal.com/2020/12/timothee-chalamet-interview-the-role-of-the-artist-during-social-unrest-and-dune-sci-fi-futures/ "সামাজিক অস্থিরতার সময়ে শিল্পীর ভূমিকা এবং কীভাবে কল্পবিজ্ঞানভিত্তিক ভবিষ্যৎ আমাদের চারপাশের বিশ্বকে ব্যাখ্যা করতে পারে" ডকুমেন্ট জার্নালে] (ডিসেম্বর ২০২০) * একজন তরুণ অভিনেতার দৃষ্টিকোণ থেকে যেকোনো চলচ্চিত্রতেই আপনি নতুন কিছু দক্ষতা অর্জন করেন। ড্রামা হাই স্কুল থেকে আমার মাত্র ছয় বছর বাকি। তেইশ বা চব্বিশ বছর বয়সে আপনি প্রতিদিন নতুন কিছু শিখছেন। সত্যি বলতে, আমি ভাগ্যবান ছিলাম যে আগে থেকে কোনো অভিনেতাকে চিনতাম না। চলচ্চিত্রটিকে দুর্দান্ত করে তোলার একটা সম্মিলিত গোপন উদ্দেশ্য ছিল। এটা ভালো লেগেছিল। সবকিছুকে ব্যবহারিক হতে হবে। শিল্প ও সৃজনশীলতার কাছে যাওয়ার এটাই সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর উপায়, জানেন তো। কোনো অহংবোধ নেই। ** [https://www.empireonline.com/movies/features/timothee-chalamet-dune-interview/ "টিমথি শালামে অন ডিউন: ‘আই ফেল্ট এ ডিপ ডিজায়ার টু বি ইনভলভড’" -এম্পায়ার] (২৪ আগস্ট ২০২১) * আমি সেইসব মানুষদের প্রশংসা করি, এবং আমি নিজেও এটা করেছি, যারা টক শো-তে গিয়ে বলেন, ‘আরে, আমাদের সিনেমা হলগুলোকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে, আমাদের এই ধারাটিকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে,’ এবং আমার মনের আরেকটা অংশ মনে করে যে, মানুষ যদি [[বার্বি (চলচ্চিত্র)|বার্বি]] বা [[অপেনহাইমার (চলচ্চিত্র)|অপেনহাইমারের]] মতো কিছু দেখতে চায়, তাহলে তারা তা দেখতে যাবে এবং সেটার ব্যাপারে সোচ্চার ও গর্বিত হতে উঠেপড়ে লাগবে। আমি ব্যালে, অপেরা বা এমন কোনো কিছুতে কাজ করতে চাই না, যেখানে বলা হয়, ‘আরে, এই জিনিসটাকে বাঁচিয়ে রাখো, যদিও এখন আর কেউ এটা নিয়ে মাথা ঘামায় না।’ ব্যালে এবং অপেরার সাথে জড়িত সকলের প্রতি আমার পূর্ণ শ্রদ্ধা। আমি এইমাত্র দর্শকসংখ্যায় ১৪ সেন্ট হারালাম। আমি অকারণেই কটাক্ষের শিকার হলাম। ** [https://people.com/timothee-chalamet-faces-backlash-after-saying-no-one-cares-about-ballet-and-opera-11920142 ব্যালে এবং অপেরা নিয়ে ‘কেউ মাথা ঘামায় না’ বলার পর সমালোচনার মুখে টিমথি শালামে] (৫ মার্চ ২০২৬) == টিমথি শালামে সম্পর্কে উক্তি == * ক্যামেরার সামনে তিনি যেন এক ওঝা, যেখানে মনে হয় তার পেছনে থাকা কোনো শক্তি হঠাৎ করেই জেগে ওঠে। আমি ক্যামেরার পেছনে নাচছিলাম। আমার মনে হয়, আমার চোখে জল এসে গিয়েছিল। ** [[দ্যনি ভিলনোভ]], চলচ্চিত্র পরিচালক, [https://etcanada.com/news/819921/denis-villeneuve-had-tears-in-my-eyes-watching-timothee-chalamets-performance-in-dune/ "টিমথি শালামের 'ডিউন'-এর অভিনয় দেখে দ্যনি ভিলনোভের চোখে জল এসে গিয়েছিল", ইটি কানাডা] (১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১) == বহিঃসংযোগ == [[বিষয়শ্রেণী:১৯৯৫-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অভিনেতা]] odugvhijqttaqu0dbnpaakyr7ij13o2 79905 79903 2026-04-23T06:32:21Z Tanbiruzzaman 806 /* টিমথি শালামে সম্পর্কে উক্তি */ 79905 wikitext text/x-wiki [[File:Timothée Chalamet 2017 Berlinale.jpg|thumb|২০১৭ সালে টিমথি শালামে]] '''{{w|টিমথি শালামে}}''' (জন্ম ২৭ ডিসেম্বর, ১৯৯৫) একজন আমেরিকান অভিনেতা। তিনি তার কর্মজীবনে বেশ কিছু সম্মাননা পেয়েছেন, যার মধ্যে রয়েছে একটি {{w|একাডেমি পুরস্কার}}ের মনোনয়ন, তিনটি {{w|ব্রিটিশ অ্যাকাডেমি চলচ্চিত্র পুরস্কার}}, দুটি {{w|গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার}}, চারটি {{w|অ্যাক্টর পুরস্কার}} এবং চারটি {{w|ক্রিটিকস চয়েস চলচ্চিত্র পুরস্কার}}। শালামে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র এবং বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে তার অভিনয় জীবন শুরু করেন এবং ২০১২ সালে টেলিভিশন ড্রামা সিরিজ ''হোমল্যান্ড''-এ অভিনয় করেন। দুই বছর পর তিনি কমেডি-ড্রামা ''মেন, ওমেন অ্যান্ড চিলড্রেন''-এর মাধ্যমে পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে আত্মপ্রকাশ করেন এবং পরবর্তীতে সাইন্স-ফিকশন চলচ্চিত্র ''{{w|ইন্টারস্টেলার (চলচ্চিত্র)|ইন্টারস্টেলার}}''-এ অভিনয় করেন। শালামের সাফল্য আসে ২০১৭ সালে লুকা গুয়াডাগনিনোর বয়ঃসন্ধিকালীন রোমান্টিক ড্রামা ''{{w|কল মি বাই ইয়োর নেম (চলচ্চিত্র)|কল মি বাই ইয়োর নেম}}''-এ এলিও পার্লম্যান চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে। এরপর তিনি ''হট সামার নাইটস'' ও ''{{w|লেডি বার্ড (চলচ্চিত্র)|লেডি বার্ড}}''-এর মতো বয়ঃসন্ধিকালীন চলচ্চিত্রের পাশাপাশি ওয়েস্টার্ন চলচ্চিত্র ''হোস্টাইলস''-এ অভিনয় করেন। ''কল মি বাই ইয়োর নেম''-এ তার অভিনয়ের জন্য তিনি {{w|শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে একাডেমি পুরস্কার|শ্রেষ্ঠ অভিনেতা}} হিসেবে একাডেমি অ্যাওয়ার্ডের মনোনয়ন লাভ করেন। ২২ বছর বয়সে, এটি তাকে এই বিভাগে তৃতীয়-কনিষ্ঠতম মনোনীত ব্যক্তি করে তোলে। এরপর তিনি আত্মজীবনীমূলক ড্রামা ''বিউটিফুল বয়'' (২০১৮)-এ নিক শেফের ভূমিকায় অভিনয় করেন, যার জন্য তিনি {{W|চলচ্চিত্রে শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেতা বিভাগে গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার|গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার}}, {{w|পার্শ্ব চরিত্রে অভিনেতার সেরা অভিনয় বিভাগে অ্যাক্টর পুরস্কার|অ্যাক্টর পুরস্কার}} এবং {{w|শ্রেষ্ঠ পার্শ্বচরিত্রে অভিনেতা বিভাগে বাফটা পুরস্কার|বাফটা পুরস্কারের}} জন্য মনোনীত হন। ২০১৯ সালে, শালামে পিরিয়ড ড্রামা ''দ্য কিং'' এবং ''লিটল ওমেন''-এ যথাক্রমে ইংল্যান্ডের পঞ্চম হেনরি এবং থিওডোর "লরি" লরেন্সের ভূমিকায় অভিনয় করেন। তিনি {{w|দ্যনি ভিলনোভ}}ের ডিউন ত্রয়ী ''{{w|ডিউন (২০২১-এর চলচ্চিত্র)|ডিউন}}'', ''{{w|ডিউন: পার্ট ২}}'' এবং ''{{w|ডিউন: পার্ট ৩}}''-এ পল অ্যাট্রিডিসের প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন। == উক্তি == * আমার প্রায়ই মনে হয়, প্রকৃত চুম্বন বা যৌন দৃশ্যের শারীরিক কৌশলের বিপরীতে স্পর্শের অভাবে মধ্যকার রসায়নটা আরও বেশি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ** [https://www.gq-magazine.co.uk/article/armie-hammer-timothee-chalamet-interview ''জিকিউ ম্যাগাজিনে'' "বন্ধুত্ব, অস্কার এবং সেই পীচ ফলের দৃশ্য নিয়ে টিমোথি শালামে ও আর্মি হ্যামারের ভাষ্য"] (১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৭) * আমি আমার বাবা-মাকে শুধু বলেছিলাম যে আমি একা যাচ্ছি। আমার বরাবরই মনে হয়েছে যে অভিভাবক থাকলে সেটে সৃজনশীলতার সুযোগ কম থাকে। তাই অল্প বয়সেই আমি স্বাধীন অনুভব করতাম। ** [https://webcache.googleusercontent.com/search?q=cache:cjt5QVEK718J:https://www.latimes.com/entertainment/movies/la-ca-mn-timothee-chalamet-call-me-by-your-name-20171116-story.html+&cd=55&hl=en&ct=clnk&gl=us "কল মি বাই ইয়োর নেম’ এবং ‘লেডি বার্ড’ দিয়ে টিমোথি শালামে হলিউডের পরবর্তী বড় তারকা" - ''লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস''] (১৭ নভেম্বর ২০১৭) * এটা চাপ কিনা জানি না, তবে আমি এটাকে একটা দায়িত্ব বলে মনে করি। আমি স্টিভ ক্যারেলের সাথে এই বিষয়ে কথা বলছিলাম যে, আগের প্রজন্মগুলোর মধ্যে একটা সাধারণ আত্মতুষ্টি ছিল যে সবকিছু বেশ ভালোভাবেই চলছিল, আর সেটাই ঝুঁকির মাত্রা অনেক বাড়িয়ে দিয়েছিল। আমাদের বয়সের মানুষেরা এখন অনেক বেশি সম্পৃক্ত, এবং আমি মনে করি এটা একটা ভালো দিক। ** [https://www.highsnobiety.com/p/harry-styles-timothee-chalamet-id-interview/ ''হাইস্নোবিয়েটিতে'' "খ্যাতি, পৌরুষ এবং পীচ খাওয়া নিয়ে টিমথি শালামের সাক্ষাৎকার নিলেন হ্যারি স্টাইলস"] (২০১৮) * তিনি এমন একজন যার সান্নিধ্যে থাকতে ইচ্ছে করে। তিনি এমন একজন যার সাথে কথা বলতে ইচ্ছে করে। তিনি একজন অত্যন্ত নিবেদিতপ্রাণ অভিনেতা এবং নিজের কাজকে গুরুত্বের সাথে নেন, কিন্তু একই সাথে তিনি পুরোপুরি খোলামেলা। ** স্টিভ ক্যারেল, অভিনেতা, [https://www.boston.com/culture/entertainment/2018/10/10/steve-carell-and-timothee-chalamet-on-bonding-for-the-film-beautiful-boy/ "Boston.com"-এ প্রকাশিত "বিউটিফুল বয়" চলচ্চিত্রে স্টিভ ক্যারেল ও টিমথি শালামের মধ্যকার বন্ধন নিয়ে আলোচনা] (১০ অক্টোবর ২০১৮) * আমার মনে হয় এটা ন্যায্য, মানে, আমি জানি না এটা ন্যায্য কি না, তবে আমার মনে হয় প্রত্যেকের নিজস্ব প্রতিক্রিয়া দেখানোর অধিকার আছে। ** [https://www.theguardian.com/film/2018/dec/13/steve-carell-and-timothee-chalamet-on-drugs-disillusionment-and-playing-father-and-son "দ্য গার্ডিয়ান"-এ প্রকাশিত "মাদক, মোহভঙ্গ এবং বাবা-ছেলের চরিত্রে অভিনয় প্রসঙ্গে স্টিভ ক্যারেল ও টিমথি শালামে"] (১৩ ডিসেম্বর ২০১৮) * আমার মনে হয়, অস্কারের মনোনয়ন সুযোগের দরজা খুলে দেয়। চলচ্চিত্রটির পর থেকে আমি সৌভাগ্যক্রমে কিছু অসাধারণ চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ পেয়েছি। এর পেছনে মনোনয়নের কোনো ভূমিকা ছিল কি না, তা আমি জানি না; আমি শুধু এটুকু জানি যে, আমি যে কাজগুলো পাচ্ছি তার জন্য আমি অত্যন্ত কৃতজ্ঞ। ** [https://www.silverkris.com/interview-timothee-chalamet/ "সাক্ষাৎকার: তরুণ হলিউড অভিনেতা হিসেবে টিমথি শালামে", ''সিলভারক্রিস''] (১৩ ডিসেম্বর ২০১৯) * সারাজীবন আমি টিমি ছিলাম, কিন্তু বয়স বাড়ার সাথে সাথে মনে হলো টিমি নামটা যেন আমাকে তরুণ করে তুলছে, তাই তখন থেকে আমার নাম টিমথি। আমি টিমো আর টিমও চেষ্টা করেছিলাম। আসল উচ্চারণটা হলো টিমো-তে, কিন্তু আমি লোকেদের আমাকে ওই নামে ডাকতে বলতে পারি না; এটা কেমন যেন ভড়ং মনে হয়। ** [https://vman.com/article/timothee-chalamet-frank-ocean/ "থ্রোব্যাক থার্সডে: ফ্র্যাঙ্ক ওশান টিমথি শালামের সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন" VMAN39-এ] (১৬ এপ্রিল ২০২০) * আমি অত্যন্ত সতর্ক থাকার চেষ্টা করি। বিপদটা হলো, আপনি ক্যামেরার সামনের ঘটনার চেয়ে ক্যামেরার পেছনের ঘটনার দিকেই বেশি মনোযোগ দিয়ে ফেলতে পারেন। শুধু বিনোদনের জন্য বিনোদন দেওয়াটা ঠিক নয়। কাজটা কাজই হওয়া উচিত। যদি তা মানুষের মনে দাগ কাটে, তবে তা কাটবেই, এবং তখন মানুষ স্বাভাবিকভাবেই জানতে আগ্রহী হবে যে আপনি সেই লক্ষ্যে কীভাবে পৌঁছালেন। আপনি কীভাবে সেখানে পৌঁছাচ্ছেন, তা নিয়ে ভাবার কোনো অবকাশ নেই। ** [https://vman.com/article/timothee-chalamet-frank-ocean/ "থ্রোব্যাক থার্সডে: ফ্র্যাঙ্ক ওশান টিমথি শালামের সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন" VMAN39-এ] (১৬ এপ্রিল ২০২০) * আমার পৃথিবীটা ওলটপালট হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিলে সবকিছু আগের মতোই মনে হতে পারত। আমি এই দুটো বাস্তবতাকে মেলানোর চেষ্টা করছিলাম। কিন্তু আমার মনে হয় না আমি নিজেও জানতাম যে আমি ঠিক এটাই করছিলাম। সেই অমিলটা ছিল বাস্তব। আর ঈশ্বরকে ধন্যবাদ। কারণ আমার মনে হয়, যদি আমি সাথে সাথেই ব্যাপারটা ধরে ফেলতাম, তাহলে আমি হয়তো একজন সাইকোপ্যাথ বা ওই জাতীয় কিছু হয়ে যেতাম। ** [https://www.gq.com/story/timothee-chalamet-november-2020-cover-profile "টিমথি শালামের গড়ে ওঠা (এবং পুনর্নির্মাণ)" জিকিউ ম্যাগাজিনে] (১৫ অক্টোবর ২০২০) * আমাদের রাজনৈতিক ও সামাজিক বর্তমান যতই বিশৃঙ্খল হোক না কেন, আমি এখন বেঁচে থেকে সন্তুষ্ট। আমার মনে হয়, আপনি যেই হোন না কেন, যখন অতীতের রোমান্টিকতায় প্রলুব্ধ হন, তখন ভুলে যান যে তার কতটা অংশই কতটা বিশৃঙ্খল ছিল। স্বাস্থ্যসেবার শোচনীয় অবস্থাকে একটি মামুলি উদাহরণ হিসেবে নিন। অথবা, আরও গুরুতরভাবে নাগরিক অধিকার আন্দোলনের আগে (এবং সেই সাথে তার পরেও) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কেমন ছিল। ** [https://www.documentjournal.com/2020/12/timothee-chalamet-interview-the-role-of-the-artist-during-social-unrest-and-dune-sci-fi-futures/ "সামাজিক অস্থিরতার সময়ে শিল্পীর ভূমিকা এবং কীভাবে কল্পবিজ্ঞানভিত্তিক ভবিষ্যৎ আমাদের চারপাশের বিশ্বকে ব্যাখ্যা করতে পারে" ডকুমেন্ট জার্নালে] (ডিসেম্বর ২০২০) * একজন তরুণ অভিনেতার দৃষ্টিকোণ থেকে যেকোনো চলচ্চিত্রতেই আপনি নতুন কিছু দক্ষতা অর্জন করেন। ড্রামা হাই স্কুল থেকে আমার মাত্র ছয় বছর বাকি। তেইশ বা চব্বিশ বছর বয়সে আপনি প্রতিদিন নতুন কিছু শিখছেন। সত্যি বলতে, আমি ভাগ্যবান ছিলাম যে আগে থেকে কোনো অভিনেতাকে চিনতাম না। চলচ্চিত্রটিকে দুর্দান্ত করে তোলার একটা সম্মিলিত গোপন উদ্দেশ্য ছিল। এটা ভালো লেগেছিল। সবকিছুকে ব্যবহারিক হতে হবে। শিল্প ও সৃজনশীলতার কাছে যাওয়ার এটাই সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর উপায়, জানেন তো। কোনো অহংবোধ নেই। ** [https://www.empireonline.com/movies/features/timothee-chalamet-dune-interview/ "টিমথি শালামে অন ডিউন: ‘আই ফেল্ট এ ডিপ ডিজায়ার টু বি ইনভলভড’" -এম্পায়ার] (২৪ আগস্ট ২০২১) * আমি সেইসব মানুষদের প্রশংসা করি, এবং আমি নিজেও এটা করেছি, যারা টক শো-তে গিয়ে বলেন, ‘আরে, আমাদের সিনেমা হলগুলোকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে, আমাদের এই ধারাটিকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে,’ এবং আমার মনের আরেকটা অংশ মনে করে যে, মানুষ যদি [[বার্বি (চলচ্চিত্র)|বার্বি]] বা [[অপেনহাইমার (চলচ্চিত্র)|অপেনহাইমারের]] মতো কিছু দেখতে চায়, তাহলে তারা তা দেখতে যাবে এবং সেটার ব্যাপারে সোচ্চার ও গর্বিত হতে উঠেপড়ে লাগবে। আমি ব্যালে, অপেরা বা এমন কোনো কিছুতে কাজ করতে চাই না, যেখানে বলা হয়, ‘আরে, এই জিনিসটাকে বাঁচিয়ে রাখো, যদিও এখন আর কেউ এটা নিয়ে মাথা ঘামায় না।’ ব্যালে এবং অপেরার সাথে জড়িত সকলের প্রতি আমার পূর্ণ শ্রদ্ধা। আমি এইমাত্র দর্শকসংখ্যায় ১৪ সেন্ট হারালাম। আমি অকারণেই কটাক্ষের শিকার হলাম। ** [https://people.com/timothee-chalamet-faces-backlash-after-saying-no-one-cares-about-ballet-and-opera-11920142 ব্যালে এবং অপেরা নিয়ে ‘কেউ মাথা ঘামায় না’ বলার পর সমালোচনার মুখে টিমথি শালামে] (৫ মার্চ ২০২৬) == টিমথি শালামে সম্পর্কে উক্তি == * ক্যামেরার সামনে তিনি যেন এক ওঝা, যেখানে মনে হয় তার পেছনে থাকা কোনো শক্তি হঠাৎ করেই জেগে ওঠে। আমি ক্যামেরার পেছনে নাচছিলাম। আমার মনে হয়, আমার চোখে জল এসে গিয়েছিল। ** {{w|দ্যনি ভিলনোভ}}, চলচ্চিত্র পরিচালক, [https://etcanada.com/news/819921/denis-villeneuve-had-tears-in-my-eyes-watching-timothee-chalamets-performance-in-dune/ "টিমথি শালামের 'ডিউন'-এর অভিনয় দেখে দ্যনি ভিলনোভের চোখে জল এসে গিয়েছিল", ইটি কানাডা] (১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১) == বহিঃসংযোগ == [[বিষয়শ্রেণী:১৯৯৫-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অভিনেতা]] d9biipiipvqsi8x038ocgy7dff1gilh 79906 79905 2026-04-23T06:33:05Z Tanbiruzzaman 806 /* বহিঃসংযোগ */ 79906 wikitext text/x-wiki [[File:Timothée Chalamet 2017 Berlinale.jpg|thumb|২০১৭ সালে টিমথি শালামে]] '''{{w|টিমথি শালামে}}''' (জন্ম ২৭ ডিসেম্বর, ১৯৯৫) একজন আমেরিকান অভিনেতা। তিনি তার কর্মজীবনে বেশ কিছু সম্মাননা পেয়েছেন, যার মধ্যে রয়েছে একটি {{w|একাডেমি পুরস্কার}}ের মনোনয়ন, তিনটি {{w|ব্রিটিশ অ্যাকাডেমি চলচ্চিত্র পুরস্কার}}, দুটি {{w|গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার}}, চারটি {{w|অ্যাক্টর পুরস্কার}} এবং চারটি {{w|ক্রিটিকস চয়েস চলচ্চিত্র পুরস্কার}}। শালামে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র এবং বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে তার অভিনয় জীবন শুরু করেন এবং ২০১২ সালে টেলিভিশন ড্রামা সিরিজ ''হোমল্যান্ড''-এ অভিনয় করেন। দুই বছর পর তিনি কমেডি-ড্রামা ''মেন, ওমেন অ্যান্ড চিলড্রেন''-এর মাধ্যমে পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে আত্মপ্রকাশ করেন এবং পরবর্তীতে সাইন্স-ফিকশন চলচ্চিত্র ''{{w|ইন্টারস্টেলার (চলচ্চিত্র)|ইন্টারস্টেলার}}''-এ অভিনয় করেন। শালামের সাফল্য আসে ২০১৭ সালে লুকা গুয়াডাগনিনোর বয়ঃসন্ধিকালীন রোমান্টিক ড্রামা ''{{w|কল মি বাই ইয়োর নেম (চলচ্চিত্র)|কল মি বাই ইয়োর নেম}}''-এ এলিও পার্লম্যান চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে। এরপর তিনি ''হট সামার নাইটস'' ও ''{{w|লেডি বার্ড (চলচ্চিত্র)|লেডি বার্ড}}''-এর মতো বয়ঃসন্ধিকালীন চলচ্চিত্রের পাশাপাশি ওয়েস্টার্ন চলচ্চিত্র ''হোস্টাইলস''-এ অভিনয় করেন। ''কল মি বাই ইয়োর নেম''-এ তার অভিনয়ের জন্য তিনি {{w|শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে একাডেমি পুরস্কার|শ্রেষ্ঠ অভিনেতা}} হিসেবে একাডেমি অ্যাওয়ার্ডের মনোনয়ন লাভ করেন। ২২ বছর বয়সে, এটি তাকে এই বিভাগে তৃতীয়-কনিষ্ঠতম মনোনীত ব্যক্তি করে তোলে। এরপর তিনি আত্মজীবনীমূলক ড্রামা ''বিউটিফুল বয়'' (২০১৮)-এ নিক শেফের ভূমিকায় অভিনয় করেন, যার জন্য তিনি {{W|চলচ্চিত্রে শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেতা বিভাগে গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার|গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার}}, {{w|পার্শ্ব চরিত্রে অভিনেতার সেরা অভিনয় বিভাগে অ্যাক্টর পুরস্কার|অ্যাক্টর পুরস্কার}} এবং {{w|শ্রেষ্ঠ পার্শ্বচরিত্রে অভিনেতা বিভাগে বাফটা পুরস্কার|বাফটা পুরস্কারের}} জন্য মনোনীত হন। ২০১৯ সালে, শালামে পিরিয়ড ড্রামা ''দ্য কিং'' এবং ''লিটল ওমেন''-এ যথাক্রমে ইংল্যান্ডের পঞ্চম হেনরি এবং থিওডোর "লরি" লরেন্সের ভূমিকায় অভিনয় করেন। তিনি {{w|দ্যনি ভিলনোভ}}ের ডিউন ত্রয়ী ''{{w|ডিউন (২০২১-এর চলচ্চিত্র)|ডিউন}}'', ''{{w|ডিউন: পার্ট ২}}'' এবং ''{{w|ডিউন: পার্ট ৩}}''-এ পল অ্যাট্রিডিসের প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন। == উক্তি == * আমার প্রায়ই মনে হয়, প্রকৃত চুম্বন বা যৌন দৃশ্যের শারীরিক কৌশলের বিপরীতে স্পর্শের অভাবে মধ্যকার রসায়নটা আরও বেশি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ** [https://www.gq-magazine.co.uk/article/armie-hammer-timothee-chalamet-interview ''জিকিউ ম্যাগাজিনে'' "বন্ধুত্ব, অস্কার এবং সেই পীচ ফলের দৃশ্য নিয়ে টিমোথি শালামে ও আর্মি হ্যামারের ভাষ্য"] (১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৭) * আমি আমার বাবা-মাকে শুধু বলেছিলাম যে আমি একা যাচ্ছি। আমার বরাবরই মনে হয়েছে যে অভিভাবক থাকলে সেটে সৃজনশীলতার সুযোগ কম থাকে। তাই অল্প বয়সেই আমি স্বাধীন অনুভব করতাম। ** [https://webcache.googleusercontent.com/search?q=cache:cjt5QVEK718J:https://www.latimes.com/entertainment/movies/la-ca-mn-timothee-chalamet-call-me-by-your-name-20171116-story.html+&cd=55&hl=en&ct=clnk&gl=us "কল মি বাই ইয়োর নেম’ এবং ‘লেডি বার্ড’ দিয়ে টিমোথি শালামে হলিউডের পরবর্তী বড় তারকা" - ''লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস''] (১৭ নভেম্বর ২০১৭) * এটা চাপ কিনা জানি না, তবে আমি এটাকে একটা দায়িত্ব বলে মনে করি। আমি স্টিভ ক্যারেলের সাথে এই বিষয়ে কথা বলছিলাম যে, আগের প্রজন্মগুলোর মধ্যে একটা সাধারণ আত্মতুষ্টি ছিল যে সবকিছু বেশ ভালোভাবেই চলছিল, আর সেটাই ঝুঁকির মাত্রা অনেক বাড়িয়ে দিয়েছিল। আমাদের বয়সের মানুষেরা এখন অনেক বেশি সম্পৃক্ত, এবং আমি মনে করি এটা একটা ভালো দিক। ** [https://www.highsnobiety.com/p/harry-styles-timothee-chalamet-id-interview/ ''হাইস্নোবিয়েটিতে'' "খ্যাতি, পৌরুষ এবং পীচ খাওয়া নিয়ে টিমথি শালামের সাক্ষাৎকার নিলেন হ্যারি স্টাইলস"] (২০১৮) * তিনি এমন একজন যার সান্নিধ্যে থাকতে ইচ্ছে করে। তিনি এমন একজন যার সাথে কথা বলতে ইচ্ছে করে। তিনি একজন অত্যন্ত নিবেদিতপ্রাণ অভিনেতা এবং নিজের কাজকে গুরুত্বের সাথে নেন, কিন্তু একই সাথে তিনি পুরোপুরি খোলামেলা। ** স্টিভ ক্যারেল, অভিনেতা, [https://www.boston.com/culture/entertainment/2018/10/10/steve-carell-and-timothee-chalamet-on-bonding-for-the-film-beautiful-boy/ "Boston.com"-এ প্রকাশিত "বিউটিফুল বয়" চলচ্চিত্রে স্টিভ ক্যারেল ও টিমথি শালামের মধ্যকার বন্ধন নিয়ে আলোচনা] (১০ অক্টোবর ২০১৮) * আমার মনে হয় এটা ন্যায্য, মানে, আমি জানি না এটা ন্যায্য কি না, তবে আমার মনে হয় প্রত্যেকের নিজস্ব প্রতিক্রিয়া দেখানোর অধিকার আছে। ** [https://www.theguardian.com/film/2018/dec/13/steve-carell-and-timothee-chalamet-on-drugs-disillusionment-and-playing-father-and-son "দ্য গার্ডিয়ান"-এ প্রকাশিত "মাদক, মোহভঙ্গ এবং বাবা-ছেলের চরিত্রে অভিনয় প্রসঙ্গে স্টিভ ক্যারেল ও টিমথি শালামে"] (১৩ ডিসেম্বর ২০১৮) * আমার মনে হয়, অস্কারের মনোনয়ন সুযোগের দরজা খুলে দেয়। চলচ্চিত্রটির পর থেকে আমি সৌভাগ্যক্রমে কিছু অসাধারণ চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ পেয়েছি। এর পেছনে মনোনয়নের কোনো ভূমিকা ছিল কি না, তা আমি জানি না; আমি শুধু এটুকু জানি যে, আমি যে কাজগুলো পাচ্ছি তার জন্য আমি অত্যন্ত কৃতজ্ঞ। ** [https://www.silverkris.com/interview-timothee-chalamet/ "সাক্ষাৎকার: তরুণ হলিউড অভিনেতা হিসেবে টিমথি শালামে", ''সিলভারক্রিস''] (১৩ ডিসেম্বর ২০১৯) * সারাজীবন আমি টিমি ছিলাম, কিন্তু বয়স বাড়ার সাথে সাথে মনে হলো টিমি নামটা যেন আমাকে তরুণ করে তুলছে, তাই তখন থেকে আমার নাম টিমথি। আমি টিমো আর টিমও চেষ্টা করেছিলাম। আসল উচ্চারণটা হলো টিমো-তে, কিন্তু আমি লোকেদের আমাকে ওই নামে ডাকতে বলতে পারি না; এটা কেমন যেন ভড়ং মনে হয়। ** [https://vman.com/article/timothee-chalamet-frank-ocean/ "থ্রোব্যাক থার্সডে: ফ্র্যাঙ্ক ওশান টিমথি শালামের সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন" VMAN39-এ] (১৬ এপ্রিল ২০২০) * আমি অত্যন্ত সতর্ক থাকার চেষ্টা করি। বিপদটা হলো, আপনি ক্যামেরার সামনের ঘটনার চেয়ে ক্যামেরার পেছনের ঘটনার দিকেই বেশি মনোযোগ দিয়ে ফেলতে পারেন। শুধু বিনোদনের জন্য বিনোদন দেওয়াটা ঠিক নয়। কাজটা কাজই হওয়া উচিত। যদি তা মানুষের মনে দাগ কাটে, তবে তা কাটবেই, এবং তখন মানুষ স্বাভাবিকভাবেই জানতে আগ্রহী হবে যে আপনি সেই লক্ষ্যে কীভাবে পৌঁছালেন। আপনি কীভাবে সেখানে পৌঁছাচ্ছেন, তা নিয়ে ভাবার কোনো অবকাশ নেই। ** [https://vman.com/article/timothee-chalamet-frank-ocean/ "থ্রোব্যাক থার্সডে: ফ্র্যাঙ্ক ওশান টিমথি শালামের সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন" VMAN39-এ] (১৬ এপ্রিল ২০২০) * আমার পৃথিবীটা ওলটপালট হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিলে সবকিছু আগের মতোই মনে হতে পারত। আমি এই দুটো বাস্তবতাকে মেলানোর চেষ্টা করছিলাম। কিন্তু আমার মনে হয় না আমি নিজেও জানতাম যে আমি ঠিক এটাই করছিলাম। সেই অমিলটা ছিল বাস্তব। আর ঈশ্বরকে ধন্যবাদ। কারণ আমার মনে হয়, যদি আমি সাথে সাথেই ব্যাপারটা ধরে ফেলতাম, তাহলে আমি হয়তো একজন সাইকোপ্যাথ বা ওই জাতীয় কিছু হয়ে যেতাম। ** [https://www.gq.com/story/timothee-chalamet-november-2020-cover-profile "টিমথি শালামের গড়ে ওঠা (এবং পুনর্নির্মাণ)" জিকিউ ম্যাগাজিনে] (১৫ অক্টোবর ২০২০) * আমাদের রাজনৈতিক ও সামাজিক বর্তমান যতই বিশৃঙ্খল হোক না কেন, আমি এখন বেঁচে থেকে সন্তুষ্ট। আমার মনে হয়, আপনি যেই হোন না কেন, যখন অতীতের রোমান্টিকতায় প্রলুব্ধ হন, তখন ভুলে যান যে তার কতটা অংশই কতটা বিশৃঙ্খল ছিল। স্বাস্থ্যসেবার শোচনীয় অবস্থাকে একটি মামুলি উদাহরণ হিসেবে নিন। অথবা, আরও গুরুতরভাবে নাগরিক অধিকার আন্দোলনের আগে (এবং সেই সাথে তার পরেও) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কেমন ছিল। ** [https://www.documentjournal.com/2020/12/timothee-chalamet-interview-the-role-of-the-artist-during-social-unrest-and-dune-sci-fi-futures/ "সামাজিক অস্থিরতার সময়ে শিল্পীর ভূমিকা এবং কীভাবে কল্পবিজ্ঞানভিত্তিক ভবিষ্যৎ আমাদের চারপাশের বিশ্বকে ব্যাখ্যা করতে পারে" ডকুমেন্ট জার্নালে] (ডিসেম্বর ২০২০) * একজন তরুণ অভিনেতার দৃষ্টিকোণ থেকে যেকোনো চলচ্চিত্রতেই আপনি নতুন কিছু দক্ষতা অর্জন করেন। ড্রামা হাই স্কুল থেকে আমার মাত্র ছয় বছর বাকি। তেইশ বা চব্বিশ বছর বয়সে আপনি প্রতিদিন নতুন কিছু শিখছেন। সত্যি বলতে, আমি ভাগ্যবান ছিলাম যে আগে থেকে কোনো অভিনেতাকে চিনতাম না। চলচ্চিত্রটিকে দুর্দান্ত করে তোলার একটা সম্মিলিত গোপন উদ্দেশ্য ছিল। এটা ভালো লেগেছিল। সবকিছুকে ব্যবহারিক হতে হবে। শিল্প ও সৃজনশীলতার কাছে যাওয়ার এটাই সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর উপায়, জানেন তো। কোনো অহংবোধ নেই। ** [https://www.empireonline.com/movies/features/timothee-chalamet-dune-interview/ "টিমথি শালামে অন ডিউন: ‘আই ফেল্ট এ ডিপ ডিজায়ার টু বি ইনভলভড’" -এম্পায়ার] (২৪ আগস্ট ২০২১) * আমি সেইসব মানুষদের প্রশংসা করি, এবং আমি নিজেও এটা করেছি, যারা টক শো-তে গিয়ে বলেন, ‘আরে, আমাদের সিনেমা হলগুলোকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে, আমাদের এই ধারাটিকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে,’ এবং আমার মনের আরেকটা অংশ মনে করে যে, মানুষ যদি [[বার্বি (চলচ্চিত্র)|বার্বি]] বা [[অপেনহাইমার (চলচ্চিত্র)|অপেনহাইমারের]] মতো কিছু দেখতে চায়, তাহলে তারা তা দেখতে যাবে এবং সেটার ব্যাপারে সোচ্চার ও গর্বিত হতে উঠেপড়ে লাগবে। আমি ব্যালে, অপেরা বা এমন কোনো কিছুতে কাজ করতে চাই না, যেখানে বলা হয়, ‘আরে, এই জিনিসটাকে বাঁচিয়ে রাখো, যদিও এখন আর কেউ এটা নিয়ে মাথা ঘামায় না।’ ব্যালে এবং অপেরার সাথে জড়িত সকলের প্রতি আমার পূর্ণ শ্রদ্ধা। আমি এইমাত্র দর্শকসংখ্যায় ১৪ সেন্ট হারালাম। আমি অকারণেই কটাক্ষের শিকার হলাম। ** [https://people.com/timothee-chalamet-faces-backlash-after-saying-no-one-cares-about-ballet-and-opera-11920142 ব্যালে এবং অপেরা নিয়ে ‘কেউ মাথা ঘামায় না’ বলার পর সমালোচনার মুখে টিমথি শালামে] (৫ মার্চ ২০২৬) == টিমথি শালামে সম্পর্কে উক্তি == * ক্যামেরার সামনে তিনি যেন এক ওঝা, যেখানে মনে হয় তার পেছনে থাকা কোনো শক্তি হঠাৎ করেই জেগে ওঠে। আমি ক্যামেরার পেছনে নাচছিলাম। আমার মনে হয়, আমার চোখে জল এসে গিয়েছিল। ** {{w|দ্যনি ভিলনোভ}}, চলচ্চিত্র পরিচালক, [https://etcanada.com/news/819921/denis-villeneuve-had-tears-in-my-eyes-watching-timothee-chalamets-performance-in-dune/ "টিমথি শালামের 'ডিউন'-এর অভিনয় দেখে দ্যনি ভিলনোভের চোখে জল এসে গিয়েছিল", ইটি কানাডা] (১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১) == বহিঃসংযোগ == *{{wikipedia-inline}} *{{commonscat-inline}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৯৫-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অভিনেতা]] 74a9rwp9ku6ogmqvk493e02x6dlhujp 79908 79906 2026-04-23T06:36:37Z Tanbiruzzaman 806 /* বহিঃসংযোগ */ 79908 wikitext text/x-wiki [[File:Timothée Chalamet 2017 Berlinale.jpg|thumb|২০১৭ সালে টিমথি শালামে]] '''{{w|টিমথি শালামে}}''' (জন্ম ২৭ ডিসেম্বর, ১৯৯৫) একজন আমেরিকান অভিনেতা। তিনি তার কর্মজীবনে বেশ কিছু সম্মাননা পেয়েছেন, যার মধ্যে রয়েছে একটি {{w|একাডেমি পুরস্কার}}ের মনোনয়ন, তিনটি {{w|ব্রিটিশ অ্যাকাডেমি চলচ্চিত্র পুরস্কার}}, দুটি {{w|গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার}}, চারটি {{w|অ্যাক্টর পুরস্কার}} এবং চারটি {{w|ক্রিটিকস চয়েস চলচ্চিত্র পুরস্কার}}। শালামে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র এবং বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে তার অভিনয় জীবন শুরু করেন এবং ২০১২ সালে টেলিভিশন ড্রামা সিরিজ ''হোমল্যান্ড''-এ অভিনয় করেন। দুই বছর পর তিনি কমেডি-ড্রামা ''মেন, ওমেন অ্যান্ড চিলড্রেন''-এর মাধ্যমে পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে আত্মপ্রকাশ করেন এবং পরবর্তীতে সাইন্স-ফিকশন চলচ্চিত্র ''{{w|ইন্টারস্টেলার (চলচ্চিত্র)|ইন্টারস্টেলার}}''-এ অভিনয় করেন। শালামের সাফল্য আসে ২০১৭ সালে লুকা গুয়াডাগনিনোর বয়ঃসন্ধিকালীন রোমান্টিক ড্রামা ''{{w|কল মি বাই ইয়োর নেম (চলচ্চিত্র)|কল মি বাই ইয়োর নেম}}''-এ এলিও পার্লম্যান চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে। এরপর তিনি ''হট সামার নাইটস'' ও ''{{w|লেডি বার্ড (চলচ্চিত্র)|লেডি বার্ড}}''-এর মতো বয়ঃসন্ধিকালীন চলচ্চিত্রের পাশাপাশি ওয়েস্টার্ন চলচ্চিত্র ''হোস্টাইলস''-এ অভিনয় করেন। ''কল মি বাই ইয়োর নেম''-এ তার অভিনয়ের জন্য তিনি {{w|শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে একাডেমি পুরস্কার|শ্রেষ্ঠ অভিনেতা}} হিসেবে একাডেমি অ্যাওয়ার্ডের মনোনয়ন লাভ করেন। ২২ বছর বয়সে, এটি তাকে এই বিভাগে তৃতীয়-কনিষ্ঠতম মনোনীত ব্যক্তি করে তোলে। এরপর তিনি আত্মজীবনীমূলক ড্রামা ''বিউটিফুল বয়'' (২০১৮)-এ নিক শেফের ভূমিকায় অভিনয় করেন, যার জন্য তিনি {{W|চলচ্চিত্রে শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেতা বিভাগে গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার|গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার}}, {{w|পার্শ্ব চরিত্রে অভিনেতার সেরা অভিনয় বিভাগে অ্যাক্টর পুরস্কার|অ্যাক্টর পুরস্কার}} এবং {{w|শ্রেষ্ঠ পার্শ্বচরিত্রে অভিনেতা বিভাগে বাফটা পুরস্কার|বাফটা পুরস্কারের}} জন্য মনোনীত হন। ২০১৯ সালে, শালামে পিরিয়ড ড্রামা ''দ্য কিং'' এবং ''লিটল ওমেন''-এ যথাক্রমে ইংল্যান্ডের পঞ্চম হেনরি এবং থিওডোর "লরি" লরেন্সের ভূমিকায় অভিনয় করেন। তিনি {{w|দ্যনি ভিলনোভ}}ের ডিউন ত্রয়ী ''{{w|ডিউন (২০২১-এর চলচ্চিত্র)|ডিউন}}'', ''{{w|ডিউন: পার্ট ২}}'' এবং ''{{w|ডিউন: পার্ট ৩}}''-এ পল অ্যাট্রিডিসের প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন। == উক্তি == * আমার প্রায়ই মনে হয়, প্রকৃত চুম্বন বা যৌন দৃশ্যের শারীরিক কৌশলের বিপরীতে স্পর্শের অভাবে মধ্যকার রসায়নটা আরও বেশি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ** [https://www.gq-magazine.co.uk/article/armie-hammer-timothee-chalamet-interview ''জিকিউ ম্যাগাজিনে'' "বন্ধুত্ব, অস্কার এবং সেই পীচ ফলের দৃশ্য নিয়ে টিমোথি শালামে ও আর্মি হ্যামারের ভাষ্য"] (১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৭) * আমি আমার বাবা-মাকে শুধু বলেছিলাম যে আমি একা যাচ্ছি। আমার বরাবরই মনে হয়েছে যে অভিভাবক থাকলে সেটে সৃজনশীলতার সুযোগ কম থাকে। তাই অল্প বয়সেই আমি স্বাধীন অনুভব করতাম। ** [https://webcache.googleusercontent.com/search?q=cache:cjt5QVEK718J:https://www.latimes.com/entertainment/movies/la-ca-mn-timothee-chalamet-call-me-by-your-name-20171116-story.html+&cd=55&hl=en&ct=clnk&gl=us "কল মি বাই ইয়োর নেম’ এবং ‘লেডি বার্ড’ দিয়ে টিমোথি শালামে হলিউডের পরবর্তী বড় তারকা" - ''লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস''] (১৭ নভেম্বর ২০১৭) * এটা চাপ কিনা জানি না, তবে আমি এটাকে একটা দায়িত্ব বলে মনে করি। আমি স্টিভ ক্যারেলের সাথে এই বিষয়ে কথা বলছিলাম যে, আগের প্রজন্মগুলোর মধ্যে একটা সাধারণ আত্মতুষ্টি ছিল যে সবকিছু বেশ ভালোভাবেই চলছিল, আর সেটাই ঝুঁকির মাত্রা অনেক বাড়িয়ে দিয়েছিল। আমাদের বয়সের মানুষেরা এখন অনেক বেশি সম্পৃক্ত, এবং আমি মনে করি এটা একটা ভালো দিক। ** [https://www.highsnobiety.com/p/harry-styles-timothee-chalamet-id-interview/ ''হাইস্নোবিয়েটিতে'' "খ্যাতি, পৌরুষ এবং পীচ খাওয়া নিয়ে টিমথি শালামের সাক্ষাৎকার নিলেন হ্যারি স্টাইলস"] (২০১৮) * তিনি এমন একজন যার সান্নিধ্যে থাকতে ইচ্ছে করে। তিনি এমন একজন যার সাথে কথা বলতে ইচ্ছে করে। তিনি একজন অত্যন্ত নিবেদিতপ্রাণ অভিনেতা এবং নিজের কাজকে গুরুত্বের সাথে নেন, কিন্তু একই সাথে তিনি পুরোপুরি খোলামেলা। ** স্টিভ ক্যারেল, অভিনেতা, [https://www.boston.com/culture/entertainment/2018/10/10/steve-carell-and-timothee-chalamet-on-bonding-for-the-film-beautiful-boy/ "Boston.com"-এ প্রকাশিত "বিউটিফুল বয়" চলচ্চিত্রে স্টিভ ক্যারেল ও টিমথি শালামের মধ্যকার বন্ধন নিয়ে আলোচনা] (১০ অক্টোবর ২০১৮) * আমার মনে হয় এটা ন্যায্য, মানে, আমি জানি না এটা ন্যায্য কি না, তবে আমার মনে হয় প্রত্যেকের নিজস্ব প্রতিক্রিয়া দেখানোর অধিকার আছে। ** [https://www.theguardian.com/film/2018/dec/13/steve-carell-and-timothee-chalamet-on-drugs-disillusionment-and-playing-father-and-son "দ্য গার্ডিয়ান"-এ প্রকাশিত "মাদক, মোহভঙ্গ এবং বাবা-ছেলের চরিত্রে অভিনয় প্রসঙ্গে স্টিভ ক্যারেল ও টিমথি শালামে"] (১৩ ডিসেম্বর ২০১৮) * আমার মনে হয়, অস্কারের মনোনয়ন সুযোগের দরজা খুলে দেয়। চলচ্চিত্রটির পর থেকে আমি সৌভাগ্যক্রমে কিছু অসাধারণ চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ পেয়েছি। এর পেছনে মনোনয়নের কোনো ভূমিকা ছিল কি না, তা আমি জানি না; আমি শুধু এটুকু জানি যে, আমি যে কাজগুলো পাচ্ছি তার জন্য আমি অত্যন্ত কৃতজ্ঞ। ** [https://www.silverkris.com/interview-timothee-chalamet/ "সাক্ষাৎকার: তরুণ হলিউড অভিনেতা হিসেবে টিমথি শালামে", ''সিলভারক্রিস''] (১৩ ডিসেম্বর ২০১৯) * সারাজীবন আমি টিমি ছিলাম, কিন্তু বয়স বাড়ার সাথে সাথে মনে হলো টিমি নামটা যেন আমাকে তরুণ করে তুলছে, তাই তখন থেকে আমার নাম টিমথি। আমি টিমো আর টিমও চেষ্টা করেছিলাম। আসল উচ্চারণটা হলো টিমো-তে, কিন্তু আমি লোকেদের আমাকে ওই নামে ডাকতে বলতে পারি না; এটা কেমন যেন ভড়ং মনে হয়। ** [https://vman.com/article/timothee-chalamet-frank-ocean/ "থ্রোব্যাক থার্সডে: ফ্র্যাঙ্ক ওশান টিমথি শালামের সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন" VMAN39-এ] (১৬ এপ্রিল ২০২০) * আমি অত্যন্ত সতর্ক থাকার চেষ্টা করি। বিপদটা হলো, আপনি ক্যামেরার সামনের ঘটনার চেয়ে ক্যামেরার পেছনের ঘটনার দিকেই বেশি মনোযোগ দিয়ে ফেলতে পারেন। শুধু বিনোদনের জন্য বিনোদন দেওয়াটা ঠিক নয়। কাজটা কাজই হওয়া উচিত। যদি তা মানুষের মনে দাগ কাটে, তবে তা কাটবেই, এবং তখন মানুষ স্বাভাবিকভাবেই জানতে আগ্রহী হবে যে আপনি সেই লক্ষ্যে কীভাবে পৌঁছালেন। আপনি কীভাবে সেখানে পৌঁছাচ্ছেন, তা নিয়ে ভাবার কোনো অবকাশ নেই। ** [https://vman.com/article/timothee-chalamet-frank-ocean/ "থ্রোব্যাক থার্সডে: ফ্র্যাঙ্ক ওশান টিমথি শালামের সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন" VMAN39-এ] (১৬ এপ্রিল ২০২০) * আমার পৃথিবীটা ওলটপালট হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিলে সবকিছু আগের মতোই মনে হতে পারত। আমি এই দুটো বাস্তবতাকে মেলানোর চেষ্টা করছিলাম। কিন্তু আমার মনে হয় না আমি নিজেও জানতাম যে আমি ঠিক এটাই করছিলাম। সেই অমিলটা ছিল বাস্তব। আর ঈশ্বরকে ধন্যবাদ। কারণ আমার মনে হয়, যদি আমি সাথে সাথেই ব্যাপারটা ধরে ফেলতাম, তাহলে আমি হয়তো একজন সাইকোপ্যাথ বা ওই জাতীয় কিছু হয়ে যেতাম। ** [https://www.gq.com/story/timothee-chalamet-november-2020-cover-profile "টিমথি শালামের গড়ে ওঠা (এবং পুনর্নির্মাণ)" জিকিউ ম্যাগাজিনে] (১৫ অক্টোবর ২০২০) * আমাদের রাজনৈতিক ও সামাজিক বর্তমান যতই বিশৃঙ্খল হোক না কেন, আমি এখন বেঁচে থেকে সন্তুষ্ট। আমার মনে হয়, আপনি যেই হোন না কেন, যখন অতীতের রোমান্টিকতায় প্রলুব্ধ হন, তখন ভুলে যান যে তার কতটা অংশই কতটা বিশৃঙ্খল ছিল। স্বাস্থ্যসেবার শোচনীয় অবস্থাকে একটি মামুলি উদাহরণ হিসেবে নিন। অথবা, আরও গুরুতরভাবে নাগরিক অধিকার আন্দোলনের আগে (এবং সেই সাথে তার পরেও) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কেমন ছিল। ** [https://www.documentjournal.com/2020/12/timothee-chalamet-interview-the-role-of-the-artist-during-social-unrest-and-dune-sci-fi-futures/ "সামাজিক অস্থিরতার সময়ে শিল্পীর ভূমিকা এবং কীভাবে কল্পবিজ্ঞানভিত্তিক ভবিষ্যৎ আমাদের চারপাশের বিশ্বকে ব্যাখ্যা করতে পারে" ডকুমেন্ট জার্নালে] (ডিসেম্বর ২০২০) * একজন তরুণ অভিনেতার দৃষ্টিকোণ থেকে যেকোনো চলচ্চিত্রতেই আপনি নতুন কিছু দক্ষতা অর্জন করেন। ড্রামা হাই স্কুল থেকে আমার মাত্র ছয় বছর বাকি। তেইশ বা চব্বিশ বছর বয়সে আপনি প্রতিদিন নতুন কিছু শিখছেন। সত্যি বলতে, আমি ভাগ্যবান ছিলাম যে আগে থেকে কোনো অভিনেতাকে চিনতাম না। চলচ্চিত্রটিকে দুর্দান্ত করে তোলার একটা সম্মিলিত গোপন উদ্দেশ্য ছিল। এটা ভালো লেগেছিল। সবকিছুকে ব্যবহারিক হতে হবে। শিল্প ও সৃজনশীলতার কাছে যাওয়ার এটাই সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর উপায়, জানেন তো। কোনো অহংবোধ নেই। ** [https://www.empireonline.com/movies/features/timothee-chalamet-dune-interview/ "টিমথি শালামে অন ডিউন: ‘আই ফেল্ট এ ডিপ ডিজায়ার টু বি ইনভলভড’" -এম্পায়ার] (২৪ আগস্ট ২০২১) * আমি সেইসব মানুষদের প্রশংসা করি, এবং আমি নিজেও এটা করেছি, যারা টক শো-তে গিয়ে বলেন, ‘আরে, আমাদের সিনেমা হলগুলোকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে, আমাদের এই ধারাটিকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে,’ এবং আমার মনের আরেকটা অংশ মনে করে যে, মানুষ যদি [[বার্বি (চলচ্চিত্র)|বার্বি]] বা [[অপেনহাইমার (চলচ্চিত্র)|অপেনহাইমারের]] মতো কিছু দেখতে চায়, তাহলে তারা তা দেখতে যাবে এবং সেটার ব্যাপারে সোচ্চার ও গর্বিত হতে উঠেপড়ে লাগবে। আমি ব্যালে, অপেরা বা এমন কোনো কিছুতে কাজ করতে চাই না, যেখানে বলা হয়, ‘আরে, এই জিনিসটাকে বাঁচিয়ে রাখো, যদিও এখন আর কেউ এটা নিয়ে মাথা ঘামায় না।’ ব্যালে এবং অপেরার সাথে জড়িত সকলের প্রতি আমার পূর্ণ শ্রদ্ধা। আমি এইমাত্র দর্শকসংখ্যায় ১৪ সেন্ট হারালাম। আমি অকারণেই কটাক্ষের শিকার হলাম। ** [https://people.com/timothee-chalamet-faces-backlash-after-saying-no-one-cares-about-ballet-and-opera-11920142 ব্যালে এবং অপেরা নিয়ে ‘কেউ মাথা ঘামায় না’ বলার পর সমালোচনার মুখে টিমথি শালামে] (৫ মার্চ ২০২৬) == টিমথি শালামে সম্পর্কে উক্তি == * ক্যামেরার সামনে তিনি যেন এক ওঝা, যেখানে মনে হয় তার পেছনে থাকা কোনো শক্তি হঠাৎ করেই জেগে ওঠে। আমি ক্যামেরার পেছনে নাচছিলাম। আমার মনে হয়, আমার চোখে জল এসে গিয়েছিল। ** {{w|দ্যনি ভিলনোভ}}, চলচ্চিত্র পরিচালক, [https://etcanada.com/news/819921/denis-villeneuve-had-tears-in-my-eyes-watching-timothee-chalamets-performance-in-dune/ "টিমথি শালামের 'ডিউন'-এর অভিনয় দেখে দ্যনি ভিলনোভের চোখে জল এসে গিয়েছিল", ইটি কানাডা] (১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১) == বহিঃসংযোগ == *{{wikipedia-inline}} *{{commonscat-inline|Timothée Chalamet|টিমথি শালামে}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৯৫-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অভিনেতা]] lh9z1gvqstxk0mq7iys8ppvycdabboj ব্যবহারকারী আলাপ:MojahidShaikh1 3 13258 79882 2026-04-23T05:11:53Z MojahidShaikh1 5541 /* রাজনীতির অন্ধকার গলিতে — মোজাহিদ শেখ */ নতুন অনুচ্ছেদ 79882 wikitext text/x-wiki == রাজনীতির অন্ধকার গলিতে — মোজাহিদ শেখ == == ভূমিকা == বাংলাদেশের রাজনীতি নামডা হুনলেই মনে হয় গণতন্ত্রের এক সোনালি স্বপ্ন। কিন্তু পর্দার পিছনে? সেইডা এক ঘুটঘুটা আন্ধারের দুনিয়া। আইসো, সেই আন্ধারের ভিতরে একটু আলো ফেলি, যা চোখে দেহা যায় না, কিন্তু গায়ে লাগে প্রতিদিন। == ১. টেন্ডারবাজি: রক্তের ব্যবসা == ''"রাস্তা বানানোর ঠিকা পাইতে হইলে,আগে ভাগ দিতে হইব নেতার থলিতে।"'' খুলনার রাস্তায় হাঁইটলেই বুঝবা — এই রাস্তা তিনবার বানানো হইছে, তিনবারই ভাইঙ্গা গেছে। কারণ ঠিকা পাইছে নেতার ভাইপো, সিমেন্টের বদলে ঢাইলছে বালু আর রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি। টেন্ডার মানে কাগজের লড়াই না — টেন্ডার মানে কার লগে কত পার্সেন্ট ভাগ হইব তার হিসাব। এইডা বাংলাদেশের এক চিরন্তন সত্য — উপরে গণতন্ত্র, নিচে কমিশনের রাজত্ব। == ২. ছাত্র রাজনীতি: স্বপ্নের কবর == ''"বই হাতে আইছিলো যে ছেলে,হাতিয়ার হাতে ফিরলো সন্ধেবেলে।"'' হলের সিট পাইতে হইলে দলে নাম লেখাও। ক্যান্টিনে খাইতে হইলে মিছিলে যাও। পরীক্ষায় পাস করতে চাইলে — নেতার পা ধরো। মেধা এইখানে অচল মুদ্রা, পেশিশক্তি এইখানে মূল পুঁজি। যে ছেলে ডাক্তার হইতে আইছিলো, সে এখন হল দখলের হাতিয়ার — এইডাই বাংলাদেশের ছাত্র রাজনীতির কালো সত্য। == ৩. চাঁদাবাজি: অদৃশ্য ট্যাক্স == ''"ব্যবসা করবা? আগে মাসোহারা দাও।নাইলে দোকান বন্ধ, ঘরে যাও।"'' খুলনার নিউমার্কেটের দোকানদার জানে — মাসের শুরুতে দুইটা খাম বানাইতে হয়। একটা সরকারের ট্যাক্স, আরেকটা স্থানীয় নেতার "সেবা ফি"। এই চাঁদা কোনো রশিদ ছাড়া যায়, কোনো হিসাব ছাড়া আসে। কিন্তু না দিলে — আগুন লাগে দোকানে, বা হাত-পা ভাঙে রাস্তায়। এইডা বাংলাদেশের অর্থনীতির এক অলিখিত অধ্যায়। == ৪. নির্বাচন: নাটকের মঞ্চ == ''"ভোট দিতে গেলাম সকালবেলায়,শুনলাম আমার ভোট পইড়া গেছে রাইতের বেলায়।"'' ব্যালট বাক্স ভরে রাইতে, ভোটার ঘুমায় বাড়িতে। এইডা কোনো রূপকথা না — এইডা বাংলাদেশের নির্বাচনের বাস্তব ইতিহাস। ভোট কেন্দ্রে এজেন্ট থাকে, কিন্তু বিরোধীর এজেন্ট বাইরে থাকে — বাধ্য হইয়া। গণতন্ত্রের উৎসবে, সবচেয়ে বড় অনুপস্থিতি থাকে — জনগণের সত্যিকার রায়। == ৫. কালো টাকা: সাদা পোশাকে == ''"সম্পদের হিসাব দেয় কাগজে,বাড়ি-গাড়ি-ব্যাংক ব্যালেন্স থাকে বিদেশে।"'' একজন সাধারণ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান — বেতন দশ হাজার টাকা, বাড়ি তিনটা, গাড়ি দুইটা, বিদেশে ছেলে পড়ে। এই অঙ্কের হিসাব কেউ মেলাতে পারে না, কারণ হিসাব মেলানোর দায়িত্ব যাদের — তারাও একই অঙ্কের ভিতরে আছে। == ৬. বিচারহীনতার সংস্কৃতি: সবচেয়ে বড় অন্ধকার == ''"খুন হইলে মামলা হয়,মামলা ঘুরতে ঘুরতে বাদী মইরা যায়।"'' বাংলাদেশে রাজনৈতিক সহিংসতায় মরা মানুষের সংখ্যা অগণিত। কিন্তু বিচার পাওয়া মানুষের সংখ্যা — হাতে গোনা। কারণ অভিযুক্ত যদি ক্ষমতাসীন দলের হয়, সাক্ষী হঠাৎ ভুলে যায়, মামলা হঠাৎ দুর্বল হয়, আর বিচারক — তিনিও মানুষ, তাঁরও পরিবার আছে। এই বিচারহীনতাই রাজনৈতিক সহিংসতার জ্বালানি। কারণ সবাই জানে — ক্ষমতা থাকলে পার পাওয়া যায়। == উপসংহার: তবু আশা মরে না == ''"এত আন্ধারের মইধ্যেও,মানুষ ভোর হওয়ার স্বপ্ন দেহে।"'' এই অন্ধকারগুলো কোনো গোপন রহস্য না। রাস্তায় বেরোলেই দেখা যায়, চা-স্টলে বসলেই শোনা যায়। কিন্তু পরিবর্তন আসবে কবে? যেদিন সাধারণ মানুষ ভয় ছাড়া কথা বলতে পারবে, যেদিন ভোট সত্যিকার অর্থে মানুষের হবে, যেদিন মেধা পেশির চেয়ে দামি হবে — সেইদিনই বাংলাদেশের রাজনীতির আসল ভোর হইব। ''— মোজাহিদ শেখ খুলনা, বাংলাদেশ'' [[ব্যবহারকারী:MojahidShaikh1|MojahidShaikh1]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MojahidShaikh1#top|আলাপ]]) ০৫:১১, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) iscvgaycakor9mdtjqha6tubqabe8qg লাভ জিহাদ ষড়যন্ত্র তত্ত্ব 0 13259 79889 2026-04-23T06:09:24Z Tuhin 172 + 79889 wikitext text/x-wiki '''[[w:লাভ জিহাদ|লাভ জিহাদ]]''' (যা '''রোমিও জিহাদ''' নামেও পরিচিত) হলো একটি ইসলামভীতিমূলক [[ষড়যন্ত্র তত্ত্ব]] যা [[হিন্দুত্ব|হিন্দুত্ববাদী]] আদর্শের সমর্থকদের দ্বারা উদ্ভাবিত। এই ষড়যন্ত্র তত্ত্বটি দাবি করে যে, মুসলিম পুরুষরা প্রলোভন, প্রেমের অভিনয়, প্রতারণা, অপহরণ এবং বিবাহের মতো উপায়ে হিন্দু নারীদের [[ইসলামে ধর্মান্তর|ইসলামে ধর্মান্তরিত করার]] লক্ষ্য নির্ধারণ করে। এটি ভারতের বিরুদ্ধে মুসলিমদের একটি বৃহত্তর "যুদ্ধ" এবং জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে আধিপত্য বিস্তারের একটি সংগঠিত আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে দাবি করা হয়। __NOTOC__ {{TOCalpha}} == অ == * ‘লাভ জিহাদ’ প্রচারণাটি অত্যন্ত সযত্নে অতৃপ্ত কামুক মুসলিম পুরুষের মিথ বা কাল্পনিক ধারণাটিকে টিকিয়ে রাখে। এর বিপরীতে হিন্দু নারীদের অসহায় হিসেবে চিত্রিত করা হয় যারা সহজেই প্রলোভনের শিকার হয়। এই বিষাক্ত প্রচারণা তরুণ দম্পতিদের জীবনে বিপর্যয় ডেকে আনছে, যেখানে নারীদের তাদের জীবনসঙ্গী নির্বাচনের অধিকার অস্বীকার করা হচ্ছে। এই সাম্প্রদায়িক কলুষিত পরিবেশে—যেখানে প্রতিটি ভিন্নধর্মী বিবাহকে একটি রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখা হয় এবং হিন্দু মেয়েদের মুসলিম ছেলেদের সংস্পর্শ থেকে ‘পবিত্র’ রাখার জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানো হয়—সেখানে এই ধরণের পরিবেশ তৈরিতে ইন্ধন জোগানো রাজনৈতিক দলটি কি [[w:অভিন্ন দেওয়ানি বিধি|অভিন্ন দেওয়ানি বিধি]] (ইউসিসি) কার্যকর করার প্রচারণার নেতৃত্ব দিতে পারে? ** [[ফ্লাভিয়া অ্যাগনেস]], [https://thewire.in/law/bjp-uniform-civil-code "দ্য মোদি গভর্নমেন্ট'স হিন্দুত্ব আইডিওলজি কুড স্টল অ্যানি প্রগ্রেস অন দ্য ইউনিফর্ম সিভিল কোড"], ''দ্য ওয়্যার'', ৭ জুলাই ২০১৬। * হিন্দুত্ববাদী তাত্ত্বিকদের মতে মুসলিমদের একটি প্রধান পরিকল্পনা হলো “হিন্দু মেয়েদের বিয়ের জন্য প্রলুব্ধ করা, আকর্ষণ করা এবং অপহরণ করা” (পালিওয়াল ২০০৩: ২৪)। ** ''হিন্দু ন্যাশনালিজম ইন ইন্ডিয়া অ্যান্ড দ্য পলিটিক্স অফ ফিয়ার'', ডি. আনন্দ, পৃষ্ঠা ৩০। * দেশজুড়ে হিন্দুত্ববাদী বুদ্ধিজীবী, নেতা এবং কর্মীদের মধ্যে একটি সাধারণ বয়ান ছিল যে, “নিষ্পাপ” হিন্দু মেয়েদের প্রলুব্ধ করার জন্য এটি একটি সচেতন মুসলিম চক্রান্ত। ** ''হিন্দু ন্যাশনালিজম ইন ইন্ডিয়া অ্যান্ড দ্য পলিটিক্স অফ ফিয়ার'', ডি. আনন্দ, পৃষ্ঠা ৫১। * তাদের পরিকল্পনা হলো আগামী ২০ বছরের মধ্যে কেরালাকে একটি মুসলিম রাষ্ট্রে পরিণত করা। সেজন্য তারা তরুণদের প্রলুব্ধ করছে, তাদের অর্থ দিচ্ছে এবং মুসলিম জনসংখ্যা বৃদ্ধির জন্য হিন্দু মেয়েদের বিয়ে করতে জোর দিচ্ছে। এভাবেই তারা তাদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা বৃদ্ধি করছে এবং এই কৌশলগুলো কাজে দিচ্ছে। ** কেরালা থেকে আসা মার্ক্সবাদী প্রবীণ এবং সিপিএম-এর শক্তিশালী নেতা ভিএস অচ্যুতানন্দন। [https://www.firstpost.com/opinion/the-kerala-story-is-not-hindutva-fiction-world-is-waking-up-to-love-jihad-and-grooming-12555032.html/amp দ্য কেরালা স্টোরি ইজ নট হিন্দুত্ব ফিকশন, ওয়ার্ল্ড ইজ ওয়াকিং আপ টু লাভ জিহাদ অ্যান্ড গ্রুমিং] নিবন্ধে উদ্ধৃত। == স == * বামপন্থী (সিপিএম নেতৃত্বাধীন বাম গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট) এবং ডানপন্থী (কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউনাইটেড ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট) লাভ জিহাদ নামক সন্ত্রাসবাদকে পরোক্ষ ও প্রত্যক্ষভাবে সমর্থন দিয়ে জিহাদিদের তোষণ করার প্রতিযোগিতায় নেমেছে। আমাদের উচিত হবে না তাদের (এলডিএফ এবং ইউডিএফ) ছায়ায় জিহাদিদের বেড়ে উঠতে দেওয়া। সেজন্য আমাদের সেই গাছগুলো কেটে ফেলতে হবে যা তাদের আশ্রয় দেয়। চিন্তা করুন, কাজ করুন। ** কেরালা ভিত্তিক খ্রিস্টান সংস্থা 'ক্রিশ্চিয়ান অ্যাসোসিয়েশন অ্যান্ড অ্যালায়েন্স ফর সোশ্যাল অ্যাকশন' (কাসা), ২০২১ সালের একটি সচেতনতামূলক ভিডিওতে। [https://theprint.in/india/theyre-taking-our-girls-to-isis-how-church-is-now-driving-love-jihad-narrative-in-kerala/632324/ ‘দে আর টেকিং আওয়ার গার্লস টু আইসিস’: হাউ চার্চ ইজ নাউ ড্রাইভিং ‘লাভ জিহাদ’ ন্যারেটিভ ইন কেরালা] == ই == * মুসলিম জনতাত্ত্বিক যুদ্ধের অন্যতম বেদনাদায়ক দিক হলো অ-মুসলিম মেয়েদের দখল করার প্রকাশ্য প্রচেষ্টা যাতে তারা তাদের নিজস্ব জনতাত্ত্বিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে পারে, পাশাপাশি অভিযুক্ত কাফেরদের চরম অপমানিত করতে পারে। বাংলাদেশে এবং ভারতের মুসলিম-প্রধান অঞ্চলগুলোতে এটি প্রায়শই মেয়েদের অপহরণ করা অথবা মুসলিমদের সাথে বিয়ে দেওয়ার জন্য তাদের হুমকি দেওয়ার রূপ নেয়। পশ্চিমের উন্মুক্ত বাজার এবং ভারতের পশ্চিমা ধাঁচের সার্কেলগুলোতে এটি স্বাভাবিক প্রেমের রূপ নেয়; তবে সীমাবদ্ধতা হলো, কোনো মুসলিম মেয়ে যদি অ-মুসলিম কারো সাথে বন্ধুত্ব করে, তবে সেই সম্পর্ক বন্ধ করার জন্য তার ওপর পারিবারিক চাপ প্রয়োগ করা হয় অথবা ছেলের ওপর শারীরিক হুমকি দেওয়া হয়, কিংবা উভয়ই করা হয়। যেহেতু বিপরীত ক্ষেত্রে (অ-মুসলিম মেয়ে ও মুসলিম ছেলে) এমনটি ঘটার সম্ভাবনা অনেক কম, তাই এর নিট ফলাফল হলো অ-মুসলিম মেয়েদের একটি বড় অংশ মুসলিম পরিবারগুলোতে চলে যায়। ** কোয়েনরাড এলস্ট, 'দ্য ডেমোগ্রাফিক সিজ', ১৯৯৮। ক্যাথিঙ্কা ফ্রয়েস্টাড রচিত 'সাউন্ড বাইটিং কন্সপিরেসি: ফ্রম ইন্ডিয়া উইথ “লাভ জিহাদ”', রিলিজিয়নস ২০২১, ১২(১২), ১০৬৪-এ উদ্ধৃত। == জ == * এটি আর কতদূর যাবে? সুপ্রিম কোর্ট বলেছে লাভ জিহাদ নেই। আমি জানি লাভ জিহাদ বাস্তব, আমি বলব ‘লাভ জিহাদ’ আছে। আমি যখন বলছি আমরা কোন দিকে যাচ্ছি, তখন আমাকে ভুল বুঝবেন না। এটি বন্ধ করার একটাই সমাধান আছে। সম্মানিত ভারতকে একটি হিন্দু রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করতে হবে... লাভ জিহাদ বাস্তব এবং মুসলিমরা ২০৩০ সালের মধ্যে ভারতকে একটি ইসলামি রাষ্ট্র বানানোর পরিকল্পনা করছে... প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিমুদ্রাকরণ (ডিমোনেটাইজেশন) পদক্ষেপের কারণে এটি বিলম্বিত হয়েছে। ** [[w:পি. সি. জর্জ|পি. সি. জর্জ]], এপ্রিল ২০২১। [https://tfipost.com/2021/04/due-to-islamic-threat-keralas-minister-who-happens-to-be-a-christian-wants-india-to-be-declared-a-hindu-nation/ ডিউ টু ইসলামিক থ্রেট, কেরালা’স মিনিস্টার হু হ্যাপেনস টু বি এ ক্রিশ্চিয়ান ওয়ান্টস ইন্ডিয়া টু বি ডিক্লেয়ার্ড এ হিন্দু নেশন] নিবন্ধে উদ্ধৃত। * সিরিয়ান ইন্ডিপেন্ডেন্ট অর্থোডক্স চার্চের বিশপ ম্যাথিউ মার গ্রেগোরিওস বিশ্বাস করেন যে ‘লাভ জিহাদ’ একটি বাস্তবতা এবং তরুণদের এই মন্দের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর সময় এসেছে। “আপনারা দেখলে অবাক হবেন প্রতিদিন আমার ফোনে মেয়েদের বাবা-মায়ের কাছ থেকে কত মেসেজ আসে। মালাবার অঞ্চলে খ্রিস্টান মেয়েদের ইসলামে ধর্মান্তরিত করার ঘটনা ব্যাপকভাবে ঘটছে। যেহেতু আমি এখানে একটি গির্জার প্রধান, তাই খোলাখুলিভাবে এ বিষয়ে কথা বলার কিছু সীমাবদ্ধতা আমার আছে,” বিশপ হিন্দুস্তান টাইমস-কে বলেন। তার মতে, ‘লাভ জিহাদ’ একটি ভুল নাম কারণ এটি প্রেমের ছলে ধর্মান্তরের একটি কৌশল মাত্র। তিনি আরও বলেন, “আমি ব্যক্তিগতভাবে যেসব ঘটনায় হস্তক্ষেপ করেছি, তার বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এটি প্রেমের ভান ছিল। একবার বিয়ে হয়ে গেলে অধিকাংশ সময়ই মেয়েটিকে পরিত্যক্ত করা হয়। ধর্মান্তরই একমাত্র লক্ষ্য এবং এটি একটি সম্প্রদায়ের সংখ্যা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে করা হয়। কেউ কেউ এর সাথে আইসিস (আইএস) যোগসূত্র থাকার অভিযোগও তুলেছেন, যা তদন্ত করা প্রয়োজন।” ** বিশপ ম্যাথিউ মার গ্রেগোরিওস, ২০১৭। [https://www.hindustantimes.com/india-news/the-bjp-and-the-church-find-common-ground-on-love-jihad-in-kerala/story-krCpAE2YLaxTLxLZuXAnhJ.html দ্য বিজেপি অ্যান্ড দ্য চার্চ ফাইন্ড কমন গ্রাউন্ড অন ‘লাভ জিহাদ’ ইন কেরালা] == ক == * সিরো-মালাবার চার্চের পালাই ডায়োসিসের বিশপ জোসেফ কাল্লারাঙ্গাট অভিযোগ করেছেন যে যারা দাবি করেন কেরালায় ‘লাভ জিহাদ’ নেই তারা “বাস্তবতার প্রতি অন্ধ।” “এই ধরণের মানুষরা—তারা রাজনীতিবিদ হোক বা সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের ব্যক্তি বা মিডিয়া—তাদের নিজস্ব স্বার্থ থাকতে পারে। কিন্তু একটি বিষয় স্পষ্ট। আমরা আমাদের তরুণীদের হারাচ্ছি। এটি কেবল প্রেমঘটিত বিয়ের বিষয় নয়। এটি তাদের জীবন ধ্বংস করার একটি যুদ্ধ কৌশল (ওয়ার স্ট্র্যাটেজি),” তিনি দাবি করেন... “বিশ্বের অন্যান্য প্রান্তের মতো কেরালার মুসলিমদের একটি অংশ আছে যারা সম্প্রদায়ের মধ্যে বিদ্বেষ সৃষ্টি করতে এবং ধর্মীয় ঘৃণা ছড়াতে চায়। জিহাদিরা ইসলাম প্রচারের জন্য বিভিন্ন উপায় ব্যবহার করছে এবং তারা অ-মুসলিম তরুণীদের লক্ষ্যবস্তু করছে,” তিনি নিমিষা নামক এক হিন্দু মেয়ে এবং সোনিয়া সেবাস্তিয়ান নামক এক খ্রিস্টান মেয়ের উদাহরণ দেন, যারা মুসলিম পুরুষদের প্রেমে পড়ে ইসলাম গ্রহণ করেন এবং শেষ পর্যন্ত সিরিয়ায় কুখ্যাত ইসলামিক স্টেটে যোগ দেন। তিনি আরও ব্যাখ্যা করেন, “আমাদের মতো একটি গণতান্ত্রিক দেশে যেহেতু অন্য ধর্মের মানুষকে ধ্বংস করতে অস্ত্র ব্যবহার করা সহজ নয়, তাই জিহাদিরা এমন উপায় ব্যবহার করছে যা সহজে শনাক্ত করা যায় না। জিহাদিদের দৃষ্টিতে অ-মুসলিমদের ধ্বংস করতে হবে। যখন উদ্দেশ্য হয় তাদের ধর্মের বিস্তার এবং অ-মুসলিমদের ধ্বংস করা, তখন তারা বিভিন্ন রূপের উপায় ব্যবহার করে। বর্তমানে এ রকম ব্যাপকভাবে আলোচিত দুটি উপায় হলো লাভ জিহাদ এবং নারকোটিক্স জিহাদ।” ** জোসেফ কাল্লারাঙ্গাট, সিরো-মালাবার চার্চের বিশপ, ২১/১১/২০২২। [https://goachronicle.com/love-jihad-not-a-hindutva-conspiracy-catholic-church-rings-alarm-bells-too/ লাভ জিহাদ: নট এ হিন্দুত্ব কন্সপিরেসি, ক্যাথলিক চার্চ রিংস অ্যালার্ম বেলস টু] * জনতাত্ত্বিক যুদ্ধ শুরু করা: হিন্দু মেয়েদের প্রলুব্ধ করা ও বিয়ে করা এবং তাদের গর্বিত জিহাদি ট্রফি হিসেবে প্রদর্শন করা অর্থাৎ “প্রেমের” মাধ্যমে জিহাদ; ** কৃষ্ণস্বামী কর্তৃক প্রচারিত একটি পুস্তিকা থেকে (কৃষ্ণস্বামী, পৃষ্ঠা ৪১)। * সংগঠিত ধর্মান্তর এবং ‘লাভ জিহাদ’-এ ফাঁদে ফেলে ভুক্তভোগীদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে ব্যবহার করার ঘটনাগুলো প্রমাণ করে যে খ্রিস্টান সম্প্রদায় ইসলামি চরমপন্থীদের সহজ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে। * এটি গুরুত্বপূর্ণ যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই উদ্বেগজনক প্রবণতাটি লক্ষ্য করবে এবং জাতীয় তদন্ত সংস্থা (এনআইএ) দ্বারা তদন্তের নির্দেশ দেবে এবং উগ্রপন্থীদের এই ধরণের প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড বন্ধে একটি কার্যকর আইন প্রণয়ন করবে। * বাবা-মায়েদের প্রকাশ করা ভয় অমূলক নয়, অতীতে একই ধরণের ঘটনা থেকে তা প্রমাণিত। রিপোর্ট বলছে কেরালা থেকে আইসিস-এ যোগ দেওয়া ২১ জনের মধ্যে পাঁচজনই খ্রিস্টধর্ম থেকে ধর্মান্তরিত।" তিনি কেরালা ক্যাথলিক বিশপস কাউন্সিলের কমিশন ফর সোশ্যাল হারমনি অ্যান্ড ভিজিল্যান্সের প্রকাশিত তথ্য উদ্ধৃত করে বলেন, "২০০৫ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত প্রায় ৪,০০০ মেয়ে প্রেমের ফাঁদে পড়ে ধর্মান্তরিত হয়েছে। ভুক্তভোগীরা যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন অথবা কোনো স্বাধীনতা ছাড়াই শোচনীয় অবস্থায় জীবন কাটাতে বাধ্য হয়েছেন।” * কেরালার খ্রিস্টান মেয়েরা ‘লাভ জিহাদ’-এর লক্ষ্যবস্তু। তারা সহজেই ভুক্তভোগী হতে পারে। ধর্মান্তরের ক্রমবর্ধমান প্রবণতা এটিই প্রমাণ করে।” ** জর্জ কুরিয়ান, সংখ্যালঘু জাতীয় কমিশনের (এনসিএম) ভাইস চেয়ারম্যান, ২০১৯। [https://www.theweek.in/news/india/2019/09/26/christians-soft-target-for-love-jihad-islamic-radicals-minority-body-vice-chairman.html খ্রিস্টানস-সফট-টার্গেট-ফর-লাভ-জিহাদ-ইসলামিক-র‍্যাডিক্যালস-মাইনরিটি-বডি-ভাইস-চেয়ারম্যান: দ্য উইক] == হ == * আমাদের দাবি হলো কোনো মেয়েকেই যেন এই ট্রমার মধ্য দিয়ে যেতে না হয়। আমি অনুভব করছি যে ‘লাভ জিহাদ’ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। ** নিরঞ্জন হিরেমাথ, কংগ্রেস কর্পোরেটর এবং নিহত এমসিএ শিক্ষার্থী নেহা হিরেমাথের বাবা। [https://newsable.asianetnews.com/karnataka-news/hubballi-horror-neha-hiremath-s-father-says-love-jihad-is-spreading-rapidly-urges-govt-action-watch-snt-sc6z04 হুবলি হরর: নেহা হিরেমাথ'স ফাদার সেজ 'লাভ জিহাদ' ইজ স্প্রেডিং র‍্যাপিডলি, আরজেস গভর্মেন্ট অ্যাকশন], ১৯ এপ্রিল ২০২৪। == ম == * কিছু ঘটনা সামনে এসেছে যা গুরুত্বের সাথে দেখা প্রয়োজন, আমাদের অবশ্যই এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। যদি এমন কিছু ঘটে থাকে, তবে আমাদের তা খতিয়ে দেখা উচিত... এ নিয়ে কিছু সমস্যা এবং আশঙ্কা রয়েছে। যা ঘটেছে সে সম্পর্কে সরকারের স্পষ্টভাবে সামনে আসা উচিত এবং যদি এই ধরণের কোনো ঘটনা (লাভ জিহাদ) থেকে থাকে, তবে সেগুলোর সমাধান ও প্রতিকার করা উচিত। ** জোসে কে মানি, ২০২১। [https://theprint.in/politics/love-jihad-cases-should-be-studied-addressed-kerala-congress-m-chief-on-church-view/629731/ ‘লাভ জিহাদ’ কেসেস শুড বি স্টাডিড অ্যান্ড অ্যাড্রেসড: কেরালা কংগ্রেস (এম) চিফ অন চার্চ ভিউ] নিবন্ধে উদ্ধৃত। * এটি একটি সংগঠিত অপরাধ। উপসাগরীয় (গালফ) এবং অন্যান্য দেশ থেকে অর্থ আসছে যাতে মুসলিম পুরুষদের একটি দল হিন্দু নারীদের ফাঁদে ফেলতে পারে, তাদের বিয়ে করতে পারে এবং তারপর সন্ত্রাসবাদসহ বিভিন্ন অপরাধে তাদের ব্যবহার করতে পারে। ** [[w:লাভ জিহাদ|লাভ জিহাদ]] প্রসঙ্গে প্রমোদ মুথালিক, যেমনটা উদ্ধৃত হয়েছে "[http://indianexpress.com/article/cities/mumbai/muthalik-finds-cases-of-love-jihad-in-state-cites-rti-info/ মুথালিক ফাইন্ডস কেসেস অফ ‘লাভ জিহাদ’ ইন স্টেট, সাইটস আরটিআই ইনফো]", ''দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস'' (২০ সেপ্টেম্বর ২০১৪)। == ন == * আমরা দেখেছি কীভাবে সুফি ধর্মগুরু খাজা হাসান নিজামী তার 'দায়ি-এ ইসলাম'-এ হিন্দুদের ইসলামে ধর্মান্তরিত করার উপায় সম্পর্কে মুসলিমদের নির্দেশ দিয়েছিলেন। তার অতি-উৎসাহ হিন্দুদের সতর্ক করে দিয়েছিল। সেই নির্দেশগুলো গোপন থাকেনি, বইটি অনূদিত হয়েছিল এবং হিন্দুরা জানতে পেরেছিল কীভাবে এবং কেন উত্তর ভারতের প্রায় প্রতিটি শহর ও নগরে মুসলিমদের দ্বারা হিন্দু মেয়েদের গোপন অপহরণ এবং প্রলোভন দেখানো প্রতিদিনের ঘটনায় পরিণত হয়েছে। হিন্দুরা ব্যক্তিগতভাবে এবং তাদের সংগঠনের মাধ্যমে সতর্কতা অবলম্বন করতে শুরু করে। তারা হিন্দু মেয়ে, বিধবা এবং এতিমদের উদ্ধার করে এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে এই নোংরা প্রচেষ্টাগুলো রুখতে শুরু করে। ** খাজা হাসান নিজামী, ভি.পি. ভাটিয়া রচিত "দ্য এভার গ্রিন মোল্লা পাওয়ার", অর্গানাইজার, ২৭ অক্টোবর ১৯৯৬-এ উদ্ধৃত; যা বি.আর. আম্বেদকরের 'পাকিস্তান অ্যান্ড পার্টিশন অফ ইন্ডিয়া'; ইন্দ্র প্রকাশের 'দ্য হিস্ট্রি অফ হিন্দু মহাসভা'; এবং শেখ আব্দুল্লাহর 'আতিশ-এ-চিনার'-এর তথ্যসূত্র ব্যবহার করেছে। কে. এস. লাল রচিত 'থিওরি অ্যান্ড প্র্যাকটিস অফ মুসলিম স্টেট ইন ইন্ডিয়া' (১৯৯৯), নয়াদিল্লি: আদিত্য প্রকাশন, অধ্যায় ৬ থেকে উদ্ধৃত। * হিন্দুদের ইসলামে ধর্মান্তরিত করার উপায় বাতলে মুসলিমদের নির্দেশ দেওয়া উর্দু ভাষায় রচিত অনেক প্যামফলেট ও ব্রোশারের মধ্যে কেবল একটি পরীক্ষা করলেই এই ধরণের সাহিত্যে কী থাকে সে সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। এটি হলো খাজা হাসান নিজামীর 'দায়ি-এ ইসলাম' (ইসলামের প্রচার)। হাসান নিজামী ছিলেন দিল্লির নিজামউদ্দিন আউলিয়ার দরগাহর সাথে যুক্ত একজন সুফি ধর্মগুরু। প্যামফলেটটি কাফেরদের ইসলামে ধর্মান্তরিত করার দ্রুততম ও ব্যাপক উপায় শেখায়। খাজা উচ্চবিত্ত থেকে নিম্নবিত্ত সকল পর্যায়ের মুসলিমদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন অ-মুসলিমদের ইসলামে ধর্মান্তরিত করার মাধ্যমে ইসলামের সেবা করতে। এই মিশনারি প্রচেষ্টায় জমিদার ও নবাব, ডাক্তার ও পতিতা, এক্কা চালক ও চুড়ি বিক্রেতা—সবাইকে অবদান রাখার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। মুসলিম আইনজীবী ও ডাক্তারদের বলা হয়েছিল তাদের হিন্দু মক্কেল ও রোগীদের ধর্মান্তরিত করতে প্রভাবিত করতে। নবাব ও জমিদারদের বলা হয়েছিল তাদের অধীনে থাকা হিন্দু প্রজাদের মুসলমান হতে চাপ দিতে। পতিতাদের বলা হয়েছিল তাদের হিন্দু খদ্দের ও অনুরাগীদের মুসলিম হতে প্রভাবিত করতে। [[লাভ জিহাদ|চুড়ি বিক্রেতাদের বলা হয়েছিল তরুণী হিন্দু মেয়েদের প্রলুব্ধ করতে]] এবং এক্কা চালকদের বলা হয়েছিল হিন্দু নারী ও শিশুদের ভুলিয়ে নিয়ে যেতে। এই জাতীয় ব্যবস্থাপত্র আধ্যাত্মিক বা নীতিগত কোনোটিই ছিল না, কিন্তু এটি মুসলিম মানসিকতার সাথে খাপ খেয়েছিল। প্যামফলেটটি মুসলিমদের মধ্যে ব্যাপক বিক্রি হয়েছিল। হায়দ্রাবাদের নিজাম খাজার জন্য একটি ভাতা নির্দিষ্ট করেছিলেন এবং অন্যান্য মুসলিম প্রধান ও জমিদাররাও তা অনুসরণ করেছিলেন। মুসলিম ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ ও আবগারি পরিদর্শক এবং অন্যান্য প্রভাবশালী কর্মকর্তাদের এই সুফি ভক্তের পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করতে দেখা গিয়েছিল। ** খাজা হাসান নিজামী, কে. এস. লাল রচিত 'থিওরি অ্যান্ড প্র্যাকটিস অফ মুসলিম স্টেট ইন ইন্ডিয়া' (১৯৯৯), নয়াদিল্লি: আদিত্য প্রকাশন, অধ্যায় ৬ থেকে উদ্ধৃত। == প == * আমাদের মেয়েরা চরমপন্থীদের দ্বারা ফাঁদে পড়ার ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে। আসুন আমরা সেই সব বাবা-মায়ের দুঃখের জন্য প্রার্থনা করি যারা তাদের সন্তানদের ধর্মীয় চরমপন্থীদের ফাঁদে পড়তে দেখেও অসহায় হয়ে আছেন। নারীদের বিরুদ্ধে ক্রমবর্ধমান সহিংসতার এই যুগে আমাদের উচিত পবিত্র মাতার মতো নারী ও নারীত্বকে শ্রদ্ধা ও সম্মান করা। "প্রত্যেকেরই আর্চডায়োসিস ক্যাটেচিজম সেন্টারের সচেতনতামূলক প্রচারণার সুযোগ নেওয়া উচিত, যা কিশোর-কিশোরী এবং তাদের অভিভাবকদের লক্ষ্য করে পরিচালিত হচ্ছে, যাতে আমাদের সন্তানরা সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর ফাঁদে না পড়ে।" ** আর্চবিশপ মার জোসেফ পামপ্লানি কর্তৃক জারি করা যাজকীয় পত্র। [https://www.onmanorama.com/news/kerala/2022/09/05/tellicherry-archdiocese-circular-love-trap.html এক্সট্রিমিস্টস লিউরিং ক্রিশ্চিয়ান গার্লস ফেইনিং লাভ, ওয়ার্নস টেলিসেরি আর্চডায়োসিস], ৫ সেপ্টেম্বর ২০২২। * “বিশ্বাসীরা যদি এমন পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়, তবে আপনি তাদের দোষ দিতে পারেন না। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে ডায়োসিস কোনো অবস্থান নেয়নি, তবে আমরা উদ্বিগ্ন। তাই এই ধরণের ঘটনা বন্ধ করার জন্য যারা কাজ করছে তাদের সমর্থন করার মধ্যে ভুল কী আছে?” ** ফাদার জিমি পুচাকাত্ত, মুখপাত্র, সিরো মালাবার চার্চ, ২০১৭। [https://www.hindustantimes.com/india-news/the-bjp-and-the-church-find-common-ground-on-love-jihad-in-kerala/story-krCpAE2YLaxTLxLZuXAnhJ.html দ্য বিজেপি অ্যান্ড দ্য চার্চ ফাইন্ড কমন গ্রাউন্ড অন ‘লাভ জিহাদ’ ইন কেরালা] নিবন্ধে উদ্ধৃত। == স == * তথাকথিত অতি-পুরুষালি মুসলিম পুরুষ দেহ এবং অতি-প্রজননক্ষম মুসলিম নারী দেহ নিয়ে একটি অন্ধকার যৌন আচ্ছন্নতা রয়েছে, যা এই প্যারানোইয়া (অহেতুক ভীতি) এবং প্রতিশোধের মূর্তিকে অনুপ্রাণিত ও টিকিয়ে রাখে। ** সরকার, তানিকা। "সেমিওটিকস অফ টেরর: মুসলিম চিলড্রেন অ্যান্ড উইমেন ইন হিন্দু রাষ্ট্র।" ইকোনমিক অ্যান্ড পলিটিক্যাল উইকলি ৩৭, নম্বর ২৮ (২০০২): ২৮৭২-৮৭৬। সংগৃহীত ৯ জুলাই, ২০২১। http://www.jstor.org/stable/4412352। * একজন অধিকতর পুরুষালি মুসলিম পুরুষ দেহের প্রতি এক ধরণের চিরস্থায়ী ভয় কাজ করে যা হিন্দু মেয়েদের ভুলিয়ে নিয়ে যায়; এটি এক ধরণের লিঙ্গ-ঈর্ষা এবং পুরুষত্বহীনতার উদ্বেগ যা কেবল সহিংস কাজের মাধ্যমেই কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। ** সরকার, তানিকা। "সেমিওটিকস অফ টেরর: মুসলিম চিলড্রেন অ্যান্ড উইমেন ইন হিন্দু রাষ্ট্র।" ইকোনমিক অ্যান্ড পলিটিক্যাল উইকলি ৩৭, নম্বর ২৮ (২০০২): ২৮৭২-৮৭৬। সংগৃহীত ৯ জুলাই, ২০২১। http://www.jstor.org/stable/4412352। * লাভ জিহাদ, হ্যাঁ, কেরালায় কী ঘটছে তা আমি দেখছি। কীভাবে হিন্দুরা একটি বিয়ের জালে প্রতারিত হচ্ছে এবং কীভাবে তারা কষ্ট পাচ্ছে... শুধু হিন্দু নয়, মুসলিম ও খ্রিস্টান মেয়েরাও বিয়ের ক্ষেত্রে প্রতারিত হচ্ছে। এখন এই ধরণের জিনিসের আমি অবশ্যই বিরোধিতা করব। ** ই. শ্রীধরন, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২১। [https://www.ndtv.com/video/exclusive/the-news/bjp-not-communal-party-of-nation-lovers-india-s-metro-man-e-sreedharan-576372 এনডিটিভি: বিজেপি নট কমিউনাল, পার্টি অফ নেশন-লাভার্স: "মেট্রো ম্যান" ই শ্রীধরন টু এনডিটিভি] নিবন্ধে উদ্ধৃত। * বামপন্থীরা যখন এই ঘটনাগুলোকে ‘ডানপন্থী কল্পনা’ বলে উড়িয়ে দেয়, তখন আসলে ঘটনাগুলো বাস্তব। মৃতদেহগুলোও বাস্তব এবং হুমকিটি আসন্ন... ‘লাভ জিহাদ’ এর মতো একটি শব্দের সংকীর্ণ সংজ্ঞার কারণেই বামপন্থীরা এখন এটিকে বিকৃত করার চেষ্টা করছে এই বলে যে, লাভ জিহাদ শব্দটি কেবল এই কারণে ব্যবহৃত হয় কারণ ‘চরমপন্থী হিন্দুরা’ আন্তঃধর্মীয় বিবাহের বিরোধী; অথচ বাস্তবতা হলো এই ঘটনাটি পারস্পরিক সম্মতির সম্পর্কের ধারেকাছেও নেই।<br>এই কারণেই অপইন্ডিয়া এখন থেকে তাদের আলোচনা ও প্রতিবেদনে ‘লাভ জিহাদ’ শব্দটি পরিহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। জিহাদে কোনো ‘লাভ’ বা ভালোবাসা নেই এবং এমনকি যদি আমরা সমস্যাযুক্ত বাক্য গঠনসহ শব্দটি গ্রহণ করি, তবুও এটি সেই জিহাদের ভয়াবহতাকে তুলে ধরতে ব্যর্থ হয় যা কট্টরপন্থী মুসলিমদের একাংশ পরিচালনা করছে যারা নির্দিষ্টভাবে অ-মুসলিম নারীদের লক্ষ্যবস্তু করে। আমরা বিশ্বাস করি যে ‘গ্রুমিং জিহাদ’ শব্দটি অনেক বেশি উপযুক্ত কারণ এটি নিজের মধ্যে সেই সমস্ত ধরণের অপরাধকে ধারণ করে যা নারীদের এই জিহাদের কেন্দ্রে রাখে।<br>অ-মুসলিম নারীদের গ্রুমিং করা হচ্ছে যাতে তারা মুসলিম পুরুষদের হাতে নিজেদের পরাধীনতাকে মেনে নেয়। তাদের অপহরণ, ধর্ষণ, প্রলুব্ধ, ইসলামে ধর্মান্তরিত, শাস্তি এবং মগজধোলাই করা হচ্ছে। মানবতার বিরুদ্ধে এই অপরাধগুলোতে কোনো ‘লাভ’ নেই। এটি যে জিহাদের একটি রূপ তা নিয়ে কোনো অস্পষ্টতা নেই। একে তার সঠিক নামে ডাকার সময় এসেছে—গ্রুমিং জিহাদ। ** নুপুর জে শর্মা | ১৮ নভেম্বর, ২০২০। [https://www.opindia.com/2020/11/opindia-to-use-grooming-jihad-instead-of-love-jihad-here-is-why হোয়াই অপইন্ডিয়া হ্যাজ ডিসাইডেড টু ইউজ ‘গ্রুমিং জিহাদ’ ইনস্টেড অফ ‘লাভ জিহাদ’ মুভিং ফরোয়ার্ড]। * কাশ্মীর কোনো পাকিস্তান নয় যেখানে শিখদের জোর করে ধর্মান্তরিত করা যায়, আমরা এটি হতে দেব না। অকাল তখত সাহেবের জাঁতাদার জম্মু ও কাশ্মীরের লেফটেন্যান্ট গভর্নরের কাছে একটি চিঠি লিখেছেন যাতে ‘লাভ জিহাদ’-এর বিরুদ্ধে আইন আনা হয়। ** সরদার আর পি সিং, জুন ২০২১। [https://www.newkerala.com/news/2021/91223.htm শিখ লিডার্স মিট রেড্ডি ওভার কনভারশন অফ শিখ গার্লস ইন কাশ্মীর]। == ত == * এটি অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয় যে খ্রিস্টান মেয়েরাই সবচেয়ে বেশি লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হচ্ছে। সিবিআই, এনআইএ এবং আইবি সকলেই রিপোর্ট করেছে যে রাজ্য ও দেশে এই ধরণের ঘটনা ঘটছে। এটি দুঃখজনক এবং উদ্বেগের বিষয় যে ধর্মীয় সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর দ্বারা সরল মেয়েদের ফাঁদে ফেলার প্রচেষ্টাকে প্রতিহত করার একটি ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও এগুলো দক্ষতার সাথে মোকাবিলা করা হচ্ছে না। ** ফাদার অ্যান্টনি থালাচেলুর। [https://www.theweek.in/news/india/2020/01/15/christian-girls-targeted-and-killed-in-name-of-love-jihad-kerala-syro-malabar-church.html ক্রিশ্চিয়ান-গার্লস-টার্গেটেড-অ্যান্ড-কিলড-ইন-নাম-অফ-লাভ-জিহাদ-কেরালা-সিরো-মালাবার-চার্চ: দ্য উইক]। * ইসলামিক স্টেট তাদের ইহুদি ও খ্রিস্টান নারীদের শিকার করার আন্তর্জাতিক এজেন্ডার অংশ হিসেবে খ্রিস্টান নারীদের প্রলুব্ধ করছে... আগামী কয়েক মাসে আমরা আমাদের ধর্মীয় সংগঠনের মাধ্যমে পরিবার এবং মেয়েদের সচেতন করব যাতে তারা এই ফাঁদে না পড়ার মতো যথেষ্ট শিক্ষিত হয়। ** ফাদার অ্যান্টনি থালাচেলুর, ২০২০। [https://theprint.in/india/syro-malabar-church-says-love-jihad-a-threat-in-kerala-govt-says-it-doesnt-exist/351174/ সিরো-মালাবার চার্চ সেজ ‘লাভ জিহাদ’ এ থ্রেট ইন কেরালা, গভর্মেন্ট সেজ ইট ডাজ নট এক্সিস্ট] নিবন্ধে উদ্ধৃত। * যেন এটিই যথেষ্ট নয়, কারগিলের বৌদ্ধদের ইসলামে ধর্মান্তরিত করার একটি সুপরিকল্পিত এবং সংগঠিত নকশা রয়েছে। গত চার বছরে কেবল ওয়াখা গ্রাম থেকেই প্রায় ৫০ জন মেয়ে এবং সন্তানসহ বিবাহিত নারীকে প্রলুব্ধ করে ধর্মান্তরিত করা হয়েছে। যদি এটি বিনা বাধায় চলতে থাকে, তবে আমাদের ভয় হচ্ছে আগামী দুই দশকের মধ্যে কারগিল থেকে বৌদ্ধরা বিলুপ্ত হয়ে যাবে। এই ধরণের প্রলোভন ও ধর্মান্তরের প্রতিবাদকারী যে কাউকেই হয়রানি করা হয়... তাই লাদাখি জনগণের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক পরিচয় রক্ষা করতে কারগিলের জন্য একটি ধর্মান্তর বিরোধী আইন কার্যকর করতে হবে, যেমনটি বর্তমানে অরুণাচল প্রদেশ এবং মধ্যপ্রদেশের মতো রাজ্যগুলোতে বলবৎ রয়েছে। ** লাদাখ বৌদ্ধ অ্যাসোসিয়েশনের টুন্ডুপ ত্সারিং এবং ত্সাওয়াং নুরবু। কোয়েনরাড এলস্ট রচিত 'ভারতীয় জনতা পার্টি ভিস-আ-ভিস হিন্দু রিসার্জেন্স' এবং 'হু ইজ এ হিন্দু?: হিন্দু রিভাইভালিস্ট ভিউজ অফ অ্যানিমিজম, বুদ্ধিজম, শিখজম, অ্যান্ড আদার অফশুটস অফ হিন্দুইজম' (২০০২)-এ উদ্ধৃত। == ভ == * লাভ জিহাদকে কেবল প্রেমের কোণ থেকে দেখা উচিত নয়, বরং আরও বৃহত্তর পর্যায়ে এর সমাধান করা উচিত। এটি কোনো নির্দিষ্ট সম্প্রদায়কে লক্ষ্যবস্তু করার জন্য নয়। ধর্মনিরপেক্ষ রাজনৈতিক দলগুলোর অন্তত এটি স্বীকার করা উচিত যে এখানে লাভ জিহাদ বিদ্যমান। রাজ্যের একটি ছোট গোষ্ঠী ক্রমাগত কট্টরপন্থী হয়ে উঠছে এবং আন্তর্জাতিক ও বিশ্বব্যাপী ইসলামের সাথে এর যোগসূত্র রয়েছে। এর নাম ভিন্ন হতে পারে, কিন্তু এই গোষ্ঠীগুলোর মানুষ এবং নেতৃত্ব প্রায় একই... এটি একটি বড় সমস্যা যা আমরা বহু বছর ধরে মোকাবিলা করছি, কিন্তু কেরালার ধর্মনিরপেক্ষ রাজনৈতিক দলগুলো এই বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করতে আগ্রহী নয়। এটি তাদের রাজনীতির অংশ। রাজ্যে ঘটে যাওয়া প্রতিটি মৃত্যু ও হত্যাকাণ্ডকে একটি "বিচ্ছিন্ন" ঘটনা হিসেবে পাশ কাটিয়ে যাওয়া হয়। একের পর এক হত্যাকাণ্ড ঘটেছে অথচ রাজ্যের কোনো মূলধারার দল এই বিষয়টি নিয়ে কথা বলেনি। রিপোর্ট এসেছে যে এই হত্যাকাণ্ডে কট্টরপন্থী গোষ্ঠীগুলো জড়িত ছিল এবং সরকারের কাছে সমস্ত বিবরণ রয়েছে... “আজও আমরা চিন্তিত খ্রিস্টান অভিভাবকদের কাছ থেকে তাদের মেয়েদের সাহায্য ও কাউন্সেলিং চেয়ে ফোন কল পেয়েছি। এটি অন্য ধর্মের কাউকে বিয়ে করার বিষয় নয়। এই ঘটনাগুলোতে আমরা বিয়ের পর তাদের সুখে শান্তিতে থাকতে দেখি না। আমরা বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণ করছি। পুলিশ নিজেই অনেক ক্ষেত্রে প্রকাশ করেছে যে বিয়ের পর মেয়েরা নিখোঁজ হয়ে গেছে অথবা তারা ইসলামিক স্টেটে যোগ দিয়েছে এবং তাদের যৌনদাসী হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। তার মানে এটি ভালোবাসা ছিল না। ভালোবাসাকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে।" ** ফাদার ভার্গিস ভাল্লিক্কাত। [https://www.newindianexpress.com/cities/kochi/2020/jan/20/politics-in-state-silent-on-love-jihad-but-we-cant-be-bishops-council-2091749.html পলিটিক্স ইন স্টেট সাইলেন্ট অন লাভ জিহাদ, বাট উই কান্ট বি: বিশপস কাউন্সিল] নিবন্ধে উদ্ধৃত। == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:ষড়যন্ত্র তত্ত্ব]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতে ইসলাম]] [[বিষয়শ্রেণী:হিন্দু জাতীয়তাবাদ]] 8kc0qme9m285995aui8f6t67my2mzn8 79890 79889 2026-04-23T06:10:15Z Tuhin 172 Tuhin [[লাভ জিহাদ ষড়যন্ত্রমূলক তত্ত্ব]] কে [[লাভ জিহাদ ষড়যন্ত্র তত্ত্ব]] শিরোনামে স্থানান্তর করেছেন 79889 wikitext text/x-wiki '''[[w:লাভ জিহাদ|লাভ জিহাদ]]''' (যা '''রোমিও জিহাদ''' নামেও পরিচিত) হলো একটি ইসলামভীতিমূলক [[ষড়যন্ত্র তত্ত্ব]] যা [[হিন্দুত্ব|হিন্দুত্ববাদী]] আদর্শের সমর্থকদের দ্বারা উদ্ভাবিত। এই ষড়যন্ত্র তত্ত্বটি দাবি করে যে, মুসলিম পুরুষরা প্রলোভন, প্রেমের অভিনয়, প্রতারণা, অপহরণ এবং বিবাহের মতো উপায়ে হিন্দু নারীদের [[ইসলামে ধর্মান্তর|ইসলামে ধর্মান্তরিত করার]] লক্ষ্য নির্ধারণ করে। এটি ভারতের বিরুদ্ধে মুসলিমদের একটি বৃহত্তর "যুদ্ধ" এবং জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে আধিপত্য বিস্তারের একটি সংগঠিত আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে দাবি করা হয়। __NOTOC__ {{TOCalpha}} == অ == * ‘লাভ জিহাদ’ প্রচারণাটি অত্যন্ত সযত্নে অতৃপ্ত কামুক মুসলিম পুরুষের মিথ বা কাল্পনিক ধারণাটিকে টিকিয়ে রাখে। এর বিপরীতে হিন্দু নারীদের অসহায় হিসেবে চিত্রিত করা হয় যারা সহজেই প্রলোভনের শিকার হয়। এই বিষাক্ত প্রচারণা তরুণ দম্পতিদের জীবনে বিপর্যয় ডেকে আনছে, যেখানে নারীদের তাদের জীবনসঙ্গী নির্বাচনের অধিকার অস্বীকার করা হচ্ছে। এই সাম্প্রদায়িক কলুষিত পরিবেশে—যেখানে প্রতিটি ভিন্নধর্মী বিবাহকে একটি রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখা হয় এবং হিন্দু মেয়েদের মুসলিম ছেলেদের সংস্পর্শ থেকে ‘পবিত্র’ রাখার জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানো হয়—সেখানে এই ধরণের পরিবেশ তৈরিতে ইন্ধন জোগানো রাজনৈতিক দলটি কি [[w:অভিন্ন দেওয়ানি বিধি|অভিন্ন দেওয়ানি বিধি]] (ইউসিসি) কার্যকর করার প্রচারণার নেতৃত্ব দিতে পারে? ** [[ফ্লাভিয়া অ্যাগনেস]], [https://thewire.in/law/bjp-uniform-civil-code "দ্য মোদি গভর্নমেন্ট'স হিন্দুত্ব আইডিওলজি কুড স্টল অ্যানি প্রগ্রেস অন দ্য ইউনিফর্ম সিভিল কোড"], ''দ্য ওয়্যার'', ৭ জুলাই ২০১৬। * হিন্দুত্ববাদী তাত্ত্বিকদের মতে মুসলিমদের একটি প্রধান পরিকল্পনা হলো “হিন্দু মেয়েদের বিয়ের জন্য প্রলুব্ধ করা, আকর্ষণ করা এবং অপহরণ করা” (পালিওয়াল ২০০৩: ২৪)। ** ''হিন্দু ন্যাশনালিজম ইন ইন্ডিয়া অ্যান্ড দ্য পলিটিক্স অফ ফিয়ার'', ডি. আনন্দ, পৃষ্ঠা ৩০। * দেশজুড়ে হিন্দুত্ববাদী বুদ্ধিজীবী, নেতা এবং কর্মীদের মধ্যে একটি সাধারণ বয়ান ছিল যে, “নিষ্পাপ” হিন্দু মেয়েদের প্রলুব্ধ করার জন্য এটি একটি সচেতন মুসলিম চক্রান্ত। ** ''হিন্দু ন্যাশনালিজম ইন ইন্ডিয়া অ্যান্ড দ্য পলিটিক্স অফ ফিয়ার'', ডি. আনন্দ, পৃষ্ঠা ৫১। * তাদের পরিকল্পনা হলো আগামী ২০ বছরের মধ্যে কেরালাকে একটি মুসলিম রাষ্ট্রে পরিণত করা। সেজন্য তারা তরুণদের প্রলুব্ধ করছে, তাদের অর্থ দিচ্ছে এবং মুসলিম জনসংখ্যা বৃদ্ধির জন্য হিন্দু মেয়েদের বিয়ে করতে জোর দিচ্ছে। এভাবেই তারা তাদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা বৃদ্ধি করছে এবং এই কৌশলগুলো কাজে দিচ্ছে। ** কেরালা থেকে আসা মার্ক্সবাদী প্রবীণ এবং সিপিএম-এর শক্তিশালী নেতা ভিএস অচ্যুতানন্দন। [https://www.firstpost.com/opinion/the-kerala-story-is-not-hindutva-fiction-world-is-waking-up-to-love-jihad-and-grooming-12555032.html/amp দ্য কেরালা স্টোরি ইজ নট হিন্দুত্ব ফিকশন, ওয়ার্ল্ড ইজ ওয়াকিং আপ টু লাভ জিহাদ অ্যান্ড গ্রুমিং] নিবন্ধে উদ্ধৃত। == স == * বামপন্থী (সিপিএম নেতৃত্বাধীন বাম গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট) এবং ডানপন্থী (কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউনাইটেড ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট) লাভ জিহাদ নামক সন্ত্রাসবাদকে পরোক্ষ ও প্রত্যক্ষভাবে সমর্থন দিয়ে জিহাদিদের তোষণ করার প্রতিযোগিতায় নেমেছে। আমাদের উচিত হবে না তাদের (এলডিএফ এবং ইউডিএফ) ছায়ায় জিহাদিদের বেড়ে উঠতে দেওয়া। সেজন্য আমাদের সেই গাছগুলো কেটে ফেলতে হবে যা তাদের আশ্রয় দেয়। চিন্তা করুন, কাজ করুন। ** কেরালা ভিত্তিক খ্রিস্টান সংস্থা 'ক্রিশ্চিয়ান অ্যাসোসিয়েশন অ্যান্ড অ্যালায়েন্স ফর সোশ্যাল অ্যাকশন' (কাসা), ২০২১ সালের একটি সচেতনতামূলক ভিডিওতে। [https://theprint.in/india/theyre-taking-our-girls-to-isis-how-church-is-now-driving-love-jihad-narrative-in-kerala/632324/ ‘দে আর টেকিং আওয়ার গার্লস টু আইসিস’: হাউ চার্চ ইজ নাউ ড্রাইভিং ‘লাভ জিহাদ’ ন্যারেটিভ ইন কেরালা] == ই == * মুসলিম জনতাত্ত্বিক যুদ্ধের অন্যতম বেদনাদায়ক দিক হলো অ-মুসলিম মেয়েদের দখল করার প্রকাশ্য প্রচেষ্টা যাতে তারা তাদের নিজস্ব জনতাত্ত্বিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে পারে, পাশাপাশি অভিযুক্ত কাফেরদের চরম অপমানিত করতে পারে। বাংলাদেশে এবং ভারতের মুসলিম-প্রধান অঞ্চলগুলোতে এটি প্রায়শই মেয়েদের অপহরণ করা অথবা মুসলিমদের সাথে বিয়ে দেওয়ার জন্য তাদের হুমকি দেওয়ার রূপ নেয়। পশ্চিমের উন্মুক্ত বাজার এবং ভারতের পশ্চিমা ধাঁচের সার্কেলগুলোতে এটি স্বাভাবিক প্রেমের রূপ নেয়; তবে সীমাবদ্ধতা হলো, কোনো মুসলিম মেয়ে যদি অ-মুসলিম কারো সাথে বন্ধুত্ব করে, তবে সেই সম্পর্ক বন্ধ করার জন্য তার ওপর পারিবারিক চাপ প্রয়োগ করা হয় অথবা ছেলের ওপর শারীরিক হুমকি দেওয়া হয়, কিংবা উভয়ই করা হয়। যেহেতু বিপরীত ক্ষেত্রে (অ-মুসলিম মেয়ে ও মুসলিম ছেলে) এমনটি ঘটার সম্ভাবনা অনেক কম, তাই এর নিট ফলাফল হলো অ-মুসলিম মেয়েদের একটি বড় অংশ মুসলিম পরিবারগুলোতে চলে যায়। ** কোয়েনরাড এলস্ট, 'দ্য ডেমোগ্রাফিক সিজ', ১৯৯৮। ক্যাথিঙ্কা ফ্রয়েস্টাড রচিত 'সাউন্ড বাইটিং কন্সপিরেসি: ফ্রম ইন্ডিয়া উইথ “লাভ জিহাদ”', রিলিজিয়নস ২০২১, ১২(১২), ১০৬৪-এ উদ্ধৃত। == জ == * এটি আর কতদূর যাবে? সুপ্রিম কোর্ট বলেছে লাভ জিহাদ নেই। আমি জানি লাভ জিহাদ বাস্তব, আমি বলব ‘লাভ জিহাদ’ আছে। আমি যখন বলছি আমরা কোন দিকে যাচ্ছি, তখন আমাকে ভুল বুঝবেন না। এটি বন্ধ করার একটাই সমাধান আছে। সম্মানিত ভারতকে একটি হিন্দু রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করতে হবে... লাভ জিহাদ বাস্তব এবং মুসলিমরা ২০৩০ সালের মধ্যে ভারতকে একটি ইসলামি রাষ্ট্র বানানোর পরিকল্পনা করছে... প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিমুদ্রাকরণ (ডিমোনেটাইজেশন) পদক্ষেপের কারণে এটি বিলম্বিত হয়েছে। ** [[w:পি. সি. জর্জ|পি. সি. জর্জ]], এপ্রিল ২০২১। [https://tfipost.com/2021/04/due-to-islamic-threat-keralas-minister-who-happens-to-be-a-christian-wants-india-to-be-declared-a-hindu-nation/ ডিউ টু ইসলামিক থ্রেট, কেরালা’স মিনিস্টার হু হ্যাপেনস টু বি এ ক্রিশ্চিয়ান ওয়ান্টস ইন্ডিয়া টু বি ডিক্লেয়ার্ড এ হিন্দু নেশন] নিবন্ধে উদ্ধৃত। * সিরিয়ান ইন্ডিপেন্ডেন্ট অর্থোডক্স চার্চের বিশপ ম্যাথিউ মার গ্রেগোরিওস বিশ্বাস করেন যে ‘লাভ জিহাদ’ একটি বাস্তবতা এবং তরুণদের এই মন্দের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর সময় এসেছে। “আপনারা দেখলে অবাক হবেন প্রতিদিন আমার ফোনে মেয়েদের বাবা-মায়ের কাছ থেকে কত মেসেজ আসে। মালাবার অঞ্চলে খ্রিস্টান মেয়েদের ইসলামে ধর্মান্তরিত করার ঘটনা ব্যাপকভাবে ঘটছে। যেহেতু আমি এখানে একটি গির্জার প্রধান, তাই খোলাখুলিভাবে এ বিষয়ে কথা বলার কিছু সীমাবদ্ধতা আমার আছে,” বিশপ হিন্দুস্তান টাইমস-কে বলেন। তার মতে, ‘লাভ জিহাদ’ একটি ভুল নাম কারণ এটি প্রেমের ছলে ধর্মান্তরের একটি কৌশল মাত্র। তিনি আরও বলেন, “আমি ব্যক্তিগতভাবে যেসব ঘটনায় হস্তক্ষেপ করেছি, তার বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এটি প্রেমের ভান ছিল। একবার বিয়ে হয়ে গেলে অধিকাংশ সময়ই মেয়েটিকে পরিত্যক্ত করা হয়। ধর্মান্তরই একমাত্র লক্ষ্য এবং এটি একটি সম্প্রদায়ের সংখ্যা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে করা হয়। কেউ কেউ এর সাথে আইসিস (আইএস) যোগসূত্র থাকার অভিযোগও তুলেছেন, যা তদন্ত করা প্রয়োজন।” ** বিশপ ম্যাথিউ মার গ্রেগোরিওস, ২০১৭। [https://www.hindustantimes.com/india-news/the-bjp-and-the-church-find-common-ground-on-love-jihad-in-kerala/story-krCpAE2YLaxTLxLZuXAnhJ.html দ্য বিজেপি অ্যান্ড দ্য চার্চ ফাইন্ড কমন গ্রাউন্ড অন ‘লাভ জিহাদ’ ইন কেরালা] == ক == * সিরো-মালাবার চার্চের পালাই ডায়োসিসের বিশপ জোসেফ কাল্লারাঙ্গাট অভিযোগ করেছেন যে যারা দাবি করেন কেরালায় ‘লাভ জিহাদ’ নেই তারা “বাস্তবতার প্রতি অন্ধ।” “এই ধরণের মানুষরা—তারা রাজনীতিবিদ হোক বা সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের ব্যক্তি বা মিডিয়া—তাদের নিজস্ব স্বার্থ থাকতে পারে। কিন্তু একটি বিষয় স্পষ্ট। আমরা আমাদের তরুণীদের হারাচ্ছি। এটি কেবল প্রেমঘটিত বিয়ের বিষয় নয়। এটি তাদের জীবন ধ্বংস করার একটি যুদ্ধ কৌশল (ওয়ার স্ট্র্যাটেজি),” তিনি দাবি করেন... “বিশ্বের অন্যান্য প্রান্তের মতো কেরালার মুসলিমদের একটি অংশ আছে যারা সম্প্রদায়ের মধ্যে বিদ্বেষ সৃষ্টি করতে এবং ধর্মীয় ঘৃণা ছড়াতে চায়। জিহাদিরা ইসলাম প্রচারের জন্য বিভিন্ন উপায় ব্যবহার করছে এবং তারা অ-মুসলিম তরুণীদের লক্ষ্যবস্তু করছে,” তিনি নিমিষা নামক এক হিন্দু মেয়ে এবং সোনিয়া সেবাস্তিয়ান নামক এক খ্রিস্টান মেয়ের উদাহরণ দেন, যারা মুসলিম পুরুষদের প্রেমে পড়ে ইসলাম গ্রহণ করেন এবং শেষ পর্যন্ত সিরিয়ায় কুখ্যাত ইসলামিক স্টেটে যোগ দেন। তিনি আরও ব্যাখ্যা করেন, “আমাদের মতো একটি গণতান্ত্রিক দেশে যেহেতু অন্য ধর্মের মানুষকে ধ্বংস করতে অস্ত্র ব্যবহার করা সহজ নয়, তাই জিহাদিরা এমন উপায় ব্যবহার করছে যা সহজে শনাক্ত করা যায় না। জিহাদিদের দৃষ্টিতে অ-মুসলিমদের ধ্বংস করতে হবে। যখন উদ্দেশ্য হয় তাদের ধর্মের বিস্তার এবং অ-মুসলিমদের ধ্বংস করা, তখন তারা বিভিন্ন রূপের উপায় ব্যবহার করে। বর্তমানে এ রকম ব্যাপকভাবে আলোচিত দুটি উপায় হলো লাভ জিহাদ এবং নারকোটিক্স জিহাদ।” ** জোসেফ কাল্লারাঙ্গাট, সিরো-মালাবার চার্চের বিশপ, ২১/১১/২০২২। [https://goachronicle.com/love-jihad-not-a-hindutva-conspiracy-catholic-church-rings-alarm-bells-too/ লাভ জিহাদ: নট এ হিন্দুত্ব কন্সপিরেসি, ক্যাথলিক চার্চ রিংস অ্যালার্ম বেলস টু] * জনতাত্ত্বিক যুদ্ধ শুরু করা: হিন্দু মেয়েদের প্রলুব্ধ করা ও বিয়ে করা এবং তাদের গর্বিত জিহাদি ট্রফি হিসেবে প্রদর্শন করা অর্থাৎ “প্রেমের” মাধ্যমে জিহাদ; ** কৃষ্ণস্বামী কর্তৃক প্রচারিত একটি পুস্তিকা থেকে (কৃষ্ণস্বামী, পৃষ্ঠা ৪১)। * সংগঠিত ধর্মান্তর এবং ‘লাভ জিহাদ’-এ ফাঁদে ফেলে ভুক্তভোগীদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে ব্যবহার করার ঘটনাগুলো প্রমাণ করে যে খ্রিস্টান সম্প্রদায় ইসলামি চরমপন্থীদের সহজ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে। * এটি গুরুত্বপূর্ণ যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই উদ্বেগজনক প্রবণতাটি লক্ষ্য করবে এবং জাতীয় তদন্ত সংস্থা (এনআইএ) দ্বারা তদন্তের নির্দেশ দেবে এবং উগ্রপন্থীদের এই ধরণের প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড বন্ধে একটি কার্যকর আইন প্রণয়ন করবে। * বাবা-মায়েদের প্রকাশ করা ভয় অমূলক নয়, অতীতে একই ধরণের ঘটনা থেকে তা প্রমাণিত। রিপোর্ট বলছে কেরালা থেকে আইসিস-এ যোগ দেওয়া ২১ জনের মধ্যে পাঁচজনই খ্রিস্টধর্ম থেকে ধর্মান্তরিত।" তিনি কেরালা ক্যাথলিক বিশপস কাউন্সিলের কমিশন ফর সোশ্যাল হারমনি অ্যান্ড ভিজিল্যান্সের প্রকাশিত তথ্য উদ্ধৃত করে বলেন, "২০০৫ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত প্রায় ৪,০০০ মেয়ে প্রেমের ফাঁদে পড়ে ধর্মান্তরিত হয়েছে। ভুক্তভোগীরা যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন অথবা কোনো স্বাধীনতা ছাড়াই শোচনীয় অবস্থায় জীবন কাটাতে বাধ্য হয়েছেন।” * কেরালার খ্রিস্টান মেয়েরা ‘লাভ জিহাদ’-এর লক্ষ্যবস্তু। তারা সহজেই ভুক্তভোগী হতে পারে। ধর্মান্তরের ক্রমবর্ধমান প্রবণতা এটিই প্রমাণ করে।” ** জর্জ কুরিয়ান, সংখ্যালঘু জাতীয় কমিশনের (এনসিএম) ভাইস চেয়ারম্যান, ২০১৯। [https://www.theweek.in/news/india/2019/09/26/christians-soft-target-for-love-jihad-islamic-radicals-minority-body-vice-chairman.html খ্রিস্টানস-সফট-টার্গেট-ফর-লাভ-জিহাদ-ইসলামিক-র‍্যাডিক্যালস-মাইনরিটি-বডি-ভাইস-চেয়ারম্যান: দ্য উইক] == হ == * আমাদের দাবি হলো কোনো মেয়েকেই যেন এই ট্রমার মধ্য দিয়ে যেতে না হয়। আমি অনুভব করছি যে ‘লাভ জিহাদ’ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। ** নিরঞ্জন হিরেমাথ, কংগ্রেস কর্পোরেটর এবং নিহত এমসিএ শিক্ষার্থী নেহা হিরেমাথের বাবা। [https://newsable.asianetnews.com/karnataka-news/hubballi-horror-neha-hiremath-s-father-says-love-jihad-is-spreading-rapidly-urges-govt-action-watch-snt-sc6z04 হুবলি হরর: নেহা হিরেমাথ'স ফাদার সেজ 'লাভ জিহাদ' ইজ স্প্রেডিং র‍্যাপিডলি, আরজেস গভর্মেন্ট অ্যাকশন], ১৯ এপ্রিল ২০২৪। == ম == * কিছু ঘটনা সামনে এসেছে যা গুরুত্বের সাথে দেখা প্রয়োজন, আমাদের অবশ্যই এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। যদি এমন কিছু ঘটে থাকে, তবে আমাদের তা খতিয়ে দেখা উচিত... এ নিয়ে কিছু সমস্যা এবং আশঙ্কা রয়েছে। যা ঘটেছে সে সম্পর্কে সরকারের স্পষ্টভাবে সামনে আসা উচিত এবং যদি এই ধরণের কোনো ঘটনা (লাভ জিহাদ) থেকে থাকে, তবে সেগুলোর সমাধান ও প্রতিকার করা উচিত। ** জোসে কে মানি, ২০২১। [https://theprint.in/politics/love-jihad-cases-should-be-studied-addressed-kerala-congress-m-chief-on-church-view/629731/ ‘লাভ জিহাদ’ কেসেস শুড বি স্টাডিড অ্যান্ড অ্যাড্রেসড: কেরালা কংগ্রেস (এম) চিফ অন চার্চ ভিউ] নিবন্ধে উদ্ধৃত। * এটি একটি সংগঠিত অপরাধ। উপসাগরীয় (গালফ) এবং অন্যান্য দেশ থেকে অর্থ আসছে যাতে মুসলিম পুরুষদের একটি দল হিন্দু নারীদের ফাঁদে ফেলতে পারে, তাদের বিয়ে করতে পারে এবং তারপর সন্ত্রাসবাদসহ বিভিন্ন অপরাধে তাদের ব্যবহার করতে পারে। ** [[w:লাভ জিহাদ|লাভ জিহাদ]] প্রসঙ্গে প্রমোদ মুথালিক, যেমনটা উদ্ধৃত হয়েছে "[http://indianexpress.com/article/cities/mumbai/muthalik-finds-cases-of-love-jihad-in-state-cites-rti-info/ মুথালিক ফাইন্ডস কেসেস অফ ‘লাভ জিহাদ’ ইন স্টেট, সাইটস আরটিআই ইনফো]", ''দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস'' (২০ সেপ্টেম্বর ২০১৪)। == ন == * আমরা দেখেছি কীভাবে সুফি ধর্মগুরু খাজা হাসান নিজামী তার 'দায়ি-এ ইসলাম'-এ হিন্দুদের ইসলামে ধর্মান্তরিত করার উপায় সম্পর্কে মুসলিমদের নির্দেশ দিয়েছিলেন। তার অতি-উৎসাহ হিন্দুদের সতর্ক করে দিয়েছিল। সেই নির্দেশগুলো গোপন থাকেনি, বইটি অনূদিত হয়েছিল এবং হিন্দুরা জানতে পেরেছিল কীভাবে এবং কেন উত্তর ভারতের প্রায় প্রতিটি শহর ও নগরে মুসলিমদের দ্বারা হিন্দু মেয়েদের গোপন অপহরণ এবং প্রলোভন দেখানো প্রতিদিনের ঘটনায় পরিণত হয়েছে। হিন্দুরা ব্যক্তিগতভাবে এবং তাদের সংগঠনের মাধ্যমে সতর্কতা অবলম্বন করতে শুরু করে। তারা হিন্দু মেয়ে, বিধবা এবং এতিমদের উদ্ধার করে এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে এই নোংরা প্রচেষ্টাগুলো রুখতে শুরু করে। ** খাজা হাসান নিজামী, ভি.পি. ভাটিয়া রচিত "দ্য এভার গ্রিন মোল্লা পাওয়ার", অর্গানাইজার, ২৭ অক্টোবর ১৯৯৬-এ উদ্ধৃত; যা বি.আর. আম্বেদকরের 'পাকিস্তান অ্যান্ড পার্টিশন অফ ইন্ডিয়া'; ইন্দ্র প্রকাশের 'দ্য হিস্ট্রি অফ হিন্দু মহাসভা'; এবং শেখ আব্দুল্লাহর 'আতিশ-এ-চিনার'-এর তথ্যসূত্র ব্যবহার করেছে। কে. এস. লাল রচিত 'থিওরি অ্যান্ড প্র্যাকটিস অফ মুসলিম স্টেট ইন ইন্ডিয়া' (১৯৯৯), নয়াদিল্লি: আদিত্য প্রকাশন, অধ্যায় ৬ থেকে উদ্ধৃত। * হিন্দুদের ইসলামে ধর্মান্তরিত করার উপায় বাতলে মুসলিমদের নির্দেশ দেওয়া উর্দু ভাষায় রচিত অনেক প্যামফলেট ও ব্রোশারের মধ্যে কেবল একটি পরীক্ষা করলেই এই ধরণের সাহিত্যে কী থাকে সে সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। এটি হলো খাজা হাসান নিজামীর 'দায়ি-এ ইসলাম' (ইসলামের প্রচার)। হাসান নিজামী ছিলেন দিল্লির নিজামউদ্দিন আউলিয়ার দরগাহর সাথে যুক্ত একজন সুফি ধর্মগুরু। প্যামফলেটটি কাফেরদের ইসলামে ধর্মান্তরিত করার দ্রুততম ও ব্যাপক উপায় শেখায়। খাজা উচ্চবিত্ত থেকে নিম্নবিত্ত সকল পর্যায়ের মুসলিমদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন অ-মুসলিমদের ইসলামে ধর্মান্তরিত করার মাধ্যমে ইসলামের সেবা করতে। এই মিশনারি প্রচেষ্টায় জমিদার ও নবাব, ডাক্তার ও পতিতা, এক্কা চালক ও চুড়ি বিক্রেতা—সবাইকে অবদান রাখার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। মুসলিম আইনজীবী ও ডাক্তারদের বলা হয়েছিল তাদের হিন্দু মক্কেল ও রোগীদের ধর্মান্তরিত করতে প্রভাবিত করতে। নবাব ও জমিদারদের বলা হয়েছিল তাদের অধীনে থাকা হিন্দু প্রজাদের মুসলমান হতে চাপ দিতে। পতিতাদের বলা হয়েছিল তাদের হিন্দু খদ্দের ও অনুরাগীদের মুসলিম হতে প্রভাবিত করতে। [[লাভ জিহাদ|চুড়ি বিক্রেতাদের বলা হয়েছিল তরুণী হিন্দু মেয়েদের প্রলুব্ধ করতে]] এবং এক্কা চালকদের বলা হয়েছিল হিন্দু নারী ও শিশুদের ভুলিয়ে নিয়ে যেতে। এই জাতীয় ব্যবস্থাপত্র আধ্যাত্মিক বা নীতিগত কোনোটিই ছিল না, কিন্তু এটি মুসলিম মানসিকতার সাথে খাপ খেয়েছিল। প্যামফলেটটি মুসলিমদের মধ্যে ব্যাপক বিক্রি হয়েছিল। হায়দ্রাবাদের নিজাম খাজার জন্য একটি ভাতা নির্দিষ্ট করেছিলেন এবং অন্যান্য মুসলিম প্রধান ও জমিদাররাও তা অনুসরণ করেছিলেন। মুসলিম ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ ও আবগারি পরিদর্শক এবং অন্যান্য প্রভাবশালী কর্মকর্তাদের এই সুফি ভক্তের পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করতে দেখা গিয়েছিল। ** খাজা হাসান নিজামী, কে. এস. লাল রচিত 'থিওরি অ্যান্ড প্র্যাকটিস অফ মুসলিম স্টেট ইন ইন্ডিয়া' (১৯৯৯), নয়াদিল্লি: আদিত্য প্রকাশন, অধ্যায় ৬ থেকে উদ্ধৃত। == প == * আমাদের মেয়েরা চরমপন্থীদের দ্বারা ফাঁদে পড়ার ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে। আসুন আমরা সেই সব বাবা-মায়ের দুঃখের জন্য প্রার্থনা করি যারা তাদের সন্তানদের ধর্মীয় চরমপন্থীদের ফাঁদে পড়তে দেখেও অসহায় হয়ে আছেন। নারীদের বিরুদ্ধে ক্রমবর্ধমান সহিংসতার এই যুগে আমাদের উচিত পবিত্র মাতার মতো নারী ও নারীত্বকে শ্রদ্ধা ও সম্মান করা। "প্রত্যেকেরই আর্চডায়োসিস ক্যাটেচিজম সেন্টারের সচেতনতামূলক প্রচারণার সুযোগ নেওয়া উচিত, যা কিশোর-কিশোরী এবং তাদের অভিভাবকদের লক্ষ্য করে পরিচালিত হচ্ছে, যাতে আমাদের সন্তানরা সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর ফাঁদে না পড়ে।" ** আর্চবিশপ মার জোসেফ পামপ্লানি কর্তৃক জারি করা যাজকীয় পত্র। [https://www.onmanorama.com/news/kerala/2022/09/05/tellicherry-archdiocese-circular-love-trap.html এক্সট্রিমিস্টস লিউরিং ক্রিশ্চিয়ান গার্লস ফেইনিং লাভ, ওয়ার্নস টেলিসেরি আর্চডায়োসিস], ৫ সেপ্টেম্বর ২০২২। * “বিশ্বাসীরা যদি এমন পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়, তবে আপনি তাদের দোষ দিতে পারেন না। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে ডায়োসিস কোনো অবস্থান নেয়নি, তবে আমরা উদ্বিগ্ন। তাই এই ধরণের ঘটনা বন্ধ করার জন্য যারা কাজ করছে তাদের সমর্থন করার মধ্যে ভুল কী আছে?” ** ফাদার জিমি পুচাকাত্ত, মুখপাত্র, সিরো মালাবার চার্চ, ২০১৭। [https://www.hindustantimes.com/india-news/the-bjp-and-the-church-find-common-ground-on-love-jihad-in-kerala/story-krCpAE2YLaxTLxLZuXAnhJ.html দ্য বিজেপি অ্যান্ড দ্য চার্চ ফাইন্ড কমন গ্রাউন্ড অন ‘লাভ জিহাদ’ ইন কেরালা] নিবন্ধে উদ্ধৃত। == স == * তথাকথিত অতি-পুরুষালি মুসলিম পুরুষ দেহ এবং অতি-প্রজননক্ষম মুসলিম নারী দেহ নিয়ে একটি অন্ধকার যৌন আচ্ছন্নতা রয়েছে, যা এই প্যারানোইয়া (অহেতুক ভীতি) এবং প্রতিশোধের মূর্তিকে অনুপ্রাণিত ও টিকিয়ে রাখে। ** সরকার, তানিকা। "সেমিওটিকস অফ টেরর: মুসলিম চিলড্রেন অ্যান্ড উইমেন ইন হিন্দু রাষ্ট্র।" ইকোনমিক অ্যান্ড পলিটিক্যাল উইকলি ৩৭, নম্বর ২৮ (২০০২): ২৮৭২-৮৭৬। সংগৃহীত ৯ জুলাই, ২০২১। http://www.jstor.org/stable/4412352। * একজন অধিকতর পুরুষালি মুসলিম পুরুষ দেহের প্রতি এক ধরণের চিরস্থায়ী ভয় কাজ করে যা হিন্দু মেয়েদের ভুলিয়ে নিয়ে যায়; এটি এক ধরণের লিঙ্গ-ঈর্ষা এবং পুরুষত্বহীনতার উদ্বেগ যা কেবল সহিংস কাজের মাধ্যমেই কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। ** সরকার, তানিকা। "সেমিওটিকস অফ টেরর: মুসলিম চিলড্রেন অ্যান্ড উইমেন ইন হিন্দু রাষ্ট্র।" ইকোনমিক অ্যান্ড পলিটিক্যাল উইকলি ৩৭, নম্বর ২৮ (২০০২): ২৮৭২-৮৭৬। সংগৃহীত ৯ জুলাই, ২০২১। http://www.jstor.org/stable/4412352। * লাভ জিহাদ, হ্যাঁ, কেরালায় কী ঘটছে তা আমি দেখছি। কীভাবে হিন্দুরা একটি বিয়ের জালে প্রতারিত হচ্ছে এবং কীভাবে তারা কষ্ট পাচ্ছে... শুধু হিন্দু নয়, মুসলিম ও খ্রিস্টান মেয়েরাও বিয়ের ক্ষেত্রে প্রতারিত হচ্ছে। এখন এই ধরণের জিনিসের আমি অবশ্যই বিরোধিতা করব। ** ই. শ্রীধরন, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২১। [https://www.ndtv.com/video/exclusive/the-news/bjp-not-communal-party-of-nation-lovers-india-s-metro-man-e-sreedharan-576372 এনডিটিভি: বিজেপি নট কমিউনাল, পার্টি অফ নেশন-লাভার্স: "মেট্রো ম্যান" ই শ্রীধরন টু এনডিটিভি] নিবন্ধে উদ্ধৃত। * বামপন্থীরা যখন এই ঘটনাগুলোকে ‘ডানপন্থী কল্পনা’ বলে উড়িয়ে দেয়, তখন আসলে ঘটনাগুলো বাস্তব। মৃতদেহগুলোও বাস্তব এবং হুমকিটি আসন্ন... ‘লাভ জিহাদ’ এর মতো একটি শব্দের সংকীর্ণ সংজ্ঞার কারণেই বামপন্থীরা এখন এটিকে বিকৃত করার চেষ্টা করছে এই বলে যে, লাভ জিহাদ শব্দটি কেবল এই কারণে ব্যবহৃত হয় কারণ ‘চরমপন্থী হিন্দুরা’ আন্তঃধর্মীয় বিবাহের বিরোধী; অথচ বাস্তবতা হলো এই ঘটনাটি পারস্পরিক সম্মতির সম্পর্কের ধারেকাছেও নেই।<br>এই কারণেই অপইন্ডিয়া এখন থেকে তাদের আলোচনা ও প্রতিবেদনে ‘লাভ জিহাদ’ শব্দটি পরিহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। জিহাদে কোনো ‘লাভ’ বা ভালোবাসা নেই এবং এমনকি যদি আমরা সমস্যাযুক্ত বাক্য গঠনসহ শব্দটি গ্রহণ করি, তবুও এটি সেই জিহাদের ভয়াবহতাকে তুলে ধরতে ব্যর্থ হয় যা কট্টরপন্থী মুসলিমদের একাংশ পরিচালনা করছে যারা নির্দিষ্টভাবে অ-মুসলিম নারীদের লক্ষ্যবস্তু করে। আমরা বিশ্বাস করি যে ‘গ্রুমিং জিহাদ’ শব্দটি অনেক বেশি উপযুক্ত কারণ এটি নিজের মধ্যে সেই সমস্ত ধরণের অপরাধকে ধারণ করে যা নারীদের এই জিহাদের কেন্দ্রে রাখে।<br>অ-মুসলিম নারীদের গ্রুমিং করা হচ্ছে যাতে তারা মুসলিম পুরুষদের হাতে নিজেদের পরাধীনতাকে মেনে নেয়। তাদের অপহরণ, ধর্ষণ, প্রলুব্ধ, ইসলামে ধর্মান্তরিত, শাস্তি এবং মগজধোলাই করা হচ্ছে। মানবতার বিরুদ্ধে এই অপরাধগুলোতে কোনো ‘লাভ’ নেই। এটি যে জিহাদের একটি রূপ তা নিয়ে কোনো অস্পষ্টতা নেই। একে তার সঠিক নামে ডাকার সময় এসেছে—গ্রুমিং জিহাদ। ** নুপুর জে শর্মা | ১৮ নভেম্বর, ২০২০। [https://www.opindia.com/2020/11/opindia-to-use-grooming-jihad-instead-of-love-jihad-here-is-why হোয়াই অপইন্ডিয়া হ্যাজ ডিসাইডেড টু ইউজ ‘গ্রুমিং জিহাদ’ ইনস্টেড অফ ‘লাভ জিহাদ’ মুভিং ফরোয়ার্ড]। * কাশ্মীর কোনো পাকিস্তান নয় যেখানে শিখদের জোর করে ধর্মান্তরিত করা যায়, আমরা এটি হতে দেব না। অকাল তখত সাহেবের জাঁতাদার জম্মু ও কাশ্মীরের লেফটেন্যান্ট গভর্নরের কাছে একটি চিঠি লিখেছেন যাতে ‘লাভ জিহাদ’-এর বিরুদ্ধে আইন আনা হয়। ** সরদার আর পি সিং, জুন ২০২১। [https://www.newkerala.com/news/2021/91223.htm শিখ লিডার্স মিট রেড্ডি ওভার কনভারশন অফ শিখ গার্লস ইন কাশ্মীর]। == ত == * এটি অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয় যে খ্রিস্টান মেয়েরাই সবচেয়ে বেশি লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হচ্ছে। সিবিআই, এনআইএ এবং আইবি সকলেই রিপোর্ট করেছে যে রাজ্য ও দেশে এই ধরণের ঘটনা ঘটছে। এটি দুঃখজনক এবং উদ্বেগের বিষয় যে ধর্মীয় সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর দ্বারা সরল মেয়েদের ফাঁদে ফেলার প্রচেষ্টাকে প্রতিহত করার একটি ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও এগুলো দক্ষতার সাথে মোকাবিলা করা হচ্ছে না। ** ফাদার অ্যান্টনি থালাচেলুর। [https://www.theweek.in/news/india/2020/01/15/christian-girls-targeted-and-killed-in-name-of-love-jihad-kerala-syro-malabar-church.html ক্রিশ্চিয়ান-গার্লস-টার্গেটেড-অ্যান্ড-কিলড-ইন-নাম-অফ-লাভ-জিহাদ-কেরালা-সিরো-মালাবার-চার্চ: দ্য উইক]। * ইসলামিক স্টেট তাদের ইহুদি ও খ্রিস্টান নারীদের শিকার করার আন্তর্জাতিক এজেন্ডার অংশ হিসেবে খ্রিস্টান নারীদের প্রলুব্ধ করছে... আগামী কয়েক মাসে আমরা আমাদের ধর্মীয় সংগঠনের মাধ্যমে পরিবার এবং মেয়েদের সচেতন করব যাতে তারা এই ফাঁদে না পড়ার মতো যথেষ্ট শিক্ষিত হয়। ** ফাদার অ্যান্টনি থালাচেলুর, ২০২০। [https://theprint.in/india/syro-malabar-church-says-love-jihad-a-threat-in-kerala-govt-says-it-doesnt-exist/351174/ সিরো-মালাবার চার্চ সেজ ‘লাভ জিহাদ’ এ থ্রেট ইন কেরালা, গভর্মেন্ট সেজ ইট ডাজ নট এক্সিস্ট] নিবন্ধে উদ্ধৃত। * যেন এটিই যথেষ্ট নয়, কারগিলের বৌদ্ধদের ইসলামে ধর্মান্তরিত করার একটি সুপরিকল্পিত এবং সংগঠিত নকশা রয়েছে। গত চার বছরে কেবল ওয়াখা গ্রাম থেকেই প্রায় ৫০ জন মেয়ে এবং সন্তানসহ বিবাহিত নারীকে প্রলুব্ধ করে ধর্মান্তরিত করা হয়েছে। যদি এটি বিনা বাধায় চলতে থাকে, তবে আমাদের ভয় হচ্ছে আগামী দুই দশকের মধ্যে কারগিল থেকে বৌদ্ধরা বিলুপ্ত হয়ে যাবে। এই ধরণের প্রলোভন ও ধর্মান্তরের প্রতিবাদকারী যে কাউকেই হয়রানি করা হয়... তাই লাদাখি জনগণের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক পরিচয় রক্ষা করতে কারগিলের জন্য একটি ধর্মান্তর বিরোধী আইন কার্যকর করতে হবে, যেমনটি বর্তমানে অরুণাচল প্রদেশ এবং মধ্যপ্রদেশের মতো রাজ্যগুলোতে বলবৎ রয়েছে। ** লাদাখ বৌদ্ধ অ্যাসোসিয়েশনের টুন্ডুপ ত্সারিং এবং ত্সাওয়াং নুরবু। কোয়েনরাড এলস্ট রচিত 'ভারতীয় জনতা পার্টি ভিস-আ-ভিস হিন্দু রিসার্জেন্স' এবং 'হু ইজ এ হিন্দু?: হিন্দু রিভাইভালিস্ট ভিউজ অফ অ্যানিমিজম, বুদ্ধিজম, শিখজম, অ্যান্ড আদার অফশুটস অফ হিন্দুইজম' (২০০২)-এ উদ্ধৃত। == ভ == * লাভ জিহাদকে কেবল প্রেমের কোণ থেকে দেখা উচিত নয়, বরং আরও বৃহত্তর পর্যায়ে এর সমাধান করা উচিত। এটি কোনো নির্দিষ্ট সম্প্রদায়কে লক্ষ্যবস্তু করার জন্য নয়। ধর্মনিরপেক্ষ রাজনৈতিক দলগুলোর অন্তত এটি স্বীকার করা উচিত যে এখানে লাভ জিহাদ বিদ্যমান। রাজ্যের একটি ছোট গোষ্ঠী ক্রমাগত কট্টরপন্থী হয়ে উঠছে এবং আন্তর্জাতিক ও বিশ্বব্যাপী ইসলামের সাথে এর যোগসূত্র রয়েছে। এর নাম ভিন্ন হতে পারে, কিন্তু এই গোষ্ঠীগুলোর মানুষ এবং নেতৃত্ব প্রায় একই... এটি একটি বড় সমস্যা যা আমরা বহু বছর ধরে মোকাবিলা করছি, কিন্তু কেরালার ধর্মনিরপেক্ষ রাজনৈতিক দলগুলো এই বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করতে আগ্রহী নয়। এটি তাদের রাজনীতির অংশ। রাজ্যে ঘটে যাওয়া প্রতিটি মৃত্যু ও হত্যাকাণ্ডকে একটি "বিচ্ছিন্ন" ঘটনা হিসেবে পাশ কাটিয়ে যাওয়া হয়। একের পর এক হত্যাকাণ্ড ঘটেছে অথচ রাজ্যের কোনো মূলধারার দল এই বিষয়টি নিয়ে কথা বলেনি। রিপোর্ট এসেছে যে এই হত্যাকাণ্ডে কট্টরপন্থী গোষ্ঠীগুলো জড়িত ছিল এবং সরকারের কাছে সমস্ত বিবরণ রয়েছে... “আজও আমরা চিন্তিত খ্রিস্টান অভিভাবকদের কাছ থেকে তাদের মেয়েদের সাহায্য ও কাউন্সেলিং চেয়ে ফোন কল পেয়েছি। এটি অন্য ধর্মের কাউকে বিয়ে করার বিষয় নয়। এই ঘটনাগুলোতে আমরা বিয়ের পর তাদের সুখে শান্তিতে থাকতে দেখি না। আমরা বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণ করছি। পুলিশ নিজেই অনেক ক্ষেত্রে প্রকাশ করেছে যে বিয়ের পর মেয়েরা নিখোঁজ হয়ে গেছে অথবা তারা ইসলামিক স্টেটে যোগ দিয়েছে এবং তাদের যৌনদাসী হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। তার মানে এটি ভালোবাসা ছিল না। ভালোবাসাকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে।" ** ফাদার ভার্গিস ভাল্লিক্কাত। [https://www.newindianexpress.com/cities/kochi/2020/jan/20/politics-in-state-silent-on-love-jihad-but-we-cant-be-bishops-council-2091749.html পলিটিক্স ইন স্টেট সাইলেন্ট অন লাভ জিহাদ, বাট উই কান্ট বি: বিশপস কাউন্সিল] নিবন্ধে উদ্ধৃত। == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:ষড়যন্ত্র তত্ত্ব]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতে ইসলাম]] [[বিষয়শ্রেণী:হিন্দু জাতীয়তাবাদ]] 8kc0qme9m285995aui8f6t67my2mzn8 79892 79890 2026-04-23T06:12:57Z Tuhin 172 79892 wikitext text/x-wiki '''[[w:লাভ জিহাদ|লাভ জিহাদ]]''' (যা '''রোমিও জিহাদ''' নামেও পরিচিত) হলো একটি ইসলামভীতিমূলক [[ষড়যন্ত্র তত্ত্ব]] যা [[হিন্দুত্ব|হিন্দুত্ববাদী]] আদর্শের সমর্থকদের দ্বারা উদ্ভাবিত। এই ষড়যন্ত্র তত্ত্বটি দাবি করে যে, মুসলিম পুরুষরা প্রলোভন, প্রেমের অভিনয়, প্রতারণা, অপহরণ এবং বিবাহের মতো উপায়ে হিন্দু নারীদের [[w:ইসলামে ধর্মান্তর|ইসলামে ধর্মান্তরিত করার]] লক্ষ্য নির্ধারণ করে। এটি ভারতের বিরুদ্ধে মুসলিমদের একটি বৃহত্তর "যুদ্ধ" এবং জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে আধিপত্য বিস্তারের একটি সংগঠিত আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে দাবি করা হয়। __NOTOC__ {{TOCalpha}} == অ == * ‘লাভ জিহাদ’ প্রচারণাটি অত্যন্ত সযত্নে অতৃপ্ত কামুক মুসলিম পুরুষের মিথ বা কাল্পনিক ধারণাটিকে টিকিয়ে রাখে। এর বিপরীতে হিন্দু নারীদের অসহায় হিসেবে চিত্রিত করা হয় যারা সহজেই প্রলোভনের শিকার হয়। এই বিষাক্ত প্রচারণা তরুণ দম্পতিদের জীবনে বিপর্যয় ডেকে আনছে, যেখানে নারীদের তাদের জীবনসঙ্গী নির্বাচনের অধিকার অস্বীকার করা হচ্ছে। এই সাম্প্রদায়িক কলুষিত পরিবেশে—যেখানে প্রতিটি ভিন্নধর্মী বিবাহকে একটি রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখা হয় এবং হিন্দু মেয়েদের মুসলিম ছেলেদের সংস্পর্শ থেকে ‘পবিত্র’ রাখার জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানো হয়—সেখানে এই ধরণের পরিবেশ তৈরিতে ইন্ধন জোগানো রাজনৈতিক দলটি কি [[w:অভিন্ন দেওয়ানি বিধি|অভিন্ন দেওয়ানি বিধি]] (ইউসিসি) কার্যকর করার প্রচারণার নেতৃত্ব দিতে পারে? ** [[ফ্লাভিয়া অ্যাগনেস]], [https://thewire.in/law/bjp-uniform-civil-code "দ্য মোদি গভর্নমেন্ট'স হিন্দুত্ব আইডিওলজি কুড স্টল অ্যানি প্রগ্রেস অন দ্য ইউনিফর্ম সিভিল কোড"], ''দ্য ওয়্যার'', ৭ জুলাই ২০১৬। * হিন্দুত্ববাদী তাত্ত্বিকদের মতে মুসলিমদের একটি প্রধান পরিকল্পনা হলো “হিন্দু মেয়েদের বিয়ের জন্য প্রলুব্ধ করা, আকর্ষণ করা এবং অপহরণ করা” (পালিওয়াল ২০০৩: ২৪)। ** ''হিন্দু ন্যাশনালিজম ইন ইন্ডিয়া অ্যান্ড দ্য পলিটিক্স অফ ফিয়ার'', ডি. আনন্দ, পৃষ্ঠা ৩০। * দেশজুড়ে হিন্দুত্ববাদী বুদ্ধিজীবী, নেতা এবং কর্মীদের মধ্যে একটি সাধারণ বয়ান ছিল যে, “নিষ্পাপ” হিন্দু মেয়েদের প্রলুব্ধ করার জন্য এটি একটি সচেতন মুসলিম চক্রান্ত। ** ''হিন্দু ন্যাশনালিজম ইন ইন্ডিয়া অ্যান্ড দ্য পলিটিক্স অফ ফিয়ার'', ডি. আনন্দ, পৃষ্ঠা ৫১। * তাদের পরিকল্পনা হলো আগামী ২০ বছরের মধ্যে কেরালাকে একটি মুসলিম রাষ্ট্রে পরিণত করা। সেজন্য তারা তরুণদের প্রলুব্ধ করছে, তাদের অর্থ দিচ্ছে এবং মুসলিম জনসংখ্যা বৃদ্ধির জন্য হিন্দু মেয়েদের বিয়ে করতে জোর দিচ্ছে। এভাবেই তারা তাদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা বৃদ্ধি করছে এবং এই কৌশলগুলো কাজে দিচ্ছে। ** কেরালা থেকে আসা মার্ক্সবাদী প্রবীণ এবং সিপিএম-এর শক্তিশালী নেতা ভিএস অচ্যুতানন্দন। [https://www.firstpost.com/opinion/the-kerala-story-is-not-hindutva-fiction-world-is-waking-up-to-love-jihad-and-grooming-12555032.html/amp দ্য কেরালা স্টোরি ইজ নট হিন্দুত্ব ফিকশন, ওয়ার্ল্ড ইজ ওয়াকিং আপ টু লাভ জিহাদ অ্যান্ড গ্রুমিং] নিবন্ধে উদ্ধৃত। == স == * বামপন্থী (সিপিএম নেতৃত্বাধীন বাম গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট) এবং ডানপন্থী (কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউনাইটেড ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট) লাভ জিহাদ নামক সন্ত্রাসবাদকে পরোক্ষ ও প্রত্যক্ষভাবে সমর্থন দিয়ে জিহাদিদের তোষণ করার প্রতিযোগিতায় নেমেছে। আমাদের উচিত হবে না তাদের (এলডিএফ এবং ইউডিএফ) ছায়ায় জিহাদিদের বেড়ে উঠতে দেওয়া। সেজন্য আমাদের সেই গাছগুলো কেটে ফেলতে হবে যা তাদের আশ্রয় দেয়। চিন্তা করুন, কাজ করুন। ** কেরালা ভিত্তিক খ্রিস্টান সংস্থা 'ক্রিশ্চিয়ান অ্যাসোসিয়েশন অ্যান্ড অ্যালায়েন্স ফর সোশ্যাল অ্যাকশন' (কাসা), ২০২১ সালের একটি সচেতনতামূলক ভিডিওতে। [https://theprint.in/india/theyre-taking-our-girls-to-isis-how-church-is-now-driving-love-jihad-narrative-in-kerala/632324/ ‘দে আর টেকিং আওয়ার গার্লস টু আইসিস’: হাউ চার্চ ইজ নাউ ড্রাইভিং ‘লাভ জিহাদ’ ন্যারেটিভ ইন কেরালা] == ই == * মুসলিম জনতাত্ত্বিক যুদ্ধের অন্যতম বেদনাদায়ক দিক হলো অ-মুসলিম মেয়েদের দখল করার প্রকাশ্য প্রচেষ্টা যাতে তারা তাদের নিজস্ব জনতাত্ত্বিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে পারে, পাশাপাশি অভিযুক্ত কাফেরদের চরম অপমানিত করতে পারে। বাংলাদেশে এবং ভারতের মুসলিম-প্রধান অঞ্চলগুলোতে এটি প্রায়শই মেয়েদের অপহরণ করা অথবা মুসলিমদের সাথে বিয়ে দেওয়ার জন্য তাদের হুমকি দেওয়ার রূপ নেয়। পশ্চিমের উন্মুক্ত বাজার এবং ভারতের পশ্চিমা ধাঁচের সার্কেলগুলোতে এটি স্বাভাবিক প্রেমের রূপ নেয়; তবে সীমাবদ্ধতা হলো, কোনো মুসলিম মেয়ে যদি অ-মুসলিম কারো সাথে বন্ধুত্ব করে, তবে সেই সম্পর্ক বন্ধ করার জন্য তার ওপর পারিবারিক চাপ প্রয়োগ করা হয় অথবা ছেলের ওপর শারীরিক হুমকি দেওয়া হয়, কিংবা উভয়ই করা হয়। যেহেতু বিপরীত ক্ষেত্রে (অ-মুসলিম মেয়ে ও মুসলিম ছেলে) এমনটি ঘটার সম্ভাবনা অনেক কম, তাই এর নিট ফলাফল হলো অ-মুসলিম মেয়েদের একটি বড় অংশ মুসলিম পরিবারগুলোতে চলে যায়। ** কোয়েনরাড এলস্ট, 'দ্য ডেমোগ্রাফিক সিজ', ১৯৯৮। ক্যাথিঙ্কা ফ্রয়েস্টাড রচিত 'সাউন্ড বাইটিং কন্সপিরেসি: ফ্রম ইন্ডিয়া উইথ “লাভ জিহাদ”', রিলিজিয়নস ২০২১, ১২(১২), ১০৬৪-এ উদ্ধৃত। == জ == * এটি আর কতদূর যাবে? সুপ্রিম কোর্ট বলেছে লাভ জিহাদ নেই। আমি জানি লাভ জিহাদ বাস্তব, আমি বলব ‘লাভ জিহাদ’ আছে। আমি যখন বলছি আমরা কোন দিকে যাচ্ছি, তখন আমাকে ভুল বুঝবেন না। এটি বন্ধ করার একটাই সমাধান আছে। সম্মানিত ভারতকে একটি হিন্দু রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করতে হবে... লাভ জিহাদ বাস্তব এবং মুসলিমরা ২০৩০ সালের মধ্যে ভারতকে একটি ইসলামি রাষ্ট্র বানানোর পরিকল্পনা করছে... প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিমুদ্রাকরণ (ডিমোনেটাইজেশন) পদক্ষেপের কারণে এটি বিলম্বিত হয়েছে। ** [[w:পি. সি. জর্জ|পি. সি. জর্জ]], এপ্রিল ২০২১। [https://tfipost.com/2021/04/due-to-islamic-threat-keralas-minister-who-happens-to-be-a-christian-wants-india-to-be-declared-a-hindu-nation/ ডিউ টু ইসলামিক থ্রেট, কেরালা’স মিনিস্টার হু হ্যাপেনস টু বি এ ক্রিশ্চিয়ান ওয়ান্টস ইন্ডিয়া টু বি ডিক্লেয়ার্ড এ হিন্দু নেশন] নিবন্ধে উদ্ধৃত। * সিরিয়ান ইন্ডিপেন্ডেন্ট অর্থোডক্স চার্চের বিশপ ম্যাথিউ মার গ্রেগোরিওস বিশ্বাস করেন যে ‘লাভ জিহাদ’ একটি বাস্তবতা এবং তরুণদের এই মন্দের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর সময় এসেছে। “আপনারা দেখলে অবাক হবেন প্রতিদিন আমার ফোনে মেয়েদের বাবা-মায়ের কাছ থেকে কত মেসেজ আসে। মালাবার অঞ্চলে খ্রিস্টান মেয়েদের ইসলামে ধর্মান্তরিত করার ঘটনা ব্যাপকভাবে ঘটছে। যেহেতু আমি এখানে একটি গির্জার প্রধান, তাই খোলাখুলিভাবে এ বিষয়ে কথা বলার কিছু সীমাবদ্ধতা আমার আছে,” বিশপ হিন্দুস্তান টাইমস-কে বলেন। তার মতে, ‘লাভ জিহাদ’ একটি ভুল নাম কারণ এটি প্রেমের ছলে ধর্মান্তরের একটি কৌশল মাত্র। তিনি আরও বলেন, “আমি ব্যক্তিগতভাবে যেসব ঘটনায় হস্তক্ষেপ করেছি, তার বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এটি প্রেমের ভান ছিল। একবার বিয়ে হয়ে গেলে অধিকাংশ সময়ই মেয়েটিকে পরিত্যক্ত করা হয়। ধর্মান্তরই একমাত্র লক্ষ্য এবং এটি একটি সম্প্রদায়ের সংখ্যা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে করা হয়। কেউ কেউ এর সাথে আইসিস (আইএস) যোগসূত্র থাকার অভিযোগও তুলেছেন, যা তদন্ত করা প্রয়োজন।” ** বিশপ ম্যাথিউ মার গ্রেগোরিওস, ২০১৭। [https://www.hindustantimes.com/india-news/the-bjp-and-the-church-find-common-ground-on-love-jihad-in-kerala/story-krCpAE2YLaxTLxLZuXAnhJ.html দ্য বিজেপি অ্যান্ড দ্য চার্চ ফাইন্ড কমন গ্রাউন্ড অন ‘লাভ জিহাদ’ ইন কেরালা] == ক == * সিরো-মালাবার চার্চের পালাই ডায়োসিসের বিশপ জোসেফ কাল্লারাঙ্গাট অভিযোগ করেছেন যে যারা দাবি করেন কেরালায় ‘লাভ জিহাদ’ নেই তারা “বাস্তবতার প্রতি অন্ধ।” “এই ধরণের মানুষরা—তারা রাজনীতিবিদ হোক বা সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের ব্যক্তি বা মিডিয়া—তাদের নিজস্ব স্বার্থ থাকতে পারে। কিন্তু একটি বিষয় স্পষ্ট। আমরা আমাদের তরুণীদের হারাচ্ছি। এটি কেবল প্রেমঘটিত বিয়ের বিষয় নয়। এটি তাদের জীবন ধ্বংস করার একটি যুদ্ধ কৌশল (ওয়ার স্ট্র্যাটেজি),” তিনি দাবি করেন... “বিশ্বের অন্যান্য প্রান্তের মতো কেরালার মুসলিমদের একটি অংশ আছে যারা সম্প্রদায়ের মধ্যে বিদ্বেষ সৃষ্টি করতে এবং ধর্মীয় ঘৃণা ছড়াতে চায়। জিহাদিরা ইসলাম প্রচারের জন্য বিভিন্ন উপায় ব্যবহার করছে এবং তারা অ-মুসলিম তরুণীদের লক্ষ্যবস্তু করছে,” তিনি নিমিষা নামক এক হিন্দু মেয়ে এবং সোনিয়া সেবাস্তিয়ান নামক এক খ্রিস্টান মেয়ের উদাহরণ দেন, যারা মুসলিম পুরুষদের প্রেমে পড়ে ইসলাম গ্রহণ করেন এবং শেষ পর্যন্ত সিরিয়ায় কুখ্যাত ইসলামিক স্টেটে যোগ দেন। তিনি আরও ব্যাখ্যা করেন, “আমাদের মতো একটি গণতান্ত্রিক দেশে যেহেতু অন্য ধর্মের মানুষকে ধ্বংস করতে অস্ত্র ব্যবহার করা সহজ নয়, তাই জিহাদিরা এমন উপায় ব্যবহার করছে যা সহজে শনাক্ত করা যায় না। জিহাদিদের দৃষ্টিতে অ-মুসলিমদের ধ্বংস করতে হবে। যখন উদ্দেশ্য হয় তাদের ধর্মের বিস্তার এবং অ-মুসলিমদের ধ্বংস করা, তখন তারা বিভিন্ন রূপের উপায় ব্যবহার করে। বর্তমানে এ রকম ব্যাপকভাবে আলোচিত দুটি উপায় হলো লাভ জিহাদ এবং নারকোটিক্স জিহাদ।” ** জোসেফ কাল্লারাঙ্গাট, সিরো-মালাবার চার্চের বিশপ, ২১/১১/২০২২। [https://goachronicle.com/love-jihad-not-a-hindutva-conspiracy-catholic-church-rings-alarm-bells-too/ লাভ জিহাদ: নট এ হিন্দুত্ব কন্সপিরেসি, ক্যাথলিক চার্চ রিংস অ্যালার্ম বেলস টু] * জনতাত্ত্বিক যুদ্ধ শুরু করা: হিন্দু মেয়েদের প্রলুব্ধ করা ও বিয়ে করা এবং তাদের গর্বিত জিহাদি ট্রফি হিসেবে প্রদর্শন করা অর্থাৎ “প্রেমের” মাধ্যমে জিহাদ; ** কৃষ্ণস্বামী কর্তৃক প্রচারিত একটি পুস্তিকা থেকে (কৃষ্ণস্বামী, পৃষ্ঠা ৪১)। * সংগঠিত ধর্মান্তর এবং ‘লাভ জিহাদ’-এ ফাঁদে ফেলে ভুক্তভোগীদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে ব্যবহার করার ঘটনাগুলো প্রমাণ করে যে খ্রিস্টান সম্প্রদায় ইসলামি চরমপন্থীদের সহজ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে। * এটি গুরুত্বপূর্ণ যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই উদ্বেগজনক প্রবণতাটি লক্ষ্য করবে এবং জাতীয় তদন্ত সংস্থা (এনআইএ) দ্বারা তদন্তের নির্দেশ দেবে এবং উগ্রপন্থীদের এই ধরণের প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড বন্ধে একটি কার্যকর আইন প্রণয়ন করবে। * বাবা-মায়েদের প্রকাশ করা ভয় অমূলক নয়, অতীতে একই ধরণের ঘটনা থেকে তা প্রমাণিত। রিপোর্ট বলছে কেরালা থেকে আইসিস-এ যোগ দেওয়া ২১ জনের মধ্যে পাঁচজনই খ্রিস্টধর্ম থেকে ধর্মান্তরিত।" তিনি কেরালা ক্যাথলিক বিশপস কাউন্সিলের কমিশন ফর সোশ্যাল হারমনি অ্যান্ড ভিজিল্যান্সের প্রকাশিত তথ্য উদ্ধৃত করে বলেন, "২০০৫ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত প্রায় ৪,০০০ মেয়ে প্রেমের ফাঁদে পড়ে ধর্মান্তরিত হয়েছে। ভুক্তভোগীরা যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন অথবা কোনো স্বাধীনতা ছাড়াই শোচনীয় অবস্থায় জীবন কাটাতে বাধ্য হয়েছেন।” * কেরালার খ্রিস্টান মেয়েরা ‘লাভ জিহাদ’-এর লক্ষ্যবস্তু। তারা সহজেই ভুক্তভোগী হতে পারে। ধর্মান্তরের ক্রমবর্ধমান প্রবণতা এটিই প্রমাণ করে।” ** জর্জ কুরিয়ান, সংখ্যালঘু জাতীয় কমিশনের (এনসিএম) ভাইস চেয়ারম্যান, ২০১৯। [https://www.theweek.in/news/india/2019/09/26/christians-soft-target-for-love-jihad-islamic-radicals-minority-body-vice-chairman.html খ্রিস্টানস-সফট-টার্গেট-ফর-লাভ-জিহাদ-ইসলামিক-র‍্যাডিক্যালস-মাইনরিটি-বডি-ভাইস-চেয়ারম্যান: দ্য উইক] == হ == * আমাদের দাবি হলো কোনো মেয়েকেই যেন এই ট্রমার মধ্য দিয়ে যেতে না হয়। আমি অনুভব করছি যে ‘লাভ জিহাদ’ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। ** নিরঞ্জন হিরেমাথ, কংগ্রেস কর্পোরেটর এবং নিহত এমসিএ শিক্ষার্থী নেহা হিরেমাথের বাবা। [https://newsable.asianetnews.com/karnataka-news/hubballi-horror-neha-hiremath-s-father-says-love-jihad-is-spreading-rapidly-urges-govt-action-watch-snt-sc6z04 হুবলি হরর: নেহা হিরেমাথ'স ফাদার সেজ 'লাভ জিহাদ' ইজ স্প্রেডিং র‍্যাপিডলি, আরজেস গভর্মেন্ট অ্যাকশন], ১৯ এপ্রিল ২০২৪। == ম == * কিছু ঘটনা সামনে এসেছে যা গুরুত্বের সাথে দেখা প্রয়োজন, আমাদের অবশ্যই এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। যদি এমন কিছু ঘটে থাকে, তবে আমাদের তা খতিয়ে দেখা উচিত... এ নিয়ে কিছু সমস্যা এবং আশঙ্কা রয়েছে। যা ঘটেছে সে সম্পর্কে সরকারের স্পষ্টভাবে সামনে আসা উচিত এবং যদি এই ধরণের কোনো ঘটনা (লাভ জিহাদ) থেকে থাকে, তবে সেগুলোর সমাধান ও প্রতিকার করা উচিত। ** জোসে কে মানি, ২০২১। [https://theprint.in/politics/love-jihad-cases-should-be-studied-addressed-kerala-congress-m-chief-on-church-view/629731/ ‘লাভ জিহাদ’ কেসেস শুড বি স্টাডিড অ্যান্ড অ্যাড্রেসড: কেরালা কংগ্রেস (এম) চিফ অন চার্চ ভিউ] নিবন্ধে উদ্ধৃত। * এটি একটি সংগঠিত অপরাধ। উপসাগরীয় (গালফ) এবং অন্যান্য দেশ থেকে অর্থ আসছে যাতে মুসলিম পুরুষদের একটি দল হিন্দু নারীদের ফাঁদে ফেলতে পারে, তাদের বিয়ে করতে পারে এবং তারপর সন্ত্রাসবাদসহ বিভিন্ন অপরাধে তাদের ব্যবহার করতে পারে। ** [[w:লাভ জিহাদ|লাভ জিহাদ]] প্রসঙ্গে প্রমোদ মুথালিক, যেমনটা উদ্ধৃত হয়েছে "[http://indianexpress.com/article/cities/mumbai/muthalik-finds-cases-of-love-jihad-in-state-cites-rti-info/ মুথালিক ফাইন্ডস কেসেস অফ ‘লাভ জিহাদ’ ইন স্টেট, সাইটস আরটিআই ইনফো]", ''দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস'' (২০ সেপ্টেম্বর ২০১৪)। == ন == * আমরা দেখেছি কীভাবে সুফি ধর্মগুরু খাজা হাসান নিজামী তার 'দায়ি-এ ইসলাম'-এ হিন্দুদের ইসলামে ধর্মান্তরিত করার উপায় সম্পর্কে মুসলিমদের নির্দেশ দিয়েছিলেন। তার অতি-উৎসাহ হিন্দুদের সতর্ক করে দিয়েছিল। সেই নির্দেশগুলো গোপন থাকেনি, বইটি অনূদিত হয়েছিল এবং হিন্দুরা জানতে পেরেছিল কীভাবে এবং কেন উত্তর ভারতের প্রায় প্রতিটি শহর ও নগরে মুসলিমদের দ্বারা হিন্দু মেয়েদের গোপন অপহরণ এবং প্রলোভন দেখানো প্রতিদিনের ঘটনায় পরিণত হয়েছে। হিন্দুরা ব্যক্তিগতভাবে এবং তাদের সংগঠনের মাধ্যমে সতর্কতা অবলম্বন করতে শুরু করে। তারা হিন্দু মেয়ে, বিধবা এবং এতিমদের উদ্ধার করে এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে এই নোংরা প্রচেষ্টাগুলো রুখতে শুরু করে। ** খাজা হাসান নিজামী, ভি.পি. ভাটিয়া রচিত "দ্য এভার গ্রিন মোল্লা পাওয়ার", অর্গানাইজার, ২৭ অক্টোবর ১৯৯৬-এ উদ্ধৃত; যা বি.আর. আম্বেদকরের 'পাকিস্তান অ্যান্ড পার্টিশন অফ ইন্ডিয়া'; ইন্দ্র প্রকাশের 'দ্য হিস্ট্রি অফ হিন্দু মহাসভা'; এবং শেখ আব্দুল্লাহর 'আতিশ-এ-চিনার'-এর তথ্যসূত্র ব্যবহার করেছে। কে. এস. লাল রচিত 'থিওরি অ্যান্ড প্র্যাকটিস অফ মুসলিম স্টেট ইন ইন্ডিয়া' (১৯৯৯), নয়াদিল্লি: আদিত্য প্রকাশন, অধ্যায় ৬ থেকে উদ্ধৃত। * হিন্দুদের ইসলামে ধর্মান্তরিত করার উপায় বাতলে মুসলিমদের নির্দেশ দেওয়া উর্দু ভাষায় রচিত অনেক প্যামফলেট ও ব্রোশারের মধ্যে কেবল একটি পরীক্ষা করলেই এই ধরণের সাহিত্যে কী থাকে সে সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। এটি হলো খাজা হাসান নিজামীর 'দায়ি-এ ইসলাম' (ইসলামের প্রচার)। হাসান নিজামী ছিলেন দিল্লির নিজামউদ্দিন আউলিয়ার দরগাহর সাথে যুক্ত একজন সুফি ধর্মগুরু। প্যামফলেটটি কাফেরদের ইসলামে ধর্মান্তরিত করার দ্রুততম ও ব্যাপক উপায় শেখায়। খাজা উচ্চবিত্ত থেকে নিম্নবিত্ত সকল পর্যায়ের মুসলিমদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন অ-মুসলিমদের ইসলামে ধর্মান্তরিত করার মাধ্যমে ইসলামের সেবা করতে। এই মিশনারি প্রচেষ্টায় জমিদার ও নবাব, ডাক্তার ও পতিতা, এক্কা চালক ও চুড়ি বিক্রেতা—সবাইকে অবদান রাখার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। মুসলিম আইনজীবী ও ডাক্তারদের বলা হয়েছিল তাদের হিন্দু মক্কেল ও রোগীদের ধর্মান্তরিত করতে প্রভাবিত করতে। নবাব ও জমিদারদের বলা হয়েছিল তাদের অধীনে থাকা হিন্দু প্রজাদের মুসলমান হতে চাপ দিতে। পতিতাদের বলা হয়েছিল তাদের হিন্দু খদ্দের ও অনুরাগীদের মুসলিম হতে প্রভাবিত করতে। [[লাভ জিহাদ|চুড়ি বিক্রেতাদের বলা হয়েছিল তরুণী হিন্দু মেয়েদের প্রলুব্ধ করতে]] এবং এক্কা চালকদের বলা হয়েছিল হিন্দু নারী ও শিশুদের ভুলিয়ে নিয়ে যেতে। এই জাতীয় ব্যবস্থাপত্র আধ্যাত্মিক বা নীতিগত কোনোটিই ছিল না, কিন্তু এটি মুসলিম মানসিকতার সাথে খাপ খেয়েছিল। প্যামফলেটটি মুসলিমদের মধ্যে ব্যাপক বিক্রি হয়েছিল। হায়দ্রাবাদের নিজাম খাজার জন্য একটি ভাতা নির্দিষ্ট করেছিলেন এবং অন্যান্য মুসলিম প্রধান ও জমিদাররাও তা অনুসরণ করেছিলেন। মুসলিম ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ ও আবগারি পরিদর্শক এবং অন্যান্য প্রভাবশালী কর্মকর্তাদের এই সুফি ভক্তের পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করতে দেখা গিয়েছিল। ** খাজা হাসান নিজামী, কে. এস. লাল রচিত 'থিওরি অ্যান্ড প্র্যাকটিস অফ মুসলিম স্টেট ইন ইন্ডিয়া' (১৯৯৯), নয়াদিল্লি: আদিত্য প্রকাশন, অধ্যায় ৬ থেকে উদ্ধৃত। == প == * আমাদের মেয়েরা চরমপন্থীদের দ্বারা ফাঁদে পড়ার ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে। আসুন আমরা সেই সব বাবা-মায়ের দুঃখের জন্য প্রার্থনা করি যারা তাদের সন্তানদের ধর্মীয় চরমপন্থীদের ফাঁদে পড়তে দেখেও অসহায় হয়ে আছেন। নারীদের বিরুদ্ধে ক্রমবর্ধমান সহিংসতার এই যুগে আমাদের উচিত পবিত্র মাতার মতো নারী ও নারীত্বকে শ্রদ্ধা ও সম্মান করা। "প্রত্যেকেরই আর্চডায়োসিস ক্যাটেচিজম সেন্টারের সচেতনতামূলক প্রচারণার সুযোগ নেওয়া উচিত, যা কিশোর-কিশোরী এবং তাদের অভিভাবকদের লক্ষ্য করে পরিচালিত হচ্ছে, যাতে আমাদের সন্তানরা সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর ফাঁদে না পড়ে।" ** আর্চবিশপ মার জোসেফ পামপ্লানি কর্তৃক জারি করা যাজকীয় পত্র। [https://www.onmanorama.com/news/kerala/2022/09/05/tellicherry-archdiocese-circular-love-trap.html এক্সট্রিমিস্টস লিউরিং ক্রিশ্চিয়ান গার্লস ফেইনিং লাভ, ওয়ার্নস টেলিসেরি আর্চডায়োসিস], ৫ সেপ্টেম্বর ২০২২। * “বিশ্বাসীরা যদি এমন পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়, তবে আপনি তাদের দোষ দিতে পারেন না। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে ডায়োসিস কোনো অবস্থান নেয়নি, তবে আমরা উদ্বিগ্ন। তাই এই ধরণের ঘটনা বন্ধ করার জন্য যারা কাজ করছে তাদের সমর্থন করার মধ্যে ভুল কী আছে?” ** ফাদার জিমি পুচাকাত্ত, মুখপাত্র, সিরো মালাবার চার্চ, ২০১৭। [https://www.hindustantimes.com/india-news/the-bjp-and-the-church-find-common-ground-on-love-jihad-in-kerala/story-krCpAE2YLaxTLxLZuXAnhJ.html দ্য বিজেপি অ্যান্ড দ্য চার্চ ফাইন্ড কমন গ্রাউন্ড অন ‘লাভ জিহাদ’ ইন কেরালা] নিবন্ধে উদ্ধৃত। == স == * তথাকথিত অতি-পুরুষালি মুসলিম পুরুষ দেহ এবং অতি-প্রজননক্ষম মুসলিম নারী দেহ নিয়ে একটি অন্ধকার যৌন আচ্ছন্নতা রয়েছে, যা এই প্যারানোইয়া (অহেতুক ভীতি) এবং প্রতিশোধের মূর্তিকে অনুপ্রাণিত ও টিকিয়ে রাখে। ** সরকার, তানিকা। "সেমিওটিকস অফ টেরর: মুসলিম চিলড্রেন অ্যান্ড উইমেন ইন হিন্দু রাষ্ট্র।" ইকোনমিক অ্যান্ড পলিটিক্যাল উইকলি ৩৭, নম্বর ২৮ (২০০২): ২৮৭২-৮৭৬। সংগৃহীত ৯ জুলাই, ২০২১। http://www.jstor.org/stable/4412352। * একজন অধিকতর পুরুষালি মুসলিম পুরুষ দেহের প্রতি এক ধরণের চিরস্থায়ী ভয় কাজ করে যা হিন্দু মেয়েদের ভুলিয়ে নিয়ে যায়; এটি এক ধরণের লিঙ্গ-ঈর্ষা এবং পুরুষত্বহীনতার উদ্বেগ যা কেবল সহিংস কাজের মাধ্যমেই কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। ** সরকার, তানিকা। "সেমিওটিকস অফ টেরর: মুসলিম চিলড্রেন অ্যান্ড উইমেন ইন হিন্দু রাষ্ট্র।" ইকোনমিক অ্যান্ড পলিটিক্যাল উইকলি ৩৭, নম্বর ২৮ (২০০২): ২৮৭২-৮৭৬। সংগৃহীত ৯ জুলাই, ২০২১। http://www.jstor.org/stable/4412352। * লাভ জিহাদ, হ্যাঁ, কেরালায় কী ঘটছে তা আমি দেখছি। কীভাবে হিন্দুরা একটি বিয়ের জালে প্রতারিত হচ্ছে এবং কীভাবে তারা কষ্ট পাচ্ছে... শুধু হিন্দু নয়, মুসলিম ও খ্রিস্টান মেয়েরাও বিয়ের ক্ষেত্রে প্রতারিত হচ্ছে। এখন এই ধরণের জিনিসের আমি অবশ্যই বিরোধিতা করব। ** ই. শ্রীধরন, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২১। [https://www.ndtv.com/video/exclusive/the-news/bjp-not-communal-party-of-nation-lovers-india-s-metro-man-e-sreedharan-576372 এনডিটিভি: বিজেপি নট কমিউনাল, পার্টি অফ নেশন-লাভার্স: "মেট্রো ম্যান" ই শ্রীধরন টু এনডিটিভি] নিবন্ধে উদ্ধৃত। * বামপন্থীরা যখন এই ঘটনাগুলোকে ‘ডানপন্থী কল্পনা’ বলে উড়িয়ে দেয়, তখন আসলে ঘটনাগুলো বাস্তব। মৃতদেহগুলোও বাস্তব এবং হুমকিটি আসন্ন... ‘লাভ জিহাদ’ এর মতো একটি শব্দের সংকীর্ণ সংজ্ঞার কারণেই বামপন্থীরা এখন এটিকে বিকৃত করার চেষ্টা করছে এই বলে যে, লাভ জিহাদ শব্দটি কেবল এই কারণে ব্যবহৃত হয় কারণ ‘চরমপন্থী হিন্দুরা’ আন্তঃধর্মীয় বিবাহের বিরোধী; অথচ বাস্তবতা হলো এই ঘটনাটি পারস্পরিক সম্মতির সম্পর্কের ধারেকাছেও নেই।<br>এই কারণেই অপইন্ডিয়া এখন থেকে তাদের আলোচনা ও প্রতিবেদনে ‘লাভ জিহাদ’ শব্দটি পরিহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। জিহাদে কোনো ‘লাভ’ বা ভালোবাসা নেই এবং এমনকি যদি আমরা সমস্যাযুক্ত বাক্য গঠনসহ শব্দটি গ্রহণ করি, তবুও এটি সেই জিহাদের ভয়াবহতাকে তুলে ধরতে ব্যর্থ হয় যা কট্টরপন্থী মুসলিমদের একাংশ পরিচালনা করছে যারা নির্দিষ্টভাবে অ-মুসলিম নারীদের লক্ষ্যবস্তু করে। আমরা বিশ্বাস করি যে ‘গ্রুমিং জিহাদ’ শব্দটি অনেক বেশি উপযুক্ত কারণ এটি নিজের মধ্যে সেই সমস্ত ধরণের অপরাধকে ধারণ করে যা নারীদের এই জিহাদের কেন্দ্রে রাখে।<br>অ-মুসলিম নারীদের গ্রুমিং করা হচ্ছে যাতে তারা মুসলিম পুরুষদের হাতে নিজেদের পরাধীনতাকে মেনে নেয়। তাদের অপহরণ, ধর্ষণ, প্রলুব্ধ, ইসলামে ধর্মান্তরিত, শাস্তি এবং মগজধোলাই করা হচ্ছে। মানবতার বিরুদ্ধে এই অপরাধগুলোতে কোনো ‘লাভ’ নেই। এটি যে জিহাদের একটি রূপ তা নিয়ে কোনো অস্পষ্টতা নেই। একে তার সঠিক নামে ডাকার সময় এসেছে—গ্রুমিং জিহাদ। ** নুপুর জে শর্মা | ১৮ নভেম্বর, ২০২০। [https://www.opindia.com/2020/11/opindia-to-use-grooming-jihad-instead-of-love-jihad-here-is-why হোয়াই অপইন্ডিয়া হ্যাজ ডিসাইডেড টু ইউজ ‘গ্রুমিং জিহাদ’ ইনস্টেড অফ ‘লাভ জিহাদ’ মুভিং ফরোয়ার্ড]। * কাশ্মীর কোনো পাকিস্তান নয় যেখানে শিখদের জোর করে ধর্মান্তরিত করা যায়, আমরা এটি হতে দেব না। অকাল তখত সাহেবের জাঁতাদার জম্মু ও কাশ্মীরের লেফটেন্যান্ট গভর্নরের কাছে একটি চিঠি লিখেছেন যাতে ‘লাভ জিহাদ’-এর বিরুদ্ধে আইন আনা হয়। ** সরদার আর পি সিং, জুন ২০২১। [https://www.newkerala.com/news/2021/91223.htm শিখ লিডার্স মিট রেড্ডি ওভার কনভারশন অফ শিখ গার্লস ইন কাশ্মীর]। == ত == * এটি অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয় যে খ্রিস্টান মেয়েরাই সবচেয়ে বেশি লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হচ্ছে। সিবিআই, এনআইএ এবং আইবি সকলেই রিপোর্ট করেছে যে রাজ্য ও দেশে এই ধরণের ঘটনা ঘটছে। এটি দুঃখজনক এবং উদ্বেগের বিষয় যে ধর্মীয় সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর দ্বারা সরল মেয়েদের ফাঁদে ফেলার প্রচেষ্টাকে প্রতিহত করার একটি ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও এগুলো দক্ষতার সাথে মোকাবিলা করা হচ্ছে না। ** ফাদার অ্যান্টনি থালাচেলুর। [https://www.theweek.in/news/india/2020/01/15/christian-girls-targeted-and-killed-in-name-of-love-jihad-kerala-syro-malabar-church.html ক্রিশ্চিয়ান-গার্লস-টার্গেটেড-অ্যান্ড-কিলড-ইন-নাম-অফ-লাভ-জিহাদ-কেরালা-সিরো-মালাবার-চার্চ: দ্য উইক]। * ইসলামিক স্টেট তাদের ইহুদি ও খ্রিস্টান নারীদের শিকার করার আন্তর্জাতিক এজেন্ডার অংশ হিসেবে খ্রিস্টান নারীদের প্রলুব্ধ করছে... আগামী কয়েক মাসে আমরা আমাদের ধর্মীয় সংগঠনের মাধ্যমে পরিবার এবং মেয়েদের সচেতন করব যাতে তারা এই ফাঁদে না পড়ার মতো যথেষ্ট শিক্ষিত হয়। ** ফাদার অ্যান্টনি থালাচেলুর, ২০২০। [https://theprint.in/india/syro-malabar-church-says-love-jihad-a-threat-in-kerala-govt-says-it-doesnt-exist/351174/ সিরো-মালাবার চার্চ সেজ ‘লাভ জিহাদ’ এ থ্রেট ইন কেরালা, গভর্মেন্ট সেজ ইট ডাজ নট এক্সিস্ট] নিবন্ধে উদ্ধৃত। * যেন এটিই যথেষ্ট নয়, কারগিলের বৌদ্ধদের ইসলামে ধর্মান্তরিত করার একটি সুপরিকল্পিত এবং সংগঠিত নকশা রয়েছে। গত চার বছরে কেবল ওয়াখা গ্রাম থেকেই প্রায় ৫০ জন মেয়ে এবং সন্তানসহ বিবাহিত নারীকে প্রলুব্ধ করে ধর্মান্তরিত করা হয়েছে। যদি এটি বিনা বাধায় চলতে থাকে, তবে আমাদের ভয় হচ্ছে আগামী দুই দশকের মধ্যে কারগিল থেকে বৌদ্ধরা বিলুপ্ত হয়ে যাবে। এই ধরণের প্রলোভন ও ধর্মান্তরের প্রতিবাদকারী যে কাউকেই হয়রানি করা হয়... তাই লাদাখি জনগণের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক পরিচয় রক্ষা করতে কারগিলের জন্য একটি ধর্মান্তর বিরোধী আইন কার্যকর করতে হবে, যেমনটি বর্তমানে অরুণাচল প্রদেশ এবং মধ্যপ্রদেশের মতো রাজ্যগুলোতে বলবৎ রয়েছে। ** লাদাখ বৌদ্ধ অ্যাসোসিয়েশনের টুন্ডুপ ত্সারিং এবং ত্সাওয়াং নুরবু। কোয়েনরাড এলস্ট রচিত 'ভারতীয় জনতা পার্টি ভিস-আ-ভিস হিন্দু রিসার্জেন্স' এবং 'হু ইজ এ হিন্দু?: হিন্দু রিভাইভালিস্ট ভিউজ অফ অ্যানিমিজম, বুদ্ধিজম, শিখজম, অ্যান্ড আদার অফশুটস অফ হিন্দুইজম' (২০০২)-এ উদ্ধৃত। == ভ == * লাভ জিহাদকে কেবল প্রেমের কোণ থেকে দেখা উচিত নয়, বরং আরও বৃহত্তর পর্যায়ে এর সমাধান করা উচিত। এটি কোনো নির্দিষ্ট সম্প্রদায়কে লক্ষ্যবস্তু করার জন্য নয়। ধর্মনিরপেক্ষ রাজনৈতিক দলগুলোর অন্তত এটি স্বীকার করা উচিত যে এখানে লাভ জিহাদ বিদ্যমান। রাজ্যের একটি ছোট গোষ্ঠী ক্রমাগত কট্টরপন্থী হয়ে উঠছে এবং আন্তর্জাতিক ও বিশ্বব্যাপী ইসলামের সাথে এর যোগসূত্র রয়েছে। এর নাম ভিন্ন হতে পারে, কিন্তু এই গোষ্ঠীগুলোর মানুষ এবং নেতৃত্ব প্রায় একই... এটি একটি বড় সমস্যা যা আমরা বহু বছর ধরে মোকাবিলা করছি, কিন্তু কেরালার ধর্মনিরপেক্ষ রাজনৈতিক দলগুলো এই বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করতে আগ্রহী নয়। এটি তাদের রাজনীতির অংশ। রাজ্যে ঘটে যাওয়া প্রতিটি মৃত্যু ও হত্যাকাণ্ডকে একটি "বিচ্ছিন্ন" ঘটনা হিসেবে পাশ কাটিয়ে যাওয়া হয়। একের পর এক হত্যাকাণ্ড ঘটেছে অথচ রাজ্যের কোনো মূলধারার দল এই বিষয়টি নিয়ে কথা বলেনি। রিপোর্ট এসেছে যে এই হত্যাকাণ্ডে কট্টরপন্থী গোষ্ঠীগুলো জড়িত ছিল এবং সরকারের কাছে সমস্ত বিবরণ রয়েছে... “আজও আমরা চিন্তিত খ্রিস্টান অভিভাবকদের কাছ থেকে তাদের মেয়েদের সাহায্য ও কাউন্সেলিং চেয়ে ফোন কল পেয়েছি। এটি অন্য ধর্মের কাউকে বিয়ে করার বিষয় নয়। এই ঘটনাগুলোতে আমরা বিয়ের পর তাদের সুখে শান্তিতে থাকতে দেখি না। আমরা বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণ করছি। পুলিশ নিজেই অনেক ক্ষেত্রে প্রকাশ করেছে যে বিয়ের পর মেয়েরা নিখোঁজ হয়ে গেছে অথবা তারা ইসলামিক স্টেটে যোগ দিয়েছে এবং তাদের যৌনদাসী হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। তার মানে এটি ভালোবাসা ছিল না। ভালোবাসাকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে।" ** ফাদার ভার্গিস ভাল্লিক্কাত। [https://www.newindianexpress.com/cities/kochi/2020/jan/20/politics-in-state-silent-on-love-jihad-but-we-cant-be-bishops-council-2091749.html পলিটিক্স ইন স্টেট সাইলেন্ট অন লাভ জিহাদ, বাট উই কান্ট বি: বিশপস কাউন্সিল] নিবন্ধে উদ্ধৃত। == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:ষড়যন্ত্র তত্ত্ব]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতে ইসলাম]] [[বিষয়শ্রেণী:হিন্দু জাতীয়তাবাদ]] icu3lupaw8wsl1r4sfuoajkplfdsw3x 79896 79892 2026-04-23T06:15:35Z Tuhin 172 /* অ */ 79896 wikitext text/x-wiki '''[[w:লাভ জিহাদ|লাভ জিহাদ]]''' (যা '''রোমিও জিহাদ''' নামেও পরিচিত) হলো একটি ইসলামভীতিমূলক [[ষড়যন্ত্র তত্ত্ব]] যা [[হিন্দুত্ব|হিন্দুত্ববাদী]] আদর্শের সমর্থকদের দ্বারা উদ্ভাবিত। এই ষড়যন্ত্র তত্ত্বটি দাবি করে যে, মুসলিম পুরুষরা প্রলোভন, প্রেমের অভিনয়, প্রতারণা, অপহরণ এবং বিবাহের মতো উপায়ে হিন্দু নারীদের [[w:ইসলামে ধর্মান্তর|ইসলামে ধর্মান্তরিত করার]] লক্ষ্য নির্ধারণ করে। এটি ভারতের বিরুদ্ধে মুসলিমদের একটি বৃহত্তর "যুদ্ধ" এবং জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে আধিপত্য বিস্তারের একটি সংগঠিত আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে দাবি করা হয়। __NOTOC__ {{TOCalpha}} == অ == * ‘লাভ জিহাদ’ প্রচারণাটি অত্যন্ত সযত্নে অতৃপ্ত কামুক মুসলিম পুরুষের কাল্পনিক ধারণাটিকে টিকিয়ে রাখে। এর বিপরীতে হিন্দু নারীদের অসহায় হিসেবে চিত্রিত করা হয় যারা সহজেই প্রলোভনের শিকার হয়। এই বিষাক্ত প্রচারণা তরুণ দম্পতিদের জীবনে বিপর্যয় ডেকে আনছে, যেখানে নারীদের তাদের জীবনসঙ্গী নির্বাচনের অধিকার অস্বীকার করা হচ্ছে। এই সাম্প্রদায়িক কলুষিত পরিবেশে – যেখানে প্রতিটি ভিন্নধর্মী বিবাহকে একটি রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখা হয় এবং হিন্দু মেয়েদের মুসলিম ছেলেদের সংস্পর্শ থেকে ‘পবিত্র’ রাখার জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানো হয় – সেখানে এই ধরণের পরিবেশ তৈরিতে ইন্ধন জোগানো রাজনৈতিক দলটি কি [[w:অভিন্ন দেওয়ানি বিধি|অভিন্ন দেওয়ানি বিধি]] (ইউসিসি) কার্যকর করার প্রচারণার নেতৃত্ব দিতে পারে? ** [[ফ্লাভিয়া অ্যাগনেস]], [https://thewire.in/law/bjp-uniform-civil-code "দ্য মোদি গভর্নমেন্ট'স হিন্দুত্ব আইডিওলজি কুড স্টল অ্যানি প্রগ্রেস অন দ্য ইউনিফর্ম সিভিল কোড"], ''দ্য ওয়্যার'', ৭ জুলাই ২০১৬। * হিন্দুত্ববাদী তাত্ত্বিকদের মতে মুসলিমদের একটি প্রধান পরিকল্পনা হলো “হিন্দু মেয়েদের বিয়ের জন্য প্রলুব্ধ করা, আকর্ষণ করা এবং অপহরণ করা” (পালিওয়াল ২০০৩: ২৪)। ** ''হিন্দু ন্যাশনালিজম ইন ইন্ডিয়া অ্যান্ড দ্য পলিটিক্স অফ ফিয়ার'', ডি. আনন্দ, পৃষ্ঠা ৩০। * দেশজুড়ে হিন্দুত্ববাদী বুদ্ধিজীবী, নেতা এবং কর্মীদের মধ্যে একটি সাধারণ বয়ান ছিল যে, “নিষ্পাপ” হিন্দু মেয়েদের প্রলুব্ধ করার জন্য এটি একটি সচেতন মুসলিম চক্রান্ত। ** ''হিন্দু ন্যাশনালিজম ইন ইন্ডিয়া অ্যান্ড দ্য পলিটিক্স অফ ফিয়ার'', ডি. আনন্দ, পৃষ্ঠা ৫১। * তাদের পরিকল্পনা হলো আগামী ২০ বছরের মধ্যে কেরলকে একটি মুসলিম রাজ্যে পরিণত করা। সেজন্য তারা তরুণদের প্রলুব্ধ করছে, তাদের অর্থ দিচ্ছে এবং মুসলিম জনসংখ্যা বৃদ্ধির জন্য হিন্দু মেয়েদের বিয়ে করতে জোর দিচ্ছে। এভাবেই তারা তাদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা বৃদ্ধি করছে এবং এই কৌশলগুলো কাজে দিচ্ছে। ** কেরলের মার্ক্সবাদী প্রবীণ এবং সিপিএম-এর শক্তিশালী নেতা ভিএস অচ্যুতানন্দন। [https://www.firstpost.com/opinion/the-kerala-story-is-not-hindutva-fiction-world-is-waking-up-to-love-jihad-and-grooming-12555032.html/amp দ্য কেরালা স্টোরি ইজ নট হিন্দুত্ব ফিকশন, ওয়ার্ল্ড ইজ ওয়াকিং আপ টু লাভ জিহাদ অ্যান্ড গ্রুমিং] নিবন্ধে উদ্ধৃত। == স == * বামপন্থী (সিপিএম নেতৃত্বাধীন বাম গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট) এবং ডানপন্থী (কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউনাইটেড ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট) লাভ জিহাদ নামক সন্ত্রাসবাদকে পরোক্ষ ও প্রত্যক্ষভাবে সমর্থন দিয়ে জিহাদিদের তোষণ করার প্রতিযোগিতায় নেমেছে। আমাদের উচিত হবে না তাদের (এলডিএফ এবং ইউডিএফ) ছায়ায় জিহাদিদের বেড়ে উঠতে দেওয়া। সেজন্য আমাদের সেই গাছগুলো কেটে ফেলতে হবে যা তাদের আশ্রয় দেয়। চিন্তা করুন, কাজ করুন। ** কেরালা ভিত্তিক খ্রিস্টান সংস্থা 'ক্রিশ্চিয়ান অ্যাসোসিয়েশন অ্যান্ড অ্যালায়েন্স ফর সোশ্যাল অ্যাকশন' (কাসা), ২০২১ সালের একটি সচেতনতামূলক ভিডিওতে। [https://theprint.in/india/theyre-taking-our-girls-to-isis-how-church-is-now-driving-love-jihad-narrative-in-kerala/632324/ ‘দে আর টেকিং আওয়ার গার্লস টু আইসিস’: হাউ চার্চ ইজ নাউ ড্রাইভিং ‘লাভ জিহাদ’ ন্যারেটিভ ইন কেরালা] == ই == * মুসলিম জনতাত্ত্বিক যুদ্ধের অন্যতম বেদনাদায়ক দিক হলো অ-মুসলিম মেয়েদের দখল করার প্রকাশ্য প্রচেষ্টা যাতে তারা তাদের নিজস্ব জনতাত্ত্বিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে পারে, পাশাপাশি অভিযুক্ত কাফেরদের চরম অপমানিত করতে পারে। বাংলাদেশে এবং ভারতের মুসলিম-প্রধান অঞ্চলগুলোতে এটি প্রায়শই মেয়েদের অপহরণ করা অথবা মুসলিমদের সাথে বিয়ে দেওয়ার জন্য তাদের হুমকি দেওয়ার রূপ নেয়। পশ্চিমের উন্মুক্ত বাজার এবং ভারতের পশ্চিমা ধাঁচের সার্কেলগুলোতে এটি স্বাভাবিক প্রেমের রূপ নেয়; তবে সীমাবদ্ধতা হলো, কোনো মুসলিম মেয়ে যদি অ-মুসলিম কারো সাথে বন্ধুত্ব করে, তবে সেই সম্পর্ক বন্ধ করার জন্য তার ওপর পারিবারিক চাপ প্রয়োগ করা হয় অথবা ছেলের ওপর শারীরিক হুমকি দেওয়া হয়, কিংবা উভয়ই করা হয়। যেহেতু বিপরীত ক্ষেত্রে (অ-মুসলিম মেয়ে ও মুসলিম ছেলে) এমনটি ঘটার সম্ভাবনা অনেক কম, তাই এর নিট ফলাফল হলো অ-মুসলিম মেয়েদের একটি বড় অংশ মুসলিম পরিবারগুলোতে চলে যায়। ** কোয়েনরাড এলস্ট, 'দ্য ডেমোগ্রাফিক সিজ', ১৯৯৮। ক্যাথিঙ্কা ফ্রয়েস্টাড রচিত 'সাউন্ড বাইটিং কন্সপিরেসি: ফ্রম ইন্ডিয়া উইথ “লাভ জিহাদ”', রিলিজিয়নস ২০২১, ১২(১২), ১০৬৪-এ উদ্ধৃত। == জ == * এটি আর কতদূর যাবে? সুপ্রিম কোর্ট বলেছে লাভ জিহাদ নেই। আমি জানি লাভ জিহাদ বাস্তব, আমি বলব ‘লাভ জিহাদ’ আছে। আমি যখন বলছি আমরা কোন দিকে যাচ্ছি, তখন আমাকে ভুল বুঝবেন না। এটি বন্ধ করার একটাই সমাধান আছে। সম্মানিত ভারতকে একটি হিন্দু রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করতে হবে... লাভ জিহাদ বাস্তব এবং মুসলিমরা ২০৩০ সালের মধ্যে ভারতকে একটি ইসলামি রাষ্ট্র বানানোর পরিকল্পনা করছে... প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিমুদ্রাকরণ (ডিমোনেটাইজেশন) পদক্ষেপের কারণে এটি বিলম্বিত হয়েছে। ** [[w:পি. সি. জর্জ|পি. সি. জর্জ]], এপ্রিল ২০২১। [https://tfipost.com/2021/04/due-to-islamic-threat-keralas-minister-who-happens-to-be-a-christian-wants-india-to-be-declared-a-hindu-nation/ ডিউ টু ইসলামিক থ্রেট, কেরালা’স মিনিস্টার হু হ্যাপেনস টু বি এ ক্রিশ্চিয়ান ওয়ান্টস ইন্ডিয়া টু বি ডিক্লেয়ার্ড এ হিন্দু নেশন] নিবন্ধে উদ্ধৃত। * সিরিয়ান ইন্ডিপেন্ডেন্ট অর্থোডক্স চার্চের বিশপ ম্যাথিউ মার গ্রেগোরিওস বিশ্বাস করেন যে ‘লাভ জিহাদ’ একটি বাস্তবতা এবং তরুণদের এই মন্দের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর সময় এসেছে। “আপনারা দেখলে অবাক হবেন প্রতিদিন আমার ফোনে মেয়েদের বাবা-মায়ের কাছ থেকে কত মেসেজ আসে। মালাবার অঞ্চলে খ্রিস্টান মেয়েদের ইসলামে ধর্মান্তরিত করার ঘটনা ব্যাপকভাবে ঘটছে। যেহেতু আমি এখানে একটি গির্জার প্রধান, তাই খোলাখুলিভাবে এ বিষয়ে কথা বলার কিছু সীমাবদ্ধতা আমার আছে,” বিশপ হিন্দুস্তান টাইমস-কে বলেন। তার মতে, ‘লাভ জিহাদ’ একটি ভুল নাম কারণ এটি প্রেমের ছলে ধর্মান্তরের একটি কৌশল মাত্র। তিনি আরও বলেন, “আমি ব্যক্তিগতভাবে যেসব ঘটনায় হস্তক্ষেপ করেছি, তার বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এটি প্রেমের ভান ছিল। একবার বিয়ে হয়ে গেলে অধিকাংশ সময়ই মেয়েটিকে পরিত্যক্ত করা হয়। ধর্মান্তরই একমাত্র লক্ষ্য এবং এটি একটি সম্প্রদায়ের সংখ্যা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে করা হয়। কেউ কেউ এর সাথে আইসিস (আইএস) যোগসূত্র থাকার অভিযোগও তুলেছেন, যা তদন্ত করা প্রয়োজন।” ** বিশপ ম্যাথিউ মার গ্রেগোরিওস, ২০১৭। [https://www.hindustantimes.com/india-news/the-bjp-and-the-church-find-common-ground-on-love-jihad-in-kerala/story-krCpAE2YLaxTLxLZuXAnhJ.html দ্য বিজেপি অ্যান্ড দ্য চার্চ ফাইন্ড কমন গ্রাউন্ড অন ‘লাভ জিহাদ’ ইন কেরালা] == ক == * সিরো-মালাবার চার্চের পালাই ডায়োসিসের বিশপ জোসেফ কাল্লারাঙ্গাট অভিযোগ করেছেন যে যারা দাবি করেন কেরালায় ‘লাভ জিহাদ’ নেই তারা “বাস্তবতার প্রতি অন্ধ।” “এই ধরণের মানুষরা—তারা রাজনীতিবিদ হোক বা সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের ব্যক্তি বা মিডিয়া—তাদের নিজস্ব স্বার্থ থাকতে পারে। কিন্তু একটি বিষয় স্পষ্ট। আমরা আমাদের তরুণীদের হারাচ্ছি। এটি কেবল প্রেমঘটিত বিয়ের বিষয় নয়। এটি তাদের জীবন ধ্বংস করার একটি যুদ্ধ কৌশল (ওয়ার স্ট্র্যাটেজি),” তিনি দাবি করেন... “বিশ্বের অন্যান্য প্রান্তের মতো কেরালার মুসলিমদের একটি অংশ আছে যারা সম্প্রদায়ের মধ্যে বিদ্বেষ সৃষ্টি করতে এবং ধর্মীয় ঘৃণা ছড়াতে চায়। জিহাদিরা ইসলাম প্রচারের জন্য বিভিন্ন উপায় ব্যবহার করছে এবং তারা অ-মুসলিম তরুণীদের লক্ষ্যবস্তু করছে,” তিনি নিমিষা নামক এক হিন্দু মেয়ে এবং সোনিয়া সেবাস্তিয়ান নামক এক খ্রিস্টান মেয়ের উদাহরণ দেন, যারা মুসলিম পুরুষদের প্রেমে পড়ে ইসলাম গ্রহণ করেন এবং শেষ পর্যন্ত সিরিয়ায় কুখ্যাত ইসলামিক স্টেটে যোগ দেন। তিনি আরও ব্যাখ্যা করেন, “আমাদের মতো একটি গণতান্ত্রিক দেশে যেহেতু অন্য ধর্মের মানুষকে ধ্বংস করতে অস্ত্র ব্যবহার করা সহজ নয়, তাই জিহাদিরা এমন উপায় ব্যবহার করছে যা সহজে শনাক্ত করা যায় না। জিহাদিদের দৃষ্টিতে অ-মুসলিমদের ধ্বংস করতে হবে। যখন উদ্দেশ্য হয় তাদের ধর্মের বিস্তার এবং অ-মুসলিমদের ধ্বংস করা, তখন তারা বিভিন্ন রূপের উপায় ব্যবহার করে। বর্তমানে এ রকম ব্যাপকভাবে আলোচিত দুটি উপায় হলো লাভ জিহাদ এবং নারকোটিক্স জিহাদ।” ** জোসেফ কাল্লারাঙ্গাট, সিরো-মালাবার চার্চের বিশপ, ২১/১১/২০২২। [https://goachronicle.com/love-jihad-not-a-hindutva-conspiracy-catholic-church-rings-alarm-bells-too/ লাভ জিহাদ: নট এ হিন্দুত্ব কন্সপিরেসি, ক্যাথলিক চার্চ রিংস অ্যালার্ম বেলস টু] * জনতাত্ত্বিক যুদ্ধ শুরু করা: হিন্দু মেয়েদের প্রলুব্ধ করা ও বিয়ে করা এবং তাদের গর্বিত জিহাদি ট্রফি হিসেবে প্রদর্শন করা অর্থাৎ “প্রেমের” মাধ্যমে জিহাদ; ** কৃষ্ণস্বামী কর্তৃক প্রচারিত একটি পুস্তিকা থেকে (কৃষ্ণস্বামী, পৃষ্ঠা ৪১)। * সংগঠিত ধর্মান্তর এবং ‘লাভ জিহাদ’-এ ফাঁদে ফেলে ভুক্তভোগীদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে ব্যবহার করার ঘটনাগুলো প্রমাণ করে যে খ্রিস্টান সম্প্রদায় ইসলামি চরমপন্থীদের সহজ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে। * এটি গুরুত্বপূর্ণ যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই উদ্বেগজনক প্রবণতাটি লক্ষ্য করবে এবং জাতীয় তদন্ত সংস্থা (এনআইএ) দ্বারা তদন্তের নির্দেশ দেবে এবং উগ্রপন্থীদের এই ধরণের প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড বন্ধে একটি কার্যকর আইন প্রণয়ন করবে। * বাবা-মায়েদের প্রকাশ করা ভয় অমূলক নয়, অতীতে একই ধরণের ঘটনা থেকে তা প্রমাণিত। রিপোর্ট বলছে কেরালা থেকে আইসিস-এ যোগ দেওয়া ২১ জনের মধ্যে পাঁচজনই খ্রিস্টধর্ম থেকে ধর্মান্তরিত।" তিনি কেরালা ক্যাথলিক বিশপস কাউন্সিলের কমিশন ফর সোশ্যাল হারমনি অ্যান্ড ভিজিল্যান্সের প্রকাশিত তথ্য উদ্ধৃত করে বলেন, "২০০৫ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত প্রায় ৪,০০০ মেয়ে প্রেমের ফাঁদে পড়ে ধর্মান্তরিত হয়েছে। ভুক্তভোগীরা যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন অথবা কোনো স্বাধীনতা ছাড়াই শোচনীয় অবস্থায় জীবন কাটাতে বাধ্য হয়েছেন।” * কেরালার খ্রিস্টান মেয়েরা ‘লাভ জিহাদ’-এর লক্ষ্যবস্তু। তারা সহজেই ভুক্তভোগী হতে পারে। ধর্মান্তরের ক্রমবর্ধমান প্রবণতা এটিই প্রমাণ করে।” ** জর্জ কুরিয়ান, সংখ্যালঘু জাতীয় কমিশনের (এনসিএম) ভাইস চেয়ারম্যান, ২০১৯। [https://www.theweek.in/news/india/2019/09/26/christians-soft-target-for-love-jihad-islamic-radicals-minority-body-vice-chairman.html খ্রিস্টানস-সফট-টার্গেট-ফর-লাভ-জিহাদ-ইসলামিক-র‍্যাডিক্যালস-মাইনরিটি-বডি-ভাইস-চেয়ারম্যান: দ্য উইক] == হ == * আমাদের দাবি হলো কোনো মেয়েকেই যেন এই ট্রমার মধ্য দিয়ে যেতে না হয়। আমি অনুভব করছি যে ‘লাভ জিহাদ’ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। ** নিরঞ্জন হিরেমাথ, কংগ্রেস কর্পোরেটর এবং নিহত এমসিএ শিক্ষার্থী নেহা হিরেমাথের বাবা। [https://newsable.asianetnews.com/karnataka-news/hubballi-horror-neha-hiremath-s-father-says-love-jihad-is-spreading-rapidly-urges-govt-action-watch-snt-sc6z04 হুবলি হরর: নেহা হিরেমাথ'স ফাদার সেজ 'লাভ জিহাদ' ইজ স্প্রেডিং র‍্যাপিডলি, আরজেস গভর্মেন্ট অ্যাকশন], ১৯ এপ্রিল ২০২৪। == ম == * কিছু ঘটনা সামনে এসেছে যা গুরুত্বের সাথে দেখা প্রয়োজন, আমাদের অবশ্যই এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। যদি এমন কিছু ঘটে থাকে, তবে আমাদের তা খতিয়ে দেখা উচিত... এ নিয়ে কিছু সমস্যা এবং আশঙ্কা রয়েছে। যা ঘটেছে সে সম্পর্কে সরকারের স্পষ্টভাবে সামনে আসা উচিত এবং যদি এই ধরণের কোনো ঘটনা (লাভ জিহাদ) থেকে থাকে, তবে সেগুলোর সমাধান ও প্রতিকার করা উচিত। ** জোসে কে মানি, ২০২১। [https://theprint.in/politics/love-jihad-cases-should-be-studied-addressed-kerala-congress-m-chief-on-church-view/629731/ ‘লাভ জিহাদ’ কেসেস শুড বি স্টাডিড অ্যান্ড অ্যাড্রেসড: কেরালা কংগ্রেস (এম) চিফ অন চার্চ ভিউ] নিবন্ধে উদ্ধৃত। * এটি একটি সংগঠিত অপরাধ। উপসাগরীয় (গালফ) এবং অন্যান্য দেশ থেকে অর্থ আসছে যাতে মুসলিম পুরুষদের একটি দল হিন্দু নারীদের ফাঁদে ফেলতে পারে, তাদের বিয়ে করতে পারে এবং তারপর সন্ত্রাসবাদসহ বিভিন্ন অপরাধে তাদের ব্যবহার করতে পারে। ** [[w:লাভ জিহাদ|লাভ জিহাদ]] প্রসঙ্গে প্রমোদ মুথালিক, যেমনটা উদ্ধৃত হয়েছে "[http://indianexpress.com/article/cities/mumbai/muthalik-finds-cases-of-love-jihad-in-state-cites-rti-info/ মুথালিক ফাইন্ডস কেসেস অফ ‘লাভ জিহাদ’ ইন স্টেট, সাইটস আরটিআই ইনফো]", ''দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস'' (২০ সেপ্টেম্বর ২০১৪)। == ন == * আমরা দেখেছি কীভাবে সুফি ধর্মগুরু খাজা হাসান নিজামী তার 'দায়ি-এ ইসলাম'-এ হিন্দুদের ইসলামে ধর্মান্তরিত করার উপায় সম্পর্কে মুসলিমদের নির্দেশ দিয়েছিলেন। তার অতি-উৎসাহ হিন্দুদের সতর্ক করে দিয়েছিল। সেই নির্দেশগুলো গোপন থাকেনি, বইটি অনূদিত হয়েছিল এবং হিন্দুরা জানতে পেরেছিল কীভাবে এবং কেন উত্তর ভারতের প্রায় প্রতিটি শহর ও নগরে মুসলিমদের দ্বারা হিন্দু মেয়েদের গোপন অপহরণ এবং প্রলোভন দেখানো প্রতিদিনের ঘটনায় পরিণত হয়েছে। হিন্দুরা ব্যক্তিগতভাবে এবং তাদের সংগঠনের মাধ্যমে সতর্কতা অবলম্বন করতে শুরু করে। তারা হিন্দু মেয়ে, বিধবা এবং এতিমদের উদ্ধার করে এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে এই নোংরা প্রচেষ্টাগুলো রুখতে শুরু করে। ** খাজা হাসান নিজামী, ভি.পি. ভাটিয়া রচিত "দ্য এভার গ্রিন মোল্লা পাওয়ার", অর্গানাইজার, ২৭ অক্টোবর ১৯৯৬-এ উদ্ধৃত; যা বি.আর. আম্বেদকরের 'পাকিস্তান অ্যান্ড পার্টিশন অফ ইন্ডিয়া'; ইন্দ্র প্রকাশের 'দ্য হিস্ট্রি অফ হিন্দু মহাসভা'; এবং শেখ আব্দুল্লাহর 'আতিশ-এ-চিনার'-এর তথ্যসূত্র ব্যবহার করেছে। কে. এস. লাল রচিত 'থিওরি অ্যান্ড প্র্যাকটিস অফ মুসলিম স্টেট ইন ইন্ডিয়া' (১৯৯৯), নয়াদিল্লি: আদিত্য প্রকাশন, অধ্যায় ৬ থেকে উদ্ধৃত। * হিন্দুদের ইসলামে ধর্মান্তরিত করার উপায় বাতলে মুসলিমদের নির্দেশ দেওয়া উর্দু ভাষায় রচিত অনেক প্যামফলেট ও ব্রোশারের মধ্যে কেবল একটি পরীক্ষা করলেই এই ধরণের সাহিত্যে কী থাকে সে সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। এটি হলো খাজা হাসান নিজামীর 'দায়ি-এ ইসলাম' (ইসলামের প্রচার)। হাসান নিজামী ছিলেন দিল্লির নিজামউদ্দিন আউলিয়ার দরগাহর সাথে যুক্ত একজন সুফি ধর্মগুরু। প্যামফলেটটি কাফেরদের ইসলামে ধর্মান্তরিত করার দ্রুততম ও ব্যাপক উপায় শেখায়। খাজা উচ্চবিত্ত থেকে নিম্নবিত্ত সকল পর্যায়ের মুসলিমদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন অ-মুসলিমদের ইসলামে ধর্মান্তরিত করার মাধ্যমে ইসলামের সেবা করতে। এই মিশনারি প্রচেষ্টায় জমিদার ও নবাব, ডাক্তার ও পতিতা, এক্কা চালক ও চুড়ি বিক্রেতা—সবাইকে অবদান রাখার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। মুসলিম আইনজীবী ও ডাক্তারদের বলা হয়েছিল তাদের হিন্দু মক্কেল ও রোগীদের ধর্মান্তরিত করতে প্রভাবিত করতে। নবাব ও জমিদারদের বলা হয়েছিল তাদের অধীনে থাকা হিন্দু প্রজাদের মুসলমান হতে চাপ দিতে। পতিতাদের বলা হয়েছিল তাদের হিন্দু খদ্দের ও অনুরাগীদের মুসলিম হতে প্রভাবিত করতে। [[লাভ জিহাদ|চুড়ি বিক্রেতাদের বলা হয়েছিল তরুণী হিন্দু মেয়েদের প্রলুব্ধ করতে]] এবং এক্কা চালকদের বলা হয়েছিল হিন্দু নারী ও শিশুদের ভুলিয়ে নিয়ে যেতে। এই জাতীয় ব্যবস্থাপত্র আধ্যাত্মিক বা নীতিগত কোনোটিই ছিল না, কিন্তু এটি মুসলিম মানসিকতার সাথে খাপ খেয়েছিল। প্যামফলেটটি মুসলিমদের মধ্যে ব্যাপক বিক্রি হয়েছিল। হায়দ্রাবাদের নিজাম খাজার জন্য একটি ভাতা নির্দিষ্ট করেছিলেন এবং অন্যান্য মুসলিম প্রধান ও জমিদাররাও তা অনুসরণ করেছিলেন। মুসলিম ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ ও আবগারি পরিদর্শক এবং অন্যান্য প্রভাবশালী কর্মকর্তাদের এই সুফি ভক্তের পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করতে দেখা গিয়েছিল। ** খাজা হাসান নিজামী, কে. এস. লাল রচিত 'থিওরি অ্যান্ড প্র্যাকটিস অফ মুসলিম স্টেট ইন ইন্ডিয়া' (১৯৯৯), নয়াদিল্লি: আদিত্য প্রকাশন, অধ্যায় ৬ থেকে উদ্ধৃত। == প == * আমাদের মেয়েরা চরমপন্থীদের দ্বারা ফাঁদে পড়ার ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে। আসুন আমরা সেই সব বাবা-মায়ের দুঃখের জন্য প্রার্থনা করি যারা তাদের সন্তানদের ধর্মীয় চরমপন্থীদের ফাঁদে পড়তে দেখেও অসহায় হয়ে আছেন। নারীদের বিরুদ্ধে ক্রমবর্ধমান সহিংসতার এই যুগে আমাদের উচিত পবিত্র মাতার মতো নারী ও নারীত্বকে শ্রদ্ধা ও সম্মান করা। "প্রত্যেকেরই আর্চডায়োসিস ক্যাটেচিজম সেন্টারের সচেতনতামূলক প্রচারণার সুযোগ নেওয়া উচিত, যা কিশোর-কিশোরী এবং তাদের অভিভাবকদের লক্ষ্য করে পরিচালিত হচ্ছে, যাতে আমাদের সন্তানরা সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর ফাঁদে না পড়ে।" ** আর্চবিশপ মার জোসেফ পামপ্লানি কর্তৃক জারি করা যাজকীয় পত্র। [https://www.onmanorama.com/news/kerala/2022/09/05/tellicherry-archdiocese-circular-love-trap.html এক্সট্রিমিস্টস লিউরিং ক্রিশ্চিয়ান গার্লস ফেইনিং লাভ, ওয়ার্নস টেলিসেরি আর্চডায়োসিস], ৫ সেপ্টেম্বর ২০২২। * “বিশ্বাসীরা যদি এমন পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়, তবে আপনি তাদের দোষ দিতে পারেন না। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে ডায়োসিস কোনো অবস্থান নেয়নি, তবে আমরা উদ্বিগ্ন। তাই এই ধরণের ঘটনা বন্ধ করার জন্য যারা কাজ করছে তাদের সমর্থন করার মধ্যে ভুল কী আছে?” ** ফাদার জিমি পুচাকাত্ত, মুখপাত্র, সিরো মালাবার চার্চ, ২০১৭। [https://www.hindustantimes.com/india-news/the-bjp-and-the-church-find-common-ground-on-love-jihad-in-kerala/story-krCpAE2YLaxTLxLZuXAnhJ.html দ্য বিজেপি অ্যান্ড দ্য চার্চ ফাইন্ড কমন গ্রাউন্ড অন ‘লাভ জিহাদ’ ইন কেরালা] নিবন্ধে উদ্ধৃত। == স == * তথাকথিত অতি-পুরুষালি মুসলিম পুরুষ দেহ এবং অতি-প্রজননক্ষম মুসলিম নারী দেহ নিয়ে একটি অন্ধকার যৌন আচ্ছন্নতা রয়েছে, যা এই প্যারানোইয়া (অহেতুক ভীতি) এবং প্রতিশোধের মূর্তিকে অনুপ্রাণিত ও টিকিয়ে রাখে। ** সরকার, তানিকা। "সেমিওটিকস অফ টেরর: মুসলিম চিলড্রেন অ্যান্ড উইমেন ইন হিন্দু রাষ্ট্র।" ইকোনমিক অ্যান্ড পলিটিক্যাল উইকলি ৩৭, নম্বর ২৮ (২০০২): ২৮৭২-৮৭৬। সংগৃহীত ৯ জুলাই, ২০২১। http://www.jstor.org/stable/4412352। * একজন অধিকতর পুরুষালি মুসলিম পুরুষ দেহের প্রতি এক ধরণের চিরস্থায়ী ভয় কাজ করে যা হিন্দু মেয়েদের ভুলিয়ে নিয়ে যায়; এটি এক ধরণের লিঙ্গ-ঈর্ষা এবং পুরুষত্বহীনতার উদ্বেগ যা কেবল সহিংস কাজের মাধ্যমেই কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। ** সরকার, তানিকা। "সেমিওটিকস অফ টেরর: মুসলিম চিলড্রেন অ্যান্ড উইমেন ইন হিন্দু রাষ্ট্র।" ইকোনমিক অ্যান্ড পলিটিক্যাল উইকলি ৩৭, নম্বর ২৮ (২০০২): ২৮৭২-৮৭৬। সংগৃহীত ৯ জুলাই, ২০২১। http://www.jstor.org/stable/4412352। * লাভ জিহাদ, হ্যাঁ, কেরালায় কী ঘটছে তা আমি দেখছি। কীভাবে হিন্দুরা একটি বিয়ের জালে প্রতারিত হচ্ছে এবং কীভাবে তারা কষ্ট পাচ্ছে... শুধু হিন্দু নয়, মুসলিম ও খ্রিস্টান মেয়েরাও বিয়ের ক্ষেত্রে প্রতারিত হচ্ছে। এখন এই ধরণের জিনিসের আমি অবশ্যই বিরোধিতা করব। ** ই. শ্রীধরন, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২১। [https://www.ndtv.com/video/exclusive/the-news/bjp-not-communal-party-of-nation-lovers-india-s-metro-man-e-sreedharan-576372 এনডিটিভি: বিজেপি নট কমিউনাল, পার্টি অফ নেশন-লাভার্স: "মেট্রো ম্যান" ই শ্রীধরন টু এনডিটিভি] নিবন্ধে উদ্ধৃত। * বামপন্থীরা যখন এই ঘটনাগুলোকে ‘ডানপন্থী কল্পনা’ বলে উড়িয়ে দেয়, তখন আসলে ঘটনাগুলো বাস্তব। মৃতদেহগুলোও বাস্তব এবং হুমকিটি আসন্ন... ‘লাভ জিহাদ’ এর মতো একটি শব্দের সংকীর্ণ সংজ্ঞার কারণেই বামপন্থীরা এখন এটিকে বিকৃত করার চেষ্টা করছে এই বলে যে, লাভ জিহাদ শব্দটি কেবল এই কারণে ব্যবহৃত হয় কারণ ‘চরমপন্থী হিন্দুরা’ আন্তঃধর্মীয় বিবাহের বিরোধী; অথচ বাস্তবতা হলো এই ঘটনাটি পারস্পরিক সম্মতির সম্পর্কের ধারেকাছেও নেই।<br>এই কারণেই অপইন্ডিয়া এখন থেকে তাদের আলোচনা ও প্রতিবেদনে ‘লাভ জিহাদ’ শব্দটি পরিহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। জিহাদে কোনো ‘লাভ’ বা ভালোবাসা নেই এবং এমনকি যদি আমরা সমস্যাযুক্ত বাক্য গঠনসহ শব্দটি গ্রহণ করি, তবুও এটি সেই জিহাদের ভয়াবহতাকে তুলে ধরতে ব্যর্থ হয় যা কট্টরপন্থী মুসলিমদের একাংশ পরিচালনা করছে যারা নির্দিষ্টভাবে অ-মুসলিম নারীদের লক্ষ্যবস্তু করে। আমরা বিশ্বাস করি যে ‘গ্রুমিং জিহাদ’ শব্দটি অনেক বেশি উপযুক্ত কারণ এটি নিজের মধ্যে সেই সমস্ত ধরণের অপরাধকে ধারণ করে যা নারীদের এই জিহাদের কেন্দ্রে রাখে।<br>অ-মুসলিম নারীদের গ্রুমিং করা হচ্ছে যাতে তারা মুসলিম পুরুষদের হাতে নিজেদের পরাধীনতাকে মেনে নেয়। তাদের অপহরণ, ধর্ষণ, প্রলুব্ধ, ইসলামে ধর্মান্তরিত, শাস্তি এবং মগজধোলাই করা হচ্ছে। মানবতার বিরুদ্ধে এই অপরাধগুলোতে কোনো ‘লাভ’ নেই। এটি যে জিহাদের একটি রূপ তা নিয়ে কোনো অস্পষ্টতা নেই। একে তার সঠিক নামে ডাকার সময় এসেছে—গ্রুমিং জিহাদ। ** নুপুর জে শর্মা | ১৮ নভেম্বর, ২০২০। [https://www.opindia.com/2020/11/opindia-to-use-grooming-jihad-instead-of-love-jihad-here-is-why হোয়াই অপইন্ডিয়া হ্যাজ ডিসাইডেড টু ইউজ ‘গ্রুমিং জিহাদ’ ইনস্টেড অফ ‘লাভ জিহাদ’ মুভিং ফরোয়ার্ড]। * কাশ্মীর কোনো পাকিস্তান নয় যেখানে শিখদের জোর করে ধর্মান্তরিত করা যায়, আমরা এটি হতে দেব না। অকাল তখত সাহেবের জাঁতাদার জম্মু ও কাশ্মীরের লেফটেন্যান্ট গভর্নরের কাছে একটি চিঠি লিখেছেন যাতে ‘লাভ জিহাদ’-এর বিরুদ্ধে আইন আনা হয়। ** সরদার আর পি সিং, জুন ২০২১। [https://www.newkerala.com/news/2021/91223.htm শিখ লিডার্স মিট রেড্ডি ওভার কনভারশন অফ শিখ গার্লস ইন কাশ্মীর]। == ত == * এটি অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয় যে খ্রিস্টান মেয়েরাই সবচেয়ে বেশি লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হচ্ছে। সিবিআই, এনআইএ এবং আইবি সকলেই রিপোর্ট করেছে যে রাজ্য ও দেশে এই ধরণের ঘটনা ঘটছে। এটি দুঃখজনক এবং উদ্বেগের বিষয় যে ধর্মীয় সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর দ্বারা সরল মেয়েদের ফাঁদে ফেলার প্রচেষ্টাকে প্রতিহত করার একটি ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও এগুলো দক্ষতার সাথে মোকাবিলা করা হচ্ছে না। ** ফাদার অ্যান্টনি থালাচেলুর। [https://www.theweek.in/news/india/2020/01/15/christian-girls-targeted-and-killed-in-name-of-love-jihad-kerala-syro-malabar-church.html ক্রিশ্চিয়ান-গার্লস-টার্গেটেড-অ্যান্ড-কিলড-ইন-নাম-অফ-লাভ-জিহাদ-কেরালা-সিরো-মালাবার-চার্চ: দ্য উইক]। * ইসলামিক স্টেট তাদের ইহুদি ও খ্রিস্টান নারীদের শিকার করার আন্তর্জাতিক এজেন্ডার অংশ হিসেবে খ্রিস্টান নারীদের প্রলুব্ধ করছে... আগামী কয়েক মাসে আমরা আমাদের ধর্মীয় সংগঠনের মাধ্যমে পরিবার এবং মেয়েদের সচেতন করব যাতে তারা এই ফাঁদে না পড়ার মতো যথেষ্ট শিক্ষিত হয়। ** ফাদার অ্যান্টনি থালাচেলুর, ২০২০। [https://theprint.in/india/syro-malabar-church-says-love-jihad-a-threat-in-kerala-govt-says-it-doesnt-exist/351174/ সিরো-মালাবার চার্চ সেজ ‘লাভ জিহাদ’ এ থ্রেট ইন কেরালা, গভর্মেন্ট সেজ ইট ডাজ নট এক্সিস্ট] নিবন্ধে উদ্ধৃত। * যেন এটিই যথেষ্ট নয়, কারগিলের বৌদ্ধদের ইসলামে ধর্মান্তরিত করার একটি সুপরিকল্পিত এবং সংগঠিত নকশা রয়েছে। গত চার বছরে কেবল ওয়াখা গ্রাম থেকেই প্রায় ৫০ জন মেয়ে এবং সন্তানসহ বিবাহিত নারীকে প্রলুব্ধ করে ধর্মান্তরিত করা হয়েছে। যদি এটি বিনা বাধায় চলতে থাকে, তবে আমাদের ভয় হচ্ছে আগামী দুই দশকের মধ্যে কারগিল থেকে বৌদ্ধরা বিলুপ্ত হয়ে যাবে। এই ধরণের প্রলোভন ও ধর্মান্তরের প্রতিবাদকারী যে কাউকেই হয়রানি করা হয়... তাই লাদাখি জনগণের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক পরিচয় রক্ষা করতে কারগিলের জন্য একটি ধর্মান্তর বিরোধী আইন কার্যকর করতে হবে, যেমনটি বর্তমানে অরুণাচল প্রদেশ এবং মধ্যপ্রদেশের মতো রাজ্যগুলোতে বলবৎ রয়েছে। ** লাদাখ বৌদ্ধ অ্যাসোসিয়েশনের টুন্ডুপ ত্সারিং এবং ত্সাওয়াং নুরবু। কোয়েনরাড এলস্ট রচিত 'ভারতীয় জনতা পার্টি ভিস-আ-ভিস হিন্দু রিসার্জেন্স' এবং 'হু ইজ এ হিন্দু?: হিন্দু রিভাইভালিস্ট ভিউজ অফ অ্যানিমিজম, বুদ্ধিজম, শিখজম, অ্যান্ড আদার অফশুটস অফ হিন্দুইজম' (২০০২)-এ উদ্ধৃত। == ভ == * লাভ জিহাদকে কেবল প্রেমের কোণ থেকে দেখা উচিত নয়, বরং আরও বৃহত্তর পর্যায়ে এর সমাধান করা উচিত। এটি কোনো নির্দিষ্ট সম্প্রদায়কে লক্ষ্যবস্তু করার জন্য নয়। ধর্মনিরপেক্ষ রাজনৈতিক দলগুলোর অন্তত এটি স্বীকার করা উচিত যে এখানে লাভ জিহাদ বিদ্যমান। রাজ্যের একটি ছোট গোষ্ঠী ক্রমাগত কট্টরপন্থী হয়ে উঠছে এবং আন্তর্জাতিক ও বিশ্বব্যাপী ইসলামের সাথে এর যোগসূত্র রয়েছে। এর নাম ভিন্ন হতে পারে, কিন্তু এই গোষ্ঠীগুলোর মানুষ এবং নেতৃত্ব প্রায় একই... এটি একটি বড় সমস্যা যা আমরা বহু বছর ধরে মোকাবিলা করছি, কিন্তু কেরালার ধর্মনিরপেক্ষ রাজনৈতিক দলগুলো এই বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করতে আগ্রহী নয়। এটি তাদের রাজনীতির অংশ। রাজ্যে ঘটে যাওয়া প্রতিটি মৃত্যু ও হত্যাকাণ্ডকে একটি "বিচ্ছিন্ন" ঘটনা হিসেবে পাশ কাটিয়ে যাওয়া হয়। একের পর এক হত্যাকাণ্ড ঘটেছে অথচ রাজ্যের কোনো মূলধারার দল এই বিষয়টি নিয়ে কথা বলেনি। রিপোর্ট এসেছে যে এই হত্যাকাণ্ডে কট্টরপন্থী গোষ্ঠীগুলো জড়িত ছিল এবং সরকারের কাছে সমস্ত বিবরণ রয়েছে... “আজও আমরা চিন্তিত খ্রিস্টান অভিভাবকদের কাছ থেকে তাদের মেয়েদের সাহায্য ও কাউন্সেলিং চেয়ে ফোন কল পেয়েছি। এটি অন্য ধর্মের কাউকে বিয়ে করার বিষয় নয়। এই ঘটনাগুলোতে আমরা বিয়ের পর তাদের সুখে শান্তিতে থাকতে দেখি না। আমরা বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণ করছি। পুলিশ নিজেই অনেক ক্ষেত্রে প্রকাশ করেছে যে বিয়ের পর মেয়েরা নিখোঁজ হয়ে গেছে অথবা তারা ইসলামিক স্টেটে যোগ দিয়েছে এবং তাদের যৌনদাসী হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। তার মানে এটি ভালোবাসা ছিল না। ভালোবাসাকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে।" ** ফাদার ভার্গিস ভাল্লিক্কাত। [https://www.newindianexpress.com/cities/kochi/2020/jan/20/politics-in-state-silent-on-love-jihad-but-we-cant-be-bishops-council-2091749.html পলিটিক্স ইন স্টেট সাইলেন্ট অন লাভ জিহাদ, বাট উই কান্ট বি: বিশপস কাউন্সিল] নিবন্ধে উদ্ধৃত। == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:ষড়যন্ত্র তত্ত্ব]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতে ইসলাম]] [[বিষয়শ্রেণী:হিন্দু জাতীয়তাবাদ]] ig0579eb8skby3hhyispwipa9lyiowy 79897 79896 2026-04-23T06:17:26Z Tuhin 172 79897 wikitext text/x-wiki '''[[w:লাভ জিহাদ|লাভ জিহাদ]]''' (যা '''রোমিও জিহাদ''' নামেও পরিচিত) হলো একটি ইসলামভীতিমূলক [[ষড়যন্ত্র তত্ত্ব]] যা [[হিন্দুত্ব|হিন্দুত্ববাদী]] আদর্শের সমর্থকদের দ্বারা উদ্ভাবিত। এই ষড়যন্ত্র তত্ত্বটি দাবি করে যে, মুসলিম পুরুষরা প্রলোভন, প্রেমের অভিনয়, প্রতারণা, অপহরণ এবং বিবাহের মতো উপায়ে হিন্দু নারীদের [[w:ইসলামে ধর্মান্তর|ইসলামে ধর্মান্তরিত করার]] লক্ষ্য নির্ধারণ করে। এটি ভারতের বিরুদ্ধে মুসলিমদের একটি বৃহত্তর "যুদ্ধ" এবং জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে আধিপত্য বিস্তারের একটি সংগঠিত আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে দাবি করা হয়। __NOTOC__ {{TOCalpha}} == অ == * ‘লাভ জিহাদ’ প্রচারণাটি অত্যন্ত সযত্নে অতৃপ্ত কামুক মুসলিম পুরুষের কাল্পনিক ধারণাটিকে টিকিয়ে রাখে। এর বিপরীতে হিন্দু নারীদের অসহায় হিসেবে চিত্রিত করা হয় যারা সহজেই প্রলোভনের শিকার হয়। এই বিষাক্ত প্রচারণা তরুণ দম্পতিদের জীবনে বিপর্যয় ডেকে আনছে, যেখানে নারীদের তাদের জীবনসঙ্গী নির্বাচনের অধিকার অস্বীকার করা হচ্ছে। এই সাম্প্রদায়িক কলুষিত পরিবেশে – যেখানে প্রতিটি ভিন্নধর্মী বিবাহকে একটি রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখা হয় এবং হিন্দু মেয়েদের মুসলিম ছেলেদের সংস্পর্শ থেকে ‘পবিত্র’ রাখার জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানো হয় – সেখানে এই ধরণের পরিবেশ তৈরিতে ইন্ধন জোগানো রাজনৈতিক দলটি কি [[w:অভিন্ন দেওয়ানি বিধি|অভিন্ন দেওয়ানি বিধি]] (ইউসিসি) কার্যকর করার প্রচারণার নেতৃত্ব দিতে পারে? ** [[ফ্লাভিয়া অ্যাগনেস]], [https://thewire.in/law/bjp-uniform-civil-code "দ্য মোদি গভর্নমেন্ট'স হিন্দুত্ব আইডিওলজি কুড স্টল অ্যানি প্রগ্রেস অন দ্য ইউনিফর্ম সিভিল কোড"], ''দ্য ওয়্যার'', ৭ জুলাই ২০১৬। * হিন্দুত্ববাদী তাত্ত্বিকদের মতে মুসলিমদের একটি প্রধান পরিকল্পনা হলো “হিন্দু মেয়েদের বিয়ের জন্য প্রলুব্ধ করা, আকর্ষণ করা এবং অপহরণ করা” (পালিওয়াল ২০০৩: ২৪)। ** ''হিন্দু ন্যাশনালিজম ইন ইন্ডিয়া অ্যান্ড দ্য পলিটিক্স অফ ফিয়ার'', ডি. আনন্দ, পৃষ্ঠা ৩০। * দেশজুড়ে হিন্দুত্ববাদী বুদ্ধিজীবী, নেতা এবং কর্মীদের মধ্যে একটি সাধারণ বয়ান ছিল যে, “নিষ্পাপ” হিন্দু মেয়েদের প্রলুব্ধ করার জন্য এটি একটি সচেতন মুসলিম চক্রান্ত। ** ''হিন্দু ন্যাশনালিজম ইন ইন্ডিয়া অ্যান্ড দ্য পলিটিক্স অফ ফিয়ার'', ডি. আনন্দ, পৃষ্ঠা ৫১। * তাদের পরিকল্পনা হলো আগামী ২০ বছরের মধ্যে কেরলকে একটি মুসলিম রাজ্যে পরিণত করা। সেজন্য তারা তরুণদের প্রলুব্ধ করছে, তাদের অর্থ দিচ্ছে এবং মুসলিম জনসংখ্যা বৃদ্ধির জন্য হিন্দু মেয়েদের বিয়ে করতে জোর দিচ্ছে। এভাবেই তারা তাদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা বৃদ্ধি করছে এবং এই কৌশলগুলো কাজে দিচ্ছে। ** কেরলের মার্ক্সবাদী প্রবীণ এবং সিপিএম-এর শক্তিশালী নেতা ভিএস অচ্যুতানন্দন। [https://www.firstpost.com/opinion/the-kerala-story-is-not-hindutva-fiction-world-is-waking-up-to-love-jihad-and-grooming-12555032.html/amp দ্য কেরালা স্টোরি ইজ নট হিন্দুত্ব ফিকশন, ওয়ার্ল্ড ইজ ওয়াকিং আপ টু লাভ জিহাদ অ্যান্ড গ্রুমিং] নিবন্ধে উদ্ধৃত। == স == * বামপন্থী (সিপিএম নেতৃত্বাধীন বাম গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট) এবং ডানপন্থী (কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউনাইটেড ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট) লাভ জিহাদ নামক সন্ত্রাসবাদকে পরোক্ষ ও প্রত্যক্ষভাবে সমর্থন দিয়ে জিহাদিদের তোষণ করার প্রতিযোগিতায় নেমেছে। আমাদের উচিত হবে না তাদের (এলডিএফ এবং ইউডিএফ) ছায়ায় জিহাদিদের বেড়ে উঠতে দেওয়া। সেজন্য আমাদের সেই গাছগুলো কেটে ফেলতে হবে যা তাদের আশ্রয় দেয়। চিন্তা করুন, কাজ করুন। ** কেরালা ভিত্তিক খ্রিস্টান সংস্থা 'ক্রিশ্চিয়ান অ্যাসোসিয়েশন অ্যান্ড অ্যালায়েন্স ফর সোশ্যাল অ্যাকশন' (কাসা), ২০২১ সালের একটি সচেতনতামূলক ভিডিওতে। [https://theprint.in/india/theyre-taking-our-girls-to-isis-how-church-is-now-driving-love-jihad-narrative-in-kerala/632324/ ‘দে আর টেকিং আওয়ার গার্লস টু আইসিস’: হাউ চার্চ ইজ নাউ ড্রাইভিং ‘লাভ জিহাদ’ ন্যারেটিভ ইন কেরালা] == ই == * মুসলিম জনমিতিক যুদ্ধের অন্যতম বেদনাদায়ক দিক হলো অমুসলিম মেয়েদের দখল করার প্রকাশ্য প্রচেষ্টা যাতে তারা তাদের নিজস্ব জনমিতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে পারে, পাশাপাশি অভিযুক্ত কাফেরদের চরম অপমানিত করতে পারে। বাংলাদেশে এবং ভারতের মুসলিম-প্রধান অঞ্চলগুলোতে এটি প্রায়শই মেয়েদের অপহরণ করা অথবা মুসলিমদের সাথে বিয়ে দেওয়ার জন্য তাদের হুমকি দেওয়ার রূপ নেয়। পশ্চিমের উন্মুক্ত বাজার এবং ভারতের পশ্চিমা ধাঁচের সার্কেলগুলোতে এটি স্বাভাবিক প্রেমের রূপ নেয়। তবে সীমাবদ্ধতা হলো, কোনো মুসলিম মেয়ে যদি অমুসলিম কারো সাথে বন্ধুত্ব করে, তবে সেই সম্পর্ক বন্ধ করার জন্য তার ওপর পারিবারিক চাপ প্রয়োগ করা হয় অথবা ছেলের ওপর শারীরিক হুমকি দেওয়া হয়, কিংবা উভয়ই করা হয়। যেহেতু বিপরীত ক্ষেত্রে (অমুসলিম মেয়ে ও মুসলিম ছেলে) এমনটি ঘটার সম্ভাবনা অনেক কম, তাই এর নিট ফলাফল হলো অমুসলিম মেয়েদের একটি বড় অংশ মুসলিম পরিবারগুলোতে চলে যায়। ** কোয়েনরাড এলস্ট, 'দ্য ডেমোগ্রাফিক সিজ', ১৯৯৮। ক্যাথিঙ্কা ফ্রয়েস্টাড রচিত 'সাউন্ড বাইটিং কন্সপিরেসি: ফ্রম ইন্ডিয়া উইথ “লাভ জিহাদ”', রিলিজিয়নস ২০২১, ১২(১২), ১০৬৪-এ উদ্ধৃত। == জ == * এটি আর কতদূর যাবে? সুপ্রিম কোর্ট বলেছে লাভ জিহাদ নেই। আমি জানি লাভ জিহাদ বাস্তব, আমি বলব ‘লাভ জিহাদ’ আছে। আমি যখন বলছি আমরা কোন দিকে যাচ্ছি, তখন আমাকে ভুল বুঝবেন না। এটি বন্ধ করার একটাই সমাধান আছে। সম্মানিত ভারতকে একটি হিন্দু রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করতে হবে... লাভ জিহাদ বাস্তব এবং মুসলিমরা ২০৩০ সালের মধ্যে ভারতকে একটি ইসলামি রাষ্ট্র বানানোর পরিকল্পনা করছে... প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিমুদ্রাকরণ (ডিমোনেটাইজেশন) পদক্ষেপের কারণে এটি বিলম্বিত হয়েছে। ** [[w:পি. সি. জর্জ|পি. সি. জর্জ]], এপ্রিল ২০২১। [https://tfipost.com/2021/04/due-to-islamic-threat-keralas-minister-who-happens-to-be-a-christian-wants-india-to-be-declared-a-hindu-nation/ ডিউ টু ইসলামিক থ্রেট, কেরালা’স মিনিস্টার হু হ্যাপেনস টু বি এ ক্রিশ্চিয়ান ওয়ান্টস ইন্ডিয়া টু বি ডিক্লেয়ার্ড এ হিন্দু নেশন] নিবন্ধে উদ্ধৃত। * সিরিয়ান ইন্ডিপেন্ডেন্ট অর্থোডক্স চার্চের বিশপ ম্যাথিউ মার গ্রেগোরিওস বিশ্বাস করেন যে ‘লাভ জিহাদ’ একটি বাস্তবতা এবং তরুণদের এই মন্দের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর সময় এসেছে। “আপনারা দেখলে অবাক হবেন প্রতিদিন আমার ফোনে মেয়েদের বাবা-মায়ের কাছ থেকে কত মেসেজ আসে। মালাবার অঞ্চলে খ্রিস্টান মেয়েদের ইসলামে ধর্মান্তরিত করার ঘটনা ব্যাপকভাবে ঘটছে। যেহেতু আমি এখানে একটি গির্জার প্রধান, তাই খোলাখুলিভাবে এ বিষয়ে কথা বলার কিছু সীমাবদ্ধতা আমার আছে,” বিশপ হিন্দুস্তান টাইমস-কে বলেন। তার মতে, ‘লাভ জিহাদ’ একটি ভুল নাম কারণ এটি প্রেমের ছলে ধর্মান্তরের একটি কৌশল মাত্র। তিনি আরও বলেন, “আমি ব্যক্তিগতভাবে যেসব ঘটনায় হস্তক্ষেপ করেছি, তার বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এটি প্রেমের ভান ছিল। একবার বিয়ে হয়ে গেলে অধিকাংশ সময়ই মেয়েটিকে পরিত্যক্ত করা হয়। ধর্মান্তরই একমাত্র লক্ষ্য এবং এটি একটি সম্প্রদায়ের সংখ্যা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে করা হয়। কেউ কেউ এর সাথে আইসিস (আইএস) যোগসূত্র থাকার অভিযোগও তুলেছেন, যা তদন্ত করা প্রয়োজন।” ** বিশপ ম্যাথিউ মার গ্রেগোরিওস, ২০১৭। [https://www.hindustantimes.com/india-news/the-bjp-and-the-church-find-common-ground-on-love-jihad-in-kerala/story-krCpAE2YLaxTLxLZuXAnhJ.html দ্য বিজেপি অ্যান্ড দ্য চার্চ ফাইন্ড কমন গ্রাউন্ড অন ‘লাভ জিহাদ’ ইন কেরালা] == ক == * সিরো-মালাবার চার্চের পালাই ডায়োসিসের বিশপ জোসেফ কাল্লারাঙ্গাট অভিযোগ করেছেন যে যারা দাবি করেন কেরালায় ‘লাভ জিহাদ’ নেই তারা “বাস্তবতার প্রতি অন্ধ।” “এই ধরণের মানুষরা—তারা রাজনীতিবিদ হোক বা সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের ব্যক্তি বা মিডিয়া—তাদের নিজস্ব স্বার্থ থাকতে পারে। কিন্তু একটি বিষয় স্পষ্ট। আমরা আমাদের তরুণীদের হারাচ্ছি। এটি কেবল প্রেমঘটিত বিয়ের বিষয় নয়। এটি তাদের জীবন ধ্বংস করার একটি যুদ্ধ কৌশল (ওয়ার স্ট্র্যাটেজি),” তিনি দাবি করেন... “বিশ্বের অন্যান্য প্রান্তের মতো কেরালার মুসলিমদের একটি অংশ আছে যারা সম্প্রদায়ের মধ্যে বিদ্বেষ সৃষ্টি করতে এবং ধর্মীয় ঘৃণা ছড়াতে চায়। জিহাদিরা ইসলাম প্রচারের জন্য বিভিন্ন উপায় ব্যবহার করছে এবং তারা অ-মুসলিম তরুণীদের লক্ষ্যবস্তু করছে,” তিনি নিমিষা নামক এক হিন্দু মেয়ে এবং সোনিয়া সেবাস্তিয়ান নামক এক খ্রিস্টান মেয়ের উদাহরণ দেন, যারা মুসলিম পুরুষদের প্রেমে পড়ে ইসলাম গ্রহণ করেন এবং শেষ পর্যন্ত সিরিয়ায় কুখ্যাত ইসলামিক স্টেটে যোগ দেন। তিনি আরও ব্যাখ্যা করেন, “আমাদের মতো একটি গণতান্ত্রিক দেশে যেহেতু অন্য ধর্মের মানুষকে ধ্বংস করতে অস্ত্র ব্যবহার করা সহজ নয়, তাই জিহাদিরা এমন উপায় ব্যবহার করছে যা সহজে শনাক্ত করা যায় না। জিহাদিদের দৃষ্টিতে অ-মুসলিমদের ধ্বংস করতে হবে। যখন উদ্দেশ্য হয় তাদের ধর্মের বিস্তার এবং অ-মুসলিমদের ধ্বংস করা, তখন তারা বিভিন্ন রূপের উপায় ব্যবহার করে। বর্তমানে এ রকম ব্যাপকভাবে আলোচিত দুটি উপায় হলো লাভ জিহাদ এবং নারকোটিক্স জিহাদ।” ** জোসেফ কাল্লারাঙ্গাট, সিরো-মালাবার চার্চের বিশপ, ২১/১১/২০২২। [https://goachronicle.com/love-jihad-not-a-hindutva-conspiracy-catholic-church-rings-alarm-bells-too/ লাভ জিহাদ: নট এ হিন্দুত্ব কন্সপিরেসি, ক্যাথলিক চার্চ রিংস অ্যালার্ম বেলস টু] * জনতাত্ত্বিক যুদ্ধ শুরু করা: হিন্দু মেয়েদের প্রলুব্ধ করা ও বিয়ে করা এবং তাদের গর্বিত জিহাদি ট্রফি হিসেবে প্রদর্শন করা অর্থাৎ “প্রেমের” মাধ্যমে জিহাদ; ** কৃষ্ণস্বামী কর্তৃক প্রচারিত একটি পুস্তিকা থেকে (কৃষ্ণস্বামী, পৃষ্ঠা ৪১)। * সংগঠিত ধর্মান্তর এবং ‘লাভ জিহাদ’-এ ফাঁদে ফেলে ভুক্তভোগীদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে ব্যবহার করার ঘটনাগুলো প্রমাণ করে যে খ্রিস্টান সম্প্রদায় ইসলামি চরমপন্থীদের সহজ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে। * এটি গুরুত্বপূর্ণ যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই উদ্বেগজনক প্রবণতাটি লক্ষ্য করবে এবং জাতীয় তদন্ত সংস্থা (এনআইএ) দ্বারা তদন্তের নির্দেশ দেবে এবং উগ্রপন্থীদের এই ধরণের প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড বন্ধে একটি কার্যকর আইন প্রণয়ন করবে। * বাবা-মায়েদের প্রকাশ করা ভয় অমূলক নয়, অতীতে একই ধরণের ঘটনা থেকে তা প্রমাণিত। রিপোর্ট বলছে কেরালা থেকে আইসিস-এ যোগ দেওয়া ২১ জনের মধ্যে পাঁচজনই খ্রিস্টধর্ম থেকে ধর্মান্তরিত।" তিনি কেরালা ক্যাথলিক বিশপস কাউন্সিলের কমিশন ফর সোশ্যাল হারমনি অ্যান্ড ভিজিল্যান্সের প্রকাশিত তথ্য উদ্ধৃত করে বলেন, "২০০৫ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত প্রায় ৪,০০০ মেয়ে প্রেমের ফাঁদে পড়ে ধর্মান্তরিত হয়েছে। ভুক্তভোগীরা যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন অথবা কোনো স্বাধীনতা ছাড়াই শোচনীয় অবস্থায় জীবন কাটাতে বাধ্য হয়েছেন।” * কেরালার খ্রিস্টান মেয়েরা ‘লাভ জিহাদ’-এর লক্ষ্যবস্তু। তারা সহজেই ভুক্তভোগী হতে পারে। ধর্মান্তরের ক্রমবর্ধমান প্রবণতা এটিই প্রমাণ করে।” ** জর্জ কুরিয়ান, সংখ্যালঘু জাতীয় কমিশনের (এনসিএম) ভাইস চেয়ারম্যান, ২০১৯। [https://www.theweek.in/news/india/2019/09/26/christians-soft-target-for-love-jihad-islamic-radicals-minority-body-vice-chairman.html খ্রিস্টানস-সফট-টার্গেট-ফর-লাভ-জিহাদ-ইসলামিক-র‍্যাডিক্যালস-মাইনরিটি-বডি-ভাইস-চেয়ারম্যান: দ্য উইক] == হ == * আমাদের দাবি হলো কোনো মেয়েকেই যেন এই ট্রমার মধ্য দিয়ে যেতে না হয়। আমি অনুভব করছি যে ‘লাভ জিহাদ’ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। ** নিরঞ্জন হিরেমাথ, কংগ্রেস কর্পোরেটর এবং নিহত এমসিএ শিক্ষার্থী নেহা হিরেমাথের বাবা। [https://newsable.asianetnews.com/karnataka-news/hubballi-horror-neha-hiremath-s-father-says-love-jihad-is-spreading-rapidly-urges-govt-action-watch-snt-sc6z04 হুবলি হরর: নেহা হিরেমাথ'স ফাদার সেজ 'লাভ জিহাদ' ইজ স্প্রেডিং র‍্যাপিডলি, আরজেস গভর্মেন্ট অ্যাকশন], ১৯ এপ্রিল ২০২৪। == ম == * কিছু ঘটনা সামনে এসেছে যা গুরুত্বের সাথে দেখা প্রয়োজন, আমাদের অবশ্যই এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। যদি এমন কিছু ঘটে থাকে, তবে আমাদের তা খতিয়ে দেখা উচিত... এ নিয়ে কিছু সমস্যা এবং আশঙ্কা রয়েছে। যা ঘটেছে সে সম্পর্কে সরকারের স্পষ্টভাবে সামনে আসা উচিত এবং যদি এই ধরণের কোনো ঘটনা (লাভ জিহাদ) থেকে থাকে, তবে সেগুলোর সমাধান ও প্রতিকার করা উচিত। ** জোসে কে মানি, ২০২১। [https://theprint.in/politics/love-jihad-cases-should-be-studied-addressed-kerala-congress-m-chief-on-church-view/629731/ ‘লাভ জিহাদ’ কেসেস শুড বি স্টাডিড অ্যান্ড অ্যাড্রেসড: কেরালা কংগ্রেস (এম) চিফ অন চার্চ ভিউ] নিবন্ধে উদ্ধৃত। * এটি একটি সংগঠিত অপরাধ। উপসাগরীয় (গালফ) এবং অন্যান্য দেশ থেকে অর্থ আসছে যাতে মুসলিম পুরুষদের একটি দল হিন্দু নারীদের ফাঁদে ফেলতে পারে, তাদের বিয়ে করতে পারে এবং তারপর সন্ত্রাসবাদসহ বিভিন্ন অপরাধে তাদের ব্যবহার করতে পারে। ** [[w:লাভ জিহাদ|লাভ জিহাদ]] প্রসঙ্গে প্রমোদ মুথালিক, যেমনটা উদ্ধৃত হয়েছে "[http://indianexpress.com/article/cities/mumbai/muthalik-finds-cases-of-love-jihad-in-state-cites-rti-info/ মুথালিক ফাইন্ডস কেসেস অফ ‘লাভ জিহাদ’ ইন স্টেট, সাইটস আরটিআই ইনফো]", ''দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস'' (২০ সেপ্টেম্বর ২০১৪)। == ন == * আমরা দেখেছি কীভাবে সুফি ধর্মগুরু খাজা হাসান নিজামী তার 'দায়ি-এ ইসলাম'-এ হিন্দুদের ইসলামে ধর্মান্তরিত করার উপায় সম্পর্কে মুসলিমদের নির্দেশ দিয়েছিলেন। তার অতি-উৎসাহ হিন্দুদের সতর্ক করে দিয়েছিল। সেই নির্দেশগুলো গোপন থাকেনি, বইটি অনূদিত হয়েছিল এবং হিন্দুরা জানতে পেরেছিল কীভাবে এবং কেন উত্তর ভারতের প্রায় প্রতিটি শহর ও নগরে মুসলিমদের দ্বারা হিন্দু মেয়েদের গোপন অপহরণ এবং প্রলোভন দেখানো প্রতিদিনের ঘটনায় পরিণত হয়েছে। হিন্দুরা ব্যক্তিগতভাবে এবং তাদের সংগঠনের মাধ্যমে সতর্কতা অবলম্বন করতে শুরু করে। তারা হিন্দু মেয়ে, বিধবা এবং এতিমদের উদ্ধার করে এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে এই নোংরা প্রচেষ্টাগুলো রুখতে শুরু করে। ** খাজা হাসান নিজামী, ভি.পি. ভাটিয়া রচিত "দ্য এভার গ্রিন মোল্লা পাওয়ার", অর্গানাইজার, ২৭ অক্টোবর ১৯৯৬-এ উদ্ধৃত; যা বি.আর. আম্বেদকরের 'পাকিস্তান অ্যান্ড পার্টিশন অফ ইন্ডিয়া'; ইন্দ্র প্রকাশের 'দ্য হিস্ট্রি অফ হিন্দু মহাসভা'; এবং শেখ আব্দুল্লাহর 'আতিশ-এ-চিনার'-এর তথ্যসূত্র ব্যবহার করেছে। কে. এস. লাল রচিত 'থিওরি অ্যান্ড প্র্যাকটিস অফ মুসলিম স্টেট ইন ইন্ডিয়া' (১৯৯৯), নয়াদিল্লি: আদিত্য প্রকাশন, অধ্যায় ৬ থেকে উদ্ধৃত। * হিন্দুদের ইসলামে ধর্মান্তরিত করার উপায় বাতলে মুসলিমদের নির্দেশ দেওয়া উর্দু ভাষায় রচিত অনেক প্যামফলেট ও ব্রোশারের মধ্যে কেবল একটি পরীক্ষা করলেই এই ধরণের সাহিত্যে কী থাকে সে সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। এটি হলো খাজা হাসান নিজামীর 'দায়ি-এ ইসলাম' (ইসলামের প্রচার)। হাসান নিজামী ছিলেন দিল্লির নিজামউদ্দিন আউলিয়ার দরগাহর সাথে যুক্ত একজন সুফি ধর্মগুরু। প্যামফলেটটি কাফেরদের ইসলামে ধর্মান্তরিত করার দ্রুততম ও ব্যাপক উপায় শেখায়। খাজা উচ্চবিত্ত থেকে নিম্নবিত্ত সকল পর্যায়ের মুসলিমদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন অ-মুসলিমদের ইসলামে ধর্মান্তরিত করার মাধ্যমে ইসলামের সেবা করতে। এই মিশনারি প্রচেষ্টায় জমিদার ও নবাব, ডাক্তার ও পতিতা, এক্কা চালক ও চুড়ি বিক্রেতা—সবাইকে অবদান রাখার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। মুসলিম আইনজীবী ও ডাক্তারদের বলা হয়েছিল তাদের হিন্দু মক্কেল ও রোগীদের ধর্মান্তরিত করতে প্রভাবিত করতে। নবাব ও জমিদারদের বলা হয়েছিল তাদের অধীনে থাকা হিন্দু প্রজাদের মুসলমান হতে চাপ দিতে। পতিতাদের বলা হয়েছিল তাদের হিন্দু খদ্দের ও অনুরাগীদের মুসলিম হতে প্রভাবিত করতে। [[লাভ জিহাদ|চুড়ি বিক্রেতাদের বলা হয়েছিল তরুণী হিন্দু মেয়েদের প্রলুব্ধ করতে]] এবং এক্কা চালকদের বলা হয়েছিল হিন্দু নারী ও শিশুদের ভুলিয়ে নিয়ে যেতে। এই জাতীয় ব্যবস্থাপত্র আধ্যাত্মিক বা নীতিগত কোনোটিই ছিল না, কিন্তু এটি মুসলিম মানসিকতার সাথে খাপ খেয়েছিল। প্যামফলেটটি মুসলিমদের মধ্যে ব্যাপক বিক্রি হয়েছিল। হায়দ্রাবাদের নিজাম খাজার জন্য একটি ভাতা নির্দিষ্ট করেছিলেন এবং অন্যান্য মুসলিম প্রধান ও জমিদাররাও তা অনুসরণ করেছিলেন। মুসলিম ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ ও আবগারি পরিদর্শক এবং অন্যান্য প্রভাবশালী কর্মকর্তাদের এই সুফি ভক্তের পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করতে দেখা গিয়েছিল। ** খাজা হাসান নিজামী, কে. এস. লাল রচিত 'থিওরি অ্যান্ড প্র্যাকটিস অফ মুসলিম স্টেট ইন ইন্ডিয়া' (১৯৯৯), নয়াদিল্লি: আদিত্য প্রকাশন, অধ্যায় ৬ থেকে উদ্ধৃত। == প == * আমাদের মেয়েরা চরমপন্থীদের দ্বারা ফাঁদে পড়ার ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে। আসুন আমরা সেই সব বাবা-মায়ের দুঃখের জন্য প্রার্থনা করি যারা তাদের সন্তানদের ধর্মীয় চরমপন্থীদের ফাঁদে পড়তে দেখেও অসহায় হয়ে আছেন। নারীদের বিরুদ্ধে ক্রমবর্ধমান সহিংসতার এই যুগে আমাদের উচিত পবিত্র মাতার মতো নারী ও নারীত্বকে শ্রদ্ধা ও সম্মান করা। "প্রত্যেকেরই আর্চডায়োসিস ক্যাটেচিজম সেন্টারের সচেতনতামূলক প্রচারণার সুযোগ নেওয়া উচিত, যা কিশোর-কিশোরী এবং তাদের অভিভাবকদের লক্ষ্য করে পরিচালিত হচ্ছে, যাতে আমাদের সন্তানরা সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর ফাঁদে না পড়ে।" ** আর্চবিশপ মার জোসেফ পামপ্লানি কর্তৃক জারি করা যাজকীয় পত্র। [https://www.onmanorama.com/news/kerala/2022/09/05/tellicherry-archdiocese-circular-love-trap.html এক্সট্রিমিস্টস লিউরিং ক্রিশ্চিয়ান গার্লস ফেইনিং লাভ, ওয়ার্নস টেলিসেরি আর্চডায়োসিস], ৫ সেপ্টেম্বর ২০২২। * “বিশ্বাসীরা যদি এমন পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়, তবে আপনি তাদের দোষ দিতে পারেন না। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে ডায়োসিস কোনো অবস্থান নেয়নি, তবে আমরা উদ্বিগ্ন। তাই এই ধরণের ঘটনা বন্ধ করার জন্য যারা কাজ করছে তাদের সমর্থন করার মধ্যে ভুল কী আছে?” ** ফাদার জিমি পুচাকাত্ত, মুখপাত্র, সিরো মালাবার চার্চ, ২০১৭। [https://www.hindustantimes.com/india-news/the-bjp-and-the-church-find-common-ground-on-love-jihad-in-kerala/story-krCpAE2YLaxTLxLZuXAnhJ.html দ্য বিজেপি অ্যান্ড দ্য চার্চ ফাইন্ড কমন গ্রাউন্ড অন ‘লাভ জিহাদ’ ইন কেরালা] নিবন্ধে উদ্ধৃত। == স == * তথাকথিত অতি-পুরুষালি মুসলিম পুরুষ দেহ এবং অতি-প্রজননক্ষম মুসলিম নারী দেহ নিয়ে একটি অন্ধকার যৌন আচ্ছন্নতা রয়েছে, যা এই প্যারানোইয়া (অহেতুক ভীতি) এবং প্রতিশোধের মূর্তিকে অনুপ্রাণিত ও টিকিয়ে রাখে। ** সরকার, তানিকা। "সেমিওটিকস অফ টেরর: মুসলিম চিলড্রেন অ্যান্ড উইমেন ইন হিন্দু রাষ্ট্র।" ইকোনমিক অ্যান্ড পলিটিক্যাল উইকলি ৩৭, নম্বর ২৮ (২০০২): ২৮৭২-৮৭৬। সংগৃহীত ৯ জুলাই, ২০২১। http://www.jstor.org/stable/4412352। * একজন অধিকতর পুরুষালি মুসলিম পুরুষ দেহের প্রতি এক ধরণের চিরস্থায়ী ভয় কাজ করে যা হিন্দু মেয়েদের ভুলিয়ে নিয়ে যায়; এটি এক ধরণের লিঙ্গ-ঈর্ষা এবং পুরুষত্বহীনতার উদ্বেগ যা কেবল সহিংস কাজের মাধ্যমেই কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। ** সরকার, তানিকা। "সেমিওটিকস অফ টেরর: মুসলিম চিলড্রেন অ্যান্ড উইমেন ইন হিন্দু রাষ্ট্র।" ইকোনমিক অ্যান্ড পলিটিক্যাল উইকলি ৩৭, নম্বর ২৮ (২০০২): ২৮৭২-৮৭৬। সংগৃহীত ৯ জুলাই, ২০২১। http://www.jstor.org/stable/4412352। * লাভ জিহাদ, হ্যাঁ, কেরালায় কী ঘটছে তা আমি দেখছি। কীভাবে হিন্দুরা একটি বিয়ের জালে প্রতারিত হচ্ছে এবং কীভাবে তারা কষ্ট পাচ্ছে... শুধু হিন্দু নয়, মুসলিম ও খ্রিস্টান মেয়েরাও বিয়ের ক্ষেত্রে প্রতারিত হচ্ছে। এখন এই ধরণের জিনিসের আমি অবশ্যই বিরোধিতা করব। ** ই. শ্রীধরন, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২১। [https://www.ndtv.com/video/exclusive/the-news/bjp-not-communal-party-of-nation-lovers-india-s-metro-man-e-sreedharan-576372 এনডিটিভি: বিজেপি নট কমিউনাল, পার্টি অফ নেশন-লাভার্স: "মেট্রো ম্যান" ই শ্রীধরন টু এনডিটিভি] নিবন্ধে উদ্ধৃত। * বামপন্থীরা যখন এই ঘটনাগুলোকে ‘ডানপন্থী কল্পনা’ বলে উড়িয়ে দেয়, তখন আসলে ঘটনাগুলো বাস্তব। মৃতদেহগুলোও বাস্তব এবং হুমকিটি আসন্ন... ‘লাভ জিহাদ’ এর মতো একটি শব্দের সংকীর্ণ সংজ্ঞার কারণেই বামপন্থীরা এখন এটিকে বিকৃত করার চেষ্টা করছে এই বলে যে, লাভ জিহাদ শব্দটি কেবল এই কারণে ব্যবহৃত হয় কারণ ‘চরমপন্থী হিন্দুরা’ আন্তঃধর্মীয় বিবাহের বিরোধী; অথচ বাস্তবতা হলো এই ঘটনাটি পারস্পরিক সম্মতির সম্পর্কের ধারেকাছেও নেই।<br>এই কারণেই অপইন্ডিয়া এখন থেকে তাদের আলোচনা ও প্রতিবেদনে ‘লাভ জিহাদ’ শব্দটি পরিহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। জিহাদে কোনো ‘লাভ’ বা ভালোবাসা নেই এবং এমনকি যদি আমরা সমস্যাযুক্ত বাক্য গঠনসহ শব্দটি গ্রহণ করি, তবুও এটি সেই জিহাদের ভয়াবহতাকে তুলে ধরতে ব্যর্থ হয় যা কট্টরপন্থী মুসলিমদের একাংশ পরিচালনা করছে যারা নির্দিষ্টভাবে অ-মুসলিম নারীদের লক্ষ্যবস্তু করে। আমরা বিশ্বাস করি যে ‘গ্রুমিং জিহাদ’ শব্দটি অনেক বেশি উপযুক্ত কারণ এটি নিজের মধ্যে সেই সমস্ত ধরণের অপরাধকে ধারণ করে যা নারীদের এই জিহাদের কেন্দ্রে রাখে।<br>অ-মুসলিম নারীদের গ্রুমিং করা হচ্ছে যাতে তারা মুসলিম পুরুষদের হাতে নিজেদের পরাধীনতাকে মেনে নেয়। তাদের অপহরণ, ধর্ষণ, প্রলুব্ধ, ইসলামে ধর্মান্তরিত, শাস্তি এবং মগজধোলাই করা হচ্ছে। মানবতার বিরুদ্ধে এই অপরাধগুলোতে কোনো ‘লাভ’ নেই। এটি যে জিহাদের একটি রূপ তা নিয়ে কোনো অস্পষ্টতা নেই। একে তার সঠিক নামে ডাকার সময় এসেছে—গ্রুমিং জিহাদ। ** নুপুর জে শর্মা | ১৮ নভেম্বর, ২০২০। [https://www.opindia.com/2020/11/opindia-to-use-grooming-jihad-instead-of-love-jihad-here-is-why হোয়াই অপইন্ডিয়া হ্যাজ ডিসাইডেড টু ইউজ ‘গ্রুমিং জিহাদ’ ইনস্টেড অফ ‘লাভ জিহাদ’ মুভিং ফরোয়ার্ড]। * কাশ্মীর কোনো পাকিস্তান নয় যেখানে শিখদের জোর করে ধর্মান্তরিত করা যায়, আমরা এটি হতে দেব না। অকাল তখত সাহেবের জাঁতাদার জম্মু ও কাশ্মীরের লেফটেন্যান্ট গভর্নরের কাছে একটি চিঠি লিখেছেন যাতে ‘লাভ জিহাদ’-এর বিরুদ্ধে আইন আনা হয়। ** সরদার আর পি সিং, জুন ২০২১। [https://www.newkerala.com/news/2021/91223.htm শিখ লিডার্স মিট রেড্ডি ওভার কনভারশন অফ শিখ গার্লস ইন কাশ্মীর]। == ত == * এটি অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয় যে খ্রিস্টান মেয়েরাই সবচেয়ে বেশি লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হচ্ছে। সিবিআই, এনআইএ এবং আইবি সকলেই রিপোর্ট করেছে যে রাজ্য ও দেশে এই ধরণের ঘটনা ঘটছে। এটি দুঃখজনক এবং উদ্বেগের বিষয় যে ধর্মীয় সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর দ্বারা সরল মেয়েদের ফাঁদে ফেলার প্রচেষ্টাকে প্রতিহত করার একটি ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও এগুলো দক্ষতার সাথে মোকাবিলা করা হচ্ছে না। ** ফাদার অ্যান্টনি থালাচেলুর। [https://www.theweek.in/news/india/2020/01/15/christian-girls-targeted-and-killed-in-name-of-love-jihad-kerala-syro-malabar-church.html ক্রিশ্চিয়ান-গার্লস-টার্গেটেড-অ্যান্ড-কিলড-ইন-নাম-অফ-লাভ-জিহাদ-কেরালা-সিরো-মালাবার-চার্চ: দ্য উইক]। * ইসলামিক স্টেট তাদের ইহুদি ও খ্রিস্টান নারীদের শিকার করার আন্তর্জাতিক এজেন্ডার অংশ হিসেবে খ্রিস্টান নারীদের প্রলুব্ধ করছে... আগামী কয়েক মাসে আমরা আমাদের ধর্মীয় সংগঠনের মাধ্যমে পরিবার এবং মেয়েদের সচেতন করব যাতে তারা এই ফাঁদে না পড়ার মতো যথেষ্ট শিক্ষিত হয়। ** ফাদার অ্যান্টনি থালাচেলুর, ২০২০। [https://theprint.in/india/syro-malabar-church-says-love-jihad-a-threat-in-kerala-govt-says-it-doesnt-exist/351174/ সিরো-মালাবার চার্চ সেজ ‘লাভ জিহাদ’ এ থ্রেট ইন কেরালা, গভর্মেন্ট সেজ ইট ডাজ নট এক্সিস্ট] নিবন্ধে উদ্ধৃত। * যেন এটিই যথেষ্ট নয়, কারগিলের বৌদ্ধদের ইসলামে ধর্মান্তরিত করার একটি সুপরিকল্পিত এবং সংগঠিত নকশা রয়েছে। গত চার বছরে কেবল ওয়াখা গ্রাম থেকেই প্রায় ৫০ জন মেয়ে এবং সন্তানসহ বিবাহিত নারীকে প্রলুব্ধ করে ধর্মান্তরিত করা হয়েছে। যদি এটি বিনা বাধায় চলতে থাকে, তবে আমাদের ভয় হচ্ছে আগামী দুই দশকের মধ্যে কারগিল থেকে বৌদ্ধরা বিলুপ্ত হয়ে যাবে। এই ধরণের প্রলোভন ও ধর্মান্তরের প্রতিবাদকারী যে কাউকেই হয়রানি করা হয়... তাই লাদাখি জনগণের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক পরিচয় রক্ষা করতে কারগিলের জন্য একটি ধর্মান্তর বিরোধী আইন কার্যকর করতে হবে, যেমনটি বর্তমানে অরুণাচল প্রদেশ এবং মধ্যপ্রদেশের মতো রাজ্যগুলোতে বলবৎ রয়েছে। ** লাদাখ বৌদ্ধ অ্যাসোসিয়েশনের টুন্ডুপ ত্সারিং এবং ত্সাওয়াং নুরবু। কোয়েনরাড এলস্ট রচিত 'ভারতীয় জনতা পার্টি ভিস-আ-ভিস হিন্দু রিসার্জেন্স' এবং 'হু ইজ এ হিন্দু?: হিন্দু রিভাইভালিস্ট ভিউজ অফ অ্যানিমিজম, বুদ্ধিজম, শিখজম, অ্যান্ড আদার অফশুটস অফ হিন্দুইজম' (২০০২)-এ উদ্ধৃত। == ভ == * লাভ জিহাদকে কেবল প্রেমের কোণ থেকে দেখা উচিত নয়, বরং আরও বৃহত্তর পর্যায়ে এর সমাধান করা উচিত। এটি কোনো নির্দিষ্ট সম্প্রদায়কে লক্ষ্যবস্তু করার জন্য নয়। ধর্মনিরপেক্ষ রাজনৈতিক দলগুলোর অন্তত এটি স্বীকার করা উচিত যে এখানে লাভ জিহাদ বিদ্যমান। রাজ্যের একটি ছোট গোষ্ঠী ক্রমাগত কট্টরপন্থী হয়ে উঠছে এবং আন্তর্জাতিক ও বিশ্বব্যাপী ইসলামের সাথে এর যোগসূত্র রয়েছে। এর নাম ভিন্ন হতে পারে, কিন্তু এই গোষ্ঠীগুলোর মানুষ এবং নেতৃত্ব প্রায় একই... এটি একটি বড় সমস্যা যা আমরা বহু বছর ধরে মোকাবিলা করছি, কিন্তু কেরালার ধর্মনিরপেক্ষ রাজনৈতিক দলগুলো এই বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করতে আগ্রহী নয়। এটি তাদের রাজনীতির অংশ। রাজ্যে ঘটে যাওয়া প্রতিটি মৃত্যু ও হত্যাকাণ্ডকে একটি "বিচ্ছিন্ন" ঘটনা হিসেবে পাশ কাটিয়ে যাওয়া হয়। একের পর এক হত্যাকাণ্ড ঘটেছে অথচ রাজ্যের কোনো মূলধারার দল এই বিষয়টি নিয়ে কথা বলেনি। রিপোর্ট এসেছে যে এই হত্যাকাণ্ডে কট্টরপন্থী গোষ্ঠীগুলো জড়িত ছিল এবং সরকারের কাছে সমস্ত বিবরণ রয়েছে... “আজও আমরা চিন্তিত খ্রিস্টান অভিভাবকদের কাছ থেকে তাদের মেয়েদের সাহায্য ও কাউন্সেলিং চেয়ে ফোন কল পেয়েছি। এটি অন্য ধর্মের কাউকে বিয়ে করার বিষয় নয়। এই ঘটনাগুলোতে আমরা বিয়ের পর তাদের সুখে শান্তিতে থাকতে দেখি না। আমরা বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণ করছি। পুলিশ নিজেই অনেক ক্ষেত্রে প্রকাশ করেছে যে বিয়ের পর মেয়েরা নিখোঁজ হয়ে গেছে অথবা তারা ইসলামিক স্টেটে যোগ দিয়েছে এবং তাদের যৌনদাসী হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। তার মানে এটি ভালোবাসা ছিল না। ভালোবাসাকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে।" ** ফাদার ভার্গিস ভাল্লিক্কাত। [https://www.newindianexpress.com/cities/kochi/2020/jan/20/politics-in-state-silent-on-love-jihad-but-we-cant-be-bishops-council-2091749.html পলিটিক্স ইন স্টেট সাইলেন্ট অন লাভ জিহাদ, বাট উই কান্ট বি: বিশপস কাউন্সিল] নিবন্ধে উদ্ধৃত। == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:ষড়যন্ত্র তত্ত্ব]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতে ইসলাম]] [[বিষয়শ্রেণী:হিন্দু জাতীয়তাবাদ]] h67rs3bbg91ec08l5kabk9sfra6z1mg 79899 79897 2026-04-23T06:24:08Z Tuhin 172 79899 wikitext text/x-wiki '''[[w:লাভ জিহাদ|লাভ জিহাদ]]''' (যা '''রোমিও জিহাদ''' নামেও পরিচিত) হলো একটি ইসলামভীতিমূলক [[ষড়যন্ত্র তত্ত্ব]] যা [[হিন্দুত্ব|হিন্দুত্ববাদী]] আদর্শের সমর্থকদের দ্বারা উদ্ভাবিত। এই ষড়যন্ত্র তত্ত্বটি দাবি করে যে, মুসলিম পুরুষরা প্রলোভন, প্রেমের অভিনয়, প্রতারণা, অপহরণ এবং বিবাহের মতো উপায়ে হিন্দু নারীদের [[w:ইসলামে ধর্মান্তর|ইসলামে ধর্মান্তরিত করার]] লক্ষ্য নির্ধারণ করে। এটি ভারতের বিরুদ্ধে মুসলিমদের একটি বৃহত্তর "যুদ্ধ" এবং জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে আধিপত্য বিস্তারের একটি সংগঠিত আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে দাবি করা হয়। __NOTOC__ {{TOCalpha}} == অ == * ‘লাভ জিহাদ’ প্রচারণাটি অত্যন্ত সযত্নে অতৃপ্ত কামুক মুসলিম পুরুষের কাল্পনিক ধারণাটিকে টিকিয়ে রাখে। এর বিপরীতে হিন্দু নারীদের অসহায় হিসেবে চিত্রিত করা হয় যারা সহজেই প্রলোভনের শিকার হয়। এই বিষাক্ত প্রচারণা তরুণ দম্পতিদের জীবনে বিপর্যয় ডেকে আনছে, যেখানে নারীদের তাদের জীবনসঙ্গী নির্বাচনের অধিকার অস্বীকার করা হচ্ছে। এই সাম্প্রদায়িক কলুষিত পরিবেশে – যেখানে প্রতিটি ভিন্নধর্মী বিবাহকে একটি রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখা হয় এবং হিন্দু মেয়েদের মুসলিম ছেলেদের সংস্পর্শ থেকে ‘পবিত্র’ রাখার জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানো হয় – সেখানে এই ধরণের পরিবেশ তৈরিতে ইন্ধন জোগানো রাজনৈতিক দলটি কি [[w:অভিন্ন দেওয়ানি বিধি|অভিন্ন দেওয়ানি বিধি]] (ইউসিসি) কার্যকর করার প্রচারণার নেতৃত্ব দিতে পারে? ** [[ফ্লাভিয়া অ্যাগনেস]], [https://thewire.in/law/bjp-uniform-civil-code "দ্য মোদি গভর্নমেন্ট'স হিন্দুত্ব আইডিওলজি কুড স্টল অ্যানি প্রগ্রেস অন দ্য ইউনিফর্ম সিভিল কোড"], ''দ্য ওয়্যার'', ৭ জুলাই ২০১৬। * হিন্দুত্ববাদী তাত্ত্বিকদের মতে মুসলিমদের একটি প্রধান পরিকল্পনা হলো “হিন্দু মেয়েদের বিয়ের জন্য প্রলুব্ধ করা, আকর্ষণ করা এবং অপহরণ করা” (পালিওয়াল ২০০৩: ২৪)। ** ''হিন্দু ন্যাশনালিজম ইন ইন্ডিয়া অ্যান্ড দ্য পলিটিক্স অফ ফিয়ার'', ডি. আনন্দ, পৃষ্ঠা ৩০। * দেশজুড়ে হিন্দুত্ববাদী বুদ্ধিজীবী, নেতা এবং কর্মীদের মধ্যে একটি সাধারণ বয়ান ছিল যে, “নিষ্পাপ” হিন্দু মেয়েদের প্রলুব্ধ করার জন্য এটি একটি সচেতন মুসলিম চক্রান্ত। ** ''হিন্দু ন্যাশনালিজম ইন ইন্ডিয়া অ্যান্ড দ্য পলিটিক্স অফ ফিয়ার'', ডি. আনন্দ, পৃষ্ঠা ৫১। * তাদের পরিকল্পনা হলো আগামী ২০ বছরের মধ্যে কেরলকে একটি মুসলিম রাজ্যে পরিণত করা। সেজন্য তারা তরুণদের প্রলুব্ধ করছে, তাদের অর্থ দিচ্ছে এবং মুসলিম জনসংখ্যা বৃদ্ধির জন্য হিন্দু মেয়েদের বিয়ে করতে জোর দিচ্ছে। এভাবেই তারা তাদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা বৃদ্ধি করছে এবং এই কৌশলগুলো কাজে দিচ্ছে। ** কেরলের মার্ক্সবাদী প্রবীণ এবং সিপিএম-এর শক্তিশালী নেতা ভিএস অচ্যুতানন্দন। [https://www.firstpost.com/opinion/the-kerala-story-is-not-hindutva-fiction-world-is-waking-up-to-love-jihad-and-grooming-12555032.html/amp দ্য কেরালা স্টোরি ইজ নট হিন্দুত্ব ফিকশন, ওয়ার্ল্ড ইজ ওয়াকিং আপ টু লাভ জিহাদ অ্যান্ড গ্রুমিং] নিবন্ধে উদ্ধৃত। == স == * বামপন্থী (সিপিএম নেতৃত্বাধীন বাম গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট) এবং ডানপন্থী (কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউনাইটেড ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট) লাভ জিহাদ নামক সন্ত্রাসবাদকে পরোক্ষ ও প্রত্যক্ষভাবে সমর্থন দিয়ে জিহাদিদের তোষণ করার প্রতিযোগিতায় নেমেছে। আমাদের উচিত হবে না তাদের (এলডিএফ এবং ইউডিএফ) ছায়ায় জিহাদিদের বেড়ে উঠতে দেওয়া। সেজন্য আমাদের সেই গাছগুলো কেটে ফেলতে হবে যা তাদের আশ্রয় দেয়। চিন্তা করুন, কাজ করুন। ** কেরালা ভিত্তিক খ্রিস্টান সংস্থা 'ক্রিশ্চিয়ান অ্যাসোসিয়েশন অ্যান্ড অ্যালায়েন্স ফর সোশ্যাল অ্যাকশন' (কাসা), ২০২১ সালের একটি সচেতনতামূলক ভিডিওতে। [https://theprint.in/india/theyre-taking-our-girls-to-isis-how-church-is-now-driving-love-jihad-narrative-in-kerala/632324/ ‘দে আর টেকিং আওয়ার গার্লস টু আইসিস’: হাউ চার্চ ইজ নাউ ড্রাইভিং ‘লাভ জিহাদ’ ন্যারেটিভ ইন কেরালা] == ই == * মুসলিম জনমিতিক যুদ্ধের অন্যতম বেদনাদায়ক দিক হলো অমুসলিম মেয়েদের দখল করার প্রকাশ্য প্রচেষ্টা যাতে তারা তাদের নিজস্ব জনমিতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে পারে, পাশাপাশি অভিযুক্ত কাফেরদের চরম অপমানিত করতে পারে। বাংলাদেশে এবং ভারতের মুসলিম-প্রধান অঞ্চলগুলোতে এটি প্রায়শই মেয়েদের অপহরণ করা অথবা মুসলিমদের সাথে বিয়ে দেওয়ার জন্য তাদের হুমকি দেওয়ার রূপ নেয়। পশ্চিমের উন্মুক্ত বাজার এবং ভারতের পশ্চিমা ধাঁচের সার্কেলগুলোতে এটি স্বাভাবিক প্রেমের রূপ নেয়। তবে সীমাবদ্ধতা হলো, কোনো মুসলিম মেয়ে যদি অমুসলিম কারো সাথে বন্ধুত্ব করে, তবে সেই সম্পর্ক বন্ধ করার জন্য তার ওপর পারিবারিক চাপ প্রয়োগ করা হয় অথবা ছেলের ওপর শারীরিক হুমকি দেওয়া হয়, কিংবা উভয়ই করা হয়। যেহেতু বিপরীত ক্ষেত্রে (অমুসলিম মেয়ে ও মুসলিম ছেলে) এমনটি ঘটার সম্ভাবনা অনেক কম, তাই এর নিট ফলাফল হলো অমুসলিম মেয়েদের একটি বড় অংশ মুসলিম পরিবারগুলোতে চলে যায়। ** কোয়েনরাড এলস্ট, 'দ্য ডেমোগ্রাফিক সিজ', ১৯৯৮। ক্যাথিঙ্কা ফ্রয়েস্টাড রচিত 'সাউন্ড বাইটিং কন্সপিরেসি: ফ্রম ইন্ডিয়া উইথ “লাভ জিহাদ”', রিলিজিয়নস ২০২১, ১২(১২), ১০৬৪-এ উদ্ধৃত। == জ == * এটি আর কতদূর যাবে? সুপ্রিম কোর্ট বলেছে লাভ জিহাদ নেই। আমি জানি লাভ জিহাদ বাস্তব, আমি বলব ‘লাভ জিহাদ’ আছে। আমি যখন বলছি আমরা কোন দিকে যাচ্ছি, তখন আমাকে ভুল বুঝবেন না। এটি বন্ধ করার একটাই সমাধান আছে। সম্মানিত ভারতকে একটি হিন্দু রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করতে হবে... লাভ জিহাদ বাস্তব এবং মুসলিমরা ২০৩০ সালের মধ্যে ভারতকে একটি ইসলামি রাষ্ট্র বানানোর পরিকল্পনা করছে... প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিমুদ্রাকরণ (ডিমোনেটাইজেশন) পদক্ষেপের কারণে এটি বিলম্বিত হয়েছে। ** [[w:পি. সি. জর্জ|পি. সি. জর্জ]], এপ্রিল ২০২১। [https://tfipost.com/2021/04/due-to-islamic-threat-keralas-minister-who-happens-to-be-a-christian-wants-india-to-be-declared-a-hindu-nation/ ডিউ টু ইসলামিক থ্রেট, কেরালা’স মিনিস্টার হু হ্যাপেনস টু বি এ ক্রিশ্চিয়ান ওয়ান্টস ইন্ডিয়া টু বি ডিক্লেয়ার্ড এ হিন্দু নেশন] নিবন্ধে উদ্ধৃত। * সিরিয়ান ইন্ডিপেন্ডেন্ট অর্থোডক্স চার্চের বিশপ ম্যাথিউ মার গ্রেগোরিওস বিশ্বাস করেন যে ‘লাভ জিহাদ’ একটি বাস্তবতা এবং তরুণদের এই মন্দের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর সময় এসেছে। “আপনারা দেখলে অবাক হবেন প্রতিদিন আমার ফোনে মেয়েদের বাবা-মায়ের কাছ থেকে কত মেসেজ আসে। মালাবার অঞ্চলে খ্রিস্টান মেয়েদের ইসলামে ধর্মান্তরিত করার ঘটনা ব্যাপকভাবে ঘটছে। যেহেতু আমি এখানে একটি গির্জার প্রধান, তাই খোলাখুলিভাবে এ বিষয়ে কথা বলার কিছু সীমাবদ্ধতা আমার আছে,” বিশপ হিন্দুস্তান টাইমস-কে বলেন। তার মতে, ‘লাভ জিহাদ’ একটি ভুল নাম কারণ এটি প্রেমের ছলে ধর্মান্তরের একটি কৌশল মাত্র। তিনি আরও বলেন, “আমি ব্যক্তিগতভাবে যেসব ঘটনায় হস্তক্ষেপ করেছি, তার বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এটি প্রেমের ভান ছিল। একবার বিয়ে হয়ে গেলে অধিকাংশ সময়ই মেয়েটিকে পরিত্যক্ত করা হয়। ধর্মান্তরই একমাত্র লক্ষ্য এবং এটি একটি সম্প্রদায়ের সংখ্যা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে করা হয়। কেউ কেউ এর সাথে আইসিস (আইএস) যোগসূত্র থাকার অভিযোগও তুলেছেন, যা তদন্ত করা প্রয়োজন।” ** বিশপ ম্যাথিউ মার গ্রেগোরিওস, ২০১৭। [https://www.hindustantimes.com/india-news/the-bjp-and-the-church-find-common-ground-on-love-jihad-in-kerala/story-krCpAE2YLaxTLxLZuXAnhJ.html দ্য বিজেপি অ্যান্ড দ্য চার্চ ফাইন্ড কমন গ্রাউন্ড অন ‘লাভ জিহাদ’ ইন কেরালা] == ক == * সিরো-মালাবার চার্চের পালাই ডায়োসিসের বিশপ জোসেফ কাল্লারাঙ্গাট অভিযোগ করেছেন যে যারা দাবি করেন কেরালায় ‘লাভ জিহাদ’ নেই তারা “বাস্তবতার প্রতি অন্ধ।” “এই ধরণের মানুষরা রাজনীতিবিদ, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের ব্যক্তি বা গণমাধ্যম যারাই হোক না কেনো তাদের নিজস্ব স্বার্থ থাকতে পারে। তবে একটি বিষয় স্পষ্ট। আমরা আমাদের তরুণীদের হারাচ্ছি। এটি কেবল প্রেমঘটিত বিয়ের বিষয় নয়। এটি তাদের জীবন ধ্বংস করার একটি যুদ্ধ কৌশল,” তিনি দাবি করেন... “বিশ্বের অন্যান্য প্রান্তের মতো কেরলের মুসলিমদের একটি অংশ আছে যারা সম্প্রদায়ের মধ্যে বিদ্বেষ সৃষ্টি করতে এবং ধর্মীয় ঘৃণা ছড়াতে চায়। জিহাদিরা ইসলাম প্রচারের জন্য বিভিন্ন উপায় ব্যবহার করছে এবং তারা অমুসলিম তরুণীদের লক্ষ্যবস্তু করছে,” তিনি নিমিষা নামক এক হিন্দু মেয়ে এবং সোনিয়া সেবাস্তিয়ান নামক এক খ্রিস্টান মেয়ের উদাহরণ দেন, যারা মুসলিম পুরুষদের প্রেমে পড়ে ইসলাম গ্রহণ করেন এবং শেষ পর্যন্ত সিরিয়ায় কুখ্যাত ইসলামিক স্টেটে যোগ দেন। তিনি আরও ব্যাখ্যা করেন, “আমাদের মতো একটি গণতান্ত্রিক দেশে যেহেতু অন্য ধর্মের মানুষকে ধ্বংস করতে অস্ত্র ব্যবহার করা সহজ নয়, তাই জিহাদিরা এমন উপায় ব্যবহার করছে যা সহজে শনাক্ত করা যায় না। জিহাদিদের দৃষ্টিতে অমুসলিমদের ধ্বংস করতে হবে। যখন উদ্দেশ্য হয় তাদের ধর্মের বিস্তার এবং অমুসলিমদের ধ্বংস করা, তখন তারা বিভিন্ন রূপের উপায় ব্যবহার করে। বর্তমানে এ রকম ব্যাপকভাবে আলোচিত দুটি উপায় হলো লাভ জিহাদ এবং নারকোটিক্স জিহাদ।” ** জোসেফ কাল্লারাঙ্গাট, সিরো-মালাবার চার্চের বিশপ, ২১/১১/২০২২। [https://goachronicle.com/love-jihad-not-a-hindutva-conspiracy-catholic-church-rings-alarm-bells-too/ লাভ জিহাদ: নট এ হিন্দুত্ব কন্সপিরেসি, ক্যাথলিক চার্চ রিংস অ্যালার্ম বেলস টু] * জনমিতিক যুদ্ধ শুরু করা: হিন্দু মেয়েদের প্রলুব্ধ করা ও বিয়ে করা এবং তাদের গর্বিত জিহাদি ট্রফি হিসেবে প্রদর্শন করা অর্থাৎ “প্রেমের” মাধ্যমে জিহাদ; ** কৃষ্ণস্বামী কর্তৃক প্রচারিত একটি পুস্তিকা থেকে (কৃষ্ণস্বামী, পৃষ্ঠা ৪১)। * সংগঠিত ধর্মান্তর এবং ‘লাভ জিহাদ’-এ ফাঁদে ফেলে ভুক্তভোগীদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে ব্যবহার করার ঘটনাগুলো প্রমাণ করে যে খ্রিস্টান সম্প্রদায় ইসলামি চরমপন্থীদের সহজ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে। * এটি গুরুত্বপূর্ণ যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই উদ্বেগজনক প্রবণতাটি লক্ষ্য করবে এবং জাতীয় তদন্ত সংস্থা (এনআইএ) দ্বারা তদন্তের নির্দেশ দেবে এবং উগ্রপন্থীদের এই ধরণের প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড বন্ধে একটি কার্যকর আইন প্রণয়ন করবে। * বাবা-মায়েদের প্রকাশ করা ভয় অমূলক নয়, অতীতে একই ধরণের ঘটনা থেকে তা প্রমাণিত। রিপোর্ট বলছে কেরল থেকে আইসিস-এ যোগ দেওয়া ২১ জনের মধ্যে পাঁচজনই খ্রিস্টধর্ম থেকে ধর্মান্তরিত।" তিনি কেরালা ক্যাথলিক বিশপস কাউন্সিলের কমিশন ফর সোশ্যাল হারমনি অ্যান্ড ভিজিল্যান্সের প্রকাশিত তথ্য উদ্ধৃত করে বলেন, "২০০৫ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত প্রায় ৪,০০০ মেয়ে প্রেমের ফাঁদে পড়ে ধর্মান্তরিত হয়েছে। ভুক্তভোগীরা যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন অথবা কোনো স্বাধীনতা ছাড়াই শোচনীয় অবস্থায় জীবন কাটাতে বাধ্য হয়েছেন।” * কেরলের খ্রিস্টান মেয়েরা ‘লাভ জিহাদ’-এর লক্ষ্যবস্তু। তারা সহজেই ভুক্তভোগী হতে পারে। ধর্মান্তরের ক্রমবর্ধমান প্রবণতা এটিই প্রমাণ করে।” ** জর্জ কুরিয়ান, সংখ্যালঘু জাতীয় কমিশনের (এনসিএম) ভাইস চেয়ারম্যান, ২০১৯। [https://www.theweek.in/news/india/2019/09/26/christians-soft-target-for-love-jihad-islamic-radicals-minority-body-vice-chairman.html খ্রিস্টানস-সফট-টার্গেট-ফর-লাভ-জিহাদ-ইসলামিক-র‍্যাডিক্যালস-মাইনরিটি-বডি-ভাইস-চেয়ারম্যান: দ্য উইক] == হ == * আমাদের দাবি হলো কোনো মেয়েকেই যেন এই ট্রমার মধ্য দিয়ে যেতে না হয়। আমি অনুভব করছি যে ‘লাভ জিহাদ’ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। ** নিরঞ্জন হিরেমাথ, কংগ্রেস কর্পোরেটর এবং নিহত এমসিএ শিক্ষার্থী নেহা হিরেমাথের বাবা। [https://newsable.asianetnews.com/karnataka-news/hubballi-horror-neha-hiremath-s-father-says-love-jihad-is-spreading-rapidly-urges-govt-action-watch-snt-sc6z04 হুবলি হরর: নেহা হিরেমাথ'স ফাদার সেজ 'লাভ জিহাদ' ইজ স্প্রেডিং র‍্যাপিডলি, আরজেস গভর্মেন্ট অ্যাকশন], ১৯ এপ্রিল ২০২৪। == ম == * কিছু ঘটনা সামনে এসেছে যা গুরুত্বের সাথে দেখা প্রয়োজন, আমাদের অবশ্যই এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। যদি এমন কিছু ঘটে থাকে, তবে আমাদের তা খতিয়ে দেখা উচিত... এ নিয়ে কিছু সমস্যা এবং আশঙ্কা রয়েছে। যা ঘটেছে সে সম্পর্কে সরকারের স্পষ্টভাবে সামনে আসা উচিত এবং যদি এই ধরণের কোনো ঘটনা (লাভ জিহাদ) থেকে থাকে, তবে সেগুলোর সমাধান ও প্রতিকার করা উচিত। ** জোসে কে মানি, ২০২১। [https://theprint.in/politics/love-jihad-cases-should-be-studied-addressed-kerala-congress-m-chief-on-church-view/629731/ ‘লাভ জিহাদ’ কেসেস শুড বি স্টাডিড অ্যান্ড অ্যাড্রেসড: কেরালা কংগ্রেস (এম) চিফ অন চার্চ ভিউ] নিবন্ধে উদ্ধৃত। * এটি একটি সংগঠিত অপরাধ। উপসাগরীয় (গালফ) এবং অন্যান্য দেশ থেকে অর্থ আসছে যাতে মুসলিম পুরুষদের একটি দল হিন্দু নারীদের ফাঁদে ফেলতে পারে, তাদের বিয়ে করতে পারে এবং তারপর সন্ত্রাসবাদসহ বিভিন্ন অপরাধে তাদের ব্যবহার করতে পারে। ** [[w:লাভ জিহাদ|লাভ জিহাদ]] প্রসঙ্গে প্রমোদ মুথালিক, যেমনটা উদ্ধৃত হয়েছে "[http://indianexpress.com/article/cities/mumbai/muthalik-finds-cases-of-love-jihad-in-state-cites-rti-info/ মুথালিক ফাইন্ডস কেসেস অফ ‘লাভ জিহাদ’ ইন স্টেট, সাইটস আরটিআই ইনফো]", ''দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস'' (২০ সেপ্টেম্বর ২০১৪)। == ন == * আমরা দেখেছি কীভাবে সুফি ধর্মগুরু খাজা হাসান নিজামী তার 'দায়ি-এ ইসলাম'-এ হিন্দুদের ইসলামে ধর্মান্তরিত করার উপায় সম্পর্কে মুসলিমদের নির্দেশ দিয়েছিলেন। তার অতি-উৎসাহ হিন্দুদের সতর্ক করে দিয়েছিল। সেই নির্দেশগুলো গোপন থাকেনি, বইটি অনূদিত হয়েছিল এবং হিন্দুরা জানতে পেরেছিল কীভাবে এবং কেন উত্তর ভারতের প্রায় প্রতিটি শহর ও নগরে মুসলিমদের দ্বারা হিন্দু মেয়েদের গোপন অপহরণ এবং প্রলোভন দেখানো প্রতিদিনের ঘটনায় পরিণত হয়েছে। হিন্দুরা ব্যক্তিগতভাবে এবং তাদের সংগঠনের মাধ্যমে সতর্কতা অবলম্বন করতে শুরু করে। তারা হিন্দু মেয়ে, বিধবা এবং এতিমদের উদ্ধার করে এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে এই নোংরা প্রচেষ্টাগুলো রুখতে শুরু করে। ** খাজা হাসান নিজামী, ভি.পি. ভাটিয়া রচিত "দ্য এভার গ্রিন মোল্লা পাওয়ার", অর্গানাইজার, ২৭ অক্টোবর ১৯৯৬-এ উদ্ধৃত; যা বি.আর. আম্বেদকরের 'পাকিস্তান অ্যান্ড পার্টিশন অফ ইন্ডিয়া'; ইন্দ্র প্রকাশের 'দ্য হিস্ট্রি অফ হিন্দু মহাসভা'; এবং শেখ আব্দুল্লাহর 'আতিশ-এ-চিনার'-এর তথ্যসূত্র ব্যবহার করেছে। কে. এস. লাল রচিত 'থিওরি অ্যান্ড প্র্যাকটিস অফ মুসলিম স্টেট ইন ইন্ডিয়া' (১৯৯৯), নয়াদিল্লি: আদিত্য প্রকাশন, অধ্যায় ৬ থেকে উদ্ধৃত। * হিন্দুদের ইসলামে ধর্মান্তরিত করার উপায় বাতলে মুসলিমদের নির্দেশ দেওয়া উর্দু ভাষায় রচিত অনেক প্যামফলেট ও ব্রোশারের মধ্যে কেবল একটি পরীক্ষা করলেই এই ধরণের সাহিত্যে কী থাকে সে সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। এটি হলো খাজা হাসান নিজামীর 'দায়ি-এ ইসলাম' (ইসলামের প্রচার)। হাসান নিজামী ছিলেন দিল্লির নিজামউদ্দিন আউলিয়ার দরগাহর সাথে যুক্ত একজন সুফি ধর্মগুরু। প্যামফলেটটি কাফেরদের ইসলামে ধর্মান্তরিত করার দ্রুততম ও ব্যাপক উপায় শেখায়। খাজা উচ্চবিত্ত থেকে নিম্নবিত্ত সকল পর্যায়ের মুসলিমদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন অ-মুসলিমদের ইসলামে ধর্মান্তরিত করার মাধ্যমে ইসলামের সেবা করতে। এই মিশনারি প্রচেষ্টায় জমিদার ও নবাব, ডাক্তার ও পতিতা, এক্কা চালক ও চুড়ি বিক্রেতা—সবাইকে অবদান রাখার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। মুসলিম আইনজীবী ও ডাক্তারদের বলা হয়েছিল তাদের হিন্দু মক্কেল ও রোগীদের ধর্মান্তরিত করতে প্রভাবিত করতে। নবাব ও জমিদারদের বলা হয়েছিল তাদের অধীনে থাকা হিন্দু প্রজাদের মুসলমান হতে চাপ দিতে। পতিতাদের বলা হয়েছিল তাদের হিন্দু খদ্দের ও অনুরাগীদের মুসলিম হতে প্রভাবিত করতে। [[লাভ জিহাদ|চুড়ি বিক্রেতাদের বলা হয়েছিল তরুণী হিন্দু মেয়েদের প্রলুব্ধ করতে]] এবং এক্কা চালকদের বলা হয়েছিল হিন্দু নারী ও শিশুদের ভুলিয়ে নিয়ে যেতে। এই জাতীয় ব্যবস্থাপত্র আধ্যাত্মিক বা নীতিগত কোনোটিই ছিল না, কিন্তু এটি মুসলিম মানসিকতার সাথে খাপ খেয়েছিল। প্যামফলেটটি মুসলিমদের মধ্যে ব্যাপক বিক্রি হয়েছিল। হায়দ্রাবাদের নিজাম খাজার জন্য একটি ভাতা নির্দিষ্ট করেছিলেন এবং অন্যান্য মুসলিম প্রধান ও জমিদাররাও তা অনুসরণ করেছিলেন। মুসলিম ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ ও আবগারি পরিদর্শক এবং অন্যান্য প্রভাবশালী কর্মকর্তাদের এই সুফি ভক্তের পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করতে দেখা গিয়েছিল। ** খাজা হাসান নিজামী, কে. এস. লাল রচিত 'থিওরি অ্যান্ড প্র্যাকটিস অফ মুসলিম স্টেট ইন ইন্ডিয়া' (১৯৯৯), নয়াদিল্লি: আদিত্য প্রকাশন, অধ্যায় ৬ থেকে উদ্ধৃত। == প == * আমাদের মেয়েরা চরমপন্থীদের দ্বারা ফাঁদে পড়ার ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে। আসুন আমরা সেই সব বাবা-মায়ের দুঃখের জন্য প্রার্থনা করি যারা তাদের সন্তানদের ধর্মীয় চরমপন্থীদের ফাঁদে পড়তে দেখেও অসহায় হয়ে আছেন। নারীদের বিরুদ্ধে ক্রমবর্ধমান সহিংসতার এই যুগে আমাদের উচিত পবিত্র মাতার মতো নারী ও নারীত্বকে শ্রদ্ধা ও সম্মান করা। "প্রত্যেকেরই আর্চডায়োসিস ক্যাটেচিজম সেন্টারের সচেতনতামূলক প্রচারণার সুযোগ নেওয়া উচিত, যা কিশোর-কিশোরী এবং তাদের অভিভাবকদের লক্ষ্য করে পরিচালিত হচ্ছে, যাতে আমাদের সন্তানরা সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর ফাঁদে না পড়ে।" ** আর্চবিশপ মার জোসেফ পামপ্লানি কর্তৃক জারি করা যাজকীয় পত্র। [https://www.onmanorama.com/news/kerala/2022/09/05/tellicherry-archdiocese-circular-love-trap.html এক্সট্রিমিস্টস লিউরিং ক্রিশ্চিয়ান গার্লস ফেইনিং লাভ, ওয়ার্নস টেলিসেরি আর্চডায়োসিস], ৫ সেপ্টেম্বর ২০২২। * “বিশ্বাসীরা যদি এমন পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়, তবে আপনি তাদের দোষ দিতে পারেন না। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে ডায়োসিস কোনো অবস্থান নেয়নি, তবে আমরা উদ্বিগ্ন। তাই এই ধরণের ঘটনা বন্ধ করার জন্য যারা কাজ করছে তাদের সমর্থন করার মধ্যে ভুল কী আছে?” ** ফাদার জিমি পুচাকাত্ত, মুখপাত্র, সিরো মালাবার চার্চ, ২০১৭। [https://www.hindustantimes.com/india-news/the-bjp-and-the-church-find-common-ground-on-love-jihad-in-kerala/story-krCpAE2YLaxTLxLZuXAnhJ.html দ্য বিজেপি অ্যান্ড দ্য চার্চ ফাইন্ড কমন গ্রাউন্ড অন ‘লাভ জিহাদ’ ইন কেরালা] নিবন্ধে উদ্ধৃত। == স == * তথাকথিত অতি-পুরুষালি মুসলিম পুরুষ দেহ এবং অতি-প্রজননক্ষম মুসলিম নারী দেহ নিয়ে একটি অন্ধকার যৌন আচ্ছন্নতা রয়েছে, যা এই প্যারানোইয়া (অহেতুক ভীতি) এবং প্রতিশোধের মূর্তিকে অনুপ্রাণিত ও টিকিয়ে রাখে। ** সরকার, তানিকা। "সেমিওটিকস অফ টেরর: মুসলিম চিলড্রেন অ্যান্ড উইমেন ইন হিন্দু রাষ্ট্র।" ইকোনমিক অ্যান্ড পলিটিক্যাল উইকলি ৩৭, নম্বর ২৮ (২০০২): ২৮৭২-৮৭৬। সংগৃহীত ৯ জুলাই, ২০২১। http://www.jstor.org/stable/4412352। * একজন অধিকতর পুরুষালি মুসলিম পুরুষ দেহের প্রতি এক ধরণের চিরস্থায়ী ভয় কাজ করে যা হিন্দু মেয়েদের ভুলিয়ে নিয়ে যায়; এটি এক ধরণের লিঙ্গ-ঈর্ষা এবং পুরুষত্বহীনতার উদ্বেগ যা কেবল সহিংস কাজের মাধ্যমেই কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। ** সরকার, তানিকা। "সেমিওটিকস অফ টেরর: মুসলিম চিলড্রেন অ্যান্ড উইমেন ইন হিন্দু রাষ্ট্র।" ইকোনমিক অ্যান্ড পলিটিক্যাল উইকলি ৩৭, নম্বর ২৮ (২০০২): ২৮৭২-৮৭৬। সংগৃহীত ৯ জুলাই, ২০২১। http://www.jstor.org/stable/4412352। * লাভ জিহাদ, হ্যাঁ, কেরালায় কী ঘটছে তা আমি দেখছি। কীভাবে হিন্দুরা একটি বিয়ের জালে প্রতারিত হচ্ছে এবং কীভাবে তারা কষ্ট পাচ্ছে... শুধু হিন্দু নয়, মুসলিম ও খ্রিস্টান মেয়েরাও বিয়ের ক্ষেত্রে প্রতারিত হচ্ছে। এখন এই ধরণের জিনিসের আমি অবশ্যই বিরোধিতা করব। ** ই. শ্রীধরন, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২১। [https://www.ndtv.com/video/exclusive/the-news/bjp-not-communal-party-of-nation-lovers-india-s-metro-man-e-sreedharan-576372 এনডিটিভি: বিজেপি নট কমিউনাল, পার্টি অফ নেশন-লাভার্স: "মেট্রো ম্যান" ই শ্রীধরন টু এনডিটিভি] নিবন্ধে উদ্ধৃত। * বামপন্থীরা যখন এই ঘটনাগুলোকে ‘ডানপন্থী কল্পনা’ বলে উড়িয়ে দেয়, তখন আসলে ঘটনাগুলো বাস্তব। মৃতদেহগুলোও বাস্তব এবং হুমকিটি আসন্ন... ‘লাভ জিহাদ’ এর মতো একটি শব্দের সংকীর্ণ সংজ্ঞার কারণেই বামপন্থীরা এখন এটিকে বিকৃত করার চেষ্টা করছে এই বলে যে, লাভ জিহাদ শব্দটি কেবল এই কারণে ব্যবহৃত হয় কারণ ‘চরমপন্থী হিন্দুরা’ আন্তঃধর্মীয় বিবাহের বিরোধী; অথচ বাস্তবতা হলো এই ঘটনাটি পারস্পরিক সম্মতির সম্পর্কের ধারেকাছেও নেই।<br>এই কারণেই অপইন্ডিয়া এখন থেকে তাদের আলোচনা ও প্রতিবেদনে ‘লাভ জিহাদ’ শব্দটি পরিহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। জিহাদে কোনো ‘লাভ’ বা ভালোবাসা নেই এবং এমনকি যদি আমরা সমস্যাযুক্ত বাক্য গঠনসহ শব্দটি গ্রহণ করি, তবুও এটি সেই জিহাদের ভয়াবহতাকে তুলে ধরতে ব্যর্থ হয় যা কট্টরপন্থী মুসলিমদের একাংশ পরিচালনা করছে যারা নির্দিষ্টভাবে অ-মুসলিম নারীদের লক্ষ্যবস্তু করে। আমরা বিশ্বাস করি যে ‘গ্রুমিং জিহাদ’ শব্দটি অনেক বেশি উপযুক্ত কারণ এটি নিজের মধ্যে সেই সমস্ত ধরণের অপরাধকে ধারণ করে যা নারীদের এই জিহাদের কেন্দ্রে রাখে।<br>অ-মুসলিম নারীদের গ্রুমিং করা হচ্ছে যাতে তারা মুসলিম পুরুষদের হাতে নিজেদের পরাধীনতাকে মেনে নেয়। তাদের অপহরণ, ধর্ষণ, প্রলুব্ধ, ইসলামে ধর্মান্তরিত, শাস্তি এবং মগজধোলাই করা হচ্ছে। মানবতার বিরুদ্ধে এই অপরাধগুলোতে কোনো ‘লাভ’ নেই। এটি যে জিহাদের একটি রূপ তা নিয়ে কোনো অস্পষ্টতা নেই। একে তার সঠিক নামে ডাকার সময় এসেছে—গ্রুমিং জিহাদ। ** নুপুর জে শর্মা | ১৮ নভেম্বর, ২০২০। [https://www.opindia.com/2020/11/opindia-to-use-grooming-jihad-instead-of-love-jihad-here-is-why হোয়াই অপইন্ডিয়া হ্যাজ ডিসাইডেড টু ইউজ ‘গ্রুমিং জিহাদ’ ইনস্টেড অফ ‘লাভ জিহাদ’ মুভিং ফরোয়ার্ড]। * কাশ্মীর কোনো পাকিস্তান নয় যেখানে শিখদের জোর করে ধর্মান্তরিত করা যায়, আমরা এটি হতে দেব না। অকাল তখত সাহেবের জাঁতাদার জম্মু ও কাশ্মীরের লেফটেন্যান্ট গভর্নরের কাছে একটি চিঠি লিখেছেন যাতে ‘লাভ জিহাদ’-এর বিরুদ্ধে আইন আনা হয়। ** সরদার আর পি সিং, জুন ২০২১। [https://www.newkerala.com/news/2021/91223.htm শিখ লিডার্স মিট রেড্ডি ওভার কনভারশন অফ শিখ গার্লস ইন কাশ্মীর]। == ত == * এটি অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয় যে খ্রিস্টান মেয়েরাই সবচেয়ে বেশি লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হচ্ছে। সিবিআই, এনআইএ এবং আইবি সকলেই রিপোর্ট করেছে যে রাজ্য ও দেশে এই ধরণের ঘটনা ঘটছে। এটি দুঃখজনক এবং উদ্বেগের বিষয় যে ধর্মীয় সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর দ্বারা সরল মেয়েদের ফাঁদে ফেলার প্রচেষ্টাকে প্রতিহত করার একটি ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও এগুলো দক্ষতার সাথে মোকাবিলা করা হচ্ছে না। ** ফাদার অ্যান্টনি থালাচেলুর। [https://www.theweek.in/news/india/2020/01/15/christian-girls-targeted-and-killed-in-name-of-love-jihad-kerala-syro-malabar-church.html ক্রিশ্চিয়ান-গার্লস-টার্গেটেড-অ্যান্ড-কিলড-ইন-নাম-অফ-লাভ-জিহাদ-কেরালা-সিরো-মালাবার-চার্চ: দ্য উইক]। * ইসলামিক স্টেট তাদের ইহুদি ও খ্রিস্টান নারীদের শিকার করার আন্তর্জাতিক এজেন্ডার অংশ হিসেবে খ্রিস্টান নারীদের প্রলুব্ধ করছে... আগামী কয়েক মাসে আমরা আমাদের ধর্মীয় সংগঠনের মাধ্যমে পরিবার এবং মেয়েদের সচেতন করব যাতে তারা এই ফাঁদে না পড়ার মতো যথেষ্ট শিক্ষিত হয়। ** ফাদার অ্যান্টনি থালাচেলুর, ২০২০। [https://theprint.in/india/syro-malabar-church-says-love-jihad-a-threat-in-kerala-govt-says-it-doesnt-exist/351174/ সিরো-মালাবার চার্চ সেজ ‘লাভ জিহাদ’ এ থ্রেট ইন কেরালা, গভর্মেন্ট সেজ ইট ডাজ নট এক্সিস্ট] নিবন্ধে উদ্ধৃত। * যেন এটিই যথেষ্ট নয়, কারগিলের বৌদ্ধদের ইসলামে ধর্মান্তরিত করার একটি সুপরিকল্পিত এবং সংগঠিত নকশা রয়েছে। গত চার বছরে কেবল ওয়াখা গ্রাম থেকেই প্রায় ৫০ জন মেয়ে এবং সন্তানসহ বিবাহিত নারীকে প্রলুব্ধ করে ধর্মান্তরিত করা হয়েছে। যদি এটি বিনা বাধায় চলতে থাকে, তবে আমাদের ভয় হচ্ছে আগামী দুই দশকের মধ্যে কারগিল থেকে বৌদ্ধরা বিলুপ্ত হয়ে যাবে। এই ধরণের প্রলোভন ও ধর্মান্তরের প্রতিবাদকারী যে কাউকেই হয়রানি করা হয়... তাই লাদাখি জনগণের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক পরিচয় রক্ষা করতে কারগিলের জন্য একটি ধর্মান্তর বিরোধী আইন কার্যকর করতে হবে, যেমনটি বর্তমানে অরুণাচল প্রদেশ এবং মধ্যপ্রদেশের মতো রাজ্যগুলোতে বলবৎ রয়েছে। ** লাদাখ বৌদ্ধ অ্যাসোসিয়েশনের টুন্ডুপ ত্সারিং এবং ত্সাওয়াং নুরবু। কোয়েনরাড এলস্ট রচিত 'ভারতীয় জনতা পার্টি ভিস-আ-ভিস হিন্দু রিসার্জেন্স' এবং 'হু ইজ এ হিন্দু?: হিন্দু রিভাইভালিস্ট ভিউজ অফ অ্যানিমিজম, বুদ্ধিজম, শিখজম, অ্যান্ড আদার অফশুটস অফ হিন্দুইজম' (২০০২)-এ উদ্ধৃত। == ভ == * লাভ জিহাদকে কেবল প্রেমের কোণ থেকে দেখা উচিত নয়, বরং আরও বৃহত্তর পর্যায়ে এর সমাধান করা উচিত। এটি কোনো নির্দিষ্ট সম্প্রদায়কে লক্ষ্যবস্তু করার জন্য নয়। ধর্মনিরপেক্ষ রাজনৈতিক দলগুলোর অন্তত এটি স্বীকার করা উচিত যে এখানে লাভ জিহাদ বিদ্যমান। রাজ্যের একটি ছোট গোষ্ঠী ক্রমাগত কট্টরপন্থী হয়ে উঠছে এবং আন্তর্জাতিক ও বিশ্বব্যাপী ইসলামের সাথে এর যোগসূত্র রয়েছে। এর নাম ভিন্ন হতে পারে, কিন্তু এই গোষ্ঠীগুলোর মানুষ এবং নেতৃত্ব প্রায় একই... এটি একটি বড় সমস্যা যা আমরা বহু বছর ধরে মোকাবিলা করছি, কিন্তু কেরালার ধর্মনিরপেক্ষ রাজনৈতিক দলগুলো এই বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করতে আগ্রহী নয়। এটি তাদের রাজনীতির অংশ। রাজ্যে ঘটে যাওয়া প্রতিটি মৃত্যু ও হত্যাকাণ্ডকে একটি "বিচ্ছিন্ন" ঘটনা হিসেবে পাশ কাটিয়ে যাওয়া হয়। একের পর এক হত্যাকাণ্ড ঘটেছে অথচ রাজ্যের কোনো মূলধারার দল এই বিষয়টি নিয়ে কথা বলেনি। রিপোর্ট এসেছে যে এই হত্যাকাণ্ডে কট্টরপন্থী গোষ্ঠীগুলো জড়িত ছিল এবং সরকারের কাছে সমস্ত বিবরণ রয়েছে... “আজও আমরা চিন্তিত খ্রিস্টান অভিভাবকদের কাছ থেকে তাদের মেয়েদের সাহায্য ও কাউন্সেলিং চেয়ে ফোন কল পেয়েছি। এটি অন্য ধর্মের কাউকে বিয়ে করার বিষয় নয়। এই ঘটনাগুলোতে আমরা বিয়ের পর তাদের সুখে শান্তিতে থাকতে দেখি না। আমরা বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণ করছি। পুলিশ নিজেই অনেক ক্ষেত্রে প্রকাশ করেছে যে বিয়ের পর মেয়েরা নিখোঁজ হয়ে গেছে অথবা তারা ইসলামিক স্টেটে যোগ দিয়েছে এবং তাদের যৌনদাসী হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। তার মানে এটি ভালোবাসা ছিল না। ভালোবাসাকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে।" ** ফাদার ভার্গিস ভাল্লিক্কাত। [https://www.newindianexpress.com/cities/kochi/2020/jan/20/politics-in-state-silent-on-love-jihad-but-we-cant-be-bishops-council-2091749.html পলিটিক্স ইন স্টেট সাইলেন্ট অন লাভ জিহাদ, বাট উই কান্ট বি: বিশপস কাউন্সিল] নিবন্ধে উদ্ধৃত। == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:ষড়যন্ত্র তত্ত্ব]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতে ইসলাম]] [[বিষয়শ্রেণী:হিন্দু জাতীয়তাবাদ]] 34zrhsei11o239n0v57p3w79n1319kc 79901 79899 2026-04-23T06:26:56Z Tuhin 172 /* ক */ 79901 wikitext text/x-wiki '''[[w:লাভ জিহাদ|লাভ জিহাদ]]''' (যা '''রোমিও জিহাদ''' নামেও পরিচিত) হলো একটি ইসলামভীতিমূলক [[ষড়যন্ত্র তত্ত্ব]] যা [[হিন্দুত্ব|হিন্দুত্ববাদী]] আদর্শের সমর্থকদের দ্বারা উদ্ভাবিত। এই ষড়যন্ত্র তত্ত্বটি দাবি করে যে, মুসলিম পুরুষরা প্রলোভন, প্রেমের অভিনয়, প্রতারণা, অপহরণ এবং বিবাহের মতো উপায়ে হিন্দু নারীদের [[w:ইসলামে ধর্মান্তর|ইসলামে ধর্মান্তরিত করার]] লক্ষ্য নির্ধারণ করে। এটি ভারতের বিরুদ্ধে মুসলিমদের একটি বৃহত্তর "যুদ্ধ" এবং জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে আধিপত্য বিস্তারের একটি সংগঠিত আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে দাবি করা হয়। __NOTOC__ {{TOCalpha}} == অ == * ‘লাভ জিহাদ’ প্রচারণাটি অত্যন্ত সযত্নে অতৃপ্ত কামুক মুসলিম পুরুষের কাল্পনিক ধারণাটিকে টিকিয়ে রাখে। এর বিপরীতে হিন্দু নারীদের অসহায় হিসেবে চিত্রিত করা হয় যারা সহজেই প্রলোভনের শিকার হয়। এই বিষাক্ত প্রচারণা তরুণ দম্পতিদের জীবনে বিপর্যয় ডেকে আনছে, যেখানে নারীদের তাদের জীবনসঙ্গী নির্বাচনের অধিকার অস্বীকার করা হচ্ছে। এই সাম্প্রদায়িক কলুষিত পরিবেশে – যেখানে প্রতিটি ভিন্নধর্মী বিবাহকে একটি রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখা হয় এবং হিন্দু মেয়েদের মুসলিম ছেলেদের সংস্পর্শ থেকে ‘পবিত্র’ রাখার জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানো হয় – সেখানে এই ধরণের পরিবেশ তৈরিতে ইন্ধন জোগানো রাজনৈতিক দলটি কি [[w:অভিন্ন দেওয়ানি বিধি|অভিন্ন দেওয়ানি বিধি]] (ইউসিসি) কার্যকর করার প্রচারণার নেতৃত্ব দিতে পারে? ** [[ফ্লাভিয়া অ্যাগনেস]], [https://thewire.in/law/bjp-uniform-civil-code "দ্য মোদি গভর্নমেন্ট'স হিন্দুত্ব আইডিওলজি কুড স্টল অ্যানি প্রগ্রেস অন দ্য ইউনিফর্ম সিভিল কোড"], ''দ্য ওয়্যার'', ৭ জুলাই ২০১৬। * হিন্দুত্ববাদী তাত্ত্বিকদের মতে মুসলিমদের একটি প্রধান পরিকল্পনা হলো “হিন্দু মেয়েদের বিয়ের জন্য প্রলুব্ধ করা, আকর্ষণ করা এবং অপহরণ করা” (পালিওয়াল ২০০৩: ২৪)। ** ''হিন্দু ন্যাশনালিজম ইন ইন্ডিয়া অ্যান্ড দ্য পলিটিক্স অফ ফিয়ার'', ডি. আনন্দ, পৃষ্ঠা ৩০। * দেশজুড়ে হিন্দুত্ববাদী বুদ্ধিজীবী, নেতা এবং কর্মীদের মধ্যে একটি সাধারণ বয়ান ছিল যে, “নিষ্পাপ” হিন্দু মেয়েদের প্রলুব্ধ করার জন্য এটি একটি সচেতন মুসলিম চক্রান্ত। ** ''হিন্দু ন্যাশনালিজম ইন ইন্ডিয়া অ্যান্ড দ্য পলিটিক্স অফ ফিয়ার'', ডি. আনন্দ, পৃষ্ঠা ৫১। * তাদের পরিকল্পনা হলো আগামী ২০ বছরের মধ্যে কেরলকে একটি মুসলিম রাজ্যে পরিণত করা। সেজন্য তারা তরুণদের প্রলুব্ধ করছে, তাদের অর্থ দিচ্ছে এবং মুসলিম জনসংখ্যা বৃদ্ধির জন্য হিন্দু মেয়েদের বিয়ে করতে জোর দিচ্ছে। এভাবেই তারা তাদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা বৃদ্ধি করছে এবং এই কৌশলগুলো কাজে দিচ্ছে। ** কেরলের মার্ক্সবাদী প্রবীণ এবং সিপিএম-এর শক্তিশালী নেতা ভিএস অচ্যুতানন্দন। [https://www.firstpost.com/opinion/the-kerala-story-is-not-hindutva-fiction-world-is-waking-up-to-love-jihad-and-grooming-12555032.html/amp দ্য কেরালা স্টোরি ইজ নট হিন্দুত্ব ফিকশন, ওয়ার্ল্ড ইজ ওয়াকিং আপ টু লাভ জিহাদ অ্যান্ড গ্রুমিং] নিবন্ধে উদ্ধৃত। == স == * বামপন্থী (সিপিএম নেতৃত্বাধীন বাম গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট) এবং ডানপন্থী (কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউনাইটেড ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট) লাভ জিহাদ নামক সন্ত্রাসবাদকে পরোক্ষ ও প্রত্যক্ষভাবে সমর্থন দিয়ে জিহাদিদের তোষণ করার প্রতিযোগিতায় নেমেছে। আমাদের উচিত হবে না তাদের (এলডিএফ এবং ইউডিএফ) ছায়ায় জিহাদিদের বেড়ে উঠতে দেওয়া। সেজন্য আমাদের সেই গাছগুলো কেটে ফেলতে হবে যা তাদের আশ্রয় দেয়। চিন্তা করুন, কাজ করুন। ** কেরালা ভিত্তিক খ্রিস্টান সংস্থা 'ক্রিশ্চিয়ান অ্যাসোসিয়েশন অ্যান্ড অ্যালায়েন্স ফর সোশ্যাল অ্যাকশন' (কাসা), ২০২১ সালের একটি সচেতনতামূলক ভিডিওতে। [https://theprint.in/india/theyre-taking-our-girls-to-isis-how-church-is-now-driving-love-jihad-narrative-in-kerala/632324/ ‘দে আর টেকিং আওয়ার গার্লস টু আইসিস’: হাউ চার্চ ইজ নাউ ড্রাইভিং ‘লাভ জিহাদ’ ন্যারেটিভ ইন কেরালা] == ই == * মুসলিম জনমিতিক যুদ্ধের অন্যতম বেদনাদায়ক দিক হলো অমুসলিম মেয়েদের দখল করার প্রকাশ্য প্রচেষ্টা যাতে তারা তাদের নিজস্ব জনমিতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে পারে, পাশাপাশি অভিযুক্ত কাফেরদের চরম অপমানিত করতে পারে। বাংলাদেশে এবং ভারতের মুসলিম-প্রধান অঞ্চলগুলোতে এটি প্রায়শই মেয়েদের অপহরণ করা অথবা মুসলিমদের সাথে বিয়ে দেওয়ার জন্য তাদের হুমকি দেওয়ার রূপ নেয়। পশ্চিমের উন্মুক্ত বাজার এবং ভারতের পশ্চিমা ধাঁচের সার্কেলগুলোতে এটি স্বাভাবিক প্রেমের রূপ নেয়। তবে সীমাবদ্ধতা হলো, কোনো মুসলিম মেয়ে যদি অমুসলিম কারো সাথে বন্ধুত্ব করে, তবে সেই সম্পর্ক বন্ধ করার জন্য তার ওপর পারিবারিক চাপ প্রয়োগ করা হয় অথবা ছেলের ওপর শারীরিক হুমকি দেওয়া হয়, কিংবা উভয়ই করা হয়। যেহেতু বিপরীত ক্ষেত্রে (অমুসলিম মেয়ে ও মুসলিম ছেলে) এমনটি ঘটার সম্ভাবনা অনেক কম, তাই এর নিট ফলাফল হলো অমুসলিম মেয়েদের একটি বড় অংশ মুসলিম পরিবারগুলোতে চলে যায়। ** কোয়েনরাড এলস্ট, 'দ্য ডেমোগ্রাফিক সিজ', ১৯৯৮। ক্যাথিঙ্কা ফ্রয়েস্টাড রচিত 'সাউন্ড বাইটিং কন্সপিরেসি: ফ্রম ইন্ডিয়া উইথ “লাভ জিহাদ”', রিলিজিয়নস ২০২১, ১২(১২), ১০৬৪-এ উদ্ধৃত। == জ == * এটি আর কতদূর যাবে? সুপ্রিম কোর্ট বলেছে লাভ জিহাদ নেই। আমি জানি লাভ জিহাদ বাস্তব, আমি বলব ‘লাভ জিহাদ’ আছে। আমি যখন বলছি আমরা কোন দিকে যাচ্ছি, তখন আমাকে ভুল বুঝবেন না। এটি বন্ধ করার একটাই সমাধান আছে। সম্মানিত ভারতকে একটি হিন্দু রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করতে হবে... লাভ জিহাদ বাস্তব এবং মুসলিমরা ২০৩০ সালের মধ্যে ভারতকে একটি ইসলামি রাষ্ট্র বানানোর পরিকল্পনা করছে... প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিমুদ্রাকরণ (ডিমোনেটাইজেশন) পদক্ষেপের কারণে এটি বিলম্বিত হয়েছে। ** [[w:পি. সি. জর্জ|পি. সি. জর্জ]], এপ্রিল ২০২১। [https://tfipost.com/2021/04/due-to-islamic-threat-keralas-minister-who-happens-to-be-a-christian-wants-india-to-be-declared-a-hindu-nation/ ডিউ টু ইসলামিক থ্রেট, কেরালা’স মিনিস্টার হু হ্যাপেনস টু বি এ ক্রিশ্চিয়ান ওয়ান্টস ইন্ডিয়া টু বি ডিক্লেয়ার্ড এ হিন্দু নেশন] নিবন্ধে উদ্ধৃত। * সিরিয়ান ইন্ডিপেন্ডেন্ট অর্থোডক্স চার্চের বিশপ ম্যাথিউ মার গ্রেগোরিওস বিশ্বাস করেন যে ‘লাভ জিহাদ’ একটি বাস্তবতা এবং তরুণদের এই মন্দের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর সময় এসেছে। “আপনারা দেখলে অবাক হবেন প্রতিদিন আমার ফোনে মেয়েদের বাবা-মায়ের কাছ থেকে কত মেসেজ আসে। মালাবার অঞ্চলে খ্রিস্টান মেয়েদের ইসলামে ধর্মান্তরিত করার ঘটনা ব্যাপকভাবে ঘটছে। যেহেতু আমি এখানে একটি গির্জার প্রধান, তাই খোলাখুলিভাবে এ বিষয়ে কথা বলার কিছু সীমাবদ্ধতা আমার আছে,” বিশপ হিন্দুস্তান টাইমস-কে বলেন। তার মতে, ‘লাভ জিহাদ’ একটি ভুল নাম কারণ এটি প্রেমের ছলে ধর্মান্তরের একটি কৌশল মাত্র। তিনি আরও বলেন, “আমি ব্যক্তিগতভাবে যেসব ঘটনায় হস্তক্ষেপ করেছি, তার বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এটি প্রেমের ভান ছিল। একবার বিয়ে হয়ে গেলে অধিকাংশ সময়ই মেয়েটিকে পরিত্যক্ত করা হয়। ধর্মান্তরই একমাত্র লক্ষ্য এবং এটি একটি সম্প্রদায়ের সংখ্যা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে করা হয়। কেউ কেউ এর সাথে আইসিস (আইএস) যোগসূত্র থাকার অভিযোগও তুলেছেন, যা তদন্ত করা প্রয়োজন।” ** বিশপ ম্যাথিউ মার গ্রেগোরিওস, ২০১৭। [https://www.hindustantimes.com/india-news/the-bjp-and-the-church-find-common-ground-on-love-jihad-in-kerala/story-krCpAE2YLaxTLxLZuXAnhJ.html দ্য বিজেপি অ্যান্ড দ্য চার্চ ফাইন্ড কমন গ্রাউন্ড অন ‘লাভ জিহাদ’ ইন কেরালা] == ক == * সিরো-মালাবার চার্চের পালাই ডায়োসিসের বিশপ জোসেফ কাল্লারাঙ্গাট অভিযোগ করেছেন যে যারা দাবি করেন কেরালায় ‘লাভ জিহাদ’ নেই তারা “বাস্তবতার প্রতি অন্ধ।” “এই ধরণের মানুষরা রাজনীতিবিদ, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের ব্যক্তি বা গণমাধ্যম যারাই হোক না কেনো তাদের নিজস্ব স্বার্থ থাকতে পারে। তবে একটি বিষয় স্পষ্ট। আমরা আমাদের তরুণীদের হারাচ্ছি। এটি কেবল প্রেমঘটিত বিয়ের বিষয় নয়। এটি তাদের জীবন ধ্বংস করার একটি যুদ্ধ কৌশল,” তিনি দাবি করেন... “বিশ্বের অন্যান্য প্রান্তের মতো কেরলের মুসলিমদের একটি অংশ আছে যারা সম্প্রদায়ের মধ্যে বিদ্বেষ সৃষ্টি করতে এবং ধর্মীয় ঘৃণা ছড়াতে চায়। জিহাদিরা ইসলাম প্রচারের জন্য বিভিন্ন উপায় ব্যবহার করছে এবং তারা অমুসলিম তরুণীদের লক্ষ্যবস্তু করছে,” তিনি নিমিষা নামক এক হিন্দু মেয়ে এবং সোনিয়া সেবাস্তিয়ান নামক এক খ্রিস্টান মেয়ের উদাহরণ দেন, যারা মুসলিম পুরুষদের প্রেমে পড়ে ইসলাম গ্রহণ করেন এবং শেষ পর্যন্ত সিরিয়ায় কুখ্যাত ইসলামিক স্টেটে যোগ দেন। তিনি আরও ব্যাখ্যা করেন, “আমাদের মতো একটি গণতান্ত্রিক দেশে যেহেতু অন্য ধর্মের মানুষকে ধ্বংস করতে অস্ত্র ব্যবহার করা সহজ নয়, তাই জিহাদিরা এমন উপায় ব্যবহার করছে যা সহজে শনাক্ত করা যায় না। জিহাদিদের দৃষ্টিতে অমুসলিমদের ধ্বংস করতে হবে। যখন উদ্দেশ্য হয় তাদের ধর্মের বিস্তার এবং অমুসলিমদের ধ্বংস করা, তখন তারা বিভিন্ন রূপের উপায় ব্যবহার করে। বর্তমানে এ রকম ব্যাপকভাবে আলোচিত দুটি উপায় হলো লাভ জিহাদ এবং নারকোটিক্স জিহাদ।” ** জোসেফ কাল্লারাঙ্গাট, সিরো-মালাবার চার্চের বিশপ, ২১/১১/২০২২। [https://goachronicle.com/love-jihad-not-a-hindutva-conspiracy-catholic-church-rings-alarm-bells-too/ লাভ জিহাদ: নট এ হিন্দুত্ব কন্সপিরেসি, ক্যাথলিক চার্চ রিংস অ্যালার্ম বেলস টু] * জনমিতিক যুদ্ধ শুরু করা: হিন্দু মেয়েদের প্রলুব্ধ করা ও বিয়ে করা এবং তাদের গর্বিত জিহাদি ট্রফি হিসেবে প্রদর্শন করা অর্থাৎ “প্রেমের” মাধ্যমে জিহাদ; ** কৃষ্ণস্বামী কর্তৃক প্রচারিত একটি পুস্তিকা থেকে (কৃষ্ণস্বামী, পৃষ্ঠা ৪১)। * সংগঠিত ধর্মান্তর এবং ‘লাভ জিহাদ’-এ ফাঁদে ফেলে ভুক্তভোগীদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে ব্যবহার করার ঘটনাগুলো প্রমাণ করে যে খ্রিস্টান সম্প্রদায় ইসলামি চরমপন্থীদের সহজ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে। * এটি গুরুত্বপূর্ণ যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই উদ্বেগজনক প্রবণতাটি লক্ষ্য করবে এবং জাতীয় তদন্ত সংস্থা (এনআইএ) দ্বারা তদন্তের নির্দেশ দেবে এবং উগ্রপন্থীদের এই ধরণের প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড বন্ধে একটি কার্যকর আইন প্রণয়ন করবে। * বাবা-মায়েদের প্রকাশ করা ভয় অমূলক নয়, অতীতে একই ধরণের ঘটনা থেকে তা প্রমাণিত। রিপোর্ট বলছে কেরল থেকে আইসিস-এ যোগ দেওয়া ২১ জনের মধ্যে পাঁচজনই খ্রিস্টধর্ম থেকে ধর্মান্তরিত।" তিনি কেরালা ক্যাথলিক বিশপস কাউন্সিলের কমিশন ফর সোশ্যাল হারমনি অ্যান্ড ভিজিল্যান্সের প্রকাশিত তথ্য উদ্ধৃত করে বলেন, "২০০৫ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত প্রায় ৪,০০০ মেয়ে প্রেমের ফাঁদে পড়ে ধর্মান্তরিত হয়েছে। ভুক্তভোগীরা যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন অথবা কোনো স্বাধীনতা ছাড়াই শোচনীয় অবস্থায় জীবন কাটাতে বাধ্য হয়েছেন।” * কেরলের খ্রিস্টান মেয়েরা ‘লাভ জিহাদ’-এর লক্ষ্যবস্তু। তারা সহজেই ভুক্তভোগী হতে পারে। ধর্মান্তরের ক্রমবর্ধমান প্রবণতা এটিই প্রমাণ করে। ** জর্জ কুরিয়ান, সংখ্যালঘু জাতীয় কমিশনের (এনসিএম) ভাইস চেয়ারম্যান, ২০১৯। [https://www.theweek.in/news/india/2019/09/26/christians-soft-target-for-love-jihad-islamic-radicals-minority-body-vice-chairman.html ক্রিশ্চিয়ানস-সফট-টার্গেট-ফর-লাভ-জিহাদ-ইসলামিক-র‍্যাডিক্যালস-মাইনরিটি-বডি-ভাইস-চেয়ারম্যান: দ্য উইক]। এছাড়া [https://tfipost.com/2020/01/keralas-biggest-church-sounds-the-alarm-against-love-jihad/ ‘ক্রিশ্চিয়ান গার্লস টার্গেটেড, টার্নড ইনটু সেক্স স্লেভস,’ কেরালা’স বিগেস্ট চার্চ সাউন্ডস দ্য অ্যালার্ম এগেইনস্ট লাভ জিহাদ], [https://timesofindia.indiatimes.com/india/christians-soft-target-for-islamic-radicals-ncm-writes-to-shah/articleshow/71268598.cms ক্রিশ্চিয়ানস সফট টার্গেট ফর ইসলামিক র‍্যাডিক্যালস, এনসিএম রাইটস টু শাহ], [https://web.archive.org/web/20201201005142/https://www.sirfnews.com/minorities-commission-acknowledges-love-jihad/ মাইনরিটিস কমিশন অ্যাকনলেজেস লাভ জিহাদ] এবং [https://keralakaumudi.com/en/news/news.php?id=159718&u=they-can-be-easily-victimized-minority-commission-state-that-kerala-girls-are-targeted-by-love-jihad "দে ক্যান বি ইজিলি ভিক্টিমাইজড": মাইনরিটি কমিশন স্টেট দ্যাট কেরালা গার্লস আর টার্গেটেড বাই 'লাভ জিহাদ'] শীর্ষক প্রতিবেদনগুলোতে উদ্ধৃত। == হ == * আমাদের দাবি হলো কোনো মেয়েকেই যেন এই ট্রমার মধ্য দিয়ে যেতে না হয়। আমি অনুভব করছি যে ‘লাভ জিহাদ’ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। ** নিরঞ্জন হিরেমাথ, কংগ্রেস কর্পোরেটর এবং নিহত এমসিএ শিক্ষার্থী নেহা হিরেমাথের বাবা। [https://newsable.asianetnews.com/karnataka-news/hubballi-horror-neha-hiremath-s-father-says-love-jihad-is-spreading-rapidly-urges-govt-action-watch-snt-sc6z04 হুবলি হরর: নেহা হিরেমাথ'স ফাদার সেজ 'লাভ জিহাদ' ইজ স্প্রেডিং র‍্যাপিডলি, আরজেস গভর্মেন্ট অ্যাকশন], ১৯ এপ্রিল ২০২৪। == ম == * কিছু ঘটনা সামনে এসেছে যা গুরুত্বের সাথে দেখা প্রয়োজন, আমাদের অবশ্যই এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। যদি এমন কিছু ঘটে থাকে, তবে আমাদের তা খতিয়ে দেখা উচিত... এ নিয়ে কিছু সমস্যা এবং আশঙ্কা রয়েছে। যা ঘটেছে সে সম্পর্কে সরকারের স্পষ্টভাবে সামনে আসা উচিত এবং যদি এই ধরণের কোনো ঘটনা (লাভ জিহাদ) থেকে থাকে, তবে সেগুলোর সমাধান ও প্রতিকার করা উচিত। ** জোসে কে মানি, ২০২১। [https://theprint.in/politics/love-jihad-cases-should-be-studied-addressed-kerala-congress-m-chief-on-church-view/629731/ ‘লাভ জিহাদ’ কেসেস শুড বি স্টাডিড অ্যান্ড অ্যাড্রেসড: কেরালা কংগ্রেস (এম) চিফ অন চার্চ ভিউ] নিবন্ধে উদ্ধৃত। * এটি একটি সংগঠিত অপরাধ। উপসাগরীয় (গালফ) এবং অন্যান্য দেশ থেকে অর্থ আসছে যাতে মুসলিম পুরুষদের একটি দল হিন্দু নারীদের ফাঁদে ফেলতে পারে, তাদের বিয়ে করতে পারে এবং তারপর সন্ত্রাসবাদসহ বিভিন্ন অপরাধে তাদের ব্যবহার করতে পারে। ** [[w:লাভ জিহাদ|লাভ জিহাদ]] প্রসঙ্গে প্রমোদ মুথালিক, যেমনটা উদ্ধৃত হয়েছে "[http://indianexpress.com/article/cities/mumbai/muthalik-finds-cases-of-love-jihad-in-state-cites-rti-info/ মুথালিক ফাইন্ডস কেসেস অফ ‘লাভ জিহাদ’ ইন স্টেট, সাইটস আরটিআই ইনফো]", ''দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস'' (২০ সেপ্টেম্বর ২০১৪)। == ন == * আমরা দেখেছি কীভাবে সুফি ধর্মগুরু খাজা হাসান নিজামী তার 'দায়ি-এ ইসলাম'-এ হিন্দুদের ইসলামে ধর্মান্তরিত করার উপায় সম্পর্কে মুসলিমদের নির্দেশ দিয়েছিলেন। তার অতি-উৎসাহ হিন্দুদের সতর্ক করে দিয়েছিল। সেই নির্দেশগুলো গোপন থাকেনি, বইটি অনূদিত হয়েছিল এবং হিন্দুরা জানতে পেরেছিল কীভাবে এবং কেন উত্তর ভারতের প্রায় প্রতিটি শহর ও নগরে মুসলিমদের দ্বারা হিন্দু মেয়েদের গোপন অপহরণ এবং প্রলোভন দেখানো প্রতিদিনের ঘটনায় পরিণত হয়েছে। হিন্দুরা ব্যক্তিগতভাবে এবং তাদের সংগঠনের মাধ্যমে সতর্কতা অবলম্বন করতে শুরু করে। তারা হিন্দু মেয়ে, বিধবা এবং এতিমদের উদ্ধার করে এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে এই নোংরা প্রচেষ্টাগুলো রুখতে শুরু করে। ** খাজা হাসান নিজামী, ভি.পি. ভাটিয়া রচিত "দ্য এভার গ্রিন মোল্লা পাওয়ার", অর্গানাইজার, ২৭ অক্টোবর ১৯৯৬-এ উদ্ধৃত; যা বি.আর. আম্বেদকরের 'পাকিস্তান অ্যান্ড পার্টিশন অফ ইন্ডিয়া'; ইন্দ্র প্রকাশের 'দ্য হিস্ট্রি অফ হিন্দু মহাসভা'; এবং শেখ আব্দুল্লাহর 'আতিশ-এ-চিনার'-এর তথ্যসূত্র ব্যবহার করেছে। কে. এস. লাল রচিত 'থিওরি অ্যান্ড প্র্যাকটিস অফ মুসলিম স্টেট ইন ইন্ডিয়া' (১৯৯৯), নয়াদিল্লি: আদিত্য প্রকাশন, অধ্যায় ৬ থেকে উদ্ধৃত। * হিন্দুদের ইসলামে ধর্মান্তরিত করার উপায় বাতলে মুসলিমদের নির্দেশ দেওয়া উর্দু ভাষায় রচিত অনেক প্যামফলেট ও ব্রোশারের মধ্যে কেবল একটি পরীক্ষা করলেই এই ধরণের সাহিত্যে কী থাকে সে সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। এটি হলো খাজা হাসান নিজামীর 'দায়ি-এ ইসলাম' (ইসলামের প্রচার)। হাসান নিজামী ছিলেন দিল্লির নিজামউদ্দিন আউলিয়ার দরগাহর সাথে যুক্ত একজন সুফি ধর্মগুরু। প্যামফলেটটি কাফেরদের ইসলামে ধর্মান্তরিত করার দ্রুততম ও ব্যাপক উপায় শেখায়। খাজা উচ্চবিত্ত থেকে নিম্নবিত্ত সকল পর্যায়ের মুসলিমদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন অ-মুসলিমদের ইসলামে ধর্মান্তরিত করার মাধ্যমে ইসলামের সেবা করতে। এই মিশনারি প্রচেষ্টায় জমিদার ও নবাব, ডাক্তার ও পতিতা, এক্কা চালক ও চুড়ি বিক্রেতা—সবাইকে অবদান রাখার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। মুসলিম আইনজীবী ও ডাক্তারদের বলা হয়েছিল তাদের হিন্দু মক্কেল ও রোগীদের ধর্মান্তরিত করতে প্রভাবিত করতে। নবাব ও জমিদারদের বলা হয়েছিল তাদের অধীনে থাকা হিন্দু প্রজাদের মুসলমান হতে চাপ দিতে। পতিতাদের বলা হয়েছিল তাদের হিন্দু খদ্দের ও অনুরাগীদের মুসলিম হতে প্রভাবিত করতে। [[লাভ জিহাদ|চুড়ি বিক্রেতাদের বলা হয়েছিল তরুণী হিন্দু মেয়েদের প্রলুব্ধ করতে]] এবং এক্কা চালকদের বলা হয়েছিল হিন্দু নারী ও শিশুদের ভুলিয়ে নিয়ে যেতে। এই জাতীয় ব্যবস্থাপত্র আধ্যাত্মিক বা নীতিগত কোনোটিই ছিল না, কিন্তু এটি মুসলিম মানসিকতার সাথে খাপ খেয়েছিল। প্যামফলেটটি মুসলিমদের মধ্যে ব্যাপক বিক্রি হয়েছিল। হায়দ্রাবাদের নিজাম খাজার জন্য একটি ভাতা নির্দিষ্ট করেছিলেন এবং অন্যান্য মুসলিম প্রধান ও জমিদাররাও তা অনুসরণ করেছিলেন। মুসলিম ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ ও আবগারি পরিদর্শক এবং অন্যান্য প্রভাবশালী কর্মকর্তাদের এই সুফি ভক্তের পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করতে দেখা গিয়েছিল। ** খাজা হাসান নিজামী, কে. এস. লাল রচিত 'থিওরি অ্যান্ড প্র্যাকটিস অফ মুসলিম স্টেট ইন ইন্ডিয়া' (১৯৯৯), নয়াদিল্লি: আদিত্য প্রকাশন, অধ্যায় ৬ থেকে উদ্ধৃত। == প == * আমাদের মেয়েরা চরমপন্থীদের দ্বারা ফাঁদে পড়ার ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে। আসুন আমরা সেই সব বাবা-মায়ের দুঃখের জন্য প্রার্থনা করি যারা তাদের সন্তানদের ধর্মীয় চরমপন্থীদের ফাঁদে পড়তে দেখেও অসহায় হয়ে আছেন। নারীদের বিরুদ্ধে ক্রমবর্ধমান সহিংসতার এই যুগে আমাদের উচিত পবিত্র মাতার মতো নারী ও নারীত্বকে শ্রদ্ধা ও সম্মান করা। "প্রত্যেকেরই আর্চডায়োসিস ক্যাটেচিজম সেন্টারের সচেতনতামূলক প্রচারণার সুযোগ নেওয়া উচিত, যা কিশোর-কিশোরী এবং তাদের অভিভাবকদের লক্ষ্য করে পরিচালিত হচ্ছে, যাতে আমাদের সন্তানরা সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর ফাঁদে না পড়ে।" ** আর্চবিশপ মার জোসেফ পামপ্লানি কর্তৃক জারি করা যাজকীয় পত্র। [https://www.onmanorama.com/news/kerala/2022/09/05/tellicherry-archdiocese-circular-love-trap.html এক্সট্রিমিস্টস লিউরিং ক্রিশ্চিয়ান গার্লস ফেইনিং লাভ, ওয়ার্নস টেলিসেরি আর্চডায়োসিস], ৫ সেপ্টেম্বর ২০২২। * “বিশ্বাসীরা যদি এমন পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়, তবে আপনি তাদের দোষ দিতে পারেন না। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে ডায়োসিস কোনো অবস্থান নেয়নি, তবে আমরা উদ্বিগ্ন। তাই এই ধরণের ঘটনা বন্ধ করার জন্য যারা কাজ করছে তাদের সমর্থন করার মধ্যে ভুল কী আছে?” ** ফাদার জিমি পুচাকাত্ত, মুখপাত্র, সিরো মালাবার চার্চ, ২০১৭। [https://www.hindustantimes.com/india-news/the-bjp-and-the-church-find-common-ground-on-love-jihad-in-kerala/story-krCpAE2YLaxTLxLZuXAnhJ.html দ্য বিজেপি অ্যান্ড দ্য চার্চ ফাইন্ড কমন গ্রাউন্ড অন ‘লাভ জিহাদ’ ইন কেরালা] নিবন্ধে উদ্ধৃত। == স == * তথাকথিত অতি-পুরুষালি মুসলিম পুরুষ দেহ এবং অতি-প্রজননক্ষম মুসলিম নারী দেহ নিয়ে একটি অন্ধকার যৌন আচ্ছন্নতা রয়েছে, যা এই প্যারানোইয়া (অহেতুক ভীতি) এবং প্রতিশোধের মূর্তিকে অনুপ্রাণিত ও টিকিয়ে রাখে। ** সরকার, তানিকা। "সেমিওটিকস অফ টেরর: মুসলিম চিলড্রেন অ্যান্ড উইমেন ইন হিন্দু রাষ্ট্র।" ইকোনমিক অ্যান্ড পলিটিক্যাল উইকলি ৩৭, নম্বর ২৮ (২০০২): ২৮৭২-৮৭৬। সংগৃহীত ৯ জুলাই, ২০২১। http://www.jstor.org/stable/4412352। * একজন অধিকতর পুরুষালি মুসলিম পুরুষ দেহের প্রতি এক ধরণের চিরস্থায়ী ভয় কাজ করে যা হিন্দু মেয়েদের ভুলিয়ে নিয়ে যায়; এটি এক ধরণের লিঙ্গ-ঈর্ষা এবং পুরুষত্বহীনতার উদ্বেগ যা কেবল সহিংস কাজের মাধ্যমেই কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। ** সরকার, তানিকা। "সেমিওটিকস অফ টেরর: মুসলিম চিলড্রেন অ্যান্ড উইমেন ইন হিন্দু রাষ্ট্র।" ইকোনমিক অ্যান্ড পলিটিক্যাল উইকলি ৩৭, নম্বর ২৮ (২০০২): ২৮৭২-৮৭৬। সংগৃহীত ৯ জুলাই, ২০২১। http://www.jstor.org/stable/4412352। * লাভ জিহাদ, হ্যাঁ, কেরালায় কী ঘটছে তা আমি দেখছি। কীভাবে হিন্দুরা একটি বিয়ের জালে প্রতারিত হচ্ছে এবং কীভাবে তারা কষ্ট পাচ্ছে... শুধু হিন্দু নয়, মুসলিম ও খ্রিস্টান মেয়েরাও বিয়ের ক্ষেত্রে প্রতারিত হচ্ছে। এখন এই ধরণের জিনিসের আমি অবশ্যই বিরোধিতা করব। ** ই. শ্রীধরন, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২১। [https://www.ndtv.com/video/exclusive/the-news/bjp-not-communal-party-of-nation-lovers-india-s-metro-man-e-sreedharan-576372 এনডিটিভি: বিজেপি নট কমিউনাল, পার্টি অফ নেশন-লাভার্স: "মেট্রো ম্যান" ই শ্রীধরন টু এনডিটিভি] নিবন্ধে উদ্ধৃত। * বামপন্থীরা যখন এই ঘটনাগুলোকে ‘ডানপন্থী কল্পনা’ বলে উড়িয়ে দেয়, তখন আসলে ঘটনাগুলো বাস্তব। মৃতদেহগুলোও বাস্তব এবং হুমকিটি আসন্ন... ‘লাভ জিহাদ’ এর মতো একটি শব্দের সংকীর্ণ সংজ্ঞার কারণেই বামপন্থীরা এখন এটিকে বিকৃত করার চেষ্টা করছে এই বলে যে, লাভ জিহাদ শব্দটি কেবল এই কারণে ব্যবহৃত হয় কারণ ‘চরমপন্থী হিন্দুরা’ আন্তঃধর্মীয় বিবাহের বিরোধী; অথচ বাস্তবতা হলো এই ঘটনাটি পারস্পরিক সম্মতির সম্পর্কের ধারেকাছেও নেই।<br>এই কারণেই অপইন্ডিয়া এখন থেকে তাদের আলোচনা ও প্রতিবেদনে ‘লাভ জিহাদ’ শব্দটি পরিহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। জিহাদে কোনো ‘লাভ’ বা ভালোবাসা নেই এবং এমনকি যদি আমরা সমস্যাযুক্ত বাক্য গঠনসহ শব্দটি গ্রহণ করি, তবুও এটি সেই জিহাদের ভয়াবহতাকে তুলে ধরতে ব্যর্থ হয় যা কট্টরপন্থী মুসলিমদের একাংশ পরিচালনা করছে যারা নির্দিষ্টভাবে অ-মুসলিম নারীদের লক্ষ্যবস্তু করে। আমরা বিশ্বাস করি যে ‘গ্রুমিং জিহাদ’ শব্দটি অনেক বেশি উপযুক্ত কারণ এটি নিজের মধ্যে সেই সমস্ত ধরণের অপরাধকে ধারণ করে যা নারীদের এই জিহাদের কেন্দ্রে রাখে।<br>অ-মুসলিম নারীদের গ্রুমিং করা হচ্ছে যাতে তারা মুসলিম পুরুষদের হাতে নিজেদের পরাধীনতাকে মেনে নেয়। তাদের অপহরণ, ধর্ষণ, প্রলুব্ধ, ইসলামে ধর্মান্তরিত, শাস্তি এবং মগজধোলাই করা হচ্ছে। মানবতার বিরুদ্ধে এই অপরাধগুলোতে কোনো ‘লাভ’ নেই। এটি যে জিহাদের একটি রূপ তা নিয়ে কোনো অস্পষ্টতা নেই। একে তার সঠিক নামে ডাকার সময় এসেছে—গ্রুমিং জিহাদ। ** নুপুর জে শর্মা | ১৮ নভেম্বর, ২০২০। [https://www.opindia.com/2020/11/opindia-to-use-grooming-jihad-instead-of-love-jihad-here-is-why হোয়াই অপইন্ডিয়া হ্যাজ ডিসাইডেড টু ইউজ ‘গ্রুমিং জিহাদ’ ইনস্টেড অফ ‘লাভ জিহাদ’ মুভিং ফরোয়ার্ড]। * কাশ্মীর কোনো পাকিস্তান নয় যেখানে শিখদের জোর করে ধর্মান্তরিত করা যায়, আমরা এটি হতে দেব না। অকাল তখত সাহেবের জাঁতাদার জম্মু ও কাশ্মীরের লেফটেন্যান্ট গভর্নরের কাছে একটি চিঠি লিখেছেন যাতে ‘লাভ জিহাদ’-এর বিরুদ্ধে আইন আনা হয়। ** সরদার আর পি সিং, জুন ২০২১। [https://www.newkerala.com/news/2021/91223.htm শিখ লিডার্স মিট রেড্ডি ওভার কনভারশন অফ শিখ গার্লস ইন কাশ্মীর]। == ত == * এটি অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয় যে খ্রিস্টান মেয়েরাই সবচেয়ে বেশি লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হচ্ছে। সিবিআই, এনআইএ এবং আইবি সকলেই রিপোর্ট করেছে যে রাজ্য ও দেশে এই ধরণের ঘটনা ঘটছে। এটি দুঃখজনক এবং উদ্বেগের বিষয় যে ধর্মীয় সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর দ্বারা সরল মেয়েদের ফাঁদে ফেলার প্রচেষ্টাকে প্রতিহত করার একটি ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও এগুলো দক্ষতার সাথে মোকাবিলা করা হচ্ছে না। ** ফাদার অ্যান্টনি থালাচেলুর। [https://www.theweek.in/news/india/2020/01/15/christian-girls-targeted-and-killed-in-name-of-love-jihad-kerala-syro-malabar-church.html ক্রিশ্চিয়ান-গার্লস-টার্গেটেড-অ্যান্ড-কিলড-ইন-নাম-অফ-লাভ-জিহাদ-কেরালা-সিরো-মালাবার-চার্চ: দ্য উইক]। * ইসলামিক স্টেট তাদের ইহুদি ও খ্রিস্টান নারীদের শিকার করার আন্তর্জাতিক এজেন্ডার অংশ হিসেবে খ্রিস্টান নারীদের প্রলুব্ধ করছে... আগামী কয়েক মাসে আমরা আমাদের ধর্মীয় সংগঠনের মাধ্যমে পরিবার এবং মেয়েদের সচেতন করব যাতে তারা এই ফাঁদে না পড়ার মতো যথেষ্ট শিক্ষিত হয়। ** ফাদার অ্যান্টনি থালাচেলুর, ২০২০। [https://theprint.in/india/syro-malabar-church-says-love-jihad-a-threat-in-kerala-govt-says-it-doesnt-exist/351174/ সিরো-মালাবার চার্চ সেজ ‘লাভ জিহাদ’ এ থ্রেট ইন কেরালা, গভর্মেন্ট সেজ ইট ডাজ নট এক্সিস্ট] নিবন্ধে উদ্ধৃত। * যেন এটিই যথেষ্ট নয়, কারগিলের বৌদ্ধদের ইসলামে ধর্মান্তরিত করার একটি সুপরিকল্পিত এবং সংগঠিত নকশা রয়েছে। গত চার বছরে কেবল ওয়াখা গ্রাম থেকেই প্রায় ৫০ জন মেয়ে এবং সন্তানসহ বিবাহিত নারীকে প্রলুব্ধ করে ধর্মান্তরিত করা হয়েছে। যদি এটি বিনা বাধায় চলতে থাকে, তবে আমাদের ভয় হচ্ছে আগামী দুই দশকের মধ্যে কারগিল থেকে বৌদ্ধরা বিলুপ্ত হয়ে যাবে। এই ধরণের প্রলোভন ও ধর্মান্তরের প্রতিবাদকারী যে কাউকেই হয়রানি করা হয়... তাই লাদাখি জনগণের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক পরিচয় রক্ষা করতে কারগিলের জন্য একটি ধর্মান্তর বিরোধী আইন কার্যকর করতে হবে, যেমনটি বর্তমানে অরুণাচল প্রদেশ এবং মধ্যপ্রদেশের মতো রাজ্যগুলোতে বলবৎ রয়েছে। ** লাদাখ বৌদ্ধ অ্যাসোসিয়েশনের টুন্ডুপ ত্সারিং এবং ত্সাওয়াং নুরবু। কোয়েনরাড এলস্ট রচিত 'ভারতীয় জনতা পার্টি ভিস-আ-ভিস হিন্দু রিসার্জেন্স' এবং 'হু ইজ এ হিন্দু?: হিন্দু রিভাইভালিস্ট ভিউজ অফ অ্যানিমিজম, বুদ্ধিজম, শিখজম, অ্যান্ড আদার অফশুটস অফ হিন্দুইজম' (২০০২)-এ উদ্ধৃত। == ভ == * লাভ জিহাদকে কেবল প্রেমের কোণ থেকে দেখা উচিত নয়, বরং আরও বৃহত্তর পর্যায়ে এর সমাধান করা উচিত। এটি কোনো নির্দিষ্ট সম্প্রদায়কে লক্ষ্যবস্তু করার জন্য নয়। ধর্মনিরপেক্ষ রাজনৈতিক দলগুলোর অন্তত এটি স্বীকার করা উচিত যে এখানে লাভ জিহাদ বিদ্যমান। রাজ্যের একটি ছোট গোষ্ঠী ক্রমাগত কট্টরপন্থী হয়ে উঠছে এবং আন্তর্জাতিক ও বিশ্বব্যাপী ইসলামের সাথে এর যোগসূত্র রয়েছে। এর নাম ভিন্ন হতে পারে, কিন্তু এই গোষ্ঠীগুলোর মানুষ এবং নেতৃত্ব প্রায় একই... এটি একটি বড় সমস্যা যা আমরা বহু বছর ধরে মোকাবিলা করছি, কিন্তু কেরালার ধর্মনিরপেক্ষ রাজনৈতিক দলগুলো এই বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করতে আগ্রহী নয়। এটি তাদের রাজনীতির অংশ। রাজ্যে ঘটে যাওয়া প্রতিটি মৃত্যু ও হত্যাকাণ্ডকে একটি "বিচ্ছিন্ন" ঘটনা হিসেবে পাশ কাটিয়ে যাওয়া হয়। একের পর এক হত্যাকাণ্ড ঘটেছে অথচ রাজ্যের কোনো মূলধারার দল এই বিষয়টি নিয়ে কথা বলেনি। রিপোর্ট এসেছে যে এই হত্যাকাণ্ডে কট্টরপন্থী গোষ্ঠীগুলো জড়িত ছিল এবং সরকারের কাছে সমস্ত বিবরণ রয়েছে... “আজও আমরা চিন্তিত খ্রিস্টান অভিভাবকদের কাছ থেকে তাদের মেয়েদের সাহায্য ও কাউন্সেলিং চেয়ে ফোন কল পেয়েছি। এটি অন্য ধর্মের কাউকে বিয়ে করার বিষয় নয়। এই ঘটনাগুলোতে আমরা বিয়ের পর তাদের সুখে শান্তিতে থাকতে দেখি না। আমরা বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণ করছি। পুলিশ নিজেই অনেক ক্ষেত্রে প্রকাশ করেছে যে বিয়ের পর মেয়েরা নিখোঁজ হয়ে গেছে অথবা তারা ইসলামিক স্টেটে যোগ দিয়েছে এবং তাদের যৌনদাসী হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। তার মানে এটি ভালোবাসা ছিল না। ভালোবাসাকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে।" ** ফাদার ভার্গিস ভাল্লিক্কাত। [https://www.newindianexpress.com/cities/kochi/2020/jan/20/politics-in-state-silent-on-love-jihad-but-we-cant-be-bishops-council-2091749.html পলিটিক্স ইন স্টেট সাইলেন্ট অন লাভ জিহাদ, বাট উই কান্ট বি: বিশপস কাউন্সিল] নিবন্ধে উদ্ধৃত। == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:ষড়যন্ত্র তত্ত্ব]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতে ইসলাম]] [[বিষয়শ্রেণী:হিন্দু জাতীয়তাবাদ]] 1yy53rdu14cncvzlat4ht2rwdbkw2p3 79902 79901 2026-04-23T06:28:45Z Tuhin 172 79902 wikitext text/x-wiki '''[[w:লাভ জিহাদ|লাভ জিহাদ]]''' (যা '''রোমিও জিহাদ''' নামেও পরিচিত) হলো একটি ইসলামভীতিমূলক [[ষড়যন্ত্র তত্ত্ব]] যা [[হিন্দুত্ব|হিন্দুত্ববাদী]] আদর্শের সমর্থকদের দ্বারা উদ্ভাবিত। এই ষড়যন্ত্র তত্ত্বটি দাবি করে যে, মুসলিম পুরুষরা প্রলোভন, প্রেমের অভিনয়, প্রতারণা, অপহরণ এবং বিবাহের মতো উপায়ে হিন্দু নারীদের [[w:ইসলামে ধর্মান্তর|ইসলামে ধর্মান্তরিত করার]] লক্ষ্য নির্ধারণ করে। এটি ভারতের বিরুদ্ধে মুসলিমদের একটি বৃহত্তর "যুদ্ধ" এবং জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে আধিপত্য বিস্তারের একটি সংগঠিত আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে দাবি করা হয়। __NOTOC__ {{TOCalpha}} == অ == * ‘লাভ জিহাদ’ প্রচারণাটি অত্যন্ত সযত্নে অতৃপ্ত কামুক মুসলিম পুরুষের কাল্পনিক ধারণাটিকে টিকিয়ে রাখে। এর বিপরীতে হিন্দু নারীদের অসহায় হিসেবে চিত্রিত করা হয় যারা সহজেই প্রলোভনের শিকার হয়। এই বিষাক্ত প্রচারণা তরুণ দম্পতিদের জীবনে বিপর্যয় ডেকে আনছে, যেখানে নারীদের তাদের জীবনসঙ্গী নির্বাচনের অধিকার অস্বীকার করা হচ্ছে। এই সাম্প্রদায়িক কলুষিত পরিবেশে – যেখানে প্রতিটি ভিন্নধর্মী বিবাহকে একটি রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখা হয় এবং হিন্দু মেয়েদের মুসলিম ছেলেদের সংস্পর্শ থেকে ‘পবিত্র’ রাখার জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানো হয় – সেখানে এই ধরণের পরিবেশ তৈরিতে ইন্ধন জোগানো রাজনৈতিক দলটি কি [[w:অভিন্ন দেওয়ানি বিধি|অভিন্ন দেওয়ানি বিধি]] (ইউসিসি) কার্যকর করার প্রচারণার নেতৃত্ব দিতে পারে? ** [[ফ্লাভিয়া অ্যাগনেস]], [https://thewire.in/law/bjp-uniform-civil-code "দ্য মোদি গভর্নমেন্ট'স হিন্দুত্ব আইডিওলজি কুড স্টল অ্যানি প্রগ্রেস অন দ্য ইউনিফর্ম সিভিল কোড"], ''দ্য ওয়্যার'', ৭ জুলাই ২০১৬। * হিন্দুত্ববাদী তাত্ত্বিকদের মতে মুসলিমদের একটি প্রধান পরিকল্পনা হলো “হিন্দু মেয়েদের বিয়ের জন্য প্রলুব্ধ করা, আকর্ষণ করা এবং অপহরণ করা” (পালিওয়াল ২০০৩: ২৪)। ** ''হিন্দু ন্যাশনালিজম ইন ইন্ডিয়া অ্যান্ড দ্য পলিটিক্স অফ ফিয়ার'', ডি. আনন্দ, পৃষ্ঠা ৩০। * দেশজুড়ে হিন্দুত্ববাদী বুদ্ধিজীবী, নেতা এবং কর্মীদের মধ্যে একটি সাধারণ বয়ান ছিল যে, “নিষ্পাপ” হিন্দু মেয়েদের প্রলুব্ধ করার জন্য এটি একটি সচেতন মুসলিম চক্রান্ত। ** ''হিন্দু ন্যাশনালিজম ইন ইন্ডিয়া অ্যান্ড দ্য পলিটিক্স অফ ফিয়ার'', ডি. আনন্দ, পৃষ্ঠা ৫১। * তাদের পরিকল্পনা হলো আগামী ২০ বছরের মধ্যে কেরলকে একটি মুসলিম রাজ্যে পরিণত করা। সেজন্য তারা তরুণদের প্রলুব্ধ করছে, তাদের অর্থ দিচ্ছে এবং মুসলিম জনসংখ্যা বৃদ্ধির জন্য হিন্দু মেয়েদের বিয়ে করতে জোর দিচ্ছে। এভাবেই তারা তাদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা বৃদ্ধি করছে এবং এই কৌশলগুলো কাজে দিচ্ছে। ** কেরলের মার্ক্সবাদী প্রবীণ এবং সিপিএম-এর শক্তিশালী নেতা ভিএস অচ্যুতানন্দন। [https://www.firstpost.com/opinion/the-kerala-story-is-not-hindutva-fiction-world-is-waking-up-to-love-jihad-and-grooming-12555032.html/amp দ্য কেরালা স্টোরি ইজ নট হিন্দুত্ব ফিকশন, ওয়ার্ল্ড ইজ ওয়াকিং আপ টু লাভ জিহাদ অ্যান্ড গ্রুমিং] নিবন্ধে উদ্ধৃত। == স == * বামপন্থী (সিপিএম নেতৃত্বাধীন বাম গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট) এবং ডানপন্থী (কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউনাইটেড ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট) লাভ জিহাদ নামক সন্ত্রাসবাদকে পরোক্ষ ও প্রত্যক্ষভাবে সমর্থন দিয়ে জিহাদিদের তোষণ করার প্রতিযোগিতায় নেমেছে। আমাদের উচিত হবে না তাদের (এলডিএফ এবং ইউডিএফ) ছায়ায় জিহাদিদের বেড়ে উঠতে দেওয়া। সেজন্য আমাদের সেই গাছগুলো কেটে ফেলতে হবে যা তাদের আশ্রয় দেয়। চিন্তা করুন, কাজ করুন। ** কেরালা ভিত্তিক খ্রিস্টান সংস্থা 'ক্রিশ্চিয়ান অ্যাসোসিয়েশন অ্যান্ড অ্যালায়েন্স ফর সোশ্যাল অ্যাকশন' (কাসা), ২০২১ সালের একটি সচেতনতামূলক ভিডিওতে। [https://theprint.in/india/theyre-taking-our-girls-to-isis-how-church-is-now-driving-love-jihad-narrative-in-kerala/632324/ ‘দে আর টেকিং আওয়ার গার্লস টু আইসিস’: হাউ চার্চ ইজ নাউ ড্রাইভিং ‘লাভ জিহাদ’ ন্যারেটিভ ইন কেরালা] == ই == * মুসলিম জনমিতিক যুদ্ধের অন্যতম বেদনাদায়ক দিক হলো অমুসলিম মেয়েদের দখল করার প্রকাশ্য প্রচেষ্টা যাতে তারা তাদের নিজস্ব জনমিতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে পারে, পাশাপাশি অভিযুক্ত কাফেরদের চরম অপমানিত করতে পারে। বাংলাদেশে এবং ভারতের মুসলিম-প্রধান অঞ্চলগুলোতে এটি প্রায়শই মেয়েদের অপহরণ করা অথবা মুসলিমদের সাথে বিয়ে দেওয়ার জন্য তাদের হুমকি দেওয়ার রূপ নেয়। পশ্চিমের উন্মুক্ত বাজার এবং ভারতের পশ্চিমা ধাঁচের সার্কেলগুলোতে এটি স্বাভাবিক প্রেমের রূপ নেয়। তবে সীমাবদ্ধতা হলো, কোনো মুসলিম মেয়ে যদি অমুসলিম কারো সাথে বন্ধুত্ব করে, তবে সেই সম্পর্ক বন্ধ করার জন্য তার ওপর পারিবারিক চাপ প্রয়োগ করা হয় অথবা ছেলের ওপর শারীরিক হুমকি দেওয়া হয়, কিংবা উভয়ই করা হয়। যেহেতু বিপরীত ক্ষেত্রে (অমুসলিম মেয়ে ও মুসলিম ছেলে) এমনটি ঘটার সম্ভাবনা অনেক কম, তাই এর নিট ফলাফল হলো অমুসলিম মেয়েদের একটি বড় অংশ মুসলিম পরিবারগুলোতে চলে যায়। ** কোয়েনরাড এলস্ট, 'দ্য ডেমোগ্রাফিক সিজ', ১৯৯৮। ক্যাথিঙ্কা ফ্রয়েস্টাড রচিত 'সাউন্ড বাইটিং কন্সপিরেসি: ফ্রম ইন্ডিয়া উইথ “লাভ জিহাদ”', রিলিজিয়নস ২০২১, ১২(১২), ১০৬৪-এ উদ্ধৃত। == জ == * এটি আর কতদূর যাবে? সুপ্রিম কোর্ট বলেছে লাভ জিহাদ নেই। আমি জানি লাভ জিহাদ বাস্তব, আমি বলব ‘লাভ জিহাদ’ আছে। আমি যখন বলছি আমরা কোন দিকে যাচ্ছি, তখন আমাকে ভুল বুঝবেন না। এটি বন্ধ করার একটাই সমাধান আছে। সম্মানিত ভারতকে একটি হিন্দু রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করতে হবে... লাভ জিহাদ বাস্তব এবং মুসলিমরা ২০৩০ সালের মধ্যে ভারতকে একটি ইসলামি রাষ্ট্র বানানোর পরিকল্পনা করছে... প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিমুদ্রাকরণ (ডিমোনেটাইজেশন) পদক্ষেপের কারণে এটি বিলম্বিত হয়েছে। ** [[w:পি. সি. জর্জ|পি. সি. জর্জ]], এপ্রিল ২০২১। [https://tfipost.com/2021/04/due-to-islamic-threat-keralas-minister-who-happens-to-be-a-christian-wants-india-to-be-declared-a-hindu-nation/ ডিউ টু ইসলামিক থ্রেট, কেরালা’স মিনিস্টার হু হ্যাপেনস টু বি এ ক্রিশ্চিয়ান ওয়ান্টস ইন্ডিয়া টু বি ডিক্লেয়ার্ড এ হিন্দু নেশন] নিবন্ধে উদ্ধৃত। * সিরিয়ান ইন্ডিপেন্ডেন্ট অর্থোডক্স চার্চের বিশপ ম্যাথিউ মার গ্রেগোরিওস বিশ্বাস করেন যে ‘লাভ জিহাদ’ একটি বাস্তবতা এবং তরুণদের এই মন্দের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর সময় এসেছে। “আপনারা দেখলে অবাক হবেন প্রতিদিন আমার ফোনে মেয়েদের বাবা-মায়ের কাছ থেকে কত মেসেজ আসে। মালাবার অঞ্চলে খ্রিস্টান মেয়েদের ইসলামে ধর্মান্তরিত করার ঘটনা ব্যাপকভাবে ঘটছে। যেহেতু আমি এখানে একটি গির্জার প্রধান, তাই খোলাখুলিভাবে এ বিষয়ে কথা বলার কিছু সীমাবদ্ধতা আমার আছে,” বিশপ হিন্দুস্তান টাইমস-কে বলেন। তার মতে, ‘লাভ জিহাদ’ একটি ভুল নাম কারণ এটি প্রেমের ছলে ধর্মান্তরের একটি কৌশল মাত্র। তিনি আরও বলেন, “আমি ব্যক্তিগতভাবে যেসব ঘটনায় হস্তক্ষেপ করেছি, তার বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এটি প্রেমের ভান ছিল। একবার বিয়ে হয়ে গেলে অধিকাংশ সময়ই মেয়েটিকে পরিত্যক্ত করা হয়। ধর্মান্তরই একমাত্র লক্ষ্য এবং এটি একটি সম্প্রদায়ের সংখ্যা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে করা হয়। কেউ কেউ এর সাথে আইসিস (আইএস) যোগসূত্র থাকার অভিযোগও তুলেছেন, যা তদন্ত করা প্রয়োজন।” ** বিশপ ম্যাথিউ মার গ্রেগোরিওস, ২০১৭। [https://www.hindustantimes.com/india-news/the-bjp-and-the-church-find-common-ground-on-love-jihad-in-kerala/story-krCpAE2YLaxTLxLZuXAnhJ.html দ্য বিজেপি অ্যান্ড দ্য চার্চ ফাইন্ড কমন গ্রাউন্ড অন ‘লাভ জিহাদ’ ইন কেরালা] == ক == * সিরো-মালাবার চার্চের পালাই ডায়োসিসের বিশপ জোসেফ কাল্লারাঙ্গাট অভিযোগ করেছেন যে যারা দাবি করেন কেরালায় ‘লাভ জিহাদ’ নেই তারা “বাস্তবতার প্রতি অন্ধ।” “এই ধরণের মানুষরা রাজনীতিবিদ, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের ব্যক্তি বা গণমাধ্যম যারাই হোক না কেনো তাদের নিজস্ব স্বার্থ থাকতে পারে। তবে একটি বিষয় স্পষ্ট। আমরা আমাদের তরুণীদের হারাচ্ছি। এটি কেবল প্রেমঘটিত বিয়ের বিষয় নয়। এটি তাদের জীবন ধ্বংস করার একটি যুদ্ধ কৌশল,” তিনি দাবি করেন... “বিশ্বের অন্যান্য প্রান্তের মতো কেরলের মুসলিমদের একটি অংশ আছে যারা সম্প্রদায়ের মধ্যে বিদ্বেষ সৃষ্টি করতে এবং ধর্মীয় ঘৃণা ছড়াতে চায়। জিহাদিরা ইসলাম প্রচারের জন্য বিভিন্ন উপায় ব্যবহার করছে এবং তারা অমুসলিম তরুণীদের লক্ষ্যবস্তু করছে,” তিনি নিমিষা নামক এক হিন্দু মেয়ে এবং সোনিয়া সেবাস্তিয়ান নামক এক খ্রিস্টান মেয়ের উদাহরণ দেন, যারা মুসলিম পুরুষদের প্রেমে পড়ে ইসলাম গ্রহণ করেন এবং শেষ পর্যন্ত সিরিয়ায় কুখ্যাত ইসলামিক স্টেটে যোগ দেন। তিনি আরও ব্যাখ্যা করেন, “আমাদের মতো একটি গণতান্ত্রিক দেশে যেহেতু অন্য ধর্মের মানুষকে ধ্বংস করতে অস্ত্র ব্যবহার করা সহজ নয়, তাই জিহাদিরা এমন উপায় ব্যবহার করছে যা সহজে শনাক্ত করা যায় না। জিহাদিদের দৃষ্টিতে অমুসলিমদের ধ্বংস করতে হবে। যখন উদ্দেশ্য হয় তাদের ধর্মের বিস্তার এবং অমুসলিমদের ধ্বংস করা, তখন তারা বিভিন্ন রূপের উপায় ব্যবহার করে। বর্তমানে এ রকম ব্যাপকভাবে আলোচিত দুটি উপায় হলো লাভ জিহাদ এবং নারকোটিক্স জিহাদ।” ** জোসেফ কাল্লারাঙ্গাট, সিরো-মালাবার চার্চের বিশপ, ২১/১১/২০২২। [https://goachronicle.com/love-jihad-not-a-hindutva-conspiracy-catholic-church-rings-alarm-bells-too/ লাভ জিহাদ: নট এ হিন্দুত্ব কন্সপিরেসি, ক্যাথলিক চার্চ রিংস অ্যালার্ম বেলস টু] * জনমিতিক যুদ্ধ শুরু করা: হিন্দু মেয়েদের প্রলুব্ধ করা ও বিয়ে করা এবং তাদের গর্বিত জিহাদি ট্রফি হিসেবে প্রদর্শন করা অর্থাৎ “প্রেমের” মাধ্যমে জিহাদ; ** কৃষ্ণস্বামী কর্তৃক প্রচারিত একটি পুস্তিকা থেকে (কৃষ্ণস্বামী, পৃষ্ঠা ৪১)। * সংগঠিত ধর্মান্তর এবং ‘লাভ জিহাদ’-এ ফাঁদে ফেলে ভুক্তভোগীদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে ব্যবহার করার ঘটনাগুলো প্রমাণ করে যে খ্রিস্টান সম্প্রদায় ইসলামি চরমপন্থীদের সহজ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে। * এটি গুরুত্বপূর্ণ যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই উদ্বেগজনক প্রবণতাটি লক্ষ্য করবে এবং জাতীয় তদন্ত সংস্থা (এনআইএ) দ্বারা তদন্তের নির্দেশ দেবে এবং উগ্রপন্থীদের এই ধরণের প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড বন্ধে একটি কার্যকর আইন প্রণয়ন করবে। * বাবা-মায়েদের প্রকাশ করা ভয় অমূলক নয়, অতীতে একই ধরণের ঘটনা থেকে তা প্রমাণিত। রিপোর্ট বলছে কেরল থেকে আইসিস-এ যোগ দেওয়া ২১ জনের মধ্যে পাঁচজনই খ্রিস্টধর্ম থেকে ধর্মান্তরিত।" তিনি কেরালা ক্যাথলিক বিশপস কাউন্সিলের কমিশন ফর সোশ্যাল হারমনি অ্যান্ড ভিজিল্যান্সের প্রকাশিত তথ্য উদ্ধৃত করে বলেন, "২০০৫ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত প্রায় ৪,০০০ মেয়ে প্রেমের ফাঁদে পড়ে ধর্মান্তরিত হয়েছে। ভুক্তভোগীরা যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন অথবা কোনো স্বাধীনতা ছাড়াই শোচনীয় অবস্থায় জীবন কাটাতে বাধ্য হয়েছেন।” * কেরলের খ্রিস্টান মেয়েরা ‘লাভ জিহাদ’-এর লক্ষ্যবস্তু। তারা সহজেই ভুক্তভোগী হতে পারে। ধর্মান্তরের ক্রমবর্ধমান প্রবণতা এটিই প্রমাণ করে। ** জর্জ কুরিয়ান, সংখ্যালঘু জাতীয় কমিশনের (এনসিএম) ভাইস চেয়ারম্যান, ২০১৯। [https://www.theweek.in/news/india/2019/09/26/christians-soft-target-for-love-jihad-islamic-radicals-minority-body-vice-chairman.html ক্রিশ্চিয়ানস-সফট-টার্গেট-ফর-লাভ-জিহাদ-ইসলামিক-র‍্যাডিক্যালস-মাইনরিটি-বডি-ভাইস-চেয়ারম্যান: দ্য উইক]। এছাড়া [https://tfipost.com/2020/01/keralas-biggest-church-sounds-the-alarm-against-love-jihad/ ‘ক্রিশ্চিয়ান গার্লস টার্গেটেড, টার্নড ইনটু সেক্স স্লেভস,’ কেরালা’স বিগেস্ট চার্চ সাউন্ডস দ্য অ্যালার্ম এগেইনস্ট লাভ জিহাদ], [https://timesofindia.indiatimes.com/india/christians-soft-target-for-islamic-radicals-ncm-writes-to-shah/articleshow/71268598.cms ক্রিশ্চিয়ানস সফট টার্গেট ফর ইসলামিক র‍্যাডিক্যালস, এনসিএম রাইটস টু শাহ], [https://web.archive.org/web/20201201005142/https://www.sirfnews.com/minorities-commission-acknowledges-love-jihad/ মাইনরিটিস কমিশন অ্যাকনলেজেস লাভ জিহাদ] এবং [https://keralakaumudi.com/en/news/news.php?id=159718&u=they-can-be-easily-victimized-minority-commission-state-that-kerala-girls-are-targeted-by-love-jihad "দে ক্যান বি ইজিলি ভিক্টিমাইজড": মাইনরিটি কমিশন স্টেট দ্যাট কেরালা গার্লস আর টার্গেটেড বাই 'লাভ জিহাদ'] শীর্ষক প্রতিবেদনগুলোতে উদ্ধৃত। == হ == * আমাদের দাবি হলো কোনো মেয়েকেই যেন এই ট্রমার মধ্য দিয়ে যেতে না হয়। আমি অনুভব করছি যে ‘লাভ জিহাদ’ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। ** নিরঞ্জন হিরেমাথ, কংগ্রেস কর্পোরেটর এবং নিহত এমসিএ শিক্ষার্থী নেহা হিরেমাথের বাবা। [https://newsable.asianetnews.com/karnataka-news/hubballi-horror-neha-hiremath-s-father-says-love-jihad-is-spreading-rapidly-urges-govt-action-watch-snt-sc6z04 হুবলি হরর: নেহা হিরেমাথ'স ফাদার সেজ 'লাভ জিহাদ' ইজ স্প্রেডিং র‍্যাপিডলি, আরজেস গভর্মেন্ট অ্যাকশন], ১৯ এপ্রিল ২০২৪। == ম == * কিছু ঘটনা সামনে এসেছে যা গুরুত্বের সাথে দেখা প্রয়োজন, আমাদের অবশ্যই এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। যদি এমন কিছু ঘটে থাকে, তবে আমাদের তা খতিয়ে দেখা উচিত... এ নিয়ে কিছু সমস্যা এবং আশঙ্কা রয়েছে। যা ঘটেছে সে সম্পর্কে সরকারের স্পষ্টভাবে সামনে আসা উচিত এবং যদি এই ধরণের কোনো ঘটনা (লাভ জিহাদ) থেকে থাকে, তবে সেগুলোর সমাধান ও প্রতিকার করা উচিত। ** জোসে কে মানি, ২০২১। [https://theprint.in/politics/love-jihad-cases-should-be-studied-addressed-kerala-congress-m-chief-on-church-view/629731/ ‘লাভ জিহাদ’ কেসেস শুড বি স্টাডিড অ্যান্ড অ্যাড্রেসড: কেরালা কংগ্রেস (এম) চিফ অন চার্চ ভিউ]। এছাড়া [https://tfipost.com/2021/03/e-sreedharans-remarks-on-love-jihad-has-triggered-a-debate-in-kerala-and-even-congress-m-is-speaking-up-about-it/ ই শ্রীধরন’স রিমার্কস অন লাভ জিহাদ হ্যাজ ট্রিগার্ড এ ডিবেট ইন কেরালা অ্যান্ড ইভেন কংগ্রেস (এম) ইজ স্পিকিং আপ অ্যাবাউট ইট] শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত। * এটি একটি সংগঠিত অপরাধ। উপসাগরীয় (গালফ) এবং অন্যান্য দেশ থেকে অর্থ আসছে যাতে মুসলিম পুরুষদের একটি দল হিন্দু নারীদের ফাঁদে ফেলতে পারে, তাদের বিয়ে করতে পারে এবং তারপর সন্ত্রাসবাদসহ বিভিন্ন অপরাধে তাদের ব্যবহার করতে পারে। ** [[w:লাভ জিহাদ|লাভ জিহাদ]] প্রসঙ্গে প্রমোদ মুথালিক, যেমনটা উদ্ধৃত হয়েছে "[http://indianexpress.com/article/cities/mumbai/muthalik-finds-cases-of-love-jihad-in-state-cites-rti-info/ মুথালিক ফাইন্ডস কেসেস অফ ‘লাভ জিহাদ’ ইন স্টেট, সাইটস আরটিআই ইনফো]", ''দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস'' (২০ সেপ্টেম্বর ২০১৪)। == ন == * আমরা দেখেছি কীভাবে সুফি ধর্মগুরু খাজা হাসান নিজামী তার 'দায়ি-এ ইসলাম'-এ হিন্দুদের ইসলামে ধর্মান্তরিত করার উপায় সম্পর্কে মুসলিমদের নির্দেশ দিয়েছিলেন। তার অতি-উৎসাহ হিন্দুদের সতর্ক করে দিয়েছিল। সেই নির্দেশগুলো গোপন থাকেনি, বইটি অনূদিত হয়েছিল এবং হিন্দুরা জানতে পেরেছিল কীভাবে এবং কেন উত্তর ভারতের প্রায় প্রতিটি শহর ও নগরে মুসলিমদের দ্বারা হিন্দু মেয়েদের গোপন অপহরণ এবং প্রলোভন দেখানো প্রতিদিনের ঘটনায় পরিণত হয়েছে। হিন্দুরা ব্যক্তিগতভাবে এবং তাদের সংগঠনের মাধ্যমে সতর্কতা অবলম্বন করতে শুরু করে। তারা হিন্দু মেয়ে, বিধবা এবং এতিমদের উদ্ধার করে এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে এই নোংরা প্রচেষ্টাগুলো রুখতে শুরু করে। ** খাজা হাসান নিজামী, ভি.পি. ভাটিয়া রচিত "দ্য এভার গ্রিন মোল্লা পাওয়ার", অর্গানাইজার, ২৭ অক্টোবর ১৯৯৬-এ উদ্ধৃত; যা বি.আর. আম্বেদকরের 'পাকিস্তান অ্যান্ড পার্টিশন অফ ইন্ডিয়া'; ইন্দ্র প্রকাশের 'দ্য হিস্ট্রি অফ হিন্দু মহাসভা'; এবং শেখ আব্দুল্লাহর 'আতিশ-এ-চিনার'-এর তথ্যসূত্র ব্যবহার করেছে। কে. এস. লাল রচিত 'থিওরি অ্যান্ড প্র্যাকটিস অফ মুসলিম স্টেট ইন ইন্ডিয়া' (১৯৯৯), নয়াদিল্লি: আদিত্য প্রকাশন, অধ্যায় ৬ থেকে উদ্ধৃত। * হিন্দুদের ইসলামে ধর্মান্তরিত করার উপায় বাতলে মুসলিমদের নির্দেশ দেওয়া উর্দু ভাষায় রচিত অনেক প্যামফলেট ও ব্রোশারের মধ্যে কেবল একটি পরীক্ষা করলেই এই ধরণের সাহিত্যে কী থাকে সে সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। এটি হলো খাজা হাসান নিজামীর 'দায়ি-এ ইসলাম' (ইসলামের প্রচার)। হাসান নিজামী ছিলেন দিল্লির নিজামউদ্দিন আউলিয়ার দরগাহর সাথে যুক্ত একজন সুফি ধর্মগুরু। প্যামফলেটটি কাফেরদের ইসলামে ধর্মান্তরিত করার দ্রুততম ও ব্যাপক উপায় শেখায়। খাজা উচ্চবিত্ত থেকে নিম্নবিত্ত সকল পর্যায়ের মুসলিমদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন অ-মুসলিমদের ইসলামে ধর্মান্তরিত করার মাধ্যমে ইসলামের সেবা করতে। এই মিশনারি প্রচেষ্টায় জমিদার ও নবাব, ডাক্তার ও পতিতা, এক্কা চালক ও চুড়ি বিক্রেতা—সবাইকে অবদান রাখার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। মুসলিম আইনজীবী ও ডাক্তারদের বলা হয়েছিল তাদের হিন্দু মক্কেল ও রোগীদের ধর্মান্তরিত করতে প্রভাবিত করতে। নবাব ও জমিদারদের বলা হয়েছিল তাদের অধীনে থাকা হিন্দু প্রজাদের মুসলমান হতে চাপ দিতে। পতিতাদের বলা হয়েছিল তাদের হিন্দু খদ্দের ও অনুরাগীদের মুসলিম হতে প্রভাবিত করতে। [[লাভ জিহাদ|চুড়ি বিক্রেতাদের বলা হয়েছিল তরুণী হিন্দু মেয়েদের প্রলুব্ধ করতে]] এবং এক্কা চালকদের বলা হয়েছিল হিন্দু নারী ও শিশুদের ভুলিয়ে নিয়ে যেতে। এই জাতীয় ব্যবস্থাপত্র আধ্যাত্মিক বা নীতিগত কোনোটিই ছিল না, কিন্তু এটি মুসলিম মানসিকতার সাথে খাপ খেয়েছিল। প্যামফলেটটি মুসলিমদের মধ্যে ব্যাপক বিক্রি হয়েছিল। হায়দ্রাবাদের নিজাম খাজার জন্য একটি ভাতা নির্দিষ্ট করেছিলেন এবং অন্যান্য মুসলিম প্রধান ও জমিদাররাও তা অনুসরণ করেছিলেন। মুসলিম ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ ও আবগারি পরিদর্শক এবং অন্যান্য প্রভাবশালী কর্মকর্তাদের এই সুফি ভক্তের পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করতে দেখা গিয়েছিল। ** খাজা হাসান নিজামী, কে. এস. লাল রচিত 'থিওরি অ্যান্ড প্র্যাকটিস অফ মুসলিম স্টেট ইন ইন্ডিয়া' (১৯৯৯), নয়াদিল্লি: আদিত্য প্রকাশন, অধ্যায় ৬ থেকে উদ্ধৃত। == প == * আমাদের মেয়েরা চরমপন্থীদের দ্বারা ফাঁদে পড়ার ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে। আসুন আমরা সেই সব বাবা-মায়ের দুঃখের জন্য প্রার্থনা করি যারা তাদের সন্তানদের ধর্মীয় চরমপন্থীদের ফাঁদে পড়তে দেখেও অসহায় হয়ে আছেন। নারীদের বিরুদ্ধে ক্রমবর্ধমান সহিংসতার এই যুগে আমাদের উচিত পবিত্র মাতার মতো নারী ও নারীত্বকে শ্রদ্ধা ও সম্মান করা। "প্রত্যেকেরই আর্চডায়োসিস ক্যাটেচিজম সেন্টারের সচেতনতামূলক প্রচারণার সুযোগ নেওয়া উচিত, যা কিশোর-কিশোরী এবং তাদের অভিভাবকদের লক্ষ্য করে পরিচালিত হচ্ছে, যাতে আমাদের সন্তানরা সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর ফাঁদে না পড়ে।" ** আর্চবিশপ মার জোসেফ পামপ্লানি কর্তৃক জারি করা যাজকীয় পত্র। [https://www.onmanorama.com/news/kerala/2022/09/05/tellicherry-archdiocese-circular-love-trap.html এক্সট্রিমিস্টস লিউরিং ক্রিশ্চিয়ান গার্লস ফেইনিং লাভ, ওয়ার্নস টেলিসেরি আর্চডায়োসিস], ৫ সেপ্টেম্বর ২০২২। * “বিশ্বাসীরা যদি এমন পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়, তবে আপনি তাদের দোষ দিতে পারেন না। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে ডায়োসিস কোনো অবস্থান নেয়নি, তবে আমরা উদ্বিগ্ন। তাই এই ধরণের ঘটনা বন্ধ করার জন্য যারা কাজ করছে তাদের সমর্থন করার মধ্যে ভুল কী আছে?” ** ফাদার জিমি পুচাকাত্ত, মুখপাত্র, সিরো মালাবার চার্চ, ২০১৭। [https://www.hindustantimes.com/india-news/the-bjp-and-the-church-find-common-ground-on-love-jihad-in-kerala/story-krCpAE2YLaxTLxLZuXAnhJ.html দ্য বিজেপি অ্যান্ড দ্য চার্চ ফাইন্ড কমন গ্রাউন্ড অন ‘লাভ জিহাদ’ ইন কেরালা] নিবন্ধে উদ্ধৃত। == স == * তথাকথিত অতি-পুরুষালি মুসলিম পুরুষ দেহ এবং অতি-প্রজননক্ষম মুসলিম নারী দেহ নিয়ে একটি অন্ধকার যৌন আচ্ছন্নতা রয়েছে, যা এই প্যারানোইয়া (অহেতুক ভীতি) এবং প্রতিশোধের মূর্তিকে অনুপ্রাণিত ও টিকিয়ে রাখে। ** সরকার, তানিকা। "সেমিওটিকস অফ টেরর: মুসলিম চিলড্রেন অ্যান্ড উইমেন ইন হিন্দু রাষ্ট্র।" ইকোনমিক অ্যান্ড পলিটিক্যাল উইকলি ৩৭, নম্বর ২৮ (২০০২): ২৮৭২-৮৭৬। সংগৃহীত ৯ জুলাই, ২০২১। http://www.jstor.org/stable/4412352। * একজন অধিকতর পুরুষালি মুসলিম পুরুষ দেহের প্রতি এক ধরণের চিরস্থায়ী ভয় কাজ করে যা হিন্দু মেয়েদের ভুলিয়ে নিয়ে যায়; এটি এক ধরণের লিঙ্গ-ঈর্ষা এবং পুরুষত্বহীনতার উদ্বেগ যা কেবল সহিংস কাজের মাধ্যমেই কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। ** সরকার, তানিকা। "সেমিওটিকস অফ টেরর: মুসলিম চিলড্রেন অ্যান্ড উইমেন ইন হিন্দু রাষ্ট্র।" ইকোনমিক অ্যান্ড পলিটিক্যাল উইকলি ৩৭, নম্বর ২৮ (২০০২): ২৮৭২-৮৭৬। সংগৃহীত ৯ জুলাই, ২০২১। http://www.jstor.org/stable/4412352। * লাভ জিহাদ, হ্যাঁ, কেরালায় কী ঘটছে তা আমি দেখছি। কীভাবে হিন্দুরা একটি বিয়ের জালে প্রতারিত হচ্ছে এবং কীভাবে তারা কষ্ট পাচ্ছে... শুধু হিন্দু নয়, মুসলিম ও খ্রিস্টান মেয়েরাও বিয়ের ক্ষেত্রে প্রতারিত হচ্ছে। এখন এই ধরণের জিনিসের আমি অবশ্যই বিরোধিতা করব। ** ই. শ্রীধরন, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২১। [https://www.ndtv.com/video/exclusive/the-news/bjp-not-communal-party-of-nation-lovers-india-s-metro-man-e-sreedharan-576372 এনডিটিভি: বিজেপি নট কমিউনাল, পার্টি অফ নেশন-লাভার্স: "মেট্রো ম্যান" ই শ্রীধরন টু এনডিটিভি] নিবন্ধে উদ্ধৃত। * বামপন্থীরা যখন এই ঘটনাগুলোকে ‘ডানপন্থী কল্পনা’ বলে উড়িয়ে দেয়, তখন আসলে ঘটনাগুলো বাস্তব। মৃতদেহগুলোও বাস্তব এবং হুমকিটি আসন্ন... ‘লাভ জিহাদ’ এর মতো একটি শব্দের সংকীর্ণ সংজ্ঞার কারণেই বামপন্থীরা এখন এটিকে বিকৃত করার চেষ্টা করছে এই বলে যে, লাভ জিহাদ শব্দটি কেবল এই কারণে ব্যবহৃত হয় কারণ ‘চরমপন্থী হিন্দুরা’ আন্তঃধর্মীয় বিবাহের বিরোধী; অথচ বাস্তবতা হলো এই ঘটনাটি পারস্পরিক সম্মতির সম্পর্কের ধারেকাছেও নেই।<br>এই কারণেই অপইন্ডিয়া এখন থেকে তাদের আলোচনা ও প্রতিবেদনে ‘লাভ জিহাদ’ শব্দটি পরিহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। জিহাদে কোনো ‘লাভ’ বা ভালোবাসা নেই এবং এমনকি যদি আমরা সমস্যাযুক্ত বাক্য গঠনসহ শব্দটি গ্রহণ করি, তবুও এটি সেই জিহাদের ভয়াবহতাকে তুলে ধরতে ব্যর্থ হয় যা কট্টরপন্থী মুসলিমদের একাংশ পরিচালনা করছে যারা নির্দিষ্টভাবে অ-মুসলিম নারীদের লক্ষ্যবস্তু করে। আমরা বিশ্বাস করি যে ‘গ্রুমিং জিহাদ’ শব্দটি অনেক বেশি উপযুক্ত কারণ এটি নিজের মধ্যে সেই সমস্ত ধরণের অপরাধকে ধারণ করে যা নারীদের এই জিহাদের কেন্দ্রে রাখে।<br>অ-মুসলিম নারীদের গ্রুমিং করা হচ্ছে যাতে তারা মুসলিম পুরুষদের হাতে নিজেদের পরাধীনতাকে মেনে নেয়। তাদের অপহরণ, ধর্ষণ, প্রলুব্ধ, ইসলামে ধর্মান্তরিত, শাস্তি এবং মগজধোলাই করা হচ্ছে। মানবতার বিরুদ্ধে এই অপরাধগুলোতে কোনো ‘লাভ’ নেই। এটি যে জিহাদের একটি রূপ তা নিয়ে কোনো অস্পষ্টতা নেই। একে তার সঠিক নামে ডাকার সময় এসেছে—গ্রুমিং জিহাদ। ** নুপুর জে শর্মা | ১৮ নভেম্বর, ২০২০। [https://www.opindia.com/2020/11/opindia-to-use-grooming-jihad-instead-of-love-jihad-here-is-why হোয়াই অপইন্ডিয়া হ্যাজ ডিসাইডেড টু ইউজ ‘গ্রুমিং জিহাদ’ ইনস্টেড অফ ‘লাভ জিহাদ’ মুভিং ফরোয়ার্ড]। * কাশ্মীর কোনো পাকিস্তান নয় যেখানে শিখদের জোর করে ধর্মান্তরিত করা যায়, আমরা এটি হতে দেব না। অকাল তখত সাহেবের জাঁতাদার জম্মু ও কাশ্মীরের লেফটেন্যান্ট গভর্নরের কাছে একটি চিঠি লিখেছেন যাতে ‘লাভ জিহাদ’-এর বিরুদ্ধে আইন আনা হয়। ** সরদার আর পি সিং, জুন ২০২১। [https://www.newkerala.com/news/2021/91223.htm শিখ লিডার্স মিট রেড্ডি ওভার কনভারশন অফ শিখ গার্লস ইন কাশ্মীর]। == ত == * এটি অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয় যে খ্রিস্টান মেয়েরাই সবচেয়ে বেশি লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হচ্ছে। সিবিআই, এনআইএ এবং আইবি সকলেই রিপোর্ট করেছে যে রাজ্য ও দেশে এই ধরণের ঘটনা ঘটছে। এটি দুঃখজনক এবং উদ্বেগের বিষয় যে ধর্মীয় সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর দ্বারা সরল মেয়েদের ফাঁদে ফেলার প্রচেষ্টাকে প্রতিহত করার একটি ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও এগুলো দক্ষতার সাথে মোকাবিলা করা হচ্ছে না। ** ফাদার অ্যান্টনি থালাচেলুর। [https://www.theweek.in/news/india/2020/01/15/christian-girls-targeted-and-killed-in-name-of-love-jihad-kerala-syro-malabar-church.html ক্রিশ্চিয়ান-গার্লস-টার্গেটেড-অ্যান্ড-কিলড-ইন-নাম-অফ-লাভ-জিহাদ-কেরালা-সিরো-মালাবার-চার্চ: দ্য উইক]। * ইসলামিক স্টেট তাদের ইহুদি ও খ্রিস্টান নারীদের শিকার করার আন্তর্জাতিক এজেন্ডার অংশ হিসেবে খ্রিস্টান নারীদের প্রলুব্ধ করছে... আগামী কয়েক মাসে আমরা আমাদের ধর্মীয় সংগঠনের মাধ্যমে পরিবার এবং মেয়েদের সচেতন করব যাতে তারা এই ফাঁদে না পড়ার মতো যথেষ্ট শিক্ষিত হয়। ** ফাদার অ্যান্টনি থালাচেলুর, ২০২০। [https://theprint.in/india/syro-malabar-church-says-love-jihad-a-threat-in-kerala-govt-says-it-doesnt-exist/351174/ সিরো-মালাবার চার্চ সেজ ‘লাভ জিহাদ’ এ থ্রেট ইন কেরালা, গভর্মেন্ট সেজ ইট ডাজ নট এক্সিস্ট] নিবন্ধে উদ্ধৃত। * যেন এটিই যথেষ্ট নয়, কারগিলের বৌদ্ধদের ইসলামে ধর্মান্তরিত করার একটি সুপরিকল্পিত এবং সংগঠিত নকশা রয়েছে। গত চার বছরে কেবল ওয়াখা গ্রাম থেকেই প্রায় ৫০ জন মেয়ে এবং সন্তানসহ বিবাহিত নারীকে প্রলুব্ধ করে ধর্মান্তরিত করা হয়েছে। যদি এটি বিনা বাধায় চলতে থাকে, তবে আমাদের ভয় হচ্ছে আগামী দুই দশকের মধ্যে কারগিল থেকে বৌদ্ধরা বিলুপ্ত হয়ে যাবে। এই ধরণের প্রলোভন ও ধর্মান্তরের প্রতিবাদকারী যে কাউকেই হয়রানি করা হয়... তাই লাদাখি জনগণের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক পরিচয় রক্ষা করতে কারগিলের জন্য একটি ধর্মান্তর বিরোধী আইন কার্যকর করতে হবে, যেমনটি বর্তমানে অরুণাচল প্রদেশ এবং মধ্যপ্রদেশের মতো রাজ্যগুলোতে বলবৎ রয়েছে। ** লাদাখ বৌদ্ধ অ্যাসোসিয়েশনের টুন্ডুপ ত্সারিং এবং ত্সাওয়াং নুরবু। কোয়েনরাড এলস্ট রচিত 'ভারতীয় জনতা পার্টি ভিস-আ-ভিস হিন্দু রিসার্জেন্স' এবং 'হু ইজ এ হিন্দু?: হিন্দু রিভাইভালিস্ট ভিউজ অফ অ্যানিমিজম, বুদ্ধিজম, শিখজম, অ্যান্ড আদার অফশুটস অফ হিন্দুইজম' (২০০২)-এ উদ্ধৃত। == ভ == * লাভ জিহাদকে কেবল প্রেমের কোণ থেকে দেখা উচিত নয়, বরং আরও বৃহত্তর পর্যায়ে এর সমাধান করা উচিত। এটি কোনো নির্দিষ্ট সম্প্রদায়কে লক্ষ্যবস্তু করার জন্য নয়। ধর্মনিরপেক্ষ রাজনৈতিক দলগুলোর অন্তত এটি স্বীকার করা উচিত যে এখানে লাভ জিহাদ বিদ্যমান। রাজ্যের একটি ছোট গোষ্ঠী ক্রমাগত কট্টরপন্থী হয়ে উঠছে এবং আন্তর্জাতিক ও বিশ্বব্যাপী ইসলামের সাথে এর যোগসূত্র রয়েছে। এর নাম ভিন্ন হতে পারে, কিন্তু এই গোষ্ঠীগুলোর মানুষ এবং নেতৃত্ব প্রায় একই... এটি একটি বড় সমস্যা যা আমরা বহু বছর ধরে মোকাবিলা করছি, কিন্তু কেরালার ধর্মনিরপেক্ষ রাজনৈতিক দলগুলো এই বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করতে আগ্রহী নয়। এটি তাদের রাজনীতির অংশ। রাজ্যে ঘটে যাওয়া প্রতিটি মৃত্যু ও হত্যাকাণ্ডকে একটি "বিচ্ছিন্ন" ঘটনা হিসেবে পাশ কাটিয়ে যাওয়া হয়। একের পর এক হত্যাকাণ্ড ঘটেছে অথচ রাজ্যের কোনো মূলধারার দল এই বিষয়টি নিয়ে কথা বলেনি। রিপোর্ট এসেছে যে এই হত্যাকাণ্ডে কট্টরপন্থী গোষ্ঠীগুলো জড়িত ছিল এবং সরকারের কাছে সমস্ত বিবরণ রয়েছে... “আজও আমরা চিন্তিত খ্রিস্টান অভিভাবকদের কাছ থেকে তাদের মেয়েদের সাহায্য ও কাউন্সেলিং চেয়ে ফোন কল পেয়েছি। এটি অন্য ধর্মের কাউকে বিয়ে করার বিষয় নয়। এই ঘটনাগুলোতে আমরা বিয়ের পর তাদের সুখে শান্তিতে থাকতে দেখি না। আমরা বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণ করছি। পুলিশ নিজেই অনেক ক্ষেত্রে প্রকাশ করেছে যে বিয়ের পর মেয়েরা নিখোঁজ হয়ে গেছে অথবা তারা ইসলামিক স্টেটে যোগ দিয়েছে এবং তাদের যৌনদাসী হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। তার মানে এটি ভালোবাসা ছিল না। ভালোবাসাকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে।" ** ফাদার ভার্গিস ভাল্লিক্কাত। [https://www.newindianexpress.com/cities/kochi/2020/jan/20/politics-in-state-silent-on-love-jihad-but-we-cant-be-bishops-council-2091749.html পলিটিক্স ইন স্টেট সাইলেন্ট অন লাভ জিহাদ, বাট উই কান্ট বি: বিশপস কাউন্সিল] নিবন্ধে উদ্ধৃত। == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:ষড়যন্ত্র তত্ত্ব]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতে ইসলাম]] [[বিষয়শ্রেণী:হিন্দু জাতীয়তাবাদ]] ssa9f2nu1npjfkzh8hur74gl5gj11ug 79904 79902 2026-04-23T06:32:06Z Tuhin 172 79904 wikitext text/x-wiki '''[[w:লাভ জিহাদ|লাভ জিহাদ]]''' (যা '''রোমিও জিহাদ''' নামেও পরিচিত) হলো একটি ইসলামভীতিমূলক [[ষড়যন্ত্র তত্ত্ব]] যা [[হিন্দুত্ব|হিন্দুত্ববাদী]] আদর্শের সমর্থকদের দ্বারা উদ্ভাবিত। এই ষড়যন্ত্র তত্ত্বটি দাবি করে যে, মুসলিম পুরুষরা প্রলোভন, প্রেমের অভিনয়, প্রতারণা, অপহরণ এবং বিবাহের মতো উপায়ে হিন্দু নারীদের [[w:ইসলামে ধর্মান্তর|ইসলামে ধর্মান্তরিত করার]] লক্ষ্য নির্ধারণ করে। এটি ভারতের বিরুদ্ধে মুসলিমদের একটি বৃহত্তর "যুদ্ধ" এবং জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে আধিপত্য বিস্তারের একটি সংগঠিত আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে দাবি করা হয়। __NOTOC__ {{TOCalpha}} == অ == * ‘লাভ জিহাদ’ প্রচারণাটি অত্যন্ত সযত্নে অতৃপ্ত কামুক মুসলিম পুরুষের কাল্পনিক ধারণাটিকে টিকিয়ে রাখে। এর বিপরীতে হিন্দু নারীদের অসহায় হিসেবে চিত্রিত করা হয় যারা সহজেই প্রলোভনের শিকার হয়। এই বিষাক্ত প্রচারণা তরুণ দম্পতিদের জীবনে বিপর্যয় ডেকে আনছে, যেখানে নারীদের তাদের জীবনসঙ্গী নির্বাচনের অধিকার অস্বীকার করা হচ্ছে। এই সাম্প্রদায়িক কলুষিত পরিবেশে – যেখানে প্রতিটি ভিন্নধর্মী বিবাহকে একটি রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখা হয় এবং হিন্দু মেয়েদের মুসলিম ছেলেদের সংস্পর্শ থেকে ‘পবিত্র’ রাখার জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানো হয় – সেখানে এই ধরণের পরিবেশ তৈরিতে ইন্ধন জোগানো রাজনৈতিক দলটি কি [[w:অভিন্ন দেওয়ানি বিধি|অভিন্ন দেওয়ানি বিধি]] (ইউসিসি) কার্যকর করার প্রচারণার নেতৃত্ব দিতে পারে? ** [[ফ্লাভিয়া অ্যাগনেস]], [https://thewire.in/law/bjp-uniform-civil-code "দ্য মোদি গভর্নমেন্ট'স হিন্দুত্ব আইডিওলজি কুড স্টল অ্যানি প্রগ্রেস অন দ্য ইউনিফর্ম সিভিল কোড"], ''দ্য ওয়্যার'', ৭ জুলাই ২০১৬। * হিন্দুত্ববাদী তাত্ত্বিকদের মতে মুসলিমদের একটি প্রধান পরিকল্পনা হলো “হিন্দু মেয়েদের বিয়ের জন্য প্রলুব্ধ করা, আকর্ষণ করা এবং অপহরণ করা” (পালিওয়াল ২০০৩: ২৪)। ** ''হিন্দু ন্যাশনালিজম ইন ইন্ডিয়া অ্যান্ড দ্য পলিটিক্স অফ ফিয়ার'', ডি. আনন্দ, পৃষ্ঠা ৩০। * দেশজুড়ে হিন্দুত্ববাদী বুদ্ধিজীবী, নেতা এবং কর্মীদের মধ্যে একটি সাধারণ বয়ান ছিল যে, “নিষ্পাপ” হিন্দু মেয়েদের প্রলুব্ধ করার জন্য এটি একটি সচেতন মুসলিম চক্রান্ত। ** ''হিন্দু ন্যাশনালিজম ইন ইন্ডিয়া অ্যান্ড দ্য পলিটিক্স অফ ফিয়ার'', ডি. আনন্দ, পৃষ্ঠা ৫১। * তাদের পরিকল্পনা হলো আগামী ২০ বছরের মধ্যে কেরলকে একটি মুসলিম রাজ্যে পরিণত করা। সেজন্য তারা তরুণদের প্রলুব্ধ করছে, তাদের অর্থ দিচ্ছে এবং মুসলিম জনসংখ্যা বৃদ্ধির জন্য হিন্দু মেয়েদের বিয়ে করতে জোর দিচ্ছে। এভাবেই তারা তাদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা বৃদ্ধি করছে এবং এই কৌশলগুলো কাজে দিচ্ছে। ** কেরলের মার্ক্সবাদী প্রবীণ এবং সিপিএম-এর শক্তিশালী নেতা ভিএস অচ্যুতানন্দন। [https://www.firstpost.com/opinion/the-kerala-story-is-not-hindutva-fiction-world-is-waking-up-to-love-jihad-and-grooming-12555032.html/amp দ্য কেরালা স্টোরি ইজ নট হিন্দুত্ব ফিকশন, ওয়ার্ল্ড ইজ ওয়াকিং আপ টু লাভ জিহাদ অ্যান্ড গ্রুমিং] নিবন্ধে উদ্ধৃত। == স == * বামপন্থী (সিপিএম নেতৃত্বাধীন বাম গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট) এবং ডানপন্থী (কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউনাইটেড ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট) লাভ জিহাদ নামক সন্ত্রাসবাদকে পরোক্ষ ও প্রত্যক্ষভাবে সমর্থন দিয়ে জিহাদিদের তোষণ করার প্রতিযোগিতায় নেমেছে। আমাদের উচিত হবে না তাদের (এলডিএফ এবং ইউডিএফ) ছায়ায় জিহাদিদের বেড়ে উঠতে দেওয়া। সেজন্য আমাদের সেই গাছগুলো কেটে ফেলতে হবে যা তাদের আশ্রয় দেয়। চিন্তা করুন, কাজ করুন। ** কেরালা ভিত্তিক খ্রিস্টান সংস্থা 'ক্রিশ্চিয়ান অ্যাসোসিয়েশন অ্যান্ড অ্যালায়েন্স ফর সোশ্যাল অ্যাকশন' (কাসা), ২০২১ সালের একটি সচেতনতামূলক ভিডিওতে। [https://theprint.in/india/theyre-taking-our-girls-to-isis-how-church-is-now-driving-love-jihad-narrative-in-kerala/632324/ ‘দে আর টেকিং আওয়ার গার্লস টু আইসিস’: হাউ চার্চ ইজ নাউ ড্রাইভিং ‘লাভ জিহাদ’ ন্যারেটিভ ইন কেরালা] == ই == * মুসলিম জনমিতিক যুদ্ধের অন্যতম বেদনাদায়ক দিক হলো অমুসলিম মেয়েদের দখল করার প্রকাশ্য প্রচেষ্টা যাতে তারা তাদের নিজস্ব জনমিতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে পারে, পাশাপাশি অভিযুক্ত কাফেরদের চরম অপমানিত করতে পারে। বাংলাদেশে এবং ভারতের মুসলিম-প্রধান অঞ্চলগুলোতে এটি প্রায়শই মেয়েদের অপহরণ করা অথবা মুসলিমদের সাথে বিয়ে দেওয়ার জন্য তাদের হুমকি দেওয়ার রূপ নেয়। পশ্চিমের উন্মুক্ত বাজার এবং ভারতের পশ্চিমা ধাঁচের সার্কেলগুলোতে এটি স্বাভাবিক প্রেমের রূপ নেয়। তবে সীমাবদ্ধতা হলো, কোনো মুসলিম মেয়ে যদি অমুসলিম কারো সাথে বন্ধুত্ব করে, তবে সেই সম্পর্ক বন্ধ করার জন্য তার ওপর পারিবারিক চাপ প্রয়োগ করা হয় অথবা ছেলের ওপর শারীরিক হুমকি দেওয়া হয়, কিংবা উভয়ই করা হয়। যেহেতু বিপরীত ক্ষেত্রে (অমুসলিম মেয়ে ও মুসলিম ছেলে) এমনটি ঘটার সম্ভাবনা অনেক কম, তাই এর নিট ফলাফল হলো অমুসলিম মেয়েদের একটি বড় অংশ মুসলিম পরিবারগুলোতে চলে যায়। ** কোয়েনরাড এলস্ট, 'দ্য ডেমোগ্রাফিক সিজ', ১৯৯৮। ক্যাথিঙ্কা ফ্রয়েস্টাড রচিত 'সাউন্ড বাইটিং কন্সপিরেসি: ফ্রম ইন্ডিয়া উইথ “লাভ জিহাদ”', রিলিজিয়নস ২০২১, ১২(১২), ১০৬৪-এ উদ্ধৃত। == জ == * এটি আর কতদূর যাবে? সুপ্রিম কোর্ট বলেছে লাভ জিহাদ নেই। আমি জানি লাভ জিহাদ বাস্তব, আমি বলব ‘লাভ জিহাদ’ আছে। আমি যখন বলছি আমরা কোন দিকে যাচ্ছি, তখন আমাকে ভুল বুঝবেন না। এটি বন্ধ করার একটাই সমাধান আছে। সম্মানিত ভারতকে একটি হিন্দু রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করতে হবে... লাভ জিহাদ বাস্তব এবং মুসলিমরা ২০৩০ সালের মধ্যে ভারতকে একটি ইসলামি রাষ্ট্র বানানোর পরিকল্পনা করছে... প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিমুদ্রাকরণ (ডিমোনেটাইজেশন) পদক্ষেপের কারণে এটি বিলম্বিত হয়েছে। ** [[w:পি. সি. জর্জ|পি. সি. জর্জ]], এপ্রিল ২০২১। [https://tfipost.com/2021/04/due-to-islamic-threat-keralas-minister-who-happens-to-be-a-christian-wants-india-to-be-declared-a-hindu-nation/ ডিউ টু ইসলামিক থ্রেট, কেরালা’স মিনিস্টার হু হ্যাপেনস টু বি এ ক্রিশ্চিয়ান ওয়ান্টস ইন্ডিয়া টু বি ডিক্লেয়ার্ড এ হিন্দু নেশন] নিবন্ধে উদ্ধৃত। * সিরিয়ান ইন্ডিপেন্ডেন্ট অর্থোডক্স চার্চের বিশপ ম্যাথিউ মার গ্রেগোরিওস বিশ্বাস করেন যে ‘লাভ জিহাদ’ একটি বাস্তবতা এবং তরুণদের এই মন্দের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর সময় এসেছে। “আপনারা দেখলে অবাক হবেন প্রতিদিন আমার ফোনে মেয়েদের বাবা-মায়ের কাছ থেকে কত মেসেজ আসে। মালাবার অঞ্চলে খ্রিস্টান মেয়েদের ইসলামে ধর্মান্তরিত করার ঘটনা ব্যাপকভাবে ঘটছে। যেহেতু আমি এখানে একটি গির্জার প্রধান, তাই খোলাখুলিভাবে এ বিষয়ে কথা বলার কিছু সীমাবদ্ধতা আমার আছে,” বিশপ হিন্দুস্তান টাইমস-কে বলেন। তার মতে, ‘লাভ জিহাদ’ একটি ভুল নাম কারণ এটি প্রেমের ছলে ধর্মান্তরের একটি কৌশল মাত্র। তিনি আরও বলেন, “আমি ব্যক্তিগতভাবে যেসব ঘটনায় হস্তক্ষেপ করেছি, তার বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এটি প্রেমের ভান ছিল। একবার বিয়ে হয়ে গেলে অধিকাংশ সময়ই মেয়েটিকে পরিত্যক্ত করা হয়। ধর্মান্তরই একমাত্র লক্ষ্য এবং এটি একটি সম্প্রদায়ের সংখ্যা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে করা হয়। কেউ কেউ এর সাথে আইসিস (আইএস) যোগসূত্র থাকার অভিযোগও তুলেছেন, যা তদন্ত করা প্রয়োজন।” ** বিশপ ম্যাথিউ মার গ্রেগোরিওস, ২০১৭। [https://www.hindustantimes.com/india-news/the-bjp-and-the-church-find-common-ground-on-love-jihad-in-kerala/story-krCpAE2YLaxTLxLZuXAnhJ.html দ্য বিজেপি অ্যান্ড দ্য চার্চ ফাইন্ড কমন গ্রাউন্ড অন ‘লাভ জিহাদ’ ইন কেরালা] == ক == * সিরো-মালাবার চার্চের পালাই ডায়োসিসের বিশপ জোসেফ কাল্লারাঙ্গাট অভিযোগ করেছেন যে যারা দাবি করেন কেরালায় ‘লাভ জিহাদ’ নেই তারা “বাস্তবতার প্রতি অন্ধ।” “এই ধরণের মানুষরা রাজনীতিবিদ, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের ব্যক্তি বা গণমাধ্যম যারাই হোক না কেনো তাদের নিজস্ব স্বার্থ থাকতে পারে। তবে একটি বিষয় স্পষ্ট। আমরা আমাদের তরুণীদের হারাচ্ছি। এটি কেবল প্রেমঘটিত বিয়ের বিষয় নয়। এটি তাদের জীবন ধ্বংস করার একটি যুদ্ধ কৌশল,” তিনি দাবি করেন... “বিশ্বের অন্যান্য প্রান্তের মতো কেরলের মুসলিমদের একটি অংশ আছে যারা সম্প্রদায়ের মধ্যে বিদ্বেষ সৃষ্টি করতে এবং ধর্মীয় ঘৃণা ছড়াতে চায়। জিহাদিরা ইসলাম প্রচারের জন্য বিভিন্ন উপায় ব্যবহার করছে এবং তারা অমুসলিম তরুণীদের লক্ষ্যবস্তু করছে,” তিনি নিমিষা নামক এক হিন্দু মেয়ে এবং সোনিয়া সেবাস্তিয়ান নামক এক খ্রিস্টান মেয়ের উদাহরণ দেন, যারা মুসলিম পুরুষদের প্রেমে পড়ে ইসলাম গ্রহণ করেন এবং শেষ পর্যন্ত সিরিয়ায় কুখ্যাত ইসলামিক স্টেটে যোগ দেন। তিনি আরও ব্যাখ্যা করেন, “আমাদের মতো একটি গণতান্ত্রিক দেশে যেহেতু অন্য ধর্মের মানুষকে ধ্বংস করতে অস্ত্র ব্যবহার করা সহজ নয়, তাই জিহাদিরা এমন উপায় ব্যবহার করছে যা সহজে শনাক্ত করা যায় না। জিহাদিদের দৃষ্টিতে অমুসলিমদের ধ্বংস করতে হবে। যখন উদ্দেশ্য হয় তাদের ধর্মের বিস্তার এবং অমুসলিমদের ধ্বংস করা, তখন তারা বিভিন্ন রূপের উপায় ব্যবহার করে। বর্তমানে এ রকম ব্যাপকভাবে আলোচিত দুটি উপায় হলো লাভ জিহাদ এবং নারকোটিক্স জিহাদ।” ** জোসেফ কাল্লারাঙ্গাট, সিরো-মালাবার চার্চের বিশপ, ২১/১১/২০২২। [https://goachronicle.com/love-jihad-not-a-hindutva-conspiracy-catholic-church-rings-alarm-bells-too/ লাভ জিহাদ: নট এ হিন্দুত্ব কন্সপিরেসি, ক্যাথলিক চার্চ রিংস অ্যালার্ম বেলস টু] * জনমিতিক যুদ্ধ শুরু করা: হিন্দু মেয়েদের প্রলুব্ধ করা ও বিয়ে করা এবং তাদের গর্বিত জিহাদি ট্রফি হিসেবে প্রদর্শন করা অর্থাৎ “প্রেমের” মাধ্যমে জিহাদ; ** কৃষ্ণস্বামী কর্তৃক প্রচারিত একটি পুস্তিকা থেকে (কৃষ্ণস্বামী, পৃষ্ঠা ৪১)। * সংগঠিত ধর্মান্তর এবং ‘লাভ জিহাদ’-এ ফাঁদে ফেলে ভুক্তভোগীদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে ব্যবহার করার ঘটনাগুলো প্রমাণ করে যে খ্রিস্টান সম্প্রদায় ইসলামি চরমপন্থীদের সহজ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে। * এটি গুরুত্বপূর্ণ যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই উদ্বেগজনক প্রবণতাটি লক্ষ্য করবে এবং জাতীয় তদন্ত সংস্থা (এনআইএ) দ্বারা তদন্তের নির্দেশ দেবে এবং উগ্রপন্থীদের এই ধরণের প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড বন্ধে একটি কার্যকর আইন প্রণয়ন করবে। * বাবা-মায়েদের প্রকাশ করা ভয় অমূলক নয়, অতীতে একই ধরণের ঘটনা থেকে তা প্রমাণিত। রিপোর্ট বলছে কেরল থেকে আইসিস-এ যোগ দেওয়া ২১ জনের মধ্যে পাঁচজনই খ্রিস্টধর্ম থেকে ধর্মান্তরিত।" তিনি কেরালা ক্যাথলিক বিশপস কাউন্সিলের কমিশন ফর সোশ্যাল হারমনি অ্যান্ড ভিজিল্যান্সের প্রকাশিত তথ্য উদ্ধৃত করে বলেন, "২০০৫ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত প্রায় ৪,০০০ মেয়ে প্রেমের ফাঁদে পড়ে ধর্মান্তরিত হয়েছে। ভুক্তভোগীরা যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন অথবা কোনো স্বাধীনতা ছাড়াই শোচনীয় অবস্থায় জীবন কাটাতে বাধ্য হয়েছেন।” * কেরলের খ্রিস্টান মেয়েরা ‘লাভ জিহাদ’-এর লক্ষ্যবস্তু। তারা সহজেই ভুক্তভোগী হতে পারে। ধর্মান্তরের ক্রমবর্ধমান প্রবণতা এটিই প্রমাণ করে। ** জর্জ কুরিয়ান, সংখ্যালঘু জাতীয় কমিশনের (এনসিএম) ভাইস চেয়ারম্যান, ২০১৯। [https://www.theweek.in/news/india/2019/09/26/christians-soft-target-for-love-jihad-islamic-radicals-minority-body-vice-chairman.html ক্রিশ্চিয়ানস-সফট-টার্গেট-ফর-লাভ-জিহাদ-ইসলামিক-র‍্যাডিক্যালস-মাইনরিটি-বডি-ভাইস-চেয়ারম্যান: দ্য উইক]। এছাড়া [https://tfipost.com/2020/01/keralas-biggest-church-sounds-the-alarm-against-love-jihad/ ‘ক্রিশ্চিয়ান গার্লস টার্গেটেড, টার্নড ইনটু সেক্স স্লেভস,’ কেরালা’স বিগেস্ট চার্চ সাউন্ডস দ্য অ্যালার্ম এগেইনস্ট লাভ জিহাদ], [https://timesofindia.indiatimes.com/india/christians-soft-target-for-islamic-radicals-ncm-writes-to-shah/articleshow/71268598.cms ক্রিশ্চিয়ানস সফট টার্গেট ফর ইসলামিক র‍্যাডিক্যালস, এনসিএম রাইটস টু শাহ], [https://web.archive.org/web/20201201005142/https://www.sirfnews.com/minorities-commission-acknowledges-love-jihad/ মাইনরিটিস কমিশন অ্যাকনলেজেস লাভ জিহাদ] এবং [https://keralakaumudi.com/en/news/news.php?id=159718&u=they-can-be-easily-victimized-minority-commission-state-that-kerala-girls-are-targeted-by-love-jihad "দে ক্যান বি ইজিলি ভিক্টিমাইজড": মাইনরিটি কমিশন স্টেট দ্যাট কেরালা গার্লস আর টার্গেটেড বাই 'লাভ জিহাদ'] শীর্ষক প্রতিবেদনগুলোতে উদ্ধৃত। == হ == * আমাদের দাবি হলো কোনো মেয়েকেই যেন এই ট্রমার মধ্য দিয়ে যেতে না হয়। আমি অনুভব করছি যে ‘লাভ জিহাদ’ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। ** নিরঞ্জন হিরেমাথ, কংগ্রেস কর্পোরেটর এবং নিহত এমসিএ শিক্ষার্থী নেহা হিরেমাথের বাবা। [https://newsable.asianetnews.com/karnataka-news/hubballi-horror-neha-hiremath-s-father-says-love-jihad-is-spreading-rapidly-urges-govt-action-watch-snt-sc6z04 হুবলি হরর: নেহা হিরেমাথ'স ফাদার সেজ 'লাভ জিহাদ' ইজ স্প্রেডিং র‍্যাপিডলি, আরজেস গভর্মেন্ট অ্যাকশন], ১৯ এপ্রিল ২০২৪। == ম == * কিছু ঘটনা সামনে এসেছে যা গুরুত্বের সাথে দেখা প্রয়োজন, আমাদের অবশ্যই এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। যদি এমন কিছু ঘটে থাকে, তবে আমাদের তা খতিয়ে দেখা উচিত... এ নিয়ে কিছু সমস্যা এবং আশঙ্কা রয়েছে। যা ঘটেছে সে সম্পর্কে সরকারের স্পষ্টভাবে সামনে আসা উচিত এবং যদি এই ধরণের কোনো ঘটনা (লাভ জিহাদ) থেকে থাকে, তবে সেগুলোর সমাধান ও প্রতিকার করা উচিত। ** জোসে কে মানি, ২০২১। [https://theprint.in/politics/love-jihad-cases-should-be-studied-addressed-kerala-congress-m-chief-on-church-view/629731/ ‘লাভ জিহাদ’ কেসেস শুড বি স্টাডিড অ্যান্ড অ্যাড্রেসড: কেরালা কংগ্রেস (এম) চিফ অন চার্চ ভিউ]। এছাড়া [https://tfipost.com/2021/03/e-sreedharans-remarks-on-love-jihad-has-triggered-a-debate-in-kerala-and-even-congress-m-is-speaking-up-about-it/ ই শ্রীধরন’স রিমার্কস অন লাভ জিহাদ হ্যাজ ট্রিগার্ড এ ডিবেট ইন কেরালা অ্যান্ড ইভেন কংগ্রেস (এম) ইজ স্পিকিং আপ অ্যাবাউট ইট] শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত। * এটি একটি সংগঠিত অপরাধ। উপসাগরীয় (গালফ) এবং অন্যান্য দেশ থেকে অর্থ আসছে যাতে মুসলিম পুরুষদের একটি দল হিন্দু নারীদের ফাঁদে ফেলতে পারে, তাদের বিয়ে করতে পারে এবং তারপর সন্ত্রাসবাদসহ বিভিন্ন অপরাধে তাদের ব্যবহার করতে পারে। ** [[w:লাভ জিহাদ|লাভ জিহাদ]] প্রসঙ্গে প্রমোদ মুথালিক, যেমনটা উদ্ধৃত হয়েছে "[http://indianexpress.com/article/cities/mumbai/muthalik-finds-cases-of-love-jihad-in-state-cites-rti-info/ মুথালিক ফাইন্ডস কেসেস অফ ‘লাভ জিহাদ’ ইন স্টেট, সাইটস আরটিআই ইনফো]", ''দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস'' (২০ সেপ্টেম্বর ২০১৪)। == ন == * আমরা দেখেছি কীভাবে সুফি ধর্মগুরু খাজা হাসান নিজামী তার 'দায়ি-এ ইসলাম'-এ হিন্দুদের ইসলামে ধর্মান্তরিত করার উপায় সম্পর্কে মুসলিমদের নির্দেশ দিয়েছিলেন। তার অতি-উৎসাহ হিন্দুদের সতর্ক করে দিয়েছিল। সেই নির্দেশগুলো গোপন থাকেনি, বইটি অনূদিত হয়েছিল এবং হিন্দুরা জানতে পেরেছিল কীভাবে এবং কেন উত্তর ভারতের প্রায় প্রতিটি শহর ও নগরে মুসলিমদের দ্বারা হিন্দু মেয়েদের গোপন অপহরণ এবং প্রলোভন দেখানো প্রতিদিনের ঘটনায় পরিণত হয়েছে। হিন্দুরা ব্যক্তিগতভাবে এবং তাদের সংগঠনের মাধ্যমে সতর্কতা অবলম্বন করতে শুরু করে। তারা হিন্দু মেয়ে, বিধবা এবং এতিমদের উদ্ধার করে এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে এই নোংরা প্রচেষ্টাগুলো রুখতে শুরু করে। ** খাজা হাসান নিজামী, ভি.পি. ভাটিয়া রচিত "দ্য এভার গ্রিন মোল্লা পাওয়ার", অর্গানাইজার, ২৭ অক্টোবর ১৯৯৬-এ উদ্ধৃত; যা বি.আর. আম্বেদকরের 'পাকিস্তান অ্যান্ড পার্টিশন অফ ইন্ডিয়া'; ইন্দ্র প্রকাশের 'দ্য হিস্ট্রি অফ হিন্দু মহাসভা'; এবং শেখ আব্দুল্লাহর 'আতিশ-এ-চিনার'-এর তথ্যসূত্র ব্যবহার করেছে। কে. এস. লাল রচিত 'থিওরি অ্যান্ড প্র্যাকটিস অফ মুসলিম স্টেট ইন ইন্ডিয়া' (১৯৯৯), নয়াদিল্লি: আদিত্য প্রকাশন, অধ্যায় ৬ থেকে উদ্ধৃত। * হিন্দুদের ইসলামে ধর্মান্তরিত করার উপায় বাতলে মুসলিমদের নির্দেশ দেওয়া উর্দু ভাষায় রচিত অনেক প্যামফলেট ও ব্রোশারের মধ্যে কেবল একটি পরীক্ষা করলেই এই ধরণের সাহিত্যে কী থাকে সে সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। এটি হলো খাজা হাসান নিজামীর 'দায়ি-এ ইসলাম' (ইসলামের প্রচার)। হাসান নিজামী ছিলেন দিল্লির নিজামউদ্দিন আউলিয়ার দরগাহর সাথে যুক্ত একজন সুফি ধর্মগুরু। প্যামফলেটটি কাফেরদের ইসলামে ধর্মান্তরিত করার দ্রুততম ও ব্যাপক উপায় শেখায়। খাজা উচ্চবিত্ত থেকে নিম্নবিত্ত সকল পর্যায়ের মুসলিমদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন অমুসলিমদের ইসলামে ধর্মান্তরিত করার মাধ্যমে ইসলামের সেবা করতে। এই মিশনারি প্রচেষ্টায় জমিদার ও নবাব, ডাক্তার ও পতিতা, এক্কা চালক ও চুড়ি বিক্রেতা সবাইকে অবদান রাখার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। মুসলিম আইনজীবী ও ডাক্তারদের বলা হয়েছিল তাদের হিন্দু মক্কেল ও রোগীদের ধর্মান্তরিত করতে প্রভাবিত করতে। নবাব ও জমিদারদের বলা হয়েছিল তাদের অধীনে থাকা হিন্দু প্রজাদের মুসলমান হতে চাপ দিতে। পতিতাদের বলা হয়েছিল তাদের হিন্দু খদ্দের ও অনুরাগীদের মুসলিম হতে প্রভাবিত করতে। চুড়ি বিক্রেতাদের বলা হয়েছিল তরুণী হিন্দু মেয়েদের প্রলুব্ধ করতে এবং এক্কা চালকদের বলা হয়েছিল হিন্দু নারী ও শিশুদের ভুলিয়ে নিয়ে যেতে। এই জাতীয় ব্যবস্থাপত্র আধ্যাত্মিক বা নীতিগত কোনোটিই ছিল না, তবে এটি মুসলিম মানসিকতার সাথে খাপ খেয়েছিল। প্যামফলেটটি মুসলিমদের মধ্যে ব্যাপক বিক্রি হয়েছিল। হায়দ্রাবাদের নিজাম খাজার জন্য একটি ভাতা নির্দিষ্ট করেছিলেন এবং অন্যান্য মুসলিম প্রধান ও জমিদাররাও তা অনুসরণ করেছিলেন। মুসলিম ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ ও আবগারি পরিদর্শক এবং অন্যান্য প্রভাবশালী কর্মকর্তাদের এই সুফি ভক্তের পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করতে দেখা গিয়েছিল। ** খাজা হাসান নিজামী, কে. এস. লাল রচিত 'থিওরি অ্যান্ড প্র্যাকটিস অফ মুসলিম স্টেট ইন ইন্ডিয়া' (১৯৯৯), নয়াদিল্লি: আদিত্য প্রকাশন, অধ্যায় ৬ থেকে উদ্ধৃত। == প == * আমাদের মেয়েরা চরমপন্থীদের দ্বারা ফাঁদে পড়ার ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে। আসুন আমরা সেই সব বাবা-মায়ের দুঃখের জন্য প্রার্থনা করি যারা তাদের সন্তানদের ধর্মীয় চরমপন্থীদের ফাঁদে পড়তে দেখেও অসহায় হয়ে আছেন। নারীদের বিরুদ্ধে ক্রমবর্ধমান সহিংসতার এই যুগে আমাদের উচিত পবিত্র মাতার মতো নারী ও নারীত্বকে শ্রদ্ধা ও সম্মান করা। "প্রত্যেকেরই আর্চডায়োসিস ক্যাটেচিজম সেন্টারের সচেতনতামূলক প্রচারণার সুযোগ নেওয়া উচিত, যা কিশোর-কিশোরী এবং তাদের অভিভাবকদের লক্ষ্য করে পরিচালিত হচ্ছে, যাতে আমাদের সন্তানরা সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর ফাঁদে না পড়ে।" ** আর্চবিশপ মার জোসেফ পামপ্লানি কর্তৃক জারি করা যাজকীয় পত্র। [https://www.onmanorama.com/news/kerala/2022/09/05/tellicherry-archdiocese-circular-love-trap.html এক্সট্রিমিস্টস লিউরিং ক্রিশ্চিয়ান গার্লস ফেইনিং লাভ, ওয়ার্নস টেলিসেরি আর্চডায়োসিস], ৫ সেপ্টেম্বর ২০২২। * “বিশ্বাসীরা যদি এমন পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়, তবে আপনি তাদের দোষ দিতে পারেন না। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে ডায়োসিস কোনো অবস্থান নেয়নি, তবে আমরা উদ্বিগ্ন। তাই এই ধরণের ঘটনা বন্ধ করার জন্য যারা কাজ করছে তাদের সমর্থন করার মধ্যে ভুল কী আছে?” ** ফাদার জিমি পুচাকাত্ত, মুখপাত্র, সিরো মালাবার চার্চ, ২০১৭। [https://www.hindustantimes.com/india-news/the-bjp-and-the-church-find-common-ground-on-love-jihad-in-kerala/story-krCpAE2YLaxTLxLZuXAnhJ.html দ্য বিজেপি অ্যান্ড দ্য চার্চ ফাইন্ড কমন গ্রাউন্ড অন ‘লাভ জিহাদ’ ইন কেরালা] নিবন্ধে উদ্ধৃত। == স == * তথাকথিত অতি-পুরুষালি মুসলিম পুরুষ দেহ এবং অতি-প্রজননক্ষম মুসলিম নারী দেহ নিয়ে একটি অন্ধকার যৌন আচ্ছন্নতা রয়েছে, যা এই প্যারানোইয়া (অহেতুক ভীতি) এবং প্রতিশোধের মূর্তিকে অনুপ্রাণিত ও টিকিয়ে রাখে। ** সরকার, তানিকা। "সেমিওটিকস অফ টেরর: মুসলিম চিলড্রেন অ্যান্ড উইমেন ইন হিন্দু রাষ্ট্র।" ইকোনমিক অ্যান্ড পলিটিক্যাল উইকলি ৩৭, নম্বর ২৮ (২০০২): ২৮৭২-৮৭৬। সংগৃহীত ৯ জুলাই, ২০২১। http://www.jstor.org/stable/4412352। * একজন অধিকতর পুরুষালি মুসলিম পুরুষ দেহের প্রতি এক ধরণের চিরস্থায়ী ভয় কাজ করে যা হিন্দু মেয়েদের ভুলিয়ে নিয়ে যায়; এটি এক ধরণের লিঙ্গ-ঈর্ষা এবং পুরুষত্বহীনতার উদ্বেগ যা কেবল সহিংস কাজের মাধ্যমেই কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। ** সরকার, তানিকা। "সেমিওটিকস অফ টেরর: মুসলিম চিলড্রেন অ্যান্ড উইমেন ইন হিন্দু রাষ্ট্র।" ইকোনমিক অ্যান্ড পলিটিক্যাল উইকলি ৩৭, নম্বর ২৮ (২০০২): ২৮৭২-৮৭৬। সংগৃহীত ৯ জুলাই, ২০২১। http://www.jstor.org/stable/4412352। * লাভ জিহাদ, হ্যাঁ, কেরালায় কী ঘটছে তা আমি দেখছি। কীভাবে হিন্দুরা একটি বিয়ের জালে প্রতারিত হচ্ছে এবং কীভাবে তারা কষ্ট পাচ্ছে... শুধু হিন্দু নয়, মুসলিম ও খ্রিস্টান মেয়েরাও বিয়ের ক্ষেত্রে প্রতারিত হচ্ছে। এখন এই ধরণের জিনিসের আমি অবশ্যই বিরোধিতা করব। ** ই. শ্রীধরন, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২১। [https://www.ndtv.com/video/exclusive/the-news/bjp-not-communal-party-of-nation-lovers-india-s-metro-man-e-sreedharan-576372 এনডিটিভি: বিজেপি নট কমিউনাল, পার্টি অফ নেশন-লাভার্স: "মেট্রো ম্যান" ই শ্রীধরন টু এনডিটিভি] নিবন্ধে উদ্ধৃত। * বামপন্থীরা যখন এই ঘটনাগুলোকে ‘ডানপন্থী কল্পনা’ বলে উড়িয়ে দেয়, তখন আসলে ঘটনাগুলো বাস্তব। মৃতদেহগুলোও বাস্তব এবং হুমকিটি আসন্ন... ‘লাভ জিহাদ’ এর মতো একটি শব্দের সংকীর্ণ সংজ্ঞার কারণেই বামপন্থীরা এখন এটিকে বিকৃত করার চেষ্টা করছে এই বলে যে, লাভ জিহাদ শব্দটি কেবল এই কারণে ব্যবহৃত হয় কারণ ‘চরমপন্থী হিন্দুরা’ আন্তঃধর্মীয় বিবাহের বিরোধী; অথচ বাস্তবতা হলো এই ঘটনাটি পারস্পরিক সম্মতির সম্পর্কের ধারেকাছেও নেই।<br>এই কারণেই অপইন্ডিয়া এখন থেকে তাদের আলোচনা ও প্রতিবেদনে ‘লাভ জিহাদ’ শব্দটি পরিহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। জিহাদে কোনো ‘লাভ’ বা ভালোবাসা নেই এবং এমনকি যদি আমরা সমস্যাযুক্ত বাক্য গঠনসহ শব্দটি গ্রহণ করি, তবুও এটি সেই জিহাদের ভয়াবহতাকে তুলে ধরতে ব্যর্থ হয় যা কট্টরপন্থী মুসলিমদের একাংশ পরিচালনা করছে যারা নির্দিষ্টভাবে অ-মুসলিম নারীদের লক্ষ্যবস্তু করে। আমরা বিশ্বাস করি যে ‘গ্রুমিং জিহাদ’ শব্দটি অনেক বেশি উপযুক্ত কারণ এটি নিজের মধ্যে সেই সমস্ত ধরণের অপরাধকে ধারণ করে যা নারীদের এই জিহাদের কেন্দ্রে রাখে।<br>অ-মুসলিম নারীদের গ্রুমিং করা হচ্ছে যাতে তারা মুসলিম পুরুষদের হাতে নিজেদের পরাধীনতাকে মেনে নেয়। তাদের অপহরণ, ধর্ষণ, প্রলুব্ধ, ইসলামে ধর্মান্তরিত, শাস্তি এবং মগজধোলাই করা হচ্ছে। মানবতার বিরুদ্ধে এই অপরাধগুলোতে কোনো ‘লাভ’ নেই। এটি যে জিহাদের একটি রূপ তা নিয়ে কোনো অস্পষ্টতা নেই। একে তার সঠিক নামে ডাকার সময় এসেছে—গ্রুমিং জিহাদ। ** নুপুর জে শর্মা | ১৮ নভেম্বর, ২০২০। [https://www.opindia.com/2020/11/opindia-to-use-grooming-jihad-instead-of-love-jihad-here-is-why হোয়াই অপইন্ডিয়া হ্যাজ ডিসাইডেড টু ইউজ ‘গ্রুমিং জিহাদ’ ইনস্টেড অফ ‘লাভ জিহাদ’ মুভিং ফরোয়ার্ড]। * কাশ্মীর কোনো পাকিস্তান নয় যেখানে শিখদের জোর করে ধর্মান্তরিত করা যায়, আমরা এটি হতে দেব না। অকাল তখত সাহেবের জাঁতাদার জম্মু ও কাশ্মীরের লেফটেন্যান্ট গভর্নরের কাছে একটি চিঠি লিখেছেন যাতে ‘লাভ জিহাদ’-এর বিরুদ্ধে আইন আনা হয়। ** সরদার আর পি সিং, জুন ২০২১। [https://www.newkerala.com/news/2021/91223.htm শিখ লিডার্স মিট রেড্ডি ওভার কনভারশন অফ শিখ গার্লস ইন কাশ্মীর]। == ত == * এটি অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয় যে খ্রিস্টান মেয়েরাই সবচেয়ে বেশি লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হচ্ছে। সিবিআই, এনআইএ এবং আইবি সকলেই রিপোর্ট করেছে যে রাজ্য ও দেশে এই ধরণের ঘটনা ঘটছে। এটি দুঃখজনক এবং উদ্বেগের বিষয় যে ধর্মীয় সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর দ্বারা সরল মেয়েদের ফাঁদে ফেলার প্রচেষ্টাকে প্রতিহত করার একটি ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও এগুলো দক্ষতার সাথে মোকাবিলা করা হচ্ছে না। ** ফাদার অ্যান্টনি থালাচেলুর। [https://www.theweek.in/news/india/2020/01/15/christian-girls-targeted-and-killed-in-name-of-love-jihad-kerala-syro-malabar-church.html ক্রিশ্চিয়ান-গার্লস-টার্গেটেড-অ্যান্ড-কিলড-ইন-নাম-অফ-লাভ-জিহাদ-কেরালা-সিরো-মালাবার-চার্চ: দ্য উইক]। * ইসলামিক স্টেট তাদের ইহুদি ও খ্রিস্টান নারীদের শিকার করার আন্তর্জাতিক এজেন্ডার অংশ হিসেবে খ্রিস্টান নারীদের প্রলুব্ধ করছে... আগামী কয়েক মাসে আমরা আমাদের ধর্মীয় সংগঠনের মাধ্যমে পরিবার এবং মেয়েদের সচেতন করব যাতে তারা এই ফাঁদে না পড়ার মতো যথেষ্ট শিক্ষিত হয়। ** ফাদার অ্যান্টনি থালাচেলুর, ২০২০। [https://theprint.in/india/syro-malabar-church-says-love-jihad-a-threat-in-kerala-govt-says-it-doesnt-exist/351174/ সিরো-মালাবার চার্চ সেজ ‘লাভ জিহাদ’ এ থ্রেট ইন কেরালা, গভর্মেন্ট সেজ ইট ডাজ নট এক্সিস্ট] নিবন্ধে উদ্ধৃত। * যেন এটিই যথেষ্ট নয়, কারগিলের বৌদ্ধদের ইসলামে ধর্মান্তরিত করার একটি সুপরিকল্পিত এবং সংগঠিত নকশা রয়েছে। গত চার বছরে কেবল ওয়াখা গ্রাম থেকেই প্রায় ৫০ জন মেয়ে এবং সন্তানসহ বিবাহিত নারীকে প্রলুব্ধ করে ধর্মান্তরিত করা হয়েছে। যদি এটি বিনা বাধায় চলতে থাকে, তবে আমাদের ভয় হচ্ছে আগামী দুই দশকের মধ্যে কারগিল থেকে বৌদ্ধরা বিলুপ্ত হয়ে যাবে। এই ধরণের প্রলোভন ও ধর্মান্তরের প্রতিবাদকারী যে কাউকেই হয়রানি করা হয়... তাই লাদাখি জনগণের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক পরিচয় রক্ষা করতে কারগিলের জন্য একটি ধর্মান্তর বিরোধী আইন কার্যকর করতে হবে, যেমনটি বর্তমানে অরুণাচল প্রদেশ এবং মধ্যপ্রদেশের মতো রাজ্যগুলোতে বলবৎ রয়েছে। ** লাদাখ বৌদ্ধ অ্যাসোসিয়েশনের টুন্ডুপ ত্সারিং এবং ত্সাওয়াং নুরবু। কোয়েনরাড এলস্ট রচিত 'ভারতীয় জনতা পার্টি ভিস-আ-ভিস হিন্দু রিসার্জেন্স' এবং 'হু ইজ এ হিন্দু?: হিন্দু রিভাইভালিস্ট ভিউজ অফ অ্যানিমিজম, বুদ্ধিজম, শিখজম, অ্যান্ড আদার অফশুটস অফ হিন্দুইজম' (২০০২)-এ উদ্ধৃত। == ভ == * লাভ জিহাদকে কেবল প্রেমের কোণ থেকে দেখা উচিত নয়, বরং আরও বৃহত্তর পর্যায়ে এর সমাধান করা উচিত। এটি কোনো নির্দিষ্ট সম্প্রদায়কে লক্ষ্যবস্তু করার জন্য নয়। ধর্মনিরপেক্ষ রাজনৈতিক দলগুলোর অন্তত এটি স্বীকার করা উচিত যে এখানে লাভ জিহাদ বিদ্যমান। রাজ্যের একটি ছোট গোষ্ঠী ক্রমাগত কট্টরপন্থী হয়ে উঠছে এবং আন্তর্জাতিক ও বিশ্বব্যাপী ইসলামের সাথে এর যোগসূত্র রয়েছে। এর নাম ভিন্ন হতে পারে, কিন্তু এই গোষ্ঠীগুলোর মানুষ এবং নেতৃত্ব প্রায় একই... এটি একটি বড় সমস্যা যা আমরা বহু বছর ধরে মোকাবিলা করছি, কিন্তু কেরালার ধর্মনিরপেক্ষ রাজনৈতিক দলগুলো এই বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করতে আগ্রহী নয়। এটি তাদের রাজনীতির অংশ। রাজ্যে ঘটে যাওয়া প্রতিটি মৃত্যু ও হত্যাকাণ্ডকে একটি "বিচ্ছিন্ন" ঘটনা হিসেবে পাশ কাটিয়ে যাওয়া হয়। একের পর এক হত্যাকাণ্ড ঘটেছে অথচ রাজ্যের কোনো মূলধারার দল এই বিষয়টি নিয়ে কথা বলেনি। রিপোর্ট এসেছে যে এই হত্যাকাণ্ডে কট্টরপন্থী গোষ্ঠীগুলো জড়িত ছিল এবং সরকারের কাছে সমস্ত বিবরণ রয়েছে... “আজও আমরা চিন্তিত খ্রিস্টান অভিভাবকদের কাছ থেকে তাদের মেয়েদের সাহায্য ও কাউন্সেলিং চেয়ে ফোন কল পেয়েছি। এটি অন্য ধর্মের কাউকে বিয়ে করার বিষয় নয়। এই ঘটনাগুলোতে আমরা বিয়ের পর তাদের সুখে শান্তিতে থাকতে দেখি না। আমরা বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণ করছি। পুলিশ নিজেই অনেক ক্ষেত্রে প্রকাশ করেছে যে বিয়ের পর মেয়েরা নিখোঁজ হয়ে গেছে অথবা তারা ইসলামিক স্টেটে যোগ দিয়েছে এবং তাদের যৌনদাসী হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। তার মানে এটি ভালোবাসা ছিল না। ভালোবাসাকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে।" ** ফাদার ভার্গিস ভাল্লিক্কাত। [https://www.newindianexpress.com/cities/kochi/2020/jan/20/politics-in-state-silent-on-love-jihad-but-we-cant-be-bishops-council-2091749.html পলিটিক্স ইন স্টেট সাইলেন্ট অন লাভ জিহাদ, বাট উই কান্ট বি: বিশপস কাউন্সিল] নিবন্ধে উদ্ধৃত। == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:ষড়যন্ত্র তত্ত্ব]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতে ইসলাম]] [[বিষয়শ্রেণী:হিন্দু জাতীয়তাবাদ]] cflpmkrpc0gaopi96dgumpib1ve9vel 79909 79904 2026-04-23T06:36:37Z Tuhin 172 79909 wikitext text/x-wiki '''[[w:লাভ জিহাদ|লাভ জিহাদ]]''' (যা '''রোমিও জিহাদ''' নামেও পরিচিত) হলো একটি ইসলামভীতিমূলক [[ষড়যন্ত্র তত্ত্ব]] যা [[হিন্দুত্ব|হিন্দুত্ববাদী]] আদর্শের সমর্থকদের দ্বারা উদ্ভাবিত। এই ষড়যন্ত্র তত্ত্বটি দাবি করে যে, মুসলিম পুরুষরা প্রলোভন, প্রেমের অভিনয়, প্রতারণা, অপহরণ এবং বিবাহের মতো উপায়ে হিন্দু নারীদের [[w:ইসলামে ধর্মান্তর|ইসলামে ধর্মান্তরিত করার]] লক্ষ্য নির্ধারণ করে। এটি ভারতের বিরুদ্ধে মুসলিমদের একটি বৃহত্তর "যুদ্ধ" এবং জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে আধিপত্য বিস্তারের একটি সংগঠিত আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে দাবি করা হয়। __NOTOC__ {{TOCalpha}} == অ == * ‘লাভ জিহাদ’ প্রচারণাটি অত্যন্ত সযত্নে অতৃপ্ত কামুক মুসলিম পুরুষের কাল্পনিক ধারণাটিকে টিকিয়ে রাখে। এর বিপরীতে হিন্দু নারীদের অসহায় হিসেবে চিত্রিত করা হয় যারা সহজেই প্রলোভনের শিকার হয়। এই বিষাক্ত প্রচারণা তরুণ দম্পতিদের জীবনে বিপর্যয় ডেকে আনছে, যেখানে নারীদের তাদের জীবনসঙ্গী নির্বাচনের অধিকার অস্বীকার করা হচ্ছে। এই সাম্প্রদায়িক কলুষিত পরিবেশে – যেখানে প্রতিটি ভিন্নধর্মী বিবাহকে একটি রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখা হয় এবং হিন্দু মেয়েদের মুসলিম ছেলেদের সংস্পর্শ থেকে ‘পবিত্র’ রাখার জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানো হয় – সেখানে এই ধরণের পরিবেশ তৈরিতে ইন্ধন জোগানো রাজনৈতিক দলটি কি [[w:অভিন্ন দেওয়ানি বিধি|অভিন্ন দেওয়ানি বিধি]] (ইউসিসি) কার্যকর করার প্রচারণার নেতৃত্ব দিতে পারে? ** [[ফ্লাভিয়া অ্যাগনেস]], [https://thewire.in/law/bjp-uniform-civil-code "দ্য মোদি গভর্নমেন্ট'স হিন্দুত্ব আইডিওলজি কুড স্টল অ্যানি প্রগ্রেস অন দ্য ইউনিফর্ম সিভিল কোড"], ''দ্য ওয়্যার'', ৭ জুলাই ২০১৬। * হিন্দুত্ববাদী তাত্ত্বিকদের মতে মুসলিমদের একটি প্রধান পরিকল্পনা হলো “হিন্দু মেয়েদের বিয়ের জন্য প্রলুব্ধ করা, আকর্ষণ করা এবং অপহরণ করা” (পালিওয়াল ২০০৩: ২৪)। ** ''হিন্দু ন্যাশনালিজম ইন ইন্ডিয়া অ্যান্ড দ্য পলিটিক্স অফ ফিয়ার'', ডি. আনন্দ, পৃষ্ঠা ৩০। * দেশজুড়ে হিন্দুত্ববাদী বুদ্ধিজীবী, নেতা এবং কর্মীদের মধ্যে একটি সাধারণ বয়ান ছিল যে, “নিষ্পাপ” হিন্দু মেয়েদের প্রলুব্ধ করার জন্য এটি একটি সচেতন মুসলিম চক্রান্ত। ** ''হিন্দু ন্যাশনালিজম ইন ইন্ডিয়া অ্যান্ড দ্য পলিটিক্স অফ ফিয়ার'', ডি. আনন্দ, পৃষ্ঠা ৫১। * তাদের পরিকল্পনা হলো আগামী ২০ বছরের মধ্যে কেরলকে একটি মুসলিম রাজ্যে পরিণত করা। সেজন্য তারা তরুণদের প্রলুব্ধ করছে, তাদের অর্থ দিচ্ছে এবং মুসলিম জনসংখ্যা বৃদ্ধির জন্য হিন্দু মেয়েদের বিয়ে করতে জোর দিচ্ছে। এভাবেই তারা তাদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা বৃদ্ধি করছে এবং এই কৌশলগুলো কাজে দিচ্ছে। ** কেরলের মার্ক্সবাদী প্রবীণ এবং সিপিএম-এর শক্তিশালী নেতা ভিএস অচ্যুতানন্দন। [https://www.firstpost.com/opinion/the-kerala-story-is-not-hindutva-fiction-world-is-waking-up-to-love-jihad-and-grooming-12555032.html/amp দ্য কেরালা স্টোরি ইজ নট হিন্দুত্ব ফিকশন, ওয়ার্ল্ড ইজ ওয়াকিং আপ টু লাভ জিহাদ অ্যান্ড গ্রুমিং] নিবন্ধে উদ্ধৃত। == স == * বামপন্থী (সিপিএম নেতৃত্বাধীন বাম গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট) এবং ডানপন্থী (কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউনাইটেড ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট) লাভ জিহাদ নামক সন্ত্রাসবাদকে পরোক্ষ ও প্রত্যক্ষভাবে সমর্থন দিয়ে জিহাদিদের তোষণ করার প্রতিযোগিতায় নেমেছে। আমাদের উচিত হবে না তাদের (এলডিএফ এবং ইউডিএফ) ছায়ায় জিহাদিদের বেড়ে উঠতে দেওয়া। সেজন্য আমাদের সেই গাছগুলো কেটে ফেলতে হবে যা তাদের আশ্রয় দেয়। চিন্তা করুন, কাজ করুন। ** কেরালা ভিত্তিক খ্রিস্টান সংস্থা 'ক্রিশ্চিয়ান অ্যাসোসিয়েশন অ্যান্ড অ্যালায়েন্স ফর সোশ্যাল অ্যাকশন' (কাসা), ২০২১ সালের একটি সচেতনতামূলক ভিডিওতে। [https://theprint.in/india/theyre-taking-our-girls-to-isis-how-church-is-now-driving-love-jihad-narrative-in-kerala/632324/ ‘দে আর টেকিং আওয়ার গার্লস টু আইসিস’: হাউ চার্চ ইজ নাউ ড্রাইভিং ‘লাভ জিহাদ’ ন্যারেটিভ ইন কেরালা] == ই == * মুসলিম জনমিতিক যুদ্ধের অন্যতম বেদনাদায়ক দিক হলো অমুসলিম মেয়েদের দখল করার প্রকাশ্য প্রচেষ্টা যাতে তারা তাদের নিজস্ব জনমিতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে পারে, পাশাপাশি অভিযুক্ত কাফেরদের চরম অপমানিত করতে পারে। বাংলাদেশে এবং ভারতের মুসলিম-প্রধান অঞ্চলগুলোতে এটি প্রায়শই মেয়েদের অপহরণ করা অথবা মুসলিমদের সাথে বিয়ে দেওয়ার জন্য তাদের হুমকি দেওয়ার রূপ নেয়। পশ্চিমের উন্মুক্ত বাজার এবং ভারতের পশ্চিমা ধাঁচের সার্কেলগুলোতে এটি স্বাভাবিক প্রেমের রূপ নেয়। তবে সীমাবদ্ধতা হলো, কোনো মুসলিম মেয়ে যদি অমুসলিম কারো সাথে বন্ধুত্ব করে, তবে সেই সম্পর্ক বন্ধ করার জন্য তার ওপর পারিবারিক চাপ প্রয়োগ করা হয় অথবা ছেলের ওপর শারীরিক হুমকি দেওয়া হয়, কিংবা উভয়ই করা হয়। যেহেতু বিপরীত ক্ষেত্রে (অমুসলিম মেয়ে ও মুসলিম ছেলে) এমনটি ঘটার সম্ভাবনা অনেক কম, তাই এর নিট ফলাফল হলো অমুসলিম মেয়েদের একটি বড় অংশ মুসলিম পরিবারগুলোতে চলে যায়। ** কোয়েনরাড এলস্ট, 'দ্য ডেমোগ্রাফিক সিজ', ১৯৯৮। ক্যাথিঙ্কা ফ্রয়েস্টাড রচিত 'সাউন্ড বাইটিং কন্সপিরেসি: ফ্রম ইন্ডিয়া উইথ “লাভ জিহাদ”', রিলিজিয়নস ২০২১, ১২(১২), ১০৬৪-এ উদ্ধৃত। == জ == * এটি আর কতদূর যাবে? সুপ্রিম কোর্ট বলেছে লাভ জিহাদ নেই। আমি জানি লাভ জিহাদ বাস্তব, আমি বলব ‘লাভ জিহাদ’ আছে। আমি যখন বলছি আমরা কোন দিকে যাচ্ছি, তখন আমাকে ভুল বুঝবেন না। এটি বন্ধ করার একটাই সমাধান আছে। সম্মানিত ভারতকে একটি হিন্দু রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করতে হবে... লাভ জিহাদ বাস্তব এবং মুসলিমরা ২০৩০ সালের মধ্যে ভারতকে একটি ইসলামি রাষ্ট্র বানানোর পরিকল্পনা করছে... প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিমুদ্রাকরণ (ডিমোনেটাইজেশন) পদক্ষেপের কারণে এটি বিলম্বিত হয়েছে। ** [[w:পি. সি. জর্জ|পি. সি. জর্জ]], এপ্রিল ২০২১। [https://tfipost.com/2021/04/due-to-islamic-threat-keralas-minister-who-happens-to-be-a-christian-wants-india-to-be-declared-a-hindu-nation/ ডিউ টু ইসলামিক থ্রেট, কেরালা’স মিনিস্টার হু হ্যাপেনস টু বি এ ক্রিশ্চিয়ান ওয়ান্টস ইন্ডিয়া টু বি ডিক্লেয়ার্ড এ হিন্দু নেশন] নিবন্ধে উদ্ধৃত। * সিরিয়ান ইন্ডিপেন্ডেন্ট অর্থোডক্স চার্চের বিশপ ম্যাথিউ মার গ্রেগোরিওস বিশ্বাস করেন যে ‘লাভ জিহাদ’ একটি বাস্তবতা এবং তরুণদের এই মন্দের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর সময় এসেছে। “আপনারা দেখলে অবাক হবেন প্রতিদিন আমার ফোনে মেয়েদের বাবা-মায়ের কাছ থেকে কত মেসেজ আসে। মালাবার অঞ্চলে খ্রিস্টান মেয়েদের ইসলামে ধর্মান্তরিত করার ঘটনা ব্যাপকভাবে ঘটছে। যেহেতু আমি এখানে একটি গির্জার প্রধান, তাই খোলাখুলিভাবে এ বিষয়ে কথা বলার কিছু সীমাবদ্ধতা আমার আছে,” বিশপ হিন্দুস্তান টাইমস-কে বলেন। তার মতে, ‘লাভ জিহাদ’ একটি ভুল নাম কারণ এটি প্রেমের ছলে ধর্মান্তরের একটি কৌশল মাত্র। তিনি আরও বলেন, “আমি ব্যক্তিগতভাবে যেসব ঘটনায় হস্তক্ষেপ করেছি, তার বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এটি প্রেমের ভান ছিল। একবার বিয়ে হয়ে গেলে অধিকাংশ সময়ই মেয়েটিকে পরিত্যক্ত করা হয়। ধর্মান্তরই একমাত্র লক্ষ্য এবং এটি একটি সম্প্রদায়ের সংখ্যা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে করা হয়। কেউ কেউ এর সাথে আইসিস (আইএস) যোগসূত্র থাকার অভিযোগও তুলেছেন, যা তদন্ত করা প্রয়োজন।” ** বিশপ ম্যাথিউ মার গ্রেগোরিওস, ২০১৭। [https://www.hindustantimes.com/india-news/the-bjp-and-the-church-find-common-ground-on-love-jihad-in-kerala/story-krCpAE2YLaxTLxLZuXAnhJ.html দ্য বিজেপি অ্যান্ড দ্য চার্চ ফাইন্ড কমন গ্রাউন্ড অন ‘লাভ জিহাদ’ ইন কেরালা] == ক == * সিরো-মালাবার চার্চের পালাই ডায়োসিসের বিশপ জোসেফ কাল্লারাঙ্গাট অভিযোগ করেছেন যে যারা দাবি করেন কেরালায় ‘লাভ জিহাদ’ নেই তারা “বাস্তবতার প্রতি অন্ধ।” “এই ধরণের মানুষরা রাজনীতিবিদ, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের ব্যক্তি বা গণমাধ্যম যারাই হোক না কেনো তাদের নিজস্ব স্বার্থ থাকতে পারে। তবে একটি বিষয় স্পষ্ট। আমরা আমাদের তরুণীদের হারাচ্ছি। এটি কেবল প্রেমঘটিত বিয়ের বিষয় নয়। এটি তাদের জীবন ধ্বংস করার একটি যুদ্ধ কৌশল,” তিনি দাবি করেন... “বিশ্বের অন্যান্য প্রান্তের মতো কেরলের মুসলিমদের একটি অংশ আছে যারা সম্প্রদায়ের মধ্যে বিদ্বেষ সৃষ্টি করতে এবং ধর্মীয় ঘৃণা ছড়াতে চায়। জিহাদিরা ইসলাম প্রচারের জন্য বিভিন্ন উপায় ব্যবহার করছে এবং তারা অমুসলিম তরুণীদের লক্ষ্যবস্তু করছে,” তিনি নিমিষা নামক এক হিন্দু মেয়ে এবং সোনিয়া সেবাস্তিয়ান নামক এক খ্রিস্টান মেয়ের উদাহরণ দেন, যারা মুসলিম পুরুষদের প্রেমে পড়ে ইসলাম গ্রহণ করেন এবং শেষ পর্যন্ত সিরিয়ায় কুখ্যাত ইসলামিক স্টেটে যোগ দেন। তিনি আরও ব্যাখ্যা করেন, “আমাদের মতো একটি গণতান্ত্রিক দেশে যেহেতু অন্য ধর্মের মানুষকে ধ্বংস করতে অস্ত্র ব্যবহার করা সহজ নয়, তাই জিহাদিরা এমন উপায় ব্যবহার করছে যা সহজে শনাক্ত করা যায় না। জিহাদিদের দৃষ্টিতে অমুসলিমদের ধ্বংস করতে হবে। যখন উদ্দেশ্য হয় তাদের ধর্মের বিস্তার এবং অমুসলিমদের ধ্বংস করা, তখন তারা বিভিন্ন রূপের উপায় ব্যবহার করে। বর্তমানে এ রকম ব্যাপকভাবে আলোচিত দুটি উপায় হলো লাভ জিহাদ এবং নারকোটিক্স জিহাদ।” ** জোসেফ কাল্লারাঙ্গাট, সিরো-মালাবার চার্চের বিশপ, ২১/১১/২০২২। [https://goachronicle.com/love-jihad-not-a-hindutva-conspiracy-catholic-church-rings-alarm-bells-too/ লাভ জিহাদ: নট এ হিন্দুত্ব কন্সপিরেসি, ক্যাথলিক চার্চ রিংস অ্যালার্ম বেলস টু] * জনমিতিক যুদ্ধ শুরু করা: হিন্দু মেয়েদের প্রলুব্ধ করা ও বিয়ে করা এবং তাদের গর্বিত জিহাদি ট্রফি হিসেবে প্রদর্শন করা অর্থাৎ “প্রেমের” মাধ্যমে জিহাদ; ** কৃষ্ণস্বামী কর্তৃক প্রচারিত একটি পুস্তিকা থেকে (কৃষ্ণস্বামী, পৃষ্ঠা ৪১)। * সংগঠিত ধর্মান্তর এবং ‘লাভ জিহাদ’-এ ফাঁদে ফেলে ভুক্তভোগীদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে ব্যবহার করার ঘটনাগুলো প্রমাণ করে যে খ্রিস্টান সম্প্রদায় ইসলামি চরমপন্থীদের সহজ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে। * এটি গুরুত্বপূর্ণ যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই উদ্বেগজনক প্রবণতাটি লক্ষ্য করবে এবং জাতীয় তদন্ত সংস্থা (এনআইএ) দ্বারা তদন্তের নির্দেশ দেবে এবং উগ্রপন্থীদের এই ধরণের প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড বন্ধে একটি কার্যকর আইন প্রণয়ন করবে। * বাবা-মায়েদের প্রকাশ করা ভয় অমূলক নয়, অতীতে একই ধরণের ঘটনা থেকে তা প্রমাণিত। রিপোর্ট বলছে কেরল থেকে আইসিস-এ যোগ দেওয়া ২১ জনের মধ্যে পাঁচজনই খ্রিস্টধর্ম থেকে ধর্মান্তরিত।" তিনি কেরালা ক্যাথলিক বিশপস কাউন্সিলের কমিশন ফর সোশ্যাল হারমনি অ্যান্ড ভিজিল্যান্সের প্রকাশিত তথ্য উদ্ধৃত করে বলেন, "২০০৫ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত প্রায় ৪,০০০ মেয়ে প্রেমের ফাঁদে পড়ে ধর্মান্তরিত হয়েছে। ভুক্তভোগীরা যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন অথবা কোনো স্বাধীনতা ছাড়াই শোচনীয় অবস্থায় জীবন কাটাতে বাধ্য হয়েছেন।” * কেরলের খ্রিস্টান মেয়েরা ‘লাভ জিহাদ’-এর লক্ষ্যবস্তু। তারা সহজেই ভুক্তভোগী হতে পারে। ধর্মান্তরের ক্রমবর্ধমান প্রবণতা এটিই প্রমাণ করে। ** জর্জ কুরিয়ান, সংখ্যালঘু জাতীয় কমিশনের (এনসিএম) ভাইস চেয়ারম্যান, ২০১৯। [https://www.theweek.in/news/india/2019/09/26/christians-soft-target-for-love-jihad-islamic-radicals-minority-body-vice-chairman.html ক্রিশ্চিয়ানস-সফট-টার্গেট-ফর-লাভ-জিহাদ-ইসলামিক-র‍্যাডিক্যালস-মাইনরিটি-বডি-ভাইস-চেয়ারম্যান: দ্য উইক]। এছাড়া [https://tfipost.com/2020/01/keralas-biggest-church-sounds-the-alarm-against-love-jihad/ ‘ক্রিশ্চিয়ান গার্লস টার্গেটেড, টার্নড ইনটু সেক্স স্লেভস,’ কেরালা’স বিগেস্ট চার্চ সাউন্ডস দ্য অ্যালার্ম এগেইনস্ট লাভ জিহাদ], [https://timesofindia.indiatimes.com/india/christians-soft-target-for-islamic-radicals-ncm-writes-to-shah/articleshow/71268598.cms ক্রিশ্চিয়ানস সফট টার্গেট ফর ইসলামিক র‍্যাডিক্যালস, এনসিএম রাইটস টু শাহ], [https://web.archive.org/web/20201201005142/https://www.sirfnews.com/minorities-commission-acknowledges-love-jihad/ মাইনরিটিস কমিশন অ্যাকনলেজেস লাভ জিহাদ] এবং [https://keralakaumudi.com/en/news/news.php?id=159718&u=they-can-be-easily-victimized-minority-commission-state-that-kerala-girls-are-targeted-by-love-jihad "দে ক্যান বি ইজিলি ভিক্টিমাইজড": মাইনরিটি কমিশন স্টেট দ্যাট কেরালা গার্লস আর টার্গেটেড বাই 'লাভ জিহাদ'] শীর্ষক প্রতিবেদনগুলোতে উদ্ধৃত। == হ == * আমাদের দাবি হলো কোনো মেয়েকেই যেন এই ট্রমার মধ্য দিয়ে যেতে না হয়। আমি অনুভব করছি যে ‘লাভ জিহাদ’ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। ** নিরঞ্জন হিরেমাথ, কংগ্রেস কর্পোরেটর এবং নিহত এমসিএ শিক্ষার্থী নেহা হিরেমাথের বাবা। [https://newsable.asianetnews.com/karnataka-news/hubballi-horror-neha-hiremath-s-father-says-love-jihad-is-spreading-rapidly-urges-govt-action-watch-snt-sc6z04 হুবলি হরর: নেহা হিরেমাথ'স ফাদার সেজ 'লাভ জিহাদ' ইজ স্প্রেডিং র‍্যাপিডলি, আরজেস গভর্মেন্ট অ্যাকশন], ১৯ এপ্রিল ২০২৪। == ম == * কিছু ঘটনা সামনে এসেছে যা গুরুত্বের সাথে দেখা প্রয়োজন, আমাদের অবশ্যই এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। যদি এমন কিছু ঘটে থাকে, তবে আমাদের তা খতিয়ে দেখা উচিত... এ নিয়ে কিছু সমস্যা এবং আশঙ্কা রয়েছে। যা ঘটেছে সে সম্পর্কে সরকারের স্পষ্টভাবে সামনে আসা উচিত এবং যদি এই ধরণের কোনো ঘটনা (লাভ জিহাদ) থেকে থাকে, তবে সেগুলোর সমাধান ও প্রতিকার করা উচিত। ** জোসে কে মানি, ২০২১। [https://theprint.in/politics/love-jihad-cases-should-be-studied-addressed-kerala-congress-m-chief-on-church-view/629731/ ‘লাভ জিহাদ’ কেসেস শুড বি স্টাডিড অ্যান্ড অ্যাড্রেসড: কেরালা কংগ্রেস (এম) চিফ অন চার্চ ভিউ]। এছাড়া [https://tfipost.com/2021/03/e-sreedharans-remarks-on-love-jihad-has-triggered-a-debate-in-kerala-and-even-congress-m-is-speaking-up-about-it/ ই শ্রীধরন’স রিমার্কস অন লাভ জিহাদ হ্যাজ ট্রিগার্ড এ ডিবেট ইন কেরালা অ্যান্ড ইভেন কংগ্রেস (এম) ইজ স্পিকিং আপ অ্যাবাউট ইট] শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত। * এটি একটি সংগঠিত অপরাধ। উপসাগরীয় (গালফ) এবং অন্যান্য দেশ থেকে অর্থ আসছে যাতে মুসলিম পুরুষদের একটি দল হিন্দু নারীদের ফাঁদে ফেলতে পারে, তাদের বিয়ে করতে পারে এবং তারপর সন্ত্রাসবাদসহ বিভিন্ন অপরাধে তাদের ব্যবহার করতে পারে। ** [[w:লাভ জিহাদ|লাভ জিহাদ]] প্রসঙ্গে প্রমোদ মুথালিক, যেমনটা উদ্ধৃত হয়েছে "[http://indianexpress.com/article/cities/mumbai/muthalik-finds-cases-of-love-jihad-in-state-cites-rti-info/ মুথালিক ফাইন্ডস কেসেস অফ ‘লাভ জিহাদ’ ইন স্টেট, সাইটস আরটিআই ইনফো]", ''দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস'' (২০ সেপ্টেম্বর ২০১৪)। == ন == * আমরা দেখেছি কীভাবে সুফি ধর্মগুরু খাজা হাসান নিজামী তার 'দায়ি-এ ইসলাম'-এ হিন্দুদের ইসলামে ধর্মান্তরিত করার উপায় সম্পর্কে মুসলিমদের নির্দেশ দিয়েছিলেন। তার অতি-উৎসাহ হিন্দুদের সতর্ক করে দিয়েছিল। সেই নির্দেশগুলো গোপন থাকেনি, বইটি অনূদিত হয়েছিল এবং হিন্দুরা জানতে পেরেছিল কীভাবে এবং কেন উত্তর ভারতের প্রায় প্রতিটি শহর ও নগরে মুসলিমদের দ্বারা হিন্দু মেয়েদের গোপন অপহরণ এবং প্রলোভন দেখানো প্রতিদিনের ঘটনায় পরিণত হয়েছে। হিন্দুরা ব্যক্তিগতভাবে এবং তাদের সংগঠনের মাধ্যমে সতর্কতা অবলম্বন করতে শুরু করে। তারা হিন্দু মেয়ে, বিধবা এবং এতিমদের উদ্ধার করে এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে এই নোংরা প্রচেষ্টাগুলো রুখতে শুরু করে। ** খাজা হাসান নিজামী, ভি.পি. ভাটিয়া রচিত "দ্য এভার গ্রিন মোল্লা পাওয়ার", অর্গানাইজার, ২৭ অক্টোবর ১৯৯৬-এ উদ্ধৃত; যা বি.আর. আম্বেদকরের 'পাকিস্তান অ্যান্ড পার্টিশন অফ ইন্ডিয়া'; ইন্দ্র প্রকাশের 'দ্য হিস্ট্রি অফ হিন্দু মহাসভা'; এবং শেখ আব্দুল্লাহর 'আতিশ-এ-চিনার'-এর তথ্যসূত্র ব্যবহার করেছে। কে. এস. লাল রচিত 'থিওরি অ্যান্ড প্র্যাকটিস অফ মুসলিম স্টেট ইন ইন্ডিয়া' (১৯৯৯), নয়াদিল্লি: আদিত্য প্রকাশন, অধ্যায় ৬ থেকে উদ্ধৃত। * হিন্দুদের ইসলামে ধর্মান্তরিত করার উপায় বাতলে মুসলিমদের নির্দেশ দেওয়া উর্দু ভাষায় রচিত অনেক প্যামফলেট ও ব্রোশারের মধ্যে কেবল একটি পরীক্ষা করলেই এই ধরণের সাহিত্যে কী থাকে সে সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। এটি হলো খাজা হাসান নিজামীর 'দায়ি-এ ইসলাম' (ইসলামের প্রচার)। হাসান নিজামী ছিলেন দিল্লির নিজামউদ্দিন আউলিয়ার দরগাহর সাথে যুক্ত একজন সুফি ধর্মগুরু। প্যামফলেটটি কাফেরদের ইসলামে ধর্মান্তরিত করার দ্রুততম ও ব্যাপক উপায় শেখায়। খাজা উচ্চবিত্ত থেকে নিম্নবিত্ত সকল পর্যায়ের মুসলিমদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন অমুসলিমদের ইসলামে ধর্মান্তরিত করার মাধ্যমে ইসলামের সেবা করতে। এই মিশনারি প্রচেষ্টায় জমিদার ও নবাব, ডাক্তার ও পতিতা, এক্কা চালক ও চুড়ি বিক্রেতা সবাইকে অবদান রাখার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। মুসলিম আইনজীবী ও ডাক্তারদের বলা হয়েছিল তাদের হিন্দু মক্কেল ও রোগীদের ধর্মান্তরিত করতে প্রভাবিত করতে। নবাব ও জমিদারদের বলা হয়েছিল তাদের অধীনে থাকা হিন্দু প্রজাদের মুসলমান হতে চাপ দিতে। পতিতাদের বলা হয়েছিল তাদের হিন্দু খদ্দের ও অনুরাগীদের মুসলিম হতে প্রভাবিত করতে। চুড়ি বিক্রেতাদের বলা হয়েছিল তরুণী হিন্দু মেয়েদের প্রলুব্ধ করতে এবং এক্কা চালকদের বলা হয়েছিল হিন্দু নারী ও শিশুদের ভুলিয়ে নিয়ে যেতে। এই জাতীয় ব্যবস্থাপত্র আধ্যাত্মিক বা নীতিগত কোনোটিই ছিল না, তবে এটি মুসলিম মানসিকতার সাথে খাপ খেয়েছিল। প্যামফলেটটি মুসলিমদের মধ্যে ব্যাপক বিক্রি হয়েছিল। হায়দ্রাবাদের নিজাম খাজার জন্য একটি ভাতা নির্দিষ্ট করেছিলেন এবং অন্যান্য মুসলিম প্রধান ও জমিদাররাও তা অনুসরণ করেছিলেন। মুসলিম ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ ও আবগারি পরিদর্শক এবং অন্যান্য প্রভাবশালী কর্মকর্তাদের এই সুফি ভক্তের পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করতে দেখা গিয়েছিল। ** খাজা হাসান নিজামী, কে. এস. লাল রচিত 'থিওরি অ্যান্ড প্র্যাকটিস অফ মুসলিম স্টেট ইন ইন্ডিয়া' (১৯৯৯), নয়াদিল্লি: আদিত্য প্রকাশন, অধ্যায় ৬ থেকে উদ্ধৃত। == প == * আমাদের মেয়েরা চরমপন্থীদের দ্বারা ফাঁদে পড়ার ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে। আসুন আমরা সেই সব বাবা-মায়ের দুঃখের জন্য প্রার্থনা করি যারা তাদের সন্তানদের ধর্মীয় চরমপন্থীদের ফাঁদে পড়তে দেখেও অসহায় হয়ে আছেন। নারীদের বিরুদ্ধে ক্রমবর্ধমান সহিংসতার এই যুগে আমাদের উচিত পবিত্র মাতার মতো নারী ও নারীত্বকে শ্রদ্ধা ও সম্মান করা। "প্রত্যেকেরই আর্চডায়োসিস ক্যাটেচিজম সেন্টারের সচেতনতামূলক প্রচারণার সুযোগ নেওয়া উচিত, যা কিশোর-কিশোরী এবং তাদের অভিভাবকদের লক্ষ্য করে পরিচালিত হচ্ছে, যাতে আমাদের সন্তানরা সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর ফাঁদে না পড়ে।" ** আর্চবিশপ মার জোসেফ পামপ্লানি কর্তৃক জারি করা যাজকীয় পত্র। [https://www.onmanorama.com/news/kerala/2022/09/05/tellicherry-archdiocese-circular-love-trap.html এক্সট্রিমিস্টস লিউরিং ক্রিশ্চিয়ান গার্লস ফেইনিং লাভ, ওয়ার্নস টেলিসেরি আর্চডায়োসিস], ৫ সেপ্টেম্বর ২০২২। * “বিশ্বাসীরা যদি এমন পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়, তবে আপনি তাদের দোষ দিতে পারেন না। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে ডায়োসিস কোনো অবস্থান নেয়নি, তবে আমরা উদ্বিগ্ন। তাই এই ধরণের ঘটনা বন্ধ করার জন্য যারা কাজ করছে তাদের সমর্থন করার মধ্যে ভুল কী আছে?” ** ফাদার জিমি পুচাকাত্ত, মুখপাত্র, সিরো মালাবার চার্চ, ২০১৭। [https://www.hindustantimes.com/india-news/the-bjp-and-the-church-find-common-ground-on-love-jihad-in-kerala/story-krCpAE2YLaxTLxLZuXAnhJ.html দ্য বিজেপি অ্যান্ড দ্য চার্চ ফাইন্ড কমন গ্রাউন্ড অন ‘লাভ জিহাদ’ ইন কেরালা] নিবন্ধে উদ্ধৃত। == স == * তথাকথিত অতি-পুরুষালি মুসলিম পুরুষ দেহ এবং অতি-প্রজননক্ষম মুসলিম নারী দেহ নিয়ে একটি অন্ধকার যৌন আচ্ছন্নতা রয়েছে, যা এই প্যারানোইয়া (অহেতুক ভীতি) এবং প্রতিশোধের মূর্তিকে অনুপ্রাণিত ও টিকিয়ে রাখে। ** সরকার, তানিকা। "সেমিওটিকস অফ টেরর: মুসলিম চিলড্রেন অ্যান্ড উইমেন ইন হিন্দু রাষ্ট্র।" ইকোনমিক অ্যান্ড পলিটিক্যাল উইকলি ৩৭, নম্বর ২৮ (২০০২): ২৮৭২-৮৭৬। সংগৃহীত ৯ জুলাই, ২০২১। http://www.jstor.org/stable/4412352। * একজন অধিকতর পুরুষালি মুসলিম পুরুষ দেহের প্রতি এক ধরণের চিরস্থায়ী ভয় কাজ করে যা হিন্দু মেয়েদের ভুলিয়ে নিয়ে যায়। এটি এক ধরণের লিঙ্গ-ঈর্ষা এবং পুরুষত্বহীনতার উদ্বেগ যা কেবল সহিংস কাজের মাধ্যমেই কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। ** সরকার, তানিকা। "সেমিওটিকস অফ টেরর: মুসলিম চিলড্রেন অ্যান্ড উইমেন ইন হিন্দু রাষ্ট্র।" ইকোনমিক অ্যান্ড পলিটিক্যাল উইকলি ৩৭, নম্বর ২৮ (২০০২): ২৮৭২-৮৭৬। সংগৃহীত ৯ জুলাই, ২০২১। http://www.jstor.org/stable/4412352। * লাভ জিহাদ, হ্যাঁ, কেরলে কী ঘটছে তা আমি দেখছি। কীভাবে হিন্দুরা একটি বিয়ের জালে প্রতারিত হচ্ছে এবং কীভাবে তারা কষ্ট পাচ্ছে... শুধু হিন্দু নয়, মুসলিম ও খ্রিস্টান মেয়েরাও বিয়ের ক্ষেত্রে প্রতারিত হচ্ছে। এখন এই ধরণের জিনিসের আমি অবশ্যই বিরোধিতা করব। ** ই. শ্রীধরন, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২১। [https://www.ndtv.com/video/exclusive/the-news/bjp-not-communal-party-of-nation-lovers-india-s-metro-man-e-sreedharan-576372 এনডিটিভি: বিজেপি নট কমিউনাল, পার্টি অফ নেশন-লাভার্স: "মেট্রো ম্যান" ই শ্রীধরন টু এনডিটিভি]। এছাড়া [https://tfipost.com/2021/02/not-a-cry-of-the-right-wing-fringe-now-metro-man-e-sreedharan-says-love-jihad-is-an-issue-and-must-be-combatted/ নট এ ক্রাই অফ দ্য রাইট-উইং ফ্রিঞ্জ? নাউ মেট্রো ম্যান ই শ্রীধরন সেজ লাভ জিহাদ ইজ অ্যান ইস্যু অ্যান্ড মাস্ট বি কমব্যাটেড] এবং [https://tfipost.com/2021/03/e-sreedharans-remarks-on-love-jihad-has-triggered-a-debate-in-kerala-and-even-congress-m-is-speaking-up-about-it/ ই শ্রীধরন’স রিমার্কস অন লাভ জিহাদ হ্যাজ ট্রিগার্ড এ ডিবেট ইন কেরালা অ্যান্ড ইভেন কংগ্রেস (এম) ইজ স্পিকিং আপ অ্যাবাউট ইট] শীর্ষক প্রতিবেদনগুলোতে উদ্ধৃত। * বামপন্থীরা যখন এই ঘটনাগুলোকে ‘ডানপন্থী কল্পনা’ বলে উড়িয়ে দেয়, তবে আসলে ঘটনাগুলো বাস্তব। মৃতদেহগুলোও বাস্তব এবং হুমকিটি আসন্ন... ‘লাভ জিহাদ’ এর মতো একটি শব্দের সংকীর্ণ সংজ্ঞার কারণেই বামপন্থীরা এখন এটিকে বিকৃত করার চেষ্টা করছে এই বলে যে, লাভ জিহাদ শব্দটি কেবল এই কারণে ব্যবহৃত হয় কারণ ‘চরমপন্থী হিন্দুরা’ আন্তঃধর্মীয় বিবাহের বিরোধী। অথচ বাস্তবতা হলো এই ঘটনাটি পারস্পরিক সম্মতির সম্পর্কের ধারেকাছেও নেই।<br>এই কারণেই অপইন্ডিয়া এখন থেকে তাদের আলোচনা ও প্রতিবেদনে ‘লাভ জিহাদ’ শব্দটি পরিহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। জিহাদে কোনো ‘লাভ’ বা ভালোবাসা নেই এবং এমনকি যদি আমরা সমস্যাযুক্ত বাক্য গঠনসহ শব্দটি গ্রহণ করি, তবুও এটি সেই জিহাদের ভয়াবহতাকে তুলে ধরতে ব্যর্থ হয় যা কট্টরপন্থী মুসলিমদের একাংশ পরিচালনা করছে যারা নির্দিষ্টভাবে অমুসলিম নারীদের লক্ষ্যবস্তু করে। আমরা বিশ্বাস করি যে ‘গ্রুমিং জিহাদ’ শব্দটি অনেক বেশি উপযুক্ত কারণ এটি নিজের মধ্যে সেই সমস্ত ধরণের অপরাধকে ধারণ করে যা নারীদের এই জিহাদের কেন্দ্রে রাখে।<br>অ-মুসলিম নারীদের গ্রুমিং করা হচ্ছে যাতে তারা মুসলিম পুরুষদের হাতে নিজেদের পরাধীনতাকে মেনে নেয়। তাদের অপহরণ, ধর্ষণ, প্রলুব্ধ, ইসলামে ধর্মান্তরিত, শাস্তি এবং মগজধোলাই করা হচ্ছে। মানবতার বিরুদ্ধে এই অপরাধগুলোতে কোনো ‘লাভ’ নেই। এটি যে জিহাদের একটি রূপ তা নিয়ে কোনো অস্পষ্টতা নেই। একে তার সঠিক নামে ডাকার সময় এসেছে – গ্রুমিং জিহাদ। ** নুপুর জে শর্মা | ১৮ নভেম্বর, ২০২০। [https://www.opindia.com/2020/11/opindia-to-use-grooming-jihad-instead-of-love-jihad-here-is-why হোয়াই অপইন্ডিয়া হ্যাজ ডিসাইডেড টু ইউজ ‘গ্রুমিং জিহাদ’ ইনস্টেড অফ ‘লাভ জিহাদ’ মুভিং ফরোয়ার্ড]। * কাশ্মীর কোনো পাকিস্তান নয় যেখানে শিখদের জোর করে ধর্মান্তরিত করা যায়, আমরা এটি হতে দেব না। অকাল তখত সাহেবের জাঁতাদার জম্মু ও কাশ্মীরের লেফটেন্যান্ট গভর্নরের কাছে একটি চিঠি লিখেছেন যাতে ‘লাভ জিহাদ’-এর বিরুদ্ধে আইন আনা হয়। ** সরদার আর পি সিং, জুন ২০২১। [https://www.newkerala.com/news/2021/91223.htm শিখ লিডার্স মিট রেড্ডি ওভার কনভারশন অফ শিখ গার্লস ইন কাশ্মীর]। == ত == * এটি অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয় যে খ্রিস্টান মেয়েরাই সবচেয়ে বেশি লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হচ্ছে। সিবিআই, এনআইএ এবং আইবি সকলেই রিপোর্ট করেছে যে রাজ্য ও দেশে এই ধরণের ঘটনা ঘটছে। এটি দুঃখজনক এবং উদ্বেগের বিষয় যে ধর্মীয় সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর দ্বারা সরল মেয়েদের ফাঁদে ফেলার প্রচেষ্টাকে প্রতিহত করার একটি ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও এগুলো দক্ষতার সাথে মোকাবিলা করা হচ্ছে না। ** ফাদার অ্যান্টনি থালাচেলুর। [https://www.theweek.in/news/india/2020/01/15/christian-girls-targeted-and-killed-in-name-of-love-jihad-kerala-syro-malabar-church.html ক্রিশ্চিয়ান-গার্লস-টার্গেটেড-অ্যান্ড-কিলড-ইন-নাম-অফ-লাভ-জিহাদ-কেরালা-সিরো-মালাবার-চার্চ: দ্য উইক]। * ইসলামিক স্টেট তাদের ইহুদি ও খ্রিস্টান নারীদের শিকার করার আন্তর্জাতিক এজেন্ডার অংশ হিসেবে খ্রিস্টান নারীদের প্রলুব্ধ করছে... আগামী কয়েক মাসে আমরা আমাদের ধর্মীয় সংগঠনের মাধ্যমে পরিবার এবং মেয়েদের সচেতন করব যাতে তারা এই ফাঁদে না পড়ার মতো যথেষ্ট শিক্ষিত হয়। ** ফাদার অ্যান্টনি থালাচেলুর, ২০২০। [https://theprint.in/india/syro-malabar-church-says-love-jihad-a-threat-in-kerala-govt-says-it-doesnt-exist/351174/ সিরো-মালাবার চার্চ সেজ ‘লাভ জিহাদ’ এ থ্রেট ইন কেরালা, গভর্মেন্ট সেজ ইট ডাজ নট এক্সিস্ট] নিবন্ধে উদ্ধৃত। * যেন এটিই যথেষ্ট নয়, কারগিলের বৌদ্ধদের ইসলামে ধর্মান্তরিত করার একটি সুপরিকল্পিত এবং সংগঠিত নকশা রয়েছে। গত চার বছরে কেবল ওয়াখা গ্রাম থেকেই প্রায় ৫০ জন মেয়ে এবং সন্তানসহ বিবাহিত নারীকে প্রলুব্ধ করে ধর্মান্তরিত করা হয়েছে। যদি এটি বিনা বাধায় চলতে থাকে, তবে আমাদের ভয় হচ্ছে আগামী দুই দশকের মধ্যে কারগিল থেকে বৌদ্ধরা বিলুপ্ত হয়ে যাবে। এই ধরণের প্রলোভন ও ধর্মান্তরের প্রতিবাদকারী যে কাউকেই হয়রানি করা হয়... তাই লাদাখি জনগণের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক পরিচয় রক্ষা করতে কারগিলের জন্য একটি ধর্মান্তর বিরোধী আইন কার্যকর করতে হবে, যেমনটি বর্তমানে অরুণাচল প্রদেশ এবং মধ্যপ্রদেশের মতো রাজ্যগুলোতে বলবৎ রয়েছে। ** লাদাখ বৌদ্ধ অ্যাসোসিয়েশনের টুন্ডুপ ত্সারিং এবং ত্সাওয়াং নুরবু। কোয়েনরাড এলস্ট রচিত 'ভারতীয় জনতা পার্টি ভিস-আ-ভিস হিন্দু রিসার্জেন্স' এবং 'হু ইজ এ হিন্দু?: হিন্দু রিভাইভালিস্ট ভিউজ অফ অ্যানিমিজম, বুদ্ধিজম, শিখজম, অ্যান্ড আদার অফশুটস অফ হিন্দুইজম' (২০০২)-এ উদ্ধৃত। == ভ == * লাভ জিহাদকে কেবল প্রেমের কোণ থেকে দেখা উচিত নয়, বরং আরও বৃহত্তর পর্যায়ে এর সমাধান করা উচিত। এটি কোনো নির্দিষ্ট সম্প্রদায়কে লক্ষ্যবস্তু করার জন্য নয়। ধর্মনিরপেক্ষ রাজনৈতিক দলগুলোর অন্তত এটি স্বীকার করা উচিত যে এখানে লাভ জিহাদ বিদ্যমান। রাজ্যের একটি ছোট গোষ্ঠী ক্রমাগত কট্টরপন্থী হয়ে উঠছে এবং আন্তর্জাতিক ও বিশ্বব্যাপী ইসলামের সাথে এর যোগসূত্র রয়েছে। এর নাম ভিন্ন হতে পারে, কিন্তু এই গোষ্ঠীগুলোর মানুষ এবং নেতৃত্ব প্রায় একই... এটি একটি বড় সমস্যা যা আমরা বহু বছর ধরে মোকাবিলা করছি, কিন্তু কেরালার ধর্মনিরপেক্ষ রাজনৈতিক দলগুলো এই বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করতে আগ্রহী নয়। এটি তাদের রাজনীতির অংশ। রাজ্যে ঘটে যাওয়া প্রতিটি মৃত্যু ও হত্যাকাণ্ডকে একটি "বিচ্ছিন্ন" ঘটনা হিসেবে পাশ কাটিয়ে যাওয়া হয়। একের পর এক হত্যাকাণ্ড ঘটেছে অথচ রাজ্যের কোনো মূলধারার দল এই বিষয়টি নিয়ে কথা বলেনি। রিপোর্ট এসেছে যে এই হত্যাকাণ্ডে কট্টরপন্থী গোষ্ঠীগুলো জড়িত ছিল এবং সরকারের কাছে সমস্ত বিবরণ রয়েছে... “আজও আমরা চিন্তিত খ্রিস্টান অভিভাবকদের কাছ থেকে তাদের মেয়েদের সাহায্য ও কাউন্সেলিং চেয়ে ফোন কল পেয়েছি। এটি অন্য ধর্মের কাউকে বিয়ে করার বিষয় নয়। এই ঘটনাগুলোতে আমরা বিয়ের পর তাদের সুখে শান্তিতে থাকতে দেখি না। আমরা বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণ করছি। পুলিশ নিজেই অনেক ক্ষেত্রে প্রকাশ করেছে যে বিয়ের পর মেয়েরা নিখোঁজ হয়ে গেছে অথবা তারা ইসলামিক স্টেটে যোগ দিয়েছে এবং তাদের যৌনদাসী হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। তার মানে এটি ভালোবাসা ছিল না। ভালোবাসাকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে।" ** ফাদার ভার্গিস ভাল্লিক্কাত। [https://www.newindianexpress.com/cities/kochi/2020/jan/20/politics-in-state-silent-on-love-jihad-but-we-cant-be-bishops-council-2091749.html পলিটিক্স ইন স্টেট সাইলেন্ট অন লাভ জিহাদ, বাট উই কান্ট বি: বিশপস কাউন্সিল] নিবন্ধে উদ্ধৃত। == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:ষড়যন্ত্র তত্ত্ব]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতে ইসলাম]] [[বিষয়শ্রেণী:হিন্দু জাতীয়তাবাদ]] 49mfchs29vkc9palrs3shv24v9lyxdl 79911 79909 2026-04-23T06:40:34Z Tuhin 172 79911 wikitext text/x-wiki '''[[w:লাভ জিহাদ|লাভ জিহাদ]]''' (যা '''রোমিও জিহাদ''' নামেও পরিচিত) হলো একটি ইসলামভীতিমূলক [[ষড়যন্ত্র তত্ত্ব]] যা [[হিন্দুত্ব|হিন্দুত্ববাদী]] আদর্শের সমর্থকদের দ্বারা উদ্ভাবিত। এই ষড়যন্ত্র তত্ত্বটি দাবি করে যে, মুসলিম পুরুষরা প্রলোভন, প্রেমের অভিনয়, প্রতারণা, অপহরণ এবং বিবাহের মতো উপায়ে হিন্দু নারীদের [[w:ইসলামে ধর্মান্তর|ইসলামে ধর্মান্তরিত করার]] লক্ষ্য নির্ধারণ করে। এটি ভারতের বিরুদ্ধে মুসলিমদের একটি বৃহত্তর "যুদ্ধ" এবং জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে আধিপত্য বিস্তারের একটি সংগঠিত আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে দাবি করা হয়। __NOTOC__ {{TOCalpha}} == অ == * ‘লাভ জিহাদ’ প্রচারণাটি অত্যন্ত সযত্নে অতৃপ্ত কামুক মুসলিম পুরুষের কাল্পনিক ধারণাটিকে টিকিয়ে রাখে। এর বিপরীতে হিন্দু নারীদের অসহায় হিসেবে চিত্রিত করা হয় যারা সহজেই প্রলোভনের শিকার হয়। এই বিষাক্ত প্রচারণা তরুণ দম্পতিদের জীবনে বিপর্যয় ডেকে আনছে, যেখানে নারীদের তাদের জীবনসঙ্গী নির্বাচনের অধিকার অস্বীকার করা হচ্ছে। এই সাম্প্রদায়িক কলুষিত পরিবেশে – যেখানে প্রতিটি ভিন্নধর্মী বিবাহকে একটি রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখা হয় এবং হিন্দু মেয়েদের মুসলিম ছেলেদের সংস্পর্শ থেকে ‘পবিত্র’ রাখার জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানো হয় – সেখানে এই ধরণের পরিবেশ তৈরিতে ইন্ধন জোগানো রাজনৈতিক দলটি কি [[w:অভিন্ন দেওয়ানি বিধি|অভিন্ন দেওয়ানি বিধি]] (ইউসিসি) কার্যকর করার প্রচারণার নেতৃত্ব দিতে পারে? ** [[ফ্লাভিয়া অ্যাগনেস]], [https://thewire.in/law/bjp-uniform-civil-code "দ্য মোদি গভর্নমেন্ট'স হিন্দুত্ব আইডিওলজি কুড স্টল অ্যানি প্রগ্রেস অন দ্য ইউনিফর্ম সিভিল কোড"], ''দ্য ওয়্যার'', ৭ জুলাই ২০১৬। * হিন্দুত্ববাদী তাত্ত্বিকদের মতে মুসলিমদের একটি প্রধান পরিকল্পনা হলো “হিন্দু মেয়েদের বিয়ের জন্য প্রলুব্ধ করা, আকর্ষণ করা এবং অপহরণ করা” (পালিওয়াল ২০০৩: ২৪)। ** ''হিন্দু ন্যাশনালিজম ইন ইন্ডিয়া অ্যান্ড দ্য পলিটিক্স অফ ফিয়ার'', ডি. আনন্দ, পৃষ্ঠা ৩০। * দেশজুড়ে হিন্দুত্ববাদী বুদ্ধিজীবী, নেতা এবং কর্মীদের মধ্যে একটি সাধারণ বয়ান ছিল যে, “নিষ্পাপ” হিন্দু মেয়েদের প্রলুব্ধ করার জন্য এটি একটি সচেতন মুসলিম চক্রান্ত। ** ''হিন্দু ন্যাশনালিজম ইন ইন্ডিয়া অ্যান্ড দ্য পলিটিক্স অফ ফিয়ার'', ডি. আনন্দ, পৃষ্ঠা ৫১। * তাদের পরিকল্পনা হলো আগামী ২০ বছরের মধ্যে কেরলকে একটি মুসলিম রাজ্যে পরিণত করা। সেজন্য তারা তরুণদের প্রলুব্ধ করছে, তাদের অর্থ দিচ্ছে এবং মুসলিম জনসংখ্যা বৃদ্ধির জন্য হিন্দু মেয়েদের বিয়ে করতে জোর দিচ্ছে। এভাবেই তারা তাদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা বৃদ্ধি করছে এবং এই কৌশলগুলো কাজে দিচ্ছে। ** কেরলের মার্ক্সবাদী প্রবীণ এবং সিপিএম-এর শক্তিশালী নেতা ভিএস অচ্যুতানন্দন। [https://www.firstpost.com/opinion/the-kerala-story-is-not-hindutva-fiction-world-is-waking-up-to-love-jihad-and-grooming-12555032.html/amp দ্য কেরালা স্টোরি ইজ নট হিন্দুত্ব ফিকশন, ওয়ার্ল্ড ইজ ওয়াকিং আপ টু লাভ জিহাদ অ্যান্ড গ্রুমিং] নিবন্ধে উদ্ধৃত। == স == * বামপন্থী (সিপিএম নেতৃত্বাধীন বাম গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট) এবং ডানপন্থী (কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউনাইটেড ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট) লাভ জিহাদ নামক সন্ত্রাসবাদকে পরোক্ষ ও প্রত্যক্ষভাবে সমর্থন দিয়ে জিহাদিদের তোষণ করার প্রতিযোগিতায় নেমেছে। আমাদের উচিত হবে না তাদের (এলডিএফ এবং ইউডিএফ) ছায়ায় জিহাদিদের বেড়ে উঠতে দেওয়া। সেজন্য আমাদের সেই গাছগুলো কেটে ফেলতে হবে যা তাদের আশ্রয় দেয়। চিন্তা করুন, কাজ করুন। ** কেরালা ভিত্তিক খ্রিস্টান সংস্থা 'ক্রিশ্চিয়ান অ্যাসোসিয়েশন অ্যান্ড অ্যালায়েন্স ফর সোশ্যাল অ্যাকশন' (কাসা), ২০২১ সালের একটি সচেতনতামূলক ভিডিওতে। [https://theprint.in/india/theyre-taking-our-girls-to-isis-how-church-is-now-driving-love-jihad-narrative-in-kerala/632324/ ‘দে আর টেকিং আওয়ার গার্লস টু আইসিস’: হাউ চার্চ ইজ নাউ ড্রাইভিং ‘লাভ জিহাদ’ ন্যারেটিভ ইন কেরালা] == ই == * মুসলিম জনমিতিক যুদ্ধের অন্যতম বেদনাদায়ক দিক হলো অমুসলিম মেয়েদের দখল করার প্রকাশ্য প্রচেষ্টা যাতে তারা তাদের নিজস্ব জনমিতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে পারে, পাশাপাশি অভিযুক্ত কাফেরদের চরম অপমানিত করতে পারে। বাংলাদেশে এবং ভারতের মুসলিম-প্রধান অঞ্চলগুলোতে এটি প্রায়শই মেয়েদের অপহরণ করা অথবা মুসলিমদের সাথে বিয়ে দেওয়ার জন্য তাদের হুমকি দেওয়ার রূপ নেয়। পশ্চিমের উন্মুক্ত বাজার এবং ভারতের পশ্চিমা ধাঁচের সার্কেলগুলোতে এটি স্বাভাবিক প্রেমের রূপ নেয়। তবে সীমাবদ্ধতা হলো, কোনো মুসলিম মেয়ে যদি অমুসলিম কারো সাথে বন্ধুত্ব করে, তবে সেই সম্পর্ক বন্ধ করার জন্য তার ওপর পারিবারিক চাপ প্রয়োগ করা হয় অথবা ছেলের ওপর শারীরিক হুমকি দেওয়া হয়, কিংবা উভয়ই করা হয়। যেহেতু বিপরীত ক্ষেত্রে (অমুসলিম মেয়ে ও মুসলিম ছেলে) এমনটি ঘটার সম্ভাবনা অনেক কম, তাই এর নিট ফলাফল হলো অমুসলিম মেয়েদের একটি বড় অংশ মুসলিম পরিবারগুলোতে চলে যায়। ** কোয়েনরাড এলস্ট, 'দ্য ডেমোগ্রাফিক সিজ', ১৯৯৮। ক্যাথিঙ্কা ফ্রয়েস্টাড রচিত 'সাউন্ড বাইটিং কন্সপিরেসি: ফ্রম ইন্ডিয়া উইথ “লাভ জিহাদ”', রিলিজিয়নস ২০২১, ১২(১২), ১০৬৪-এ উদ্ধৃত। == জ == * এটি আর কতদূর যাবে? সুপ্রিম কোর্ট বলেছে লাভ জিহাদ নেই। আমি জানি লাভ জিহাদ বাস্তব, আমি বলব ‘লাভ জিহাদ’ আছে। আমি যখন বলছি আমরা কোন দিকে যাচ্ছি, তখন আমাকে ভুল বুঝবেন না। এটি বন্ধ করার একটাই সমাধান আছে। সম্মানিত ভারতকে একটি হিন্দু রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করতে হবে... লাভ জিহাদ বাস্তব এবং মুসলিমরা ২০৩০ সালের মধ্যে ভারতকে একটি ইসলামি রাষ্ট্র বানানোর পরিকল্পনা করছে... প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিমুদ্রাকরণ (ডিমোনেটাইজেশন) পদক্ষেপের কারণে এটি বিলম্বিত হয়েছে। ** [[w:পি. সি. জর্জ|পি. সি. জর্জ]], এপ্রিল ২০২১। [https://tfipost.com/2021/04/due-to-islamic-threat-keralas-minister-who-happens-to-be-a-christian-wants-india-to-be-declared-a-hindu-nation/ ডিউ টু ইসলামিক থ্রেট, কেরালা’স মিনিস্টার হু হ্যাপেনস টু বি এ ক্রিশ্চিয়ান ওয়ান্টস ইন্ডিয়া টু বি ডিক্লেয়ার্ড এ হিন্দু নেশন] নিবন্ধে উদ্ধৃত। * সিরিয়ান ইন্ডিপেন্ডেন্ট অর্থোডক্স চার্চের বিশপ ম্যাথিউ মার গ্রেগোরিওস বিশ্বাস করেন যে ‘লাভ জিহাদ’ একটি বাস্তবতা এবং তরুণদের এই মন্দের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর সময় এসেছে। “আপনারা দেখলে অবাক হবেন প্রতিদিন আমার ফোনে মেয়েদের বাবা-মায়ের কাছ থেকে কত মেসেজ আসে। মালাবার অঞ্চলে খ্রিস্টান মেয়েদের ইসলামে ধর্মান্তরিত করার ঘটনা ব্যাপকভাবে ঘটছে। যেহেতু আমি এখানে একটি গির্জার প্রধান, তাই খোলাখুলিভাবে এ বিষয়ে কথা বলার কিছু সীমাবদ্ধতা আমার আছে,” বিশপ হিন্দুস্তান টাইমস-কে বলেন। তার মতে, ‘লাভ জিহাদ’ একটি ভুল নাম কারণ এটি প্রেমের ছলে ধর্মান্তরের একটি কৌশল মাত্র। তিনি আরও বলেন, “আমি ব্যক্তিগতভাবে যেসব ঘটনায় হস্তক্ষেপ করেছি, তার বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এটি প্রেমের ভান ছিল। একবার বিয়ে হয়ে গেলে অধিকাংশ সময়ই মেয়েটিকে পরিত্যক্ত করা হয়। ধর্মান্তরই একমাত্র লক্ষ্য এবং এটি একটি সম্প্রদায়ের সংখ্যা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে করা হয়। কেউ কেউ এর সাথে আইসিস (আইএস) যোগসূত্র থাকার অভিযোগও তুলেছেন, যা তদন্ত করা প্রয়োজন।” ** বিশপ ম্যাথিউ মার গ্রেগোরিওস, ২০১৭। [https://www.hindustantimes.com/india-news/the-bjp-and-the-church-find-common-ground-on-love-jihad-in-kerala/story-krCpAE2YLaxTLxLZuXAnhJ.html দ্য বিজেপি অ্যান্ড দ্য চার্চ ফাইন্ড কমন গ্রাউন্ড অন ‘লাভ জিহাদ’ ইন কেরালা] == ক == * সিরো-মালাবার চার্চের পালাই ডায়োসিসের বিশপ জোসেফ কাল্লারাঙ্গাট অভিযোগ করেছেন যে যারা দাবি করেন কেরালায় ‘লাভ জিহাদ’ নেই তারা “বাস্তবতার প্রতি অন্ধ।” “এই ধরণের মানুষরা রাজনীতিবিদ, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের ব্যক্তি বা গণমাধ্যম যারাই হোক না কেনো তাদের নিজস্ব স্বার্থ থাকতে পারে। তবে একটি বিষয় স্পষ্ট। আমরা আমাদের তরুণীদের হারাচ্ছি। এটি কেবল প্রেমঘটিত বিয়ের বিষয় নয়। এটি তাদের জীবন ধ্বংস করার একটি যুদ্ধ কৌশল,” তিনি দাবি করেন... “বিশ্বের অন্যান্য প্রান্তের মতো কেরলের মুসলিমদের একটি অংশ আছে যারা সম্প্রদায়ের মধ্যে বিদ্বেষ সৃষ্টি করতে এবং ধর্মীয় ঘৃণা ছড়াতে চায়। জিহাদিরা ইসলাম প্রচারের জন্য বিভিন্ন উপায় ব্যবহার করছে এবং তারা অমুসলিম তরুণীদের লক্ষ্যবস্তু করছে,” তিনি নিমিষা নামক এক হিন্দু মেয়ে এবং সোনিয়া সেবাস্তিয়ান নামক এক খ্রিস্টান মেয়ের উদাহরণ দেন, যারা মুসলিম পুরুষদের প্রেমে পড়ে ইসলাম গ্রহণ করেন এবং শেষ পর্যন্ত সিরিয়ায় কুখ্যাত ইসলামিক স্টেটে যোগ দেন। তিনি আরও ব্যাখ্যা করেন, “আমাদের মতো একটি গণতান্ত্রিক দেশে যেহেতু অন্য ধর্মের মানুষকে ধ্বংস করতে অস্ত্র ব্যবহার করা সহজ নয়, তাই জিহাদিরা এমন উপায় ব্যবহার করছে যা সহজে শনাক্ত করা যায় না। জিহাদিদের দৃষ্টিতে অমুসলিমদের ধ্বংস করতে হবে। যখন উদ্দেশ্য হয় তাদের ধর্মের বিস্তার এবং অমুসলিমদের ধ্বংস করা, তখন তারা বিভিন্ন রূপের উপায় ব্যবহার করে। বর্তমানে এ রকম ব্যাপকভাবে আলোচিত দুটি উপায় হলো লাভ জিহাদ এবং নারকোটিক্স জিহাদ।” ** জোসেফ কাল্লারাঙ্গাট, সিরো-মালাবার চার্চের বিশপ, ২১/১১/২০২২। [https://goachronicle.com/love-jihad-not-a-hindutva-conspiracy-catholic-church-rings-alarm-bells-too/ লাভ জিহাদ: নট এ হিন্দুত্ব কন্সপিরেসি, ক্যাথলিক চার্চ রিংস অ্যালার্ম বেলস টু] * জনমিতিক যুদ্ধ শুরু করা: হিন্দু মেয়েদের প্রলুব্ধ করা ও বিয়ে করা এবং তাদের গর্বিত জিহাদি ট্রফি হিসেবে প্রদর্শন করা অর্থাৎ “প্রেমের” মাধ্যমে জিহাদ; ** কৃষ্ণস্বামী কর্তৃক প্রচারিত একটি পুস্তিকা থেকে (কৃষ্ণস্বামী, পৃষ্ঠা ৪১)। * সংগঠিত ধর্মান্তর এবং ‘লাভ জিহাদ’-এ ফাঁদে ফেলে ভুক্তভোগীদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে ব্যবহার করার ঘটনাগুলো প্রমাণ করে যে খ্রিস্টান সম্প্রদায় ইসলামি চরমপন্থীদের সহজ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে। * এটি গুরুত্বপূর্ণ যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই উদ্বেগজনক প্রবণতাটি লক্ষ্য করবে এবং জাতীয় তদন্ত সংস্থা (এনআইএ) দ্বারা তদন্তের নির্দেশ দেবে এবং উগ্রপন্থীদের এই ধরণের প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড বন্ধে একটি কার্যকর আইন প্রণয়ন করবে। * বাবা-মায়েদের প্রকাশ করা ভয় অমূলক নয়, অতীতে একই ধরণের ঘটনা থেকে তা প্রমাণিত। রিপোর্ট বলছে কেরল থেকে আইসিস-এ যোগ দেওয়া ২১ জনের মধ্যে পাঁচজনই খ্রিস্টধর্ম থেকে ধর্মান্তরিত।" তিনি কেরালা ক্যাথলিক বিশপস কাউন্সিলের কমিশন ফর সোশ্যাল হারমনি অ্যান্ড ভিজিল্যান্সের প্রকাশিত তথ্য উদ্ধৃত করে বলেন, "২০০৫ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত প্রায় ৪,০০০ মেয়ে প্রেমের ফাঁদে পড়ে ধর্মান্তরিত হয়েছে। ভুক্তভোগীরা যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন অথবা কোনো স্বাধীনতা ছাড়াই শোচনীয় অবস্থায় জীবন কাটাতে বাধ্য হয়েছেন।” * কেরলের খ্রিস্টান মেয়েরা ‘লাভ জিহাদ’-এর লক্ষ্যবস্তু। তারা সহজেই ভুক্তভোগী হতে পারে। ধর্মান্তরের ক্রমবর্ধমান প্রবণতা এটিই প্রমাণ করে। ** জর্জ কুরিয়ান, সংখ্যালঘু জাতীয় কমিশনের (এনসিএম) ভাইস চেয়ারম্যান, ২০১৯। [https://www.theweek.in/news/india/2019/09/26/christians-soft-target-for-love-jihad-islamic-radicals-minority-body-vice-chairman.html ক্রিশ্চিয়ানস-সফট-টার্গেট-ফর-লাভ-জিহাদ-ইসলামিক-র‍্যাডিক্যালস-মাইনরিটি-বডি-ভাইস-চেয়ারম্যান: দ্য উইক]। এছাড়া [https://tfipost.com/2020/01/keralas-biggest-church-sounds-the-alarm-against-love-jihad/ ‘ক্রিশ্চিয়ান গার্লস টার্গেটেড, টার্নড ইনটু সেক্স স্লেভস,’ কেরালা’স বিগেস্ট চার্চ সাউন্ডস দ্য অ্যালার্ম এগেইনস্ট লাভ জিহাদ], [https://timesofindia.indiatimes.com/india/christians-soft-target-for-islamic-radicals-ncm-writes-to-shah/articleshow/71268598.cms ক্রিশ্চিয়ানস সফট টার্গেট ফর ইসলামিক র‍্যাডিক্যালস, এনসিএম রাইটস টু শাহ], [https://web.archive.org/web/20201201005142/https://www.sirfnews.com/minorities-commission-acknowledges-love-jihad/ মাইনরিটিস কমিশন অ্যাকনলেজেস লাভ জিহাদ] এবং [https://keralakaumudi.com/en/news/news.php?id=159718&u=they-can-be-easily-victimized-minority-commission-state-that-kerala-girls-are-targeted-by-love-jihad "দে ক্যান বি ইজিলি ভিক্টিমাইজড": মাইনরিটি কমিশন স্টেট দ্যাট কেরালা গার্লস আর টার্গেটেড বাই 'লাভ জিহাদ'] শীর্ষক প্রতিবেদনগুলোতে উদ্ধৃত। == হ == * আমাদের দাবি হলো কোনো মেয়েকেই যেন এই ট্রমার মধ্য দিয়ে যেতে না হয়। আমি অনুভব করছি যে ‘লাভ জিহাদ’ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। ** নিরঞ্জন হিরেমাথ, কংগ্রেস কর্পোরেটর এবং নিহত এমসিএ শিক্ষার্থী নেহা হিরেমাথের বাবা। [https://newsable.asianetnews.com/karnataka-news/hubballi-horror-neha-hiremath-s-father-says-love-jihad-is-spreading-rapidly-urges-govt-action-watch-snt-sc6z04 হুবলি হরর: নেহা হিরেমাথ'স ফাদার সেজ 'লাভ জিহাদ' ইজ স্প্রেডিং র‍্যাপিডলি, আরজেস গভর্মেন্ট অ্যাকশন], ১৯ এপ্রিল ২০২৪। == ম == * কিছু ঘটনা সামনে এসেছে যা গুরুত্বের সাথে দেখা প্রয়োজন, আমাদের অবশ্যই এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। যদি এমন কিছু ঘটে থাকে, তবে আমাদের তা খতিয়ে দেখা উচিত... এ নিয়ে কিছু সমস্যা এবং আশঙ্কা রয়েছে। যা ঘটেছে সে সম্পর্কে সরকারের স্পষ্টভাবে সামনে আসা উচিত এবং যদি এই ধরণের কোনো ঘটনা (লাভ জিহাদ) থেকে থাকে, তবে সেগুলোর সমাধান ও প্রতিকার করা উচিত। ** জোসে কে মানি, ২০২১। [https://theprint.in/politics/love-jihad-cases-should-be-studied-addressed-kerala-congress-m-chief-on-church-view/629731/ ‘লাভ জিহাদ’ কেসেস শুড বি স্টাডিড অ্যান্ড অ্যাড্রেসড: কেরালা কংগ্রেস (এম) চিফ অন চার্চ ভিউ]। এছাড়া [https://tfipost.com/2021/03/e-sreedharans-remarks-on-love-jihad-has-triggered-a-debate-in-kerala-and-even-congress-m-is-speaking-up-about-it/ ই শ্রীধরন’স রিমার্কস অন লাভ জিহাদ হ্যাজ ট্রিগার্ড এ ডিবেট ইন কেরালা অ্যান্ড ইভেন কংগ্রেস (এম) ইজ স্পিকিং আপ অ্যাবাউট ইট] শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত। * এটি একটি সংগঠিত অপরাধ। উপসাগরীয় (গালফ) এবং অন্যান্য দেশ থেকে অর্থ আসছে যাতে মুসলিম পুরুষদের একটি দল হিন্দু নারীদের ফাঁদে ফেলতে পারে, তাদের বিয়ে করতে পারে এবং তারপর সন্ত্রাসবাদসহ বিভিন্ন অপরাধে তাদের ব্যবহার করতে পারে। ** [[w:লাভ জিহাদ|লাভ জিহাদ]] প্রসঙ্গে প্রমোদ মুথালিক, যেমনটা উদ্ধৃত হয়েছে "[http://indianexpress.com/article/cities/mumbai/muthalik-finds-cases-of-love-jihad-in-state-cites-rti-info/ মুথালিক ফাইন্ডস কেসেস অফ ‘লাভ জিহাদ’ ইন স্টেট, সাইটস আরটিআই ইনফো]", ''দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস'' (২০ সেপ্টেম্বর ২০১৪)। == ন == * আমরা দেখেছি কীভাবে সুফি ধর্মগুরু খাজা হাসান নিজামী তার 'দায়ি-এ ইসলাম'-এ হিন্দুদের ইসলামে ধর্মান্তরিত করার উপায় সম্পর্কে মুসলিমদের নির্দেশ দিয়েছিলেন। তার অতি-উৎসাহ হিন্দুদের সতর্ক করে দিয়েছিল। সেই নির্দেশগুলো গোপন থাকেনি, বইটি অনূদিত হয়েছিল এবং হিন্দুরা জানতে পেরেছিল কীভাবে এবং কেন উত্তর ভারতের প্রায় প্রতিটি শহর ও নগরে মুসলিমদের দ্বারা হিন্দু মেয়েদের গোপন অপহরণ এবং প্রলোভন দেখানো প্রতিদিনের ঘটনায় পরিণত হয়েছে। হিন্দুরা ব্যক্তিগতভাবে এবং তাদের সংগঠনের মাধ্যমে সতর্কতা অবলম্বন করতে শুরু করে। তারা হিন্দু মেয়ে, বিধবা এবং এতিমদের উদ্ধার করে এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে এই নোংরা প্রচেষ্টাগুলো রুখতে শুরু করে। ** খাজা হাসান নিজামী, ভি.পি. ভাটিয়া রচিত "দ্য এভার গ্রিন মোল্লা পাওয়ার", অর্গানাইজার, ২৭ অক্টোবর ১৯৯৬-এ উদ্ধৃত; যা বি.আর. আম্বেদকরের 'পাকিস্তান অ্যান্ড পার্টিশন অফ ইন্ডিয়া'; ইন্দ্র প্রকাশের 'দ্য হিস্ট্রি অফ হিন্দু মহাসভা'; এবং শেখ আব্দুল্লাহর 'আতিশ-এ-চিনার'-এর তথ্যসূত্র ব্যবহার করেছে। কে. এস. লাল রচিত 'থিওরি অ্যান্ড প্র্যাকটিস অফ মুসলিম স্টেট ইন ইন্ডিয়া' (১৯৯৯), নয়াদিল্লি: আদিত্য প্রকাশন, অধ্যায় ৬ থেকে উদ্ধৃত। * হিন্দুদের ইসলামে ধর্মান্তরিত করার উপায় বাতলে মুসলিমদের নির্দেশ দেওয়া উর্দু ভাষায় রচিত অনেক প্যামফলেট ও ব্রোশারের মধ্যে কেবল একটি পরীক্ষা করলেই এই ধরণের সাহিত্যে কী থাকে সে সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। এটি হলো খাজা হাসান নিজামীর 'দায়ি-এ ইসলাম' (ইসলামের প্রচার)। হাসান নিজামী ছিলেন দিল্লির নিজামউদ্দিন আউলিয়ার দরগাহর সাথে যুক্ত একজন সুফি ধর্মগুরু। প্যামফলেটটি কাফেরদের ইসলামে ধর্মান্তরিত করার দ্রুততম ও ব্যাপক উপায় শেখায়। খাজা উচ্চবিত্ত থেকে নিম্নবিত্ত সকল পর্যায়ের মুসলিমদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন অমুসলিমদের ইসলামে ধর্মান্তরিত করার মাধ্যমে ইসলামের সেবা করতে। এই মিশনারি প্রচেষ্টায় জমিদার ও নবাব, ডাক্তার ও পতিতা, এক্কা চালক ও চুড়ি বিক্রেতা সবাইকে অবদান রাখার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। মুসলিম আইনজীবী ও ডাক্তারদের বলা হয়েছিল তাদের হিন্দু মক্কেল ও রোগীদের ধর্মান্তরিত করতে প্রভাবিত করতে। নবাব ও জমিদারদের বলা হয়েছিল তাদের অধীনে থাকা হিন্দু প্রজাদের মুসলমান হতে চাপ দিতে। পতিতাদের বলা হয়েছিল তাদের হিন্দু খদ্দের ও অনুরাগীদের মুসলিম হতে প্রভাবিত করতে। চুড়ি বিক্রেতাদের বলা হয়েছিল তরুণী হিন্দু মেয়েদের প্রলুব্ধ করতে এবং এক্কা চালকদের বলা হয়েছিল হিন্দু নারী ও শিশুদের ভুলিয়ে নিয়ে যেতে। এই জাতীয় ব্যবস্থাপত্র আধ্যাত্মিক বা নীতিগত কোনোটিই ছিল না, তবে এটি মুসলিম মানসিকতার সাথে খাপ খেয়েছিল। প্যামফলেটটি মুসলিমদের মধ্যে ব্যাপক বিক্রি হয়েছিল। হায়দ্রাবাদের নিজাম খাজার জন্য একটি ভাতা নির্দিষ্ট করেছিলেন এবং অন্যান্য মুসলিম প্রধান ও জমিদাররাও তা অনুসরণ করেছিলেন। মুসলিম ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ ও আবগারি পরিদর্শক এবং অন্যান্য প্রভাবশালী কর্মকর্তাদের এই সুফি ভক্তের পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করতে দেখা গিয়েছিল। ** খাজা হাসান নিজামী, কে. এস. লাল রচিত 'থিওরি অ্যান্ড প্র্যাকটিস অফ মুসলিম স্টেট ইন ইন্ডিয়া' (১৯৯৯), নয়াদিল্লি: আদিত্য প্রকাশন, অধ্যায় ৬ থেকে উদ্ধৃত। == প == * আমাদের মেয়েরা চরমপন্থীদের দ্বারা ফাঁদে পড়ার ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে। আসুন আমরা সেই সব বাবা-মায়ের দুঃখের জন্য প্রার্থনা করি যারা তাদের সন্তানদের ধর্মীয় চরমপন্থীদের ফাঁদে পড়তে দেখেও অসহায় হয়ে আছেন। নারীদের বিরুদ্ধে ক্রমবর্ধমান সহিংসতার এই যুগে আমাদের উচিত পবিত্র মাতার মতো নারী ও নারীত্বকে শ্রদ্ধা ও সম্মান করা। "প্রত্যেকেরই আর্চডায়োসিস ক্যাটেচিজম সেন্টারের সচেতনতামূলক প্রচারণার সুযোগ নেওয়া উচিত, যা কিশোর-কিশোরী এবং তাদের অভিভাবকদের লক্ষ্য করে পরিচালিত হচ্ছে, যাতে আমাদের সন্তানরা সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর ফাঁদে না পড়ে।" ** আর্চবিশপ মার জোসেফ পামপ্লানি কর্তৃক জারি করা যাজকীয় পত্র। [https://www.onmanorama.com/news/kerala/2022/09/05/tellicherry-archdiocese-circular-love-trap.html এক্সট্রিমিস্টস লিউরিং ক্রিশ্চিয়ান গার্লস ফেইনিং লাভ, ওয়ার্নস টেলিসেরি আর্চডায়োসিস], ৫ সেপ্টেম্বর ২০২২। * “বিশ্বাসীরা যদি এমন পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়, তবে আপনি তাদের দোষ দিতে পারেন না। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে ডায়োসিস কোনো অবস্থান নেয়নি, তবে আমরা উদ্বিগ্ন। তাই এই ধরণের ঘটনা বন্ধ করার জন্য যারা কাজ করছে তাদের সমর্থন করার মধ্যে ভুল কী আছে?” ** ফাদার জিমি পুচাকাত্ত, মুখপাত্র, সিরো মালাবার চার্চ, ২০১৭। [https://www.hindustantimes.com/india-news/the-bjp-and-the-church-find-common-ground-on-love-jihad-in-kerala/story-krCpAE2YLaxTLxLZuXAnhJ.html দ্য বিজেপি অ্যান্ড দ্য চার্চ ফাইন্ড কমন গ্রাউন্ড অন ‘লাভ জিহাদ’ ইন কেরালা] নিবন্ধে উদ্ধৃত। == স == * তথাকথিত অতি-পুরুষালি মুসলিম পুরুষ দেহ এবং অতি-প্রজননক্ষম মুসলিম নারী দেহ নিয়ে একটি অন্ধকার যৌন আচ্ছন্নতা রয়েছে, যা এই প্যারানোইয়া (অহেতুক ভীতি) এবং প্রতিশোধের মূর্তিকে অনুপ্রাণিত ও টিকিয়ে রাখে। ** সরকার, তানিকা। "সেমিওটিকস অফ টেরর: মুসলিম চিলড্রেন অ্যান্ড উইমেন ইন হিন্দু রাষ্ট্র।" ইকোনমিক অ্যান্ড পলিটিক্যাল উইকলি ৩৭, নম্বর ২৮ (২০০২): ২৮৭২-৮৭৬। সংগৃহীত ৯ জুলাই, ২০২১। http://www.jstor.org/stable/4412352। * একজন অধিকতর পুরুষালি মুসলিম পুরুষ দেহের প্রতি এক ধরণের চিরস্থায়ী ভয় কাজ করে যা হিন্দু মেয়েদের ভুলিয়ে নিয়ে যায়। এটি এক ধরণের লিঙ্গ-ঈর্ষা এবং পুরুষত্বহীনতার উদ্বেগ যা কেবল সহিংস কাজের মাধ্যমেই কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। ** সরকার, তানিকা। "সেমিওটিকস অফ টেরর: মুসলিম চিলড্রেন অ্যান্ড উইমেন ইন হিন্দু রাষ্ট্র।" ইকোনমিক অ্যান্ড পলিটিক্যাল উইকলি ৩৭, নম্বর ২৮ (২০০২): ২৮৭২-৮৭৬। সংগৃহীত ৯ জুলাই, ২০২১। http://www.jstor.org/stable/4412352। * লাভ জিহাদ, হ্যাঁ, কেরলে কী ঘটছে তা আমি দেখছি। কীভাবে হিন্দুরা একটি বিয়ের জালে প্রতারিত হচ্ছে এবং কীভাবে তারা কষ্ট পাচ্ছে... শুধু হিন্দু নয়, মুসলিম ও খ্রিস্টান মেয়েরাও বিয়ের ক্ষেত্রে প্রতারিত হচ্ছে। এখন এই ধরণের জিনিসের আমি অবশ্যই বিরোধিতা করব। ** ই. শ্রীধরন, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২১। [https://www.ndtv.com/video/exclusive/the-news/bjp-not-communal-party-of-nation-lovers-india-s-metro-man-e-sreedharan-576372 এনডিটিভি: বিজেপি নট কমিউনাল, পার্টি অফ নেশন-লাভার্স: "মেট্রো ম্যান" ই শ্রীধরন টু এনডিটিভি]। এছাড়া [https://tfipost.com/2021/02/not-a-cry-of-the-right-wing-fringe-now-metro-man-e-sreedharan-says-love-jihad-is-an-issue-and-must-be-combatted/ নট এ ক্রাই অফ দ্য রাইট-উইং ফ্রিঞ্জ? নাউ মেট্রো ম্যান ই শ্রীধরন সেজ লাভ জিহাদ ইজ অ্যান ইস্যু অ্যান্ড মাস্ট বি কমব্যাটেড] এবং [https://tfipost.com/2021/03/e-sreedharans-remarks-on-love-jihad-has-triggered-a-debate-in-kerala-and-even-congress-m-is-speaking-up-about-it/ ই শ্রীধরন’স রিমার্কস অন লাভ জিহাদ হ্যাজ ট্রিগার্ড এ ডিবেট ইন কেরালা অ্যান্ড ইভেন কংগ্রেস (এম) ইজ স্পিকিং আপ অ্যাবাউট ইট] শীর্ষক প্রতিবেদনগুলোতে উদ্ধৃত। * বামপন্থীরা যখন এই ঘটনাগুলোকে ‘ডানপন্থী কল্পনা’ বলে উড়িয়ে দেয়, তবে আসলে ঘটনাগুলো বাস্তব। মৃতদেহগুলোও বাস্তব এবং হুমকিটি আসন্ন... ‘লাভ জিহাদ’ এর মতো একটি শব্দের সংকীর্ণ সংজ্ঞার কারণেই বামপন্থীরা এখন এটিকে বিকৃত করার চেষ্টা করছে এই বলে যে, লাভ জিহাদ শব্দটি কেবল এই কারণে ব্যবহৃত হয় কারণ ‘চরমপন্থী হিন্দুরা’ আন্তঃধর্মীয় বিবাহের বিরোধী। অথচ বাস্তবতা হলো এই ঘটনাটি পারস্পরিক সম্মতির সম্পর্কের ধারেকাছেও নেই।<br>এই কারণেই অপইন্ডিয়া এখন থেকে তাদের আলোচনা ও প্রতিবেদনে ‘লাভ জিহাদ’ শব্দটি পরিহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। জিহাদে কোনো ‘লাভ’ বা ভালোবাসা নেই এবং এমনকি যদি আমরা সমস্যাযুক্ত বাক্য গঠনসহ শব্দটি গ্রহণ করি, তবুও এটি সেই জিহাদের ভয়াবহতাকে তুলে ধরতে ব্যর্থ হয় যা কট্টরপন্থী মুসলিমদের একাংশ পরিচালনা করছে যারা নির্দিষ্টভাবে অমুসলিম নারীদের লক্ষ্যবস্তু করে। আমরা বিশ্বাস করি যে ‘গ্রুমিং জিহাদ’ শব্দটি অনেক বেশি উপযুক্ত কারণ এটি নিজের মধ্যে সেই সমস্ত ধরণের অপরাধকে ধারণ করে যা নারীদের এই জিহাদের কেন্দ্রে রাখে।<br>অ-মুসলিম নারীদের গ্রুমিং করা হচ্ছে যাতে তারা মুসলিম পুরুষদের হাতে নিজেদের পরাধীনতাকে মেনে নেয়। তাদের অপহরণ, ধর্ষণ, প্রলুব্ধ, ইসলামে ধর্মান্তরিত, শাস্তি এবং মগজধোলাই করা হচ্ছে। মানবতার বিরুদ্ধে এই অপরাধগুলোতে কোনো ‘লাভ’ নেই। এটি যে জিহাদের একটি রূপ তা নিয়ে কোনো অস্পষ্টতা নেই। একে তার সঠিক নামে ডাকার সময় এসেছে – গ্রুমিং জিহাদ। ** নুপুর জে শর্মা | ১৮ নভেম্বর, ২০২০। [https://www.opindia.com/2020/11/opindia-to-use-grooming-jihad-instead-of-love-jihad-here-is-why হোয়াই অপইন্ডিয়া হ্যাজ ডিসাইডেড টু ইউজ ‘গ্রুমিং জিহাদ’ ইনস্টেড অফ ‘লাভ জিহাদ’ মুভিং ফরোয়ার্ড]। * কাশ্মীর কোনো পাকিস্তান নয় যেখানে শিখদের জোর করে ধর্মান্তরিত করা যায়, আমরা এটি হতে দেব না। অকাল তখত সাহেবের জাঁতাদার জম্মু ও কাশ্মীরের লেফটেন্যান্ট গভর্নরের কাছে একটি চিঠি লিখেছেন যাতে ‘লাভ জিহাদ’-এর বিরুদ্ধে আইন আনা হয়। ** সরদার আর পি সিং, জুন ২০২১। [https://www.newkerala.com/news/2021/91223.htm শিখ লিডার্স মিট রেড্ডি ওভার কনভারশন অফ শিখ গার্লস ইন কাশ্মীর]। == ত == * এটি অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয় যে খ্রিস্টান মেয়েরাই সবচেয়ে বেশি লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হচ্ছে। সিবিআই, এনআইএ এবং আইবি সকলেই রিপোর্ট করেছে যে রাজ্য ও দেশে এই ধরণের ঘটনা ঘটছে। এটি দুঃখজনক এবং উদ্বেগের বিষয় যে ধর্মীয় সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর দ্বারা সরল মেয়েদের ফাঁদে ফেলার প্রচেষ্টাকে প্রতিহত করার একটি ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও এগুলো দক্ষতার সাথে মোকাবিলা করা হচ্ছে না। ** ফাদার অ্যান্টনি থালাচেলুর। [https://www.theweek.in/news/india/2020/01/15/christian-girls-targeted-and-killed-in-name-of-love-jihad-kerala-syro-malabar-church.html ক্রিশ্চিয়ান-গার্লস-টার্গেটেড-অ্যান্ড-কিলড-ইন-নাম-অফ-লাভ-জিহাদ-কেরালা-সিরো-মালাবার-চার্চ: দ্য উইক]। * ইসলামিক স্টেট তাদের ইহুদি ও খ্রিস্টান নারীদের শিকার করার আন্তর্জাতিক এজেন্ডার অংশ হিসেবে খ্রিস্টান নারীদের প্রলুব্ধ করছে... আগামী কয়েক মাসে আমরা আমাদের ধর্মীয় সংগঠনের মাধ্যমে পরিবার এবং মেয়েদের সচেতন করব যাতে তারা এই ফাঁদে না পড়ার মতো যথেষ্ট শিক্ষিত হয়। ** ফাদার অ্যান্টনি থালাচেলুর, ২০২০। [https://theprint.in/india/syro-malabar-church-says-love-jihad-a-threat-in-kerala-govt-says-it-doesnt-exist/351174/ সিরো-মালাবার চার্চ সেজ ‘লাভ জিহাদ’ এ থ্রেট ইন কেরালা, গভর্মেন্ট সেজ ইট ডাজ নট এক্সিস্ট] নিবন্ধে উদ্ধৃত। * যেন এটিই যথেষ্ট নয়, কারগিলের বৌদ্ধদের ইসলামে ধর্মান্তরিত করার একটি সুপরিকল্পিত এবং সংগঠিত নকশা রয়েছে। গত চার বছরে কেবল ওয়াখা গ্রাম থেকেই প্রায় ৫০ জন মেয়ে এবং সন্তানসহ বিবাহিত নারীকে প্রলুব্ধ করে ধর্মান্তরিত করা হয়েছে। যদি এটি বিনা বাধায় চলতে থাকে, তবে আমাদের ভয় হচ্ছে আগামী দুই দশকের মধ্যে কারগিল থেকে বৌদ্ধরা বিলুপ্ত হয়ে যাবে। এই ধরণের প্রলোভন ও ধর্মান্তরের প্রতিবাদকারী যে কাউকেই হয়রানি করা হয়... তাই লাদাখি জনগণের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক পরিচয় রক্ষা করতে কারগিলের জন্য একটি ধর্মান্তর বিরোধী আইন কার্যকর করতে হবে, যেমনটি বর্তমানে অরুণাচল প্রদেশ এবং মধ্যপ্রদেশের মতো রাজ্যগুলোতে বলবৎ রয়েছে। ** লাদাখ বৌদ্ধ অ্যাসোসিয়েশনের টুন্ডুপ ত্সারিং এবং ত্সাওয়াং নুরবু। কোয়েনরাড এলস্ট রচিত 'ভারতীয় জনতা পার্টি ভিস-আ-ভিস হিন্দু রিসার্জেন্স' এবং 'হু ইজ এ হিন্দু?: হিন্দু রিভাইভালিস্ট ভিউজ অফ অ্যানিমিজম, বুদ্ধিজম, শিখজম, অ্যান্ড আদার অফশুটস অফ হিন্দুইজম' (২০০২)-এ উদ্ধৃত। == ভ == * লাভ জিহাদকে কেবল প্রেমের কোণ থেকে দেখা উচিত নয়, বরং আরও বৃহত্তর পর্যায়ে এর সমাধান করা উচিত। এটি কোনো নির্দিষ্ট সম্প্রদায়কে লক্ষ্যবস্তু করার জন্য নয়। ধর্মনিরপেক্ষ রাজনৈতিক দলগুলোর অন্তত এটি স্বীকার করা উচিত যে এখানে লাভ জিহাদ বিদ্যমান। রাজ্যের একটি ছোট গোষ্ঠী ক্রমাগত কট্টরপন্থী হয়ে উঠছে এবং আন্তর্জাতিক ও বিশ্বব্যাপী ইসলামের সাথে এর যোগসূত্র রয়েছে। এর নাম ভিন্ন হতে পারে, তবে এই গোষ্ঠীগুলোর মানুষ এবং নেতৃত্ব প্রায় একই... এটি একটি বড় সমস্যা যা আমরা বহু বছর ধরে মোকাবিলা করছি, তবে কেরলে ধর্মনিরপেক্ষ রাজনৈতিক দলগুলো এই বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করতে আগ্রহী নয়। এটি তাদের রাজনীতির অংশ। রাজ্যে ঘটে যাওয়া প্রতিটি মৃত্যু ও হত্যাকাণ্ডকে একটি "বিচ্ছিন্ন" ঘটনা হিসেবে পাশ কাটিয়ে যাওয়া হয়। একের পর এক হত্যাকাণ্ড ঘটেছে অথচ রাজ্যের কোনো মূলধারার দল এই বিষয়টি নিয়ে কথা বলেনি। রিপোর্ট এসেছে যে এই হত্যাকাণ্ডে কট্টরপন্থী গোষ্ঠীগুলো জড়িত ছিল এবং সরকারের কাছে সমস্ত বিবরণ রয়েছে... “আজও আমরা চিন্তিত খ্রিস্টান অভিভাবকদের কাছ থেকে তাদের মেয়েদের সাহায্য ও কাউন্সেলিং চেয়ে ফোন কল পেয়েছি। এটি অন্য ধর্মের কাউকে বিয়ে করার বিষয় নয়। এই ঘটনাগুলোতে আমরা বিয়ের পর তাদের সুখে শান্তিতে থাকতে দেখি না। আমরা বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণ করছি। পুলিশ নিজেই অনেক ক্ষেত্রে প্রকাশ করেছে যে বিয়ের পর মেয়েরা নিখোঁজ হয়ে গেছে অথবা তারা ইসলামিক স্টেটে যোগ দিয়েছে এবং তাদের যৌনদাসী হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। তার মানে এটি ভালোবাসা ছিল না। ভালোবাসাকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে।" ** ফাদার ভার্গিস ভাল্লিক্কাত। [https://www.newindianexpress.com/cities/kochi/2020/jan/20/politics-in-state-silent-on-love-jihad-but-we-cant-be-bishops-council-2091749.html পলিটিক্স ইন স্টেট সাইলেন্ট অন লাভ জিহাদ, বাট উই কান্ট বি: বিশপস কাউন্সিল] নিবন্ধে উদ্ধৃত। == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:ষড়যন্ত্র তত্ত্ব]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতে ইসলাম]] [[বিষয়শ্রেণী:হিন্দু জাতীয়তাবাদ]] qfpsg3uybyboiszypgxxo37dp08dugk 79913 79911 2026-04-23T06:41:59Z Tuhin 172 79913 wikitext text/x-wiki '''[[w:লাভ জিহাদ|লাভ জিহাদ]]''' (যা '''রোমিও জিহাদ''' নামেও পরিচিত) হলো একটি ইসলামভীতিমূলক [[ষড়যন্ত্র তত্ত্ব]] যা [[হিন্দুত্ব|হিন্দুত্ববাদী]] আদর্শের সমর্থকদের দ্বারা উদ্ভাবিত। এই ষড়যন্ত্র তত্ত্বটি দাবি করে যে, মুসলিম পুরুষরা প্রলোভন, প্রেমের অভিনয়, প্রতারণা, অপহরণ এবং বিবাহের মতো উপায়ে হিন্দু নারীদের [[w:ইসলামে ধর্মান্তর|ইসলামে ধর্মান্তরিত করার]] লক্ষ্য নির্ধারণ করে। এটি ভারতের বিরুদ্ধে মুসলিমদের একটি বৃহত্তর "যুদ্ধ" এবং জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে আধিপত্য বিস্তারের একটি সংগঠিত আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে দাবি করা হয়। __NOTOC__ {{TOCalpha}} == অ == * ‘লাভ জিহাদ’ প্রচারণাটি অত্যন্ত সযত্নে অতৃপ্ত কামুক মুসলিম পুরুষের কাল্পনিক ধারণাটিকে টিকিয়ে রাখে। এর বিপরীতে হিন্দু নারীদের অসহায় হিসেবে চিত্রিত করা হয় যারা সহজেই প্রলোভনের শিকার হয়। এই বিষাক্ত প্রচারণা তরুণ দম্পতিদের জীবনে বিপর্যয় ডেকে আনছে, যেখানে নারীদের তাদের জীবনসঙ্গী নির্বাচনের অধিকার অস্বীকার করা হচ্ছে। এই সাম্প্রদায়িক কলুষিত পরিবেশে – যেখানে প্রতিটি ভিন্নধর্মী বিবাহকে একটি রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখা হয় এবং হিন্দু মেয়েদের মুসলিম ছেলেদের সংস্পর্শ থেকে ‘পবিত্র’ রাখার জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানো হয় – সেখানে এই ধরণের পরিবেশ তৈরিতে ইন্ধন জোগানো রাজনৈতিক দলটি কি [[w:অভিন্ন দেওয়ানি বিধি|অভিন্ন দেওয়ানি বিধি]] (ইউসিসি) কার্যকর করার প্রচারণার নেতৃত্ব দিতে পারে? ** [[ফ্লাভিয়া অ্যাগনেস]], [https://thewire.in/law/bjp-uniform-civil-code "দ্য মোদি গভর্নমেন্ট'স হিন্দুত্ব আইডিওলজি কুড স্টল অ্যানি প্রগ্রেস অন দ্য ইউনিফর্ম সিভিল কোড"], ''দ্য ওয়্যার'', ৭ জুলাই ২০১৬। * হিন্দুত্ববাদী তাত্ত্বিকদের মতে মুসলিমদের একটি প্রধান পরিকল্পনা হলো “হিন্দু মেয়েদের বিয়ের জন্য প্রলুব্ধ করা, আকর্ষণ করা এবং অপহরণ করা” (পালিওয়াল ২০০৩: ২৪)। ** ''হিন্দু ন্যাশনালিজম ইন ইন্ডিয়া অ্যান্ড দ্য পলিটিক্স অফ ফিয়ার'', ডি. আনন্দ, পৃষ্ঠা ৩০। * দেশজুড়ে হিন্দুত্ববাদী বুদ্ধিজীবী, নেতা এবং কর্মীদের মধ্যে একটি সাধারণ বয়ান ছিল যে, “নিষ্পাপ” হিন্দু মেয়েদের প্রলুব্ধ করার জন্য এটি একটি সচেতন মুসলিম চক্রান্ত। ** ''হিন্দু ন্যাশনালিজম ইন ইন্ডিয়া অ্যান্ড দ্য পলিটিক্স অফ ফিয়ার'', ডি. আনন্দ, পৃষ্ঠা ৫১। * তাদের পরিকল্পনা হলো আগামী ২০ বছরের মধ্যে কেরলকে একটি মুসলিম রাজ্যে পরিণত করা। সেজন্য তারা তরুণদের প্রলুব্ধ করছে, তাদের অর্থ দিচ্ছে এবং মুসলিম জনসংখ্যা বৃদ্ধির জন্য হিন্দু মেয়েদের বিয়ে করতে জোর দিচ্ছে। এভাবেই তারা তাদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা বৃদ্ধি করছে এবং এই কৌশলগুলো কাজে দিচ্ছে। ** কেরলের মার্ক্সবাদী প্রবীণ এবং সিপিএম-এর শক্তিশালী নেতা ভিএস অচ্যুতানন্দন। [https://www.firstpost.com/opinion/the-kerala-story-is-not-hindutva-fiction-world-is-waking-up-to-love-jihad-and-grooming-12555032.html/amp দ্য কেরালা স্টোরি ইজ নট হিন্দুত্ব ফিকশন, ওয়ার্ল্ড ইজ ওয়াকিং আপ টু লাভ জিহাদ অ্যান্ড গ্রুমিং] নিবন্ধে উদ্ধৃত। == স == * বামপন্থী (সিপিএম নেতৃত্বাধীন বাম গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট) এবং ডানপন্থী (কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউনাইটেড ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট) লাভ জিহাদ নামক সন্ত্রাসবাদকে পরোক্ষ ও প্রত্যক্ষভাবে সমর্থন দিয়ে জিহাদিদের তোষণ করার প্রতিযোগিতায় নেমেছে। আমাদের উচিত হবে না তাদের (এলডিএফ এবং ইউডিএফ) ছায়ায় জিহাদিদের বেড়ে উঠতে দেওয়া। সেজন্য আমাদের সেই গাছগুলো কেটে ফেলতে হবে যা তাদের আশ্রয় দেয়। চিন্তা করুন, কাজ করুন। ** কেরল ভিত্তিক খ্রিস্টান সংস্থা 'ক্রিশ্চিয়ান অ্যাসোসিয়েশন অ্যান্ড অ্যালায়েন্স ফর সোশ্যাল অ্যাকশন' (কাসা), ২০২১ সালের একটি সচেতনতামূলক ভিডিওতে। [https://theprint.in/india/theyre-taking-our-girls-to-isis-how-church-is-now-driving-love-jihad-narrative-in-kerala/632324/ ‘দে আর টেকিং আওয়ার গার্লস টু আইসিস’: হাউ চার্চ ইজ নাউ ড্রাইভিং ‘লাভ জিহাদ’ ন্যারেটিভ ইন কেরালা] == ই == * মুসলিম জনমিতিক যুদ্ধের অন্যতম বেদনাদায়ক দিক হলো অমুসলিম মেয়েদের দখল করার প্রকাশ্য প্রচেষ্টা যাতে তারা তাদের নিজস্ব জনমিতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে পারে, পাশাপাশি অভিযুক্ত কাফেরদের চরম অপমানিত করতে পারে। বাংলাদেশে এবং ভারতের মুসলিম-প্রধান অঞ্চলগুলোতে এটি প্রায়শই মেয়েদের অপহরণ করা অথবা মুসলিমদের সাথে বিয়ে দেওয়ার জন্য তাদের হুমকি দেওয়ার রূপ নেয়। পশ্চিমের উন্মুক্ত বাজার এবং ভারতের পশ্চিমা ধাঁচের সার্কেলগুলোতে এটি স্বাভাবিক প্রেমের রূপ নেয়। তবে সীমাবদ্ধতা হলো, কোনো মুসলিম মেয়ে যদি অমুসলিম কারো সাথে বন্ধুত্ব করে, তবে সেই সম্পর্ক বন্ধ করার জন্য তার ওপর পারিবারিক চাপ প্রয়োগ করা হয় অথবা ছেলের ওপর শারীরিক হুমকি দেওয়া হয়, কিংবা উভয়ই করা হয়। যেহেতু বিপরীত ক্ষেত্রে (অমুসলিম মেয়ে ও মুসলিম ছেলে) এমনটি ঘটার সম্ভাবনা অনেক কম, তাই এর নিট ফলাফল হলো অমুসলিম মেয়েদের একটি বড় অংশ মুসলিম পরিবারগুলোতে চলে যায়। ** কোয়েনরাড এলস্ট, 'দ্য ডেমোগ্রাফিক সিজ', ১৯৯৮। ক্যাথিঙ্কা ফ্রয়েস্টাড রচিত 'সাউন্ড বাইটিং কন্সপিরেসি: ফ্রম ইন্ডিয়া উইথ “লাভ জিহাদ”', রিলিজিয়নস ২০২১, ১২(১২), ১০৬৪-এ উদ্ধৃত। == জ == * এটি আর কতদূর যাবে? সুপ্রিম কোর্ট বলেছে লাভ জিহাদ নেই। আমি জানি লাভ জিহাদ বাস্তব, আমি বলব ‘লাভ জিহাদ’ আছে। আমি যখন বলছি আমরা কোন দিকে যাচ্ছি, তখন আমাকে ভুল বুঝবেন না। এটি বন্ধ করার একটাই সমাধান আছে। সম্মানিত ভারতকে একটি হিন্দু রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করতে হবে... লাভ জিহাদ বাস্তব এবং মুসলিমরা ২০৩০ সালের মধ্যে ভারতকে একটি ইসলামি রাষ্ট্র বানানোর পরিকল্পনা করছে... প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিমুদ্রাকরণ (ডিমোনেটাইজেশন) পদক্ষেপের কারণে এটি বিলম্বিত হয়েছে। ** [[w:পি. সি. জর্জ|পি. সি. জর্জ]], এপ্রিল ২০২১। [https://tfipost.com/2021/04/due-to-islamic-threat-keralas-minister-who-happens-to-be-a-christian-wants-india-to-be-declared-a-hindu-nation/ ডিউ টু ইসলামিক থ্রেট, কেরালা’স মিনিস্টার হু হ্যাপেনস টু বি এ ক্রিশ্চিয়ান ওয়ান্টস ইন্ডিয়া টু বি ডিক্লেয়ার্ড এ হিন্দু নেশন] নিবন্ধে উদ্ধৃত। * সিরিয়ান ইন্ডিপেন্ডেন্ট অর্থোডক্স চার্চের বিশপ ম্যাথিউ মার গ্রেগোরিওস বিশ্বাস করেন যে ‘লাভ জিহাদ’ একটি বাস্তবতা এবং তরুণদের এই মন্দের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর সময় এসেছে। “আপনারা দেখলে অবাক হবেন প্রতিদিন আমার ফোনে মেয়েদের বাবা-মায়ের কাছ থেকে কত মেসেজ আসে। মালাবার অঞ্চলে খ্রিস্টান মেয়েদের ইসলামে ধর্মান্তরিত করার ঘটনা ব্যাপকভাবে ঘটছে। যেহেতু আমি এখানে একটি গির্জার প্রধান, তাই খোলাখুলিভাবে এ বিষয়ে কথা বলার কিছু সীমাবদ্ধতা আমার আছে,” বিশপ হিন্দুস্তান টাইমস-কে বলেন। তার মতে, ‘লাভ জিহাদ’ একটি ভুল নাম কারণ এটি প্রেমের ছলে ধর্মান্তরের একটি কৌশল মাত্র। তিনি আরও বলেন, “আমি ব্যক্তিগতভাবে যেসব ঘটনায় হস্তক্ষেপ করেছি, তার বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এটি প্রেমের ভান ছিল। একবার বিয়ে হয়ে গেলে অধিকাংশ সময়ই মেয়েটিকে পরিত্যক্ত করা হয়। ধর্মান্তরই একমাত্র লক্ষ্য এবং এটি একটি সম্প্রদায়ের সংখ্যা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে করা হয়। কেউ কেউ এর সাথে আইসিস (আইএস) যোগসূত্র থাকার অভিযোগও তুলেছেন, যা তদন্ত করা প্রয়োজন।” ** বিশপ ম্যাথিউ মার গ্রেগোরিওস, ২০১৭। [https://www.hindustantimes.com/india-news/the-bjp-and-the-church-find-common-ground-on-love-jihad-in-kerala/story-krCpAE2YLaxTLxLZuXAnhJ.html দ্য বিজেপি অ্যান্ড দ্য চার্চ ফাইন্ড কমন গ্রাউন্ড অন ‘লাভ জিহাদ’ ইন কেরালা] == ক == * সিরো-মালাবার চার্চের পালাই ডায়োসিসের বিশপ জোসেফ কাল্লারাঙ্গাট অভিযোগ করেছেন যে যারা দাবি করেন কেরলে ‘লাভ জিহাদ’ নেই তারা “বাস্তবতার প্রতি অন্ধ।” “এই ধরণের মানুষরা রাজনীতিবিদ, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের ব্যক্তি বা গণমাধ্যম যারাই হোক না কেনো তাদের নিজস্ব স্বার্থ থাকতে পারে। তবে একটি বিষয় স্পষ্ট। আমরা আমাদের তরুণীদের হারাচ্ছি। এটি কেবল প্রেমঘটিত বিয়ের বিষয় নয়। এটি তাদের জীবন ধ্বংস করার একটি যুদ্ধ কৌশল,” তিনি দাবি করেন... “বিশ্বের অন্যান্য প্রান্তের মতো কেরলের মুসলিমদের একটি অংশ আছে যারা সম্প্রদায়ের মধ্যে বিদ্বেষ সৃষ্টি করতে এবং ধর্মীয় ঘৃণা ছড়াতে চায়। জিহাদিরা ইসলাম প্রচারের জন্য বিভিন্ন উপায় ব্যবহার করছে এবং তারা অমুসলিম তরুণীদের লক্ষ্যবস্তু করছে,” তিনি নিমিষা নামক এক হিন্দু মেয়ে এবং সোনিয়া সেবাস্তিয়ান নামক এক খ্রিস্টান মেয়ের উদাহরণ দেন, যারা মুসলিম পুরুষদের প্রেমে পড়ে ইসলাম গ্রহণ করেন এবং শেষ পর্যন্ত সিরিয়ায় কুখ্যাত ইসলামিক স্টেটে যোগ দেন। তিনি আরও ব্যাখ্যা করেন, “আমাদের মতো একটি গণতান্ত্রিক দেশে যেহেতু অন্য ধর্মের মানুষকে ধ্বংস করতে অস্ত্র ব্যবহার করা সহজ নয়, তাই জিহাদিরা এমন উপায় ব্যবহার করছে যা সহজে শনাক্ত করা যায় না। জিহাদিদের দৃষ্টিতে অমুসলিমদের ধ্বংস করতে হবে। যখন উদ্দেশ্য হয় তাদের ধর্মের বিস্তার এবং অমুসলিমদের ধ্বংস করা, তখন তারা বিভিন্ন রূপের উপায় ব্যবহার করে। বর্তমানে এ রকম ব্যাপকভাবে আলোচিত দুটি উপায় হলো লাভ জিহাদ এবং নারকোটিক্স জিহাদ।” ** জোসেফ কাল্লারাঙ্গাট, সিরো-মালাবার চার্চের বিশপ, ২১/১১/২০২২। [https://goachronicle.com/love-jihad-not-a-hindutva-conspiracy-catholic-church-rings-alarm-bells-too/ লাভ জিহাদ: নট এ হিন্দুত্ব কন্সপিরেসি, ক্যাথলিক চার্চ রিংস অ্যালার্ম বেলস টু] * জনমিতিক যুদ্ধ শুরু করা: হিন্দু মেয়েদের প্রলুব্ধ করা ও বিয়ে করা এবং তাদের গর্বিত জিহাদি ট্রফি হিসেবে প্রদর্শন করা অর্থাৎ “প্রেমের” মাধ্যমে জিহাদ; ** কৃষ্ণস্বামী কর্তৃক প্রচারিত একটি পুস্তিকা থেকে (কৃষ্ণস্বামী, পৃষ্ঠা ৪১)। * সংগঠিত ধর্মান্তর এবং ‘লাভ জিহাদ’-এ ফাঁদে ফেলে ভুক্তভোগীদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে ব্যবহার করার ঘটনাগুলো প্রমাণ করে যে খ্রিস্টান সম্প্রদায় ইসলামি চরমপন্থীদের সহজ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে। * এটি গুরুত্বপূর্ণ যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই উদ্বেগজনক প্রবণতাটি লক্ষ্য করবে এবং জাতীয় তদন্ত সংস্থা (এনআইএ) দ্বারা তদন্তের নির্দেশ দেবে এবং উগ্রপন্থীদের এই ধরণের প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড বন্ধে একটি কার্যকর আইন প্রণয়ন করবে। * বাবা-মায়েদের প্রকাশ করা ভয় অমূলক নয়, অতীতে একই ধরণের ঘটনা থেকে তা প্রমাণিত। রিপোর্ট বলছে কেরল থেকে আইসিস-এ যোগ দেওয়া ২১ জনের মধ্যে পাঁচজনই খ্রিস্টধর্ম থেকে ধর্মান্তরিত।" তিনি কেরলের ক্যাথলিক বিশপস কাউন্সিলের কমিশন ফর সোশ্যাল হারমনি অ্যান্ড ভিজিল্যান্সের প্রকাশিত তথ্য উদ্ধৃত করে বলেন, "২০০৫ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত প্রায় ৪,০০০ মেয়ে প্রেমের ফাঁদে পড়ে ধর্মান্তরিত হয়েছে। ভুক্তভোগীরা যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন অথবা কোনো স্বাধীনতা ছাড়াই শোচনীয় অবস্থায় জীবন কাটাতে বাধ্য হয়েছেন।” * কেরলের খ্রিস্টান মেয়েরা ‘লাভ জিহাদ’-এর লক্ষ্যবস্তু। তারা সহজেই ভুক্তভোগী হতে পারে। ধর্মান্তরের ক্রমবর্ধমান প্রবণতা এটিই প্রমাণ করে। ** জর্জ কুরিয়ান, সংখ্যালঘু জাতীয় কমিশনের (এনসিএম) ভাইস চেয়ারম্যান, ২০১৯। [https://www.theweek.in/news/india/2019/09/26/christians-soft-target-for-love-jihad-islamic-radicals-minority-body-vice-chairman.html ক্রিশ্চিয়ানস-সফট-টার্গেট-ফর-লাভ-জিহাদ-ইসলামিক-র‍্যাডিক্যালস-মাইনরিটি-বডি-ভাইস-চেয়ারম্যান: দ্য উইক]। এছাড়া [https://tfipost.com/2020/01/keralas-biggest-church-sounds-the-alarm-against-love-jihad/ ‘ক্রিশ্চিয়ান গার্লস টার্গেটেড, টার্নড ইনটু সেক্স স্লেভস,’ কেরালা’স বিগেস্ট চার্চ সাউন্ডস দ্য অ্যালার্ম এগেইনস্ট লাভ জিহাদ], [https://timesofindia.indiatimes.com/india/christians-soft-target-for-islamic-radicals-ncm-writes-to-shah/articleshow/71268598.cms ক্রিশ্চিয়ানস সফট টার্গেট ফর ইসলামিক র‍্যাডিক্যালস, এনসিএম রাইটস টু শাহ], [https://web.archive.org/web/20201201005142/https://www.sirfnews.com/minorities-commission-acknowledges-love-jihad/ মাইনরিটিস কমিশন অ্যাকনলেজেস লাভ জিহাদ] এবং [https://keralakaumudi.com/en/news/news.php?id=159718&u=they-can-be-easily-victimized-minority-commission-state-that-kerala-girls-are-targeted-by-love-jihad "দে ক্যান বি ইজিলি ভিক্টিমাইজড": মাইনরিটি কমিশন স্টেট দ্যাট কেরালা গার্লস আর টার্গেটেড বাই 'লাভ জিহাদ'] শীর্ষক প্রতিবেদনগুলোতে উদ্ধৃত। == হ == * আমাদের দাবি হলো কোনো মেয়েকেই যেন এই ট্রমার মধ্য দিয়ে যেতে না হয়। আমি অনুভব করছি যে ‘লাভ জিহাদ’ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। ** নিরঞ্জন হিরেমাথ, কংগ্রেস কর্পোরেটর এবং নিহত এমসিএ শিক্ষার্থী নেহা হিরেমাথের বাবা। [https://newsable.asianetnews.com/karnataka-news/hubballi-horror-neha-hiremath-s-father-says-love-jihad-is-spreading-rapidly-urges-govt-action-watch-snt-sc6z04 হুবলি হরর: নেহা হিরেমাথ'স ফাদার সেজ 'লাভ জিহাদ' ইজ স্প্রেডিং র‍্যাপিডলি, আরজেস গভর্মেন্ট অ্যাকশন], ১৯ এপ্রিল ২০২৪। == ম == * কিছু ঘটনা সামনে এসেছে যা গুরুত্বের সাথে দেখা প্রয়োজন, আমাদের অবশ্যই এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। যদি এমন কিছু ঘটে থাকে, তবে আমাদের তা খতিয়ে দেখা উচিত... এ নিয়ে কিছু সমস্যা এবং আশঙ্কা রয়েছে। যা ঘটেছে সে সম্পর্কে সরকারের স্পষ্টভাবে সামনে আসা উচিত এবং যদি এই ধরণের কোনো ঘটনা (লাভ জিহাদ) থেকে থাকে, তবে সেগুলোর সমাধান ও প্রতিকার করা উচিত। ** জোসে কে মানি, ২০২১। [https://theprint.in/politics/love-jihad-cases-should-be-studied-addressed-kerala-congress-m-chief-on-church-view/629731/ ‘লাভ জিহাদ’ কেসেস শুড বি স্টাডিড অ্যান্ড অ্যাড্রেসড: কেরালা কংগ্রেস (এম) চিফ অন চার্চ ভিউ]। এছাড়া [https://tfipost.com/2021/03/e-sreedharans-remarks-on-love-jihad-has-triggered-a-debate-in-kerala-and-even-congress-m-is-speaking-up-about-it/ ই শ্রীধরন’স রিমার্কস অন লাভ জিহাদ হ্যাজ ট্রিগার্ড এ ডিবেট ইন কেরালা অ্যান্ড ইভেন কংগ্রেস (এম) ইজ স্পিকিং আপ অ্যাবাউট ইট] শীর্ষক প্রতিবেদনে উদ্ধৃত। * এটি একটি সংগঠিত অপরাধ। উপসাগরীয় (গালফ) এবং অন্যান্য দেশ থেকে অর্থ আসছে যাতে মুসলিম পুরুষদের একটি দল হিন্দু নারীদের ফাঁদে ফেলতে পারে, তাদের বিয়ে করতে পারে এবং তারপর সন্ত্রাসবাদসহ বিভিন্ন অপরাধে তাদের ব্যবহার করতে পারে। ** [[w:লাভ জিহাদ|লাভ জিহাদ]] প্রসঙ্গে প্রমোদ মুথালিক, যেমনটা উদ্ধৃত হয়েছে "[http://indianexpress.com/article/cities/mumbai/muthalik-finds-cases-of-love-jihad-in-state-cites-rti-info/ মুথালিক ফাইন্ডস কেসেস অফ ‘লাভ জিহাদ’ ইন স্টেট, সাইটস আরটিআই ইনফো]", ''দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস'' (২০ সেপ্টেম্বর ২০১৪)। == ন == * আমরা দেখেছি কীভাবে সুফি ধর্মগুরু খাজা হাসান নিজামী তার 'দায়ি-এ ইসলাম'-এ হিন্দুদের ইসলামে ধর্মান্তরিত করার উপায় সম্পর্কে মুসলিমদের নির্দেশ দিয়েছিলেন। তার অতি-উৎসাহ হিন্দুদের সতর্ক করে দিয়েছিল। সেই নির্দেশগুলো গোপন থাকেনি, বইটি অনূদিত হয়েছিল এবং হিন্দুরা জানতে পেরেছিল কীভাবে এবং কেন উত্তর ভারতের প্রায় প্রতিটি শহর ও নগরে মুসলিমদের দ্বারা হিন্দু মেয়েদের গোপন অপহরণ এবং প্রলোভন দেখানো প্রতিদিনের ঘটনায় পরিণত হয়েছে। হিন্দুরা ব্যক্তিগতভাবে এবং তাদের সংগঠনের মাধ্যমে সতর্কতা অবলম্বন করতে শুরু করে। তারা হিন্দু মেয়ে, বিধবা এবং এতিমদের উদ্ধার করে এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে এই নোংরা প্রচেষ্টাগুলো রুখতে শুরু করে। ** খাজা হাসান নিজামী, ভি.পি. ভাটিয়া রচিত "দ্য এভার গ্রিন মোল্লা পাওয়ার", অর্গানাইজার, ২৭ অক্টোবর ১৯৯৬-এ উদ্ধৃত; যা বি.আর. আম্বেদকরের 'পাকিস্তান অ্যান্ড পার্টিশন অফ ইন্ডিয়া'; ইন্দ্র প্রকাশের 'দ্য হিস্ট্রি অফ হিন্দু মহাসভা'; এবং শেখ আব্দুল্লাহর 'আতিশ-এ-চিনার'-এর তথ্যসূত্র ব্যবহার করেছে। কে. এস. লাল রচিত 'থিওরি অ্যান্ড প্র্যাকটিস অফ মুসলিম স্টেট ইন ইন্ডিয়া' (১৯৯৯), নয়াদিল্লি: আদিত্য প্রকাশন, অধ্যায় ৬ থেকে উদ্ধৃত। * হিন্দুদের ইসলামে ধর্মান্তরিত করার উপায় বাতলে মুসলিমদের নির্দেশ দেওয়া উর্দু ভাষায় রচিত অনেক প্যামফলেট ও ব্রোশারের মধ্যে কেবল একটি পরীক্ষা করলেই এই ধরণের সাহিত্যে কী থাকে সে সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। এটি হলো খাজা হাসান নিজামীর 'দায়ি-এ ইসলাম' (ইসলামের প্রচার)। হাসান নিজামী ছিলেন দিল্লির নিজামউদ্দিন আউলিয়ার দরগাহর সাথে যুক্ত একজন সুফি ধর্মগুরু। প্যামফলেটটি কাফেরদের ইসলামে ধর্মান্তরিত করার দ্রুততম ও ব্যাপক উপায় শেখায়। খাজা উচ্চবিত্ত থেকে নিম্নবিত্ত সকল পর্যায়ের মুসলিমদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন অমুসলিমদের ইসলামে ধর্মান্তরিত করার মাধ্যমে ইসলামের সেবা করতে। এই মিশনারি প্রচেষ্টায় জমিদার ও নবাব, ডাক্তার ও পতিতা, এক্কা চালক ও চুড়ি বিক্রেতা সবাইকে অবদান রাখার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। মুসলিম আইনজীবী ও ডাক্তারদের বলা হয়েছিল তাদের হিন্দু মক্কেল ও রোগীদের ধর্মান্তরিত করতে প্রভাবিত করতে। নবাব ও জমিদারদের বলা হয়েছিল তাদের অধীনে থাকা হিন্দু প্রজাদের মুসলমান হতে চাপ দিতে। পতিতাদের বলা হয়েছিল তাদের হিন্দু খদ্দের ও অনুরাগীদের মুসলিম হতে প্রভাবিত করতে। চুড়ি বিক্রেতাদের বলা হয়েছিল তরুণী হিন্দু মেয়েদের প্রলুব্ধ করতে এবং এক্কা চালকদের বলা হয়েছিল হিন্দু নারী ও শিশুদের ভুলিয়ে নিয়ে যেতে। এই জাতীয় ব্যবস্থাপত্র আধ্যাত্মিক বা নীতিগত কোনোটিই ছিল না, তবে এটি মুসলিম মানসিকতার সাথে খাপ খেয়েছিল। প্যামফলেটটি মুসলিমদের মধ্যে ব্যাপক বিক্রি হয়েছিল। হায়দ্রাবাদের নিজাম খাজার জন্য একটি ভাতা নির্দিষ্ট করেছিলেন এবং অন্যান্য মুসলিম প্রধান ও জমিদাররাও তা অনুসরণ করেছিলেন। মুসলিম ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ ও আবগারি পরিদর্শক এবং অন্যান্য প্রভাবশালী কর্মকর্তাদের এই সুফি ভক্তের পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করতে দেখা গিয়েছিল। ** খাজা হাসান নিজামী, কে. এস. লাল রচিত 'থিওরি অ্যান্ড প্র্যাকটিস অফ মুসলিম স্টেট ইন ইন্ডিয়া' (১৯৯৯), নয়াদিল্লি: আদিত্য প্রকাশন, অধ্যায় ৬ থেকে উদ্ধৃত। == প == * আমাদের মেয়েরা চরমপন্থীদের দ্বারা ফাঁদে পড়ার ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে। আসুন আমরা সেই সব বাবা-মায়ের দুঃখের জন্য প্রার্থনা করি যারা তাদের সন্তানদের ধর্মীয় চরমপন্থীদের ফাঁদে পড়তে দেখেও অসহায় হয়ে আছেন। নারীদের বিরুদ্ধে ক্রমবর্ধমান সহিংসতার এই যুগে আমাদের উচিত পবিত্র মাতার মতো নারী ও নারীত্বকে শ্রদ্ধা ও সম্মান করা। "প্রত্যেকেরই আর্চডায়োসিস ক্যাটেচিজম সেন্টারের সচেতনতামূলক প্রচারণার সুযোগ নেওয়া উচিত, যা কিশোর-কিশোরী এবং তাদের অভিভাবকদের লক্ষ্য করে পরিচালিত হচ্ছে, যাতে আমাদের সন্তানরা সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর ফাঁদে না পড়ে।" ** আর্চবিশপ মার জোসেফ পামপ্লানি কর্তৃক জারি করা যাজকীয় পত্র। [https://www.onmanorama.com/news/kerala/2022/09/05/tellicherry-archdiocese-circular-love-trap.html এক্সট্রিমিস্টস লিউরিং ক্রিশ্চিয়ান গার্লস ফেইনিং লাভ, ওয়ার্নস টেলিসেরি আর্চডায়োসিস], ৫ সেপ্টেম্বর ২০২২। * “বিশ্বাসীরা যদি এমন পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়, তবে আপনি তাদের দোষ দিতে পারেন না। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে ডায়োসিস কোনো অবস্থান নেয়নি, তবে আমরা উদ্বিগ্ন। তাই এই ধরণের ঘটনা বন্ধ করার জন্য যারা কাজ করছে তাদের সমর্থন করার মধ্যে ভুল কী আছে?” ** ফাদার জিমি পুচাকাত্ত, মুখপাত্র, সিরো মালাবার চার্চ, ২০১৭। [https://www.hindustantimes.com/india-news/the-bjp-and-the-church-find-common-ground-on-love-jihad-in-kerala/story-krCpAE2YLaxTLxLZuXAnhJ.html দ্য বিজেপি অ্যান্ড দ্য চার্চ ফাইন্ড কমন গ্রাউন্ড অন ‘লাভ জিহাদ’ ইন কেরালা] নিবন্ধে উদ্ধৃত। == স == * তথাকথিত অতি-পুরুষালি মুসলিম পুরুষ দেহ এবং অতি-প্রজননক্ষম মুসলিম নারী দেহ নিয়ে একটি অন্ধকার যৌন আচ্ছন্নতা রয়েছে, যা এই প্যারানোইয়া (অহেতুক ভীতি) এবং প্রতিশোধের মূর্তিকে অনুপ্রাণিত ও টিকিয়ে রাখে। ** সরকার, তানিকা। "সেমিওটিকস অফ টেরর: মুসলিম চিলড্রেন অ্যান্ড উইমেন ইন হিন্দু রাষ্ট্র।" ইকোনমিক অ্যান্ড পলিটিক্যাল উইকলি ৩৭, নম্বর ২৮ (২০০২): ২৮৭২-৮৭৬। সংগৃহীত ৯ জুলাই, ২০২১। http://www.jstor.org/stable/4412352। * একজন অধিকতর পুরুষালি মুসলিম পুরুষ দেহের প্রতি এক ধরণের চিরস্থায়ী ভয় কাজ করে যা হিন্দু মেয়েদের ভুলিয়ে নিয়ে যায়। এটি এক ধরণের লিঙ্গ-ঈর্ষা এবং পুরুষত্বহীনতার উদ্বেগ যা কেবল সহিংস কাজের মাধ্যমেই কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। ** সরকার, তানিকা। "সেমিওটিকস অফ টেরর: মুসলিম চিলড্রেন অ্যান্ড উইমেন ইন হিন্দু রাষ্ট্র।" ইকোনমিক অ্যান্ড পলিটিক্যাল উইকলি ৩৭, নম্বর ২৮ (২০০২): ২৮৭২-৮৭৬। সংগৃহীত ৯ জুলাই, ২০২১। http://www.jstor.org/stable/4412352। * লাভ জিহাদ, হ্যাঁ, কেরলে কী ঘটছে তা আমি দেখছি। কীভাবে হিন্দুরা একটি বিয়ের জালে প্রতারিত হচ্ছে এবং কীভাবে তারা কষ্ট পাচ্ছে... শুধু হিন্দু নয়, মুসলিম ও খ্রিস্টান মেয়েরাও বিয়ের ক্ষেত্রে প্রতারিত হচ্ছে। এখন এই ধরণের জিনিসের আমি অবশ্যই বিরোধিতা করব। ** ই. শ্রীধরন, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২১। [https://www.ndtv.com/video/exclusive/the-news/bjp-not-communal-party-of-nation-lovers-india-s-metro-man-e-sreedharan-576372 এনডিটিভি: বিজেপি নট কমিউনাল, পার্টি অফ নেশন-লাভার্স: "মেট্রো ম্যান" ই শ্রীধরন টু এনডিটিভি]। এছাড়া [https://tfipost.com/2021/02/not-a-cry-of-the-right-wing-fringe-now-metro-man-e-sreedharan-says-love-jihad-is-an-issue-and-must-be-combatted/ নট এ ক্রাই অফ দ্য রাইট-উইং ফ্রিঞ্জ? নাউ মেট্রো ম্যান ই শ্রীধরন সেজ লাভ জিহাদ ইজ অ্যান ইস্যু অ্যান্ড মাস্ট বি কমব্যাটেড] এবং [https://tfipost.com/2021/03/e-sreedharans-remarks-on-love-jihad-has-triggered-a-debate-in-kerala-and-even-congress-m-is-speaking-up-about-it/ ই শ্রীধরন’স রিমার্কস অন লাভ জিহাদ হ্যাজ ট্রিগার্ড এ ডিবেট ইন কেরালা অ্যান্ড ইভেন কংগ্রেস (এম) ইজ স্পিকিং আপ অ্যাবাউট ইট] শীর্ষক প্রতিবেদনগুলোতে উদ্ধৃত। * বামপন্থীরা যখন এই ঘটনাগুলোকে ‘ডানপন্থী কল্পনা’ বলে উড়িয়ে দেয়, তবে আসলে ঘটনাগুলো বাস্তব। মৃতদেহগুলোও বাস্তব এবং হুমকিটি আসন্ন... ‘লাভ জিহাদ’ এর মতো একটি শব্দের সংকীর্ণ সংজ্ঞার কারণেই বামপন্থীরা এখন এটিকে বিকৃত করার চেষ্টা করছে এই বলে যে, লাভ জিহাদ শব্দটি কেবল এই কারণে ব্যবহৃত হয় কারণ ‘চরমপন্থী হিন্দুরা’ আন্তঃধর্মীয় বিবাহের বিরোধী। অথচ বাস্তবতা হলো এই ঘটনাটি পারস্পরিক সম্মতির সম্পর্কের ধারেকাছেও নেই।<br>এই কারণেই অপইন্ডিয়া এখন থেকে তাদের আলোচনা ও প্রতিবেদনে ‘লাভ জিহাদ’ শব্দটি পরিহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। জিহাদে কোনো ‘লাভ’ বা ভালোবাসা নেই এবং এমনকি যদি আমরা সমস্যাযুক্ত বাক্য গঠনসহ শব্দটি গ্রহণ করি, তবুও এটি সেই জিহাদের ভয়াবহতাকে তুলে ধরতে ব্যর্থ হয় যা কট্টরপন্থী মুসলিমদের একাংশ পরিচালনা করছে যারা নির্দিষ্টভাবে অমুসলিম নারীদের লক্ষ্যবস্তু করে। আমরা বিশ্বাস করি যে ‘গ্রুমিং জিহাদ’ শব্দটি অনেক বেশি উপযুক্ত কারণ এটি নিজের মধ্যে সেই সমস্ত ধরণের অপরাধকে ধারণ করে যা নারীদের এই জিহাদের কেন্দ্রে রাখে।<br>অ-মুসলিম নারীদের গ্রুমিং করা হচ্ছে যাতে তারা মুসলিম পুরুষদের হাতে নিজেদের পরাধীনতাকে মেনে নেয়। তাদের অপহরণ, ধর্ষণ, প্রলুব্ধ, ইসলামে ধর্মান্তরিত, শাস্তি এবং মগজধোলাই করা হচ্ছে। মানবতার বিরুদ্ধে এই অপরাধগুলোতে কোনো ‘লাভ’ নেই। এটি যে জিহাদের একটি রূপ তা নিয়ে কোনো অস্পষ্টতা নেই। একে তার সঠিক নামে ডাকার সময় এসেছে – গ্রুমিং জিহাদ। ** নুপুর জে শর্মা | ১৮ নভেম্বর, ২০২০। [https://www.opindia.com/2020/11/opindia-to-use-grooming-jihad-instead-of-love-jihad-here-is-why হোয়াই অপইন্ডিয়া হ্যাজ ডিসাইডেড টু ইউজ ‘গ্রুমিং জিহাদ’ ইনস্টেড অফ ‘লাভ জিহাদ’ মুভিং ফরোয়ার্ড]। * কাশ্মীর কোনো পাকিস্তান নয় যেখানে শিখদের জোর করে ধর্মান্তরিত করা যায়, আমরা এটি হতে দেব না। অকাল তখত সাহেবের জাঁতাদার জম্মু ও কাশ্মীরের লেফটেন্যান্ট গভর্নরের কাছে একটি চিঠি লিখেছেন যাতে ‘লাভ জিহাদ’-এর বিরুদ্ধে আইন আনা হয়। ** সরদার আর পি সিং, জুন ২০২১। [https://www.newkerala.com/news/2021/91223.htm শিখ লিডার্স মিট রেড্ডি ওভার কনভারশন অফ শিখ গার্লস ইন কাশ্মীর]। == ত == * এটি অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয় যে খ্রিস্টান মেয়েরাই সবচেয়ে বেশি লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হচ্ছে। সিবিআই, এনআইএ এবং আইবি সকলেই রিপোর্ট করেছে যে রাজ্য ও দেশে এই ধরণের ঘটনা ঘটছে। এটি দুঃখজনক এবং উদ্বেগের বিষয় যে ধর্মীয় সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর দ্বারা সরল মেয়েদের ফাঁদে ফেলার প্রচেষ্টাকে প্রতিহত করার একটি ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও এগুলো দক্ষতার সাথে মোকাবিলা করা হচ্ছে না। ** ফাদার অ্যান্টনি থালাচেলুর। [https://www.theweek.in/news/india/2020/01/15/christian-girls-targeted-and-killed-in-name-of-love-jihad-kerala-syro-malabar-church.html ক্রিশ্চিয়ান-গার্লস-টার্গেটেড-অ্যান্ড-কিলড-ইন-নাম-অফ-লাভ-জিহাদ-কেরালা-সিরো-মালাবার-চার্চ: দ্য উইক]। * ইসলামিক স্টেট তাদের ইহুদি ও খ্রিস্টান নারীদের শিকার করার আন্তর্জাতিক এজেন্ডার অংশ হিসেবে খ্রিস্টান নারীদের প্রলুব্ধ করছে... আগামী কয়েক মাসে আমরা আমাদের ধর্মীয় সংগঠনের মাধ্যমে পরিবার এবং মেয়েদের সচেতন করব যাতে তারা এই ফাঁদে না পড়ার মতো যথেষ্ট শিক্ষিত হয়। ** ফাদার অ্যান্টনি থালাচেলুর, ২০২০। [https://theprint.in/india/syro-malabar-church-says-love-jihad-a-threat-in-kerala-govt-says-it-doesnt-exist/351174/ সিরো-মালাবার চার্চ সেজ ‘লাভ জিহাদ’ এ থ্রেট ইন কেরালা, গভর্মেন্ট সেজ ইট ডাজ নট এক্সিস্ট] নিবন্ধে উদ্ধৃত। * যেন এটিই যথেষ্ট নয়, কারগিলের বৌদ্ধদের ইসলামে ধর্মান্তরিত করার একটি সুপরিকল্পিত এবং সংগঠিত নকশা রয়েছে। গত চার বছরে কেবল ওয়াখা গ্রাম থেকেই প্রায় ৫০ জন মেয়ে এবং সন্তানসহ বিবাহিত নারীকে প্রলুব্ধ করে ধর্মান্তরিত করা হয়েছে। যদি এটি বিনা বাধায় চলতে থাকে, তবে আমাদের ভয় হচ্ছে আগামী দুই দশকের মধ্যে কারগিল থেকে বৌদ্ধরা বিলুপ্ত হয়ে যাবে। এই ধরণের প্রলোভন ও ধর্মান্তরের প্রতিবাদকারী যে কাউকেই হয়রানি করা হয়... তাই লাদাখি জনগণের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক পরিচয় রক্ষা করতে কারগিলের জন্য একটি ধর্মান্তর বিরোধী আইন কার্যকর করতে হবে, যেমনটি বর্তমানে অরুণাচল প্রদেশ এবং মধ্যপ্রদেশের মতো রাজ্যগুলোতে বলবৎ রয়েছে। ** লাদাখ বৌদ্ধ অ্যাসোসিয়েশনের টুন্ডুপ ত্সারিং এবং ত্সাওয়াং নুরবু। কোয়েনরাড এলস্ট রচিত 'ভারতীয় জনতা পার্টি ভিস-আ-ভিস হিন্দু রিসার্জেন্স' এবং 'হু ইজ এ হিন্দু?: হিন্দু রিভাইভালিস্ট ভিউজ অফ অ্যানিমিজম, বুদ্ধিজম, শিখজম, অ্যান্ড আদার অফশুটস অফ হিন্দুইজম' (২০০২)-এ উদ্ধৃত। == ভ == * লাভ জিহাদকে কেবল প্রেমের কোণ থেকে দেখা উচিত নয়, বরং আরও বৃহত্তর পর্যায়ে এর সমাধান করা উচিত। এটি কোনো নির্দিষ্ট সম্প্রদায়কে লক্ষ্যবস্তু করার জন্য নয়। ধর্মনিরপেক্ষ রাজনৈতিক দলগুলোর অন্তত এটি স্বীকার করা উচিত যে এখানে লাভ জিহাদ বিদ্যমান। রাজ্যের একটি ছোট গোষ্ঠী ক্রমাগত কট্টরপন্থী হয়ে উঠছে এবং আন্তর্জাতিক ও বিশ্বব্যাপী ইসলামের সাথে এর যোগসূত্র রয়েছে। এর নাম ভিন্ন হতে পারে, তবে এই গোষ্ঠীগুলোর মানুষ এবং নেতৃত্ব প্রায় একই... এটি একটি বড় সমস্যা যা আমরা বহু বছর ধরে মোকাবিলা করছি, তবে কেরলে ধর্মনিরপেক্ষ রাজনৈতিক দলগুলো এই বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করতে আগ্রহী নয়। এটি তাদের রাজনীতির অংশ। রাজ্যে ঘটে যাওয়া প্রতিটি মৃত্যু ও হত্যাকাণ্ডকে একটি "বিচ্ছিন্ন" ঘটনা হিসেবে পাশ কাটিয়ে যাওয়া হয়। একের পর এক হত্যাকাণ্ড ঘটেছে অথচ রাজ্যের কোনো মূলধারার দল এই বিষয়টি নিয়ে কথা বলেনি। রিপোর্ট এসেছে যে এই হত্যাকাণ্ডে কট্টরপন্থী গোষ্ঠীগুলো জড়িত ছিল এবং সরকারের কাছে সমস্ত বিবরণ রয়েছে... “আজও আমরা চিন্তিত খ্রিস্টান অভিভাবকদের কাছ থেকে তাদের মেয়েদের সাহায্য ও কাউন্সেলিং চেয়ে ফোন কল পেয়েছি। এটি অন্য ধর্মের কাউকে বিয়ে করার বিষয় নয়। এই ঘটনাগুলোতে আমরা বিয়ের পর তাদের সুখে শান্তিতে থাকতে দেখি না। আমরা বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণ করছি। পুলিশ নিজেই অনেক ক্ষেত্রে প্রকাশ করেছে যে বিয়ের পর মেয়েরা নিখোঁজ হয়ে গেছে অথবা তারা ইসলামিক স্টেটে যোগ দিয়েছে এবং তাদের যৌনদাসী হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। তার মানে এটি ভালোবাসা ছিল না। ভালোবাসাকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে।" ** ফাদার ভার্গিস ভাল্লিক্কাত। [https://www.newindianexpress.com/cities/kochi/2020/jan/20/politics-in-state-silent-on-love-jihad-but-we-cant-be-bishops-council-2091749.html পলিটিক্স ইন স্টেট সাইলেন্ট অন লাভ জিহাদ, বাট উই কান্ট বি: বিশপস কাউন্সিল] নিবন্ধে উদ্ধৃত। == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:ষড়যন্ত্র তত্ত্ব]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতে ইসলাম]] [[বিষয়শ্রেণী:হিন্দু জাতীয়তাবাদ]] akaf3t16uewjeal1c6uth64hj3lew9i লাভ জিহাদ ষড়যন্ত্রমূলক তত্ত্ব 0 13260 79891 2026-04-23T06:10:15Z Tuhin 172 Tuhin [[লাভ জিহাদ ষড়যন্ত্রমূলক তত্ত্ব]] কে [[লাভ জিহাদ ষড়যন্ত্র তত্ত্ব]] শিরোনামে স্থানান্তর করেছেন 79891 wikitext text/x-wiki #পুনর্নির্দেশ [[লাভ জিহাদ ষড়যন্ত্র তত্ত্ব]] aktzn3lvhuu8j6pjguu1m91154bcmha আলাপ:টিমথি শালামে 1 13261 79910 2026-04-23T06:38:23Z Tanbiruzzaman 806 https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026 79910 wikitext text/x-wiki {{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}} s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm আলাপ:লাভ জিহাদ ষড়যন্ত্র তত্ত্ব 1 13262 79914 2026-04-23T06:42:24Z Tuhin 172 https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026 79914 wikitext text/x-wiki {{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}} s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm ফ্লাভিয়া অ্যাগনেস 0 13263 79916 2026-04-23T06:52:30Z Tuhin 172 + 79916 wikitext text/x-wiki '''[[w:ফ্লাভিয়া অ্যাগনেস|ফ্লাভিয়া অ্যাগনেস]]''' (জন্ম [[১৯৪৭]]) একজন ভারতীয় আইন সম্পর্কিত পণ্ডিত এবং নারী অধিকার কর্মী। == উক্তি == * আমাদের সরকার "মৃত্যুদণ্ড" বলে চিৎকার করছে এবং জাতীয় মহিলা কমিশনের প্রাক্তন চেয়ারপারসন ধর্ষকদের খোজা করার দাবি তুলছেন। এই বিষয়টি কেবল উত্তরোত্তর বর্বর ও চাঞ্চল্যকর শাস্তি এবং নারীজাতির বৃহত্তর মুক্তির মধ্যে একটি অদ্ভুত যোগসূত্র স্থাপনের বিকৃত বিশ্বাসকে প্রকাশ করে। তারা যদি সামান্য জাগতিক খুঁটিনাটি বিষয়গুলোর দিকে নজর দিতেন! ** [[w:ভারতে ধর্ষণ|ভারতে ধর্ষণ মামলায়]] সাজার নিম্ন হার প্রসঙ্গে, যেমনটা উদ্ধৃত হয়েছে "[http://www.outlookindia.com/article/rape-amp-punishment/206690 রেপ অ্যান্ড পানিশমেন্ট: উইল ডেথ পেনাল্টি ডিটার র‍্যাপিস্টস, অর মেক কনভিকশন ইভেন টাফার?]" ''আউটলুক ইন্ডিয়া'' (১৪ ডিসেম্বর ১৯৯৮)। * এই সমস্ত নতুন দাবি, ধর্ষণের জন্য মৃত্যুদণ্ড এবং নারীদের হেনস্থা করার জন্য দীর্ঘমেয়াদী কারাদণ্ড কেবল অপরাধীদের মুক্তভাবে ঘুরে বেড়াতে সাহায্য করবে, কারণ "যুক্তিসঙ্গত সন্দেহের ঊর্ধ্বে" প্রমাণ করার দায়ভার ভুক্তভোগীর সমস্যা হয়ে দাঁড়াবে। ** যৌন হয়রানির জন্য কঠোর আইনের প্রস্তাব প্রসঙ্গে, যেমনটা উদ্ধৃত হয়েছে "[http://www.outlookindia.com/article/sexism-and-the-workplace-wars/207315 সেক্সিজম অ্যান্ড দ্য ওয়ার্কপ্লেস ওয়ার্স]" ''আউটলুক ইন্ডিয়া'' (১৯ এপ্রিল ১৯৯৯)। * দিল্লির মতো মহানগরীতে বসে আইন অপব্যবহার হচ্ছে বলে রায় দেওয়া সহজ। তবে আমাদের বৃহত্তর বাস্তবতার দিকে তাকানো উচিত যেখানে আইনগুলো এখনও ব্যবহারের ন্যূনতম মানেই পৌঁছাতে পারেনি। ** [[w:ভারতে যৌতুক প্রথা#যৌতুক বিরোধী আইন|ভারতের যৌতুক বিরোধী আইনের]] অপব্যবহারের দাবি প্রসঙ্গে, যেমনটা উদ্ধৃত হয়েছে "[http://www.tribuneindia.com/1999/99oct19/nation.htm#7 উইমেন মিস(ইউজিং) লজ টু গেট ইভেন?]" ''দ্য ট্রিবিউন'' (১৯ অক্টোবর ১৯৯৯)। * ধারা ৪৯৭ ওল্ড টেস্টামেন্টের মূল্যবোধের ওপর ভিত্তি করে তৈরি। এটি নারীর অধিকার রক্ষা করে না, বরং কেবল তাদের স্ত্রীদের শরীরের ওপর পুরুষদের মালিকানা সত্ত্ব রক্ষা করে। ** ভারতের [[ব্যভিচার]] আইন প্রসঙ্গে, যেমনটা উদ্ধৃত হয়েছে "[http://www.outlookindia.com/article/what-the-law-says/220011 হোয়াট দ্য ল সেজ]" ''আউটলুক ইন্ডিয়া'' (৫ মে ২০০৩)। * এটি একটি নিয়মিত বিষয় যা নারীরা পুলিশদের সাথে মোকাবিলা করার সময় অনুভব করেন। তারা নারীদের সাথে, বিশেষ করে নিম্নবিত্ত বা যাদের তারা "উচ্ছৃঙ্খল" মনে করে, তাদের সাথে অত্যন্ত অপমানজনক ও লম্পট ভঙ্গিতে আচরণ করে। ** নারীদের প্রতি মুম্বাই পুলিশের দৃষ্টিভঙ্গি প্রসঙ্গে, যেমনটা উদ্ধৃত হয়েছে "[http://outlookindia.com/story.aspx?sid=4&aid=227327 দ্য ল'স এ বিস্ট]" ''আউটলুক ইন্ডিয়া'' (৯ মে ২০০৫)। * নাচ এবং গান বৈধ পেশা, যা নারীদের জন্য নতুন কিছু নয়। এ ধরণের বার নিষিদ্ধ করা সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদের অধীনে এই নারীদের জীবিকা অর্জনের অধিকার এবং ১৯ অনুচ্ছেদের অধীনে একটি বৈধ পেশা চালিয়ে যাওয়ার অধিকারকে লঙ্ঘন করবে। ** মহারাষ্ট্র সরকারের [[w:ডান্স বার|ডান্স বারের নর্তকীদের]] ওপর নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে, যেমনটা উদ্ধৃত হয়েছে "[http://www.tribuneindia.com/2005/20050430/saturday/main1.htm রেজিং দ্য বার]" ''দ্য ট্রিবিউন'' (৩০ এপ্রিল ২০০৫)। * তিনি অপরাধের গুরুত্ব বুঝতে পেরেছেন বলে মনে হয় না। ভারতের অভিজাত শ্রেণি আইপিসি-এর সংশোধনীগুলোকে সাধুবাদ জানিয়েছিল যা ধর্ষণের সংজ্ঞাকে প্রসারিত করেছে, তবে তারা বুঝতে পারেনি যে এগুলো কেবল নিম্নবিত্ত পুরুষদের জন্য প্রযোজ্য নয় বরং তাদের ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে। নিম্নবিত্তদের জড়িত ধর্ষণের মামলায় যখন মৃত্যুদণ্ডের জন্য এত শোরগোল হয়েছে, তখন অভিজাতরা কি এখন এটি নিজেদের ওপর প্রয়োগ করতে চাইবেন? ** [[w:তরুণ তেজপাল|তরুণ তেজপালের]] বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ এবং [[w:ফৌজদারি আইন (সংশোধন) আইন, ২০১৩|ফৌজদারি আইন (সংশোধন) আইন, ২০১৩]] প্রসঙ্গে, যেমনটা উদ্ধৃত হয়েছে "[http://timesofindia.indiatimes.com/city/mumbai/Tejpals-email-apology-strong-documentary-evidence/articleshow/26224417.cms তেজপাল'স ইমেইল অ্যাপোলজি স্ট্রং ডকুমেন্টারি এভিডেন্স]" ''দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া'' (২৩ নভেম্বর ২০১৩)। * দরিদ্র প্রেক্ষাপট থেকে আসা তরুণ ছেলেদের যে সাজা দেওয়া হয়েছে তা কেবল অতিমাত্রায় কঠোরই নয়, আমাদের ভয় হচ্ছে এটি একটি খারাপ নজির স্থাপন করবে এবং "বিরলতম থেকে বিরল" ভিত্তিটিকে লঘু করে দেবে, যার ওপর আমাদের ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থায় মৃত্যুদণ্ডের রায় নির্ভর করে। যেখানে অধিকাংশ দেশ মৃত্যুদণ্ড বাতিলের দিকে এগোচ্ছে, সেখানে এটি একটি পশ্চাৎমুখী পদক্ষেপ। ** [[w:২০১৩ মুম্বাই গণধর্ষণ|২০১৩ মুম্বাই গণধর্ষণের]] রায় প্রসঙ্গে, যেমনটা উদ্ধৃত হয়েছে "[http://www.mumbaimirror.com/mumbai/cover-story/Opinion-Why-I-oppose-death-for-rapists/articleshow/33250078.cms ওপিনিয়ন: হোয়াই আই অপোজ ডেথ ফর র‍্যাপিস্টস]" ''মুম্বাই মিরর'' (৫ এপ্রিল ২০১৪)। * মামলার বিষয়বস্তু এবং প্রকৃত অপরাধের সাথে এই সমস্ত খুঁটিনাটি বিষয় কতটা প্রাসঙ্গিক? যখন বিষয়টি একজন উচ্চবিত্ত নারীর হয়, তখন তার জীবনের প্রতি এক ধরণের উত্তেজনাপূর্ণ কৌতূহল এবং অতি-আগ্রহ দেখা যায়। তার জীবন তখন সবার জন্য উন্মুক্ত হয়ে পড়ে। ** [[w:ইন্দ্রাণী মুখার্জি|ইন্দ্রাণী মুখার্জির]] ওপর গণমাধ্যমের মনোযোগ প্রসঙ্গে, যেমনটা উদ্ধৃত হয়েছে "[http://www.outlookindia.com/article/the-maria-connection/295258 দ্য মারিয়া কানেকশন]" ''আউটলুক ইন্ডিয়া'' (৬ সেপ্টেম্বর ২০১৫)। * ‘[[লাভ জিহাদ]]’ প্রচারণাটি অত্যন্ত সযত্নে অতৃপ্ত কামুক মুসলিম পুরুষের কাল্পনিক ধারণাটিকে টিকিয়ে রাখে। এর বিপরীতে হিন্দু নারীদের অসহায় হিসেবে চিত্রিত করা হয় যারা সহজেই প্রলোভনের শিকার হয়। এই বিষাক্ত প্রচারণা তরুণ দম্পতিদের জীবনে বিপর্যয় ডেকে আনছে, যেখানে নারীদের তাদের জীবনসঙ্গী নির্বাচনের অধিকার অস্বীকার করা হচ্ছে। এই সাম্প্রদায়িক কলুষিত পরিবেশে – যেখানে প্রতিটি ভিন্নধর্মী বিবাহকে একটি রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখা হয় এবং হিন্দু মেয়েদের মুসলিম ছেলেদের সংস্পর্শ থেকে ‘পবিত্র’ রাখার জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানো হয় – সেখানে এই ধরণের পরিবেশ তৈরিতে ইন্ধন জোগানো রাজনৈতিক দলটি কি [[w:অভিন্ন দেওয়ানি বিধি|অভিন্ন দেওয়ানি বিধি]] (ইউসিসি) কার্যকর করার প্রচারণার নেতৃত্ব দিতে পারে? ** [https://thewire.in/law/bjp-uniform-civil-code "দ্য মোদি গভর্নমেন্ট'স হিন্দুত্ব আইডিওলজি কুড স্টল অ্যানি প্রগ্রেস অন দ্য ইউনিফর্ম সিভিল কোড"], ''দ্য ওয়্যার'', ৭ জুলাই ২০১৬। == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের শিক্ষাবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের নারী অধিকার কর্মী]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের আইনজীবী]] [[বিষয়শ্রেণী:মুম্বইয়ের ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের নারী]] r4si0w7xlqvk3xoiwyyopnurgx61qqg আলাপ:ফ্লাভিয়া অ্যাগনেস 1 13265 79918 2026-04-23T06:53:46Z Tuhin 172 https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026 79918 wikitext text/x-wiki {{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}} s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm লাভ জিহাদ 0 13266 79920 2026-04-23T06:54:25Z Tuhin 172 [[লাভ জিহাদ ষড়যন্ত্র তত্ত্ব]]-এ পুনর্নির্দেশ করা হল 79920 wikitext text/x-wiki #redirect [[লাভ জিহাদ ষড়যন্ত্র তত্ত্ব]] asqvmon7y0becdyueuh5blyyzdfc91z হিন্দুত্ব 0 13267 79922 2026-04-23T07:01:34Z Tuhin 172 + 79922 wikitext text/x-wiki '''[[w:হিন্দুত্ব|হিন্দুত্ব]]''' (আক্ষরিক অর্থে "হিন্দু-ত্ব") হলো একটি রাজনৈতিক [[আদর্শ]] যা [[হিন্দু জাতীয়তাবাদ|হিন্দু জাতীয়তাবাদের]] সাংস্কৃতিক যৌক্তিকতাকে ধারণ করে। এই রাজনৈতিক আদর্শটি ১৯২৩ সালে [[বিনায়ক দামোদর সাভারকর]] প্রণয়ন করেছিলেন। এটি [[রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ]] (আরএসএস), [[w:বিশ্ব হিন্দু পরিষদ|বিশ্ব হিন্দু পরিষদ]] (ভিএইচপি), [[ভারতীয় জনতা পার্টি]] (বিজেপি) এবং অন্যান্য সংস্থা দ্বারা ব্যবহৃত হয়, যাদের একত্রে [[w:সংঘ পরিবার|সংঘ পরিবার]] বলা হয়। __NOTOC__ {{TOCalpha|}} == উক্তি == === দ === *"প্রশ্ন: আমি বিশ্বাস করি আপনি সংঘ পরিবারের আদর্শের সাথে পরিচিত।<br>উত্তর: হ্যাঁ, অবশ্যই, গত ৩০ বছর ধরে। অবশ্যই, আমি এই সংস্থাগুলো সম্পর্কে কিছু সমালোচনামূলক দৃষ্টিভঙ্গিরও সম্মুখীন হয়েছি। কিন্তু একই সাথে আমি দেখতে পাচ্ছি যে, সংঘ পরিবার [[ভারত|ভারতের]] জাতীয় পরিচয় এবং [[ভারতের সংস্কৃতি|সংস্কৃতি]] সংরক্ষণের বিষয়ে অত্যন্ত সচেতন। এই দিকটি আমাকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করেছে। সত্যি বলতে, এই দেশে এমন কিছু মানুষ আছেন যারা পশ্চিমা জীবনযাত্রার প্রতি মোহগ্রস্ত। আমি সবসময় আমার ভারতীয় বন্ধুদের বলেছি যে তাদের নিজস্ব সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে অবহেলা করার কোনো মানে হয় না। সেই হিসেবে, ভারতের ঐতিহ্যগত মূল্যবোধ ও আদর্শ সংরক্ষণের জন্য কাজ করা যেকোনো সংস্থা অবশ্যই সমস্ত শুভাকাঙ্ক্ষী মানুষের সমর্থন পাওয়ার যোগ্য।" **[[তেনজিং গিয়াতসো, ১৪তম দালাই লামা|দালাই লামা]], [কানপুরে এবিভিপি সম্মেলনে এস. সুরেশ কর্তৃক গৃহীত সাক্ষাৎকার যা ২২ নভেম্বর ১৯৯২ তারিখে অর্গানাইজার-এ প্রকাশিত হয়।] * হিন্দুত্ব আসলে বলতে বোঝায়—যেমনটা এর প্রবক্তারা বোঝেন—ভারত প্রাথমিকভাবে একটি হিন্দু 'রাষ্ট্র' ছিল এই ধারণার সাথে একাত্মতা। এটি কোনো [[ধর্ম|ধর্মীয়]] [[দর্শন]] বা সমাজ সংস্কার আন্দোলন নয়। এটি সাংস্কৃতিক অন্ধবিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা একটি [[রাজনৈতিক দর্শন]], যা জোর দিয়ে বলে যে ভারতের অ-হিন্দুদের "[[সংখ্যালঘু গোষ্ঠী|সংখ্যালঘু]]" হিসেবে তাদের স্থান মেনে নিতে হবে, যাদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নির্ভর করবে "সংখ্যাগুরুদের সদিচ্ছা" অর্জন করার ক্ষমতার ওপর। হিন্দুত্ব আদর্শের মূলে রয়েছে এই ধারণা যে, সংখ্যাগুরুদের ভালোকেই যেকোনো সংখ্যালঘুর জন্য ভালো হিসেবে দেখা উচিত এবং সংখ্যালঘু অধিকারের যেকোনো দাবি মূলত সংখ্যাগুরুদের রাজনৈতিক কর্তৃত্বের প্রতি একটি হুমকি ও চ্যালেঞ্জ। তাই এই ধরণের সংখ্যালঘুদের হিন্দুত্ববাদীরা দেশবিরোধী এবং সমাজবিরোধী হিসেবে দেখে। এছাড়া সংখ্যালঘুদের সংখ্যা বাড়ানোর যেকোনো প্রচেষ্টাকে হিন্দুত্ববাদীরা [[আগ্রাসন]] হিসেবে গণ্য করে। ফলে [[w:খ্রিস্টধর্মে ধর্মান্তর|খ্রিস্টধর্মে ধর্মান্তর]] বা কোনো [[হিন্দু]] মেয়ের সাথে কোনো [[মুসলিম]] বা [[খ্রিস্টান|খ্রিস্টানের]] বিবাহকে অবাঞ্ছিত ও উস্কানিমূলক কাজ হিসেবে দেখা হয়। ** [[জি. এন. ডেভি]], "আদিবাসীস অ্যান্ড দলিতস: ট্রাইবাল ভয়েস অ্যান্ড ভায়োলেন্স", এস. ভারাদারাজন সম্পাদিত ''গুজরাত: দ্য মেকিং অফ এ ট্র্যাজেডি'' (২০০২), পৃষ্ঠা ২৬২-২৬৩। নয়াদিল্লি: পেঙ্গুইন। === জ === * সাভারকরের হিন্দুত্ব প্রাথমিকভাবে একটি জাতিগত সম্প্রদায় হিসেবে কল্পনা করা হয়েছিল যার একটি নির্দিষ্ট ভূখণ্ড থাকবে এবং যারা একই নৃতাত্ত্বিক ও সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য শেয়ার করবে; এই তিনটি বৈশিষ্ট্য মূলত [[w:বৈদিক যুগ|বৈদিক স্বর্ণযুগের]] পৌরাণিক পুনর্গঠন থেকে উদ্ভূত। ** [[ক্রিস্টোফ জাফ্রেলট]], ''দ্য হিন্দু ন্যাশনালিস্ট মুভমেন্ট ইন ইন্ডিয়া'' (লন্ডন: হার্স্ট, ১৯৯৩), পৃষ্ঠা ২৭। [https://thediplomat.com/2021/01/hindutvas-realism-in-modis-foreign-policy/ "হিন্দুত্ব’স রিয়ালিজম ইন মোদি’স ফরেন পলিসি"], ''দ্য ডিপ্লোম্যাট'', ১ জানুয়ারি ২০২১-এ উদ্ধৃত। *"মুসলিম-বিদ্বেষী হিসেবে হিন্দুত্বের ভুল উপস্থাপন বা অপব্যাখ্যা এমনভাবে গেঁথে গেছে যে (এমনকি) এর প্রবক্তারাও—যাদের মধ্যে ভারতীয় জনতা পার্টির কিছু নেতাও রয়েছেন—নিজেরাই এ বিষয়ে রক্ষণাত্মকভাবে কথা বলেন।" **গিরিলাল জৈন, পৃষ্ঠা ১০৬, ''দ্য হিন্দু ফেনোমেনন'', {{আইএসবিএন|৮১-৮৬১১২-৩২-৪}}। * হিন্দুত্ববাদী শক্তিগুলো দেশে ধর্মীয় সংঘাত বাড়ানোর উদ্দেশ্যে যুক্তি দেয় যে অতীতে [[হিন্দু|হিন্দুদের]] জোরপূর্বক [[ভারতে ইসলাম|ইসলাম]] এবং [[ভারতে খ্রিস্টধর্ম|খ্রিস্টধর্মে]] ধর্মান্তরিত করা হয়েছিল এবং তাই তাদের পুনরায় ধর্মান্তরিত (ঘর ওয়াপাসি) করে হিন্দু বলয়ে ফিরিয়ে আনতে হবে। কিন্তু এ ধরণের দাবির আমাদের ইতিহাসে কোনো ভিত্তি নেই। ** [[ডি. এন. ঝা]], পাঞ্জাব ইতিহাস সম্মেলনের ৩১তম অধিবেশনে সভাপতির ভাষণ, ১৯-২১ মার্চ ১৯৯৯। [https://www.jstor.org/stable/3517941 "এগেইনস্ট কমিউনালাইজিং হিস্ট্রি"], ''সোশ্যাল সায়েন্টিস্ট'', ভলিউম ২৬, নম্বর ৯/১০ (সেপ্টেম্বর - অক্টোবর ১৯৯৮), পৃষ্ঠা ৫৪। === ম === * ভারতে ১৯৯০-এর দশকে হিন্দু জাতীয়তাবাদের উত্থান ভারতের ঐতিহ্যের কিছু অংশ মুছে ফেলার এবং [[ভারতের ইতিহাস|ভারতীয় ইতিহাসকে]] নতুন করে লেখার অসাধারণ প্রচেষ্টা নিয়ে আসে। ১৯৯২ সালে কট্টরপন্থীরা—যাদের হিন্দু ডানপন্থী রাজনীতিবিদরা সমর্থন দিয়েছিলেন—[[উত্তর ভারত|উত্তর ভারতের]] [[অযোধ্যা বিবাদ|অযোধ্যায়]] একটি ষোড়শ শতাব্দীর [[মসজিদ]] ধ্বংস করে এই যুক্তিতে যে এটি [[হিন্দু দেবতা]] [[রাম|রামে]]র জন্মস্থানের ওপর নির্মিত হয়েছিল। উৎসাহিত হয়ে তারা ঘোষণা করে যে তারা [[তাজমহল]]সহ অন্যান্য মুসলিম স্থাপত্য ধ্বংস করতে এগিয়ে যাবে। এটি ভারতের পরিচয়কে একচেটিয়াভাবে হিন্দু বা হিন্দু জাতীয়তাবাদীদের ব্যবহৃত শব্দ 'হিন্দুত্ব' হিসেবে চিহ্নিত করার একটি বৃহত্তর অভিযানের অংশ ছিল। ভারতের ইতিহাস অনিবার্যভাবে এর একটি প্রধান অনুষঙ্গ হয়ে ওঠে। প্রাপ্ত প্রমাণের ভিত্তিতে প্রচলিত ধারণা ছিল যে, উর্বর [[w:সিন্ধু নদ|সিন্ধু উপত্যকায়]] খ্রিস্টপূর্ব ৩০০০ থেকে ১৭০০ অব্দের মধ্যে [[সিন্ধু সভ্যতা|হরপ্পা সভ্যতা]] গড়ে উঠেছিল। ঘোড়সওয়ার [[আর্য জাতি|আর্যরা]] যখন উত্তর দিক থেকে নিচে নেমে আসে—সম্ভবত শান্তিপূর্ণ অভিবাসী হিসেবে অথবা সম্ভবত যুদ্ধবাজ আক্রমণকারী হিসেবে—তখন এটি ধীরে ধীরে বিলীন হয়ে যায়। এটি হিন্দু জাতীয়তাবাদীদের পছন্দ হয়নি কারণ এর অর্থ দাঁড়ায় যে একটি [[আদিবাসী|আদিবাসী সভ্যতা]] বাইরে থেকে আসা কারো কাছে নতি স্বীকার করেছে এবং তাদের নিজস্ব সংস্কৃতিতে বিদেশি উপাদান থাকতে পারে। আজকের হিন্দু জাতীয়তাবাদীদের আধ্যাত্মিক গুরু হিসেবে পরিচিত [[w:মাধব গোলওয়ালকর|মাধব গোলওয়ালকর]] ১৯৩০-এর দশকে লিখেছিলেন, “হিন্দুরা অন্য কোথাও থেকে এই ভূমিতে আসেনি, বরং তারা অনাদিকাল থেকেই এই মাটির আদি সন্তান।” অবশ্যই এটি জাতি ও সভ্যতার বিকাশ ও সংমিশ্রণের এক অদ্ভুত সরলীকৃত দৃষ্টিভঙ্গি ছিল। তারা আম্বারে (এক ধরণের পাথর) চিরকাল আটকে থাকা মাছির মতো নয় বরং অনেক উপনদী থাকা নদীর মতো। ** [[মার্গারেট ম্যাকমিলান]], ''দ্য ইউজেস অ্যান্ড অ্যাবিউজেস অফ হিস্ট্রি'' (২০০৮), পৃষ্ঠা ৭৮-৭৯। * হিন্দুত্ব প্রকল্পের জন্য ভারতের হিন্দু এবং তাদের দ্বারা নির্মিত ঘৃণিত "অন্য" অর্থাৎ ভারতের মুসলিম ও খ্রিস্টানদের মধ্যে একটি আমূল ও সহিংস বিচ্ছেদ প্রয়োজন। ** [[হর্ষ মান্দার]], [https://thewire.in/communalism/is-india-lurching-into-a-genocide "ইজ ইন্ডিয়া লারচিং ইনটু এ জেনোসাইড?"], ''দ্য ওয়্যার'', ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২২। * এমন নয় যে হিন্দুত্ব সমর্থকরা সম্পূর্ণ ভিন্ন পরিণতির সম্পূর্ণ ভিন্ন ঘটনাগুলোকে সমানভাবে দেখে, বরং তারা ইচ্ছাকৃতভাবে এমন তথ্যগুলো এড়িয়ে যায় যে ভিআইপি (মন্ত্রী, এমপি, এমএলএ) ঘৃণ্য বক্তৃতার ৮০-৯০ শতাংশ বিজেপির দ্বারা সংঘটিত হয়েছে অথবা বিজেপির আইটি সেলের প্রধান সবচেয়ে বিপজ্জনক এবং [[w:ভারতে ভুয়া খবর|ভুয়া]] সাম্প্রদায়িক প্রচারণার বৃহত্তম প্রচারক। শাসক দলের সাথে অন্য দলের কোনো তুলনাই হয় না। ** [[নিসিম মানাথুক্কারেন]], [https://thewire.in/communalism/delhi-riots-communalism-false-equivalence ''দ্য বারবারিটি অফ ফলস ইকুইভ্যালেন্স''], ৮ মার্চ ২০২০, ''[[w:দ্য ওয়্যার (ভারত)|দ্য ওয়্যার]]''। * আমি হিন্দুত্বে বিশ্বাস করি যা প্রাচীন ধারণা "[[w:বসুধৈব কুটুম্বকম|বসুধৈব কুটুম্বকম]]"-এর ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত। আমি বিশ্বাস করি পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং সহযোগিতা বিদেশি রাষ্ট্রগুলোর সাথে সম্পর্কের ভিত্তি হওয়া উচিত। এবং আমি আত্মবিশ্বাসী যে অন্য দেশগুলোর সাথে বৈদেশিক বিষয়গুলো পরিচালনার ক্ষেত্রে আমার হিন্দুত্ববাদী ভাবমূর্তি একটি সম্পদ হিসেবে কাজ করবে। ** [[নরেন্দ্র মোদি]], [http://archive.indianexpress.com/news/narendra-modi-my-hindutva-face-will-be-an-asset-in-foreign-affairs/1243097/ "নরেন্দ্র মোদি: মাই হিন্দুত্ব ফেস উইল বি এন অ্যাসেট ইন ফরেন অ্যাফেয়ার্স"], ''দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস'', ২৩ এপ্রিল ২০১৪। === ন === * মানুষ আমাকে ভারতের হিন্দুত্ববাদী শক্তিগুলো সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে। কয়েক বছর আগে আমি যখন বলেছিলাম যে ভারতে এই নতুন ধরণের আত্মসচেতনতার সাথে হিন্দু ধারণাটি প্রায় একটি প্রয়োজনীয় প্রাথমিক পর্যায়, তখন আমি কিছুটা সমস্যায় পড়েছিলাম। এর মধ্যে বৃহত্তর এবং নতুন ধারণার সূত্রপাত রয়েছে: ইতিহাসের ধারণা, মানব পরিবারের ধারণা এবং ভারতের ধারণা। আমি আশা করি এই আত্মসচেতনতা কেবল এখানেই থমকে থাকবে না এবং আমি মনে করি না যে এটি থাকবে, তবে এটি প্রয়োজনীয়। আমরা এমন একটি দেশ নিয়ে কাজ করছি যা খুব নিচু স্তর থেকে শুরু হয়েছে; একটি খুব নিচু বৌদ্ধিক স্তর এবং নিচু অর্থনৈতিক স্তর। মানুষ যখন এগিয়ে যেতে শুরু করে, তখন প্রথম আনুগত্য এবং প্রথম পরিচয় সবসময়ই কিছুটা ক্ষুদ্র হয়। তারা তাৎক্ষণিকভাবে অন্য কিছু হয়ে উঠতে পারে না। আমি মনে করি ভারতের বর্তমান প্রতিটি বিশৃঙ্খলার মধ্যেই একটি বৃহত্তর ইতিবাচক আন্দোলন রয়েছে। তবে ভবিষ্যৎ বেশ অরাজক হবে। রাজনীতিকে এখন জনগণের স্তরে থাকতে হবে। [[জওহরলাল নেহরু|নেহরু]]র মতো মানুষরা ছিলেন ঔপনিবেশিক ধাঁচের রাজনীতিবিদ। তারা অনেকাংশেই ঔপনিবেশিক ব্যবস্থার দ্বারা তৈরি এবং সুরক্ষিত ছিলেন। তারা সাধারণ মানুষের মধ্য থেকে শুরু করেননি। ** ভি.এস. নাইপল, 'এ মিলিয়ন মিউটিনিস', ভি.এস. নাইপল, ইন্ডিয়া টুডে, ১৮ আগস্ট ১৯৯৭। * হিন্দুত্ববাদী যোদ্ধাদের ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের মানহানি করার অত্যন্ত অশুভ উদ্দেশ্য রয়েছে। ** [[মীরা নন্দা]], 'হিন্দু ট্রায়ামফালিজম অ্যান্ড দ্য ক্ল্যাশ অফ সিভিলাইজেশনস' (২০০৯), ইকোনমিক অ্যান্ড পলিটিক্যাল উইকলি, পৃষ্ঠা ১১১। === প === * [[মহাত্মা গান্ধী|মহাত্মা]] ছিলেন সম্প্রদায় এবং মানুষের মধ্যে সমন্বয়কারী। বিভাজন নয় বরং অন্তর্ভুক্তিই ছিল তার পথ। হিন্দুধর্মের ব্যাখ্যার বিষয়ে 'হিন্দুত্ব' গান্ধীর সাথে একমত ছিল না। হিন্দুত্বের লক্ষ্যগুলো আত্মপরিচয় এবং আত্মসংজ্ঞার বিষয়ে শক্তিশালী হলেও এগুলো বিচ্ছিন্নতাবাদী প্রবণতাসম্পন্ন। একজন বৈষ্ণব হিসেবে গান্ধী বিশ্বাস করতেন "অন্যের কষ্টকে নিজের কষ্ট হিসেবে গণ্য করতে।" এমন দৃষ্টিভঙ্গি থেকে এটি স্পষ্ট যে হিন্দুত্বের অসহিষ্ণুতা ভারতের মানুষকে একটি সহানুভূতিশীল ও ন্যায়সঙ্গত সামাজিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে দেবে না। ** [[অ্যান্থনি পারেল]], ''গান্ধী, ফ্রিডম, অ্যান্ড সেলফ-রুল'' (২০০০), লেক্সিংটন বুকস, পৃষ্ঠা ১৩৩। * হিন্দুত্ব আন্দোলন যেভাবে আত্মপ্রকাশ করেছে তা প্রায় ধ্রুপদী অর্থে এর আদর্শে ফ্যাসিবাদী, এর শ্রেণী সমর্থনে ফ্যাসিবাদী, এর পদ্ধতিতে ফ্যাসিবাদী এবং এর কর্মসূচিতেও ফ্যাসিবাদী। একটি ফ্যাসিবাদী আদর্শের সমস্ত উপাদান এতে বিদ্যমান: 'হিন্দু' নামক একটি সমজাতীয় ধারণার অধীনে সংখ্যাগুরুদের ঐক্যবদ্ধ করার চেষ্টা; অতীতে একটি বহিষ্কৃত সংখ্যালঘু গোষ্ঠী কর্তৃক এই সমজাতীয় গোষ্ঠীর ওপর করা কথিত অন্যায়ের বিরুদ্ধে ক্ষোভের অনুভূতি; এই সংখ্যালঘুর তুলনায় সাংস্কৃতিক শ্রেষ্ঠত্বের বোধ; এই পরিভাষায় ইতিহাসের পুনর্যাখ্যা; বিপরীত প্রমাণের সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যান, নিরপেক্ষ বিশ্লেষণ, বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি এবং যুক্তিযুক্ত আলোচনার প্রত্যাখ্যান; এবং সর্বোপরি তথাকথিত সমজাতীয় সংখ্যাগরিষ্ঠদের প্রতি আবেগপূর্ণ ও পুরুষতান্ত্রিক ভাষায় 'দাঁড়িয়ে পড়ার', 'নিজেদের পুরুষত্ব জাহির করার' আহ্বান—যা সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে সহিংসতায় উস্কানি দেয় এবং প্রকৃত সহিংসতার জন্ম দেয়। এর আবেদন কোনো উন্নত বা সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের স্বপ্নের ওপর ভিত্তি করে নয় বরং এটি ঘৃণার ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত। ** [[প্রভাত পট্টনায়ক]], "ফ্যাসিবজম অফ আওয়ার টাইমস", ''সোশ্যাল সায়েন্টিস্ট'', ভলিউম ২১, নম্বর ৩/৪, ১৯৯৩, পৃষ্ঠা ৬৯–৭০। * ঠিক যেমনটা [[মহা মন্দা|১৯৩০-এর দশকে]] হয়েছিল, বর্তমান বিশ্ব পুঁজিবাদও একটি কানাগলিতে পৌঁছেছে এবং আগের মতো চলতে পারছে না। ভারতের শাসক গোষ্ঠী অবশ্য বিশ্ব পরিস্থিতির বিষয়ে সম্পূর্ণ অজ্ঞাত। নিও-লিবারেলিজম বা নব্য-উদারতাবাদের এই শেষ পরিণতি যা এমনকি মহানগরের বুর্জোয়া চিন্তাবিদদের কাছেও দৃশ্যমান, তা আমাদের হিন্দুত্ব ব্রিগেডের কাছে অদৃশ্য। ** [[প্রভাত পট্টনায়ক]], ''দ্য ওয়ার্ল্ড অ্যাট ক্রসরোডস'', ২৯ মে ২০২০, ''নিউজক্লিক''। * হিন্দুত্ব তাদের শত্রুদের ক্রমানুসারে সাজিয়েছে—মুসলিম, খ্রিস্টান এবং [[ভারতে কমিউনিজম|কমিউনিস্ট]]। এটি [[অ্যাডলফ হিটলার|হিটলারের]] "জাতীয়" গর্বের প্রশংসা করেছিল এবং সংখ্যালঘুদের সাথে মোকাবিলা করার ক্ষেত্রে নাৎসি মডেলের সহায়তা চেয়েছিল। হিটলারের মতো হিন্দুত্বও জাতিগত শ্রেষ্ঠত্বে বিশ্বাস করত এবং বিশ্ব আধিপত্যের স্বপ্ন দেখত। গতকাল এটি ব্রিটিশ রাজের সাথে সহযোগিতা করেছিল। আজ এটি সেই তেরঙা পতাকা ওড়ায় যাকে তারা একসময় প্রকাশ্যে অবজ্ঞা করেছিল এবং এমন একটি সংবিধান মেনে চলার ভান করে যাকে তারা 'মনুসংহিতা' দিয়ে প্রতিস্থাপন করতে চেয়েছিল; যা একটি নারীবিদ্বেষী ও ব্রাহ্মণবাদী পাঠ্য। তারা প্রতিটি সহজলভ্য সরকারি সম্পদ বিদেশি বা ভারতীয় ঘনিষ্ঠ পুঁজিপতিদের কাছে বিক্রি করতে ব্যস্ত। ১৯৪৮ সালে তাদের হাতে গান্ধীর হত্যাকাণ্ড—শব্দে উচ্চারণ না করলেও—শত্রুদের তালিকায় একটি নতুন নাম যোগ করেছে; সেইসব হিন্দু যারা হিন্দুত্ব প্রকল্পের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিল। ** [[আনন্দ পটবর্ধন]], [https://scroll.in/article/1005159/anand-patwardhan-if-hindutva-is-hinduism-then-the-ku-klux-klan-is-christianity "আনন্দ পটবর্ধন: ইফ হিন্দুত্ব ইজ হিন্দুইজম দেন দ্য কু ক্লাক্স ক্ল্যান ইজ ক্রিশ্চিয়ানিটি"], ১২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ''স্ক্রল.ইন''। === স === * একটি গণ-আন্দোলন হিসেবে হিন্দুত্বের (বা ফ্যাসিবাদের) মূল বিষয় হলো অতীতের কুসংস্কার থেকে বিচ্ছিন্ন উপাদান সংগ্রহ করে এবং সেগুলোকে কৌশলে পুরানো সত্য হিসেবে সাজিয়ে আধুনিক মিডিয়া কৌশলের মাধ্যমে প্রচার করার মাধ্যমে একটি শক্তিশালী ও প্রসারযোগ্য শত্রু-ভাবমূর্তি তৈরি করা। এখানে মুসলিমরা অনেকটা ইহুদিদের সমতুল্য হয়ে ওঠে। বর্ণবাদী মনোভাব শেষ পর্যন্ত খুব সাম্প্রতিক 'বাবর কি আওলাদ' (বাবরের সন্তান) সূত্রের মধ্যে চমৎকারভাবে গেঁথে দেওয়া হয়েছে। বাবরের বংশধর হওয়ার কথিত দাবিই কাউকে অপরাধী সাব্যস্ত করার জন্য যথেষ্ট, কোনো প্রকৃত অপকর্মের প্রয়োজন নেই; ঠিক যেমন একসময় ধর্মান্ধ খ্রিস্টান মহলে সমস্ত ইহুদিদের দোষী সাব্যস্ত করা হতো কারণ তাদের পূর্বপুরুষরা যিশুর ক্রুশবিদ্ধ হওয়ার সময় কথিত ভূমিকা পালন করেছিল। ** [[সুমিত সরকার]], "দ্য ফ্যাসিবজম অফ দ্য সংঘ পরিবার", ''ইকোনমিক অ্যান্ড পলিটিক্যাল উইকলি'', ভলিউম ২৮, নম্বর ৫, ১৯৯৩, পৃষ্ঠা ১৬৫। * হিন্দুত্বের সাংগঠনিক কাঠামো হলো ঘৃণা ছড়িয়ে দেওয়ার কাজে নিয়োজিত বিশ্বের প্রাচীনতম, সবচেয়ে নিরবচ্ছিন্ন এবং অবশ্যই সবচেয়ে বহুমুখী রাজনৈতিক গঠন। ** [[তানিকা সরকার]], ''হিন্দু ন্যাশনালিজম ইন ইন্ডিয়া'' (২০২২)। [https://thewire.in/books/book-review-the-hindutva-growth-story "বুক রিভিউ: দ্য হিন্দুত্ব গ্রোথ স্টোরি"], ''দ্য ওয়্যার'', ২১ আগস্ট ২০২২-এ উদ্ধৃত। * হিন্দুত্ব কেবল একটি শব্দ নয় বরং একটি ইতিহাস। এটি কেবল আমাদের জনগণের আধ্যাত্মিক বা ধর্মীয় ইতিহাস নয়—যেমনটা অনেক সময় এর সমার্থক শব্দ হিন্দুধর্মের সাথে গুলিয়ে ফেলা হয়—বরং এটি একটি পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস। হিন্দুধর্ম হলো হিন্দুত্বের একটি আহরিত অংশ বা একটি ভগ্নাংশ মাত্র। হিন্দুত্ব আমাদের হিন্দু জাতির সমগ্র সত্তার চিন্তা ও কর্মকাণ্ডের সমস্ত বিভাগকে আলিঙ্গন করে। ** [[বিনায়ক দামোদর সাভারকর]], ''হিন্দুত্ব: হু ইজ এ হিন্দু?'' (পঞ্চম সংস্করণ, ১৯৬৯), পৃষ্ঠা ৩-৪। * হিন্দু আন্দোলনের আদর্শ ব্যাখ্যা করার ক্ষেত্রে এই তিনটি শব্দের সাথে যুক্ত অর্থের সঠিক ধারণা থাকা অত্যন্ত আবশ্যক। "হিন্দু" শব্দ থেকে ইংরেজি ভাষায় "হিন্দুইজম" শব্দটি তৈরি হয়েছে। এর অর্থ হলো হিন্দুরা যে সমস্ত ধর্মীয় মতবাদ বা ব্যবস্থা অনুসরণ করে। দ্বিতীয় শব্দটি হলো "হিন্দুত্ব", যা অনেক বেশি ব্যাপক এবং এটি কেবল হিন্দু জনগণের ধর্মীয় দিকগুলোকেই বোঝায় না—যেমনটা হিন্দুইজম করে—বরং তাদের সাংস্কৃতিক, ভাষাগত, সামাজিক এবং রাজনৈতিক দিকগুলোকেও অন্তর্ভুক্ত করে। এটি কমবেশি 'হিন্দু পলিটি' বা হিন্দু রাষ্ট্রব্যবস্থার সমরূপ এবং এর প্রায় সঠিক অনুবাদ হবে "হিন্দুনেস"। তৃতীয় শব্দটি হলো "হিন্দুডম", যার অর্থ হলো সমষ্টিগতভাবে হিন্দু জনগোষ্ঠী। এটি হিন্দু বিশ্বের একটি সম্মিলিত নাম, ঠিক যেমন ইসলাম দ্বারা মুসলিম বিশ্বকে বোঝানো হয়। ** [[বি.ডি. সাভারকর]], বি.আর. আম্বেদকরের 'পাকিস্তান অর দ্য পার্টিশন অফ ইন্ডিয়া' (১৯৪৬) থেকে উদ্ধৃত। * একজন হিন্দু অন্য একজন হিন্দুকে বিয়ে করলে তার জাত যেতে পারে, কিন্তু তার হিন্দুত্ব নয়। ** বি.ডি. সাভারকর, হিন্দুত্ব, পৃষ্ঠা ৯০। * ফ্যাসিবাদী হিন্দুত্ববাদী কল্পনায় ভারতীয় মুসলিমদের ক্রমাগত পাকিস্তানি "পঞ্চম বাহিনী" (ফিফথ কলামিস্ট), "জাতির শত্রু" ইত্যাদি হিসেবে গালি দেওয়া হয় এবং তাদের দেশপ্রেমকে সন্দেহজনক বলা হয়। হিন্দুত্ববাদী আলোচনায় মুসলিমরা একটি ভীতিকর "অন্য" (আদার) হিসেবে কেন্দ্রীয় স্থান দখল করে আছে এবং বড় আকারের [[ইসলামোফোবিয়া|মুসলিম-বিরোধী]] সহিংসতাকে বৈধতা দিতে এটি ব্যবহৃত হয়েছে। ** {{cite book|author=[[যোগিন্দর সিকান্দ]]|editor1-last=আবু-রবি|editor1-first=ইব্রাহিম|title=দ্য ব্ল্যাকওয়েল কম্প্যানিয়ন টু কনটেম্পোরারি ইসলামিক থট|date=2006|page=88}} * “হিন্দুত্ব শব্দটি গালি হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে [...] এটি বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অবজ্ঞাসূচক অর্থে ব্যবহৃত হয় [...] বিতর্কটি এখন আর কেবল পুরোহিতদের গণ্ডিবদ্ধ জগতে বা এমনকি রাজনীতির স্বার্থান্বেষী মহলে সীমাবদ্ধ নেই, এটি হিন্দু সভ্যতার জন্য একটি চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিস্তৃত হয়েছে [...] হিন্দু শব্দের এই অবমাননাকর ব্যবহার আসলে ভারতীয় সভ্যতার ওপর একটি বৃহত্তর আঘাতকে উপস্থাপন করে। এটি আমাকে ব্যথিত করে যে আমি এই দেশে স্কুল ও কলেজে পড়াশোনা করেছি অথচ বিশ্ব ইতিহাসে হিন্দু সভ্যতার বিশাল অবদান সম্পর্কে কোনো ধারণা পাইনি। এটি আমাকে ব্যথিত করে যে আজও আমাদের সন্তানরা, তারা সরকারি স্কুলে যাক বা দামী বেসরকারি স্কুলে, তারা তাদের নিজস্ব সংস্কৃতি বা সভ্যতা সম্পর্কে কোনো জ্ঞান ছাড়াই বেরিয়ে আসে [...] আপনি এমন কোনো ঐতিহ্যের জন্য গর্বিত হতে পারেন না যা সম্পর্কে আপনি কিছুই জানেন না, এবং ধর্মনিরপেক্ষতার নামে আমরা ৫০ বছর এই সভ্যতার হিন্দু শিকড়কে সম্পূর্ণ অস্বীকার করে কাটিয়েছি। আমরা গণশিক্ষার সেই ঔপনিবেশিক ব্যবস্থা পরিবর্তনের জন্য কিছুই করিনি যা এই নীতির ওপর প্রতিষ্ঠিত যে ভারতীয় সভ্যতার দেওয়ার মতো কিছু নেই [...] আমাদের সংস্কৃতি ও সভ্যতার প্রতি আমাদের অবজ্ঞা [...] এটি কি এমন একটি দেশের প্রমাণ নয় যা মজ্জাগতভাবে এখনও উপনিবেশ হয়ে আছে? আমরা নিজেদের সম্পর্কে যে নিচু ধারণা পোষণ করি তা আজকাল পশ্চিমা সংবাদমাধ্যমগুলো লুফে নেয় [...] বর্ণবাদকে হিন্দু জাতীয়তাবাদের সমতুল্য ধরা হচ্ছে। যে দেশগুলো আমাদের দাসত্ব এবং বর্ণবাদ (অ্যাপার্থাইড) উপহার দিয়েছে তাদের মুখে এটি মানায় না, কিন্তু তাদের দোষ দিয়ে লাভ কী যখন আমরা নিজেরাই নিজেদের সম্পর্কে এত খারাপ ভাবি। আমার পক্ষ থেকে আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই যে আমি বিশ্বাস করি ইন্ডিজ ধর্মগুলো সেমেটিক ধর্মগুলোর তুলনায় বিশ্বের জন্য অনেক কম সমস্যা তৈরি করেছে এবং হিন্দু সভ্যতা এমন কিছু যা নিয়ে আমি অত্যন্ত গর্বিত। এটি যদি আমার ‘সাম্প্রদায়িক’ হওয়ার প্রমাণ হয়, তবে আমার অন্তর আত্মা আমাকে বলছে, তাই হোক।” ** টাভলিন সিং, ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস (১৩/৬/২০০৪), সীতা রাম গোয়েল ও কোয়েনরাড এলস্ট (২০০৫) সম্পাদিত 'ইন্ডিয়া'স অনলি কমিউনালিস্ট: ইন কমেমোরেশন অফ সীতা রাম গোয়েল' গ্রন্থে উদ্ধৃত। === ত === * ভারতীয় ফ্রন্টে, হিন্দুত্ব আন্দোলনের উচিত হিন্দুধর্মের পুনর্জাগরণ এবং পুনরুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া; যার মধ্যে কেবল বৈদিক বা [[সংস্কৃত|সংস্কৃত]] উৎস থেকে আসা ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক চর্চাই অন্তর্ভুক্ত নয়, বরং অন্য সব ভারতীয় উৎসও অন্তর্ভুক্ত: আন্দামান দ্বীপবাসী এবং (খ্রিস্টপূর্ব) নাগাদের চর্চাও আঞ্চলিক অর্থে হিন্দু এবং আধ্যাত্মিক অর্থে সনাতন, ঠিক যেমন ধ্রুপদী সংস্কৃত হিন্দুধর্ম। (...) একজন প্রকৃত হিন্দুত্ববাদীর মনে তখন ব্যথার উদ্রেক হওয়া উচিত এবং ইতিবাচক পদক্ষেপ নেওয়ার ইচ্ছা জাগা উচিত যখন তিনি শোনেন যে বিভিন্ন কারণে ভারতের জনসংখ্যায় হিন্দুদের শতাংশ কমে যাচ্ছে অথবা হিন্দুরা প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রে [[বৈষম্য|বৈষম্যের]] শিকার হচ্ছে; কেবল তখনই নয়, বরং যখন তিনি শোনেন যে আন্দামানি [[জাতি|জাতি]] এবং [[ভাষা|ভাষা]] [[বিলুপ্তি|বিলুপ্ত]] হয়ে যাচ্ছে; লক্ষ লক্ষ বছরের পুরোনো বিশাল [[বন|বনভূমি]] চিরতরে মুছে ফেলা হচ্ছে; প্রাচীন এবং [[মধ্যযুগ|মধ্যযুগীয়]] হিন্দু স্থাপত্য স্মৃতিস্তম্ভগুলো লুটপাট বা অবহেলার শিকার হচ্ছে; অমূল্য প্রাচীন নথিগুলো ধ্বংস হচ্ছে বা পচতে দেওয়া হচ্ছে; অসংখ্য শিল্পকলা, হস্তশিল্প, স্থাপত্যশৈলী, [[উদ্ভিদ|উদ্ভিদ]] ও [[প্রাণী|প্রাণী]] প্রজাতি, [[সংগীত|সংগীতের]] রূপ এবং বাদ্যযন্ত্র বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে; আমাদের পবিত্র নদী এবং পরিবেশ অপরিবর্তনীয়ভাবে দূষিত ও ধ্বংস হচ্ছে... ** এস.আর. গোয়েল সম্পাদিত 'টাইম ফর স্টক-টেকিং', পৃষ্ঠা ২২৭-২২৮-এ তালাগেরি। * হিন্দুধর্ম হলো বিশ্বব্যাপী সনাতনবাদের (ইংরেজিতে যাকে প্যাগানিজম বলা যেতে পারে) ভারতীয় আঞ্চলিক রূপ। তাই হিন্দুত্ব আদর্শটি হওয়া উচিত একটি সর্বজনীন আদর্শ: সাম্রাজ্যবাদী মতাদর্শের আবির্ভাবের আগে সারা বিশ্বে বিদ্যমান সমস্ত ধর্ম ও সংস্কৃতির পুনর্জাগরণ এবং আধ্যাত্মিক পুনরুত্থানে এর নেতৃত্ব দেওয়া উচিত... ** এস.আর. গোয়েল সম্পাদিত 'টাইম ফর স্টক-টেকিং', পৃষ্ঠা ২২৭-২২৮-এ তালাগেরি। * প্রাক-আধুনিক হিন্দুধর্মে অন্য সব ধর্মের মতো ছোট-বড় ত্রুটি ছিল, কিন্তু এর সূক্ষ্মতাগুলো বর্তমানের তুলনায় অনেক বেশি সমৃদ্ধ ছিল। হিন্দুত্ব অনেক দিক থেকেই হিন্দুধর্মের বিপরীত এবং এর লক্ষ্য হলো এমন একটি সমাজ তৈরি করা যা সংকীর্ণ ও ধর্মান্ধ; যেখানে বিভিন্ন ধরণের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মতো ভিন্নমতাবলম্বীদের সাথে সহাবস্থান ক্রমশ অসম্ভব হয়ে পড়ছে, যা সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার পুনরাবৃত্তি থেকেই প্রমাণিত হয়। ** [[রোমিলা থাপার]], ''দ্য পাস্ট অ্যাজ প্রেজেন্ট: ফোর্জিং কনটেম্পোরারি আইডেন্টিটিস থ্রু হিস্ট্রি'' (২০১৪)। * হিন্দুত্ব দাবি করে যে তারা ভারতীয় ধর্ম, ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতির পশ্চিমা ব্যাখ্যার বিপরীতে দেশীয় ভারতীয় চিন্তাধারার প্রতিনিধিত্ব করে। তাদের দাবি হলো ঔপনিবেশিক পাণ্ডিত্য তাদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এবং উপনিবেশবাদকে বৈধতা দিতে ভারতীয় সংস্কৃতিকে ব্যবহার করেছে। অথচ হিন্দুত্ব ঠিক একই কাজ করছে—রাজনৈতিক সংহতি সহজ করার জন্য ঔপনিবেশিক ব্যাখ্যার আদলে হিন্দুধর্মকে পুনর্গঠিত করছে। এটি রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণের কর্মসূচিকে এগিয়ে নিতে [[জেমস মিল]] এবং [[ম্যাক্স মুলার|ম্যাক্স মুলারের]] মতো ঔপনিবেশিক তত্ত্বগুলো ব্যবহার করে। ইতিহাসকে কাজে লাগানো তাদের অতীতকে নিজেদের মতো করে বোঝার চেষ্টার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হয়ে দাঁড়ায়। ** [[রোমিলা থাপার]], ''দ্য পাস্ট অ্যাজ প্রেজেন্ট: ফোর্জিং কনটেম্পোরারি আইডেন্টিটিস থ্রু হিস্ট্রি'' (২০১৪)। == আরও দেখুন == * [[হিন্দু জাতীয়তাবাদ]] == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:রাজনৈতিক আদর্শ]] [[বিষয়শ্রেণী:হিন্দু জাতীয়তাবাদ]] owoltqvawlu2dlb7595mfaodv6z76ti 79927 79922 2026-04-23T07:11:23Z Tuhin 172 79927 wikitext text/x-wiki '''[[w:হিন্দুত্ব|হিন্দুত্ব]]''' (আক্ষরিক অর্থে "হিন্দু-ত্ব") হলো একটি রাজনৈতিক [[আদর্শ]] যা [[হিন্দু জাতীয়তাবাদ|হিন্দু জাতীয়তাবাদের]] সাংস্কৃতিক যৌক্তিকতাকে ধারণ করে। এই রাজনৈতিক আদর্শটি ১৯২৩ সালে [[বিনায়ক দামোদর সাভারকর]] প্রণয়ন করেছিলেন। এটি [[রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ]] (আরএসএস), [[w:বিশ্ব হিন্দু পরিষদ|বিশ্ব হিন্দু পরিষদ]] (ভিএইচপি), [[ভারতীয় জনতা পার্টি]] (বিজেপি) এবং অন্যান্য সংস্থা দ্বারা ব্যবহৃত হয়, যাদের একত্রে [[w:সংঘ পরিবার|সংঘ পরিবার]] বলা হয়। __NOTOC__ {{TOCalpha|}} == উক্তি == === দ === *"প্রশ্ন: আমি বিশ্বাস করি আপনি সংঘ পরিবারের আদর্শের সাথে পরিচিত।<br>উত্তর: হ্যাঁ, অবশ্যই, গত ৩০ বছর ধরে। অবশ্যই, আমি এই সংস্থাগুলো সম্পর্কে কিছু সমালোচনামূলক দৃষ্টিভঙ্গিরও সম্মুখীন হয়েছি। তবে একই সাথে আমি দেখতে পাচ্ছি যে, সংঘ পরিবার [[ভারত|ভারতের]] জাতীয় পরিচয় এবং [[ভারতের সংস্কৃতি|সংস্কৃতি]] সংরক্ষণের বিষয়ে অত্যন্ত সচেতন। এই দিকটি আমাকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করেছে। সত্যি বলতে, এই দেশে এমন কিছু মানুষ আছেন যারা পশ্চিমা জীবনযাত্রার প্রতি মোহগ্রস্ত। আমি সবসময় আমার ভারতীয় বন্ধুদের বলেছি যে তাদের নিজস্ব সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে অবহেলা করার কোনো মানে হয় না। সেই হিসেবে, ভারতের ঐতিহ্যগত মূল্যবোধ ও আদর্শ সংরক্ষণের জন্য কাজ করা যেকোনো সংস্থা অবশ্যই সমস্ত শুভাকাঙ্ক্ষী মানুষের সমর্থন পাওয়ার যোগ্য।" **[[চতুর্দশ দালাই লামা|দালাই লামা]], [কানপুরে এবিভিপি সম্মেলনে এস. সুরেশ কর্তৃক গৃহীত সাক্ষাৎকার যা ২২ নভেম্বর ১৯৯২ তারিখে অর্গানাইজার-এ প্রকাশিত হয়।] * * হিন্দুত্ব আসলে বলতে বোঝায় ভারত প্রাথমিকভাবে একটি হিন্দু 'রাষ্ট্র' ছিল এই ধারণার সাথে একাত্মতা, যেমনটা এর প্রবক্তারা মনে করেন। এটি কোনো [[ধর্ম|ধর্মীয়]] [[দর্শন]] বা সমাজ সংস্কার আন্দোলন নয় বরং এটি সাংস্কৃতিক অন্ধবিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা একটি [[রাজনৈতিক দর্শন]]। এই আদর্শ জোর দিয়ে বলে যে ভারতের অ-হিন্দুদের "[[সংখ্যালঘু গোষ্ঠী|সংখ্যালঘু]]" হিসেবে তাদের স্থান মেনে নিতে হবে। তাদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নির্ভর করবে মূলত সংখ্যাগুরুদের সদিচ্ছা অর্জন করার ক্ষমতার ওপর। হিন্দুত্ব আদর্শের মূল কথা হলো সংখ্যাগুরুদের ভালোকেই যেকোনো সংখ্যালঘুর জন্য ভালো হিসেবে দেখা উচিত। এখানে সংখ্যালঘু অধিকারের যেকোনো দাবিকে সংখ্যাগুরুদের রাজনৈতিক কর্তৃত্বের প্রতি একটি হুমকি ও চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এই কারণে এমন সংখ্যালঘুদের হিন্দুত্ববাদীরা দেশবিরোধী এবং সমাজবিরোধী হিসেবে দেখে থাকে। এছাড়া সংখ্যালঘুদের সংখ্যা বাড়ানোর যেকোনো প্রচেষ্টাকে তারা [[আগ্রাসন]] হিসেবে গণ্য করে। ফলে [[w:খ্রিস্টধর্মে ধর্মান্তর|খ্রিস্টধর্মে ধর্মান্তর]] কিংবা কোনো [[হিন্দু]] মেয়ের সাথে কোনো [[মুসলিম]] বা [[খ্রিস্টান|খ্রিস্টান]] পুরুষের বিবাহকে তারা অবাঞ্ছিত ও উস্কানিমূলক কাজ হিসেবে দেখে। ** [[জি. এন. ডেভি]], "আদিবাসীস অ্যান্ড দলিতস: ট্রাইবাল ভয়েস অ্যান্ড ভায়োলেন্স", এস. ভারাদারাজন সম্পাদিত ''গুজরাত: দ্য মেকিং অফ এ ট্র্যাজেডি'' (২০০২), পৃষ্ঠা ২৬২-২৬৩। নয়াদিল্লি: পেঙ্গুইন। === জ === * সাভারকরের হিন্দুত্ব প্রাথমিকভাবে একটি জাতিগত সম্প্রদায় হিসেবে কল্পনা করা হয়েছিল যার একটি নির্দিষ্ট ভূখণ্ড থাকবে এবং যারা একই নৃতাত্ত্বিক ও সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য শেয়ার করবে; এই তিনটি বৈশিষ্ট্য মূলত [[w:বৈদিক যুগ|বৈদিক স্বর্ণযুগের]] পৌরাণিক পুনর্গঠন থেকে উদ্ভূত। ** [[ক্রিস্টোফ জাফ্রেলট]], ''দ্য হিন্দু ন্যাশনালিস্ট মুভমেন্ট ইন ইন্ডিয়া'' (লন্ডন: হার্স্ট, ১৯৯৩), পৃষ্ঠা ২৭। [https://thediplomat.com/2021/01/hindutvas-realism-in-modis-foreign-policy/ "হিন্দুত্ব’স রিয়ালিজম ইন মোদি’স ফরেন পলিসি"], ''দ্য ডিপ্লোম্যাট'', ১ জানুয়ারি ২০২১-এ উদ্ধৃত। *"মুসলিম-বিদ্বেষী হিসেবে হিন্দুত্বের ভুল উপস্থাপন বা অপব্যাখ্যা এমনভাবে গেঁথে গেছে যে (এমনকি) এর প্রবক্তারাও—যাদের মধ্যে ভারতীয় জনতা পার্টির কিছু নেতাও রয়েছেন—নিজেরাই এ বিষয়ে রক্ষণাত্মকভাবে কথা বলেন।" **গিরিলাল জৈন, পৃষ্ঠা ১০৬, ''দ্য হিন্দু ফেনোমেনন'', {{আইএসবিএন|৮১-৮৬১১২-৩২-৪}}। * হিন্দুত্ববাদী শক্তিগুলো দেশে ধর্মীয় সংঘাত বাড়ানোর উদ্দেশ্যে যুক্তি দেয় যে অতীতে [[হিন্দু|হিন্দুদের]] জোরপূর্বক [[ভারতে ইসলাম|ইসলাম]] এবং [[ভারতে খ্রিস্টধর্ম|খ্রিস্টধর্মে]] ধর্মান্তরিত করা হয়েছিল এবং তাই তাদের পুনরায় ধর্মান্তরিত (ঘর ওয়াপাসি) করে হিন্দু বলয়ে ফিরিয়ে আনতে হবে। কিন্তু এ ধরণের দাবির আমাদের ইতিহাসে কোনো ভিত্তি নেই। ** [[ডি. এন. ঝা]], পাঞ্জাব ইতিহাস সম্মেলনের ৩১তম অধিবেশনে সভাপতির ভাষণ, ১৯-২১ মার্চ ১৯৯৯। [https://www.jstor.org/stable/3517941 "এগেইনস্ট কমিউনালাইজিং হিস্ট্রি"], ''সোশ্যাল সায়েন্টিস্ট'', ভলিউম ২৬, নম্বর ৯/১০ (সেপ্টেম্বর - অক্টোবর ১৯৯৮), পৃষ্ঠা ৫৪। === ম === * ভারতে ১৯৯০-এর দশকে হিন্দু জাতীয়তাবাদের উত্থান ভারতের ঐতিহ্যের কিছু অংশ মুছে ফেলার এবং [[ভারতের ইতিহাস|ভারতীয় ইতিহাসকে]] নতুন করে লেখার অসাধারণ প্রচেষ্টা নিয়ে আসে। ১৯৯২ সালে কট্টরপন্থীরা—যাদের হিন্দু ডানপন্থী রাজনীতিবিদরা সমর্থন দিয়েছিলেন—[[উত্তর ভারত|উত্তর ভারতের]] [[অযোধ্যা বিবাদ|অযোধ্যায়]] একটি ষোড়শ শতাব্দীর [[মসজিদ]] ধ্বংস করে এই যুক্তিতে যে এটি [[হিন্দু দেবতা]] [[রাম|রামে]]র জন্মস্থানের ওপর নির্মিত হয়েছিল। উৎসাহিত হয়ে তারা ঘোষণা করে যে তারা [[তাজমহল]]সহ অন্যান্য মুসলিম স্থাপত্য ধ্বংস করতে এগিয়ে যাবে। এটি ভারতের পরিচয়কে একচেটিয়াভাবে হিন্দু বা হিন্দু জাতীয়তাবাদীদের ব্যবহৃত শব্দ 'হিন্দুত্ব' হিসেবে চিহ্নিত করার একটি বৃহত্তর অভিযানের অংশ ছিল। ভারতের ইতিহাস অনিবার্যভাবে এর একটি প্রধান অনুষঙ্গ হয়ে ওঠে। প্রাপ্ত প্রমাণের ভিত্তিতে প্রচলিত ধারণা ছিল যে, উর্বর [[w:সিন্ধু নদ|সিন্ধু উপত্যকায়]] খ্রিস্টপূর্ব ৩০০০ থেকে ১৭০০ অব্দের মধ্যে [[সিন্ধু সভ্যতা|হরপ্পা সভ্যতা]] গড়ে উঠেছিল। ঘোড়সওয়ার [[আর্য জাতি|আর্যরা]] যখন উত্তর দিক থেকে নিচে নেমে আসে—সম্ভবত শান্তিপূর্ণ অভিবাসী হিসেবে অথবা সম্ভবত যুদ্ধবাজ আক্রমণকারী হিসেবে—তখন এটি ধীরে ধীরে বিলীন হয়ে যায়। এটি হিন্দু জাতীয়তাবাদীদের পছন্দ হয়নি কারণ এর অর্থ দাঁড়ায় যে একটি [[আদিবাসী|আদিবাসী সভ্যতা]] বাইরে থেকে আসা কারো কাছে নতি স্বীকার করেছে এবং তাদের নিজস্ব সংস্কৃতিতে বিদেশি উপাদান থাকতে পারে। আজকের হিন্দু জাতীয়তাবাদীদের আধ্যাত্মিক গুরু হিসেবে পরিচিত [[w:মাধব গোলওয়ালকর|মাধব গোলওয়ালকর]] ১৯৩০-এর দশকে লিখেছিলেন, “হিন্দুরা অন্য কোথাও থেকে এই ভূমিতে আসেনি, বরং তারা অনাদিকাল থেকেই এই মাটির আদি সন্তান।” অবশ্যই এটি জাতি ও সভ্যতার বিকাশ ও সংমিশ্রণের এক অদ্ভুত সরলীকৃত দৃষ্টিভঙ্গি ছিল। তারা আম্বারে (এক ধরণের পাথর) চিরকাল আটকে থাকা মাছির মতো নয় বরং অনেক উপনদী থাকা নদীর মতো। ** [[মার্গারেট ম্যাকমিলান]], ''দ্য ইউজেস অ্যান্ড অ্যাবিউজেস অফ হিস্ট্রি'' (২০০৮), পৃষ্ঠা ৭৮-৭৯। * হিন্দুত্ব প্রকল্পের জন্য ভারতের হিন্দু এবং তাদের দ্বারা নির্মিত ঘৃণিত "অন্য" অর্থাৎ ভারতের মুসলিম ও খ্রিস্টানদের মধ্যে একটি আমূল ও সহিংস বিচ্ছেদ প্রয়োজন। ** [[হর্ষ মান্দার]], [https://thewire.in/communalism/is-india-lurching-into-a-genocide "ইজ ইন্ডিয়া লারচিং ইনটু এ জেনোসাইড?"], ''দ্য ওয়্যার'', ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২২। * এমন নয় যে হিন্দুত্ব সমর্থকরা সম্পূর্ণ ভিন্ন পরিণতির সম্পূর্ণ ভিন্ন ঘটনাগুলোকে সমানভাবে দেখে, বরং তারা ইচ্ছাকৃতভাবে এমন তথ্যগুলো এড়িয়ে যায় যে ভিআইপি (মন্ত্রী, এমপি, এমএলএ) ঘৃণ্য বক্তৃতার ৮০-৯০ শতাংশ বিজেপির দ্বারা সংঘটিত হয়েছে অথবা বিজেপির আইটি সেলের প্রধান সবচেয়ে বিপজ্জনক এবং [[w:ভারতে ভুয়া খবর|ভুয়া]] সাম্প্রদায়িক প্রচারণার বৃহত্তম প্রচারক। শাসক দলের সাথে অন্য দলের কোনো তুলনাই হয় না। ** [[নিসিম মানাথুক্কারেন]], [https://thewire.in/communalism/delhi-riots-communalism-false-equivalence ''দ্য বারবারিটি অফ ফলস ইকুইভ্যালেন্স''], ৮ মার্চ ২০২০, ''[[w:দ্য ওয়্যার (ভারত)|দ্য ওয়্যার]]''। * আমি হিন্দুত্বে বিশ্বাস করি যা প্রাচীন ধারণা "[[w:বসুধৈব কুটুম্বকম|বসুধৈব কুটুম্বকম]]"-এর ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত। আমি বিশ্বাস করি পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং সহযোগিতা বিদেশি রাষ্ট্রগুলোর সাথে সম্পর্কের ভিত্তি হওয়া উচিত। এবং আমি আত্মবিশ্বাসী যে অন্য দেশগুলোর সাথে বৈদেশিক বিষয়গুলো পরিচালনার ক্ষেত্রে আমার হিন্দুত্ববাদী ভাবমূর্তি একটি সম্পদ হিসেবে কাজ করবে। ** [[নরেন্দ্র মোদি]], [http://archive.indianexpress.com/news/narendra-modi-my-hindutva-face-will-be-an-asset-in-foreign-affairs/1243097/ "নরেন্দ্র মোদি: মাই হিন্দুত্ব ফেস উইল বি এন অ্যাসেট ইন ফরেন অ্যাফেয়ার্স"], ''দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস'', ২৩ এপ্রিল ২০১৪। === ন === * মানুষ আমাকে ভারতের হিন্দুত্ববাদী শক্তিগুলো সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে। কয়েক বছর আগে আমি যখন বলেছিলাম যে ভারতে এই নতুন ধরণের আত্মসচেতনতার সাথে হিন্দু ধারণাটি প্রায় একটি প্রয়োজনীয় প্রাথমিক পর্যায়, তখন আমি কিছুটা সমস্যায় পড়েছিলাম। এর মধ্যে বৃহত্তর এবং নতুন ধারণার সূত্রপাত রয়েছে: ইতিহাসের ধারণা, মানব পরিবারের ধারণা এবং ভারতের ধারণা। আমি আশা করি এই আত্মসচেতনতা কেবল এখানেই থমকে থাকবে না এবং আমি মনে করি না যে এটি থাকবে, তবে এটি প্রয়োজনীয়। আমরা এমন একটি দেশ নিয়ে কাজ করছি যা খুব নিচু স্তর থেকে শুরু হয়েছে; একটি খুব নিচু বৌদ্ধিক স্তর এবং নিচু অর্থনৈতিক স্তর। মানুষ যখন এগিয়ে যেতে শুরু করে, তখন প্রথম আনুগত্য এবং প্রথম পরিচয় সবসময়ই কিছুটা ক্ষুদ্র হয়। তারা তাৎক্ষণিকভাবে অন্য কিছু হয়ে উঠতে পারে না। আমি মনে করি ভারতের বর্তমান প্রতিটি বিশৃঙ্খলার মধ্যেই একটি বৃহত্তর ইতিবাচক আন্দোলন রয়েছে। তবে ভবিষ্যৎ বেশ অরাজক হবে। রাজনীতিকে এখন জনগণের স্তরে থাকতে হবে। [[জওহরলাল নেহরু|নেহরু]]র মতো মানুষরা ছিলেন ঔপনিবেশিক ধাঁচের রাজনীতিবিদ। তারা অনেকাংশেই ঔপনিবেশিক ব্যবস্থার দ্বারা তৈরি এবং সুরক্ষিত ছিলেন। তারা সাধারণ মানুষের মধ্য থেকে শুরু করেননি। ** ভি.এস. নাইপল, 'এ মিলিয়ন মিউটিনিস', ভি.এস. নাইপল, ইন্ডিয়া টুডে, ১৮ আগস্ট ১৯৯৭। * হিন্দুত্ববাদী যোদ্ধাদের ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের মানহানি করার অত্যন্ত অশুভ উদ্দেশ্য রয়েছে। ** [[মীরা নন্দা]], 'হিন্দু ট্রায়ামফালিজম অ্যান্ড দ্য ক্ল্যাশ অফ সিভিলাইজেশনস' (২০০৯), ইকোনমিক অ্যান্ড পলিটিক্যাল উইকলি, পৃষ্ঠা ১১১। === প === * [[মহাত্মা গান্ধী|মহাত্মা]] ছিলেন সম্প্রদায় এবং মানুষের মধ্যে সমন্বয়কারী। বিভাজন নয় বরং অন্তর্ভুক্তিই ছিল তার পথ। হিন্দুধর্মের ব্যাখ্যার বিষয়ে 'হিন্দুত্ব' গান্ধীর সাথে একমত ছিল না। হিন্দুত্বের লক্ষ্যগুলো আত্মপরিচয় এবং আত্মসংজ্ঞার বিষয়ে শক্তিশালী হলেও এগুলো বিচ্ছিন্নতাবাদী প্রবণতাসম্পন্ন। একজন বৈষ্ণব হিসেবে গান্ধী বিশ্বাস করতেন "অন্যের কষ্টকে নিজের কষ্ট হিসেবে গণ্য করতে।" এমন দৃষ্টিভঙ্গি থেকে এটি স্পষ্ট যে হিন্দুত্বের অসহিষ্ণুতা ভারতের মানুষকে একটি সহানুভূতিশীল ও ন্যায়সঙ্গত সামাজিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে দেবে না। ** [[অ্যান্থনি পারেল]], ''গান্ধী, ফ্রিডম, অ্যান্ড সেলফ-রুল'' (২০০০), লেক্সিংটন বুকস, পৃষ্ঠা ১৩৩। * হিন্দুত্ব আন্দোলন যেভাবে আত্মপ্রকাশ করেছে তা প্রায় ধ্রুপদী অর্থে এর আদর্শে ফ্যাসিবাদী, এর শ্রেণী সমর্থনে ফ্যাসিবাদী, এর পদ্ধতিতে ফ্যাসিবাদী এবং এর কর্মসূচিতেও ফ্যাসিবাদী। একটি ফ্যাসিবাদী আদর্শের সমস্ত উপাদান এতে বিদ্যমান: 'হিন্দু' নামক একটি সমজাতীয় ধারণার অধীনে সংখ্যাগুরুদের ঐক্যবদ্ধ করার চেষ্টা; অতীতে একটি বহিষ্কৃত সংখ্যালঘু গোষ্ঠী কর্তৃক এই সমজাতীয় গোষ্ঠীর ওপর করা কথিত অন্যায়ের বিরুদ্ধে ক্ষোভের অনুভূতি; এই সংখ্যালঘুর তুলনায় সাংস্কৃতিক শ্রেষ্ঠত্বের বোধ; এই পরিভাষায় ইতিহাসের পুনর্যাখ্যা; বিপরীত প্রমাণের সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যান, নিরপেক্ষ বিশ্লেষণ, বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি এবং যুক্তিযুক্ত আলোচনার প্রত্যাখ্যান; এবং সর্বোপরি তথাকথিত সমজাতীয় সংখ্যাগরিষ্ঠদের প্রতি আবেগপূর্ণ ও পুরুষতান্ত্রিক ভাষায় 'দাঁড়িয়ে পড়ার', 'নিজেদের পুরুষত্ব জাহির করার' আহ্বান—যা সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে সহিংসতায় উস্কানি দেয় এবং প্রকৃত সহিংসতার জন্ম দেয়। এর আবেদন কোনো উন্নত বা সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের স্বপ্নের ওপর ভিত্তি করে নয় বরং এটি ঘৃণার ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত। ** [[প্রভাত পট্টনায়ক]], "ফ্যাসিবজম অফ আওয়ার টাইমস", ''সোশ্যাল সায়েন্টিস্ট'', ভলিউম ২১, নম্বর ৩/৪, ১৯৯৩, পৃষ্ঠা ৬৯–৭০। * ঠিক যেমনটা [[মহা মন্দা|১৯৩০-এর দশকে]] হয়েছিল, বর্তমান বিশ্ব পুঁজিবাদও একটি কানাগলিতে পৌঁছেছে এবং আগের মতো চলতে পারছে না। ভারতের শাসক গোষ্ঠী অবশ্য বিশ্ব পরিস্থিতির বিষয়ে সম্পূর্ণ অজ্ঞাত। নিও-লিবারেলিজম বা নব্য-উদারতাবাদের এই শেষ পরিণতি যা এমনকি মহানগরের বুর্জোয়া চিন্তাবিদদের কাছেও দৃশ্যমান, তা আমাদের হিন্দুত্ব ব্রিগেডের কাছে অদৃশ্য। ** [[প্রভাত পট্টনায়ক]], ''দ্য ওয়ার্ল্ড অ্যাট ক্রসরোডস'', ২৯ মে ২০২০, ''নিউজক্লিক''। * হিন্দুত্ব তাদের শত্রুদের ক্রমানুসারে সাজিয়েছে—মুসলিম, খ্রিস্টান এবং [[ভারতে কমিউনিজম|কমিউনিস্ট]]। এটি [[অ্যাডলফ হিটলার|হিটলারের]] "জাতীয়" গর্বের প্রশংসা করেছিল এবং সংখ্যালঘুদের সাথে মোকাবিলা করার ক্ষেত্রে নাৎসি মডেলের সহায়তা চেয়েছিল। হিটলারের মতো হিন্দুত্বও জাতিগত শ্রেষ্ঠত্বে বিশ্বাস করত এবং বিশ্ব আধিপত্যের স্বপ্ন দেখত। গতকাল এটি ব্রিটিশ রাজের সাথে সহযোগিতা করেছিল। আজ এটি সেই তেরঙা পতাকা ওড়ায় যাকে তারা একসময় প্রকাশ্যে অবজ্ঞা করেছিল এবং এমন একটি সংবিধান মেনে চলার ভান করে যাকে তারা 'মনুসংহিতা' দিয়ে প্রতিস্থাপন করতে চেয়েছিল; যা একটি নারীবিদ্বেষী ও ব্রাহ্মণবাদী পাঠ্য। তারা প্রতিটি সহজলভ্য সরকারি সম্পদ বিদেশি বা ভারতীয় ঘনিষ্ঠ পুঁজিপতিদের কাছে বিক্রি করতে ব্যস্ত। ১৯৪৮ সালে তাদের হাতে গান্ধীর হত্যাকাণ্ড—শব্দে উচ্চারণ না করলেও—শত্রুদের তালিকায় একটি নতুন নাম যোগ করেছে; সেইসব হিন্দু যারা হিন্দুত্ব প্রকল্পের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিল। ** [[আনন্দ পটবর্ধন]], [https://scroll.in/article/1005159/anand-patwardhan-if-hindutva-is-hinduism-then-the-ku-klux-klan-is-christianity "আনন্দ পটবর্ধন: ইফ হিন্দুত্ব ইজ হিন্দুইজম দেন দ্য কু ক্লাক্স ক্ল্যান ইজ ক্রিশ্চিয়ানিটি"], ১২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ''স্ক্রল.ইন''। === স === * একটি গণ-আন্দোলন হিসেবে হিন্দুত্বের (বা ফ্যাসিবাদের) মূল বিষয় হলো অতীতের কুসংস্কার থেকে বিচ্ছিন্ন উপাদান সংগ্রহ করে এবং সেগুলোকে কৌশলে পুরানো সত্য হিসেবে সাজিয়ে আধুনিক মিডিয়া কৌশলের মাধ্যমে প্রচার করার মাধ্যমে একটি শক্তিশালী ও প্রসারযোগ্য শত্রু-ভাবমূর্তি তৈরি করা। এখানে মুসলিমরা অনেকটা ইহুদিদের সমতুল্য হয়ে ওঠে। বর্ণবাদী মনোভাব শেষ পর্যন্ত খুব সাম্প্রতিক 'বাবর কি আওলাদ' (বাবরের সন্তান) সূত্রের মধ্যে চমৎকারভাবে গেঁথে দেওয়া হয়েছে। বাবরের বংশধর হওয়ার কথিত দাবিই কাউকে অপরাধী সাব্যস্ত করার জন্য যথেষ্ট, কোনো প্রকৃত অপকর্মের প্রয়োজন নেই; ঠিক যেমন একসময় ধর্মান্ধ খ্রিস্টান মহলে সমস্ত ইহুদিদের দোষী সাব্যস্ত করা হতো কারণ তাদের পূর্বপুরুষরা যিশুর ক্রুশবিদ্ধ হওয়ার সময় কথিত ভূমিকা পালন করেছিল। ** [[সুমিত সরকার]], "দ্য ফ্যাসিবজম অফ দ্য সংঘ পরিবার", ''ইকোনমিক অ্যান্ড পলিটিক্যাল উইকলি'', ভলিউম ২৮, নম্বর ৫, ১৯৯৩, পৃষ্ঠা ১৬৫। * হিন্দুত্বের সাংগঠনিক কাঠামো হলো ঘৃণা ছড়িয়ে দেওয়ার কাজে নিয়োজিত বিশ্বের প্রাচীনতম, সবচেয়ে নিরবচ্ছিন্ন এবং অবশ্যই সবচেয়ে বহুমুখী রাজনৈতিক গঠন। ** [[তানিকা সরকার]], ''হিন্দু ন্যাশনালিজম ইন ইন্ডিয়া'' (২০২২)। [https://thewire.in/books/book-review-the-hindutva-growth-story "বুক রিভিউ: দ্য হিন্দুত্ব গ্রোথ স্টোরি"], ''দ্য ওয়্যার'', ২১ আগস্ট ২০২২-এ উদ্ধৃত। * হিন্দুত্ব কেবল একটি শব্দ নয় বরং একটি ইতিহাস। এটি কেবল আমাদের জনগণের আধ্যাত্মিক বা ধর্মীয় ইতিহাস নয়—যেমনটা অনেক সময় এর সমার্থক শব্দ হিন্দুধর্মের সাথে গুলিয়ে ফেলা হয়—বরং এটি একটি পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস। হিন্দুধর্ম হলো হিন্দুত্বের একটি আহরিত অংশ বা একটি ভগ্নাংশ মাত্র। হিন্দুত্ব আমাদের হিন্দু জাতির সমগ্র সত্তার চিন্তা ও কর্মকাণ্ডের সমস্ত বিভাগকে আলিঙ্গন করে। ** [[বিনায়ক দামোদর সাভারকর]], ''হিন্দুত্ব: হু ইজ এ হিন্দু?'' (পঞ্চম সংস্করণ, ১৯৬৯), পৃষ্ঠা ৩-৪। * হিন্দু আন্দোলনের আদর্শ ব্যাখ্যা করার ক্ষেত্রে এই তিনটি শব্দের সাথে যুক্ত অর্থের সঠিক ধারণা থাকা অত্যন্ত আবশ্যক। "হিন্দু" শব্দ থেকে ইংরেজি ভাষায় "হিন্দুইজম" শব্দটি তৈরি হয়েছে। এর অর্থ হলো হিন্দুরা যে সমস্ত ধর্মীয় মতবাদ বা ব্যবস্থা অনুসরণ করে। দ্বিতীয় শব্দটি হলো "হিন্দুত্ব", যা অনেক বেশি ব্যাপক এবং এটি কেবল হিন্দু জনগণের ধর্মীয় দিকগুলোকেই বোঝায় না—যেমনটা হিন্দুইজম করে—বরং তাদের সাংস্কৃতিক, ভাষাগত, সামাজিক এবং রাজনৈতিক দিকগুলোকেও অন্তর্ভুক্ত করে। এটি কমবেশি 'হিন্দু পলিটি' বা হিন্দু রাষ্ট্রব্যবস্থার সমরূপ এবং এর প্রায় সঠিক অনুবাদ হবে "হিন্দুনেস"। তৃতীয় শব্দটি হলো "হিন্দুডম", যার অর্থ হলো সমষ্টিগতভাবে হিন্দু জনগোষ্ঠী। এটি হিন্দু বিশ্বের একটি সম্মিলিত নাম, ঠিক যেমন ইসলাম দ্বারা মুসলিম বিশ্বকে বোঝানো হয়। ** [[বি.ডি. সাভারকর]], বি.আর. আম্বেদকরের 'পাকিস্তান অর দ্য পার্টিশন অফ ইন্ডিয়া' (১৯৪৬) থেকে উদ্ধৃত। * একজন হিন্দু অন্য একজন হিন্দুকে বিয়ে করলে তার জাত যেতে পারে, কিন্তু তার হিন্দুত্ব নয়। ** বি.ডি. সাভারকর, হিন্দুত্ব, পৃষ্ঠা ৯০। * ফ্যাসিবাদী হিন্দুত্ববাদী কল্পনায় ভারতীয় মুসলিমদের ক্রমাগত পাকিস্তানি "পঞ্চম বাহিনী" (ফিফথ কলামিস্ট), "জাতির শত্রু" ইত্যাদি হিসেবে গালি দেওয়া হয় এবং তাদের দেশপ্রেমকে সন্দেহজনক বলা হয়। হিন্দুত্ববাদী আলোচনায় মুসলিমরা একটি ভীতিকর "অন্য" (আদার) হিসেবে কেন্দ্রীয় স্থান দখল করে আছে এবং বড় আকারের [[ইসলামোফোবিয়া|মুসলিম-বিরোধী]] সহিংসতাকে বৈধতা দিতে এটি ব্যবহৃত হয়েছে। ** {{cite book|author=[[যোগিন্দর সিকান্দ]]|editor1-last=আবু-রবি|editor1-first=ইব্রাহিম|title=দ্য ব্ল্যাকওয়েল কম্প্যানিয়ন টু কনটেম্পোরারি ইসলামিক থট|date=2006|page=88}} * “হিন্দুত্ব শব্দটি গালি হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে [...] এটি বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অবজ্ঞাসূচক অর্থে ব্যবহৃত হয় [...] বিতর্কটি এখন আর কেবল পুরোহিতদের গণ্ডিবদ্ধ জগতে বা এমনকি রাজনীতির স্বার্থান্বেষী মহলে সীমাবদ্ধ নেই, এটি হিন্দু সভ্যতার জন্য একটি চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিস্তৃত হয়েছে [...] হিন্দু শব্দের এই অবমাননাকর ব্যবহার আসলে ভারতীয় সভ্যতার ওপর একটি বৃহত্তর আঘাতকে উপস্থাপন করে। এটি আমাকে ব্যথিত করে যে আমি এই দেশে স্কুল ও কলেজে পড়াশোনা করেছি অথচ বিশ্ব ইতিহাসে হিন্দু সভ্যতার বিশাল অবদান সম্পর্কে কোনো ধারণা পাইনি। এটি আমাকে ব্যথিত করে যে আজও আমাদের সন্তানরা, তারা সরকারি স্কুলে যাক বা দামী বেসরকারি স্কুলে, তারা তাদের নিজস্ব সংস্কৃতি বা সভ্যতা সম্পর্কে কোনো জ্ঞান ছাড়াই বেরিয়ে আসে [...] আপনি এমন কোনো ঐতিহ্যের জন্য গর্বিত হতে পারেন না যা সম্পর্কে আপনি কিছুই জানেন না, এবং ধর্মনিরপেক্ষতার নামে আমরা ৫০ বছর এই সভ্যতার হিন্দু শিকড়কে সম্পূর্ণ অস্বীকার করে কাটিয়েছি। আমরা গণশিক্ষার সেই ঔপনিবেশিক ব্যবস্থা পরিবর্তনের জন্য কিছুই করিনি যা এই নীতির ওপর প্রতিষ্ঠিত যে ভারতীয় সভ্যতার দেওয়ার মতো কিছু নেই [...] আমাদের সংস্কৃতি ও সভ্যতার প্রতি আমাদের অবজ্ঞা [...] এটি কি এমন একটি দেশের প্রমাণ নয় যা মজ্জাগতভাবে এখনও উপনিবেশ হয়ে আছে? আমরা নিজেদের সম্পর্কে যে নিচু ধারণা পোষণ করি তা আজকাল পশ্চিমা সংবাদমাধ্যমগুলো লুফে নেয় [...] বর্ণবাদকে হিন্দু জাতীয়তাবাদের সমতুল্য ধরা হচ্ছে। যে দেশগুলো আমাদের দাসত্ব এবং বর্ণবাদ (অ্যাপার্থাইড) উপহার দিয়েছে তাদের মুখে এটি মানায় না, কিন্তু তাদের দোষ দিয়ে লাভ কী যখন আমরা নিজেরাই নিজেদের সম্পর্কে এত খারাপ ভাবি। আমার পক্ষ থেকে আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই যে আমি বিশ্বাস করি ইন্ডিজ ধর্মগুলো সেমেটিক ধর্মগুলোর তুলনায় বিশ্বের জন্য অনেক কম সমস্যা তৈরি করেছে এবং হিন্দু সভ্যতা এমন কিছু যা নিয়ে আমি অত্যন্ত গর্বিত। এটি যদি আমার ‘সাম্প্রদায়িক’ হওয়ার প্রমাণ হয়, তবে আমার অন্তর আত্মা আমাকে বলছে, তাই হোক।” ** টাভলিন সিং, ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস (১৩/৬/২০০৪), সীতা রাম গোয়েল ও কোয়েনরাড এলস্ট (২০০৫) সম্পাদিত 'ইন্ডিয়া'স অনলি কমিউনালিস্ট: ইন কমেমোরেশন অফ সীতা রাম গোয়েল' গ্রন্থে উদ্ধৃত। === ত === * ভারতীয় ফ্রন্টে, হিন্দুত্ব আন্দোলনের উচিত হিন্দুধর্মের পুনর্জাগরণ এবং পুনরুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া; যার মধ্যে কেবল বৈদিক বা [[সংস্কৃত|সংস্কৃত]] উৎস থেকে আসা ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক চর্চাই অন্তর্ভুক্ত নয়, বরং অন্য সব ভারতীয় উৎসও অন্তর্ভুক্ত: আন্দামান দ্বীপবাসী এবং (খ্রিস্টপূর্ব) নাগাদের চর্চাও আঞ্চলিক অর্থে হিন্দু এবং আধ্যাত্মিক অর্থে সনাতন, ঠিক যেমন ধ্রুপদী সংস্কৃত হিন্দুধর্ম। (...) একজন প্রকৃত হিন্দুত্ববাদীর মনে তখন ব্যথার উদ্রেক হওয়া উচিত এবং ইতিবাচক পদক্ষেপ নেওয়ার ইচ্ছা জাগা উচিত যখন তিনি শোনেন যে বিভিন্ন কারণে ভারতের জনসংখ্যায় হিন্দুদের শতাংশ কমে যাচ্ছে অথবা হিন্দুরা প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রে [[বৈষম্য|বৈষম্যের]] শিকার হচ্ছে; কেবল তখনই নয়, বরং যখন তিনি শোনেন যে আন্দামানি [[জাতি|জাতি]] এবং [[ভাষা|ভাষা]] [[বিলুপ্তি|বিলুপ্ত]] হয়ে যাচ্ছে; লক্ষ লক্ষ বছরের পুরোনো বিশাল [[বন|বনভূমি]] চিরতরে মুছে ফেলা হচ্ছে; প্রাচীন এবং [[মধ্যযুগ|মধ্যযুগীয়]] হিন্দু স্থাপত্য স্মৃতিস্তম্ভগুলো লুটপাট বা অবহেলার শিকার হচ্ছে; অমূল্য প্রাচীন নথিগুলো ধ্বংস হচ্ছে বা পচতে দেওয়া হচ্ছে; অসংখ্য শিল্পকলা, হস্তশিল্প, স্থাপত্যশৈলী, [[উদ্ভিদ|উদ্ভিদ]] ও [[প্রাণী|প্রাণী]] প্রজাতি, [[সংগীত|সংগীতের]] রূপ এবং বাদ্যযন্ত্র বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে; আমাদের পবিত্র নদী এবং পরিবেশ অপরিবর্তনীয়ভাবে দূষিত ও ধ্বংস হচ্ছে... ** এস.আর. গোয়েল সম্পাদিত 'টাইম ফর স্টক-টেকিং', পৃষ্ঠা ২২৭-২২৮-এ তালাগেরি। * হিন্দুধর্ম হলো বিশ্বব্যাপী সনাতনবাদের (ইংরেজিতে যাকে প্যাগানিজম বলা যেতে পারে) ভারতীয় আঞ্চলিক রূপ। তাই হিন্দুত্ব আদর্শটি হওয়া উচিত একটি সর্বজনীন আদর্শ: সাম্রাজ্যবাদী মতাদর্শের আবির্ভাবের আগে সারা বিশ্বে বিদ্যমান সমস্ত ধর্ম ও সংস্কৃতির পুনর্জাগরণ এবং আধ্যাত্মিক পুনরুত্থানে এর নেতৃত্ব দেওয়া উচিত... ** এস.আর. গোয়েল সম্পাদিত 'টাইম ফর স্টক-টেকিং', পৃষ্ঠা ২২৭-২২৮-এ তালাগেরি। * প্রাক-আধুনিক হিন্দুধর্মে অন্য সব ধর্মের মতো ছোট-বড় ত্রুটি ছিল, কিন্তু এর সূক্ষ্মতাগুলো বর্তমানের তুলনায় অনেক বেশি সমৃদ্ধ ছিল। হিন্দুত্ব অনেক দিক থেকেই হিন্দুধর্মের বিপরীত এবং এর লক্ষ্য হলো এমন একটি সমাজ তৈরি করা যা সংকীর্ণ ও ধর্মান্ধ; যেখানে বিভিন্ন ধরণের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মতো ভিন্নমতাবলম্বীদের সাথে সহাবস্থান ক্রমশ অসম্ভব হয়ে পড়ছে, যা সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার পুনরাবৃত্তি থেকেই প্রমাণিত হয়। ** [[রোমিলা থাপার]], ''দ্য পাস্ট অ্যাজ প্রেজেন্ট: ফোর্জিং কনটেম্পোরারি আইডেন্টিটিস থ্রু হিস্ট্রি'' (২০১৪)। * হিন্দুত্ব দাবি করে যে তারা ভারতীয় ধর্ম, ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতির পশ্চিমা ব্যাখ্যার বিপরীতে দেশীয় ভারতীয় চিন্তাধারার প্রতিনিধিত্ব করে। তাদের দাবি হলো ঔপনিবেশিক পাণ্ডিত্য তাদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এবং উপনিবেশবাদকে বৈধতা দিতে ভারতীয় সংস্কৃতিকে ব্যবহার করেছে। অথচ হিন্দুত্ব ঠিক একই কাজ করছে—রাজনৈতিক সংহতি সহজ করার জন্য ঔপনিবেশিক ব্যাখ্যার আদলে হিন্দুধর্মকে পুনর্গঠিত করছে। এটি রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণের কর্মসূচিকে এগিয়ে নিতে [[জেমস মিল]] এবং [[ম্যাক্স মুলার|ম্যাক্স মুলারের]] মতো ঔপনিবেশিক তত্ত্বগুলো ব্যবহার করে। ইতিহাসকে কাজে লাগানো তাদের অতীতকে নিজেদের মতো করে বোঝার চেষ্টার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হয়ে দাঁড়ায়। ** [[রোমিলা থাপার]], ''দ্য পাস্ট অ্যাজ প্রেজেন্ট: ফোর্জিং কনটেম্পোরারি আইডেন্টিটিস থ্রু হিস্ট্রি'' (২০১৪)। == আরও দেখুন == * [[হিন্দু জাতীয়তাবাদ]] == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:রাজনৈতিক আদর্শ]] [[বিষয়শ্রেণী:হিন্দু জাতীয়তাবাদ]] opecak8tcslx28d328vktug69of6e3h 79933 79927 2026-04-23T07:14:33Z Tuhin 172 79933 wikitext text/x-wiki '''[[w:হিন্দুত্ব|হিন্দুত্ব]]''' (আক্ষরিক অর্থে "হিন্দু-ত্ব") হলো একটি রাজনৈতিক [[আদর্শ]] যা [[হিন্দু জাতীয়তাবাদ|হিন্দু জাতীয়তাবাদের]] সাংস্কৃতিক যৌক্তিকতাকে ধারণ করে। এই রাজনৈতিক আদর্শটি ১৯২৩ সালে [[বিনায়ক দামোদর সাভারকর]] প্রণয়ন করেছিলেন। এটি [[রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ]] (আরএসএস), [[w:বিশ্ব হিন্দু পরিষদ|বিশ্ব হিন্দু পরিষদ]] (ভিএইচপি), [[ভারতীয় জনতা পার্টি]] (বিজেপি) এবং অন্যান্য সংস্থা দ্বারা ব্যবহৃত হয়, যাদের একত্রে [[w:সংঘ পরিবার|সংঘ পরিবার]] বলা হয়। __NOTOC__ {{TOCalpha|}} == উক্তি == === দ === *"প্রশ্ন: আমি বিশ্বাস করি আপনি সংঘ পরিবারের আদর্শের সাথে পরিচিত।<br>উত্তর: হ্যাঁ, অবশ্যই, গত ৩০ বছর ধরে। অবশ্যই, আমি এই সংস্থাগুলো সম্পর্কে কিছু সমালোচনামূলক দৃষ্টিভঙ্গিরও সম্মুখীন হয়েছি। তবে একই সাথে আমি দেখতে পাচ্ছি যে, সংঘ পরিবার [[ভারত|ভারতের]] জাতীয় পরিচয় এবং [[ভারতের সংস্কৃতি|সংস্কৃতি]] সংরক্ষণের বিষয়ে অত্যন্ত সচেতন। এই দিকটি আমাকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করেছে। সত্যি বলতে, এই দেশে এমন কিছু মানুষ আছেন যারা পশ্চিমা জীবনযাত্রার প্রতি মোহগ্রস্ত। আমি সবসময় আমার ভারতীয় বন্ধুদের বলেছি যে তাদের নিজস্ব সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে অবহেলা করার কোনো মানে হয় না। সেই হিসেবে, ভারতের ঐতিহ্যগত মূল্যবোধ ও আদর্শ সংরক্ষণের জন্য কাজ করা যেকোনো সংস্থা অবশ্যই সমস্ত শুভাকাঙ্ক্ষী মানুষের সমর্থন পাওয়ার যোগ্য।" **[[চতুর্দশ দালাই লামা|দালাই লামা]], [কানপুরে এবিভিপি সম্মেলনে এস. সুরেশ কর্তৃক গৃহীত সাক্ষাৎকার যা ২২ নভেম্বর ১৯৯২ তারিখে অর্গানাইজার-এ প্রকাশিত হয়।] * * হিন্দুত্ব আসলে বলতে বোঝায় ভারত প্রাথমিকভাবে একটি হিন্দু 'রাষ্ট্র' ছিল এই ধারণার সাথে একাত্মতা, যেমনটা এর প্রবক্তারা মনে করেন। এটি কোনো [[ধর্ম|ধর্মীয়]] [[দর্শন]] বা সমাজ সংস্কার আন্দোলন নয় বরং এটি সাংস্কৃতিক অন্ধবিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা একটি [[রাজনৈতিক দর্শন]]। এই আদর্শ জোর দিয়ে বলে যে ভারতের অ-হিন্দুদের "[[সংখ্যালঘু গোষ্ঠী|সংখ্যালঘু]]" হিসেবে তাদের স্থান মেনে নিতে হবে। তাদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নির্ভর করবে মূলত সংখ্যাগুরুদের সদিচ্ছা অর্জন করার ক্ষমতার ওপর। হিন্দুত্ব আদর্শের মূল কথা হলো সংখ্যাগুরুদের ভালোকেই যেকোনো সংখ্যালঘুর জন্য ভালো হিসেবে দেখা উচিত। এখানে সংখ্যালঘু অধিকারের যেকোনো দাবিকে সংখ্যাগুরুদের রাজনৈতিক কর্তৃত্বের প্রতি একটি হুমকি ও চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এই কারণে এমন সংখ্যালঘুদের হিন্দুত্ববাদীরা দেশবিরোধী এবং সমাজবিরোধী হিসেবে দেখে থাকে। এছাড়া সংখ্যালঘুদের সংখ্যা বাড়ানোর যেকোনো প্রচেষ্টাকে তারা [[আগ্রাসন]] হিসেবে গণ্য করে। ফলে [[w:খ্রিস্টধর্মে ধর্মান্তর|খ্রিস্টধর্মে ধর্মান্তর]] কিংবা কোনো [[হিন্দু]] মেয়ের সাথে কোনো [[মুসলিম]] বা [[খ্রিস্টান|খ্রিস্টান]] পুরুষের বিবাহকে তারা অবাঞ্ছিত ও উস্কানিমূলক কাজ হিসেবে দেখে। ** [[জি. এন. ডেভি]], "আদিবাসীস অ্যান্ড দলিতস: ট্রাইবাল ভয়েস অ্যান্ড ভায়োলেন্স", এস. ভারাদারাজন সম্পাদিত ''গুজরাত: দ্য মেকিং অফ এ ট্র্যাজেডি'' (২০০২), পৃষ্ঠা ২৬২-২৬৩। নয়াদিল্লি: পেঙ্গুইন। === জ === * সাভারকরের হিন্দুত্ব প্রাথমিকভাবে একটি জাতিগত সম্প্রদায় হিসেবে কল্পনা করা হয়েছিল যার একটি নির্দিষ্ট ভূখণ্ড থাকবে এবং যারা একই নৃতাত্ত্বিক ও সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য শেয়ার করবে। এই তিনটি বৈশিষ্ট্য মূলত [[w:বৈদিক যুগ|বৈদিক স্বর্ণযুগের]] পৌরাণিক পুনর্গঠন থেকে উদ্ভূত। ** [[ক্রিস্টোফ জাফ্রেলট]], ''দ্য হিন্দু ন্যাশনালিস্ট মুভমেন্ট ইন ইন্ডিয়া'' (লন্ডন: হার্স্ট, ১৯৯৩), পৃষ্ঠা ২৭। [https://thediplomat.com/2021/01/hindutvas-realism-in-modis-foreign-policy/ "হিন্দুত্ব’স রিয়ালিজম ইন মোদি’স ফরেন পলিসি"], ''দ্য ডিপ্লোম্যাট'', ১ জানুয়ারি ২০২১-এ উদ্ধৃত। *"মুসলিম-বিদ্বেষী হিসেবে হিন্দুত্বের ভুল উপস্থাপন বা অপব্যাখ্যা এমনভাবে গেঁথে গেছে যে এমনকি এর প্রবক্তারাও, যাদের মধ্যে ভারতীয় জনতা পার্টির কিছু নেতাও রয়েছেন, নিজেরাই এ বিষয়ে রক্ষণাত্মকভাবে কথা বলেন।" **গিরিলাল জৈন, পৃষ্ঠা ১০৬, দ্য [[হিন্দু]] ফেনোমেনন, আইএসবিএন ৮১-৮৬১১২-৩২-৪। * হিন্দুত্ববাদী শক্তিগুলো দেশে ধর্মীয় সংঘাত বাড়ানোর উদ্দেশ্যে যুক্তি দেয় যে অতীতে [[হিন্দু|হিন্দুদের]] জোরপূর্বক [[ভারতে ইসলাম|ইসলাম]] এবং [[ভারতে খ্রিস্টধর্ম|খ্রিস্টধর্মে]] ধর্মান্তরিত করা হয়েছিল এবং তাই তাদের পুনরায় ধর্মান্তরিত (ঘর ওয়াপাসি) করে হিন্দু বলয়ে ফিরিয়ে আনতে হবে। কিন্তু এ ধরণের দাবির আমাদের ইতিহাসে কোনো ভিত্তি নেই। ** [[ডি. এন. ঝা]], পাঞ্জাব ইতিহাস সম্মেলনের ৩১তম অধিবেশনে সভাপতির ভাষণ, ১৯-২১ মার্চ ১৯৯৯। [https://www.jstor.org/stable/3517941 "এগেইনস্ট কমিউনালাইজিং হিস্ট্রি"], ''সোশ্যাল সায়েন্টিস্ট'', ভলিউম ২৬, নম্বর ৯/১০ (সেপ্টেম্বর - অক্টোবর ১৯৯৮), পৃষ্ঠা ৫৪। === ম === * ভারতে ১৯৯০-এর দশকে হিন্দু জাতীয়তাবাদের উত্থান ভারতের ঐতিহ্যের কিছু অংশ মুছে ফেলার এবং [[ভারতের ইতিহাস|ভারতীয় ইতিহাসকে]] নতুন করে লেখার অসাধারণ প্রচেষ্টা নিয়ে আসে। ১৯৯২ সালে কট্টরপন্থীরা—যাদের হিন্দু ডানপন্থী রাজনীতিবিদরা সমর্থন দিয়েছিলেন—[[উত্তর ভারত|উত্তর ভারতের]] [[অযোধ্যা বিবাদ|অযোধ্যায়]] একটি ষোড়শ শতাব্দীর [[মসজিদ]] ধ্বংস করে এই যুক্তিতে যে এটি [[হিন্দু দেবতা]] [[রাম|রামে]]র জন্মস্থানের ওপর নির্মিত হয়েছিল। উৎসাহিত হয়ে তারা ঘোষণা করে যে তারা [[তাজমহল]]সহ অন্যান্য মুসলিম স্থাপত্য ধ্বংস করতে এগিয়ে যাবে। এটি ভারতের পরিচয়কে একচেটিয়াভাবে হিন্দু বা হিন্দু জাতীয়তাবাদীদের ব্যবহৃত শব্দ 'হিন্দুত্ব' হিসেবে চিহ্নিত করার একটি বৃহত্তর অভিযানের অংশ ছিল। ভারতের ইতিহাস অনিবার্যভাবে এর একটি প্রধান অনুষঙ্গ হয়ে ওঠে। প্রাপ্ত প্রমাণের ভিত্তিতে প্রচলিত ধারণা ছিল যে, উর্বর [[w:সিন্ধু নদ|সিন্ধু উপত্যকায়]] খ্রিস্টপূর্ব ৩০০০ থেকে ১৭০০ অব্দের মধ্যে [[সিন্ধু সভ্যতা|হরপ্পা সভ্যতা]] গড়ে উঠেছিল। ঘোড়সওয়ার [[আর্য জাতি|আর্যরা]] যখন উত্তর দিক থেকে নিচে নেমে আসে—সম্ভবত শান্তিপূর্ণ অভিবাসী হিসেবে অথবা সম্ভবত যুদ্ধবাজ আক্রমণকারী হিসেবে—তখন এটি ধীরে ধীরে বিলীন হয়ে যায়। এটি হিন্দু জাতীয়তাবাদীদের পছন্দ হয়নি কারণ এর অর্থ দাঁড়ায় যে একটি [[আদিবাসী|আদিবাসী সভ্যতা]] বাইরে থেকে আসা কারো কাছে নতি স্বীকার করেছে এবং তাদের নিজস্ব সংস্কৃতিতে বিদেশি উপাদান থাকতে পারে। আজকের হিন্দু জাতীয়তাবাদীদের আধ্যাত্মিক গুরু হিসেবে পরিচিত [[w:মাধব গোলওয়ালকর|মাধব গোলওয়ালকর]] ১৯৩০-এর দশকে লিখেছিলেন, “হিন্দুরা অন্য কোথাও থেকে এই ভূমিতে আসেনি, বরং তারা অনাদিকাল থেকেই এই মাটির আদি সন্তান।” অবশ্যই এটি জাতি ও সভ্যতার বিকাশ ও সংমিশ্রণের এক অদ্ভুত সরলীকৃত দৃষ্টিভঙ্গি ছিল। তারা আম্বারে (এক ধরণের পাথর) চিরকাল আটকে থাকা মাছির মতো নয় বরং অনেক উপনদী থাকা নদীর মতো। ** [[মার্গারেট ম্যাকমিলান]], ''দ্য ইউজেস অ্যান্ড অ্যাবিউজেস অফ হিস্ট্রি'' (২০০৮), পৃষ্ঠা ৭৮-৭৯। * হিন্দুত্ব প্রকল্পের জন্য ভারতের হিন্দু এবং তাদের দ্বারা নির্মিত ঘৃণিত "অন্য" অর্থাৎ ভারতের মুসলিম ও খ্রিস্টানদের মধ্যে একটি আমূল ও সহিংস বিচ্ছেদ প্রয়োজন। ** [[হর্ষ মান্দার]], [https://thewire.in/communalism/is-india-lurching-into-a-genocide "ইজ ইন্ডিয়া লারচিং ইনটু এ জেনোসাইড?"], ''দ্য ওয়্যার'', ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২২। * এমন নয় যে হিন্দুত্ব সমর্থকরা সম্পূর্ণ ভিন্ন পরিণতির সম্পূর্ণ ভিন্ন ঘটনাগুলোকে সমানভাবে দেখে, বরং তারা ইচ্ছাকৃতভাবে এমন তথ্যগুলো এড়িয়ে যায় যে ভিআইপি (মন্ত্রী, এমপি, এমএলএ) ঘৃণ্য বক্তৃতার ৮০-৯০ শতাংশ বিজেপির দ্বারা সংঘটিত হয়েছে অথবা বিজেপির আইটি সেলের প্রধান সবচেয়ে বিপজ্জনক এবং [[w:ভারতে ভুয়া খবর|ভুয়া]] সাম্প্রদায়িক প্রচারণার বৃহত্তম প্রচারক। শাসক দলের সাথে অন্য দলের কোনো তুলনাই হয় না। ** [[নিসিম মানাথুক্কারেন]], [https://thewire.in/communalism/delhi-riots-communalism-false-equivalence ''দ্য বারবারিটি অফ ফলস ইকুইভ্যালেন্স''], ৮ মার্চ ২০২০, ''[[w:দ্য ওয়্যার (ভারত)|দ্য ওয়্যার]]''। * আমি হিন্দুত্বে বিশ্বাস করি যা প্রাচীন ধারণা "[[w:বসুধৈব কুটুম্বকম|বসুধৈব কুটুম্বকম]]"-এর ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত। আমি বিশ্বাস করি পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং সহযোগিতা বিদেশি রাষ্ট্রগুলোর সাথে সম্পর্কের ভিত্তি হওয়া উচিত। এবং আমি আত্মবিশ্বাসী যে অন্য দেশগুলোর সাথে বৈদেশিক বিষয়গুলো পরিচালনার ক্ষেত্রে আমার হিন্দুত্ববাদী ভাবমূর্তি একটি সম্পদ হিসেবে কাজ করবে। ** [[নরেন্দ্র মোদি]], [http://archive.indianexpress.com/news/narendra-modi-my-hindutva-face-will-be-an-asset-in-foreign-affairs/1243097/ "নরেন্দ্র মোদি: মাই হিন্দুত্ব ফেস উইল বি এন অ্যাসেট ইন ফরেন অ্যাফেয়ার্স"], ''দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস'', ২৩ এপ্রিল ২০১৪। === ন === * মানুষ আমাকে ভারতের হিন্দুত্ববাদী শক্তিগুলো সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে। কয়েক বছর আগে আমি যখন বলেছিলাম যে ভারতে এই নতুন ধরণের আত্মসচেতনতার সাথে হিন্দু ধারণাটি প্রায় একটি প্রয়োজনীয় প্রাথমিক পর্যায়, তখন আমি কিছুটা সমস্যায় পড়েছিলাম। এর মধ্যে বৃহত্তর এবং নতুন ধারণার সূত্রপাত রয়েছে: ইতিহাসের ধারণা, মানব পরিবারের ধারণা এবং ভারতের ধারণা। আমি আশা করি এই আত্মসচেতনতা কেবল এখানেই থমকে থাকবে না এবং আমি মনে করি না যে এটি থাকবে, তবে এটি প্রয়োজনীয়। আমরা এমন একটি দেশ নিয়ে কাজ করছি যা খুব নিচু স্তর থেকে শুরু হয়েছে; একটি খুব নিচু বৌদ্ধিক স্তর এবং নিচু অর্থনৈতিক স্তর। মানুষ যখন এগিয়ে যেতে শুরু করে, তখন প্রথম আনুগত্য এবং প্রথম পরিচয় সবসময়ই কিছুটা ক্ষুদ্র হয়। তারা তাৎক্ষণিকভাবে অন্য কিছু হয়ে উঠতে পারে না। আমি মনে করি ভারতের বর্তমান প্রতিটি বিশৃঙ্খলার মধ্যেই একটি বৃহত্তর ইতিবাচক আন্দোলন রয়েছে। তবে ভবিষ্যৎ বেশ অরাজক হবে। রাজনীতিকে এখন জনগণের স্তরে থাকতে হবে। [[জওহরলাল নেহরু|নেহরু]]র মতো মানুষরা ছিলেন ঔপনিবেশিক ধাঁচের রাজনীতিবিদ। তারা অনেকাংশেই ঔপনিবেশিক ব্যবস্থার দ্বারা তৈরি এবং সুরক্ষিত ছিলেন। তারা সাধারণ মানুষের মধ্য থেকে শুরু করেননি। ** ভি.এস. নাইপল, 'এ মিলিয়ন মিউটিনিস', ভি.এস. নাইপল, ইন্ডিয়া টুডে, ১৮ আগস্ট ১৯৯৭। * হিন্দুত্ববাদী যোদ্ধাদের ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের মানহানি করার অত্যন্ত অশুভ উদ্দেশ্য রয়েছে। ** [[মীরা নন্দা]], 'হিন্দু ট্রায়ামফালিজম অ্যান্ড দ্য ক্ল্যাশ অফ সিভিলাইজেশনস' (২০০৯), ইকোনমিক অ্যান্ড পলিটিক্যাল উইকলি, পৃষ্ঠা ১১১। === প === * [[মহাত্মা গান্ধী|মহাত্মা]] ছিলেন সম্প্রদায় এবং মানুষের মধ্যে সমন্বয়কারী। বিভাজন নয় বরং অন্তর্ভুক্তিই ছিল তার পথ। হিন্দুধর্মের ব্যাখ্যার বিষয়ে 'হিন্দুত্ব' গান্ধীর সাথে একমত ছিল না। হিন্দুত্বের লক্ষ্যগুলো আত্মপরিচয় এবং আত্মসংজ্ঞার বিষয়ে শক্তিশালী হলেও এগুলো বিচ্ছিন্নতাবাদী প্রবণতাসম্পন্ন। একজন বৈষ্ণব হিসেবে গান্ধী বিশ্বাস করতেন "অন্যের কষ্টকে নিজের কষ্ট হিসেবে গণ্য করতে।" এমন দৃষ্টিভঙ্গি থেকে এটি স্পষ্ট যে হিন্দুত্বের অসহিষ্ণুতা ভারতের মানুষকে একটি সহানুভূতিশীল ও ন্যায়সঙ্গত সামাজিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে দেবে না। ** [[অ্যান্থনি পারেল]], ''গান্ধী, ফ্রিডম, অ্যান্ড সেলফ-রুল'' (২০০০), লেক্সিংটন বুকস, পৃষ্ঠা ১৩৩। * হিন্দুত্ব আন্দোলন যেভাবে আত্মপ্রকাশ করেছে তা প্রায় ধ্রুপদী অর্থে এর আদর্শে ফ্যাসিবাদী, এর শ্রেণী সমর্থনে ফ্যাসিবাদী, এর পদ্ধতিতে ফ্যাসিবাদী এবং এর কর্মসূচিতেও ফ্যাসিবাদী। একটি ফ্যাসিবাদী আদর্শের সমস্ত উপাদান এতে বিদ্যমান: 'হিন্দু' নামক একটি সমজাতীয় ধারণার অধীনে সংখ্যাগুরুদের ঐক্যবদ্ধ করার চেষ্টা; অতীতে একটি বহিষ্কৃত সংখ্যালঘু গোষ্ঠী কর্তৃক এই সমজাতীয় গোষ্ঠীর ওপর করা কথিত অন্যায়ের বিরুদ্ধে ক্ষোভের অনুভূতি; এই সংখ্যালঘুর তুলনায় সাংস্কৃতিক শ্রেষ্ঠত্বের বোধ; এই পরিভাষায় ইতিহাসের পুনর্যাখ্যা; বিপরীত প্রমাণের সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যান, নিরপেক্ষ বিশ্লেষণ, বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি এবং যুক্তিযুক্ত আলোচনার প্রত্যাখ্যান; এবং সর্বোপরি তথাকথিত সমজাতীয় সংখ্যাগরিষ্ঠদের প্রতি আবেগপূর্ণ ও পুরুষতান্ত্রিক ভাষায় 'দাঁড়িয়ে পড়ার', 'নিজেদের পুরুষত্ব জাহির করার' আহ্বান—যা সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে সহিংসতায় উস্কানি দেয় এবং প্রকৃত সহিংসতার জন্ম দেয়। এর আবেদন কোনো উন্নত বা সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের স্বপ্নের ওপর ভিত্তি করে নয় বরং এটি ঘৃণার ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত। ** [[প্রভাত পট্টনায়ক]], "ফ্যাসিবজম অফ আওয়ার টাইমস", ''সোশ্যাল সায়েন্টিস্ট'', ভলিউম ২১, নম্বর ৩/৪, ১৯৯৩, পৃষ্ঠা ৬৯–৭০। * ঠিক যেমনটা [[মহা মন্দা|১৯৩০-এর দশকে]] হয়েছিল, বর্তমান বিশ্ব পুঁজিবাদও একটি কানাগলিতে পৌঁছেছে এবং আগের মতো চলতে পারছে না। ভারতের শাসক গোষ্ঠী অবশ্য বিশ্ব পরিস্থিতির বিষয়ে সম্পূর্ণ অজ্ঞাত। নিও-লিবারেলিজম বা নব্য-উদারতাবাদের এই শেষ পরিণতি যা এমনকি মহানগরের বুর্জোয়া চিন্তাবিদদের কাছেও দৃশ্যমান, তা আমাদের হিন্দুত্ব ব্রিগেডের কাছে অদৃশ্য। ** [[প্রভাত পট্টনায়ক]], ''দ্য ওয়ার্ল্ড অ্যাট ক্রসরোডস'', ২৯ মে ২০২০, ''নিউজক্লিক''। * হিন্দুত্ব তাদের শত্রুদের ক্রমানুসারে সাজিয়েছে—মুসলিম, খ্রিস্টান এবং [[ভারতে কমিউনিজম|কমিউনিস্ট]]। এটি [[অ্যাডলফ হিটলার|হিটলারের]] "জাতীয়" গর্বের প্রশংসা করেছিল এবং সংখ্যালঘুদের সাথে মোকাবিলা করার ক্ষেত্রে নাৎসি মডেলের সহায়তা চেয়েছিল। হিটলারের মতো হিন্দুত্বও জাতিগত শ্রেষ্ঠত্বে বিশ্বাস করত এবং বিশ্ব আধিপত্যের স্বপ্ন দেখত। গতকাল এটি ব্রিটিশ রাজের সাথে সহযোগিতা করেছিল। আজ এটি সেই তেরঙা পতাকা ওড়ায় যাকে তারা একসময় প্রকাশ্যে অবজ্ঞা করেছিল এবং এমন একটি সংবিধান মেনে চলার ভান করে যাকে তারা 'মনুসংহিতা' দিয়ে প্রতিস্থাপন করতে চেয়েছিল; যা একটি নারীবিদ্বেষী ও ব্রাহ্মণবাদী পাঠ্য। তারা প্রতিটি সহজলভ্য সরকারি সম্পদ বিদেশি বা ভারতীয় ঘনিষ্ঠ পুঁজিপতিদের কাছে বিক্রি করতে ব্যস্ত। ১৯৪৮ সালে তাদের হাতে গান্ধীর হত্যাকাণ্ড—শব্দে উচ্চারণ না করলেও—শত্রুদের তালিকায় একটি নতুন নাম যোগ করেছে; সেইসব হিন্দু যারা হিন্দুত্ব প্রকল্পের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিল। ** [[আনন্দ পটবর্ধন]], [https://scroll.in/article/1005159/anand-patwardhan-if-hindutva-is-hinduism-then-the-ku-klux-klan-is-christianity "আনন্দ পটবর্ধন: ইফ হিন্দুত্ব ইজ হিন্দুইজম দেন দ্য কু ক্লাক্স ক্ল্যান ইজ ক্রিশ্চিয়ানিটি"], ১২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ''স্ক্রল.ইন''। === স === * একটি গণ-আন্দোলন হিসেবে হিন্দুত্বের (বা ফ্যাসিবাদের) মূল বিষয় হলো অতীতের কুসংস্কার থেকে বিচ্ছিন্ন উপাদান সংগ্রহ করে এবং সেগুলোকে কৌশলে পুরানো সত্য হিসেবে সাজিয়ে আধুনিক মিডিয়া কৌশলের মাধ্যমে প্রচার করার মাধ্যমে একটি শক্তিশালী ও প্রসারযোগ্য শত্রু-ভাবমূর্তি তৈরি করা। এখানে মুসলিমরা অনেকটা ইহুদিদের সমতুল্য হয়ে ওঠে। বর্ণবাদী মনোভাব শেষ পর্যন্ত খুব সাম্প্রতিক 'বাবর কি আওলাদ' (বাবরের সন্তান) সূত্রের মধ্যে চমৎকারভাবে গেঁথে দেওয়া হয়েছে। বাবরের বংশধর হওয়ার কথিত দাবিই কাউকে অপরাধী সাব্যস্ত করার জন্য যথেষ্ট, কোনো প্রকৃত অপকর্মের প্রয়োজন নেই; ঠিক যেমন একসময় ধর্মান্ধ খ্রিস্টান মহলে সমস্ত ইহুদিদের দোষী সাব্যস্ত করা হতো কারণ তাদের পূর্বপুরুষরা যিশুর ক্রুশবিদ্ধ হওয়ার সময় কথিত ভূমিকা পালন করেছিল। ** [[সুমিত সরকার]], "দ্য ফ্যাসিবজম অফ দ্য সংঘ পরিবার", ''ইকোনমিক অ্যান্ড পলিটিক্যাল উইকলি'', ভলিউম ২৮, নম্বর ৫, ১৯৯৩, পৃষ্ঠা ১৬৫। * হিন্দুত্বের সাংগঠনিক কাঠামো হলো ঘৃণা ছড়িয়ে দেওয়ার কাজে নিয়োজিত বিশ্বের প্রাচীনতম, সবচেয়ে নিরবচ্ছিন্ন এবং অবশ্যই সবচেয়ে বহুমুখী রাজনৈতিক গঠন। ** [[তানিকা সরকার]], ''হিন্দু ন্যাশনালিজম ইন ইন্ডিয়া'' (২০২২)। [https://thewire.in/books/book-review-the-hindutva-growth-story "বুক রিভিউ: দ্য হিন্দুত্ব গ্রোথ স্টোরি"], ''দ্য ওয়্যার'', ২১ আগস্ট ২০২২-এ উদ্ধৃত। * হিন্দুত্ব কেবল একটি শব্দ নয় বরং একটি ইতিহাস। এটি কেবল আমাদের জনগণের আধ্যাত্মিক বা ধর্মীয় ইতিহাস নয়—যেমনটা অনেক সময় এর সমার্থক শব্দ হিন্দুধর্মের সাথে গুলিয়ে ফেলা হয়—বরং এটি একটি পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস। হিন্দুধর্ম হলো হিন্দুত্বের একটি আহরিত অংশ বা একটি ভগ্নাংশ মাত্র। হিন্দুত্ব আমাদের হিন্দু জাতির সমগ্র সত্তার চিন্তা ও কর্মকাণ্ডের সমস্ত বিভাগকে আলিঙ্গন করে। ** [[বিনায়ক দামোদর সাভারকর]], ''হিন্দুত্ব: হু ইজ এ হিন্দু?'' (পঞ্চম সংস্করণ, ১৯৬৯), পৃষ্ঠা ৩-৪। * হিন্দু আন্দোলনের আদর্শ ব্যাখ্যা করার ক্ষেত্রে এই তিনটি শব্দের সাথে যুক্ত অর্থের সঠিক ধারণা থাকা অত্যন্ত আবশ্যক। "হিন্দু" শব্দ থেকে ইংরেজি ভাষায় "হিন্দুইজম" শব্দটি তৈরি হয়েছে। এর অর্থ হলো হিন্দুরা যে সমস্ত ধর্মীয় মতবাদ বা ব্যবস্থা অনুসরণ করে। দ্বিতীয় শব্দটি হলো "হিন্দুত্ব", যা অনেক বেশি ব্যাপক এবং এটি কেবল হিন্দু জনগণের ধর্মীয় দিকগুলোকেই বোঝায় না—যেমনটা হিন্দুইজম করে—বরং তাদের সাংস্কৃতিক, ভাষাগত, সামাজিক এবং রাজনৈতিক দিকগুলোকেও অন্তর্ভুক্ত করে। এটি কমবেশি 'হিন্দু পলিটি' বা হিন্দু রাষ্ট্রব্যবস্থার সমরূপ এবং এর প্রায় সঠিক অনুবাদ হবে "হিন্দুনেস"। তৃতীয় শব্দটি হলো "হিন্দুডম", যার অর্থ হলো সমষ্টিগতভাবে হিন্দু জনগোষ্ঠী। এটি হিন্দু বিশ্বের একটি সম্মিলিত নাম, ঠিক যেমন ইসলাম দ্বারা মুসলিম বিশ্বকে বোঝানো হয়। ** [[বি.ডি. সাভারকর]], বি.আর. আম্বেদকরের 'পাকিস্তান অর দ্য পার্টিশন অফ ইন্ডিয়া' (১৯৪৬) থেকে উদ্ধৃত। * একজন হিন্দু অন্য একজন হিন্দুকে বিয়ে করলে তার জাত যেতে পারে, কিন্তু তার হিন্দুত্ব নয়। ** বি.ডি. সাভারকর, হিন্দুত্ব, পৃষ্ঠা ৯০। * ফ্যাসিবাদী হিন্দুত্ববাদী কল্পনায় ভারতীয় মুসলিমদের ক্রমাগত পাকিস্তানি "পঞ্চম বাহিনী" (ফিফথ কলামিস্ট), "জাতির শত্রু" ইত্যাদি হিসেবে গালি দেওয়া হয় এবং তাদের দেশপ্রেমকে সন্দেহজনক বলা হয়। হিন্দুত্ববাদী আলোচনায় মুসলিমরা একটি ভীতিকর "অন্য" (আদার) হিসেবে কেন্দ্রীয় স্থান দখল করে আছে এবং বড় আকারের [[ইসলামোফোবিয়া|মুসলিম-বিরোধী]] সহিংসতাকে বৈধতা দিতে এটি ব্যবহৃত হয়েছে। ** {{cite book|author=[[যোগিন্দর সিকান্দ]]|editor1-last=আবু-রবি|editor1-first=ইব্রাহিম|title=দ্য ব্ল্যাকওয়েল কম্প্যানিয়ন টু কনটেম্পোরারি ইসলামিক থট|date=2006|page=88}} * “হিন্দুত্ব শব্দটি গালি হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে [...] এটি বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অবজ্ঞাসূচক অর্থে ব্যবহৃত হয় [...] বিতর্কটি এখন আর কেবল পুরোহিতদের গণ্ডিবদ্ধ জগতে বা এমনকি রাজনীতির স্বার্থান্বেষী মহলে সীমাবদ্ধ নেই, এটি হিন্দু সভ্যতার জন্য একটি চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিস্তৃত হয়েছে [...] হিন্দু শব্দের এই অবমাননাকর ব্যবহার আসলে ভারতীয় সভ্যতার ওপর একটি বৃহত্তর আঘাতকে উপস্থাপন করে। এটি আমাকে ব্যথিত করে যে আমি এই দেশে স্কুল ও কলেজে পড়াশোনা করেছি অথচ বিশ্ব ইতিহাসে হিন্দু সভ্যতার বিশাল অবদান সম্পর্কে কোনো ধারণা পাইনি। এটি আমাকে ব্যথিত করে যে আজও আমাদের সন্তানরা, তারা সরকারি স্কুলে যাক বা দামী বেসরকারি স্কুলে, তারা তাদের নিজস্ব সংস্কৃতি বা সভ্যতা সম্পর্কে কোনো জ্ঞান ছাড়াই বেরিয়ে আসে [...] আপনি এমন কোনো ঐতিহ্যের জন্য গর্বিত হতে পারেন না যা সম্পর্কে আপনি কিছুই জানেন না, এবং ধর্মনিরপেক্ষতার নামে আমরা ৫০ বছর এই সভ্যতার হিন্দু শিকড়কে সম্পূর্ণ অস্বীকার করে কাটিয়েছি। আমরা গণশিক্ষার সেই ঔপনিবেশিক ব্যবস্থা পরিবর্তনের জন্য কিছুই করিনি যা এই নীতির ওপর প্রতিষ্ঠিত যে ভারতীয় সভ্যতার দেওয়ার মতো কিছু নেই [...] আমাদের সংস্কৃতি ও সভ্যতার প্রতি আমাদের অবজ্ঞা [...] এটি কি এমন একটি দেশের প্রমাণ নয় যা মজ্জাগতভাবে এখনও উপনিবেশ হয়ে আছে? আমরা নিজেদের সম্পর্কে যে নিচু ধারণা পোষণ করি তা আজকাল পশ্চিমা সংবাদমাধ্যমগুলো লুফে নেয় [...] বর্ণবাদকে হিন্দু জাতীয়তাবাদের সমতুল্য ধরা হচ্ছে। যে দেশগুলো আমাদের দাসত্ব এবং বর্ণবাদ (অ্যাপার্থাইড) উপহার দিয়েছে তাদের মুখে এটি মানায় না, কিন্তু তাদের দোষ দিয়ে লাভ কী যখন আমরা নিজেরাই নিজেদের সম্পর্কে এত খারাপ ভাবি। আমার পক্ষ থেকে আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই যে আমি বিশ্বাস করি ইন্ডিজ ধর্মগুলো সেমেটিক ধর্মগুলোর তুলনায় বিশ্বের জন্য অনেক কম সমস্যা তৈরি করেছে এবং হিন্দু সভ্যতা এমন কিছু যা নিয়ে আমি অত্যন্ত গর্বিত। এটি যদি আমার ‘সাম্প্রদায়িক’ হওয়ার প্রমাণ হয়, তবে আমার অন্তর আত্মা আমাকে বলছে, তাই হোক।” ** টাভলিন সিং, ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস (১৩/৬/২০০৪), সীতা রাম গোয়েল ও কোয়েনরাড এলস্ট (২০০৫) সম্পাদিত 'ইন্ডিয়া'স অনলি কমিউনালিস্ট: ইন কমেমোরেশন অফ সীতা রাম গোয়েল' গ্রন্থে উদ্ধৃত। === ত === * ভারতীয় ফ্রন্টে, হিন্দুত্ব আন্দোলনের উচিত হিন্দুধর্মের পুনর্জাগরণ এবং পুনরুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া; যার মধ্যে কেবল বৈদিক বা [[সংস্কৃত|সংস্কৃত]] উৎস থেকে আসা ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক চর্চাই অন্তর্ভুক্ত নয়, বরং অন্য সব ভারতীয় উৎসও অন্তর্ভুক্ত: আন্দামান দ্বীপবাসী এবং (খ্রিস্টপূর্ব) নাগাদের চর্চাও আঞ্চলিক অর্থে হিন্দু এবং আধ্যাত্মিক অর্থে সনাতন, ঠিক যেমন ধ্রুপদী সংস্কৃত হিন্দুধর্ম। (...) একজন প্রকৃত হিন্দুত্ববাদীর মনে তখন ব্যথার উদ্রেক হওয়া উচিত এবং ইতিবাচক পদক্ষেপ নেওয়ার ইচ্ছা জাগা উচিত যখন তিনি শোনেন যে বিভিন্ন কারণে ভারতের জনসংখ্যায় হিন্দুদের শতাংশ কমে যাচ্ছে অথবা হিন্দুরা প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রে [[বৈষম্য|বৈষম্যের]] শিকার হচ্ছে; কেবল তখনই নয়, বরং যখন তিনি শোনেন যে আন্দামানি [[জাতি|জাতি]] এবং [[ভাষা|ভাষা]] [[বিলুপ্তি|বিলুপ্ত]] হয়ে যাচ্ছে; লক্ষ লক্ষ বছরের পুরোনো বিশাল [[বন|বনভূমি]] চিরতরে মুছে ফেলা হচ্ছে; প্রাচীন এবং [[মধ্যযুগ|মধ্যযুগীয়]] হিন্দু স্থাপত্য স্মৃতিস্তম্ভগুলো লুটপাট বা অবহেলার শিকার হচ্ছে; অমূল্য প্রাচীন নথিগুলো ধ্বংস হচ্ছে বা পচতে দেওয়া হচ্ছে; অসংখ্য শিল্পকলা, হস্তশিল্প, স্থাপত্যশৈলী, [[উদ্ভিদ|উদ্ভিদ]] ও [[প্রাণী|প্রাণী]] প্রজাতি, [[সংগীত|সংগীতের]] রূপ এবং বাদ্যযন্ত্র বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে; আমাদের পবিত্র নদী এবং পরিবেশ অপরিবর্তনীয়ভাবে দূষিত ও ধ্বংস হচ্ছে... ** এস.আর. গোয়েল সম্পাদিত 'টাইম ফর স্টক-টেকিং', পৃষ্ঠা ২২৭-২২৮-এ তালাগেরি। * হিন্দুধর্ম হলো বিশ্বব্যাপী সনাতনবাদের (ইংরেজিতে যাকে প্যাগানিজম বলা যেতে পারে) ভারতীয় আঞ্চলিক রূপ। তাই হিন্দুত্ব আদর্শটি হওয়া উচিত একটি সর্বজনীন আদর্শ: সাম্রাজ্যবাদী মতাদর্শের আবির্ভাবের আগে সারা বিশ্বে বিদ্যমান সমস্ত ধর্ম ও সংস্কৃতির পুনর্জাগরণ এবং আধ্যাত্মিক পুনরুত্থানে এর নেতৃত্ব দেওয়া উচিত... ** এস.আর. গোয়েল সম্পাদিত 'টাইম ফর স্টক-টেকিং', পৃষ্ঠা ২২৭-২২৮-এ তালাগেরি। * প্রাক-আধুনিক হিন্দুধর্মে অন্য সব ধর্মের মতো ছোট-বড় ত্রুটি ছিল, কিন্তু এর সূক্ষ্মতাগুলো বর্তমানের তুলনায় অনেক বেশি সমৃদ্ধ ছিল। হিন্দুত্ব অনেক দিক থেকেই হিন্দুধর্মের বিপরীত এবং এর লক্ষ্য হলো এমন একটি সমাজ তৈরি করা যা সংকীর্ণ ও ধর্মান্ধ; যেখানে বিভিন্ন ধরণের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মতো ভিন্নমতাবলম্বীদের সাথে সহাবস্থান ক্রমশ অসম্ভব হয়ে পড়ছে, যা সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার পুনরাবৃত্তি থেকেই প্রমাণিত হয়। ** [[রোমিলা থাপার]], ''দ্য পাস্ট অ্যাজ প্রেজেন্ট: ফোর্জিং কনটেম্পোরারি আইডেন্টিটিস থ্রু হিস্ট্রি'' (২০১৪)। * হিন্দুত্ব দাবি করে যে তারা ভারতীয় ধর্ম, ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতির পশ্চিমা ব্যাখ্যার বিপরীতে দেশীয় ভারতীয় চিন্তাধারার প্রতিনিধিত্ব করে। তাদের দাবি হলো ঔপনিবেশিক পাণ্ডিত্য তাদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এবং উপনিবেশবাদকে বৈধতা দিতে ভারতীয় সংস্কৃতিকে ব্যবহার করেছে। অথচ হিন্দুত্ব ঠিক একই কাজ করছে—রাজনৈতিক সংহতি সহজ করার জন্য ঔপনিবেশিক ব্যাখ্যার আদলে হিন্দুধর্মকে পুনর্গঠিত করছে। এটি রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণের কর্মসূচিকে এগিয়ে নিতে [[জেমস মিল]] এবং [[ম্যাক্স মুলার|ম্যাক্স মুলারের]] মতো ঔপনিবেশিক তত্ত্বগুলো ব্যবহার করে। ইতিহাসকে কাজে লাগানো তাদের অতীতকে নিজেদের মতো করে বোঝার চেষ্টার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হয়ে দাঁড়ায়। ** [[রোমিলা থাপার]], ''দ্য পাস্ট অ্যাজ প্রেজেন্ট: ফোর্জিং কনটেম্পোরারি আইডেন্টিটিস থ্রু হিস্ট্রি'' (২০১৪)। == আরও দেখুন == * [[হিন্দু জাতীয়তাবাদ]] == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:রাজনৈতিক আদর্শ]] [[বিষয়শ্রেণী:হিন্দু জাতীয়তাবাদ]] 3uibm1l3i51et2ils822a8ozu1825bz 79937 79933 2026-04-23T07:27:41Z Tuhin 172 79937 wikitext text/x-wiki '''[[w:হিন্দুত্ব|হিন্দুত্ব]]''' (আক্ষরিক অর্থে "হিন্দু-ত্ব") হলো একটি রাজনৈতিক [[আদর্শ]] যা [[হিন্দু জাতীয়তাবাদ|হিন্দু জাতীয়তাবাদের]] সাংস্কৃতিক যৌক্তিকতাকে ধারণ করে। এই রাজনৈতিক আদর্শটি ১৯২৩ সালে [[বিনায়ক দামোদর সাভারকর]] প্রণয়ন করেছিলেন। এটি [[রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ]] (আরএসএস), [[w:বিশ্ব হিন্দু পরিষদ|বিশ্ব হিন্দু পরিষদ]] (ভিএইচপি), [[ভারতীয় জনতা পার্টি]] (বিজেপি) এবং অন্যান্য সংস্থা দ্বারা ব্যবহৃত হয়, যাদের একত্রে [[w:সংঘ পরিবার|সংঘ পরিবার]] বলা হয়। __NOTOC__ {{TOCalpha|}} == উক্তি == === দ === *"প্রশ্ন: আমি বিশ্বাস করি আপনি সংঘ পরিবারের আদর্শের সাথে পরিচিত।<br>উত্তর: হ্যাঁ, অবশ্যই, গত ৩০ বছর ধরে। অবশ্যই, আমি এই সংস্থাগুলো সম্পর্কে কিছু সমালোচনামূলক দৃষ্টিভঙ্গিরও সম্মুখীন হয়েছি। তবে একই সাথে আমি দেখতে পাচ্ছি যে, সংঘ পরিবার [[ভারত|ভারতের]] জাতীয় পরিচয় এবং [[ভারতের সংস্কৃতি|সংস্কৃতি]] সংরক্ষণের বিষয়ে অত্যন্ত সচেতন। এই দিকটি আমাকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করেছে। সত্যি বলতে, এই দেশে এমন কিছু মানুষ আছেন যারা পশ্চিমা জীবনযাত্রার প্রতি মোহগ্রস্ত। আমি সবসময় আমার ভারতীয় বন্ধুদের বলেছি যে তাদের নিজস্ব সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে অবহেলা করার কোনো মানে হয় না। সেই হিসেবে, ভারতের ঐতিহ্যগত মূল্যবোধ ও আদর্শ সংরক্ষণের জন্য কাজ করা যেকোনো সংস্থা অবশ্যই সমস্ত শুভাকাঙ্ক্ষী মানুষের সমর্থন পাওয়ার যোগ্য।" **[[চতুর্দশ দালাই লামা|দালাই লামা]], [কানপুরে এবিভিপি সম্মেলনে এস. সুরেশ কর্তৃক গৃহীত সাক্ষাৎকার যা ২২ নভেম্বর ১৯৯২ তারিখে অর্গানাইজার-এ প্রকাশিত হয়।] * * হিন্দুত্ব আসলে বলতে বোঝায় ভারত প্রাথমিকভাবে একটি হিন্দু 'রাষ্ট্র' ছিল এই ধারণার সাথে একাত্মতা, যেমনটা এর প্রবক্তারা মনে করেন। এটি কোনো [[ধর্ম|ধর্মীয়]] [[দর্শন]] বা সমাজ সংস্কার আন্দোলন নয় বরং এটি সাংস্কৃতিক অন্ধবিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা একটি [[রাজনৈতিক দর্শন]]। এই আদর্শ জোর দিয়ে বলে যে ভারতের অ-হিন্দুদের "[[সংখ্যালঘু গোষ্ঠী|সংখ্যালঘু]]" হিসেবে তাদের স্থান মেনে নিতে হবে। তাদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নির্ভর করবে মূলত সংখ্যাগুরুদের সদিচ্ছা অর্জন করার ক্ষমতার ওপর। হিন্দুত্ব আদর্শের মূল কথা হলো সংখ্যাগুরুদের ভালোকেই যেকোনো সংখ্যালঘুর জন্য ভালো হিসেবে দেখা উচিত। এখানে সংখ্যালঘু অধিকারের যেকোনো দাবিকে সংখ্যাগুরুদের রাজনৈতিক কর্তৃত্বের প্রতি একটি হুমকি ও চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এই কারণে এমন সংখ্যালঘুদের হিন্দুত্ববাদীরা দেশবিরোধী এবং সমাজবিরোধী হিসেবে দেখে থাকে। এছাড়া সংখ্যালঘুদের সংখ্যা বাড়ানোর যেকোনো প্রচেষ্টাকে তারা [[আগ্রাসন]] হিসেবে গণ্য করে। ফলে [[w:খ্রিস্টধর্মে ধর্মান্তর|খ্রিস্টধর্মে ধর্মান্তর]] কিংবা কোনো [[হিন্দু]] মেয়ের সাথে কোনো [[মুসলিম]] বা [[খ্রিস্টান|খ্রিস্টান]] পুরুষের বিবাহকে তারা অবাঞ্ছিত ও উস্কানিমূলক কাজ হিসেবে দেখে। ** [[জি. এন. ডেভি]], "আদিবাসীস অ্যান্ড দলিতস: ট্রাইবাল ভয়েস অ্যান্ড ভায়োলেন্স", এস. ভারাদারাজন সম্পাদিত ''গুজরাত: দ্য মেকিং অফ এ ট্র্যাজেডি'' (২০০২), পৃষ্ঠা ২৬২-২৬৩। নয়াদিল্লি: পেঙ্গুইন। === জ === * সাভারকরের হিন্দুত্ব প্রাথমিকভাবে একটি জাতিগত সম্প্রদায় হিসেবে কল্পনা করা হয়েছিল যার একটি নির্দিষ্ট ভূখণ্ড থাকবে এবং যারা একই নৃতাত্ত্বিক ও সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য শেয়ার করবে। এই তিনটি বৈশিষ্ট্য মূলত [[w:বৈদিক যুগ|বৈদিক স্বর্ণযুগের]] পৌরাণিক পুনর্গঠন থেকে উদ্ভূত। ** [[ক্রিস্টোফ জাফ্রেলট]], ''দ্য হিন্দু ন্যাশনালিস্ট মুভমেন্ট ইন ইন্ডিয়া'' (লন্ডন: হার্স্ট, ১৯৯৩), পৃষ্ঠা ২৭। [https://thediplomat.com/2021/01/hindutvas-realism-in-modis-foreign-policy/ "হিন্দুত্ব’স রিয়ালিজম ইন মোদি’স ফরেন পলিসি"], ''দ্য ডিপ্লোম্যাট'', ১ জানুয়ারি ২০২১-এ উদ্ধৃত। *"মুসলিম-বিদ্বেষী হিসেবে হিন্দুত্বের ভুল উপস্থাপন বা অপব্যাখ্যা এমনভাবে গেঁথে গেছে যে এমনকি এর প্রবক্তারাও, যাদের মধ্যে ভারতীয় জনতা পার্টির কিছু নেতাও রয়েছেন, নিজেরাই এ বিষয়ে রক্ষণাত্মকভাবে কথা বলেন।" **গিরিলাল জৈন, পৃষ্ঠা ১০৬, দ্য [[হিন্দু]] ফেনোমেনন, আইএসবিএন ৮১-৮৬১১২-৩২-৪। * হিন্দুত্ববাদী শক্তিগুলো দেশে ধর্মীয় সংঘাত বাড়ানোর উদ্দেশ্যে যুক্তি দেয় যে অতীতে [[হিন্দু|হিন্দুদের]] জোরপূর্বক [[ভারতে ইসলাম|ইসলাম]] এবং [[ভারতে খ্রিস্টধর্ম|খ্রিস্টধর্মে]] ধর্মান্তরিত করা হয়েছিল এবং তাই তাদের পুনরায় ধর্মান্তরিত (ঘর ওয়াপাসি) করে হিন্দু বলয়ে ফিরিয়ে আনতে হবে। কিন্তু এ ধরণের দাবির আমাদের ইতিহাসে কোনো ভিত্তি নেই। ** [[ডি. এন. ঝা]], পাঞ্জাব ইতিহাস সম্মেলনের ৩১তম অধিবেশনে সভাপতির ভাষণ, ১৯-২১ মার্চ ১৯৯৯। [https://www.jstor.org/stable/3517941 "এগেইনস্ট কমিউনালাইজিং হিস্ট্রি"], ''সোশ্যাল সায়েন্টিস্ট'', ভলিউম ২৬, নম্বর ৯/১০ (সেপ্টেম্বর - অক্টোবর ১৯৯৮), পৃষ্ঠা ৫৪। === ম === * ভারতে ১৯৯০-এর দশকে হিন্দু জাতীয়তাবাদের উত্থান ভারতের ঐতিহ্যের কিছু অংশ মুছে ফেলার এবং [[ভারতের ইতিহাস|ভারতীয় ইতিহাসকে]] নতুন করে লেখার অসাধারণ প্রচেষ্টা নিয়ে আসে। ১৯৯২ সালে কট্টরপন্থীরা – যাদের হিন্দু ডানপন্থী রাজনীতিবিদরা সমর্থন দিয়েছিল – [[উত্তর ভারত|উত্তর ভারতের]] [[অযোধ্যা বিবাদ|অযোধ্যায়]] একটি ষোড়শ শতাব্দীর [[মসজিদ]] ধ্বংস করে এই যুক্তিতে যে এটি [[হিন্দু দেবতা]] [[রাম|রামে]]র জন্মস্থানের ওপর নির্মিত হয়েছিল। উৎসাহিত হয়ে তারা ঘোষণা করে যে তারা [[তাজমহল]]সহ অন্যান্য মুসলিম স্থাপত্য ধ্বংস করতে এগিয়ে যাবে। এটি ভারতের পরিচয়কে একচেটিয়াভাবে হিন্দু বা হিন্দু জাতীয়তাবাদীদের ব্যবহৃত শব্দ 'হিন্দুত্ব' হিসেবে চিহ্নিত করার একটি বৃহত্তর অভিযানের অংশ ছিল। ভারতের ইতিহাস অনিবার্যভাবে এর একটি প্রধান অনুষঙ্গ হয়ে ওঠে। প্রাপ্ত প্রমাণের ভিত্তিতে প্রচলিত ধারণা ছিল যে, উর্বর [[w:সিন্ধু নদ|সিন্ধু উপত্যকায়]] খ্রিস্টপূর্ব ৩০০০ থেকে ১৭০০ অব্দের মধ্যে [[সিন্ধু সভ্যতা|হরপ্পা সভ্যতা]] গড়ে উঠেছিল। ঘোড়সওয়ার [[আর্য জাতি|আর্যরা]] যখন উত্তর দিক থেকে নিচে নেমে আসে (সম্ভবত শান্তিপূর্ণ অভিবাসী হিসেবে অথবা সম্ভবত যুদ্ধবাজ আক্রমণকারী হিসেবে) তখন এটি ধীরে ধীরে বিলীন হয়ে যায়। এটি হিন্দু জাতীয়তাবাদীদের পছন্দ হয়নি কারণ এর অর্থ দাঁড়ায় যে একটি [[আদিবাসী|আদিবাসী সভ্যতা]] বাইরে থেকে আসা কারো কাছে নতি স্বীকার করেছে এবং তাদের নিজস্ব সংস্কৃতিতে বিদেশি উপাদান থাকতে পারে। আজকের হিন্দু জাতীয়তাবাদীদের আধ্যাত্মিক গুরু হিসেবে পরিচিত [[w:মাধব গোলওয়ালকর|মাধব গোলওয়ালকর]] ১৯৩০-এর দশকে লিখেছিলেন, “হিন্দুরা অন্য কোথাও থেকে এই ভূমিতে আসেনি বরং তারা অনাদিকাল থেকেই এই মাটির আদি সন্তান।” অবশ্যই এটি জাতি ও সভ্যতার বিকাশ ও সংমিশ্রণের এক অদ্ভুত সরলীকৃত দৃষ্টিভঙ্গি ছিল। তারা আম্বারে (এক ধরণের পাথর) চিরকাল আটকে থাকা মাছির মতো নয় বরং অনেক উপনদী থাকা নদীর মতো। ** [[মার্গারেট ম্যাকমিলান]], ''দ্য ইউজেস অ্যান্ড অ্যাবিউজেস অফ হিস্ট্রি'' (২০০৮), পৃষ্ঠা ৭৮-৭৯। * হিন্দুত্ব প্রকল্পের জন্য ভারতের হিন্দু এবং তাদের দ্বারা নির্মিত ঘৃণিত "অন্য" অর্থাৎ ভারতের মুসলিম ও খ্রিস্টানদের মধ্যে একটি আমূল ও সহিংস বিচ্ছেদ প্রয়োজন। ** [[হর্ষ মান্দার]], [https://thewire.in/communalism/is-india-lurching-into-a-genocide "ইজ ইন্ডিয়া লারচিং ইনটু এ জেনোসাইড?"], ''দ্য ওয়্যার'', ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২২। * এমন নয় যে হিন্দুত্ব সমর্থকরা সম্পূর্ণ ভিন্ন পরিণতির সম্পূর্ণ ভিন্ন ঘটনাগুলোকে সমানভাবে দেখে, বরং তারা ইচ্ছাকৃতভাবে এমন তথ্যগুলো এড়িয়ে যায় যে ভিআইপি (মন্ত্রী, এমপি, এমএলএ) ঘৃণ্য বক্তৃতার ৮০-৯০ শতাংশ বিজেপির দ্বারা সংঘটিত হয়েছে অথবা বিজেপির আইটি সেলের প্রধান সবচেয়ে বিপজ্জনক এবং [[w:ভারতে ভুয়া খবর|ভুয়া]] সাম্প্রদায়িক প্রচারণার বৃহত্তম প্রচারক। শাসক দলের সাথে অন্য দলের কোনো তুলনাই হয় না। ** [[নিসিম মানাথুক্কারেন]], [https://thewire.in/communalism/delhi-riots-communalism-false-equivalence ''দ্য বারবারিটি অফ ফলস ইকুইভ্যালেন্স''], ৮ মার্চ ২০২০, ''[[w:দ্য ওয়্যার (ভারত)|দ্য ওয়্যার]]''। * আমি হিন্দুত্বে বিশ্বাস করি যা প্রাচীন ধারণা "[[w:বসুধৈব কুটুম্বকম|বসুধৈব কুটুম্বকম]]"-এর ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত। আমি বিশ্বাস করি পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং সহযোগিতা বিদেশি রাষ্ট্রগুলোর সাথে সম্পর্কের ভিত্তি হওয়া উচিত। এবং আমি আত্মবিশ্বাসী যে অন্য দেশগুলোর সাথে বৈদেশিক বিষয়গুলো পরিচালনার ক্ষেত্রে আমার হিন্দুত্ববাদী ভাবমূর্তি একটি সম্পদ হিসেবে কাজ করবে। ** [[নরেন্দ্র মোদি]], [http://archive.indianexpress.com/news/narendra-modi-my-hindutva-face-will-be-an-asset-in-foreign-affairs/1243097/ "নরেন্দ্র মোদি: মাই হিন্দুত্ব ফেস উইল বি এন অ্যাসেট ইন ফরেন অ্যাফেয়ার্স"], ''দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস'', ২৩ এপ্রিল ২০১৪। === ন === * মানুষ আমাকে ভারতের হিন্দুত্ববাদী শক্তিগুলো সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে। কয়েক বছর আগে আমি যখন বলেছিলাম যে ভারতে এই নতুন ধরণের আত্মসচেতনতার সাথে হিন্দু ধারণাটি প্রায় একটি প্রয়োজনীয় প্রাথমিক পর্যায়, তখন আমি কিছুটা সমস্যায় পড়েছিলাম। এর মধ্যে বৃহত্তর এবং নতুন ধারণার সূত্রপাত রয়েছে: ইতিহাসের ধারণা, মানব পরিবারের ধারণা এবং ভারতের ধারণা। আমি আশা করি এই আত্মসচেতনতা কেবল এখানেই থমকে থাকবে না এবং আমি মনে করি না যে এটি থাকবে, তবে এটি প্রয়োজনীয়। আমরা এমন একটি দেশ নিয়ে কাজ করছি যা খুব নিচু স্তর থেকে শুরু হয়েছে; একটি খুব নিচু বৌদ্ধিক স্তর এবং নিচু অর্থনৈতিক স্তর। মানুষ যখন এগিয়ে যেতে শুরু করে, তখন প্রথম আনুগত্য এবং প্রথম পরিচয় সবসময়ই কিছুটা ক্ষুদ্র হয়। তারা তাৎক্ষণিকভাবে অন্য কিছু হয়ে উঠতে পারে না। আমি মনে করি ভারতের বর্তমান প্রতিটি বিশৃঙ্খলার মধ্যেই একটি বৃহত্তর ইতিবাচক আন্দোলন রয়েছে। তবে ভবিষ্যৎ বেশ অরাজক হবে। রাজনীতিকে এখন জনগণের স্তরে থাকতে হবে। [[জওহরলাল নেহরু|নেহরু]]র মতো মানুষরা ছিলেন ঔপনিবেশিক ধাঁচের রাজনীতিবিদ। তারা অনেকাংশেই ঔপনিবেশিক ব্যবস্থার দ্বারা তৈরি এবং সুরক্ষিত ছিলেন। তারা সাধারণ মানুষের মধ্য থেকে শুরু করেননি। ** ভি.এস. নাইপল, 'এ মিলিয়ন মিউটিনিস', ভি.এস. নাইপল, ইন্ডিয়া টুডে, ১৮ আগস্ট ১৯৯৭। * হিন্দুত্ববাদী যোদ্ধাদের ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের মানহানি করার অত্যন্ত অশুভ উদ্দেশ্য রয়েছে। ** [[মীরা নন্দা]], 'হিন্দু ট্রায়ামফালিজম অ্যান্ড দ্য ক্ল্যাশ অফ সিভিলাইজেশনস' (২০০৯), ইকোনমিক অ্যান্ড পলিটিক্যাল উইকলি, পৃষ্ঠা ১১১। === প === * [[মহাত্মা গান্ধী|মহাত্মা]] ছিলেন সম্প্রদায় এবং মানুষের মধ্যে সমন্বয়কারী। বিভাজন নয় বরং অন্তর্ভুক্তিই ছিল তার পথ। হিন্দুধর্মের ব্যাখ্যার বিষয়ে 'হিন্দুত্ব' গান্ধীর সাথে একমত ছিল না। হিন্দুত্বের লক্ষ্যগুলো আত্মপরিচয় এবং আত্মসংজ্ঞার বিষয়ে শক্তিশালী হলেও এগুলো বিচ্ছিন্নতাবাদী প্রবণতাসম্পন্ন। একজন বৈষ্ণব হিসেবে গান্ধী বিশ্বাস করতেন "অন্যের কষ্টকে নিজের কষ্ট হিসেবে গণ্য করতে।" এমন দৃষ্টিভঙ্গি থেকে এটি স্পষ্ট যে হিন্দুত্বের অসহিষ্ণুতা ভারতের মানুষকে একটি সহানুভূতিশীল ও ন্যায়সঙ্গত সামাজিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে দেবে না। ** [[অ্যান্থনি পারেল]], ''গান্ধী, ফ্রিডম, অ্যান্ড সেলফ-রুল'' (২০০০), লেক্সিংটন বুকস, পৃষ্ঠা ১৩৩। * হিন্দুত্ব আন্দোলন যেভাবে আত্মপ্রকাশ করেছে তা প্রায় ধ্রুপদী অর্থে এর আদর্শে ফ্যাসিবাদী, এর শ্রেণী সমর্থনে ফ্যাসিবাদী, এর পদ্ধতিতে ফ্যাসিবাদী এবং এর কর্মসূচিতেও ফ্যাসিবাদী। একটি ফ্যাসিবাদী আদর্শের সমস্ত উপাদান এতে বিদ্যমান: 'হিন্দু' নামক একটি সমজাতীয় ধারণার অধীনে সংখ্যাগুরুদের ঐক্যবদ্ধ করার চেষ্টা; অতীতে একটি বহিষ্কৃত সংখ্যালঘু গোষ্ঠী কর্তৃক এই সমজাতীয় গোষ্ঠীর ওপর করা কথিত অন্যায়ের বিরুদ্ধে ক্ষোভের অনুভূতি; এই সংখ্যালঘুর তুলনায় সাংস্কৃতিক শ্রেষ্ঠত্বের বোধ; এই পরিভাষায় ইতিহাসের পুনর্যাখ্যা; বিপরীত প্রমাণের সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যান, নিরপেক্ষ বিশ্লেষণ, বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি এবং যুক্তিযুক্ত আলোচনার প্রত্যাখ্যান; এবং সর্বোপরি তথাকথিত সমজাতীয় সংখ্যাগরিষ্ঠদের প্রতি আবেগপূর্ণ ও পুরুষতান্ত্রিক ভাষায় 'দাঁড়িয়ে পড়ার', 'নিজেদের পুরুষত্ব জাহির করার' আহ্বান—যা সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে সহিংসতায় উস্কানি দেয় এবং প্রকৃত সহিংসতার জন্ম দেয়। এর আবেদন কোনো উন্নত বা সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের স্বপ্নের ওপর ভিত্তি করে নয় বরং এটি ঘৃণার ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত। ** [[প্রভাত পট্টনায়ক]], "ফ্যাসিবজম অফ আওয়ার টাইমস", ''সোশ্যাল সায়েন্টিস্ট'', ভলিউম ২১, নম্বর ৩/৪, ১৯৯৩, পৃষ্ঠা ৬৯–৭০। * ঠিক যেমনটা [[মহা মন্দা|১৯৩০-এর দশকে]] হয়েছিল, বর্তমান বিশ্ব পুঁজিবাদও একটি কানাগলিতে পৌঁছেছে এবং আগের মতো চলতে পারছে না। ভারতের শাসক গোষ্ঠী অবশ্য বিশ্ব পরিস্থিতির বিষয়ে সম্পূর্ণ অজ্ঞাত। নিও-লিবারেলিজম বা নব্য-উদারতাবাদের এই শেষ পরিণতি যা এমনকি মহানগরের বুর্জোয়া চিন্তাবিদদের কাছেও দৃশ্যমান, তা আমাদের হিন্দুত্ব ব্রিগেডের কাছে অদৃশ্য। ** [[প্রভাত পট্টনায়ক]], ''দ্য ওয়ার্ল্ড অ্যাট ক্রসরোডস'', ২৯ মে ২০২০, ''নিউজক্লিক''। * হিন্দুত্ব তাদের শত্রুদের ক্রমানুসারে সাজিয়েছে—মুসলিম, খ্রিস্টান এবং [[ভারতে কমিউনিজম|কমিউনিস্ট]]। এটি [[অ্যাডলফ হিটলার|হিটলারের]] "জাতীয়" গর্বের প্রশংসা করেছিল এবং সংখ্যালঘুদের সাথে মোকাবিলা করার ক্ষেত্রে নাৎসি মডেলের সহায়তা চেয়েছিল। হিটলারের মতো হিন্দুত্বও জাতিগত শ্রেষ্ঠত্বে বিশ্বাস করত এবং বিশ্ব আধিপত্যের স্বপ্ন দেখত। গতকাল এটি ব্রিটিশ রাজের সাথে সহযোগিতা করেছিল। আজ এটি সেই তেরঙা পতাকা ওড়ায় যাকে তারা একসময় প্রকাশ্যে অবজ্ঞা করেছিল এবং এমন একটি সংবিধান মেনে চলার ভান করে যাকে তারা 'মনুসংহিতা' দিয়ে প্রতিস্থাপন করতে চেয়েছিল; যা একটি নারীবিদ্বেষী ও ব্রাহ্মণবাদী পাঠ্য। তারা প্রতিটি সহজলভ্য সরকারি সম্পদ বিদেশি বা ভারতীয় ঘনিষ্ঠ পুঁজিপতিদের কাছে বিক্রি করতে ব্যস্ত। ১৯৪৮ সালে তাদের হাতে গান্ধীর হত্যাকাণ্ড—শব্দে উচ্চারণ না করলেও—শত্রুদের তালিকায় একটি নতুন নাম যোগ করেছে; সেইসব হিন্দু যারা হিন্দুত্ব প্রকল্পের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিল। ** [[আনন্দ পটবর্ধন]], [https://scroll.in/article/1005159/anand-patwardhan-if-hindutva-is-hinduism-then-the-ku-klux-klan-is-christianity "আনন্দ পটবর্ধন: ইফ হিন্দুত্ব ইজ হিন্দুইজম দেন দ্য কু ক্লাক্স ক্ল্যান ইজ ক্রিশ্চিয়ানিটি"], ১২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ''স্ক্রল.ইন''। === স === * একটি গণ-আন্দোলন হিসেবে হিন্দুত্বের (বা ফ্যাসিবাদের) মূল বিষয় হলো অতীতের কুসংস্কার থেকে বিচ্ছিন্ন উপাদান সংগ্রহ করে এবং সেগুলোকে কৌশলে পুরানো সত্য হিসেবে সাজিয়ে আধুনিক মিডিয়া কৌশলের মাধ্যমে প্রচার করার মাধ্যমে একটি শক্তিশালী ও প্রসারযোগ্য শত্রু-ভাবমূর্তি তৈরি করা। এখানে মুসলিমরা অনেকটা ইহুদিদের সমতুল্য হয়ে ওঠে। বর্ণবাদী মনোভাব শেষ পর্যন্ত খুব সাম্প্রতিক 'বাবর কি আওলাদ' (বাবরের সন্তান) সূত্রের মধ্যে চমৎকারভাবে গেঁথে দেওয়া হয়েছে। বাবরের বংশধর হওয়ার কথিত দাবিই কাউকে অপরাধী সাব্যস্ত করার জন্য যথেষ্ট, কোনো প্রকৃত অপকর্মের প্রয়োজন নেই; ঠিক যেমন একসময় ধর্মান্ধ খ্রিস্টান মহলে সমস্ত ইহুদিদের দোষী সাব্যস্ত করা হতো কারণ তাদের পূর্বপুরুষরা যিশুর ক্রুশবিদ্ধ হওয়ার সময় কথিত ভূমিকা পালন করেছিল। ** [[সুমিত সরকার]], "দ্য ফ্যাসিবজম অফ দ্য সংঘ পরিবার", ''ইকোনমিক অ্যান্ড পলিটিক্যাল উইকলি'', ভলিউম ২৮, নম্বর ৫, ১৯৯৩, পৃষ্ঠা ১৬৫। * হিন্দুত্বের সাংগঠনিক কাঠামো হলো ঘৃণা ছড়িয়ে দেওয়ার কাজে নিয়োজিত বিশ্বের প্রাচীনতম, সবচেয়ে নিরবচ্ছিন্ন এবং অবশ্যই সবচেয়ে বহুমুখী রাজনৈতিক গঠন। ** [[তানিকা সরকার]], ''হিন্দু ন্যাশনালিজম ইন ইন্ডিয়া'' (২০২২)। [https://thewire.in/books/book-review-the-hindutva-growth-story "বুক রিভিউ: দ্য হিন্দুত্ব গ্রোথ স্টোরি"], ''দ্য ওয়্যার'', ২১ আগস্ট ২০২২-এ উদ্ধৃত। * হিন্দুত্ব কেবল একটি শব্দ নয় বরং একটি ইতিহাস। এটি কেবল আমাদের জনগণের আধ্যাত্মিক বা ধর্মীয় ইতিহাস নয়—যেমনটা অনেক সময় এর সমার্থক শব্দ হিন্দুধর্মের সাথে গুলিয়ে ফেলা হয়—বরং এটি একটি পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস। হিন্দুধর্ম হলো হিন্দুত্বের একটি আহরিত অংশ বা একটি ভগ্নাংশ মাত্র। হিন্দুত্ব আমাদের হিন্দু জাতির সমগ্র সত্তার চিন্তা ও কর্মকাণ্ডের সমস্ত বিভাগকে আলিঙ্গন করে। ** [[বিনায়ক দামোদর সাভারকর]], ''হিন্দুত্ব: হু ইজ এ হিন্দু?'' (পঞ্চম সংস্করণ, ১৯৬৯), পৃষ্ঠা ৩-৪। * হিন্দু আন্দোলনের আদর্শ ব্যাখ্যা করার ক্ষেত্রে এই তিনটি শব্দের সাথে যুক্ত অর্থের সঠিক ধারণা থাকা অত্যন্ত আবশ্যক। "হিন্দু" শব্দ থেকে ইংরেজি ভাষায় "হিন্দুইজম" শব্দটি তৈরি হয়েছে। এর অর্থ হলো হিন্দুরা যে সমস্ত ধর্মীয় মতবাদ বা ব্যবস্থা অনুসরণ করে। দ্বিতীয় শব্দটি হলো "হিন্দুত্ব", যা অনেক বেশি ব্যাপক এবং এটি কেবল হিন্দু জনগণের ধর্মীয় দিকগুলোকেই বোঝায় না—যেমনটা হিন্দুইজম করে—বরং তাদের সাংস্কৃতিক, ভাষাগত, সামাজিক এবং রাজনৈতিক দিকগুলোকেও অন্তর্ভুক্ত করে। এটি কমবেশি 'হিন্দু পলিটি' বা হিন্দু রাষ্ট্রব্যবস্থার সমরূপ এবং এর প্রায় সঠিক অনুবাদ হবে "হিন্দুনেস"। তৃতীয় শব্দটি হলো "হিন্দুডম", যার অর্থ হলো সমষ্টিগতভাবে হিন্দু জনগোষ্ঠী। এটি হিন্দু বিশ্বের একটি সম্মিলিত নাম, ঠিক যেমন ইসলাম দ্বারা মুসলিম বিশ্বকে বোঝানো হয়। ** [[বি.ডি. সাভারকর]], বি.আর. আম্বেদকরের 'পাকিস্তান অর দ্য পার্টিশন অফ ইন্ডিয়া' (১৯৪৬) থেকে উদ্ধৃত। * একজন হিন্দু অন্য একজন হিন্দুকে বিয়ে করলে তার জাত যেতে পারে, কিন্তু তার হিন্দুত্ব নয়। ** বি.ডি. সাভারকর, হিন্দুত্ব, পৃষ্ঠা ৯০। * ফ্যাসিবাদী হিন্দুত্ববাদী কল্পনায় ভারতীয় মুসলিমদের ক্রমাগত পাকিস্তানি "পঞ্চম বাহিনী" (ফিফথ কলামিস্ট), "জাতির শত্রু" ইত্যাদি হিসেবে গালি দেওয়া হয় এবং তাদের দেশপ্রেমকে সন্দেহজনক বলা হয়। হিন্দুত্ববাদী আলোচনায় মুসলিমরা একটি ভীতিকর "অন্য" (আদার) হিসেবে কেন্দ্রীয় স্থান দখল করে আছে এবং বড় আকারের [[ইসলামোফোবিয়া|মুসলিম-বিরোধী]] সহিংসতাকে বৈধতা দিতে এটি ব্যবহৃত হয়েছে। ** {{cite book|author=[[যোগিন্দর সিকান্দ]]|editor1-last=আবু-রবি|editor1-first=ইব্রাহিম|title=দ্য ব্ল্যাকওয়েল কম্প্যানিয়ন টু কনটেম্পোরারি ইসলামিক থট|date=2006|page=88}} * “হিন্দুত্ব শব্দটি গালি হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে [...] এটি বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অবজ্ঞাসূচক অর্থে ব্যবহৃত হয় [...] বিতর্কটি এখন আর কেবল পুরোহিতদের গণ্ডিবদ্ধ জগতে বা এমনকি রাজনীতির স্বার্থান্বেষী মহলে সীমাবদ্ধ নেই, এটি হিন্দু সভ্যতার জন্য একটি চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিস্তৃত হয়েছে [...] হিন্দু শব্দের এই অবমাননাকর ব্যবহার আসলে ভারতীয় সভ্যতার ওপর একটি বৃহত্তর আঘাতকে উপস্থাপন করে। এটি আমাকে ব্যথিত করে যে আমি এই দেশে স্কুল ও কলেজে পড়াশোনা করেছি অথচ বিশ্ব ইতিহাসে হিন্দু সভ্যতার বিশাল অবদান সম্পর্কে কোনো ধারণা পাইনি। এটি আমাকে ব্যথিত করে যে আজও আমাদের সন্তানরা, তারা সরকারি স্কুলে যাক বা দামী বেসরকারি স্কুলে, তারা তাদের নিজস্ব সংস্কৃতি বা সভ্যতা সম্পর্কে কোনো জ্ঞান ছাড়াই বেরিয়ে আসে [...] আপনি এমন কোনো ঐতিহ্যের জন্য গর্বিত হতে পারেন না যা সম্পর্কে আপনি কিছুই জানেন না, এবং ধর্মনিরপেক্ষতার নামে আমরা ৫০ বছর এই সভ্যতার হিন্দু শিকড়কে সম্পূর্ণ অস্বীকার করে কাটিয়েছি। আমরা গণশিক্ষার সেই ঔপনিবেশিক ব্যবস্থা পরিবর্তনের জন্য কিছুই করিনি যা এই নীতির ওপর প্রতিষ্ঠিত যে ভারতীয় সভ্যতার দেওয়ার মতো কিছু নেই [...] আমাদের সংস্কৃতি ও সভ্যতার প্রতি আমাদের অবজ্ঞা [...] এটি কি এমন একটি দেশের প্রমাণ নয় যা মজ্জাগতভাবে এখনও উপনিবেশ হয়ে আছে? আমরা নিজেদের সম্পর্কে যে নিচু ধারণা পোষণ করি তা আজকাল পশ্চিমা সংবাদমাধ্যমগুলো লুফে নেয় [...] বর্ণবাদকে হিন্দু জাতীয়তাবাদের সমতুল্য ধরা হচ্ছে। যে দেশগুলো আমাদের দাসত্ব এবং বর্ণবাদ (অ্যাপার্থাইড) উপহার দিয়েছে তাদের মুখে এটি মানায় না, কিন্তু তাদের দোষ দিয়ে লাভ কী যখন আমরা নিজেরাই নিজেদের সম্পর্কে এত খারাপ ভাবি। আমার পক্ষ থেকে আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই যে আমি বিশ্বাস করি ইন্ডিজ ধর্মগুলো সেমেটিক ধর্মগুলোর তুলনায় বিশ্বের জন্য অনেক কম সমস্যা তৈরি করেছে এবং হিন্দু সভ্যতা এমন কিছু যা নিয়ে আমি অত্যন্ত গর্বিত। এটি যদি আমার ‘সাম্প্রদায়িক’ হওয়ার প্রমাণ হয়, তবে আমার অন্তর আত্মা আমাকে বলছে, তাই হোক।” ** টাভলিন সিং, ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস (১৩/৬/২০০৪), সীতা রাম গোয়েল ও কোয়েনরাড এলস্ট (২০০৫) সম্পাদিত 'ইন্ডিয়া'স অনলি কমিউনালিস্ট: ইন কমেমোরেশন অফ সীতা রাম গোয়েল' গ্রন্থে উদ্ধৃত। === ত === * ভারতীয় ফ্রন্টে, হিন্দুত্ব আন্দোলনের উচিত হিন্দুধর্মের পুনর্জাগরণ এবং পুনরুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া; যার মধ্যে কেবল বৈদিক বা [[সংস্কৃত|সংস্কৃত]] উৎস থেকে আসা ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক চর্চাই অন্তর্ভুক্ত নয়, বরং অন্য সব ভারতীয় উৎসও অন্তর্ভুক্ত: আন্দামান দ্বীপবাসী এবং (খ্রিস্টপূর্ব) নাগাদের চর্চাও আঞ্চলিক অর্থে হিন্দু এবং আধ্যাত্মিক অর্থে সনাতন, ঠিক যেমন ধ্রুপদী সংস্কৃত হিন্দুধর্ম। (...) একজন প্রকৃত হিন্দুত্ববাদীর মনে তখন ব্যথার উদ্রেক হওয়া উচিত এবং ইতিবাচক পদক্ষেপ নেওয়ার ইচ্ছা জাগা উচিত যখন তিনি শোনেন যে বিভিন্ন কারণে ভারতের জনসংখ্যায় হিন্দুদের শতাংশ কমে যাচ্ছে অথবা হিন্দুরা প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রে [[বৈষম্য|বৈষম্যের]] শিকার হচ্ছে; কেবল তখনই নয়, বরং যখন তিনি শোনেন যে আন্দামানি [[জাতি|জাতি]] এবং [[ভাষা|ভাষা]] [[বিলুপ্তি|বিলুপ্ত]] হয়ে যাচ্ছে; লক্ষ লক্ষ বছরের পুরোনো বিশাল [[বন|বনভূমি]] চিরতরে মুছে ফেলা হচ্ছে; প্রাচীন এবং [[মধ্যযুগ|মধ্যযুগীয়]] হিন্দু স্থাপত্য স্মৃতিস্তম্ভগুলো লুটপাট বা অবহেলার শিকার হচ্ছে; অমূল্য প্রাচীন নথিগুলো ধ্বংস হচ্ছে বা পচতে দেওয়া হচ্ছে; অসংখ্য শিল্পকলা, হস্তশিল্প, স্থাপত্যশৈলী, [[উদ্ভিদ|উদ্ভিদ]] ও [[প্রাণী|প্রাণী]] প্রজাতি, [[সংগীত|সংগীতের]] রূপ এবং বাদ্যযন্ত্র বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে; আমাদের পবিত্র নদী এবং পরিবেশ অপরিবর্তনীয়ভাবে দূষিত ও ধ্বংস হচ্ছে... ** এস.আর. গোয়েল সম্পাদিত 'টাইম ফর স্টক-টেকিং', পৃষ্ঠা ২২৭-২২৮-এ তালাগেরি। * হিন্দুধর্ম হলো বিশ্বব্যাপী সনাতনবাদের (ইংরেজিতে যাকে প্যাগানিজম বলা যেতে পারে) ভারতীয় আঞ্চলিক রূপ। তাই হিন্দুত্ব আদর্শটি হওয়া উচিত একটি সর্বজনীন আদর্শ: সাম্রাজ্যবাদী মতাদর্শের আবির্ভাবের আগে সারা বিশ্বে বিদ্যমান সমস্ত ধর্ম ও সংস্কৃতির পুনর্জাগরণ এবং আধ্যাত্মিক পুনরুত্থানে এর নেতৃত্ব দেওয়া উচিত... ** এস.আর. গোয়েল সম্পাদিত 'টাইম ফর স্টক-টেকিং', পৃষ্ঠা ২২৭-২২৮-এ তালাগেরি। * প্রাক-আধুনিক হিন্দুধর্মে অন্য সব ধর্মের মতো ছোট-বড় ত্রুটি ছিল, কিন্তু এর সূক্ষ্মতাগুলো বর্তমানের তুলনায় অনেক বেশি সমৃদ্ধ ছিল। হিন্দুত্ব অনেক দিক থেকেই হিন্দুধর্মের বিপরীত এবং এর লক্ষ্য হলো এমন একটি সমাজ তৈরি করা যা সংকীর্ণ ও ধর্মান্ধ; যেখানে বিভিন্ন ধরণের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মতো ভিন্নমতাবলম্বীদের সাথে সহাবস্থান ক্রমশ অসম্ভব হয়ে পড়ছে, যা সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার পুনরাবৃত্তি থেকেই প্রমাণিত হয়। ** [[রোমিলা থাপার]], ''দ্য পাস্ট অ্যাজ প্রেজেন্ট: ফোর্জিং কনটেম্পোরারি আইডেন্টিটিস থ্রু হিস্ট্রি'' (২০১৪)। * হিন্দুত্ব দাবি করে যে তারা ভারতীয় ধর্ম, ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতির পশ্চিমা ব্যাখ্যার বিপরীতে দেশীয় ভারতীয় চিন্তাধারার প্রতিনিধিত্ব করে। তাদের দাবি হলো ঔপনিবেশিক পাণ্ডিত্য তাদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এবং উপনিবেশবাদকে বৈধতা দিতে ভারতীয় সংস্কৃতিকে ব্যবহার করেছে। অথচ হিন্দুত্ব ঠিক একই কাজ করছে—রাজনৈতিক সংহতি সহজ করার জন্য ঔপনিবেশিক ব্যাখ্যার আদলে হিন্দুধর্মকে পুনর্গঠিত করছে। এটি রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণের কর্মসূচিকে এগিয়ে নিতে [[জেমস মিল]] এবং [[ম্যাক্স মুলার|ম্যাক্স মুলারের]] মতো ঔপনিবেশিক তত্ত্বগুলো ব্যবহার করে। ইতিহাসকে কাজে লাগানো তাদের অতীতকে নিজেদের মতো করে বোঝার চেষ্টার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হয়ে দাঁড়ায়। ** [[রোমিলা থাপার]], ''দ্য পাস্ট অ্যাজ প্রেজেন্ট: ফোর্জিং কনটেম্পোরারি আইডেন্টিটিস থ্রু হিস্ট্রি'' (২০১৪)। == আরও দেখুন == * [[হিন্দু জাতীয়তাবাদ]] == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:রাজনৈতিক আদর্শ]] [[বিষয়শ্রেণী:হিন্দু জাতীয়তাবাদ]] 3b1gup5ejpo2s4wkucf1zrshu30arpt 79938 79937 2026-04-23T07:28:29Z Tuhin 172 79938 wikitext text/x-wiki '''[[w:হিন্দুত্ব|হিন্দুত্ব]]''' (আক্ষরিক অর্থে "হিন্দু-ত্ব") হলো একটি রাজনৈতিক [[আদর্শ]] যা [[হিন্দু জাতীয়তাবাদ|হিন্দু জাতীয়তাবাদের]] সাংস্কৃতিক যৌক্তিকতাকে ধারণ করে। এই রাজনৈতিক আদর্শটি ১৯২৩ সালে [[বিনায়ক দামোদর সাভারকর]] প্রণয়ন করেছিলেন। এটি [[রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ]] (আরএসএস), [[w:বিশ্ব হিন্দু পরিষদ|বিশ্ব হিন্দু পরিষদ]] (ভিএইচপি), [[ভারতীয় জনতা পার্টি]] (বিজেপি) এবং অন্যান্য সংস্থা দ্বারা ব্যবহৃত হয়, যাদের একত্রে [[w:সংঘ পরিবার|সংঘ পরিবার]] বলা হয়। __NOTOC__ {{TOCalpha|}} == উক্তি == === দ === *"প্রশ্ন: আমি বিশ্বাস করি আপনি সংঘ পরিবারের আদর্শের সাথে পরিচিত।<br>উত্তর: হ্যাঁ, অবশ্যই, গত ৩০ বছর ধরে। অবশ্যই, আমি এই সংস্থাগুলো সম্পর্কে কিছু সমালোচনামূলক দৃষ্টিভঙ্গিরও সম্মুখীন হয়েছি। তবে একই সাথে আমি দেখতে পাচ্ছি যে, সংঘ পরিবার [[ভারত|ভারতের]] জাতীয় পরিচয় এবং [[ভারতের সংস্কৃতি|সংস্কৃতি]] সংরক্ষণের বিষয়ে অত্যন্ত সচেতন। এই দিকটি আমাকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করেছে। সত্যি বলতে, এই দেশে এমন কিছু মানুষ আছেন যারা পশ্চিমা জীবনযাত্রার প্রতি মোহগ্রস্ত। আমি সবসময় আমার ভারতীয় বন্ধুদের বলেছি যে তাদের নিজস্ব সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে অবহেলা করার কোনো মানে হয় না। সেই হিসেবে, ভারতের ঐতিহ্যগত মূল্যবোধ ও আদর্শ সংরক্ষণের জন্য কাজ করা যেকোনো সংস্থা অবশ্যই সমস্ত শুভাকাঙ্ক্ষী মানুষের সমর্থন পাওয়ার যোগ্য।" **[[চতুর্দশ দালাই লামা|দালাই লামা]], [কানপুরে এবিভিপি সম্মেলনে এস. সুরেশ কর্তৃক গৃহীত সাক্ষাৎকার যা ২২ নভেম্বর ১৯৯২ তারিখে অর্গানাইজার-এ প্রকাশিত হয়।] * * হিন্দুত্ব আসলে বলতে বোঝায় ভারত প্রাথমিকভাবে একটি হিন্দু 'রাষ্ট্র' ছিল এই ধারণার সাথে একাত্মতা, যেমনটা এর প্রবক্তারা মনে করেন। এটি কোনো [[ধর্ম|ধর্মীয়]] [[দর্শন]] বা সমাজ সংস্কার আন্দোলন নয় বরং এটি সাংস্কৃতিক অন্ধবিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা একটি [[রাজনৈতিক দর্শন]]। এই আদর্শ জোর দিয়ে বলে যে ভারতের অ-হিন্দুদের "[[সংখ্যালঘু গোষ্ঠী|সংখ্যালঘু]]" হিসেবে তাদের স্থান মেনে নিতে হবে। তাদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নির্ভর করবে মূলত সংখ্যাগুরুদের সদিচ্ছা অর্জন করার ক্ষমতার ওপর। হিন্দুত্ব আদর্শের মূল কথা হলো সংখ্যাগুরুদের ভালোকেই যেকোনো সংখ্যালঘুর জন্য ভালো হিসেবে দেখা উচিত। এখানে সংখ্যালঘু অধিকারের যেকোনো দাবিকে সংখ্যাগুরুদের রাজনৈতিক কর্তৃত্বের প্রতি একটি হুমকি ও চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এই কারণে এমন সংখ্যালঘুদের হিন্দুত্ববাদীরা দেশবিরোধী এবং সমাজবিরোধী হিসেবে দেখে থাকে। এছাড়া সংখ্যালঘুদের সংখ্যা বাড়ানোর যেকোনো প্রচেষ্টাকে তারা [[আগ্রাসন]] হিসেবে গণ্য করে। ফলে [[w:খ্রিস্টধর্মে ধর্মান্তর|খ্রিস্টধর্মে ধর্মান্তর]] কিংবা কোনো [[হিন্দু]] মেয়ের সাথে কোনো [[মুসলিম]] বা [[খ্রিস্টান|খ্রিস্টান]] পুরুষের বিবাহকে তারা অবাঞ্ছিত ও উস্কানিমূলক কাজ হিসেবে দেখে। ** [[জি. এন. ডেভি]], "আদিবাসীস অ্যান্ড দলিতস: ট্রাইবাল ভয়েস অ্যান্ড ভায়োলেন্স", এস. ভারাদারাজন সম্পাদিত ''গুজরাত: দ্য মেকিং অফ এ ট্র্যাজেডি'' (২০০২), পৃষ্ঠা ২৬২-২৬৩। নয়াদিল্লি: পেঙ্গুইন। === জ === * সাভারকরের হিন্দুত্ব প্রাথমিকভাবে একটি জাতিগত সম্প্রদায় হিসেবে কল্পনা করা হয়েছিল যার একটি নির্দিষ্ট ভূখণ্ড থাকবে এবং যারা একই নৃতাত্ত্বিক ও সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য শেয়ার করবে। এই তিনটি বৈশিষ্ট্য মূলত [[w:বৈদিক যুগ|বৈদিক স্বর্ণযুগের]] পৌরাণিক পুনর্গঠন থেকে উদ্ভূত। ** [[ক্রিস্টোফ জাফ্রেলট]], ''দ্য হিন্দু ন্যাশনালিস্ট মুভমেন্ট ইন ইন্ডিয়া'' (লন্ডন: হার্স্ট, ১৯৯৩), পৃষ্ঠা ২৭। [https://thediplomat.com/2021/01/hindutvas-realism-in-modis-foreign-policy/ "হিন্দুত্ব’স রিয়ালিজম ইন মোদি’স ফরেন পলিসি"], ''দ্য ডিপ্লোম্যাট'', ১ জানুয়ারি ২০২১-এ উদ্ধৃত। *"মুসলিম-বিদ্বেষী হিসেবে হিন্দুত্বের ভুল উপস্থাপন বা অপব্যাখ্যা এমনভাবে গেঁথে গেছে যে এমনকি এর প্রবক্তারাও, যাদের মধ্যে ভারতীয় জনতা পার্টির কিছু নেতাও রয়েছেন, নিজেরাই এ বিষয়ে রক্ষণাত্মকভাবে কথা বলেন।" **গিরিলাল জৈন, পৃষ্ঠা ১০৬, দ্য [[হিন্দু]] ফেনোমেনন, আইএসবিএন ৮১-৮৬১১২-৩২-৪। * হিন্দুত্ববাদী শক্তিগুলো দেশে ধর্মীয় সংঘাত বাড়ানোর উদ্দেশ্যে যুক্তি দেয় যে অতীতে [[হিন্দু|হিন্দুদের]] জোরপূর্বক [[ভারতে ইসলাম|ইসলাম]] এবং [[ভারতে খ্রিস্টধর্ম|খ্রিস্টধর্মে]] ধর্মান্তরিত করা হয়েছিল এবং তাই তাদের পুনরায় ধর্মান্তরিত (ঘর ওয়াপাসি) করে হিন্দু বলয়ে ফিরিয়ে আনতে হবে। কিন্তু এ ধরণের দাবির আমাদের ইতিহাসে কোনো ভিত্তি নেই। ** [[ডি. এন. ঝা]], পাঞ্জাব ইতিহাস সম্মেলনের ৩১তম অধিবেশনে সভাপতির ভাষণ, ১৯-২১ মার্চ ১৯৯৯। [https://www.jstor.org/stable/3517941 "এগেইনস্ট কমিউনালাইজিং হিস্ট্রি"], ''সোশ্যাল সায়েন্টিস্ট'', ভলিউম ২৬, নম্বর ৯/১০ (সেপ্টেম্বর - অক্টোবর ১৯৯৮), পৃষ্ঠা ৫৪। === ম === * ভারতে ১৯৯০-এর দশকে হিন্দু জাতীয়তাবাদের উত্থান ভারতের ঐতিহ্যের কিছু অংশ মুছে ফেলার এবং [[ভারতের ইতিহাস|ভারতীয় ইতিহাসকে]] নতুন করে লেখার অসাধারণ প্রচেষ্টা নিয়ে আসে। ১৯৯২ সালে কট্টরপন্থীরা – যাদের হিন্দু ডানপন্থী রাজনীতিবিদরা সমর্থন দিয়েছিল – [[উত্তর ভারত|উত্তর ভারতের]] [[অযোধ্যা বিবাদ|অযোধ্যায়]] একটি ষোড়শ শতাব্দীর [[মসজিদ]] ধ্বংস করে এই যুক্তিতে যে এটি [[হিন্দু দেবতা]] [[রাম|রামে]]র জন্মস্থানের ওপর নির্মিত হয়েছিল। উৎসাহিত হয়ে তারা ঘোষণা করে যে তারা [[তাজমহল]]সহ অন্যান্য মুসলিম স্থাপত্য ধ্বংস করতে এগিয়ে যাবে। এটি ভারতের পরিচয়কে একচেটিয়াভাবে হিন্দু বা হিন্দু জাতীয়তাবাদীদের ব্যবহৃত শব্দ 'হিন্দুত্ব' হিসেবে চিহ্নিত করার একটি বৃহত্তর অভিযানের অংশ ছিল। ভারতের ইতিহাস অনিবার্যভাবে এর একটি প্রধান অনুষঙ্গ হয়ে ওঠে। প্রাপ্ত প্রমাণের ভিত্তিতে প্রচলিত ধারণা ছিল যে, উর্বর [[w:সিন্ধু নদ|সিন্ধু উপত্যকায়]] খ্রিস্টপূর্ব ৩০০০ থেকে ১৭০০ অব্দের মধ্যে [[সিন্ধু সভ্যতা|হরপ্পা সভ্যতা]] গড়ে উঠেছিল। ঘোড়সওয়ার [[আর্য জাতি|আর্যরা]] যখন উত্তর দিক থেকে নিচে নেমে আসে (সম্ভবত শান্তিপূর্ণ অভিবাসী হিসেবে অথবা সম্ভবত যুদ্ধবাজ আক্রমণকারী হিসেবে) তখন এটি ধীরে ধীরে বিলীন হয়ে যায়। এটি হিন্দু জাতীয়তাবাদীদের পছন্দ হয়নি কারণ এর অর্থ দাঁড়ায় যে একটি [[আদিবাসী|আদিবাসী সভ্যতা]] বাইরে থেকে আসা কারো কাছে নতি স্বীকার করেছে এবং তাদের নিজস্ব সংস্কৃতিতে বিদেশি উপাদান থাকতে পারে। আজকের হিন্দু জাতীয়তাবাদীদের আধ্যাত্মিক গুরু হিসেবে পরিচিত [[w:মাধব গোলওয়ালকর|মাধব গোলওয়ালকর]] ১৯৩০-এর দশকে লিখেছিলেন, “হিন্দুরা অন্য কোথাও থেকে এই ভূমিতে আসেনি বরং তারা অনাদিকাল থেকেই এই মাটির আদি সন্তান।” অবশ্যই এটি জাতি ও সভ্যতার বিকাশ ও সংমিশ্রণের এক অদ্ভুত সরলীকৃত দৃষ্টিভঙ্গি ছিল। তারা আম্বারে (এক ধরণের পাথর) চিরকাল আটকে থাকা মাছির মতো নয় বরং অনেক উপনদী থাকা নদীর মতো। ** [[মার্গারেট ম্যাকমিলান]], ''দ্য ইউজেস অ্যান্ড অ্যাবিউজেস অফ হিস্ট্রি'' (২০০৮), পৃষ্ঠা ৭৮-৭৯। * হিন্দুত্ব প্রকল্পের জন্য ভারতের হিন্দু এবং তাদের দ্বারা নির্মিত ঘৃণিত "অন্যান্য" অর্থাৎ ভারতের মুসলিম ও খ্রিস্টানদের মধ্যে একটি আমূল ও সহিংস বিচ্ছেদ প্রয়োজন। ** [[হর্ষ মান্দার]], [https://thewire.in/communalism/is-india-lurching-into-a-genocide "ইজ ইন্ডিয়া লারচিং ইনটু এ জেনোসাইড?"], ''দ্য ওয়্যার'', ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২২। * এমন নয় যে হিন্দুত্ব সমর্থকরা সম্পূর্ণ ভিন্ন পরিণতির সম্পূর্ণ ভিন্ন ঘটনাগুলোকে সমানভাবে দেখে, বরং তারা ইচ্ছাকৃতভাবে এমন তথ্যগুলো এড়িয়ে যায় যে ভিআইপি (মন্ত্রী, এমপি, এমএলএ) ঘৃণ্য বক্তৃতার ৮০-৯০ শতাংশ বিজেপির দ্বারা সংঘটিত হয়েছে অথবা বিজেপির আইটি সেলের প্রধান সবচেয়ে বিপজ্জনক এবং [[w:ভারতে ভুয়া খবর|ভুয়া]] সাম্প্রদায়িক প্রচারণার বৃহত্তম প্রচারক। শাসক দলের সাথে অন্য দলের কোনো তুলনাই হয় না। ** [[নিসিম মানাথুক্কারেন]], [https://thewire.in/communalism/delhi-riots-communalism-false-equivalence ''দ্য বারবারিটি অফ ফলস ইকুইভ্যালেন্স''], ৮ মার্চ ২০২০, ''[[w:দ্য ওয়্যার (ভারত)|দ্য ওয়্যার]]''। * আমি হিন্দুত্বে বিশ্বাস করি যা প্রাচীন ধারণা "[[w:বসুধৈব কুটুম্বকম|বসুধৈব কুটুম্বকম]]"-এর ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত। আমি বিশ্বাস করি পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং সহযোগিতা বিদেশি রাষ্ট্রগুলোর সাথে সম্পর্কের ভিত্তি হওয়া উচিত। এবং আমি আত্মবিশ্বাসী যে অন্য দেশগুলোর সাথে বৈদেশিক বিষয়গুলো পরিচালনার ক্ষেত্রে আমার হিন্দুত্ববাদী ভাবমূর্তি একটি সম্পদ হিসেবে কাজ করবে। ** [[নরেন্দ্র মোদি]], [http://archive.indianexpress.com/news/narendra-modi-my-hindutva-face-will-be-an-asset-in-foreign-affairs/1243097/ "নরেন্দ্র মোদি: মাই হিন্দুত্ব ফেস উইল বি এন অ্যাসেট ইন ফরেন অ্যাফেয়ার্স"], ''দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস'', ২৩ এপ্রিল ২০১৪। === ন === * মানুষ আমাকে ভারতের হিন্দুত্ববাদী শক্তিগুলো সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে। কয়েক বছর আগে আমি যখন বলেছিলাম যে ভারতে এই নতুন ধরণের আত্মসচেতনতার সাথে হিন্দু ধারণাটি প্রায় একটি প্রয়োজনীয় প্রাথমিক পর্যায়, তখন আমি কিছুটা সমস্যায় পড়েছিলাম। এর মধ্যে বৃহত্তর এবং নতুন ধারণার সূত্রপাত রয়েছে: ইতিহাসের ধারণা, মানব পরিবারের ধারণা এবং ভারতের ধারণা। আমি আশা করি এই আত্মসচেতনতা কেবল এখানেই থমকে থাকবে না এবং আমি মনে করি না যে এটি থাকবে, তবে এটি প্রয়োজনীয়। আমরা এমন একটি দেশ নিয়ে কাজ করছি যা খুব নিচু স্তর থেকে শুরু হয়েছে; একটি খুব নিচু বৌদ্ধিক স্তর এবং নিচু অর্থনৈতিক স্তর। মানুষ যখন এগিয়ে যেতে শুরু করে, তখন প্রথম আনুগত্য এবং প্রথম পরিচয় সবসময়ই কিছুটা ক্ষুদ্র হয়। তারা তাৎক্ষণিকভাবে অন্য কিছু হয়ে উঠতে পারে না। আমি মনে করি ভারতের বর্তমান প্রতিটি বিশৃঙ্খলার মধ্যেই একটি বৃহত্তর ইতিবাচক আন্দোলন রয়েছে। তবে ভবিষ্যৎ বেশ অরাজক হবে। রাজনীতিকে এখন জনগণের স্তরে থাকতে হবে। [[জওহরলাল নেহরু|নেহরু]]র মতো মানুষরা ছিলেন ঔপনিবেশিক ধাঁচের রাজনীতিবিদ। তারা অনেকাংশেই ঔপনিবেশিক ব্যবস্থার দ্বারা তৈরি এবং সুরক্ষিত ছিলেন। তারা সাধারণ মানুষের মধ্য থেকে শুরু করেননি। ** ভি.এস. নাইপল, 'এ মিলিয়ন মিউটিনিস', ভি.এস. নাইপল, ইন্ডিয়া টুডে, ১৮ আগস্ট ১৯৯৭। * হিন্দুত্ববাদী যোদ্ধাদের ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের মানহানি করার অত্যন্ত অশুভ উদ্দেশ্য রয়েছে। ** [[মীরা নন্দা]], 'হিন্দু ট্রায়ামফালিজম অ্যান্ড দ্য ক্ল্যাশ অফ সিভিলাইজেশনস' (২০০৯), ইকোনমিক অ্যান্ড পলিটিক্যাল উইকলি, পৃষ্ঠা ১১১। === প === * [[মহাত্মা গান্ধী|মহাত্মা]] ছিলেন সম্প্রদায় এবং মানুষের মধ্যে সমন্বয়কারী। বিভাজন নয় বরং অন্তর্ভুক্তিই ছিল তার পথ। হিন্দুধর্মের ব্যাখ্যার বিষয়ে 'হিন্দুত্ব' গান্ধীর সাথে একমত ছিল না। হিন্দুত্বের লক্ষ্যগুলো আত্মপরিচয় এবং আত্মসংজ্ঞার বিষয়ে শক্তিশালী হলেও এগুলো বিচ্ছিন্নতাবাদী প্রবণতাসম্পন্ন। একজন বৈষ্ণব হিসেবে গান্ধী বিশ্বাস করতেন "অন্যের কষ্টকে নিজের কষ্ট হিসেবে গণ্য করতে।" এমন দৃষ্টিভঙ্গি থেকে এটি স্পষ্ট যে হিন্দুত্বের অসহিষ্ণুতা ভারতের মানুষকে একটি সহানুভূতিশীল ও ন্যায়সঙ্গত সামাজিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে দেবে না। ** [[অ্যান্থনি পারেল]], ''গান্ধী, ফ্রিডম, অ্যান্ড সেলফ-রুল'' (২০০০), লেক্সিংটন বুকস, পৃষ্ঠা ১৩৩। * হিন্দুত্ব আন্দোলন যেভাবে আত্মপ্রকাশ করেছে তা প্রায় ধ্রুপদী অর্থে এর আদর্শে ফ্যাসিবাদী, এর শ্রেণী সমর্থনে ফ্যাসিবাদী, এর পদ্ধতিতে ফ্যাসিবাদী এবং এর কর্মসূচিতেও ফ্যাসিবাদী। একটি ফ্যাসিবাদী আদর্শের সমস্ত উপাদান এতে বিদ্যমান: 'হিন্দু' নামক একটি সমজাতীয় ধারণার অধীনে সংখ্যাগুরুদের ঐক্যবদ্ধ করার চেষ্টা; অতীতে একটি বহিষ্কৃত সংখ্যালঘু গোষ্ঠী কর্তৃক এই সমজাতীয় গোষ্ঠীর ওপর করা কথিত অন্যায়ের বিরুদ্ধে ক্ষোভের অনুভূতি; এই সংখ্যালঘুর তুলনায় সাংস্কৃতিক শ্রেষ্ঠত্বের বোধ; এই পরিভাষায় ইতিহাসের পুনর্যাখ্যা; বিপরীত প্রমাণের সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যান, নিরপেক্ষ বিশ্লেষণ, বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি এবং যুক্তিযুক্ত আলোচনার প্রত্যাখ্যান; এবং সর্বোপরি তথাকথিত সমজাতীয় সংখ্যাগরিষ্ঠদের প্রতি আবেগপূর্ণ ও পুরুষতান্ত্রিক ভাষায় 'দাঁড়িয়ে পড়ার', 'নিজেদের পুরুষত্ব জাহির করার' আহ্বান—যা সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে সহিংসতায় উস্কানি দেয় এবং প্রকৃত সহিংসতার জন্ম দেয়। এর আবেদন কোনো উন্নত বা সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের স্বপ্নের ওপর ভিত্তি করে নয় বরং এটি ঘৃণার ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত। ** [[প্রভাত পট্টনায়ক]], "ফ্যাসিবজম অফ আওয়ার টাইমস", ''সোশ্যাল সায়েন্টিস্ট'', ভলিউম ২১, নম্বর ৩/৪, ১৯৯৩, পৃষ্ঠা ৬৯–৭০। * ঠিক যেমনটা [[মহা মন্দা|১৯৩০-এর দশকে]] হয়েছিল, বর্তমান বিশ্ব পুঁজিবাদও একটি কানাগলিতে পৌঁছেছে এবং আগের মতো চলতে পারছে না। ভারতের শাসক গোষ্ঠী অবশ্য বিশ্ব পরিস্থিতির বিষয়ে সম্পূর্ণ অজ্ঞাত। নিও-লিবারেলিজম বা নব্য-উদারতাবাদের এই শেষ পরিণতি যা এমনকি মহানগরের বুর্জোয়া চিন্তাবিদদের কাছেও দৃশ্যমান, তা আমাদের হিন্দুত্ব ব্রিগেডের কাছে অদৃশ্য। ** [[প্রভাত পট্টনায়ক]], ''দ্য ওয়ার্ল্ড অ্যাট ক্রসরোডস'', ২৯ মে ২০২০, ''নিউজক্লিক''। * হিন্দুত্ব তাদের শত্রুদের ক্রমানুসারে সাজিয়েছে—মুসলিম, খ্রিস্টান এবং [[ভারতে কমিউনিজম|কমিউনিস্ট]]। এটি [[অ্যাডলফ হিটলার|হিটলারের]] "জাতীয়" গর্বের প্রশংসা করেছিল এবং সংখ্যালঘুদের সাথে মোকাবিলা করার ক্ষেত্রে নাৎসি মডেলের সহায়তা চেয়েছিল। হিটলারের মতো হিন্দুত্বও জাতিগত শ্রেষ্ঠত্বে বিশ্বাস করত এবং বিশ্ব আধিপত্যের স্বপ্ন দেখত। গতকাল এটি ব্রিটিশ রাজের সাথে সহযোগিতা করেছিল। আজ এটি সেই তেরঙা পতাকা ওড়ায় যাকে তারা একসময় প্রকাশ্যে অবজ্ঞা করেছিল এবং এমন একটি সংবিধান মেনে চলার ভান করে যাকে তারা 'মনুসংহিতা' দিয়ে প্রতিস্থাপন করতে চেয়েছিল; যা একটি নারীবিদ্বেষী ও ব্রাহ্মণবাদী পাঠ্য। তারা প্রতিটি সহজলভ্য সরকারি সম্পদ বিদেশি বা ভারতীয় ঘনিষ্ঠ পুঁজিপতিদের কাছে বিক্রি করতে ব্যস্ত। ১৯৪৮ সালে তাদের হাতে গান্ধীর হত্যাকাণ্ড—শব্দে উচ্চারণ না করলেও—শত্রুদের তালিকায় একটি নতুন নাম যোগ করেছে; সেইসব হিন্দু যারা হিন্দুত্ব প্রকল্পের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিল। ** [[আনন্দ পটবর্ধন]], [https://scroll.in/article/1005159/anand-patwardhan-if-hindutva-is-hinduism-then-the-ku-klux-klan-is-christianity "আনন্দ পটবর্ধন: ইফ হিন্দুত্ব ইজ হিন্দুইজম দেন দ্য কু ক্লাক্স ক্ল্যান ইজ ক্রিশ্চিয়ানিটি"], ১২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ''স্ক্রল.ইন''। === স === * একটি গণ-আন্দোলন হিসেবে হিন্দুত্বের (বা ফ্যাসিবাদের) মূল বিষয় হলো অতীতের কুসংস্কার থেকে বিচ্ছিন্ন উপাদান সংগ্রহ করে এবং সেগুলোকে কৌশলে পুরানো সত্য হিসেবে সাজিয়ে আধুনিক মিডিয়া কৌশলের মাধ্যমে প্রচার করার মাধ্যমে একটি শক্তিশালী ও প্রসারযোগ্য শত্রু-ভাবমূর্তি তৈরি করা। এখানে মুসলিমরা অনেকটা ইহুদিদের সমতুল্য হয়ে ওঠে। বর্ণবাদী মনোভাব শেষ পর্যন্ত খুব সাম্প্রতিক 'বাবর কি আওলাদ' (বাবরের সন্তান) সূত্রের মধ্যে চমৎকারভাবে গেঁথে দেওয়া হয়েছে। বাবরের বংশধর হওয়ার কথিত দাবিই কাউকে অপরাধী সাব্যস্ত করার জন্য যথেষ্ট, কোনো প্রকৃত অপকর্মের প্রয়োজন নেই; ঠিক যেমন একসময় ধর্মান্ধ খ্রিস্টান মহলে সমস্ত ইহুদিদের দোষী সাব্যস্ত করা হতো কারণ তাদের পূর্বপুরুষরা যিশুর ক্রুশবিদ্ধ হওয়ার সময় কথিত ভূমিকা পালন করেছিল। ** [[সুমিত সরকার]], "দ্য ফ্যাসিবজম অফ দ্য সংঘ পরিবার", ''ইকোনমিক অ্যান্ড পলিটিক্যাল উইকলি'', ভলিউম ২৮, নম্বর ৫, ১৯৯৩, পৃষ্ঠা ১৬৫। * হিন্দুত্বের সাংগঠনিক কাঠামো হলো ঘৃণা ছড়িয়ে দেওয়ার কাজে নিয়োজিত বিশ্বের প্রাচীনতম, সবচেয়ে নিরবচ্ছিন্ন এবং অবশ্যই সবচেয়ে বহুমুখী রাজনৈতিক গঠন। ** [[তানিকা সরকার]], ''হিন্দু ন্যাশনালিজম ইন ইন্ডিয়া'' (২০২২)। [https://thewire.in/books/book-review-the-hindutva-growth-story "বুক রিভিউ: দ্য হিন্দুত্ব গ্রোথ স্টোরি"], ''দ্য ওয়্যার'', ২১ আগস্ট ২০২২-এ উদ্ধৃত। * হিন্দুত্ব কেবল একটি শব্দ নয় বরং একটি ইতিহাস। এটি কেবল আমাদের জনগণের আধ্যাত্মিক বা ধর্মীয় ইতিহাস নয়—যেমনটা অনেক সময় এর সমার্থক শব্দ হিন্দুধর্মের সাথে গুলিয়ে ফেলা হয়—বরং এটি একটি পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস। হিন্দুধর্ম হলো হিন্দুত্বের একটি আহরিত অংশ বা একটি ভগ্নাংশ মাত্র। হিন্দুত্ব আমাদের হিন্দু জাতির সমগ্র সত্তার চিন্তা ও কর্মকাণ্ডের সমস্ত বিভাগকে আলিঙ্গন করে। ** [[বিনায়ক দামোদর সাভারকর]], ''হিন্দুত্ব: হু ইজ এ হিন্দু?'' (পঞ্চম সংস্করণ, ১৯৬৯), পৃষ্ঠা ৩-৪। * হিন্দু আন্দোলনের আদর্শ ব্যাখ্যা করার ক্ষেত্রে এই তিনটি শব্দের সাথে যুক্ত অর্থের সঠিক ধারণা থাকা অত্যন্ত আবশ্যক। "হিন্দু" শব্দ থেকে ইংরেজি ভাষায় "হিন্দুইজম" শব্দটি তৈরি হয়েছে। এর অর্থ হলো হিন্দুরা যে সমস্ত ধর্মীয় মতবাদ বা ব্যবস্থা অনুসরণ করে। দ্বিতীয় শব্দটি হলো "হিন্দুত্ব", যা অনেক বেশি ব্যাপক এবং এটি কেবল হিন্দু জনগণের ধর্মীয় দিকগুলোকেই বোঝায় না—যেমনটা হিন্দুইজম করে—বরং তাদের সাংস্কৃতিক, ভাষাগত, সামাজিক এবং রাজনৈতিক দিকগুলোকেও অন্তর্ভুক্ত করে। এটি কমবেশি 'হিন্দু পলিটি' বা হিন্দু রাষ্ট্রব্যবস্থার সমরূপ এবং এর প্রায় সঠিক অনুবাদ হবে "হিন্দুনেস"। তৃতীয় শব্দটি হলো "হিন্দুডম", যার অর্থ হলো সমষ্টিগতভাবে হিন্দু জনগোষ্ঠী। এটি হিন্দু বিশ্বের একটি সম্মিলিত নাম, ঠিক যেমন ইসলাম দ্বারা মুসলিম বিশ্বকে বোঝানো হয়। ** [[বি.ডি. সাভারকর]], বি.আর. আম্বেদকরের 'পাকিস্তান অর দ্য পার্টিশন অফ ইন্ডিয়া' (১৯৪৬) থেকে উদ্ধৃত। * একজন হিন্দু অন্য একজন হিন্দুকে বিয়ে করলে তার জাত যেতে পারে, কিন্তু তার হিন্দুত্ব নয়। ** বি.ডি. সাভারকর, হিন্দুত্ব, পৃষ্ঠা ৯০। * ফ্যাসিবাদী হিন্দুত্ববাদী কল্পনায় ভারতীয় মুসলিমদের ক্রমাগত পাকিস্তানি "পঞ্চম বাহিনী" (ফিফথ কলামিস্ট), "জাতির শত্রু" ইত্যাদি হিসেবে গালি দেওয়া হয় এবং তাদের দেশপ্রেমকে সন্দেহজনক বলা হয়। হিন্দুত্ববাদী আলোচনায় মুসলিমরা একটি ভীতিকর "অন্য" (আদার) হিসেবে কেন্দ্রীয় স্থান দখল করে আছে এবং বড় আকারের [[ইসলামোফোবিয়া|মুসলিম-বিরোধী]] সহিংসতাকে বৈধতা দিতে এটি ব্যবহৃত হয়েছে। ** {{cite book|author=[[যোগিন্দর সিকান্দ]]|editor1-last=আবু-রবি|editor1-first=ইব্রাহিম|title=দ্য ব্ল্যাকওয়েল কম্প্যানিয়ন টু কনটেম্পোরারি ইসলামিক থট|date=2006|page=88}} * “হিন্দুত্ব শব্দটি গালি হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে [...] এটি বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অবজ্ঞাসূচক অর্থে ব্যবহৃত হয় [...] বিতর্কটি এখন আর কেবল পুরোহিতদের গণ্ডিবদ্ধ জগতে বা এমনকি রাজনীতির স্বার্থান্বেষী মহলে সীমাবদ্ধ নেই, এটি হিন্দু সভ্যতার জন্য একটি চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিস্তৃত হয়েছে [...] হিন্দু শব্দের এই অবমাননাকর ব্যবহার আসলে ভারতীয় সভ্যতার ওপর একটি বৃহত্তর আঘাতকে উপস্থাপন করে। এটি আমাকে ব্যথিত করে যে আমি এই দেশে স্কুল ও কলেজে পড়াশোনা করেছি অথচ বিশ্ব ইতিহাসে হিন্দু সভ্যতার বিশাল অবদান সম্পর্কে কোনো ধারণা পাইনি। এটি আমাকে ব্যথিত করে যে আজও আমাদের সন্তানরা, তারা সরকারি স্কুলে যাক বা দামী বেসরকারি স্কুলে, তারা তাদের নিজস্ব সংস্কৃতি বা সভ্যতা সম্পর্কে কোনো জ্ঞান ছাড়াই বেরিয়ে আসে [...] আপনি এমন কোনো ঐতিহ্যের জন্য গর্বিত হতে পারেন না যা সম্পর্কে আপনি কিছুই জানেন না, এবং ধর্মনিরপেক্ষতার নামে আমরা ৫০ বছর এই সভ্যতার হিন্দু শিকড়কে সম্পূর্ণ অস্বীকার করে কাটিয়েছি। আমরা গণশিক্ষার সেই ঔপনিবেশিক ব্যবস্থা পরিবর্তনের জন্য কিছুই করিনি যা এই নীতির ওপর প্রতিষ্ঠিত যে ভারতীয় সভ্যতার দেওয়ার মতো কিছু নেই [...] আমাদের সংস্কৃতি ও সভ্যতার প্রতি আমাদের অবজ্ঞা [...] এটি কি এমন একটি দেশের প্রমাণ নয় যা মজ্জাগতভাবে এখনও উপনিবেশ হয়ে আছে? আমরা নিজেদের সম্পর্কে যে নিচু ধারণা পোষণ করি তা আজকাল পশ্চিমা সংবাদমাধ্যমগুলো লুফে নেয় [...] বর্ণবাদকে হিন্দু জাতীয়তাবাদের সমতুল্য ধরা হচ্ছে। যে দেশগুলো আমাদের দাসত্ব এবং বর্ণবাদ (অ্যাপার্থাইড) উপহার দিয়েছে তাদের মুখে এটি মানায় না, কিন্তু তাদের দোষ দিয়ে লাভ কী যখন আমরা নিজেরাই নিজেদের সম্পর্কে এত খারাপ ভাবি। আমার পক্ষ থেকে আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই যে আমি বিশ্বাস করি ইন্ডিজ ধর্মগুলো সেমেটিক ধর্মগুলোর তুলনায় বিশ্বের জন্য অনেক কম সমস্যা তৈরি করেছে এবং হিন্দু সভ্যতা এমন কিছু যা নিয়ে আমি অত্যন্ত গর্বিত। এটি যদি আমার ‘সাম্প্রদায়িক’ হওয়ার প্রমাণ হয়, তবে আমার অন্তর আত্মা আমাকে বলছে, তাই হোক।” ** টাভলিন সিং, ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস (১৩/৬/২০০৪), সীতা রাম গোয়েল ও কোয়েনরাড এলস্ট (২০০৫) সম্পাদিত 'ইন্ডিয়া'স অনলি কমিউনালিস্ট: ইন কমেমোরেশন অফ সীতা রাম গোয়েল' গ্রন্থে উদ্ধৃত। === ত === * ভারতীয় ফ্রন্টে, হিন্দুত্ব আন্দোলনের উচিত হিন্দুধর্মের পুনর্জাগরণ এবং পুনরুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া; যার মধ্যে কেবল বৈদিক বা [[সংস্কৃত|সংস্কৃত]] উৎস থেকে আসা ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক চর্চাই অন্তর্ভুক্ত নয়, বরং অন্য সব ভারতীয় উৎসও অন্তর্ভুক্ত: আন্দামান দ্বীপবাসী এবং (খ্রিস্টপূর্ব) নাগাদের চর্চাও আঞ্চলিক অর্থে হিন্দু এবং আধ্যাত্মিক অর্থে সনাতন, ঠিক যেমন ধ্রুপদী সংস্কৃত হিন্দুধর্ম। (...) একজন প্রকৃত হিন্দুত্ববাদীর মনে তখন ব্যথার উদ্রেক হওয়া উচিত এবং ইতিবাচক পদক্ষেপ নেওয়ার ইচ্ছা জাগা উচিত যখন তিনি শোনেন যে বিভিন্ন কারণে ভারতের জনসংখ্যায় হিন্দুদের শতাংশ কমে যাচ্ছে অথবা হিন্দুরা প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রে [[বৈষম্য|বৈষম্যের]] শিকার হচ্ছে; কেবল তখনই নয়, বরং যখন তিনি শোনেন যে আন্দামানি [[জাতি|জাতি]] এবং [[ভাষা|ভাষা]] [[বিলুপ্তি|বিলুপ্ত]] হয়ে যাচ্ছে; লক্ষ লক্ষ বছরের পুরোনো বিশাল [[বন|বনভূমি]] চিরতরে মুছে ফেলা হচ্ছে; প্রাচীন এবং [[মধ্যযুগ|মধ্যযুগীয়]] হিন্দু স্থাপত্য স্মৃতিস্তম্ভগুলো লুটপাট বা অবহেলার শিকার হচ্ছে; অমূল্য প্রাচীন নথিগুলো ধ্বংস হচ্ছে বা পচতে দেওয়া হচ্ছে; অসংখ্য শিল্পকলা, হস্তশিল্প, স্থাপত্যশৈলী, [[উদ্ভিদ|উদ্ভিদ]] ও [[প্রাণী|প্রাণী]] প্রজাতি, [[সংগীত|সংগীতের]] রূপ এবং বাদ্যযন্ত্র বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে; আমাদের পবিত্র নদী এবং পরিবেশ অপরিবর্তনীয়ভাবে দূষিত ও ধ্বংস হচ্ছে... ** এস.আর. গোয়েল সম্পাদিত 'টাইম ফর স্টক-টেকিং', পৃষ্ঠা ২২৭-২২৮-এ তালাগেরি। * হিন্দুধর্ম হলো বিশ্বব্যাপী সনাতনবাদের (ইংরেজিতে যাকে প্যাগানিজম বলা যেতে পারে) ভারতীয় আঞ্চলিক রূপ। তাই হিন্দুত্ব আদর্শটি হওয়া উচিত একটি সর্বজনীন আদর্শ: সাম্রাজ্যবাদী মতাদর্শের আবির্ভাবের আগে সারা বিশ্বে বিদ্যমান সমস্ত ধর্ম ও সংস্কৃতির পুনর্জাগরণ এবং আধ্যাত্মিক পুনরুত্থানে এর নেতৃত্ব দেওয়া উচিত... ** এস.আর. গোয়েল সম্পাদিত 'টাইম ফর স্টক-টেকিং', পৃষ্ঠা ২২৭-২২৮-এ তালাগেরি। * প্রাক-আধুনিক হিন্দুধর্মে অন্য সব ধর্মের মতো ছোট-বড় ত্রুটি ছিল, কিন্তু এর সূক্ষ্মতাগুলো বর্তমানের তুলনায় অনেক বেশি সমৃদ্ধ ছিল। হিন্দুত্ব অনেক দিক থেকেই হিন্দুধর্মের বিপরীত এবং এর লক্ষ্য হলো এমন একটি সমাজ তৈরি করা যা সংকীর্ণ ও ধর্মান্ধ; যেখানে বিভিন্ন ধরণের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মতো ভিন্নমতাবলম্বীদের সাথে সহাবস্থান ক্রমশ অসম্ভব হয়ে পড়ছে, যা সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার পুনরাবৃত্তি থেকেই প্রমাণিত হয়। ** [[রোমিলা থাপার]], ''দ্য পাস্ট অ্যাজ প্রেজেন্ট: ফোর্জিং কনটেম্পোরারি আইডেন্টিটিস থ্রু হিস্ট্রি'' (২০১৪)। * হিন্দুত্ব দাবি করে যে তারা ভারতীয় ধর্ম, ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতির পশ্চিমা ব্যাখ্যার বিপরীতে দেশীয় ভারতীয় চিন্তাধারার প্রতিনিধিত্ব করে। তাদের দাবি হলো ঔপনিবেশিক পাণ্ডিত্য তাদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এবং উপনিবেশবাদকে বৈধতা দিতে ভারতীয় সংস্কৃতিকে ব্যবহার করেছে। অথচ হিন্দুত্ব ঠিক একই কাজ করছে—রাজনৈতিক সংহতি সহজ করার জন্য ঔপনিবেশিক ব্যাখ্যার আদলে হিন্দুধর্মকে পুনর্গঠিত করছে। এটি রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণের কর্মসূচিকে এগিয়ে নিতে [[জেমস মিল]] এবং [[ম্যাক্স মুলার|ম্যাক্স মুলারের]] মতো ঔপনিবেশিক তত্ত্বগুলো ব্যবহার করে। ইতিহাসকে কাজে লাগানো তাদের অতীতকে নিজেদের মতো করে বোঝার চেষ্টার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হয়ে দাঁড়ায়। ** [[রোমিলা থাপার]], ''দ্য পাস্ট অ্যাজ প্রেজেন্ট: ফোর্জিং কনটেম্পোরারি আইডেন্টিটিস থ্রু হিস্ট্রি'' (২০১৪)। == আরও দেখুন == * [[হিন্দু জাতীয়তাবাদ]] == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:রাজনৈতিক আদর্শ]] [[বিষয়শ্রেণী:হিন্দু জাতীয়তাবাদ]] m45nvkscdv9xpwc2liydvao6ue6prjc 79939 79938 2026-04-23T07:30:00Z Tuhin 172 79939 wikitext text/x-wiki '''[[w:হিন্দুত্ব|হিন্দুত্ব]]''' (আক্ষরিক অর্থে "হিন্দু-ত্ব") হলো একটি রাজনৈতিক [[আদর্শ]] যা [[হিন্দু জাতীয়তাবাদ|হিন্দু জাতীয়তাবাদের]] সাংস্কৃতিক যৌক্তিকতাকে ধারণ করে। এই রাজনৈতিক আদর্শটি ১৯২৩ সালে [[বিনায়ক দামোদর সাভারকর]] প্রণয়ন করেছিলেন। এটি [[রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ]] (আরএসএস), [[w:বিশ্ব হিন্দু পরিষদ|বিশ্ব হিন্দু পরিষদ]] (ভিএইচপি), [[ভারতীয় জনতা পার্টি]] (বিজেপি) এবং অন্যান্য সংস্থা দ্বারা ব্যবহৃত হয়, যাদের একত্রে [[w:সংঘ পরিবার|সংঘ পরিবার]] বলা হয়। __NOTOC__ {{TOCalpha|}} == উক্তি == === দ === *"প্রশ্ন: আমি বিশ্বাস করি আপনি সংঘ পরিবারের আদর্শের সাথে পরিচিত।<br>উত্তর: হ্যাঁ, অবশ্যই, গত ৩০ বছর ধরে। অবশ্যই, আমি এই সংস্থাগুলো সম্পর্কে কিছু সমালোচনামূলক দৃষ্টিভঙ্গিরও সম্মুখীন হয়েছি। তবে একই সাথে আমি দেখতে পাচ্ছি যে, সংঘ পরিবার [[ভারত|ভারতের]] জাতীয় পরিচয় এবং [[ভারতের সংস্কৃতি|সংস্কৃতি]] সংরক্ষণের বিষয়ে অত্যন্ত সচেতন। এই দিকটি আমাকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করেছে। সত্যি বলতে, এই দেশে এমন কিছু মানুষ আছেন যারা পশ্চিমা জীবনযাত্রার প্রতি মোহগ্রস্ত। আমি সবসময় আমার ভারতীয় বন্ধুদের বলেছি যে তাদের নিজস্ব সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে অবহেলা করার কোনো মানে হয় না। সেই হিসেবে, ভারতের ঐতিহ্যগত মূল্যবোধ ও আদর্শ সংরক্ষণের জন্য কাজ করা যেকোনো সংস্থা অবশ্যই সমস্ত শুভাকাঙ্ক্ষী মানুষের সমর্থন পাওয়ার যোগ্য।" **[[চতুর্দশ দালাই লামা|দালাই লামা]], [কানপুরে এবিভিপি সম্মেলনে এস. সুরেশ কর্তৃক গৃহীত সাক্ষাৎকার যা ২২ নভেম্বর ১৯৯২ তারিখে অর্গানাইজার-এ প্রকাশিত হয়।] * * হিন্দুত্ব আসলে বলতে বোঝায় ভারত প্রাথমিকভাবে একটি হিন্দু 'রাষ্ট্র' ছিল এই ধারণার সাথে একাত্মতা, যেমনটা এর প্রবক্তারা মনে করেন। এটি কোনো [[ধর্ম|ধর্মীয়]] [[দর্শন]] বা সমাজ সংস্কার আন্দোলন নয় বরং এটি সাংস্কৃতিক অন্ধবিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা একটি [[রাজনৈতিক দর্শন]]। এই আদর্শ জোর দিয়ে বলে যে ভারতের অ-হিন্দুদের "[[সংখ্যালঘু গোষ্ঠী|সংখ্যালঘু]]" হিসেবে তাদের স্থান মেনে নিতে হবে। তাদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নির্ভর করবে মূলত সংখ্যাগুরুদের সদিচ্ছা অর্জন করার ক্ষমতার ওপর। হিন্দুত্ব আদর্শের মূল কথা হলো সংখ্যাগুরুদের ভালোকেই যেকোনো সংখ্যালঘুর জন্য ভালো হিসেবে দেখা উচিত। এখানে সংখ্যালঘু অধিকারের যেকোনো দাবিকে সংখ্যাগুরুদের রাজনৈতিক কর্তৃত্বের প্রতি একটি হুমকি ও চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এই কারণে এমন সংখ্যালঘুদের হিন্দুত্ববাদীরা দেশবিরোধী এবং সমাজবিরোধী হিসেবে দেখে থাকে। এছাড়া সংখ্যালঘুদের সংখ্যা বাড়ানোর যেকোনো প্রচেষ্টাকে তারা [[আগ্রাসন]] হিসেবে গণ্য করে। ফলে [[w:খ্রিস্টধর্মে ধর্মান্তর|খ্রিস্টধর্মে ধর্মান্তর]] কিংবা কোনো [[হিন্দু]] মেয়ের সাথে কোনো [[মুসলিম]] বা [[খ্রিস্টান|খ্রিস্টান]] পুরুষের বিবাহকে তারা অবাঞ্ছিত ও উস্কানিমূলক কাজ হিসেবে দেখে। ** [[জি. এন. ডেভি]], "আদিবাসীস অ্যান্ড দলিতস: ট্রাইবাল ভয়েস অ্যান্ড ভায়োলেন্স", এস. ভারাদারাজন সম্পাদিত ''গুজরাত: দ্য মেকিং অফ এ ট্র্যাজেডি'' (২০০২), পৃষ্ঠা ২৬২-২৬৩। নয়াদিল্লি: পেঙ্গুইন। === জ === * সাভারকরের হিন্দুত্ব প্রাথমিকভাবে একটি জাতিগত সম্প্রদায় হিসেবে কল্পনা করা হয়েছিল যার একটি নির্দিষ্ট ভূখণ্ড থাকবে এবং যারা একই নৃতাত্ত্বিক ও সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য শেয়ার করবে। এই তিনটি বৈশিষ্ট্য মূলত [[w:বৈদিক যুগ|বৈদিক স্বর্ণযুগের]] পৌরাণিক পুনর্গঠন থেকে উদ্ভূত। ** [[ক্রিস্টোফ জাফ্রেলট]], ''দ্য হিন্দু ন্যাশনালিস্ট মুভমেন্ট ইন ইন্ডিয়া'' (লন্ডন: হার্স্ট, ১৯৯৩), পৃষ্ঠা ২৭। [https://thediplomat.com/2021/01/hindutvas-realism-in-modis-foreign-policy/ "হিন্দুত্ব’স রিয়ালিজম ইন মোদি’স ফরেন পলিসি"], ''দ্য ডিপ্লোম্যাট'', ১ জানুয়ারি ২০২১-এ উদ্ধৃত। *"মুসলিম-বিদ্বেষী হিসেবে হিন্দুত্বের ভুল উপস্থাপন বা অপব্যাখ্যা এমনভাবে গেঁথে গেছে যে এমনকি এর প্রবক্তারাও, যাদের মধ্যে ভারতীয় জনতা পার্টির কিছু নেতাও রয়েছেন, নিজেরাই এ বিষয়ে রক্ষণাত্মকভাবে কথা বলেন।" **গিরিলাল জৈন, পৃষ্ঠা ১০৬, দ্য [[হিন্দু]] ফেনোমেনন, আইএসবিএন ৮১-৮৬১১২-৩২-৪। * হিন্দুত্ববাদী শক্তিগুলো দেশে ধর্মীয় সংঘাত বাড়ানোর উদ্দেশ্যে যুক্তি দেয় যে অতীতে [[হিন্দু|হিন্দুদের]] জোরপূর্বক [[ভারতে ইসলাম|ইসলাম]] এবং [[ভারতে খ্রিস্টধর্ম|খ্রিস্টধর্মে]] ধর্মান্তরিত করা হয়েছিল এবং তাই তাদের পুনরায় ধর্মান্তরিত (ঘর ওয়াপাসি) করে হিন্দু বলয়ে ফিরিয়ে আনতে হবে। কিন্তু এ ধরণের দাবির আমাদের ইতিহাসে কোনো ভিত্তি নেই। ** [[ডি. এন. ঝা]], পাঞ্জাব ইতিহাস সম্মেলনের ৩১তম অধিবেশনে সভাপতির ভাষণ, ১৯-২১ মার্চ ১৯৯৯। [https://www.jstor.org/stable/3517941 "এগেইনস্ট কমিউনালাইজিং হিস্ট্রি"], ''সোশ্যাল সায়েন্টিস্ট'', ভলিউম ২৬, নম্বর ৯/১০ (সেপ্টেম্বর - অক্টোবর ১৯৯৮), পৃষ্ঠা ৫৪। === ম === * ভারতে ১৯৯০-এর দশকে হিন্দু জাতীয়তাবাদের উত্থান ভারতের ঐতিহ্যের কিছু অংশ মুছে ফেলার এবং [[ভারতের ইতিহাস|ভারতীয় ইতিহাসকে]] নতুন করে লেখার অসাধারণ প্রচেষ্টা নিয়ে আসে। ১৯৯২ সালে কট্টরপন্থীরা – যাদের হিন্দু [[ডানপন্থী রাজনীতি|ডানপন্থী]] রাজনীতিবিদরা সমর্থন দিয়েছিল – [[w:উত্তর ভারত|উত্তর ভারতের]] [[অযোধ্যা বিবাদ|অযোধ্যায়]] একটি ষোড়শ শতাব্দীর [[মসজিদ]] ধ্বংস করে এই যুক্তিতে যে এটি [[হিন্দু দেবতা]] [[রাম|রামে]]র জন্মস্থানের ওপর নির্মিত হয়েছিল। উৎসাহিত হয়ে তারা ঘোষণা করে যে তারা [[তাজমহল]]সহ অন্যান্য মুসলিম স্থাপত্য ধ্বংস করতে এগিয়ে যাবে। এটি ভারতের পরিচয়কে একচেটিয়াভাবে হিন্দু বা হিন্দু জাতীয়তাবাদীদের ব্যবহৃত শব্দ 'হিন্দুত্ব' হিসেবে চিহ্নিত করার একটি বৃহত্তর অভিযানের অংশ ছিল। ভারতের ইতিহাস অনিবার্যভাবে এর একটি প্রধান অনুষঙ্গ হয়ে ওঠে। প্রাপ্ত প্রমাণের ভিত্তিতে প্রচলিত ধারণা ছিল যে, উর্বর [[w:সিন্ধু নদ|সিন্ধু উপত্যকায়]] খ্রিস্টপূর্ব ৩০০০ থেকে ১৭০০ অব্দের মধ্যে [[সিন্ধু সভ্যতা|হরপ্পা সভ্যতা]] গড়ে উঠেছিল। ঘোড়সওয়ার [[আর্য জাতি|আর্যরা]] যখন উত্তর দিক থেকে নিচে নেমে আসে (সম্ভবত শান্তিপূর্ণ অভিবাসী হিসেবে অথবা সম্ভবত যুদ্ধবাজ আক্রমণকারী হিসেবে) তখন এটি ধীরে ধীরে বিলীন হয়ে যায়। এটি হিন্দু জাতীয়তাবাদীদের পছন্দ হয়নি কারণ এর অর্থ দাঁড়ায় যে একটি [[আদিবাসী|আদিবাসী সভ্যতা]] বাইরে থেকে আসা কারো কাছে নতি স্বীকার করেছে এবং তাদের নিজস্ব সংস্কৃতিতে বিদেশি উপাদান থাকতে পারে। আজকের হিন্দু জাতীয়তাবাদীদের আধ্যাত্মিক গুরু হিসেবে পরিচিত [[w:মাধব গোলওয়ালকর|মাধব গোলওয়ালকর]] ১৯৩০-এর দশকে লিখেছিলেন, “হিন্দুরা অন্য কোথাও থেকে এই ভূমিতে আসেনি বরং তারা অনাদিকাল থেকেই এই মাটির আদি সন্তান।” অবশ্যই এটি জাতি ও সভ্যতার বিকাশ ও সংমিশ্রণের এক অদ্ভুত সরলীকৃত দৃষ্টিভঙ্গি ছিল। তারা আম্বারে (এক ধরণের পাথর) চিরকাল আটকে থাকা মাছির মতো নয় বরং অনেক উপনদী থাকা নদীর মতো। ** [[মার্গারেট ম্যাকমিলান]], ''দ্য ইউজেস অ্যান্ড অ্যাবিউজেস অফ হিস্ট্রি'' (২০০৮), পৃষ্ঠা ৭৮-৭৯। * হিন্দুত্ব প্রকল্পের জন্য ভারতের হিন্দু এবং তাদের দ্বারা নির্মিত ঘৃণিত "অন্যান্য" অর্থাৎ ভারতের মুসলিম ও খ্রিস্টানদের মধ্যে একটি আমূল ও সহিংস বিচ্ছেদ প্রয়োজন। ** [[হর্ষ মান্দার]], [https://thewire.in/communalism/is-india-lurching-into-a-genocide "ইজ ইন্ডিয়া লারচিং ইনটু এ জেনোসাইড?"], ''দ্য ওয়্যার'', ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২২। * এমন নয় যে হিন্দুত্ব সমর্থকরা সম্পূর্ণ ভিন্ন পরিণতির সম্পূর্ণ ভিন্ন ঘটনাগুলোকে সমানভাবে দেখে, বরং তারা ইচ্ছাকৃতভাবে এমন তথ্যগুলো এড়িয়ে যায় যে ভিআইপি (মন্ত্রী, এমপি, এমএলএ) ঘৃণ্য বক্তৃতার ৮০-৯০ শতাংশ বিজেপির দ্বারা সংঘটিত হয়েছে অথবা বিজেপির আইটি সেলের প্রধান সবচেয়ে বিপজ্জনক এবং [[w:ভারতে ভুয়া খবর|ভুয়া]] সাম্প্রদায়িক প্রচারণার বৃহত্তম প্রচারক। শাসক দলের সাথে অন্য দলের কোনো তুলনাই হয় না। ** [[নিসিম মানাথুক্কারেন]], [https://thewire.in/communalism/delhi-riots-communalism-false-equivalence ''দ্য বারবারিটি অফ ফলস ইকুইভ্যালেন্স''], ৮ মার্চ ২০২০, ''[[w:দ্য ওয়্যার (ভারত)|দ্য ওয়্যার]]''। * আমি হিন্দুত্বে বিশ্বাস করি যা প্রাচীন ধারণা "[[w:বসুধৈব কুটুম্বকম|বসুধৈব কুটুম্বকম]]"-এর ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত। আমি বিশ্বাস করি পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং সহযোগিতা বিদেশি রাষ্ট্রগুলোর সাথে সম্পর্কের ভিত্তি হওয়া উচিত। এবং আমি আত্মবিশ্বাসী যে অন্য দেশগুলোর সাথে বৈদেশিক বিষয়গুলো পরিচালনার ক্ষেত্রে আমার হিন্দুত্ববাদী ভাবমূর্তি একটি সম্পদ হিসেবে কাজ করবে। ** [[নরেন্দ্র মোদি]], [http://archive.indianexpress.com/news/narendra-modi-my-hindutva-face-will-be-an-asset-in-foreign-affairs/1243097/ "নরেন্দ্র মোদি: মাই হিন্দুত্ব ফেস উইল বি এন অ্যাসেট ইন ফরেন অ্যাফেয়ার্স"], ''দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস'', ২৩ এপ্রিল ২০১৪। === ন === * মানুষ আমাকে ভারতের হিন্দুত্ববাদী শক্তিগুলো সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে। কয়েক বছর আগে আমি যখন বলেছিলাম যে ভারতে এই নতুন ধরণের আত্মসচেতনতার সাথে হিন্দু ধারণাটি প্রায় একটি প্রয়োজনীয় প্রাথমিক পর্যায়, তখন আমি কিছুটা সমস্যায় পড়েছিলাম। এর মধ্যে বৃহত্তর এবং নতুন ধারণার সূত্রপাত রয়েছে: ইতিহাসের ধারণা, মানব পরিবারের ধারণা এবং ভারতের ধারণা। আমি আশা করি এই আত্মসচেতনতা কেবল এখানেই থমকে থাকবে না এবং আমি মনে করি না যে এটি থাকবে, তবে এটি প্রয়োজনীয়। আমরা এমন একটি দেশ নিয়ে কাজ করছি যা খুব নিচু স্তর থেকে শুরু হয়েছে; একটি খুব নিচু বৌদ্ধিক স্তর এবং নিচু অর্থনৈতিক স্তর। মানুষ যখন এগিয়ে যেতে শুরু করে, তখন প্রথম আনুগত্য এবং প্রথম পরিচয় সবসময়ই কিছুটা ক্ষুদ্র হয়। তারা তাৎক্ষণিকভাবে অন্য কিছু হয়ে উঠতে পারে না। আমি মনে করি ভারতের বর্তমান প্রতিটি বিশৃঙ্খলার মধ্যেই একটি বৃহত্তর ইতিবাচক আন্দোলন রয়েছে। তবে ভবিষ্যৎ বেশ অরাজক হবে। রাজনীতিকে এখন জনগণের স্তরে থাকতে হবে। [[জওহরলাল নেহরু|নেহরু]]র মতো মানুষরা ছিলেন ঔপনিবেশিক ধাঁচের রাজনীতিবিদ। তারা অনেকাংশেই ঔপনিবেশিক ব্যবস্থার দ্বারা তৈরি এবং সুরক্ষিত ছিলেন। তারা সাধারণ মানুষের মধ্য থেকে শুরু করেননি। ** ভি.এস. নাইপল, 'এ মিলিয়ন মিউটিনিস', ভি.এস. নাইপল, ইন্ডিয়া টুডে, ১৮ আগস্ট ১৯৯৭। * হিন্দুত্ববাদী যোদ্ধাদের ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের মানহানি করার অত্যন্ত অশুভ উদ্দেশ্য রয়েছে। ** [[মীরা নন্দা]], 'হিন্দু ট্রায়ামফালিজম অ্যান্ড দ্য ক্ল্যাশ অফ সিভিলাইজেশনস' (২০০৯), ইকোনমিক অ্যান্ড পলিটিক্যাল উইকলি, পৃষ্ঠা ১১১। === প === * [[মহাত্মা গান্ধী|মহাত্মা]] ছিলেন সম্প্রদায় এবং মানুষের মধ্যে সমন্বয়কারী। বিভাজন নয় বরং অন্তর্ভুক্তিই ছিল তার পথ। হিন্দুধর্মের ব্যাখ্যার বিষয়ে 'হিন্দুত্ব' গান্ধীর সাথে একমত ছিল না। হিন্দুত্বের লক্ষ্যগুলো আত্মপরিচয় এবং আত্মসংজ্ঞার বিষয়ে শক্তিশালী হলেও এগুলো বিচ্ছিন্নতাবাদী প্রবণতাসম্পন্ন। একজন বৈষ্ণব হিসেবে গান্ধী বিশ্বাস করতেন "অন্যের কষ্টকে নিজের কষ্ট হিসেবে গণ্য করতে।" এমন দৃষ্টিভঙ্গি থেকে এটি স্পষ্ট যে হিন্দুত্বের অসহিষ্ণুতা ভারতের মানুষকে একটি সহানুভূতিশীল ও ন্যায়সঙ্গত সামাজিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে দেবে না। ** [[অ্যান্থনি পারেল]], ''গান্ধী, ফ্রিডম, অ্যান্ড সেলফ-রুল'' (২০০০), লেক্সিংটন বুকস, পৃষ্ঠা ১৩৩। * হিন্দুত্ব আন্দোলন যেভাবে আত্মপ্রকাশ করেছে তা প্রায় ধ্রুপদী অর্থে এর আদর্শে ফ্যাসিবাদী, এর শ্রেণী সমর্থনে ফ্যাসিবাদী, এর পদ্ধতিতে ফ্যাসিবাদী এবং এর কর্মসূচিতেও ফ্যাসিবাদী। একটি ফ্যাসিবাদী আদর্শের সমস্ত উপাদান এতে বিদ্যমান: 'হিন্দু' নামক একটি সমজাতীয় ধারণার অধীনে সংখ্যাগুরুদের ঐক্যবদ্ধ করার চেষ্টা; অতীতে একটি বহিষ্কৃত সংখ্যালঘু গোষ্ঠী কর্তৃক এই সমজাতীয় গোষ্ঠীর ওপর করা কথিত অন্যায়ের বিরুদ্ধে ক্ষোভের অনুভূতি; এই সংখ্যালঘুর তুলনায় সাংস্কৃতিক শ্রেষ্ঠত্বের বোধ; এই পরিভাষায় ইতিহাসের পুনর্যাখ্যা; বিপরীত প্রমাণের সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যান, নিরপেক্ষ বিশ্লেষণ, বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি এবং যুক্তিযুক্ত আলোচনার প্রত্যাখ্যান; এবং সর্বোপরি তথাকথিত সমজাতীয় সংখ্যাগরিষ্ঠদের প্রতি আবেগপূর্ণ ও পুরুষতান্ত্রিক ভাষায় 'দাঁড়িয়ে পড়ার', 'নিজেদের পুরুষত্ব জাহির করার' আহ্বান—যা সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে সহিংসতায় উস্কানি দেয় এবং প্রকৃত সহিংসতার জন্ম দেয়। এর আবেদন কোনো উন্নত বা সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের স্বপ্নের ওপর ভিত্তি করে নয় বরং এটি ঘৃণার ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত। ** [[প্রভাত পট্টনায়ক]], "ফ্যাসিবজম অফ আওয়ার টাইমস", ''সোশ্যাল সায়েন্টিস্ট'', ভলিউম ২১, নম্বর ৩/৪, ১৯৯৩, পৃষ্ঠা ৬৯–৭০। * ঠিক যেমনটা [[মহা মন্দা|১৯৩০-এর দশকে]] হয়েছিল, বর্তমান বিশ্ব পুঁজিবাদও একটি কানাগলিতে পৌঁছেছে এবং আগের মতো চলতে পারছে না। ভারতের শাসক গোষ্ঠী অবশ্য বিশ্ব পরিস্থিতির বিষয়ে সম্পূর্ণ অজ্ঞাত। নিও-লিবারেলিজম বা নব্য-উদারতাবাদের এই শেষ পরিণতি যা এমনকি মহানগরের বুর্জোয়া চিন্তাবিদদের কাছেও দৃশ্যমান, তা আমাদের হিন্দুত্ব ব্রিগেডের কাছে অদৃশ্য। ** [[প্রভাত পট্টনায়ক]], ''দ্য ওয়ার্ল্ড অ্যাট ক্রসরোডস'', ২৯ মে ২০২০, ''নিউজক্লিক''। * হিন্দুত্ব তাদের শত্রুদের ক্রমানুসারে সাজিয়েছে—মুসলিম, খ্রিস্টান এবং [[ভারতে কমিউনিজম|কমিউনিস্ট]]। এটি [[অ্যাডলফ হিটলার|হিটলারের]] "জাতীয়" গর্বের প্রশংসা করেছিল এবং সংখ্যালঘুদের সাথে মোকাবিলা করার ক্ষেত্রে নাৎসি মডেলের সহায়তা চেয়েছিল। হিটলারের মতো হিন্দুত্বও জাতিগত শ্রেষ্ঠত্বে বিশ্বাস করত এবং বিশ্ব আধিপত্যের স্বপ্ন দেখত। গতকাল এটি ব্রিটিশ রাজের সাথে সহযোগিতা করেছিল। আজ এটি সেই তেরঙা পতাকা ওড়ায় যাকে তারা একসময় প্রকাশ্যে অবজ্ঞা করেছিল এবং এমন একটি সংবিধান মেনে চলার ভান করে যাকে তারা 'মনুসংহিতা' দিয়ে প্রতিস্থাপন করতে চেয়েছিল; যা একটি নারীবিদ্বেষী ও ব্রাহ্মণবাদী পাঠ্য। তারা প্রতিটি সহজলভ্য সরকারি সম্পদ বিদেশি বা ভারতীয় ঘনিষ্ঠ পুঁজিপতিদের কাছে বিক্রি করতে ব্যস্ত। ১৯৪৮ সালে তাদের হাতে গান্ধীর হত্যাকাণ্ড—শব্দে উচ্চারণ না করলেও—শত্রুদের তালিকায় একটি নতুন নাম যোগ করেছে; সেইসব হিন্দু যারা হিন্দুত্ব প্রকল্পের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিল। ** [[আনন্দ পটবর্ধন]], [https://scroll.in/article/1005159/anand-patwardhan-if-hindutva-is-hinduism-then-the-ku-klux-klan-is-christianity "আনন্দ পটবর্ধন: ইফ হিন্দুত্ব ইজ হিন্দুইজম দেন দ্য কু ক্লাক্স ক্ল্যান ইজ ক্রিশ্চিয়ানিটি"], ১২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ''স্ক্রল.ইন''। === স === * একটি গণ-আন্দোলন হিসেবে হিন্দুত্বের (বা ফ্যাসিবাদের) মূল বিষয় হলো অতীতের কুসংস্কার থেকে বিচ্ছিন্ন উপাদান সংগ্রহ করে এবং সেগুলোকে কৌশলে পুরানো সত্য হিসেবে সাজিয়ে আধুনিক মিডিয়া কৌশলের মাধ্যমে প্রচার করার মাধ্যমে একটি শক্তিশালী ও প্রসারযোগ্য শত্রু-ভাবমূর্তি তৈরি করা। এখানে মুসলিমরা অনেকটা ইহুদিদের সমতুল্য হয়ে ওঠে। বর্ণবাদী মনোভাব শেষ পর্যন্ত খুব সাম্প্রতিক 'বাবর কি আওলাদ' (বাবরের সন্তান) সূত্রের মধ্যে চমৎকারভাবে গেঁথে দেওয়া হয়েছে। বাবরের বংশধর হওয়ার কথিত দাবিই কাউকে অপরাধী সাব্যস্ত করার জন্য যথেষ্ট, কোনো প্রকৃত অপকর্মের প্রয়োজন নেই; ঠিক যেমন একসময় ধর্মান্ধ খ্রিস্টান মহলে সমস্ত ইহুদিদের দোষী সাব্যস্ত করা হতো কারণ তাদের পূর্বপুরুষরা যিশুর ক্রুশবিদ্ধ হওয়ার সময় কথিত ভূমিকা পালন করেছিল। ** [[সুমিত সরকার]], "দ্য ফ্যাসিবজম অফ দ্য সংঘ পরিবার", ''ইকোনমিক অ্যান্ড পলিটিক্যাল উইকলি'', ভলিউম ২৮, নম্বর ৫, ১৯৯৩, পৃষ্ঠা ১৬৫। * হিন্দুত্বের সাংগঠনিক কাঠামো হলো ঘৃণা ছড়িয়ে দেওয়ার কাজে নিয়োজিত বিশ্বের প্রাচীনতম, সবচেয়ে নিরবচ্ছিন্ন এবং অবশ্যই সবচেয়ে বহুমুখী রাজনৈতিক গঠন। ** [[তানিকা সরকার]], ''হিন্দু ন্যাশনালিজম ইন ইন্ডিয়া'' (২০২২)। [https://thewire.in/books/book-review-the-hindutva-growth-story "বুক রিভিউ: দ্য হিন্দুত্ব গ্রোথ স্টোরি"], ''দ্য ওয়্যার'', ২১ আগস্ট ২০২২-এ উদ্ধৃত। * হিন্দুত্ব কেবল একটি শব্দ নয় বরং একটি ইতিহাস। এটি কেবল আমাদের জনগণের আধ্যাত্মিক বা ধর্মীয় ইতিহাস নয়—যেমনটা অনেক সময় এর সমার্থক শব্দ হিন্দুধর্মের সাথে গুলিয়ে ফেলা হয়—বরং এটি একটি পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস। হিন্দুধর্ম হলো হিন্দুত্বের একটি আহরিত অংশ বা একটি ভগ্নাংশ মাত্র। হিন্দুত্ব আমাদের হিন্দু জাতির সমগ্র সত্তার চিন্তা ও কর্মকাণ্ডের সমস্ত বিভাগকে আলিঙ্গন করে। ** [[বিনায়ক দামোদর সাভারকর]], ''হিন্দুত্ব: হু ইজ এ হিন্দু?'' (পঞ্চম সংস্করণ, ১৯৬৯), পৃষ্ঠা ৩-৪। * হিন্দু আন্দোলনের আদর্শ ব্যাখ্যা করার ক্ষেত্রে এই তিনটি শব্দের সাথে যুক্ত অর্থের সঠিক ধারণা থাকা অত্যন্ত আবশ্যক। "হিন্দু" শব্দ থেকে ইংরেজি ভাষায় "হিন্দুইজম" শব্দটি তৈরি হয়েছে। এর অর্থ হলো হিন্দুরা যে সমস্ত ধর্মীয় মতবাদ বা ব্যবস্থা অনুসরণ করে। দ্বিতীয় শব্দটি হলো "হিন্দুত্ব", যা অনেক বেশি ব্যাপক এবং এটি কেবল হিন্দু জনগণের ধর্মীয় দিকগুলোকেই বোঝায় না—যেমনটা হিন্দুইজম করে—বরং তাদের সাংস্কৃতিক, ভাষাগত, সামাজিক এবং রাজনৈতিক দিকগুলোকেও অন্তর্ভুক্ত করে। এটি কমবেশি 'হিন্দু পলিটি' বা হিন্দু রাষ্ট্রব্যবস্থার সমরূপ এবং এর প্রায় সঠিক অনুবাদ হবে "হিন্দুনেস"। তৃতীয় শব্দটি হলো "হিন্দুডম", যার অর্থ হলো সমষ্টিগতভাবে হিন্দু জনগোষ্ঠী। এটি হিন্দু বিশ্বের একটি সম্মিলিত নাম, ঠিক যেমন ইসলাম দ্বারা মুসলিম বিশ্বকে বোঝানো হয়। ** [[বি.ডি. সাভারকর]], বি.আর. আম্বেদকরের 'পাকিস্তান অর দ্য পার্টিশন অফ ইন্ডিয়া' (১৯৪৬) থেকে উদ্ধৃত। * একজন হিন্দু অন্য একজন হিন্দুকে বিয়ে করলে তার জাত যেতে পারে, কিন্তু তার হিন্দুত্ব নয়। ** বি.ডি. সাভারকর, হিন্দুত্ব, পৃষ্ঠা ৯০। * ফ্যাসিবাদী হিন্দুত্ববাদী কল্পনায় ভারতীয় মুসলিমদের ক্রমাগত পাকিস্তানি "পঞ্চম বাহিনী" (ফিফথ কলামিস্ট), "জাতির শত্রু" ইত্যাদি হিসেবে গালি দেওয়া হয় এবং তাদের দেশপ্রেমকে সন্দেহজনক বলা হয়। হিন্দুত্ববাদী আলোচনায় মুসলিমরা একটি ভীতিকর "অন্য" (আদার) হিসেবে কেন্দ্রীয় স্থান দখল করে আছে এবং বড় আকারের [[ইসলামোফোবিয়া|মুসলিম-বিরোধী]] সহিংসতাকে বৈধতা দিতে এটি ব্যবহৃত হয়েছে। ** {{cite book|author=[[যোগিন্দর সিকান্দ]]|editor1-last=আবু-রবি|editor1-first=ইব্রাহিম|title=দ্য ব্ল্যাকওয়েল কম্প্যানিয়ন টু কনটেম্পোরারি ইসলামিক থট|date=2006|page=88}} * “হিন্দুত্ব শব্দটি গালি হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে [...] এটি বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অবজ্ঞাসূচক অর্থে ব্যবহৃত হয় [...] বিতর্কটি এখন আর কেবল পুরোহিতদের গণ্ডিবদ্ধ জগতে বা এমনকি রাজনীতির স্বার্থান্বেষী মহলে সীমাবদ্ধ নেই, এটি হিন্দু সভ্যতার জন্য একটি চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিস্তৃত হয়েছে [...] হিন্দু শব্দের এই অবমাননাকর ব্যবহার আসলে ভারতীয় সভ্যতার ওপর একটি বৃহত্তর আঘাতকে উপস্থাপন করে। এটি আমাকে ব্যথিত করে যে আমি এই দেশে স্কুল ও কলেজে পড়াশোনা করেছি অথচ বিশ্ব ইতিহাসে হিন্দু সভ্যতার বিশাল অবদান সম্পর্কে কোনো ধারণা পাইনি। এটি আমাকে ব্যথিত করে যে আজও আমাদের সন্তানরা, তারা সরকারি স্কুলে যাক বা দামী বেসরকারি স্কুলে, তারা তাদের নিজস্ব সংস্কৃতি বা সভ্যতা সম্পর্কে কোনো জ্ঞান ছাড়াই বেরিয়ে আসে [...] আপনি এমন কোনো ঐতিহ্যের জন্য গর্বিত হতে পারেন না যা সম্পর্কে আপনি কিছুই জানেন না, এবং ধর্মনিরপেক্ষতার নামে আমরা ৫০ বছর এই সভ্যতার হিন্দু শিকড়কে সম্পূর্ণ অস্বীকার করে কাটিয়েছি। আমরা গণশিক্ষার সেই ঔপনিবেশিক ব্যবস্থা পরিবর্তনের জন্য কিছুই করিনি যা এই নীতির ওপর প্রতিষ্ঠিত যে ভারতীয় সভ্যতার দেওয়ার মতো কিছু নেই [...] আমাদের সংস্কৃতি ও সভ্যতার প্রতি আমাদের অবজ্ঞা [...] এটি কি এমন একটি দেশের প্রমাণ নয় যা মজ্জাগতভাবে এখনও উপনিবেশ হয়ে আছে? আমরা নিজেদের সম্পর্কে যে নিচু ধারণা পোষণ করি তা আজকাল পশ্চিমা সংবাদমাধ্যমগুলো লুফে নেয় [...] বর্ণবাদকে হিন্দু জাতীয়তাবাদের সমতুল্য ধরা হচ্ছে। যে দেশগুলো আমাদের দাসত্ব এবং বর্ণবাদ (অ্যাপার্থাইড) উপহার দিয়েছে তাদের মুখে এটি মানায় না, কিন্তু তাদের দোষ দিয়ে লাভ কী যখন আমরা নিজেরাই নিজেদের সম্পর্কে এত খারাপ ভাবি। আমার পক্ষ থেকে আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই যে আমি বিশ্বাস করি ইন্ডিজ ধর্মগুলো সেমেটিক ধর্মগুলোর তুলনায় বিশ্বের জন্য অনেক কম সমস্যা তৈরি করেছে এবং হিন্দু সভ্যতা এমন কিছু যা নিয়ে আমি অত্যন্ত গর্বিত। এটি যদি আমার ‘সাম্প্রদায়িক’ হওয়ার প্রমাণ হয়, তবে আমার অন্তর আত্মা আমাকে বলছে, তাই হোক।” ** টাভলিন সিং, ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস (১৩/৬/২০০৪), সীতা রাম গোয়েল ও কোয়েনরাড এলস্ট (২০০৫) সম্পাদিত 'ইন্ডিয়া'স অনলি কমিউনালিস্ট: ইন কমেমোরেশন অফ সীতা রাম গোয়েল' গ্রন্থে উদ্ধৃত। === ত === * ভারতীয় ফ্রন্টে, হিন্দুত্ব আন্দোলনের উচিত হিন্দুধর্মের পুনর্জাগরণ এবং পুনরুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া; যার মধ্যে কেবল বৈদিক বা [[সংস্কৃত|সংস্কৃত]] উৎস থেকে আসা ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক চর্চাই অন্তর্ভুক্ত নয়, বরং অন্য সব ভারতীয় উৎসও অন্তর্ভুক্ত: আন্দামান দ্বীপবাসী এবং (খ্রিস্টপূর্ব) নাগাদের চর্চাও আঞ্চলিক অর্থে হিন্দু এবং আধ্যাত্মিক অর্থে সনাতন, ঠিক যেমন ধ্রুপদী সংস্কৃত হিন্দুধর্ম। (...) একজন প্রকৃত হিন্দুত্ববাদীর মনে তখন ব্যথার উদ্রেক হওয়া উচিত এবং ইতিবাচক পদক্ষেপ নেওয়ার ইচ্ছা জাগা উচিত যখন তিনি শোনেন যে বিভিন্ন কারণে ভারতের জনসংখ্যায় হিন্দুদের শতাংশ কমে যাচ্ছে অথবা হিন্দুরা প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রে [[বৈষম্য|বৈষম্যের]] শিকার হচ্ছে; কেবল তখনই নয়, বরং যখন তিনি শোনেন যে আন্দামানি [[জাতি|জাতি]] এবং [[ভাষা|ভাষা]] [[বিলুপ্তি|বিলুপ্ত]] হয়ে যাচ্ছে; লক্ষ লক্ষ বছরের পুরোনো বিশাল [[বন|বনভূমি]] চিরতরে মুছে ফেলা হচ্ছে; প্রাচীন এবং [[মধ্যযুগ|মধ্যযুগীয়]] হিন্দু স্থাপত্য স্মৃতিস্তম্ভগুলো লুটপাট বা অবহেলার শিকার হচ্ছে; অমূল্য প্রাচীন নথিগুলো ধ্বংস হচ্ছে বা পচতে দেওয়া হচ্ছে; অসংখ্য শিল্পকলা, হস্তশিল্প, স্থাপত্যশৈলী, [[উদ্ভিদ|উদ্ভিদ]] ও [[প্রাণী|প্রাণী]] প্রজাতি, [[সংগীত|সংগীতের]] রূপ এবং বাদ্যযন্ত্র বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে; আমাদের পবিত্র নদী এবং পরিবেশ অপরিবর্তনীয়ভাবে দূষিত ও ধ্বংস হচ্ছে... ** এস.আর. গোয়েল সম্পাদিত 'টাইম ফর স্টক-টেকিং', পৃষ্ঠা ২২৭-২২৮-এ তালাগেরি। * হিন্দুধর্ম হলো বিশ্বব্যাপী সনাতনবাদের (ইংরেজিতে যাকে প্যাগানিজম বলা যেতে পারে) ভারতীয় আঞ্চলিক রূপ। তাই হিন্দুত্ব আদর্শটি হওয়া উচিত একটি সর্বজনীন আদর্শ: সাম্রাজ্যবাদী মতাদর্শের আবির্ভাবের আগে সারা বিশ্বে বিদ্যমান সমস্ত ধর্ম ও সংস্কৃতির পুনর্জাগরণ এবং আধ্যাত্মিক পুনরুত্থানে এর নেতৃত্ব দেওয়া উচিত... ** এস.আর. গোয়েল সম্পাদিত 'টাইম ফর স্টক-টেকিং', পৃষ্ঠা ২২৭-২২৮-এ তালাগেরি। * প্রাক-আধুনিক হিন্দুধর্মে অন্য সব ধর্মের মতো ছোট-বড় ত্রুটি ছিল, কিন্তু এর সূক্ষ্মতাগুলো বর্তমানের তুলনায় অনেক বেশি সমৃদ্ধ ছিল। হিন্দুত্ব অনেক দিক থেকেই হিন্দুধর্মের বিপরীত এবং এর লক্ষ্য হলো এমন একটি সমাজ তৈরি করা যা সংকীর্ণ ও ধর্মান্ধ; যেখানে বিভিন্ন ধরণের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মতো ভিন্নমতাবলম্বীদের সাথে সহাবস্থান ক্রমশ অসম্ভব হয়ে পড়ছে, যা সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার পুনরাবৃত্তি থেকেই প্রমাণিত হয়। ** [[রোমিলা থাপার]], ''দ্য পাস্ট অ্যাজ প্রেজেন্ট: ফোর্জিং কনটেম্পোরারি আইডেন্টিটিস থ্রু হিস্ট্রি'' (২০১৪)। * হিন্দুত্ব দাবি করে যে তারা ভারতীয় ধর্ম, ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতির পশ্চিমা ব্যাখ্যার বিপরীতে দেশীয় ভারতীয় চিন্তাধারার প্রতিনিধিত্ব করে। তাদের দাবি হলো ঔপনিবেশিক পাণ্ডিত্য তাদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এবং উপনিবেশবাদকে বৈধতা দিতে ভারতীয় সংস্কৃতিকে ব্যবহার করেছে। অথচ হিন্দুত্ব ঠিক একই কাজ করছে—রাজনৈতিক সংহতি সহজ করার জন্য ঔপনিবেশিক ব্যাখ্যার আদলে হিন্দুধর্মকে পুনর্গঠিত করছে। এটি রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণের কর্মসূচিকে এগিয়ে নিতে [[জেমস মিল]] এবং [[ম্যাক্স মুলার|ম্যাক্স মুলারের]] মতো ঔপনিবেশিক তত্ত্বগুলো ব্যবহার করে। ইতিহাসকে কাজে লাগানো তাদের অতীতকে নিজেদের মতো করে বোঝার চেষ্টার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হয়ে দাঁড়ায়। ** [[রোমিলা থাপার]], ''দ্য পাস্ট অ্যাজ প্রেজেন্ট: ফোর্জিং কনটেম্পোরারি আইডেন্টিটিস থ্রু হিস্ট্রি'' (২০১৪)। == আরও দেখুন == * [[হিন্দু জাতীয়তাবাদ]] == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:রাজনৈতিক আদর্শ]] [[বিষয়শ্রেণী:হিন্দু জাতীয়তাবাদ]] c7of3m1pn7pqpe2oqfjejhv0dhl5s7x 79956 79939 2026-04-23T07:57:25Z Tuhin 172 79956 wikitext text/x-wiki '''[[w:হিন্দুত্ব|হিন্দুত্ব]]''' (আক্ষরিক অর্থে "হিন্দু-ত্ব") হলো একটি রাজনৈতিক [[আদর্শ]] যা [[হিন্দু জাতীয়তাবাদ|হিন্দু জাতীয়তাবাদের]] সাংস্কৃতিক যৌক্তিকতাকে ধারণ করে। এই রাজনৈতিক আদর্শটি ১৯২৩ সালে [[বিনায়ক দামোদর সাভারকর]] প্রণয়ন করেছিলেন। এটি [[রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ]] (আরএসএস), [[w:বিশ্ব হিন্দু পরিষদ|বিশ্ব হিন্দু পরিষদ]] (ভিএইচপি), [[ভারতীয় জনতা পার্টি]] (বিজেপি) এবং অন্যান্য সংস্থা দ্বারা ব্যবহৃত হয়, যাদের একত্রে [[w:সংঘ পরিবার|সংঘ পরিবার]] বলা হয়। __NOTOC__ {{TOCalpha|}} == উক্তি == === দ === *"প্রশ্ন: আমি বিশ্বাস করি আপনি সংঘ পরিবারের আদর্শের সাথে পরিচিত।<br>উত্তর: হ্যাঁ, অবশ্যই, গত ৩০ বছর ধরে। অবশ্যই, আমি এই সংস্থাগুলো সম্পর্কে কিছু সমালোচনামূলক দৃষ্টিভঙ্গিরও সম্মুখীন হয়েছি। তবে একই সাথে আমি দেখতে পাচ্ছি যে, সংঘ পরিবার [[ভারত|ভারতের]] জাতীয় পরিচয় এবং [[ভারতের সংস্কৃতি|সংস্কৃতি]] সংরক্ষণের বিষয়ে অত্যন্ত সচেতন। এই দিকটি আমাকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করেছে। সত্যি বলতে, এই দেশে এমন কিছু মানুষ আছেন যারা পশ্চিমা জীবনযাত্রার প্রতি মোহগ্রস্ত। আমি সবসময় আমার ভারতীয় বন্ধুদের বলেছি যে তাদের নিজস্ব সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে অবহেলা করার কোনো মানে হয় না। সেই হিসেবে, ভারতের ঐতিহ্যগত মূল্যবোধ ও আদর্শ সংরক্ষণের জন্য কাজ করা যেকোনো সংস্থা অবশ্যই সমস্ত শুভাকাঙ্ক্ষী মানুষের সমর্থন পাওয়ার যোগ্য।" **[[চতুর্দশ দালাই লামা|দালাই লামা]], [কানপুরে এবিভিপি সম্মেলনে এস. সুরেশ কর্তৃক গৃহীত সাক্ষাৎকার যা ২২ নভেম্বর ১৯৯২ তারিখে অর্গানাইজার-এ প্রকাশিত হয়।] * * হিন্দুত্ব আসলে বলতে বোঝায় ভারত প্রাথমিকভাবে একটি হিন্দু 'রাষ্ট্র' ছিল এই ধারণার সাথে একাত্মতা, যেমনটা এর প্রবক্তারা মনে করেন। এটি কোনো [[ধর্ম|ধর্মীয়]] [[দর্শন]] বা সমাজ সংস্কার আন্দোলন নয় বরং এটি সাংস্কৃতিক অন্ধবিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা একটি [[রাজনৈতিক দর্শন]]। এই আদর্শ জোর দিয়ে বলে যে ভারতের অ-হিন্দুদের "[[সংখ্যালঘু গোষ্ঠী|সংখ্যালঘু]]" হিসেবে তাদের স্থান মেনে নিতে হবে। তাদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নির্ভর করবে মূলত সংখ্যাগুরুদের সদিচ্ছা অর্জন করার ক্ষমতার ওপর। হিন্দুত্ব আদর্শের মূল কথা হলো সংখ্যাগুরুদের ভালোকেই যেকোনো সংখ্যালঘুর জন্য ভালো হিসেবে দেখা উচিত। এখানে সংখ্যালঘু অধিকারের যেকোনো দাবিকে সংখ্যাগুরুদের রাজনৈতিক কর্তৃত্বের প্রতি একটি হুমকি ও চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এই কারণে এমন সংখ্যালঘুদের হিন্দুত্ববাদীরা দেশবিরোধী এবং সমাজবিরোধী হিসেবে দেখে থাকে। এছাড়া সংখ্যালঘুদের সংখ্যা বাড়ানোর যেকোনো প্রচেষ্টাকে তারা [[আগ্রাসন]] হিসেবে গণ্য করে। ফলে [[w:খ্রিস্টধর্মে ধর্মান্তর|খ্রিস্টধর্মে ধর্মান্তর]] কিংবা কোনো [[হিন্দু]] মেয়ের সাথে কোনো [[মুসলিম]] বা [[খ্রিস্টান|খ্রিস্টান]] পুরুষের বিবাহকে তারা অবাঞ্ছিত ও উস্কানিমূলক কাজ হিসেবে দেখে। ** [[জি. এন. ডেভি]], "আদিবাসীস অ্যান্ড দলিতস: ট্রাইবাল ভয়েস অ্যান্ড ভায়োলেন্স", এস. ভারাদারাজন সম্পাদিত ''গুজরাত: দ্য মেকিং অফ এ ট্র্যাজেডি'' (২০০২), পৃষ্ঠা ২৬২-২৬৩। নয়াদিল্লি: পেঙ্গুইন। === জ === * সাভারকরের হিন্দুত্ব প্রাথমিকভাবে একটি জাতিগত সম্প্রদায় হিসেবে কল্পনা করা হয়েছিল যার একটি নির্দিষ্ট ভূখণ্ড থাকবে এবং যারা একই নৃতাত্ত্বিক ও সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য শেয়ার করবে। এই তিনটি বৈশিষ্ট্য মূলত [[w:বৈদিক যুগ|বৈদিক স্বর্ণযুগের]] পৌরাণিক পুনর্গঠন থেকে উদ্ভূত। ** [[ক্রিস্টোফ জাফ্রেলট]], ''দ্য হিন্দু ন্যাশনালিস্ট মুভমেন্ট ইন ইন্ডিয়া'' (লন্ডন: হার্স্ট, ১৯৯৩), পৃষ্ঠা ২৭। [https://thediplomat.com/2021/01/hindutvas-realism-in-modis-foreign-policy/ "হিন্দুত্ব’স রিয়ালিজম ইন মোদি’স ফরেন পলিসি"], ''দ্য ডিপ্লোম্যাট'', ১ জানুয়ারি ২০২১-এ উদ্ধৃত। *"মুসলিম-বিদ্বেষী হিসেবে হিন্দুত্বের ভুল উপস্থাপন বা অপব্যাখ্যা এমনভাবে গেঁথে গেছে যে এমনকি এর প্রবক্তারাও, যাদের মধ্যে ভারতীয় জনতা পার্টির কিছু নেতাও রয়েছেন, নিজেরাই এ বিষয়ে রক্ষণাত্মকভাবে কথা বলেন।" **গিরিলাল জৈন, পৃষ্ঠা ১০৬, দ্য [[হিন্দু]] ফেনোমেনন, আইএসবিএন ৮১-৮৬১১২-৩২-৪। * হিন্দুত্ববাদী শক্তিগুলো দেশে ধর্মীয় সংঘাত বাড়ানোর উদ্দেশ্যে যুক্তি দেয় যে অতীতে [[হিন্দু|হিন্দুদের]] জোরপূর্বক [[ভারতে ইসলাম|ইসলাম]] এবং [[ভারতে খ্রিস্টধর্ম|খ্রিস্টধর্মে]] ধর্মান্তরিত করা হয়েছিল এবং তাই তাদের পুনরায় ধর্মান্তরিত (ঘর ওয়াপাসি) করে হিন্দু বলয়ে ফিরিয়ে আনতে হবে। কিন্তু এ ধরণের দাবির আমাদের ইতিহাসে কোনো ভিত্তি নেই। ** [[ডি. এন. ঝা]], পাঞ্জাব ইতিহাস সম্মেলনের ৩১তম অধিবেশনে সভাপতির ভাষণ, ১৯-২১ মার্চ ১৯৯৯। [https://www.jstor.org/stable/3517941 "এগেইনস্ট কমিউনালাইজিং হিস্ট্রি"], ''সোশ্যাল সায়েন্টিস্ট'', ভলিউম ২৬, নম্বর ৯/১০ (সেপ্টেম্বর - অক্টোবর ১৯৯৮), পৃষ্ঠা ৫৪। === ম === * ভারতে ১৯৯০-এর দশকে হিন্দু জাতীয়তাবাদের উত্থান ভারতের ঐতিহ্যের কিছু অংশ মুছে ফেলার এবং [[ভারতের ইতিহাস|ভারতীয় ইতিহাসকে]] নতুন করে লেখার অসাধারণ প্রচেষ্টা নিয়ে আসে। ১৯৯২ সালে কট্টরপন্থীরা – যাদের হিন্দু [[ডানপন্থী রাজনীতি|ডানপন্থী]] রাজনীতিবিদরা সমর্থন দিয়েছিল – [[w:উত্তর ভারত|উত্তর ভারতের]] [[অযোধ্যা বিবাদ|অযোধ্যায়]] একটি ষোড়শ শতাব্দীর [[মসজিদ]] ধ্বংস করে এই যুক্তিতে যে এটি [[হিন্দু দেবতা]] [[রাম|রামে]]র জন্মস্থানের ওপর নির্মিত হয়েছিল। উৎসাহিত হয়ে তারা ঘোষণা করে যে তারা [[তাজমহল]]সহ অন্যান্য মুসলিম স্থাপত্য ধ্বংস করতে এগিয়ে যাবে। এটি ভারতের পরিচয়কে একচেটিয়াভাবে হিন্দু বা হিন্দু জাতীয়তাবাদীদের ব্যবহৃত শব্দ 'হিন্দুত্ব' হিসেবে চিহ্নিত করার একটি বৃহত্তর অভিযানের অংশ ছিল। ভারতের ইতিহাস অনিবার্যভাবে এর একটি প্রধান অনুষঙ্গ হয়ে ওঠে। প্রাপ্ত প্রমাণের ভিত্তিতে প্রচলিত ধারণা ছিল যে, উর্বর [[w:সিন্ধু নদ|সিন্ধু উপত্যকায়]] খ্রিস্টপূর্ব ৩০০০ থেকে ১৭০০ অব্দের মধ্যে [[সিন্ধু সভ্যতা|হরপ্পা সভ্যতা]] গড়ে উঠেছিল। ঘোড়সওয়ার [[আর্য জাতি|আর্যরা]] যখন উত্তর দিক থেকে নিচে নেমে আসে (সম্ভবত শান্তিপূর্ণ অভিবাসী হিসেবে অথবা সম্ভবত যুদ্ধবাজ আক্রমণকারী হিসেবে) তখন এটি ধীরে ধীরে বিলীন হয়ে যায়। এটি হিন্দু জাতীয়তাবাদীদের পছন্দ হয়নি কারণ এর অর্থ দাঁড়ায় যে একটি [[আদিবাসী|আদিবাসী সভ্যতা]] বাইরে থেকে আসা কারো কাছে নতি স্বীকার করেছে এবং তাদের নিজস্ব সংস্কৃতিতে বিদেশি উপাদান থাকতে পারে। আজকের হিন্দু জাতীয়তাবাদীদের আধ্যাত্মিক গুরু হিসেবে পরিচিত [[w:মাধব গোলওয়ালকর|মাধব গোলওয়ালকর]] ১৯৩০-এর দশকে লিখেছিলেন, “হিন্দুরা অন্য কোথাও থেকে এই ভূমিতে আসেনি বরং তারা অনাদিকাল থেকেই এই মাটির আদি সন্তান।” অবশ্যই এটি জাতি ও সভ্যতার বিকাশ ও সংমিশ্রণের এক অদ্ভুত সরলীকৃত দৃষ্টিভঙ্গি ছিল। তারা আম্বারে (এক ধরণের পাথর) চিরকাল আটকে থাকা মাছির মতো নয় বরং অনেক উপনদী থাকা নদীর মতো। ** [[মার্গারেট ম্যাকমিলান]], ''দ্য ইউজেস অ্যান্ড অ্যাবিউজেস অফ হিস্ট্রি'' (২০০৮), পৃষ্ঠা ৭৮-৭৯। * হিন্দুত্ব প্রকল্পের জন্য ভারতের হিন্দু এবং তাদের দ্বারা নির্মিত ঘৃণিত "অন্যান্য" অর্থাৎ ভারতের মুসলিম ও খ্রিস্টানদের মধ্যে একটি আমূল ও সহিংস বিচ্ছেদ প্রয়োজন। ** [[হর্ষ মান্দার]], [https://thewire.in/communalism/is-india-lurching-into-a-genocide "ইজ ইন্ডিয়া লারচিং ইনটু এ জেনোসাইড?"], ''দ্য ওয়্যার'', ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২২। * এমন নয় যে হিন্দুত্ব সমর্থকরা সম্পূর্ণ ভিন্ন পরিণতির সম্পূর্ণ ভিন্ন ঘটনাগুলোকে সমানভাবে দেখে, বরং তারা ইচ্ছাকৃতভাবে এমন তথ্যগুলো এড়িয়ে যায় যে ভিআইপি (মন্ত্রী, এমপি, এমএলএ) ঘৃণ্য বক্তৃতার ৮০-৯০ শতাংশ বিজেপির দ্বারা সংঘটিত হয়েছে অথবা বিজেপির আইটি সেলের প্রধান সবচেয়ে বিপজ্জনক এবং [[w:ভারতে ভুয়া খবর|ভুয়া]] সাম্প্রদায়িক প্রচারণার বৃহত্তম প্রচারক। শাসক দলের সাথে অন্য দলের কোনো তুলনাই হয় না। ** [[নিসিম মানাথুক্কারেন]], [https://thewire.in/communalism/delhi-riots-communalism-false-equivalence ''দ্য বারবারিটি অফ ফলস ইকুইভ্যালেন্স''], ৮ মার্চ ২০২০, ''[[w:দ্য ওয়্যার (ভারত)|দ্য ওয়্যার]]''। * আমি হিন্দুত্বে বিশ্বাস করি যা প্রাচীন ধারণা "[[w:বসুধৈব কুটুম্বকম|বসুধৈব কুটুম্বকম]]"-এর ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত। আমি বিশ্বাস করি পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং সহযোগিতা বিদেশি রাষ্ট্রগুলোর সাথে সম্পর্কের ভিত্তি হওয়া উচিত। এবং আমি আত্মবিশ্বাসী যে অন্য দেশগুলোর সাথে বৈদেশিক বিষয়গুলো পরিচালনার ক্ষেত্রে আমার হিন্দুত্ববাদী ভাবমূর্তি একটি সম্পদ হিসেবে কাজ করবে। ** [[নরেন্দ্র মোদি]], [http://archive.indianexpress.com/news/narendra-modi-my-hindutva-face-will-be-an-asset-in-foreign-affairs/1243097/ "নরেন্দ্র মোদি: মাই হিন্দুত্ব ফেস উইল বি এন অ্যাসেট ইন ফরেন অ্যাফেয়ার্স"], ''দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস'', ২৩ এপ্রিল ২০১৪। === ন === * মানুষ আমাকে ভারতের হিন্দুত্ববাদী শক্তিগুলো সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে। কয়েক বছর আগে আমি যখন বলেছিলাম যে ভারতে এই নতুন ধরণের আত্মসচেতনতার সাথে হিন্দু ধারণাটি প্রায় একটি প্রয়োজনীয় প্রাথমিক পর্যায়, তখন আমি কিছুটা সমস্যায় পড়েছিলাম। এর মধ্যে বৃহত্তর এবং নতুন ধারণার সূত্রপাত রয়েছে: ইতিহাসের ধারণা, মানব পরিবারের ধারণা এবং ভারতের ধারণা। আমি আশা করি এই আত্মসচেতনতা কেবল এখানেই থমকে থাকবে না এবং আমি মনে করি না যে এটি থাকবে, তবে এটি প্রয়োজনীয়। আমরা এমন একটি দেশ নিয়ে কাজ করছি যা খুব নিচু স্তর থেকে শুরু হয়েছে। একটি খুব নিচু বৌদ্ধিক স্তর এবং নিচু অর্থনৈতিক স্তর। মানুষ যখন এগিয়ে যেতে শুরু করে, তখন প্রথম আনুগত্য এবং প্রথম পরিচয় সবসময়ই কিছুটা ক্ষুদ্র হয়। তারা তাৎক্ষণিকভাবে অন্য কিছু হয়ে উঠতে পারে না। আমি মনে করি ভারতের বর্তমান প্রতিটি বিশৃঙ্খলার মধ্যেই একটি বৃহত্তর ইতিবাচক আন্দোলন রয়েছে। তবে ভবিষ্যৎ বেশ অরাজক হবে। রাজনীতিকে এখন জনগণের স্তরে থাকতে হবে। [[জওহরলাল নেহরু|নেহরু]]র মতো মানুষরা ছিলেন ঔপনিবেশিক ধাঁচের রাজনীতিবিদ। তারা অনেকাংশেই ঔপনিবেশিক ব্যবস্থার দ্বারা তৈরি এবং সুরক্ষিত ছিলেন। তারা সাধারণ মানুষের মধ্য থেকে শুরু করেননি। ** ভি.এস. নাইপল, 'এ মিলিয়ন মিউটিনিস', ভি.এস. নাইপল, ইন্ডিয়া টুডে, ১৮ আগস্ট ১৯৯৭। * হিন্দুত্ববাদী যোদ্ধাদের ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের মানহানি করার অত্যন্ত অশুভ উদ্দেশ্য রয়েছে। ** [[মীরা নন্দা]], 'হিন্দু ট্রায়ামফালিজম অ্যান্ড দ্য ক্ল্যাশ অফ সিভিলাইজেশনস' (২০০৯), ইকোনমিক অ্যান্ড পলিটিক্যাল উইকলি, পৃষ্ঠা ১১১। === প === * [[মহাত্মা গান্ধী|মহাত্মা]] ছিলেন সম্প্রদায় এবং মানুষের মধ্যে সমন্বয়কারী। বিভাজন নয় বরং অন্তর্ভুক্তিই ছিল তার পথ। হিন্দুধর্মের ব্যাখ্যার বিষয়ে 'হিন্দুত্ব' গান্ধীর সাথে একমত ছিল না। হিন্দুত্বের লক্ষ্যগুলো আত্মপরিচয় এবং আত্মসংজ্ঞার বিষয়ে শক্তিশালী হলেও এগুলো বিচ্ছিন্নতাবাদী প্রবণতাসম্পন্ন। একজন বৈষ্ণব হিসেবে গান্ধী বিশ্বাস করতেন "অন্যের কষ্টকে নিজের কষ্ট হিসেবে গণ্য করতে।" এমন দৃষ্টিভঙ্গি থেকে এটি স্পষ্ট যে হিন্দুত্বের অসহিষ্ণুতা ভারতের মানুষকে একটি সহানুভূতিশীল ও ন্যায়সঙ্গত সামাজিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে দেবে না। ** [[অ্যান্থনি পারেল]], ''গান্ধী, ফ্রিডম, অ্যান্ড সেলফ-রুল'' (২০০০), লেক্সিংটন বুকস, পৃষ্ঠা ১৩৩। * হিন্দুত্ব আন্দোলন যেভাবে আত্মপ্রকাশ করেছে তা প্রায় ধ্রুপদী অর্থে এর আদর্শে ফ্যাসিবাদী, এর শ্রেণী সমর্থনে ফ্যাসিবাদী, এর পদ্ধতিতে ফ্যাসিবাদী এবং এর কর্মসূচিতেও ফ্যাসিবাদী। একটি ফ্যাসিবাদী আদর্শের সমস্ত উপাদান এতে বিদ্যমান: 'হিন্দু' নামক একটি সমজাতীয় ধারণার অধীনে সংখ্যাগুরুদের ঐক্যবদ্ধ করার চেষ্টা; অতীতে একটি বহিষ্কৃত সংখ্যালঘু গোষ্ঠী কর্তৃক এই সমজাতীয় গোষ্ঠীর ওপর করা কথিত অন্যায়ের বিরুদ্ধে ক্ষোভের অনুভূতি; এই সংখ্যালঘুর তুলনায় সাংস্কৃতিক শ্রেষ্ঠত্বের বোধ; এই পরিভাষায় ইতিহাসের পুনর্যাখ্যা; বিপরীত প্রমাণের সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যান, নিরপেক্ষ বিশ্লেষণ, বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি এবং যুক্তিযুক্ত আলোচনার প্রত্যাখ্যান; এবং সর্বোপরি তথাকথিত সমজাতীয় সংখ্যাগরিষ্ঠদের প্রতি আবেগপূর্ণ ও পুরুষতান্ত্রিক ভাষায় 'দাঁড়িয়ে পড়ার', 'নিজেদের পুরুষত্ব জাহির করার' আহ্বান—যা সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে সহিংসতায় উস্কানি দেয় এবং প্রকৃত সহিংসতার জন্ম দেয়। এর আবেদন কোনো উন্নত বা সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের স্বপ্নের ওপর ভিত্তি করে নয় বরং এটি ঘৃণার ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত। ** [[প্রভাত পট্টনায়ক]], "ফ্যাসিবজম অফ আওয়ার টাইমস", ''সোশ্যাল সায়েন্টিস্ট'', ভলিউম ২১, নম্বর ৩/৪, ১৯৯৩, পৃষ্ঠা ৬৯–৭০। * ঠিক যেমনটা [[মহা মন্দা|১৯৩০-এর দশকে]] হয়েছিল, বর্তমান বিশ্ব পুঁজিবাদও একটি কানাগলিতে পৌঁছেছে এবং আগের মতো চলতে পারছে না। ভারতের শাসক গোষ্ঠী অবশ্য বিশ্ব পরিস্থিতির বিষয়ে সম্পূর্ণ অজ্ঞাত। নিও-লিবারেলিজম বা নব্য-উদারতাবাদের এই শেষ পরিণতি যা এমনকি মহানগরের বুর্জোয়া চিন্তাবিদদের কাছেও দৃশ্যমান, তা আমাদের হিন্দুত্ব ব্রিগেডের কাছে অদৃশ্য। ** [[প্রভাত পট্টনায়ক]], ''দ্য ওয়ার্ল্ড অ্যাট ক্রসরোডস'', ২৯ মে ২০২০, ''নিউজক্লিক''। * হিন্দুত্ব তাদের শত্রুদের ক্রমানুসারে সাজিয়েছে—মুসলিম, খ্রিস্টান এবং [[ভারতে কমিউনিজম|কমিউনিস্ট]]। এটি [[অ্যাডলফ হিটলার|হিটলারের]] "জাতীয়" গর্বের প্রশংসা করেছিল এবং সংখ্যালঘুদের সাথে মোকাবিলা করার ক্ষেত্রে নাৎসি মডেলের সহায়তা চেয়েছিল। হিটলারের মতো হিন্দুত্বও জাতিগত শ্রেষ্ঠত্বে বিশ্বাস করত এবং বিশ্ব আধিপত্যের স্বপ্ন দেখত। গতকাল এটি ব্রিটিশ রাজের সাথে সহযোগিতা করেছিল। আজ এটি সেই তেরঙা পতাকা ওড়ায় যাকে তারা একসময় প্রকাশ্যে অবজ্ঞা করেছিল এবং এমন একটি সংবিধান মেনে চলার ভান করে যাকে তারা 'মনুসংহিতা' দিয়ে প্রতিস্থাপন করতে চেয়েছিল; যা একটি নারীবিদ্বেষী ও ব্রাহ্মণবাদী পাঠ্য। তারা প্রতিটি সহজলভ্য সরকারি সম্পদ বিদেশি বা ভারতীয় ঘনিষ্ঠ পুঁজিপতিদের কাছে বিক্রি করতে ব্যস্ত। ১৯৪৮ সালে তাদের হাতে গান্ধীর হত্যাকাণ্ড—শব্দে উচ্চারণ না করলেও—শত্রুদের তালিকায় একটি নতুন নাম যোগ করেছে; সেইসব হিন্দু যারা হিন্দুত্ব প্রকল্পের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিল। ** [[আনন্দ পটবর্ধন]], [https://scroll.in/article/1005159/anand-patwardhan-if-hindutva-is-hinduism-then-the-ku-klux-klan-is-christianity "আনন্দ পটবর্ধন: ইফ হিন্দুত্ব ইজ হিন্দুইজম দেন দ্য কু ক্লাক্স ক্ল্যান ইজ ক্রিশ্চিয়ানিটি"], ১২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ''স্ক্রল.ইন''। === স === * একটি গণ-আন্দোলন হিসেবে হিন্দুত্বের (বা ফ্যাসিবাদের) মূল বিষয় হলো অতীতের কুসংস্কার থেকে বিচ্ছিন্ন উপাদান সংগ্রহ করে এবং সেগুলোকে কৌশলে পুরানো সত্য হিসেবে সাজিয়ে আধুনিক মিডিয়া কৌশলের মাধ্যমে প্রচার করার মাধ্যমে একটি শক্তিশালী ও প্রসারযোগ্য শত্রু-ভাবমূর্তি তৈরি করা। এখানে মুসলিমরা অনেকটা ইহুদিদের সমতুল্য হয়ে ওঠে। বর্ণবাদী মনোভাব শেষ পর্যন্ত খুব সাম্প্রতিক 'বাবর কি আওলাদ' (বাবরের সন্তান) সূত্রের মধ্যে চমৎকারভাবে গেঁথে দেওয়া হয়েছে। বাবরের বংশধর হওয়ার কথিত দাবিই কাউকে অপরাধী সাব্যস্ত করার জন্য যথেষ্ট, কোনো প্রকৃত অপকর্মের প্রয়োজন নেই; ঠিক যেমন একসময় ধর্মান্ধ খ্রিস্টান মহলে সমস্ত ইহুদিদের দোষী সাব্যস্ত করা হতো কারণ তাদের পূর্বপুরুষরা যিশুর ক্রুশবিদ্ধ হওয়ার সময় কথিত ভূমিকা পালন করেছিল। ** [[সুমিত সরকার]], "দ্য ফ্যাসিবজম অফ দ্য সংঘ পরিবার", ''ইকোনমিক অ্যান্ড পলিটিক্যাল উইকলি'', ভলিউম ২৮, নম্বর ৫, ১৯৯৩, পৃষ্ঠা ১৬৫। * হিন্দুত্বের সাংগঠনিক কাঠামো হলো ঘৃণা ছড়িয়ে দেওয়ার কাজে নিয়োজিত বিশ্বের প্রাচীনতম, সবচেয়ে নিরবচ্ছিন্ন এবং অবশ্যই সবচেয়ে বহুমুখী রাজনৈতিক গঠন। ** [[তানিকা সরকার]], ''হিন্দু ন্যাশনালিজম ইন ইন্ডিয়া'' (২০২২)। [https://thewire.in/books/book-review-the-hindutva-growth-story "বুক রিভিউ: দ্য হিন্দুত্ব গ্রোথ স্টোরি"], ''দ্য ওয়্যার'', ২১ আগস্ট ২০২২-এ উদ্ধৃত। * হিন্দুত্ব কেবল একটি শব্দ নয় বরং একটি ইতিহাস। এটি কেবল আমাদের জনগণের আধ্যাত্মিক বা ধর্মীয় ইতিহাস নয়—যেমনটা অনেক সময় এর সমার্থক শব্দ হিন্দুধর্মের সাথে গুলিয়ে ফেলা হয়—বরং এটি একটি পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস। হিন্দুধর্ম হলো হিন্দুত্বের একটি আহরিত অংশ বা একটি ভগ্নাংশ মাত্র। হিন্দুত্ব আমাদের হিন্দু জাতির সমগ্র সত্তার চিন্তা ও কর্মকাণ্ডের সমস্ত বিভাগকে আলিঙ্গন করে। ** [[বিনায়ক দামোদর সাভারকর]], ''হিন্দুত্ব: হু ইজ এ হিন্দু?'' (পঞ্চম সংস্করণ, ১৯৬৯), পৃষ্ঠা ৩-৪। * হিন্দু আন্দোলনের আদর্শ ব্যাখ্যা করার ক্ষেত্রে এই তিনটি শব্দের সাথে যুক্ত অর্থের সঠিক ধারণা থাকা অত্যন্ত আবশ্যক। "হিন্দু" শব্দ থেকে ইংরেজি ভাষায় "হিন্দুইজম" শব্দটি তৈরি হয়েছে। এর অর্থ হলো হিন্দুরা যে সমস্ত ধর্মীয় মতবাদ বা ব্যবস্থা অনুসরণ করে। দ্বিতীয় শব্দটি হলো "হিন্দুত্ব", যা অনেক বেশি ব্যাপক এবং এটি কেবল হিন্দু জনগণের ধর্মীয় দিকগুলোকেই বোঝায় না—যেমনটা হিন্দুইজম করে—বরং তাদের সাংস্কৃতিক, ভাষাগত, সামাজিক এবং রাজনৈতিক দিকগুলোকেও অন্তর্ভুক্ত করে। এটি কমবেশি 'হিন্দু পলিটি' বা হিন্দু রাষ্ট্রব্যবস্থার সমরূপ এবং এর প্রায় সঠিক অনুবাদ হবে "হিন্দুনেস"। তৃতীয় শব্দটি হলো "হিন্দুডম", যার অর্থ হলো সমষ্টিগতভাবে হিন্দু জনগোষ্ঠী। এটি হিন্দু বিশ্বের একটি সম্মিলিত নাম, ঠিক যেমন ইসলাম দ্বারা মুসলিম বিশ্বকে বোঝানো হয়। ** [[বি.ডি. সাভারকর]], বি.আর. আম্বেদকরের 'পাকিস্তান অর দ্য পার্টিশন অফ ইন্ডিয়া' (১৯৪৬) থেকে উদ্ধৃত। * একজন হিন্দু অন্য একজন হিন্দুকে বিয়ে করলে তার জাত যেতে পারে, কিন্তু তার হিন্দুত্ব নয়। ** বি.ডি. সাভারকর, হিন্দুত্ব, পৃষ্ঠা ৯০। * ফ্যাসিবাদী হিন্দুত্ববাদী কল্পনায় ভারতীয় মুসলিমদের ক্রমাগত পাকিস্তানি "পঞ্চম বাহিনী" (ফিফথ কলামিস্ট), "জাতির শত্রু" ইত্যাদি হিসেবে গালি দেওয়া হয় এবং তাদের দেশপ্রেমকে সন্দেহজনক বলা হয়। হিন্দুত্ববাদী আলোচনায় মুসলিমরা একটি ভীতিকর "অন্য" (আদার) হিসেবে কেন্দ্রীয় স্থান দখল করে আছে এবং বড় আকারের [[ইসলামোফোবিয়া|মুসলিম-বিরোধী]] সহিংসতাকে বৈধতা দিতে এটি ব্যবহৃত হয়েছে। ** {{cite book|author=[[যোগিন্দর সিকান্দ]]|editor1-last=আবু-রবি|editor1-first=ইব্রাহিম|title=দ্য ব্ল্যাকওয়েল কম্প্যানিয়ন টু কনটেম্পোরারি ইসলামিক থট|date=2006|page=88}} * “হিন্দুত্ব শব্দটি গালি হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে [...] এটি বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অবজ্ঞাসূচক অর্থে ব্যবহৃত হয় [...] বিতর্কটি এখন আর কেবল পুরোহিতদের গণ্ডিবদ্ধ জগতে বা এমনকি রাজনীতির স্বার্থান্বেষী মহলে সীমাবদ্ধ নেই, এটি হিন্দু সভ্যতার জন্য একটি চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিস্তৃত হয়েছে [...] হিন্দু শব্দের এই অবমাননাকর ব্যবহার আসলে ভারতীয় সভ্যতার ওপর একটি বৃহত্তর আঘাতকে উপস্থাপন করে। এটি আমাকে ব্যথিত করে যে আমি এই দেশে স্কুল ও কলেজে পড়াশোনা করেছি অথচ বিশ্ব ইতিহাসে হিন্দু সভ্যতার বিশাল অবদান সম্পর্কে কোনো ধারণা পাইনি। এটি আমাকে ব্যথিত করে যে আজও আমাদের সন্তানরা, তারা সরকারি স্কুলে যাক বা দামী বেসরকারি স্কুলে, তারা তাদের নিজস্ব সংস্কৃতি বা সভ্যতা সম্পর্কে কোনো জ্ঞান ছাড়াই বেরিয়ে আসে [...] আপনি এমন কোনো ঐতিহ্যের জন্য গর্বিত হতে পারেন না যা সম্পর্কে আপনি কিছুই জানেন না, এবং ধর্মনিরপেক্ষতার নামে আমরা ৫০ বছর এই সভ্যতার হিন্দু শিকড়কে সম্পূর্ণ অস্বীকার করে কাটিয়েছি। আমরা গণশিক্ষার সেই ঔপনিবেশিক ব্যবস্থা পরিবর্তনের জন্য কিছুই করিনি যা এই নীতির ওপর প্রতিষ্ঠিত যে ভারতীয় সভ্যতার দেওয়ার মতো কিছু নেই [...] আমাদের সংস্কৃতি ও সভ্যতার প্রতি আমাদের অবজ্ঞা [...] এটি কি এমন একটি দেশের প্রমাণ নয় যা মজ্জাগতভাবে এখনও উপনিবেশ হয়ে আছে? আমরা নিজেদের সম্পর্কে যে নিচু ধারণা পোষণ করি তা আজকাল পশ্চিমা সংবাদমাধ্যমগুলো লুফে নেয় [...] বর্ণবাদকে হিন্দু জাতীয়তাবাদের সমতুল্য ধরা হচ্ছে। যে দেশগুলো আমাদের দাসত্ব এবং বর্ণবাদ (অ্যাপার্থাইড) উপহার দিয়েছে তাদের মুখে এটি মানায় না, কিন্তু তাদের দোষ দিয়ে লাভ কী যখন আমরা নিজেরাই নিজেদের সম্পর্কে এত খারাপ ভাবি। আমার পক্ষ থেকে আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই যে আমি বিশ্বাস করি ইন্ডিজ ধর্মগুলো সেমেটিক ধর্মগুলোর তুলনায় বিশ্বের জন্য অনেক কম সমস্যা তৈরি করেছে এবং হিন্দু সভ্যতা এমন কিছু যা নিয়ে আমি অত্যন্ত গর্বিত। এটি যদি আমার ‘সাম্প্রদায়িক’ হওয়ার প্রমাণ হয়, তবে আমার অন্তর আত্মা আমাকে বলছে, তাই হোক।” ** টাভলিন সিং, ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস (১৩/৬/২০০৪), সীতা রাম গোয়েল ও কোয়েনরাড এলস্ট (২০০৫) সম্পাদিত 'ইন্ডিয়া'স অনলি কমিউনালিস্ট: ইন কমেমোরেশন অফ সীতা রাম গোয়েল' গ্রন্থে উদ্ধৃত। === ত === * ভারতীয় ফ্রন্টে, হিন্দুত্ব আন্দোলনের উচিত হিন্দুধর্মের পুনর্জাগরণ এবং পুনরুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া; যার মধ্যে কেবল বৈদিক বা [[সংস্কৃত|সংস্কৃত]] উৎস থেকে আসা ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক চর্চাই অন্তর্ভুক্ত নয়, বরং অন্য সব ভারতীয় উৎসও অন্তর্ভুক্ত: আন্দামান দ্বীপবাসী এবং (খ্রিস্টপূর্ব) নাগাদের চর্চাও আঞ্চলিক অর্থে হিন্দু এবং আধ্যাত্মিক অর্থে সনাতন, ঠিক যেমন ধ্রুপদী সংস্কৃত হিন্দুধর্ম। (...) একজন প্রকৃত হিন্দুত্ববাদীর মনে তখন ব্যথার উদ্রেক হওয়া উচিত এবং ইতিবাচক পদক্ষেপ নেওয়ার ইচ্ছা জাগা উচিত যখন তিনি শোনেন যে বিভিন্ন কারণে ভারতের জনসংখ্যায় হিন্দুদের শতাংশ কমে যাচ্ছে অথবা হিন্দুরা প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রে [[বৈষম্য|বৈষম্যের]] শিকার হচ্ছে; কেবল তখনই নয়, বরং যখন তিনি শোনেন যে আন্দামানি [[জাতি|জাতি]] এবং [[ভাষা|ভাষা]] [[বিলুপ্তি|বিলুপ্ত]] হয়ে যাচ্ছে; লক্ষ লক্ষ বছরের পুরোনো বিশাল [[বন|বনভূমি]] চিরতরে মুছে ফেলা হচ্ছে; প্রাচীন এবং [[মধ্যযুগ|মধ্যযুগীয়]] হিন্দু স্থাপত্য স্মৃতিস্তম্ভগুলো লুটপাট বা অবহেলার শিকার হচ্ছে; অমূল্য প্রাচীন নথিগুলো ধ্বংস হচ্ছে বা পচতে দেওয়া হচ্ছে; অসংখ্য শিল্পকলা, হস্তশিল্প, স্থাপত্যশৈলী, [[উদ্ভিদ|উদ্ভিদ]] ও [[প্রাণী|প্রাণী]] প্রজাতি, [[সংগীত|সংগীতের]] রূপ এবং বাদ্যযন্ত্র বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে; আমাদের পবিত্র নদী এবং পরিবেশ অপরিবর্তনীয়ভাবে দূষিত ও ধ্বংস হচ্ছে... ** এস.আর. গোয়েল সম্পাদিত 'টাইম ফর স্টক-টেকিং', পৃষ্ঠা ২২৭-২২৮-এ তালাগেরি। * হিন্দুধর্ম হলো বিশ্বব্যাপী সনাতনবাদের (ইংরেজিতে যাকে প্যাগানিজম বলা যেতে পারে) ভারতীয় আঞ্চলিক রূপ। তাই হিন্দুত্ব আদর্শটি হওয়া উচিত একটি সর্বজনীন আদর্শ: সাম্রাজ্যবাদী মতাদর্শের আবির্ভাবের আগে সারা বিশ্বে বিদ্যমান সমস্ত ধর্ম ও সংস্কৃতির পুনর্জাগরণ এবং আধ্যাত্মিক পুনরুত্থানে এর নেতৃত্ব দেওয়া উচিত... ** এস.আর. গোয়েল সম্পাদিত 'টাইম ফর স্টক-টেকিং', পৃষ্ঠা ২২৭-২২৮-এ তালাগেরি। * প্রাক-আধুনিক হিন্দুধর্মে অন্য সব ধর্মের মতো ছোট-বড় ত্রুটি ছিল, কিন্তু এর সূক্ষ্মতাগুলো বর্তমানের তুলনায় অনেক বেশি সমৃদ্ধ ছিল। হিন্দুত্ব অনেক দিক থেকেই হিন্দুধর্মের বিপরীত এবং এর লক্ষ্য হলো এমন একটি সমাজ তৈরি করা যা সংকীর্ণ ও ধর্মান্ধ; যেখানে বিভিন্ন ধরণের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মতো ভিন্নমতাবলম্বীদের সাথে সহাবস্থান ক্রমশ অসম্ভব হয়ে পড়ছে, যা সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার পুনরাবৃত্তি থেকেই প্রমাণিত হয়। ** [[রোমিলা থাপার]], ''দ্য পাস্ট অ্যাজ প্রেজেন্ট: ফোর্জিং কনটেম্পোরারি আইডেন্টিটিস থ্রু হিস্ট্রি'' (২০১৪)। * হিন্দুত্ব দাবি করে যে তারা ভারতীয় ধর্ম, ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতির পশ্চিমা ব্যাখ্যার বিপরীতে দেশীয় ভারতীয় চিন্তাধারার প্রতিনিধিত্ব করে। তাদের দাবি হলো ঔপনিবেশিক পাণ্ডিত্য তাদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এবং উপনিবেশবাদকে বৈধতা দিতে ভারতীয় সংস্কৃতিকে ব্যবহার করেছে। অথচ হিন্দুত্ব ঠিক একই কাজ করছে—রাজনৈতিক সংহতি সহজ করার জন্য ঔপনিবেশিক ব্যাখ্যার আদলে হিন্দুধর্মকে পুনর্গঠিত করছে। এটি রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণের কর্মসূচিকে এগিয়ে নিতে [[জেমস মিল]] এবং [[ম্যাক্স মুলার|ম্যাক্স মুলারের]] মতো ঔপনিবেশিক তত্ত্বগুলো ব্যবহার করে। ইতিহাসকে কাজে লাগানো তাদের অতীতকে নিজেদের মতো করে বোঝার চেষ্টার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হয়ে দাঁড়ায়। ** [[রোমিলা থাপার]], ''দ্য পাস্ট অ্যাজ প্রেজেন্ট: ফোর্জিং কনটেম্পোরারি আইডেন্টিটিস থ্রু হিস্ট্রি'' (২০১৪)। == আরও দেখুন == * [[হিন্দু জাতীয়তাবাদ]] == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:রাজনৈতিক আদর্শ]] [[বিষয়শ্রেণী:হিন্দু জাতীয়তাবাদ]] 7pgij4nxqxqy4lglq0ppizzpzzbevde 79957 79956 2026-04-23T07:59:43Z Tuhin 172 /* ন */ 79957 wikitext text/x-wiki '''[[w:হিন্দুত্ব|হিন্দুত্ব]]''' (আক্ষরিক অর্থে "হিন্দু-ত্ব") হলো একটি রাজনৈতিক [[আদর্শ]] যা [[হিন্দু জাতীয়তাবাদ|হিন্দু জাতীয়তাবাদের]] সাংস্কৃতিক যৌক্তিকতাকে ধারণ করে। এই রাজনৈতিক আদর্শটি ১৯২৩ সালে [[বিনায়ক দামোদর সাভারকর]] প্রণয়ন করেছিলেন। এটি [[রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ]] (আরএসএস), [[w:বিশ্ব হিন্দু পরিষদ|বিশ্ব হিন্দু পরিষদ]] (ভিএইচপি), [[ভারতীয় জনতা পার্টি]] (বিজেপি) এবং অন্যান্য সংস্থা দ্বারা ব্যবহৃত হয়, যাদের একত্রে [[w:সংঘ পরিবার|সংঘ পরিবার]] বলা হয়। __NOTOC__ {{TOCalpha|}} == উক্তি == === দ === *"প্রশ্ন: আমি বিশ্বাস করি আপনি সংঘ পরিবারের আদর্শের সাথে পরিচিত।<br>উত্তর: হ্যাঁ, অবশ্যই, গত ৩০ বছর ধরে। অবশ্যই, আমি এই সংস্থাগুলো সম্পর্কে কিছু সমালোচনামূলক দৃষ্টিভঙ্গিরও সম্মুখীন হয়েছি। তবে একই সাথে আমি দেখতে পাচ্ছি যে, সংঘ পরিবার [[ভারত|ভারতের]] জাতীয় পরিচয় এবং [[ভারতের সংস্কৃতি|সংস্কৃতি]] সংরক্ষণের বিষয়ে অত্যন্ত সচেতন। এই দিকটি আমাকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করেছে। সত্যি বলতে, এই দেশে এমন কিছু মানুষ আছেন যারা পশ্চিমা জীবনযাত্রার প্রতি মোহগ্রস্ত। আমি সবসময় আমার ভারতীয় বন্ধুদের বলেছি যে তাদের নিজস্ব সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে অবহেলা করার কোনো মানে হয় না। সেই হিসেবে, ভারতের ঐতিহ্যগত মূল্যবোধ ও আদর্শ সংরক্ষণের জন্য কাজ করা যেকোনো সংস্থা অবশ্যই সমস্ত শুভাকাঙ্ক্ষী মানুষের সমর্থন পাওয়ার যোগ্য।" **[[চতুর্দশ দালাই লামা|দালাই লামা]], [কানপুরে এবিভিপি সম্মেলনে এস. সুরেশ কর্তৃক গৃহীত সাক্ষাৎকার যা ২২ নভেম্বর ১৯৯২ তারিখে অর্গানাইজার-এ প্রকাশিত হয়।] * * হিন্দুত্ব আসলে বলতে বোঝায় ভারত প্রাথমিকভাবে একটি হিন্দু 'রাষ্ট্র' ছিল এই ধারণার সাথে একাত্মতা, যেমনটা এর প্রবক্তারা মনে করেন। এটি কোনো [[ধর্ম|ধর্মীয়]] [[দর্শন]] বা সমাজ সংস্কার আন্দোলন নয় বরং এটি সাংস্কৃতিক অন্ধবিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা একটি [[রাজনৈতিক দর্শন]]। এই আদর্শ জোর দিয়ে বলে যে ভারতের অ-হিন্দুদের "[[সংখ্যালঘু গোষ্ঠী|সংখ্যালঘু]]" হিসেবে তাদের স্থান মেনে নিতে হবে। তাদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নির্ভর করবে মূলত সংখ্যাগুরুদের সদিচ্ছা অর্জন করার ক্ষমতার ওপর। হিন্দুত্ব আদর্শের মূল কথা হলো সংখ্যাগুরুদের ভালোকেই যেকোনো সংখ্যালঘুর জন্য ভালো হিসেবে দেখা উচিত। এখানে সংখ্যালঘু অধিকারের যেকোনো দাবিকে সংখ্যাগুরুদের রাজনৈতিক কর্তৃত্বের প্রতি একটি হুমকি ও চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এই কারণে এমন সংখ্যালঘুদের হিন্দুত্ববাদীরা দেশবিরোধী এবং সমাজবিরোধী হিসেবে দেখে থাকে। এছাড়া সংখ্যালঘুদের সংখ্যা বাড়ানোর যেকোনো প্রচেষ্টাকে তারা [[আগ্রাসন]] হিসেবে গণ্য করে। ফলে [[w:খ্রিস্টধর্মে ধর্মান্তর|খ্রিস্টধর্মে ধর্মান্তর]] কিংবা কোনো [[হিন্দু]] মেয়ের সাথে কোনো [[মুসলিম]] বা [[খ্রিস্টান|খ্রিস্টান]] পুরুষের বিবাহকে তারা অবাঞ্ছিত ও উস্কানিমূলক কাজ হিসেবে দেখে। ** [[জি. এন. ডেভি]], "আদিবাসীস অ্যান্ড দলিতস: ট্রাইবাল ভয়েস অ্যান্ড ভায়োলেন্স", এস. ভারাদারাজন সম্পাদিত ''গুজরাত: দ্য মেকিং অফ এ ট্র্যাজেডি'' (২০০২), পৃষ্ঠা ২৬২-২৬৩। নয়াদিল্লি: পেঙ্গুইন। === জ === * সাভারকরের হিন্দুত্ব প্রাথমিকভাবে একটি জাতিগত সম্প্রদায় হিসেবে কল্পনা করা হয়েছিল যার একটি নির্দিষ্ট ভূখণ্ড থাকবে এবং যারা একই নৃতাত্ত্বিক ও সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য শেয়ার করবে। এই তিনটি বৈশিষ্ট্য মূলত [[w:বৈদিক যুগ|বৈদিক স্বর্ণযুগের]] পৌরাণিক পুনর্গঠন থেকে উদ্ভূত। ** [[ক্রিস্টোফ জাফ্রেলট]], ''দ্য হিন্দু ন্যাশনালিস্ট মুভমেন্ট ইন ইন্ডিয়া'' (লন্ডন: হার্স্ট, ১৯৯৩), পৃষ্ঠা ২৭। [https://thediplomat.com/2021/01/hindutvas-realism-in-modis-foreign-policy/ "হিন্দুত্ব’স রিয়ালিজম ইন মোদি’স ফরেন পলিসি"], ''দ্য ডিপ্লোম্যাট'', ১ জানুয়ারি ২০২১-এ উদ্ধৃত। *"মুসলিম-বিদ্বেষী হিসেবে হিন্দুত্বের ভুল উপস্থাপন বা অপব্যাখ্যা এমনভাবে গেঁথে গেছে যে এমনকি এর প্রবক্তারাও, যাদের মধ্যে ভারতীয় জনতা পার্টির কিছু নেতাও রয়েছেন, নিজেরাই এ বিষয়ে রক্ষণাত্মকভাবে কথা বলেন।" **গিরিলাল জৈন, পৃষ্ঠা ১০৬, দ্য [[হিন্দু]] ফেনোমেনন, আইএসবিএন ৮১-৮৬১১২-৩২-৪। * হিন্দুত্ববাদী শক্তিগুলো দেশে ধর্মীয় সংঘাত বাড়ানোর উদ্দেশ্যে যুক্তি দেয় যে অতীতে [[হিন্দু|হিন্দুদের]] জোরপূর্বক [[ভারতে ইসলাম|ইসলাম]] এবং [[ভারতে খ্রিস্টধর্ম|খ্রিস্টধর্মে]] ধর্মান্তরিত করা হয়েছিল এবং তাই তাদের পুনরায় ধর্মান্তরিত (ঘর ওয়াপাসি) করে হিন্দু বলয়ে ফিরিয়ে আনতে হবে। কিন্তু এ ধরণের দাবির আমাদের ইতিহাসে কোনো ভিত্তি নেই। ** [[ডি. এন. ঝা]], পাঞ্জাব ইতিহাস সম্মেলনের ৩১তম অধিবেশনে সভাপতির ভাষণ, ১৯-২১ মার্চ ১৯৯৯। [https://www.jstor.org/stable/3517941 "এগেইনস্ট কমিউনালাইজিং হিস্ট্রি"], ''সোশ্যাল সায়েন্টিস্ট'', ভলিউম ২৬, নম্বর ৯/১০ (সেপ্টেম্বর - অক্টোবর ১৯৯৮), পৃষ্ঠা ৫৪। === ম === * ভারতে ১৯৯০-এর দশকে হিন্দু জাতীয়তাবাদের উত্থান ভারতের ঐতিহ্যের কিছু অংশ মুছে ফেলার এবং [[ভারতের ইতিহাস|ভারতীয় ইতিহাসকে]] নতুন করে লেখার অসাধারণ প্রচেষ্টা নিয়ে আসে। ১৯৯২ সালে কট্টরপন্থীরা – যাদের হিন্দু [[ডানপন্থী রাজনীতি|ডানপন্থী]] রাজনীতিবিদরা সমর্থন দিয়েছিল – [[w:উত্তর ভারত|উত্তর ভারতের]] [[অযোধ্যা বিবাদ|অযোধ্যায়]] একটি ষোড়শ শতাব্দীর [[মসজিদ]] ধ্বংস করে এই যুক্তিতে যে এটি [[হিন্দু দেবতা]] [[রাম|রামে]]র জন্মস্থানের ওপর নির্মিত হয়েছিল। উৎসাহিত হয়ে তারা ঘোষণা করে যে তারা [[তাজমহল]]সহ অন্যান্য মুসলিম স্থাপত্য ধ্বংস করতে এগিয়ে যাবে। এটি ভারতের পরিচয়কে একচেটিয়াভাবে হিন্দু বা হিন্দু জাতীয়তাবাদীদের ব্যবহৃত শব্দ 'হিন্দুত্ব' হিসেবে চিহ্নিত করার একটি বৃহত্তর অভিযানের অংশ ছিল। ভারতের ইতিহাস অনিবার্যভাবে এর একটি প্রধান অনুষঙ্গ হয়ে ওঠে। প্রাপ্ত প্রমাণের ভিত্তিতে প্রচলিত ধারণা ছিল যে, উর্বর [[w:সিন্ধু নদ|সিন্ধু উপত্যকায়]] খ্রিস্টপূর্ব ৩০০০ থেকে ১৭০০ অব্দের মধ্যে [[সিন্ধু সভ্যতা|হরপ্পা সভ্যতা]] গড়ে উঠেছিল। ঘোড়সওয়ার [[আর্য জাতি|আর্যরা]] যখন উত্তর দিক থেকে নিচে নেমে আসে (সম্ভবত শান্তিপূর্ণ অভিবাসী হিসেবে অথবা সম্ভবত যুদ্ধবাজ আক্রমণকারী হিসেবে) তখন এটি ধীরে ধীরে বিলীন হয়ে যায়। এটি হিন্দু জাতীয়তাবাদীদের পছন্দ হয়নি কারণ এর অর্থ দাঁড়ায় যে একটি [[আদিবাসী|আদিবাসী সভ্যতা]] বাইরে থেকে আসা কারো কাছে নতি স্বীকার করেছে এবং তাদের নিজস্ব সংস্কৃতিতে বিদেশি উপাদান থাকতে পারে। আজকের হিন্দু জাতীয়তাবাদীদের আধ্যাত্মিক গুরু হিসেবে পরিচিত [[w:মাধব গোলওয়ালকর|মাধব গোলওয়ালকর]] ১৯৩০-এর দশকে লিখেছিলেন, “হিন্দুরা অন্য কোথাও থেকে এই ভূমিতে আসেনি বরং তারা অনাদিকাল থেকেই এই মাটির আদি সন্তান।” অবশ্যই এটি জাতি ও সভ্যতার বিকাশ ও সংমিশ্রণের এক অদ্ভুত সরলীকৃত দৃষ্টিভঙ্গি ছিল। তারা আম্বারে (এক ধরণের পাথর) চিরকাল আটকে থাকা মাছির মতো নয় বরং অনেক উপনদী থাকা নদীর মতো। ** [[মার্গারেট ম্যাকমিলান]], ''দ্য ইউজেস অ্যান্ড অ্যাবিউজেস অফ হিস্ট্রি'' (২০০৮), পৃষ্ঠা ৭৮-৭৯। * হিন্দুত্ব প্রকল্পের জন্য ভারতের হিন্দু এবং তাদের দ্বারা নির্মিত ঘৃণিত "অন্যান্য" অর্থাৎ ভারতের মুসলিম ও খ্রিস্টানদের মধ্যে একটি আমূল ও সহিংস বিচ্ছেদ প্রয়োজন। ** [[হর্ষ মান্দার]], [https://thewire.in/communalism/is-india-lurching-into-a-genocide "ইজ ইন্ডিয়া লারচিং ইনটু এ জেনোসাইড?"], ''দ্য ওয়্যার'', ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২২। * এমন নয় যে হিন্দুত্ব সমর্থকরা সম্পূর্ণ ভিন্ন পরিণতির সম্পূর্ণ ভিন্ন ঘটনাগুলোকে সমানভাবে দেখে, বরং তারা ইচ্ছাকৃতভাবে এমন তথ্যগুলো এড়িয়ে যায় যে ভিআইপি (মন্ত্রী, এমপি, এমএলএ) ঘৃণ্য বক্তৃতার ৮০-৯০ শতাংশ বিজেপির দ্বারা সংঘটিত হয়েছে অথবা বিজেপির আইটি সেলের প্রধান সবচেয়ে বিপজ্জনক এবং [[w:ভারতে ভুয়া খবর|ভুয়া]] সাম্প্রদায়িক প্রচারণার বৃহত্তম প্রচারক। শাসক দলের সাথে অন্য দলের কোনো তুলনাই হয় না। ** [[নিসিম মানাথুক্কারেন]], [https://thewire.in/communalism/delhi-riots-communalism-false-equivalence ''দ্য বারবারিটি অফ ফলস ইকুইভ্যালেন্স''], ৮ মার্চ ২০২০, ''[[w:দ্য ওয়্যার (ভারত)|দ্য ওয়্যার]]''। * আমি হিন্দুত্বে বিশ্বাস করি যা প্রাচীন ধারণা "[[w:বসুধৈব কুটুম্বকম|বসুধৈব কুটুম্বকম]]"-এর ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত। আমি বিশ্বাস করি পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং সহযোগিতা বিদেশি রাষ্ট্রগুলোর সাথে সম্পর্কের ভিত্তি হওয়া উচিত। এবং আমি আত্মবিশ্বাসী যে অন্য দেশগুলোর সাথে বৈদেশিক বিষয়গুলো পরিচালনার ক্ষেত্রে আমার হিন্দুত্ববাদী ভাবমূর্তি একটি সম্পদ হিসেবে কাজ করবে। ** [[নরেন্দ্র মোদি]], [http://archive.indianexpress.com/news/narendra-modi-my-hindutva-face-will-be-an-asset-in-foreign-affairs/1243097/ "নরেন্দ্র মোদি: মাই হিন্দুত্ব ফেস উইল বি এন অ্যাসেট ইন ফরেন অ্যাফেয়ার্স"], ''দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস'', ২৩ এপ্রিল ২০১৪। === ন === * মানুষ আমাকে ভারতের হিন্দুত্ববাদী শক্তিগুলো সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে। কয়েক বছর আগে আমি যখন বলেছিলাম যে ভারতে এই নতুন ধরণের আত্মসচেতনতার সাথে হিন্দু ধারণাটি প্রায় একটি প্রয়োজনীয় প্রাথমিক পর্যায়, তখন আমি কিছুটা সমস্যায় পড়েছিলাম। এর মধ্যে বৃহত্তর এবং নতুন ধারণার সূত্রপাত রয়েছে: ইতিহাসের ধারণা, মানব পরিবারের ধারণা এবং ভারতের ধারণা। আমি আশা করি এই আত্মসচেতনতা কেবল এখানেই থমকে থাকবে না এবং আমি মনে করি না যে এটি থাকবে, তবে এটি প্রয়োজনীয়। আমরা এমন একটি দেশ নিয়ে কাজ করছি যা খুব নিচু স্তর থেকে শুরু হয়েছে। একটি খুব নিচু বৌদ্ধিক স্তর এবং নিচু অর্থনৈতিক স্তর। মানুষ যখন এগিয়ে যেতে শুরু করে, তখন প্রথম আনুগত্য এবং প্রথম পরিচয় সবসময়ই কিছুটা ক্ষুদ্র হয়। তারা তাৎক্ষণিকভাবে অন্য কিছু হয়ে উঠতে পারে না। আমি মনে করি ভারতের বর্তমান প্রতিটি বিশৃঙ্খলার মধ্যেই একটি বৃহত্তর ইতিবাচক আন্দোলন রয়েছে। তবে ভবিষ্যৎ বেশ অরাজক হবে। রাজনীতিকে এখন জনগণের স্তরে থাকতে হবে। [[জওহরলাল নেহরু|নেহরু]]র মতো মানুষরা ছিলেন ঔপনিবেশিক ধাঁচের রাজনীতিবিদ। তারা অনেকাংশেই ঔপনিবেশিক ব্যবস্থার দ্বারা তৈরি এবং সুরক্ষিত ছিলেন। তারা সাধারণ মানুষের মধ্য থেকে শুরু করেননি। ** ভি.এস. নাইপল, 'এ মিলিয়ন মিউটিনিস', ভি.এস. নাইপল, ইন্ডিয়া টুডে, ১৮ আগস্ট ১৯৯৭।[https://web.archive.org/web/20050313091232/http://www.caribbeanhindu.com:80/VS_Naipaul.htm] * হিন্দুত্ববাদী যোদ্ধাদের ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের মানহানি করার অত্যন্ত অশুভ উদ্দেশ্য রয়েছে। ** [[মীরা নন্দা]], {{Cite book|url=https://www.jstor.org/stable/40279263|title=হিন্দু ট্রায়ামফালিজম অ্যান্ড দ্য ক্ল্যাশ অফ সিভিলাইজেশনস|date=2009|publisher=ইকোনমিক অ্যান্ড পলিটিক্যাল উইকলি|page=১১১}} === প === * [[মহাত্মা গান্ধী|মহাত্মা]] ছিলেন সম্প্রদায় এবং মানুষের মধ্যে সমন্বয়কারী। বিভাজন নয় বরং অন্তর্ভুক্তিই ছিল তার পথ। হিন্দুধর্মের ব্যাখ্যার বিষয়ে 'হিন্দুত্ব' গান্ধীর সাথে একমত ছিল না। হিন্দুত্বের লক্ষ্যগুলো আত্মপরিচয় এবং আত্মসংজ্ঞার বিষয়ে শক্তিশালী হলেও এগুলো বিচ্ছিন্নতাবাদী প্রবণতাসম্পন্ন। একজন বৈষ্ণব হিসেবে গান্ধী বিশ্বাস করতেন "অন্যের কষ্টকে নিজের কষ্ট হিসেবে গণ্য করতে।" এমন দৃষ্টিভঙ্গি থেকে এটি স্পষ্ট যে হিন্দুত্বের অসহিষ্ণুতা ভারতের মানুষকে একটি সহানুভূতিশীল ও ন্যায়সঙ্গত সামাজিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে দেবে না। ** [[অ্যান্থনি পারেল]], ''গান্ধী, ফ্রিডম, অ্যান্ড সেলফ-রুল'' (২০০০), লেক্সিংটন বুকস, পৃষ্ঠা ১৩৩। * হিন্দুত্ব আন্দোলন যেভাবে আত্মপ্রকাশ করেছে তা প্রায় ধ্রুপদী অর্থে এর আদর্শে ফ্যাসিবাদী, এর শ্রেণী সমর্থনে ফ্যাসিবাদী, এর পদ্ধতিতে ফ্যাসিবাদী এবং এর কর্মসূচিতেও ফ্যাসিবাদী। একটি ফ্যাসিবাদী আদর্শের সমস্ত উপাদান এতে বিদ্যমান: 'হিন্দু' নামক একটি সমজাতীয় ধারণার অধীনে সংখ্যাগুরুদের ঐক্যবদ্ধ করার চেষ্টা; অতীতে একটি বহিষ্কৃত সংখ্যালঘু গোষ্ঠী কর্তৃক এই সমজাতীয় গোষ্ঠীর ওপর করা কথিত অন্যায়ের বিরুদ্ধে ক্ষোভের অনুভূতি; এই সংখ্যালঘুর তুলনায় সাংস্কৃতিক শ্রেষ্ঠত্বের বোধ; এই পরিভাষায় ইতিহাসের পুনর্যাখ্যা; বিপরীত প্রমাণের সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যান, নিরপেক্ষ বিশ্লেষণ, বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি এবং যুক্তিযুক্ত আলোচনার প্রত্যাখ্যান; এবং সর্বোপরি তথাকথিত সমজাতীয় সংখ্যাগরিষ্ঠদের প্রতি আবেগপূর্ণ ও পুরুষতান্ত্রিক ভাষায় 'দাঁড়িয়ে পড়ার', 'নিজেদের পুরুষত্ব জাহির করার' আহ্বান—যা সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে সহিংসতায় উস্কানি দেয় এবং প্রকৃত সহিংসতার জন্ম দেয়। এর আবেদন কোনো উন্নত বা সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের স্বপ্নের ওপর ভিত্তি করে নয় বরং এটি ঘৃণার ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত। ** [[প্রভাত পট্টনায়ক]], "ফ্যাসিবজম অফ আওয়ার টাইমস", ''সোশ্যাল সায়েন্টিস্ট'', ভলিউম ২১, নম্বর ৩/৪, ১৯৯৩, পৃষ্ঠা ৬৯–৭০। * ঠিক যেমনটা [[মহা মন্দা|১৯৩০-এর দশকে]] হয়েছিল, বর্তমান বিশ্ব পুঁজিবাদও একটি কানাগলিতে পৌঁছেছে এবং আগের মতো চলতে পারছে না। ভারতের শাসক গোষ্ঠী অবশ্য বিশ্ব পরিস্থিতির বিষয়ে সম্পূর্ণ অজ্ঞাত। নিও-লিবারেলিজম বা নব্য-উদারতাবাদের এই শেষ পরিণতি যা এমনকি মহানগরের বুর্জোয়া চিন্তাবিদদের কাছেও দৃশ্যমান, তা আমাদের হিন্দুত্ব ব্রিগেডের কাছে অদৃশ্য। ** [[প্রভাত পট্টনায়ক]], ''দ্য ওয়ার্ল্ড অ্যাট ক্রসরোডস'', ২৯ মে ২০২০, ''নিউজক্লিক''। * হিন্দুত্ব তাদের শত্রুদের ক্রমানুসারে সাজিয়েছে—মুসলিম, খ্রিস্টান এবং [[ভারতে কমিউনিজম|কমিউনিস্ট]]। এটি [[অ্যাডলফ হিটলার|হিটলারের]] "জাতীয়" গর্বের প্রশংসা করেছিল এবং সংখ্যালঘুদের সাথে মোকাবিলা করার ক্ষেত্রে নাৎসি মডেলের সহায়তা চেয়েছিল। হিটলারের মতো হিন্দুত্বও জাতিগত শ্রেষ্ঠত্বে বিশ্বাস করত এবং বিশ্ব আধিপত্যের স্বপ্ন দেখত। গতকাল এটি ব্রিটিশ রাজের সাথে সহযোগিতা করেছিল। আজ এটি সেই তেরঙা পতাকা ওড়ায় যাকে তারা একসময় প্রকাশ্যে অবজ্ঞা করেছিল এবং এমন একটি সংবিধান মেনে চলার ভান করে যাকে তারা 'মনুসংহিতা' দিয়ে প্রতিস্থাপন করতে চেয়েছিল; যা একটি নারীবিদ্বেষী ও ব্রাহ্মণবাদী পাঠ্য। তারা প্রতিটি সহজলভ্য সরকারি সম্পদ বিদেশি বা ভারতীয় ঘনিষ্ঠ পুঁজিপতিদের কাছে বিক্রি করতে ব্যস্ত। ১৯৪৮ সালে তাদের হাতে গান্ধীর হত্যাকাণ্ড—শব্দে উচ্চারণ না করলেও—শত্রুদের তালিকায় একটি নতুন নাম যোগ করেছে; সেইসব হিন্দু যারা হিন্দুত্ব প্রকল্পের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিল। ** [[আনন্দ পটবর্ধন]], [https://scroll.in/article/1005159/anand-patwardhan-if-hindutva-is-hinduism-then-the-ku-klux-klan-is-christianity "আনন্দ পটবর্ধন: ইফ হিন্দুত্ব ইজ হিন্দুইজম দেন দ্য কু ক্লাক্স ক্ল্যান ইজ ক্রিশ্চিয়ানিটি"], ১২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ''স্ক্রল.ইন''। === স === * একটি গণ-আন্দোলন হিসেবে হিন্দুত্বের (বা ফ্যাসিবাদের) মূল বিষয় হলো অতীতের কুসংস্কার থেকে বিচ্ছিন্ন উপাদান সংগ্রহ করে এবং সেগুলোকে কৌশলে পুরানো সত্য হিসেবে সাজিয়ে আধুনিক মিডিয়া কৌশলের মাধ্যমে প্রচার করার মাধ্যমে একটি শক্তিশালী ও প্রসারযোগ্য শত্রু-ভাবমূর্তি তৈরি করা। এখানে মুসলিমরা অনেকটা ইহুদিদের সমতুল্য হয়ে ওঠে। বর্ণবাদী মনোভাব শেষ পর্যন্ত খুব সাম্প্রতিক 'বাবর কি আওলাদ' (বাবরের সন্তান) সূত্রের মধ্যে চমৎকারভাবে গেঁথে দেওয়া হয়েছে। বাবরের বংশধর হওয়ার কথিত দাবিই কাউকে অপরাধী সাব্যস্ত করার জন্য যথেষ্ট, কোনো প্রকৃত অপকর্মের প্রয়োজন নেই; ঠিক যেমন একসময় ধর্মান্ধ খ্রিস্টান মহলে সমস্ত ইহুদিদের দোষী সাব্যস্ত করা হতো কারণ তাদের পূর্বপুরুষরা যিশুর ক্রুশবিদ্ধ হওয়ার সময় কথিত ভূমিকা পালন করেছিল। ** [[সুমিত সরকার]], "দ্য ফ্যাসিবজম অফ দ্য সংঘ পরিবার", ''ইকোনমিক অ্যান্ড পলিটিক্যাল উইকলি'', ভলিউম ২৮, নম্বর ৫, ১৯৯৩, পৃষ্ঠা ১৬৫। * হিন্দুত্বের সাংগঠনিক কাঠামো হলো ঘৃণা ছড়িয়ে দেওয়ার কাজে নিয়োজিত বিশ্বের প্রাচীনতম, সবচেয়ে নিরবচ্ছিন্ন এবং অবশ্যই সবচেয়ে বহুমুখী রাজনৈতিক গঠন। ** [[তানিকা সরকার]], ''হিন্দু ন্যাশনালিজম ইন ইন্ডিয়া'' (২০২২)। [https://thewire.in/books/book-review-the-hindutva-growth-story "বুক রিভিউ: দ্য হিন্দুত্ব গ্রোথ স্টোরি"], ''দ্য ওয়্যার'', ২১ আগস্ট ২০২২-এ উদ্ধৃত। * হিন্দুত্ব কেবল একটি শব্দ নয় বরং একটি ইতিহাস। এটি কেবল আমাদের জনগণের আধ্যাত্মিক বা ধর্মীয় ইতিহাস নয়—যেমনটা অনেক সময় এর সমার্থক শব্দ হিন্দুধর্মের সাথে গুলিয়ে ফেলা হয়—বরং এটি একটি পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস। হিন্দুধর্ম হলো হিন্দুত্বের একটি আহরিত অংশ বা একটি ভগ্নাংশ মাত্র। হিন্দুত্ব আমাদের হিন্দু জাতির সমগ্র সত্তার চিন্তা ও কর্মকাণ্ডের সমস্ত বিভাগকে আলিঙ্গন করে। ** [[বিনায়ক দামোদর সাভারকর]], ''হিন্দুত্ব: হু ইজ এ হিন্দু?'' (পঞ্চম সংস্করণ, ১৯৬৯), পৃষ্ঠা ৩-৪। * হিন্দু আন্দোলনের আদর্শ ব্যাখ্যা করার ক্ষেত্রে এই তিনটি শব্দের সাথে যুক্ত অর্থের সঠিক ধারণা থাকা অত্যন্ত আবশ্যক। "হিন্দু" শব্দ থেকে ইংরেজি ভাষায় "হিন্দুইজম" শব্দটি তৈরি হয়েছে। এর অর্থ হলো হিন্দুরা যে সমস্ত ধর্মীয় মতবাদ বা ব্যবস্থা অনুসরণ করে। দ্বিতীয় শব্দটি হলো "হিন্দুত্ব", যা অনেক বেশি ব্যাপক এবং এটি কেবল হিন্দু জনগণের ধর্মীয় দিকগুলোকেই বোঝায় না—যেমনটা হিন্দুইজম করে—বরং তাদের সাংস্কৃতিক, ভাষাগত, সামাজিক এবং রাজনৈতিক দিকগুলোকেও অন্তর্ভুক্ত করে। এটি কমবেশি 'হিন্দু পলিটি' বা হিন্দু রাষ্ট্রব্যবস্থার সমরূপ এবং এর প্রায় সঠিক অনুবাদ হবে "হিন্দুনেস"। তৃতীয় শব্দটি হলো "হিন্দুডম", যার অর্থ হলো সমষ্টিগতভাবে হিন্দু জনগোষ্ঠী। এটি হিন্দু বিশ্বের একটি সম্মিলিত নাম, ঠিক যেমন ইসলাম দ্বারা মুসলিম বিশ্বকে বোঝানো হয়। ** [[বি.ডি. সাভারকর]], বি.আর. আম্বেদকরের 'পাকিস্তান অর দ্য পার্টিশন অফ ইন্ডিয়া' (১৯৪৬) থেকে উদ্ধৃত। * একজন হিন্দু অন্য একজন হিন্দুকে বিয়ে করলে তার জাত যেতে পারে, কিন্তু তার হিন্দুত্ব নয়। ** বি.ডি. সাভারকর, হিন্দুত্ব, পৃষ্ঠা ৯০। * ফ্যাসিবাদী হিন্দুত্ববাদী কল্পনায় ভারতীয় মুসলিমদের ক্রমাগত পাকিস্তানি "পঞ্চম বাহিনী" (ফিফথ কলামিস্ট), "জাতির শত্রু" ইত্যাদি হিসেবে গালি দেওয়া হয় এবং তাদের দেশপ্রেমকে সন্দেহজনক বলা হয়। হিন্দুত্ববাদী আলোচনায় মুসলিমরা একটি ভীতিকর "অন্য" (আদার) হিসেবে কেন্দ্রীয় স্থান দখল করে আছে এবং বড় আকারের [[ইসলামোফোবিয়া|মুসলিম-বিরোধী]] সহিংসতাকে বৈধতা দিতে এটি ব্যবহৃত হয়েছে। ** {{cite book|author=[[যোগিন্দর সিকান্দ]]|editor1-last=আবু-রবি|editor1-first=ইব্রাহিম|title=দ্য ব্ল্যাকওয়েল কম্প্যানিয়ন টু কনটেম্পোরারি ইসলামিক থট|date=2006|page=88}} * “হিন্দুত্ব শব্দটি গালি হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে [...] এটি বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অবজ্ঞাসূচক অর্থে ব্যবহৃত হয় [...] বিতর্কটি এখন আর কেবল পুরোহিতদের গণ্ডিবদ্ধ জগতে বা এমনকি রাজনীতির স্বার্থান্বেষী মহলে সীমাবদ্ধ নেই, এটি হিন্দু সভ্যতার জন্য একটি চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিস্তৃত হয়েছে [...] হিন্দু শব্দের এই অবমাননাকর ব্যবহার আসলে ভারতীয় সভ্যতার ওপর একটি বৃহত্তর আঘাতকে উপস্থাপন করে। এটি আমাকে ব্যথিত করে যে আমি এই দেশে স্কুল ও কলেজে পড়াশোনা করেছি অথচ বিশ্ব ইতিহাসে হিন্দু সভ্যতার বিশাল অবদান সম্পর্কে কোনো ধারণা পাইনি। এটি আমাকে ব্যথিত করে যে আজও আমাদের সন্তানরা, তারা সরকারি স্কুলে যাক বা দামী বেসরকারি স্কুলে, তারা তাদের নিজস্ব সংস্কৃতি বা সভ্যতা সম্পর্কে কোনো জ্ঞান ছাড়াই বেরিয়ে আসে [...] আপনি এমন কোনো ঐতিহ্যের জন্য গর্বিত হতে পারেন না যা সম্পর্কে আপনি কিছুই জানেন না, এবং ধর্মনিরপেক্ষতার নামে আমরা ৫০ বছর এই সভ্যতার হিন্দু শিকড়কে সম্পূর্ণ অস্বীকার করে কাটিয়েছি। আমরা গণশিক্ষার সেই ঔপনিবেশিক ব্যবস্থা পরিবর্তনের জন্য কিছুই করিনি যা এই নীতির ওপর প্রতিষ্ঠিত যে ভারতীয় সভ্যতার দেওয়ার মতো কিছু নেই [...] আমাদের সংস্কৃতি ও সভ্যতার প্রতি আমাদের অবজ্ঞা [...] এটি কি এমন একটি দেশের প্রমাণ নয় যা মজ্জাগতভাবে এখনও উপনিবেশ হয়ে আছে? আমরা নিজেদের সম্পর্কে যে নিচু ধারণা পোষণ করি তা আজকাল পশ্চিমা সংবাদমাধ্যমগুলো লুফে নেয় [...] বর্ণবাদকে হিন্দু জাতীয়তাবাদের সমতুল্য ধরা হচ্ছে। যে দেশগুলো আমাদের দাসত্ব এবং বর্ণবাদ (অ্যাপার্থাইড) উপহার দিয়েছে তাদের মুখে এটি মানায় না, কিন্তু তাদের দোষ দিয়ে লাভ কী যখন আমরা নিজেরাই নিজেদের সম্পর্কে এত খারাপ ভাবি। আমার পক্ষ থেকে আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই যে আমি বিশ্বাস করি ইন্ডিজ ধর্মগুলো সেমেটিক ধর্মগুলোর তুলনায় বিশ্বের জন্য অনেক কম সমস্যা তৈরি করেছে এবং হিন্দু সভ্যতা এমন কিছু যা নিয়ে আমি অত্যন্ত গর্বিত। এটি যদি আমার ‘সাম্প্রদায়িক’ হওয়ার প্রমাণ হয়, তবে আমার অন্তর আত্মা আমাকে বলছে, তাই হোক।” ** টাভলিন সিং, ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস (১৩/৬/২০০৪), সীতা রাম গোয়েল ও কোয়েনরাড এলস্ট (২০০৫) সম্পাদিত 'ইন্ডিয়া'স অনলি কমিউনালিস্ট: ইন কমেমোরেশন অফ সীতা রাম গোয়েল' গ্রন্থে উদ্ধৃত। === ত === * ভারতীয় ফ্রন্টে, হিন্দুত্ব আন্দোলনের উচিত হিন্দুধর্মের পুনর্জাগরণ এবং পুনরুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া; যার মধ্যে কেবল বৈদিক বা [[সংস্কৃত|সংস্কৃত]] উৎস থেকে আসা ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক চর্চাই অন্তর্ভুক্ত নয়, বরং অন্য সব ভারতীয় উৎসও অন্তর্ভুক্ত: আন্দামান দ্বীপবাসী এবং (খ্রিস্টপূর্ব) নাগাদের চর্চাও আঞ্চলিক অর্থে হিন্দু এবং আধ্যাত্মিক অর্থে সনাতন, ঠিক যেমন ধ্রুপদী সংস্কৃত হিন্দুধর্ম। (...) একজন প্রকৃত হিন্দুত্ববাদীর মনে তখন ব্যথার উদ্রেক হওয়া উচিত এবং ইতিবাচক পদক্ষেপ নেওয়ার ইচ্ছা জাগা উচিত যখন তিনি শোনেন যে বিভিন্ন কারণে ভারতের জনসংখ্যায় হিন্দুদের শতাংশ কমে যাচ্ছে অথবা হিন্দুরা প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রে [[বৈষম্য|বৈষম্যের]] শিকার হচ্ছে; কেবল তখনই নয়, বরং যখন তিনি শোনেন যে আন্দামানি [[জাতি|জাতি]] এবং [[ভাষা|ভাষা]] [[বিলুপ্তি|বিলুপ্ত]] হয়ে যাচ্ছে; লক্ষ লক্ষ বছরের পুরোনো বিশাল [[বন|বনভূমি]] চিরতরে মুছে ফেলা হচ্ছে; প্রাচীন এবং [[মধ্যযুগ|মধ্যযুগীয়]] হিন্দু স্থাপত্য স্মৃতিস্তম্ভগুলো লুটপাট বা অবহেলার শিকার হচ্ছে; অমূল্য প্রাচীন নথিগুলো ধ্বংস হচ্ছে বা পচতে দেওয়া হচ্ছে; অসংখ্য শিল্পকলা, হস্তশিল্প, স্থাপত্যশৈলী, [[উদ্ভিদ|উদ্ভিদ]] ও [[প্রাণী|প্রাণী]] প্রজাতি, [[সংগীত|সংগীতের]] রূপ এবং বাদ্যযন্ত্র বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে; আমাদের পবিত্র নদী এবং পরিবেশ অপরিবর্তনীয়ভাবে দূষিত ও ধ্বংস হচ্ছে... ** এস.আর. গোয়েল সম্পাদিত 'টাইম ফর স্টক-টেকিং', পৃষ্ঠা ২২৭-২২৮-এ তালাগেরি। * হিন্দুধর্ম হলো বিশ্বব্যাপী সনাতনবাদের (ইংরেজিতে যাকে প্যাগানিজম বলা যেতে পারে) ভারতীয় আঞ্চলিক রূপ। তাই হিন্দুত্ব আদর্শটি হওয়া উচিত একটি সর্বজনীন আদর্শ: সাম্রাজ্যবাদী মতাদর্শের আবির্ভাবের আগে সারা বিশ্বে বিদ্যমান সমস্ত ধর্ম ও সংস্কৃতির পুনর্জাগরণ এবং আধ্যাত্মিক পুনরুত্থানে এর নেতৃত্ব দেওয়া উচিত... ** এস.আর. গোয়েল সম্পাদিত 'টাইম ফর স্টক-টেকিং', পৃষ্ঠা ২২৭-২২৮-এ তালাগেরি। * প্রাক-আধুনিক হিন্দুধর্মে অন্য সব ধর্মের মতো ছোট-বড় ত্রুটি ছিল, কিন্তু এর সূক্ষ্মতাগুলো বর্তমানের তুলনায় অনেক বেশি সমৃদ্ধ ছিল। হিন্দুত্ব অনেক দিক থেকেই হিন্দুধর্মের বিপরীত এবং এর লক্ষ্য হলো এমন একটি সমাজ তৈরি করা যা সংকীর্ণ ও ধর্মান্ধ; যেখানে বিভিন্ন ধরণের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মতো ভিন্নমতাবলম্বীদের সাথে সহাবস্থান ক্রমশ অসম্ভব হয়ে পড়ছে, যা সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার পুনরাবৃত্তি থেকেই প্রমাণিত হয়। ** [[রোমিলা থাপার]], ''দ্য পাস্ট অ্যাজ প্রেজেন্ট: ফোর্জিং কনটেম্পোরারি আইডেন্টিটিস থ্রু হিস্ট্রি'' (২০১৪)। * হিন্দুত্ব দাবি করে যে তারা ভারতীয় ধর্ম, ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতির পশ্চিমা ব্যাখ্যার বিপরীতে দেশীয় ভারতীয় চিন্তাধারার প্রতিনিধিত্ব করে। তাদের দাবি হলো ঔপনিবেশিক পাণ্ডিত্য তাদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এবং উপনিবেশবাদকে বৈধতা দিতে ভারতীয় সংস্কৃতিকে ব্যবহার করেছে। অথচ হিন্দুত্ব ঠিক একই কাজ করছে—রাজনৈতিক সংহতি সহজ করার জন্য ঔপনিবেশিক ব্যাখ্যার আদলে হিন্দুধর্মকে পুনর্গঠিত করছে। এটি রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণের কর্মসূচিকে এগিয়ে নিতে [[জেমস মিল]] এবং [[ম্যাক্স মুলার|ম্যাক্স মুলারের]] মতো ঔপনিবেশিক তত্ত্বগুলো ব্যবহার করে। ইতিহাসকে কাজে লাগানো তাদের অতীতকে নিজেদের মতো করে বোঝার চেষ্টার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হয়ে দাঁড়ায়। ** [[রোমিলা থাপার]], ''দ্য পাস্ট অ্যাজ প্রেজেন্ট: ফোর্জিং কনটেম্পোরারি আইডেন্টিটিস থ্রু হিস্ট্রি'' (২০১৪)। == আরও দেখুন == * [[হিন্দু জাতীয়তাবাদ]] == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:রাজনৈতিক আদর্শ]] [[বিষয়শ্রেণী:হিন্দু জাতীয়তাবাদ]] j302cfwyrpkm41k1y1wwt92r2cymv2h 79966 79957 2026-04-23T08:08:14Z Tuhin 172 /* প */ 79966 wikitext text/x-wiki '''[[w:হিন্দুত্ব|হিন্দুত্ব]]''' (আক্ষরিক অর্থে "হিন্দু-ত্ব") হলো একটি রাজনৈতিক [[আদর্শ]] যা [[হিন্দু জাতীয়তাবাদ|হিন্দু জাতীয়তাবাদের]] সাংস্কৃতিক যৌক্তিকতাকে ধারণ করে। এই রাজনৈতিক আদর্শটি ১৯২৩ সালে [[বিনায়ক দামোদর সাভারকর]] প্রণয়ন করেছিলেন। এটি [[রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ]] (আরএসএস), [[w:বিশ্ব হিন্দু পরিষদ|বিশ্ব হিন্দু পরিষদ]] (ভিএইচপি), [[ভারতীয় জনতা পার্টি]] (বিজেপি) এবং অন্যান্য সংস্থা দ্বারা ব্যবহৃত হয়, যাদের একত্রে [[w:সংঘ পরিবার|সংঘ পরিবার]] বলা হয়। __NOTOC__ {{TOCalpha|}} == উক্তি == === দ === *"প্রশ্ন: আমি বিশ্বাস করি আপনি সংঘ পরিবারের আদর্শের সাথে পরিচিত।<br>উত্তর: হ্যাঁ, অবশ্যই, গত ৩০ বছর ধরে। অবশ্যই, আমি এই সংস্থাগুলো সম্পর্কে কিছু সমালোচনামূলক দৃষ্টিভঙ্গিরও সম্মুখীন হয়েছি। তবে একই সাথে আমি দেখতে পাচ্ছি যে, সংঘ পরিবার [[ভারত|ভারতের]] জাতীয় পরিচয় এবং [[ভারতের সংস্কৃতি|সংস্কৃতি]] সংরক্ষণের বিষয়ে অত্যন্ত সচেতন। এই দিকটি আমাকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করেছে। সত্যি বলতে, এই দেশে এমন কিছু মানুষ আছেন যারা পশ্চিমা জীবনযাত্রার প্রতি মোহগ্রস্ত। আমি সবসময় আমার ভারতীয় বন্ধুদের বলেছি যে তাদের নিজস্ব সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে অবহেলা করার কোনো মানে হয় না। সেই হিসেবে, ভারতের ঐতিহ্যগত মূল্যবোধ ও আদর্শ সংরক্ষণের জন্য কাজ করা যেকোনো সংস্থা অবশ্যই সমস্ত শুভাকাঙ্ক্ষী মানুষের সমর্থন পাওয়ার যোগ্য।" **[[চতুর্দশ দালাই লামা|দালাই লামা]], [কানপুরে এবিভিপি সম্মেলনে এস. সুরেশ কর্তৃক গৃহীত সাক্ষাৎকার যা ২২ নভেম্বর ১৯৯২ তারিখে অর্গানাইজার-এ প্রকাশিত হয়।] * * হিন্দুত্ব আসলে বলতে বোঝায় ভারত প্রাথমিকভাবে একটি হিন্দু 'রাষ্ট্র' ছিল এই ধারণার সাথে একাত্মতা, যেমনটা এর প্রবক্তারা মনে করেন। এটি কোনো [[ধর্ম|ধর্মীয়]] [[দর্শন]] বা সমাজ সংস্কার আন্দোলন নয় বরং এটি সাংস্কৃতিক অন্ধবিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা একটি [[রাজনৈতিক দর্শন]]। এই আদর্শ জোর দিয়ে বলে যে ভারতের অ-হিন্দুদের "[[সংখ্যালঘু গোষ্ঠী|সংখ্যালঘু]]" হিসেবে তাদের স্থান মেনে নিতে হবে। তাদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নির্ভর করবে মূলত সংখ্যাগুরুদের সদিচ্ছা অর্জন করার ক্ষমতার ওপর। হিন্দুত্ব আদর্শের মূল কথা হলো সংখ্যাগুরুদের ভালোকেই যেকোনো সংখ্যালঘুর জন্য ভালো হিসেবে দেখা উচিত। এখানে সংখ্যালঘু অধিকারের যেকোনো দাবিকে সংখ্যাগুরুদের রাজনৈতিক কর্তৃত্বের প্রতি একটি হুমকি ও চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এই কারণে এমন সংখ্যালঘুদের হিন্দুত্ববাদীরা দেশবিরোধী এবং সমাজবিরোধী হিসেবে দেখে থাকে। এছাড়া সংখ্যালঘুদের সংখ্যা বাড়ানোর যেকোনো প্রচেষ্টাকে তারা [[আগ্রাসন]] হিসেবে গণ্য করে। ফলে [[w:খ্রিস্টধর্মে ধর্মান্তর|খ্রিস্টধর্মে ধর্মান্তর]] কিংবা কোনো [[হিন্দু]] মেয়ের সাথে কোনো [[মুসলিম]] বা [[খ্রিস্টান|খ্রিস্টান]] পুরুষের বিবাহকে তারা অবাঞ্ছিত ও উস্কানিমূলক কাজ হিসেবে দেখে। ** [[জি. এন. ডেভি]], "আদিবাসীস অ্যান্ড দলিতস: ট্রাইবাল ভয়েস অ্যান্ড ভায়োলেন্স", এস. ভারাদারাজন সম্পাদিত ''গুজরাত: দ্য মেকিং অফ এ ট্র্যাজেডি'' (২০০২), পৃষ্ঠা ২৬২-২৬৩। নয়াদিল্লি: পেঙ্গুইন। === জ === * সাভারকরের হিন্দুত্ব প্রাথমিকভাবে একটি জাতিগত সম্প্রদায় হিসেবে কল্পনা করা হয়েছিল যার একটি নির্দিষ্ট ভূখণ্ড থাকবে এবং যারা একই নৃতাত্ত্বিক ও সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য শেয়ার করবে। এই তিনটি বৈশিষ্ট্য মূলত [[w:বৈদিক যুগ|বৈদিক স্বর্ণযুগের]] পৌরাণিক পুনর্গঠন থেকে উদ্ভূত। ** [[ক্রিস্টোফ জাফ্রেলট]], ''দ্য হিন্দু ন্যাশনালিস্ট মুভমেন্ট ইন ইন্ডিয়া'' (লন্ডন: হার্স্ট, ১৯৯৩), পৃষ্ঠা ২৭। [https://thediplomat.com/2021/01/hindutvas-realism-in-modis-foreign-policy/ "হিন্দুত্ব’স রিয়ালিজম ইন মোদি’স ফরেন পলিসি"], ''দ্য ডিপ্লোম্যাট'', ১ জানুয়ারি ২০২১-এ উদ্ধৃত। *"মুসলিম-বিদ্বেষী হিসেবে হিন্দুত্বের ভুল উপস্থাপন বা অপব্যাখ্যা এমনভাবে গেঁথে গেছে যে এমনকি এর প্রবক্তারাও, যাদের মধ্যে ভারতীয় জনতা পার্টির কিছু নেতাও রয়েছেন, নিজেরাই এ বিষয়ে রক্ষণাত্মকভাবে কথা বলেন।" **গিরিলাল জৈন, পৃষ্ঠা ১০৬, দ্য [[হিন্দু]] ফেনোমেনন, আইএসবিএন ৮১-৮৬১১২-৩২-৪। * হিন্দুত্ববাদী শক্তিগুলো দেশে ধর্মীয় সংঘাত বাড়ানোর উদ্দেশ্যে যুক্তি দেয় যে অতীতে [[হিন্দু|হিন্দুদের]] জোরপূর্বক [[ভারতে ইসলাম|ইসলাম]] এবং [[ভারতে খ্রিস্টধর্ম|খ্রিস্টধর্মে]] ধর্মান্তরিত করা হয়েছিল এবং তাই তাদের পুনরায় ধর্মান্তরিত (ঘর ওয়াপাসি) করে হিন্দু বলয়ে ফিরিয়ে আনতে হবে। কিন্তু এ ধরণের দাবির আমাদের ইতিহাসে কোনো ভিত্তি নেই। ** [[ডি. এন. ঝা]], পাঞ্জাব ইতিহাস সম্মেলনের ৩১তম অধিবেশনে সভাপতির ভাষণ, ১৯-২১ মার্চ ১৯৯৯। [https://www.jstor.org/stable/3517941 "এগেইনস্ট কমিউনালাইজিং হিস্ট্রি"], ''সোশ্যাল সায়েন্টিস্ট'', ভলিউম ২৬, নম্বর ৯/১০ (সেপ্টেম্বর - অক্টোবর ১৯৯৮), পৃষ্ঠা ৫৪। === ম === * ভারতে ১৯৯০-এর দশকে হিন্দু জাতীয়তাবাদের উত্থান ভারতের ঐতিহ্যের কিছু অংশ মুছে ফেলার এবং [[ভারতের ইতিহাস|ভারতীয় ইতিহাসকে]] নতুন করে লেখার অসাধারণ প্রচেষ্টা নিয়ে আসে। ১৯৯২ সালে কট্টরপন্থীরা – যাদের হিন্দু [[ডানপন্থী রাজনীতি|ডানপন্থী]] রাজনীতিবিদরা সমর্থন দিয়েছিল – [[w:উত্তর ভারত|উত্তর ভারতের]] [[অযোধ্যা বিবাদ|অযোধ্যায়]] একটি ষোড়শ শতাব্দীর [[মসজিদ]] ধ্বংস করে এই যুক্তিতে যে এটি [[হিন্দু দেবতা]] [[রাম|রামে]]র জন্মস্থানের ওপর নির্মিত হয়েছিল। উৎসাহিত হয়ে তারা ঘোষণা করে যে তারা [[তাজমহল]]সহ অন্যান্য মুসলিম স্থাপত্য ধ্বংস করতে এগিয়ে যাবে। এটি ভারতের পরিচয়কে একচেটিয়াভাবে হিন্দু বা হিন্দু জাতীয়তাবাদীদের ব্যবহৃত শব্দ 'হিন্দুত্ব' হিসেবে চিহ্নিত করার একটি বৃহত্তর অভিযানের অংশ ছিল। ভারতের ইতিহাস অনিবার্যভাবে এর একটি প্রধান অনুষঙ্গ হয়ে ওঠে। প্রাপ্ত প্রমাণের ভিত্তিতে প্রচলিত ধারণা ছিল যে, উর্বর [[w:সিন্ধু নদ|সিন্ধু উপত্যকায়]] খ্রিস্টপূর্ব ৩০০০ থেকে ১৭০০ অব্দের মধ্যে [[সিন্ধু সভ্যতা|হরপ্পা সভ্যতা]] গড়ে উঠেছিল। ঘোড়সওয়ার [[আর্য জাতি|আর্যরা]] যখন উত্তর দিক থেকে নিচে নেমে আসে (সম্ভবত শান্তিপূর্ণ অভিবাসী হিসেবে অথবা সম্ভবত যুদ্ধবাজ আক্রমণকারী হিসেবে) তখন এটি ধীরে ধীরে বিলীন হয়ে যায়। এটি হিন্দু জাতীয়তাবাদীদের পছন্দ হয়নি কারণ এর অর্থ দাঁড়ায় যে একটি [[আদিবাসী|আদিবাসী সভ্যতা]] বাইরে থেকে আসা কারো কাছে নতি স্বীকার করেছে এবং তাদের নিজস্ব সংস্কৃতিতে বিদেশি উপাদান থাকতে পারে। আজকের হিন্দু জাতীয়তাবাদীদের আধ্যাত্মিক গুরু হিসেবে পরিচিত [[w:মাধব গোলওয়ালকর|মাধব গোলওয়ালকর]] ১৯৩০-এর দশকে লিখেছিলেন, “হিন্দুরা অন্য কোথাও থেকে এই ভূমিতে আসেনি বরং তারা অনাদিকাল থেকেই এই মাটির আদি সন্তান।” অবশ্যই এটি জাতি ও সভ্যতার বিকাশ ও সংমিশ্রণের এক অদ্ভুত সরলীকৃত দৃষ্টিভঙ্গি ছিল। তারা আম্বারে (এক ধরণের পাথর) চিরকাল আটকে থাকা মাছির মতো নয় বরং অনেক উপনদী থাকা নদীর মতো। ** [[মার্গারেট ম্যাকমিলান]], ''দ্য ইউজেস অ্যান্ড অ্যাবিউজেস অফ হিস্ট্রি'' (২০০৮), পৃষ্ঠা ৭৮-৭৯। * হিন্দুত্ব প্রকল্পের জন্য ভারতের হিন্দু এবং তাদের দ্বারা নির্মিত ঘৃণিত "অন্যান্য" অর্থাৎ ভারতের মুসলিম ও খ্রিস্টানদের মধ্যে একটি আমূল ও সহিংস বিচ্ছেদ প্রয়োজন। ** [[হর্ষ মান্দার]], [https://thewire.in/communalism/is-india-lurching-into-a-genocide "ইজ ইন্ডিয়া লারচিং ইনটু এ জেনোসাইড?"], ''দ্য ওয়্যার'', ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২২। * এমন নয় যে হিন্দুত্ব সমর্থকরা সম্পূর্ণ ভিন্ন পরিণতির সম্পূর্ণ ভিন্ন ঘটনাগুলোকে সমানভাবে দেখে, বরং তারা ইচ্ছাকৃতভাবে এমন তথ্যগুলো এড়িয়ে যায় যে ভিআইপি (মন্ত্রী, এমপি, এমএলএ) ঘৃণ্য বক্তৃতার ৮০-৯০ শতাংশ বিজেপির দ্বারা সংঘটিত হয়েছে অথবা বিজেপির আইটি সেলের প্রধান সবচেয়ে বিপজ্জনক এবং [[w:ভারতে ভুয়া খবর|ভুয়া]] সাম্প্রদায়িক প্রচারণার বৃহত্তম প্রচারক। শাসক দলের সাথে অন্য দলের কোনো তুলনাই হয় না। ** [[নিসিম মানাথুক্কারেন]], [https://thewire.in/communalism/delhi-riots-communalism-false-equivalence ''দ্য বারবারিটি অফ ফলস ইকুইভ্যালেন্স''], ৮ মার্চ ২০২০, ''[[w:দ্য ওয়্যার (ভারত)|দ্য ওয়্যার]]''। * আমি হিন্দুত্বে বিশ্বাস করি যা প্রাচীন ধারণা "[[w:বসুধৈব কুটুম্বকম|বসুধৈব কুটুম্বকম]]"-এর ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত। আমি বিশ্বাস করি পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং সহযোগিতা বিদেশি রাষ্ট্রগুলোর সাথে সম্পর্কের ভিত্তি হওয়া উচিত। এবং আমি আত্মবিশ্বাসী যে অন্য দেশগুলোর সাথে বৈদেশিক বিষয়গুলো পরিচালনার ক্ষেত্রে আমার হিন্দুত্ববাদী ভাবমূর্তি একটি সম্পদ হিসেবে কাজ করবে। ** [[নরেন্দ্র মোদি]], [http://archive.indianexpress.com/news/narendra-modi-my-hindutva-face-will-be-an-asset-in-foreign-affairs/1243097/ "নরেন্দ্র মোদি: মাই হিন্দুত্ব ফেস উইল বি এন অ্যাসেট ইন ফরেন অ্যাফেয়ার্স"], ''দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস'', ২৩ এপ্রিল ২০১৪। === ন === * মানুষ আমাকে ভারতের হিন্দুত্ববাদী শক্তিগুলো সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে। কয়েক বছর আগে আমি যখন বলেছিলাম যে ভারতে এই নতুন ধরণের আত্মসচেতনতার সাথে হিন্দু ধারণাটি প্রায় একটি প্রয়োজনীয় প্রাথমিক পর্যায়, তখন আমি কিছুটা সমস্যায় পড়েছিলাম। এর মধ্যে বৃহত্তর এবং নতুন ধারণার সূত্রপাত রয়েছে: ইতিহাসের ধারণা, মানব পরিবারের ধারণা এবং ভারতের ধারণা। আমি আশা করি এই আত্মসচেতনতা কেবল এখানেই থমকে থাকবে না এবং আমি মনে করি না যে এটি থাকবে, তবে এটি প্রয়োজনীয়। আমরা এমন একটি দেশ নিয়ে কাজ করছি যা খুব নিচু স্তর থেকে শুরু হয়েছে। একটি খুব নিচু বৌদ্ধিক স্তর এবং নিচু অর্থনৈতিক স্তর। মানুষ যখন এগিয়ে যেতে শুরু করে, তখন প্রথম আনুগত্য এবং প্রথম পরিচয় সবসময়ই কিছুটা ক্ষুদ্র হয়। তারা তাৎক্ষণিকভাবে অন্য কিছু হয়ে উঠতে পারে না। আমি মনে করি ভারতের বর্তমান প্রতিটি বিশৃঙ্খলার মধ্যেই একটি বৃহত্তর ইতিবাচক আন্দোলন রয়েছে। তবে ভবিষ্যৎ বেশ অরাজক হবে। রাজনীতিকে এখন জনগণের স্তরে থাকতে হবে। [[জওহরলাল নেহরু|নেহরু]]র মতো মানুষরা ছিলেন ঔপনিবেশিক ধাঁচের রাজনীতিবিদ। তারা অনেকাংশেই ঔপনিবেশিক ব্যবস্থার দ্বারা তৈরি এবং সুরক্ষিত ছিলেন। তারা সাধারণ মানুষের মধ্য থেকে শুরু করেননি। ** ভি.এস. নাইপল, 'এ মিলিয়ন মিউটিনিস', ভি.এস. নাইপল, ইন্ডিয়া টুডে, ১৮ আগস্ট ১৯৯৭।[https://web.archive.org/web/20050313091232/http://www.caribbeanhindu.com:80/VS_Naipaul.htm] * হিন্দুত্ববাদী যোদ্ধাদের ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের মানহানি করার অত্যন্ত অশুভ উদ্দেশ্য রয়েছে। ** [[মীরা নন্দা]], {{Cite book|url=https://www.jstor.org/stable/40279263|title=হিন্দু ট্রায়ামফালিজম অ্যান্ড দ্য ক্ল্যাশ অফ সিভিলাইজেশনস|date=2009|publisher=ইকোনমিক অ্যান্ড পলিটিক্যাল উইকলি|page=১১১}} === প === * [[মহাত্মা গান্ধী|মহাত্মা]] ছিলেন সম্প্রদায় এবং মানুষের মধ্যে সমন্বয়কারী। বিভাজন নয় বরং অন্তর্ভুক্তিই ছিল তার পথ। হিন্দুধর্মের ব্যাখ্যার বিষয়ে 'হিন্দুত্ব' গান্ধীর সাথে একমত ছিল না। হিন্দুত্বের লক্ষ্যগুলো আত্মপরিচয় এবং আত্মসংজ্ঞার বিষয়ে শক্তিশালী হলেও এগুলো বিচ্ছিন্নতাবাদী প্রবণতাসম্পন্ন। একজন বৈষ্ণব হিসেবে গান্ধী বিশ্বাস করতেন "অন্যের কষ্টকে নিজের কষ্ট হিসেবে গণ্য করতে।" এমন দৃষ্টিভঙ্গি থেকে এটি স্পষ্ট যে হিন্দুত্বের অসহিষ্ণুতা ভারতের মানুষকে একটি সহানুভূতিশীল ও ন্যায়সঙ্গত সামাজিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে দেবে না। ** [[অ্যান্থনি পারেল]], [https://www.google.com/books/edition/Gandhi_Freedom_and_Self_rule/sErf-DzVI9EC?hl=en&gbpv=1&pg=PA133 ''গান্ধী, ফ্রিডম, অ্যান্ড সেলফ-রুল''] (২০০০), লেক্সিংটন বুকস, পৃষ্ঠা ১৩৩। * হিন্দুত্ব আন্দোলন যেভাবে আত্মপ্রকাশ করেছে তা প্রায় ধ্রুপদী অর্থে এর আদর্শে ফ্যাসিবাদী, এর শ্রেণী সমর্থনে ফ্যাসিবাদী, এর পদ্ধতিতে ফ্যাসিবাদী এবং এর কর্মসূচিতেও ফ্যাসিবাদী। একটি ফ্যাসিবাদী আদর্শের সমস্ত উপাদান এতে বিদ্যমান: 'হিন্দু' নামক একটি সমজাতীয় ধারণার অধীনে সংখ্যাগুরুদের ঐক্যবদ্ধ করার চেষ্টা, অতীতে একটি বহিষ্কৃত সংখ্যালঘু গোষ্ঠী কর্তৃক এই সমজাতীয় গোষ্ঠীর ওপর করা কথিত অন্যায়ের বিরুদ্ধে ক্ষোভের অনুভূতি, এই সংখ্যালঘুর তুলনায় সাংস্কৃতিক শ্রেষ্ঠত্বের বোধ, এই পরিভাষায় ইতিহাসের পুনর্যাখ্যা, বিপরীত প্রমাণের সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যান, নিরপেক্ষ বিশ্লেষণ, বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি এবং যুক্তিযুক্ত আলোচনার প্রত্যাখ্যান এবং সর্বোপরি তথাকথিত সমজাতীয় সংখ্যাগরিষ্ঠদের প্রতি আবেগপূর্ণ ও পুরুষতান্ত্রিক ভাষায় 'দাঁড়িয়ে পড়ার', 'নিজেদের পুরুষত্ব জাহির করার' আহ্বান, যা সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে সহিংসতায় উস্কানি দেয় এবং প্রকৃত সহিংসতার জন্ম দেয়। এর আবেদন কোনো উন্নত বা সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের স্বপ্নের ওপর ভিত্তি করে নয় বরং এটি ঘৃণার ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত। ** [[প্রভাত পট্টনায়ক]], [https://www.jstor.org/stable/3517631 "ফ্যাসিজম অফ আওয়ার টাইমস."], ''সোশ্যাল সায়েন্টিস্ট'', ভলিউম ২১, নম্বর ৩/৪, ১৯৯৩, পৃষ্ঠা ৬৯–৭০। * ঠিক যেমনটা [[মহামন্দা|১৯৩০-এর দশকে]] হয়েছিল, বর্তমান বিশ্ব পুঁজিবাদও একটি কানাগলিতে পৌঁছেছে এবং আগের মতো চলতে পারছে না। ভারতের শাসক গোষ্ঠী অবশ্য বিশ্ব পরিস্থিতির বিষয়ে সম্পূর্ণ অজ্ঞাত। নব্য-উদারতাবাদের এই শেষ পরিণতি যা এমনকি মহানগরের বুর্জোয়া চিন্তাবিদদের কাছেও দৃশ্যমান, তা আমাদের হিন্দুত্ব ব্রিগেডের কাছে অদৃশ্য। ** [[প্রভাত পট্টনায়ক]], ''[https://www.newsclick.in/Capitalism-COVID-19-Modi-Govt-Policies-Hindutva-Global-Economy-Neo-Liberalism দ্য ওয়ার্ল্ড অ্যাট ক্রসরোডস]'', ২৯ মে ২০২০, ''নিউজক্লিক''। * হিন্দুত্ব তাদের শত্রুদের ক্রমানুসারে সাজিয়েছে – মুসলিম, খ্রিস্টান এবং [[ভারতে কমিউনিজম|কমিউনিস্ট]]। এটি [[অ্যাডলফ হিটলার|হিটলারের]] "জাতীয়" গর্বের প্রশংসা করেছিল এবং সংখ্যালঘুদের সাথে মোকাবিলা করার ক্ষেত্রে নাৎসি মডেলের সহায়তা চেয়েছিল। হিটলারের মতো হিন্দুত্বও জাতিগত শ্রেষ্ঠত্বে বিশ্বাস করত এবং বিশ্ব আধিপত্যের স্বপ্ন দেখত। গতকাল এটি ব্রিটিশ রাজের সাথে সহযোগিতা করেছিল। আজ এটি সেই তেরঙা পতাকা ওড়ায় যাকে তারা একসময় প্রকাশ্যে অবজ্ঞা করেছিল এবং এমন একটি সংবিধান মেনে চলার ভান করে যাকে তারা 'মনুসংহিতা' দিয়ে প্রতিস্থাপন করতে চেয়েছিল – যা একটি নারীবিদ্বেষী ও ব্রাহ্মণবাদী পাঠ্য। তারা প্রতিটি সহজলভ্য সরকারি সম্পদ বিদেশি বা ভারতীয় ঘনিষ্ঠ পুঁজিপতিদের কাছে বিক্রি করতে ব্যস্ত। ১৯৪৮ সালে তাদের হাতে গান্ধীর হত্যাকাণ্ড – শব্দে উচ্চারণ না করলেও – শত্রুদের তালিকায় একটি নতুন নাম যোগ করেছে, আর তা হলো সেইসব হিন্দু যারা হিন্দুত্ব প্রকল্পের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিল। ** [[আনন্দ পটবর্ধন]], [https://scroll.in/article/1005159/anand-patwardhan-if-hindutva-is-hinduism-then-the-ku-klux-klan-is-christianity "আনন্দ পটবর্ধন: ইফ হিন্দুত্ব ইজ হিন্দুইজম দেন দ্য কু ক্লাক্স ক্ল্যান ইজ ক্রিশ্চিয়ানিটি"], ১২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ''স্ক্রল.ইন''। === স === * একটি গণ-আন্দোলন হিসেবে হিন্দুত্বের (বা ফ্যাসিবাদের) মূল বিষয় হলো অতীতের কুসংস্কার থেকে বিচ্ছিন্ন উপাদান সংগ্রহ করে এবং সেগুলোকে কৌশলে পুরানো সত্য হিসেবে সাজিয়ে আধুনিক মিডিয়া কৌশলের মাধ্যমে প্রচার করার মাধ্যমে একটি শক্তিশালী ও প্রসারযোগ্য শত্রু-ভাবমূর্তি তৈরি করা। এখানে মুসলিমরা অনেকটা ইহুদিদের সমতুল্য হয়ে ওঠে। বর্ণবাদী মনোভাব শেষ পর্যন্ত খুব সাম্প্রতিক 'বাবর কি আওলাদ' (বাবরের সন্তান) সূত্রের মধ্যে চমৎকারভাবে গেঁথে দেওয়া হয়েছে। বাবরের বংশধর হওয়ার কথিত দাবিই কাউকে অপরাধী সাব্যস্ত করার জন্য যথেষ্ট, কোনো প্রকৃত অপকর্মের প্রয়োজন নেই; ঠিক যেমন একসময় ধর্মান্ধ খ্রিস্টান মহলে সমস্ত ইহুদিদের দোষী সাব্যস্ত করা হতো কারণ তাদের পূর্বপুরুষরা যিশুর ক্রুশবিদ্ধ হওয়ার সময় কথিত ভূমিকা পালন করেছিল। ** [[সুমিত সরকার]], "দ্য ফ্যাসিবজম অফ দ্য সংঘ পরিবার", ''ইকোনমিক অ্যান্ড পলিটিক্যাল উইকলি'', ভলিউম ২৮, নম্বর ৫, ১৯৯৩, পৃষ্ঠা ১৬৫। * হিন্দুত্বের সাংগঠনিক কাঠামো হলো ঘৃণা ছড়িয়ে দেওয়ার কাজে নিয়োজিত বিশ্বের প্রাচীনতম, সবচেয়ে নিরবচ্ছিন্ন এবং অবশ্যই সবচেয়ে বহুমুখী রাজনৈতিক গঠন। ** [[তানিকা সরকার]], ''হিন্দু ন্যাশনালিজম ইন ইন্ডিয়া'' (২০২২)। [https://thewire.in/books/book-review-the-hindutva-growth-story "বুক রিভিউ: দ্য হিন্দুত্ব গ্রোথ স্টোরি"], ''দ্য ওয়্যার'', ২১ আগস্ট ২০২২-এ উদ্ধৃত। * হিন্দুত্ব কেবল একটি শব্দ নয় বরং একটি ইতিহাস। এটি কেবল আমাদের জনগণের আধ্যাত্মিক বা ধর্মীয় ইতিহাস নয়—যেমনটা অনেক সময় এর সমার্থক শব্দ হিন্দুধর্মের সাথে গুলিয়ে ফেলা হয়—বরং এটি একটি পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস। হিন্দুধর্ম হলো হিন্দুত্বের একটি আহরিত অংশ বা একটি ভগ্নাংশ মাত্র। হিন্দুত্ব আমাদের হিন্দু জাতির সমগ্র সত্তার চিন্তা ও কর্মকাণ্ডের সমস্ত বিভাগকে আলিঙ্গন করে। ** [[বিনায়ক দামোদর সাভারকর]], ''হিন্দুত্ব: হু ইজ এ হিন্দু?'' (পঞ্চম সংস্করণ, ১৯৬৯), পৃষ্ঠা ৩-৪। * হিন্দু আন্দোলনের আদর্শ ব্যাখ্যা করার ক্ষেত্রে এই তিনটি শব্দের সাথে যুক্ত অর্থের সঠিক ধারণা থাকা অত্যন্ত আবশ্যক। "হিন্দু" শব্দ থেকে ইংরেজি ভাষায় "হিন্দুইজম" শব্দটি তৈরি হয়েছে। এর অর্থ হলো হিন্দুরা যে সমস্ত ধর্মীয় মতবাদ বা ব্যবস্থা অনুসরণ করে। দ্বিতীয় শব্দটি হলো "হিন্দুত্ব", যা অনেক বেশি ব্যাপক এবং এটি কেবল হিন্দু জনগণের ধর্মীয় দিকগুলোকেই বোঝায় না—যেমনটা হিন্দুইজম করে—বরং তাদের সাংস্কৃতিক, ভাষাগত, সামাজিক এবং রাজনৈতিক দিকগুলোকেও অন্তর্ভুক্ত করে। এটি কমবেশি 'হিন্দু পলিটি' বা হিন্দু রাষ্ট্রব্যবস্থার সমরূপ এবং এর প্রায় সঠিক অনুবাদ হবে "হিন্দুনেস"। তৃতীয় শব্দটি হলো "হিন্দুডম", যার অর্থ হলো সমষ্টিগতভাবে হিন্দু জনগোষ্ঠী। এটি হিন্দু বিশ্বের একটি সম্মিলিত নাম, ঠিক যেমন ইসলাম দ্বারা মুসলিম বিশ্বকে বোঝানো হয়। ** [[বি.ডি. সাভারকর]], বি.আর. আম্বেদকরের 'পাকিস্তান অর দ্য পার্টিশন অফ ইন্ডিয়া' (১৯৪৬) থেকে উদ্ধৃত। * একজন হিন্দু অন্য একজন হিন্দুকে বিয়ে করলে তার জাত যেতে পারে, কিন্তু তার হিন্দুত্ব নয়। ** বি.ডি. সাভারকর, হিন্দুত্ব, পৃষ্ঠা ৯০। * ফ্যাসিবাদী হিন্দুত্ববাদী কল্পনায় ভারতীয় মুসলিমদের ক্রমাগত পাকিস্তানি "পঞ্চম বাহিনী" (ফিফথ কলামিস্ট), "জাতির শত্রু" ইত্যাদি হিসেবে গালি দেওয়া হয় এবং তাদের দেশপ্রেমকে সন্দেহজনক বলা হয়। হিন্দুত্ববাদী আলোচনায় মুসলিমরা একটি ভীতিকর "অন্য" (আদার) হিসেবে কেন্দ্রীয় স্থান দখল করে আছে এবং বড় আকারের [[ইসলামোফোবিয়া|মুসলিম-বিরোধী]] সহিংসতাকে বৈধতা দিতে এটি ব্যবহৃত হয়েছে। ** {{cite book|author=[[যোগিন্দর সিকান্দ]]|editor1-last=আবু-রবি|editor1-first=ইব্রাহিম|title=দ্য ব্ল্যাকওয়েল কম্প্যানিয়ন টু কনটেম্পোরারি ইসলামিক থট|date=2006|page=88}} * “হিন্দুত্ব শব্দটি গালি হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে [...] এটি বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অবজ্ঞাসূচক অর্থে ব্যবহৃত হয় [...] বিতর্কটি এখন আর কেবল পুরোহিতদের গণ্ডিবদ্ধ জগতে বা এমনকি রাজনীতির স্বার্থান্বেষী মহলে সীমাবদ্ধ নেই, এটি হিন্দু সভ্যতার জন্য একটি চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিস্তৃত হয়েছে [...] হিন্দু শব্দের এই অবমাননাকর ব্যবহার আসলে ভারতীয় সভ্যতার ওপর একটি বৃহত্তর আঘাতকে উপস্থাপন করে। এটি আমাকে ব্যথিত করে যে আমি এই দেশে স্কুল ও কলেজে পড়াশোনা করেছি অথচ বিশ্ব ইতিহাসে হিন্দু সভ্যতার বিশাল অবদান সম্পর্কে কোনো ধারণা পাইনি। এটি আমাকে ব্যথিত করে যে আজও আমাদের সন্তানরা, তারা সরকারি স্কুলে যাক বা দামী বেসরকারি স্কুলে, তারা তাদের নিজস্ব সংস্কৃতি বা সভ্যতা সম্পর্কে কোনো জ্ঞান ছাড়াই বেরিয়ে আসে [...] আপনি এমন কোনো ঐতিহ্যের জন্য গর্বিত হতে পারেন না যা সম্পর্কে আপনি কিছুই জানেন না, এবং ধর্মনিরপেক্ষতার নামে আমরা ৫০ বছর এই সভ্যতার হিন্দু শিকড়কে সম্পূর্ণ অস্বীকার করে কাটিয়েছি। আমরা গণশিক্ষার সেই ঔপনিবেশিক ব্যবস্থা পরিবর্তনের জন্য কিছুই করিনি যা এই নীতির ওপর প্রতিষ্ঠিত যে ভারতীয় সভ্যতার দেওয়ার মতো কিছু নেই [...] আমাদের সংস্কৃতি ও সভ্যতার প্রতি আমাদের অবজ্ঞা [...] এটি কি এমন একটি দেশের প্রমাণ নয় যা মজ্জাগতভাবে এখনও উপনিবেশ হয়ে আছে? আমরা নিজেদের সম্পর্কে যে নিচু ধারণা পোষণ করি তা আজকাল পশ্চিমা সংবাদমাধ্যমগুলো লুফে নেয় [...] বর্ণবাদকে হিন্দু জাতীয়তাবাদের সমতুল্য ধরা হচ্ছে। যে দেশগুলো আমাদের দাসত্ব এবং বর্ণবাদ (অ্যাপার্থাইড) উপহার দিয়েছে তাদের মুখে এটি মানায় না, কিন্তু তাদের দোষ দিয়ে লাভ কী যখন আমরা নিজেরাই নিজেদের সম্পর্কে এত খারাপ ভাবি। আমার পক্ষ থেকে আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই যে আমি বিশ্বাস করি ইন্ডিজ ধর্মগুলো সেমেটিক ধর্মগুলোর তুলনায় বিশ্বের জন্য অনেক কম সমস্যা তৈরি করেছে এবং হিন্দু সভ্যতা এমন কিছু যা নিয়ে আমি অত্যন্ত গর্বিত। এটি যদি আমার ‘সাম্প্রদায়িক’ হওয়ার প্রমাণ হয়, তবে আমার অন্তর আত্মা আমাকে বলছে, তাই হোক।” ** টাভলিন সিং, ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস (১৩/৬/২০০৪), সীতা রাম গোয়েল ও কোয়েনরাড এলস্ট (২০০৫) সম্পাদিত 'ইন্ডিয়া'স অনলি কমিউনালিস্ট: ইন কমেমোরেশন অফ সীতা রাম গোয়েল' গ্রন্থে উদ্ধৃত। === ত === * ভারতীয় ফ্রন্টে, হিন্দুত্ব আন্দোলনের উচিত হিন্দুধর্মের পুনর্জাগরণ এবং পুনরুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া; যার মধ্যে কেবল বৈদিক বা [[সংস্কৃত|সংস্কৃত]] উৎস থেকে আসা ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক চর্চাই অন্তর্ভুক্ত নয়, বরং অন্য সব ভারতীয় উৎসও অন্তর্ভুক্ত: আন্দামান দ্বীপবাসী এবং (খ্রিস্টপূর্ব) নাগাদের চর্চাও আঞ্চলিক অর্থে হিন্দু এবং আধ্যাত্মিক অর্থে সনাতন, ঠিক যেমন ধ্রুপদী সংস্কৃত হিন্দুধর্ম। (...) একজন প্রকৃত হিন্দুত্ববাদীর মনে তখন ব্যথার উদ্রেক হওয়া উচিত এবং ইতিবাচক পদক্ষেপ নেওয়ার ইচ্ছা জাগা উচিত যখন তিনি শোনেন যে বিভিন্ন কারণে ভারতের জনসংখ্যায় হিন্দুদের শতাংশ কমে যাচ্ছে অথবা হিন্দুরা প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রে [[বৈষম্য|বৈষম্যের]] শিকার হচ্ছে; কেবল তখনই নয়, বরং যখন তিনি শোনেন যে আন্দামানি [[জাতি|জাতি]] এবং [[ভাষা|ভাষা]] [[বিলুপ্তি|বিলুপ্ত]] হয়ে যাচ্ছে; লক্ষ লক্ষ বছরের পুরোনো বিশাল [[বন|বনভূমি]] চিরতরে মুছে ফেলা হচ্ছে; প্রাচীন এবং [[মধ্যযুগ|মধ্যযুগীয়]] হিন্দু স্থাপত্য স্মৃতিস্তম্ভগুলো লুটপাট বা অবহেলার শিকার হচ্ছে; অমূল্য প্রাচীন নথিগুলো ধ্বংস হচ্ছে বা পচতে দেওয়া হচ্ছে; অসংখ্য শিল্পকলা, হস্তশিল্প, স্থাপত্যশৈলী, [[উদ্ভিদ|উদ্ভিদ]] ও [[প্রাণী|প্রাণী]] প্রজাতি, [[সংগীত|সংগীতের]] রূপ এবং বাদ্যযন্ত্র বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে; আমাদের পবিত্র নদী এবং পরিবেশ অপরিবর্তনীয়ভাবে দূষিত ও ধ্বংস হচ্ছে... ** এস.আর. গোয়েল সম্পাদিত 'টাইম ফর স্টক-টেকিং', পৃষ্ঠা ২২৭-২২৮-এ তালাগেরি। * হিন্দুধর্ম হলো বিশ্বব্যাপী সনাতনবাদের (ইংরেজিতে যাকে প্যাগানিজম বলা যেতে পারে) ভারতীয় আঞ্চলিক রূপ। তাই হিন্দুত্ব আদর্শটি হওয়া উচিত একটি সর্বজনীন আদর্শ: সাম্রাজ্যবাদী মতাদর্শের আবির্ভাবের আগে সারা বিশ্বে বিদ্যমান সমস্ত ধর্ম ও সংস্কৃতির পুনর্জাগরণ এবং আধ্যাত্মিক পুনরুত্থানে এর নেতৃত্ব দেওয়া উচিত... ** এস.আর. গোয়েল সম্পাদিত 'টাইম ফর স্টক-টেকিং', পৃষ্ঠা ২২৭-২২৮-এ তালাগেরি। * প্রাক-আধুনিক হিন্দুধর্মে অন্য সব ধর্মের মতো ছোট-বড় ত্রুটি ছিল, কিন্তু এর সূক্ষ্মতাগুলো বর্তমানের তুলনায় অনেক বেশি সমৃদ্ধ ছিল। হিন্দুত্ব অনেক দিক থেকেই হিন্দুধর্মের বিপরীত এবং এর লক্ষ্য হলো এমন একটি সমাজ তৈরি করা যা সংকীর্ণ ও ধর্মান্ধ; যেখানে বিভিন্ন ধরণের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মতো ভিন্নমতাবলম্বীদের সাথে সহাবস্থান ক্রমশ অসম্ভব হয়ে পড়ছে, যা সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার পুনরাবৃত্তি থেকেই প্রমাণিত হয়। ** [[রোমিলা থাপার]], ''দ্য পাস্ট অ্যাজ প্রেজেন্ট: ফোর্জিং কনটেম্পোরারি আইডেন্টিটিস থ্রু হিস্ট্রি'' (২০১৪)। * হিন্দুত্ব দাবি করে যে তারা ভারতীয় ধর্ম, ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতির পশ্চিমা ব্যাখ্যার বিপরীতে দেশীয় ভারতীয় চিন্তাধারার প্রতিনিধিত্ব করে। তাদের দাবি হলো ঔপনিবেশিক পাণ্ডিত্য তাদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এবং উপনিবেশবাদকে বৈধতা দিতে ভারতীয় সংস্কৃতিকে ব্যবহার করেছে। অথচ হিন্দুত্ব ঠিক একই কাজ করছে—রাজনৈতিক সংহতি সহজ করার জন্য ঔপনিবেশিক ব্যাখ্যার আদলে হিন্দুধর্মকে পুনর্গঠিত করছে। এটি রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণের কর্মসূচিকে এগিয়ে নিতে [[জেমস মিল]] এবং [[ম্যাক্স মুলার|ম্যাক্স মুলারের]] মতো ঔপনিবেশিক তত্ত্বগুলো ব্যবহার করে। ইতিহাসকে কাজে লাগানো তাদের অতীতকে নিজেদের মতো করে বোঝার চেষ্টার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হয়ে দাঁড়ায়। ** [[রোমিলা থাপার]], ''দ্য পাস্ট অ্যাজ প্রেজেন্ট: ফোর্জিং কনটেম্পোরারি আইডেন্টিটিস থ্রু হিস্ট্রি'' (২০১৪)। == আরও দেখুন == * [[হিন্দু জাতীয়তাবাদ]] == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:রাজনৈতিক আদর্শ]] [[বিষয়শ্রেণী:হিন্দু জাতীয়তাবাদ]] s3tlfakttg257t0jbmmw6nwf4k1b2dh 79973 79966 2026-04-23T08:14:30Z Tuhin 172 79973 wikitext text/x-wiki '''[[w:হিন্দুত্ব|হিন্দুত্ব]]''' (আক্ষরিক অর্থে "হিন্দু-ত্ব") হলো একটি রাজনৈতিক [[আদর্শ]] যা [[হিন্দু জাতীয়তাবাদ|হিন্দু জাতীয়তাবাদের]] সাংস্কৃতিক যৌক্তিকতাকে ধারণ করে। এই রাজনৈতিক আদর্শটি ১৯২৩ সালে [[বিনায়ক দামোদর সাভারকর]] প্রণয়ন করেছিলেন। এটি [[রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ]] (আরএসএস), [[w:বিশ্ব হিন্দু পরিষদ|বিশ্ব হিন্দু পরিষদ]] (ভিএইচপি), [[ভারতীয় জনতা পার্টি]] (বিজেপি) এবং অন্যান্য সংস্থা দ্বারা ব্যবহৃত হয়, যাদের একত্রে [[w:সংঘ পরিবার|সংঘ পরিবার]] বলা হয়। __NOTOC__ {{TOCalpha|}} == উক্তি == === দ === *"প্রশ্ন: আমি বিশ্বাস করি আপনি সংঘ পরিবারের আদর্শের সাথে পরিচিত।<br>উত্তর: হ্যাঁ, অবশ্যই, গত ৩০ বছর ধরে। অবশ্যই, আমি এই সংস্থাগুলো সম্পর্কে কিছু সমালোচনামূলক দৃষ্টিভঙ্গিরও সম্মুখীন হয়েছি। তবে একই সাথে আমি দেখতে পাচ্ছি যে, সংঘ পরিবার [[ভারত|ভারতের]] জাতীয় পরিচয় এবং [[ভারতের সংস্কৃতি|সংস্কৃতি]] সংরক্ষণের বিষয়ে অত্যন্ত সচেতন। এই দিকটি আমাকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করেছে। সত্যি বলতে, এই দেশে এমন কিছু মানুষ আছেন যারা পশ্চিমা জীবনযাত্রার প্রতি মোহগ্রস্ত। আমি সবসময় আমার ভারতীয় বন্ধুদের বলেছি যে তাদের নিজস্ব সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে অবহেলা করার কোনো মানে হয় না। সেই হিসেবে, ভারতের ঐতিহ্যগত মূল্যবোধ ও আদর্শ সংরক্ষণের জন্য কাজ করা যেকোনো সংস্থা অবশ্যই সমস্ত শুভাকাঙ্ক্ষী মানুষের সমর্থন পাওয়ার যোগ্য।" **[[চতুর্দশ দালাই লামা|দালাই লামা]], [কানপুরে এবিভিপি সম্মেলনে এস. সুরেশ কর্তৃক গৃহীত সাক্ষাৎকার যা ২২ নভেম্বর ১৯৯২ তারিখে অর্গানাইজার-এ প্রকাশিত হয়।] * * হিন্দুত্ব আসলে বলতে বোঝায় ভারত প্রাথমিকভাবে একটি হিন্দু 'রাষ্ট্র' ছিল এই ধারণার সাথে একাত্মতা, যেমনটা এর প্রবক্তারা মনে করেন। এটি কোনো [[ধর্ম|ধর্মীয়]] [[দর্শন]] বা সমাজ সংস্কার আন্দোলন নয় বরং এটি সাংস্কৃতিক অন্ধবিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা একটি [[রাজনৈতিক দর্শন]]। এই আদর্শ জোর দিয়ে বলে যে ভারতের অ-হিন্দুদের "[[সংখ্যালঘু গোষ্ঠী|সংখ্যালঘু]]" হিসেবে তাদের স্থান মেনে নিতে হবে। তাদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নির্ভর করবে মূলত সংখ্যাগুরুদের সদিচ্ছা অর্জন করার ক্ষমতার ওপর। হিন্দুত্ব আদর্শের মূল কথা হলো সংখ্যাগুরুদের ভালোকেই যেকোনো সংখ্যালঘুর জন্য ভালো হিসেবে দেখা উচিত। এখানে সংখ্যালঘু অধিকারের যেকোনো দাবিকে সংখ্যাগুরুদের রাজনৈতিক কর্তৃত্বের প্রতি একটি হুমকি ও চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এই কারণে এমন সংখ্যালঘুদের হিন্দুত্ববাদীরা দেশবিরোধী এবং সমাজবিরোধী হিসেবে দেখে থাকে। এছাড়া সংখ্যালঘুদের সংখ্যা বাড়ানোর যেকোনো প্রচেষ্টাকে তারা [[আগ্রাসন]] হিসেবে গণ্য করে। ফলে [[w:খ্রিস্টধর্মে ধর্মান্তর|খ্রিস্টধর্মে ধর্মান্তর]] কিংবা কোনো [[হিন্দু]] মেয়ের সাথে কোনো [[মুসলিম]] বা [[খ্রিস্টান|খ্রিস্টান]] পুরুষের বিবাহকে তারা অবাঞ্ছিত ও উস্কানিমূলক কাজ হিসেবে দেখে। ** [[জি. এন. ডেভি]], "আদিবাসীস অ্যান্ড দলিতস: ট্রাইবাল ভয়েস অ্যান্ড ভায়োলেন্স", এস. ভারাদারাজন সম্পাদিত ''গুজরাত: দ্য মেকিং অফ এ ট্র্যাজেডি'' (২০০২), পৃষ্ঠা ২৬২-২৬৩। নয়াদিল্লি: পেঙ্গুইন। === জ === * সাভারকরের হিন্দুত্ব প্রাথমিকভাবে একটি জাতিগত সম্প্রদায় হিসেবে কল্পনা করা হয়েছিল যার একটি নির্দিষ্ট ভূখণ্ড থাকবে এবং যারা একই নৃতাত্ত্বিক ও সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য শেয়ার করবে। এই তিনটি বৈশিষ্ট্য মূলত [[w:বৈদিক যুগ|বৈদিক স্বর্ণযুগের]] পৌরাণিক পুনর্গঠন থেকে উদ্ভূত। ** [[ক্রিস্টোফ জাফ্রেলট]], ''দ্য হিন্দু ন্যাশনালিস্ট মুভমেন্ট ইন ইন্ডিয়া'' (লন্ডন: হার্স্ট, ১৯৯৩), পৃষ্ঠা ২৭। [https://thediplomat.com/2021/01/hindutvas-realism-in-modis-foreign-policy/ "হিন্দুত্ব’স রিয়ালিজম ইন মোদি’স ফরেন পলিসি"], ''দ্য ডিপ্লোম্যাট'', ১ জানুয়ারি ২০২১-এ উদ্ধৃত। *"মুসলিম-বিদ্বেষী হিসেবে হিন্দুত্বের ভুল উপস্থাপন বা অপব্যাখ্যা এমনভাবে গেঁথে গেছে যে এমনকি এর প্রবক্তারাও, যাদের মধ্যে ভারতীয় জনতা পার্টির কিছু নেতাও রয়েছেন, নিজেরাই এ বিষয়ে রক্ষণাত্মকভাবে কথা বলেন।" **গিরিলাল জৈন, পৃষ্ঠা ১০৬, দ্য [[হিন্দু]] ফেনোমেনন, আইএসবিএন ৮১-৮৬১১২-৩২-৪। * হিন্দুত্ববাদী শক্তিগুলো দেশে ধর্মীয় সংঘাত বাড়ানোর উদ্দেশ্যে যুক্তি দেয় যে অতীতে [[হিন্দু|হিন্দুদের]] জোরপূর্বক [[ভারতে ইসলাম|ইসলাম]] এবং [[ভারতে খ্রিস্টধর্ম|খ্রিস্টধর্মে]] ধর্মান্তরিত করা হয়েছিল এবং তাই তাদের পুনরায় ধর্মান্তরিত (ঘর ওয়াপাসি) করে হিন্দু বলয়ে ফিরিয়ে আনতে হবে। কিন্তু এ ধরণের দাবির আমাদের ইতিহাসে কোনো ভিত্তি নেই। ** [[ডি. এন. ঝা]], পাঞ্জাব ইতিহাস সম্মেলনের ৩১তম অধিবেশনে সভাপতির ভাষণ, ১৯-২১ মার্চ ১৯৯৯। [https://www.jstor.org/stable/3517941 "এগেইনস্ট কমিউনালাইজিং হিস্ট্রি"], ''সোশ্যাল সায়েন্টিস্ট'', ভলিউম ২৬, নম্বর ৯/১০ (সেপ্টেম্বর - অক্টোবর ১৯৯৮), পৃষ্ঠা ৫৪। === ম === * ভারতে ১৯৯০-এর দশকে হিন্দু জাতীয়তাবাদের উত্থান ভারতের ঐতিহ্যের কিছু অংশ মুছে ফেলার এবং [[ভারতের ইতিহাস|ভারতীয় ইতিহাসকে]] নতুন করে লেখার অসাধারণ প্রচেষ্টা নিয়ে আসে। ১৯৯২ সালে কট্টরপন্থীরা – যাদের হিন্দু [[ডানপন্থী রাজনীতি|ডানপন্থী]] রাজনীতিবিদরা সমর্থন দিয়েছিল – [[w:উত্তর ভারত|উত্তর ভারতের]] [[অযোধ্যা বিবাদ|অযোধ্যায়]] একটি ষোড়শ শতাব্দীর [[মসজিদ]] ধ্বংস করে এই যুক্তিতে যে এটি [[হিন্দু দেবতা]] [[রাম|রামে]]র জন্মস্থানের ওপর নির্মিত হয়েছিল। উৎসাহিত হয়ে তারা ঘোষণা করে যে তারা [[তাজমহল]]সহ অন্যান্য মুসলিম স্থাপত্য ধ্বংস করতে এগিয়ে যাবে। এটি ভারতের পরিচয়কে একচেটিয়াভাবে হিন্দু বা হিন্দু জাতীয়তাবাদীদের ব্যবহৃত শব্দ 'হিন্দুত্ব' হিসেবে চিহ্নিত করার একটি বৃহত্তর অভিযানের অংশ ছিল। ভারতের ইতিহাস অনিবার্যভাবে এর একটি প্রধান অনুষঙ্গ হয়ে ওঠে। প্রাপ্ত প্রমাণের ভিত্তিতে প্রচলিত ধারণা ছিল যে, উর্বর [[w:সিন্ধু নদ|সিন্ধু উপত্যকায়]] খ্রিস্টপূর্ব ৩০০০ থেকে ১৭০০ অব্দের মধ্যে [[সিন্ধু সভ্যতা|হরপ্পা সভ্যতা]] গড়ে উঠেছিল। ঘোড়সওয়ার [[আর্য জাতি|আর্যরা]] যখন উত্তর দিক থেকে নিচে নেমে আসে (সম্ভবত শান্তিপূর্ণ অভিবাসী হিসেবে অথবা সম্ভবত যুদ্ধবাজ আক্রমণকারী হিসেবে) তখন এটি ধীরে ধীরে বিলীন হয়ে যায়। এটি হিন্দু জাতীয়তাবাদীদের পছন্দ হয়নি কারণ এর অর্থ দাঁড়ায় যে একটি [[আদিবাসী|আদিবাসী সভ্যতা]] বাইরে থেকে আসা কারো কাছে নতি স্বীকার করেছে এবং তাদের নিজস্ব সংস্কৃতিতে বিদেশি উপাদান থাকতে পারে। আজকের হিন্দু জাতীয়তাবাদীদের আধ্যাত্মিক গুরু হিসেবে পরিচিত [[w:মাধব গোলওয়ালকর|মাধব গোলওয়ালকর]] ১৯৩০-এর দশকে লিখেছিলেন, “হিন্দুরা অন্য কোথাও থেকে এই ভূমিতে আসেনি বরং তারা অনাদিকাল থেকেই এই মাটির আদি সন্তান।” অবশ্যই এটি জাতি ও সভ্যতার বিকাশ ও সংমিশ্রণের এক অদ্ভুত সরলীকৃত দৃষ্টিভঙ্গি ছিল। তারা আম্বারে (এক ধরণের পাথর) চিরকাল আটকে থাকা মাছির মতো নয় বরং অনেক উপনদী থাকা নদীর মতো। ** [[মার্গারেট ম্যাকমিলান]], ''দ্য ইউজেস অ্যান্ড অ্যাবিউজেস অফ হিস্ট্রি'' (২০০৮), পৃষ্ঠা ৭৮-৭৯। * হিন্দুত্ব প্রকল্পের জন্য ভারতের হিন্দু এবং তাদের দ্বারা নির্মিত ঘৃণিত "অন্যান্য" অর্থাৎ ভারতের মুসলিম ও খ্রিস্টানদের মধ্যে একটি আমূল ও সহিংস বিচ্ছেদ প্রয়োজন। ** [[হর্ষ মান্দার]], [https://thewire.in/communalism/is-india-lurching-into-a-genocide "ইজ ইন্ডিয়া লারচিং ইনটু এ জেনোসাইড?"], ''দ্য ওয়্যার'', ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২২। * এমন নয় যে হিন্দুত্ব সমর্থকরা সম্পূর্ণ ভিন্ন পরিণতির সম্পূর্ণ ভিন্ন ঘটনাগুলোকে সমানভাবে দেখে, বরং তারা ইচ্ছাকৃতভাবে এমন তথ্যগুলো এড়িয়ে যায় যে ভিআইপি (মন্ত্রী, এমপি, এমএলএ) ঘৃণ্য বক্তৃতার ৮০-৯০ শতাংশ বিজেপির দ্বারা সংঘটিত হয়েছে অথবা বিজেপির আইটি সেলের প্রধান সবচেয়ে বিপজ্জনক এবং [[w:ভারতে ভুয়া খবর|ভুয়া]] সাম্প্রদায়িক প্রচারণার বৃহত্তম প্রচারক। শাসক দলের সাথে অন্য দলের কোনো তুলনাই হয় না। ** [[নিসিম মানাথুক্কারেন]], [https://thewire.in/communalism/delhi-riots-communalism-false-equivalence ''দ্য বারবারিটি অফ ফলস ইকুইভ্যালেন্স''], ৮ মার্চ ২০২০, ''[[w:দ্য ওয়্যার (ভারত)|দ্য ওয়্যার]]''। * আমি হিন্দুত্বে বিশ্বাস করি যা প্রাচীন ধারণা "[[w:বসুধৈব কুটুম্বকম|বসুধৈব কুটুম্বকম]]"-এর ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত। আমি বিশ্বাস করি পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং সহযোগিতা বিদেশি রাষ্ট্রগুলোর সাথে সম্পর্কের ভিত্তি হওয়া উচিত। এবং আমি আত্মবিশ্বাসী যে অন্য দেশগুলোর সাথে বৈদেশিক বিষয়গুলো পরিচালনার ক্ষেত্রে আমার হিন্দুত্ববাদী ভাবমূর্তি একটি সম্পদ হিসেবে কাজ করবে। ** [[নরেন্দ্র মোদি]], [http://archive.indianexpress.com/news/narendra-modi-my-hindutva-face-will-be-an-asset-in-foreign-affairs/1243097/ "নরেন্দ্র মোদি: মাই হিন্দুত্ব ফেস উইল বি এন অ্যাসেট ইন ফরেন অ্যাফেয়ার্স"], ''দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস'', ২৩ এপ্রিল ২০১৪। === ন === * মানুষ আমাকে ভারতের হিন্দুত্ববাদী শক্তিগুলো সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে। কয়েক বছর আগে আমি যখন বলেছিলাম যে ভারতে এই নতুন ধরণের আত্মসচেতনতার সাথে হিন্দু ধারণাটি প্রায় একটি প্রয়োজনীয় প্রাথমিক পর্যায়, তখন আমি কিছুটা সমস্যায় পড়েছিলাম। এর মধ্যে বৃহত্তর এবং নতুন ধারণার সূত্রপাত রয়েছে: ইতিহাসের ধারণা, মানব পরিবারের ধারণা এবং ভারতের ধারণা। আমি আশা করি এই আত্মসচেতনতা কেবল এখানেই থমকে থাকবে না এবং আমি মনে করি না যে এটি থাকবে, তবে এটি প্রয়োজনীয়। আমরা এমন একটি দেশ নিয়ে কাজ করছি যা খুব নিচু স্তর থেকে শুরু হয়েছে। একটি খুব নিচু বৌদ্ধিক স্তর এবং নিচু অর্থনৈতিক স্তর। মানুষ যখন এগিয়ে যেতে শুরু করে, তখন প্রথম আনুগত্য এবং প্রথম পরিচয় সবসময়ই কিছুটা ক্ষুদ্র হয়। তারা তাৎক্ষণিকভাবে অন্য কিছু হয়ে উঠতে পারে না। আমি মনে করি ভারতের বর্তমান প্রতিটি বিশৃঙ্খলার মধ্যেই একটি বৃহত্তর ইতিবাচক আন্দোলন রয়েছে। তবে ভবিষ্যৎ বেশ অরাজক হবে। রাজনীতিকে এখন জনগণের স্তরে থাকতে হবে। [[জওহরলাল নেহরু|নেহরু]]র মতো মানুষরা ছিলেন ঔপনিবেশিক ধাঁচের রাজনীতিবিদ। তারা অনেকাংশেই ঔপনিবেশিক ব্যবস্থার দ্বারা তৈরি এবং সুরক্ষিত ছিলেন। তারা সাধারণ মানুষের মধ্য থেকে শুরু করেননি। ** ভি.এস. নাইপল, 'এ মিলিয়ন মিউটিনিস', ভি.এস. নাইপল, ইন্ডিয়া টুডে, ১৮ আগস্ট ১৯৯৭।[https://web.archive.org/web/20050313091232/http://www.caribbeanhindu.com:80/VS_Naipaul.htm] * হিন্দুত্ববাদী যোদ্ধাদের ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের মানহানি করার অত্যন্ত অশুভ উদ্দেশ্য রয়েছে। ** [[মীরা নন্দা]], {{Cite book|url=https://www.jstor.org/stable/40279263|title=হিন্দু ট্রায়ামফালিজম অ্যান্ড দ্য ক্ল্যাশ অফ সিভিলাইজেশনস|date=2009|publisher=ইকোনমিক অ্যান্ড পলিটিক্যাল উইকলি|page=১১১}} === প === * [[মহাত্মা গান্ধী|মহাত্মা]] ছিলেন সম্প্রদায় এবং মানুষের মধ্যে সমন্বয়কারী। বিভাজন নয় বরং অন্তর্ভুক্তিই ছিল তার পথ। হিন্দুধর্মের ব্যাখ্যার বিষয়ে 'হিন্দুত্ব' গান্ধীর সাথে একমত ছিল না। হিন্দুত্বের লক্ষ্যগুলো আত্মপরিচয় এবং আত্মসংজ্ঞার বিষয়ে শক্তিশালী হলেও এগুলো বিচ্ছিন্নতাবাদী প্রবণতাসম্পন্ন। একজন বৈষ্ণব হিসেবে গান্ধী বিশ্বাস করতেন "অন্যের কষ্টকে নিজের কষ্ট হিসেবে গণ্য করতে।" এমন দৃষ্টিভঙ্গি থেকে এটি স্পষ্ট যে হিন্দুত্বের অসহিষ্ণুতা ভারতের মানুষকে একটি সহানুভূতিশীল ও ন্যায়সঙ্গত সামাজিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে দেবে না। ** [[অ্যান্থনি পারেল]], [https://www.google.com/books/edition/Gandhi_Freedom_and_Self_rule/sErf-DzVI9EC?hl=en&gbpv=1&pg=PA133 ''গান্ধী, ফ্রিডম, অ্যান্ড সেলফ-রুল''] (২০০০), লেক্সিংটন বুকস, পৃষ্ঠা ১৩৩। * হিন্দুত্ব আন্দোলন যেভাবে আত্মপ্রকাশ করেছে তা প্রায় ধ্রুপদী অর্থে এর আদর্শে ফ্যাসিবাদী, এর শ্রেণী সমর্থনে ফ্যাসিবাদী, এর পদ্ধতিতে ফ্যাসিবাদী এবং এর কর্মসূচিতেও ফ্যাসিবাদী। একটি ফ্যাসিবাদী আদর্শের সমস্ত উপাদান এতে বিদ্যমান: 'হিন্দু' নামক একটি সমজাতীয় ধারণার অধীনে সংখ্যাগুরুদের ঐক্যবদ্ধ করার চেষ্টা, অতীতে একটি বহিষ্কৃত সংখ্যালঘু গোষ্ঠী কর্তৃক এই সমজাতীয় গোষ্ঠীর ওপর করা কথিত অন্যায়ের বিরুদ্ধে ক্ষোভের অনুভূতি, এই সংখ্যালঘুর তুলনায় সাংস্কৃতিক শ্রেষ্ঠত্বের বোধ, এই পরিভাষায় ইতিহাসের পুনর্যাখ্যা, বিপরীত প্রমাণের সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যান, নিরপেক্ষ বিশ্লেষণ, বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি এবং যুক্তিযুক্ত আলোচনার প্রত্যাখ্যান এবং সর্বোপরি তথাকথিত সমজাতীয় সংখ্যাগরিষ্ঠদের প্রতি আবেগপূর্ণ ও পুরুষতান্ত্রিক ভাষায় 'দাঁড়িয়ে পড়ার', 'নিজেদের পুরুষত্ব জাহির করার' আহ্বান, যা সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে সহিংসতায় উস্কানি দেয় এবং প্রকৃত সহিংসতার জন্ম দেয়। এর আবেদন কোনো উন্নত বা সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের স্বপ্নের ওপর ভিত্তি করে নয় বরং এটি ঘৃণার ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত। ** [[প্রভাত পট্টনায়ক]], [https://www.jstor.org/stable/3517631 "ফ্যাসিজম অফ আওয়ার টাইমস."], ''সোশ্যাল সায়েন্টিস্ট'', ভলিউম ২১, নম্বর ৩/৪, ১৯৯৩, পৃষ্ঠা ৬৯–৭০। * ঠিক যেমনটা [[মহামন্দা|১৯৩০-এর দশকে]] হয়েছিল, বর্তমান বিশ্ব পুঁজিবাদও একটি কানাগলিতে পৌঁছেছে এবং আগের মতো চলতে পারছে না। ভারতের শাসক গোষ্ঠী অবশ্য বিশ্ব পরিস্থিতির বিষয়ে সম্পূর্ণ অজ্ঞাত। নব্য-উদারতাবাদের এই শেষ পরিণতি যা এমনকি মহানগরের বুর্জোয়া চিন্তাবিদদের কাছেও দৃশ্যমান, তা আমাদের হিন্দুত্ব ব্রিগেডের কাছে অদৃশ্য। ** [[প্রভাত পট্টনায়ক]], ''[https://www.newsclick.in/Capitalism-COVID-19-Modi-Govt-Policies-Hindutva-Global-Economy-Neo-Liberalism দ্য ওয়ার্ল্ড অ্যাট ক্রসরোডস]'', ২৯ মে ২০২০, ''নিউজক্লিক''। * হিন্দুত্ব তাদের শত্রুদের ক্রমানুসারে সাজিয়েছে – মুসলিম, খ্রিস্টান এবং [[ভারতে কমিউনিজম|কমিউনিস্ট]]। এটি [[অ্যাডলফ হিটলার|হিটলারের]] "জাতীয়" গর্বের প্রশংসা করেছিল এবং সংখ্যালঘুদের সাথে মোকাবিলা করার ক্ষেত্রে নাৎসি মডেলের সহায়তা চেয়েছিল। হিটলারের মতো হিন্দুত্বও জাতিগত শ্রেষ্ঠত্বে বিশ্বাস করত এবং বিশ্ব আধিপত্যের স্বপ্ন দেখত। গতকাল এটি ব্রিটিশ রাজের সাথে সহযোগিতা করেছিল। আজ এটি সেই তেরঙা পতাকা ওড়ায় যাকে তারা একসময় প্রকাশ্যে অবজ্ঞা করেছিল এবং এমন একটি সংবিধান মেনে চলার ভান করে যাকে তারা 'মনুসংহিতা' দিয়ে প্রতিস্থাপন করতে চেয়েছিল – যা একটি নারীবিদ্বেষী ও ব্রাহ্মণবাদী পাঠ্য। তারা প্রতিটি সহজলভ্য সরকারি সম্পদ বিদেশি বা ভারতীয় ঘনিষ্ঠ পুঁজিপতিদের কাছে বিক্রি করতে ব্যস্ত। ১৯৪৮ সালে তাদের হাতে গান্ধীর হত্যাকাণ্ড – শব্দে উচ্চারণ না করলেও – শত্রুদের তালিকায় একটি নতুন নাম যোগ করেছে, আর তা হলো সেইসব হিন্দু যারা হিন্দুত্ব প্রকল্পের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিল। ** [[আনন্দ পটবর্ধন]], [https://scroll.in/article/1005159/anand-patwardhan-if-hindutva-is-hinduism-then-the-ku-klux-klan-is-christianity "আনন্দ পটবর্ধন: ইফ হিন্দুত্ব ইজ হিন্দুইজম দেন দ্য কু ক্লাক্স ক্ল্যান ইজ ক্রিশ্চিয়ানিটি"], ১২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ''স্ক্রল.ইন''। === স === * একটি গণ-আন্দোলন হিসেবে হিন্দুত্বের (বা ফ্যাসিবাদের) মূল কৌশল হলো অতীতের বিভিন্ন কুসংস্কার থেকে বিচ্ছিন্ন উপাদান সংগ্রহ করে সেগুলোকে নতুন ছদ্মবেশে সাজানো। আধুনিক মিডিয়া প্রযুক্তির মাধ্যমে এই মিশ্রণটি প্রচার করে একটি শক্তিশালী ও প্রসারযোগ্য শত্রু-ভাবমূর্তি তৈরি করা হয়। এখানে মুসলিমরা অনেকটা ইহুদিদের সমতুল্য হয়ে ওঠে। বর্ণবাদী মনোভাবকে বর্তমানে 'বাবর কি আওলাদ' বা বাবরের সন্তান নামক সূত্রের মাধ্যমে চমৎকারভাবে গেঁথে দেওয়া হয়েছে। বাবরের বংশধর হওয়ার কথিত দাবিই কাউকে অপরাধী সাব্যস্ত করার জন্য যথেষ্ট, কোনো প্রকৃত অপকর্মের প্রয়োজন নেই। এটি ঠিক সেভাবেই কাজ করে যেভাবে একসময় ধর্মান্ধ খ্রিস্টান মহলে সমস্ত ইহুদিদের দোষী সাব্যস্ত করা হতো কারণ তাদের পূর্বপুরুষরা যিশুর ক্রুশবিদ্ধ হওয়ার সময় কথিত ভূমিকা পালন করেছিল। ** [[সুমিত সরকার]], [https://www.jstor.org/stable/4399339 "দ্য ফ্যাসিবজম অফ দ্য সংঘ পরিবার।"] ''ইকোনমিক অ্যান্ড পলিটিক্যাল উইকলি'', ভলিউম ২৮, নম্বর ৫, ১৯৯৩, পৃষ্ঠা ১৬৫। * হিন্দুত্বের সাংগঠনিক কাঠামো হলো ঘৃণা ছড়িয়ে দেওয়ার কাজে নিয়োজিত বিশ্বের প্রাচীনতম, সবচেয়ে নিরবচ্ছিন্ন এবং অবশ্যই সবচেয়ে বহুমুখী রাজনৈতিক গঠন। ** [[তানিকা সরকার]], [https://www.google.com/books/edition/_/GGxvEAAAQBAJ?hl=en&gbpv=1&pg=PT8 ''হিন্দু ন্যাশনালিজম ইন ইন্ডিয়া''] (২০২২)। [https://thewire.in/books/book-review-the-hindutva-growth-story "বুক রিভিউ: দ্য হিন্দুত্ব গ্রোথ স্টোরি"], ''দ্য ওয়্যার'', ২১ আগস্ট ২০২২-এ উদ্ধৃত। * হিন্দুত্ব কেবল একটি শব্দ নয় বরং একটি ইতিহাস। এটি কেবল আমাদের জনগণের আধ্যাত্মিক বা ধর্মীয় ইতিহাস নয়, বরং এটি একটি পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস। হিন্দুধর্ম হলো হিন্দুত্বের একটি আহরিত অংশ বা একটি ভগ্নাংশ মাত্র। হিন্দুত্ব আমাদের হিন্দু জাতির সমগ্র সত্তার চিন্তা ও কর্মকাণ্ডের সমস্ত বিভাগকে আলিঙ্গন করে। ** [[বিনায়ক দামোদর সাভারকর]], ''হিন্দুত্ব: হু ইজ এ হিন্দু?'' (পঞ্চম সংস্করণ, ১৯৬৯), পৃষ্ঠা ৩-৪। * হিন্দু আন্দোলনের আদর্শ ব্যাখ্যা করার ক্ষেত্রে এই তিনটি শব্দের অর্থ সঠিকভাবে বোঝা অত্যন্ত জরুরি। ইংরেজি ভাষায় "হিন্দু" শব্দ থেকে "হিন্দুইজম" বা হিন্দুধর্ম শব্দটি তৈরি হয়েছে। এর অর্থ হলো হিন্দুরা যে ধর্মীয় ব্যবস্থা অনুসরণ করে। দ্বিতীয় শব্দটি হলো "হিন্দুত্ব", যা অনেক বেশি ব্যাপক। এটি কেবল ধর্মীয় দিক নয়, বরং হিন্দু জনগণের সাংস্কৃতিক, ভাষাগত, সামাজিক এবং রাজনৈতিক দিকগুলোকেও অন্তর্ভুক্ত করে। এর প্রায় সঠিক অনুবাদ হবে "হিন্দুনেস" বা হিন্দু-ত্ব। তৃতীয় শব্দটি হলো "হিন্দুডম", যার অর্থ হলো সমষ্টিগতভাবে হিন্দু জনগোষ্ঠী। এটি হিন্দু বিশ্বের একটি সম্মিলিত নাম, ঠিক যেমন ইসলাম দ্বারা মুসলিম বিশ্বকে বোঝানো হয়। ** [[বি. ডি. সাভারকর]], বি.আর. আম্বেদকরের 'পাকিস্তান অর দ্য পার্টিশন অফ ইন্ডিয়া' (১৯৪৬) থেকে উদ্ধৃত। * একজন হিন্দু অন্য একজন হিন্দুকে বিয়ে করলে তার জাত যেতে পারে, তবে তার হিন্দুত্ব নয়। ** বি.ডি. সাভারকর, হিন্দুত্ব, পৃষ্ঠা ৯০। * ফ্যাসিবাদী হিন্দুত্ববাদী কল্পনায় ভারতীয় মুসলিমদের ক্রমাগত পাকিস্তানি "পঞ্চম বাহিনী" বা জাতির শত্রু হিসেবে গালি দেওয়া হয় এবং তাদের দেশপ্রেমকে সন্দেহজনক হিসেবে তুলে ধরা হয়। হিন্দুত্ববাদী আলোচনায় মুসলিমরা একটি ভীতিকর "অন্যান্য" হিসেবে কেন্দ্রীয় স্থান দখল করে আছে এবং বড় আকারের [[ইসলামোফোবিয়া|মুসলিম-বিরোধী]] সহিংসতাকে বৈধতা দিতে এই ধারণাটি ব্যবহৃত হয়েছে। ** {{cite book|author=[[যোগিন্দর সিকান্দ]]|editor1-last=আবু-রবি|editor1-first=ইব্রাহিম|title=দ্য ব্ল্যাকওয়েল কম্প্যানিয়ন টু কনটেম্পোরারি ইসলামিক থট|date=2006|page=88}} * “হিন্দুত্ব শব্দটি গালি হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে এবং এটি বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অবজ্ঞাসূচক অর্থে ব্যবহৃত হয়। এই বিতর্কটি এখন আর কেবল পুরোহিতদের গণ্ডিবদ্ধ জগতে বা রাজনীতির স্বার্থান্বেষী মহলে সীমাবদ্ধ নেই, এটি হিন্দু সভ্যতার জন্য একটি চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিস্তৃত হয়েছে। হিন্দু শব্দের এই অবমাননাকর ব্যবহার আসলে ভারতীয় সভ্যতার ওপর একটি বৃহত্তর আঘাত। এটি আমাকে ব্যথিত করে যে আমি এই দেশে স্কুল ও কলেজে পড়াশোনা করেছি অথচ বিশ্ব ইতিহাসে হিন্দু সভ্যতার বিশাল অবদান সম্পর্কে কোনো ধারণা পাইনি। এটি আমাকে ব্যথিত করে যে আজও আমাদের সন্তানরা তাদের নিজস্ব সংস্কৃতি বা সভ্যতা সম্পর্কে কোনো জ্ঞান ছাড়াই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে বেরিয়ে আসে। আপনি এমন কোনো ঐতিহ্যের জন্য গর্বিত হতে পারেন না যা সম্পর্কে আপনি কিছুই জানেন না। ধর্মনিরপেক্ষতার নামে আমরা ৫০ বছর এই সভ্যতার হিন্দু শিকড়কে অস্বীকার করে কাটিয়েছি। আমরা সেই ঔপনিবেশিক শিক্ষা ব্যবস্থা পরিবর্তনের জন্য কিছুই করিনি যা এই নীতির ওপর প্রতিষ্ঠিত ছিল যে ভারতীয় সভ্যতার দেওয়ার মতো কিছু নেই। আমাদের সংস্কৃতির প্রতি এই অবজ্ঞা কি প্রমাণ করে না যে দেশটি মজ্জাগতভাবে এখনও উপনিবেশ হয়ে আছে? আমরা নিজেদের সম্পর্কে যে নিচু ধারণা পোষণ করি তা পশ্চিমা সংবাদমাধ্যমগুলো লুফে নেয়। বর্ণবাদকে হিন্দু জাতীয়তাবাদের সমতুল্য ধরা হচ্ছে। যে দেশগুলো আমাদের দাসত্ব উপহার দিয়েছে তাদের মুখে এটি মানায় না, কিন্তু তাদের দোষ দিয়ে লাভ কী যখন আমরা নিজেরাই নিজেদের সম্পর্কে এত খারাপ ভাবি। আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই যে আমি বিশ্বাস করি ইন্ডিজ ধর্মগুলো সেমেটিক ধর্মগুলোর তুলনায় বিশ্বের জন্য অনেক কম সমস্যা তৈরি করেছে এবং হিন্দু সভ্যতা নিয়ে আমি অত্যন্ত গর্বিত। এটি যদি আমার ‘সাম্প্রদায়িক’ হওয়ার প্রমাণ হয়, তবে তাই হোক।” ** টাভলিন সিং, ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস (১৩/৬/২০০৪), সীতা রাম গোয়েল ও কোয়েনরাড এলস্ট (২০০৫) সম্পাদিত 'ইন্ডিয়া'স অনলি কমিউনালিস্ট' গ্রন্থে উদ্ধৃত। === ত === * ভারতীয় ফ্রন্টে, হিন্দুত্ব আন্দোলনের উচিত হিন্দুধর্মের পুনর্জাগরণ এবং পুনরুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া; যার মধ্যে কেবল বৈদিক বা [[সংস্কৃত|সংস্কৃত]] উৎস থেকে আসা ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক চর্চাই অন্তর্ভুক্ত নয়, বরং অন্য সব ভারতীয় উৎসও অন্তর্ভুক্ত: আন্দামান দ্বীপবাসী এবং (খ্রিস্টপূর্ব) নাগাদের চর্চাও আঞ্চলিক অর্থে হিন্দু এবং আধ্যাত্মিক অর্থে সনাতন, ঠিক যেমন ধ্রুপদী সংস্কৃত হিন্দুধর্ম। (...) একজন প্রকৃত হিন্দুত্ববাদীর মনে তখন ব্যথার উদ্রেক হওয়া উচিত এবং ইতিবাচক পদক্ষেপ নেওয়ার ইচ্ছা জাগা উচিত যখন তিনি শোনেন যে বিভিন্ন কারণে ভারতের জনসংখ্যায় হিন্দুদের শতাংশ কমে যাচ্ছে অথবা হিন্দুরা প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রে [[বৈষম্য|বৈষম্যের]] শিকার হচ্ছে; কেবল তখনই নয়, বরং যখন তিনি শোনেন যে আন্দামানি [[জাতি|জাতি]] এবং [[ভাষা|ভাষা]] [[বিলুপ্তি|বিলুপ্ত]] হয়ে যাচ্ছে; লক্ষ লক্ষ বছরের পুরোনো বিশাল [[বন|বনভূমি]] চিরতরে মুছে ফেলা হচ্ছে; প্রাচীন এবং [[মধ্যযুগ|মধ্যযুগীয়]] হিন্দু স্থাপত্য স্মৃতিস্তম্ভগুলো লুটপাট বা অবহেলার শিকার হচ্ছে; অমূল্য প্রাচীন নথিগুলো ধ্বংস হচ্ছে বা পচতে দেওয়া হচ্ছে; অসংখ্য শিল্পকলা, হস্তশিল্প, স্থাপত্যশৈলী, [[উদ্ভিদ|উদ্ভিদ]] ও [[প্রাণী|প্রাণী]] প্রজাতি, [[সংগীত|সংগীতের]] রূপ এবং বাদ্যযন্ত্র বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে; আমাদের পবিত্র নদী এবং পরিবেশ অপরিবর্তনীয়ভাবে দূষিত ও ধ্বংস হচ্ছে... ** এস.আর. গোয়েল সম্পাদিত 'টাইম ফর স্টক-টেকিং', পৃষ্ঠা ২২৭-২২৮-এ তালাগেরি। * হিন্দুধর্ম হলো বিশ্বব্যাপী সনাতনবাদের (ইংরেজিতে যাকে প্যাগানিজম বলা যেতে পারে) ভারতীয় আঞ্চলিক রূপ। তাই হিন্দুত্ব আদর্শটি হওয়া উচিত একটি সর্বজনীন আদর্শ: সাম্রাজ্যবাদী মতাদর্শের আবির্ভাবের আগে সারা বিশ্বে বিদ্যমান সমস্ত ধর্ম ও সংস্কৃতির পুনর্জাগরণ এবং আধ্যাত্মিক পুনরুত্থানে এর নেতৃত্ব দেওয়া উচিত... ** এস.আর. গোয়েল সম্পাদিত 'টাইম ফর স্টক-টেকিং', পৃষ্ঠা ২২৭-২২৮-এ তালাগেরি। * প্রাক-আধুনিক হিন্দুধর্মে অন্য সব ধর্মের মতো ছোট-বড় ত্রুটি ছিল, কিন্তু এর সূক্ষ্মতাগুলো বর্তমানের তুলনায় অনেক বেশি সমৃদ্ধ ছিল। হিন্দুত্ব অনেক দিক থেকেই হিন্দুধর্মের বিপরীত এবং এর লক্ষ্য হলো এমন একটি সমাজ তৈরি করা যা সংকীর্ণ ও ধর্মান্ধ; যেখানে বিভিন্ন ধরণের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মতো ভিন্নমতাবলম্বীদের সাথে সহাবস্থান ক্রমশ অসম্ভব হয়ে পড়ছে, যা সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার পুনরাবৃত্তি থেকেই প্রমাণিত হয়। ** [[রোমিলা থাপার]], ''দ্য পাস্ট অ্যাজ প্রেজেন্ট: ফোর্জিং কনটেম্পোরারি আইডেন্টিটিস থ্রু হিস্ট্রি'' (২০১৪)। * হিন্দুত্ব দাবি করে যে তারা ভারতীয় ধর্ম, ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতির পশ্চিমা ব্যাখ্যার বিপরীতে দেশীয় ভারতীয় চিন্তাধারার প্রতিনিধিত্ব করে। তাদের দাবি হলো ঔপনিবেশিক পাণ্ডিত্য তাদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এবং উপনিবেশবাদকে বৈধতা দিতে ভারতীয় সংস্কৃতিকে ব্যবহার করেছে। অথচ হিন্দুত্ব ঠিক একই কাজ করছে—রাজনৈতিক সংহতি সহজ করার জন্য ঔপনিবেশিক ব্যাখ্যার আদলে হিন্দুধর্মকে পুনর্গঠিত করছে। এটি রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণের কর্মসূচিকে এগিয়ে নিতে [[জেমস মিল]] এবং [[ম্যাক্স মুলার|ম্যাক্স মুলারের]] মতো ঔপনিবেশিক তত্ত্বগুলো ব্যবহার করে। ইতিহাসকে কাজে লাগানো তাদের অতীতকে নিজেদের মতো করে বোঝার চেষ্টার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হয়ে দাঁড়ায়। ** [[রোমিলা থাপার]], ''দ্য পাস্ট অ্যাজ প্রেজেন্ট: ফোর্জিং কনটেম্পোরারি আইডেন্টিটিস থ্রু হিস্ট্রি'' (২০১৪)। == আরও দেখুন == * [[হিন্দু জাতীয়তাবাদ]] == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:রাজনৈতিক আদর্শ]] [[বিষয়শ্রেণী:হিন্দু জাতীয়তাবাদ]] mtlskkyszyb4jzs6lrdpetj7vngebje 79974 79973 2026-04-23T08:17:39Z Tuhin 172 79974 wikitext text/x-wiki '''[[w:হিন্দুত্ব|হিন্দুত্ব]]''' (আক্ষরিক অর্থে "হিন্দু-ত্ব") হলো একটি রাজনৈতিক [[আদর্শ]] যা [[হিন্দু জাতীয়তাবাদ|হিন্দু জাতীয়তাবাদের]] সাংস্কৃতিক যৌক্তিকতাকে ধারণ করে। এই রাজনৈতিক আদর্শটি ১৯২৩ সালে [[বিনায়ক দামোদর সাভারকর]] প্রণয়ন করেছিলেন। এটি [[রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ]] (আরএসএস), [[w:বিশ্ব হিন্দু পরিষদ|বিশ্ব হিন্দু পরিষদ]] (ভিএইচপি), [[ভারতীয় জনতা পার্টি]] (বিজেপি) এবং অন্যান্য সংস্থা দ্বারা ব্যবহৃত হয়, যাদের একত্রে [[w:সংঘ পরিবার|সংঘ পরিবার]] বলা হয়। __NOTOC__ {{TOCalpha|}} == উক্তি == === দ === *"প্রশ্ন: আমি বিশ্বাস করি আপনি সংঘ পরিবারের আদর্শের সাথে পরিচিত।<br>উত্তর: হ্যাঁ, অবশ্যই, গত ৩০ বছর ধরে। অবশ্যই, আমি এই সংস্থাগুলো সম্পর্কে কিছু সমালোচনামূলক দৃষ্টিভঙ্গিরও সম্মুখীন হয়েছি। তবে একই সাথে আমি দেখতে পাচ্ছি যে, সংঘ পরিবার [[ভারত|ভারতের]] জাতীয় পরিচয় এবং [[ভারতের সংস্কৃতি|সংস্কৃতি]] সংরক্ষণের বিষয়ে অত্যন্ত সচেতন। এই দিকটি আমাকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করেছে। সত্যি বলতে, এই দেশে এমন কিছু মানুষ আছেন যারা পশ্চিমা জীবনযাত্রার প্রতি মোহগ্রস্ত। আমি সবসময় আমার ভারতীয় বন্ধুদের বলেছি যে তাদের নিজস্ব সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে অবহেলা করার কোনো মানে হয় না। সেই হিসেবে, ভারতের ঐতিহ্যগত মূল্যবোধ ও আদর্শ সংরক্ষণের জন্য কাজ করা যেকোনো সংস্থা অবশ্যই সমস্ত শুভাকাঙ্ক্ষী মানুষের সমর্থন পাওয়ার যোগ্য।" **[[চতুর্দশ দালাই লামা|দালাই লামা]], [কানপুরে এবিভিপি সম্মেলনে এস. সুরেশ কর্তৃক গৃহীত সাক্ষাৎকার যা ২২ নভেম্বর ১৯৯২ তারিখে অর্গানাইজার-এ প্রকাশিত হয়।] * * হিন্দুত্ব আসলে বলতে বোঝায় ভারত প্রাথমিকভাবে একটি হিন্দু 'রাষ্ট্র' ছিল এই ধারণার সাথে একাত্মতা, যেমনটা এর প্রবক্তারা মনে করেন। এটি কোনো [[ধর্ম|ধর্মীয়]] [[দর্শন]] বা সমাজ সংস্কার আন্দোলন নয় বরং এটি সাংস্কৃতিক অন্ধবিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা একটি [[রাজনৈতিক দর্শন]]। এই আদর্শ জোর দিয়ে বলে যে ভারতের অ-হিন্দুদের "[[সংখ্যালঘু গোষ্ঠী|সংখ্যালঘু]]" হিসেবে তাদের স্থান মেনে নিতে হবে। তাদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নির্ভর করবে মূলত সংখ্যাগুরুদের সদিচ্ছা অর্জন করার ক্ষমতার ওপর। হিন্দুত্ব আদর্শের মূল কথা হলো সংখ্যাগুরুদের ভালোকেই যেকোনো সংখ্যালঘুর জন্য ভালো হিসেবে দেখা উচিত। এখানে সংখ্যালঘু অধিকারের যেকোনো দাবিকে সংখ্যাগুরুদের রাজনৈতিক কর্তৃত্বের প্রতি একটি হুমকি ও চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এই কারণে এমন সংখ্যালঘুদের হিন্দুত্ববাদীরা দেশবিরোধী এবং সমাজবিরোধী হিসেবে দেখে থাকে। এছাড়া সংখ্যালঘুদের সংখ্যা বাড়ানোর যেকোনো প্রচেষ্টাকে তারা [[আগ্রাসন]] হিসেবে গণ্য করে। ফলে [[w:খ্রিস্টধর্মে ধর্মান্তর|খ্রিস্টধর্মে ধর্মান্তর]] কিংবা কোনো [[হিন্দু]] মেয়ের সাথে কোনো [[মুসলিম]] বা [[খ্রিস্টান|খ্রিস্টান]] পুরুষের বিবাহকে তারা অবাঞ্ছিত ও উস্কানিমূলক কাজ হিসেবে দেখে। ** [[জি. এন. ডেভি]], "আদিবাসীস অ্যান্ড দলিতস: ট্রাইবাল ভয়েস অ্যান্ড ভায়োলেন্স", এস. ভারাদারাজন সম্পাদিত ''গুজরাত: দ্য মেকিং অফ এ ট্র্যাজেডি'' (২০০২), পৃষ্ঠা ২৬২-২৬৩। নয়াদিল্লি: পেঙ্গুইন। === জ === * সাভারকরের হিন্দুত্ব প্রাথমিকভাবে একটি জাতিগত সম্প্রদায় হিসেবে কল্পনা করা হয়েছিল যার একটি নির্দিষ্ট ভূখণ্ড থাকবে এবং যারা একই নৃতাত্ত্বিক ও সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য শেয়ার করবে। এই তিনটি বৈশিষ্ট্য মূলত [[w:বৈদিক যুগ|বৈদিক স্বর্ণযুগের]] পৌরাণিক পুনর্গঠন থেকে উদ্ভূত। ** [[ক্রিস্টোফ জাফ্রেলট]], ''দ্য হিন্দু ন্যাশনালিস্ট মুভমেন্ট ইন ইন্ডিয়া'' (লন্ডন: হার্স্ট, ১৯৯৩), পৃষ্ঠা ২৭। [https://thediplomat.com/2021/01/hindutvas-realism-in-modis-foreign-policy/ "হিন্দুত্ব’স রিয়ালিজম ইন মোদি’স ফরেন পলিসি"], ''দ্য ডিপ্লোম্যাট'', ১ জানুয়ারি ২০২১-এ উদ্ধৃত। *"মুসলিম-বিদ্বেষী হিসেবে হিন্দুত্বের ভুল উপস্থাপন বা অপব্যাখ্যা এমনভাবে গেঁথে গেছে যে এমনকি এর প্রবক্তারাও, যাদের মধ্যে ভারতীয় জনতা পার্টির কিছু নেতাও রয়েছেন, নিজেরাই এ বিষয়ে রক্ষণাত্মকভাবে কথা বলেন।" **গিরিলাল জৈন, পৃষ্ঠা ১০৬, দ্য [[হিন্দু]] ফেনোমেনন, আইএসবিএন ৮১-৮৬১১২-৩২-৪। * হিন্দুত্ববাদী শক্তিগুলো দেশে ধর্মীয় সংঘাত বাড়ানোর উদ্দেশ্যে যুক্তি দেয় যে অতীতে [[হিন্দু|হিন্দুদের]] জোরপূর্বক [[ভারতে ইসলাম|ইসলাম]] এবং [[ভারতে খ্রিস্টধর্ম|খ্রিস্টধর্মে]] ধর্মান্তরিত করা হয়েছিল এবং তাই তাদের পুনরায় ধর্মান্তরিত (ঘর ওয়াপাসি) করে হিন্দু বলয়ে ফিরিয়ে আনতে হবে। কিন্তু এ ধরণের দাবির আমাদের ইতিহাসে কোনো ভিত্তি নেই। ** [[ডি. এন. ঝা]], পাঞ্জাব ইতিহাস সম্মেলনের ৩১তম অধিবেশনে সভাপতির ভাষণ, ১৯-২১ মার্চ ১৯৯৯। [https://www.jstor.org/stable/3517941 "এগেইনস্ট কমিউনালাইজিং হিস্ট্রি"], ''সোশ্যাল সায়েন্টিস্ট'', ভলিউম ২৬, নম্বর ৯/১০ (সেপ্টেম্বর - অক্টোবর ১৯৯৮), পৃষ্ঠা ৫৪। === ম === * ভারতে ১৯৯০-এর দশকে হিন্দু জাতীয়তাবাদের উত্থান ভারতের ঐতিহ্যের কিছু অংশ মুছে ফেলার এবং [[ভারতের ইতিহাস|ভারতীয় ইতিহাসকে]] নতুন করে লেখার অসাধারণ প্রচেষ্টা নিয়ে আসে। ১৯৯২ সালে কট্টরপন্থীরা – যাদের হিন্দু [[ডানপন্থী রাজনীতি|ডানপন্থী]] রাজনীতিবিদরা সমর্থন দিয়েছিল – [[w:উত্তর ভারত|উত্তর ভারতের]] [[অযোধ্যা বিবাদ|অযোধ্যায়]] একটি ষোড়শ শতাব্দীর [[মসজিদ]] ধ্বংস করে এই যুক্তিতে যে এটি [[হিন্দু দেবতা]] [[রাম|রামে]]র জন্মস্থানের ওপর নির্মিত হয়েছিল। উৎসাহিত হয়ে তারা ঘোষণা করে যে তারা [[তাজমহল]]সহ অন্যান্য মুসলিম স্থাপত্য ধ্বংস করতে এগিয়ে যাবে। এটি ভারতের পরিচয়কে একচেটিয়াভাবে হিন্দু বা হিন্দু জাতীয়তাবাদীদের ব্যবহৃত শব্দ 'হিন্দুত্ব' হিসেবে চিহ্নিত করার একটি বৃহত্তর অভিযানের অংশ ছিল। ভারতের ইতিহাস অনিবার্যভাবে এর একটি প্রধান অনুষঙ্গ হয়ে ওঠে। প্রাপ্ত প্রমাণের ভিত্তিতে প্রচলিত ধারণা ছিল যে, উর্বর [[w:সিন্ধু নদ|সিন্ধু উপত্যকায়]] খ্রিস্টপূর্ব ৩০০০ থেকে ১৭০০ অব্দের মধ্যে [[সিন্ধু সভ্যতা|হরপ্পা সভ্যতা]] গড়ে উঠেছিল। ঘোড়সওয়ার [[আর্য জাতি|আর্যরা]] যখন উত্তর দিক থেকে নিচে নেমে আসে (সম্ভবত শান্তিপূর্ণ অভিবাসী হিসেবে অথবা সম্ভবত যুদ্ধবাজ আক্রমণকারী হিসেবে) তখন এটি ধীরে ধীরে বিলীন হয়ে যায়। এটি হিন্দু জাতীয়তাবাদীদের পছন্দ হয়নি কারণ এর অর্থ দাঁড়ায় যে একটি [[আদিবাসী|আদিবাসী সভ্যতা]] বাইরে থেকে আসা কারো কাছে নতি স্বীকার করেছে এবং তাদের নিজস্ব সংস্কৃতিতে বিদেশি উপাদান থাকতে পারে। আজকের হিন্দু জাতীয়তাবাদীদের আধ্যাত্মিক গুরু হিসেবে পরিচিত [[w:মাধব গোলওয়ালকর|মাধব গোলওয়ালকর]] ১৯৩০-এর দশকে লিখেছিলেন, “হিন্দুরা অন্য কোথাও থেকে এই ভূমিতে আসেনি বরং তারা অনাদিকাল থেকেই এই মাটির আদি সন্তান।” অবশ্যই এটি জাতি ও সভ্যতার বিকাশ ও সংমিশ্রণের এক অদ্ভুত সরলীকৃত দৃষ্টিভঙ্গি ছিল। তারা আম্বারে (এক ধরণের পাথর) চিরকাল আটকে থাকা মাছির মতো নয় বরং অনেক উপনদী থাকা নদীর মতো। ** [[মার্গারেট ম্যাকমিলান]], ''দ্য ইউজেস অ্যান্ড অ্যাবিউজেস অফ হিস্ট্রি'' (২০০৮), পৃষ্ঠা ৭৮-৭৯। * হিন্দুত্ব প্রকল্পের জন্য ভারতের হিন্দু এবং তাদের দ্বারা নির্মিত ঘৃণিত "অন্যান্য" অর্থাৎ ভারতের মুসলিম ও খ্রিস্টানদের মধ্যে একটি আমূল ও সহিংস বিচ্ছেদ প্রয়োজন। ** [[হর্ষ মান্দার]], [https://thewire.in/communalism/is-india-lurching-into-a-genocide "ইজ ইন্ডিয়া লারচিং ইনটু এ জেনোসাইড?"], ''দ্য ওয়্যার'', ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২২। * এমন নয় যে হিন্দুত্ব সমর্থকরা সম্পূর্ণ ভিন্ন পরিণতির সম্পূর্ণ ভিন্ন ঘটনাগুলোকে সমানভাবে দেখে, বরং তারা ইচ্ছাকৃতভাবে এমন তথ্যগুলো এড়িয়ে যায় যে ভিআইপি (মন্ত্রী, এমপি, এমএলএ) ঘৃণ্য বক্তৃতার ৮০-৯০ শতাংশ বিজেপির দ্বারা সংঘটিত হয়েছে অথবা বিজেপির আইটি সেলের প্রধান সবচেয়ে বিপজ্জনক এবং [[w:ভারতে ভুয়া খবর|ভুয়া]] সাম্প্রদায়িক প্রচারণার বৃহত্তম প্রচারক। শাসক দলের সাথে অন্য দলের কোনো তুলনাই হয় না। ** [[নিসিম মানাথুক্কারেন]], [https://thewire.in/communalism/delhi-riots-communalism-false-equivalence ''দ্য বারবারিটি অফ ফলস ইকুইভ্যালেন্স''], ৮ মার্চ ২০২০, ''[[w:দ্য ওয়্যার (ভারত)|দ্য ওয়্যার]]''। * আমি হিন্দুত্বে বিশ্বাস করি যা প্রাচীন ধারণা "[[w:বসুধৈব কুটুম্বকম|বসুধৈব কুটুম্বকম]]"-এর ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত। আমি বিশ্বাস করি পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং সহযোগিতা বিদেশি রাষ্ট্রগুলোর সাথে সম্পর্কের ভিত্তি হওয়া উচিত। এবং আমি আত্মবিশ্বাসী যে অন্য দেশগুলোর সাথে বৈদেশিক বিষয়গুলো পরিচালনার ক্ষেত্রে আমার হিন্দুত্ববাদী ভাবমূর্তি একটি সম্পদ হিসেবে কাজ করবে। ** [[নরেন্দ্র মোদি]], [http://archive.indianexpress.com/news/narendra-modi-my-hindutva-face-will-be-an-asset-in-foreign-affairs/1243097/ "নরেন্দ্র মোদি: মাই হিন্দুত্ব ফেস উইল বি এন অ্যাসেট ইন ফরেন অ্যাফেয়ার্স"], ''দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস'', ২৩ এপ্রিল ২০১৪। === ন === * মানুষ আমাকে ভারতের হিন্দুত্ববাদী শক্তিগুলো সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে। কয়েক বছর আগে আমি যখন বলেছিলাম যে ভারতে এই নতুন ধরণের আত্মসচেতনতার সাথে হিন্দু ধারণাটি প্রায় একটি প্রয়োজনীয় প্রাথমিক পর্যায়, তখন আমি কিছুটা সমস্যায় পড়েছিলাম। এর মধ্যে বৃহত্তর এবং নতুন ধারণার সূত্রপাত রয়েছে: ইতিহাসের ধারণা, মানব পরিবারের ধারণা এবং ভারতের ধারণা। আমি আশা করি এই আত্মসচেতনতা কেবল এখানেই থমকে থাকবে না এবং আমি মনে করি না যে এটি থাকবে, তবে এটি প্রয়োজনীয়। আমরা এমন একটি দেশ নিয়ে কাজ করছি যা খুব নিচু স্তর থেকে শুরু হয়েছে। একটি খুব নিচু বৌদ্ধিক স্তর এবং নিচু অর্থনৈতিক স্তর। মানুষ যখন এগিয়ে যেতে শুরু করে, তখন প্রথম আনুগত্য এবং প্রথম পরিচয় সবসময়ই কিছুটা ক্ষুদ্র হয়। তারা তাৎক্ষণিকভাবে অন্য কিছু হয়ে উঠতে পারে না। আমি মনে করি ভারতের বর্তমান প্রতিটি বিশৃঙ্খলার মধ্যেই একটি বৃহত্তর ইতিবাচক আন্দোলন রয়েছে। তবে ভবিষ্যৎ বেশ অরাজক হবে। রাজনীতিকে এখন জনগণের স্তরে থাকতে হবে। [[জওহরলাল নেহরু|নেহরু]]র মতো মানুষরা ছিলেন ঔপনিবেশিক ধাঁচের রাজনীতিবিদ। তারা অনেকাংশেই ঔপনিবেশিক ব্যবস্থার দ্বারা তৈরি এবং সুরক্ষিত ছিলেন। তারা সাধারণ মানুষের মধ্য থেকে শুরু করেননি। ** ভি.এস. নাইপল, 'এ মিলিয়ন মিউটিনিস', ভি.এস. নাইপল, ইন্ডিয়া টুডে, ১৮ আগস্ট ১৯৯৭।[https://web.archive.org/web/20050313091232/http://www.caribbeanhindu.com:80/VS_Naipaul.htm] * হিন্দুত্ববাদী যোদ্ধাদের ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের মানহানি করার অত্যন্ত অশুভ উদ্দেশ্য রয়েছে। ** [[মীরা নন্দা]], {{Cite book|url=https://www.jstor.org/stable/40279263|title=হিন্দু ট্রায়ামফালিজম অ্যান্ড দ্য ক্ল্যাশ অফ সিভিলাইজেশনস|date=2009|publisher=ইকোনমিক অ্যান্ড পলিটিক্যাল উইকলি|page=১১১}} === প === * [[মহাত্মা গান্ধী|মহাত্মা]] ছিলেন সম্প্রদায় এবং মানুষের মধ্যে সমন্বয়কারী। বিভাজন নয় বরং অন্তর্ভুক্তিই ছিল তার পথ। হিন্দুধর্মের ব্যাখ্যার বিষয়ে 'হিন্দুত্ব' গান্ধীর সাথে একমত ছিল না। হিন্দুত্বের লক্ষ্যগুলো আত্মপরিচয় এবং আত্মসংজ্ঞার বিষয়ে শক্তিশালী হলেও এগুলো বিচ্ছিন্নতাবাদী প্রবণতাসম্পন্ন। একজন বৈষ্ণব হিসেবে গান্ধী বিশ্বাস করতেন "অন্যের কষ্টকে নিজের কষ্ট হিসেবে গণ্য করতে।" এমন দৃষ্টিভঙ্গি থেকে এটি স্পষ্ট যে হিন্দুত্বের অসহিষ্ণুতা ভারতের মানুষকে একটি সহানুভূতিশীল ও ন্যায়সঙ্গত সামাজিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে দেবে না। ** [[অ্যান্থনি পারেল]], [https://www.google.com/books/edition/Gandhi_Freedom_and_Self_rule/sErf-DzVI9EC?hl=en&gbpv=1&pg=PA133 ''গান্ধী, ফ্রিডম, অ্যান্ড সেলফ-রুল''] (২০০০), লেক্সিংটন বুকস, পৃষ্ঠা ১৩৩। * হিন্দুত্ব আন্দোলন যেভাবে আত্মপ্রকাশ করেছে তা প্রায় ধ্রুপদী অর্থে এর আদর্শে ফ্যাসিবাদী, এর শ্রেণী সমর্থনে ফ্যাসিবাদী, এর পদ্ধতিতে ফ্যাসিবাদী এবং এর কর্মসূচিতেও ফ্যাসিবাদী। একটি ফ্যাসিবাদী আদর্শের সমস্ত উপাদান এতে বিদ্যমান: 'হিন্দু' নামক একটি সমজাতীয় ধারণার অধীনে সংখ্যাগুরুদের ঐক্যবদ্ধ করার চেষ্টা, অতীতে একটি বহিষ্কৃত সংখ্যালঘু গোষ্ঠী কর্তৃক এই সমজাতীয় গোষ্ঠীর ওপর করা কথিত অন্যায়ের বিরুদ্ধে ক্ষোভের অনুভূতি, এই সংখ্যালঘুর তুলনায় সাংস্কৃতিক শ্রেষ্ঠত্বের বোধ, এই পরিভাষায় ইতিহাসের পুনর্যাখ্যা, বিপরীত প্রমাণের সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যান, নিরপেক্ষ বিশ্লেষণ, বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি এবং যুক্তিযুক্ত আলোচনার প্রত্যাখ্যান এবং সর্বোপরি তথাকথিত সমজাতীয় সংখ্যাগরিষ্ঠদের প্রতি আবেগপূর্ণ ও পুরুষতান্ত্রিক ভাষায় 'দাঁড়িয়ে পড়ার', 'নিজেদের পুরুষত্ব জাহির করার' আহ্বান, যা সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে সহিংসতায় উস্কানি দেয় এবং প্রকৃত সহিংসতার জন্ম দেয়। এর আবেদন কোনো উন্নত বা সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের স্বপ্নের ওপর ভিত্তি করে নয় বরং এটি ঘৃণার ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত। ** [[প্রভাত পট্টনায়ক]], [https://www.jstor.org/stable/3517631 "ফ্যাসিজম অফ আওয়ার টাইমস."], ''সোশ্যাল সায়েন্টিস্ট'', ভলিউম ২১, নম্বর ৩/৪, ১৯৯৩, পৃষ্ঠা ৬৯–৭০। * ঠিক যেমনটা [[মহামন্দা|১৯৩০-এর দশকে]] হয়েছিল, বর্তমান বিশ্ব পুঁজিবাদও একটি কানাগলিতে পৌঁছেছে এবং আগের মতো চলতে পারছে না। ভারতের শাসক গোষ্ঠী অবশ্য বিশ্ব পরিস্থিতির বিষয়ে সম্পূর্ণ অজ্ঞাত। নব্য-উদারতাবাদের এই শেষ পরিণতি যা এমনকি মহানগরের বুর্জোয়া চিন্তাবিদদের কাছেও দৃশ্যমান, তা আমাদের হিন্দুত্ব ব্রিগেডের কাছে অদৃশ্য। ** [[প্রভাত পট্টনায়ক]], ''[https://www.newsclick.in/Capitalism-COVID-19-Modi-Govt-Policies-Hindutva-Global-Economy-Neo-Liberalism দ্য ওয়ার্ল্ড অ্যাট ক্রসরোডস]'', ২৯ মে ২০২০, ''নিউজক্লিক''। * হিন্দুত্ব তাদের শত্রুদের ক্রমানুসারে সাজিয়েছে – মুসলিম, খ্রিস্টান এবং [[ভারতে কমিউনিজম|কমিউনিস্ট]]। এটি [[অ্যাডলফ হিটলার|হিটলারের]] "জাতীয়" গর্বের প্রশংসা করেছিল এবং সংখ্যালঘুদের সাথে মোকাবিলা করার ক্ষেত্রে নাৎসি মডেলের সহায়তা চেয়েছিল। হিটলারের মতো হিন্দুত্বও জাতিগত শ্রেষ্ঠত্বে বিশ্বাস করত এবং বিশ্ব আধিপত্যের স্বপ্ন দেখত। গতকাল এটি ব্রিটিশ রাজের সাথে সহযোগিতা করেছিল। আজ এটি সেই তেরঙা পতাকা ওড়ায় যাকে তারা একসময় প্রকাশ্যে অবজ্ঞা করেছিল এবং এমন একটি সংবিধান মেনে চলার ভান করে যাকে তারা 'মনুসংহিতা' দিয়ে প্রতিস্থাপন করতে চেয়েছিল – যা একটি নারীবিদ্বেষী ও ব্রাহ্মণবাদী পাঠ্য। তারা প্রতিটি সহজলভ্য সরকারি সম্পদ বিদেশি বা ভারতীয় ঘনিষ্ঠ পুঁজিপতিদের কাছে বিক্রি করতে ব্যস্ত। ১৯৪৮ সালে তাদের হাতে গান্ধীর হত্যাকাণ্ড – শব্দে উচ্চারণ না করলেও – শত্রুদের তালিকায় একটি নতুন নাম যোগ করেছে, আর তা হলো সেইসব হিন্দু যারা হিন্দুত্ব প্রকল্পের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিল। ** [[আনন্দ পটবর্ধন]], [https://scroll.in/article/1005159/anand-patwardhan-if-hindutva-is-hinduism-then-the-ku-klux-klan-is-christianity "আনন্দ পটবর্ধন: ইফ হিন্দুত্ব ইজ হিন্দুইজম দেন দ্য কু ক্লাক্স ক্ল্যান ইজ ক্রিশ্চিয়ানিটি"], ১২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ''স্ক্রল.ইন''। === স === * একটি গণ-আন্দোলন হিসেবে হিন্দুত্বের (বা ফ্যাসিবাদের) মূল কৌশল হলো অতীতের বিভিন্ন কুসংস্কার থেকে বিচ্ছিন্ন উপাদান সংগ্রহ করে সেগুলোকে নতুন ছদ্মবেশে সাজানো। আধুনিক মিডিয়া প্রযুক্তির মাধ্যমে এই মিশ্রণটি প্রচার করে একটি শক্তিশালী ও প্রসারযোগ্য শত্রু-ভাবমূর্তি তৈরি করা হয়। এখানে মুসলিমরা অনেকটা ইহুদিদের সমতুল্য হয়ে ওঠে। বর্ণবাদী মনোভাবকে বর্তমানে 'বাবর কি আওলাদ' বা বাবরের সন্তান নামক সূত্রের মাধ্যমে চমৎকারভাবে গেঁথে দেওয়া হয়েছে। বাবরের বংশধর হওয়ার কথিত দাবিই কাউকে অপরাধী সাব্যস্ত করার জন্য যথেষ্ট, কোনো প্রকৃত অপকর্মের প্রয়োজন নেই। এটি ঠিক সেভাবেই কাজ করে যেভাবে একসময় ধর্মান্ধ খ্রিস্টান মহলে সমস্ত ইহুদিদের দোষী সাব্যস্ত করা হতো কারণ তাদের পূর্বপুরুষরা যিশুর ক্রুশবিদ্ধ হওয়ার সময় কথিত ভূমিকা পালন করেছিল। ** [[সুমিত সরকার]], [https://www.jstor.org/stable/4399339 "দ্য ফ্যাসিবজম অফ দ্য সংঘ পরিবার।"] ''ইকোনমিক অ্যান্ড পলিটিক্যাল উইকলি'', ভলিউম ২৮, নম্বর ৫, ১৯৯৩, পৃষ্ঠা ১৬৫। * হিন্দুত্বের সাংগঠনিক কাঠামো হলো ঘৃণা ছড়িয়ে দেওয়ার কাজে নিয়োজিত বিশ্বের প্রাচীনতম, সবচেয়ে নিরবচ্ছিন্ন এবং অবশ্যই সবচেয়ে বহুমুখী রাজনৈতিক গঠন। ** [[তানিকা সরকার]], [https://www.google.com/books/edition/_/GGxvEAAAQBAJ?hl=en&gbpv=1&pg=PT8 ''হিন্দু ন্যাশনালিজম ইন ইন্ডিয়া''] (২০২২)। [https://thewire.in/books/book-review-the-hindutva-growth-story "বুক রিভিউ: দ্য হিন্দুত্ব গ্রোথ স্টোরি"], ''দ্য ওয়্যার'', ২১ আগস্ট ২০২২-এ উদ্ধৃত। * হিন্দুত্ব কেবল একটি শব্দ নয় বরং একটি ইতিহাস। এটি কেবল আমাদের জনগণের আধ্যাত্মিক বা ধর্মীয় ইতিহাস নয়, বরং এটি একটি পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস। হিন্দুধর্ম হলো হিন্দুত্বের একটি আহরিত অংশ বা একটি ভগ্নাংশ মাত্র। হিন্দুত্ব আমাদের হিন্দু জাতির সমগ্র সত্তার চিন্তা ও কর্মকাণ্ডের সমস্ত বিভাগকে আলিঙ্গন করে। ** [[বিনায়ক দামোদর সাভারকর]], ''হিন্দুত্ব: হু ইজ এ হিন্দু?'' (পঞ্চম সংস্করণ, ১৯৬৯), পৃষ্ঠা ৩-৪। * হিন্দু আন্দোলনের আদর্শ ব্যাখ্যা করার ক্ষেত্রে এই তিনটি শব্দের অর্থ সঠিকভাবে বোঝা অত্যন্ত জরুরি। ইংরেজি ভাষায় "হিন্দু" শব্দ থেকে "হিন্দুইজম" বা হিন্দুধর্ম শব্দটি তৈরি হয়েছে। এর অর্থ হলো হিন্দুরা যে ধর্মীয় ব্যবস্থা অনুসরণ করে। দ্বিতীয় শব্দটি হলো "হিন্দুত্ব", যা অনেক বেশি ব্যাপক। এটি কেবল ধর্মীয় দিক নয়, বরং হিন্দু জনগণের সাংস্কৃতিক, ভাষাগত, সামাজিক এবং রাজনৈতিক দিকগুলোকেও অন্তর্ভুক্ত করে। এর প্রায় সঠিক অনুবাদ হবে "হিন্দুনেস" বা হিন্দু-ত্ব। তৃতীয় শব্দটি হলো "হিন্দুডম", যার অর্থ হলো সমষ্টিগতভাবে হিন্দু জনগোষ্ঠী। এটি হিন্দু বিশ্বের একটি সম্মিলিত নাম, ঠিক যেমন ইসলাম দ্বারা মুসলিম বিশ্বকে বোঝানো হয়। ** [[বি. ডি. সাভারকর]], বি.আর. আম্বেদকরের 'পাকিস্তান অর দ্য পার্টিশন অফ ইন্ডিয়া' (১৯৪৬) থেকে উদ্ধৃত। * একজন হিন্দু অন্য একজন হিন্দুকে বিয়ে করলে তার জাত যেতে পারে, তবে তার হিন্দুত্ব নয়। ** বি.ডি. সাভারকর, হিন্দুত্ব, পৃষ্ঠা ৯০। * ফ্যাসিবাদী হিন্দুত্ববাদী কল্পনায় ভারতীয় মুসলিমদের ক্রমাগত পাকিস্তানি "পঞ্চম বাহিনী" বা জাতির শত্রু হিসেবে গালি দেওয়া হয় এবং তাদের দেশপ্রেমকে সন্দেহজনক হিসেবে তুলে ধরা হয়। হিন্দুত্ববাদী আলোচনায় মুসলিমরা একটি ভীতিকর "অন্যান্য" হিসেবে কেন্দ্রীয় স্থান দখল করে আছে এবং বড় আকারের [[ইসলামোফোবিয়া|মুসলিম-বিরোধী]] সহিংসতাকে বৈধতা দিতে এই ধারণাটি ব্যবহৃত হয়েছে। ** {{cite book|author=[[যোগিন্দর সিকান্দ]]|editor1-last=আবু-রবি|editor1-first=ইব্রাহিম|title=দ্য ব্ল্যাকওয়েল কম্প্যানিয়ন টু কনটেম্পোরারি ইসলামিক থট|date=2006|page=৮৮}} * “হিন্দুত্ব শব্দটি গালি হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে এবং এটি বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অবজ্ঞাসূচক অর্থে ব্যবহৃত হয়। এই বিতর্কটি এখন আর কেবল পুরোহিতদের গণ্ডিবদ্ধ জগতে বা রাজনীতির স্বার্থান্বেষী মহলে সীমাবদ্ধ নেই, এটি হিন্দু সভ্যতার জন্য একটি চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিস্তৃত হয়েছে। হিন্দু শব্দের এই অবমাননাকর ব্যবহার আসলে ভারতীয় সভ্যতার ওপর একটি বৃহত্তর আঘাত। এটি আমাকে ব্যথিত করে যে আমি এই দেশে স্কুল ও কলেজে পড়াশোনা করেছি অথচ বিশ্ব ইতিহাসে হিন্দু সভ্যতার বিশাল অবদান সম্পর্কে কোনো ধারণা পাইনি। এটি আমাকে ব্যথিত করে যে আজও আমাদের সন্তানরা তাদের নিজস্ব সংস্কৃতি বা সভ্যতা সম্পর্কে কোনো জ্ঞান ছাড়াই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে বেরিয়ে আসে। আপনি এমন কোনো ঐতিহ্যের জন্য গর্বিত হতে পারেন না যা সম্পর্কে আপনি কিছুই জানেন না। ধর্মনিরপেক্ষতার নামে আমরা ৫০ বছর এই সভ্যতার হিন্দু শিকড়কে অস্বীকার করে কাটিয়েছি। আমরা সেই ঔপনিবেশিক শিক্ষা ব্যবস্থা পরিবর্তনের জন্য কিছুই করিনি যা এই নীতির ওপর প্রতিষ্ঠিত ছিল যে ভারতীয় সভ্যতার দেওয়ার মতো কিছু নেই। আমাদের সংস্কৃতির প্রতি এই অবজ্ঞা কি প্রমাণ করে না যে দেশটি মজ্জাগতভাবে এখনও উপনিবেশ হয়ে আছে? আমরা নিজেদের সম্পর্কে যে নিচু ধারণা পোষণ করি তা পশ্চিমা সংবাদমাধ্যমগুলো লুফে নেয়। বর্ণবাদকে হিন্দু জাতীয়তাবাদের সমতুল্য ধরা হচ্ছে। যে দেশগুলো আমাদের দাসত্ব উপহার দিয়েছে তাদের মুখে এটি মানায় না, কিন্তু তাদের দোষ দিয়ে লাভ কী যখন আমরা নিজেরাই নিজেদের সম্পর্কে এত খারাপ ভাবি। আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই যে আমি বিশ্বাস করি ইন্ডিজ ধর্মগুলো সেমেটিক ধর্মগুলোর তুলনায় বিশ্বের জন্য অনেক কম সমস্যা তৈরি করেছে এবং হিন্দু সভ্যতা নিয়ে আমি অত্যন্ত গর্বিত। এটি যদি আমার ‘সাম্প্রদায়িক’ হওয়ার প্রমাণ হয়, তবে তাই হোক।” ** টাভলিন সিং, ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস (রবিবার ১৩/৬/২০০৪); সীতা রাম গোয়েল ও কোয়েনরাড এলস্ট (২০০৫) সম্পাদিত 'ইন্ডিয়া'স অনলি কমিউনালিস্ট: ইন কমেমোরেশন অফ সীতা রাম গোয়েল' গ্রন্থে তালাগেরির নিবন্ধে উদ্ধৃত। === ত === * ভারতীয় ফ্রন্টে, হিন্দুত্ব আন্দোলনের উচিত হিন্দুধর্মের পুনর্জাগরণ এবং পুনরুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া; যার মধ্যে কেবল বৈদিক বা [[সংস্কৃত|সংস্কৃত]] উৎস থেকে আসা ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক চর্চাই অন্তর্ভুক্ত নয়, বরং অন্য সব ভারতীয় উৎসও অন্তর্ভুক্ত: আন্দামান দ্বীপবাসী এবং (খ্রিস্টপূর্ব) নাগাদের চর্চাও আঞ্চলিক অর্থে হিন্দু এবং আধ্যাত্মিক অর্থে সনাতন, ঠিক যেমন ধ্রুপদী সংস্কৃত হিন্দুধর্ম। (...) একজন প্রকৃত হিন্দুত্ববাদীর মনে তখন ব্যথার উদ্রেক হওয়া উচিত এবং ইতিবাচক পদক্ষেপ নেওয়ার ইচ্ছা জাগা উচিত যখন তিনি শোনেন যে বিভিন্ন কারণে ভারতের জনসংখ্যায় হিন্দুদের শতাংশ কমে যাচ্ছে অথবা হিন্দুরা প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রে [[বৈষম্য|বৈষম্যের]] শিকার হচ্ছে; কেবল তখনই নয়, বরং যখন তিনি শোনেন যে আন্দামানি [[জাতি|জাতি]] এবং [[ভাষা|ভাষা]] [[বিলুপ্তি|বিলুপ্ত]] হয়ে যাচ্ছে; লক্ষ লক্ষ বছরের পুরোনো বিশাল [[বন|বনভূমি]] চিরতরে মুছে ফেলা হচ্ছে; প্রাচীন এবং [[মধ্যযুগ|মধ্যযুগীয়]] হিন্দু স্থাপত্য স্মৃতিস্তম্ভগুলো লুটপাট বা অবহেলার শিকার হচ্ছে; অমূল্য প্রাচীন নথিগুলো ধ্বংস হচ্ছে বা পচতে দেওয়া হচ্ছে; অসংখ্য শিল্পকলা, হস্তশিল্প, স্থাপত্যশৈলী, [[উদ্ভিদ|উদ্ভিদ]] ও [[প্রাণী|প্রাণী]] প্রজাতি, [[সংগীত|সংগীতের]] রূপ এবং বাদ্যযন্ত্র বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে; আমাদের পবিত্র নদী এবং পরিবেশ অপরিবর্তনীয়ভাবে দূষিত ও ধ্বংস হচ্ছে... ** এস.আর. গোয়েল সম্পাদিত 'টাইম ফর স্টক-টেকিং', পৃষ্ঠা ২২৭-২২৮-এ তালাগেরি। * হিন্দুধর্ম হলো বিশ্বব্যাপী সনাতনবাদের (ইংরেজিতে যাকে প্যাগানিজম বলা যেতে পারে) ভারতীয় আঞ্চলিক রূপ। তাই হিন্দুত্ব আদর্শটি হওয়া উচিত একটি সর্বজনীন আদর্শ: সাম্রাজ্যবাদী মতাদর্শের আবির্ভাবের আগে সারা বিশ্বে বিদ্যমান সমস্ত ধর্ম ও সংস্কৃতির পুনর্জাগরণ এবং আধ্যাত্মিক পুনরুত্থানে এর নেতৃত্ব দেওয়া উচিত... ** এস.আর. গোয়েল সম্পাদিত 'টাইম ফর স্টক-টেকিং', পৃষ্ঠা ২২৭-২২৮-এ তালাগেরি। * প্রাক-আধুনিক হিন্দুধর্মে অন্য সব ধর্মের মতো ছোট-বড় ত্রুটি ছিল, কিন্তু এর সূক্ষ্মতাগুলো বর্তমানের তুলনায় অনেক বেশি সমৃদ্ধ ছিল। হিন্দুত্ব অনেক দিক থেকেই হিন্দুধর্মের বিপরীত এবং এর লক্ষ্য হলো এমন একটি সমাজ তৈরি করা যা সংকীর্ণ ও ধর্মান্ধ; যেখানে বিভিন্ন ধরণের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মতো ভিন্নমতাবলম্বীদের সাথে সহাবস্থান ক্রমশ অসম্ভব হয়ে পড়ছে, যা সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার পুনরাবৃত্তি থেকেই প্রমাণিত হয়। ** [[রোমিলা থাপার]], ''দ্য পাস্ট অ্যাজ প্রেজেন্ট: ফোর্জিং কনটেম্পোরারি আইডেন্টিটিস থ্রু হিস্ট্রি'' (২০১৪)। * হিন্দুত্ব দাবি করে যে তারা ভারতীয় ধর্ম, ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতির পশ্চিমা ব্যাখ্যার বিপরীতে দেশীয় ভারতীয় চিন্তাধারার প্রতিনিধিত্ব করে। তাদের দাবি হলো ঔপনিবেশিক পাণ্ডিত্য তাদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এবং উপনিবেশবাদকে বৈধতা দিতে ভারতীয় সংস্কৃতিকে ব্যবহার করেছে। অথচ হিন্দুত্ব ঠিক একই কাজ করছে—রাজনৈতিক সংহতি সহজ করার জন্য ঔপনিবেশিক ব্যাখ্যার আদলে হিন্দুধর্মকে পুনর্গঠিত করছে। এটি রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণের কর্মসূচিকে এগিয়ে নিতে [[জেমস মিল]] এবং [[ম্যাক্স মুলার|ম্যাক্স মুলারের]] মতো ঔপনিবেশিক তত্ত্বগুলো ব্যবহার করে। ইতিহাসকে কাজে লাগানো তাদের অতীতকে নিজেদের মতো করে বোঝার চেষ্টার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হয়ে দাঁড়ায়। ** [[রোমিলা থাপার]], ''দ্য পাস্ট অ্যাজ প্রেজেন্ট: ফোর্জিং কনটেম্পোরারি আইডেন্টিটিস থ্রু হিস্ট্রি'' (২০১৪)। == আরও দেখুন == * [[হিন্দু জাতীয়তাবাদ]] == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:রাজনৈতিক আদর্শ]] [[বিষয়শ্রেণী:হিন্দু জাতীয়তাবাদ]] occu7vw74nbl413a3v2mdwx9drq7k16 79975 79974 2026-04-23T08:21:34Z Tuhin 172 79975 wikitext text/x-wiki '''[[w:হিন্দুত্ব|হিন্দুত্ব]]''' (আক্ষরিক অর্থে "হিন্দু-ত্ব") হলো একটি রাজনৈতিক [[আদর্শ]] যা [[হিন্দু জাতীয়তাবাদ|হিন্দু জাতীয়তাবাদের]] সাংস্কৃতিক যৌক্তিকতাকে ধারণ করে। এই রাজনৈতিক আদর্শটি ১৯২৩ সালে [[বিনায়ক দামোদর সাভারকর]] প্রণয়ন করেছিলেন। এটি [[রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ]] (আরএসএস), [[w:বিশ্ব হিন্দু পরিষদ|বিশ্ব হিন্দু পরিষদ]] (ভিএইচপি), [[ভারতীয় জনতা পার্টি]] (বিজেপি) এবং অন্যান্য সংস্থা দ্বারা ব্যবহৃত হয়, যাদের একত্রে [[w:সংঘ পরিবার|সংঘ পরিবার]] বলা হয়। __NOTOC__ {{TOCalpha|}} == উক্তি == === দ === *"প্রশ্ন: আমি বিশ্বাস করি আপনি সংঘ পরিবারের আদর্শের সাথে পরিচিত।<br>উত্তর: হ্যাঁ, অবশ্যই, গত ৩০ বছর ধরে। অবশ্যই, আমি এই সংস্থাগুলো সম্পর্কে কিছু সমালোচনামূলক দৃষ্টিভঙ্গিরও সম্মুখীন হয়েছি। তবে একই সাথে আমি দেখতে পাচ্ছি যে, সংঘ পরিবার [[ভারত|ভারতের]] জাতীয় পরিচয় এবং [[ভারতের সংস্কৃতি|সংস্কৃতি]] সংরক্ষণের বিষয়ে অত্যন্ত সচেতন। এই দিকটি আমাকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করেছে। সত্যি বলতে, এই দেশে এমন কিছু মানুষ আছেন যারা পশ্চিমা জীবনযাত্রার প্রতি মোহগ্রস্ত। আমি সবসময় আমার ভারতীয় বন্ধুদের বলেছি যে তাদের নিজস্ব সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে অবহেলা করার কোনো মানে হয় না। সেই হিসেবে, ভারতের ঐতিহ্যগত মূল্যবোধ ও আদর্শ সংরক্ষণের জন্য কাজ করা যেকোনো সংস্থা অবশ্যই সমস্ত শুভাকাঙ্ক্ষী মানুষের সমর্থন পাওয়ার যোগ্য।" **[[চতুর্দশ দালাই লামা|দালাই লামা]], [কানপুরে এবিভিপি সম্মেলনে এস. সুরেশ কর্তৃক গৃহীত সাক্ষাৎকার যা ২২ নভেম্বর ১৯৯২ তারিখে অর্গানাইজার-এ প্রকাশিত হয়।] * * হিন্দুত্ব আসলে বলতে বোঝায় ভারত প্রাথমিকভাবে একটি হিন্দু 'রাষ্ট্র' ছিল এই ধারণার সাথে একাত্মতা, যেমনটা এর প্রবক্তারা মনে করেন। এটি কোনো [[ধর্ম|ধর্মীয়]] [[দর্শন]] বা সমাজ সংস্কার আন্দোলন নয় বরং এটি সাংস্কৃতিক অন্ধবিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা একটি [[রাজনৈতিক দর্শন]]। এই আদর্শ জোর দিয়ে বলে যে ভারতের অ-হিন্দুদের "[[সংখ্যালঘু গোষ্ঠী|সংখ্যালঘু]]" হিসেবে তাদের স্থান মেনে নিতে হবে। তাদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নির্ভর করবে মূলত সংখ্যাগুরুদের সদিচ্ছা অর্জন করার ক্ষমতার ওপর। হিন্দুত্ব আদর্শের মূল কথা হলো সংখ্যাগুরুদের ভালোকেই যেকোনো সংখ্যালঘুর জন্য ভালো হিসেবে দেখা উচিত। এখানে সংখ্যালঘু অধিকারের যেকোনো দাবিকে সংখ্যাগুরুদের রাজনৈতিক কর্তৃত্বের প্রতি একটি হুমকি ও চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এই কারণে এমন সংখ্যালঘুদের হিন্দুত্ববাদীরা দেশবিরোধী এবং সমাজবিরোধী হিসেবে দেখে থাকে। এছাড়া সংখ্যালঘুদের সংখ্যা বাড়ানোর যেকোনো প্রচেষ্টাকে তারা [[আগ্রাসন]] হিসেবে গণ্য করে। ফলে [[w:খ্রিস্টধর্মে ধর্মান্তর|খ্রিস্টধর্মে ধর্মান্তর]] কিংবা কোনো [[হিন্দু]] মেয়ের সাথে কোনো [[মুসলিম]] বা [[খ্রিস্টান|খ্রিস্টান]] পুরুষের বিবাহকে তারা অবাঞ্ছিত ও উস্কানিমূলক কাজ হিসেবে দেখে। ** [[জি. এন. ডেভি]], "আদিবাসীস অ্যান্ড দলিতস: ট্রাইবাল ভয়েস অ্যান্ড ভায়োলেন্স", এস. ভারাদারাজন সম্পাদিত ''গুজরাত: দ্য মেকিং অফ এ ট্র্যাজেডি'' (২০০২), পৃষ্ঠা ২৬২-২৬৩। নয়াদিল্লি: পেঙ্গুইন। === জ === * সাভারকরের হিন্দুত্ব প্রাথমিকভাবে একটি জাতিগত সম্প্রদায় হিসেবে কল্পনা করা হয়েছিল যার একটি নির্দিষ্ট ভূখণ্ড থাকবে এবং যারা একই নৃতাত্ত্বিক ও সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য শেয়ার করবে। এই তিনটি বৈশিষ্ট্য মূলত [[w:বৈদিক যুগ|বৈদিক স্বর্ণযুগের]] পৌরাণিক পুনর্গঠন থেকে উদ্ভূত। ** [[ক্রিস্টোফ জাফ্রেলট]], ''দ্য হিন্দু ন্যাশনালিস্ট মুভমেন্ট ইন ইন্ডিয়া'' (লন্ডন: হার্স্ট, ১৯৯৩), পৃষ্ঠা ২৭। [https://thediplomat.com/2021/01/hindutvas-realism-in-modis-foreign-policy/ "হিন্দুত্ব’স রিয়ালিজম ইন মোদি’স ফরেন পলিসি"], ''দ্য ডিপ্লোম্যাট'', ১ জানুয়ারি ২০২১-এ উদ্ধৃত। *"মুসলিম-বিদ্বেষী হিসেবে হিন্দুত্বের ভুল উপস্থাপন বা অপব্যাখ্যা এমনভাবে গেঁথে গেছে যে এমনকি এর প্রবক্তারাও, যাদের মধ্যে ভারতীয় জনতা পার্টির কিছু নেতাও রয়েছেন, নিজেরাই এ বিষয়ে রক্ষণাত্মকভাবে কথা বলেন।" **গিরিলাল জৈন, পৃষ্ঠা ১০৬, দ্য [[হিন্দু]] ফেনোমেনন, আইএসবিএন ৮১-৮৬১১২-৩২-৪। * হিন্দুত্ববাদী শক্তিগুলো দেশে ধর্মীয় সংঘাত বাড়ানোর উদ্দেশ্যে যুক্তি দেয় যে অতীতে [[হিন্দু|হিন্দুদের]] জোরপূর্বক [[ভারতে ইসলাম|ইসলাম]] এবং [[ভারতে খ্রিস্টধর্ম|খ্রিস্টধর্মে]] ধর্মান্তরিত করা হয়েছিল এবং তাই তাদের পুনরায় ধর্মান্তরিত (ঘর ওয়াপাসি) করে হিন্দু বলয়ে ফিরিয়ে আনতে হবে। কিন্তু এ ধরণের দাবির আমাদের ইতিহাসে কোনো ভিত্তি নেই। ** [[ডি. এন. ঝা]], পাঞ্জাব ইতিহাস সম্মেলনের ৩১তম অধিবেশনে সভাপতির ভাষণ, ১৯-২১ মার্চ ১৯৯৯। [https://www.jstor.org/stable/3517941 "এগেইনস্ট কমিউনালাইজিং হিস্ট্রি"], ''সোশ্যাল সায়েন্টিস্ট'', ভলিউম ২৬, নম্বর ৯/১০ (সেপ্টেম্বর - অক্টোবর ১৯৯৮), পৃষ্ঠা ৫৪। === ম === * ভারতে ১৯৯০-এর দশকে হিন্দু জাতীয়তাবাদের উত্থান ভারতের ঐতিহ্যের কিছু অংশ মুছে ফেলার এবং [[ভারতের ইতিহাস|ভারতীয় ইতিহাসকে]] নতুন করে লেখার অসাধারণ প্রচেষ্টা নিয়ে আসে। ১৯৯২ সালে কট্টরপন্থীরা – যাদের হিন্দু [[ডানপন্থী রাজনীতি|ডানপন্থী]] রাজনীতিবিদরা সমর্থন দিয়েছিল – [[w:উত্তর ভারত|উত্তর ভারতের]] [[অযোধ্যা বিবাদ|অযোধ্যায়]] একটি ষোড়শ শতাব্দীর [[মসজিদ]] ধ্বংস করে এই যুক্তিতে যে এটি [[হিন্দু দেবতা]] [[রাম|রামে]]র জন্মস্থানের ওপর নির্মিত হয়েছিল। উৎসাহিত হয়ে তারা ঘোষণা করে যে তারা [[তাজমহল]]সহ অন্যান্য মুসলিম স্থাপত্য ধ্বংস করতে এগিয়ে যাবে। এটি ভারতের পরিচয়কে একচেটিয়াভাবে হিন্দু বা হিন্দু জাতীয়তাবাদীদের ব্যবহৃত শব্দ 'হিন্দুত্ব' হিসেবে চিহ্নিত করার একটি বৃহত্তর অভিযানের অংশ ছিল। ভারতের ইতিহাস অনিবার্যভাবে এর একটি প্রধান অনুষঙ্গ হয়ে ওঠে। প্রাপ্ত প্রমাণের ভিত্তিতে প্রচলিত ধারণা ছিল যে, উর্বর [[w:সিন্ধু নদ|সিন্ধু উপত্যকায়]] খ্রিস্টপূর্ব ৩০০০ থেকে ১৭০০ অব্দের মধ্যে [[সিন্ধু সভ্যতা|হরপ্পা সভ্যতা]] গড়ে উঠেছিল। ঘোড়সওয়ার [[আর্য জাতি|আর্যরা]] যখন উত্তর দিক থেকে নিচে নেমে আসে (সম্ভবত শান্তিপূর্ণ অভিবাসী হিসেবে অথবা সম্ভবত যুদ্ধবাজ আক্রমণকারী হিসেবে) তখন এটি ধীরে ধীরে বিলীন হয়ে যায়। এটি হিন্দু জাতীয়তাবাদীদের পছন্দ হয়নি কারণ এর অর্থ দাঁড়ায় যে একটি [[আদিবাসী|আদিবাসী সভ্যতা]] বাইরে থেকে আসা কারো কাছে নতি স্বীকার করেছে এবং তাদের নিজস্ব সংস্কৃতিতে বিদেশি উপাদান থাকতে পারে। আজকের হিন্দু জাতীয়তাবাদীদের আধ্যাত্মিক গুরু হিসেবে পরিচিত [[w:মাধব গোলওয়ালকর|মাধব গোলওয়ালকর]] ১৯৩০-এর দশকে লিখেছিলেন, “হিন্দুরা অন্য কোথাও থেকে এই ভূমিতে আসেনি বরং তারা অনাদিকাল থেকেই এই মাটির আদি সন্তান।” অবশ্যই এটি জাতি ও সভ্যতার বিকাশ ও সংমিশ্রণের এক অদ্ভুত সরলীকৃত দৃষ্টিভঙ্গি ছিল। তারা আম্বারে (এক ধরণের পাথর) চিরকাল আটকে থাকা মাছির মতো নয় বরং অনেক উপনদী থাকা নদীর মতো। ** [[মার্গারেট ম্যাকমিলান]], ''দ্য ইউজেস অ্যান্ড অ্যাবিউজেস অফ হিস্ট্রি'' (২০০৮), পৃষ্ঠা ৭৮-৭৯। * হিন্দুত্ব প্রকল্পের জন্য ভারতের হিন্দু এবং তাদের দ্বারা নির্মিত ঘৃণিত "অন্যান্য" অর্থাৎ ভারতের মুসলিম ও খ্রিস্টানদের মধ্যে একটি আমূল ও সহিংস বিচ্ছেদ প্রয়োজন। ** [[হর্ষ মান্দার]], [https://thewire.in/communalism/is-india-lurching-into-a-genocide "ইজ ইন্ডিয়া লারচিং ইনটু এ জেনোসাইড?"], ''দ্য ওয়্যার'', ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২২। * এমন নয় যে হিন্দুত্ব সমর্থকরা সম্পূর্ণ ভিন্ন পরিণতির সম্পূর্ণ ভিন্ন ঘটনাগুলোকে সমানভাবে দেখে, বরং তারা ইচ্ছাকৃতভাবে এমন তথ্যগুলো এড়িয়ে যায় যে ভিআইপি (মন্ত্রী, এমপি, এমএলএ) ঘৃণ্য বক্তৃতার ৮০-৯০ শতাংশ বিজেপির দ্বারা সংঘটিত হয়েছে অথবা বিজেপির আইটি সেলের প্রধান সবচেয়ে বিপজ্জনক এবং [[w:ভারতে ভুয়া খবর|ভুয়া]] সাম্প্রদায়িক প্রচারণার বৃহত্তম প্রচারক। শাসক দলের সাথে অন্য দলের কোনো তুলনাই হয় না। ** [[নিসিম মানাথুক্কারেন]], [https://thewire.in/communalism/delhi-riots-communalism-false-equivalence ''দ্য বারবারিটি অফ ফলস ইকুইভ্যালেন্স''], ৮ মার্চ ২০২০, ''[[w:দ্য ওয়্যার (ভারত)|দ্য ওয়্যার]]''। * আমি হিন্দুত্বে বিশ্বাস করি যা প্রাচীন ধারণা "[[w:বসুধৈব কুটুম্বকম|বসুধৈব কুটুম্বকম]]"-এর ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত। আমি বিশ্বাস করি পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং সহযোগিতা বিদেশি রাষ্ট্রগুলোর সাথে সম্পর্কের ভিত্তি হওয়া উচিত। এবং আমি আত্মবিশ্বাসী যে অন্য দেশগুলোর সাথে বৈদেশিক বিষয়গুলো পরিচালনার ক্ষেত্রে আমার হিন্দুত্ববাদী ভাবমূর্তি একটি সম্পদ হিসেবে কাজ করবে। ** [[নরেন্দ্র মোদি]], [http://archive.indianexpress.com/news/narendra-modi-my-hindutva-face-will-be-an-asset-in-foreign-affairs/1243097/ "নরেন্দ্র মোদি: মাই হিন্দুত্ব ফেস উইল বি এন অ্যাসেট ইন ফরেন অ্যাফেয়ার্স"], ''দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস'', ২৩ এপ্রিল ২০১৪। === ন === * মানুষ আমাকে ভারতের হিন্দুত্ববাদী শক্তিগুলো সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে। কয়েক বছর আগে আমি যখন বলেছিলাম যে ভারতে এই নতুন ধরণের আত্মসচেতনতার সাথে হিন্দু ধারণাটি প্রায় একটি প্রয়োজনীয় প্রাথমিক পর্যায়, তখন আমি কিছুটা সমস্যায় পড়েছিলাম। এর মধ্যে বৃহত্তর এবং নতুন ধারণার সূত্রপাত রয়েছে: ইতিহাসের ধারণা, মানব পরিবারের ধারণা এবং ভারতের ধারণা। আমি আশা করি এই আত্মসচেতনতা কেবল এখানেই থমকে থাকবে না এবং আমি মনে করি না যে এটি থাকবে, তবে এটি প্রয়োজনীয়। আমরা এমন একটি দেশ নিয়ে কাজ করছি যা খুব নিচু স্তর থেকে শুরু হয়েছে। একটি খুব নিচু বৌদ্ধিক স্তর এবং নিচু অর্থনৈতিক স্তর। মানুষ যখন এগিয়ে যেতে শুরু করে, তখন প্রথম আনুগত্য এবং প্রথম পরিচয় সবসময়ই কিছুটা ক্ষুদ্র হয়। তারা তাৎক্ষণিকভাবে অন্য কিছু হয়ে উঠতে পারে না। আমি মনে করি ভারতের বর্তমান প্রতিটি বিশৃঙ্খলার মধ্যেই একটি বৃহত্তর ইতিবাচক আন্দোলন রয়েছে। তবে ভবিষ্যৎ বেশ অরাজক হবে। রাজনীতিকে এখন জনগণের স্তরে থাকতে হবে। [[জওহরলাল নেহরু|নেহরু]]র মতো মানুষরা ছিলেন ঔপনিবেশিক ধাঁচের রাজনীতিবিদ। তারা অনেকাংশেই ঔপনিবেশিক ব্যবস্থার দ্বারা তৈরি এবং সুরক্ষিত ছিলেন। তারা সাধারণ মানুষের মধ্য থেকে শুরু করেননি। ** ভি.এস. নাইপল, 'এ মিলিয়ন মিউটিনিস', ভি.এস. নাইপল, ইন্ডিয়া টুডে, ১৮ আগস্ট ১৯৯৭।[https://web.archive.org/web/20050313091232/http://www.caribbeanhindu.com:80/VS_Naipaul.htm] * হিন্দুত্ববাদী যোদ্ধাদের ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের মানহানি করার অত্যন্ত অশুভ উদ্দেশ্য রয়েছে। ** [[মীরা নন্দা]], {{Cite book|url=https://www.jstor.org/stable/40279263|title=হিন্দু ট্রায়ামফালিজম অ্যান্ড দ্য ক্ল্যাশ অফ সিভিলাইজেশনস|date=2009|publisher=ইকোনমিক অ্যান্ড পলিটিক্যাল উইকলি|page=১১১}} === প === * [[মহাত্মা গান্ধী|মহাত্মা]] ছিলেন সম্প্রদায় এবং মানুষের মধ্যে সমন্বয়কারী। বিভাজন নয় বরং অন্তর্ভুক্তিই ছিল তার পথ। হিন্দুধর্মের ব্যাখ্যার বিষয়ে 'হিন্দুত্ব' গান্ধীর সাথে একমত ছিল না। হিন্দুত্বের লক্ষ্যগুলো আত্মপরিচয় এবং আত্মসংজ্ঞার বিষয়ে শক্তিশালী হলেও এগুলো বিচ্ছিন্নতাবাদী প্রবণতাসম্পন্ন। একজন বৈষ্ণব হিসেবে গান্ধী বিশ্বাস করতেন "অন্যের কষ্টকে নিজের কষ্ট হিসেবে গণ্য করতে।" এমন দৃষ্টিভঙ্গি থেকে এটি স্পষ্ট যে হিন্দুত্বের অসহিষ্ণুতা ভারতের মানুষকে একটি সহানুভূতিশীল ও ন্যায়সঙ্গত সামাজিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে দেবে না। ** [[অ্যান্থনি পারেল]], [https://www.google.com/books/edition/Gandhi_Freedom_and_Self_rule/sErf-DzVI9EC?hl=en&gbpv=1&pg=PA133 ''গান্ধী, ফ্রিডম, অ্যান্ড সেলফ-রুল''] (২০০০), লেক্সিংটন বুকস, পৃষ্ঠা ১৩৩। * হিন্দুত্ব আন্দোলন যেভাবে আত্মপ্রকাশ করেছে তা প্রায় ধ্রুপদী অর্থে এর আদর্শে ফ্যাসিবাদী, এর শ্রেণী সমর্থনে ফ্যাসিবাদী, এর পদ্ধতিতে ফ্যাসিবাদী এবং এর কর্মসূচিতেও ফ্যাসিবাদী। একটি ফ্যাসিবাদী আদর্শের সমস্ত উপাদান এতে বিদ্যমান: 'হিন্দু' নামক একটি সমজাতীয় ধারণার অধীনে সংখ্যাগুরুদের ঐক্যবদ্ধ করার চেষ্টা, অতীতে একটি বহিষ্কৃত সংখ্যালঘু গোষ্ঠী কর্তৃক এই সমজাতীয় গোষ্ঠীর ওপর করা কথিত অন্যায়ের বিরুদ্ধে ক্ষোভের অনুভূতি, এই সংখ্যালঘুর তুলনায় সাংস্কৃতিক শ্রেষ্ঠত্বের বোধ, এই পরিভাষায় ইতিহাসের পুনর্যাখ্যা, বিপরীত প্রমাণের সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যান, নিরপেক্ষ বিশ্লেষণ, বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি এবং যুক্তিযুক্ত আলোচনার প্রত্যাখ্যান এবং সর্বোপরি তথাকথিত সমজাতীয় সংখ্যাগরিষ্ঠদের প্রতি আবেগপূর্ণ ও পুরুষতান্ত্রিক ভাষায় 'দাঁড়িয়ে পড়ার', 'নিজেদের পুরুষত্ব জাহির করার' আহ্বান, যা সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে সহিংসতায় উস্কানি দেয় এবং প্রকৃত সহিংসতার জন্ম দেয়। এর আবেদন কোনো উন্নত বা সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের স্বপ্নের ওপর ভিত্তি করে নয় বরং এটি ঘৃণার ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত। ** [[প্রভাত পট্টনায়ক]], [https://www.jstor.org/stable/3517631 "ফ্যাসিজম অফ আওয়ার টাইমস."], ''সোশ্যাল সায়েন্টিস্ট'', ভলিউম ২১, নম্বর ৩/৪, ১৯৯৩, পৃষ্ঠা ৬৯–৭০। * ঠিক যেমনটা [[মহামন্দা|১৯৩০-এর দশকে]] হয়েছিল, বর্তমান বিশ্ব পুঁজিবাদও একটি কানাগলিতে পৌঁছেছে এবং আগের মতো চলতে পারছে না। ভারতের শাসক গোষ্ঠী অবশ্য বিশ্ব পরিস্থিতির বিষয়ে সম্পূর্ণ অজ্ঞাত। নব্য-উদারতাবাদের এই শেষ পরিণতি যা এমনকি মহানগরের বুর্জোয়া চিন্তাবিদদের কাছেও দৃশ্যমান, তা আমাদের হিন্দুত্ব ব্রিগেডের কাছে অদৃশ্য। ** [[প্রভাত পট্টনায়ক]], ''[https://www.newsclick.in/Capitalism-COVID-19-Modi-Govt-Policies-Hindutva-Global-Economy-Neo-Liberalism দ্য ওয়ার্ল্ড অ্যাট ক্রসরোডস]'', ২৯ মে ২০২০, ''নিউজক্লিক''। * হিন্দুত্ব তাদের শত্রুদের ক্রমানুসারে সাজিয়েছে – মুসলিম, খ্রিস্টান এবং [[ভারতে কমিউনিজম|কমিউনিস্ট]]। এটি [[অ্যাডলফ হিটলার|হিটলারের]] "জাতীয়" গর্বের প্রশংসা করেছিল এবং সংখ্যালঘুদের সাথে মোকাবিলা করার ক্ষেত্রে নাৎসি মডেলের সহায়তা চেয়েছিল। হিটলারের মতো হিন্দুত্বও জাতিগত শ্রেষ্ঠত্বে বিশ্বাস করত এবং বিশ্ব আধিপত্যের স্বপ্ন দেখত। গতকাল এটি ব্রিটিশ রাজের সাথে সহযোগিতা করেছিল। আজ এটি সেই তেরঙা পতাকা ওড়ায় যাকে তারা একসময় প্রকাশ্যে অবজ্ঞা করেছিল এবং এমন একটি সংবিধান মেনে চলার ভান করে যাকে তারা 'মনুসংহিতা' দিয়ে প্রতিস্থাপন করতে চেয়েছিল – যা একটি নারীবিদ্বেষী ও ব্রাহ্মণবাদী পাঠ্য। তারা প্রতিটি সহজলভ্য সরকারি সম্পদ বিদেশি বা ভারতীয় ঘনিষ্ঠ পুঁজিপতিদের কাছে বিক্রি করতে ব্যস্ত। ১৯৪৮ সালে তাদের হাতে গান্ধীর হত্যাকাণ্ড – শব্দে উচ্চারণ না করলেও – শত্রুদের তালিকায় একটি নতুন নাম যোগ করেছে, আর তা হলো সেইসব হিন্দু যারা হিন্দুত্ব প্রকল্পের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিল। ** [[আনন্দ পটবর্ধন]], [https://scroll.in/article/1005159/anand-patwardhan-if-hindutva-is-hinduism-then-the-ku-klux-klan-is-christianity "আনন্দ পটবর্ধন: ইফ হিন্দুত্ব ইজ হিন্দুইজম দেন দ্য কু ক্লাক্স ক্ল্যান ইজ ক্রিশ্চিয়ানিটি"], ১২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ''স্ক্রল.ইন''। === স === * একটি গণ-আন্দোলন হিসেবে হিন্দুত্বের (বা ফ্যাসিবাদের) মূল কৌশল হলো অতীতের বিভিন্ন কুসংস্কার থেকে বিচ্ছিন্ন উপাদান সংগ্রহ করে সেগুলোকে নতুন ছদ্মবেশে সাজানো। আধুনিক মিডিয়া প্রযুক্তির মাধ্যমে এই মিশ্রণটি প্রচার করে একটি শক্তিশালী ও প্রসারযোগ্য শত্রু-ভাবমূর্তি তৈরি করা হয়। এখানে মুসলিমরা অনেকটা ইহুদিদের সমতুল্য হয়ে ওঠে। বর্ণবাদী মনোভাবকে বর্তমানে 'বাবর কি আওলাদ' বা বাবরের সন্তান নামক সূত্রের মাধ্যমে চমৎকারভাবে গেঁথে দেওয়া হয়েছে। বাবরের বংশধর হওয়ার কথিত দাবিই কাউকে অপরাধী সাব্যস্ত করার জন্য যথেষ্ট, কোনো প্রকৃত অপকর্মের প্রয়োজন নেই। এটি ঠিক সেভাবেই কাজ করে যেভাবে একসময় ধর্মান্ধ খ্রিস্টান মহলে সমস্ত ইহুদিদের দোষী সাব্যস্ত করা হতো কারণ তাদের পূর্বপুরুষরা যিশুর ক্রুশবিদ্ধ হওয়ার সময় কথিত ভূমিকা পালন করেছিল। ** [[সুমিত সরকার]], [https://www.jstor.org/stable/4399339 "দ্য ফ্যাসিবজম অফ দ্য সংঘ পরিবার।"] ''ইকোনমিক অ্যান্ড পলিটিক্যাল উইকলি'', ভলিউম ২৮, নম্বর ৫, ১৯৯৩, পৃষ্ঠা ১৬৫। * হিন্দুত্বের সাংগঠনিক কাঠামো হলো ঘৃণা ছড়িয়ে দেওয়ার কাজে নিয়োজিত বিশ্বের প্রাচীনতম, সবচেয়ে নিরবচ্ছিন্ন এবং অবশ্যই সবচেয়ে বহুমুখী রাজনৈতিক গঠন। ** [[তানিকা সরকার]], [https://www.google.com/books/edition/_/GGxvEAAAQBAJ?hl=en&gbpv=1&pg=PT8 ''হিন্দু ন্যাশনালিজম ইন ইন্ডিয়া''] (২০২২)। [https://thewire.in/books/book-review-the-hindutva-growth-story "বুক রিভিউ: দ্য হিন্দুত্ব গ্রোথ স্টোরি"], ''দ্য ওয়্যার'', ২১ আগস্ট ২০২২-এ উদ্ধৃত। * হিন্দুত্ব কেবল একটি শব্দ নয় বরং একটি ইতিহাস। এটি কেবল আমাদের জনগণের আধ্যাত্মিক বা ধর্মীয় ইতিহাস নয়, বরং এটি একটি পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস। হিন্দুধর্ম হলো হিন্দুত্বের একটি আহরিত অংশ বা একটি ভগ্নাংশ মাত্র। হিন্দুত্ব আমাদের হিন্দু জাতির সমগ্র সত্তার চিন্তা ও কর্মকাণ্ডের সমস্ত বিভাগকে আলিঙ্গন করে। ** [[বিনায়ক দামোদর সাভারকর]], ''হিন্দুত্ব: হু ইজ এ হিন্দু?'' (পঞ্চম সংস্করণ, ১৯৬৯), পৃষ্ঠা ৩-৪। * হিন্দু আন্দোলনের আদর্শ ব্যাখ্যা করার ক্ষেত্রে এই তিনটি শব্দের অর্থ সঠিকভাবে বোঝা অত্যন্ত জরুরি। ইংরেজি ভাষায় "হিন্দু" শব্দ থেকে "হিন্দুইজম" বা হিন্দুধর্ম শব্দটি তৈরি হয়েছে। এর অর্থ হলো হিন্দুরা যে ধর্মীয় ব্যবস্থা অনুসরণ করে। দ্বিতীয় শব্দটি হলো "হিন্দুত্ব", যা অনেক বেশি ব্যাপক। এটি কেবল ধর্মীয় দিক নয়, বরং হিন্দু জনগণের সাংস্কৃতিক, ভাষাগত, সামাজিক এবং রাজনৈতিক দিকগুলোকেও অন্তর্ভুক্ত করে। এর প্রায় সঠিক অনুবাদ হবে "হিন্দুনেস" বা হিন্দু-ত্ব। তৃতীয় শব্দটি হলো "হিন্দুডম", যার অর্থ হলো সমষ্টিগতভাবে হিন্দু জনগোষ্ঠী। এটি হিন্দু বিশ্বের একটি সম্মিলিত নাম, ঠিক যেমন ইসলাম দ্বারা মুসলিম বিশ্বকে বোঝানো হয়। ** [[বি. ডি. সাভারকর]], বি.আর. আম্বেদকরের 'পাকিস্তান অর দ্য পার্টিশন অফ ইন্ডিয়া' (১৯৪৬) থেকে উদ্ধৃত। * একজন হিন্দু অন্য একজন হিন্দুকে বিয়ে করলে তার জাত যেতে পারে, তবে তার হিন্দুত্ব নয়। ** বি.ডি. সাভারকর, হিন্দুত্ব, পৃষ্ঠা ৯০। * ফ্যাসিবাদী হিন্দুত্ববাদী কল্পনায় ভারতীয় মুসলিমদের ক্রমাগত পাকিস্তানি "পঞ্চম বাহিনী" বা জাতির শত্রু হিসেবে গালি দেওয়া হয় এবং তাদের দেশপ্রেমকে সন্দেহজনক হিসেবে তুলে ধরা হয়। হিন্দুত্ববাদী আলোচনায় মুসলিমরা একটি ভীতিকর "অন্যান্য" হিসেবে কেন্দ্রীয় স্থান দখল করে আছে এবং বড় আকারের [[ইসলামোফোবিয়া|মুসলিম-বিরোধী]] সহিংসতাকে বৈধতা দিতে এই ধারণাটি ব্যবহৃত হয়েছে। ** {{cite book|author=[[যোগিন্দর সিকান্দ]]|editor1-last=আবু-রবি|editor1-first=ইব্রাহিম|title=দ্য ব্ল্যাকওয়েল কম্প্যানিয়ন টু কনটেম্পোরারি ইসলামিক থট|date=2006|page=৮৮}} * “হিন্দুত্ব শব্দটি গালি হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে এবং এটি বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অবজ্ঞাসূচক অর্থে ব্যবহৃত হয়। এই বিতর্কটি এখন আর কেবল পুরোহিতদের গণ্ডিবদ্ধ জগতে বা রাজনীতির স্বার্থান্বেষী মহলে সীমাবদ্ধ নেই, এটি হিন্দু সভ্যতার জন্য একটি চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিস্তৃত হয়েছে। হিন্দু শব্দের এই অবমাননাকর ব্যবহার আসলে ভারতীয় সভ্যতার ওপর একটি বৃহত্তর আঘাত। এটি আমাকে ব্যথিত করে যে আমি এই দেশে স্কুল ও কলেজে পড়াশোনা করেছি অথচ বিশ্ব ইতিহাসে হিন্দু সভ্যতার বিশাল অবদান সম্পর্কে কোনো ধারণা পাইনি। এটি আমাকে ব্যথিত করে যে আজও আমাদের সন্তানরা তাদের নিজস্ব সংস্কৃতি বা সভ্যতা সম্পর্কে কোনো জ্ঞান ছাড়াই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে বেরিয়ে আসে। আপনি এমন কোনো ঐতিহ্যের জন্য গর্বিত হতে পারেন না যা সম্পর্কে আপনি কিছুই জানেন না। ধর্মনিরপেক্ষতার নামে আমরা ৫০ বছর এই সভ্যতার হিন্দু শিকড়কে অস্বীকার করে কাটিয়েছি। আমরা সেই ঔপনিবেশিক শিক্ষা ব্যবস্থা পরিবর্তনের জন্য কিছুই করিনি যা এই নীতির ওপর প্রতিষ্ঠিত ছিল যে ভারতীয় সভ্যতার দেওয়ার মতো কিছু নেই। আমাদের সংস্কৃতির প্রতি এই অবজ্ঞা কি প্রমাণ করে না যে দেশটি মজ্জাগতভাবে এখনও উপনিবেশ হয়ে আছে? আমরা নিজেদের সম্পর্কে যে নিচু ধারণা পোষণ করি তা পশ্চিমা সংবাদমাধ্যমগুলো লুফে নেয়। বর্ণবাদকে হিন্দু জাতীয়তাবাদের সমতুল্য ধরা হচ্ছে। যে দেশগুলো আমাদের দাসত্ব উপহার দিয়েছে তাদের মুখে এটি মানায় না, কিন্তু তাদের দোষ দিয়ে লাভ কী যখন আমরা নিজেরাই নিজেদের সম্পর্কে এত খারাপ ভাবি। আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই যে আমি বিশ্বাস করি ইন্ডিজ ধর্মগুলো সেমেটিক ধর্মগুলোর তুলনায় বিশ্বের জন্য অনেক কম সমস্যা তৈরি করেছে এবং হিন্দু সভ্যতা নিয়ে আমি অত্যন্ত গর্বিত। এটি যদি আমার ‘সাম্প্রদায়িক’ হওয়ার প্রমাণ হয়, তবে তাই হোক।” ** টাভলিন সিং, ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস (রবিবার ১৩/৬/২০০৪); সীতা রাম গোয়েল ও কোয়েনরাড এলস্ট (২০০৫) সম্পাদিত 'ইন্ডিয়া'স অনলি কমিউনালিস্ট: ইন কমেমোরেশন অফ সীতা রাম গোয়েল' গ্রন্থে তালাগেরির নিবন্ধে উদ্ধৃত। === ত === * ভারতীয় ফ্রন্টে, হিন্দুত্ব আন্দোলনের উচিত হিন্দুধর্মের পুনর্জাগরণ এবং পুনরুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া। এর মধ্যে কেবল বৈদিক বা [[সংস্কৃত]] উৎস থেকে আসা ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক চর্চাই অন্তর্ভুক্ত নয়, বরং অন্য সব ভারতীয় উৎসও অন্তর্ভুক্ত: আন্দামান দ্বীপবাসী এবং (খ্রিস্টপূর্ব) নাগাদের চর্চাও আঞ্চলিক অর্থে হিন্দু এবং আধ্যাত্মিক অর্থে সনাতন, ঠিক যেমন ধ্রুপদী সংস্কৃত হিন্দুধর্ম। (...) একজন প্রকৃত হিন্দুত্ববাদীর মনে তখন ব্যথার উদ্রেক হওয়া উচিত এবং ইতিবাচক পদক্ষেপ নেওয়ার ইচ্ছা জাগা উচিত যখন তিনি শোনেন যে বিভিন্ন কারণে ভারতের জনসংখ্যায় হিন্দুদের শতাংশ কমে যাচ্ছে অথবা হিন্দুরা প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রে [[বৈষম্য|বৈষম্যের]] শিকার হচ্ছে‌। কেবল তখনই নয়, বরং যখন তিনি শোনেন যে আন্দামানি [[জাতি]] এবং [[ভাষা]] [[বিলুপ্তি|বিলুপ্ত]] হয়ে যাচ্ছে, লক্ষ লক্ষ বছরের পুরোনো বিশাল [[বন|বনভূমি]] চিরতরে মুছে ফেলা হচ্ছে, প্রাচীন এবং [[মধ্যযুগ|মধ্যযুগীয়]] হিন্দু স্থাপত্য স্মৃতিস্তম্ভগুলো লুটপাট বা অবহেলার শিকার হচ্ছে, অমূল্য প্রাচীন নথিগুলো ধ্বংস হচ্ছে বা পচতে দেওয়া হচ্ছে, অসংখ্য শিল্পকলা, হস্তশিল্প, স্থাপত্যশৈলী, [[উদ্ভিদ|উদ্ভিদ]] ও [[প্রাণী|প্রাণী]] প্রজাতি, [[সংগীত|সংগীতের]] রূপ এবং বাদ্যযন্ত্র বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে, আমাদের পবিত্র নদী এবং পরিবেশ অপরিবর্তনীয়ভাবে দূষিত ও ধ্বংস হচ্ছে... ** এস.আর. গোয়েল সম্পাদিত 'টাইম ফর স্টক-টেকিং', পৃষ্ঠা ২২৭-২২৮-এ তালাগেরি। * হিন্দুধর্ম হলো বিশ্বব্যাপী সনাতনবাদের (ইংরেজিতে যাকে প্যাগানিজম বলা যেতে পারে) ভারতীয় আঞ্চলিক রূপ। তাই হিন্দুত্ব আদর্শটি হওয়া উচিত একটি সর্বজনীন আদর্শ: সাম্রাজ্যবাদী মতাদর্শের আবির্ভাবের আগে সারা বিশ্বে বিদ্যমান সমস্ত ধর্ম ও সংস্কৃতির পুনর্জাগরণ এবং আধ্যাত্মিক পুনরুত্থানে এর নেতৃত্ব দেওয়া উচিত... ** এস.আর. গোয়েল সম্পাদিত 'টাইম ফর স্টক-টেকিং', পৃষ্ঠা ২২৭-২২৮-এ তালাগেরি। * প্রাক-আধুনিক হিন্দুধর্মে অন্য সব ধর্মের মতো ছোট-বড় ত্রুটি ছিল, তবে এর সূক্ষ্মতাগুলো বর্তমানের তুলনায় অনেক বেশি সমৃদ্ধ ছিল। হিন্দুত্ব অনেক দিক থেকেই হিন্দুধর্মের বিপরীত এবং এর লক্ষ্য হলো এমন একটি সমাজ তৈরি করা যা সংকীর্ণ ও ধর্মান্ধ, যেখানে বিভিন্ন ধরণের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মতো ভিন্নমতাবলম্বীদের সাথে সহাবস্থান ক্রমশ অসম্ভব হয়ে পড়ছে, যা সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার পুনরাবৃত্তি থেকেই প্রমাণিত হয়। ** [[রোমিলা থাপার]], ''দ্য পাস্ট অ্যাজ প্রেজেন্ট: ফোর্জিং কনটেম্পোরারি আইডেন্টিটিস থ্রু হিস্ট্রি'' (২০১৪)। * হিন্দুত্ব দাবি করে যে তারা ভারতীয় ধর্ম, ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতির পশ্চিমা ব্যাখ্যার বিপরীতে দেশীয় ভারতীয় চিন্তাধারার প্রতিনিধিত্ব করে। তাদের দাবি হলো ঔপনিবেশিক পাণ্ডিত্য তাদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এবং উপনিবেশবাদকে বৈধতা দিতে ভারতীয় সংস্কৃতিকে ব্যবহার করেছে। অথচ হিন্দুত্ব ঠিক একই কাজ করছে, যেমন রাজনৈতিক সংহতি সহজ করার জন্য ঔপনিবেশিক ব্যাখ্যার আদলে হিন্দুধর্মকে পুনর্গঠিত করছে। এটি রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণের কর্মসূচিকে এগিয়ে নিতে [[জেমস মিল]] এবং [[ম্যাক্স মুলার|ম্যাক্স মুলারের]] মতো ঔপনিবেশিক তত্ত্বগুলো ব্যবহার করে। ইতিহাসকে কাজে লাগানো তাদের অতীতকে নিজেদের মতো করে বোঝার চেষ্টার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হয়ে দাঁড়ায়। ** [[রোমিলা থাপার]], ''দ্য পাস্ট অ্যাজ প্রেজেন্ট: ফোর্জিং কনটেম্পোরারি আইডেন্টিটিস থ্রু হিস্ট্রি'' (২০১৪)। == আরও দেখুন == * [[হিন্দু জাতীয়তাবাদ]] == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:রাজনৈতিক আদর্শ]] [[বিষয়শ্রেণী:হিন্দু জাতীয়তাবাদ]] h9no7t8oljkl2rbxm3m25l6bji9th23 রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ 0 13268 79923 2026-04-23T07:04:49Z Tuhin 172 [[রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ]]-এ পুনর্নির্দেশ করা হল 79923 wikitext text/x-wiki #redirect [[রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ]] qz4cvid5ucw5f4mb8clcocy7vi2l11d ব্যবহারকারী আলাপ:Md khalid Mahmud Shaoun 3 13269 79929 2026-04-23T07:13:03Z অভ্যর্থনা কমিটি বট 1112 উইকিউক্তিতে স্বাগত! 79929 wikitext text/x-wiki == উইকিউক্তিতে স্বাগত == <div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;"> সুপ্রিয় Md khalid Mahmud Shaoun,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন! * উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন। ** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন। * উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন। * পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন। * পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন। * [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন! কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম! &mdash; [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটি]] </div> ০৭:১৩, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) 52wfpzpr9s8yxf36od705303af416ha ব্যবহারকারী আলাপ:Shahjalal84 3 13270 79930 2026-04-23T07:13:12Z অভ্যর্থনা কমিটি বট 1112 উইকিউক্তিতে স্বাগত! 79930 wikitext text/x-wiki == উইকিউক্তিতে স্বাগত == <div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;"> সুপ্রিয় Shahjalal84,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন! * উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন। ** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন। * উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন। * পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন। * পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন। * [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন! কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম! &mdash; [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটি]] </div> ০৭:১৩, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) r59k9misidlp0boi49efj070u77dqyh ভেরা রুবিন 0 13271 79932 2026-04-23T07:13:40Z Dewan mahbubr Rahman 5548 "'''ভেরা রুবিন''' (Vera Rubin; ২৩ জুলাই ১৯২৮ – ২৫ ডিসেম্বর ২০১৬) ছিলেন একজন প্রখ্যাত মার্কিন [[জ্যোতির্বিজ্ঞানী]]। তিনি [[ছায়াপথ|ছায়াপথের]] ঘূর্ণন হারের সমস্যা (Galaxy rotation problem) নিয়ে যুগান্ত..." দিয়ে পাতা তৈরি 79932 wikitext text/x-wiki '''ভেরা রুবিন''' (Vera Rubin; ২৩ জুলাই ১৯২৮ – ২৫ ডিসেম্বর ২০১৬) ছিলেন একজন প্রখ্যাত মার্কিন [[জ্যোতির্বিজ্ঞানী]]। তিনি [[ছায়াপথ|ছায়াপথের]] ঘূর্ণন হারের সমস্যা (Galaxy rotation problem) নিয়ে যুগান্তকারী গবেষণার জন্য বিখ্যাত। তাঁর এই পর্যবেক্ষণ প্রমাণ করেছিল যে মহাবিশ্বে সাধারণ পদার্থের চেয়ে '[[ডার্ক ম্যাটার]]' বা গুপ্ত বস্তুর পরিমাণ অনেক বেশি। বিংশ শতাব্দীর জ্যোতির্বিজ্ঞানে এটি ছিল অন্যতম শ্রেষ্ঠ আবিষ্কার, যদিও তিনি এর জন্য [[নোবেল পুরস্কার]] পাননি, যা বিজ্ঞান মহলে আজও এক বড় বিতর্কের বিষয়। জ্যোতির্বিজ্ঞানে তাঁর অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ চিলিতে নির্মাণাধীন 'ভেরা সি. রুবিন অবজারভেটরি'-র নামকরণ তাঁর সম্মানে করা হয়েছে। == উক্তি == * বিজ্ঞান হলো প্রতিযোগিতামূলক, আক্রমণাত্মক এবং প্রচুর পরিশ্রম দাবি করে এমন একটি ক্ষেত্র। তবে একই সাথে এটি কল্পনামূলক, অনুপ্রেরণাদায়ক এবং মানুষের মনকে ঊর্ধ্বমুখী করার মতো একটি বিষয়। ** ''ব্রাইট গ্যালাক্সিস, ডার্ক ম্যাটারস (Bright Galaxies, Dark Matters) বই থেকে (১৯৯৭)'' * একটি সর্পিল ছায়াপথে দৃশ্যমান বস্তু এবং গুপ্ত বস্তুর (ডার্ক ম্যাটার) অনুপাত প্রায় এক অনুপাত দশ। মহাবিশ্ব সম্পর্কে আমাদের জ্ঞান ও অজ্ঞতার অনুপাত বোঝানোর জন্যও সম্ভবত এটি একটি চমৎকার সংখ্যা। আমরা কেবল বিজ্ঞানের কিন্ডারগার্টেন পার হয়েছি, হয়তো এখন সবে তৃতীয় শ্রেণীতে পড়ছি। ** ''মহাবিশ্বের বিশালতা এবং মানুষের জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা নিয়ে একটি সাক্ষাৎকারে তাঁর মন্তব্য।'' * আমি ব্যক্তিগতভাবে তিনটি মৌলিক ধারণা নিয়ে বাঁচি এবং কাজ করি: <br>১) বিজ্ঞানে এমন কোনো সমস্যা নেই যা একজন পুরুষ সমাধান করতে পারে, কিন্তু একজন নারী পারে না। <br>২) বিশ্বজুড়ে মোট মেধার অর্ধেকই নারীদের কাছে রয়েছে। <br>৩) বিজ্ঞান চর্চা করার জন্য আমাদের সবারই সমাজের একধরনের অনুমতির প্রয়োজন হয়। কিন্তু ইতিহাসের গভীরে প্রোথিত নানা অযৌক্তিক কারণে, এই অনুমতি নারীদের চেয়ে পুরুষদেরই বেশি দেওয়া হয়েছে। ** ''বিজ্ঞানে নারীদের অংশগ্রহণ এবং বৈষম্য নিয়ে তাঁর বিখ্যাত বক্তব্য।'' * আমার নিজের কাছে আমার বিজ্ঞান চর্চা নোবেল পুরস্কারের চেয়েও বেশি কিছু। আপনি যদি মহাবিশ্বের কোনো একটি ছোট রহস্যও উন্মোচন করতে পারেন, তবে একজন বিজ্ঞানী হিসেবে সেটাই আপনার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। আমি আমার জীবন কাটিয়েছি গ্যালাক্সিগুলো কীভাবে ঘোরে তা পর্যবেক্ষণ করে, এর চেয়ে আনন্দের আর কী হতে পারে! ** ''নোবেল পুরস্কার না পাওয়া নিয়ে আক্ষেপ আছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে ডিসকভার ম্যাগাজিনকে দেওয়া সাক্ষাৎকার (১৯৯০)।'' * আমরা মহাবিশ্বের এমন এক রহস্যময় জগতে বাস করি, যেখানে আমরা যা দেখি, তার চেয়ে যা দেখি না, সেটাই মহাবিশ্বের নিয়ন্ত্রণকারী শক্তি। ** ''ডার্ক ম্যাটার সম্পর্কে তাঁর দার্শনিক উপসংহার।'' == বহিঃসংযোগ == * [https://www.lsst.org/ ভেরা সি. রুবিন অবজারভেটরি-এর দাপ্তরিক ওয়েবসাইট] * [https://solarsystem.nasa.gov/people/3060/vera-rubin/ নাসার ওয়েবসাইটে ভেরা রুবিনের জীবনী] * [https://www.amnh.org/explore/resource-collections/women-in-science/vera-rubin আমেরিকান মিউজিয়াম অব ন্যাচারাল হিস্ট্রিতে ভেরা রুবিনের প্রোফাইল] fdvn96f6rkbmjpzop1149gkn7tx9ab7 ইভান পাভলভ 0 13272 79944 2026-04-23T07:42:51Z Mahiya50 5394 " [[File:Ivan_Pavlov_nobel.jpg|thumb|250px|নিছক তথ্যের সংগ্রাহক হবেন না, বরং তথ্যের উৎপত্তির রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা করুন।]] '''[[w:Ivan Pavlov|ইভান পেত্রোভিচ পাভলভ]]''' (রুশ: Иван Петрович Павлов) (১৪ সেপ্টেম্বর,১৮৪৯ – ২৭ ফ..." দিয়ে পাতা তৈরি 79944 wikitext text/x-wiki [[File:Ivan_Pavlov_nobel.jpg|thumb|250px|নিছক তথ্যের সংগ্রাহক হবেন না, বরং তথ্যের উৎপত্তির রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা করুন।]] '''[[w:Ivan Pavlov|ইভান পেত্রোভিচ পাভলভ]]''' (রুশ: Иван Петрович Павлов) (১৪ সেপ্টেম্বর,১৮৪৯ – ২৭ ফেব্রুয়ারি,১৯৩৬) ছিলেন একজন [[Russia|রুশ]] [[Physiology|শারীরতত্ত্ববিদ]], [[Psychology|মনোবিজ্ঞানী]] এবং [[physician|চিকিৎসক]]। পাচনতন্ত্র সংক্রান্ত গবেষণার জন্য ১৯০৪ সালে তাকে [[w:Nobel Prize in Physiology or Medicine|চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার]] দেওয়া হয়। পাভলভ মূলত তার [[dogs|কুকুরদের]] ওপর করা [[Experiment|পরীক্ষার]] মাধ্যমে বর্তমানের পরিচিত '[[w:classical conditioning|ক্লাসিক্যাল কন্ডিশনিং]]' বা সাপেক্ষীকরণ প্রক্রিয়াটি বর্ণনা করার জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। ==উদ্ধৃতি== * [[Birds|পাখির]] ডানা যতই নিখুঁত হোক না কেন, বাতাসের ওপর ভর না করে তা পাখিকে কখনোই উপরে তুলতে পারে না। তথ্য হলো একজন [[Scientists|বিজ্ঞানীর]] কাছে সেই বাতাস। এগুলো ছাড়া আপনি কখনোই উড়তে পারবেন না। তথ্য ছাড়া আপনার "তত্ত্ব"গুলো কেবলই বৃথা চেষ্টা। ** *বিকোয়েস্ট অব পাভলভ টু দ্য একাডেমিক ইউথ অব হিজ কান্ট্রি*; সায়েন্স, ভলিউম ৮৩, সংখ্যা ২১৫৫, পৃষ্ঠা ৩৬৯ (১৯৩৬) * সান-পলকে কেবল একটি বিষয়ই বিবেচনা করতে হবে: প্রাণীর এই বা ওই বাহ্যিক প্রতিক্রিয়ার সাথে বহির্বিশ্বের ঘটনার সম্পর্ক কী? ** *সাইন্টিফিক স্টাডি অব সো-কলড সাইকিক্যাল প্রসেসেস ইন দ্য হায়ার অ্যানিমেলস* (১৯০৬) * যখন কোনো বিজ্ঞানী তার সহকর্মীদের এমনভাবে বাহ্যিক বিশ্লেষণ করতে পারবেন যেমনটি তিনি যেকোনো প্রাকৃতিক বস্তুর ক্ষেত্রে করেন এবং যখন মানুষের মন নিজেকে ভেতর থেকে নয় বরং বাহির থেকে পর্যবেক্ষণ করবে, তখন মানবজাতি তাদের আচরণের ওপর অগাধ নিয়ন্ত্রণ ও অকল্পনীয় সুবিধা লাভ করবে। ** *সাইন্টিফিক স্টাডি অব সো-কলড সাইকিক্যাল প্রসেসেস ইন দ্য হায়ার অ্যানিমেলস* * বিজ্ঞানের চূড়ায় আরোহণের চেষ্টা করার আগে এর অ-আ-ক-খ বা প্রাথমিক বিষয়গুলো শিখুন। ** *বিকোয়েস্ট টু দ্য একাডেমিক ইউথ অব সোভিয়েত রাশিয়া* (১৯৩৬) * শিখুন, তুলনা করুন এবং তথ্য সংগ্রহ করুন! ** *বিকোয়েস্ট টু দ্য একাডেমিক ইউথ অব সোভিয়েত রাশিয়া* * আমি একজন রুশ ছিলাম, আছি এবং থাকব। আমি এই মাতৃভূমিরই সন্তান। সবার আগে তার জীবন নিয়েই আমার আগ্রহ থাকবে। আমি তার স্বার্থ নিয়ে বেঁচে থাকব। তার মর্যাদাই আমার মর্যাদাকে শক্তিশালী করবে। ==পাভলভ সম্পর্কিত উক্তি== * পাভলভ একজন কট্টর শরীরতত্ত্ববাদী ছিলেন যিনি মনে করতেন সচেতন অভিজ্ঞতার বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা অসম্ভব। এটি কোনো বড় বিষয় নয়। কারণ বিজ্ঞানের চিরাচরিত নিয়ম অনুযায়ী, সংগৃহীত ভালো তথ্যগুলো গবেষকের ধারণার চেয়েও বেশি দিন টিকে থাকে। ** [[w:Bernard J. Baars|বার্নার্ড জে. বারস]], *এ কগনিটিভ থিওরি অব কনশাসনেস* (১৯৮৮) * পাভলভের অনুসন্ধানগুলো দুই বিশ্বযুদ্ধের সময় অত্যন্ত পীড়াদায়কভাবে ও বড় পরিসরে প্রমাণিত হয়েছে। কোনো একটি ভয়াবহ অভিজ্ঞতার ফলে অথবা বারবার ঘটা ছোট ছোট আতঙ্কের কারণে [[soldiers|সৈনিকদের]] মধ্যে বেশ কিছু শারীরিক ও মানসিক সমস্যা দেখা দেয়। সাময়িক অচেতনতা, তীব্র উত্তেজনা, অবসাদ, দৃষ্টিহীনতা বা পক্ষাঘাত এবং জীবনের দীর্ঘদিনের আচরণের পরিবর্তন—এই সব লক্ষণ পাভলভ তার কুকুরদের মধ্যে দেখেছিলেন। [[World War I|প্রথম বিশ্বযুদ্ধে]] একে 'শেল শক' এবং [[World War II|দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে]] 'ব্যাটল ফ্যাটিগ' বলা হতো। প্রতিটি কুকুরের মতো প্রতিটি মানুষেরও সহনশীলতার একটি সীমা আছে। আধুনিক যুদ্ধের পরিবেশে টানা প্রায় ৩০ দিন মানসিক চাপের মধ্যে থাকলে বেশিরভাগ মানুষই তাদের সীমা স্পর্শ করে। যাদের সহ্য ক্ষমতা কম তারা ১৫ দিনেই ভেঙে পড়ে। আর যারা খুব বেশি শক্ত তারা ৪৫ থেকে ৫০ দিন পর্যন্ত টিকে থাকতে পারে। শক্ত বা দুর্বল যাই হোক না কেন, দীর্ঘ মেয়াদে তারা সবাই ভেঙে পড়ে। আমি এখানে সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষদের কথা বলছি। কারণ পরিহাসের বিষয় হলো, আধুনিক যুদ্ধের চাপে কেবল [[Psychosis|সাইকোটিক]] বা মানসিক রোগীরাই অনির্দিষ্টকাল টিকে থাকতে পারে। সামষ্টিক উন্মাদনা থেকে ব্যক্তিগত উন্মাদনা সবসময়ই মুক্ত থাকে। ** [[Aldous Huxley|আলডাস হাক্সলি]], *ব্রেভ নিউ ওয়ার্ল্ড রিভিজিটেড* (১৯৫৯), অধ্যায় ৭: "ব্রেইনওয়াশিং", পৃষ্ঠা ৮৮ ==আরও দেখুন== * [[Classical conditioning|সাপেক্ষীকরণ]] ==বহিঃসংযোগ== {{wikipedia}} * [http://www.ivanpavlov.com/ পাভলভের বক্তৃতার পূর্ণাঙ্গ টেক্সট] {{Psychology}} [[বিষয়শ্রেণী:রাশিয়ার শিক্ষাবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:রাশিয়ার চিকিৎসক]] [[বিষয়শ্রেণী:রাশিয়ার মনোবিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:রাশিয়ার নাস্তিক]] [[বিষয়শ্রেণী:চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:১৮৪৯-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৬-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:রাশিয়ার নোবেল বিজয়ী]]``` 76a4xm1ehuiedsywcank3lltrjr214v জিওফ্রে হিন্টন 0 13273 79945 2026-04-23T07:43:53Z Mahiya50 5394 "[[File:Geoffrey Hinton at UBC.jpg|thumb|২০১৩ সালে হিন্টন]] '''[[w:bn:জেফ্রি হিন্টন|জেফ্রি এভারেস্ট হিন্টন]]''' (জন্ম ৬ ডিসেম্বর ১৯৪৭) একজন ইংরেজ-কানাডীয় [[w:bn:কম্পিউটার বিজ্ঞানী|কম্পিউটার বিজ্ঞানী]] এবং জ্ঞা..." দিয়ে পাতা তৈরি 79945 wikitext text/x-wiki [[File:Geoffrey Hinton at UBC.jpg|thumb|২০১৩ সালে হিন্টন]] '''[[w:bn:জেফ্রি হিন্টন|জেফ্রি এভারেস্ট হিন্টন]]''' (জন্ম ৬ ডিসেম্বর ১৯৪৭) একজন ইংরেজ-কানাডীয় [[w:bn:কম্পিউটার বিজ্ঞানী|কম্পিউটার বিজ্ঞানী]] এবং জ্ঞানীয় মনোবিজ্ঞানী। কৃত্রিম নিউরাল নেটওয়ার্কের ওপর তাঁর যুগান্তকারী কাজের জন্য তাঁকে প্রায়শই "এআই-এর গডফাদার" (Godfather of AI) বলা হয়। তিনি ২০১৮ সালে টুরিং পুরস্কারে ভূষিত হন। == উক্তি == * আমার মনে হয় রাজনৈতিক ব্যবস্থাগুলো মানুষকে আতঙ্কিত করতে এটি ব্যবহার করবে। ** সূত্র: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পর্কে মন্তব্য (২০১৫)। * আপনি বা আমি যদি কিছু শিখি এবং সেই জ্ঞান অন্য কারো কাছে স্থানান্তর করতে চাই, তবে আমরা কেবল তাদের কাছে একটি 'কপি' পাঠাতে পারি না। কিন্তু এআই-এর ক্ষেত্রে ১০,০০০ নিউরাল নেটওয়ার্কের যেকোনো একজন যা শিখবে তা তাৎক্ষণিকভাবে বাকি সবাই জেনে যাবে। এটি বুদ্ধিমত্তার সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি রূপ। একটি নতুন এবং আরও উন্নত বুদ্ধিমত্তা। ** সূত্র: ''MIT Technology Review''-তে দেওয়া সাক্ষাৎকার (মে ২০২৩)। * অনেক মানুষের কাছেই এটি খুব সম্ভাব্য মনে হয় যে, এআই-এর কারণে আমরা ব্যাপক বেকারত্বের সম্মুখীন হব। ** বার্নি স্যান্ডার্সের সাথে জর্জিটাউন বিশ্ববিদ্যালয়ে কথোপকথনে (৪ ডিসেম্বর ২০২৫)। === ''টকিং নেটস: অ্যান ওরাল হিস্ট্রি অফ নিউরাল নেটওয়ার্কস'' (২০০০) === * আমি স্কুলে খ্রিস্টধর্ম এবং বাড়িতে স্টালিনবাদ পেয়েছি। আমি মনে করি এটি বিজ্ঞানী হওয়ার জন্য একটি খুব ভালো প্রস্তুতি ছিল কারণ আমি এই ধারণায় অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছিলাম যে অন্তত অর্ধেক মানুষ সম্পূর্ণ ভুল। ** শৈশব ও বিজ্ঞানী হওয়ার অনুপ্রেরণা প্রসঙ্গে। * নিউরাল নেটওয়ার্কের 'হিডেন ইউনিট' (hidden units) নামকরণের কারণ হলো, পিটার ব্রাউন আমাকে 'হিডেন মার্কভ মডেল' সম্পর্কে বলেছিলেন। আমার মনে হয়েছিল অতিরিক্ত ইউনিটগুলোর জন্য "হিডেন" একটি উপযুক্ত নাম হবে। ** "হিডেন নিউরন" নামকরণ প্রসঙ্গে। * আমি মস্তিষ্ক কীভাবে কাজ করে তা নিয়ে অনেক বেশি আগ্রহী। আমি কেবল এটি প্রমাণ করার জন্যই এর প্রায়োগিক দিকগুলোতে কাজ করি যাতে গবেষণার অনুদান (funding) আসা অব্যাহত থাকে। ** ব্যবহারিক প্রয়োগ ও তাত্ত্বিক গবেষণার পার্থক্য প্রসঙ্গে। * ১৯৮৫ সালের শেষের দিকে ডেভ রুমেলহার্টের সাথে আমার একটি চুক্তি হয়েছিল যে, আমি ব্যাকপ্রোপাগেশন নিয়ে একটি ছোট গবেষণাপত্র লিখব, আর সে অটোএনকোডার নিয়ে লিখবে। আইডিয়া যার নয় তাকে দিয়ে লেখানোই ভালো ছিল কারণ সে বিষয়টির গুরুত্ব নিরপেক্ষভাবে বলতে পারত। আমি আমার কথা রেখেছিলাম, কিন্তু ডেভ এখনও অটোএনকোডার নিয়ে সেই লেখাটি লেখেনি। আমি এখনও অপেক্ষা করছি। ** ব্যাকপ্রোপাগেশন জনপ্রিয় হওয়ার ইতিহাস প্রসঙ্গে। == আরও দেখুন == * [[w:bn:কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা|কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা]] * [[w:bn:নিউরাল নেটওয়ার্ক|নিউরাল নেটওয়ার্ক]] [[Category:১৯৪৭-এ জন্ম]] [[Category:জীবিত ব্যক্তি]] [[Category:কম্পিউটার বিজ্ঞানী]] [[Category:মনোবিজ্ঞানী]] [[Category:টুরিং পুরস্কার বিজয়ী]] hzmu2z3u1m7t8tskw52p3q0um3ll4mm 79969 79945 2026-04-23T08:09:57Z Mahiya50 5394 79969 wikitext text/x-wiki [[File:Geoffrey Hinton at UBC.jpg|thumb|২০১৩ সালে হিন্টন]] '''[[w:bn:জেফ্রি হিন্টন|জেফ্রি এভারেস্ট হিন্টন]]''' (জন্ম ৬ ডিসেম্বর ১৯৪৭) একজন ইংরেজ-কানাডীয় [[w:bn:কম্পিউটার বিজ্ঞানী|কম্পিউটার বিজ্ঞানী]] এবং জ্ঞানীয় মনোবিজ্ঞানী। কৃত্রিম নিউরাল নেটওয়ার্কের ওপর তাঁর যুগান্তকারী কাজের জন্য তাঁকে প্রায়শই "এআইয়ের গডফাদার" বলা হয়। তিনি ২০১৮ সালে টুরিং পুরস্কারে ভূষিত হন। == উক্তি == * আমার মনে হয় রাজনৈতিক ব্যবস্থাগুলো মানুষকে আতঙ্কিত করতে এটি ব্যবহার করবে। ** সূত্র: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পর্কে মন্তব্য (২০১৫)। * আপনি বা আমি যদি কিছু শিখি এবং সেই জ্ঞান অন্য কারো কাছে স্থানান্তর করতে চাই, তবে আমরা কেবল তাদের কাছে একটি 'কপি' পাঠাতে পারি না। কিন্তু এআই-এর ক্ষেত্রে ১০,০০০ নিউরাল নেটওয়ার্কের যেকোনো একজন যা শিখবে তা তাৎক্ষণিকভাবে বাকি সবাই জেনে যাবে। এটি বুদ্ধিমত্তার সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি রূপ। একটি নতুন এবং আরও উন্নত বুদ্ধিমত্তা। ** সূত্র: ''MIT Technology Review''-তে দেওয়া সাক্ষাৎকার (মে ২০২৩)। * অনেক মানুষের কাছেই এটি খুব সম্ভাব্য মনে হয় যে, এআই-এর কারণে আমরা ব্যাপক বেকারত্বের সম্মুখীন হব। ** বার্নি স্যান্ডার্সের সাথে জর্জিটাউন বিশ্ববিদ্যালয়ে কথোপকথনে (৪ ডিসেম্বর ২০২৫)। === ''টকিং নেটস: অ্যান ওরাল হিস্ট্রি অফ নিউরাল নেটওয়ার্কস'' (২০০০) === * আমি স্কুলে খ্রিস্টধর্ম এবং বাড়িতে স্টালিনবাদ পেয়েছি। আমি মনে করি এটি বিজ্ঞানী হওয়ার জন্য একটি খুব ভালো প্রস্তুতি ছিল কারণ আমি এই ধারণায় অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছিলাম যে অন্তত অর্ধেক মানুষ সম্পূর্ণ ভুল। ** শৈশব ও বিজ্ঞানী হওয়ার অনুপ্রেরণা প্রসঙ্গে। * নিউরাল নেটওয়ার্কের 'হিডেন ইউনিট' (hidden units) নামকরণের কারণ হলো, পিটার ব্রাউন আমাকে 'হিডেন মার্কভ মডেল' সম্পর্কে বলেছিলেন। আমার মনে হয়েছিল অতিরিক্ত ইউনিটগুলোর জন্য "হিডেন" একটি উপযুক্ত নাম হবে। ** "হিডেন নিউরন" নামকরণ প্রসঙ্গে। * আমি মস্তিষ্ক কীভাবে কাজ করে তা নিয়ে অনেক বেশি আগ্রহী। আমি কেবল এটি প্রমাণ করার জন্যই এর প্রায়োগিক দিকগুলোতে কাজ করি যাতে গবেষণার অনুদান (funding) আসা অব্যাহত থাকে। ** ব্যবহারিক প্রয়োগ ও তাত্ত্বিক গবেষণার পার্থক্য প্রসঙ্গে। * ১৯৮৫ সালের শেষের দিকে ডেভ রুমেলহার্টের সাথে আমার একটি চুক্তি হয়েছিল যে, আমি ব্যাকপ্রোপাগেশন নিয়ে একটি ছোট গবেষণাপত্র লিখব, আর সে অটোএনকোডার নিয়ে লিখবে। আইডিয়া যার নয় তাকে দিয়ে লেখানোই ভালো ছিল কারণ সে বিষয়টির গুরুত্ব নিরপেক্ষভাবে বলতে পারত। আমি আমার কথা রেখেছিলাম, কিন্তু ডেভ এখনও অটোএনকোডার নিয়ে সেই লেখাটি লেখেনি। আমি এখনও অপেক্ষা করছি। ** ব্যাকপ্রোপাগেশন জনপ্রিয় হওয়ার ইতিহাস প্রসঙ্গে। == আরও দেখুন == * [[w:bn:কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা|কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা]] * [[w:bn:নিউরাল নেটওয়ার্ক|নিউরাল নেটওয়ার্ক]] [[Category:১৯৪৭-এ জন্ম]] [[Category:জীবিত ব্যক্তি]] [[Category:কম্পিউটার বিজ্ঞানী]] [[Category:মনোবিজ্ঞানী]] [[Category:টুরিং পুরস্কার বিজয়ী]] 4zmramdxsuutd3ik70uyvzflns43htq 79970 79969 2026-04-23T08:11:13Z Mahiya50 5394 79970 wikitext text/x-wiki [[File:Geoffrey Hinton at UBC.jpg|thumb|২০১৩ সালে হিন্টন]] '''[[w:bn:জেফ্রি হিন্টন|জেফ্রি এভারেস্ট হিন্টন]]''' (জন্ম ৬ ডিসেম্বর ১৯৪৭) একজন ইংরেজ-কানাডীয় [[w:bn:কম্পিউটার বিজ্ঞানী|কম্পিউটার বিজ্ঞানী]] এবং জ্ঞানীয় মনোবিজ্ঞানী। কৃত্রিম নিউরাল নেটওয়ার্কের ওপর তাঁর যুগান্তকারী কাজের জন্য তাঁকে প্রায়শই "এআইয়ের গডফাদার" বলা হয়। তিনি ২০১৮ সালে টুরিং পুরস্কারে ভূষিত হন। == উক্তি == * আমার মনে হয় রাজনৈতিক ব্যবস্থাগুলো মানুষকে আতঙ্কিত করতে এটি ব্যবহার করবে। ** সূত্র: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পর্কে মন্তব্য (২০১৫)। * আপনি বা আমি যদি কিছু শিখি এবং সেই জ্ঞান অন্য কারো কাছে স্থানান্তর করতে চাই, তবে আমরা কেবল তাদের কাছে একটি 'কপি' পাঠাতে পারি না। কিন্তু এআইয়ে ক্ষেত্রে ১০,০০০ নিউরাল নেটওয়ার্কের যেকোনো একজন যা শিখবে তা তাৎক্ষণিকভাবে বাকি সবাই জেনে যাবে। এটি বুদ্ধিমত্তার সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি রূপ। একটি নতুন এবং আরও উন্নত বুদ্ধিমত্তা। ** সূত্র: ''এমআইটি প্রযুক্তি পর্যালোচনা''-তে দেওয়া সাক্ষাৎকার (মে ২০২৩)। * অনেক মানুষের কাছেই এটি খুব সম্ভাব্য মনে হয় যে, এআইয়ের কারণে আমরা ব্যাপক বেকারত্বের সম্মুখীন হব। ** বার্নি স্যান্ডার্সের সাথে জর্জিটাউন বিশ্ববিদ্যালয়ে কথোপকথনে (৪ ডিসেম্বর ২০২৫)। === ''টকিং নেটস: অ্যান ওরাল হিস্ট্রি অফ নিউরাল নেটওয়ার্কস'' (২০০০) === * আমি স্কুলে খ্রিস্টধর্ম এবং বাড়িতে স্টালিনবাদ পেয়েছি। আমি মনে করি এটি বিজ্ঞানী হওয়ার জন্য একটি খুব ভালো প্রস্তুতি ছিল কারণ আমি এই ধারণায় অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছিলাম যে অন্তত অর্ধেক মানুষ সম্পূর্ণ ভুল। ** শৈশব ও বিজ্ঞানী হওয়ার অনুপ্রেরণা প্রসঙ্গে। * নিউরাল নেটওয়ার্কের 'হিডেন ইউনিট' নামকরণের কারণ হলো, পিটার ব্রাউন আমাকে 'হিডেন মার্কভ মডেল' সম্পর্কে বলেছিলেন। আমার মনে হয়েছিল অতিরিক্ত ইউনিটগুলোর জন্য "হিডেন" একটি উপযুক্ত নাম হবে। ** "হিডেন নিউরন" নামকরণ প্রসঙ্গে। * আমি মস্তিষ্ক কীভাবে কাজ করে তা নিয়ে অনেক বেশি আগ্রহী। আমি কেবল এটি প্রমাণ করার জন্যই এর প্রায়োগিক দিকগুলোতে কাজ করি যাতে গবেষণার অনুদান আসা অব্যাহত থাকে। ** ব্যবহারিক প্রয়োগ ও তাত্ত্বিক গবেষণার পার্থক্য প্রসঙ্গে। * ১৯৮৫ সালের শেষের দিকে ডেভ রুমেলহার্টের সাথে আমার একটি চুক্তি হয়েছিল যে, আমি ব্যাকপ্রোপাগেশন নিয়ে একটি ছোট গবেষণাপত্র লিখব, আর সে অটোএনকোডার নিয়ে লিখবে। আইডিয়া যার নয় তাকে দিয়ে লেখানোই ভালো ছিল কারণ সে বিষয়টির গুরুত্ব নিরপেক্ষভাবে বলতে পারত। আমি আমার কথা রেখেছিলাম, কিন্তু ডেভ এখনও অটোএনকোডার নিয়ে সেই লেখাটি লেখেনি। আমি এখনও অপেক্ষা করছি। ** ব্যাকপ্রোপাগেশন জনপ্রিয় হওয়ার ইতিহাস প্রসঙ্গে। == আরও দেখুন == * [[w:bn:কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা|কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা]] * [[w:bn:নিউরাল নেটওয়ার্ক|নিউরাল নেটওয়ার্ক]] [[Category:১৯৪৭-এ জন্ম]] [[Category:জীবিত ব্যক্তি]] [[Category:কম্পিউটার বিজ্ঞানী]] [[Category:মনোবিজ্ঞানী]] [[Category:টুরিং পুরস্কার বিজয়ী]] bad7hl8dj5c5c1prcz9j2x0wat6gzyk ফ্রিডতিয়ফ নানসেন 0 13274 79946 2026-04-23T07:44:36Z Mahiya50 5394 "[[File:Fridtjof Nansen LOC 03377u-3.jpg|thumb|150px|right|ফ্রিটজফ নানসেন (১৮৯০)]] [[File:A bust of Fridtjof Nansen, Yerevan.JPG|thumb|ইয়েরেভানে ফ্রিটজফ নানসেনের একটি আবক্ষ মূর্তি]] '''[[w:bn:ফ্রিটজফ নানসেন|ফ্রিটজফ নানসেন]]''' (১০ অক্টোবর ১৮৬১ – ১৩ ম..." দিয়ে পাতা তৈরি 79946 wikitext text/x-wiki [[File:Fridtjof Nansen LOC 03377u-3.jpg|thumb|150px|right|ফ্রিটজফ নানসেন (১৮৯০)]] [[File:A bust of Fridtjof Nansen, Yerevan.JPG|thumb|ইয়েরেভানে ফ্রিটজফ নানসেনের একটি আবক্ষ মূর্তি]] '''[[w:bn:ফ্রিটজফ নানসেন|ফ্রিটজফ নানসেন]]''' (১০ অক্টোবর ১৮৬১ – ১৩ মে ১৯৩০) ছিলেন একজন নরওয়েজীয় অভিযাত্রী, বিজ্ঞানী, কূটনীতিক, মানবহিতৈষী এবং শান্তিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী। == উক্তি == * মানবজাতির ইতিহাস হলো অন্ধকার থেকে আলোর দিকে ধাবিত হওয়ার এক নিরন্তর সংগ্রাম। অতএব, জ্ঞানের উপযোগিতা নিয়ে আলোচনা করা নিরর্থক; মানুষ জানতে চায়, আর যখন সে জানার আকাঙ্ক্ষা ত্যাগ করে, তখন সে আর মানুষ থাকে না। ** সূত্র: ''The Forum'' জার্নালে প্রকাশিত "A New Route to the North Pole" প্রবন্ধ (আগস্ট ১৮৯১)। * গির্জায় গিয়ে খেলাধুলার কথা ভাবার চেয়ে স্কিইং করতে যাওয়া এবং ঈশ্বরকে নিয়ে ভাবা অনেক ভালো। ** উদ্ধৃত: ''The New Yorker'' (১৫ মার্চ ২০১০)। * কঠিন কাজ সম্পন্ন করতে কিছুটা সময় লাগে; আর অসম্ভব কাজ সম্পন্ন করতে লাগে তার চেয়ে কিছুটা বেশি সময়। ** সূত্র: ''The Yale Book of Quotations'' (২০০৬)। * আমার জীবনে তথাকথিত সফলতার গোপন রহস্যটি তোমাদের বলি, যা তোমাদের জন্য সত্যিই একটি ভালো উপদেশ হতে পারে। তা হলো—নিজের পেছনের নৌকাগুলো পুড়িয়ে ফেলা এবং পেছনের সেতুগুলো ধ্বংস করে ফেলা। এতে করে যখন সামনে তাকানোর জন্য পর্যাপ্ত কাজ বাকি থাকে, তখন মানুষ পেছনে ফিরে তাকিয়ে অকারণে সময় নষ্ট করে না... ** সেন্ট অ্যান্ড্রুজ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রদত্ত ভাষণ (৩ নভেম্বর ১৯২৬)। == আরও দেখুন == * {{Wikipedia|ফ্রিটজফ নানসেন}} {{DEFAULTSORT:Nansen, Fridtjof}} [[Category:১৮৬১-এ জন্ম]] [[Category:১৯৩০-এ মৃত্যু]] [[Category:নরওয়েজীয় অভিযাত্রী]] [[Category:শান্তিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী]] [[Category:প্রাণিবিজ্ঞানী]] [[Category:নরওয়েজীয় কূটনীতিক]] gubx8enpgowcgt75fpfvki2w1arlcpe 79965 79946 2026-04-23T08:08:10Z Mahiya50 5394 79965 wikitext text/x-wiki [[File:Fridtjof Nansen LOC 03377u-3.jpg|thumb|150px|right|ফ্রিটজফ নানসেন (১৮৯০)]] [[File:A bust of Fridtjof Nansen, Yerevan.JPG|thumb|ইয়েরেভানে ফ্রিটজফ নানসেনের একটি আবক্ষ মূর্তি]] '''[[w:bn:ফ্রিটজফ নানসেন|ফ্রিটজফ নানসেন]]''' (১০ অক্টোবর ১৮৬১ – ১৩ মে ১৯৩০) ছিলেন একজন নরওয়েজীয় অভিযাত্রী, বিজ্ঞানী, কূটনীতিক, মানবহিতৈষী এবং শান্তিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী। == উক্তি == * মানবজাতির ইতিহাস হলো অন্ধকার থেকে আলোর দিকে ধাবিত হওয়ার এক নিরন্তর সংগ্রাম। অতএব, জ্ঞানের উপযোগিতা নিয়ে আলোচনা করা নিরর্থক; মানুষ জানতে চায়, আর যখন সে জানার আকাঙ্ক্ষা ত্যাগ করে, তখন সে আর মানুষ থাকে না। ** সূত্র: ''দ্যা ফোরাম'' জার্নালে প্রকাশিত "উত্তর মেরুতে যাওয়ার একটি নতুন পথ" প্রবন্ধ (আগস্ট ১৮৯১)। * গির্জায় গিয়ে খেলাধুলার কথা ভাবার চেয়ে স্কিইং করতে যাওয়া এবং ঈশ্বরকে নিয়ে ভাবা অনেক ভালো। ** উদ্ধৃত: ''The New Yorker'' (১৫ মার্চ ২০১০)। * কঠিন কাজ সম্পন্ন করতে কিছুটা সময় লাগে; আর অসম্ভব কাজ সম্পন্ন করতে লাগে তার চেয়ে কিছুটা বেশি সময়। ** সূত্র: ''ইয়েল বুক অফ কোটেশনস'' (২০০৬)। * আমার জীবনে তথাকথিত সফলতার গোপন রহস্যটি তোমাদের বলি, যা তোমাদের জন্য সত্যিই একটি ভালো উপদেশ হতে পারে। তা হলো—নিজের পেছনের নৌকাগুলো পুড়িয়ে ফেলা এবং পেছনের সেতুগুলো ধ্বংস করে ফেলা। এতে করে যখন সামনে তাকানোর জন্য পর্যাপ্ত কাজ বাকি থাকে, তখন মানুষ পেছনে ফিরে তাকিয়ে অকারণে সময় নষ্ট করে না... ** সেন্ট অ্যান্ড্রুজ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রদত্ত ভাষণ (৩ নভেম্বর ১৯২৬)। == আরও দেখুন == * {{Wikipedia|ফ্রিটজফ নানসেন}} {{DEFAULTSORT:Nansen, Fridtjof}} [[Category:১৮৬১-এ জন্ম]] [[Category:১৯৩০-এ মৃত্যু]] [[Category:নরওয়েজীয় অভিযাত্রী]] [[Category:শান্তিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী]] [[Category:প্রাণিবিজ্ঞানী]] [[Category:নরওয়েজীয় কূটনীতিক]] 115pxpsg3kgtumhg77gaqam0wy32oxc 79967 79965 2026-04-23T08:08:59Z Mahiya50 5394 79967 wikitext text/x-wiki [[File:Fridtjof Nansen LOC 03377u-3.jpg|thumb|150px|right|ফ্রিটজফ নানসেন (১৮৯০)]] [[File:A bust of Fridtjof Nansen, Yerevan.JPG|thumb|ইয়েরেভানে ফ্রিটজফ নানসেনের একটি আবক্ষ মূর্তি]] '''[[w:bn:ফ্রিটজফ নানসেন|ফ্রিটজফ নানসেন]]''' (১০ অক্টোবর ১৮৬১ – ১৩ মে ১৯৩০) ছিলেন একজন নরওয়েজীয় অভিযাত্রী, বিজ্ঞানী, কূটনীতিক, মানবহিতৈষী এবং শান্তিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী। == উক্তি == * মানবজাতির ইতিহাস হলো অন্ধকার থেকে আলোর দিকে ধাবিত হওয়ার এক নিরন্তর সংগ্রাম। অতএব, জ্ঞানের উপযোগিতা নিয়ে আলোচনা করা নিরর্থক; মানুষ জানতে চায়, আর যখন সে জানার আকাঙ্ক্ষা ত্যাগ করে, তখন সে আর মানুষ থাকে না। ** সূত্র: ''দ্যা ফোরাম'' জার্নালে প্রকাশিত "উত্তর মেরুতে যাওয়ার একটি নতুন পথ" প্রবন্ধ (আগস্ট ১৮৯১)। * গির্জায় গিয়ে খেলাধুলার কথা ভাবার চেয়ে স্কিইং করতে যাওয়া এবং ঈশ্বরকে নিয়ে ভাবা অনেক ভালো। ** উদ্ধৃত: ''নিউ ইয়র্কার'' (১৫ মার্চ ২০১০)। * কঠিন কাজ সম্পন্ন করতে কিছুটা সময় লাগে। আর অসম্ভব কাজ সম্পন্ন করতে লাগে তার চেয়ে কিছুটা বেশি সময়। ** সূত্র: ''ইয়েল বুক অফ কোটেশনস'' (২০০৬)। * আমার জীবনে তথাকথিত সফলতার গোপন রহস্যটি তোমাদের বলি, যা তোমাদের জন্য সত্যিই একটি ভালো উপদেশ হতে পারে। তা হলো নিজের পেছনের নৌকাগুলো পুড়িয়ে ফেলা এবং পেছনের সেতুগুলো ধ্বংস করে ফেলা। এতে করে যখন সামনে তাকানোর জন্য পর্যাপ্ত কাজ বাকি থাকে, তখন মানুষ পেছনে ফিরে তাকিয়ে অকারণে সময় নষ্ট করে না... ** সেন্ট অ্যান্ড্রুজ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রদত্ত ভাষণ (৩ নভেম্বর ১৯২৬)। == আরও দেখুন == * {{Wikipedia|ফ্রিটজফ নানসেন}} {{DEFAULTSORT:Nansen, Fridtjof}} [[Category:১৮৬১-এ জন্ম]] [[Category:১৯৩০-এ মৃত্যু]] [[Category:নরওয়েজীয় অভিযাত্রী]] [[Category:শান্তিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী]] [[Category:প্রাণিবিজ্ঞানী]] [[Category:নরওয়েজীয় কূটনীতিক]] mhanf1jsv9b4cm6ypjs3bkfu2unm1fp আলাঁ আস্পে 0 13275 79948 2026-04-23T07:48:01Z Mahiya50 5394 "```wikitext [[File:Alain Aspect in Tel Aviv University.jpg|thumb|আলাঁ আস্পে]] '''[[w:Alain Aspect|আলাঁ আস্পে]]''' (জন্ম: [[১৫ জুন]], [[১৯৪৭]]) একজন ফরাসি পদার্থবিজ্ঞানী। তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ "[[w:Bell test experiments|বেল টেস্ট এক্সপেরিমেন্টস]]"..." দিয়ে পাতা তৈরি 79948 wikitext text/x-wiki ```wikitext [[File:Alain Aspect in Tel Aviv University.jpg|thumb|আলাঁ আস্পে]] '''[[w:Alain Aspect|আলাঁ আস্পে]]''' (জন্ম: [[১৫ জুন]], [[১৯৪৭]]) একজন ফরাসি পদার্থবিজ্ঞানী। তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ "[[w:Bell test experiments|বেল টেস্ট এক্সপেরিমেন্টস]]" সম্পন্ন করেছিলেন। এই পরীক্ষাগুলো প্রমাণ করে যে [[w:Albert Einstein|আলবার্ট আইনস্টাইন]], [[w:Boris Podolsky|বরিস পোডোলস্কি]] এবং [[w:Nathan Rosen|নাথান রোজেনের]] বর্ণিত "ভৌতিক [[w:Action at a distance (physics)|দূরবর্তী ক্রিয়া]]" বাস্তবে ঘটে থাকে। দুটি কণা একে অপরের থেকে অনেক দূরে থাকলেও এটি কার্যকর হয়। তাদের [[w:Wave function|তরঙ্গ অপেক্ষকের]] মধ্যে একটি [[w:Correlation|সহসম্পর্ক]] বজায় থাকে। তারা একসময় একই তরঙ্গ অপেক্ষকের অংশ হওয়ায় এবং কোনো একটি কণা পরিমাপ করার আগে পর্যন্ত সেই অবস্থায় বিঘ্ন না ঘটায় এটি সম্ভব হয়। {{physicist-stub}} == উক্তি == * এখন আসে [[EPR paradox|আইনস্টাইন-পোডোলস্কি-রোজেন]] [[Quantum entanglement|বিজড়িত অবস্থা]]। আমি এখন অনেকের মুখে "ওহ..?" ভাব দেখতে পাচ্ছি। '''ভয় পাবেন না! আপনি যখন কোনো কনসার্টে যান, তখন গান উপভোগ করার জন্য স্বরলিপি পড়ার সক্ষমতা থাকার প্রয়োজন নেই। ...তাই এখানেও'''... [কিছু] '''সমীকরণ রয়েছে।''' আমার পদার্থবিজ্ঞানী সহকর্মীদের জন্য এটি আনন্দের বিষয়। আপনি যদি সমীকরণগুলো পড়তে না পারেন, তবে আমার কথা শুনুন। '''আমি গান গাইব না, কিন্তু... শব্দগুলো শুনুন। শব্দগুলো সমীকরণগুলোকে বর্ণনা করার একটি উপায়। এর জন্য আপনার গণিত জানার প্রয়োজন নেই'''... ** "২০১৭ অ্যান্ড্রু কার্নেগি লেকচার: প্রফেসর আলাঁ আস্পে" (৪ মে, ২০১৭) * আমরা ধরে নিই যে আমি যদি এখানে একটি ফলাফল +১ পাই, তবে তাৎক্ষণিকভাবে অন্য প্রান্তের ফোটনটি |x> অবস্থায় চলে যায়। কিন্তু আমি যদি -১ পাই, তবে তাৎক্ষণিকভাবে অন্য ফোটনটি মেরুকরণের অন্য একটি অবস্থা গ্রহণ করে। এই চিত্রটি [[Albert Einstein|আইনস্টাইন]]-এর কাছে গ্রহণযোগ্য ছিল না। কারণ এটি দেখে মনে হয় যেন কোনো কিছু আলোর চেয়েও {{w|faster-than-light|দ্রুত গতিতে}} ঘটছে। এই যুক্তিতেই আইনস্টাইন বলেছিলেন, "আপনি যদি এই দূরবর্তী সহসম্পর্ককে যুক্তিগ্রাহ্য করতে চান, তবে আপনাকে মেনে নিতে হবে যে মাপার যন্ত্রে পৌঁছানোর আগেই কণাগুলোর ফলাফল নির্ধারণকারী কোনো বৈশিষ্ট্য ছিল।" বোর তৎক্ষণাৎ দ্বিমত পোষণ করেন। '''আমি এমন কাউকে চিনি না যে বোরের উত্তরটি বোধগম্য মনে করে।''' আমি যা বলতে যাচ্ছি তা শুনতে কৌতুকের মতো মনে হলেও এটি আসলে কৌতুক নয়। বোর শব্দ চয়নে এতটাই সতর্ক ছিলেন যে তাঁর কথা বোঝা প্রায় অসম্ভব ছিল। '''বোর [[Complementarity (physics)|পরিপূরকতার]] ওপর জোর দিয়েছিলেন। এক পর্যায়ে তিনি ঘোষণা করেছিলেন যে "স্পষ্টতা এবং সত্য হলো একে অপরের পরিপূরক।" তিনি যথাসম্ভব সত্য হওয়ার জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়েছিলেন।''' ** "দ্য ফিউচার অফ কোয়ান্টাম টেকনোলজিস: দ্য সেকেন্ড কোয়ান্টাম রেভোলিউশন" (১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯) * ''La principale difficulté pour vulgariser la physique quantique, c'est qu'on ne sait pas très bien comment en fabriquer des images dans notre monde. C'est en ce sens qu'elle est vraiment contre-intuitive.'' ** '''কোয়ান্টাম পদার্থবিজ্ঞানকে জনপ্রিয় করার প্রধান অসুবিধা হলো আমাদের জগতের নিরিখে এর কোনো চিত্র কীভাবে তৈরি করতে হয় তা আমরা ঠিক জানি না। এই অর্থেই এটি সত্যিই স্বজ্ঞাবিরোধী।''' ** ডিসেম্বর ২০০৫ সালে সিএনআরএস (CNRS) স্বর্ণপদক প্রদান অনুষ্ঠানে সাক্ষাৎকার। === "ভূমিকা: জন বেল এবং দ্বিতীয় কোয়ান্টাম বিপ্লব" (২০০৪) === * [[John Stewart Bell|বেল]]-এর কাজের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য ছিল আইনস্টাইনের ধারণাগুলো টিকিয়ে রাখা সম্ভব কি না তা পরীক্ষামূলকভাবে নির্ধারণ করার সুযোগ। [[Bell's theorem|বেল বৈষম্যের]] পরীক্ষামূলক পরীক্ষাগুলো একটি দ্ব্যর্থহীন উত্তর দিয়েছে। [[quantum entanglement|বিজড়িত অবস্থাকে]] সাধারণ সহসম্পর্ক হিসেবে বোঝা সম্ভব নয়। এই সহসম্পর্কের ব্যাখ্যা সাধারণ প্রস্তুতির মাধ্যমে তৈরি হওয়া এবং পৃথক হওয়ার পরেও প্রতিটি বস্তুর সাথে যুক্ত থাকা সাধারণ বৈশিষ্ট্যের ওপর নির্ভর করে না। * আমি মনে করি এটি কোনো অতিরঞ্জন নয় যে '''বিজড়িত অবস্থার গুরুত্ব অনুধাবন এবং একক বস্তুর কোয়ান্টাম বর্ণনার স্পষ্টীকরণই দ্বিতীয় কোয়ান্টাম বিপ্লবের মূল ভিত্তি। [[John Stewart Bell|জন বেল]] ছিলেন এর পথপ্রদর্শক।''' খুব সম্ভবত একসময়ের এই বিশুদ্ধ বুদ্ধিবৃত্তিক অন্বেষণ একটি নতুন প্রযুক্তিগত বিপ্লবের দিকে নিয়ে যাবে। * অবশ্যই স্থূল বস্তুর জন্য আমাদের [[quantum mechanics|কোয়ান্টাম মেকানিক্স]] প্রয়োজন নেই। ক্লাসিক্যাল ফিজিক্স দ্বারা এগুলো ভালোভাবে ব্যাখ্যা করা যায়। এই কারণেই কোয়ান্টাম মেকানিক্স আমাদের দৈনন্দিন অস্তিত্বের কাছে এতই অদ্ভুত মনে হয়। * সেই সময়ের একজন সাক্ষী হিসেবে আমি গভীরভাবে বিশ্বাস করি যে অণুবীক্ষণিক এবং [[w:Mesoscopic physics|মেসোস্কোপিক]] একক বস্তুর ক্ষেত্রে কোয়ান্টাম মেকানিক্সের প্রয়োগের অগ্রগতিতে জন বেল পরোক্ষভাবে এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। তাঁর বুদ্ধিবৃত্তিক স্বাধীনতার উদাহরণটি নতুন পদ্ধতি তৈরির কথা ভাবছিলেন এমন গবেষকদের জন্য নিঃসন্দেহে একটি উৎসাহ ছিল। '''তাঁর উদাহরণ নতুন কোয়ান্টাম অন্বেষণের দ্বার খুলে দিয়েছে।''' === আইনস্টাইন এবং বোরের কোয়ান্টাম বিতর্কের অবসান (১৬ ডিসেম্বর, ২০১৫) === * ১৯৩৫ সালে [[Albert Einstein|আলবার্ট আইনস্টাইন]], [[Boris Podolsky|বরিস পোডোলস্কি]] এবং {{w|Nathan Rosen|নাথান রোজেন}} (EPR) কোয়ান্টাম মেকানিক্সের আনুষ্ঠানিকতার পূর্ণাঙ্গতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে একটি [[EPR_paradox#"Can Quantum-Mechanical Description of Physical Reality Be Considered Complete?" (1935)|বিখ্যাত গবেষণাপত্র]] লিখেছিলেন। একটি [[quantum entanglement|বিজড়িত জোড়ার]] একটি কণার ওপর পরিমাপ অন্য দূরবর্তী কণার অবস্থাকে প্রভাবিত করতে পারে—এই ধারণাটি তাঁরা প্রত্যাখ্যান করেন। জগতের একটি যুক্তিসঙ্গত, "[[Principle of locality|স্থানীয় বাস্তববাদী]]" বর্ণনা পেতে হলে কোয়ান্টাম আনুষ্ঠানিকতাকে আরও পূর্ণাঙ্গ করতে হবে বলে তাঁরা সিদ্ধান্তে উপনীত হন। * পরবর্তী দশকগুলোতে পরীক্ষামূলক বিজ্ঞানীরা বেলের বৈষম্যের আরও পরিশীলিত পরীক্ষা চালিয়েছেন। কিন্তু এই পরীক্ষাগুলোতে সবসময় অন্তত একটি "লুপহোল" বা ফাঁকফোকর ছিল। * একই সাথে দুটি প্রধান ফাঁকফোকর বন্ধ করার মাধ্যমে তিনটি দল স্বতন্ত্রভাবে নিশ্চিত করেছে যে আমাদের অবশ্যই স্থানীয় বাস্তববাদ বর্জন করতে হবে। তাদের এই অনুসন্ধানগুলো কোনো বিস্ময় না হলেও এগুলো কয়েক দশকের পরীক্ষামূলক প্রচেষ্টার এক চূড়ান্ত সাফল্য। এই ফলাফলগুলো ডিভাইস-ইন্ডিপেন্ডেন্ট {{w|quantum cryptography|কোয়ান্টাম ক্রিপ্টোগ্রাফি}} এবং {{w|quantum network|কোয়ান্টাম নেটওয়ার্কের}} মতো মৌলিক কোয়ান্টাম তথ্য স্কিমগুলোকে আরও দৃঢ় ভিত্তি দিয়েছে। == আস্পে সম্পর্কে উক্তি == === আইনস্টাইন-পোডোলস্কি-রোজেন ধাঁধার সমাধান (২০১২) === * আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের সবচেয়ে বিস্ময়কর ফলাফলগুলোর একটি হলো {{w|quantum optics|কোয়ান্টাম অপটিক্সে}} সহসম্পর্ক পরিমাপের আপাত [[w:Action at a distance|অ-স্থানীয়তা]]। ১৯৮২ সালে আলাঁ আস্পের পরীক্ষাগুলো থেকে শুরু করে বিজড়িত [[photon|ফোটন]] জোড়ার ওপর করা পরীক্ষাগুলো প্রমাণ করে যে দুটি পরিমাপ স্বতন্ত্র নয়। এই পরিমাপগুলো সাধারণত [[Bell's theorem|বেল বৈষম্যের]] নিরিখে ব্যাখ্যা করা হয়। বর্তমানে সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত হলো কোনো [[Information theory|তথ্য]] আলোর চেয়ে দ্রুত ভ্রমণ করে না। == বহিঃসংযোগ == {{wikipedia|আলাঁ আস্পে}} {{commons category|Alain Aspect}} * [https://www.nobelprize.org/prizes/physics/2022/aspect/facts/ আলাঁ আস্পে] @NobelPrize.org * [https://www.youtube.com/results?search%20query=Alain+Aspect আলাঁ আস্পে] ভিডিও @YouTube * [https://physics.aps.org/articles/pdf/10.1103/Physics.8.123 Closing the Door on Einstein and Bohr’s Quantum Debate] — আলাঁ আস্পে লিখিত নিবন্ধ। {{DEFAULTSORT:Aspect, Alain}} [[বিষয়শ্রেণী:ফরাসি পদার্থবিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৪৭-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:পদার্থবিজ্ঞানে উলফ পুরস্কার বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল বিজয়ী]] 0uickkyz3v4eguuus2m3o1fot0id4in 79949 79948 2026-04-23T07:48:48Z Mahiya50 5394 79949 wikitext text/x-wiki [[File:Alain Aspect in Tel Aviv University.jpg|thumb|আলাঁ আস্পে]] '''[[w:Alain Aspect|আলাঁ আস্পে]]''' (জন্ম: ১৫ জুন,১৯৪৭) একজন ফরাসি পদার্থবিজ্ঞানী। তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ "[[w:Bell test experiments|বেল টেস্ট এক্সপেরিমেন্টস]]" সম্পন্ন করেছিলেন। এই পরীক্ষাগুলো প্রমাণ করে যে [[w:আলবার্ট আইনস্টাইন|আলবার্ট আইনস্টাইন]], [[w:Boris Podolsky|বরিস পোডোলস্কি]] এবং [[w:Nathan Rosen|নাথান রোজেনের]] বর্ণিত "ভৌতিক [[w:Action at a distance (physics)|দূরবর্তী ক্রিয়া]]" বাস্তবে ঘটে থাকে। দুটি কণা একে অপরের থেকে অনেক দূরে থাকলেও এটি কার্যকর হয়। তাদের [[w:Wave function|তরঙ্গ অপেক্ষকের]] মধ্যে একটি [[w:Correlation|সহসম্পর্ক]] বজায় থাকে। তারা একসময় একই তরঙ্গ অপেক্ষকের অংশ হওয়ায় এবং কোনো একটি কণা পরিমাপ করার আগে পর্যন্ত সেই অবস্থায় বিঘ্ন না ঘটায় এটি সম্ভব হয়। {{physicist-stub}} == উক্তি == * এখন আসে [[EPR paradox|আইনস্টাইন-পোডোলস্কি-রোজেন]] [[Quantum entanglement|বিজড়িত অবস্থা]]। আমি এখন অনেকের মুখে "ওহ..?" ভাব দেখতে পাচ্ছি। '''ভয় পাবেন না! আপনি যখন কোনো কনসার্টে যান, তখন গান উপভোগ করার জন্য স্বরলিপি পড়ার সক্ষমতা থাকার প্রয়োজন নেই। ...তাই এখানেও'''... [কিছু] '''সমীকরণ রয়েছে।''' আমার পদার্থবিজ্ঞানী সহকর্মীদের জন্য এটি আনন্দের বিষয়। আপনি যদি সমীকরণগুলো পড়তে না পারেন, তবে আমার কথা শুনুন। '''আমি গান গাইব না, কিন্তু... শব্দগুলো শুনুন। শব্দগুলো সমীকরণগুলোকে বর্ণনা করার একটি উপায়। এর জন্য আপনার গণিত জানার প্রয়োজন নেই'''... ** "২০১৭ অ্যান্ড্রু কার্নেগি লেকচার: প্রফেসর আলাঁ আস্পে" (৪ মে, ২০১৭) * আমরা ধরে নিই যে আমি যদি এখানে একটি ফলাফল +১ পাই, তবে তাৎক্ষণিকভাবে অন্য প্রান্তের ফোটনটি |x> অবস্থায় চলে যায়। কিন্তু আমি যদি -১ পাই, তবে তাৎক্ষণিকভাবে অন্য ফোটনটি মেরুকরণের অন্য একটি অবস্থা গ্রহণ করে। এই চিত্রটি [[Albert Einstein|আইনস্টাইন]]-এর কাছে গ্রহণযোগ্য ছিল না। কারণ এটি দেখে মনে হয় যেন কোনো কিছু আলোর চেয়েও {{w|faster-than-light|দ্রুত গতিতে}} ঘটছে। এই যুক্তিতেই আইনস্টাইন বলেছিলেন, "আপনি যদি এই দূরবর্তী সহসম্পর্ককে যুক্তিগ্রাহ্য করতে চান, তবে আপনাকে মেনে নিতে হবে যে মাপার যন্ত্রে পৌঁছানোর আগেই কণাগুলোর ফলাফল নির্ধারণকারী কোনো বৈশিষ্ট্য ছিল।" বোর তৎক্ষণাৎ দ্বিমত পোষণ করেন। '''আমি এমন কাউকে চিনি না যে বোরের উত্তরটি বোধগম্য মনে করে।''' আমি যা বলতে যাচ্ছি তা শুনতে কৌতুকের মতো মনে হলেও এটি আসলে কৌতুক নয়। বোর শব্দ চয়নে এতটাই সতর্ক ছিলেন যে তাঁর কথা বোঝা প্রায় অসম্ভব ছিল। '''বোর [[Complementarity (physics)|পরিপূরকতার]] ওপর জোর দিয়েছিলেন। এক পর্যায়ে তিনি ঘোষণা করেছিলেন যে "স্পষ্টতা এবং সত্য হলো একে অপরের পরিপূরক।" তিনি যথাসম্ভব সত্য হওয়ার জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়েছিলেন।''' ** "দ্য ফিউচার অফ কোয়ান্টাম টেকনোলজিস: দ্য সেকেন্ড কোয়ান্টাম রেভোলিউশন" (১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯) * ''La principale difficulté pour vulgariser la physique quantique, c'est qu'on ne sait pas très bien comment en fabriquer des images dans notre monde. C'est en ce sens qu'elle est vraiment contre-intuitive.'' ** '''কোয়ান্টাম পদার্থবিজ্ঞানকে জনপ্রিয় করার প্রধান অসুবিধা হলো আমাদের জগতের নিরিখে এর কোনো চিত্র কীভাবে তৈরি করতে হয় তা আমরা ঠিক জানি না। এই অর্থেই এটি সত্যিই স্বজ্ঞাবিরোধী।''' ** ডিসেম্বর ২০০৫ সালে সিএনআরএস (CNRS) স্বর্ণপদক প্রদান অনুষ্ঠানে সাক্ষাৎকার। === "ভূমিকা: জন বেল এবং দ্বিতীয় কোয়ান্টাম বিপ্লব" (২০০৪) === * [[John Stewart Bell|বেল]]-এর কাজের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য ছিল আইনস্টাইনের ধারণাগুলো টিকিয়ে রাখা সম্ভব কি না তা পরীক্ষামূলকভাবে নির্ধারণ করার সুযোগ। [[Bell's theorem|বেল বৈষম্যের]] পরীক্ষামূলক পরীক্ষাগুলো একটি দ্ব্যর্থহীন উত্তর দিয়েছে। [[quantum entanglement|বিজড়িত অবস্থাকে]] সাধারণ সহসম্পর্ক হিসেবে বোঝা সম্ভব নয়। এই সহসম্পর্কের ব্যাখ্যা সাধারণ প্রস্তুতির মাধ্যমে তৈরি হওয়া এবং পৃথক হওয়ার পরেও প্রতিটি বস্তুর সাথে যুক্ত থাকা সাধারণ বৈশিষ্ট্যের ওপর নির্ভর করে না। * আমি মনে করি এটি কোনো অতিরঞ্জন নয় যে '''বিজড়িত অবস্থার গুরুত্ব অনুধাবন এবং একক বস্তুর কোয়ান্টাম বর্ণনার স্পষ্টীকরণই দ্বিতীয় কোয়ান্টাম বিপ্লবের মূল ভিত্তি। [[John Stewart Bell|জন বেল]] ছিলেন এর পথপ্রদর্শক।''' খুব সম্ভবত একসময়ের এই বিশুদ্ধ বুদ্ধিবৃত্তিক অন্বেষণ একটি নতুন প্রযুক্তিগত বিপ্লবের দিকে নিয়ে যাবে। * অবশ্যই স্থূল বস্তুর জন্য আমাদের [[quantum mechanics|কোয়ান্টাম মেকানিক্স]] প্রয়োজন নেই। ক্লাসিক্যাল ফিজিক্স দ্বারা এগুলো ভালোভাবে ব্যাখ্যা করা যায়। এই কারণেই কোয়ান্টাম মেকানিক্স আমাদের দৈনন্দিন অস্তিত্বের কাছে এতই অদ্ভুত মনে হয়। * সেই সময়ের একজন সাক্ষী হিসেবে আমি গভীরভাবে বিশ্বাস করি যে অণুবীক্ষণিক এবং [[w:Mesoscopic physics|মেসোস্কোপিক]] একক বস্তুর ক্ষেত্রে কোয়ান্টাম মেকানিক্সের প্রয়োগের অগ্রগতিতে জন বেল পরোক্ষভাবে এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। তাঁর বুদ্ধিবৃত্তিক স্বাধীনতার উদাহরণটি নতুন পদ্ধতি তৈরির কথা ভাবছিলেন এমন গবেষকদের জন্য নিঃসন্দেহে একটি উৎসাহ ছিল। '''তাঁর উদাহরণ নতুন কোয়ান্টাম অন্বেষণের দ্বার খুলে দিয়েছে।''' === আইনস্টাইন এবং বোরের কোয়ান্টাম বিতর্কের অবসান (১৬ ডিসেম্বর, ২০১৫) === * ১৯৩৫ সালে [[Albert Einstein|আলবার্ট আইনস্টাইন]], [[Boris Podolsky|বরিস পোডোলস্কি]] এবং {{w|Nathan Rosen|নাথান রোজেন}} (EPR) কোয়ান্টাম মেকানিক্সের আনুষ্ঠানিকতার পূর্ণাঙ্গতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে একটি [[EPR_paradox#"Can Quantum-Mechanical Description of Physical Reality Be Considered Complete?" (1935)|বিখ্যাত গবেষণাপত্র]] লিখেছিলেন। একটি [[quantum entanglement|বিজড়িত জোড়ার]] একটি কণার ওপর পরিমাপ অন্য দূরবর্তী কণার অবস্থাকে প্রভাবিত করতে পারে—এই ধারণাটি তাঁরা প্রত্যাখ্যান করেন। জগতের একটি যুক্তিসঙ্গত, "[[Principle of locality|স্থানীয় বাস্তববাদী]]" বর্ণনা পেতে হলে কোয়ান্টাম আনুষ্ঠানিকতাকে আরও পূর্ণাঙ্গ করতে হবে বলে তাঁরা সিদ্ধান্তে উপনীত হন। * পরবর্তী দশকগুলোতে পরীক্ষামূলক বিজ্ঞানীরা বেলের বৈষম্যের আরও পরিশীলিত পরীক্ষা চালিয়েছেন। কিন্তু এই পরীক্ষাগুলোতে সবসময় অন্তত একটি "লুপহোল" বা ফাঁকফোকর ছিল। * একই সাথে দুটি প্রধান ফাঁকফোকর বন্ধ করার মাধ্যমে তিনটি দল স্বতন্ত্রভাবে নিশ্চিত করেছে যে আমাদের অবশ্যই স্থানীয় বাস্তববাদ বর্জন করতে হবে। তাদের এই অনুসন্ধানগুলো কোনো বিস্ময় না হলেও এগুলো কয়েক দশকের পরীক্ষামূলক প্রচেষ্টার এক চূড়ান্ত সাফল্য। এই ফলাফলগুলো ডিভাইস-ইন্ডিপেন্ডেন্ট {{w|quantum cryptography|কোয়ান্টাম ক্রিপ্টোগ্রাফি}} এবং {{w|quantum network|কোয়ান্টাম নেটওয়ার্কের}} মতো মৌলিক কোয়ান্টাম তথ্য স্কিমগুলোকে আরও দৃঢ় ভিত্তি দিয়েছে। == আস্পে সম্পর্কে উক্তি == === আইনস্টাইন-পোডোলস্কি-রোজেন ধাঁধার সমাধান (২০১২) === * আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের সবচেয়ে বিস্ময়কর ফলাফলগুলোর একটি হলো {{w|quantum optics|কোয়ান্টাম অপটিক্সে}} সহসম্পর্ক পরিমাপের আপাত [[w:Action at a distance|অ-স্থানীয়তা]]। ১৯৮২ সালে আলাঁ আস্পের পরীক্ষাগুলো থেকে শুরু করে বিজড়িত [[photon|ফোটন]] জোড়ার ওপর করা পরীক্ষাগুলো প্রমাণ করে যে দুটি পরিমাপ স্বতন্ত্র নয়। এই পরিমাপগুলো সাধারণত [[Bell's theorem|বেল বৈষম্যের]] নিরিখে ব্যাখ্যা করা হয়। বর্তমানে সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত হলো কোনো [[Information theory|তথ্য]] আলোর চেয়ে দ্রুত ভ্রমণ করে না। == বহিঃসংযোগ == {{wikipedia|আলাঁ আস্পে}} {{commons category|Alain Aspect}} * [https://www.nobelprize.org/prizes/physics/2022/aspect/facts/ আলাঁ আস্পে] @NobelPrize.org * [https://www.youtube.com/results?search%20query=Alain+Aspect আলাঁ আস্পে] ভিডিও @YouTube * [https://physics.aps.org/articles/pdf/10.1103/Physics.8.123 Closing the Door on Einstein and Bohr’s Quantum Debate] — আলাঁ আস্পে লিখিত নিবন্ধ। {{DEFAULTSORT:Aspect, Alain}} [[বিষয়শ্রেণী:ফরাসি পদার্থবিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৪৭-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:পদার্থবিজ্ঞানে উলফ পুরস্কার বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল বিজয়ী]] 4gdowh2bqnoejqaf4prbkxgliv3js0s 79952 79949 2026-04-23T07:50:29Z Mahiya50 5394 79952 wikitext text/x-wiki [[File:Alain Aspect in Tel Aviv University.jpg|thumb|আলাঁ আস্পে]] '''[[w:Alain Aspect|আলাঁ আস্পে]]''' (জন্ম: ১৫ জুন,১৯৪৭) একজন ফরাসি পদার্থবিজ্ঞানী। তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ "[[w:Bell test experiments|বেল টেস্ট এক্সপেরিমেন্টস]]" সম্পন্ন করেছিলেন। এই পরীক্ষাগুলো প্রমাণ করে যে [[w:আলবার্ট আইনস্টাইন|আলবার্ট আইনস্টাইন]], [[w:Boris Podolsky|বরিস পোডোলস্কি]] এবং [[w:Nathan Rosen|নাথান রোজেনের]] বর্ণিত "ভৌতিক [[w:Action at a distance (physics)|দূরবর্তী ক্রিয়া]]" বাস্তবে ঘটে থাকে। দুটি কণা একে অপরের থেকে অনেক দূরে থাকলেও এটি কার্যকর হয়। তাদের [[w:Wave function|তরঙ্গ অপেক্ষকের]] মধ্যে একটি [[w:Correlation|সহসম্পর্ক]] বজায় থাকে। তারা একসময় একই তরঙ্গ অপেক্ষকের অংশ হওয়ায় এবং কোনো একটি কণা পরিমাপ করার আগে পর্যন্ত সেই অবস্থায় বিঘ্ন না ঘটায় এটি সম্ভব হয়। {{physicist-stub}} == উক্তি == * এখন আসে [[EPR paradox|আইনস্টাইন-পোডোলস্কি-রোজেন]] [[Quantum entanglement|বিজড়িত অবস্থা]]। আমি এখন অনেকের মুখে "ওহ..?" ভাব দেখতে পাচ্ছি। '''ভয় পাবেন না! আপনি যখন কোনো কনসার্টে যান, তখন গান উপভোগ করার জন্য স্বরলিপি পড়ার সক্ষমতা থাকার প্রয়োজন নেই। ...তাই এখানেও'''... [কিছু] '''সমীকরণ রয়েছে।''' আমার পদার্থবিজ্ঞানী সহকর্মীদের জন্য এটি আনন্দের বিষয়। আপনি যদি সমীকরণগুলো পড়তে না পারেন, তবে আমার কথা শুনুন। '''আমি গান গাইব না, কিন্তু... শব্দগুলো শুনুন। শব্দগুলো সমীকরণগুলোকে বর্ণনা করার একটি উপায়। এর জন্য আপনার গণিত জানার প্রয়োজন নেই'''... ** "২০১৭ অ্যান্ড্রু কার্নেগি লেকচার: প্রফেসর আলাঁ আস্পে" (৪ মে, ২০১৭) * আমরা ধরে নিই যে আমি যদি এখানে একটি ফলাফল +১ পাই, তবে তাৎক্ষণিকভাবে অন্য প্রান্তের ফোটনটি |x> অবস্থায় চলে যায়। কিন্তু আমি যদি -১ পাই, তবে তাৎক্ষণিকভাবে অন্য ফোটনটি মেরুকরণের অন্য একটি অবস্থা গ্রহণ করে। এই চিত্রটি [[Albert Einstein|আইনস্টাইন]]-এর কাছে গ্রহণযোগ্য ছিল না। কারণ এটি দেখে মনে হয় যেন কোনো কিছু আলোর চেয়েও {{w|faster-than-light|দ্রুত গতিতে}} ঘটছে। এই যুক্তিতেই আইনস্টাইন বলেছিলেন, "আপনি যদি এই দূরবর্তী সহসম্পর্ককে যুক্তিগ্রাহ্য করতে চান, তবে আপনাকে মেনে নিতে হবে যে মাপার যন্ত্রে পৌঁছানোর আগেই কণাগুলোর ফলাফল নির্ধারণকারী কোনো বৈশিষ্ট্য ছিল।" বোর তৎক্ষণাৎ দ্বিমত পোষণ করেন। '''আমি এমন কাউকে চিনি না যে বোরের উত্তরটি বোধগম্য মনে করে।''' আমি যা বলতে যাচ্ছি তা শুনতে কৌতুকের মতো মনে হলেও এটি আসলে কৌতুক নয়। বোর শব্দ চয়নে এতটাই সতর্ক ছিলেন যে তাঁর কথা বোঝা প্রায় অসম্ভব ছিল। '''বোর [[Complementarity (physics)|পরিপূরকতার]] ওপর জোর দিয়েছিলেন। এক পর্যায়ে তিনি ঘোষণা করেছিলেন যে "স্পষ্টতা এবং সত্য হলো একে অপরের পরিপূরক।" তিনি যথাসম্ভব সত্য হওয়ার জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়েছিলেন।''' ** "দ্য ফিউচার অফ কোয়ান্টাম টেকনোলজিস: দ্য সেকেন্ড কোয়ান্টাম রেভোলিউশন" (১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯) * ''La principale difficulté pour vulgariser la physique quantique, c'est qu'on ne sait pas très bien comment en fabriquer des images dans notre monde. C'est en ce sens qu'elle est vraiment contre-intuitive.'' ** '''কোয়ান্টাম পদার্থবিজ্ঞানকে জনপ্রিয় করার প্রধান অসুবিধা হলো আমাদের জগতের নিরিখে এর কোনো চিত্র কীভাবে তৈরি করতে হয় তা আমরা ঠিক জানি না। এই অর্থেই এটি সত্যিই স্বজ্ঞাবিরোধী।''' ** ডিসেম্বর ২০০৫ সালে সিএনআরএস (CNRS) স্বর্ণপদক প্রদান অনুষ্ঠানে সাক্ষাৎকার। === "ভূমিকা: জন বেল এবং দ্বিতীয় কোয়ান্টাম বিপ্লব" (২০০৪) === * [[John Stewart Bell|বেল]]-এর কাজের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য ছিল আইনস্টাইনের ধারণাগুলো টিকিয়ে রাখা সম্ভব কি না তা পরীক্ষামূলকভাবে নির্ধারণ করার সুযোগ। [[Bell's theorem|বেল বৈষম্যের]] পরীক্ষামূলক পরীক্ষাগুলো একটি দ্ব্যর্থহীন উত্তর দিয়েছে। [[quantum entanglement|বিজড়িত অবস্থাকে]] সাধারণ সহসম্পর্ক হিসেবে বোঝা সম্ভব নয়। এই সহসম্পর্কের ব্যাখ্যা সাধারণ প্রস্তুতির মাধ্যমে তৈরি হওয়া এবং পৃথক হওয়ার পরেও প্রতিটি বস্তুর সাথে যুক্ত থাকা সাধারণ বৈশিষ্ট্যের ওপর নির্ভর করে না। * আমি মনে করি এটি কোনো অতিরঞ্জন নয় যে '''বিজড়িত অবস্থার গুরুত্ব অনুধাবন এবং একক বস্তুর কোয়ান্টাম বর্ণনার স্পষ্টীকরণই দ্বিতীয় কোয়ান্টাম বিপ্লবের মূল ভিত্তি। [[John Stewart Bell|জন বেল]] ছিলেন এর পথপ্রদর্শক।''' খুব সম্ভবত একসময়ের এই বিশুদ্ধ বুদ্ধিবৃত্তিক অন্বেষণ একটি নতুন প্রযুক্তিগত বিপ্লবের দিকে নিয়ে যাবে। * অবশ্যই স্থূল বস্তুর জন্য আমাদের [[quantum mechanics|কোয়ান্টাম মেকানিক্স]] প্রয়োজন নেই। ক্লাসিক্যাল ফিজিক্স দ্বারা এগুলো ভালোভাবে ব্যাখ্যা করা যায়। এই কারণেই কোয়ান্টাম মেকানিক্স আমাদের দৈনন্দিন অস্তিত্বের কাছে এতই অদ্ভুত মনে হয়। * সেই সময়ের একজন সাক্ষী হিসেবে আমি গভীরভাবে বিশ্বাস করি যে অণুবীক্ষণিক এবং [[w:Mesoscopic physics|মেসোস্কোপিক]] একক বস্তুর ক্ষেত্রে কোয়ান্টাম মেকানিক্সের প্রয়োগের অগ্রগতিতে জন বেল পরোক্ষভাবে এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। তাঁর বুদ্ধিবৃত্তিক স্বাধীনতার উদাহরণটি নতুন পদ্ধতি তৈরির কথা ভাবছিলেন এমন গবেষকদের জন্য নিঃসন্দেহে একটি উৎসাহ ছিল। '''তাঁর উদাহরণ নতুন কোয়ান্টাম অন্বেষণের দ্বার খুলে দিয়েছে।''' === আইনস্টাইন এবং বোরের কোয়ান্টাম বিতর্কের অবসান (১৬ ডিসেম্বর, ২০১৫) === * ১৯৩৫ সালে [[Albert Einstein|আলবার্ট আইনস্টাইন]], [[Boris Podolsky|বরিস পোডোলস্কি]] এবং {{w|Nathan Rosen|নাথান রোজেন}} (EPR) কোয়ান্টাম মেকানিক্সের আনুষ্ঠানিকতার পূর্ণাঙ্গতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে একটি [[EPR_paradox#"Can Quantum-Mechanical Description of Physical Reality Be Considered Complete?" (1935)|বিখ্যাত গবেষণাপত্র]] লিখেছিলেন। একটি [[quantum entanglement|বিজড়িত জোড়ার]] একটি কণার ওপর পরিমাপ অন্য দূরবর্তী কণার অবস্থাকে প্রভাবিত করতে পারে—এই ধারণাটি তাঁরা প্রত্যাখ্যান করেন। জগতের একটি যুক্তিসঙ্গত, "[[Principle of locality|স্থানীয় বাস্তববাদী]]" বর্ণনা পেতে হলে কোয়ান্টাম আনুষ্ঠানিকতাকে আরও পূর্ণাঙ্গ করতে হবে বলে তাঁরা সিদ্ধান্তে উপনীত হন। * পরবর্তী দশকগুলোতে পরীক্ষামূলক বিজ্ঞানীরা বেলের বৈষম্যের আরও পরিশীলিত পরীক্ষা চালিয়েছেন। কিন্তু এই পরীক্ষাগুলোতে সবসময় অন্তত একটি "লুপহোল" বা ফাঁকফোকর ছিল। * একই সাথে দুটি প্রধান ফাঁকফোকর বন্ধ করার মাধ্যমে তিনটি দল স্বতন্ত্রভাবে নিশ্চিত করেছে যে আমাদের অবশ্যই স্থানীয় বাস্তববাদ বর্জন করতে হবে। তাদের এই অনুসন্ধানগুলো কোনো বিস্ময় না হলেও এগুলো কয়েক দশকের পরীক্ষামূলক প্রচেষ্টার এক চূড়ান্ত সাফল্য। এই ফলাফলগুলো ডিভাইস-ইন্ডিপেন্ডেন্ট {{w|quantum cryptography|কোয়ান্টাম ক্রিপ্টোগ্রাফি}} এবং {{w|quantum network|কোয়ান্টাম নেটওয়ার্কের}} মতো মৌলিক কোয়ান্টাম তথ্য স্কিমগুলোকে আরও দৃঢ় ভিত্তি দিয়েছে। == আস্পে সম্পর্কে উক্তি == === আইনস্টাইন-পোডোলস্কি-রোজেন ধাঁধার সমাধান (২০১২) === * আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের সবচেয়ে বিস্ময়কর ফলাফলগুলোর একটি হলো {{w|কোয়ান্টাম অপটিক্স|কোয়ান্টাম অপটিক্সে}} সহসম্পর্ক পরিমাপের আপাত অ-স্থানীয়তা। ১৯৮২ সালে আলাঁ আস্পের পরীক্ষাগুলো থেকে শুরু করে বিজড়িত ফোটন জোড়ার ওপর করা পরীক্ষাগুলো প্রমাণ করে যে দুটি পরিমাপ স্বতন্ত্র নয়। এই পরিমাপগুলো সাধারণত বেল বৈষম্যের নিরিখে ব্যাখ্যা করা হয়। বর্তমানে সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত হলো কোনো তথ্য আলোর চেয়ে দ্রুত ভ্রমণ করে না। == বহিঃসংযোগ == {{wikipedia|আলাঁ আস্পে}} {{commons category|Alain Aspect}} * [https://www.nobelprize.org/prizes/physics/2022/aspect/facts/ আলাঁ আস্পে] @NobelPrize.org * [https://www.youtube.com/results?search%20query=Alain+Aspect আলাঁ আস্পে] ভিডিও @YouTube * [https://physics.aps.org/articles/pdf/10.1103/Physics.8.123 Closing the Door on Einstein and Bohr’s Quantum Debate] — আলাঁ আস্পে লিখিত নিবন্ধ। {{DEFAULTSORT:Aspect, Alain}} [[বিষয়শ্রেণী:ফরাসি পদার্থবিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৪৭-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:পদার্থবিজ্ঞানে উলফ পুরস্কার বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল বিজয়ী]] nxakcok3uvjdvnrvt88pxkxgoe5xwtg 79954 79952 2026-04-23T07:51:46Z Mahiya50 5394 79954 wikitext text/x-wiki [[File:Alain Aspect in Tel Aviv University.jpg|thumb|আলাঁ আস্পে]] '''[[w:Alain Aspect|আলাঁ আস্পে]]''' (জন্ম: ১৫ জুন,১৯৪৭) একজন ফরাসি পদার্থবিজ্ঞানী। তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ "[[w:বেল টেস্ট এক্সপেরিমেন্টস|বেল টেস্ট এক্সপেরিমেন্টস]]" সম্পন্ন করেছিলেন। এই পরীক্ষাগুলো প্রমাণ করে যে [[w:আলবার্ট আইনস্টাইন|আলবার্ট আইনস্টাইন]], বরিস পোডোলস্কি এবং [[w:নাথান রোজেন|নাথান রোজেনের]] বর্ণিত "ভৌতিক [[w:Action at a distance (physics)|দূরবর্তী ক্রিয়া]]" বাস্তবে ঘটে থাকে। দুটি কণা একে অপরের থেকে অনেক দূরে থাকলেও এটি কার্যকর হয়। তাদের [[w:Wave function|তরঙ্গ অপেক্ষকের]] মধ্যে একটি [[w:Correlation|সহসম্পর্ক]] বজায় থাকে। তারা একসময় একই তরঙ্গ অপেক্ষকের অংশ হওয়ায় এবং কোনো একটি কণা পরিমাপ করার আগে পর্যন্ত সেই অবস্থায় বিঘ্ন না ঘটায় এটি সম্ভব হয়। {{physicist-stub}} == উক্তি == * এখন আসে [[EPR paradox|আইনস্টাইন-পোডোলস্কি-রোজেন]] [[Quantum entanglement|বিজড়িত অবস্থা]]। আমি এখন অনেকের মুখে "ওহ..?" ভাব দেখতে পাচ্ছি। '''ভয় পাবেন না! আপনি যখন কোনো কনসার্টে যান, তখন গান উপভোগ করার জন্য স্বরলিপি পড়ার সক্ষমতা থাকার প্রয়োজন নেই। ...তাই এখানেও'''... [কিছু] '''সমীকরণ রয়েছে।''' আমার পদার্থবিজ্ঞানী সহকর্মীদের জন্য এটি আনন্দের বিষয়। আপনি যদি সমীকরণগুলো পড়তে না পারেন, তবে আমার কথা শুনুন। '''আমি গান গাইব না, কিন্তু... শব্দগুলো শুনুন। শব্দগুলো সমীকরণগুলোকে বর্ণনা করার একটি উপায়। এর জন্য আপনার গণিত জানার প্রয়োজন নেই'''... ** "২০১৭ অ্যান্ড্রু কার্নেগি লেকচার: প্রফেসর আলাঁ আস্পে" (৪ মে, ২০১৭) * আমরা ধরে নিই যে আমি যদি এখানে একটি ফলাফল +১ পাই, তবে তাৎক্ষণিকভাবে অন্য প্রান্তের ফোটনটি |x> অবস্থায় চলে যায়। কিন্তু আমি যদি -১ পাই, তবে তাৎক্ষণিকভাবে অন্য ফোটনটি মেরুকরণের অন্য একটি অবস্থা গ্রহণ করে। এই চিত্রটি [[Albert Einstein|আইনস্টাইন]]-এর কাছে গ্রহণযোগ্য ছিল না। কারণ এটি দেখে মনে হয় যেন কোনো কিছু আলোর চেয়েও {{w|faster-than-light|দ্রুত গতিতে}} ঘটছে। এই যুক্তিতেই আইনস্টাইন বলেছিলেন, "আপনি যদি এই দূরবর্তী সহসম্পর্ককে যুক্তিগ্রাহ্য করতে চান, তবে আপনাকে মেনে নিতে হবে যে মাপার যন্ত্রে পৌঁছানোর আগেই কণাগুলোর ফলাফল নির্ধারণকারী কোনো বৈশিষ্ট্য ছিল।" বোর তৎক্ষণাৎ দ্বিমত পোষণ করেন। '''আমি এমন কাউকে চিনি না যে বোরের উত্তরটি বোধগম্য মনে করে।''' আমি যা বলতে যাচ্ছি তা শুনতে কৌতুকের মতো মনে হলেও এটি আসলে কৌতুক নয়। বোর শব্দ চয়নে এতটাই সতর্ক ছিলেন যে তাঁর কথা বোঝা প্রায় অসম্ভব ছিল। '''বোর [[Complementarity (physics)|পরিপূরকতার]] ওপর জোর দিয়েছিলেন। এক পর্যায়ে তিনি ঘোষণা করেছিলেন যে "স্পষ্টতা এবং সত্য হলো একে অপরের পরিপূরক।" তিনি যথাসম্ভব সত্য হওয়ার জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়েছিলেন।''' ** "দ্য ফিউচার অফ কোয়ান্টাম টেকনোলজিস: দ্য সেকেন্ড কোয়ান্টাম রেভোলিউশন" (১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯) * ''La principale difficulté pour vulgariser la physique quantique, c'est qu'on ne sait pas très bien comment en fabriquer des images dans notre monde. C'est en ce sens qu'elle est vraiment contre-intuitive.'' ** '''কোয়ান্টাম পদার্থবিজ্ঞানকে জনপ্রিয় করার প্রধান অসুবিধা হলো আমাদের জগতের নিরিখে এর কোনো চিত্র কীভাবে তৈরি করতে হয় তা আমরা ঠিক জানি না। এই অর্থেই এটি সত্যিই স্বজ্ঞাবিরোধী।''' ** ডিসেম্বর ২০০৫ সালে সিএনআরএস (CNRS) স্বর্ণপদক প্রদান অনুষ্ঠানে সাক্ষাৎকার। === "ভূমিকা: জন বেল এবং দ্বিতীয় কোয়ান্টাম বিপ্লব" (২০০৪) === * [[John Stewart Bell|বেল]]-এর কাজের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য ছিল আইনস্টাইনের ধারণাগুলো টিকিয়ে রাখা সম্ভব কি না তা পরীক্ষামূলকভাবে নির্ধারণ করার সুযোগ। [[Bell's theorem|বেল বৈষম্যের]] পরীক্ষামূলক পরীক্ষাগুলো একটি দ্ব্যর্থহীন উত্তর দিয়েছে। [[quantum entanglement|বিজড়িত অবস্থাকে]] সাধারণ সহসম্পর্ক হিসেবে বোঝা সম্ভব নয়। এই সহসম্পর্কের ব্যাখ্যা সাধারণ প্রস্তুতির মাধ্যমে তৈরি হওয়া এবং পৃথক হওয়ার পরেও প্রতিটি বস্তুর সাথে যুক্ত থাকা সাধারণ বৈশিষ্ট্যের ওপর নির্ভর করে না। * আমি মনে করি এটি কোনো অতিরঞ্জন নয় যে '''বিজড়িত অবস্থার গুরুত্ব অনুধাবন এবং একক বস্তুর কোয়ান্টাম বর্ণনার স্পষ্টীকরণই দ্বিতীয় কোয়ান্টাম বিপ্লবের মূল ভিত্তি। [[John Stewart Bell|জন বেল]] ছিলেন এর পথপ্রদর্শক।''' খুব সম্ভবত একসময়ের এই বিশুদ্ধ বুদ্ধিবৃত্তিক অন্বেষণ একটি নতুন প্রযুক্তিগত বিপ্লবের দিকে নিয়ে যাবে। * অবশ্যই স্থূল বস্তুর জন্য আমাদের [[quantum mechanics|কোয়ান্টাম মেকানিক্স]] প্রয়োজন নেই। ক্লাসিক্যাল ফিজিক্স দ্বারা এগুলো ভালোভাবে ব্যাখ্যা করা যায়। এই কারণেই কোয়ান্টাম মেকানিক্স আমাদের দৈনন্দিন অস্তিত্বের কাছে এতই অদ্ভুত মনে হয়। * সেই সময়ের একজন সাক্ষী হিসেবে আমি গভীরভাবে বিশ্বাস করি যে অণুবীক্ষণিক এবং [[w:Mesoscopic physics|মেসোস্কোপিক]] একক বস্তুর ক্ষেত্রে কোয়ান্টাম মেকানিক্সের প্রয়োগের অগ্রগতিতে জন বেল পরোক্ষভাবে এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। তাঁর বুদ্ধিবৃত্তিক স্বাধীনতার উদাহরণটি নতুন পদ্ধতি তৈরির কথা ভাবছিলেন এমন গবেষকদের জন্য নিঃসন্দেহে একটি উৎসাহ ছিল। '''তাঁর উদাহরণ নতুন কোয়ান্টাম অন্বেষণের দ্বার খুলে দিয়েছে।''' === আইনস্টাইন এবং বোরের কোয়ান্টাম বিতর্কের অবসান (১৬ ডিসেম্বর, ২০১৫) === * ১৯৩৫ সালে [[Albert Einstein|আলবার্ট আইনস্টাইন]], [[Boris Podolsky|বরিস পোডোলস্কি]] এবং {{w|Nathan Rosen|নাথান রোজেন}} (EPR) কোয়ান্টাম মেকানিক্সের আনুষ্ঠানিকতার পূর্ণাঙ্গতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে একটি [[EPR_paradox#"Can Quantum-Mechanical Description of Physical Reality Be Considered Complete?" (1935)|বিখ্যাত গবেষণাপত্র]] লিখেছিলেন। একটি [[quantum entanglement|বিজড়িত জোড়ার]] একটি কণার ওপর পরিমাপ অন্য দূরবর্তী কণার অবস্থাকে প্রভাবিত করতে পারে—এই ধারণাটি তাঁরা প্রত্যাখ্যান করেন। জগতের একটি যুক্তিসঙ্গত, "[[Principle of locality|স্থানীয় বাস্তববাদী]]" বর্ণনা পেতে হলে কোয়ান্টাম আনুষ্ঠানিকতাকে আরও পূর্ণাঙ্গ করতে হবে বলে তাঁরা সিদ্ধান্তে উপনীত হন। * পরবর্তী দশকগুলোতে পরীক্ষামূলক বিজ্ঞানীরা বেলের বৈষম্যের আরও পরিশীলিত পরীক্ষা চালিয়েছেন। কিন্তু এই পরীক্ষাগুলোতে সবসময় অন্তত একটি "লুপহোল" বা ফাঁকফোকর ছিল। * একই সাথে দুটি প্রধান ফাঁকফোকর বন্ধ করার মাধ্যমে তিনটি দল স্বতন্ত্রভাবে নিশ্চিত করেছে যে আমাদের অবশ্যই স্থানীয় বাস্তববাদ বর্জন করতে হবে। তাদের এই অনুসন্ধানগুলো কোনো বিস্ময় না হলেও এগুলো কয়েক দশকের পরীক্ষামূলক প্রচেষ্টার এক চূড়ান্ত সাফল্য। এই ফলাফলগুলো ডিভাইস-ইন্ডিপেন্ডেন্ট {{w|quantum cryptography|কোয়ান্টাম ক্রিপ্টোগ্রাফি}} এবং {{w|quantum network|কোয়ান্টাম নেটওয়ার্কের}} মতো মৌলিক কোয়ান্টাম তথ্য স্কিমগুলোকে আরও দৃঢ় ভিত্তি দিয়েছে। == আস্পে সম্পর্কে উক্তি == === আইনস্টাইন-পোডোলস্কি-রোজেন ধাঁধার সমাধান (২০১২) === * আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের সবচেয়ে বিস্ময়কর ফলাফলগুলোর একটি হলো {{w|কোয়ান্টাম অপটিক্স|কোয়ান্টাম অপটিক্সে}} সহসম্পর্ক পরিমাপের আপাত অ-স্থানীয়তা। ১৯৮২ সালে আলাঁ আস্পের পরীক্ষাগুলো থেকে শুরু করে বিজড়িত ফোটন জোড়ার ওপর করা পরীক্ষাগুলো প্রমাণ করে যে দুটি পরিমাপ স্বতন্ত্র নয়। এই পরিমাপগুলো সাধারণত বেল বৈষম্যের নিরিখে ব্যাখ্যা করা হয়। বর্তমানে সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত হলো কোনো তথ্য আলোর চেয়ে দ্রুত ভ্রমণ করে না। == বহিঃসংযোগ == {{wikipedia|আলাঁ আস্পে}} {{commons category|Alain Aspect}} * [https://www.nobelprize.org/prizes/physics/2022/aspect/facts/ আলাঁ আস্পে] @NobelPrize.org * [https://www.youtube.com/results?search%20query=Alain+Aspect আলাঁ আস্পে] ভিডিও @YouTube * [https://physics.aps.org/articles/pdf/10.1103/Physics.8.123 Closing the Door on Einstein and Bohr’s Quantum Debate] — আলাঁ আস্পে লিখিত নিবন্ধ। {{DEFAULTSORT:Aspect, Alain}} [[বিষয়শ্রেণী:ফরাসি পদার্থবিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৪৭-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:পদার্থবিজ্ঞানে উলফ পুরস্কার বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল বিজয়ী]] rzpzxuylxyfy170pi0gy0u8lmt4osf7 79955 79954 2026-04-23T07:54:01Z Mahiya50 5394 79955 wikitext text/x-wiki [[File:Alain Aspect in Tel Aviv University.jpg|thumb|আলাঁ আস্পে]] '''[[আলাঁ আস্পে|আলাঁ আস্পে]]''' (জন্ম: ১৫ জুন,১৯৪৭) একজন ফরাসি পদার্থবিজ্ঞানী। তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ "[[w:বেল টেস্ট এক্সপেরিমেন্টস|বেল টেস্ট এক্সপেরিমেন্টস]]" সম্পন্ন করেছিলেন। এই পরীক্ষাগুলো প্রমাণ করে যে [[w:আলবার্ট আইনস্টাইন|আলবার্ট আইনস্টাইন]], বরিস পোডোলস্কি এবং [[w:নাথান রোজেন|নাথান রোজেনের]] বর্ণিত "ভৌতিক দূরবর্তী ক্রিয়া" বাস্তবে ঘটে থাকে। দুটি কণা একে অপরের থেকে অনেক দূরে থাকলেও এটি কার্যকর হয়। তাদের [[w:তরঙ্গ অপেক্ষক|তরঙ্গ অপেক্ষকের]] মধ্যে একটি [[w:সহসম্পর্ক|সহসম্পর্ক]] বজায় থাকে। তারা একসময় একই তরঙ্গ অপেক্ষকের অংশ হওয়ায় এবং কোনো একটি কণা পরিমাপ করার আগে পর্যন্ত সেই অবস্থায় বিঘ্ন না ঘটায় এটি সম্ভব হয়। == উক্তি == * এখন আসে [[EPR paradox|আইনস্টাইন-পোডোলস্কি-রোজেন]] [[Quantum entanglement|বিজড়িত অবস্থা]]। আমি এখন অনেকের মুখে "ওহ..?" ভাব দেখতে পাচ্ছি। '''ভয় পাবেন না! আপনি যখন কোনো কনসার্টে যান, তখন গান উপভোগ করার জন্য স্বরলিপি পড়ার সক্ষমতা থাকার প্রয়োজন নেই। ...তাই এখানেও'''... [কিছু] '''সমীকরণ রয়েছে।''' আমার পদার্থবিজ্ঞানী সহকর্মীদের জন্য এটি আনন্দের বিষয়। আপনি যদি সমীকরণগুলো পড়তে না পারেন, তবে আমার কথা শুনুন। '''আমি গান গাইব না, কিন্তু... শব্দগুলো শুনুন। শব্দগুলো সমীকরণগুলোকে বর্ণনা করার একটি উপায়। এর জন্য আপনার গণিত জানার প্রয়োজন নেই'''... ** "২০১৭ অ্যান্ড্রু কার্নেগি লেকচার: প্রফেসর আলাঁ আস্পে" (৪ মে, ২০১৭) * আমরা ধরে নিই যে আমি যদি এখানে একটি ফলাফল +১ পাই, তবে তাৎক্ষণিকভাবে অন্য প্রান্তের ফোটনটি |x> অবস্থায় চলে যায়। কিন্তু আমি যদি -১ পাই, তবে তাৎক্ষণিকভাবে অন্য ফোটনটি মেরুকরণের অন্য একটি অবস্থা গ্রহণ করে। এই চিত্রটি [[Albert Einstein|আইনস্টাইন]]-এর কাছে গ্রহণযোগ্য ছিল না। কারণ এটি দেখে মনে হয় যেন কোনো কিছু আলোর চেয়েও {{w|faster-than-light|দ্রুত গতিতে}} ঘটছে। এই যুক্তিতেই আইনস্টাইন বলেছিলেন, "আপনি যদি এই দূরবর্তী সহসম্পর্ককে যুক্তিগ্রাহ্য করতে চান, তবে আপনাকে মেনে নিতে হবে যে মাপার যন্ত্রে পৌঁছানোর আগেই কণাগুলোর ফলাফল নির্ধারণকারী কোনো বৈশিষ্ট্য ছিল।" বোর তৎক্ষণাৎ দ্বিমত পোষণ করেন। '''আমি এমন কাউকে চিনি না যে বোরের উত্তরটি বোধগম্য মনে করে।''' আমি যা বলতে যাচ্ছি তা শুনতে কৌতুকের মতো মনে হলেও এটি আসলে কৌতুক নয়। বোর শব্দ চয়নে এতটাই সতর্ক ছিলেন যে তাঁর কথা বোঝা প্রায় অসম্ভব ছিল। '''বোর [[Complementarity (physics)|পরিপূরকতার]] ওপর জোর দিয়েছিলেন। এক পর্যায়ে তিনি ঘোষণা করেছিলেন যে "স্পষ্টতা এবং সত্য হলো একে অপরের পরিপূরক।" তিনি যথাসম্ভব সত্য হওয়ার জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়েছিলেন।''' ** "দ্য ফিউচার অফ কোয়ান্টাম টেকনোলজিস: দ্য সেকেন্ড কোয়ান্টাম রেভোলিউশন" (১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯) * ''La principale difficulté pour vulgariser la physique quantique, c'est qu'on ne sait pas très bien comment en fabriquer des images dans notre monde. C'est en ce sens qu'elle est vraiment contre-intuitive.'' ** '''কোয়ান্টাম পদার্থবিজ্ঞানকে জনপ্রিয় করার প্রধান অসুবিধা হলো আমাদের জগতের নিরিখে এর কোনো চিত্র কীভাবে তৈরি করতে হয় তা আমরা ঠিক জানি না। এই অর্থেই এটি সত্যিই স্বজ্ঞাবিরোধী।''' ** ডিসেম্বর ২০০৫ সালে সিএনআরএস (CNRS) স্বর্ণপদক প্রদান অনুষ্ঠানে সাক্ষাৎকার। === "ভূমিকা: জন বেল এবং দ্বিতীয় কোয়ান্টাম বিপ্লব" (২০০৪) === * [[John Stewart Bell|বেল]]-এর কাজের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য ছিল আইনস্টাইনের ধারণাগুলো টিকিয়ে রাখা সম্ভব কি না তা পরীক্ষামূলকভাবে নির্ধারণ করার সুযোগ। [[Bell's theorem|বেল বৈষম্যের]] পরীক্ষামূলক পরীক্ষাগুলো একটি দ্ব্যর্থহীন উত্তর দিয়েছে। [[quantum entanglement|বিজড়িত অবস্থাকে]] সাধারণ সহসম্পর্ক হিসেবে বোঝা সম্ভব নয়। এই সহসম্পর্কের ব্যাখ্যা সাধারণ প্রস্তুতির মাধ্যমে তৈরি হওয়া এবং পৃথক হওয়ার পরেও প্রতিটি বস্তুর সাথে যুক্ত থাকা সাধারণ বৈশিষ্ট্যের ওপর নির্ভর করে না। * আমি মনে করি এটি কোনো অতিরঞ্জন নয় যে '''বিজড়িত অবস্থার গুরুত্ব অনুধাবন এবং একক বস্তুর কোয়ান্টাম বর্ণনার স্পষ্টীকরণই দ্বিতীয় কোয়ান্টাম বিপ্লবের মূল ভিত্তি। [[John Stewart Bell|জন বেল]] ছিলেন এর পথপ্রদর্শক।''' খুব সম্ভবত একসময়ের এই বিশুদ্ধ বুদ্ধিবৃত্তিক অন্বেষণ একটি নতুন প্রযুক্তিগত বিপ্লবের দিকে নিয়ে যাবে। * অবশ্যই স্থূল বস্তুর জন্য আমাদের [[quantum mechanics|কোয়ান্টাম মেকানিক্স]] প্রয়োজন নেই। ক্লাসিক্যাল ফিজিক্স দ্বারা এগুলো ভালোভাবে ব্যাখ্যা করা যায়। এই কারণেই কোয়ান্টাম মেকানিক্স আমাদের দৈনন্দিন অস্তিত্বের কাছে এতই অদ্ভুত মনে হয়। * সেই সময়ের একজন সাক্ষী হিসেবে আমি গভীরভাবে বিশ্বাস করি যে অণুবীক্ষণিক এবং [[w:Mesoscopic physics|মেসোস্কোপিক]] একক বস্তুর ক্ষেত্রে কোয়ান্টাম মেকানিক্সের প্রয়োগের অগ্রগতিতে জন বেল পরোক্ষভাবে এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। তাঁর বুদ্ধিবৃত্তিক স্বাধীনতার উদাহরণটি নতুন পদ্ধতি তৈরির কথা ভাবছিলেন এমন গবেষকদের জন্য নিঃসন্দেহে একটি উৎসাহ ছিল। '''তাঁর উদাহরণ নতুন কোয়ান্টাম অন্বেষণের দ্বার খুলে দিয়েছে।''' === আইনস্টাইন এবং বোরের কোয়ান্টাম বিতর্কের অবসান (১৬ ডিসেম্বর, ২০১৫) === * ১৯৩৫ সালে [[Albert Einstein|আলবার্ট আইনস্টাইন]], [[Boris Podolsky|বরিস পোডোলস্কি]] এবং {{w|Nathan Rosen|নাথান রোজেন}} (EPR) কোয়ান্টাম মেকানিক্সের আনুষ্ঠানিকতার পূর্ণাঙ্গতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে একটি [[EPR_paradox#"Can Quantum-Mechanical Description of Physical Reality Be Considered Complete?" (1935)|বিখ্যাত গবেষণাপত্র]] লিখেছিলেন। একটি [[quantum entanglement|বিজড়িত জোড়ার]] একটি কণার ওপর পরিমাপ অন্য দূরবর্তী কণার অবস্থাকে প্রভাবিত করতে পারে—এই ধারণাটি তাঁরা প্রত্যাখ্যান করেন। জগতের একটি যুক্তিসঙ্গত, "[[Principle of locality|স্থানীয় বাস্তববাদী]]" বর্ণনা পেতে হলে কোয়ান্টাম আনুষ্ঠানিকতাকে আরও পূর্ণাঙ্গ করতে হবে বলে তাঁরা সিদ্ধান্তে উপনীত হন। * পরবর্তী দশকগুলোতে পরীক্ষামূলক বিজ্ঞানীরা বেলের বৈষম্যের আরও পরিশীলিত পরীক্ষা চালিয়েছেন। কিন্তু এই পরীক্ষাগুলোতে সবসময় অন্তত একটি "লুপহোল" বা ফাঁকফোকর ছিল। * একই সাথে দুটি প্রধান ফাঁকফোকর বন্ধ করার মাধ্যমে তিনটি দল স্বতন্ত্রভাবে নিশ্চিত করেছে যে আমাদের অবশ্যই স্থানীয় বাস্তববাদ বর্জন করতে হবে। তাদের এই অনুসন্ধানগুলো কোনো বিস্ময় না হলেও এগুলো কয়েক দশকের পরীক্ষামূলক প্রচেষ্টার এক চূড়ান্ত সাফল্য। এই ফলাফলগুলো ডিভাইস-ইন্ডিপেন্ডেন্ট {{w|quantum cryptography|কোয়ান্টাম ক্রিপ্টোগ্রাফি}} এবং {{w|quantum network|কোয়ান্টাম নেটওয়ার্কের}} মতো মৌলিক কোয়ান্টাম তথ্য স্কিমগুলোকে আরও দৃঢ় ভিত্তি দিয়েছে। == আস্পে সম্পর্কে উক্তি == === আইনস্টাইন-পোডোলস্কি-রোজেন ধাঁধার সমাধান (২০১২) === * আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের সবচেয়ে বিস্ময়কর ফলাফলগুলোর একটি হলো {{w|কোয়ান্টাম অপটিক্স|কোয়ান্টাম অপটিক্সে}} সহসম্পর্ক পরিমাপের আপাত অ-স্থানীয়তা। ১৯৮২ সালে আলাঁ আস্পের পরীক্ষাগুলো থেকে শুরু করে বিজড়িত ফোটন জোড়ার ওপর করা পরীক্ষাগুলো প্রমাণ করে যে দুটি পরিমাপ স্বতন্ত্র নয়। এই পরিমাপগুলো সাধারণত বেল বৈষম্যের নিরিখে ব্যাখ্যা করা হয়। বর্তমানে সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত হলো কোনো তথ্য আলোর চেয়ে দ্রুত ভ্রমণ করে না। == বহিঃসংযোগ == {{wikipedia|আলাঁ আস্পে}} {{commons category|Alain Aspect}} * [https://www.nobelprize.org/prizes/physics/2022/aspect/facts/ আলাঁ আস্পে] @NobelPrize.org * [https://www.youtube.com/results?search%20query=Alain+Aspect আলাঁ আস্পে] ভিডিও @YouTube * [https://physics.aps.org/articles/pdf/10.1103/Physics.8.123 Closing the Door on Einstein and Bohr’s Quantum Debate] — আলাঁ আস্পে লিখিত নিবন্ধ। {{DEFAULTSORT:Aspect, Alain}} [[বিষয়শ্রেণী:ফরাসি পদার্থবিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৪৭-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:পদার্থবিজ্ঞানে উলফ পুরস্কার বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল বিজয়ী]] jzbif5xt5kzk6krgthwgj1hhrw4naor 79959 79955 2026-04-23T08:00:45Z Mahiya50 5394 79959 wikitext text/x-wiki [[File:Alain Aspect in Tel Aviv University.jpg|thumb|আলাঁ আস্পে]] '''[[আলাঁ আস্পে|আলাঁ আস্পে]]''' (জন্ম: ১৫ জুন,১৯৪৭) একজন ফরাসি পদার্থবিজ্ঞানী। তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ "[[w:বেল টেস্ট এক্সপেরিমেন্টস|বেল টেস্ট এক্সপেরিমেন্টস]]" সম্পন্ন করেছিলেন। এই পরীক্ষাগুলো প্রমাণ করে যে [[w:আলবার্ট আইনস্টাইন|আলবার্ট আইনস্টাইন]], বরিস পোডোলস্কি এবং [[w:নাথান রোজেন|নাথান রোজেনের]] বর্ণিত "ভৌতিক দূরবর্তী ক্রিয়া" বাস্তবে ঘটে থাকে। দুটি কণা একে অপরের থেকে অনেক দূরে থাকলেও এটি কার্যকর হয়। তাদের [[w:তরঙ্গ অপেক্ষক|তরঙ্গ অপেক্ষকের]] মধ্যে একটি [[w:সহসম্পর্ক|সহসম্পর্ক]] বজায় থাকে। তারা একসময় একই তরঙ্গ অপেক্ষকের অংশ হওয়ায় এবং কোনো একটি কণা পরিমাপ করার আগে পর্যন্ত সেই অবস্থায় বিঘ্ন না ঘটায় এটি সম্ভব হয়। == উক্তি == * এখন আসে আইনস্টাইন-পোডোলস্কি-রোজেন বিজড়িত অবস্থা। আমি এখন অনেকের মুখে "ওহ..?" ভাব দেখতে পাচ্ছি। '''ভয় পাবেন না! আপনি যখন কোনো কনসার্টে যান, তখন গান উপভোগ করার জন্য স্বরলিপি পড়ার সক্ষমতা থাকার প্রয়োজন নেই। ...তাই এখানেও'''... কিছু '''সমীকরণ রয়েছে।''' আমার পদার্থবিজ্ঞানী সহকর্মীদের জন্য এটি আনন্দের বিষয়। আপনি যদি সমীকরণগুলো পড়তে না পারেন, তবে আমার কথা শুনুন। '''আমি গান গাইব না, কিন্তু... শব্দগুলো শুনুন। শব্দগুলো সমীকরণগুলোকে বর্ণনা করার একটি উপায়। এর জন্য আপনার গণিত জানার প্রয়োজন নেই'''... ** "২০১৭ অ্যান্ড্রু কার্নেগি লেকচার: প্রফেসর আলাঁ আস্পে" (৪ মে, ২০১৭) * আমরা ধরে নিই যে আমি যদি এখানে একটি ফলাফল +১ পাই, তবে তাৎক্ষণিকভাবে অন্য প্রান্তের ফোটনটি |x> অবস্থায় চলে যায়। কিন্তু আমি যদি -১ পাই, তবে তাৎক্ষণিকভাবে অন্য ফোটনটি মেরুকরণের অন্য একটি অবস্থা গ্রহণ করে। এই চিত্রটি আইনস্টাইনের কাছে গ্রহণযোগ্য ছিল না। কারণ এটি দেখে মনে হয় যেন কোনো কিছু আলোর চেয়েও দ্রুত গতিতে ঘটছে। এই যুক্তিতেই আইনস্টাইন বলেছিলেন, "আপনি যদি এই দূরবর্তী সহসম্পর্ককে যুক্তিগ্রাহ্য করতে চান, তবে আপনাকে মেনে নিতে হবে যে মাপার যন্ত্রে পৌঁছানোর আগেই কণাগুলোর ফলাফল নির্ধারণকারী কোনো বৈশিষ্ট্য ছিল।" বোর তৎক্ষণাৎ দ্বিমত পোষণ করেন। '''আমি এমন কাউকে চিনি না যে বোরের উত্তরটি বোধগম্য মনে করে।''' আমি যা বলতে যাচ্ছি তা শুনতে কৌতুকের মতো মনে হলেও এটি আসলে কৌতুক নয়। বোর শব্দ চয়নে এতটাই সতর্ক ছিলেন যে তাঁর কথা বোঝা প্রায় অসম্ভব ছিল। '''বোর [[পরিপূরকতা (পর্দাথ)|পরিপূরকতার]] ওপর জোর দিয়েছিলেন। এক পর্যায়ে তিনি ঘোষণা করেছিলেন যে "স্পষ্টতা এবং সত্য হলো একে অপরের পরিপূরক।" তিনি যথাসম্ভব সত্য হওয়ার জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়েছিলেন।''' ** "দ্য ফিউচার অফ কোয়ান্টাম টেকনোলজিস: দ্য সেকেন্ড কোয়ান্টাম রেভোলিউশন" (১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯) * ''La principale difficulté pour vulgariser la physique quantique, c'est qu'on ne sait pas très bien comment en fabriquer des images dans notre monde. C'est en ce sens qu'elle est vraiment contre-intuitive.'' ** '''কোয়ান্টাম পদার্থবিজ্ঞানকে জনপ্রিয় করার প্রধান অসুবিধা হলো আমাদের জগতের নিরিখে এর কোনো চিত্র কীভাবে তৈরি করতে হয় তা আমরা ঠিক জানি না। এই অর্থেই এটি সত্যিই স্বজ্ঞাবিরোধী।''' ** ডিসেম্বর ২০০৫ সালে সিএনআরএস স্বর্ণপদক প্রদান অনুষ্ঠানে সাক্ষাৎকার। === "ভূমিকা: জন বেল এবং দ্বিতীয় কোয়ান্টাম বিপ্লব" (২০০৪) === * বেলের কাজের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য ছিল আইনস্টাইনের ধারণাগুলো টিকিয়ে রাখা সম্ভব কি না তা পরীক্ষামূলকভাবে নির্ধারণ করার সুযোগ। [[বেল বৈষম্যের|বেল বৈষম্যের]] পরীক্ষামূলক পরীক্ষাগুলো একটি দ্ব্যর্থহীন উত্তর দিয়েছে। [[বিজড়িত অবস্থাকে|বিজড়িত অবস্থাকে]] সাধারণ সহসম্পর্ক হিসেবে বোঝা সম্ভব নয়। এই সহসম্পর্কের ব্যাখ্যা সাধারণ প্রস্তুতির মাধ্যমে তৈরি হওয়া এবং পৃথক হওয়ার পরেও প্রতিটি বস্তুর সাথে যুক্ত থাকা সাধারণ বৈশিষ্ট্যের ওপর নির্ভর করে না। * আমি মনে করি এটি কোনো অতিরঞ্জন নয় যে '''বিজড়িত অবস্থার গুরুত্ব অনুধাবন এবং একক বস্তুর কোয়ান্টাম বর্ণনার স্পষ্টীকরণই দ্বিতীয় কোয়ান্টাম বিপ্লবের মূল ভিত্তি। জন বেল ছিলেন এর পথপ্রদর্শক।''' খুব সম্ভবত একসময়ের এই বিশুদ্ধ বুদ্ধিবৃত্তিক অন্বেষণ একটি নতুন প্রযুক্তিগত বিপ্লবের দিকে নিয়ে যাবে। * অবশ্যই স্থূল বস্তুর জন্য আমাদের [[কোয়ান্টাম মেকানিক্স|কোয়ান্টাম মেকানিক্স]] প্রয়োজন নেই। ক্লাসিক্যাল ফিজিক্স দ্বারা এগুলো ভালোভাবে ব্যাখ্যা করা যায়। এই কারণেই কোয়ান্টাম মেকানিক্স আমাদের দৈনন্দিন অস্তিত্বের কাছে এতই অদ্ভুত মনে হয়। * সেই সময়ের একজন সাক্ষী হিসেবে আমি গভীরভাবে বিশ্বাস করি যে অণুবীক্ষণিক এবং [[w:মেসোস্কোপিক পর্দাথ|মেসোস্কোপিক]] একক বস্তুর ক্ষেত্রে কোয়ান্টাম মেকানিক্সের প্রয়োগের অগ্রগতিতে জন বেল পরোক্ষভাবে এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। তাঁর বুদ্ধিবৃত্তিক স্বাধীনতার উদাহরণটি নতুন পদ্ধতি তৈরির কথা ভাবছিলেন এমন গবেষকদের জন্য নিঃসন্দেহে একটি উৎসাহ ছিল। '''তাঁর উদাহরণ নতুন কোয়ান্টাম অন্বেষণের দ্বার খুলে দিয়েছে।''' === আইনস্টাইন এবং বোরের কোয়ান্টাম বিতর্কের অবসান (১৬ ডিসেম্বর, ২০১৫) === * ১৯৩৫ সালে [[আলবার্ট আইনস্টাইন|আলবার্ট আইনস্টাইন]], [[বরিস পোডোলস্কি|বরিস পোডোলস্কি]] এবং {{w|নাথান রোজেন|নাথান রোজেন}} কোয়ান্টাম মেকানিক্সের আনুষ্ঠানিকতার পূর্ণাঙ্গতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে একটি [[EPR_paradox#"Can Quantum-Mechanical Description of Physical Reality Be Considered Complete?" (1935)|বিখ্যাত গবেষণাপত্র]] লিখেছিলেন। একটি বিজড়িত জোড়ার একটি কণার ওপর পরিমাপ অন্য দূরবর্তী কণার অবস্থাকে প্রভাবিত করতে পারে—এই ধারণাটি তাঁরা প্রত্যাখ্যান করেন। জগতের একটি যুক্তিসঙ্গত, "[[স্থানীয় বাস্তববাদী|স্থানীয় বাস্তববাদী]]" বর্ণনা পেতে হলে কোয়ান্টাম আনুষ্ঠানিকতাকে আরও পূর্ণাঙ্গ করতে হবে বলে তাঁরা সিদ্ধান্তে উপনীত হন। * পরবর্তী দশকগুলোতে পরীক্ষামূলক বিজ্ঞানীরা বেলের বৈষম্যের আরও পরিশীলিত পরীক্ষা চালিয়েছেন। কিন্তু এই পরীক্ষাগুলোতে সবসময় অন্তত একটি "লুপহোল" বা ফাঁকফোকর ছিল। * একই সাথে দুটি প্রধান ফাঁকফোকর বন্ধ করার মাধ্যমে তিনটি দল স্বতন্ত্রভাবে নিশ্চিত করেছে যে আমাদের অবশ্যই স্থানীয় বাস্তববাদ বর্জন করতে হবে। তাদের এই অনুসন্ধানগুলো কোনো বিস্ময় না হলেও এগুলো কয়েক দশকের পরীক্ষামূলক প্রচেষ্টার এক চূড়ান্ত সাফল্য। এই ফলাফলগুলো ডিভাইস-ইন্ডিপেন্ডেন্ট {{w|কোয়ান্টাম ক্রিপ্টোগ্রাফি|কোয়ান্টাম ক্রিপ্টোগ্রাফি}} এবং {{w|কোয়ান্টাম নেটওয়ার্ক|কোয়ান্টাম নেটওয়ার্কের}} মতো মৌলিক কোয়ান্টাম তথ্য স্কিমগুলোকে আরও দৃঢ় ভিত্তি দিয়েছে। == আস্পে সম্পর্কে উক্তি == === আইনস্টাইন-পোডোলস্কি-রোজেন ধাঁধার সমাধান (২০১২) === * আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের সবচেয়ে বিস্ময়কর ফলাফলগুলোর একটি হলো {{w|কোয়ান্টাম অপটিক্স|কোয়ান্টাম অপটিক্সে}} সহসম্পর্ক পরিমাপের আপাত অ-স্থানীয়তা। ১৯৮২ সালে আলাঁ আস্পের পরীক্ষাগুলো থেকে শুরু করে বিজড়িত ফোটন জোড়ার ওপর করা পরীক্ষাগুলো প্রমাণ করে যে দুটি পরিমাপ স্বতন্ত্র নয়। এই পরিমাপগুলো সাধারণত বেল বৈষম্যের নিরিখে ব্যাখ্যা করা হয়। বর্তমানে সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত হলো কোনো তথ্য আলোর চেয়ে দ্রুত ভ্রমণ করে না। == বহিঃসংযোগ == {{wikipedia|আলাঁ আস্পে}} {{commons category|Alain Aspect}} * [https://www.nobelprize.org/prizes/physics/2022/aspect/facts/ আলাঁ আস্পে] @NobelPrize.org * [https://www.youtube.com/results?search%20query=Alain+Aspect আলাঁ আস্পে] ভিডিও @YouTube * [https://physics.aps.org/articles/pdf/10.1103/Physics.8.123 Closing the Door on Einstein and Bohr’s Quantum Debate] — আলাঁ আস্পে লিখিত নিবন্ধ। {{DEFAULTSORT:Aspect, Alain}} [[বিষয়শ্রেণী:ফরাসি পদার্থবিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৪৭-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:পদার্থবিজ্ঞানে উলফ পুরস্কার বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল বিজয়ী]] 2e82yten6gsvm0ig7957kl3z3ocpfhr 79961 79959 2026-04-23T08:02:55Z Mahiya50 5394 79961 wikitext text/x-wiki [[File:Alain Aspect in Tel Aviv University.jpg|thumb|আলাঁ আস্পে]] '''[[আলাঁ আস্পে|আলাঁ আস্পে]]''' (জন্ম: ১৫ জুন,১৯৪৭) একজন ফরাসি পদার্থবিজ্ঞানী। তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ "[[w:বেল টেস্ট এক্সপেরিমেন্টস|বেল টেস্ট এক্সপেরিমেন্টস]]" সম্পন্ন করেছিলেন। এই পরীক্ষাগুলো প্রমাণ করে যে [[w:আলবার্ট আইনস্টাইন|আলবার্ট আইনস্টাইন]], বরিস পোডোলস্কি এবং [[w:নাথান রোজেন|নাথান রোজেনের]] বর্ণিত "ভৌতিক দূরবর্তী ক্রিয়া" বাস্তবে ঘটে থাকে। দুটি কণা একে অপরের থেকে অনেক দূরে থাকলেও এটি কার্যকর হয়। তাদের [[w:তরঙ্গ অপেক্ষক|তরঙ্গ অপেক্ষকের]] মধ্যে একটি [[w:সহসম্পর্ক|সহসম্পর্ক]] বজায় থাকে। তারা একসময় একই তরঙ্গ অপেক্ষকের অংশ হওয়ায় এবং কোনো একটি কণা পরিমাপ করার আগে পর্যন্ত সেই অবস্থায় বিঘ্ন না ঘটায় এটি সম্ভব হয়। == উক্তি == * এখন আসে আইনস্টাইন-পোডোলস্কি-রোজেন বিজড়িত অবস্থা। আমি এখন অনেকের মুখে "ওহ..?" ভাব দেখতে পাচ্ছি। '''ভয় পাবেন না! আপনি যখন কোনো কনসার্টে যান, তখন গান উপভোগ করার জন্য স্বরলিপি পড়ার সক্ষমতা থাকার প্রয়োজন নেই। ...তাই এখানেও'''... কিছু '''সমীকরণ রয়েছে।''' আমার পদার্থবিজ্ঞানী সহকর্মীদের জন্য এটি আনন্দের বিষয়। আপনি যদি সমীকরণগুলো পড়তে না পারেন, তবে আমার কথা শুনুন। '''আমি গান গাইব না, কিন্তু... শব্দগুলো শুনুন। শব্দগুলো সমীকরণগুলোকে বর্ণনা করার একটি উপায়। এর জন্য আপনার গণিত জানার প্রয়োজন নেই'''... ** "২০১৭ অ্যান্ড্রু কার্নেগি লেকচার: প্রফেসর আলাঁ আস্পে" (৪ মে, ২০১৭) * আমরা ধরে নিই যে আমি যদি এখানে একটি ফলাফল +১ পাই, তবে তাৎক্ষণিকভাবে অন্য প্রান্তের ফোটনটি |x> অবস্থায় চলে যায়। কিন্তু আমি যদি -১ পাই, তবে তাৎক্ষণিকভাবে অন্য ফোটনটি মেরুকরণের অন্য একটি অবস্থা গ্রহণ করে। এই চিত্রটি আইনস্টাইনের কাছে গ্রহণযোগ্য ছিল না। কারণ এটি দেখে মনে হয় যেন কোনো কিছু আলোর চেয়েও দ্রুত গতিতে ঘটছে। এই যুক্তিতেই আইনস্টাইন বলেছিলেন, "আপনি যদি এই দূরবর্তী সহসম্পর্ককে যুক্তিগ্রাহ্য করতে চান, তবে আপনাকে মেনে নিতে হবে যে মাপার যন্ত্রে পৌঁছানোর আগেই কণাগুলোর ফলাফল নির্ধারণকারী কোনো বৈশিষ্ট্য ছিল।" বোর তৎক্ষণাৎ দ্বিমত পোষণ করেন। '''আমি এমন কাউকে চিনি না যে বোরের উত্তরটি বোধগম্য মনে করে।''' আমি যা বলতে যাচ্ছি তা শুনতে কৌতুকের মতো মনে হলেও এটি আসলে কৌতুক নয়। বোর শব্দ চয়নে এতটাই সতর্ক ছিলেন যে তাঁর কথা বোঝা প্রায় অসম্ভব ছিল। '''বোর [[পরিপূরকতা (পর্দাথ)|পরিপূরকতার]] ওপর জোর দিয়েছিলেন। এক পর্যায়ে তিনি ঘোষণা করেছিলেন যে "স্পষ্টতা এবং সত্য হলো একে অপরের পরিপূরক।" তিনি যথাসম্ভব সত্য হওয়ার জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়েছিলেন।''' ** "দ্য ফিউচার অফ কোয়ান্টাম টেকনোলজিস: দ্য সেকেন্ড কোয়ান্টাম রেভোলিউশন" (১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯) * ''La principale difficulté pour vulgariser la physique quantique, c'est qu'on ne sait pas très bien comment en fabriquer des images dans notre monde. C'est en ce sens qu'elle est vraiment contre-intuitive.'' ** '''কোয়ান্টাম পদার্থবিজ্ঞানকে জনপ্রিয় করার প্রধান অসুবিধা হলো আমাদের জগতের নিরিখে এর কোনো চিত্র কীভাবে তৈরি করতে হয় তা আমরা ঠিক জানি না। এই অর্থেই এটি সত্যিই স্বজ্ঞাবিরোধী।''' ** ডিসেম্বর ২০০৫ সালে সিএনআরএস স্বর্ণপদক প্রদান অনুষ্ঠানে সাক্ষাৎকার। === "ভূমিকা: জন বেল এবং দ্বিতীয় কোয়ান্টাম বিপ্লব" (২০০৪) === * বেলের কাজের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য ছিল আইনস্টাইনের ধারণাগুলো টিকিয়ে রাখা সম্ভব কি না তা পরীক্ষামূলকভাবে নির্ধারণ করার সুযোগ। [[বেল বৈষম্যের|বেল বৈষম্যের]] পরীক্ষামূলক পরীক্ষাগুলো একটি দ্ব্যর্থহীন উত্তর দিয়েছে। [[বিজড়িত অবস্থাকে|বিজড়িত অবস্থাকে]] সাধারণ সহসম্পর্ক হিসেবে বোঝা সম্ভব নয়। এই সহসম্পর্কের ব্যাখ্যা সাধারণ প্রস্তুতির মাধ্যমে তৈরি হওয়া এবং পৃথক হওয়ার পরেও প্রতিটি বস্তুর সাথে যুক্ত থাকা সাধারণ বৈশিষ্ট্যের ওপর নির্ভর করে না। * আমি মনে করি এটি কোনো অতিরঞ্জন নয় যে '''বিজড়িত অবস্থার গুরুত্ব অনুধাবন এবং একক বস্তুর কোয়ান্টাম বর্ণনার স্পষ্টীকরণই দ্বিতীয় কোয়ান্টাম বিপ্লবের মূল ভিত্তি। জন বেল ছিলেন এর পথপ্রদর্শক।''' খুব সম্ভবত একসময়ের এই বিশুদ্ধ বুদ্ধিবৃত্তিক অন্বেষণ একটি নতুন প্রযুক্তিগত বিপ্লবের দিকে নিয়ে যাবে। * অবশ্যই স্থূল বস্তুর জন্য আমাদের [[কোয়ান্টাম মেকানিক্স|কোয়ান্টাম মেকানিক্স]] প্রয়োজন নেই। ক্লাসিক্যাল ফিজিক্স দ্বারা এগুলো ভালোভাবে ব্যাখ্যা করা যায়। এই কারণেই কোয়ান্টাম মেকানিক্স আমাদের দৈনন্দিন অস্তিত্বের কাছে এতই অদ্ভুত মনে হয়। * সেই সময়ের একজন সাক্ষী হিসেবে আমি গভীরভাবে বিশ্বাস করি যে অণুবীক্ষণিক এবং [[w:মেসোস্কোপিক পর্দাথ|মেসোস্কোপিক]] একক বস্তুর ক্ষেত্রে কোয়ান্টাম মেকানিক্সের প্রয়োগের অগ্রগতিতে জন বেল পরোক্ষভাবে এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। তাঁর বুদ্ধিবৃত্তিক স্বাধীনতার উদাহরণটি নতুন পদ্ধতি তৈরির কথা ভাবছিলেন এমন গবেষকদের জন্য নিঃসন্দেহে একটি উৎসাহ ছিল। '''তাঁর উদাহরণ নতুন কোয়ান্টাম অন্বেষণের দ্বার খুলে দিয়েছে।''' === আইনস্টাইন এবং বোরের কোয়ান্টাম বিতর্কের অবসান (১৬ ডিসেম্বর, ২০১৫) === * ১৯৩৫ সালে [[আলবার্ট আইনস্টাইন|আলবার্ট আইনস্টাইন]], [[বরিস পোডোলস্কি|বরিস পোডোলস্কি]] এবং {{w|নাথান রোজেন|নাথান রোজেন}} কোয়ান্টাম মেকানিক্সের আনুষ্ঠানিকতার পূর্ণাঙ্গতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে একটি গবেষণাপত্র লিখেছিলেন। একটি বিজড়িত জোড়ার একটি কণার ওপর পরিমাপ অন্য দূরবর্তী কণার অবস্থাকে প্রভাবিত করতে পারে—এই ধারণাটি তাঁরা প্রত্যাখ্যান করেন। জগতের একটি যুক্তিসঙ্গত, "[[স্থানীয় বাস্তববাদী|স্থানীয় বাস্তববাদী]]" বর্ণনা পেতে হলে কোয়ান্টাম আনুষ্ঠানিকতাকে আরও পূর্ণাঙ্গ করতে হবে বলে তাঁরা সিদ্ধান্তে উপনীত হন। * পরবর্তী দশকগুলোতে পরীক্ষামূলক বিজ্ঞানীরা বেলের বৈষম্যের আরও পরিশীলিত পরীক্ষা চালিয়েছেন। কিন্তু এই পরীক্ষাগুলোতে সবসময় অন্তত একটি "লুপহোল" বা ফাঁকফোকর ছিল। * একই সাথে দুটি প্রধান ফাঁকফোকর বন্ধ করার মাধ্যমে তিনটি দল স্বতন্ত্রভাবে নিশ্চিত করেছে যে আমাদের অবশ্যই স্থানীয় বাস্তববাদ বর্জন করতে হবে। তাদের এই অনুসন্ধানগুলো কোনো বিস্ময় না হলেও এগুলো কয়েক দশকের পরীক্ষামূলক প্রচেষ্টার এক চূড়ান্ত সাফল্য। এই ফলাফলগুলো ডিভাইস-ইন্ডিপেন্ডেন্ট {{w|কোয়ান্টাম ক্রিপ্টোগ্রাফি|কোয়ান্টাম ক্রিপ্টোগ্রাফি}} এবং {{w|কোয়ান্টাম নেটওয়ার্ক|কোয়ান্টাম নেটওয়ার্কের}} মতো মৌলিক কোয়ান্টাম তথ্য স্কিমগুলোকে আরও দৃঢ় ভিত্তি দিয়েছে। == আস্পে সম্পর্কে উক্তি == === আইনস্টাইন-পোডোলস্কি-রোজেন ধাঁধার সমাধান (২০১২) === * আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের সবচেয়ে বিস্ময়কর ফলাফলগুলোর একটি হলো {{w|কোয়ান্টাম অপটিক্স|কোয়ান্টাম অপটিক্সে}} সহসম্পর্ক পরিমাপের আপাত অ-স্থানীয়তা। ১৯৮২ সালে আলাঁ আস্পের পরীক্ষাগুলো থেকে শুরু করে বিজড়িত ফোটন জোড়ার ওপর করা পরীক্ষাগুলো প্রমাণ করে যে দুটি পরিমাপ স্বতন্ত্র নয়। এই পরিমাপগুলো সাধারণত বেল বৈষম্যের নিরিখে ব্যাখ্যা করা হয়। বর্তমানে সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত হলো কোনো তথ্য আলোর চেয়ে দ্রুত ভ্রমণ করে না। == বহিঃসংযোগ == {{wikipedia|আলাঁ আস্পে}} {{commons category|Alain Aspect}} * [https://www.nobelprize.org/prizes/physics/2022/aspect/facts/ আলাঁ আস্পে] @NobelPrize.org * [https://www.youtube.com/results?search%20query=Alain+Aspect আলাঁ আস্পে] ভিডিও @YouTube * [https://physics.aps.org/articles/pdf/10.1103/Physics.8.123 Closing the Door on Einstein and Bohr’s Quantum Debate] — আলাঁ আস্পে লিখিত নিবন্ধ। {{DEFAULTSORT:Aspect, Alain}} [[বিষয়শ্রেণী:ফরাসি পদার্থবিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৪৭-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:পদার্থবিজ্ঞানে উলফ পুরস্কার বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল বিজয়ী]] 7imz2tse0inna4hfgbfhu0mvslzrood আলাপ:দিগন্ত 1 13276 79953 2026-04-23T07:51:00Z Salil Kumar Mukherjee 39 https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026 79953 wikitext text/x-wiki {{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}} s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm আলাপ:আলাঁ আস্পে 1 13277 79963 2026-04-23T08:04:24Z Mahiya50 5394 https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026 79963 wikitext text/x-wiki {{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}} s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm আলাপ:ফ্রিডতিয়ফ নানসেন 1 13278 79968 2026-04-23T08:09:22Z Mahiya50 5394 https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026 79968 wikitext text/x-wiki {{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}} s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm আলাপ:জিওফ্রে হিন্টন 1 13279 79971 2026-04-23T08:11:33Z Mahiya50 5394 https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026 79971 wikitext text/x-wiki {{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}} s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm ব্যবহারকারী আলাপ:Dewan mahbubr Rahman 3 13280 79972 2026-04-23T08:13:03Z অভ্যর্থনা কমিটি বট 1112 উইকিউক্তিতে স্বাগত! 79972 wikitext text/x-wiki == উইকিউক্তিতে স্বাগত == <div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;"> সুপ্রিয় Dewan mahbubr Rahman,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন! * উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন। ** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন। * উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন। * পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন। * পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন। * [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন! কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম! &mdash; [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটি]] </div> ০৮:১৩, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) cdxg58nnugwbljff0izour9q9ow0m1z আলাপ:হিন্দুত্ব 1 13281 79976 2026-04-23T08:22:52Z Tuhin 172 https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026 79976 wikitext text/x-wiki {{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}} s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm অংশুমান কর 0 13282 79983 2026-04-23T08:40:42Z Anaf Ibn Shahibul 4193 "{{কাজ চলছে}} [[w:অংশুমান কর|]] হলেন একজন বাঙালি কবি এবং বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি সাহিত্যের অধ্যাপক। বর্তমানে তিনি [[পশ্চিমবঙ্গ]]ের বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজির অধ্..." দিয়ে পাতা তৈরি 79983 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} [[w:অংশুমান কর|অংশুমান কর]] হলেন একজন বাঙালি কবি এবং বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি সাহিত্যের অধ্যাপক। বর্তমানে তিনি [[পশ্চিমবঙ্গ]]ের বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজির অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত। তিনি পূর্ব অঞ্চল, সাহিত্য একাডেমির সচিব এবং সাহিত্য একাডেমির উপদেষ্টা বোর্ডের সদস্য ছিলেন। m9dfg3xabklgpktjr5hqd8kixz4d0uk 79984 79983 2026-04-23T08:43:09Z Anaf Ibn Shahibul 4193 79984 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} [[w:অংশুমান কর|অংশুমান কর]] হলেন একজন বাঙালি কবি এবং বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি সাহিত্যের অধ্যাপক। বর্তমানে তিনি [[পশ্চিমবঙ্গ]]ের বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজির অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত। তিনি পূর্ব অঞ্চল, সাহিত্য একাডেমির সচিব এবং [[সাহিত্য]] একাডেমির উপদেষ্টা বোর্ডের সদস্য ছিলেন। == উক্তি == * তুমি আমাকে কখনোই অসুস্থ বলবে না। আমি রীতিমতো সুস্থ আছি। তুমি জানাওনি, এটা তোমার ত্রুটি। আগে তুমি ত্রুটি স্বীকার করো। ** [https://prohor.in/angshuman-kar-writes-obituary-on-nabanita-dev-sen#:~:text=%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%B7%E0%A7%87%E0%A6%B0%20%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%87%20%E0%A6%95%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A7%87%20%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%A8%20%E0%A6%95%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A6%BE%20%E0%A6%96%E0%A7%81%E0%A6%AC%20%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A6%9F%E0%A6%BE,%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0%20%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%87%20%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A7%87%20%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A5%A4%20%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87%20%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%A3%20%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A5%A4 'আমাকে কখনোই অসুস্থ বলবে না, আমি সুস্থ আছি' - বলতেন নবনীতাদি : অংশুমান কর], প্রহর। (৭ নভেম্বর ২০১৯) 3rqvtt5h47ojohggpk69ou8xmcw0sdm 79985 79984 2026-04-23T08:47:10Z Anaf Ibn Shahibul 4193 /* উক্তি */ 79985 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} [[w:অংশুমান কর|অংশুমান কর]] হলেন একজন বাঙালি কবি এবং বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি সাহিত্যের অধ্যাপক। বর্তমানে তিনি [[পশ্চিমবঙ্গ]]ের বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজির অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত। তিনি পূর্ব অঞ্চল, সাহিত্য একাডেমির সচিব এবং [[সাহিত্য]] একাডেমির উপদেষ্টা বোর্ডের সদস্য ছিলেন। == উক্তি == * তুমি আমাকে কখনোই অসুস্থ বলবে না। আমি রীতিমতো সুস্থ আছি। তুমি জানাওনি, এটা তোমার ত্রুটি। আগে তুমি ত্রুটি স্বীকার করো। ** [https://prohor.in/angshuman-kar-writes-obituary-on-nabanita-dev-sen#:~:text=%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%B7%E0%A7%87%E0%A6%B0%20%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%87%20%E0%A6%95%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A7%87%20%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%A8%20%E0%A6%95%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A6%BE%20%E0%A6%96%E0%A7%81%E0%A6%AC%20%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A6%9F%E0%A6%BE,%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0%20%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%87%20%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A7%87%20%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A5%A4%20%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87%20%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%A3%20%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A5%A4 'আমাকে কখনোই অসুস্থ বলবে না, আমি সুস্থ আছি' - বলতেন নবনীতাদি : অংশুমান কর], প্রহর। (৭ নভেম্বর ২০১৯) * আমাকে ভয় দেখিয়ে কোনো লাভ হবে না। মনে রাখবেন, বাংলা আমার মাতৃভাষা। এই ভূখণ্ড শ্যামল, সজীব, নদীবিধৌত। এই ভূমির মতোই আমি একজন... ** [https://www.facebook.com/share/p/1c2mrXLuUb/ অংশুমান করের বিখ্যাত কবিতা "অস্ত্র"] এর কিছু লাইন n96ep4nir8fp5qcazzqorytvmsudht8 79986 79985 2026-04-23T08:49:33Z Anaf Ibn Shahibul 4193 /* উক্তি */ 79986 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} [[w:অংশুমান কর|অংশুমান কর]] হলেন একজন বাঙালি কবি এবং বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি সাহিত্যের অধ্যাপক। বর্তমানে তিনি [[পশ্চিমবঙ্গ]]ের বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজির অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত। তিনি পূর্ব অঞ্চল, সাহিত্য একাডেমির সচিব এবং [[সাহিত্য]] একাডেমির উপদেষ্টা বোর্ডের সদস্য ছিলেন। == উক্তি == * তুমি আমাকে কখনোই অসুস্থ বলবে না। আমি রীতিমতো সুস্থ আছি। তুমি জানাওনি, এটা তোমার ত্রুটি। আগে তুমি ত্রুটি স্বীকার করো। ** [https://prohor.in/angshuman-kar-writes-obituary-on-nabanita-dev-sen#:~:text=%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%B7%E0%A7%87%E0%A6%B0%20%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%87%20%E0%A6%95%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A7%87%20%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%A8%20%E0%A6%95%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A6%BE%20%E0%A6%96%E0%A7%81%E0%A6%AC%20%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A6%9F%E0%A6%BE,%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0%20%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%87%20%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A7%87%20%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A5%A4%20%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87%20%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%A3%20%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A5%A4 'আমাকে কখনোই অসুস্থ বলবে না, আমি সুস্থ আছি' - বলতেন নবনীতাদি : অংশুমান কর], প্রহর। (৭ নভেম্বর ২০১৯) * আমাকে ভয় দেখিয়ে কোনো লাভ হবে না। মনে রাখবেন, বাংলা আমার মাতৃভাষা। এই ভূখণ্ড শ্যামল, সজীব, নদীবিধৌত। এই ভূমির মতোই আমি একজন... ** [https://www.facebook.com/share/p/1c2mrXLuUb/ অংশুমান করের বিখ্যাত কবিতা "অস্ত্র"] এর কিছু লাইন * কোনও কোনও বাড়ি লিন্টল পর্যন্ত উঠে থেমে যায়। ঢালাই হয় না। জানলা-দরজা বসে না। মাঠের প্রান্তে, গ্রাম শেষ হওয়ার মুখে ধুলোকালি মেখে দাঁড়িয়ে থাকে। দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতে ইটের গায়ে জমে কালচে শ্যাওলা। ** [https://monmanchitra.com/archives/4575#:~:text=%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4.%20%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A6%93%20%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A6%93%20%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A6%BF%20%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%B2%20%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%20%E0%A6%89%E0%A6%A0%E0%A7%87,%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%A4%E0%A7%87%20%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%A4%E0%A7%87%20%E0%A6%87%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%B0%20%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%87%20%E0%A6%9C%E0%A6%AE%E0%A7%87%20%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%9A%E0%A7%87%20%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%93%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A5%A4 প্রধান পৃষ্ঠপোষক দিলরুবা ইয়াসমিনের মৃত্যুতে], মনমানচিত্র। তাঁর কবিতা গুচ্ছের অন্তর্ভুক্ত "পরিত্যক্ত" নামক কবিতা। jv3z5hwfr58q2f2oa2k9usohkgik7gd 79988 79986 2026-04-23T08:50:07Z Anaf Ibn Shahibul 4193 79988 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} [[w:অংশুমান কর|অংশুমান কর]] হলেন একজন বাঙালি কবি এবং বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি সাহিত্যের অধ্যাপক। বর্তমানে তিনি [[পশ্চিমবঙ্গ]]ের বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজির অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত। তিনি পূর্ব অঞ্চল, সাহিত্য একাডেমির সচিব এবং [[সাহিত্য]] একাডেমির উপদেষ্টা বোর্ডের সদস্য ছিলেন। == উক্তি == * তুমি আমাকে কখনোই অসুস্থ বলবে না। আমি রীতিমতো সুস্থ আছি। তুমি জানাওনি, এটা তোমার ত্রুটি। আগে তুমি ত্রুটি স্বীকার করো। ** [https://prohor.in/angshuman-kar-writes-obituary-on-nabanita-dev-sen#:~:text=%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%B7%E0%A7%87%E0%A6%B0%20%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%87%20%E0%A6%95%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A7%87%20%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%A8%20%E0%A6%95%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A6%BE%20%E0%A6%96%E0%A7%81%E0%A6%AC%20%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A6%9F%E0%A6%BE,%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0%20%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%87%20%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A7%87%20%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A5%A4%20%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87%20%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%A3%20%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A5%A4 'আমাকে কখনোই অসুস্থ বলবে না, আমি সুস্থ আছি' - বলতেন নবনীতাদি : অংশুমান কর], প্রহর। (৭ নভেম্বর ২০১৯) * আমাকে ভয় দেখিয়ে কোনো লাভ হবে না। মনে রাখবেন, বাংলা আমার মাতৃভাষা। এই ভূখণ্ড শ্যামল, সজীব, নদীবিধৌত। এই ভূমির মতোই আমি একজন... ** [https://www.facebook.com/share/p/1c2mrXLuUb/ অংশুমান করের বিখ্যাত কবিতা "অস্ত্র"] এর কিছু লাইন * কোনও কোনও বাড়ি লিন্টল পর্যন্ত উঠে থেমে যায়। ঢালাই হয় না। জানলা-দরজা বসে না। মাঠের প্রান্তে, গ্রাম শেষ হওয়ার মুখে ধুলোকালি মেখে দাঁড়িয়ে থাকে। দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতে ইটের গায়ে জমে কালচে শ্যাওলা। ** [https://monmanchitra.com/archives/4575#:~:text=%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4.%20%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A6%93%20%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A6%93%20%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A6%BF%20%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%B2%20%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%20%E0%A6%89%E0%A6%A0%E0%A7%87,%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%A4%E0%A7%87%20%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%A4%E0%A7%87%20%E0%A6%87%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%B0%20%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%87%20%E0%A6%9C%E0%A6%AE%E0%A7%87%20%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%9A%E0%A7%87%20%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%93%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A5%A4 প্রধান পৃষ্ঠপোষক দিলরুবা ইয়াসমিনের মৃত্যুতে], মনমানচিত্র। তাঁর কবিতা গুচ্ছের অন্তর্ভুক্ত "পরিত্যক্ত" নামক কবিতা। == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} sf668kv4fez9ex5lhd5a7zy589k94gb 79989 79988 2026-04-23T08:50:24Z Anaf Ibn Shahibul 4193 79989 wikitext text/x-wiki [[w:অংশুমান কর|অংশুমান কর]] হলেন একজন বাঙালি কবি এবং বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি সাহিত্যের অধ্যাপক। বর্তমানে তিনি [[পশ্চিমবঙ্গ]]ের বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজির অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত। তিনি পূর্ব অঞ্চল, সাহিত্য একাডেমির সচিব এবং [[সাহিত্য]] একাডেমির উপদেষ্টা বোর্ডের সদস্য ছিলেন। == উক্তি == * তুমি আমাকে কখনোই অসুস্থ বলবে না। আমি রীতিমতো সুস্থ আছি। তুমি জানাওনি, এটা তোমার ত্রুটি। আগে তুমি ত্রুটি স্বীকার করো। ** [https://prohor.in/angshuman-kar-writes-obituary-on-nabanita-dev-sen#:~:text=%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%B7%E0%A7%87%E0%A6%B0%20%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%87%20%E0%A6%95%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A7%87%20%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%A8%20%E0%A6%95%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A6%BE%20%E0%A6%96%E0%A7%81%E0%A6%AC%20%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A6%9F%E0%A6%BE,%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0%20%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%87%20%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A7%87%20%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A5%A4%20%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87%20%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%A3%20%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A5%A4 'আমাকে কখনোই অসুস্থ বলবে না, আমি সুস্থ আছি' - বলতেন নবনীতাদি : অংশুমান কর], প্রহর। (৭ নভেম্বর ২০১৯) * আমাকে ভয় দেখিয়ে কোনো লাভ হবে না। মনে রাখবেন, বাংলা আমার মাতৃভাষা। এই ভূখণ্ড শ্যামল, সজীব, নদীবিধৌত। এই ভূমির মতোই আমি একজন... ** [https://www.facebook.com/share/p/1c2mrXLuUb/ অংশুমান করের বিখ্যাত কবিতা "অস্ত্র"] এর কিছু লাইন * কোনও কোনও বাড়ি লিন্টল পর্যন্ত উঠে থেমে যায়। ঢালাই হয় না। জানলা-দরজা বসে না। মাঠের প্রান্তে, গ্রাম শেষ হওয়ার মুখে ধুলোকালি মেখে দাঁড়িয়ে থাকে। দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতে ইটের গায়ে জমে কালচে শ্যাওলা। ** [https://monmanchitra.com/archives/4575#:~:text=%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4.%20%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A6%93%20%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A6%93%20%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A6%BF%20%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%B2%20%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%20%E0%A6%89%E0%A6%A0%E0%A7%87,%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%A4%E0%A7%87%20%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%A4%E0%A7%87%20%E0%A6%87%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%B0%20%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%87%20%E0%A6%9C%E0%A6%AE%E0%A7%87%20%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%9A%E0%A7%87%20%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%93%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A5%A4 প্রধান পৃষ্ঠপোষক দিলরুবা ইয়াসমিনের মৃত্যুতে], মনমানচিত্র। তাঁর কবিতা গুচ্ছের অন্তর্ভুক্ত "পরিত্যক্ত" নামক কবিতা। == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} 03k2qr46o31yx3j60hjypt2swwe3nn4 79990 79989 2026-04-23T08:50:43Z Anaf Ibn Shahibul 4193 হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি সাহিত্যিক]] যোগ 79990 wikitext text/x-wiki [[w:অংশুমান কর|অংশুমান কর]] হলেন একজন বাঙালি কবি এবং বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি সাহিত্যের অধ্যাপক। বর্তমানে তিনি [[পশ্চিমবঙ্গ]]ের বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজির অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত। তিনি পূর্ব অঞ্চল, সাহিত্য একাডেমির সচিব এবং [[সাহিত্য]] একাডেমির উপদেষ্টা বোর্ডের সদস্য ছিলেন। == উক্তি == * তুমি আমাকে কখনোই অসুস্থ বলবে না। আমি রীতিমতো সুস্থ আছি। তুমি জানাওনি, এটা তোমার ত্রুটি। আগে তুমি ত্রুটি স্বীকার করো। ** [https://prohor.in/angshuman-kar-writes-obituary-on-nabanita-dev-sen#:~:text=%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%B7%E0%A7%87%E0%A6%B0%20%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%87%20%E0%A6%95%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A7%87%20%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%A8%20%E0%A6%95%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A6%BE%20%E0%A6%96%E0%A7%81%E0%A6%AC%20%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A6%9F%E0%A6%BE,%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0%20%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%87%20%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A7%87%20%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A5%A4%20%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87%20%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%A3%20%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A5%A4 'আমাকে কখনোই অসুস্থ বলবে না, আমি সুস্থ আছি' - বলতেন নবনীতাদি : অংশুমান কর], প্রহর। (৭ নভেম্বর ২০১৯) * আমাকে ভয় দেখিয়ে কোনো লাভ হবে না। মনে রাখবেন, বাংলা আমার মাতৃভাষা। এই ভূখণ্ড শ্যামল, সজীব, নদীবিধৌত। এই ভূমির মতোই আমি একজন... ** [https://www.facebook.com/share/p/1c2mrXLuUb/ অংশুমান করের বিখ্যাত কবিতা "অস্ত্র"] এর কিছু লাইন * কোনও কোনও বাড়ি লিন্টল পর্যন্ত উঠে থেমে যায়। ঢালাই হয় না। জানলা-দরজা বসে না। মাঠের প্রান্তে, গ্রাম শেষ হওয়ার মুখে ধুলোকালি মেখে দাঁড়িয়ে থাকে। দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতে ইটের গায়ে জমে কালচে শ্যাওলা। ** [https://monmanchitra.com/archives/4575#:~:text=%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4.%20%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A6%93%20%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A6%93%20%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A6%BF%20%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%B2%20%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%20%E0%A6%89%E0%A6%A0%E0%A7%87,%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%A4%E0%A7%87%20%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%A4%E0%A7%87%20%E0%A6%87%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%B0%20%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%87%20%E0%A6%9C%E0%A6%AE%E0%A7%87%20%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%9A%E0%A7%87%20%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%93%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A5%A4 প্রধান পৃষ্ঠপোষক দিলরুবা ইয়াসমিনের মৃত্যুতে], মনমানচিত্র। তাঁর কবিতা গুচ্ছের অন্তর্ভুক্ত "পরিত্যক্ত" নামক কবিতা। == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি সাহিত্যিক]] 4000snzj0mv6y8b8dslou6wtphn82gt 79991 79990 2026-04-23T08:51:05Z Anaf Ibn Shahibul 4193 হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি কবি]] যোগ 79991 wikitext text/x-wiki [[w:অংশুমান কর|অংশুমান কর]] হলেন একজন বাঙালি কবি এবং বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি সাহিত্যের অধ্যাপক। বর্তমানে তিনি [[পশ্চিমবঙ্গ]]ের বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজির অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত। তিনি পূর্ব অঞ্চল, সাহিত্য একাডেমির সচিব এবং [[সাহিত্য]] একাডেমির উপদেষ্টা বোর্ডের সদস্য ছিলেন। == উক্তি == * তুমি আমাকে কখনোই অসুস্থ বলবে না। আমি রীতিমতো সুস্থ আছি। তুমি জানাওনি, এটা তোমার ত্রুটি। আগে তুমি ত্রুটি স্বীকার করো। ** [https://prohor.in/angshuman-kar-writes-obituary-on-nabanita-dev-sen#:~:text=%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%B7%E0%A7%87%E0%A6%B0%20%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%87%20%E0%A6%95%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A7%87%20%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%A8%20%E0%A6%95%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A6%BE%20%E0%A6%96%E0%A7%81%E0%A6%AC%20%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A6%9F%E0%A6%BE,%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0%20%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%87%20%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A7%87%20%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A5%A4%20%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87%20%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%A3%20%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A5%A4 'আমাকে কখনোই অসুস্থ বলবে না, আমি সুস্থ আছি' - বলতেন নবনীতাদি : অংশুমান কর], প্রহর। (৭ নভেম্বর ২০১৯) * আমাকে ভয় দেখিয়ে কোনো লাভ হবে না। মনে রাখবেন, বাংলা আমার মাতৃভাষা। এই ভূখণ্ড শ্যামল, সজীব, নদীবিধৌত। এই ভূমির মতোই আমি একজন... ** [https://www.facebook.com/share/p/1c2mrXLuUb/ অংশুমান করের বিখ্যাত কবিতা "অস্ত্র"] এর কিছু লাইন * কোনও কোনও বাড়ি লিন্টল পর্যন্ত উঠে থেমে যায়। ঢালাই হয় না। জানলা-দরজা বসে না। মাঠের প্রান্তে, গ্রাম শেষ হওয়ার মুখে ধুলোকালি মেখে দাঁড়িয়ে থাকে। দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতে ইটের গায়ে জমে কালচে শ্যাওলা। ** [https://monmanchitra.com/archives/4575#:~:text=%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4.%20%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A6%93%20%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A6%93%20%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A6%BF%20%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%B2%20%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%20%E0%A6%89%E0%A6%A0%E0%A7%87,%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%A4%E0%A7%87%20%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%A4%E0%A7%87%20%E0%A6%87%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%B0%20%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%87%20%E0%A6%9C%E0%A6%AE%E0%A7%87%20%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%9A%E0%A7%87%20%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%93%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A5%A4 প্রধান পৃষ্ঠপোষক দিলরুবা ইয়াসমিনের মৃত্যুতে], মনমানচিত্র। তাঁর কবিতা গুচ্ছের অন্তর্ভুক্ত "পরিত্যক্ত" নামক কবিতা। == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি সাহিত্যিক]] [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি কবি]] 2zf1ps01if2g8uvselwoxw8zc65tl3d 79992 79991 2026-04-23T08:53:54Z Anaf Ibn Shahibul 4193 79992 wikitext text/x-wiki [[w:অংশুমান কর|অংশুমান কর]] হলেন একজন বাঙালি কবি এবং বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি সাহিত্যের অধ্যাপক। বর্তমানে তিনি [[পশ্চিমবঙ্গ]]ের বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজির অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত। তিনি পূর্ব অঞ্চল, সাহিত্য একাডেমির সচিব এবং [[সাহিত্য]] একাডেমির উপদেষ্টা বোর্ডের সদস্য ছিলেন। == উক্তি == * তুমি আমাকে কখনোই অসুস্থ বলবে না। আমি রীতিমতো সুস্থ আছি। তুমি জানাওনি, এটা তোমার ত্রুটি। আগে তুমি ত্রুটি স্বীকার করো। ** [https://prohor.in/angshuman-kar-writes-obituary-on-nabanita-dev-sen#:~:text=%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%B7%E0%A7%87%E0%A6%B0%20%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%87%20%E0%A6%95%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A7%87%20%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%A8%20%E0%A6%95%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A6%BE%20%E0%A6%96%E0%A7%81%E0%A6%AC%20%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A6%9F%E0%A6%BE,%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0%20%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%87%20%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A7%87%20%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A5%A4%20%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87%20%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%A3%20%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A5%A4 'আমাকে কখনোই অসুস্থ বলবে না, আমি সুস্থ আছি' - বলতেন নবনীতাদি : অংশুমান কর], প্রহর। (৭ নভেম্বর ২০১৯) * আমাকে ভয় দেখিয়ে কোনো লাভ হবে না। মনে রাখবেন, বাংলা আমার মাতৃভাষা। এই ভূখণ্ড শ্যামল, সজীব, নদীবিধৌত। এই ভূমির মতোই আমি একজন... ** [https://www.facebook.com/share/p/1c2mrXLuUb/ অংশুমান করের বিখ্যাত কবিতা "অস্ত্র"] এর কিছু লাইন * কোনও কোনও বাড়ি লিন্টল পর্যন্ত উঠে থেমে যায়। ঢালাই হয় না। জানলা-দরজা বসে না। মাঠের প্রান্তে, গ্রাম শেষ হওয়ার মুখে ধুলোকালি মেখে দাঁড়িয়ে থাকে। দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতে ইটের গায়ে জমে কালচে শ্যাওলা। ** [https://monmanchitra.com/archives/4575#:~:text=%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4.%20%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A6%93%20%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A6%93%20%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A6%BF%20%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%B2%20%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%20%E0%A6%89%E0%A6%A0%E0%A7%87,%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%A4%E0%A7%87%20%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%A4%E0%A7%87%20%E0%A6%87%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%B0%20%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%87%20%E0%A6%9C%E0%A6%AE%E0%A7%87%20%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%9A%E0%A7%87%20%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%93%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A5%A4 প্রধান পৃষ্ঠপোষক দিলরুবা ইয়াসমিনের মৃত্যুতে], মনমানচিত্র। তাঁর কবিতা গুচ্ছের অন্তর্ভুক্ত "পরিত্যক্ত" নামক কবিতা। == তাঁর সম্পর্কে উক্তি == * শেষের দিকে কৃত্তিবাসে নতুন কবিতা খুব একটা দিতে পারতেন না। বলতেন কবিতা লিখতে গেলে তো আসতে হয়, আমাকে জোর কোরো না। কিন্তু যখনই লেখা চেয়েছি, একেবারে টাটকা অনুবাদ আমাদের হাতে তুলে দিয়েছেন। একেবারে দিনক্ষণ মেনে। ** [https://prohor.in/angshuman-kar-writes-obituary-on-nabanita-dev-sen#:~:text=%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%B7%E0%A7%87%E0%A6%B0%20%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%87%20%E0%A6%95%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A7%87%20%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%A8%20%E0%A6%95%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A6%BE%20%E0%A6%96%E0%A7%81%E0%A6%AC%20%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A6%9F%E0%A6%BE,%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0%20%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%87%20%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A7%87%20%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A5%A4%20%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87%20%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%A3%20%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A5%A4 'আমাকে কখনোই অসুস্থ বলবে না, আমি সুস্থ আছি' - বলতেন নবনীতাদি : অংশুমান কর], প্রহর। (৭ নভেম্বর ২০১৯) == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি সাহিত্যিক]] [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি কবি]] b8cqt2fkqpynvo1bspqv6tkvu8x0m6d জেনডেয়া 0 13283 79987 2026-04-23T08:49:39Z Tanbiruzzaman 806 "[[File:Zendaya by Gage Skidmore.jpg|thumb|আমার নিরামিষাশী হওয়ার প্রধান কারণ হলো আমি পশুপ্রেমী — একারণে একদমই নয় যে আমি সবজি ভালোবাসি।]] '''{{W|জেনডেয়া|জেনডেয়া মারি স্টোর্মার কোলম্যান}}''' (জন্ম ১ সেপ..." দিয়ে পাতা তৈরি 79987 wikitext text/x-wiki [[File:Zendaya by Gage Skidmore.jpg|thumb|আমার নিরামিষাশী হওয়ার প্রধান কারণ হলো আমি পশুপ্রেমী — একারণে একদমই নয় যে আমি সবজি ভালোবাসি।]] '''{{W|জেনডেয়া|জেনডেয়া মারি স্টোর্মার কোলম্যান}}''' (জন্ম ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬) একজন আমেরিকান অভিনেত্রী ও গায়িকা। == উক্তি == [[File:ZendayaColemanOct2010.jpg|thumb|ছোটবেলা থেকেই আমি খেলাধুলা করতে ভালোবাসতাম। আমার মা ৬ ফুট ৪ ইঞ্চি লম্বা, তাই আমরা সবসময় ভাবতাম যে ডব্লুএমবিএ-ই হবে আমার পথ।]] [[File:Zendaya - 2019 by Glenn Francis.jpg|thumb|আমি কাঁদলে সবসময় মুখ লুকাই। নিজেকে সুযোগ দিলে আমি আমার পুরো অভিনয়টাই হাত দিয়ে ঢেকে ফেলতাম।]] * ছোটবেলা থেকেই আমি খেলাধুলা করতে ভালোবাসতাম। আমার মা ৬ ফুট ৪ ইঞ্চি লম্বা, তাই আমরা সবসময় ভাবতাম যে ডব্লিউএমবিএ-ই আমার পথ হবে। কিন্তু তারপর আমি সিদ্ধান্ত নিলাম যে আমি অভিনয়কে পেশা হিসেবে নিতে চাই। আমি ক্যালিফোর্নিয়া শেক্সপিয়ার থিয়েটারের পরিবেশে বড় হয়েছি, এবং সেখানেই আমি উপলব্ধি করি যে পারফর্মিং শিল্পেই আমার আসল ভালোবাসা। * [https://www.seventeen.com/celebrity/movies-tv/a13830/shake-it-up-cast-interview/ "শেক ইট আপ!"-এর কলাকুশলীদের সাথে পরিচিত হোন। -''সেভেনটিন''] (৪ এপ্রিল, ২০১১) iuu5ddd1b6an4x4ffip9hhrb1asro80 79993 79987 2026-04-23T08:59:50Z Tanbiruzzaman 806 /* উক্তি */ 79993 wikitext text/x-wiki [[File:Zendaya by Gage Skidmore.jpg|thumb|আমার নিরামিষাশী হওয়ার প্রধান কারণ হলো আমি পশুপ্রেমী — একারণে একদমই নয় যে আমি সবজি ভালোবাসি।]] '''{{W|জেনডেয়া|জেনডেয়া মারি স্টোর্মার কোলম্যান}}''' (জন্ম ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬) একজন আমেরিকান অভিনেত্রী ও গায়িকা। == উক্তি == [[File:ZendayaColemanOct2010.jpg|thumb|ছোটবেলা থেকেই আমি খেলাধুলা করতে ভালোবাসতাম। আমার মা ৬ ফুট ৪ ইঞ্চি লম্বা, তাই আমরা সবসময় ভাবতাম যে ডব্লুএমবিএ-ই হবে আমার পথ।]] [[File:Zendaya - 2019 by Glenn Francis.jpg|thumb|আমি কাঁদলে সবসময় মুখ লুকাই। নিজেকে সুযোগ দিলে আমি আমার পুরো অভিনয়টাই হাত দিয়ে ঢেকে ফেলতাম।]] * ছোটবেলা থেকেই আমি খেলাধুলা করতে ভালোবাসতাম। আমার মা ৬ ফুট ৪ ইঞ্চি লম্বা, তাই আমরা সবসময় ভাবতাম যে ডব্লিউএমবিএ-ই আমার পথ হবে। কিন্তু তারপর আমি সিদ্ধান্ত নিলাম যে আমি অভিনয়কে পেশা হিসেবে নিতে চাই। আমি ক্যালিফোর্নিয়া শেক্সপিয়ার থিয়েটারের পরিবেশে বড় হয়েছি, এবং সেখানেই আমি উপলব্ধি করি যে পারফর্মিং শিল্পেই আমার আসল ভালোবাসা। * [https://www.seventeen.com/celebrity/movies-tv/a13830/shake-it-up-cast-interview/ "শেক ইট আপ!"-এর কলাকুশলীদের সাথে পরিচিত হোন। -''সেভেনটিন''] (৪ এপ্রিল, ২০১১) * আমরা প্রতিদিন স্মৃতি তৈরি করি এবং যেখানেই যাই, শুধুই দুষ্টুমি। সবসময়ই কিছু না কিছু ঘটে। আমার মনে হয়, একটা দারুণ বন্ধুত্বের রহস্য হলো যখনই আপনি সেই মানুষটার সাথে থাকবেন, তখনই মজার স্মৃতি তৈরি করা। বেলা প্রতিদিন একটা নতুন বিস্ময়। এটাই আমাদের বন্ধুত্বের সেরা অংশ। সে খুব প্রাণবন্ত ও উচ্ছল, আর আমি একটু শান্ত প্রকৃতির, তাই এক অর্থে আমরা আমাদের চরিত্রের মতোই। আমরা একে অপরের সাথে খুব ভালোভাবে মানিয়ে যাই, কারণ আমার যা নেই, তা তার আছে এবং তার যা নেই, তা আমার আছে। ** {{w|বেলা থোর্ন}} সম্পর্কে, [https://www.seventeen.com/celebrity/movies-tv/a18954/zendaya-shake-it-up-japan-interview/ "জেনডায়া ‘শেক ইট আপ’ সিনেমার খুঁটিনাটি ফাঁস করলেন"] -''সেভেনটিন''। (আগস্ট ১৫, ২০১২)। == গানের কথা == == জেনডেয়া সম্পর্কে উক্তি == == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} 23718h085idzugy0o6jctxx48260zxj টনি বেন 0 13284 79994 2026-04-23T09:46:08Z SMontaha32 3112 "[[File:Tony Benn2.jpg|thumb|right|আমি মনে করি [[Democracy|গণতন্ত্র]] বিশ্বের সবচেয়ে বিপ্লবী একটি বিষয়।]] File:Glastonbury 2008 126.JPG|thumb|right|একটি স্টিলথ বোমারু বিমান এবং একজন আত্মঘাতী বোমা হামলাকারীর মধ্যে কোনো নৈতিক..." দিয়ে পাতা তৈরি 79994 wikitext text/x-wiki [[File:Tony Benn2.jpg|thumb|right|আমি মনে করি [[Democracy|গণতন্ত্র]] বিশ্বের সবচেয়ে বিপ্লবী একটি বিষয়।]] [[File:Glastonbury 2008 126.JPG|thumb|right|একটি স্টিলথ বোমারু বিমান এবং একজন আত্মঘাতী বোমা হামলাকারীর মধ্যে কোনো নৈতিক পার্থক্য নেই। উভয়ই রাজনৈতিক কারণে নির্দোষ মানুষকে হত্যা করে।]] [[File:Tony Benn 2005.jpg|thumb|right|বিশ্বাস হলো এমন কিছু যার জন্য আপনি প্রাণ দিতে পারেন, আর মতবাদ হলো এমন কিছু যার জন্য আপনি হত্যা করেন। এই দুটির মধ্যে আকাশ-পাতাল পার্থক্য রয়েছে।]] '''[[w:Tony Benn|অ্যান্থনি নীল ওয়েজউড বেন]]''' ([[৩ এপ্রিল]] [[১৯২৫]] – [[১৪ মার্চ]] [[২০১৪]]), যিনি ১৯৬০ থেকে ১৯৬৩ সাল পর্যন্ত '''ভিসকাউন্ট স্ট্যানসগেট''' নামে পরিচিত ছিলেন, তিনি একজন ব্রিটিশ [[w:Labour Party (UK)|লেবার পার্টির]] রাজনীতিবিদ এবং ডায়েরি লেখক ছিলেন। তিনি ১৯৬০ ও ১৯৭০-এর দশকে [[w:Cabinet of the United Kingdom|ক্যাবিনেট মন্ত্রী]] হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ১৯৫০ থেকে ২০০১ সালের মধ্যবর্তী ৫১ বছরের মধ্যে ৪৭ বছরই [[w:Bristol South East (UK Parliament constituency)|ব্রিস্টল সাউথ ইস্ট]] এবং [[w:Chesterfield (UK Parliament constituency)|চেস্টারফিল্ড]] এলাকার [[w:Member of Parliament (United Kingdom)|সংসদ সদস্য]] ছিলেন। পরবর্তীতে তিনি ২০০১ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত [[w:Stop the War Coalition|স্টপ দ্য ওয়ার কোয়ালিশনের]] প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। q8nnnes62z4zhz9x8zwute4qasqfhm9 টনি মরিসন 0 13285 79995 2026-04-23T09:48:17Z SMontaha32 3112 "[[File:Toni Morrison 2008-2.jpg|thumb|জীবনের কোনো এক পর্যায়ে এসে জগতের [[beauty|সৌন্দর্যই]] যথেষ্ট হয়ে দাঁড়ায়। আপনাকে তখন এর ছবি তুলতে হয় না, এটি আঁকতে হয় না, এমনকি এটি [[remember|মনে রাখারও]] প্রয়োজন পড..." দিয়ে পাতা তৈরি 79995 wikitext text/x-wiki [[File:Toni Morrison 2008-2.jpg|thumb|জীবনের কোনো এক পর্যায়ে এসে জগতের [[beauty|সৌন্দর্যই]] যথেষ্ট হয়ে দাঁড়ায়। আপনাকে তখন এর ছবি তুলতে হয় না, এটি আঁকতে হয় না, এমনকি এটি [[remember|মনে রাখারও]] প্রয়োজন পড়ে না। এটিই তখন সবটুকু জুড়ে থাকে। এর কোনো রেকর্ড রাখার প্রয়োজন হয় না এবং আপনার এমন কাউকেও প্রয়োজন হয় না যার সাথে এটি ভাগ করে নেবেন বা তাকে জানাবেন। যখন এমনটা ঘটে—অর্থাৎ এই ছেড়ে দেওয়ার অনুভূতি—তখন আপনি ছেড়ে দেন কারণ আপনি তা পারেন।]] '''[[w:Toni Morrison|ক্লোয়ি অ্যান্থনি ওয়াফোর্ড মরিসন]]''' (জন্ম: '''ক্লোয়ি আর্ডেলিয়া ওয়াফোর্ড'''; [[১৮ ফেব্রুয়ারি]] [[১৯৩১]] – [[৫ আগস্ট]] [[২০১৯]]), যিনি মূলত '''টনি মরিসন''' নামে পরিচিত, তিনি ছিলেন একজন মার্কিন ঔপন্যাসিক, প্রবন্ধকার, বই সম্পাদক এবং কলেজ অধ্যাপক। তিনি ১৯৮৮ সালে [[w:Pulitzer Prize|পুলিৎজার পুরস্কার]] এবং ১৯৯৩ সালে [[w:Nobel Prize in Literature|সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার]] লাভ করেন। eioy0sy24aqladae5x2vdjykqykc8dr আলাপ:অংশুমান কর 1 13286 80004 2026-04-23T11:32:22Z Anaf Ibn Shahibul 4193 https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026 80004 wikitext text/x-wiki {{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}} s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm যুগোস্লাভিয়া 0 13287 80005 2026-04-23T11:35:16Z Anaf Ibn Shahibul 4193 "File:Flag of Yugoslavia.svg|thumb|এই স্লাভিক জাতির মহান পরীক্ষাটি ছিল একটি মহৎ ধারণার ওপর ভিত্তি করে। এর প্রবক্তারা ভেবেছিলেন যে দক্ষিণ স্লাভরা, অর্থাৎ যাদের মধ্যে অনেক মিল রয়েছে, বিশেষ করে..." দিয়ে পাতা তৈরি 80005 wikitext text/x-wiki [[File:Flag of Yugoslavia.svg|thumb|এই স্লাভিক জাতির মহান পরীক্ষাটি ছিল একটি মহৎ ধারণার ওপর ভিত্তি করে। এর প্রবক্তারা ভেবেছিলেন যে দক্ষিণ স্লাভরা, অর্থাৎ যাদের মধ্যে অনেক মিল রয়েছে, বিশেষ করে তাদের ভাষা; যারা অস্ট্রিয়ার সীমান্ত থেকে প্রায় কনস্টান্টিনোপল (বর্তমান ইস্তাম্বুল) এর দ্বারপ্রান্ত পর্যন্ত এক বিশাল ভূখণ্ডে বসবাস করত, তাদের ঐক্যবদ্ধ হওয়া উচিত এবং একটি মহান শক্তিশালী দক্ষিণ স্লাভ রাষ্ট্র গঠন করা উচিত। (টিম জুডাহ)]] '''[[w:bn:যুগোস্লাভিয়া|যুগোস্লাভিয়া]]''' ছিল দক্ষিণ-পূর্ব এবং মধ্য ইউরোপের একটি দেশ যা ১৯১৮ থেকে ১৯৯২ সাল পর্যন্ত বিদ্যমান ছিল। ১৯১৮ সালে [[প্রথম বিশ্বযুদ্ধ]] পরবর্তীকালে ''[[w:bn:সার্ব, ক্রোট এবং স্লোভেন রাজ্য|সার্ব, ক্রোট এবং স্লোভেন রাজ্য]]'' নামে এটি অস্তিত্ব লাভ করে। এটি সার্বিয়া রাজ্যের সাথে স্লোভেন, ক্রোট এবং সার্বদের অস্থায়ী রাষ্ট্রের (যা প্রাক্তন অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি সাম্রাজ্যের ভূখণ্ড নিয়ে গঠিত হয়েছিল) একীভূতকরণের মাধ্যমে তৈরি হয়েছিল। এটি ছিল দক্ষিণ স্লাভিক জনগণের প্রথম ইউনিয়ন যা একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে গঠিত হয়েছিল, যার আগে এই অঞ্চলটি কয়েক শতাব্দী ধরে অটোমান সাম্রাজ্য এবং অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরির মতো বিদেশি শাসনের অধীনে ছিল। [[w:bn:সার্বিয়ার প্রথম পিটার|সার্বিয়ার প্রথম পিটার]] ছিলেন এর প্রথম সার্বভৌম শাসক। ১৯২২ সালের ১৩ জুলাই প্যারিসে অনুষ্ঠিত 'অ্যাম্বাসেডর কনফারেন্সে' এই রাজ্যটি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভ করে। ১৯২৯ সালের ৩ অক্টোবর রাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক নাম পরিবর্তন করে ''[[w:bn:যুগোস্লাভিয়া রাজ্য|যুগোস্লাভিয়া রাজ্য]]'' রাখা হয়। ১৯৮০-এর দশকে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সংকট এবং জাতীয়তাবাদ ও জাতিগত উত্তেজনা বৃদ্ধির পর যুগোস্লাভিয়া তার প্রজাতন্ত্রগুলোর সীমান্ত অনুযায়ী ভেঙে যায়। শুরুতে এটি পাঁচটি দেশে বিভক্ত হয়, যা পরবর্তীতে যুগোস্লাভ যুদ্ধের দিকে পরিচালিত করে। ১৯৯৩ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত সাবেক যুগোস্লাভিয়ার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সেই যুদ্ধগুলোর সময় সংঘটিত যুদ্ধাপরাধ, গণহত্যা এবং অন্যান্য অপরাধের জন্য সাবেক যুগোস্লাভিয়ার রাজনৈতিক ও সামরিক নেতাদের বিচার করে। বিভক্তির পর মন্টিনিগ্রো এবং সার্বিয়া প্রজাতন্ত্র মিলে একটি ক্ষুদ্রতর ফেডারেল রাষ্ট্র গঠন করে, যা [[w:bn:যুগোস্লাভিয়া ফেডারেল প্রজাতন্ত্র|যুগোস্লাভিয়া ফেডারেল প্রজাতন্ত্র]] (এফআরওয়াই) নামে পরিচিত ছিল। ২০০৩ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত এটি [[w:bn:সার্বিয়া ও মন্টিনিগ্রো|সার্বিয়া ও মন্টিনিগ্রো]] নামে পরিচিত ছিল। এই রাষ্ট্রটি সাবেক এসএফআরওয়াই-এর একমাত্র আইনি উত্তরসূরি হওয়ার দাবি করেছিল, কিন্তু অন্যান্য সাবেক প্রজাতন্ত্রগুলো সেই দাবির বিরোধিতা করে। শেষ পর্যন্ত এটি 'বাদিন্টার সালিশি কমিটি'র যৌথ উত্তরসূরি হওয়ার সিদ্ধান্ত মেনে নেয় এবং ২০০৩ সালে এর দাপ্তরিক নাম পরিবর্তন করে 'সার্বিয়া ও মন্টিনিগ্রো' রাখা হয়। ২০০৬ সালে মন্টিনিগ্রো এবং সার্বিয়া প্রতিটি স্বাধীন রাষ্ট্রে পরিণত হওয়ার মাধ্যমে এই রাষ্ট্রের বিলুপ্তি ঘটে। ২০০৮ সালে কসোভোর স্বাধীনতার ঘোষণার পর থেকে এর রাজনৈতিক অবস্থা নিয়ে বর্তমানেও বিরোধ চলছে। __NOTOC__ {{TOCalpha}} p13s8vom84xi3ruqy8og3p8mryjkbt3 80006 80005 2026-04-23T11:37:08Z Anaf Ibn Shahibul 4193 80006 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} [[File:Flag of Yugoslavia.svg|thumb|এই স্লাভিক জাতির মহান পরীক্ষাটি ছিল একটি মহৎ ধারণার ওপর ভিত্তি করে। এর প্রবক্তারা ভেবেছিলেন যে দক্ষিণ স্লাভরা, অর্থাৎ যাদের মধ্যে অনেক মিল রয়েছে, বিশেষ করে তাদের ভাষা; যারা অস্ট্রিয়ার সীমান্ত থেকে প্রায় কনস্টান্টিনোপল (বর্তমান ইস্তাম্বুল) এর দ্বারপ্রান্ত পর্যন্ত এক বিশাল ভূখণ্ডে বসবাস করত, তাদের ঐক্যবদ্ধ হওয়া উচিত এবং একটি মহান শক্তিশালী দক্ষিণ স্লাভ রাষ্ট্র গঠন করা উচিত। (টিম জুডাহ)]] '''[[w:bn:যুগোস্লাভিয়া|যুগোস্লাভিয়া]]''' ছিল দক্ষিণ-পূর্ব এবং মধ্য ইউরোপের একটি দেশ যা ১৯১৮ থেকে ১৯৯২ সাল পর্যন্ত বিদ্যমান ছিল। ১৯১৮ সালে [[প্রথম বিশ্বযুদ্ধ]] পরবর্তীকালে ''[[w:bn:সার্ব, ক্রোট এবং স্লোভেন রাজ্য|সার্ব, ক্রোট এবং স্লোভেন রাজ্য]]'' নামে এটি অস্তিত্ব লাভ করে। এটি সার্বিয়া রাজ্যের সাথে স্লোভেন, ক্রোট এবং সার্বদের অস্থায়ী রাষ্ট্রের (যা প্রাক্তন অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি সাম্রাজ্যের ভূখণ্ড নিয়ে গঠিত হয়েছিল) একীভূতকরণের মাধ্যমে তৈরি হয়েছিল। এটি ছিল দক্ষিণ স্লাভিক জনগণের প্রথম ইউনিয়ন যা একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে গঠিত হয়েছিল, যার আগে এই অঞ্চলটি কয়েক শতাব্দী ধরে অটোমান সাম্রাজ্য এবং অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরির মতো বিদেশি শাসনের অধীনে ছিল। [[w:bn:সার্বিয়ার প্রথম পিটার|সার্বিয়ার প্রথম পিটার]] ছিলেন এর প্রথম সার্বভৌম শাসক। ১৯২২ সালের ১৩ জুলাই প্যারিসে অনুষ্ঠিত 'অ্যাম্বাসেডর কনফারেন্সে' এই রাজ্যটি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভ করে। ১৯২৯ সালের ৩ অক্টোবর রাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক নাম পরিবর্তন করে ''[[w:bn:যুগোস্লাভিয়া রাজ্য|যুগোস্লাভিয়া রাজ্য]]'' রাখা হয়। ১৯৮০-এর দশকে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সংকট এবং জাতীয়তাবাদ ও জাতিগত উত্তেজনা বৃদ্ধির পর যুগোস্লাভিয়া তার প্রজাতন্ত্রগুলোর সীমান্ত অনুযায়ী ভেঙে যায়। শুরুতে এটি পাঁচটি দেশে বিভক্ত হয়, যা পরবর্তীতে যুগোস্লাভ যুদ্ধের দিকে পরিচালিত করে। ১৯৯৩ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত সাবেক যুগোস্লাভিয়ার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সেই যুদ্ধগুলোর সময় সংঘটিত যুদ্ধাপরাধ, গণহত্যা এবং অন্যান্য অপরাধের জন্য সাবেক যুগোস্লাভিয়ার রাজনৈতিক ও সামরিক নেতাদের বিচার করে। বিভক্তির পর মন্টিনিগ্রো এবং সার্বিয়া প্রজাতন্ত্র মিলে একটি ক্ষুদ্রতর ফেডারেল রাষ্ট্র গঠন করে, যা [[w:bn:যুগোস্লাভিয়া ফেডারেল প্রজাতন্ত্র|যুগোস্লাভিয়া ফেডারেল প্রজাতন্ত্র]] (এফআরওয়াই) নামে পরিচিত ছিল। ২০০৩ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত এটি [[w:bn:সার্বিয়া ও মন্টিনিগ্রো|সার্বিয়া ও মন্টিনিগ্রো]] নামে পরিচিত ছিল। এই রাষ্ট্রটি সাবেক এসএফআরওয়াই-এর একমাত্র আইনি উত্তরসূরি হওয়ার দাবি করেছিল, কিন্তু অন্যান্য সাবেক প্রজাতন্ত্রগুলো সেই দাবির বিরোধিতা করে। শেষ পর্যন্ত এটি 'বাদিন্টার সালিশি কমিটি'র যৌথ উত্তরসূরি হওয়ার সিদ্ধান্ত মেনে নেয় এবং ২০০৩ সালে এর দাপ্তরিক নাম পরিবর্তন করে 'সার্বিয়া ও মন্টিনিগ্রো' রাখা হয়। ২০০৬ সালে মন্টিনিগ্রো এবং সার্বিয়া প্রতিটি স্বাধীন রাষ্ট্রে পরিণত হওয়ার মাধ্যমে এই রাষ্ট্রের বিলুপ্তি ঘটে। ২০০৮ সালে কসোভোর স্বাধীনতার ঘোষণার পর থেকে এর রাজনৈতিক অবস্থা নিয়ে বর্তমানেও বিরোধ চলছে। __NOTOC__ {{TOCalpha}} 1vw1069oirsgzllk1x1js50bk4zkkan 80008 80006 2026-04-23T11:42:15Z Anaf Ibn Shahibul 4193 80008 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} [[File:Flag of Yugoslavia.svg|thumb|এই স্লাভিক জাতির মহান পরীক্ষাটি ছিল একটি মহৎ ধারণার ওপর ভিত্তি করে। এর প্রবক্তারা ভেবেছিলেন যে দক্ষিণ স্লাভরা, অর্থাৎ যাদের মধ্যে অনেক মিল রয়েছে, বিশেষ করে তাদের ভাষা; যারা অস্ট্রিয়ার সীমান্ত থেকে প্রায় কনস্টান্টিনোপল (বর্তমান ইস্তাম্বুল) এর দ্বারপ্রান্ত পর্যন্ত এক বিশাল ভূখণ্ডে বসবাস করত, তাদের ঐক্যবদ্ধ হওয়া উচিত এবং একটি মহান শক্তিশালী দক্ষিণ স্লাভ রাষ্ট্র গঠন করা উচিত। (টিম জুডাহ)]] '''[[w:bn:যুগোস্লাভিয়া|যুগোস্লাভিয়া]]''' ছিল দক্ষিণ-পূর্ব এবং মধ্য ইউরোপের একটি দেশ যা ১৯১৮ থেকে ১৯৯২ সাল পর্যন্ত বিদ্যমান ছিল। ১৯১৮ সালে [[প্রথম বিশ্বযুদ্ধ]] পরবর্তীকালে ''[[w:bn:সার্ব, ক্রোট এবং স্লোভেন রাজ্য|সার্ব, ক্রোট এবং স্লোভেন রাজ্য]]'' নামে এটি অস্তিত্ব লাভ করে। এটি সার্বিয়া রাজ্যের সাথে স্লোভেন, ক্রোট এবং সার্বদের অস্থায়ী রাষ্ট্রের (যা প্রাক্তন অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি সাম্রাজ্যের ভূখণ্ড নিয়ে গঠিত হয়েছিল) একীভূতকরণের মাধ্যমে তৈরি হয়েছিল। এটি ছিল দক্ষিণ স্লাভিক জনগণের প্রথম ইউনিয়ন যা একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে গঠিত হয়েছিল, যার আগে এই অঞ্চলটি কয়েক শতাব্দী ধরে অটোমান সাম্রাজ্য এবং অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরির মতো বিদেশি শাসনের অধীনে ছিল। [[w:bn:সার্বিয়ার প্রথম পিটার|সার্বিয়ার প্রথম পিটার]] ছিলেন এর প্রথম সার্বভৌম শাসক। ১৯২২ সালের ১৩ জুলাই প্যারিসে অনুষ্ঠিত 'অ্যাম্বাসেডর কনফারেন্সে' এই রাজ্যটি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভ করে। ১৯২৯ সালের ৩ অক্টোবর রাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক নাম পরিবর্তন করে ''[[w:bn:যুগোস্লাভিয়া রাজ্য|যুগোস্লাভিয়া রাজ্য]]'' রাখা হয়। ১৯৮০-এর দশকে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সংকট এবং জাতীয়তাবাদ ও জাতিগত উত্তেজনা বৃদ্ধির পর যুগোস্লাভিয়া তার প্রজাতন্ত্রগুলোর সীমান্ত অনুযায়ী ভেঙে যায়। শুরুতে এটি পাঁচটি দেশে বিভক্ত হয়, যা পরবর্তীতে যুগোস্লাভ যুদ্ধের দিকে পরিচালিত করে। ১৯৯৩ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত সাবেক যুগোস্লাভিয়ার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সেই যুদ্ধগুলোর সময় সংঘটিত যুদ্ধাপরাধ, গণহত্যা এবং অন্যান্য অপরাধের জন্য সাবেক যুগোস্লাভিয়ার রাজনৈতিক ও সামরিক নেতাদের বিচার করে। বিভক্তির পর মন্টিনিগ্রো এবং সার্বিয়া প্রজাতন্ত্র মিলে একটি ক্ষুদ্রতর ফেডারেল রাষ্ট্র গঠন করে, যা [[w:bn:যুগোস্লাভিয়া ফেডারেল প্রজাতন্ত্র|যুগোস্লাভিয়া ফেডারেল প্রজাতন্ত্র]] (এফআরওয়াই) নামে পরিচিত ছিল। ২০০৩ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত এটি [[w:bn:সার্বিয়া ও মন্টিনিগ্রো|সার্বিয়া ও মন্টিনিগ্রো]] নামে পরিচিত ছিল। এই রাষ্ট্রটি সাবেক এসএফআরওয়াই-এর একমাত্র আইনি উত্তরসূরি হওয়ার দাবি করেছিল, কিন্তু অন্যান্য সাবেক প্রজাতন্ত্রগুলো সেই দাবির বিরোধিতা করে। শেষ পর্যন্ত এটি 'বাদিন্টার সালিশি কমিটি'র যৌথ উত্তরসূরি হওয়ার সিদ্ধান্ত মেনে নেয় এবং ২০০৩ সালে এর দাপ্তরিক নাম পরিবর্তন করে 'সার্বিয়া ও মন্টিনিগ্রো' রাখা হয়। ২০০৬ সালে মন্টিনিগ্রো এবং সার্বিয়া প্রতিটি স্বাধীন রাষ্ট্রে পরিণত হওয়ার মাধ্যমে এই রাষ্ট্রের বিলুপ্তি ঘটে। ২০০৮ সালে কসোভোর স্বাধীনতার ঘোষণার পর থেকে এর রাজনৈতিক অবস্থা নিয়ে বর্তমানেও বিরোধ চলছে। __NOTOC__ {{TOCalpha}} == উক্তি == === অ === * নিকোলা ছিলেন যুদ্ধংদেহী<br>সব সময় তিনি একটি [[খঞ্জর]] ও ভ্রুকুটি ধারণ করতেন,<br>গোটা [[বিশ্ব|বিশ্বেও]] পর্যাপ্ত হিমায়ক ছিল না<br>যা তার মেজাজকে শান্ত করতে পারে। ** সি.বি. অ্যান্ডারসন রচিত "দ্য লাস্ট যুগোস্লাভ", [https://www.classicalpoets.org/2025/09/the-limits-of-hospitality-and-other-poetry-by-c-b-anderson/ "‘দ্য লিমিটস অব হসপিটালিটি’ অ্যান্ড আদার পোয়েট্রি বাই সি.বি. অ্যান্ডারসন"], দ্য সোসাইটি অব ক্লাসিক্যাল পোয়েটস (২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫)। === আ === * সার্ব নিয়ন্ত্রিত যুগোস্লাভিয়া যে যুদ্ধের অন্যতম বিজয়ী রাষ্ট্র হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিল, তা পরোক্ষভাবে ২৮ জুন ট্রিগার চাপা লোকটির কাজকে ন্যায্যতা দিয়েছিল বলে মনে হয়। নিশ্চিতভাবেই এটি যুগোস্লাভ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিভঙ্গি ছিল, যারা ব্রোঞ্জ পদচিহ্ন এবং একটি ফলক দিয়ে তার গুলি করার স্থানটি চিহ্নিত করেছিল, যেখানে গুপ্তঘাতকের 'যুগোস্লাভ স্বাধীনতার পথে প্রথম পদক্ষেপ' উদযাপন করা হয়েছিল। এমন একটি যুগে যখন জাতীয় ধারণার যথেষ্ট সম্ভাবনা ছিল, তখন দক্ষিণ স্লাভ জাতীয়তাবাদের প্রতি মানুষের একটি স্বজ্ঞাত সহানুভূতি ছিল এবং হাবসবার্গ সাম্রাজ্যের ভারী বহুজাতিক কমনওয়েলথের প্রতি খুব কমই স্নেহ ছিল। ১৯৯০-এর দশকের যুগোস্লাভ যুদ্ধগুলো আমাদের বলকান জাতীয়তাবাদের প্রাণঘাতী রূপের কথা মনে করিয়ে দেয়। স্রেব্রেনিৎসা এবং সারায়েভো অবরোধের পর থেকে, সার্বিয়াকে নিছক পরাশক্তির রাজনীতির বস্তু বা শিকার হিসেবে ভাবা কঠিন হয়ে পড়েছে এবং সার্বিয়ান জাতীয়তাবাদকে নিজস্ব অধিকারে একটি ঐতিহাসিক শক্তি হিসেবে ধারণা করা সহজ হয়েছে। আজকের ইউরোপীয় ইউনিয়নের দৃষ্টিকোণ থেকে আমরা অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরির সেই বিলুপ্ত সাম্রাজ্যিক কাঠামোর দিকে আগের চেয়ে আরও বেশি সহানুভূতিশীল হয়ে বা অন্তত কম অবজ্ঞার সাথে তাকাতে আগ্রহী। ** [[w:bn:ক্রিস্টোফার ক্লার্ক|ক্রিস্টোফার ক্লার্ক]], ''স্লিপওয়াকার্স: হাউ ইউরোপ ওয়েন্ট টু ওয়ার ইন ১৯১৪'' (২০১২), পৃষ্ঠা xxvi। * যদিও তারা অন্ধভাবে স্তালিনকে অনুকরণ করেছিল এবং মস্কো দাবি করার আগেই সমাজতন্ত্র গড়ে তুলেছিল, যুগোস্লাভিয়ার কমিউনিস্টরাই ১৯৪৮ সালে প্রথম সোভিয়েত ইউনিয়নের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করে। তারা এমনটি করেছিল কারণ স্তালিন তাদের জাতীয় স্বার্থকে তার দেশের স্বার্থের কাছে সম্পূর্ণভাবে অধীন করার দাবি করেছিলেন। একটি প্রকাশ্য বক্তৃতায় জোসিপ ব্রোজ টিটো একজন মার্ক্সবাদী-লেনিনবাদী হিসেবে তার আকস্মিক মতাদর্শিক পরিবর্তনের বিষয়ে বলেছিলেন: কেউ সমাজতন্ত্রের মাতৃভূমিকে ভালোবাসতে পারে, তবে এর মানে এই নয় যে সে নিজের দেশকে কম ভালোবাসবে। এর দ্বারা তিনি ক্রোয়েশিয়া বা সার্বিয়া, স্লোভেনিয়া বা মন্টিনিগ্রোকে বোঝাননি; বরং কমিউনিস্ট যুগোস্লাভিয়া ছিল ল্যুদেভিত গাজের পুরোনো কর্মসূচি পুনরুজ্জীবিত করার দ্বিতীয় প্রচেষ্টা, যা এবার যুগোস্লাভিয়ার সকল মানুষের জাতীয় মুক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিল। যুদ্ধের সময় টিটোর পক্ষপাতদুষ্ট আন্দোলন ভ্রাতৃত্ব ও ঐক্যের নামে সার্ব, ইহুদি এবং অন্যদের ফ্যাসিস্ট গণহত্যার হাত থেকে রক্ষা করে একটি ক্ষুদ্র হাবসবার্গ সাম্রাজ্য হিসেবে শুরু হয়েছিল এবং এই সূত্রটি ১৯৮০ সালে টিটোর মৃত্যু পর্যন্ত সফল হয়েছিল। যদি এটি হাবসবার্গ সাম্রাজ্যের নতুন সংস্করণ ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ) যোগ দিত, তবে যুগোস্লাভিয়া হয়তো টিকে থাকতে পারত। কিন্তু ইইউ পূর্ব দিকে সম্প্রসারিত হওয়ার আগেই ১৯৯১ সালে ক্রোয়েশিয়ায় যুদ্ধ শুরু হয়। বর্তমানে পূর্ব ইউরোপের নেতারা এই দাবি করে রাজনৈতিক ফায়দা লোটেন যে, ইইউ জাতীয় অবকাঠামো, শিক্ষা এবং কৃষিতে উদারভাবে অর্থায়ন করা সত্ত্বেও কোনো না কোনোভাবে তাদের দেশের অস্তিত্বের জন্য হুমকি। ২০১৮ সালের জুন মাসে হাঙ্গেরির প্রেসিডেন্ট ভিক্টর অরবান বলেছিলেন যে স্লোভেনিয়ায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন বিরোধী প্রার্থীর নির্বাচনের ওপর "স্লোভেনীয় জাতির বেঁচে থাকা" নির্ভর করছে। ** জন কনেলি, ''ফ্রম পিপলস ইনটু নেশনস: আ হিস্ট্রি অব ইস্টার্ন ইউরোপ'' (২০২০), পৃষ্ঠা ১৯। === ক === * যুগোস্লাভিয়া শুরুতে 'সার্ব, ক্রোট এবং স্লোভেন রাজ্য' নামে পরিচিত ছিল, যে নামে দেশটির সতেরো বা ততোধিক জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে মাত্র তিনটির নাম উল্লেখ ছিল; এটি ছিল মূলত আরেকটি জগাখিচুড়ি রাষ্ট্র। সার্বরা একটি দক্ষিণ স্লাভ রাজ্যের স্বপ্ন দেখেছিল যেখানে তারা আধিপত্য বিস্তার করবে। সেই বিষয়টি নিশ্চিত করতেই যেন ১৯২১ সালের ২৮ জুন নতুন রাষ্ট্রের সংবিধান জারি করা হয়েছিল, যা ছিল কসোভোর যুদ্ধ এবং আর্চডিউক ফ্রান্সিস ফার্ডিনান্ডের হত্যাকাণ্ডের বার্ষিকী। বাস্তবে যুগোস্লাভিয়া শুধু ক্রোট, সার্ব এবং স্লোভেনদের নিয়েই গঠিত কোনো অস্বস্তিকর সংমিশ্রণ ছিল না, বরং এতে আলবেনীয়, বসনিয়ান মুসলিম, মন্টিনিগ্রিন, ম্যাসেডোনিয়ান এবং তুর্কিরাও ছিল। এর পাশাপাশি চেক, জার্মান, জিপসি, হাঙ্গেরীয়, ইতালীয়, ইহুদি, রোমানিয়ান, রুশ, স্লোভাক এবং ইউক্রেনীয়দের কথা তো বলাই বাহুল্য। ** [[w:bn:নিয়াল ফার্গুসন|নিল ফার্গুসন]], ''দ্য ওয়ার অব দ্য ওয়ার্ল্ড: টুয়েন্টিয়েথ-সেঞ্চুরি কনফ্লিক্ট অ্যান্ড দ্য ডিসেন্ট অব দ্য ওয়েস্ট'' (২০০৬), পৃষ্ঠা ১৬৭। * দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় বলকানেও জাতিগত, ধর্মীয় এবং মতাদর্শিক দিক থেকে একাধিক গৃহযুদ্ধ হয়েছিল। ১৯৪১ সালের এপ্রিলে জার্মান আগ্রাসনের প্রেক্ষিতে যুগোস্লাভিয়া ভেঙে পড়েছিল। সুযোগ বুঝে ক্রোয়েশিয়ার নেতা আন্তে পাভেলিচ হিটলারের পক্ষ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। পরবর্তী বিশৃঙ্খলায় তার উস্তাসারা ক্রোয়েশিয়া এবং বসনিয়া-হার্জেগোভিনায় তাদের সার্বিয়ান প্রতিবেশীদের বিরুদ্ধে জাতিগত নিধনের এক নৃশংস অভিযান চালায় এবং তাদের শত শত হাজার মানুষকে নির্যাতন ও হত্যা করে। গোটা গ্রামের পর গ্রাম মানুষকে তাদের গির্জায় বন্দি করে পুড়িয়ে মারা হয় অথবা জাসেনোভাকের মতো কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পে হত্যার জন্য পাঠানো হয়। সার্বিয়ান চেটনিক এবং পার্টিজানরাও এই অপরাধগুলোর সমতুল্য প্রতিশোধ নিয়েছিল। যুদ্ধের সময় যুগোস্লাভিয়ায় যে প্রায় দশ লাখ মানুষ মারা গিয়েছিল, তাদের বেশিরভাগকেই অন্য যুগোস্লাভরা হত্যা করেছিল। এর মধ্যে বসনিয়ার ১৪ হাজার ইহুদির প্রায় সবাই অন্তর্ভুক্ত ছিল। গ্রিসে জার্মান দখলদারিত্ব ছিল তিক্ত সংঘাতের ইঙ্গিত। সেখানে যুগোস্লাভিয়ার মতোই একটি ত্রিমুখী যুদ্ধ শুরু হয়েছিল যা কেবল বিদেশি আক্রমণকারী এবং জাতীয়তাবাদীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং তা জাতীয়তাবাদী এবং স্থানীয় কমিউনিস্টদের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়েছিল। ** [[w:bn:নিয়াল ফার্গুসন|নিল ফার্গুসন]], ''দ্য ওয়ার অব দ্য ওয়ার্ল্ড: টুয়েন্টিয়েথ-সেঞ্চুরি কনফ্লিক্ট অ্যান্ড দ্য ডিসেন্ট অব দ্য ওয়েস্ট'' (২০০৬), পৃষ্ঠা ৪৫৬-৪৫৭। === খ === * "জোটনিরপেক্ষতা" তৃতীয় বিশ্বের রাষ্ট্রগুলোর নেতাদের জন্য এমন একটি উপায় প্রদান করেছিল যেখানে তারা পুরোপুরি ঝুঁকে না পড়েও ভারসাম্য বজায় রাখতে পারত। এর মূল ধারণাটি ছিল স্নায়ুযুদ্ধে কোনো পক্ষের সাথেই যুক্ত না হওয়া, তবে প্রয়োজনে যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা উন্মুক্ত রাখা। এভাবে কোনো একটি পরাশক্তির চাপ খুব বেশি বেড়ে গেলে, একটি ছোট শক্তি অন্য পরাশক্তির সাথে জোটবদ্ধ হওয়ার হুমকি দিয়ে নিজেকে রক্ষা করতে পারত। যুগোস্লাভিয়া কোনো তৃতীয় বিশ্বের রাষ্ট্র না হয়েও এই প্রক্রিয়ার পথপ্রদর্শক ছিল। টিটো ১৯৪৮ সালে স্তালিনের নিন্দা চাননি; তিনি একজন নিবেদিতপ্রাণ কমিউনিস্ট ছিলেন এবং তা-ই থেকে যান। কিন্তু তিনি মতাদর্শগত সংহতির খাতিরে সার্বভৌমত্ব বিসর্জন না দেওয়ার ব্যাপারে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ছিলেন এবং সেসময়কার অন্যান্য পূর্ব ইউরোপীয় নেতাদের বিপরীতে তার এমনটি করার কোনো প্রয়োজনও ছিল না। স্তালিনের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করার পর আমেরিকানরা কত দ্রুত তাকে অর্থনৈতিক সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছিল তা লক্ষ্য করে টিটো একটি জীবনরেখার সম্ভাবনা দেখতে পেয়েছিলেন। যুগোস্লাভদের বিরুদ্ধে রুশরা কি শক্তি প্রয়োগের ঝুঁকি নেবে যদি তা আমেরিকানদের সাথে যুদ্ধের দিকে পরিচালিত করে? দীর্ঘ যুগোস্লাভ উপকূলের ঠিক পাশেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ষষ্ঠ নৌবহর কাজ করায় স্তালিনের জন্য আক্রমণ চালানোর বিষয়ে দুবার ভাবার যথেষ্ট কারণ ছিল। এর প্রমাণও রয়েছে যে তিনি আক্রমণ না করে বরং গুপ্তহত্যার ষড়যন্ত্র নিয়ে সন্তুষ্ট ছিলেন, যার সবগুলোই শেষমেশ ব্যর্থ হয়েছিল। ** জন লুইস গ্যাডিস, ''দ্য কোল্ড ওয়ার: আ নিউ হিস্ট্রি'' (২০০৬), পৃষ্ঠা ১২৪। === গ === * ১৯৯৫ সালের শরতে বসনিয়ার যুদ্ধের অবসান ঘটানোর চেষ্টায় যখন আমাদের মার্কিন আলোচক দল বলকানে ঘুরে বেড়াচ্ছিল, তখন ভার্সাই চুক্তি আমার মন থেকে খুব একটা দূরে ছিল না। হ্যারল্ড নিকলসন রচিত ''পিসমেকিং ১৯১৯'' এর অংশবিশেষ পড়তে পড়তে আমরা মজা করে বলতাম যে আমাদের লক্ষ্য হলো উড্রো উইলসনের উত্তরাধিকার বাতিল করা। ১৯৯৫ সালের নভেম্বরে ওহাইওর ডেটনে যখন আমরা বসনিয়া, ক্রোয়েশিয়া এবং যুগোস্লাভিয়া ফেডারেল প্রজাতন্ত্রের নেতাদের একত্রিত হতে এবং যুদ্ধের অবসানের জন্য আলোচনা করতে বাধ্য করি, তখন আমরা মূলত ভার্সাই চুক্তির আরেকটি অংশকেই কবর দিচ্ছিলাম। ২০০২ সালের বসন্তে, ভার্সাই চুক্তির মাধ্যমে সৃষ্ট সর্বশেষ যে দুটি অংশ তখনও "যুগোস্লাভিয়া" হিসেবে যুক্ত ছিল, তারা তাদের দেশের নাম পরিবর্তন করে "সার্বিয়া ও মন্টিনিগ্রো" রাখার ব্যাপারে একমত হয়ে পূর্ণ এবং চূড়ান্ত বিচ্ছেদের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছানোর আরেকটি পদক্ষেপ নেয়, যা সম্ভবত তাদের সম্পূর্ণ বিচ্ছেদের পথের একটি ধাপ ছিল। ** রিচার্ড হোলব্রুক, ''প্যারিস ১৯১৯: সিক্স মান্থস দ্যাট চেঞ্জড দ্য ওয়ার্ল্ড'' (২০০১)-এর ভূমিকা, পৃষ্ঠা x। * যুগোস্লাভিয়ায় পুঁজিবাদ সম্পূর্ণরূপে পুনরুদ্ধার করা হয়েছে, যা সবার কাছেই পরিচিত, তবে এই পুঁজিবাদ কীভাবে ছদ্মবেশ ধারণ করতে হয় তা জানে। যুগোস্লাভিয়া নিজেকে একটি সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে চিত্রিত করে, কিন্তু তা এমন এক বিশেষ ধরনের সমাজতন্ত্র যা বিশ্ব আগে কখনো দেখেনি! টিটোপন্থীরা এমনকি এ নিয়ে গর্বও করে যে, সমাজতান্ত্রিক মহান অক্টোবর বিপ্লব থেকে উদ্ভূত এবং মার্কস ও এঙ্গেলসের বৈজ্ঞানিক তত্ত্বের ভিত্তিতে লেনিন ও স্তালিন কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রের সাথে তাদের রাষ্ট্রের কোনো মিল নেই। ** [[w:bn:আনোয়ার হোজ্জা|আনোয়ার হোজ্জা]], ''[http://www.marxists.org/reference/archive/hoxha/works/1978/yugoslavia/index.htm যুগোস্লাভ "সেলফ-অ্যাডমিনিস্ট্রেশন" - ক্যাপিটালিস্ট থিওরি অ্যান্ড প্র্যাকটিস] (ই. কারদেলির সমাজতন্ত্র বিরোধী মতামতের বিরুদ্ধে)'', "সমাজতান্ত্রিক স্ব-প্রশাসনের রাজনৈতিক ব্যবস্থার বিকাশের দিকনির্দেশনা" গ্রন্থে, অ্যালবেনিয়ান শ্রম দলের কেন্দ্রীয় কমিটির মার্কসবাদী-লেনিনবাদী গবেষণা ইনস্টিটিউট, তিরানা, ১৯৭৮। * ১৯৯১ সালে যুগোস্লাভিয়ার সমস্ত অধিবাসীকে খাওয়ানোর জন্য প্রয়োজনের চেয়েও বেশি সম্পদ ছিল, তা সত্ত্বেও এটি একটি ভয়াবহ রক্তপাতের মধ্য দিয়ে ভেঙে পড়ে। ** [[w:bn:ইউভাল নোয়াহ হারারি|ইউভাল নোয়াহ হারারি]], স্যাপিয়েন্স: আ ব্রিফ হিস্ট্রি অব হিউম্যানকাইন্ড (২০১১), অধ্যায় ৬: "বিল্ডিং পিরামিডস"। === ঘ === * আজকের সাধারণ ধারণা হলো যুগোস্লাভিয়া ছিল একটি ব্যর্থ পরীক্ষা। ১৯৯০-এর দশকে যুগোস্লাভিয়ার পতনের যুদ্ধের প্রতিবেদন করার সময় অল্প-জ্ঞানের অধিকারী পশ্চিমা সাংবাদিকরা "সার্ব এবং ক্রোটদের মধ্যে শতবর্ষের পুরোনো সংঘাত" সম্পর্কে লিখেছিলেন; অথচ সার্ব-ক্রোট বৈরিতার আসল সূত্রপাত প্রকৃতপক্ষে ১৯শ এবং ২০শ শতাব্দীতে জাতীয়তাবাদের উত্থানের সময় থেকেই শুরু হয়েছিল। ** টোমেক জানকোভস্কি, ''ইস্টার্ন ইউরোপ!: এভরিথিং ইউ নিড টু নো অ্যাবাউট দ্য হিস্ট্রি (অ্যান্ড মোর) অব আ রিজিয়ন দ্যাট শেপড আওয়ার ওয়ার্ল্ড অ্যান্ড স্টিল ডাজ'' (২০১৩)। * যুগোস্লাভিয়া চেকোস্লোভাকিয়ার মতোই ছিল, কারণ এটি সার্বদের দ্বারা পরিচালিত একটি ক্ষুদ্র সাম্রাজ্য ছিল এবং চেক দলগুলো তাদের সাম্রাজ্য যেভাবে চালাত তার চেয়ে এটি উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি নিষ্ঠুর ছিল। এর কিছু অংশে ১৯১২ সাল থেকে অবিরাম যুদ্ধ চলছিল এবং ১৯২৬ সালের আগে পর্যন্ত এর সীমানা স্থির হয়নি (যদি এই শব্দটি ব্যবহার করা যায়)। অর্থোডক্স সার্বরা সেনাবাহিনী এবং প্রশাসন চালাত, কিন্তু ক্যাথলিক ক্রোট এবং স্লোভেনরা, যাদের সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক মান অনেক উন্নত ছিল, তারা 'বলকানদের (অর্থাৎ সার্বদের) ইউরোপীয়করণ' করার দায়িত্ব এবং নিজেদের 'বলকানাইজড' হয়ে যাওয়ার ভয় নিয়ে কথা বলত। নতুন দেশটি তৈরিতে সহায়তাকারী আর.ডব্লিউ. সিটন-ওয়াটসন খুব শিগগিরই সার্বদের পরিচালনার ধরন দেখে মোহমুক্ত হন। ১৯২১ সালে তিনি লিখেছিলেন যে যুগোস্লাভিয়ার পরিস্থিতি তাকে হতাশায় ফেলে দেয় এবং এর অবাস্তব কেন্দ্রীকরণের কারণে নতুন সংবিধানের প্রতি তার কোনো আস্থা নেই। তিনি অভিযোগ করেছিলেন যে, সার্ব কর্মকর্তারা হাবসবার্গদের চেয়েও খারাপ ছিল এবং সার্বদের বিরোধিতা জার্মানদের চেয়েও বেশি নিষ্ঠুর ছিল। ১৯২৮ সালে তিনি লিখেছিলেন যে তার নিজের ইচ্ছা হলো সার্ব এবং ক্রোটদের তাদের নিজেদের সমস্যাতেই ভুগতে দেওয়া, কারণ তিনি মনে করতেন তারা উভয়েই পাগল এবং নিজেদের নাকের ডগার বাইরে কিছু দেখতে পায় না। প্রকৃতপক্ষে, সেসময় সংসদ সদস্যরা সংসদে একে অপরের দিকে পিস্তল দিয়ে গুলি ছুড়ছিলেন এবং সেই প্রক্রিয়ায় ক্রোট কৃষক দলের নেতা স্তেপান রাদিচ নিহত হন। দেশটি সার্ব রাজনৈতিক পুলিশের চেয়ে বরং এর ইতালীয়, হাঙ্গেরীয়, বুলগেরীয় এবং আলবেনীয় প্রতিবেশীদের ধিকিধিকি জ্বলা ঘৃণার দ্বারাই কোনোমতে একসাথে টিকে ছিল, কারণ তাদের সবারই মেটানোর মতো অনেক ক্ষোভ ছিল। ** পল জনসন, ''মডার্ন টাইমস: দ্য ওয়ার্ল্ড ফ্রম দ্য টুয়েন্টিজ টু দ্য নাইনটিজ'' (১৯৯১), আইএসবিএন ৯৭৮০০৬০১৬৮৩৩৯। * এই স্লাভিক জাতির মহান পরীক্ষাটি ছিল একটি মহৎ ধারণার ওপর ভিত্তি করে। এর প্রবক্তারা ভেবেছিলেন যে দক্ষিণ স্লাভরা, অর্থাৎ যাদের মধ্যে অনেক মিল রয়েছে, বিশেষ করে তাদের ভাষা; যারা অস্ট্রিয়ার সীমান্ত থেকে প্রায় ইস্তাম্বুলের (বর্তমান ইস্তাম্বুল) দ্বারপ্রান্ত পর্যন্ত এক বিশাল ভূখণ্ডে বসবাস করত, তাদের ঐক্যবদ্ধ হওয়া উচিত এবং একটি মহান শক্তিশালী দক্ষিণ স্লাভ রাষ্ট্র গঠন করা উচিত। ** টিম জুডাহ, [https://web.archive.org/web/20080407212552/http://www.bbc.co.uk/history/worldwars/wwone/yugoslavia_01.shtml "যুগোস্লাভিয়া: ১৯১৮ - ২০০৩"] (৪ ফেব্রুয়ারি ২০০৩), ''বিবিসি''। === ঙ === * ডিকিনের মতো পণ্ডিত থেকে সৈনিকে পরিণত হওয়া ব্যক্তিদের গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করা পার্টিজান সংগ্রামের এই 'বীরত্বপূর্ণ' দিকটি বইয়ের পাতায় বেশ ভালোই শোনায়। কিন্তু যুগোস্লাভিয়ার বিস্তীর্ণ অঞ্চলে একটি রাজনৈতিক-সামরিক অভিযান চালানোর বাস্তব পরিণতি এর জনগণের জন্য অবর্ণনীয় দুর্ভোগ ডেকে এনেছিল। তাদের ইতিহাস আগে থেকেই তিক্ত এবং সহিংস প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ভরপুর ছিল, যা যুদ্ধ পুনরায় জাগিয়ে তুলেছিল। উত্তরে ক্যাথলিক ক্রোট নেতারা ইতালীয় পৃষ্ঠপোষকতার সুযোগ নিয়ে অর্থোডক্স সার্বদের বিরুদ্ধে বহিষ্কার, জোরপূর্বক ধর্মান্তর এবং নির্মূলের অভিযান শুরু করেছিলেন। বসনিয়া-হার্জেগোভিনার মুসলিমরাও গৃহযুদ্ধে অংশ নিয়েছিল, অন্যদিকে দক্ষিণে কসোভোর সার্বরা তাদের আলবেনীয় প্রতিবেশীদের দ্বারা আক্রান্ত হয়েছিল। চেটনিকরা নিজেদের দিক থেকে পার্টিজানদের সাথে সার্ব ভূমিগুলোতে কর্তৃত্ব নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিল, যাদের সাথে তারা কোনো যৌথ কৌশলে একমত হতে ব্যর্থ হয়; তবে জার্মান দখলদারদের সাথে তারা প্রকাশ্য যুদ্ধ শুরু করেনি যাতে কোনো প্রতিশোধমূলক হামলার শিকার হতে না হয়। জোসিপ ব্রোজ টিটো প্রতিশোধের বিষয়ে নিজের মনকে কঠোর করেছিলেন; প্রকৃতপক্ষে তিনি অক্ষশক্তির নৃশংসতাকে নতুন লোক নিয়োগের একটি প্রেরণা হিসেবে দেখেছিলেন। তিনি উদ্দেশ্যমূলকভাবে সাতটি তথাকথিত 'আক্রমণ'-এর মাধ্যমে জার্মানদের তার পিছু নিতে প্ররোচিত করেছিলেন, যা পার্টিজানদের পদযাত্রার পথে থাকা গ্রামাঞ্চলগুলোকে এক বিরানভূমিতে পরিণত করেছিল। গ্রামবাসীদের হয় পার্টিজানদের অনুসরণ করে 'জঙ্গলে' (তুর্কিদের বিরোধিতাকারীদের আত্মগোপনস্থলের ঐতিহ্যবাহী বিবরণ) যেতে হতো অথবা সেখানে থেকে প্রতিশোধের অপেক্ষায় থাকতে হতো। টিটোর উপপ্রধান কারদেলি নিরপেক্ষদের এমন উভয়সঙ্কটে ফেলার প্রয়োজনীয়তার বিষয়ে জোর দিয়েছিলেন: 'কিছু কমান্ডার প্রতিশোধের ভয় পান এবং সেই ভয় গ্রামগুলোকে সংগঠিত করতে বাধা দেয়। আমি মনে করি এই প্রতিশোধের একটি কার্যকর ফলাফল হবে ক্রোট গ্রামগুলোকে সার্ব গ্রামগুলোর পক্ষে নিয়ে আসা। যুদ্ধে আমাদের পুরো গ্রাম ধ্বংসের ভয় পেলে চলবে না। সন্ত্রাসই সশস্ত্র পদক্ষেপ নিয়ে আসবে।' কারদেলির বিশ্লেষণটি সঠিক ছিল। ** জন কিগান, ''আ হিস্ট্রি অব ওয়ারফেয়ার'' (১৯৯৪), পৃষ্ঠা ৫২। === চ === [[File:Flag of Yugoslavia (1918–1941).svg|thumb|১৯১৯ সালে উদ্ভূত দক্ষিণ স্লাভদের রাষ্ট্রটি, যা সার্বিয়া এবং বিলুপ্ত অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরির দক্ষিণাংশ একত্রিত করে গড়ে তোলা হয়েছিল, তা ছিল আকস্মিক এবং তাড়াহুড়ো করে নেওয়া, এমনকি অনেক ক্ষেত্রে মরিয়া সব সিদ্ধান্তের ফল। (মার্গারেট ম্যাকমিলান)]] * ১৯১৯ সালে উদ্ভূত দক্ষিণ স্লাভদের রাষ্ট্রটি, যা সার্বিয়া এবং বিলুপ্ত অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরির দক্ষিণাংশ একত্রিত করে গড়ে তোলা হয়েছিল, তা ছিল আকস্মিক এবং তাড়াহুড়ো করে নেওয়া, এমনকি অনেক ক্ষেত্রে মরিয়া সব সিদ্ধান্তের ফল। এর প্রতিনিধি দল বা নতুন দেশটির নাম কী হওয়া উচিত, তা-ও স্পষ্ট ছিল না। সার্বিয়া এবং বিলুপ্ত অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরির দক্ষিণাংশ নিয়ে গঠিত এই দেশটি শেষ পর্যন্ত যুগোস্লাভিয়া নাম ধারণ করে। শান্তি সম্মেলন যুগোস্লাভিয়া তৈরি করেনি, যেমনটা অনেকেই পরে বিশ্বাস করেছিল; বরং প্রথম কূটনীতিকরা প্যারিসে পৌঁছানোর আগেই এটি তৈরি হয়ে গিয়েছিল। সত্তর বছর পর, শক্তিধর দেশগুলো একইভাবে এর পতন ঠেকাতেও অক্ষম হয়েছিল। ** মার্গারেট ম্যাকমিলান, ''প্যারিস ১৯১৯: সিক্স মান্থস দ্যাট চেঞ্জড দ্য ওয়ার্ল্ড'' (২০০১), পৃষ্ঠা ১১০। * যুগোস্লাভিয়া নিজেই ছিল ১৯১৮ সালের সাম্রাজ্যগুলোর পতনের ফলে সৃষ্ট এক ত্রুটিপূর্ণ রাষ্ট্র, যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পর্যন্ত সার্বিয়ান রাজতন্ত্র দ্বারা আধিপত্যশীল ছিল, অথচ এর মধ্যে মুসলিম বসনিয়ান এবং কসোভান আলবেনীয়, অর্থোডক্স মন্টিনিগ্রিন এবং সার্ব এবং ক্যাথলিক ক্রোটরা অন্তর্ভুক্ত ছিল। দুই বিশ্বযুদ্ধের নৃশংস জাতিগত গণহত্যার মধ্য দিয়ে দীর্ঘকাল ক্ষমতায় থাকা একনায়ক মার্শাল জোসিপ টিটো, যার পার্টিজানরা যুগোস্লাভিয়াকে নাৎসি দখলদারিত্ব থেকে মুক্ত করেছিল, তিনি তার নিজস্ব ক্যারিশম্যাটিক ব্যক্তিত্ব এবং তুলনামূলকভাবে কম পরিচিত সন্ত্রাস, গোপন পুলিশ ও কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্প ব্যবহার করে একটি শক্তিশালী শাসনব্যবস্থা তৈরি করেছিলেন। তারপরও টিটো বলকানের মারাত্মক জাতিগত বিরোধ নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হয়েছিলেন এবং তার জনগণকে প্রায় ৩০ বছরের শান্তি ও শৃঙ্খলা উপহার দিয়েছিলেন। কিন্তু ১৯৮০ সালে তার মৃত্যুর পর যে আবর্তিত প্রেসিডেন্সি ব্যবস্থা কার্যকর করা হয়, তা একটি উত্তপ্ত জাতিগত কড়াই রেখে যায়, যা নিয়ন্ত্রণ করার মতো কোনো শক্তিশালী হাত ছিল না। স্লোবোদান মিলোশেভিচ তার ব্যক্তিগত নির্দেশে সমন্বিত ও অর্থায়িত ডেথ স্কোয়াড, ভাড়াটে সৈন্য এবং সাইকোপ্যাথিক যুদ্ধবাজদের নিয়ে এই শূন্যতা পূরণ করেছিলেন। ** সাইমন সেবাগ মন্টেফিয়োর, ''মনস্টারস: হিস্ট্রিস মোস্ট ইভিল মেন অ্যান্ড উইমেন'' (২০০৯), পৃষ্ঠা ৩৬১। === ছ === * যুগোস্লাভিয়া ইরানের পাশাপাশি একমাত্র দেশ, যা অত্যন্ত কঠিন ও যন্ত্রণাদায়ক পরিস্থিতিতেও জোসেফ স্তালিনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিল। যুগোস্লাভিয়ার মতো একটি দেশে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীকে ঐক্যবদ্ধ করা বা দেশটিকে আধুনিকীকরণ করা মোটেও সহজ কাজ ছিল না, এবং এটি অবশ্যই স্বীকার করতে হবে যে মার্শাল টিটো অসাধারণ কিছু অর্জন করেছিলেন। ঈশ্বর করুন, তার উত্তরসূরিরাও যেন তার মতোই যোগ্য হয়। ** মোহাম্মদ রেজা পাহলভি, ''দ্য শাহস স্টোরি'' (১৯৮০), পৃষ্ঠা ১৪৬-১৪৭। === জ === * এটি অবিলম্বে লক্ষ করা উচিত যে যুগোস্লাভিয়ার দাপ্তরিক নামে "ফেডারেল" বা যুক্তরাষ্ট্রীয় বিশেষণটির ব্যবহার ছিল নিছক লোকদেখানো; ঠিক যেমন সোভিয়েত ব্লক এবং পশ্চিমা গণতন্ত্রের মধ্যে সংঘাতে দেশটির কথিত জোটনিরপেক্ষ ভূমিকাও ছিল একটি ভান। এক্ষেত্রে "ফেডারেলিজম" বা যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা বলতে "বিকেন্দ্রীকরণ" বোঝায়নি, বরং স্থানীয় কেন্দ্রীকরণগুলোর একটি ফেডারেশনকে বোঝানো হয়েছে। যুগোস্লাভিয়ার কাল্পনিক "তৃতীয় অবস্থান"-এর বিষয়ে বলতে গেলে, তারা সম্পূর্ণভাবে কমিউনিস্ট থাকার পাশাপাশি নিজেদের একটি ভিন্ন ধরনের সমাজতন্ত্র হিসেবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করেছিল, তবে তা মূলত একটি কৌশলগত প্রক্সি হিসেবে কাজ করে নিরপেক্ষ দেশগুলোকে গোপনে সোভিয়েত ব্লকের প্রভাব বলয়ে টেনে আনার জন্য ব্যবহৃত হয়েছিল। ** মার্কো রেসপিন্টি, [https://bitterwinter.org/the-world-is-risking-a-uyghur-srebrenica/ "দ্য ওয়ার্ল্ড ইজ রিস্কিং আ উইঘুর স্রেব্রেনিৎসা"], ''বিটার উইন্টার'' (১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫)। * এই নস্টালজিয়া বা অতীতকাতরতা আমাকে হতবাক করে। মানুষ বলে যে সেসময় খুব একটা খারাপ ছিল না, সমাজতন্ত্র অনেক বেশি মানবিক ছিল। কিন্তু সাবেক যুগোস্লাভিয়ায় সবাই সমতাবাদী ছিল তার একমাত্র কারণ হলো সবাই গরিব ছিল। যুগোস্লাভিয়া আসলে একটি স্বৈরশাসন ছিল। ** দিমিত্রিজ রুপেল, ড্যান বিলেফস্কি রচিত [https://www.nytimes.com/2008/01/27/world/europe/27iht-nostalgia.4.9533599.html?pagewanted=2&_r=0 "ইন এক্স-যুগোস্লাভিয়া, টিটো-এরা নস্টালজিয়া"] (২৭ জানুয়ারি ২০০৮), ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস'' থেকে উদ্ধৃত। === ঝ === * কমিউনিস্ট বিশ্বে বস্তুগত অবস্থার একটি শ্রেণিবিন্যাস ছিল। পশ্চিমাদের সাথে সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ বাণিজ্যিক সম্পর্কের কারণে যুগোস্লাভরা উপলব্ধ পণ্যের পরিসর এবং মানের দিক দিয়ে সবচেয়ে ভালো অবস্থানে ছিল। এরপর ছিল পূর্ব জার্মানরা এবং তার পরে হাঙ্গেরীয় ও পোলিশরা। সোভিয়েত ইউনিয়নের নাগরিকরা তাদের চেয়ে পিছিয়ে ছিল; এবং রাশিয়ান জাতীয় গর্বের জন্য আরও বেশি বিরক্তিকর ব্যাপার ছিল যে, সোভিয়েত ইউনিয়নে জর্জিয়ান এবং এস্তোনিয়ানরা রাশিয়ানদের চেয়ে উন্নত জীবনযাপন করত। রাশিয়ানদের জনপ্রিয় কল্পনায় একজন সাধারণ জর্জিয়ানের রূপ ছিল কালো চামড়ার এক 'প্রাচ্যদেশীয়' মানুষ, যে তার যৌথ খামার থেকে বড় বড় স্যুটকেসে করে কমলালেবু রাশিয়ান ফেডারেশনের বড় শহরগুলোতে পাচার করত। ফলমূল যে অভ্যন্তরীণ চোরাচালানের একটি আইটেম হতে পারে, তা সমাজতন্ত্রের চরম অর্থনৈতিক অদক্ষতার কথাই প্রমাণ করে। ** রবার্ট সার্ভিস, ''কমরেডস: আ হিস্ট্রি অব ওয়ার্ল্ড কমিউনিজম'' (২০০৯)। * তবে সার্ব, ক্রোট বা বসনিয়ানরা অপরাধী নয়। যুগোস্লাভিয়ায় সমস্যাগুলো ঠিক একই কারণে শুরু হয়েছিল যা সোভিয়েত ইউনিয়নেও হয়েছিল। কমিউনিস্টরা (তাদের টিটো ছিল, আমাদের ছিল লেনিন ও স্তালিন) যথেচ্ছভাবে, জাতিগত দিক থেকে অযৌক্তিক এবং ঐতিহাসিকভাবে সমর্থনযোগ্য নয় এমন সব অভ্যন্তরীণ প্রশাসনিক সীমানা নির্ধারণ করেছিল এবং বছরের পর বছর ধরে অধিবাসীদের এক অঞ্চল থেকে অন্য অঞ্চলে স্থানান্তরিত করেছিল। এবং যখন মাত্র কয়েকদিনের ব্যবধানে যুগোস্লাভিয়া ভাঙতে শুরু করে, তখন পশ্চিমা দেশগুলোর নেতৃস্থানীয় শক্তিরা অবর্ণনীয় তাড়াহুড়ো এবং দায়িত্বহীনতার সাথে এই রাষ্ট্রগুলোকে তাদের কৃত্রিম সীমানার মধ্যেই স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য ছুটে যায়। তাই, আজ সাবেকি যুগোস্লাভিয়ার দুর্ভাগা জনগণকে যে ক্লান্তিকর ও রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ ধ্বংস করে দিচ্ছে, তার জন্য টিটোর পাশাপাশি পশ্চিমা শক্তিগুলোর নেতাদেরও দায়ভার নিতে হবে। এখন, তারা যে সমস্যাটি সৃষ্টিতে সহায়তা করেছিল তা কোনোভাবে সংশোধনের চেষ্টা করতে গিয়ে, তারা মূলত পবিত্র জোটের জন্য মেটারনিখের সেই সুপরিচিত নীতিবাক্যটিরই পুনরাবৃত্তি করছে: "অন্যকে সুস্থ করার স্বার্থে হস্তক্ষেপ।" আজকের স্লোগান হলো "মানবতাবাদের স্বার্থে হস্তক্ষেপ।" এটি একটি পরিহাসমূলক মিল! তবে হস্তক্ষেপ অত্যন্ত বিপজ্জনক একটি বিষয়। বড় শক্তিগুলোর পক্ষে বিশ্বকে নিয়ন্ত্রণ করা এত সহজ নয়। ** [[w:bn:আলেকসান্দ্র্‌ সোলঝেনিৎসিন|আলেকজান্ডার সোলঝেনিৎসিন]], পল ক্লেবনিকভ কর্তৃক গৃহীত [https://www.forbes.com/2008/08/05/solzhenitsyn-forbes-interview-oped-cx_pm_0804russia.html?sh=510b79d25f53 নতুন রাশিয়া এবং ইউক্রেন নিয়ে আলেকজান্ডার সোলঝেনিৎসিনের সাক্ষাৎকার (মে ১৯৯৪)], ''ফোর্বস'' ম্যাগাজিনে (৯ মে ১৯৯৪) প্রকাশিত। * কারণ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সুবাদে রুশরা খুব সহজেই তিনটি বাল্টিক রাষ্ট্র দখল করে নেয়, ফিনল্যান্ডের একটি অংশ, রুমানিয়ার একটি অংশ, পোল্যান্ডের একটি অংশ এবং জার্মানির একটি অংশ কেড়ে নেয় এবং অভ্যন্তরীণ ধ্বংসযজ্ঞ ও বাহ্যিক চাপের এক সুচিন্তিত নীতির বদৌলতে ওয়ারশ, প্রাগ, বুদাপেস্ট, সোফিয়া, বুখারেস্ট, তিরানা এবং পূর্ব বার্লিনে যথাযথভাবেই 'উপগ্রহ রাষ্ট্র' হিসেবে পরিচিত সরকার প্রতিষ্ঠা করে। এর মধ্যে আমি বেলগ্রেডকে বাদ দিচ্ছি, কারণ মার্শাল টিটোর সাহস ও প্রবল ইচ্ছাশক্তির কারণে সেখানকার শাসনব্যবস্থা ছিল অনন্য। ** পল-অঁরি স্পাক, "[https://www.nato.int/cps/en/natohq/opinions_17588.htm?selectedLocale=en দ্য আটলান্টিক অ্যালায়েন্স অ্যান্ড ইটস ফিউচার]," ১৪ সেপ্টেম্বর ১৯৫৭। === ঞ === * গণপ্রজাতন্ত্রের অন্য কোনো দেশে এই দেশের মতো এতগুলো জাতিসত্তা নেই... আমরা যে জাতীয়তার প্রশ্নটির এত পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে সমাধান করতে পেরেছি, তার কারণ হলো স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় এই সমস্যার সমাধান একটি বৈপ্লবিক উপায়ে শুরু হয়েছিল। এই যুদ্ধে দেশের সকল জাতিগোষ্ঠী অংশগ্রহণ করেছিল, যেখানে প্রতিটি জাতীয় গোষ্ঠী তাদের সক্ষমতা অনুযায়ী দখলদারদের হাত থেকে মুক্তির সাধারণ প্রচেষ্টায় অবদান রেখেছিল। ম্যাসেডোনিয়ান বা অন্য কোনো জাতীয় গোষ্ঠী, যারা সেসময় পর্যন্ত নিপীড়িত ছিল, তারা কোনো সরকারি ডিক্রি জারির মাধ্যমে তাদের জাতীয় মুক্তি লাভ করেনি। তারা হাতে রাইফেল নিয়ে তাদের জাতীয় মুক্তির জন্য লড়াই করেছিল। কমিউনিস্ট পার্টির ভূমিকা প্রথমত এই সত্যের মধ্যেই নিহিত যে তারা এই সংগ্রামের নেতৃত্ব দিয়েছিল, যা একটি গ্যারান্টি ছিল যে যুদ্ধের পরে জাতীয় প্রশ্নটির সমাধান চূড়ান্তভাবে সেভাবেই হবে যা কমিউনিস্টরা যুদ্ধের অনেক আগে এবং যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে পরিকল্পনা করেছিল। সমাজতন্ত্র গড়ে তোলার বর্তমান পর্যায়ে কমিউনিস্ট পার্টির ভূমিকা হলো ইতিবাচক জাতীয় কারণগুলোকে আমাদের দেশে সমাজতন্ত্রের বিকাশের ক্ষেত্রে একটি উদ্দীপক হিসেবে তৈরি করা, কোনো বাধা হিসেবে নয়। আজকে কমিউনিস্ট পার্টির ভূমিকা এই প্রয়োজনীয়তার মধ্যেই নিহিত যে, কোনো জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে যেন জাতীয় উগ্রপন্থী মনোভাবের উত্থান বা বিকাশ না ঘটে, সেদিকে কড়া নজর রাখা। জাতীয়তাবাদের সমস্ত নেতিবাচক দিকগুলো যেন বিলুপ্ত হয় এবং জনগণকে যেন আন্তর্জাতিকতাবাদের চেতনায় শিক্ষিত করা হয়, তা নিশ্চিত করতে কমিউনিস্ট পার্টিকে সর্বদা সচেষ্ট হতে হবে এবং তারা তা করছেও। ** জোসিপ ব্রোজ টিটো, ''[http://www.marxists.org/archive/tito/1948/11/26.htm কনসার্নিং দ্য ন্যাশনাল কোয়েশ্চেন অ্যান্ড সোশ্যাল প্যাট্রিয়োটিজম]'' থেকে উদ্ধৃত, ২৬ নভেম্বর ১৯৪৮ সালে লুব্লিয়ানায় স্লোভেন একাডেমি অব আর্টস অ্যান্ড সায়েন্স-এ প্রদত্ত ভাষণ। * আমরা সবাই একসাথে না থাকলে আমাদের কোনো প্রজাতন্ত্রেরই কোনো মূল্য থাকত না, তবে আমাদের নিজেদের ইতিহাস তৈরি করতে হবে; অর্থাৎ আমাদের যুগোস্লাভ সমাজতান্ত্রিক ইতিহাস, যা ভবিষ্যতে অনন্য হবে এবং সেটিই আমাদের পথ। কিছু কিছু প্রজাতন্ত্রের নিজেদের ঐতিহ্য সংরক্ষণের জাতীয় অধিকার ক্ষুণ্ণ করে নয়, এবং তা সামগ্রিক সম্প্রদায়ের স্বার্থের বিনিময়েও নয়, বরং একে অপরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করতে হবে। এটিই আমরা চাই, আমাদের ঐক্যের বিনাশ নয়। ** জোসিপ ব্রোজ টিটো, [https://www.youtube.com/watch?v=H7s7ldiX6lc ১৯৬২ সালে স্প্লিট-এ টিটোর ভাষণ] থেকে উদ্ধৃত। * যুগোস্লাভিয়ার জনগণ ফ্যাসিবাদ চায় না। তারা কোনো সর্বগ্রাসী শাসন চায় না, তারা জার্মান এবং ইতালীয় আর্থিক অলিগার্কি বা অভিজাতদের দাস হতে চায় না, ঠিক যেমন তারা প্রথম সাম্রাজ্যবাদী যুদ্ধের পরে তথাকথিত পশ্চিমা গণতন্ত্রগুলোর দ্বারা চাপিয়ে দেওয়া আধা-ঔপনিবেশিক পরাধীনতার সাথে কখনোই আপস করতে চায়নি। ** জোসিপ ব্রোজ টিটো, জ্যাসপার রিডলি রচিত ''টিটো: আ বায়োগ্রাফি'' (কনস্টেবল অ্যান্ড কোম্পানি লিমিটেড, ১৯৯৪), পৃষ্ঠা ১৫৫ থেকে উদ্ধৃত। * প্রিয় ভাই ও বোনেরা, এই বিষয়ে ভালোভাবে চিন্তা করুন, তাহলে আপনারা দেখতে পাবেন যে আমাদের এক ভয়ানক বিশৃঙ্খলা এবং ভ্রাতৃঘাতী যুদ্ধের মধ্যে থাকতে হতো, এমন এক দেশে যা আর যুগোস্লাভিয়া থাকত না, বরং শুধুমাত্র ছোট ছোট রাজ্যের একটি গোষ্ঠী হিসেবে একে অপরের সাথে লড়াই করে নিজেদের ধ্বংস করত। কিন্তু আমাদের জনগণ তা ঘটতে দিতে চায় না। ** জোসিপ ব্রোজ টিটো, জ্যাসপার রিডলি রচিত ''টিটো: আ বায়োগ্রাফি'' (কনস্টেবল অ্যান্ড কোম্পানি লিমিটেড, ১৯৯৪), পৃষ্ঠা ২৬৩ থেকে উদ্ধৃত। === ট === * অন্যান্য পূর্ব ইউরোপীয় দেশগুলোর তুলনায়, ১৯৬০ এবং ১৯৭০-এর দশকে যুগোস্লাভিয়াকে সমৃদ্ধির একটি মডেল বলে মনে হতো। ১৯৭০-এর দশকে এবং ১৯৮০-এর দশকের একেবারে শুরুর দিকে কোনো দর্শনার্থী এসে দেখলে এখানকার দোকান ও বাজারগুলোতে প্রচুর জিনিসপত্র এবং বিভিন্ন পর্যায়ে নির্মাণাধীন অসংখ্য বাড়ি দেখতে পেতেন। এই বাড়িগুলোর মালিকরা জার্মানিতে কাজ করে যে অর্থ উপার্জন করেছিলেন, তা দিয়ে সাপ্তাহিক ছুটির দিন এবং অবকাশ যাপনের সময়ে নিজেরাই শ্রম দিয়ে এই বাড়িগুলো তৈরি করতেন। কিন্তু ১৯৭০-এর দশকের তেলের মূল্যবৃদ্ধির ধাক্কা মারাত্মক মুদ্রাস্ফীতির দিকে পরিচালিত করে। ঋণের পরিমাণ বাড়তে থাকে যা অর্থনীতির ওপর বিশাল বোঝা হয়ে দাঁড়ায়, পাশাপাশি বেকারত্ব দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছে যায়। কসোভোর মতো কিছু অঞ্চলে ১৯৮০-এর দশকের শুরুতেই কর্মশক্তির প্রায় এক-চতুর্থাংশ বেকার হয়ে পড়েছিল, যার অন্যতম কারণ ছিল পশ্চিম জার্মানি। দীর্ঘদিন ধরে যুগোস্লাভিয়ার উদ্বৃত্ত শ্রমিকদের একটি প্রধান গন্তব্য হলেও সেসময় তারা বিদেশি শ্রমিকদের সীমিত করতে এবং এমনকি দেশে ফেরত পাঠাতে শুরু করেছিল। ** এরিক ডি. ওয়েইটজ, ''আ সেঞ্চুরি অব জেনোসাইড'' (২০১৮), পৃষ্ঠা ২০৮। * ১৯৫০ এবং ১৯৬০-এর দশকে অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রাথমিক পর্যায়ে এন্টারপ্রাইজ বা উদ্যোগ স্তরে সম্মিলিত কেন্দ্রীয় পরিকল্পনা এবং স্ব-ব্যবস্থাপনার যুগোস্লাভ ব্যবস্থাটি বেশ ভালোই কাজ করেছিল, কিন্তু ১৯৮০-এর দশকের তীব্র প্রতিযোগিতামূলক আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিতে তা আর কাজ করেনি। ইউরোপের অন্যান্য সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রগুলোর মতো, বাস্তব জীবনযাত্রার মান স্থবির হতে শুরু করে এবং তারপর কমতে থাকে। কিছু হিসাব অনুযায়ী, ১৯৭৯ থেকে ১৯৮৫ সালের মধ্যে প্রকৃত ব্যক্তিগত আয় এক-চতুর্থাংশ এবং ১৯৭৯ থেকে ১৯৮৮ সাল পর্যন্ত দশকে এক-তৃতীয়াংশ হ্রাস পেয়েছে। যুগোস্লাভ শাসনব্যবস্থা যেহেতু জনগণের জন্য উচ্চতর জীবনযাত্রার মান প্রদানের ওপর নিজেদের বৈধতা প্রতিষ্ঠা করেছিল, তাই এই স্থবিরতা এবং পতন প্রায় তাৎক্ষণিকভাবে রাজনৈতিক পরিণতি ডেকে এনেছিল। ** এরিক ডি. ওয়েইটজ, ''আ সেঞ্চুরি অব জেনোসাইড'' (২০১৮), পৃষ্ঠা ২০৮। * সংক্ষেপে বলতে গেলে, কমিউনিস্ট যুগোস্লাভিয়ার প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো নির্দিষ্ট জাতীয় পরিচয়গুলোকে টিকিয়ে রেখেছিল এবং সেগুলোর বিকাশ ঘটিয়েছিল। সোভিয়েত ইউনিয়নে, যেমনটা আমরা দেখেছি, ইউনিয়নের গঠনমূলক উপাদান হিসেবে জাতিসত্তাগুলোর স্বীকৃতি এমন একটি নীতির দিকে পরিচালিত করেছিল যা জাতীয় বিকাশকে উৎসাহিত করার পাশাপাশি কিছু গোষ্ঠীকে শত্রু জাতি হিসেবে বিবেচনা করত এবং তাদের সম্পূর্ণভাবে অপসারণের চেষ্টা করত। যুগোস্লাভিয়ায় একই ধরনের ব্যবস্থা আরও বেশি চরম পরিণতির দিকে নিয়ে যায়। যেমনটি একজন পণ্ডিত লিখেছেন যে, জাতীয় প্রজাতন্ত্রগুলোর ওপর ভিত্তি করে গঠিত যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর ফলে "প্রতিটি প্রশ্ন অনিবার্যভাবেই 'জাতীয়করণ' হয়ে যেত।" বেশ কয়েক বছর ধরে যুগোস্লাভিয়া কোনোমতে টিকে থাকতে পেরেছিল। কিন্তু ১৯৮০-এর দশকের শেষ দিকে অর্থনৈতিক পতন, রাজনৈতিক অচলাবস্থা এবং দ্রুত পরিবর্তনশীল আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি দেশটির অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতিকে এক চূড়ান্ত সংকটের দিকে নিয়ে যায়। যখন কেন্দ্রীয় সরকার জীবনযাত্রার মান নিশ্চিতকারী এবং জনগণের রক্ষক হিসেবে তার ভূমিকা পালন করতে ব্যর্থ হয়, তখন এই ব্যবস্থাটি তার গঠনমূলক উপাদানগুলোর দিকে স্থানান্তরিত হয়। এই উপাদানগুলো ছিল ছয়টি প্রজাতন্ত্র এবং দুটি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল এবং এর সাথে জেএনএ-কে প্রায়শই "নবম ফেডারেল ইউনিট" হিসেবে উল্লেখ করা হতো। এদের প্রত্যেকেই তখন নিজেদের দাবি উত্থাপন করতে শুরু করে। যুগোস্লাভিয়ায় এই বিভাজন এতটা বিপজ্জনক হয়ে উঠেছিল কারণ পূর্ব ইউরোপের অন্যান্য কমিউনিস্ট সমাজগুলোর বিপরীতে সেখানে এমন কোনো কার্যকর এবং গণতান্ত্রিক চেতনার সুশীল সমাজ গড়ে ওঠেনি যা কোনো নির্দিষ্ট জাতিসত্তার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে পুরো দেশে বিস্তৃত হতে পারত। শুধুমাত্র বসনিয়ায় মুসলিম নেতৃত্ব কিছু ক্রোট এবং সার্ব মিত্রদের সাথে নিয়ে প্রজাতন্ত্রটির বহুজাতিক চরিত্র এবং "প্রকৃত" যুগোস্লাভিয়া হিসেবে এর মর্যাদাকে টিকিয়ে রাখার মরিয়া চেষ্টা করেছিল। ** এরিক ডি. ওয়েইটজ, ''আ সেঞ্চুরি অব জেনোসাইড'' (২০১৮), পৃষ্ঠা ২০৮। == আরও দেখুন == * [[কসোভো]] * [[আলবেনিয়া]] qiwe5jmtyhabw6w4evmumyzj8gyhmtg 80009 80008 2026-04-23T11:44:38Z Anaf Ibn Shahibul 4193 /* আরও দেখুন */ 80009 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} [[File:Flag of Yugoslavia.svg|thumb|এই স্লাভিক জাতির মহান পরীক্ষাটি ছিল একটি মহৎ ধারণার ওপর ভিত্তি করে। এর প্রবক্তারা ভেবেছিলেন যে দক্ষিণ স্লাভরা, অর্থাৎ যাদের মধ্যে অনেক মিল রয়েছে, বিশেষ করে তাদের ভাষা; যারা অস্ট্রিয়ার সীমান্ত থেকে প্রায় কনস্টান্টিনোপল (বর্তমান ইস্তাম্বুল) এর দ্বারপ্রান্ত পর্যন্ত এক বিশাল ভূখণ্ডে বসবাস করত, তাদের ঐক্যবদ্ধ হওয়া উচিত এবং একটি মহান শক্তিশালী দক্ষিণ স্লাভ রাষ্ট্র গঠন করা উচিত। (টিম জুডাহ)]] '''[[w:bn:যুগোস্লাভিয়া|যুগোস্লাভিয়া]]''' ছিল দক্ষিণ-পূর্ব এবং মধ্য ইউরোপের একটি দেশ যা ১৯১৮ থেকে ১৯৯২ সাল পর্যন্ত বিদ্যমান ছিল। ১৯১৮ সালে [[প্রথম বিশ্বযুদ্ধ]] পরবর্তীকালে ''[[w:bn:সার্ব, ক্রোট এবং স্লোভেন রাজ্য|সার্ব, ক্রোট এবং স্লোভেন রাজ্য]]'' নামে এটি অস্তিত্ব লাভ করে। এটি সার্বিয়া রাজ্যের সাথে স্লোভেন, ক্রোট এবং সার্বদের অস্থায়ী রাষ্ট্রের (যা প্রাক্তন অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি সাম্রাজ্যের ভূখণ্ড নিয়ে গঠিত হয়েছিল) একীভূতকরণের মাধ্যমে তৈরি হয়েছিল। এটি ছিল দক্ষিণ স্লাভিক জনগণের প্রথম ইউনিয়ন যা একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে গঠিত হয়েছিল, যার আগে এই অঞ্চলটি কয়েক শতাব্দী ধরে অটোমান সাম্রাজ্য এবং অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরির মতো বিদেশি শাসনের অধীনে ছিল। [[w:bn:সার্বিয়ার প্রথম পিটার|সার্বিয়ার প্রথম পিটার]] ছিলেন এর প্রথম সার্বভৌম শাসক। ১৯২২ সালের ১৩ জুলাই প্যারিসে অনুষ্ঠিত 'অ্যাম্বাসেডর কনফারেন্সে' এই রাজ্যটি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভ করে। ১৯২৯ সালের ৩ অক্টোবর রাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক নাম পরিবর্তন করে ''[[w:bn:যুগোস্লাভিয়া রাজ্য|যুগোস্লাভিয়া রাজ্য]]'' রাখা হয়। ১৯৮০-এর দশকে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সংকট এবং জাতীয়তাবাদ ও জাতিগত উত্তেজনা বৃদ্ধির পর যুগোস্লাভিয়া তার প্রজাতন্ত্রগুলোর সীমান্ত অনুযায়ী ভেঙে যায়। শুরুতে এটি পাঁচটি দেশে বিভক্ত হয়, যা পরবর্তীতে যুগোস্লাভ যুদ্ধের দিকে পরিচালিত করে। ১৯৯৩ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত সাবেক যুগোস্লাভিয়ার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সেই যুদ্ধগুলোর সময় সংঘটিত যুদ্ধাপরাধ, গণহত্যা এবং অন্যান্য অপরাধের জন্য সাবেক যুগোস্লাভিয়ার রাজনৈতিক ও সামরিক নেতাদের বিচার করে। বিভক্তির পর মন্টিনিগ্রো এবং সার্বিয়া প্রজাতন্ত্র মিলে একটি ক্ষুদ্রতর ফেডারেল রাষ্ট্র গঠন করে, যা [[w:bn:যুগোস্লাভিয়া ফেডারেল প্রজাতন্ত্র|যুগোস্লাভিয়া ফেডারেল প্রজাতন্ত্র]] (এফআরওয়াই) নামে পরিচিত ছিল। ২০০৩ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত এটি [[w:bn:সার্বিয়া ও মন্টিনিগ্রো|সার্বিয়া ও মন্টিনিগ্রো]] নামে পরিচিত ছিল। এই রাষ্ট্রটি সাবেক এসএফআরওয়াই-এর একমাত্র আইনি উত্তরসূরি হওয়ার দাবি করেছিল, কিন্তু অন্যান্য সাবেক প্রজাতন্ত্রগুলো সেই দাবির বিরোধিতা করে। শেষ পর্যন্ত এটি 'বাদিন্টার সালিশি কমিটি'র যৌথ উত্তরসূরি হওয়ার সিদ্ধান্ত মেনে নেয় এবং ২০০৩ সালে এর দাপ্তরিক নাম পরিবর্তন করে 'সার্বিয়া ও মন্টিনিগ্রো' রাখা হয়। ২০০৬ সালে মন্টিনিগ্রো এবং সার্বিয়া প্রতিটি স্বাধীন রাষ্ট্রে পরিণত হওয়ার মাধ্যমে এই রাষ্ট্রের বিলুপ্তি ঘটে। ২০০৮ সালে কসোভোর স্বাধীনতার ঘোষণার পর থেকে এর রাজনৈতিক অবস্থা নিয়ে বর্তমানেও বিরোধ চলছে। __NOTOC__ {{TOCalpha}} == উক্তি == === অ === * নিকোলা ছিলেন যুদ্ধংদেহী<br>সব সময় তিনি একটি [[খঞ্জর]] ও ভ্রুকুটি ধারণ করতেন,<br>গোটা [[বিশ্ব|বিশ্বেও]] পর্যাপ্ত হিমায়ক ছিল না<br>যা তার মেজাজকে শান্ত করতে পারে। ** সি.বি. অ্যান্ডারসন রচিত "দ্য লাস্ট যুগোস্লাভ", [https://www.classicalpoets.org/2025/09/the-limits-of-hospitality-and-other-poetry-by-c-b-anderson/ "‘দ্য লিমিটস অব হসপিটালিটি’ অ্যান্ড আদার পোয়েট্রি বাই সি.বি. অ্যান্ডারসন"], দ্য সোসাইটি অব ক্লাসিক্যাল পোয়েটস (২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫)। === আ === * সার্ব নিয়ন্ত্রিত যুগোস্লাভিয়া যে যুদ্ধের অন্যতম বিজয়ী রাষ্ট্র হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিল, তা পরোক্ষভাবে ২৮ জুন ট্রিগার চাপা লোকটির কাজকে ন্যায্যতা দিয়েছিল বলে মনে হয়। নিশ্চিতভাবেই এটি যুগোস্লাভ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিভঙ্গি ছিল, যারা ব্রোঞ্জ পদচিহ্ন এবং একটি ফলক দিয়ে তার গুলি করার স্থানটি চিহ্নিত করেছিল, যেখানে গুপ্তঘাতকের 'যুগোস্লাভ স্বাধীনতার পথে প্রথম পদক্ষেপ' উদযাপন করা হয়েছিল। এমন একটি যুগে যখন জাতীয় ধারণার যথেষ্ট সম্ভাবনা ছিল, তখন দক্ষিণ স্লাভ জাতীয়তাবাদের প্রতি মানুষের একটি স্বজ্ঞাত সহানুভূতি ছিল এবং হাবসবার্গ সাম্রাজ্যের ভারী বহুজাতিক কমনওয়েলথের প্রতি খুব কমই স্নেহ ছিল। ১৯৯০-এর দশকের যুগোস্লাভ যুদ্ধগুলো আমাদের বলকান জাতীয়তাবাদের প্রাণঘাতী রূপের কথা মনে করিয়ে দেয়। স্রেব্রেনিৎসা এবং সারায়েভো অবরোধের পর থেকে, সার্বিয়াকে নিছক পরাশক্তির রাজনীতির বস্তু বা শিকার হিসেবে ভাবা কঠিন হয়ে পড়েছে এবং সার্বিয়ান জাতীয়তাবাদকে নিজস্ব অধিকারে একটি ঐতিহাসিক শক্তি হিসেবে ধারণা করা সহজ হয়েছে। আজকের ইউরোপীয় ইউনিয়নের দৃষ্টিকোণ থেকে আমরা অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরির সেই বিলুপ্ত সাম্রাজ্যিক কাঠামোর দিকে আগের চেয়ে আরও বেশি সহানুভূতিশীল হয়ে বা অন্তত কম অবজ্ঞার সাথে তাকাতে আগ্রহী। ** [[w:bn:ক্রিস্টোফার ক্লার্ক|ক্রিস্টোফার ক্লার্ক]], ''স্লিপওয়াকার্স: হাউ ইউরোপ ওয়েন্ট টু ওয়ার ইন ১৯১৪'' (২০১২), পৃষ্ঠা xxvi। * যদিও তারা অন্ধভাবে স্তালিনকে অনুকরণ করেছিল এবং মস্কো দাবি করার আগেই সমাজতন্ত্র গড়ে তুলেছিল, যুগোস্লাভিয়ার কমিউনিস্টরাই ১৯৪৮ সালে প্রথম সোভিয়েত ইউনিয়নের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করে। তারা এমনটি করেছিল কারণ স্তালিন তাদের জাতীয় স্বার্থকে তার দেশের স্বার্থের কাছে সম্পূর্ণভাবে অধীন করার দাবি করেছিলেন। একটি প্রকাশ্য বক্তৃতায় জোসিপ ব্রোজ টিটো একজন মার্ক্সবাদী-লেনিনবাদী হিসেবে তার আকস্মিক মতাদর্শিক পরিবর্তনের বিষয়ে বলেছিলেন: কেউ সমাজতন্ত্রের মাতৃভূমিকে ভালোবাসতে পারে, তবে এর মানে এই নয় যে সে নিজের দেশকে কম ভালোবাসবে। এর দ্বারা তিনি ক্রোয়েশিয়া বা সার্বিয়া, স্লোভেনিয়া বা মন্টিনিগ্রোকে বোঝাননি; বরং কমিউনিস্ট যুগোস্লাভিয়া ছিল ল্যুদেভিত গাজের পুরোনো কর্মসূচি পুনরুজ্জীবিত করার দ্বিতীয় প্রচেষ্টা, যা এবার যুগোস্লাভিয়ার সকল মানুষের জাতীয় মুক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিল। যুদ্ধের সময় টিটোর পক্ষপাতদুষ্ট আন্দোলন ভ্রাতৃত্ব ও ঐক্যের নামে সার্ব, ইহুদি এবং অন্যদের ফ্যাসিস্ট গণহত্যার হাত থেকে রক্ষা করে একটি ক্ষুদ্র হাবসবার্গ সাম্রাজ্য হিসেবে শুরু হয়েছিল এবং এই সূত্রটি ১৯৮০ সালে টিটোর মৃত্যু পর্যন্ত সফল হয়েছিল। যদি এটি হাবসবার্গ সাম্রাজ্যের নতুন সংস্করণ ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ) যোগ দিত, তবে যুগোস্লাভিয়া হয়তো টিকে থাকতে পারত। কিন্তু ইইউ পূর্ব দিকে সম্প্রসারিত হওয়ার আগেই ১৯৯১ সালে ক্রোয়েশিয়ায় যুদ্ধ শুরু হয়। বর্তমানে পূর্ব ইউরোপের নেতারা এই দাবি করে রাজনৈতিক ফায়দা লোটেন যে, ইইউ জাতীয় অবকাঠামো, শিক্ষা এবং কৃষিতে উদারভাবে অর্থায়ন করা সত্ত্বেও কোনো না কোনোভাবে তাদের দেশের অস্তিত্বের জন্য হুমকি। ২০১৮ সালের জুন মাসে হাঙ্গেরির প্রেসিডেন্ট ভিক্টর অরবান বলেছিলেন যে স্লোভেনিয়ায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন বিরোধী প্রার্থীর নির্বাচনের ওপর "স্লোভেনীয় জাতির বেঁচে থাকা" নির্ভর করছে। ** জন কনেলি, ''ফ্রম পিপলস ইনটু নেশনস: আ হিস্ট্রি অব ইস্টার্ন ইউরোপ'' (২০২০), পৃষ্ঠা ১৯। === ক === * যুগোস্লাভিয়া শুরুতে 'সার্ব, ক্রোট এবং স্লোভেন রাজ্য' নামে পরিচিত ছিল, যে নামে দেশটির সতেরো বা ততোধিক জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে মাত্র তিনটির নাম উল্লেখ ছিল; এটি ছিল মূলত আরেকটি জগাখিচুড়ি রাষ্ট্র। সার্বরা একটি দক্ষিণ স্লাভ রাজ্যের স্বপ্ন দেখেছিল যেখানে তারা আধিপত্য বিস্তার করবে। সেই বিষয়টি নিশ্চিত করতেই যেন ১৯২১ সালের ২৮ জুন নতুন রাষ্ট্রের সংবিধান জারি করা হয়েছিল, যা ছিল কসোভোর যুদ্ধ এবং আর্চডিউক ফ্রান্সিস ফার্ডিনান্ডের হত্যাকাণ্ডের বার্ষিকী। বাস্তবে যুগোস্লাভিয়া শুধু ক্রোট, সার্ব এবং স্লোভেনদের নিয়েই গঠিত কোনো অস্বস্তিকর সংমিশ্রণ ছিল না, বরং এতে আলবেনীয়, বসনিয়ান মুসলিম, মন্টিনিগ্রিন, ম্যাসেডোনিয়ান এবং তুর্কিরাও ছিল। এর পাশাপাশি চেক, জার্মান, জিপসি, হাঙ্গেরীয়, ইতালীয়, ইহুদি, রোমানিয়ান, রুশ, স্লোভাক এবং ইউক্রেনীয়দের কথা তো বলাই বাহুল্য। ** [[w:bn:নিয়াল ফার্গুসন|নিল ফার্গুসন]], ''দ্য ওয়ার অব দ্য ওয়ার্ল্ড: টুয়েন্টিয়েথ-সেঞ্চুরি কনফ্লিক্ট অ্যান্ড দ্য ডিসেন্ট অব দ্য ওয়েস্ট'' (২০০৬), পৃষ্ঠা ১৬৭। * দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় বলকানেও জাতিগত, ধর্মীয় এবং মতাদর্শিক দিক থেকে একাধিক গৃহযুদ্ধ হয়েছিল। ১৯৪১ সালের এপ্রিলে জার্মান আগ্রাসনের প্রেক্ষিতে যুগোস্লাভিয়া ভেঙে পড়েছিল। সুযোগ বুঝে ক্রোয়েশিয়ার নেতা আন্তে পাভেলিচ হিটলারের পক্ষ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। পরবর্তী বিশৃঙ্খলায় তার উস্তাসারা ক্রোয়েশিয়া এবং বসনিয়া-হার্জেগোভিনায় তাদের সার্বিয়ান প্রতিবেশীদের বিরুদ্ধে জাতিগত নিধনের এক নৃশংস অভিযান চালায় এবং তাদের শত শত হাজার মানুষকে নির্যাতন ও হত্যা করে। গোটা গ্রামের পর গ্রাম মানুষকে তাদের গির্জায় বন্দি করে পুড়িয়ে মারা হয় অথবা জাসেনোভাকের মতো কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পে হত্যার জন্য পাঠানো হয়। সার্বিয়ান চেটনিক এবং পার্টিজানরাও এই অপরাধগুলোর সমতুল্য প্রতিশোধ নিয়েছিল। যুদ্ধের সময় যুগোস্লাভিয়ায় যে প্রায় দশ লাখ মানুষ মারা গিয়েছিল, তাদের বেশিরভাগকেই অন্য যুগোস্লাভরা হত্যা করেছিল। এর মধ্যে বসনিয়ার ১৪ হাজার ইহুদির প্রায় সবাই অন্তর্ভুক্ত ছিল। গ্রিসে জার্মান দখলদারিত্ব ছিল তিক্ত সংঘাতের ইঙ্গিত। সেখানে যুগোস্লাভিয়ার মতোই একটি ত্রিমুখী যুদ্ধ শুরু হয়েছিল যা কেবল বিদেশি আক্রমণকারী এবং জাতীয়তাবাদীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং তা জাতীয়তাবাদী এবং স্থানীয় কমিউনিস্টদের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়েছিল। ** [[w:bn:নিয়াল ফার্গুসন|নিল ফার্গুসন]], ''দ্য ওয়ার অব দ্য ওয়ার্ল্ড: টুয়েন্টিয়েথ-সেঞ্চুরি কনফ্লিক্ট অ্যান্ড দ্য ডিসেন্ট অব দ্য ওয়েস্ট'' (২০০৬), পৃষ্ঠা ৪৫৬-৪৫৭। === খ === * "জোটনিরপেক্ষতা" তৃতীয় বিশ্বের রাষ্ট্রগুলোর নেতাদের জন্য এমন একটি উপায় প্রদান করেছিল যেখানে তারা পুরোপুরি ঝুঁকে না পড়েও ভারসাম্য বজায় রাখতে পারত। এর মূল ধারণাটি ছিল স্নায়ুযুদ্ধে কোনো পক্ষের সাথেই যুক্ত না হওয়া, তবে প্রয়োজনে যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা উন্মুক্ত রাখা। এভাবে কোনো একটি পরাশক্তির চাপ খুব বেশি বেড়ে গেলে, একটি ছোট শক্তি অন্য পরাশক্তির সাথে জোটবদ্ধ হওয়ার হুমকি দিয়ে নিজেকে রক্ষা করতে পারত। যুগোস্লাভিয়া কোনো তৃতীয় বিশ্বের রাষ্ট্র না হয়েও এই প্রক্রিয়ার পথপ্রদর্শক ছিল। টিটো ১৯৪৮ সালে স্তালিনের নিন্দা চাননি; তিনি একজন নিবেদিতপ্রাণ কমিউনিস্ট ছিলেন এবং তা-ই থেকে যান। কিন্তু তিনি মতাদর্শগত সংহতির খাতিরে সার্বভৌমত্ব বিসর্জন না দেওয়ার ব্যাপারে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ছিলেন এবং সেসময়কার অন্যান্য পূর্ব ইউরোপীয় নেতাদের বিপরীতে তার এমনটি করার কোনো প্রয়োজনও ছিল না। স্তালিনের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করার পর আমেরিকানরা কত দ্রুত তাকে অর্থনৈতিক সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছিল তা লক্ষ্য করে টিটো একটি জীবনরেখার সম্ভাবনা দেখতে পেয়েছিলেন। যুগোস্লাভদের বিরুদ্ধে রুশরা কি শক্তি প্রয়োগের ঝুঁকি নেবে যদি তা আমেরিকানদের সাথে যুদ্ধের দিকে পরিচালিত করে? দীর্ঘ যুগোস্লাভ উপকূলের ঠিক পাশেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ষষ্ঠ নৌবহর কাজ করায় স্তালিনের জন্য আক্রমণ চালানোর বিষয়ে দুবার ভাবার যথেষ্ট কারণ ছিল। এর প্রমাণও রয়েছে যে তিনি আক্রমণ না করে বরং গুপ্তহত্যার ষড়যন্ত্র নিয়ে সন্তুষ্ট ছিলেন, যার সবগুলোই শেষমেশ ব্যর্থ হয়েছিল। ** জন লুইস গ্যাডিস, ''দ্য কোল্ড ওয়ার: আ নিউ হিস্ট্রি'' (২০০৬), পৃষ্ঠা ১২৪। === গ === * ১৯৯৫ সালের শরতে বসনিয়ার যুদ্ধের অবসান ঘটানোর চেষ্টায় যখন আমাদের মার্কিন আলোচক দল বলকানে ঘুরে বেড়াচ্ছিল, তখন ভার্সাই চুক্তি আমার মন থেকে খুব একটা দূরে ছিল না। হ্যারল্ড নিকলসন রচিত ''পিসমেকিং ১৯১৯'' এর অংশবিশেষ পড়তে পড়তে আমরা মজা করে বলতাম যে আমাদের লক্ষ্য হলো উড্রো উইলসনের উত্তরাধিকার বাতিল করা। ১৯৯৫ সালের নভেম্বরে ওহাইওর ডেটনে যখন আমরা বসনিয়া, ক্রোয়েশিয়া এবং যুগোস্লাভিয়া ফেডারেল প্রজাতন্ত্রের নেতাদের একত্রিত হতে এবং যুদ্ধের অবসানের জন্য আলোচনা করতে বাধ্য করি, তখন আমরা মূলত ভার্সাই চুক্তির আরেকটি অংশকেই কবর দিচ্ছিলাম। ২০০২ সালের বসন্তে, ভার্সাই চুক্তির মাধ্যমে সৃষ্ট সর্বশেষ যে দুটি অংশ তখনও "যুগোস্লাভিয়া" হিসেবে যুক্ত ছিল, তারা তাদের দেশের নাম পরিবর্তন করে "সার্বিয়া ও মন্টিনিগ্রো" রাখার ব্যাপারে একমত হয়ে পূর্ণ এবং চূড়ান্ত বিচ্ছেদের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছানোর আরেকটি পদক্ষেপ নেয়, যা সম্ভবত তাদের সম্পূর্ণ বিচ্ছেদের পথের একটি ধাপ ছিল। ** রিচার্ড হোলব্রুক, ''প্যারিস ১৯১৯: সিক্স মান্থস দ্যাট চেঞ্জড দ্য ওয়ার্ল্ড'' (২০০১)-এর ভূমিকা, পৃষ্ঠা x। * যুগোস্লাভিয়ায় পুঁজিবাদ সম্পূর্ণরূপে পুনরুদ্ধার করা হয়েছে, যা সবার কাছেই পরিচিত, তবে এই পুঁজিবাদ কীভাবে ছদ্মবেশ ধারণ করতে হয় তা জানে। যুগোস্লাভিয়া নিজেকে একটি সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে চিত্রিত করে, কিন্তু তা এমন এক বিশেষ ধরনের সমাজতন্ত্র যা বিশ্ব আগে কখনো দেখেনি! টিটোপন্থীরা এমনকি এ নিয়ে গর্বও করে যে, সমাজতান্ত্রিক মহান অক্টোবর বিপ্লব থেকে উদ্ভূত এবং মার্কস ও এঙ্গেলসের বৈজ্ঞানিক তত্ত্বের ভিত্তিতে লেনিন ও স্তালিন কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রের সাথে তাদের রাষ্ট্রের কোনো মিল নেই। ** [[w:bn:আনোয়ার হোজ্জা|আনোয়ার হোজ্জা]], ''[http://www.marxists.org/reference/archive/hoxha/works/1978/yugoslavia/index.htm যুগোস্লাভ "সেলফ-অ্যাডমিনিস্ট্রেশন" - ক্যাপিটালিস্ট থিওরি অ্যান্ড প্র্যাকটিস] (ই. কারদেলির সমাজতন্ত্র বিরোধী মতামতের বিরুদ্ধে)'', "সমাজতান্ত্রিক স্ব-প্রশাসনের রাজনৈতিক ব্যবস্থার বিকাশের দিকনির্দেশনা" গ্রন্থে, অ্যালবেনিয়ান শ্রম দলের কেন্দ্রীয় কমিটির মার্কসবাদী-লেনিনবাদী গবেষণা ইনস্টিটিউট, তিরানা, ১৯৭৮। * ১৯৯১ সালে যুগোস্লাভিয়ার সমস্ত অধিবাসীকে খাওয়ানোর জন্য প্রয়োজনের চেয়েও বেশি সম্পদ ছিল, তা সত্ত্বেও এটি একটি ভয়াবহ রক্তপাতের মধ্য দিয়ে ভেঙে পড়ে। ** [[w:bn:ইউভাল নোয়াহ হারারি|ইউভাল নোয়াহ হারারি]], স্যাপিয়েন্স: আ ব্রিফ হিস্ট্রি অব হিউম্যানকাইন্ড (২০১১), অধ্যায় ৬: "বিল্ডিং পিরামিডস"। === ঘ === * আজকের সাধারণ ধারণা হলো যুগোস্লাভিয়া ছিল একটি ব্যর্থ পরীক্ষা। ১৯৯০-এর দশকে যুগোস্লাভিয়ার পতনের যুদ্ধের প্রতিবেদন করার সময় অল্প-জ্ঞানের অধিকারী পশ্চিমা সাংবাদিকরা "সার্ব এবং ক্রোটদের মধ্যে শতবর্ষের পুরোনো সংঘাত" সম্পর্কে লিখেছিলেন; অথচ সার্ব-ক্রোট বৈরিতার আসল সূত্রপাত প্রকৃতপক্ষে ১৯শ এবং ২০শ শতাব্দীতে জাতীয়তাবাদের উত্থানের সময় থেকেই শুরু হয়েছিল। ** টোমেক জানকোভস্কি, ''ইস্টার্ন ইউরোপ!: এভরিথিং ইউ নিড টু নো অ্যাবাউট দ্য হিস্ট্রি (অ্যান্ড মোর) অব আ রিজিয়ন দ্যাট শেপড আওয়ার ওয়ার্ল্ড অ্যান্ড স্টিল ডাজ'' (২০১৩)। * যুগোস্লাভিয়া চেকোস্লোভাকিয়ার মতোই ছিল, কারণ এটি সার্বদের দ্বারা পরিচালিত একটি ক্ষুদ্র সাম্রাজ্য ছিল এবং চেক দলগুলো তাদের সাম্রাজ্য যেভাবে চালাত তার চেয়ে এটি উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি নিষ্ঠুর ছিল। এর কিছু অংশে ১৯১২ সাল থেকে অবিরাম যুদ্ধ চলছিল এবং ১৯২৬ সালের আগে পর্যন্ত এর সীমানা স্থির হয়নি (যদি এই শব্দটি ব্যবহার করা যায়)। অর্থোডক্স সার্বরা সেনাবাহিনী এবং প্রশাসন চালাত, কিন্তু ক্যাথলিক ক্রোট এবং স্লোভেনরা, যাদের সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক মান অনেক উন্নত ছিল, তারা 'বলকানদের (অর্থাৎ সার্বদের) ইউরোপীয়করণ' করার দায়িত্ব এবং নিজেদের 'বলকানাইজড' হয়ে যাওয়ার ভয় নিয়ে কথা বলত। নতুন দেশটি তৈরিতে সহায়তাকারী আর.ডব্লিউ. সিটন-ওয়াটসন খুব শিগগিরই সার্বদের পরিচালনার ধরন দেখে মোহমুক্ত হন। ১৯২১ সালে তিনি লিখেছিলেন যে যুগোস্লাভিয়ার পরিস্থিতি তাকে হতাশায় ফেলে দেয় এবং এর অবাস্তব কেন্দ্রীকরণের কারণে নতুন সংবিধানের প্রতি তার কোনো আস্থা নেই। তিনি অভিযোগ করেছিলেন যে, সার্ব কর্মকর্তারা হাবসবার্গদের চেয়েও খারাপ ছিল এবং সার্বদের বিরোধিতা জার্মানদের চেয়েও বেশি নিষ্ঠুর ছিল। ১৯২৮ সালে তিনি লিখেছিলেন যে তার নিজের ইচ্ছা হলো সার্ব এবং ক্রোটদের তাদের নিজেদের সমস্যাতেই ভুগতে দেওয়া, কারণ তিনি মনে করতেন তারা উভয়েই পাগল এবং নিজেদের নাকের ডগার বাইরে কিছু দেখতে পায় না। প্রকৃতপক্ষে, সেসময় সংসদ সদস্যরা সংসদে একে অপরের দিকে পিস্তল দিয়ে গুলি ছুড়ছিলেন এবং সেই প্রক্রিয়ায় ক্রোট কৃষক দলের নেতা স্তেপান রাদিচ নিহত হন। দেশটি সার্ব রাজনৈতিক পুলিশের চেয়ে বরং এর ইতালীয়, হাঙ্গেরীয়, বুলগেরীয় এবং আলবেনীয় প্রতিবেশীদের ধিকিধিকি জ্বলা ঘৃণার দ্বারাই কোনোমতে একসাথে টিকে ছিল, কারণ তাদের সবারই মেটানোর মতো অনেক ক্ষোভ ছিল। ** পল জনসন, ''মডার্ন টাইমস: দ্য ওয়ার্ল্ড ফ্রম দ্য টুয়েন্টিজ টু দ্য নাইনটিজ'' (১৯৯১), আইএসবিএন ৯৭৮০০৬০১৬৮৩৩৯। * এই স্লাভিক জাতির মহান পরীক্ষাটি ছিল একটি মহৎ ধারণার ওপর ভিত্তি করে। এর প্রবক্তারা ভেবেছিলেন যে দক্ষিণ স্লাভরা, অর্থাৎ যাদের মধ্যে অনেক মিল রয়েছে, বিশেষ করে তাদের ভাষা; যারা অস্ট্রিয়ার সীমান্ত থেকে প্রায় ইস্তাম্বুলের (বর্তমান ইস্তাম্বুল) দ্বারপ্রান্ত পর্যন্ত এক বিশাল ভূখণ্ডে বসবাস করত, তাদের ঐক্যবদ্ধ হওয়া উচিত এবং একটি মহান শক্তিশালী দক্ষিণ স্লাভ রাষ্ট্র গঠন করা উচিত। ** টিম জুডাহ, [https://web.archive.org/web/20080407212552/http://www.bbc.co.uk/history/worldwars/wwone/yugoslavia_01.shtml "যুগোস্লাভিয়া: ১৯১৮ - ২০০৩"] (৪ ফেব্রুয়ারি ২০০৩), ''বিবিসি''। === ঙ === * ডিকিনের মতো পণ্ডিত থেকে সৈনিকে পরিণত হওয়া ব্যক্তিদের গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করা পার্টিজান সংগ্রামের এই 'বীরত্বপূর্ণ' দিকটি বইয়ের পাতায় বেশ ভালোই শোনায়। কিন্তু যুগোস্লাভিয়ার বিস্তীর্ণ অঞ্চলে একটি রাজনৈতিক-সামরিক অভিযান চালানোর বাস্তব পরিণতি এর জনগণের জন্য অবর্ণনীয় দুর্ভোগ ডেকে এনেছিল। তাদের ইতিহাস আগে থেকেই তিক্ত এবং সহিংস প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ভরপুর ছিল, যা যুদ্ধ পুনরায় জাগিয়ে তুলেছিল। উত্তরে ক্যাথলিক ক্রোট নেতারা ইতালীয় পৃষ্ঠপোষকতার সুযোগ নিয়ে অর্থোডক্স সার্বদের বিরুদ্ধে বহিষ্কার, জোরপূর্বক ধর্মান্তর এবং নির্মূলের অভিযান শুরু করেছিলেন। বসনিয়া-হার্জেগোভিনার মুসলিমরাও গৃহযুদ্ধে অংশ নিয়েছিল, অন্যদিকে দক্ষিণে কসোভোর সার্বরা তাদের আলবেনীয় প্রতিবেশীদের দ্বারা আক্রান্ত হয়েছিল। চেটনিকরা নিজেদের দিক থেকে পার্টিজানদের সাথে সার্ব ভূমিগুলোতে কর্তৃত্ব নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিল, যাদের সাথে তারা কোনো যৌথ কৌশলে একমত হতে ব্যর্থ হয়; তবে জার্মান দখলদারদের সাথে তারা প্রকাশ্য যুদ্ধ শুরু করেনি যাতে কোনো প্রতিশোধমূলক হামলার শিকার হতে না হয়। জোসিপ ব্রোজ টিটো প্রতিশোধের বিষয়ে নিজের মনকে কঠোর করেছিলেন; প্রকৃতপক্ষে তিনি অক্ষশক্তির নৃশংসতাকে নতুন লোক নিয়োগের একটি প্রেরণা হিসেবে দেখেছিলেন। তিনি উদ্দেশ্যমূলকভাবে সাতটি তথাকথিত 'আক্রমণ'-এর মাধ্যমে জার্মানদের তার পিছু নিতে প্ররোচিত করেছিলেন, যা পার্টিজানদের পদযাত্রার পথে থাকা গ্রামাঞ্চলগুলোকে এক বিরানভূমিতে পরিণত করেছিল। গ্রামবাসীদের হয় পার্টিজানদের অনুসরণ করে 'জঙ্গলে' (তুর্কিদের বিরোধিতাকারীদের আত্মগোপনস্থলের ঐতিহ্যবাহী বিবরণ) যেতে হতো অথবা সেখানে থেকে প্রতিশোধের অপেক্ষায় থাকতে হতো। টিটোর উপপ্রধান কারদেলি নিরপেক্ষদের এমন উভয়সঙ্কটে ফেলার প্রয়োজনীয়তার বিষয়ে জোর দিয়েছিলেন: 'কিছু কমান্ডার প্রতিশোধের ভয় পান এবং সেই ভয় গ্রামগুলোকে সংগঠিত করতে বাধা দেয়। আমি মনে করি এই প্রতিশোধের একটি কার্যকর ফলাফল হবে ক্রোট গ্রামগুলোকে সার্ব গ্রামগুলোর পক্ষে নিয়ে আসা। যুদ্ধে আমাদের পুরো গ্রাম ধ্বংসের ভয় পেলে চলবে না। সন্ত্রাসই সশস্ত্র পদক্ষেপ নিয়ে আসবে।' কারদেলির বিশ্লেষণটি সঠিক ছিল। ** জন কিগান, ''আ হিস্ট্রি অব ওয়ারফেয়ার'' (১৯৯৪), পৃষ্ঠা ৫২। === চ === [[File:Flag of Yugoslavia (1918–1941).svg|thumb|১৯১৯ সালে উদ্ভূত দক্ষিণ স্লাভদের রাষ্ট্রটি, যা সার্বিয়া এবং বিলুপ্ত অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরির দক্ষিণাংশ একত্রিত করে গড়ে তোলা হয়েছিল, তা ছিল আকস্মিক এবং তাড়াহুড়ো করে নেওয়া, এমনকি অনেক ক্ষেত্রে মরিয়া সব সিদ্ধান্তের ফল। (মার্গারেট ম্যাকমিলান)]] * ১৯১৯ সালে উদ্ভূত দক্ষিণ স্লাভদের রাষ্ট্রটি, যা সার্বিয়া এবং বিলুপ্ত অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরির দক্ষিণাংশ একত্রিত করে গড়ে তোলা হয়েছিল, তা ছিল আকস্মিক এবং তাড়াহুড়ো করে নেওয়া, এমনকি অনেক ক্ষেত্রে মরিয়া সব সিদ্ধান্তের ফল। এর প্রতিনিধি দল বা নতুন দেশটির নাম কী হওয়া উচিত, তা-ও স্পষ্ট ছিল না। সার্বিয়া এবং বিলুপ্ত অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরির দক্ষিণাংশ নিয়ে গঠিত এই দেশটি শেষ পর্যন্ত যুগোস্লাভিয়া নাম ধারণ করে। শান্তি সম্মেলন যুগোস্লাভিয়া তৈরি করেনি, যেমনটা অনেকেই পরে বিশ্বাস করেছিল; বরং প্রথম কূটনীতিকরা প্যারিসে পৌঁছানোর আগেই এটি তৈরি হয়ে গিয়েছিল। সত্তর বছর পর, শক্তিধর দেশগুলো একইভাবে এর পতন ঠেকাতেও অক্ষম হয়েছিল। ** মার্গারেট ম্যাকমিলান, ''প্যারিস ১৯১৯: সিক্স মান্থস দ্যাট চেঞ্জড দ্য ওয়ার্ল্ড'' (২০০১), পৃষ্ঠা ১১০। * যুগোস্লাভিয়া নিজেই ছিল ১৯১৮ সালের সাম্রাজ্যগুলোর পতনের ফলে সৃষ্ট এক ত্রুটিপূর্ণ রাষ্ট্র, যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পর্যন্ত সার্বিয়ান রাজতন্ত্র দ্বারা আধিপত্যশীল ছিল, অথচ এর মধ্যে মুসলিম বসনিয়ান এবং কসোভান আলবেনীয়, অর্থোডক্স মন্টিনিগ্রিন এবং সার্ব এবং ক্যাথলিক ক্রোটরা অন্তর্ভুক্ত ছিল। দুই বিশ্বযুদ্ধের নৃশংস জাতিগত গণহত্যার মধ্য দিয়ে দীর্ঘকাল ক্ষমতায় থাকা একনায়ক মার্শাল জোসিপ টিটো, যার পার্টিজানরা যুগোস্লাভিয়াকে নাৎসি দখলদারিত্ব থেকে মুক্ত করেছিল, তিনি তার নিজস্ব ক্যারিশম্যাটিক ব্যক্তিত্ব এবং তুলনামূলকভাবে কম পরিচিত সন্ত্রাস, গোপন পুলিশ ও কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্প ব্যবহার করে একটি শক্তিশালী শাসনব্যবস্থা তৈরি করেছিলেন। তারপরও টিটো বলকানের মারাত্মক জাতিগত বিরোধ নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হয়েছিলেন এবং তার জনগণকে প্রায় ৩০ বছরের শান্তি ও শৃঙ্খলা উপহার দিয়েছিলেন। কিন্তু ১৯৮০ সালে তার মৃত্যুর পর যে আবর্তিত প্রেসিডেন্সি ব্যবস্থা কার্যকর করা হয়, তা একটি উত্তপ্ত জাতিগত কড়াই রেখে যায়, যা নিয়ন্ত্রণ করার মতো কোনো শক্তিশালী হাত ছিল না। স্লোবোদান মিলোশেভিচ তার ব্যক্তিগত নির্দেশে সমন্বিত ও অর্থায়িত ডেথ স্কোয়াড, ভাড়াটে সৈন্য এবং সাইকোপ্যাথিক যুদ্ধবাজদের নিয়ে এই শূন্যতা পূরণ করেছিলেন। ** সাইমন সেবাগ মন্টেফিয়োর, ''মনস্টারস: হিস্ট্রিস মোস্ট ইভিল মেন অ্যান্ড উইমেন'' (২০০৯), পৃষ্ঠা ৩৬১। === ছ === * যুগোস্লাভিয়া ইরানের পাশাপাশি একমাত্র দেশ, যা অত্যন্ত কঠিন ও যন্ত্রণাদায়ক পরিস্থিতিতেও জোসেফ স্তালিনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিল। যুগোস্লাভিয়ার মতো একটি দেশে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীকে ঐক্যবদ্ধ করা বা দেশটিকে আধুনিকীকরণ করা মোটেও সহজ কাজ ছিল না, এবং এটি অবশ্যই স্বীকার করতে হবে যে মার্শাল টিটো অসাধারণ কিছু অর্জন করেছিলেন। ঈশ্বর করুন, তার উত্তরসূরিরাও যেন তার মতোই যোগ্য হয়। ** মোহাম্মদ রেজা পাহলভি, ''দ্য শাহস স্টোরি'' (১৯৮০), পৃষ্ঠা ১৪৬-১৪৭। === জ === * এটি অবিলম্বে লক্ষ করা উচিত যে যুগোস্লাভিয়ার দাপ্তরিক নামে "ফেডারেল" বা যুক্তরাষ্ট্রীয় বিশেষণটির ব্যবহার ছিল নিছক লোকদেখানো; ঠিক যেমন সোভিয়েত ব্লক এবং পশ্চিমা গণতন্ত্রের মধ্যে সংঘাতে দেশটির কথিত জোটনিরপেক্ষ ভূমিকাও ছিল একটি ভান। এক্ষেত্রে "ফেডারেলিজম" বা যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা বলতে "বিকেন্দ্রীকরণ" বোঝায়নি, বরং স্থানীয় কেন্দ্রীকরণগুলোর একটি ফেডারেশনকে বোঝানো হয়েছে। যুগোস্লাভিয়ার কাল্পনিক "তৃতীয় অবস্থান"-এর বিষয়ে বলতে গেলে, তারা সম্পূর্ণভাবে কমিউনিস্ট থাকার পাশাপাশি নিজেদের একটি ভিন্ন ধরনের সমাজতন্ত্র হিসেবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করেছিল, তবে তা মূলত একটি কৌশলগত প্রক্সি হিসেবে কাজ করে নিরপেক্ষ দেশগুলোকে গোপনে সোভিয়েত ব্লকের প্রভাব বলয়ে টেনে আনার জন্য ব্যবহৃত হয়েছিল। ** মার্কো রেসপিন্টি, [https://bitterwinter.org/the-world-is-risking-a-uyghur-srebrenica/ "দ্য ওয়ার্ল্ড ইজ রিস্কিং আ উইঘুর স্রেব্রেনিৎসা"], ''বিটার উইন্টার'' (১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫)। * এই নস্টালজিয়া বা অতীতকাতরতা আমাকে হতবাক করে। মানুষ বলে যে সেসময় খুব একটা খারাপ ছিল না, সমাজতন্ত্র অনেক বেশি মানবিক ছিল। কিন্তু সাবেক যুগোস্লাভিয়ায় সবাই সমতাবাদী ছিল তার একমাত্র কারণ হলো সবাই গরিব ছিল। যুগোস্লাভিয়া আসলে একটি স্বৈরশাসন ছিল। ** দিমিত্রিজ রুপেল, ড্যান বিলেফস্কি রচিত [https://www.nytimes.com/2008/01/27/world/europe/27iht-nostalgia.4.9533599.html?pagewanted=2&_r=0 "ইন এক্স-যুগোস্লাভিয়া, টিটো-এরা নস্টালজিয়া"] (২৭ জানুয়ারি ২০০৮), ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস'' থেকে উদ্ধৃত। === ঝ === * কমিউনিস্ট বিশ্বে বস্তুগত অবস্থার একটি শ্রেণিবিন্যাস ছিল। পশ্চিমাদের সাথে সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ বাণিজ্যিক সম্পর্কের কারণে যুগোস্লাভরা উপলব্ধ পণ্যের পরিসর এবং মানের দিক দিয়ে সবচেয়ে ভালো অবস্থানে ছিল। এরপর ছিল পূর্ব জার্মানরা এবং তার পরে হাঙ্গেরীয় ও পোলিশরা। সোভিয়েত ইউনিয়নের নাগরিকরা তাদের চেয়ে পিছিয়ে ছিল; এবং রাশিয়ান জাতীয় গর্বের জন্য আরও বেশি বিরক্তিকর ব্যাপার ছিল যে, সোভিয়েত ইউনিয়নে জর্জিয়ান এবং এস্তোনিয়ানরা রাশিয়ানদের চেয়ে উন্নত জীবনযাপন করত। রাশিয়ানদের জনপ্রিয় কল্পনায় একজন সাধারণ জর্জিয়ানের রূপ ছিল কালো চামড়ার এক 'প্রাচ্যদেশীয়' মানুষ, যে তার যৌথ খামার থেকে বড় বড় স্যুটকেসে করে কমলালেবু রাশিয়ান ফেডারেশনের বড় শহরগুলোতে পাচার করত। ফলমূল যে অভ্যন্তরীণ চোরাচালানের একটি আইটেম হতে পারে, তা সমাজতন্ত্রের চরম অর্থনৈতিক অদক্ষতার কথাই প্রমাণ করে। ** রবার্ট সার্ভিস, ''কমরেডস: আ হিস্ট্রি অব ওয়ার্ল্ড কমিউনিজম'' (২০০৯)। * তবে সার্ব, ক্রোট বা বসনিয়ানরা অপরাধী নয়। যুগোস্লাভিয়ায় সমস্যাগুলো ঠিক একই কারণে শুরু হয়েছিল যা সোভিয়েত ইউনিয়নেও হয়েছিল। কমিউনিস্টরা (তাদের টিটো ছিল, আমাদের ছিল লেনিন ও স্তালিন) যথেচ্ছভাবে, জাতিগত দিক থেকে অযৌক্তিক এবং ঐতিহাসিকভাবে সমর্থনযোগ্য নয় এমন সব অভ্যন্তরীণ প্রশাসনিক সীমানা নির্ধারণ করেছিল এবং বছরের পর বছর ধরে অধিবাসীদের এক অঞ্চল থেকে অন্য অঞ্চলে স্থানান্তরিত করেছিল। এবং যখন মাত্র কয়েকদিনের ব্যবধানে যুগোস্লাভিয়া ভাঙতে শুরু করে, তখন পশ্চিমা দেশগুলোর নেতৃস্থানীয় শক্তিরা অবর্ণনীয় তাড়াহুড়ো এবং দায়িত্বহীনতার সাথে এই রাষ্ট্রগুলোকে তাদের কৃত্রিম সীমানার মধ্যেই স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য ছুটে যায়। তাই, আজ সাবেকি যুগোস্লাভিয়ার দুর্ভাগা জনগণকে যে ক্লান্তিকর ও রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ ধ্বংস করে দিচ্ছে, তার জন্য টিটোর পাশাপাশি পশ্চিমা শক্তিগুলোর নেতাদেরও দায়ভার নিতে হবে। এখন, তারা যে সমস্যাটি সৃষ্টিতে সহায়তা করেছিল তা কোনোভাবে সংশোধনের চেষ্টা করতে গিয়ে, তারা মূলত পবিত্র জোটের জন্য মেটারনিখের সেই সুপরিচিত নীতিবাক্যটিরই পুনরাবৃত্তি করছে: "অন্যকে সুস্থ করার স্বার্থে হস্তক্ষেপ।" আজকের স্লোগান হলো "মানবতাবাদের স্বার্থে হস্তক্ষেপ।" এটি একটি পরিহাসমূলক মিল! তবে হস্তক্ষেপ অত্যন্ত বিপজ্জনক একটি বিষয়। বড় শক্তিগুলোর পক্ষে বিশ্বকে নিয়ন্ত্রণ করা এত সহজ নয়। ** [[w:bn:আলেকসান্দ্র্‌ সোলঝেনিৎসিন|আলেকজান্ডার সোলঝেনিৎসিন]], পল ক্লেবনিকভ কর্তৃক গৃহীত [https://www.forbes.com/2008/08/05/solzhenitsyn-forbes-interview-oped-cx_pm_0804russia.html?sh=510b79d25f53 নতুন রাশিয়া এবং ইউক্রেন নিয়ে আলেকজান্ডার সোলঝেনিৎসিনের সাক্ষাৎকার (মে ১৯৯৪)], ''ফোর্বস'' ম্যাগাজিনে (৯ মে ১৯৯৪) প্রকাশিত। * কারণ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সুবাদে রুশরা খুব সহজেই তিনটি বাল্টিক রাষ্ট্র দখল করে নেয়, ফিনল্যান্ডের একটি অংশ, রুমানিয়ার একটি অংশ, পোল্যান্ডের একটি অংশ এবং জার্মানির একটি অংশ কেড়ে নেয় এবং অভ্যন্তরীণ ধ্বংসযজ্ঞ ও বাহ্যিক চাপের এক সুচিন্তিত নীতির বদৌলতে ওয়ারশ, প্রাগ, বুদাপেস্ট, সোফিয়া, বুখারেস্ট, তিরানা এবং পূর্ব বার্লিনে যথাযথভাবেই 'উপগ্রহ রাষ্ট্র' হিসেবে পরিচিত সরকার প্রতিষ্ঠা করে। এর মধ্যে আমি বেলগ্রেডকে বাদ দিচ্ছি, কারণ মার্শাল টিটোর সাহস ও প্রবল ইচ্ছাশক্তির কারণে সেখানকার শাসনব্যবস্থা ছিল অনন্য। ** পল-অঁরি স্পাক, "[https://www.nato.int/cps/en/natohq/opinions_17588.htm?selectedLocale=en দ্য আটলান্টিক অ্যালায়েন্স অ্যান্ড ইটস ফিউচার]," ১৪ সেপ্টেম্বর ১৯৫৭। === ঞ === * গণপ্রজাতন্ত্রের অন্য কোনো দেশে এই দেশের মতো এতগুলো জাতিসত্তা নেই... আমরা যে জাতীয়তার প্রশ্নটির এত পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে সমাধান করতে পেরেছি, তার কারণ হলো স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় এই সমস্যার সমাধান একটি বৈপ্লবিক উপায়ে শুরু হয়েছিল। এই যুদ্ধে দেশের সকল জাতিগোষ্ঠী অংশগ্রহণ করেছিল, যেখানে প্রতিটি জাতীয় গোষ্ঠী তাদের সক্ষমতা অনুযায়ী দখলদারদের হাত থেকে মুক্তির সাধারণ প্রচেষ্টায় অবদান রেখেছিল। ম্যাসেডোনিয়ান বা অন্য কোনো জাতীয় গোষ্ঠী, যারা সেসময় পর্যন্ত নিপীড়িত ছিল, তারা কোনো সরকারি ডিক্রি জারির মাধ্যমে তাদের জাতীয় মুক্তি লাভ করেনি। তারা হাতে রাইফেল নিয়ে তাদের জাতীয় মুক্তির জন্য লড়াই করেছিল। কমিউনিস্ট পার্টির ভূমিকা প্রথমত এই সত্যের মধ্যেই নিহিত যে তারা এই সংগ্রামের নেতৃত্ব দিয়েছিল, যা একটি গ্যারান্টি ছিল যে যুদ্ধের পরে জাতীয় প্রশ্নটির সমাধান চূড়ান্তভাবে সেভাবেই হবে যা কমিউনিস্টরা যুদ্ধের অনেক আগে এবং যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে পরিকল্পনা করেছিল। সমাজতন্ত্র গড়ে তোলার বর্তমান পর্যায়ে কমিউনিস্ট পার্টির ভূমিকা হলো ইতিবাচক জাতীয় কারণগুলোকে আমাদের দেশে সমাজতন্ত্রের বিকাশের ক্ষেত্রে একটি উদ্দীপক হিসেবে তৈরি করা, কোনো বাধা হিসেবে নয়। আজকে কমিউনিস্ট পার্টির ভূমিকা এই প্রয়োজনীয়তার মধ্যেই নিহিত যে, কোনো জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে যেন জাতীয় উগ্রপন্থী মনোভাবের উত্থান বা বিকাশ না ঘটে, সেদিকে কড়া নজর রাখা। জাতীয়তাবাদের সমস্ত নেতিবাচক দিকগুলো যেন বিলুপ্ত হয় এবং জনগণকে যেন আন্তর্জাতিকতাবাদের চেতনায় শিক্ষিত করা হয়, তা নিশ্চিত করতে কমিউনিস্ট পার্টিকে সর্বদা সচেষ্ট হতে হবে এবং তারা তা করছেও। ** জোসিপ ব্রোজ টিটো, ''[http://www.marxists.org/archive/tito/1948/11/26.htm কনসার্নিং দ্য ন্যাশনাল কোয়েশ্চেন অ্যান্ড সোশ্যাল প্যাট্রিয়োটিজম]'' থেকে উদ্ধৃত, ২৬ নভেম্বর ১৯৪৮ সালে লুব্লিয়ানায় স্লোভেন একাডেমি অব আর্টস অ্যান্ড সায়েন্স-এ প্রদত্ত ভাষণ। * আমরা সবাই একসাথে না থাকলে আমাদের কোনো প্রজাতন্ত্রেরই কোনো মূল্য থাকত না, তবে আমাদের নিজেদের ইতিহাস তৈরি করতে হবে; অর্থাৎ আমাদের যুগোস্লাভ সমাজতান্ত্রিক ইতিহাস, যা ভবিষ্যতে অনন্য হবে এবং সেটিই আমাদের পথ। কিছু কিছু প্রজাতন্ত্রের নিজেদের ঐতিহ্য সংরক্ষণের জাতীয় অধিকার ক্ষুণ্ণ করে নয়, এবং তা সামগ্রিক সম্প্রদায়ের স্বার্থের বিনিময়েও নয়, বরং একে অপরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করতে হবে। এটিই আমরা চাই, আমাদের ঐক্যের বিনাশ নয়। ** জোসিপ ব্রোজ টিটো, [https://www.youtube.com/watch?v=H7s7ldiX6lc ১৯৬২ সালে স্প্লিট-এ টিটোর ভাষণ] থেকে উদ্ধৃত। * যুগোস্লাভিয়ার জনগণ ফ্যাসিবাদ চায় না। তারা কোনো সর্বগ্রাসী শাসন চায় না, তারা জার্মান এবং ইতালীয় আর্থিক অলিগার্কি বা অভিজাতদের দাস হতে চায় না, ঠিক যেমন তারা প্রথম সাম্রাজ্যবাদী যুদ্ধের পরে তথাকথিত পশ্চিমা গণতন্ত্রগুলোর দ্বারা চাপিয়ে দেওয়া আধা-ঔপনিবেশিক পরাধীনতার সাথে কখনোই আপস করতে চায়নি। ** জোসিপ ব্রোজ টিটো, জ্যাসপার রিডলি রচিত ''টিটো: আ বায়োগ্রাফি'' (কনস্টেবল অ্যান্ড কোম্পানি লিমিটেড, ১৯৯৪), পৃষ্ঠা ১৫৫ থেকে উদ্ধৃত। * প্রিয় ভাই ও বোনেরা, এই বিষয়ে ভালোভাবে চিন্তা করুন, তাহলে আপনারা দেখতে পাবেন যে আমাদের এক ভয়ানক বিশৃঙ্খলা এবং ভ্রাতৃঘাতী যুদ্ধের মধ্যে থাকতে হতো, এমন এক দেশে যা আর যুগোস্লাভিয়া থাকত না, বরং শুধুমাত্র ছোট ছোট রাজ্যের একটি গোষ্ঠী হিসেবে একে অপরের সাথে লড়াই করে নিজেদের ধ্বংস করত। কিন্তু আমাদের জনগণ তা ঘটতে দিতে চায় না। ** জোসিপ ব্রোজ টিটো, জ্যাসপার রিডলি রচিত ''টিটো: আ বায়োগ্রাফি'' (কনস্টেবল অ্যান্ড কোম্পানি লিমিটেড, ১৯৯৪), পৃষ্ঠা ২৬৩ থেকে উদ্ধৃত। === ট === * অন্যান্য পূর্ব ইউরোপীয় দেশগুলোর তুলনায়, ১৯৬০ এবং ১৯৭০-এর দশকে যুগোস্লাভিয়াকে সমৃদ্ধির একটি মডেল বলে মনে হতো। ১৯৭০-এর দশকে এবং ১৯৮০-এর দশকের একেবারে শুরুর দিকে কোনো দর্শনার্থী এসে দেখলে এখানকার দোকান ও বাজারগুলোতে প্রচুর জিনিসপত্র এবং বিভিন্ন পর্যায়ে নির্মাণাধীন অসংখ্য বাড়ি দেখতে পেতেন। এই বাড়িগুলোর মালিকরা জার্মানিতে কাজ করে যে অর্থ উপার্জন করেছিলেন, তা দিয়ে সাপ্তাহিক ছুটির দিন এবং অবকাশ যাপনের সময়ে নিজেরাই শ্রম দিয়ে এই বাড়িগুলো তৈরি করতেন। কিন্তু ১৯৭০-এর দশকের তেলের মূল্যবৃদ্ধির ধাক্কা মারাত্মক মুদ্রাস্ফীতির দিকে পরিচালিত করে। ঋণের পরিমাণ বাড়তে থাকে যা অর্থনীতির ওপর বিশাল বোঝা হয়ে দাঁড়ায়, পাশাপাশি বেকারত্ব দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছে যায়। কসোভোর মতো কিছু অঞ্চলে ১৯৮০-এর দশকের শুরুতেই কর্মশক্তির প্রায় এক-চতুর্থাংশ বেকার হয়ে পড়েছিল, যার অন্যতম কারণ ছিল পশ্চিম জার্মানি। দীর্ঘদিন ধরে যুগোস্লাভিয়ার উদ্বৃত্ত শ্রমিকদের একটি প্রধান গন্তব্য হলেও সেসময় তারা বিদেশি শ্রমিকদের সীমিত করতে এবং এমনকি দেশে ফেরত পাঠাতে শুরু করেছিল। ** এরিক ডি. ওয়েইটজ, ''আ সেঞ্চুরি অব জেনোসাইড'' (২০১৮), পৃষ্ঠা ২০৮। * ১৯৫০ এবং ১৯৬০-এর দশকে অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রাথমিক পর্যায়ে এন্টারপ্রাইজ বা উদ্যোগ স্তরে সম্মিলিত কেন্দ্রীয় পরিকল্পনা এবং স্ব-ব্যবস্থাপনার যুগোস্লাভ ব্যবস্থাটি বেশ ভালোই কাজ করেছিল, কিন্তু ১৯৮০-এর দশকের তীব্র প্রতিযোগিতামূলক আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিতে তা আর কাজ করেনি। ইউরোপের অন্যান্য সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রগুলোর মতো, বাস্তব জীবনযাত্রার মান স্থবির হতে শুরু করে এবং তারপর কমতে থাকে। কিছু হিসাব অনুযায়ী, ১৯৭৯ থেকে ১৯৮৫ সালের মধ্যে প্রকৃত ব্যক্তিগত আয় এক-চতুর্থাংশ এবং ১৯৭৯ থেকে ১৯৮৮ সাল পর্যন্ত দশকে এক-তৃতীয়াংশ হ্রাস পেয়েছে। যুগোস্লাভ শাসনব্যবস্থা যেহেতু জনগণের জন্য উচ্চতর জীবনযাত্রার মান প্রদানের ওপর নিজেদের বৈধতা প্রতিষ্ঠা করেছিল, তাই এই স্থবিরতা এবং পতন প্রায় তাৎক্ষণিকভাবে রাজনৈতিক পরিণতি ডেকে এনেছিল। ** এরিক ডি. ওয়েইটজ, ''আ সেঞ্চুরি অব জেনোসাইড'' (২০১৮), পৃষ্ঠা ২০৮। * সংক্ষেপে বলতে গেলে, কমিউনিস্ট যুগোস্লাভিয়ার প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো নির্দিষ্ট জাতীয় পরিচয়গুলোকে টিকিয়ে রেখেছিল এবং সেগুলোর বিকাশ ঘটিয়েছিল। সোভিয়েত ইউনিয়নে, যেমনটা আমরা দেখেছি, ইউনিয়নের গঠনমূলক উপাদান হিসেবে জাতিসত্তাগুলোর স্বীকৃতি এমন একটি নীতির দিকে পরিচালিত করেছিল যা জাতীয় বিকাশকে উৎসাহিত করার পাশাপাশি কিছু গোষ্ঠীকে শত্রু জাতি হিসেবে বিবেচনা করত এবং তাদের সম্পূর্ণভাবে অপসারণের চেষ্টা করত। যুগোস্লাভিয়ায় একই ধরনের ব্যবস্থা আরও বেশি চরম পরিণতির দিকে নিয়ে যায়। যেমনটি একজন পণ্ডিত লিখেছেন যে, জাতীয় প্রজাতন্ত্রগুলোর ওপর ভিত্তি করে গঠিত যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর ফলে "প্রতিটি প্রশ্ন অনিবার্যভাবেই 'জাতীয়করণ' হয়ে যেত।" বেশ কয়েক বছর ধরে যুগোস্লাভিয়া কোনোমতে টিকে থাকতে পেরেছিল। কিন্তু ১৯৮০-এর দশকের শেষ দিকে অর্থনৈতিক পতন, রাজনৈতিক অচলাবস্থা এবং দ্রুত পরিবর্তনশীল আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি দেশটির অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতিকে এক চূড়ান্ত সংকটের দিকে নিয়ে যায়। যখন কেন্দ্রীয় সরকার জীবনযাত্রার মান নিশ্চিতকারী এবং জনগণের রক্ষক হিসেবে তার ভূমিকা পালন করতে ব্যর্থ হয়, তখন এই ব্যবস্থাটি তার গঠনমূলক উপাদানগুলোর দিকে স্থানান্তরিত হয়। এই উপাদানগুলো ছিল ছয়টি প্রজাতন্ত্র এবং দুটি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল এবং এর সাথে জেএনএ-কে প্রায়শই "নবম ফেডারেল ইউনিট" হিসেবে উল্লেখ করা হতো। এদের প্রত্যেকেই তখন নিজেদের দাবি উত্থাপন করতে শুরু করে। যুগোস্লাভিয়ায় এই বিভাজন এতটা বিপজ্জনক হয়ে উঠেছিল কারণ পূর্ব ইউরোপের অন্যান্য কমিউনিস্ট সমাজগুলোর বিপরীতে সেখানে এমন কোনো কার্যকর এবং গণতান্ত্রিক চেতনার সুশীল সমাজ গড়ে ওঠেনি যা কোনো নির্দিষ্ট জাতিসত্তার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে পুরো দেশে বিস্তৃত হতে পারত। শুধুমাত্র বসনিয়ায় মুসলিম নেতৃত্ব কিছু ক্রোট এবং সার্ব মিত্রদের সাথে নিয়ে প্রজাতন্ত্রটির বহুজাতিক চরিত্র এবং "প্রকৃত" যুগোস্লাভিয়া হিসেবে এর মর্যাদাকে টিকিয়ে রাখার মরিয়া চেষ্টা করেছিল। ** এরিক ডি. ওয়েইটজ, ''আ সেঞ্চুরি অব জেনোসাইড'' (২০১৮), পৃষ্ঠা ২০৮। == আরও দেখুন == * [[কসোভো]] * [[আলবেনিয়া]] == বহিঃসংযোগ == * {{wikipedia-inline}} * {{commonscat-inline|Yugoslavia}} {{উইকিসংকলন|Portal:Yugoslavia}} {{Wikivoyage}} [[Category:যুগোস্লাভিয়া| ]] bulb5vmguwvex9mfzkvqhvk5bgnx7or 80010 80009 2026-04-23T11:45:13Z Anaf Ibn Shahibul 4193 /* বহিঃসংযোগ */ 80010 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} [[File:Flag of Yugoslavia.svg|thumb|এই স্লাভিক জাতির মহান পরীক্ষাটি ছিল একটি মহৎ ধারণার ওপর ভিত্তি করে। এর প্রবক্তারা ভেবেছিলেন যে দক্ষিণ স্লাভরা, অর্থাৎ যাদের মধ্যে অনেক মিল রয়েছে, বিশেষ করে তাদের ভাষা; যারা অস্ট্রিয়ার সীমান্ত থেকে প্রায় কনস্টান্টিনোপল (বর্তমান ইস্তাম্বুল) এর দ্বারপ্রান্ত পর্যন্ত এক বিশাল ভূখণ্ডে বসবাস করত, তাদের ঐক্যবদ্ধ হওয়া উচিত এবং একটি মহান শক্তিশালী দক্ষিণ স্লাভ রাষ্ট্র গঠন করা উচিত। (টিম জুডাহ)]] '''[[w:bn:যুগোস্লাভিয়া|যুগোস্লাভিয়া]]''' ছিল দক্ষিণ-পূর্ব এবং মধ্য ইউরোপের একটি দেশ যা ১৯১৮ থেকে ১৯৯২ সাল পর্যন্ত বিদ্যমান ছিল। ১৯১৮ সালে [[প্রথম বিশ্বযুদ্ধ]] পরবর্তীকালে ''[[w:bn:সার্ব, ক্রোট এবং স্লোভেন রাজ্য|সার্ব, ক্রোট এবং স্লোভেন রাজ্য]]'' নামে এটি অস্তিত্ব লাভ করে। এটি সার্বিয়া রাজ্যের সাথে স্লোভেন, ক্রোট এবং সার্বদের অস্থায়ী রাষ্ট্রের (যা প্রাক্তন অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি সাম্রাজ্যের ভূখণ্ড নিয়ে গঠিত হয়েছিল) একীভূতকরণের মাধ্যমে তৈরি হয়েছিল। এটি ছিল দক্ষিণ স্লাভিক জনগণের প্রথম ইউনিয়ন যা একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে গঠিত হয়েছিল, যার আগে এই অঞ্চলটি কয়েক শতাব্দী ধরে অটোমান সাম্রাজ্য এবং অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরির মতো বিদেশি শাসনের অধীনে ছিল। [[w:bn:সার্বিয়ার প্রথম পিটার|সার্বিয়ার প্রথম পিটার]] ছিলেন এর প্রথম সার্বভৌম শাসক। ১৯২২ সালের ১৩ জুলাই প্যারিসে অনুষ্ঠিত 'অ্যাম্বাসেডর কনফারেন্সে' এই রাজ্যটি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভ করে। ১৯২৯ সালের ৩ অক্টোবর রাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক নাম পরিবর্তন করে ''[[w:bn:যুগোস্লাভিয়া রাজ্য|যুগোস্লাভিয়া রাজ্য]]'' রাখা হয়। ১৯৮০-এর দশকে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সংকট এবং জাতীয়তাবাদ ও জাতিগত উত্তেজনা বৃদ্ধির পর যুগোস্লাভিয়া তার প্রজাতন্ত্রগুলোর সীমান্ত অনুযায়ী ভেঙে যায়। শুরুতে এটি পাঁচটি দেশে বিভক্ত হয়, যা পরবর্তীতে যুগোস্লাভ যুদ্ধের দিকে পরিচালিত করে। ১৯৯৩ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত সাবেক যুগোস্লাভিয়ার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সেই যুদ্ধগুলোর সময় সংঘটিত যুদ্ধাপরাধ, গণহত্যা এবং অন্যান্য অপরাধের জন্য সাবেক যুগোস্লাভিয়ার রাজনৈতিক ও সামরিক নেতাদের বিচার করে। বিভক্তির পর মন্টিনিগ্রো এবং সার্বিয়া প্রজাতন্ত্র মিলে একটি ক্ষুদ্রতর ফেডারেল রাষ্ট্র গঠন করে, যা [[w:bn:যুগোস্লাভিয়া ফেডারেল প্রজাতন্ত্র|যুগোস্লাভিয়া ফেডারেল প্রজাতন্ত্র]] (এফআরওয়াই) নামে পরিচিত ছিল। ২০০৩ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত এটি [[w:bn:সার্বিয়া ও মন্টিনিগ্রো|সার্বিয়া ও মন্টিনিগ্রো]] নামে পরিচিত ছিল। এই রাষ্ট্রটি সাবেক এসএফআরওয়াই-এর একমাত্র আইনি উত্তরসূরি হওয়ার দাবি করেছিল, কিন্তু অন্যান্য সাবেক প্রজাতন্ত্রগুলো সেই দাবির বিরোধিতা করে। শেষ পর্যন্ত এটি 'বাদিন্টার সালিশি কমিটি'র যৌথ উত্তরসূরি হওয়ার সিদ্ধান্ত মেনে নেয় এবং ২০০৩ সালে এর দাপ্তরিক নাম পরিবর্তন করে 'সার্বিয়া ও মন্টিনিগ্রো' রাখা হয়। ২০০৬ সালে মন্টিনিগ্রো এবং সার্বিয়া প্রতিটি স্বাধীন রাষ্ট্রে পরিণত হওয়ার মাধ্যমে এই রাষ্ট্রের বিলুপ্তি ঘটে। ২০০৮ সালে কসোভোর স্বাধীনতার ঘোষণার পর থেকে এর রাজনৈতিক অবস্থা নিয়ে বর্তমানেও বিরোধ চলছে। __NOTOC__ {{TOCalpha}} == উক্তি == === অ === * নিকোলা ছিলেন যুদ্ধংদেহী<br>সব সময় তিনি একটি [[খঞ্জর]] ও ভ্রুকুটি ধারণ করতেন,<br>গোটা [[বিশ্ব|বিশ্বেও]] পর্যাপ্ত হিমায়ক ছিল না<br>যা তার মেজাজকে শান্ত করতে পারে। ** সি.বি. অ্যান্ডারসন রচিত "দ্য লাস্ট যুগোস্লাভ", [https://www.classicalpoets.org/2025/09/the-limits-of-hospitality-and-other-poetry-by-c-b-anderson/ "‘দ্য লিমিটস অব হসপিটালিটি’ অ্যান্ড আদার পোয়েট্রি বাই সি.বি. অ্যান্ডারসন"], দ্য সোসাইটি অব ক্লাসিক্যাল পোয়েটস (২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫)। === আ === * সার্ব নিয়ন্ত্রিত যুগোস্লাভিয়া যে যুদ্ধের অন্যতম বিজয়ী রাষ্ট্র হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিল, তা পরোক্ষভাবে ২৮ জুন ট্রিগার চাপা লোকটির কাজকে ন্যায্যতা দিয়েছিল বলে মনে হয়। নিশ্চিতভাবেই এটি যুগোস্লাভ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিভঙ্গি ছিল, যারা ব্রোঞ্জ পদচিহ্ন এবং একটি ফলক দিয়ে তার গুলি করার স্থানটি চিহ্নিত করেছিল, যেখানে গুপ্তঘাতকের 'যুগোস্লাভ স্বাধীনতার পথে প্রথম পদক্ষেপ' উদযাপন করা হয়েছিল। এমন একটি যুগে যখন জাতীয় ধারণার যথেষ্ট সম্ভাবনা ছিল, তখন দক্ষিণ স্লাভ জাতীয়তাবাদের প্রতি মানুষের একটি স্বজ্ঞাত সহানুভূতি ছিল এবং হাবসবার্গ সাম্রাজ্যের ভারী বহুজাতিক কমনওয়েলথের প্রতি খুব কমই স্নেহ ছিল। ১৯৯০-এর দশকের যুগোস্লাভ যুদ্ধগুলো আমাদের বলকান জাতীয়তাবাদের প্রাণঘাতী রূপের কথা মনে করিয়ে দেয়। স্রেব্রেনিৎসা এবং সারায়েভো অবরোধের পর থেকে, সার্বিয়াকে নিছক পরাশক্তির রাজনীতির বস্তু বা শিকার হিসেবে ভাবা কঠিন হয়ে পড়েছে এবং সার্বিয়ান জাতীয়তাবাদকে নিজস্ব অধিকারে একটি ঐতিহাসিক শক্তি হিসেবে ধারণা করা সহজ হয়েছে। আজকের ইউরোপীয় ইউনিয়নের দৃষ্টিকোণ থেকে আমরা অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরির সেই বিলুপ্ত সাম্রাজ্যিক কাঠামোর দিকে আগের চেয়ে আরও বেশি সহানুভূতিশীল হয়ে বা অন্তত কম অবজ্ঞার সাথে তাকাতে আগ্রহী। ** [[w:bn:ক্রিস্টোফার ক্লার্ক|ক্রিস্টোফার ক্লার্ক]], ''স্লিপওয়াকার্স: হাউ ইউরোপ ওয়েন্ট টু ওয়ার ইন ১৯১৪'' (২০১২), পৃষ্ঠা xxvi। * যদিও তারা অন্ধভাবে স্তালিনকে অনুকরণ করেছিল এবং মস্কো দাবি করার আগেই সমাজতন্ত্র গড়ে তুলেছিল, যুগোস্লাভিয়ার কমিউনিস্টরাই ১৯৪৮ সালে প্রথম সোভিয়েত ইউনিয়নের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করে। তারা এমনটি করেছিল কারণ স্তালিন তাদের জাতীয় স্বার্থকে তার দেশের স্বার্থের কাছে সম্পূর্ণভাবে অধীন করার দাবি করেছিলেন। একটি প্রকাশ্য বক্তৃতায় জোসিপ ব্রোজ টিটো একজন মার্ক্সবাদী-লেনিনবাদী হিসেবে তার আকস্মিক মতাদর্শিক পরিবর্তনের বিষয়ে বলেছিলেন: কেউ সমাজতন্ত্রের মাতৃভূমিকে ভালোবাসতে পারে, তবে এর মানে এই নয় যে সে নিজের দেশকে কম ভালোবাসবে। এর দ্বারা তিনি ক্রোয়েশিয়া বা সার্বিয়া, স্লোভেনিয়া বা মন্টিনিগ্রোকে বোঝাননি; বরং কমিউনিস্ট যুগোস্লাভিয়া ছিল ল্যুদেভিত গাজের পুরোনো কর্মসূচি পুনরুজ্জীবিত করার দ্বিতীয় প্রচেষ্টা, যা এবার যুগোস্লাভিয়ার সকল মানুষের জাতীয় মুক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিল। যুদ্ধের সময় টিটোর পক্ষপাতদুষ্ট আন্দোলন ভ্রাতৃত্ব ও ঐক্যের নামে সার্ব, ইহুদি এবং অন্যদের ফ্যাসিস্ট গণহত্যার হাত থেকে রক্ষা করে একটি ক্ষুদ্র হাবসবার্গ সাম্রাজ্য হিসেবে শুরু হয়েছিল এবং এই সূত্রটি ১৯৮০ সালে টিটোর মৃত্যু পর্যন্ত সফল হয়েছিল। যদি এটি হাবসবার্গ সাম্রাজ্যের নতুন সংস্করণ ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ) যোগ দিত, তবে যুগোস্লাভিয়া হয়তো টিকে থাকতে পারত। কিন্তু ইইউ পূর্ব দিকে সম্প্রসারিত হওয়ার আগেই ১৯৯১ সালে ক্রোয়েশিয়ায় যুদ্ধ শুরু হয়। বর্তমানে পূর্ব ইউরোপের নেতারা এই দাবি করে রাজনৈতিক ফায়দা লোটেন যে, ইইউ জাতীয় অবকাঠামো, শিক্ষা এবং কৃষিতে উদারভাবে অর্থায়ন করা সত্ত্বেও কোনো না কোনোভাবে তাদের দেশের অস্তিত্বের জন্য হুমকি। ২০১৮ সালের জুন মাসে হাঙ্গেরির প্রেসিডেন্ট ভিক্টর অরবান বলেছিলেন যে স্লোভেনিয়ায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন বিরোধী প্রার্থীর নির্বাচনের ওপর "স্লোভেনীয় জাতির বেঁচে থাকা" নির্ভর করছে। ** জন কনেলি, ''ফ্রম পিপলস ইনটু নেশনস: আ হিস্ট্রি অব ইস্টার্ন ইউরোপ'' (২০২০), পৃষ্ঠা ১৯। === ক === * যুগোস্লাভিয়া শুরুতে 'সার্ব, ক্রোট এবং স্লোভেন রাজ্য' নামে পরিচিত ছিল, যে নামে দেশটির সতেরো বা ততোধিক জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে মাত্র তিনটির নাম উল্লেখ ছিল; এটি ছিল মূলত আরেকটি জগাখিচুড়ি রাষ্ট্র। সার্বরা একটি দক্ষিণ স্লাভ রাজ্যের স্বপ্ন দেখেছিল যেখানে তারা আধিপত্য বিস্তার করবে। সেই বিষয়টি নিশ্চিত করতেই যেন ১৯২১ সালের ২৮ জুন নতুন রাষ্ট্রের সংবিধান জারি করা হয়েছিল, যা ছিল কসোভোর যুদ্ধ এবং আর্চডিউক ফ্রান্সিস ফার্ডিনান্ডের হত্যাকাণ্ডের বার্ষিকী। বাস্তবে যুগোস্লাভিয়া শুধু ক্রোট, সার্ব এবং স্লোভেনদের নিয়েই গঠিত কোনো অস্বস্তিকর সংমিশ্রণ ছিল না, বরং এতে আলবেনীয়, বসনিয়ান মুসলিম, মন্টিনিগ্রিন, ম্যাসেডোনিয়ান এবং তুর্কিরাও ছিল। এর পাশাপাশি চেক, জার্মান, জিপসি, হাঙ্গেরীয়, ইতালীয়, ইহুদি, রোমানিয়ান, রুশ, স্লোভাক এবং ইউক্রেনীয়দের কথা তো বলাই বাহুল্য। ** [[w:bn:নিয়াল ফার্গুসন|নিল ফার্গুসন]], ''দ্য ওয়ার অব দ্য ওয়ার্ল্ড: টুয়েন্টিয়েথ-সেঞ্চুরি কনফ্লিক্ট অ্যান্ড দ্য ডিসেন্ট অব দ্য ওয়েস্ট'' (২০০৬), পৃষ্ঠা ১৬৭। * দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় বলকানেও জাতিগত, ধর্মীয় এবং মতাদর্শিক দিক থেকে একাধিক গৃহযুদ্ধ হয়েছিল। ১৯৪১ সালের এপ্রিলে জার্মান আগ্রাসনের প্রেক্ষিতে যুগোস্লাভিয়া ভেঙে পড়েছিল। সুযোগ বুঝে ক্রোয়েশিয়ার নেতা আন্তে পাভেলিচ হিটলারের পক্ষ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। পরবর্তী বিশৃঙ্খলায় তার উস্তাসারা ক্রোয়েশিয়া এবং বসনিয়া-হার্জেগোভিনায় তাদের সার্বিয়ান প্রতিবেশীদের বিরুদ্ধে জাতিগত নিধনের এক নৃশংস অভিযান চালায় এবং তাদের শত শত হাজার মানুষকে নির্যাতন ও হত্যা করে। গোটা গ্রামের পর গ্রাম মানুষকে তাদের গির্জায় বন্দি করে পুড়িয়ে মারা হয় অথবা জাসেনোভাকের মতো কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পে হত্যার জন্য পাঠানো হয়। সার্বিয়ান চেটনিক এবং পার্টিজানরাও এই অপরাধগুলোর সমতুল্য প্রতিশোধ নিয়েছিল। যুদ্ধের সময় যুগোস্লাভিয়ায় যে প্রায় দশ লাখ মানুষ মারা গিয়েছিল, তাদের বেশিরভাগকেই অন্য যুগোস্লাভরা হত্যা করেছিল। এর মধ্যে বসনিয়ার ১৪ হাজার ইহুদির প্রায় সবাই অন্তর্ভুক্ত ছিল। গ্রিসে জার্মান দখলদারিত্ব ছিল তিক্ত সংঘাতের ইঙ্গিত। সেখানে যুগোস্লাভিয়ার মতোই একটি ত্রিমুখী যুদ্ধ শুরু হয়েছিল যা কেবল বিদেশি আক্রমণকারী এবং জাতীয়তাবাদীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং তা জাতীয়তাবাদী এবং স্থানীয় কমিউনিস্টদের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়েছিল। ** [[w:bn:নিয়াল ফার্গুসন|নিল ফার্গুসন]], ''দ্য ওয়ার অব দ্য ওয়ার্ল্ড: টুয়েন্টিয়েথ-সেঞ্চুরি কনফ্লিক্ট অ্যান্ড দ্য ডিসেন্ট অব দ্য ওয়েস্ট'' (২০০৬), পৃষ্ঠা ৪৫৬-৪৫৭। === খ === * "জোটনিরপেক্ষতা" তৃতীয় বিশ্বের রাষ্ট্রগুলোর নেতাদের জন্য এমন একটি উপায় প্রদান করেছিল যেখানে তারা পুরোপুরি ঝুঁকে না পড়েও ভারসাম্য বজায় রাখতে পারত। এর মূল ধারণাটি ছিল স্নায়ুযুদ্ধে কোনো পক্ষের সাথেই যুক্ত না হওয়া, তবে প্রয়োজনে যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা উন্মুক্ত রাখা। এভাবে কোনো একটি পরাশক্তির চাপ খুব বেশি বেড়ে গেলে, একটি ছোট শক্তি অন্য পরাশক্তির সাথে জোটবদ্ধ হওয়ার হুমকি দিয়ে নিজেকে রক্ষা করতে পারত। যুগোস্লাভিয়া কোনো তৃতীয় বিশ্বের রাষ্ট্র না হয়েও এই প্রক্রিয়ার পথপ্রদর্শক ছিল। টিটো ১৯৪৮ সালে স্তালিনের নিন্দা চাননি; তিনি একজন নিবেদিতপ্রাণ কমিউনিস্ট ছিলেন এবং তা-ই থেকে যান। কিন্তু তিনি মতাদর্শগত সংহতির খাতিরে সার্বভৌমত্ব বিসর্জন না দেওয়ার ব্যাপারে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ছিলেন এবং সেসময়কার অন্যান্য পূর্ব ইউরোপীয় নেতাদের বিপরীতে তার এমনটি করার কোনো প্রয়োজনও ছিল না। স্তালিনের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করার পর আমেরিকানরা কত দ্রুত তাকে অর্থনৈতিক সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছিল তা লক্ষ্য করে টিটো একটি জীবনরেখার সম্ভাবনা দেখতে পেয়েছিলেন। যুগোস্লাভদের বিরুদ্ধে রুশরা কি শক্তি প্রয়োগের ঝুঁকি নেবে যদি তা আমেরিকানদের সাথে যুদ্ধের দিকে পরিচালিত করে? দীর্ঘ যুগোস্লাভ উপকূলের ঠিক পাশেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ষষ্ঠ নৌবহর কাজ করায় স্তালিনের জন্য আক্রমণ চালানোর বিষয়ে দুবার ভাবার যথেষ্ট কারণ ছিল। এর প্রমাণও রয়েছে যে তিনি আক্রমণ না করে বরং গুপ্তহত্যার ষড়যন্ত্র নিয়ে সন্তুষ্ট ছিলেন, যার সবগুলোই শেষমেশ ব্যর্থ হয়েছিল। ** জন লুইস গ্যাডিস, ''দ্য কোল্ড ওয়ার: আ নিউ হিস্ট্রি'' (২০০৬), পৃষ্ঠা ১২৪। === গ === * ১৯৯৫ সালের শরতে বসনিয়ার যুদ্ধের অবসান ঘটানোর চেষ্টায় যখন আমাদের মার্কিন আলোচক দল বলকানে ঘুরে বেড়াচ্ছিল, তখন ভার্সাই চুক্তি আমার মন থেকে খুব একটা দূরে ছিল না। হ্যারল্ড নিকলসন রচিত ''পিসমেকিং ১৯১৯'' এর অংশবিশেষ পড়তে পড়তে আমরা মজা করে বলতাম যে আমাদের লক্ষ্য হলো উড্রো উইলসনের উত্তরাধিকার বাতিল করা। ১৯৯৫ সালের নভেম্বরে ওহাইওর ডেটনে যখন আমরা বসনিয়া, ক্রোয়েশিয়া এবং যুগোস্লাভিয়া ফেডারেল প্রজাতন্ত্রের নেতাদের একত্রিত হতে এবং যুদ্ধের অবসানের জন্য আলোচনা করতে বাধ্য করি, তখন আমরা মূলত ভার্সাই চুক্তির আরেকটি অংশকেই কবর দিচ্ছিলাম। ২০০২ সালের বসন্তে, ভার্সাই চুক্তির মাধ্যমে সৃষ্ট সর্বশেষ যে দুটি অংশ তখনও "যুগোস্লাভিয়া" হিসেবে যুক্ত ছিল, তারা তাদের দেশের নাম পরিবর্তন করে "সার্বিয়া ও মন্টিনিগ্রো" রাখার ব্যাপারে একমত হয়ে পূর্ণ এবং চূড়ান্ত বিচ্ছেদের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছানোর আরেকটি পদক্ষেপ নেয়, যা সম্ভবত তাদের সম্পূর্ণ বিচ্ছেদের পথের একটি ধাপ ছিল। ** রিচার্ড হোলব্রুক, ''প্যারিস ১৯১৯: সিক্স মান্থস দ্যাট চেঞ্জড দ্য ওয়ার্ল্ড'' (২০০১)-এর ভূমিকা, পৃষ্ঠা x। * যুগোস্লাভিয়ায় পুঁজিবাদ সম্পূর্ণরূপে পুনরুদ্ধার করা হয়েছে, যা সবার কাছেই পরিচিত, তবে এই পুঁজিবাদ কীভাবে ছদ্মবেশ ধারণ করতে হয় তা জানে। যুগোস্লাভিয়া নিজেকে একটি সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে চিত্রিত করে, কিন্তু তা এমন এক বিশেষ ধরনের সমাজতন্ত্র যা বিশ্ব আগে কখনো দেখেনি! টিটোপন্থীরা এমনকি এ নিয়ে গর্বও করে যে, সমাজতান্ত্রিক মহান অক্টোবর বিপ্লব থেকে উদ্ভূত এবং মার্কস ও এঙ্গেলসের বৈজ্ঞানিক তত্ত্বের ভিত্তিতে লেনিন ও স্তালিন কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রের সাথে তাদের রাষ্ট্রের কোনো মিল নেই। ** [[w:bn:আনোয়ার হোজ্জা|আনোয়ার হোজ্জা]], ''[http://www.marxists.org/reference/archive/hoxha/works/1978/yugoslavia/index.htm যুগোস্লাভ "সেলফ-অ্যাডমিনিস্ট্রেশন" - ক্যাপিটালিস্ট থিওরি অ্যান্ড প্র্যাকটিস] (ই. কারদেলির সমাজতন্ত্র বিরোধী মতামতের বিরুদ্ধে)'', "সমাজতান্ত্রিক স্ব-প্রশাসনের রাজনৈতিক ব্যবস্থার বিকাশের দিকনির্দেশনা" গ্রন্থে, অ্যালবেনিয়ান শ্রম দলের কেন্দ্রীয় কমিটির মার্কসবাদী-লেনিনবাদী গবেষণা ইনস্টিটিউট, তিরানা, ১৯৭৮। * ১৯৯১ সালে যুগোস্লাভিয়ার সমস্ত অধিবাসীকে খাওয়ানোর জন্য প্রয়োজনের চেয়েও বেশি সম্পদ ছিল, তা সত্ত্বেও এটি একটি ভয়াবহ রক্তপাতের মধ্য দিয়ে ভেঙে পড়ে। ** [[w:bn:ইউভাল নোয়াহ হারারি|ইউভাল নোয়াহ হারারি]], স্যাপিয়েন্স: আ ব্রিফ হিস্ট্রি অব হিউম্যানকাইন্ড (২০১১), অধ্যায় ৬: "বিল্ডিং পিরামিডস"। === ঘ === * আজকের সাধারণ ধারণা হলো যুগোস্লাভিয়া ছিল একটি ব্যর্থ পরীক্ষা। ১৯৯০-এর দশকে যুগোস্লাভিয়ার পতনের যুদ্ধের প্রতিবেদন করার সময় অল্প-জ্ঞানের অধিকারী পশ্চিমা সাংবাদিকরা "সার্ব এবং ক্রোটদের মধ্যে শতবর্ষের পুরোনো সংঘাত" সম্পর্কে লিখেছিলেন; অথচ সার্ব-ক্রোট বৈরিতার আসল সূত্রপাত প্রকৃতপক্ষে ১৯শ এবং ২০শ শতাব্দীতে জাতীয়তাবাদের উত্থানের সময় থেকেই শুরু হয়েছিল। ** টোমেক জানকোভস্কি, ''ইস্টার্ন ইউরোপ!: এভরিথিং ইউ নিড টু নো অ্যাবাউট দ্য হিস্ট্রি (অ্যান্ড মোর) অব আ রিজিয়ন দ্যাট শেপড আওয়ার ওয়ার্ল্ড অ্যান্ড স্টিল ডাজ'' (২০১৩)। * যুগোস্লাভিয়া চেকোস্লোভাকিয়ার মতোই ছিল, কারণ এটি সার্বদের দ্বারা পরিচালিত একটি ক্ষুদ্র সাম্রাজ্য ছিল এবং চেক দলগুলো তাদের সাম্রাজ্য যেভাবে চালাত তার চেয়ে এটি উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি নিষ্ঠুর ছিল। এর কিছু অংশে ১৯১২ সাল থেকে অবিরাম যুদ্ধ চলছিল এবং ১৯২৬ সালের আগে পর্যন্ত এর সীমানা স্থির হয়নি (যদি এই শব্দটি ব্যবহার করা যায়)। অর্থোডক্স সার্বরা সেনাবাহিনী এবং প্রশাসন চালাত, কিন্তু ক্যাথলিক ক্রোট এবং স্লোভেনরা, যাদের সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক মান অনেক উন্নত ছিল, তারা 'বলকানদের (অর্থাৎ সার্বদের) ইউরোপীয়করণ' করার দায়িত্ব এবং নিজেদের 'বলকানাইজড' হয়ে যাওয়ার ভয় নিয়ে কথা বলত। নতুন দেশটি তৈরিতে সহায়তাকারী আর.ডব্লিউ. সিটন-ওয়াটসন খুব শিগগিরই সার্বদের পরিচালনার ধরন দেখে মোহমুক্ত হন। ১৯২১ সালে তিনি লিখেছিলেন যে যুগোস্লাভিয়ার পরিস্থিতি তাকে হতাশায় ফেলে দেয় এবং এর অবাস্তব কেন্দ্রীকরণের কারণে নতুন সংবিধানের প্রতি তার কোনো আস্থা নেই। তিনি অভিযোগ করেছিলেন যে, সার্ব কর্মকর্তারা হাবসবার্গদের চেয়েও খারাপ ছিল এবং সার্বদের বিরোধিতা জার্মানদের চেয়েও বেশি নিষ্ঠুর ছিল। ১৯২৮ সালে তিনি লিখেছিলেন যে তার নিজের ইচ্ছা হলো সার্ব এবং ক্রোটদের তাদের নিজেদের সমস্যাতেই ভুগতে দেওয়া, কারণ তিনি মনে করতেন তারা উভয়েই পাগল এবং নিজেদের নাকের ডগার বাইরে কিছু দেখতে পায় না। প্রকৃতপক্ষে, সেসময় সংসদ সদস্যরা সংসদে একে অপরের দিকে পিস্তল দিয়ে গুলি ছুড়ছিলেন এবং সেই প্রক্রিয়ায় ক্রোট কৃষক দলের নেতা স্তেপান রাদিচ নিহত হন। দেশটি সার্ব রাজনৈতিক পুলিশের চেয়ে বরং এর ইতালীয়, হাঙ্গেরীয়, বুলগেরীয় এবং আলবেনীয় প্রতিবেশীদের ধিকিধিকি জ্বলা ঘৃণার দ্বারাই কোনোমতে একসাথে টিকে ছিল, কারণ তাদের সবারই মেটানোর মতো অনেক ক্ষোভ ছিল। ** পল জনসন, ''মডার্ন টাইমস: দ্য ওয়ার্ল্ড ফ্রম দ্য টুয়েন্টিজ টু দ্য নাইনটিজ'' (১৯৯১), আইএসবিএন ৯৭৮০০৬০১৬৮৩৩৯। * এই স্লাভিক জাতির মহান পরীক্ষাটি ছিল একটি মহৎ ধারণার ওপর ভিত্তি করে। এর প্রবক্তারা ভেবেছিলেন যে দক্ষিণ স্লাভরা, অর্থাৎ যাদের মধ্যে অনেক মিল রয়েছে, বিশেষ করে তাদের ভাষা; যারা অস্ট্রিয়ার সীমান্ত থেকে প্রায় ইস্তাম্বুলের (বর্তমান ইস্তাম্বুল) দ্বারপ্রান্ত পর্যন্ত এক বিশাল ভূখণ্ডে বসবাস করত, তাদের ঐক্যবদ্ধ হওয়া উচিত এবং একটি মহান শক্তিশালী দক্ষিণ স্লাভ রাষ্ট্র গঠন করা উচিত। ** টিম জুডাহ, [https://web.archive.org/web/20080407212552/http://www.bbc.co.uk/history/worldwars/wwone/yugoslavia_01.shtml "যুগোস্লাভিয়া: ১৯১৮ - ২০০৩"] (৪ ফেব্রুয়ারি ২০০৩), ''বিবিসি''। === ঙ === * ডিকিনের মতো পণ্ডিত থেকে সৈনিকে পরিণত হওয়া ব্যক্তিদের গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করা পার্টিজান সংগ্রামের এই 'বীরত্বপূর্ণ' দিকটি বইয়ের পাতায় বেশ ভালোই শোনায়। কিন্তু যুগোস্লাভিয়ার বিস্তীর্ণ অঞ্চলে একটি রাজনৈতিক-সামরিক অভিযান চালানোর বাস্তব পরিণতি এর জনগণের জন্য অবর্ণনীয় দুর্ভোগ ডেকে এনেছিল। তাদের ইতিহাস আগে থেকেই তিক্ত এবং সহিংস প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ভরপুর ছিল, যা যুদ্ধ পুনরায় জাগিয়ে তুলেছিল। উত্তরে ক্যাথলিক ক্রোট নেতারা ইতালীয় পৃষ্ঠপোষকতার সুযোগ নিয়ে অর্থোডক্স সার্বদের বিরুদ্ধে বহিষ্কার, জোরপূর্বক ধর্মান্তর এবং নির্মূলের অভিযান শুরু করেছিলেন। বসনিয়া-হার্জেগোভিনার মুসলিমরাও গৃহযুদ্ধে অংশ নিয়েছিল, অন্যদিকে দক্ষিণে কসোভোর সার্বরা তাদের আলবেনীয় প্রতিবেশীদের দ্বারা আক্রান্ত হয়েছিল। চেটনিকরা নিজেদের দিক থেকে পার্টিজানদের সাথে সার্ব ভূমিগুলোতে কর্তৃত্ব নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিল, যাদের সাথে তারা কোনো যৌথ কৌশলে একমত হতে ব্যর্থ হয়; তবে জার্মান দখলদারদের সাথে তারা প্রকাশ্য যুদ্ধ শুরু করেনি যাতে কোনো প্রতিশোধমূলক হামলার শিকার হতে না হয়। জোসিপ ব্রোজ টিটো প্রতিশোধের বিষয়ে নিজের মনকে কঠোর করেছিলেন; প্রকৃতপক্ষে তিনি অক্ষশক্তির নৃশংসতাকে নতুন লোক নিয়োগের একটি প্রেরণা হিসেবে দেখেছিলেন। তিনি উদ্দেশ্যমূলকভাবে সাতটি তথাকথিত 'আক্রমণ'-এর মাধ্যমে জার্মানদের তার পিছু নিতে প্ররোচিত করেছিলেন, যা পার্টিজানদের পদযাত্রার পথে থাকা গ্রামাঞ্চলগুলোকে এক বিরানভূমিতে পরিণত করেছিল। গ্রামবাসীদের হয় পার্টিজানদের অনুসরণ করে 'জঙ্গলে' (তুর্কিদের বিরোধিতাকারীদের আত্মগোপনস্থলের ঐতিহ্যবাহী বিবরণ) যেতে হতো অথবা সেখানে থেকে প্রতিশোধের অপেক্ষায় থাকতে হতো। টিটোর উপপ্রধান কারদেলি নিরপেক্ষদের এমন উভয়সঙ্কটে ফেলার প্রয়োজনীয়তার বিষয়ে জোর দিয়েছিলেন: 'কিছু কমান্ডার প্রতিশোধের ভয় পান এবং সেই ভয় গ্রামগুলোকে সংগঠিত করতে বাধা দেয়। আমি মনে করি এই প্রতিশোধের একটি কার্যকর ফলাফল হবে ক্রোট গ্রামগুলোকে সার্ব গ্রামগুলোর পক্ষে নিয়ে আসা। যুদ্ধে আমাদের পুরো গ্রাম ধ্বংসের ভয় পেলে চলবে না। সন্ত্রাসই সশস্ত্র পদক্ষেপ নিয়ে আসবে।' কারদেলির বিশ্লেষণটি সঠিক ছিল। ** জন কিগান, ''আ হিস্ট্রি অব ওয়ারফেয়ার'' (১৯৯৪), পৃষ্ঠা ৫২। === চ === [[File:Flag of Yugoslavia (1918–1941).svg|thumb|১৯১৯ সালে উদ্ভূত দক্ষিণ স্লাভদের রাষ্ট্রটি, যা সার্বিয়া এবং বিলুপ্ত অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরির দক্ষিণাংশ একত্রিত করে গড়ে তোলা হয়েছিল, তা ছিল আকস্মিক এবং তাড়াহুড়ো করে নেওয়া, এমনকি অনেক ক্ষেত্রে মরিয়া সব সিদ্ধান্তের ফল। (মার্গারেট ম্যাকমিলান)]] * ১৯১৯ সালে উদ্ভূত দক্ষিণ স্লাভদের রাষ্ট্রটি, যা সার্বিয়া এবং বিলুপ্ত অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরির দক্ষিণাংশ একত্রিত করে গড়ে তোলা হয়েছিল, তা ছিল আকস্মিক এবং তাড়াহুড়ো করে নেওয়া, এমনকি অনেক ক্ষেত্রে মরিয়া সব সিদ্ধান্তের ফল। এর প্রতিনিধি দল বা নতুন দেশটির নাম কী হওয়া উচিত, তা-ও স্পষ্ট ছিল না। সার্বিয়া এবং বিলুপ্ত অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরির দক্ষিণাংশ নিয়ে গঠিত এই দেশটি শেষ পর্যন্ত যুগোস্লাভিয়া নাম ধারণ করে। শান্তি সম্মেলন যুগোস্লাভিয়া তৈরি করেনি, যেমনটা অনেকেই পরে বিশ্বাস করেছিল; বরং প্রথম কূটনীতিকরা প্যারিসে পৌঁছানোর আগেই এটি তৈরি হয়ে গিয়েছিল। সত্তর বছর পর, শক্তিধর দেশগুলো একইভাবে এর পতন ঠেকাতেও অক্ষম হয়েছিল। ** মার্গারেট ম্যাকমিলান, ''প্যারিস ১৯১৯: সিক্স মান্থস দ্যাট চেঞ্জড দ্য ওয়ার্ল্ড'' (২০০১), পৃষ্ঠা ১১০। * যুগোস্লাভিয়া নিজেই ছিল ১৯১৮ সালের সাম্রাজ্যগুলোর পতনের ফলে সৃষ্ট এক ত্রুটিপূর্ণ রাষ্ট্র, যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পর্যন্ত সার্বিয়ান রাজতন্ত্র দ্বারা আধিপত্যশীল ছিল, অথচ এর মধ্যে মুসলিম বসনিয়ান এবং কসোভান আলবেনীয়, অর্থোডক্স মন্টিনিগ্রিন এবং সার্ব এবং ক্যাথলিক ক্রোটরা অন্তর্ভুক্ত ছিল। দুই বিশ্বযুদ্ধের নৃশংস জাতিগত গণহত্যার মধ্য দিয়ে দীর্ঘকাল ক্ষমতায় থাকা একনায়ক মার্শাল জোসিপ টিটো, যার পার্টিজানরা যুগোস্লাভিয়াকে নাৎসি দখলদারিত্ব থেকে মুক্ত করেছিল, তিনি তার নিজস্ব ক্যারিশম্যাটিক ব্যক্তিত্ব এবং তুলনামূলকভাবে কম পরিচিত সন্ত্রাস, গোপন পুলিশ ও কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্প ব্যবহার করে একটি শক্তিশালী শাসনব্যবস্থা তৈরি করেছিলেন। তারপরও টিটো বলকানের মারাত্মক জাতিগত বিরোধ নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হয়েছিলেন এবং তার জনগণকে প্রায় ৩০ বছরের শান্তি ও শৃঙ্খলা উপহার দিয়েছিলেন। কিন্তু ১৯৮০ সালে তার মৃত্যুর পর যে আবর্তিত প্রেসিডেন্সি ব্যবস্থা কার্যকর করা হয়, তা একটি উত্তপ্ত জাতিগত কড়াই রেখে যায়, যা নিয়ন্ত্রণ করার মতো কোনো শক্তিশালী হাত ছিল না। স্লোবোদান মিলোশেভিচ তার ব্যক্তিগত নির্দেশে সমন্বিত ও অর্থায়িত ডেথ স্কোয়াড, ভাড়াটে সৈন্য এবং সাইকোপ্যাথিক যুদ্ধবাজদের নিয়ে এই শূন্যতা পূরণ করেছিলেন। ** সাইমন সেবাগ মন্টেফিয়োর, ''মনস্টারস: হিস্ট্রিস মোস্ট ইভিল মেন অ্যান্ড উইমেন'' (২০০৯), পৃষ্ঠা ৩৬১। === ছ === * যুগোস্লাভিয়া ইরানের পাশাপাশি একমাত্র দেশ, যা অত্যন্ত কঠিন ও যন্ত্রণাদায়ক পরিস্থিতিতেও জোসেফ স্তালিনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিল। যুগোস্লাভিয়ার মতো একটি দেশে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীকে ঐক্যবদ্ধ করা বা দেশটিকে আধুনিকীকরণ করা মোটেও সহজ কাজ ছিল না, এবং এটি অবশ্যই স্বীকার করতে হবে যে মার্শাল টিটো অসাধারণ কিছু অর্জন করেছিলেন। ঈশ্বর করুন, তার উত্তরসূরিরাও যেন তার মতোই যোগ্য হয়। ** মোহাম্মদ রেজা পাহলভি, ''দ্য শাহস স্টোরি'' (১৯৮০), পৃষ্ঠা ১৪৬-১৪৭। === জ === * এটি অবিলম্বে লক্ষ করা উচিত যে যুগোস্লাভিয়ার দাপ্তরিক নামে "ফেডারেল" বা যুক্তরাষ্ট্রীয় বিশেষণটির ব্যবহার ছিল নিছক লোকদেখানো; ঠিক যেমন সোভিয়েত ব্লক এবং পশ্চিমা গণতন্ত্রের মধ্যে সংঘাতে দেশটির কথিত জোটনিরপেক্ষ ভূমিকাও ছিল একটি ভান। এক্ষেত্রে "ফেডারেলিজম" বা যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা বলতে "বিকেন্দ্রীকরণ" বোঝায়নি, বরং স্থানীয় কেন্দ্রীকরণগুলোর একটি ফেডারেশনকে বোঝানো হয়েছে। যুগোস্লাভিয়ার কাল্পনিক "তৃতীয় অবস্থান"-এর বিষয়ে বলতে গেলে, তারা সম্পূর্ণভাবে কমিউনিস্ট থাকার পাশাপাশি নিজেদের একটি ভিন্ন ধরনের সমাজতন্ত্র হিসেবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করেছিল, তবে তা মূলত একটি কৌশলগত প্রক্সি হিসেবে কাজ করে নিরপেক্ষ দেশগুলোকে গোপনে সোভিয়েত ব্লকের প্রভাব বলয়ে টেনে আনার জন্য ব্যবহৃত হয়েছিল। ** মার্কো রেসপিন্টি, [https://bitterwinter.org/the-world-is-risking-a-uyghur-srebrenica/ "দ্য ওয়ার্ল্ড ইজ রিস্কিং আ উইঘুর স্রেব্রেনিৎসা"], ''বিটার উইন্টার'' (১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫)। * এই নস্টালজিয়া বা অতীতকাতরতা আমাকে হতবাক করে। মানুষ বলে যে সেসময় খুব একটা খারাপ ছিল না, সমাজতন্ত্র অনেক বেশি মানবিক ছিল। কিন্তু সাবেক যুগোস্লাভিয়ায় সবাই সমতাবাদী ছিল তার একমাত্র কারণ হলো সবাই গরিব ছিল। যুগোস্লাভিয়া আসলে একটি স্বৈরশাসন ছিল। ** দিমিত্রিজ রুপেল, ড্যান বিলেফস্কি রচিত [https://www.nytimes.com/2008/01/27/world/europe/27iht-nostalgia.4.9533599.html?pagewanted=2&_r=0 "ইন এক্স-যুগোস্লাভিয়া, টিটো-এরা নস্টালজিয়া"] (২৭ জানুয়ারি ২০০৮), ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস'' থেকে উদ্ধৃত। === ঝ === * কমিউনিস্ট বিশ্বে বস্তুগত অবস্থার একটি শ্রেণিবিন্যাস ছিল। পশ্চিমাদের সাথে সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ বাণিজ্যিক সম্পর্কের কারণে যুগোস্লাভরা উপলব্ধ পণ্যের পরিসর এবং মানের দিক দিয়ে সবচেয়ে ভালো অবস্থানে ছিল। এরপর ছিল পূর্ব জার্মানরা এবং তার পরে হাঙ্গেরীয় ও পোলিশরা। সোভিয়েত ইউনিয়নের নাগরিকরা তাদের চেয়ে পিছিয়ে ছিল; এবং রাশিয়ান জাতীয় গর্বের জন্য আরও বেশি বিরক্তিকর ব্যাপার ছিল যে, সোভিয়েত ইউনিয়নে জর্জিয়ান এবং এস্তোনিয়ানরা রাশিয়ানদের চেয়ে উন্নত জীবনযাপন করত। রাশিয়ানদের জনপ্রিয় কল্পনায় একজন সাধারণ জর্জিয়ানের রূপ ছিল কালো চামড়ার এক 'প্রাচ্যদেশীয়' মানুষ, যে তার যৌথ খামার থেকে বড় বড় স্যুটকেসে করে কমলালেবু রাশিয়ান ফেডারেশনের বড় শহরগুলোতে পাচার করত। ফলমূল যে অভ্যন্তরীণ চোরাচালানের একটি আইটেম হতে পারে, তা সমাজতন্ত্রের চরম অর্থনৈতিক অদক্ষতার কথাই প্রমাণ করে। ** রবার্ট সার্ভিস, ''কমরেডস: আ হিস্ট্রি অব ওয়ার্ল্ড কমিউনিজম'' (২০০৯)। * তবে সার্ব, ক্রোট বা বসনিয়ানরা অপরাধী নয়। যুগোস্লাভিয়ায় সমস্যাগুলো ঠিক একই কারণে শুরু হয়েছিল যা সোভিয়েত ইউনিয়নেও হয়েছিল। কমিউনিস্টরা (তাদের টিটো ছিল, আমাদের ছিল লেনিন ও স্তালিন) যথেচ্ছভাবে, জাতিগত দিক থেকে অযৌক্তিক এবং ঐতিহাসিকভাবে সমর্থনযোগ্য নয় এমন সব অভ্যন্তরীণ প্রশাসনিক সীমানা নির্ধারণ করেছিল এবং বছরের পর বছর ধরে অধিবাসীদের এক অঞ্চল থেকে অন্য অঞ্চলে স্থানান্তরিত করেছিল। এবং যখন মাত্র কয়েকদিনের ব্যবধানে যুগোস্লাভিয়া ভাঙতে শুরু করে, তখন পশ্চিমা দেশগুলোর নেতৃস্থানীয় শক্তিরা অবর্ণনীয় তাড়াহুড়ো এবং দায়িত্বহীনতার সাথে এই রাষ্ট্রগুলোকে তাদের কৃত্রিম সীমানার মধ্যেই স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য ছুটে যায়। তাই, আজ সাবেকি যুগোস্লাভিয়ার দুর্ভাগা জনগণকে যে ক্লান্তিকর ও রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ ধ্বংস করে দিচ্ছে, তার জন্য টিটোর পাশাপাশি পশ্চিমা শক্তিগুলোর নেতাদেরও দায়ভার নিতে হবে। এখন, তারা যে সমস্যাটি সৃষ্টিতে সহায়তা করেছিল তা কোনোভাবে সংশোধনের চেষ্টা করতে গিয়ে, তারা মূলত পবিত্র জোটের জন্য মেটারনিখের সেই সুপরিচিত নীতিবাক্যটিরই পুনরাবৃত্তি করছে: "অন্যকে সুস্থ করার স্বার্থে হস্তক্ষেপ।" আজকের স্লোগান হলো "মানবতাবাদের স্বার্থে হস্তক্ষেপ।" এটি একটি পরিহাসমূলক মিল! তবে হস্তক্ষেপ অত্যন্ত বিপজ্জনক একটি বিষয়। বড় শক্তিগুলোর পক্ষে বিশ্বকে নিয়ন্ত্রণ করা এত সহজ নয়। ** [[w:bn:আলেকসান্দ্র্‌ সোলঝেনিৎসিন|আলেকজান্ডার সোলঝেনিৎসিন]], পল ক্লেবনিকভ কর্তৃক গৃহীত [https://www.forbes.com/2008/08/05/solzhenitsyn-forbes-interview-oped-cx_pm_0804russia.html?sh=510b79d25f53 নতুন রাশিয়া এবং ইউক্রেন নিয়ে আলেকজান্ডার সোলঝেনিৎসিনের সাক্ষাৎকার (মে ১৯৯৪)], ''ফোর্বস'' ম্যাগাজিনে (৯ মে ১৯৯৪) প্রকাশিত। * কারণ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সুবাদে রুশরা খুব সহজেই তিনটি বাল্টিক রাষ্ট্র দখল করে নেয়, ফিনল্যান্ডের একটি অংশ, রুমানিয়ার একটি অংশ, পোল্যান্ডের একটি অংশ এবং জার্মানির একটি অংশ কেড়ে নেয় এবং অভ্যন্তরীণ ধ্বংসযজ্ঞ ও বাহ্যিক চাপের এক সুচিন্তিত নীতির বদৌলতে ওয়ারশ, প্রাগ, বুদাপেস্ট, সোফিয়া, বুখারেস্ট, তিরানা এবং পূর্ব বার্লিনে যথাযথভাবেই 'উপগ্রহ রাষ্ট্র' হিসেবে পরিচিত সরকার প্রতিষ্ঠা করে। এর মধ্যে আমি বেলগ্রেডকে বাদ দিচ্ছি, কারণ মার্শাল টিটোর সাহস ও প্রবল ইচ্ছাশক্তির কারণে সেখানকার শাসনব্যবস্থা ছিল অনন্য। ** পল-অঁরি স্পাক, "[https://www.nato.int/cps/en/natohq/opinions_17588.htm?selectedLocale=en দ্য আটলান্টিক অ্যালায়েন্স অ্যান্ড ইটস ফিউচার]," ১৪ সেপ্টেম্বর ১৯৫৭। === ঞ === * গণপ্রজাতন্ত্রের অন্য কোনো দেশে এই দেশের মতো এতগুলো জাতিসত্তা নেই... আমরা যে জাতীয়তার প্রশ্নটির এত পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে সমাধান করতে পেরেছি, তার কারণ হলো স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় এই সমস্যার সমাধান একটি বৈপ্লবিক উপায়ে শুরু হয়েছিল। এই যুদ্ধে দেশের সকল জাতিগোষ্ঠী অংশগ্রহণ করেছিল, যেখানে প্রতিটি জাতীয় গোষ্ঠী তাদের সক্ষমতা অনুযায়ী দখলদারদের হাত থেকে মুক্তির সাধারণ প্রচেষ্টায় অবদান রেখেছিল। ম্যাসেডোনিয়ান বা অন্য কোনো জাতীয় গোষ্ঠী, যারা সেসময় পর্যন্ত নিপীড়িত ছিল, তারা কোনো সরকারি ডিক্রি জারির মাধ্যমে তাদের জাতীয় মুক্তি লাভ করেনি। তারা হাতে রাইফেল নিয়ে তাদের জাতীয় মুক্তির জন্য লড়াই করেছিল। কমিউনিস্ট পার্টির ভূমিকা প্রথমত এই সত্যের মধ্যেই নিহিত যে তারা এই সংগ্রামের নেতৃত্ব দিয়েছিল, যা একটি গ্যারান্টি ছিল যে যুদ্ধের পরে জাতীয় প্রশ্নটির সমাধান চূড়ান্তভাবে সেভাবেই হবে যা কমিউনিস্টরা যুদ্ধের অনেক আগে এবং যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে পরিকল্পনা করেছিল। সমাজতন্ত্র গড়ে তোলার বর্তমান পর্যায়ে কমিউনিস্ট পার্টির ভূমিকা হলো ইতিবাচক জাতীয় কারণগুলোকে আমাদের দেশে সমাজতন্ত্রের বিকাশের ক্ষেত্রে একটি উদ্দীপক হিসেবে তৈরি করা, কোনো বাধা হিসেবে নয়। আজকে কমিউনিস্ট পার্টির ভূমিকা এই প্রয়োজনীয়তার মধ্যেই নিহিত যে, কোনো জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে যেন জাতীয় উগ্রপন্থী মনোভাবের উত্থান বা বিকাশ না ঘটে, সেদিকে কড়া নজর রাখা। জাতীয়তাবাদের সমস্ত নেতিবাচক দিকগুলো যেন বিলুপ্ত হয় এবং জনগণকে যেন আন্তর্জাতিকতাবাদের চেতনায় শিক্ষিত করা হয়, তা নিশ্চিত করতে কমিউনিস্ট পার্টিকে সর্বদা সচেষ্ট হতে হবে এবং তারা তা করছেও। ** জোসিপ ব্রোজ টিটো, ''[http://www.marxists.org/archive/tito/1948/11/26.htm কনসার্নিং দ্য ন্যাশনাল কোয়েশ্চেন অ্যান্ড সোশ্যাল প্যাট্রিয়োটিজম]'' থেকে উদ্ধৃত, ২৬ নভেম্বর ১৯৪৮ সালে লুব্লিয়ানায় স্লোভেন একাডেমি অব আর্টস অ্যান্ড সায়েন্স-এ প্রদত্ত ভাষণ। * আমরা সবাই একসাথে না থাকলে আমাদের কোনো প্রজাতন্ত্রেরই কোনো মূল্য থাকত না, তবে আমাদের নিজেদের ইতিহাস তৈরি করতে হবে; অর্থাৎ আমাদের যুগোস্লাভ সমাজতান্ত্রিক ইতিহাস, যা ভবিষ্যতে অনন্য হবে এবং সেটিই আমাদের পথ। কিছু কিছু প্রজাতন্ত্রের নিজেদের ঐতিহ্য সংরক্ষণের জাতীয় অধিকার ক্ষুণ্ণ করে নয়, এবং তা সামগ্রিক সম্প্রদায়ের স্বার্থের বিনিময়েও নয়, বরং একে অপরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করতে হবে। এটিই আমরা চাই, আমাদের ঐক্যের বিনাশ নয়। ** জোসিপ ব্রোজ টিটো, [https://www.youtube.com/watch?v=H7s7ldiX6lc ১৯৬২ সালে স্প্লিট-এ টিটোর ভাষণ] থেকে উদ্ধৃত। * যুগোস্লাভিয়ার জনগণ ফ্যাসিবাদ চায় না। তারা কোনো সর্বগ্রাসী শাসন চায় না, তারা জার্মান এবং ইতালীয় আর্থিক অলিগার্কি বা অভিজাতদের দাস হতে চায় না, ঠিক যেমন তারা প্রথম সাম্রাজ্যবাদী যুদ্ধের পরে তথাকথিত পশ্চিমা গণতন্ত্রগুলোর দ্বারা চাপিয়ে দেওয়া আধা-ঔপনিবেশিক পরাধীনতার সাথে কখনোই আপস করতে চায়নি। ** জোসিপ ব্রোজ টিটো, জ্যাসপার রিডলি রচিত ''টিটো: আ বায়োগ্রাফি'' (কনস্টেবল অ্যান্ড কোম্পানি লিমিটেড, ১৯৯৪), পৃষ্ঠা ১৫৫ থেকে উদ্ধৃত। * প্রিয় ভাই ও বোনেরা, এই বিষয়ে ভালোভাবে চিন্তা করুন, তাহলে আপনারা দেখতে পাবেন যে আমাদের এক ভয়ানক বিশৃঙ্খলা এবং ভ্রাতৃঘাতী যুদ্ধের মধ্যে থাকতে হতো, এমন এক দেশে যা আর যুগোস্লাভিয়া থাকত না, বরং শুধুমাত্র ছোট ছোট রাজ্যের একটি গোষ্ঠী হিসেবে একে অপরের সাথে লড়াই করে নিজেদের ধ্বংস করত। কিন্তু আমাদের জনগণ তা ঘটতে দিতে চায় না। ** জোসিপ ব্রোজ টিটো, জ্যাসপার রিডলি রচিত ''টিটো: আ বায়োগ্রাফি'' (কনস্টেবল অ্যান্ড কোম্পানি লিমিটেড, ১৯৯৪), পৃষ্ঠা ২৬৩ থেকে উদ্ধৃত। === ট === * অন্যান্য পূর্ব ইউরোপীয় দেশগুলোর তুলনায়, ১৯৬০ এবং ১৯৭০-এর দশকে যুগোস্লাভিয়াকে সমৃদ্ধির একটি মডেল বলে মনে হতো। ১৯৭০-এর দশকে এবং ১৯৮০-এর দশকের একেবারে শুরুর দিকে কোনো দর্শনার্থী এসে দেখলে এখানকার দোকান ও বাজারগুলোতে প্রচুর জিনিসপত্র এবং বিভিন্ন পর্যায়ে নির্মাণাধীন অসংখ্য বাড়ি দেখতে পেতেন। এই বাড়িগুলোর মালিকরা জার্মানিতে কাজ করে যে অর্থ উপার্জন করেছিলেন, তা দিয়ে সাপ্তাহিক ছুটির দিন এবং অবকাশ যাপনের সময়ে নিজেরাই শ্রম দিয়ে এই বাড়িগুলো তৈরি করতেন। কিন্তু ১৯৭০-এর দশকের তেলের মূল্যবৃদ্ধির ধাক্কা মারাত্মক মুদ্রাস্ফীতির দিকে পরিচালিত করে। ঋণের পরিমাণ বাড়তে থাকে যা অর্থনীতির ওপর বিশাল বোঝা হয়ে দাঁড়ায়, পাশাপাশি বেকারত্ব দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছে যায়। কসোভোর মতো কিছু অঞ্চলে ১৯৮০-এর দশকের শুরুতেই কর্মশক্তির প্রায় এক-চতুর্থাংশ বেকার হয়ে পড়েছিল, যার অন্যতম কারণ ছিল পশ্চিম জার্মানি। দীর্ঘদিন ধরে যুগোস্লাভিয়ার উদ্বৃত্ত শ্রমিকদের একটি প্রধান গন্তব্য হলেও সেসময় তারা বিদেশি শ্রমিকদের সীমিত করতে এবং এমনকি দেশে ফেরত পাঠাতে শুরু করেছিল। ** এরিক ডি. ওয়েইটজ, ''আ সেঞ্চুরি অব জেনোসাইড'' (২০১৮), পৃষ্ঠা ২০৮। * ১৯৫০ এবং ১৯৬০-এর দশকে অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রাথমিক পর্যায়ে এন্টারপ্রাইজ বা উদ্যোগ স্তরে সম্মিলিত কেন্দ্রীয় পরিকল্পনা এবং স্ব-ব্যবস্থাপনার যুগোস্লাভ ব্যবস্থাটি বেশ ভালোই কাজ করেছিল, কিন্তু ১৯৮০-এর দশকের তীব্র প্রতিযোগিতামূলক আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিতে তা আর কাজ করেনি। ইউরোপের অন্যান্য সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রগুলোর মতো, বাস্তব জীবনযাত্রার মান স্থবির হতে শুরু করে এবং তারপর কমতে থাকে। কিছু হিসাব অনুযায়ী, ১৯৭৯ থেকে ১৯৮৫ সালের মধ্যে প্রকৃত ব্যক্তিগত আয় এক-চতুর্থাংশ এবং ১৯৭৯ থেকে ১৯৮৮ সাল পর্যন্ত দশকে এক-তৃতীয়াংশ হ্রাস পেয়েছে। যুগোস্লাভ শাসনব্যবস্থা যেহেতু জনগণের জন্য উচ্চতর জীবনযাত্রার মান প্রদানের ওপর নিজেদের বৈধতা প্রতিষ্ঠা করেছিল, তাই এই স্থবিরতা এবং পতন প্রায় তাৎক্ষণিকভাবে রাজনৈতিক পরিণতি ডেকে এনেছিল। ** এরিক ডি. ওয়েইটজ, ''আ সেঞ্চুরি অব জেনোসাইড'' (২০১৮), পৃষ্ঠা ২০৮। * সংক্ষেপে বলতে গেলে, কমিউনিস্ট যুগোস্লাভিয়ার প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো নির্দিষ্ট জাতীয় পরিচয়গুলোকে টিকিয়ে রেখেছিল এবং সেগুলোর বিকাশ ঘটিয়েছিল। সোভিয়েত ইউনিয়নে, যেমনটা আমরা দেখেছি, ইউনিয়নের গঠনমূলক উপাদান হিসেবে জাতিসত্তাগুলোর স্বীকৃতি এমন একটি নীতির দিকে পরিচালিত করেছিল যা জাতীয় বিকাশকে উৎসাহিত করার পাশাপাশি কিছু গোষ্ঠীকে শত্রু জাতি হিসেবে বিবেচনা করত এবং তাদের সম্পূর্ণভাবে অপসারণের চেষ্টা করত। যুগোস্লাভিয়ায় একই ধরনের ব্যবস্থা আরও বেশি চরম পরিণতির দিকে নিয়ে যায়। যেমনটি একজন পণ্ডিত লিখেছেন যে, জাতীয় প্রজাতন্ত্রগুলোর ওপর ভিত্তি করে গঠিত যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর ফলে "প্রতিটি প্রশ্ন অনিবার্যভাবেই 'জাতীয়করণ' হয়ে যেত।" বেশ কয়েক বছর ধরে যুগোস্লাভিয়া কোনোমতে টিকে থাকতে পেরেছিল। কিন্তু ১৯৮০-এর দশকের শেষ দিকে অর্থনৈতিক পতন, রাজনৈতিক অচলাবস্থা এবং দ্রুত পরিবর্তনশীল আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি দেশটির অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতিকে এক চূড়ান্ত সংকটের দিকে নিয়ে যায়। যখন কেন্দ্রীয় সরকার জীবনযাত্রার মান নিশ্চিতকারী এবং জনগণের রক্ষক হিসেবে তার ভূমিকা পালন করতে ব্যর্থ হয়, তখন এই ব্যবস্থাটি তার গঠনমূলক উপাদানগুলোর দিকে স্থানান্তরিত হয়। এই উপাদানগুলো ছিল ছয়টি প্রজাতন্ত্র এবং দুটি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল এবং এর সাথে জেএনএ-কে প্রায়শই "নবম ফেডারেল ইউনিট" হিসেবে উল্লেখ করা হতো। এদের প্রত্যেকেই তখন নিজেদের দাবি উত্থাপন করতে শুরু করে। যুগোস্লাভিয়ায় এই বিভাজন এতটা বিপজ্জনক হয়ে উঠেছিল কারণ পূর্ব ইউরোপের অন্যান্য কমিউনিস্ট সমাজগুলোর বিপরীতে সেখানে এমন কোনো কার্যকর এবং গণতান্ত্রিক চেতনার সুশীল সমাজ গড়ে ওঠেনি যা কোনো নির্দিষ্ট জাতিসত্তার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে পুরো দেশে বিস্তৃত হতে পারত। শুধুমাত্র বসনিয়ায় মুসলিম নেতৃত্ব কিছু ক্রোট এবং সার্ব মিত্রদের সাথে নিয়ে প্রজাতন্ত্রটির বহুজাতিক চরিত্র এবং "প্রকৃত" যুগোস্লাভিয়া হিসেবে এর মর্যাদাকে টিকিয়ে রাখার মরিয়া চেষ্টা করেছিল। ** এরিক ডি. ওয়েইটজ, ''আ সেঞ্চুরি অব জেনোসাইড'' (২০১৮), পৃষ্ঠা ২০৮। == আরও দেখুন == * [[কসোভো]] * [[আলবেনিয়া]] == বহিঃসংযোগ == * {{wikipedia-inline}} * {{commonscat-inline|Yugoslavia|যুগোস্লাভিয়া}} {{উইকিসংকলন|Portal:Yugoslavia|যুগোস্লাভিয়া}} {{Wikivoyage}} [[Category:যুগোস্লাভিয়া| ]] oncrma0v9aw9ihs1k7uknhhx0d17ue8 80011 80010 2026-04-23T11:45:37Z Anaf Ibn Shahibul 4193 হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:দেশ]] যোগ 80011 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} [[File:Flag of Yugoslavia.svg|thumb|এই স্লাভিক জাতির মহান পরীক্ষাটি ছিল একটি মহৎ ধারণার ওপর ভিত্তি করে। এর প্রবক্তারা ভেবেছিলেন যে দক্ষিণ স্লাভরা, অর্থাৎ যাদের মধ্যে অনেক মিল রয়েছে, বিশেষ করে তাদের ভাষা; যারা অস্ট্রিয়ার সীমান্ত থেকে প্রায় কনস্টান্টিনোপল (বর্তমান ইস্তাম্বুল) এর দ্বারপ্রান্ত পর্যন্ত এক বিশাল ভূখণ্ডে বসবাস করত, তাদের ঐক্যবদ্ধ হওয়া উচিত এবং একটি মহান শক্তিশালী দক্ষিণ স্লাভ রাষ্ট্র গঠন করা উচিত। (টিম জুডাহ)]] '''[[w:bn:যুগোস্লাভিয়া|যুগোস্লাভিয়া]]''' ছিল দক্ষিণ-পূর্ব এবং মধ্য ইউরোপের একটি দেশ যা ১৯১৮ থেকে ১৯৯২ সাল পর্যন্ত বিদ্যমান ছিল। ১৯১৮ সালে [[প্রথম বিশ্বযুদ্ধ]] পরবর্তীকালে ''[[w:bn:সার্ব, ক্রোট এবং স্লোভেন রাজ্য|সার্ব, ক্রোট এবং স্লোভেন রাজ্য]]'' নামে এটি অস্তিত্ব লাভ করে। এটি সার্বিয়া রাজ্যের সাথে স্লোভেন, ক্রোট এবং সার্বদের অস্থায়ী রাষ্ট্রের (যা প্রাক্তন অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি সাম্রাজ্যের ভূখণ্ড নিয়ে গঠিত হয়েছিল) একীভূতকরণের মাধ্যমে তৈরি হয়েছিল। এটি ছিল দক্ষিণ স্লাভিক জনগণের প্রথম ইউনিয়ন যা একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে গঠিত হয়েছিল, যার আগে এই অঞ্চলটি কয়েক শতাব্দী ধরে অটোমান সাম্রাজ্য এবং অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরির মতো বিদেশি শাসনের অধীনে ছিল। [[w:bn:সার্বিয়ার প্রথম পিটার|সার্বিয়ার প্রথম পিটার]] ছিলেন এর প্রথম সার্বভৌম শাসক। ১৯২২ সালের ১৩ জুলাই প্যারিসে অনুষ্ঠিত 'অ্যাম্বাসেডর কনফারেন্সে' এই রাজ্যটি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভ করে। ১৯২৯ সালের ৩ অক্টোবর রাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক নাম পরিবর্তন করে ''[[w:bn:যুগোস্লাভিয়া রাজ্য|যুগোস্লাভিয়া রাজ্য]]'' রাখা হয়। ১৯৮০-এর দশকে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সংকট এবং জাতীয়তাবাদ ও জাতিগত উত্তেজনা বৃদ্ধির পর যুগোস্লাভিয়া তার প্রজাতন্ত্রগুলোর সীমান্ত অনুযায়ী ভেঙে যায়। শুরুতে এটি পাঁচটি দেশে বিভক্ত হয়, যা পরবর্তীতে যুগোস্লাভ যুদ্ধের দিকে পরিচালিত করে। ১৯৯৩ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত সাবেক যুগোস্লাভিয়ার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সেই যুদ্ধগুলোর সময় সংঘটিত যুদ্ধাপরাধ, গণহত্যা এবং অন্যান্য অপরাধের জন্য সাবেক যুগোস্লাভিয়ার রাজনৈতিক ও সামরিক নেতাদের বিচার করে। বিভক্তির পর মন্টিনিগ্রো এবং সার্বিয়া প্রজাতন্ত্র মিলে একটি ক্ষুদ্রতর ফেডারেল রাষ্ট্র গঠন করে, যা [[w:bn:যুগোস্লাভিয়া ফেডারেল প্রজাতন্ত্র|যুগোস্লাভিয়া ফেডারেল প্রজাতন্ত্র]] (এফআরওয়াই) নামে পরিচিত ছিল। ২০০৩ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত এটি [[w:bn:সার্বিয়া ও মন্টিনিগ্রো|সার্বিয়া ও মন্টিনিগ্রো]] নামে পরিচিত ছিল। এই রাষ্ট্রটি সাবেক এসএফআরওয়াই-এর একমাত্র আইনি উত্তরসূরি হওয়ার দাবি করেছিল, কিন্তু অন্যান্য সাবেক প্রজাতন্ত্রগুলো সেই দাবির বিরোধিতা করে। শেষ পর্যন্ত এটি 'বাদিন্টার সালিশি কমিটি'র যৌথ উত্তরসূরি হওয়ার সিদ্ধান্ত মেনে নেয় এবং ২০০৩ সালে এর দাপ্তরিক নাম পরিবর্তন করে 'সার্বিয়া ও মন্টিনিগ্রো' রাখা হয়। ২০০৬ সালে মন্টিনিগ্রো এবং সার্বিয়া প্রতিটি স্বাধীন রাষ্ট্রে পরিণত হওয়ার মাধ্যমে এই রাষ্ট্রের বিলুপ্তি ঘটে। ২০০৮ সালে কসোভোর স্বাধীনতার ঘোষণার পর থেকে এর রাজনৈতিক অবস্থা নিয়ে বর্তমানেও বিরোধ চলছে। __NOTOC__ {{TOCalpha}} == উক্তি == === অ === * নিকোলা ছিলেন যুদ্ধংদেহী<br>সব সময় তিনি একটি [[খঞ্জর]] ও ভ্রুকুটি ধারণ করতেন,<br>গোটা [[বিশ্ব|বিশ্বেও]] পর্যাপ্ত হিমায়ক ছিল না<br>যা তার মেজাজকে শান্ত করতে পারে। ** সি.বি. অ্যান্ডারসন রচিত "দ্য লাস্ট যুগোস্লাভ", [https://www.classicalpoets.org/2025/09/the-limits-of-hospitality-and-other-poetry-by-c-b-anderson/ "‘দ্য লিমিটস অব হসপিটালিটি’ অ্যান্ড আদার পোয়েট্রি বাই সি.বি. অ্যান্ডারসন"], দ্য সোসাইটি অব ক্লাসিক্যাল পোয়েটস (২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫)। === আ === * সার্ব নিয়ন্ত্রিত যুগোস্লাভিয়া যে যুদ্ধের অন্যতম বিজয়ী রাষ্ট্র হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিল, তা পরোক্ষভাবে ২৮ জুন ট্রিগার চাপা লোকটির কাজকে ন্যায্যতা দিয়েছিল বলে মনে হয়। নিশ্চিতভাবেই এটি যুগোস্লাভ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিভঙ্গি ছিল, যারা ব্রোঞ্জ পদচিহ্ন এবং একটি ফলক দিয়ে তার গুলি করার স্থানটি চিহ্নিত করেছিল, যেখানে গুপ্তঘাতকের 'যুগোস্লাভ স্বাধীনতার পথে প্রথম পদক্ষেপ' উদযাপন করা হয়েছিল। এমন একটি যুগে যখন জাতীয় ধারণার যথেষ্ট সম্ভাবনা ছিল, তখন দক্ষিণ স্লাভ জাতীয়তাবাদের প্রতি মানুষের একটি স্বজ্ঞাত সহানুভূতি ছিল এবং হাবসবার্গ সাম্রাজ্যের ভারী বহুজাতিক কমনওয়েলথের প্রতি খুব কমই স্নেহ ছিল। ১৯৯০-এর দশকের যুগোস্লাভ যুদ্ধগুলো আমাদের বলকান জাতীয়তাবাদের প্রাণঘাতী রূপের কথা মনে করিয়ে দেয়। স্রেব্রেনিৎসা এবং সারায়েভো অবরোধের পর থেকে, সার্বিয়াকে নিছক পরাশক্তির রাজনীতির বস্তু বা শিকার হিসেবে ভাবা কঠিন হয়ে পড়েছে এবং সার্বিয়ান জাতীয়তাবাদকে নিজস্ব অধিকারে একটি ঐতিহাসিক শক্তি হিসেবে ধারণা করা সহজ হয়েছে। আজকের ইউরোপীয় ইউনিয়নের দৃষ্টিকোণ থেকে আমরা অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরির সেই বিলুপ্ত সাম্রাজ্যিক কাঠামোর দিকে আগের চেয়ে আরও বেশি সহানুভূতিশীল হয়ে বা অন্তত কম অবজ্ঞার সাথে তাকাতে আগ্রহী। ** [[w:bn:ক্রিস্টোফার ক্লার্ক|ক্রিস্টোফার ক্লার্ক]], ''স্লিপওয়াকার্স: হাউ ইউরোপ ওয়েন্ট টু ওয়ার ইন ১৯১৪'' (২০১২), পৃষ্ঠা xxvi। * যদিও তারা অন্ধভাবে স্তালিনকে অনুকরণ করেছিল এবং মস্কো দাবি করার আগেই সমাজতন্ত্র গড়ে তুলেছিল, যুগোস্লাভিয়ার কমিউনিস্টরাই ১৯৪৮ সালে প্রথম সোভিয়েত ইউনিয়নের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করে। তারা এমনটি করেছিল কারণ স্তালিন তাদের জাতীয় স্বার্থকে তার দেশের স্বার্থের কাছে সম্পূর্ণভাবে অধীন করার দাবি করেছিলেন। একটি প্রকাশ্য বক্তৃতায় জোসিপ ব্রোজ টিটো একজন মার্ক্সবাদী-লেনিনবাদী হিসেবে তার আকস্মিক মতাদর্শিক পরিবর্তনের বিষয়ে বলেছিলেন: কেউ সমাজতন্ত্রের মাতৃভূমিকে ভালোবাসতে পারে, তবে এর মানে এই নয় যে সে নিজের দেশকে কম ভালোবাসবে। এর দ্বারা তিনি ক্রোয়েশিয়া বা সার্বিয়া, স্লোভেনিয়া বা মন্টিনিগ্রোকে বোঝাননি; বরং কমিউনিস্ট যুগোস্লাভিয়া ছিল ল্যুদেভিত গাজের পুরোনো কর্মসূচি পুনরুজ্জীবিত করার দ্বিতীয় প্রচেষ্টা, যা এবার যুগোস্লাভিয়ার সকল মানুষের জাতীয় মুক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিল। যুদ্ধের সময় টিটোর পক্ষপাতদুষ্ট আন্দোলন ভ্রাতৃত্ব ও ঐক্যের নামে সার্ব, ইহুদি এবং অন্যদের ফ্যাসিস্ট গণহত্যার হাত থেকে রক্ষা করে একটি ক্ষুদ্র হাবসবার্গ সাম্রাজ্য হিসেবে শুরু হয়েছিল এবং এই সূত্রটি ১৯৮০ সালে টিটোর মৃত্যু পর্যন্ত সফল হয়েছিল। যদি এটি হাবসবার্গ সাম্রাজ্যের নতুন সংস্করণ ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ) যোগ দিত, তবে যুগোস্লাভিয়া হয়তো টিকে থাকতে পারত। কিন্তু ইইউ পূর্ব দিকে সম্প্রসারিত হওয়ার আগেই ১৯৯১ সালে ক্রোয়েশিয়ায় যুদ্ধ শুরু হয়। বর্তমানে পূর্ব ইউরোপের নেতারা এই দাবি করে রাজনৈতিক ফায়দা লোটেন যে, ইইউ জাতীয় অবকাঠামো, শিক্ষা এবং কৃষিতে উদারভাবে অর্থায়ন করা সত্ত্বেও কোনো না কোনোভাবে তাদের দেশের অস্তিত্বের জন্য হুমকি। ২০১৮ সালের জুন মাসে হাঙ্গেরির প্রেসিডেন্ট ভিক্টর অরবান বলেছিলেন যে স্লোভেনিয়ায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন বিরোধী প্রার্থীর নির্বাচনের ওপর "স্লোভেনীয় জাতির বেঁচে থাকা" নির্ভর করছে। ** জন কনেলি, ''ফ্রম পিপলস ইনটু নেশনস: আ হিস্ট্রি অব ইস্টার্ন ইউরোপ'' (২০২০), পৃষ্ঠা ১৯। === ক === * যুগোস্লাভিয়া শুরুতে 'সার্ব, ক্রোট এবং স্লোভেন রাজ্য' নামে পরিচিত ছিল, যে নামে দেশটির সতেরো বা ততোধিক জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে মাত্র তিনটির নাম উল্লেখ ছিল; এটি ছিল মূলত আরেকটি জগাখিচুড়ি রাষ্ট্র। সার্বরা একটি দক্ষিণ স্লাভ রাজ্যের স্বপ্ন দেখেছিল যেখানে তারা আধিপত্য বিস্তার করবে। সেই বিষয়টি নিশ্চিত করতেই যেন ১৯২১ সালের ২৮ জুন নতুন রাষ্ট্রের সংবিধান জারি করা হয়েছিল, যা ছিল কসোভোর যুদ্ধ এবং আর্চডিউক ফ্রান্সিস ফার্ডিনান্ডের হত্যাকাণ্ডের বার্ষিকী। বাস্তবে যুগোস্লাভিয়া শুধু ক্রোট, সার্ব এবং স্লোভেনদের নিয়েই গঠিত কোনো অস্বস্তিকর সংমিশ্রণ ছিল না, বরং এতে আলবেনীয়, বসনিয়ান মুসলিম, মন্টিনিগ্রিন, ম্যাসেডোনিয়ান এবং তুর্কিরাও ছিল। এর পাশাপাশি চেক, জার্মান, জিপসি, হাঙ্গেরীয়, ইতালীয়, ইহুদি, রোমানিয়ান, রুশ, স্লোভাক এবং ইউক্রেনীয়দের কথা তো বলাই বাহুল্য। ** [[w:bn:নিয়াল ফার্গুসন|নিল ফার্গুসন]], ''দ্য ওয়ার অব দ্য ওয়ার্ল্ড: টুয়েন্টিয়েথ-সেঞ্চুরি কনফ্লিক্ট অ্যান্ড দ্য ডিসেন্ট অব দ্য ওয়েস্ট'' (২০০৬), পৃষ্ঠা ১৬৭। * দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় বলকানেও জাতিগত, ধর্মীয় এবং মতাদর্শিক দিক থেকে একাধিক গৃহযুদ্ধ হয়েছিল। ১৯৪১ সালের এপ্রিলে জার্মান আগ্রাসনের প্রেক্ষিতে যুগোস্লাভিয়া ভেঙে পড়েছিল। সুযোগ বুঝে ক্রোয়েশিয়ার নেতা আন্তে পাভেলিচ হিটলারের পক্ষ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। পরবর্তী বিশৃঙ্খলায় তার উস্তাসারা ক্রোয়েশিয়া এবং বসনিয়া-হার্জেগোভিনায় তাদের সার্বিয়ান প্রতিবেশীদের বিরুদ্ধে জাতিগত নিধনের এক নৃশংস অভিযান চালায় এবং তাদের শত শত হাজার মানুষকে নির্যাতন ও হত্যা করে। গোটা গ্রামের পর গ্রাম মানুষকে তাদের গির্জায় বন্দি করে পুড়িয়ে মারা হয় অথবা জাসেনোভাকের মতো কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পে হত্যার জন্য পাঠানো হয়। সার্বিয়ান চেটনিক এবং পার্টিজানরাও এই অপরাধগুলোর সমতুল্য প্রতিশোধ নিয়েছিল। যুদ্ধের সময় যুগোস্লাভিয়ায় যে প্রায় দশ লাখ মানুষ মারা গিয়েছিল, তাদের বেশিরভাগকেই অন্য যুগোস্লাভরা হত্যা করেছিল। এর মধ্যে বসনিয়ার ১৪ হাজার ইহুদির প্রায় সবাই অন্তর্ভুক্ত ছিল। গ্রিসে জার্মান দখলদারিত্ব ছিল তিক্ত সংঘাতের ইঙ্গিত। সেখানে যুগোস্লাভিয়ার মতোই একটি ত্রিমুখী যুদ্ধ শুরু হয়েছিল যা কেবল বিদেশি আক্রমণকারী এবং জাতীয়তাবাদীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং তা জাতীয়তাবাদী এবং স্থানীয় কমিউনিস্টদের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়েছিল। ** [[w:bn:নিয়াল ফার্গুসন|নিল ফার্গুসন]], ''দ্য ওয়ার অব দ্য ওয়ার্ল্ড: টুয়েন্টিয়েথ-সেঞ্চুরি কনফ্লিক্ট অ্যান্ড দ্য ডিসেন্ট অব দ্য ওয়েস্ট'' (২০০৬), পৃষ্ঠা ৪৫৬-৪৫৭। === খ === * "জোটনিরপেক্ষতা" তৃতীয় বিশ্বের রাষ্ট্রগুলোর নেতাদের জন্য এমন একটি উপায় প্রদান করেছিল যেখানে তারা পুরোপুরি ঝুঁকে না পড়েও ভারসাম্য বজায় রাখতে পারত। এর মূল ধারণাটি ছিল স্নায়ুযুদ্ধে কোনো পক্ষের সাথেই যুক্ত না হওয়া, তবে প্রয়োজনে যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা উন্মুক্ত রাখা। এভাবে কোনো একটি পরাশক্তির চাপ খুব বেশি বেড়ে গেলে, একটি ছোট শক্তি অন্য পরাশক্তির সাথে জোটবদ্ধ হওয়ার হুমকি দিয়ে নিজেকে রক্ষা করতে পারত। যুগোস্লাভিয়া কোনো তৃতীয় বিশ্বের রাষ্ট্র না হয়েও এই প্রক্রিয়ার পথপ্রদর্শক ছিল। টিটো ১৯৪৮ সালে স্তালিনের নিন্দা চাননি; তিনি একজন নিবেদিতপ্রাণ কমিউনিস্ট ছিলেন এবং তা-ই থেকে যান। কিন্তু তিনি মতাদর্শগত সংহতির খাতিরে সার্বভৌমত্ব বিসর্জন না দেওয়ার ব্যাপারে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ছিলেন এবং সেসময়কার অন্যান্য পূর্ব ইউরোপীয় নেতাদের বিপরীতে তার এমনটি করার কোনো প্রয়োজনও ছিল না। স্তালিনের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করার পর আমেরিকানরা কত দ্রুত তাকে অর্থনৈতিক সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছিল তা লক্ষ্য করে টিটো একটি জীবনরেখার সম্ভাবনা দেখতে পেয়েছিলেন। যুগোস্লাভদের বিরুদ্ধে রুশরা কি শক্তি প্রয়োগের ঝুঁকি নেবে যদি তা আমেরিকানদের সাথে যুদ্ধের দিকে পরিচালিত করে? দীর্ঘ যুগোস্লাভ উপকূলের ঠিক পাশেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ষষ্ঠ নৌবহর কাজ করায় স্তালিনের জন্য আক্রমণ চালানোর বিষয়ে দুবার ভাবার যথেষ্ট কারণ ছিল। এর প্রমাণও রয়েছে যে তিনি আক্রমণ না করে বরং গুপ্তহত্যার ষড়যন্ত্র নিয়ে সন্তুষ্ট ছিলেন, যার সবগুলোই শেষমেশ ব্যর্থ হয়েছিল। ** জন লুইস গ্যাডিস, ''দ্য কোল্ড ওয়ার: আ নিউ হিস্ট্রি'' (২০০৬), পৃষ্ঠা ১২৪। === গ === * ১৯৯৫ সালের শরতে বসনিয়ার যুদ্ধের অবসান ঘটানোর চেষ্টায় যখন আমাদের মার্কিন আলোচক দল বলকানে ঘুরে বেড়াচ্ছিল, তখন ভার্সাই চুক্তি আমার মন থেকে খুব একটা দূরে ছিল না। হ্যারল্ড নিকলসন রচিত ''পিসমেকিং ১৯১৯'' এর অংশবিশেষ পড়তে পড়তে আমরা মজা করে বলতাম যে আমাদের লক্ষ্য হলো উড্রো উইলসনের উত্তরাধিকার বাতিল করা। ১৯৯৫ সালের নভেম্বরে ওহাইওর ডেটনে যখন আমরা বসনিয়া, ক্রোয়েশিয়া এবং যুগোস্লাভিয়া ফেডারেল প্রজাতন্ত্রের নেতাদের একত্রিত হতে এবং যুদ্ধের অবসানের জন্য আলোচনা করতে বাধ্য করি, তখন আমরা মূলত ভার্সাই চুক্তির আরেকটি অংশকেই কবর দিচ্ছিলাম। ২০০২ সালের বসন্তে, ভার্সাই চুক্তির মাধ্যমে সৃষ্ট সর্বশেষ যে দুটি অংশ তখনও "যুগোস্লাভিয়া" হিসেবে যুক্ত ছিল, তারা তাদের দেশের নাম পরিবর্তন করে "সার্বিয়া ও মন্টিনিগ্রো" রাখার ব্যাপারে একমত হয়ে পূর্ণ এবং চূড়ান্ত বিচ্ছেদের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছানোর আরেকটি পদক্ষেপ নেয়, যা সম্ভবত তাদের সম্পূর্ণ বিচ্ছেদের পথের একটি ধাপ ছিল। ** রিচার্ড হোলব্রুক, ''প্যারিস ১৯১৯: সিক্স মান্থস দ্যাট চেঞ্জড দ্য ওয়ার্ল্ড'' (২০০১)-এর ভূমিকা, পৃষ্ঠা x। * যুগোস্লাভিয়ায় পুঁজিবাদ সম্পূর্ণরূপে পুনরুদ্ধার করা হয়েছে, যা সবার কাছেই পরিচিত, তবে এই পুঁজিবাদ কীভাবে ছদ্মবেশ ধারণ করতে হয় তা জানে। যুগোস্লাভিয়া নিজেকে একটি সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে চিত্রিত করে, কিন্তু তা এমন এক বিশেষ ধরনের সমাজতন্ত্র যা বিশ্ব আগে কখনো দেখেনি! টিটোপন্থীরা এমনকি এ নিয়ে গর্বও করে যে, সমাজতান্ত্রিক মহান অক্টোবর বিপ্লব থেকে উদ্ভূত এবং মার্কস ও এঙ্গেলসের বৈজ্ঞানিক তত্ত্বের ভিত্তিতে লেনিন ও স্তালিন কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রের সাথে তাদের রাষ্ট্রের কোনো মিল নেই। ** [[w:bn:আনোয়ার হোজ্জা|আনোয়ার হোজ্জা]], ''[http://www.marxists.org/reference/archive/hoxha/works/1978/yugoslavia/index.htm যুগোস্লাভ "সেলফ-অ্যাডমিনিস্ট্রেশন" - ক্যাপিটালিস্ট থিওরি অ্যান্ড প্র্যাকটিস] (ই. কারদেলির সমাজতন্ত্র বিরোধী মতামতের বিরুদ্ধে)'', "সমাজতান্ত্রিক স্ব-প্রশাসনের রাজনৈতিক ব্যবস্থার বিকাশের দিকনির্দেশনা" গ্রন্থে, অ্যালবেনিয়ান শ্রম দলের কেন্দ্রীয় কমিটির মার্কসবাদী-লেনিনবাদী গবেষণা ইনস্টিটিউট, তিরানা, ১৯৭৮। * ১৯৯১ সালে যুগোস্লাভিয়ার সমস্ত অধিবাসীকে খাওয়ানোর জন্য প্রয়োজনের চেয়েও বেশি সম্পদ ছিল, তা সত্ত্বেও এটি একটি ভয়াবহ রক্তপাতের মধ্য দিয়ে ভেঙে পড়ে। ** [[w:bn:ইউভাল নোয়াহ হারারি|ইউভাল নোয়াহ হারারি]], স্যাপিয়েন্স: আ ব্রিফ হিস্ট্রি অব হিউম্যানকাইন্ড (২০১১), অধ্যায় ৬: "বিল্ডিং পিরামিডস"। === ঘ === * আজকের সাধারণ ধারণা হলো যুগোস্লাভিয়া ছিল একটি ব্যর্থ পরীক্ষা। ১৯৯০-এর দশকে যুগোস্লাভিয়ার পতনের যুদ্ধের প্রতিবেদন করার সময় অল্প-জ্ঞানের অধিকারী পশ্চিমা সাংবাদিকরা "সার্ব এবং ক্রোটদের মধ্যে শতবর্ষের পুরোনো সংঘাত" সম্পর্কে লিখেছিলেন; অথচ সার্ব-ক্রোট বৈরিতার আসল সূত্রপাত প্রকৃতপক্ষে ১৯শ এবং ২০শ শতাব্দীতে জাতীয়তাবাদের উত্থানের সময় থেকেই শুরু হয়েছিল। ** টোমেক জানকোভস্কি, ''ইস্টার্ন ইউরোপ!: এভরিথিং ইউ নিড টু নো অ্যাবাউট দ্য হিস্ট্রি (অ্যান্ড মোর) অব আ রিজিয়ন দ্যাট শেপড আওয়ার ওয়ার্ল্ড অ্যান্ড স্টিল ডাজ'' (২০১৩)। * যুগোস্লাভিয়া চেকোস্লোভাকিয়ার মতোই ছিল, কারণ এটি সার্বদের দ্বারা পরিচালিত একটি ক্ষুদ্র সাম্রাজ্য ছিল এবং চেক দলগুলো তাদের সাম্রাজ্য যেভাবে চালাত তার চেয়ে এটি উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি নিষ্ঠুর ছিল। এর কিছু অংশে ১৯১২ সাল থেকে অবিরাম যুদ্ধ চলছিল এবং ১৯২৬ সালের আগে পর্যন্ত এর সীমানা স্থির হয়নি (যদি এই শব্দটি ব্যবহার করা যায়)। অর্থোডক্স সার্বরা সেনাবাহিনী এবং প্রশাসন চালাত, কিন্তু ক্যাথলিক ক্রোট এবং স্লোভেনরা, যাদের সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক মান অনেক উন্নত ছিল, তারা 'বলকানদের (অর্থাৎ সার্বদের) ইউরোপীয়করণ' করার দায়িত্ব এবং নিজেদের 'বলকানাইজড' হয়ে যাওয়ার ভয় নিয়ে কথা বলত। নতুন দেশটি তৈরিতে সহায়তাকারী আর.ডব্লিউ. সিটন-ওয়াটসন খুব শিগগিরই সার্বদের পরিচালনার ধরন দেখে মোহমুক্ত হন। ১৯২১ সালে তিনি লিখেছিলেন যে যুগোস্লাভিয়ার পরিস্থিতি তাকে হতাশায় ফেলে দেয় এবং এর অবাস্তব কেন্দ্রীকরণের কারণে নতুন সংবিধানের প্রতি তার কোনো আস্থা নেই। তিনি অভিযোগ করেছিলেন যে, সার্ব কর্মকর্তারা হাবসবার্গদের চেয়েও খারাপ ছিল এবং সার্বদের বিরোধিতা জার্মানদের চেয়েও বেশি নিষ্ঠুর ছিল। ১৯২৮ সালে তিনি লিখেছিলেন যে তার নিজের ইচ্ছা হলো সার্ব এবং ক্রোটদের তাদের নিজেদের সমস্যাতেই ভুগতে দেওয়া, কারণ তিনি মনে করতেন তারা উভয়েই পাগল এবং নিজেদের নাকের ডগার বাইরে কিছু দেখতে পায় না। প্রকৃতপক্ষে, সেসময় সংসদ সদস্যরা সংসদে একে অপরের দিকে পিস্তল দিয়ে গুলি ছুড়ছিলেন এবং সেই প্রক্রিয়ায় ক্রোট কৃষক দলের নেতা স্তেপান রাদিচ নিহত হন। দেশটি সার্ব রাজনৈতিক পুলিশের চেয়ে বরং এর ইতালীয়, হাঙ্গেরীয়, বুলগেরীয় এবং আলবেনীয় প্রতিবেশীদের ধিকিধিকি জ্বলা ঘৃণার দ্বারাই কোনোমতে একসাথে টিকে ছিল, কারণ তাদের সবারই মেটানোর মতো অনেক ক্ষোভ ছিল। ** পল জনসন, ''মডার্ন টাইমস: দ্য ওয়ার্ল্ড ফ্রম দ্য টুয়েন্টিজ টু দ্য নাইনটিজ'' (১৯৯১), আইএসবিএন ৯৭৮০০৬০১৬৮৩৩৯। * এই স্লাভিক জাতির মহান পরীক্ষাটি ছিল একটি মহৎ ধারণার ওপর ভিত্তি করে। এর প্রবক্তারা ভেবেছিলেন যে দক্ষিণ স্লাভরা, অর্থাৎ যাদের মধ্যে অনেক মিল রয়েছে, বিশেষ করে তাদের ভাষা; যারা অস্ট্রিয়ার সীমান্ত থেকে প্রায় ইস্তাম্বুলের (বর্তমান ইস্তাম্বুল) দ্বারপ্রান্ত পর্যন্ত এক বিশাল ভূখণ্ডে বসবাস করত, তাদের ঐক্যবদ্ধ হওয়া উচিত এবং একটি মহান শক্তিশালী দক্ষিণ স্লাভ রাষ্ট্র গঠন করা উচিত। ** টিম জুডাহ, [https://web.archive.org/web/20080407212552/http://www.bbc.co.uk/history/worldwars/wwone/yugoslavia_01.shtml "যুগোস্লাভিয়া: ১৯১৮ - ২০০৩"] (৪ ফেব্রুয়ারি ২০০৩), ''বিবিসি''। === ঙ === * ডিকিনের মতো পণ্ডিত থেকে সৈনিকে পরিণত হওয়া ব্যক্তিদের গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করা পার্টিজান সংগ্রামের এই 'বীরত্বপূর্ণ' দিকটি বইয়ের পাতায় বেশ ভালোই শোনায়। কিন্তু যুগোস্লাভিয়ার বিস্তীর্ণ অঞ্চলে একটি রাজনৈতিক-সামরিক অভিযান চালানোর বাস্তব পরিণতি এর জনগণের জন্য অবর্ণনীয় দুর্ভোগ ডেকে এনেছিল। তাদের ইতিহাস আগে থেকেই তিক্ত এবং সহিংস প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ভরপুর ছিল, যা যুদ্ধ পুনরায় জাগিয়ে তুলেছিল। উত্তরে ক্যাথলিক ক্রোট নেতারা ইতালীয় পৃষ্ঠপোষকতার সুযোগ নিয়ে অর্থোডক্স সার্বদের বিরুদ্ধে বহিষ্কার, জোরপূর্বক ধর্মান্তর এবং নির্মূলের অভিযান শুরু করেছিলেন। বসনিয়া-হার্জেগোভিনার মুসলিমরাও গৃহযুদ্ধে অংশ নিয়েছিল, অন্যদিকে দক্ষিণে কসোভোর সার্বরা তাদের আলবেনীয় প্রতিবেশীদের দ্বারা আক্রান্ত হয়েছিল। চেটনিকরা নিজেদের দিক থেকে পার্টিজানদের সাথে সার্ব ভূমিগুলোতে কর্তৃত্ব নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিল, যাদের সাথে তারা কোনো যৌথ কৌশলে একমত হতে ব্যর্থ হয়; তবে জার্মান দখলদারদের সাথে তারা প্রকাশ্য যুদ্ধ শুরু করেনি যাতে কোনো প্রতিশোধমূলক হামলার শিকার হতে না হয়। জোসিপ ব্রোজ টিটো প্রতিশোধের বিষয়ে নিজের মনকে কঠোর করেছিলেন; প্রকৃতপক্ষে তিনি অক্ষশক্তির নৃশংসতাকে নতুন লোক নিয়োগের একটি প্রেরণা হিসেবে দেখেছিলেন। তিনি উদ্দেশ্যমূলকভাবে সাতটি তথাকথিত 'আক্রমণ'-এর মাধ্যমে জার্মানদের তার পিছু নিতে প্ররোচিত করেছিলেন, যা পার্টিজানদের পদযাত্রার পথে থাকা গ্রামাঞ্চলগুলোকে এক বিরানভূমিতে পরিণত করেছিল। গ্রামবাসীদের হয় পার্টিজানদের অনুসরণ করে 'জঙ্গলে' (তুর্কিদের বিরোধিতাকারীদের আত্মগোপনস্থলের ঐতিহ্যবাহী বিবরণ) যেতে হতো অথবা সেখানে থেকে প্রতিশোধের অপেক্ষায় থাকতে হতো। টিটোর উপপ্রধান কারদেলি নিরপেক্ষদের এমন উভয়সঙ্কটে ফেলার প্রয়োজনীয়তার বিষয়ে জোর দিয়েছিলেন: 'কিছু কমান্ডার প্রতিশোধের ভয় পান এবং সেই ভয় গ্রামগুলোকে সংগঠিত করতে বাধা দেয়। আমি মনে করি এই প্রতিশোধের একটি কার্যকর ফলাফল হবে ক্রোট গ্রামগুলোকে সার্ব গ্রামগুলোর পক্ষে নিয়ে আসা। যুদ্ধে আমাদের পুরো গ্রাম ধ্বংসের ভয় পেলে চলবে না। সন্ত্রাসই সশস্ত্র পদক্ষেপ নিয়ে আসবে।' কারদেলির বিশ্লেষণটি সঠিক ছিল। ** জন কিগান, ''আ হিস্ট্রি অব ওয়ারফেয়ার'' (১৯৯৪), পৃষ্ঠা ৫২। === চ === [[File:Flag of Yugoslavia (1918–1941).svg|thumb|১৯১৯ সালে উদ্ভূত দক্ষিণ স্লাভদের রাষ্ট্রটি, যা সার্বিয়া এবং বিলুপ্ত অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরির দক্ষিণাংশ একত্রিত করে গড়ে তোলা হয়েছিল, তা ছিল আকস্মিক এবং তাড়াহুড়ো করে নেওয়া, এমনকি অনেক ক্ষেত্রে মরিয়া সব সিদ্ধান্তের ফল। (মার্গারেট ম্যাকমিলান)]] * ১৯১৯ সালে উদ্ভূত দক্ষিণ স্লাভদের রাষ্ট্রটি, যা সার্বিয়া এবং বিলুপ্ত অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরির দক্ষিণাংশ একত্রিত করে গড়ে তোলা হয়েছিল, তা ছিল আকস্মিক এবং তাড়াহুড়ো করে নেওয়া, এমনকি অনেক ক্ষেত্রে মরিয়া সব সিদ্ধান্তের ফল। এর প্রতিনিধি দল বা নতুন দেশটির নাম কী হওয়া উচিত, তা-ও স্পষ্ট ছিল না। সার্বিয়া এবং বিলুপ্ত অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরির দক্ষিণাংশ নিয়ে গঠিত এই দেশটি শেষ পর্যন্ত যুগোস্লাভিয়া নাম ধারণ করে। শান্তি সম্মেলন যুগোস্লাভিয়া তৈরি করেনি, যেমনটা অনেকেই পরে বিশ্বাস করেছিল; বরং প্রথম কূটনীতিকরা প্যারিসে পৌঁছানোর আগেই এটি তৈরি হয়ে গিয়েছিল। সত্তর বছর পর, শক্তিধর দেশগুলো একইভাবে এর পতন ঠেকাতেও অক্ষম হয়েছিল। ** মার্গারেট ম্যাকমিলান, ''প্যারিস ১৯১৯: সিক্স মান্থস দ্যাট চেঞ্জড দ্য ওয়ার্ল্ড'' (২০০১), পৃষ্ঠা ১১০। * যুগোস্লাভিয়া নিজেই ছিল ১৯১৮ সালের সাম্রাজ্যগুলোর পতনের ফলে সৃষ্ট এক ত্রুটিপূর্ণ রাষ্ট্র, যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পর্যন্ত সার্বিয়ান রাজতন্ত্র দ্বারা আধিপত্যশীল ছিল, অথচ এর মধ্যে মুসলিম বসনিয়ান এবং কসোভান আলবেনীয়, অর্থোডক্স মন্টিনিগ্রিন এবং সার্ব এবং ক্যাথলিক ক্রোটরা অন্তর্ভুক্ত ছিল। দুই বিশ্বযুদ্ধের নৃশংস জাতিগত গণহত্যার মধ্য দিয়ে দীর্ঘকাল ক্ষমতায় থাকা একনায়ক মার্শাল জোসিপ টিটো, যার পার্টিজানরা যুগোস্লাভিয়াকে নাৎসি দখলদারিত্ব থেকে মুক্ত করেছিল, তিনি তার নিজস্ব ক্যারিশম্যাটিক ব্যক্তিত্ব এবং তুলনামূলকভাবে কম পরিচিত সন্ত্রাস, গোপন পুলিশ ও কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্প ব্যবহার করে একটি শক্তিশালী শাসনব্যবস্থা তৈরি করেছিলেন। তারপরও টিটো বলকানের মারাত্মক জাতিগত বিরোধ নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হয়েছিলেন এবং তার জনগণকে প্রায় ৩০ বছরের শান্তি ও শৃঙ্খলা উপহার দিয়েছিলেন। কিন্তু ১৯৮০ সালে তার মৃত্যুর পর যে আবর্তিত প্রেসিডেন্সি ব্যবস্থা কার্যকর করা হয়, তা একটি উত্তপ্ত জাতিগত কড়াই রেখে যায়, যা নিয়ন্ত্রণ করার মতো কোনো শক্তিশালী হাত ছিল না। স্লোবোদান মিলোশেভিচ তার ব্যক্তিগত নির্দেশে সমন্বিত ও অর্থায়িত ডেথ স্কোয়াড, ভাড়াটে সৈন্য এবং সাইকোপ্যাথিক যুদ্ধবাজদের নিয়ে এই শূন্যতা পূরণ করেছিলেন। ** সাইমন সেবাগ মন্টেফিয়োর, ''মনস্টারস: হিস্ট্রিস মোস্ট ইভিল মেন অ্যান্ড উইমেন'' (২০০৯), পৃষ্ঠা ৩৬১। === ছ === * যুগোস্লাভিয়া ইরানের পাশাপাশি একমাত্র দেশ, যা অত্যন্ত কঠিন ও যন্ত্রণাদায়ক পরিস্থিতিতেও জোসেফ স্তালিনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিল। যুগোস্লাভিয়ার মতো একটি দেশে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীকে ঐক্যবদ্ধ করা বা দেশটিকে আধুনিকীকরণ করা মোটেও সহজ কাজ ছিল না, এবং এটি অবশ্যই স্বীকার করতে হবে যে মার্শাল টিটো অসাধারণ কিছু অর্জন করেছিলেন। ঈশ্বর করুন, তার উত্তরসূরিরাও যেন তার মতোই যোগ্য হয়। ** মোহাম্মদ রেজা পাহলভি, ''দ্য শাহস স্টোরি'' (১৯৮০), পৃষ্ঠা ১৪৬-১৪৭। === জ === * এটি অবিলম্বে লক্ষ করা উচিত যে যুগোস্লাভিয়ার দাপ্তরিক নামে "ফেডারেল" বা যুক্তরাষ্ট্রীয় বিশেষণটির ব্যবহার ছিল নিছক লোকদেখানো; ঠিক যেমন সোভিয়েত ব্লক এবং পশ্চিমা গণতন্ত্রের মধ্যে সংঘাতে দেশটির কথিত জোটনিরপেক্ষ ভূমিকাও ছিল একটি ভান। এক্ষেত্রে "ফেডারেলিজম" বা যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা বলতে "বিকেন্দ্রীকরণ" বোঝায়নি, বরং স্থানীয় কেন্দ্রীকরণগুলোর একটি ফেডারেশনকে বোঝানো হয়েছে। যুগোস্লাভিয়ার কাল্পনিক "তৃতীয় অবস্থান"-এর বিষয়ে বলতে গেলে, তারা সম্পূর্ণভাবে কমিউনিস্ট থাকার পাশাপাশি নিজেদের একটি ভিন্ন ধরনের সমাজতন্ত্র হিসেবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করেছিল, তবে তা মূলত একটি কৌশলগত প্রক্সি হিসেবে কাজ করে নিরপেক্ষ দেশগুলোকে গোপনে সোভিয়েত ব্লকের প্রভাব বলয়ে টেনে আনার জন্য ব্যবহৃত হয়েছিল। ** মার্কো রেসপিন্টি, [https://bitterwinter.org/the-world-is-risking-a-uyghur-srebrenica/ "দ্য ওয়ার্ল্ড ইজ রিস্কিং আ উইঘুর স্রেব্রেনিৎসা"], ''বিটার উইন্টার'' (১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫)। * এই নস্টালজিয়া বা অতীতকাতরতা আমাকে হতবাক করে। মানুষ বলে যে সেসময় খুব একটা খারাপ ছিল না, সমাজতন্ত্র অনেক বেশি মানবিক ছিল। কিন্তু সাবেক যুগোস্লাভিয়ায় সবাই সমতাবাদী ছিল তার একমাত্র কারণ হলো সবাই গরিব ছিল। যুগোস্লাভিয়া আসলে একটি স্বৈরশাসন ছিল। ** দিমিত্রিজ রুপেল, ড্যান বিলেফস্কি রচিত [https://www.nytimes.com/2008/01/27/world/europe/27iht-nostalgia.4.9533599.html?pagewanted=2&_r=0 "ইন এক্স-যুগোস্লাভিয়া, টিটো-এরা নস্টালজিয়া"] (২৭ জানুয়ারি ২০০৮), ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস'' থেকে উদ্ধৃত। === ঝ === * কমিউনিস্ট বিশ্বে বস্তুগত অবস্থার একটি শ্রেণিবিন্যাস ছিল। পশ্চিমাদের সাথে সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ বাণিজ্যিক সম্পর্কের কারণে যুগোস্লাভরা উপলব্ধ পণ্যের পরিসর এবং মানের দিক দিয়ে সবচেয়ে ভালো অবস্থানে ছিল। এরপর ছিল পূর্ব জার্মানরা এবং তার পরে হাঙ্গেরীয় ও পোলিশরা। সোভিয়েত ইউনিয়নের নাগরিকরা তাদের চেয়ে পিছিয়ে ছিল; এবং রাশিয়ান জাতীয় গর্বের জন্য আরও বেশি বিরক্তিকর ব্যাপার ছিল যে, সোভিয়েত ইউনিয়নে জর্জিয়ান এবং এস্তোনিয়ানরা রাশিয়ানদের চেয়ে উন্নত জীবনযাপন করত। রাশিয়ানদের জনপ্রিয় কল্পনায় একজন সাধারণ জর্জিয়ানের রূপ ছিল কালো চামড়ার এক 'প্রাচ্যদেশীয়' মানুষ, যে তার যৌথ খামার থেকে বড় বড় স্যুটকেসে করে কমলালেবু রাশিয়ান ফেডারেশনের বড় শহরগুলোতে পাচার করত। ফলমূল যে অভ্যন্তরীণ চোরাচালানের একটি আইটেম হতে পারে, তা সমাজতন্ত্রের চরম অর্থনৈতিক অদক্ষতার কথাই প্রমাণ করে। ** রবার্ট সার্ভিস, ''কমরেডস: আ হিস্ট্রি অব ওয়ার্ল্ড কমিউনিজম'' (২০০৯)। * তবে সার্ব, ক্রোট বা বসনিয়ানরা অপরাধী নয়। যুগোস্লাভিয়ায় সমস্যাগুলো ঠিক একই কারণে শুরু হয়েছিল যা সোভিয়েত ইউনিয়নেও হয়েছিল। কমিউনিস্টরা (তাদের টিটো ছিল, আমাদের ছিল লেনিন ও স্তালিন) যথেচ্ছভাবে, জাতিগত দিক থেকে অযৌক্তিক এবং ঐতিহাসিকভাবে সমর্থনযোগ্য নয় এমন সব অভ্যন্তরীণ প্রশাসনিক সীমানা নির্ধারণ করেছিল এবং বছরের পর বছর ধরে অধিবাসীদের এক অঞ্চল থেকে অন্য অঞ্চলে স্থানান্তরিত করেছিল। এবং যখন মাত্র কয়েকদিনের ব্যবধানে যুগোস্লাভিয়া ভাঙতে শুরু করে, তখন পশ্চিমা দেশগুলোর নেতৃস্থানীয় শক্তিরা অবর্ণনীয় তাড়াহুড়ো এবং দায়িত্বহীনতার সাথে এই রাষ্ট্রগুলোকে তাদের কৃত্রিম সীমানার মধ্যেই স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য ছুটে যায়। তাই, আজ সাবেকি যুগোস্লাভিয়ার দুর্ভাগা জনগণকে যে ক্লান্তিকর ও রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ ধ্বংস করে দিচ্ছে, তার জন্য টিটোর পাশাপাশি পশ্চিমা শক্তিগুলোর নেতাদেরও দায়ভার নিতে হবে। এখন, তারা যে সমস্যাটি সৃষ্টিতে সহায়তা করেছিল তা কোনোভাবে সংশোধনের চেষ্টা করতে গিয়ে, তারা মূলত পবিত্র জোটের জন্য মেটারনিখের সেই সুপরিচিত নীতিবাক্যটিরই পুনরাবৃত্তি করছে: "অন্যকে সুস্থ করার স্বার্থে হস্তক্ষেপ।" আজকের স্লোগান হলো "মানবতাবাদের স্বার্থে হস্তক্ষেপ।" এটি একটি পরিহাসমূলক মিল! তবে হস্তক্ষেপ অত্যন্ত বিপজ্জনক একটি বিষয়। বড় শক্তিগুলোর পক্ষে বিশ্বকে নিয়ন্ত্রণ করা এত সহজ নয়। ** [[w:bn:আলেকসান্দ্র্‌ সোলঝেনিৎসিন|আলেকজান্ডার সোলঝেনিৎসিন]], পল ক্লেবনিকভ কর্তৃক গৃহীত [https://www.forbes.com/2008/08/05/solzhenitsyn-forbes-interview-oped-cx_pm_0804russia.html?sh=510b79d25f53 নতুন রাশিয়া এবং ইউক্রেন নিয়ে আলেকজান্ডার সোলঝেনিৎসিনের সাক্ষাৎকার (মে ১৯৯৪)], ''ফোর্বস'' ম্যাগাজিনে (৯ মে ১৯৯৪) প্রকাশিত। * কারণ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সুবাদে রুশরা খুব সহজেই তিনটি বাল্টিক রাষ্ট্র দখল করে নেয়, ফিনল্যান্ডের একটি অংশ, রুমানিয়ার একটি অংশ, পোল্যান্ডের একটি অংশ এবং জার্মানির একটি অংশ কেড়ে নেয় এবং অভ্যন্তরীণ ধ্বংসযজ্ঞ ও বাহ্যিক চাপের এক সুচিন্তিত নীতির বদৌলতে ওয়ারশ, প্রাগ, বুদাপেস্ট, সোফিয়া, বুখারেস্ট, তিরানা এবং পূর্ব বার্লিনে যথাযথভাবেই 'উপগ্রহ রাষ্ট্র' হিসেবে পরিচিত সরকার প্রতিষ্ঠা করে। এর মধ্যে আমি বেলগ্রেডকে বাদ দিচ্ছি, কারণ মার্শাল টিটোর সাহস ও প্রবল ইচ্ছাশক্তির কারণে সেখানকার শাসনব্যবস্থা ছিল অনন্য। ** পল-অঁরি স্পাক, "[https://www.nato.int/cps/en/natohq/opinions_17588.htm?selectedLocale=en দ্য আটলান্টিক অ্যালায়েন্স অ্যান্ড ইটস ফিউচার]," ১৪ সেপ্টেম্বর ১৯৫৭। === ঞ === * গণপ্রজাতন্ত্রের অন্য কোনো দেশে এই দেশের মতো এতগুলো জাতিসত্তা নেই... আমরা যে জাতীয়তার প্রশ্নটির এত পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে সমাধান করতে পেরেছি, তার কারণ হলো স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় এই সমস্যার সমাধান একটি বৈপ্লবিক উপায়ে শুরু হয়েছিল। এই যুদ্ধে দেশের সকল জাতিগোষ্ঠী অংশগ্রহণ করেছিল, যেখানে প্রতিটি জাতীয় গোষ্ঠী তাদের সক্ষমতা অনুযায়ী দখলদারদের হাত থেকে মুক্তির সাধারণ প্রচেষ্টায় অবদান রেখেছিল। ম্যাসেডোনিয়ান বা অন্য কোনো জাতীয় গোষ্ঠী, যারা সেসময় পর্যন্ত নিপীড়িত ছিল, তারা কোনো সরকারি ডিক্রি জারির মাধ্যমে তাদের জাতীয় মুক্তি লাভ করেনি। তারা হাতে রাইফেল নিয়ে তাদের জাতীয় মুক্তির জন্য লড়াই করেছিল। কমিউনিস্ট পার্টির ভূমিকা প্রথমত এই সত্যের মধ্যেই নিহিত যে তারা এই সংগ্রামের নেতৃত্ব দিয়েছিল, যা একটি গ্যারান্টি ছিল যে যুদ্ধের পরে জাতীয় প্রশ্নটির সমাধান চূড়ান্তভাবে সেভাবেই হবে যা কমিউনিস্টরা যুদ্ধের অনেক আগে এবং যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে পরিকল্পনা করেছিল। সমাজতন্ত্র গড়ে তোলার বর্তমান পর্যায়ে কমিউনিস্ট পার্টির ভূমিকা হলো ইতিবাচক জাতীয় কারণগুলোকে আমাদের দেশে সমাজতন্ত্রের বিকাশের ক্ষেত্রে একটি উদ্দীপক হিসেবে তৈরি করা, কোনো বাধা হিসেবে নয়। আজকে কমিউনিস্ট পার্টির ভূমিকা এই প্রয়োজনীয়তার মধ্যেই নিহিত যে, কোনো জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে যেন জাতীয় উগ্রপন্থী মনোভাবের উত্থান বা বিকাশ না ঘটে, সেদিকে কড়া নজর রাখা। জাতীয়তাবাদের সমস্ত নেতিবাচক দিকগুলো যেন বিলুপ্ত হয় এবং জনগণকে যেন আন্তর্জাতিকতাবাদের চেতনায় শিক্ষিত করা হয়, তা নিশ্চিত করতে কমিউনিস্ট পার্টিকে সর্বদা সচেষ্ট হতে হবে এবং তারা তা করছেও। ** জোসিপ ব্রোজ টিটো, ''[http://www.marxists.org/archive/tito/1948/11/26.htm কনসার্নিং দ্য ন্যাশনাল কোয়েশ্চেন অ্যান্ড সোশ্যাল প্যাট্রিয়োটিজম]'' থেকে উদ্ধৃত, ২৬ নভেম্বর ১৯৪৮ সালে লুব্লিয়ানায় স্লোভেন একাডেমি অব আর্টস অ্যান্ড সায়েন্স-এ প্রদত্ত ভাষণ। * আমরা সবাই একসাথে না থাকলে আমাদের কোনো প্রজাতন্ত্রেরই কোনো মূল্য থাকত না, তবে আমাদের নিজেদের ইতিহাস তৈরি করতে হবে; অর্থাৎ আমাদের যুগোস্লাভ সমাজতান্ত্রিক ইতিহাস, যা ভবিষ্যতে অনন্য হবে এবং সেটিই আমাদের পথ। কিছু কিছু প্রজাতন্ত্রের নিজেদের ঐতিহ্য সংরক্ষণের জাতীয় অধিকার ক্ষুণ্ণ করে নয়, এবং তা সামগ্রিক সম্প্রদায়ের স্বার্থের বিনিময়েও নয়, বরং একে অপরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করতে হবে। এটিই আমরা চাই, আমাদের ঐক্যের বিনাশ নয়। ** জোসিপ ব্রোজ টিটো, [https://www.youtube.com/watch?v=H7s7ldiX6lc ১৯৬২ সালে স্প্লিট-এ টিটোর ভাষণ] থেকে উদ্ধৃত। * যুগোস্লাভিয়ার জনগণ ফ্যাসিবাদ চায় না। তারা কোনো সর্বগ্রাসী শাসন চায় না, তারা জার্মান এবং ইতালীয় আর্থিক অলিগার্কি বা অভিজাতদের দাস হতে চায় না, ঠিক যেমন তারা প্রথম সাম্রাজ্যবাদী যুদ্ধের পরে তথাকথিত পশ্চিমা গণতন্ত্রগুলোর দ্বারা চাপিয়ে দেওয়া আধা-ঔপনিবেশিক পরাধীনতার সাথে কখনোই আপস করতে চায়নি। ** জোসিপ ব্রোজ টিটো, জ্যাসপার রিডলি রচিত ''টিটো: আ বায়োগ্রাফি'' (কনস্টেবল অ্যান্ড কোম্পানি লিমিটেড, ১৯৯৪), পৃষ্ঠা ১৫৫ থেকে উদ্ধৃত। * প্রিয় ভাই ও বোনেরা, এই বিষয়ে ভালোভাবে চিন্তা করুন, তাহলে আপনারা দেখতে পাবেন যে আমাদের এক ভয়ানক বিশৃঙ্খলা এবং ভ্রাতৃঘাতী যুদ্ধের মধ্যে থাকতে হতো, এমন এক দেশে যা আর যুগোস্লাভিয়া থাকত না, বরং শুধুমাত্র ছোট ছোট রাজ্যের একটি গোষ্ঠী হিসেবে একে অপরের সাথে লড়াই করে নিজেদের ধ্বংস করত। কিন্তু আমাদের জনগণ তা ঘটতে দিতে চায় না। ** জোসিপ ব্রোজ টিটো, জ্যাসপার রিডলি রচিত ''টিটো: আ বায়োগ্রাফি'' (কনস্টেবল অ্যান্ড কোম্পানি লিমিটেড, ১৯৯৪), পৃষ্ঠা ২৬৩ থেকে উদ্ধৃত। === ট === * অন্যান্য পূর্ব ইউরোপীয় দেশগুলোর তুলনায়, ১৯৬০ এবং ১৯৭০-এর দশকে যুগোস্লাভিয়াকে সমৃদ্ধির একটি মডেল বলে মনে হতো। ১৯৭০-এর দশকে এবং ১৯৮০-এর দশকের একেবারে শুরুর দিকে কোনো দর্শনার্থী এসে দেখলে এখানকার দোকান ও বাজারগুলোতে প্রচুর জিনিসপত্র এবং বিভিন্ন পর্যায়ে নির্মাণাধীন অসংখ্য বাড়ি দেখতে পেতেন। এই বাড়িগুলোর মালিকরা জার্মানিতে কাজ করে যে অর্থ উপার্জন করেছিলেন, তা দিয়ে সাপ্তাহিক ছুটির দিন এবং অবকাশ যাপনের সময়ে নিজেরাই শ্রম দিয়ে এই বাড়িগুলো তৈরি করতেন। কিন্তু ১৯৭০-এর দশকের তেলের মূল্যবৃদ্ধির ধাক্কা মারাত্মক মুদ্রাস্ফীতির দিকে পরিচালিত করে। ঋণের পরিমাণ বাড়তে থাকে যা অর্থনীতির ওপর বিশাল বোঝা হয়ে দাঁড়ায়, পাশাপাশি বেকারত্ব দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছে যায়। কসোভোর মতো কিছু অঞ্চলে ১৯৮০-এর দশকের শুরুতেই কর্মশক্তির প্রায় এক-চতুর্থাংশ বেকার হয়ে পড়েছিল, যার অন্যতম কারণ ছিল পশ্চিম জার্মানি। দীর্ঘদিন ধরে যুগোস্লাভিয়ার উদ্বৃত্ত শ্রমিকদের একটি প্রধান গন্তব্য হলেও সেসময় তারা বিদেশি শ্রমিকদের সীমিত করতে এবং এমনকি দেশে ফেরত পাঠাতে শুরু করেছিল। ** এরিক ডি. ওয়েইটজ, ''আ সেঞ্চুরি অব জেনোসাইড'' (২০১৮), পৃষ্ঠা ২০৮। * ১৯৫০ এবং ১৯৬০-এর দশকে অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রাথমিক পর্যায়ে এন্টারপ্রাইজ বা উদ্যোগ স্তরে সম্মিলিত কেন্দ্রীয় পরিকল্পনা এবং স্ব-ব্যবস্থাপনার যুগোস্লাভ ব্যবস্থাটি বেশ ভালোই কাজ করেছিল, কিন্তু ১৯৮০-এর দশকের তীব্র প্রতিযোগিতামূলক আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিতে তা আর কাজ করেনি। ইউরোপের অন্যান্য সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রগুলোর মতো, বাস্তব জীবনযাত্রার মান স্থবির হতে শুরু করে এবং তারপর কমতে থাকে। কিছু হিসাব অনুযায়ী, ১৯৭৯ থেকে ১৯৮৫ সালের মধ্যে প্রকৃত ব্যক্তিগত আয় এক-চতুর্থাংশ এবং ১৯৭৯ থেকে ১৯৮৮ সাল পর্যন্ত দশকে এক-তৃতীয়াংশ হ্রাস পেয়েছে। যুগোস্লাভ শাসনব্যবস্থা যেহেতু জনগণের জন্য উচ্চতর জীবনযাত্রার মান প্রদানের ওপর নিজেদের বৈধতা প্রতিষ্ঠা করেছিল, তাই এই স্থবিরতা এবং পতন প্রায় তাৎক্ষণিকভাবে রাজনৈতিক পরিণতি ডেকে এনেছিল। ** এরিক ডি. ওয়েইটজ, ''আ সেঞ্চুরি অব জেনোসাইড'' (২০১৮), পৃষ্ঠা ২০৮। * সংক্ষেপে বলতে গেলে, কমিউনিস্ট যুগোস্লাভিয়ার প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো নির্দিষ্ট জাতীয় পরিচয়গুলোকে টিকিয়ে রেখেছিল এবং সেগুলোর বিকাশ ঘটিয়েছিল। সোভিয়েত ইউনিয়নে, যেমনটা আমরা দেখেছি, ইউনিয়নের গঠনমূলক উপাদান হিসেবে জাতিসত্তাগুলোর স্বীকৃতি এমন একটি নীতির দিকে পরিচালিত করেছিল যা জাতীয় বিকাশকে উৎসাহিত করার পাশাপাশি কিছু গোষ্ঠীকে শত্রু জাতি হিসেবে বিবেচনা করত এবং তাদের সম্পূর্ণভাবে অপসারণের চেষ্টা করত। যুগোস্লাভিয়ায় একই ধরনের ব্যবস্থা আরও বেশি চরম পরিণতির দিকে নিয়ে যায়। যেমনটি একজন পণ্ডিত লিখেছেন যে, জাতীয় প্রজাতন্ত্রগুলোর ওপর ভিত্তি করে গঠিত যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর ফলে "প্রতিটি প্রশ্ন অনিবার্যভাবেই 'জাতীয়করণ' হয়ে যেত।" বেশ কয়েক বছর ধরে যুগোস্লাভিয়া কোনোমতে টিকে থাকতে পেরেছিল। কিন্তু ১৯৮০-এর দশকের শেষ দিকে অর্থনৈতিক পতন, রাজনৈতিক অচলাবস্থা এবং দ্রুত পরিবর্তনশীল আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি দেশটির অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতিকে এক চূড়ান্ত সংকটের দিকে নিয়ে যায়। যখন কেন্দ্রীয় সরকার জীবনযাত্রার মান নিশ্চিতকারী এবং জনগণের রক্ষক হিসেবে তার ভূমিকা পালন করতে ব্যর্থ হয়, তখন এই ব্যবস্থাটি তার গঠনমূলক উপাদানগুলোর দিকে স্থানান্তরিত হয়। এই উপাদানগুলো ছিল ছয়টি প্রজাতন্ত্র এবং দুটি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল এবং এর সাথে জেএনএ-কে প্রায়শই "নবম ফেডারেল ইউনিট" হিসেবে উল্লেখ করা হতো। এদের প্রত্যেকেই তখন নিজেদের দাবি উত্থাপন করতে শুরু করে। যুগোস্লাভিয়ায় এই বিভাজন এতটা বিপজ্জনক হয়ে উঠেছিল কারণ পূর্ব ইউরোপের অন্যান্য কমিউনিস্ট সমাজগুলোর বিপরীতে সেখানে এমন কোনো কার্যকর এবং গণতান্ত্রিক চেতনার সুশীল সমাজ গড়ে ওঠেনি যা কোনো নির্দিষ্ট জাতিসত্তার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে পুরো দেশে বিস্তৃত হতে পারত। শুধুমাত্র বসনিয়ায় মুসলিম নেতৃত্ব কিছু ক্রোট এবং সার্ব মিত্রদের সাথে নিয়ে প্রজাতন্ত্রটির বহুজাতিক চরিত্র এবং "প্রকৃত" যুগোস্লাভিয়া হিসেবে এর মর্যাদাকে টিকিয়ে রাখার মরিয়া চেষ্টা করেছিল। ** এরিক ডি. ওয়েইটজ, ''আ সেঞ্চুরি অব জেনোসাইড'' (২০১৮), পৃষ্ঠা ২০৮। == আরও দেখুন == * [[কসোভো]] * [[আলবেনিয়া]] == বহিঃসংযোগ == * {{wikipedia-inline}} * {{commonscat-inline|Yugoslavia|যুগোস্লাভিয়া}} {{উইকিসংকলন|Portal:Yugoslavia|যুগোস্লাভিয়া}} {{Wikivoyage}} [[Category:যুগোস্লাভিয়া| ]] [[বিষয়শ্রেণী:দেশ]] j22443ng5az9mnpa1bxd0cr39jys01w 80013 80011 2026-04-23T11:46:00Z Anaf Ibn Shahibul 4193 80013 wikitext text/x-wiki [[File:Flag of Yugoslavia.svg|thumb|এই স্লাভিক জাতির মহান পরীক্ষাটি ছিল একটি মহৎ ধারণার ওপর ভিত্তি করে। এর প্রবক্তারা ভেবেছিলেন যে দক্ষিণ স্লাভরা, অর্থাৎ যাদের মধ্যে অনেক মিল রয়েছে, বিশেষ করে তাদের ভাষা; যারা অস্ট্রিয়ার সীমান্ত থেকে প্রায় কনস্টান্টিনোপল (বর্তমান ইস্তাম্বুল) এর দ্বারপ্রান্ত পর্যন্ত এক বিশাল ভূখণ্ডে বসবাস করত, তাদের ঐক্যবদ্ধ হওয়া উচিত এবং একটি মহান শক্তিশালী দক্ষিণ স্লাভ রাষ্ট্র গঠন করা উচিত। (টিম জুডাহ)]] '''[[w:bn:যুগোস্লাভিয়া|যুগোস্লাভিয়া]]''' ছিল দক্ষিণ-পূর্ব এবং মধ্য ইউরোপের একটি দেশ যা ১৯১৮ থেকে ১৯৯২ সাল পর্যন্ত বিদ্যমান ছিল। ১৯১৮ সালে [[প্রথম বিশ্বযুদ্ধ]] পরবর্তীকালে ''[[w:bn:সার্ব, ক্রোট এবং স্লোভেন রাজ্য|সার্ব, ক্রোট এবং স্লোভেন রাজ্য]]'' নামে এটি অস্তিত্ব লাভ করে। এটি সার্বিয়া রাজ্যের সাথে স্লোভেন, ক্রোট এবং সার্বদের অস্থায়ী রাষ্ট্রের (যা প্রাক্তন অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি সাম্রাজ্যের ভূখণ্ড নিয়ে গঠিত হয়েছিল) একীভূতকরণের মাধ্যমে তৈরি হয়েছিল। এটি ছিল দক্ষিণ স্লাভিক জনগণের প্রথম ইউনিয়ন যা একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে গঠিত হয়েছিল, যার আগে এই অঞ্চলটি কয়েক শতাব্দী ধরে অটোমান সাম্রাজ্য এবং অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরির মতো বিদেশি শাসনের অধীনে ছিল। [[w:bn:সার্বিয়ার প্রথম পিটার|সার্বিয়ার প্রথম পিটার]] ছিলেন এর প্রথম সার্বভৌম শাসক। ১৯২২ সালের ১৩ জুলাই প্যারিসে অনুষ্ঠিত 'অ্যাম্বাসেডর কনফারেন্সে' এই রাজ্যটি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভ করে। ১৯২৯ সালের ৩ অক্টোবর রাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক নাম পরিবর্তন করে ''[[w:bn:যুগোস্লাভিয়া রাজ্য|যুগোস্লাভিয়া রাজ্য]]'' রাখা হয়। ১৯৮০-এর দশকে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সংকট এবং জাতীয়তাবাদ ও জাতিগত উত্তেজনা বৃদ্ধির পর যুগোস্লাভিয়া তার প্রজাতন্ত্রগুলোর সীমান্ত অনুযায়ী ভেঙে যায়। শুরুতে এটি পাঁচটি দেশে বিভক্ত হয়, যা পরবর্তীতে যুগোস্লাভ যুদ্ধের দিকে পরিচালিত করে। ১৯৯৩ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত সাবেক যুগোস্লাভিয়ার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সেই যুদ্ধগুলোর সময় সংঘটিত যুদ্ধাপরাধ, গণহত্যা এবং অন্যান্য অপরাধের জন্য সাবেক যুগোস্লাভিয়ার রাজনৈতিক ও সামরিক নেতাদের বিচার করে। বিভক্তির পর মন্টিনিগ্রো এবং সার্বিয়া প্রজাতন্ত্র মিলে একটি ক্ষুদ্রতর ফেডারেল রাষ্ট্র গঠন করে, যা [[w:bn:যুগোস্লাভিয়া ফেডারেল প্রজাতন্ত্র|যুগোস্লাভিয়া ফেডারেল প্রজাতন্ত্র]] (এফআরওয়াই) নামে পরিচিত ছিল। ২০০৩ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত এটি [[w:bn:সার্বিয়া ও মন্টিনিগ্রো|সার্বিয়া ও মন্টিনিগ্রো]] নামে পরিচিত ছিল। এই রাষ্ট্রটি সাবেক এসএফআরওয়াই-এর একমাত্র আইনি উত্তরসূরি হওয়ার দাবি করেছিল, কিন্তু অন্যান্য সাবেক প্রজাতন্ত্রগুলো সেই দাবির বিরোধিতা করে। শেষ পর্যন্ত এটি 'বাদিন্টার সালিশি কমিটি'র যৌথ উত্তরসূরি হওয়ার সিদ্ধান্ত মেনে নেয় এবং ২০০৩ সালে এর দাপ্তরিক নাম পরিবর্তন করে 'সার্বিয়া ও মন্টিনিগ্রো' রাখা হয়। ২০০৬ সালে মন্টিনিগ্রো এবং সার্বিয়া প্রতিটি স্বাধীন রাষ্ট্রে পরিণত হওয়ার মাধ্যমে এই রাষ্ট্রের বিলুপ্তি ঘটে। ২০০৮ সালে কসোভোর স্বাধীনতার ঘোষণার পর থেকে এর রাজনৈতিক অবস্থা নিয়ে বর্তমানেও বিরোধ চলছে। __NOTOC__ {{TOCalpha}} == উক্তি == === অ === * নিকোলা ছিলেন যুদ্ধংদেহী<br>সব সময় তিনি একটি [[খঞ্জর]] ও ভ্রুকুটি ধারণ করতেন,<br>গোটা [[বিশ্ব|বিশ্বেও]] পর্যাপ্ত হিমায়ক ছিল না<br>যা তার মেজাজকে শান্ত করতে পারে। ** সি.বি. অ্যান্ডারসন রচিত "দ্য লাস্ট যুগোস্লাভ", [https://www.classicalpoets.org/2025/09/the-limits-of-hospitality-and-other-poetry-by-c-b-anderson/ "‘দ্য লিমিটস অব হসপিটালিটি’ অ্যান্ড আদার পোয়েট্রি বাই সি.বি. অ্যান্ডারসন"], দ্য সোসাইটি অব ক্লাসিক্যাল পোয়েটস (২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫)। === আ === * সার্ব নিয়ন্ত্রিত যুগোস্লাভিয়া যে যুদ্ধের অন্যতম বিজয়ী রাষ্ট্র হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিল, তা পরোক্ষভাবে ২৮ জুন ট্রিগার চাপা লোকটির কাজকে ন্যায্যতা দিয়েছিল বলে মনে হয়। নিশ্চিতভাবেই এটি যুগোস্লাভ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিভঙ্গি ছিল, যারা ব্রোঞ্জ পদচিহ্ন এবং একটি ফলক দিয়ে তার গুলি করার স্থানটি চিহ্নিত করেছিল, যেখানে গুপ্তঘাতকের 'যুগোস্লাভ স্বাধীনতার পথে প্রথম পদক্ষেপ' উদযাপন করা হয়েছিল। এমন একটি যুগে যখন জাতীয় ধারণার যথেষ্ট সম্ভাবনা ছিল, তখন দক্ষিণ স্লাভ জাতীয়তাবাদের প্রতি মানুষের একটি স্বজ্ঞাত সহানুভূতি ছিল এবং হাবসবার্গ সাম্রাজ্যের ভারী বহুজাতিক কমনওয়েলথের প্রতি খুব কমই স্নেহ ছিল। ১৯৯০-এর দশকের যুগোস্লাভ যুদ্ধগুলো আমাদের বলকান জাতীয়তাবাদের প্রাণঘাতী রূপের কথা মনে করিয়ে দেয়। স্রেব্রেনিৎসা এবং সারায়েভো অবরোধের পর থেকে, সার্বিয়াকে নিছক পরাশক্তির রাজনীতির বস্তু বা শিকার হিসেবে ভাবা কঠিন হয়ে পড়েছে এবং সার্বিয়ান জাতীয়তাবাদকে নিজস্ব অধিকারে একটি ঐতিহাসিক শক্তি হিসেবে ধারণা করা সহজ হয়েছে। আজকের ইউরোপীয় ইউনিয়নের দৃষ্টিকোণ থেকে আমরা অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরির সেই বিলুপ্ত সাম্রাজ্যিক কাঠামোর দিকে আগের চেয়ে আরও বেশি সহানুভূতিশীল হয়ে বা অন্তত কম অবজ্ঞার সাথে তাকাতে আগ্রহী। ** [[w:bn:ক্রিস্টোফার ক্লার্ক|ক্রিস্টোফার ক্লার্ক]], ''স্লিপওয়াকার্স: হাউ ইউরোপ ওয়েন্ট টু ওয়ার ইন ১৯১৪'' (২০১২), পৃষ্ঠা xxvi। * যদিও তারা অন্ধভাবে স্তালিনকে অনুকরণ করেছিল এবং মস্কো দাবি করার আগেই সমাজতন্ত্র গড়ে তুলেছিল, যুগোস্লাভিয়ার কমিউনিস্টরাই ১৯৪৮ সালে প্রথম সোভিয়েত ইউনিয়নের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করে। তারা এমনটি করেছিল কারণ স্তালিন তাদের জাতীয় স্বার্থকে তার দেশের স্বার্থের কাছে সম্পূর্ণভাবে অধীন করার দাবি করেছিলেন। একটি প্রকাশ্য বক্তৃতায় জোসিপ ব্রোজ টিটো একজন মার্ক্সবাদী-লেনিনবাদী হিসেবে তার আকস্মিক মতাদর্শিক পরিবর্তনের বিষয়ে বলেছিলেন: কেউ সমাজতন্ত্রের মাতৃভূমিকে ভালোবাসতে পারে, তবে এর মানে এই নয় যে সে নিজের দেশকে কম ভালোবাসবে। এর দ্বারা তিনি ক্রোয়েশিয়া বা সার্বিয়া, স্লোভেনিয়া বা মন্টিনিগ্রোকে বোঝাননি; বরং কমিউনিস্ট যুগোস্লাভিয়া ছিল ল্যুদেভিত গাজের পুরোনো কর্মসূচি পুনরুজ্জীবিত করার দ্বিতীয় প্রচেষ্টা, যা এবার যুগোস্লাভিয়ার সকল মানুষের জাতীয় মুক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিল। যুদ্ধের সময় টিটোর পক্ষপাতদুষ্ট আন্দোলন ভ্রাতৃত্ব ও ঐক্যের নামে সার্ব, ইহুদি এবং অন্যদের ফ্যাসিস্ট গণহত্যার হাত থেকে রক্ষা করে একটি ক্ষুদ্র হাবসবার্গ সাম্রাজ্য হিসেবে শুরু হয়েছিল এবং এই সূত্রটি ১৯৮০ সালে টিটোর মৃত্যু পর্যন্ত সফল হয়েছিল। যদি এটি হাবসবার্গ সাম্রাজ্যের নতুন সংস্করণ ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ) যোগ দিত, তবে যুগোস্লাভিয়া হয়তো টিকে থাকতে পারত। কিন্তু ইইউ পূর্ব দিকে সম্প্রসারিত হওয়ার আগেই ১৯৯১ সালে ক্রোয়েশিয়ায় যুদ্ধ শুরু হয়। বর্তমানে পূর্ব ইউরোপের নেতারা এই দাবি করে রাজনৈতিক ফায়দা লোটেন যে, ইইউ জাতীয় অবকাঠামো, শিক্ষা এবং কৃষিতে উদারভাবে অর্থায়ন করা সত্ত্বেও কোনো না কোনোভাবে তাদের দেশের অস্তিত্বের জন্য হুমকি। ২০১৮ সালের জুন মাসে হাঙ্গেরির প্রেসিডেন্ট ভিক্টর অরবান বলেছিলেন যে স্লোভেনিয়ায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন বিরোধী প্রার্থীর নির্বাচনের ওপর "স্লোভেনীয় জাতির বেঁচে থাকা" নির্ভর করছে। ** জন কনেলি, ''ফ্রম পিপলস ইনটু নেশনস: আ হিস্ট্রি অব ইস্টার্ন ইউরোপ'' (২০২০), পৃষ্ঠা ১৯। === ক === * যুগোস্লাভিয়া শুরুতে 'সার্ব, ক্রোট এবং স্লোভেন রাজ্য' নামে পরিচিত ছিল, যে নামে দেশটির সতেরো বা ততোধিক জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে মাত্র তিনটির নাম উল্লেখ ছিল; এটি ছিল মূলত আরেকটি জগাখিচুড়ি রাষ্ট্র। সার্বরা একটি দক্ষিণ স্লাভ রাজ্যের স্বপ্ন দেখেছিল যেখানে তারা আধিপত্য বিস্তার করবে। সেই বিষয়টি নিশ্চিত করতেই যেন ১৯২১ সালের ২৮ জুন নতুন রাষ্ট্রের সংবিধান জারি করা হয়েছিল, যা ছিল কসোভোর যুদ্ধ এবং আর্চডিউক ফ্রান্সিস ফার্ডিনান্ডের হত্যাকাণ্ডের বার্ষিকী। বাস্তবে যুগোস্লাভিয়া শুধু ক্রোট, সার্ব এবং স্লোভেনদের নিয়েই গঠিত কোনো অস্বস্তিকর সংমিশ্রণ ছিল না, বরং এতে আলবেনীয়, বসনিয়ান মুসলিম, মন্টিনিগ্রিন, ম্যাসেডোনিয়ান এবং তুর্কিরাও ছিল। এর পাশাপাশি চেক, জার্মান, জিপসি, হাঙ্গেরীয়, ইতালীয়, ইহুদি, রোমানিয়ান, রুশ, স্লোভাক এবং ইউক্রেনীয়দের কথা তো বলাই বাহুল্য। ** [[w:bn:নিয়াল ফার্গুসন|নিল ফার্গুসন]], ''দ্য ওয়ার অব দ্য ওয়ার্ল্ড: টুয়েন্টিয়েথ-সেঞ্চুরি কনফ্লিক্ট অ্যান্ড দ্য ডিসেন্ট অব দ্য ওয়েস্ট'' (২০০৬), পৃষ্ঠা ১৬৭। * দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় বলকানেও জাতিগত, ধর্মীয় এবং মতাদর্শিক দিক থেকে একাধিক গৃহযুদ্ধ হয়েছিল। ১৯৪১ সালের এপ্রিলে জার্মান আগ্রাসনের প্রেক্ষিতে যুগোস্লাভিয়া ভেঙে পড়েছিল। সুযোগ বুঝে ক্রোয়েশিয়ার নেতা আন্তে পাভেলিচ হিটলারের পক্ষ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। পরবর্তী বিশৃঙ্খলায় তার উস্তাসারা ক্রোয়েশিয়া এবং বসনিয়া-হার্জেগোভিনায় তাদের সার্বিয়ান প্রতিবেশীদের বিরুদ্ধে জাতিগত নিধনের এক নৃশংস অভিযান চালায় এবং তাদের শত শত হাজার মানুষকে নির্যাতন ও হত্যা করে। গোটা গ্রামের পর গ্রাম মানুষকে তাদের গির্জায় বন্দি করে পুড়িয়ে মারা হয় অথবা জাসেনোভাকের মতো কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পে হত্যার জন্য পাঠানো হয়। সার্বিয়ান চেটনিক এবং পার্টিজানরাও এই অপরাধগুলোর সমতুল্য প্রতিশোধ নিয়েছিল। যুদ্ধের সময় যুগোস্লাভিয়ায় যে প্রায় দশ লাখ মানুষ মারা গিয়েছিল, তাদের বেশিরভাগকেই অন্য যুগোস্লাভরা হত্যা করেছিল। এর মধ্যে বসনিয়ার ১৪ হাজার ইহুদির প্রায় সবাই অন্তর্ভুক্ত ছিল। গ্রিসে জার্মান দখলদারিত্ব ছিল তিক্ত সংঘাতের ইঙ্গিত। সেখানে যুগোস্লাভিয়ার মতোই একটি ত্রিমুখী যুদ্ধ শুরু হয়েছিল যা কেবল বিদেশি আক্রমণকারী এবং জাতীয়তাবাদীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং তা জাতীয়তাবাদী এবং স্থানীয় কমিউনিস্টদের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়েছিল। ** [[w:bn:নিয়াল ফার্গুসন|নিল ফার্গুসন]], ''দ্য ওয়ার অব দ্য ওয়ার্ল্ড: টুয়েন্টিয়েথ-সেঞ্চুরি কনফ্লিক্ট অ্যান্ড দ্য ডিসেন্ট অব দ্য ওয়েস্ট'' (২০০৬), পৃষ্ঠা ৪৫৬-৪৫৭। === খ === * "জোটনিরপেক্ষতা" তৃতীয় বিশ্বের রাষ্ট্রগুলোর নেতাদের জন্য এমন একটি উপায় প্রদান করেছিল যেখানে তারা পুরোপুরি ঝুঁকে না পড়েও ভারসাম্য বজায় রাখতে পারত। এর মূল ধারণাটি ছিল স্নায়ুযুদ্ধে কোনো পক্ষের সাথেই যুক্ত না হওয়া, তবে প্রয়োজনে যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা উন্মুক্ত রাখা। এভাবে কোনো একটি পরাশক্তির চাপ খুব বেশি বেড়ে গেলে, একটি ছোট শক্তি অন্য পরাশক্তির সাথে জোটবদ্ধ হওয়ার হুমকি দিয়ে নিজেকে রক্ষা করতে পারত। যুগোস্লাভিয়া কোনো তৃতীয় বিশ্বের রাষ্ট্র না হয়েও এই প্রক্রিয়ার পথপ্রদর্শক ছিল। টিটো ১৯৪৮ সালে স্তালিনের নিন্দা চাননি; তিনি একজন নিবেদিতপ্রাণ কমিউনিস্ট ছিলেন এবং তা-ই থেকে যান। কিন্তু তিনি মতাদর্শগত সংহতির খাতিরে সার্বভৌমত্ব বিসর্জন না দেওয়ার ব্যাপারে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ছিলেন এবং সেসময়কার অন্যান্য পূর্ব ইউরোপীয় নেতাদের বিপরীতে তার এমনটি করার কোনো প্রয়োজনও ছিল না। স্তালিনের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করার পর আমেরিকানরা কত দ্রুত তাকে অর্থনৈতিক সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছিল তা লক্ষ্য করে টিটো একটি জীবনরেখার সম্ভাবনা দেখতে পেয়েছিলেন। যুগোস্লাভদের বিরুদ্ধে রুশরা কি শক্তি প্রয়োগের ঝুঁকি নেবে যদি তা আমেরিকানদের সাথে যুদ্ধের দিকে পরিচালিত করে? দীর্ঘ যুগোস্লাভ উপকূলের ঠিক পাশেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ষষ্ঠ নৌবহর কাজ করায় স্তালিনের জন্য আক্রমণ চালানোর বিষয়ে দুবার ভাবার যথেষ্ট কারণ ছিল। এর প্রমাণও রয়েছে যে তিনি আক্রমণ না করে বরং গুপ্তহত্যার ষড়যন্ত্র নিয়ে সন্তুষ্ট ছিলেন, যার সবগুলোই শেষমেশ ব্যর্থ হয়েছিল। ** জন লুইস গ্যাডিস, ''দ্য কোল্ড ওয়ার: আ নিউ হিস্ট্রি'' (২০০৬), পৃষ্ঠা ১২৪। === গ === * ১৯৯৫ সালের শরতে বসনিয়ার যুদ্ধের অবসান ঘটানোর চেষ্টায় যখন আমাদের মার্কিন আলোচক দল বলকানে ঘুরে বেড়াচ্ছিল, তখন ভার্সাই চুক্তি আমার মন থেকে খুব একটা দূরে ছিল না। হ্যারল্ড নিকলসন রচিত ''পিসমেকিং ১৯১৯'' এর অংশবিশেষ পড়তে পড়তে আমরা মজা করে বলতাম যে আমাদের লক্ষ্য হলো উড্রো উইলসনের উত্তরাধিকার বাতিল করা। ১৯৯৫ সালের নভেম্বরে ওহাইওর ডেটনে যখন আমরা বসনিয়া, ক্রোয়েশিয়া এবং যুগোস্লাভিয়া ফেডারেল প্রজাতন্ত্রের নেতাদের একত্রিত হতে এবং যুদ্ধের অবসানের জন্য আলোচনা করতে বাধ্য করি, তখন আমরা মূলত ভার্সাই চুক্তির আরেকটি অংশকেই কবর দিচ্ছিলাম। ২০০২ সালের বসন্তে, ভার্সাই চুক্তির মাধ্যমে সৃষ্ট সর্বশেষ যে দুটি অংশ তখনও "যুগোস্লাভিয়া" হিসেবে যুক্ত ছিল, তারা তাদের দেশের নাম পরিবর্তন করে "সার্বিয়া ও মন্টিনিগ্রো" রাখার ব্যাপারে একমত হয়ে পূর্ণ এবং চূড়ান্ত বিচ্ছেদের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছানোর আরেকটি পদক্ষেপ নেয়, যা সম্ভবত তাদের সম্পূর্ণ বিচ্ছেদের পথের একটি ধাপ ছিল। ** রিচার্ড হোলব্রুক, ''প্যারিস ১৯১৯: সিক্স মান্থস দ্যাট চেঞ্জড দ্য ওয়ার্ল্ড'' (২০০১)-এর ভূমিকা, পৃষ্ঠা x। * যুগোস্লাভিয়ায় পুঁজিবাদ সম্পূর্ণরূপে পুনরুদ্ধার করা হয়েছে, যা সবার কাছেই পরিচিত, তবে এই পুঁজিবাদ কীভাবে ছদ্মবেশ ধারণ করতে হয় তা জানে। যুগোস্লাভিয়া নিজেকে একটি সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে চিত্রিত করে, কিন্তু তা এমন এক বিশেষ ধরনের সমাজতন্ত্র যা বিশ্ব আগে কখনো দেখেনি! টিটোপন্থীরা এমনকি এ নিয়ে গর্বও করে যে, সমাজতান্ত্রিক মহান অক্টোবর বিপ্লব থেকে উদ্ভূত এবং মার্কস ও এঙ্গেলসের বৈজ্ঞানিক তত্ত্বের ভিত্তিতে লেনিন ও স্তালিন কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রের সাথে তাদের রাষ্ট্রের কোনো মিল নেই। ** [[w:bn:আনোয়ার হোজ্জা|আনোয়ার হোজ্জা]], ''[http://www.marxists.org/reference/archive/hoxha/works/1978/yugoslavia/index.htm যুগোস্লাভ "সেলফ-অ্যাডমিনিস্ট্রেশন" - ক্যাপিটালিস্ট থিওরি অ্যান্ড প্র্যাকটিস] (ই. কারদেলির সমাজতন্ত্র বিরোধী মতামতের বিরুদ্ধে)'', "সমাজতান্ত্রিক স্ব-প্রশাসনের রাজনৈতিক ব্যবস্থার বিকাশের দিকনির্দেশনা" গ্রন্থে, অ্যালবেনিয়ান শ্রম দলের কেন্দ্রীয় কমিটির মার্কসবাদী-লেনিনবাদী গবেষণা ইনস্টিটিউট, তিরানা, ১৯৭৮। * ১৯৯১ সালে যুগোস্লাভিয়ার সমস্ত অধিবাসীকে খাওয়ানোর জন্য প্রয়োজনের চেয়েও বেশি সম্পদ ছিল, তা সত্ত্বেও এটি একটি ভয়াবহ রক্তপাতের মধ্য দিয়ে ভেঙে পড়ে। ** [[w:bn:ইউভাল নোয়াহ হারারি|ইউভাল নোয়াহ হারারি]], স্যাপিয়েন্স: আ ব্রিফ হিস্ট্রি অব হিউম্যানকাইন্ড (২০১১), অধ্যায় ৬: "বিল্ডিং পিরামিডস"। === ঘ === * আজকের সাধারণ ধারণা হলো যুগোস্লাভিয়া ছিল একটি ব্যর্থ পরীক্ষা। ১৯৯০-এর দশকে যুগোস্লাভিয়ার পতনের যুদ্ধের প্রতিবেদন করার সময় অল্প-জ্ঞানের অধিকারী পশ্চিমা সাংবাদিকরা "সার্ব এবং ক্রোটদের মধ্যে শতবর্ষের পুরোনো সংঘাত" সম্পর্কে লিখেছিলেন; অথচ সার্ব-ক্রোট বৈরিতার আসল সূত্রপাত প্রকৃতপক্ষে ১৯শ এবং ২০শ শতাব্দীতে জাতীয়তাবাদের উত্থানের সময় থেকেই শুরু হয়েছিল। ** টোমেক জানকোভস্কি, ''ইস্টার্ন ইউরোপ!: এভরিথিং ইউ নিড টু নো অ্যাবাউট দ্য হিস্ট্রি (অ্যান্ড মোর) অব আ রিজিয়ন দ্যাট শেপড আওয়ার ওয়ার্ল্ড অ্যান্ড স্টিল ডাজ'' (২০১৩)। * যুগোস্লাভিয়া চেকোস্লোভাকিয়ার মতোই ছিল, কারণ এটি সার্বদের দ্বারা পরিচালিত একটি ক্ষুদ্র সাম্রাজ্য ছিল এবং চেক দলগুলো তাদের সাম্রাজ্য যেভাবে চালাত তার চেয়ে এটি উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি নিষ্ঠুর ছিল। এর কিছু অংশে ১৯১২ সাল থেকে অবিরাম যুদ্ধ চলছিল এবং ১৯২৬ সালের আগে পর্যন্ত এর সীমানা স্থির হয়নি (যদি এই শব্দটি ব্যবহার করা যায়)। অর্থোডক্স সার্বরা সেনাবাহিনী এবং প্রশাসন চালাত, কিন্তু ক্যাথলিক ক্রোট এবং স্লোভেনরা, যাদের সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক মান অনেক উন্নত ছিল, তারা 'বলকানদের (অর্থাৎ সার্বদের) ইউরোপীয়করণ' করার দায়িত্ব এবং নিজেদের 'বলকানাইজড' হয়ে যাওয়ার ভয় নিয়ে কথা বলত। নতুন দেশটি তৈরিতে সহায়তাকারী আর.ডব্লিউ. সিটন-ওয়াটসন খুব শিগগিরই সার্বদের পরিচালনার ধরন দেখে মোহমুক্ত হন। ১৯২১ সালে তিনি লিখেছিলেন যে যুগোস্লাভিয়ার পরিস্থিতি তাকে হতাশায় ফেলে দেয় এবং এর অবাস্তব কেন্দ্রীকরণের কারণে নতুন সংবিধানের প্রতি তার কোনো আস্থা নেই। তিনি অভিযোগ করেছিলেন যে, সার্ব কর্মকর্তারা হাবসবার্গদের চেয়েও খারাপ ছিল এবং সার্বদের বিরোধিতা জার্মানদের চেয়েও বেশি নিষ্ঠুর ছিল। ১৯২৮ সালে তিনি লিখেছিলেন যে তার নিজের ইচ্ছা হলো সার্ব এবং ক্রোটদের তাদের নিজেদের সমস্যাতেই ভুগতে দেওয়া, কারণ তিনি মনে করতেন তারা উভয়েই পাগল এবং নিজেদের নাকের ডগার বাইরে কিছু দেখতে পায় না। প্রকৃতপক্ষে, সেসময় সংসদ সদস্যরা সংসদে একে অপরের দিকে পিস্তল দিয়ে গুলি ছুড়ছিলেন এবং সেই প্রক্রিয়ায় ক্রোট কৃষক দলের নেতা স্তেপান রাদিচ নিহত হন। দেশটি সার্ব রাজনৈতিক পুলিশের চেয়ে বরং এর ইতালীয়, হাঙ্গেরীয়, বুলগেরীয় এবং আলবেনীয় প্রতিবেশীদের ধিকিধিকি জ্বলা ঘৃণার দ্বারাই কোনোমতে একসাথে টিকে ছিল, কারণ তাদের সবারই মেটানোর মতো অনেক ক্ষোভ ছিল। ** পল জনসন, ''মডার্ন টাইমস: দ্য ওয়ার্ল্ড ফ্রম দ্য টুয়েন্টিজ টু দ্য নাইনটিজ'' (১৯৯১), আইএসবিএন ৯৭৮০০৬০১৬৮৩৩৯। * এই স্লাভিক জাতির মহান পরীক্ষাটি ছিল একটি মহৎ ধারণার ওপর ভিত্তি করে। এর প্রবক্তারা ভেবেছিলেন যে দক্ষিণ স্লাভরা, অর্থাৎ যাদের মধ্যে অনেক মিল রয়েছে, বিশেষ করে তাদের ভাষা; যারা অস্ট্রিয়ার সীমান্ত থেকে প্রায় ইস্তাম্বুলের (বর্তমান ইস্তাম্বুল) দ্বারপ্রান্ত পর্যন্ত এক বিশাল ভূখণ্ডে বসবাস করত, তাদের ঐক্যবদ্ধ হওয়া উচিত এবং একটি মহান শক্তিশালী দক্ষিণ স্লাভ রাষ্ট্র গঠন করা উচিত। ** টিম জুডাহ, [https://web.archive.org/web/20080407212552/http://www.bbc.co.uk/history/worldwars/wwone/yugoslavia_01.shtml "যুগোস্লাভিয়া: ১৯১৮ - ২০০৩"] (৪ ফেব্রুয়ারি ২০০৩), ''বিবিসি''। === ঙ === * ডিকিনের মতো পণ্ডিত থেকে সৈনিকে পরিণত হওয়া ব্যক্তিদের গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করা পার্টিজান সংগ্রামের এই 'বীরত্বপূর্ণ' দিকটি বইয়ের পাতায় বেশ ভালোই শোনায়। কিন্তু যুগোস্লাভিয়ার বিস্তীর্ণ অঞ্চলে একটি রাজনৈতিক-সামরিক অভিযান চালানোর বাস্তব পরিণতি এর জনগণের জন্য অবর্ণনীয় দুর্ভোগ ডেকে এনেছিল। তাদের ইতিহাস আগে থেকেই তিক্ত এবং সহিংস প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ভরপুর ছিল, যা যুদ্ধ পুনরায় জাগিয়ে তুলেছিল। উত্তরে ক্যাথলিক ক্রোট নেতারা ইতালীয় পৃষ্ঠপোষকতার সুযোগ নিয়ে অর্থোডক্স সার্বদের বিরুদ্ধে বহিষ্কার, জোরপূর্বক ধর্মান্তর এবং নির্মূলের অভিযান শুরু করেছিলেন। বসনিয়া-হার্জেগোভিনার মুসলিমরাও গৃহযুদ্ধে অংশ নিয়েছিল, অন্যদিকে দক্ষিণে কসোভোর সার্বরা তাদের আলবেনীয় প্রতিবেশীদের দ্বারা আক্রান্ত হয়েছিল। চেটনিকরা নিজেদের দিক থেকে পার্টিজানদের সাথে সার্ব ভূমিগুলোতে কর্তৃত্ব নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিল, যাদের সাথে তারা কোনো যৌথ কৌশলে একমত হতে ব্যর্থ হয়; তবে জার্মান দখলদারদের সাথে তারা প্রকাশ্য যুদ্ধ শুরু করেনি যাতে কোনো প্রতিশোধমূলক হামলার শিকার হতে না হয়। জোসিপ ব্রোজ টিটো প্রতিশোধের বিষয়ে নিজের মনকে কঠোর করেছিলেন; প্রকৃতপক্ষে তিনি অক্ষশক্তির নৃশংসতাকে নতুন লোক নিয়োগের একটি প্রেরণা হিসেবে দেখেছিলেন। তিনি উদ্দেশ্যমূলকভাবে সাতটি তথাকথিত 'আক্রমণ'-এর মাধ্যমে জার্মানদের তার পিছু নিতে প্ররোচিত করেছিলেন, যা পার্টিজানদের পদযাত্রার পথে থাকা গ্রামাঞ্চলগুলোকে এক বিরানভূমিতে পরিণত করেছিল। গ্রামবাসীদের হয় পার্টিজানদের অনুসরণ করে 'জঙ্গলে' (তুর্কিদের বিরোধিতাকারীদের আত্মগোপনস্থলের ঐতিহ্যবাহী বিবরণ) যেতে হতো অথবা সেখানে থেকে প্রতিশোধের অপেক্ষায় থাকতে হতো। টিটোর উপপ্রধান কারদেলি নিরপেক্ষদের এমন উভয়সঙ্কটে ফেলার প্রয়োজনীয়তার বিষয়ে জোর দিয়েছিলেন: 'কিছু কমান্ডার প্রতিশোধের ভয় পান এবং সেই ভয় গ্রামগুলোকে সংগঠিত করতে বাধা দেয়। আমি মনে করি এই প্রতিশোধের একটি কার্যকর ফলাফল হবে ক্রোট গ্রামগুলোকে সার্ব গ্রামগুলোর পক্ষে নিয়ে আসা। যুদ্ধে আমাদের পুরো গ্রাম ধ্বংসের ভয় পেলে চলবে না। সন্ত্রাসই সশস্ত্র পদক্ষেপ নিয়ে আসবে।' কারদেলির বিশ্লেষণটি সঠিক ছিল। ** জন কিগান, ''আ হিস্ট্রি অব ওয়ারফেয়ার'' (১৯৯৪), পৃষ্ঠা ৫২। === চ === [[File:Flag of Yugoslavia (1918–1941).svg|thumb|১৯১৯ সালে উদ্ভূত দক্ষিণ স্লাভদের রাষ্ট্রটি, যা সার্বিয়া এবং বিলুপ্ত অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরির দক্ষিণাংশ একত্রিত করে গড়ে তোলা হয়েছিল, তা ছিল আকস্মিক এবং তাড়াহুড়ো করে নেওয়া, এমনকি অনেক ক্ষেত্রে মরিয়া সব সিদ্ধান্তের ফল। (মার্গারেট ম্যাকমিলান)]] * ১৯১৯ সালে উদ্ভূত দক্ষিণ স্লাভদের রাষ্ট্রটি, যা সার্বিয়া এবং বিলুপ্ত অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরির দক্ষিণাংশ একত্রিত করে গড়ে তোলা হয়েছিল, তা ছিল আকস্মিক এবং তাড়াহুড়ো করে নেওয়া, এমনকি অনেক ক্ষেত্রে মরিয়া সব সিদ্ধান্তের ফল। এর প্রতিনিধি দল বা নতুন দেশটির নাম কী হওয়া উচিত, তা-ও স্পষ্ট ছিল না। সার্বিয়া এবং বিলুপ্ত অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরির দক্ষিণাংশ নিয়ে গঠিত এই দেশটি শেষ পর্যন্ত যুগোস্লাভিয়া নাম ধারণ করে। শান্তি সম্মেলন যুগোস্লাভিয়া তৈরি করেনি, যেমনটা অনেকেই পরে বিশ্বাস করেছিল; বরং প্রথম কূটনীতিকরা প্যারিসে পৌঁছানোর আগেই এটি তৈরি হয়ে গিয়েছিল। সত্তর বছর পর, শক্তিধর দেশগুলো একইভাবে এর পতন ঠেকাতেও অক্ষম হয়েছিল। ** মার্গারেট ম্যাকমিলান, ''প্যারিস ১৯১৯: সিক্স মান্থস দ্যাট চেঞ্জড দ্য ওয়ার্ল্ড'' (২০০১), পৃষ্ঠা ১১০। * যুগোস্লাভিয়া নিজেই ছিল ১৯১৮ সালের সাম্রাজ্যগুলোর পতনের ফলে সৃষ্ট এক ত্রুটিপূর্ণ রাষ্ট্র, যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পর্যন্ত সার্বিয়ান রাজতন্ত্র দ্বারা আধিপত্যশীল ছিল, অথচ এর মধ্যে মুসলিম বসনিয়ান এবং কসোভান আলবেনীয়, অর্থোডক্স মন্টিনিগ্রিন এবং সার্ব এবং ক্যাথলিক ক্রোটরা অন্তর্ভুক্ত ছিল। দুই বিশ্বযুদ্ধের নৃশংস জাতিগত গণহত্যার মধ্য দিয়ে দীর্ঘকাল ক্ষমতায় থাকা একনায়ক মার্শাল জোসিপ টিটো, যার পার্টিজানরা যুগোস্লাভিয়াকে নাৎসি দখলদারিত্ব থেকে মুক্ত করেছিল, তিনি তার নিজস্ব ক্যারিশম্যাটিক ব্যক্তিত্ব এবং তুলনামূলকভাবে কম পরিচিত সন্ত্রাস, গোপন পুলিশ ও কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্প ব্যবহার করে একটি শক্তিশালী শাসনব্যবস্থা তৈরি করেছিলেন। তারপরও টিটো বলকানের মারাত্মক জাতিগত বিরোধ নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হয়েছিলেন এবং তার জনগণকে প্রায় ৩০ বছরের শান্তি ও শৃঙ্খলা উপহার দিয়েছিলেন। কিন্তু ১৯৮০ সালে তার মৃত্যুর পর যে আবর্তিত প্রেসিডেন্সি ব্যবস্থা কার্যকর করা হয়, তা একটি উত্তপ্ত জাতিগত কড়াই রেখে যায়, যা নিয়ন্ত্রণ করার মতো কোনো শক্তিশালী হাত ছিল না। স্লোবোদান মিলোশেভিচ তার ব্যক্তিগত নির্দেশে সমন্বিত ও অর্থায়িত ডেথ স্কোয়াড, ভাড়াটে সৈন্য এবং সাইকোপ্যাথিক যুদ্ধবাজদের নিয়ে এই শূন্যতা পূরণ করেছিলেন। ** সাইমন সেবাগ মন্টেফিয়োর, ''মনস্টারস: হিস্ট্রিস মোস্ট ইভিল মেন অ্যান্ড উইমেন'' (২০০৯), পৃষ্ঠা ৩৬১। === ছ === * যুগোস্লাভিয়া ইরানের পাশাপাশি একমাত্র দেশ, যা অত্যন্ত কঠিন ও যন্ত্রণাদায়ক পরিস্থিতিতেও জোসেফ স্তালিনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিল। যুগোস্লাভিয়ার মতো একটি দেশে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীকে ঐক্যবদ্ধ করা বা দেশটিকে আধুনিকীকরণ করা মোটেও সহজ কাজ ছিল না, এবং এটি অবশ্যই স্বীকার করতে হবে যে মার্শাল টিটো অসাধারণ কিছু অর্জন করেছিলেন। ঈশ্বর করুন, তার উত্তরসূরিরাও যেন তার মতোই যোগ্য হয়। ** মোহাম্মদ রেজা পাহলভি, ''দ্য শাহস স্টোরি'' (১৯৮০), পৃষ্ঠা ১৪৬-১৪৭। === জ === * এটি অবিলম্বে লক্ষ করা উচিত যে যুগোস্লাভিয়ার দাপ্তরিক নামে "ফেডারেল" বা যুক্তরাষ্ট্রীয় বিশেষণটির ব্যবহার ছিল নিছক লোকদেখানো; ঠিক যেমন সোভিয়েত ব্লক এবং পশ্চিমা গণতন্ত্রের মধ্যে সংঘাতে দেশটির কথিত জোটনিরপেক্ষ ভূমিকাও ছিল একটি ভান। এক্ষেত্রে "ফেডারেলিজম" বা যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা বলতে "বিকেন্দ্রীকরণ" বোঝায়নি, বরং স্থানীয় কেন্দ্রীকরণগুলোর একটি ফেডারেশনকে বোঝানো হয়েছে। যুগোস্লাভিয়ার কাল্পনিক "তৃতীয় অবস্থান"-এর বিষয়ে বলতে গেলে, তারা সম্পূর্ণভাবে কমিউনিস্ট থাকার পাশাপাশি নিজেদের একটি ভিন্ন ধরনের সমাজতন্ত্র হিসেবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করেছিল, তবে তা মূলত একটি কৌশলগত প্রক্সি হিসেবে কাজ করে নিরপেক্ষ দেশগুলোকে গোপনে সোভিয়েত ব্লকের প্রভাব বলয়ে টেনে আনার জন্য ব্যবহৃত হয়েছিল। ** মার্কো রেসপিন্টি, [https://bitterwinter.org/the-world-is-risking-a-uyghur-srebrenica/ "দ্য ওয়ার্ল্ড ইজ রিস্কিং আ উইঘুর স্রেব্রেনিৎসা"], ''বিটার উইন্টার'' (১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫)। * এই নস্টালজিয়া বা অতীতকাতরতা আমাকে হতবাক করে। মানুষ বলে যে সেসময় খুব একটা খারাপ ছিল না, সমাজতন্ত্র অনেক বেশি মানবিক ছিল। কিন্তু সাবেক যুগোস্লাভিয়ায় সবাই সমতাবাদী ছিল তার একমাত্র কারণ হলো সবাই গরিব ছিল। যুগোস্লাভিয়া আসলে একটি স্বৈরশাসন ছিল। ** দিমিত্রিজ রুপেল, ড্যান বিলেফস্কি রচিত [https://www.nytimes.com/2008/01/27/world/europe/27iht-nostalgia.4.9533599.html?pagewanted=2&_r=0 "ইন এক্স-যুগোস্লাভিয়া, টিটো-এরা নস্টালজিয়া"] (২৭ জানুয়ারি ২০০৮), ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস'' থেকে উদ্ধৃত। === ঝ === * কমিউনিস্ট বিশ্বে বস্তুগত অবস্থার একটি শ্রেণিবিন্যাস ছিল। পশ্চিমাদের সাথে সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ বাণিজ্যিক সম্পর্কের কারণে যুগোস্লাভরা উপলব্ধ পণ্যের পরিসর এবং মানের দিক দিয়ে সবচেয়ে ভালো অবস্থানে ছিল। এরপর ছিল পূর্ব জার্মানরা এবং তার পরে হাঙ্গেরীয় ও পোলিশরা। সোভিয়েত ইউনিয়নের নাগরিকরা তাদের চেয়ে পিছিয়ে ছিল; এবং রাশিয়ান জাতীয় গর্বের জন্য আরও বেশি বিরক্তিকর ব্যাপার ছিল যে, সোভিয়েত ইউনিয়নে জর্জিয়ান এবং এস্তোনিয়ানরা রাশিয়ানদের চেয়ে উন্নত জীবনযাপন করত। রাশিয়ানদের জনপ্রিয় কল্পনায় একজন সাধারণ জর্জিয়ানের রূপ ছিল কালো চামড়ার এক 'প্রাচ্যদেশীয়' মানুষ, যে তার যৌথ খামার থেকে বড় বড় স্যুটকেসে করে কমলালেবু রাশিয়ান ফেডারেশনের বড় শহরগুলোতে পাচার করত। ফলমূল যে অভ্যন্তরীণ চোরাচালানের একটি আইটেম হতে পারে, তা সমাজতন্ত্রের চরম অর্থনৈতিক অদক্ষতার কথাই প্রমাণ করে। ** রবার্ট সার্ভিস, ''কমরেডস: আ হিস্ট্রি অব ওয়ার্ল্ড কমিউনিজম'' (২০০৯)। * তবে সার্ব, ক্রোট বা বসনিয়ানরা অপরাধী নয়। যুগোস্লাভিয়ায় সমস্যাগুলো ঠিক একই কারণে শুরু হয়েছিল যা সোভিয়েত ইউনিয়নেও হয়েছিল। কমিউনিস্টরা (তাদের টিটো ছিল, আমাদের ছিল লেনিন ও স্তালিন) যথেচ্ছভাবে, জাতিগত দিক থেকে অযৌক্তিক এবং ঐতিহাসিকভাবে সমর্থনযোগ্য নয় এমন সব অভ্যন্তরীণ প্রশাসনিক সীমানা নির্ধারণ করেছিল এবং বছরের পর বছর ধরে অধিবাসীদের এক অঞ্চল থেকে অন্য অঞ্চলে স্থানান্তরিত করেছিল। এবং যখন মাত্র কয়েকদিনের ব্যবধানে যুগোস্লাভিয়া ভাঙতে শুরু করে, তখন পশ্চিমা দেশগুলোর নেতৃস্থানীয় শক্তিরা অবর্ণনীয় তাড়াহুড়ো এবং দায়িত্বহীনতার সাথে এই রাষ্ট্রগুলোকে তাদের কৃত্রিম সীমানার মধ্যেই স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য ছুটে যায়। তাই, আজ সাবেকি যুগোস্লাভিয়ার দুর্ভাগা জনগণকে যে ক্লান্তিকর ও রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ ধ্বংস করে দিচ্ছে, তার জন্য টিটোর পাশাপাশি পশ্চিমা শক্তিগুলোর নেতাদেরও দায়ভার নিতে হবে। এখন, তারা যে সমস্যাটি সৃষ্টিতে সহায়তা করেছিল তা কোনোভাবে সংশোধনের চেষ্টা করতে গিয়ে, তারা মূলত পবিত্র জোটের জন্য মেটারনিখের সেই সুপরিচিত নীতিবাক্যটিরই পুনরাবৃত্তি করছে: "অন্যকে সুস্থ করার স্বার্থে হস্তক্ষেপ।" আজকের স্লোগান হলো "মানবতাবাদের স্বার্থে হস্তক্ষেপ।" এটি একটি পরিহাসমূলক মিল! তবে হস্তক্ষেপ অত্যন্ত বিপজ্জনক একটি বিষয়। বড় শক্তিগুলোর পক্ষে বিশ্বকে নিয়ন্ত্রণ করা এত সহজ নয়। ** [[w:bn:আলেকসান্দ্র্‌ সোলঝেনিৎসিন|আলেকজান্ডার সোলঝেনিৎসিন]], পল ক্লেবনিকভ কর্তৃক গৃহীত [https://www.forbes.com/2008/08/05/solzhenitsyn-forbes-interview-oped-cx_pm_0804russia.html?sh=510b79d25f53 নতুন রাশিয়া এবং ইউক্রেন নিয়ে আলেকজান্ডার সোলঝেনিৎসিনের সাক্ষাৎকার (মে ১৯৯৪)], ''ফোর্বস'' ম্যাগাজিনে (৯ মে ১৯৯৪) প্রকাশিত। * কারণ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সুবাদে রুশরা খুব সহজেই তিনটি বাল্টিক রাষ্ট্র দখল করে নেয়, ফিনল্যান্ডের একটি অংশ, রুমানিয়ার একটি অংশ, পোল্যান্ডের একটি অংশ এবং জার্মানির একটি অংশ কেড়ে নেয় এবং অভ্যন্তরীণ ধ্বংসযজ্ঞ ও বাহ্যিক চাপের এক সুচিন্তিত নীতির বদৌলতে ওয়ারশ, প্রাগ, বুদাপেস্ট, সোফিয়া, বুখারেস্ট, তিরানা এবং পূর্ব বার্লিনে যথাযথভাবেই 'উপগ্রহ রাষ্ট্র' হিসেবে পরিচিত সরকার প্রতিষ্ঠা করে। এর মধ্যে আমি বেলগ্রেডকে বাদ দিচ্ছি, কারণ মার্শাল টিটোর সাহস ও প্রবল ইচ্ছাশক্তির কারণে সেখানকার শাসনব্যবস্থা ছিল অনন্য। ** পল-অঁরি স্পাক, "[https://www.nato.int/cps/en/natohq/opinions_17588.htm?selectedLocale=en দ্য আটলান্টিক অ্যালায়েন্স অ্যান্ড ইটস ফিউচার]," ১৪ সেপ্টেম্বর ১৯৫৭। === ঞ === * গণপ্রজাতন্ত্রের অন্য কোনো দেশে এই দেশের মতো এতগুলো জাতিসত্তা নেই... আমরা যে জাতীয়তার প্রশ্নটির এত পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে সমাধান করতে পেরেছি, তার কারণ হলো স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় এই সমস্যার সমাধান একটি বৈপ্লবিক উপায়ে শুরু হয়েছিল। এই যুদ্ধে দেশের সকল জাতিগোষ্ঠী অংশগ্রহণ করেছিল, যেখানে প্রতিটি জাতীয় গোষ্ঠী তাদের সক্ষমতা অনুযায়ী দখলদারদের হাত থেকে মুক্তির সাধারণ প্রচেষ্টায় অবদান রেখেছিল। ম্যাসেডোনিয়ান বা অন্য কোনো জাতীয় গোষ্ঠী, যারা সেসময় পর্যন্ত নিপীড়িত ছিল, তারা কোনো সরকারি ডিক্রি জারির মাধ্যমে তাদের জাতীয় মুক্তি লাভ করেনি। তারা হাতে রাইফেল নিয়ে তাদের জাতীয় মুক্তির জন্য লড়াই করেছিল। কমিউনিস্ট পার্টির ভূমিকা প্রথমত এই সত্যের মধ্যেই নিহিত যে তারা এই সংগ্রামের নেতৃত্ব দিয়েছিল, যা একটি গ্যারান্টি ছিল যে যুদ্ধের পরে জাতীয় প্রশ্নটির সমাধান চূড়ান্তভাবে সেভাবেই হবে যা কমিউনিস্টরা যুদ্ধের অনেক আগে এবং যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে পরিকল্পনা করেছিল। সমাজতন্ত্র গড়ে তোলার বর্তমান পর্যায়ে কমিউনিস্ট পার্টির ভূমিকা হলো ইতিবাচক জাতীয় কারণগুলোকে আমাদের দেশে সমাজতন্ত্রের বিকাশের ক্ষেত্রে একটি উদ্দীপক হিসেবে তৈরি করা, কোনো বাধা হিসেবে নয়। আজকে কমিউনিস্ট পার্টির ভূমিকা এই প্রয়োজনীয়তার মধ্যেই নিহিত যে, কোনো জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে যেন জাতীয় উগ্রপন্থী মনোভাবের উত্থান বা বিকাশ না ঘটে, সেদিকে কড়া নজর রাখা। জাতীয়তাবাদের সমস্ত নেতিবাচক দিকগুলো যেন বিলুপ্ত হয় এবং জনগণকে যেন আন্তর্জাতিকতাবাদের চেতনায় শিক্ষিত করা হয়, তা নিশ্চিত করতে কমিউনিস্ট পার্টিকে সর্বদা সচেষ্ট হতে হবে এবং তারা তা করছেও। ** জোসিপ ব্রোজ টিটো, ''[http://www.marxists.org/archive/tito/1948/11/26.htm কনসার্নিং দ্য ন্যাশনাল কোয়েশ্চেন অ্যান্ড সোশ্যাল প্যাট্রিয়োটিজম]'' থেকে উদ্ধৃত, ২৬ নভেম্বর ১৯৪৮ সালে লুব্লিয়ানায় স্লোভেন একাডেমি অব আর্টস অ্যান্ড সায়েন্স-এ প্রদত্ত ভাষণ। * আমরা সবাই একসাথে না থাকলে আমাদের কোনো প্রজাতন্ত্রেরই কোনো মূল্য থাকত না, তবে আমাদের নিজেদের ইতিহাস তৈরি করতে হবে; অর্থাৎ আমাদের যুগোস্লাভ সমাজতান্ত্রিক ইতিহাস, যা ভবিষ্যতে অনন্য হবে এবং সেটিই আমাদের পথ। কিছু কিছু প্রজাতন্ত্রের নিজেদের ঐতিহ্য সংরক্ষণের জাতীয় অধিকার ক্ষুণ্ণ করে নয়, এবং তা সামগ্রিক সম্প্রদায়ের স্বার্থের বিনিময়েও নয়, বরং একে অপরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করতে হবে। এটিই আমরা চাই, আমাদের ঐক্যের বিনাশ নয়। ** জোসিপ ব্রোজ টিটো, [https://www.youtube.com/watch?v=H7s7ldiX6lc ১৯৬২ সালে স্প্লিট-এ টিটোর ভাষণ] থেকে উদ্ধৃত। * যুগোস্লাভিয়ার জনগণ ফ্যাসিবাদ চায় না। তারা কোনো সর্বগ্রাসী শাসন চায় না, তারা জার্মান এবং ইতালীয় আর্থিক অলিগার্কি বা অভিজাতদের দাস হতে চায় না, ঠিক যেমন তারা প্রথম সাম্রাজ্যবাদী যুদ্ধের পরে তথাকথিত পশ্চিমা গণতন্ত্রগুলোর দ্বারা চাপিয়ে দেওয়া আধা-ঔপনিবেশিক পরাধীনতার সাথে কখনোই আপস করতে চায়নি। ** জোসিপ ব্রোজ টিটো, জ্যাসপার রিডলি রচিত ''টিটো: আ বায়োগ্রাফি'' (কনস্টেবল অ্যান্ড কোম্পানি লিমিটেড, ১৯৯৪), পৃষ্ঠা ১৫৫ থেকে উদ্ধৃত। * প্রিয় ভাই ও বোনেরা, এই বিষয়ে ভালোভাবে চিন্তা করুন, তাহলে আপনারা দেখতে পাবেন যে আমাদের এক ভয়ানক বিশৃঙ্খলা এবং ভ্রাতৃঘাতী যুদ্ধের মধ্যে থাকতে হতো, এমন এক দেশে যা আর যুগোস্লাভিয়া থাকত না, বরং শুধুমাত্র ছোট ছোট রাজ্যের একটি গোষ্ঠী হিসেবে একে অপরের সাথে লড়াই করে নিজেদের ধ্বংস করত। কিন্তু আমাদের জনগণ তা ঘটতে দিতে চায় না। ** জোসিপ ব্রোজ টিটো, জ্যাসপার রিডলি রচিত ''টিটো: আ বায়োগ্রাফি'' (কনস্টেবল অ্যান্ড কোম্পানি লিমিটেড, ১৯৯৪), পৃষ্ঠা ২৬৩ থেকে উদ্ধৃত। === ট === * অন্যান্য পূর্ব ইউরোপীয় দেশগুলোর তুলনায়, ১৯৬০ এবং ১৯৭০-এর দশকে যুগোস্লাভিয়াকে সমৃদ্ধির একটি মডেল বলে মনে হতো। ১৯৭০-এর দশকে এবং ১৯৮০-এর দশকের একেবারে শুরুর দিকে কোনো দর্শনার্থী এসে দেখলে এখানকার দোকান ও বাজারগুলোতে প্রচুর জিনিসপত্র এবং বিভিন্ন পর্যায়ে নির্মাণাধীন অসংখ্য বাড়ি দেখতে পেতেন। এই বাড়িগুলোর মালিকরা জার্মানিতে কাজ করে যে অর্থ উপার্জন করেছিলেন, তা দিয়ে সাপ্তাহিক ছুটির দিন এবং অবকাশ যাপনের সময়ে নিজেরাই শ্রম দিয়ে এই বাড়িগুলো তৈরি করতেন। কিন্তু ১৯৭০-এর দশকের তেলের মূল্যবৃদ্ধির ধাক্কা মারাত্মক মুদ্রাস্ফীতির দিকে পরিচালিত করে। ঋণের পরিমাণ বাড়তে থাকে যা অর্থনীতির ওপর বিশাল বোঝা হয়ে দাঁড়ায়, পাশাপাশি বেকারত্ব দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছে যায়। কসোভোর মতো কিছু অঞ্চলে ১৯৮০-এর দশকের শুরুতেই কর্মশক্তির প্রায় এক-চতুর্থাংশ বেকার হয়ে পড়েছিল, যার অন্যতম কারণ ছিল পশ্চিম জার্মানি। দীর্ঘদিন ধরে যুগোস্লাভিয়ার উদ্বৃত্ত শ্রমিকদের একটি প্রধান গন্তব্য হলেও সেসময় তারা বিদেশি শ্রমিকদের সীমিত করতে এবং এমনকি দেশে ফেরত পাঠাতে শুরু করেছিল। ** এরিক ডি. ওয়েইটজ, ''আ সেঞ্চুরি অব জেনোসাইড'' (২০১৮), পৃষ্ঠা ২০৮। * ১৯৫০ এবং ১৯৬০-এর দশকে অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রাথমিক পর্যায়ে এন্টারপ্রাইজ বা উদ্যোগ স্তরে সম্মিলিত কেন্দ্রীয় পরিকল্পনা এবং স্ব-ব্যবস্থাপনার যুগোস্লাভ ব্যবস্থাটি বেশ ভালোই কাজ করেছিল, কিন্তু ১৯৮০-এর দশকের তীব্র প্রতিযোগিতামূলক আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিতে তা আর কাজ করেনি। ইউরোপের অন্যান্য সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রগুলোর মতো, বাস্তব জীবনযাত্রার মান স্থবির হতে শুরু করে এবং তারপর কমতে থাকে। কিছু হিসাব অনুযায়ী, ১৯৭৯ থেকে ১৯৮৫ সালের মধ্যে প্রকৃত ব্যক্তিগত আয় এক-চতুর্থাংশ এবং ১৯৭৯ থেকে ১৯৮৮ সাল পর্যন্ত দশকে এক-তৃতীয়াংশ হ্রাস পেয়েছে। যুগোস্লাভ শাসনব্যবস্থা যেহেতু জনগণের জন্য উচ্চতর জীবনযাত্রার মান প্রদানের ওপর নিজেদের বৈধতা প্রতিষ্ঠা করেছিল, তাই এই স্থবিরতা এবং পতন প্রায় তাৎক্ষণিকভাবে রাজনৈতিক পরিণতি ডেকে এনেছিল। ** এরিক ডি. ওয়েইটজ, ''আ সেঞ্চুরি অব জেনোসাইড'' (২০১৮), পৃষ্ঠা ২০৮। * সংক্ষেপে বলতে গেলে, কমিউনিস্ট যুগোস্লাভিয়ার প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো নির্দিষ্ট জাতীয় পরিচয়গুলোকে টিকিয়ে রেখেছিল এবং সেগুলোর বিকাশ ঘটিয়েছিল। সোভিয়েত ইউনিয়নে, যেমনটা আমরা দেখেছি, ইউনিয়নের গঠনমূলক উপাদান হিসেবে জাতিসত্তাগুলোর স্বীকৃতি এমন একটি নীতির দিকে পরিচালিত করেছিল যা জাতীয় বিকাশকে উৎসাহিত করার পাশাপাশি কিছু গোষ্ঠীকে শত্রু জাতি হিসেবে বিবেচনা করত এবং তাদের সম্পূর্ণভাবে অপসারণের চেষ্টা করত। যুগোস্লাভিয়ায় একই ধরনের ব্যবস্থা আরও বেশি চরম পরিণতির দিকে নিয়ে যায়। যেমনটি একজন পণ্ডিত লিখেছেন যে, জাতীয় প্রজাতন্ত্রগুলোর ওপর ভিত্তি করে গঠিত যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর ফলে "প্রতিটি প্রশ্ন অনিবার্যভাবেই 'জাতীয়করণ' হয়ে যেত।" বেশ কয়েক বছর ধরে যুগোস্লাভিয়া কোনোমতে টিকে থাকতে পেরেছিল। কিন্তু ১৯৮০-এর দশকের শেষ দিকে অর্থনৈতিক পতন, রাজনৈতিক অচলাবস্থা এবং দ্রুত পরিবর্তনশীল আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি দেশটির অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতিকে এক চূড়ান্ত সংকটের দিকে নিয়ে যায়। যখন কেন্দ্রীয় সরকার জীবনযাত্রার মান নিশ্চিতকারী এবং জনগণের রক্ষক হিসেবে তার ভূমিকা পালন করতে ব্যর্থ হয়, তখন এই ব্যবস্থাটি তার গঠনমূলক উপাদানগুলোর দিকে স্থানান্তরিত হয়। এই উপাদানগুলো ছিল ছয়টি প্রজাতন্ত্র এবং দুটি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল এবং এর সাথে জেএনএ-কে প্রায়শই "নবম ফেডারেল ইউনিট" হিসেবে উল্লেখ করা হতো। এদের প্রত্যেকেই তখন নিজেদের দাবি উত্থাপন করতে শুরু করে। যুগোস্লাভিয়ায় এই বিভাজন এতটা বিপজ্জনক হয়ে উঠেছিল কারণ পূর্ব ইউরোপের অন্যান্য কমিউনিস্ট সমাজগুলোর বিপরীতে সেখানে এমন কোনো কার্যকর এবং গণতান্ত্রিক চেতনার সুশীল সমাজ গড়ে ওঠেনি যা কোনো নির্দিষ্ট জাতিসত্তার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে পুরো দেশে বিস্তৃত হতে পারত। শুধুমাত্র বসনিয়ায় মুসলিম নেতৃত্ব কিছু ক্রোট এবং সার্ব মিত্রদের সাথে নিয়ে প্রজাতন্ত্রটির বহুজাতিক চরিত্র এবং "প্রকৃত" যুগোস্লাভিয়া হিসেবে এর মর্যাদাকে টিকিয়ে রাখার মরিয়া চেষ্টা করেছিল। ** এরিক ডি. ওয়েইটজ, ''আ সেঞ্চুরি অব জেনোসাইড'' (২০১৮), পৃষ্ঠা ২০৮। == আরও দেখুন == * [[কসোভো]] * [[আলবেনিয়া]] == বহিঃসংযোগ == * {{wikipedia-inline}} * {{commonscat-inline|Yugoslavia|যুগোস্লাভিয়া}} {{উইকিসংকলন|Portal:Yugoslavia|যুগোস্লাভিয়া}} {{Wikivoyage}} [[Category:যুগোস্লাভিয়া| ]] [[বিষয়শ্রেণী:দেশ]] l109eg406vr9b4x6sq1hilebs3xhuhl আলাপ:যুগোস্লাভিয়া 1 13288 80014 2026-04-23T11:52:07Z Anaf Ibn Shahibul 4193 https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026 80014 wikitext text/x-wiki {{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}} s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm জোসেফ অ্যাডিসন 0 13289 80015 2026-04-23T11:56:15Z Oindrojalik Watch 4169 "<div style="text-align: center; border: 2px dashed #f0ad4e; padding: 15px; background-color: #fcf8e3; margin-bottom: 20px;"> [[File:Under-Construction-Bulldozer.gif|355px]] <div style="font-weight: bold; font-size: 18px; color: #8a6d3b; margin-top: 10px;">UNDER CONSTRUCTION</div> <div style="font-size: 16px; color: #8a6d3b;">This page is currently being built by '''[https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%..." দিয়ে পাতা তৈরি 80015 wikitext text/x-wiki <div style="text-align: center; border: 2px dashed #f0ad4e; padding: 15px; background-color: #fcf8e3; margin-bottom: 20px;"> [[File:Under-Construction-Bulldozer.gif|355px]] <div style="font-weight: bold; font-size: 18px; color: #8a6d3b; margin-top: 10px;">UNDER CONSTRUCTION</div> <div style="font-size: 16px; color: #8a6d3b;">This page is currently being built by '''[https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:Oindrojalik_Watch Oindrojalik Watch]'''.</div> </div> [[File:Joseph Addison by Sir Godfrey Kneller, Bt cleaned.jpg|thumb|আমি বুদ্ধিমত্তার দ্বারা নৈতিকতাকে প্রাণবন্ত করতে এবং নৈতিকতার দ্বারা বুদ্ধিমত্তাকে সংযত করতে সচেষ্ট হব।]] জোসেফ অ্যাডিসন ( ১ মে ১৬৭২ – ১৭ জুন ১৭১৯ ) ছিলেন একজন ইংরেজ রাজনীতিবিদ ও লেখক। তাঁর নাম প্রায়শই তাঁর বন্ধু রিচার্ড স্টিলের নামের সাথে একত্রে স্মরণ করা হয় , যার সাথে তিনি ‘দ্য স্পেকটেটর’ পত্রিকা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। 786f37nt36di238jo8as5kzkwhs1z9z