উইকিউক্তি
bnwikiquote
https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8_%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE
MediaWiki 1.46.0-wmf.26
first-letter
মিডিয়া
বিশেষ
আলাপ
ব্যবহারকারী
ব্যবহারকারী আলাপ
উইকিউক্তি
উইকিউক্তি আলোচনা
চিত্র
চিত্র আলোচনা
মিডিয়াউইকি
মিডিয়াউইকি আলোচনা
টেমপ্লেট
টেমপ্লেট আলোচনা
সাহায্য
সাহায্য আলোচনা
বিষয়শ্রেণী
বিষয়শ্রেণী আলোচনা
TimedText
TimedText talk
মডিউল
মডিউল আলাপ
ইভেন্ট
ইভেন্ট আলোচনা
খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর
0
290
83294
83259
2026-05-03T00:35:21Z
~2026-26582-11
5867
/* উক্তি */
83294
wikitext
text/x-wiki
'''খোন্দকার আবু নাসর মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর''' (১৯৫৮-২০১৬) ছিলেন একজন বাংলাদেশী ইসলামি ব্যক্তিত্ব, অধ্যাপক, গবেষক, লেখক, টিভি আলোচক ও অনুবাদক। তিনি ইসলামিক টিভি, এনটিভি, পিস টিভি, এটিএন বাংলা, চ্যানেল নাইন প্রভৃতি গণমাধ্যমে ইসলামের সমসাময়িক বিষয় নিয়ে আলোচনা করতেন, এবং আইটিভি ইউএস (মার্কিন ইসলামি টেলিভিশন চ্যানেল)-এর উপদেষ্টা ছিলেন। তিনি কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আল হাদিস ও ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন। তার ''বাংলাদেশে উশর বা ফসলের যাকাত: গুরুত্ব ও প্রয়োগ'' গ্রন্থটি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ও ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত সকল আলিয়া মাদ্রাসার সম্মান পাঠ্যসূচির অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এছাড়া ''বুহুসুন ফি উলূমিল হাদীস'' এবং ''হাদিসের নামে জালিয়াতি'' দুইটি বই ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের পাঠ্যসূচির অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এছাড়াও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতাকালীন তার অধীনে ১২ জন পিএইচডি এবং ৩০ জন এমফিল ডিগ্রি অর্জন করেছেন।
== উক্তি ==
* আল্লাহর পথে ডাকতে গেলে বা সৎকার্যে আদেশ ও অসৎকার্যে নিষেধ করতে গেলে মানুষের বিরোধিতা, শত্রুতা ও নিন্দার কারণে কখনো ক্রোধে কখনো বেদনায় অন্তর সঙ্কীর্ণ হয়ে যায়। এ মনোকষ্ট দূর করার ও প্রকৃত ধৈর্য ও মানসিক স্থিতি অর্জন করার উপায় হলো বেশি বেশি আল্লাহর যিকর, তাসবীহ, তাহমীদ ও সালাত আদায় করা। সাজদায় যেয়ে আল্লাহর দরবারে ক্রন্দন ও প্রার্থনা করা। এভাবেই আমরা ‘মন্দকে উৎকৃষ্ট দিয়ে প্রতিহত’ করার প্রকৃত গুণ অর্জন করতে পারব। আমরা (Re-active) না হয়ে (Pro-active) হতে পারব। কারো আচরণের প্রতিক্রিয়া আমাদের আচরণকে প্রভাবিত করবে না। আল্লাহর রেযামন্দীর দিকে লক্ষ্য রেখে আমরা আচরণ করতে পারব। আমরা সত্যিকার অর্থে মহা-সৌভাগ্যবানদের অন্তর্ভুক্ত হতে পারব। আল্লাহ আমাদেরকে কবুল করুন।
* সবাই মনে করে, মুসলমানেরা বর্বর, আমাদের ব্রেণ উর্বর। ওরা আমাদের ব্রেণে অনেক কিছু দিতে আসে, অসাম্প্রদায়িকতা, উদারতা শেখাতে আসে। কারা? যারা অন্য ধর্মের ধর্মগ্রন্থে প্রসাব করে, যারা অন্য ধর্মের পয়গম্বরকে অবমাননা করাকে ক্রেডিট মনে করে। তারা আমাদেরকে উদারতা শেখাতে আসে অথচ মুসলমানদের মানসিকতাই এমন জীবনে কোন জায়গায় কোন কাঠমোল্লা, ধর্মান্ধ, সাম্প্রদায়িক, মৌলবাদী,জঙ্গি, তালেবান - কখনো শুনবেন না কোন বিধর্মীকে ধর্মের জন্য মেরেছে অথবা কোন বিধর্মীর ধর্মগ্রন্থে পেসাব করেছে, এমন পেয়েছেন নাকি? [[মুসলমান]] খেপলে আমেরিকার ফ্লাগ পোড়ায় কিন্তু বাইবেল ছিঁড়ে পোড়াইছে? এমন কথা আছে নাকি? কারণ মুসলমান বিশ্বাস করে, বাইবেল হোক রামায়ণ হোক যে কোন ধর্মের ধর্মগ্রন্থ অবমাননা করা, এটা কোন ভালো কাজ না, এটা খারাপ কাজ। একারণে মুসলমান কোন ধর্মের কোন দেবতাকে নিয়ে, ভক্তি যাদেরকে করা হয় কার্টুন বানায় না, ব্যঙ্গ করে না, অবমাননা করে না। একজন মুসলমান ধর্ম পালন করে না তারপরেও তার মনে কখনোই জাগে না, অন্য ধর্মের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করতে হবে। বিশেষ করে ইউরোপ, আমেরিকার ধর্মগুরুরা ইন্টেনশনালি রাস্তায় রাস্তায় কোরআন পোড়ান, কোরআনে পেসাব করেন, করান। মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেওয়াটাকে তারা ধর্মীয়ভাবে খুব গৌরবের কাজ মনে করে!
* জামায়াতে ইসলামী উপমহাদেশের প্রাচীনতম ইসলামী রাজনৈতিক দল। দলটি বেশ কিছু ইতিবাচক কাজ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে: (i) তারা প্রমাণ করেছে যে ইসলাম একটি সম্পূর্ণ জীবন বিধান, এটি একটি ব্যবহারিক ব্যবস্থা, এবং এটি সর্বোত্তম জীবন ব্যবস্থা; (ii) তারা যুবক-যুবতীদের এবং শিক্ষিত জনগণকে ইসলাম সম্পর্কে এই সত্যগুলো বোঝাতে সক্ষম করেছে; (iii) তারা মূলত ইসলামিক অর্থনীতি, শিক্ষা ইত্যাদির জন্য মানুষকে উদ্বুদ্ধ করেছে; (iv) তারা সমাজে প্রচলিত কুসংস্কার, যেমন ব্যক্তি, পীর, কবর পূজার বিষয়ে জনগণের মধ্যে সচেতনতা তৈরিতে সফল হয়েছে। পাশাপাশি জাহাঙ্গীর বলেন, জামায়াত-ই-ইসলামীর রাজনীতিতে বেশ কিছু ত্রুটি দেখা যায়: (i) তারা রাজনীতিকে জিহাদ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। এটি প্রথম করেছিলেন মাওলানা মওদুদী; (ii) তারা ইকামত-ই-দ্বীন (ধর্ম প্রতিষ্ঠা) ধারণার অর্থ হ্রাস করে একটি ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠাকে বুঝিয়ে একটি গুরুতর ভুল করেছে; (iii) দলটি তার আদর্শের সাথে আপস করেছে এবং ক্ষমতা-রাজনীতিতে আরও মনোনিবেশ করেছে এবং ক্ষমতার জন্য ধর্মনিরপেক্ষ দল ও জনগণের সাথে জোট করেছে; এবং (iv) মুক্তিযুদ্ধের সময় জামাত এমন এক সরকারকে সমর্থন করেছিল এবং তাদের পক্ষে অস্ত্র গ্রহণ করেছিল, যাদেরকে এর পূর্বে তারা "অমুসলিম তাগুদী [অত্যাচারী] সরকার" বলে অভিহিত করেছিল। এটাই ছিল তাদের সবচেয়ে বড় ভুল।... হ্যাঁ, উলামারাও পাকিস্তানকে সমর্থন করেছিলেন কারণ তারা পাকিস্তানকে ভালোবাসতেন। ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান সৃষ্টির চেতনায় তারা আচ্ছন্ন হয়ে পড়েছিল। ১৯৭১ সালের এই গৌরবময় ঘটনাকে তারা এখনও স্মরণ করে। তবে, [মুক্তিযুদ্ধের সময়] তারা পাকিস্তানের পক্ষে জনগণকে সংগঠিত করেনি এবং দেশের অখণ্ডতা রক্ষার জন্য সামরিক প্রচেষ্টায় সক্রিয়ভাবে অংশ নেয়নি। তারা শুধু নিষ্ক্রিয় সমর্থন দিয়েছিল.... জামায়াতের দ্বারা প্রদর্শিত ক্ষমতার লালসা প্রমাণ করে যে তারা তাদের মূল আদর্শিক অবস্থান থেকে বিচ্যুত হয়েছে যে ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীরা ইসলাম প্রচার করবে না; পরিবর্তে, একদল অত্যন্ত ইসলাম ধর্মাবলম্বী মানুষের উচিত ইসলামের জন্য সঠিকভাবে সেবা করার ক্ষমতা অর্জন করা। কিন্তু দলটি সেক্যুলারদের মদদে ক্ষমতার অংশ হয়ে যায়। এটা তাদের আদর্শগত বিচ্যুতি। এই ধারা এখনও অব্যাহত রয়েছে। জামায়াত যা উন্নয়ন মনে করে; এটা আসলে অনুন্নয়ন। আমাদের সমাজে, মাত্র ১০-১৫% লোকই নামাজী-দ্বীনদার (মুসলিম অনুশীলনকারী)। কিন্তু, জামায়াত, বিএনপির সাথে ক্ষমতা ভাগাভাগি করে বিশ্বকে একটি বার্তা দেয় যে ইসলামপন্থীরা দখল করে নিয়েছে এবং বাংলাদেশ তালেবান রাষ্ট্রে পরিণত হওয়ার পথে। তাই যেকোনো মূল্যে জামায়াতকে চূর্ণ করতে হবে। উদাহরণস্বরূপ, আপনার ১০ কেজি শক্তি আছে, আপনি ১০০ কেজি দেখিয়েছেন। আপনার প্রতিপক্ষ আপনাকে ৬০ কেজি দিয়ে আঘাত করেছে, কিন্তু আপনার আছে মাত্র ১০ কেজি। আপনি নিশ্চিতভাবে চূর্ণবিচূর্ণ হবেন। এই কারণে, ইসলামপন্থীদের পক্ষে ক্ষমতায় থাকা ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীদেরকে প্রভাবিত করা এবং চাপ দেওয়া ভাল, যতক্ষণ না তারা একতরফাভাবে ক্ষমতায় না আসে। জামায়াত চারদলীয় জোট সরকারের আমলে (২০০১-২০০৬) কথিত দুর্নীতির বিরুদ্ধে আওয়াজ তোলেনি, বরং নীরবে সমর্থন করেছে। এটা তাদের আদর্শিক দৃষ্টিকোণ থেকে স্পষ্ট বিচ্যুতি। যারা ইসলামের নামে রাজনীতি করে, তাদের ইসলামী আদর্শকে পূর্ণ বিবেচনায় নিতে হবে। ইসলামী রাজনীতি হচ্ছে আদর্শিক রাজনীতি। ইসলামী রাজনীতি শুধু ক্ষমতার পাসপোর্ট নয়।
** {{বই উদ্ধৃতি |শেষাংশ1=Islam |প্রথমাংশ1=Md Nazrul |শেষাংশ2=Islam |প্রথমাংশ2=Md Saidul |শিরোনাম=Islam and Democracy in South Asia: The Case of Bangladesh |তারিখ=২০ মার্চ ২০২০ |প্রকাশক=Springer Nature |আইএসবিএন=978-3-030-42909-6 |পাতা=২৭১, ২৭২ |ইউআরএল=https://books.google.com.bd/books?id=ci3YDwAAQBAJ&pg=PA271&dq=abdullah+jahangir&hl=en&sa=X&ved=2ahUKEwjKqbuJsKz0AhUIyosBHSzBCkoQ6AF6BAgDEAM#v=onepage&q=abdullah%20jahangir&f=false |সংগ্রহের-তারিখ=২২ নভেম্বর ২০২১ |ভাষা=en }}
* সার্বভৌমত্ব মানে মালিকানা। এটা সহজ যে সার্বভৌম মানে মালিক। যেমন আমি এই জমির মালিক যা সত্য। আমি এখানে দালান তৈরি করতে পারি, ভেঙ্গে ফেলতে পারি, পার্টিশন করতে পারি, বিক্রি করতে পারি। এই মালিকানা আমার আছে। আবার এই জমি আল্লাহর। এটাও সত্য। আর আসল কথা হল, ইসলামের মতে এই জমি দিয়ে আমি অনেক কিছু করতে পারি, কিন্তু এখানে পতিতালয় বানাতে পারি না। মানুষের মালিকানা সীমিত; আল্লাহর মালিকানা অন্য সকল সার্বভৌমত্বের উপর সর্বোচ্চ। আমার মালিকানা পার্থিব, এবং যদি আমি তা আল্লাহর মালিকানার উপর রাখি তবে আমি আল্লাহর কাছে অপরাধী হব। একই সাথে, জনগণই দেশের মালিক, এটি একটি সহজ কথা। যারা বলেন, জনগণকে সার্বভৌম বলা ইসলাম বিরোধী এবং তারাই সকল ক্ষমতার উৎস, আমি তাদের সাথে একমত নই। এখানে ক্ষমতা বলতে ঝড়-বৃষ্টি বা রোগ-ব্যাধির ক্ষমতা বোঝায় না, এর মানে মন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রী এবং সর্বোপরি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা। এই ক্ষমতা আসলে মানুষের। ইসলামে জনগণের সম্মতিতেই ক্ষমতা অর্জিত হবে। একটি সমাজে যদি জনগোষ্ঠীর প্রধানরা সম্মতি দেয় এবং জনগণ তাতে সম্মত হয়, এটা ঠিক আছে, এটাই গণতন্ত্র। গণতন্ত্র ইসলামে জনগণের অংশগ্রহণ ও অংশীদারিত্ব বাধ্যতামূলক। তাই জনগণই রাষ্ট্রের মালিক এবং জনগণই ক্ষমতার উৎস ইসলামের সাথে সাংঘর্ষিক নয়। তবে কেউ যদি মনে করে এই মালিকানা মানে যে কেউ যে কোন কিছু করতে পারে; হারামকে (নিষিদ্ধ) হালাল (বৈধ), এবং হালালকে হারাম, তাহলে স্পষ্টতই এটা ইসলাম বিরোধী।
** (২ এপ্রিল ২০১৪){{cite book |last1=Islam |first1=Md Nazrul |last2=Islam |first2=Md Saidul |title=Islam and Democracy in South Asia: The Case of Bangladesh |date=20 March 2020 |publisher=Springer Nature |isbn=978-3-030-42909-6 |page=87 |url=https://books.google.com.bd/books?id=ci3YDwAAQBAJ&pg=PA87&lpg=PA87&dq=quote%7CSovereignty+means+ownership.+This+is+simple+that+sovereign+means+owner.+For+example,+I+am+the+owner+of+this+land+which+is+true.+I+can+erect+building+here,+I+can+demolish+it,+I+can+make+partition,+and+I+can+sell+it.+I+have+this+ownership.+Again,+this+land+belongs+to+Allah.+This+is+also+true.+And+the+fact+is,+according+to+Islam,+with+this+land+I+can+do+many+things,+but+I+cannot+make+a+brothel+here.+People%E2%80%99s+ownership+is+limited;+Allah%E2%80%99s+ownership+is+the+supreme+over+all+other+sovereigns.+My+ownership+is+worldly,+and+if+I+put+it+over+Allah%E2%80%99s+ownership,+I+will+be+offender+to+Allah.+In+the+same+vein,+people+are+the+owner+of+the+country,+it+is+a+simple+word.+Those+who+say+it+is+anti-Islamic+to+say+people+are+sovereign+and+they+are+the+source+of+all+powers,+I+do+not+agree+with+them.+Here+by+power,+it+does+not+mean+power+regarding+storm-rain,+or+disease,+it+means+the+power+of+ministers,+prime+minister+and+above+all+state+power.+This+power+actually+belongs+to+people.+In+Islam,+power+will+%E2%80%A6&source=bl&ots=CLGskaDOpA&sig=ACfU3U02qVhrfYmOBq2UDhh-58fXj3CqKg&hl=en&sa=X&ved=2ahUKEwj3oNz-y-L5AhVeyHMBHcy2AsYQ6AF6BAgHEAI#v=onepage&q&f=false |access-date=25 August 2022 |language=en}}
* হাদীসের নামে মিথ্যা বলার একটি প্রকরণ হলো, অনুবাদের ক্ষেত্রে শাব্দিক অনুবাদ না করে অনুবাদের সাথে নিজের মনমত কিছু সংযোগ করা বা কিছু বাদ দিয়ে অনুবাদ করা। অথবা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যা বলেছেন তার ব্যাখ্যাকে হাদীসের অংশ বানিয়ে দেয়া। আমাদের সমাজে আমরা প্রায় সকলেই এ অপরাধে লিপ্ত রয়েছি। আত্মশুদ্ধি, পীর-মুরিদী, দাওয়াত-তাবলীগ, রাজনীতিসহ মতভেদীয় বিভিন্ন মাসআলা-মাসাইল-এর জন্য আমরা প্রত্যেক দলের ও মতের মানুষ কুরআন ও হাদীস থেকে দলীল প্রদান করি। এরূপ দলীল প্রদান খুবই স্বাভাবিক কর্ম ও ঈমানের দাবি। তবে সাধারণত আমরা আমাদের এ ব্যাখ্যাকেই রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নামে চালাই। যেমন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) রাষ্ট্র পরিচালনা করেছেন, কিন্তু প্রচলিত অর্থে ‘দলীয় রাজনীতি’ করেন নি, অর্থাৎ ভোটের মাধ্যমে ক্ষমতা পরিবর্তনের মত কিছু করেন নি। বর্তমানে গণতান্ত্রিক ‘রাজনীতি’ করছেন অনেক আলিম। ন্যায়ের আদেশ, অন্যায়ের নিষেধ বা ইকামতে দীনের একটি নতুন পদ্ধতি হিসেবে একে গ্রহণ করা হয়। তবে যদি আমরা বলি যে, ‘রাসূলুল্লাহ (ﷺ) রাজনীতি করেছেন’, তবে শ্রোতা বা পাঠক ‘রাজনীতি’র প্রচলিত অর্থ, অর্থাৎ ভোটের মাধ্যমে ক্ষমতা দখলের কথাই বুঝবেন। আর এ রাজনীতি তিনি করেন নি। ফলে এভাবে তাঁর নামে মিথ্যা বলা হবে। এজন্য আমাদের উচিত তিনি কী করেছেন ও বলেছেন এবং আমরা কি ব্যাখ্যা করছি তা পৃথকভাবে বলা।
** {{বই উদ্ধৃতি |শেষাংশ1=জাহাঙ্গীর |প্রথমাংশ1=প্রফেসর ড খন্দকার আ ন ম আব্দুল্লাহ |শিরোনাম=হাদীসের নামে জালিয়াতি: প্রচলিত মিথ্যা হাদীস ও ভিত্তিহীন কথা - বাংলা - প্রফেসর ড. খন্দকার আ.ন.ম আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর |তারিখ=সেপ্টেম্বর ২০১০ |প্রকাশক=আস-সুন্নাহ পাবলিকেশন্স |অবস্থান=ঝিনাইদহ, বাংলাদেশ |পাতা=৮৪ |সংস্করণ=৪র্থ |ইউআরএল=https://d1.islamhouse.com/data/bn/ih_books/single2/bn_Hadis_er_nam_e_jaliyati.pdf |সংগ্রহের-তারিখ=২৪ নভেম্বর ২০২২ |ভাষা=bn}}{{বই উদ্ধৃতি |শেষাংশ1=জাহাঙ্গীর |প্রথমাংশ1= খোন্দকার আব্দুল্লাহ |শিরোনাম=হাদীসের নামে জালিয়াতি: প্রচলিত মিথ্যা হাদীস ও ভিত্তিহীন কথা |তারিখ=এপ্রিল ২০১৭ |প্রকাশক=আস-সুন্নাহ পাবলিকেশন্স |অবস্থান=ঝিনাইদহ, বাংলাদেশ |পাতা=১৮৪ |সংস্করণ=৫ম |আইএসবিএন=978-984-90053-3-9 |সংগ্রহের-তারিখ=২৪ নভেম্বর ২০২২ |ভাষা=bn}}
* মূলত কোনো ধর্ম, মতবাদ বা আদর্শ সহিংসতা বা সন্ত্রাস শিক্ষা দেয় না। মানুষ মানবীয় লোভ, দুর্বলতা, অসহায়ত্ব, প্রতিশোধস্পৃহা ইত্যাদির কারণে সহিংসতা বা হিংস্রতায় লিপ্ত হয়। এরূপ সহিংসতায় লিপ্ত ব্যক্তি নিজের কর্মের পক্ষে সাফাই গাওয়ার জন্য, নিজের বিবেককে অপরাধবোধ থেকে মুক্ত করার জন্য, অন্যকে নিজের পক্ষে টানার জন্য এবং অন্যান্য উদ্দেশ্যে নিজের আদর্শকে ব্যবহার করে। হাজার হাজার বছর ধরে বসবাসকারী আরবদেরকে জেরুজালেম ও অন্যান্য ফিলিস্তিনী এলাকা থেকে সন্ত্রাস ও গণহত্যার মাধ্যমে বিতাড়ন করে অন্যান্য দেশে হাজার বছর ধরে বসবাসকারী ইহূদীদেরকে সেখানে নিয়ে এসে ইস্রায়েল রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠার জন্য ইহূদী-খৃস্টানগণ পবিত্র বাইবেলের বাণীকে ব্যবহার করেছেন। অনুরূপভাবে আইরিশ ক্যাথলিক ব্রিটিশ প্রটেস্ট্যান্টের বিরুদ্ধে নিজের ধর্মমতকে ব্যবহার করেন, তিববতীয় বৌদ্ধ চীনের বিরুদ্ধে নিজের বৌদ্ধ ধর্মমতকে ব্যবহার করেন, নিম্নবর্ণের হিন্দু উচ্চবর্ণের হিন্দুর বিরুদ্ধে সমাজতান্ত্রিক বা ধর্মীয় মতামত ব্যবহার করেন, নিম্নরর্ণের হিন্দুদের বিরুদ্ধে জঙ্গি ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালাতে উচ্চবর্ণের হিন্দুরা বর্ণপ্রথা বিষয়ে বেদ, গীতা ও হিন্দু ধর্মশাস্ত্রের শিক্ষা ও বাণীগুলিকে ব্যবহার করেন, ফিলিস্তিনী যোদ্ধা ইহূদী দখলদারের বিরুদ্ধে নিজের ইসলাম বা খৃস্টান ধর্ম থেকে উদ্দীপনা বা প্রেরণা লাভের চেষ্টা করেন। আমাদের সমাজে ‘আওয়ামী লীগের’ কর্মী যদি কোনো কারণে উত্তেজিত হয়ে সহিংসতায় লিপ্ত হন তবে তিনি ‘স্বাধীনতা’, ‘বঙ্গবন্ধু’, ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনা’ ইত্যাদি মহান বিষয়কে তার কর্মের কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন। অনুরূপভাবে ‘বিএনপি’র কর্মী এ ক্ষেত্রে ‘শহীদ জিয়া’, জাতীয়তাবাদ, স্বাধীনতা ইত্যাদি মহান বিষয়কে নিজের ‘এক্সকিউজ’ হিসেবে ব্যবহার করেন। উভয় ক্ষেত্রেই দলের অন্যান্য বিচক্ষণ কর্মী জানেন যে, নিজের সহিংসতা বৈধ করার জন্যই এগুলি বলা হচ্ছে। সন্ত্রাস বা জঙ্গিবাদের জন্য মাদ্রাসা শিক্ষাকে দায়ী করে মাদ্রাসা শিক্ষা, মাদ্রাসা বা মাদ্রাসা শিক্ষিতদের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নিলে স্বভাবতই তারা ক্ষিপ্ত হয়ে সহিংসতায় লিপ্ত হবেন এবং ‘ইসলাম’ ও ‘ইসলামী শিক্ষা’-র বিপন্নতাকে অজুহাত হিসেবে পেশ করবেন। এতে একমাত্র সন্ত্রাসীরাই লাভবান হবে এবং জাতি ভয়ঙ্কর সংঘাতের মধ্যে নিপতিত হবে।
** ইসলামের নামে জঙ্গিবাদ, পৃষ্ঠা: ৩৯, ২য় সংস্করণ, ফেব্রুয়ারি ২০০৯
* বিশ্বব্যাপী মুসলিম নিধন ও মুসলিম দেশে ইসলাম-দমন কেন্দ্রিক উপরের ক্ষোভ সকল মুসলিম দেশে বিদ্যমান থাকলেও জঙ্গিবাদী কার্যক্রম সকল দেশে সমানভাবে বিস্তার লাভ করেনি। ইন্দোনেশিয়ায় যেরূপ সন্ত্রাসী কার্যক্রম লক্ষ্য করা যায়, মালয়েশিয়াতে তা পাওয়া যায় না, অথচ ইসলামী শিক্ষার বিস্তার, মাদ্রাসার সংখ্যাধিক্য এবং আমেরিকা ও পাশ্চাত্য বিরোধী মনোভাব মালয়েশিয়াতে বেশি। এর বড় কারণ সম্ভবত মালয়েশিয়ার অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং পাশ্চাত্য আগ্রাসন ও মিথ্যাচারের বিরুদ্বে রাষ্ট্রীয় নেতৃবৃন্দের সুস্পষ্ট মতামত। কর্মব্যস্ত ও পরিতৃপ্ত মানুষের মনে ক্ষোভ বা আবেগ বেশি স্থান পায় না। এছাড়া রাষ্ট্রীয় নেতৃবৃন্দের বক্তব্যে তাদের মনের আবেগ প্রতিধ্বণিত হয়। ফলে তা প্রকাশের জন্য বিকৃত পথের সন্ধান করে না। পক্ষান্তরে বেকার, সামাজিক বৈষম্য বা প্রশাসনিক অনাচারের শিকার মানুষের মনের ক্ষোভ ও হতাশাকে এ সকল আবেগ আরো উস্কে দেয়। এছাড়া এইরূপ মানুষকে সহজেই বুঝানো যায় যে, এভাবে দুই-চারিটি বোমা মারলে বা মানুষ খুন করলেই তোমার মত অগণিত মানুষের বেকারত্ব বা অত্যাচার শেষ হয়ে শান্তির দিন এসে যাবে। আমাদের দেশে যারা সর্বহারার রাজত্ব বা ইসলামী রাজত্ব প্রতিষ্ঠার জন্য সহিংসতা ও সন্ত্রাসের আশ্রয় গ্রহণ করেছেন তাদের বিষয়ে যে কোনো মাঠ জরিপ এ বিষয়টি প্রমাণ করবে। এমনকি আঞ্চলিক বিভাজনও তা প্রমাণ করবে। বাংলাদেশে দক্ষিণ-পশ্চিম, পশ্চিম ও উত্তরাঞ্চলে যেভাবে সমাজতন্ত্রী জঙ্গি বা ইসলামী জঙ্গির ‘‘রিক্রুটমেন্ট’’ সম্ভব, রাজধানী ও তার পূর্ব দিকে তা সম্ভব নয়। এসব এলাকার অর্থনৈতিক দৈন্য, বেকারত্ব ইত্যাদি এর অন্যতম কারণ।
** ইসলামের নামে জঙ্গিবাদ, পৃষ্ঠা: ৬০-৬১, ২য় সংস্করণ, ফেব্রুয়ারি ২০০৯
==বহিঃসংযোগ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৫৮-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:২০১৬-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশী শিক্ষাবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশী অনুবাদক]]
[[বিষয়শ্রেণী:ইসলামি পণ্ডিত]]
[[বিষয়শ্রেণী:ওয়াজ মাহফিলের বক্তা]]
tq5od2lpf268lqx573ae2xwvt10mnlu
ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS
3
2704
83280
83264
2026-05-02T19:22:51Z
Tuhin
172
/* এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন */ নতুন অনুচ্ছেদ
83280
wikitext
text/x-wiki
{{স্বাগত}}≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:Md.Farhan Mahmud|<b style="background-color:green;color:white">ফারহান </b>]][[User talk:Md.Farhan Mahmud| «আলাপ»]]</b> ০৮:০৭, ৩১ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি)
== উক্তি প্রতিযোগিতার নিয়মে একটি সংশোধনী আনা হয়েছে ==
সুপ্রিয় NusJaS, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ ও ৩০ এপ্রিল শেষ দিন পর্যন্ত অংশ নেওয়া অব্যাহত রাখুন।
আপনার অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে প্রতিযোগিতার নিয়মে একটি সংশোধনী আনা হয়েছে: প্রতিযোগিতায় এখন থেকে '''নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র নিয়ে উক্তির পাতা তৈরি করা যাবে না''' অর্থাৎ <u>নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র ছাড়া অন্য উল্লেখযোগ্য যেকোনও কিছু নিয়ে উক্তির পাতা তৈরি করা যাবে</u>।
;কেন নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র বাদ দেওয়া হয়েছে?
:প্রতিযোগিতা শুরুর পর অনেকেই নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র নিয়ে উক্তির পাতা বানিয়েছেন। তবে লক্ষ্য করা গেছে যে, অনেকে শব্দ সংখ্যা বাড়াতে পুরো নাটক, উপন্যাস তুলে দিচ্ছেন। যা কোন ক্রমে কাম্য নয়। এটি অন্য প্রতিযোগীদের প্রতিও সুবিচার করা হয় না।
; আমি যে নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র জমা দিয়েছি তার কী হবে?
: যারা এই ঘোষণার পূর্বে অর্থাৎ ৬ এপ্রিল বা তার আগে এই জাতীয় উক্তির পাতা জমা দিয়েছেন সেগুলি গৃহীত হবে (অবশ্যই সংশোধনপূর্বক)।
আরেকটি বিষয়ের প্রতি আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। এটাও লক্ষ্য করা গেছে যে অনেকে উক্তির উৎস দিচ্ছেন না। দয়া করে উক্তির উৎস দিতে ভুলবেন না। দয়া করে উদাহরণ হিসেবে [[চঞ্চল চৌধুরী]], [[নোম চম্স্কি]] পাতায় কীভাবে উক্তি ও উক্তির উৎস দেওয়া হয়েছে তা দেখুন।
আপনার কোনও জিজ্ঞাসা থাকলে আমাকে উল্লেখ করে জিজ্ঞাসা করুন। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৯:৪৭, ৬ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি)
<!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:%E0%A6%86%E0%A6%AB%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8/%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE&oldid=31634-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন -->
== উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪: আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি ==
সুপ্রিয় NusJaS, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ([https://fountain.toolforge.org/editathons/qc2024 এখানে দেখুন]):
* যদি আপনার জমা দেওয়া কোনও নিবন্ধ গৃহীত না হয়, তবে আপনি আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে নিবন্ধের সমস্যাগুলি ঠিক করে পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ জানাতে পারেন।
* যদি আপনি কোনও গৃহীত নিবন্ধ সম্পর্কে কোনও মন্তব্য করতে চান, কোনও অসঙ্গতি আমাদের দৃষ্টিতে আনতে চান, দয়া করে আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে করুন।
প্রতিযোগিতার ফলাফল ঘোষণার পর, ফলাফলে কোনোরূপ পরিবর্তন আনা হবে না। সুতরাং যা করার আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে করুন। আপনার কোনও জিজ্ঞাসা থাকলে আমাকে উল্লেখ করে জিজ্ঞাসা করুন। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ২১:৫৪, ৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি)
== উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪: ফরম পূরণ করুন ==
সুপ্রিয় NusJaS, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪/পরিসংখ্যান#ফলাফল|শীর্ষ ২০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLScZptwVHdLgFGVAjzk79Ew7MjAcCUyL1PigcfsNwxBn5VeC6w/viewform?usp=sf_link এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৪:২৭, ১৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি)
==উইকিউক্তি পুনরায় সম্পাদন করা হয়েছে ==
[[উইলিয়াম ম্যাকিনলি]] পাতাটি পুনরায় সম্পাদন করা হয়েছে এখন গ্রহণ করতে পারেন আপনাকে মেনশন করলাম।
[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১৫:১১, ২৩ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] সংশোধন করায় ধন্যবাদ। গৃহীত হয়েছে। আপনার জমাদানকৃত বাকি পাতাগুলোতেও এরকম সংশোধন করার পরামর্শ রইল। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৯:৪৩, ২৪ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::ঠিক আছে তাহলে আমি পুনরায় পর্যালোচনা করছি [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৫:৫২, ২৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
== সাহায্য প্রয়োজন ==
আমি যখন আর্টিকেল গুলো বাংলা অনুবাদ করার পরে পাবলিশ করার পরে আমি এটি উইকি ডাটার সাথে কানেক্ট করতে চাচ্ছি যেন একটি ইংরেজি অনুবাদটাও যে কেউ দেখতে পারে। কিন্তু আমাকে এটা দেখাচ্ছে এগুলো সেমি প্রটেক্টেড পেজ । [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৫:৫৭, ২৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] যেগুলো লিংক করতে পারবেন না, যেকোনো পর্যালোচকের আলাপ পাতায় সেগুলোর তালিকা দিবেন। তারা লিংক করে দিবে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৯:৫৫, ২৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::[[অং সান সু চি]] এটি লিংক করে দিন।
::এবং আমি কিভাবে এই রাইট পেতে পারি! [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৬:৫৫, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== [[মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন]] ==
সুধী, উইকিমিডিয়ার অন্যান্য প্রকল্পগুলোর মতো উইকিউক্তিতে কপিরাইট আইন মান্য করা হয়। তবে উইকিউক্তিতে হুবুহু উক্তি কপি করে ব্যবহারের ক্ষেত্রে যেমন শিথিলতা রয়েছে তেমন সীমাবদ্ধতা রয়েছে। যেমন উইকিউক্তিতে "একই সূত্র থেকে খুব বেশি উক্তি পাতায় দেওয়া যায়না"। মোটামুটি সীমা বজায় রাখতে হয় যাতে কপিরাইট সমস্যায় পড়তে না হয়। [https://copyvios.toolforge.org/?lang=bn&project=wikiquote&title=মোহাম্মদ+নাজিম+উদ্দিন&oldid=&action=search&use_engine=0&use_links=1&turnitin=0&nocache=1 এটা দেখুন], এই রেজাল্ট অনুযায়ী তিনটি সূত্র থেকে ৪০% এর অধিক লেখা সরাসরি উদ্ধৃত করা হয়েছে। তাই উক্তির সংখ্যা কমিয়ে আনা প্রয়োজন৷ সবগুলো সূত্র থেকেই যে একদম ৩০% হতে হবে তা নয়, তবে উক্তির সংখ্যা মোটামুটি কমিয়ে এনে কপিরাইট সমস্যার সমাধান করে নিতে হবে। তারপর আমাকে জানালে আমি পাতাটি গ্রহণ করে নিবো। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৭:১৯, ২৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] অগ্রগতি কতদূর? [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ০৩:৫৬, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] এখন অনেক লেখা বাদ দিয়েছি। এবার দেখুন। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:১৬, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ভাই, আমি একটা জিনিস বুঝতে পারছি না। উক্তি তো হুবুহু হবে। এখানে কপিরাইট লঙ্ঘন হচ্ছে এমন জটিলতা কেন? ইংরেজি থেকে অনেক পাতা অনুবাদ করতে গিয়ে বিশাল বিশাল উক্তি হুবুহু কপি পেয়েছি। এক উক্তিতেই ৫-৬০০ শব্দ, এমন। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:৩৬, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] যেটা এখনও ৪৫% দেখাচ্ছে, ওটায় একই বাক্য বারবার এসেছে। তাই বেশি পার্সেন্টেজ। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:৩৮, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] নন-ফ্রি লাইসেন্স নীতি অনুযায়ী আমরা উইকিপিডিয়ায় যেকোন লেখা বা উক্তি হুবুহু তুলে ধরতে পারবো, কিন্তু সেটা সীমা রেখে। অর্থাৎ একটি সূত্রের লেখার বড় অংশ তুলে ধরা যাবেনা। উইকিপিডিয়ায় এটা মান্য করা হয় কপিরাইট আইন মেনে চলার জন্য। সেজন্য আপনি দেখবেন যে অনেক সময় একটি উইকিপিডিয়া নিবন্ধে বেশি উক্তি থাকেনা। উইকিউক্তি একই নীতিতে চলে। যদিও উইকিউক্তির একটি পাতায় উক্তিগুলোকে হুবুহু তুলে ধরতে হবে, কিন্তু সেটা নন-ফ্রি নীতিকে এড়িয়ে উদ্ধৃত করা যাবেনা অর্থাৎ কপিরাইট আইন বজায় রেখেই করতে হবে। তাই আমাদের এখানেও এটা মেনে চলতে হয়। মূল সমস্যা হচ্ছে, সবাই এই ব্যাপারটা জানেনা। মূল কথা হচ্ছে, উক্তি হুবুহু উদ্ধৃত করায় কোন সমস্যা নেই। এখানে সমস্যা হচ্ছে উক্তি উদ্ধৃত করার সময় প্রতিটি সূত্র থেকে কত শতাংশ লেখা কপি করা হয়েছে, যা পরিস্থিতিভেদে সর্বোচ্চ হয়তো ৪০-৪৫% ব্যবহার করা যেতে পারে (সবক্ষেত্রে নয়)। তবে সর্বোচ্চ ৩০% ব্যবহার করাই নিরাপদ। তবে, ব্যতিক্রম হতে পারে অনূদিত উক্তির ক্ষেত্রে। কেননা পড়ার উপযোগী করে উক্তি অনুবাদ করতে গিয়ে অনেক সময় উক্তিগুলোর মূল কাঠামো ও অনূদিত প্রতিশব্দ পালটে যেতে পারে আর তখন কপিরাইট সমস্যার প্রশ্ন আসবেনা। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১২:৫৪, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:::::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ওকে বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ। আশা করি বুঝতে পেরেছ। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১২:৫৫, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::::::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]]: জি, এবার বুঝতে পেরেছি। ঠিক করা হয়েছে। আবার পর্যালোচনা করার অনুরোধ করছি।। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:৫৩, ১ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
:::::::আমি এখনো ব্যাপারটি বুঝলাম না। আমি ইংরেজিতে থাকা উক্তিগুলো এবং প্রতিটি উক্তির তথ্যসূত্র সম্পূর্ণ অনুবাদ করি ।
:::::::এখানে সূত্র বলতে কি বুঝাচ্ছে ওই তথ্যসূত্র টাই [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৬:৫৯, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
::::::::@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] হ্যাঁ, সেটাই সূত্র মানেই তথ্যসূত্র [[User:Md Mobashir Hossain|মোবাশশির]] <small>[[User Talk:Md Mobashir Hossain|বার্তা দিন]]</small> ০৭:৫৩, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
::::::::: [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৮:০৭, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== রো বনাম ওয়েড/সম্পর্কে উক্তি ==
পাতাটির অনুবাদ বেশ রুক্ষ। অনুগ্রহ করে অপসারণ এড়াতে নিবন্ধটি সংশোধন করুন। ১৫:৫০, ১৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]])
: {{ping|Yahya}} পর্যালোচনা করার জন্য ধন্যবাদ। আমি ২ দিন সময় চাচ্ছি। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]])
== রো বনাম ওয়েড ==
পাতাটির অনুবাদ রুক্ষ ও যান্ত্রিক। অনুগ্রহ করে অপসারণ এড়াতে পাতাটি সংশোধন করুন।[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) ১৭:৫২, ১৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ভাই, সংশোধন করেছি। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৪২, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
::দুঃখিত। গ্রহণ করা যাচ্ছে না। অনুবাদ এখনও যান্ত্রিক। [[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) ১০:৪১, ১৫ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== [[রো বনাম ওয়েড/সম্পর্কে উক্তি]] পাতা সম্পর্কে ==
এভাবে উপপাতায় নেয়ার কারণ? এমনকি আপনি [[রো বনাম ওয়েড/সম্পর্কে উক্তি/২]] নামেও পাতা তৈরি করেছেন। ― <span style="color:white; background-color:red;"> ☪ </span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ০৭:৫৪, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] একটা পাতায় পুরো লেখা জায়গা হয় না। বাইট লিমিট দেখিয়েছিল। আমি "সম্পর্কে উক্তি"কে একটাই উপপাতায় রাখতে চেয়েছিলাম। সেটাও সম্ভব হয়নি। তাই দুটো পাতা করতে হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৩:২৪, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
::যান্ত্রিক ও ত্রুটিপূর্ণ অনুবাদ হওয়ায় পাতাটি উক্তি প্রতিযোগিতায় গৃহীত হয়নি। –– [[ব্যবহারকারী:Tahmid|তাহমিদ]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tahmid|আলাপ]]) ১৪:০৮, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== সংশোধনের পর জানাতে বলা হয়েছে ==
[[প্রবীণ তোগাড়িয়া]] পাতাটিতে একই তথ্যসূত্র বেশ কয়েকটি উক্তিতে ছিল। তা সংশোধন করা হয়েছে। এখন গ্রহণ করতে পারবেন [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১৩:১৫, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন ==
সুপ্রিয় {{BASEPAGENAME}}, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/ফলাফল|শীর্ষ ১০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSeDWCveBqp7ID0VVW0ipXM-WXeCqE7u-xHQCU_d7FRYo-9vAA/viewform?usp=dialog এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। - ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৮:৩১, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
<!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:MS_Sakib/%E0%A6%97%E0%A6%A3_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE&oldid=67623-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন -->
== বাবুলমিয়া ==
মাধবদী পৌরসভা জেলা নরসিংদী ০১৭১২ ৬২০ ৯৯২ আমার এই ওষুধটা লাগবে [[বিশেষ:অবদান/~2026-20015-50|~2026-20015-50]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20015-50|আলাপ]]) ১৮:৪৩, ৩১ মার্চ ২০২৬ (ইউটিসি)
01924087544 [[বিশেষ:অবদান/~2026-20544-24|~2026-20544-24]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20544-24|আলাপ]]) ০৬:৩৭, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পর্যালোচনা ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] আমি [আলফ্রেড নোবেল] পাতাটি সংশোধন করেছি, অনুগ্রহ করে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন।
ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০৩:৪৯, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পাতা গ্রহণ সম্বন্ধে ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]]
[[আল খোয়ারিজমি]] - পাতাটি গৃহীত হয়নি। কিন্তু এর ''সুনির্দিষ্ট'' এবং যথার্থ কারন উল্লেখ প্রয়োজন। উল্লেখ করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।
ধন্যবাদান্তে,
''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০০:২৯, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)-Mahmud''
::@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] '[[আল খোয়ারিজমি]]' পাতাটির সংশোধনের ক্ষেত্রগুলো উল্লেখ করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।
:'''''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১১:১০, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)'''''
== জেরার দ্যব্রু ==
নিবন্ধটি আমি সংশোধন করেছি এবং যান্ত্রিকতা দূর করেছি। অনুগ্রহ করে এখন পুনরায় পর্যালোচনা করুন। ''([[জেরার দ্যব্রু]])'' — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৪:২১, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] অনুগ্রহ করে সবার আগে এটিকে পর্যালোচনা করুন। এটি অত্যন্ত ছোট পাতা। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৪:৫৮, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] এটিতে কি কোন অসুবিধা বিদ্যমান? আপনি এখনও গ্রহণ করেননি। সমস্যা থাকলে জানান। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৭:৫২, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৫২, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৭:৪৮, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[আলেক্সান্দ্র্ সলজেনিৎসিন]] ==
সংশোধন করেছি, পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ রইলো। [[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tanbiruzzaman|আলাপ]]) ০৫:৩৩, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৫৩, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[আলফ্রেড নোবেল]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] পতাটি সংশোধন করা হয়েছে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০০:০২, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[এর্নস্ট মাখ]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০০:৪৮, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[অরবিন্দ আদিগা]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] সংশোধন করেছে পুনরায় পর্যালোচনা করুন। [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০১:০৮, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[সি. এ. আর. হোর]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০১:১২, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[ডায়ান ফসি]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] সংশোধন করেছে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন। [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০১:১৪, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[অরেল স্টেইন]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০১:২০, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] আপনার সবগুলো পাতাতেই কিছু বাক্য আরেকটু সাবলীলভাবে লেখা যায়। আরেকদফা সংশোধন করে জানালে আমি গ্রহণ করে নিব। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৫৪, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]]ঠিক আছে আমি সব পাতা সংশোধন করে একসাথে পরে জানাবো। [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ১৬:০৯, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[ড্যানিয়েল কানেমান]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] উল্লেখিত পাতাটি সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনা করবেন।
ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ১৬:৩০, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[এর্নস্ট মাখ]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] পাতাটি আরও একবার সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনা করবেন। [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০২:০৬, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] আরও সংশোধন করতে হবে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:০৫, ২৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[অরবিন্দ আদিগা]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] পাতাটি পুনরায় সংশোধন করেছি অনুগ্রহ করে আরেকবার পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০৩:৪৯, ২২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
r [[বিশেষ:অবদান/~2026-24691-92|~2026-24691-92]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-24691-92|আলাপ]]) ১১:৩৭, ২২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৫৪, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[শিং-শেন চের্ন]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] অনুগ্রহ করে [[শিং-শেন চের্ন]] নিবন্ধটি পুনঃপর্যালোচনা করুন। আমি এটিকে সংশোধন করেছি এবং জার্নাল, সংস্থা, প্রকাশক এসব বাংলায় লিপ্যন্তর করেছি। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১২:০০, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] অনুগ্রহ করে এটি পর্যালোচনা করুন — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">আনাফ</span> <span style="color:#388E3C">ইবনে</span> <span style="color:#66BB6A">সাহেবুল</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৫:৩৬, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] গৃহীত হয়েছে। অনুগ্রহপূর্বক ধৈর্য ধারণ করুন। সংশোধন করলে অবশ্যই পুনঃপর্যালোচনা করা হবে। বারবার মেনশন করার প্রয়োজন নেই। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৪০, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] দুঃখিত। অনুবাদে যান্ত্রিকতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। {{গৃহীত হয়নি}}। আবার সংশোধন করুন। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৬:১৭, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ঠিক আছে। আমি আবারও মেনশন করছিলাম, কারণ মনে হচ্ছিল কেনো ত্রুটির ফলে আপনার নিকট বিজ্ঞপ্তি যায় নি। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">আনাফ</span> <span style="color:#388E3C">ইবনে</span> <span style="color:#66BB6A">সাহেবুল</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৭:৫৫, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] মনে হচ্ছে, আপনি আমার কথা বুঝতে পারেননি। আমি ২৫ তারিখে পুনঃপর্যালোচনা করেছি। পাতাটা তখনও যান্ত্রিক ছিল। এর পর আপনি আর কোনও সম্পাদনা করেননি। আপনার লাস্ট সম্পাদনা ২৩ তারিখে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:০৪, ২৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[ভারতে সুফিবাদ]] ==
[[ভারতে সুফিবাদ]]ে কি সমস্যা?? [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ১৩:২৩, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[পেত্র ক্রাপোতকিন]] ==
পাতাটি ঠিক করেছি। পাশাপাশি [[টনি বেন]]
পাতাটাও ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32|আলাপ]]) ১৪:১৭, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
=== [[স্ট্যানলি বল্ডউইন]] ===
এটা সংশোধন করেছি আমি। পুনঃপর্যালোচনা করার অনুরোধ করছি। [[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Dr. Mosaddek Khondoker|আলাপ]]) ১৪:১৯, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[নরউইচের জুলিয়ান]] পাতা ==
পাতাটি ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32|আলাপ]]) ১৪:৪৫, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন]] ==
নিবন্ধটি পুনর্লিখন করেছি। আশাকরি গ্রহণ করবেন। – [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৯:২২, ২ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
fmrkxwaka1w1vh9fd8yt1ximtaov1tz
83288
83280
2026-05-02T19:57:08Z
Tuhin
172
/* এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন */ উত্তর
83288
wikitext
text/x-wiki
{{স্বাগত}}≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:Md.Farhan Mahmud|<b style="background-color:green;color:white">ফারহান </b>]][[User talk:Md.Farhan Mahmud| «আলাপ»]]</b> ০৮:০৭, ৩১ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি)
== উক্তি প্রতিযোগিতার নিয়মে একটি সংশোধনী আনা হয়েছে ==
সুপ্রিয় NusJaS, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ ও ৩০ এপ্রিল শেষ দিন পর্যন্ত অংশ নেওয়া অব্যাহত রাখুন।
আপনার অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে প্রতিযোগিতার নিয়মে একটি সংশোধনী আনা হয়েছে: প্রতিযোগিতায় এখন থেকে '''নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র নিয়ে উক্তির পাতা তৈরি করা যাবে না''' অর্থাৎ <u>নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র ছাড়া অন্য উল্লেখযোগ্য যেকোনও কিছু নিয়ে উক্তির পাতা তৈরি করা যাবে</u>।
;কেন নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র বাদ দেওয়া হয়েছে?
:প্রতিযোগিতা শুরুর পর অনেকেই নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র নিয়ে উক্তির পাতা বানিয়েছেন। তবে লক্ষ্য করা গেছে যে, অনেকে শব্দ সংখ্যা বাড়াতে পুরো নাটক, উপন্যাস তুলে দিচ্ছেন। যা কোন ক্রমে কাম্য নয়। এটি অন্য প্রতিযোগীদের প্রতিও সুবিচার করা হয় না।
; আমি যে নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র জমা দিয়েছি তার কী হবে?
: যারা এই ঘোষণার পূর্বে অর্থাৎ ৬ এপ্রিল বা তার আগে এই জাতীয় উক্তির পাতা জমা দিয়েছেন সেগুলি গৃহীত হবে (অবশ্যই সংশোধনপূর্বক)।
আরেকটি বিষয়ের প্রতি আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। এটাও লক্ষ্য করা গেছে যে অনেকে উক্তির উৎস দিচ্ছেন না। দয়া করে উক্তির উৎস দিতে ভুলবেন না। দয়া করে উদাহরণ হিসেবে [[চঞ্চল চৌধুরী]], [[নোম চম্স্কি]] পাতায় কীভাবে উক্তি ও উক্তির উৎস দেওয়া হয়েছে তা দেখুন।
আপনার কোনও জিজ্ঞাসা থাকলে আমাকে উল্লেখ করে জিজ্ঞাসা করুন। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৯:৪৭, ৬ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি)
<!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:%E0%A6%86%E0%A6%AB%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8/%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE&oldid=31634-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন -->
== উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪: আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি ==
সুপ্রিয় NusJaS, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ([https://fountain.toolforge.org/editathons/qc2024 এখানে দেখুন]):
* যদি আপনার জমা দেওয়া কোনও নিবন্ধ গৃহীত না হয়, তবে আপনি আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে নিবন্ধের সমস্যাগুলি ঠিক করে পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ জানাতে পারেন।
* যদি আপনি কোনও গৃহীত নিবন্ধ সম্পর্কে কোনও মন্তব্য করতে চান, কোনও অসঙ্গতি আমাদের দৃষ্টিতে আনতে চান, দয়া করে আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে করুন।
প্রতিযোগিতার ফলাফল ঘোষণার পর, ফলাফলে কোনোরূপ পরিবর্তন আনা হবে না। সুতরাং যা করার আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে করুন। আপনার কোনও জিজ্ঞাসা থাকলে আমাকে উল্লেখ করে জিজ্ঞাসা করুন। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ২১:৫৪, ৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি)
== উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪: ফরম পূরণ করুন ==
সুপ্রিয় NusJaS, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪/পরিসংখ্যান#ফলাফল|শীর্ষ ২০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLScZptwVHdLgFGVAjzk79Ew7MjAcCUyL1PigcfsNwxBn5VeC6w/viewform?usp=sf_link এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৪:২৭, ১৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি)
==উইকিউক্তি পুনরায় সম্পাদন করা হয়েছে ==
[[উইলিয়াম ম্যাকিনলি]] পাতাটি পুনরায় সম্পাদন করা হয়েছে এখন গ্রহণ করতে পারেন আপনাকে মেনশন করলাম।
[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১৫:১১, ২৩ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] সংশোধন করায় ধন্যবাদ। গৃহীত হয়েছে। আপনার জমাদানকৃত বাকি পাতাগুলোতেও এরকম সংশোধন করার পরামর্শ রইল। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৯:৪৩, ২৪ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::ঠিক আছে তাহলে আমি পুনরায় পর্যালোচনা করছি [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৫:৫২, ২৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
== সাহায্য প্রয়োজন ==
আমি যখন আর্টিকেল গুলো বাংলা অনুবাদ করার পরে পাবলিশ করার পরে আমি এটি উইকি ডাটার সাথে কানেক্ট করতে চাচ্ছি যেন একটি ইংরেজি অনুবাদটাও যে কেউ দেখতে পারে। কিন্তু আমাকে এটা দেখাচ্ছে এগুলো সেমি প্রটেক্টেড পেজ । [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৫:৫৭, ২৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] যেগুলো লিংক করতে পারবেন না, যেকোনো পর্যালোচকের আলাপ পাতায় সেগুলোর তালিকা দিবেন। তারা লিংক করে দিবে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৯:৫৫, ২৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::[[অং সান সু চি]] এটি লিংক করে দিন।
::এবং আমি কিভাবে এই রাইট পেতে পারি! [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৬:৫৫, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== [[মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন]] ==
সুধী, উইকিমিডিয়ার অন্যান্য প্রকল্পগুলোর মতো উইকিউক্তিতে কপিরাইট আইন মান্য করা হয়। তবে উইকিউক্তিতে হুবুহু উক্তি কপি করে ব্যবহারের ক্ষেত্রে যেমন শিথিলতা রয়েছে তেমন সীমাবদ্ধতা রয়েছে। যেমন উইকিউক্তিতে "একই সূত্র থেকে খুব বেশি উক্তি পাতায় দেওয়া যায়না"। মোটামুটি সীমা বজায় রাখতে হয় যাতে কপিরাইট সমস্যায় পড়তে না হয়। [https://copyvios.toolforge.org/?lang=bn&project=wikiquote&title=মোহাম্মদ+নাজিম+উদ্দিন&oldid=&action=search&use_engine=0&use_links=1&turnitin=0&nocache=1 এটা দেখুন], এই রেজাল্ট অনুযায়ী তিনটি সূত্র থেকে ৪০% এর অধিক লেখা সরাসরি উদ্ধৃত করা হয়েছে। তাই উক্তির সংখ্যা কমিয়ে আনা প্রয়োজন৷ সবগুলো সূত্র থেকেই যে একদম ৩০% হতে হবে তা নয়, তবে উক্তির সংখ্যা মোটামুটি কমিয়ে এনে কপিরাইট সমস্যার সমাধান করে নিতে হবে। তারপর আমাকে জানালে আমি পাতাটি গ্রহণ করে নিবো। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৭:১৯, ২৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] অগ্রগতি কতদূর? [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ০৩:৫৬, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] এখন অনেক লেখা বাদ দিয়েছি। এবার দেখুন। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:১৬, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ভাই, আমি একটা জিনিস বুঝতে পারছি না। উক্তি তো হুবুহু হবে। এখানে কপিরাইট লঙ্ঘন হচ্ছে এমন জটিলতা কেন? ইংরেজি থেকে অনেক পাতা অনুবাদ করতে গিয়ে বিশাল বিশাল উক্তি হুবুহু কপি পেয়েছি। এক উক্তিতেই ৫-৬০০ শব্দ, এমন। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:৩৬, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] যেটা এখনও ৪৫% দেখাচ্ছে, ওটায় একই বাক্য বারবার এসেছে। তাই বেশি পার্সেন্টেজ। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:৩৮, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] নন-ফ্রি লাইসেন্স নীতি অনুযায়ী আমরা উইকিপিডিয়ায় যেকোন লেখা বা উক্তি হুবুহু তুলে ধরতে পারবো, কিন্তু সেটা সীমা রেখে। অর্থাৎ একটি সূত্রের লেখার বড় অংশ তুলে ধরা যাবেনা। উইকিপিডিয়ায় এটা মান্য করা হয় কপিরাইট আইন মেনে চলার জন্য। সেজন্য আপনি দেখবেন যে অনেক সময় একটি উইকিপিডিয়া নিবন্ধে বেশি উক্তি থাকেনা। উইকিউক্তি একই নীতিতে চলে। যদিও উইকিউক্তির একটি পাতায় উক্তিগুলোকে হুবুহু তুলে ধরতে হবে, কিন্তু সেটা নন-ফ্রি নীতিকে এড়িয়ে উদ্ধৃত করা যাবেনা অর্থাৎ কপিরাইট আইন বজায় রেখেই করতে হবে। তাই আমাদের এখানেও এটা মেনে চলতে হয়। মূল সমস্যা হচ্ছে, সবাই এই ব্যাপারটা জানেনা। মূল কথা হচ্ছে, উক্তি হুবুহু উদ্ধৃত করায় কোন সমস্যা নেই। এখানে সমস্যা হচ্ছে উক্তি উদ্ধৃত করার সময় প্রতিটি সূত্র থেকে কত শতাংশ লেখা কপি করা হয়েছে, যা পরিস্থিতিভেদে সর্বোচ্চ হয়তো ৪০-৪৫% ব্যবহার করা যেতে পারে (সবক্ষেত্রে নয়)। তবে সর্বোচ্চ ৩০% ব্যবহার করাই নিরাপদ। তবে, ব্যতিক্রম হতে পারে অনূদিত উক্তির ক্ষেত্রে। কেননা পড়ার উপযোগী করে উক্তি অনুবাদ করতে গিয়ে অনেক সময় উক্তিগুলোর মূল কাঠামো ও অনূদিত প্রতিশব্দ পালটে যেতে পারে আর তখন কপিরাইট সমস্যার প্রশ্ন আসবেনা। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১২:৫৪, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:::::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ওকে বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ। আশা করি বুঝতে পেরেছ। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১২:৫৫, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::::::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]]: জি, এবার বুঝতে পেরেছি। ঠিক করা হয়েছে। আবার পর্যালোচনা করার অনুরোধ করছি।। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:৫৩, ১ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
:::::::আমি এখনো ব্যাপারটি বুঝলাম না। আমি ইংরেজিতে থাকা উক্তিগুলো এবং প্রতিটি উক্তির তথ্যসূত্র সম্পূর্ণ অনুবাদ করি ।
:::::::এখানে সূত্র বলতে কি বুঝাচ্ছে ওই তথ্যসূত্র টাই [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৬:৫৯, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
::::::::@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] হ্যাঁ, সেটাই সূত্র মানেই তথ্যসূত্র [[User:Md Mobashir Hossain|মোবাশশির]] <small>[[User Talk:Md Mobashir Hossain|বার্তা দিন]]</small> ০৭:৫৩, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
::::::::: [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৮:০৭, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== রো বনাম ওয়েড/সম্পর্কে উক্তি ==
পাতাটির অনুবাদ বেশ রুক্ষ। অনুগ্রহ করে অপসারণ এড়াতে নিবন্ধটি সংশোধন করুন। ১৫:৫০, ১৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]])
: {{ping|Yahya}} পর্যালোচনা করার জন্য ধন্যবাদ। আমি ২ দিন সময় চাচ্ছি। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]])
== রো বনাম ওয়েড ==
পাতাটির অনুবাদ রুক্ষ ও যান্ত্রিক। অনুগ্রহ করে অপসারণ এড়াতে পাতাটি সংশোধন করুন।[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) ১৭:৫২, ১৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ভাই, সংশোধন করেছি। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৪২, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
::দুঃখিত। গ্রহণ করা যাচ্ছে না। অনুবাদ এখনও যান্ত্রিক। [[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) ১০:৪১, ১৫ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== [[রো বনাম ওয়েড/সম্পর্কে উক্তি]] পাতা সম্পর্কে ==
এভাবে উপপাতায় নেয়ার কারণ? এমনকি আপনি [[রো বনাম ওয়েড/সম্পর্কে উক্তি/২]] নামেও পাতা তৈরি করেছেন। ― <span style="color:white; background-color:red;"> ☪ </span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ০৭:৫৪, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] একটা পাতায় পুরো লেখা জায়গা হয় না। বাইট লিমিট দেখিয়েছিল। আমি "সম্পর্কে উক্তি"কে একটাই উপপাতায় রাখতে চেয়েছিলাম। সেটাও সম্ভব হয়নি। তাই দুটো পাতা করতে হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৩:২৪, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
::যান্ত্রিক ও ত্রুটিপূর্ণ অনুবাদ হওয়ায় পাতাটি উক্তি প্রতিযোগিতায় গৃহীত হয়নি। –– [[ব্যবহারকারী:Tahmid|তাহমিদ]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tahmid|আলাপ]]) ১৪:০৮, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== সংশোধনের পর জানাতে বলা হয়েছে ==
[[প্রবীণ তোগাড়িয়া]] পাতাটিতে একই তথ্যসূত্র বেশ কয়েকটি উক্তিতে ছিল। তা সংশোধন করা হয়েছে। এখন গ্রহণ করতে পারবেন [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১৩:১৫, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন ==
সুপ্রিয় {{BASEPAGENAME}}, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/ফলাফল|শীর্ষ ১০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSeDWCveBqp7ID0VVW0ipXM-WXeCqE7u-xHQCU_d7FRYo-9vAA/viewform?usp=dialog এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। - ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৮:৩১, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
<!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:MS_Sakib/%E0%A6%97%E0%A6%A3_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE&oldid=67623-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন -->
== বাবুলমিয়া ==
মাধবদী পৌরসভা জেলা নরসিংদী ০১৭১২ ৬২০ ৯৯২ আমার এই ওষুধটা লাগবে [[বিশেষ:অবদান/~2026-20015-50|~2026-20015-50]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20015-50|আলাপ]]) ১৮:৪৩, ৩১ মার্চ ২০২৬ (ইউটিসি)
01924087544 [[বিশেষ:অবদান/~2026-20544-24|~2026-20544-24]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20544-24|আলাপ]]) ০৬:৩৭, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পর্যালোচনা ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] আমি [আলফ্রেড নোবেল] পাতাটি সংশোধন করেছি, অনুগ্রহ করে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন।
ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০৩:৪৯, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পাতা গ্রহণ সম্বন্ধে ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]]
[[আল খোয়ারিজমি]] - পাতাটি গৃহীত হয়নি। কিন্তু এর ''সুনির্দিষ্ট'' এবং যথার্থ কারন উল্লেখ প্রয়োজন। উল্লেখ করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।
ধন্যবাদান্তে,
''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০০:২৯, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)-Mahmud''
::@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] '[[আল খোয়ারিজমি]]' পাতাটির সংশোধনের ক্ষেত্রগুলো উল্লেখ করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।
:'''''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১১:১০, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)'''''
== জেরার দ্যব্রু ==
নিবন্ধটি আমি সংশোধন করেছি এবং যান্ত্রিকতা দূর করেছি। অনুগ্রহ করে এখন পুনরায় পর্যালোচনা করুন। ''([[জেরার দ্যব্রু]])'' — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৪:২১, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] অনুগ্রহ করে সবার আগে এটিকে পর্যালোচনা করুন। এটি অত্যন্ত ছোট পাতা। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৪:৫৮, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] এটিতে কি কোন অসুবিধা বিদ্যমান? আপনি এখনও গ্রহণ করেননি। সমস্যা থাকলে জানান। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৭:৫২, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৫২, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৭:৪৮, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[আলেক্সান্দ্র্ সলজেনিৎসিন]] ==
সংশোধন করেছি, পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ রইলো। [[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tanbiruzzaman|আলাপ]]) ০৫:৩৩, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৫৩, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[আলফ্রেড নোবেল]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] পতাটি সংশোধন করা হয়েছে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০০:০২, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[এর্নস্ট মাখ]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০০:৪৮, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[অরবিন্দ আদিগা]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] সংশোধন করেছে পুনরায় পর্যালোচনা করুন। [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০১:০৮, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[সি. এ. আর. হোর]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০১:১২, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[ডায়ান ফসি]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] সংশোধন করেছে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন। [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০১:১৪, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[অরেল স্টেইন]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০১:২০, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] আপনার সবগুলো পাতাতেই কিছু বাক্য আরেকটু সাবলীলভাবে লেখা যায়। আরেকদফা সংশোধন করে জানালে আমি গ্রহণ করে নিব। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৫৪, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]]ঠিক আছে আমি সব পাতা সংশোধন করে একসাথে পরে জানাবো। [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ১৬:০৯, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[ড্যানিয়েল কানেমান]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] উল্লেখিত পাতাটি সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনা করবেন।
ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ১৬:৩০, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[এর্নস্ট মাখ]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] পাতাটি আরও একবার সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনা করবেন। [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০২:০৬, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] আরও সংশোধন করতে হবে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:০৫, ২৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[অরবিন্দ আদিগা]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] পাতাটি পুনরায় সংশোধন করেছি অনুগ্রহ করে আরেকবার পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০৩:৪৯, ২২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
r [[বিশেষ:অবদান/~2026-24691-92|~2026-24691-92]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-24691-92|আলাপ]]) ১১:৩৭, ২২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৫৪, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[শিং-শেন চের্ন]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] অনুগ্রহ করে [[শিং-শেন চের্ন]] নিবন্ধটি পুনঃপর্যালোচনা করুন। আমি এটিকে সংশোধন করেছি এবং জার্নাল, সংস্থা, প্রকাশক এসব বাংলায় লিপ্যন্তর করেছি। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১২:০০, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] অনুগ্রহ করে এটি পর্যালোচনা করুন — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">আনাফ</span> <span style="color:#388E3C">ইবনে</span> <span style="color:#66BB6A">সাহেবুল</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৫:৩৬, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] গৃহীত হয়েছে। অনুগ্রহপূর্বক ধৈর্য ধারণ করুন। সংশোধন করলে অবশ্যই পুনঃপর্যালোচনা করা হবে। বারবার মেনশন করার প্রয়োজন নেই। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৪০, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] দুঃখিত। অনুবাদে যান্ত্রিকতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। {{গৃহীত হয়নি}}। আবার সংশোধন করুন। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৬:১৭, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ঠিক আছে। আমি আবারও মেনশন করছিলাম, কারণ মনে হচ্ছিল কেনো ত্রুটির ফলে আপনার নিকট বিজ্ঞপ্তি যায় নি। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">আনাফ</span> <span style="color:#388E3C">ইবনে</span> <span style="color:#66BB6A">সাহেবুল</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৭:৫৫, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] মনে হচ্ছে, আপনি আমার কথা বুঝতে পারেননি। আমি ২৫ তারিখে পুনঃপর্যালোচনা করেছি। পাতাটা তখনও যান্ত্রিক ছিল। এর পর আপনি আর কোনও সম্পাদনা করেননি। আপনার লাস্ট সম্পাদনা ২৩ তারিখে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:০৪, ২৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[ভারতে সুফিবাদ]] ==
[[ভারতে সুফিবাদ]]ে কি সমস্যা?? [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ১৩:২৩, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[পেত্র ক্রাপোতকিন]] ==
পাতাটি ঠিক করেছি। পাশাপাশি [[টনি বেন]]
পাতাটাও ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32|আলাপ]]) ১৪:১৭, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
=== [[স্ট্যানলি বল্ডউইন]] ===
এটা সংশোধন করেছি আমি। পুনঃপর্যালোচনা করার অনুরোধ করছি। [[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Dr. Mosaddek Khondoker|আলাপ]]) ১৪:১৯, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[নরউইচের জুলিয়ান]] পাতা ==
পাতাটি ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32|আলাপ]]) ১৪:৪৫, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন]] ==
নিবন্ধটি পুনর্লিখন করেছি। আশাকরি গ্রহণ করবেন। – [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৯:২২, ২ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
:এর সাথে [[আতঙ্ক]] পাতাটিও। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৯:৫৭, ২ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
f7ag7u7j4zgekc8p5zuyk77q9nmjjed
83301
83288
2026-05-03T01:25:29Z
ARI
356
/* উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন */ নতুন অনুচ্ছেদ
83301
wikitext
text/x-wiki
{{স্বাগত}}≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:Md.Farhan Mahmud|<b style="background-color:green;color:white">ফারহান </b>]][[User talk:Md.Farhan Mahmud| «আলাপ»]]</b> ০৮:০৭, ৩১ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি)
== উক্তি প্রতিযোগিতার নিয়মে একটি সংশোধনী আনা হয়েছে ==
সুপ্রিয় NusJaS, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ ও ৩০ এপ্রিল শেষ দিন পর্যন্ত অংশ নেওয়া অব্যাহত রাখুন।
আপনার অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে প্রতিযোগিতার নিয়মে একটি সংশোধনী আনা হয়েছে: প্রতিযোগিতায় এখন থেকে '''নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র নিয়ে উক্তির পাতা তৈরি করা যাবে না''' অর্থাৎ <u>নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র ছাড়া অন্য উল্লেখযোগ্য যেকোনও কিছু নিয়ে উক্তির পাতা তৈরি করা যাবে</u>।
;কেন নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র বাদ দেওয়া হয়েছে?
:প্রতিযোগিতা শুরুর পর অনেকেই নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র নিয়ে উক্তির পাতা বানিয়েছেন। তবে লক্ষ্য করা গেছে যে, অনেকে শব্দ সংখ্যা বাড়াতে পুরো নাটক, উপন্যাস তুলে দিচ্ছেন। যা কোন ক্রমে কাম্য নয়। এটি অন্য প্রতিযোগীদের প্রতিও সুবিচার করা হয় না।
; আমি যে নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র জমা দিয়েছি তার কী হবে?
: যারা এই ঘোষণার পূর্বে অর্থাৎ ৬ এপ্রিল বা তার আগে এই জাতীয় উক্তির পাতা জমা দিয়েছেন সেগুলি গৃহীত হবে (অবশ্যই সংশোধনপূর্বক)।
আরেকটি বিষয়ের প্রতি আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। এটাও লক্ষ্য করা গেছে যে অনেকে উক্তির উৎস দিচ্ছেন না। দয়া করে উক্তির উৎস দিতে ভুলবেন না। দয়া করে উদাহরণ হিসেবে [[চঞ্চল চৌধুরী]], [[নোম চম্স্কি]] পাতায় কীভাবে উক্তি ও উক্তির উৎস দেওয়া হয়েছে তা দেখুন।
আপনার কোনও জিজ্ঞাসা থাকলে আমাকে উল্লেখ করে জিজ্ঞাসা করুন। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৯:৪৭, ৬ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি)
<!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:%E0%A6%86%E0%A6%AB%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8/%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE&oldid=31634-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন -->
== উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪: আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি ==
সুপ্রিয় NusJaS, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ([https://fountain.toolforge.org/editathons/qc2024 এখানে দেখুন]):
* যদি আপনার জমা দেওয়া কোনও নিবন্ধ গৃহীত না হয়, তবে আপনি আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে নিবন্ধের সমস্যাগুলি ঠিক করে পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ জানাতে পারেন।
* যদি আপনি কোনও গৃহীত নিবন্ধ সম্পর্কে কোনও মন্তব্য করতে চান, কোনও অসঙ্গতি আমাদের দৃষ্টিতে আনতে চান, দয়া করে আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে করুন।
প্রতিযোগিতার ফলাফল ঘোষণার পর, ফলাফলে কোনোরূপ পরিবর্তন আনা হবে না। সুতরাং যা করার আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে করুন। আপনার কোনও জিজ্ঞাসা থাকলে আমাকে উল্লেখ করে জিজ্ঞাসা করুন। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ২১:৫৪, ৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি)
== উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪: ফরম পূরণ করুন ==
সুপ্রিয় NusJaS, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪/পরিসংখ্যান#ফলাফল|শীর্ষ ২০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLScZptwVHdLgFGVAjzk79Ew7MjAcCUyL1PigcfsNwxBn5VeC6w/viewform?usp=sf_link এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৪:২৭, ১৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি)
==উইকিউক্তি পুনরায় সম্পাদন করা হয়েছে ==
[[উইলিয়াম ম্যাকিনলি]] পাতাটি পুনরায় সম্পাদন করা হয়েছে এখন গ্রহণ করতে পারেন আপনাকে মেনশন করলাম।
[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১৫:১১, ২৩ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] সংশোধন করায় ধন্যবাদ। গৃহীত হয়েছে। আপনার জমাদানকৃত বাকি পাতাগুলোতেও এরকম সংশোধন করার পরামর্শ রইল। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৯:৪৩, ২৪ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::ঠিক আছে তাহলে আমি পুনরায় পর্যালোচনা করছি [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৫:৫২, ২৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
== সাহায্য প্রয়োজন ==
আমি যখন আর্টিকেল গুলো বাংলা অনুবাদ করার পরে পাবলিশ করার পরে আমি এটি উইকি ডাটার সাথে কানেক্ট করতে চাচ্ছি যেন একটি ইংরেজি অনুবাদটাও যে কেউ দেখতে পারে। কিন্তু আমাকে এটা দেখাচ্ছে এগুলো সেমি প্রটেক্টেড পেজ । [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৫:৫৭, ২৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] যেগুলো লিংক করতে পারবেন না, যেকোনো পর্যালোচকের আলাপ পাতায় সেগুলোর তালিকা দিবেন। তারা লিংক করে দিবে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৯:৫৫, ২৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::[[অং সান সু চি]] এটি লিংক করে দিন।
::এবং আমি কিভাবে এই রাইট পেতে পারি! [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৬:৫৫, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== [[মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন]] ==
সুধী, উইকিমিডিয়ার অন্যান্য প্রকল্পগুলোর মতো উইকিউক্তিতে কপিরাইট আইন মান্য করা হয়। তবে উইকিউক্তিতে হুবুহু উক্তি কপি করে ব্যবহারের ক্ষেত্রে যেমন শিথিলতা রয়েছে তেমন সীমাবদ্ধতা রয়েছে। যেমন উইকিউক্তিতে "একই সূত্র থেকে খুব বেশি উক্তি পাতায় দেওয়া যায়না"। মোটামুটি সীমা বজায় রাখতে হয় যাতে কপিরাইট সমস্যায় পড়তে না হয়। [https://copyvios.toolforge.org/?lang=bn&project=wikiquote&title=মোহাম্মদ+নাজিম+উদ্দিন&oldid=&action=search&use_engine=0&use_links=1&turnitin=0&nocache=1 এটা দেখুন], এই রেজাল্ট অনুযায়ী তিনটি সূত্র থেকে ৪০% এর অধিক লেখা সরাসরি উদ্ধৃত করা হয়েছে। তাই উক্তির সংখ্যা কমিয়ে আনা প্রয়োজন৷ সবগুলো সূত্র থেকেই যে একদম ৩০% হতে হবে তা নয়, তবে উক্তির সংখ্যা মোটামুটি কমিয়ে এনে কপিরাইট সমস্যার সমাধান করে নিতে হবে। তারপর আমাকে জানালে আমি পাতাটি গ্রহণ করে নিবো। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৭:১৯, ২৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] অগ্রগতি কতদূর? [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ০৩:৫৬, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] এখন অনেক লেখা বাদ দিয়েছি। এবার দেখুন। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:১৬, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ভাই, আমি একটা জিনিস বুঝতে পারছি না। উক্তি তো হুবুহু হবে। এখানে কপিরাইট লঙ্ঘন হচ্ছে এমন জটিলতা কেন? ইংরেজি থেকে অনেক পাতা অনুবাদ করতে গিয়ে বিশাল বিশাল উক্তি হুবুহু কপি পেয়েছি। এক উক্তিতেই ৫-৬০০ শব্দ, এমন। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:৩৬, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] যেটা এখনও ৪৫% দেখাচ্ছে, ওটায় একই বাক্য বারবার এসেছে। তাই বেশি পার্সেন্টেজ। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:৩৮, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] নন-ফ্রি লাইসেন্স নীতি অনুযায়ী আমরা উইকিপিডিয়ায় যেকোন লেখা বা উক্তি হুবুহু তুলে ধরতে পারবো, কিন্তু সেটা সীমা রেখে। অর্থাৎ একটি সূত্রের লেখার বড় অংশ তুলে ধরা যাবেনা। উইকিপিডিয়ায় এটা মান্য করা হয় কপিরাইট আইন মেনে চলার জন্য। সেজন্য আপনি দেখবেন যে অনেক সময় একটি উইকিপিডিয়া নিবন্ধে বেশি উক্তি থাকেনা। উইকিউক্তি একই নীতিতে চলে। যদিও উইকিউক্তির একটি পাতায় উক্তিগুলোকে হুবুহু তুলে ধরতে হবে, কিন্তু সেটা নন-ফ্রি নীতিকে এড়িয়ে উদ্ধৃত করা যাবেনা অর্থাৎ কপিরাইট আইন বজায় রেখেই করতে হবে। তাই আমাদের এখানেও এটা মেনে চলতে হয়। মূল সমস্যা হচ্ছে, সবাই এই ব্যাপারটা জানেনা। মূল কথা হচ্ছে, উক্তি হুবুহু উদ্ধৃত করায় কোন সমস্যা নেই। এখানে সমস্যা হচ্ছে উক্তি উদ্ধৃত করার সময় প্রতিটি সূত্র থেকে কত শতাংশ লেখা কপি করা হয়েছে, যা পরিস্থিতিভেদে সর্বোচ্চ হয়তো ৪০-৪৫% ব্যবহার করা যেতে পারে (সবক্ষেত্রে নয়)। তবে সর্বোচ্চ ৩০% ব্যবহার করাই নিরাপদ। তবে, ব্যতিক্রম হতে পারে অনূদিত উক্তির ক্ষেত্রে। কেননা পড়ার উপযোগী করে উক্তি অনুবাদ করতে গিয়ে অনেক সময় উক্তিগুলোর মূল কাঠামো ও অনূদিত প্রতিশব্দ পালটে যেতে পারে আর তখন কপিরাইট সমস্যার প্রশ্ন আসবেনা। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১২:৫৪, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:::::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ওকে বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ। আশা করি বুঝতে পেরেছ। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১২:৫৫, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::::::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]]: জি, এবার বুঝতে পেরেছি। ঠিক করা হয়েছে। আবার পর্যালোচনা করার অনুরোধ করছি।। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:৫৩, ১ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
:::::::আমি এখনো ব্যাপারটি বুঝলাম না। আমি ইংরেজিতে থাকা উক্তিগুলো এবং প্রতিটি উক্তির তথ্যসূত্র সম্পূর্ণ অনুবাদ করি ।
:::::::এখানে সূত্র বলতে কি বুঝাচ্ছে ওই তথ্যসূত্র টাই [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৬:৫৯, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
::::::::@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] হ্যাঁ, সেটাই সূত্র মানেই তথ্যসূত্র [[User:Md Mobashir Hossain|মোবাশশির]] <small>[[User Talk:Md Mobashir Hossain|বার্তা দিন]]</small> ০৭:৫৩, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
::::::::: [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৮:০৭, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== রো বনাম ওয়েড/সম্পর্কে উক্তি ==
পাতাটির অনুবাদ বেশ রুক্ষ। অনুগ্রহ করে অপসারণ এড়াতে নিবন্ধটি সংশোধন করুন। ১৫:৫০, ১৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]])
: {{ping|Yahya}} পর্যালোচনা করার জন্য ধন্যবাদ। আমি ২ দিন সময় চাচ্ছি। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]])
== রো বনাম ওয়েড ==
পাতাটির অনুবাদ রুক্ষ ও যান্ত্রিক। অনুগ্রহ করে অপসারণ এড়াতে পাতাটি সংশোধন করুন।[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) ১৭:৫২, ১৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ভাই, সংশোধন করেছি। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৪২, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
::দুঃখিত। গ্রহণ করা যাচ্ছে না। অনুবাদ এখনও যান্ত্রিক। [[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) ১০:৪১, ১৫ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== [[রো বনাম ওয়েড/সম্পর্কে উক্তি]] পাতা সম্পর্কে ==
এভাবে উপপাতায় নেয়ার কারণ? এমনকি আপনি [[রো বনাম ওয়েড/সম্পর্কে উক্তি/২]] নামেও পাতা তৈরি করেছেন। ― <span style="color:white; background-color:red;"> ☪ </span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ০৭:৫৪, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] একটা পাতায় পুরো লেখা জায়গা হয় না। বাইট লিমিট দেখিয়েছিল। আমি "সম্পর্কে উক্তি"কে একটাই উপপাতায় রাখতে চেয়েছিলাম। সেটাও সম্ভব হয়নি। তাই দুটো পাতা করতে হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৩:২৪, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
::যান্ত্রিক ও ত্রুটিপূর্ণ অনুবাদ হওয়ায় পাতাটি উক্তি প্রতিযোগিতায় গৃহীত হয়নি। –– [[ব্যবহারকারী:Tahmid|তাহমিদ]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tahmid|আলাপ]]) ১৪:০৮, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== সংশোধনের পর জানাতে বলা হয়েছে ==
[[প্রবীণ তোগাড়িয়া]] পাতাটিতে একই তথ্যসূত্র বেশ কয়েকটি উক্তিতে ছিল। তা সংশোধন করা হয়েছে। এখন গ্রহণ করতে পারবেন [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১৩:১৫, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন ==
সুপ্রিয় {{BASEPAGENAME}}, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/ফলাফল|শীর্ষ ১০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSeDWCveBqp7ID0VVW0ipXM-WXeCqE7u-xHQCU_d7FRYo-9vAA/viewform?usp=dialog এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। - ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৮:৩১, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
<!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:MS_Sakib/%E0%A6%97%E0%A6%A3_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE&oldid=67623-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন -->
== বাবুলমিয়া ==
মাধবদী পৌরসভা জেলা নরসিংদী ০১৭১২ ৬২০ ৯৯২ আমার এই ওষুধটা লাগবে [[বিশেষ:অবদান/~2026-20015-50|~2026-20015-50]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20015-50|আলাপ]]) ১৮:৪৩, ৩১ মার্চ ২০২৬ (ইউটিসি)
01924087544 [[বিশেষ:অবদান/~2026-20544-24|~2026-20544-24]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20544-24|আলাপ]]) ০৬:৩৭, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পর্যালোচনা ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] আমি [আলফ্রেড নোবেল] পাতাটি সংশোধন করেছি, অনুগ্রহ করে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন।
ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০৩:৪৯, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পাতা গ্রহণ সম্বন্ধে ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]]
[[আল খোয়ারিজমি]] - পাতাটি গৃহীত হয়নি। কিন্তু এর ''সুনির্দিষ্ট'' এবং যথার্থ কারন উল্লেখ প্রয়োজন। উল্লেখ করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।
ধন্যবাদান্তে,
''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০০:২৯, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)-Mahmud''
::@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] '[[আল খোয়ারিজমি]]' পাতাটির সংশোধনের ক্ষেত্রগুলো উল্লেখ করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।
:'''''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১১:১০, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)'''''
== জেরার দ্যব্রু ==
নিবন্ধটি আমি সংশোধন করেছি এবং যান্ত্রিকতা দূর করেছি। অনুগ্রহ করে এখন পুনরায় পর্যালোচনা করুন। ''([[জেরার দ্যব্রু]])'' — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৪:২১, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] অনুগ্রহ করে সবার আগে এটিকে পর্যালোচনা করুন। এটি অত্যন্ত ছোট পাতা। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৪:৫৮, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] এটিতে কি কোন অসুবিধা বিদ্যমান? আপনি এখনও গ্রহণ করেননি। সমস্যা থাকলে জানান। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৭:৫২, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৫২, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৭:৪৮, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[আলেক্সান্দ্র্ সলজেনিৎসিন]] ==
সংশোধন করেছি, পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ রইলো। [[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tanbiruzzaman|আলাপ]]) ০৫:৩৩, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৫৩, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[আলফ্রেড নোবেল]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] পতাটি সংশোধন করা হয়েছে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০০:০২, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[এর্নস্ট মাখ]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০০:৪৮, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[অরবিন্দ আদিগা]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] সংশোধন করেছে পুনরায় পর্যালোচনা করুন। [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০১:০৮, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[সি. এ. আর. হোর]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০১:১২, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[ডায়ান ফসি]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] সংশোধন করেছে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন। [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০১:১৪, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[অরেল স্টেইন]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০১:২০, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] আপনার সবগুলো পাতাতেই কিছু বাক্য আরেকটু সাবলীলভাবে লেখা যায়। আরেকদফা সংশোধন করে জানালে আমি গ্রহণ করে নিব। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৫৪, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]]ঠিক আছে আমি সব পাতা সংশোধন করে একসাথে পরে জানাবো। [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ১৬:০৯, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[ড্যানিয়েল কানেমান]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] উল্লেখিত পাতাটি সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনা করবেন।
ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ১৬:৩০, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[এর্নস্ট মাখ]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] পাতাটি আরও একবার সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনা করবেন। [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০২:০৬, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] আরও সংশোধন করতে হবে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:০৫, ২৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[অরবিন্দ আদিগা]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] পাতাটি পুনরায় সংশোধন করেছি অনুগ্রহ করে আরেকবার পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০৩:৪৯, ২২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
r [[বিশেষ:অবদান/~2026-24691-92|~2026-24691-92]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-24691-92|আলাপ]]) ১১:৩৭, ২২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৫৪, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[শিং-শেন চের্ন]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] অনুগ্রহ করে [[শিং-শেন চের্ন]] নিবন্ধটি পুনঃপর্যালোচনা করুন। আমি এটিকে সংশোধন করেছি এবং জার্নাল, সংস্থা, প্রকাশক এসব বাংলায় লিপ্যন্তর করেছি। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১২:০০, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] অনুগ্রহ করে এটি পর্যালোচনা করুন — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">আনাফ</span> <span style="color:#388E3C">ইবনে</span> <span style="color:#66BB6A">সাহেবুল</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৫:৩৬, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] গৃহীত হয়েছে। অনুগ্রহপূর্বক ধৈর্য ধারণ করুন। সংশোধন করলে অবশ্যই পুনঃপর্যালোচনা করা হবে। বারবার মেনশন করার প্রয়োজন নেই। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৪০, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] দুঃখিত। অনুবাদে যান্ত্রিকতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। {{গৃহীত হয়নি}}। আবার সংশোধন করুন। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৬:১৭, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ঠিক আছে। আমি আবারও মেনশন করছিলাম, কারণ মনে হচ্ছিল কেনো ত্রুটির ফলে আপনার নিকট বিজ্ঞপ্তি যায় নি। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">আনাফ</span> <span style="color:#388E3C">ইবনে</span> <span style="color:#66BB6A">সাহেবুল</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৭:৫৫, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] মনে হচ্ছে, আপনি আমার কথা বুঝতে পারেননি। আমি ২৫ তারিখে পুনঃপর্যালোচনা করেছি। পাতাটা তখনও যান্ত্রিক ছিল। এর পর আপনি আর কোনও সম্পাদনা করেননি। আপনার লাস্ট সম্পাদনা ২৩ তারিখে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:০৪, ২৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[ভারতে সুফিবাদ]] ==
[[ভারতে সুফিবাদ]]ে কি সমস্যা?? [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ১৩:২৩, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[পেত্র ক্রাপোতকিন]] ==
পাতাটি ঠিক করেছি। পাশাপাশি [[টনি বেন]]
পাতাটাও ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32|আলাপ]]) ১৪:১৭, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
=== [[স্ট্যানলি বল্ডউইন]] ===
এটা সংশোধন করেছি আমি। পুনঃপর্যালোচনা করার অনুরোধ করছি। [[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Dr. Mosaddek Khondoker|আলাপ]]) ১৪:১৯, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[নরউইচের জুলিয়ান]] পাতা ==
পাতাটি ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32|আলাপ]]) ১৪:৪৫, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন]] ==
নিবন্ধটি পুনর্লিখন করেছি। আশাকরি গ্রহণ করবেন। – [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৯:২২, ২ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
:এর সাথে [[আতঙ্ক]] পাতাটিও। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৯:৫৭, ২ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন]] ==
*অন্য ভাষার লিপি বিদ্যমান
*"মি. গ্ল্যাডস্টোন ছিলেন সবচেয়ে বড় আলোচনার পরিষদের সর্বশ্রেষ্ঠ সদস্য যা বিশ্ব আজ পর্যন্ত দেখেছে।" উক্তির সূত্র ঠিক করুন
*"আর্মেনিয়ার সেবা করা মানে সভ্যতার সেবা করা।" উক্তির সূত্র ঠিক করুন [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ০১:২৫, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
c9mpron2h9isjt7t5w1elia0ywyzmtw
83320
83301
2026-05-03T10:00:29Z
Tuhin
172
/* এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন */ উত্তর
83320
wikitext
text/x-wiki
{{স্বাগত}}≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:Md.Farhan Mahmud|<b style="background-color:green;color:white">ফারহান </b>]][[User talk:Md.Farhan Mahmud| «আলাপ»]]</b> ০৮:০৭, ৩১ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি)
== উক্তি প্রতিযোগিতার নিয়মে একটি সংশোধনী আনা হয়েছে ==
সুপ্রিয় NusJaS, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ ও ৩০ এপ্রিল শেষ দিন পর্যন্ত অংশ নেওয়া অব্যাহত রাখুন।
আপনার অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে প্রতিযোগিতার নিয়মে একটি সংশোধনী আনা হয়েছে: প্রতিযোগিতায় এখন থেকে '''নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র নিয়ে উক্তির পাতা তৈরি করা যাবে না''' অর্থাৎ <u>নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র ছাড়া অন্য উল্লেখযোগ্য যেকোনও কিছু নিয়ে উক্তির পাতা তৈরি করা যাবে</u>।
;কেন নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র বাদ দেওয়া হয়েছে?
:প্রতিযোগিতা শুরুর পর অনেকেই নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র নিয়ে উক্তির পাতা বানিয়েছেন। তবে লক্ষ্য করা গেছে যে, অনেকে শব্দ সংখ্যা বাড়াতে পুরো নাটক, উপন্যাস তুলে দিচ্ছেন। যা কোন ক্রমে কাম্য নয়। এটি অন্য প্রতিযোগীদের প্রতিও সুবিচার করা হয় না।
; আমি যে নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র জমা দিয়েছি তার কী হবে?
: যারা এই ঘোষণার পূর্বে অর্থাৎ ৬ এপ্রিল বা তার আগে এই জাতীয় উক্তির পাতা জমা দিয়েছেন সেগুলি গৃহীত হবে (অবশ্যই সংশোধনপূর্বক)।
আরেকটি বিষয়ের প্রতি আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। এটাও লক্ষ্য করা গেছে যে অনেকে উক্তির উৎস দিচ্ছেন না। দয়া করে উক্তির উৎস দিতে ভুলবেন না। দয়া করে উদাহরণ হিসেবে [[চঞ্চল চৌধুরী]], [[নোম চম্স্কি]] পাতায় কীভাবে উক্তি ও উক্তির উৎস দেওয়া হয়েছে তা দেখুন।
আপনার কোনও জিজ্ঞাসা থাকলে আমাকে উল্লেখ করে জিজ্ঞাসা করুন। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৯:৪৭, ৬ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি)
<!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:%E0%A6%86%E0%A6%AB%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8/%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE&oldid=31634-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন -->
== উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪: আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি ==
সুপ্রিয় NusJaS, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ([https://fountain.toolforge.org/editathons/qc2024 এখানে দেখুন]):
* যদি আপনার জমা দেওয়া কোনও নিবন্ধ গৃহীত না হয়, তবে আপনি আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে নিবন্ধের সমস্যাগুলি ঠিক করে পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ জানাতে পারেন।
* যদি আপনি কোনও গৃহীত নিবন্ধ সম্পর্কে কোনও মন্তব্য করতে চান, কোনও অসঙ্গতি আমাদের দৃষ্টিতে আনতে চান, দয়া করে আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে করুন।
প্রতিযোগিতার ফলাফল ঘোষণার পর, ফলাফলে কোনোরূপ পরিবর্তন আনা হবে না। সুতরাং যা করার আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে করুন। আপনার কোনও জিজ্ঞাসা থাকলে আমাকে উল্লেখ করে জিজ্ঞাসা করুন। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ২১:৫৪, ৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি)
== উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪: ফরম পূরণ করুন ==
সুপ্রিয় NusJaS, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪/পরিসংখ্যান#ফলাফল|শীর্ষ ২০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLScZptwVHdLgFGVAjzk79Ew7MjAcCUyL1PigcfsNwxBn5VeC6w/viewform?usp=sf_link এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৪:২৭, ১৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি)
==উইকিউক্তি পুনরায় সম্পাদন করা হয়েছে ==
[[উইলিয়াম ম্যাকিনলি]] পাতাটি পুনরায় সম্পাদন করা হয়েছে এখন গ্রহণ করতে পারেন আপনাকে মেনশন করলাম।
[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১৫:১১, ২৩ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] সংশোধন করায় ধন্যবাদ। গৃহীত হয়েছে। আপনার জমাদানকৃত বাকি পাতাগুলোতেও এরকম সংশোধন করার পরামর্শ রইল। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৯:৪৩, ২৪ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::ঠিক আছে তাহলে আমি পুনরায় পর্যালোচনা করছি [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৫:৫২, ২৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
== সাহায্য প্রয়োজন ==
আমি যখন আর্টিকেল গুলো বাংলা অনুবাদ করার পরে পাবলিশ করার পরে আমি এটি উইকি ডাটার সাথে কানেক্ট করতে চাচ্ছি যেন একটি ইংরেজি অনুবাদটাও যে কেউ দেখতে পারে। কিন্তু আমাকে এটা দেখাচ্ছে এগুলো সেমি প্রটেক্টেড পেজ । [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৫:৫৭, ২৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] যেগুলো লিংক করতে পারবেন না, যেকোনো পর্যালোচকের আলাপ পাতায় সেগুলোর তালিকা দিবেন। তারা লিংক করে দিবে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৯:৫৫, ২৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::[[অং সান সু চি]] এটি লিংক করে দিন।
::এবং আমি কিভাবে এই রাইট পেতে পারি! [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৬:৫৫, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== [[মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন]] ==
সুধী, উইকিমিডিয়ার অন্যান্য প্রকল্পগুলোর মতো উইকিউক্তিতে কপিরাইট আইন মান্য করা হয়। তবে উইকিউক্তিতে হুবুহু উক্তি কপি করে ব্যবহারের ক্ষেত্রে যেমন শিথিলতা রয়েছে তেমন সীমাবদ্ধতা রয়েছে। যেমন উইকিউক্তিতে "একই সূত্র থেকে খুব বেশি উক্তি পাতায় দেওয়া যায়না"। মোটামুটি সীমা বজায় রাখতে হয় যাতে কপিরাইট সমস্যায় পড়তে না হয়। [https://copyvios.toolforge.org/?lang=bn&project=wikiquote&title=মোহাম্মদ+নাজিম+উদ্দিন&oldid=&action=search&use_engine=0&use_links=1&turnitin=0&nocache=1 এটা দেখুন], এই রেজাল্ট অনুযায়ী তিনটি সূত্র থেকে ৪০% এর অধিক লেখা সরাসরি উদ্ধৃত করা হয়েছে। তাই উক্তির সংখ্যা কমিয়ে আনা প্রয়োজন৷ সবগুলো সূত্র থেকেই যে একদম ৩০% হতে হবে তা নয়, তবে উক্তির সংখ্যা মোটামুটি কমিয়ে এনে কপিরাইট সমস্যার সমাধান করে নিতে হবে। তারপর আমাকে জানালে আমি পাতাটি গ্রহণ করে নিবো। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৭:১৯, ২৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] অগ্রগতি কতদূর? [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ০৩:৫৬, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] এখন অনেক লেখা বাদ দিয়েছি। এবার দেখুন। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:১৬, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ভাই, আমি একটা জিনিস বুঝতে পারছি না। উক্তি তো হুবুহু হবে। এখানে কপিরাইট লঙ্ঘন হচ্ছে এমন জটিলতা কেন? ইংরেজি থেকে অনেক পাতা অনুবাদ করতে গিয়ে বিশাল বিশাল উক্তি হুবুহু কপি পেয়েছি। এক উক্তিতেই ৫-৬০০ শব্দ, এমন। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:৩৬, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] যেটা এখনও ৪৫% দেখাচ্ছে, ওটায় একই বাক্য বারবার এসেছে। তাই বেশি পার্সেন্টেজ। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:৩৮, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] নন-ফ্রি লাইসেন্স নীতি অনুযায়ী আমরা উইকিপিডিয়ায় যেকোন লেখা বা উক্তি হুবুহু তুলে ধরতে পারবো, কিন্তু সেটা সীমা রেখে। অর্থাৎ একটি সূত্রের লেখার বড় অংশ তুলে ধরা যাবেনা। উইকিপিডিয়ায় এটা মান্য করা হয় কপিরাইট আইন মেনে চলার জন্য। সেজন্য আপনি দেখবেন যে অনেক সময় একটি উইকিপিডিয়া নিবন্ধে বেশি উক্তি থাকেনা। উইকিউক্তি একই নীতিতে চলে। যদিও উইকিউক্তির একটি পাতায় উক্তিগুলোকে হুবুহু তুলে ধরতে হবে, কিন্তু সেটা নন-ফ্রি নীতিকে এড়িয়ে উদ্ধৃত করা যাবেনা অর্থাৎ কপিরাইট আইন বজায় রেখেই করতে হবে। তাই আমাদের এখানেও এটা মেনে চলতে হয়। মূল সমস্যা হচ্ছে, সবাই এই ব্যাপারটা জানেনা। মূল কথা হচ্ছে, উক্তি হুবুহু উদ্ধৃত করায় কোন সমস্যা নেই। এখানে সমস্যা হচ্ছে উক্তি উদ্ধৃত করার সময় প্রতিটি সূত্র থেকে কত শতাংশ লেখা কপি করা হয়েছে, যা পরিস্থিতিভেদে সর্বোচ্চ হয়তো ৪০-৪৫% ব্যবহার করা যেতে পারে (সবক্ষেত্রে নয়)। তবে সর্বোচ্চ ৩০% ব্যবহার করাই নিরাপদ। তবে, ব্যতিক্রম হতে পারে অনূদিত উক্তির ক্ষেত্রে। কেননা পড়ার উপযোগী করে উক্তি অনুবাদ করতে গিয়ে অনেক সময় উক্তিগুলোর মূল কাঠামো ও অনূদিত প্রতিশব্দ পালটে যেতে পারে আর তখন কপিরাইট সমস্যার প্রশ্ন আসবেনা। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১২:৫৪, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:::::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ওকে বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ। আশা করি বুঝতে পেরেছ। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১২:৫৫, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::::::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]]: জি, এবার বুঝতে পেরেছি। ঠিক করা হয়েছে। আবার পর্যালোচনা করার অনুরোধ করছি।। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:৫৩, ১ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
:::::::আমি এখনো ব্যাপারটি বুঝলাম না। আমি ইংরেজিতে থাকা উক্তিগুলো এবং প্রতিটি উক্তির তথ্যসূত্র সম্পূর্ণ অনুবাদ করি ।
:::::::এখানে সূত্র বলতে কি বুঝাচ্ছে ওই তথ্যসূত্র টাই [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৬:৫৯, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
::::::::@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] হ্যাঁ, সেটাই সূত্র মানেই তথ্যসূত্র [[User:Md Mobashir Hossain|মোবাশশির]] <small>[[User Talk:Md Mobashir Hossain|বার্তা দিন]]</small> ০৭:৫৩, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
::::::::: [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৮:০৭, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== রো বনাম ওয়েড/সম্পর্কে উক্তি ==
পাতাটির অনুবাদ বেশ রুক্ষ। অনুগ্রহ করে অপসারণ এড়াতে নিবন্ধটি সংশোধন করুন। ১৫:৫০, ১৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]])
: {{ping|Yahya}} পর্যালোচনা করার জন্য ধন্যবাদ। আমি ২ দিন সময় চাচ্ছি। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]])
== রো বনাম ওয়েড ==
পাতাটির অনুবাদ রুক্ষ ও যান্ত্রিক। অনুগ্রহ করে অপসারণ এড়াতে পাতাটি সংশোধন করুন।[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) ১৭:৫২, ১৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ভাই, সংশোধন করেছি। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৪২, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
::দুঃখিত। গ্রহণ করা যাচ্ছে না। অনুবাদ এখনও যান্ত্রিক। [[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) ১০:৪১, ১৫ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== [[রো বনাম ওয়েড/সম্পর্কে উক্তি]] পাতা সম্পর্কে ==
এভাবে উপপাতায় নেয়ার কারণ? এমনকি আপনি [[রো বনাম ওয়েড/সম্পর্কে উক্তি/২]] নামেও পাতা তৈরি করেছেন। ― <span style="color:white; background-color:red;"> ☪ </span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ০৭:৫৪, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] একটা পাতায় পুরো লেখা জায়গা হয় না। বাইট লিমিট দেখিয়েছিল। আমি "সম্পর্কে উক্তি"কে একটাই উপপাতায় রাখতে চেয়েছিলাম। সেটাও সম্ভব হয়নি। তাই দুটো পাতা করতে হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৩:২৪, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
::যান্ত্রিক ও ত্রুটিপূর্ণ অনুবাদ হওয়ায় পাতাটি উক্তি প্রতিযোগিতায় গৃহীত হয়নি। –– [[ব্যবহারকারী:Tahmid|তাহমিদ]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tahmid|আলাপ]]) ১৪:০৮, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== সংশোধনের পর জানাতে বলা হয়েছে ==
[[প্রবীণ তোগাড়িয়া]] পাতাটিতে একই তথ্যসূত্র বেশ কয়েকটি উক্তিতে ছিল। তা সংশোধন করা হয়েছে। এখন গ্রহণ করতে পারবেন [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১৩:১৫, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন ==
সুপ্রিয় {{BASEPAGENAME}}, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/ফলাফল|শীর্ষ ১০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSeDWCveBqp7ID0VVW0ipXM-WXeCqE7u-xHQCU_d7FRYo-9vAA/viewform?usp=dialog এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। - ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৮:৩১, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
<!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:MS_Sakib/%E0%A6%97%E0%A6%A3_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE&oldid=67623-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন -->
== বাবুলমিয়া ==
মাধবদী পৌরসভা জেলা নরসিংদী ০১৭১২ ৬২০ ৯৯২ আমার এই ওষুধটা লাগবে [[বিশেষ:অবদান/~2026-20015-50|~2026-20015-50]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20015-50|আলাপ]]) ১৮:৪৩, ৩১ মার্চ ২০২৬ (ইউটিসি)
01924087544 [[বিশেষ:অবদান/~2026-20544-24|~2026-20544-24]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-20544-24|আলাপ]]) ০৬:৩৭, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পর্যালোচনা ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] আমি [আলফ্রেড নোবেল] পাতাটি সংশোধন করেছি, অনুগ্রহ করে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন।
ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০৩:৪৯, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পাতা গ্রহণ সম্বন্ধে ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]]
[[আল খোয়ারিজমি]] - পাতাটি গৃহীত হয়নি। কিন্তু এর ''সুনির্দিষ্ট'' এবং যথার্থ কারন উল্লেখ প্রয়োজন। উল্লেখ করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।
ধন্যবাদান্তে,
''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০০:২৯, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)-Mahmud''
::@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] '[[আল খোয়ারিজমি]]' পাতাটির সংশোধনের ক্ষেত্রগুলো উল্লেখ করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।
:'''''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১১:১০, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)'''''
== জেরার দ্যব্রু ==
নিবন্ধটি আমি সংশোধন করেছি এবং যান্ত্রিকতা দূর করেছি। অনুগ্রহ করে এখন পুনরায় পর্যালোচনা করুন। ''([[জেরার দ্যব্রু]])'' — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৪:২১, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] অনুগ্রহ করে সবার আগে এটিকে পর্যালোচনা করুন। এটি অত্যন্ত ছোট পাতা। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৪:৫৮, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] এটিতে কি কোন অসুবিধা বিদ্যমান? আপনি এখনও গ্রহণ করেননি। সমস্যা থাকলে জানান। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৭:৫২, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৫২, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৭:৪৮, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[আলেক্সান্দ্র্ সলজেনিৎসিন]] ==
সংশোধন করেছি, পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ রইলো। [[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tanbiruzzaman|আলাপ]]) ০৫:৩৩, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৫৩, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[আলফ্রেড নোবেল]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] পতাটি সংশোধন করা হয়েছে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০০:০২, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[এর্নস্ট মাখ]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০০:৪৮, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[অরবিন্দ আদিগা]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] সংশোধন করেছে পুনরায় পর্যালোচনা করুন। [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০১:০৮, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[সি. এ. আর. হোর]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০১:১২, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[ডায়ান ফসি]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] সংশোধন করেছে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন। [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০১:১৪, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[অরেল স্টেইন]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০১:২০, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] আপনার সবগুলো পাতাতেই কিছু বাক্য আরেকটু সাবলীলভাবে লেখা যায়। আরেকদফা সংশোধন করে জানালে আমি গ্রহণ করে নিব। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৫৪, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]]ঠিক আছে আমি সব পাতা সংশোধন করে একসাথে পরে জানাবো। [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ১৬:০৯, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[ড্যানিয়েল কানেমান]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] উল্লেখিত পাতাটি সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনা করবেন।
ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ১৬:৩০, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[এর্নস্ট মাখ]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] পাতাটি আরও একবার সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনা করবেন। [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০২:০৬, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] আরও সংশোধন করতে হবে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:০৫, ২৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[অরবিন্দ আদিগা]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] পাতাটি পুনরায় সংশোধন করেছি অনুগ্রহ করে আরেকবার পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০৩:৪৯, ২২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
r [[বিশেষ:অবদান/~2026-24691-92|~2026-24691-92]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:~2026-24691-92|আলাপ]]) ১১:৩৭, ২২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৫৪, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[শিং-শেন চের্ন]] ==
@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] অনুগ্রহ করে [[শিং-শেন চের্ন]] নিবন্ধটি পুনঃপর্যালোচনা করুন। আমি এটিকে সংশোধন করেছি এবং জার্নাল, সংস্থা, প্রকাশক এসব বাংলায় লিপ্যন্তর করেছি। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১২:০০, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] অনুগ্রহ করে এটি পর্যালোচনা করুন — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">আনাফ</span> <span style="color:#388E3C">ইবনে</span> <span style="color:#66BB6A">সাহেবুল</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৫:৩৬, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] গৃহীত হয়েছে। অনুগ্রহপূর্বক ধৈর্য ধারণ করুন। সংশোধন করলে অবশ্যই পুনঃপর্যালোচনা করা হবে। বারবার মেনশন করার প্রয়োজন নেই। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৪০, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] দুঃখিত। অনুবাদে যান্ত্রিকতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। {{গৃহীত হয়নি}}। আবার সংশোধন করুন। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৬:১৭, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ঠিক আছে। আমি আবারও মেনশন করছিলাম, কারণ মনে হচ্ছিল কেনো ত্রুটির ফলে আপনার নিকট বিজ্ঞপ্তি যায় নি। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">আনাফ</span> <span style="color:#388E3C">ইবনে</span> <span style="color:#66BB6A">সাহেবুল</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৭:৫৫, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::::@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] মনে হচ্ছে, আপনি আমার কথা বুঝতে পারেননি। আমি ২৫ তারিখে পুনঃপর্যালোচনা করেছি। পাতাটা তখনও যান্ত্রিক ছিল। এর পর আপনি আর কোনও সম্পাদনা করেননি। আপনার লাস্ট সম্পাদনা ২৩ তারিখে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:০৪, ২৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[ভারতে সুফিবাদ]] ==
[[ভারতে সুফিবাদ]]ে কি সমস্যা?? [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ১৩:২৩, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[পেত্র ক্রাপোতকিন]] ==
পাতাটি ঠিক করেছি। পাশাপাশি [[টনি বেন]]
পাতাটাও ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32|আলাপ]]) ১৪:১৭, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
=== [[স্ট্যানলি বল্ডউইন]] ===
এটা সংশোধন করেছি আমি। পুনঃপর্যালোচনা করার অনুরোধ করছি। [[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Dr. Mosaddek Khondoker|আলাপ]]) ১৪:১৯, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[নরউইচের জুলিয়ান]] পাতা ==
পাতাটি ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32|আলাপ]]) ১৪:৪৫, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন]] ==
নিবন্ধটি পুনর্লিখন করেছি। আশাকরি গ্রহণ করবেন। – [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৯:২২, ২ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
:এর সাথে [[আতঙ্ক]] পাতাটিও। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৯:৫৭, ২ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
::[[রবার্ট অ্যাটকিনস (বিচারক)]] পাতাটি সংশোধন করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১০:০০, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন]] ==
*অন্য ভাষার লিপি বিদ্যমান
*"মি. গ্ল্যাডস্টোন ছিলেন সবচেয়ে বড় আলোচনার পরিষদের সর্বশ্রেষ্ঠ সদস্য যা বিশ্ব আজ পর্যন্ত দেখেছে।" উক্তির সূত্র ঠিক করুন
*"আর্মেনিয়ার সেবা করা মানে সভ্যতার সেবা করা।" উক্তির সূত্র ঠিক করুন [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ০১:২৫, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
nyuq3vef0h0por8mn8w49fzmy00zmmn
ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin
3
4386
83321
83252
2026-05-03T10:04:42Z
Tuhin
172
/* নিখিল ভারত মুসলিম লীগ */ উত্তর
83321
wikitext
text/x-wiki
== উইকিউক্তিতে স্বাগত ==
<div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;">
সুপ্রিয় Arabi Abrar,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন!
* উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন।
** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন।
* উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন।
* পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন।
* পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন।
* [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন!
কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম!
— [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটির পক্ষে]],<br />≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:Md.Farhan Mahmud|<b style="background-color:green;color:white">ফারহান </b>]][[User talk:Md.Farhan Mahmud| «আলাপ»]]</b> ০৪:০০, ১৪ নভেম্বর ২০২২ (ইউটিসি)
</div>
== যশবন্ত সিং ==
সূত্রের শিরোনাম সরাসরি অনুবাদ হবেনা। প্রয়োজন মূল ভাষার শিরোনামকে বাংলা হরফে লেখা যেতে পারে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৫:১১, ১৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]], সূত্রের শিরোনাম ইংরেজিতে প্রতিস্থাপন করে দিয়েছি। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin#top|আলাপ]]) ১৫:২২, ১৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== মুম্বই ==
ফিনিশিং দেওয়া প্রয়োজন [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৭:২৪, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== আদালত ==
[[আদালত]] নিবন্ধে অনেক শব্দের ক্ষেত্রে অধিকতর উপযুক্ত বাংলা প্রতিশব্দ ব্যবহার করা প্রয়োজন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ২৩:৪৬, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== জমিদার ==
[[জমিদার]] অনুবাদ আরো প্রাঞ্জল করতে হবে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ২৩:০৩, ২৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== নিখিল ভারত মুসলিম লীগ ==
[[নিখিল ভারত মুসলিম লীগ]] পাতায় আরো সংশোধন প্রয়োজন [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ২৩:১১, ২৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]], এটি সম্প্রসারণ এবং সংশোধন করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin#top|আলাপ]]) ১০:০৪, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
== মানব গুপ্ত ==
[[মানব গুপ্ত]] নিয়ে আরো কাজ করতে হবে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ২৩:৪৫, ২৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== অ্যামব্রোজ বিয়ার্স ==
[[অ্যামব্রোজ বিয়ার্স]] পাতাটিতে এআইয়ের স্পষ্ট ছাপ দেখা যাচ্ছে। প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পড়ে আবার সংশোধন করে নিন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ২২:১৩, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== ডরোথি রে হিলি ==
[[ডরোথি রে হিলি]] পাতাটিতে সম্পাদনা প্রয়োজন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৮:৩২, ৩০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== আনজিয়া ইয়েজিয়ারস্কা ==
[[আনজিয়া ইয়েজিয়ারস্কা]] পাতায় সংশোধন প্রয়োজন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ২৩:৪৪, ৩০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== হেনরি হোম, লর্ড কেইমস ==
[[হেনরি হোম, লর্ড কেইমস]] পাতায় দেখা যাচ্ছে অকারণে শুধু অনুবাদের বদলে ইংরেজি শব্দের সাথে বা যুক্ত করে অর্থ দেখানো হয়েছে। আশাকরি এগুলো ঠিক করবেন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ২৩:৫১, ৩০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] [[হেনরি হোম, লর্ড কেইমস]] পাতাটি সংশোধন করেছি। এখন দেখুন।– [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin#top|আলাপ]]) ১৮:০৭, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ২১:৫৫, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
7a0m4tepkaqe7ex89eow5sdnl92wucx
83322
83321
2026-05-03T10:05:11Z
Tuhin
172
/* জমিদার */ উত্তর
83322
wikitext
text/x-wiki
== উইকিউক্তিতে স্বাগত ==
<div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;">
সুপ্রিয় Arabi Abrar,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন!
* উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন।
** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন।
* উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন।
* পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন।
* পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন।
* [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন!
কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম!
— [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটির পক্ষে]],<br />≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:Md.Farhan Mahmud|<b style="background-color:green;color:white">ফারহান </b>]][[User talk:Md.Farhan Mahmud| «আলাপ»]]</b> ০৪:০০, ১৪ নভেম্বর ২০২২ (ইউটিসি)
</div>
== যশবন্ত সিং ==
সূত্রের শিরোনাম সরাসরি অনুবাদ হবেনা। প্রয়োজন মূল ভাষার শিরোনামকে বাংলা হরফে লেখা যেতে পারে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৫:১১, ১৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]], সূত্রের শিরোনাম ইংরেজিতে প্রতিস্থাপন করে দিয়েছি। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin#top|আলাপ]]) ১৫:২২, ১৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== মুম্বই ==
ফিনিশিং দেওয়া প্রয়োজন [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৭:২৪, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== আদালত ==
[[আদালত]] নিবন্ধে অনেক শব্দের ক্ষেত্রে অধিকতর উপযুক্ত বাংলা প্রতিশব্দ ব্যবহার করা প্রয়োজন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ২৩:৪৬, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== জমিদার ==
[[জমিদার]] অনুবাদ আরো প্রাঞ্জল করতে হবে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ২৩:০৩, ২৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]], এটি সংশোধন করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin#top|আলাপ]]) ১০:০৫, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
== নিখিল ভারত মুসলিম লীগ ==
[[নিখিল ভারত মুসলিম লীগ]] পাতায় আরো সংশোধন প্রয়োজন [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ২৩:১১, ২৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]], এটি সম্প্রসারণ এবং সংশোধন করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin#top|আলাপ]]) ১০:০৪, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
== মানব গুপ্ত ==
[[মানব গুপ্ত]] নিয়ে আরো কাজ করতে হবে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ২৩:৪৫, ২৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== অ্যামব্রোজ বিয়ার্স ==
[[অ্যামব্রোজ বিয়ার্স]] পাতাটিতে এআইয়ের স্পষ্ট ছাপ দেখা যাচ্ছে। প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পড়ে আবার সংশোধন করে নিন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ২২:১৩, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== ডরোথি রে হিলি ==
[[ডরোথি রে হিলি]] পাতাটিতে সম্পাদনা প্রয়োজন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৮:৩২, ৩০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== আনজিয়া ইয়েজিয়ারস্কা ==
[[আনজিয়া ইয়েজিয়ারস্কা]] পাতায় সংশোধন প্রয়োজন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ২৩:৪৪, ৩০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== হেনরি হোম, লর্ড কেইমস ==
[[হেনরি হোম, লর্ড কেইমস]] পাতায় দেখা যাচ্ছে অকারণে শুধু অনুবাদের বদলে ইংরেজি শব্দের সাথে বা যুক্ত করে অর্থ দেখানো হয়েছে। আশাকরি এগুলো ঠিক করবেন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ২৩:৫১, ৩০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] [[হেনরি হোম, লর্ড কেইমস]] পাতাটি সংশোধন করেছি। এখন দেখুন।– [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin#top|আলাপ]]) ১৮:০৭, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ২১:৫৫, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
df2ny617wp2uvm5kdzeemb612373ion
ব্যবহারকারী আলাপ:ARI
3
4407
83289
83201
2026-05-02T20:01:13Z
Tuhin
172
/* পর্যালোচনা */ নতুন অনুচ্ছেদ
83289
wikitext
text/x-wiki
== উইকিউক্তিতে স্বাগত ==
<div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;">
সুপ্রিয় Arijit Kisku,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন!
* উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন।
** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন।
* উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন।
* পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন।
* পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন।
* [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন!
কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম!
— [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটির পক্ষে]],<br />≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:Md.Farhan Mahmud|<b style="background-color:green;color:white">ফারহান </b>]][[User talk:Md.Farhan Mahmud| «আলাপ»]]</b> ০৪:১১, ১৪ নভেম্বর ২০২২ (ইউটিসি)
</div>
"বিশ্ব হিন্দু পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শ্রী মিলিন্দ পরাণ্ডে আজ বলেন," এরকম একটি অপ্রয়োজনীয় অংশ আছে। এছাড়া কিছু কিছু উক্তি গুরুত্বপূর্ণ কিছু মনে হচ্ছে না। গ্রহণ করে নিচ্ছি। কিন্তু সংশোধনের অনুরোধ রইল।[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS|আলাপ]]) ১৩:৩৫, ৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ইংরেজি থেকে ডিরেক্ট অনুবাদ। অনুবাদের ক্ষেত্রে কি যাচাই-বাছাই করতে হবে? [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ১৫:৫০, ৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] হ্যাঁ, ইংরেজিতে থাকা সবকিছুই তো ১০০% সঠিক না। আমরা যদি সঠিকটা বুঝতে পারি, তাহলে সেটাই করা উচিত। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS|আলাপ]]) ০৭:০৭, ৮ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
==[[চরক]]==
নিবন্ধটিতে সম্পাদনা প্রয়োজন। সব ঠিক করে আমাকে মেনশন করে জানান।[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১২:০৬, ১১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] আমার যে জিনিসগুলো চোখে পড়েছে, সেগুলি আমি সম্পাদনা করেছি। অন্য নির্দিষ্ট কিছু সম্পাদনা করার প্রয়োজন হলে অনুগ্রহ করে উল্লেখ করুন। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ২২:৫৬, ১১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
== [[ভারতে বর্ণপ্রথা]] ==
কিছুটা যান্ত্রিকতা আছে। উক্তির কাঠামো ঠিক রেখে যান্ত্রিকতা সংশোধন করে জানান, আমি গ্রহণ করে নিব। আর হ্যাঁ, "এলস্ট, কনরাড" ব্যক্তির যেসব উক্তি আছে, সেগুলোকে [[কোনরাড এলস্ট]] পাতার সঙ্গে লিংক করুন।≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৯:৪১, ২০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] যেগুলি আমি খেয়াল করেছি সেগুলি সংশোধন করেছি। অন্যান্য যে কোনও সম্পাদনার প্রয়োজন থাকলে অনুগ্রহ করে উল্লেখ করুন। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ০৩:১৮, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ধন্যবাদ। গৃহীত হয়েছে। ব্যক্তির নাম প্রচলিত বাংলা ফরম্যাটে লেখার চেষ্টা করবেন। কোনরাড এলস্টের মতোই। আরেকটা উদাহরণ দেখলাম, [[মালহোত্রা, আর.]]। এভাবে লিংক করলে তো সঠিক লক্ষ্যে পৌঁছানো যাবে না; [[রাজিব মালহোত্রা]] এভাবে লিখবেন। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১০:২২, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:::আচ্ছা, পরবর্তীতে খেয়াল রাখবো। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ১১:০৪, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
== উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন ==
সুপ্রিয় {{BASEPAGENAME}}, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/ফলাফল|শীর্ষ ১০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSeDWCveBqp7ID0VVW0ipXM-WXeCqE7u-xHQCU_d7FRYo-9vAA/viewform?usp=dialog এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। - ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৮:৩১, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
<!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:MS_Sakib/%E0%A6%97%E0%A6%A3_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE&oldid=67623-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন -->
:দুঃখিত, ভুল ফর্মের লিংক দেওয়া হয়েছিল। এখন ঠিক করা হয়েছে। পুনরায় পুরণ করার অনুরোধ করছি। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৯:০২, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== [[নির্বাচন]] ==
পাতাটি অসম্পূর্ণ। অনুগ্রহ করে সম্পূর্ণ করুন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৯:৫৯, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৬:২৯, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ধন্যবাদ। পর্যালোচনা করা হবে। যেহেতু পাতা খুব বড় তাই কয়েকদিন সময় লাগতে পারে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৮:৪৭, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পাতা ঠিক করেছি ==
আলেকজান্ডার ফ্লেমিং নামক পাতাটা ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32|আলাপ]]) ১১:৫১, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২৩:২০, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পুনঃপর্যালোচনা ==
[[আবি আহমেদ]] এবং [[পিটার আগ্রি]] পাতা দুটি সংশোধন করা হয়েছে। পুনরায় পর্যালোচনার অনুরোধ। [[ব্যবহারকারী:Borhan|Borhan]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Borhan|আলাপ]]) ০৪:৪৪, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Borhan|Borhan]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২২:২৩, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পুনঃপর্যালোচনা ==
@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] [[আহমেদ জেওয়াইল]] পুনরায় দেখার অনুরোধ রইল।[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০২:২৭, ৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০২:২৯, ৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== যান্ত্রিক অনুবাদ প্রসঙ্গে ==
আমি ডেভিড হিউম নামক উক্তির পাতাটি তৈরী করেছিলাম। কিছু জায়গায় যান্ত্রিকতার কথা বলা হয়েছে।যদি নির্দিষ্ট জায়গাগুলো চিহ্নিত করে দেন, তবে সে ক্ষেত্রে উক্তির পাতাটি সংশোধন করা সহজ হবে।<br>
ধন্যবাদ।<br>[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০০:৪৫, ৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] প্রথমত, লেখার ফর্ম্যাটিংয়ে ভুল, আপনি '''বোল্ড''', ''ইটালিক'' ঠিকঠাক অনুসরণ করেননি; দ্বিতীয়ত সুত্রগুলো আসল ইংরেজির মতো করে বাংলাতে বসানোর চেষ্টা করুন; তৃতীয়ত বিভিন্ন জায়গায় বাক্যগুলো পড়তে অস্বাভাবিক লাগছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০১:৫০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::পয়েন্টগুলো ধরিয়ে দেওয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। '''তবে ২য় পয়েন্টটি বুঝতে কিছুটা সমস্যা হয়েছে - '''আপনি কি সূত্রগুলোর ক্ষেত্রে ইংরেজি হরফ ও সংখ্যাগুলো (যেমন- Book 1, Section 3, Page 45) বাংলায় (১ম খণ্ড, ৩য় অনুচ্ছেদ, পৃষ্ঠা ৪৫) রূপান্তর করতে বলছেন? নাকি বইয়ের নামের বাংলা অনুবাদের কথা বুঝিয়েছেন?<br>বিষয়টি নিশ্চিত করলে আমার জন্য পাতাটি নিখুঁতভাবে সংশোধন করা সহজ হবে।
::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০৬:৩৫, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] <code><span style="color:red;"><nowiki>** [[Amos Bronson Alcott|Amos Alcott]], ''[https://books.google.it/books?id=fzRaAAAAMAAJ Journals]'', Port Washington, NY: Kennikat Press, 1938, Volume 1, p. 115.</nowiki></code> → <code><span style="color:green;"><nowiki>** আমোস অলকট, ''[https://books.google.it/books?id=fzRaAAAAMAAJ জার্নালস]'', পোর্ট ওয়াশিংটন, এনওয়াই: কেনিকাট প্রেস, ১৯৩৮, খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ১১৫।</nowiki></code> <p> আমার মনে হয় আপনার লাইন অনেক বাদ আছে, ইংরেজির থেকে বাংলাতে অনেক লাইন কমে গেছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৯:২০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::এক দুটি লিঙ্ক বাদ পড়তে পারে তবে একটি উক্তিও বাদ পড়েনি। কয়েকবার রিভিশন দিয়েছি। লিঙ্কগুলো চেক করে জানাব।
::::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১০:৩৫, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::ইংলিশ পাতার সাথে মিলাতে গেলেই দেখা যায় বাংলা পাতায় অনেক অপ্রয়োজনীয় '''বোল্ড''' ''ইটালিক ''দেখা যাওয়ার কারনে দেখতে বেখাপ্পা লাগছে। আবার দেখেছি এটি নিয়মেও রয়েছে যে অপ্রয়োজনীয় বোল্ড ইটালিক করা যাবেনা। সেজন্যই লেখার ফর্ম্যাটিংয়ে কিছু জায়গায় ইচ্ছে করেই '''বোল্ড''' ''ইটালিক'' বাদ দিয়েছি (শুধু সুত্রগুলো ছাড়া)। আশা করি এটি মার্জনা করে নিবেন।
::'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৩:০৭, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)'''
:::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] পাতার অনুচ্ছেদগুলো আবার ইংরেজির সাথে মিলিয়ে দেখুন, অসঙ্গতি আছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৪:৪০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::ইংলিশ পাতার সঙ্গে মিলিয়ে পুনরায় কিছু উক্তি ও সুত্র সংশোধন করেছি। কিছু সুত্রে থাকা অতিরিক্ত তথ্য ইংলিশ উইকিলিঙ্ক থেকে মিলিয়ে দেওয়া হয়েছে, যেহেতু ইংলিশ উইকিলিঙ্ক দেওয়া নিষেধ। গত সাত দিনের ধারাবাহিক একটানা সম্পাদনার পর আশা করছি পাতাটি যথার্থ সংশোধিত হয়েছে। গ্রহণ করার বিনীত অনুরোধ রইলো।
::::ধন্যবাদ।
::::'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৫:১৯, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)'''
:::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] আর একটি সংশোধন প্রয়োজন, সম্পূর্ণ নিবন্ধে অতিরিক্ত — (em dash) ব্যবহার করেছেন, যেগুলো খুবই দৃষ্টিকটূ এবং যান্ত্রিক অনুবাদের লক্ষণ। এগুলো সংশোধন করে জানান, গ্রহণ করে নেব। ধন্যবাদ! [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২৩:৩৭, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::::অবশ্যই। সংশোধন করে জানাচ্ছি। [[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ২৩:৪৩, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]]
::::::অপ্রাসঙ্গিক এম-ড্যাশ (—) অপসারণ করে সংশোধিত করা হয়েছে ~!
::::::'''''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০০:২৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)'''''
:::::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০১:২৪, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]]
::::::::আমার তৈরী করা [[ফজলে রাব্বী]] পাতাটি একটু পর্যালোচনা করে দেখবেন। @[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ভাই বলেছিলেন অল্প সংশোধনের পর [[ফজলে রাব্বী]] নিবন্ধটি গ্রহন করে নিবেন। কিন্তু তিনি বোধহয় গত ৩দিন অফলাইনে থাকায় তা পর্যালোচিত হয়নি।
::::::::'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১২:৩৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)';'
:::::::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ধৈর্য ধরুন। পর্যালোচকরা মানুষ। তাদের ব্যক্তিগত জীবন আছে। আবার টেকনিক্যাল ত্রুটির কারণে অনেক সময় নোটিফিকেশন ঠিকমতো আসেনা। আপনি যেদিন সংশোধন করে জানিয়েছেন সেদিন আমাকে মেনশন না করায় নোটিফিকেশন পাইনি। পরের দিন মেনশন করায় নোটিফিকেশন পাওয়ার পর আজ পর্যালোচনা করবো বলে ঠিক করেছি। প্রতিযোগিতায় সব পাতাই পর্যালোচনা হবে, তাই তাড়াহুড়ার কিছু নেই। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৪:০৪, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::::::::অবশ্যই।
::::::::::গ্রহণ করে নেওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
::::::::::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৭:৪৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== যান্ত্রিক অনুবাদ সংশোধন ==
@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] আমি আপনার নির্দেশনা অনুযায়ী [[জন চার্লস পোলানি]],[[লেয়োঁ ফুকো]] এবং [[এ. সি. বেনসন]] নিবন্ধগুলো সংশোধন করেছি। এখন আর যান্ত্রিকতা নেই। তাই পুনঃপর্যালোচনা করে গ্রহণ করার অনুরোধ করছি। ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৩:২৫, ১২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[আন্তর্জাতিক আইন]] ==
নিবন্ধটি ভুলবসত বেখেয়ালে অসম্পূর্ণ ছিল, পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ রইল। [[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tanbiruzzaman|আলাপ]]) ০৬:২৪, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১১:১৯, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] [[পরকাল সম্পর্কে কুরআন]] নিবন্ধে অতিরিক্ত এম ড্যাশ খুব দৃষ্টিকটূ লাগছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৫:৩৯, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::সংশোধন করেছি। [[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tanbiruzzaman|আলাপ]]) ১৬:২৮, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৬:৫৭, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পুনঃ পর্যালোচনা ==
@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]], [[শাহ বানু মামলা]] পাতার সর্বশেষ সূত্র ঠিক করা হয়েছে। [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] আর [[বিহার]] দুই পাতার সূত্রে সমস্যা কোথায় আমি বুঝতে পারছি না। অনুগ্রহ করে বুঝিয়ে বললে ভালো হয়। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ০৯:৫৪, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] নিবন্ধের একটি তথ্যসূত্রও কাজ করছেনা। খুব সম্ভবত এটাই জেনারেটেড<br>[[বিহার]] নিবন্ধের সূত্রে লিংক যোগ করুন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৩:৩৯, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] আর [[বিহার]] দুটি পাতায়ই তথ্যসূত্র ঠিক করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৭:০৭, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::এবং [[স্মৃতি ইরানি]] পাতায়ও। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৭:০৮, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ৩টি নিবন্ধই {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২২:৩৫, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== দ্রৌপদী ==
[[দ্রৌপদী]] নিবন্ধের লেখাগুলো লিংক করা হয়নি। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৫:৪০, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] বেশিরভাগ লিংক-ই উইকিপিডিয়া লিংক। যেগুলো উইকিউক্তি লিংক সেগুলো সব যোগ করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২২:৩০, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পুনঃ পর্যালোচনা ==
[[জন টিন্ডাল]] পাতাটি সংশোধন করেছি। অনুগ্রহ করে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন।
ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ১৫:০৮, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৩:২১, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== উইলিয়াম শকলি পুনঃপর্যালোচনা ==
@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] আমি [[উইলিয়াম শকলি]] নিবন্ধটিকে সংশোধন করেছি এবং পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ করছি। ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৪:২২, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] আমি দেখলাম আপনি নতুন কিছু পাতা পর্যালোচনা করেছেন। এই নিবন্ধটি অনুগ্রহ করে পুনঃপর্যালোচনা করুন। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৭:১৭, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::{{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৮:০৪, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:২৪, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== সীতা রাম গোয়েল ==
পাতা অসম্পূর্ণ [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৮:৪১, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[কেমব্রিজ গান]] ==
এই নিবন্ধটি গ্রহণযোগ্য নয় কেন তা জানালে ভালো হয়। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৫:৪৭, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] প্রতিযোগিতার নির্দেশনা অনুসারে <code><b>নাটক, চলচ্চিত্র, গান, বই, গল্প, কবিতা, উপন্যাস</b></code> গ্রহণযোগ্য নয়। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৮:০০, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::ঠিক আছে — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:২৫, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[মুহাম্মদ মাহদি আল-জাওয়াহিরি]] ==
@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] সূত্রের লিংক যুক্ত করেছি। এবার অনুগ্রহ করে এটিকে গ্রহণ করে নিন। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৭:১৬, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:{{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৮:০২, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:২৪, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] ==
@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]], ইতিমধ্যে [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] পাতাটি বেশ কয়েকবার ম্যানুয়ালি পলিশিং করা হয়েছে। যেখানে আমার কাছে এখনো যান্ত্রিক অনুবাদ পরিলক্ষিত হয়নি।<br>'''তবে 'যান্ত্রিক অনুবাদ/ক্রটি' ঠিক কোথায়, একটু দেখিয়ে দিবেন আশা করছি'''।<br>ধন্যবাদ<br>'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০৩:২৪, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)'''
== [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] পাতাটি ==
@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]], ইতিমধ্যে [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] পাতাটি বেশ কয়েকবার ম্যানুয়ালি পলিশিং করা হয়েছে। যেখানে আমার কাছে এখনো যান্ত্রিক অনুবাদ পরিলক্ষিত হয়নি।<br>'''তবে 'যান্ত্রিক অনুবাদ/ক্রটি' ঠিক কোথায়, একটু দেখিয়ে দিবেন আশা করছি'''।<br>ধন্যবাদ<br>'''''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১০:০১, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)'''''
:@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] প্রথমত বার বার মেনশন করবেন না, একবার মেনশন হবে, অধৈর্য হবেন না, আমি ঠিক দেখব।<br><br> সম্পূর্ণ পাতা না দেখেও বলা যায় এটি অপরিশোধিত যান্ত্রিক অনুবাদ।
:*<code>'''গণহত্যা '''(যার মধ্যে '''হলোকাস্ট '''অন্তর্ভুক্ত),</code> লাইনে দুটি শব্দেই উইকিপিডিয়া লিংক করেছেন/করা আছে। বাংলা উইকিপিডিয়ায় ''হলোকাস্ট '' কোনোও শব্দ নেই, আর এখানে যে ''গণহত্যা'' শব্দে উইকিপিডিয়া লিংক করেছেন তার অর্থ ভিন্ন।
:* <code>More and more we felt that only a resolution of the European situation could save Spain, if Spain was to be saved</code> → <code>আমরা আমাদের অস্তিত্বের প্রতিটি স্পন্দনে... মর্মে মর্মে উপলব্ধি করছিলাম</code> এতটা নাটকীয় অনুবাদ?
:* <code>they had given thousands of their best sons</code> → <code>হাজার হাজার শ্রেষ্ঠ সন্তানকে মুক্তির লড়াইয়ে যুদ্ধের অগ্নিকুণ্ডে উৎসর্গ করেছিল"।</code> মূল লেখায় '''মুক্তির লড়াই''' বা '''অগ্নিকুণ্ডে উৎসর্গ''' এরকম কোনো কথা নেই।
:* সূত্রগুলো তে লিংক নেই, সূত্রের শুরুতেই অপ্রয়োজনীয় — (em dash) চিহ্ন।
:* বিভিন্ন জায়গায় টেক্সট ফর্ম্যাটিংয়ের সমস্যা, যেখানে বোল্ড/ইটালিক প্রয়োজন সেখানে বোল্ড/ইটালিক নেই, যেখানে প্রয়োজন নয়, সেখানে আছে।
:এগুলো দেখলেই বোঝা যায়। আমি শুধুমাত্র প্রথমের কিছু উক্তির ভুলগুলো তুলে ধরলাম। আপনার সম্পূর্ণ পাতাতেই এই ভুলগুলো রয়েছে।
:এই সমস্যাগুলো ঠিক করে জানান, বিশেষ করে শব্দসংখ্যা বাড়ানোর জন্য অতিরঞ্জন করবেন না। খেয়াল রাখবেন [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পর্যালোচনা নীতিমালা|পর্যালোচনা নীতিমালা]] অনুসারে '''প্রতিটি নিবন্ধ সর্বোচ্চ দুই (২) বার পর্যালোচনা করা যাবে।''' [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১১:২৩, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]], প্রথমত বারবার মেনশন করলাম না। তবে অতিরিক্ত দেরি না করার পরামর্শ দিচ্ছি।
::দ্বিতীয়ত, কিছু জায়গায় ভাবানুবাদ না করলে একদমই '''আক্ষরিক''' হয়ে যায় যা পরিহারযোগ্য। তবুও, উপরোক্ত উদাহরণের মতো অতিরিক্ত ভাবানুবাদ অপসারণের চেষ্টা করা হবে। এবং সূত্র থেকে লিঙ্ক তেমন বাদ না পড়লেও লিঙ্কগুলো খুঁজে দেখা হবে। এছাড়া '''বোল্ড''', ''ইটালিক'' পরিমার্জন করা হবে, '''কিন্তু''' ভিন্ন ভাষা এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রয়োজনমতো ইটালিক রাখা হবে যেগুলো ইংরেজি নিবন্ধে বাদ পড়েছিল। পূর্ণ নিশ্চিত হওয়ার জন্য এ ব্যাপারে মন্তব্য রাখবেন। ~'''আল-মাহমুদ'''
::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৪:৪৬, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] এও মন্তব্যটাও পড়ে মনে হচ্ছে এআই জেনারেটেড।
:::যাই হোক, ভাবানুবাদ আর অতিরঞ্জন দুটো আলাদা জিনিস। আরও একটি কথা, যখন একই প্যাটর্নে কিছু জিনিস পাল্টাতে থাকে তখন সেটা স্পষ্ট যান্ত্রিক অনুবাদ।
:::"বিষয়ে প্রয়োজনমতো ইটালিক রাখা হবে যেগুলো ইংরেজি নিবন্ধে বাদ পড়েছিল"- এই কথার অর্থ কি ? [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৫:০২, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]], খুবই অনুমানযোগ্য উত্তর। এআই জেনেরাটেড উত্তর আপনাকে কেন দিতে যাব? নিজের Key-Board চেপে দিচ্ছি। ভাষা একটু গোছানো হলেই তাকে 'এ-আই জেনেরেটেড' ভাববেন না। যেহেতু আমিই সম্পাদনাটি করছি তাই অতিরিক্ত সন্দিহান হবেন না।। উইকিপিডিয়াতে আমি একদম নবাগত ('''৪৩ দিন''', উইকিউক্তিতে '''২৫ দিন''') হলেও আমার দীর্ঘদিন সাহিত্যিক-কাব্যিক ঘরানার লেখালেখি করার অভ্যাস রয়েছে।
::::যাইহোক সেসব বাদ (''ব্যক্তিগত হিসেবে নেওয়ার দরকার নেই। \ আলোচনায় কেউ এসব বললে সেটা পছন্দ করিনা''), এটা আগেই বলা হয়েছে যে অতিরিক্ত ভাবানুবাদ অপসারণ করা হবে।
::::
::::"বুঝাতে চেয়েছি যে ''''ভিন্ন ভাষা এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রয়োজনমতো ইটালিক রাখা হবে''''। যেমনঃ এক জায়গায় ''ফরাসি অথবা জার্মান ভাষা রয়েছে, সেক্ষেত্রে ওই ভাষাটিকে উপস্থাপনের ক্ষেত্রে বোল্ড করা হবে। এই বিষয়েই মন্তব্য করবেন।"
::::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৫:৪৫, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] দীর্ঘদিনের পর্যালোচনা অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি, ৭ লাইনের ইংরেজি থেকে বাংলা ভাবানুবাদ করলেও তা কখনোই ১৮ লাইন হতে পারে না।
:::::[[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পর্যালোচনা নীতিমালা|প্রতিযোগিতার নিয়মে]] স্পষ্ট উল্লেখ আছে '''অনুবাদের ক্ষেত্রে যদি এআই-জনিত সাধারণ ভুল (যেমন ইংরেজি উইকিলিংক, -এর/-এ/-তে ত্রুটি, অপ্রয়োজনীয় বোল্ড, অপ্রয়োজনীয় বুলেট পয়েন্ট, বাংলার পাশে বারবার ব্র্যাকেটে ইংরেজি টার্ম, তথ্যসূত্র অনুপস্থিত ইত্যাদি) পাওয়া যায়, সেক্ষেত্রেও সরাসরি বাতিল করা হবে।'''
:::::আপনার যদি আমার পর্যালোচনা নিয়ে অন্য কোনও রকম আপত্তি থেকে থাকে তা আপনি প্রতিযোগিতার আলাপ পাতায় তুলে ধরতে পারেন। আর যদি না তা না থাকে তাহলে উল্লিখিত বিয়ষয়গুলো সংশোধন করে আমাকে এখানে মেনশন করুন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৬:১৩, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== উইলিয়াম শার্প: পুনঃপর্যালোচনা ==
[[উইলিয়াম শার্প]] নিবন্ধটিকে সংশোধন করেছি এবং পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ করছি। ~ [[ব্যবহারকারী:Md. Muqtadir Fuad|Md. Muqtadir Fuad]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md. Muqtadir Fuad|আলাপ]]) ১৫:৪০, ২৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Md. Muqtadir Fuad|Md. Muqtadir Fuad]] {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১১:২৯, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[বমি]] নিবন্ধ পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ ==
@[[ব্যবহারকারী:ARI|Arijit Kisku]] আমি [[বমি]] নিবন্ধটি সংশোধন করে [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|মেহেদী আবেদীন]]কে জানিয়েছিলাম। সে গ্রহণ করে নিলেও আপনি দেখলাম গ্রহণ করেননি। তাই ফাউন্টেইন টুলফোর্জে না দেখাচ্ছে 0 না দেখাচ্ছে 1। তাই অনুগ্রহ করে নিবন্ধটি গ্রহণ করে নেওয়ার অনুরোধ রইল। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">আনাফ</span> <span style="color:#388E3C">ইবনে</span> <span style="color:#66BB6A">সাহেবুল</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১০:৫৪, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১১:২৯, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:ARI|Arijit Kisku]] ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">আনাফ</span> <span style="color:#388E3C">ইবনে</span> <span style="color:#66BB6A">সাহেবুল</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১১:০২, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ==
@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]],আদাব<br>[[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] পাতাটি সংশোধন করেছি।<br>(পাতা থেকে যথাসাধ্য অতিরঞ্জিত ভাবানুবাদ ছেটে, সূত্র-ও যুক্ত করেছি। তবে দীর্ঘ পাতা হওয়া, কিছু ভ্রান্তি থেকে যেতে পারে, তাই কোনো প্র য়োজন হলে অনুগ্রহপূর্বক মেন্শন করবেন)
ধন্যবাদ,,
[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ২৩:৩৩, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] গতকাল ইতিমধ্যেই একবার মেনশন করেছেন, বারবার মেনশন করবেন না। পর্যালোচকদেরও বাস্তব জীবনে ব্যস্ততা থাকতে পারে। আমি দেখে পর জানাব। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২৩:৩৭, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ভাবলাম বোধহয় টেকনিক্যাল সমস্যা হয়েছে। তাই দ্বিতীয়বার করেছি। আপনার ব্যক্তিগত ইমেইল এড্রেস হলে এক্ষেত্রে ভালো হত। [[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ২৩:৩৯, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] অপাতত গ্রহণ করেছি। ইটালিক/বোল্ড ঠিক করেননি। আর এখনও অতিরঞ্জনে পরিপূর্ণ। আমি আপনাকে এখানে আবার মেনশন করে কি ঠিক করতে হবে বলে দেব। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৪:১০, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ততক্ষণে আপনি ইংরেজির সাথে ইটালিক/বোল্ড সামঞ্জস্য করুন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৪:১১, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ধন্যবাদ দা। আমি উক্তির মাঝে বোল্ড/ইটালিক সামঞ্জস্য করেছি, তবু চেক করছি। তবে আপনি কি উক্তিকারীর নামের মধ্যে দেওয়া এক্স্ট্রা বোল্ড+ইটালিক বাদ দেওয়ার কথা বলছেন?> যেমনঃ '''''মুসা গালিব''''' থেকে মুসা গালিব? যদিও এটার জন্য এর আগে কখনো নিবন্ধ ক্যান্সাল হয়নি।।[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৪:৩৭, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ইংরেজিতে যেগুলো বোল্ড/ইটালিক আছে সেগুলো অন্তত বাংলায় করুন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০০:৩১, ২৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[অ্যানোনিমাস]] ==
সংশোধন করেছি, পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ। [[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tanbiruzzaman|আলাপ]]) ০৪:৪৯, ২৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৮:৪১, ২৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== স্বাধীনতা দিবস (ভারত) ==
[[স্বাধীনতা দিবস (ভারত)]] পাতাটির ২টি উক্তি অপ্রাসঙ্গিক। প্রাসঙ্গিক উক্তি ব্যবহার করতে হবে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ০১:৩৫, ৩০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] সংশোধন করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০২:২৪, ৩০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ০২:৩১, ৩০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== অনিল ভৌমিক ==
আপনি [[অনিল ভৌমিক]] এ লিখেছেন "যান্ত্রিক; উৎস ঠিক করুন"। কিন্তু উক্তি গুলোর একটাও অনুবাদ নয়, তাই যান্ত্রিকতার বিষয়টা বুঝলাম না।
উৎস হিসেবে যে ওয়েবপেজে উক্তি রয়েছে তার লিংক যোগ করাই আছে, আর কী যোগ করব? [[ব্যবহারকারী আলাপ:Nil Nandy|নীল নন্দী]] ১৬:০৫, ৩০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Nil Nandy|Nil Nandy]] অনুবাদের জন্য "যান্ত্রিক" শব্দটা ব্যবহার করিনি। আপনি যে সুত্র যোগ করেছেন তা খুললে "Not found, error 404" দেখাচ্ছে।
:এআই সাধারণত এমন ভুল করে, যেমন random ইউআরএল যোগ করে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০২:০৯, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
::শায়িত দেবতাদের মন্দির পাতাটার লিংক বদলে দিয়েছি। পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ করছি। [[ব্যবহারকারী আলাপ:Nil Nandy|নীল নন্দী]] ০২:৫৫, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
::{{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৩:০২, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
== পর্যালোচনা ==
[[আসাদউদ্দিন ওয়াইসি]] এবং [[শাহ বানু মামলা]] পাতার সূত্র সংশোধন করা হয়েছে। [[বৃন্দাবন]] পাতায় কী সমস্যা আছে বুঝতে পারছি না। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ২০:০১, ২ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
jkbmc0huyi6cvl7iys9t98bdf65n508
83293
83289
2026-05-02T20:11:36Z
Tuhin
172
/* পর্যালোচনা */ উত্তর
83293
wikitext
text/x-wiki
== উইকিউক্তিতে স্বাগত ==
<div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;">
সুপ্রিয় Arijit Kisku,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন!
* উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন।
** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন।
* উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন।
* পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন।
* পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন।
* [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন!
কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম!
— [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটির পক্ষে]],<br />≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:Md.Farhan Mahmud|<b style="background-color:green;color:white">ফারহান </b>]][[User talk:Md.Farhan Mahmud| «আলাপ»]]</b> ০৪:১১, ১৪ নভেম্বর ২০২২ (ইউটিসি)
</div>
"বিশ্ব হিন্দু পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শ্রী মিলিন্দ পরাণ্ডে আজ বলেন," এরকম একটি অপ্রয়োজনীয় অংশ আছে। এছাড়া কিছু কিছু উক্তি গুরুত্বপূর্ণ কিছু মনে হচ্ছে না। গ্রহণ করে নিচ্ছি। কিন্তু সংশোধনের অনুরোধ রইল।[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS|আলাপ]]) ১৩:৩৫, ৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ইংরেজি থেকে ডিরেক্ট অনুবাদ। অনুবাদের ক্ষেত্রে কি যাচাই-বাছাই করতে হবে? [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ১৫:৫০, ৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] হ্যাঁ, ইংরেজিতে থাকা সবকিছুই তো ১০০% সঠিক না। আমরা যদি সঠিকটা বুঝতে পারি, তাহলে সেটাই করা উচিত। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS|আলাপ]]) ০৭:০৭, ৮ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
==[[চরক]]==
নিবন্ধটিতে সম্পাদনা প্রয়োজন। সব ঠিক করে আমাকে মেনশন করে জানান।[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১২:০৬, ১১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] আমার যে জিনিসগুলো চোখে পড়েছে, সেগুলি আমি সম্পাদনা করেছি। অন্য নির্দিষ্ট কিছু সম্পাদনা করার প্রয়োজন হলে অনুগ্রহ করে উল্লেখ করুন। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ২২:৫৬, ১১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
== [[ভারতে বর্ণপ্রথা]] ==
কিছুটা যান্ত্রিকতা আছে। উক্তির কাঠামো ঠিক রেখে যান্ত্রিকতা সংশোধন করে জানান, আমি গ্রহণ করে নিব। আর হ্যাঁ, "এলস্ট, কনরাড" ব্যক্তির যেসব উক্তি আছে, সেগুলোকে [[কোনরাড এলস্ট]] পাতার সঙ্গে লিংক করুন।≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৯:৪১, ২০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] যেগুলি আমি খেয়াল করেছি সেগুলি সংশোধন করেছি। অন্যান্য যে কোনও সম্পাদনার প্রয়োজন থাকলে অনুগ্রহ করে উল্লেখ করুন। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ০৩:১৮, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ধন্যবাদ। গৃহীত হয়েছে। ব্যক্তির নাম প্রচলিত বাংলা ফরম্যাটে লেখার চেষ্টা করবেন। কোনরাড এলস্টের মতোই। আরেকটা উদাহরণ দেখলাম, [[মালহোত্রা, আর.]]। এভাবে লিংক করলে তো সঠিক লক্ষ্যে পৌঁছানো যাবে না; [[রাজিব মালহোত্রা]] এভাবে লিখবেন। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১০:২২, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:::আচ্ছা, পরবর্তীতে খেয়াল রাখবো। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ১১:০৪, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
== উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন ==
সুপ্রিয় {{BASEPAGENAME}}, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/ফলাফল|শীর্ষ ১০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSeDWCveBqp7ID0VVW0ipXM-WXeCqE7u-xHQCU_d7FRYo-9vAA/viewform?usp=dialog এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। - ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৮:৩১, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
<!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:MS_Sakib/%E0%A6%97%E0%A6%A3_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE&oldid=67623-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন -->
:দুঃখিত, ভুল ফর্মের লিংক দেওয়া হয়েছিল। এখন ঠিক করা হয়েছে। পুনরায় পুরণ করার অনুরোধ করছি। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৯:০২, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== [[নির্বাচন]] ==
পাতাটি অসম্পূর্ণ। অনুগ্রহ করে সম্পূর্ণ করুন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৯:৫৯, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৬:২৯, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ধন্যবাদ। পর্যালোচনা করা হবে। যেহেতু পাতা খুব বড় তাই কয়েকদিন সময় লাগতে পারে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৮:৪৭, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পাতা ঠিক করেছি ==
আলেকজান্ডার ফ্লেমিং নামক পাতাটা ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32|আলাপ]]) ১১:৫১, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২৩:২০, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পুনঃপর্যালোচনা ==
[[আবি আহমেদ]] এবং [[পিটার আগ্রি]] পাতা দুটি সংশোধন করা হয়েছে। পুনরায় পর্যালোচনার অনুরোধ। [[ব্যবহারকারী:Borhan|Borhan]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Borhan|আলাপ]]) ০৪:৪৪, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Borhan|Borhan]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২২:২৩, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পুনঃপর্যালোচনা ==
@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] [[আহমেদ জেওয়াইল]] পুনরায় দেখার অনুরোধ রইল।[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০২:২৭, ৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০২:২৯, ৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== যান্ত্রিক অনুবাদ প্রসঙ্গে ==
আমি ডেভিড হিউম নামক উক্তির পাতাটি তৈরী করেছিলাম। কিছু জায়গায় যান্ত্রিকতার কথা বলা হয়েছে।যদি নির্দিষ্ট জায়গাগুলো চিহ্নিত করে দেন, তবে সে ক্ষেত্রে উক্তির পাতাটি সংশোধন করা সহজ হবে।<br>
ধন্যবাদ।<br>[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০০:৪৫, ৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] প্রথমত, লেখার ফর্ম্যাটিংয়ে ভুল, আপনি '''বোল্ড''', ''ইটালিক'' ঠিকঠাক অনুসরণ করেননি; দ্বিতীয়ত সুত্রগুলো আসল ইংরেজির মতো করে বাংলাতে বসানোর চেষ্টা করুন; তৃতীয়ত বিভিন্ন জায়গায় বাক্যগুলো পড়তে অস্বাভাবিক লাগছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০১:৫০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::পয়েন্টগুলো ধরিয়ে দেওয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। '''তবে ২য় পয়েন্টটি বুঝতে কিছুটা সমস্যা হয়েছে - '''আপনি কি সূত্রগুলোর ক্ষেত্রে ইংরেজি হরফ ও সংখ্যাগুলো (যেমন- Book 1, Section 3, Page 45) বাংলায় (১ম খণ্ড, ৩য় অনুচ্ছেদ, পৃষ্ঠা ৪৫) রূপান্তর করতে বলছেন? নাকি বইয়ের নামের বাংলা অনুবাদের কথা বুঝিয়েছেন?<br>বিষয়টি নিশ্চিত করলে আমার জন্য পাতাটি নিখুঁতভাবে সংশোধন করা সহজ হবে।
::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০৬:৩৫, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] <code><span style="color:red;"><nowiki>** [[Amos Bronson Alcott|Amos Alcott]], ''[https://books.google.it/books?id=fzRaAAAAMAAJ Journals]'', Port Washington, NY: Kennikat Press, 1938, Volume 1, p. 115.</nowiki></code> → <code><span style="color:green;"><nowiki>** আমোস অলকট, ''[https://books.google.it/books?id=fzRaAAAAMAAJ জার্নালস]'', পোর্ট ওয়াশিংটন, এনওয়াই: কেনিকাট প্রেস, ১৯৩৮, খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ১১৫।</nowiki></code> <p> আমার মনে হয় আপনার লাইন অনেক বাদ আছে, ইংরেজির থেকে বাংলাতে অনেক লাইন কমে গেছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৯:২০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::এক দুটি লিঙ্ক বাদ পড়তে পারে তবে একটি উক্তিও বাদ পড়েনি। কয়েকবার রিভিশন দিয়েছি। লিঙ্কগুলো চেক করে জানাব।
::::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১০:৩৫, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::ইংলিশ পাতার সাথে মিলাতে গেলেই দেখা যায় বাংলা পাতায় অনেক অপ্রয়োজনীয় '''বোল্ড''' ''ইটালিক ''দেখা যাওয়ার কারনে দেখতে বেখাপ্পা লাগছে। আবার দেখেছি এটি নিয়মেও রয়েছে যে অপ্রয়োজনীয় বোল্ড ইটালিক করা যাবেনা। সেজন্যই লেখার ফর্ম্যাটিংয়ে কিছু জায়গায় ইচ্ছে করেই '''বোল্ড''' ''ইটালিক'' বাদ দিয়েছি (শুধু সুত্রগুলো ছাড়া)। আশা করি এটি মার্জনা করে নিবেন।
::'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৩:০৭, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)'''
:::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] পাতার অনুচ্ছেদগুলো আবার ইংরেজির সাথে মিলিয়ে দেখুন, অসঙ্গতি আছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৪:৪০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::ইংলিশ পাতার সঙ্গে মিলিয়ে পুনরায় কিছু উক্তি ও সুত্র সংশোধন করেছি। কিছু সুত্রে থাকা অতিরিক্ত তথ্য ইংলিশ উইকিলিঙ্ক থেকে মিলিয়ে দেওয়া হয়েছে, যেহেতু ইংলিশ উইকিলিঙ্ক দেওয়া নিষেধ। গত সাত দিনের ধারাবাহিক একটানা সম্পাদনার পর আশা করছি পাতাটি যথার্থ সংশোধিত হয়েছে। গ্রহণ করার বিনীত অনুরোধ রইলো।
::::ধন্যবাদ।
::::'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৫:১৯, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)'''
:::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] আর একটি সংশোধন প্রয়োজন, সম্পূর্ণ নিবন্ধে অতিরিক্ত — (em dash) ব্যবহার করেছেন, যেগুলো খুবই দৃষ্টিকটূ এবং যান্ত্রিক অনুবাদের লক্ষণ। এগুলো সংশোধন করে জানান, গ্রহণ করে নেব। ধন্যবাদ! [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২৩:৩৭, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::::অবশ্যই। সংশোধন করে জানাচ্ছি। [[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ২৩:৪৩, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]]
::::::অপ্রাসঙ্গিক এম-ড্যাশ (—) অপসারণ করে সংশোধিত করা হয়েছে ~!
::::::'''''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০০:২৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)'''''
:::::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০১:২৪, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]]
::::::::আমার তৈরী করা [[ফজলে রাব্বী]] পাতাটি একটু পর্যালোচনা করে দেখবেন। @[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ভাই বলেছিলেন অল্প সংশোধনের পর [[ফজলে রাব্বী]] নিবন্ধটি গ্রহন করে নিবেন। কিন্তু তিনি বোধহয় গত ৩দিন অফলাইনে থাকায় তা পর্যালোচিত হয়নি।
::::::::'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১২:৩৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)';'
:::::::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ধৈর্য ধরুন। পর্যালোচকরা মানুষ। তাদের ব্যক্তিগত জীবন আছে। আবার টেকনিক্যাল ত্রুটির কারণে অনেক সময় নোটিফিকেশন ঠিকমতো আসেনা। আপনি যেদিন সংশোধন করে জানিয়েছেন সেদিন আমাকে মেনশন না করায় নোটিফিকেশন পাইনি। পরের দিন মেনশন করায় নোটিফিকেশন পাওয়ার পর আজ পর্যালোচনা করবো বলে ঠিক করেছি। প্রতিযোগিতায় সব পাতাই পর্যালোচনা হবে, তাই তাড়াহুড়ার কিছু নেই। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৪:০৪, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::::::::অবশ্যই।
::::::::::গ্রহণ করে নেওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
::::::::::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৭:৪৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== যান্ত্রিক অনুবাদ সংশোধন ==
@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] আমি আপনার নির্দেশনা অনুযায়ী [[জন চার্লস পোলানি]],[[লেয়োঁ ফুকো]] এবং [[এ. সি. বেনসন]] নিবন্ধগুলো সংশোধন করেছি। এখন আর যান্ত্রিকতা নেই। তাই পুনঃপর্যালোচনা করে গ্রহণ করার অনুরোধ করছি। ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৩:২৫, ১২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[আন্তর্জাতিক আইন]] ==
নিবন্ধটি ভুলবসত বেখেয়ালে অসম্পূর্ণ ছিল, পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ রইল। [[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tanbiruzzaman|আলাপ]]) ০৬:২৪, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১১:১৯, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] [[পরকাল সম্পর্কে কুরআন]] নিবন্ধে অতিরিক্ত এম ড্যাশ খুব দৃষ্টিকটূ লাগছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৫:৩৯, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::সংশোধন করেছি। [[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tanbiruzzaman|আলাপ]]) ১৬:২৮, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৬:৫৭, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পুনঃ পর্যালোচনা ==
@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]], [[শাহ বানু মামলা]] পাতার সর্বশেষ সূত্র ঠিক করা হয়েছে। [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] আর [[বিহার]] দুই পাতার সূত্রে সমস্যা কোথায় আমি বুঝতে পারছি না। অনুগ্রহ করে বুঝিয়ে বললে ভালো হয়। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ০৯:৫৪, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] নিবন্ধের একটি তথ্যসূত্রও কাজ করছেনা। খুব সম্ভবত এটাই জেনারেটেড<br>[[বিহার]] নিবন্ধের সূত্রে লিংক যোগ করুন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৩:৩৯, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] আর [[বিহার]] দুটি পাতায়ই তথ্যসূত্র ঠিক করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৭:০৭, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::এবং [[স্মৃতি ইরানি]] পাতায়ও। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৭:০৮, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ৩টি নিবন্ধই {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২২:৩৫, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== দ্রৌপদী ==
[[দ্রৌপদী]] নিবন্ধের লেখাগুলো লিংক করা হয়নি। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৫:৪০, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] বেশিরভাগ লিংক-ই উইকিপিডিয়া লিংক। যেগুলো উইকিউক্তি লিংক সেগুলো সব যোগ করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২২:৩০, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পুনঃ পর্যালোচনা ==
[[জন টিন্ডাল]] পাতাটি সংশোধন করেছি। অনুগ্রহ করে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন।
ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ১৫:০৮, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৩:২১, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== উইলিয়াম শকলি পুনঃপর্যালোচনা ==
@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] আমি [[উইলিয়াম শকলি]] নিবন্ধটিকে সংশোধন করেছি এবং পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ করছি। ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৪:২২, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] আমি দেখলাম আপনি নতুন কিছু পাতা পর্যালোচনা করেছেন। এই নিবন্ধটি অনুগ্রহ করে পুনঃপর্যালোচনা করুন। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৭:১৭, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::{{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৮:০৪, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:২৪, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== সীতা রাম গোয়েল ==
পাতা অসম্পূর্ণ [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৮:৪১, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[কেমব্রিজ গান]] ==
এই নিবন্ধটি গ্রহণযোগ্য নয় কেন তা জানালে ভালো হয়। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৫:৪৭, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] প্রতিযোগিতার নির্দেশনা অনুসারে <code><b>নাটক, চলচ্চিত্র, গান, বই, গল্প, কবিতা, উপন্যাস</b></code> গ্রহণযোগ্য নয়। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৮:০০, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::ঠিক আছে — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:২৫, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[মুহাম্মদ মাহদি আল-জাওয়াহিরি]] ==
@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] সূত্রের লিংক যুক্ত করেছি। এবার অনুগ্রহ করে এটিকে গ্রহণ করে নিন। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৭:১৬, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:{{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৮:০২, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:২৪, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] ==
@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]], ইতিমধ্যে [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] পাতাটি বেশ কয়েকবার ম্যানুয়ালি পলিশিং করা হয়েছে। যেখানে আমার কাছে এখনো যান্ত্রিক অনুবাদ পরিলক্ষিত হয়নি।<br>'''তবে 'যান্ত্রিক অনুবাদ/ক্রটি' ঠিক কোথায়, একটু দেখিয়ে দিবেন আশা করছি'''।<br>ধন্যবাদ<br>'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০৩:২৪, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)'''
== [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] পাতাটি ==
@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]], ইতিমধ্যে [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] পাতাটি বেশ কয়েকবার ম্যানুয়ালি পলিশিং করা হয়েছে। যেখানে আমার কাছে এখনো যান্ত্রিক অনুবাদ পরিলক্ষিত হয়নি।<br>'''তবে 'যান্ত্রিক অনুবাদ/ক্রটি' ঠিক কোথায়, একটু দেখিয়ে দিবেন আশা করছি'''।<br>ধন্যবাদ<br>'''''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১০:০১, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)'''''
:@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] প্রথমত বার বার মেনশন করবেন না, একবার মেনশন হবে, অধৈর্য হবেন না, আমি ঠিক দেখব।<br><br> সম্পূর্ণ পাতা না দেখেও বলা যায় এটি অপরিশোধিত যান্ত্রিক অনুবাদ।
:*<code>'''গণহত্যা '''(যার মধ্যে '''হলোকাস্ট '''অন্তর্ভুক্ত),</code> লাইনে দুটি শব্দেই উইকিপিডিয়া লিংক করেছেন/করা আছে। বাংলা উইকিপিডিয়ায় ''হলোকাস্ট '' কোনোও শব্দ নেই, আর এখানে যে ''গণহত্যা'' শব্দে উইকিপিডিয়া লিংক করেছেন তার অর্থ ভিন্ন।
:* <code>More and more we felt that only a resolution of the European situation could save Spain, if Spain was to be saved</code> → <code>আমরা আমাদের অস্তিত্বের প্রতিটি স্পন্দনে... মর্মে মর্মে উপলব্ধি করছিলাম</code> এতটা নাটকীয় অনুবাদ?
:* <code>they had given thousands of their best sons</code> → <code>হাজার হাজার শ্রেষ্ঠ সন্তানকে মুক্তির লড়াইয়ে যুদ্ধের অগ্নিকুণ্ডে উৎসর্গ করেছিল"।</code> মূল লেখায় '''মুক্তির লড়াই''' বা '''অগ্নিকুণ্ডে উৎসর্গ''' এরকম কোনো কথা নেই।
:* সূত্রগুলো তে লিংক নেই, সূত্রের শুরুতেই অপ্রয়োজনীয় — (em dash) চিহ্ন।
:* বিভিন্ন জায়গায় টেক্সট ফর্ম্যাটিংয়ের সমস্যা, যেখানে বোল্ড/ইটালিক প্রয়োজন সেখানে বোল্ড/ইটালিক নেই, যেখানে প্রয়োজন নয়, সেখানে আছে।
:এগুলো দেখলেই বোঝা যায়। আমি শুধুমাত্র প্রথমের কিছু উক্তির ভুলগুলো তুলে ধরলাম। আপনার সম্পূর্ণ পাতাতেই এই ভুলগুলো রয়েছে।
:এই সমস্যাগুলো ঠিক করে জানান, বিশেষ করে শব্দসংখ্যা বাড়ানোর জন্য অতিরঞ্জন করবেন না। খেয়াল রাখবেন [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পর্যালোচনা নীতিমালা|পর্যালোচনা নীতিমালা]] অনুসারে '''প্রতিটি নিবন্ধ সর্বোচ্চ দুই (২) বার পর্যালোচনা করা যাবে।''' [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১১:২৩, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]], প্রথমত বারবার মেনশন করলাম না। তবে অতিরিক্ত দেরি না করার পরামর্শ দিচ্ছি।
::দ্বিতীয়ত, কিছু জায়গায় ভাবানুবাদ না করলে একদমই '''আক্ষরিক''' হয়ে যায় যা পরিহারযোগ্য। তবুও, উপরোক্ত উদাহরণের মতো অতিরিক্ত ভাবানুবাদ অপসারণের চেষ্টা করা হবে। এবং সূত্র থেকে লিঙ্ক তেমন বাদ না পড়লেও লিঙ্কগুলো খুঁজে দেখা হবে। এছাড়া '''বোল্ড''', ''ইটালিক'' পরিমার্জন করা হবে, '''কিন্তু''' ভিন্ন ভাষা এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রয়োজনমতো ইটালিক রাখা হবে যেগুলো ইংরেজি নিবন্ধে বাদ পড়েছিল। পূর্ণ নিশ্চিত হওয়ার জন্য এ ব্যাপারে মন্তব্য রাখবেন। ~'''আল-মাহমুদ'''
::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৪:৪৬, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] এও মন্তব্যটাও পড়ে মনে হচ্ছে এআই জেনারেটেড।
:::যাই হোক, ভাবানুবাদ আর অতিরঞ্জন দুটো আলাদা জিনিস। আরও একটি কথা, যখন একই প্যাটর্নে কিছু জিনিস পাল্টাতে থাকে তখন সেটা স্পষ্ট যান্ত্রিক অনুবাদ।
:::"বিষয়ে প্রয়োজনমতো ইটালিক রাখা হবে যেগুলো ইংরেজি নিবন্ধে বাদ পড়েছিল"- এই কথার অর্থ কি ? [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৫:০২, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]], খুবই অনুমানযোগ্য উত্তর। এআই জেনেরাটেড উত্তর আপনাকে কেন দিতে যাব? নিজের Key-Board চেপে দিচ্ছি। ভাষা একটু গোছানো হলেই তাকে 'এ-আই জেনেরেটেড' ভাববেন না। যেহেতু আমিই সম্পাদনাটি করছি তাই অতিরিক্ত সন্দিহান হবেন না।। উইকিপিডিয়াতে আমি একদম নবাগত ('''৪৩ দিন''', উইকিউক্তিতে '''২৫ দিন''') হলেও আমার দীর্ঘদিন সাহিত্যিক-কাব্যিক ঘরানার লেখালেখি করার অভ্যাস রয়েছে।
::::যাইহোক সেসব বাদ (''ব্যক্তিগত হিসেবে নেওয়ার দরকার নেই। \ আলোচনায় কেউ এসব বললে সেটা পছন্দ করিনা''), এটা আগেই বলা হয়েছে যে অতিরিক্ত ভাবানুবাদ অপসারণ করা হবে।
::::
::::"বুঝাতে চেয়েছি যে ''''ভিন্ন ভাষা এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রয়োজনমতো ইটালিক রাখা হবে''''। যেমনঃ এক জায়গায় ''ফরাসি অথবা জার্মান ভাষা রয়েছে, সেক্ষেত্রে ওই ভাষাটিকে উপস্থাপনের ক্ষেত্রে বোল্ড করা হবে। এই বিষয়েই মন্তব্য করবেন।"
::::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৫:৪৫, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] দীর্ঘদিনের পর্যালোচনা অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি, ৭ লাইনের ইংরেজি থেকে বাংলা ভাবানুবাদ করলেও তা কখনোই ১৮ লাইন হতে পারে না।
:::::[[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পর্যালোচনা নীতিমালা|প্রতিযোগিতার নিয়মে]] স্পষ্ট উল্লেখ আছে '''অনুবাদের ক্ষেত্রে যদি এআই-জনিত সাধারণ ভুল (যেমন ইংরেজি উইকিলিংক, -এর/-এ/-তে ত্রুটি, অপ্রয়োজনীয় বোল্ড, অপ্রয়োজনীয় বুলেট পয়েন্ট, বাংলার পাশে বারবার ব্র্যাকেটে ইংরেজি টার্ম, তথ্যসূত্র অনুপস্থিত ইত্যাদি) পাওয়া যায়, সেক্ষেত্রেও সরাসরি বাতিল করা হবে।'''
:::::আপনার যদি আমার পর্যালোচনা নিয়ে অন্য কোনও রকম আপত্তি থেকে থাকে তা আপনি প্রতিযোগিতার আলাপ পাতায় তুলে ধরতে পারেন। আর যদি না তা না থাকে তাহলে উল্লিখিত বিয়ষয়গুলো সংশোধন করে আমাকে এখানে মেনশন করুন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৬:১৩, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== উইলিয়াম শার্প: পুনঃপর্যালোচনা ==
[[উইলিয়াম শার্প]] নিবন্ধটিকে সংশোধন করেছি এবং পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ করছি। ~ [[ব্যবহারকারী:Md. Muqtadir Fuad|Md. Muqtadir Fuad]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md. Muqtadir Fuad|আলাপ]]) ১৫:৪০, ২৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Md. Muqtadir Fuad|Md. Muqtadir Fuad]] {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১১:২৯, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[বমি]] নিবন্ধ পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ ==
@[[ব্যবহারকারী:ARI|Arijit Kisku]] আমি [[বমি]] নিবন্ধটি সংশোধন করে [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|মেহেদী আবেদীন]]কে জানিয়েছিলাম। সে গ্রহণ করে নিলেও আপনি দেখলাম গ্রহণ করেননি। তাই ফাউন্টেইন টুলফোর্জে না দেখাচ্ছে 0 না দেখাচ্ছে 1। তাই অনুগ্রহ করে নিবন্ধটি গ্রহণ করে নেওয়ার অনুরোধ রইল। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">আনাফ</span> <span style="color:#388E3C">ইবনে</span> <span style="color:#66BB6A">সাহেবুল</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১০:৫৪, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১১:২৯, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:ARI|Arijit Kisku]] ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">আনাফ</span> <span style="color:#388E3C">ইবনে</span> <span style="color:#66BB6A">সাহেবুল</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১১:০২, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ==
@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]],আদাব<br>[[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] পাতাটি সংশোধন করেছি।<br>(পাতা থেকে যথাসাধ্য অতিরঞ্জিত ভাবানুবাদ ছেটে, সূত্র-ও যুক্ত করেছি। তবে দীর্ঘ পাতা হওয়া, কিছু ভ্রান্তি থেকে যেতে পারে, তাই কোনো প্র য়োজন হলে অনুগ্রহপূর্বক মেন্শন করবেন)
ধন্যবাদ,,
[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ২৩:৩৩, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] গতকাল ইতিমধ্যেই একবার মেনশন করেছেন, বারবার মেনশন করবেন না। পর্যালোচকদেরও বাস্তব জীবনে ব্যস্ততা থাকতে পারে। আমি দেখে পর জানাব। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২৩:৩৭, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ভাবলাম বোধহয় টেকনিক্যাল সমস্যা হয়েছে। তাই দ্বিতীয়বার করেছি। আপনার ব্যক্তিগত ইমেইল এড্রেস হলে এক্ষেত্রে ভালো হত। [[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ২৩:৩৯, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] অপাতত গ্রহণ করেছি। ইটালিক/বোল্ড ঠিক করেননি। আর এখনও অতিরঞ্জনে পরিপূর্ণ। আমি আপনাকে এখানে আবার মেনশন করে কি ঠিক করতে হবে বলে দেব। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৪:১০, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ততক্ষণে আপনি ইংরেজির সাথে ইটালিক/বোল্ড সামঞ্জস্য করুন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৪:১১, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ধন্যবাদ দা। আমি উক্তির মাঝে বোল্ড/ইটালিক সামঞ্জস্য করেছি, তবু চেক করছি। তবে আপনি কি উক্তিকারীর নামের মধ্যে দেওয়া এক্স্ট্রা বোল্ড+ইটালিক বাদ দেওয়ার কথা বলছেন?> যেমনঃ '''''মুসা গালিব''''' থেকে মুসা গালিব? যদিও এটার জন্য এর আগে কখনো নিবন্ধ ক্যান্সাল হয়নি।।[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৪:৩৭, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ইংরেজিতে যেগুলো বোল্ড/ইটালিক আছে সেগুলো অন্তত বাংলায় করুন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০০:৩১, ২৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[অ্যানোনিমাস]] ==
সংশোধন করেছি, পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ। [[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tanbiruzzaman|আলাপ]]) ০৪:৪৯, ২৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৮:৪১, ২৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== স্বাধীনতা দিবস (ভারত) ==
[[স্বাধীনতা দিবস (ভারত)]] পাতাটির ২টি উক্তি অপ্রাসঙ্গিক। প্রাসঙ্গিক উক্তি ব্যবহার করতে হবে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ০১:৩৫, ৩০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] সংশোধন করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০২:২৪, ৩০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ০২:৩১, ৩০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== অনিল ভৌমিক ==
আপনি [[অনিল ভৌমিক]] এ লিখেছেন "যান্ত্রিক; উৎস ঠিক করুন"। কিন্তু উক্তি গুলোর একটাও অনুবাদ নয়, তাই যান্ত্রিকতার বিষয়টা বুঝলাম না।
উৎস হিসেবে যে ওয়েবপেজে উক্তি রয়েছে তার লিংক যোগ করাই আছে, আর কী যোগ করব? [[ব্যবহারকারী আলাপ:Nil Nandy|নীল নন্দী]] ১৬:০৫, ৩০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Nil Nandy|Nil Nandy]] অনুবাদের জন্য "যান্ত্রিক" শব্দটা ব্যবহার করিনি। আপনি যে সুত্র যোগ করেছেন তা খুললে "Not found, error 404" দেখাচ্ছে।
:এআই সাধারণত এমন ভুল করে, যেমন random ইউআরএল যোগ করে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০২:০৯, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
::শায়িত দেবতাদের মন্দির পাতাটার লিংক বদলে দিয়েছি। পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ করছি। [[ব্যবহারকারী আলাপ:Nil Nandy|নীল নন্দী]] ০২:৫৫, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
::{{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৩:০২, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
== পর্যালোচনা ==
[[আসাদউদ্দিন ওয়াইসি]] এবং [[শাহ বানু মামলা]] পাতার সূত্র সংশোধন করা হয়েছে। [[বৃন্দাবন]] পাতায় কী সমস্যা আছে বুঝতে পারছি না। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ২০:০১, ২ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
:[[মণিপুর]], [[মৈতৈ জাতি]] এবং [[মাইকেল বিশপ]] এই পাতাগুলো সংশোধন করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ২০:১১, ২ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
g3utv2mhggsbeq78pnhsupeazy3hvpr
83297
83293
2026-05-03T00:49:03Z
ARI
356
/* পর্যালোচনা */ উত্তর
83297
wikitext
text/x-wiki
== উইকিউক্তিতে স্বাগত ==
<div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;">
সুপ্রিয় Arijit Kisku,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন!
* উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন।
** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন।
* উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন।
* পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন।
* পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন।
* [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন!
কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম!
— [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটির পক্ষে]],<br />≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:Md.Farhan Mahmud|<b style="background-color:green;color:white">ফারহান </b>]][[User talk:Md.Farhan Mahmud| «আলাপ»]]</b> ০৪:১১, ১৪ নভেম্বর ২০২২ (ইউটিসি)
</div>
"বিশ্ব হিন্দু পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শ্রী মিলিন্দ পরাণ্ডে আজ বলেন," এরকম একটি অপ্রয়োজনীয় অংশ আছে। এছাড়া কিছু কিছু উক্তি গুরুত্বপূর্ণ কিছু মনে হচ্ছে না। গ্রহণ করে নিচ্ছি। কিন্তু সংশোধনের অনুরোধ রইল।[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS|আলাপ]]) ১৩:৩৫, ৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ইংরেজি থেকে ডিরেক্ট অনুবাদ। অনুবাদের ক্ষেত্রে কি যাচাই-বাছাই করতে হবে? [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ১৫:৫০, ৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] হ্যাঁ, ইংরেজিতে থাকা সবকিছুই তো ১০০% সঠিক না। আমরা যদি সঠিকটা বুঝতে পারি, তাহলে সেটাই করা উচিত। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS|আলাপ]]) ০৭:০৭, ৮ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
==[[চরক]]==
নিবন্ধটিতে সম্পাদনা প্রয়োজন। সব ঠিক করে আমাকে মেনশন করে জানান।[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১২:০৬, ১১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] আমার যে জিনিসগুলো চোখে পড়েছে, সেগুলি আমি সম্পাদনা করেছি। অন্য নির্দিষ্ট কিছু সম্পাদনা করার প্রয়োজন হলে অনুগ্রহ করে উল্লেখ করুন। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ২২:৫৬, ১১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
== [[ভারতে বর্ণপ্রথা]] ==
কিছুটা যান্ত্রিকতা আছে। উক্তির কাঠামো ঠিক রেখে যান্ত্রিকতা সংশোধন করে জানান, আমি গ্রহণ করে নিব। আর হ্যাঁ, "এলস্ট, কনরাড" ব্যক্তির যেসব উক্তি আছে, সেগুলোকে [[কোনরাড এলস্ট]] পাতার সঙ্গে লিংক করুন।≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৯:৪১, ২০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] যেগুলি আমি খেয়াল করেছি সেগুলি সংশোধন করেছি। অন্যান্য যে কোনও সম্পাদনার প্রয়োজন থাকলে অনুগ্রহ করে উল্লেখ করুন। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ০৩:১৮, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ধন্যবাদ। গৃহীত হয়েছে। ব্যক্তির নাম প্রচলিত বাংলা ফরম্যাটে লেখার চেষ্টা করবেন। কোনরাড এলস্টের মতোই। আরেকটা উদাহরণ দেখলাম, [[মালহোত্রা, আর.]]। এভাবে লিংক করলে তো সঠিক লক্ষ্যে পৌঁছানো যাবে না; [[রাজিব মালহোত্রা]] এভাবে লিখবেন। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১০:২২, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:::আচ্ছা, পরবর্তীতে খেয়াল রাখবো। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ১১:০৪, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
== উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন ==
সুপ্রিয় {{BASEPAGENAME}}, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/ফলাফল|শীর্ষ ১০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSeDWCveBqp7ID0VVW0ipXM-WXeCqE7u-xHQCU_d7FRYo-9vAA/viewform?usp=dialog এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। - ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৮:৩১, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
<!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:MS_Sakib/%E0%A6%97%E0%A6%A3_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE&oldid=67623-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন -->
:দুঃখিত, ভুল ফর্মের লিংক দেওয়া হয়েছিল। এখন ঠিক করা হয়েছে। পুনরায় পুরণ করার অনুরোধ করছি। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৯:০২, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== [[নির্বাচন]] ==
পাতাটি অসম্পূর্ণ। অনুগ্রহ করে সম্পূর্ণ করুন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৯:৫৯, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৬:২৯, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ধন্যবাদ। পর্যালোচনা করা হবে। যেহেতু পাতা খুব বড় তাই কয়েকদিন সময় লাগতে পারে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৮:৪৭, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পাতা ঠিক করেছি ==
আলেকজান্ডার ফ্লেমিং নামক পাতাটা ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32|আলাপ]]) ১১:৫১, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২৩:২০, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পুনঃপর্যালোচনা ==
[[আবি আহমেদ]] এবং [[পিটার আগ্রি]] পাতা দুটি সংশোধন করা হয়েছে। পুনরায় পর্যালোচনার অনুরোধ। [[ব্যবহারকারী:Borhan|Borhan]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Borhan|আলাপ]]) ০৪:৪৪, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Borhan|Borhan]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২২:২৩, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পুনঃপর্যালোচনা ==
@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] [[আহমেদ জেওয়াইল]] পুনরায় দেখার অনুরোধ রইল।[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০২:২৭, ৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০২:২৯, ৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== যান্ত্রিক অনুবাদ প্রসঙ্গে ==
আমি ডেভিড হিউম নামক উক্তির পাতাটি তৈরী করেছিলাম। কিছু জায়গায় যান্ত্রিকতার কথা বলা হয়েছে।যদি নির্দিষ্ট জায়গাগুলো চিহ্নিত করে দেন, তবে সে ক্ষেত্রে উক্তির পাতাটি সংশোধন করা সহজ হবে।<br>
ধন্যবাদ।<br>[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০০:৪৫, ৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] প্রথমত, লেখার ফর্ম্যাটিংয়ে ভুল, আপনি '''বোল্ড''', ''ইটালিক'' ঠিকঠাক অনুসরণ করেননি; দ্বিতীয়ত সুত্রগুলো আসল ইংরেজির মতো করে বাংলাতে বসানোর চেষ্টা করুন; তৃতীয়ত বিভিন্ন জায়গায় বাক্যগুলো পড়তে অস্বাভাবিক লাগছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০১:৫০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::পয়েন্টগুলো ধরিয়ে দেওয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। '''তবে ২য় পয়েন্টটি বুঝতে কিছুটা সমস্যা হয়েছে - '''আপনি কি সূত্রগুলোর ক্ষেত্রে ইংরেজি হরফ ও সংখ্যাগুলো (যেমন- Book 1, Section 3, Page 45) বাংলায় (১ম খণ্ড, ৩য় অনুচ্ছেদ, পৃষ্ঠা ৪৫) রূপান্তর করতে বলছেন? নাকি বইয়ের নামের বাংলা অনুবাদের কথা বুঝিয়েছেন?<br>বিষয়টি নিশ্চিত করলে আমার জন্য পাতাটি নিখুঁতভাবে সংশোধন করা সহজ হবে।
::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০৬:৩৫, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] <code><span style="color:red;"><nowiki>** [[Amos Bronson Alcott|Amos Alcott]], ''[https://books.google.it/books?id=fzRaAAAAMAAJ Journals]'', Port Washington, NY: Kennikat Press, 1938, Volume 1, p. 115.</nowiki></code> → <code><span style="color:green;"><nowiki>** আমোস অলকট, ''[https://books.google.it/books?id=fzRaAAAAMAAJ জার্নালস]'', পোর্ট ওয়াশিংটন, এনওয়াই: কেনিকাট প্রেস, ১৯৩৮, খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ১১৫।</nowiki></code> <p> আমার মনে হয় আপনার লাইন অনেক বাদ আছে, ইংরেজির থেকে বাংলাতে অনেক লাইন কমে গেছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৯:২০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::এক দুটি লিঙ্ক বাদ পড়তে পারে তবে একটি উক্তিও বাদ পড়েনি। কয়েকবার রিভিশন দিয়েছি। লিঙ্কগুলো চেক করে জানাব।
::::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১০:৩৫, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::ইংলিশ পাতার সাথে মিলাতে গেলেই দেখা যায় বাংলা পাতায় অনেক অপ্রয়োজনীয় '''বোল্ড''' ''ইটালিক ''দেখা যাওয়ার কারনে দেখতে বেখাপ্পা লাগছে। আবার দেখেছি এটি নিয়মেও রয়েছে যে অপ্রয়োজনীয় বোল্ড ইটালিক করা যাবেনা। সেজন্যই লেখার ফর্ম্যাটিংয়ে কিছু জায়গায় ইচ্ছে করেই '''বোল্ড''' ''ইটালিক'' বাদ দিয়েছি (শুধু সুত্রগুলো ছাড়া)। আশা করি এটি মার্জনা করে নিবেন।
::'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৩:০৭, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)'''
:::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] পাতার অনুচ্ছেদগুলো আবার ইংরেজির সাথে মিলিয়ে দেখুন, অসঙ্গতি আছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৪:৪০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::ইংলিশ পাতার সঙ্গে মিলিয়ে পুনরায় কিছু উক্তি ও সুত্র সংশোধন করেছি। কিছু সুত্রে থাকা অতিরিক্ত তথ্য ইংলিশ উইকিলিঙ্ক থেকে মিলিয়ে দেওয়া হয়েছে, যেহেতু ইংলিশ উইকিলিঙ্ক দেওয়া নিষেধ। গত সাত দিনের ধারাবাহিক একটানা সম্পাদনার পর আশা করছি পাতাটি যথার্থ সংশোধিত হয়েছে। গ্রহণ করার বিনীত অনুরোধ রইলো।
::::ধন্যবাদ।
::::'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৫:১৯, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)'''
:::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] আর একটি সংশোধন প্রয়োজন, সম্পূর্ণ নিবন্ধে অতিরিক্ত — (em dash) ব্যবহার করেছেন, যেগুলো খুবই দৃষ্টিকটূ এবং যান্ত্রিক অনুবাদের লক্ষণ। এগুলো সংশোধন করে জানান, গ্রহণ করে নেব। ধন্যবাদ! [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২৩:৩৭, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::::অবশ্যই। সংশোধন করে জানাচ্ছি। [[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ২৩:৪৩, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]]
::::::অপ্রাসঙ্গিক এম-ড্যাশ (—) অপসারণ করে সংশোধিত করা হয়েছে ~!
::::::'''''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০০:২৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)'''''
:::::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০১:২৪, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]]
::::::::আমার তৈরী করা [[ফজলে রাব্বী]] পাতাটি একটু পর্যালোচনা করে দেখবেন। @[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ভাই বলেছিলেন অল্প সংশোধনের পর [[ফজলে রাব্বী]] নিবন্ধটি গ্রহন করে নিবেন। কিন্তু তিনি বোধহয় গত ৩দিন অফলাইনে থাকায় তা পর্যালোচিত হয়নি।
::::::::'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১২:৩৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)';'
:::::::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ধৈর্য ধরুন। পর্যালোচকরা মানুষ। তাদের ব্যক্তিগত জীবন আছে। আবার টেকনিক্যাল ত্রুটির কারণে অনেক সময় নোটিফিকেশন ঠিকমতো আসেনা। আপনি যেদিন সংশোধন করে জানিয়েছেন সেদিন আমাকে মেনশন না করায় নোটিফিকেশন পাইনি। পরের দিন মেনশন করায় নোটিফিকেশন পাওয়ার পর আজ পর্যালোচনা করবো বলে ঠিক করেছি। প্রতিযোগিতায় সব পাতাই পর্যালোচনা হবে, তাই তাড়াহুড়ার কিছু নেই। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৪:০৪, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::::::::অবশ্যই।
::::::::::গ্রহণ করে নেওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
::::::::::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৭:৪৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== যান্ত্রিক অনুবাদ সংশোধন ==
@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] আমি আপনার নির্দেশনা অনুযায়ী [[জন চার্লস পোলানি]],[[লেয়োঁ ফুকো]] এবং [[এ. সি. বেনসন]] নিবন্ধগুলো সংশোধন করেছি। এখন আর যান্ত্রিকতা নেই। তাই পুনঃপর্যালোচনা করে গ্রহণ করার অনুরোধ করছি। ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৩:২৫, ১২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[আন্তর্জাতিক আইন]] ==
নিবন্ধটি ভুলবসত বেখেয়ালে অসম্পূর্ণ ছিল, পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ রইল। [[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tanbiruzzaman|আলাপ]]) ০৬:২৪, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১১:১৯, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] [[পরকাল সম্পর্কে কুরআন]] নিবন্ধে অতিরিক্ত এম ড্যাশ খুব দৃষ্টিকটূ লাগছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৫:৩৯, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::সংশোধন করেছি। [[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tanbiruzzaman|আলাপ]]) ১৬:২৮, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৬:৫৭, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পুনঃ পর্যালোচনা ==
@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]], [[শাহ বানু মামলা]] পাতার সর্বশেষ সূত্র ঠিক করা হয়েছে। [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] আর [[বিহার]] দুই পাতার সূত্রে সমস্যা কোথায় আমি বুঝতে পারছি না। অনুগ্রহ করে বুঝিয়ে বললে ভালো হয়। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ০৯:৫৪, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] নিবন্ধের একটি তথ্যসূত্রও কাজ করছেনা। খুব সম্ভবত এটাই জেনারেটেড<br>[[বিহার]] নিবন্ধের সূত্রে লিংক যোগ করুন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৩:৩৯, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] আর [[বিহার]] দুটি পাতায়ই তথ্যসূত্র ঠিক করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৭:০৭, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::এবং [[স্মৃতি ইরানি]] পাতায়ও। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৭:০৮, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ৩টি নিবন্ধই {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২২:৩৫, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== দ্রৌপদী ==
[[দ্রৌপদী]] নিবন্ধের লেখাগুলো লিংক করা হয়নি। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৫:৪০, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] বেশিরভাগ লিংক-ই উইকিপিডিয়া লিংক। যেগুলো উইকিউক্তি লিংক সেগুলো সব যোগ করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২২:৩০, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পুনঃ পর্যালোচনা ==
[[জন টিন্ডাল]] পাতাটি সংশোধন করেছি। অনুগ্রহ করে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন।
ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ১৫:০৮, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৩:২১, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== উইলিয়াম শকলি পুনঃপর্যালোচনা ==
@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] আমি [[উইলিয়াম শকলি]] নিবন্ধটিকে সংশোধন করেছি এবং পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ করছি। ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৪:২২, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] আমি দেখলাম আপনি নতুন কিছু পাতা পর্যালোচনা করেছেন। এই নিবন্ধটি অনুগ্রহ করে পুনঃপর্যালোচনা করুন। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৭:১৭, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::{{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৮:০৪, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:২৪, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== সীতা রাম গোয়েল ==
পাতা অসম্পূর্ণ [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৮:৪১, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[কেমব্রিজ গান]] ==
এই নিবন্ধটি গ্রহণযোগ্য নয় কেন তা জানালে ভালো হয়। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৫:৪৭, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] প্রতিযোগিতার নির্দেশনা অনুসারে <code><b>নাটক, চলচ্চিত্র, গান, বই, গল্প, কবিতা, উপন্যাস</b></code> গ্রহণযোগ্য নয়। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৮:০০, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::ঠিক আছে — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:২৫, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[মুহাম্মদ মাহদি আল-জাওয়াহিরি]] ==
@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] সূত্রের লিংক যুক্ত করেছি। এবার অনুগ্রহ করে এটিকে গ্রহণ করে নিন। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৭:১৬, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:{{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৮:০২, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:২৪, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] ==
@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]], ইতিমধ্যে [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] পাতাটি বেশ কয়েকবার ম্যানুয়ালি পলিশিং করা হয়েছে। যেখানে আমার কাছে এখনো যান্ত্রিক অনুবাদ পরিলক্ষিত হয়নি।<br>'''তবে 'যান্ত্রিক অনুবাদ/ক্রটি' ঠিক কোথায়, একটু দেখিয়ে দিবেন আশা করছি'''।<br>ধন্যবাদ<br>'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০৩:২৪, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)'''
== [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] পাতাটি ==
@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]], ইতিমধ্যে [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] পাতাটি বেশ কয়েকবার ম্যানুয়ালি পলিশিং করা হয়েছে। যেখানে আমার কাছে এখনো যান্ত্রিক অনুবাদ পরিলক্ষিত হয়নি।<br>'''তবে 'যান্ত্রিক অনুবাদ/ক্রটি' ঠিক কোথায়, একটু দেখিয়ে দিবেন আশা করছি'''।<br>ধন্যবাদ<br>'''''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১০:০১, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)'''''
:@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] প্রথমত বার বার মেনশন করবেন না, একবার মেনশন হবে, অধৈর্য হবেন না, আমি ঠিক দেখব।<br><br> সম্পূর্ণ পাতা না দেখেও বলা যায় এটি অপরিশোধিত যান্ত্রিক অনুবাদ।
:*<code>'''গণহত্যা '''(যার মধ্যে '''হলোকাস্ট '''অন্তর্ভুক্ত),</code> লাইনে দুটি শব্দেই উইকিপিডিয়া লিংক করেছেন/করা আছে। বাংলা উইকিপিডিয়ায় ''হলোকাস্ট '' কোনোও শব্দ নেই, আর এখানে যে ''গণহত্যা'' শব্দে উইকিপিডিয়া লিংক করেছেন তার অর্থ ভিন্ন।
:* <code>More and more we felt that only a resolution of the European situation could save Spain, if Spain was to be saved</code> → <code>আমরা আমাদের অস্তিত্বের প্রতিটি স্পন্দনে... মর্মে মর্মে উপলব্ধি করছিলাম</code> এতটা নাটকীয় অনুবাদ?
:* <code>they had given thousands of their best sons</code> → <code>হাজার হাজার শ্রেষ্ঠ সন্তানকে মুক্তির লড়াইয়ে যুদ্ধের অগ্নিকুণ্ডে উৎসর্গ করেছিল"।</code> মূল লেখায় '''মুক্তির লড়াই''' বা '''অগ্নিকুণ্ডে উৎসর্গ''' এরকম কোনো কথা নেই।
:* সূত্রগুলো তে লিংক নেই, সূত্রের শুরুতেই অপ্রয়োজনীয় — (em dash) চিহ্ন।
:* বিভিন্ন জায়গায় টেক্সট ফর্ম্যাটিংয়ের সমস্যা, যেখানে বোল্ড/ইটালিক প্রয়োজন সেখানে বোল্ড/ইটালিক নেই, যেখানে প্রয়োজন নয়, সেখানে আছে।
:এগুলো দেখলেই বোঝা যায়। আমি শুধুমাত্র প্রথমের কিছু উক্তির ভুলগুলো তুলে ধরলাম। আপনার সম্পূর্ণ পাতাতেই এই ভুলগুলো রয়েছে।
:এই সমস্যাগুলো ঠিক করে জানান, বিশেষ করে শব্দসংখ্যা বাড়ানোর জন্য অতিরঞ্জন করবেন না। খেয়াল রাখবেন [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পর্যালোচনা নীতিমালা|পর্যালোচনা নীতিমালা]] অনুসারে '''প্রতিটি নিবন্ধ সর্বোচ্চ দুই (২) বার পর্যালোচনা করা যাবে।''' [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১১:২৩, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]], প্রথমত বারবার মেনশন করলাম না। তবে অতিরিক্ত দেরি না করার পরামর্শ দিচ্ছি।
::দ্বিতীয়ত, কিছু জায়গায় ভাবানুবাদ না করলে একদমই '''আক্ষরিক''' হয়ে যায় যা পরিহারযোগ্য। তবুও, উপরোক্ত উদাহরণের মতো অতিরিক্ত ভাবানুবাদ অপসারণের চেষ্টা করা হবে। এবং সূত্র থেকে লিঙ্ক তেমন বাদ না পড়লেও লিঙ্কগুলো খুঁজে দেখা হবে। এছাড়া '''বোল্ড''', ''ইটালিক'' পরিমার্জন করা হবে, '''কিন্তু''' ভিন্ন ভাষা এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রয়োজনমতো ইটালিক রাখা হবে যেগুলো ইংরেজি নিবন্ধে বাদ পড়েছিল। পূর্ণ নিশ্চিত হওয়ার জন্য এ ব্যাপারে মন্তব্য রাখবেন। ~'''আল-মাহমুদ'''
::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৪:৪৬, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] এও মন্তব্যটাও পড়ে মনে হচ্ছে এআই জেনারেটেড।
:::যাই হোক, ভাবানুবাদ আর অতিরঞ্জন দুটো আলাদা জিনিস। আরও একটি কথা, যখন একই প্যাটর্নে কিছু জিনিস পাল্টাতে থাকে তখন সেটা স্পষ্ট যান্ত্রিক অনুবাদ।
:::"বিষয়ে প্রয়োজনমতো ইটালিক রাখা হবে যেগুলো ইংরেজি নিবন্ধে বাদ পড়েছিল"- এই কথার অর্থ কি ? [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৫:০২, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]], খুবই অনুমানযোগ্য উত্তর। এআই জেনেরাটেড উত্তর আপনাকে কেন দিতে যাব? নিজের Key-Board চেপে দিচ্ছি। ভাষা একটু গোছানো হলেই তাকে 'এ-আই জেনেরেটেড' ভাববেন না। যেহেতু আমিই সম্পাদনাটি করছি তাই অতিরিক্ত সন্দিহান হবেন না।। উইকিপিডিয়াতে আমি একদম নবাগত ('''৪৩ দিন''', উইকিউক্তিতে '''২৫ দিন''') হলেও আমার দীর্ঘদিন সাহিত্যিক-কাব্যিক ঘরানার লেখালেখি করার অভ্যাস রয়েছে।
::::যাইহোক সেসব বাদ (''ব্যক্তিগত হিসেবে নেওয়ার দরকার নেই। \ আলোচনায় কেউ এসব বললে সেটা পছন্দ করিনা''), এটা আগেই বলা হয়েছে যে অতিরিক্ত ভাবানুবাদ অপসারণ করা হবে।
::::
::::"বুঝাতে চেয়েছি যে ''''ভিন্ন ভাষা এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রয়োজনমতো ইটালিক রাখা হবে''''। যেমনঃ এক জায়গায় ''ফরাসি অথবা জার্মান ভাষা রয়েছে, সেক্ষেত্রে ওই ভাষাটিকে উপস্থাপনের ক্ষেত্রে বোল্ড করা হবে। এই বিষয়েই মন্তব্য করবেন।"
::::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৫:৪৫, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] দীর্ঘদিনের পর্যালোচনা অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি, ৭ লাইনের ইংরেজি থেকে বাংলা ভাবানুবাদ করলেও তা কখনোই ১৮ লাইন হতে পারে না।
:::::[[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পর্যালোচনা নীতিমালা|প্রতিযোগিতার নিয়মে]] স্পষ্ট উল্লেখ আছে '''অনুবাদের ক্ষেত্রে যদি এআই-জনিত সাধারণ ভুল (যেমন ইংরেজি উইকিলিংক, -এর/-এ/-তে ত্রুটি, অপ্রয়োজনীয় বোল্ড, অপ্রয়োজনীয় বুলেট পয়েন্ট, বাংলার পাশে বারবার ব্র্যাকেটে ইংরেজি টার্ম, তথ্যসূত্র অনুপস্থিত ইত্যাদি) পাওয়া যায়, সেক্ষেত্রেও সরাসরি বাতিল করা হবে।'''
:::::আপনার যদি আমার পর্যালোচনা নিয়ে অন্য কোনও রকম আপত্তি থেকে থাকে তা আপনি প্রতিযোগিতার আলাপ পাতায় তুলে ধরতে পারেন। আর যদি না তা না থাকে তাহলে উল্লিখিত বিয়ষয়গুলো সংশোধন করে আমাকে এখানে মেনশন করুন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৬:১৩, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== উইলিয়াম শার্প: পুনঃপর্যালোচনা ==
[[উইলিয়াম শার্প]] নিবন্ধটিকে সংশোধন করেছি এবং পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ করছি। ~ [[ব্যবহারকারী:Md. Muqtadir Fuad|Md. Muqtadir Fuad]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md. Muqtadir Fuad|আলাপ]]) ১৫:৪০, ২৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Md. Muqtadir Fuad|Md. Muqtadir Fuad]] {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১১:২৯, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[বমি]] নিবন্ধ পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ ==
@[[ব্যবহারকারী:ARI|Arijit Kisku]] আমি [[বমি]] নিবন্ধটি সংশোধন করে [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|মেহেদী আবেদীন]]কে জানিয়েছিলাম। সে গ্রহণ করে নিলেও আপনি দেখলাম গ্রহণ করেননি। তাই ফাউন্টেইন টুলফোর্জে না দেখাচ্ছে 0 না দেখাচ্ছে 1। তাই অনুগ্রহ করে নিবন্ধটি গ্রহণ করে নেওয়ার অনুরোধ রইল। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">আনাফ</span> <span style="color:#388E3C">ইবনে</span> <span style="color:#66BB6A">সাহেবুল</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১০:৫৪, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১১:২৯, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:ARI|Arijit Kisku]] ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">আনাফ</span> <span style="color:#388E3C">ইবনে</span> <span style="color:#66BB6A">সাহেবুল</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১১:০২, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ==
@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]],আদাব<br>[[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] পাতাটি সংশোধন করেছি।<br>(পাতা থেকে যথাসাধ্য অতিরঞ্জিত ভাবানুবাদ ছেটে, সূত্র-ও যুক্ত করেছি। তবে দীর্ঘ পাতা হওয়া, কিছু ভ্রান্তি থেকে যেতে পারে, তাই কোনো প্র য়োজন হলে অনুগ্রহপূর্বক মেন্শন করবেন)
ধন্যবাদ,,
[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ২৩:৩৩, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] গতকাল ইতিমধ্যেই একবার মেনশন করেছেন, বারবার মেনশন করবেন না। পর্যালোচকদেরও বাস্তব জীবনে ব্যস্ততা থাকতে পারে। আমি দেখে পর জানাব। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২৩:৩৭, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ভাবলাম বোধহয় টেকনিক্যাল সমস্যা হয়েছে। তাই দ্বিতীয়বার করেছি। আপনার ব্যক্তিগত ইমেইল এড্রেস হলে এক্ষেত্রে ভালো হত। [[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ২৩:৩৯, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] অপাতত গ্রহণ করেছি। ইটালিক/বোল্ড ঠিক করেননি। আর এখনও অতিরঞ্জনে পরিপূর্ণ। আমি আপনাকে এখানে আবার মেনশন করে কি ঠিক করতে হবে বলে দেব। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৪:১০, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ততক্ষণে আপনি ইংরেজির সাথে ইটালিক/বোল্ড সামঞ্জস্য করুন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৪:১১, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ধন্যবাদ দা। আমি উক্তির মাঝে বোল্ড/ইটালিক সামঞ্জস্য করেছি, তবু চেক করছি। তবে আপনি কি উক্তিকারীর নামের মধ্যে দেওয়া এক্স্ট্রা বোল্ড+ইটালিক বাদ দেওয়ার কথা বলছেন?> যেমনঃ '''''মুসা গালিব''''' থেকে মুসা গালিব? যদিও এটার জন্য এর আগে কখনো নিবন্ধ ক্যান্সাল হয়নি।।[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৪:৩৭, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ইংরেজিতে যেগুলো বোল্ড/ইটালিক আছে সেগুলো অন্তত বাংলায় করুন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০০:৩১, ২৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[অ্যানোনিমাস]] ==
সংশোধন করেছি, পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ। [[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tanbiruzzaman|আলাপ]]) ০৪:৪৯, ২৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৮:৪১, ২৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== স্বাধীনতা দিবস (ভারত) ==
[[স্বাধীনতা দিবস (ভারত)]] পাতাটির ২টি উক্তি অপ্রাসঙ্গিক। প্রাসঙ্গিক উক্তি ব্যবহার করতে হবে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ০১:৩৫, ৩০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] সংশোধন করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০২:২৪, ৩০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ০২:৩১, ৩০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== অনিল ভৌমিক ==
আপনি [[অনিল ভৌমিক]] এ লিখেছেন "যান্ত্রিক; উৎস ঠিক করুন"। কিন্তু উক্তি গুলোর একটাও অনুবাদ নয়, তাই যান্ত্রিকতার বিষয়টা বুঝলাম না।
উৎস হিসেবে যে ওয়েবপেজে উক্তি রয়েছে তার লিংক যোগ করাই আছে, আর কী যোগ করব? [[ব্যবহারকারী আলাপ:Nil Nandy|নীল নন্দী]] ১৬:০৫, ৩০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Nil Nandy|Nil Nandy]] অনুবাদের জন্য "যান্ত্রিক" শব্দটা ব্যবহার করিনি। আপনি যে সুত্র যোগ করেছেন তা খুললে "Not found, error 404" দেখাচ্ছে।
:এআই সাধারণত এমন ভুল করে, যেমন random ইউআরএল যোগ করে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০২:০৯, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
::শায়িত দেবতাদের মন্দির পাতাটার লিংক বদলে দিয়েছি। পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ করছি। [[ব্যবহারকারী আলাপ:Nil Nandy|নীল নন্দী]] ০২:৫৫, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
::{{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৩:০২, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
== পর্যালোচনা ==
[[আসাদউদ্দিন ওয়াইসি]] এবং [[শাহ বানু মামলা]] পাতার সূত্র সংশোধন করা হয়েছে। [[বৃন্দাবন]] পাতায় কী সমস্যা আছে বুঝতে পারছি না। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ২০:০১, ২ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
:[[মণিপুর]], [[মৈতৈ জাতি]] এবং [[মাইকেল বিশপ]] এই পাতাগুলো সংশোধন করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ২০:১১, ২ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] [[বৃন্দাবন]] পাতায় ৫নং উক্তিতে
:*মূল ইংরেজি অংশে “neither by their master's orders nor from the severe handling they received in yesterday's fight” বাক্যটি আছে, কিন্তু অনুবাদে এটি সম্পূর্ণ বাদ পড়েছে।
:*“all of them non-combatants and many of them priests” অংশটিও অনুবাদে নেই।
:*“plundering everywhere as directed”–এর ক্ষেত্রে “as directed” (নির্দেশ অনুযায়ী) অংশটি অনুবাদে অনুপস্থিত
:*“general massacre”–এর অনুবাদ “সাধারণ গণহত্যা” হয়েছে। এর বদলে “ব্যাপক গণহত্যা” বা “সর্বত্র গণহত্যা” ব্যবহার করা আরও উপযুক্ত হবে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০০:৪৯, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
t5o7720xyjyoznka7ym4ouyqfspz6zz
83298
83297
2026-05-03T00:49:54Z
ARI
356
/* পর্যালোচনা */ উত্তর
83298
wikitext
text/x-wiki
== উইকিউক্তিতে স্বাগত ==
<div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;">
সুপ্রিয় Arijit Kisku,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন!
* উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন।
** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন।
* উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন।
* পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন।
* পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন।
* [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন!
কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম!
— [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটির পক্ষে]],<br />≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:Md.Farhan Mahmud|<b style="background-color:green;color:white">ফারহান </b>]][[User talk:Md.Farhan Mahmud| «আলাপ»]]</b> ০৪:১১, ১৪ নভেম্বর ২০২২ (ইউটিসি)
</div>
"বিশ্ব হিন্দু পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শ্রী মিলিন্দ পরাণ্ডে আজ বলেন," এরকম একটি অপ্রয়োজনীয় অংশ আছে। এছাড়া কিছু কিছু উক্তি গুরুত্বপূর্ণ কিছু মনে হচ্ছে না। গ্রহণ করে নিচ্ছি। কিন্তু সংশোধনের অনুরোধ রইল।[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS|আলাপ]]) ১৩:৩৫, ৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ইংরেজি থেকে ডিরেক্ট অনুবাদ। অনুবাদের ক্ষেত্রে কি যাচাই-বাছাই করতে হবে? [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ১৫:৫০, ৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] হ্যাঁ, ইংরেজিতে থাকা সবকিছুই তো ১০০% সঠিক না। আমরা যদি সঠিকটা বুঝতে পারি, তাহলে সেটাই করা উচিত। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS|আলাপ]]) ০৭:০৭, ৮ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
==[[চরক]]==
নিবন্ধটিতে সম্পাদনা প্রয়োজন। সব ঠিক করে আমাকে মেনশন করে জানান।[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১২:০৬, ১১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] আমার যে জিনিসগুলো চোখে পড়েছে, সেগুলি আমি সম্পাদনা করেছি। অন্য নির্দিষ্ট কিছু সম্পাদনা করার প্রয়োজন হলে অনুগ্রহ করে উল্লেখ করুন। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ২২:৫৬, ১১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
== [[ভারতে বর্ণপ্রথা]] ==
কিছুটা যান্ত্রিকতা আছে। উক্তির কাঠামো ঠিক রেখে যান্ত্রিকতা সংশোধন করে জানান, আমি গ্রহণ করে নিব। আর হ্যাঁ, "এলস্ট, কনরাড" ব্যক্তির যেসব উক্তি আছে, সেগুলোকে [[কোনরাড এলস্ট]] পাতার সঙ্গে লিংক করুন।≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৯:৪১, ২০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] যেগুলি আমি খেয়াল করেছি সেগুলি সংশোধন করেছি। অন্যান্য যে কোনও সম্পাদনার প্রয়োজন থাকলে অনুগ্রহ করে উল্লেখ করুন। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ০৩:১৮, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ধন্যবাদ। গৃহীত হয়েছে। ব্যক্তির নাম প্রচলিত বাংলা ফরম্যাটে লেখার চেষ্টা করবেন। কোনরাড এলস্টের মতোই। আরেকটা উদাহরণ দেখলাম, [[মালহোত্রা, আর.]]। এভাবে লিংক করলে তো সঠিক লক্ষ্যে পৌঁছানো যাবে না; [[রাজিব মালহোত্রা]] এভাবে লিখবেন। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১০:২২, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:::আচ্ছা, পরবর্তীতে খেয়াল রাখবো। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ১১:০৪, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
== উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন ==
সুপ্রিয় {{BASEPAGENAME}}, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/ফলাফল|শীর্ষ ১০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSeDWCveBqp7ID0VVW0ipXM-WXeCqE7u-xHQCU_d7FRYo-9vAA/viewform?usp=dialog এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। - ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৮:৩১, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
<!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:MS_Sakib/%E0%A6%97%E0%A6%A3_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE&oldid=67623-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন -->
:দুঃখিত, ভুল ফর্মের লিংক দেওয়া হয়েছিল। এখন ঠিক করা হয়েছে। পুনরায় পুরণ করার অনুরোধ করছি। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৯:০২, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== [[নির্বাচন]] ==
পাতাটি অসম্পূর্ণ। অনুগ্রহ করে সম্পূর্ণ করুন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৯:৫৯, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৬:২৯, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ধন্যবাদ। পর্যালোচনা করা হবে। যেহেতু পাতা খুব বড় তাই কয়েকদিন সময় লাগতে পারে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৮:৪৭, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পাতা ঠিক করেছি ==
আলেকজান্ডার ফ্লেমিং নামক পাতাটা ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32|আলাপ]]) ১১:৫১, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২৩:২০, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পুনঃপর্যালোচনা ==
[[আবি আহমেদ]] এবং [[পিটার আগ্রি]] পাতা দুটি সংশোধন করা হয়েছে। পুনরায় পর্যালোচনার অনুরোধ। [[ব্যবহারকারী:Borhan|Borhan]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Borhan|আলাপ]]) ০৪:৪৪, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Borhan|Borhan]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২২:২৩, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পুনঃপর্যালোচনা ==
@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] [[আহমেদ জেওয়াইল]] পুনরায় দেখার অনুরোধ রইল।[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০২:২৭, ৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০২:২৯, ৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== যান্ত্রিক অনুবাদ প্রসঙ্গে ==
আমি ডেভিড হিউম নামক উক্তির পাতাটি তৈরী করেছিলাম। কিছু জায়গায় যান্ত্রিকতার কথা বলা হয়েছে।যদি নির্দিষ্ট জায়গাগুলো চিহ্নিত করে দেন, তবে সে ক্ষেত্রে উক্তির পাতাটি সংশোধন করা সহজ হবে।<br>
ধন্যবাদ।<br>[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০০:৪৫, ৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] প্রথমত, লেখার ফর্ম্যাটিংয়ে ভুল, আপনি '''বোল্ড''', ''ইটালিক'' ঠিকঠাক অনুসরণ করেননি; দ্বিতীয়ত সুত্রগুলো আসল ইংরেজির মতো করে বাংলাতে বসানোর চেষ্টা করুন; তৃতীয়ত বিভিন্ন জায়গায় বাক্যগুলো পড়তে অস্বাভাবিক লাগছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০১:৫০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::পয়েন্টগুলো ধরিয়ে দেওয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। '''তবে ২য় পয়েন্টটি বুঝতে কিছুটা সমস্যা হয়েছে - '''আপনি কি সূত্রগুলোর ক্ষেত্রে ইংরেজি হরফ ও সংখ্যাগুলো (যেমন- Book 1, Section 3, Page 45) বাংলায় (১ম খণ্ড, ৩য় অনুচ্ছেদ, পৃষ্ঠা ৪৫) রূপান্তর করতে বলছেন? নাকি বইয়ের নামের বাংলা অনুবাদের কথা বুঝিয়েছেন?<br>বিষয়টি নিশ্চিত করলে আমার জন্য পাতাটি নিখুঁতভাবে সংশোধন করা সহজ হবে।
::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০৬:৩৫, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] <code><span style="color:red;"><nowiki>** [[Amos Bronson Alcott|Amos Alcott]], ''[https://books.google.it/books?id=fzRaAAAAMAAJ Journals]'', Port Washington, NY: Kennikat Press, 1938, Volume 1, p. 115.</nowiki></code> → <code><span style="color:green;"><nowiki>** আমোস অলকট, ''[https://books.google.it/books?id=fzRaAAAAMAAJ জার্নালস]'', পোর্ট ওয়াশিংটন, এনওয়াই: কেনিকাট প্রেস, ১৯৩৮, খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ১১৫।</nowiki></code> <p> আমার মনে হয় আপনার লাইন অনেক বাদ আছে, ইংরেজির থেকে বাংলাতে অনেক লাইন কমে গেছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৯:২০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::এক দুটি লিঙ্ক বাদ পড়তে পারে তবে একটি উক্তিও বাদ পড়েনি। কয়েকবার রিভিশন দিয়েছি। লিঙ্কগুলো চেক করে জানাব।
::::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১০:৩৫, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::ইংলিশ পাতার সাথে মিলাতে গেলেই দেখা যায় বাংলা পাতায় অনেক অপ্রয়োজনীয় '''বোল্ড''' ''ইটালিক ''দেখা যাওয়ার কারনে দেখতে বেখাপ্পা লাগছে। আবার দেখেছি এটি নিয়মেও রয়েছে যে অপ্রয়োজনীয় বোল্ড ইটালিক করা যাবেনা। সেজন্যই লেখার ফর্ম্যাটিংয়ে কিছু জায়গায় ইচ্ছে করেই '''বোল্ড''' ''ইটালিক'' বাদ দিয়েছি (শুধু সুত্রগুলো ছাড়া)। আশা করি এটি মার্জনা করে নিবেন।
::'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৩:০৭, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)'''
:::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] পাতার অনুচ্ছেদগুলো আবার ইংরেজির সাথে মিলিয়ে দেখুন, অসঙ্গতি আছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৪:৪০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::ইংলিশ পাতার সঙ্গে মিলিয়ে পুনরায় কিছু উক্তি ও সুত্র সংশোধন করেছি। কিছু সুত্রে থাকা অতিরিক্ত তথ্য ইংলিশ উইকিলিঙ্ক থেকে মিলিয়ে দেওয়া হয়েছে, যেহেতু ইংলিশ উইকিলিঙ্ক দেওয়া নিষেধ। গত সাত দিনের ধারাবাহিক একটানা সম্পাদনার পর আশা করছি পাতাটি যথার্থ সংশোধিত হয়েছে। গ্রহণ করার বিনীত অনুরোধ রইলো।
::::ধন্যবাদ।
::::'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৫:১৯, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)'''
:::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] আর একটি সংশোধন প্রয়োজন, সম্পূর্ণ নিবন্ধে অতিরিক্ত — (em dash) ব্যবহার করেছেন, যেগুলো খুবই দৃষ্টিকটূ এবং যান্ত্রিক অনুবাদের লক্ষণ। এগুলো সংশোধন করে জানান, গ্রহণ করে নেব। ধন্যবাদ! [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২৩:৩৭, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::::অবশ্যই। সংশোধন করে জানাচ্ছি। [[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ২৩:৪৩, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]]
::::::অপ্রাসঙ্গিক এম-ড্যাশ (—) অপসারণ করে সংশোধিত করা হয়েছে ~!
::::::'''''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০০:২৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)'''''
:::::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০১:২৪, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]]
::::::::আমার তৈরী করা [[ফজলে রাব্বী]] পাতাটি একটু পর্যালোচনা করে দেখবেন। @[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ভাই বলেছিলেন অল্প সংশোধনের পর [[ফজলে রাব্বী]] নিবন্ধটি গ্রহন করে নিবেন। কিন্তু তিনি বোধহয় গত ৩দিন অফলাইনে থাকায় তা পর্যালোচিত হয়নি।
::::::::'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১২:৩৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)';'
:::::::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ধৈর্য ধরুন। পর্যালোচকরা মানুষ। তাদের ব্যক্তিগত জীবন আছে। আবার টেকনিক্যাল ত্রুটির কারণে অনেক সময় নোটিফিকেশন ঠিকমতো আসেনা। আপনি যেদিন সংশোধন করে জানিয়েছেন সেদিন আমাকে মেনশন না করায় নোটিফিকেশন পাইনি। পরের দিন মেনশন করায় নোটিফিকেশন পাওয়ার পর আজ পর্যালোচনা করবো বলে ঠিক করেছি। প্রতিযোগিতায় সব পাতাই পর্যালোচনা হবে, তাই তাড়াহুড়ার কিছু নেই। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৪:০৪, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::::::::অবশ্যই।
::::::::::গ্রহণ করে নেওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
::::::::::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৭:৪৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== যান্ত্রিক অনুবাদ সংশোধন ==
@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] আমি আপনার নির্দেশনা অনুযায়ী [[জন চার্লস পোলানি]],[[লেয়োঁ ফুকো]] এবং [[এ. সি. বেনসন]] নিবন্ধগুলো সংশোধন করেছি। এখন আর যান্ত্রিকতা নেই। তাই পুনঃপর্যালোচনা করে গ্রহণ করার অনুরোধ করছি। ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৩:২৫, ১২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[আন্তর্জাতিক আইন]] ==
নিবন্ধটি ভুলবসত বেখেয়ালে অসম্পূর্ণ ছিল, পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ রইল। [[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tanbiruzzaman|আলাপ]]) ০৬:২৪, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১১:১৯, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] [[পরকাল সম্পর্কে কুরআন]] নিবন্ধে অতিরিক্ত এম ড্যাশ খুব দৃষ্টিকটূ লাগছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৫:৩৯, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::সংশোধন করেছি। [[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tanbiruzzaman|আলাপ]]) ১৬:২৮, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৬:৫৭, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পুনঃ পর্যালোচনা ==
@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]], [[শাহ বানু মামলা]] পাতার সর্বশেষ সূত্র ঠিক করা হয়েছে। [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] আর [[বিহার]] দুই পাতার সূত্রে সমস্যা কোথায় আমি বুঝতে পারছি না। অনুগ্রহ করে বুঝিয়ে বললে ভালো হয়। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ০৯:৫৪, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] নিবন্ধের একটি তথ্যসূত্রও কাজ করছেনা। খুব সম্ভবত এটাই জেনারেটেড<br>[[বিহার]] নিবন্ধের সূত্রে লিংক যোগ করুন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৩:৩৯, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] আর [[বিহার]] দুটি পাতায়ই তথ্যসূত্র ঠিক করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৭:০৭, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::এবং [[স্মৃতি ইরানি]] পাতায়ও। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৭:০৮, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ৩টি নিবন্ধই {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২২:৩৫, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== দ্রৌপদী ==
[[দ্রৌপদী]] নিবন্ধের লেখাগুলো লিংক করা হয়নি। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৫:৪০, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] বেশিরভাগ লিংক-ই উইকিপিডিয়া লিংক। যেগুলো উইকিউক্তি লিংক সেগুলো সব যোগ করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২২:৩০, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পুনঃ পর্যালোচনা ==
[[জন টিন্ডাল]] পাতাটি সংশোধন করেছি। অনুগ্রহ করে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন।
ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ১৫:০৮, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৩:২১, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== উইলিয়াম শকলি পুনঃপর্যালোচনা ==
@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] আমি [[উইলিয়াম শকলি]] নিবন্ধটিকে সংশোধন করেছি এবং পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ করছি। ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৪:২২, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] আমি দেখলাম আপনি নতুন কিছু পাতা পর্যালোচনা করেছেন। এই নিবন্ধটি অনুগ্রহ করে পুনঃপর্যালোচনা করুন। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৭:১৭, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::{{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৮:০৪, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:২৪, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== সীতা রাম গোয়েল ==
পাতা অসম্পূর্ণ [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৮:৪১, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[কেমব্রিজ গান]] ==
এই নিবন্ধটি গ্রহণযোগ্য নয় কেন তা জানালে ভালো হয়। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৫:৪৭, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] প্রতিযোগিতার নির্দেশনা অনুসারে <code><b>নাটক, চলচ্চিত্র, গান, বই, গল্প, কবিতা, উপন্যাস</b></code> গ্রহণযোগ্য নয়। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৮:০০, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::ঠিক আছে — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:২৫, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[মুহাম্মদ মাহদি আল-জাওয়াহিরি]] ==
@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] সূত্রের লিংক যুক্ত করেছি। এবার অনুগ্রহ করে এটিকে গ্রহণ করে নিন। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৭:১৬, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:{{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৮:০২, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:২৪, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] ==
@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]], ইতিমধ্যে [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] পাতাটি বেশ কয়েকবার ম্যানুয়ালি পলিশিং করা হয়েছে। যেখানে আমার কাছে এখনো যান্ত্রিক অনুবাদ পরিলক্ষিত হয়নি।<br>'''তবে 'যান্ত্রিক অনুবাদ/ক্রটি' ঠিক কোথায়, একটু দেখিয়ে দিবেন আশা করছি'''।<br>ধন্যবাদ<br>'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০৩:২৪, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)'''
== [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] পাতাটি ==
@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]], ইতিমধ্যে [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] পাতাটি বেশ কয়েকবার ম্যানুয়ালি পলিশিং করা হয়েছে। যেখানে আমার কাছে এখনো যান্ত্রিক অনুবাদ পরিলক্ষিত হয়নি।<br>'''তবে 'যান্ত্রিক অনুবাদ/ক্রটি' ঠিক কোথায়, একটু দেখিয়ে দিবেন আশা করছি'''।<br>ধন্যবাদ<br>'''''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১০:০১, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)'''''
:@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] প্রথমত বার বার মেনশন করবেন না, একবার মেনশন হবে, অধৈর্য হবেন না, আমি ঠিক দেখব।<br><br> সম্পূর্ণ পাতা না দেখেও বলা যায় এটি অপরিশোধিত যান্ত্রিক অনুবাদ।
:*<code>'''গণহত্যা '''(যার মধ্যে '''হলোকাস্ট '''অন্তর্ভুক্ত),</code> লাইনে দুটি শব্দেই উইকিপিডিয়া লিংক করেছেন/করা আছে। বাংলা উইকিপিডিয়ায় ''হলোকাস্ট '' কোনোও শব্দ নেই, আর এখানে যে ''গণহত্যা'' শব্দে উইকিপিডিয়া লিংক করেছেন তার অর্থ ভিন্ন।
:* <code>More and more we felt that only a resolution of the European situation could save Spain, if Spain was to be saved</code> → <code>আমরা আমাদের অস্তিত্বের প্রতিটি স্পন্দনে... মর্মে মর্মে উপলব্ধি করছিলাম</code> এতটা নাটকীয় অনুবাদ?
:* <code>they had given thousands of their best sons</code> → <code>হাজার হাজার শ্রেষ্ঠ সন্তানকে মুক্তির লড়াইয়ে যুদ্ধের অগ্নিকুণ্ডে উৎসর্গ করেছিল"।</code> মূল লেখায় '''মুক্তির লড়াই''' বা '''অগ্নিকুণ্ডে উৎসর্গ''' এরকম কোনো কথা নেই।
:* সূত্রগুলো তে লিংক নেই, সূত্রের শুরুতেই অপ্রয়োজনীয় — (em dash) চিহ্ন।
:* বিভিন্ন জায়গায় টেক্সট ফর্ম্যাটিংয়ের সমস্যা, যেখানে বোল্ড/ইটালিক প্রয়োজন সেখানে বোল্ড/ইটালিক নেই, যেখানে প্রয়োজন নয়, সেখানে আছে।
:এগুলো দেখলেই বোঝা যায়। আমি শুধুমাত্র প্রথমের কিছু উক্তির ভুলগুলো তুলে ধরলাম। আপনার সম্পূর্ণ পাতাতেই এই ভুলগুলো রয়েছে।
:এই সমস্যাগুলো ঠিক করে জানান, বিশেষ করে শব্দসংখ্যা বাড়ানোর জন্য অতিরঞ্জন করবেন না। খেয়াল রাখবেন [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পর্যালোচনা নীতিমালা|পর্যালোচনা নীতিমালা]] অনুসারে '''প্রতিটি নিবন্ধ সর্বোচ্চ দুই (২) বার পর্যালোচনা করা যাবে।''' [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১১:২৩, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]], প্রথমত বারবার মেনশন করলাম না। তবে অতিরিক্ত দেরি না করার পরামর্শ দিচ্ছি।
::দ্বিতীয়ত, কিছু জায়গায় ভাবানুবাদ না করলে একদমই '''আক্ষরিক''' হয়ে যায় যা পরিহারযোগ্য। তবুও, উপরোক্ত উদাহরণের মতো অতিরিক্ত ভাবানুবাদ অপসারণের চেষ্টা করা হবে। এবং সূত্র থেকে লিঙ্ক তেমন বাদ না পড়লেও লিঙ্কগুলো খুঁজে দেখা হবে। এছাড়া '''বোল্ড''', ''ইটালিক'' পরিমার্জন করা হবে, '''কিন্তু''' ভিন্ন ভাষা এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রয়োজনমতো ইটালিক রাখা হবে যেগুলো ইংরেজি নিবন্ধে বাদ পড়েছিল। পূর্ণ নিশ্চিত হওয়ার জন্য এ ব্যাপারে মন্তব্য রাখবেন। ~'''আল-মাহমুদ'''
::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৪:৪৬, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] এও মন্তব্যটাও পড়ে মনে হচ্ছে এআই জেনারেটেড।
:::যাই হোক, ভাবানুবাদ আর অতিরঞ্জন দুটো আলাদা জিনিস। আরও একটি কথা, যখন একই প্যাটর্নে কিছু জিনিস পাল্টাতে থাকে তখন সেটা স্পষ্ট যান্ত্রিক অনুবাদ।
:::"বিষয়ে প্রয়োজনমতো ইটালিক রাখা হবে যেগুলো ইংরেজি নিবন্ধে বাদ পড়েছিল"- এই কথার অর্থ কি ? [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৫:০২, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]], খুবই অনুমানযোগ্য উত্তর। এআই জেনেরাটেড উত্তর আপনাকে কেন দিতে যাব? নিজের Key-Board চেপে দিচ্ছি। ভাষা একটু গোছানো হলেই তাকে 'এ-আই জেনেরেটেড' ভাববেন না। যেহেতু আমিই সম্পাদনাটি করছি তাই অতিরিক্ত সন্দিহান হবেন না।। উইকিপিডিয়াতে আমি একদম নবাগত ('''৪৩ দিন''', উইকিউক্তিতে '''২৫ দিন''') হলেও আমার দীর্ঘদিন সাহিত্যিক-কাব্যিক ঘরানার লেখালেখি করার অভ্যাস রয়েছে।
::::যাইহোক সেসব বাদ (''ব্যক্তিগত হিসেবে নেওয়ার দরকার নেই। \ আলোচনায় কেউ এসব বললে সেটা পছন্দ করিনা''), এটা আগেই বলা হয়েছে যে অতিরিক্ত ভাবানুবাদ অপসারণ করা হবে।
::::
::::"বুঝাতে চেয়েছি যে ''''ভিন্ন ভাষা এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রয়োজনমতো ইটালিক রাখা হবে''''। যেমনঃ এক জায়গায় ''ফরাসি অথবা জার্মান ভাষা রয়েছে, সেক্ষেত্রে ওই ভাষাটিকে উপস্থাপনের ক্ষেত্রে বোল্ড করা হবে। এই বিষয়েই মন্তব্য করবেন।"
::::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৫:৪৫, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] দীর্ঘদিনের পর্যালোচনা অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি, ৭ লাইনের ইংরেজি থেকে বাংলা ভাবানুবাদ করলেও তা কখনোই ১৮ লাইন হতে পারে না।
:::::[[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পর্যালোচনা নীতিমালা|প্রতিযোগিতার নিয়মে]] স্পষ্ট উল্লেখ আছে '''অনুবাদের ক্ষেত্রে যদি এআই-জনিত সাধারণ ভুল (যেমন ইংরেজি উইকিলিংক, -এর/-এ/-তে ত্রুটি, অপ্রয়োজনীয় বোল্ড, অপ্রয়োজনীয় বুলেট পয়েন্ট, বাংলার পাশে বারবার ব্র্যাকেটে ইংরেজি টার্ম, তথ্যসূত্র অনুপস্থিত ইত্যাদি) পাওয়া যায়, সেক্ষেত্রেও সরাসরি বাতিল করা হবে।'''
:::::আপনার যদি আমার পর্যালোচনা নিয়ে অন্য কোনও রকম আপত্তি থেকে থাকে তা আপনি প্রতিযোগিতার আলাপ পাতায় তুলে ধরতে পারেন। আর যদি না তা না থাকে তাহলে উল্লিখিত বিয়ষয়গুলো সংশোধন করে আমাকে এখানে মেনশন করুন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৬:১৩, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== উইলিয়াম শার্প: পুনঃপর্যালোচনা ==
[[উইলিয়াম শার্প]] নিবন্ধটিকে সংশোধন করেছি এবং পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ করছি। ~ [[ব্যবহারকারী:Md. Muqtadir Fuad|Md. Muqtadir Fuad]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md. Muqtadir Fuad|আলাপ]]) ১৫:৪০, ২৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Md. Muqtadir Fuad|Md. Muqtadir Fuad]] {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১১:২৯, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[বমি]] নিবন্ধ পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ ==
@[[ব্যবহারকারী:ARI|Arijit Kisku]] আমি [[বমি]] নিবন্ধটি সংশোধন করে [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|মেহেদী আবেদীন]]কে জানিয়েছিলাম। সে গ্রহণ করে নিলেও আপনি দেখলাম গ্রহণ করেননি। তাই ফাউন্টেইন টুলফোর্জে না দেখাচ্ছে 0 না দেখাচ্ছে 1। তাই অনুগ্রহ করে নিবন্ধটি গ্রহণ করে নেওয়ার অনুরোধ রইল। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">আনাফ</span> <span style="color:#388E3C">ইবনে</span> <span style="color:#66BB6A">সাহেবুল</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১০:৫৪, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১১:২৯, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:ARI|Arijit Kisku]] ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">আনাফ</span> <span style="color:#388E3C">ইবনে</span> <span style="color:#66BB6A">সাহেবুল</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১১:০২, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ==
@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]],আদাব<br>[[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] পাতাটি সংশোধন করেছি।<br>(পাতা থেকে যথাসাধ্য অতিরঞ্জিত ভাবানুবাদ ছেটে, সূত্র-ও যুক্ত করেছি। তবে দীর্ঘ পাতা হওয়া, কিছু ভ্রান্তি থেকে যেতে পারে, তাই কোনো প্র য়োজন হলে অনুগ্রহপূর্বক মেন্শন করবেন)
ধন্যবাদ,,
[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ২৩:৩৩, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] গতকাল ইতিমধ্যেই একবার মেনশন করেছেন, বারবার মেনশন করবেন না। পর্যালোচকদেরও বাস্তব জীবনে ব্যস্ততা থাকতে পারে। আমি দেখে পর জানাব। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২৩:৩৭, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ভাবলাম বোধহয় টেকনিক্যাল সমস্যা হয়েছে। তাই দ্বিতীয়বার করেছি। আপনার ব্যক্তিগত ইমেইল এড্রেস হলে এক্ষেত্রে ভালো হত। [[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ২৩:৩৯, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] অপাতত গ্রহণ করেছি। ইটালিক/বোল্ড ঠিক করেননি। আর এখনও অতিরঞ্জনে পরিপূর্ণ। আমি আপনাকে এখানে আবার মেনশন করে কি ঠিক করতে হবে বলে দেব। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৪:১০, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ততক্ষণে আপনি ইংরেজির সাথে ইটালিক/বোল্ড সামঞ্জস্য করুন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৪:১১, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ধন্যবাদ দা। আমি উক্তির মাঝে বোল্ড/ইটালিক সামঞ্জস্য করেছি, তবু চেক করছি। তবে আপনি কি উক্তিকারীর নামের মধ্যে দেওয়া এক্স্ট্রা বোল্ড+ইটালিক বাদ দেওয়ার কথা বলছেন?> যেমনঃ '''''মুসা গালিব''''' থেকে মুসা গালিব? যদিও এটার জন্য এর আগে কখনো নিবন্ধ ক্যান্সাল হয়নি।।[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৪:৩৭, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ইংরেজিতে যেগুলো বোল্ড/ইটালিক আছে সেগুলো অন্তত বাংলায় করুন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০০:৩১, ২৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[অ্যানোনিমাস]] ==
সংশোধন করেছি, পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ। [[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tanbiruzzaman|আলাপ]]) ০৪:৪৯, ২৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৮:৪১, ২৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== স্বাধীনতা দিবস (ভারত) ==
[[স্বাধীনতা দিবস (ভারত)]] পাতাটির ২টি উক্তি অপ্রাসঙ্গিক। প্রাসঙ্গিক উক্তি ব্যবহার করতে হবে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ০১:৩৫, ৩০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] সংশোধন করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০২:২৪, ৩০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ০২:৩১, ৩০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== অনিল ভৌমিক ==
আপনি [[অনিল ভৌমিক]] এ লিখেছেন "যান্ত্রিক; উৎস ঠিক করুন"। কিন্তু উক্তি গুলোর একটাও অনুবাদ নয়, তাই যান্ত্রিকতার বিষয়টা বুঝলাম না।
উৎস হিসেবে যে ওয়েবপেজে উক্তি রয়েছে তার লিংক যোগ করাই আছে, আর কী যোগ করব? [[ব্যবহারকারী আলাপ:Nil Nandy|নীল নন্দী]] ১৬:০৫, ৩০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Nil Nandy|Nil Nandy]] অনুবাদের জন্য "যান্ত্রিক" শব্দটা ব্যবহার করিনি। আপনি যে সুত্র যোগ করেছেন তা খুললে "Not found, error 404" দেখাচ্ছে।
:এআই সাধারণত এমন ভুল করে, যেমন random ইউআরএল যোগ করে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০২:০৯, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
::শায়িত দেবতাদের মন্দির পাতাটার লিংক বদলে দিয়েছি। পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ করছি। [[ব্যবহারকারী আলাপ:Nil Nandy|নীল নন্দী]] ০২:৫৫, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
::{{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৩:০২, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
== পর্যালোচনা ==
[[আসাদউদ্দিন ওয়াইসি]] এবং [[শাহ বানু মামলা]] পাতার সূত্র সংশোধন করা হয়েছে। [[বৃন্দাবন]] পাতায় কী সমস্যা আছে বুঝতে পারছি না। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ২০:০১, ২ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
:[[মণিপুর]], [[মৈতৈ জাতি]] এবং [[মাইকেল বিশপ]] এই পাতাগুলো সংশোধন করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ২০:১১, ২ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] অন্যান্য নিবন্ধগুলো {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০০:৪৯, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] [[বৃন্দাবন]] পাতায় ৫নং উক্তিতে
:*মূল ইংরেজি অংশে “neither by their master's orders nor from the severe handling they received in yesterday's fight” বাক্যটি আছে, কিন্তু অনুবাদে এটি সম্পূর্ণ বাদ পড়েছে।
:*“all of them non-combatants and many of them priests” অংশটিও অনুবাদে নেই।
:*“plundering everywhere as directed”–এর ক্ষেত্রে “as directed” (নির্দেশ অনুযায়ী) অংশটি অনুবাদে অনুপস্থিত
:*“general massacre”–এর অনুবাদ “সাধারণ গণহত্যা” হয়েছে। এর বদলে “ব্যাপক গণহত্যা” বা “সর্বত্র গণহত্যা” ব্যবহার করা আরও উপযুক্ত হবে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০০:৪৯, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
8jsar7ok3v3lco3bjfe3bwabufx1b5x
83299
83298
2026-05-03T00:59:06Z
ARI
356
/* পর্যালোচনা */ উত্তর
83299
wikitext
text/x-wiki
== উইকিউক্তিতে স্বাগত ==
<div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;">
সুপ্রিয় Arijit Kisku,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন!
* উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন।
** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন।
* উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন।
* পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন।
* পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন।
* [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন!
কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম!
— [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটির পক্ষে]],<br />≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:Md.Farhan Mahmud|<b style="background-color:green;color:white">ফারহান </b>]][[User talk:Md.Farhan Mahmud| «আলাপ»]]</b> ০৪:১১, ১৪ নভেম্বর ২০২২ (ইউটিসি)
</div>
"বিশ্ব হিন্দু পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শ্রী মিলিন্দ পরাণ্ডে আজ বলেন," এরকম একটি অপ্রয়োজনীয় অংশ আছে। এছাড়া কিছু কিছু উক্তি গুরুত্বপূর্ণ কিছু মনে হচ্ছে না। গ্রহণ করে নিচ্ছি। কিন্তু সংশোধনের অনুরোধ রইল।[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS|আলাপ]]) ১৩:৩৫, ৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ইংরেজি থেকে ডিরেক্ট অনুবাদ। অনুবাদের ক্ষেত্রে কি যাচাই-বাছাই করতে হবে? [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ১৫:৫০, ৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] হ্যাঁ, ইংরেজিতে থাকা সবকিছুই তো ১০০% সঠিক না। আমরা যদি সঠিকটা বুঝতে পারি, তাহলে সেটাই করা উচিত। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS|আলাপ]]) ০৭:০৭, ৮ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
==[[চরক]]==
নিবন্ধটিতে সম্পাদনা প্রয়োজন। সব ঠিক করে আমাকে মেনশন করে জানান।[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১২:০৬, ১১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] আমার যে জিনিসগুলো চোখে পড়েছে, সেগুলি আমি সম্পাদনা করেছি। অন্য নির্দিষ্ট কিছু সম্পাদনা করার প্রয়োজন হলে অনুগ্রহ করে উল্লেখ করুন। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ২২:৫৬, ১১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
== [[ভারতে বর্ণপ্রথা]] ==
কিছুটা যান্ত্রিকতা আছে। উক্তির কাঠামো ঠিক রেখে যান্ত্রিকতা সংশোধন করে জানান, আমি গ্রহণ করে নিব। আর হ্যাঁ, "এলস্ট, কনরাড" ব্যক্তির যেসব উক্তি আছে, সেগুলোকে [[কোনরাড এলস্ট]] পাতার সঙ্গে লিংক করুন।≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৯:৪১, ২০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] যেগুলি আমি খেয়াল করেছি সেগুলি সংশোধন করেছি। অন্যান্য যে কোনও সম্পাদনার প্রয়োজন থাকলে অনুগ্রহ করে উল্লেখ করুন। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ০৩:১৮, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ধন্যবাদ। গৃহীত হয়েছে। ব্যক্তির নাম প্রচলিত বাংলা ফরম্যাটে লেখার চেষ্টা করবেন। কোনরাড এলস্টের মতোই। আরেকটা উদাহরণ দেখলাম, [[মালহোত্রা, আর.]]। এভাবে লিংক করলে তো সঠিক লক্ষ্যে পৌঁছানো যাবে না; [[রাজিব মালহোত্রা]] এভাবে লিখবেন। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১০:২২, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
:::আচ্ছা, পরবর্তীতে খেয়াল রাখবো। [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku#top|আলাপ]]) ১১:০৪, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি)
== উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন ==
সুপ্রিয় {{BASEPAGENAME}}, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/ফলাফল|শীর্ষ ১০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSeDWCveBqp7ID0VVW0ipXM-WXeCqE7u-xHQCU_d7FRYo-9vAA/viewform?usp=dialog এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। - ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৮:৩১, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
<!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:MS_Sakib/%E0%A6%97%E0%A6%A3_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE&oldid=67623-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন -->
:দুঃখিত, ভুল ফর্মের লিংক দেওয়া হয়েছিল। এখন ঠিক করা হয়েছে। পুনরায় পুরণ করার অনুরোধ করছি। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff"> MS Sakib </b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৯:০২, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি)
== [[নির্বাচন]] ==
পাতাটি অসম্পূর্ণ। অনুগ্রহ করে সম্পূর্ণ করুন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৯:৫৯, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৬:২৯, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ধন্যবাদ। পর্যালোচনা করা হবে। যেহেতু পাতা খুব বড় তাই কয়েকদিন সময় লাগতে পারে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৮:৪৭, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পাতা ঠিক করেছি ==
আলেকজান্ডার ফ্লেমিং নামক পাতাটা ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:SMontaha32|আলাপ]]) ১১:৫১, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:SMontaha32|SMontaha32]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২৩:২০, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পুনঃপর্যালোচনা ==
[[আবি আহমেদ]] এবং [[পিটার আগ্রি]] পাতা দুটি সংশোধন করা হয়েছে। পুনরায় পর্যালোচনার অনুরোধ। [[ব্যবহারকারী:Borhan|Borhan]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Borhan|আলাপ]]) ০৪:৪৪, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Borhan|Borhan]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২২:২৩, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পুনঃপর্যালোচনা ==
@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] [[আহমেদ জেওয়াইল]] পুনরায় দেখার অনুরোধ রইল।[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০২:২৭, ৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০২:২৯, ৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== যান্ত্রিক অনুবাদ প্রসঙ্গে ==
আমি ডেভিড হিউম নামক উক্তির পাতাটি তৈরী করেছিলাম। কিছু জায়গায় যান্ত্রিকতার কথা বলা হয়েছে।যদি নির্দিষ্ট জায়গাগুলো চিহ্নিত করে দেন, তবে সে ক্ষেত্রে উক্তির পাতাটি সংশোধন করা সহজ হবে।<br>
ধন্যবাদ।<br>[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০০:৪৫, ৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] প্রথমত, লেখার ফর্ম্যাটিংয়ে ভুল, আপনি '''বোল্ড''', ''ইটালিক'' ঠিকঠাক অনুসরণ করেননি; দ্বিতীয়ত সুত্রগুলো আসল ইংরেজির মতো করে বাংলাতে বসানোর চেষ্টা করুন; তৃতীয়ত বিভিন্ন জায়গায় বাক্যগুলো পড়তে অস্বাভাবিক লাগছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০১:৫০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::পয়েন্টগুলো ধরিয়ে দেওয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। '''তবে ২য় পয়েন্টটি বুঝতে কিছুটা সমস্যা হয়েছে - '''আপনি কি সূত্রগুলোর ক্ষেত্রে ইংরেজি হরফ ও সংখ্যাগুলো (যেমন- Book 1, Section 3, Page 45) বাংলায় (১ম খণ্ড, ৩য় অনুচ্ছেদ, পৃষ্ঠা ৪৫) রূপান্তর করতে বলছেন? নাকি বইয়ের নামের বাংলা অনুবাদের কথা বুঝিয়েছেন?<br>বিষয়টি নিশ্চিত করলে আমার জন্য পাতাটি নিখুঁতভাবে সংশোধন করা সহজ হবে।
::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০৬:৩৫, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] <code><span style="color:red;"><nowiki>** [[Amos Bronson Alcott|Amos Alcott]], ''[https://books.google.it/books?id=fzRaAAAAMAAJ Journals]'', Port Washington, NY: Kennikat Press, 1938, Volume 1, p. 115.</nowiki></code> → <code><span style="color:green;"><nowiki>** আমোস অলকট, ''[https://books.google.it/books?id=fzRaAAAAMAAJ জার্নালস]'', পোর্ট ওয়াশিংটন, এনওয়াই: কেনিকাট প্রেস, ১৯৩৮, খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ১১৫।</nowiki></code> <p> আমার মনে হয় আপনার লাইন অনেক বাদ আছে, ইংরেজির থেকে বাংলাতে অনেক লাইন কমে গেছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৯:২০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::এক দুটি লিঙ্ক বাদ পড়তে পারে তবে একটি উক্তিও বাদ পড়েনি। কয়েকবার রিভিশন দিয়েছি। লিঙ্কগুলো চেক করে জানাব।
::::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১০:৩৫, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::ইংলিশ পাতার সাথে মিলাতে গেলেই দেখা যায় বাংলা পাতায় অনেক অপ্রয়োজনীয় '''বোল্ড''' ''ইটালিক ''দেখা যাওয়ার কারনে দেখতে বেখাপ্পা লাগছে। আবার দেখেছি এটি নিয়মেও রয়েছে যে অপ্রয়োজনীয় বোল্ড ইটালিক করা যাবেনা। সেজন্যই লেখার ফর্ম্যাটিংয়ে কিছু জায়গায় ইচ্ছে করেই '''বোল্ড''' ''ইটালিক'' বাদ দিয়েছি (শুধু সুত্রগুলো ছাড়া)। আশা করি এটি মার্জনা করে নিবেন।
::'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৩:০৭, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)'''
:::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] পাতার অনুচ্ছেদগুলো আবার ইংরেজির সাথে মিলিয়ে দেখুন, অসঙ্গতি আছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৪:৪০, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::ইংলিশ পাতার সঙ্গে মিলিয়ে পুনরায় কিছু উক্তি ও সুত্র সংশোধন করেছি। কিছু সুত্রে থাকা অতিরিক্ত তথ্য ইংলিশ উইকিলিঙ্ক থেকে মিলিয়ে দেওয়া হয়েছে, যেহেতু ইংলিশ উইকিলিঙ্ক দেওয়া নিষেধ। গত সাত দিনের ধারাবাহিক একটানা সম্পাদনার পর আশা করছি পাতাটি যথার্থ সংশোধিত হয়েছে। গ্রহণ করার বিনীত অনুরোধ রইলো।
::::ধন্যবাদ।
::::'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৫:১৯, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)'''
:::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] আর একটি সংশোধন প্রয়োজন, সম্পূর্ণ নিবন্ধে অতিরিক্ত — (em dash) ব্যবহার করেছেন, যেগুলো খুবই দৃষ্টিকটূ এবং যান্ত্রিক অনুবাদের লক্ষণ। এগুলো সংশোধন করে জানান, গ্রহণ করে নেব। ধন্যবাদ! [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২৩:৩৭, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::::অবশ্যই। সংশোধন করে জানাচ্ছি। [[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ২৩:৪৩, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]]
::::::অপ্রাসঙ্গিক এম-ড্যাশ (—) অপসারণ করে সংশোধিত করা হয়েছে ~!
::::::'''''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০০:২৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)'''''
:::::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০১:২৪, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]]
::::::::আমার তৈরী করা [[ফজলে রাব্বী]] পাতাটি একটু পর্যালোচনা করে দেখবেন। @[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ভাই বলেছিলেন অল্প সংশোধনের পর [[ফজলে রাব্বী]] নিবন্ধটি গ্রহন করে নিবেন। কিন্তু তিনি বোধহয় গত ৩দিন অফলাইনে থাকায় তা পর্যালোচিত হয়নি।
::::::::'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১২:৩৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)';'
:::::::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ধৈর্য ধরুন। পর্যালোচকরা মানুষ। তাদের ব্যক্তিগত জীবন আছে। আবার টেকনিক্যাল ত্রুটির কারণে অনেক সময় নোটিফিকেশন ঠিকমতো আসেনা। আপনি যেদিন সংশোধন করে জানিয়েছেন সেদিন আমাকে মেনশন না করায় নোটিফিকেশন পাইনি। পরের দিন মেনশন করায় নোটিফিকেশন পাওয়ার পর আজ পর্যালোচনা করবো বলে ঠিক করেছি। প্রতিযোগিতায় সব পাতাই পর্যালোচনা হবে, তাই তাড়াহুড়ার কিছু নেই। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৪:০৪, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::::::::অবশ্যই।
::::::::::গ্রহণ করে নেওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
::::::::::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৭:৪৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== যান্ত্রিক অনুবাদ সংশোধন ==
@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] আমি আপনার নির্দেশনা অনুযায়ী [[জন চার্লস পোলানি]],[[লেয়োঁ ফুকো]] এবং [[এ. সি. বেনসন]] নিবন্ধগুলো সংশোধন করেছি। এখন আর যান্ত্রিকতা নেই। তাই পুনঃপর্যালোচনা করে গ্রহণ করার অনুরোধ করছি। ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১৩:২৫, ১২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[আন্তর্জাতিক আইন]] ==
নিবন্ধটি ভুলবসত বেখেয়ালে অসম্পূর্ণ ছিল, পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ রইল। [[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tanbiruzzaman|আলাপ]]) ০৬:২৪, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১১:১৯, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] [[পরকাল সম্পর্কে কুরআন]] নিবন্ধে অতিরিক্ত এম ড্যাশ খুব দৃষ্টিকটূ লাগছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৫:৩৯, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::সংশোধন করেছি। [[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tanbiruzzaman|আলাপ]]) ১৬:২৮, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৬:৫৭, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পুনঃ পর্যালোচনা ==
@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]], [[শাহ বানু মামলা]] পাতার সর্বশেষ সূত্র ঠিক করা হয়েছে। [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] আর [[বিহার]] দুই পাতার সূত্রে সমস্যা কোথায় আমি বুঝতে পারছি না। অনুগ্রহ করে বুঝিয়ে বললে ভালো হয়। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ০৯:৫৪, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] নিবন্ধের একটি তথ্যসূত্রও কাজ করছেনা। খুব সম্ভবত এটাই জেনারেটেড<br>[[বিহার]] নিবন্ধের সূত্রে লিংক যোগ করুন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৩:৩৯, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] আর [[বিহার]] দুটি পাতায়ই তথ্যসূত্র ঠিক করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৭:০৭, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::এবং [[স্মৃতি ইরানি]] পাতায়ও। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৭:০৮, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ৩টি নিবন্ধই {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২২:৩৫, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== দ্রৌপদী ==
[[দ্রৌপদী]] নিবন্ধের লেখাগুলো লিংক করা হয়নি। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৫:৪০, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] বেশিরভাগ লিংক-ই উইকিপিডিয়া লিংক। যেগুলো উইকিউক্তি লিংক সেগুলো সব যোগ করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২২:৩০, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== পুনঃ পর্যালোচনা ==
[[জন টিন্ডাল]] পাতাটি সংশোধন করেছি। অনুগ্রহ করে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন।
ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ১৫:০৮, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৩:২১, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== উইলিয়াম শকলি পুনঃপর্যালোচনা ==
@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] আমি [[উইলিয়াম শকলি]] নিবন্ধটিকে সংশোধন করেছি এবং পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ করছি। ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৪:২২, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] আমি দেখলাম আপনি নতুন কিছু পাতা পর্যালোচনা করেছেন। এই নিবন্ধটি অনুগ্রহ করে পুনঃপর্যালোচনা করুন। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৭:১৭, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::{{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৮:০৪, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:২৪, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== সীতা রাম গোয়েল ==
পাতা অসম্পূর্ণ [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৮:৪১, ২১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[কেমব্রিজ গান]] ==
এই নিবন্ধটি গ্রহণযোগ্য নয় কেন তা জানালে ভালো হয়। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৫:৪৭, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] প্রতিযোগিতার নির্দেশনা অনুসারে <code><b>নাটক, চলচ্চিত্র, গান, বই, গল্প, কবিতা, উপন্যাস</b></code> গ্রহণযোগ্য নয়। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৮:০০, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::ঠিক আছে — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:২৫, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[মুহাম্মদ মাহদি আল-জাওয়াহিরি]] ==
@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] সূত্রের লিংক যুক্ত করেছি। এবার অনুগ্রহ করে এটিকে গ্রহণ করে নিন। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৭:১৬, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:{{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৮:০২, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:২৪, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] ==
@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]], ইতিমধ্যে [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] পাতাটি বেশ কয়েকবার ম্যানুয়ালি পলিশিং করা হয়েছে। যেখানে আমার কাছে এখনো যান্ত্রিক অনুবাদ পরিলক্ষিত হয়নি।<br>'''তবে 'যান্ত্রিক অনুবাদ/ক্রটি' ঠিক কোথায়, একটু দেখিয়ে দিবেন আশা করছি'''।<br>ধন্যবাদ<br>'''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০৩:২৪, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)'''
== [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] পাতাটি ==
@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]], ইতিমধ্যে [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] পাতাটি বেশ কয়েকবার ম্যানুয়ালি পলিশিং করা হয়েছে। যেখানে আমার কাছে এখনো যান্ত্রিক অনুবাদ পরিলক্ষিত হয়নি।<br>'''তবে 'যান্ত্রিক অনুবাদ/ক্রটি' ঠিক কোথায়, একটু দেখিয়ে দিবেন আশা করছি'''।<br>ধন্যবাদ<br>'''''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১০:০১, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)'''''
:@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] প্রথমত বার বার মেনশন করবেন না, একবার মেনশন হবে, অধৈর্য হবেন না, আমি ঠিক দেখব।<br><br> সম্পূর্ণ পাতা না দেখেও বলা যায় এটি অপরিশোধিত যান্ত্রিক অনুবাদ।
:*<code>'''গণহত্যা '''(যার মধ্যে '''হলোকাস্ট '''অন্তর্ভুক্ত),</code> লাইনে দুটি শব্দেই উইকিপিডিয়া লিংক করেছেন/করা আছে। বাংলা উইকিপিডিয়ায় ''হলোকাস্ট '' কোনোও শব্দ নেই, আর এখানে যে ''গণহত্যা'' শব্দে উইকিপিডিয়া লিংক করেছেন তার অর্থ ভিন্ন।
:* <code>More and more we felt that only a resolution of the European situation could save Spain, if Spain was to be saved</code> → <code>আমরা আমাদের অস্তিত্বের প্রতিটি স্পন্দনে... মর্মে মর্মে উপলব্ধি করছিলাম</code> এতটা নাটকীয় অনুবাদ?
:* <code>they had given thousands of their best sons</code> → <code>হাজার হাজার শ্রেষ্ঠ সন্তানকে মুক্তির লড়াইয়ে যুদ্ধের অগ্নিকুণ্ডে উৎসর্গ করেছিল"।</code> মূল লেখায় '''মুক্তির লড়াই''' বা '''অগ্নিকুণ্ডে উৎসর্গ''' এরকম কোনো কথা নেই।
:* সূত্রগুলো তে লিংক নেই, সূত্রের শুরুতেই অপ্রয়োজনীয় — (em dash) চিহ্ন।
:* বিভিন্ন জায়গায় টেক্সট ফর্ম্যাটিংয়ের সমস্যা, যেখানে বোল্ড/ইটালিক প্রয়োজন সেখানে বোল্ড/ইটালিক নেই, যেখানে প্রয়োজন নয়, সেখানে আছে।
:এগুলো দেখলেই বোঝা যায়। আমি শুধুমাত্র প্রথমের কিছু উক্তির ভুলগুলো তুলে ধরলাম। আপনার সম্পূর্ণ পাতাতেই এই ভুলগুলো রয়েছে।
:এই সমস্যাগুলো ঠিক করে জানান, বিশেষ করে শব্দসংখ্যা বাড়ানোর জন্য অতিরঞ্জন করবেন না। খেয়াল রাখবেন [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পর্যালোচনা নীতিমালা|পর্যালোচনা নীতিমালা]] অনুসারে '''প্রতিটি নিবন্ধ সর্বোচ্চ দুই (২) বার পর্যালোচনা করা যাবে।''' [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১১:২৩, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]], প্রথমত বারবার মেনশন করলাম না। তবে অতিরিক্ত দেরি না করার পরামর্শ দিচ্ছি।
::দ্বিতীয়ত, কিছু জায়গায় ভাবানুবাদ না করলে একদমই '''আক্ষরিক''' হয়ে যায় যা পরিহারযোগ্য। তবুও, উপরোক্ত উদাহরণের মতো অতিরিক্ত ভাবানুবাদ অপসারণের চেষ্টা করা হবে। এবং সূত্র থেকে লিঙ্ক তেমন বাদ না পড়লেও লিঙ্কগুলো খুঁজে দেখা হবে। এছাড়া '''বোল্ড''', ''ইটালিক'' পরিমার্জন করা হবে, '''কিন্তু''' ভিন্ন ভাষা এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রয়োজনমতো ইটালিক রাখা হবে যেগুলো ইংরেজি নিবন্ধে বাদ পড়েছিল। পূর্ণ নিশ্চিত হওয়ার জন্য এ ব্যাপারে মন্তব্য রাখবেন। ~'''আল-মাহমুদ'''
::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৪:৪৬, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] এও মন্তব্যটাও পড়ে মনে হচ্ছে এআই জেনারেটেড।
:::যাই হোক, ভাবানুবাদ আর অতিরঞ্জন দুটো আলাদা জিনিস। আরও একটি কথা, যখন একই প্যাটর্নে কিছু জিনিস পাল্টাতে থাকে তখন সেটা স্পষ্ট যান্ত্রিক অনুবাদ।
:::"বিষয়ে প্রয়োজনমতো ইটালিক রাখা হবে যেগুলো ইংরেজি নিবন্ধে বাদ পড়েছিল"- এই কথার অর্থ কি ? [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৫:০২, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]], খুবই অনুমানযোগ্য উত্তর। এআই জেনেরাটেড উত্তর আপনাকে কেন দিতে যাব? নিজের Key-Board চেপে দিচ্ছি। ভাষা একটু গোছানো হলেই তাকে 'এ-আই জেনেরেটেড' ভাববেন না। যেহেতু আমিই সম্পাদনাটি করছি তাই অতিরিক্ত সন্দিহান হবেন না।। উইকিপিডিয়াতে আমি একদম নবাগত ('''৪৩ দিন''', উইকিউক্তিতে '''২৫ দিন''') হলেও আমার দীর্ঘদিন সাহিত্যিক-কাব্যিক ঘরানার লেখালেখি করার অভ্যাস রয়েছে।
::::যাইহোক সেসব বাদ (''ব্যক্তিগত হিসেবে নেওয়ার দরকার নেই। \ আলোচনায় কেউ এসব বললে সেটা পছন্দ করিনা''), এটা আগেই বলা হয়েছে যে অতিরিক্ত ভাবানুবাদ অপসারণ করা হবে।
::::
::::"বুঝাতে চেয়েছি যে ''''ভিন্ন ভাষা এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রয়োজনমতো ইটালিক রাখা হবে''''। যেমনঃ এক জায়গায় ''ফরাসি অথবা জার্মান ভাষা রয়েছে, সেক্ষেত্রে ওই ভাষাটিকে উপস্থাপনের ক্ষেত্রে বোল্ড করা হবে। এই বিষয়েই মন্তব্য করবেন।"
::::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৫:৪৫, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] দীর্ঘদিনের পর্যালোচনা অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি, ৭ লাইনের ইংরেজি থেকে বাংলা ভাবানুবাদ করলেও তা কখনোই ১৮ লাইন হতে পারে না।
:::::[[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পর্যালোচনা নীতিমালা|প্রতিযোগিতার নিয়মে]] স্পষ্ট উল্লেখ আছে '''অনুবাদের ক্ষেত্রে যদি এআই-জনিত সাধারণ ভুল (যেমন ইংরেজি উইকিলিংক, -এর/-এ/-তে ত্রুটি, অপ্রয়োজনীয় বোল্ড, অপ্রয়োজনীয় বুলেট পয়েন্ট, বাংলার পাশে বারবার ব্র্যাকেটে ইংরেজি টার্ম, তথ্যসূত্র অনুপস্থিত ইত্যাদি) পাওয়া যায়, সেক্ষেত্রেও সরাসরি বাতিল করা হবে।'''
:::::আপনার যদি আমার পর্যালোচনা নিয়ে অন্য কোনও রকম আপত্তি থেকে থাকে তা আপনি প্রতিযোগিতার আলাপ পাতায় তুলে ধরতে পারেন। আর যদি না তা না থাকে তাহলে উল্লিখিত বিয়ষয়গুলো সংশোধন করে আমাকে এখানে মেনশন করুন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৬:১৩, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== উইলিয়াম শার্প: পুনঃপর্যালোচনা ==
[[উইলিয়াম শার্প]] নিবন্ধটিকে সংশোধন করেছি এবং পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ করছি। ~ [[ব্যবহারকারী:Md. Muqtadir Fuad|Md. Muqtadir Fuad]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md. Muqtadir Fuad|আলাপ]]) ১৫:৪০, ২৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Md. Muqtadir Fuad|Md. Muqtadir Fuad]] {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১১:২৯, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[বমি]] নিবন্ধ পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ ==
@[[ব্যবহারকারী:ARI|Arijit Kisku]] আমি [[বমি]] নিবন্ধটি সংশোধন করে [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|মেহেদী আবেদীন]]কে জানিয়েছিলাম। সে গ্রহণ করে নিলেও আপনি দেখলাম গ্রহণ করেননি। তাই ফাউন্টেইন টুলফোর্জে না দেখাচ্ছে 0 না দেখাচ্ছে 1। তাই অনুগ্রহ করে নিবন্ধটি গ্রহণ করে নেওয়ার অনুরোধ রইল। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">আনাফ</span> <span style="color:#388E3C">ইবনে</span> <span style="color:#66BB6A">সাহেবুল</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১০:৫৪, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১১:২৯, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:ARI|Arijit Kisku]] ধন্যবাদ — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">আনাফ</span> <span style="color:#388E3C">ইবনে</span> <span style="color:#66BB6A">সাহেবুল</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১১:০২, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ==
@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]],আদাব<br>[[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] পাতাটি সংশোধন করেছি।<br>(পাতা থেকে যথাসাধ্য অতিরঞ্জিত ভাবানুবাদ ছেটে, সূত্র-ও যুক্ত করেছি। তবে দীর্ঘ পাতা হওয়া, কিছু ভ্রান্তি থেকে যেতে পারে, তাই কোনো প্র য়োজন হলে অনুগ্রহপূর্বক মেন্শন করবেন)
ধন্যবাদ,,
[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ২৩:৩৩, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] গতকাল ইতিমধ্যেই একবার মেনশন করেছেন, বারবার মেনশন করবেন না। পর্যালোচকদেরও বাস্তব জীবনে ব্যস্ততা থাকতে পারে। আমি দেখে পর জানাব। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ২৩:৩৭, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ভাবলাম বোধহয় টেকনিক্যাল সমস্যা হয়েছে। তাই দ্বিতীয়বার করেছি। আপনার ব্যক্তিগত ইমেইল এড্রেস হলে এক্ষেত্রে ভালো হত। [[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ২৩:৩৯, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] অপাতত গ্রহণ করেছি। ইটালিক/বোল্ড ঠিক করেননি। আর এখনও অতিরঞ্জনে পরিপূর্ণ। আমি আপনাকে এখানে আবার মেনশন করে কি ঠিক করতে হবে বলে দেব। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৪:১০, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ততক্ষণে আপনি ইংরেজির সাথে ইটালিক/বোল্ড সামঞ্জস্য করুন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ১৪:১১, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:::::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ধন্যবাদ দা। আমি উক্তির মাঝে বোল্ড/ইটালিক সামঞ্জস্য করেছি, তবু চেক করছি। তবে আপনি কি উক্তিকারীর নামের মধ্যে দেওয়া এক্স্ট্রা বোল্ড+ইটালিক বাদ দেওয়ার কথা বলছেন?> যেমনঃ '''''মুসা গালিব''''' থেকে মুসা গালিব? যদিও এটার জন্য এর আগে কখনো নিবন্ধ ক্যান্সাল হয়নি।।[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৪:৩৭, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::::::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ইংরেজিতে যেগুলো বোল্ড/ইটালিক আছে সেগুলো অন্তত বাংলায় করুন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০০:৩১, ২৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== [[অ্যানোনিমাস]] ==
সংশোধন করেছি, পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ। [[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tanbiruzzaman|আলাপ]]) ০৪:৪৯, ২৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] {{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৮:৪১, ২৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== স্বাধীনতা দিবস (ভারত) ==
[[স্বাধীনতা দিবস (ভারত)]] পাতাটির ২টি উক্তি অপ্রাসঙ্গিক। প্রাসঙ্গিক উক্তি ব্যবহার করতে হবে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ০১:৩৫, ৩০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] সংশোধন করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০২:২৪, ৩০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ০২:৩১, ৩০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== অনিল ভৌমিক ==
আপনি [[অনিল ভৌমিক]] এ লিখেছেন "যান্ত্রিক; উৎস ঠিক করুন"। কিন্তু উক্তি গুলোর একটাও অনুবাদ নয়, তাই যান্ত্রিকতার বিষয়টা বুঝলাম না।
উৎস হিসেবে যে ওয়েবপেজে উক্তি রয়েছে তার লিংক যোগ করাই আছে, আর কী যোগ করব? [[ব্যবহারকারী আলাপ:Nil Nandy|নীল নন্দী]] ১৬:০৫, ৩০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Nil Nandy|Nil Nandy]] অনুবাদের জন্য "যান্ত্রিক" শব্দটা ব্যবহার করিনি। আপনি যে সুত্র যোগ করেছেন তা খুললে "Not found, error 404" দেখাচ্ছে।
:এআই সাধারণত এমন ভুল করে, যেমন random ইউআরএল যোগ করে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০২:০৯, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
::শায়িত দেবতাদের মন্দির পাতাটার লিংক বদলে দিয়েছি। পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ করছি। [[ব্যবহারকারী আলাপ:Nil Nandy|নীল নন্দী]] ০২:৫৫, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
::{{গৃহীত}} [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০৩:০২, ১ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
== পর্যালোচনা ==
[[আসাদউদ্দিন ওয়াইসি]] এবং [[শাহ বানু মামলা]] পাতার সূত্র সংশোধন করা হয়েছে। [[বৃন্দাবন]] পাতায় কী সমস্যা আছে বুঝতে পারছি না। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ২০:০১, ২ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
:[[মণিপুর]], [[মৈতৈ জাতি]] এবং [[মাইকেল বিশপ]] এই পাতাগুলো সংশোধন করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ২০:১১, ২ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] অন্যান্য নিবন্ধগুলো {{গৃহীত}} হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০০:৪৯, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
:@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] [[বৃন্দাবন]] পাতায় ৫নং উক্তিতে
:*মূল ইংরেজি অংশে “neither by their master's orders nor from the severe handling they received in yesterday's fight” বাক্যটি আছে, কিন্তু অনুবাদে এটি সম্পূর্ণ বাদ পড়েছে।
:*“all of them non-combatants and many of them priests” অংশটিও অনুবাদে নেই।
:*“plundering everywhere as directed”–এর ক্ষেত্রে “as directed” (নির্দেশ অনুযায়ী) অংশটি অনুবাদে অনুপস্থিত
:*“general massacre”–এর অনুবাদ “সাধারণ গণহত্যা” হয়েছে। এর বদলে “ব্যাপক গণহত্যা” বা “সর্বত্র গণহত্যা” ব্যবহার করা আরও উপযুক্ত হবে। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০০:৪৯, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
::@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] [[আব্রাহাম কাহান]] নিবন্ধে যাঁর, তাঁর থেকে চন্দ্রবিন্দু সরান। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI#top|আলাপ]]) ০০:৫৯, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
s9zmzu76t7e604n25m2lbzkdvzyzthr
সাদিক কায়েম
0
11650
83268
82359
2026-05-02T15:36:07Z
Oindrojalik Watch
4169
83268
wikitext
text/x-wiki
[[File:Sadik kayem - july jagoron 01.jpg|thumb|right|[[w:সাইমুম শিল্পীগোষ্ঠী|সাইমুম শিল্পীগোষ্ঠী]]র জুলাই জাগরণ অনুষ্ঠানে বক্তব্যরত সাদিক কায়েম।]]
'''[[w:সাদিক কায়েম|মো: আবু সাদিক]]''' সর্বাধিক পরিচিত '''সাদিক কায়েম''' নামে) একজন বাংলাদেশী ছাত্রনেতা ও ডাকসুর বর্তমান সহ-সভাপতি। তিনি [[ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান|ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে]] নেতৃত্ব দিয়ে আলোচনায় আসেন। বর্তমানে তিনি [[বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির|ইসলামী ছাত্রশিবিরের]] কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক সম্পাদক।
== উক্তি ==
* '''''ফতহে মক্কা, ফতহে বাঙ্গালা, ফতহে কুসতুনতিনিয়ার সিলসিলা ধরে আমরা পেয়েছি ফতহে গণভবন- যেদিন গণভবন সত্যিই গণের ভবনে পরিণত হয়।'''''
** ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪, জুলাই বিপ্লব সফল হওয়ার পর [https://www.jugantor.com/politics/855965]
* "আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই, গণভোট অধ্যাদেশ, গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ, বিচারক নিয়োগ ও সচিবালয় অধ্যাদেশ কোনো রকম টালবাহানা ছাড়াই পাস করতে হবে।"
** ৩০ মার্চ, ২০২৬, আমাদের বার্তা, ''[https://www.amaderbarta.net/bn/news/sadiq-qayyem-tells-government-not-to-dare-reject-referendum-verdict-366756#:~:text='%E0%A6%97%E0%A6%A3%E0%A6%AD%E0%A7%8B%E0%A6%9F%E0%A7%87%20%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%20%E0%A7%AD%E0%A7%A6%20%E0%A6%B6%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B6%20%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A6%B7%E0%A7%87%E0%A6%B0%20%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%20%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%96%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0,%E0%A6%8F%E0%A6%9F%E0%A6%BF%20%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%A4%20%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B0%20%E0%A6%B8%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A7%87%20%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B6%E0%A6%BE%20%E0%A6%93%20%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A3%E0%A6%BE%E0%A5%A4 গণভোটের রায় প্রত্যাখ্যানের দুঃসাহস দেখাবেন না, সরকারকে ডাকসু ভিপি]''।
* ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কাছে আমি ডাকসুর ভিপি হিসেবে আমার পরিচয় দিতে চাই না। আমি বোনের ভাই হিসেবে, ছোট ভাইয়ের বড় ভাই হিসেবে এবং বড় ভাইয়ের স্নেহের ছোট ভাই হিসেবে পরিচয় দিতে চাই। বন্ধুর বন্ধু হিসেবে, শিক্ষকের ছাত্র হিসেবে পরিচয় দিতে চাই।<br/>[[ডাকসু]] নির্বাচনে জয়–পরাজয় কিছু নেই । '''ডাকসু নির্বাচনের মাধ্যমে জুলাইয়ের প্রজন্ম বিজয়ী হয়েছে।''' ডাকসু নির্বাচনের মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিজয়ী হয়েছে। এ নির্বাচনের মাধ্যমে জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা বিজয়ী হয়েছে। আমরা স্মরণ করছি [[জুলাই বিপ্লব|জুলাই বিপ্লবের]] সকল শহীদকে। যাদের মাধ্যমে আজকে আমরা [[ফ্যাসিবাদ]]মুক্ত বাংলাদেশ পেয়েছি এবং আমরা প্রতিটা ক্যাম্পাসে [[গণতন্ত্র|গণতান্ত্রিক]] পরিবেশ পেয়েছি। একই সঙ্গে স্মরণ করছি বাংলাদেশের আজাদি আন্দোলনের সকল শহীদদের। বিশেষ করে মহান [[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ|মুক্তিযুদ্ধের]] সকল শহীদদের। নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের সকল শহীদদের। আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে, আগ্রাসনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের আমাদের অগ্রনেতা শহীদ [[আবরার ফাহাদ|আবরার ফাহাদকে]]। এর সঙ্গে ক্যাম্পাসে [[বাংলাদেশ ছাত্রলীগ|ছাত্রলীগের]] নির্যাতনে যতজন শহীদ হয়েছে, সেসব শহীদদের।
** ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫। ডাকসু নির্বাচনে ভিপি নির্বাচিত হওয়ার পর সংবাদ সম্মেলনে: [https://www.prothomalo.com/bangladesh/mdy5q8muzz প্রথম আলো]
* এটা তো পরিষ্কার যে ছাত্রদলের সন্ত্রাসীরা এই হামলার সঙ্গে জড়িত। যারা যারা এই হামলার সঙ্গে জড়িত, তাদের শনাক্ত করা হচ্ছে। যারা আহত হয়েছেন, তাঁদের থেকে তথ্য নিয়ে মামলা করা হবে।
** [https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/xj8lgnqwhv সিটি কলেজে সংঘর্ষের ঘটনার পর ঘটনাস্থলে সাদিক কায়েম]
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক]]
9qj49kh55190m20d2wmwcvew3dpe90u
ওসমান হাদি
0
11743
83313
83211
2026-05-03T05:13:37Z
Oindrojalik Watch
4169
83313
wikitext
text/x-wiki
[[File:Osman Hadi 2.jpg|থাম্ব|২০২৫ সালে [[:w:ঢাকা-৮|ঢাকা-৮ আসনে]] ওসমান হাদী তার নির্বাচনী প্রচারণায়।]]
'''শরিফ ওসমান হাদি''' (যিনি সাধারণত [[:w:ওসমান হাদি|ওসমান হাদি]] নামে পরিচিত) হলেন একজন বাংলাদেশি রাজনৈতিক সাংস্কৃতিক কর্মী, বক্তা এবং লেখক যিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে গঠিত রাজনৈতিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র হিসেবে পরিচিত। তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করার ঘোষণা দেন। হাদি জুলাই শহিদদের অধিকার রক্ষা ও আওয়ামী লীগ নিষেধাজ্ঞা আন্দোলন এবং ভারতীয় আধিপত্যবাদবিরোধী সক্রিয় রাজনীতির জন্য আলোচনায় আসেন। ২০২৫ সালের ১২ ডিসেম্বর জুমার নামাজের পর ঢাকার বিজয়নগরের বক্স কালভার্ট এলাকায় তিনি গুলিবিদ্ধ হন। এবং ১৮ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে। তাঁর মৃত্যু বাংলাদেশে ব্যাপক সারা ফেলে।
== উক্তি ==
* আওয়ামী লীগের স্বভাব হলো যেই তারে ভালোবাসে, তারেই সে মেরে ফেলে, জিয়াউর রহমান শেখ হাসিনাকে ফিরে আসতে দিয়েছিলেন, যে আচ্ছা আসুক, রাজনীতি করুক, তার ১৩ দিনের মাথায় তিনি শহীদ হলেন, আমাদেরও একই অবস্থা, সুতরাং এটা একটা বিষ, এই বিষের সাথে আমরা কীভাবে লড়াই করবো তা জাতীয় ঐক্যমত্য তৈরি করতে হবে, সুতরাং আপনাদের বলছি, আপনারা বিএনপিকে শতভাগ কর্নার করে দিয়েন না, বিএনপি এই আধিপত্যবাদ বিরোধী লড়াইয়ের জন্য আমাদের একটা বড় শক্তি। এই শক্তিকে এত বেশি কর্নার্ড করা যাবে না, যাতে তারা আওয়ামী লীগের হাত ধইরা ফেলে। তারা যদি আওয়ামী লীগের হাত ধরে ফেলে, তাহলে লড়াইটা আমাদের জন্য আরো কঠিন হয়ে যাবে। বরং বিএনপি'র প্রতি আমাদের চ্যালেঞ্জ হল, যেই বিএনপি বাকশালী সংবিধানের প্রতি প্রেম দেখাবে, তারে শহীদ জিয়ার ছবিটা সামনে আইনা বলতে হবে, যে এই বাকশালী সংবিধান তো জিয়াউর রহমানই ছুইড়া মারছিল! বেগম জিয়া বলেছেন এই সংবিধানকে ছুঁড়ে ফেলা হবে, ওমা! এখন বেগম জিয়ার চেয়েও নতুন বিএনপি আসছে! বেশি প্রেমের বিএনপি।
* [https://youtube.com/shorts/bbt1d78UcTk?si=eYeRJZnZI2h16LiE&fbclid=IwZXh0bgNhZW0CMTEAc3J0YwZhcHBfaWQMMzUwNjg1NTMxNzI4AAEevSO0FgB9qRcuxFXAcMVFMecPDPKhQh3NRN-jGPvO7nJgKRzsIOKwBNIAD4w_aem_LrVgclUNaVIEOHAm2O6J4g]
* আমি যদি বলি আপনি সেইটা নিতে পারবেন না।
** একুশে টেলিভিশনে আব্দুন নূর তুষারকে, ১৫ অক্টোবর ২০২৫ [https://m.youtube.com/watch?si=9o2GbusS-dLAN7hD&v=-60wPScLqOo]
* শাউয়া মাউয়া ছিড়্ড়া ফালাইতে হোইবো খান-কির পোলাগো!
** ২০২৫ সালের ১৬ জুলাই গোপালগঞ্জে ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি (NCP) এর কর্মসূচিতে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের হামলার পর শরীফ ওসমান হাদি এই ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন।[https://www.thedailystar.net/news/bangladesh/news/ncp-leaders-activists-attacked-gopalganj-following-rally-3940976 ][https://www.facebook.com/thenews24digital/videos/%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%93-%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B6%E0%A6%BE%E0%A6%89%E0%A7%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%89%E0%A7%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%87-%E0%A6%89%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B2-%E0%A6%B6%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%97-the-news/1923755504904339/]
* গালাগালি অনেকবার করি করবো না, তওবা করি, ছাইড়া দিতে চাই, নিজেরও ছেলে হইছে, এখন একটা বয়স আসছে, গালাগালির একটা পর্যায় আছে, কিন্তু গাইল তো না দিলেও এখন গুনাহ হয় এমন পর্যায় আসছে...
** ২৫ জুলাই ২০২৫ [https://youtube.com/shorts/f41wqLG5kQE?si=t6l_CjjBrh-drKY_]
* শাহবাগ যারে কোলে তুলে, কয়দিন পর তার পাইলস (অর্শ্বরোগ) হয়।
** ৬ আগস্ট ২০২৫, ফেসবুক পোস্টে [https://www.fb.com/share/p/18bGCT2DWN/][https://www.channel24bd.tv/education/article/304737/%E0%A6%9A%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%B6%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%A6-%E0%A6%93%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AB%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A6%BF]
* বিএনপির প্রতি আমাদের একটা দাবি ছাত্র জনতার পক্ষ থেকে। ভারতের উপর আপনারা ভরসা কইরেন না; আপনারা ডুববেন, ডুববেন, ডুববেন!!!
* [https://www.facebook.com/share/v/1EQKH9WZkv/]
* মৃত্যুর ফয়সালা জমীনে না, আসমানে হয়ে থাকে!
* জান দিবো, তবু জুলাই দিবো না।
* এইসব শুশীলদের শাউয়া ছিড়ে কাউয়াকে খাওয়ায় দিতে হবে!!!
* আমি জিতলে আপনাদের লাভ। সুতরাং আমার নির্বাচনী সকল খরচ আপনাদেরকেই বহন করতে হবে। আমি এখানে নিজের পকেট থেকে এক টাকাও খরচ করব না এবং আপনাদের টাকা থেকে এক টাকা নিজের ব্যক্তিগত খরচেও ব্যবহার করব না। নির্বাচনী কাজবাজ চালানোর জন্য ঠিক ২৫ লক্ষ টাকা দরকার। ব্যাংক একাউন্ট, বিকাশ, নগদ, রকেট নাম্বারও উন্মুক্ত করে দিয়েছি। এই ২৫ লক্ষের পুরোটাই আপনারা দিতে হবে। চলতি ডিসেম্বর মাসের প্রথম ১০ দিনে মানুষ আমাকে বিভিন্নভাবে ও উপায়ে টাকা-পয়সা পাঠিয়েছেন। যার পরিমাণ ৬ লাখ ২৪ হাজার ৮৮০ টাকা। এ নিয়ে নির্বাচনি প্রচারণা শুরু করার পর থেকে ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত গণমানুষের কাছ থেকে মোট পেয়েছি ২১ লাখ ৬৫ হাজার ২৯২ টাকা।
** ১১ ডিসেম্বর ২০২৫, ফেসবুক ভিডিও বার্তায়, ''এরপরদিন ১২ ডিসেম্বর তাকে গুলি করা হয়'' [https://www.jugantor.com/politics/1040346][https://www.facebook.com/share/v/17zAAiXWaZ/]
* আমরা গালি দেই না তা না, আমরা তো গালি দেই। এখন আমরা কারে গালি দেই, সেটা হচ্ছে ফ্যাক্ট। এখন ধরেন, আপনি এখান থেকে বাসায় চলে যাচ্ছেন তো আপনার সামনে বসে দেখলেন কি, আপনার সামনে বসে এক ভদ্রমহিলাকে ছুরি ঠেকিয়ে কোন ছিনতাইকারী তার সব জিনিসপত্র নিয়ে যাচ্ছে, অথবা সেটা রক্ষা করতে গিয়ে তার কোলের শিশু পড়ে মরে যাওয়ার উপক্রম হচ্ছে, তখন আপনার ন্যূনতম যদি সাহস ও শক্তি থাকে, আপনি ঝুকি নিয়েও তো তাকে তাড়া করবেন। এখন তাড়া করবার সময় আপনি কি তাকে তৎসম শব্দবহুল ভাষায় ওহে বৎস, দাড়াও, এরকম বলবেন, নাকি আপনি তাকে গালিই দিবেন? ফ্যাক্ট হলো গালি সোসাইটিতে ছিলো আছে থাকবে। কিন্তু যে গালিটা একজন গণহত্যাকারীকে দেওয়া যায়, যে হেলিকপ্টার থেকে গুলি করে ৬ বছরের শিশুর কলিজা ফেড়ে ফেলে, তখন যে গালি, এই গালিটাতো নট নেসেসারিলি নিশ্চয়ই আপনি অন্য কাওকে দিবেন না।
** ২৩ অক্টোবর ২০২৫ [https://youtube.com/shorts/7P20YbjtBf8?si=aI5Cd-niqBHik7tM]
* সমর্থকদের পাঠানো অনুদানের ২১ দিনের হিসাব : গত ৭ নভেম্বর থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত তার নির্বাচনী ক্যাম্পেইনে— ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ১৩ লাখ ৩১ হাজার ৫৫৭ টাকা; বিকাশে ১ লাখ ৯৮ হাজার ৯৮৯ টাকা; নগদে ৬ হাজার ২৮ টাকা; রকেটে ৩ হাজার ৮৩৮ টাকা। সব মিলিয়ে মোট ১৫ লাখ ৪০ হাজার ৪১২ টাকা জমা পড়েছে। নির্বাচন শেষে ডোনারদের গোপনীয়তা বজায় রেখে ব্যাংক স্টেটমেন্টসহ পূর্ণ হিসাব প্রকাশ করা হবে।
** ৩০ নভেম্বর ২০২৫ [https://www.facebook.com/share/v/19xzmYRkrT/][https://www.jugantor.com/politics/1040346]
* ...এই ফ্যাসিবাদের জন্ম দিয়েছিলেন হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
** ২৬ আগস্ট ২০২৫, আরজে কিবরিয়া শোতে [https://m.youtube.com/watch?si=cHxOvRfLdBxnDzPj&v=ouQyEodVYZE]
* আওয়ামী লীগের, খুনী লীগের, জঙ্গী লীগের, জন্মও ভারতে তাদের মৃত্যুও ভারতে হবে। এইযে আমাদের মুখের ভাষা খারাপ হইছে, জুলাইয়ের রক্ত দেইখা, এমন কোন জঘন্য ভাষা নাই, সে শেখ হাসিনার ব্যাপারে প্রয়োগ করে নাই। কারণ গণহত্যাকারীর বিপরীতে মাজলুমের গালি হইলো তার মহাকাব্য। এখন আবার কিছু বুদ্ধিজীবী দাড়াইছে তোমরা গালি দাও, দিবি কি তাইলে চুমা? হাসিনারে আইনা দে তাইলে, চুমা দেই।..বদমাইশ কোথাকার.. এখন তারে পোলাপান যেসব চুদলিং পং ফং বলে, নারায়ে তাকবীর বলে গালি দেওয়ার কথা, কিন্তু সে দিতেছে না, এত ভালো তো সে এই বয়সে হওয়ার কথা না..
** ১৮ নভেম্বর ২০২৫ [https://youtube.com/shorts/UAlA83jKrSE?si=LgUv8SyqljEDzmXw][https://youtube.com/shorts/f41wqLG5kQE?si=Bo3gpmdst9sHvLru][https://youtube.com/shorts/f41wqLG5kQE?si=t6l_CjjBrh-drKY_]
* আমি যদি বলি আপনি সেইটা নিতে পারবেন না।
** একুশে টেলিভিশনে আব্দুন নূর তুষারকে, ১৫ অক্টোবর ২০২৫ [https://m.youtube.com/watch?si=9o2GbusS-dLAN7hD&v=-60wPScLqOo]
* আপনি আপনার শত্রুই চিনলেন না, তাহলে যুদ্ধের ময়দানে ক্যামনে আপনি শত্রুর সাথে লড়াই করবেন? একলক্ষ এরকম মানুষের চেয়ে, ১০০টা লোক, স্কিলড, অনেক ভালো। আছে এরকম লোক আমাদের এখানে? যে আলজাজিরা বা সিএনএন এর জন্য আরবি বা ইংরেজিতে ৩ মিনিটের একটা স্পিচ দিতে পারবে?
** দ্য মুসলিম মাইন্ডের আলোচনা অনুষ্ঠানে [https://www.facebook.com/share/v/1MB9F1fFkL/]
* এখানকার মানুষ ধর্মকে ভালোবাসে, ধর্মীয় ভ্যালুজকে মুল্যায়ন করে।
** গ্লোবাল টিভির সাক্ষাৎকারে [https://m.youtube.com/watch?si=P7KwnUmuKY1FKFAp&v=Ii2oIemy4Ow&feature=youtu.be]
* আপনি দেশে আসেন, আপিল করেন, আমরা শত্রুর সাথেও ইনসাফ করতে চাই। বাংলাদেশে এর আগেও বহু রাজনৈতিক দলের উপর নির্যাতন হয়েছে, কেউ আপনার ([[শেখ হাসিনা]]) মত দেশ ছেড়ে ভারতে পালায় নাই। [https://youtube.com/shorts/BOSwsMTq5EE?si=3GfYAi-KS_9BCSgB]
* [[জাকির নায়েক]]কে এদেশের মানুষ চায়, দাওয়াত দেয়, তাকে নাকি ভারতের হাতে তুলে দিতে হবে; ([[শেখ হাসিনা]]) ১৫ বছর গুম খুন করে ভারতে গিয়া ঘুমায়, তাকে ফেরত দেয় না, অথচ জাকির নায়েককে আসলে তাদের হাতে তুলে দিতে বলে, কত লজ্জা, কত থার্ড ক্লাস একটা রাষ্ট্র!
* ১৮ নভেম্বর ২০২৫ [https://youtube.com/shorts/Ui8AWHAUGqw?si=FhfSwiqUskRzZ-iV][https://youtube.com/shorts/bXecvq9KkiE?si=BvRWq0pl0tnumfBP]
* নিজে দিল্লী, ছেলে আমেরিকা, মেয়ে লন্ডন, এদিকে মার খাওয়াইতেসে গরীব মানুষগুলারে, সাহস থাকলে প্রতিরোধ গড়ে তুলুক। গত পনেরো বছর বিএনপি জামাত তো প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে, তারা তো দেশ ছাইড়া পালায় নাই।
** ২৮ নভেম্বর ২০২৫ [https://www.facebook.com/watch/?v=4780716282158176]
* বেগম জিয়ার মৃত্যুর সাথে সাথে বাংলাদেশ থেকে বিএনপির বিদায় ঘটে যাবে। এখন পর্যন্ত বিএনপি যতটুকু টিকে আছে তা বেগম জিয়ার নামে। কিন্তু বেগম জিয়ার মৃত্যুর সাথে সাথে তা নাই হয়ে যাবে। কিন্তু সেইটা আমাদের জন্য খুব আনন্দের সংবাদ না।
** ৩০ নভেম্বর ২০২৫ [https://www.facebook.com/share/r/1C4wribu19/]
* আপনাদের স্টেজে উঠায় দিয়া পেছন দিয়া পালায় যাবো এমন ছেলে হাদি না, মিছিল হইলে সবার আগে থাকবো, গুলি হইলে প্রথম বুলেটটা যাতে আমার বুকে লাগে।
* আমি শাপলার সন্তান, কেননা সেখানে আমি ছিলাম।
* [[সজীব ওয়াজেদ|সজীব ওয়াজেদ জয়]]কে ফায়ার করে চক্ষুটা খুলে হাতে পড়ুক, সে দেখুক, সন্তানের চক্ষু উপড়ে ফেললে মায়ের অন্তরে কী রক্তক্ষরণ হয়। এই যে এ মিছিল কারওয়ান বাজারে গিয়ে বলে জয় যাত্রাবাড়ীতে গিয়ে বলে বাংলা। সজীব ওয়াজেদ জয়, এটার, এটার নাম বলাও ঠিক না, এটার নাম হল অটিস্টিক জয়।
** ২৭ নভেম্বর ২০২৫ [https://www.facebook.com/share/r/184SiTCfui/]
* প্রথম আলো নিজেই একটা প্যারালাল রাষ্ট্র। পারলে প্রথম আলোর মত আরও ১০টা বিকল্প পত্রিকা তৈরি করেন।
** [https://www.facebook.com/share/r/17cQrGPNoX/]
* [[দৈনিক প্রথম আলো|পোঁদেরালো]] জুলাইরে 'আন্দোলন' বলে। 'গণঅভ্যুত্থান' কইলে দিল্লি সব ধোনেশন বন্ধ কইরা দিবে।
** ১৫ জুলাই ২০২৫, ফেসবুক পোস্টে
* [[চঞ্চল চৌধুরী]]র অভিনয় প্রতিভা নিয়ে আমার কোন সে নেই, তিনি ও তার মত শিল্পীরা সবসময় বলেন, আমরা রাজনীতি বুঝি না; কিন্তু তার মত শিল্পীরা এ্যাপোলিটিকাল ব্যানারে এসে ফ্যাসিস্ট শক্তিকে দিনের পর দিন পলিটিকালি ডিফেন্ড ও সাপোর্ট করে গিয়েছেন, খালেদা জিয়ার বালুর ট্রাকের সামনে তিনি দ্রোহের মিছিল করেন, কিন্তু হাসিনার তিন তিনটা বিরোধী দল ছাড়া প্রহসনের নির্বাচন তিনি চোখে দেখতে পান না।
* একজন ফ্যাসিস্টকে আপনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলতে বলতে ফেনা তুলে ফেলেন।
** খালেদ মহিউদ্দিনের উদ্দেশ্যে ভিডিও বার্তায়, ২৬ অক্টোবর ২০২৫ [https://m.youtube.com/watch?si=-6lfeYSYbEr3VKPr&v=G19aj88jSIQ]
*... আমরা আমার বাবাদের কাছ থেকে যে বর্ননা শুনেছি, তা হলো, মুসলিমরা বলেছিলো, (আমাদের) কল্লা (গর্দান) থাকতে ওদের এদিক দিয়া নামাজের সময় ঢাক বাজাইয়া যাইতে দিমু না। হিন্দুরা ই এইচ ব্র্যান্ডিকে ইংরেজিতে বললো, ওরা বলেছে, আমাদের কল্লা ফেলে দিবে। ব্র্যান্ডি তখন গোরখা সেনাদের গুলি করার নির্দেশ দিলেন। সাথে সাথে ১৯ জন মুসলমান শহীদ হলেন। শেরে বাংলা এরপর এখানে এসে ব্রাণ্ডিকে চাকরিচ্যুত করেছিলেন, শহীদ পরিবারদের জমি দিতে চেয়েছিলেন, কুলকাঠি এলাকার নামকরণ শহীদিয়া করে শহীদিয়া নামে একটি স্কুল ও একটি মাদ্রাসা করেছিলেন, যা এখনো আছে...আমার বাবা বলেছিলেন, যেই ইংরেজি না জানার কারণে কুলকাঠিতে ১৯ জন মুসলমান ইংরেজদের কাছে নিজেদের দেয়া বক্তব্যকে হিন্দুদের করা ভুল ব্যাখ্যার কারণে শহীদ হলো, সেই মুসলিমদের জন্য শিক্ষিত হয়ে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করতে যদি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে চাও, তাহলে সেজন্য আমি তোমাকে এডমিশন পরীক্ষায় অংশ নিতে অনুমতি দিতে রাজি আছি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হবার পর লাইব্রেরীতে আবুল মনসুর আহমেদের আমার দেখা রাজনীতির ৫০ বছর বইটি পড়তে গিয়ে দেখলাম, সেখানেও এ ঘটনাটি শুরুতে সংক্ষেপে উল্লেখ আছে।
** ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মানববিজ্ঞান বিভাগের আয়োজিত অনুষ্ঠানে, ২০২৫ [https://www.facebook.com/reel/3671059556358126/?app=fbl][https://m.youtube.com/watch?v=3XATmtMWwqk&pp=0gcJCR4Bo7VqN5tD]
* আমায় ছিঁড়ে খাও হে শকুন: ''হে সীমান্তের শকুন, এক্ষুনি ছিঁড়ে খাও আমাকে, হে আটলান্টিকের ঈগল, শিগগির খুবলে খাও আমাকে, হে বৈকাল হ্রদের বাজ, আঁচড়ে কামড়ে ছিন্নভিন্ন করো আমাকে। আমার রক্তরসে শুধু অসহায়ত্ব আর অভাব; কাগজের কামলারা তারে আদর করে মুদ্রাস্ফীতি ডাকে। ঋণের চাপে নীল হয়ে যাচ্ছে আমার অণুচক্রিকা, সংসার চালাতে অন্তরে হয় ইন্টারনাল ব্লিডিং, কী আশ্চর্য, তবুও আমি মরছি না! ওদিকে দোজখের ভয়ে আত্মহত্যা করবারও সাহস পাই না আমি! খোদাকে বললাম, আমি মরতে চাই তিনি বললেন, বেঁচে আছ কে বলল? সহস্রাব্দ উন্নয়নের সাক্ষী হিসেবে রাজা তোমাকে মমি করে রেখেছেন। বাজারে দীর্ঘশ্বাস ফেললে নাকি রাজ্যের ভীষণ বদনাম হয়। রাজারও মন খারাপ হয় খুব। কোতোয়ালরা ফরমান জারি করেছে, আমাকে সারাক্ষণই হাসতে হবে! নইলে দেশি কুকুর ও বিদেশি মাগুরকে একবেলা ভালোমন্দ খাওয়ানো হবে আমার মাংস দিয়ে। নিত্যদিন ব্রয়লারের ভুঁড়ি নাকি ওদের ভাল্লাগে না! অথবা আমাকে ভাগ দিয়ে বেচা হবে, মানুষেরও তো মানুষ খাওয়ার সাধ হতে পারে, তাই না? ভাগ্যিস তা বিদেশি সুপারশপে বিকি হবে না, দেশি মানুষেরই তো হক বেশি আমাকে খাওয়ার! এ দোজখই যখন নিয়তি, তখন আমি উদাম হয়ে ডাকছি দুনিয়ার শ্রেষ্ঠ মাংসাশী বিহগদের। হে ঈগল, চিল ও ভয়ংকর বাজেরা, হে সাম্রাজ্যবাদী সাহসী শকুনিরা, তোমরা এফ-থার্টি ফাইভের মতো মিগ টুয়েন্টি নাইনের মতো- দল বেঁধে হামলে পড়ো আমার বুকে; আমার রান, থান, চক্ষু, কলিজা- আজ সব তোমাদের গনিমতের মাল; দেশি শুয়োর খুবলে খাওয়ার আগেই আমায় ইচ্ছেমতো ছিঁড়ে খাও তোমরা! দোহাই, শুধু মস্তিষ্কটা খেয়ো না আমার। তা হলে শীঘ্রই দাস হয়ে যাবে তোমরাও।''
** লাভায় লালশাক পুবের আকাশ, ফেব্রুয়ারি ২০২৪, দুয়ার প্রকাশনী, পৃষ্ঠা ১০, ১১[https://www.dailyamardesh.com/literature/poetry/amd5cgvblxxcl?fbclid=IwY2xjawOxqd5leHRuA2FlbQIxMQBzcnRjBmFwcF9pZA80MDk5NjI2MjMwODU2MDkAAR4Kgp0Ul2IBzrHCGor3jTCVXKxpYjISxnz3IqGMITLmPaRd94bVCrB0yje_Yg_aem_6xl7QmxGE8ZG-GfgyrA7gg]
* আপনি লীগের বিরুদ্ধে বইলাও হয়তো পার পাইবেন। কিন্তু শাহবাগের বিরুদ্ধে বইলা বাঁচতে পারবেন না! পুরো বাংলাদেশের চেয়েও শক্তিধর শাহবাগ রাষ্ট্র!
** ফেসবুক স্ট্যাটাস
* আমি মনে করি হিন্দুদেরও একটা রাজনৈতিক দল থাকা দরকার। আমি আপনারর মতকে পছন্দ নাও করতে পারি, কিন্তু আমি আপনার মত প্রকাশ করার পূর্ণ স্বাধীনতা প্রদান করি, এটাকে আমি মনে করি ইনক্লুসিভ পলিটিক্স।
** তানভির তারেক পডকাস্টে [https://m.youtube.com/watch?si=Xsr-pNdFnZnr6xl2&v=fvK5NbHKgtE&feature=youtu.be]
* সীমান্ত বাচাতে হলে ঘাস খেয়ে হলেও অস্ত্র বানাও, বাংলাদেশ!
** ২২ জুন ২০২৫, ফেসবুক স্ট্যাটাসে
* সংসদে দশবার যাওয়ার দরকার নাই, জীবনে ইমপ্যাক্টফুল কাজ ১ বার ২ বার করতে পারলেই হয়। [https://www.facebook.com/share/r/1J1zorhNr9/]
== তাঁর সম্পর্কে উক্তি==
* এই আক্রমণ কেবল হাদির উপর নয়, এই আক্রমণ সমগ্র বাংলাদেশের অস্তিত্বের উপর। হাদির মত এসকল স্পষ্টভাষী, সৎ, আপোষহীন ও ব্যক্তিগত স্বার্থের প্রতি সম্পূর্ণ উদাসীন তরুনরা পরাজিত ফ্যাসিস্ট শক্তির আবার ফিরে আসার জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি।
** [[মুহাম্মদ ইউনূস]], ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫
* ...এই সকল শর্ত বিবেচনায় শরীফ উসমান ভাইয়ের ব্যাপারে আশা করবো, আল্লাহ যেন তাকে শহীদ হিসেবে কবুল করেন।
** [[শায়খ আহমাদুল্লাহ]], ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫[https://m.youtube.com/watch?si=Te82KUEjciLs3XCp&v=sMihUVOMIOQ&feature=youtu.be]
* আজকে শুধু ব্যক্তি হাদি আক্রান্ত হয় নি, জুলাইয়ের যে ঐক্যবদ্ধ শক্তি, তারা আক্রামণের শিকার হয়েছি।
** আবিদুল ইসলাম খান, ১২ ডিসেম্বর ২০২৫ [https://www.facebook.com/share/r/1DXsQYKQz2/]
* আমাদের প্রাণের কবি বাংলাদেশে শেষ জীবন কাটিয়েছেন। এত দিন বাংলাদেশে আমরাও (পরিবারের অন্যেরা) ভাল ছিলাম। কিন্তু এখন যা হচ্ছে...। ওই কবরস্থানে সকলকে সমাধিস্থ করা হয় না। কিন্তু ছায়ানট ভাঙচুর করা, [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর|রবীন্দ্রনাথের]] বই পুড়িয়ে দেওয়া বাংলাদেশিদের উগ্রবাদীরা হাদিকে সমাধিস্থ করলেন কবির সমাধির পাশে! এটা হল কেন? [[কাজী নজরুল ইসলাম|নজরুল]] যেখানে সম্প্রীতির বার্তা দিয়ে গিয়েছেন, জাতের নামে বজ্জাতির কথা বলেছেন, তখন তাঁর সমাধির পাশে এমন এক জনকে সমাধিস্থ করা হল সরকারেরই নির্দেশে! পৃথিবীতে ভাল মানুষের জায়গা কি হারিয়ে যাচ্ছে? রবীন্দ্রনাথ-নজরুলকে কি পরবর্তী প্রজন্ম অস্বীকার করবে? আমাদের আর্জি, নজরুলকে যেন অসম্মান করা না-হয়। তবে এই সরকারের (বাংলাদেশের অন্তর্বতী সরকার) দায়বদ্ধতা নেই। আমরা ভীষণ মনোকষ্টে রয়েছি। আমরা মর্মাহত।
** সোনালি কাজী, ২০ ডিসেম্বর ২০২৫, আনন্দবাজার [https://www.anandabazar.com/west-bengal/will-kazi-nazrul-islams-tomb-remain-family-worried-after-osman-hadis-burial-next-to-it-dgtld/cid/1655685]
* আপনারা লোভে পড়বেন না। টাকা আজকে আছে, কালকে নাই। আমার ওসমানকে হত্যা করার জন্য ১০ লক্ষ টাকা দিসে। এ দশ লক্ষ টাকা কি অনেক কিছু?? এ দশলক্ষ টাকা শেষ হতে কতক্ষণ লাগে?! আমি তো ভাবছি, একটা বাংলাদেশও যদি লিখে দেওয়া হয়, তাহলেও তো আমার ওসমান আসবে না। এ ওসমান তৈরি হবে না! এই ওসমানকে যদি আপনারা ধারণ করেন, আপনাদের মেধা ও রাজপথ দুটোই দখলে রাখতে হবে। আপনারা পারবেন না?.. আমার ওসমান বলতো, আমি কিছু ছেলে মেয়ে তৈরি করে রেখে যেতে চাই।...যখন আওয়ামী লীগকে ধরবে, আপনাদের প্রতি অনুরোধ, কেউ ছাড়াতে যাবেন না থানায়। ওসমান কবিতায় বলেছিলো, আমার মাথা খেয়ো না। একজনের হাত না থাকলেও মাথা খাটিয়ে আরেকজনকে দিয়ে কাজ করানো যায়। তারা ওসমানের মাথাই খেয়ে দিয়েছে। আপনাদের কাছে বিনীত অনুরোধ, আপনারা ওসমানের আদর্শ লালন করেন, এসব চাদাবাজি সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে দাড়ান।
** ওসমান হাদির বোন, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫ [https://m.youtube.com/watch?si=aueChdiwTfGKtqj-&v=08QJLybTOhY][https://youtube.com/shorts/pJUduGKqC3A?si=DdTUnehsjH6Jz9GH]
* হাদির মত ৫০০ ছেলেমেয়ে তৈরি হলে, ১০০০ ছেলেমেয়ে তৈরি হলে গোটা বাংলাদেশ কেন, পূরো পৃথিবী জয় করা সম্ভব।
** আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রাজ্জাক, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫ [https://www.facebook.com/share/v/1BCX16Q4Rc/]
* হাদিকে হত্যার জন্য শুটার ফয়সালকে মোট ২১৪ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছিল।
** একাত্তর টিভি, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫ [https://m.youtube.com/watch?si=fEdngb4EU1GXjl8y&v=JB2vq681pdM&feature=youtu.be]
* আমরা আশা করি এবং দোয়াও করি তিনি যেন শাহাদাতের মর্যাদা পান।
** মনজুরে ইলাহী, ২১ ডিসেম্বর ২০২৫ [https://www.facebook.com/share/v/17ve4DqPmo/]
* শরীফ হাদি একজন হাফেজে কুরআন। [https://www.facebook.com/share/v/1AMxKYYKy5/?mibextid=adiEgM]
* হাদির মৃত্যু নিয়ে একদল ফেসবুকে এসে বলতেসে নাশকতা করতেসে, বালের তোরা কি করসোস, এই দেশে হাদির ইনকিলাব কালচারাল সেন্টারের মত ভাসানী কালচারাল সেন্টার নাই কেন, জিয়াউর রহমান কালচারাল সেন্টার নাই কেন? তোরা বালের [[:w:en:Indira Gandhi Cultural Center|ইন্দিরা গান্দী কালচারাল সেন্টার]] খুইলা বসছস?
**মুন্নি চৌধুরী, ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫, ফেসবুক পোস্টে [https://www.facebook.com/reel/1932093524043052/?app=fbl]
* শরীফ ওসমান হাদির উপর যে গুলিবর্ষণ করা হয়েছিলো, সেটাও কিন্তু তারেক রহমানের যে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন সেটাকে সামনে রেখে রাষ্ট্রকে অস্থিতিশীল করার একটা পায়তারা ছিল।
** আবিদুল ইসলাম খান, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫ [https://m.facebook.com/stories/122101010798642512/UzpfSVNDOjcxNDMwMzcxMTc1NDc4MA==/][https://rtvonline.com/politics/360735]
* হাদির হত্যাকারী শুটার ফয়সালের মোবাইলের আইপি এ্যাড্রেস সময় টিভির হাতে এসেছে। সেটি ট্র্যাক করে দেখা যাচ্ছে, ফয়সালের বর্তমান অবস্থান মহারাষ্ট্রে। ব্যবহার করছে ভারতের রিলায়েন্স সিম।
** সময় টিভি, ২০ ডিসেম্বর ২০২৫ [https://m.youtube.com/watch?si=14Zd6k0oDsO6ybCu&v=-6naAP2WaDA&feature=youtu.be]
* হাদি হত্যাকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড হিসেবে উঠে এসেছে ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান শাহিন আহমেদের নাম, যিনি এলাকায় শাহিন চেয়ারম্যান নামে পরিচিত।
** এটিএন সংবাদ, ২১ ডিসেম্বর ২০২৫ [https://m.youtube.com/watch?si=_Xj6FnWoI8HagUgl&v=Xgq0Si2I-wo&feature=youtu.be][https://www.jugantor.com/national/1042999]
* হাদি এমন একটি সমাজ চেয়েছিলেন, যেখানে জনগণ নিজের টাকা দিয়ে সংসদের নেতা বানাবে, নেতা নিজের টাকা দিয়ে সংসদের নেতা হবে না।
** সুনো নিউজ, পাকিস্তান, ২১ ডিসেম্বর ২০২৫ [https://m.youtube.com/watch?si=QLR5LGm03zEltjzS&v=hiNMckFagJM&feature=youtu.be]
* হাদিকে আমার কাছে এই মুহূর্তে বেশ গুরুত্বপূর্ণ 'গিনিপিগ' ছাড়া আর কিছুই মনে হয় নাই। আপনারা ডাক্তাররা তেলাপোকার পেট কাটতেন, আবার সেলাই করে দিতেন-চলত। বাট হাদি হয়তো চলতে পারে নাই।
** নিলোফার চৌধুরী মনি, চ্যানেল নাইন, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫ [https://www.youtube.com/live/WU4EoJDGH0w?si=opMcO58q9r9_L23- ৯:৩৭-৯:৫৬ মিনিট]
* ব্রেইনসাফ (ইনসাফের ব্যঙ্গরূপ)! বুঝলে বুঝপাতা, না বুঝলে নাই।
** [[:w:মেহের আফরোজ শাওন|মেহের আফরোজ শাওন]], ফেসবুক স্ট্যাটাসে।[https://www.facebook.com/share/1AMuJZwpaJ/][https://www.facebook.com/share/1AMGxsLU5q/]
== আরও দেখুন ==
* [[আবু সাঈদ]]
* [[মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধ]]
* [[আবরার ফাহাদ]]
* [[হাসনাত আবদুল্লাহ]]
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{কমন্স বিষয়শ্রেণী}}
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৯৩-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:রাজনীতিবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:২০২৫-এ মৃত্যু]]
2bqx4g5eo3mfv4xbpkxl63zjv6dmrt2
ব্যবহারকারী:ARI/খেলাঘর
2
11860
83303
83255
2026-05-03T02:58:03Z
ARI
356
/* উইকিউক্তি ফলাফল ২০২৬ */
83303
wikitext
text/x-wiki
----
সর্বশেষ হালনাগাদ - ০১:০৫, ২ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
----
==উইকিউক্তি ফলাফল ২০২৬==
{| class="wikitable sortable"
|-
! ক্রম
! ব্যবহারকারী
! নিবন্ধ
! মোট শব্দ
! বিস্তারিত
|-
| '''১'''
| '''Dr. Mosaddek Khondoker'''
| '''১৯'''
| '''৪,০৪,৫৭৫'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৪,০৪,৫৭৫<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| '''২'''
| '''ARI'''
| '''২৮'''
| '''৩,১৪,৮৯৭'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৩,১২,২১২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২,৬৮৫
</div>
|-
| '''৩'''
| '''Tuhin'''
| '''২৮০'''
| '''৩,০১,০২২'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,৫৩,৯৫৯<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৪৭,০৬৩
</div>
|-
| '''৪'''
| '''SMontaha32'''
| '''৩৭'''
| '''২,৩৯,৫২৮'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,১৮,৫১৮<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২১,০১০
</div>
|-
| '''৫'''
| '''NusJaS'''
| '''১০'''
| '''২,৫১,৮৯১'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১,৯৭,২৯৩<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৫৪,৫৯৮
</div>
|-
| '''৬'''
| '''Oindrojalik Watch'''
| '''২৯'''
| '''১,৯৯,৯৪৯'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১,৯০,০৭৮<br>
অপর্যালোচিত: ৯,৮৭১<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| '''৭'''
| '''Sumanta3023'''
| '''১১০'''
| '''১,২২,৫০০'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৯৭,৪২১<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২৫,০৭৯
</div>
|-
| '''৮'''
| '''Anik Kanti Dey'''
| '''৩৪'''
| '''১,০৪,৬৪১'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৯৩,৮৬৪<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ১০,৭৭৭
</div>
|-
| '''৯'''
| '''Tanbiruzzaman'''
| '''২১'''
| '''৮০,৭২৪'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৮০,৭২৪<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| '''১০'''
| '''Nil Nandy'''
| '''২৭'''
| '''৭৪,২৬৭'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৭৪,২৬৭<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ১১
| R1F4T
| ২২
| ২,৮৫,২৭৫
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৬৩,৯৫১<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২,২১,৩২৪
</div>
|-
| ১২
| Salil Kumar Mukherjee
| ২৭
| ৪২,২০৬
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৩০,৯১৫<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ১১,২৯১
</div>
|-
| ১৩
| Anaf Ibn Shahibul
| ৪৭
| ৫৬,৫৮১
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১৯,৩৪৬<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৩৭,২৩৫
</div>
|-
| ১৪
| মোহাম্মদ জনি হোসেন
| ২৫
| ৮,১২৩
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৫,৪৭২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২,৬৫১
</div>
|-
| ১৫
| JIBON
| ৫
| ৫,৫৫৪
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৪,৭৩২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৮২২
</div>
|-
| ১৬
| Md. Muqtadir Fuad
| ১১
| ৪,০২৯
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৪,০২৯<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ১৭
| Humaira.thithi
| ৮
| ৩,৭১০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,৭৮৭<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৯২৩
</div>
|-
| ১৮
| Amirhusenjihed
| ৩
| ৩,০৬৪
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,৫৬৯<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৪৯৫
</div>
|-
| ১৯
| Asikur Rahman
| ৬
| ২,২২৯
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,২২৯<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ২০
| Rasel Mehedi
| ১০
| ২,৪৬৮
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,২২২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২৪৬
</div>
|-
| ২১
| Mahiya50
| ৬
| ২,১৯০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,১৯০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ২২
| Borhan
| ৬
| ১,৬৬২
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১,৬৬২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ২৩
| Raihanur
| ৪
| ৫,৬৭৪
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১,৫৪২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৪,১৩২
</div>
|-
| ২৪
| Muhammad Fahim Faisal
| ৬
| ১,৪৯৮
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১,৪৯৮<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ২৫
| Firuz Ahmmed
| ৪
| ২,১৯৭
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১,১১৭<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ১,০৮০
</div>
|-
| ২৬
| নিয়াজ ইসলাম
| ২
| ৭৫৬
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৭৫৬<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ২৭
| Asad.fr
| ৩
| ৩,২৯৯
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৩৬৪<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২,৯৩৫
</div>
|-
| ২৮
| Mehedi Abedin
| ১
| ৩৫২
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৩৫২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ২৯
| Md. Rayan Alam Rifat
| ১
| ১৮০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১৮০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ৩০
| Siyan BD
| ১২
| ১,৫৩৬
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১৬১<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ১,৩৭৫
</div>
|-
| ৩১
| Dewan mahbubr Rahman
| ১
| ৩৫০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৩৫০
</div>
|-
| ৩২
| ExceptionistSagar
| ১
| ১৭৯
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ১৭৯
</div>
|-
| ৩৩
| Kh. Fahim
| ১
| ৪০৬
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৪০৬
</div>
|-
| ৩৪
| Trisha Mazumder
| ১
| ০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ৩৫
| MdMarufHossen71
| ২
| ৪৯৮
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৪৯৮
</div>
|-
| ৩৬
| Usarker
| ৩
| ১,৪৩৮
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ১,৪৩৮
</div>
|-
| ৩৭
| রাকিবুল হাসান রাসেল
| ১
| ০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ৩৮
| MD RADWAN ISLAM
| ৬
| ২৭৪
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২৭৪
</div>
|-
| ৩৯
| AKM Mahinur Rahman
| ২
| ৪১৯
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৪১৯
</div>
|-
| ৪০
| MD RADWAN ISLAM ROHAN
| ৫
| ৬১৫
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৬১৫
</div>
|-
| ৪১
| ShahinurWrites
| ১
| ০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ৪২
| Abdullah Al Shishir
| ১
| ০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ৪৩
| চ্যাম্পিয়ন স্টার ১
| ১
| ৩১২
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৩১২
</div>
|}
== পর্যালোচক পরিসংখ্যান ==
; পর্যালোচক
{| class="wikitable"
|-
! ক্রম !! নাম !! মোট !! গৃহীত !! বাতিল
|-
| '''১''' || '''Mehedi Abedin''' || '''২৭৫''' || ২৩৮ || ৩৭
|-
| '''২''' || '''NusJaS''' || '''১৯৩''' || ১৫৪ || ৩৯
|-
| '''৩''' || '''MS Sakib''' || '''১৮১''' || ১৪৮ || ৩৩
|-
| '''৪''' || '''ARI''' || '''১৫৮''' || ১২৬ || ৩২
|-
| '''৫''' || '''MdsShakil''' || '''৪০''' || ৩৮ || ২
|-
| '''৬''' || '''Tahmid''' || '''১৪''' || ১০ || ৪
|-
| '''৭''' || '''Yahya''' || '''৫''' || ৪ || ১
|-
! মোট || || ৮৬৬ || ৭১৮ || ১৪৮
|}
== ব্যবহারকারী ভিত্তিক পরিসংখ্যান ==
=== [[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker| Dr. Mosaddek Khondoker]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্পর্কে উক্তি]] || ৩৯,৩০৩ || ✓
|-
| 2 || [[স্ট্যানলি বল্ডউইন]] || ৩৪,১৩১ || ✕
|-
| 3 || [[খ্রিস্টের অনৈতিহাসিকতা তত্ত্ব]] || ২৮,৭০৭ || ✓
|-
| 4 || [[বেঞ্জামিন ডিসরাইলি]] || ২৯,৪৭৯ || ✓
|-
| 5 || [[রবার্ট জি. ইঙ্গারসোল]] || ৩০,০৯০ || ✕
|-
| 6 || [[রন পল]] || ২৪,৯২৮ || ✓
|-
| 7 || [[ক্যালকুলাসের ইতিহাস]] || ১৯,১৯৫ || ✓
|-
| 8 || [[অ্যানোরেক্সিয়া নার্ভোসা]] || ২৩,১০০ || ✓
|-
| 9 || [[ডোয়াইট ডি আইজেনহাওয়ার]] || ২১,০২৬ || ✓
|-
| 10 || [[স্টিফেন জে গুল্ড]] || ২২,১৫০ || ✓
|-
| 11 || [[এআর-১৫ স্টাইল রাইফেল]] || ১৮,৯০১ || ✓
|-
| 12 || [[শেরি এস. টেপার]] || ২৪,৯৯৯ || ✓
|-
| 13 || [[আউরেলিয়ুস আউগুস্তিনুস]] || ১৯,৩৪৬ || ✓
|-
| 14 || [[ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতিত্ব]] || ৪৬,৮৯৯ || ✓
|-
| 15 || [[নবায়নযোগ্য শক্তি]] || ১২,৬১০ || ✓
|-
| 16 || [[নাডিন গর্ডিমার]] || ১,৩৭২ || ✓
|-
| 17 || [[মারে গেল-মান]] || ১,৩২৮ || ✓
|-
| 18 || [[নার্গিস মোহাম্মাদি]] || ১,৭৫৫ || ✓
|-
| 19 || [[সাদি কার্নো]] || ৫,২৫৬ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১৯
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৩,৪০,৩৫৪
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৪,০৪,৫৭৫
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৬৪,২২১
|}
=== [[ব্যবহারকারী:ARI| ARI]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[জে. হাওয়ার্ড মুর]] || ২৪,১৯৫ || ✓
|-
| 2 || [[ভারতে পোশাক]] || ২,২৮৯ || ✓
|-
| 3 || [[ভারতের ভাষা]] || ৬৯৫ || ✓
|-
| 4 || [[মধ্যযুগীয় ভারত]] || ১,৭১৭ || ✓
|-
| 5 || [[ভারতে ইহুদিদের ইতিহাস]] || ২,০৪৬ || ✓
|-
| 6 || [[ভারতে সুফিবাদ]] || ৩,২০৭ || ✕
|-
| 7 || [[পর্তুগিজ ভারত]] || ১,৬৪৩ || ✓
|-
| 8 || [[ভারতের প্রাণী]] || ৩০৫ || ✓
|-
| 9 || [[স্বাধীনতা দিবস]] || ৩৭৫ || ✓
|-
| 10 || [[ভারতে দুর্ভিক্ষ]] || ৩,৭৮১ || ✓
|-
| 11 || [[ভারতে ধর্মহীনতা]] || ২,৩৮৯ || ✓
|-
| 12 || [[ওয়ারেন ফ্যারেল]] || ২১,০৭৮ || ✓
|-
| 13 || [[আর্নেস্ট বেকার]] || ১৩,৫৯৭ || ✓
|-
| 14 || [[অতিপ্রজতা]] || ২৯,৫০১ || ✓
|-
| 15 || [[মোপলা বিদ্রোহ]] || ১৪,৫১২ || ✓
|-
| 16 || [[সীতা রাম গোয়েল]] || ১,৫৯৬ || ✓
|-
| 17 || [[অরুণ শৌরি]] || ১৫,৪৫০ || ✓
|-
| 18 || [[ভারতের ইতিহাস লিখন]] || ১৭,৯১৮ || ✓
|-
| 19 || [[দ্রৌপদী]] || ৬,১৬৪ || ✓
|-
| 20 || [[দ্য হিস্ট্রি অফ ইন্ডিয়া, অ্যাজ টোল্ড বাই ইটস ওন হিস্টোরিয়ানস]] || ২,৬৮৫ || ✕
|-
| 21 || [[রামায়ণ]] || ১,৩০০ || ✓
|-
| 22 || [[ভারতে শিক্ষা]] || ১০,৫৮০ || ✓
|-
| 23 || [[ভারতে নারী]] || ৬,১৫০ || ✓
|-
| 24 || [[বন্যপ্রাণীর কষ্ট]] || ৩৩,৭৪১ || ✓
|-
| 25 || [[নিরামিষবাদ]] || ৩০,৬২৭ || ✓
|-
| 26 || [[ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম রাষ্ট্রপতিত্ব]] || ৩৭,৫৭২ || ✓
|-
| 27 || [[নির্বাচন]] || ৭,০২৫ || ✓
|-
| 28 || [[সরকার]] || ২২,৭৫৯ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২৮
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৩,০৯,০০৫
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩,১৪,৮৯৭
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৫,৮৯২
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Tuhin| Tuhin]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মহুয়া মৈত্র]] || ৬৫০ || ✓
|-
| 2 || [[হেনরি হোম, লর্ড কেইমস]] || ১,২৯৬ || ✓
|-
| 3 || [[লেটি কটিন পোগ্রেবিন]] || ৩৭০ || ✓
|-
| 4 || [[মার্জ পিয়ার্সি]] || ৬,৭৯০ || ✓
|-
| 5 || [[এলেন ডুইবস]] || ৮০৪ || ✓
|-
| 6 || [[মেরেডিথ ট্যাক্স]] || ৪৯১ || ✓
|-
| 7 || [[মুলক রাজ আনন্দ]] || ২৩৫ || ✓
|-
| 8 || [[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ধর্ষণ]] || ১,৯২০ || ✓
|-
| 9 || [[সুসান ব্রাউনমিলার]] || ৯৯১ || ✓
|-
| 10 || [[রবিন মরগান]] || ১,২২১ || ✓
|-
| 11 || [[ভিভিয়ান গোর্নিক]] || ২,৬৯০ || ✓
|-
| 12 || [[ডরোথি রে হিলি]] || ২,৬৩৮ || ✕
|-
| 13 || [[ক্লডিয়া জোন্স]] || ১,২৯৯ || ✓
|-
| 14 || [[গের্ডা লার্নার]] || ৩,৪২৮ || ✓
|-
| 15 || [[এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন]] || ৯,৬৭৭ || ✕
|-
| 16 || [[এলা রিভ ব্লুর]] || ১,৯১৭ || ✓
|-
| 17 || [[টমাস হিউজ]] || ৯৯৬ || ✓
|-
| 18 || [[মার্গারিট দুরাস]] || ৩৪৯ || ✓
|-
| 19 || [[বেন অ্যারোনোভিচ]] || ৮,৭৯৭ || ✓
|-
| 20 || [[গ্লেন কুক]] || ৯,৯৮৫ || ✓
|-
| 21 || [[আব্রাহাম কাহান]] || ২,১৩৩ || ✓
|-
| 22 || [[গ্রেস পেলি]] || ৮,১৬৪ || ✕
|-
| 23 || [[স্টিফেন ক্রেন]] || ১,৯৬৩ || ✕
|-
| 24 || [[জোসেফাইন হার্বস্ট]] || ৪২৭ || ✓
|-
| 25 || [[জর্জ গিসিং]] || ২,০০৫ || ✓
|-
| 26 || [[আনজিয়া ইয়েজিয়ারস্কা]] || ৩,২৬২ || ✕
|-
| 27 || [[মেরি অ্যান্টিন]] || ৪৯০ || ✓
|-
| 28 || [[জয়েস অ্যান্টলার]] || ৪২৯ || ✓
|-
| 29 || [[ক্যাথরিন ম্যাককিনন]] || ২,১৭৮ || ✓
|-
| 30 || [[বেটিনা আপথেকার]] || ১,০২০ || ✓
|-
| 31 || [[ক্যারি চ্যাপম্যান ক্যাট]] || ১,৬০৩ || ✓
|-
| 32 || [[জ্যানেট র্যাঙ্কিন]] || ৭২১ || ✓
|-
| 33 || [[ফ্রান্সেস উইলার্ড]] || ৯৪১ || ✕
|-
| 34 || [[অ্যালিস স্টোন ব্ল্যাকওয়েল]] || ৫৪০ || ✕
|-
| 35 || [[অ্যানা এলিজাবেথ ডিকিনসন]] || ৭৫১ || ✕
|-
| 36 || [[মেরি লিভারমোর]] || ২,৩০৭ || ✕
|-
| 37 || [[দাড়ি]] || ২৯৭ || ✓
|-
| 38 || [[স্যার হেনরি হোবার্ট, ১ম ব্যারোনেট]] || ৭৩৮ || ✓
|-
| 39 || [[হার্ডিঞ্জ স্ট্যানলি গিফার্ড, হালসবুরির ১ম আর্ল]] || ৪১৯ || ✓
|-
| 40 || [[এ. ভি. ডাইসি]] || ১,৩৮১ || ✕
|-
| 41 || [[আলফ্রেড ডেনিং, ব্যারন ডেনিং]] || ৩,৮৩২ || ✓
|-
| 42 || [[টমাস ডেনিসন]] || ৪০০ || ✓
|-
| 43 || [[স্যার ফ্রান্সিস বুলার, ১ম ব্যারোনেট]] || ৯৬২ || ✓
|-
| 44 || [[নিকোলাস ব্রাতজা]] || ২৬৪ || ✓
|-
| 45 || [[রবার্ট অ্যাটকিনস]] || ৩৩৩ || ✕
|-
| 46 || [[রিচার্ড পেপার আর্ডেন, ১ম ব্যারন অ্যালভানলি]] || ৩৫১ || ✓
|-
| 47 || [[এডওয়ার্ড হল অল্ডারসন]] || ৪৪৬ || ✓
|-
| 48 || [[অ্যামব্রোজ বিয়ার্স]] || ৫,৫৪১ || ✕
|-
| 49 || [[মেওয়াত]] || ৭১৮ || ✓
|-
| 50 || [[নানাবতী-মেহতা কমিশন]] || ২,৪৪৪ || ✓
|-
| 51 || [[ভারতে ঔষধ শিল্প]] || ১,৯২১ || ✓
|-
| 52 || [[পাঞ্জাব]] || ১,৪০৬ || ✓
|-
| 53 || [[রামনবমী]] || ৮৬২ || ✓
|-
| 54 || [[ভারতের শহরসমূহের নাম পরিবর্তন]] || ৪৪১ || ✓
|-
| 55 || [[নুপুর শর্মা]] || ৬০১ || ✓
|-
| 56 || [[রিপাবলিক টিভি]] || ৪৫৫ || ✓
|-
| 57 || [[রোহিলখণ্ড]] || ৪৪০ || ✓
|-
| 58 || [[রোহিলা]] || ৩৪০ || ✓
|-
| 59 || [[সৌরাষ্ট্র]] || ৬৫৪ || ✓
|-
| 60 || [[ভারতে তিন তালাক]] || ১,১৩৪ || ✓
|-
| 61 || [[ভারতের পবিত্র উপবন]] || ৫৭৫ || ✓
|-
| 62 || [[অভিন্ন দেওয়ানি বিধি]] || ৩,৭৩৭ || ✓
|-
| 63 || [[নবনীত আদিত্য ওয়াইবা]] || ১৯২ || ✓
|-
| 64 || [[ভারতে জল সরবরাহ ও স্যানিটেশন]] || ৭৪০ || ✓
|-
| 65 || [[জমিদার]] || ৩৮১ || ✕
|-
| 66 || [[নিখিল ভারত মুসলিম লীগ]] || ১,৭৩৭ || ✕
|-
| 67 || [[ফতোয়া]] || ৪৮৪ || ✓
|-
| 68 || [[দারা শিকোহ]] || ১,৪৩৫ || ✓
|-
| 69 || [[আমেরিকা নিপাত যাক]] || ৬৩৯ || ✓
|-
| 70 || [[মহা শয়তান]] || ৪১৪ || ✓
|-
| 71 || [[উলামা]] || ৩৪৫ || ✓
|-
| 72 || [[দক্ষিণ এশিয়ায় মুসলিম জাতীয়তাবাদ]] || ১,৫১৬ || ✓
|-
| 73 || [[পার্সি-মুসলিম দাঙ্গা]] || ৬৫৬ || ✓
|-
| 74 || [[ভারতে দাঙ্গা]] || ৬৭৪ || ✓
|-
| 75 || [[ভারতে পেগাসাস প্রকল্পের উদঘাটন]] || ৩৯০ || ✓
|-
| 76 || [[নেহরুবাদ]] || ৯৫২ || ✓
|-
| 77 || [[২জি স্পেকট্রাম মামলা]] || ৯৩৭ || ✓
|-
| 78 || [[রাহুল গান্ধী]] || ৪,০০৪ || ✓
|-
| 79 || [[আকবরউদ্দিন ওয়াইসি]] || ২৯৮ || ✓
|-
| 80 || [[ভারতের সাধারণ নির্বাচন, ২০২৪]] || ২,৫৭৭ || ✓
|-
| 81 || [[ভারতে ধর্মনিরপেক্ষতা]] || ২৩৪ || ✓
|-
| 82 || [[নাইলা আলি খান]] || ২০৪ || ✓
|-
| 83 || [[অরুণ জেটলি]] || ৪৮১ || ✓
|-
| 84 || [[সুকেতু মেহতা]] || ৩৮২ || ✓
|-
| 85 || [[রুক্মিণী মৈত্র]] || ৩৫৪ || ✓
|-
| 86 || [[মানব গুপ্ত]] || ৬৩৪ || ✕
|-
| 87 || [[মোহিনী মোহন ধর]] || ৫৮৫ || ✓
|-
| 88 || [[দিলীপ কুমার চক্রবর্তী]] || ২,৫৯৭ || ✓
|-
| 89 || [[রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ৩৮৩ || ✓
|-
| 90 || [[পিটার অ্যাক্রয়েড]] || ২৯৭ || ✓
|-
| 91 || [[হ্যারল্ড ব্লুম]] || ৫৯৩ || ✓
|-
| 92 || [[জেমস বসওয়েল]] || ১,১৪৯ || ✓
|-
| 93 || [[অলিভার গোল্ডস্মিথ]] || ৩,১৭৮ || ✓
|-
| 94 || [[হেনরি জাইলস]] || ৭৯২ || ✓
|-
| 95 || [[এডউইন হাবেল চ্যাপিন]] || ৭৭০ || ✓
|-
| 96 || [[অবমাননা]] || ৭৮৮ || ✓
|-
| 97 || [[আদালত অবমাননা]] || ৮২৯ || ✓
|-
| 98 || [[আইনপ্রণেতা]] || ৭৪৩ || ✓
|-
| 99 || [[লেই বারডুগো]] || ১২২ || ✓
|-
| 100 || [[উইলিয়াম ব্রেট, ১ম ভিসকাউন্ট এশার]] || ১,০২০ || ✓
|-
| 101 || [[হেনরি হকিন্স, ১ম ব্যারন ব্র্যাম্পটন]] || ৩০৩ || ✓
|-
| 102 || [[জুনিয়াস]] || ১,৪১২ || ✓
|-
| 103 || [[উইলিয়াম মারে, ম্যানসফিল্ডের ১ম আর্ল]] || ৬৪৩ || ✓
|-
| 104 || [[জোসেফ ইয়েটস]] || ৬৬৬ || ✓
|-
| 105 || [[স্যার জন বেইলি, ১ম ব্যারোনেট]] || ৯১৮ || ✓
|-
| 106 || [[হেনরি বিকারস্টথ, ১ম ব্যারন ল্যাংডেল]] || ৪১৫ || ✓
|-
| 107 || [[এডওয়ার্ড ল, ১ম ব্যারন এলেনবরো]] || ৬৭৪ || ✓
|-
| 108 || [[লয়েড কেনিয়ন, ১ম ব্যারন কেনিয়ন]] || ৪,৪০৮ || ✓
|-
| 109 || [[জন হোল্ট]] || ১,১৮৯ || ✓
|-
| 110 || [[চার্লস বোয়েন, ব্যারন বোয়েন]] || ১,০৩৭ || ✓
|-
| 111 || [[চার্লস অ্যাবট, ১ম ব্যারন টেন্টারডেন]] || ৩৪১ || ✓
|-
| 112 || [[ন্যায়বিচার প্রশাসন]] || ২,৮৯৯ || ✓
|-
| 113 || [[আদালত]] || ১,৮১৮ || ✕
|-
| 114 || [[রোজান এ. ব্রাউন]] || ৩৪১ || ✓
|-
| 115 || [[মারিয়ন জিমার ব্র্যাডলি]] || ১,১০৪ || ✓
|-
| 116 || [[টেরি ব্রুকস]] || ৪৮৫ || ✓
|-
| 117 || [[লেই ব্র্যাকেট]] || ১,১১২ || ✓
|-
| 118 || [[জ্যাক ক্যাডি]] || ১,৫৬৮ || ✓
|-
| 119 || [[মেল ব্রুকস]] || ২,০১৬ || ✕
|-
| 120 || [[মাইকেল বিশপ]] || ৯৬০ || ✕
|-
| 121 || [[এলিজাবেথ বেয়ার]] || ৭০৫ || ✓
|-
| 122 || [[মার্গারেট বল]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 123 || [[পাওলো বাসিগালুপি]] || ৬৪৭ || ✓
|-
| 124 || [[কেলি আর্মস্ট্রং]] || ৫৮৫ || ✓
|-
| 125 || [[ক্যাথরিন আসরো]] || ৩৬১ || ✓
|-
| 126 || [[পিয়ার্স অ্যান্থনি]] || ২২৯ || ✓
|-
| 127 || [[রবার্ট আইকম্যান]] || ২৬৮ || ✓
|-
| 128 || [[আইনজীবী]] || ২,৩২৯ || ✓
|-
| 129 || [[আইনসভা]] || ২,৩৪৩ || ✓
|-
| 130 || [[জর্জ বুশনার]] || ৬৬২ || ✓
|-
| 131 || [[জোসেফ গার্নি ক্যানন]] || ৭০৯ || ✓
|-
| 132 || [[সংখ্যাগরিষ্ঠ]] || ১,৩৫৬ || ✓
|-
| 133 || [[সংখ্যালঘু গোষ্ঠী]] || ১,৮৮১ || ✓
|-
| 134 || [[প্রাতিষ্ঠানিক আচরণ]] || ৬৫৬ || ✓
|-
| 135 || [[মানব আচরণ]] || ৮৫২ || ✓
|-
| 136 || [[হার্ভে ম্যানসফিল্ড]] || ৯৭৯ || ✓
|-
| 137 || [[রাষ্ট্রবিজ্ঞান]] || ১,১৩৯ || ✓
|-
| 138 || [[রাজনৈতিক দর্শন]] || ১,২৮৫ || ✓
|-
| 139 || [[দ্বিজেন্দ্র নারায়ণ ঝা]] || ১,০৮৭ || ✓
|-
| 140 || [[আগ্রাসন]] || ৯২০ || ✓
|-
| 141 || [[হিন্দুত্ব]] || ২,৭০০ || ✓
|-
| 142 || [[ফ্লাভিয়া অ্যাগনেস]] || ৬৮২ || ✓
|-
| 143 || [[লাভ জিহাদ ষড়যন্ত্র তত্ত্ব]] || ৩,১৫০ || ✓
|-
| 144 || [[মহাত্মা গান্ধীর হত্যাকাণ্ড]] || ১,৭৭৮ || ✓
|-
| 145 || [[যোগিন্দর সিকান্দ]] || ৮১৪ || ✓
|-
| 146 || [[ভারতে মুসলিমদের বিরুদ্ধে সহিংসতা]] || ৮৫১ || ✓
|-
| 147 || [[জয় শ্রীরাম]] || ৭০৮ || ✓
|-
| 148 || [[লালকৃষ্ণ আডবাণী]] || ১,৫৫৫ || ✓
|-
| 149 || [[রাম রথযাত্রা]] || ১,৫৭৯ || ✓
|-
| 150 || [[হিন্দু আমেরিকান ফাউন্ডেশন]] || ১,৪৫৫ || ✓
|-
| 151 || [[হর্ষ মান্দার]] || ৬৬০ || ✓
|-
| 152 || [[স্বপন দাশগুপ্ত]] || ১,১৬৭ || ✓
|-
| 153 || [[জরাথুস্ট্রবাদ]] || ৩৭৭ || ✓
|-
| 154 || [[পার্সি]] || ৩৯০ || ✓
|-
| 155 || [[নাগরিকত্ব]] || ১,৮৭৯ || ✓
|-
| 156 || [[ভারতের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৭০]] || ৬৭৯ || ✓
|-
| 157 || [[মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন, ১৯৩৯]] || ৭৬৯ || ✓
|-
| 158 || [[অবৈতনিক বাধ্যতামূলক শিশু শিক্ষার অধিকার আইন, ২০০৯]] || ৩৭৯ || ✓
|-
| 159 || [[বোম্বাই দাঙ্গা]] || ৭৭৬ || ✓
|-
| 160 || [[বজরং দল]] || ৩৩১ || ✓
|-
| 161 || [[সংসদীয় ব্যবস্থা]] || ৪০৫ || ✓
|-
| 162 || [[বিচার বিভাগীয় ব্যাখ্যা]] || ১,২৩২ || ✓
|-
| 163 || [[বর্ণবাদ পরবর্তী আমেরিকা]] || ১,০৬৯ || ✓
|-
| 164 || [[শ্বেতাঙ্গ বিশেষাধিকার]] || ৬২৮ || ✓
|-
| 165 || [[বিশেষাধিকার]] || ৭১২ || ✓
|-
| 166 || [[মানবহিতৈষণা]] || ২২৮ || ✓
|-
| 167 || [[ভারত সরকার]] || ১,২২০ || ✓
|-
| 168 || [[শিলং]] || ৯৭৩ || ✓
|-
| 169 || [[মাঝৌলি রাজ]] || ৫৬০ || ✓
|-
| 170 || [[কালিকট]] || ৪৫৪ || ✓
|-
| 171 || [[যাজপুর]] || ৪০৭ || ✓
|-
| 172 || [[কালিবাঙ্গান]] || ৭৩৮ || ✓
|-
| 173 || [[কাডাপা]] || ৪১৩ || ✓
|-
| 174 || [[ইদার]] || ৫৮৬ || ✓
|-
| 175 || [[গোধরা]] || ১,০১০ || ✓
|-
| 176 || [[ভুবনেশ্বর]] || ১,১৬৫ || ✓
|-
| 177 || [[অমৃতসর]] || ৮৬৮ || ✓
|-
| 178 || [[আম্বালা]] || ৪৬১ || ✓
|-
| 179 || [[হায়দ্রাবাদ]] || ৩,২৪৮ || ✓
|-
| 180 || [[২০১৯ হায়দ্রাবাদ গণধর্ষণ]] || ১৭৭ || ✓
|-
| 181 || [[মুহাম্মাদ বখতিয়ার খলজি]] || ৪২৩ || ✕
|-
| 182 || [[হায়দ্রাবাদ অধিগ্রহণ]] || ৪৫৬ || ✓
|-
| 183 || [[১৮৯৯-১৯০০ সালের ভারতীয় দুর্ভিক্ষ]] || ৫৪১ || ✓
|-
| 184 || [[১৯৯০ হায়দ্রাবাদ দাঙ্গা]] || ৪০৬ || ✓
|-
| 185 || [[গুয়াহাটি]] || ১,৭৯৬ || ✓
|-
| 186 || [[গৌড়]] || ১,৯৩৬ || ✓
|-
| 187 || [[বিজাপুর]] || ৬৬২ || ✓
|-
| 188 || [[মাণ্ডু]] || ৩৯৪ || ✓
|-
| 189 || [[খাজুরাহো]] || ৩৭১ || ✓
|-
| 190 || [[চান্দেরী]] || ৫০৭ || ✓
|-
| 191 || [[জুনাগড়]] || ৭১৯ || ✓
|-
| 192 || [[বৃহৎ কচ্ছের রাণ]] || ৫৮৪ || ✓
|-
| 193 || [[আহমেদাবাদ]] || ১,৮১২ || ✓
|-
| 194 || [[কচ্ছ জেলা]] || ৩২৬ || ✓
|-
| 195 || [[দৃশদ্বতী নদী]] || ১৮৬ || ✓
|-
| 196 || [[চেনাব নদী]] || ৩২১ || ✓
|-
| 197 || [[পশ্চিমবঙ্গে ধর্ম]] || ১,২৩২ || ✓
|-
| 198 || [[মুর্শিদাবাদ সহিংসতা]] || ২৫৭ || ✓
|-
| 199 || [[২০২৪ সন্দেশখালী সহিংসতা]] || ১,০৬১ || ✓
|-
| 200 || [[২০২২ বীরভূম সহিংসতা]] || ৫১৪ || ✓
|-
| 201 || [[মৈতৈ জাতি]] || ৫২৭ || ✕
|-
| 202 || [[মৈতৈ সভ্যতা]] || ৩৫০ || ✓
|-
| 203 || [[মণিপুর]] || ৩০৬ || ✕
|-
| 204 || [[লাক্ষাদ্বীপ]] || ৩২৯ || ✓
|-
| 205 || [[বৃন্দাবন]] || ৬৮২ || ✕
|-
| 206 || [[সম্ভল]] || ২৪৩ || ✓
|-
| 207 || [[এলাহাবাদ]] || ৩৫৭ || ✓
|-
| 208 || [[আলিগড়]] || ৪০৯ || ✓
|-
| 209 || [[স্ট্যাচু অব ইউনিটি]] || ২৪১ || ✓
|-
| 210 || [[ভারতের দুর্গ]] || ৩১৪ || ✓
|-
| 211 || [[দ্য দুন স্কুল]] || ৬৬৪ || ✓
|-
| 212 || [[কাশী হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়]] || ৩৪৫ || ✓
|-
| 213 || [[আগ্রা]] || ৭১৮ || ✓
|-
| 214 || [[২০২০ দিল্লি দাঙ্গা]] || ১,১৭৮ || ✓
|-
| 215 || [[তিরুচিরাপল্লী]] || ৬২৬ || ✓
|-
| 216 || [[সেন্ট থমাস ক্যাথেড্রাল ব্যাসিলিকা, চেন্নাই]] || ৩৮০ || ✕
|-
| 217 || [[আতঙ্ক]] || ৪৭৪ || ✕
|-
| 218 || [[ভারতে দুর্নীতি]] || ১,০০৭ || ✓
|-
| 219 || [[তামিলনাড়ুর মন্দির]] || ৯১৮ || ✓
|-
| 220 || [[এম. কে. স্ট্যালিন]] || ৩৩২ || ✓
|-
| 221 || [[তামিলনাড়ু]] || ৫৪৩ || ✓
|-
| 222 || [[তামিলনাড়ুর হিন্দি বিরোধী আন্দোলন]] || ৪৬৫ || ✓
|-
| 223 || [[যোধপুর]] || ৬২৮ || ✓
|-
| 224 || [[রাজস্থান]] || ২৯৪ || ✓
|-
| 225 || [[ওড়িশা]] || ৭৪৫ || ✓
|-
| 226 || [[১৯৯৮ কোয়েম্বাটুর বোমা হামলা]] || ৫৩৭ || ✓
|-
| 227 || [[উত্তর-পূর্ব ভারতে বিদ্রোহ]] || ৩৯৮ || ✓
|-
| 228 || [[মারাদ হত্যাকাণ্ড]] || ৩৫২ || ✓
|-
| 229 || [[মক্কা মসজিদ বিস্ফোরণ]] || ৫৮৪ || ✓
|-
| 230 || [[স্টুডেন্টস ইসলামিক মুভমেন্ট অব ইন্ডিয়া]] || ৩৫৭ || ✓
|-
| 231 || [[বিষ্ণু]] || ৬১৭ || ✓
|-
| 232 || [[২০২৪ রিয়াসি হামলা]] || ৩০২ || ✓
|-
| 233 || [[২০০৬ মালেগাঁও বোমা হামলা]] || ৩৯১ || ✓
|-
| 234 || [[২০০৬ মুম্বই রেলে বোমা হামলা]] || ১৯০ || ✓
|-
| 235 || [[মুম্বই]] || ১,২২৪ || ✓
|-
| 236 || [[দৌলতাবাদ, মহারাষ্ট্র]] || ৮৮৯ || ✕
|-
| 237 || [[মহারাষ্ট্র]] || ৪৯৯ || ✓
|-
| 238 || [[পিনারাই বিজয়ন]] || ৫২৩ || ✓
|-
| 239 || [[আরব দেশ]] || ৯১৪ || ✓
|-
| 240 || [[দক্ষিণ এশিয়া]] || ৫৯৩ || ✓
|-
| 241 || [[শহুরে অবক্ষয়]] || ৩০৮ || ✓
|-
| 242 || [[নগরায়ন]] || ১,০৯৭ || ✓
|-
| 243 || [[কেরল]] || ৩৬৫ || ✓
|-
| 244 || [[জম্মু ও কাশ্মীরে বিদ্রোহ]] || ৪১৮ || ✓
|-
| 245 || [[জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহার]] || ৯৬৪ || ✓
|-
| 246 || [[শ্রীনগর]] || ১,৭২৯ || ✓
|-
| 247 || [[কাশ্মীর উপত্যকা]] || ২৮৪ || ✓
|-
| 248 || [[লাদাখ]] || ৬৯৪ || ✓
|-
| 249 || [[কাশ্মীরি জাতি]] || ৮১৩ || ✓
|-
| 250 || [[তারিখ-ই-কাশ্মীর]] || ৫১৪ || ✓
|-
| 251 || [[কর্ণাটক]] || ৬৮২ || ✓
|-
| 252 || [[কর্ণাটকের রাজনীতি]] || ৪৩৯ || ✓
|-
| 253 || [[বেঙ্গালুরু]] || ৬১৪ || ✓
|-
| 254 || [[আসামে ইসলাম]] || ৬৯০ || ✓
|-
| 255 || [[আসামের ইতিহাস]] || ৭২৬ || ✓
|-
| 256 || [[আসামে হিন্দুধর্ম]] || ৩২৫ || ✓
|-
| 257 || [[ভারতের জনমিতি]] || ৩,৩৭৩ || ✓
|-
| 258 || [[বাংলাদেশের জনমিতি]] || ১,১৯৫ || ✓
|-
| 259 || [[পাকিস্তানের জনমিতি]] || ৮৫০ || ✓
|-
| 260 || [[আসামের জনমিতি]] || ১৮২ || ✓
|-
| 261 || [[বিহার]] || ৪৫৮ || ✓
|-
| 262 || [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] || ১৮১ || ✓
|-
| 263 || [[শাহ বানু মামলা]] || ৭৯৯ || ✕
|-
| 264 || [[ইসরায়েল–ভারত সম্পর্ক]] || ৮৯৭ || ✓
|-
| 265 || [[প্রণব মুখোপাধ্যায়]] || ৫৯৫ || ✓
|-
| 266 || [[দ্রৌপদী মুর্মু]] || ২৪৯ || ✓
|-
| 267 || [[ফখরুদ্দিন আলি আহমেদ]] || ১,৬৪৭ || ✓
|-
| 268 || [[এলজিবিটিকিউ অধিকার বিরোধিতা]] || ২,০৪৯ || ✓
|-
| 269 || [[গেফোবিয়া]] || ২৭৮ || ✓
|-
| 270 || [[সমকামী যৌন চর্চা]] || ৪০৭ || ✓
|-
| 271 || [[উভকামিতা]] || ১,৫৬০ || ✓
|-
| 272 || [[কামিং আউট]] || ৮০৫ || ✓
|-
| 273 || [[স্মৃতি ইরানি]] || ৯৯১ || ✓
|-
| 274 || [[মেনকা গান্ধী]] || ১,২৩০ || ✓
|-
| 275 || [[যশবন্ত সিং]] || ২০৬ || ✓
|-
| 276 || [[সৈয়দ শাহাবুদ্দিন]] || ৫৭৯ || ✓
|-
| 277 || [[শাকিল আহমদ]] || ১২৪ || ✓
|-
| 278 || [[তথাগত রায়]] || ২৭৫ || ✓
|-
| 279 || [[লালুপ্রসাদ যাদব]] || ১,১০৯ || ✓
|-
| 280 || [[আসাদউদ্দিন ওয়াইসি]] || ৪১৩ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২৮০
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ২,৪৮,৫৮৮
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩,০০,৬৫৮
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৪৯,৯৩৭
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch| Oindrojalik Watch]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ভ্রান্ত উদ্ধৃতি]] || ৯,৮৬৯ || ✓
|-
| 2 || [[২০১১ ফিফা মহিলা বিশ্বকাপ]] || ৯৬৩ || ✓
|-
| 3 || [[তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] || ৩,১৭৯ || ✓
|-
| 4 || [[আফগান যুদ্ধ]] || ৪,৬২০ || ✓
|-
| 5 || [[ইউক্রেনে রুশ আক্রমণ]] || ১২,৩৮২ || ✓
|-
| 6 || [[ইরাক যুদ্ধ]] || ১২,৩৪৪ || ✓
|-
| 7 || [[যুক্তরাজ্যের তৃতীয় জর্জ]] || ১২,০৪২ || ✓
|-
| 8 || [[২০১০ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৮৮৩ || ✓
|-
| 9 || [[২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৩,৫১৪ || ✓
|-
| 10 || [[২০০২ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৬১১ || ✓
|-
| 11 || [[ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ]] || ১,৫৪২ || ✓
|-
| 12 || [[স্নায়ুযুদ্ধ]] || ১৫,৬১০ || ✓
|-
| 13 || [[দ্বিতীয় স্নায়ুযুদ্ধ]] || ৪,৬৬৮ || ✓
|-
| 14 || [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] || ২৪,১৭৭ || ✓
|-
| 15 || [[মহত্ত্ব]] || ৭,৮১৪ || ✓
|-
| 16 || [[সাংবাদিকতা]] || ১৩,৪৭৭ || ✓
|-
| 17 || [[প্যানডিজম]] || ১০,৩০০ || ✓
|-
| 18 || [[গাজা যুদ্ধ]] || ১৬,৯৮২ || ✓
|-
| 19 || [[২০২৬ ইরান যুদ্ধ]] || ৬,৯৮১ || ✓
|-
| 20 || [[পারমাণবিক অস্ত্র]] || ৩,২৩৩ || ✓
|-
| 21 || [[২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৬৪৩ || ✓
|-
| 22 || [[ক্রুসেড]] || ৯৯৬ || ✓
|-
| 23 || [[অ্যানিমেশন]] || ৯,৪৫৭ || ✓
|-
| 24 || [[দক্ষিণ কোরিয়ার রাজনীতি]] || ৭৫৫ || ✓
|-
| 25 || [[ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ]] || ৩,৭৬৩ || ✓
|-
| 26 || [[পারমাণবিক যুদ্ধ]] || ৫,৫২০ || ✓
|-
| 27 || [[আল খোয়ারিজমি]] || ১,২৩০ || ✓
|-
| 28 || [[ফজলে রাব্বী]] || ৬৩৫ || ✓
|-
| 29 || [[ডেভিড হিউম]] || ১১,৭৮০ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২৯
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১,৯০,১০১
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১,৯৯,৯৭০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:NusJaS| NusJaS]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[লিটিশা এলিজাবেথ ল্যান্ডন]] || ২৫,৯৭৯ || ✓
|-
| 2 || [[প্রজননবিরোধবাদ]] || ৩০,৯৭০ || ✓
|-
| 3 || [[উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন]] || ২৮,৬১৯ || ✓
|-
| 4 || [[ক্রিস্টোফার হিচেন্স]] || ২৫,৯২২ || ✓
|-
| 5 || [[বলপূর্বক খাওয়ানো]] || ২২,৬২২ || ✓
|-
| 6 || [[জন স্টুয়ার্ট মিল]] || ২২,৭৮৩ || ✓
|-
| 7 || [[রবার্ট গ্যাসকয়েন-সিসিল, স্যালিসবারির ৩য় মার্কুইস]] || ২০,৮৯৮ || ✓
|-
| 8 || [[অ্যারন রা]] || ২১,৯৫৫ || ✓
|-
| 9 || [[ফায়ারপ্লেস]] || ২১,৪১৭ || ✓
|-
| 10 || [[জন হার্ভে কেলোগ]] || ৩০,৭৪৮ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১০
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১,৬৬,৩৪৫
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২,৫১,৯১৩
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:SMontaha32| SMontaha32]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনী]] || ১৯,১০০ || ✕
|-
| 2 || [[ভাকলাভ হাভেল]] || ৯,৩৫৭ || ✓
|-
| 3 || [[নরউইচের জুলিয়ান]] || ৩১,৬৩৩ || ✕
|-
| 4 || [[রামসে ম্যাকডোনাল্ড]] || ৯,৬২২ || ✓
|-
| 5 || [[জন মুয়ির]] || ৮,০৬১ || ✓
|-
| 6 || [[মার্গারেট অ্যাটউড]] || ৬,৩২৮ || ✓
|-
| 7 || [[পেত্র ক্রাপোতকিন]] || ১০,৮১৬ || ✕
|-
| 8 || [[টমাস হেনরি হাক্সলি]] || ৮,৫০৩ || ✓
|-
| 9 || [[উইলিয়াম বাটলার ইয়েটস]] || ৭,২১০ || ✓
|-
| 10 || [[উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস]] || ৪,২৬০ || ✓
|-
| 11 || [[তাওয়াক্কোল কারমান]] || ৪,০৯৭ || ✓
|-
| 12 || [[র্যাচেল কারসন]] || ৪,৭৬৭ || ✓
|-
| 13 || [[আর্নেস্ট হেমিংওয়ে]] || ১৪,৯০৭ || ✓
|-
| 14 || [[আর্থার এডিংটন]] || ৫,৬৩৭ || ✓
|-
| 15 || [[এরিক হবসবাউম]] || ৫,৮৭৩ || ✓
|-
| 16 || [[টনি মরিসন]] || ১০,৩৮৩ || ✓
|-
| 17 || [[টনি বেন]] || ১০,৩৯৯ || ✕
|-
| 18 || [[নরম্যান মেইলার]] || ৬,৬০৬ || ✓
|-
| 19 || [[পল স্যামুয়েলসন]] || ৬,৮৫১ || ✓
|-
| 20 || [[এইচ. পি. লাভক্র্যাফট]] || ২৫,৪৭২ || ✓
|-
| 21 || [[ব্লেজ পাসকাল]] || ৩,০৫১ || ✓
|-
| 22 || [[চিনুয়া আচেবে]] || ৬,০৪২ || ✓
|-
| 23 || [[ডরিস লেসিং]] || ৪,৬২১ || ✓
|-
| 24 || [[ফেদেরিকো ফাগিন]] || ৬০০ || ✓
|-
| 25 || [[আলেকজান্ডার গ্রোথেনডিক]] || ১,২১১ || ✓
|-
| 26 || [[আঙ্গেলা ম্যার্কেল]] || ২,০২৯ || ✓
|-
| 27 || [[আনাক্সাগোরাস]] || ৩,৬৭১ || ✓
|-
| 28 || [[আমোস তভারস্কি]] || ৪৬১ || ✓
|-
| 29 || [[আলফ্রেড মার্শাল]] || ১,৩০৯ || ✓
|-
| 30 || [[আলবার্টাস ম্যাগনাস]] || ৩৮২ || ✓
|-
| 31 || [[অনিতা ব্রুকনার]] || ৪৭৪ || ✕
|-
| 32 || [[আলফ্রেড কিনসে]] || ১,০৩৩ || ✓
|-
| 33 || [[অ্যালান কে]] || ৯২৪ || ✓
|-
| 34 || [[আলেকজান্ডার ফ্লেমিং]] || ৩৩২ || ✓
|-
| 35 || [[ক্যারোলিন বার্তোজি]] || ৪১১ || ✓
|-
| 36 || [[আলফ্রেড রাসেল ওয়ালেস]] || ১,৬৫৯ || ✓
|-
| 37 || [[অঁতোয়ান লাভোয়াজিয়ে]] || ১,৪৩৬ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৩৭
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১,৬৫,৬৭০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২,৩৯,৫২৮
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৭৩,৮৫৮
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023| Sumanta3023]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[লিওনিদ ক্যান্টোরোভিচ]] || ১,৪২২ || ✓
|-
| 2 || [[থিওডোসিয়াস ডবঝানস্কি]] || ৭৬০ || ✕
|-
| 3 || [[টেরেন্স টাও]] || ৭২০ || ✓
|-
| 4 || [[ফিলিপ]] || ৪২৬ || ✓
|-
| 5 || [[জুলিয়ান শুইঙার]] || ১,৩২২ || ✕
|-
| 6 || [[পিয়ের-জিল দ্য জেন]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 7 || [[ব্রায়ান কক্স]] || ৭৫৬ || ✓
|-
| 8 || [[জন ম্যাককার্থি]] || ১,০৪৫ || ✓
|-
| 9 || [[লুই দ্য ব্রোয়ি]] || ৪৬০ || ✓
|-
| 10 || [[ফ্রঁসোয়া মিতেরঁ]] || ১,১৯৪ || ✕
|-
| 11 || [[ফ্লিন্ডার্স পেট্রি]] || ১,২০৪ || ✕
|-
| 12 || [[পল আর. এহর্লিচ]] || ১,৩০০ || ✓
|-
| 13 || [[মাইকেল আতিয়াহ]] || ৪২৩ || ✓
|-
| 14 || [[মার্টন মিলার]] || ৪৮২ || ✓
|-
| 15 || [[মেরি বিয়ার্ড]] || ৯১১ || ✓
|-
| 16 || [[মার্গারেট চ্যান]] || ৭০৪ || ✓
|-
| 17 || [[গেরহার্ড শ্রোডার]] || ২৬৯ || ✓
|-
| 18 || [[ফিলিপ ওয়ারেন অ্যান্ডারসন]] || ৭৯৯ || ✓
|-
| 19 || [[পিটার হিগস]] || ৪৭৪ || ✕
|-
| 20 || [[লিওনার্ড সাসকিন্ড]] || ৮২৫ || ✓
|-
| 21 || [[জন মেইনার্ড স্মিথ]] || ৬৪০ || ✓
|-
| 22 || [[জন জেমস অডুবন]] || ৮৩৭ || ✓
|-
| 23 || [[শেলডন লি গ্ল্যাশো]] || ৭৫১ || ✓
|-
| 24 || [[ভিক্টর উইসকফ]] || ৫১৯ || ✓
|-
| 25 || [[মার্টিন রিস]] || ৫৫১ || ✓
|-
| 26 || [[মার্ক ওলিফ্যান্ট]] || ৫৫৩ || ✓
|-
| 27 || [[ভিতালি গিঞ্জবার্গ]] || ৩০৮ || ✓
|-
| 28 || [[স্যালি রাইড]] || ৪২৫ || ✓
|-
| 29 || [[রবার্ট ফোগেল]] || ৪২৮ || ✓
|-
| 30 || [[রিঙ্গো স্টার]] || ৮৭০ || ✓
|-
| 31 || [[মাক্স ডেলব্রুক]] || ৫৭৫ || ✓
|-
| 32 || [[তৃতীয় লেওপোল্ড]] || ৮৩৭ || ✓
|-
| 33 || [[নরম্যান বোরল্যাগ]] || ৭০০ || ✓
|-
| 34 || [[নিকলাউস ভির্ট]] || ৪৭৯ || ✓
|-
| 35 || [[নিকোলাস স্টেনো]] || ২৯২ || ✓
|-
| 36 || [[নেভিল ফ্রান্সিস মট]] || ৫১১ || ✓
|-
| 37 || [[লুডউইক ফ্লেক]] || ৫১২ || ✓
|-
| 38 || [[কারেন উলেনবেক]] || ৩৯২ || ✓
|-
| 39 || [[ইয়োসেফ মেংগেলে]] || ৫৪৪ || ✓
|-
| 40 || [[কিরণ দেশাই]] || ২৬১ || ✓
|-
| 41 || [[কাতালিন কারিকো]] || ৩০৯ || ✓
|-
| 42 || [[ইয়োন্স ইয়াকব বের্সেলিয়ুস]] || ৫১৬ || ✓
|-
| 43 || [[হুয়ান মালদাসেনা]] || ৭৩২ || ✓
|-
| 44 || [[হাইনরিখ বোল]] || ৩০০ || ✓
|-
| 45 || [[ইনগ্রিড ডোবিচি]] || ৬৭১ || ✓
|-
| 46 || [[ইয়ান উইলমুট]] || ৪২৭ || ✓
|-
| 47 || [[হিউ এভারেট]] || ৬০০ || ✓
|-
| 48 || [[ফ্রঁসোয়া অংল্যার]] || ৫৩৩ || ✓
|-
| 49 || [[এমানুয়েল সোয়েডেনবার্গ]] || ১,৫২২ || ✓
|-
| 50 || [[এলিজাবেথ বিশপ]] || ৬৫২ || ✓
|-
| 51 || [[শেখ আন্তা দিওপ]] || ৩৩৫ || ✓
|-
| 52 || [[জর্জ গ্যামো]] || ১,৫২১ || ✓
|-
| 53 || [[হাইনরিখ হের্ত্স]] || ১,৭৪৪ || ✓
|-
| 54 || [[গ্রো হারলেম ব্রুন্ডটল্যান্ড]] || ৩১১ || ✓
|-
| 55 || [[জন সি. মাদার]] || ৪২৫ || ✓
|-
| 56 || [[জন ব্যাকাস]] || ৫৯৭ || ✓
|-
| 57 || [[এর্নস্ট মায়ার]] || ৭৫৪ || ✓
|-
| 58 || [[লিন মার্গুলিস]] || ১,৭১৮ || ✓
|-
| 59 || [[হ্যান্স বেটে]] || ৩৯৬ || ✓
|-
| 60 || [[লুই আগাসিজ]] || ৯৩৭ || ✓
|-
| 61 || [[জর্জ ক্যুভিয়ে]] || ৭৬৮ || ✓
|-
| 62 || [[ব্রাসেলস]] || ৯৬৭ || ✓
|-
| 63 || [[ড্যানিয়েল কানেমান]] || ২,৯৫৭ || ✕
|-
| 64 || [[ডোনাল্ড কানুথ]] || ১,৫৮২ || ✓
|-
| 65 || [[লেমাহ গবোউই]] || ১,১৫০ || ✓
|-
| 66 || [[গারট্রুড বি. এলিয়ন]] || ২৩৪ || ✓
|-
| 67 || [[ডোনা স্ট্রিকল্যান্ড]] || ৩৫৯ || ✓
|-
| 68 || [[এর্নস্ট মাখ]] || ২,০২৮ || ✕
|-
| 69 || [[ডোনাল্ড টাস্ক]] || ১,৭৭১ || ✓
|-
| 70 || [[অরবিন্দ আদিগা]] || ৮৬৬ || ✓
|-
| 71 || [[সি. এ. আর. হোর]] || ১,০৬১ || ✕
|-
| 72 || [[পল ডিরাক]] || ৪,৭০৯ || ✕
|-
| 73 || [[ই. ও. উইলসন]] || ৪,৪৫৮ || ✕
|-
| 74 || [[ডেসমন্ড মরিস]] || ৩,৯৮৬ || ✓
|-
| 75 || [[মাইকেল গোভ]] || ৩,৭৩৬ || ✓
|-
| 76 || [[হার্পার লি]] || ২,৪৯১ || ✓
|-
| 77 || [[কেন টম্পসন]] || ১,৮১৬ || ✓
|-
| 78 || [[জন টিন্ডাল]] || ২,৫২৮ || ✓
|-
| 79 || [[মেরি রবিনসন]] || ১,৩৭৬ || ✓
|-
| 80 || [[হেনরি ক্যাভেন্ডিশ]] || ২,২৪৪ || ✓
|-
| 81 || [[আইরিস মারডক]] || ১,২৬৮ || ✓
|-
| 82 || [[আর্নেস্ট রাদারফোর্ড]] || ২,৪৫৩ || ✓
|-
| 83 || [[ফ্রেড ব্রুকস]] || ১,১৯১ || ✓
|-
| 84 || [[ক্রিস্টিয়ান হাইগেনস]] || ১,৯০৭ || ✓
|-
| 85 || [[ডায়ান ফসি]] || ১,৬৪৬ || ✕
|-
| 86 || [[ইডিথ হোয়ার্টন]] || ১,৪২৫ || ✓
|-
| 87 || [[অরেল স্টেইন]] || ১,৪৭৮ || ✕
|-
| 88 || [[গাব্রিয়েলা মিস্ত্রাল]] || ১,৬৫০ || ✓
|-
| 89 || [[আলেকজান্ডার ফন হুমবোল্ট]] || ১,১২০ || ✓
|-
| 90 || [[ফ্রান্সিস্কো ভারেলা]] || ১,৮৯৩ || ✓
|-
| 91 || [[ডেনিস রিচি]] || ১,১০৮ || ✓
|-
| 92 || [[অড্রে হেপবার্ন]] || ১,৪৩৫ || ✓
|-
| 93 || [[জি. এইচ. হার্ডি]] || ২,৩৩০ || ✓
|-
| 94 || [[হ্যারল্ড পিন্টার]] || ২,০৭২ || ✓
|-
| 95 || [[অ্যানাক্সিম্যান্ডার]] || ১,৩০০ || ✓
|-
| 96 || [[ডেভিড ব্রুস্টার]] || ২,৪০৪ || ✓
|-
| 97 || [[ব্রায়ান গ্রিন]] || ১,২৭৯ || ✕
|-
| 98 || [[অমিত গোস্বামী]] || ৯১৫ || ✓
|-
| 99 || [[এডমন্ড হ্যালি]] || ২,৬১৯ || ✓
|-
| 100 || [[ডেভিড সুজুকি]] || ১,৫১৭ || ✓
|-
| 101 || [[ডেভিড জোনাথন গ্রোস]] || ৮০৯ || ✓
|-
| 102 || [[ডেভিড ম্যামেট]] || ১,২৫২ || ✓
|-
| 103 || [[আহমেদ জেওয়াইল]] || ১৯২ || ✓
|-
| 104 || [[ইউরোপীয় পার্লামেন্ট]] || ৬১৫ || ✓
|-
| 105 || [[ডেভিড গ্রসম্যান]] || ৩৩৬ || ✓
|-
| 106 || [[হরিশ-চন্দ্র]] || ২৮৪ || ✓
|-
| 107 || [[অনিতা দেসাই]] || ১,৪৩৯ || ✓
|-
| 108 || [[অ্যাশ কার্টার]] || ৪৬৩ || ✓
|-
| 109 || [[আলফ্রেড নোবেল]] || ৫০৯ || ✕
|-
| 110 || [[ক্রিস্টিয়ান বার্নার্ড]] || ৬৩৯ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১১০
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৯৭,৪২১
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১,২২,৫০০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২৫,০৭৯
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Anik Kanti Dey| Anik Kanti Dey]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[রেজা পাহলভি]] || ৯,৯১০ || ✓
|-
| 2 || [[রজার ইবার্ট]] || ২১,৩২৫ || ✓
|-
| 3 || [[পুনর্জন্ম]] || ২০,২৪৮ || ✓
|-
| 4 || [[জ্যারেড ডায়মন্ড]] || ১,১৬৮ || ✕
|-
| 5 || [[জেন গুডাল]] || ১,৩৫৭ || ✓
|-
| 6 || [[জেমস টোবিন]] || ১,০৫৯ || ✓
|-
| 7 || [[জেমস ক্যালাহান]] || ১,৬১৫ || ✓
|-
| 8 || [[উইলিয়াম স্ট্যানলি জেভন্স]] || ১,৭০১ || ✓
|-
| 9 || [[উইলিয়াম থমসন]] || ১,০৫১ || ✓
|-
| 10 || [[ওলে সোয়িংকা]] || ৩,১৬১ || ✕
|-
| 11 || [[জোসেফ স্টিগলিটজ]] || ১,৫০৪ || ✕
|-
| 12 || [[গ্রেগর মেন্ডেল]] || ৮৭৪ || ✓
|-
| 13 || [[গটফ্রিড ভিলহেল্ম লাইবনিৎস]] || ১,২৩৬ || ✓
|-
| 14 || [[গ্লেন থিওডোর সিবর্গ]] || ৯৮৪ || ✓
|-
| 15 || [[হেরমান ভাইল]] || ১,৫৪১ || ✓
|-
| 16 || [[হেরমান হেস]] || ৪,৫৬৫ || ✓
|-
| 17 || [[হার্বার্ট স্পেন্সার]] || ২,৩৬৮ || ✓
|-
| 18 || [[হার্বার্ট এ. সাইমন]] || ১,৩৩৭ || ✓
|-
| 19 || [[হেরাক্লিটাস]] || ১,৫৭০ || ✓
|-
| 20 || [[হেনরিক শিয়েনকিয়েভিচ]] || ১,৯১১ || ✕
|-
| 21 || [[উইলা ক্যাথার]] || ৩,০৩৩ || ✕
|-
| 22 || [[উইল ডুরান্ট]] || ২,৮১৫ || ✓
|-
| 23 || [[ডব্লিউ. এইচ. অডেন]] || ২,৮১৯ || ✓
|-
| 24 || [[ভোলফগাং পাউলি]] || ১,৬৩৯ || ✓
|-
| 25 || [[ইয়াসুনারি কাওয়াবাতা]] || ২,২৫৮ || ✓
|-
| 26 || [[জন আর্চিবল্ড হুইলার]] || ১,১৩৯ || ✓
|-
| 27 || [[সেমুর হার্শ]] || ১,৭৬১ || ✓
|-
| 28 || [[সের্গেই কোরোলিয়ভ]] || ৫৬৫ || ✓
|-
| 29 || [[জেন অ্যাডামস]] || ১,৯০৬ || ✓
|-
| 30 || [[জাক-ইভ কুস্তো]] || ৬৬৩ || ✓
|-
| 31 || [[হিদেকি ইউকাওয়া]] || ৪০৩ || ✓
|-
| 32 || [[প্রিমো লেভি]] || ৪,২৩৮ || ✓
|-
| 33 || [[ঝুম্পা লাহিড়ী]] || ৪৩০ || ✓
|-
| 34 || [[জেমস প্রেসকট জুল]] || ৪৮৭ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৩৪
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৯৩,৮৬৪
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১,০৪,৬৪১
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ১০,৭৭৭
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman| Tanbiruzzaman]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা]] || ৪,৮৫১ || ✓
|-
| 2 || [[সংবাদ মাধ্যম]] || ১,১৫৫ || ✓
|-
| 3 || [[গণমাধ্যম]] || ৩,৩৫৭ || ✓
|-
| 4 || [[মূলধারার গণমাধ্যম]] || ১,০৫২ || ✓
|-
| 5 || [[হলুদ সাংবাদিকতা]] || ২,২৯৬ || ✓
|-
| 6 || [[ভুয়া সংবাদ]] || ১,৪০৮ || ✓
|-
| 7 || [[বিকল্প প্রচারমাধ্যম]] || ১,২০৫ || ✓
|-
| 8 || [[জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ]] || ১১,২৬৬ || ✓
|-
| 9 || [[অ্যানোনিমাস]] || ৪,০৪৩ || ✓
|-
| 10 || [[টুপাক শাকুর]] || ৬,২৮৭ || ✓
|-
| 11 || [[জেনডেয়া]] || ২,০১৪ || ✓
|-
| 12 || [[টিমথি শালামে]] || ১,১২৭ || ✓
|-
| 13 || [[হিপোক্রেটিস]] || ২,৯২৩ || ✓
|-
| 14 || [[ষষ্ঠ মুহাম্মদ]] || ৮৭৮ || ✓
|-
| 15 || [[জন লেনক্স]] || ৭০২ || ✓
|-
| 16 || [[আলেক্সান্দ্র্ সলজেনিৎসিন]] || ৮,০৫৬ || ✓
|-
| 17 || [[আবদুল হান্নান মাসউদ]] || ৪০৭ || ✓
|-
| 18 || [[পরকাল সম্পর্কে কুরআন]] || ১৮,৭৯৪ || ✓
|-
| 19 || [[মানবতাবিরোধী অপরাধ]] || ১,৯১২ || ✓
|-
| 20 || [[আন্তর্জাতিক আইন]] || ৫,৫৩৯ || ✓
|-
| 21 || [[মোহাম্মদ জাওয়াদ জারিফ]] || ১,৪৫২ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৮০,৭২৪
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৮০,৭২৪
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Nil Nandy| Nil Nandy]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[অনিল ভৌমিক]] || ২১৬ || ✓
|-
| 2 || [[মনোজ মিত্র]] || ৫,৫৬৭ || ✓
|-
| 3 || [[নারায়ণ সান্যাল]] || ৩৬৬ || ✓
|-
| 4 || [[মতি নন্দী]] || ৫,০১৮ || ✓
|-
| 5 || [[দেবেশ রায়]] || ৯,২৪৪ || ✓
|-
| 6 || [[শিশিরকুমার বসু]] || ৪,৮০৭ || ✓
|-
| 7 || [[বিমল কর]] || ১,৩৬৯ || ✓
|-
| 8 || [[সুবোধ সরকার]] || ১,৮৪৮ || ✓
|-
| 9 || [[স্মরণজিৎ চক্রবর্তী]] || ৭৯২ || ✓
|-
| 10 || [[স্বামী সারদানন্দ]] || ৮,৬৯৫ || ✓
|-
| 11 || [[শক্তিপদ রাজগুরু]] || ৯৯৩ || ✓
|-
| 12 || [[কমলকুমার মজুমদার]] || ১,৫৭৩ || ✓
|-
| 13 || [[গৌতম ভদ্র]] || ৬৮৫ || ✓
|-
| 14 || [[পরিমল গোস্বামী]] || ৬,৫৫০ || ✓
|-
| 15 || [[প্রেমাঙ্কুর আতর্থী]] || ৫,৬৯৮ || ✓
|-
| 16 || [[কালীপ্রসন্ন সিংহ]] || ৫,৪০৪ || ✓
|-
| 17 || [[অখিল নিয়োগী]] || ৬৩৬ || ✓
|-
| 18 || [[হরপ্রসাদ শাস্ত্রী]] || ৫১৩ || ✓
|-
| 19 || [[গায়ত্রী চক্রবর্তী স্পিভাক]] || ৫৯২ || ✓
|-
| 20 || [[অজিত দত্ত]] || ৮৭০ || ✓
|-
| 21 || [[অজিতকৃষ্ণ বসু]] || ২,৩৮৬ || ✓
|-
| 22 || [[এম এস স্বামীনাথন]] || ৮৭২ || ✓
|-
| 23 || [[চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন]] || ২,১৭১ || ✓
|-
| 24 || [[চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও]] || ২,১৬৭ || ✓
|-
| 25 || [[কণাদ]] || ৯১৯ || ✓
|-
| 26 || [[জয়ন্ত বিষ্ণু নারলিকর]] || ৩,১৮৭ || ✓
|-
| 27 || [[বিক্রম সারাভাই]] || ১,১২৯ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২৭
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৭৪,২৬৭
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৭৪,২৬৭
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:R1F4T| R1F4T]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[আর্নেস্ট কিং]] || ১৫,৭৬৯ || ✕
|-
| 2 || [[ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট]] || ২৬,২১৫ || ✓
|-
| 3 || [[আনোয়ার ইব্রাহিম]] || ৬,৯৯৩ || ✓
|-
| 4 || [[ইসলাম ও যুদ্ধ]] || ৫,৬৮১ || ✓
|-
| 5 || [[আহমদ সিরহিন্দি]] || ৪,০৭০ || ✓
|-
| 6 || [[মুসা সেরান্তোনিও]] || ৪২৩ || ✓
|-
| 7 || [[ইয়াকুব]] || ১,৯৫৬ || ✓
|-
| 8 || [[আদ্রিয়ান গোল্ডসওয়ার্দি]] || ১,৯৭৯ || ✕
|-
| 9 || [[অ্যালিস পল]] || ১,৮৬২ || ✕
|-
| 10 || [[অ্যামি ট্যান]] || ২,০০৭ || ✕
|-
| 11 || [[অ্যান্ড্রু সেগা]] || ১,৯৬৯ || ✓
|-
| 12 || [[আল্যাঁ বাদিউ]] || ১,৯৬৬ || ✕
|-
| 13 || [[আফ্রিকান স্পির]] || ১,৭২২ || ✕
|-
| 14 || [[ফ্রেডরিক ডগলাস]] || ৮৬২ || ✕
|-
| 15 || [[নবী]] || ২,০৬২ || ✕
|-
| 16 || [[এমা গোল্ডম্যান]] || ১২,৮০০ || ✕
|-
| 17 || [[প্রেম সম্পর্কে ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি]] || ১৫,০৪০ || ✓
|-
| 18 || [[মিস্ট্রি সায়েন্স থিয়েটার ৩০০০]] || ৯৪,৯৬৮ || ✕
|-
| 19 || [[দ্য থিক অফ ইট]] || ৬৯,২৮৩ || ✕
|-
| 20 || [[অ্যালেক্স হেইলি]] || ১,৬০৪ || ✓
|-
| 21 || [[দাসত্ব সম্পর্কে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি]] || ৫,৭৮৫ || ✕
|-
| 22 || [[দাসত্ব]] || ১০,২৫৯ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২২
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৬৩,৯৫১
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২,৮৫,২৭৫
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২,২১,৩২৪
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Salil Kumar Mukherjee| Salil Kumar Mukherjee]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[যন্ত্র]] || ৭১৩ || ✓
|-
| 2 || [[বিচারক]] || ৯৫২ || ✓
|-
| 3 || [[রুটি]] || ১,০৯৭ || ✓
|-
| 4 || [[খড়]] || ৯৩২ || ✓
|-
| 5 || [[মন্মথমোহন বসু]] || ৯৬৩ || ✕
|-
| 6 || [[কালীপ্রসন্ন বিদ্যারত্ন]] || ৮২৫ || ✓
|-
| 7 || [[কলসী]] || ১,০৮৬ || ✓
|-
| 8 || [[চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ১,১৫৭ || ✓
|-
| 9 || [[শহর]] || ১,৪৫৮ || ✕
|-
| 10 || [[ঘাস]] || ২,১১২ || ✓
|-
| 11 || [[জলধর সেন]] || ১,৭৬৪ || ✓
|-
| 12 || [[ঠিকানা]] || ১,১৮৭ || ✓
|-
| 13 || [[গন্ধ]] || ১,৮০৭ || ✓
|-
| 14 || [[চা]] || ২,৪২৪ || ✓
|-
| 15 || [[রবীন্দ্রনাথ মৈত্র]] || ১,২৮১ || ✓
|-
| 16 || [[দিগন্ত]] || ১,২২৮ || ✓
|-
| 17 || [[ময়ূর]] || ১,৩৪৫ || ✓
|-
| 18 || [[করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ৯১১ || ✓
|-
| 19 || [[ঢেউ]] || ১,৫৩৯ || ✓
|-
| 20 || [[ছাতা]] || ১,১৮৯ || ✓
|-
| 21 || [[উমাকান্ত হাজারী]] || ৯৪২ || ✓
|-
| 22 || [[ঘৃণা]] || ২,৩৩৯ || ✓
|-
| 23 || [[বাঁশ]] || ২,৪৫৯ || ✕
|-
| 24 || [[কলেরা]] || ১,৬৩৮ || ✓
|-
| 25 || [[মাঠ]] || ২,৪৪৭ || ✓
|-
| 26 || [[টিন]] || ১,৯৩২ || ✕
|-
| 27 || [[সংবাদ]] || ৪,৪৭৯ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২৭
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৩০,৯১৫
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৪২,২০৬
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ১১,২৯১
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul| Anaf Ibn Shahibul]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[জন বারবার]] || ৫৭৪ || ✕
|-
| 2 || [[স্কটিশ জাতি]] || ৩৭৫ || ✓
|-
| 3 || [[ওয়েন্ডি বোম্যান]] || ১৫১ || ✕
|-
| 4 || [[যুদ্ধাপরাধ]] || ৪,৬৭৯ || ✕
|-
| 5 || [[রুবি]] || ৩৬৩ || ✓
|-
| 6 || [[রিতা এনজেলু]] || ১৫৯ || ✓
|-
| 7 || [[বমি]] || ২০৪ || ✓
|-
| 8 || [[পার্ল]] || ৬৯০ || ✕
|-
| 9 || [[পাইথন]] || ১৩৯ || ✓
|-
| 10 || [[উইকিলিকস]] || ১,৬৩১ || ✕
|-
| 11 || [[জনস্টন ম্যাককালি]] || ৩১১ || ✕
|-
| 12 || [[যুগোস্লাভিয়া]] || ৪,১৩৬ || ✓
|-
| 13 || [[অংশুমান কর]] || ২০৯ || ✓
|-
| 14 || [[কেমব্রিজ গান]] || ৩০৫ || ✕
|-
| 15 || [[হেলেনীয় শিক্ষা]] || ৫০২ || ✓
|-
| 16 || [[টমাস হলি চিভার্স]] || ২৩৫ || ✓
|-
| 17 || [[মুহাম্মদ মাহদি আল-জাওয়াহিরি]] || ৬৩৮ || ✓
|-
| 18 || [[জেডি স্মিথ]] || ১,০৮০ || ✓
|-
| 19 || [[ব্রায়ান পি. শ্মিট]] || ৪৬০ || ✓
|-
| 20 || [[কার্ল বার্নস্টিন]] || ৩৬৮ || ✓
|-
| 21 || [[চার্লস ফেফারম্যান]] || ৩৩৯ || ✓
|-
| 22 || [[ইয়ুস্টুস ফন লিবিগ]] || ৩৩২ || ✓
|-
| 23 || [[টমাস শেলিংস]] || ৬৭৪ || ✓
|-
| 24 || [[উইলিয়াম শকলি]] || ৩৯১ || ✓
|-
| 25 || [[শিং-শেন চের্ন]] || ৭৬৫ || ✕
|-
| 26 || [[হুগো দ্য ভ্রিস]] || ৩৪৪ || ✓
|-
| 27 || [[রবার্ট অ্যান্ড্রুজ মিলিকান]] || ৪৩৬ || ✓
|-
| 28 || [[জেমস ভ্যান অ্যালেন]] || ৫৯৬ || ✓
|-
| 29 || [[জাক শিরাক]] || ৭১১ || ✓
|-
| 30 || [[ডরোথি হজকিন]] || ২৯৪ || ✓
|-
| 31 || [[গোরান পারসন]] || ৩২৬ || ✓
|-
| 32 || [[জেরার দ্যব্রু]] || ১৮৬ || ✓
|-
| 33 || [[কোরীয় যুদ্ধ]] || ৯,৯৬৫ || ✕
|-
| 34 || [[রবার্ট জে. শিলার]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 35 || [[ফ্রঁসোয়া আরাগন]] || ৪৩৫ || ✓
|-
| 36 || [[অখিলচন্দ্র দত্ত]] || ৩৭৩ || ✕
|-
| 37 || [[ফ্রান্সিস কলিন্স]] || ৫৮৮ || ✓
|-
| 38 || [[হেলেন ক্লার্ক]] || ৩৭৪ || ✓
|-
| 39 || [[লেয়োঁ ফুকো]] || ৫৩২ || ✓
|-
| 40 || [[জন চার্লস পোলানি]] || ৩৭৪ || ✓
|-
| 41 || [[জন মেইনার্ড কেইনস]] || ১৭,৭৯১ || ✕
|-
| 42 || [[দিমিত্রি মুরাতভ]] || ৬৩৬ || ✓
|-
| 43 || [[আবদুস সালাম]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 44 || [[আবদুলরাজাক গুরনাহ]] || ৭৪৯ || ✓
|-
| 45 || [[এ. সি. বেনসন]] || ৩৮৩ || ✓
|-
| 46 || [[প্রথম আলবার্ট]] || ৮৬৪ || ✓
|-
| 47 || [[অম্লান দত্ত]] || ১৪৬ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৪৭
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১৯,৩৪৬
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৫৬,৫৮১
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৩৭,২৩৫
|}
=== [[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন| মোহাম্মদ জনি হোসেন]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ইয়ান মার্টেল]] || ১,১৩৩ || ✕
|-
| 2 || [[ইয়োইচিরো নাম্বু]] || ৪৩১ || ✕
|-
| 3 || [[সৈয়দ জামিল আহমেদ]] || ২০৩ || ✓
|-
| 4 || [[পূর্ণিমা]] || ১৯২ || ✓
|-
| 5 || [[শরিফুল রাজ]] || ১৮৬ || ✓
|-
| 6 || [[কাজী হায়াৎ]] || ২৭৪ || ✓
|-
| 7 || [[আরেফিন রুমি]] || ১৬২ || ✓
|-
| 8 || [[ইমাম নাসাই]] || ৬৯৭ || ✕
|-
| 9 || [[কবরী]] || ২৭১ || ✓
|-
| 10 || [[হাফিজ উদ্দিন আহমদ]] || ২৩৬ || ✓
|-
| 11 || [[আ ন ম এহসানুল হক মিলন]] || ৩৪০ || ✓
|-
| 12 || [[আন্দালিব রহমান পার্থ]] || ২৯৭ || ✓
|-
| 13 || [[ববি হাজ্জাজ]] || ২৫৩ || ✓
|-
| 14 || [[ইবনে মাজাহ]] || ৩৩৬ || ✓
|-
| 15 || [[হাবিব ওয়াহিদ]] || ২৬৪ || ✓
|-
| 16 || [[জাইমা রহমান]] || ২১২ || ✓
|-
| 17 || [[কনকচাঁপা]] || ২২৮ || ✓
|-
| 18 || [[আহসান হাবীব]] || ২১৯ || ✓
|-
| 19 || [[বেলাল খান]] || ২১৯ || ✓
|-
| 20 || [[নচিকেতা চক্রবর্তী]] || ২৮৯ || ✓
|-
| 21 || [[আ ফ ম খালিদ হোসেন]] || ২৪৮ || ✓
|-
| 22 || [[আলমগীর]] || ৪০৬ || ✓
|-
| 23 || [[সালাহউদ্দিন আহমেদ]] || ৪৫৯ || ✓
|-
| 24 || [[চোং নানশান]] || ১৭৮ || ✓
|-
| 25 || [[এ. সি. ব্র্যাডলি]] || ৩৯০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২৫
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৫,৪৭২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৮,১২৩
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২,৬৫১
|}
=== [[ব্যবহারকারী:JIBON| JIBON]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[আলবার্ট হফমান]] || ৩,৪৪৪ || ✓
|-
| 2 || [[অ্যালান পারলিস]] || ৯২৮ || ✓
|-
| 3 || [[হেইনরিখ রোরার]] || ৩৬০ || ✓
|-
| 4 || [[আলফ্রেড আহো]] || ১৪৪ || ✕
|-
| 5 || [[উ থান্ট]] || ৬৭৮ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৫
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৪,৭৩২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৫,৫৫৪
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৮২২
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Md. Muqtadir Fuad| Md. Muqtadir Fuad]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[লোরঁ শোয়ার্তজ]] || ৬১০ || ✓
|-
| 2 || [[উইলিয়াম শার্প]] || ৩৯৯ || ✓
|-
| 3 || [[পাউল এরেনফেস্ট]] || ৪৩৩ || ✓
|-
| 4 || [[রবার্ট মান্ডেল]] || ৩২২ || ✓
|-
| 5 || [[হান কাং]] || ৬৬৬ || ✓
|-
| 6 || [[ক্রিপটিক ফেইট]] || ১৭৬ || ✓
|-
| 7 || [[কাকাবাবু]] || ২৫৮ || ✓
|-
| 8 || [[ক্যারি মুলিস]] || ৪০৩ || ✓
|-
| 9 || [[টোমাস ট্রান্সট্রোমার]] || ২৯৯ || ✓
|-
| 10 || [[ইরিনা বোকোভা]] || ২৬৮ || ✓
|-
| 11 || [[মার্টিনুস ভেল্টম্যান]] || ১৯৫ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৪,০২৯
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৪,০২৯
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Humaira.thithi| Humaira.thithi]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ড্যামন গ্যালগুট]] || ৪৮২ || ✓
|-
| 2 || [[আর্থার কর্নবার্গ]] || ১৭৭ || ✕
|-
| 3 || [[বেন ওক্রি]] || ৮৫৮ || ✓
|-
| 4 || [[সল বেলো]] || ১,০০৩ || ✓
|-
| 5 || [[সল পার্লমাটার]] || ৩১১ || ✕
|-
| 6 || [[সিমেওঁ দ্যনি পোয়াসোঁ]] || ১৬০ || ✓
|-
| 7 || [[স্টিভ আরউইন]] || ৪৩৫ || ✕
|-
| 8 || [[আনি এরনো]] || ২৮৪ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৮
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ২,৭৮৭
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩,৭১০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৯২৩
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Amirhusenjihed| Amirhusenjihed]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ফজল শাহাবুদ্দীন]] || ৪৯৫ || ✕
|-
| 2 || [[আল-জাহিজ]] || ৭৩৩ || ✓
|-
| 3 || [[আল-বিরুনি]] || ১,৮৩৬ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৩
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ২,৫৬৯
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩,০৬৪
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৪৯৫
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Asikur Rahman| Asikur Rahman]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[থমাস হ্যারিয়ট]] || ৪৩২ || ✓
|-
| 2 || [[স্টিভেন চু]] || ২২০ || ✓
|-
| 3 || [[ইভাঞ্জেলিস্টা টরিসেলি]] || ৩৭২ || ✓
|-
| 4 || [[লেসলি ল্যামপোর্ট]] || ৫৫০ || ✓
|-
| 5 || [[মার্টিন লুইস পার্ল]] || ৩৮৮ || ✓
|-
| 6 || [[ভ্লাদিমির মার্কভনিকভ]] || ২৬৭ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৬
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ২,২২৯
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২,২২৯
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Rasel Mehedi| Rasel Mehedi]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[বাপ্পী লাহিড়ী]] || ২৫২ || ✓
|-
| 2 || [[নুহাশ হুমায়ূন]] || ২০৫ || ✓
|-
| 3 || [[আনিসুল হক]] || ২৪৬ || ✕
|-
| 4 || [[বাবর আলী]] || ৩০৯ || ✓
|-
| 5 || [[মেহের আফরোজ শাওন]] || ৩১৯ || ✓
|-
| 6 || [[ফেলুদা]] || ২৪৬ || ✓
|-
| 7 || [[ব্যোমকেশ বক্সী]] || ১৭৮ || ✓
|-
| 8 || [[প্রোফেসর শঙ্কু]] || ২৬৯ || ✓
|-
| 9 || [[বারী সিদ্দিকী]] || ২৪২ || ✓
|-
| 10 || [[সমরেশ বসু]] || ২০২ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১০
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ২,২২২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২,৪৬৮
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২৪৬
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Mahiya50| Mahiya50]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[লিয়ন কুপার]] || ৩২৩ || ✓
|-
| 2 || [[কামিলা শামসি]] || ২০৪ || ✓
|-
| 3 || [[ক্রিস্টোফার রেন]] || ৩৭৪ || ✓
|-
| 4 || [[জিওফ্রে হিন্টন]] || ৩২২ || ✓
|-
| 5 || [[ফ্রিডতিয়ফ নানসেন]] || ১৯১ || ✓
|-
| 6 || [[আলাঁ আস্পে]] || ৭৭৬ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৬
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ২,১৯০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২,১৯০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Borhan| Borhan]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ক্যারিল ফিলিপস]] || ২৮৪ || ✓
|-
| 2 || [[জেমস কুক]] || ৩৯৭ || ✓
|-
| 3 || [[ক্লাউদিয়া শেইনবাউম]] || ৩২১ || ✓
|-
| 4 || [[আবি আহমেদ]] || ২৫৫ || ✓
|-
| 5 || [[পিটার আগ্রি]] || ১৯০ || ✓
|-
| 6 || [[ফখরুদ্দীন আল-রাযী]] || ২১৫ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৬
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১,৬৬২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১,৬৬২
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Raihanur| Raihanur]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[শি চিনফিং]] || ৪,১৩২ || ✕
|-
| 2 || [[ইব্রাহিম ত্রাওরে]] || ৭৫৪ || ✓
|-
| 3 || [[পেদ্রো সানচেজ]] || ২৯৯ || ✓
|-
| 4 || [[অ্যাডাম রিস]] || ৪৮৯ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৪
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১,৫৪২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৫,৬৭৪
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৪,১৩২
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Muhammad Fahim Faisal| Muhammad Fahim Faisal]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[আব্দুল হান্নান আবকারী]] || ০ || ✕
|-
| 2 || [[ইবরাহীম আলী তশনা]] || ২৪৭ || ✓
|-
| 3 || [[রুহুল আমিন বসিরহাটি]] || ৩৬৩ || ✓
|-
| 4 || [[মুহাম্মদুল্লাহ হাফেজ্জী]] || ৩৪২ || ✓
|-
| 5 || [[শামছুল হুদা]] || ০ || ✕
|-
| 6 || [[শামছুল হক ফরিদপুরী]] || ৫৪৬ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৬
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১,৪৯৮
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১,৪৯৮
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Firuz Ahmmed| Firuz Ahmmed]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[গর্ডন মুর]] || ৫৮৭ || ✓
|-
| 2 || [[শিরিন এবাদি]] || ৫৪৩ || ✕
|-
| 3 || [[নাগিব মাহফুজ]] || ৫৩০ || ✓
|-
| 4 || [[আল-ফারাবি]] || ৫৩৭ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৪
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১,১১৭
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২,১৯৭
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ১,০৮০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:নিয়াজ ইসলাম| নিয়াজ ইসলাম]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[চাষী নজরুল ইসলাম]] || ৪৪৬ || ✓
|-
| 2 || [[বাপ্পা মজুমদার]] || ৩১০ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৭৫৬
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৭৫৬
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Asad.fr| Asad.fr]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[রবার্ট ক্লাইভ]] || ২,০০২ || ✕
|-
| 2 || [[পার্ল এস. বাক]] || ৯৩৩ || ✕
|-
| 3 || [[জন বারডিন]] || ৩৬৪ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৩
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৩৬৪
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩,২৯৯
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২,৯৩৫
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin| Mehedi Abedin]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[তাসমিয়া প্রধান]] || ৩৫২ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৩৫২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩৫২
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Md. Rayan Alam Rifat| Md. Rayan Alam Rifat]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[আজিজুল হক]] || ১৮০ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১৮০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১৮০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Siyan BD| Siyan BD]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[আবদুস সালাম]] || ১০০ || ✕
|-
| 2 || [[আবদুল গফুর]] || ১০১ || ✕
|-
| 3 || [[আবদুল জব্বার]] || ১৬১ || ✓
|-
| 4 || [[আবদুল জব্বার]] || ৯২ || ✕
|-
| 5 || [[আবদুল জব্বার]] || ১৩৩ || ✕
|-
| 6 || [[অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ১৩৪ || ✕
|-
| 7 || [[অনিমেষ রায়]] || ১২৬ || ✕
|-
| 8 || [[অনির্বাণ বসু]] || ১২০ || ✕
|-
| 9 || [[অজয় ঘটক]] || ১১৪ || ✕
|-
| 10 || [[অচলা মল্লিক]] || ১৫৪ || ✕
|-
| 11 || [[অজয় হোম]] || ১৫৯ || ✕
|-
| 12 || [[অমিতা বসু]] || ১৪২ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১২
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১৬১
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১,৫৩৬
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ১,৩৭৫
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Dewan mahbubr Rahman| Dewan mahbubr Rahman]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ভেরা রুবিন]] || ৩৫০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩৫০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৩৫০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:ExceptionistSagar| ExceptionistSagar]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মেরি কুরি]] || ১৭৯ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১৭৯
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ১৭৯
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Kh. Fahim| Kh. Fahim]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মিসির আলি]] || ৪০৬ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৪০৬
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৪০৬
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Trisha Mazumder| Trisha Mazumder]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[আস্ট্রোনমি]] || ০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:MdMarufHossen71| MdMarufHossen71]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মমতাজ বেগম]] || ৩৫৫ || ✕
|-
| 2 || [[আবুল বরকত]] || ১৪৩ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৪৯৮
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৪৯৮
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Usarker| Usarker]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মেরি স্টোপস]] || ৫০৫ || ✕
|-
| 2 || [[ইয়োন ফসে]] || ৩৯৩ || ✕
|-
| 3 || [[জুনো দিয়াজ]] || ৫৪০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৩
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১,৪৩৮
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ১,৪৩৮
|}
=== [[ব্যবহারকারী:রাকিবুল হাসান রাসেল| রাকিবুল হাসান রাসেল]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[পারভীন এতেসামি]] || ০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:MD RADWAN ISLAM| MD RADWAN ISLAM]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[চুয়াং জি]] || ২৭৪ || ✕
|-
| 2 || [[ফকির শাহাবুদ্দীন]] || ০ || ✕
|-
| 3 || [[আবু বকর সিদ্দিকী]] || ০ || ✕
|-
| 4 || [[বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট]] || ০ || ✕
|-
| 5 || [[বাংলাদেশের কৃষি প্রযুক্তি]] || ০ || ✕
|-
| 6 || [[হাসিবুন নাহের]] || ০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৬
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২৭৪
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২৭৪
|}
=== [[ব্যবহারকারী:AKM Mahinur Rahman| AKM Mahinur Rahman]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মেরি উলস্টোনক্রাফ্ট]] || ২১৩ || ✕
|-
| 2 || [[বালতাসার গ্রাসিয়ান]] || ২০৬ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৪১৯
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৪১৯
|}
=== [[ব্যবহারকারী:MD RADWAN ISLAM ROHAN| MD RADWAN ISLAM ROHAN]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[জুলাই আন্দোলন]] || ৬১৫ || ✕
|-
| 2 || [[বিকাশ]] || ০ || ✕
|-
| 3 || [[নতুন প্রযুক্তি]] || ০ || ✕
|-
| 4 || [[বাংলাদেশের রিয়েল এস্টেট শিল্প: বর্তমান প্রেক্ষাপট ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা]] || ০ || ✕
|-
| 5 || [[জলবায়ু পরিবর্তন ও বাংলাদেশের পরিবেশ]] || ০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৫
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৬১৫
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৬১৫
|}
=== [[ব্যবহারকারী:ShahinurWrites| ShahinurWrites]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মোহাম্মদ শেখ শাহিনুর রহমান]] || ০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Abdullah Al Shishir| Abdullah Al Shishir]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[অপ্রত্যাশিত জীবনযাত্রা]] || ০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:চ্যাম্পিয়ন স্টার ১| চ্যাম্পিয়ন স্টার ১]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[অপর্ণা সেন]] || ৩১২ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩১২
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৩১২
|}
----
{| class="wikitable sortable mw-collapsible mw-collapsed"
|+ class="nowrap" | শব্দসংখ্যা অনুযায়ী নিবন্ধ তালিকা
! ক্রমিক !! নিবন্ধ !! শব্দ সংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ভারতে পোশাক]] || ২,২৮৯ || ✓
|-
| 2 || [[ভারতের ভাষা]] || ৬৯৫ || ✓
|-
| 3 || [[মধ্যযুগীয় ভারত]] || ১,৭১৭ || ✓
|-
| 4 || [[ভারতে ইহুদিদের ইতিহাস]] || ২,০৪৬ || ✓
|-
| 5 || [[ভারতে সুফিবাদ]] || ৩,২০৭ || ✓
|-
| 6 || [[পর্তুগিজ ভারত]] || ১,৬৪৩ || ✓
|-
| 7 || [[ভারতের প্রাণী]] || ৩০৫ || ✓
|-
| 8 || [[স্বাধীনতা দিবস]] || ৩৭৫ || ✓
|-
| 9 || [[ভারতে দুর্ভিক্ষ]] || ৩,৭৮১ || ✓
|-
| 10 || [[ভারতে ধর্মহীনতা]] || ২,৩৮৯ || ✓
|-
| 11 || [[ওয়ারেন ফ্যারেল]] || ২১,০৭৮ || ✓
|-
| 12 || [[আর্নেস্ট বেকার]] || ১৩,৫৯৭ || ✓
|-
| 13 || [[অতিপ্রজতা]] || ২৯,৫০১ || ✓
|-
| 14 || [[মোপলা বিদ্রোহ]] || ১৪,৫১২ || ✓
|-
| 15 || [[সীতা রাম গোয়েল]] || ১,৫৯৬ || ✓
|-
| 16 || [[অরুণ শৌরি]] || ১৫,৪৫০ || ✓
|-
| 17 || [[ভারতের ইতিহাস লিখন]] || ১৭,৯১৮ || ✓
|-
| 18 || [[দ্রৌপদী]] || ৬,১৬৪ || ✓
|-
| 19 || [[দ্য হিস্ট্রি অফ ইন্ডিয়া, অ্যাজ টোল্ড বাই ইটস ওন হিস্টোরিয়ানস]] || ২,৬৮৫ || ✕
|-
| 20 || [[রামায়ণ]] || ১,৩০০ || ✓
|-
| 21 || [[ভারতে শিক্ষা]] || ১০,৫৮০ || ✓
|-
| 22 || [[ভারতে নারী]] || ৬,১৫০ || ✓
|-
| 23 || [[বন্যপ্রাণীর কষ্ট]] || ৩৩,৭৪১ || ✓
|-
| 24 || [[নিরামিষবাদ]] || ৩০,৬২৭ || ✓
|-
| 25 || [[ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম রাষ্ট্রপতিত্ব]] || ৩৭,৫৭২ || ✓
|-
| 26 || [[নির্বাচন]] || ৭,০২৫ || ✓
|-
| 27 || [[সরকার]] || ২২,৭৫৯ || ✓
|-
| 28 || [[এডওয়ার্ড হল অল্ডারসন]] || ৪৪৬ || ✓
|-
| 29 || [[অ্যামব্রোজ বিয়ার্স]] || ৫,৫৪১ || ✕
|-
| 30 || [[মেওয়াত]] || ৭১৮ || ✓
|-
| 31 || [[নানাবতী-মেহতা কমিশন]] || ২,৪৪৪ || ✓
|-
| 32 || [[ভারতে ঔষধ শিল্প]] || ১,৯২১ || ✓
|-
| 33 || [[পাঞ্জাব]] || ১,৪০৬ || ✓
|-
| 34 || [[রামনবমী]] || ৮৬২ || ✓
|-
| 35 || [[ভারতের শহরসমূহের নাম পরিবর্তন]] || ৪৪১ || ✓
|-
| 36 || [[নুপুর শর্মা]] || ৬০১ || ✓
|-
| 37 || [[রিপাবলিক টিভি]] || ৪৫৫ || ✓
|-
| 38 || [[রোহিলখণ্ড]] || ৪৪০ || ✓
|-
| 39 || [[রোহিলা]] || ৩৪০ || ✓
|-
| 40 || [[সৌরাষ্ট্র]] || ৬৫৪ || ✓
|-
| 41 || [[ভারতে তিন তালাক]] || ১,১৩৪ || ✓
|-
| 42 || [[ভারতের পবিত্র উপবন]] || ৫৭৫ || ✓
|-
| 43 || [[অভিন্ন দেওয়ানি বিধি]] || ৩,৭৩৭ || ✓
|-
| 44 || [[নবনীত আদিত্য ওয়াইবা]] || ১৯২ || ✓
|-
| 45 || [[ভারতে জল সরবরাহ ও স্যানিটেশন]] || ৭৪০ || ✓
|-
| 46 || [[জমিদার]] || ৩৮১ || ✕
|-
| 47 || [[নিখিল ভারত মুসলিম লীগ]] || ১,৭৩৭ || ✕
|-
| 48 || [[ফতোয়া]] || ৪৮৪ || ✓
|-
| 49 || [[দারা শিকোহ]] || ১,৪৩৫ || ✓
|-
| 50 || [[আমেরিকা নিপাত যাক]] || ৬৩৯ || ✓
|-
| 51 || [[মহা শয়তান]] || ৪১৪ || ✓
|-
| 52 || [[উলামা]] || ৩৪৫ || ✓
|-
| 53 || [[দক্ষিণ এশিয়ায় মুসলিম জাতীয়তাবাদ]] || ১,৫১৬ || ✓
|-
| 54 || [[পার্সি-মুসলিম দাঙ্গা]] || ৬৫৬ || ✓
|-
| 55 || [[ভারতে দাঙ্গা]] || ৬৭৪ || ✓
|-
| 56 || [[ভারতে পেগাসাস প্রকল্পের উদঘাটন]] || ৩৯০ || ✓
|-
| 57 || [[নেহরুবাদ]] || ৯৫২ || ✓
|-
| 58 || [[২জি স্পেকট্রাম মামলা]] || ৯৩৭ || ✓
|-
| 59 || [[রাহুল গান্ধী]] || ৪,০০৪ || ✓
|-
| 60 || [[আকবরউদ্দিন ওয়াইসি]] || ২৯৮ || ✓
|-
| 61 || [[ভারতের সাধারণ নির্বাচন, ২০২৪]] || ২,৫৭৭ || ✓
|-
| 62 || [[ভারতে ধর্মনিরপেক্ষতা]] || ২৩৪ || ✓
|-
| 63 || [[নাইলা আলি খান]] || ২০৪ || ✓
|-
| 64 || [[অরুণ জেটলি]] || ৪৮১ || ✓
|-
| 65 || [[সুকেতু মেহতা]] || ৩৮২ || ✓
|-
| 66 || [[রুক্মিণী মৈত্র]] || ৩৫৪ || ✓
|-
| 67 || [[মানব গুপ্ত]] || ৬৩৪ || ✕
|-
| 68 || [[মোহিনী মোহন ধর]] || ৫৮৫ || ✓
|-
| 69 || [[দিলীপ কুমার চক্রবর্তী]] || ২,৫৯৭ || ✓
|-
| 70 || [[রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ৩৮৩ || ✓
|-
| 71 || [[পিটার অ্যাক্রয়েড]] || ২৯৭ || ✓
|-
| 72 || [[হ্যারল্ড ব্লুম]] || ৫৯৩ || ✓
|-
| 73 || [[জেমস বসওয়েল]] || ১,১৪৯ || ✓
|-
| 74 || [[অলিভার গোল্ডস্মিথ]] || ৩,১৭৮ || ✓
|-
| 75 || [[হেনরি জাইলস]] || ৭৯২ || ✓
|-
| 76 || [[এডউইন হাবেল চ্যাপিন]] || ৭৭০ || ✓
|-
| 77 || [[অবমাননা]] || ৭৮৮ || ✓
|-
| 78 || [[আদালত অবমাননা]] || ৮২৯ || ✓
|-
| 79 || [[আইনপ্রণেতা]] || ৭৪৩ || ✓
|-
| 80 || [[লেই বারডুগো]] || ১২২ || ✓
|-
| 81 || [[উইলিয়াম ব্রেট, ১ম ভিসকাউন্ট এশার]] || ১,০২০ || ✓
|-
| 82 || [[হেনরি হকিন্স, ১ম ব্যারন ব্র্যাম্পটন]] || ৩০৩ || ✓
|-
| 83 || [[জুনিয়াস]] || ১,৪১২ || ✓
|-
| 84 || [[উইলিয়াম মারে, ম্যানসফিল্ডের ১ম আর্ল]] || ৬৪৩ || ✓
|-
| 85 || [[জোসেফ ইয়েটস]] || ৬৬৬ || ✓
|-
| 86 || [[স্যার জন বেইলি, ১ম ব্যারোনেট]] || ৯১৮ || ✓
|-
| 87 || [[হেনরি বিকারস্টথ, ১ম ব্যারন ল্যাংডেল]] || ৪১৫ || ✓
|-
| 88 || [[এডওয়ার্ড ল, ১ম ব্যারন এলেনবরো]] || ৬৭৪ || ✓
|-
| 89 || [[লয়েড কেনিয়ন, ১ম ব্যারন কেনিয়ন]] || ৪,৪০৮ || ✓
|-
| 90 || [[জন হোল্ট]] || ১,১৮৯ || ✓
|-
| 91 || [[চার্লস বোয়েন, ব্যারন বোয়েন]] || ১,০৩৭ || ✓
|-
| 92 || [[চার্লস অ্যাবট, ১ম ব্যারন টেন্টারডেন]] || ৩৪১ || ✓
|-
| 93 || [[ন্যায়বিচার প্রশাসন]] || ২,৮৯৯ || ✓
|-
| 94 || [[আদালত]] || ১,৮১৮ || ✕
|-
| 95 || [[রোজান এ. ব্রাউন]] || ৩৪১ || ✓
|-
| 96 || [[মারিয়ন জিমার ব্র্যাডলি]] || ১,১০৪ || ✓
|-
| 97 || [[টেরি ব্রুকস]] || ৪৮৫ || ✓
|-
| 98 || [[লেই ব্র্যাকেট]] || ১,১১২ || ✓
|-
| 99 || [[জ্যাক ক্যাডি]] || ১,৫৬৮ || ✓
|-
| 100 || [[মেল ব্রুকস]] || ২,০১৬ || ✕
|-
| 101 || [[মাইকেল বিশপ]] || ৯৬০ || ✕
|-
| 102 || [[এলিজাবেথ বেয়ার]] || ৭০৫ || ✓
|-
| 103 || [[মার্গারেট বল]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 104 || [[পাওলো বাসিগালুপি]] || ৬৪৭ || ✓
|-
| 105 || [[কেলি আর্মস্ট্রং]] || ৫৮৫ || ✓
|-
| 106 || [[ক্যাথরিন আসরো]] || ৩৬১ || ✓
|-
| 107 || [[পিয়ার্স অ্যান্থনি]] || ২২৯ || ✓
|-
| 108 || [[রবার্ট আইকম্যান]] || ২৬৮ || ✓
|-
| 109 || [[আইনজীবী]] || ২,৩২৯ || ✓
|-
| 110 || [[আইনসভা]] || ২,৩৪৩ || ✓
|-
| 111 || [[জর্জ বুশনার]] || ৬৬২ || ✓
|-
| 112 || [[জোসেফ গার্নি ক্যানন]] || ৭০৯ || ✓
|-
| 113 || [[সংখ্যাগরিষ্ঠ]] || ১,৩৫৬ || ✓
|-
| 114 || [[সংখ্যালঘু গোষ্ঠী]] || ১,৮৮১ || ✓
|-
| 115 || [[প্রাতিষ্ঠানিক আচরণ]] || ৬৫৬ || ✓
|-
| 116 || [[মানব আচরণ]] || ৮৫২ || ✓
|-
| 117 || [[হার্ভে ম্যানসফিল্ড]] || ৯৭৯ || ✓
|-
| 118 || [[রাষ্ট্রবিজ্ঞান]] || ১,১৩৯ || ✓
|-
| 119 || [[রাজনৈতিক দর্শন]] || ১,২৮৫ || ✓
|-
| 120 || [[দ্বিজেন্দ্র নারায়ণ ঝা]] || ১,০৮৭ || ✓
|-
| 121 || [[আগ্রাসন]] || ৯২০ || ✓
|-
| 122 || [[হিন্দুত্ব]] || ২,৭০০ || ✓
|-
| 123 || [[ফ্লাভিয়া অ্যাগনেস]] || ৬৮২ || ✓
|-
| 124 || [[লাভ জিহাদ ষড়যন্ত্র তত্ত্ব]] || ৩,১৫০ || ✓
|-
| 125 || [[মহাত্মা গান্ধীর হত্যাকাণ্ড]] || ১,৭৭৮ || ✓
|-
| 126 || [[যোগিন্দর সিকান্দ]] || ৮১৪ || ✓
|-
| 127 || [[ভারতে মুসলিমদের বিরুদ্ধে সহিংসতা]] || ৮৫১ || ✓
|-
| 128 || [[জয় শ্রীরাম]] || ৭০৮ || ✓
|-
| 129 || [[লালকৃষ্ণ আডবাণী]] || ১,৫৫৫ || ✓
|-
| 130 || [[রাম রথযাত্রা]] || ১,৫৭৯ || ✓
|-
| 131 || [[হিন্দু আমেরিকান ফাউন্ডেশন]] || ১,৪৫৫ || ✓
|-
| 132 || [[হর্ষ মান্দার]] || ৬৬০ || ✓
|-
| 133 || [[স্বপন দাশগুপ্ত]] || ১,১৬৭ || ✓
|-
| 134 || [[জরাথুস্ট্রবাদ]] || ৩৭৭ || ✓
|-
| 135 || [[পার্সি]] || ৩৯০ || ✓
|-
| 136 || [[নাগরিকত্ব]] || ১,৮৭৯ || ✓
|-
| 137 || [[ভারতের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৭০]] || ৬৭৯ || ✓
|-
| 138 || [[মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন, ১৯৩৯]] || ৭৬৯ || ✓
|-
| 139 || [[অবৈতনিক বাধ্যতামূলক শিশু শিক্ষার অধিকার আইন, ২০০৯]] || ৩৭৯ || ✓
|-
| 140 || [[বোম্বাই দাঙ্গা]] || ৭৭৬ || ✓
|-
| 141 || [[বজরং দল]] || ৩৩১ || ✓
|-
| 142 || [[সংসদীয় ব্যবস্থা]] || ৪০৫ || ✓
|-
| 143 || [[বিচার বিভাগীয় ব্যাখ্যা]] || ১,২৩২ || ✓
|-
| 144 || [[বর্ণবাদ পরবর্তী আমেরিকা]] || ১,০৬৯ || ✓
|-
| 145 || [[শ্বেতাঙ্গ বিশেষাধিকার]] || ৬২৮ || ✓
|-
| 146 || [[বিশেষাধিকার]] || ৭১২ || ✓
|-
| 147 || [[মানবহিতৈষণা]] || ২২৮ || ✓
|-
| 148 || [[ভারত সরকার]] || ১,২২০ || ✓
|-
| 149 || [[শিলং]] || ৯৭৩ || ✓
|-
| 150 || [[মাঝৌলি রাজ]] || ৫৬০ || ✓
|-
| 151 || [[কালিকট]] || ৪৫৪ || ✓
|-
| 152 || [[যাজপুর]] || ৪০৭ || ✓
|-
| 153 || [[কালিবাঙ্গান]] || ৭৩৮ || ✓
|-
| 154 || [[কাডাপা]] || ৪১৩ || ✓
|-
| 155 || [[ইদার]] || ৫৮৬ || ✓
|-
| 156 || [[গোধরা]] || ১,০১০ || ✓
|-
| 157 || [[ভুবনেশ্বর]] || ১,১৬৫ || ✓
|-
| 158 || [[অমৃতসর]] || ৮৬৮ || ✓
|-
| 159 || [[আম্বালা]] || ৪৬১ || ✓
|-
| 160 || [[হায়দ্রাবাদ]] || ৩,২৪৮ || ✓
|-
| 161 || [[২০১৯ হায়দ্রাবাদ গণধর্ষণ]] || ১৭৭ || ✓
|-
| 162 || [[মুহাম্মাদ বখতিয়ার খলজি]] || ৪২৩ || ✕
|-
| 163 || [[হায়দ্রাবাদ অধিগ্রহণ]] || ৪৫৬ || ✓
|-
| 164 || [[১৮৯৯-১৯০০ সালের ভারতীয় দুর্ভিক্ষ]] || ৫৪১ || ✓
|-
| 165 || [[১৯৯০ হায়দ্রাবাদ দাঙ্গা]] || ৪০৬ || ✓
|-
| 166 || [[গুয়াহাটি]] || ১,৭৯৬ || ✓
|-
| 167 || [[গৌড়]] || ১,৯৩৬ || ✓
|-
| 168 || [[বিজাপুর]] || ৬৬২ || ✓
|-
| 169 || [[মাণ্ডু]] || ৩৯৪ || ✓
|-
| 170 || [[খাজুরাহো]] || ৩৭১ || ✓
|-
| 171 || [[চান্দেরী]] || ৫০৭ || ✓
|-
| 172 || [[জুনাগড়]] || ৭১৯ || ✓
|-
| 173 || [[বৃহৎ কচ্ছের রাণ]] || ৫৮৪ || ✓
|-
| 174 || [[আহমেদাবাদ]] || ১,৮১২ || ✓
|-
| 175 || [[কচ্ছ জেলা]] || ৩২৬ || ✓
|-
| 176 || [[দৃশদ্বতী নদী]] || ১৮৬ || ✓
|-
| 177 || [[চেনাব নদী]] || ৩২১ || ✓
|-
| 178 || [[পশ্চিমবঙ্গে ধর্ম]] || ১,২৩২ || ✓
|-
| 179 || [[মুর্শিদাবাদ সহিংসতা]] || ২৫৭ || ✓
|-
| 180 || [[২০২৪ সন্দেশখালী সহিংসতা]] || ১,০৬১ || ✓
|-
| 181 || [[২০২২ বীরভূম সহিংসতা]] || ৫১৪ || ✓
|-
| 182 || [[মৈতৈ জাতি]] || ৫২৭ || ✕
|-
| 183 || [[মৈতৈ সভ্যতা]] || ৩৫০ || ✓
|-
| 184 || [[মণিপুর]] || ৩০৬ || ✕
|-
| 185 || [[লাক্ষাদ্বীপ]] || ৩২৯ || ✓
|-
| 186 || [[বৃন্দাবন]] || ৬৮২ || ✕
|-
| 187 || [[সম্ভল]] || ২৪৩ || ✓
|-
| 188 || [[এলাহাবাদ]] || ৩৫৭ || ✓
|-
| 189 || [[আলিগড়]] || ৪০৯ || ✓
|-
| 190 || [[স্ট্যাচু অব ইউনিটি]] || ২৪১ || ✓
|-
| 191 || [[ভারতের দুর্গ]] || ৩১৪ || ✓
|-
| 192 || [[দ্য দুন স্কুল]] || ৬৬৪ || ✓
|-
| 193 || [[কাশী হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়]] || ৩৪৫ || ✓
|-
| 194 || [[আগ্রা]] || ৭১৮ || ✓
|-
| 195 || [[২০২০ দিল্লি দাঙ্গা]] || ১,১৭৮ || ✓
|-
| 196 || [[তিরুচিরাপল্লী]] || ৬২৬ || ✓
|-
| 197 || [[সেন্ট থমাস ক্যাথেড্রাল ব্যাসিলিকা, চেন্নাই]] || ৩৮০ || ✕
|-
| 198 || [[আতঙ্ক]] || ৪৭৪ || ✕
|-
| 199 || [[ভারতে দুর্নীতি]] || ১,০০৭ || ✓
|-
| 200 || [[তামিলনাড়ুর মন্দির]] || ৯১৮ || ✓
|-
| 201 || [[এম. কে. স্ট্যালিন]] || ৩৩২ || ✓
|-
| 202 || [[তামিলনাড়ু]] || ৫৪৩ || ✓
|-
| 203 || [[তামিলনাড়ুর হিন্দি বিরোধী আন্দোলন]] || ৪৬৫ || ✓
|-
| 204 || [[যোধপুর]] || ৬২৮ || ✓
|-
| 205 || [[রাজস্থান]] || ২৯৪ || ✓
|-
| 206 || [[ওড়িশা]] || ৭৪৫ || ✓
|-
| 207 || [[১৯৯৮ কোয়েম্বাটুর বোমা হামলা]] || ৫৩৭ || ✓
|-
| 208 || [[উত্তর-পূর্ব ভারতে বিদ্রোহ]] || ৩৯৮ || ✓
|-
| 209 || [[মারাদ হত্যাকাণ্ড]] || ৩৫২ || ✓
|-
| 210 || [[মক্কা মসজিদ বিস্ফোরণ]] || ৫৮৪ || ✓
|-
| 211 || [[স্টুডেন্টস ইসলামিক মুভমেন্ট অব ইন্ডিয়া]] || ৩৫৭ || ✓
|-
| 212 || [[বিষ্ণু]] || ৬১৭ || ✓
|-
| 213 || [[২০২৪ রিয়াসি হামলা]] || ৩০২ || ✓
|-
| 214 || [[২০০৬ মালেগাঁও বোমা হামলা]] || ৩৯১ || ✓
|-
| 215 || [[২০০৬ মুম্বই রেলে বোমা হামলা]] || ১৯০ || ✓
|-
| 216 || [[মুম্বই]] || ১,২২৪ || ✓
|-
| 217 || [[দৌলতাবাদ, মহারাষ্ট্র]] || ৮৮৯ || ✕
|-
| 218 || [[মহারাষ্ট্র]] || ৪৯৯ || ✓
|-
| 219 || [[পিনারাই বিজয়ন]] || ৫২৩ || ✓
|-
| 220 || [[আরব দেশ]] || ৯১৪ || ✓
|-
| 221 || [[দক্ষিণ এশিয়া]] || ৫৯৩ || ✓
|-
| 222 || [[শহুরে অবক্ষয়]] || ৩০৮ || ✓
|-
| 223 || [[নগরায়ন]] || ১,০৯৭ || ✓
|-
| 224 || [[কেরল]] || ৩৬৫ || ✓
|-
| 225 || [[জম্মু ও কাশ্মীরে বিদ্রোহ]] || ৪১৮ || ✓
|-
| 226 || [[জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহার]] || ৯৬৪ || ✓
|-
| 227 || [[শ্রীনগর]] || ১,৭২৯ || ✓
|-
| 228 || [[কাশ্মীর উপত্যকা]] || ২৮৪ || ✓
|-
| 229 || [[লাদাখ]] || ৬৯৪ || ✓
|-
| 230 || [[কাশ্মীরি জাতি]] || ৮১৩ || ✓
|-
| 231 || [[তারিখ-ই-কাশ্মীর]] || ৫১৪ || ✓
|-
| 232 || [[কর্ণাটক]] || ৬৮২ || ✓
|-
| 233 || [[কর্ণাটকের রাজনীতি]] || ৪৩৯ || ✓
|-
| 234 || [[বেঙ্গালুরু]] || ৬১৪ || ✓
|-
| 235 || [[আসামে ইসলাম]] || ৬৯০ || ✓
|-
| 236 || [[আসামের ইতিহাস]] || ৭২৬ || ✓
|-
| 237 || [[আসামে হিন্দুধর্ম]] || ৩২৫ || ✓
|-
| 238 || [[ভারতের জনমিতি]] || ৩,৩৭৩ || ✓
|-
| 239 || [[বাংলাদেশের জনমিতি]] || ১,১৯৫ || ✓
|-
| 240 || [[পাকিস্তানের জনমিতি]] || ৮৫০ || ✓
|-
| 241 || [[আসামের জনমিতি]] || ১৮২ || ✓
|-
| 242 || [[বিহার]] || ৪৫৮ || ✓
|-
| 243 || [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] || ১৮১ || ✓
|-
| 244 || [[শাহ বানু মামলা]] || ৭৯৯ || ✕
|-
| 245 || [[ইসরায়েল–ভারত সম্পর্ক]] || ৮৯৭ || ✓
|-
| 246 || [[প্রণব মুখোপাধ্যায়]] || ৫৯৫ || ✓
|-
| 247 || [[দ্রৌপদী মুর্মু]] || ২৪৯ || ✓
|-
| 248 || [[ফখরুদ্দিন আলি আহমেদ]] || ১,৬৪৭ || ✓
|-
| 249 || [[এলজিবিটিকিউ অধিকার বিরোধিতা]] || ২,০৪৯ || ✓
|-
| 250 || [[গেফোবিয়া]] || ২৭৮ || ✓
|-
| 251 || [[সমকামী যৌন চর্চা]] || ৪০৭ || ✓
|-
| 252 || [[উভকামিতা]] || ১,৫৬০ || ✓
|-
| 253 || [[কামিং আউট]] || ৮০৫ || ✓
|-
| 254 || [[স্মৃতি ইরানি]] || ৯৯১ || ✓
|-
| 255 || [[মেনকা গান্ধী]] || ১,২৩০ || ✓
|-
| 256 || [[যশবন্ত সিং]] || ২০৬ || ✓
|-
| 257 || [[সৈয়দ শাহাবুদ্দিন]] || ৫৭৯ || ✓
|-
| 258 || [[শাকিল আহমদ]] || ১২৪ || ✓
|-
| 259 || [[তথাগত রায়]] || ২৭৫ || ✓
|-
| 260 || [[লালুপ্রসাদ যাদব]] || ১,১০৯ || ✓
|-
| 261 || [[আসাদউদ্দিন ওয়াইসি]] || ৪১৩ || ✕
|-
| 262 || [[ইরাক যুদ্ধ]] || ১২,৩৪৪ || ✓
|-
| 263 || [[যুক্তরাজ্যের তৃতীয় জর্জ]] || ১২,০৪২ || ✓
|-
| 264 || [[২০১০ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৮৮৩ || ✓
|-
| 265 || [[২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৩,৫১৪ || ✓
|-
| 266 || [[২০০২ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৬১১ || ✓
|-
| 267 || [[ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ]] || ১,৫৪২ || ✓
|-
| 268 || [[স্নায়ুযুদ্ধ]] || ১৫,৬১০ || ✕
|-
| 269 || [[দ্বিতীয় স্নায়ুযুদ্ধ]] || ৪,৬৬৮ || ✓
|-
| 270 || [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] || ২৪,১৭৭ || ✓
|-
| 271 || [[মহত্ত্ব]] || ৭,৮১৪ || ✓
|-
| 272 || [[সাংবাদিকতা]] || ১৩,৪৭৭ || ✓
|-
| 273 || [[প্যানডিজম]] || ১০,৩০০ || ✓
|-
| 274 || [[গাজা যুদ্ধ]] || ১৬,৯৮২ || ✓
|-
| 275 || [[২০২৬ ইরান যুদ্ধ]] || ৬,৯৮৩ || ✓
|-
| 276 || [[পারমাণবিক অস্ত্র]] || ৩,২৩৩ || ✓
|-
| 277 || [[২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৬৪৩ || ✓
|-
| 278 || [[ক্রুসেড]] || ৯৯৬ || ✓
|-
| 279 || [[অ্যানিমেশন]] || ৯,৪৫৭ || ✓
|-
| 280 || [[দক্ষিণ কোরিয়ার রাজনীতি]] || ৭৫৫ || ✓
|-
| 281 || [[ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ]] || ৩,৭৬৩ || ✓
|-
| 282 || [[পারমাণবিক যুদ্ধ]] || ৫,৫২০ || ✓
|-
| 283 || [[আল খোয়ারিজমি]] || ১,২৩০ || ✓
|-
| 284 || [[ফজলে রাব্বী]] || ৬৩৫ || ✓
|-
| 285 || [[ডেভিড হিউম]] || ১১,৭৮০ || ✓
|-
| 286 || [[লিওনিদ ক্যান্টোরোভিচ]] || ১,৪২২ || ✓
|-
| 287 || [[থিওডোসিয়াস ডবঝানস্কি]] || ৭৬০ || ✕
|-
| 288 || [[টেরেন্স টাও]] || ৭২০ || ✓
|-
| 289 || [[ফিলিপ]] || ৪২৬ || ✓
|-
| 290 || [[জুলিয়ান শুইঙার]] || ১,৩২২ || ✕
|-
| 291 || [[পিয়ের-জিল দ্য জেন]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 292 || [[ব্রায়ান কক্স]] || ৭৫৬ || ✓
|-
| 293 || [[জন ম্যাককার্থি]] || ১,০৪৫ || ✓
|-
| 294 || [[লুই দ্য ব্রোয়ি]] || ৪৬০ || ✓
|-
| 295 || [[ফ্রঁসোয়া মিতেরঁ]] || ১,১৯৪ || ✕
|-
| 296 || [[ফ্লিন্ডার্স পেট্রি]] || ১,২০৪ || ✕
|-
| 297 || [[পল আর. এহর্লিচ]] || ১,৩০০ || ✓
|-
| 298 || [[মাইকেল আতিয়াহ]] || ৪২৩ || ✓
|-
| 299 || [[মার্টন মিলার]] || ৪৮২ || ✓
|-
| 300 || [[মেরি বিয়ার্ড]] || ৯১১ || ✓
|-
| 301 || [[মার্গারেট চ্যান]] || ৭০৪ || ✓
|-
| 302 || [[গেরহার্ড শ্রোডার]] || ২৬৯ || ✓
|-
| 303 || [[ফিলিপ ওয়ারেন অ্যান্ডারসন]] || ৭৯৯ || ✓
|-
| 304 || [[পিটার হিগস]] || ৪৭৪ || ✕
|-
| 305 || [[লিওনার্ড সাসকিন্ড]] || ৮২৫ || ✓
|-
| 306 || [[জন মেইনার্ড স্মিথ]] || ৬৪০ || ✓
|-
| 307 || [[জন জেমস অডুবন]] || ৮৩৭ || ✓
|-
| 308 || [[শেলডন লি গ্ল্যাশো]] || ৭৫১ || ✓
|-
| 309 || [[ভিক্টর উইসকফ]] || ৫১৯ || ✓
|-
| 310 || [[মার্টিন রিস]] || ৫৫১ || ✓
|-
| 311 || [[মার্ক ওলিফ্যান্ট]] || ৫৫৩ || ✓
|-
| 312 || [[ভিতালি গিঞ্জবার্গ]] || ৩০৮ || ✓
|-
| 313 || [[স্যালি রাইড]] || ৪২৫ || ✓
|-
| 314 || [[রবার্ট ফোগেল]] || ৪২৮ || ✓
|-
| 315 || [[রিঙ্গো স্টার]] || ৮৭০ || ✓
|-
| 316 || [[মাক্স ডেলব্রুক]] || ৫৭৫ || ✓
|-
| 317 || [[তৃতীয় লেওপোল্ড]] || ৮৩৭ || ✓
|-
| 318 || [[নরম্যান বোরল্যাগ]] || ৭০০ || ✓
|-
| 319 || [[নিকলাউস ভির্ট]] || ৪৭৯ || ✓
|-
| 320 || [[নিকোলাস স্টেনো]] || ২৯২ || ✓
|-
| 321 || [[নেভিল ফ্রান্সিস মট]] || ৫১১ || ✓
|-
| 322 || [[লুডউইক ফ্লেক]] || ৫১২ || ✓
|-
| 323 || [[কারেন উলেনবেক]] || ৩৯২ || ✓
|-
| 324 || [[ইয়োসেফ মেংগেলে]] || ৫৪৪ || ✓
|-
| 325 || [[কিরণ দেশাই]] || ২৬১ || ✓
|-
| 326 || [[কাতালিন কারিকো]] || ৩০৯ || ✓
|-
| 327 || [[ইয়োন্স ইয়াকব বের্সেলিয়ুস]] || ৫১৬ || ✓
|-
| 328 || [[হুয়ান মালদাসেনা]] || ৭৩২ || ✓
|-
| 329 || [[হাইনরিখ বোল]] || ৩০০ || ✓
|-
| 330 || [[ইনগ্রিড ডোবিচি]] || ৬৭১ || ✓
|-
| 331 || [[ইয়ান উইলমুট]] || ৪২৭ || ✓
|-
| 332 || [[হিউ এভারেট]] || ৬০০ || ✓
|-
| 333 || [[ফ্রঁসোয়া অংল্যার]] || ৫৩৩ || ✓
|-
| 334 || [[এমানুয়েল সোয়েডেনবার্গ]] || ১,৫২২ || ✓
|-
| 335 || [[এলিজাবেথ বিশপ]] || ৬৫২ || ✓
|-
| 336 || [[শেখ আন্তা দিওপ]] || ৩৩৫ || ✓
|-
| 337 || [[জর্জ গ্যামো]] || ১,৫২১ || ✓
|-
| 338 || [[হাইনরিখ হের্ত্স]] || ১,৭৪৪ || ✓
|-
| 339 || [[গ্রো হারলেম ব্রুন্ডটল্যান্ড]] || ৩১১ || ✓
|-
| 340 || [[জন সি. মাদার]] || ৪২৫ || ✓
|-
| 341 || [[জন ব্যাকাস]] || ৫৯৭ || ✓
|-
| 342 || [[এর্নস্ট মায়ার]] || ৭৫৪ || ✓
|-
| 343 || [[লিন মার্গুলিস]] || ১,৭১৮ || ✓
|-
| 344 || [[হ্যান্স বেটে]] || ৩৯৬ || ✓
|-
| 345 || [[লুই আগাসিজ]] || ৯৩৭ || ✓
|-
| 346 || [[জর্জ ক্যুভিয়ে]] || ৭৬৮ || ✓
|-
| 347 || [[ব্রাসেলস]] || ৯৬৭ || ✓
|-
| 348 || [[ড্যানিয়েল কানেমান]] || ২,৯৫৭ || ✕
|-
| 349 || [[ডোনাল্ড কানুথ]] || ১,৫৮২ || ✓
|-
| 350 || [[লেমাহ গবোউই]] || ১,১৫০ || ✓
|-
| 351 || [[গারট্রুড বি. এলিয়ন]] || ২৩৪ || ✓
|-
| 352 || [[ডোনা স্ট্রিকল্যান্ড]] || ৩৫৯ || ✓
|-
| 353 || [[এর্নস্ট মাখ]] || ২,০২৮ || ✕
|-
| 354 || [[ডোনাল্ড টাস্ক]] || ১,৭৭১ || ✓
|-
| 355 || [[অরবিন্দ আদিগা]] || ৮৬৬ || ✓
|-
| 356 || [[সি. এ. আর. হোর]] || ১,০৬১ || ✕
|-
| 357 || [[পল ডিরাক]] || ৪,৭০৯ || ✕
|-
| 358 || [[ই. ও. উইলসন]] || ৪,৪৫৮ || ✕
|-
| 359 || [[ডেসমন্ড মরিস]] || ৩,৯৮৬ || ✓
|-
| 360 || [[মাইকেল গোভ]] || ৩,৭৩৬ || ✓
|-
| 361 || [[হার্পার লি]] || ২,৪৯১ || ✓
|-
| 362 || [[কেন টম্পসন]] || ১,৮১৬ || ✓
|-
| 363 || [[জন টিন্ডাল]] || ২,৫২৮ || ✓
|-
| 364 || [[মেরি রবিনসন]] || ১,৩৭৬ || ✓
|-
| 365 || [[হেনরি ক্যাভেন্ডিশ]] || ২,২৪৪ || ✓
|-
| 366 || [[আইরিস মারডক]] || ১,২৬৮ || ✓
|-
| 367 || [[আর্নেস্ট রাদারফোর্ড]] || ২,৪৫৩ || ✓
|-
| 368 || [[ফ্রেড ব্রুকস]] || ১,১৯১ || ✓
|-
| 369 || [[ক্রিস্টিয়ান হাইগেনস]] || ১,৯০৭ || ✓
|-
| 370 || [[ডায়ান ফসি]] || ১,৬৪৬ || ✕
|-
| 371 || [[ইডিথ হোয়ার্টন]] || ১,৪২৫ || ✓
|-
| 372 || [[অরেল স্টেইন]] || ১,৪৭৮ || ✕
|-
| 373 || [[গাব্রিয়েলা মিস্ত্রাল]] || ১,৬৫০ || ✓
|-
| 374 || [[আলেকজান্ডার ফন হুমবোল্ট]] || ১,১২০ || ✓
|-
| 375 || [[ফ্রান্সিস্কো ভারেলা]] || ১,৮৯৩ || ✕
|-
| 376 || [[ডেনিস রিচি]] || ১,১০৮ || ✓
|-
| 377 || [[অড্রে হেপবার্ন]] || ১,৪৩৫ || ✓
|-
| 378 || [[জি. এইচ. হার্ডি]] || ২,৩৩০ || ✓
|-
| 379 || [[হ্যারল্ড পিন্টার]] || ২,০৭২ || ✓
|-
| 380 || [[অ্যানাক্সিম্যান্ডার]] || ১,৩০০ || ✓
|-
| 381 || [[ডেভিড ব্রুস্টার]] || ২,৪০৪ || ✓
|-
| 382 || [[ব্রায়ান গ্রিন]] || ১,২৭৯ || ✕
|-
| 383 || [[অমিত গোস্বামী]] || ৯১৫ || ✓
|-
| 384 || [[এডমন্ড হ্যালি]] || ২,৬১৯ || ✓
|-
| 385 || [[ডেভিড সুজুকি]] || ১,৫১৭ || ✓
|-
| 386 || [[ডেভিড জোনাথন গ্রোস]] || ৮০৯ || ✓
|-
| 387 || [[ডেভিড ম্যামেট]] || ১,২৫২ || ✓
|-
| 388 || [[আহমেদ জেওয়াইল]] || ১৯২ || ✓
|-
| 389 || [[ইউরোপীয় পার্লামেন্ট]] || ৬১৫ || ✓
|-
| 390 || [[ডেভিড গ্রসম্যান]] || ৩৩৬ || ✓
|-
| 391 || [[হরিশ-চন্দ্র]] || ২৮৪ || ✓
|-
| 392 || [[অনিতা দেসাই]] || ১,৪৩৯ || ✓
|-
| 393 || [[অ্যাশ কার্টার]] || ৪৬৩ || ✓
|-
| 394 || [[আলফ্রেড নোবেল]] || ৫০৯ || ✕
|-
| 395 || [[ক্রিস্টিয়ান বার্নার্ড]] || ৬৩৯ || ✓
|-
| 396 || [[মনোজ মিত্র]] || ৫,৫৬৭ || ✓
|-
| 397 || [[নারায়ণ সান্যাল]] || ৩৬৬ || ✓
|-
| 398 || [[মতি নন্দী]] || ৫,০১৮ || ✓
|-
| 399 || [[দেবেশ রায়]] || ৯,২৪৪ || ✓
|-
| 400 || [[শিশিরকুমার বসু]] || ৪,৮০৭ || ✓
|-
| 401 || [[বিমল কর]] || ১,৩৬৯ || ✓
|-
| 402 || [[সুবোধ সরকার]] || ৬৬০ || ✓
|-
| 403 || [[স্মরণজিৎ চক্রবর্তী]] || ৭৯২ || ✓
|-
| 404 || [[স্বামী সারদানন্দ]] || ৮,৬৯৫ || ✓
|-
| 405 || [[শক্তিপদ রাজগুরু]] || ৯৯৩ || ✓
|-
| 406 || [[কমলকুমার মজুমদার]] || ১,৫৭৩ || ✓
|-
| 407 || [[গৌতম ভদ্র]] || ৬৮৫ || ✓
|-
| 408 || [[পরিমল গোস্বামী]] || ১,৪৬৭ || ✓
|-
| 409 || [[প্রেমাঙ্কুর আতর্থী]] || ৫,৬৯৮ || ✓
|-
| 410 || [[কালীপ্রসন্ন সিংহ]] || ৫,৪০৪ || ✓
|-
| 411 || [[অখিল নিয়োগী]] || ৬৩৬ || ✓
|-
| 412 || [[হরপ্রসাদ শাস্ত্রী]] || ৫১৩ || ✓
|-
| 413 || [[গায়ত্রী চক্রবর্তী স্পিভাক]] || ৫৯২ || ✓
|-
| 414 || [[অজিত দত্ত]] || ৬১৩ || ✓
|-
| 415 || [[অজিতকৃষ্ণ বসু]] || ২,৩৮৬ || ✓
|-
| 416 || [[এম এস স্বামীনাথন]] || ৮৭২ || ✓
|-
| 417 || [[চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন]] || ২,১৭১ || ✓
|-
| 418 || [[চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও]] || ২,১৬৭ || ✓
|-
| 419 || [[কণাদ]] || ৯১৯ || ✓
|-
| 420 || [[জয়ন্ত বিষ্ণু নারলিকর]] || ৩,১৮৭ || ✓
|-
| 421 || [[বিক্রম সারাভাই]] || ১,১২৯ || ✓
|-
| 422 || [[জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ]] || ১১,২৬৬ || ✓
|-
| 423 || [[অ্যানোনিমাস]] || ৪,০৪৩ || ✓
|-
| 424 || [[টুপাক শাকুর]] || ৬,২৮৭ || ✓
|-
| 425 || [[জেনডেয়া]] || ২,০১৪ || ✓
|-
| 426 || [[টিমথি শালামে]] || ১,১২৭ || ✓
|-
| 427 || [[হিপোক্রেটিস]] || ২,৯২৩ || ✓
|-
| 428 || [[ষষ্ঠ মুহাম্মদ]] || ৮৭৮ || ✓
|-
| 429 || [[জন লেনক্স]] || ৭০২ || ✓
|-
| 430 || [[আলেক্সান্দ্র্ সলজেনিৎসিন]] || ৮,০৫৬ || ✓
|-
| 431 || [[আবদুল হান্নান মাসউদ]] || ৪০৭ || ✓
|-
| 432 || [[পরকাল সম্পর্কে কুরআন]] || ১৮,৭৯৪ || ✓
|-
| 433 || [[মানবতাবিরোধী অপরাধ]] || ১,৯১২ || ✓
|-
| 434 || [[আন্তর্জাতিক আইন]] || ৫,৫৩৯ || ✓
|-
| 435 || [[মোহাম্মদ জাওয়াদ জারিফ]] || ১,৪৫২ || ✓
|-
| 436 || [[আর্নেস্ট কিং]] || ১৫,৭৬৯ || ✕
|-
| 437 || [[ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট]] || ২৬,২১৫ || ✓
|-
| 438 || [[আনোয়ার ইব্রাহিম]] || ৬,৯৯৩ || ✓
|-
| 439 || [[ইসলাম ও যুদ্ধ]] || ৫,৬৮১ || ✓
|-
| 440 || [[আহমদ সিরহিন্দি]] || ৪,০৭০ || ✓
|-
| 441 || [[মুসা সেরান্তোনিও]] || ৪২৩ || ✓
|-
| 442 || [[ইয়াকুব]] || ১,৯৫৬ || ✓
|-
| 443 || [[আদ্রিয়ান গোল্ডসওয়ার্দি]] || ১,৯৭৯ || ✕
|-
| 444 || [[অ্যালিস পল]] || ১,৮৬২ || ✕
|-
| 445 || [[অ্যামি ট্যান]] || ২,০০৭ || ✕
|-
| 446 || [[অ্যান্ড্রু সেগা]] || ১,৯৬৯ || ✓
|-
| 447 || [[আল্যাঁ বাদিউ]] || ১,৯৬৬ || ✕
|-
| 448 || [[আফ্রিকান স্পির]] || ১,৭২২ || ✕
|-
| 449 || [[ফ্রেডরিক ডগলাস]] || ৮৬২ || ✕
|-
| 450 || [[নবী]] || ২,০৬২ || ✕
|-
| 451 || [[এমা গোল্ডম্যান]] || ১২,৮০০ || ✕
|-
| 452 || [[প্রেম সম্পর্কে ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি]] || ১৫,০৪০ || ✓
|-
| 453 || [[মিস্ট্রি সায়েন্স থিয়েটার ৩০০০]] || ৯৪,৯৬৮ || ✕
|-
| 454 || [[দ্য থিক অফ ইট]] || ৬৯,২৮৩ || ✕
|-
| 455 || [[অ্যালেক্স হেইলি]] || ১,৬০৪ || ✓
|-
| 456 || [[দাসত্ব সম্পর্কে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি]] || ৫,৭৮৫ || ✕
|-
| 457 || [[দাসত্ব]] || ১০,২৫৯ || ✕
|-
| 458 || [[এইচ. পি. লাভক্র্যাফট]] || ২৫,৪৭২ || ✓
|-
| 459 || [[ব্লেজ পাসকাল]] || ৩,০৫১ || ✓
|-
| 460 || [[চিনুয়া আচেবে]] || ৬,০৪২ || ✓
|-
| 461 || [[ডরিস লেসিং]] || ৪,৬২১ || ✓
|-
| 462 || [[ফেদেরিকো ফাগিন]] || ৬০০ || ✓
|-
| 463 || [[আলেকজান্ডার গ্রোথেনডিক]] || ১,২১১ || ✓
|-
| 464 || [[আঙ্গেলা ম্যার্কেল]] || ২,০২৯ || ✓
|-
| 465 || [[আনাক্সাগোরাস]] || ৩,৬৭১ || ✓
|-
| 466 || [[আমোস তভারস্কি]] || ৪৬১ || ✓
|-
| 467 || [[আলফ্রেড মার্শাল]] || ১,৩০৯ || ✓
|-
| 468 || [[আলবার্টাস ম্যাগনাস]] || ৩৮২ || ✓
|-
| 469 || [[অনিতা ব্রুকনার]] || ৪৭৪ || ✕
|-
| 470 || [[আলফ্রেড কিনসে]] || ১,০৩৩ || ✓
|-
| 471 || [[অ্যালান কে]] || ৯২৪ || ✓
|-
| 472 || [[আলেকজান্ডার ফ্লেমিং]] || ৩৩২ || ✓
|-
| 473 || [[ক্যারোলিন বার্তোজি]] || ৪১১ || ✓
|-
| 474 || [[আলফ্রেড রাসেল ওয়ালেস]] || ১,৬৫৯ || ✓
|-
| 475 || [[অঁতোয়ান লাভোয়াজিয়ে]] || ১,৪৩৬ || ✕
|-
| 476 || [[জ্যারেড ডায়মন্ড]] || ১,১৭১ || ✕
|-
| 477 || [[জেন গুডাল]] || ১,৩৫৭ || ✓
|-
| 478 || [[জেমস টোবিন]] || ১,০৫৯ || ✓
|-
| 479 || [[জেমস ক্যালাহান]] || ১,৬১৫ || ✓
|-
| 480 || [[উইলিয়াম স্ট্যানলি জেভন্স]] || ১,৭০১ || ✓
|-
| 481 || [[উইলিয়াম থমসন]] || ১,০৫১ || ✓
|-
| 482 || [[ওলে সোয়িংকা]] || ৩,১৬১ || ✕
|-
| 483 || [[জোসেফ স্টিগলিটজ]] || ১,৫০৪ || ✕
|-
| 484 || [[গ্রেগর মেন্ডেল]] || ৮৭৪ || ✓
|-
| 485 || [[গটফ্রিড ভিলহেল্ম লাইবনিৎস]] || ১,২৩৬ || ✓
|-
| 486 || [[গ্লেন থিওডোর সিবর্গ]] || ৯৮৪ || ✓
|-
| 487 || [[হেরমান ভাইল]] || ১,৫৪১ || ✓
|-
| 488 || [[হেরমান হেস]] || ৪,৫৬৫ || ✓
|-
| 489 || [[হার্বার্ট স্পেন্সার]] || ২,৩৬৮ || ✓
|-
| 490 || [[হার্বার্ট এ. সাইমন]] || ১,৩৩৭ || ✓
|-
| 491 || [[হেরাক্লিটাস]] || ১,৫৭০ || ✓
|-
| 492 || [[হেনরিক শিয়েনকিয়েভিচ]] || ১,৯১১ || ✕
|-
| 493 || [[উইলা ক্যাথার]] || ৩,০৩৩ || ✕
|-
| 494 || [[উইল ডুরান্ট]] || ২,৮১৫ || ✓
|-
| 495 || [[ডব্লিউ. এইচ. অডেন]] || ২,৮১৯ || ✓
|-
| 496 || [[ভোলফগাং পাউলি]] || ১,৬৩৯ || ✓
|-
| 497 || [[ইয়াসুনারি কাওয়াবাতা]] || ২,২৫৮ || ✓
|-
| 498 || [[জন আর্চিবল্ড হুইলার]] || ১,১৩৯ || ✓
|-
| 499 || [[সেমুর হার্শ]] || ১,৭৬১ || ✓
|-
| 500 || [[সের্গেই কোরোলিয়ভ]] || ৫৬৫ || ✓
|-
| 501 || [[জেন অ্যাডামস]] || ১,৯০৬ || ✓
|-
| 502 || [[জাক-ইভ কুস্তো]] || ৬৬৩ || ✓
|-
| 503 || [[হিদেকি ইউকাওয়া]] || ৪০৩ || ✓
|-
| 504 || [[প্রিমো লেভি]] || ৪,২৩৮ || ✓
|-
| 505 || [[ঝুম্পা লাহিড়ী]] || ৪৩০ || ✓
|-
| 506 || [[জেমস প্রেসকট জুল]] || ৪৮৭ || ✓
|-
| 507 || [[কালীপ্রসন্ন বিদ্যারত্ন]] || ৮২৫ || ✓
|-
| 508 || [[কলসী]] || ১,০৮৬ || ✓
|-
| 509 || [[চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ১,১৫৭ || ✓
|-
| 510 || [[শহর]] || ১,৪৫৮ || ✕
|-
| 511 || [[ঘাস]] || ২,১১২ || ✓
|-
| 512 || [[জলধর সেন]] || ১,৭৬৪ || ✓
|-
| 513 || [[ঠিকানা]] || ১,১৮৭ || ✓
|-
| 514 || [[গন্ধ]] || ১,৮০৭ || ✓
|-
| 515 || [[চা]] || ২,৪২৪ || ✓
|-
| 516 || [[রবীন্দ্রনাথ মৈত্র]] || ১,২৮১ || ✓
|-
| 517 || [[দিগন্ত]] || ১,২২৮ || ✓
|-
| 518 || [[ময়ূর]] || ১,৩৪৫ || ✓
|-
| 519 || [[করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ৯১১ || ✓
|-
| 520 || [[ঢেউ]] || ১,৫৩৯ || ✓
|-
| 521 || [[ছাতা]] || ১,১৮৯ || ✓
|-
| 522 || [[উমাকান্ত হাজারী]] || ৯৪২ || ✓
|-
| 523 || [[ঘৃণা]] || ২,৩৩৯ || ✓
|-
| 524 || [[বাঁশ]] || ২,৪৫৯ || ✕
|-
| 525 || [[কলেরা]] || ১,৬৩৮ || ✓
|-
| 526 || [[মাঠ]] || ২,৪৪৭ || ✓
|-
| 527 || [[টিন]] || ১,৯৩২ || ✕
|-
| 528 || [[সংবাদ]] || ৪,৪৭৯ || ✕
|-
| 529 || [[নবায়নযোগ্য শক্তি]] || ১২,৬১০ || ✓
|-
| 530 || [[নাডিন গর্ডিমার]] || ১,৩৭২ || ✓
|-
| 531 || [[মারে গেল-মান]] || ১,৩২৮ || ✓
|-
| 532 || [[নার্গিস মোহাম্মাদি]] || ১,৭৫৫ || ✓
|-
| 533 || [[সাদি কার্নো]] || ৫,২৫৬ || ✓
|-
| 534 || [[জন বারবার]] || ৫৭৪ || ✕
|-
| 535 || [[স্কটিশ জাতি]] || ৩৭৫ || ✓
|-
| 536 || [[ওয়েন্ডি বোম্যান]] || ১৫১ || ✕
|-
| 537 || [[যুদ্ধাপরাধ]] || ৪,৬৭৯ || ✕
|-
| 538 || [[রুবি]] || ৩৬৩ || ✓
|-
| 539 || [[রিতা এনজেলু]] || ১৫৯ || ✓
|-
| 540 || [[বমি]] || ২০৪ || ✓
|-
| 541 || [[পার্ল]] || ৬৯০ || ✕
|-
| 542 || [[পাইথন]] || ১৩৯ || ✓
|-
| 543 || [[উইকিলিকস]] || ১,৬৩১ || ✕
|-
| 544 || [[জনস্টন ম্যাককালি]] || ৩১১ || ✕
|-
| 545 || [[যুগোস্লাভিয়া]] || ৪,১৩৬ || ✓
|-
| 546 || [[অংশুমান কর]] || ২০৯ || ✓
|-
| 547 || [[কেমব্রিজ গান]] || ৩০৫ || ✕
|-
| 548 || [[হেলেনীয় শিক্ষা]] || ৫০২ || ✓
|-
| 549 || [[টমাস হলি চিভার্স]] || ২৩৫ || ✓
|-
| 550 || [[মুহাম্মদ মাহদি আল-জাওয়াহিরি]] || ৬৩৮ || ✓
|-
| 551 || [[জেডি স্মিথ]] || ১,০৮০ || ✓
|-
| 552 || [[ব্রায়ান পি. শ্মিট]] || ৪৬০ || ✓
|-
| 553 || [[কার্ল বার্নস্টিন]] || ৩৬৮ || ✓
|-
| 554 || [[চার্লস ফেফারম্যান]] || ৩৩৯ || ✓
|-
| 555 || [[ইয়ুস্টুস ফন লিবিগ]] || ৩৩২ || ✓
|-
| 556 || [[টমাস শেলিংস]] || ৬৭৪ || ✓
|-
| 557 || [[উইলিয়াম শকলি]] || ৩৯১ || ✓
|-
| 558 || [[শিং-শেন চের্ন]] || ৭৬৫ || ✕
|-
| 559 || [[হুগো দ্য ভ্রিস]] || ৩৪৪ || ✓
|-
| 560 || [[রবার্ট অ্যান্ড্রুজ মিলিকান]] || ৪৩৬ || ✓
|-
| 561 || [[জেমস ভ্যান অ্যালেন]] || ৫৯৬ || ✓
|-
| 562 || [[জাক শিরাক]] || ৭১১ || ✓
|-
| 563 || [[ডরোথি হজকিন]] || ২৯৪ || ✓
|-
| 564 || [[গোরান পারসন]] || ৩২৬ || ✓
|-
| 565 || [[জেরার দ্যব্রু]] || ১৮৬ || ✓
|-
| 566 || [[কোরীয় যুদ্ধ]] || ৯,৯৬৫ || ✕
|-
| 567 || [[রবার্ট জে. শিলার]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 568 || [[ফ্রঁসোয়া আরাগন]] || ৪৩৫ || ✓
|-
| 569 || [[অখিলচন্দ্র দত্ত]] || ৩৭৩ || ✕
|-
| 570 || [[ফ্রান্সিস কলিন্স]] || ৫৮৮ || ✓
|-
| 571 || [[হেলেন ক্লার্ক]] || ৩৭৪ || ✓
|-
| 572 || [[লেয়োঁ ফুকো]] || ৫৩২ || ✓
|-
| 573 || [[জন চার্লস পোলানি]] || ৩৭৪ || ✓
|-
| 574 || [[জন মেইনার্ড কেইনস]] || ১৭,৭৯১ || ✕
|-
| 575 || [[দিমিত্রি মুরাতভ]] || ৬৩৬ || ✓
|-
| 576 || [[আবদুস সালাম]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 577 || [[আবদুলরাজাক গুরনাহ]] || ৭৪৯ || ✓
|-
| 578 || [[এ. সি. বেনসন]] || ৩৮৩ || ✓
|-
| 579 || [[প্রথম আলবার্ট]] || ৮৬৪ || ✓
|-
| 580 || [[অম্লান দত্ত]] || ১৪৬ || ✓
|-
| 581 || [[ইয়ান মার্টেল]] || ১,১৩৩ || ✕
|-
| 582 || [[ইয়োইচিরো নাম্বু]] || ৪৩১ || ✕
|-
| 583 || [[সৈয়দ জামিল আহমেদ]] || ২০৩ || ✓
|-
| 584 || [[পূর্ণিমা]] || ১৯২ || ✓
|-
| 585 || [[শরিফুল রাজ]] || ১৮৬ || ✓
|-
| 586 || [[কাজী হায়াৎ]] || ২৭৪ || ✓
|-
| 587 || [[আরেফিন রুমি]] || ১৬২ || ✓
|-
| 588 || [[ইমাম নাসাই]] || ৬৯৭ || ✕
|-
| 589 || [[কবরী]] || ২৭১ || ✓
|-
| 590 || [[হাফিজ উদ্দিন আহমদ]] || ২৩৬ || ✓
|-
| 591 || [[আ ন ম এহসানুল হক মিলন]] || ৩৪০ || ✓
|-
| 592 || [[আন্দালিব রহমান পার্থ]] || ২৯৭ || ✓
|-
| 593 || [[ববি হাজ্জাজ]] || ২৫৩ || ✓
|-
| 594 || [[ইবনে মাজাহ]] || ৩৩৬ || ✓
|-
| 595 || [[হাবিব ওয়াহিদ]] || ২৬৪ || ✓
|-
| 596 || [[জাইমা রহমান]] || ২১২ || ✓
|-
| 597 || [[কনকচাঁপা]] || ২২৮ || ✓
|-
| 598 || [[আহসান হাবীব]] || ২১৯ || ✓
|-
| 599 || [[বেলাল খান]] || ২১৯ || ✓
|-
| 600 || [[নচিকেতা চক্রবর্তী]] || ২৮৯ || ✓
|-
| 601 || [[আ ফ ম খালিদ হোসেন]] || ২৪৮ || ✓
|-
| 602 || [[আলমগীর]] || ৪০৬ || ✓
|-
| 603 || [[সালাহউদ্দিন আহমেদ]] || ৩৫৩ || ✓
|-
| 604 || [[চোং নানশান]] || ১৭৮ || ✓
|-
| 605 || [[এ. সি. ব্র্যাডলি]] || ৩৯০ || ✕
|-
| 606 || [[আলবার্ট হফমান]] || ৩,৪৪৪ || ✓
|-
| 607 || [[অ্যালান পারলিস]] || ৯২৮ || ✓
|-
| 608 || [[হেইনরিখ রোরার]] || ৩৬০ || ✓
|-
| 609 || [[আলফ্রেড আহো]] || ১৪৪ || ✕
|-
| 610 || [[উ থান্ট]] || ৬৭৮ || ✕
|-
| 611 || [[লোরঁ শোয়ার্তজ]] || ৬১০ || ✓
|-
| 612 || [[উইলিয়াম শার্প]] || ৩৯৯ || ✓
|-
| 613 || [[পাউল এরেনফেস্ট]] || ৪৩৩ || ✓
|-
| 614 || [[রবার্ট মান্ডেল]] || ৩২২ || ✓
|-
| 615 || [[হান কাং]] || ৬৬৬ || ✓
|-
| 616 || [[ক্রিপটিক ফেইট]] || ১৭৬ || ✓
|-
| 617 || [[কাকাবাবু]] || ২৫৮ || ✓
|-
| 618 || [[ক্যারি মুলিস]] || ৪০৩ || ✓
|-
| 619 || [[টোমাস ট্রান্সট্রোমার]] || ২৯৯ || ✓
|-
| 620 || [[ইরিনা বোকোভা]] || ২৬৮ || ✓
|-
| 621 || [[মার্টিনুস ভেল্টম্যান]] || ১৯৫ || ✓
|-
| 622 || [[ড্যামন গ্যালগুট]] || ৪৮২ || ✓
|-
| 623 || [[আর্থার কর্নবার্গ]] || ১৭৭ || ✕
|-
| 624 || [[বেন ওক্রি]] || ৮৫৮ || ✓
|-
| 625 || [[সল বেলো]] || ১,০০৩ || ✓
|-
| 626 || [[সল পার্লমাটার]] || ৩১১ || ✕
|-
| 627 || [[সিমেওঁ দ্যনি পোয়াসোঁ]] || ১৬০ || ✓
|-
| 628 || [[স্টিভ আরউইন]] || ৪৩৫ || ✕
|-
| 629 || [[আনি এরনো]] || ২৮৪ || ✓
|-
| 630 || [[ফজল শাহাবুদ্দীন]] || ৪৯৫ || ✕
|-
| 631 || [[আল-জাহিজ]] || ৭৩৩ || ✓
|-
| 632 || [[আল-বিরুনি]] || ১,৮৩৬ || ✓
|-
| 633 || [[থমাস হ্যারিয়ট]] || ৪৩২ || ✓
|-
| 634 || [[স্টিভেন চু]] || ২২০ || ✓
|-
| 635 || [[ইভাঞ্জেলিস্টা টরিসেলি]] || ৩৭২ || ✓
|-
| 636 || [[লেসলি ল্যামপোর্ট]] || ৫৫০ || ✓
|-
| 637 || [[মার্টিন লুইস পার্ল]] || ৩৮৮ || ✓
|-
| 638 || [[ভ্লাদিমির মার্কভনিকভ]] || ২৬৭ || ✓
|-
| 639 || [[বাপ্পী লাহিড়ী]] || ২৫২ || ✓
|-
| 640 || [[নুহাশ হুমায়ূন]] || ২০৫ || ✓
|-
| 641 || [[আনিসুল হক]] || ২৪৬ || ✕
|-
| 642 || [[বাবর আলী]] || ৩০৯ || ✓
|-
| 643 || [[মেহের আফরোজ শাওন]] || ৩১৯ || ✓
|-
| 644 || [[ফেলুদা]] || ২৪৬ || ✓
|-
| 645 || [[ব্যোমকেশ বক্সী]] || ১৭৮ || ✓
|-
| 646 || [[প্রোফেসর শঙ্কু]] || ২৬৯ || ✓
|-
| 647 || [[বারী সিদ্দিকী]] || ২৪২ || ✓
|-
| 648 || [[সমরেশ বসু]] || ২০২ || ✓
|-
| 649 || [[লিয়ন কুপার]] || ৩২৩ || ✓
|-
| 650 || [[কামিলা শামসি]] || ২০৪ || ✓
|-
| 651 || [[ক্রিস্টোফার রেন]] || ৩৭৪ || ✓
|-
| 652 || [[জিওফ্রে হিন্টন]] || ৩২২ || ✓
|-
| 653 || [[ফ্রিডতিয়ফ নানসেন]] || ১৯১ || ✓
|-
| 654 || [[আলাঁ আস্পে]] || ৭৭৬ || ✓
|-
| 655 || [[ক্যারিল ফিলিপস]] || ২৮৪ || ✓
|-
| 656 || [[জেমস কুক]] || ৩৯৭ || ✓
|-
| 657 || [[ক্লাউদিয়া শেইনবাউম]] || ৩২১ || ✓
|-
| 658 || [[আবি আহমেদ]] || ২৫৫ || ✓
|-
| 659 || [[পিটার আগ্রি]] || ১৯০ || ✓
|-
| 660 || [[ফখরুদ্দীন আল-রাযী]] || ২১৫ || ✓
|-
| 661 || [[ইব্রাহিম ত্রাওরে]] || ৭৫৪ || ✓
|-
| 662 || [[পেদ্রো সানচেজ]] || ২৯৯ || ✓
|-
| 663 || [[অ্যাডাম রিস]] || ৪৮৯ || ✓
|-
| 664 || [[আব্দুল হান্নান আবকারী]] || ০ || ✕
|-
| 665 || [[ইবরাহীম আলী তশনা]] || ২৪৭ || ✓
|-
| 666 || [[রুহুল আমিন বসিরহাটি]] || ৩৬৩ || ✓
|-
| 667 || [[মুহাম্মদুল্লাহ হাফেজ্জী]] || ৩৪২ || ✓
|-
| 668 || [[শামছুল হুদা]] || ০ || ✕
|-
| 669 || [[শামছুল হক ফরিদপুরী]] || ৫৪৬ || ✓
|-
| 670 || [[গর্ডন মুর]] || ৫৮৭ || ✓
|-
| 671 || [[শিরিন এবাদি]] || ৫৪৩ || ✕
|-
| 672 || [[নাগিব মাহফুজ]] || ৫৩০ || ✓
|-
| 673 || [[আল-ফারাবি]] || ৫৩৭ || ✕
|-
| 674 || [[চাষী নজরুল ইসলাম]] || ৪৪৬ || ✓
|-
| 675 || [[বাপ্পা মজুমদার]] || ৩১০ || ✓
|-
| 676 || [[রবার্ট ক্লাইভ]] || ২,০০২ || ✕
|-
| 677 || [[পার্ল এস. বাক]] || ৯৩৩ || ✕
|-
| 678 || [[জন বারডিন]] || ৩৬৪ || ✓
|-
| 679 || [[আজিজুল হক]] || ১৮০ || ✓
|-
| 680 || [[আবদুস সালাম]] || ১০০ || ✕
|-
| 681 || [[আবদুল গফুর]] || ১০১ || ✕
|-
| 682 || [[আবদুল জব্বার]] || ১৬১ || ✓
|-
| 683 || [[আবদুল জব্বার]] || ৯২ || ✕
|-
| 684 || [[আবদুল জব্বার]] || ১৩৩ || ✕
|-
| 685 || [[অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ১৩৪ || ✕
|-
| 686 || [[অনিমেষ রায়]] || ১২৬ || ✕
|-
| 687 || [[অনির্বাণ বসু]] || ১২০ || ✕
|-
| 688 || [[অজয় ঘটক]] || ১১৪ || ✕
|-
| 689 || [[অচলা মল্লিক]] || ১৫৪ || ✕
|-
| 690 || [[অজয় হোম]] || ১৫৯ || ✕
|-
| 691 || [[অমিতা বসু]] || ১৪২ || ✕
|-
| 692 || [[আস্ট্রোনমি]] || ০ || ✕
|-
| 693 || [[মমতাজ বেগম]] || ৩৫৫ || ✕
|-
| 694 || [[আবুল বরকত]] || ১৪৩ || ✕
|-
| 695 || [[মেরি স্টোপস]] || ৫০৫ || ✕
|-
| 696 || [[ইয়োন ফসে]] || ৩৯৩ || ✕
|-
| 697 || [[জুনো দিয়াজ]] || ৫৪০ || ✕
|-
| 698 || [[পারভীন এতেসামি]] || ০ || ✕
|-
| 699 || [[চুয়াং জি]] || ২৭৪ || ✕
|-
| 700 || [[ফকির শাহাবুদ্দীন]] || ০ || ✕
|-
| 701 || [[আবু বকর সিদ্দিকী]] || ০ || ✕
|-
| 702 || [[বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট]] || ০ || ✕
|-
| 703 || [[বাংলাদেশের কৃষি প্রযুক্তি]] || ০ || ✕
|-
| 704 || [[হাসিবুন নাহের]] || ০ || ✕
|-
| 705 || [[মেরি উলস্টোনক্রাফ্ট]] || ২১৩ || ✕
|-
| 706 || [[বালতাসার গ্রাসিয়ান]] || ২০৬ || ✕
|-
| 707 || [[জুলাই আন্দোলন]] || ৬১৫ || ✕
|-
| 708 || [[বিকাশ]] || ০ || ✕
|-
| 709 || [[নতুন প্রযুক্তি]] || ০ || ✕
|-
| 710 || [[বাংলাদেশের রিয়েল এস্টেট শিল্প: বর্তমান প্রেক্ষাপট ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা]] || ০ || ✕
|-
| 711 || [[জলবায়ু পরিবর্তন ও বাংলাদেশের পরিবেশ]] || ০ || ✕
|-
| 712 || [[মোহাম্মদ শেখ শাহিনুর রহমান]] || ০ || ✕
|-
| 713 || [[অপ্রত্যাশিত জীবনযাত্রা]] || ০ || ✕
|-
| 714 || [[অপর্ণা সেন]] || ৩১২ || ✕
|}
pji7mprvh3e2he0qe4uqambqnkoj6pz
83304
83303
2026-05-03T03:00:11Z
ARI
356
/* ব্যবহারকারী ভিত্তিক পরিসংখ্যান */
83304
wikitext
text/x-wiki
----
সর্বশেষ হালনাগাদ - ০১:০৫, ২ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
----
==উইকিউক্তি ফলাফল ২০২৬==
{| class="wikitable sortable"
|-
! ক্রম
! ব্যবহারকারী
! নিবন্ধ
! মোট শব্দ
! বিস্তারিত
|-
| '''১'''
| '''Dr. Mosaddek Khondoker'''
| '''১৯'''
| '''৪,০৪,৫৭৫'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৪,০৪,৫৭৫<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| '''২'''
| '''ARI'''
| '''২৮'''
| '''৩,১৪,৮৯৭'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৩,১২,২১২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২,৬৮৫
</div>
|-
| '''৩'''
| '''Tuhin'''
| '''২৮০'''
| '''৩,০১,০২২'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,৫৩,৯৫৯<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৪৭,০৬৩
</div>
|-
| '''৪'''
| '''SMontaha32'''
| '''৩৭'''
| '''২,৩৯,৫২৮'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,১৮,৫১৮<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২১,০১০
</div>
|-
| '''৫'''
| '''NusJaS'''
| '''১০'''
| '''২,৫১,৮৯১'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১,৯৭,২৯৩<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৫৪,৫৯৮
</div>
|-
| '''৬'''
| '''Oindrojalik Watch'''
| '''২৯'''
| '''১,৯৯,৯৪৯'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১,৯০,০৭৮<br>
অপর্যালোচিত: ৯,৮৭১<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| '''৭'''
| '''Sumanta3023'''
| '''১১০'''
| '''১,২২,৫০০'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৯৭,৪২১<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২৫,০৭৯
</div>
|-
| '''৮'''
| '''Anik Kanti Dey'''
| '''৩৪'''
| '''১,০৪,৬৪১'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৯৩,৮৬৪<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ১০,৭৭৭
</div>
|-
| '''৯'''
| '''Tanbiruzzaman'''
| '''২১'''
| '''৮০,৭২৪'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৮০,৭২৪<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| '''১০'''
| '''Nil Nandy'''
| '''২৭'''
| '''৭৪,২৬৭'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৭৪,২৬৭<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ১১
| R1F4T
| ২২
| ২,৮৫,২৭৫
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৬৩,৯৫১<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২,২১,৩২৪
</div>
|-
| ১২
| Salil Kumar Mukherjee
| ২৭
| ৪২,২০৬
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৩০,৯১৫<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ১১,২৯১
</div>
|-
| ১৩
| Anaf Ibn Shahibul
| ৪৭
| ৫৬,৫৮১
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১৯,৩৪৬<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৩৭,২৩৫
</div>
|-
| ১৪
| মোহাম্মদ জনি হোসেন
| ২৫
| ৮,১২৩
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৫,৪৭২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২,৬৫১
</div>
|-
| ১৫
| JIBON
| ৫
| ৫,৫৫৪
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৪,৭৩২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৮২২
</div>
|-
| ১৬
| Md. Muqtadir Fuad
| ১১
| ৪,০২৯
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৪,০২৯<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ১৭
| Humaira.thithi
| ৮
| ৩,৭১০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,৭৮৭<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৯২৩
</div>
|-
| ১৮
| Amirhusenjihed
| ৩
| ৩,০৬৪
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,৫৬৯<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৪৯৫
</div>
|-
| ১৯
| Asikur Rahman
| ৬
| ২,২২৯
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,২২৯<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ২০
| Rasel Mehedi
| ১০
| ২,৪৬৮
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,২২২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২৪৬
</div>
|-
| ২১
| Mahiya50
| ৬
| ২,১৯০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,১৯০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ২২
| Borhan
| ৬
| ১,৬৬২
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১,৬৬২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ২৩
| Raihanur
| ৪
| ৫,৬৭৪
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১,৫৪২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৪,১৩২
</div>
|-
| ২৪
| Muhammad Fahim Faisal
| ৬
| ১,৪৯৮
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১,৪৯৮<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ২৫
| Firuz Ahmmed
| ৪
| ২,১৯৭
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১,১১৭<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ১,০৮০
</div>
|-
| ২৬
| নিয়াজ ইসলাম
| ২
| ৭৫৬
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৭৫৬<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ২৭
| Asad.fr
| ৩
| ৩,২৯৯
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৩৬৪<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২,৯৩৫
</div>
|-
| ২৮
| Mehedi Abedin
| ১
| ৩৫২
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৩৫২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ২৯
| Md. Rayan Alam Rifat
| ১
| ১৮০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১৮০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ৩০
| Siyan BD
| ১২
| ১,৫৩৬
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১৬১<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ১,৩৭৫
</div>
|-
| ৩১
| Dewan mahbubr Rahman
| ১
| ৩৫০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৩৫০
</div>
|-
| ৩২
| ExceptionistSagar
| ১
| ১৭৯
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ১৭৯
</div>
|-
| ৩৩
| Kh. Fahim
| ১
| ৪০৬
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৪০৬
</div>
|-
| ৩৪
| Trisha Mazumder
| ১
| ০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ৩৫
| MdMarufHossen71
| ২
| ৪৯৮
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৪৯৮
</div>
|-
| ৩৬
| Usarker
| ৩
| ১,৪৩৮
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ১,৪৩৮
</div>
|-
| ৩৭
| রাকিবুল হাসান রাসেল
| ১
| ০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ৩৮
| MD RADWAN ISLAM
| ৬
| ২৭৪
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২৭৪
</div>
|-
| ৩৯
| AKM Mahinur Rahman
| ২
| ৪১৯
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৪১৯
</div>
|-
| ৪০
| MD RADWAN ISLAM ROHAN
| ৫
| ৬১৫
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৬১৫
</div>
|-
| ৪১
| ShahinurWrites
| ১
| ০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ৪২
| Abdullah Al Shishir
| ১
| ০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ৪৩
| চ্যাম্পিয়ন স্টার ১
| ১
| ৩১২
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৩১২
</div>
|}
== পর্যালোচক পরিসংখ্যান ==
; পর্যালোচক
{| class="wikitable"
|-
! ক্রম !! নাম !! মোট !! গৃহীত !! বাতিল
|-
| '''১''' || '''Mehedi Abedin''' || '''২৭৫''' || ২৩৮ || ৩৭
|-
| '''২''' || '''NusJaS''' || '''১৯৩''' || ১৫৪ || ৩৯
|-
| '''৩''' || '''MS Sakib''' || '''১৮১''' || ১৪৮ || ৩৩
|-
| '''৪''' || '''ARI''' || '''১৫৮''' || ১২৬ || ৩২
|-
| '''৫''' || '''MdsShakil''' || '''৪০''' || ৩৮ || ২
|-
| '''৬''' || '''Tahmid''' || '''১৪''' || ১০ || ৪
|-
| '''৭''' || '''Yahya''' || '''৫''' || ৪ || ১
|-
! মোট || || ৮৬৬ || ৭১৮ || ১৪৮
|}
== ব্যবহারকারী ভিত্তিক পরিসংখ্যান ==
=== [[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker| Dr. Mosaddek Khondoker]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্পর্কে উক্তি]] || ৩৯,৩০৩ || ✓
|-
| 2 || [[স্ট্যানলি বল্ডউইন]] || ৩৪,১৩১ || ✕
|-
| 3 || [[খ্রিস্টের অনৈতিহাসিকতা তত্ত্ব]] || ২৮,৭০৭ || ✓
|-
| 4 || [[বেঞ্জামিন ডিসরাইলি]] || ২৯,৪৭৯ || ✓
|-
| 5 || [[রবার্ট জি. ইঙ্গারসোল]] || ৩০,০৯০ || ✕
|-
| 6 || [[রন পল]] || ২৪,৯২৮ || ✓
|-
| 7 || [[ক্যালকুলাসের ইতিহাস]] || ১৯,১৯৫ || ✓
|-
| 8 || [[অ্যানোরেক্সিয়া নার্ভোসা]] || ২৩,১০০ || ✓
|-
| 9 || [[ডোয়াইট ডি আইজেনহাওয়ার]] || ২১,০২৬ || ✓
|-
| 10 || [[স্টিফেন জে গুল্ড]] || ২২,১৫০ || ✓
|-
| 11 || [[এআর-১৫ স্টাইল রাইফেল]] || ১৮,৯০১ || ✓
|-
| 12 || [[শেরি এস. টেপার]] || ২৪,৯৯৯ || ✓
|-
| 13 || [[আউরেলিয়ুস আউগুস্তিনুস]] || ১৯,৩৪৬ || ✓
|-
| 14 || [[ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতিত্ব]] || ৪৬,৮৯৯ || ✓
|-
| 15 || [[নবায়নযোগ্য শক্তি]] || ১২,৬১০ || ✓
|-
| 16 || [[নাডিন গর্ডিমার]] || ১,৩৭২ || ✓
|-
| 17 || [[মারে গেল-মান]] || ১,৩২৮ || ✓
|-
| 18 || [[নার্গিস মোহাম্মাদি]] || ১,৭৫৫ || ✓
|-
| 19 || [[সাদি কার্নো]] || ৫,২৫৬ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১৯
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৩,৪০,৩৫৪
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৪,০৪,৫৭৫
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৬৪,২২১
|}
=== [[ব্যবহারকারী:ARI| ARI]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[জে. হাওয়ার্ড মুর]] || ২৪,১৯৫ || ✓
|-
| 2 || [[ভারতে পোশাক]] || ২,২৮৯ || ✓
|-
| 3 || [[ভারতের ভাষা]] || ৬৯৫ || ✓
|-
| 4 || [[মধ্যযুগীয় ভারত]] || ১,৭১৭ || ✓
|-
| 5 || [[ভারতে ইহুদিদের ইতিহাস]] || ২,০৪৬ || ✓
|-
| 6 || [[ভারতে সুফিবাদ]] || ৩,২০৭ || ✕
|-
| 7 || [[পর্তুগিজ ভারত]] || ১,৬৪৩ || ✓
|-
| 8 || [[ভারতের প্রাণী]] || ৩০৫ || ✓
|-
| 9 || [[স্বাধীনতা দিবস]] || ৩৭৫ || ✓
|-
| 10 || [[ভারতে দুর্ভিক্ষ]] || ৩,৭৮১ || ✓
|-
| 11 || [[ভারতে ধর্মহীনতা]] || ২,৩৮৯ || ✓
|-
| 12 || [[ওয়ারেন ফ্যারেল]] || ২১,০৭৮ || ✓
|-
| 13 || [[আর্নেস্ট বেকার]] || ১৩,৫৯৭ || ✓
|-
| 14 || [[অতিপ্রজতা]] || ২৯,৫০১ || ✓
|-
| 15 || [[মোপলা বিদ্রোহ]] || ১৪,৫১২ || ✓
|-
| 16 || [[সীতা রাম গোয়েল]] || ১,৫৯৬ || ✓
|-
| 17 || [[অরুণ শৌরি]] || ১৫,৪৫০ || ✓
|-
| 18 || [[ভারতের ইতিহাস লিখন]] || ১৭,৯১৮ || ✓
|-
| 19 || [[দ্রৌপদী]] || ৬,১৬৪ || ✓
|-
| 20 || [[দ্য হিস্ট্রি অফ ইন্ডিয়া, অ্যাজ টোল্ড বাই ইটস ওন হিস্টোরিয়ানস]] || ২,৬৮৫ || ✕
|-
| 21 || [[রামায়ণ]] || ১,৩০০ || ✓
|-
| 22 || [[ভারতে শিক্ষা]] || ১০,৫৮০ || ✓
|-
| 23 || [[ভারতে নারী]] || ৬,১৫০ || ✓
|-
| 24 || [[বন্যপ্রাণীর কষ্ট]] || ৩৩,৭৪১ || ✓
|-
| 25 || [[নিরামিষবাদ]] || ৩০,৬২৭ || ✓
|-
| 26 || [[ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম রাষ্ট্রপতিত্ব]] || ৩৭,৫৭২ || ✓
|-
| 27 || [[নির্বাচন]] || ৭,০২৫ || ✓
|-
| 28 || [[সরকার]] || ২২,৭৫৯ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২৮
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৩,০৯,০০৫
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩,১৪,৮৯৭
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৫,৮৯২
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Tuhin| Tuhin]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মহুয়া মৈত্র]] || ৬৫০ || ✓
|-
| 2 || [[হেনরি হোম, লর্ড কেইমস]] || ১,২৯৬ || ✓
|-
| 3 || [[লেটি কটিন পোগ্রেবিন]] || ৩৭০ || ✓
|-
| 4 || [[মার্জ পিয়ার্সি]] || ৬,৭৯০ || ✓
|-
| 5 || [[এলেন ডুইবস]] || ৮০৪ || ✓
|-
| 6 || [[মেরেডিথ ট্যাক্স]] || ৪৯১ || ✓
|-
| 7 || [[মুলক রাজ আনন্দ]] || ২৩৫ || ✓
|-
| 8 || [[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ধর্ষণ]] || ১,৯২০ || ✓
|-
| 9 || [[সুসান ব্রাউনমিলার]] || ৯৯১ || ✓
|-
| 10 || [[রবিন মরগান]] || ১,২২১ || ✓
|-
| 11 || [[ভিভিয়ান গোর্নিক]] || ২,৬৯০ || ✓
|-
| 12 || [[ডরোথি রে হিলি]] || ২,৬৩৮ || ✕
|-
| 13 || [[ক্লডিয়া জোন্স]] || ১,২৯৯ || ✓
|-
| 14 || [[গের্ডা লার্নার]] || ৩,৪২৮ || ✓
|-
| 15 || [[এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন]] || ৯,৬৭৭ || ✕
|-
| 16 || [[এলা রিভ ব্লুর]] || ১,৯১৭ || ✓
|-
| 17 || [[টমাস হিউজ]] || ৯৯৬ || ✓
|-
| 18 || [[মার্গারিট দুরাস]] || ৩৪৯ || ✓
|-
| 19 || [[বেন অ্যারোনোভিচ]] || ৮,৭৯৭ || ✓
|-
| 20 || [[গ্লেন কুক]] || ৯,৯৮৫ || ✓
|-
| 21 || [[আব্রাহাম কাহান]] || ২,১৩৩ || ✓
|-
| 22 || [[গ্রেস পেলি]] || ৮,১৬৪ || ✕
|-
| 23 || [[স্টিফেন ক্রেন]] || ১,৯৬৩ || ✕
|-
| 24 || [[জোসেফাইন হার্বস্ট]] || ৪২৭ || ✓
|-
| 25 || [[জর্জ গিসিং]] || ২,০০৫ || ✓
|-
| 26 || [[আনজিয়া ইয়েজিয়ারস্কা]] || ৩,২৬২ || ✕
|-
| 27 || [[মেরি অ্যান্টিন]] || ৪৯০ || ✓
|-
| 28 || [[জয়েস অ্যান্টলার]] || ৪২৯ || ✓
|-
| 29 || [[ক্যাথরিন ম্যাককিনন]] || ২,১৭৮ || ✓
|-
| 30 || [[বেটিনা আপথেকার]] || ১,০২০ || ✓
|-
| 31 || [[ক্যারি চ্যাপম্যান ক্যাট]] || ১,৬০৩ || ✓
|-
| 32 || [[জ্যানেট র্যাঙ্কিন]] || ৭২১ || ✓
|-
| 33 || [[ফ্রান্সেস উইলার্ড]] || ৯৪১ || ✕
|-
| 34 || [[অ্যালিস স্টোন ব্ল্যাকওয়েল]] || ৫৪০ || ✕
|-
| 35 || [[অ্যানা এলিজাবেথ ডিকিনসন]] || ৭৫১ || ✕
|-
| 36 || [[মেরি লিভারমোর]] || ২,৩০৭ || ✕
|-
| 37 || [[দাড়ি]] || ২৯৭ || ✓
|-
| 38 || [[স্যার হেনরি হোবার্ট, ১ম ব্যারোনেট]] || ৭৩৮ || ✓
|-
| 39 || [[হার্ডিঞ্জ স্ট্যানলি গিফার্ড, হালসবুরির ১ম আর্ল]] || ৪১৯ || ✓
|-
| 40 || [[এ. ভি. ডাইসি]] || ১,৩৮১ || ✕
|-
| 41 || [[আলফ্রেড ডেনিং, ব্যারন ডেনিং]] || ৩,৮৩২ || ✓
|-
| 42 || [[টমাস ডেনিসন]] || ৪০০ || ✓
|-
| 43 || [[স্যার ফ্রান্সিস বুলার, ১ম ব্যারোনেট]] || ৯৬২ || ✓
|-
| 44 || [[নিকোলাস ব্রাতজা]] || ২৬৪ || ✓
|-
| 45 || [[রবার্ট অ্যাটকিনস]] || ৩৩৩ || ✕
|-
| 46 || [[রিচার্ড পেপার আর্ডেন, ১ম ব্যারন অ্যালভানলি]] || ৩৫১ || ✓
|-
| 47 || [[এডওয়ার্ড হল অল্ডারসন]] || ৪৪৬ || ✓
|-
| 48 || [[অ্যামব্রোজ বিয়ার্স]] || ৫,৫৪১ || ✕
|-
| 49 || [[মেওয়াত]] || ৭১৮ || ✓
|-
| 50 || [[নানাবতী-মেহতা কমিশন]] || ২,৪৪৪ || ✓
|-
| 51 || [[ভারতে ঔষধ শিল্প]] || ১,৯২১ || ✓
|-
| 52 || [[পাঞ্জাব]] || ১,৪০৬ || ✓
|-
| 53 || [[রামনবমী]] || ৮৬২ || ✓
|-
| 54 || [[ভারতের শহরসমূহের নাম পরিবর্তন]] || ৪৪১ || ✓
|-
| 55 || [[নুপুর শর্মা]] || ৬০১ || ✓
|-
| 56 || [[রিপাবলিক টিভি]] || ৪৫৫ || ✓
|-
| 57 || [[রোহিলখণ্ড]] || ৪৪০ || ✓
|-
| 58 || [[রোহিলা]] || ৩৪০ || ✓
|-
| 59 || [[সৌরাষ্ট্র]] || ৬৫৪ || ✓
|-
| 60 || [[ভারতে তিন তালাক]] || ১,১৩৪ || ✓
|-
| 61 || [[ভারতের পবিত্র উপবন]] || ৫৭৫ || ✓
|-
| 62 || [[অভিন্ন দেওয়ানি বিধি]] || ৩,৭৩৭ || ✓
|-
| 63 || [[নবনীত আদিত্য ওয়াইবা]] || ১৯২ || ✓
|-
| 64 || [[ভারতে জল সরবরাহ ও স্যানিটেশন]] || ৭৪০ || ✓
|-
| 65 || [[জমিদার]] || ৩৮১ || ✕
|-
| 66 || [[নিখিল ভারত মুসলিম লীগ]] || ১,৭৩৭ || ✕
|-
| 67 || [[ফতোয়া]] || ৪৮৪ || ✓
|-
| 68 || [[দারা শিকোহ]] || ১,৪৩৫ || ✓
|-
| 69 || [[আমেরিকা নিপাত যাক]] || ৬৩৯ || ✓
|-
| 70 || [[মহা শয়তান]] || ৪১৪ || ✓
|-
| 71 || [[উলামা]] || ৩৪৫ || ✓
|-
| 72 || [[দক্ষিণ এশিয়ায় মুসলিম জাতীয়তাবাদ]] || ১,৫১৬ || ✓
|-
| 73 || [[পার্সি-মুসলিম দাঙ্গা]] || ৬৫৬ || ✓
|-
| 74 || [[ভারতে দাঙ্গা]] || ৬৭৪ || ✓
|-
| 75 || [[ভারতে পেগাসাস প্রকল্পের উদঘাটন]] || ৩৯০ || ✓
|-
| 76 || [[নেহরুবাদ]] || ৯৫২ || ✓
|-
| 77 || [[২জি স্পেকট্রাম মামলা]] || ৯৩৭ || ✓
|-
| 78 || [[রাহুল গান্ধী]] || ৪,০০৪ || ✓
|-
| 79 || [[আকবরউদ্দিন ওয়াইসি]] || ২৯৮ || ✓
|-
| 80 || [[ভারতের সাধারণ নির্বাচন, ২০২৪]] || ২,৫৭৭ || ✓
|-
| 81 || [[ভারতে ধর্মনিরপেক্ষতা]] || ২৩৪ || ✓
|-
| 82 || [[নাইলা আলি খান]] || ২০৪ || ✓
|-
| 83 || [[অরুণ জেটলি]] || ৪৮১ || ✓
|-
| 84 || [[সুকেতু মেহতা]] || ৩৮২ || ✓
|-
| 85 || [[রুক্মিণী মৈত্র]] || ৩৫৪ || ✓
|-
| 86 || [[মানব গুপ্ত]] || ৬৩৪ || ✕
|-
| 87 || [[মোহিনী মোহন ধর]] || ৫৮৫ || ✓
|-
| 88 || [[দিলীপ কুমার চক্রবর্তী]] || ২,৫৯৭ || ✓
|-
| 89 || [[রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ৩৮৩ || ✓
|-
| 90 || [[পিটার অ্যাক্রয়েড]] || ২৯৭ || ✓
|-
| 91 || [[হ্যারল্ড ব্লুম]] || ৫৯৩ || ✓
|-
| 92 || [[জেমস বসওয়েল]] || ১,১৪৯ || ✓
|-
| 93 || [[অলিভার গোল্ডস্মিথ]] || ৩,১৭৮ || ✓
|-
| 94 || [[হেনরি জাইলস]] || ৭৯২ || ✓
|-
| 95 || [[এডউইন হাবেল চ্যাপিন]] || ৭৭০ || ✓
|-
| 96 || [[অবমাননা]] || ৭৮৮ || ✓
|-
| 97 || [[আদালত অবমাননা]] || ৮২৯ || ✓
|-
| 98 || [[আইনপ্রণেতা]] || ৭৪৩ || ✓
|-
| 99 || [[লেই বারডুগো]] || ১২২ || ✓
|-
| 100 || [[উইলিয়াম ব্রেট, ১ম ভিসকাউন্ট এশার]] || ১,০২০ || ✓
|-
| 101 || [[হেনরি হকিন্স, ১ম ব্যারন ব্র্যাম্পটন]] || ৩০৩ || ✓
|-
| 102 || [[জুনিয়াস]] || ১,৪১২ || ✓
|-
| 103 || [[উইলিয়াম মারে, ম্যানসফিল্ডের ১ম আর্ল]] || ৬৪৩ || ✓
|-
| 104 || [[জোসেফ ইয়েটস]] || ৬৬৬ || ✓
|-
| 105 || [[স্যার জন বেইলি, ১ম ব্যারোনেট]] || ৯১৮ || ✓
|-
| 106 || [[হেনরি বিকারস্টথ, ১ম ব্যারন ল্যাংডেল]] || ৪১৫ || ✓
|-
| 107 || [[এডওয়ার্ড ল, ১ম ব্যারন এলেনবরো]] || ৬৭৪ || ✓
|-
| 108 || [[লয়েড কেনিয়ন, ১ম ব্যারন কেনিয়ন]] || ৪,৪০৮ || ✓
|-
| 109 || [[জন হোল্ট]] || ১,১৮৯ || ✓
|-
| 110 || [[চার্লস বোয়েন, ব্যারন বোয়েন]] || ১,০৩৭ || ✓
|-
| 111 || [[চার্লস অ্যাবট, ১ম ব্যারন টেন্টারডেন]] || ৩৪১ || ✓
|-
| 112 || [[ন্যায়বিচার প্রশাসন]] || ২,৮৯৯ || ✓
|-
| 113 || [[আদালত]] || ১,৮১৮ || ✕
|-
| 114 || [[রোজান এ. ব্রাউন]] || ৩৪১ || ✓
|-
| 115 || [[মারিয়ন জিমার ব্র্যাডলি]] || ১,১০৪ || ✓
|-
| 116 || [[টেরি ব্রুকস]] || ৪৮৫ || ✓
|-
| 117 || [[লেই ব্র্যাকেট]] || ১,১১২ || ✓
|-
| 118 || [[জ্যাক ক্যাডি]] || ১,৫৬৮ || ✓
|-
| 119 || [[মেল ব্রুকস]] || ২,০১৬ || ✕
|-
| 120 || [[মাইকেল বিশপ]] || ৯৬০ || ✕
|-
| 121 || [[এলিজাবেথ বেয়ার]] || ৭০৫ || ✓
|-
| 122 || [[মার্গারেট বল]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 123 || [[পাওলো বাসিগালুপি]] || ৬৪৭ || ✓
|-
| 124 || [[কেলি আর্মস্ট্রং]] || ৫৮৫ || ✓
|-
| 125 || [[ক্যাথরিন আসরো]] || ৩৬১ || ✓
|-
| 126 || [[পিয়ার্স অ্যান্থনি]] || ২২৯ || ✓
|-
| 127 || [[রবার্ট আইকম্যান]] || ২৬৮ || ✓
|-
| 128 || [[আইনজীবী]] || ২,৩২৯ || ✓
|-
| 129 || [[আইনসভা]] || ২,৩৪৩ || ✓
|-
| 130 || [[জর্জ বুশনার]] || ৬৬২ || ✓
|-
| 131 || [[জোসেফ গার্নি ক্যানন]] || ৭০৯ || ✓
|-
| 132 || [[সংখ্যাগরিষ্ঠ]] || ১,৩৫৬ || ✓
|-
| 133 || [[সংখ্যালঘু গোষ্ঠী]] || ১,৮৮১ || ✓
|-
| 134 || [[প্রাতিষ্ঠানিক আচরণ]] || ৬৫৬ || ✓
|-
| 135 || [[মানব আচরণ]] || ৮৫২ || ✓
|-
| 136 || [[হার্ভে ম্যানসফিল্ড]] || ৯৭৯ || ✓
|-
| 137 || [[রাষ্ট্রবিজ্ঞান]] || ১,১৩৯ || ✓
|-
| 138 || [[রাজনৈতিক দর্শন]] || ১,২৮৫ || ✓
|-
| 139 || [[দ্বিজেন্দ্র নারায়ণ ঝা]] || ১,০৮৭ || ✓
|-
| 140 || [[আগ্রাসন]] || ৯২০ || ✓
|-
| 141 || [[হিন্দুত্ব]] || ২,৭০০ || ✓
|-
| 142 || [[ফ্লাভিয়া অ্যাগনেস]] || ৬৮২ || ✓
|-
| 143 || [[লাভ জিহাদ ষড়যন্ত্র তত্ত্ব]] || ৩,১৫০ || ✓
|-
| 144 || [[মহাত্মা গান্ধীর হত্যাকাণ্ড]] || ১,৭৭৮ || ✓
|-
| 145 || [[যোগিন্দর সিকান্দ]] || ৮১৪ || ✓
|-
| 146 || [[ভারতে মুসলিমদের বিরুদ্ধে সহিংসতা]] || ৮৫১ || ✓
|-
| 147 || [[জয় শ্রীরাম]] || ৭০৮ || ✓
|-
| 148 || [[লালকৃষ্ণ আডবাণী]] || ১,৫৫৫ || ✓
|-
| 149 || [[রাম রথযাত্রা]] || ১,৫৭৯ || ✓
|-
| 150 || [[হিন্দু আমেরিকান ফাউন্ডেশন]] || ১,৪৫৫ || ✓
|-
| 151 || [[হর্ষ মান্দার]] || ৬৬০ || ✓
|-
| 152 || [[স্বপন দাশগুপ্ত]] || ১,১৬৭ || ✓
|-
| 153 || [[জরাথুস্ট্রবাদ]] || ৩৭৭ || ✓
|-
| 154 || [[পার্সি]] || ৩৯০ || ✓
|-
| 155 || [[নাগরিকত্ব]] || ১,৮৭৯ || ✓
|-
| 156 || [[ভারতের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৭০]] || ৬৭৯ || ✓
|-
| 157 || [[মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন, ১৯৩৯]] || ৭৬৯ || ✓
|-
| 158 || [[অবৈতনিক বাধ্যতামূলক শিশু শিক্ষার অধিকার আইন, ২০০৯]] || ৩৭৯ || ✓
|-
| 159 || [[বোম্বাই দাঙ্গা]] || ৭৭৬ || ✓
|-
| 160 || [[বজরং দল]] || ৩৩১ || ✓
|-
| 161 || [[সংসদীয় ব্যবস্থা]] || ৪০৫ || ✓
|-
| 162 || [[বিচার বিভাগীয় ব্যাখ্যা]] || ১,২৩২ || ✓
|-
| 163 || [[বর্ণবাদ পরবর্তী আমেরিকা]] || ১,০৬৯ || ✓
|-
| 164 || [[শ্বেতাঙ্গ বিশেষাধিকার]] || ৬২৮ || ✓
|-
| 165 || [[বিশেষাধিকার]] || ৭১২ || ✓
|-
| 166 || [[মানবহিতৈষণা]] || ২২৮ || ✓
|-
| 167 || [[ভারত সরকার]] || ১,২২০ || ✓
|-
| 168 || [[শিলং]] || ৯৭৩ || ✓
|-
| 169 || [[মাঝৌলি রাজ]] || ৫৬০ || ✓
|-
| 170 || [[কালিকট]] || ৪৫৪ || ✓
|-
| 171 || [[যাজপুর]] || ৪০৭ || ✓
|-
| 172 || [[কালিবাঙ্গান]] || ৭৩৮ || ✓
|-
| 173 || [[কাডাপা]] || ৪১৩ || ✓
|-
| 174 || [[ইদার]] || ৫৮৬ || ✓
|-
| 175 || [[গোধরা]] || ১,০১০ || ✓
|-
| 176 || [[ভুবনেশ্বর]] || ১,১৬৫ || ✓
|-
| 177 || [[অমৃতসর]] || ৮৬৮ || ✓
|-
| 178 || [[আম্বালা]] || ৪৬১ || ✓
|-
| 179 || [[হায়দ্রাবাদ]] || ৩,২৪৮ || ✓
|-
| 180 || [[২০১৯ হায়দ্রাবাদ গণধর্ষণ]] || ১৭৭ || ✓
|-
| 181 || [[মুহাম্মাদ বখতিয়ার খলজি]] || ৪২৩ || ✕
|-
| 182 || [[হায়দ্রাবাদ অধিগ্রহণ]] || ৪৫৬ || ✓
|-
| 183 || [[১৮৯৯-১৯০০ সালের ভারতীয় দুর্ভিক্ষ]] || ৫৪১ || ✓
|-
| 184 || [[১৯৯০ হায়দ্রাবাদ দাঙ্গা]] || ৪০৬ || ✓
|-
| 185 || [[গুয়াহাটি]] || ১,৭৯৬ || ✓
|-
| 186 || [[গৌড়]] || ১,৯৩৬ || ✓
|-
| 187 || [[বিজাপুর]] || ৬৬২ || ✓
|-
| 188 || [[মাণ্ডু]] || ৩৯৪ || ✓
|-
| 189 || [[খাজুরাহো]] || ৩৭১ || ✓
|-
| 190 || [[চান্দেরী]] || ৫০৭ || ✓
|-
| 191 || [[জুনাগড়]] || ৭১৯ || ✓
|-
| 192 || [[বৃহৎ কচ্ছের রাণ]] || ৫৮৪ || ✓
|-
| 193 || [[আহমেদাবাদ]] || ১,৮১২ || ✓
|-
| 194 || [[কচ্ছ জেলা]] || ৩২৬ || ✓
|-
| 195 || [[দৃশদ্বতী নদী]] || ১৮৬ || ✓
|-
| 196 || [[চেনাব নদী]] || ৩২১ || ✓
|-
| 197 || [[পশ্চিমবঙ্গে ধর্ম]] || ১,২৩২ || ✓
|-
| 198 || [[মুর্শিদাবাদ সহিংসতা]] || ২৫৭ || ✓
|-
| 199 || [[২০২৪ সন্দেশখালী সহিংসতা]] || ১,০৬১ || ✓
|-
| 200 || [[২০২২ বীরভূম সহিংসতা]] || ৫১৪ || ✓
|-
| 201 || [[মৈতৈ জাতি]] || ৫২৭ || ✕
|-
| 202 || [[মৈতৈ সভ্যতা]] || ৩৫০ || ✓
|-
| 203 || [[মণিপুর]] || ৩০৬ || ✕
|-
| 204 || [[লাক্ষাদ্বীপ]] || ৩২৯ || ✓
|-
| 205 || [[বৃন্দাবন]] || ৬৮২ || ✕
|-
| 206 || [[সম্ভল]] || ২৪৩ || ✓
|-
| 207 || [[এলাহাবাদ]] || ৩৫৭ || ✓
|-
| 208 || [[আলিগড়]] || ৪০৯ || ✓
|-
| 209 || [[স্ট্যাচু অব ইউনিটি]] || ২৪১ || ✓
|-
| 210 || [[ভারতের দুর্গ]] || ৩১৪ || ✓
|-
| 211 || [[দ্য দুন স্কুল]] || ৬৬৪ || ✓
|-
| 212 || [[কাশী হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়]] || ৩৪৫ || ✓
|-
| 213 || [[আগ্রা]] || ৭১৮ || ✓
|-
| 214 || [[২০২০ দিল্লি দাঙ্গা]] || ১,১৭৮ || ✓
|-
| 215 || [[তিরুচিরাপল্লী]] || ৬২৬ || ✓
|-
| 216 || [[সেন্ট থমাস ক্যাথেড্রাল ব্যাসিলিকা, চেন্নাই]] || ৩৮০ || ✕
|-
| 217 || [[আতঙ্ক]] || ৪৭৪ || ✕
|-
| 218 || [[ভারতে দুর্নীতি]] || ১,০০৭ || ✓
|-
| 219 || [[তামিলনাড়ুর মন্দির]] || ৯১৮ || ✓
|-
| 220 || [[এম. কে. স্ট্যালিন]] || ৩৩২ || ✓
|-
| 221 || [[তামিলনাড়ু]] || ৫৪৩ || ✓
|-
| 222 || [[তামিলনাড়ুর হিন্দি বিরোধী আন্দোলন]] || ৪৬৫ || ✓
|-
| 223 || [[যোধপুর]] || ৬২৮ || ✓
|-
| 224 || [[রাজস্থান]] || ২৯৪ || ✓
|-
| 225 || [[ওড়িশা]] || ৭৪৫ || ✓
|-
| 226 || [[১৯৯৮ কোয়েম্বাটুর বোমা হামলা]] || ৫৩৭ || ✓
|-
| 227 || [[উত্তর-পূর্ব ভারতে বিদ্রোহ]] || ৩৯৮ || ✓
|-
| 228 || [[মারাদ হত্যাকাণ্ড]] || ৩৫২ || ✓
|-
| 229 || [[মক্কা মসজিদ বিস্ফোরণ]] || ৫৮৪ || ✓
|-
| 230 || [[স্টুডেন্টস ইসলামিক মুভমেন্ট অব ইন্ডিয়া]] || ৩৫৭ || ✓
|-
| 231 || [[বিষ্ণু]] || ৬১৭ || ✓
|-
| 232 || [[২০২৪ রিয়াসি হামলা]] || ৩০২ || ✓
|-
| 233 || [[২০০৬ মালেগাঁও বোমা হামলা]] || ৩৯১ || ✓
|-
| 234 || [[২০০৬ মুম্বই রেলে বোমা হামলা]] || ১৯০ || ✓
|-
| 235 || [[মুম্বই]] || ১,২২৪ || ✓
|-
| 236 || [[দৌলতাবাদ, মহারাষ্ট্র]] || ৮৮৯ || ✕
|-
| 237 || [[মহারাষ্ট্র]] || ৪৯৯ || ✓
|-
| 238 || [[পিনারাই বিজয়ন]] || ৫২৩ || ✓
|-
| 239 || [[আরব দেশ]] || ৯১৪ || ✓
|-
| 240 || [[দক্ষিণ এশিয়া]] || ৫৯৩ || ✓
|-
| 241 || [[শহুরে অবক্ষয়]] || ৩০৮ || ✓
|-
| 242 || [[নগরায়ন]] || ১,০৯৭ || ✓
|-
| 243 || [[কেরল]] || ৩৬৫ || ✓
|-
| 244 || [[জম্মু ও কাশ্মীরে বিদ্রোহ]] || ৪১৮ || ✓
|-
| 245 || [[জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহার]] || ৯৬৪ || ✓
|-
| 246 || [[শ্রীনগর]] || ১,৭২৯ || ✓
|-
| 247 || [[কাশ্মীর উপত্যকা]] || ২৮৪ || ✓
|-
| 248 || [[লাদাখ]] || ৬৯৪ || ✓
|-
| 249 || [[কাশ্মীরি জাতি]] || ৮১৩ || ✓
|-
| 250 || [[তারিখ-ই-কাশ্মীর]] || ৫১৪ || ✓
|-
| 251 || [[কর্ণাটক]] || ৬৮২ || ✓
|-
| 252 || [[কর্ণাটকের রাজনীতি]] || ৪৩৯ || ✓
|-
| 253 || [[বেঙ্গালুরু]] || ৬১৪ || ✓
|-
| 254 || [[আসামে ইসলাম]] || ৬৯০ || ✓
|-
| 255 || [[আসামের ইতিহাস]] || ৭২৬ || ✓
|-
| 256 || [[আসামে হিন্দুধর্ম]] || ৩২৫ || ✓
|-
| 257 || [[ভারতের জনমিতি]] || ৩,৩৭৩ || ✓
|-
| 258 || [[বাংলাদেশের জনমিতি]] || ১,১৯৫ || ✓
|-
| 259 || [[পাকিস্তানের জনমিতি]] || ৮৫০ || ✓
|-
| 260 || [[আসামের জনমিতি]] || ১৮২ || ✓
|-
| 261 || [[বিহার]] || ৪৫৮ || ✓
|-
| 262 || [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] || ১৮১ || ✓
|-
| 263 || [[শাহ বানু মামলা]] || ৭৯৯ || ✕
|-
| 264 || [[ইসরায়েল–ভারত সম্পর্ক]] || ৮৯৭ || ✓
|-
| 265 || [[প্রণব মুখোপাধ্যায়]] || ৫৯৫ || ✓
|-
| 266 || [[দ্রৌপদী মুর্মু]] || ২৪৯ || ✓
|-
| 267 || [[ফখরুদ্দিন আলি আহমেদ]] || ১,৬৪৭ || ✓
|-
| 268 || [[এলজিবিটিকিউ অধিকার বিরোধিতা]] || ২,০৪৯ || ✓
|-
| 269 || [[গেফোবিয়া]] || ২৭৮ || ✓
|-
| 270 || [[সমকামী যৌন চর্চা]] || ৪০৭ || ✓
|-
| 271 || [[উভকামিতা]] || ১,৫৬০ || ✓
|-
| 272 || [[কামিং আউট]] || ৮০৫ || ✓
|-
| 273 || [[স্মৃতি ইরানি]] || ৯৯১ || ✓
|-
| 274 || [[মেনকা গান্ধী]] || ১,২৩০ || ✓
|-
| 275 || [[যশবন্ত সিং]] || ২০৬ || ✓
|-
| 276 || [[সৈয়দ শাহাবুদ্দিন]] || ৫৭৯ || ✓
|-
| 277 || [[শাকিল আহমদ]] || ১২৪ || ✓
|-
| 278 || [[তথাগত রায়]] || ২৭৫ || ✓
|-
| 279 || [[লালুপ্রসাদ যাদব]] || ১,১০৯ || ✓
|-
| 280 || [[আসাদউদ্দিন ওয়াইসি]] || ৪১৩ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২৮০
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ২,৪৮,৫৮৮
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩,০০,৬৫৮
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৪৯,৯৩৭
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch| Oindrojalik Watch]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ভ্রান্ত উদ্ধৃতি]] || ৯,৮৬৯ || ✓
|-
| 2 || [[২০১১ ফিফা মহিলা বিশ্বকাপ]] || ৯৬৩ || ✓
|-
| 3 || [[তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] || ৩,১৭৯ || ✓
|-
| 4 || [[আফগান যুদ্ধ]] || ৪,৬২০ || ✓
|-
| 5 || [[ইউক্রেনে রুশ আক্রমণ]] || ১২,৩৮২ || ✓
|-
| 6 || [[ইরাক যুদ্ধ]] || ১২,৩৪৪ || ✓
|-
| 7 || [[যুক্তরাজ্যের তৃতীয় জর্জ]] || ১২,০৪২ || ✓
|-
| 8 || [[২০১০ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৮৮৩ || ✓
|-
| 9 || [[২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৩,৫১৪ || ✓
|-
| 10 || [[২০০২ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৬১১ || ✓
|-
| 11 || [[ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ]] || ১,৫৪২ || ✓
|-
| 12 || [[স্নায়ুযুদ্ধ]] || ১৫,৬১০ || ✓
|-
| 13 || [[দ্বিতীয় স্নায়ুযুদ্ধ]] || ৪,৬৬৮ || ✓
|-
| 14 || [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] || ২৪,১৭৭ || ✓
|-
| 15 || [[মহত্ত্ব]] || ৭,৮১৪ || ✓
|-
| 16 || [[সাংবাদিকতা]] || ১৩,৪৭৭ || ✓
|-
| 17 || [[প্যানডিজম]] || ১০,৩০০ || ✓
|-
| 18 || [[গাজা যুদ্ধ]] || ১৬,৯৮২ || ✓
|-
| 19 || [[২০২৬ ইরান যুদ্ধ]] || ৬,৯৮১ || ✓
|-
| 20 || [[পারমাণবিক অস্ত্র]] || ৩,২৩৩ || ✓
|-
| 21 || [[২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৬৪৩ || ✓
|-
| 22 || [[ক্রুসেড]] || ৯৯৬ || ✓
|-
| 23 || [[অ্যানিমেশন]] || ৯,৪৫৭ || ✓
|-
| 24 || [[দক্ষিণ কোরিয়ার রাজনীতি]] || ৭৫৫ || ✓
|-
| 25 || [[ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ]] || ৩,৭৬৩ || ✓
|-
| 26 || [[পারমাণবিক যুদ্ধ]] || ৫,৫২০ || ✓
|-
| 27 || [[আল খোয়ারিজমি]] || ১,২৩০ || ✓
|-
| 28 || [[ফজলে রাব্বী]] || ৬৩৫ || ✓
|-
| 29 || [[ডেভিড হিউম]] || ১১,৭৮০ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২৯
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১,৯০,১০১
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১,৯৯,৯৭০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:NusJaS| NusJaS]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[লিটিশা এলিজাবেথ ল্যান্ডন]] || ২৫,৯৭৯ || ✓
|-
| 2 || [[প্রজননবিরোধবাদ]] || ৩০,৯৭০ || ✓
|-
| 3 || [[উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন]] || ২৮,৬১৯ || ✓
|-
| 4 || [[ক্রিস্টোফার হিচেন্স]] || ২৫,৯২২ || ✓
|-
| 5 || [[বলপূর্বক খাওয়ানো]] || ২২,৬২২ || ✓
|-
| 6 || [[জন স্টুয়ার্ট মিল]] || ২২,৭৮৩ || ✓
|-
| 7 || [[রবার্ট গ্যাসকয়েন-সিসিল, স্যালিসবারির ৩য় মার্কুইস]] || ২০,৮৯৮ || ✓
|-
| 8 || [[অ্যারন রা]] || ২১,৯৫৫ || ✓
|-
| 9 || [[ফায়ারপ্লেস]] || ২১,৪১৭ || ✓
|-
| 10 || [[জন হার্ভে কেলোগ]] || ৩০,৭৪৮ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১০
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১,৬৬,৩৪৫
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২,৫১,৯১৩
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:SMontaha32| SMontaha32]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনী]] || ১৯,১০০ || ✕
|-
| 2 || [[ভাকলাভ হাভেল]] || ৯,৩৫৭ || ✓
|-
| 3 || [[নরউইচের জুলিয়ান]] || ৩১,৬৩৩ || ✕
|-
| 4 || [[রামসে ম্যাকডোনাল্ড]] || ৯,৬২২ || ✓
|-
| 5 || [[জন মুয়ির]] || ৮,০৬১ || ✓
|-
| 6 || [[মার্গারেট অ্যাটউড]] || ৬,৩২৮ || ✓
|-
| 7 || [[পেত্র ক্রাপোতকিন]] || ১০,৮১৬ || ✕
|-
| 8 || [[টমাস হেনরি হাক্সলি]] || ৮,৫০৩ || ✓
|-
| 9 || [[উইলিয়াম বাটলার ইয়েটস]] || ৭,২১০ || ✓
|-
| 10 || [[উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস]] || ৪,২৬০ || ✓
|-
| 11 || [[তাওয়াক্কোল কারমান]] || ৪,০৯৭ || ✓
|-
| 12 || [[র্যাচেল কারসন]] || ৪,৭৬৭ || ✓
|-
| 13 || [[আর্নেস্ট হেমিংওয়ে]] || ১৪,৯০৭ || ✓
|-
| 14 || [[আর্থার এডিংটন]] || ৫,৬৩৭ || ✓
|-
| 15 || [[এরিক হবসবাউম]] || ৫,৮৭৩ || ✓
|-
| 16 || [[টনি মরিসন]] || ১০,৩৮৩ || ✓
|-
| 17 || [[টনি বেন]] || ১০,৩৯৯ || ✕
|-
| 18 || [[নরম্যান মেইলার]] || ৬,৬০৬ || ✓
|-
| 19 || [[পল স্যামুয়েলসন]] || ৬,৮৫১ || ✓
|-
| 20 || [[এইচ. পি. লাভক্র্যাফট]] || ২৫,৪৭২ || ✓
|-
| 21 || [[ব্লেজ পাসকাল]] || ৩,০৫১ || ✓
|-
| 22 || [[চিনুয়া আচেবে]] || ৬,০৪২ || ✓
|-
| 23 || [[ডরিস লেসিং]] || ৪,৬২১ || ✓
|-
| 24 || [[ফেদেরিকো ফাগিন]] || ৬০০ || ✓
|-
| 25 || [[আলেকজান্ডার গ্রোথেনডিক]] || ১,২১১ || ✓
|-
| 26 || [[আঙ্গেলা ম্যার্কেল]] || ২,০২৯ || ✓
|-
| 27 || [[আনাক্সাগোরাস]] || ৩,৬৭১ || ✓
|-
| 28 || [[আমোস তভারস্কি]] || ৪৬১ || ✓
|-
| 29 || [[আলফ্রেড মার্শাল]] || ১,৩০৯ || ✓
|-
| 30 || [[আলবার্টাস ম্যাগনাস]] || ৩৮২ || ✓
|-
| 31 || [[অনিতা ব্রুকনার]] || ৪৭৪ || ✕
|-
| 32 || [[আলফ্রেড কিনসে]] || ১,০৩৩ || ✓
|-
| 33 || [[অ্যালান কে]] || ৯২৪ || ✓
|-
| 34 || [[আলেকজান্ডার ফ্লেমিং]] || ৩৩২ || ✓
|-
| 35 || [[ক্যারোলিন বার্তোজি]] || ৪১১ || ✓
|-
| 36 || [[আলফ্রেড রাসেল ওয়ালেস]] || ১,৬৫৯ || ✓
|-
| 37 || [[অঁতোয়ান লাভোয়াজিয়ে]] || ১,৪৩৬ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৩৭
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১,৬৫,৬৭০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২,৩৯,৫২৮
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৭৩,৮৫৮
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023| Sumanta3023]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[লিওনিদ ক্যান্টোরোভিচ]] || ১,৪২২ || ✓
|-
| 2 || [[থিওডোসিয়াস ডবঝানস্কি]] || ৭৬০ || ✕
|-
| 3 || [[টেরেন্স টাও]] || ৭২০ || ✓
|-
| 4 || [[ফিলিপ]] || ৪২৬ || ✓
|-
| 5 || [[জুলিয়ান শুইঙার]] || ১,৩২২ || ✕
|-
| 6 || [[পিয়ের-জিল দ্য জেন]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 7 || [[ব্রায়ান কক্স]] || ৭৫৬ || ✓
|-
| 8 || [[জন ম্যাককার্থি]] || ১,০৪৫ || ✓
|-
| 9 || [[লুই দ্য ব্রোয়ি]] || ৪৬০ || ✓
|-
| 10 || [[ফ্রঁসোয়া মিতেরঁ]] || ১,১৯৪ || ✕
|-
| 11 || [[ফ্লিন্ডার্স পেট্রি]] || ১,২০৪ || ✕
|-
| 12 || [[পল আর. এহর্লিচ]] || ১,৩০০ || ✓
|-
| 13 || [[মাইকেল আতিয়াহ]] || ৪২৩ || ✓
|-
| 14 || [[মার্টন মিলার]] || ৪৮২ || ✓
|-
| 15 || [[মেরি বিয়ার্ড]] || ৯১১ || ✓
|-
| 16 || [[মার্গারেট চ্যান]] || ৭০৪ || ✓
|-
| 17 || [[গেরহার্ড শ্রোডার]] || ২৬৯ || ✓
|-
| 18 || [[ফিলিপ ওয়ারেন অ্যান্ডারসন]] || ৭৯৯ || ✓
|-
| 19 || [[পিটার হিগস]] || ৪৭৪ || ✕
|-
| 20 || [[লিওনার্ড সাসকিন্ড]] || ৮২৫ || ✓
|-
| 21 || [[জন মেইনার্ড স্মিথ]] || ৬৪০ || ✓
|-
| 22 || [[জন জেমস অডুবন]] || ৮৩৭ || ✓
|-
| 23 || [[শেলডন লি গ্ল্যাশো]] || ৭৫১ || ✓
|-
| 24 || [[ভিক্টর উইসকফ]] || ৫১৯ || ✓
|-
| 25 || [[মার্টিন রিস]] || ৫৫১ || ✓
|-
| 26 || [[মার্ক ওলিফ্যান্ট]] || ৫৫৩ || ✓
|-
| 27 || [[ভিতালি গিঞ্জবার্গ]] || ৩০৮ || ✓
|-
| 28 || [[স্যালি রাইড]] || ৪২৫ || ✓
|-
| 29 || [[রবার্ট ফোগেল]] || ৪২৮ || ✓
|-
| 30 || [[রিঙ্গো স্টার]] || ৮৭০ || ✓
|-
| 31 || [[মাক্স ডেলব্রুক]] || ৫৭৫ || ✓
|-
| 32 || [[তৃতীয় লেওপোল্ড]] || ৮৩৭ || ✓
|-
| 33 || [[নরম্যান বোরল্যাগ]] || ৭০০ || ✓
|-
| 34 || [[নিকলাউস ভির্ট]] || ৪৭৯ || ✓
|-
| 35 || [[নিকোলাস স্টেনো]] || ২৯২ || ✓
|-
| 36 || [[নেভিল ফ্রান্সিস মট]] || ৫১১ || ✓
|-
| 37 || [[লুডউইক ফ্লেক]] || ৫১২ || ✓
|-
| 38 || [[কারেন উলেনবেক]] || ৩৯২ || ✓
|-
| 39 || [[ইয়োসেফ মেংগেলে]] || ৫৪৪ || ✓
|-
| 40 || [[কিরণ দেশাই]] || ২৬১ || ✓
|-
| 41 || [[কাতালিন কারিকো]] || ৩০৯ || ✓
|-
| 42 || [[ইয়োন্স ইয়াকব বের্সেলিয়ুস]] || ৫১৬ || ✓
|-
| 43 || [[হুয়ান মালদাসেনা]] || ৭৩২ || ✓
|-
| 44 || [[হাইনরিখ বোল]] || ৩০০ || ✓
|-
| 45 || [[ইনগ্রিড ডোবিচি]] || ৬৭১ || ✓
|-
| 46 || [[ইয়ান উইলমুট]] || ৪২৭ || ✓
|-
| 47 || [[হিউ এভারেট]] || ৬০০ || ✓
|-
| 48 || [[ফ্রঁসোয়া অংল্যার]] || ৫৩৩ || ✓
|-
| 49 || [[এমানুয়েল সোয়েডেনবার্গ]] || ১,৫২২ || ✓
|-
| 50 || [[এলিজাবেথ বিশপ]] || ৬৫২ || ✓
|-
| 51 || [[শেখ আন্তা দিওপ]] || ৩৩৫ || ✓
|-
| 52 || [[জর্জ গ্যামো]] || ১,৫২১ || ✓
|-
| 53 || [[হাইনরিখ হের্ত্স]] || ১,৭৪৪ || ✓
|-
| 54 || [[গ্রো হারলেম ব্রুন্ডটল্যান্ড]] || ৩১১ || ✓
|-
| 55 || [[জন সি. মাদার]] || ৪২৫ || ✓
|-
| 56 || [[জন ব্যাকাস]] || ৫৯৭ || ✓
|-
| 57 || [[এর্নস্ট মায়ার]] || ৭৫৪ || ✓
|-
| 58 || [[লিন মার্গুলিস]] || ১,৭১৮ || ✓
|-
| 59 || [[হ্যান্স বেটে]] || ৩৯৬ || ✓
|-
| 60 || [[লুই আগাসিজ]] || ৯৩৭ || ✓
|-
| 61 || [[জর্জ ক্যুভিয়ে]] || ৭৬৮ || ✓
|-
| 62 || [[ব্রাসেলস]] || ৯৬৭ || ✓
|-
| 63 || [[ড্যানিয়েল কানেমান]] || ২,৯৫৭ || ✕
|-
| 64 || [[ডোনাল্ড কানুথ]] || ১,৫৮২ || ✓
|-
| 65 || [[লেমাহ গবোউই]] || ১,১৫০ || ✓
|-
| 66 || [[গারট্রুড বি. এলিয়ন]] || ২৩৪ || ✓
|-
| 67 || [[ডোনা স্ট্রিকল্যান্ড]] || ৩৫৯ || ✓
|-
| 68 || [[এর্নস্ট মাখ]] || ২,০২৮ || ✕
|-
| 69 || [[ডোনাল্ড টাস্ক]] || ১,৭৭১ || ✓
|-
| 70 || [[অরবিন্দ আদিগা]] || ৮৬৬ || ✓
|-
| 71 || [[সি. এ. আর. হোর]] || ১,০৬১ || ✕
|-
| 72 || [[পল ডিরাক]] || ৪,৭০৯ || ✕
|-
| 73 || [[ই. ও. উইলসন]] || ৪,৪৫৮ || ✕
|-
| 74 || [[ডেসমন্ড মরিস]] || ৩,৯৮৬ || ✓
|-
| 75 || [[মাইকেল গোভ]] || ৩,৭৩৬ || ✓
|-
| 76 || [[হার্পার লি]] || ২,৪৯১ || ✓
|-
| 77 || [[কেন টম্পসন]] || ১,৮১৬ || ✓
|-
| 78 || [[জন টিন্ডাল]] || ২,৫২৮ || ✓
|-
| 79 || [[মেরি রবিনসন]] || ১,৩৭৬ || ✓
|-
| 80 || [[হেনরি ক্যাভেন্ডিশ]] || ২,২৪৪ || ✓
|-
| 81 || [[আইরিস মারডক]] || ১,২৬৮ || ✓
|-
| 82 || [[আর্নেস্ট রাদারফোর্ড]] || ২,৪৫৩ || ✓
|-
| 83 || [[ফ্রেড ব্রুকস]] || ১,১৯১ || ✓
|-
| 84 || [[ক্রিস্টিয়ান হাইগেনস]] || ১,৯০৭ || ✓
|-
| 85 || [[ডায়ান ফসি]] || ১,৬৪৬ || ✕
|-
| 86 || [[ইডিথ হোয়ার্টন]] || ১,৪২৫ || ✓
|-
| 87 || [[অরেল স্টেইন]] || ১,৪৭৮ || ✕
|-
| 88 || [[গাব্রিয়েলা মিস্ত্রাল]] || ১,৬৫০ || ✓
|-
| 89 || [[আলেকজান্ডার ফন হুমবোল্ট]] || ১,১২০ || ✓
|-
| 90 || [[ফ্রান্সিস্কো ভারেলা]] || ১,৮৯৩ || ✓
|-
| 91 || [[ডেনিস রিচি]] || ১,১০৮ || ✓
|-
| 92 || [[অড্রে হেপবার্ন]] || ১,৪৩৫ || ✓
|-
| 93 || [[জি. এইচ. হার্ডি]] || ২,৩৩০ || ✓
|-
| 94 || [[হ্যারল্ড পিন্টার]] || ২,০৭২ || ✓
|-
| 95 || [[অ্যানাক্সিম্যান্ডার]] || ১,৩০০ || ✓
|-
| 96 || [[ডেভিড ব্রুস্টার]] || ২,৪০৪ || ✓
|-
| 97 || [[ব্রায়ান গ্রিন]] || ১,২৭৯ || ✕
|-
| 98 || [[অমিত গোস্বামী]] || ৯১৫ || ✓
|-
| 99 || [[এডমন্ড হ্যালি]] || ২,৬১৯ || ✓
|-
| 100 || [[ডেভিড সুজুকি]] || ১,৫১৭ || ✓
|-
| 101 || [[ডেভিড জোনাথন গ্রোস]] || ৮০৯ || ✓
|-
| 102 || [[ডেভিড ম্যামেট]] || ১,২৫২ || ✓
|-
| 103 || [[আহমেদ জেওয়াইল]] || ১৯২ || ✓
|-
| 104 || [[ইউরোপীয় পার্লামেন্ট]] || ৬১৫ || ✓
|-
| 105 || [[ডেভিড গ্রসম্যান]] || ৩৩৬ || ✓
|-
| 106 || [[হরিশ-চন্দ্র]] || ২৮৪ || ✓
|-
| 107 || [[অনিতা দেসাই]] || ১,৪৩৯ || ✓
|-
| 108 || [[অ্যাশ কার্টার]] || ৪৬৩ || ✓
|-
| 109 || [[আলফ্রেড নোবেল]] || ৫০৯ || ✕
|-
| 110 || [[ক্রিস্টিয়ান বার্নার্ড]] || ৬৩৯ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১১০
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৯৭,৪২১
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১,২২,৫০০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২৫,০৭৯
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Anik Kanti Dey| Anik Kanti Dey]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[রেজা পাহলভি]] || ৯,৯১০ || ✓
|-
| 2 || [[রজার ইবার্ট]] || ২১,৩২৫ || ✓
|-
| 3 || [[পুনর্জন্ম]] || ২০,২৪৮ || ✓
|-
| 4 || [[জ্যারেড ডায়মন্ড]] || ১,১৬৮ || ✕
|-
| 5 || [[জেন গুডাল]] || ১,৩৫৭ || ✓
|-
| 6 || [[জেমস টোবিন]] || ১,০৫৯ || ✓
|-
| 7 || [[জেমস ক্যালাহান]] || ১,৬১৫ || ✓
|-
| 8 || [[উইলিয়াম স্ট্যানলি জেভন্স]] || ১,৭০১ || ✓
|-
| 9 || [[উইলিয়াম থমসন]] || ১,০৫১ || ✓
|-
| 10 || [[ওলে সোয়িংকা]] || ৩,১৬১ || ✕
|-
| 11 || [[জোসেফ স্টিগলিটজ]] || ১,৫০৪ || ✕
|-
| 12 || [[গ্রেগর মেন্ডেল]] || ৮৭৪ || ✓
|-
| 13 || [[গটফ্রিড ভিলহেল্ম লাইবনিৎস]] || ১,২৩৬ || ✓
|-
| 14 || [[গ্লেন থিওডোর সিবর্গ]] || ৯৮৪ || ✓
|-
| 15 || [[হেরমান ভাইল]] || ১,৫৪১ || ✓
|-
| 16 || [[হেরমান হেস]] || ৪,৫৬৫ || ✓
|-
| 17 || [[হার্বার্ট স্পেন্সার]] || ২,৩৬৮ || ✓
|-
| 18 || [[হার্বার্ট এ. সাইমন]] || ১,৩৩৭ || ✓
|-
| 19 || [[হেরাক্লিটাস]] || ১,৫৭০ || ✓
|-
| 20 || [[হেনরিক শিয়েনকিয়েভিচ]] || ১,৯১১ || ✕
|-
| 21 || [[উইলা ক্যাথার]] || ৩,০৩৩ || ✕
|-
| 22 || [[উইল ডুরান্ট]] || ২,৮১৫ || ✓
|-
| 23 || [[ডব্লিউ. এইচ. অডেন]] || ২,৮১৯ || ✓
|-
| 24 || [[ভোলফগাং পাউলি]] || ১,৬৩৯ || ✓
|-
| 25 || [[ইয়াসুনারি কাওয়াবাতা]] || ২,২৫৮ || ✓
|-
| 26 || [[জন আর্চিবল্ড হুইলার]] || ১,১৩৯ || ✓
|-
| 27 || [[সেমুর হার্শ]] || ১,৭৬১ || ✓
|-
| 28 || [[সের্গেই কোরোলিয়ভ]] || ৫৬৫ || ✓
|-
| 29 || [[জেন অ্যাডামস]] || ১,৯০৬ || ✓
|-
| 30 || [[জাক-ইভ কুস্তো]] || ৬৬৩ || ✓
|-
| 31 || [[হিদেকি ইউকাওয়া]] || ৪০৩ || ✓
|-
| 32 || [[প্রিমো লেভি]] || ৪,২৩৮ || ✓
|-
| 33 || [[ঝুম্পা লাহিড়ী]] || ৪৩০ || ✓
|-
| 34 || [[জেমস প্রেসকট জুল]] || ৪৮৭ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৩৪
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৯৩,৮৬৪
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১,০৪,৬৪১
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ১০,৭৭৭
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman| Tanbiruzzaman]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা]] || ৪,৮৫১ || ✓
|-
| 2 || [[সংবাদ মাধ্যম]] || ১,১৫৫ || ✓
|-
| 3 || [[গণমাধ্যম]] || ৩,৩৫৭ || ✓
|-
| 4 || [[মূলধারার গণমাধ্যম]] || ১,০৫২ || ✓
|-
| 5 || [[হলুদ সাংবাদিকতা]] || ২,২৯৬ || ✓
|-
| 6 || [[ভুয়া সংবাদ]] || ১,৪০৮ || ✓
|-
| 7 || [[বিকল্প প্রচারমাধ্যম]] || ১,২০৫ || ✓
|-
| 8 || [[জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ]] || ১১,২৬৬ || ✓
|-
| 9 || [[অ্যানোনিমাস]] || ৪,০৪৩ || ✓
|-
| 10 || [[টুপাক শাকুর]] || ৬,২৮৭ || ✓
|-
| 11 || [[জেনডেয়া]] || ২,০১৪ || ✓
|-
| 12 || [[টিমথি শালামে]] || ১,১২৭ || ✓
|-
| 13 || [[হিপোক্রেটিস]] || ২,৯২৩ || ✓
|-
| 14 || [[ষষ্ঠ মুহাম্মদ]] || ৮৭৮ || ✓
|-
| 15 || [[জন লেনক্স]] || ৭০২ || ✓
|-
| 16 || [[আলেক্সান্দ্র্ সলজেনিৎসিন]] || ৮,০৫৬ || ✓
|-
| 17 || [[আবদুল হান্নান মাসউদ]] || ৪০৭ || ✓
|-
| 18 || [[পরকাল সম্পর্কে কুরআন]] || ১৮,৭৯৪ || ✓
|-
| 19 || [[মানবতাবিরোধী অপরাধ]] || ১,৯১২ || ✓
|-
| 20 || [[আন্তর্জাতিক আইন]] || ৫,৫৩৯ || ✓
|-
| 21 || [[মোহাম্মদ জাওয়াদ জারিফ]] || ১,৪৫২ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৮০,৭২৪
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৮০,৭২৪
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Nil Nandy| Nil Nandy]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[অনিল ভৌমিক]] || ২১৬ || ✓
|-
| 2 || [[মনোজ মিত্র]] || ৫,৫৬৭ || ✓
|-
| 3 || [[নারায়ণ সান্যাল]] || ৩৬৬ || ✓
|-
| 4 || [[মতি নন্দী]] || ৫,০১৮ || ✓
|-
| 5 || [[দেবেশ রায়]] || ৯,২৪৪ || ✓
|-
| 6 || [[শিশিরকুমার বসু]] || ৪,৮০৭ || ✓
|-
| 7 || [[বিমল কর]] || ১,৩৬৯ || ✓
|-
| 8 || [[সুবোধ সরকার]] || ১,৮৪৮ || ✓
|-
| 9 || [[স্মরণজিৎ চক্রবর্তী]] || ৭৯২ || ✓
|-
| 10 || [[স্বামী সারদানন্দ]] || ৮,৬৯৫ || ✓
|-
| 11 || [[শক্তিপদ রাজগুরু]] || ৯৯৩ || ✓
|-
| 12 || [[কমলকুমার মজুমদার]] || ১,৫৭৩ || ✓
|-
| 13 || [[গৌতম ভদ্র]] || ৬৮৫ || ✓
|-
| 14 || [[পরিমল গোস্বামী]] || ৬,৫৫০ || ✓
|-
| 15 || [[প্রেমাঙ্কুর আতর্থী]] || ৫,৬৯৮ || ✓
|-
| 16 || [[কালীপ্রসন্ন সিংহ]] || ৫,৪০৪ || ✓
|-
| 17 || [[অখিল নিয়োগী]] || ৬৩৬ || ✓
|-
| 18 || [[হরপ্রসাদ শাস্ত্রী]] || ৫১৩ || ✓
|-
| 19 || [[গায়ত্রী চক্রবর্তী স্পিভাক]] || ৫৯২ || ✓
|-
| 20 || [[অজিত দত্ত]] || ৮৭০ || ✓
|-
| 21 || [[অজিতকৃষ্ণ বসু]] || ২,৩৮৬ || ✓
|-
| 22 || [[এম এস স্বামীনাথন]] || ৮৭২ || ✓
|-
| 23 || [[চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন]] || ২,১৭১ || ✓
|-
| 24 || [[চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও]] || ২,১৬৭ || ✓
|-
| 25 || [[কণাদ]] || ৯১৯ || ✓
|-
| 26 || [[জয়ন্ত বিষ্ণু নারলিকর]] || ৩,১৮৭ || ✓
|-
| 27 || [[বিক্রম সারাভাই]] || ১,১২৯ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২৭
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৭৪,২৬৭
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৭৪,২৬৭
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:R1F4T| R1F4T]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[আর্নেস্ট কিং]] || ১৫,৭৬৯ || ✕
|-
| 2 || [[ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট]] || ২৬,২১৫ || ✓
|-
| 3 || [[আনোয়ার ইব্রাহিম]] || ৬,৯৯৩ || ✓
|-
| 4 || [[ইসলাম ও যুদ্ধ]] || ৫,৬৮১ || ✓
|-
| 5 || [[আহমদ সিরহিন্দি]] || ৪,০৭০ || ✓
|-
| 6 || [[মুসা সেরান্তোনিও]] || ৪২৩ || ✓
|-
| 7 || [[ইয়াকুব]] || ১,৯৫৬ || ✓
|-
| 8 || [[আদ্রিয়ান গোল্ডসওয়ার্দি]] || ১,৯৭৯ || ✕
|-
| 9 || [[অ্যালিস পল]] || ১,৮৬২ || ✕
|-
| 10 || [[অ্যামি ট্যান]] || ২,০০৭ || ✕
|-
| 11 || [[অ্যান্ড্রু সেগা]] || ১,৯৬৯ || ✓
|-
| 12 || [[আল্যাঁ বাদিউ]] || ১,৯৬৬ || ✕
|-
| 13 || [[আফ্রিকান স্পির]] || ১,৭২২ || ✕
|-
| 14 || [[ফ্রেডরিক ডগলাস]] || ৮৬২ || ✕
|-
| 15 || [[নবী]] || ২,০৬২ || ✕
|-
| 16 || [[এমা গোল্ডম্যান]] || ১২,৮০০ || ✕
|-
| 17 || [[প্রেম সম্পর্কে ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি]] || ১৫,০৪০ || ✓
|-
| 18 || [[মিস্ট্রি সায়েন্স থিয়েটার ৩০০০]] || ৯৪,৯৬৮ || ✕
|-
| 19 || [[দ্য থিক অফ ইট]] || ৬৯,২৮৩ || ✕
|-
| 20 || [[অ্যালেক্স হেইলি]] || ১,৬০৪ || ✓
|-
| 21 || [[দাসত্ব সম্পর্কে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি]] || ৫,৭৮৫ || ✕
|-
| 22 || [[দাসত্ব]] || ১০,২৫৯ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২২
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৬৩,৯৫১
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২,৮৫,২৭৫
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২,২১,৩২৪
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Salil Kumar Mukherjee| Salil Kumar Mukherjee]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[যন্ত্র]] || ৭১৩ || ✓
|-
| 2 || [[বিচারক]] || ৯৫২ || ✓
|-
| 3 || [[রুটি]] || ১,০৯৭ || ✓
|-
| 4 || [[খড়]] || ৯৩২ || ✓
|-
| 5 || [[মন্মথমোহন বসু]] || ৯৬৩ || ✕
|-
| 6 || [[কালীপ্রসন্ন বিদ্যারত্ন]] || ৮২৫ || ✓
|-
| 7 || [[কলসী]] || ১,০৮৬ || ✓
|-
| 8 || [[চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ১,১৫৭ || ✓
|-
| 9 || [[শহর]] || ১,৪৫৮ || ✕
|-
| 10 || [[ঘাস]] || ২,১১২ || ✓
|-
| 11 || [[জলধর সেন]] || ১,৭৬৪ || ✓
|-
| 12 || [[ঠিকানা]] || ১,১৮৭ || ✓
|-
| 13 || [[গন্ধ]] || ১,৮০৭ || ✓
|-
| 14 || [[চা]] || ২,৪২৪ || ✓
|-
| 15 || [[রবীন্দ্রনাথ মৈত্র]] || ১,২৮১ || ✓
|-
| 16 || [[দিগন্ত]] || ১,২২৮ || ✓
|-
| 17 || [[ময়ূর]] || ১,৩৪৫ || ✓
|-
| 18 || [[করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ৯১১ || ✓
|-
| 19 || [[ঢেউ]] || ১,৫৩৯ || ✓
|-
| 20 || [[ছাতা]] || ১,১৮৯ || ✓
|-
| 21 || [[উমাকান্ত হাজারী]] || ৯৪২ || ✓
|-
| 22 || [[ঘৃণা]] || ২,৩৩৯ || ✓
|-
| 23 || [[বাঁশ]] || ২,৪৫৯ || ✕
|-
| 24 || [[কলেরা]] || ১,৬৩৮ || ✓
|-
| 25 || [[মাঠ]] || ২,৪৪৭ || ✓
|-
| 26 || [[টিন]] || ১,৯৩২ || ✕
|-
| 27 || [[সংবাদ]] || ৪,৪৭৯ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২৭
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৩০,৯১৫
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৪২,২০৬
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ১১,২৯১
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul| Anaf Ibn Shahibul]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[জন বারবার]] || ৫৭৪ || ✕
|-
| 2 || [[স্কটিশ জাতি]] || ৩৭৫ || ✓
|-
| 3 || [[ওয়েন্ডি বোম্যান]] || ১৫১ || ✕
|-
| 4 || [[যুদ্ধাপরাধ]] || ৪,৬৭৯ || ✕
|-
| 5 || [[রুবি]] || ৩৬৩ || ✓
|-
| 6 || [[রিতা এনজেলু]] || ১৫৯ || ✓
|-
| 7 || [[বমি]] || ২০৪ || ✓
|-
| 8 || [[পার্ল]] || ৬৯০ || ✕
|-
| 9 || [[পাইথন]] || ১৩৯ || ✓
|-
| 10 || [[উইকিলিকস]] || ১,৬৩১ || ✕
|-
| 11 || [[জনস্টন ম্যাককালি]] || ৩১১ || ✕
|-
| 12 || [[যুগোস্লাভিয়া]] || ৪,১৩৬ || ✓
|-
| 13 || [[অংশুমান কর]] || ২০৯ || ✓
|-
| 14 || [[কেমব্রিজ গান]] || ৩০৫ || ✕
|-
| 15 || [[হেলেনীয় শিক্ষা]] || ৫০২ || ✓
|-
| 16 || [[টমাস হলি চিভার্স]] || ২৩৫ || ✓
|-
| 17 || [[মুহাম্মদ মাহদি আল-জাওয়াহিরি]] || ৬৩৮ || ✓
|-
| 18 || [[জেডি স্মিথ]] || ১,০৮০ || ✓
|-
| 19 || [[ব্রায়ান পি. শ্মিট]] || ৪৬০ || ✓
|-
| 20 || [[কার্ল বার্নস্টিন]] || ৩৬৮ || ✓
|-
| 21 || [[চার্লস ফেফারম্যান]] || ৩৩৯ || ✓
|-
| 22 || [[ইয়ুস্টুস ফন লিবিগ]] || ৩৩২ || ✓
|-
| 23 || [[টমাস শেলিংস]] || ৬৭৪ || ✓
|-
| 24 || [[উইলিয়াম শকলি]] || ৩৯১ || ✓
|-
| 25 || [[শিং-শেন চের্ন]] || ৭৬৫ || ✕
|-
| 26 || [[হুগো দ্য ভ্রিস]] || ৩৪৪ || ✓
|-
| 27 || [[রবার্ট অ্যান্ড্রুজ মিলিকান]] || ৪৩৬ || ✓
|-
| 28 || [[জেমস ভ্যান অ্যালেন]] || ৫৯৬ || ✓
|-
| 29 || [[জাক শিরাক]] || ৭১১ || ✓
|-
| 30 || [[ডরোথি হজকিন]] || ২৯৪ || ✓
|-
| 31 || [[গোরান পারসন]] || ৩২৬ || ✓
|-
| 32 || [[জেরার দ্যব্রু]] || ১৮৬ || ✓
|-
| 33 || [[কোরীয় যুদ্ধ]] || ৯,৯৬৫ || ✕
|-
| 34 || [[রবার্ট জে. শিলার]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 35 || [[ফ্রঁসোয়া আরাগন]] || ৪৩৫ || ✓
|-
| 36 || [[অখিলচন্দ্র দত্ত]] || ৩৭৩ || ✕
|-
| 37 || [[ফ্রান্সিস কলিন্স]] || ৫৮৮ || ✓
|-
| 38 || [[হেলেন ক্লার্ক]] || ৩৭৪ || ✓
|-
| 39 || [[লেয়োঁ ফুকো]] || ৫৩২ || ✓
|-
| 40 || [[জন চার্লস পোলানি]] || ৩৭৪ || ✓
|-
| 41 || [[জন মেইনার্ড কেইনস]] || ১৭,৭৯১ || ✕
|-
| 42 || [[দিমিত্রি মুরাতভ]] || ৬৩৬ || ✓
|-
| 43 || [[আবদুস সালাম]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 44 || [[আবদুলরাজাক গুরনাহ]] || ৭৪৯ || ✓
|-
| 45 || [[এ. সি. বেনসন]] || ৩৮৩ || ✓
|-
| 46 || [[প্রথম আলবার্ট]] || ৮৬৪ || ✓
|-
| 47 || [[অম্লান দত্ত]] || ১৪৬ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৪৭
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১৯,৩৪৬
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৫৬,৫৮১
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৩৭,২৩৫
|}
=== [[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন| মোহাম্মদ জনি হোসেন]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ইয়ান মার্টেল]] || ১,১৩৩ || ✕
|-
| 2 || [[ইয়োইচিরো নাম্বু]] || ৪৩১ || ✕
|-
| 3 || [[সৈয়দ জামিল আহমেদ]] || ২০৩ || ✓
|-
| 4 || [[পূর্ণিমা]] || ১৯২ || ✓
|-
| 5 || [[শরিফুল রাজ]] || ১৮৬ || ✓
|-
| 6 || [[কাজী হায়াৎ]] || ২৭৪ || ✓
|-
| 7 || [[আরেফিন রুমি]] || ১৬২ || ✓
|-
| 8 || [[ইমাম নাসাই]] || ৬৯৭ || ✕
|-
| 9 || [[কবরী]] || ২৭১ || ✓
|-
| 10 || [[হাফিজ উদ্দিন আহমদ]] || ২৩৬ || ✓
|-
| 11 || [[আ ন ম এহসানুল হক মিলন]] || ৩৪০ || ✓
|-
| 12 || [[আন্দালিব রহমান পার্থ]] || ২৯৭ || ✓
|-
| 13 || [[ববি হাজ্জাজ]] || ২৫৩ || ✓
|-
| 14 || [[ইবনে মাজাহ]] || ৩৩৬ || ✓
|-
| 15 || [[হাবিব ওয়াহিদ]] || ২৬৪ || ✓
|-
| 16 || [[জাইমা রহমান]] || ২১২ || ✓
|-
| 17 || [[কনকচাঁপা]] || ২২৮ || ✓
|-
| 18 || [[আহসান হাবীব]] || ২১৯ || ✓
|-
| 19 || [[বেলাল খান]] || ২১৯ || ✓
|-
| 20 || [[নচিকেতা চক্রবর্তী]] || ২৮৯ || ✓
|-
| 21 || [[আ ফ ম খালিদ হোসেন]] || ২৪৮ || ✓
|-
| 22 || [[আলমগীর]] || ৪০৬ || ✓
|-
| 23 || [[সালাহউদ্দিন আহমেদ]] || ৪৫৯ || ✓
|-
| 24 || [[চোং নানশান]] || ১৭৮ || ✓
|-
| 25 || [[এ. সি. ব্র্যাডলি]] || ৩৯০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২৫
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৫,৪৭২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৮,১২৩
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২,৬৫১
|}
=== [[ব্যবহারকারী:JIBON| JIBON]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[আলবার্ট হফমান]] || ৩,৪৪৪ || ✓
|-
| 2 || [[অ্যালান পারলিস]] || ৯২৮ || ✓
|-
| 3 || [[হেইনরিখ রোরার]] || ৩৬০ || ✓
|-
| 4 || [[আলফ্রেড আহো]] || ১৪৪ || ✕
|-
| 5 || [[উ থান্ট]] || ৬৭৮ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৫
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৪,৭৩২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৫,৫৫৪
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৮২২
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Md. Muqtadir Fuad| Md. Muqtadir Fuad]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[লোরঁ শোয়ার্তজ]] || ৬১০ || ✓
|-
| 2 || [[উইলিয়াম শার্প]] || ৩৯৯ || ✓
|-
| 3 || [[পাউল এরেনফেস্ট]] || ৪৩৩ || ✓
|-
| 4 || [[রবার্ট মান্ডেল]] || ৩২২ || ✓
|-
| 5 || [[হান কাং]] || ৬৬৬ || ✓
|-
| 6 || [[ক্রিপটিক ফেইট]] || ১৭৬ || ✓
|-
| 7 || [[কাকাবাবু]] || ২৫৮ || ✓
|-
| 8 || [[ক্যারি মুলিস]] || ৪০৩ || ✓
|-
| 9 || [[টোমাস ট্রান্সট্রোমার]] || ২৯৯ || ✓
|-
| 10 || [[ইরিনা বোকোভা]] || ২৬৮ || ✓
|-
| 11 || [[মার্টিনুস ভেল্টম্যান]] || ১৯৫ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৪,০২৯
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৪,০২৯
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Humaira.thithi| Humaira.thithi]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ড্যামন গ্যালগুট]] || ৪৮২ || ✓
|-
| 2 || [[আর্থার কর্নবার্গ]] || ১৭৭ || ✕
|-
| 3 || [[বেন ওক্রি]] || ৮৫৮ || ✓
|-
| 4 || [[সল বেলো]] || ১,০০৩ || ✓
|-
| 5 || [[সল পার্লমাটার]] || ৩১১ || ✕
|-
| 6 || [[সিমেওঁ দ্যনি পোয়াসোঁ]] || ১৬০ || ✓
|-
| 7 || [[স্টিভ আরউইন]] || ৪৩৫ || ✕
|-
| 8 || [[আনি এরনো]] || ২৮৪ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৮
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ২,৭৮৭
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩,৭১০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৯২৩
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Amirhusenjihed| Amirhusenjihed]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ফজল শাহাবুদ্দীন]] || ৪৯৫ || ✕
|-
| 2 || [[আল-জাহিজ]] || ৭৩৩ || ✓
|-
| 3 || [[আল-বিরুনি]] || ১,৮৩৬ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৩
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ২,৫৬৯
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩,০৬৪
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৪৯৫
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Asikur Rahman| Asikur Rahman]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[থমাস হ্যারিয়ট]] || ৪৩২ || ✓
|-
| 2 || [[স্টিভেন চু]] || ২২০ || ✓
|-
| 3 || [[ইভাঞ্জেলিস্টা টরিসেলি]] || ৩৭২ || ✓
|-
| 4 || [[লেসলি ল্যামপোর্ট]] || ৫৫০ || ✓
|-
| 5 || [[মার্টিন লুইস পার্ল]] || ৩৮৮ || ✓
|-
| 6 || [[ভ্লাদিমির মার্কভনিকভ]] || ২৬৭ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৬
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ২,২২৯
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২,২২৯
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Rasel Mehedi| Rasel Mehedi]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[বাপ্পী লাহিড়ী]] || ২৫২ || ✓
|-
| 2 || [[নুহাশ হুমায়ূন]] || ২০৫ || ✓
|-
| 3 || [[আনিসুল হক]] || ২৪৬ || ✕
|-
| 4 || [[বাবর আলী]] || ৩০৯ || ✓
|-
| 5 || [[মেহের আফরোজ শাওন]] || ৩১৯ || ✓
|-
| 6 || [[ফেলুদা]] || ২৪৬ || ✓
|-
| 7 || [[ব্যোমকেশ বক্সী]] || ১৭৮ || ✓
|-
| 8 || [[প্রোফেসর শঙ্কু]] || ২৬৯ || ✓
|-
| 9 || [[বারী সিদ্দিকী]] || ২৪২ || ✓
|-
| 10 || [[সমরেশ বসু]] || ২০২ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১০
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ২,২২২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২,৪৬৮
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২৪৬
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Mahiya50| Mahiya50]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[লিয়ন কুপার]] || ৩২৩ || ✓
|-
| 2 || [[কামিলা শামসি]] || ২০৪ || ✓
|-
| 3 || [[ক্রিস্টোফার রেন]] || ৩৭৪ || ✓
|-
| 4 || [[জিওফ্রে হিন্টন]] || ৩২২ || ✓
|-
| 5 || [[ফ্রিডতিয়ফ নানসেন]] || ১৯১ || ✓
|-
| 6 || [[আলাঁ আস্পে]] || ৭৭৬ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৬
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ২,১৯০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২,১৯০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Borhan| Borhan]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ক্যারিল ফিলিপস]] || ২৮৪ || ✓
|-
| 2 || [[জেমস কুক]] || ৩৯৭ || ✓
|-
| 3 || [[ক্লাউদিয়া শেইনবাউম]] || ৩২১ || ✓
|-
| 4 || [[আবি আহমেদ]] || ২৫৫ || ✓
|-
| 5 || [[পিটার আগ্রি]] || ১৯০ || ✓
|-
| 6 || [[ফখরুদ্দীন আল-রাযী]] || ২১৫ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৬
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১,৬৬২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১,৬৬২
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Raihanur| Raihanur]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[শি চিনফিং]] || ৪,১৩২ || ✕
|-
| 2 || [[ইব্রাহিম ত্রাওরে]] || ৭৫৪ || ✓
|-
| 3 || [[পেদ্রো সানচেজ]] || ২৯৯ || ✓
|-
| 4 || [[অ্যাডাম রিস]] || ৪৮৯ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৪
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১,৫৪২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৫,৬৭৪
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৪,১৩২
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Muhammad Fahim Faisal| Muhammad Fahim Faisal]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[আব্দুল হান্নান আবকারী]] || ০ || ✕
|-
| 2 || [[ইবরাহীম আলী তশনা]] || ২৪৭ || ✓
|-
| 3 || [[রুহুল আমিন বসিরহাটি]] || ৩৬৩ || ✓
|-
| 4 || [[মুহাম্মদুল্লাহ হাফেজ্জী]] || ৩৪২ || ✓
|-
| 5 || [[শামছুল হুদা]] || ০ || ✕
|-
| 6 || [[শামছুল হক ফরিদপুরী]] || ৫৪৬ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৬
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১,৪৯৮
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১,৪৯৮
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Firuz Ahmmed| Firuz Ahmmed]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[গর্ডন মুর]] || ৫৮৭ || ✓
|-
| 2 || [[শিরিন এবাদি]] || ৫৪৩ || ✕
|-
| 3 || [[নাগিব মাহফুজ]] || ৫৩০ || ✓
|-
| 4 || [[আল-ফারাবি]] || ৫৩৭ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৪
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১,১১৭
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২,১৯৭
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ১,০৮০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:নিয়াজ ইসলাম| নিয়াজ ইসলাম]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[চাষী নজরুল ইসলাম]] || ৪৪৬ || ✓
|-
| 2 || [[বাপ্পা মজুমদার]] || ৩১০ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৭৫৬
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৭৫৬
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Asad.fr| Asad.fr]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[রবার্ট ক্লাইভ]] || ২,০০২ || ✕
|-
| 2 || [[পার্ল এস. বাক]] || ৯৩৩ || ✕
|-
| 3 || [[জন বারডিন]] || ৩৬৪ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৩
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৩৬৪
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩,২৯৯
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২,৯৩৫
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin| Mehedi Abedin]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[তাসমিয়া প্রধান]] || ৩৫২ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৩৫২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩৫২
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Md. Rayan Alam Rifat| Md. Rayan Alam Rifat]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[আজিজুল হক]] || ১৮০ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১৮০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১৮০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Siyan BD| Siyan BD]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[আবদুস সালাম]] || ১০০ || ✕
|-
| 2 || [[আবদুল গফুর]] || ১০১ || ✕
|-
| 3 || [[আবদুল জব্বার]] || ১৬১ || ✓
|-
| 4 || [[আবদুল জব্বার]] || ৯২ || ✕
|-
| 5 || [[আবদুল জব্বার]] || ১৩৩ || ✕
|-
| 6 || [[অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ১৩৪ || ✕
|-
| 7 || [[অনিমেষ রায়]] || ১২৬ || ✕
|-
| 8 || [[অনির্বাণ বসু]] || ১২০ || ✕
|-
| 9 || [[অজয় ঘটক]] || ১১৪ || ✕
|-
| 10 || [[অচলা মল্লিক]] || ১৫৪ || ✕
|-
| 11 || [[অজয় হোম]] || ১৫৯ || ✕
|-
| 12 || [[অমিতা বসু]] || ১৪২ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১২
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১৬১
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১,৫৩৬
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ১,৩৭৫
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Dewan mahbubr Rahman| Dewan mahbubr Rahman]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ভেরা রুবিন]] || ৩৫০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩৫০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৩৫০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:ExceptionistSagar| ExceptionistSagar]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মেরি কুরি]] || ১৭৯ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১৭৯
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ১৭৯
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Kh. Fahim| Kh. Fahim]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মিসির আলি]] || ৪০৬ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৪০৬
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৪০৬
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Trisha Mazumder| Trisha Mazumder]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[আস্ট্রোনমি]] || ০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:MdMarufHossen71| MdMarufHossen71]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মমতাজ বেগম]] || ৩৫৫ || ✕
|-
| 2 || [[আবুল বরকত]] || ১৪৩ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৪৯৮
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৪৯৮
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Usarker| Usarker]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মেরি স্টোপস]] || ৫০৫ || ✕
|-
| 2 || [[ইয়োন ফসে]] || ৩৯৩ || ✕
|-
| 3 || [[জুনো দিয়াজ]] || ৫৪০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৩
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১,৪৩৮
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ১,৪৩৮
|}
=== [[ব্যবহারকারী:রাকিবুল হাসান রাসেল| রাকিবুল হাসান রাসেল]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[পারভীন এতেসামি]] || ০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:MD RADWAN ISLAM| MD RADWAN ISLAM]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[চুয়াং জি]] || ২৭৪ || ✕
|-
| 2 || [[ফকির শাহাবুদ্দীন]] || ০ || ✕
|-
| 3 || [[আবু বকর সিদ্দিকী]] || ০ || ✕
|-
| 4 || [[বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট]] || ০ || ✕
|-
| 5 || [[বাংলাদেশের কৃষি প্রযুক্তি]] || ০ || ✕
|-
| 6 || [[হাসিবুন নাহের]] || ০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৬
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২৭৪
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২৭৪
|}
=== [[ব্যবহারকারী:AKM Mahinur Rahman| AKM Mahinur Rahman]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মেরি উলস্টোনক্রাফ্ট]] || ২১৩ || ✕
|-
| 2 || [[বালতাসার গ্রাসিয়ান]] || ২০৬ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৪১৯
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৪১৯
|}
=== [[ব্যবহারকারী:MD RADWAN ISLAM ROHAN| MD RADWAN ISLAM ROHAN]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[জুলাই আন্দোলন]] || ৬১৫ || ✕
|-
| 2 || [[বিকাশ]] || ০ || ✕
|-
| 3 || [[নতুন প্রযুক্তি]] || ০ || ✕
|-
| 4 || [[বাংলাদেশের রিয়েল এস্টেট শিল্প: বর্তমান প্রেক্ষাপট ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা]] || ০ || ✕
|-
| 5 || [[জলবায়ু পরিবর্তন ও বাংলাদেশের পরিবেশ]] || ০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৫
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৬১৫
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৬১৫
|}
=== [[ব্যবহারকারী:ShahinurWrites| ShahinurWrites]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মোহাম্মদ শেখ শাহিনুর রহমান]] || ০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Abdullah Al Shishir| Abdullah Al Shishir]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[অপ্রত্যাশিত জীবনযাত্রা]] || ০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:চ্যাম্পিয়ন স্টার ১| চ্যাম্পিয়ন স্টার ১]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[অপর্ণা সেন]] || ৩১২ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩১২
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৩১২
|}
==শব্দসংখ্যা অনুযায়ী নিবন্ধ তালিকা==
{| class="wikitable sortable mw-collapsible mw-collapsed"
|+ class="nowrap" | শব্দসংখ্যা অনুযায়ী নিবন্ধ তালিকা
! ক্রমিক !! নিবন্ধ !! শব্দ সংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ভারতে পোশাক]] || ২,২৮৯ || ✓
|-
| 2 || [[ভারতের ভাষা]] || ৬৯৫ || ✓
|-
| 3 || [[মধ্যযুগীয় ভারত]] || ১,৭১৭ || ✓
|-
| 4 || [[ভারতে ইহুদিদের ইতিহাস]] || ২,০৪৬ || ✓
|-
| 5 || [[ভারতে সুফিবাদ]] || ৩,২০৭ || ✓
|-
| 6 || [[পর্তুগিজ ভারত]] || ১,৬৪৩ || ✓
|-
| 7 || [[ভারতের প্রাণী]] || ৩০৫ || ✓
|-
| 8 || [[স্বাধীনতা দিবস]] || ৩৭৫ || ✓
|-
| 9 || [[ভারতে দুর্ভিক্ষ]] || ৩,৭৮১ || ✓
|-
| 10 || [[ভারতে ধর্মহীনতা]] || ২,৩৮৯ || ✓
|-
| 11 || [[ওয়ারেন ফ্যারেল]] || ২১,০৭৮ || ✓
|-
| 12 || [[আর্নেস্ট বেকার]] || ১৩,৫৯৭ || ✓
|-
| 13 || [[অতিপ্রজতা]] || ২৯,৫০১ || ✓
|-
| 14 || [[মোপলা বিদ্রোহ]] || ১৪,৫১২ || ✓
|-
| 15 || [[সীতা রাম গোয়েল]] || ১,৫৯৬ || ✓
|-
| 16 || [[অরুণ শৌরি]] || ১৫,৪৫০ || ✓
|-
| 17 || [[ভারতের ইতিহাস লিখন]] || ১৭,৯১৮ || ✓
|-
| 18 || [[দ্রৌপদী]] || ৬,১৬৪ || ✓
|-
| 19 || [[দ্য হিস্ট্রি অফ ইন্ডিয়া, অ্যাজ টোল্ড বাই ইটস ওন হিস্টোরিয়ানস]] || ২,৬৮৫ || ✕
|-
| 20 || [[রামায়ণ]] || ১,৩০০ || ✓
|-
| 21 || [[ভারতে শিক্ষা]] || ১০,৫৮০ || ✓
|-
| 22 || [[ভারতে নারী]] || ৬,১৫০ || ✓
|-
| 23 || [[বন্যপ্রাণীর কষ্ট]] || ৩৩,৭৪১ || ✓
|-
| 24 || [[নিরামিষবাদ]] || ৩০,৬২৭ || ✓
|-
| 25 || [[ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম রাষ্ট্রপতিত্ব]] || ৩৭,৫৭২ || ✓
|-
| 26 || [[নির্বাচন]] || ৭,০২৫ || ✓
|-
| 27 || [[সরকার]] || ২২,৭৫৯ || ✓
|-
| 28 || [[এডওয়ার্ড হল অল্ডারসন]] || ৪৪৬ || ✓
|-
| 29 || [[অ্যামব্রোজ বিয়ার্স]] || ৫,৫৪১ || ✕
|-
| 30 || [[মেওয়াত]] || ৭১৮ || ✓
|-
| 31 || [[নানাবতী-মেহতা কমিশন]] || ২,৪৪৪ || ✓
|-
| 32 || [[ভারতে ঔষধ শিল্প]] || ১,৯২১ || ✓
|-
| 33 || [[পাঞ্জাব]] || ১,৪০৬ || ✓
|-
| 34 || [[রামনবমী]] || ৮৬২ || ✓
|-
| 35 || [[ভারতের শহরসমূহের নাম পরিবর্তন]] || ৪৪১ || ✓
|-
| 36 || [[নুপুর শর্মা]] || ৬০১ || ✓
|-
| 37 || [[রিপাবলিক টিভি]] || ৪৫৫ || ✓
|-
| 38 || [[রোহিলখণ্ড]] || ৪৪০ || ✓
|-
| 39 || [[রোহিলা]] || ৩৪০ || ✓
|-
| 40 || [[সৌরাষ্ট্র]] || ৬৫৪ || ✓
|-
| 41 || [[ভারতে তিন তালাক]] || ১,১৩৪ || ✓
|-
| 42 || [[ভারতের পবিত্র উপবন]] || ৫৭৫ || ✓
|-
| 43 || [[অভিন্ন দেওয়ানি বিধি]] || ৩,৭৩৭ || ✓
|-
| 44 || [[নবনীত আদিত্য ওয়াইবা]] || ১৯২ || ✓
|-
| 45 || [[ভারতে জল সরবরাহ ও স্যানিটেশন]] || ৭৪০ || ✓
|-
| 46 || [[জমিদার]] || ৩৮১ || ✕
|-
| 47 || [[নিখিল ভারত মুসলিম লীগ]] || ১,৭৩৭ || ✕
|-
| 48 || [[ফতোয়া]] || ৪৮৪ || ✓
|-
| 49 || [[দারা শিকোহ]] || ১,৪৩৫ || ✓
|-
| 50 || [[আমেরিকা নিপাত যাক]] || ৬৩৯ || ✓
|-
| 51 || [[মহা শয়তান]] || ৪১৪ || ✓
|-
| 52 || [[উলামা]] || ৩৪৫ || ✓
|-
| 53 || [[দক্ষিণ এশিয়ায় মুসলিম জাতীয়তাবাদ]] || ১,৫১৬ || ✓
|-
| 54 || [[পার্সি-মুসলিম দাঙ্গা]] || ৬৫৬ || ✓
|-
| 55 || [[ভারতে দাঙ্গা]] || ৬৭৪ || ✓
|-
| 56 || [[ভারতে পেগাসাস প্রকল্পের উদঘাটন]] || ৩৯০ || ✓
|-
| 57 || [[নেহরুবাদ]] || ৯৫২ || ✓
|-
| 58 || [[২জি স্পেকট্রাম মামলা]] || ৯৩৭ || ✓
|-
| 59 || [[রাহুল গান্ধী]] || ৪,০০৪ || ✓
|-
| 60 || [[আকবরউদ্দিন ওয়াইসি]] || ২৯৮ || ✓
|-
| 61 || [[ভারতের সাধারণ নির্বাচন, ২০২৪]] || ২,৫৭৭ || ✓
|-
| 62 || [[ভারতে ধর্মনিরপেক্ষতা]] || ২৩৪ || ✓
|-
| 63 || [[নাইলা আলি খান]] || ২০৪ || ✓
|-
| 64 || [[অরুণ জেটলি]] || ৪৮১ || ✓
|-
| 65 || [[সুকেতু মেহতা]] || ৩৮২ || ✓
|-
| 66 || [[রুক্মিণী মৈত্র]] || ৩৫৪ || ✓
|-
| 67 || [[মানব গুপ্ত]] || ৬৩৪ || ✕
|-
| 68 || [[মোহিনী মোহন ধর]] || ৫৮৫ || ✓
|-
| 69 || [[দিলীপ কুমার চক্রবর্তী]] || ২,৫৯৭ || ✓
|-
| 70 || [[রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ৩৮৩ || ✓
|-
| 71 || [[পিটার অ্যাক্রয়েড]] || ২৯৭ || ✓
|-
| 72 || [[হ্যারল্ড ব্লুম]] || ৫৯৩ || ✓
|-
| 73 || [[জেমস বসওয়েল]] || ১,১৪৯ || ✓
|-
| 74 || [[অলিভার গোল্ডস্মিথ]] || ৩,১৭৮ || ✓
|-
| 75 || [[হেনরি জাইলস]] || ৭৯২ || ✓
|-
| 76 || [[এডউইন হাবেল চ্যাপিন]] || ৭৭০ || ✓
|-
| 77 || [[অবমাননা]] || ৭৮৮ || ✓
|-
| 78 || [[আদালত অবমাননা]] || ৮২৯ || ✓
|-
| 79 || [[আইনপ্রণেতা]] || ৭৪৩ || ✓
|-
| 80 || [[লেই বারডুগো]] || ১২২ || ✓
|-
| 81 || [[উইলিয়াম ব্রেট, ১ম ভিসকাউন্ট এশার]] || ১,০২০ || ✓
|-
| 82 || [[হেনরি হকিন্স, ১ম ব্যারন ব্র্যাম্পটন]] || ৩০৩ || ✓
|-
| 83 || [[জুনিয়াস]] || ১,৪১২ || ✓
|-
| 84 || [[উইলিয়াম মারে, ম্যানসফিল্ডের ১ম আর্ল]] || ৬৪৩ || ✓
|-
| 85 || [[জোসেফ ইয়েটস]] || ৬৬৬ || ✓
|-
| 86 || [[স্যার জন বেইলি, ১ম ব্যারোনেট]] || ৯১৮ || ✓
|-
| 87 || [[হেনরি বিকারস্টথ, ১ম ব্যারন ল্যাংডেল]] || ৪১৫ || ✓
|-
| 88 || [[এডওয়ার্ড ল, ১ম ব্যারন এলেনবরো]] || ৬৭৪ || ✓
|-
| 89 || [[লয়েড কেনিয়ন, ১ম ব্যারন কেনিয়ন]] || ৪,৪০৮ || ✓
|-
| 90 || [[জন হোল্ট]] || ১,১৮৯ || ✓
|-
| 91 || [[চার্লস বোয়েন, ব্যারন বোয়েন]] || ১,০৩৭ || ✓
|-
| 92 || [[চার্লস অ্যাবট, ১ম ব্যারন টেন্টারডেন]] || ৩৪১ || ✓
|-
| 93 || [[ন্যায়বিচার প্রশাসন]] || ২,৮৯৯ || ✓
|-
| 94 || [[আদালত]] || ১,৮১৮ || ✕
|-
| 95 || [[রোজান এ. ব্রাউন]] || ৩৪১ || ✓
|-
| 96 || [[মারিয়ন জিমার ব্র্যাডলি]] || ১,১০৪ || ✓
|-
| 97 || [[টেরি ব্রুকস]] || ৪৮৫ || ✓
|-
| 98 || [[লেই ব্র্যাকেট]] || ১,১১২ || ✓
|-
| 99 || [[জ্যাক ক্যাডি]] || ১,৫৬৮ || ✓
|-
| 100 || [[মেল ব্রুকস]] || ২,০১৬ || ✕
|-
| 101 || [[মাইকেল বিশপ]] || ৯৬০ || ✕
|-
| 102 || [[এলিজাবেথ বেয়ার]] || ৭০৫ || ✓
|-
| 103 || [[মার্গারেট বল]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 104 || [[পাওলো বাসিগালুপি]] || ৬৪৭ || ✓
|-
| 105 || [[কেলি আর্মস্ট্রং]] || ৫৮৫ || ✓
|-
| 106 || [[ক্যাথরিন আসরো]] || ৩৬১ || ✓
|-
| 107 || [[পিয়ার্স অ্যান্থনি]] || ২২৯ || ✓
|-
| 108 || [[রবার্ট আইকম্যান]] || ২৬৮ || ✓
|-
| 109 || [[আইনজীবী]] || ২,৩২৯ || ✓
|-
| 110 || [[আইনসভা]] || ২,৩৪৩ || ✓
|-
| 111 || [[জর্জ বুশনার]] || ৬৬২ || ✓
|-
| 112 || [[জোসেফ গার্নি ক্যানন]] || ৭০৯ || ✓
|-
| 113 || [[সংখ্যাগরিষ্ঠ]] || ১,৩৫৬ || ✓
|-
| 114 || [[সংখ্যালঘু গোষ্ঠী]] || ১,৮৮১ || ✓
|-
| 115 || [[প্রাতিষ্ঠানিক আচরণ]] || ৬৫৬ || ✓
|-
| 116 || [[মানব আচরণ]] || ৮৫২ || ✓
|-
| 117 || [[হার্ভে ম্যানসফিল্ড]] || ৯৭৯ || ✓
|-
| 118 || [[রাষ্ট্রবিজ্ঞান]] || ১,১৩৯ || ✓
|-
| 119 || [[রাজনৈতিক দর্শন]] || ১,২৮৫ || ✓
|-
| 120 || [[দ্বিজেন্দ্র নারায়ণ ঝা]] || ১,০৮৭ || ✓
|-
| 121 || [[আগ্রাসন]] || ৯২০ || ✓
|-
| 122 || [[হিন্দুত্ব]] || ২,৭০০ || ✓
|-
| 123 || [[ফ্লাভিয়া অ্যাগনেস]] || ৬৮২ || ✓
|-
| 124 || [[লাভ জিহাদ ষড়যন্ত্র তত্ত্ব]] || ৩,১৫০ || ✓
|-
| 125 || [[মহাত্মা গান্ধীর হত্যাকাণ্ড]] || ১,৭৭৮ || ✓
|-
| 126 || [[যোগিন্দর সিকান্দ]] || ৮১৪ || ✓
|-
| 127 || [[ভারতে মুসলিমদের বিরুদ্ধে সহিংসতা]] || ৮৫১ || ✓
|-
| 128 || [[জয় শ্রীরাম]] || ৭০৮ || ✓
|-
| 129 || [[লালকৃষ্ণ আডবাণী]] || ১,৫৫৫ || ✓
|-
| 130 || [[রাম রথযাত্রা]] || ১,৫৭৯ || ✓
|-
| 131 || [[হিন্দু আমেরিকান ফাউন্ডেশন]] || ১,৪৫৫ || ✓
|-
| 132 || [[হর্ষ মান্দার]] || ৬৬০ || ✓
|-
| 133 || [[স্বপন দাশগুপ্ত]] || ১,১৬৭ || ✓
|-
| 134 || [[জরাথুস্ট্রবাদ]] || ৩৭৭ || ✓
|-
| 135 || [[পার্সি]] || ৩৯০ || ✓
|-
| 136 || [[নাগরিকত্ব]] || ১,৮৭৯ || ✓
|-
| 137 || [[ভারতের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৭০]] || ৬৭৯ || ✓
|-
| 138 || [[মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন, ১৯৩৯]] || ৭৬৯ || ✓
|-
| 139 || [[অবৈতনিক বাধ্যতামূলক শিশু শিক্ষার অধিকার আইন, ২০০৯]] || ৩৭৯ || ✓
|-
| 140 || [[বোম্বাই দাঙ্গা]] || ৭৭৬ || ✓
|-
| 141 || [[বজরং দল]] || ৩৩১ || ✓
|-
| 142 || [[সংসদীয় ব্যবস্থা]] || ৪০৫ || ✓
|-
| 143 || [[বিচার বিভাগীয় ব্যাখ্যা]] || ১,২৩২ || ✓
|-
| 144 || [[বর্ণবাদ পরবর্তী আমেরিকা]] || ১,০৬৯ || ✓
|-
| 145 || [[শ্বেতাঙ্গ বিশেষাধিকার]] || ৬২৮ || ✓
|-
| 146 || [[বিশেষাধিকার]] || ৭১২ || ✓
|-
| 147 || [[মানবহিতৈষণা]] || ২২৮ || ✓
|-
| 148 || [[ভারত সরকার]] || ১,২২০ || ✓
|-
| 149 || [[শিলং]] || ৯৭৩ || ✓
|-
| 150 || [[মাঝৌলি রাজ]] || ৫৬০ || ✓
|-
| 151 || [[কালিকট]] || ৪৫৪ || ✓
|-
| 152 || [[যাজপুর]] || ৪০৭ || ✓
|-
| 153 || [[কালিবাঙ্গান]] || ৭৩৮ || ✓
|-
| 154 || [[কাডাপা]] || ৪১৩ || ✓
|-
| 155 || [[ইদার]] || ৫৮৬ || ✓
|-
| 156 || [[গোধরা]] || ১,০১০ || ✓
|-
| 157 || [[ভুবনেশ্বর]] || ১,১৬৫ || ✓
|-
| 158 || [[অমৃতসর]] || ৮৬৮ || ✓
|-
| 159 || [[আম্বালা]] || ৪৬১ || ✓
|-
| 160 || [[হায়দ্রাবাদ]] || ৩,২৪৮ || ✓
|-
| 161 || [[২০১৯ হায়দ্রাবাদ গণধর্ষণ]] || ১৭৭ || ✓
|-
| 162 || [[মুহাম্মাদ বখতিয়ার খলজি]] || ৪২৩ || ✕
|-
| 163 || [[হায়দ্রাবাদ অধিগ্রহণ]] || ৪৫৬ || ✓
|-
| 164 || [[১৮৯৯-১৯০০ সালের ভারতীয় দুর্ভিক্ষ]] || ৫৪১ || ✓
|-
| 165 || [[১৯৯০ হায়দ্রাবাদ দাঙ্গা]] || ৪০৬ || ✓
|-
| 166 || [[গুয়াহাটি]] || ১,৭৯৬ || ✓
|-
| 167 || [[গৌড়]] || ১,৯৩৬ || ✓
|-
| 168 || [[বিজাপুর]] || ৬৬২ || ✓
|-
| 169 || [[মাণ্ডু]] || ৩৯৪ || ✓
|-
| 170 || [[খাজুরাহো]] || ৩৭১ || ✓
|-
| 171 || [[চান্দেরী]] || ৫০৭ || ✓
|-
| 172 || [[জুনাগড়]] || ৭১৯ || ✓
|-
| 173 || [[বৃহৎ কচ্ছের রাণ]] || ৫৮৪ || ✓
|-
| 174 || [[আহমেদাবাদ]] || ১,৮১২ || ✓
|-
| 175 || [[কচ্ছ জেলা]] || ৩২৬ || ✓
|-
| 176 || [[দৃশদ্বতী নদী]] || ১৮৬ || ✓
|-
| 177 || [[চেনাব নদী]] || ৩২১ || ✓
|-
| 178 || [[পশ্চিমবঙ্গে ধর্ম]] || ১,২৩২ || ✓
|-
| 179 || [[মুর্শিদাবাদ সহিংসতা]] || ২৫৭ || ✓
|-
| 180 || [[২০২৪ সন্দেশখালী সহিংসতা]] || ১,০৬১ || ✓
|-
| 181 || [[২০২২ বীরভূম সহিংসতা]] || ৫১৪ || ✓
|-
| 182 || [[মৈতৈ জাতি]] || ৫২৭ || ✕
|-
| 183 || [[মৈতৈ সভ্যতা]] || ৩৫০ || ✓
|-
| 184 || [[মণিপুর]] || ৩০৬ || ✕
|-
| 185 || [[লাক্ষাদ্বীপ]] || ৩২৯ || ✓
|-
| 186 || [[বৃন্দাবন]] || ৬৮২ || ✕
|-
| 187 || [[সম্ভল]] || ২৪৩ || ✓
|-
| 188 || [[এলাহাবাদ]] || ৩৫৭ || ✓
|-
| 189 || [[আলিগড়]] || ৪০৯ || ✓
|-
| 190 || [[স্ট্যাচু অব ইউনিটি]] || ২৪১ || ✓
|-
| 191 || [[ভারতের দুর্গ]] || ৩১৪ || ✓
|-
| 192 || [[দ্য দুন স্কুল]] || ৬৬৪ || ✓
|-
| 193 || [[কাশী হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়]] || ৩৪৫ || ✓
|-
| 194 || [[আগ্রা]] || ৭১৮ || ✓
|-
| 195 || [[২০২০ দিল্লি দাঙ্গা]] || ১,১৭৮ || ✓
|-
| 196 || [[তিরুচিরাপল্লী]] || ৬২৬ || ✓
|-
| 197 || [[সেন্ট থমাস ক্যাথেড্রাল ব্যাসিলিকা, চেন্নাই]] || ৩৮০ || ✕
|-
| 198 || [[আতঙ্ক]] || ৪৭৪ || ✕
|-
| 199 || [[ভারতে দুর্নীতি]] || ১,০০৭ || ✓
|-
| 200 || [[তামিলনাড়ুর মন্দির]] || ৯১৮ || ✓
|-
| 201 || [[এম. কে. স্ট্যালিন]] || ৩৩২ || ✓
|-
| 202 || [[তামিলনাড়ু]] || ৫৪৩ || ✓
|-
| 203 || [[তামিলনাড়ুর হিন্দি বিরোধী আন্দোলন]] || ৪৬৫ || ✓
|-
| 204 || [[যোধপুর]] || ৬২৮ || ✓
|-
| 205 || [[রাজস্থান]] || ২৯৪ || ✓
|-
| 206 || [[ওড়িশা]] || ৭৪৫ || ✓
|-
| 207 || [[১৯৯৮ কোয়েম্বাটুর বোমা হামলা]] || ৫৩৭ || ✓
|-
| 208 || [[উত্তর-পূর্ব ভারতে বিদ্রোহ]] || ৩৯৮ || ✓
|-
| 209 || [[মারাদ হত্যাকাণ্ড]] || ৩৫২ || ✓
|-
| 210 || [[মক্কা মসজিদ বিস্ফোরণ]] || ৫৮৪ || ✓
|-
| 211 || [[স্টুডেন্টস ইসলামিক মুভমেন্ট অব ইন্ডিয়া]] || ৩৫৭ || ✓
|-
| 212 || [[বিষ্ণু]] || ৬১৭ || ✓
|-
| 213 || [[২০২৪ রিয়াসি হামলা]] || ৩০২ || ✓
|-
| 214 || [[২০০৬ মালেগাঁও বোমা হামলা]] || ৩৯১ || ✓
|-
| 215 || [[২০০৬ মুম্বই রেলে বোমা হামলা]] || ১৯০ || ✓
|-
| 216 || [[মুম্বই]] || ১,২২৪ || ✓
|-
| 217 || [[দৌলতাবাদ, মহারাষ্ট্র]] || ৮৮৯ || ✕
|-
| 218 || [[মহারাষ্ট্র]] || ৪৯৯ || ✓
|-
| 219 || [[পিনারাই বিজয়ন]] || ৫২৩ || ✓
|-
| 220 || [[আরব দেশ]] || ৯১৪ || ✓
|-
| 221 || [[দক্ষিণ এশিয়া]] || ৫৯৩ || ✓
|-
| 222 || [[শহুরে অবক্ষয়]] || ৩০৮ || ✓
|-
| 223 || [[নগরায়ন]] || ১,০৯৭ || ✓
|-
| 224 || [[কেরল]] || ৩৬৫ || ✓
|-
| 225 || [[জম্মু ও কাশ্মীরে বিদ্রোহ]] || ৪১৮ || ✓
|-
| 226 || [[জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহার]] || ৯৬৪ || ✓
|-
| 227 || [[শ্রীনগর]] || ১,৭২৯ || ✓
|-
| 228 || [[কাশ্মীর উপত্যকা]] || ২৮৪ || ✓
|-
| 229 || [[লাদাখ]] || ৬৯৪ || ✓
|-
| 230 || [[কাশ্মীরি জাতি]] || ৮১৩ || ✓
|-
| 231 || [[তারিখ-ই-কাশ্মীর]] || ৫১৪ || ✓
|-
| 232 || [[কর্ণাটক]] || ৬৮২ || ✓
|-
| 233 || [[কর্ণাটকের রাজনীতি]] || ৪৩৯ || ✓
|-
| 234 || [[বেঙ্গালুরু]] || ৬১৪ || ✓
|-
| 235 || [[আসামে ইসলাম]] || ৬৯০ || ✓
|-
| 236 || [[আসামের ইতিহাস]] || ৭২৬ || ✓
|-
| 237 || [[আসামে হিন্দুধর্ম]] || ৩২৫ || ✓
|-
| 238 || [[ভারতের জনমিতি]] || ৩,৩৭৩ || ✓
|-
| 239 || [[বাংলাদেশের জনমিতি]] || ১,১৯৫ || ✓
|-
| 240 || [[পাকিস্তানের জনমিতি]] || ৮৫০ || ✓
|-
| 241 || [[আসামের জনমিতি]] || ১৮২ || ✓
|-
| 242 || [[বিহার]] || ৪৫৮ || ✓
|-
| 243 || [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] || ১৮১ || ✓
|-
| 244 || [[শাহ বানু মামলা]] || ৭৯৯ || ✕
|-
| 245 || [[ইসরায়েল–ভারত সম্পর্ক]] || ৮৯৭ || ✓
|-
| 246 || [[প্রণব মুখোপাধ্যায়]] || ৫৯৫ || ✓
|-
| 247 || [[দ্রৌপদী মুর্মু]] || ২৪৯ || ✓
|-
| 248 || [[ফখরুদ্দিন আলি আহমেদ]] || ১,৬৪৭ || ✓
|-
| 249 || [[এলজিবিটিকিউ অধিকার বিরোধিতা]] || ২,০৪৯ || ✓
|-
| 250 || [[গেফোবিয়া]] || ২৭৮ || ✓
|-
| 251 || [[সমকামী যৌন চর্চা]] || ৪০৭ || ✓
|-
| 252 || [[উভকামিতা]] || ১,৫৬০ || ✓
|-
| 253 || [[কামিং আউট]] || ৮০৫ || ✓
|-
| 254 || [[স্মৃতি ইরানি]] || ৯৯১ || ✓
|-
| 255 || [[মেনকা গান্ধী]] || ১,২৩০ || ✓
|-
| 256 || [[যশবন্ত সিং]] || ২০৬ || ✓
|-
| 257 || [[সৈয়দ শাহাবুদ্দিন]] || ৫৭৯ || ✓
|-
| 258 || [[শাকিল আহমদ]] || ১২৪ || ✓
|-
| 259 || [[তথাগত রায়]] || ২৭৫ || ✓
|-
| 260 || [[লালুপ্রসাদ যাদব]] || ১,১০৯ || ✓
|-
| 261 || [[আসাদউদ্দিন ওয়াইসি]] || ৪১৩ || ✕
|-
| 262 || [[ইরাক যুদ্ধ]] || ১২,৩৪৪ || ✓
|-
| 263 || [[যুক্তরাজ্যের তৃতীয় জর্জ]] || ১২,০৪২ || ✓
|-
| 264 || [[২০১০ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৮৮৩ || ✓
|-
| 265 || [[২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৩,৫১৪ || ✓
|-
| 266 || [[২০০২ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৬১১ || ✓
|-
| 267 || [[ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ]] || ১,৫৪২ || ✓
|-
| 268 || [[স্নায়ুযুদ্ধ]] || ১৫,৬১০ || ✕
|-
| 269 || [[দ্বিতীয় স্নায়ুযুদ্ধ]] || ৪,৬৬৮ || ✓
|-
| 270 || [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] || ২৪,১৭৭ || ✓
|-
| 271 || [[মহত্ত্ব]] || ৭,৮১৪ || ✓
|-
| 272 || [[সাংবাদিকতা]] || ১৩,৪৭৭ || ✓
|-
| 273 || [[প্যানডিজম]] || ১০,৩০০ || ✓
|-
| 274 || [[গাজা যুদ্ধ]] || ১৬,৯৮২ || ✓
|-
| 275 || [[২০২৬ ইরান যুদ্ধ]] || ৬,৯৮৩ || ✓
|-
| 276 || [[পারমাণবিক অস্ত্র]] || ৩,২৩৩ || ✓
|-
| 277 || [[২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৬৪৩ || ✓
|-
| 278 || [[ক্রুসেড]] || ৯৯৬ || ✓
|-
| 279 || [[অ্যানিমেশন]] || ৯,৪৫৭ || ✓
|-
| 280 || [[দক্ষিণ কোরিয়ার রাজনীতি]] || ৭৫৫ || ✓
|-
| 281 || [[ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ]] || ৩,৭৬৩ || ✓
|-
| 282 || [[পারমাণবিক যুদ্ধ]] || ৫,৫২০ || ✓
|-
| 283 || [[আল খোয়ারিজমি]] || ১,২৩০ || ✓
|-
| 284 || [[ফজলে রাব্বী]] || ৬৩৫ || ✓
|-
| 285 || [[ডেভিড হিউম]] || ১১,৭৮০ || ✓
|-
| 286 || [[লিওনিদ ক্যান্টোরোভিচ]] || ১,৪২২ || ✓
|-
| 287 || [[থিওডোসিয়াস ডবঝানস্কি]] || ৭৬০ || ✕
|-
| 288 || [[টেরেন্স টাও]] || ৭২০ || ✓
|-
| 289 || [[ফিলিপ]] || ৪২৬ || ✓
|-
| 290 || [[জুলিয়ান শুইঙার]] || ১,৩২২ || ✕
|-
| 291 || [[পিয়ের-জিল দ্য জেন]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 292 || [[ব্রায়ান কক্স]] || ৭৫৬ || ✓
|-
| 293 || [[জন ম্যাককার্থি]] || ১,০৪৫ || ✓
|-
| 294 || [[লুই দ্য ব্রোয়ি]] || ৪৬০ || ✓
|-
| 295 || [[ফ্রঁসোয়া মিতেরঁ]] || ১,১৯৪ || ✕
|-
| 296 || [[ফ্লিন্ডার্স পেট্রি]] || ১,২০৪ || ✕
|-
| 297 || [[পল আর. এহর্লিচ]] || ১,৩০০ || ✓
|-
| 298 || [[মাইকেল আতিয়াহ]] || ৪২৩ || ✓
|-
| 299 || [[মার্টন মিলার]] || ৪৮২ || ✓
|-
| 300 || [[মেরি বিয়ার্ড]] || ৯১১ || ✓
|-
| 301 || [[মার্গারেট চ্যান]] || ৭০৪ || ✓
|-
| 302 || [[গেরহার্ড শ্রোডার]] || ২৬৯ || ✓
|-
| 303 || [[ফিলিপ ওয়ারেন অ্যান্ডারসন]] || ৭৯৯ || ✓
|-
| 304 || [[পিটার হিগস]] || ৪৭৪ || ✕
|-
| 305 || [[লিওনার্ড সাসকিন্ড]] || ৮২৫ || ✓
|-
| 306 || [[জন মেইনার্ড স্মিথ]] || ৬৪০ || ✓
|-
| 307 || [[জন জেমস অডুবন]] || ৮৩৭ || ✓
|-
| 308 || [[শেলডন লি গ্ল্যাশো]] || ৭৫১ || ✓
|-
| 309 || [[ভিক্টর উইসকফ]] || ৫১৯ || ✓
|-
| 310 || [[মার্টিন রিস]] || ৫৫১ || ✓
|-
| 311 || [[মার্ক ওলিফ্যান্ট]] || ৫৫৩ || ✓
|-
| 312 || [[ভিতালি গিঞ্জবার্গ]] || ৩০৮ || ✓
|-
| 313 || [[স্যালি রাইড]] || ৪২৫ || ✓
|-
| 314 || [[রবার্ট ফোগেল]] || ৪২৮ || ✓
|-
| 315 || [[রিঙ্গো স্টার]] || ৮৭০ || ✓
|-
| 316 || [[মাক্স ডেলব্রুক]] || ৫৭৫ || ✓
|-
| 317 || [[তৃতীয় লেওপোল্ড]] || ৮৩৭ || ✓
|-
| 318 || [[নরম্যান বোরল্যাগ]] || ৭০০ || ✓
|-
| 319 || [[নিকলাউস ভির্ট]] || ৪৭৯ || ✓
|-
| 320 || [[নিকোলাস স্টেনো]] || ২৯২ || ✓
|-
| 321 || [[নেভিল ফ্রান্সিস মট]] || ৫১১ || ✓
|-
| 322 || [[লুডউইক ফ্লেক]] || ৫১২ || ✓
|-
| 323 || [[কারেন উলেনবেক]] || ৩৯২ || ✓
|-
| 324 || [[ইয়োসেফ মেংগেলে]] || ৫৪৪ || ✓
|-
| 325 || [[কিরণ দেশাই]] || ২৬১ || ✓
|-
| 326 || [[কাতালিন কারিকো]] || ৩০৯ || ✓
|-
| 327 || [[ইয়োন্স ইয়াকব বের্সেলিয়ুস]] || ৫১৬ || ✓
|-
| 328 || [[হুয়ান মালদাসেনা]] || ৭৩২ || ✓
|-
| 329 || [[হাইনরিখ বোল]] || ৩০০ || ✓
|-
| 330 || [[ইনগ্রিড ডোবিচি]] || ৬৭১ || ✓
|-
| 331 || [[ইয়ান উইলমুট]] || ৪২৭ || ✓
|-
| 332 || [[হিউ এভারেট]] || ৬০০ || ✓
|-
| 333 || [[ফ্রঁসোয়া অংল্যার]] || ৫৩৩ || ✓
|-
| 334 || [[এমানুয়েল সোয়েডেনবার্গ]] || ১,৫২২ || ✓
|-
| 335 || [[এলিজাবেথ বিশপ]] || ৬৫২ || ✓
|-
| 336 || [[শেখ আন্তা দিওপ]] || ৩৩৫ || ✓
|-
| 337 || [[জর্জ গ্যামো]] || ১,৫২১ || ✓
|-
| 338 || [[হাইনরিখ হের্ত্স]] || ১,৭৪৪ || ✓
|-
| 339 || [[গ্রো হারলেম ব্রুন্ডটল্যান্ড]] || ৩১১ || ✓
|-
| 340 || [[জন সি. মাদার]] || ৪২৫ || ✓
|-
| 341 || [[জন ব্যাকাস]] || ৫৯৭ || ✓
|-
| 342 || [[এর্নস্ট মায়ার]] || ৭৫৪ || ✓
|-
| 343 || [[লিন মার্গুলিস]] || ১,৭১৮ || ✓
|-
| 344 || [[হ্যান্স বেটে]] || ৩৯৬ || ✓
|-
| 345 || [[লুই আগাসিজ]] || ৯৩৭ || ✓
|-
| 346 || [[জর্জ ক্যুভিয়ে]] || ৭৬৮ || ✓
|-
| 347 || [[ব্রাসেলস]] || ৯৬৭ || ✓
|-
| 348 || [[ড্যানিয়েল কানেমান]] || ২,৯৫৭ || ✕
|-
| 349 || [[ডোনাল্ড কানুথ]] || ১,৫৮২ || ✓
|-
| 350 || [[লেমাহ গবোউই]] || ১,১৫০ || ✓
|-
| 351 || [[গারট্রুড বি. এলিয়ন]] || ২৩৪ || ✓
|-
| 352 || [[ডোনা স্ট্রিকল্যান্ড]] || ৩৫৯ || ✓
|-
| 353 || [[এর্নস্ট মাখ]] || ২,০২৮ || ✕
|-
| 354 || [[ডোনাল্ড টাস্ক]] || ১,৭৭১ || ✓
|-
| 355 || [[অরবিন্দ আদিগা]] || ৮৬৬ || ✓
|-
| 356 || [[সি. এ. আর. হোর]] || ১,০৬১ || ✕
|-
| 357 || [[পল ডিরাক]] || ৪,৭০৯ || ✕
|-
| 358 || [[ই. ও. উইলসন]] || ৪,৪৫৮ || ✕
|-
| 359 || [[ডেসমন্ড মরিস]] || ৩,৯৮৬ || ✓
|-
| 360 || [[মাইকেল গোভ]] || ৩,৭৩৬ || ✓
|-
| 361 || [[হার্পার লি]] || ২,৪৯১ || ✓
|-
| 362 || [[কেন টম্পসন]] || ১,৮১৬ || ✓
|-
| 363 || [[জন টিন্ডাল]] || ২,৫২৮ || ✓
|-
| 364 || [[মেরি রবিনসন]] || ১,৩৭৬ || ✓
|-
| 365 || [[হেনরি ক্যাভেন্ডিশ]] || ২,২৪৪ || ✓
|-
| 366 || [[আইরিস মারডক]] || ১,২৬৮ || ✓
|-
| 367 || [[আর্নেস্ট রাদারফোর্ড]] || ২,৪৫৩ || ✓
|-
| 368 || [[ফ্রেড ব্রুকস]] || ১,১৯১ || ✓
|-
| 369 || [[ক্রিস্টিয়ান হাইগেনস]] || ১,৯০৭ || ✓
|-
| 370 || [[ডায়ান ফসি]] || ১,৬৪৬ || ✕
|-
| 371 || [[ইডিথ হোয়ার্টন]] || ১,৪২৫ || ✓
|-
| 372 || [[অরেল স্টেইন]] || ১,৪৭৮ || ✕
|-
| 373 || [[গাব্রিয়েলা মিস্ত্রাল]] || ১,৬৫০ || ✓
|-
| 374 || [[আলেকজান্ডার ফন হুমবোল্ট]] || ১,১২০ || ✓
|-
| 375 || [[ফ্রান্সিস্কো ভারেলা]] || ১,৮৯৩ || ✕
|-
| 376 || [[ডেনিস রিচি]] || ১,১০৮ || ✓
|-
| 377 || [[অড্রে হেপবার্ন]] || ১,৪৩৫ || ✓
|-
| 378 || [[জি. এইচ. হার্ডি]] || ২,৩৩০ || ✓
|-
| 379 || [[হ্যারল্ড পিন্টার]] || ২,০৭২ || ✓
|-
| 380 || [[অ্যানাক্সিম্যান্ডার]] || ১,৩০০ || ✓
|-
| 381 || [[ডেভিড ব্রুস্টার]] || ২,৪০৪ || ✓
|-
| 382 || [[ব্রায়ান গ্রিন]] || ১,২৭৯ || ✕
|-
| 383 || [[অমিত গোস্বামী]] || ৯১৫ || ✓
|-
| 384 || [[এডমন্ড হ্যালি]] || ২,৬১৯ || ✓
|-
| 385 || [[ডেভিড সুজুকি]] || ১,৫১৭ || ✓
|-
| 386 || [[ডেভিড জোনাথন গ্রোস]] || ৮০৯ || ✓
|-
| 387 || [[ডেভিড ম্যামেট]] || ১,২৫২ || ✓
|-
| 388 || [[আহমেদ জেওয়াইল]] || ১৯২ || ✓
|-
| 389 || [[ইউরোপীয় পার্লামেন্ট]] || ৬১৫ || ✓
|-
| 390 || [[ডেভিড গ্রসম্যান]] || ৩৩৬ || ✓
|-
| 391 || [[হরিশ-চন্দ্র]] || ২৮৪ || ✓
|-
| 392 || [[অনিতা দেসাই]] || ১,৪৩৯ || ✓
|-
| 393 || [[অ্যাশ কার্টার]] || ৪৬৩ || ✓
|-
| 394 || [[আলফ্রেড নোবেল]] || ৫০৯ || ✕
|-
| 395 || [[ক্রিস্টিয়ান বার্নার্ড]] || ৬৩৯ || ✓
|-
| 396 || [[মনোজ মিত্র]] || ৫,৫৬৭ || ✓
|-
| 397 || [[নারায়ণ সান্যাল]] || ৩৬৬ || ✓
|-
| 398 || [[মতি নন্দী]] || ৫,০১৮ || ✓
|-
| 399 || [[দেবেশ রায়]] || ৯,২৪৪ || ✓
|-
| 400 || [[শিশিরকুমার বসু]] || ৪,৮০৭ || ✓
|-
| 401 || [[বিমল কর]] || ১,৩৬৯ || ✓
|-
| 402 || [[সুবোধ সরকার]] || ৬৬০ || ✓
|-
| 403 || [[স্মরণজিৎ চক্রবর্তী]] || ৭৯২ || ✓
|-
| 404 || [[স্বামী সারদানন্দ]] || ৮,৬৯৫ || ✓
|-
| 405 || [[শক্তিপদ রাজগুরু]] || ৯৯৩ || ✓
|-
| 406 || [[কমলকুমার মজুমদার]] || ১,৫৭৩ || ✓
|-
| 407 || [[গৌতম ভদ্র]] || ৬৮৫ || ✓
|-
| 408 || [[পরিমল গোস্বামী]] || ১,৪৬৭ || ✓
|-
| 409 || [[প্রেমাঙ্কুর আতর্থী]] || ৫,৬৯৮ || ✓
|-
| 410 || [[কালীপ্রসন্ন সিংহ]] || ৫,৪০৪ || ✓
|-
| 411 || [[অখিল নিয়োগী]] || ৬৩৬ || ✓
|-
| 412 || [[হরপ্রসাদ শাস্ত্রী]] || ৫১৩ || ✓
|-
| 413 || [[গায়ত্রী চক্রবর্তী স্পিভাক]] || ৫৯২ || ✓
|-
| 414 || [[অজিত দত্ত]] || ৬১৩ || ✓
|-
| 415 || [[অজিতকৃষ্ণ বসু]] || ২,৩৮৬ || ✓
|-
| 416 || [[এম এস স্বামীনাথন]] || ৮৭২ || ✓
|-
| 417 || [[চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন]] || ২,১৭১ || ✓
|-
| 418 || [[চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও]] || ২,১৬৭ || ✓
|-
| 419 || [[কণাদ]] || ৯১৯ || ✓
|-
| 420 || [[জয়ন্ত বিষ্ণু নারলিকর]] || ৩,১৮৭ || ✓
|-
| 421 || [[বিক্রম সারাভাই]] || ১,১২৯ || ✓
|-
| 422 || [[জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ]] || ১১,২৬৬ || ✓
|-
| 423 || [[অ্যানোনিমাস]] || ৪,০৪৩ || ✓
|-
| 424 || [[টুপাক শাকুর]] || ৬,২৮৭ || ✓
|-
| 425 || [[জেনডেয়া]] || ২,০১৪ || ✓
|-
| 426 || [[টিমথি শালামে]] || ১,১২৭ || ✓
|-
| 427 || [[হিপোক্রেটিস]] || ২,৯২৩ || ✓
|-
| 428 || [[ষষ্ঠ মুহাম্মদ]] || ৮৭৮ || ✓
|-
| 429 || [[জন লেনক্স]] || ৭০২ || ✓
|-
| 430 || [[আলেক্সান্দ্র্ সলজেনিৎসিন]] || ৮,০৫৬ || ✓
|-
| 431 || [[আবদুল হান্নান মাসউদ]] || ৪০৭ || ✓
|-
| 432 || [[পরকাল সম্পর্কে কুরআন]] || ১৮,৭৯৪ || ✓
|-
| 433 || [[মানবতাবিরোধী অপরাধ]] || ১,৯১২ || ✓
|-
| 434 || [[আন্তর্জাতিক আইন]] || ৫,৫৩৯ || ✓
|-
| 435 || [[মোহাম্মদ জাওয়াদ জারিফ]] || ১,৪৫২ || ✓
|-
| 436 || [[আর্নেস্ট কিং]] || ১৫,৭৬৯ || ✕
|-
| 437 || [[ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট]] || ২৬,২১৫ || ✓
|-
| 438 || [[আনোয়ার ইব্রাহিম]] || ৬,৯৯৩ || ✓
|-
| 439 || [[ইসলাম ও যুদ্ধ]] || ৫,৬৮১ || ✓
|-
| 440 || [[আহমদ সিরহিন্দি]] || ৪,০৭০ || ✓
|-
| 441 || [[মুসা সেরান্তোনিও]] || ৪২৩ || ✓
|-
| 442 || [[ইয়াকুব]] || ১,৯৫৬ || ✓
|-
| 443 || [[আদ্রিয়ান গোল্ডসওয়ার্দি]] || ১,৯৭৯ || ✕
|-
| 444 || [[অ্যালিস পল]] || ১,৮৬২ || ✕
|-
| 445 || [[অ্যামি ট্যান]] || ২,০০৭ || ✕
|-
| 446 || [[অ্যান্ড্রু সেগা]] || ১,৯৬৯ || ✓
|-
| 447 || [[আল্যাঁ বাদিউ]] || ১,৯৬৬ || ✕
|-
| 448 || [[আফ্রিকান স্পির]] || ১,৭২২ || ✕
|-
| 449 || [[ফ্রেডরিক ডগলাস]] || ৮৬২ || ✕
|-
| 450 || [[নবী]] || ২,০৬২ || ✕
|-
| 451 || [[এমা গোল্ডম্যান]] || ১২,৮০০ || ✕
|-
| 452 || [[প্রেম সম্পর্কে ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি]] || ১৫,০৪০ || ✓
|-
| 453 || [[মিস্ট্রি সায়েন্স থিয়েটার ৩০০০]] || ৯৪,৯৬৮ || ✕
|-
| 454 || [[দ্য থিক অফ ইট]] || ৬৯,২৮৩ || ✕
|-
| 455 || [[অ্যালেক্স হেইলি]] || ১,৬০৪ || ✓
|-
| 456 || [[দাসত্ব সম্পর্কে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি]] || ৫,৭৮৫ || ✕
|-
| 457 || [[দাসত্ব]] || ১০,২৫৯ || ✕
|-
| 458 || [[এইচ. পি. লাভক্র্যাফট]] || ২৫,৪৭২ || ✓
|-
| 459 || [[ব্লেজ পাসকাল]] || ৩,০৫১ || ✓
|-
| 460 || [[চিনুয়া আচেবে]] || ৬,০৪২ || ✓
|-
| 461 || [[ডরিস লেসিং]] || ৪,৬২১ || ✓
|-
| 462 || [[ফেদেরিকো ফাগিন]] || ৬০০ || ✓
|-
| 463 || [[আলেকজান্ডার গ্রোথেনডিক]] || ১,২১১ || ✓
|-
| 464 || [[আঙ্গেলা ম্যার্কেল]] || ২,০২৯ || ✓
|-
| 465 || [[আনাক্সাগোরাস]] || ৩,৬৭১ || ✓
|-
| 466 || [[আমোস তভারস্কি]] || ৪৬১ || ✓
|-
| 467 || [[আলফ্রেড মার্শাল]] || ১,৩০৯ || ✓
|-
| 468 || [[আলবার্টাস ম্যাগনাস]] || ৩৮২ || ✓
|-
| 469 || [[অনিতা ব্রুকনার]] || ৪৭৪ || ✕
|-
| 470 || [[আলফ্রেড কিনসে]] || ১,০৩৩ || ✓
|-
| 471 || [[অ্যালান কে]] || ৯২৪ || ✓
|-
| 472 || [[আলেকজান্ডার ফ্লেমিং]] || ৩৩২ || ✓
|-
| 473 || [[ক্যারোলিন বার্তোজি]] || ৪১১ || ✓
|-
| 474 || [[আলফ্রেড রাসেল ওয়ালেস]] || ১,৬৫৯ || ✓
|-
| 475 || [[অঁতোয়ান লাভোয়াজিয়ে]] || ১,৪৩৬ || ✕
|-
| 476 || [[জ্যারেড ডায়মন্ড]] || ১,১৭১ || ✕
|-
| 477 || [[জেন গুডাল]] || ১,৩৫৭ || ✓
|-
| 478 || [[জেমস টোবিন]] || ১,০৫৯ || ✓
|-
| 479 || [[জেমস ক্যালাহান]] || ১,৬১৫ || ✓
|-
| 480 || [[উইলিয়াম স্ট্যানলি জেভন্স]] || ১,৭০১ || ✓
|-
| 481 || [[উইলিয়াম থমসন]] || ১,০৫১ || ✓
|-
| 482 || [[ওলে সোয়িংকা]] || ৩,১৬১ || ✕
|-
| 483 || [[জোসেফ স্টিগলিটজ]] || ১,৫০৪ || ✕
|-
| 484 || [[গ্রেগর মেন্ডেল]] || ৮৭৪ || ✓
|-
| 485 || [[গটফ্রিড ভিলহেল্ম লাইবনিৎস]] || ১,২৩৬ || ✓
|-
| 486 || [[গ্লেন থিওডোর সিবর্গ]] || ৯৮৪ || ✓
|-
| 487 || [[হেরমান ভাইল]] || ১,৫৪১ || ✓
|-
| 488 || [[হেরমান হেস]] || ৪,৫৬৫ || ✓
|-
| 489 || [[হার্বার্ট স্পেন্সার]] || ২,৩৬৮ || ✓
|-
| 490 || [[হার্বার্ট এ. সাইমন]] || ১,৩৩৭ || ✓
|-
| 491 || [[হেরাক্লিটাস]] || ১,৫৭০ || ✓
|-
| 492 || [[হেনরিক শিয়েনকিয়েভিচ]] || ১,৯১১ || ✕
|-
| 493 || [[উইলা ক্যাথার]] || ৩,০৩৩ || ✕
|-
| 494 || [[উইল ডুরান্ট]] || ২,৮১৫ || ✓
|-
| 495 || [[ডব্লিউ. এইচ. অডেন]] || ২,৮১৯ || ✓
|-
| 496 || [[ভোলফগাং পাউলি]] || ১,৬৩৯ || ✓
|-
| 497 || [[ইয়াসুনারি কাওয়াবাতা]] || ২,২৫৮ || ✓
|-
| 498 || [[জন আর্চিবল্ড হুইলার]] || ১,১৩৯ || ✓
|-
| 499 || [[সেমুর হার্শ]] || ১,৭৬১ || ✓
|-
| 500 || [[সের্গেই কোরোলিয়ভ]] || ৫৬৫ || ✓
|-
| 501 || [[জেন অ্যাডামস]] || ১,৯০৬ || ✓
|-
| 502 || [[জাক-ইভ কুস্তো]] || ৬৬৩ || ✓
|-
| 503 || [[হিদেকি ইউকাওয়া]] || ৪০৩ || ✓
|-
| 504 || [[প্রিমো লেভি]] || ৪,২৩৮ || ✓
|-
| 505 || [[ঝুম্পা লাহিড়ী]] || ৪৩০ || ✓
|-
| 506 || [[জেমস প্রেসকট জুল]] || ৪৮৭ || ✓
|-
| 507 || [[কালীপ্রসন্ন বিদ্যারত্ন]] || ৮২৫ || ✓
|-
| 508 || [[কলসী]] || ১,০৮৬ || ✓
|-
| 509 || [[চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ১,১৫৭ || ✓
|-
| 510 || [[শহর]] || ১,৪৫৮ || ✕
|-
| 511 || [[ঘাস]] || ২,১১২ || ✓
|-
| 512 || [[জলধর সেন]] || ১,৭৬৪ || ✓
|-
| 513 || [[ঠিকানা]] || ১,১৮৭ || ✓
|-
| 514 || [[গন্ধ]] || ১,৮০৭ || ✓
|-
| 515 || [[চা]] || ২,৪২৪ || ✓
|-
| 516 || [[রবীন্দ্রনাথ মৈত্র]] || ১,২৮১ || ✓
|-
| 517 || [[দিগন্ত]] || ১,২২৮ || ✓
|-
| 518 || [[ময়ূর]] || ১,৩৪৫ || ✓
|-
| 519 || [[করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ৯১১ || ✓
|-
| 520 || [[ঢেউ]] || ১,৫৩৯ || ✓
|-
| 521 || [[ছাতা]] || ১,১৮৯ || ✓
|-
| 522 || [[উমাকান্ত হাজারী]] || ৯৪২ || ✓
|-
| 523 || [[ঘৃণা]] || ২,৩৩৯ || ✓
|-
| 524 || [[বাঁশ]] || ২,৪৫৯ || ✕
|-
| 525 || [[কলেরা]] || ১,৬৩৮ || ✓
|-
| 526 || [[মাঠ]] || ২,৪৪৭ || ✓
|-
| 527 || [[টিন]] || ১,৯৩২ || ✕
|-
| 528 || [[সংবাদ]] || ৪,৪৭৯ || ✕
|-
| 529 || [[নবায়নযোগ্য শক্তি]] || ১২,৬১০ || ✓
|-
| 530 || [[নাডিন গর্ডিমার]] || ১,৩৭২ || ✓
|-
| 531 || [[মারে গেল-মান]] || ১,৩২৮ || ✓
|-
| 532 || [[নার্গিস মোহাম্মাদি]] || ১,৭৫৫ || ✓
|-
| 533 || [[সাদি কার্নো]] || ৫,২৫৬ || ✓
|-
| 534 || [[জন বারবার]] || ৫৭৪ || ✕
|-
| 535 || [[স্কটিশ জাতি]] || ৩৭৫ || ✓
|-
| 536 || [[ওয়েন্ডি বোম্যান]] || ১৫১ || ✕
|-
| 537 || [[যুদ্ধাপরাধ]] || ৪,৬৭৯ || ✕
|-
| 538 || [[রুবি]] || ৩৬৩ || ✓
|-
| 539 || [[রিতা এনজেলু]] || ১৫৯ || ✓
|-
| 540 || [[বমি]] || ২০৪ || ✓
|-
| 541 || [[পার্ল]] || ৬৯০ || ✕
|-
| 542 || [[পাইথন]] || ১৩৯ || ✓
|-
| 543 || [[উইকিলিকস]] || ১,৬৩১ || ✕
|-
| 544 || [[জনস্টন ম্যাককালি]] || ৩১১ || ✕
|-
| 545 || [[যুগোস্লাভিয়া]] || ৪,১৩৬ || ✓
|-
| 546 || [[অংশুমান কর]] || ২০৯ || ✓
|-
| 547 || [[কেমব্রিজ গান]] || ৩০৫ || ✕
|-
| 548 || [[হেলেনীয় শিক্ষা]] || ৫০২ || ✓
|-
| 549 || [[টমাস হলি চিভার্স]] || ২৩৫ || ✓
|-
| 550 || [[মুহাম্মদ মাহদি আল-জাওয়াহিরি]] || ৬৩৮ || ✓
|-
| 551 || [[জেডি স্মিথ]] || ১,০৮০ || ✓
|-
| 552 || [[ব্রায়ান পি. শ্মিট]] || ৪৬০ || ✓
|-
| 553 || [[কার্ল বার্নস্টিন]] || ৩৬৮ || ✓
|-
| 554 || [[চার্লস ফেফারম্যান]] || ৩৩৯ || ✓
|-
| 555 || [[ইয়ুস্টুস ফন লিবিগ]] || ৩৩২ || ✓
|-
| 556 || [[টমাস শেলিংস]] || ৬৭৪ || ✓
|-
| 557 || [[উইলিয়াম শকলি]] || ৩৯১ || ✓
|-
| 558 || [[শিং-শেন চের্ন]] || ৭৬৫ || ✕
|-
| 559 || [[হুগো দ্য ভ্রিস]] || ৩৪৪ || ✓
|-
| 560 || [[রবার্ট অ্যান্ড্রুজ মিলিকান]] || ৪৩৬ || ✓
|-
| 561 || [[জেমস ভ্যান অ্যালেন]] || ৫৯৬ || ✓
|-
| 562 || [[জাক শিরাক]] || ৭১১ || ✓
|-
| 563 || [[ডরোথি হজকিন]] || ২৯৪ || ✓
|-
| 564 || [[গোরান পারসন]] || ৩২৬ || ✓
|-
| 565 || [[জেরার দ্যব্রু]] || ১৮৬ || ✓
|-
| 566 || [[কোরীয় যুদ্ধ]] || ৯,৯৬৫ || ✕
|-
| 567 || [[রবার্ট জে. শিলার]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 568 || [[ফ্রঁসোয়া আরাগন]] || ৪৩৫ || ✓
|-
| 569 || [[অখিলচন্দ্র দত্ত]] || ৩৭৩ || ✕
|-
| 570 || [[ফ্রান্সিস কলিন্স]] || ৫৮৮ || ✓
|-
| 571 || [[হেলেন ক্লার্ক]] || ৩৭৪ || ✓
|-
| 572 || [[লেয়োঁ ফুকো]] || ৫৩২ || ✓
|-
| 573 || [[জন চার্লস পোলানি]] || ৩৭৪ || ✓
|-
| 574 || [[জন মেইনার্ড কেইনস]] || ১৭,৭৯১ || ✕
|-
| 575 || [[দিমিত্রি মুরাতভ]] || ৬৩৬ || ✓
|-
| 576 || [[আবদুস সালাম]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 577 || [[আবদুলরাজাক গুরনাহ]] || ৭৪৯ || ✓
|-
| 578 || [[এ. সি. বেনসন]] || ৩৮৩ || ✓
|-
| 579 || [[প্রথম আলবার্ট]] || ৮৬৪ || ✓
|-
| 580 || [[অম্লান দত্ত]] || ১৪৬ || ✓
|-
| 581 || [[ইয়ান মার্টেল]] || ১,১৩৩ || ✕
|-
| 582 || [[ইয়োইচিরো নাম্বু]] || ৪৩১ || ✕
|-
| 583 || [[সৈয়দ জামিল আহমেদ]] || ২০৩ || ✓
|-
| 584 || [[পূর্ণিমা]] || ১৯২ || ✓
|-
| 585 || [[শরিফুল রাজ]] || ১৮৬ || ✓
|-
| 586 || [[কাজী হায়াৎ]] || ২৭৪ || ✓
|-
| 587 || [[আরেফিন রুমি]] || ১৬২ || ✓
|-
| 588 || [[ইমাম নাসাই]] || ৬৯৭ || ✕
|-
| 589 || [[কবরী]] || ২৭১ || ✓
|-
| 590 || [[হাফিজ উদ্দিন আহমদ]] || ২৩৬ || ✓
|-
| 591 || [[আ ন ম এহসানুল হক মিলন]] || ৩৪০ || ✓
|-
| 592 || [[আন্দালিব রহমান পার্থ]] || ২৯৭ || ✓
|-
| 593 || [[ববি হাজ্জাজ]] || ২৫৩ || ✓
|-
| 594 || [[ইবনে মাজাহ]] || ৩৩৬ || ✓
|-
| 595 || [[হাবিব ওয়াহিদ]] || ২৬৪ || ✓
|-
| 596 || [[জাইমা রহমান]] || ২১২ || ✓
|-
| 597 || [[কনকচাঁপা]] || ২২৮ || ✓
|-
| 598 || [[আহসান হাবীব]] || ২১৯ || ✓
|-
| 599 || [[বেলাল খান]] || ২১৯ || ✓
|-
| 600 || [[নচিকেতা চক্রবর্তী]] || ২৮৯ || ✓
|-
| 601 || [[আ ফ ম খালিদ হোসেন]] || ২৪৮ || ✓
|-
| 602 || [[আলমগীর]] || ৪০৬ || ✓
|-
| 603 || [[সালাহউদ্দিন আহমেদ]] || ৩৫৩ || ✓
|-
| 604 || [[চোং নানশান]] || ১৭৮ || ✓
|-
| 605 || [[এ. সি. ব্র্যাডলি]] || ৩৯০ || ✕
|-
| 606 || [[আলবার্ট হফমান]] || ৩,৪৪৪ || ✓
|-
| 607 || [[অ্যালান পারলিস]] || ৯২৮ || ✓
|-
| 608 || [[হেইনরিখ রোরার]] || ৩৬০ || ✓
|-
| 609 || [[আলফ্রেড আহো]] || ১৪৪ || ✕
|-
| 610 || [[উ থান্ট]] || ৬৭৮ || ✕
|-
| 611 || [[লোরঁ শোয়ার্তজ]] || ৬১০ || ✓
|-
| 612 || [[উইলিয়াম শার্প]] || ৩৯৯ || ✓
|-
| 613 || [[পাউল এরেনফেস্ট]] || ৪৩৩ || ✓
|-
| 614 || [[রবার্ট মান্ডেল]] || ৩২২ || ✓
|-
| 615 || [[হান কাং]] || ৬৬৬ || ✓
|-
| 616 || [[ক্রিপটিক ফেইট]] || ১৭৬ || ✓
|-
| 617 || [[কাকাবাবু]] || ২৫৮ || ✓
|-
| 618 || [[ক্যারি মুলিস]] || ৪০৩ || ✓
|-
| 619 || [[টোমাস ট্রান্সট্রোমার]] || ২৯৯ || ✓
|-
| 620 || [[ইরিনা বোকোভা]] || ২৬৮ || ✓
|-
| 621 || [[মার্টিনুস ভেল্টম্যান]] || ১৯৫ || ✓
|-
| 622 || [[ড্যামন গ্যালগুট]] || ৪৮২ || ✓
|-
| 623 || [[আর্থার কর্নবার্গ]] || ১৭৭ || ✕
|-
| 624 || [[বেন ওক্রি]] || ৮৫৮ || ✓
|-
| 625 || [[সল বেলো]] || ১,০০৩ || ✓
|-
| 626 || [[সল পার্লমাটার]] || ৩১১ || ✕
|-
| 627 || [[সিমেওঁ দ্যনি পোয়াসোঁ]] || ১৬০ || ✓
|-
| 628 || [[স্টিভ আরউইন]] || ৪৩৫ || ✕
|-
| 629 || [[আনি এরনো]] || ২৮৪ || ✓
|-
| 630 || [[ফজল শাহাবুদ্দীন]] || ৪৯৫ || ✕
|-
| 631 || [[আল-জাহিজ]] || ৭৩৩ || ✓
|-
| 632 || [[আল-বিরুনি]] || ১,৮৩৬ || ✓
|-
| 633 || [[থমাস হ্যারিয়ট]] || ৪৩২ || ✓
|-
| 634 || [[স্টিভেন চু]] || ২২০ || ✓
|-
| 635 || [[ইভাঞ্জেলিস্টা টরিসেলি]] || ৩৭২ || ✓
|-
| 636 || [[লেসলি ল্যামপোর্ট]] || ৫৫০ || ✓
|-
| 637 || [[মার্টিন লুইস পার্ল]] || ৩৮৮ || ✓
|-
| 638 || [[ভ্লাদিমির মার্কভনিকভ]] || ২৬৭ || ✓
|-
| 639 || [[বাপ্পী লাহিড়ী]] || ২৫২ || ✓
|-
| 640 || [[নুহাশ হুমায়ূন]] || ২০৫ || ✓
|-
| 641 || [[আনিসুল হক]] || ২৪৬ || ✕
|-
| 642 || [[বাবর আলী]] || ৩০৯ || ✓
|-
| 643 || [[মেহের আফরোজ শাওন]] || ৩১৯ || ✓
|-
| 644 || [[ফেলুদা]] || ২৪৬ || ✓
|-
| 645 || [[ব্যোমকেশ বক্সী]] || ১৭৮ || ✓
|-
| 646 || [[প্রোফেসর শঙ্কু]] || ২৬৯ || ✓
|-
| 647 || [[বারী সিদ্দিকী]] || ২৪২ || ✓
|-
| 648 || [[সমরেশ বসু]] || ২০২ || ✓
|-
| 649 || [[লিয়ন কুপার]] || ৩২৩ || ✓
|-
| 650 || [[কামিলা শামসি]] || ২০৪ || ✓
|-
| 651 || [[ক্রিস্টোফার রেন]] || ৩৭৪ || ✓
|-
| 652 || [[জিওফ্রে হিন্টন]] || ৩২২ || ✓
|-
| 653 || [[ফ্রিডতিয়ফ নানসেন]] || ১৯১ || ✓
|-
| 654 || [[আলাঁ আস্পে]] || ৭৭৬ || ✓
|-
| 655 || [[ক্যারিল ফিলিপস]] || ২৮৪ || ✓
|-
| 656 || [[জেমস কুক]] || ৩৯৭ || ✓
|-
| 657 || [[ক্লাউদিয়া শেইনবাউম]] || ৩২১ || ✓
|-
| 658 || [[আবি আহমেদ]] || ২৫৫ || ✓
|-
| 659 || [[পিটার আগ্রি]] || ১৯০ || ✓
|-
| 660 || [[ফখরুদ্দীন আল-রাযী]] || ২১৫ || ✓
|-
| 661 || [[ইব্রাহিম ত্রাওরে]] || ৭৫৪ || ✓
|-
| 662 || [[পেদ্রো সানচেজ]] || ২৯৯ || ✓
|-
| 663 || [[অ্যাডাম রিস]] || ৪৮৯ || ✓
|-
| 664 || [[আব্দুল হান্নান আবকারী]] || ০ || ✕
|-
| 665 || [[ইবরাহীম আলী তশনা]] || ২৪৭ || ✓
|-
| 666 || [[রুহুল আমিন বসিরহাটি]] || ৩৬৩ || ✓
|-
| 667 || [[মুহাম্মদুল্লাহ হাফেজ্জী]] || ৩৪২ || ✓
|-
| 668 || [[শামছুল হুদা]] || ০ || ✕
|-
| 669 || [[শামছুল হক ফরিদপুরী]] || ৫৪৬ || ✓
|-
| 670 || [[গর্ডন মুর]] || ৫৮৭ || ✓
|-
| 671 || [[শিরিন এবাদি]] || ৫৪৩ || ✕
|-
| 672 || [[নাগিব মাহফুজ]] || ৫৩০ || ✓
|-
| 673 || [[আল-ফারাবি]] || ৫৩৭ || ✕
|-
| 674 || [[চাষী নজরুল ইসলাম]] || ৪৪৬ || ✓
|-
| 675 || [[বাপ্পা মজুমদার]] || ৩১০ || ✓
|-
| 676 || [[রবার্ট ক্লাইভ]] || ২,০০২ || ✕
|-
| 677 || [[পার্ল এস. বাক]] || ৯৩৩ || ✕
|-
| 678 || [[জন বারডিন]] || ৩৬৪ || ✓
|-
| 679 || [[আজিজুল হক]] || ১৮০ || ✓
|-
| 680 || [[আবদুস সালাম]] || ১০০ || ✕
|-
| 681 || [[আবদুল গফুর]] || ১০১ || ✕
|-
| 682 || [[আবদুল জব্বার]] || ১৬১ || ✓
|-
| 683 || [[আবদুল জব্বার]] || ৯২ || ✕
|-
| 684 || [[আবদুল জব্বার]] || ১৩৩ || ✕
|-
| 685 || [[অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ১৩৪ || ✕
|-
| 686 || [[অনিমেষ রায়]] || ১২৬ || ✕
|-
| 687 || [[অনির্বাণ বসু]] || ১২০ || ✕
|-
| 688 || [[অজয় ঘটক]] || ১১৪ || ✕
|-
| 689 || [[অচলা মল্লিক]] || ১৫৪ || ✕
|-
| 690 || [[অজয় হোম]] || ১৫৯ || ✕
|-
| 691 || [[অমিতা বসু]] || ১৪২ || ✕
|-
| 692 || [[আস্ট্রোনমি]] || ০ || ✕
|-
| 693 || [[মমতাজ বেগম]] || ৩৫৫ || ✕
|-
| 694 || [[আবুল বরকত]] || ১৪৩ || ✕
|-
| 695 || [[মেরি স্টোপস]] || ৫০৫ || ✕
|-
| 696 || [[ইয়োন ফসে]] || ৩৯৩ || ✕
|-
| 697 || [[জুনো দিয়াজ]] || ৫৪০ || ✕
|-
| 698 || [[পারভীন এতেসামি]] || ০ || ✕
|-
| 699 || [[চুয়াং জি]] || ২৭৪ || ✕
|-
| 700 || [[ফকির শাহাবুদ্দীন]] || ০ || ✕
|-
| 701 || [[আবু বকর সিদ্দিকী]] || ০ || ✕
|-
| 702 || [[বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট]] || ০ || ✕
|-
| 703 || [[বাংলাদেশের কৃষি প্রযুক্তি]] || ০ || ✕
|-
| 704 || [[হাসিবুন নাহের]] || ০ || ✕
|-
| 705 || [[মেরি উলস্টোনক্রাফ্ট]] || ২১৩ || ✕
|-
| 706 || [[বালতাসার গ্রাসিয়ান]] || ২০৬ || ✕
|-
| 707 || [[জুলাই আন্দোলন]] || ৬১৫ || ✕
|-
| 708 || [[বিকাশ]] || ০ || ✕
|-
| 709 || [[নতুন প্রযুক্তি]] || ০ || ✕
|-
| 710 || [[বাংলাদেশের রিয়েল এস্টেট শিল্প: বর্তমান প্রেক্ষাপট ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা]] || ০ || ✕
|-
| 711 || [[জলবায়ু পরিবর্তন ও বাংলাদেশের পরিবেশ]] || ০ || ✕
|-
| 712 || [[মোহাম্মদ শেখ শাহিনুর রহমান]] || ০ || ✕
|-
| 713 || [[অপ্রত্যাশিত জীবনযাত্রা]] || ০ || ✕
|-
| 714 || [[অপর্ণা সেন]] || ৩১২ || ✕
|}
15c5dyzhhecwgv4mtcgm83npzi8rfgd
83305
83304
2026-05-03T03:00:36Z
ARI
356
/* ব্যবহারকারী ভিত্তিক পরিসংখ্যান */
83305
wikitext
text/x-wiki
----
সর্বশেষ হালনাগাদ - ০১:০৫, ২ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
----
==উইকিউক্তি ফলাফল ২০২৬==
{| class="wikitable sortable"
|-
! ক্রম
! ব্যবহারকারী
! নিবন্ধ
! মোট শব্দ
! বিস্তারিত
|-
| '''১'''
| '''Dr. Mosaddek Khondoker'''
| '''১৯'''
| '''৪,০৪,৫৭৫'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৪,০৪,৫৭৫<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| '''২'''
| '''ARI'''
| '''২৮'''
| '''৩,১৪,৮৯৭'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৩,১২,২১২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২,৬৮৫
</div>
|-
| '''৩'''
| '''Tuhin'''
| '''২৮০'''
| '''৩,০১,০২২'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,৫৩,৯৫৯<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৪৭,০৬৩
</div>
|-
| '''৪'''
| '''SMontaha32'''
| '''৩৭'''
| '''২,৩৯,৫২৮'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,১৮,৫১৮<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২১,০১০
</div>
|-
| '''৫'''
| '''NusJaS'''
| '''১০'''
| '''২,৫১,৮৯১'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১,৯৭,২৯৩<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৫৪,৫৯৮
</div>
|-
| '''৬'''
| '''Oindrojalik Watch'''
| '''২৯'''
| '''১,৯৯,৯৪৯'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১,৯০,০৭৮<br>
অপর্যালোচিত: ৯,৮৭১<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| '''৭'''
| '''Sumanta3023'''
| '''১১০'''
| '''১,২২,৫০০'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৯৭,৪২১<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২৫,০৭৯
</div>
|-
| '''৮'''
| '''Anik Kanti Dey'''
| '''৩৪'''
| '''১,০৪,৬৪১'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৯৩,৮৬৪<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ১০,৭৭৭
</div>
|-
| '''৯'''
| '''Tanbiruzzaman'''
| '''২১'''
| '''৮০,৭২৪'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৮০,৭২৪<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| '''১০'''
| '''Nil Nandy'''
| '''২৭'''
| '''৭৪,২৬৭'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৭৪,২৬৭<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ১১
| R1F4T
| ২২
| ২,৮৫,২৭৫
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৬৩,৯৫১<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২,২১,৩২৪
</div>
|-
| ১২
| Salil Kumar Mukherjee
| ২৭
| ৪২,২০৬
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৩০,৯১৫<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ১১,২৯১
</div>
|-
| ১৩
| Anaf Ibn Shahibul
| ৪৭
| ৫৬,৫৮১
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১৯,৩৪৬<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৩৭,২৩৫
</div>
|-
| ১৪
| মোহাম্মদ জনি হোসেন
| ২৫
| ৮,১২৩
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৫,৪৭২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২,৬৫১
</div>
|-
| ১৫
| JIBON
| ৫
| ৫,৫৫৪
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৪,৭৩২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৮২২
</div>
|-
| ১৬
| Md. Muqtadir Fuad
| ১১
| ৪,০২৯
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৪,০২৯<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ১৭
| Humaira.thithi
| ৮
| ৩,৭১০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,৭৮৭<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৯২৩
</div>
|-
| ১৮
| Amirhusenjihed
| ৩
| ৩,০৬৪
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,৫৬৯<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৪৯৫
</div>
|-
| ১৯
| Asikur Rahman
| ৬
| ২,২২৯
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,২২৯<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ২০
| Rasel Mehedi
| ১০
| ২,৪৬৮
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,২২২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২৪৬
</div>
|-
| ২১
| Mahiya50
| ৬
| ২,১৯০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,১৯০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ২২
| Borhan
| ৬
| ১,৬৬২
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১,৬৬২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ২৩
| Raihanur
| ৪
| ৫,৬৭৪
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১,৫৪২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৪,১৩২
</div>
|-
| ২৪
| Muhammad Fahim Faisal
| ৬
| ১,৪৯৮
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১,৪৯৮<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ২৫
| Firuz Ahmmed
| ৪
| ২,১৯৭
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১,১১৭<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ১,০৮০
</div>
|-
| ২৬
| নিয়াজ ইসলাম
| ২
| ৭৫৬
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৭৫৬<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ২৭
| Asad.fr
| ৩
| ৩,২৯৯
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৩৬৪<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২,৯৩৫
</div>
|-
| ২৮
| Mehedi Abedin
| ১
| ৩৫২
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৩৫২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ২৯
| Md. Rayan Alam Rifat
| ১
| ১৮০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১৮০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ৩০
| Siyan BD
| ১২
| ১,৫৩৬
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১৬১<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ১,৩৭৫
</div>
|-
| ৩১
| Dewan mahbubr Rahman
| ১
| ৩৫০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৩৫০
</div>
|-
| ৩২
| ExceptionistSagar
| ১
| ১৭৯
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ১৭৯
</div>
|-
| ৩৩
| Kh. Fahim
| ১
| ৪০৬
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৪০৬
</div>
|-
| ৩৪
| Trisha Mazumder
| ১
| ০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ৩৫
| MdMarufHossen71
| ২
| ৪৯৮
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৪৯৮
</div>
|-
| ৩৬
| Usarker
| ৩
| ১,৪৩৮
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ১,৪৩৮
</div>
|-
| ৩৭
| রাকিবুল হাসান রাসেল
| ১
| ০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ৩৮
| MD RADWAN ISLAM
| ৬
| ২৭৪
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২৭৪
</div>
|-
| ৩৯
| AKM Mahinur Rahman
| ২
| ৪১৯
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৪১৯
</div>
|-
| ৪০
| MD RADWAN ISLAM ROHAN
| ৫
| ৬১৫
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৬১৫
</div>
|-
| ৪১
| ShahinurWrites
| ১
| ০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ৪২
| Abdullah Al Shishir
| ১
| ০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ৪৩
| চ্যাম্পিয়ন স্টার ১
| ১
| ৩১২
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৩১২
</div>
|}
== পর্যালোচক পরিসংখ্যান ==
; পর্যালোচক
{| class="wikitable"
|-
! ক্রম !! নাম !! মোট !! গৃহীত !! বাতিল
|-
| '''১''' || '''Mehedi Abedin''' || '''২৭৫''' || ২৩৮ || ৩৭
|-
| '''২''' || '''NusJaS''' || '''১৯৩''' || ১৫৪ || ৩৯
|-
| '''৩''' || '''MS Sakib''' || '''১৮১''' || ১৪৮ || ৩৩
|-
| '''৪''' || '''ARI''' || '''১৫৮''' || ১২৬ || ৩২
|-
| '''৫''' || '''MdsShakil''' || '''৪০''' || ৩৮ || ২
|-
| '''৬''' || '''Tahmid''' || '''১৪''' || ১০ || ৪
|-
| '''৭''' || '''Yahya''' || '''৫''' || ৪ || ১
|-
! মোট || || ৮৬৬ || ৭১৮ || ১৪৮
|}
== ব্যবহারকারী ভিত্তিক পরিসংখ্যান ==
=== [[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker| Dr. Mosaddek Khondoker]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্পর্কে উক্তি]] || ৩৯,৩০৩ || ✓
|-
| 2 || [[স্ট্যানলি বল্ডউইন]] || ৩৪,১৩১ || ✓
|-
| 3 || [[খ্রিস্টের অনৈতিহাসিকতা তত্ত্ব]] || ২৮,৭০৭ || ✓
|-
| 4 || [[বেঞ্জামিন ডিসরাইলি]] || ২৯,৪৭৯ || ✓
|-
| 5 || [[রবার্ট জি. ইঙ্গারসোল]] || ৩০,০৯০ || ✓
|-
| 6 || [[রন পল]] || ২৪,৯২৮ || ✓
|-
| 7 || [[ক্যালকুলাসের ইতিহাস]] || ১৯,১৯৫ || ✓
|-
| 8 || [[অ্যানোরেক্সিয়া নার্ভোসা]] || ২৩,১০০ || ✓
|-
| 9 || [[ডোয়াইট ডি আইজেনহাওয়ার]] || ২১,০২৬ || ✓
|-
| 10 || [[স্টিফেন জে গুল্ড]] || ২২,১৫০ || ✓
|-
| 11 || [[এআর-১৫ স্টাইল রাইফেল]] || ১৮,৯০১ || ✓
|-
| 12 || [[শেরি এস. টেপার]] || ২৪,৯৯৯ || ✓
|-
| 13 || [[আউরেলিয়ুস আউগুস্তিনুস]] || ১৯,৩৪৬ || ✓
|-
| 14 || [[ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতিত্ব]] || ৪৬,৮৯৯ || ✓
|-
| 15 || [[নবায়নযোগ্য শক্তি]] || ১২,৬১০ || ✓
|-
| 16 || [[নাডিন গর্ডিমার]] || ১,৩৭২ || ✓
|-
| 17 || [[মারে গেল-মান]] || ১,৩২৮ || ✓
|-
| 18 || [[নার্গিস মোহাম্মাদি]] || ১,৭৫৫ || ✓
|-
| 19 || [[সাদি কার্নো]] || ৫,২৫৬ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১৯
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৪,০৪,৫৭৫
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৪,০৪,৫৭৫
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:ARI| ARI]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[জে. হাওয়ার্ড মুর]] || ২৪,১৯৫ || ✓
|-
| 2 || [[ভারতে পোশাক]] || ২,২৮৯ || ✓
|-
| 3 || [[ভারতের ভাষা]] || ৬৯৫ || ✓
|-
| 4 || [[মধ্যযুগীয় ভারত]] || ১,৭১৭ || ✓
|-
| 5 || [[ভারতে ইহুদিদের ইতিহাস]] || ২,০৪৬ || ✓
|-
| 6 || [[ভারতে সুফিবাদ]] || ৩,২০৭ || ✓
|-
| 7 || [[পর্তুগিজ ভারত]] || ১,৬৪৩ || ✓
|-
| 8 || [[ভারতের প্রাণী]] || ৩০৫ || ✓
|-
| 9 || [[স্বাধীনতা দিবস]] || ৩৭৫ || ✓
|-
| 10 || [[ভারতে দুর্ভিক্ষ]] || ৩,৭৮১ || ✓
|-
| 11 || [[ভারতে ধর্মহীনতা]] || ২,৩৮৯ || ✓
|-
| 12 || [[ওয়ারেন ফ্যারেল]] || ২১,০৭৮ || ✓
|-
| 13 || [[আর্নেস্ট বেকার]] || ১৩,৫৯৭ || ✓
|-
| 14 || [[অতিপ্রজতা]] || ২৯,৫০১ || ✓
|-
| 15 || [[মোপলা বিদ্রোহ]] || ১৪,৫১২ || ✓
|-
| 16 || [[সীতা রাম গোয়েল]] || ১,৫৯৬ || ✓
|-
| 17 || [[অরুণ শৌরি]] || ১৫,৪৫০ || ✓
|-
| 18 || [[ভারতের ইতিহাস লিখন]] || ১৭,৯১৮ || ✓
|-
| 19 || [[দ্রৌপদী]] || ৬,১৬৪ || ✓
|-
| 20 || [[দ্য হিস্ট্রি অফ ইন্ডিয়া, অ্যাজ টোল্ড বাই ইটস ওন হিস্টোরিয়ানস]] || ২,৬৮৫ || ✕
|-
| 21 || [[রামায়ণ]] || ১,৩০০ || ✓
|-
| 22 || [[ভারতে শিক্ষা]] || ১০,৫৮০ || ✓
|-
| 23 || [[ভারতে নারী]] || ৬,১৫০ || ✓
|-
| 24 || [[বন্যপ্রাণীর কষ্ট]] || ৩৩,৭৪১ || ✓
|-
| 25 || [[নিরামিষবাদ]] || ৩০,৬২৭ || ✓
|-
| 26 || [[ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম রাষ্ট্রপতিত্ব]] || ৩৭,৫৭২ || ✓
|-
| 27 || [[নির্বাচন]] || ৭,০২৫ || ✓
|-
| 28 || [[সরকার]] || ২২,৭৫৯ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২৮
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৩,১২,২১২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩,১৪,৮৯৭
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২,৬৮৫
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Tuhin| Tuhin]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মহুয়া মৈত্র]] || ৬৫০ || ✓
|-
| 2 || [[হেনরি হোম, লর্ড কেইমস]] || ১,২৯৬ || ✓
|-
| 3 || [[লেটি কটিন পোগ্রেবিন]] || ৩৭০ || ✓
|-
| 4 || [[মার্জ পিয়ার্সি]] || ৬,৭৯০ || ✓
|-
| 5 || [[এলেন ডুইবস]] || ৮০৪ || ✓
|-
| 6 || [[মেরেডিথ ট্যাক্স]] || ৪৯১ || ✓
|-
| 7 || [[মুলক রাজ আনন্দ]] || ২৩৫ || ✓
|-
| 8 || [[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ধর্ষণ]] || ১,৯২০ || ✓
|-
| 9 || [[সুসান ব্রাউনমিলার]] || ৯৯১ || ✓
|-
| 10 || [[রবিন মরগান]] || ১,২২১ || ✓
|-
| 11 || [[ভিভিয়ান গোর্নিক]] || ২,৬৯০ || ✓
|-
| 12 || [[ডরোথি রে হিলি]] || ২,৬৩৮ || ✕
|-
| 13 || [[ক্লডিয়া জোন্স]] || ১,২৯৯ || ✓
|-
| 14 || [[গের্ডা লার্নার]] || ৩,৪২৮ || ✓
|-
| 15 || [[এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন]] || ৯,৮০৪ || ✕
|-
| 16 || [[এলা রিভ ব্লুর]] || ১,৯১৭ || ✓
|-
| 17 || [[টমাস হিউজ]] || ৯৯৬ || ✓
|-
| 18 || [[মার্গারিট দুরাস]] || ৩৪৯ || ✓
|-
| 19 || [[বেন অ্যারোনোভিচ]] || ৮,৭৯৭ || ✓
|-
| 20 || [[গ্লেন কুক]] || ৯,৯৮৫ || ✓
|-
| 21 || [[আব্রাহাম কাহান]] || ২,১৩৩ || ✓
|-
| 22 || [[গ্রেস পেলি]] || ৮,১৬৪ || ✕
|-
| 23 || [[স্টিফেন ক্রেন]] || ১,৯৬৩ || ✕
|-
| 24 || [[জোসেফাইন হার্বস্ট]] || ৪২৭ || ✓
|-
| 25 || [[জর্জ গিসিং]] || ২,০০৫ || ✓
|-
| 26 || [[আনজিয়া ইয়েজিয়ারস্কা]] || ৩,২৬২ || ✕
|-
| 27 || [[মেরি অ্যান্টিন]] || ৪৯০ || ✓
|-
| 28 || [[জয়েস অ্যান্টলার]] || ৪২৯ || ✓
|-
| 29 || [[ক্যাথরিন ম্যাককিনন]] || ২,১৭৮ || ✓
|-
| 30 || [[বেটিনা আপথেকার]] || ১,০২০ || ✓
|-
| 31 || [[ক্যারি চ্যাপম্যান ক্যাট]] || ১,৬০৩ || ✓
|-
| 32 || [[জ্যানেট র্যাঙ্কিন]] || ৭২১ || ✓
|-
| 33 || [[ফ্রান্সেস উইলার্ড]] || ৯৪১ || ✕
|-
| 34 || [[অ্যালিস স্টোন ব্ল্যাকওয়েল]] || ৫৪০ || ✕
|-
| 35 || [[অ্যানা এলিজাবেথ ডিকিনসন]] || ৭৫১ || ✕
|-
| 36 || [[মেরি লিভারমোর]] || ২,৩০৭ || ✕
|-
| 37 || [[দাড়ি]] || ২৯৭ || ✓
|-
| 38 || [[স্যার হেনরি হোবার্ট, ১ম ব্যারোনেট]] || ৭৩৮ || ✓
|-
| 39 || [[হার্ডিঞ্জ স্ট্যানলি গিফার্ড, হালসবুরির ১ম আর্ল]] || ৪১৯ || ✓
|-
| 40 || [[এ. ভি. ডাইসি]] || ১,৩৮১ || ✕
|-
| 41 || [[আলফ্রেড ডেনিং, ব্যারন ডেনিং]] || ৩,৮৩২ || ✓
|-
| 42 || [[টমাস ডেনিসন]] || ৪০০ || ✓
|-
| 43 || [[স্যার ফ্রান্সিস বুলার, ১ম ব্যারোনেট]] || ৯৬২ || ✓
|-
| 44 || [[নিকোলাস ব্রাতজা]] || ২৬৪ || ✓
|-
| 45 || [[রবার্ট অ্যাটকিনস]] || ৩৩৩ || ✕
|-
| 46 || [[রিচার্ড পেপার আর্ডেন, ১ম ব্যারন অ্যালভানলি]] || ৩৫১ || ✓
|-
| 47 || [[এডওয়ার্ড হল অল্ডারসন]] || ৪৪৬ || ✓
|-
| 48 || [[অ্যামব্রোজ বিয়ার্স]] || ৫,৫৪১ || ✕
|-
| 49 || [[মেওয়াত]] || ৭১৮ || ✓
|-
| 50 || [[নানাবতী-মেহতা কমিশন]] || ২,৪৪৪ || ✓
|-
| 51 || [[ভারতে ঔষধ শিল্প]] || ১,৯২১ || ✓
|-
| 52 || [[পাঞ্জাব]] || ১,৪০৬ || ✓
|-
| 53 || [[রামনবমী]] || ৮৬২ || ✓
|-
| 54 || [[ভারতের শহরসমূহের নাম পরিবর্তন]] || ৪৪১ || ✓
|-
| 55 || [[নুপুর শর্মা]] || ৬০১ || ✓
|-
| 56 || [[রিপাবলিক টিভি]] || ৪৫৫ || ✓
|-
| 57 || [[রোহিলখণ্ড]] || ৪৪০ || ✓
|-
| 58 || [[রোহিলা]] || ৩৪০ || ✓
|-
| 59 || [[সৌরাষ্ট্র]] || ৬৫৪ || ✓
|-
| 60 || [[ভারতে তিন তালাক]] || ১,১৩৪ || ✓
|-
| 61 || [[ভারতের পবিত্র উপবন]] || ৫৭৫ || ✓
|-
| 62 || [[অভিন্ন দেওয়ানি বিধি]] || ৩,৭৩৭ || ✓
|-
| 63 || [[নবনীত আদিত্য ওয়াইবা]] || ১৯২ || ✓
|-
| 64 || [[ভারতে জল সরবরাহ ও স্যানিটেশন]] || ৭৪০ || ✓
|-
| 65 || [[জমিদার]] || ৩৮১ || ✕
|-
| 66 || [[নিখিল ভারত মুসলিম লীগ]] || ১,৭৩৭ || ✕
|-
| 67 || [[ফতোয়া]] || ৪৮৪ || ✓
|-
| 68 || [[দারা শিকোহ]] || ১,৪৩৫ || ✓
|-
| 69 || [[আমেরিকা নিপাত যাক]] || ৬৩৯ || ✓
|-
| 70 || [[মহা শয়তান]] || ৪১৪ || ✓
|-
| 71 || [[উলামা]] || ৩৪৫ || ✓
|-
| 72 || [[দক্ষিণ এশিয়ায় মুসলিম জাতীয়তাবাদ]] || ১,৫১৬ || ✓
|-
| 73 || [[পার্সি-মুসলিম দাঙ্গা]] || ৬৫৬ || ✓
|-
| 74 || [[ভারতে দাঙ্গা]] || ৬৭৪ || ✓
|-
| 75 || [[ভারতে পেগাসাস প্রকল্পের উদঘাটন]] || ৩৯০ || ✓
|-
| 76 || [[নেহরুবাদ]] || ৯৫২ || ✓
|-
| 77 || [[২জি স্পেকট্রাম মামলা]] || ৯৩৭ || ✓
|-
| 78 || [[রাহুল গান্ধী]] || ৪,০০৪ || ✓
|-
| 79 || [[আকবরউদ্দিন ওয়াইসি]] || ২৯৮ || ✓
|-
| 80 || [[ভারতের সাধারণ নির্বাচন, ২০২৪]] || ২,৫৭৭ || ✓
|-
| 81 || [[ভারতে ধর্মনিরপেক্ষতা]] || ২৩৪ || ✓
|-
| 82 || [[নাইলা আলি খান]] || ২০৪ || ✓
|-
| 83 || [[অরুণ জেটলি]] || ৪৮১ || ✓
|-
| 84 || [[সুকেতু মেহতা]] || ৩৮২ || ✓
|-
| 85 || [[রুক্মিণী মৈত্র]] || ৩৫৪ || ✓
|-
| 86 || [[মানব গুপ্ত]] || ৬৩৪ || ✕
|-
| 87 || [[মোহিনী মোহন ধর]] || ৫৮৫ || ✓
|-
| 88 || [[দিলীপ কুমার চক্রবর্তী]] || ২,৫৯৭ || ✓
|-
| 89 || [[রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ৩৮৩ || ✓
|-
| 90 || [[পিটার অ্যাক্রয়েড]] || ২৯৭ || ✓
|-
| 91 || [[হ্যারল্ড ব্লুম]] || ৫৯৩ || ✓
|-
| 92 || [[জেমস বসওয়েল]] || ১,১৪৯ || ✓
|-
| 93 || [[অলিভার গোল্ডস্মিথ]] || ৩,১৭৮ || ✓
|-
| 94 || [[হেনরি জাইলস]] || ৭৯২ || ✓
|-
| 95 || [[এডউইন হাবেল চ্যাপিন]] || ৭৭০ || ✓
|-
| 96 || [[অবমাননা]] || ৭৮৮ || ✓
|-
| 97 || [[আদালত অবমাননা]] || ৮২৯ || ✓
|-
| 98 || [[আইনপ্রণেতা]] || ৭৪৩ || ✓
|-
| 99 || [[লেই বারডুগো]] || ১২২ || ✓
|-
| 100 || [[উইলিয়াম ব্রেট, ১ম ভিসকাউন্ট এশার]] || ১,০২০ || ✓
|-
| 101 || [[হেনরি হকিন্স, ১ম ব্যারন ব্র্যাম্পটন]] || ৩০৩ || ✓
|-
| 102 || [[জুনিয়াস]] || ১,৪১২ || ✓
|-
| 103 || [[উইলিয়াম মারে, ম্যানসফিল্ডের ১ম আর্ল]] || ৬৪৩ || ✓
|-
| 104 || [[জোসেফ ইয়েটস]] || ৬৬৬ || ✓
|-
| 105 || [[স্যার জন বেইলি, ১ম ব্যারোনেট]] || ৯১৮ || ✓
|-
| 106 || [[হেনরি বিকারস্টথ, ১ম ব্যারন ল্যাংডেল]] || ৪১৫ || ✓
|-
| 107 || [[এডওয়ার্ড ল, ১ম ব্যারন এলেনবরো]] || ৬৭৪ || ✓
|-
| 108 || [[লয়েড কেনিয়ন, ১ম ব্যারন কেনিয়ন]] || ৪,৪০৮ || ✓
|-
| 109 || [[জন হোল্ট]] || ১,১৮৯ || ✓
|-
| 110 || [[চার্লস বোয়েন, ব্যারন বোয়েন]] || ১,০৩৭ || ✓
|-
| 111 || [[চার্লস অ্যাবট, ১ম ব্যারন টেন্টারডেন]] || ৩৪১ || ✓
|-
| 112 || [[ন্যায়বিচার প্রশাসন]] || ২,৮৯৯ || ✓
|-
| 113 || [[আদালত]] || ১,৮১৮ || ✕
|-
| 114 || [[রোজান এ. ব্রাউন]] || ৩৪১ || ✓
|-
| 115 || [[মারিয়ন জিমার ব্র্যাডলি]] || ১,১০৪ || ✓
|-
| 116 || [[টেরি ব্রুকস]] || ৪৮৫ || ✓
|-
| 117 || [[লেই ব্র্যাকেট]] || ১,১১২ || ✓
|-
| 118 || [[জ্যাক ক্যাডি]] || ১,৫৬৮ || ✓
|-
| 119 || [[মেল ব্রুকস]] || ২,০১৬ || ✕
|-
| 120 || [[মাইকেল বিশপ]] || ৯৯০ || ✓
|-
| 121 || [[এলিজাবেথ বেয়ার]] || ৭০৫ || ✓
|-
| 122 || [[মার্গারেট বল]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 123 || [[পাওলো বাসিগালুপি]] || ৬৪৭ || ✓
|-
| 124 || [[কেলি আর্মস্ট্রং]] || ৫৮৫ || ✓
|-
| 125 || [[ক্যাথরিন আসরো]] || ৩৬১ || ✓
|-
| 126 || [[পিয়ার্স অ্যান্থনি]] || ২২৯ || ✓
|-
| 127 || [[রবার্ট আইকম্যান]] || ২৬৮ || ✓
|-
| 128 || [[আইনজীবী]] || ২,৩২৯ || ✓
|-
| 129 || [[আইনসভা]] || ২,৩৪৩ || ✓
|-
| 130 || [[জর্জ বুশনার]] || ৬৬২ || ✓
|-
| 131 || [[জোসেফ গার্নি ক্যানন]] || ৭০৯ || ✓
|-
| 132 || [[সংখ্যাগরিষ্ঠ]] || ১,৩৫৬ || ✓
|-
| 133 || [[সংখ্যালঘু গোষ্ঠী]] || ১,৮৮১ || ✓
|-
| 134 || [[প্রাতিষ্ঠানিক আচরণ]] || ৬৫৬ || ✓
|-
| 135 || [[মানব আচরণ]] || ৮৫২ || ✓
|-
| 136 || [[হার্ভে ম্যানসফিল্ড]] || ৯৭৯ || ✓
|-
| 137 || [[রাষ্ট্রবিজ্ঞান]] || ১,১৩৯ || ✓
|-
| 138 || [[রাজনৈতিক দর্শন]] || ১,২৮৫ || ✓
|-
| 139 || [[দ্বিজেন্দ্র নারায়ণ ঝা]] || ১,০৮৭ || ✓
|-
| 140 || [[আগ্রাসন]] || ৯২০ || ✓
|-
| 141 || [[হিন্দুত্ব]] || ২,৭০০ || ✓
|-
| 142 || [[ফ্লাভিয়া অ্যাগনেস]] || ৬৮২ || ✓
|-
| 143 || [[লাভ জিহাদ ষড়যন্ত্র তত্ত্ব]] || ৩,১৫০ || ✓
|-
| 144 || [[মহাত্মা গান্ধীর হত্যাকাণ্ড]] || ১,৭৭৮ || ✓
|-
| 145 || [[যোগিন্দর সিকান্দ]] || ৮১৪ || ✓
|-
| 146 || [[ভারতে মুসলিমদের বিরুদ্ধে সহিংসতা]] || ৮৫১ || ✓
|-
| 147 || [[জয় শ্রীরাম]] || ৭০৮ || ✓
|-
| 148 || [[লালকৃষ্ণ আডবাণী]] || ১,৫৫৫ || ✓
|-
| 149 || [[রাম রথযাত্রা]] || ১,৫৭৯ || ✓
|-
| 150 || [[হিন্দু আমেরিকান ফাউন্ডেশন]] || ১,৪৫৫ || ✓
|-
| 151 || [[হর্ষ মান্দার]] || ৬৬০ || ✓
|-
| 152 || [[স্বপন দাশগুপ্ত]] || ১,১৬৭ || ✓
|-
| 153 || [[জরাথুস্ট্রবাদ]] || ৩৭৭ || ✓
|-
| 154 || [[পার্সি]] || ৩৯০ || ✓
|-
| 155 || [[নাগরিকত্ব]] || ১,৮৭৯ || ✓
|-
| 156 || [[ভারতের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৭০]] || ৬৭৯ || ✓
|-
| 157 || [[মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন, ১৯৩৯]] || ৭৬৯ || ✓
|-
| 158 || [[অবৈতনিক বাধ্যতামূলক শিশু শিক্ষার অধিকার আইন, ২০০৯]] || ৩৭৯ || ✓
|-
| 159 || [[বোম্বাই দাঙ্গা]] || ৭৭৬ || ✓
|-
| 160 || [[বজরং দল]] || ৩৩১ || ✓
|-
| 161 || [[সংসদীয় ব্যবস্থা]] || ৪০৫ || ✓
|-
| 162 || [[বিচার বিভাগীয় ব্যাখ্যা]] || ১,২৩২ || ✓
|-
| 163 || [[বর্ণবাদ পরবর্তী আমেরিকা]] || ১,০৬৯ || ✓
|-
| 164 || [[শ্বেতাঙ্গ বিশেষাধিকার]] || ৬২৮ || ✓
|-
| 165 || [[বিশেষাধিকার]] || ৭১২ || ✓
|-
| 166 || [[মানবহিতৈষণা]] || ২২৮ || ✓
|-
| 167 || [[ভারত সরকার]] || ১,২২০ || ✓
|-
| 168 || [[শিলং]] || ৯৭৩ || ✓
|-
| 169 || [[মাঝৌলি রাজ]] || ৫৬০ || ✓
|-
| 170 || [[কালিকট]] || ৪৫৪ || ✓
|-
| 171 || [[যাজপুর]] || ৪০৭ || ✓
|-
| 172 || [[কালিবাঙ্গান]] || ৭৩৮ || ✓
|-
| 173 || [[কাডাপা]] || ৪১৩ || ✓
|-
| 174 || [[ইদার]] || ৫৮৬ || ✓
|-
| 175 || [[গোধরা]] || ১,০১০ || ✓
|-
| 176 || [[ভুবনেশ্বর]] || ১,১৬৫ || ✓
|-
| 177 || [[অমৃতসর]] || ৮৬৮ || ✓
|-
| 178 || [[আম্বালা]] || ৪৬১ || ✓
|-
| 179 || [[হায়দ্রাবাদ]] || ৩,২৪৮ || ✓
|-
| 180 || [[২০১৯ হায়দ্রাবাদ গণধর্ষণ]] || ১৭৭ || ✓
|-
| 181 || [[মুহাম্মাদ বখতিয়ার খলজি]] || ৪২৩ || ✕
|-
| 182 || [[হায়দ্রাবাদ অধিগ্রহণ]] || ৪৫৬ || ✓
|-
| 183 || [[১৮৯৯-১৯০০ সালের ভারতীয় দুর্ভিক্ষ]] || ৫৪১ || ✓
|-
| 184 || [[১৯৯০ হায়দ্রাবাদ দাঙ্গা]] || ৪০৬ || ✓
|-
| 185 || [[গুয়াহাটি]] || ১,৭৯৬ || ✓
|-
| 186 || [[গৌড়]] || ১,৯৩৬ || ✓
|-
| 187 || [[বিজাপুর]] || ৬৬২ || ✓
|-
| 188 || [[মাণ্ডু]] || ৩৯৪ || ✓
|-
| 189 || [[খাজুরাহো]] || ৩৭১ || ✓
|-
| 190 || [[চান্দেরী]] || ৫০৭ || ✓
|-
| 191 || [[জুনাগড়]] || ৭১৯ || ✓
|-
| 192 || [[বৃহৎ কচ্ছের রাণ]] || ৫৮৪ || ✓
|-
| 193 || [[আহমেদাবাদ]] || ১,৮১২ || ✓
|-
| 194 || [[কচ্ছ জেলা]] || ৩২৬ || ✓
|-
| 195 || [[দৃশদ্বতী নদী]] || ১৮৬ || ✓
|-
| 196 || [[চেনাব নদী]] || ৩২১ || ✓
|-
| 197 || [[পশ্চিমবঙ্গে ধর্ম]] || ১,২৩২ || ✓
|-
| 198 || [[মুর্শিদাবাদ সহিংসতা]] || ২৫৭ || ✓
|-
| 199 || [[২০২৪ সন্দেশখালী সহিংসতা]] || ১,০৬১ || ✓
|-
| 200 || [[২০২২ বীরভূম সহিংসতা]] || ৫১৪ || ✓
|-
| 201 || [[মৈতৈ জাতি]] || ৬৪০ || ✓
|-
| 202 || [[মৈতৈ সভ্যতা]] || ৩৫০ || ✓
|-
| 203 || [[মণিপুর]] || ৩০৬ || ✓
|-
| 204 || [[লাক্ষাদ্বীপ]] || ৩২৯ || ✓
|-
| 205 || [[বৃন্দাবন]] || ৬৮২ || ✕
|-
| 206 || [[সম্ভল]] || ২৪৩ || ✓
|-
| 207 || [[এলাহাবাদ]] || ৩৫৭ || ✓
|-
| 208 || [[আলিগড়]] || ৪০৯ || ✓
|-
| 209 || [[স্ট্যাচু অব ইউনিটি]] || ২৪১ || ✓
|-
| 210 || [[ভারতের দুর্গ]] || ৩১৪ || ✓
|-
| 211 || [[দ্য দুন স্কুল]] || ৬৬৪ || ✓
|-
| 212 || [[কাশী হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়]] || ৩৪৫ || ✓
|-
| 213 || [[আগ্রা]] || ৭১৮ || ✓
|-
| 214 || [[২০২০ দিল্লি দাঙ্গা]] || ১,১৭৮ || ✓
|-
| 215 || [[তিরুচিরাপল্লী]] || ৬২৬ || ✓
|-
| 216 || [[সেন্ট থমাস ক্যাথেড্রাল ব্যাসিলিকা, চেন্নাই]] || ৩৮০ || ✕
|-
| 217 || [[আতঙ্ক]] || ৪৭৮ || ✕
|-
| 218 || [[ভারতে দুর্নীতি]] || ১,০০৭ || ✓
|-
| 219 || [[তামিলনাড়ুর মন্দির]] || ৯১৮ || ✓
|-
| 220 || [[এম. কে. স্ট্যালিন]] || ৩৩২ || ✓
|-
| 221 || [[তামিলনাড়ু]] || ৫৪৩ || ✓
|-
| 222 || [[তামিলনাড়ুর হিন্দি বিরোধী আন্দোলন]] || ৪৬৫ || ✓
|-
| 223 || [[যোধপুর]] || ৬২৮ || ✓
|-
| 224 || [[রাজস্থান]] || ২৯৪ || ✓
|-
| 225 || [[ওড়িশা]] || ৭৪৫ || ✓
|-
| 226 || [[১৯৯৮ কোয়েম্বাটুর বোমা হামলা]] || ৫৩৭ || ✓
|-
| 227 || [[উত্তর-পূর্ব ভারতে বিদ্রোহ]] || ৩৯৮ || ✓
|-
| 228 || [[মারাদ হত্যাকাণ্ড]] || ৩৫২ || ✓
|-
| 229 || [[মক্কা মসজিদ বিস্ফোরণ]] || ৫৮৪ || ✓
|-
| 230 || [[স্টুডেন্টস ইসলামিক মুভমেন্ট অব ইন্ডিয়া]] || ৩৫৭ || ✓
|-
| 231 || [[বিষ্ণু]] || ৬১৭ || ✓
|-
| 232 || [[২০২৪ রিয়াসি হামলা]] || ৩০২ || ✓
|-
| 233 || [[২০০৬ মালেগাঁও বোমা হামলা]] || ৩৯১ || ✓
|-
| 234 || [[২০০৬ মুম্বই রেলে বোমা হামলা]] || ১৯০ || ✓
|-
| 235 || [[মুম্বই]] || ১,২২৪ || ✓
|-
| 236 || [[দৌলতাবাদ, মহারাষ্ট্র]] || ৮৮৯ || ✕
|-
| 237 || [[মহারাষ্ট্র]] || ৪৯৯ || ✓
|-
| 238 || [[পিনারাই বিজয়ন]] || ৫২৩ || ✓
|-
| 239 || [[আরব দেশ]] || ৯১৪ || ✓
|-
| 240 || [[দক্ষিণ এশিয়া]] || ৫৯৩ || ✓
|-
| 241 || [[শহুরে অবক্ষয়]] || ৩০৮ || ✓
|-
| 242 || [[নগরায়ন]] || ১,০৯৭ || ✓
|-
| 243 || [[কেরল]] || ৩৬৫ || ✓
|-
| 244 || [[জম্মু ও কাশ্মীরে বিদ্রোহ]] || ৪১৮ || ✓
|-
| 245 || [[জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহার]] || ৯৬৪ || ✓
|-
| 246 || [[শ্রীনগর]] || ১,৭২৯ || ✓
|-
| 247 || [[কাশ্মীর উপত্যকা]] || ২৮৪ || ✓
|-
| 248 || [[লাদাখ]] || ৬৯৪ || ✓
|-
| 249 || [[কাশ্মীরি জাতি]] || ৮১৩ || ✓
|-
| 250 || [[তারিখ-ই-কাশ্মীর]] || ৫১৪ || ✓
|-
| 251 || [[কর্ণাটক]] || ৬৮২ || ✓
|-
| 252 || [[কর্ণাটকের রাজনীতি]] || ৪৩৯ || ✓
|-
| 253 || [[বেঙ্গালুরু]] || ৬১৪ || ✓
|-
| 254 || [[আসামে ইসলাম]] || ৬৯০ || ✓
|-
| 255 || [[আসামের ইতিহাস]] || ৭২৬ || ✓
|-
| 256 || [[আসামে হিন্দুধর্ম]] || ৩২৫ || ✓
|-
| 257 || [[ভারতের জনমিতি]] || ৩,৩৭৩ || ✓
|-
| 258 || [[বাংলাদেশের জনমিতি]] || ১,১৯৫ || ✓
|-
| 259 || [[পাকিস্তানের জনমিতি]] || ৮৫০ || ✓
|-
| 260 || [[আসামের জনমিতি]] || ১৮২ || ✓
|-
| 261 || [[বিহার]] || ৪৫৮ || ✓
|-
| 262 || [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] || ১৮১ || ✓
|-
| 263 || [[শাহ বানু মামলা]] || ৮০০ || ✓
|-
| 264 || [[ইসরায়েল–ভারত সম্পর্ক]] || ৮৯৭ || ✓
|-
| 265 || [[প্রণব মুখোপাধ্যায়]] || ৫৯৫ || ✓
|-
| 266 || [[দ্রৌপদী মুর্মু]] || ২৪৯ || ✓
|-
| 267 || [[ফখরুদ্দিন আলি আহমেদ]] || ১,৬৪৭ || ✓
|-
| 268 || [[এলজিবিটিকিউ অধিকার বিরোধিতা]] || ২,০৪৯ || ✓
|-
| 269 || [[গেফোবিয়া]] || ২৭৮ || ✓
|-
| 270 || [[সমকামী যৌন চর্চা]] || ৪০৭ || ✓
|-
| 271 || [[উভকামিতা]] || ১,৫৬০ || ✓
|-
| 272 || [[কামিং আউট]] || ৮০৫ || ✓
|-
| 273 || [[স্মৃতি ইরানি]] || ৯৯১ || ✓
|-
| 274 || [[মেনকা গান্ধী]] || ১,২৩০ || ✓
|-
| 275 || [[যশবন্ত সিং]] || ২০৬ || ✓
|-
| 276 || [[সৈয়দ শাহাবুদ্দিন]] || ৫৭৯ || ✓
|-
| 277 || [[শাকিল আহমদ]] || ১২৪ || ✓
|-
| 278 || [[তথাগত রায়]] || ২৭৫ || ✓
|-
| 279 || [[লালুপ্রসাদ যাদব]] || ১,১০৯ || ✓
|-
| 280 || [[আসাদউদ্দিন ওয়াইসি]] || ৫০২ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২৮০
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ২,৫৩,৯৫৯
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩,০১,০২২
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৪৭,০৬৩
|}
=== [[ব্যবহারকারী:SMontaha32| SMontaha32]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনী]] || ১৯,১০০ || ✕
|-
| 2 || [[ভাকলাভ হাভেল]] || ৯,৩৫৭ || ✓
|-
| 3 || [[নরউইচের জুলিয়ান]] || ৩১,৬৩৩ || ✓
|-
| 4 || [[রামসে ম্যাকডোনাল্ড]] || ৯,৬২২ || ✓
|-
| 5 || [[জন মুয়ির]] || ৮,০৬১ || ✓
|-
| 6 || [[মার্গারেট অ্যাটউড]] || ৬,৩২৮ || ✓
|-
| 7 || [[পেত্র ক্রাপোতকিন]] || ১০,৮১৬ || ✓
|-
| 8 || [[টমাস হেনরি হাক্সলি]] || ৮,৫০৩ || ✓
|-
| 9 || [[উইলিয়াম বাটলার ইয়েটস]] || ৭,২১০ || ✓
|-
| 10 || [[উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস]] || ৪,২৬০ || ✓
|-
| 11 || [[তাওয়াক্কোল কারমান]] || ৪,০৯৭ || ✓
|-
| 12 || [[র্যাচেল কারসন]] || ৪,৭৬৭ || ✓
|-
| 13 || [[আর্নেস্ট হেমিংওয়ে]] || ১৪,৯০৭ || ✓
|-
| 14 || [[আর্থার এডিংটন]] || ৫,৬৩৭ || ✓
|-
| 15 || [[এরিক হবসবাউম]] || ৫,৮৭৩ || ✓
|-
| 16 || [[টনি মরিসন]] || ১০,৩৮৩ || ✓
|-
| 17 || [[টনি বেন]] || ১০,৩৯৯ || ✓
|-
| 18 || [[নরম্যান মেইলার]] || ৬,৬০৬ || ✓
|-
| 19 || [[পল স্যামুয়েলসন]] || ৬,৮৫১ || ✓
|-
| 20 || [[এইচ. পি. লাভক্র্যাফট]] || ২৫,৪৭২ || ✓
|-
| 21 || [[ব্লেজ পাসকাল]] || ৩,০৫১ || ✓
|-
| 22 || [[চিনুয়া আচেবে]] || ৬,০৪২ || ✓
|-
| 23 || [[ডরিস লেসিং]] || ৪,৬২১ || ✓
|-
| 24 || [[ফেদেরিকো ফাগিন]] || ৬০০ || ✓
|-
| 25 || [[আলেকজান্ডার গ্রোথেনডিক]] || ১,২১১ || ✓
|-
| 26 || [[আঙ্গেলা ম্যার্কেল]] || ২,০২৯ || ✓
|-
| 27 || [[আনাক্সাগোরাস]] || ৩,৬৭১ || ✓
|-
| 28 || [[আমোস তভারস্কি]] || ৪৬১ || ✓
|-
| 29 || [[আলফ্রেড মার্শাল]] || ১,৩০৯ || ✓
|-
| 30 || [[আলবার্টাস ম্যাগনাস]] || ৩৮২ || ✓
|-
| 31 || [[অনিতা ব্রুকনার]] || ৪৭৪ || ✕
|-
| 32 || [[আলফ্রেড কিনসে]] || ১,০৩৩ || ✓
|-
| 33 || [[অ্যালান কে]] || ৯২৪ || ✓
|-
| 34 || [[আলেকজান্ডার ফ্লেমিং]] || ৩৩২ || ✓
|-
| 35 || [[ক্যারোলিন বার্তোজি]] || ৪১১ || ✓
|-
| 36 || [[আলফ্রেড রাসেল ওয়ালেস]] || ১,৬৫৯ || ✓
|-
| 37 || [[অঁতোয়ান লাভোয়াজিয়ে]] || ১,৪৩৬ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৩৭
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ২,১৮,৫১৮
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২,৩৯,৫২৮
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২১,০১০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:NusJaS| NusJaS]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[লিটিশা এলিজাবেথ ল্যান্ডন]] || ২৫,৯৭৯ || ✕
|-
| 2 || [[প্রজননবিরোধবাদ]] || ৩০,৯৪৮ || ✓
|-
| 3 || [[উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন]] || ২৮,৬১৯ || ✕
|-
| 4 || [[ক্রিস্টোফার হিচেন্স]] || ২৫,৯২২ || ✓
|-
| 5 || [[বলপূর্বক খাওয়ানো]] || ২২,৬২২ || ✓
|-
| 6 || [[জন স্টুয়ার্ট মিল]] || ২২,৭৮৩ || ✓
|-
| 7 || [[রবার্ট গ্যাসকয়েন-সিসিল, স্যালিসবারির ৩য় মার্কুইস]] || ২০,৮৯৮ || ✓
|-
| 8 || [[অ্যারন রা]] || ২১,৯৫৫ || ✓
|-
| 9 || [[ফায়ারপ্লেস]] || ২১,৪১৭ || ✓
|-
| 10 || [[জন হার্ভে কেলোগ]] || ৩০,৭৪৮ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১০
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১,৯৭,২৯৩
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২,৫১,৮৯১
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৫৪,৫৯৮
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch| Oindrojalik Watch]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ভ্রান্ত উদ্ধৃতি]] || ৯,৮৭১ || ✓
|-
| 2 || [[২০১১ ফিফা মহিলা বিশ্বকাপ]] || ৯৬৩ || ✓
|-
| 3 || [[তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] || ৩,১৭৯ || ✓
|-
| 4 || [[আফগান যুদ্ধ]] || ৪,৬২০ || ✓
|-
| 5 || [[ইউক্রেনে রুশ আক্রমণ]] || ১২,৩৮২ || ✓
|-
| 6 || [[ইরাক যুদ্ধ]] || ১২,৩৪৪ || ✓
|-
| 7 || [[যুক্তরাজ্যের তৃতীয় জর্জ]] || ১২,০৪২ || ✓
|-
| 8 || [[২০১০ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৮৮৩ || ✓
|-
| 9 || [[২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৩,৫১৪ || ✓
|-
| 10 || [[২০০২ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৬১১ || ✓
|-
| 11 || [[ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ]] || ১,৫৪২ || ✓
|-
| 12 || [[স্নায়ুযুদ্ধ]] || ১৫,৬১০ || ✓
|-
| 13 || [[দ্বিতীয় স্নায়ুযুদ্ধ]] || ৪,৬৬৮ || ✓
|-
| 14 || [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] || ২৪,১৭৭ || ✓
|-
| 15 || [[মহত্ত্ব]] || ৭,৮১৪ || ✓
|-
| 16 || [[সাংবাদিকতা]] || ১৩,৪৭৭ || ✓
|-
| 17 || [[প্যানডিজম]] || ১০,৩০০ || ✓
|-
| 18 || [[গাজা যুদ্ধ]] || ১৬,৯৮২ || ✓
|-
| 19 || [[২০২৬ ইরান যুদ্ধ]] || ৬,৯৫৯ || ✓
|-
| 20 || [[পারমাণবিক অস্ত্র]] || ৩,২৩৩ || ✓
|-
| 21 || [[২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৬৪৩ || ✓
|-
| 22 || [[ক্রুসেড]] || ৯৯৬ || ✓
|-
| 23 || [[অ্যানিমেশন]] || ৯,৪৫৭ || ✓
|-
| 24 || [[দক্ষিণ কোরিয়ার রাজনীতি]] || ৭৫৫ || ✓
|-
| 25 || [[ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ]] || ৩,৭৬২ || ✓
|-
| 26 || [[পারমাণবিক যুদ্ধ]] || ৫,৫২০ || ✓
|-
| 27 || [[আল খোয়ারিজমি]] || ১,২৩০ || ✓
|-
| 28 || [[ফজলে রাব্বী]] || ৬৩৫ || ✓
|-
| 29 || [[ডেভিড হিউম]] || ১১,৭৮০ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২৯
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১,৯০,০৭৮
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১,৯৯,৯৪৯
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023| Sumanta3023]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[লিওনিদ ক্যান্টোরোভিচ]] || ১,৪২২ || ✓
|-
| 2 || [[থিওডোসিয়াস ডবঝানস্কি]] || ৭৬০ || ✕
|-
| 3 || [[টেরেন্স টাও]] || ৭২০ || ✓
|-
| 4 || [[ফিলিপ]] || ৪২৬ || ✓
|-
| 5 || [[জুলিয়ান শুইঙার]] || ১,৩২২ || ✕
|-
| 6 || [[পিয়ের-জিল দ্য জেন]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 7 || [[ব্রায়ান কক্স]] || ৭৫৬ || ✓
|-
| 8 || [[জন ম্যাককার্থি]] || ১,০৪৫ || ✓
|-
| 9 || [[লুই দ্য ব্রোয়ি]] || ৪৬০ || ✓
|-
| 10 || [[ফ্রঁসোয়া মিতেরঁ]] || ১,১৯৪ || ✕
|-
| 11 || [[ফ্লিন্ডার্স পেট্রি]] || ১,২০৪ || ✕
|-
| 12 || [[পল আর. এহর্লিচ]] || ১,৩০০ || ✓
|-
| 13 || [[মাইকেল আতিয়াহ]] || ৪২৩ || ✓
|-
| 14 || [[মার্টন মিলার]] || ৪৮২ || ✓
|-
| 15 || [[মেরি বিয়ার্ড]] || ৯১১ || ✓
|-
| 16 || [[মার্গারেট চ্যান]] || ৭০৪ || ✓
|-
| 17 || [[গেরহার্ড শ্রোডার]] || ২৬৯ || ✓
|-
| 18 || [[ফিলিপ ওয়ারেন অ্যান্ডারসন]] || ৭৯৯ || ✓
|-
| 19 || [[পিটার হিগস]] || ৪৭৪ || ✕
|-
| 20 || [[লিওনার্ড সাসকিন্ড]] || ৮২৫ || ✓
|-
| 21 || [[জন মেইনার্ড স্মিথ]] || ৬৪০ || ✓
|-
| 22 || [[জন জেমস অডুবন]] || ৮৩৭ || ✓
|-
| 23 || [[শেলডন লি গ্ল্যাশো]] || ৭৫১ || ✓
|-
| 24 || [[ভিক্টর উইসকফ]] || ৫১৯ || ✓
|-
| 25 || [[মার্টিন রিস]] || ৫৫১ || ✓
|-
| 26 || [[মার্ক ওলিফ্যান্ট]] || ৫৫৩ || ✓
|-
| 27 || [[ভিতালি গিঞ্জবার্গ]] || ৩০৮ || ✓
|-
| 28 || [[স্যালি রাইড]] || ৪২৫ || ✓
|-
| 29 || [[রবার্ট ফোগেল]] || ৪২৮ || ✓
|-
| 30 || [[রিঙ্গো স্টার]] || ৮৭০ || ✓
|-
| 31 || [[মাক্স ডেলব্রুক]] || ৫৭৫ || ✓
|-
| 32 || [[তৃতীয় লেওপোল্ড]] || ৮৩৭ || ✓
|-
| 33 || [[নরম্যান বোরল্যাগ]] || ৭০০ || ✓
|-
| 34 || [[নিকলাউস ভির্ট]] || ৪৭৯ || ✓
|-
| 35 || [[নিকোলাস স্টেনো]] || ২৯২ || ✓
|-
| 36 || [[নেভিল ফ্রান্সিস মট]] || ৫১১ || ✓
|-
| 37 || [[লুডউইক ফ্লেক]] || ৫১২ || ✓
|-
| 38 || [[কারেন উলেনবেক]] || ৩৯২ || ✓
|-
| 39 || [[ইয়োসেফ মেংগেলে]] || ৫৪৪ || ✓
|-
| 40 || [[কিরণ দেশাই]] || ২৬১ || ✓
|-
| 41 || [[কাতালিন কারিকো]] || ৩০৯ || ✓
|-
| 42 || [[ইয়োন্স ইয়াকব বের্সেলিয়ুস]] || ৫১৬ || ✓
|-
| 43 || [[হুয়ান মালদাসেনা]] || ৭৩২ || ✓
|-
| 44 || [[হাইনরিখ বোল]] || ৩০০ || ✓
|-
| 45 || [[ইনগ্রিড ডোবিচি]] || ৬৭১ || ✓
|-
| 46 || [[ইয়ান উইলমুট]] || ৪২৭ || ✓
|-
| 47 || [[হিউ এভারেট]] || ৬০০ || ✓
|-
| 48 || [[ফ্রঁসোয়া অংল্যার]] || ৫৩৩ || ✓
|-
| 49 || [[এমানুয়েল সোয়েডেনবার্গ]] || ১,৫২২ || ✓
|-
| 50 || [[এলিজাবেথ বিশপ]] || ৬৫২ || ✓
|-
| 51 || [[শেখ আন্তা দিওপ]] || ৩৩৫ || ✓
|-
| 52 || [[জর্জ গ্যামো]] || ১,৫২১ || ✓
|-
| 53 || [[হাইনরিখ হের্ত্স]] || ১,৭৪৪ || ✓
|-
| 54 || [[গ্রো হারলেম ব্রুন্ডটল্যান্ড]] || ৩১১ || ✓
|-
| 55 || [[জন সি. মাদার]] || ৪২৫ || ✓
|-
| 56 || [[জন ব্যাকাস]] || ৫৯৭ || ✓
|-
| 57 || [[এর্নস্ট মায়ার]] || ৭৫৪ || ✓
|-
| 58 || [[লিন মার্গুলিস]] || ১,৭১৮ || ✓
|-
| 59 || [[হ্যান্স বেটে]] || ৩৯৬ || ✓
|-
| 60 || [[লুই আগাসিজ]] || ৯৩৭ || ✓
|-
| 61 || [[জর্জ ক্যুভিয়ে]] || ৭৬৮ || ✓
|-
| 62 || [[ব্রাসেলস]] || ৯৬৭ || ✓
|-
| 63 || [[ড্যানিয়েল কানেমান]] || ২,৯৫৭ || ✕
|-
| 64 || [[ডোনাল্ড কানুথ]] || ১,৫৮২ || ✓
|-
| 65 || [[লেমাহ গবোউই]] || ১,১৫০ || ✓
|-
| 66 || [[গারট্রুড বি. এলিয়ন]] || ২৩৪ || ✓
|-
| 67 || [[ডোনা স্ট্রিকল্যান্ড]] || ৩৫৯ || ✓
|-
| 68 || [[এর্নস্ট মাখ]] || ২,০২৮ || ✕
|-
| 69 || [[ডোনাল্ড টাস্ক]] || ১,৭৭১ || ✓
|-
| 70 || [[অরবিন্দ আদিগা]] || ৮৬৬ || ✓
|-
| 71 || [[সি. এ. আর. হোর]] || ১,০৬১ || ✕
|-
| 72 || [[পল ডিরাক]] || ৪,৭০৯ || ✕
|-
| 73 || [[ই. ও. উইলসন]] || ৪,৪৫৮ || ✕
|-
| 74 || [[ডেসমন্ড মরিস]] || ৩,৯৮৬ || ✓
|-
| 75 || [[মাইকেল গোভ]] || ৩,৭৩৬ || ✓
|-
| 76 || [[হার্পার লি]] || ২,৪৯১ || ✓
|-
| 77 || [[কেন টম্পসন]] || ১,৮১৬ || ✓
|-
| 78 || [[জন টিন্ডাল]] || ২,৫২৮ || ✓
|-
| 79 || [[মেরি রবিনসন]] || ১,৩৭৬ || ✓
|-
| 80 || [[হেনরি ক্যাভেন্ডিশ]] || ২,২৪৪ || ✓
|-
| 81 || [[আইরিস মারডক]] || ১,২৬৮ || ✓
|-
| 82 || [[আর্নেস্ট রাদারফোর্ড]] || ২,৪৫৩ || ✓
|-
| 83 || [[ফ্রেড ব্রুকস]] || ১,১৯১ || ✓
|-
| 84 || [[ক্রিস্টিয়ান হাইগেনস]] || ১,৯০৭ || ✓
|-
| 85 || [[ডায়ান ফসি]] || ১,৬৪৬ || ✕
|-
| 86 || [[ইডিথ হোয়ার্টন]] || ১,৪২৫ || ✓
|-
| 87 || [[অরেল স্টেইন]] || ১,৪৭৮ || ✕
|-
| 88 || [[গাব্রিয়েলা মিস্ত্রাল]] || ১,৬৫০ || ✓
|-
| 89 || [[আলেকজান্ডার ফন হুমবোল্ট]] || ১,১২০ || ✓
|-
| 90 || [[ফ্রান্সিস্কো ভারেলা]] || ১,৮৯৩ || ✓
|-
| 91 || [[ডেনিস রিচি]] || ১,১০৮ || ✓
|-
| 92 || [[অড্রে হেপবার্ন]] || ১,৪৩৫ || ✓
|-
| 93 || [[জি. এইচ. হার্ডি]] || ২,৩৩০ || ✓
|-
| 94 || [[হ্যারল্ড পিন্টার]] || ২,০৭২ || ✓
|-
| 95 || [[অ্যানাক্সিম্যান্ডার]] || ১,৩০০ || ✓
|-
| 96 || [[ডেভিড ব্রুস্টার]] || ২,৪০৪ || ✓
|-
| 97 || [[ব্রায়ান গ্রিন]] || ১,২৭৯ || ✕
|-
| 98 || [[অমিত গোস্বামী]] || ৯১৫ || ✓
|-
| 99 || [[এডমন্ড হ্যালি]] || ২,৬১৯ || ✓
|-
| 100 || [[ডেভিড সুজুকি]] || ১,৫১৭ || ✓
|-
| 101 || [[ডেভিড জোনাথন গ্রোস]] || ৮০৯ || ✓
|-
| 102 || [[ডেভিড ম্যামেট]] || ১,২৫২ || ✓
|-
| 103 || [[আহমেদ জেওয়াইল]] || ১৯২ || ✓
|-
| 104 || [[ইউরোপীয় পার্লামেন্ট]] || ৬১৫ || ✓
|-
| 105 || [[ডেভিড গ্রসম্যান]] || ৩৩৬ || ✓
|-
| 106 || [[হরিশ-চন্দ্র]] || ২৮৪ || ✓
|-
| 107 || [[অনিতা দেসাই]] || ১,৪৩৯ || ✓
|-
| 108 || [[অ্যাশ কার্টার]] || ৪৬৩ || ✓
|-
| 109 || [[আলফ্রেড নোবেল]] || ৫০৯ || ✕
|-
| 110 || [[ক্রিস্টিয়ান বার্নার্ড]] || ৬৩৯ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১১০
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৯৭,৪২১
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১,২২,৫০০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২৫,০৭৯
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Anik Kanti Dey| Anik Kanti Dey]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[রেজা পাহলভি]] || ৯,৯১০ || ✓
|-
| 2 || [[রজার ইবার্ট]] || ২১,৩২৫ || ✓
|-
| 3 || [[পুনর্জন্ম]] || ২০,২৪৮ || ✓
|-
| 4 || [[জ্যারেড ডায়মন্ড]] || ১,১৬৮ || ✕
|-
| 5 || [[জেন গুডাল]] || ১,৩৫৭ || ✓
|-
| 6 || [[জেমস টোবিন]] || ১,০৫৯ || ✓
|-
| 7 || [[জেমস ক্যালাহান]] || ১,৬১৫ || ✓
|-
| 8 || [[উইলিয়াম স্ট্যানলি জেভন্স]] || ১,৭০১ || ✓
|-
| 9 || [[উইলিয়াম থমসন]] || ১,০৫১ || ✓
|-
| 10 || [[ওলে সোয়িংকা]] || ৩,১৬১ || ✕
|-
| 11 || [[জোসেফ স্টিগলিটজ]] || ১,৫০৪ || ✕
|-
| 12 || [[গ্রেগর মেন্ডেল]] || ৮৭৪ || ✓
|-
| 13 || [[গটফ্রিড ভিলহেল্ম লাইবনিৎস]] || ১,২৩৬ || ✓
|-
| 14 || [[গ্লেন থিওডোর সিবর্গ]] || ৯৮৪ || ✓
|-
| 15 || [[হেরমান ভাইল]] || ১,৫৪১ || ✓
|-
| 16 || [[হেরমান হেস]] || ৪,৫৬৫ || ✓
|-
| 17 || [[হার্বার্ট স্পেন্সার]] || ২,৩৬৮ || ✓
|-
| 18 || [[হার্বার্ট এ. সাইমন]] || ১,৩৩৭ || ✓
|-
| 19 || [[হেরাক্লিটাস]] || ১,৫৭০ || ✓
|-
| 20 || [[হেনরিক শিয়েনকিয়েভিচ]] || ১,৯১১ || ✕
|-
| 21 || [[উইলা ক্যাথার]] || ৩,০৩৩ || ✕
|-
| 22 || [[উইল ডুরান্ট]] || ২,৮১৫ || ✓
|-
| 23 || [[ডব্লিউ. এইচ. অডেন]] || ২,৮১৯ || ✓
|-
| 24 || [[ভোলফগাং পাউলি]] || ১,৬৩৯ || ✓
|-
| 25 || [[ইয়াসুনারি কাওয়াবাতা]] || ২,২৫৮ || ✓
|-
| 26 || [[জন আর্চিবল্ড হুইলার]] || ১,১৩৯ || ✓
|-
| 27 || [[সেমুর হার্শ]] || ১,৭৬১ || ✓
|-
| 28 || [[সের্গেই কোরোলিয়ভ]] || ৫৬৫ || ✓
|-
| 29 || [[জেন অ্যাডামস]] || ১,৯০৬ || ✓
|-
| 30 || [[জাক-ইভ কুস্তো]] || ৬৬৩ || ✓
|-
| 31 || [[হিদেকি ইউকাওয়া]] || ৪০৩ || ✓
|-
| 32 || [[প্রিমো লেভি]] || ৪,২৩৮ || ✓
|-
| 33 || [[ঝুম্পা লাহিড়ী]] || ৪৩০ || ✓
|-
| 34 || [[জেমস প্রেসকট জুল]] || ৪৮৭ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৩৪
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৯৩,৮৬৪
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১,০৪,৬৪১
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ১০,৭৭৭
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman| Tanbiruzzaman]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা]] || ৪,৮৫১ || ✓
|-
| 2 || [[সংবাদ মাধ্যম]] || ১,১৫৫ || ✓
|-
| 3 || [[গণমাধ্যম]] || ৩,৩৫৭ || ✓
|-
| 4 || [[মূলধারার গণমাধ্যম]] || ১,০৫২ || ✓
|-
| 5 || [[হলুদ সাংবাদিকতা]] || ২,২৯৬ || ✓
|-
| 6 || [[ভুয়া সংবাদ]] || ১,৪০৮ || ✓
|-
| 7 || [[বিকল্প প্রচারমাধ্যম]] || ১,২০৫ || ✓
|-
| 8 || [[জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ]] || ১১,২৬৬ || ✓
|-
| 9 || [[অ্যানোনিমাস]] || ৪,০৪৩ || ✓
|-
| 10 || [[টুপাক শাকুর]] || ৬,২৮৭ || ✓
|-
| 11 || [[জেনডেয়া]] || ২,০১৪ || ✓
|-
| 12 || [[টিমথি শালামে]] || ১,১২৭ || ✓
|-
| 13 || [[হিপোক্রেটিস]] || ২,৯২৩ || ✓
|-
| 14 || [[ষষ্ঠ মুহাম্মদ]] || ৮৭৮ || ✓
|-
| 15 || [[জন লেনক্স]] || ৭০২ || ✓
|-
| 16 || [[আলেক্সান্দ্র্ সলজেনিৎসিন]] || ৮,০৫৬ || ✓
|-
| 17 || [[আবদুল হান্নান মাসউদ]] || ৪০৭ || ✓
|-
| 18 || [[পরকাল সম্পর্কে কুরআন]] || ১৮,৭৯৪ || ✓
|-
| 19 || [[মানবতাবিরোধী অপরাধ]] || ১,৯১২ || ✓
|-
| 20 || [[আন্তর্জাতিক আইন]] || ৫,৫৩৯ || ✓
|-
| 21 || [[মোহাম্মদ জাওয়াদ জারিফ]] || ১,৪৫২ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৮০,৭২৪
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৮০,৭২৪
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Nil Nandy| Nil Nandy]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[অনিল ভৌমিক]] || ২১৬ || ✓
|-
| 2 || [[মনোজ মিত্র]] || ৫,৫৬৭ || ✓
|-
| 3 || [[নারায়ণ সান্যাল]] || ৩৬৬ || ✓
|-
| 4 || [[মতি নন্দী]] || ৫,০১৮ || ✓
|-
| 5 || [[দেবেশ রায়]] || ৯,২৪৪ || ✓
|-
| 6 || [[শিশিরকুমার বসু]] || ৪,৮০৭ || ✓
|-
| 7 || [[বিমল কর]] || ১,৩৬৯ || ✓
|-
| 8 || [[সুবোধ সরকার]] || ১,৮৪৮ || ✓
|-
| 9 || [[স্মরণজিৎ চক্রবর্তী]] || ৭৯২ || ✓
|-
| 10 || [[স্বামী সারদানন্দ]] || ৮,৬৯৫ || ✓
|-
| 11 || [[শক্তিপদ রাজগুরু]] || ৯৯৩ || ✓
|-
| 12 || [[কমলকুমার মজুমদার]] || ১,৫৭৩ || ✓
|-
| 13 || [[গৌতম ভদ্র]] || ৬৮৫ || ✓
|-
| 14 || [[পরিমল গোস্বামী]] || ৬,৫৫০ || ✓
|-
| 15 || [[প্রেমাঙ্কুর আতর্থী]] || ৫,৬৯৮ || ✓
|-
| 16 || [[কালীপ্রসন্ন সিংহ]] || ৫,৪০৪ || ✓
|-
| 17 || [[অখিল নিয়োগী]] || ৬৩৬ || ✓
|-
| 18 || [[হরপ্রসাদ শাস্ত্রী]] || ৫১৩ || ✓
|-
| 19 || [[গায়ত্রী চক্রবর্তী স্পিভাক]] || ৫৯২ || ✓
|-
| 20 || [[অজিত দত্ত]] || ৮৭০ || ✓
|-
| 21 || [[অজিতকৃষ্ণ বসু]] || ২,৩৮৬ || ✓
|-
| 22 || [[এম এস স্বামীনাথন]] || ৮৭২ || ✓
|-
| 23 || [[চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন]] || ২,১৭১ || ✓
|-
| 24 || [[চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও]] || ২,১৬৭ || ✓
|-
| 25 || [[কণাদ]] || ৯১৯ || ✓
|-
| 26 || [[জয়ন্ত বিষ্ণু নারলিকর]] || ৩,১৮৭ || ✓
|-
| 27 || [[বিক্রম সারাভাই]] || ১,১২৯ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২৭
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৭৪,২৬৭
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৭৪,২৬৭
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:R1F4T| R1F4T]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[আর্নেস্ট কিং]] || ১৫,৭৬৯ || ✕
|-
| 2 || [[ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট]] || ২৬,২১৫ || ✓
|-
| 3 || [[আনোয়ার ইব্রাহিম]] || ৬,৯৯৩ || ✓
|-
| 4 || [[ইসলাম ও যুদ্ধ]] || ৫,৬৮১ || ✓
|-
| 5 || [[আহমদ সিরহিন্দি]] || ৪,০৭০ || ✓
|-
| 6 || [[মুসা সেরান্তোনিও]] || ৪২৩ || ✓
|-
| 7 || [[ইয়াকুব]] || ১,৯৫৬ || ✓
|-
| 8 || [[আদ্রিয়ান গোল্ডসওয়ার্দি]] || ১,৯৭৯ || ✕
|-
| 9 || [[অ্যালিস পল]] || ১,৮৬২ || ✕
|-
| 10 || [[অ্যামি ট্যান]] || ২,০০৭ || ✕
|-
| 11 || [[অ্যান্ড্রু সেগা]] || ১,৯৬৯ || ✓
|-
| 12 || [[আল্যাঁ বাদিউ]] || ১,৯৬৬ || ✕
|-
| 13 || [[আফ্রিকান স্পির]] || ১,৭২২ || ✕
|-
| 14 || [[ফ্রেডরিক ডগলাস]] || ৮৬২ || ✕
|-
| 15 || [[নবী]] || ২,০৬২ || ✕
|-
| 16 || [[এমা গোল্ডম্যান]] || ১২,৮০০ || ✕
|-
| 17 || [[প্রেম সম্পর্কে ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি]] || ১৫,০৪০ || ✓
|-
| 18 || [[মিস্ট্রি সায়েন্স থিয়েটার ৩০০০]] || ৯৪,৯৬৮ || ✕
|-
| 19 || [[দ্য থিক অফ ইট]] || ৬৯,২৮৩ || ✕
|-
| 20 || [[অ্যালেক্স হেইলি]] || ১,৬০৪ || ✓
|-
| 21 || [[দাসত্ব সম্পর্কে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি]] || ৫,৭৮৫ || ✕
|-
| 22 || [[দাসত্ব]] || ১০,২৫৯ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২২
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৬৩,৯৫১
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২,৮৫,২৭৫
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২,২১,৩২৪
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Salil Kumar Mukherjee| Salil Kumar Mukherjee]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[যন্ত্র]] || ৭১৩ || ✓
|-
| 2 || [[বিচারক]] || ৯৫২ || ✓
|-
| 3 || [[রুটি]] || ১,০৯৭ || ✓
|-
| 4 || [[খড়]] || ৯৩২ || ✓
|-
| 5 || [[মন্মথমোহন বসু]] || ৯৬৩ || ✕
|-
| 6 || [[কালীপ্রসন্ন বিদ্যারত্ন]] || ৮২৫ || ✓
|-
| 7 || [[কলসী]] || ১,০৮৬ || ✓
|-
| 8 || [[চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ১,১৫৭ || ✓
|-
| 9 || [[শহর]] || ১,৪৫৮ || ✕
|-
| 10 || [[ঘাস]] || ২,১১২ || ✓
|-
| 11 || [[জলধর সেন]] || ১,৭৬৪ || ✓
|-
| 12 || [[ঠিকানা]] || ১,১৮৭ || ✓
|-
| 13 || [[গন্ধ]] || ১,৮০৭ || ✓
|-
| 14 || [[চা]] || ২,৪২৪ || ✓
|-
| 15 || [[রবীন্দ্রনাথ মৈত্র]] || ১,২৮১ || ✓
|-
| 16 || [[দিগন্ত]] || ১,২২৮ || ✓
|-
| 17 || [[ময়ূর]] || ১,৩৪৫ || ✓
|-
| 18 || [[করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ৯১১ || ✓
|-
| 19 || [[ঢেউ]] || ১,৫৩৯ || ✓
|-
| 20 || [[ছাতা]] || ১,১৮৯ || ✓
|-
| 21 || [[উমাকান্ত হাজারী]] || ৯৪২ || ✓
|-
| 22 || [[ঘৃণা]] || ২,৩৩৯ || ✓
|-
| 23 || [[বাঁশ]] || ২,৪৫৯ || ✕
|-
| 24 || [[কলেরা]] || ১,৬৩৮ || ✓
|-
| 25 || [[মাঠ]] || ২,৪৪৭ || ✓
|-
| 26 || [[টিন]] || ১,৯৩২ || ✕
|-
| 27 || [[সংবাদ]] || ৪,৪৭৯ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২৭
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৩০,৯১৫
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৪২,২০৬
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ১১,২৯১
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul| Anaf Ibn Shahibul]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[জন বারবার]] || ৫৭৪ || ✕
|-
| 2 || [[স্কটিশ জাতি]] || ৩৭৫ || ✓
|-
| 3 || [[ওয়েন্ডি বোম্যান]] || ১৫১ || ✕
|-
| 4 || [[যুদ্ধাপরাধ]] || ৪,৬৭৯ || ✕
|-
| 5 || [[রুবি]] || ৩৬৩ || ✓
|-
| 6 || [[রিতা এনজেলু]] || ১৫৯ || ✓
|-
| 7 || [[বমি]] || ২০৪ || ✓
|-
| 8 || [[পার্ল]] || ৬৯০ || ✕
|-
| 9 || [[পাইথন]] || ১৩৯ || ✓
|-
| 10 || [[উইকিলিকস]] || ১,৬৩১ || ✕
|-
| 11 || [[জনস্টন ম্যাককালি]] || ৩১১ || ✕
|-
| 12 || [[যুগোস্লাভিয়া]] || ৪,১৩৬ || ✓
|-
| 13 || [[অংশুমান কর]] || ২০৯ || ✓
|-
| 14 || [[কেমব্রিজ গান]] || ৩০৫ || ✕
|-
| 15 || [[হেলেনীয় শিক্ষা]] || ৫০২ || ✓
|-
| 16 || [[টমাস হলি চিভার্স]] || ২৩৫ || ✓
|-
| 17 || [[মুহাম্মদ মাহদি আল-জাওয়াহিরি]] || ৬৩৮ || ✓
|-
| 18 || [[জেডি স্মিথ]] || ১,০৮০ || ✓
|-
| 19 || [[ব্রায়ান পি. শ্মিট]] || ৪৬০ || ✓
|-
| 20 || [[কার্ল বার্নস্টিন]] || ৩৬৮ || ✓
|-
| 21 || [[চার্লস ফেফারম্যান]] || ৩৩৯ || ✓
|-
| 22 || [[ইয়ুস্টুস ফন লিবিগ]] || ৩৩২ || ✓
|-
| 23 || [[টমাস শেলিংস]] || ৬৭৪ || ✓
|-
| 24 || [[উইলিয়াম শকলি]] || ৩৯১ || ✓
|-
| 25 || [[শিং-শেন চের্ন]] || ৭৬৫ || ✕
|-
| 26 || [[হুগো দ্য ভ্রিস]] || ৩৪৪ || ✓
|-
| 27 || [[রবার্ট অ্যান্ড্রুজ মিলিকান]] || ৪৩৬ || ✓
|-
| 28 || [[জেমস ভ্যান অ্যালেন]] || ৫৯৬ || ✓
|-
| 29 || [[জাক শিরাক]] || ৭১১ || ✓
|-
| 30 || [[ডরোথি হজকিন]] || ২৯৪ || ✓
|-
| 31 || [[গোরান পারসন]] || ৩২৬ || ✓
|-
| 32 || [[জেরার দ্যব্রু]] || ১৮৬ || ✓
|-
| 33 || [[কোরীয় যুদ্ধ]] || ৯,৯৬৫ || ✕
|-
| 34 || [[রবার্ট জে. শিলার]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 35 || [[ফ্রঁসোয়া আরাগন]] || ৪৩৫ || ✓
|-
| 36 || [[অখিলচন্দ্র দত্ত]] || ৩৭৩ || ✕
|-
| 37 || [[ফ্রান্সিস কলিন্স]] || ৫৮৮ || ✓
|-
| 38 || [[হেলেন ক্লার্ক]] || ৩৭৪ || ✓
|-
| 39 || [[লেয়োঁ ফুকো]] || ৫৩২ || ✓
|-
| 40 || [[জন চার্লস পোলানি]] || ৩৭৪ || ✓
|-
| 41 || [[জন মেইনার্ড কেইনস]] || ১৭,৭৯১ || ✕
|-
| 42 || [[দিমিত্রি মুরাতভ]] || ৬৩৬ || ✓
|-
| 43 || [[আবদুস সালাম]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 44 || [[আবদুলরাজাক গুরনাহ]] || ৭৪৯ || ✓
|-
| 45 || [[এ. সি. বেনসন]] || ৩৮৩ || ✓
|-
| 46 || [[প্রথম আলবার্ট]] || ৮৬৪ || ✓
|-
| 47 || [[অম্লান দত্ত]] || ১৪৬ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৪৭
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১৯,৩৪৬
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৫৬,৫৮১
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৩৭,২৩৫
|}
=== [[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন| মোহাম্মদ জনি হোসেন]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ইয়ান মার্টেল]] || ১,১৩৩ || ✕
|-
| 2 || [[ইয়োইচিরো নাম্বু]] || ৪৩১ || ✕
|-
| 3 || [[সৈয়দ জামিল আহমেদ]] || ২০৩ || ✓
|-
| 4 || [[পূর্ণিমা]] || ১৯২ || ✓
|-
| 5 || [[শরিফুল রাজ]] || ১৮৬ || ✓
|-
| 6 || [[কাজী হায়াৎ]] || ২৭৪ || ✓
|-
| 7 || [[আরেফিন রুমি]] || ১৬২ || ✓
|-
| 8 || [[ইমাম নাসাই]] || ৬৯৭ || ✕
|-
| 9 || [[কবরী]] || ২৭১ || ✓
|-
| 10 || [[হাফিজ উদ্দিন আহমদ]] || ২৩৬ || ✓
|-
| 11 || [[আ ন ম এহসানুল হক মিলন]] || ৩৪০ || ✓
|-
| 12 || [[আন্দালিব রহমান পার্থ]] || ২৯৭ || ✓
|-
| 13 || [[ববি হাজ্জাজ]] || ২৫৩ || ✓
|-
| 14 || [[ইবনে মাজাহ]] || ৩৩৬ || ✓
|-
| 15 || [[হাবিব ওয়াহিদ]] || ২৬৪ || ✓
|-
| 16 || [[জাইমা রহমান]] || ২১২ || ✓
|-
| 17 || [[কনকচাঁপা]] || ২২৮ || ✓
|-
| 18 || [[আহসান হাবীব]] || ২১৯ || ✓
|-
| 19 || [[বেলাল খান]] || ২১৯ || ✓
|-
| 20 || [[নচিকেতা চক্রবর্তী]] || ২৮৯ || ✓
|-
| 21 || [[আ ফ ম খালিদ হোসেন]] || ২৪৮ || ✓
|-
| 22 || [[আলমগীর]] || ৪০৬ || ✓
|-
| 23 || [[সালাহউদ্দিন আহমেদ]] || ৪৫৯ || ✓
|-
| 24 || [[চোং নানশান]] || ১৭৮ || ✓
|-
| 25 || [[এ. সি. ব্র্যাডলি]] || ৩৯০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২৫
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৫,৪৭২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৮,১২৩
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২,৬৫১
|}
=== [[ব্যবহারকারী:JIBON| JIBON]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[আলবার্ট হফমান]] || ৩,৪৪৪ || ✓
|-
| 2 || [[অ্যালান পারলিস]] || ৯২৮ || ✓
|-
| 3 || [[হেইনরিখ রোরার]] || ৩৬০ || ✓
|-
| 4 || [[আলফ্রেড আহো]] || ১৪৪ || ✕
|-
| 5 || [[উ থান্ট]] || ৬৭৮ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৫
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৪,৭৩২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৫,৫৫৪
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৮২২
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Md. Muqtadir Fuad| Md. Muqtadir Fuad]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[লোরঁ শোয়ার্তজ]] || ৬১০ || ✓
|-
| 2 || [[উইলিয়াম শার্প]] || ৩৯৯ || ✓
|-
| 3 || [[পাউল এরেনফেস্ট]] || ৪৩৩ || ✓
|-
| 4 || [[রবার্ট মান্ডেল]] || ৩২২ || ✓
|-
| 5 || [[হান কাং]] || ৬৬৬ || ✓
|-
| 6 || [[ক্রিপটিক ফেইট]] || ১৭৬ || ✓
|-
| 7 || [[কাকাবাবু]] || ২৫৮ || ✓
|-
| 8 || [[ক্যারি মুলিস]] || ৪০৩ || ✓
|-
| 9 || [[টোমাস ট্রান্সট্রোমার]] || ২৯৯ || ✓
|-
| 10 || [[ইরিনা বোকোভা]] || ২৬৮ || ✓
|-
| 11 || [[মার্টিনুস ভেল্টম্যান]] || ১৯৫ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৪,০২৯
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৪,০২৯
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Humaira.thithi| Humaira.thithi]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ড্যামন গ্যালগুট]] || ৪৮২ || ✓
|-
| 2 || [[আর্থার কর্নবার্গ]] || ১৭৭ || ✕
|-
| 3 || [[বেন ওক্রি]] || ৮৫৮ || ✓
|-
| 4 || [[সল বেলো]] || ১,০০৩ || ✓
|-
| 5 || [[সল পার্লমাটার]] || ৩১১ || ✕
|-
| 6 || [[সিমেওঁ দ্যনি পোয়াসোঁ]] || ১৬০ || ✓
|-
| 7 || [[স্টিভ আরউইন]] || ৪৩৫ || ✕
|-
| 8 || [[আনি এরনো]] || ২৮৪ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৮
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ২,৭৮৭
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩,৭১০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৯২৩
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Amirhusenjihed| Amirhusenjihed]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ফজল শাহাবুদ্দীন]] || ৪৯৫ || ✕
|-
| 2 || [[আল-জাহিজ]] || ৭৩৩ || ✓
|-
| 3 || [[আল-বিরুনি]] || ১,৮৩৬ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৩
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ২,৫৬৯
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩,০৬৪
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৪৯৫
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Asikur Rahman| Asikur Rahman]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[থমাস হ্যারিয়ট]] || ৪৩২ || ✓
|-
| 2 || [[স্টিভেন চু]] || ২২০ || ✓
|-
| 3 || [[ইভাঞ্জেলিস্টা টরিসেলি]] || ৩৭২ || ✓
|-
| 4 || [[লেসলি ল্যামপোর্ট]] || ৫৫০ || ✓
|-
| 5 || [[মার্টিন লুইস পার্ল]] || ৩৮৮ || ✓
|-
| 6 || [[ভ্লাদিমির মার্কভনিকভ]] || ২৬৭ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৬
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ২,২২৯
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২,২২৯
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Rasel Mehedi| Rasel Mehedi]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[বাপ্পী লাহিড়ী]] || ২৫২ || ✓
|-
| 2 || [[নুহাশ হুমায়ূন]] || ২০৫ || ✓
|-
| 3 || [[আনিসুল হক]] || ২৪৬ || ✕
|-
| 4 || [[বাবর আলী]] || ৩০৯ || ✓
|-
| 5 || [[মেহের আফরোজ শাওন]] || ৩১৯ || ✓
|-
| 6 || [[ফেলুদা]] || ২৪৬ || ✓
|-
| 7 || [[ব্যোমকেশ বক্সী]] || ১৭৮ || ✓
|-
| 8 || [[প্রোফেসর শঙ্কু]] || ২৬৯ || ✓
|-
| 9 || [[বারী সিদ্দিকী]] || ২৪২ || ✓
|-
| 10 || [[সমরেশ বসু]] || ২০২ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১০
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ২,২২২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২,৪৬৮
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২৪৬
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Mahiya50| Mahiya50]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[লিয়ন কুপার]] || ৩২৩ || ✓
|-
| 2 || [[কামিলা শামসি]] || ২০৪ || ✓
|-
| 3 || [[ক্রিস্টোফার রেন]] || ৩৭৪ || ✓
|-
| 4 || [[জিওফ্রে হিন্টন]] || ৩২২ || ✓
|-
| 5 || [[ফ্রিডতিয়ফ নানসেন]] || ১৯১ || ✓
|-
| 6 || [[আলাঁ আস্পে]] || ৭৭৬ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৬
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ২,১৯০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২,১৯০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Borhan| Borhan]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ক্যারিল ফিলিপস]] || ২৮৪ || ✓
|-
| 2 || [[জেমস কুক]] || ৩৯৭ || ✓
|-
| 3 || [[ক্লাউদিয়া শেইনবাউম]] || ৩২১ || ✓
|-
| 4 || [[আবি আহমেদ]] || ২৫৫ || ✓
|-
| 5 || [[পিটার আগ্রি]] || ১৯০ || ✓
|-
| 6 || [[ফখরুদ্দীন আল-রাযী]] || ২১৫ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৬
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১,৬৬২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১,৬৬২
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Raihanur| Raihanur]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[শি চিনফিং]] || ৪,১৩২ || ✕
|-
| 2 || [[ইব্রাহিম ত্রাওরে]] || ৭৫৪ || ✓
|-
| 3 || [[পেদ্রো সানচেজ]] || ২৯৯ || ✓
|-
| 4 || [[অ্যাডাম রিস]] || ৪৮৯ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৪
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১,৫৪২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৫,৬৭৪
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৪,১৩২
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Muhammad Fahim Faisal| Muhammad Fahim Faisal]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[আব্দুল হান্নান আবকারী]] || ০ || ✕
|-
| 2 || [[ইবরাহীম আলী তশনা]] || ২৪৭ || ✓
|-
| 3 || [[রুহুল আমিন বসিরহাটি]] || ৩৬৩ || ✓
|-
| 4 || [[মুহাম্মদুল্লাহ হাফেজ্জী]] || ৩৪২ || ✓
|-
| 5 || [[শামছুল হুদা]] || ০ || ✕
|-
| 6 || [[শামছুল হক ফরিদপুরী]] || ৫৪৬ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৬
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১,৪৯৮
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১,৪৯৮
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Firuz Ahmmed| Firuz Ahmmed]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[গর্ডন মুর]] || ৫৮৭ || ✓
|-
| 2 || [[শিরিন এবাদি]] || ৫৪৩ || ✕
|-
| 3 || [[নাগিব মাহফুজ]] || ৫৩০ || ✓
|-
| 4 || [[আল-ফারাবি]] || ৫৩৭ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৪
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১,১১৭
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২,১৯৭
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ১,০৮০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:নিয়াজ ইসলাম| নিয়াজ ইসলাম]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[চাষী নজরুল ইসলাম]] || ৪৪৬ || ✓
|-
| 2 || [[বাপ্পা মজুমদার]] || ৩১০ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৭৫৬
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৭৫৬
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Asad.fr| Asad.fr]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[রবার্ট ক্লাইভ]] || ২,০০২ || ✕
|-
| 2 || [[পার্ল এস. বাক]] || ৯৩৩ || ✕
|-
| 3 || [[জন বারডিন]] || ৩৬৪ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৩
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৩৬৪
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩,২৯৯
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২,৯৩৫
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin| Mehedi Abedin]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[তাসমিয়া প্রধান]] || ৩৫২ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৩৫২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩৫২
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Md. Rayan Alam Rifat| Md. Rayan Alam Rifat]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[আজিজুল হক]] || ১৮০ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১৮০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১৮০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Siyan BD| Siyan BD]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[আবদুস সালাম]] || ১০০ || ✕
|-
| 2 || [[আবদুল গফুর]] || ১০১ || ✕
|-
| 3 || [[আবদুল জব্বার]] || ১৬১ || ✓
|-
| 4 || [[আবদুল জব্বার]] || ৯২ || ✕
|-
| 5 || [[আবদুল জব্বার]] || ১৩৩ || ✕
|-
| 6 || [[অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ১৩৪ || ✕
|-
| 7 || [[অনিমেষ রায়]] || ১২৬ || ✕
|-
| 8 || [[অনির্বাণ বসু]] || ১২০ || ✕
|-
| 9 || [[অজয় ঘটক]] || ১১৪ || ✕
|-
| 10 || [[অচলা মল্লিক]] || ১৫৪ || ✕
|-
| 11 || [[অজয় হোম]] || ১৫৯ || ✕
|-
| 12 || [[অমিতা বসু]] || ১৪২ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১২
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১৬১
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১,৫৩৬
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ১,৩৭৫
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Dewan mahbubr Rahman| Dewan mahbubr Rahman]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ভেরা রুবিন]] || ৩৫০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩৫০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৩৫০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:ExceptionistSagar| ExceptionistSagar]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মেরি কুরি]] || ১৭৯ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১৭৯
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ১৭৯
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Kh. Fahim| Kh. Fahim]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মিসির আলি]] || ৪০৬ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৪০৬
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৪০৬
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Trisha Mazumder| Trisha Mazumder]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[আস্ট্রোনমি]] || ০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:MdMarufHossen71| MdMarufHossen71]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মমতাজ বেগম]] || ৩৫৫ || ✕
|-
| 2 || [[আবুল বরকত]] || ১৪৩ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৪৯৮
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৪৯৮
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Usarker| Usarker]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মেরি স্টোপস]] || ৫০৫ || ✕
|-
| 2 || [[ইয়োন ফসে]] || ৩৯৩ || ✕
|-
| 3 || [[জুনো দিয়াজ]] || ৫৪০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৩
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১,৪৩৮
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ১,৪৩৮
|}
=== [[ব্যবহারকারী:রাকিবুল হাসান রাসেল| রাকিবুল হাসান রাসেল]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[পারভীন এতেসামি]] || ০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:MD RADWAN ISLAM| MD RADWAN ISLAM]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[চুয়াং জি]] || ২৭৪ || ✕
|-
| 2 || [[ফকির শাহাবুদ্দীন]] || ০ || ✕
|-
| 3 || [[আবু বকর সিদ্দিকী]] || ০ || ✕
|-
| 4 || [[বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট]] || ০ || ✕
|-
| 5 || [[বাংলাদেশের কৃষি প্রযুক্তি]] || ০ || ✕
|-
| 6 || [[হাসিবুন নাহের]] || ০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৬
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২৭৪
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২৭৪
|}
=== [[ব্যবহারকারী:AKM Mahinur Rahman| AKM Mahinur Rahman]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মেরি উলস্টোনক্রাফ্ট]] || ২১৩ || ✕
|-
| 2 || [[বালতাসার গ্রাসিয়ান]] || ২০৬ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৪১৯
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৪১৯
|}
=== [[ব্যবহারকারী:MD RADWAN ISLAM ROHAN| MD RADWAN ISLAM ROHAN]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[জুলাই আন্দোলন]] || ৬১৫ || ✕
|-
| 2 || [[বিকাশ]] || ০ || ✕
|-
| 3 || [[নতুন প্রযুক্তি]] || ০ || ✕
|-
| 4 || [[বাংলাদেশের রিয়েল এস্টেট শিল্প: বর্তমান প্রেক্ষাপট ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা]] || ০ || ✕
|-
| 5 || [[জলবায়ু পরিবর্তন ও বাংলাদেশের পরিবেশ]] || ০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৫
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৬১৫
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৬১৫
|}
=== [[ব্যবহারকারী:ShahinurWrites| ShahinurWrites]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মোহাম্মদ শেখ শাহিনুর রহমান]] || ০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Abdullah Al Shishir| Abdullah Al Shishir]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[অপ্রত্যাশিত জীবনযাত্রা]] || ০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:চ্যাম্পিয়ন স্টার ১| চ্যাম্পিয়ন স্টার ১]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[অপর্ণা সেন]] || ৩১২ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩১২
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৩১২
|}
==শব্দসংখ্যা অনুযায়ী নিবন্ধ তালিকা==
{| class="wikitable sortable mw-collapsible mw-collapsed"
|+ class="nowrap" | শব্দসংখ্যা অনুযায়ী নিবন্ধ তালিকা
! ক্রমিক !! নিবন্ধ !! শব্দ সংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ভারতে পোশাক]] || ২,২৮৯ || ✓
|-
| 2 || [[ভারতের ভাষা]] || ৬৯৫ || ✓
|-
| 3 || [[মধ্যযুগীয় ভারত]] || ১,৭১৭ || ✓
|-
| 4 || [[ভারতে ইহুদিদের ইতিহাস]] || ২,০৪৬ || ✓
|-
| 5 || [[ভারতে সুফিবাদ]] || ৩,২০৭ || ✓
|-
| 6 || [[পর্তুগিজ ভারত]] || ১,৬৪৩ || ✓
|-
| 7 || [[ভারতের প্রাণী]] || ৩০৫ || ✓
|-
| 8 || [[স্বাধীনতা দিবস]] || ৩৭৫ || ✓
|-
| 9 || [[ভারতে দুর্ভিক্ষ]] || ৩,৭৮১ || ✓
|-
| 10 || [[ভারতে ধর্মহীনতা]] || ২,৩৮৯ || ✓
|-
| 11 || [[ওয়ারেন ফ্যারেল]] || ২১,০৭৮ || ✓
|-
| 12 || [[আর্নেস্ট বেকার]] || ১৩,৫৯৭ || ✓
|-
| 13 || [[অতিপ্রজতা]] || ২৯,৫০১ || ✓
|-
| 14 || [[মোপলা বিদ্রোহ]] || ১৪,৫১২ || ✓
|-
| 15 || [[সীতা রাম গোয়েল]] || ১,৫৯৬ || ✓
|-
| 16 || [[অরুণ শৌরি]] || ১৫,৪৫০ || ✓
|-
| 17 || [[ভারতের ইতিহাস লিখন]] || ১৭,৯১৮ || ✓
|-
| 18 || [[দ্রৌপদী]] || ৬,১৬৪ || ✓
|-
| 19 || [[দ্য হিস্ট্রি অফ ইন্ডিয়া, অ্যাজ টোল্ড বাই ইটস ওন হিস্টোরিয়ানস]] || ২,৬৮৫ || ✕
|-
| 20 || [[রামায়ণ]] || ১,৩০০ || ✓
|-
| 21 || [[ভারতে শিক্ষা]] || ১০,৫৮০ || ✓
|-
| 22 || [[ভারতে নারী]] || ৬,১৫০ || ✓
|-
| 23 || [[বন্যপ্রাণীর কষ্ট]] || ৩৩,৭৪১ || ✓
|-
| 24 || [[নিরামিষবাদ]] || ৩০,৬২৭ || ✓
|-
| 25 || [[ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম রাষ্ট্রপতিত্ব]] || ৩৭,৫৭২ || ✓
|-
| 26 || [[নির্বাচন]] || ৭,০২৫ || ✓
|-
| 27 || [[সরকার]] || ২২,৭৫৯ || ✓
|-
| 28 || [[এডওয়ার্ড হল অল্ডারসন]] || ৪৪৬ || ✓
|-
| 29 || [[অ্যামব্রোজ বিয়ার্স]] || ৫,৫৪১ || ✕
|-
| 30 || [[মেওয়াত]] || ৭১৮ || ✓
|-
| 31 || [[নানাবতী-মেহতা কমিশন]] || ২,৪৪৪ || ✓
|-
| 32 || [[ভারতে ঔষধ শিল্প]] || ১,৯২১ || ✓
|-
| 33 || [[পাঞ্জাব]] || ১,৪০৬ || ✓
|-
| 34 || [[রামনবমী]] || ৮৬২ || ✓
|-
| 35 || [[ভারতের শহরসমূহের নাম পরিবর্তন]] || ৪৪১ || ✓
|-
| 36 || [[নুপুর শর্মা]] || ৬০১ || ✓
|-
| 37 || [[রিপাবলিক টিভি]] || ৪৫৫ || ✓
|-
| 38 || [[রোহিলখণ্ড]] || ৪৪০ || ✓
|-
| 39 || [[রোহিলা]] || ৩৪০ || ✓
|-
| 40 || [[সৌরাষ্ট্র]] || ৬৫৪ || ✓
|-
| 41 || [[ভারতে তিন তালাক]] || ১,১৩৪ || ✓
|-
| 42 || [[ভারতের পবিত্র উপবন]] || ৫৭৫ || ✓
|-
| 43 || [[অভিন্ন দেওয়ানি বিধি]] || ৩,৭৩৭ || ✓
|-
| 44 || [[নবনীত আদিত্য ওয়াইবা]] || ১৯২ || ✓
|-
| 45 || [[ভারতে জল সরবরাহ ও স্যানিটেশন]] || ৭৪০ || ✓
|-
| 46 || [[জমিদার]] || ৩৮১ || ✕
|-
| 47 || [[নিখিল ভারত মুসলিম লীগ]] || ১,৭৩৭ || ✕
|-
| 48 || [[ফতোয়া]] || ৪৮৪ || ✓
|-
| 49 || [[দারা শিকোহ]] || ১,৪৩৫ || ✓
|-
| 50 || [[আমেরিকা নিপাত যাক]] || ৬৩৯ || ✓
|-
| 51 || [[মহা শয়তান]] || ৪১৪ || ✓
|-
| 52 || [[উলামা]] || ৩৪৫ || ✓
|-
| 53 || [[দক্ষিণ এশিয়ায় মুসলিম জাতীয়তাবাদ]] || ১,৫১৬ || ✓
|-
| 54 || [[পার্সি-মুসলিম দাঙ্গা]] || ৬৫৬ || ✓
|-
| 55 || [[ভারতে দাঙ্গা]] || ৬৭৪ || ✓
|-
| 56 || [[ভারতে পেগাসাস প্রকল্পের উদঘাটন]] || ৩৯০ || ✓
|-
| 57 || [[নেহরুবাদ]] || ৯৫২ || ✓
|-
| 58 || [[২জি স্পেকট্রাম মামলা]] || ৯৩৭ || ✓
|-
| 59 || [[রাহুল গান্ধী]] || ৪,০০৪ || ✓
|-
| 60 || [[আকবরউদ্দিন ওয়াইসি]] || ২৯৮ || ✓
|-
| 61 || [[ভারতের সাধারণ নির্বাচন, ২০২৪]] || ২,৫৭৭ || ✓
|-
| 62 || [[ভারতে ধর্মনিরপেক্ষতা]] || ২৩৪ || ✓
|-
| 63 || [[নাইলা আলি খান]] || ২০৪ || ✓
|-
| 64 || [[অরুণ জেটলি]] || ৪৮১ || ✓
|-
| 65 || [[সুকেতু মেহতা]] || ৩৮২ || ✓
|-
| 66 || [[রুক্মিণী মৈত্র]] || ৩৫৪ || ✓
|-
| 67 || [[মানব গুপ্ত]] || ৬৩৪ || ✕
|-
| 68 || [[মোহিনী মোহন ধর]] || ৫৮৫ || ✓
|-
| 69 || [[দিলীপ কুমার চক্রবর্তী]] || ২,৫৯৭ || ✓
|-
| 70 || [[রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ৩৮৩ || ✓
|-
| 71 || [[পিটার অ্যাক্রয়েড]] || ২৯৭ || ✓
|-
| 72 || [[হ্যারল্ড ব্লুম]] || ৫৯৩ || ✓
|-
| 73 || [[জেমস বসওয়েল]] || ১,১৪৯ || ✓
|-
| 74 || [[অলিভার গোল্ডস্মিথ]] || ৩,১৭৮ || ✓
|-
| 75 || [[হেনরি জাইলস]] || ৭৯২ || ✓
|-
| 76 || [[এডউইন হাবেল চ্যাপিন]] || ৭৭০ || ✓
|-
| 77 || [[অবমাননা]] || ৭৮৮ || ✓
|-
| 78 || [[আদালত অবমাননা]] || ৮২৯ || ✓
|-
| 79 || [[আইনপ্রণেতা]] || ৭৪৩ || ✓
|-
| 80 || [[লেই বারডুগো]] || ১২২ || ✓
|-
| 81 || [[উইলিয়াম ব্রেট, ১ম ভিসকাউন্ট এশার]] || ১,০২০ || ✓
|-
| 82 || [[হেনরি হকিন্স, ১ম ব্যারন ব্র্যাম্পটন]] || ৩০৩ || ✓
|-
| 83 || [[জুনিয়াস]] || ১,৪১২ || ✓
|-
| 84 || [[উইলিয়াম মারে, ম্যানসফিল্ডের ১ম আর্ল]] || ৬৪৩ || ✓
|-
| 85 || [[জোসেফ ইয়েটস]] || ৬৬৬ || ✓
|-
| 86 || [[স্যার জন বেইলি, ১ম ব্যারোনেট]] || ৯১৮ || ✓
|-
| 87 || [[হেনরি বিকারস্টথ, ১ম ব্যারন ল্যাংডেল]] || ৪১৫ || ✓
|-
| 88 || [[এডওয়ার্ড ল, ১ম ব্যারন এলেনবরো]] || ৬৭৪ || ✓
|-
| 89 || [[লয়েড কেনিয়ন, ১ম ব্যারন কেনিয়ন]] || ৪,৪০৮ || ✓
|-
| 90 || [[জন হোল্ট]] || ১,১৮৯ || ✓
|-
| 91 || [[চার্লস বোয়েন, ব্যারন বোয়েন]] || ১,০৩৭ || ✓
|-
| 92 || [[চার্লস অ্যাবট, ১ম ব্যারন টেন্টারডেন]] || ৩৪১ || ✓
|-
| 93 || [[ন্যায়বিচার প্রশাসন]] || ২,৮৯৯ || ✓
|-
| 94 || [[আদালত]] || ১,৮১৮ || ✕
|-
| 95 || [[রোজান এ. ব্রাউন]] || ৩৪১ || ✓
|-
| 96 || [[মারিয়ন জিমার ব্র্যাডলি]] || ১,১০৪ || ✓
|-
| 97 || [[টেরি ব্রুকস]] || ৪৮৫ || ✓
|-
| 98 || [[লেই ব্র্যাকেট]] || ১,১১২ || ✓
|-
| 99 || [[জ্যাক ক্যাডি]] || ১,৫৬৮ || ✓
|-
| 100 || [[মেল ব্রুকস]] || ২,০১৬ || ✕
|-
| 101 || [[মাইকেল বিশপ]] || ৯৬০ || ✕
|-
| 102 || [[এলিজাবেথ বেয়ার]] || ৭০৫ || ✓
|-
| 103 || [[মার্গারেট বল]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 104 || [[পাওলো বাসিগালুপি]] || ৬৪৭ || ✓
|-
| 105 || [[কেলি আর্মস্ট্রং]] || ৫৮৫ || ✓
|-
| 106 || [[ক্যাথরিন আসরো]] || ৩৬১ || ✓
|-
| 107 || [[পিয়ার্স অ্যান্থনি]] || ২২৯ || ✓
|-
| 108 || [[রবার্ট আইকম্যান]] || ২৬৮ || ✓
|-
| 109 || [[আইনজীবী]] || ২,৩২৯ || ✓
|-
| 110 || [[আইনসভা]] || ২,৩৪৩ || ✓
|-
| 111 || [[জর্জ বুশনার]] || ৬৬২ || ✓
|-
| 112 || [[জোসেফ গার্নি ক্যানন]] || ৭০৯ || ✓
|-
| 113 || [[সংখ্যাগরিষ্ঠ]] || ১,৩৫৬ || ✓
|-
| 114 || [[সংখ্যালঘু গোষ্ঠী]] || ১,৮৮১ || ✓
|-
| 115 || [[প্রাতিষ্ঠানিক আচরণ]] || ৬৫৬ || ✓
|-
| 116 || [[মানব আচরণ]] || ৮৫২ || ✓
|-
| 117 || [[হার্ভে ম্যানসফিল্ড]] || ৯৭৯ || ✓
|-
| 118 || [[রাষ্ট্রবিজ্ঞান]] || ১,১৩৯ || ✓
|-
| 119 || [[রাজনৈতিক দর্শন]] || ১,২৮৫ || ✓
|-
| 120 || [[দ্বিজেন্দ্র নারায়ণ ঝা]] || ১,০৮৭ || ✓
|-
| 121 || [[আগ্রাসন]] || ৯২০ || ✓
|-
| 122 || [[হিন্দুত্ব]] || ২,৭০০ || ✓
|-
| 123 || [[ফ্লাভিয়া অ্যাগনেস]] || ৬৮২ || ✓
|-
| 124 || [[লাভ জিহাদ ষড়যন্ত্র তত্ত্ব]] || ৩,১৫০ || ✓
|-
| 125 || [[মহাত্মা গান্ধীর হত্যাকাণ্ড]] || ১,৭৭৮ || ✓
|-
| 126 || [[যোগিন্দর সিকান্দ]] || ৮১৪ || ✓
|-
| 127 || [[ভারতে মুসলিমদের বিরুদ্ধে সহিংসতা]] || ৮৫১ || ✓
|-
| 128 || [[জয় শ্রীরাম]] || ৭০৮ || ✓
|-
| 129 || [[লালকৃষ্ণ আডবাণী]] || ১,৫৫৫ || ✓
|-
| 130 || [[রাম রথযাত্রা]] || ১,৫৭৯ || ✓
|-
| 131 || [[হিন্দু আমেরিকান ফাউন্ডেশন]] || ১,৪৫৫ || ✓
|-
| 132 || [[হর্ষ মান্দার]] || ৬৬০ || ✓
|-
| 133 || [[স্বপন দাশগুপ্ত]] || ১,১৬৭ || ✓
|-
| 134 || [[জরাথুস্ট্রবাদ]] || ৩৭৭ || ✓
|-
| 135 || [[পার্সি]] || ৩৯০ || ✓
|-
| 136 || [[নাগরিকত্ব]] || ১,৮৭৯ || ✓
|-
| 137 || [[ভারতের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৭০]] || ৬৭৯ || ✓
|-
| 138 || [[মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন, ১৯৩৯]] || ৭৬৯ || ✓
|-
| 139 || [[অবৈতনিক বাধ্যতামূলক শিশু শিক্ষার অধিকার আইন, ২০০৯]] || ৩৭৯ || ✓
|-
| 140 || [[বোম্বাই দাঙ্গা]] || ৭৭৬ || ✓
|-
| 141 || [[বজরং দল]] || ৩৩১ || ✓
|-
| 142 || [[সংসদীয় ব্যবস্থা]] || ৪০৫ || ✓
|-
| 143 || [[বিচার বিভাগীয় ব্যাখ্যা]] || ১,২৩২ || ✓
|-
| 144 || [[বর্ণবাদ পরবর্তী আমেরিকা]] || ১,০৬৯ || ✓
|-
| 145 || [[শ্বেতাঙ্গ বিশেষাধিকার]] || ৬২৮ || ✓
|-
| 146 || [[বিশেষাধিকার]] || ৭১২ || ✓
|-
| 147 || [[মানবহিতৈষণা]] || ২২৮ || ✓
|-
| 148 || [[ভারত সরকার]] || ১,২২০ || ✓
|-
| 149 || [[শিলং]] || ৯৭৩ || ✓
|-
| 150 || [[মাঝৌলি রাজ]] || ৫৬০ || ✓
|-
| 151 || [[কালিকট]] || ৪৫৪ || ✓
|-
| 152 || [[যাজপুর]] || ৪০৭ || ✓
|-
| 153 || [[কালিবাঙ্গান]] || ৭৩৮ || ✓
|-
| 154 || [[কাডাপা]] || ৪১৩ || ✓
|-
| 155 || [[ইদার]] || ৫৮৬ || ✓
|-
| 156 || [[গোধরা]] || ১,০১০ || ✓
|-
| 157 || [[ভুবনেশ্বর]] || ১,১৬৫ || ✓
|-
| 158 || [[অমৃতসর]] || ৮৬৮ || ✓
|-
| 159 || [[আম্বালা]] || ৪৬১ || ✓
|-
| 160 || [[হায়দ্রাবাদ]] || ৩,২৪৮ || ✓
|-
| 161 || [[২০১৯ হায়দ্রাবাদ গণধর্ষণ]] || ১৭৭ || ✓
|-
| 162 || [[মুহাম্মাদ বখতিয়ার খলজি]] || ৪২৩ || ✕
|-
| 163 || [[হায়দ্রাবাদ অধিগ্রহণ]] || ৪৫৬ || ✓
|-
| 164 || [[১৮৯৯-১৯০০ সালের ভারতীয় দুর্ভিক্ষ]] || ৫৪১ || ✓
|-
| 165 || [[১৯৯০ হায়দ্রাবাদ দাঙ্গা]] || ৪০৬ || ✓
|-
| 166 || [[গুয়াহাটি]] || ১,৭৯৬ || ✓
|-
| 167 || [[গৌড়]] || ১,৯৩৬ || ✓
|-
| 168 || [[বিজাপুর]] || ৬৬২ || ✓
|-
| 169 || [[মাণ্ডু]] || ৩৯৪ || ✓
|-
| 170 || [[খাজুরাহো]] || ৩৭১ || ✓
|-
| 171 || [[চান্দেরী]] || ৫০৭ || ✓
|-
| 172 || [[জুনাগড়]] || ৭১৯ || ✓
|-
| 173 || [[বৃহৎ কচ্ছের রাণ]] || ৫৮৪ || ✓
|-
| 174 || [[আহমেদাবাদ]] || ১,৮১২ || ✓
|-
| 175 || [[কচ্ছ জেলা]] || ৩২৬ || ✓
|-
| 176 || [[দৃশদ্বতী নদী]] || ১৮৬ || ✓
|-
| 177 || [[চেনাব নদী]] || ৩২১ || ✓
|-
| 178 || [[পশ্চিমবঙ্গে ধর্ম]] || ১,২৩২ || ✓
|-
| 179 || [[মুর্শিদাবাদ সহিংসতা]] || ২৫৭ || ✓
|-
| 180 || [[২০২৪ সন্দেশখালী সহিংসতা]] || ১,০৬১ || ✓
|-
| 181 || [[২০২২ বীরভূম সহিংসতা]] || ৫১৪ || ✓
|-
| 182 || [[মৈতৈ জাতি]] || ৫২৭ || ✕
|-
| 183 || [[মৈতৈ সভ্যতা]] || ৩৫০ || ✓
|-
| 184 || [[মণিপুর]] || ৩০৬ || ✕
|-
| 185 || [[লাক্ষাদ্বীপ]] || ৩২৯ || ✓
|-
| 186 || [[বৃন্দাবন]] || ৬৮২ || ✕
|-
| 187 || [[সম্ভল]] || ২৪৩ || ✓
|-
| 188 || [[এলাহাবাদ]] || ৩৫৭ || ✓
|-
| 189 || [[আলিগড়]] || ৪০৯ || ✓
|-
| 190 || [[স্ট্যাচু অব ইউনিটি]] || ২৪১ || ✓
|-
| 191 || [[ভারতের দুর্গ]] || ৩১৪ || ✓
|-
| 192 || [[দ্য দুন স্কুল]] || ৬৬৪ || ✓
|-
| 193 || [[কাশী হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়]] || ৩৪৫ || ✓
|-
| 194 || [[আগ্রা]] || ৭১৮ || ✓
|-
| 195 || [[২০২০ দিল্লি দাঙ্গা]] || ১,১৭৮ || ✓
|-
| 196 || [[তিরুচিরাপল্লী]] || ৬২৬ || ✓
|-
| 197 || [[সেন্ট থমাস ক্যাথেড্রাল ব্যাসিলিকা, চেন্নাই]] || ৩৮০ || ✕
|-
| 198 || [[আতঙ্ক]] || ৪৭৪ || ✕
|-
| 199 || [[ভারতে দুর্নীতি]] || ১,০০৭ || ✓
|-
| 200 || [[তামিলনাড়ুর মন্দির]] || ৯১৮ || ✓
|-
| 201 || [[এম. কে. স্ট্যালিন]] || ৩৩২ || ✓
|-
| 202 || [[তামিলনাড়ু]] || ৫৪৩ || ✓
|-
| 203 || [[তামিলনাড়ুর হিন্দি বিরোধী আন্দোলন]] || ৪৬৫ || ✓
|-
| 204 || [[যোধপুর]] || ৬২৮ || ✓
|-
| 205 || [[রাজস্থান]] || ২৯৪ || ✓
|-
| 206 || [[ওড়িশা]] || ৭৪৫ || ✓
|-
| 207 || [[১৯৯৮ কোয়েম্বাটুর বোমা হামলা]] || ৫৩৭ || ✓
|-
| 208 || [[উত্তর-পূর্ব ভারতে বিদ্রোহ]] || ৩৯৮ || ✓
|-
| 209 || [[মারাদ হত্যাকাণ্ড]] || ৩৫২ || ✓
|-
| 210 || [[মক্কা মসজিদ বিস্ফোরণ]] || ৫৮৪ || ✓
|-
| 211 || [[স্টুডেন্টস ইসলামিক মুভমেন্ট অব ইন্ডিয়া]] || ৩৫৭ || ✓
|-
| 212 || [[বিষ্ণু]] || ৬১৭ || ✓
|-
| 213 || [[২০২৪ রিয়াসি হামলা]] || ৩০২ || ✓
|-
| 214 || [[২০০৬ মালেগাঁও বোমা হামলা]] || ৩৯১ || ✓
|-
| 215 || [[২০০৬ মুম্বই রেলে বোমা হামলা]] || ১৯০ || ✓
|-
| 216 || [[মুম্বই]] || ১,২২৪ || ✓
|-
| 217 || [[দৌলতাবাদ, মহারাষ্ট্র]] || ৮৮৯ || ✕
|-
| 218 || [[মহারাষ্ট্র]] || ৪৯৯ || ✓
|-
| 219 || [[পিনারাই বিজয়ন]] || ৫২৩ || ✓
|-
| 220 || [[আরব দেশ]] || ৯১৪ || ✓
|-
| 221 || [[দক্ষিণ এশিয়া]] || ৫৯৩ || ✓
|-
| 222 || [[শহুরে অবক্ষয়]] || ৩০৮ || ✓
|-
| 223 || [[নগরায়ন]] || ১,০৯৭ || ✓
|-
| 224 || [[কেরল]] || ৩৬৫ || ✓
|-
| 225 || [[জম্মু ও কাশ্মীরে বিদ্রোহ]] || ৪১৮ || ✓
|-
| 226 || [[জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহার]] || ৯৬৪ || ✓
|-
| 227 || [[শ্রীনগর]] || ১,৭২৯ || ✓
|-
| 228 || [[কাশ্মীর উপত্যকা]] || ২৮৪ || ✓
|-
| 229 || [[লাদাখ]] || ৬৯৪ || ✓
|-
| 230 || [[কাশ্মীরি জাতি]] || ৮১৩ || ✓
|-
| 231 || [[তারিখ-ই-কাশ্মীর]] || ৫১৪ || ✓
|-
| 232 || [[কর্ণাটক]] || ৬৮২ || ✓
|-
| 233 || [[কর্ণাটকের রাজনীতি]] || ৪৩৯ || ✓
|-
| 234 || [[বেঙ্গালুরু]] || ৬১৪ || ✓
|-
| 235 || [[আসামে ইসলাম]] || ৬৯০ || ✓
|-
| 236 || [[আসামের ইতিহাস]] || ৭২৬ || ✓
|-
| 237 || [[আসামে হিন্দুধর্ম]] || ৩২৫ || ✓
|-
| 238 || [[ভারতের জনমিতি]] || ৩,৩৭৩ || ✓
|-
| 239 || [[বাংলাদেশের জনমিতি]] || ১,১৯৫ || ✓
|-
| 240 || [[পাকিস্তানের জনমিতি]] || ৮৫০ || ✓
|-
| 241 || [[আসামের জনমিতি]] || ১৮২ || ✓
|-
| 242 || [[বিহার]] || ৪৫৮ || ✓
|-
| 243 || [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] || ১৮১ || ✓
|-
| 244 || [[শাহ বানু মামলা]] || ৭৯৯ || ✕
|-
| 245 || [[ইসরায়েল–ভারত সম্পর্ক]] || ৮৯৭ || ✓
|-
| 246 || [[প্রণব মুখোপাধ্যায়]] || ৫৯৫ || ✓
|-
| 247 || [[দ্রৌপদী মুর্মু]] || ২৪৯ || ✓
|-
| 248 || [[ফখরুদ্দিন আলি আহমেদ]] || ১,৬৪৭ || ✓
|-
| 249 || [[এলজিবিটিকিউ অধিকার বিরোধিতা]] || ২,০৪৯ || ✓
|-
| 250 || [[গেফোবিয়া]] || ২৭৮ || ✓
|-
| 251 || [[সমকামী যৌন চর্চা]] || ৪০৭ || ✓
|-
| 252 || [[উভকামিতা]] || ১,৫৬০ || ✓
|-
| 253 || [[কামিং আউট]] || ৮০৫ || ✓
|-
| 254 || [[স্মৃতি ইরানি]] || ৯৯১ || ✓
|-
| 255 || [[মেনকা গান্ধী]] || ১,২৩০ || ✓
|-
| 256 || [[যশবন্ত সিং]] || ২০৬ || ✓
|-
| 257 || [[সৈয়দ শাহাবুদ্দিন]] || ৫৭৯ || ✓
|-
| 258 || [[শাকিল আহমদ]] || ১২৪ || ✓
|-
| 259 || [[তথাগত রায়]] || ২৭৫ || ✓
|-
| 260 || [[লালুপ্রসাদ যাদব]] || ১,১০৯ || ✓
|-
| 261 || [[আসাদউদ্দিন ওয়াইসি]] || ৪১৩ || ✕
|-
| 262 || [[ইরাক যুদ্ধ]] || ১২,৩৪৪ || ✓
|-
| 263 || [[যুক্তরাজ্যের তৃতীয় জর্জ]] || ১২,০৪২ || ✓
|-
| 264 || [[২০১০ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৮৮৩ || ✓
|-
| 265 || [[২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৩,৫১৪ || ✓
|-
| 266 || [[২০০২ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৬১১ || ✓
|-
| 267 || [[ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ]] || ১,৫৪২ || ✓
|-
| 268 || [[স্নায়ুযুদ্ধ]] || ১৫,৬১০ || ✕
|-
| 269 || [[দ্বিতীয় স্নায়ুযুদ্ধ]] || ৪,৬৬৮ || ✓
|-
| 270 || [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] || ২৪,১৭৭ || ✓
|-
| 271 || [[মহত্ত্ব]] || ৭,৮১৪ || ✓
|-
| 272 || [[সাংবাদিকতা]] || ১৩,৪৭৭ || ✓
|-
| 273 || [[প্যানডিজম]] || ১০,৩০০ || ✓
|-
| 274 || [[গাজা যুদ্ধ]] || ১৬,৯৮২ || ✓
|-
| 275 || [[২০২৬ ইরান যুদ্ধ]] || ৬,৯৮৩ || ✓
|-
| 276 || [[পারমাণবিক অস্ত্র]] || ৩,২৩৩ || ✓
|-
| 277 || [[২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৬৪৩ || ✓
|-
| 278 || [[ক্রুসেড]] || ৯৯৬ || ✓
|-
| 279 || [[অ্যানিমেশন]] || ৯,৪৫৭ || ✓
|-
| 280 || [[দক্ষিণ কোরিয়ার রাজনীতি]] || ৭৫৫ || ✓
|-
| 281 || [[ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ]] || ৩,৭৬৩ || ✓
|-
| 282 || [[পারমাণবিক যুদ্ধ]] || ৫,৫২০ || ✓
|-
| 283 || [[আল খোয়ারিজমি]] || ১,২৩০ || ✓
|-
| 284 || [[ফজলে রাব্বী]] || ৬৩৫ || ✓
|-
| 285 || [[ডেভিড হিউম]] || ১১,৭৮০ || ✓
|-
| 286 || [[লিওনিদ ক্যান্টোরোভিচ]] || ১,৪২২ || ✓
|-
| 287 || [[থিওডোসিয়াস ডবঝানস্কি]] || ৭৬০ || ✕
|-
| 288 || [[টেরেন্স টাও]] || ৭২০ || ✓
|-
| 289 || [[ফিলিপ]] || ৪২৬ || ✓
|-
| 290 || [[জুলিয়ান শুইঙার]] || ১,৩২২ || ✕
|-
| 291 || [[পিয়ের-জিল দ্য জেন]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 292 || [[ব্রায়ান কক্স]] || ৭৫৬ || ✓
|-
| 293 || [[জন ম্যাককার্থি]] || ১,০৪৫ || ✓
|-
| 294 || [[লুই দ্য ব্রোয়ি]] || ৪৬০ || ✓
|-
| 295 || [[ফ্রঁসোয়া মিতেরঁ]] || ১,১৯৪ || ✕
|-
| 296 || [[ফ্লিন্ডার্স পেট্রি]] || ১,২০৪ || ✕
|-
| 297 || [[পল আর. এহর্লিচ]] || ১,৩০০ || ✓
|-
| 298 || [[মাইকেল আতিয়াহ]] || ৪২৩ || ✓
|-
| 299 || [[মার্টন মিলার]] || ৪৮২ || ✓
|-
| 300 || [[মেরি বিয়ার্ড]] || ৯১১ || ✓
|-
| 301 || [[মার্গারেট চ্যান]] || ৭০৪ || ✓
|-
| 302 || [[গেরহার্ড শ্রোডার]] || ২৬৯ || ✓
|-
| 303 || [[ফিলিপ ওয়ারেন অ্যান্ডারসন]] || ৭৯৯ || ✓
|-
| 304 || [[পিটার হিগস]] || ৪৭৪ || ✕
|-
| 305 || [[লিওনার্ড সাসকিন্ড]] || ৮২৫ || ✓
|-
| 306 || [[জন মেইনার্ড স্মিথ]] || ৬৪০ || ✓
|-
| 307 || [[জন জেমস অডুবন]] || ৮৩৭ || ✓
|-
| 308 || [[শেলডন লি গ্ল্যাশো]] || ৭৫১ || ✓
|-
| 309 || [[ভিক্টর উইসকফ]] || ৫১৯ || ✓
|-
| 310 || [[মার্টিন রিস]] || ৫৫১ || ✓
|-
| 311 || [[মার্ক ওলিফ্যান্ট]] || ৫৫৩ || ✓
|-
| 312 || [[ভিতালি গিঞ্জবার্গ]] || ৩০৮ || ✓
|-
| 313 || [[স্যালি রাইড]] || ৪২৫ || ✓
|-
| 314 || [[রবার্ট ফোগেল]] || ৪২৮ || ✓
|-
| 315 || [[রিঙ্গো স্টার]] || ৮৭০ || ✓
|-
| 316 || [[মাক্স ডেলব্রুক]] || ৫৭৫ || ✓
|-
| 317 || [[তৃতীয় লেওপোল্ড]] || ৮৩৭ || ✓
|-
| 318 || [[নরম্যান বোরল্যাগ]] || ৭০০ || ✓
|-
| 319 || [[নিকলাউস ভির্ট]] || ৪৭৯ || ✓
|-
| 320 || [[নিকোলাস স্টেনো]] || ২৯২ || ✓
|-
| 321 || [[নেভিল ফ্রান্সিস মট]] || ৫১১ || ✓
|-
| 322 || [[লুডউইক ফ্লেক]] || ৫১২ || ✓
|-
| 323 || [[কারেন উলেনবেক]] || ৩৯২ || ✓
|-
| 324 || [[ইয়োসেফ মেংগেলে]] || ৫৪৪ || ✓
|-
| 325 || [[কিরণ দেশাই]] || ২৬১ || ✓
|-
| 326 || [[কাতালিন কারিকো]] || ৩০৯ || ✓
|-
| 327 || [[ইয়োন্স ইয়াকব বের্সেলিয়ুস]] || ৫১৬ || ✓
|-
| 328 || [[হুয়ান মালদাসেনা]] || ৭৩২ || ✓
|-
| 329 || [[হাইনরিখ বোল]] || ৩০০ || ✓
|-
| 330 || [[ইনগ্রিড ডোবিচি]] || ৬৭১ || ✓
|-
| 331 || [[ইয়ান উইলমুট]] || ৪২৭ || ✓
|-
| 332 || [[হিউ এভারেট]] || ৬০০ || ✓
|-
| 333 || [[ফ্রঁসোয়া অংল্যার]] || ৫৩৩ || ✓
|-
| 334 || [[এমানুয়েল সোয়েডেনবার্গ]] || ১,৫২২ || ✓
|-
| 335 || [[এলিজাবেথ বিশপ]] || ৬৫২ || ✓
|-
| 336 || [[শেখ আন্তা দিওপ]] || ৩৩৫ || ✓
|-
| 337 || [[জর্জ গ্যামো]] || ১,৫২১ || ✓
|-
| 338 || [[হাইনরিখ হের্ত্স]] || ১,৭৪৪ || ✓
|-
| 339 || [[গ্রো হারলেম ব্রুন্ডটল্যান্ড]] || ৩১১ || ✓
|-
| 340 || [[জন সি. মাদার]] || ৪২৫ || ✓
|-
| 341 || [[জন ব্যাকাস]] || ৫৯৭ || ✓
|-
| 342 || [[এর্নস্ট মায়ার]] || ৭৫৪ || ✓
|-
| 343 || [[লিন মার্গুলিস]] || ১,৭১৮ || ✓
|-
| 344 || [[হ্যান্স বেটে]] || ৩৯৬ || ✓
|-
| 345 || [[লুই আগাসিজ]] || ৯৩৭ || ✓
|-
| 346 || [[জর্জ ক্যুভিয়ে]] || ৭৬৮ || ✓
|-
| 347 || [[ব্রাসেলস]] || ৯৬৭ || ✓
|-
| 348 || [[ড্যানিয়েল কানেমান]] || ২,৯৫৭ || ✕
|-
| 349 || [[ডোনাল্ড কানুথ]] || ১,৫৮২ || ✓
|-
| 350 || [[লেমাহ গবোউই]] || ১,১৫০ || ✓
|-
| 351 || [[গারট্রুড বি. এলিয়ন]] || ২৩৪ || ✓
|-
| 352 || [[ডোনা স্ট্রিকল্যান্ড]] || ৩৫৯ || ✓
|-
| 353 || [[এর্নস্ট মাখ]] || ২,০২৮ || ✕
|-
| 354 || [[ডোনাল্ড টাস্ক]] || ১,৭৭১ || ✓
|-
| 355 || [[অরবিন্দ আদিগা]] || ৮৬৬ || ✓
|-
| 356 || [[সি. এ. আর. হোর]] || ১,০৬১ || ✕
|-
| 357 || [[পল ডিরাক]] || ৪,৭০৯ || ✕
|-
| 358 || [[ই. ও. উইলসন]] || ৪,৪৫৮ || ✕
|-
| 359 || [[ডেসমন্ড মরিস]] || ৩,৯৮৬ || ✓
|-
| 360 || [[মাইকেল গোভ]] || ৩,৭৩৬ || ✓
|-
| 361 || [[হার্পার লি]] || ২,৪৯১ || ✓
|-
| 362 || [[কেন টম্পসন]] || ১,৮১৬ || ✓
|-
| 363 || [[জন টিন্ডাল]] || ২,৫২৮ || ✓
|-
| 364 || [[মেরি রবিনসন]] || ১,৩৭৬ || ✓
|-
| 365 || [[হেনরি ক্যাভেন্ডিশ]] || ২,২৪৪ || ✓
|-
| 366 || [[আইরিস মারডক]] || ১,২৬৮ || ✓
|-
| 367 || [[আর্নেস্ট রাদারফোর্ড]] || ২,৪৫৩ || ✓
|-
| 368 || [[ফ্রেড ব্রুকস]] || ১,১৯১ || ✓
|-
| 369 || [[ক্রিস্টিয়ান হাইগেনস]] || ১,৯০৭ || ✓
|-
| 370 || [[ডায়ান ফসি]] || ১,৬৪৬ || ✕
|-
| 371 || [[ইডিথ হোয়ার্টন]] || ১,৪২৫ || ✓
|-
| 372 || [[অরেল স্টেইন]] || ১,৪৭৮ || ✕
|-
| 373 || [[গাব্রিয়েলা মিস্ত্রাল]] || ১,৬৫০ || ✓
|-
| 374 || [[আলেকজান্ডার ফন হুমবোল্ট]] || ১,১২০ || ✓
|-
| 375 || [[ফ্রান্সিস্কো ভারেলা]] || ১,৮৯৩ || ✕
|-
| 376 || [[ডেনিস রিচি]] || ১,১০৮ || ✓
|-
| 377 || [[অড্রে হেপবার্ন]] || ১,৪৩৫ || ✓
|-
| 378 || [[জি. এইচ. হার্ডি]] || ২,৩৩০ || ✓
|-
| 379 || [[হ্যারল্ড পিন্টার]] || ২,০৭২ || ✓
|-
| 380 || [[অ্যানাক্সিম্যান্ডার]] || ১,৩০০ || ✓
|-
| 381 || [[ডেভিড ব্রুস্টার]] || ২,৪০৪ || ✓
|-
| 382 || [[ব্রায়ান গ্রিন]] || ১,২৭৯ || ✕
|-
| 383 || [[অমিত গোস্বামী]] || ৯১৫ || ✓
|-
| 384 || [[এডমন্ড হ্যালি]] || ২,৬১৯ || ✓
|-
| 385 || [[ডেভিড সুজুকি]] || ১,৫১৭ || ✓
|-
| 386 || [[ডেভিড জোনাথন গ্রোস]] || ৮০৯ || ✓
|-
| 387 || [[ডেভিড ম্যামেট]] || ১,২৫২ || ✓
|-
| 388 || [[আহমেদ জেওয়াইল]] || ১৯২ || ✓
|-
| 389 || [[ইউরোপীয় পার্লামেন্ট]] || ৬১৫ || ✓
|-
| 390 || [[ডেভিড গ্রসম্যান]] || ৩৩৬ || ✓
|-
| 391 || [[হরিশ-চন্দ্র]] || ২৮৪ || ✓
|-
| 392 || [[অনিতা দেসাই]] || ১,৪৩৯ || ✓
|-
| 393 || [[অ্যাশ কার্টার]] || ৪৬৩ || ✓
|-
| 394 || [[আলফ্রেড নোবেল]] || ৫০৯ || ✕
|-
| 395 || [[ক্রিস্টিয়ান বার্নার্ড]] || ৬৩৯ || ✓
|-
| 396 || [[মনোজ মিত্র]] || ৫,৫৬৭ || ✓
|-
| 397 || [[নারায়ণ সান্যাল]] || ৩৬৬ || ✓
|-
| 398 || [[মতি নন্দী]] || ৫,০১৮ || ✓
|-
| 399 || [[দেবেশ রায়]] || ৯,২৪৪ || ✓
|-
| 400 || [[শিশিরকুমার বসু]] || ৪,৮০৭ || ✓
|-
| 401 || [[বিমল কর]] || ১,৩৬৯ || ✓
|-
| 402 || [[সুবোধ সরকার]] || ৬৬০ || ✓
|-
| 403 || [[স্মরণজিৎ চক্রবর্তী]] || ৭৯২ || ✓
|-
| 404 || [[স্বামী সারদানন্দ]] || ৮,৬৯৫ || ✓
|-
| 405 || [[শক্তিপদ রাজগুরু]] || ৯৯৩ || ✓
|-
| 406 || [[কমলকুমার মজুমদার]] || ১,৫৭৩ || ✓
|-
| 407 || [[গৌতম ভদ্র]] || ৬৮৫ || ✓
|-
| 408 || [[পরিমল গোস্বামী]] || ১,৪৬৭ || ✓
|-
| 409 || [[প্রেমাঙ্কুর আতর্থী]] || ৫,৬৯৮ || ✓
|-
| 410 || [[কালীপ্রসন্ন সিংহ]] || ৫,৪০৪ || ✓
|-
| 411 || [[অখিল নিয়োগী]] || ৬৩৬ || ✓
|-
| 412 || [[হরপ্রসাদ শাস্ত্রী]] || ৫১৩ || ✓
|-
| 413 || [[গায়ত্রী চক্রবর্তী স্পিভাক]] || ৫৯২ || ✓
|-
| 414 || [[অজিত দত্ত]] || ৬১৩ || ✓
|-
| 415 || [[অজিতকৃষ্ণ বসু]] || ২,৩৮৬ || ✓
|-
| 416 || [[এম এস স্বামীনাথন]] || ৮৭২ || ✓
|-
| 417 || [[চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন]] || ২,১৭১ || ✓
|-
| 418 || [[চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও]] || ২,১৬৭ || ✓
|-
| 419 || [[কণাদ]] || ৯১৯ || ✓
|-
| 420 || [[জয়ন্ত বিষ্ণু নারলিকর]] || ৩,১৮৭ || ✓
|-
| 421 || [[বিক্রম সারাভাই]] || ১,১২৯ || ✓
|-
| 422 || [[জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ]] || ১১,২৬৬ || ✓
|-
| 423 || [[অ্যানোনিমাস]] || ৪,০৪৩ || ✓
|-
| 424 || [[টুপাক শাকুর]] || ৬,২৮৭ || ✓
|-
| 425 || [[জেনডেয়া]] || ২,০১৪ || ✓
|-
| 426 || [[টিমথি শালামে]] || ১,১২৭ || ✓
|-
| 427 || [[হিপোক্রেটিস]] || ২,৯২৩ || ✓
|-
| 428 || [[ষষ্ঠ মুহাম্মদ]] || ৮৭৮ || ✓
|-
| 429 || [[জন লেনক্স]] || ৭০২ || ✓
|-
| 430 || [[আলেক্সান্দ্র্ সলজেনিৎসিন]] || ৮,০৫৬ || ✓
|-
| 431 || [[আবদুল হান্নান মাসউদ]] || ৪০৭ || ✓
|-
| 432 || [[পরকাল সম্পর্কে কুরআন]] || ১৮,৭৯৪ || ✓
|-
| 433 || [[মানবতাবিরোধী অপরাধ]] || ১,৯১২ || ✓
|-
| 434 || [[আন্তর্জাতিক আইন]] || ৫,৫৩৯ || ✓
|-
| 435 || [[মোহাম্মদ জাওয়াদ জারিফ]] || ১,৪৫২ || ✓
|-
| 436 || [[আর্নেস্ট কিং]] || ১৫,৭৬৯ || ✕
|-
| 437 || [[ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট]] || ২৬,২১৫ || ✓
|-
| 438 || [[আনোয়ার ইব্রাহিম]] || ৬,৯৯৩ || ✓
|-
| 439 || [[ইসলাম ও যুদ্ধ]] || ৫,৬৮১ || ✓
|-
| 440 || [[আহমদ সিরহিন্দি]] || ৪,০৭০ || ✓
|-
| 441 || [[মুসা সেরান্তোনিও]] || ৪২৩ || ✓
|-
| 442 || [[ইয়াকুব]] || ১,৯৫৬ || ✓
|-
| 443 || [[আদ্রিয়ান গোল্ডসওয়ার্দি]] || ১,৯৭৯ || ✕
|-
| 444 || [[অ্যালিস পল]] || ১,৮৬২ || ✕
|-
| 445 || [[অ্যামি ট্যান]] || ২,০০৭ || ✕
|-
| 446 || [[অ্যান্ড্রু সেগা]] || ১,৯৬৯ || ✓
|-
| 447 || [[আল্যাঁ বাদিউ]] || ১,৯৬৬ || ✕
|-
| 448 || [[আফ্রিকান স্পির]] || ১,৭২২ || ✕
|-
| 449 || [[ফ্রেডরিক ডগলাস]] || ৮৬২ || ✕
|-
| 450 || [[নবী]] || ২,০৬২ || ✕
|-
| 451 || [[এমা গোল্ডম্যান]] || ১২,৮০০ || ✕
|-
| 452 || [[প্রেম সম্পর্কে ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি]] || ১৫,০৪০ || ✓
|-
| 453 || [[মিস্ট্রি সায়েন্স থিয়েটার ৩০০০]] || ৯৪,৯৬৮ || ✕
|-
| 454 || [[দ্য থিক অফ ইট]] || ৬৯,২৮৩ || ✕
|-
| 455 || [[অ্যালেক্স হেইলি]] || ১,৬০৪ || ✓
|-
| 456 || [[দাসত্ব সম্পর্কে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি]] || ৫,৭৮৫ || ✕
|-
| 457 || [[দাসত্ব]] || ১০,২৫৯ || ✕
|-
| 458 || [[এইচ. পি. লাভক্র্যাফট]] || ২৫,৪৭২ || ✓
|-
| 459 || [[ব্লেজ পাসকাল]] || ৩,০৫১ || ✓
|-
| 460 || [[চিনুয়া আচেবে]] || ৬,০৪২ || ✓
|-
| 461 || [[ডরিস লেসিং]] || ৪,৬২১ || ✓
|-
| 462 || [[ফেদেরিকো ফাগিন]] || ৬০০ || ✓
|-
| 463 || [[আলেকজান্ডার গ্রোথেনডিক]] || ১,২১১ || ✓
|-
| 464 || [[আঙ্গেলা ম্যার্কেল]] || ২,০২৯ || ✓
|-
| 465 || [[আনাক্সাগোরাস]] || ৩,৬৭১ || ✓
|-
| 466 || [[আমোস তভারস্কি]] || ৪৬১ || ✓
|-
| 467 || [[আলফ্রেড মার্শাল]] || ১,৩০৯ || ✓
|-
| 468 || [[আলবার্টাস ম্যাগনাস]] || ৩৮২ || ✓
|-
| 469 || [[অনিতা ব্রুকনার]] || ৪৭৪ || ✕
|-
| 470 || [[আলফ্রেড কিনসে]] || ১,০৩৩ || ✓
|-
| 471 || [[অ্যালান কে]] || ৯২৪ || ✓
|-
| 472 || [[আলেকজান্ডার ফ্লেমিং]] || ৩৩২ || ✓
|-
| 473 || [[ক্যারোলিন বার্তোজি]] || ৪১১ || ✓
|-
| 474 || [[আলফ্রেড রাসেল ওয়ালেস]] || ১,৬৫৯ || ✓
|-
| 475 || [[অঁতোয়ান লাভোয়াজিয়ে]] || ১,৪৩৬ || ✕
|-
| 476 || [[জ্যারেড ডায়মন্ড]] || ১,১৭১ || ✕
|-
| 477 || [[জেন গুডাল]] || ১,৩৫৭ || ✓
|-
| 478 || [[জেমস টোবিন]] || ১,০৫৯ || ✓
|-
| 479 || [[জেমস ক্যালাহান]] || ১,৬১৫ || ✓
|-
| 480 || [[উইলিয়াম স্ট্যানলি জেভন্স]] || ১,৭০১ || ✓
|-
| 481 || [[উইলিয়াম থমসন]] || ১,০৫১ || ✓
|-
| 482 || [[ওলে সোয়িংকা]] || ৩,১৬১ || ✕
|-
| 483 || [[জোসেফ স্টিগলিটজ]] || ১,৫০৪ || ✕
|-
| 484 || [[গ্রেগর মেন্ডেল]] || ৮৭৪ || ✓
|-
| 485 || [[গটফ্রিড ভিলহেল্ম লাইবনিৎস]] || ১,২৩৬ || ✓
|-
| 486 || [[গ্লেন থিওডোর সিবর্গ]] || ৯৮৪ || ✓
|-
| 487 || [[হেরমান ভাইল]] || ১,৫৪১ || ✓
|-
| 488 || [[হেরমান হেস]] || ৪,৫৬৫ || ✓
|-
| 489 || [[হার্বার্ট স্পেন্সার]] || ২,৩৬৮ || ✓
|-
| 490 || [[হার্বার্ট এ. সাইমন]] || ১,৩৩৭ || ✓
|-
| 491 || [[হেরাক্লিটাস]] || ১,৫৭০ || ✓
|-
| 492 || [[হেনরিক শিয়েনকিয়েভিচ]] || ১,৯১১ || ✕
|-
| 493 || [[উইলা ক্যাথার]] || ৩,০৩৩ || ✕
|-
| 494 || [[উইল ডুরান্ট]] || ২,৮১৫ || ✓
|-
| 495 || [[ডব্লিউ. এইচ. অডেন]] || ২,৮১৯ || ✓
|-
| 496 || [[ভোলফগাং পাউলি]] || ১,৬৩৯ || ✓
|-
| 497 || [[ইয়াসুনারি কাওয়াবাতা]] || ২,২৫৮ || ✓
|-
| 498 || [[জন আর্চিবল্ড হুইলার]] || ১,১৩৯ || ✓
|-
| 499 || [[সেমুর হার্শ]] || ১,৭৬১ || ✓
|-
| 500 || [[সের্গেই কোরোলিয়ভ]] || ৫৬৫ || ✓
|-
| 501 || [[জেন অ্যাডামস]] || ১,৯০৬ || ✓
|-
| 502 || [[জাক-ইভ কুস্তো]] || ৬৬৩ || ✓
|-
| 503 || [[হিদেকি ইউকাওয়া]] || ৪০৩ || ✓
|-
| 504 || [[প্রিমো লেভি]] || ৪,২৩৮ || ✓
|-
| 505 || [[ঝুম্পা লাহিড়ী]] || ৪৩০ || ✓
|-
| 506 || [[জেমস প্রেসকট জুল]] || ৪৮৭ || ✓
|-
| 507 || [[কালীপ্রসন্ন বিদ্যারত্ন]] || ৮২৫ || ✓
|-
| 508 || [[কলসী]] || ১,০৮৬ || ✓
|-
| 509 || [[চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ১,১৫৭ || ✓
|-
| 510 || [[শহর]] || ১,৪৫৮ || ✕
|-
| 511 || [[ঘাস]] || ২,১১২ || ✓
|-
| 512 || [[জলধর সেন]] || ১,৭৬৪ || ✓
|-
| 513 || [[ঠিকানা]] || ১,১৮৭ || ✓
|-
| 514 || [[গন্ধ]] || ১,৮০৭ || ✓
|-
| 515 || [[চা]] || ২,৪২৪ || ✓
|-
| 516 || [[রবীন্দ্রনাথ মৈত্র]] || ১,২৮১ || ✓
|-
| 517 || [[দিগন্ত]] || ১,২২৮ || ✓
|-
| 518 || [[ময়ূর]] || ১,৩৪৫ || ✓
|-
| 519 || [[করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ৯১১ || ✓
|-
| 520 || [[ঢেউ]] || ১,৫৩৯ || ✓
|-
| 521 || [[ছাতা]] || ১,১৮৯ || ✓
|-
| 522 || [[উমাকান্ত হাজারী]] || ৯৪২ || ✓
|-
| 523 || [[ঘৃণা]] || ২,৩৩৯ || ✓
|-
| 524 || [[বাঁশ]] || ২,৪৫৯ || ✕
|-
| 525 || [[কলেরা]] || ১,৬৩৮ || ✓
|-
| 526 || [[মাঠ]] || ২,৪৪৭ || ✓
|-
| 527 || [[টিন]] || ১,৯৩২ || ✕
|-
| 528 || [[সংবাদ]] || ৪,৪৭৯ || ✕
|-
| 529 || [[নবায়নযোগ্য শক্তি]] || ১২,৬১০ || ✓
|-
| 530 || [[নাডিন গর্ডিমার]] || ১,৩৭২ || ✓
|-
| 531 || [[মারে গেল-মান]] || ১,৩২৮ || ✓
|-
| 532 || [[নার্গিস মোহাম্মাদি]] || ১,৭৫৫ || ✓
|-
| 533 || [[সাদি কার্নো]] || ৫,২৫৬ || ✓
|-
| 534 || [[জন বারবার]] || ৫৭৪ || ✕
|-
| 535 || [[স্কটিশ জাতি]] || ৩৭৫ || ✓
|-
| 536 || [[ওয়েন্ডি বোম্যান]] || ১৫১ || ✕
|-
| 537 || [[যুদ্ধাপরাধ]] || ৪,৬৭৯ || ✕
|-
| 538 || [[রুবি]] || ৩৬৩ || ✓
|-
| 539 || [[রিতা এনজেলু]] || ১৫৯ || ✓
|-
| 540 || [[বমি]] || ২০৪ || ✓
|-
| 541 || [[পার্ল]] || ৬৯০ || ✕
|-
| 542 || [[পাইথন]] || ১৩৯ || ✓
|-
| 543 || [[উইকিলিকস]] || ১,৬৩১ || ✕
|-
| 544 || [[জনস্টন ম্যাককালি]] || ৩১১ || ✕
|-
| 545 || [[যুগোস্লাভিয়া]] || ৪,১৩৬ || ✓
|-
| 546 || [[অংশুমান কর]] || ২০৯ || ✓
|-
| 547 || [[কেমব্রিজ গান]] || ৩০৫ || ✕
|-
| 548 || [[হেলেনীয় শিক্ষা]] || ৫০২ || ✓
|-
| 549 || [[টমাস হলি চিভার্স]] || ২৩৫ || ✓
|-
| 550 || [[মুহাম্মদ মাহদি আল-জাওয়াহিরি]] || ৬৩৮ || ✓
|-
| 551 || [[জেডি স্মিথ]] || ১,০৮০ || ✓
|-
| 552 || [[ব্রায়ান পি. শ্মিট]] || ৪৬০ || ✓
|-
| 553 || [[কার্ল বার্নস্টিন]] || ৩৬৮ || ✓
|-
| 554 || [[চার্লস ফেফারম্যান]] || ৩৩৯ || ✓
|-
| 555 || [[ইয়ুস্টুস ফন লিবিগ]] || ৩৩২ || ✓
|-
| 556 || [[টমাস শেলিংস]] || ৬৭৪ || ✓
|-
| 557 || [[উইলিয়াম শকলি]] || ৩৯১ || ✓
|-
| 558 || [[শিং-শেন চের্ন]] || ৭৬৫ || ✕
|-
| 559 || [[হুগো দ্য ভ্রিস]] || ৩৪৪ || ✓
|-
| 560 || [[রবার্ট অ্যান্ড্রুজ মিলিকান]] || ৪৩৬ || ✓
|-
| 561 || [[জেমস ভ্যান অ্যালেন]] || ৫৯৬ || ✓
|-
| 562 || [[জাক শিরাক]] || ৭১১ || ✓
|-
| 563 || [[ডরোথি হজকিন]] || ২৯৪ || ✓
|-
| 564 || [[গোরান পারসন]] || ৩২৬ || ✓
|-
| 565 || [[জেরার দ্যব্রু]] || ১৮৬ || ✓
|-
| 566 || [[কোরীয় যুদ্ধ]] || ৯,৯৬৫ || ✕
|-
| 567 || [[রবার্ট জে. শিলার]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 568 || [[ফ্রঁসোয়া আরাগন]] || ৪৩৫ || ✓
|-
| 569 || [[অখিলচন্দ্র দত্ত]] || ৩৭৩ || ✕
|-
| 570 || [[ফ্রান্সিস কলিন্স]] || ৫৮৮ || ✓
|-
| 571 || [[হেলেন ক্লার্ক]] || ৩৭৪ || ✓
|-
| 572 || [[লেয়োঁ ফুকো]] || ৫৩২ || ✓
|-
| 573 || [[জন চার্লস পোলানি]] || ৩৭৪ || ✓
|-
| 574 || [[জন মেইনার্ড কেইনস]] || ১৭,৭৯১ || ✕
|-
| 575 || [[দিমিত্রি মুরাতভ]] || ৬৩৬ || ✓
|-
| 576 || [[আবদুস সালাম]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 577 || [[আবদুলরাজাক গুরনাহ]] || ৭৪৯ || ✓
|-
| 578 || [[এ. সি. বেনসন]] || ৩৮৩ || ✓
|-
| 579 || [[প্রথম আলবার্ট]] || ৮৬৪ || ✓
|-
| 580 || [[অম্লান দত্ত]] || ১৪৬ || ✓
|-
| 581 || [[ইয়ান মার্টেল]] || ১,১৩৩ || ✕
|-
| 582 || [[ইয়োইচিরো নাম্বু]] || ৪৩১ || ✕
|-
| 583 || [[সৈয়দ জামিল আহমেদ]] || ২০৩ || ✓
|-
| 584 || [[পূর্ণিমা]] || ১৯২ || ✓
|-
| 585 || [[শরিফুল রাজ]] || ১৮৬ || ✓
|-
| 586 || [[কাজী হায়াৎ]] || ২৭৪ || ✓
|-
| 587 || [[আরেফিন রুমি]] || ১৬২ || ✓
|-
| 588 || [[ইমাম নাসাই]] || ৬৯৭ || ✕
|-
| 589 || [[কবরী]] || ২৭১ || ✓
|-
| 590 || [[হাফিজ উদ্দিন আহমদ]] || ২৩৬ || ✓
|-
| 591 || [[আ ন ম এহসানুল হক মিলন]] || ৩৪০ || ✓
|-
| 592 || [[আন্দালিব রহমান পার্থ]] || ২৯৭ || ✓
|-
| 593 || [[ববি হাজ্জাজ]] || ২৫৩ || ✓
|-
| 594 || [[ইবনে মাজাহ]] || ৩৩৬ || ✓
|-
| 595 || [[হাবিব ওয়াহিদ]] || ২৬৪ || ✓
|-
| 596 || [[জাইমা রহমান]] || ২১২ || ✓
|-
| 597 || [[কনকচাঁপা]] || ২২৮ || ✓
|-
| 598 || [[আহসান হাবীব]] || ২১৯ || ✓
|-
| 599 || [[বেলাল খান]] || ২১৯ || ✓
|-
| 600 || [[নচিকেতা চক্রবর্তী]] || ২৮৯ || ✓
|-
| 601 || [[আ ফ ম খালিদ হোসেন]] || ২৪৮ || ✓
|-
| 602 || [[আলমগীর]] || ৪০৬ || ✓
|-
| 603 || [[সালাহউদ্দিন আহমেদ]] || ৩৫৩ || ✓
|-
| 604 || [[চোং নানশান]] || ১৭৮ || ✓
|-
| 605 || [[এ. সি. ব্র্যাডলি]] || ৩৯০ || ✕
|-
| 606 || [[আলবার্ট হফমান]] || ৩,৪৪৪ || ✓
|-
| 607 || [[অ্যালান পারলিস]] || ৯২৮ || ✓
|-
| 608 || [[হেইনরিখ রোরার]] || ৩৬০ || ✓
|-
| 609 || [[আলফ্রেড আহো]] || ১৪৪ || ✕
|-
| 610 || [[উ থান্ট]] || ৬৭৮ || ✕
|-
| 611 || [[লোরঁ শোয়ার্তজ]] || ৬১০ || ✓
|-
| 612 || [[উইলিয়াম শার্প]] || ৩৯৯ || ✓
|-
| 613 || [[পাউল এরেনফেস্ট]] || ৪৩৩ || ✓
|-
| 614 || [[রবার্ট মান্ডেল]] || ৩২২ || ✓
|-
| 615 || [[হান কাং]] || ৬৬৬ || ✓
|-
| 616 || [[ক্রিপটিক ফেইট]] || ১৭৬ || ✓
|-
| 617 || [[কাকাবাবু]] || ২৫৮ || ✓
|-
| 618 || [[ক্যারি মুলিস]] || ৪০৩ || ✓
|-
| 619 || [[টোমাস ট্রান্সট্রোমার]] || ২৯৯ || ✓
|-
| 620 || [[ইরিনা বোকোভা]] || ২৬৮ || ✓
|-
| 621 || [[মার্টিনুস ভেল্টম্যান]] || ১৯৫ || ✓
|-
| 622 || [[ড্যামন গ্যালগুট]] || ৪৮২ || ✓
|-
| 623 || [[আর্থার কর্নবার্গ]] || ১৭৭ || ✕
|-
| 624 || [[বেন ওক্রি]] || ৮৫৮ || ✓
|-
| 625 || [[সল বেলো]] || ১,০০৩ || ✓
|-
| 626 || [[সল পার্লমাটার]] || ৩১১ || ✕
|-
| 627 || [[সিমেওঁ দ্যনি পোয়াসোঁ]] || ১৬০ || ✓
|-
| 628 || [[স্টিভ আরউইন]] || ৪৩৫ || ✕
|-
| 629 || [[আনি এরনো]] || ২৮৪ || ✓
|-
| 630 || [[ফজল শাহাবুদ্দীন]] || ৪৯৫ || ✕
|-
| 631 || [[আল-জাহিজ]] || ৭৩৩ || ✓
|-
| 632 || [[আল-বিরুনি]] || ১,৮৩৬ || ✓
|-
| 633 || [[থমাস হ্যারিয়ট]] || ৪৩২ || ✓
|-
| 634 || [[স্টিভেন চু]] || ২২০ || ✓
|-
| 635 || [[ইভাঞ্জেলিস্টা টরিসেলি]] || ৩৭২ || ✓
|-
| 636 || [[লেসলি ল্যামপোর্ট]] || ৫৫০ || ✓
|-
| 637 || [[মার্টিন লুইস পার্ল]] || ৩৮৮ || ✓
|-
| 638 || [[ভ্লাদিমির মার্কভনিকভ]] || ২৬৭ || ✓
|-
| 639 || [[বাপ্পী লাহিড়ী]] || ২৫২ || ✓
|-
| 640 || [[নুহাশ হুমায়ূন]] || ২০৫ || ✓
|-
| 641 || [[আনিসুল হক]] || ২৪৬ || ✕
|-
| 642 || [[বাবর আলী]] || ৩০৯ || ✓
|-
| 643 || [[মেহের আফরোজ শাওন]] || ৩১৯ || ✓
|-
| 644 || [[ফেলুদা]] || ২৪৬ || ✓
|-
| 645 || [[ব্যোমকেশ বক্সী]] || ১৭৮ || ✓
|-
| 646 || [[প্রোফেসর শঙ্কু]] || ২৬৯ || ✓
|-
| 647 || [[বারী সিদ্দিকী]] || ২৪২ || ✓
|-
| 648 || [[সমরেশ বসু]] || ২০২ || ✓
|-
| 649 || [[লিয়ন কুপার]] || ৩২৩ || ✓
|-
| 650 || [[কামিলা শামসি]] || ২০৪ || ✓
|-
| 651 || [[ক্রিস্টোফার রেন]] || ৩৭৪ || ✓
|-
| 652 || [[জিওফ্রে হিন্টন]] || ৩২২ || ✓
|-
| 653 || [[ফ্রিডতিয়ফ নানসেন]] || ১৯১ || ✓
|-
| 654 || [[আলাঁ আস্পে]] || ৭৭৬ || ✓
|-
| 655 || [[ক্যারিল ফিলিপস]] || ২৮৪ || ✓
|-
| 656 || [[জেমস কুক]] || ৩৯৭ || ✓
|-
| 657 || [[ক্লাউদিয়া শেইনবাউম]] || ৩২১ || ✓
|-
| 658 || [[আবি আহমেদ]] || ২৫৫ || ✓
|-
| 659 || [[পিটার আগ্রি]] || ১৯০ || ✓
|-
| 660 || [[ফখরুদ্দীন আল-রাযী]] || ২১৫ || ✓
|-
| 661 || [[ইব্রাহিম ত্রাওরে]] || ৭৫৪ || ✓
|-
| 662 || [[পেদ্রো সানচেজ]] || ২৯৯ || ✓
|-
| 663 || [[অ্যাডাম রিস]] || ৪৮৯ || ✓
|-
| 664 || [[আব্দুল হান্নান আবকারী]] || ০ || ✕
|-
| 665 || [[ইবরাহীম আলী তশনা]] || ২৪৭ || ✓
|-
| 666 || [[রুহুল আমিন বসিরহাটি]] || ৩৬৩ || ✓
|-
| 667 || [[মুহাম্মদুল্লাহ হাফেজ্জী]] || ৩৪২ || ✓
|-
| 668 || [[শামছুল হুদা]] || ০ || ✕
|-
| 669 || [[শামছুল হক ফরিদপুরী]] || ৫৪৬ || ✓
|-
| 670 || [[গর্ডন মুর]] || ৫৮৭ || ✓
|-
| 671 || [[শিরিন এবাদি]] || ৫৪৩ || ✕
|-
| 672 || [[নাগিব মাহফুজ]] || ৫৩০ || ✓
|-
| 673 || [[আল-ফারাবি]] || ৫৩৭ || ✕
|-
| 674 || [[চাষী নজরুল ইসলাম]] || ৪৪৬ || ✓
|-
| 675 || [[বাপ্পা মজুমদার]] || ৩১০ || ✓
|-
| 676 || [[রবার্ট ক্লাইভ]] || ২,০০২ || ✕
|-
| 677 || [[পার্ল এস. বাক]] || ৯৩৩ || ✕
|-
| 678 || [[জন বারডিন]] || ৩৬৪ || ✓
|-
| 679 || [[আজিজুল হক]] || ১৮০ || ✓
|-
| 680 || [[আবদুস সালাম]] || ১০০ || ✕
|-
| 681 || [[আবদুল গফুর]] || ১০১ || ✕
|-
| 682 || [[আবদুল জব্বার]] || ১৬১ || ✓
|-
| 683 || [[আবদুল জব্বার]] || ৯২ || ✕
|-
| 684 || [[আবদুল জব্বার]] || ১৩৩ || ✕
|-
| 685 || [[অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ১৩৪ || ✕
|-
| 686 || [[অনিমেষ রায়]] || ১২৬ || ✕
|-
| 687 || [[অনির্বাণ বসু]] || ১২০ || ✕
|-
| 688 || [[অজয় ঘটক]] || ১১৪ || ✕
|-
| 689 || [[অচলা মল্লিক]] || ১৫৪ || ✕
|-
| 690 || [[অজয় হোম]] || ১৫৯ || ✕
|-
| 691 || [[অমিতা বসু]] || ১৪২ || ✕
|-
| 692 || [[আস্ট্রোনমি]] || ০ || ✕
|-
| 693 || [[মমতাজ বেগম]] || ৩৫৫ || ✕
|-
| 694 || [[আবুল বরকত]] || ১৪৩ || ✕
|-
| 695 || [[মেরি স্টোপস]] || ৫০৫ || ✕
|-
| 696 || [[ইয়োন ফসে]] || ৩৯৩ || ✕
|-
| 697 || [[জুনো দিয়াজ]] || ৫৪০ || ✕
|-
| 698 || [[পারভীন এতেসামি]] || ০ || ✕
|-
| 699 || [[চুয়াং জি]] || ২৭৪ || ✕
|-
| 700 || [[ফকির শাহাবুদ্দীন]] || ০ || ✕
|-
| 701 || [[আবু বকর সিদ্দিকী]] || ০ || ✕
|-
| 702 || [[বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট]] || ০ || ✕
|-
| 703 || [[বাংলাদেশের কৃষি প্রযুক্তি]] || ০ || ✕
|-
| 704 || [[হাসিবুন নাহের]] || ০ || ✕
|-
| 705 || [[মেরি উলস্টোনক্রাফ্ট]] || ২১৩ || ✕
|-
| 706 || [[বালতাসার গ্রাসিয়ান]] || ২০৬ || ✕
|-
| 707 || [[জুলাই আন্দোলন]] || ৬১৫ || ✕
|-
| 708 || [[বিকাশ]] || ০ || ✕
|-
| 709 || [[নতুন প্রযুক্তি]] || ০ || ✕
|-
| 710 || [[বাংলাদেশের রিয়েল এস্টেট শিল্প: বর্তমান প্রেক্ষাপট ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা]] || ০ || ✕
|-
| 711 || [[জলবায়ু পরিবর্তন ও বাংলাদেশের পরিবেশ]] || ০ || ✕
|-
| 712 || [[মোহাম্মদ শেখ শাহিনুর রহমান]] || ০ || ✕
|-
| 713 || [[অপ্রত্যাশিত জীবনযাত্রা]] || ০ || ✕
|-
| 714 || [[অপর্ণা সেন]] || ৩১২ || ✕
|}
64d1xm4lybsxrcfa6gfkjxxp5w65fp5
83306
83305
2026-05-03T03:01:42Z
ARI
356
/* শব্দসংখ্যা অনুযায়ী নিবন্ধ তালিকা */
83306
wikitext
text/x-wiki
----
সর্বশেষ হালনাগাদ - ০১:০৫, ২ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
----
==উইকিউক্তি ফলাফল ২০২৬==
{| class="wikitable sortable"
|-
! ক্রম
! ব্যবহারকারী
! নিবন্ধ
! মোট শব্দ
! বিস্তারিত
|-
| '''১'''
| '''Dr. Mosaddek Khondoker'''
| '''১৯'''
| '''৪,০৪,৫৭৫'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৪,০৪,৫৭৫<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| '''২'''
| '''ARI'''
| '''২৮'''
| '''৩,১৪,৮৯৭'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৩,১২,২১২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২,৬৮৫
</div>
|-
| '''৩'''
| '''Tuhin'''
| '''২৮০'''
| '''৩,০১,০২২'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,৫৩,৯৫৯<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৪৭,০৬৩
</div>
|-
| '''৪'''
| '''SMontaha32'''
| '''৩৭'''
| '''২,৩৯,৫২৮'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,১৮,৫১৮<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২১,০১০
</div>
|-
| '''৫'''
| '''NusJaS'''
| '''১০'''
| '''২,৫১,৮৯১'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১,৯৭,২৯৩<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৫৪,৫৯৮
</div>
|-
| '''৬'''
| '''Oindrojalik Watch'''
| '''২৯'''
| '''১,৯৯,৯৪৯'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১,৯০,০৭৮<br>
অপর্যালোচিত: ৯,৮৭১<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| '''৭'''
| '''Sumanta3023'''
| '''১১০'''
| '''১,২২,৫০০'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৯৭,৪২১<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২৫,০৭৯
</div>
|-
| '''৮'''
| '''Anik Kanti Dey'''
| '''৩৪'''
| '''১,০৪,৬৪১'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৯৩,৮৬৪<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ১০,৭৭৭
</div>
|-
| '''৯'''
| '''Tanbiruzzaman'''
| '''২১'''
| '''৮০,৭২৪'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৮০,৭২৪<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| '''১০'''
| '''Nil Nandy'''
| '''২৭'''
| '''৭৪,২৬৭'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৭৪,২৬৭<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ১১
| R1F4T
| ২২
| ২,৮৫,২৭৫
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৬৩,৯৫১<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২,২১,৩২৪
</div>
|-
| ১২
| Salil Kumar Mukherjee
| ২৭
| ৪২,২০৬
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৩০,৯১৫<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ১১,২৯১
</div>
|-
| ১৩
| Anaf Ibn Shahibul
| ৪৭
| ৫৬,৫৮১
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১৯,৩৪৬<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৩৭,২৩৫
</div>
|-
| ১৪
| মোহাম্মদ জনি হোসেন
| ২৫
| ৮,১২৩
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৫,৪৭২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২,৬৫১
</div>
|-
| ১৫
| JIBON
| ৫
| ৫,৫৫৪
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৪,৭৩২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৮২২
</div>
|-
| ১৬
| Md. Muqtadir Fuad
| ১১
| ৪,০২৯
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৪,০২৯<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ১৭
| Humaira.thithi
| ৮
| ৩,৭১০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,৭৮৭<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৯২৩
</div>
|-
| ১৮
| Amirhusenjihed
| ৩
| ৩,০৬৪
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,৫৬৯<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৪৯৫
</div>
|-
| ১৯
| Asikur Rahman
| ৬
| ২,২২৯
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,২২৯<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ২০
| Rasel Mehedi
| ১০
| ২,৪৬৮
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,২২২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২৪৬
</div>
|-
| ২১
| Mahiya50
| ৬
| ২,১৯০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,১৯০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ২২
| Borhan
| ৬
| ১,৬৬২
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১,৬৬২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ২৩
| Raihanur
| ৪
| ৫,৬৭৪
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১,৫৪২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৪,১৩২
</div>
|-
| ২৪
| Muhammad Fahim Faisal
| ৬
| ১,৪৯৮
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১,৪৯৮<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ২৫
| Firuz Ahmmed
| ৪
| ২,১৯৭
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১,১১৭<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ১,০৮০
</div>
|-
| ২৬
| নিয়াজ ইসলাম
| ২
| ৭৫৬
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৭৫৬<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ২৭
| Asad.fr
| ৩
| ৩,২৯৯
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৩৬৪<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২,৯৩৫
</div>
|-
| ২৮
| Mehedi Abedin
| ১
| ৩৫২
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৩৫২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ২৯
| Md. Rayan Alam Rifat
| ১
| ১৮০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১৮০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ৩০
| Siyan BD
| ১২
| ১,৫৩৬
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১৬১<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ১,৩৭৫
</div>
|-
| ৩১
| Dewan mahbubr Rahman
| ১
| ৩৫০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৩৫০
</div>
|-
| ৩২
| ExceptionistSagar
| ১
| ১৭৯
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ১৭৯
</div>
|-
| ৩৩
| Kh. Fahim
| ১
| ৪০৬
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৪০৬
</div>
|-
| ৩৪
| Trisha Mazumder
| ১
| ০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ৩৫
| MdMarufHossen71
| ২
| ৪৯৮
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৪৯৮
</div>
|-
| ৩৬
| Usarker
| ৩
| ১,৪৩৮
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ১,৪৩৮
</div>
|-
| ৩৭
| রাকিবুল হাসান রাসেল
| ১
| ০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ৩৮
| MD RADWAN ISLAM
| ৬
| ২৭৪
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২৭৪
</div>
|-
| ৩৯
| AKM Mahinur Rahman
| ২
| ৪১৯
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৪১৯
</div>
|-
| ৪০
| MD RADWAN ISLAM ROHAN
| ৫
| ৬১৫
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৬১৫
</div>
|-
| ৪১
| ShahinurWrites
| ১
| ০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ৪২
| Abdullah Al Shishir
| ১
| ০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ৪৩
| চ্যাম্পিয়ন স্টার ১
| ১
| ৩১২
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৩১২
</div>
|}
== পর্যালোচক পরিসংখ্যান ==
; পর্যালোচক
{| class="wikitable"
|-
! ক্রম !! নাম !! মোট !! গৃহীত !! বাতিল
|-
| '''১''' || '''Mehedi Abedin''' || '''২৭৫''' || ২৩৮ || ৩৭
|-
| '''২''' || '''NusJaS''' || '''১৯৩''' || ১৫৪ || ৩৯
|-
| '''৩''' || '''MS Sakib''' || '''১৮১''' || ১৪৮ || ৩৩
|-
| '''৪''' || '''ARI''' || '''১৫৮''' || ১২৬ || ৩২
|-
| '''৫''' || '''MdsShakil''' || '''৪০''' || ৩৮ || ২
|-
| '''৬''' || '''Tahmid''' || '''১৪''' || ১০ || ৪
|-
| '''৭''' || '''Yahya''' || '''৫''' || ৪ || ১
|-
! মোট || || ৮৬৬ || ৭১৮ || ১৪৮
|}
== ব্যবহারকারী ভিত্তিক পরিসংখ্যান ==
=== [[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker| Dr. Mosaddek Khondoker]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্পর্কে উক্তি]] || ৩৯,৩০৩ || ✓
|-
| 2 || [[স্ট্যানলি বল্ডউইন]] || ৩৪,১৩১ || ✓
|-
| 3 || [[খ্রিস্টের অনৈতিহাসিকতা তত্ত্ব]] || ২৮,৭০৭ || ✓
|-
| 4 || [[বেঞ্জামিন ডিসরাইলি]] || ২৯,৪৭৯ || ✓
|-
| 5 || [[রবার্ট জি. ইঙ্গারসোল]] || ৩০,০৯০ || ✓
|-
| 6 || [[রন পল]] || ২৪,৯২৮ || ✓
|-
| 7 || [[ক্যালকুলাসের ইতিহাস]] || ১৯,১৯৫ || ✓
|-
| 8 || [[অ্যানোরেক্সিয়া নার্ভোসা]] || ২৩,১০০ || ✓
|-
| 9 || [[ডোয়াইট ডি আইজেনহাওয়ার]] || ২১,০২৬ || ✓
|-
| 10 || [[স্টিফেন জে গুল্ড]] || ২২,১৫০ || ✓
|-
| 11 || [[এআর-১৫ স্টাইল রাইফেল]] || ১৮,৯০১ || ✓
|-
| 12 || [[শেরি এস. টেপার]] || ২৪,৯৯৯ || ✓
|-
| 13 || [[আউরেলিয়ুস আউগুস্তিনুস]] || ১৯,৩৪৬ || ✓
|-
| 14 || [[ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতিত্ব]] || ৪৬,৮৯৯ || ✓
|-
| 15 || [[নবায়নযোগ্য শক্তি]] || ১২,৬১০ || ✓
|-
| 16 || [[নাডিন গর্ডিমার]] || ১,৩৭২ || ✓
|-
| 17 || [[মারে গেল-মান]] || ১,৩২৮ || ✓
|-
| 18 || [[নার্গিস মোহাম্মাদি]] || ১,৭৫৫ || ✓
|-
| 19 || [[সাদি কার্নো]] || ৫,২৫৬ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১৯
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৪,০৪,৫৭৫
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৪,০৪,৫৭৫
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:ARI| ARI]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[জে. হাওয়ার্ড মুর]] || ২৪,১৯৫ || ✓
|-
| 2 || [[ভারতে পোশাক]] || ২,২৮৯ || ✓
|-
| 3 || [[ভারতের ভাষা]] || ৬৯৫ || ✓
|-
| 4 || [[মধ্যযুগীয় ভারত]] || ১,৭১৭ || ✓
|-
| 5 || [[ভারতে ইহুদিদের ইতিহাস]] || ২,০৪৬ || ✓
|-
| 6 || [[ভারতে সুফিবাদ]] || ৩,২০৭ || ✓
|-
| 7 || [[পর্তুগিজ ভারত]] || ১,৬৪৩ || ✓
|-
| 8 || [[ভারতের প্রাণী]] || ৩০৫ || ✓
|-
| 9 || [[স্বাধীনতা দিবস]] || ৩৭৫ || ✓
|-
| 10 || [[ভারতে দুর্ভিক্ষ]] || ৩,৭৮১ || ✓
|-
| 11 || [[ভারতে ধর্মহীনতা]] || ২,৩৮৯ || ✓
|-
| 12 || [[ওয়ারেন ফ্যারেল]] || ২১,০৭৮ || ✓
|-
| 13 || [[আর্নেস্ট বেকার]] || ১৩,৫৯৭ || ✓
|-
| 14 || [[অতিপ্রজতা]] || ২৯,৫০১ || ✓
|-
| 15 || [[মোপলা বিদ্রোহ]] || ১৪,৫১২ || ✓
|-
| 16 || [[সীতা রাম গোয়েল]] || ১,৫৯৬ || ✓
|-
| 17 || [[অরুণ শৌরি]] || ১৫,৪৫০ || ✓
|-
| 18 || [[ভারতের ইতিহাস লিখন]] || ১৭,৯১৮ || ✓
|-
| 19 || [[দ্রৌপদী]] || ৬,১৬৪ || ✓
|-
| 20 || [[দ্য হিস্ট্রি অফ ইন্ডিয়া, অ্যাজ টোল্ড বাই ইটস ওন হিস্টোরিয়ানস]] || ২,৬৮৫ || ✕
|-
| 21 || [[রামায়ণ]] || ১,৩০০ || ✓
|-
| 22 || [[ভারতে শিক্ষা]] || ১০,৫৮০ || ✓
|-
| 23 || [[ভারতে নারী]] || ৬,১৫০ || ✓
|-
| 24 || [[বন্যপ্রাণীর কষ্ট]] || ৩৩,৭৪১ || ✓
|-
| 25 || [[নিরামিষবাদ]] || ৩০,৬২৭ || ✓
|-
| 26 || [[ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম রাষ্ট্রপতিত্ব]] || ৩৭,৫৭২ || ✓
|-
| 27 || [[নির্বাচন]] || ৭,০২৫ || ✓
|-
| 28 || [[সরকার]] || ২২,৭৫৯ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২৮
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৩,১২,২১২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩,১৪,৮৯৭
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২,৬৮৫
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Tuhin| Tuhin]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মহুয়া মৈত্র]] || ৬৫০ || ✓
|-
| 2 || [[হেনরি হোম, লর্ড কেইমস]] || ১,২৯৬ || ✓
|-
| 3 || [[লেটি কটিন পোগ্রেবিন]] || ৩৭০ || ✓
|-
| 4 || [[মার্জ পিয়ার্সি]] || ৬,৭৯০ || ✓
|-
| 5 || [[এলেন ডুইবস]] || ৮০৪ || ✓
|-
| 6 || [[মেরেডিথ ট্যাক্স]] || ৪৯১ || ✓
|-
| 7 || [[মুলক রাজ আনন্দ]] || ২৩৫ || ✓
|-
| 8 || [[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ধর্ষণ]] || ১,৯২০ || ✓
|-
| 9 || [[সুসান ব্রাউনমিলার]] || ৯৯১ || ✓
|-
| 10 || [[রবিন মরগান]] || ১,২২১ || ✓
|-
| 11 || [[ভিভিয়ান গোর্নিক]] || ২,৬৯০ || ✓
|-
| 12 || [[ডরোথি রে হিলি]] || ২,৬৩৮ || ✕
|-
| 13 || [[ক্লডিয়া জোন্স]] || ১,২৯৯ || ✓
|-
| 14 || [[গের্ডা লার্নার]] || ৩,৪২৮ || ✓
|-
| 15 || [[এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন]] || ৯,৮০৪ || ✕
|-
| 16 || [[এলা রিভ ব্লুর]] || ১,৯১৭ || ✓
|-
| 17 || [[টমাস হিউজ]] || ৯৯৬ || ✓
|-
| 18 || [[মার্গারিট দুরাস]] || ৩৪৯ || ✓
|-
| 19 || [[বেন অ্যারোনোভিচ]] || ৮,৭৯৭ || ✓
|-
| 20 || [[গ্লেন কুক]] || ৯,৯৮৫ || ✓
|-
| 21 || [[আব্রাহাম কাহান]] || ২,১৩৩ || ✓
|-
| 22 || [[গ্রেস পেলি]] || ৮,১৬৪ || ✕
|-
| 23 || [[স্টিফেন ক্রেন]] || ১,৯৬৩ || ✕
|-
| 24 || [[জোসেফাইন হার্বস্ট]] || ৪২৭ || ✓
|-
| 25 || [[জর্জ গিসিং]] || ২,০০৫ || ✓
|-
| 26 || [[আনজিয়া ইয়েজিয়ারস্কা]] || ৩,২৬২ || ✕
|-
| 27 || [[মেরি অ্যান্টিন]] || ৪৯০ || ✓
|-
| 28 || [[জয়েস অ্যান্টলার]] || ৪২৯ || ✓
|-
| 29 || [[ক্যাথরিন ম্যাককিনন]] || ২,১৭৮ || ✓
|-
| 30 || [[বেটিনা আপথেকার]] || ১,০২০ || ✓
|-
| 31 || [[ক্যারি চ্যাপম্যান ক্যাট]] || ১,৬০৩ || ✓
|-
| 32 || [[জ্যানেট র্যাঙ্কিন]] || ৭২১ || ✓
|-
| 33 || [[ফ্রান্সেস উইলার্ড]] || ৯৪১ || ✕
|-
| 34 || [[অ্যালিস স্টোন ব্ল্যাকওয়েল]] || ৫৪০ || ✕
|-
| 35 || [[অ্যানা এলিজাবেথ ডিকিনসন]] || ৭৫১ || ✕
|-
| 36 || [[মেরি লিভারমোর]] || ২,৩০৭ || ✕
|-
| 37 || [[দাড়ি]] || ২৯৭ || ✓
|-
| 38 || [[স্যার হেনরি হোবার্ট, ১ম ব্যারোনেট]] || ৭৩৮ || ✓
|-
| 39 || [[হার্ডিঞ্জ স্ট্যানলি গিফার্ড, হালসবুরির ১ম আর্ল]] || ৪১৯ || ✓
|-
| 40 || [[এ. ভি. ডাইসি]] || ১,৩৮১ || ✕
|-
| 41 || [[আলফ্রেড ডেনিং, ব্যারন ডেনিং]] || ৩,৮৩২ || ✓
|-
| 42 || [[টমাস ডেনিসন]] || ৪০০ || ✓
|-
| 43 || [[স্যার ফ্রান্সিস বুলার, ১ম ব্যারোনেট]] || ৯৬২ || ✓
|-
| 44 || [[নিকোলাস ব্রাতজা]] || ২৬৪ || ✓
|-
| 45 || [[রবার্ট অ্যাটকিনস]] || ৩৩৩ || ✕
|-
| 46 || [[রিচার্ড পেপার আর্ডেন, ১ম ব্যারন অ্যালভানলি]] || ৩৫১ || ✓
|-
| 47 || [[এডওয়ার্ড হল অল্ডারসন]] || ৪৪৬ || ✓
|-
| 48 || [[অ্যামব্রোজ বিয়ার্স]] || ৫,৫৪১ || ✕
|-
| 49 || [[মেওয়াত]] || ৭১৮ || ✓
|-
| 50 || [[নানাবতী-মেহতা কমিশন]] || ২,৪৪৪ || ✓
|-
| 51 || [[ভারতে ঔষধ শিল্প]] || ১,৯২১ || ✓
|-
| 52 || [[পাঞ্জাব]] || ১,৪০৬ || ✓
|-
| 53 || [[রামনবমী]] || ৮৬২ || ✓
|-
| 54 || [[ভারতের শহরসমূহের নাম পরিবর্তন]] || ৪৪১ || ✓
|-
| 55 || [[নুপুর শর্মা]] || ৬০১ || ✓
|-
| 56 || [[রিপাবলিক টিভি]] || ৪৫৫ || ✓
|-
| 57 || [[রোহিলখণ্ড]] || ৪৪০ || ✓
|-
| 58 || [[রোহিলা]] || ৩৪০ || ✓
|-
| 59 || [[সৌরাষ্ট্র]] || ৬৫৪ || ✓
|-
| 60 || [[ভারতে তিন তালাক]] || ১,১৩৪ || ✓
|-
| 61 || [[ভারতের পবিত্র উপবন]] || ৫৭৫ || ✓
|-
| 62 || [[অভিন্ন দেওয়ানি বিধি]] || ৩,৭৩৭ || ✓
|-
| 63 || [[নবনীত আদিত্য ওয়াইবা]] || ১৯২ || ✓
|-
| 64 || [[ভারতে জল সরবরাহ ও স্যানিটেশন]] || ৭৪০ || ✓
|-
| 65 || [[জমিদার]] || ৩৮১ || ✕
|-
| 66 || [[নিখিল ভারত মুসলিম লীগ]] || ১,৭৩৭ || ✕
|-
| 67 || [[ফতোয়া]] || ৪৮৪ || ✓
|-
| 68 || [[দারা শিকোহ]] || ১,৪৩৫ || ✓
|-
| 69 || [[আমেরিকা নিপাত যাক]] || ৬৩৯ || ✓
|-
| 70 || [[মহা শয়তান]] || ৪১৪ || ✓
|-
| 71 || [[উলামা]] || ৩৪৫ || ✓
|-
| 72 || [[দক্ষিণ এশিয়ায় মুসলিম জাতীয়তাবাদ]] || ১,৫১৬ || ✓
|-
| 73 || [[পার্সি-মুসলিম দাঙ্গা]] || ৬৫৬ || ✓
|-
| 74 || [[ভারতে দাঙ্গা]] || ৬৭৪ || ✓
|-
| 75 || [[ভারতে পেগাসাস প্রকল্পের উদঘাটন]] || ৩৯০ || ✓
|-
| 76 || [[নেহরুবাদ]] || ৯৫২ || ✓
|-
| 77 || [[২জি স্পেকট্রাম মামলা]] || ৯৩৭ || ✓
|-
| 78 || [[রাহুল গান্ধী]] || ৪,০০৪ || ✓
|-
| 79 || [[আকবরউদ্দিন ওয়াইসি]] || ২৯৮ || ✓
|-
| 80 || [[ভারতের সাধারণ নির্বাচন, ২০২৪]] || ২,৫৭৭ || ✓
|-
| 81 || [[ভারতে ধর্মনিরপেক্ষতা]] || ২৩৪ || ✓
|-
| 82 || [[নাইলা আলি খান]] || ২০৪ || ✓
|-
| 83 || [[অরুণ জেটলি]] || ৪৮১ || ✓
|-
| 84 || [[সুকেতু মেহতা]] || ৩৮২ || ✓
|-
| 85 || [[রুক্মিণী মৈত্র]] || ৩৫৪ || ✓
|-
| 86 || [[মানব গুপ্ত]] || ৬৩৪ || ✕
|-
| 87 || [[মোহিনী মোহন ধর]] || ৫৮৫ || ✓
|-
| 88 || [[দিলীপ কুমার চক্রবর্তী]] || ২,৫৯৭ || ✓
|-
| 89 || [[রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ৩৮৩ || ✓
|-
| 90 || [[পিটার অ্যাক্রয়েড]] || ২৯৭ || ✓
|-
| 91 || [[হ্যারল্ড ব্লুম]] || ৫৯৩ || ✓
|-
| 92 || [[জেমস বসওয়েল]] || ১,১৪৯ || ✓
|-
| 93 || [[অলিভার গোল্ডস্মিথ]] || ৩,১৭৮ || ✓
|-
| 94 || [[হেনরি জাইলস]] || ৭৯২ || ✓
|-
| 95 || [[এডউইন হাবেল চ্যাপিন]] || ৭৭০ || ✓
|-
| 96 || [[অবমাননা]] || ৭৮৮ || ✓
|-
| 97 || [[আদালত অবমাননা]] || ৮২৯ || ✓
|-
| 98 || [[আইনপ্রণেতা]] || ৭৪৩ || ✓
|-
| 99 || [[লেই বারডুগো]] || ১২২ || ✓
|-
| 100 || [[উইলিয়াম ব্রেট, ১ম ভিসকাউন্ট এশার]] || ১,০২০ || ✓
|-
| 101 || [[হেনরি হকিন্স, ১ম ব্যারন ব্র্যাম্পটন]] || ৩০৩ || ✓
|-
| 102 || [[জুনিয়াস]] || ১,৪১২ || ✓
|-
| 103 || [[উইলিয়াম মারে, ম্যানসফিল্ডের ১ম আর্ল]] || ৬৪৩ || ✓
|-
| 104 || [[জোসেফ ইয়েটস]] || ৬৬৬ || ✓
|-
| 105 || [[স্যার জন বেইলি, ১ম ব্যারোনেট]] || ৯১৮ || ✓
|-
| 106 || [[হেনরি বিকারস্টথ, ১ম ব্যারন ল্যাংডেল]] || ৪১৫ || ✓
|-
| 107 || [[এডওয়ার্ড ল, ১ম ব্যারন এলেনবরো]] || ৬৭৪ || ✓
|-
| 108 || [[লয়েড কেনিয়ন, ১ম ব্যারন কেনিয়ন]] || ৪,৪০৮ || ✓
|-
| 109 || [[জন হোল্ট]] || ১,১৮৯ || ✓
|-
| 110 || [[চার্লস বোয়েন, ব্যারন বোয়েন]] || ১,০৩৭ || ✓
|-
| 111 || [[চার্লস অ্যাবট, ১ম ব্যারন টেন্টারডেন]] || ৩৪১ || ✓
|-
| 112 || [[ন্যায়বিচার প্রশাসন]] || ২,৮৯৯ || ✓
|-
| 113 || [[আদালত]] || ১,৮১৮ || ✕
|-
| 114 || [[রোজান এ. ব্রাউন]] || ৩৪১ || ✓
|-
| 115 || [[মারিয়ন জিমার ব্র্যাডলি]] || ১,১০৪ || ✓
|-
| 116 || [[টেরি ব্রুকস]] || ৪৮৫ || ✓
|-
| 117 || [[লেই ব্র্যাকেট]] || ১,১১২ || ✓
|-
| 118 || [[জ্যাক ক্যাডি]] || ১,৫৬৮ || ✓
|-
| 119 || [[মেল ব্রুকস]] || ২,০১৬ || ✕
|-
| 120 || [[মাইকেল বিশপ]] || ৯৯০ || ✓
|-
| 121 || [[এলিজাবেথ বেয়ার]] || ৭০৫ || ✓
|-
| 122 || [[মার্গারেট বল]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 123 || [[পাওলো বাসিগালুপি]] || ৬৪৭ || ✓
|-
| 124 || [[কেলি আর্মস্ট্রং]] || ৫৮৫ || ✓
|-
| 125 || [[ক্যাথরিন আসরো]] || ৩৬১ || ✓
|-
| 126 || [[পিয়ার্স অ্যান্থনি]] || ২২৯ || ✓
|-
| 127 || [[রবার্ট আইকম্যান]] || ২৬৮ || ✓
|-
| 128 || [[আইনজীবী]] || ২,৩২৯ || ✓
|-
| 129 || [[আইনসভা]] || ২,৩৪৩ || ✓
|-
| 130 || [[জর্জ বুশনার]] || ৬৬২ || ✓
|-
| 131 || [[জোসেফ গার্নি ক্যানন]] || ৭০৯ || ✓
|-
| 132 || [[সংখ্যাগরিষ্ঠ]] || ১,৩৫৬ || ✓
|-
| 133 || [[সংখ্যালঘু গোষ্ঠী]] || ১,৮৮১ || ✓
|-
| 134 || [[প্রাতিষ্ঠানিক আচরণ]] || ৬৫৬ || ✓
|-
| 135 || [[মানব আচরণ]] || ৮৫২ || ✓
|-
| 136 || [[হার্ভে ম্যানসফিল্ড]] || ৯৭৯ || ✓
|-
| 137 || [[রাষ্ট্রবিজ্ঞান]] || ১,১৩৯ || ✓
|-
| 138 || [[রাজনৈতিক দর্শন]] || ১,২৮৫ || ✓
|-
| 139 || [[দ্বিজেন্দ্র নারায়ণ ঝা]] || ১,০৮৭ || ✓
|-
| 140 || [[আগ্রাসন]] || ৯২০ || ✓
|-
| 141 || [[হিন্দুত্ব]] || ২,৭০০ || ✓
|-
| 142 || [[ফ্লাভিয়া অ্যাগনেস]] || ৬৮২ || ✓
|-
| 143 || [[লাভ জিহাদ ষড়যন্ত্র তত্ত্ব]] || ৩,১৫০ || ✓
|-
| 144 || [[মহাত্মা গান্ধীর হত্যাকাণ্ড]] || ১,৭৭৮ || ✓
|-
| 145 || [[যোগিন্দর সিকান্দ]] || ৮১৪ || ✓
|-
| 146 || [[ভারতে মুসলিমদের বিরুদ্ধে সহিংসতা]] || ৮৫১ || ✓
|-
| 147 || [[জয় শ্রীরাম]] || ৭০৮ || ✓
|-
| 148 || [[লালকৃষ্ণ আডবাণী]] || ১,৫৫৫ || ✓
|-
| 149 || [[রাম রথযাত্রা]] || ১,৫৭৯ || ✓
|-
| 150 || [[হিন্দু আমেরিকান ফাউন্ডেশন]] || ১,৪৫৫ || ✓
|-
| 151 || [[হর্ষ মান্দার]] || ৬৬০ || ✓
|-
| 152 || [[স্বপন দাশগুপ্ত]] || ১,১৬৭ || ✓
|-
| 153 || [[জরাথুস্ট্রবাদ]] || ৩৭৭ || ✓
|-
| 154 || [[পার্সি]] || ৩৯০ || ✓
|-
| 155 || [[নাগরিকত্ব]] || ১,৮৭৯ || ✓
|-
| 156 || [[ভারতের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৭০]] || ৬৭৯ || ✓
|-
| 157 || [[মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন, ১৯৩৯]] || ৭৬৯ || ✓
|-
| 158 || [[অবৈতনিক বাধ্যতামূলক শিশু শিক্ষার অধিকার আইন, ২০০৯]] || ৩৭৯ || ✓
|-
| 159 || [[বোম্বাই দাঙ্গা]] || ৭৭৬ || ✓
|-
| 160 || [[বজরং দল]] || ৩৩১ || ✓
|-
| 161 || [[সংসদীয় ব্যবস্থা]] || ৪০৫ || ✓
|-
| 162 || [[বিচার বিভাগীয় ব্যাখ্যা]] || ১,২৩২ || ✓
|-
| 163 || [[বর্ণবাদ পরবর্তী আমেরিকা]] || ১,০৬৯ || ✓
|-
| 164 || [[শ্বেতাঙ্গ বিশেষাধিকার]] || ৬২৮ || ✓
|-
| 165 || [[বিশেষাধিকার]] || ৭১২ || ✓
|-
| 166 || [[মানবহিতৈষণা]] || ২২৮ || ✓
|-
| 167 || [[ভারত সরকার]] || ১,২২০ || ✓
|-
| 168 || [[শিলং]] || ৯৭৩ || ✓
|-
| 169 || [[মাঝৌলি রাজ]] || ৫৬০ || ✓
|-
| 170 || [[কালিকট]] || ৪৫৪ || ✓
|-
| 171 || [[যাজপুর]] || ৪০৭ || ✓
|-
| 172 || [[কালিবাঙ্গান]] || ৭৩৮ || ✓
|-
| 173 || [[কাডাপা]] || ৪১৩ || ✓
|-
| 174 || [[ইদার]] || ৫৮৬ || ✓
|-
| 175 || [[গোধরা]] || ১,০১০ || ✓
|-
| 176 || [[ভুবনেশ্বর]] || ১,১৬৫ || ✓
|-
| 177 || [[অমৃতসর]] || ৮৬৮ || ✓
|-
| 178 || [[আম্বালা]] || ৪৬১ || ✓
|-
| 179 || [[হায়দ্রাবাদ]] || ৩,২৪৮ || ✓
|-
| 180 || [[২০১৯ হায়দ্রাবাদ গণধর্ষণ]] || ১৭৭ || ✓
|-
| 181 || [[মুহাম্মাদ বখতিয়ার খলজি]] || ৪২৩ || ✕
|-
| 182 || [[হায়দ্রাবাদ অধিগ্রহণ]] || ৪৫৬ || ✓
|-
| 183 || [[১৮৯৯-১৯০০ সালের ভারতীয় দুর্ভিক্ষ]] || ৫৪১ || ✓
|-
| 184 || [[১৯৯০ হায়দ্রাবাদ দাঙ্গা]] || ৪০৬ || ✓
|-
| 185 || [[গুয়াহাটি]] || ১,৭৯৬ || ✓
|-
| 186 || [[গৌড়]] || ১,৯৩৬ || ✓
|-
| 187 || [[বিজাপুর]] || ৬৬২ || ✓
|-
| 188 || [[মাণ্ডু]] || ৩৯৪ || ✓
|-
| 189 || [[খাজুরাহো]] || ৩৭১ || ✓
|-
| 190 || [[চান্দেরী]] || ৫০৭ || ✓
|-
| 191 || [[জুনাগড়]] || ৭১৯ || ✓
|-
| 192 || [[বৃহৎ কচ্ছের রাণ]] || ৫৮৪ || ✓
|-
| 193 || [[আহমেদাবাদ]] || ১,৮১২ || ✓
|-
| 194 || [[কচ্ছ জেলা]] || ৩২৬ || ✓
|-
| 195 || [[দৃশদ্বতী নদী]] || ১৮৬ || ✓
|-
| 196 || [[চেনাব নদী]] || ৩২১ || ✓
|-
| 197 || [[পশ্চিমবঙ্গে ধর্ম]] || ১,২৩২ || ✓
|-
| 198 || [[মুর্শিদাবাদ সহিংসতা]] || ২৫৭ || ✓
|-
| 199 || [[২০২৪ সন্দেশখালী সহিংসতা]] || ১,০৬১ || ✓
|-
| 200 || [[২০২২ বীরভূম সহিংসতা]] || ৫১৪ || ✓
|-
| 201 || [[মৈতৈ জাতি]] || ৬৪০ || ✓
|-
| 202 || [[মৈতৈ সভ্যতা]] || ৩৫০ || ✓
|-
| 203 || [[মণিপুর]] || ৩০৬ || ✓
|-
| 204 || [[লাক্ষাদ্বীপ]] || ৩২৯ || ✓
|-
| 205 || [[বৃন্দাবন]] || ৬৮২ || ✕
|-
| 206 || [[সম্ভল]] || ২৪৩ || ✓
|-
| 207 || [[এলাহাবাদ]] || ৩৫৭ || ✓
|-
| 208 || [[আলিগড়]] || ৪০৯ || ✓
|-
| 209 || [[স্ট্যাচু অব ইউনিটি]] || ২৪১ || ✓
|-
| 210 || [[ভারতের দুর্গ]] || ৩১৪ || ✓
|-
| 211 || [[দ্য দুন স্কুল]] || ৬৬৪ || ✓
|-
| 212 || [[কাশী হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়]] || ৩৪৫ || ✓
|-
| 213 || [[আগ্রা]] || ৭১৮ || ✓
|-
| 214 || [[২০২০ দিল্লি দাঙ্গা]] || ১,১৭৮ || ✓
|-
| 215 || [[তিরুচিরাপল্লী]] || ৬২৬ || ✓
|-
| 216 || [[সেন্ট থমাস ক্যাথেড্রাল ব্যাসিলিকা, চেন্নাই]] || ৩৮০ || ✕
|-
| 217 || [[আতঙ্ক]] || ৪৭৮ || ✕
|-
| 218 || [[ভারতে দুর্নীতি]] || ১,০০৭ || ✓
|-
| 219 || [[তামিলনাড়ুর মন্দির]] || ৯১৮ || ✓
|-
| 220 || [[এম. কে. স্ট্যালিন]] || ৩৩২ || ✓
|-
| 221 || [[তামিলনাড়ু]] || ৫৪৩ || ✓
|-
| 222 || [[তামিলনাড়ুর হিন্দি বিরোধী আন্দোলন]] || ৪৬৫ || ✓
|-
| 223 || [[যোধপুর]] || ৬২৮ || ✓
|-
| 224 || [[রাজস্থান]] || ২৯৪ || ✓
|-
| 225 || [[ওড়িশা]] || ৭৪৫ || ✓
|-
| 226 || [[১৯৯৮ কোয়েম্বাটুর বোমা হামলা]] || ৫৩৭ || ✓
|-
| 227 || [[উত্তর-পূর্ব ভারতে বিদ্রোহ]] || ৩৯৮ || ✓
|-
| 228 || [[মারাদ হত্যাকাণ্ড]] || ৩৫২ || ✓
|-
| 229 || [[মক্কা মসজিদ বিস্ফোরণ]] || ৫৮৪ || ✓
|-
| 230 || [[স্টুডেন্টস ইসলামিক মুভমেন্ট অব ইন্ডিয়া]] || ৩৫৭ || ✓
|-
| 231 || [[বিষ্ণু]] || ৬১৭ || ✓
|-
| 232 || [[২০২৪ রিয়াসি হামলা]] || ৩০২ || ✓
|-
| 233 || [[২০০৬ মালেগাঁও বোমা হামলা]] || ৩৯১ || ✓
|-
| 234 || [[২০০৬ মুম্বই রেলে বোমা হামলা]] || ১৯০ || ✓
|-
| 235 || [[মুম্বই]] || ১,২২৪ || ✓
|-
| 236 || [[দৌলতাবাদ, মহারাষ্ট্র]] || ৮৮৯ || ✕
|-
| 237 || [[মহারাষ্ট্র]] || ৪৯৯ || ✓
|-
| 238 || [[পিনারাই বিজয়ন]] || ৫২৩ || ✓
|-
| 239 || [[আরব দেশ]] || ৯১৪ || ✓
|-
| 240 || [[দক্ষিণ এশিয়া]] || ৫৯৩ || ✓
|-
| 241 || [[শহুরে অবক্ষয়]] || ৩০৮ || ✓
|-
| 242 || [[নগরায়ন]] || ১,০৯৭ || ✓
|-
| 243 || [[কেরল]] || ৩৬৫ || ✓
|-
| 244 || [[জম্মু ও কাশ্মীরে বিদ্রোহ]] || ৪১৮ || ✓
|-
| 245 || [[জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহার]] || ৯৬৪ || ✓
|-
| 246 || [[শ্রীনগর]] || ১,৭২৯ || ✓
|-
| 247 || [[কাশ্মীর উপত্যকা]] || ২৮৪ || ✓
|-
| 248 || [[লাদাখ]] || ৬৯৪ || ✓
|-
| 249 || [[কাশ্মীরি জাতি]] || ৮১৩ || ✓
|-
| 250 || [[তারিখ-ই-কাশ্মীর]] || ৫১৪ || ✓
|-
| 251 || [[কর্ণাটক]] || ৬৮২ || ✓
|-
| 252 || [[কর্ণাটকের রাজনীতি]] || ৪৩৯ || ✓
|-
| 253 || [[বেঙ্গালুরু]] || ৬১৪ || ✓
|-
| 254 || [[আসামে ইসলাম]] || ৬৯০ || ✓
|-
| 255 || [[আসামের ইতিহাস]] || ৭২৬ || ✓
|-
| 256 || [[আসামে হিন্দুধর্ম]] || ৩২৫ || ✓
|-
| 257 || [[ভারতের জনমিতি]] || ৩,৩৭৩ || ✓
|-
| 258 || [[বাংলাদেশের জনমিতি]] || ১,১৯৫ || ✓
|-
| 259 || [[পাকিস্তানের জনমিতি]] || ৮৫০ || ✓
|-
| 260 || [[আসামের জনমিতি]] || ১৮২ || ✓
|-
| 261 || [[বিহার]] || ৪৫৮ || ✓
|-
| 262 || [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] || ১৮১ || ✓
|-
| 263 || [[শাহ বানু মামলা]] || ৮০০ || ✓
|-
| 264 || [[ইসরায়েল–ভারত সম্পর্ক]] || ৮৯৭ || ✓
|-
| 265 || [[প্রণব মুখোপাধ্যায়]] || ৫৯৫ || ✓
|-
| 266 || [[দ্রৌপদী মুর্মু]] || ২৪৯ || ✓
|-
| 267 || [[ফখরুদ্দিন আলি আহমেদ]] || ১,৬৪৭ || ✓
|-
| 268 || [[এলজিবিটিকিউ অধিকার বিরোধিতা]] || ২,০৪৯ || ✓
|-
| 269 || [[গেফোবিয়া]] || ২৭৮ || ✓
|-
| 270 || [[সমকামী যৌন চর্চা]] || ৪০৭ || ✓
|-
| 271 || [[উভকামিতা]] || ১,৫৬০ || ✓
|-
| 272 || [[কামিং আউট]] || ৮০৫ || ✓
|-
| 273 || [[স্মৃতি ইরানি]] || ৯৯১ || ✓
|-
| 274 || [[মেনকা গান্ধী]] || ১,২৩০ || ✓
|-
| 275 || [[যশবন্ত সিং]] || ২০৬ || ✓
|-
| 276 || [[সৈয়দ শাহাবুদ্দিন]] || ৫৭৯ || ✓
|-
| 277 || [[শাকিল আহমদ]] || ১২৪ || ✓
|-
| 278 || [[তথাগত রায়]] || ২৭৫ || ✓
|-
| 279 || [[লালুপ্রসাদ যাদব]] || ১,১০৯ || ✓
|-
| 280 || [[আসাদউদ্দিন ওয়াইসি]] || ৫০২ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২৮০
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ২,৫৩,৯৫৯
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩,০১,০২২
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৪৭,০৬৩
|}
=== [[ব্যবহারকারী:SMontaha32| SMontaha32]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনী]] || ১৯,১০০ || ✕
|-
| 2 || [[ভাকলাভ হাভেল]] || ৯,৩৫৭ || ✓
|-
| 3 || [[নরউইচের জুলিয়ান]] || ৩১,৬৩৩ || ✓
|-
| 4 || [[রামসে ম্যাকডোনাল্ড]] || ৯,৬২২ || ✓
|-
| 5 || [[জন মুয়ির]] || ৮,০৬১ || ✓
|-
| 6 || [[মার্গারেট অ্যাটউড]] || ৬,৩২৮ || ✓
|-
| 7 || [[পেত্র ক্রাপোতকিন]] || ১০,৮১৬ || ✓
|-
| 8 || [[টমাস হেনরি হাক্সলি]] || ৮,৫০৩ || ✓
|-
| 9 || [[উইলিয়াম বাটলার ইয়েটস]] || ৭,২১০ || ✓
|-
| 10 || [[উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস]] || ৪,২৬০ || ✓
|-
| 11 || [[তাওয়াক্কোল কারমান]] || ৪,০৯৭ || ✓
|-
| 12 || [[র্যাচেল কারসন]] || ৪,৭৬৭ || ✓
|-
| 13 || [[আর্নেস্ট হেমিংওয়ে]] || ১৪,৯০৭ || ✓
|-
| 14 || [[আর্থার এডিংটন]] || ৫,৬৩৭ || ✓
|-
| 15 || [[এরিক হবসবাউম]] || ৫,৮৭৩ || ✓
|-
| 16 || [[টনি মরিসন]] || ১০,৩৮৩ || ✓
|-
| 17 || [[টনি বেন]] || ১০,৩৯৯ || ✓
|-
| 18 || [[নরম্যান মেইলার]] || ৬,৬০৬ || ✓
|-
| 19 || [[পল স্যামুয়েলসন]] || ৬,৮৫১ || ✓
|-
| 20 || [[এইচ. পি. লাভক্র্যাফট]] || ২৫,৪৭২ || ✓
|-
| 21 || [[ব্লেজ পাসকাল]] || ৩,০৫১ || ✓
|-
| 22 || [[চিনুয়া আচেবে]] || ৬,০৪২ || ✓
|-
| 23 || [[ডরিস লেসিং]] || ৪,৬২১ || ✓
|-
| 24 || [[ফেদেরিকো ফাগিন]] || ৬০০ || ✓
|-
| 25 || [[আলেকজান্ডার গ্রোথেনডিক]] || ১,২১১ || ✓
|-
| 26 || [[আঙ্গেলা ম্যার্কেল]] || ২,০২৯ || ✓
|-
| 27 || [[আনাক্সাগোরাস]] || ৩,৬৭১ || ✓
|-
| 28 || [[আমোস তভারস্কি]] || ৪৬১ || ✓
|-
| 29 || [[আলফ্রেড মার্শাল]] || ১,৩০৯ || ✓
|-
| 30 || [[আলবার্টাস ম্যাগনাস]] || ৩৮২ || ✓
|-
| 31 || [[অনিতা ব্রুকনার]] || ৪৭৪ || ✕
|-
| 32 || [[আলফ্রেড কিনসে]] || ১,০৩৩ || ✓
|-
| 33 || [[অ্যালান কে]] || ৯২৪ || ✓
|-
| 34 || [[আলেকজান্ডার ফ্লেমিং]] || ৩৩২ || ✓
|-
| 35 || [[ক্যারোলিন বার্তোজি]] || ৪১১ || ✓
|-
| 36 || [[আলফ্রেড রাসেল ওয়ালেস]] || ১,৬৫৯ || ✓
|-
| 37 || [[অঁতোয়ান লাভোয়াজিয়ে]] || ১,৪৩৬ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৩৭
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ২,১৮,৫১৮
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২,৩৯,৫২৮
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২১,০১০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:NusJaS| NusJaS]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[লিটিশা এলিজাবেথ ল্যান্ডন]] || ২৫,৯৭৯ || ✕
|-
| 2 || [[প্রজননবিরোধবাদ]] || ৩০,৯৪৮ || ✓
|-
| 3 || [[উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন]] || ২৮,৬১৯ || ✕
|-
| 4 || [[ক্রিস্টোফার হিচেন্স]] || ২৫,৯২২ || ✓
|-
| 5 || [[বলপূর্বক খাওয়ানো]] || ২২,৬২২ || ✓
|-
| 6 || [[জন স্টুয়ার্ট মিল]] || ২২,৭৮৩ || ✓
|-
| 7 || [[রবার্ট গ্যাসকয়েন-সিসিল, স্যালিসবারির ৩য় মার্কুইস]] || ২০,৮৯৮ || ✓
|-
| 8 || [[অ্যারন রা]] || ২১,৯৫৫ || ✓
|-
| 9 || [[ফায়ারপ্লেস]] || ২১,৪১৭ || ✓
|-
| 10 || [[জন হার্ভে কেলোগ]] || ৩০,৭৪৮ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১০
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১,৯৭,২৯৩
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২,৫১,৮৯১
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৫৪,৫৯৮
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch| Oindrojalik Watch]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ভ্রান্ত উদ্ধৃতি]] || ৯,৮৭১ || ✓
|-
| 2 || [[২০১১ ফিফা মহিলা বিশ্বকাপ]] || ৯৬৩ || ✓
|-
| 3 || [[তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] || ৩,১৭৯ || ✓
|-
| 4 || [[আফগান যুদ্ধ]] || ৪,৬২০ || ✓
|-
| 5 || [[ইউক্রেনে রুশ আক্রমণ]] || ১২,৩৮২ || ✓
|-
| 6 || [[ইরাক যুদ্ধ]] || ১২,৩৪৪ || ✓
|-
| 7 || [[যুক্তরাজ্যের তৃতীয় জর্জ]] || ১২,০৪২ || ✓
|-
| 8 || [[২০১০ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৮৮৩ || ✓
|-
| 9 || [[২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৩,৫১৪ || ✓
|-
| 10 || [[২০০২ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৬১১ || ✓
|-
| 11 || [[ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ]] || ১,৫৪২ || ✓
|-
| 12 || [[স্নায়ুযুদ্ধ]] || ১৫,৬১০ || ✓
|-
| 13 || [[দ্বিতীয় স্নায়ুযুদ্ধ]] || ৪,৬৬৮ || ✓
|-
| 14 || [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] || ২৪,১৭৭ || ✓
|-
| 15 || [[মহত্ত্ব]] || ৭,৮১৪ || ✓
|-
| 16 || [[সাংবাদিকতা]] || ১৩,৪৭৭ || ✓
|-
| 17 || [[প্যানডিজম]] || ১০,৩০০ || ✓
|-
| 18 || [[গাজা যুদ্ধ]] || ১৬,৯৮২ || ✓
|-
| 19 || [[২০২৬ ইরান যুদ্ধ]] || ৬,৯৫৯ || ✓
|-
| 20 || [[পারমাণবিক অস্ত্র]] || ৩,২৩৩ || ✓
|-
| 21 || [[২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৬৪৩ || ✓
|-
| 22 || [[ক্রুসেড]] || ৯৯৬ || ✓
|-
| 23 || [[অ্যানিমেশন]] || ৯,৪৫৭ || ✓
|-
| 24 || [[দক্ষিণ কোরিয়ার রাজনীতি]] || ৭৫৫ || ✓
|-
| 25 || [[ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ]] || ৩,৭৬২ || ✓
|-
| 26 || [[পারমাণবিক যুদ্ধ]] || ৫,৫২০ || ✓
|-
| 27 || [[আল খোয়ারিজমি]] || ১,২৩০ || ✓
|-
| 28 || [[ফজলে রাব্বী]] || ৬৩৫ || ✓
|-
| 29 || [[ডেভিড হিউম]] || ১১,৭৮০ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২৯
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১,৯০,০৭৮
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১,৯৯,৯৪৯
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023| Sumanta3023]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[লিওনিদ ক্যান্টোরোভিচ]] || ১,৪২২ || ✓
|-
| 2 || [[থিওডোসিয়াস ডবঝানস্কি]] || ৭৬০ || ✕
|-
| 3 || [[টেরেন্স টাও]] || ৭২০ || ✓
|-
| 4 || [[ফিলিপ]] || ৪২৬ || ✓
|-
| 5 || [[জুলিয়ান শুইঙার]] || ১,৩২২ || ✕
|-
| 6 || [[পিয়ের-জিল দ্য জেন]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 7 || [[ব্রায়ান কক্স]] || ৭৫৬ || ✓
|-
| 8 || [[জন ম্যাককার্থি]] || ১,০৪৫ || ✓
|-
| 9 || [[লুই দ্য ব্রোয়ি]] || ৪৬০ || ✓
|-
| 10 || [[ফ্রঁসোয়া মিতেরঁ]] || ১,১৯৪ || ✕
|-
| 11 || [[ফ্লিন্ডার্স পেট্রি]] || ১,২০৪ || ✕
|-
| 12 || [[পল আর. এহর্লিচ]] || ১,৩০০ || ✓
|-
| 13 || [[মাইকেল আতিয়াহ]] || ৪২৩ || ✓
|-
| 14 || [[মার্টন মিলার]] || ৪৮২ || ✓
|-
| 15 || [[মেরি বিয়ার্ড]] || ৯১১ || ✓
|-
| 16 || [[মার্গারেট চ্যান]] || ৭০৪ || ✓
|-
| 17 || [[গেরহার্ড শ্রোডার]] || ২৬৯ || ✓
|-
| 18 || [[ফিলিপ ওয়ারেন অ্যান্ডারসন]] || ৭৯৯ || ✓
|-
| 19 || [[পিটার হিগস]] || ৪৭৪ || ✕
|-
| 20 || [[লিওনার্ড সাসকিন্ড]] || ৮২৫ || ✓
|-
| 21 || [[জন মেইনার্ড স্মিথ]] || ৬৪০ || ✓
|-
| 22 || [[জন জেমস অডুবন]] || ৮৩৭ || ✓
|-
| 23 || [[শেলডন লি গ্ল্যাশো]] || ৭৫১ || ✓
|-
| 24 || [[ভিক্টর উইসকফ]] || ৫১৯ || ✓
|-
| 25 || [[মার্টিন রিস]] || ৫৫১ || ✓
|-
| 26 || [[মার্ক ওলিফ্যান্ট]] || ৫৫৩ || ✓
|-
| 27 || [[ভিতালি গিঞ্জবার্গ]] || ৩০৮ || ✓
|-
| 28 || [[স্যালি রাইড]] || ৪২৫ || ✓
|-
| 29 || [[রবার্ট ফোগেল]] || ৪২৮ || ✓
|-
| 30 || [[রিঙ্গো স্টার]] || ৮৭০ || ✓
|-
| 31 || [[মাক্স ডেলব্রুক]] || ৫৭৫ || ✓
|-
| 32 || [[তৃতীয় লেওপোল্ড]] || ৮৩৭ || ✓
|-
| 33 || [[নরম্যান বোরল্যাগ]] || ৭০০ || ✓
|-
| 34 || [[নিকলাউস ভির্ট]] || ৪৭৯ || ✓
|-
| 35 || [[নিকোলাস স্টেনো]] || ২৯২ || ✓
|-
| 36 || [[নেভিল ফ্রান্সিস মট]] || ৫১১ || ✓
|-
| 37 || [[লুডউইক ফ্লেক]] || ৫১২ || ✓
|-
| 38 || [[কারেন উলেনবেক]] || ৩৯২ || ✓
|-
| 39 || [[ইয়োসেফ মেংগেলে]] || ৫৪৪ || ✓
|-
| 40 || [[কিরণ দেশাই]] || ২৬১ || ✓
|-
| 41 || [[কাতালিন কারিকো]] || ৩০৯ || ✓
|-
| 42 || [[ইয়োন্স ইয়াকব বের্সেলিয়ুস]] || ৫১৬ || ✓
|-
| 43 || [[হুয়ান মালদাসেনা]] || ৭৩২ || ✓
|-
| 44 || [[হাইনরিখ বোল]] || ৩০০ || ✓
|-
| 45 || [[ইনগ্রিড ডোবিচি]] || ৬৭১ || ✓
|-
| 46 || [[ইয়ান উইলমুট]] || ৪২৭ || ✓
|-
| 47 || [[হিউ এভারেট]] || ৬০০ || ✓
|-
| 48 || [[ফ্রঁসোয়া অংল্যার]] || ৫৩৩ || ✓
|-
| 49 || [[এমানুয়েল সোয়েডেনবার্গ]] || ১,৫২২ || ✓
|-
| 50 || [[এলিজাবেথ বিশপ]] || ৬৫২ || ✓
|-
| 51 || [[শেখ আন্তা দিওপ]] || ৩৩৫ || ✓
|-
| 52 || [[জর্জ গ্যামো]] || ১,৫২১ || ✓
|-
| 53 || [[হাইনরিখ হের্ত্স]] || ১,৭৪৪ || ✓
|-
| 54 || [[গ্রো হারলেম ব্রুন্ডটল্যান্ড]] || ৩১১ || ✓
|-
| 55 || [[জন সি. মাদার]] || ৪২৫ || ✓
|-
| 56 || [[জন ব্যাকাস]] || ৫৯৭ || ✓
|-
| 57 || [[এর্নস্ট মায়ার]] || ৭৫৪ || ✓
|-
| 58 || [[লিন মার্গুলিস]] || ১,৭১৮ || ✓
|-
| 59 || [[হ্যান্স বেটে]] || ৩৯৬ || ✓
|-
| 60 || [[লুই আগাসিজ]] || ৯৩৭ || ✓
|-
| 61 || [[জর্জ ক্যুভিয়ে]] || ৭৬৮ || ✓
|-
| 62 || [[ব্রাসেলস]] || ৯৬৭ || ✓
|-
| 63 || [[ড্যানিয়েল কানেমান]] || ২,৯৫৭ || ✕
|-
| 64 || [[ডোনাল্ড কানুথ]] || ১,৫৮২ || ✓
|-
| 65 || [[লেমাহ গবোউই]] || ১,১৫০ || ✓
|-
| 66 || [[গারট্রুড বি. এলিয়ন]] || ২৩৪ || ✓
|-
| 67 || [[ডোনা স্ট্রিকল্যান্ড]] || ৩৫৯ || ✓
|-
| 68 || [[এর্নস্ট মাখ]] || ২,০২৮ || ✕
|-
| 69 || [[ডোনাল্ড টাস্ক]] || ১,৭৭১ || ✓
|-
| 70 || [[অরবিন্দ আদিগা]] || ৮৬৬ || ✓
|-
| 71 || [[সি. এ. আর. হোর]] || ১,০৬১ || ✕
|-
| 72 || [[পল ডিরাক]] || ৪,৭০৯ || ✕
|-
| 73 || [[ই. ও. উইলসন]] || ৪,৪৫৮ || ✕
|-
| 74 || [[ডেসমন্ড মরিস]] || ৩,৯৮৬ || ✓
|-
| 75 || [[মাইকেল গোভ]] || ৩,৭৩৬ || ✓
|-
| 76 || [[হার্পার লি]] || ২,৪৯১ || ✓
|-
| 77 || [[কেন টম্পসন]] || ১,৮১৬ || ✓
|-
| 78 || [[জন টিন্ডাল]] || ২,৫২৮ || ✓
|-
| 79 || [[মেরি রবিনসন]] || ১,৩৭৬ || ✓
|-
| 80 || [[হেনরি ক্যাভেন্ডিশ]] || ২,২৪৪ || ✓
|-
| 81 || [[আইরিস মারডক]] || ১,২৬৮ || ✓
|-
| 82 || [[আর্নেস্ট রাদারফোর্ড]] || ২,৪৫৩ || ✓
|-
| 83 || [[ফ্রেড ব্রুকস]] || ১,১৯১ || ✓
|-
| 84 || [[ক্রিস্টিয়ান হাইগেনস]] || ১,৯০৭ || ✓
|-
| 85 || [[ডায়ান ফসি]] || ১,৬৪৬ || ✕
|-
| 86 || [[ইডিথ হোয়ার্টন]] || ১,৪২৫ || ✓
|-
| 87 || [[অরেল স্টেইন]] || ১,৪৭৮ || ✕
|-
| 88 || [[গাব্রিয়েলা মিস্ত্রাল]] || ১,৬৫০ || ✓
|-
| 89 || [[আলেকজান্ডার ফন হুমবোল্ট]] || ১,১২০ || ✓
|-
| 90 || [[ফ্রান্সিস্কো ভারেলা]] || ১,৮৯৩ || ✓
|-
| 91 || [[ডেনিস রিচি]] || ১,১০৮ || ✓
|-
| 92 || [[অড্রে হেপবার্ন]] || ১,৪৩৫ || ✓
|-
| 93 || [[জি. এইচ. হার্ডি]] || ২,৩৩০ || ✓
|-
| 94 || [[হ্যারল্ড পিন্টার]] || ২,০৭২ || ✓
|-
| 95 || [[অ্যানাক্সিম্যান্ডার]] || ১,৩০০ || ✓
|-
| 96 || [[ডেভিড ব্রুস্টার]] || ২,৪০৪ || ✓
|-
| 97 || [[ব্রায়ান গ্রিন]] || ১,২৭৯ || ✕
|-
| 98 || [[অমিত গোস্বামী]] || ৯১৫ || ✓
|-
| 99 || [[এডমন্ড হ্যালি]] || ২,৬১৯ || ✓
|-
| 100 || [[ডেভিড সুজুকি]] || ১,৫১৭ || ✓
|-
| 101 || [[ডেভিড জোনাথন গ্রোস]] || ৮০৯ || ✓
|-
| 102 || [[ডেভিড ম্যামেট]] || ১,২৫২ || ✓
|-
| 103 || [[আহমেদ জেওয়াইল]] || ১৯২ || ✓
|-
| 104 || [[ইউরোপীয় পার্লামেন্ট]] || ৬১৫ || ✓
|-
| 105 || [[ডেভিড গ্রসম্যান]] || ৩৩৬ || ✓
|-
| 106 || [[হরিশ-চন্দ্র]] || ২৮৪ || ✓
|-
| 107 || [[অনিতা দেসাই]] || ১,৪৩৯ || ✓
|-
| 108 || [[অ্যাশ কার্টার]] || ৪৬৩ || ✓
|-
| 109 || [[আলফ্রেড নোবেল]] || ৫০৯ || ✕
|-
| 110 || [[ক্রিস্টিয়ান বার্নার্ড]] || ৬৩৯ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১১০
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৯৭,৪২১
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১,২২,৫০০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২৫,০৭৯
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Anik Kanti Dey| Anik Kanti Dey]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[রেজা পাহলভি]] || ৯,৯১০ || ✓
|-
| 2 || [[রজার ইবার্ট]] || ২১,৩২৫ || ✓
|-
| 3 || [[পুনর্জন্ম]] || ২০,২৪৮ || ✓
|-
| 4 || [[জ্যারেড ডায়মন্ড]] || ১,১৬৮ || ✕
|-
| 5 || [[জেন গুডাল]] || ১,৩৫৭ || ✓
|-
| 6 || [[জেমস টোবিন]] || ১,০৫৯ || ✓
|-
| 7 || [[জেমস ক্যালাহান]] || ১,৬১৫ || ✓
|-
| 8 || [[উইলিয়াম স্ট্যানলি জেভন্স]] || ১,৭০১ || ✓
|-
| 9 || [[উইলিয়াম থমসন]] || ১,০৫১ || ✓
|-
| 10 || [[ওলে সোয়িংকা]] || ৩,১৬১ || ✕
|-
| 11 || [[জোসেফ স্টিগলিটজ]] || ১,৫০৪ || ✕
|-
| 12 || [[গ্রেগর মেন্ডেল]] || ৮৭৪ || ✓
|-
| 13 || [[গটফ্রিড ভিলহেল্ম লাইবনিৎস]] || ১,২৩৬ || ✓
|-
| 14 || [[গ্লেন থিওডোর সিবর্গ]] || ৯৮৪ || ✓
|-
| 15 || [[হেরমান ভাইল]] || ১,৫৪১ || ✓
|-
| 16 || [[হেরমান হেস]] || ৪,৫৬৫ || ✓
|-
| 17 || [[হার্বার্ট স্পেন্সার]] || ২,৩৬৮ || ✓
|-
| 18 || [[হার্বার্ট এ. সাইমন]] || ১,৩৩৭ || ✓
|-
| 19 || [[হেরাক্লিটাস]] || ১,৫৭০ || ✓
|-
| 20 || [[হেনরিক শিয়েনকিয়েভিচ]] || ১,৯১১ || ✕
|-
| 21 || [[উইলা ক্যাথার]] || ৩,০৩৩ || ✕
|-
| 22 || [[উইল ডুরান্ট]] || ২,৮১৫ || ✓
|-
| 23 || [[ডব্লিউ. এইচ. অডেন]] || ২,৮১৯ || ✓
|-
| 24 || [[ভোলফগাং পাউলি]] || ১,৬৩৯ || ✓
|-
| 25 || [[ইয়াসুনারি কাওয়াবাতা]] || ২,২৫৮ || ✓
|-
| 26 || [[জন আর্চিবল্ড হুইলার]] || ১,১৩৯ || ✓
|-
| 27 || [[সেমুর হার্শ]] || ১,৭৬১ || ✓
|-
| 28 || [[সের্গেই কোরোলিয়ভ]] || ৫৬৫ || ✓
|-
| 29 || [[জেন অ্যাডামস]] || ১,৯০৬ || ✓
|-
| 30 || [[জাক-ইভ কুস্তো]] || ৬৬৩ || ✓
|-
| 31 || [[হিদেকি ইউকাওয়া]] || ৪০৩ || ✓
|-
| 32 || [[প্রিমো লেভি]] || ৪,২৩৮ || ✓
|-
| 33 || [[ঝুম্পা লাহিড়ী]] || ৪৩০ || ✓
|-
| 34 || [[জেমস প্রেসকট জুল]] || ৪৮৭ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৩৪
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৯৩,৮৬৪
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১,০৪,৬৪১
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ১০,৭৭৭
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman| Tanbiruzzaman]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা]] || ৪,৮৫১ || ✓
|-
| 2 || [[সংবাদ মাধ্যম]] || ১,১৫৫ || ✓
|-
| 3 || [[গণমাধ্যম]] || ৩,৩৫৭ || ✓
|-
| 4 || [[মূলধারার গণমাধ্যম]] || ১,০৫২ || ✓
|-
| 5 || [[হলুদ সাংবাদিকতা]] || ২,২৯৬ || ✓
|-
| 6 || [[ভুয়া সংবাদ]] || ১,৪০৮ || ✓
|-
| 7 || [[বিকল্প প্রচারমাধ্যম]] || ১,২০৫ || ✓
|-
| 8 || [[জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ]] || ১১,২৬৬ || ✓
|-
| 9 || [[অ্যানোনিমাস]] || ৪,০৪৩ || ✓
|-
| 10 || [[টুপাক শাকুর]] || ৬,২৮৭ || ✓
|-
| 11 || [[জেনডেয়া]] || ২,০১৪ || ✓
|-
| 12 || [[টিমথি শালামে]] || ১,১২৭ || ✓
|-
| 13 || [[হিপোক্রেটিস]] || ২,৯২৩ || ✓
|-
| 14 || [[ষষ্ঠ মুহাম্মদ]] || ৮৭৮ || ✓
|-
| 15 || [[জন লেনক্স]] || ৭০২ || ✓
|-
| 16 || [[আলেক্সান্দ্র্ সলজেনিৎসিন]] || ৮,০৫৬ || ✓
|-
| 17 || [[আবদুল হান্নান মাসউদ]] || ৪০৭ || ✓
|-
| 18 || [[পরকাল সম্পর্কে কুরআন]] || ১৮,৭৯৪ || ✓
|-
| 19 || [[মানবতাবিরোধী অপরাধ]] || ১,৯১২ || ✓
|-
| 20 || [[আন্তর্জাতিক আইন]] || ৫,৫৩৯ || ✓
|-
| 21 || [[মোহাম্মদ জাওয়াদ জারিফ]] || ১,৪৫২ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৮০,৭২৪
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৮০,৭২৪
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Nil Nandy| Nil Nandy]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[অনিল ভৌমিক]] || ২১৬ || ✓
|-
| 2 || [[মনোজ মিত্র]] || ৫,৫৬৭ || ✓
|-
| 3 || [[নারায়ণ সান্যাল]] || ৩৬৬ || ✓
|-
| 4 || [[মতি নন্দী]] || ৫,০১৮ || ✓
|-
| 5 || [[দেবেশ রায়]] || ৯,২৪৪ || ✓
|-
| 6 || [[শিশিরকুমার বসু]] || ৪,৮০৭ || ✓
|-
| 7 || [[বিমল কর]] || ১,৩৬৯ || ✓
|-
| 8 || [[সুবোধ সরকার]] || ১,৮৪৮ || ✓
|-
| 9 || [[স্মরণজিৎ চক্রবর্তী]] || ৭৯২ || ✓
|-
| 10 || [[স্বামী সারদানন্দ]] || ৮,৬৯৫ || ✓
|-
| 11 || [[শক্তিপদ রাজগুরু]] || ৯৯৩ || ✓
|-
| 12 || [[কমলকুমার মজুমদার]] || ১,৫৭৩ || ✓
|-
| 13 || [[গৌতম ভদ্র]] || ৬৮৫ || ✓
|-
| 14 || [[পরিমল গোস্বামী]] || ৬,৫৫০ || ✓
|-
| 15 || [[প্রেমাঙ্কুর আতর্থী]] || ৫,৬৯৮ || ✓
|-
| 16 || [[কালীপ্রসন্ন সিংহ]] || ৫,৪০৪ || ✓
|-
| 17 || [[অখিল নিয়োগী]] || ৬৩৬ || ✓
|-
| 18 || [[হরপ্রসাদ শাস্ত্রী]] || ৫১৩ || ✓
|-
| 19 || [[গায়ত্রী চক্রবর্তী স্পিভাক]] || ৫৯২ || ✓
|-
| 20 || [[অজিত দত্ত]] || ৮৭০ || ✓
|-
| 21 || [[অজিতকৃষ্ণ বসু]] || ২,৩৮৬ || ✓
|-
| 22 || [[এম এস স্বামীনাথন]] || ৮৭২ || ✓
|-
| 23 || [[চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন]] || ২,১৭১ || ✓
|-
| 24 || [[চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও]] || ২,১৬৭ || ✓
|-
| 25 || [[কণাদ]] || ৯১৯ || ✓
|-
| 26 || [[জয়ন্ত বিষ্ণু নারলিকর]] || ৩,১৮৭ || ✓
|-
| 27 || [[বিক্রম সারাভাই]] || ১,১২৯ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২৭
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৭৪,২৬৭
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৭৪,২৬৭
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:R1F4T| R1F4T]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[আর্নেস্ট কিং]] || ১৫,৭৬৯ || ✕
|-
| 2 || [[ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট]] || ২৬,২১৫ || ✓
|-
| 3 || [[আনোয়ার ইব্রাহিম]] || ৬,৯৯৩ || ✓
|-
| 4 || [[ইসলাম ও যুদ্ধ]] || ৫,৬৮১ || ✓
|-
| 5 || [[আহমদ সিরহিন্দি]] || ৪,০৭০ || ✓
|-
| 6 || [[মুসা সেরান্তোনিও]] || ৪২৩ || ✓
|-
| 7 || [[ইয়াকুব]] || ১,৯৫৬ || ✓
|-
| 8 || [[আদ্রিয়ান গোল্ডসওয়ার্দি]] || ১,৯৭৯ || ✕
|-
| 9 || [[অ্যালিস পল]] || ১,৮৬২ || ✕
|-
| 10 || [[অ্যামি ট্যান]] || ২,০০৭ || ✕
|-
| 11 || [[অ্যান্ড্রু সেগা]] || ১,৯৬৯ || ✓
|-
| 12 || [[আল্যাঁ বাদিউ]] || ১,৯৬৬ || ✕
|-
| 13 || [[আফ্রিকান স্পির]] || ১,৭২২ || ✕
|-
| 14 || [[ফ্রেডরিক ডগলাস]] || ৮৬২ || ✕
|-
| 15 || [[নবী]] || ২,০৬২ || ✕
|-
| 16 || [[এমা গোল্ডম্যান]] || ১২,৮০০ || ✕
|-
| 17 || [[প্রেম সম্পর্কে ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি]] || ১৫,০৪০ || ✓
|-
| 18 || [[মিস্ট্রি সায়েন্স থিয়েটার ৩০০০]] || ৯৪,৯৬৮ || ✕
|-
| 19 || [[দ্য থিক অফ ইট]] || ৬৯,২৮৩ || ✕
|-
| 20 || [[অ্যালেক্স হেইলি]] || ১,৬০৪ || ✓
|-
| 21 || [[দাসত্ব সম্পর্কে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি]] || ৫,৭৮৫ || ✕
|-
| 22 || [[দাসত্ব]] || ১০,২৫৯ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২২
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৬৩,৯৫১
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২,৮৫,২৭৫
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২,২১,৩২৪
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Salil Kumar Mukherjee| Salil Kumar Mukherjee]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[যন্ত্র]] || ৭১৩ || ✓
|-
| 2 || [[বিচারক]] || ৯৫২ || ✓
|-
| 3 || [[রুটি]] || ১,০৯৭ || ✓
|-
| 4 || [[খড়]] || ৯৩২ || ✓
|-
| 5 || [[মন্মথমোহন বসু]] || ৯৬৩ || ✕
|-
| 6 || [[কালীপ্রসন্ন বিদ্যারত্ন]] || ৮২৫ || ✓
|-
| 7 || [[কলসী]] || ১,০৮৬ || ✓
|-
| 8 || [[চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ১,১৫৭ || ✓
|-
| 9 || [[শহর]] || ১,৪৫৮ || ✕
|-
| 10 || [[ঘাস]] || ২,১১২ || ✓
|-
| 11 || [[জলধর সেন]] || ১,৭৬৪ || ✓
|-
| 12 || [[ঠিকানা]] || ১,১৮৭ || ✓
|-
| 13 || [[গন্ধ]] || ১,৮০৭ || ✓
|-
| 14 || [[চা]] || ২,৪২৪ || ✓
|-
| 15 || [[রবীন্দ্রনাথ মৈত্র]] || ১,২৮১ || ✓
|-
| 16 || [[দিগন্ত]] || ১,২২৮ || ✓
|-
| 17 || [[ময়ূর]] || ১,৩৪৫ || ✓
|-
| 18 || [[করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ৯১১ || ✓
|-
| 19 || [[ঢেউ]] || ১,৫৩৯ || ✓
|-
| 20 || [[ছাতা]] || ১,১৮৯ || ✓
|-
| 21 || [[উমাকান্ত হাজারী]] || ৯৪২ || ✓
|-
| 22 || [[ঘৃণা]] || ২,৩৩৯ || ✓
|-
| 23 || [[বাঁশ]] || ২,৪৫৯ || ✕
|-
| 24 || [[কলেরা]] || ১,৬৩৮ || ✓
|-
| 25 || [[মাঠ]] || ২,৪৪৭ || ✓
|-
| 26 || [[টিন]] || ১,৯৩২ || ✕
|-
| 27 || [[সংবাদ]] || ৪,৪৭৯ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২৭
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৩০,৯১৫
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৪২,২০৬
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ১১,২৯১
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul| Anaf Ibn Shahibul]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[জন বারবার]] || ৫৭৪ || ✕
|-
| 2 || [[স্কটিশ জাতি]] || ৩৭৫ || ✓
|-
| 3 || [[ওয়েন্ডি বোম্যান]] || ১৫১ || ✕
|-
| 4 || [[যুদ্ধাপরাধ]] || ৪,৬৭৯ || ✕
|-
| 5 || [[রুবি]] || ৩৬৩ || ✓
|-
| 6 || [[রিতা এনজেলু]] || ১৫৯ || ✓
|-
| 7 || [[বমি]] || ২০৪ || ✓
|-
| 8 || [[পার্ল]] || ৬৯০ || ✕
|-
| 9 || [[পাইথন]] || ১৩৯ || ✓
|-
| 10 || [[উইকিলিকস]] || ১,৬৩১ || ✕
|-
| 11 || [[জনস্টন ম্যাককালি]] || ৩১১ || ✕
|-
| 12 || [[যুগোস্লাভিয়া]] || ৪,১৩৬ || ✓
|-
| 13 || [[অংশুমান কর]] || ২০৯ || ✓
|-
| 14 || [[কেমব্রিজ গান]] || ৩০৫ || ✕
|-
| 15 || [[হেলেনীয় শিক্ষা]] || ৫০২ || ✓
|-
| 16 || [[টমাস হলি চিভার্স]] || ২৩৫ || ✓
|-
| 17 || [[মুহাম্মদ মাহদি আল-জাওয়াহিরি]] || ৬৩৮ || ✓
|-
| 18 || [[জেডি স্মিথ]] || ১,০৮০ || ✓
|-
| 19 || [[ব্রায়ান পি. শ্মিট]] || ৪৬০ || ✓
|-
| 20 || [[কার্ল বার্নস্টিন]] || ৩৬৮ || ✓
|-
| 21 || [[চার্লস ফেফারম্যান]] || ৩৩৯ || ✓
|-
| 22 || [[ইয়ুস্টুস ফন লিবিগ]] || ৩৩২ || ✓
|-
| 23 || [[টমাস শেলিংস]] || ৬৭৪ || ✓
|-
| 24 || [[উইলিয়াম শকলি]] || ৩৯১ || ✓
|-
| 25 || [[শিং-শেন চের্ন]] || ৭৬৫ || ✕
|-
| 26 || [[হুগো দ্য ভ্রিস]] || ৩৪৪ || ✓
|-
| 27 || [[রবার্ট অ্যান্ড্রুজ মিলিকান]] || ৪৩৬ || ✓
|-
| 28 || [[জেমস ভ্যান অ্যালেন]] || ৫৯৬ || ✓
|-
| 29 || [[জাক শিরাক]] || ৭১১ || ✓
|-
| 30 || [[ডরোথি হজকিন]] || ২৯৪ || ✓
|-
| 31 || [[গোরান পারসন]] || ৩২৬ || ✓
|-
| 32 || [[জেরার দ্যব্রু]] || ১৮৬ || ✓
|-
| 33 || [[কোরীয় যুদ্ধ]] || ৯,৯৬৫ || ✕
|-
| 34 || [[রবার্ট জে. শিলার]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 35 || [[ফ্রঁসোয়া আরাগন]] || ৪৩৫ || ✓
|-
| 36 || [[অখিলচন্দ্র দত্ত]] || ৩৭৩ || ✕
|-
| 37 || [[ফ্রান্সিস কলিন্স]] || ৫৮৮ || ✓
|-
| 38 || [[হেলেন ক্লার্ক]] || ৩৭৪ || ✓
|-
| 39 || [[লেয়োঁ ফুকো]] || ৫৩২ || ✓
|-
| 40 || [[জন চার্লস পোলানি]] || ৩৭৪ || ✓
|-
| 41 || [[জন মেইনার্ড কেইনস]] || ১৭,৭৯১ || ✕
|-
| 42 || [[দিমিত্রি মুরাতভ]] || ৬৩৬ || ✓
|-
| 43 || [[আবদুস সালাম]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 44 || [[আবদুলরাজাক গুরনাহ]] || ৭৪৯ || ✓
|-
| 45 || [[এ. সি. বেনসন]] || ৩৮৩ || ✓
|-
| 46 || [[প্রথম আলবার্ট]] || ৮৬৪ || ✓
|-
| 47 || [[অম্লান দত্ত]] || ১৪৬ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৪৭
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১৯,৩৪৬
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৫৬,৫৮১
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৩৭,২৩৫
|}
=== [[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন| মোহাম্মদ জনি হোসেন]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ইয়ান মার্টেল]] || ১,১৩৩ || ✕
|-
| 2 || [[ইয়োইচিরো নাম্বু]] || ৪৩১ || ✕
|-
| 3 || [[সৈয়দ জামিল আহমেদ]] || ২০৩ || ✓
|-
| 4 || [[পূর্ণিমা]] || ১৯২ || ✓
|-
| 5 || [[শরিফুল রাজ]] || ১৮৬ || ✓
|-
| 6 || [[কাজী হায়াৎ]] || ২৭৪ || ✓
|-
| 7 || [[আরেফিন রুমি]] || ১৬২ || ✓
|-
| 8 || [[ইমাম নাসাই]] || ৬৯৭ || ✕
|-
| 9 || [[কবরী]] || ২৭১ || ✓
|-
| 10 || [[হাফিজ উদ্দিন আহমদ]] || ২৩৬ || ✓
|-
| 11 || [[আ ন ম এহসানুল হক মিলন]] || ৩৪০ || ✓
|-
| 12 || [[আন্দালিব রহমান পার্থ]] || ২৯৭ || ✓
|-
| 13 || [[ববি হাজ্জাজ]] || ২৫৩ || ✓
|-
| 14 || [[ইবনে মাজাহ]] || ৩৩৬ || ✓
|-
| 15 || [[হাবিব ওয়াহিদ]] || ২৬৪ || ✓
|-
| 16 || [[জাইমা রহমান]] || ২১২ || ✓
|-
| 17 || [[কনকচাঁপা]] || ২২৮ || ✓
|-
| 18 || [[আহসান হাবীব]] || ২১৯ || ✓
|-
| 19 || [[বেলাল খান]] || ২১৯ || ✓
|-
| 20 || [[নচিকেতা চক্রবর্তী]] || ২৮৯ || ✓
|-
| 21 || [[আ ফ ম খালিদ হোসেন]] || ২৪৮ || ✓
|-
| 22 || [[আলমগীর]] || ৪০৬ || ✓
|-
| 23 || [[সালাহউদ্দিন আহমেদ]] || ৪৫৯ || ✓
|-
| 24 || [[চোং নানশান]] || ১৭৮ || ✓
|-
| 25 || [[এ. সি. ব্র্যাডলি]] || ৩৯০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২৫
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৫,৪৭২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৮,১২৩
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২,৬৫১
|}
=== [[ব্যবহারকারী:JIBON| JIBON]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[আলবার্ট হফমান]] || ৩,৪৪৪ || ✓
|-
| 2 || [[অ্যালান পারলিস]] || ৯২৮ || ✓
|-
| 3 || [[হেইনরিখ রোরার]] || ৩৬০ || ✓
|-
| 4 || [[আলফ্রেড আহো]] || ১৪৪ || ✕
|-
| 5 || [[উ থান্ট]] || ৬৭৮ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৫
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৪,৭৩২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৫,৫৫৪
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৮২২
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Md. Muqtadir Fuad| Md. Muqtadir Fuad]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[লোরঁ শোয়ার্তজ]] || ৬১০ || ✓
|-
| 2 || [[উইলিয়াম শার্প]] || ৩৯৯ || ✓
|-
| 3 || [[পাউল এরেনফেস্ট]] || ৪৩৩ || ✓
|-
| 4 || [[রবার্ট মান্ডেল]] || ৩২২ || ✓
|-
| 5 || [[হান কাং]] || ৬৬৬ || ✓
|-
| 6 || [[ক্রিপটিক ফেইট]] || ১৭৬ || ✓
|-
| 7 || [[কাকাবাবু]] || ২৫৮ || ✓
|-
| 8 || [[ক্যারি মুলিস]] || ৪০৩ || ✓
|-
| 9 || [[টোমাস ট্রান্সট্রোমার]] || ২৯৯ || ✓
|-
| 10 || [[ইরিনা বোকোভা]] || ২৬৮ || ✓
|-
| 11 || [[মার্টিনুস ভেল্টম্যান]] || ১৯৫ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৪,০২৯
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৪,০২৯
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Humaira.thithi| Humaira.thithi]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ড্যামন গ্যালগুট]] || ৪৮২ || ✓
|-
| 2 || [[আর্থার কর্নবার্গ]] || ১৭৭ || ✕
|-
| 3 || [[বেন ওক্রি]] || ৮৫৮ || ✓
|-
| 4 || [[সল বেলো]] || ১,০০৩ || ✓
|-
| 5 || [[সল পার্লমাটার]] || ৩১১ || ✕
|-
| 6 || [[সিমেওঁ দ্যনি পোয়াসোঁ]] || ১৬০ || ✓
|-
| 7 || [[স্টিভ আরউইন]] || ৪৩৫ || ✕
|-
| 8 || [[আনি এরনো]] || ২৮৪ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৮
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ২,৭৮৭
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩,৭১০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৯২৩
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Amirhusenjihed| Amirhusenjihed]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ফজল শাহাবুদ্দীন]] || ৪৯৫ || ✕
|-
| 2 || [[আল-জাহিজ]] || ৭৩৩ || ✓
|-
| 3 || [[আল-বিরুনি]] || ১,৮৩৬ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৩
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ২,৫৬৯
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩,০৬৪
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৪৯৫
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Asikur Rahman| Asikur Rahman]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[থমাস হ্যারিয়ট]] || ৪৩২ || ✓
|-
| 2 || [[স্টিভেন চু]] || ২২০ || ✓
|-
| 3 || [[ইভাঞ্জেলিস্টা টরিসেলি]] || ৩৭২ || ✓
|-
| 4 || [[লেসলি ল্যামপোর্ট]] || ৫৫০ || ✓
|-
| 5 || [[মার্টিন লুইস পার্ল]] || ৩৮৮ || ✓
|-
| 6 || [[ভ্লাদিমির মার্কভনিকভ]] || ২৬৭ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৬
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ২,২২৯
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২,২২৯
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Rasel Mehedi| Rasel Mehedi]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[বাপ্পী লাহিড়ী]] || ২৫২ || ✓
|-
| 2 || [[নুহাশ হুমায়ূন]] || ২০৫ || ✓
|-
| 3 || [[আনিসুল হক]] || ২৪৬ || ✕
|-
| 4 || [[বাবর আলী]] || ৩০৯ || ✓
|-
| 5 || [[মেহের আফরোজ শাওন]] || ৩১৯ || ✓
|-
| 6 || [[ফেলুদা]] || ২৪৬ || ✓
|-
| 7 || [[ব্যোমকেশ বক্সী]] || ১৭৮ || ✓
|-
| 8 || [[প্রোফেসর শঙ্কু]] || ২৬৯ || ✓
|-
| 9 || [[বারী সিদ্দিকী]] || ২৪২ || ✓
|-
| 10 || [[সমরেশ বসু]] || ২০২ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১০
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ২,২২২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২,৪৬৮
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২৪৬
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Mahiya50| Mahiya50]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[লিয়ন কুপার]] || ৩২৩ || ✓
|-
| 2 || [[কামিলা শামসি]] || ২০৪ || ✓
|-
| 3 || [[ক্রিস্টোফার রেন]] || ৩৭৪ || ✓
|-
| 4 || [[জিওফ্রে হিন্টন]] || ৩২২ || ✓
|-
| 5 || [[ফ্রিডতিয়ফ নানসেন]] || ১৯১ || ✓
|-
| 6 || [[আলাঁ আস্পে]] || ৭৭৬ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৬
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ২,১৯০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২,১৯০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Borhan| Borhan]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ক্যারিল ফিলিপস]] || ২৮৪ || ✓
|-
| 2 || [[জেমস কুক]] || ৩৯৭ || ✓
|-
| 3 || [[ক্লাউদিয়া শেইনবাউম]] || ৩২১ || ✓
|-
| 4 || [[আবি আহমেদ]] || ২৫৫ || ✓
|-
| 5 || [[পিটার আগ্রি]] || ১৯০ || ✓
|-
| 6 || [[ফখরুদ্দীন আল-রাযী]] || ২১৫ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৬
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১,৬৬২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১,৬৬২
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Raihanur| Raihanur]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[শি চিনফিং]] || ৪,১৩২ || ✕
|-
| 2 || [[ইব্রাহিম ত্রাওরে]] || ৭৫৪ || ✓
|-
| 3 || [[পেদ্রো সানচেজ]] || ২৯৯ || ✓
|-
| 4 || [[অ্যাডাম রিস]] || ৪৮৯ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৪
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১,৫৪২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৫,৬৭৪
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৪,১৩২
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Muhammad Fahim Faisal| Muhammad Fahim Faisal]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[আব্দুল হান্নান আবকারী]] || ০ || ✕
|-
| 2 || [[ইবরাহীম আলী তশনা]] || ২৪৭ || ✓
|-
| 3 || [[রুহুল আমিন বসিরহাটি]] || ৩৬৩ || ✓
|-
| 4 || [[মুহাম্মদুল্লাহ হাফেজ্জী]] || ৩৪২ || ✓
|-
| 5 || [[শামছুল হুদা]] || ০ || ✕
|-
| 6 || [[শামছুল হক ফরিদপুরী]] || ৫৪৬ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৬
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১,৪৯৮
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১,৪৯৮
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Firuz Ahmmed| Firuz Ahmmed]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[গর্ডন মুর]] || ৫৮৭ || ✓
|-
| 2 || [[শিরিন এবাদি]] || ৫৪৩ || ✕
|-
| 3 || [[নাগিব মাহফুজ]] || ৫৩০ || ✓
|-
| 4 || [[আল-ফারাবি]] || ৫৩৭ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৪
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১,১১৭
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২,১৯৭
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ১,০৮০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:নিয়াজ ইসলাম| নিয়াজ ইসলাম]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[চাষী নজরুল ইসলাম]] || ৪৪৬ || ✓
|-
| 2 || [[বাপ্পা মজুমদার]] || ৩১০ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৭৫৬
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৭৫৬
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Asad.fr| Asad.fr]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[রবার্ট ক্লাইভ]] || ২,০০২ || ✕
|-
| 2 || [[পার্ল এস. বাক]] || ৯৩৩ || ✕
|-
| 3 || [[জন বারডিন]] || ৩৬৪ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৩
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৩৬৪
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩,২৯৯
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২,৯৩৫
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin| Mehedi Abedin]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[তাসমিয়া প্রধান]] || ৩৫২ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৩৫২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩৫২
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Md. Rayan Alam Rifat| Md. Rayan Alam Rifat]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[আজিজুল হক]] || ১৮০ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১৮০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১৮০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Siyan BD| Siyan BD]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[আবদুস সালাম]] || ১০০ || ✕
|-
| 2 || [[আবদুল গফুর]] || ১০১ || ✕
|-
| 3 || [[আবদুল জব্বার]] || ১৬১ || ✓
|-
| 4 || [[আবদুল জব্বার]] || ৯২ || ✕
|-
| 5 || [[আবদুল জব্বার]] || ১৩৩ || ✕
|-
| 6 || [[অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ১৩৪ || ✕
|-
| 7 || [[অনিমেষ রায়]] || ১২৬ || ✕
|-
| 8 || [[অনির্বাণ বসু]] || ১২০ || ✕
|-
| 9 || [[অজয় ঘটক]] || ১১৪ || ✕
|-
| 10 || [[অচলা মল্লিক]] || ১৫৪ || ✕
|-
| 11 || [[অজয় হোম]] || ১৫৯ || ✕
|-
| 12 || [[অমিতা বসু]] || ১৪২ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১২
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১৬১
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১,৫৩৬
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ১,৩৭৫
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Dewan mahbubr Rahman| Dewan mahbubr Rahman]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ভেরা রুবিন]] || ৩৫০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩৫০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৩৫০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:ExceptionistSagar| ExceptionistSagar]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মেরি কুরি]] || ১৭৯ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১৭৯
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ১৭৯
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Kh. Fahim| Kh. Fahim]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মিসির আলি]] || ৪০৬ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৪০৬
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৪০৬
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Trisha Mazumder| Trisha Mazumder]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[আস্ট্রোনমি]] || ০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:MdMarufHossen71| MdMarufHossen71]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মমতাজ বেগম]] || ৩৫৫ || ✕
|-
| 2 || [[আবুল বরকত]] || ১৪৩ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৪৯৮
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৪৯৮
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Usarker| Usarker]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মেরি স্টোপস]] || ৫০৫ || ✕
|-
| 2 || [[ইয়োন ফসে]] || ৩৯৩ || ✕
|-
| 3 || [[জুনো দিয়াজ]] || ৫৪০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৩
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১,৪৩৮
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ১,৪৩৮
|}
=== [[ব্যবহারকারী:রাকিবুল হাসান রাসেল| রাকিবুল হাসান রাসেল]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[পারভীন এতেসামি]] || ০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:MD RADWAN ISLAM| MD RADWAN ISLAM]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[চুয়াং জি]] || ২৭৪ || ✕
|-
| 2 || [[ফকির শাহাবুদ্দীন]] || ০ || ✕
|-
| 3 || [[আবু বকর সিদ্দিকী]] || ০ || ✕
|-
| 4 || [[বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট]] || ০ || ✕
|-
| 5 || [[বাংলাদেশের কৃষি প্রযুক্তি]] || ০ || ✕
|-
| 6 || [[হাসিবুন নাহের]] || ০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৬
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২৭৪
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২৭৪
|}
=== [[ব্যবহারকারী:AKM Mahinur Rahman| AKM Mahinur Rahman]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মেরি উলস্টোনক্রাফ্ট]] || ২১৩ || ✕
|-
| 2 || [[বালতাসার গ্রাসিয়ান]] || ২০৬ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৪১৯
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৪১৯
|}
=== [[ব্যবহারকারী:MD RADWAN ISLAM ROHAN| MD RADWAN ISLAM ROHAN]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[জুলাই আন্দোলন]] || ৬১৫ || ✕
|-
| 2 || [[বিকাশ]] || ০ || ✕
|-
| 3 || [[নতুন প্রযুক্তি]] || ০ || ✕
|-
| 4 || [[বাংলাদেশের রিয়েল এস্টেট শিল্প: বর্তমান প্রেক্ষাপট ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা]] || ০ || ✕
|-
| 5 || [[জলবায়ু পরিবর্তন ও বাংলাদেশের পরিবেশ]] || ০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৫
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৬১৫
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৬১৫
|}
=== [[ব্যবহারকারী:ShahinurWrites| ShahinurWrites]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মোহাম্মদ শেখ শাহিনুর রহমান]] || ০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Abdullah Al Shishir| Abdullah Al Shishir]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[অপ্রত্যাশিত জীবনযাত্রা]] || ০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:চ্যাম্পিয়ন স্টার ১| চ্যাম্পিয়ন স্টার ১]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[অপর্ণা সেন]] || ৩১২ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩১২
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৩১২
|}
==শব্দসংখ্যা অনুযায়ী নিবন্ধ তালিকা==
{| class="wikitable sortable mw-collapsible mw-collapsed"
|+ class="nowrap" | শব্দসংখ্যা অনুযায়ী নিবন্ধ তালিকা
! ক্রমিক !! নিবন্ধ !! শব্দ সংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্পর্কে উক্তি]] || ৩৯,৩০৩ || ✓
|-
| 2 || [[স্ট্যানলি বল্ডউইন]] || ৩৪,১৩১ || ✓
|-
| 3 || [[খ্রিস্টের অনৈতিহাসিকতা তত্ত্ব]] || ২৮,৭০৭ || ✓
|-
| 4 || [[বেঞ্জামিন ডিসরাইলি]] || ২৯,৪৭৯ || ✓
|-
| 5 || [[রবার্ট জি. ইঙ্গারসোল]] || ৩০,০৯০ || ✓
|-
| 6 || [[রন পল]] || ২৪,৯২৮ || ✓
|-
| 7 || [[ক্যালকুলাসের ইতিহাস]] || ১৯,১৯৫ || ✓
|-
| 8 || [[অ্যানোরেক্সিয়া নার্ভোসা]] || ২৩,১০০ || ✓
|-
| 9 || [[ডোয়াইট ডি আইজেনহাওয়ার]] || ২১,০২৬ || ✓
|-
| 10 || [[স্টিফেন জে গুল্ড]] || ২২,১৫০ || ✓
|-
| 11 || [[এআর-১৫ স্টাইল রাইফেল]] || ১৮,৯০১ || ✓
|-
| 12 || [[শেরি এস. টেপার]] || ২৪,৯৯৯ || ✓
|-
| 13 || [[আউরেলিয়ুস আউগুস্তিনুস]] || ১৯,৩৪৬ || ✓
|-
| 14 || [[ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতিত্ব]] || ৪৬,৮৯৯ || ✓
|-
| 15 || [[নবায়নযোগ্য শক্তি]] || ১২,৬১০ || ✓
|-
| 16 || [[নাডিন গর্ডিমার]] || ১,৩৭২ || ✓
|-
| 17 || [[মারে গেল-মান]] || ১,৩২৮ || ✓
|-
| 18 || [[নার্গিস মোহাম্মাদি]] || ১,৭৫৫ || ✓
|-
| 19 || [[সাদি কার্নো]] || ৫,২৫৬ || ✓
|-
| 20 || [[জে. হাওয়ার্ড মুর]] || ২৪,১৯৫ || ✓
|-
| 21 || [[ভারতে পোশাক]] || ২,২৮৯ || ✓
|-
| 22 || [[ভারতের ভাষা]] || ৬৯৫ || ✓
|-
| 23 || [[মধ্যযুগীয় ভারত]] || ১,৭১৭ || ✓
|-
| 24 || [[ভারতে ইহুদিদের ইতিহাস]] || ২,০৪৬ || ✓
|-
| 25 || [[ভারতে সুফিবাদ]] || ৩,২০৭ || ✓
|-
| 26 || [[পর্তুগিজ ভারত]] || ১,৬৪৩ || ✓
|-
| 27 || [[ভারতের প্রাণী]] || ৩০৫ || ✓
|-
| 28 || [[স্বাধীনতা দিবস]] || ৩৭৫ || ✓
|-
| 29 || [[ভারতে দুর্ভিক্ষ]] || ৩,৭৮১ || ✓
|-
| 30 || [[ভারতে ধর্মহীনতা]] || ২,৩৮৯ || ✓
|-
| 31 || [[ওয়ারেন ফ্যারেল]] || ২১,০৭৮ || ✓
|-
| 32 || [[আর্নেস্ট বেকার]] || ১৩,৫৯৭ || ✓
|-
| 33 || [[অতিপ্রজতা]] || ২৯,৫০১ || ✓
|-
| 34 || [[মোপলা বিদ্রোহ]] || ১৪,৫১২ || ✓
|-
| 35 || [[সীতা রাম গোয়েল]] || ১,৫৯৬ || ✓
|-
| 36 || [[অরুণ শৌরি]] || ১৫,৪৫০ || ✓
|-
| 37 || [[ভারতের ইতিহাস লিখন]] || ১৭,৯১৮ || ✓
|-
| 38 || [[দ্রৌপদী]] || ৬,১৬৪ || ✓
|-
| 39 || [[দ্য হিস্ট্রি অফ ইন্ডিয়া, অ্যাজ টোল্ড বাই ইটস ওন হিস্টোরিয়ানস]] || ২,৬৮৫ || ✕
|-
| 40 || [[রামায়ণ]] || ১,৩০০ || ✓
|-
| 41 || [[ভারতে শিক্ষা]] || ১০,৫৮০ || ✓
|-
| 42 || [[ভারতে নারী]] || ৬,১৫০ || ✓
|-
| 43 || [[বন্যপ্রাণীর কষ্ট]] || ৩৩,৭৪১ || ✓
|-
| 44 || [[নিরামিষবাদ]] || ৩০,৬২৭ || ✓
|-
| 45 || [[ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম রাষ্ট্রপতিত্ব]] || ৩৭,৫৭২ || ✓
|-
| 46 || [[নির্বাচন]] || ৭,০২৫ || ✓
|-
| 47 || [[সরকার]] || ২২,৭৫৯ || ✓
|-
| 48 || [[মহুয়া মৈত্র]] || ৬৫০ || ✓
|-
| 49 || [[হেনরি হোম, লর্ড কেইমস]] || ১,২৯৬ || ✓
|-
| 50 || [[লেটি কটিন পোগ্রেবিন]] || ৩৭০ || ✓
|-
| 51 || [[মার্জ পিয়ার্সি]] || ৬,৭৯০ || ✓
|-
| 52 || [[এলেন ডুইবস]] || ৮০৪ || ✓
|-
| 53 || [[মেরেডিথ ট্যাক্স]] || ৪৯১ || ✓
|-
| 54 || [[মুলক রাজ আনন্দ]] || ২৩৫ || ✓
|-
| 55 || [[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ধর্ষণ]] || ১,৯২০ || ✓
|-
| 56 || [[সুসান ব্রাউনমিলার]] || ৯৯১ || ✓
|-
| 57 || [[রবিন মরগান]] || ১,২২১ || ✓
|-
| 58 || [[ভিভিয়ান গোর্নিক]] || ২,৬৯০ || ✓
|-
| 59 || [[ডরোথি রে হিলি]] || ২,৬৩৮ || ✕
|-
| 60 || [[ক্লডিয়া জোন্স]] || ১,২৯৯ || ✓
|-
| 61 || [[গের্ডা লার্নার]] || ৩,৪২৮ || ✓
|-
| 62 || [[এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন]] || ৯,৮০৪ || ✕
|-
| 63 || [[এলা রিভ ব্লুর]] || ১,৯১৭ || ✓
|-
| 64 || [[টমাস হিউজ]] || ৯৯৬ || ✓
|-
| 65 || [[মার্গারিট দুরাস]] || ৩৪৯ || ✓
|-
| 66 || [[বেন অ্যারোনোভিচ]] || ৮,৭৯৭ || ✓
|-
| 67 || [[গ্লেন কুক]] || ৯,৯৮৫ || ✓
|-
| 68 || [[আব্রাহাম কাহান]] || ২,১৩৩ || ✓
|-
| 69 || [[গ্রেস পেলি]] || ৮,১৬৪ || ✕
|-
| 70 || [[স্টিফেন ক্রেন]] || ১,৯৬৩ || ✕
|-
| 71 || [[জোসেফাইন হার্বস্ট]] || ৪২৭ || ✓
|-
| 72 || [[জর্জ গিসিং]] || ২,০০৫ || ✓
|-
| 73 || [[আনজিয়া ইয়েজিয়ারস্কা]] || ৩,২৬২ || ✕
|-
| 74 || [[মেরি অ্যান্টিন]] || ৪৯০ || ✓
|-
| 75 || [[জয়েস অ্যান্টলার]] || ৪২৯ || ✓
|-
| 76 || [[ক্যাথরিন ম্যাককিনন]] || ২,১৭৮ || ✓
|-
| 77 || [[বেটিনা আপথেকার]] || ১,০২০ || ✓
|-
| 78 || [[ক্যারি চ্যাপম্যান ক্যাট]] || ১,৬০৩ || ✓
|-
| 79 || [[জ্যানেট র্যাঙ্কিন]] || ৭২১ || ✓
|-
| 80 || [[ফ্রান্সেস উইলার্ড]] || ৯৪১ || ✕
|-
| 81 || [[অ্যালিস স্টোন ব্ল্যাকওয়েল]] || ৫৪০ || ✕
|-
| 82 || [[অ্যানা এলিজাবেথ ডিকিনসন]] || ৭৫১ || ✕
|-
| 83 || [[মেরি লিভারমোর]] || ২,৩০৭ || ✕
|-
| 84 || [[দাড়ি]] || ২৯৭ || ✓
|-
| 85 || [[স্যার হেনরি হোবার্ট, ১ম ব্যারোনেট]] || ৭৩৮ || ✓
|-
| 86 || [[হার্ডিঞ্জ স্ট্যানলি গিফার্ড, হালসবুরির ১ম আর্ল]] || ৪১৯ || ✓
|-
| 87 || [[এ. ভি. ডাইসি]] || ১,৩৮১ || ✕
|-
| 88 || [[আলফ্রেড ডেনিং, ব্যারন ডেনিং]] || ৩,৮৩২ || ✓
|-
| 89 || [[টমাস ডেনিসন]] || ৪০০ || ✓
|-
| 90 || [[স্যার ফ্রান্সিস বুলার, ১ম ব্যারোনেট]] || ৯৬২ || ✓
|-
| 91 || [[নিকোলাস ব্রাতজা]] || ২৬৪ || ✓
|-
| 92 || [[রবার্ট অ্যাটকিনস]] || ৩৩৩ || ✕
|-
| 93 || [[রিচার্ড পেপার আর্ডেন, ১ম ব্যারন অ্যালভানলি]] || ৩৫১ || ✓
|-
| 94 || [[এডওয়ার্ড হল অল্ডারসন]] || ৪৪৬ || ✓
|-
| 95 || [[অ্যামব্রোজ বিয়ার্স]] || ৫,৫৪১ || ✕
|-
| 96 || [[মেওয়াত]] || ৭১৮ || ✓
|-
| 97 || [[নানাবতী-মেহতা কমিশন]] || ২,৪৪৪ || ✓
|-
| 98 || [[ভারতে ঔষধ শিল্প]] || ১,৯২১ || ✓
|-
| 99 || [[পাঞ্জাব]] || ১,৪০৬ || ✓
|-
| 100 || [[রামনবমী]] || ৮৬২ || ✓
|-
| 101 || [[ভারতের শহরসমূহের নাম পরিবর্তন]] || ৪৪১ || ✓
|-
| 102 || [[নুপুর শর্মা]] || ৬০১ || ✓
|-
| 103 || [[রিপাবলিক টিভি]] || ৪৫৫ || ✓
|-
| 104 || [[রোহিলখণ্ড]] || ৪৪০ || ✓
|-
| 105 || [[রোহিলা]] || ৩৪০ || ✓
|-
| 106 || [[সৌরাষ্ট্র]] || ৬৫৪ || ✓
|-
| 107 || [[ভারতে তিন তালাক]] || ১,১৩৪ || ✓
|-
| 108 || [[ভারতের পবিত্র উপবন]] || ৫৭৫ || ✓
|-
| 109 || [[অভিন্ন দেওয়ানি বিধি]] || ৩,৭৩৭ || ✓
|-
| 110 || [[নবনীত আদিত্য ওয়াইবা]] || ১৯২ || ✓
|-
| 111 || [[ভারতে জল সরবরাহ ও স্যানিটেশন]] || ৭৪০ || ✓
|-
| 112 || [[জমিদার]] || ৩৮১ || ✕
|-
| 113 || [[নিখিল ভারত মুসলিম লীগ]] || ১,৭৩৭ || ✕
|-
| 114 || [[ফতোয়া]] || ৪৮৪ || ✓
|-
| 115 || [[দারা শিকোহ]] || ১,৪৩৫ || ✓
|-
| 116 || [[আমেরিকা নিপাত যাক]] || ৬৩৯ || ✓
|-
| 117 || [[মহা শয়তান]] || ৪১৪ || ✓
|-
| 118 || [[উলামা]] || ৩৪৫ || ✓
|-
| 119 || [[দক্ষিণ এশিয়ায় মুসলিম জাতীয়তাবাদ]] || ১,৫১৬ || ✓
|-
| 120 || [[পার্সি-মুসলিম দাঙ্গা]] || ৬৫৬ || ✓
|-
| 121 || [[ভারতে দাঙ্গা]] || ৬৭৪ || ✓
|-
| 122 || [[ভারতে পেগাসাস প্রকল্পের উদঘাটন]] || ৩৯০ || ✓
|-
| 123 || [[নেহরুবাদ]] || ৯৫২ || ✓
|-
| 124 || [[২জি স্পেকট্রাম মামলা]] || ৯৩৭ || ✓
|-
| 125 || [[রাহুল গান্ধী]] || ৪,০০৪ || ✓
|-
| 126 || [[আকবরউদ্দিন ওয়াইসি]] || ২৯৮ || ✓
|-
| 127 || [[ভারতের সাধারণ নির্বাচন, ২০২৪]] || ২,৫৭৭ || ✓
|-
| 128 || [[ভারতে ধর্মনিরপেক্ষতা]] || ২৩৪ || ✓
|-
| 129 || [[নাইলা আলি খান]] || ২০৪ || ✓
|-
| 130 || [[অরুণ জেটলি]] || ৪৮১ || ✓
|-
| 131 || [[সুকেতু মেহতা]] || ৩৮২ || ✓
|-
| 132 || [[রুক্মিণী মৈত্র]] || ৩৫৪ || ✓
|-
| 133 || [[মানব গুপ্ত]] || ৬৩৪ || ✕
|-
| 134 || [[মোহিনী মোহন ধর]] || ৫৮৫ || ✓
|-
| 135 || [[দিলীপ কুমার চক্রবর্তী]] || ২,৫৯৭ || ✓
|-
| 136 || [[রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ৩৮৩ || ✓
|-
| 137 || [[পিটার অ্যাক্রয়েড]] || ২৯৭ || ✓
|-
| 138 || [[হ্যারল্ড ব্লুম]] || ৫৯৩ || ✓
|-
| 139 || [[জেমস বসওয়েল]] || ১,১৪৯ || ✓
|-
| 140 || [[অলিভার গোল্ডস্মিথ]] || ৩,১৭৮ || ✓
|-
| 141 || [[হেনরি জাইলস]] || ৭৯২ || ✓
|-
| 142 || [[এডউইন হাবেল চ্যাপিন]] || ৭৭০ || ✓
|-
| 143 || [[অবমাননা]] || ৭৮৮ || ✓
|-
| 144 || [[আদালত অবমাননা]] || ৮২৯ || ✓
|-
| 145 || [[আইনপ্রণেতা]] || ৭৪৩ || ✓
|-
| 146 || [[লেই বারডুগো]] || ১২২ || ✓
|-
| 147 || [[উইলিয়াম ব্রেট, ১ম ভিসকাউন্ট এশার]] || ১,০২০ || ✓
|-
| 148 || [[হেনরি হকিন্স, ১ম ব্যারন ব্র্যাম্পটন]] || ৩০৩ || ✓
|-
| 149 || [[জুনিয়াস]] || ১,৪১২ || ✓
|-
| 150 || [[উইলিয়াম মারে, ম্যানসফিল্ডের ১ম আর্ল]] || ৬৪৩ || ✓
|-
| 151 || [[জোসেফ ইয়েটস]] || ৬৬৬ || ✓
|-
| 152 || [[স্যার জন বেইলি, ১ম ব্যারোনেট]] || ৯১৮ || ✓
|-
| 153 || [[হেনরি বিকারস্টথ, ১ম ব্যারন ল্যাংডেল]] || ৪১৫ || ✓
|-
| 154 || [[এডওয়ার্ড ল, ১ম ব্যারন এলেনবরো]] || ৬৭৪ || ✓
|-
| 155 || [[লয়েড কেনিয়ন, ১ম ব্যারন কেনিয়ন]] || ৪,৪০৮ || ✓
|-
| 156 || [[জন হোল্ট]] || ১,১৮৯ || ✓
|-
| 157 || [[চার্লস বোয়েন, ব্যারন বোয়েন]] || ১,০৩৭ || ✓
|-
| 158 || [[চার্লস অ্যাবট, ১ম ব্যারন টেন্টারডেন]] || ৩৪১ || ✓
|-
| 159 || [[ন্যায়বিচার প্রশাসন]] || ২,৮৯৯ || ✓
|-
| 160 || [[আদালত]] || ১,৮১৮ || ✕
|-
| 161 || [[রোজান এ. ব্রাউন]] || ৩৪১ || ✓
|-
| 162 || [[মারিয়ন জিমার ব্র্যাডলি]] || ১,১০৪ || ✓
|-
| 163 || [[টেরি ব্রুকস]] || ৪৮৫ || ✓
|-
| 164 || [[লেই ব্র্যাকেট]] || ১,১১২ || ✓
|-
| 165 || [[জ্যাক ক্যাডি]] || ১,৫৬৮ || ✓
|-
| 166 || [[মেল ব্রুকস]] || ২,০১৬ || ✕
|-
| 167 || [[মাইকেল বিশপ]] || ৯৯০ || ✓
|-
| 168 || [[এলিজাবেথ বেয়ার]] || ৭০৫ || ✓
|-
| 169 || [[মার্গারেট বল]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 170 || [[পাওলো বাসিগালুপি]] || ৬৪৭ || ✓
|-
| 171 || [[কেলি আর্মস্ট্রং]] || ৫৮৫ || ✓
|-
| 172 || [[ক্যাথরিন আসরো]] || ৩৬১ || ✓
|-
| 173 || [[পিয়ার্স অ্যান্থনি]] || ২২৯ || ✓
|-
| 174 || [[রবার্ট আইকম্যান]] || ২৬৮ || ✓
|-
| 175 || [[আইনজীবী]] || ২,৩২৯ || ✓
|-
| 176 || [[আইনসভা]] || ২,৩৪৩ || ✓
|-
| 177 || [[জর্জ বুশনার]] || ৬৬২ || ✓
|-
| 178 || [[জোসেফ গার্নি ক্যানন]] || ৭০৯ || ✓
|-
| 179 || [[সংখ্যাগরিষ্ঠ]] || ১,৩৫৬ || ✓
|-
| 180 || [[সংখ্যালঘু গোষ্ঠী]] || ১,৮৮১ || ✓
|-
| 181 || [[প্রাতিষ্ঠানিক আচরণ]] || ৬৫৬ || ✓
|-
| 182 || [[মানব আচরণ]] || ৮৫২ || ✓
|-
| 183 || [[হার্ভে ম্যানসফিল্ড]] || ৯৭৯ || ✓
|-
| 184 || [[রাষ্ট্রবিজ্ঞান]] || ১,১৩৯ || ✓
|-
| 185 || [[রাজনৈতিক দর্শন]] || ১,২৮৫ || ✓
|-
| 186 || [[দ্বিজেন্দ্র নারায়ণ ঝা]] || ১,০৮৭ || ✓
|-
| 187 || [[আগ্রাসন]] || ৯২০ || ✓
|-
| 188 || [[হিন্দুত্ব]] || ২,৭০০ || ✓
|-
| 189 || [[ফ্লাভিয়া অ্যাগনেস]] || ৬৮২ || ✓
|-
| 190 || [[লাভ জিহাদ ষড়যন্ত্র তত্ত্ব]] || ৩,১৫০ || ✓
|-
| 191 || [[মহাত্মা গান্ধীর হত্যাকাণ্ড]] || ১,৭৭৮ || ✓
|-
| 192 || [[যোগিন্দর সিকান্দ]] || ৮১৪ || ✓
|-
| 193 || [[ভারতে মুসলিমদের বিরুদ্ধে সহিংসতা]] || ৮৫১ || ✓
|-
| 194 || [[জয় শ্রীরাম]] || ৭০৮ || ✓
|-
| 195 || [[লালকৃষ্ণ আডবাণী]] || ১,৫৫৫ || ✓
|-
| 196 || [[রাম রথযাত্রা]] || ১,৫৭৯ || ✓
|-
| 197 || [[হিন্দু আমেরিকান ফাউন্ডেশন]] || ১,৪৫৫ || ✓
|-
| 198 || [[হর্ষ মান্দার]] || ৬৬০ || ✓
|-
| 199 || [[স্বপন দাশগুপ্ত]] || ১,১৬৭ || ✓
|-
| 200 || [[জরাথুস্ট্রবাদ]] || ৩৭৭ || ✓
|-
| 201 || [[পার্সি]] || ৩৯০ || ✓
|-
| 202 || [[নাগরিকত্ব]] || ১,৮৭৯ || ✓
|-
| 203 || [[ভারতের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৭০]] || ৬৭৯ || ✓
|-
| 204 || [[মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন, ১৯৩৯]] || ৭৬৯ || ✓
|-
| 205 || [[অবৈতনিক বাধ্যতামূলক শিশু শিক্ষার অধিকার আইন, ২০০৯]] || ৩৭৯ || ✓
|-
| 206 || [[বোম্বাই দাঙ্গা]] || ৭৭৬ || ✓
|-
| 207 || [[বজরং দল]] || ৩৩১ || ✓
|-
| 208 || [[সংসদীয় ব্যবস্থা]] || ৪০৫ || ✓
|-
| 209 || [[বিচার বিভাগীয় ব্যাখ্যা]] || ১,২৩২ || ✓
|-
| 210 || [[বর্ণবাদ পরবর্তী আমেরিকা]] || ১,০৬৯ || ✓
|-
| 211 || [[শ্বেতাঙ্গ বিশেষাধিকার]] || ৬২৮ || ✓
|-
| 212 || [[বিশেষাধিকার]] || ৭১২ || ✓
|-
| 213 || [[মানবহিতৈষণা]] || ২২৮ || ✓
|-
| 214 || [[ভারত সরকার]] || ১,২২০ || ✓
|-
| 215 || [[শিলং]] || ৯৭৩ || ✓
|-
| 216 || [[মাঝৌলি রাজ]] || ৫৬০ || ✓
|-
| 217 || [[কালিকট]] || ৪৫৪ || ✓
|-
| 218 || [[যাজপুর]] || ৪০৭ || ✓
|-
| 219 || [[কালিবাঙ্গান]] || ৭৩৮ || ✓
|-
| 220 || [[কাডাপা]] || ৪১৩ || ✓
|-
| 221 || [[ইদার]] || ৫৮৬ || ✓
|-
| 222 || [[গোধরা]] || ১,০১০ || ✓
|-
| 223 || [[ভুবনেশ্বর]] || ১,১৬৫ || ✓
|-
| 224 || [[অমৃতসর]] || ৮৬৮ || ✓
|-
| 225 || [[আম্বালা]] || ৪৬১ || ✓
|-
| 226 || [[হায়দ্রাবাদ]] || ৩,২৪৮ || ✓
|-
| 227 || [[২০১৯ হায়দ্রাবাদ গণধর্ষণ]] || ১৭৭ || ✓
|-
| 228 || [[মুহাম্মাদ বখতিয়ার খলজি]] || ৪২৩ || ✕
|-
| 229 || [[হায়দ্রাবাদ অধিগ্রহণ]] || ৪৫৬ || ✓
|-
| 230 || [[১৮৯৯-১৯০০ সালের ভারতীয় দুর্ভিক্ষ]] || ৫৪১ || ✓
|-
| 231 || [[১৯৯০ হায়দ্রাবাদ দাঙ্গা]] || ৪০৬ || ✓
|-
| 232 || [[গুয়াহাটি]] || ১,৭৯৬ || ✓
|-
| 233 || [[গৌড়]] || ১,৯৩৬ || ✓
|-
| 234 || [[বিজাপুর]] || ৬৬২ || ✓
|-
| 235 || [[মাণ্ডু]] || ৩৯৪ || ✓
|-
| 236 || [[খাজুরাহো]] || ৩৭১ || ✓
|-
| 237 || [[চান্দেরী]] || ৫০৭ || ✓
|-
| 238 || [[জুনাগড়]] || ৭১৯ || ✓
|-
| 239 || [[বৃহৎ কচ্ছের রাণ]] || ৫৮৪ || ✓
|-
| 240 || [[আহমেদাবাদ]] || ১,৮১২ || ✓
|-
| 241 || [[কচ্ছ জেলা]] || ৩২৬ || ✓
|-
| 242 || [[দৃশদ্বতী নদী]] || ১৮৬ || ✓
|-
| 243 || [[চেনাব নদী]] || ৩২১ || ✓
|-
| 244 || [[পশ্চিমবঙ্গে ধর্ম]] || ১,২৩২ || ✓
|-
| 245 || [[মুর্শিদাবাদ সহিংসতা]] || ২৫৭ || ✓
|-
| 246 || [[২০২৪ সন্দেশখালী সহিংসতা]] || ১,০৬১ || ✓
|-
| 247 || [[২০২২ বীরভূম সহিংসতা]] || ৫১৪ || ✓
|-
| 248 || [[মৈতৈ জাতি]] || ৬৪০ || ✓
|-
| 249 || [[মৈতৈ সভ্যতা]] || ৩৫০ || ✓
|-
| 250 || [[মণিপুর]] || ৩০৬ || ✓
|-
| 251 || [[লাক্ষাদ্বীপ]] || ৩২৯ || ✓
|-
| 252 || [[বৃন্দাবন]] || ৬৮২ || ✕
|-
| 253 || [[সম্ভল]] || ২৪৩ || ✓
|-
| 254 || [[এলাহাবাদ]] || ৩৫৭ || ✓
|-
| 255 || [[আলিগড়]] || ৪০৯ || ✓
|-
| 256 || [[স্ট্যাচু অব ইউনিটি]] || ২৪১ || ✓
|-
| 257 || [[ভারতের দুর্গ]] || ৩১৪ || ✓
|-
| 258 || [[দ্য দুন স্কুল]] || ৬৬৪ || ✓
|-
| 259 || [[কাশী হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়]] || ৩৪৫ || ✓
|-
| 260 || [[আগ্রা]] || ৭১৮ || ✓
|-
| 261 || [[২০২০ দিল্লি দাঙ্গা]] || ১,১৭৮ || ✓
|-
| 262 || [[তিরুচিরাপল্লী]] || ৬২৬ || ✓
|-
| 263 || [[সেন্ট থমাস ক্যাথেড্রাল ব্যাসিলিকা, চেন্নাই]] || ৩৮০ || ✕
|-
| 264 || [[আতঙ্ক]] || ৪৭৮ || ✕
|-
| 265 || [[ভারতে দুর্নীতি]] || ১,০০৭ || ✓
|-
| 266 || [[তামিলনাড়ুর মন্দির]] || ৯১৮ || ✓
|-
| 267 || [[এম. কে. স্ট্যালিন]] || ৩৩২ || ✓
|-
| 268 || [[তামিলনাড়ু]] || ৫৪৩ || ✓
|-
| 269 || [[তামিলনাড়ুর হিন্দি বিরোধী আন্দোলন]] || ৪৬৫ || ✓
|-
| 270 || [[যোধপুর]] || ৬২৮ || ✓
|-
| 271 || [[রাজস্থান]] || ২৯৪ || ✓
|-
| 272 || [[ওড়িশা]] || ৭৪৫ || ✓
|-
| 273 || [[১৯৯৮ কোয়েম্বাটুর বোমা হামলা]] || ৫৩৭ || ✓
|-
| 274 || [[উত্তর-পূর্ব ভারতে বিদ্রোহ]] || ৩৯৮ || ✓
|-
| 275 || [[মারাদ হত্যাকাণ্ড]] || ৩৫২ || ✓
|-
| 276 || [[মক্কা মসজিদ বিস্ফোরণ]] || ৫৮৪ || ✓
|-
| 277 || [[স্টুডেন্টস ইসলামিক মুভমেন্ট অব ইন্ডিয়া]] || ৩৫৭ || ✓
|-
| 278 || [[বিষ্ণু]] || ৬১৭ || ✓
|-
| 279 || [[২০২৪ রিয়াসি হামলা]] || ৩০২ || ✓
|-
| 280 || [[২০০৬ মালেগাঁও বোমা হামলা]] || ৩৯১ || ✓
|-
| 281 || [[২০০৬ মুম্বই রেলে বোমা হামলা]] || ১৯০ || ✓
|-
| 282 || [[মুম্বই]] || ১,২২৪ || ✓
|-
| 283 || [[দৌলতাবাদ, মহারাষ্ট্র]] || ৮৮৯ || ✕
|-
| 284 || [[মহারাষ্ট্র]] || ৪৯৯ || ✓
|-
| 285 || [[পিনারাই বিজয়ন]] || ৫২৩ || ✓
|-
| 286 || [[আরব দেশ]] || ৯১৪ || ✓
|-
| 287 || [[দক্ষিণ এশিয়া]] || ৫৯৩ || ✓
|-
| 288 || [[শহুরে অবক্ষয়]] || ৩০৮ || ✓
|-
| 289 || [[নগরায়ন]] || ১,০৯৭ || ✓
|-
| 290 || [[কেরল]] || ৩৬৫ || ✓
|-
| 291 || [[জম্মু ও কাশ্মীরে বিদ্রোহ]] || ৪১৮ || ✓
|-
| 292 || [[জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহার]] || ৯৬৪ || ✓
|-
| 293 || [[শ্রীনগর]] || ১,৭২৯ || ✓
|-
| 294 || [[কাশ্মীর উপত্যকা]] || ২৮৪ || ✓
|-
| 295 || [[লাদাখ]] || ৬৯৪ || ✓
|-
| 296 || [[কাশ্মীরি জাতি]] || ৮১৩ || ✓
|-
| 297 || [[তারিখ-ই-কাশ্মীর]] || ৫১৪ || ✓
|-
| 298 || [[কর্ণাটক]] || ৬৮২ || ✓
|-
| 299 || [[কর্ণাটকের রাজনীতি]] || ৪৩৯ || ✓
|-
| 300 || [[বেঙ্গালুরু]] || ৬১৪ || ✓
|-
| 301 || [[আসামে ইসলাম]] || ৬৯০ || ✓
|-
| 302 || [[আসামের ইতিহাস]] || ৭২৬ || ✓
|-
| 303 || [[আসামে হিন্দুধর্ম]] || ৩২৫ || ✓
|-
| 304 || [[ভারতের জনমিতি]] || ৩,৩৭৩ || ✓
|-
| 305 || [[বাংলাদেশের জনমিতি]] || ১,১৯৫ || ✓
|-
| 306 || [[পাকিস্তানের জনমিতি]] || ৮৫০ || ✓
|-
| 307 || [[আসামের জনমিতি]] || ১৮২ || ✓
|-
| 308 || [[বিহার]] || ৪৫৮ || ✓
|-
| 309 || [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] || ১৮১ || ✓
|-
| 310 || [[শাহ বানু মামলা]] || ৮০০ || ✓
|-
| 311 || [[ইসরায়েল–ভারত সম্পর্ক]] || ৮৯৭ || ✓
|-
| 312 || [[প্রণব মুখোপাধ্যায়]] || ৫৯৫ || ✓
|-
| 313 || [[দ্রৌপদী মুর্মু]] || ২৪৯ || ✓
|-
| 314 || [[ফখরুদ্দিন আলি আহমেদ]] || ১,৬৪৭ || ✓
|-
| 315 || [[এলজিবিটিকিউ অধিকার বিরোধিতা]] || ২,০৪৯ || ✓
|-
| 316 || [[গেফোবিয়া]] || ২৭৮ || ✓
|-
| 317 || [[সমকামী যৌন চর্চা]] || ৪০৭ || ✓
|-
| 318 || [[উভকামিতা]] || ১,৫৬০ || ✓
|-
| 319 || [[কামিং আউট]] || ৮০৫ || ✓
|-
| 320 || [[স্মৃতি ইরানি]] || ৯৯১ || ✓
|-
| 321 || [[মেনকা গান্ধী]] || ১,২৩০ || ✓
|-
| 322 || [[যশবন্ত সিং]] || ২০৬ || ✓
|-
| 323 || [[সৈয়দ শাহাবুদ্দিন]] || ৫৭৯ || ✓
|-
| 324 || [[শাকিল আহমদ]] || ১২৪ || ✓
|-
| 325 || [[তথাগত রায়]] || ২৭৫ || ✓
|-
| 326 || [[লালুপ্রসাদ যাদব]] || ১,১০৯ || ✓
|-
| 327 || [[আসাদউদ্দিন ওয়াইসি]] || ৫০২ || ✓
|-
| 328 || [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনী]] || ১৯,১০০ || ✕
|-
| 329 || [[ভাকলাভ হাভেল]] || ৯,৩৫৭ || ✓
|-
| 330 || [[নরউইচের জুলিয়ান]] || ৩১,৬৩৩ || ✓
|-
| 331 || [[রামসে ম্যাকডোনাল্ড]] || ৯,৬২২ || ✓
|-
| 332 || [[জন মুয়ির]] || ৮,০৬১ || ✓
|-
| 333 || [[মার্গারেট অ্যাটউড]] || ৬,৩২৮ || ✓
|-
| 334 || [[পেত্র ক্রাপোতকিন]] || ১০,৮১৬ || ✓
|-
| 335 || [[টমাস হেনরি হাক্সলি]] || ৮,৫০৩ || ✓
|-
| 336 || [[উইলিয়াম বাটলার ইয়েটস]] || ৭,২১০ || ✓
|-
| 337 || [[উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস]] || ৪,২৬০ || ✓
|-
| 338 || [[তাওয়াক্কোল কারমান]] || ৪,০৯৭ || ✓
|-
| 339 || [[র্যাচেল কারসন]] || ৪,৭৬৭ || ✓
|-
| 340 || [[আর্নেস্ট হেমিংওয়ে]] || ১৪,৯০৭ || ✓
|-
| 341 || [[আর্থার এডিংটন]] || ৫,৬৩৭ || ✓
|-
| 342 || [[এরিক হবসবাউম]] || ৫,৮৭৩ || ✓
|-
| 343 || [[টনি মরিসন]] || ১০,৩৮৩ || ✓
|-
| 344 || [[টনি বেন]] || ১০,৩৯৯ || ✓
|-
| 345 || [[নরম্যান মেইলার]] || ৬,৬০৬ || ✓
|-
| 346 || [[পল স্যামুয়েলসন]] || ৬,৮৫১ || ✓
|-
| 347 || [[এইচ. পি. লাভক্র্যাফট]] || ২৫,৪৭২ || ✓
|-
| 348 || [[ব্লেজ পাসকাল]] || ৩,০৫১ || ✓
|-
| 349 || [[চিনুয়া আচেবে]] || ৬,০৪২ || ✓
|-
| 350 || [[ডরিস লেসিং]] || ৪,৬২১ || ✓
|-
| 351 || [[ফেদেরিকো ফাগিন]] || ৬০০ || ✓
|-
| 352 || [[আলেকজান্ডার গ্রোথেনডিক]] || ১,২১১ || ✓
|-
| 353 || [[আঙ্গেলা ম্যার্কেল]] || ২,০২৯ || ✓
|-
| 354 || [[আনাক্সাগোরাস]] || ৩,৬৭১ || ✓
|-
| 355 || [[আমোস তভারস্কি]] || ৪৬১ || ✓
|-
| 356 || [[আলফ্রেড মার্শাল]] || ১,৩০৯ || ✓
|-
| 357 || [[আলবার্টাস ম্যাগনাস]] || ৩৮২ || ✓
|-
| 358 || [[অনিতা ব্রুকনার]] || ৪৭৪ || ✕
|-
| 359 || [[আলফ্রেড কিনসে]] || ১,০৩৩ || ✓
|-
| 360 || [[অ্যালান কে]] || ৯২৪ || ✓
|-
| 361 || [[আলেকজান্ডার ফ্লেমিং]] || ৩৩২ || ✓
|-
| 362 || [[ক্যারোলিন বার্তোজি]] || ৪১১ || ✓
|-
| 363 || [[আলফ্রেড রাসেল ওয়ালেস]] || ১,৬৫৯ || ✓
|-
| 364 || [[অঁতোয়ান লাভোয়াজিয়ে]] || ১,৪৩৬ || ✕
|-
| 365 || [[লিটিশা এলিজাবেথ ল্যান্ডন]] || ২৫,৯৭৯ || ✕
|-
| 366 || [[প্রজননবিরোধবাদ]] || ৩০,৯৪৮ || ✓
|-
| 367 || [[উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন]] || ২৮,৬১৯ || ✕
|-
| 368 || [[ক্রিস্টোফার হিচেন্স]] || ২৫,৯২২ || ✓
|-
| 369 || [[বলপূর্বক খাওয়ানো]] || ২২,৬২২ || ✓
|-
| 370 || [[জন স্টুয়ার্ট মিল]] || ২২,৭৮৩ || ✓
|-
| 371 || [[রবার্ট গ্যাসকয়েন-সিসিল, স্যালিসবারির ৩য় মার্কুইস]] || ২০,৮৯৮ || ✓
|-
| 372 || [[অ্যারন রা]] || ২১,৯৫৫ || ✓
|-
| 373 || [[ফায়ারপ্লেস]] || ২১,৪১৭ || ✓
|-
| 374 || [[জন হার্ভে কেলোগ]] || ৩০,৭৪৮ || ✓
|-
| 375 || [[ভ্রান্ত উদ্ধৃতি]] || ৯,৮৭১ || ✓
|-
| 376 || [[২০১১ ফিফা মহিলা বিশ্বকাপ]] || ৯৬৩ || ✓
|-
| 377 || [[তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] || ৩,১৭৯ || ✓
|-
| 378 || [[আফগান যুদ্ধ]] || ৪,৬২০ || ✓
|-
| 379 || [[ইউক্রেনে রুশ আক্রমণ]] || ১২,৩৮২ || ✓
|-
| 380 || [[ইরাক যুদ্ধ]] || ১২,৩৪৪ || ✓
|-
| 381 || [[যুক্তরাজ্যের তৃতীয় জর্জ]] || ১২,০৪২ || ✓
|-
| 382 || [[২০১০ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৮৮৩ || ✓
|-
| 383 || [[২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৩,৫১৪ || ✓
|-
| 384 || [[২০০২ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৬১১ || ✓
|-
| 385 || [[ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ]] || ১,৫৪২ || ✓
|-
| 386 || [[স্নায়ুযুদ্ধ]] || ১৫,৬১০ || ✓
|-
| 387 || [[দ্বিতীয় স্নায়ুযুদ্ধ]] || ৪,৬৬৮ || ✓
|-
| 388 || [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] || ২৪,১৭৭ || ✓
|-
| 389 || [[মহত্ত্ব]] || ৭,৮১৪ || ✓
|-
| 390 || [[সাংবাদিকতা]] || ১৩,৪৭৭ || ✓
|-
| 391 || [[প্যানডিজম]] || ১০,৩০০ || ✓
|-
| 392 || [[গাজা যুদ্ধ]] || ১৬,৯৮২ || ✓
|-
| 393 || [[২০২৬ ইরান যুদ্ধ]] || ৬,৯৫৯ || ✓
|-
| 394 || [[পারমাণবিক অস্ত্র]] || ৩,২৩৩ || ✓
|-
| 395 || [[২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৬৪৩ || ✓
|-
| 396 || [[ক্রুসেড]] || ৯৯৬ || ✓
|-
| 397 || [[অ্যানিমেশন]] || ৯,৪৫৭ || ✓
|-
| 398 || [[দক্ষিণ কোরিয়ার রাজনীতি]] || ৭৫৫ || ✓
|-
| 399 || [[ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ]] || ৩,৭৬২ || ✓
|-
| 400 || [[পারমাণবিক যুদ্ধ]] || ৫,৫২০ || ✓
|-
| 401 || [[আল খোয়ারিজমি]] || ১,২৩০ || ✓
|-
| 402 || [[ফজলে রাব্বী]] || ৬৩৫ || ✓
|-
| 403 || [[ডেভিড হিউম]] || ১১,৭৮০ || ✓
|-
| 404 || [[লিওনিদ ক্যান্টোরোভিচ]] || ১,৪২২ || ✓
|-
| 405 || [[থিওডোসিয়াস ডবঝানস্কি]] || ৭৬০ || ✕
|-
| 406 || [[টেরেন্স টাও]] || ৭২০ || ✓
|-
| 407 || [[ফিলিপ]] || ৪২৬ || ✓
|-
| 408 || [[জুলিয়ান শুইঙার]] || ১,৩২২ || ✕
|-
| 409 || [[পিয়ের-জিল দ্য জেন]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 410 || [[ব্রায়ান কক্স]] || ৭৫৬ || ✓
|-
| 411 || [[জন ম্যাককার্থি]] || ১,০৪৫ || ✓
|-
| 412 || [[লুই দ্য ব্রোয়ি]] || ৪৬০ || ✓
|-
| 413 || [[ফ্রঁসোয়া মিতেরঁ]] || ১,১৯৪ || ✕
|-
| 414 || [[ফ্লিন্ডার্স পেট্রি]] || ১,২০৪ || ✕
|-
| 415 || [[পল আর. এহর্লিচ]] || ১,৩০০ || ✓
|-
| 416 || [[মাইকেল আতিয়াহ]] || ৪২৩ || ✓
|-
| 417 || [[মার্টন মিলার]] || ৪৮২ || ✓
|-
| 418 || [[মেরি বিয়ার্ড]] || ৯১১ || ✓
|-
| 419 || [[মার্গারেট চ্যান]] || ৭০৪ || ✓
|-
| 420 || [[গেরহার্ড শ্রোডার]] || ২৬৯ || ✓
|-
| 421 || [[ফিলিপ ওয়ারেন অ্যান্ডারসন]] || ৭৯৯ || ✓
|-
| 422 || [[পিটার হিগস]] || ৪৭৪ || ✕
|-
| 423 || [[লিওনার্ড সাসকিন্ড]] || ৮২৫ || ✓
|-
| 424 || [[জন মেইনার্ড স্মিথ]] || ৬৪০ || ✓
|-
| 425 || [[জন জেমস অডুবন]] || ৮৩৭ || ✓
|-
| 426 || [[শেলডন লি গ্ল্যাশো]] || ৭৫১ || ✓
|-
| 427 || [[ভিক্টর উইসকফ]] || ৫১৯ || ✓
|-
| 428 || [[মার্টিন রিস]] || ৫৫১ || ✓
|-
| 429 || [[মার্ক ওলিফ্যান্ট]] || ৫৫৩ || ✓
|-
| 430 || [[ভিতালি গিঞ্জবার্গ]] || ৩০৮ || ✓
|-
| 431 || [[স্যালি রাইড]] || ৪২৫ || ✓
|-
| 432 || [[রবার্ট ফোগেল]] || ৪২৮ || ✓
|-
| 433 || [[রিঙ্গো স্টার]] || ৮৭০ || ✓
|-
| 434 || [[মাক্স ডেলব্রুক]] || ৫৭৫ || ✓
|-
| 435 || [[তৃতীয় লেওপোল্ড]] || ৮৩৭ || ✓
|-
| 436 || [[নরম্যান বোরল্যাগ]] || ৭০০ || ✓
|-
| 437 || [[নিকলাউস ভির্ট]] || ৪৭৯ || ✓
|-
| 438 || [[নিকোলাস স্টেনো]] || ২৯২ || ✓
|-
| 439 || [[নেভিল ফ্রান্সিস মট]] || ৫১১ || ✓
|-
| 440 || [[লুডউইক ফ্লেক]] || ৫১২ || ✓
|-
| 441 || [[কারেন উলেনবেক]] || ৩৯২ || ✓
|-
| 442 || [[ইয়োসেফ মেংগেলে]] || ৫৪৪ || ✓
|-
| 443 || [[কিরণ দেশাই]] || ২৬১ || ✓
|-
| 444 || [[কাতালিন কারিকো]] || ৩০৯ || ✓
|-
| 445 || [[ইয়োন্স ইয়াকব বের্সেলিয়ুস]] || ৫১৬ || ✓
|-
| 446 || [[হুয়ান মালদাসেনা]] || ৭৩২ || ✓
|-
| 447 || [[হাইনরিখ বোল]] || ৩০০ || ✓
|-
| 448 || [[ইনগ্রিড ডোবিচি]] || ৬৭১ || ✓
|-
| 449 || [[ইয়ান উইলমুট]] || ৪২৭ || ✓
|-
| 450 || [[হিউ এভারেট]] || ৬০০ || ✓
|-
| 451 || [[ফ্রঁসোয়া অংল্যার]] || ৫৩৩ || ✓
|-
| 452 || [[এমানুয়েল সোয়েডেনবার্গ]] || ১,৫২২ || ✓
|-
| 453 || [[এলিজাবেথ বিশপ]] || ৬৫২ || ✓
|-
| 454 || [[শেখ আন্তা দিওপ]] || ৩৩৫ || ✓
|-
| 455 || [[জর্জ গ্যামো]] || ১,৫২১ || ✓
|-
| 456 || [[হাইনরিখ হের্ত্স]] || ১,৭৪৪ || ✓
|-
| 457 || [[গ্রো হারলেম ব্রুন্ডটল্যান্ড]] || ৩১১ || ✓
|-
| 458 || [[জন সি. মাদার]] || ৪২৫ || ✓
|-
| 459 || [[জন ব্যাকাস]] || ৫৯৭ || ✓
|-
| 460 || [[এর্নস্ট মায়ার]] || ৭৫৪ || ✓
|-
| 461 || [[লিন মার্গুলিস]] || ১,৭১৮ || ✓
|-
| 462 || [[হ্যান্স বেটে]] || ৩৯৬ || ✓
|-
| 463 || [[লুই আগাসিজ]] || ৯৩৭ || ✓
|-
| 464 || [[জর্জ ক্যুভিয়ে]] || ৭৬৮ || ✓
|-
| 465 || [[ব্রাসেলস]] || ৯৬৭ || ✓
|-
| 466 || [[ড্যানিয়েল কানেমান]] || ২,৯৫৭ || ✕
|-
| 467 || [[ডোনাল্ড কানুথ]] || ১,৫৮২ || ✓
|-
| 468 || [[লেমাহ গবোউই]] || ১,১৫০ || ✓
|-
| 469 || [[গারট্রুড বি. এলিয়ন]] || ২৩৪ || ✓
|-
| 470 || [[ডোনা স্ট্রিকল্যান্ড]] || ৩৫৯ || ✓
|-
| 471 || [[এর্নস্ট মাখ]] || ২,০২৮ || ✕
|-
| 472 || [[ডোনাল্ড টাস্ক]] || ১,৭৭১ || ✓
|-
| 473 || [[অরবিন্দ আদিগা]] || ৮৬৬ || ✓
|-
| 474 || [[সি. এ. আর. হোর]] || ১,০৬১ || ✕
|-
| 475 || [[পল ডিরাক]] || ৪,৭০৯ || ✕
|-
| 476 || [[ই. ও. উইলসন]] || ৪,৪৫৮ || ✕
|-
| 477 || [[ডেসমন্ড মরিস]] || ৩,৯৮৬ || ✓
|-
| 478 || [[মাইকেল গোভ]] || ৩,৭৩৬ || ✓
|-
| 479 || [[হার্পার লি]] || ২,৪৯১ || ✓
|-
| 480 || [[কেন টম্পসন]] || ১,৮১৬ || ✓
|-
| 481 || [[জন টিন্ডাল]] || ২,৫২৮ || ✓
|-
| 482 || [[মেরি রবিনসন]] || ১,৩৭৬ || ✓
|-
| 483 || [[হেনরি ক্যাভেন্ডিশ]] || ২,২৪৪ || ✓
|-
| 484 || [[আইরিস মারডক]] || ১,২৬৮ || ✓
|-
| 485 || [[আর্নেস্ট রাদারফোর্ড]] || ২,৪৫৩ || ✓
|-
| 486 || [[ফ্রেড ব্রুকস]] || ১,১৯১ || ✓
|-
| 487 || [[ক্রিস্টিয়ান হাইগেনস]] || ১,৯০৭ || ✓
|-
| 488 || [[ডায়ান ফসি]] || ১,৬৪৬ || ✕
|-
| 489 || [[ইডিথ হোয়ার্টন]] || ১,৪২৫ || ✓
|-
| 490 || [[অরেল স্টেইন]] || ১,৪৭৮ || ✕
|-
| 491 || [[গাব্রিয়েলা মিস্ত্রাল]] || ১,৬৫০ || ✓
|-
| 492 || [[আলেকজান্ডার ফন হুমবোল্ট]] || ১,১২০ || ✓
|-
| 493 || [[ফ্রান্সিস্কো ভারেলা]] || ১,৮৯৩ || ✓
|-
| 494 || [[ডেনিস রিচি]] || ১,১০৮ || ✓
|-
| 495 || [[অড্রে হেপবার্ন]] || ১,৪৩৫ || ✓
|-
| 496 || [[জি. এইচ. হার্ডি]] || ২,৩৩০ || ✓
|-
| 497 || [[হ্যারল্ড পিন্টার]] || ২,০৭২ || ✓
|-
| 498 || [[অ্যানাক্সিম্যান্ডার]] || ১,৩০০ || ✓
|-
| 499 || [[ডেভিড ব্রুস্টার]] || ২,৪০৪ || ✓
|-
| 500 || [[ব্রায়ান গ্রিন]] || ১,২৭৯ || ✕
|-
| 501 || [[অমিত গোস্বামী]] || ৯১৫ || ✓
|-
| 502 || [[এডমন্ড হ্যালি]] || ২,৬১৯ || ✓
|-
| 503 || [[ডেভিড সুজুকি]] || ১,৫১৭ || ✓
|-
| 504 || [[ডেভিড জোনাথন গ্রোস]] || ৮০৯ || ✓
|-
| 505 || [[ডেভিড ম্যামেট]] || ১,২৫২ || ✓
|-
| 506 || [[আহমেদ জেওয়াইল]] || ১৯২ || ✓
|-
| 507 || [[ইউরোপীয় পার্লামেন্ট]] || ৬১৫ || ✓
|-
| 508 || [[ডেভিড গ্রসম্যান]] || ৩৩৬ || ✓
|-
| 509 || [[হরিশ-চন্দ্র]] || ২৮৪ || ✓
|-
| 510 || [[অনিতা দেসাই]] || ১,৪৩৯ || ✓
|-
| 511 || [[অ্যাশ কার্টার]] || ৪৬৩ || ✓
|-
| 512 || [[আলফ্রেড নোবেল]] || ৫০৯ || ✕
|-
| 513 || [[ক্রিস্টিয়ান বার্নার্ড]] || ৬৩৯ || ✓
|-
| 514 || [[রেজা পাহলভি]] || ৯,৯১০ || ✓
|-
| 515 || [[রজার ইবার্ট]] || ২১,৩২৫ || ✓
|-
| 516 || [[পুনর্জন্ম]] || ২০,২৪৮ || ✓
|-
| 517 || [[জ্যারেড ডায়মন্ড]] || ১,১৬৮ || ✕
|-
| 518 || [[জেন গুডাল]] || ১,৩৫৭ || ✓
|-
| 519 || [[জেমস টোবিন]] || ১,০৫৯ || ✓
|-
| 520 || [[জেমস ক্যালাহান]] || ১,৬১৫ || ✓
|-
| 521 || [[উইলিয়াম স্ট্যানলি জেভন্স]] || ১,৭০১ || ✓
|-
| 522 || [[উইলিয়াম থমসন]] || ১,০৫১ || ✓
|-
| 523 || [[ওলে সোয়িংকা]] || ৩,১৬১ || ✕
|-
| 524 || [[জোসেফ স্টিগলিটজ]] || ১,৫০৪ || ✕
|-
| 525 || [[গ্রেগর মেন্ডেল]] || ৮৭৪ || ✓
|-
| 526 || [[গটফ্রিড ভিলহেল্ম লাইবনিৎস]] || ১,২৩৬ || ✓
|-
| 527 || [[গ্লেন থিওডোর সিবর্গ]] || ৯৮৪ || ✓
|-
| 528 || [[হেরমান ভাইল]] || ১,৫৪১ || ✓
|-
| 529 || [[হেরমান হেস]] || ৪,৫৬৫ || ✓
|-
| 530 || [[হার্বার্ট স্পেন্সার]] || ২,৩৬৮ || ✓
|-
| 531 || [[হার্বার্ট এ. সাইমন]] || ১,৩৩৭ || ✓
|-
| 532 || [[হেরাক্লিটাস]] || ১,৫৭০ || ✓
|-
| 533 || [[হেনরিক শিয়েনকিয়েভিচ]] || ১,৯১১ || ✕
|-
| 534 || [[উইলা ক্যাথার]] || ৩,০৩৩ || ✕
|-
| 535 || [[উইল ডুরান্ট]] || ২,৮১৫ || ✓
|-
| 536 || [[ডব্লিউ. এইচ. অডেন]] || ২,৮১৯ || ✓
|-
| 537 || [[ভোলফগাং পাউলি]] || ১,৬৩৯ || ✓
|-
| 538 || [[ইয়াসুনারি কাওয়াবাতা]] || ২,২৫৮ || ✓
|-
| 539 || [[জন আর্চিবল্ড হুইলার]] || ১,১৩৯ || ✓
|-
| 540 || [[সেমুর হার্শ]] || ১,৭৬১ || ✓
|-
| 541 || [[সের্গেই কোরোলিয়ভ]] || ৫৬৫ || ✓
|-
| 542 || [[জেন অ্যাডামস]] || ১,৯০৬ || ✓
|-
| 543 || [[জাক-ইভ কুস্তো]] || ৬৬৩ || ✓
|-
| 544 || [[হিদেকি ইউকাওয়া]] || ৪০৩ || ✓
|-
| 545 || [[প্রিমো লেভি]] || ৪,২৩৮ || ✓
|-
| 546 || [[ঝুম্পা লাহিড়ী]] || ৪৩০ || ✓
|-
| 547 || [[জেমস প্রেসকট জুল]] || ৪৮৭ || ✓
|-
| 548 || [[উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা]] || ৪,৮৫১ || ✓
|-
| 549 || [[সংবাদ মাধ্যম]] || ১,১৫৫ || ✓
|-
| 550 || [[গণমাধ্যম]] || ৩,৩৫৭ || ✓
|-
| 551 || [[মূলধারার গণমাধ্যম]] || ১,০৫২ || ✓
|-
| 552 || [[হলুদ সাংবাদিকতা]] || ২,২৯৬ || ✓
|-
| 553 || [[ভুয়া সংবাদ]] || ১,৪০৮ || ✓
|-
| 554 || [[বিকল্প প্রচারমাধ্যম]] || ১,২০৫ || ✓
|-
| 555 || [[জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ]] || ১১,২৬৬ || ✓
|-
| 556 || [[অ্যানোনিমাস]] || ৪,০৪৩ || ✓
|-
| 557 || [[টুপাক শাকুর]] || ৬,২৮৭ || ✓
|-
| 558 || [[জেনডেয়া]] || ২,০১৪ || ✓
|-
| 559 || [[টিমথি শালামে]] || ১,১২৭ || ✓
|-
| 560 || [[হিপোক্রেটিস]] || ২,৯২৩ || ✓
|-
| 561 || [[ষষ্ঠ মুহাম্মদ]] || ৮৭৮ || ✓
|-
| 562 || [[জন লেনক্স]] || ৭০২ || ✓
|-
| 563 || [[আলেক্সান্দ্র্ সলজেনিৎসিন]] || ৮,০৫৬ || ✓
|-
| 564 || [[আবদুল হান্নান মাসউদ]] || ৪০৭ || ✓
|-
| 565 || [[পরকাল সম্পর্কে কুরআন]] || ১৮,৭৯৪ || ✓
|-
| 566 || [[মানবতাবিরোধী অপরাধ]] || ১,৯১২ || ✓
|-
| 567 || [[আন্তর্জাতিক আইন]] || ৫,৫৩৯ || ✓
|-
| 568 || [[মোহাম্মদ জাওয়াদ জারিফ]] || ১,৪৫২ || ✓
|-
| 569 || [[অনিল ভৌমিক]] || ২১৬ || ✓
|-
| 570 || [[মনোজ মিত্র]] || ৫,৫৬৭ || ✓
|-
| 571 || [[নারায়ণ সান্যাল]] || ৩৬৬ || ✓
|-
| 572 || [[মতি নন্দী]] || ৫,০১৮ || ✓
|-
| 573 || [[দেবেশ রায়]] || ৯,২৪৪ || ✓
|-
| 574 || [[শিশিরকুমার বসু]] || ৪,৮০৭ || ✓
|-
| 575 || [[বিমল কর]] || ১,৩৬৯ || ✓
|-
| 576 || [[সুবোধ সরকার]] || ১,৮৪৮ || ✓
|-
| 577 || [[স্মরণজিৎ চক্রবর্তী]] || ৭৯২ || ✓
|-
| 578 || [[স্বামী সারদানন্দ]] || ৮,৬৯৫ || ✓
|-
| 579 || [[শক্তিপদ রাজগুরু]] || ৯৯৩ || ✓
|-
| 580 || [[কমলকুমার মজুমদার]] || ১,৫৭৩ || ✓
|-
| 581 || [[গৌতম ভদ্র]] || ৬৮৫ || ✓
|-
| 582 || [[পরিমল গোস্বামী]] || ৬,৫৫০ || ✓
|-
| 583 || [[প্রেমাঙ্কুর আতর্থী]] || ৫,৬৯৮ || ✓
|-
| 584 || [[কালীপ্রসন্ন সিংহ]] || ৫,৪০৪ || ✓
|-
| 585 || [[অখিল নিয়োগী]] || ৬৩৬ || ✓
|-
| 586 || [[হরপ্রসাদ শাস্ত্রী]] || ৫১৩ || ✓
|-
| 587 || [[গায়ত্রী চক্রবর্তী স্পিভাক]] || ৫৯২ || ✓
|-
| 588 || [[অজিত দত্ত]] || ৮৭০ || ✓
|-
| 589 || [[অজিতকৃষ্ণ বসু]] || ২,৩৮৬ || ✓
|-
| 590 || [[এম এস স্বামীনাথন]] || ৮৭২ || ✓
|-
| 591 || [[চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন]] || ২,১৭১ || ✓
|-
| 592 || [[চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও]] || ২,১৬৭ || ✓
|-
| 593 || [[কণাদ]] || ৯১৯ || ✓
|-
| 594 || [[জয়ন্ত বিষ্ণু নারলিকর]] || ৩,১৮৭ || ✓
|-
| 595 || [[বিক্রম সারাভাই]] || ১,১২৯ || ✓
|-
| 596 || [[আর্নেস্ট কিং]] || ১৫,৭৬৯ || ✕
|-
| 597 || [[ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট]] || ২৬,২১৫ || ✓
|-
| 598 || [[আনোয়ার ইব্রাহিম]] || ৬,৯৯৩ || ✓
|-
| 599 || [[ইসলাম ও যুদ্ধ]] || ৫,৬৮১ || ✓
|-
| 600 || [[আহমদ সিরহিন্দি]] || ৪,০৭০ || ✓
|-
| 601 || [[মুসা সেরান্তোনিও]] || ৪২৩ || ✓
|-
| 602 || [[ইয়াকুব]] || ১,৯৫৬ || ✓
|-
| 603 || [[আদ্রিয়ান গোল্ডসওয়ার্দি]] || ১,৯৭৯ || ✕
|-
| 604 || [[অ্যালিস পল]] || ১,৮৬২ || ✕
|-
| 605 || [[অ্যামি ট্যান]] || ২,০০৭ || ✕
|-
| 606 || [[অ্যান্ড্রু সেগা]] || ১,৯৬৯ || ✓
|-
| 607 || [[আল্যাঁ বাদিউ]] || ১,৯৬৬ || ✕
|-
| 608 || [[আফ্রিকান স্পির]] || ১,৭২২ || ✕
|-
| 609 || [[ফ্রেডরিক ডগলাস]] || ৮৬২ || ✕
|-
| 610 || [[নবী]] || ২,০৬২ || ✕
|-
| 611 || [[এমা গোল্ডম্যান]] || ১২,৮০০ || ✕
|-
| 612 || [[প্রেম সম্পর্কে ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি]] || ১৫,০৪০ || ✓
|-
| 613 || [[মিস্ট্রি সায়েন্স থিয়েটার ৩০০০]] || ৯৪,৯৬৮ || ✕
|-
| 614 || [[দ্য থিক অফ ইট]] || ৬৯,২৮৩ || ✕
|-
| 615 || [[অ্যালেক্স হেইলি]] || ১,৬০৪ || ✓
|-
| 616 || [[দাসত্ব সম্পর্কে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি]] || ৫,৭৮৫ || ✕
|-
| 617 || [[দাসত্ব]] || ১০,২৫৯ || ✕
|-
| 618 || [[যন্ত্র]] || ৭১৩ || ✓
|-
| 619 || [[বিচারক]] || ৯৫২ || ✓
|-
| 620 || [[রুটি]] || ১,০৯৭ || ✓
|-
| 621 || [[খড়]] || ৯৩২ || ✓
|-
| 622 || [[মন্মথমোহন বসু]] || ৯৬৩ || ✕
|-
| 623 || [[কালীপ্রসন্ন বিদ্যারত্ন]] || ৮২৫ || ✓
|-
| 624 || [[কলসী]] || ১,০৮৬ || ✓
|-
| 625 || [[চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ১,১৫৭ || ✓
|-
| 626 || [[শহর]] || ১,৪৫৮ || ✕
|-
| 627 || [[ঘাস]] || ২,১১২ || ✓
|-
| 628 || [[জলধর সেন]] || ১,৭৬৪ || ✓
|-
| 629 || [[ঠিকানা]] || ১,১৮৭ || ✓
|-
| 630 || [[গন্ধ]] || ১,৮০৭ || ✓
|-
| 631 || [[চা]] || ২,৪২৪ || ✓
|-
| 632 || [[রবীন্দ্রনাথ মৈত্র]] || ১,২৮১ || ✓
|-
| 633 || [[দিগন্ত]] || ১,২২৮ || ✓
|-
| 634 || [[ময়ূর]] || ১,৩৪৫ || ✓
|-
| 635 || [[করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ৯১১ || ✓
|-
| 636 || [[ঢেউ]] || ১,৫৩৯ || ✓
|-
| 637 || [[ছাতা]] || ১,১৮৯ || ✓
|-
| 638 || [[উমাকান্ত হাজারী]] || ৯৪২ || ✓
|-
| 639 || [[ঘৃণা]] || ২,৩৩৯ || ✓
|-
| 640 || [[বাঁশ]] || ২,৪৫৯ || ✕
|-
| 641 || [[কলেরা]] || ১,৬৩৮ || ✓
|-
| 642 || [[মাঠ]] || ২,৪৪৭ || ✓
|-
| 643 || [[টিন]] || ১,৯৩২ || ✕
|-
| 644 || [[সংবাদ]] || ৪,৪৭৯ || ✕
|-
| 645 || [[জন বারবার]] || ৫৭৪ || ✕
|-
| 646 || [[স্কটিশ জাতি]] || ৩৭৫ || ✓
|-
| 647 || [[ওয়েন্ডি বোম্যান]] || ১৫১ || ✕
|-
| 648 || [[যুদ্ধাপরাধ]] || ৪,৬৭৯ || ✕
|-
| 649 || [[রুবি]] || ৩৬৩ || ✓
|-
| 650 || [[রিতা এনজেলু]] || ১৫৯ || ✓
|-
| 651 || [[বমি]] || ২০৪ || ✓
|-
| 652 || [[পার্ল]] || ৬৯০ || ✕
|-
| 653 || [[পাইথন]] || ১৩৯ || ✓
|-
| 654 || [[উইকিলিকস]] || ১,৬৩১ || ✕
|-
| 655 || [[জনস্টন ম্যাককালি]] || ৩১১ || ✕
|-
| 656 || [[যুগোস্লাভিয়া]] || ৪,১৩৬ || ✓
|-
| 657 || [[অংশুমান কর]] || ২০৯ || ✓
|-
| 658 || [[কেমব্রিজ গান]] || ৩০৫ || ✕
|-
| 659 || [[হেলেনীয় শিক্ষা]] || ৫০২ || ✓
|-
| 660 || [[টমাস হলি চিভার্স]] || ২৩৫ || ✓
|-
| 661 || [[মুহাম্মদ মাহদি আল-জাওয়াহিরি]] || ৬৩৮ || ✓
|-
| 662 || [[জেডি স্মিথ]] || ১,০৮০ || ✓
|-
| 663 || [[ব্রায়ান পি. শ্মিট]] || ৪৬০ || ✓
|-
| 664 || [[কার্ল বার্নস্টিন]] || ৩৬৮ || ✓
|-
| 665 || [[চার্লস ফেফারম্যান]] || ৩৩৯ || ✓
|-
| 666 || [[ইয়ুস্টুস ফন লিবিগ]] || ৩৩২ || ✓
|-
| 667 || [[টমাস শেলিংস]] || ৬৭৪ || ✓
|-
| 668 || [[উইলিয়াম শকলি]] || ৩৯১ || ✓
|-
| 669 || [[শিং-শেন চের্ন]] || ৭৬৫ || ✕
|-
| 670 || [[হুগো দ্য ভ্রিস]] || ৩৪৪ || ✓
|-
| 671 || [[রবার্ট অ্যান্ড্রুজ মিলিকান]] || ৪৩৬ || ✓
|-
| 672 || [[জেমস ভ্যান অ্যালেন]] || ৫৯৬ || ✓
|-
| 673 || [[জাক শিরাক]] || ৭১১ || ✓
|-
| 674 || [[ডরোথি হজকিন]] || ২৯৪ || ✓
|-
| 675 || [[গোরান পারসন]] || ৩২৬ || ✓
|-
| 676 || [[জেরার দ্যব্রু]] || ১৮৬ || ✓
|-
| 677 || [[কোরীয় যুদ্ধ]] || ৯,৯৬৫ || ✕
|-
| 678 || [[রবার্ট জে. শিলার]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 679 || [[ফ্রঁসোয়া আরাগন]] || ৪৩৫ || ✓
|-
| 680 || [[অখিলচন্দ্র দত্ত]] || ৩৭৩ || ✕
|-
| 681 || [[ফ্রান্সিস কলিন্স]] || ৫৮৮ || ✓
|-
| 682 || [[হেলেন ক্লার্ক]] || ৩৭৪ || ✓
|-
| 683 || [[লেয়োঁ ফুকো]] || ৫৩২ || ✓
|-
| 684 || [[জন চার্লস পোলানি]] || ৩৭৪ || ✓
|-
| 685 || [[জন মেইনার্ড কেইনস]] || ১৭,৭৯১ || ✕
|-
| 686 || [[দিমিত্রি মুরাতভ]] || ৬৩৬ || ✓
|-
| 687 || [[আবদুস সালাম]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 688 || [[আবদুলরাজাক গুরনাহ]] || ৭৪৯ || ✓
|-
| 689 || [[এ. সি. বেনসন]] || ৩৮৩ || ✓
|-
| 690 || [[প্রথম আলবার্ট]] || ৮৬৪ || ✓
|-
| 691 || [[অম্লান দত্ত]] || ১৪৬ || ✓
|-
| 692 || [[ইয়ান মার্টেল]] || ১,১৩৩ || ✕
|-
| 693 || [[ইয়োইচিরো নাম্বু]] || ৪৩১ || ✕
|-
| 694 || [[সৈয়দ জামিল আহমেদ]] || ২০৩ || ✓
|-
| 695 || [[পূর্ণিমা]] || ১৯২ || ✓
|-
| 696 || [[শরিফুল রাজ]] || ১৮৬ || ✓
|-
| 697 || [[কাজী হায়াৎ]] || ২৭৪ || ✓
|-
| 698 || [[আরেফিন রুমি]] || ১৬২ || ✓
|-
| 699 || [[ইমাম নাসাই]] || ৬৯৭ || ✕
|-
| 700 || [[কবরী]] || ২৭১ || ✓
|-
| 701 || [[হাফিজ উদ্দিন আহমদ]] || ২৩৬ || ✓
|-
| 702 || [[আ ন ম এহসানুল হক মিলন]] || ৩৪০ || ✓
|-
| 703 || [[আন্দালিব রহমান পার্থ]] || ২৯৭ || ✓
|-
| 704 || [[ববি হাজ্জাজ]] || ২৫৩ || ✓
|-
| 705 || [[ইবনে মাজাহ]] || ৩৩৬ || ✓
|-
| 706 || [[হাবিব ওয়াহিদ]] || ২৬৪ || ✓
|-
| 707 || [[জাইমা রহমান]] || ২১২ || ✓
|-
| 708 || [[কনকচাঁপা]] || ২২৮ || ✓
|-
| 709 || [[আহসান হাবীব]] || ২১৯ || ✓
|-
| 710 || [[বেলাল খান]] || ২১৯ || ✓
|-
| 711 || [[নচিকেতা চক্রবর্তী]] || ২৮৯ || ✓
|-
| 712 || [[আ ফ ম খালিদ হোসেন]] || ২৪৮ || ✓
|-
| 713 || [[আলমগীর]] || ৪০৬ || ✓
|-
| 714 || [[সালাহউদ্দিন আহমেদ]] || ৪৫৯ || ✓
|-
| 715 || [[চোং নানশান]] || ১৭৮ || ✓
|-
| 716 || [[এ. সি. ব্র্যাডলি]] || ৩৯০ || ✕
|-
| 717 || [[আলবার্ট হফমান]] || ৩,৪৪৪ || ✓
|-
| 718 || [[অ্যালান পারলিস]] || ৯২৮ || ✓
|-
| 719 || [[হেইনরিখ রোরার]] || ৩৬০ || ✓
|-
| 720 || [[আলফ্রেড আহো]] || ১৪৪ || ✕
|-
| 721 || [[উ থান্ট]] || ৬৭৮ || ✕
|-
| 722 || [[লোরঁ শোয়ার্তজ]] || ৬১০ || ✓
|-
| 723 || [[উইলিয়াম শার্প]] || ৩৯৯ || ✓
|-
| 724 || [[পাউল এরেনফেস্ট]] || ৪৩৩ || ✓
|-
| 725 || [[রবার্ট মান্ডেল]] || ৩২২ || ✓
|-
| 726 || [[হান কাং]] || ৬৬৬ || ✓
|-
| 727 || [[ক্রিপটিক ফেইট]] || ১৭৬ || ✓
|-
| 728 || [[কাকাবাবু]] || ২৫৮ || ✓
|-
| 729 || [[ক্যারি মুলিস]] || ৪০৩ || ✓
|-
| 730 || [[টোমাস ট্রান্সট্রোমার]] || ২৯৯ || ✓
|-
| 731 || [[ইরিনা বোকোভা]] || ২৬৮ || ✓
|-
| 732 || [[মার্টিনুস ভেল্টম্যান]] || ১৯৫ || ✓
|-
| 733 || [[ড্যামন গ্যালগুট]] || ৪৮২ || ✓
|-
| 734 || [[আর্থার কর্নবার্গ]] || ১৭৭ || ✕
|-
| 735 || [[বেন ওক্রি]] || ৮৫৮ || ✓
|-
| 736 || [[সল বেলো]] || ১,০০৩ || ✓
|-
| 737 || [[সল পার্লমাটার]] || ৩১১ || ✕
|-
| 738 || [[সিমেওঁ দ্যনি পোয়াসোঁ]] || ১৬০ || ✓
|-
| 739 || [[স্টিভ আরউইন]] || ৪৩৫ || ✕
|-
| 740 || [[আনি এরনো]] || ২৮৪ || ✓
|-
| 741 || [[ফজল শাহাবুদ্দীন]] || ৪৯৫ || ✕
|-
| 742 || [[আল-জাহিজ]] || ৭৩৩ || ✓
|-
| 743 || [[আল-বিরুনি]] || ১,৮৩৬ || ✓
|-
| 744 || [[থমাস হ্যারিয়ট]] || ৪৩২ || ✓
|-
| 745 || [[স্টিভেন চু]] || ২২০ || ✓
|-
| 746 || [[ইভাঞ্জেলিস্টা টরিসেলি]] || ৩৭২ || ✓
|-
| 747 || [[লেসলি ল্যামপোর্ট]] || ৫৫০ || ✓
|-
| 748 || [[মার্টিন লুইস পার্ল]] || ৩৮৮ || ✓
|-
| 749 || [[ভ্লাদিমির মার্কভনিকভ]] || ২৬৭ || ✓
|-
| 750 || [[বাপ্পী লাহিড়ী]] || ২৫২ || ✓
|-
| 751 || [[নুহাশ হুমায়ূন]] || ২০৫ || ✓
|-
| 752 || [[আনিসুল হক]] || ২৪৬ || ✕
|-
| 753 || [[বাবর আলী]] || ৩০৯ || ✓
|-
| 754 || [[মেহের আফরোজ শাওন]] || ৩১৯ || ✓
|-
| 755 || [[ফেলুদা]] || ২৪৬ || ✓
|-
| 756 || [[ব্যোমকেশ বক্সী]] || ১৭৮ || ✓
|-
| 757 || [[প্রোফেসর শঙ্কু]] || ২৬৯ || ✓
|-
| 758 || [[বারী সিদ্দিকী]] || ২৪২ || ✓
|-
| 759 || [[সমরেশ বসু]] || ২০২ || ✓
|-
| 760 || [[লিয়ন কুপার]] || ৩২৩ || ✓
|-
| 761 || [[কামিলা শামসি]] || ২০৪ || ✓
|-
| 762 || [[ক্রিস্টোফার রেন]] || ৩৭৪ || ✓
|-
| 763 || [[জিওফ্রে হিন্টন]] || ৩২২ || ✓
|-
| 764 || [[ফ্রিডতিয়ফ নানসেন]] || ১৯১ || ✓
|-
| 765 || [[আলাঁ আস্পে]] || ৭৭৬ || ✓
|-
| 766 || [[ক্যারিল ফিলিপস]] || ২৮৪ || ✓
|-
| 767 || [[জেমস কুক]] || ৩৯৭ || ✓
|-
| 768 || [[ক্লাউদিয়া শেইনবাউম]] || ৩২১ || ✓
|-
| 769 || [[আবি আহমেদ]] || ২৫৫ || ✓
|-
| 770 || [[পিটার আগ্রি]] || ১৯০ || ✓
|-
| 771 || [[ফখরুদ্দীন আল-রাযী]] || ২১৫ || ✓
|-
| 772 || [[শি চিনফিং]] || ৪,১৩২ || ✕
|-
| 773 || [[ইব্রাহিম ত্রাওরে]] || ৭৫৪ || ✓
|-
| 774 || [[পেদ্রো সানচেজ]] || ২৯৯ || ✓
|-
| 775 || [[অ্যাডাম রিস]] || ৪৮৯ || ✓
|-
| 776 || [[আব্দুল হান্নান আবকারী]] || ০ || ✕
|-
| 777 || [[ইবরাহীম আলী তশনা]] || ২৪৭ || ✓
|-
| 778 || [[রুহুল আমিন বসিরহাটি]] || ৩৬৩ || ✓
|-
| 779 || [[মুহাম্মদুল্লাহ হাফেজ্জী]] || ৩৪২ || ✓
|-
| 780 || [[শামছুল হুদা]] || ০ || ✕
|-
| 781 || [[শামছুল হক ফরিদপুরী]] || ৫৪৬ || ✓
|-
| 782 || [[গর্ডন মুর]] || ৫৮৭ || ✓
|-
| 783 || [[শিরিন এবাদি]] || ৫৪৩ || ✕
|-
| 784 || [[নাগিব মাহফুজ]] || ৫৩০ || ✓
|-
| 785 || [[আল-ফারাবি]] || ৫৩৭ || ✕
|-
| 786 || [[চাষী নজরুল ইসলাম]] || ৪৪৬ || ✓
|-
| 787 || [[বাপ্পা মজুমদার]] || ৩১০ || ✓
|-
| 788 || [[রবার্ট ক্লাইভ]] || ২,০০২ || ✕
|-
| 789 || [[পার্ল এস. বাক]] || ৯৩৩ || ✕
|-
| 790 || [[জন বারডিন]] || ৩৬৪ || ✓
|-
| 791 || [[তাসমিয়া প্রধান]] || ৩৫২ || ✓
|-
| 792 || [[আজিজুল হক]] || ১৮০ || ✓
|-
| 793 || [[আবদুস সালাম]] || ১০০ || ✕
|-
| 794 || [[আবদুল গফুর]] || ১০১ || ✕
|-
| 795 || [[আবদুল জব্বার]] || ১৬১ || ✓
|-
| 796 || [[আবদুল জব্বার]] || ৯২ || ✕
|-
| 797 || [[আবদুল জব্বার]] || ১৩৩ || ✕
|-
| 798 || [[অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ১৩৪ || ✕
|-
| 799 || [[অনিমেষ রায়]] || ১২৬ || ✕
|-
| 800 || [[অনির্বাণ বসু]] || ১২০ || ✕
|-
| 801 || [[অজয় ঘটক]] || ১১৪ || ✕
|-
| 802 || [[অচলা মল্লিক]] || ১৫৪ || ✕
|-
| 803 || [[অজয় হোম]] || ১৫৯ || ✕
|-
| 804 || [[অমিতা বসু]] || ১৪২ || ✕
|-
| 805 || [[ভেরা রুবিন]] || ৩৫০ || ✕
|-
| 806 || [[মেরি কুরি]] || ১৭৯ || ✕
|-
| 807 || [[মিসির আলি]] || ৪০৬ || ✕
|-
| 808 || [[আস্ট্রোনমি]] || ০ || ✕
|-
| 809 || [[মমতাজ বেগম]] || ৩৫৫ || ✕
|-
| 810 || [[আবুল বরকত]] || ১৪৩ || ✕
|-
| 811 || [[মেরি স্টোপস]] || ৫০৫ || ✕
|-
| 812 || [[ইয়োন ফসে]] || ৩৯৩ || ✕
|-
| 813 || [[জুনো দিয়াজ]] || ৫৪০ || ✕
|-
| 814 || [[পারভীন এতেসামি]] || ০ || ✕
|-
| 815 || [[চুয়াং জি]] || ২৭৪ || ✕
|-
| 816 || [[ফকির শাহাবুদ্দীন]] || ০ || ✕
|-
| 817 || [[আবু বকর সিদ্দিকী]] || ০ || ✕
|-
| 818 || [[বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট]] || ০ || ✕
|-
| 819 || [[বাংলাদেশের কৃষি প্রযুক্তি]] || ০ || ✕
|-
| 820 || [[হাসিবুন নাহের]] || ০ || ✕
|-
| 821 || [[মেরি উলস্টোনক্রাফ্ট]] || ২১৩ || ✕
|-
| 822 || [[বালতাসার গ্রাসিয়ান]] || ২০৬ || ✕
|-
| 823 || [[জুলাই আন্দোলন]] || ৬১৫ || ✕
|-
| 824 || [[বিকাশ]] || ০ || ✕
|-
| 825 || [[নতুন প্রযুক্তি]] || ০ || ✕
|-
| 826 || [[বাংলাদেশের রিয়েল এস্টেট শিল্প: বর্তমান প্রেক্ষাপট ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা]] || ০ || ✕
|-
| 827 || [[জলবায়ু পরিবর্তন ও বাংলাদেশের পরিবেশ]] || ০ || ✕
|-
| 828 || [[মোহাম্মদ শেখ শাহিনুর রহমান]] || ০ || ✕
|-
| 829 || [[অপ্রত্যাশিত জীবনযাত্রা]] || ০ || ✕
|-
| 830 || [[অপর্ণা সেন]] || ৩১২ || ✕
|}
hhvnjvzs2zy8tcyg88z3789nzptxyx0
83307
83306
2026-05-03T03:03:03Z
ARI
356
/* পর্যালোচক পরিসংখ্যান */
83307
wikitext
text/x-wiki
----
সর্বশেষ হালনাগাদ - ০১:০৫, ২ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
----
==উইকিউক্তি ফলাফল ২০২৬==
{| class="wikitable sortable"
|-
! ক্রম
! ব্যবহারকারী
! নিবন্ধ
! মোট শব্দ
! বিস্তারিত
|-
| '''১'''
| '''Dr. Mosaddek Khondoker'''
| '''১৯'''
| '''৪,০৪,৫৭৫'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৪,০৪,৫৭৫<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| '''২'''
| '''ARI'''
| '''২৮'''
| '''৩,১৪,৮৯৭'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৩,১২,২১২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২,৬৮৫
</div>
|-
| '''৩'''
| '''Tuhin'''
| '''২৮০'''
| '''৩,০১,০২২'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,৫৩,৯৫৯<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৪৭,০৬৩
</div>
|-
| '''৪'''
| '''SMontaha32'''
| '''৩৭'''
| '''২,৩৯,৫২৮'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,১৮,৫১৮<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২১,০১০
</div>
|-
| '''৫'''
| '''NusJaS'''
| '''১০'''
| '''২,৫১,৮৯১'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১,৯৭,২৯৩<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৫৪,৫৯৮
</div>
|-
| '''৬'''
| '''Oindrojalik Watch'''
| '''২৯'''
| '''১,৯৯,৯৪৯'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১,৯০,০৭৮<br>
অপর্যালোচিত: ৯,৮৭১<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| '''৭'''
| '''Sumanta3023'''
| '''১১০'''
| '''১,২২,৫০০'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৯৭,৪২১<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২৫,০৭৯
</div>
|-
| '''৮'''
| '''Anik Kanti Dey'''
| '''৩৪'''
| '''১,০৪,৬৪১'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৯৩,৮৬৪<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ১০,৭৭৭
</div>
|-
| '''৯'''
| '''Tanbiruzzaman'''
| '''২১'''
| '''৮০,৭২৪'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৮০,৭২৪<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| '''১০'''
| '''Nil Nandy'''
| '''২৭'''
| '''৭৪,২৬৭'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৭৪,২৬৭<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ১১
| R1F4T
| ২২
| ২,৮৫,২৭৫
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৬৩,৯৫১<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২,২১,৩২৪
</div>
|-
| ১২
| Salil Kumar Mukherjee
| ২৭
| ৪২,২০৬
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৩০,৯১৫<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ১১,২৯১
</div>
|-
| ১৩
| Anaf Ibn Shahibul
| ৪৭
| ৫৬,৫৮১
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১৯,৩৪৬<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৩৭,২৩৫
</div>
|-
| ১৪
| মোহাম্মদ জনি হোসেন
| ২৫
| ৮,১২৩
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৫,৪৭২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২,৬৫১
</div>
|-
| ১৫
| JIBON
| ৫
| ৫,৫৫৪
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৪,৭৩২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৮২২
</div>
|-
| ১৬
| Md. Muqtadir Fuad
| ১১
| ৪,০২৯
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৪,০২৯<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ১৭
| Humaira.thithi
| ৮
| ৩,৭১০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,৭৮৭<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৯২৩
</div>
|-
| ১৮
| Amirhusenjihed
| ৩
| ৩,০৬৪
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,৫৬৯<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৪৯৫
</div>
|-
| ১৯
| Asikur Rahman
| ৬
| ২,২২৯
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,২২৯<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ২০
| Rasel Mehedi
| ১০
| ২,৪৬৮
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,২২২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২৪৬
</div>
|-
| ২১
| Mahiya50
| ৬
| ২,১৯০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,১৯০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ২২
| Borhan
| ৬
| ১,৬৬২
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১,৬৬২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ২৩
| Raihanur
| ৪
| ৫,৬৭৪
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১,৫৪২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৪,১৩২
</div>
|-
| ২৪
| Muhammad Fahim Faisal
| ৬
| ১,৪৯৮
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১,৪৯৮<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ২৫
| Firuz Ahmmed
| ৪
| ২,১৯৭
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১,১১৭<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ১,০৮০
</div>
|-
| ২৬
| নিয়াজ ইসলাম
| ২
| ৭৫৬
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৭৫৬<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ২৭
| Asad.fr
| ৩
| ৩,২৯৯
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৩৬৪<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২,৯৩৫
</div>
|-
| ২৮
| Mehedi Abedin
| ১
| ৩৫২
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৩৫২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ২৯
| Md. Rayan Alam Rifat
| ১
| ১৮০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১৮০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ৩০
| Siyan BD
| ১২
| ১,৫৩৬
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১৬১<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ১,৩৭৫
</div>
|-
| ৩১
| Dewan mahbubr Rahman
| ১
| ৩৫০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৩৫০
</div>
|-
| ৩২
| ExceptionistSagar
| ১
| ১৭৯
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ১৭৯
</div>
|-
| ৩৩
| Kh. Fahim
| ১
| ৪০৬
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৪০৬
</div>
|-
| ৩৪
| Trisha Mazumder
| ১
| ০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ৩৫
| MdMarufHossen71
| ২
| ৪৯৮
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৪৯৮
</div>
|-
| ৩৬
| Usarker
| ৩
| ১,৪৩৮
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ১,৪৩৮
</div>
|-
| ৩৭
| রাকিবুল হাসান রাসেল
| ১
| ০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ৩৮
| MD RADWAN ISLAM
| ৬
| ২৭৪
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২৭৪
</div>
|-
| ৩৯
| AKM Mahinur Rahman
| ২
| ৪১৯
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৪১৯
</div>
|-
| ৪০
| MD RADWAN ISLAM ROHAN
| ৫
| ৬১৫
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৬১৫
</div>
|-
| ৪১
| ShahinurWrites
| ১
| ০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ৪২
| Abdullah Al Shishir
| ১
| ০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ৪৩
| চ্যাম্পিয়ন স্টার ১
| ১
| ৩১২
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৩১২
</div>
|}
== পর্যালোচক পরিসংখ্যান ==
; পর্যালোচক
{| class="wikitable"
|-
! ক্রম !! নাম !! মোট !! গৃহীত !! বাতিল
|-
| '''১''' || '''Mehedi Abedin''' || '''২৭৫''' || ২৩৮ || ৩৭
|-
| '''২''' || '''NusJaS''' || '''১৯৩''' || ১৬০ || ৩৩
|-
| '''৩''' || '''MS Sakib''' || '''১৮১''' || ১৪৮ || ৩৩
|-
| '''৪''' || '''ARI''' || '''১৬২''' || ১৩৩ || ২৯
|-
| '''৫''' || '''MdsShakil''' || '''৪০''' || ৩৮ || ২
|-
| '''৬''' || '''Tahmid''' || '''১৪''' || ১০ || ৪
|-
| '''৭''' || '''Yahya''' || '''৫''' || ৪ || ১
|-
! মোট || || ৮৭০ || ৭৩১ || ১৩৯
|}
== ব্যবহারকারী ভিত্তিক পরিসংখ্যান ==
=== [[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker| Dr. Mosaddek Khondoker]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্পর্কে উক্তি]] || ৩৯,৩০৩ || ✓
|-
| 2 || [[স্ট্যানলি বল্ডউইন]] || ৩৪,১৩১ || ✓
|-
| 3 || [[খ্রিস্টের অনৈতিহাসিকতা তত্ত্ব]] || ২৮,৭০৭ || ✓
|-
| 4 || [[বেঞ্জামিন ডিসরাইলি]] || ২৯,৪৭৯ || ✓
|-
| 5 || [[রবার্ট জি. ইঙ্গারসোল]] || ৩০,০৯০ || ✓
|-
| 6 || [[রন পল]] || ২৪,৯২৮ || ✓
|-
| 7 || [[ক্যালকুলাসের ইতিহাস]] || ১৯,১৯৫ || ✓
|-
| 8 || [[অ্যানোরেক্সিয়া নার্ভোসা]] || ২৩,১০০ || ✓
|-
| 9 || [[ডোয়াইট ডি আইজেনহাওয়ার]] || ২১,০২৬ || ✓
|-
| 10 || [[স্টিফেন জে গুল্ড]] || ২২,১৫০ || ✓
|-
| 11 || [[এআর-১৫ স্টাইল রাইফেল]] || ১৮,৯০১ || ✓
|-
| 12 || [[শেরি এস. টেপার]] || ২৪,৯৯৯ || ✓
|-
| 13 || [[আউরেলিয়ুস আউগুস্তিনুস]] || ১৯,৩৪৬ || ✓
|-
| 14 || [[ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতিত্ব]] || ৪৬,৮৯৯ || ✓
|-
| 15 || [[নবায়নযোগ্য শক্তি]] || ১২,৬১০ || ✓
|-
| 16 || [[নাডিন গর্ডিমার]] || ১,৩৭২ || ✓
|-
| 17 || [[মারে গেল-মান]] || ১,৩২৮ || ✓
|-
| 18 || [[নার্গিস মোহাম্মাদি]] || ১,৭৫৫ || ✓
|-
| 19 || [[সাদি কার্নো]] || ৫,২৫৬ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১৯
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৪,০৪,৫৭৫
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৪,০৪,৫৭৫
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:ARI| ARI]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[জে. হাওয়ার্ড মুর]] || ২৪,১৯৫ || ✓
|-
| 2 || [[ভারতে পোশাক]] || ২,২৮৯ || ✓
|-
| 3 || [[ভারতের ভাষা]] || ৬৯৫ || ✓
|-
| 4 || [[মধ্যযুগীয় ভারত]] || ১,৭১৭ || ✓
|-
| 5 || [[ভারতে ইহুদিদের ইতিহাস]] || ২,০৪৬ || ✓
|-
| 6 || [[ভারতে সুফিবাদ]] || ৩,২০৭ || ✓
|-
| 7 || [[পর্তুগিজ ভারত]] || ১,৬৪৩ || ✓
|-
| 8 || [[ভারতের প্রাণী]] || ৩০৫ || ✓
|-
| 9 || [[স্বাধীনতা দিবস]] || ৩৭৫ || ✓
|-
| 10 || [[ভারতে দুর্ভিক্ষ]] || ৩,৭৮১ || ✓
|-
| 11 || [[ভারতে ধর্মহীনতা]] || ২,৩৮৯ || ✓
|-
| 12 || [[ওয়ারেন ফ্যারেল]] || ২১,০৭৮ || ✓
|-
| 13 || [[আর্নেস্ট বেকার]] || ১৩,৫৯৭ || ✓
|-
| 14 || [[অতিপ্রজতা]] || ২৯,৫০১ || ✓
|-
| 15 || [[মোপলা বিদ্রোহ]] || ১৪,৫১২ || ✓
|-
| 16 || [[সীতা রাম গোয়েল]] || ১,৫৯৬ || ✓
|-
| 17 || [[অরুণ শৌরি]] || ১৫,৪৫০ || ✓
|-
| 18 || [[ভারতের ইতিহাস লিখন]] || ১৭,৯১৮ || ✓
|-
| 19 || [[দ্রৌপদী]] || ৬,১৬৪ || ✓
|-
| 20 || [[দ্য হিস্ট্রি অফ ইন্ডিয়া, অ্যাজ টোল্ড বাই ইটস ওন হিস্টোরিয়ানস]] || ২,৬৮৫ || ✕
|-
| 21 || [[রামায়ণ]] || ১,৩০০ || ✓
|-
| 22 || [[ভারতে শিক্ষা]] || ১০,৫৮০ || ✓
|-
| 23 || [[ভারতে নারী]] || ৬,১৫০ || ✓
|-
| 24 || [[বন্যপ্রাণীর কষ্ট]] || ৩৩,৭৪১ || ✓
|-
| 25 || [[নিরামিষবাদ]] || ৩০,৬২৭ || ✓
|-
| 26 || [[ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম রাষ্ট্রপতিত্ব]] || ৩৭,৫৭২ || ✓
|-
| 27 || [[নির্বাচন]] || ৭,০২৫ || ✓
|-
| 28 || [[সরকার]] || ২২,৭৫৯ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২৮
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৩,১২,২১২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩,১৪,৮৯৭
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২,৬৮৫
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Tuhin| Tuhin]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মহুয়া মৈত্র]] || ৬৫০ || ✓
|-
| 2 || [[হেনরি হোম, লর্ড কেইমস]] || ১,২৯৬ || ✓
|-
| 3 || [[লেটি কটিন পোগ্রেবিন]] || ৩৭০ || ✓
|-
| 4 || [[মার্জ পিয়ার্সি]] || ৬,৭৯০ || ✓
|-
| 5 || [[এলেন ডুইবস]] || ৮০৪ || ✓
|-
| 6 || [[মেরেডিথ ট্যাক্স]] || ৪৯১ || ✓
|-
| 7 || [[মুলক রাজ আনন্দ]] || ২৩৫ || ✓
|-
| 8 || [[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ধর্ষণ]] || ১,৯২০ || ✓
|-
| 9 || [[সুসান ব্রাউনমিলার]] || ৯৯১ || ✓
|-
| 10 || [[রবিন মরগান]] || ১,২২১ || ✓
|-
| 11 || [[ভিভিয়ান গোর্নিক]] || ২,৬৯০ || ✓
|-
| 12 || [[ডরোথি রে হিলি]] || ২,৬৩৮ || ✕
|-
| 13 || [[ক্লডিয়া জোন্স]] || ১,২৯৯ || ✓
|-
| 14 || [[গের্ডা লার্নার]] || ৩,৪২৮ || ✓
|-
| 15 || [[এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন]] || ৯,৮০৪ || ✕
|-
| 16 || [[এলা রিভ ব্লুর]] || ১,৯১৭ || ✓
|-
| 17 || [[টমাস হিউজ]] || ৯৯৬ || ✓
|-
| 18 || [[মার্গারিট দুরাস]] || ৩৪৯ || ✓
|-
| 19 || [[বেন অ্যারোনোভিচ]] || ৮,৭৯৭ || ✓
|-
| 20 || [[গ্লেন কুক]] || ৯,৯৮৫ || ✓
|-
| 21 || [[আব্রাহাম কাহান]] || ২,১৩৩ || ✓
|-
| 22 || [[গ্রেস পেলি]] || ৮,১৬৪ || ✕
|-
| 23 || [[স্টিফেন ক্রেন]] || ১,৯৬৩ || ✕
|-
| 24 || [[জোসেফাইন হার্বস্ট]] || ৪২৭ || ✓
|-
| 25 || [[জর্জ গিসিং]] || ২,০০৫ || ✓
|-
| 26 || [[আনজিয়া ইয়েজিয়ারস্কা]] || ৩,২৬২ || ✕
|-
| 27 || [[মেরি অ্যান্টিন]] || ৪৯০ || ✓
|-
| 28 || [[জয়েস অ্যান্টলার]] || ৪২৯ || ✓
|-
| 29 || [[ক্যাথরিন ম্যাককিনন]] || ২,১৭৮ || ✓
|-
| 30 || [[বেটিনা আপথেকার]] || ১,০২০ || ✓
|-
| 31 || [[ক্যারি চ্যাপম্যান ক্যাট]] || ১,৬০৩ || ✓
|-
| 32 || [[জ্যানেট র্যাঙ্কিন]] || ৭২১ || ✓
|-
| 33 || [[ফ্রান্সেস উইলার্ড]] || ৯৪১ || ✕
|-
| 34 || [[অ্যালিস স্টোন ব্ল্যাকওয়েল]] || ৫৪০ || ✕
|-
| 35 || [[অ্যানা এলিজাবেথ ডিকিনসন]] || ৭৫১ || ✕
|-
| 36 || [[মেরি লিভারমোর]] || ২,৩০৭ || ✕
|-
| 37 || [[দাড়ি]] || ২৯৭ || ✓
|-
| 38 || [[স্যার হেনরি হোবার্ট, ১ম ব্যারোনেট]] || ৭৩৮ || ✓
|-
| 39 || [[হার্ডিঞ্জ স্ট্যানলি গিফার্ড, হালসবুরির ১ম আর্ল]] || ৪১৯ || ✓
|-
| 40 || [[এ. ভি. ডাইসি]] || ১,৩৮১ || ✕
|-
| 41 || [[আলফ্রেড ডেনিং, ব্যারন ডেনিং]] || ৩,৮৩২ || ✓
|-
| 42 || [[টমাস ডেনিসন]] || ৪০০ || ✓
|-
| 43 || [[স্যার ফ্রান্সিস বুলার, ১ম ব্যারোনেট]] || ৯৬২ || ✓
|-
| 44 || [[নিকোলাস ব্রাতজা]] || ২৬৪ || ✓
|-
| 45 || [[রবার্ট অ্যাটকিনস]] || ৩৩৩ || ✕
|-
| 46 || [[রিচার্ড পেপার আর্ডেন, ১ম ব্যারন অ্যালভানলি]] || ৩৫১ || ✓
|-
| 47 || [[এডওয়ার্ড হল অল্ডারসন]] || ৪৪৬ || ✓
|-
| 48 || [[অ্যামব্রোজ বিয়ার্স]] || ৫,৫৪১ || ✕
|-
| 49 || [[মেওয়াত]] || ৭১৮ || ✓
|-
| 50 || [[নানাবতী-মেহতা কমিশন]] || ২,৪৪৪ || ✓
|-
| 51 || [[ভারতে ঔষধ শিল্প]] || ১,৯২১ || ✓
|-
| 52 || [[পাঞ্জাব]] || ১,৪০৬ || ✓
|-
| 53 || [[রামনবমী]] || ৮৬২ || ✓
|-
| 54 || [[ভারতের শহরসমূহের নাম পরিবর্তন]] || ৪৪১ || ✓
|-
| 55 || [[নুপুর শর্মা]] || ৬০১ || ✓
|-
| 56 || [[রিপাবলিক টিভি]] || ৪৫৫ || ✓
|-
| 57 || [[রোহিলখণ্ড]] || ৪৪০ || ✓
|-
| 58 || [[রোহিলা]] || ৩৪০ || ✓
|-
| 59 || [[সৌরাষ্ট্র]] || ৬৫৪ || ✓
|-
| 60 || [[ভারতে তিন তালাক]] || ১,১৩৪ || ✓
|-
| 61 || [[ভারতের পবিত্র উপবন]] || ৫৭৫ || ✓
|-
| 62 || [[অভিন্ন দেওয়ানি বিধি]] || ৩,৭৩৭ || ✓
|-
| 63 || [[নবনীত আদিত্য ওয়াইবা]] || ১৯২ || ✓
|-
| 64 || [[ভারতে জল সরবরাহ ও স্যানিটেশন]] || ৭৪০ || ✓
|-
| 65 || [[জমিদার]] || ৩৮১ || ✕
|-
| 66 || [[নিখিল ভারত মুসলিম লীগ]] || ১,৭৩৭ || ✕
|-
| 67 || [[ফতোয়া]] || ৪৮৪ || ✓
|-
| 68 || [[দারা শিকোহ]] || ১,৪৩৫ || ✓
|-
| 69 || [[আমেরিকা নিপাত যাক]] || ৬৩৯ || ✓
|-
| 70 || [[মহা শয়তান]] || ৪১৪ || ✓
|-
| 71 || [[উলামা]] || ৩৪৫ || ✓
|-
| 72 || [[দক্ষিণ এশিয়ায় মুসলিম জাতীয়তাবাদ]] || ১,৫১৬ || ✓
|-
| 73 || [[পার্সি-মুসলিম দাঙ্গা]] || ৬৫৬ || ✓
|-
| 74 || [[ভারতে দাঙ্গা]] || ৬৭৪ || ✓
|-
| 75 || [[ভারতে পেগাসাস প্রকল্পের উদঘাটন]] || ৩৯০ || ✓
|-
| 76 || [[নেহরুবাদ]] || ৯৫২ || ✓
|-
| 77 || [[২জি স্পেকট্রাম মামলা]] || ৯৩৭ || ✓
|-
| 78 || [[রাহুল গান্ধী]] || ৪,০০৪ || ✓
|-
| 79 || [[আকবরউদ্দিন ওয়াইসি]] || ২৯৮ || ✓
|-
| 80 || [[ভারতের সাধারণ নির্বাচন, ২০২৪]] || ২,৫৭৭ || ✓
|-
| 81 || [[ভারতে ধর্মনিরপেক্ষতা]] || ২৩৪ || ✓
|-
| 82 || [[নাইলা আলি খান]] || ২০৪ || ✓
|-
| 83 || [[অরুণ জেটলি]] || ৪৮১ || ✓
|-
| 84 || [[সুকেতু মেহতা]] || ৩৮২ || ✓
|-
| 85 || [[রুক্মিণী মৈত্র]] || ৩৫৪ || ✓
|-
| 86 || [[মানব গুপ্ত]] || ৬৩৪ || ✕
|-
| 87 || [[মোহিনী মোহন ধর]] || ৫৮৫ || ✓
|-
| 88 || [[দিলীপ কুমার চক্রবর্তী]] || ২,৫৯৭ || ✓
|-
| 89 || [[রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ৩৮৩ || ✓
|-
| 90 || [[পিটার অ্যাক্রয়েড]] || ২৯৭ || ✓
|-
| 91 || [[হ্যারল্ড ব্লুম]] || ৫৯৩ || ✓
|-
| 92 || [[জেমস বসওয়েল]] || ১,১৪৯ || ✓
|-
| 93 || [[অলিভার গোল্ডস্মিথ]] || ৩,১৭৮ || ✓
|-
| 94 || [[হেনরি জাইলস]] || ৭৯২ || ✓
|-
| 95 || [[এডউইন হাবেল চ্যাপিন]] || ৭৭০ || ✓
|-
| 96 || [[অবমাননা]] || ৭৮৮ || ✓
|-
| 97 || [[আদালত অবমাননা]] || ৮২৯ || ✓
|-
| 98 || [[আইনপ্রণেতা]] || ৭৪৩ || ✓
|-
| 99 || [[লেই বারডুগো]] || ১২২ || ✓
|-
| 100 || [[উইলিয়াম ব্রেট, ১ম ভিসকাউন্ট এশার]] || ১,০২০ || ✓
|-
| 101 || [[হেনরি হকিন্স, ১ম ব্যারন ব্র্যাম্পটন]] || ৩০৩ || ✓
|-
| 102 || [[জুনিয়াস]] || ১,৪১২ || ✓
|-
| 103 || [[উইলিয়াম মারে, ম্যানসফিল্ডের ১ম আর্ল]] || ৬৪৩ || ✓
|-
| 104 || [[জোসেফ ইয়েটস]] || ৬৬৬ || ✓
|-
| 105 || [[স্যার জন বেইলি, ১ম ব্যারোনেট]] || ৯১৮ || ✓
|-
| 106 || [[হেনরি বিকারস্টথ, ১ম ব্যারন ল্যাংডেল]] || ৪১৫ || ✓
|-
| 107 || [[এডওয়ার্ড ল, ১ম ব্যারন এলেনবরো]] || ৬৭৪ || ✓
|-
| 108 || [[লয়েড কেনিয়ন, ১ম ব্যারন কেনিয়ন]] || ৪,৪০৮ || ✓
|-
| 109 || [[জন হোল্ট]] || ১,১৮৯ || ✓
|-
| 110 || [[চার্লস বোয়েন, ব্যারন বোয়েন]] || ১,০৩৭ || ✓
|-
| 111 || [[চার্লস অ্যাবট, ১ম ব্যারন টেন্টারডেন]] || ৩৪১ || ✓
|-
| 112 || [[ন্যায়বিচার প্রশাসন]] || ২,৮৯৯ || ✓
|-
| 113 || [[আদালত]] || ১,৮১৮ || ✕
|-
| 114 || [[রোজান এ. ব্রাউন]] || ৩৪১ || ✓
|-
| 115 || [[মারিয়ন জিমার ব্র্যাডলি]] || ১,১০৪ || ✓
|-
| 116 || [[টেরি ব্রুকস]] || ৪৮৫ || ✓
|-
| 117 || [[লেই ব্র্যাকেট]] || ১,১১২ || ✓
|-
| 118 || [[জ্যাক ক্যাডি]] || ১,৫৬৮ || ✓
|-
| 119 || [[মেল ব্রুকস]] || ২,০১৬ || ✕
|-
| 120 || [[মাইকেল বিশপ]] || ৯৯০ || ✓
|-
| 121 || [[এলিজাবেথ বেয়ার]] || ৭০৫ || ✓
|-
| 122 || [[মার্গারেট বল]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 123 || [[পাওলো বাসিগালুপি]] || ৬৪৭ || ✓
|-
| 124 || [[কেলি আর্মস্ট্রং]] || ৫৮৫ || ✓
|-
| 125 || [[ক্যাথরিন আসরো]] || ৩৬১ || ✓
|-
| 126 || [[পিয়ার্স অ্যান্থনি]] || ২২৯ || ✓
|-
| 127 || [[রবার্ট আইকম্যান]] || ২৬৮ || ✓
|-
| 128 || [[আইনজীবী]] || ২,৩২৯ || ✓
|-
| 129 || [[আইনসভা]] || ২,৩৪৩ || ✓
|-
| 130 || [[জর্জ বুশনার]] || ৬৬২ || ✓
|-
| 131 || [[জোসেফ গার্নি ক্যানন]] || ৭০৯ || ✓
|-
| 132 || [[সংখ্যাগরিষ্ঠ]] || ১,৩৫৬ || ✓
|-
| 133 || [[সংখ্যালঘু গোষ্ঠী]] || ১,৮৮১ || ✓
|-
| 134 || [[প্রাতিষ্ঠানিক আচরণ]] || ৬৫৬ || ✓
|-
| 135 || [[মানব আচরণ]] || ৮৫২ || ✓
|-
| 136 || [[হার্ভে ম্যানসফিল্ড]] || ৯৭৯ || ✓
|-
| 137 || [[রাষ্ট্রবিজ্ঞান]] || ১,১৩৯ || ✓
|-
| 138 || [[রাজনৈতিক দর্শন]] || ১,২৮৫ || ✓
|-
| 139 || [[দ্বিজেন্দ্র নারায়ণ ঝা]] || ১,০৮৭ || ✓
|-
| 140 || [[আগ্রাসন]] || ৯২০ || ✓
|-
| 141 || [[হিন্দুত্ব]] || ২,৭০০ || ✓
|-
| 142 || [[ফ্লাভিয়া অ্যাগনেস]] || ৬৮২ || ✓
|-
| 143 || [[লাভ জিহাদ ষড়যন্ত্র তত্ত্ব]] || ৩,১৫০ || ✓
|-
| 144 || [[মহাত্মা গান্ধীর হত্যাকাণ্ড]] || ১,৭৭৮ || ✓
|-
| 145 || [[যোগিন্দর সিকান্দ]] || ৮১৪ || ✓
|-
| 146 || [[ভারতে মুসলিমদের বিরুদ্ধে সহিংসতা]] || ৮৫১ || ✓
|-
| 147 || [[জয় শ্রীরাম]] || ৭০৮ || ✓
|-
| 148 || [[লালকৃষ্ণ আডবাণী]] || ১,৫৫৫ || ✓
|-
| 149 || [[রাম রথযাত্রা]] || ১,৫৭৯ || ✓
|-
| 150 || [[হিন্দু আমেরিকান ফাউন্ডেশন]] || ১,৪৫৫ || ✓
|-
| 151 || [[হর্ষ মান্দার]] || ৬৬০ || ✓
|-
| 152 || [[স্বপন দাশগুপ্ত]] || ১,১৬৭ || ✓
|-
| 153 || [[জরাথুস্ট্রবাদ]] || ৩৭৭ || ✓
|-
| 154 || [[পার্সি]] || ৩৯০ || ✓
|-
| 155 || [[নাগরিকত্ব]] || ১,৮৭৯ || ✓
|-
| 156 || [[ভারতের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৭০]] || ৬৭৯ || ✓
|-
| 157 || [[মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন, ১৯৩৯]] || ৭৬৯ || ✓
|-
| 158 || [[অবৈতনিক বাধ্যতামূলক শিশু শিক্ষার অধিকার আইন, ২০০৯]] || ৩৭৯ || ✓
|-
| 159 || [[বোম্বাই দাঙ্গা]] || ৭৭৬ || ✓
|-
| 160 || [[বজরং দল]] || ৩৩১ || ✓
|-
| 161 || [[সংসদীয় ব্যবস্থা]] || ৪০৫ || ✓
|-
| 162 || [[বিচার বিভাগীয় ব্যাখ্যা]] || ১,২৩২ || ✓
|-
| 163 || [[বর্ণবাদ পরবর্তী আমেরিকা]] || ১,০৬৯ || ✓
|-
| 164 || [[শ্বেতাঙ্গ বিশেষাধিকার]] || ৬২৮ || ✓
|-
| 165 || [[বিশেষাধিকার]] || ৭১২ || ✓
|-
| 166 || [[মানবহিতৈষণা]] || ২২৮ || ✓
|-
| 167 || [[ভারত সরকার]] || ১,২২০ || ✓
|-
| 168 || [[শিলং]] || ৯৭৩ || ✓
|-
| 169 || [[মাঝৌলি রাজ]] || ৫৬০ || ✓
|-
| 170 || [[কালিকট]] || ৪৫৪ || ✓
|-
| 171 || [[যাজপুর]] || ৪০৭ || ✓
|-
| 172 || [[কালিবাঙ্গান]] || ৭৩৮ || ✓
|-
| 173 || [[কাডাপা]] || ৪১৩ || ✓
|-
| 174 || [[ইদার]] || ৫৮৬ || ✓
|-
| 175 || [[গোধরা]] || ১,০১০ || ✓
|-
| 176 || [[ভুবনেশ্বর]] || ১,১৬৫ || ✓
|-
| 177 || [[অমৃতসর]] || ৮৬৮ || ✓
|-
| 178 || [[আম্বালা]] || ৪৬১ || ✓
|-
| 179 || [[হায়দ্রাবাদ]] || ৩,২৪৮ || ✓
|-
| 180 || [[২০১৯ হায়দ্রাবাদ গণধর্ষণ]] || ১৭৭ || ✓
|-
| 181 || [[মুহাম্মাদ বখতিয়ার খলজি]] || ৪২৩ || ✕
|-
| 182 || [[হায়দ্রাবাদ অধিগ্রহণ]] || ৪৫৬ || ✓
|-
| 183 || [[১৮৯৯-১৯০০ সালের ভারতীয় দুর্ভিক্ষ]] || ৫৪১ || ✓
|-
| 184 || [[১৯৯০ হায়দ্রাবাদ দাঙ্গা]] || ৪০৬ || ✓
|-
| 185 || [[গুয়াহাটি]] || ১,৭৯৬ || ✓
|-
| 186 || [[গৌড়]] || ১,৯৩৬ || ✓
|-
| 187 || [[বিজাপুর]] || ৬৬২ || ✓
|-
| 188 || [[মাণ্ডু]] || ৩৯৪ || ✓
|-
| 189 || [[খাজুরাহো]] || ৩৭১ || ✓
|-
| 190 || [[চান্দেরী]] || ৫০৭ || ✓
|-
| 191 || [[জুনাগড়]] || ৭১৯ || ✓
|-
| 192 || [[বৃহৎ কচ্ছের রাণ]] || ৫৮৪ || ✓
|-
| 193 || [[আহমেদাবাদ]] || ১,৮১২ || ✓
|-
| 194 || [[কচ্ছ জেলা]] || ৩২৬ || ✓
|-
| 195 || [[দৃশদ্বতী নদী]] || ১৮৬ || ✓
|-
| 196 || [[চেনাব নদী]] || ৩২১ || ✓
|-
| 197 || [[পশ্চিমবঙ্গে ধর্ম]] || ১,২৩২ || ✓
|-
| 198 || [[মুর্শিদাবাদ সহিংসতা]] || ২৫৭ || ✓
|-
| 199 || [[২০২৪ সন্দেশখালী সহিংসতা]] || ১,০৬১ || ✓
|-
| 200 || [[২০২২ বীরভূম সহিংসতা]] || ৫১৪ || ✓
|-
| 201 || [[মৈতৈ জাতি]] || ৬৪০ || ✓
|-
| 202 || [[মৈতৈ সভ্যতা]] || ৩৫০ || ✓
|-
| 203 || [[মণিপুর]] || ৩০৬ || ✓
|-
| 204 || [[লাক্ষাদ্বীপ]] || ৩২৯ || ✓
|-
| 205 || [[বৃন্দাবন]] || ৬৮২ || ✕
|-
| 206 || [[সম্ভল]] || ২৪৩ || ✓
|-
| 207 || [[এলাহাবাদ]] || ৩৫৭ || ✓
|-
| 208 || [[আলিগড়]] || ৪০৯ || ✓
|-
| 209 || [[স্ট্যাচু অব ইউনিটি]] || ২৪১ || ✓
|-
| 210 || [[ভারতের দুর্গ]] || ৩১৪ || ✓
|-
| 211 || [[দ্য দুন স্কুল]] || ৬৬৪ || ✓
|-
| 212 || [[কাশী হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়]] || ৩৪৫ || ✓
|-
| 213 || [[আগ্রা]] || ৭১৮ || ✓
|-
| 214 || [[২০২০ দিল্লি দাঙ্গা]] || ১,১৭৮ || ✓
|-
| 215 || [[তিরুচিরাপল্লী]] || ৬২৬ || ✓
|-
| 216 || [[সেন্ট থমাস ক্যাথেড্রাল ব্যাসিলিকা, চেন্নাই]] || ৩৮০ || ✕
|-
| 217 || [[আতঙ্ক]] || ৪৭৮ || ✕
|-
| 218 || [[ভারতে দুর্নীতি]] || ১,০০৭ || ✓
|-
| 219 || [[তামিলনাড়ুর মন্দির]] || ৯১৮ || ✓
|-
| 220 || [[এম. কে. স্ট্যালিন]] || ৩৩২ || ✓
|-
| 221 || [[তামিলনাড়ু]] || ৫৪৩ || ✓
|-
| 222 || [[তামিলনাড়ুর হিন্দি বিরোধী আন্দোলন]] || ৪৬৫ || ✓
|-
| 223 || [[যোধপুর]] || ৬২৮ || ✓
|-
| 224 || [[রাজস্থান]] || ২৯৪ || ✓
|-
| 225 || [[ওড়িশা]] || ৭৪৫ || ✓
|-
| 226 || [[১৯৯৮ কোয়েম্বাটুর বোমা হামলা]] || ৫৩৭ || ✓
|-
| 227 || [[উত্তর-পূর্ব ভারতে বিদ্রোহ]] || ৩৯৮ || ✓
|-
| 228 || [[মারাদ হত্যাকাণ্ড]] || ৩৫২ || ✓
|-
| 229 || [[মক্কা মসজিদ বিস্ফোরণ]] || ৫৮৪ || ✓
|-
| 230 || [[স্টুডেন্টস ইসলামিক মুভমেন্ট অব ইন্ডিয়া]] || ৩৫৭ || ✓
|-
| 231 || [[বিষ্ণু]] || ৬১৭ || ✓
|-
| 232 || [[২০২৪ রিয়াসি হামলা]] || ৩০২ || ✓
|-
| 233 || [[২০০৬ মালেগাঁও বোমা হামলা]] || ৩৯১ || ✓
|-
| 234 || [[২০০৬ মুম্বই রেলে বোমা হামলা]] || ১৯০ || ✓
|-
| 235 || [[মুম্বই]] || ১,২২৪ || ✓
|-
| 236 || [[দৌলতাবাদ, মহারাষ্ট্র]] || ৮৮৯ || ✕
|-
| 237 || [[মহারাষ্ট্র]] || ৪৯৯ || ✓
|-
| 238 || [[পিনারাই বিজয়ন]] || ৫২৩ || ✓
|-
| 239 || [[আরব দেশ]] || ৯১৪ || ✓
|-
| 240 || [[দক্ষিণ এশিয়া]] || ৫৯৩ || ✓
|-
| 241 || [[শহুরে অবক্ষয়]] || ৩০৮ || ✓
|-
| 242 || [[নগরায়ন]] || ১,০৯৭ || ✓
|-
| 243 || [[কেরল]] || ৩৬৫ || ✓
|-
| 244 || [[জম্মু ও কাশ্মীরে বিদ্রোহ]] || ৪১৮ || ✓
|-
| 245 || [[জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহার]] || ৯৬৪ || ✓
|-
| 246 || [[শ্রীনগর]] || ১,৭২৯ || ✓
|-
| 247 || [[কাশ্মীর উপত্যকা]] || ২৮৪ || ✓
|-
| 248 || [[লাদাখ]] || ৬৯৪ || ✓
|-
| 249 || [[কাশ্মীরি জাতি]] || ৮১৩ || ✓
|-
| 250 || [[তারিখ-ই-কাশ্মীর]] || ৫১৪ || ✓
|-
| 251 || [[কর্ণাটক]] || ৬৮২ || ✓
|-
| 252 || [[কর্ণাটকের রাজনীতি]] || ৪৩৯ || ✓
|-
| 253 || [[বেঙ্গালুরু]] || ৬১৪ || ✓
|-
| 254 || [[আসামে ইসলাম]] || ৬৯০ || ✓
|-
| 255 || [[আসামের ইতিহাস]] || ৭২৬ || ✓
|-
| 256 || [[আসামে হিন্দুধর্ম]] || ৩২৫ || ✓
|-
| 257 || [[ভারতের জনমিতি]] || ৩,৩৭৩ || ✓
|-
| 258 || [[বাংলাদেশের জনমিতি]] || ১,১৯৫ || ✓
|-
| 259 || [[পাকিস্তানের জনমিতি]] || ৮৫০ || ✓
|-
| 260 || [[আসামের জনমিতি]] || ১৮২ || ✓
|-
| 261 || [[বিহার]] || ৪৫৮ || ✓
|-
| 262 || [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] || ১৮১ || ✓
|-
| 263 || [[শাহ বানু মামলা]] || ৮০০ || ✓
|-
| 264 || [[ইসরায়েল–ভারত সম্পর্ক]] || ৮৯৭ || ✓
|-
| 265 || [[প্রণব মুখোপাধ্যায়]] || ৫৯৫ || ✓
|-
| 266 || [[দ্রৌপদী মুর্মু]] || ২৪৯ || ✓
|-
| 267 || [[ফখরুদ্দিন আলি আহমেদ]] || ১,৬৪৭ || ✓
|-
| 268 || [[এলজিবিটিকিউ অধিকার বিরোধিতা]] || ২,০৪৯ || ✓
|-
| 269 || [[গেফোবিয়া]] || ২৭৮ || ✓
|-
| 270 || [[সমকামী যৌন চর্চা]] || ৪০৭ || ✓
|-
| 271 || [[উভকামিতা]] || ১,৫৬০ || ✓
|-
| 272 || [[কামিং আউট]] || ৮০৫ || ✓
|-
| 273 || [[স্মৃতি ইরানি]] || ৯৯১ || ✓
|-
| 274 || [[মেনকা গান্ধী]] || ১,২৩০ || ✓
|-
| 275 || [[যশবন্ত সিং]] || ২০৬ || ✓
|-
| 276 || [[সৈয়দ শাহাবুদ্দিন]] || ৫৭৯ || ✓
|-
| 277 || [[শাকিল আহমদ]] || ১২৪ || ✓
|-
| 278 || [[তথাগত রায়]] || ২৭৫ || ✓
|-
| 279 || [[লালুপ্রসাদ যাদব]] || ১,১০৯ || ✓
|-
| 280 || [[আসাদউদ্দিন ওয়াইসি]] || ৫০২ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২৮০
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ২,৫৩,৯৫৯
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩,০১,০২২
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৪৭,০৬৩
|}
=== [[ব্যবহারকারী:SMontaha32| SMontaha32]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনী]] || ১৯,১০০ || ✕
|-
| 2 || [[ভাকলাভ হাভেল]] || ৯,৩৫৭ || ✓
|-
| 3 || [[নরউইচের জুলিয়ান]] || ৩১,৬৩৩ || ✓
|-
| 4 || [[রামসে ম্যাকডোনাল্ড]] || ৯,৬২২ || ✓
|-
| 5 || [[জন মুয়ির]] || ৮,০৬১ || ✓
|-
| 6 || [[মার্গারেট অ্যাটউড]] || ৬,৩২৮ || ✓
|-
| 7 || [[পেত্র ক্রাপোতকিন]] || ১০,৮১৬ || ✓
|-
| 8 || [[টমাস হেনরি হাক্সলি]] || ৮,৫০৩ || ✓
|-
| 9 || [[উইলিয়াম বাটলার ইয়েটস]] || ৭,২১০ || ✓
|-
| 10 || [[উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস]] || ৪,২৬০ || ✓
|-
| 11 || [[তাওয়াক্কোল কারমান]] || ৪,০৯৭ || ✓
|-
| 12 || [[র্যাচেল কারসন]] || ৪,৭৬৭ || ✓
|-
| 13 || [[আর্নেস্ট হেমিংওয়ে]] || ১৪,৯০৭ || ✓
|-
| 14 || [[আর্থার এডিংটন]] || ৫,৬৩৭ || ✓
|-
| 15 || [[এরিক হবসবাউম]] || ৫,৮৭৩ || ✓
|-
| 16 || [[টনি মরিসন]] || ১০,৩৮৩ || ✓
|-
| 17 || [[টনি বেন]] || ১০,৩৯৯ || ✓
|-
| 18 || [[নরম্যান মেইলার]] || ৬,৬০৬ || ✓
|-
| 19 || [[পল স্যামুয়েলসন]] || ৬,৮৫১ || ✓
|-
| 20 || [[এইচ. পি. লাভক্র্যাফট]] || ২৫,৪৭২ || ✓
|-
| 21 || [[ব্লেজ পাসকাল]] || ৩,০৫১ || ✓
|-
| 22 || [[চিনুয়া আচেবে]] || ৬,০৪২ || ✓
|-
| 23 || [[ডরিস লেসিং]] || ৪,৬২১ || ✓
|-
| 24 || [[ফেদেরিকো ফাগিন]] || ৬০০ || ✓
|-
| 25 || [[আলেকজান্ডার গ্রোথেনডিক]] || ১,২১১ || ✓
|-
| 26 || [[আঙ্গেলা ম্যার্কেল]] || ২,০২৯ || ✓
|-
| 27 || [[আনাক্সাগোরাস]] || ৩,৬৭১ || ✓
|-
| 28 || [[আমোস তভারস্কি]] || ৪৬১ || ✓
|-
| 29 || [[আলফ্রেড মার্শাল]] || ১,৩০৯ || ✓
|-
| 30 || [[আলবার্টাস ম্যাগনাস]] || ৩৮২ || ✓
|-
| 31 || [[অনিতা ব্রুকনার]] || ৪৭৪ || ✕
|-
| 32 || [[আলফ্রেড কিনসে]] || ১,০৩৩ || ✓
|-
| 33 || [[অ্যালান কে]] || ৯২৪ || ✓
|-
| 34 || [[আলেকজান্ডার ফ্লেমিং]] || ৩৩২ || ✓
|-
| 35 || [[ক্যারোলিন বার্তোজি]] || ৪১১ || ✓
|-
| 36 || [[আলফ্রেড রাসেল ওয়ালেস]] || ১,৬৫৯ || ✓
|-
| 37 || [[অঁতোয়ান লাভোয়াজিয়ে]] || ১,৪৩৬ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৩৭
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ২,১৮,৫১৮
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২,৩৯,৫২৮
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২১,০১০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:NusJaS| NusJaS]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[লিটিশা এলিজাবেথ ল্যান্ডন]] || ২৫,৯৭৯ || ✕
|-
| 2 || [[প্রজননবিরোধবাদ]] || ৩০,৯৪৮ || ✓
|-
| 3 || [[উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন]] || ২৮,৬১৯ || ✕
|-
| 4 || [[ক্রিস্টোফার হিচেন্স]] || ২৫,৯২২ || ✓
|-
| 5 || [[বলপূর্বক খাওয়ানো]] || ২২,৬২২ || ✓
|-
| 6 || [[জন স্টুয়ার্ট মিল]] || ২২,৭৮৩ || ✓
|-
| 7 || [[রবার্ট গ্যাসকয়েন-সিসিল, স্যালিসবারির ৩য় মার্কুইস]] || ২০,৮৯৮ || ✓
|-
| 8 || [[অ্যারন রা]] || ২১,৯৫৫ || ✓
|-
| 9 || [[ফায়ারপ্লেস]] || ২১,৪১৭ || ✓
|-
| 10 || [[জন হার্ভে কেলোগ]] || ৩০,৭৪৮ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১০
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১,৯৭,২৯৩
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২,৫১,৮৯১
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৫৪,৫৯৮
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch| Oindrojalik Watch]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ভ্রান্ত উদ্ধৃতি]] || ৯,৮৭১ || ✓
|-
| 2 || [[২০১১ ফিফা মহিলা বিশ্বকাপ]] || ৯৬৩ || ✓
|-
| 3 || [[তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] || ৩,১৭৯ || ✓
|-
| 4 || [[আফগান যুদ্ধ]] || ৪,৬২০ || ✓
|-
| 5 || [[ইউক্রেনে রুশ আক্রমণ]] || ১২,৩৮২ || ✓
|-
| 6 || [[ইরাক যুদ্ধ]] || ১২,৩৪৪ || ✓
|-
| 7 || [[যুক্তরাজ্যের তৃতীয় জর্জ]] || ১২,০৪২ || ✓
|-
| 8 || [[২০১০ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৮৮৩ || ✓
|-
| 9 || [[২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৩,৫১৪ || ✓
|-
| 10 || [[২০০২ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৬১১ || ✓
|-
| 11 || [[ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ]] || ১,৫৪২ || ✓
|-
| 12 || [[স্নায়ুযুদ্ধ]] || ১৫,৬১০ || ✓
|-
| 13 || [[দ্বিতীয় স্নায়ুযুদ্ধ]] || ৪,৬৬৮ || ✓
|-
| 14 || [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] || ২৪,১৭৭ || ✓
|-
| 15 || [[মহত্ত্ব]] || ৭,৮১৪ || ✓
|-
| 16 || [[সাংবাদিকতা]] || ১৩,৪৭৭ || ✓
|-
| 17 || [[প্যানডিজম]] || ১০,৩০০ || ✓
|-
| 18 || [[গাজা যুদ্ধ]] || ১৬,৯৮২ || ✓
|-
| 19 || [[২০২৬ ইরান যুদ্ধ]] || ৬,৯৫৯ || ✓
|-
| 20 || [[পারমাণবিক অস্ত্র]] || ৩,২৩৩ || ✓
|-
| 21 || [[২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৬৪৩ || ✓
|-
| 22 || [[ক্রুসেড]] || ৯৯৬ || ✓
|-
| 23 || [[অ্যানিমেশন]] || ৯,৪৫৭ || ✓
|-
| 24 || [[দক্ষিণ কোরিয়ার রাজনীতি]] || ৭৫৫ || ✓
|-
| 25 || [[ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ]] || ৩,৭৬২ || ✓
|-
| 26 || [[পারমাণবিক যুদ্ধ]] || ৫,৫২০ || ✓
|-
| 27 || [[আল খোয়ারিজমি]] || ১,২৩০ || ✓
|-
| 28 || [[ফজলে রাব্বী]] || ৬৩৫ || ✓
|-
| 29 || [[ডেভিড হিউম]] || ১১,৭৮০ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২৯
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১,৯০,০৭৮
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১,৯৯,৯৪৯
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023| Sumanta3023]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[লিওনিদ ক্যান্টোরোভিচ]] || ১,৪২২ || ✓
|-
| 2 || [[থিওডোসিয়াস ডবঝানস্কি]] || ৭৬০ || ✕
|-
| 3 || [[টেরেন্স টাও]] || ৭২০ || ✓
|-
| 4 || [[ফিলিপ]] || ৪২৬ || ✓
|-
| 5 || [[জুলিয়ান শুইঙার]] || ১,৩২২ || ✕
|-
| 6 || [[পিয়ের-জিল দ্য জেন]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 7 || [[ব্রায়ান কক্স]] || ৭৫৬ || ✓
|-
| 8 || [[জন ম্যাককার্থি]] || ১,০৪৫ || ✓
|-
| 9 || [[লুই দ্য ব্রোয়ি]] || ৪৬০ || ✓
|-
| 10 || [[ফ্রঁসোয়া মিতেরঁ]] || ১,১৯৪ || ✕
|-
| 11 || [[ফ্লিন্ডার্স পেট্রি]] || ১,২০৪ || ✕
|-
| 12 || [[পল আর. এহর্লিচ]] || ১,৩০০ || ✓
|-
| 13 || [[মাইকেল আতিয়াহ]] || ৪২৩ || ✓
|-
| 14 || [[মার্টন মিলার]] || ৪৮২ || ✓
|-
| 15 || [[মেরি বিয়ার্ড]] || ৯১১ || ✓
|-
| 16 || [[মার্গারেট চ্যান]] || ৭০৪ || ✓
|-
| 17 || [[গেরহার্ড শ্রোডার]] || ২৬৯ || ✓
|-
| 18 || [[ফিলিপ ওয়ারেন অ্যান্ডারসন]] || ৭৯৯ || ✓
|-
| 19 || [[পিটার হিগস]] || ৪৭৪ || ✕
|-
| 20 || [[লিওনার্ড সাসকিন্ড]] || ৮২৫ || ✓
|-
| 21 || [[জন মেইনার্ড স্মিথ]] || ৬৪০ || ✓
|-
| 22 || [[জন জেমস অডুবন]] || ৮৩৭ || ✓
|-
| 23 || [[শেলডন লি গ্ল্যাশো]] || ৭৫১ || ✓
|-
| 24 || [[ভিক্টর উইসকফ]] || ৫১৯ || ✓
|-
| 25 || [[মার্টিন রিস]] || ৫৫১ || ✓
|-
| 26 || [[মার্ক ওলিফ্যান্ট]] || ৫৫৩ || ✓
|-
| 27 || [[ভিতালি গিঞ্জবার্গ]] || ৩০৮ || ✓
|-
| 28 || [[স্যালি রাইড]] || ৪২৫ || ✓
|-
| 29 || [[রবার্ট ফোগেল]] || ৪২৮ || ✓
|-
| 30 || [[রিঙ্গো স্টার]] || ৮৭০ || ✓
|-
| 31 || [[মাক্স ডেলব্রুক]] || ৫৭৫ || ✓
|-
| 32 || [[তৃতীয় লেওপোল্ড]] || ৮৩৭ || ✓
|-
| 33 || [[নরম্যান বোরল্যাগ]] || ৭০০ || ✓
|-
| 34 || [[নিকলাউস ভির্ট]] || ৪৭৯ || ✓
|-
| 35 || [[নিকোলাস স্টেনো]] || ২৯২ || ✓
|-
| 36 || [[নেভিল ফ্রান্সিস মট]] || ৫১১ || ✓
|-
| 37 || [[লুডউইক ফ্লেক]] || ৫১২ || ✓
|-
| 38 || [[কারেন উলেনবেক]] || ৩৯২ || ✓
|-
| 39 || [[ইয়োসেফ মেংগেলে]] || ৫৪৪ || ✓
|-
| 40 || [[কিরণ দেশাই]] || ২৬১ || ✓
|-
| 41 || [[কাতালিন কারিকো]] || ৩০৯ || ✓
|-
| 42 || [[ইয়োন্স ইয়াকব বের্সেলিয়ুস]] || ৫১৬ || ✓
|-
| 43 || [[হুয়ান মালদাসেনা]] || ৭৩২ || ✓
|-
| 44 || [[হাইনরিখ বোল]] || ৩০০ || ✓
|-
| 45 || [[ইনগ্রিড ডোবিচি]] || ৬৭১ || ✓
|-
| 46 || [[ইয়ান উইলমুট]] || ৪২৭ || ✓
|-
| 47 || [[হিউ এভারেট]] || ৬০০ || ✓
|-
| 48 || [[ফ্রঁসোয়া অংল্যার]] || ৫৩৩ || ✓
|-
| 49 || [[এমানুয়েল সোয়েডেনবার্গ]] || ১,৫২২ || ✓
|-
| 50 || [[এলিজাবেথ বিশপ]] || ৬৫২ || ✓
|-
| 51 || [[শেখ আন্তা দিওপ]] || ৩৩৫ || ✓
|-
| 52 || [[জর্জ গ্যামো]] || ১,৫২১ || ✓
|-
| 53 || [[হাইনরিখ হের্ত্স]] || ১,৭৪৪ || ✓
|-
| 54 || [[গ্রো হারলেম ব্রুন্ডটল্যান্ড]] || ৩১১ || ✓
|-
| 55 || [[জন সি. মাদার]] || ৪২৫ || ✓
|-
| 56 || [[জন ব্যাকাস]] || ৫৯৭ || ✓
|-
| 57 || [[এর্নস্ট মায়ার]] || ৭৫৪ || ✓
|-
| 58 || [[লিন মার্গুলিস]] || ১,৭১৮ || ✓
|-
| 59 || [[হ্যান্স বেটে]] || ৩৯৬ || ✓
|-
| 60 || [[লুই আগাসিজ]] || ৯৩৭ || ✓
|-
| 61 || [[জর্জ ক্যুভিয়ে]] || ৭৬৮ || ✓
|-
| 62 || [[ব্রাসেলস]] || ৯৬৭ || ✓
|-
| 63 || [[ড্যানিয়েল কানেমান]] || ২,৯৫৭ || ✕
|-
| 64 || [[ডোনাল্ড কানুথ]] || ১,৫৮২ || ✓
|-
| 65 || [[লেমাহ গবোউই]] || ১,১৫০ || ✓
|-
| 66 || [[গারট্রুড বি. এলিয়ন]] || ২৩৪ || ✓
|-
| 67 || [[ডোনা স্ট্রিকল্যান্ড]] || ৩৫৯ || ✓
|-
| 68 || [[এর্নস্ট মাখ]] || ২,০২৮ || ✕
|-
| 69 || [[ডোনাল্ড টাস্ক]] || ১,৭৭১ || ✓
|-
| 70 || [[অরবিন্দ আদিগা]] || ৮৬৬ || ✓
|-
| 71 || [[সি. এ. আর. হোর]] || ১,০৬১ || ✕
|-
| 72 || [[পল ডিরাক]] || ৪,৭০৯ || ✕
|-
| 73 || [[ই. ও. উইলসন]] || ৪,৪৫৮ || ✕
|-
| 74 || [[ডেসমন্ড মরিস]] || ৩,৯৮৬ || ✓
|-
| 75 || [[মাইকেল গোভ]] || ৩,৭৩৬ || ✓
|-
| 76 || [[হার্পার লি]] || ২,৪৯১ || ✓
|-
| 77 || [[কেন টম্পসন]] || ১,৮১৬ || ✓
|-
| 78 || [[জন টিন্ডাল]] || ২,৫২৮ || ✓
|-
| 79 || [[মেরি রবিনসন]] || ১,৩৭৬ || ✓
|-
| 80 || [[হেনরি ক্যাভেন্ডিশ]] || ২,২৪৪ || ✓
|-
| 81 || [[আইরিস মারডক]] || ১,২৬৮ || ✓
|-
| 82 || [[আর্নেস্ট রাদারফোর্ড]] || ২,৪৫৩ || ✓
|-
| 83 || [[ফ্রেড ব্রুকস]] || ১,১৯১ || ✓
|-
| 84 || [[ক্রিস্টিয়ান হাইগেনস]] || ১,৯০৭ || ✓
|-
| 85 || [[ডায়ান ফসি]] || ১,৬৪৬ || ✕
|-
| 86 || [[ইডিথ হোয়ার্টন]] || ১,৪২৫ || ✓
|-
| 87 || [[অরেল স্টেইন]] || ১,৪৭৮ || ✕
|-
| 88 || [[গাব্রিয়েলা মিস্ত্রাল]] || ১,৬৫০ || ✓
|-
| 89 || [[আলেকজান্ডার ফন হুমবোল্ট]] || ১,১২০ || ✓
|-
| 90 || [[ফ্রান্সিস্কো ভারেলা]] || ১,৮৯৩ || ✓
|-
| 91 || [[ডেনিস রিচি]] || ১,১০৮ || ✓
|-
| 92 || [[অড্রে হেপবার্ন]] || ১,৪৩৫ || ✓
|-
| 93 || [[জি. এইচ. হার্ডি]] || ২,৩৩০ || ✓
|-
| 94 || [[হ্যারল্ড পিন্টার]] || ২,০৭২ || ✓
|-
| 95 || [[অ্যানাক্সিম্যান্ডার]] || ১,৩০০ || ✓
|-
| 96 || [[ডেভিড ব্রুস্টার]] || ২,৪০৪ || ✓
|-
| 97 || [[ব্রায়ান গ্রিন]] || ১,২৭৯ || ✕
|-
| 98 || [[অমিত গোস্বামী]] || ৯১৫ || ✓
|-
| 99 || [[এডমন্ড হ্যালি]] || ২,৬১৯ || ✓
|-
| 100 || [[ডেভিড সুজুকি]] || ১,৫১৭ || ✓
|-
| 101 || [[ডেভিড জোনাথন গ্রোস]] || ৮০৯ || ✓
|-
| 102 || [[ডেভিড ম্যামেট]] || ১,২৫২ || ✓
|-
| 103 || [[আহমেদ জেওয়াইল]] || ১৯২ || ✓
|-
| 104 || [[ইউরোপীয় পার্লামেন্ট]] || ৬১৫ || ✓
|-
| 105 || [[ডেভিড গ্রসম্যান]] || ৩৩৬ || ✓
|-
| 106 || [[হরিশ-চন্দ্র]] || ২৮৪ || ✓
|-
| 107 || [[অনিতা দেসাই]] || ১,৪৩৯ || ✓
|-
| 108 || [[অ্যাশ কার্টার]] || ৪৬৩ || ✓
|-
| 109 || [[আলফ্রেড নোবেল]] || ৫০৯ || ✕
|-
| 110 || [[ক্রিস্টিয়ান বার্নার্ড]] || ৬৩৯ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১১০
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৯৭,৪২১
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১,২২,৫০০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২৫,০৭৯
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Anik Kanti Dey| Anik Kanti Dey]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[রেজা পাহলভি]] || ৯,৯১০ || ✓
|-
| 2 || [[রজার ইবার্ট]] || ২১,৩২৫ || ✓
|-
| 3 || [[পুনর্জন্ম]] || ২০,২৪৮ || ✓
|-
| 4 || [[জ্যারেড ডায়মন্ড]] || ১,১৬৮ || ✕
|-
| 5 || [[জেন গুডাল]] || ১,৩৫৭ || ✓
|-
| 6 || [[জেমস টোবিন]] || ১,০৫৯ || ✓
|-
| 7 || [[জেমস ক্যালাহান]] || ১,৬১৫ || ✓
|-
| 8 || [[উইলিয়াম স্ট্যানলি জেভন্স]] || ১,৭০১ || ✓
|-
| 9 || [[উইলিয়াম থমসন]] || ১,০৫১ || ✓
|-
| 10 || [[ওলে সোয়িংকা]] || ৩,১৬১ || ✕
|-
| 11 || [[জোসেফ স্টিগলিটজ]] || ১,৫০৪ || ✕
|-
| 12 || [[গ্রেগর মেন্ডেল]] || ৮৭৪ || ✓
|-
| 13 || [[গটফ্রিড ভিলহেল্ম লাইবনিৎস]] || ১,২৩৬ || ✓
|-
| 14 || [[গ্লেন থিওডোর সিবর্গ]] || ৯৮৪ || ✓
|-
| 15 || [[হেরমান ভাইল]] || ১,৫৪১ || ✓
|-
| 16 || [[হেরমান হেস]] || ৪,৫৬৫ || ✓
|-
| 17 || [[হার্বার্ট স্পেন্সার]] || ২,৩৬৮ || ✓
|-
| 18 || [[হার্বার্ট এ. সাইমন]] || ১,৩৩৭ || ✓
|-
| 19 || [[হেরাক্লিটাস]] || ১,৫৭০ || ✓
|-
| 20 || [[হেনরিক শিয়েনকিয়েভিচ]] || ১,৯১১ || ✕
|-
| 21 || [[উইলা ক্যাথার]] || ৩,০৩৩ || ✕
|-
| 22 || [[উইল ডুরান্ট]] || ২,৮১৫ || ✓
|-
| 23 || [[ডব্লিউ. এইচ. অডেন]] || ২,৮১৯ || ✓
|-
| 24 || [[ভোলফগাং পাউলি]] || ১,৬৩৯ || ✓
|-
| 25 || [[ইয়াসুনারি কাওয়াবাতা]] || ২,২৫৮ || ✓
|-
| 26 || [[জন আর্চিবল্ড হুইলার]] || ১,১৩৯ || ✓
|-
| 27 || [[সেমুর হার্শ]] || ১,৭৬১ || ✓
|-
| 28 || [[সের্গেই কোরোলিয়ভ]] || ৫৬৫ || ✓
|-
| 29 || [[জেন অ্যাডামস]] || ১,৯০৬ || ✓
|-
| 30 || [[জাক-ইভ কুস্তো]] || ৬৬৩ || ✓
|-
| 31 || [[হিদেকি ইউকাওয়া]] || ৪০৩ || ✓
|-
| 32 || [[প্রিমো লেভি]] || ৪,২৩৮ || ✓
|-
| 33 || [[ঝুম্পা লাহিড়ী]] || ৪৩০ || ✓
|-
| 34 || [[জেমস প্রেসকট জুল]] || ৪৮৭ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৩৪
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৯৩,৮৬৪
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১,০৪,৬৪১
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ১০,৭৭৭
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman| Tanbiruzzaman]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা]] || ৪,৮৫১ || ✓
|-
| 2 || [[সংবাদ মাধ্যম]] || ১,১৫৫ || ✓
|-
| 3 || [[গণমাধ্যম]] || ৩,৩৫৭ || ✓
|-
| 4 || [[মূলধারার গণমাধ্যম]] || ১,০৫২ || ✓
|-
| 5 || [[হলুদ সাংবাদিকতা]] || ২,২৯৬ || ✓
|-
| 6 || [[ভুয়া সংবাদ]] || ১,৪০৮ || ✓
|-
| 7 || [[বিকল্প প্রচারমাধ্যম]] || ১,২০৫ || ✓
|-
| 8 || [[জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ]] || ১১,২৬৬ || ✓
|-
| 9 || [[অ্যানোনিমাস]] || ৪,০৪৩ || ✓
|-
| 10 || [[টুপাক শাকুর]] || ৬,২৮৭ || ✓
|-
| 11 || [[জেনডেয়া]] || ২,০১৪ || ✓
|-
| 12 || [[টিমথি শালামে]] || ১,১২৭ || ✓
|-
| 13 || [[হিপোক্রেটিস]] || ২,৯২৩ || ✓
|-
| 14 || [[ষষ্ঠ মুহাম্মদ]] || ৮৭৮ || ✓
|-
| 15 || [[জন লেনক্স]] || ৭০২ || ✓
|-
| 16 || [[আলেক্সান্দ্র্ সলজেনিৎসিন]] || ৮,০৫৬ || ✓
|-
| 17 || [[আবদুল হান্নান মাসউদ]] || ৪০৭ || ✓
|-
| 18 || [[পরকাল সম্পর্কে কুরআন]] || ১৮,৭৯৪ || ✓
|-
| 19 || [[মানবতাবিরোধী অপরাধ]] || ১,৯১২ || ✓
|-
| 20 || [[আন্তর্জাতিক আইন]] || ৫,৫৩৯ || ✓
|-
| 21 || [[মোহাম্মদ জাওয়াদ জারিফ]] || ১,৪৫২ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৮০,৭২৪
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৮০,৭২৪
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Nil Nandy| Nil Nandy]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[অনিল ভৌমিক]] || ২১৬ || ✓
|-
| 2 || [[মনোজ মিত্র]] || ৫,৫৬৭ || ✓
|-
| 3 || [[নারায়ণ সান্যাল]] || ৩৬৬ || ✓
|-
| 4 || [[মতি নন্দী]] || ৫,০১৮ || ✓
|-
| 5 || [[দেবেশ রায়]] || ৯,২৪৪ || ✓
|-
| 6 || [[শিশিরকুমার বসু]] || ৪,৮০৭ || ✓
|-
| 7 || [[বিমল কর]] || ১,৩৬৯ || ✓
|-
| 8 || [[সুবোধ সরকার]] || ১,৮৪৮ || ✓
|-
| 9 || [[স্মরণজিৎ চক্রবর্তী]] || ৭৯২ || ✓
|-
| 10 || [[স্বামী সারদানন্দ]] || ৮,৬৯৫ || ✓
|-
| 11 || [[শক্তিপদ রাজগুরু]] || ৯৯৩ || ✓
|-
| 12 || [[কমলকুমার মজুমদার]] || ১,৫৭৩ || ✓
|-
| 13 || [[গৌতম ভদ্র]] || ৬৮৫ || ✓
|-
| 14 || [[পরিমল গোস্বামী]] || ৬,৫৫০ || ✓
|-
| 15 || [[প্রেমাঙ্কুর আতর্থী]] || ৫,৬৯৮ || ✓
|-
| 16 || [[কালীপ্রসন্ন সিংহ]] || ৫,৪০৪ || ✓
|-
| 17 || [[অখিল নিয়োগী]] || ৬৩৬ || ✓
|-
| 18 || [[হরপ্রসাদ শাস্ত্রী]] || ৫১৩ || ✓
|-
| 19 || [[গায়ত্রী চক্রবর্তী স্পিভাক]] || ৫৯২ || ✓
|-
| 20 || [[অজিত দত্ত]] || ৮৭০ || ✓
|-
| 21 || [[অজিতকৃষ্ণ বসু]] || ২,৩৮৬ || ✓
|-
| 22 || [[এম এস স্বামীনাথন]] || ৮৭২ || ✓
|-
| 23 || [[চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন]] || ২,১৭১ || ✓
|-
| 24 || [[চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও]] || ২,১৬৭ || ✓
|-
| 25 || [[কণাদ]] || ৯১৯ || ✓
|-
| 26 || [[জয়ন্ত বিষ্ণু নারলিকর]] || ৩,১৮৭ || ✓
|-
| 27 || [[বিক্রম সারাভাই]] || ১,১২৯ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২৭
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৭৪,২৬৭
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৭৪,২৬৭
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:R1F4T| R1F4T]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[আর্নেস্ট কিং]] || ১৫,৭৬৯ || ✕
|-
| 2 || [[ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট]] || ২৬,২১৫ || ✓
|-
| 3 || [[আনোয়ার ইব্রাহিম]] || ৬,৯৯৩ || ✓
|-
| 4 || [[ইসলাম ও যুদ্ধ]] || ৫,৬৮১ || ✓
|-
| 5 || [[আহমদ সিরহিন্দি]] || ৪,০৭০ || ✓
|-
| 6 || [[মুসা সেরান্তোনিও]] || ৪২৩ || ✓
|-
| 7 || [[ইয়াকুব]] || ১,৯৫৬ || ✓
|-
| 8 || [[আদ্রিয়ান গোল্ডসওয়ার্দি]] || ১,৯৭৯ || ✕
|-
| 9 || [[অ্যালিস পল]] || ১,৮৬২ || ✕
|-
| 10 || [[অ্যামি ট্যান]] || ২,০০৭ || ✕
|-
| 11 || [[অ্যান্ড্রু সেগা]] || ১,৯৬৯ || ✓
|-
| 12 || [[আল্যাঁ বাদিউ]] || ১,৯৬৬ || ✕
|-
| 13 || [[আফ্রিকান স্পির]] || ১,৭২২ || ✕
|-
| 14 || [[ফ্রেডরিক ডগলাস]] || ৮৬২ || ✕
|-
| 15 || [[নবী]] || ২,০৬২ || ✕
|-
| 16 || [[এমা গোল্ডম্যান]] || ১২,৮০০ || ✕
|-
| 17 || [[প্রেম সম্পর্কে ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি]] || ১৫,০৪০ || ✓
|-
| 18 || [[মিস্ট্রি সায়েন্স থিয়েটার ৩০০০]] || ৯৪,৯৬৮ || ✕
|-
| 19 || [[দ্য থিক অফ ইট]] || ৬৯,২৮৩ || ✕
|-
| 20 || [[অ্যালেক্স হেইলি]] || ১,৬০৪ || ✓
|-
| 21 || [[দাসত্ব সম্পর্কে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি]] || ৫,৭৮৫ || ✕
|-
| 22 || [[দাসত্ব]] || ১০,২৫৯ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২২
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৬৩,৯৫১
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২,৮৫,২৭৫
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২,২১,৩২৪
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Salil Kumar Mukherjee| Salil Kumar Mukherjee]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[যন্ত্র]] || ৭১৩ || ✓
|-
| 2 || [[বিচারক]] || ৯৫২ || ✓
|-
| 3 || [[রুটি]] || ১,০৯৭ || ✓
|-
| 4 || [[খড়]] || ৯৩২ || ✓
|-
| 5 || [[মন্মথমোহন বসু]] || ৯৬৩ || ✕
|-
| 6 || [[কালীপ্রসন্ন বিদ্যারত্ন]] || ৮২৫ || ✓
|-
| 7 || [[কলসী]] || ১,০৮৬ || ✓
|-
| 8 || [[চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ১,১৫৭ || ✓
|-
| 9 || [[শহর]] || ১,৪৫৮ || ✕
|-
| 10 || [[ঘাস]] || ২,১১২ || ✓
|-
| 11 || [[জলধর সেন]] || ১,৭৬৪ || ✓
|-
| 12 || [[ঠিকানা]] || ১,১৮৭ || ✓
|-
| 13 || [[গন্ধ]] || ১,৮০৭ || ✓
|-
| 14 || [[চা]] || ২,৪২৪ || ✓
|-
| 15 || [[রবীন্দ্রনাথ মৈত্র]] || ১,২৮১ || ✓
|-
| 16 || [[দিগন্ত]] || ১,২২৮ || ✓
|-
| 17 || [[ময়ূর]] || ১,৩৪৫ || ✓
|-
| 18 || [[করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ৯১১ || ✓
|-
| 19 || [[ঢেউ]] || ১,৫৩৯ || ✓
|-
| 20 || [[ছাতা]] || ১,১৮৯ || ✓
|-
| 21 || [[উমাকান্ত হাজারী]] || ৯৪২ || ✓
|-
| 22 || [[ঘৃণা]] || ২,৩৩৯ || ✓
|-
| 23 || [[বাঁশ]] || ২,৪৫৯ || ✕
|-
| 24 || [[কলেরা]] || ১,৬৩৮ || ✓
|-
| 25 || [[মাঠ]] || ২,৪৪৭ || ✓
|-
| 26 || [[টিন]] || ১,৯৩২ || ✕
|-
| 27 || [[সংবাদ]] || ৪,৪৭৯ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২৭
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৩০,৯১৫
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৪২,২০৬
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ১১,২৯১
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul| Anaf Ibn Shahibul]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[জন বারবার]] || ৫৭৪ || ✕
|-
| 2 || [[স্কটিশ জাতি]] || ৩৭৫ || ✓
|-
| 3 || [[ওয়েন্ডি বোম্যান]] || ১৫১ || ✕
|-
| 4 || [[যুদ্ধাপরাধ]] || ৪,৬৭৯ || ✕
|-
| 5 || [[রুবি]] || ৩৬৩ || ✓
|-
| 6 || [[রিতা এনজেলু]] || ১৫৯ || ✓
|-
| 7 || [[বমি]] || ২০৪ || ✓
|-
| 8 || [[পার্ল]] || ৬৯০ || ✕
|-
| 9 || [[পাইথন]] || ১৩৯ || ✓
|-
| 10 || [[উইকিলিকস]] || ১,৬৩১ || ✕
|-
| 11 || [[জনস্টন ম্যাককালি]] || ৩১১ || ✕
|-
| 12 || [[যুগোস্লাভিয়া]] || ৪,১৩৬ || ✓
|-
| 13 || [[অংশুমান কর]] || ২০৯ || ✓
|-
| 14 || [[কেমব্রিজ গান]] || ৩০৫ || ✕
|-
| 15 || [[হেলেনীয় শিক্ষা]] || ৫০২ || ✓
|-
| 16 || [[টমাস হলি চিভার্স]] || ২৩৫ || ✓
|-
| 17 || [[মুহাম্মদ মাহদি আল-জাওয়াহিরি]] || ৬৩৮ || ✓
|-
| 18 || [[জেডি স্মিথ]] || ১,০৮০ || ✓
|-
| 19 || [[ব্রায়ান পি. শ্মিট]] || ৪৬০ || ✓
|-
| 20 || [[কার্ল বার্নস্টিন]] || ৩৬৮ || ✓
|-
| 21 || [[চার্লস ফেফারম্যান]] || ৩৩৯ || ✓
|-
| 22 || [[ইয়ুস্টুস ফন লিবিগ]] || ৩৩২ || ✓
|-
| 23 || [[টমাস শেলিংস]] || ৬৭৪ || ✓
|-
| 24 || [[উইলিয়াম শকলি]] || ৩৯১ || ✓
|-
| 25 || [[শিং-শেন চের্ন]] || ৭৬৫ || ✕
|-
| 26 || [[হুগো দ্য ভ্রিস]] || ৩৪৪ || ✓
|-
| 27 || [[রবার্ট অ্যান্ড্রুজ মিলিকান]] || ৪৩৬ || ✓
|-
| 28 || [[জেমস ভ্যান অ্যালেন]] || ৫৯৬ || ✓
|-
| 29 || [[জাক শিরাক]] || ৭১১ || ✓
|-
| 30 || [[ডরোথি হজকিন]] || ২৯৪ || ✓
|-
| 31 || [[গোরান পারসন]] || ৩২৬ || ✓
|-
| 32 || [[জেরার দ্যব্রু]] || ১৮৬ || ✓
|-
| 33 || [[কোরীয় যুদ্ধ]] || ৯,৯৬৫ || ✕
|-
| 34 || [[রবার্ট জে. শিলার]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 35 || [[ফ্রঁসোয়া আরাগন]] || ৪৩৫ || ✓
|-
| 36 || [[অখিলচন্দ্র দত্ত]] || ৩৭৩ || ✕
|-
| 37 || [[ফ্রান্সিস কলিন্স]] || ৫৮৮ || ✓
|-
| 38 || [[হেলেন ক্লার্ক]] || ৩৭৪ || ✓
|-
| 39 || [[লেয়োঁ ফুকো]] || ৫৩২ || ✓
|-
| 40 || [[জন চার্লস পোলানি]] || ৩৭৪ || ✓
|-
| 41 || [[জন মেইনার্ড কেইনস]] || ১৭,৭৯১ || ✕
|-
| 42 || [[দিমিত্রি মুরাতভ]] || ৬৩৬ || ✓
|-
| 43 || [[আবদুস সালাম]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 44 || [[আবদুলরাজাক গুরনাহ]] || ৭৪৯ || ✓
|-
| 45 || [[এ. সি. বেনসন]] || ৩৮৩ || ✓
|-
| 46 || [[প্রথম আলবার্ট]] || ৮৬৪ || ✓
|-
| 47 || [[অম্লান দত্ত]] || ১৪৬ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৪৭
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১৯,৩৪৬
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৫৬,৫৮১
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৩৭,২৩৫
|}
=== [[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন| মোহাম্মদ জনি হোসেন]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ইয়ান মার্টেল]] || ১,১৩৩ || ✕
|-
| 2 || [[ইয়োইচিরো নাম্বু]] || ৪৩১ || ✕
|-
| 3 || [[সৈয়দ জামিল আহমেদ]] || ২০৩ || ✓
|-
| 4 || [[পূর্ণিমা]] || ১৯২ || ✓
|-
| 5 || [[শরিফুল রাজ]] || ১৮৬ || ✓
|-
| 6 || [[কাজী হায়াৎ]] || ২৭৪ || ✓
|-
| 7 || [[আরেফিন রুমি]] || ১৬২ || ✓
|-
| 8 || [[ইমাম নাসাই]] || ৬৯৭ || ✕
|-
| 9 || [[কবরী]] || ২৭১ || ✓
|-
| 10 || [[হাফিজ উদ্দিন আহমদ]] || ২৩৬ || ✓
|-
| 11 || [[আ ন ম এহসানুল হক মিলন]] || ৩৪০ || ✓
|-
| 12 || [[আন্দালিব রহমান পার্থ]] || ২৯৭ || ✓
|-
| 13 || [[ববি হাজ্জাজ]] || ২৫৩ || ✓
|-
| 14 || [[ইবনে মাজাহ]] || ৩৩৬ || ✓
|-
| 15 || [[হাবিব ওয়াহিদ]] || ২৬৪ || ✓
|-
| 16 || [[জাইমা রহমান]] || ২১২ || ✓
|-
| 17 || [[কনকচাঁপা]] || ২২৮ || ✓
|-
| 18 || [[আহসান হাবীব]] || ২১৯ || ✓
|-
| 19 || [[বেলাল খান]] || ২১৯ || ✓
|-
| 20 || [[নচিকেতা চক্রবর্তী]] || ২৮৯ || ✓
|-
| 21 || [[আ ফ ম খালিদ হোসেন]] || ২৪৮ || ✓
|-
| 22 || [[আলমগীর]] || ৪০৬ || ✓
|-
| 23 || [[সালাহউদ্দিন আহমেদ]] || ৪৫৯ || ✓
|-
| 24 || [[চোং নানশান]] || ১৭৮ || ✓
|-
| 25 || [[এ. সি. ব্র্যাডলি]] || ৩৯০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২৫
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৫,৪৭২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৮,১২৩
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২,৬৫১
|}
=== [[ব্যবহারকারী:JIBON| JIBON]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[আলবার্ট হফমান]] || ৩,৪৪৪ || ✓
|-
| 2 || [[অ্যালান পারলিস]] || ৯২৮ || ✓
|-
| 3 || [[হেইনরিখ রোরার]] || ৩৬০ || ✓
|-
| 4 || [[আলফ্রেড আহো]] || ১৪৪ || ✕
|-
| 5 || [[উ থান্ট]] || ৬৭৮ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৫
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৪,৭৩২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৫,৫৫৪
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৮২২
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Md. Muqtadir Fuad| Md. Muqtadir Fuad]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[লোরঁ শোয়ার্তজ]] || ৬১০ || ✓
|-
| 2 || [[উইলিয়াম শার্প]] || ৩৯৯ || ✓
|-
| 3 || [[পাউল এরেনফেস্ট]] || ৪৩৩ || ✓
|-
| 4 || [[রবার্ট মান্ডেল]] || ৩২২ || ✓
|-
| 5 || [[হান কাং]] || ৬৬৬ || ✓
|-
| 6 || [[ক্রিপটিক ফেইট]] || ১৭৬ || ✓
|-
| 7 || [[কাকাবাবু]] || ২৫৮ || ✓
|-
| 8 || [[ক্যারি মুলিস]] || ৪০৩ || ✓
|-
| 9 || [[টোমাস ট্রান্সট্রোমার]] || ২৯৯ || ✓
|-
| 10 || [[ইরিনা বোকোভা]] || ২৬৮ || ✓
|-
| 11 || [[মার্টিনুস ভেল্টম্যান]] || ১৯৫ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৪,০২৯
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৪,০২৯
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Humaira.thithi| Humaira.thithi]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ড্যামন গ্যালগুট]] || ৪৮২ || ✓
|-
| 2 || [[আর্থার কর্নবার্গ]] || ১৭৭ || ✕
|-
| 3 || [[বেন ওক্রি]] || ৮৫৮ || ✓
|-
| 4 || [[সল বেলো]] || ১,০০৩ || ✓
|-
| 5 || [[সল পার্লমাটার]] || ৩১১ || ✕
|-
| 6 || [[সিমেওঁ দ্যনি পোয়াসোঁ]] || ১৬০ || ✓
|-
| 7 || [[স্টিভ আরউইন]] || ৪৩৫ || ✕
|-
| 8 || [[আনি এরনো]] || ২৮৪ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৮
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ২,৭৮৭
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩,৭১০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৯২৩
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Amirhusenjihed| Amirhusenjihed]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ফজল শাহাবুদ্দীন]] || ৪৯৫ || ✕
|-
| 2 || [[আল-জাহিজ]] || ৭৩৩ || ✓
|-
| 3 || [[আল-বিরুনি]] || ১,৮৩৬ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৩
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ২,৫৬৯
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩,০৬৪
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৪৯৫
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Asikur Rahman| Asikur Rahman]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[থমাস হ্যারিয়ট]] || ৪৩২ || ✓
|-
| 2 || [[স্টিভেন চু]] || ২২০ || ✓
|-
| 3 || [[ইভাঞ্জেলিস্টা টরিসেলি]] || ৩৭২ || ✓
|-
| 4 || [[লেসলি ল্যামপোর্ট]] || ৫৫০ || ✓
|-
| 5 || [[মার্টিন লুইস পার্ল]] || ৩৮৮ || ✓
|-
| 6 || [[ভ্লাদিমির মার্কভনিকভ]] || ২৬৭ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৬
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ২,২২৯
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২,২২৯
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Rasel Mehedi| Rasel Mehedi]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[বাপ্পী লাহিড়ী]] || ২৫২ || ✓
|-
| 2 || [[নুহাশ হুমায়ূন]] || ২০৫ || ✓
|-
| 3 || [[আনিসুল হক]] || ২৪৬ || ✕
|-
| 4 || [[বাবর আলী]] || ৩০৯ || ✓
|-
| 5 || [[মেহের আফরোজ শাওন]] || ৩১৯ || ✓
|-
| 6 || [[ফেলুদা]] || ২৪৬ || ✓
|-
| 7 || [[ব্যোমকেশ বক্সী]] || ১৭৮ || ✓
|-
| 8 || [[প্রোফেসর শঙ্কু]] || ২৬৯ || ✓
|-
| 9 || [[বারী সিদ্দিকী]] || ২৪২ || ✓
|-
| 10 || [[সমরেশ বসু]] || ২০২ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১০
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ২,২২২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২,৪৬৮
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২৪৬
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Mahiya50| Mahiya50]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[লিয়ন কুপার]] || ৩২৩ || ✓
|-
| 2 || [[কামিলা শামসি]] || ২০৪ || ✓
|-
| 3 || [[ক্রিস্টোফার রেন]] || ৩৭৪ || ✓
|-
| 4 || [[জিওফ্রে হিন্টন]] || ৩২২ || ✓
|-
| 5 || [[ফ্রিডতিয়ফ নানসেন]] || ১৯১ || ✓
|-
| 6 || [[আলাঁ আস্পে]] || ৭৭৬ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৬
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ২,১৯০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২,১৯০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Borhan| Borhan]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ক্যারিল ফিলিপস]] || ২৮৪ || ✓
|-
| 2 || [[জেমস কুক]] || ৩৯৭ || ✓
|-
| 3 || [[ক্লাউদিয়া শেইনবাউম]] || ৩২১ || ✓
|-
| 4 || [[আবি আহমেদ]] || ২৫৫ || ✓
|-
| 5 || [[পিটার আগ্রি]] || ১৯০ || ✓
|-
| 6 || [[ফখরুদ্দীন আল-রাযী]] || ২১৫ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৬
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১,৬৬২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১,৬৬২
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Raihanur| Raihanur]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[শি চিনফিং]] || ৪,১৩২ || ✕
|-
| 2 || [[ইব্রাহিম ত্রাওরে]] || ৭৫৪ || ✓
|-
| 3 || [[পেদ্রো সানচেজ]] || ২৯৯ || ✓
|-
| 4 || [[অ্যাডাম রিস]] || ৪৮৯ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৪
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১,৫৪২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৫,৬৭৪
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৪,১৩২
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Muhammad Fahim Faisal| Muhammad Fahim Faisal]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[আব্দুল হান্নান আবকারী]] || ০ || ✕
|-
| 2 || [[ইবরাহীম আলী তশনা]] || ২৪৭ || ✓
|-
| 3 || [[রুহুল আমিন বসিরহাটি]] || ৩৬৩ || ✓
|-
| 4 || [[মুহাম্মদুল্লাহ হাফেজ্জী]] || ৩৪২ || ✓
|-
| 5 || [[শামছুল হুদা]] || ০ || ✕
|-
| 6 || [[শামছুল হক ফরিদপুরী]] || ৫৪৬ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৬
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১,৪৯৮
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১,৪৯৮
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Firuz Ahmmed| Firuz Ahmmed]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[গর্ডন মুর]] || ৫৮৭ || ✓
|-
| 2 || [[শিরিন এবাদি]] || ৫৪৩ || ✕
|-
| 3 || [[নাগিব মাহফুজ]] || ৫৩০ || ✓
|-
| 4 || [[আল-ফারাবি]] || ৫৩৭ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৪
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১,১১৭
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২,১৯৭
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ১,০৮০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:নিয়াজ ইসলাম| নিয়াজ ইসলাম]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[চাষী নজরুল ইসলাম]] || ৪৪৬ || ✓
|-
| 2 || [[বাপ্পা মজুমদার]] || ৩১০ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৭৫৬
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৭৫৬
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Asad.fr| Asad.fr]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[রবার্ট ক্লাইভ]] || ২,০০২ || ✕
|-
| 2 || [[পার্ল এস. বাক]] || ৯৩৩ || ✕
|-
| 3 || [[জন বারডিন]] || ৩৬৪ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৩
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৩৬৪
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩,২৯৯
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২,৯৩৫
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin| Mehedi Abedin]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[তাসমিয়া প্রধান]] || ৩৫২ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৩৫২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩৫২
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Md. Rayan Alam Rifat| Md. Rayan Alam Rifat]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[আজিজুল হক]] || ১৮০ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১৮০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১৮০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Siyan BD| Siyan BD]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[আবদুস সালাম]] || ১০০ || ✕
|-
| 2 || [[আবদুল গফুর]] || ১০১ || ✕
|-
| 3 || [[আবদুল জব্বার]] || ১৬১ || ✓
|-
| 4 || [[আবদুল জব্বার]] || ৯২ || ✕
|-
| 5 || [[আবদুল জব্বার]] || ১৩৩ || ✕
|-
| 6 || [[অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ১৩৪ || ✕
|-
| 7 || [[অনিমেষ রায়]] || ১২৬ || ✕
|-
| 8 || [[অনির্বাণ বসু]] || ১২০ || ✕
|-
| 9 || [[অজয় ঘটক]] || ১১৪ || ✕
|-
| 10 || [[অচলা মল্লিক]] || ১৫৪ || ✕
|-
| 11 || [[অজয় হোম]] || ১৫৯ || ✕
|-
| 12 || [[অমিতা বসু]] || ১৪২ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১২
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১৬১
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১,৫৩৬
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ১,৩৭৫
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Dewan mahbubr Rahman| Dewan mahbubr Rahman]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ভেরা রুবিন]] || ৩৫০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩৫০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৩৫০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:ExceptionistSagar| ExceptionistSagar]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মেরি কুরি]] || ১৭৯ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১৭৯
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ১৭৯
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Kh. Fahim| Kh. Fahim]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মিসির আলি]] || ৪০৬ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৪০৬
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৪০৬
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Trisha Mazumder| Trisha Mazumder]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[আস্ট্রোনমি]] || ০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:MdMarufHossen71| MdMarufHossen71]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মমতাজ বেগম]] || ৩৫৫ || ✕
|-
| 2 || [[আবুল বরকত]] || ১৪৩ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৪৯৮
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৪৯৮
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Usarker| Usarker]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মেরি স্টোপস]] || ৫০৫ || ✕
|-
| 2 || [[ইয়োন ফসে]] || ৩৯৩ || ✕
|-
| 3 || [[জুনো দিয়াজ]] || ৫৪০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৩
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১,৪৩৮
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ১,৪৩৮
|}
=== [[ব্যবহারকারী:রাকিবুল হাসান রাসেল| রাকিবুল হাসান রাসেল]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[পারভীন এতেসামি]] || ০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:MD RADWAN ISLAM| MD RADWAN ISLAM]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[চুয়াং জি]] || ২৭৪ || ✕
|-
| 2 || [[ফকির শাহাবুদ্দীন]] || ০ || ✕
|-
| 3 || [[আবু বকর সিদ্দিকী]] || ০ || ✕
|-
| 4 || [[বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট]] || ০ || ✕
|-
| 5 || [[বাংলাদেশের কৃষি প্রযুক্তি]] || ০ || ✕
|-
| 6 || [[হাসিবুন নাহের]] || ০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৬
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২৭৪
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২৭৪
|}
=== [[ব্যবহারকারী:AKM Mahinur Rahman| AKM Mahinur Rahman]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মেরি উলস্টোনক্রাফ্ট]] || ২১৩ || ✕
|-
| 2 || [[বালতাসার গ্রাসিয়ান]] || ২০৬ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৪১৯
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৪১৯
|}
=== [[ব্যবহারকারী:MD RADWAN ISLAM ROHAN| MD RADWAN ISLAM ROHAN]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[জুলাই আন্দোলন]] || ৬১৫ || ✕
|-
| 2 || [[বিকাশ]] || ০ || ✕
|-
| 3 || [[নতুন প্রযুক্তি]] || ০ || ✕
|-
| 4 || [[বাংলাদেশের রিয়েল এস্টেট শিল্প: বর্তমান প্রেক্ষাপট ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা]] || ০ || ✕
|-
| 5 || [[জলবায়ু পরিবর্তন ও বাংলাদেশের পরিবেশ]] || ০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৫
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৬১৫
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৬১৫
|}
=== [[ব্যবহারকারী:ShahinurWrites| ShahinurWrites]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মোহাম্মদ শেখ শাহিনুর রহমান]] || ০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Abdullah Al Shishir| Abdullah Al Shishir]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[অপ্রত্যাশিত জীবনযাত্রা]] || ০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:চ্যাম্পিয়ন স্টার ১| চ্যাম্পিয়ন স্টার ১]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[অপর্ণা সেন]] || ৩১২ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩১২
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৩১২
|}
==শব্দসংখ্যা অনুযায়ী নিবন্ধ তালিকা==
{| class="wikitable sortable mw-collapsible mw-collapsed"
|+ class="nowrap" | শব্দসংখ্যা অনুযায়ী নিবন্ধ তালিকা
! ক্রমিক !! নিবন্ধ !! শব্দ সংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্পর্কে উক্তি]] || ৩৯,৩০৩ || ✓
|-
| 2 || [[স্ট্যানলি বল্ডউইন]] || ৩৪,১৩১ || ✓
|-
| 3 || [[খ্রিস্টের অনৈতিহাসিকতা তত্ত্ব]] || ২৮,৭০৭ || ✓
|-
| 4 || [[বেঞ্জামিন ডিসরাইলি]] || ২৯,৪৭৯ || ✓
|-
| 5 || [[রবার্ট জি. ইঙ্গারসোল]] || ৩০,০৯০ || ✓
|-
| 6 || [[রন পল]] || ২৪,৯২৮ || ✓
|-
| 7 || [[ক্যালকুলাসের ইতিহাস]] || ১৯,১৯৫ || ✓
|-
| 8 || [[অ্যানোরেক্সিয়া নার্ভোসা]] || ২৩,১০০ || ✓
|-
| 9 || [[ডোয়াইট ডি আইজেনহাওয়ার]] || ২১,০২৬ || ✓
|-
| 10 || [[স্টিফেন জে গুল্ড]] || ২২,১৫০ || ✓
|-
| 11 || [[এআর-১৫ স্টাইল রাইফেল]] || ১৮,৯০১ || ✓
|-
| 12 || [[শেরি এস. টেপার]] || ২৪,৯৯৯ || ✓
|-
| 13 || [[আউরেলিয়ুস আউগুস্তিনুস]] || ১৯,৩৪৬ || ✓
|-
| 14 || [[ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতিত্ব]] || ৪৬,৮৯৯ || ✓
|-
| 15 || [[নবায়নযোগ্য শক্তি]] || ১২,৬১০ || ✓
|-
| 16 || [[নাডিন গর্ডিমার]] || ১,৩৭২ || ✓
|-
| 17 || [[মারে গেল-মান]] || ১,৩২৮ || ✓
|-
| 18 || [[নার্গিস মোহাম্মাদি]] || ১,৭৫৫ || ✓
|-
| 19 || [[সাদি কার্নো]] || ৫,২৫৬ || ✓
|-
| 20 || [[জে. হাওয়ার্ড মুর]] || ২৪,১৯৫ || ✓
|-
| 21 || [[ভারতে পোশাক]] || ২,২৮৯ || ✓
|-
| 22 || [[ভারতের ভাষা]] || ৬৯৫ || ✓
|-
| 23 || [[মধ্যযুগীয় ভারত]] || ১,৭১৭ || ✓
|-
| 24 || [[ভারতে ইহুদিদের ইতিহাস]] || ২,০৪৬ || ✓
|-
| 25 || [[ভারতে সুফিবাদ]] || ৩,২০৭ || ✓
|-
| 26 || [[পর্তুগিজ ভারত]] || ১,৬৪৩ || ✓
|-
| 27 || [[ভারতের প্রাণী]] || ৩০৫ || ✓
|-
| 28 || [[স্বাধীনতা দিবস]] || ৩৭৫ || ✓
|-
| 29 || [[ভারতে দুর্ভিক্ষ]] || ৩,৭৮১ || ✓
|-
| 30 || [[ভারতে ধর্মহীনতা]] || ২,৩৮৯ || ✓
|-
| 31 || [[ওয়ারেন ফ্যারেল]] || ২১,০৭৮ || ✓
|-
| 32 || [[আর্নেস্ট বেকার]] || ১৩,৫৯৭ || ✓
|-
| 33 || [[অতিপ্রজতা]] || ২৯,৫০১ || ✓
|-
| 34 || [[মোপলা বিদ্রোহ]] || ১৪,৫১২ || ✓
|-
| 35 || [[সীতা রাম গোয়েল]] || ১,৫৯৬ || ✓
|-
| 36 || [[অরুণ শৌরি]] || ১৫,৪৫০ || ✓
|-
| 37 || [[ভারতের ইতিহাস লিখন]] || ১৭,৯১৮ || ✓
|-
| 38 || [[দ্রৌপদী]] || ৬,১৬৪ || ✓
|-
| 39 || [[দ্য হিস্ট্রি অফ ইন্ডিয়া, অ্যাজ টোল্ড বাই ইটস ওন হিস্টোরিয়ানস]] || ২,৬৮৫ || ✕
|-
| 40 || [[রামায়ণ]] || ১,৩০০ || ✓
|-
| 41 || [[ভারতে শিক্ষা]] || ১০,৫৮০ || ✓
|-
| 42 || [[ভারতে নারী]] || ৬,১৫০ || ✓
|-
| 43 || [[বন্যপ্রাণীর কষ্ট]] || ৩৩,৭৪১ || ✓
|-
| 44 || [[নিরামিষবাদ]] || ৩০,৬২৭ || ✓
|-
| 45 || [[ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম রাষ্ট্রপতিত্ব]] || ৩৭,৫৭২ || ✓
|-
| 46 || [[নির্বাচন]] || ৭,০২৫ || ✓
|-
| 47 || [[সরকার]] || ২২,৭৫৯ || ✓
|-
| 48 || [[মহুয়া মৈত্র]] || ৬৫০ || ✓
|-
| 49 || [[হেনরি হোম, লর্ড কেইমস]] || ১,২৯৬ || ✓
|-
| 50 || [[লেটি কটিন পোগ্রেবিন]] || ৩৭০ || ✓
|-
| 51 || [[মার্জ পিয়ার্সি]] || ৬,৭৯০ || ✓
|-
| 52 || [[এলেন ডুইবস]] || ৮০৪ || ✓
|-
| 53 || [[মেরেডিথ ট্যাক্স]] || ৪৯১ || ✓
|-
| 54 || [[মুলক রাজ আনন্দ]] || ২৩৫ || ✓
|-
| 55 || [[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ধর্ষণ]] || ১,৯২০ || ✓
|-
| 56 || [[সুসান ব্রাউনমিলার]] || ৯৯১ || ✓
|-
| 57 || [[রবিন মরগান]] || ১,২২১ || ✓
|-
| 58 || [[ভিভিয়ান গোর্নিক]] || ২,৬৯০ || ✓
|-
| 59 || [[ডরোথি রে হিলি]] || ২,৬৩৮ || ✕
|-
| 60 || [[ক্লডিয়া জোন্স]] || ১,২৯৯ || ✓
|-
| 61 || [[গের্ডা লার্নার]] || ৩,৪২৮ || ✓
|-
| 62 || [[এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন]] || ৯,৮০৪ || ✕
|-
| 63 || [[এলা রিভ ব্লুর]] || ১,৯১৭ || ✓
|-
| 64 || [[টমাস হিউজ]] || ৯৯৬ || ✓
|-
| 65 || [[মার্গারিট দুরাস]] || ৩৪৯ || ✓
|-
| 66 || [[বেন অ্যারোনোভিচ]] || ৮,৭৯৭ || ✓
|-
| 67 || [[গ্লেন কুক]] || ৯,৯৮৫ || ✓
|-
| 68 || [[আব্রাহাম কাহান]] || ২,১৩৩ || ✓
|-
| 69 || [[গ্রেস পেলি]] || ৮,১৬৪ || ✕
|-
| 70 || [[স্টিফেন ক্রেন]] || ১,৯৬৩ || ✕
|-
| 71 || [[জোসেফাইন হার্বস্ট]] || ৪২৭ || ✓
|-
| 72 || [[জর্জ গিসিং]] || ২,০০৫ || ✓
|-
| 73 || [[আনজিয়া ইয়েজিয়ারস্কা]] || ৩,২৬২ || ✕
|-
| 74 || [[মেরি অ্যান্টিন]] || ৪৯০ || ✓
|-
| 75 || [[জয়েস অ্যান্টলার]] || ৪২৯ || ✓
|-
| 76 || [[ক্যাথরিন ম্যাককিনন]] || ২,১৭৮ || ✓
|-
| 77 || [[বেটিনা আপথেকার]] || ১,০২০ || ✓
|-
| 78 || [[ক্যারি চ্যাপম্যান ক্যাট]] || ১,৬০৩ || ✓
|-
| 79 || [[জ্যানেট র্যাঙ্কিন]] || ৭২১ || ✓
|-
| 80 || [[ফ্রান্সেস উইলার্ড]] || ৯৪১ || ✕
|-
| 81 || [[অ্যালিস স্টোন ব্ল্যাকওয়েল]] || ৫৪০ || ✕
|-
| 82 || [[অ্যানা এলিজাবেথ ডিকিনসন]] || ৭৫১ || ✕
|-
| 83 || [[মেরি লিভারমোর]] || ২,৩০৭ || ✕
|-
| 84 || [[দাড়ি]] || ২৯৭ || ✓
|-
| 85 || [[স্যার হেনরি হোবার্ট, ১ম ব্যারোনেট]] || ৭৩৮ || ✓
|-
| 86 || [[হার্ডিঞ্জ স্ট্যানলি গিফার্ড, হালসবুরির ১ম আর্ল]] || ৪১৯ || ✓
|-
| 87 || [[এ. ভি. ডাইসি]] || ১,৩৮১ || ✕
|-
| 88 || [[আলফ্রেড ডেনিং, ব্যারন ডেনিং]] || ৩,৮৩২ || ✓
|-
| 89 || [[টমাস ডেনিসন]] || ৪০০ || ✓
|-
| 90 || [[স্যার ফ্রান্সিস বুলার, ১ম ব্যারোনেট]] || ৯৬২ || ✓
|-
| 91 || [[নিকোলাস ব্রাতজা]] || ২৬৪ || ✓
|-
| 92 || [[রবার্ট অ্যাটকিনস]] || ৩৩৩ || ✕
|-
| 93 || [[রিচার্ড পেপার আর্ডেন, ১ম ব্যারন অ্যালভানলি]] || ৩৫১ || ✓
|-
| 94 || [[এডওয়ার্ড হল অল্ডারসন]] || ৪৪৬ || ✓
|-
| 95 || [[অ্যামব্রোজ বিয়ার্স]] || ৫,৫৪১ || ✕
|-
| 96 || [[মেওয়াত]] || ৭১৮ || ✓
|-
| 97 || [[নানাবতী-মেহতা কমিশন]] || ২,৪৪৪ || ✓
|-
| 98 || [[ভারতে ঔষধ শিল্প]] || ১,৯২১ || ✓
|-
| 99 || [[পাঞ্জাব]] || ১,৪০৬ || ✓
|-
| 100 || [[রামনবমী]] || ৮৬২ || ✓
|-
| 101 || [[ভারতের শহরসমূহের নাম পরিবর্তন]] || ৪৪১ || ✓
|-
| 102 || [[নুপুর শর্মা]] || ৬০১ || ✓
|-
| 103 || [[রিপাবলিক টিভি]] || ৪৫৫ || ✓
|-
| 104 || [[রোহিলখণ্ড]] || ৪৪০ || ✓
|-
| 105 || [[রোহিলা]] || ৩৪০ || ✓
|-
| 106 || [[সৌরাষ্ট্র]] || ৬৫৪ || ✓
|-
| 107 || [[ভারতে তিন তালাক]] || ১,১৩৪ || ✓
|-
| 108 || [[ভারতের পবিত্র উপবন]] || ৫৭৫ || ✓
|-
| 109 || [[অভিন্ন দেওয়ানি বিধি]] || ৩,৭৩৭ || ✓
|-
| 110 || [[নবনীত আদিত্য ওয়াইবা]] || ১৯২ || ✓
|-
| 111 || [[ভারতে জল সরবরাহ ও স্যানিটেশন]] || ৭৪০ || ✓
|-
| 112 || [[জমিদার]] || ৩৮১ || ✕
|-
| 113 || [[নিখিল ভারত মুসলিম লীগ]] || ১,৭৩৭ || ✕
|-
| 114 || [[ফতোয়া]] || ৪৮৪ || ✓
|-
| 115 || [[দারা শিকোহ]] || ১,৪৩৫ || ✓
|-
| 116 || [[আমেরিকা নিপাত যাক]] || ৬৩৯ || ✓
|-
| 117 || [[মহা শয়তান]] || ৪১৪ || ✓
|-
| 118 || [[উলামা]] || ৩৪৫ || ✓
|-
| 119 || [[দক্ষিণ এশিয়ায় মুসলিম জাতীয়তাবাদ]] || ১,৫১৬ || ✓
|-
| 120 || [[পার্সি-মুসলিম দাঙ্গা]] || ৬৫৬ || ✓
|-
| 121 || [[ভারতে দাঙ্গা]] || ৬৭৪ || ✓
|-
| 122 || [[ভারতে পেগাসাস প্রকল্পের উদঘাটন]] || ৩৯০ || ✓
|-
| 123 || [[নেহরুবাদ]] || ৯৫২ || ✓
|-
| 124 || [[২জি স্পেকট্রাম মামলা]] || ৯৩৭ || ✓
|-
| 125 || [[রাহুল গান্ধী]] || ৪,০০৪ || ✓
|-
| 126 || [[আকবরউদ্দিন ওয়াইসি]] || ২৯৮ || ✓
|-
| 127 || [[ভারতের সাধারণ নির্বাচন, ২০২৪]] || ২,৫৭৭ || ✓
|-
| 128 || [[ভারতে ধর্মনিরপেক্ষতা]] || ২৩৪ || ✓
|-
| 129 || [[নাইলা আলি খান]] || ২০৪ || ✓
|-
| 130 || [[অরুণ জেটলি]] || ৪৮১ || ✓
|-
| 131 || [[সুকেতু মেহতা]] || ৩৮২ || ✓
|-
| 132 || [[রুক্মিণী মৈত্র]] || ৩৫৪ || ✓
|-
| 133 || [[মানব গুপ্ত]] || ৬৩৪ || ✕
|-
| 134 || [[মোহিনী মোহন ধর]] || ৫৮৫ || ✓
|-
| 135 || [[দিলীপ কুমার চক্রবর্তী]] || ২,৫৯৭ || ✓
|-
| 136 || [[রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ৩৮৩ || ✓
|-
| 137 || [[পিটার অ্যাক্রয়েড]] || ২৯৭ || ✓
|-
| 138 || [[হ্যারল্ড ব্লুম]] || ৫৯৩ || ✓
|-
| 139 || [[জেমস বসওয়েল]] || ১,১৪৯ || ✓
|-
| 140 || [[অলিভার গোল্ডস্মিথ]] || ৩,১৭৮ || ✓
|-
| 141 || [[হেনরি জাইলস]] || ৭৯২ || ✓
|-
| 142 || [[এডউইন হাবেল চ্যাপিন]] || ৭৭০ || ✓
|-
| 143 || [[অবমাননা]] || ৭৮৮ || ✓
|-
| 144 || [[আদালত অবমাননা]] || ৮২৯ || ✓
|-
| 145 || [[আইনপ্রণেতা]] || ৭৪৩ || ✓
|-
| 146 || [[লেই বারডুগো]] || ১২২ || ✓
|-
| 147 || [[উইলিয়াম ব্রেট, ১ম ভিসকাউন্ট এশার]] || ১,০২০ || ✓
|-
| 148 || [[হেনরি হকিন্স, ১ম ব্যারন ব্র্যাম্পটন]] || ৩০৩ || ✓
|-
| 149 || [[জুনিয়াস]] || ১,৪১২ || ✓
|-
| 150 || [[উইলিয়াম মারে, ম্যানসফিল্ডের ১ম আর্ল]] || ৬৪৩ || ✓
|-
| 151 || [[জোসেফ ইয়েটস]] || ৬৬৬ || ✓
|-
| 152 || [[স্যার জন বেইলি, ১ম ব্যারোনেট]] || ৯১৮ || ✓
|-
| 153 || [[হেনরি বিকারস্টথ, ১ম ব্যারন ল্যাংডেল]] || ৪১৫ || ✓
|-
| 154 || [[এডওয়ার্ড ল, ১ম ব্যারন এলেনবরো]] || ৬৭৪ || ✓
|-
| 155 || [[লয়েড কেনিয়ন, ১ম ব্যারন কেনিয়ন]] || ৪,৪০৮ || ✓
|-
| 156 || [[জন হোল্ট]] || ১,১৮৯ || ✓
|-
| 157 || [[চার্লস বোয়েন, ব্যারন বোয়েন]] || ১,০৩৭ || ✓
|-
| 158 || [[চার্লস অ্যাবট, ১ম ব্যারন টেন্টারডেন]] || ৩৪১ || ✓
|-
| 159 || [[ন্যায়বিচার প্রশাসন]] || ২,৮৯৯ || ✓
|-
| 160 || [[আদালত]] || ১,৮১৮ || ✕
|-
| 161 || [[রোজান এ. ব্রাউন]] || ৩৪১ || ✓
|-
| 162 || [[মারিয়ন জিমার ব্র্যাডলি]] || ১,১০৪ || ✓
|-
| 163 || [[টেরি ব্রুকস]] || ৪৮৫ || ✓
|-
| 164 || [[লেই ব্র্যাকেট]] || ১,১১২ || ✓
|-
| 165 || [[জ্যাক ক্যাডি]] || ১,৫৬৮ || ✓
|-
| 166 || [[মেল ব্রুকস]] || ২,০১৬ || ✕
|-
| 167 || [[মাইকেল বিশপ]] || ৯৯০ || ✓
|-
| 168 || [[এলিজাবেথ বেয়ার]] || ৭০৫ || ✓
|-
| 169 || [[মার্গারেট বল]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 170 || [[পাওলো বাসিগালুপি]] || ৬৪৭ || ✓
|-
| 171 || [[কেলি আর্মস্ট্রং]] || ৫৮৫ || ✓
|-
| 172 || [[ক্যাথরিন আসরো]] || ৩৬১ || ✓
|-
| 173 || [[পিয়ার্স অ্যান্থনি]] || ২২৯ || ✓
|-
| 174 || [[রবার্ট আইকম্যান]] || ২৬৮ || ✓
|-
| 175 || [[আইনজীবী]] || ২,৩২৯ || ✓
|-
| 176 || [[আইনসভা]] || ২,৩৪৩ || ✓
|-
| 177 || [[জর্জ বুশনার]] || ৬৬২ || ✓
|-
| 178 || [[জোসেফ গার্নি ক্যানন]] || ৭০৯ || ✓
|-
| 179 || [[সংখ্যাগরিষ্ঠ]] || ১,৩৫৬ || ✓
|-
| 180 || [[সংখ্যালঘু গোষ্ঠী]] || ১,৮৮১ || ✓
|-
| 181 || [[প্রাতিষ্ঠানিক আচরণ]] || ৬৫৬ || ✓
|-
| 182 || [[মানব আচরণ]] || ৮৫২ || ✓
|-
| 183 || [[হার্ভে ম্যানসফিল্ড]] || ৯৭৯ || ✓
|-
| 184 || [[রাষ্ট্রবিজ্ঞান]] || ১,১৩৯ || ✓
|-
| 185 || [[রাজনৈতিক দর্শন]] || ১,২৮৫ || ✓
|-
| 186 || [[দ্বিজেন্দ্র নারায়ণ ঝা]] || ১,০৮৭ || ✓
|-
| 187 || [[আগ্রাসন]] || ৯২০ || ✓
|-
| 188 || [[হিন্দুত্ব]] || ২,৭০০ || ✓
|-
| 189 || [[ফ্লাভিয়া অ্যাগনেস]] || ৬৮২ || ✓
|-
| 190 || [[লাভ জিহাদ ষড়যন্ত্র তত্ত্ব]] || ৩,১৫০ || ✓
|-
| 191 || [[মহাত্মা গান্ধীর হত্যাকাণ্ড]] || ১,৭৭৮ || ✓
|-
| 192 || [[যোগিন্দর সিকান্দ]] || ৮১৪ || ✓
|-
| 193 || [[ভারতে মুসলিমদের বিরুদ্ধে সহিংসতা]] || ৮৫১ || ✓
|-
| 194 || [[জয় শ্রীরাম]] || ৭০৮ || ✓
|-
| 195 || [[লালকৃষ্ণ আডবাণী]] || ১,৫৫৫ || ✓
|-
| 196 || [[রাম রথযাত্রা]] || ১,৫৭৯ || ✓
|-
| 197 || [[হিন্দু আমেরিকান ফাউন্ডেশন]] || ১,৪৫৫ || ✓
|-
| 198 || [[হর্ষ মান্দার]] || ৬৬০ || ✓
|-
| 199 || [[স্বপন দাশগুপ্ত]] || ১,১৬৭ || ✓
|-
| 200 || [[জরাথুস্ট্রবাদ]] || ৩৭৭ || ✓
|-
| 201 || [[পার্সি]] || ৩৯০ || ✓
|-
| 202 || [[নাগরিকত্ব]] || ১,৮৭৯ || ✓
|-
| 203 || [[ভারতের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৭০]] || ৬৭৯ || ✓
|-
| 204 || [[মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন, ১৯৩৯]] || ৭৬৯ || ✓
|-
| 205 || [[অবৈতনিক বাধ্যতামূলক শিশু শিক্ষার অধিকার আইন, ২০০৯]] || ৩৭৯ || ✓
|-
| 206 || [[বোম্বাই দাঙ্গা]] || ৭৭৬ || ✓
|-
| 207 || [[বজরং দল]] || ৩৩১ || ✓
|-
| 208 || [[সংসদীয় ব্যবস্থা]] || ৪০৫ || ✓
|-
| 209 || [[বিচার বিভাগীয় ব্যাখ্যা]] || ১,২৩২ || ✓
|-
| 210 || [[বর্ণবাদ পরবর্তী আমেরিকা]] || ১,০৬৯ || ✓
|-
| 211 || [[শ্বেতাঙ্গ বিশেষাধিকার]] || ৬২৮ || ✓
|-
| 212 || [[বিশেষাধিকার]] || ৭১২ || ✓
|-
| 213 || [[মানবহিতৈষণা]] || ২২৮ || ✓
|-
| 214 || [[ভারত সরকার]] || ১,২২০ || ✓
|-
| 215 || [[শিলং]] || ৯৭৩ || ✓
|-
| 216 || [[মাঝৌলি রাজ]] || ৫৬০ || ✓
|-
| 217 || [[কালিকট]] || ৪৫৪ || ✓
|-
| 218 || [[যাজপুর]] || ৪০৭ || ✓
|-
| 219 || [[কালিবাঙ্গান]] || ৭৩৮ || ✓
|-
| 220 || [[কাডাপা]] || ৪১৩ || ✓
|-
| 221 || [[ইদার]] || ৫৮৬ || ✓
|-
| 222 || [[গোধরা]] || ১,০১০ || ✓
|-
| 223 || [[ভুবনেশ্বর]] || ১,১৬৫ || ✓
|-
| 224 || [[অমৃতসর]] || ৮৬৮ || ✓
|-
| 225 || [[আম্বালা]] || ৪৬১ || ✓
|-
| 226 || [[হায়দ্রাবাদ]] || ৩,২৪৮ || ✓
|-
| 227 || [[২০১৯ হায়দ্রাবাদ গণধর্ষণ]] || ১৭৭ || ✓
|-
| 228 || [[মুহাম্মাদ বখতিয়ার খলজি]] || ৪২৩ || ✕
|-
| 229 || [[হায়দ্রাবাদ অধিগ্রহণ]] || ৪৫৬ || ✓
|-
| 230 || [[১৮৯৯-১৯০০ সালের ভারতীয় দুর্ভিক্ষ]] || ৫৪১ || ✓
|-
| 231 || [[১৯৯০ হায়দ্রাবাদ দাঙ্গা]] || ৪০৬ || ✓
|-
| 232 || [[গুয়াহাটি]] || ১,৭৯৬ || ✓
|-
| 233 || [[গৌড়]] || ১,৯৩৬ || ✓
|-
| 234 || [[বিজাপুর]] || ৬৬২ || ✓
|-
| 235 || [[মাণ্ডু]] || ৩৯৪ || ✓
|-
| 236 || [[খাজুরাহো]] || ৩৭১ || ✓
|-
| 237 || [[চান্দেরী]] || ৫০৭ || ✓
|-
| 238 || [[জুনাগড়]] || ৭১৯ || ✓
|-
| 239 || [[বৃহৎ কচ্ছের রাণ]] || ৫৮৪ || ✓
|-
| 240 || [[আহমেদাবাদ]] || ১,৮১২ || ✓
|-
| 241 || [[কচ্ছ জেলা]] || ৩২৬ || ✓
|-
| 242 || [[দৃশদ্বতী নদী]] || ১৮৬ || ✓
|-
| 243 || [[চেনাব নদী]] || ৩২১ || ✓
|-
| 244 || [[পশ্চিমবঙ্গে ধর্ম]] || ১,২৩২ || ✓
|-
| 245 || [[মুর্শিদাবাদ সহিংসতা]] || ২৫৭ || ✓
|-
| 246 || [[২০২৪ সন্দেশখালী সহিংসতা]] || ১,০৬১ || ✓
|-
| 247 || [[২০২২ বীরভূম সহিংসতা]] || ৫১৪ || ✓
|-
| 248 || [[মৈতৈ জাতি]] || ৬৪০ || ✓
|-
| 249 || [[মৈতৈ সভ্যতা]] || ৩৫০ || ✓
|-
| 250 || [[মণিপুর]] || ৩০৬ || ✓
|-
| 251 || [[লাক্ষাদ্বীপ]] || ৩২৯ || ✓
|-
| 252 || [[বৃন্দাবন]] || ৬৮২ || ✕
|-
| 253 || [[সম্ভল]] || ২৪৩ || ✓
|-
| 254 || [[এলাহাবাদ]] || ৩৫৭ || ✓
|-
| 255 || [[আলিগড়]] || ৪০৯ || ✓
|-
| 256 || [[স্ট্যাচু অব ইউনিটি]] || ২৪১ || ✓
|-
| 257 || [[ভারতের দুর্গ]] || ৩১৪ || ✓
|-
| 258 || [[দ্য দুন স্কুল]] || ৬৬৪ || ✓
|-
| 259 || [[কাশী হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়]] || ৩৪৫ || ✓
|-
| 260 || [[আগ্রা]] || ৭১৮ || ✓
|-
| 261 || [[২০২০ দিল্লি দাঙ্গা]] || ১,১৭৮ || ✓
|-
| 262 || [[তিরুচিরাপল্লী]] || ৬২৬ || ✓
|-
| 263 || [[সেন্ট থমাস ক্যাথেড্রাল ব্যাসিলিকা, চেন্নাই]] || ৩৮০ || ✕
|-
| 264 || [[আতঙ্ক]] || ৪৭৮ || ✕
|-
| 265 || [[ভারতে দুর্নীতি]] || ১,০০৭ || ✓
|-
| 266 || [[তামিলনাড়ুর মন্দির]] || ৯১৮ || ✓
|-
| 267 || [[এম. কে. স্ট্যালিন]] || ৩৩২ || ✓
|-
| 268 || [[তামিলনাড়ু]] || ৫৪৩ || ✓
|-
| 269 || [[তামিলনাড়ুর হিন্দি বিরোধী আন্দোলন]] || ৪৬৫ || ✓
|-
| 270 || [[যোধপুর]] || ৬২৮ || ✓
|-
| 271 || [[রাজস্থান]] || ২৯৪ || ✓
|-
| 272 || [[ওড়িশা]] || ৭৪৫ || ✓
|-
| 273 || [[১৯৯৮ কোয়েম্বাটুর বোমা হামলা]] || ৫৩৭ || ✓
|-
| 274 || [[উত্তর-পূর্ব ভারতে বিদ্রোহ]] || ৩৯৮ || ✓
|-
| 275 || [[মারাদ হত্যাকাণ্ড]] || ৩৫২ || ✓
|-
| 276 || [[মক্কা মসজিদ বিস্ফোরণ]] || ৫৮৪ || ✓
|-
| 277 || [[স্টুডেন্টস ইসলামিক মুভমেন্ট অব ইন্ডিয়া]] || ৩৫৭ || ✓
|-
| 278 || [[বিষ্ণু]] || ৬১৭ || ✓
|-
| 279 || [[২০২৪ রিয়াসি হামলা]] || ৩০২ || ✓
|-
| 280 || [[২০০৬ মালেগাঁও বোমা হামলা]] || ৩৯১ || ✓
|-
| 281 || [[২০০৬ মুম্বই রেলে বোমা হামলা]] || ১৯০ || ✓
|-
| 282 || [[মুম্বই]] || ১,২২৪ || ✓
|-
| 283 || [[দৌলতাবাদ, মহারাষ্ট্র]] || ৮৮৯ || ✕
|-
| 284 || [[মহারাষ্ট্র]] || ৪৯৯ || ✓
|-
| 285 || [[পিনারাই বিজয়ন]] || ৫২৩ || ✓
|-
| 286 || [[আরব দেশ]] || ৯১৪ || ✓
|-
| 287 || [[দক্ষিণ এশিয়া]] || ৫৯৩ || ✓
|-
| 288 || [[শহুরে অবক্ষয়]] || ৩০৮ || ✓
|-
| 289 || [[নগরায়ন]] || ১,০৯৭ || ✓
|-
| 290 || [[কেরল]] || ৩৬৫ || ✓
|-
| 291 || [[জম্মু ও কাশ্মীরে বিদ্রোহ]] || ৪১৮ || ✓
|-
| 292 || [[জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহার]] || ৯৬৪ || ✓
|-
| 293 || [[শ্রীনগর]] || ১,৭২৯ || ✓
|-
| 294 || [[কাশ্মীর উপত্যকা]] || ২৮৪ || ✓
|-
| 295 || [[লাদাখ]] || ৬৯৪ || ✓
|-
| 296 || [[কাশ্মীরি জাতি]] || ৮১৩ || ✓
|-
| 297 || [[তারিখ-ই-কাশ্মীর]] || ৫১৪ || ✓
|-
| 298 || [[কর্ণাটক]] || ৬৮২ || ✓
|-
| 299 || [[কর্ণাটকের রাজনীতি]] || ৪৩৯ || ✓
|-
| 300 || [[বেঙ্গালুরু]] || ৬১৪ || ✓
|-
| 301 || [[আসামে ইসলাম]] || ৬৯০ || ✓
|-
| 302 || [[আসামের ইতিহাস]] || ৭২৬ || ✓
|-
| 303 || [[আসামে হিন্দুধর্ম]] || ৩২৫ || ✓
|-
| 304 || [[ভারতের জনমিতি]] || ৩,৩৭৩ || ✓
|-
| 305 || [[বাংলাদেশের জনমিতি]] || ১,১৯৫ || ✓
|-
| 306 || [[পাকিস্তানের জনমিতি]] || ৮৫০ || ✓
|-
| 307 || [[আসামের জনমিতি]] || ১৮২ || ✓
|-
| 308 || [[বিহার]] || ৪৫৮ || ✓
|-
| 309 || [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] || ১৮১ || ✓
|-
| 310 || [[শাহ বানু মামলা]] || ৮০০ || ✓
|-
| 311 || [[ইসরায়েল–ভারত সম্পর্ক]] || ৮৯৭ || ✓
|-
| 312 || [[প্রণব মুখোপাধ্যায়]] || ৫৯৫ || ✓
|-
| 313 || [[দ্রৌপদী মুর্মু]] || ২৪৯ || ✓
|-
| 314 || [[ফখরুদ্দিন আলি আহমেদ]] || ১,৬৪৭ || ✓
|-
| 315 || [[এলজিবিটিকিউ অধিকার বিরোধিতা]] || ২,০৪৯ || ✓
|-
| 316 || [[গেফোবিয়া]] || ২৭৮ || ✓
|-
| 317 || [[সমকামী যৌন চর্চা]] || ৪০৭ || ✓
|-
| 318 || [[উভকামিতা]] || ১,৫৬০ || ✓
|-
| 319 || [[কামিং আউট]] || ৮০৫ || ✓
|-
| 320 || [[স্মৃতি ইরানি]] || ৯৯১ || ✓
|-
| 321 || [[মেনকা গান্ধী]] || ১,২৩০ || ✓
|-
| 322 || [[যশবন্ত সিং]] || ২০৬ || ✓
|-
| 323 || [[সৈয়দ শাহাবুদ্দিন]] || ৫৭৯ || ✓
|-
| 324 || [[শাকিল আহমদ]] || ১২৪ || ✓
|-
| 325 || [[তথাগত রায়]] || ২৭৫ || ✓
|-
| 326 || [[লালুপ্রসাদ যাদব]] || ১,১০৯ || ✓
|-
| 327 || [[আসাদউদ্দিন ওয়াইসি]] || ৫০২ || ✓
|-
| 328 || [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনী]] || ১৯,১০০ || ✕
|-
| 329 || [[ভাকলাভ হাভেল]] || ৯,৩৫৭ || ✓
|-
| 330 || [[নরউইচের জুলিয়ান]] || ৩১,৬৩৩ || ✓
|-
| 331 || [[রামসে ম্যাকডোনাল্ড]] || ৯,৬২২ || ✓
|-
| 332 || [[জন মুয়ির]] || ৮,০৬১ || ✓
|-
| 333 || [[মার্গারেট অ্যাটউড]] || ৬,৩২৮ || ✓
|-
| 334 || [[পেত্র ক্রাপোতকিন]] || ১০,৮১৬ || ✓
|-
| 335 || [[টমাস হেনরি হাক্সলি]] || ৮,৫০৩ || ✓
|-
| 336 || [[উইলিয়াম বাটলার ইয়েটস]] || ৭,২১০ || ✓
|-
| 337 || [[উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস]] || ৪,২৬০ || ✓
|-
| 338 || [[তাওয়াক্কোল কারমান]] || ৪,০৯৭ || ✓
|-
| 339 || [[র্যাচেল কারসন]] || ৪,৭৬৭ || ✓
|-
| 340 || [[আর্নেস্ট হেমিংওয়ে]] || ১৪,৯০৭ || ✓
|-
| 341 || [[আর্থার এডিংটন]] || ৫,৬৩৭ || ✓
|-
| 342 || [[এরিক হবসবাউম]] || ৫,৮৭৩ || ✓
|-
| 343 || [[টনি মরিসন]] || ১০,৩৮৩ || ✓
|-
| 344 || [[টনি বেন]] || ১০,৩৯৯ || ✓
|-
| 345 || [[নরম্যান মেইলার]] || ৬,৬০৬ || ✓
|-
| 346 || [[পল স্যামুয়েলসন]] || ৬,৮৫১ || ✓
|-
| 347 || [[এইচ. পি. লাভক্র্যাফট]] || ২৫,৪৭২ || ✓
|-
| 348 || [[ব্লেজ পাসকাল]] || ৩,০৫১ || ✓
|-
| 349 || [[চিনুয়া আচেবে]] || ৬,০৪২ || ✓
|-
| 350 || [[ডরিস লেসিং]] || ৪,৬২১ || ✓
|-
| 351 || [[ফেদেরিকো ফাগিন]] || ৬০০ || ✓
|-
| 352 || [[আলেকজান্ডার গ্রোথেনডিক]] || ১,২১১ || ✓
|-
| 353 || [[আঙ্গেলা ম্যার্কেল]] || ২,০২৯ || ✓
|-
| 354 || [[আনাক্সাগোরাস]] || ৩,৬৭১ || ✓
|-
| 355 || [[আমোস তভারস্কি]] || ৪৬১ || ✓
|-
| 356 || [[আলফ্রেড মার্শাল]] || ১,৩০৯ || ✓
|-
| 357 || [[আলবার্টাস ম্যাগনাস]] || ৩৮২ || ✓
|-
| 358 || [[অনিতা ব্রুকনার]] || ৪৭৪ || ✕
|-
| 359 || [[আলফ্রেড কিনসে]] || ১,০৩৩ || ✓
|-
| 360 || [[অ্যালান কে]] || ৯২৪ || ✓
|-
| 361 || [[আলেকজান্ডার ফ্লেমিং]] || ৩৩২ || ✓
|-
| 362 || [[ক্যারোলিন বার্তোজি]] || ৪১১ || ✓
|-
| 363 || [[আলফ্রেড রাসেল ওয়ালেস]] || ১,৬৫৯ || ✓
|-
| 364 || [[অঁতোয়ান লাভোয়াজিয়ে]] || ১,৪৩৬ || ✕
|-
| 365 || [[লিটিশা এলিজাবেথ ল্যান্ডন]] || ২৫,৯৭৯ || ✕
|-
| 366 || [[প্রজননবিরোধবাদ]] || ৩০,৯৪৮ || ✓
|-
| 367 || [[উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন]] || ২৮,৬১৯ || ✕
|-
| 368 || [[ক্রিস্টোফার হিচেন্স]] || ২৫,৯২২ || ✓
|-
| 369 || [[বলপূর্বক খাওয়ানো]] || ২২,৬২২ || ✓
|-
| 370 || [[জন স্টুয়ার্ট মিল]] || ২২,৭৮৩ || ✓
|-
| 371 || [[রবার্ট গ্যাসকয়েন-সিসিল, স্যালিসবারির ৩য় মার্কুইস]] || ২০,৮৯৮ || ✓
|-
| 372 || [[অ্যারন রা]] || ২১,৯৫৫ || ✓
|-
| 373 || [[ফায়ারপ্লেস]] || ২১,৪১৭ || ✓
|-
| 374 || [[জন হার্ভে কেলোগ]] || ৩০,৭৪৮ || ✓
|-
| 375 || [[ভ্রান্ত উদ্ধৃতি]] || ৯,৮৭১ || ✓
|-
| 376 || [[২০১১ ফিফা মহিলা বিশ্বকাপ]] || ৯৬৩ || ✓
|-
| 377 || [[তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] || ৩,১৭৯ || ✓
|-
| 378 || [[আফগান যুদ্ধ]] || ৪,৬২০ || ✓
|-
| 379 || [[ইউক্রেনে রুশ আক্রমণ]] || ১২,৩৮২ || ✓
|-
| 380 || [[ইরাক যুদ্ধ]] || ১২,৩৪৪ || ✓
|-
| 381 || [[যুক্তরাজ্যের তৃতীয় জর্জ]] || ১২,০৪২ || ✓
|-
| 382 || [[২০১০ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৮৮৩ || ✓
|-
| 383 || [[২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৩,৫১৪ || ✓
|-
| 384 || [[২০০২ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৬১১ || ✓
|-
| 385 || [[ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ]] || ১,৫৪২ || ✓
|-
| 386 || [[স্নায়ুযুদ্ধ]] || ১৫,৬১০ || ✓
|-
| 387 || [[দ্বিতীয় স্নায়ুযুদ্ধ]] || ৪,৬৬৮ || ✓
|-
| 388 || [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] || ২৪,১৭৭ || ✓
|-
| 389 || [[মহত্ত্ব]] || ৭,৮১৪ || ✓
|-
| 390 || [[সাংবাদিকতা]] || ১৩,৪৭৭ || ✓
|-
| 391 || [[প্যানডিজম]] || ১০,৩০০ || ✓
|-
| 392 || [[গাজা যুদ্ধ]] || ১৬,৯৮২ || ✓
|-
| 393 || [[২০২৬ ইরান যুদ্ধ]] || ৬,৯৫৯ || ✓
|-
| 394 || [[পারমাণবিক অস্ত্র]] || ৩,২৩৩ || ✓
|-
| 395 || [[২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৬৪৩ || ✓
|-
| 396 || [[ক্রুসেড]] || ৯৯৬ || ✓
|-
| 397 || [[অ্যানিমেশন]] || ৯,৪৫৭ || ✓
|-
| 398 || [[দক্ষিণ কোরিয়ার রাজনীতি]] || ৭৫৫ || ✓
|-
| 399 || [[ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ]] || ৩,৭৬২ || ✓
|-
| 400 || [[পারমাণবিক যুদ্ধ]] || ৫,৫২০ || ✓
|-
| 401 || [[আল খোয়ারিজমি]] || ১,২৩০ || ✓
|-
| 402 || [[ফজলে রাব্বী]] || ৬৩৫ || ✓
|-
| 403 || [[ডেভিড হিউম]] || ১১,৭৮০ || ✓
|-
| 404 || [[লিওনিদ ক্যান্টোরোভিচ]] || ১,৪২২ || ✓
|-
| 405 || [[থিওডোসিয়াস ডবঝানস্কি]] || ৭৬০ || ✕
|-
| 406 || [[টেরেন্স টাও]] || ৭২০ || ✓
|-
| 407 || [[ফিলিপ]] || ৪২৬ || ✓
|-
| 408 || [[জুলিয়ান শুইঙার]] || ১,৩২২ || ✕
|-
| 409 || [[পিয়ের-জিল দ্য জেন]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 410 || [[ব্রায়ান কক্স]] || ৭৫৬ || ✓
|-
| 411 || [[জন ম্যাককার্থি]] || ১,০৪৫ || ✓
|-
| 412 || [[লুই দ্য ব্রোয়ি]] || ৪৬০ || ✓
|-
| 413 || [[ফ্রঁসোয়া মিতেরঁ]] || ১,১৯৪ || ✕
|-
| 414 || [[ফ্লিন্ডার্স পেট্রি]] || ১,২০৪ || ✕
|-
| 415 || [[পল আর. এহর্লিচ]] || ১,৩০০ || ✓
|-
| 416 || [[মাইকেল আতিয়াহ]] || ৪২৩ || ✓
|-
| 417 || [[মার্টন মিলার]] || ৪৮২ || ✓
|-
| 418 || [[মেরি বিয়ার্ড]] || ৯১১ || ✓
|-
| 419 || [[মার্গারেট চ্যান]] || ৭০৪ || ✓
|-
| 420 || [[গেরহার্ড শ্রোডার]] || ২৬৯ || ✓
|-
| 421 || [[ফিলিপ ওয়ারেন অ্যান্ডারসন]] || ৭৯৯ || ✓
|-
| 422 || [[পিটার হিগস]] || ৪৭৪ || ✕
|-
| 423 || [[লিওনার্ড সাসকিন্ড]] || ৮২৫ || ✓
|-
| 424 || [[জন মেইনার্ড স্মিথ]] || ৬৪০ || ✓
|-
| 425 || [[জন জেমস অডুবন]] || ৮৩৭ || ✓
|-
| 426 || [[শেলডন লি গ্ল্যাশো]] || ৭৫১ || ✓
|-
| 427 || [[ভিক্টর উইসকফ]] || ৫১৯ || ✓
|-
| 428 || [[মার্টিন রিস]] || ৫৫১ || ✓
|-
| 429 || [[মার্ক ওলিফ্যান্ট]] || ৫৫৩ || ✓
|-
| 430 || [[ভিতালি গিঞ্জবার্গ]] || ৩০৮ || ✓
|-
| 431 || [[স্যালি রাইড]] || ৪২৫ || ✓
|-
| 432 || [[রবার্ট ফোগেল]] || ৪২৮ || ✓
|-
| 433 || [[রিঙ্গো স্টার]] || ৮৭০ || ✓
|-
| 434 || [[মাক্স ডেলব্রুক]] || ৫৭৫ || ✓
|-
| 435 || [[তৃতীয় লেওপোল্ড]] || ৮৩৭ || ✓
|-
| 436 || [[নরম্যান বোরল্যাগ]] || ৭০০ || ✓
|-
| 437 || [[নিকলাউস ভির্ট]] || ৪৭৯ || ✓
|-
| 438 || [[নিকোলাস স্টেনো]] || ২৯২ || ✓
|-
| 439 || [[নেভিল ফ্রান্সিস মট]] || ৫১১ || ✓
|-
| 440 || [[লুডউইক ফ্লেক]] || ৫১২ || ✓
|-
| 441 || [[কারেন উলেনবেক]] || ৩৯২ || ✓
|-
| 442 || [[ইয়োসেফ মেংগেলে]] || ৫৪৪ || ✓
|-
| 443 || [[কিরণ দেশাই]] || ২৬১ || ✓
|-
| 444 || [[কাতালিন কারিকো]] || ৩০৯ || ✓
|-
| 445 || [[ইয়োন্স ইয়াকব বের্সেলিয়ুস]] || ৫১৬ || ✓
|-
| 446 || [[হুয়ান মালদাসেনা]] || ৭৩২ || ✓
|-
| 447 || [[হাইনরিখ বোল]] || ৩০০ || ✓
|-
| 448 || [[ইনগ্রিড ডোবিচি]] || ৬৭১ || ✓
|-
| 449 || [[ইয়ান উইলমুট]] || ৪২৭ || ✓
|-
| 450 || [[হিউ এভারেট]] || ৬০০ || ✓
|-
| 451 || [[ফ্রঁসোয়া অংল্যার]] || ৫৩৩ || ✓
|-
| 452 || [[এমানুয়েল সোয়েডেনবার্গ]] || ১,৫২২ || ✓
|-
| 453 || [[এলিজাবেথ বিশপ]] || ৬৫২ || ✓
|-
| 454 || [[শেখ আন্তা দিওপ]] || ৩৩৫ || ✓
|-
| 455 || [[জর্জ গ্যামো]] || ১,৫২১ || ✓
|-
| 456 || [[হাইনরিখ হের্ত্স]] || ১,৭৪৪ || ✓
|-
| 457 || [[গ্রো হারলেম ব্রুন্ডটল্যান্ড]] || ৩১১ || ✓
|-
| 458 || [[জন সি. মাদার]] || ৪২৫ || ✓
|-
| 459 || [[জন ব্যাকাস]] || ৫৯৭ || ✓
|-
| 460 || [[এর্নস্ট মায়ার]] || ৭৫৪ || ✓
|-
| 461 || [[লিন মার্গুলিস]] || ১,৭১৮ || ✓
|-
| 462 || [[হ্যান্স বেটে]] || ৩৯৬ || ✓
|-
| 463 || [[লুই আগাসিজ]] || ৯৩৭ || ✓
|-
| 464 || [[জর্জ ক্যুভিয়ে]] || ৭৬৮ || ✓
|-
| 465 || [[ব্রাসেলস]] || ৯৬৭ || ✓
|-
| 466 || [[ড্যানিয়েল কানেমান]] || ২,৯৫৭ || ✕
|-
| 467 || [[ডোনাল্ড কানুথ]] || ১,৫৮২ || ✓
|-
| 468 || [[লেমাহ গবোউই]] || ১,১৫০ || ✓
|-
| 469 || [[গারট্রুড বি. এলিয়ন]] || ২৩৪ || ✓
|-
| 470 || [[ডোনা স্ট্রিকল্যান্ড]] || ৩৫৯ || ✓
|-
| 471 || [[এর্নস্ট মাখ]] || ২,০২৮ || ✕
|-
| 472 || [[ডোনাল্ড টাস্ক]] || ১,৭৭১ || ✓
|-
| 473 || [[অরবিন্দ আদিগা]] || ৮৬৬ || ✓
|-
| 474 || [[সি. এ. আর. হোর]] || ১,০৬১ || ✕
|-
| 475 || [[পল ডিরাক]] || ৪,৭০৯ || ✕
|-
| 476 || [[ই. ও. উইলসন]] || ৪,৪৫৮ || ✕
|-
| 477 || [[ডেসমন্ড মরিস]] || ৩,৯৮৬ || ✓
|-
| 478 || [[মাইকেল গোভ]] || ৩,৭৩৬ || ✓
|-
| 479 || [[হার্পার লি]] || ২,৪৯১ || ✓
|-
| 480 || [[কেন টম্পসন]] || ১,৮১৬ || ✓
|-
| 481 || [[জন টিন্ডাল]] || ২,৫২৮ || ✓
|-
| 482 || [[মেরি রবিনসন]] || ১,৩৭৬ || ✓
|-
| 483 || [[হেনরি ক্যাভেন্ডিশ]] || ২,২৪৪ || ✓
|-
| 484 || [[আইরিস মারডক]] || ১,২৬৮ || ✓
|-
| 485 || [[আর্নেস্ট রাদারফোর্ড]] || ২,৪৫৩ || ✓
|-
| 486 || [[ফ্রেড ব্রুকস]] || ১,১৯১ || ✓
|-
| 487 || [[ক্রিস্টিয়ান হাইগেনস]] || ১,৯০৭ || ✓
|-
| 488 || [[ডায়ান ফসি]] || ১,৬৪৬ || ✕
|-
| 489 || [[ইডিথ হোয়ার্টন]] || ১,৪২৫ || ✓
|-
| 490 || [[অরেল স্টেইন]] || ১,৪৭৮ || ✕
|-
| 491 || [[গাব্রিয়েলা মিস্ত্রাল]] || ১,৬৫০ || ✓
|-
| 492 || [[আলেকজান্ডার ফন হুমবোল্ট]] || ১,১২০ || ✓
|-
| 493 || [[ফ্রান্সিস্কো ভারেলা]] || ১,৮৯৩ || ✓
|-
| 494 || [[ডেনিস রিচি]] || ১,১০৮ || ✓
|-
| 495 || [[অড্রে হেপবার্ন]] || ১,৪৩৫ || ✓
|-
| 496 || [[জি. এইচ. হার্ডি]] || ২,৩৩০ || ✓
|-
| 497 || [[হ্যারল্ড পিন্টার]] || ২,০৭২ || ✓
|-
| 498 || [[অ্যানাক্সিম্যান্ডার]] || ১,৩০০ || ✓
|-
| 499 || [[ডেভিড ব্রুস্টার]] || ২,৪০৪ || ✓
|-
| 500 || [[ব্রায়ান গ্রিন]] || ১,২৭৯ || ✕
|-
| 501 || [[অমিত গোস্বামী]] || ৯১৫ || ✓
|-
| 502 || [[এডমন্ড হ্যালি]] || ২,৬১৯ || ✓
|-
| 503 || [[ডেভিড সুজুকি]] || ১,৫১৭ || ✓
|-
| 504 || [[ডেভিড জোনাথন গ্রোস]] || ৮০৯ || ✓
|-
| 505 || [[ডেভিড ম্যামেট]] || ১,২৫২ || ✓
|-
| 506 || [[আহমেদ জেওয়াইল]] || ১৯২ || ✓
|-
| 507 || [[ইউরোপীয় পার্লামেন্ট]] || ৬১৫ || ✓
|-
| 508 || [[ডেভিড গ্রসম্যান]] || ৩৩৬ || ✓
|-
| 509 || [[হরিশ-চন্দ্র]] || ২৮৪ || ✓
|-
| 510 || [[অনিতা দেসাই]] || ১,৪৩৯ || ✓
|-
| 511 || [[অ্যাশ কার্টার]] || ৪৬৩ || ✓
|-
| 512 || [[আলফ্রেড নোবেল]] || ৫০৯ || ✕
|-
| 513 || [[ক্রিস্টিয়ান বার্নার্ড]] || ৬৩৯ || ✓
|-
| 514 || [[রেজা পাহলভি]] || ৯,৯১০ || ✓
|-
| 515 || [[রজার ইবার্ট]] || ২১,৩২৫ || ✓
|-
| 516 || [[পুনর্জন্ম]] || ২০,২৪৮ || ✓
|-
| 517 || [[জ্যারেড ডায়মন্ড]] || ১,১৬৮ || ✕
|-
| 518 || [[জেন গুডাল]] || ১,৩৫৭ || ✓
|-
| 519 || [[জেমস টোবিন]] || ১,০৫৯ || ✓
|-
| 520 || [[জেমস ক্যালাহান]] || ১,৬১৫ || ✓
|-
| 521 || [[উইলিয়াম স্ট্যানলি জেভন্স]] || ১,৭০১ || ✓
|-
| 522 || [[উইলিয়াম থমসন]] || ১,০৫১ || ✓
|-
| 523 || [[ওলে সোয়িংকা]] || ৩,১৬১ || ✕
|-
| 524 || [[জোসেফ স্টিগলিটজ]] || ১,৫০৪ || ✕
|-
| 525 || [[গ্রেগর মেন্ডেল]] || ৮৭৪ || ✓
|-
| 526 || [[গটফ্রিড ভিলহেল্ম লাইবনিৎস]] || ১,২৩৬ || ✓
|-
| 527 || [[গ্লেন থিওডোর সিবর্গ]] || ৯৮৪ || ✓
|-
| 528 || [[হেরমান ভাইল]] || ১,৫৪১ || ✓
|-
| 529 || [[হেরমান হেস]] || ৪,৫৬৫ || ✓
|-
| 530 || [[হার্বার্ট স্পেন্সার]] || ২,৩৬৮ || ✓
|-
| 531 || [[হার্বার্ট এ. সাইমন]] || ১,৩৩৭ || ✓
|-
| 532 || [[হেরাক্লিটাস]] || ১,৫৭০ || ✓
|-
| 533 || [[হেনরিক শিয়েনকিয়েভিচ]] || ১,৯১১ || ✕
|-
| 534 || [[উইলা ক্যাথার]] || ৩,০৩৩ || ✕
|-
| 535 || [[উইল ডুরান্ট]] || ২,৮১৫ || ✓
|-
| 536 || [[ডব্লিউ. এইচ. অডেন]] || ২,৮১৯ || ✓
|-
| 537 || [[ভোলফগাং পাউলি]] || ১,৬৩৯ || ✓
|-
| 538 || [[ইয়াসুনারি কাওয়াবাতা]] || ২,২৫৮ || ✓
|-
| 539 || [[জন আর্চিবল্ড হুইলার]] || ১,১৩৯ || ✓
|-
| 540 || [[সেমুর হার্শ]] || ১,৭৬১ || ✓
|-
| 541 || [[সের্গেই কোরোলিয়ভ]] || ৫৬৫ || ✓
|-
| 542 || [[জেন অ্যাডামস]] || ১,৯০৬ || ✓
|-
| 543 || [[জাক-ইভ কুস্তো]] || ৬৬৩ || ✓
|-
| 544 || [[হিদেকি ইউকাওয়া]] || ৪০৩ || ✓
|-
| 545 || [[প্রিমো লেভি]] || ৪,২৩৮ || ✓
|-
| 546 || [[ঝুম্পা লাহিড়ী]] || ৪৩০ || ✓
|-
| 547 || [[জেমস প্রেসকট জুল]] || ৪৮৭ || ✓
|-
| 548 || [[উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা]] || ৪,৮৫১ || ✓
|-
| 549 || [[সংবাদ মাধ্যম]] || ১,১৫৫ || ✓
|-
| 550 || [[গণমাধ্যম]] || ৩,৩৫৭ || ✓
|-
| 551 || [[মূলধারার গণমাধ্যম]] || ১,০৫২ || ✓
|-
| 552 || [[হলুদ সাংবাদিকতা]] || ২,২৯৬ || ✓
|-
| 553 || [[ভুয়া সংবাদ]] || ১,৪০৮ || ✓
|-
| 554 || [[বিকল্প প্রচারমাধ্যম]] || ১,২০৫ || ✓
|-
| 555 || [[জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ]] || ১১,২৬৬ || ✓
|-
| 556 || [[অ্যানোনিমাস]] || ৪,০৪৩ || ✓
|-
| 557 || [[টুপাক শাকুর]] || ৬,২৮৭ || ✓
|-
| 558 || [[জেনডেয়া]] || ২,০১৪ || ✓
|-
| 559 || [[টিমথি শালামে]] || ১,১২৭ || ✓
|-
| 560 || [[হিপোক্রেটিস]] || ২,৯২৩ || ✓
|-
| 561 || [[ষষ্ঠ মুহাম্মদ]] || ৮৭৮ || ✓
|-
| 562 || [[জন লেনক্স]] || ৭০২ || ✓
|-
| 563 || [[আলেক্সান্দ্র্ সলজেনিৎসিন]] || ৮,০৫৬ || ✓
|-
| 564 || [[আবদুল হান্নান মাসউদ]] || ৪০৭ || ✓
|-
| 565 || [[পরকাল সম্পর্কে কুরআন]] || ১৮,৭৯৪ || ✓
|-
| 566 || [[মানবতাবিরোধী অপরাধ]] || ১,৯১২ || ✓
|-
| 567 || [[আন্তর্জাতিক আইন]] || ৫,৫৩৯ || ✓
|-
| 568 || [[মোহাম্মদ জাওয়াদ জারিফ]] || ১,৪৫২ || ✓
|-
| 569 || [[অনিল ভৌমিক]] || ২১৬ || ✓
|-
| 570 || [[মনোজ মিত্র]] || ৫,৫৬৭ || ✓
|-
| 571 || [[নারায়ণ সান্যাল]] || ৩৬৬ || ✓
|-
| 572 || [[মতি নন্দী]] || ৫,০১৮ || ✓
|-
| 573 || [[দেবেশ রায়]] || ৯,২৪৪ || ✓
|-
| 574 || [[শিশিরকুমার বসু]] || ৪,৮০৭ || ✓
|-
| 575 || [[বিমল কর]] || ১,৩৬৯ || ✓
|-
| 576 || [[সুবোধ সরকার]] || ১,৮৪৮ || ✓
|-
| 577 || [[স্মরণজিৎ চক্রবর্তী]] || ৭৯২ || ✓
|-
| 578 || [[স্বামী সারদানন্দ]] || ৮,৬৯৫ || ✓
|-
| 579 || [[শক্তিপদ রাজগুরু]] || ৯৯৩ || ✓
|-
| 580 || [[কমলকুমার মজুমদার]] || ১,৫৭৩ || ✓
|-
| 581 || [[গৌতম ভদ্র]] || ৬৮৫ || ✓
|-
| 582 || [[পরিমল গোস্বামী]] || ৬,৫৫০ || ✓
|-
| 583 || [[প্রেমাঙ্কুর আতর্থী]] || ৫,৬৯৮ || ✓
|-
| 584 || [[কালীপ্রসন্ন সিংহ]] || ৫,৪০৪ || ✓
|-
| 585 || [[অখিল নিয়োগী]] || ৬৩৬ || ✓
|-
| 586 || [[হরপ্রসাদ শাস্ত্রী]] || ৫১৩ || ✓
|-
| 587 || [[গায়ত্রী চক্রবর্তী স্পিভাক]] || ৫৯২ || ✓
|-
| 588 || [[অজিত দত্ত]] || ৮৭০ || ✓
|-
| 589 || [[অজিতকৃষ্ণ বসু]] || ২,৩৮৬ || ✓
|-
| 590 || [[এম এস স্বামীনাথন]] || ৮৭২ || ✓
|-
| 591 || [[চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন]] || ২,১৭১ || ✓
|-
| 592 || [[চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও]] || ২,১৬৭ || ✓
|-
| 593 || [[কণাদ]] || ৯১৯ || ✓
|-
| 594 || [[জয়ন্ত বিষ্ণু নারলিকর]] || ৩,১৮৭ || ✓
|-
| 595 || [[বিক্রম সারাভাই]] || ১,১২৯ || ✓
|-
| 596 || [[আর্নেস্ট কিং]] || ১৫,৭৬৯ || ✕
|-
| 597 || [[ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট]] || ২৬,২১৫ || ✓
|-
| 598 || [[আনোয়ার ইব্রাহিম]] || ৬,৯৯৩ || ✓
|-
| 599 || [[ইসলাম ও যুদ্ধ]] || ৫,৬৮১ || ✓
|-
| 600 || [[আহমদ সিরহিন্দি]] || ৪,০৭০ || ✓
|-
| 601 || [[মুসা সেরান্তোনিও]] || ৪২৩ || ✓
|-
| 602 || [[ইয়াকুব]] || ১,৯৫৬ || ✓
|-
| 603 || [[আদ্রিয়ান গোল্ডসওয়ার্দি]] || ১,৯৭৯ || ✕
|-
| 604 || [[অ্যালিস পল]] || ১,৮৬২ || ✕
|-
| 605 || [[অ্যামি ট্যান]] || ২,০০৭ || ✕
|-
| 606 || [[অ্যান্ড্রু সেগা]] || ১,৯৬৯ || ✓
|-
| 607 || [[আল্যাঁ বাদিউ]] || ১,৯৬৬ || ✕
|-
| 608 || [[আফ্রিকান স্পির]] || ১,৭২২ || ✕
|-
| 609 || [[ফ্রেডরিক ডগলাস]] || ৮৬২ || ✕
|-
| 610 || [[নবী]] || ২,০৬২ || ✕
|-
| 611 || [[এমা গোল্ডম্যান]] || ১২,৮০০ || ✕
|-
| 612 || [[প্রেম সম্পর্কে ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি]] || ১৫,০৪০ || ✓
|-
| 613 || [[মিস্ট্রি সায়েন্স থিয়েটার ৩০০০]] || ৯৪,৯৬৮ || ✕
|-
| 614 || [[দ্য থিক অফ ইট]] || ৬৯,২৮৩ || ✕
|-
| 615 || [[অ্যালেক্স হেইলি]] || ১,৬০৪ || ✓
|-
| 616 || [[দাসত্ব সম্পর্কে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি]] || ৫,৭৮৫ || ✕
|-
| 617 || [[দাসত্ব]] || ১০,২৫৯ || ✕
|-
| 618 || [[যন্ত্র]] || ৭১৩ || ✓
|-
| 619 || [[বিচারক]] || ৯৫২ || ✓
|-
| 620 || [[রুটি]] || ১,০৯৭ || ✓
|-
| 621 || [[খড়]] || ৯৩২ || ✓
|-
| 622 || [[মন্মথমোহন বসু]] || ৯৬৩ || ✕
|-
| 623 || [[কালীপ্রসন্ন বিদ্যারত্ন]] || ৮২৫ || ✓
|-
| 624 || [[কলসী]] || ১,০৮৬ || ✓
|-
| 625 || [[চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ১,১৫৭ || ✓
|-
| 626 || [[শহর]] || ১,৪৫৮ || ✕
|-
| 627 || [[ঘাস]] || ২,১১২ || ✓
|-
| 628 || [[জলধর সেন]] || ১,৭৬৪ || ✓
|-
| 629 || [[ঠিকানা]] || ১,১৮৭ || ✓
|-
| 630 || [[গন্ধ]] || ১,৮০৭ || ✓
|-
| 631 || [[চা]] || ২,৪২৪ || ✓
|-
| 632 || [[রবীন্দ্রনাথ মৈত্র]] || ১,২৮১ || ✓
|-
| 633 || [[দিগন্ত]] || ১,২২৮ || ✓
|-
| 634 || [[ময়ূর]] || ১,৩৪৫ || ✓
|-
| 635 || [[করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ৯১১ || ✓
|-
| 636 || [[ঢেউ]] || ১,৫৩৯ || ✓
|-
| 637 || [[ছাতা]] || ১,১৮৯ || ✓
|-
| 638 || [[উমাকান্ত হাজারী]] || ৯৪২ || ✓
|-
| 639 || [[ঘৃণা]] || ২,৩৩৯ || ✓
|-
| 640 || [[বাঁশ]] || ২,৪৫৯ || ✕
|-
| 641 || [[কলেরা]] || ১,৬৩৮ || ✓
|-
| 642 || [[মাঠ]] || ২,৪৪৭ || ✓
|-
| 643 || [[টিন]] || ১,৯৩২ || ✕
|-
| 644 || [[সংবাদ]] || ৪,৪৭৯ || ✕
|-
| 645 || [[জন বারবার]] || ৫৭৪ || ✕
|-
| 646 || [[স্কটিশ জাতি]] || ৩৭৫ || ✓
|-
| 647 || [[ওয়েন্ডি বোম্যান]] || ১৫১ || ✕
|-
| 648 || [[যুদ্ধাপরাধ]] || ৪,৬৭৯ || ✕
|-
| 649 || [[রুবি]] || ৩৬৩ || ✓
|-
| 650 || [[রিতা এনজেলু]] || ১৫৯ || ✓
|-
| 651 || [[বমি]] || ২০৪ || ✓
|-
| 652 || [[পার্ল]] || ৬৯০ || ✕
|-
| 653 || [[পাইথন]] || ১৩৯ || ✓
|-
| 654 || [[উইকিলিকস]] || ১,৬৩১ || ✕
|-
| 655 || [[জনস্টন ম্যাককালি]] || ৩১১ || ✕
|-
| 656 || [[যুগোস্লাভিয়া]] || ৪,১৩৬ || ✓
|-
| 657 || [[অংশুমান কর]] || ২০৯ || ✓
|-
| 658 || [[কেমব্রিজ গান]] || ৩০৫ || ✕
|-
| 659 || [[হেলেনীয় শিক্ষা]] || ৫০২ || ✓
|-
| 660 || [[টমাস হলি চিভার্স]] || ২৩৫ || ✓
|-
| 661 || [[মুহাম্মদ মাহদি আল-জাওয়াহিরি]] || ৬৩৮ || ✓
|-
| 662 || [[জেডি স্মিথ]] || ১,০৮০ || ✓
|-
| 663 || [[ব্রায়ান পি. শ্মিট]] || ৪৬০ || ✓
|-
| 664 || [[কার্ল বার্নস্টিন]] || ৩৬৮ || ✓
|-
| 665 || [[চার্লস ফেফারম্যান]] || ৩৩৯ || ✓
|-
| 666 || [[ইয়ুস্টুস ফন লিবিগ]] || ৩৩২ || ✓
|-
| 667 || [[টমাস শেলিংস]] || ৬৭৪ || ✓
|-
| 668 || [[উইলিয়াম শকলি]] || ৩৯১ || ✓
|-
| 669 || [[শিং-শেন চের্ন]] || ৭৬৫ || ✕
|-
| 670 || [[হুগো দ্য ভ্রিস]] || ৩৪৪ || ✓
|-
| 671 || [[রবার্ট অ্যান্ড্রুজ মিলিকান]] || ৪৩৬ || ✓
|-
| 672 || [[জেমস ভ্যান অ্যালেন]] || ৫৯৬ || ✓
|-
| 673 || [[জাক শিরাক]] || ৭১১ || ✓
|-
| 674 || [[ডরোথি হজকিন]] || ২৯৪ || ✓
|-
| 675 || [[গোরান পারসন]] || ৩২৬ || ✓
|-
| 676 || [[জেরার দ্যব্রু]] || ১৮৬ || ✓
|-
| 677 || [[কোরীয় যুদ্ধ]] || ৯,৯৬৫ || ✕
|-
| 678 || [[রবার্ট জে. শিলার]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 679 || [[ফ্রঁসোয়া আরাগন]] || ৪৩৫ || ✓
|-
| 680 || [[অখিলচন্দ্র দত্ত]] || ৩৭৩ || ✕
|-
| 681 || [[ফ্রান্সিস কলিন্স]] || ৫৮৮ || ✓
|-
| 682 || [[হেলেন ক্লার্ক]] || ৩৭৪ || ✓
|-
| 683 || [[লেয়োঁ ফুকো]] || ৫৩২ || ✓
|-
| 684 || [[জন চার্লস পোলানি]] || ৩৭৪ || ✓
|-
| 685 || [[জন মেইনার্ড কেইনস]] || ১৭,৭৯১ || ✕
|-
| 686 || [[দিমিত্রি মুরাতভ]] || ৬৩৬ || ✓
|-
| 687 || [[আবদুস সালাম]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 688 || [[আবদুলরাজাক গুরনাহ]] || ৭৪৯ || ✓
|-
| 689 || [[এ. সি. বেনসন]] || ৩৮৩ || ✓
|-
| 690 || [[প্রথম আলবার্ট]] || ৮৬৪ || ✓
|-
| 691 || [[অম্লান দত্ত]] || ১৪৬ || ✓
|-
| 692 || [[ইয়ান মার্টেল]] || ১,১৩৩ || ✕
|-
| 693 || [[ইয়োইচিরো নাম্বু]] || ৪৩১ || ✕
|-
| 694 || [[সৈয়দ জামিল আহমেদ]] || ২০৩ || ✓
|-
| 695 || [[পূর্ণিমা]] || ১৯২ || ✓
|-
| 696 || [[শরিফুল রাজ]] || ১৮৬ || ✓
|-
| 697 || [[কাজী হায়াৎ]] || ২৭৪ || ✓
|-
| 698 || [[আরেফিন রুমি]] || ১৬২ || ✓
|-
| 699 || [[ইমাম নাসাই]] || ৬৯৭ || ✕
|-
| 700 || [[কবরী]] || ২৭১ || ✓
|-
| 701 || [[হাফিজ উদ্দিন আহমদ]] || ২৩৬ || ✓
|-
| 702 || [[আ ন ম এহসানুল হক মিলন]] || ৩৪০ || ✓
|-
| 703 || [[আন্দালিব রহমান পার্থ]] || ২৯৭ || ✓
|-
| 704 || [[ববি হাজ্জাজ]] || ২৫৩ || ✓
|-
| 705 || [[ইবনে মাজাহ]] || ৩৩৬ || ✓
|-
| 706 || [[হাবিব ওয়াহিদ]] || ২৬৪ || ✓
|-
| 707 || [[জাইমা রহমান]] || ২১২ || ✓
|-
| 708 || [[কনকচাঁপা]] || ২২৮ || ✓
|-
| 709 || [[আহসান হাবীব]] || ২১৯ || ✓
|-
| 710 || [[বেলাল খান]] || ২১৯ || ✓
|-
| 711 || [[নচিকেতা চক্রবর্তী]] || ২৮৯ || ✓
|-
| 712 || [[আ ফ ম খালিদ হোসেন]] || ২৪৮ || ✓
|-
| 713 || [[আলমগীর]] || ৪০৬ || ✓
|-
| 714 || [[সালাহউদ্দিন আহমেদ]] || ৪৫৯ || ✓
|-
| 715 || [[চোং নানশান]] || ১৭৮ || ✓
|-
| 716 || [[এ. সি. ব্র্যাডলি]] || ৩৯০ || ✕
|-
| 717 || [[আলবার্ট হফমান]] || ৩,৪৪৪ || ✓
|-
| 718 || [[অ্যালান পারলিস]] || ৯২৮ || ✓
|-
| 719 || [[হেইনরিখ রোরার]] || ৩৬০ || ✓
|-
| 720 || [[আলফ্রেড আহো]] || ১৪৪ || ✕
|-
| 721 || [[উ থান্ট]] || ৬৭৮ || ✕
|-
| 722 || [[লোরঁ শোয়ার্তজ]] || ৬১০ || ✓
|-
| 723 || [[উইলিয়াম শার্প]] || ৩৯৯ || ✓
|-
| 724 || [[পাউল এরেনফেস্ট]] || ৪৩৩ || ✓
|-
| 725 || [[রবার্ট মান্ডেল]] || ৩২২ || ✓
|-
| 726 || [[হান কাং]] || ৬৬৬ || ✓
|-
| 727 || [[ক্রিপটিক ফেইট]] || ১৭৬ || ✓
|-
| 728 || [[কাকাবাবু]] || ২৫৮ || ✓
|-
| 729 || [[ক্যারি মুলিস]] || ৪০৩ || ✓
|-
| 730 || [[টোমাস ট্রান্সট্রোমার]] || ২৯৯ || ✓
|-
| 731 || [[ইরিনা বোকোভা]] || ২৬৮ || ✓
|-
| 732 || [[মার্টিনুস ভেল্টম্যান]] || ১৯৫ || ✓
|-
| 733 || [[ড্যামন গ্যালগুট]] || ৪৮২ || ✓
|-
| 734 || [[আর্থার কর্নবার্গ]] || ১৭৭ || ✕
|-
| 735 || [[বেন ওক্রি]] || ৮৫৮ || ✓
|-
| 736 || [[সল বেলো]] || ১,০০৩ || ✓
|-
| 737 || [[সল পার্লমাটার]] || ৩১১ || ✕
|-
| 738 || [[সিমেওঁ দ্যনি পোয়াসোঁ]] || ১৬০ || ✓
|-
| 739 || [[স্টিভ আরউইন]] || ৪৩৫ || ✕
|-
| 740 || [[আনি এরনো]] || ২৮৪ || ✓
|-
| 741 || [[ফজল শাহাবুদ্দীন]] || ৪৯৫ || ✕
|-
| 742 || [[আল-জাহিজ]] || ৭৩৩ || ✓
|-
| 743 || [[আল-বিরুনি]] || ১,৮৩৬ || ✓
|-
| 744 || [[থমাস হ্যারিয়ট]] || ৪৩২ || ✓
|-
| 745 || [[স্টিভেন চু]] || ২২০ || ✓
|-
| 746 || [[ইভাঞ্জেলিস্টা টরিসেলি]] || ৩৭২ || ✓
|-
| 747 || [[লেসলি ল্যামপোর্ট]] || ৫৫০ || ✓
|-
| 748 || [[মার্টিন লুইস পার্ল]] || ৩৮৮ || ✓
|-
| 749 || [[ভ্লাদিমির মার্কভনিকভ]] || ২৬৭ || ✓
|-
| 750 || [[বাপ্পী লাহিড়ী]] || ২৫২ || ✓
|-
| 751 || [[নুহাশ হুমায়ূন]] || ২০৫ || ✓
|-
| 752 || [[আনিসুল হক]] || ২৪৬ || ✕
|-
| 753 || [[বাবর আলী]] || ৩০৯ || ✓
|-
| 754 || [[মেহের আফরোজ শাওন]] || ৩১৯ || ✓
|-
| 755 || [[ফেলুদা]] || ২৪৬ || ✓
|-
| 756 || [[ব্যোমকেশ বক্সী]] || ১৭৮ || ✓
|-
| 757 || [[প্রোফেসর শঙ্কু]] || ২৬৯ || ✓
|-
| 758 || [[বারী সিদ্দিকী]] || ২৪২ || ✓
|-
| 759 || [[সমরেশ বসু]] || ২০২ || ✓
|-
| 760 || [[লিয়ন কুপার]] || ৩২৩ || ✓
|-
| 761 || [[কামিলা শামসি]] || ২০৪ || ✓
|-
| 762 || [[ক্রিস্টোফার রেন]] || ৩৭৪ || ✓
|-
| 763 || [[জিওফ্রে হিন্টন]] || ৩২২ || ✓
|-
| 764 || [[ফ্রিডতিয়ফ নানসেন]] || ১৯১ || ✓
|-
| 765 || [[আলাঁ আস্পে]] || ৭৭৬ || ✓
|-
| 766 || [[ক্যারিল ফিলিপস]] || ২৮৪ || ✓
|-
| 767 || [[জেমস কুক]] || ৩৯৭ || ✓
|-
| 768 || [[ক্লাউদিয়া শেইনবাউম]] || ৩২১ || ✓
|-
| 769 || [[আবি আহমেদ]] || ২৫৫ || ✓
|-
| 770 || [[পিটার আগ্রি]] || ১৯০ || ✓
|-
| 771 || [[ফখরুদ্দীন আল-রাযী]] || ২১৫ || ✓
|-
| 772 || [[শি চিনফিং]] || ৪,১৩২ || ✕
|-
| 773 || [[ইব্রাহিম ত্রাওরে]] || ৭৫৪ || ✓
|-
| 774 || [[পেদ্রো সানচেজ]] || ২৯৯ || ✓
|-
| 775 || [[অ্যাডাম রিস]] || ৪৮৯ || ✓
|-
| 776 || [[আব্দুল হান্নান আবকারী]] || ০ || ✕
|-
| 777 || [[ইবরাহীম আলী তশনা]] || ২৪৭ || ✓
|-
| 778 || [[রুহুল আমিন বসিরহাটি]] || ৩৬৩ || ✓
|-
| 779 || [[মুহাম্মদুল্লাহ হাফেজ্জী]] || ৩৪২ || ✓
|-
| 780 || [[শামছুল হুদা]] || ০ || ✕
|-
| 781 || [[শামছুল হক ফরিদপুরী]] || ৫৪৬ || ✓
|-
| 782 || [[গর্ডন মুর]] || ৫৮৭ || ✓
|-
| 783 || [[শিরিন এবাদি]] || ৫৪৩ || ✕
|-
| 784 || [[নাগিব মাহফুজ]] || ৫৩০ || ✓
|-
| 785 || [[আল-ফারাবি]] || ৫৩৭ || ✕
|-
| 786 || [[চাষী নজরুল ইসলাম]] || ৪৪৬ || ✓
|-
| 787 || [[বাপ্পা মজুমদার]] || ৩১০ || ✓
|-
| 788 || [[রবার্ট ক্লাইভ]] || ২,০০২ || ✕
|-
| 789 || [[পার্ল এস. বাক]] || ৯৩৩ || ✕
|-
| 790 || [[জন বারডিন]] || ৩৬৪ || ✓
|-
| 791 || [[তাসমিয়া প্রধান]] || ৩৫২ || ✓
|-
| 792 || [[আজিজুল হক]] || ১৮০ || ✓
|-
| 793 || [[আবদুস সালাম]] || ১০০ || ✕
|-
| 794 || [[আবদুল গফুর]] || ১০১ || ✕
|-
| 795 || [[আবদুল জব্বার]] || ১৬১ || ✓
|-
| 796 || [[আবদুল জব্বার]] || ৯২ || ✕
|-
| 797 || [[আবদুল জব্বার]] || ১৩৩ || ✕
|-
| 798 || [[অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ১৩৪ || ✕
|-
| 799 || [[অনিমেষ রায়]] || ১২৬ || ✕
|-
| 800 || [[অনির্বাণ বসু]] || ১২০ || ✕
|-
| 801 || [[অজয় ঘটক]] || ১১৪ || ✕
|-
| 802 || [[অচলা মল্লিক]] || ১৫৪ || ✕
|-
| 803 || [[অজয় হোম]] || ১৫৯ || ✕
|-
| 804 || [[অমিতা বসু]] || ১৪২ || ✕
|-
| 805 || [[ভেরা রুবিন]] || ৩৫০ || ✕
|-
| 806 || [[মেরি কুরি]] || ১৭৯ || ✕
|-
| 807 || [[মিসির আলি]] || ৪০৬ || ✕
|-
| 808 || [[আস্ট্রোনমি]] || ০ || ✕
|-
| 809 || [[মমতাজ বেগম]] || ৩৫৫ || ✕
|-
| 810 || [[আবুল বরকত]] || ১৪৩ || ✕
|-
| 811 || [[মেরি স্টোপস]] || ৫০৫ || ✕
|-
| 812 || [[ইয়োন ফসে]] || ৩৯৩ || ✕
|-
| 813 || [[জুনো দিয়াজ]] || ৫৪০ || ✕
|-
| 814 || [[পারভীন এতেসামি]] || ০ || ✕
|-
| 815 || [[চুয়াং জি]] || ২৭৪ || ✕
|-
| 816 || [[ফকির শাহাবুদ্দীন]] || ০ || ✕
|-
| 817 || [[আবু বকর সিদ্দিকী]] || ০ || ✕
|-
| 818 || [[বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট]] || ০ || ✕
|-
| 819 || [[বাংলাদেশের কৃষি প্রযুক্তি]] || ০ || ✕
|-
| 820 || [[হাসিবুন নাহের]] || ০ || ✕
|-
| 821 || [[মেরি উলস্টোনক্রাফ্ট]] || ২১৩ || ✕
|-
| 822 || [[বালতাসার গ্রাসিয়ান]] || ২০৬ || ✕
|-
| 823 || [[জুলাই আন্দোলন]] || ৬১৫ || ✕
|-
| 824 || [[বিকাশ]] || ০ || ✕
|-
| 825 || [[নতুন প্রযুক্তি]] || ০ || ✕
|-
| 826 || [[বাংলাদেশের রিয়েল এস্টেট শিল্প: বর্তমান প্রেক্ষাপট ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা]] || ০ || ✕
|-
| 827 || [[জলবায়ু পরিবর্তন ও বাংলাদেশের পরিবেশ]] || ০ || ✕
|-
| 828 || [[মোহাম্মদ শেখ শাহিনুর রহমান]] || ০ || ✕
|-
| 829 || [[অপ্রত্যাশিত জীবনযাত্রা]] || ০ || ✕
|-
| 830 || [[অপর্ণা সেন]] || ৩১২ || ✕
|}
itpg32k05e1l24ondbx6sv5gpkiqn41
83308
83307
2026-05-03T03:03:31Z
ARI
356
83308
wikitext
text/x-wiki
----
সর্বশেষ হালনাগাদ - ০৩:০৩, ৩ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
----
==উইকিউক্তি ফলাফল ২০২৬==
{| class="wikitable sortable"
|-
! ক্রম
! ব্যবহারকারী
! নিবন্ধ
! মোট শব্দ
! বিস্তারিত
|-
| '''১'''
| '''Dr. Mosaddek Khondoker'''
| '''১৯'''
| '''৪,০৪,৫৭৫'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৪,০৪,৫৭৫<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| '''২'''
| '''ARI'''
| '''২৮'''
| '''৩,১৪,৮৯৭'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৩,১২,২১২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২,৬৮৫
</div>
|-
| '''৩'''
| '''Tuhin'''
| '''২৮০'''
| '''৩,০১,০২২'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,৫৩,৯৫৯<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৪৭,০৬৩
</div>
|-
| '''৪'''
| '''SMontaha32'''
| '''৩৭'''
| '''২,৩৯,৫২৮'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,১৮,৫১৮<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২১,০১০
</div>
|-
| '''৫'''
| '''NusJaS'''
| '''১০'''
| '''২,৫১,৮৯১'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১,৯৭,২৯৩<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৫৪,৫৯৮
</div>
|-
| '''৬'''
| '''Oindrojalik Watch'''
| '''২৯'''
| '''১,৯৯,৯৪৯'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১,৯০,০৭৮<br>
অপর্যালোচিত: ৯,৮৭১<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| '''৭'''
| '''Sumanta3023'''
| '''১১০'''
| '''১,২২,৫০০'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৯৭,৪২১<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২৫,০৭৯
</div>
|-
| '''৮'''
| '''Anik Kanti Dey'''
| '''৩৪'''
| '''১,০৪,৬৪১'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৯৩,৮৬৪<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ১০,৭৭৭
</div>
|-
| '''৯'''
| '''Tanbiruzzaman'''
| '''২১'''
| '''৮০,৭২৪'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৮০,৭২৪<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| '''১০'''
| '''Nil Nandy'''
| '''২৭'''
| '''৭৪,২৬৭'''
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৭৪,২৬৭<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ১১
| R1F4T
| ২২
| ২,৮৫,২৭৫
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৬৩,৯৫১<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২,২১,৩২৪
</div>
|-
| ১২
| Salil Kumar Mukherjee
| ২৭
| ৪২,২০৬
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৩০,৯১৫<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ১১,২৯১
</div>
|-
| ১৩
| Anaf Ibn Shahibul
| ৪৭
| ৫৬,৫৮১
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১৯,৩৪৬<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৩৭,২৩৫
</div>
|-
| ১৪
| মোহাম্মদ জনি হোসেন
| ২৫
| ৮,১২৩
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৫,৪৭২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২,৬৫১
</div>
|-
| ১৫
| JIBON
| ৫
| ৫,৫৫৪
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৪,৭৩২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৮২২
</div>
|-
| ১৬
| Md. Muqtadir Fuad
| ১১
| ৪,০২৯
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৪,০২৯<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ১৭
| Humaira.thithi
| ৮
| ৩,৭১০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,৭৮৭<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৯২৩
</div>
|-
| ১৮
| Amirhusenjihed
| ৩
| ৩,০৬৪
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,৫৬৯<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৪৯৫
</div>
|-
| ১৯
| Asikur Rahman
| ৬
| ২,২২৯
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,২২৯<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ২০
| Rasel Mehedi
| ১০
| ২,৪৬৮
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,২২২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২৪৬
</div>
|-
| ২১
| Mahiya50
| ৬
| ২,১৯০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ২,১৯০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ২২
| Borhan
| ৬
| ১,৬৬২
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১,৬৬২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ২৩
| Raihanur
| ৪
| ৫,৬৭৪
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১,৫৪২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৪,১৩২
</div>
|-
| ২৪
| Muhammad Fahim Faisal
| ৬
| ১,৪৯৮
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১,৪৯৮<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ২৫
| Firuz Ahmmed
| ৪
| ২,১৯৭
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১,১১৭<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ১,০৮০
</div>
|-
| ২৬
| নিয়াজ ইসলাম
| ২
| ৭৫৬
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৭৫৬<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ২৭
| Asad.fr
| ৩
| ৩,২৯৯
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৩৬৪<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২,৯৩৫
</div>
|-
| ২৮
| Mehedi Abedin
| ১
| ৩৫২
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ৩৫২<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ২৯
| Md. Rayan Alam Rifat
| ১
| ১৮০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১৮০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ৩০
| Siyan BD
| ১২
| ১,৫৩৬
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ১৬১<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ১,৩৭৫
</div>
|-
| ৩১
| Dewan mahbubr Rahman
| ১
| ৩৫০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৩৫০
</div>
|-
| ৩২
| ExceptionistSagar
| ১
| ১৭৯
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ১৭৯
</div>
|-
| ৩৩
| Kh. Fahim
| ১
| ৪০৬
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৪০৬
</div>
|-
| ৩৪
| Trisha Mazumder
| ১
| ০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ৩৫
| MdMarufHossen71
| ২
| ৪৯৮
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৪৯৮
</div>
|-
| ৩৬
| Usarker
| ৩
| ১,৪৩৮
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ১,৪৩৮
</div>
|-
| ৩৭
| রাকিবুল হাসান রাসেল
| ১
| ০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ৩৮
| MD RADWAN ISLAM
| ৬
| ২৭৪
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ২৭৪
</div>
|-
| ৩৯
| AKM Mahinur Rahman
| ২
| ৪১৯
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৪১৯
</div>
|-
| ৪০
| MD RADWAN ISLAM ROHAN
| ৫
| ৬১৫
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৬১৫
</div>
|-
| ৪১
| ShahinurWrites
| ১
| ০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ৪২
| Abdullah Al Shishir
| ১
| ০
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ০
</div>
|-
| ৪৩
| চ্যাম্পিয়ন স্টার ১
| ১
| ৩১২
| <div class="mw-collapsible mw-collapsed">
গৃহীত: ০<br>
অপর্যালোচিত: ০<br>
বাতিল: ৩১২
</div>
|}
== পর্যালোচক পরিসংখ্যান ==
; পর্যালোচক
{| class="wikitable"
|-
! ক্রম !! নাম !! মোট !! গৃহীত !! বাতিল
|-
| '''১''' || '''Mehedi Abedin''' || '''২৭৫''' || ২৩৮ || ৩৭
|-
| '''২''' || '''NusJaS''' || '''১৯৩''' || ১৬০ || ৩৩
|-
| '''৩''' || '''MS Sakib''' || '''১৮১''' || ১৪৮ || ৩৩
|-
| '''৪''' || '''ARI''' || '''১৬২''' || ১৩৩ || ২৯
|-
| '''৫''' || '''MdsShakil''' || '''৪০''' || ৩৮ || ২
|-
| '''৬''' || '''Tahmid''' || '''১৪''' || ১০ || ৪
|-
| '''৭''' || '''Yahya''' || '''৫''' || ৪ || ১
|-
! মোট || || ৮৭০ || ৭৩১ || ১৩৯
|}
== ব্যবহারকারী ভিত্তিক পরিসংখ্যান ==
=== [[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker| Dr. Mosaddek Khondoker]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্পর্কে উক্তি]] || ৩৯,৩০৩ || ✓
|-
| 2 || [[স্ট্যানলি বল্ডউইন]] || ৩৪,১৩১ || ✓
|-
| 3 || [[খ্রিস্টের অনৈতিহাসিকতা তত্ত্ব]] || ২৮,৭০৭ || ✓
|-
| 4 || [[বেঞ্জামিন ডিসরাইলি]] || ২৯,৪৭৯ || ✓
|-
| 5 || [[রবার্ট জি. ইঙ্গারসোল]] || ৩০,০৯০ || ✓
|-
| 6 || [[রন পল]] || ২৪,৯২৮ || ✓
|-
| 7 || [[ক্যালকুলাসের ইতিহাস]] || ১৯,১৯৫ || ✓
|-
| 8 || [[অ্যানোরেক্সিয়া নার্ভোসা]] || ২৩,১০০ || ✓
|-
| 9 || [[ডোয়াইট ডি আইজেনহাওয়ার]] || ২১,০২৬ || ✓
|-
| 10 || [[স্টিফেন জে গুল্ড]] || ২২,১৫০ || ✓
|-
| 11 || [[এআর-১৫ স্টাইল রাইফেল]] || ১৮,৯০১ || ✓
|-
| 12 || [[শেরি এস. টেপার]] || ২৪,৯৯৯ || ✓
|-
| 13 || [[আউরেলিয়ুস আউগুস্তিনুস]] || ১৯,৩৪৬ || ✓
|-
| 14 || [[ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতিত্ব]] || ৪৬,৮৯৯ || ✓
|-
| 15 || [[নবায়নযোগ্য শক্তি]] || ১২,৬১০ || ✓
|-
| 16 || [[নাডিন গর্ডিমার]] || ১,৩৭২ || ✓
|-
| 17 || [[মারে গেল-মান]] || ১,৩২৮ || ✓
|-
| 18 || [[নার্গিস মোহাম্মাদি]] || ১,৭৫৫ || ✓
|-
| 19 || [[সাদি কার্নো]] || ৫,২৫৬ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১৯
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৪,০৪,৫৭৫
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৪,০৪,৫৭৫
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:ARI| ARI]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[জে. হাওয়ার্ড মুর]] || ২৪,১৯৫ || ✓
|-
| 2 || [[ভারতে পোশাক]] || ২,২৮৯ || ✓
|-
| 3 || [[ভারতের ভাষা]] || ৬৯৫ || ✓
|-
| 4 || [[মধ্যযুগীয় ভারত]] || ১,৭১৭ || ✓
|-
| 5 || [[ভারতে ইহুদিদের ইতিহাস]] || ২,০৪৬ || ✓
|-
| 6 || [[ভারতে সুফিবাদ]] || ৩,২০৭ || ✓
|-
| 7 || [[পর্তুগিজ ভারত]] || ১,৬৪৩ || ✓
|-
| 8 || [[ভারতের প্রাণী]] || ৩০৫ || ✓
|-
| 9 || [[স্বাধীনতা দিবস]] || ৩৭৫ || ✓
|-
| 10 || [[ভারতে দুর্ভিক্ষ]] || ৩,৭৮১ || ✓
|-
| 11 || [[ভারতে ধর্মহীনতা]] || ২,৩৮৯ || ✓
|-
| 12 || [[ওয়ারেন ফ্যারেল]] || ২১,০৭৮ || ✓
|-
| 13 || [[আর্নেস্ট বেকার]] || ১৩,৫৯৭ || ✓
|-
| 14 || [[অতিপ্রজতা]] || ২৯,৫০১ || ✓
|-
| 15 || [[মোপলা বিদ্রোহ]] || ১৪,৫১২ || ✓
|-
| 16 || [[সীতা রাম গোয়েল]] || ১,৫৯৬ || ✓
|-
| 17 || [[অরুণ শৌরি]] || ১৫,৪৫০ || ✓
|-
| 18 || [[ভারতের ইতিহাস লিখন]] || ১৭,৯১৮ || ✓
|-
| 19 || [[দ্রৌপদী]] || ৬,১৬৪ || ✓
|-
| 20 || [[দ্য হিস্ট্রি অফ ইন্ডিয়া, অ্যাজ টোল্ড বাই ইটস ওন হিস্টোরিয়ানস]] || ২,৬৮৫ || ✕
|-
| 21 || [[রামায়ণ]] || ১,৩০০ || ✓
|-
| 22 || [[ভারতে শিক্ষা]] || ১০,৫৮০ || ✓
|-
| 23 || [[ভারতে নারী]] || ৬,১৫০ || ✓
|-
| 24 || [[বন্যপ্রাণীর কষ্ট]] || ৩৩,৭৪১ || ✓
|-
| 25 || [[নিরামিষবাদ]] || ৩০,৬২৭ || ✓
|-
| 26 || [[ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম রাষ্ট্রপতিত্ব]] || ৩৭,৫৭২ || ✓
|-
| 27 || [[নির্বাচন]] || ৭,০২৫ || ✓
|-
| 28 || [[সরকার]] || ২২,৭৫৯ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২৮
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৩,১২,২১২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩,১৪,৮৯৭
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২,৬৮৫
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Tuhin| Tuhin]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মহুয়া মৈত্র]] || ৬৫০ || ✓
|-
| 2 || [[হেনরি হোম, লর্ড কেইমস]] || ১,২৯৬ || ✓
|-
| 3 || [[লেটি কটিন পোগ্রেবিন]] || ৩৭০ || ✓
|-
| 4 || [[মার্জ পিয়ার্সি]] || ৬,৭৯০ || ✓
|-
| 5 || [[এলেন ডুইবস]] || ৮০৪ || ✓
|-
| 6 || [[মেরেডিথ ট্যাক্স]] || ৪৯১ || ✓
|-
| 7 || [[মুলক রাজ আনন্দ]] || ২৩৫ || ✓
|-
| 8 || [[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ধর্ষণ]] || ১,৯২০ || ✓
|-
| 9 || [[সুসান ব্রাউনমিলার]] || ৯৯১ || ✓
|-
| 10 || [[রবিন মরগান]] || ১,২২১ || ✓
|-
| 11 || [[ভিভিয়ান গোর্নিক]] || ২,৬৯০ || ✓
|-
| 12 || [[ডরোথি রে হিলি]] || ২,৬৩৮ || ✕
|-
| 13 || [[ক্লডিয়া জোন্স]] || ১,২৯৯ || ✓
|-
| 14 || [[গের্ডা লার্নার]] || ৩,৪২৮ || ✓
|-
| 15 || [[এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন]] || ৯,৮০৪ || ✕
|-
| 16 || [[এলা রিভ ব্লুর]] || ১,৯১৭ || ✓
|-
| 17 || [[টমাস হিউজ]] || ৯৯৬ || ✓
|-
| 18 || [[মার্গারিট দুরাস]] || ৩৪৯ || ✓
|-
| 19 || [[বেন অ্যারোনোভিচ]] || ৮,৭৯৭ || ✓
|-
| 20 || [[গ্লেন কুক]] || ৯,৯৮৫ || ✓
|-
| 21 || [[আব্রাহাম কাহান]] || ২,১৩৩ || ✓
|-
| 22 || [[গ্রেস পেলি]] || ৮,১৬৪ || ✕
|-
| 23 || [[স্টিফেন ক্রেন]] || ১,৯৬৩ || ✕
|-
| 24 || [[জোসেফাইন হার্বস্ট]] || ৪২৭ || ✓
|-
| 25 || [[জর্জ গিসিং]] || ২,০০৫ || ✓
|-
| 26 || [[আনজিয়া ইয়েজিয়ারস্কা]] || ৩,২৬২ || ✕
|-
| 27 || [[মেরি অ্যান্টিন]] || ৪৯০ || ✓
|-
| 28 || [[জয়েস অ্যান্টলার]] || ৪২৯ || ✓
|-
| 29 || [[ক্যাথরিন ম্যাককিনন]] || ২,১৭৮ || ✓
|-
| 30 || [[বেটিনা আপথেকার]] || ১,০২০ || ✓
|-
| 31 || [[ক্যারি চ্যাপম্যান ক্যাট]] || ১,৬০৩ || ✓
|-
| 32 || [[জ্যানেট র্যাঙ্কিন]] || ৭২১ || ✓
|-
| 33 || [[ফ্রান্সেস উইলার্ড]] || ৯৪১ || ✕
|-
| 34 || [[অ্যালিস স্টোন ব্ল্যাকওয়েল]] || ৫৪০ || ✕
|-
| 35 || [[অ্যানা এলিজাবেথ ডিকিনসন]] || ৭৫১ || ✕
|-
| 36 || [[মেরি লিভারমোর]] || ২,৩০৭ || ✕
|-
| 37 || [[দাড়ি]] || ২৯৭ || ✓
|-
| 38 || [[স্যার হেনরি হোবার্ট, ১ম ব্যারোনেট]] || ৭৩৮ || ✓
|-
| 39 || [[হার্ডিঞ্জ স্ট্যানলি গিফার্ড, হালসবুরির ১ম আর্ল]] || ৪১৯ || ✓
|-
| 40 || [[এ. ভি. ডাইসি]] || ১,৩৮১ || ✕
|-
| 41 || [[আলফ্রেড ডেনিং, ব্যারন ডেনিং]] || ৩,৮৩২ || ✓
|-
| 42 || [[টমাস ডেনিসন]] || ৪০০ || ✓
|-
| 43 || [[স্যার ফ্রান্সিস বুলার, ১ম ব্যারোনেট]] || ৯৬২ || ✓
|-
| 44 || [[নিকোলাস ব্রাতজা]] || ২৬৪ || ✓
|-
| 45 || [[রবার্ট অ্যাটকিনস]] || ৩৩৩ || ✕
|-
| 46 || [[রিচার্ড পেপার আর্ডেন, ১ম ব্যারন অ্যালভানলি]] || ৩৫১ || ✓
|-
| 47 || [[এডওয়ার্ড হল অল্ডারসন]] || ৪৪৬ || ✓
|-
| 48 || [[অ্যামব্রোজ বিয়ার্স]] || ৫,৫৪১ || ✕
|-
| 49 || [[মেওয়াত]] || ৭১৮ || ✓
|-
| 50 || [[নানাবতী-মেহতা কমিশন]] || ২,৪৪৪ || ✓
|-
| 51 || [[ভারতে ঔষধ শিল্প]] || ১,৯২১ || ✓
|-
| 52 || [[পাঞ্জাব]] || ১,৪০৬ || ✓
|-
| 53 || [[রামনবমী]] || ৮৬২ || ✓
|-
| 54 || [[ভারতের শহরসমূহের নাম পরিবর্তন]] || ৪৪১ || ✓
|-
| 55 || [[নুপুর শর্মা]] || ৬০১ || ✓
|-
| 56 || [[রিপাবলিক টিভি]] || ৪৫৫ || ✓
|-
| 57 || [[রোহিলখণ্ড]] || ৪৪০ || ✓
|-
| 58 || [[রোহিলা]] || ৩৪০ || ✓
|-
| 59 || [[সৌরাষ্ট্র]] || ৬৫৪ || ✓
|-
| 60 || [[ভারতে তিন তালাক]] || ১,১৩৪ || ✓
|-
| 61 || [[ভারতের পবিত্র উপবন]] || ৫৭৫ || ✓
|-
| 62 || [[অভিন্ন দেওয়ানি বিধি]] || ৩,৭৩৭ || ✓
|-
| 63 || [[নবনীত আদিত্য ওয়াইবা]] || ১৯২ || ✓
|-
| 64 || [[ভারতে জল সরবরাহ ও স্যানিটেশন]] || ৭৪০ || ✓
|-
| 65 || [[জমিদার]] || ৩৮১ || ✕
|-
| 66 || [[নিখিল ভারত মুসলিম লীগ]] || ১,৭৩৭ || ✕
|-
| 67 || [[ফতোয়া]] || ৪৮৪ || ✓
|-
| 68 || [[দারা শিকোহ]] || ১,৪৩৫ || ✓
|-
| 69 || [[আমেরিকা নিপাত যাক]] || ৬৩৯ || ✓
|-
| 70 || [[মহা শয়তান]] || ৪১৪ || ✓
|-
| 71 || [[উলামা]] || ৩৪৫ || ✓
|-
| 72 || [[দক্ষিণ এশিয়ায় মুসলিম জাতীয়তাবাদ]] || ১,৫১৬ || ✓
|-
| 73 || [[পার্সি-মুসলিম দাঙ্গা]] || ৬৫৬ || ✓
|-
| 74 || [[ভারতে দাঙ্গা]] || ৬৭৪ || ✓
|-
| 75 || [[ভারতে পেগাসাস প্রকল্পের উদঘাটন]] || ৩৯০ || ✓
|-
| 76 || [[নেহরুবাদ]] || ৯৫২ || ✓
|-
| 77 || [[২জি স্পেকট্রাম মামলা]] || ৯৩৭ || ✓
|-
| 78 || [[রাহুল গান্ধী]] || ৪,০০৪ || ✓
|-
| 79 || [[আকবরউদ্দিন ওয়াইসি]] || ২৯৮ || ✓
|-
| 80 || [[ভারতের সাধারণ নির্বাচন, ২০২৪]] || ২,৫৭৭ || ✓
|-
| 81 || [[ভারতে ধর্মনিরপেক্ষতা]] || ২৩৪ || ✓
|-
| 82 || [[নাইলা আলি খান]] || ২০৪ || ✓
|-
| 83 || [[অরুণ জেটলি]] || ৪৮১ || ✓
|-
| 84 || [[সুকেতু মেহতা]] || ৩৮২ || ✓
|-
| 85 || [[রুক্মিণী মৈত্র]] || ৩৫৪ || ✓
|-
| 86 || [[মানব গুপ্ত]] || ৬৩৪ || ✕
|-
| 87 || [[মোহিনী মোহন ধর]] || ৫৮৫ || ✓
|-
| 88 || [[দিলীপ কুমার চক্রবর্তী]] || ২,৫৯৭ || ✓
|-
| 89 || [[রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ৩৮৩ || ✓
|-
| 90 || [[পিটার অ্যাক্রয়েড]] || ২৯৭ || ✓
|-
| 91 || [[হ্যারল্ড ব্লুম]] || ৫৯৩ || ✓
|-
| 92 || [[জেমস বসওয়েল]] || ১,১৪৯ || ✓
|-
| 93 || [[অলিভার গোল্ডস্মিথ]] || ৩,১৭৮ || ✓
|-
| 94 || [[হেনরি জাইলস]] || ৭৯২ || ✓
|-
| 95 || [[এডউইন হাবেল চ্যাপিন]] || ৭৭০ || ✓
|-
| 96 || [[অবমাননা]] || ৭৮৮ || ✓
|-
| 97 || [[আদালত অবমাননা]] || ৮২৯ || ✓
|-
| 98 || [[আইনপ্রণেতা]] || ৭৪৩ || ✓
|-
| 99 || [[লেই বারডুগো]] || ১২২ || ✓
|-
| 100 || [[উইলিয়াম ব্রেট, ১ম ভিসকাউন্ট এশার]] || ১,০২০ || ✓
|-
| 101 || [[হেনরি হকিন্স, ১ম ব্যারন ব্র্যাম্পটন]] || ৩০৩ || ✓
|-
| 102 || [[জুনিয়াস]] || ১,৪১২ || ✓
|-
| 103 || [[উইলিয়াম মারে, ম্যানসফিল্ডের ১ম আর্ল]] || ৬৪৩ || ✓
|-
| 104 || [[জোসেফ ইয়েটস]] || ৬৬৬ || ✓
|-
| 105 || [[স্যার জন বেইলি, ১ম ব্যারোনেট]] || ৯১৮ || ✓
|-
| 106 || [[হেনরি বিকারস্টথ, ১ম ব্যারন ল্যাংডেল]] || ৪১৫ || ✓
|-
| 107 || [[এডওয়ার্ড ল, ১ম ব্যারন এলেনবরো]] || ৬৭৪ || ✓
|-
| 108 || [[লয়েড কেনিয়ন, ১ম ব্যারন কেনিয়ন]] || ৪,৪০৮ || ✓
|-
| 109 || [[জন হোল্ট]] || ১,১৮৯ || ✓
|-
| 110 || [[চার্লস বোয়েন, ব্যারন বোয়েন]] || ১,০৩৭ || ✓
|-
| 111 || [[চার্লস অ্যাবট, ১ম ব্যারন টেন্টারডেন]] || ৩৪১ || ✓
|-
| 112 || [[ন্যায়বিচার প্রশাসন]] || ২,৮৯৯ || ✓
|-
| 113 || [[আদালত]] || ১,৮১৮ || ✕
|-
| 114 || [[রোজান এ. ব্রাউন]] || ৩৪১ || ✓
|-
| 115 || [[মারিয়ন জিমার ব্র্যাডলি]] || ১,১০৪ || ✓
|-
| 116 || [[টেরি ব্রুকস]] || ৪৮৫ || ✓
|-
| 117 || [[লেই ব্র্যাকেট]] || ১,১১২ || ✓
|-
| 118 || [[জ্যাক ক্যাডি]] || ১,৫৬৮ || ✓
|-
| 119 || [[মেল ব্রুকস]] || ২,০১৬ || ✕
|-
| 120 || [[মাইকেল বিশপ]] || ৯৯০ || ✓
|-
| 121 || [[এলিজাবেথ বেয়ার]] || ৭০৫ || ✓
|-
| 122 || [[মার্গারেট বল]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 123 || [[পাওলো বাসিগালুপি]] || ৬৪৭ || ✓
|-
| 124 || [[কেলি আর্মস্ট্রং]] || ৫৮৫ || ✓
|-
| 125 || [[ক্যাথরিন আসরো]] || ৩৬১ || ✓
|-
| 126 || [[পিয়ার্স অ্যান্থনি]] || ২২৯ || ✓
|-
| 127 || [[রবার্ট আইকম্যান]] || ২৬৮ || ✓
|-
| 128 || [[আইনজীবী]] || ২,৩২৯ || ✓
|-
| 129 || [[আইনসভা]] || ২,৩৪৩ || ✓
|-
| 130 || [[জর্জ বুশনার]] || ৬৬২ || ✓
|-
| 131 || [[জোসেফ গার্নি ক্যানন]] || ৭০৯ || ✓
|-
| 132 || [[সংখ্যাগরিষ্ঠ]] || ১,৩৫৬ || ✓
|-
| 133 || [[সংখ্যালঘু গোষ্ঠী]] || ১,৮৮১ || ✓
|-
| 134 || [[প্রাতিষ্ঠানিক আচরণ]] || ৬৫৬ || ✓
|-
| 135 || [[মানব আচরণ]] || ৮৫২ || ✓
|-
| 136 || [[হার্ভে ম্যানসফিল্ড]] || ৯৭৯ || ✓
|-
| 137 || [[রাষ্ট্রবিজ্ঞান]] || ১,১৩৯ || ✓
|-
| 138 || [[রাজনৈতিক দর্শন]] || ১,২৮৫ || ✓
|-
| 139 || [[দ্বিজেন্দ্র নারায়ণ ঝা]] || ১,০৮৭ || ✓
|-
| 140 || [[আগ্রাসন]] || ৯২০ || ✓
|-
| 141 || [[হিন্দুত্ব]] || ২,৭০০ || ✓
|-
| 142 || [[ফ্লাভিয়া অ্যাগনেস]] || ৬৮২ || ✓
|-
| 143 || [[লাভ জিহাদ ষড়যন্ত্র তত্ত্ব]] || ৩,১৫০ || ✓
|-
| 144 || [[মহাত্মা গান্ধীর হত্যাকাণ্ড]] || ১,৭৭৮ || ✓
|-
| 145 || [[যোগিন্দর সিকান্দ]] || ৮১৪ || ✓
|-
| 146 || [[ভারতে মুসলিমদের বিরুদ্ধে সহিংসতা]] || ৮৫১ || ✓
|-
| 147 || [[জয় শ্রীরাম]] || ৭০৮ || ✓
|-
| 148 || [[লালকৃষ্ণ আডবাণী]] || ১,৫৫৫ || ✓
|-
| 149 || [[রাম রথযাত্রা]] || ১,৫৭৯ || ✓
|-
| 150 || [[হিন্দু আমেরিকান ফাউন্ডেশন]] || ১,৪৫৫ || ✓
|-
| 151 || [[হর্ষ মান্দার]] || ৬৬০ || ✓
|-
| 152 || [[স্বপন দাশগুপ্ত]] || ১,১৬৭ || ✓
|-
| 153 || [[জরাথুস্ট্রবাদ]] || ৩৭৭ || ✓
|-
| 154 || [[পার্সি]] || ৩৯০ || ✓
|-
| 155 || [[নাগরিকত্ব]] || ১,৮৭৯ || ✓
|-
| 156 || [[ভারতের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৭০]] || ৬৭৯ || ✓
|-
| 157 || [[মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন, ১৯৩৯]] || ৭৬৯ || ✓
|-
| 158 || [[অবৈতনিক বাধ্যতামূলক শিশু শিক্ষার অধিকার আইন, ২০০৯]] || ৩৭৯ || ✓
|-
| 159 || [[বোম্বাই দাঙ্গা]] || ৭৭৬ || ✓
|-
| 160 || [[বজরং দল]] || ৩৩১ || ✓
|-
| 161 || [[সংসদীয় ব্যবস্থা]] || ৪০৫ || ✓
|-
| 162 || [[বিচার বিভাগীয় ব্যাখ্যা]] || ১,২৩২ || ✓
|-
| 163 || [[বর্ণবাদ পরবর্তী আমেরিকা]] || ১,০৬৯ || ✓
|-
| 164 || [[শ্বেতাঙ্গ বিশেষাধিকার]] || ৬২৮ || ✓
|-
| 165 || [[বিশেষাধিকার]] || ৭১২ || ✓
|-
| 166 || [[মানবহিতৈষণা]] || ২২৮ || ✓
|-
| 167 || [[ভারত সরকার]] || ১,২২০ || ✓
|-
| 168 || [[শিলং]] || ৯৭৩ || ✓
|-
| 169 || [[মাঝৌলি রাজ]] || ৫৬০ || ✓
|-
| 170 || [[কালিকট]] || ৪৫৪ || ✓
|-
| 171 || [[যাজপুর]] || ৪০৭ || ✓
|-
| 172 || [[কালিবাঙ্গান]] || ৭৩৮ || ✓
|-
| 173 || [[কাডাপা]] || ৪১৩ || ✓
|-
| 174 || [[ইদার]] || ৫৮৬ || ✓
|-
| 175 || [[গোধরা]] || ১,০১০ || ✓
|-
| 176 || [[ভুবনেশ্বর]] || ১,১৬৫ || ✓
|-
| 177 || [[অমৃতসর]] || ৮৬৮ || ✓
|-
| 178 || [[আম্বালা]] || ৪৬১ || ✓
|-
| 179 || [[হায়দ্রাবাদ]] || ৩,২৪৮ || ✓
|-
| 180 || [[২০১৯ হায়দ্রাবাদ গণধর্ষণ]] || ১৭৭ || ✓
|-
| 181 || [[মুহাম্মাদ বখতিয়ার খলজি]] || ৪২৩ || ✕
|-
| 182 || [[হায়দ্রাবাদ অধিগ্রহণ]] || ৪৫৬ || ✓
|-
| 183 || [[১৮৯৯-১৯০০ সালের ভারতীয় দুর্ভিক্ষ]] || ৫৪১ || ✓
|-
| 184 || [[১৯৯০ হায়দ্রাবাদ দাঙ্গা]] || ৪০৬ || ✓
|-
| 185 || [[গুয়াহাটি]] || ১,৭৯৬ || ✓
|-
| 186 || [[গৌড়]] || ১,৯৩৬ || ✓
|-
| 187 || [[বিজাপুর]] || ৬৬২ || ✓
|-
| 188 || [[মাণ্ডু]] || ৩৯৪ || ✓
|-
| 189 || [[খাজুরাহো]] || ৩৭১ || ✓
|-
| 190 || [[চান্দেরী]] || ৫০৭ || ✓
|-
| 191 || [[জুনাগড়]] || ৭১৯ || ✓
|-
| 192 || [[বৃহৎ কচ্ছের রাণ]] || ৫৮৪ || ✓
|-
| 193 || [[আহমেদাবাদ]] || ১,৮১২ || ✓
|-
| 194 || [[কচ্ছ জেলা]] || ৩২৬ || ✓
|-
| 195 || [[দৃশদ্বতী নদী]] || ১৮৬ || ✓
|-
| 196 || [[চেনাব নদী]] || ৩২১ || ✓
|-
| 197 || [[পশ্চিমবঙ্গে ধর্ম]] || ১,২৩২ || ✓
|-
| 198 || [[মুর্শিদাবাদ সহিংসতা]] || ২৫৭ || ✓
|-
| 199 || [[২০২৪ সন্দেশখালী সহিংসতা]] || ১,০৬১ || ✓
|-
| 200 || [[২০২২ বীরভূম সহিংসতা]] || ৫১৪ || ✓
|-
| 201 || [[মৈতৈ জাতি]] || ৬৪০ || ✓
|-
| 202 || [[মৈতৈ সভ্যতা]] || ৩৫০ || ✓
|-
| 203 || [[মণিপুর]] || ৩০৬ || ✓
|-
| 204 || [[লাক্ষাদ্বীপ]] || ৩২৯ || ✓
|-
| 205 || [[বৃন্দাবন]] || ৬৮২ || ✕
|-
| 206 || [[সম্ভল]] || ২৪৩ || ✓
|-
| 207 || [[এলাহাবাদ]] || ৩৫৭ || ✓
|-
| 208 || [[আলিগড়]] || ৪০৯ || ✓
|-
| 209 || [[স্ট্যাচু অব ইউনিটি]] || ২৪১ || ✓
|-
| 210 || [[ভারতের দুর্গ]] || ৩১৪ || ✓
|-
| 211 || [[দ্য দুন স্কুল]] || ৬৬৪ || ✓
|-
| 212 || [[কাশী হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়]] || ৩৪৫ || ✓
|-
| 213 || [[আগ্রা]] || ৭১৮ || ✓
|-
| 214 || [[২০২০ দিল্লি দাঙ্গা]] || ১,১৭৮ || ✓
|-
| 215 || [[তিরুচিরাপল্লী]] || ৬২৬ || ✓
|-
| 216 || [[সেন্ট থমাস ক্যাথেড্রাল ব্যাসিলিকা, চেন্নাই]] || ৩৮০ || ✕
|-
| 217 || [[আতঙ্ক]] || ৪৭৮ || ✕
|-
| 218 || [[ভারতে দুর্নীতি]] || ১,০০৭ || ✓
|-
| 219 || [[তামিলনাড়ুর মন্দির]] || ৯১৮ || ✓
|-
| 220 || [[এম. কে. স্ট্যালিন]] || ৩৩২ || ✓
|-
| 221 || [[তামিলনাড়ু]] || ৫৪৩ || ✓
|-
| 222 || [[তামিলনাড়ুর হিন্দি বিরোধী আন্দোলন]] || ৪৬৫ || ✓
|-
| 223 || [[যোধপুর]] || ৬২৮ || ✓
|-
| 224 || [[রাজস্থান]] || ২৯৪ || ✓
|-
| 225 || [[ওড়িশা]] || ৭৪৫ || ✓
|-
| 226 || [[১৯৯৮ কোয়েম্বাটুর বোমা হামলা]] || ৫৩৭ || ✓
|-
| 227 || [[উত্তর-পূর্ব ভারতে বিদ্রোহ]] || ৩৯৮ || ✓
|-
| 228 || [[মারাদ হত্যাকাণ্ড]] || ৩৫২ || ✓
|-
| 229 || [[মক্কা মসজিদ বিস্ফোরণ]] || ৫৮৪ || ✓
|-
| 230 || [[স্টুডেন্টস ইসলামিক মুভমেন্ট অব ইন্ডিয়া]] || ৩৫৭ || ✓
|-
| 231 || [[বিষ্ণু]] || ৬১৭ || ✓
|-
| 232 || [[২০২৪ রিয়াসি হামলা]] || ৩০২ || ✓
|-
| 233 || [[২০০৬ মালেগাঁও বোমা হামলা]] || ৩৯১ || ✓
|-
| 234 || [[২০০৬ মুম্বই রেলে বোমা হামলা]] || ১৯০ || ✓
|-
| 235 || [[মুম্বই]] || ১,২২৪ || ✓
|-
| 236 || [[দৌলতাবাদ, মহারাষ্ট্র]] || ৮৮৯ || ✕
|-
| 237 || [[মহারাষ্ট্র]] || ৪৯৯ || ✓
|-
| 238 || [[পিনারাই বিজয়ন]] || ৫২৩ || ✓
|-
| 239 || [[আরব দেশ]] || ৯১৪ || ✓
|-
| 240 || [[দক্ষিণ এশিয়া]] || ৫৯৩ || ✓
|-
| 241 || [[শহুরে অবক্ষয়]] || ৩০৮ || ✓
|-
| 242 || [[নগরায়ন]] || ১,০৯৭ || ✓
|-
| 243 || [[কেরল]] || ৩৬৫ || ✓
|-
| 244 || [[জম্মু ও কাশ্মীরে বিদ্রোহ]] || ৪১৮ || ✓
|-
| 245 || [[জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহার]] || ৯৬৪ || ✓
|-
| 246 || [[শ্রীনগর]] || ১,৭২৯ || ✓
|-
| 247 || [[কাশ্মীর উপত্যকা]] || ২৮৪ || ✓
|-
| 248 || [[লাদাখ]] || ৬৯৪ || ✓
|-
| 249 || [[কাশ্মীরি জাতি]] || ৮১৩ || ✓
|-
| 250 || [[তারিখ-ই-কাশ্মীর]] || ৫১৪ || ✓
|-
| 251 || [[কর্ণাটক]] || ৬৮২ || ✓
|-
| 252 || [[কর্ণাটকের রাজনীতি]] || ৪৩৯ || ✓
|-
| 253 || [[বেঙ্গালুরু]] || ৬১৪ || ✓
|-
| 254 || [[আসামে ইসলাম]] || ৬৯০ || ✓
|-
| 255 || [[আসামের ইতিহাস]] || ৭২৬ || ✓
|-
| 256 || [[আসামে হিন্দুধর্ম]] || ৩২৫ || ✓
|-
| 257 || [[ভারতের জনমিতি]] || ৩,৩৭৩ || ✓
|-
| 258 || [[বাংলাদেশের জনমিতি]] || ১,১৯৫ || ✓
|-
| 259 || [[পাকিস্তানের জনমিতি]] || ৮৫০ || ✓
|-
| 260 || [[আসামের জনমিতি]] || ১৮২ || ✓
|-
| 261 || [[বিহার]] || ৪৫৮ || ✓
|-
| 262 || [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] || ১৮১ || ✓
|-
| 263 || [[শাহ বানু মামলা]] || ৮০০ || ✓
|-
| 264 || [[ইসরায়েল–ভারত সম্পর্ক]] || ৮৯৭ || ✓
|-
| 265 || [[প্রণব মুখোপাধ্যায়]] || ৫৯৫ || ✓
|-
| 266 || [[দ্রৌপদী মুর্মু]] || ২৪৯ || ✓
|-
| 267 || [[ফখরুদ্দিন আলি আহমেদ]] || ১,৬৪৭ || ✓
|-
| 268 || [[এলজিবিটিকিউ অধিকার বিরোধিতা]] || ২,০৪৯ || ✓
|-
| 269 || [[গেফোবিয়া]] || ২৭৮ || ✓
|-
| 270 || [[সমকামী যৌন চর্চা]] || ৪০৭ || ✓
|-
| 271 || [[উভকামিতা]] || ১,৫৬০ || ✓
|-
| 272 || [[কামিং আউট]] || ৮০৫ || ✓
|-
| 273 || [[স্মৃতি ইরানি]] || ৯৯১ || ✓
|-
| 274 || [[মেনকা গান্ধী]] || ১,২৩০ || ✓
|-
| 275 || [[যশবন্ত সিং]] || ২০৬ || ✓
|-
| 276 || [[সৈয়দ শাহাবুদ্দিন]] || ৫৭৯ || ✓
|-
| 277 || [[শাকিল আহমদ]] || ১২৪ || ✓
|-
| 278 || [[তথাগত রায়]] || ২৭৫ || ✓
|-
| 279 || [[লালুপ্রসাদ যাদব]] || ১,১০৯ || ✓
|-
| 280 || [[আসাদউদ্দিন ওয়াইসি]] || ৫০২ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২৮০
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ২,৫৩,৯৫৯
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩,০১,০২২
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৪৭,০৬৩
|}
=== [[ব্যবহারকারী:SMontaha32| SMontaha32]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনী]] || ১৯,১০০ || ✕
|-
| 2 || [[ভাকলাভ হাভেল]] || ৯,৩৫৭ || ✓
|-
| 3 || [[নরউইচের জুলিয়ান]] || ৩১,৬৩৩ || ✓
|-
| 4 || [[রামসে ম্যাকডোনাল্ড]] || ৯,৬২২ || ✓
|-
| 5 || [[জন মুয়ির]] || ৮,০৬১ || ✓
|-
| 6 || [[মার্গারেট অ্যাটউড]] || ৬,৩২৮ || ✓
|-
| 7 || [[পেত্র ক্রাপোতকিন]] || ১০,৮১৬ || ✓
|-
| 8 || [[টমাস হেনরি হাক্সলি]] || ৮,৫০৩ || ✓
|-
| 9 || [[উইলিয়াম বাটলার ইয়েটস]] || ৭,২১০ || ✓
|-
| 10 || [[উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস]] || ৪,২৬০ || ✓
|-
| 11 || [[তাওয়াক্কোল কারমান]] || ৪,০৯৭ || ✓
|-
| 12 || [[র্যাচেল কারসন]] || ৪,৭৬৭ || ✓
|-
| 13 || [[আর্নেস্ট হেমিংওয়ে]] || ১৪,৯০৭ || ✓
|-
| 14 || [[আর্থার এডিংটন]] || ৫,৬৩৭ || ✓
|-
| 15 || [[এরিক হবসবাউম]] || ৫,৮৭৩ || ✓
|-
| 16 || [[টনি মরিসন]] || ১০,৩৮৩ || ✓
|-
| 17 || [[টনি বেন]] || ১০,৩৯৯ || ✓
|-
| 18 || [[নরম্যান মেইলার]] || ৬,৬০৬ || ✓
|-
| 19 || [[পল স্যামুয়েলসন]] || ৬,৮৫১ || ✓
|-
| 20 || [[এইচ. পি. লাভক্র্যাফট]] || ২৫,৪৭২ || ✓
|-
| 21 || [[ব্লেজ পাসকাল]] || ৩,০৫১ || ✓
|-
| 22 || [[চিনুয়া আচেবে]] || ৬,০৪২ || ✓
|-
| 23 || [[ডরিস লেসিং]] || ৪,৬২১ || ✓
|-
| 24 || [[ফেদেরিকো ফাগিন]] || ৬০০ || ✓
|-
| 25 || [[আলেকজান্ডার গ্রোথেনডিক]] || ১,২১১ || ✓
|-
| 26 || [[আঙ্গেলা ম্যার্কেল]] || ২,০২৯ || ✓
|-
| 27 || [[আনাক্সাগোরাস]] || ৩,৬৭১ || ✓
|-
| 28 || [[আমোস তভারস্কি]] || ৪৬১ || ✓
|-
| 29 || [[আলফ্রেড মার্শাল]] || ১,৩০৯ || ✓
|-
| 30 || [[আলবার্টাস ম্যাগনাস]] || ৩৮২ || ✓
|-
| 31 || [[অনিতা ব্রুকনার]] || ৪৭৪ || ✕
|-
| 32 || [[আলফ্রেড কিনসে]] || ১,০৩৩ || ✓
|-
| 33 || [[অ্যালান কে]] || ৯২৪ || ✓
|-
| 34 || [[আলেকজান্ডার ফ্লেমিং]] || ৩৩২ || ✓
|-
| 35 || [[ক্যারোলিন বার্তোজি]] || ৪১১ || ✓
|-
| 36 || [[আলফ্রেড রাসেল ওয়ালেস]] || ১,৬৫৯ || ✓
|-
| 37 || [[অঁতোয়ান লাভোয়াজিয়ে]] || ১,৪৩৬ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৩৭
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ২,১৮,৫১৮
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২,৩৯,৫২৮
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২১,০১০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:NusJaS| NusJaS]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[লিটিশা এলিজাবেথ ল্যান্ডন]] || ২৫,৯৭৯ || ✕
|-
| 2 || [[প্রজননবিরোধবাদ]] || ৩০,৯৪৮ || ✓
|-
| 3 || [[উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন]] || ২৮,৬১৯ || ✕
|-
| 4 || [[ক্রিস্টোফার হিচেন্স]] || ২৫,৯২২ || ✓
|-
| 5 || [[বলপূর্বক খাওয়ানো]] || ২২,৬২২ || ✓
|-
| 6 || [[জন স্টুয়ার্ট মিল]] || ২২,৭৮৩ || ✓
|-
| 7 || [[রবার্ট গ্যাসকয়েন-সিসিল, স্যালিসবারির ৩য় মার্কুইস]] || ২০,৮৯৮ || ✓
|-
| 8 || [[অ্যারন রা]] || ২১,৯৫৫ || ✓
|-
| 9 || [[ফায়ারপ্লেস]] || ২১,৪১৭ || ✓
|-
| 10 || [[জন হার্ভে কেলোগ]] || ৩০,৭৪৮ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১০
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১,৯৭,২৯৩
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২,৫১,৮৯১
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৫৪,৫৯৮
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch| Oindrojalik Watch]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ভ্রান্ত উদ্ধৃতি]] || ৯,৮৭১ || ✓
|-
| 2 || [[২০১১ ফিফা মহিলা বিশ্বকাপ]] || ৯৬৩ || ✓
|-
| 3 || [[তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] || ৩,১৭৯ || ✓
|-
| 4 || [[আফগান যুদ্ধ]] || ৪,৬২০ || ✓
|-
| 5 || [[ইউক্রেনে রুশ আক্রমণ]] || ১২,৩৮২ || ✓
|-
| 6 || [[ইরাক যুদ্ধ]] || ১২,৩৪৪ || ✓
|-
| 7 || [[যুক্তরাজ্যের তৃতীয় জর্জ]] || ১২,০৪২ || ✓
|-
| 8 || [[২০১০ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৮৮৩ || ✓
|-
| 9 || [[২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৩,৫১৪ || ✓
|-
| 10 || [[২০০২ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৬১১ || ✓
|-
| 11 || [[ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ]] || ১,৫৪২ || ✓
|-
| 12 || [[স্নায়ুযুদ্ধ]] || ১৫,৬১০ || ✓
|-
| 13 || [[দ্বিতীয় স্নায়ুযুদ্ধ]] || ৪,৬৬৮ || ✓
|-
| 14 || [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] || ২৪,১৭৭ || ✓
|-
| 15 || [[মহত্ত্ব]] || ৭,৮১৪ || ✓
|-
| 16 || [[সাংবাদিকতা]] || ১৩,৪৭৭ || ✓
|-
| 17 || [[প্যানডিজম]] || ১০,৩০০ || ✓
|-
| 18 || [[গাজা যুদ্ধ]] || ১৬,৯৮২ || ✓
|-
| 19 || [[২০২৬ ইরান যুদ্ধ]] || ৬,৯৫৯ || ✓
|-
| 20 || [[পারমাণবিক অস্ত্র]] || ৩,২৩৩ || ✓
|-
| 21 || [[২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৬৪৩ || ✓
|-
| 22 || [[ক্রুসেড]] || ৯৯৬ || ✓
|-
| 23 || [[অ্যানিমেশন]] || ৯,৪৫৭ || ✓
|-
| 24 || [[দক্ষিণ কোরিয়ার রাজনীতি]] || ৭৫৫ || ✓
|-
| 25 || [[ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ]] || ৩,৭৬২ || ✓
|-
| 26 || [[পারমাণবিক যুদ্ধ]] || ৫,৫২০ || ✓
|-
| 27 || [[আল খোয়ারিজমি]] || ১,২৩০ || ✓
|-
| 28 || [[ফজলে রাব্বী]] || ৬৩৫ || ✓
|-
| 29 || [[ডেভিড হিউম]] || ১১,৭৮০ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২৯
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১,৯০,০৭৮
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১,৯৯,৯৪৯
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023| Sumanta3023]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[লিওনিদ ক্যান্টোরোভিচ]] || ১,৪২২ || ✓
|-
| 2 || [[থিওডোসিয়াস ডবঝানস্কি]] || ৭৬০ || ✕
|-
| 3 || [[টেরেন্স টাও]] || ৭২০ || ✓
|-
| 4 || [[ফিলিপ]] || ৪২৬ || ✓
|-
| 5 || [[জুলিয়ান শুইঙার]] || ১,৩২২ || ✕
|-
| 6 || [[পিয়ের-জিল দ্য জেন]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 7 || [[ব্রায়ান কক্স]] || ৭৫৬ || ✓
|-
| 8 || [[জন ম্যাককার্থি]] || ১,০৪৫ || ✓
|-
| 9 || [[লুই দ্য ব্রোয়ি]] || ৪৬০ || ✓
|-
| 10 || [[ফ্রঁসোয়া মিতেরঁ]] || ১,১৯৪ || ✕
|-
| 11 || [[ফ্লিন্ডার্স পেট্রি]] || ১,২০৪ || ✕
|-
| 12 || [[পল আর. এহর্লিচ]] || ১,৩০০ || ✓
|-
| 13 || [[মাইকেল আতিয়াহ]] || ৪২৩ || ✓
|-
| 14 || [[মার্টন মিলার]] || ৪৮২ || ✓
|-
| 15 || [[মেরি বিয়ার্ড]] || ৯১১ || ✓
|-
| 16 || [[মার্গারেট চ্যান]] || ৭০৪ || ✓
|-
| 17 || [[গেরহার্ড শ্রোডার]] || ২৬৯ || ✓
|-
| 18 || [[ফিলিপ ওয়ারেন অ্যান্ডারসন]] || ৭৯৯ || ✓
|-
| 19 || [[পিটার হিগস]] || ৪৭৪ || ✕
|-
| 20 || [[লিওনার্ড সাসকিন্ড]] || ৮২৫ || ✓
|-
| 21 || [[জন মেইনার্ড স্মিথ]] || ৬৪০ || ✓
|-
| 22 || [[জন জেমস অডুবন]] || ৮৩৭ || ✓
|-
| 23 || [[শেলডন লি গ্ল্যাশো]] || ৭৫১ || ✓
|-
| 24 || [[ভিক্টর উইসকফ]] || ৫১৯ || ✓
|-
| 25 || [[মার্টিন রিস]] || ৫৫১ || ✓
|-
| 26 || [[মার্ক ওলিফ্যান্ট]] || ৫৫৩ || ✓
|-
| 27 || [[ভিতালি গিঞ্জবার্গ]] || ৩০৮ || ✓
|-
| 28 || [[স্যালি রাইড]] || ৪২৫ || ✓
|-
| 29 || [[রবার্ট ফোগেল]] || ৪২৮ || ✓
|-
| 30 || [[রিঙ্গো স্টার]] || ৮৭০ || ✓
|-
| 31 || [[মাক্স ডেলব্রুক]] || ৫৭৫ || ✓
|-
| 32 || [[তৃতীয় লেওপোল্ড]] || ৮৩৭ || ✓
|-
| 33 || [[নরম্যান বোরল্যাগ]] || ৭০০ || ✓
|-
| 34 || [[নিকলাউস ভির্ট]] || ৪৭৯ || ✓
|-
| 35 || [[নিকোলাস স্টেনো]] || ২৯২ || ✓
|-
| 36 || [[নেভিল ফ্রান্সিস মট]] || ৫১১ || ✓
|-
| 37 || [[লুডউইক ফ্লেক]] || ৫১২ || ✓
|-
| 38 || [[কারেন উলেনবেক]] || ৩৯২ || ✓
|-
| 39 || [[ইয়োসেফ মেংগেলে]] || ৫৪৪ || ✓
|-
| 40 || [[কিরণ দেশাই]] || ২৬১ || ✓
|-
| 41 || [[কাতালিন কারিকো]] || ৩০৯ || ✓
|-
| 42 || [[ইয়োন্স ইয়াকব বের্সেলিয়ুস]] || ৫১৬ || ✓
|-
| 43 || [[হুয়ান মালদাসেনা]] || ৭৩২ || ✓
|-
| 44 || [[হাইনরিখ বোল]] || ৩০০ || ✓
|-
| 45 || [[ইনগ্রিড ডোবিচি]] || ৬৭১ || ✓
|-
| 46 || [[ইয়ান উইলমুট]] || ৪২৭ || ✓
|-
| 47 || [[হিউ এভারেট]] || ৬০০ || ✓
|-
| 48 || [[ফ্রঁসোয়া অংল্যার]] || ৫৩৩ || ✓
|-
| 49 || [[এমানুয়েল সোয়েডেনবার্গ]] || ১,৫২২ || ✓
|-
| 50 || [[এলিজাবেথ বিশপ]] || ৬৫২ || ✓
|-
| 51 || [[শেখ আন্তা দিওপ]] || ৩৩৫ || ✓
|-
| 52 || [[জর্জ গ্যামো]] || ১,৫২১ || ✓
|-
| 53 || [[হাইনরিখ হের্ত্স]] || ১,৭৪৪ || ✓
|-
| 54 || [[গ্রো হারলেম ব্রুন্ডটল্যান্ড]] || ৩১১ || ✓
|-
| 55 || [[জন সি. মাদার]] || ৪২৫ || ✓
|-
| 56 || [[জন ব্যাকাস]] || ৫৯৭ || ✓
|-
| 57 || [[এর্নস্ট মায়ার]] || ৭৫৪ || ✓
|-
| 58 || [[লিন মার্গুলিস]] || ১,৭১৮ || ✓
|-
| 59 || [[হ্যান্স বেটে]] || ৩৯৬ || ✓
|-
| 60 || [[লুই আগাসিজ]] || ৯৩৭ || ✓
|-
| 61 || [[জর্জ ক্যুভিয়ে]] || ৭৬৮ || ✓
|-
| 62 || [[ব্রাসেলস]] || ৯৬৭ || ✓
|-
| 63 || [[ড্যানিয়েল কানেমান]] || ২,৯৫৭ || ✕
|-
| 64 || [[ডোনাল্ড কানুথ]] || ১,৫৮২ || ✓
|-
| 65 || [[লেমাহ গবোউই]] || ১,১৫০ || ✓
|-
| 66 || [[গারট্রুড বি. এলিয়ন]] || ২৩৪ || ✓
|-
| 67 || [[ডোনা স্ট্রিকল্যান্ড]] || ৩৫৯ || ✓
|-
| 68 || [[এর্নস্ট মাখ]] || ২,০২৮ || ✕
|-
| 69 || [[ডোনাল্ড টাস্ক]] || ১,৭৭১ || ✓
|-
| 70 || [[অরবিন্দ আদিগা]] || ৮৬৬ || ✓
|-
| 71 || [[সি. এ. আর. হোর]] || ১,০৬১ || ✕
|-
| 72 || [[পল ডিরাক]] || ৪,৭০৯ || ✕
|-
| 73 || [[ই. ও. উইলসন]] || ৪,৪৫৮ || ✕
|-
| 74 || [[ডেসমন্ড মরিস]] || ৩,৯৮৬ || ✓
|-
| 75 || [[মাইকেল গোভ]] || ৩,৭৩৬ || ✓
|-
| 76 || [[হার্পার লি]] || ২,৪৯১ || ✓
|-
| 77 || [[কেন টম্পসন]] || ১,৮১৬ || ✓
|-
| 78 || [[জন টিন্ডাল]] || ২,৫২৮ || ✓
|-
| 79 || [[মেরি রবিনসন]] || ১,৩৭৬ || ✓
|-
| 80 || [[হেনরি ক্যাভেন্ডিশ]] || ২,২৪৪ || ✓
|-
| 81 || [[আইরিস মারডক]] || ১,২৬৮ || ✓
|-
| 82 || [[আর্নেস্ট রাদারফোর্ড]] || ২,৪৫৩ || ✓
|-
| 83 || [[ফ্রেড ব্রুকস]] || ১,১৯১ || ✓
|-
| 84 || [[ক্রিস্টিয়ান হাইগেনস]] || ১,৯০৭ || ✓
|-
| 85 || [[ডায়ান ফসি]] || ১,৬৪৬ || ✕
|-
| 86 || [[ইডিথ হোয়ার্টন]] || ১,৪২৫ || ✓
|-
| 87 || [[অরেল স্টেইন]] || ১,৪৭৮ || ✕
|-
| 88 || [[গাব্রিয়েলা মিস্ত্রাল]] || ১,৬৫০ || ✓
|-
| 89 || [[আলেকজান্ডার ফন হুমবোল্ট]] || ১,১২০ || ✓
|-
| 90 || [[ফ্রান্সিস্কো ভারেলা]] || ১,৮৯৩ || ✓
|-
| 91 || [[ডেনিস রিচি]] || ১,১০৮ || ✓
|-
| 92 || [[অড্রে হেপবার্ন]] || ১,৪৩৫ || ✓
|-
| 93 || [[জি. এইচ. হার্ডি]] || ২,৩৩০ || ✓
|-
| 94 || [[হ্যারল্ড পিন্টার]] || ২,০৭২ || ✓
|-
| 95 || [[অ্যানাক্সিম্যান্ডার]] || ১,৩০০ || ✓
|-
| 96 || [[ডেভিড ব্রুস্টার]] || ২,৪০৪ || ✓
|-
| 97 || [[ব্রায়ান গ্রিন]] || ১,২৭৯ || ✕
|-
| 98 || [[অমিত গোস্বামী]] || ৯১৫ || ✓
|-
| 99 || [[এডমন্ড হ্যালি]] || ২,৬১৯ || ✓
|-
| 100 || [[ডেভিড সুজুকি]] || ১,৫১৭ || ✓
|-
| 101 || [[ডেভিড জোনাথন গ্রোস]] || ৮০৯ || ✓
|-
| 102 || [[ডেভিড ম্যামেট]] || ১,২৫২ || ✓
|-
| 103 || [[আহমেদ জেওয়াইল]] || ১৯২ || ✓
|-
| 104 || [[ইউরোপীয় পার্লামেন্ট]] || ৬১৫ || ✓
|-
| 105 || [[ডেভিড গ্রসম্যান]] || ৩৩৬ || ✓
|-
| 106 || [[হরিশ-চন্দ্র]] || ২৮৪ || ✓
|-
| 107 || [[অনিতা দেসাই]] || ১,৪৩৯ || ✓
|-
| 108 || [[অ্যাশ কার্টার]] || ৪৬৩ || ✓
|-
| 109 || [[আলফ্রেড নোবেল]] || ৫০৯ || ✕
|-
| 110 || [[ক্রিস্টিয়ান বার্নার্ড]] || ৬৩৯ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১১০
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৯৭,৪২১
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১,২২,৫০০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২৫,০৭৯
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Anik Kanti Dey| Anik Kanti Dey]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[রেজা পাহলভি]] || ৯,৯১০ || ✓
|-
| 2 || [[রজার ইবার্ট]] || ২১,৩২৫ || ✓
|-
| 3 || [[পুনর্জন্ম]] || ২০,২৪৮ || ✓
|-
| 4 || [[জ্যারেড ডায়মন্ড]] || ১,১৬৮ || ✕
|-
| 5 || [[জেন গুডাল]] || ১,৩৫৭ || ✓
|-
| 6 || [[জেমস টোবিন]] || ১,০৫৯ || ✓
|-
| 7 || [[জেমস ক্যালাহান]] || ১,৬১৫ || ✓
|-
| 8 || [[উইলিয়াম স্ট্যানলি জেভন্স]] || ১,৭০১ || ✓
|-
| 9 || [[উইলিয়াম থমসন]] || ১,০৫১ || ✓
|-
| 10 || [[ওলে সোয়িংকা]] || ৩,১৬১ || ✕
|-
| 11 || [[জোসেফ স্টিগলিটজ]] || ১,৫০৪ || ✕
|-
| 12 || [[গ্রেগর মেন্ডেল]] || ৮৭৪ || ✓
|-
| 13 || [[গটফ্রিড ভিলহেল্ম লাইবনিৎস]] || ১,২৩৬ || ✓
|-
| 14 || [[গ্লেন থিওডোর সিবর্গ]] || ৯৮৪ || ✓
|-
| 15 || [[হেরমান ভাইল]] || ১,৫৪১ || ✓
|-
| 16 || [[হেরমান হেস]] || ৪,৫৬৫ || ✓
|-
| 17 || [[হার্বার্ট স্পেন্সার]] || ২,৩৬৮ || ✓
|-
| 18 || [[হার্বার্ট এ. সাইমন]] || ১,৩৩৭ || ✓
|-
| 19 || [[হেরাক্লিটাস]] || ১,৫৭০ || ✓
|-
| 20 || [[হেনরিক শিয়েনকিয়েভিচ]] || ১,৯১১ || ✕
|-
| 21 || [[উইলা ক্যাথার]] || ৩,০৩৩ || ✕
|-
| 22 || [[উইল ডুরান্ট]] || ২,৮১৫ || ✓
|-
| 23 || [[ডব্লিউ. এইচ. অডেন]] || ২,৮১৯ || ✓
|-
| 24 || [[ভোলফগাং পাউলি]] || ১,৬৩৯ || ✓
|-
| 25 || [[ইয়াসুনারি কাওয়াবাতা]] || ২,২৫৮ || ✓
|-
| 26 || [[জন আর্চিবল্ড হুইলার]] || ১,১৩৯ || ✓
|-
| 27 || [[সেমুর হার্শ]] || ১,৭৬১ || ✓
|-
| 28 || [[সের্গেই কোরোলিয়ভ]] || ৫৬৫ || ✓
|-
| 29 || [[জেন অ্যাডামস]] || ১,৯০৬ || ✓
|-
| 30 || [[জাক-ইভ কুস্তো]] || ৬৬৩ || ✓
|-
| 31 || [[হিদেকি ইউকাওয়া]] || ৪০৩ || ✓
|-
| 32 || [[প্রিমো লেভি]] || ৪,২৩৮ || ✓
|-
| 33 || [[ঝুম্পা লাহিড়ী]] || ৪৩০ || ✓
|-
| 34 || [[জেমস প্রেসকট জুল]] || ৪৮৭ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৩৪
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৯৩,৮৬৪
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১,০৪,৬৪১
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ১০,৭৭৭
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman| Tanbiruzzaman]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা]] || ৪,৮৫১ || ✓
|-
| 2 || [[সংবাদ মাধ্যম]] || ১,১৫৫ || ✓
|-
| 3 || [[গণমাধ্যম]] || ৩,৩৫৭ || ✓
|-
| 4 || [[মূলধারার গণমাধ্যম]] || ১,০৫২ || ✓
|-
| 5 || [[হলুদ সাংবাদিকতা]] || ২,২৯৬ || ✓
|-
| 6 || [[ভুয়া সংবাদ]] || ১,৪০৮ || ✓
|-
| 7 || [[বিকল্প প্রচারমাধ্যম]] || ১,২০৫ || ✓
|-
| 8 || [[জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ]] || ১১,২৬৬ || ✓
|-
| 9 || [[অ্যানোনিমাস]] || ৪,০৪৩ || ✓
|-
| 10 || [[টুপাক শাকুর]] || ৬,২৮৭ || ✓
|-
| 11 || [[জেনডেয়া]] || ২,০১৪ || ✓
|-
| 12 || [[টিমথি শালামে]] || ১,১২৭ || ✓
|-
| 13 || [[হিপোক্রেটিস]] || ২,৯২৩ || ✓
|-
| 14 || [[ষষ্ঠ মুহাম্মদ]] || ৮৭৮ || ✓
|-
| 15 || [[জন লেনক্স]] || ৭০২ || ✓
|-
| 16 || [[আলেক্সান্দ্র্ সলজেনিৎসিন]] || ৮,০৫৬ || ✓
|-
| 17 || [[আবদুল হান্নান মাসউদ]] || ৪০৭ || ✓
|-
| 18 || [[পরকাল সম্পর্কে কুরআন]] || ১৮,৭৯৪ || ✓
|-
| 19 || [[মানবতাবিরোধী অপরাধ]] || ১,৯১২ || ✓
|-
| 20 || [[আন্তর্জাতিক আইন]] || ৫,৫৩৯ || ✓
|-
| 21 || [[মোহাম্মদ জাওয়াদ জারিফ]] || ১,৪৫২ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৮০,৭২৪
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৮০,৭২৪
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Nil Nandy| Nil Nandy]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[অনিল ভৌমিক]] || ২১৬ || ✓
|-
| 2 || [[মনোজ মিত্র]] || ৫,৫৬৭ || ✓
|-
| 3 || [[নারায়ণ সান্যাল]] || ৩৬৬ || ✓
|-
| 4 || [[মতি নন্দী]] || ৫,০১৮ || ✓
|-
| 5 || [[দেবেশ রায়]] || ৯,২৪৪ || ✓
|-
| 6 || [[শিশিরকুমার বসু]] || ৪,৮০৭ || ✓
|-
| 7 || [[বিমল কর]] || ১,৩৬৯ || ✓
|-
| 8 || [[সুবোধ সরকার]] || ১,৮৪৮ || ✓
|-
| 9 || [[স্মরণজিৎ চক্রবর্তী]] || ৭৯২ || ✓
|-
| 10 || [[স্বামী সারদানন্দ]] || ৮,৬৯৫ || ✓
|-
| 11 || [[শক্তিপদ রাজগুরু]] || ৯৯৩ || ✓
|-
| 12 || [[কমলকুমার মজুমদার]] || ১,৫৭৩ || ✓
|-
| 13 || [[গৌতম ভদ্র]] || ৬৮৫ || ✓
|-
| 14 || [[পরিমল গোস্বামী]] || ৬,৫৫০ || ✓
|-
| 15 || [[প্রেমাঙ্কুর আতর্থী]] || ৫,৬৯৮ || ✓
|-
| 16 || [[কালীপ্রসন্ন সিংহ]] || ৫,৪০৪ || ✓
|-
| 17 || [[অখিল নিয়োগী]] || ৬৩৬ || ✓
|-
| 18 || [[হরপ্রসাদ শাস্ত্রী]] || ৫১৩ || ✓
|-
| 19 || [[গায়ত্রী চক্রবর্তী স্পিভাক]] || ৫৯২ || ✓
|-
| 20 || [[অজিত দত্ত]] || ৮৭০ || ✓
|-
| 21 || [[অজিতকৃষ্ণ বসু]] || ২,৩৮৬ || ✓
|-
| 22 || [[এম এস স্বামীনাথন]] || ৮৭২ || ✓
|-
| 23 || [[চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন]] || ২,১৭১ || ✓
|-
| 24 || [[চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও]] || ২,১৬৭ || ✓
|-
| 25 || [[কণাদ]] || ৯১৯ || ✓
|-
| 26 || [[জয়ন্ত বিষ্ণু নারলিকর]] || ৩,১৮৭ || ✓
|-
| 27 || [[বিক্রম সারাভাই]] || ১,১২৯ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২৭
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৭৪,২৬৭
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৭৪,২৬৭
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:R1F4T| R1F4T]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[আর্নেস্ট কিং]] || ১৫,৭৬৯ || ✕
|-
| 2 || [[ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট]] || ২৬,২১৫ || ✓
|-
| 3 || [[আনোয়ার ইব্রাহিম]] || ৬,৯৯৩ || ✓
|-
| 4 || [[ইসলাম ও যুদ্ধ]] || ৫,৬৮১ || ✓
|-
| 5 || [[আহমদ সিরহিন্দি]] || ৪,০৭০ || ✓
|-
| 6 || [[মুসা সেরান্তোনিও]] || ৪২৩ || ✓
|-
| 7 || [[ইয়াকুব]] || ১,৯৫৬ || ✓
|-
| 8 || [[আদ্রিয়ান গোল্ডসওয়ার্দি]] || ১,৯৭৯ || ✕
|-
| 9 || [[অ্যালিস পল]] || ১,৮৬২ || ✕
|-
| 10 || [[অ্যামি ট্যান]] || ২,০০৭ || ✕
|-
| 11 || [[অ্যান্ড্রু সেগা]] || ১,৯৬৯ || ✓
|-
| 12 || [[আল্যাঁ বাদিউ]] || ১,৯৬৬ || ✕
|-
| 13 || [[আফ্রিকান স্পির]] || ১,৭২২ || ✕
|-
| 14 || [[ফ্রেডরিক ডগলাস]] || ৮৬২ || ✕
|-
| 15 || [[নবী]] || ২,০৬২ || ✕
|-
| 16 || [[এমা গোল্ডম্যান]] || ১২,৮০০ || ✕
|-
| 17 || [[প্রেম সম্পর্কে ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি]] || ১৫,০৪০ || ✓
|-
| 18 || [[মিস্ট্রি সায়েন্স থিয়েটার ৩০০০]] || ৯৪,৯৬৮ || ✕
|-
| 19 || [[দ্য থিক অফ ইট]] || ৬৯,২৮৩ || ✕
|-
| 20 || [[অ্যালেক্স হেইলি]] || ১,৬০৪ || ✓
|-
| 21 || [[দাসত্ব সম্পর্কে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি]] || ৫,৭৮৫ || ✕
|-
| 22 || [[দাসত্ব]] || ১০,২৫৯ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২২
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৬৩,৯৫১
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২,৮৫,২৭৫
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২,২১,৩২৪
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Salil Kumar Mukherjee| Salil Kumar Mukherjee]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[যন্ত্র]] || ৭১৩ || ✓
|-
| 2 || [[বিচারক]] || ৯৫২ || ✓
|-
| 3 || [[রুটি]] || ১,০৯৭ || ✓
|-
| 4 || [[খড়]] || ৯৩২ || ✓
|-
| 5 || [[মন্মথমোহন বসু]] || ৯৬৩ || ✕
|-
| 6 || [[কালীপ্রসন্ন বিদ্যারত্ন]] || ৮২৫ || ✓
|-
| 7 || [[কলসী]] || ১,০৮৬ || ✓
|-
| 8 || [[চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ১,১৫৭ || ✓
|-
| 9 || [[শহর]] || ১,৪৫৮ || ✕
|-
| 10 || [[ঘাস]] || ২,১১২ || ✓
|-
| 11 || [[জলধর সেন]] || ১,৭৬৪ || ✓
|-
| 12 || [[ঠিকানা]] || ১,১৮৭ || ✓
|-
| 13 || [[গন্ধ]] || ১,৮০৭ || ✓
|-
| 14 || [[চা]] || ২,৪২৪ || ✓
|-
| 15 || [[রবীন্দ্রনাথ মৈত্র]] || ১,২৮১ || ✓
|-
| 16 || [[দিগন্ত]] || ১,২২৮ || ✓
|-
| 17 || [[ময়ূর]] || ১,৩৪৫ || ✓
|-
| 18 || [[করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ৯১১ || ✓
|-
| 19 || [[ঢেউ]] || ১,৫৩৯ || ✓
|-
| 20 || [[ছাতা]] || ১,১৮৯ || ✓
|-
| 21 || [[উমাকান্ত হাজারী]] || ৯৪২ || ✓
|-
| 22 || [[ঘৃণা]] || ২,৩৩৯ || ✓
|-
| 23 || [[বাঁশ]] || ২,৪৫৯ || ✕
|-
| 24 || [[কলেরা]] || ১,৬৩৮ || ✓
|-
| 25 || [[মাঠ]] || ২,৪৪৭ || ✓
|-
| 26 || [[টিন]] || ১,৯৩২ || ✕
|-
| 27 || [[সংবাদ]] || ৪,৪৭৯ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২৭
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৩০,৯১৫
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৪২,২০৬
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ১১,২৯১
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul| Anaf Ibn Shahibul]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[জন বারবার]] || ৫৭৪ || ✕
|-
| 2 || [[স্কটিশ জাতি]] || ৩৭৫ || ✓
|-
| 3 || [[ওয়েন্ডি বোম্যান]] || ১৫১ || ✕
|-
| 4 || [[যুদ্ধাপরাধ]] || ৪,৬৭৯ || ✕
|-
| 5 || [[রুবি]] || ৩৬৩ || ✓
|-
| 6 || [[রিতা এনজেলু]] || ১৫৯ || ✓
|-
| 7 || [[বমি]] || ২০৪ || ✓
|-
| 8 || [[পার্ল]] || ৬৯০ || ✕
|-
| 9 || [[পাইথন]] || ১৩৯ || ✓
|-
| 10 || [[উইকিলিকস]] || ১,৬৩১ || ✕
|-
| 11 || [[জনস্টন ম্যাককালি]] || ৩১১ || ✕
|-
| 12 || [[যুগোস্লাভিয়া]] || ৪,১৩৬ || ✓
|-
| 13 || [[অংশুমান কর]] || ২০৯ || ✓
|-
| 14 || [[কেমব্রিজ গান]] || ৩০৫ || ✕
|-
| 15 || [[হেলেনীয় শিক্ষা]] || ৫০২ || ✓
|-
| 16 || [[টমাস হলি চিভার্স]] || ২৩৫ || ✓
|-
| 17 || [[মুহাম্মদ মাহদি আল-জাওয়াহিরি]] || ৬৩৮ || ✓
|-
| 18 || [[জেডি স্মিথ]] || ১,০৮০ || ✓
|-
| 19 || [[ব্রায়ান পি. শ্মিট]] || ৪৬০ || ✓
|-
| 20 || [[কার্ল বার্নস্টিন]] || ৩৬৮ || ✓
|-
| 21 || [[চার্লস ফেফারম্যান]] || ৩৩৯ || ✓
|-
| 22 || [[ইয়ুস্টুস ফন লিবিগ]] || ৩৩২ || ✓
|-
| 23 || [[টমাস শেলিংস]] || ৬৭৪ || ✓
|-
| 24 || [[উইলিয়াম শকলি]] || ৩৯১ || ✓
|-
| 25 || [[শিং-শেন চের্ন]] || ৭৬৫ || ✕
|-
| 26 || [[হুগো দ্য ভ্রিস]] || ৩৪৪ || ✓
|-
| 27 || [[রবার্ট অ্যান্ড্রুজ মিলিকান]] || ৪৩৬ || ✓
|-
| 28 || [[জেমস ভ্যান অ্যালেন]] || ৫৯৬ || ✓
|-
| 29 || [[জাক শিরাক]] || ৭১১ || ✓
|-
| 30 || [[ডরোথি হজকিন]] || ২৯৪ || ✓
|-
| 31 || [[গোরান পারসন]] || ৩২৬ || ✓
|-
| 32 || [[জেরার দ্যব্রু]] || ১৮৬ || ✓
|-
| 33 || [[কোরীয় যুদ্ধ]] || ৯,৯৬৫ || ✕
|-
| 34 || [[রবার্ট জে. শিলার]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 35 || [[ফ্রঁসোয়া আরাগন]] || ৪৩৫ || ✓
|-
| 36 || [[অখিলচন্দ্র দত্ত]] || ৩৭৩ || ✕
|-
| 37 || [[ফ্রান্সিস কলিন্স]] || ৫৮৮ || ✓
|-
| 38 || [[হেলেন ক্লার্ক]] || ৩৭৪ || ✓
|-
| 39 || [[লেয়োঁ ফুকো]] || ৫৩২ || ✓
|-
| 40 || [[জন চার্লস পোলানি]] || ৩৭৪ || ✓
|-
| 41 || [[জন মেইনার্ড কেইনস]] || ১৭,৭৯১ || ✕
|-
| 42 || [[দিমিত্রি মুরাতভ]] || ৬৩৬ || ✓
|-
| 43 || [[আবদুস সালাম]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 44 || [[আবদুলরাজাক গুরনাহ]] || ৭৪৯ || ✓
|-
| 45 || [[এ. সি. বেনসন]] || ৩৮৩ || ✓
|-
| 46 || [[প্রথম আলবার্ট]] || ৮৬৪ || ✓
|-
| 47 || [[অম্লান দত্ত]] || ১৪৬ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৪৭
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১৯,৩৪৬
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৫৬,৫৮১
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৩৭,২৩৫
|}
=== [[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন| মোহাম্মদ জনি হোসেন]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ইয়ান মার্টেল]] || ১,১৩৩ || ✕
|-
| 2 || [[ইয়োইচিরো নাম্বু]] || ৪৩১ || ✕
|-
| 3 || [[সৈয়দ জামিল আহমেদ]] || ২০৩ || ✓
|-
| 4 || [[পূর্ণিমা]] || ১৯২ || ✓
|-
| 5 || [[শরিফুল রাজ]] || ১৮৬ || ✓
|-
| 6 || [[কাজী হায়াৎ]] || ২৭৪ || ✓
|-
| 7 || [[আরেফিন রুমি]] || ১৬২ || ✓
|-
| 8 || [[ইমাম নাসাই]] || ৬৯৭ || ✕
|-
| 9 || [[কবরী]] || ২৭১ || ✓
|-
| 10 || [[হাফিজ উদ্দিন আহমদ]] || ২৩৬ || ✓
|-
| 11 || [[আ ন ম এহসানুল হক মিলন]] || ৩৪০ || ✓
|-
| 12 || [[আন্দালিব রহমান পার্থ]] || ২৯৭ || ✓
|-
| 13 || [[ববি হাজ্জাজ]] || ২৫৩ || ✓
|-
| 14 || [[ইবনে মাজাহ]] || ৩৩৬ || ✓
|-
| 15 || [[হাবিব ওয়াহিদ]] || ২৬৪ || ✓
|-
| 16 || [[জাইমা রহমান]] || ২১২ || ✓
|-
| 17 || [[কনকচাঁপা]] || ২২৮ || ✓
|-
| 18 || [[আহসান হাবীব]] || ২১৯ || ✓
|-
| 19 || [[বেলাল খান]] || ২১৯ || ✓
|-
| 20 || [[নচিকেতা চক্রবর্তী]] || ২৮৯ || ✓
|-
| 21 || [[আ ফ ম খালিদ হোসেন]] || ২৪৮ || ✓
|-
| 22 || [[আলমগীর]] || ৪০৬ || ✓
|-
| 23 || [[সালাহউদ্দিন আহমেদ]] || ৪৫৯ || ✓
|-
| 24 || [[চোং নানশান]] || ১৭৮ || ✓
|-
| 25 || [[এ. সি. ব্র্যাডলি]] || ৩৯০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২৫
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৫,৪৭২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৮,১২৩
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২,৬৫১
|}
=== [[ব্যবহারকারী:JIBON| JIBON]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[আলবার্ট হফমান]] || ৩,৪৪৪ || ✓
|-
| 2 || [[অ্যালান পারলিস]] || ৯২৮ || ✓
|-
| 3 || [[হেইনরিখ রোরার]] || ৩৬০ || ✓
|-
| 4 || [[আলফ্রেড আহো]] || ১৪৪ || ✕
|-
| 5 || [[উ থান্ট]] || ৬৭৮ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৫
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৪,৭৩২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৫,৫৫৪
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৮২২
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Md. Muqtadir Fuad| Md. Muqtadir Fuad]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[লোরঁ শোয়ার্তজ]] || ৬১০ || ✓
|-
| 2 || [[উইলিয়াম শার্প]] || ৩৯৯ || ✓
|-
| 3 || [[পাউল এরেনফেস্ট]] || ৪৩৩ || ✓
|-
| 4 || [[রবার্ট মান্ডেল]] || ৩২২ || ✓
|-
| 5 || [[হান কাং]] || ৬৬৬ || ✓
|-
| 6 || [[ক্রিপটিক ফেইট]] || ১৭৬ || ✓
|-
| 7 || [[কাকাবাবু]] || ২৫৮ || ✓
|-
| 8 || [[ক্যারি মুলিস]] || ৪০৩ || ✓
|-
| 9 || [[টোমাস ট্রান্সট্রোমার]] || ২৯৯ || ✓
|-
| 10 || [[ইরিনা বোকোভা]] || ২৬৮ || ✓
|-
| 11 || [[মার্টিনুস ভেল্টম্যান]] || ১৯৫ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৪,০২৯
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৪,০২৯
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Humaira.thithi| Humaira.thithi]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ড্যামন গ্যালগুট]] || ৪৮২ || ✓
|-
| 2 || [[আর্থার কর্নবার্গ]] || ১৭৭ || ✕
|-
| 3 || [[বেন ওক্রি]] || ৮৫৮ || ✓
|-
| 4 || [[সল বেলো]] || ১,০০৩ || ✓
|-
| 5 || [[সল পার্লমাটার]] || ৩১১ || ✕
|-
| 6 || [[সিমেওঁ দ্যনি পোয়াসোঁ]] || ১৬০ || ✓
|-
| 7 || [[স্টিভ আরউইন]] || ৪৩৫ || ✕
|-
| 8 || [[আনি এরনো]] || ২৮৪ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৮
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ২,৭৮৭
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩,৭১০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৯২৩
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Amirhusenjihed| Amirhusenjihed]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ফজল শাহাবুদ্দীন]] || ৪৯৫ || ✕
|-
| 2 || [[আল-জাহিজ]] || ৭৩৩ || ✓
|-
| 3 || [[আল-বিরুনি]] || ১,৮৩৬ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৩
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ২,৫৬৯
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩,০৬৪
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৪৯৫
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Asikur Rahman| Asikur Rahman]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[থমাস হ্যারিয়ট]] || ৪৩২ || ✓
|-
| 2 || [[স্টিভেন চু]] || ২২০ || ✓
|-
| 3 || [[ইভাঞ্জেলিস্টা টরিসেলি]] || ৩৭২ || ✓
|-
| 4 || [[লেসলি ল্যামপোর্ট]] || ৫৫০ || ✓
|-
| 5 || [[মার্টিন লুইস পার্ল]] || ৩৮৮ || ✓
|-
| 6 || [[ভ্লাদিমির মার্কভনিকভ]] || ২৬৭ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৬
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ২,২২৯
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২,২২৯
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Rasel Mehedi| Rasel Mehedi]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[বাপ্পী লাহিড়ী]] || ২৫২ || ✓
|-
| 2 || [[নুহাশ হুমায়ূন]] || ২০৫ || ✓
|-
| 3 || [[আনিসুল হক]] || ২৪৬ || ✕
|-
| 4 || [[বাবর আলী]] || ৩০৯ || ✓
|-
| 5 || [[মেহের আফরোজ শাওন]] || ৩১৯ || ✓
|-
| 6 || [[ফেলুদা]] || ২৪৬ || ✓
|-
| 7 || [[ব্যোমকেশ বক্সী]] || ১৭৮ || ✓
|-
| 8 || [[প্রোফেসর শঙ্কু]] || ২৬৯ || ✓
|-
| 9 || [[বারী সিদ্দিকী]] || ২৪২ || ✓
|-
| 10 || [[সমরেশ বসু]] || ২০২ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১০
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ২,২২২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২,৪৬৮
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২৪৬
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Mahiya50| Mahiya50]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[লিয়ন কুপার]] || ৩২৩ || ✓
|-
| 2 || [[কামিলা শামসি]] || ২০৪ || ✓
|-
| 3 || [[ক্রিস্টোফার রেন]] || ৩৭৪ || ✓
|-
| 4 || [[জিওফ্রে হিন্টন]] || ৩২২ || ✓
|-
| 5 || [[ফ্রিডতিয়ফ নানসেন]] || ১৯১ || ✓
|-
| 6 || [[আলাঁ আস্পে]] || ৭৭৬ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৬
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ২,১৯০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২,১৯০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Borhan| Borhan]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ক্যারিল ফিলিপস]] || ২৮৪ || ✓
|-
| 2 || [[জেমস কুক]] || ৩৯৭ || ✓
|-
| 3 || [[ক্লাউদিয়া শেইনবাউম]] || ৩২১ || ✓
|-
| 4 || [[আবি আহমেদ]] || ২৫৫ || ✓
|-
| 5 || [[পিটার আগ্রি]] || ১৯০ || ✓
|-
| 6 || [[ফখরুদ্দীন আল-রাযী]] || ২১৫ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৬
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১,৬৬২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১,৬৬২
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Raihanur| Raihanur]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[শি চিনফিং]] || ৪,১৩২ || ✕
|-
| 2 || [[ইব্রাহিম ত্রাওরে]] || ৭৫৪ || ✓
|-
| 3 || [[পেদ্রো সানচেজ]] || ২৯৯ || ✓
|-
| 4 || [[অ্যাডাম রিস]] || ৪৮৯ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৪
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১,৫৪২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৫,৬৭৪
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৪,১৩২
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Muhammad Fahim Faisal| Muhammad Fahim Faisal]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[আব্দুল হান্নান আবকারী]] || ০ || ✕
|-
| 2 || [[ইবরাহীম আলী তশনা]] || ২৪৭ || ✓
|-
| 3 || [[রুহুল আমিন বসিরহাটি]] || ৩৬৩ || ✓
|-
| 4 || [[মুহাম্মদুল্লাহ হাফেজ্জী]] || ৩৪২ || ✓
|-
| 5 || [[শামছুল হুদা]] || ০ || ✕
|-
| 6 || [[শামছুল হক ফরিদপুরী]] || ৫৪৬ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৬
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১,৪৯৮
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১,৪৯৮
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Firuz Ahmmed| Firuz Ahmmed]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[গর্ডন মুর]] || ৫৮৭ || ✓
|-
| 2 || [[শিরিন এবাদি]] || ৫৪৩ || ✕
|-
| 3 || [[নাগিব মাহফুজ]] || ৫৩০ || ✓
|-
| 4 || [[আল-ফারাবি]] || ৫৩৭ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৪
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১,১১৭
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২,১৯৭
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ১,০৮০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:নিয়াজ ইসলাম| নিয়াজ ইসলাম]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[চাষী নজরুল ইসলাম]] || ৪৪৬ || ✓
|-
| 2 || [[বাপ্পা মজুমদার]] || ৩১০ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৭৫৬
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৭৫৬
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Asad.fr| Asad.fr]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[রবার্ট ক্লাইভ]] || ২,০০২ || ✕
|-
| 2 || [[পার্ল এস. বাক]] || ৯৩৩ || ✕
|-
| 3 || [[জন বারডিন]] || ৩৬৪ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৩
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৩৬৪
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩,২৯৯
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২,৯৩৫
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin| Mehedi Abedin]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[তাসমিয়া প্রধান]] || ৩৫২ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ৩৫২
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩৫২
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Md. Rayan Alam Rifat| Md. Rayan Alam Rifat]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[আজিজুল হক]] || ১৮০ || ✓
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১৮০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১৮০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Siyan BD| Siyan BD]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[আবদুস সালাম]] || ১০০ || ✕
|-
| 2 || [[আবদুল গফুর]] || ১০১ || ✕
|-
| 3 || [[আবদুল জব্বার]] || ১৬১ || ✓
|-
| 4 || [[আবদুল জব্বার]] || ৯২ || ✕
|-
| 5 || [[আবদুল জব্বার]] || ১৩৩ || ✕
|-
| 6 || [[অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ১৩৪ || ✕
|-
| 7 || [[অনিমেষ রায়]] || ১২৬ || ✕
|-
| 8 || [[অনির্বাণ বসু]] || ১২০ || ✕
|-
| 9 || [[অজয় ঘটক]] || ১১৪ || ✕
|-
| 10 || [[অচলা মল্লিক]] || ১৫৪ || ✕
|-
| 11 || [[অজয় হোম]] || ১৫৯ || ✕
|-
| 12 || [[অমিতা বসু]] || ১৪২ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১২
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ১৬১
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১,৫৩৬
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ১,৩৭৫
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Dewan mahbubr Rahman| Dewan mahbubr Rahman]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ভেরা রুবিন]] || ৩৫০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩৫০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৩৫০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:ExceptionistSagar| ExceptionistSagar]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মেরি কুরি]] || ১৭৯ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১৭৯
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ১৭৯
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Kh. Fahim| Kh. Fahim]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মিসির আলি]] || ৪০৬ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৪০৬
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৪০৬
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Trisha Mazumder| Trisha Mazumder]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[আস্ট্রোনমি]] || ০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:MdMarufHossen71| MdMarufHossen71]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মমতাজ বেগম]] || ৩৫৫ || ✕
|-
| 2 || [[আবুল বরকত]] || ১৪৩ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৪৯৮
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৪৯৮
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Usarker| Usarker]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মেরি স্টোপস]] || ৫০৫ || ✕
|-
| 2 || [[ইয়োন ফসে]] || ৩৯৩ || ✕
|-
| 3 || [[জুনো দিয়াজ]] || ৫৪০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৩
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ১,৪৩৮
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ১,৪৩৮
|}
=== [[ব্যবহারকারী:রাকিবুল হাসান রাসেল| রাকিবুল হাসান রাসেল]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[পারভীন এতেসামি]] || ০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:MD RADWAN ISLAM| MD RADWAN ISLAM]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[চুয়াং জি]] || ২৭৪ || ✕
|-
| 2 || [[ফকির শাহাবুদ্দীন]] || ০ || ✕
|-
| 3 || [[আবু বকর সিদ্দিকী]] || ০ || ✕
|-
| 4 || [[বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট]] || ০ || ✕
|-
| 5 || [[বাংলাদেশের কৃষি প্রযুক্তি]] || ০ || ✕
|-
| 6 || [[হাসিবুন নাহের]] || ০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৬
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ২৭৪
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ২৭৪
|}
=== [[ব্যবহারকারী:AKM Mahinur Rahman| AKM Mahinur Rahman]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মেরি উলস্টোনক্রাফ্ট]] || ২১৩ || ✕
|-
| 2 || [[বালতাসার গ্রাসিয়ান]] || ২০৬ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ২
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৪১৯
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৪১৯
|}
=== [[ব্যবহারকারী:MD RADWAN ISLAM ROHAN| MD RADWAN ISLAM ROHAN]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[জুলাই আন্দোলন]] || ৬১৫ || ✕
|-
| 2 || [[বিকাশ]] || ০ || ✕
|-
| 3 || [[নতুন প্রযুক্তি]] || ০ || ✕
|-
| 4 || [[বাংলাদেশের রিয়েল এস্টেট শিল্প: বর্তমান প্রেক্ষাপট ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা]] || ০ || ✕
|-
| 5 || [[জলবায়ু পরিবর্তন ও বাংলাদেশের পরিবেশ]] || ০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ৫
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৬১৫
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৬১৫
|}
=== [[ব্যবহারকারী:ShahinurWrites| ShahinurWrites]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[মোহাম্মদ শেখ শাহিনুর রহমান]] || ০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:Abdullah Al Shishir| Abdullah Al Shishir]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[অপ্রত্যাশিত জীবনযাত্রা]] || ০ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ০
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ০
|}
=== [[ব্যবহারকারী:চ্যাম্পিয়ন স্টার ১| চ্যাম্পিয়ন স্টার ১]] ===
{| class="wikitable sortable" style="text-align:center; width:100%;"
|-
! ক্রম !! ভূক্তির শিরোনাম !! শব্দসংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[অপর্ণা সেন]] || ৩১২ || ✕
|-
! colspan="4" | সার্বিক শব্দ পরিসংখ্যান: ১
|-
| colspan="3" | গৃহীত শব্দ: ০
| rowspan="2" | মোট শব্দ: ৩১২
|-
| colspan="3" | বাতিল শব্দ: ৩১২
|}
==শব্দসংখ্যা অনুযায়ী নিবন্ধ তালিকা==
{| class="wikitable sortable mw-collapsible mw-collapsed"
|+ class="nowrap" | শব্দসংখ্যা অনুযায়ী নিবন্ধ তালিকা
! ক্রমিক !! নিবন্ধ !! শব্দ সংখ্যা !! অবস্থা
|-
| 1 || [[ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্পর্কে উক্তি]] || ৩৯,৩০৩ || ✓
|-
| 2 || [[স্ট্যানলি বল্ডউইন]] || ৩৪,১৩১ || ✓
|-
| 3 || [[খ্রিস্টের অনৈতিহাসিকতা তত্ত্ব]] || ২৮,৭০৭ || ✓
|-
| 4 || [[বেঞ্জামিন ডিসরাইলি]] || ২৯,৪৭৯ || ✓
|-
| 5 || [[রবার্ট জি. ইঙ্গারসোল]] || ৩০,০৯০ || ✓
|-
| 6 || [[রন পল]] || ২৪,৯২৮ || ✓
|-
| 7 || [[ক্যালকুলাসের ইতিহাস]] || ১৯,১৯৫ || ✓
|-
| 8 || [[অ্যানোরেক্সিয়া নার্ভোসা]] || ২৩,১০০ || ✓
|-
| 9 || [[ডোয়াইট ডি আইজেনহাওয়ার]] || ২১,০২৬ || ✓
|-
| 10 || [[স্টিফেন জে গুল্ড]] || ২২,১৫০ || ✓
|-
| 11 || [[এআর-১৫ স্টাইল রাইফেল]] || ১৮,৯০১ || ✓
|-
| 12 || [[শেরি এস. টেপার]] || ২৪,৯৯৯ || ✓
|-
| 13 || [[আউরেলিয়ুস আউগুস্তিনুস]] || ১৯,৩৪৬ || ✓
|-
| 14 || [[ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতিত্ব]] || ৪৬,৮৯৯ || ✓
|-
| 15 || [[নবায়নযোগ্য শক্তি]] || ১২,৬১০ || ✓
|-
| 16 || [[নাডিন গর্ডিমার]] || ১,৩৭২ || ✓
|-
| 17 || [[মারে গেল-মান]] || ১,৩২৮ || ✓
|-
| 18 || [[নার্গিস মোহাম্মাদি]] || ১,৭৫৫ || ✓
|-
| 19 || [[সাদি কার্নো]] || ৫,২৫৬ || ✓
|-
| 20 || [[জে. হাওয়ার্ড মুর]] || ২৪,১৯৫ || ✓
|-
| 21 || [[ভারতে পোশাক]] || ২,২৮৯ || ✓
|-
| 22 || [[ভারতের ভাষা]] || ৬৯৫ || ✓
|-
| 23 || [[মধ্যযুগীয় ভারত]] || ১,৭১৭ || ✓
|-
| 24 || [[ভারতে ইহুদিদের ইতিহাস]] || ২,০৪৬ || ✓
|-
| 25 || [[ভারতে সুফিবাদ]] || ৩,২০৭ || ✓
|-
| 26 || [[পর্তুগিজ ভারত]] || ১,৬৪৩ || ✓
|-
| 27 || [[ভারতের প্রাণী]] || ৩০৫ || ✓
|-
| 28 || [[স্বাধীনতা দিবস]] || ৩৭৫ || ✓
|-
| 29 || [[ভারতে দুর্ভিক্ষ]] || ৩,৭৮১ || ✓
|-
| 30 || [[ভারতে ধর্মহীনতা]] || ২,৩৮৯ || ✓
|-
| 31 || [[ওয়ারেন ফ্যারেল]] || ২১,০৭৮ || ✓
|-
| 32 || [[আর্নেস্ট বেকার]] || ১৩,৫৯৭ || ✓
|-
| 33 || [[অতিপ্রজতা]] || ২৯,৫০১ || ✓
|-
| 34 || [[মোপলা বিদ্রোহ]] || ১৪,৫১২ || ✓
|-
| 35 || [[সীতা রাম গোয়েল]] || ১,৫৯৬ || ✓
|-
| 36 || [[অরুণ শৌরি]] || ১৫,৪৫০ || ✓
|-
| 37 || [[ভারতের ইতিহাস লিখন]] || ১৭,৯১৮ || ✓
|-
| 38 || [[দ্রৌপদী]] || ৬,১৬৪ || ✓
|-
| 39 || [[দ্য হিস্ট্রি অফ ইন্ডিয়া, অ্যাজ টোল্ড বাই ইটস ওন হিস্টোরিয়ানস]] || ২,৬৮৫ || ✕
|-
| 40 || [[রামায়ণ]] || ১,৩০০ || ✓
|-
| 41 || [[ভারতে শিক্ষা]] || ১০,৫৮০ || ✓
|-
| 42 || [[ভারতে নারী]] || ৬,১৫০ || ✓
|-
| 43 || [[বন্যপ্রাণীর কষ্ট]] || ৩৩,৭৪১ || ✓
|-
| 44 || [[নিরামিষবাদ]] || ৩০,৬২৭ || ✓
|-
| 45 || [[ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম রাষ্ট্রপতিত্ব]] || ৩৭,৫৭২ || ✓
|-
| 46 || [[নির্বাচন]] || ৭,০২৫ || ✓
|-
| 47 || [[সরকার]] || ২২,৭৫৯ || ✓
|-
| 48 || [[মহুয়া মৈত্র]] || ৬৫০ || ✓
|-
| 49 || [[হেনরি হোম, লর্ড কেইমস]] || ১,২৯৬ || ✓
|-
| 50 || [[লেটি কটিন পোগ্রেবিন]] || ৩৭০ || ✓
|-
| 51 || [[মার্জ পিয়ার্সি]] || ৬,৭৯০ || ✓
|-
| 52 || [[এলেন ডুইবস]] || ৮০৪ || ✓
|-
| 53 || [[মেরেডিথ ট্যাক্স]] || ৪৯১ || ✓
|-
| 54 || [[মুলক রাজ আনন্দ]] || ২৩৫ || ✓
|-
| 55 || [[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ধর্ষণ]] || ১,৯২০ || ✓
|-
| 56 || [[সুসান ব্রাউনমিলার]] || ৯৯১ || ✓
|-
| 57 || [[রবিন মরগান]] || ১,২২১ || ✓
|-
| 58 || [[ভিভিয়ান গোর্নিক]] || ২,৬৯০ || ✓
|-
| 59 || [[ডরোথি রে হিলি]] || ২,৬৩৮ || ✕
|-
| 60 || [[ক্লডিয়া জোন্স]] || ১,২৯৯ || ✓
|-
| 61 || [[গের্ডা লার্নার]] || ৩,৪২৮ || ✓
|-
| 62 || [[এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন]] || ৯,৮০৪ || ✕
|-
| 63 || [[এলা রিভ ব্লুর]] || ১,৯১৭ || ✓
|-
| 64 || [[টমাস হিউজ]] || ৯৯৬ || ✓
|-
| 65 || [[মার্গারিট দুরাস]] || ৩৪৯ || ✓
|-
| 66 || [[বেন অ্যারোনোভিচ]] || ৮,৭৯৭ || ✓
|-
| 67 || [[গ্লেন কুক]] || ৯,৯৮৫ || ✓
|-
| 68 || [[আব্রাহাম কাহান]] || ২,১৩৩ || ✓
|-
| 69 || [[গ্রেস পেলি]] || ৮,১৬৪ || ✕
|-
| 70 || [[স্টিফেন ক্রেন]] || ১,৯৬৩ || ✕
|-
| 71 || [[জোসেফাইন হার্বস্ট]] || ৪২৭ || ✓
|-
| 72 || [[জর্জ গিসিং]] || ২,০০৫ || ✓
|-
| 73 || [[আনজিয়া ইয়েজিয়ারস্কা]] || ৩,২৬২ || ✕
|-
| 74 || [[মেরি অ্যান্টিন]] || ৪৯০ || ✓
|-
| 75 || [[জয়েস অ্যান্টলার]] || ৪২৯ || ✓
|-
| 76 || [[ক্যাথরিন ম্যাককিনন]] || ২,১৭৮ || ✓
|-
| 77 || [[বেটিনা আপথেকার]] || ১,০২০ || ✓
|-
| 78 || [[ক্যারি চ্যাপম্যান ক্যাট]] || ১,৬০৩ || ✓
|-
| 79 || [[জ্যানেট র্যাঙ্কিন]] || ৭২১ || ✓
|-
| 80 || [[ফ্রান্সেস উইলার্ড]] || ৯৪১ || ✕
|-
| 81 || [[অ্যালিস স্টোন ব্ল্যাকওয়েল]] || ৫৪০ || ✕
|-
| 82 || [[অ্যানা এলিজাবেথ ডিকিনসন]] || ৭৫১ || ✕
|-
| 83 || [[মেরি লিভারমোর]] || ২,৩০৭ || ✕
|-
| 84 || [[দাড়ি]] || ২৯৭ || ✓
|-
| 85 || [[স্যার হেনরি হোবার্ট, ১ম ব্যারোনেট]] || ৭৩৮ || ✓
|-
| 86 || [[হার্ডিঞ্জ স্ট্যানলি গিফার্ড, হালসবুরির ১ম আর্ল]] || ৪১৯ || ✓
|-
| 87 || [[এ. ভি. ডাইসি]] || ১,৩৮১ || ✕
|-
| 88 || [[আলফ্রেড ডেনিং, ব্যারন ডেনিং]] || ৩,৮৩২ || ✓
|-
| 89 || [[টমাস ডেনিসন]] || ৪০০ || ✓
|-
| 90 || [[স্যার ফ্রান্সিস বুলার, ১ম ব্যারোনেট]] || ৯৬২ || ✓
|-
| 91 || [[নিকোলাস ব্রাতজা]] || ২৬৪ || ✓
|-
| 92 || [[রবার্ট অ্যাটকিনস]] || ৩৩৩ || ✕
|-
| 93 || [[রিচার্ড পেপার আর্ডেন, ১ম ব্যারন অ্যালভানলি]] || ৩৫১ || ✓
|-
| 94 || [[এডওয়ার্ড হল অল্ডারসন]] || ৪৪৬ || ✓
|-
| 95 || [[অ্যামব্রোজ বিয়ার্স]] || ৫,৫৪১ || ✕
|-
| 96 || [[মেওয়াত]] || ৭১৮ || ✓
|-
| 97 || [[নানাবতী-মেহতা কমিশন]] || ২,৪৪৪ || ✓
|-
| 98 || [[ভারতে ঔষধ শিল্প]] || ১,৯২১ || ✓
|-
| 99 || [[পাঞ্জাব]] || ১,৪০৬ || ✓
|-
| 100 || [[রামনবমী]] || ৮৬২ || ✓
|-
| 101 || [[ভারতের শহরসমূহের নাম পরিবর্তন]] || ৪৪১ || ✓
|-
| 102 || [[নুপুর শর্মা]] || ৬০১ || ✓
|-
| 103 || [[রিপাবলিক টিভি]] || ৪৫৫ || ✓
|-
| 104 || [[রোহিলখণ্ড]] || ৪৪০ || ✓
|-
| 105 || [[রোহিলা]] || ৩৪০ || ✓
|-
| 106 || [[সৌরাষ্ট্র]] || ৬৫৪ || ✓
|-
| 107 || [[ভারতে তিন তালাক]] || ১,১৩৪ || ✓
|-
| 108 || [[ভারতের পবিত্র উপবন]] || ৫৭৫ || ✓
|-
| 109 || [[অভিন্ন দেওয়ানি বিধি]] || ৩,৭৩৭ || ✓
|-
| 110 || [[নবনীত আদিত্য ওয়াইবা]] || ১৯২ || ✓
|-
| 111 || [[ভারতে জল সরবরাহ ও স্যানিটেশন]] || ৭৪০ || ✓
|-
| 112 || [[জমিদার]] || ৩৮১ || ✕
|-
| 113 || [[নিখিল ভারত মুসলিম লীগ]] || ১,৭৩৭ || ✕
|-
| 114 || [[ফতোয়া]] || ৪৮৪ || ✓
|-
| 115 || [[দারা শিকোহ]] || ১,৪৩৫ || ✓
|-
| 116 || [[আমেরিকা নিপাত যাক]] || ৬৩৯ || ✓
|-
| 117 || [[মহা শয়তান]] || ৪১৪ || ✓
|-
| 118 || [[উলামা]] || ৩৪৫ || ✓
|-
| 119 || [[দক্ষিণ এশিয়ায় মুসলিম জাতীয়তাবাদ]] || ১,৫১৬ || ✓
|-
| 120 || [[পার্সি-মুসলিম দাঙ্গা]] || ৬৫৬ || ✓
|-
| 121 || [[ভারতে দাঙ্গা]] || ৬৭৪ || ✓
|-
| 122 || [[ভারতে পেগাসাস প্রকল্পের উদঘাটন]] || ৩৯০ || ✓
|-
| 123 || [[নেহরুবাদ]] || ৯৫২ || ✓
|-
| 124 || [[২জি স্পেকট্রাম মামলা]] || ৯৩৭ || ✓
|-
| 125 || [[রাহুল গান্ধী]] || ৪,০০৪ || ✓
|-
| 126 || [[আকবরউদ্দিন ওয়াইসি]] || ২৯৮ || ✓
|-
| 127 || [[ভারতের সাধারণ নির্বাচন, ২০২৪]] || ২,৫৭৭ || ✓
|-
| 128 || [[ভারতে ধর্মনিরপেক্ষতা]] || ২৩৪ || ✓
|-
| 129 || [[নাইলা আলি খান]] || ২০৪ || ✓
|-
| 130 || [[অরুণ জেটলি]] || ৪৮১ || ✓
|-
| 131 || [[সুকেতু মেহতা]] || ৩৮২ || ✓
|-
| 132 || [[রুক্মিণী মৈত্র]] || ৩৫৪ || ✓
|-
| 133 || [[মানব গুপ্ত]] || ৬৩৪ || ✕
|-
| 134 || [[মোহিনী মোহন ধর]] || ৫৮৫ || ✓
|-
| 135 || [[দিলীপ কুমার চক্রবর্তী]] || ২,৫৯৭ || ✓
|-
| 136 || [[রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ৩৮৩ || ✓
|-
| 137 || [[পিটার অ্যাক্রয়েড]] || ২৯৭ || ✓
|-
| 138 || [[হ্যারল্ড ব্লুম]] || ৫৯৩ || ✓
|-
| 139 || [[জেমস বসওয়েল]] || ১,১৪৯ || ✓
|-
| 140 || [[অলিভার গোল্ডস্মিথ]] || ৩,১৭৮ || ✓
|-
| 141 || [[হেনরি জাইলস]] || ৭৯২ || ✓
|-
| 142 || [[এডউইন হাবেল চ্যাপিন]] || ৭৭০ || ✓
|-
| 143 || [[অবমাননা]] || ৭৮৮ || ✓
|-
| 144 || [[আদালত অবমাননা]] || ৮২৯ || ✓
|-
| 145 || [[আইনপ্রণেতা]] || ৭৪৩ || ✓
|-
| 146 || [[লেই বারডুগো]] || ১২২ || ✓
|-
| 147 || [[উইলিয়াম ব্রেট, ১ম ভিসকাউন্ট এশার]] || ১,০২০ || ✓
|-
| 148 || [[হেনরি হকিন্স, ১ম ব্যারন ব্র্যাম্পটন]] || ৩০৩ || ✓
|-
| 149 || [[জুনিয়াস]] || ১,৪১২ || ✓
|-
| 150 || [[উইলিয়াম মারে, ম্যানসফিল্ডের ১ম আর্ল]] || ৬৪৩ || ✓
|-
| 151 || [[জোসেফ ইয়েটস]] || ৬৬৬ || ✓
|-
| 152 || [[স্যার জন বেইলি, ১ম ব্যারোনেট]] || ৯১৮ || ✓
|-
| 153 || [[হেনরি বিকারস্টথ, ১ম ব্যারন ল্যাংডেল]] || ৪১৫ || ✓
|-
| 154 || [[এডওয়ার্ড ল, ১ম ব্যারন এলেনবরো]] || ৬৭৪ || ✓
|-
| 155 || [[লয়েড কেনিয়ন, ১ম ব্যারন কেনিয়ন]] || ৪,৪০৮ || ✓
|-
| 156 || [[জন হোল্ট]] || ১,১৮৯ || ✓
|-
| 157 || [[চার্লস বোয়েন, ব্যারন বোয়েন]] || ১,০৩৭ || ✓
|-
| 158 || [[চার্লস অ্যাবট, ১ম ব্যারন টেন্টারডেন]] || ৩৪১ || ✓
|-
| 159 || [[ন্যায়বিচার প্রশাসন]] || ২,৮৯৯ || ✓
|-
| 160 || [[আদালত]] || ১,৮১৮ || ✕
|-
| 161 || [[রোজান এ. ব্রাউন]] || ৩৪১ || ✓
|-
| 162 || [[মারিয়ন জিমার ব্র্যাডলি]] || ১,১০৪ || ✓
|-
| 163 || [[টেরি ব্রুকস]] || ৪৮৫ || ✓
|-
| 164 || [[লেই ব্র্যাকেট]] || ১,১১২ || ✓
|-
| 165 || [[জ্যাক ক্যাডি]] || ১,৫৬৮ || ✓
|-
| 166 || [[মেল ব্রুকস]] || ২,০১৬ || ✕
|-
| 167 || [[মাইকেল বিশপ]] || ৯৯০ || ✓
|-
| 168 || [[এলিজাবেথ বেয়ার]] || ৭০৫ || ✓
|-
| 169 || [[মার্গারেট বল]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 170 || [[পাওলো বাসিগালুপি]] || ৬৪৭ || ✓
|-
| 171 || [[কেলি আর্মস্ট্রং]] || ৫৮৫ || ✓
|-
| 172 || [[ক্যাথরিন আসরো]] || ৩৬১ || ✓
|-
| 173 || [[পিয়ার্স অ্যান্থনি]] || ২২৯ || ✓
|-
| 174 || [[রবার্ট আইকম্যান]] || ২৬৮ || ✓
|-
| 175 || [[আইনজীবী]] || ২,৩২৯ || ✓
|-
| 176 || [[আইনসভা]] || ২,৩৪৩ || ✓
|-
| 177 || [[জর্জ বুশনার]] || ৬৬২ || ✓
|-
| 178 || [[জোসেফ গার্নি ক্যানন]] || ৭০৯ || ✓
|-
| 179 || [[সংখ্যাগরিষ্ঠ]] || ১,৩৫৬ || ✓
|-
| 180 || [[সংখ্যালঘু গোষ্ঠী]] || ১,৮৮১ || ✓
|-
| 181 || [[প্রাতিষ্ঠানিক আচরণ]] || ৬৫৬ || ✓
|-
| 182 || [[মানব আচরণ]] || ৮৫২ || ✓
|-
| 183 || [[হার্ভে ম্যানসফিল্ড]] || ৯৭৯ || ✓
|-
| 184 || [[রাষ্ট্রবিজ্ঞান]] || ১,১৩৯ || ✓
|-
| 185 || [[রাজনৈতিক দর্শন]] || ১,২৮৫ || ✓
|-
| 186 || [[দ্বিজেন্দ্র নারায়ণ ঝা]] || ১,০৮৭ || ✓
|-
| 187 || [[আগ্রাসন]] || ৯২০ || ✓
|-
| 188 || [[হিন্দুত্ব]] || ২,৭০০ || ✓
|-
| 189 || [[ফ্লাভিয়া অ্যাগনেস]] || ৬৮২ || ✓
|-
| 190 || [[লাভ জিহাদ ষড়যন্ত্র তত্ত্ব]] || ৩,১৫০ || ✓
|-
| 191 || [[মহাত্মা গান্ধীর হত্যাকাণ্ড]] || ১,৭৭৮ || ✓
|-
| 192 || [[যোগিন্দর সিকান্দ]] || ৮১৪ || ✓
|-
| 193 || [[ভারতে মুসলিমদের বিরুদ্ধে সহিংসতা]] || ৮৫১ || ✓
|-
| 194 || [[জয় শ্রীরাম]] || ৭০৮ || ✓
|-
| 195 || [[লালকৃষ্ণ আডবাণী]] || ১,৫৫৫ || ✓
|-
| 196 || [[রাম রথযাত্রা]] || ১,৫৭৯ || ✓
|-
| 197 || [[হিন্দু আমেরিকান ফাউন্ডেশন]] || ১,৪৫৫ || ✓
|-
| 198 || [[হর্ষ মান্দার]] || ৬৬০ || ✓
|-
| 199 || [[স্বপন দাশগুপ্ত]] || ১,১৬৭ || ✓
|-
| 200 || [[জরাথুস্ট্রবাদ]] || ৩৭৭ || ✓
|-
| 201 || [[পার্সি]] || ৩৯০ || ✓
|-
| 202 || [[নাগরিকত্ব]] || ১,৮৭৯ || ✓
|-
| 203 || [[ভারতের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৭০]] || ৬৭৯ || ✓
|-
| 204 || [[মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন, ১৯৩৯]] || ৭৬৯ || ✓
|-
| 205 || [[অবৈতনিক বাধ্যতামূলক শিশু শিক্ষার অধিকার আইন, ২০০৯]] || ৩৭৯ || ✓
|-
| 206 || [[বোম্বাই দাঙ্গা]] || ৭৭৬ || ✓
|-
| 207 || [[বজরং দল]] || ৩৩১ || ✓
|-
| 208 || [[সংসদীয় ব্যবস্থা]] || ৪০৫ || ✓
|-
| 209 || [[বিচার বিভাগীয় ব্যাখ্যা]] || ১,২৩২ || ✓
|-
| 210 || [[বর্ণবাদ পরবর্তী আমেরিকা]] || ১,০৬৯ || ✓
|-
| 211 || [[শ্বেতাঙ্গ বিশেষাধিকার]] || ৬২৮ || ✓
|-
| 212 || [[বিশেষাধিকার]] || ৭১২ || ✓
|-
| 213 || [[মানবহিতৈষণা]] || ২২৮ || ✓
|-
| 214 || [[ভারত সরকার]] || ১,২২০ || ✓
|-
| 215 || [[শিলং]] || ৯৭৩ || ✓
|-
| 216 || [[মাঝৌলি রাজ]] || ৫৬০ || ✓
|-
| 217 || [[কালিকট]] || ৪৫৪ || ✓
|-
| 218 || [[যাজপুর]] || ৪০৭ || ✓
|-
| 219 || [[কালিবাঙ্গান]] || ৭৩৮ || ✓
|-
| 220 || [[কাডাপা]] || ৪১৩ || ✓
|-
| 221 || [[ইদার]] || ৫৮৬ || ✓
|-
| 222 || [[গোধরা]] || ১,০১০ || ✓
|-
| 223 || [[ভুবনেশ্বর]] || ১,১৬৫ || ✓
|-
| 224 || [[অমৃতসর]] || ৮৬৮ || ✓
|-
| 225 || [[আম্বালা]] || ৪৬১ || ✓
|-
| 226 || [[হায়দ্রাবাদ]] || ৩,২৪৮ || ✓
|-
| 227 || [[২০১৯ হায়দ্রাবাদ গণধর্ষণ]] || ১৭৭ || ✓
|-
| 228 || [[মুহাম্মাদ বখতিয়ার খলজি]] || ৪২৩ || ✕
|-
| 229 || [[হায়দ্রাবাদ অধিগ্রহণ]] || ৪৫৬ || ✓
|-
| 230 || [[১৮৯৯-১৯০০ সালের ভারতীয় দুর্ভিক্ষ]] || ৫৪১ || ✓
|-
| 231 || [[১৯৯০ হায়দ্রাবাদ দাঙ্গা]] || ৪০৬ || ✓
|-
| 232 || [[গুয়াহাটি]] || ১,৭৯৬ || ✓
|-
| 233 || [[গৌড়]] || ১,৯৩৬ || ✓
|-
| 234 || [[বিজাপুর]] || ৬৬২ || ✓
|-
| 235 || [[মাণ্ডু]] || ৩৯৪ || ✓
|-
| 236 || [[খাজুরাহো]] || ৩৭১ || ✓
|-
| 237 || [[চান্দেরী]] || ৫০৭ || ✓
|-
| 238 || [[জুনাগড়]] || ৭১৯ || ✓
|-
| 239 || [[বৃহৎ কচ্ছের রাণ]] || ৫৮৪ || ✓
|-
| 240 || [[আহমেদাবাদ]] || ১,৮১২ || ✓
|-
| 241 || [[কচ্ছ জেলা]] || ৩২৬ || ✓
|-
| 242 || [[দৃশদ্বতী নদী]] || ১৮৬ || ✓
|-
| 243 || [[চেনাব নদী]] || ৩২১ || ✓
|-
| 244 || [[পশ্চিমবঙ্গে ধর্ম]] || ১,২৩২ || ✓
|-
| 245 || [[মুর্শিদাবাদ সহিংসতা]] || ২৫৭ || ✓
|-
| 246 || [[২০২৪ সন্দেশখালী সহিংসতা]] || ১,০৬১ || ✓
|-
| 247 || [[২০২২ বীরভূম সহিংসতা]] || ৫১৪ || ✓
|-
| 248 || [[মৈতৈ জাতি]] || ৬৪০ || ✓
|-
| 249 || [[মৈতৈ সভ্যতা]] || ৩৫০ || ✓
|-
| 250 || [[মণিপুর]] || ৩০৬ || ✓
|-
| 251 || [[লাক্ষাদ্বীপ]] || ৩২৯ || ✓
|-
| 252 || [[বৃন্দাবন]] || ৬৮২ || ✕
|-
| 253 || [[সম্ভল]] || ২৪৩ || ✓
|-
| 254 || [[এলাহাবাদ]] || ৩৫৭ || ✓
|-
| 255 || [[আলিগড়]] || ৪০৯ || ✓
|-
| 256 || [[স্ট্যাচু অব ইউনিটি]] || ২৪১ || ✓
|-
| 257 || [[ভারতের দুর্গ]] || ৩১৪ || ✓
|-
| 258 || [[দ্য দুন স্কুল]] || ৬৬৪ || ✓
|-
| 259 || [[কাশী হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়]] || ৩৪৫ || ✓
|-
| 260 || [[আগ্রা]] || ৭১৮ || ✓
|-
| 261 || [[২০২০ দিল্লি দাঙ্গা]] || ১,১৭৮ || ✓
|-
| 262 || [[তিরুচিরাপল্লী]] || ৬২৬ || ✓
|-
| 263 || [[সেন্ট থমাস ক্যাথেড্রাল ব্যাসিলিকা, চেন্নাই]] || ৩৮০ || ✕
|-
| 264 || [[আতঙ্ক]] || ৪৭৮ || ✕
|-
| 265 || [[ভারতে দুর্নীতি]] || ১,০০৭ || ✓
|-
| 266 || [[তামিলনাড়ুর মন্দির]] || ৯১৮ || ✓
|-
| 267 || [[এম. কে. স্ট্যালিন]] || ৩৩২ || ✓
|-
| 268 || [[তামিলনাড়ু]] || ৫৪৩ || ✓
|-
| 269 || [[তামিলনাড়ুর হিন্দি বিরোধী আন্দোলন]] || ৪৬৫ || ✓
|-
| 270 || [[যোধপুর]] || ৬২৮ || ✓
|-
| 271 || [[রাজস্থান]] || ২৯৪ || ✓
|-
| 272 || [[ওড়িশা]] || ৭৪৫ || ✓
|-
| 273 || [[১৯৯৮ কোয়েম্বাটুর বোমা হামলা]] || ৫৩৭ || ✓
|-
| 274 || [[উত্তর-পূর্ব ভারতে বিদ্রোহ]] || ৩৯৮ || ✓
|-
| 275 || [[মারাদ হত্যাকাণ্ড]] || ৩৫২ || ✓
|-
| 276 || [[মক্কা মসজিদ বিস্ফোরণ]] || ৫৮৪ || ✓
|-
| 277 || [[স্টুডেন্টস ইসলামিক মুভমেন্ট অব ইন্ডিয়া]] || ৩৫৭ || ✓
|-
| 278 || [[বিষ্ণু]] || ৬১৭ || ✓
|-
| 279 || [[২০২৪ রিয়াসি হামলা]] || ৩০২ || ✓
|-
| 280 || [[২০০৬ মালেগাঁও বোমা হামলা]] || ৩৯১ || ✓
|-
| 281 || [[২০০৬ মুম্বই রেলে বোমা হামলা]] || ১৯০ || ✓
|-
| 282 || [[মুম্বই]] || ১,২২৪ || ✓
|-
| 283 || [[দৌলতাবাদ, মহারাষ্ট্র]] || ৮৮৯ || ✕
|-
| 284 || [[মহারাষ্ট্র]] || ৪৯৯ || ✓
|-
| 285 || [[পিনারাই বিজয়ন]] || ৫২৩ || ✓
|-
| 286 || [[আরব দেশ]] || ৯১৪ || ✓
|-
| 287 || [[দক্ষিণ এশিয়া]] || ৫৯৩ || ✓
|-
| 288 || [[শহুরে অবক্ষয়]] || ৩০৮ || ✓
|-
| 289 || [[নগরায়ন]] || ১,০৯৭ || ✓
|-
| 290 || [[কেরল]] || ৩৬৫ || ✓
|-
| 291 || [[জম্মু ও কাশ্মীরে বিদ্রোহ]] || ৪১৮ || ✓
|-
| 292 || [[জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহার]] || ৯৬৪ || ✓
|-
| 293 || [[শ্রীনগর]] || ১,৭২৯ || ✓
|-
| 294 || [[কাশ্মীর উপত্যকা]] || ২৮৪ || ✓
|-
| 295 || [[লাদাখ]] || ৬৯৪ || ✓
|-
| 296 || [[কাশ্মীরি জাতি]] || ৮১৩ || ✓
|-
| 297 || [[তারিখ-ই-কাশ্মীর]] || ৫১৪ || ✓
|-
| 298 || [[কর্ণাটক]] || ৬৮২ || ✓
|-
| 299 || [[কর্ণাটকের রাজনীতি]] || ৪৩৯ || ✓
|-
| 300 || [[বেঙ্গালুরু]] || ৬১৪ || ✓
|-
| 301 || [[আসামে ইসলাম]] || ৬৯০ || ✓
|-
| 302 || [[আসামের ইতিহাস]] || ৭২৬ || ✓
|-
| 303 || [[আসামে হিন্দুধর্ম]] || ৩২৫ || ✓
|-
| 304 || [[ভারতের জনমিতি]] || ৩,৩৭৩ || ✓
|-
| 305 || [[বাংলাদেশের জনমিতি]] || ১,১৯৫ || ✓
|-
| 306 || [[পাকিস্তানের জনমিতি]] || ৮৫০ || ✓
|-
| 307 || [[আসামের জনমিতি]] || ১৮২ || ✓
|-
| 308 || [[বিহার]] || ৪৫৮ || ✓
|-
| 309 || [[পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি]] || ১৮১ || ✓
|-
| 310 || [[শাহ বানু মামলা]] || ৮০০ || ✓
|-
| 311 || [[ইসরায়েল–ভারত সম্পর্ক]] || ৮৯৭ || ✓
|-
| 312 || [[প্রণব মুখোপাধ্যায়]] || ৫৯৫ || ✓
|-
| 313 || [[দ্রৌপদী মুর্মু]] || ২৪৯ || ✓
|-
| 314 || [[ফখরুদ্দিন আলি আহমেদ]] || ১,৬৪৭ || ✓
|-
| 315 || [[এলজিবিটিকিউ অধিকার বিরোধিতা]] || ২,০৪৯ || ✓
|-
| 316 || [[গেফোবিয়া]] || ২৭৮ || ✓
|-
| 317 || [[সমকামী যৌন চর্চা]] || ৪০৭ || ✓
|-
| 318 || [[উভকামিতা]] || ১,৫৬০ || ✓
|-
| 319 || [[কামিং আউট]] || ৮০৫ || ✓
|-
| 320 || [[স্মৃতি ইরানি]] || ৯৯১ || ✓
|-
| 321 || [[মেনকা গান্ধী]] || ১,২৩০ || ✓
|-
| 322 || [[যশবন্ত সিং]] || ২০৬ || ✓
|-
| 323 || [[সৈয়দ শাহাবুদ্দিন]] || ৫৭৯ || ✓
|-
| 324 || [[শাকিল আহমদ]] || ১২৪ || ✓
|-
| 325 || [[তথাগত রায়]] || ২৭৫ || ✓
|-
| 326 || [[লালুপ্রসাদ যাদব]] || ১,১০৯ || ✓
|-
| 327 || [[আসাদউদ্দিন ওয়াইসি]] || ৫০২ || ✓
|-
| 328 || [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনী]] || ১৯,১০০ || ✕
|-
| 329 || [[ভাকলাভ হাভেল]] || ৯,৩৫৭ || ✓
|-
| 330 || [[নরউইচের জুলিয়ান]] || ৩১,৬৩৩ || ✓
|-
| 331 || [[রামসে ম্যাকডোনাল্ড]] || ৯,৬২২ || ✓
|-
| 332 || [[জন মুয়ির]] || ৮,০৬১ || ✓
|-
| 333 || [[মার্গারেট অ্যাটউড]] || ৬,৩২৮ || ✓
|-
| 334 || [[পেত্র ক্রাপোতকিন]] || ১০,৮১৬ || ✓
|-
| 335 || [[টমাস হেনরি হাক্সলি]] || ৮,৫০৩ || ✓
|-
| 336 || [[উইলিয়াম বাটলার ইয়েটস]] || ৭,২১০ || ✓
|-
| 337 || [[উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস]] || ৪,২৬০ || ✓
|-
| 338 || [[তাওয়াক্কোল কারমান]] || ৪,০৯৭ || ✓
|-
| 339 || [[র্যাচেল কারসন]] || ৪,৭৬৭ || ✓
|-
| 340 || [[আর্নেস্ট হেমিংওয়ে]] || ১৪,৯০৭ || ✓
|-
| 341 || [[আর্থার এডিংটন]] || ৫,৬৩৭ || ✓
|-
| 342 || [[এরিক হবসবাউম]] || ৫,৮৭৩ || ✓
|-
| 343 || [[টনি মরিসন]] || ১০,৩৮৩ || ✓
|-
| 344 || [[টনি বেন]] || ১০,৩৯৯ || ✓
|-
| 345 || [[নরম্যান মেইলার]] || ৬,৬০৬ || ✓
|-
| 346 || [[পল স্যামুয়েলসন]] || ৬,৮৫১ || ✓
|-
| 347 || [[এইচ. পি. লাভক্র্যাফট]] || ২৫,৪৭২ || ✓
|-
| 348 || [[ব্লেজ পাসকাল]] || ৩,০৫১ || ✓
|-
| 349 || [[চিনুয়া আচেবে]] || ৬,০৪২ || ✓
|-
| 350 || [[ডরিস লেসিং]] || ৪,৬২১ || ✓
|-
| 351 || [[ফেদেরিকো ফাগিন]] || ৬০০ || ✓
|-
| 352 || [[আলেকজান্ডার গ্রোথেনডিক]] || ১,২১১ || ✓
|-
| 353 || [[আঙ্গেলা ম্যার্কেল]] || ২,০২৯ || ✓
|-
| 354 || [[আনাক্সাগোরাস]] || ৩,৬৭১ || ✓
|-
| 355 || [[আমোস তভারস্কি]] || ৪৬১ || ✓
|-
| 356 || [[আলফ্রেড মার্শাল]] || ১,৩০৯ || ✓
|-
| 357 || [[আলবার্টাস ম্যাগনাস]] || ৩৮২ || ✓
|-
| 358 || [[অনিতা ব্রুকনার]] || ৪৭৪ || ✕
|-
| 359 || [[আলফ্রেড কিনসে]] || ১,০৩৩ || ✓
|-
| 360 || [[অ্যালান কে]] || ৯২৪ || ✓
|-
| 361 || [[আলেকজান্ডার ফ্লেমিং]] || ৩৩২ || ✓
|-
| 362 || [[ক্যারোলিন বার্তোজি]] || ৪১১ || ✓
|-
| 363 || [[আলফ্রেড রাসেল ওয়ালেস]] || ১,৬৫৯ || ✓
|-
| 364 || [[অঁতোয়ান লাভোয়াজিয়ে]] || ১,৪৩৬ || ✕
|-
| 365 || [[লিটিশা এলিজাবেথ ল্যান্ডন]] || ২৫,৯৭৯ || ✕
|-
| 366 || [[প্রজননবিরোধবাদ]] || ৩০,৯৪৮ || ✓
|-
| 367 || [[উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন]] || ২৮,৬১৯ || ✕
|-
| 368 || [[ক্রিস্টোফার হিচেন্স]] || ২৫,৯২২ || ✓
|-
| 369 || [[বলপূর্বক খাওয়ানো]] || ২২,৬২২ || ✓
|-
| 370 || [[জন স্টুয়ার্ট মিল]] || ২২,৭৮৩ || ✓
|-
| 371 || [[রবার্ট গ্যাসকয়েন-সিসিল, স্যালিসবারির ৩য় মার্কুইস]] || ২০,৮৯৮ || ✓
|-
| 372 || [[অ্যারন রা]] || ২১,৯৫৫ || ✓
|-
| 373 || [[ফায়ারপ্লেস]] || ২১,৪১৭ || ✓
|-
| 374 || [[জন হার্ভে কেলোগ]] || ৩০,৭৪৮ || ✓
|-
| 375 || [[ভ্রান্ত উদ্ধৃতি]] || ৯,৮৭১ || ✓
|-
| 376 || [[২০১১ ফিফা মহিলা বিশ্বকাপ]] || ৯৬৩ || ✓
|-
| 377 || [[তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] || ৩,১৭৯ || ✓
|-
| 378 || [[আফগান যুদ্ধ]] || ৪,৬২০ || ✓
|-
| 379 || [[ইউক্রেনে রুশ আক্রমণ]] || ১২,৩৮২ || ✓
|-
| 380 || [[ইরাক যুদ্ধ]] || ১২,৩৪৪ || ✓
|-
| 381 || [[যুক্তরাজ্যের তৃতীয় জর্জ]] || ১২,০৪২ || ✓
|-
| 382 || [[২০১০ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৮৮৩ || ✓
|-
| 383 || [[২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৩,৫১৪ || ✓
|-
| 384 || [[২০০২ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৬১১ || ✓
|-
| 385 || [[ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ]] || ১,৫৪২ || ✓
|-
| 386 || [[স্নায়ুযুদ্ধ]] || ১৫,৬১০ || ✓
|-
| 387 || [[দ্বিতীয় স্নায়ুযুদ্ধ]] || ৪,৬৬৮ || ✓
|-
| 388 || [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] || ২৪,১৭৭ || ✓
|-
| 389 || [[মহত্ত্ব]] || ৭,৮১৪ || ✓
|-
| 390 || [[সাংবাদিকতা]] || ১৩,৪৭৭ || ✓
|-
| 391 || [[প্যানডিজম]] || ১০,৩০০ || ✓
|-
| 392 || [[গাজা যুদ্ধ]] || ১৬,৯৮২ || ✓
|-
| 393 || [[২০২৬ ইরান যুদ্ধ]] || ৬,৯৫৯ || ✓
|-
| 394 || [[পারমাণবিক অস্ত্র]] || ৩,২৩৩ || ✓
|-
| 395 || [[২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ]] || ৬৪৩ || ✓
|-
| 396 || [[ক্রুসেড]] || ৯৯৬ || ✓
|-
| 397 || [[অ্যানিমেশন]] || ৯,৪৫৭ || ✓
|-
| 398 || [[দক্ষিণ কোরিয়ার রাজনীতি]] || ৭৫৫ || ✓
|-
| 399 || [[ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ]] || ৩,৭৬২ || ✓
|-
| 400 || [[পারমাণবিক যুদ্ধ]] || ৫,৫২০ || ✓
|-
| 401 || [[আল খোয়ারিজমি]] || ১,২৩০ || ✓
|-
| 402 || [[ফজলে রাব্বী]] || ৬৩৫ || ✓
|-
| 403 || [[ডেভিড হিউম]] || ১১,৭৮০ || ✓
|-
| 404 || [[লিওনিদ ক্যান্টোরোভিচ]] || ১,৪২২ || ✓
|-
| 405 || [[থিওডোসিয়াস ডবঝানস্কি]] || ৭৬০ || ✕
|-
| 406 || [[টেরেন্স টাও]] || ৭২০ || ✓
|-
| 407 || [[ফিলিপ]] || ৪২৬ || ✓
|-
| 408 || [[জুলিয়ান শুইঙার]] || ১,৩২২ || ✕
|-
| 409 || [[পিয়ের-জিল দ্য জেন]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 410 || [[ব্রায়ান কক্স]] || ৭৫৬ || ✓
|-
| 411 || [[জন ম্যাককার্থি]] || ১,০৪৫ || ✓
|-
| 412 || [[লুই দ্য ব্রোয়ি]] || ৪৬০ || ✓
|-
| 413 || [[ফ্রঁসোয়া মিতেরঁ]] || ১,১৯৪ || ✕
|-
| 414 || [[ফ্লিন্ডার্স পেট্রি]] || ১,২০৪ || ✕
|-
| 415 || [[পল আর. এহর্লিচ]] || ১,৩০০ || ✓
|-
| 416 || [[মাইকেল আতিয়াহ]] || ৪২৩ || ✓
|-
| 417 || [[মার্টন মিলার]] || ৪৮২ || ✓
|-
| 418 || [[মেরি বিয়ার্ড]] || ৯১১ || ✓
|-
| 419 || [[মার্গারেট চ্যান]] || ৭০৪ || ✓
|-
| 420 || [[গেরহার্ড শ্রোডার]] || ২৬৯ || ✓
|-
| 421 || [[ফিলিপ ওয়ারেন অ্যান্ডারসন]] || ৭৯৯ || ✓
|-
| 422 || [[পিটার হিগস]] || ৪৭৪ || ✕
|-
| 423 || [[লিওনার্ড সাসকিন্ড]] || ৮২৫ || ✓
|-
| 424 || [[জন মেইনার্ড স্মিথ]] || ৬৪০ || ✓
|-
| 425 || [[জন জেমস অডুবন]] || ৮৩৭ || ✓
|-
| 426 || [[শেলডন লি গ্ল্যাশো]] || ৭৫১ || ✓
|-
| 427 || [[ভিক্টর উইসকফ]] || ৫১৯ || ✓
|-
| 428 || [[মার্টিন রিস]] || ৫৫১ || ✓
|-
| 429 || [[মার্ক ওলিফ্যান্ট]] || ৫৫৩ || ✓
|-
| 430 || [[ভিতালি গিঞ্জবার্গ]] || ৩০৮ || ✓
|-
| 431 || [[স্যালি রাইড]] || ৪২৫ || ✓
|-
| 432 || [[রবার্ট ফোগেল]] || ৪২৮ || ✓
|-
| 433 || [[রিঙ্গো স্টার]] || ৮৭০ || ✓
|-
| 434 || [[মাক্স ডেলব্রুক]] || ৫৭৫ || ✓
|-
| 435 || [[তৃতীয় লেওপোল্ড]] || ৮৩৭ || ✓
|-
| 436 || [[নরম্যান বোরল্যাগ]] || ৭০০ || ✓
|-
| 437 || [[নিকলাউস ভির্ট]] || ৪৭৯ || ✓
|-
| 438 || [[নিকোলাস স্টেনো]] || ২৯২ || ✓
|-
| 439 || [[নেভিল ফ্রান্সিস মট]] || ৫১১ || ✓
|-
| 440 || [[লুডউইক ফ্লেক]] || ৫১২ || ✓
|-
| 441 || [[কারেন উলেনবেক]] || ৩৯২ || ✓
|-
| 442 || [[ইয়োসেফ মেংগেলে]] || ৫৪৪ || ✓
|-
| 443 || [[কিরণ দেশাই]] || ২৬১ || ✓
|-
| 444 || [[কাতালিন কারিকো]] || ৩০৯ || ✓
|-
| 445 || [[ইয়োন্স ইয়াকব বের্সেলিয়ুস]] || ৫১৬ || ✓
|-
| 446 || [[হুয়ান মালদাসেনা]] || ৭৩২ || ✓
|-
| 447 || [[হাইনরিখ বোল]] || ৩০০ || ✓
|-
| 448 || [[ইনগ্রিড ডোবিচি]] || ৬৭১ || ✓
|-
| 449 || [[ইয়ান উইলমুট]] || ৪২৭ || ✓
|-
| 450 || [[হিউ এভারেট]] || ৬০০ || ✓
|-
| 451 || [[ফ্রঁসোয়া অংল্যার]] || ৫৩৩ || ✓
|-
| 452 || [[এমানুয়েল সোয়েডেনবার্গ]] || ১,৫২২ || ✓
|-
| 453 || [[এলিজাবেথ বিশপ]] || ৬৫২ || ✓
|-
| 454 || [[শেখ আন্তা দিওপ]] || ৩৩৫ || ✓
|-
| 455 || [[জর্জ গ্যামো]] || ১,৫২১ || ✓
|-
| 456 || [[হাইনরিখ হের্ত্স]] || ১,৭৪৪ || ✓
|-
| 457 || [[গ্রো হারলেম ব্রুন্ডটল্যান্ড]] || ৩১১ || ✓
|-
| 458 || [[জন সি. মাদার]] || ৪২৫ || ✓
|-
| 459 || [[জন ব্যাকাস]] || ৫৯৭ || ✓
|-
| 460 || [[এর্নস্ট মায়ার]] || ৭৫৪ || ✓
|-
| 461 || [[লিন মার্গুলিস]] || ১,৭১৮ || ✓
|-
| 462 || [[হ্যান্স বেটে]] || ৩৯৬ || ✓
|-
| 463 || [[লুই আগাসিজ]] || ৯৩৭ || ✓
|-
| 464 || [[জর্জ ক্যুভিয়ে]] || ৭৬৮ || ✓
|-
| 465 || [[ব্রাসেলস]] || ৯৬৭ || ✓
|-
| 466 || [[ড্যানিয়েল কানেমান]] || ২,৯৫৭ || ✕
|-
| 467 || [[ডোনাল্ড কানুথ]] || ১,৫৮২ || ✓
|-
| 468 || [[লেমাহ গবোউই]] || ১,১৫০ || ✓
|-
| 469 || [[গারট্রুড বি. এলিয়ন]] || ২৩৪ || ✓
|-
| 470 || [[ডোনা স্ট্রিকল্যান্ড]] || ৩৫৯ || ✓
|-
| 471 || [[এর্নস্ট মাখ]] || ২,০২৮ || ✕
|-
| 472 || [[ডোনাল্ড টাস্ক]] || ১,৭৭১ || ✓
|-
| 473 || [[অরবিন্দ আদিগা]] || ৮৬৬ || ✓
|-
| 474 || [[সি. এ. আর. হোর]] || ১,০৬১ || ✕
|-
| 475 || [[পল ডিরাক]] || ৪,৭০৯ || ✕
|-
| 476 || [[ই. ও. উইলসন]] || ৪,৪৫৮ || ✕
|-
| 477 || [[ডেসমন্ড মরিস]] || ৩,৯৮৬ || ✓
|-
| 478 || [[মাইকেল গোভ]] || ৩,৭৩৬ || ✓
|-
| 479 || [[হার্পার লি]] || ২,৪৯১ || ✓
|-
| 480 || [[কেন টম্পসন]] || ১,৮১৬ || ✓
|-
| 481 || [[জন টিন্ডাল]] || ২,৫২৮ || ✓
|-
| 482 || [[মেরি রবিনসন]] || ১,৩৭৬ || ✓
|-
| 483 || [[হেনরি ক্যাভেন্ডিশ]] || ২,২৪৪ || ✓
|-
| 484 || [[আইরিস মারডক]] || ১,২৬৮ || ✓
|-
| 485 || [[আর্নেস্ট রাদারফোর্ড]] || ২,৪৫৩ || ✓
|-
| 486 || [[ফ্রেড ব্রুকস]] || ১,১৯১ || ✓
|-
| 487 || [[ক্রিস্টিয়ান হাইগেনস]] || ১,৯০৭ || ✓
|-
| 488 || [[ডায়ান ফসি]] || ১,৬৪৬ || ✕
|-
| 489 || [[ইডিথ হোয়ার্টন]] || ১,৪২৫ || ✓
|-
| 490 || [[অরেল স্টেইন]] || ১,৪৭৮ || ✕
|-
| 491 || [[গাব্রিয়েলা মিস্ত্রাল]] || ১,৬৫০ || ✓
|-
| 492 || [[আলেকজান্ডার ফন হুমবোল্ট]] || ১,১২০ || ✓
|-
| 493 || [[ফ্রান্সিস্কো ভারেলা]] || ১,৮৯৩ || ✓
|-
| 494 || [[ডেনিস রিচি]] || ১,১০৮ || ✓
|-
| 495 || [[অড্রে হেপবার্ন]] || ১,৪৩৫ || ✓
|-
| 496 || [[জি. এইচ. হার্ডি]] || ২,৩৩০ || ✓
|-
| 497 || [[হ্যারল্ড পিন্টার]] || ২,০৭২ || ✓
|-
| 498 || [[অ্যানাক্সিম্যান্ডার]] || ১,৩০০ || ✓
|-
| 499 || [[ডেভিড ব্রুস্টার]] || ২,৪০৪ || ✓
|-
| 500 || [[ব্রায়ান গ্রিন]] || ১,২৭৯ || ✕
|-
| 501 || [[অমিত গোস্বামী]] || ৯১৫ || ✓
|-
| 502 || [[এডমন্ড হ্যালি]] || ২,৬১৯ || ✓
|-
| 503 || [[ডেভিড সুজুকি]] || ১,৫১৭ || ✓
|-
| 504 || [[ডেভিড জোনাথন গ্রোস]] || ৮০৯ || ✓
|-
| 505 || [[ডেভিড ম্যামেট]] || ১,২৫২ || ✓
|-
| 506 || [[আহমেদ জেওয়াইল]] || ১৯২ || ✓
|-
| 507 || [[ইউরোপীয় পার্লামেন্ট]] || ৬১৫ || ✓
|-
| 508 || [[ডেভিড গ্রসম্যান]] || ৩৩৬ || ✓
|-
| 509 || [[হরিশ-চন্দ্র]] || ২৮৪ || ✓
|-
| 510 || [[অনিতা দেসাই]] || ১,৪৩৯ || ✓
|-
| 511 || [[অ্যাশ কার্টার]] || ৪৬৩ || ✓
|-
| 512 || [[আলফ্রেড নোবেল]] || ৫০৯ || ✕
|-
| 513 || [[ক্রিস্টিয়ান বার্নার্ড]] || ৬৩৯ || ✓
|-
| 514 || [[রেজা পাহলভি]] || ৯,৯১০ || ✓
|-
| 515 || [[রজার ইবার্ট]] || ২১,৩২৫ || ✓
|-
| 516 || [[পুনর্জন্ম]] || ২০,২৪৮ || ✓
|-
| 517 || [[জ্যারেড ডায়মন্ড]] || ১,১৬৮ || ✕
|-
| 518 || [[জেন গুডাল]] || ১,৩৫৭ || ✓
|-
| 519 || [[জেমস টোবিন]] || ১,০৫৯ || ✓
|-
| 520 || [[জেমস ক্যালাহান]] || ১,৬১৫ || ✓
|-
| 521 || [[উইলিয়াম স্ট্যানলি জেভন্স]] || ১,৭০১ || ✓
|-
| 522 || [[উইলিয়াম থমসন]] || ১,০৫১ || ✓
|-
| 523 || [[ওলে সোয়িংকা]] || ৩,১৬১ || ✕
|-
| 524 || [[জোসেফ স্টিগলিটজ]] || ১,৫০৪ || ✕
|-
| 525 || [[গ্রেগর মেন্ডেল]] || ৮৭৪ || ✓
|-
| 526 || [[গটফ্রিড ভিলহেল্ম লাইবনিৎস]] || ১,২৩৬ || ✓
|-
| 527 || [[গ্লেন থিওডোর সিবর্গ]] || ৯৮৪ || ✓
|-
| 528 || [[হেরমান ভাইল]] || ১,৫৪১ || ✓
|-
| 529 || [[হেরমান হেস]] || ৪,৫৬৫ || ✓
|-
| 530 || [[হার্বার্ট স্পেন্সার]] || ২,৩৬৮ || ✓
|-
| 531 || [[হার্বার্ট এ. সাইমন]] || ১,৩৩৭ || ✓
|-
| 532 || [[হেরাক্লিটাস]] || ১,৫৭০ || ✓
|-
| 533 || [[হেনরিক শিয়েনকিয়েভিচ]] || ১,৯১১ || ✕
|-
| 534 || [[উইলা ক্যাথার]] || ৩,০৩৩ || ✕
|-
| 535 || [[উইল ডুরান্ট]] || ২,৮১৫ || ✓
|-
| 536 || [[ডব্লিউ. এইচ. অডেন]] || ২,৮১৯ || ✓
|-
| 537 || [[ভোলফগাং পাউলি]] || ১,৬৩৯ || ✓
|-
| 538 || [[ইয়াসুনারি কাওয়াবাতা]] || ২,২৫৮ || ✓
|-
| 539 || [[জন আর্চিবল্ড হুইলার]] || ১,১৩৯ || ✓
|-
| 540 || [[সেমুর হার্শ]] || ১,৭৬১ || ✓
|-
| 541 || [[সের্গেই কোরোলিয়ভ]] || ৫৬৫ || ✓
|-
| 542 || [[জেন অ্যাডামস]] || ১,৯০৬ || ✓
|-
| 543 || [[জাক-ইভ কুস্তো]] || ৬৬৩ || ✓
|-
| 544 || [[হিদেকি ইউকাওয়া]] || ৪০৩ || ✓
|-
| 545 || [[প্রিমো লেভি]] || ৪,২৩৮ || ✓
|-
| 546 || [[ঝুম্পা লাহিড়ী]] || ৪৩০ || ✓
|-
| 547 || [[জেমস প্রেসকট জুল]] || ৪৮৭ || ✓
|-
| 548 || [[উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা]] || ৪,৮৫১ || ✓
|-
| 549 || [[সংবাদ মাধ্যম]] || ১,১৫৫ || ✓
|-
| 550 || [[গণমাধ্যম]] || ৩,৩৫৭ || ✓
|-
| 551 || [[মূলধারার গণমাধ্যম]] || ১,০৫২ || ✓
|-
| 552 || [[হলুদ সাংবাদিকতা]] || ২,২৯৬ || ✓
|-
| 553 || [[ভুয়া সংবাদ]] || ১,৪০৮ || ✓
|-
| 554 || [[বিকল্প প্রচারমাধ্যম]] || ১,২০৫ || ✓
|-
| 555 || [[জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ]] || ১১,২৬৬ || ✓
|-
| 556 || [[অ্যানোনিমাস]] || ৪,০৪৩ || ✓
|-
| 557 || [[টুপাক শাকুর]] || ৬,২৮৭ || ✓
|-
| 558 || [[জেনডেয়া]] || ২,০১৪ || ✓
|-
| 559 || [[টিমথি শালামে]] || ১,১২৭ || ✓
|-
| 560 || [[হিপোক্রেটিস]] || ২,৯২৩ || ✓
|-
| 561 || [[ষষ্ঠ মুহাম্মদ]] || ৮৭৮ || ✓
|-
| 562 || [[জন লেনক্স]] || ৭০২ || ✓
|-
| 563 || [[আলেক্সান্দ্র্ সলজেনিৎসিন]] || ৮,০৫৬ || ✓
|-
| 564 || [[আবদুল হান্নান মাসউদ]] || ৪০৭ || ✓
|-
| 565 || [[পরকাল সম্পর্কে কুরআন]] || ১৮,৭৯৪ || ✓
|-
| 566 || [[মানবতাবিরোধী অপরাধ]] || ১,৯১২ || ✓
|-
| 567 || [[আন্তর্জাতিক আইন]] || ৫,৫৩৯ || ✓
|-
| 568 || [[মোহাম্মদ জাওয়াদ জারিফ]] || ১,৪৫২ || ✓
|-
| 569 || [[অনিল ভৌমিক]] || ২১৬ || ✓
|-
| 570 || [[মনোজ মিত্র]] || ৫,৫৬৭ || ✓
|-
| 571 || [[নারায়ণ সান্যাল]] || ৩৬৬ || ✓
|-
| 572 || [[মতি নন্দী]] || ৫,০১৮ || ✓
|-
| 573 || [[দেবেশ রায়]] || ৯,২৪৪ || ✓
|-
| 574 || [[শিশিরকুমার বসু]] || ৪,৮০৭ || ✓
|-
| 575 || [[বিমল কর]] || ১,৩৬৯ || ✓
|-
| 576 || [[সুবোধ সরকার]] || ১,৮৪৮ || ✓
|-
| 577 || [[স্মরণজিৎ চক্রবর্তী]] || ৭৯২ || ✓
|-
| 578 || [[স্বামী সারদানন্দ]] || ৮,৬৯৫ || ✓
|-
| 579 || [[শক্তিপদ রাজগুরু]] || ৯৯৩ || ✓
|-
| 580 || [[কমলকুমার মজুমদার]] || ১,৫৭৩ || ✓
|-
| 581 || [[গৌতম ভদ্র]] || ৬৮৫ || ✓
|-
| 582 || [[পরিমল গোস্বামী]] || ৬,৫৫০ || ✓
|-
| 583 || [[প্রেমাঙ্কুর আতর্থী]] || ৫,৬৯৮ || ✓
|-
| 584 || [[কালীপ্রসন্ন সিংহ]] || ৫,৪০৪ || ✓
|-
| 585 || [[অখিল নিয়োগী]] || ৬৩৬ || ✓
|-
| 586 || [[হরপ্রসাদ শাস্ত্রী]] || ৫১৩ || ✓
|-
| 587 || [[গায়ত্রী চক্রবর্তী স্পিভাক]] || ৫৯২ || ✓
|-
| 588 || [[অজিত দত্ত]] || ৮৭০ || ✓
|-
| 589 || [[অজিতকৃষ্ণ বসু]] || ২,৩৮৬ || ✓
|-
| 590 || [[এম এস স্বামীনাথন]] || ৮৭২ || ✓
|-
| 591 || [[চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন]] || ২,১৭১ || ✓
|-
| 592 || [[চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও]] || ২,১৬৭ || ✓
|-
| 593 || [[কণাদ]] || ৯১৯ || ✓
|-
| 594 || [[জয়ন্ত বিষ্ণু নারলিকর]] || ৩,১৮৭ || ✓
|-
| 595 || [[বিক্রম সারাভাই]] || ১,১২৯ || ✓
|-
| 596 || [[আর্নেস্ট কিং]] || ১৫,৭৬৯ || ✕
|-
| 597 || [[ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট]] || ২৬,২১৫ || ✓
|-
| 598 || [[আনোয়ার ইব্রাহিম]] || ৬,৯৯৩ || ✓
|-
| 599 || [[ইসলাম ও যুদ্ধ]] || ৫,৬৮১ || ✓
|-
| 600 || [[আহমদ সিরহিন্দি]] || ৪,০৭০ || ✓
|-
| 601 || [[মুসা সেরান্তোনিও]] || ৪২৩ || ✓
|-
| 602 || [[ইয়াকুব]] || ১,৯৫৬ || ✓
|-
| 603 || [[আদ্রিয়ান গোল্ডসওয়ার্দি]] || ১,৯৭৯ || ✕
|-
| 604 || [[অ্যালিস পল]] || ১,৮৬২ || ✕
|-
| 605 || [[অ্যামি ট্যান]] || ২,০০৭ || ✕
|-
| 606 || [[অ্যান্ড্রু সেগা]] || ১,৯৬৯ || ✓
|-
| 607 || [[আল্যাঁ বাদিউ]] || ১,৯৬৬ || ✕
|-
| 608 || [[আফ্রিকান স্পির]] || ১,৭২২ || ✕
|-
| 609 || [[ফ্রেডরিক ডগলাস]] || ৮৬২ || ✕
|-
| 610 || [[নবী]] || ২,০৬২ || ✕
|-
| 611 || [[এমা গোল্ডম্যান]] || ১২,৮০০ || ✕
|-
| 612 || [[প্রেম সম্পর্কে ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি]] || ১৫,০৪০ || ✓
|-
| 613 || [[মিস্ট্রি সায়েন্স থিয়েটার ৩০০০]] || ৯৪,৯৬৮ || ✕
|-
| 614 || [[দ্য থিক অফ ইট]] || ৬৯,২৮৩ || ✕
|-
| 615 || [[অ্যালেক্স হেইলি]] || ১,৬০৪ || ✓
|-
| 616 || [[দাসত্ব সম্পর্কে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি]] || ৫,৭৮৫ || ✕
|-
| 617 || [[দাসত্ব]] || ১০,২৫৯ || ✕
|-
| 618 || [[যন্ত্র]] || ৭১৩ || ✓
|-
| 619 || [[বিচারক]] || ৯৫২ || ✓
|-
| 620 || [[রুটি]] || ১,০৯৭ || ✓
|-
| 621 || [[খড়]] || ৯৩২ || ✓
|-
| 622 || [[মন্মথমোহন বসু]] || ৯৬৩ || ✕
|-
| 623 || [[কালীপ্রসন্ন বিদ্যারত্ন]] || ৮২৫ || ✓
|-
| 624 || [[কলসী]] || ১,০৮৬ || ✓
|-
| 625 || [[চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ১,১৫৭ || ✓
|-
| 626 || [[শহর]] || ১,৪৫৮ || ✕
|-
| 627 || [[ঘাস]] || ২,১১২ || ✓
|-
| 628 || [[জলধর সেন]] || ১,৭৬৪ || ✓
|-
| 629 || [[ঠিকানা]] || ১,১৮৭ || ✓
|-
| 630 || [[গন্ধ]] || ১,৮০৭ || ✓
|-
| 631 || [[চা]] || ২,৪২৪ || ✓
|-
| 632 || [[রবীন্দ্রনাথ মৈত্র]] || ১,২৮১ || ✓
|-
| 633 || [[দিগন্ত]] || ১,২২৮ || ✓
|-
| 634 || [[ময়ূর]] || ১,৩৪৫ || ✓
|-
| 635 || [[করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ৯১১ || ✓
|-
| 636 || [[ঢেউ]] || ১,৫৩৯ || ✓
|-
| 637 || [[ছাতা]] || ১,১৮৯ || ✓
|-
| 638 || [[উমাকান্ত হাজারী]] || ৯৪২ || ✓
|-
| 639 || [[ঘৃণা]] || ২,৩৩৯ || ✓
|-
| 640 || [[বাঁশ]] || ২,৪৫৯ || ✕
|-
| 641 || [[কলেরা]] || ১,৬৩৮ || ✓
|-
| 642 || [[মাঠ]] || ২,৪৪৭ || ✓
|-
| 643 || [[টিন]] || ১,৯৩২ || ✕
|-
| 644 || [[সংবাদ]] || ৪,৪৭৯ || ✕
|-
| 645 || [[জন বারবার]] || ৫৭৪ || ✕
|-
| 646 || [[স্কটিশ জাতি]] || ৩৭৫ || ✓
|-
| 647 || [[ওয়েন্ডি বোম্যান]] || ১৫১ || ✕
|-
| 648 || [[যুদ্ধাপরাধ]] || ৪,৬৭৯ || ✕
|-
| 649 || [[রুবি]] || ৩৬৩ || ✓
|-
| 650 || [[রিতা এনজেলু]] || ১৫৯ || ✓
|-
| 651 || [[বমি]] || ২০৪ || ✓
|-
| 652 || [[পার্ল]] || ৬৯০ || ✕
|-
| 653 || [[পাইথন]] || ১৩৯ || ✓
|-
| 654 || [[উইকিলিকস]] || ১,৬৩১ || ✕
|-
| 655 || [[জনস্টন ম্যাককালি]] || ৩১১ || ✕
|-
| 656 || [[যুগোস্লাভিয়া]] || ৪,১৩৬ || ✓
|-
| 657 || [[অংশুমান কর]] || ২০৯ || ✓
|-
| 658 || [[কেমব্রিজ গান]] || ৩০৫ || ✕
|-
| 659 || [[হেলেনীয় শিক্ষা]] || ৫০২ || ✓
|-
| 660 || [[টমাস হলি চিভার্স]] || ২৩৫ || ✓
|-
| 661 || [[মুহাম্মদ মাহদি আল-জাওয়াহিরি]] || ৬৩৮ || ✓
|-
| 662 || [[জেডি স্মিথ]] || ১,০৮০ || ✓
|-
| 663 || [[ব্রায়ান পি. শ্মিট]] || ৪৬০ || ✓
|-
| 664 || [[কার্ল বার্নস্টিন]] || ৩৬৮ || ✓
|-
| 665 || [[চার্লস ফেফারম্যান]] || ৩৩৯ || ✓
|-
| 666 || [[ইয়ুস্টুস ফন লিবিগ]] || ৩৩২ || ✓
|-
| 667 || [[টমাস শেলিংস]] || ৬৭৪ || ✓
|-
| 668 || [[উইলিয়াম শকলি]] || ৩৯১ || ✓
|-
| 669 || [[শিং-শেন চের্ন]] || ৭৬৫ || ✕
|-
| 670 || [[হুগো দ্য ভ্রিস]] || ৩৪৪ || ✓
|-
| 671 || [[রবার্ট অ্যান্ড্রুজ মিলিকান]] || ৪৩৬ || ✓
|-
| 672 || [[জেমস ভ্যান অ্যালেন]] || ৫৯৬ || ✓
|-
| 673 || [[জাক শিরাক]] || ৭১১ || ✓
|-
| 674 || [[ডরোথি হজকিন]] || ২৯৪ || ✓
|-
| 675 || [[গোরান পারসন]] || ৩২৬ || ✓
|-
| 676 || [[জেরার দ্যব্রু]] || ১৮৬ || ✓
|-
| 677 || [[কোরীয় যুদ্ধ]] || ৯,৯৬৫ || ✕
|-
| 678 || [[রবার্ট জে. শিলার]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 679 || [[ফ্রঁসোয়া আরাগন]] || ৪৩৫ || ✓
|-
| 680 || [[অখিলচন্দ্র দত্ত]] || ৩৭৩ || ✕
|-
| 681 || [[ফ্রান্সিস কলিন্স]] || ৫৮৮ || ✓
|-
| 682 || [[হেলেন ক্লার্ক]] || ৩৭৪ || ✓
|-
| 683 || [[লেয়োঁ ফুকো]] || ৫৩২ || ✓
|-
| 684 || [[জন চার্লস পোলানি]] || ৩৭৪ || ✓
|-
| 685 || [[জন মেইনার্ড কেইনস]] || ১৭,৭৯১ || ✕
|-
| 686 || [[দিমিত্রি মুরাতভ]] || ৬৩৬ || ✓
|-
| 687 || [[আবদুস সালাম]] || ৩৮৪ || ✓
|-
| 688 || [[আবদুলরাজাক গুরনাহ]] || ৭৪৯ || ✓
|-
| 689 || [[এ. সি. বেনসন]] || ৩৮৩ || ✓
|-
| 690 || [[প্রথম আলবার্ট]] || ৮৬৪ || ✓
|-
| 691 || [[অম্লান দত্ত]] || ১৪৬ || ✓
|-
| 692 || [[ইয়ান মার্টেল]] || ১,১৩৩ || ✕
|-
| 693 || [[ইয়োইচিরো নাম্বু]] || ৪৩১ || ✕
|-
| 694 || [[সৈয়দ জামিল আহমেদ]] || ২০৩ || ✓
|-
| 695 || [[পূর্ণিমা]] || ১৯২ || ✓
|-
| 696 || [[শরিফুল রাজ]] || ১৮৬ || ✓
|-
| 697 || [[কাজী হায়াৎ]] || ২৭৪ || ✓
|-
| 698 || [[আরেফিন রুমি]] || ১৬২ || ✓
|-
| 699 || [[ইমাম নাসাই]] || ৬৯৭ || ✕
|-
| 700 || [[কবরী]] || ২৭১ || ✓
|-
| 701 || [[হাফিজ উদ্দিন আহমদ]] || ২৩৬ || ✓
|-
| 702 || [[আ ন ম এহসানুল হক মিলন]] || ৩৪০ || ✓
|-
| 703 || [[আন্দালিব রহমান পার্থ]] || ২৯৭ || ✓
|-
| 704 || [[ববি হাজ্জাজ]] || ২৫৩ || ✓
|-
| 705 || [[ইবনে মাজাহ]] || ৩৩৬ || ✓
|-
| 706 || [[হাবিব ওয়াহিদ]] || ২৬৪ || ✓
|-
| 707 || [[জাইমা রহমান]] || ২১২ || ✓
|-
| 708 || [[কনকচাঁপা]] || ২২৮ || ✓
|-
| 709 || [[আহসান হাবীব]] || ২১৯ || ✓
|-
| 710 || [[বেলাল খান]] || ২১৯ || ✓
|-
| 711 || [[নচিকেতা চক্রবর্তী]] || ২৮৯ || ✓
|-
| 712 || [[আ ফ ম খালিদ হোসেন]] || ২৪৮ || ✓
|-
| 713 || [[আলমগীর]] || ৪০৬ || ✓
|-
| 714 || [[সালাহউদ্দিন আহমেদ]] || ৪৫৯ || ✓
|-
| 715 || [[চোং নানশান]] || ১৭৮ || ✓
|-
| 716 || [[এ. সি. ব্র্যাডলি]] || ৩৯০ || ✕
|-
| 717 || [[আলবার্ট হফমান]] || ৩,৪৪৪ || ✓
|-
| 718 || [[অ্যালান পারলিস]] || ৯২৮ || ✓
|-
| 719 || [[হেইনরিখ রোরার]] || ৩৬০ || ✓
|-
| 720 || [[আলফ্রেড আহো]] || ১৪৪ || ✕
|-
| 721 || [[উ থান্ট]] || ৬৭৮ || ✕
|-
| 722 || [[লোরঁ শোয়ার্তজ]] || ৬১০ || ✓
|-
| 723 || [[উইলিয়াম শার্প]] || ৩৯৯ || ✓
|-
| 724 || [[পাউল এরেনফেস্ট]] || ৪৩৩ || ✓
|-
| 725 || [[রবার্ট মান্ডেল]] || ৩২২ || ✓
|-
| 726 || [[হান কাং]] || ৬৬৬ || ✓
|-
| 727 || [[ক্রিপটিক ফেইট]] || ১৭৬ || ✓
|-
| 728 || [[কাকাবাবু]] || ২৫৮ || ✓
|-
| 729 || [[ক্যারি মুলিস]] || ৪০৩ || ✓
|-
| 730 || [[টোমাস ট্রান্সট্রোমার]] || ২৯৯ || ✓
|-
| 731 || [[ইরিনা বোকোভা]] || ২৬৮ || ✓
|-
| 732 || [[মার্টিনুস ভেল্টম্যান]] || ১৯৫ || ✓
|-
| 733 || [[ড্যামন গ্যালগুট]] || ৪৮২ || ✓
|-
| 734 || [[আর্থার কর্নবার্গ]] || ১৭৭ || ✕
|-
| 735 || [[বেন ওক্রি]] || ৮৫৮ || ✓
|-
| 736 || [[সল বেলো]] || ১,০০৩ || ✓
|-
| 737 || [[সল পার্লমাটার]] || ৩১১ || ✕
|-
| 738 || [[সিমেওঁ দ্যনি পোয়াসোঁ]] || ১৬০ || ✓
|-
| 739 || [[স্টিভ আরউইন]] || ৪৩৫ || ✕
|-
| 740 || [[আনি এরনো]] || ২৮৪ || ✓
|-
| 741 || [[ফজল শাহাবুদ্দীন]] || ৪৯৫ || ✕
|-
| 742 || [[আল-জাহিজ]] || ৭৩৩ || ✓
|-
| 743 || [[আল-বিরুনি]] || ১,৮৩৬ || ✓
|-
| 744 || [[থমাস হ্যারিয়ট]] || ৪৩২ || ✓
|-
| 745 || [[স্টিভেন চু]] || ২২০ || ✓
|-
| 746 || [[ইভাঞ্জেলিস্টা টরিসেলি]] || ৩৭২ || ✓
|-
| 747 || [[লেসলি ল্যামপোর্ট]] || ৫৫০ || ✓
|-
| 748 || [[মার্টিন লুইস পার্ল]] || ৩৮৮ || ✓
|-
| 749 || [[ভ্লাদিমির মার্কভনিকভ]] || ২৬৭ || ✓
|-
| 750 || [[বাপ্পী লাহিড়ী]] || ২৫২ || ✓
|-
| 751 || [[নুহাশ হুমায়ূন]] || ২০৫ || ✓
|-
| 752 || [[আনিসুল হক]] || ২৪৬ || ✕
|-
| 753 || [[বাবর আলী]] || ৩০৯ || ✓
|-
| 754 || [[মেহের আফরোজ শাওন]] || ৩১৯ || ✓
|-
| 755 || [[ফেলুদা]] || ২৪৬ || ✓
|-
| 756 || [[ব্যোমকেশ বক্সী]] || ১৭৮ || ✓
|-
| 757 || [[প্রোফেসর শঙ্কু]] || ২৬৯ || ✓
|-
| 758 || [[বারী সিদ্দিকী]] || ২৪২ || ✓
|-
| 759 || [[সমরেশ বসু]] || ২০২ || ✓
|-
| 760 || [[লিয়ন কুপার]] || ৩২৩ || ✓
|-
| 761 || [[কামিলা শামসি]] || ২০৪ || ✓
|-
| 762 || [[ক্রিস্টোফার রেন]] || ৩৭৪ || ✓
|-
| 763 || [[জিওফ্রে হিন্টন]] || ৩২২ || ✓
|-
| 764 || [[ফ্রিডতিয়ফ নানসেন]] || ১৯১ || ✓
|-
| 765 || [[আলাঁ আস্পে]] || ৭৭৬ || ✓
|-
| 766 || [[ক্যারিল ফিলিপস]] || ২৮৪ || ✓
|-
| 767 || [[জেমস কুক]] || ৩৯৭ || ✓
|-
| 768 || [[ক্লাউদিয়া শেইনবাউম]] || ৩২১ || ✓
|-
| 769 || [[আবি আহমেদ]] || ২৫৫ || ✓
|-
| 770 || [[পিটার আগ্রি]] || ১৯০ || ✓
|-
| 771 || [[ফখরুদ্দীন আল-রাযী]] || ২১৫ || ✓
|-
| 772 || [[শি চিনফিং]] || ৪,১৩২ || ✕
|-
| 773 || [[ইব্রাহিম ত্রাওরে]] || ৭৫৪ || ✓
|-
| 774 || [[পেদ্রো সানচেজ]] || ২৯৯ || ✓
|-
| 775 || [[অ্যাডাম রিস]] || ৪৮৯ || ✓
|-
| 776 || [[আব্দুল হান্নান আবকারী]] || ০ || ✕
|-
| 777 || [[ইবরাহীম আলী তশনা]] || ২৪৭ || ✓
|-
| 778 || [[রুহুল আমিন বসিরহাটি]] || ৩৬৩ || ✓
|-
| 779 || [[মুহাম্মদুল্লাহ হাফেজ্জী]] || ৩৪২ || ✓
|-
| 780 || [[শামছুল হুদা]] || ০ || ✕
|-
| 781 || [[শামছুল হক ফরিদপুরী]] || ৫৪৬ || ✓
|-
| 782 || [[গর্ডন মুর]] || ৫৮৭ || ✓
|-
| 783 || [[শিরিন এবাদি]] || ৫৪৩ || ✕
|-
| 784 || [[নাগিব মাহফুজ]] || ৫৩০ || ✓
|-
| 785 || [[আল-ফারাবি]] || ৫৩৭ || ✕
|-
| 786 || [[চাষী নজরুল ইসলাম]] || ৪৪৬ || ✓
|-
| 787 || [[বাপ্পা মজুমদার]] || ৩১০ || ✓
|-
| 788 || [[রবার্ট ক্লাইভ]] || ২,০০২ || ✕
|-
| 789 || [[পার্ল এস. বাক]] || ৯৩৩ || ✕
|-
| 790 || [[জন বারডিন]] || ৩৬৪ || ✓
|-
| 791 || [[তাসমিয়া প্রধান]] || ৩৫২ || ✓
|-
| 792 || [[আজিজুল হক]] || ১৮০ || ✓
|-
| 793 || [[আবদুস সালাম]] || ১০০ || ✕
|-
| 794 || [[আবদুল গফুর]] || ১০১ || ✕
|-
| 795 || [[আবদুল জব্বার]] || ১৬১ || ✓
|-
| 796 || [[আবদুল জব্বার]] || ৯২ || ✕
|-
| 797 || [[আবদুল জব্বার]] || ১৩৩ || ✕
|-
| 798 || [[অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়]] || ১৩৪ || ✕
|-
| 799 || [[অনিমেষ রায়]] || ১২৬ || ✕
|-
| 800 || [[অনির্বাণ বসু]] || ১২০ || ✕
|-
| 801 || [[অজয় ঘটক]] || ১১৪ || ✕
|-
| 802 || [[অচলা মল্লিক]] || ১৫৪ || ✕
|-
| 803 || [[অজয় হোম]] || ১৫৯ || ✕
|-
| 804 || [[অমিতা বসু]] || ১৪২ || ✕
|-
| 805 || [[ভেরা রুবিন]] || ৩৫০ || ✕
|-
| 806 || [[মেরি কুরি]] || ১৭৯ || ✕
|-
| 807 || [[মিসির আলি]] || ৪০৬ || ✕
|-
| 808 || [[আস্ট্রোনমি]] || ০ || ✕
|-
| 809 || [[মমতাজ বেগম]] || ৩৫৫ || ✕
|-
| 810 || [[আবুল বরকত]] || ১৪৩ || ✕
|-
| 811 || [[মেরি স্টোপস]] || ৫০৫ || ✕
|-
| 812 || [[ইয়োন ফসে]] || ৩৯৩ || ✕
|-
| 813 || [[জুনো দিয়াজ]] || ৫৪০ || ✕
|-
| 814 || [[পারভীন এতেসামি]] || ০ || ✕
|-
| 815 || [[চুয়াং জি]] || ২৭৪ || ✕
|-
| 816 || [[ফকির শাহাবুদ্দীন]] || ০ || ✕
|-
| 817 || [[আবু বকর সিদ্দিকী]] || ০ || ✕
|-
| 818 || [[বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট]] || ০ || ✕
|-
| 819 || [[বাংলাদেশের কৃষি প্রযুক্তি]] || ০ || ✕
|-
| 820 || [[হাসিবুন নাহের]] || ০ || ✕
|-
| 821 || [[মেরি উলস্টোনক্রাফ্ট]] || ২১৩ || ✕
|-
| 822 || [[বালতাসার গ্রাসিয়ান]] || ২০৬ || ✕
|-
| 823 || [[জুলাই আন্দোলন]] || ৬১৫ || ✕
|-
| 824 || [[বিকাশ]] || ০ || ✕
|-
| 825 || [[নতুন প্রযুক্তি]] || ০ || ✕
|-
| 826 || [[বাংলাদেশের রিয়েল এস্টেট শিল্প: বর্তমান প্রেক্ষাপট ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা]] || ০ || ✕
|-
| 827 || [[জলবায়ু পরিবর্তন ও বাংলাদেশের পরিবেশ]] || ০ || ✕
|-
| 828 || [[মোহাম্মদ শেখ শাহিনুর রহমান]] || ০ || ✕
|-
| 829 || [[অপ্রত্যাশিত জীবনযাত্রা]] || ০ || ✕
|-
| 830 || [[অপর্ণা সেন]] || ৩১২ || ✕
|}
ap4s5qvrep767unl3ours2pfxh53rv4
২০২৬ ইরান যুদ্ধ
0
12507
83267
83219
2026-05-02T12:13:06Z
CommonsDelinker
63
[[c:File:Attack_on_Gandhi_Hospital_3.jpg|Attack_on_Gandhi_Hospital_3.jpg]] সরানো হলো। এটি [[c:User:Ziv|Ziv]] কর্তৃক কমন্স থেকে অপসারিত হয়েছে, কারণ: per [[:c:Commons:Deletion requests/Files in Category:Gandhi Hospital (Tehran)|]]।
83267
wikitext
text/x-wiki
[[File:Iran and Israel (without West Bank and Gaza).png|thumb|৪০০পিক্সেল|[[:w:ইরান|ইরান]] এবং [[:w:ইসরায়েল|ইসরায়েলের]] ভৌগোলিক অবস্থান নির্দেশক মানচিত্র। এই অঞ্চলটি ২০২৬ সালের চলমান ভূ-রাজনৈতিক সংঘাতের প্রধান কেন্দ্রবিন্দু।]]
২০২৬ সালের ২৮শে ফেব্রুয়ারি, [[:w:ইসরায়েল|ইসরায়েল]] এবং [[:w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র]] [[:w:ইরান|ইরানের]] অসংখ্য সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে একটি '''[[:w:২০২৬ ইরান যুদ্ধ|সমন্বিত যৌথ হামলা]]''' চালায়, যা একটি ভয়াবহ সংঘাতের সূত্রপাত ঘটায়। মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতর কর্তৃক এই অভিযানের সাংকেতিক নাম দেওয়া হয়েছিল অপারেশন রোরিং লায়ন এবং অপারেশন এপিক ফিউরি। এই অভিযানের মূল লক্ষ্য ছিল ইরানের শীর্ষ পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তা, সামরিক কমান্ড সেন্টার এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত স্থাপনাগুলো ধ্বংস করে দেওয়া, যার নেপথ্যে ঘোষিত উদ্দেশ্য ছিল মূলত সেদেশের [[:w:শাসনব্যবস্থা পরিবর্তন|শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন]] ঘটানো। এই আক্রমণের সময় ইরানের দ্বিতীয় [[:w:ইরানের সর্বোচ্চ নেতা|সর্বোচ্চ নেতা]] [[:w:আলী খামেনেয়ী|আলী খামেনেয়ীর]] [[:w:আলী খামেনেয়ীর হত্যাকাণ্ড|হত্যাকাণ্ডের]] মতো স্পর্শকাতর ঘটনাও ঘটে।
এই আক্রমণগুলো ইরানের [[:w:তেহরান|তেহরান]], [[:w:ইস্পাহান|ইস্পাহান]], [[:w:কোম|কোম]], [[:w:কারাজ|কারাজ]] এবং [[:w:কেরমানশাহ|কেরমানশাহ]] শহরগুলোতে শুরু হয়। [[:w:সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ|সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের]] সচিব [[:w:আলী শামখানি|আলী শামখানি]] সহ ইরানের বেশ কয়েকজন উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা এই হামলায় প্রাণ হারান। প্রত্যক্ষদর্শীরা বিভিন্ন অঞ্চলজুড়ে ভয়াবহ বিস্ফোরণের কথা জানান। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা মন্ত্রী [[:w:ইসরায়েল কাটজ|ইসরায়েল কাটজ]] নিশ্চিত করেন যে, [[:w:ইসরায়েল প্রতিরক্ষা বাহিনী|ইসরায়েল প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)]] এই হামলাগুলো পরিচালনা করেছে। [[:w:ডোনাল্ড ট্রাম্প|ডোনাল্ড ট্রাম্প]] '[[:w:'ট্রুথ সোশ্যাল|ট্রুথ সোশ্যালে]]' পোস্ট করা একটি ভিডিওর মাধ্যমে ঘোষণা করেন যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে এই অভিযানে ইসরায়েলের সাথে যোগ দিয়েছে।
এর জবাবে [[:w:ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের সশস্ত্র বাহিনী|ইরানি বাহিনী]] [[:w:পারস্য উপসাগর|পারস্য উপসাগর]] জুড়ে ডজন খানেক [[:w:মনুষ্যবিহীন যুদ্ধবিমান (ড্রোন)|ড্রোন]] এবং [[:w:নিক্ষেপী ক্ষেপণাস্ত্র|ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র]] নিক্ষেপ করে; যা ইসরায়েল সহ [[:w:জর্ডান|জর্ডান]], [[:W:কুয়েত|কুয়েত]], [[:W:বাহরাইন|বাহরাইন]], [[:w:কাতার|কাতার]], [[:w:ইরাক|ইরাক]], [[:w:সৌদি আরব|সৌদি আরব]] এবং [[:w:সংযুক্ত আরব আমিরাত|সংযুক্ত আরব আমিরাতে]] অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করে চালানো হয়।
[[File:Khamenei last end year 5458884.jpg|thumb|সদ্য নিযুক্ত সর্বোচ্চ নেতার উচিত বিশ্বের কাছে শান্তির বার্তা পৌঁছে দেওয়া এবং ইরানে এক নতুন যুগের ঘোষণা করা। [[:w:রাজনৈতিক বন্দি|রাজনৈতিক বন্দিদের]] মুক্তি দেওয়া এবং যারা ইরানিদের হত্যা বা ২০২৬ সালের ইরান হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত ছিল না, তাদের জন্য সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করা এখন একটি ঐতিহাসিক আবশ্যকতা।<ref>[https://www.khabarfoori.com/بخش-سیاسی-59/3198657-جبهه-اصلاحات-انتخاب-رهبری-جدید-می-بایست-حاوی-پیام-صلح-به-جهان-آغاز-دورانی-تازه-در-ایران-باشد-اعلام-عفو-عمومی-کلیه-کسانی-که-دستشان-به-خون-آلوده-نشده-آزادی-همه-زندانیان-سیاسی-فعالان-مدنی-یک-ضرورت-ملی-تاریخی-است Khabarfoori News Portal]</ref>]]
[[চিত্র:Mojtaba Khamenei 2019.jpg|thumb|আরেকজন খামেনি আসছেন।~[https://www.khabarfoori.com/%D8%A8%D8%AE%D8%B4-%D8%B3%DB%8C%D8%A7%D8%B3%DB%8C-59/3198781-%D8%AA%D8%A7%DB%8C%DB%8C%D8%AF-%D8%AA%D9%84%D9%88%DB%8C%D8%AD%DB%8C-%D8%A7%D9%86%D8%AA%D8%AE%D8%A7%D8%A8-%D8%A2%DB%8C%D8%AA-%D8%A7%D9%84%D9%84%D9%87-%D8%B3%DB%8C%D8%AF-%D9%85%D8%AC%D8%AA%D8%A8%DB%8C-%D8%AE%D8%A7%D9%85%D9%86%D9%87-%D8%A7%DB%8C-%D8%A8%D8%B9%D9%86%D9%88%D8%A7%D9%86-%D8%B1%D9%87%D8%A8%D8%B1-%D8%A8%D8%B9%D8%AF%DB%8C-%D8%AA%D9%88%D8%B3%D8%B7-%D8%B9%D8%B6%D9%88-%D8%AE%D8%A8%D8%B1%DA%AF%D8%A7%D9%86-%D8%B1%D9%87%D8%A8%D8%B1%DB%8C QomImam]]]
[[চিত্র:Flag of the Cooperation Council for the Arab States of the Gulf.svg|thumb|ট্রাম্প হিতাহিত জ্ঞানশূন্য হয়ে পড়েছেন এবং নিজের শেষ নিঃশ্বাস দিয়ে লড়াই করছেন। আমেরিকানরা এখন দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়ার অবস্থায় রয়েছে। শত্রু আজ এক মরিয়া চোরাবালিতে আটকা পড়েছে। [[:w:বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু|বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু]] মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে আক্রমণের জন্য উসকে দিয়েছেন, আমরা এখন এর প্রতিশোধ নেবই! ট্রাম্প, আপনি একজন [[:w:মানসিক ব্যাধি|মানসিক বিকারগ্রস্ত]] ব্যক্তি... আমরা যুদ্ধের এক বন্ধুর গিরিপথ দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি... ইরানিদের একটি মহান সভ্যতা রয়েছে, অথচ এই অঞ্চলের দেশগুলো দালালদের মতো আচরণ শুরু করেছে। ট্রাম্প বলছেন আমাদের সেনাবাহিনীর কিছু লোক পক্ষত্যাগ করেছে। সাহস থাকলে তাদের মধ্য থেকে অন্তত দুজনের নাম আমাদেরকে বলে দেখুক।<br>— '''''[[:w:আলি লারিজানি|আলি লারিজানি]]'''''<ref>[https://sahebkhabar.ir/news/77421052/%D8%B9%D9%84%DB%8C-%D9%84%D8%A7%D8%B1%DB%8C%D8%AC%D8%A7%D9%86%DB%8C-%D8%AA%D8%B1%D8%A7%D9%85%D9%BE-%D8%A2%D8%AF%D9%85-%D8%B9%D9%82%D8%A8-%D8%A7%D9%81%D8%AA%D8%A7%D8%AF%D9%87-%D8%A7%DB%8C-%D8%A7%D8%B3%D8%AA-%D8%AF%D8%A7%D8%B1%DB%8C%D9%85-%D8%A7%D8%B2-%DA%AF%D8%B1%D8%AF%D9%86%D9%87-%D8%AC%D9%86%DA%AF লারিঞ্জানি: ট্রাম্প একজন অনগ্রসর ব্যক্তি]।</ref><ref>[https://sahebkhabar.ir/news/77421726/%D8%A8%D8%A8%DB%8C%D9%86%DB%8C%D8%AF-%D8%B9%D9%84%DB%8C-%D9%84%D8%A7%D8%B1%DB%8C%D8%AC%D8%A7%D9%86%DB%8C-%D9%86%D9%81%D8%B3-%D9%87%D8%A7%DB%8C-%D8%A2%D8%AE%D8%B1-%D8%AA%D8%B1%D8%A7%D9%85%D9%BE-%D8%A7%D8%B3%D8%AA-%D9%87%DB%8C%D8%B3%D8%AA%D8%B1%DB%8C%DA%A9-%D8%B4%D8%AF%D9%87-%D9%88 লারিঞ্জানি: ট্রাম্পের শেষ নিঃশ্বাস ও হিস্টেরিয়া], সাহেব খবর।</ref><ref>[https://farsnews.ir/mohammadreza_dehghan/1772912586911483130/%D8%B9%D9%84%DB%8C-%D9%84%D8%A7%D8%B1%DB%8C%D8%AC%D8%A7%D9%86%DB%8C-%D8%AA%D8%A7-%DA%AF%D8%B1%D9%81%D8%AA%D9%86-%D8%AA%D8%A7%D9%88%D8%A7%D9%86-%D8%AF%D8%B3%D8%AA-%D8%A7%D8%B2-%D8%B3%D8%B1-%D8%A2%D9%85%D8%B1%DB%8C%DA%A9%D8%A7-%D8%A8%D8%B1%D9%86%D9%85%DB%8C-%D8%AF%D8%A7%D8%B1%DB%8C%D9%85 আলী লারিঞ্জানি: ক্ষতিপূরণ না পাওয়া পর্যন্ত আমেরিকার ওপর থেকে হাত সরাব না], ফার্স নিউজ।</ref>]]
[[চিত্র:State_flag_of_Iran_(1964–1980).svg|thumb|জার শাসিত [[:w:রাশিয়া|রাশিয়া]] [[:w:ককেশাস|ককেশাস অঞ্চলের]] ১৭টি ইরানি শহরকে ইরান থেকে বিচ্ছিন্ন করেছিল। আমরা [[:w:মঙ্গোল সাম্রাজ্য|মঙ্গোল]] আক্রমণ এবং [[:w:তৈমুরি সাম্রাজ্য|তৈমুরিদের]] ধ্বংসস্তূপ থেকে [[:w:ফিনিক্স পাখি|ফিনিক্স পাখির]] মতো বারবার জেগে ওঠা এক জাতি।<ref>[https://sahebkhabar.ir/news/77413081/%D8%A7%DB%8C%D8%B3%D8%AA%D8%A7%D8%AF%DA%AF%DB%8C-%D8%AE%D9%88%D9%86-%D9%88-%D8%AE%D8%A7%DA%A9 রক্ত ও মাটি: প্রতিরোধের অটল সংকল্প], সাহেব খবর।</ref>]]
== উক্তি ==
<small>Please add quotes in chronological order</small>
=== ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি ===
* তারা অবিশ্বাসী কাফেরদের বিরুদ্ধে ইস্পাতকঠিন কঠোর এবং নিজেদের মধ্যে অত্যন্ত দয়াবান, সহমর্মী ও পরম সহানুভূতিশীল।
** '''''[[w:আলী_খামেনেয়ী|আলী খামেনেই]]''''' কর্তৃক পবিত্র কুরআনের আয়াত উদ্ধৃত; [https://sahebkhabar.ir/news/77473280/%D8%A3%D8%B4%D8%AF%D8%A7%D8%A1-%D8%B9%D9%84%DB%8C-%D8%A7%D9%84%DA%A9%D9%81%D8%A7%D8%B1-%D8%B1%D8%AD%D9%85%D8%A7%D8%A1-%D8%A8%DB%8C%D9%86%D9%87%D9%85]
* যারা ট্রাম্পের পদাঙ্ক অনুসরণকারী এবং তার সাম্রাজ্যবাদী মতাদর্শের সমর্থক ইরানি, তাদের জন্য নরকের অতল গহ্বরে এক অত্যন্ত ভয়াবহ ও বিশেষ স্থান সংরক্ষিত রাখা হয়েছে।
** আইআরজিসি (IRGC) মাশরে '''''দিমিত্রি ল্যাস্কারিস'''''; [https://www.shahrekhabar.com/news/177328434067132]
* বর্তমান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে এক প্রলয়ংকরী বিদ্রোহ ও সশস্ত্র বিপ্লব গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রায় ৪ লক্ষ সৈন্য এখন রণসজ্জায় সজ্জিত এবং চূড়ান্ত মুহূর্তের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত হয়ে অপেক্ষমান রয়েছে।
** '''''জেনারেল আরাসতে'''''; [https://www.ettelaat.com/news/140255/%DB%B4%DB%B0%DB%B0-%D9%87%D8%B2%D8%A7%D8%B1-%D9%86%D9%81%D8%B1-%D9%85%D8%B3%D9%84%D8%AD-%D8%AF%D8%B1-%D8%A2%D9%85%D8%B1%DB%8C%DA%A9%D8%A7-%D8%A2%D9%85%D8%A7%D8%AF%D9%87-%D9%82%DB%8C%D8%A7%D9%85-%D8%B9%D9%84%DB%8C-%D8%A7%D9%84%DA%A9%D9%81%D8%A7%D8%B1-%D8%B1%D8%AD%D9%85%D8%A7%D8%A1-%D8%A8%DB%8C%D9%86%D9%87%D9%85#ref=shahrekhabar]
* সমাগত এই মহাযুদ্ধে জয়োল্লাস কেবল ইরানের একার হবে না। বরং রাশিয়া এবং চীনও এই লড়াইয়ের ময়দানে চূড়ান্ত বিজয়ীর বেশে আবির্ভূত হবে।
** আইআরজিসি জেনারেল '''''রহিম সাফাভি'''''; [https://www.shahrekhabar.com/news/177326496039426]
* আমাদের হাত এখন আমেরিকানদের ঘাড়ের ওপর শক্তভাবে চেপে বসে আছে। তারা সামান্যতম নড়াচড়া করার চেষ্টা করলেই আমরা তাদের গালে এক প্রচণ্ড চপেটাঘাত হেনে উচিত শিক্ষা দেব।
** আইআরজিসি জেনারেল '''''মহসেন রেজাই'''''; [https://sahebkhabar.ir/news/77471755/%D9%85%D8%AD%D8%B3%D9%86-%D8%B1%D8%B6%D8%A7%DB%8C%DB%8C-%D8%AF%D8%B3%D8%AA%D9%85%D8%A7%D9%86-%D9%BE%D8%B4%D8%AA-%DA%AF%D8%B1%D8%AF%D9%86-%D8%A2%D9%85%D8%B1%DB%8C%DA%A9%D8%A7%D8%B3%D8%AA-%D8%AA%D8%A7-%D8%A8%D8%AE%D9%88%D8%A7%D9%87%D8%AF-%D8%AA%DA%A9%D8%A7%D9%86-%D8%A8%D8%AE%D9%88%D8%B1%D8%AF-%DB%8C%DA%A9]
* যদি এই মুহূর্তে কেউ রাজপথে নেমে আসে, তবে তাদের সাধারণ প্রতিবাদকারী হিসেবে নয়, বরং রাষ্ট্রের সরাসরি শত্রু হিসেবে গণ্য করা হবে। আমাদের প্রতিটি সন্তান আজ বন্দুকের ট্রিগারে আঙুল রেখে চূড়ান্ত নির্দেশের অপেক্ষায় প্রহর গুনছে। প্রতিটি গলি, রাজপথ এবং শহরের মোড়গুলো এখন সম্পূর্ণভাবে পুলিশ, বিশেষ বাহিনী এবং আইআরজিসি ('''IRGC)''' বাসিজের কঠোর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
** ফারাজা ('''FARAJA''') কমান্ডার '''''জেনারেল আহমেদ রাদান'''''[https://sahebkhabar.ir/news/77462710/%D8%B3%D8%B1%D8%AF%D8%A7%D8%B1-%D8%B1%D8%A7%D8%AF%D8%A7%D9%86-%D8%A7%DA%AF%D8%B1-%DA%A9%D8%B3%DB%8C-%D8%A8%D9%87-%D8%AE%D9%88%D8%A7%D8%B3%D8%AA-%D8%AF%D8%BUSH%D9%85%D9%86-%D8%A8%D9%87-%D8%AE%DB%8C%D8%A7%D8%A8%D8%A7%D9%86-%D8%A8%DB%8C%D9%86%D9%87%D9%85#ref=shahrekhabar]
* আমি অত্যন্ত স্পষ্টভাবে দেখতে পাচ্ছি যে একটি দীর্ঘস্থায়ী শান্তি চুক্তি এখন আমাদের হাতের নাগালে রয়েছে। যদি আমরা কূটনৈতিক আলোচনা ও প্রচেষ্টাকে সেই প্রয়োজনীয় সুযোগ ও ক্ষেত্রটুকু প্রদান করি। আমি মনে করি না যে এই জটিল সংকটের সমাধান কূটনীতি ছাড়া অন্য কোনো বিকল্প উপায়ে সম্ভব। এই চুক্তির মূল সত্তা বা 'হৃদয়ের' জায়গাটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং আমরা সেই মূল জায়গাটি ধরতে সক্ষম হয়েছি। যদি আমাদের চূড়ান্ত লক্ষ্য হয় চিরতরে এটি নিশ্চিত করা যে ইরান কখনোই হয়তো কোনো [[পারমাণবিক অস্ত্র]] তৈরি করতে পারবে না। তবে আমরা সেই কঠিন সমস্যার সমাধানমূলক সূত্র খুঁজে পেয়েছি। আমরা এখানে পারমাণবিক উপাদানের মজুত একদম শূন্যে নামিয়ে আনার বিষয়ে কথা বলছি... কারণ আপনি যদি সমৃদ্ধ [[w:ইউরেনিয়াম|ইউরেনিয়ামের]] মজুত গড়ে তুলতে না পারেন, তবে আপনার পক্ষে কোনোভাবেই বোমা তৈরি করা সম্ভব নয় এবং একইসাথে সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ হলো ইন্টারনেশনাল এট্মিক এনারজি এজেন্সি বা আইএইএ এর মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ ও ব্যাপকভিত্তিক পর্যবেক্ষণ নিশ্চিত করা। বর্তমানে থাকা মজুতগুলো সম্ভাব্য সর্বনিম্ন স্তরে নামিয়ে আনা হবে এবং সেগুলোকে এমন জ্বালানিতে রূপান্তর করা হবে যা থেকে পুনরায় বোমার কাঁচামালে ফিরে যাওয়া আর সম্ভব হবে না। আমি আত্মবিশ্বাসী যে একটি সম্মানজনক, ন্যায্য এবং টেকসই চুক্তি সম্পাদিত হলে এমনকি মার্কিন পরিদর্শকরাও এক পর্যায়ে সেখানে প্রবেশাধিকার পাবেন। আমরা ইরান এবং তার প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা করতে এবং একটি সংলাপ প্রক্রিয়া শুরু করতে সাধারণভাবে সম্মত হয়েছি। যা পারস্পরিক আস্থা ও সুসম্পর্ক তৈরির মাধ্যমে ইরান এবং জিসিসি/ GCC উভয় পক্ষের উদ্বেগের জায়গাগুলোতে একটি সুষ্ঠু সমাধানে পৌঁছাতে সাহায্য করবে। বৃহৎ পরিসরে বলতে গেলে, মূল রাজনৈতিক ইস্যুগুলো আগামীকালের মধ্যেই একমত হওয়া সম্ভব, তবে প্রযুক্তিগত খুঁটিনাটি বিষয়গুলো আইএইএর সাথে মিটিয়ে নিতে কিছুটা সময়ের প্রয়োজন হবে। সেটিও তুলনামূলক দ্রুত করা সম্ভব কারণ এর অনেক প্রাথমিক কাজ কয়েক বছর আগেই সম্পন্ন করা হয়েছে। আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বর্তমানে চুক্তির অগ্রগতি অনেক বেশি; আমাদের শুধু এই চুক্তিটি চূড়ান্ত করতে আরও কিছুটা অতিরিক্ত সময়ের প্রয়োজন।
** বদর বিন হামাদ আল বুসাইদি, ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী; মার্কিন-ইসরায়েলি আক্রমণের পূর্বে ''ফেইস দ্য নেশন'' এ প্রদত্ত বক্তব্য (২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬)। [https://www.youtube.com/watch?v=Pg5sXQDR8NY&t=38s ইউটিউব ভিডিও সূত্র।]
* ইমাম মাহদি আমাদের সাথেই আছেন এবং তিনি স্বয়ং এই উম্মাহর পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন; তিনি বিশেষজ্ঞ পর্ষদের মাধ্যমে আয়াতুল্লাহ মুজতবা খামেনেই-কে পরবর্তী নেতা হিসেবে মনোনীত ও পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন।
** [https://kayhan.ir/fa/news/328896/%D8%A7%D9%85%D8%A7%D9%85-%D8%B2%D9%85%D8%A7%D9%86%D8%B9%D8%AC-%D9%88%D9%84%DB%8C-%D9%81%D9%82%DB%8C%D9%87-%D8%B1%D8%A7-%D8%A8%D9%87-%D8%AE%D8%A8%D8%B1%DA%AF%D8%A7%D9%86-%D9%85%D8%B9%D8%B1%D9%81%DB%8C-%DA%A9%D8%B1%D8%AF-%D9%86%DA%A9%D8%AA%D9%87 হোসেন শরীয়ত মাদারে]; কায়হান।
* পৃথিবীর প্রতিটি প্রান্তরে এবং প্রতিটি কোণে যতক্ষণ না [[w:মাহদী|ইমাম মাহদির]] বিজয় নিশান বা পবিত্র পতাকা উড্ডীন হচ্ছে, ততক্ষণ এই মহান বিপ্লব বিন্দুমাত্র স্তিমিত হবে না কিংবা থমকে দাঁড়াবে না।
** [https://kayhan.ir/fa/news/328901/%D8%B3%DB%8C%D8%AF-%D8%B9%D9%84%DB%8C-%D8%AE%D8%A7%D9%85%D9%86%D9%87%E2%80%8C%D8%A7%DB%8C-%D8%A8%D8%A7-%D9%86%D8%A7%D9%85-%D8%AC%D8%AF%DB%8C%D8%AF-%D9%85%D8%AC%D8%AA%D8%A8%DB%8C-%D8%A2%D9%85%D8%AF%D9%87-%D8%A7%D8%B3%D8%AA হোসেন শরীয়ত মাদারে]; কায়হান।
* নিজের পরাজিত ও বিপর্যস্ত সৈন্যদের নিশ্চিত ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করার হীন উদ্দেশ্যে ট্রাম্প এখন ইউক্রেনের তথাকথিত ভাঁড় রাষ্ট্রপতি ভলোদিমির জেলেনস্কির কাছে সাহায্যের জন্য আকুতি জানাচ্ছেন।
** [https://kayhan.ir/fa/news/328922/%D8%A2%D9%85%D8%B1%DB%8C%DA%A9%D8%A7-%D8%A8%D8%B1%D8%A7%DB%8C-%D9%86%D9%82%D8%A7%D8%AA-%D8%AC%D8%A7%D9%86-%D8%B3%D8%B1%D8%A8%D8%A7%D8%B2%D8%A7%D9%86%D8%B4-%D8%AF%D8%B3%D8%AA-%D8%A8%D9%87-%D8%AF%D8%A7%D9%85%D8%A7%D9%86-%DB%8C%DA%A9-%D8%AF%D9%84%D9%82%DA%A9-%D8%B4%D8%AF হোসেন শরীয়ত মাদারে]; কায়হান।
* যুদ্ধের রণকৌশলগত ভারসাম্য এখন আমূল পরিবর্তিত হয়ে গেছে এবং বর্তমানে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরান অত্যন্ত সুবিধাজনক অবস্থানে থেকে লড়াইয়ের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে তুলে নিয়েছে। সুতরাং এখন আর কোনো আলোচনার অবকাশ নেই। যেকোনো রাষ্ট্র যদি এই পরিস্থিতিতে আমেরিকাকে কোনো প্রকার সহায়তা প্রদান করে, তবে তাকে সরাসরি শত্রু হিসেবে গণ্য করে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করা হবে।
** [https://tasnimnews.ir/fa/news/1404/12/19/3537514/%D9%85%D9%88%D9%81%D9%82%DB%8C%D8%AA-90-%D8%AF%D8%B1%D8%B5%D8%AF%DB%8C-%D8%AD%D9%85%D9%84%D8%A7%D8%AA-%D9%85%D9%88%D8%B4%DA%A9%DB%8C-%D9%88-%D9%BE%D9%87%D9%BE%D8%A7%D8%AF%DB%8C-%D8%A7%DB%8C%D8%B1%D8%A7%D9%86-%D9%85%D9%88%D8%A7%D8%B2%D9%86%D9%87-%D8%A8%D9%87-%D9%86%D9%81%D8%B9-%D8%A7%DB%8C%D8%B1%D8%A7%D9%86-%D8%A7%D8%B3%D8%AA আইসিএ (ICA)]; তাসনিম নিউজ।
* হরমুজ প্রণালী দিয়ে একটি নৌযান সফলভাবে অতিক্রম করেছে এবং খোদ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি সামরিক যুদ্ধজাহাজ তাকে পাহারা দিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল। তবে এই দৃশ্য বাস্তবে নয়, বরং একটি 'প্লে-স্টেশন' গেমের ভেতরেই কেবল সম্ভব হয়েছে।
** আইসিএ (ICA) [https://sahebkhabar.ir/news/77461463/%D9%88%D8%A7%DA%A9%D9%86%D8%B4-%D8%B1%D8%A6%DB%8C%D8%B3-%D9%85%D8%AC%D9%84%D8%B3-%D8%A8%D9%87-%D8%A7%D8%AF%D8%B9%D8%A7%DB%8C-%D8%AF%D8%B1%D9%88%D8%BA%DB%8C%D9%86-%D9%88%D8%B2%DB%8C%D8%B1-%D8%A7%D9%86%D8%B1%DA%98%DB%8C-%D8%A2%D9%85%D8%B1%DB%8C%DA%A9%D8%A7-%D8%AF%D8%B1%D8%A8%D8%A7%D8%B1%D9%87-%D8%AA%D9%86%DA%AF%D9%87]
* আমরা তো কেবল আমাদের রণকৌশলগত অভিযান শুরু করেছি। আমাদের নিক্ষিপ্ত ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ইতোমধ্যে শত্রুপক্ষের ডেরায় চরম বিপর্যয়, ধ্বংসস্তূপ আর হাহাকার বয়ে এনেছে। যদিও নেতানিয়াহু চতুরতার সাথে সেই ধ্বংসলীলার প্রকৃত চিত্র আপনাদের চোখের আড়ালে রাখার চেষ্টা করছেন।
** '''''[[w:আব্বাস_আরাগচি|আব্বাস আরাগচি]]''''' [https://sahebkhabar.ir/news/77462291/%D8%B9%D8%B1%D8%A7%D9%82%DA%86%DB%8C-%D9%85%D8%A7-%D8%AA%D8%A7%D8%B2%D9%87-%D8%B4%D8%B1%D9%88%D8%B9-%DA%A9%D8%B1%D8%AF%D9%87-%D8%A7%DB%8C%D9%85]
* আমাদের প্রতিপক্ষ হলো পৃথিবীর নিকৃষ্টতম ও নির্বোধতম গাধা। আমাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কেবল নিছক কোনো যান্ত্রিক সুরক্ষা পদ্ধতি নয়, বরং এটি একটি অটল আদর্শ ও বিশ্বাসের ওপর দাঁড়িয়ে আছে—অথচ যখন আমরা হাইফায় আঘাত হানলাম, তখন তাদের নাগরিকরা গাড়ির সামান্য জ্বালানির জন্য রাজপথে করুণভাবে আর্তনাদ ও ভিক্ষা করছিল।
** ফারাজা কমান্ডার '''''জেনারেল আহমেদ রাদান''''' [https://sahebkhabar.ir/news/77460868/%D8%A8%D8%A8%DB%8C%D9%86%DB%8C%D8%AF-%D8%B3%D8%B1%D8%AF%D8%A7%D8%B1-%D8%B1%D8%A7%D8%AF%D8%A7%D9%86-%D8%AF%D8%BNo%D9%85%D9%86%D8%A7%D9%86-%D9%85%D8%A7-%D8%A7%D8%B2-%D8%A7%D8%AD%D9%85%D9%82-%D8%AA%D8%B1%DB%8C%D9%86-%D9%87%D8%A7-%D9%87%D8%B3%D8%AA%D9%86%D8%AF]
* আজ রাতে তোমাদের সন্তানেরা যখন রণক্ষেত্রের মিসাইল লঞ্চারগুলোর পাশে অবস্থান নেবে, তখন তারা পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমেই নিজেদের মনোবল ও আধ্যাত্মিক শক্তি সঞ্চয় করবে।
** '''''জেনারেল মুসাভি''''' [https://sahebkhabar.ir/news/77461610/%D8%B3%D8%B1%D8%AF%D8%A7%D8%B1-%D9%85%D9%88%D8%B3%D9%88%DB%8C-%D9%81%D8%B1%D8%B2%D9%86%D8%AF%D8%A7%D9%86-%D8%B4%D9%85%D8%A7-%D8%A7%D9%85%D8%B4%D8%A8-%D9%BE%D8%A7%DB%8C-%D9%84%D8%A7%D9%86%DA%86%D8%B1%D9%87%D8%A7-%D9%82%D8%B1%D8%A2%D9%86-%D8%A8%D9%87-%D8%B3%D8%B1-%D9%85%DB%8C-%DA%AF%DB%8C%D8%B1%D9%86%D8%AF]
[[File:HIMARS Support Operation Epic Fury (9564974).jpg|thumb|অপারেশন এপিক ফিউরি]]
=== ২০২৬ সালের মার্চ ===
* আজ থেকে কোনো প্রকার নৌযান বা জাহাজ আর হরমুজ প্রণালী দিয়ে অতিক্রম করার দুঃসাহস দেখাতে পারবে না; এই জলপথ এখন আমাদের নিশ্ছিদ্র নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
** আইআরজিসিএন (IRGCN) জেনারেল '''''আলী তাংসিরি''''' [https://www.mehrnews.com/news/6771339/%D8%B3%D8%B1%D8%AF%D8%A7%D8%B1-%D8%AA%D9%86%DA%AF%D8%B3%DB%8C%D8%B1%DB%8C-%D9%87%DB%8C%DA%86-%D8%B4%D9%86%D8%A7%D9%88%D8%B1-%D9%85%D8%B1%D8%AA%D8%A8%D8%B7-%D8%A8%D8%A7-%D9%85%D8%AA%D8%AC%D8%A7%D9%88%D8%B2%D8%A7%D9%86-%D8%AD%D9%82-%D8%B9%D8%A8%D9%88%D8%B1-%D8%A7%D8%B2-%D8%AA%D9%86%DA%AF%D9%87-%D9%87%D8%B1%D9%85%D8%B2]
* মার্কিন প্রেসিডেন্ট কতটা মেরুদণ্ডহীন ও কাপুরুষ হতে পারেন, তা অস্ট্রেলীয় পুলিশের কর্মকাণ্ড থেকেই স্পষ্ট। তারা আমাদের মেয়েদের জোরপূর্বক হোটেল থেকে বের করে নিয়ে গেছে এবং তাদের রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনা করতে বাধ্য করেছে।
** মেহদি তাজ, ন্যাশনাল ফুটবল ফেডারেশনের চেয়ারম্যান [https://sahebkhabar.ir/news/77458637/%D9%85%D9%87%D8%AF%DB%8C-%D8%AA%D8%A7%D8%AC-%D8%AF%D8%B1%DB%8C%D9%88%D8%B2%DA%AF%DB%8C-%D8%B1%D8%A6%DB%8C%D8%B3-%D8%AC%D9%85%D9%87%D9%88%D8%B1-%D8%A2%D9%85%D8%B1%DB%8C%DA%A9%D8%A7-%D8%AA%D8%A7-%DA%86%D9%87-%D8%AD%D8%AF-%D8%AF%D9%85-%DA%AF%DB%8C%D8%AA-%D8%AC%D9%84%D9%88%DB%8C-%D8%AE%D8%B1%D9%88%D8%AC]
* আমরা আমেরিকার বিরুদ্ধে এই যুদ্ধ কেবল আজ নয়। বরং আগামী অন্তত আরও ১০ বছর নিরবচ্ছিন্নভাবে চালিয়ে যাওয়ার জন্য মানসিকভাবে এবং রণকৌশলগতভাবে সম্পূর্ণ প্রস্তুত।
** আইআরজিসি জেনারেল '''''জাব্বারি''''' [https://sahebkhabar.ir/news/77449662/%D8%A8%D8%A8%DB%8C%D9%86%DB%8C%D8%AF-%D9%85%D8%B3%D9%84%D8%AD-%D8%AF%D8%B1-%D8%A2%D9%85%D8%B1%DB%8C%DA%A9%D8%A7-%D8%A2%D9%85%D8%A7%D8%AF%D9%87-%D9%82%DB%8C%D8%A7%D9%85-%D8%B9%D9%84%DB%8C-%D9%86%D8%B8%D8%A7%D9%85-%D8%A7%DB%8C%D9%86-%DA%A9%D8%B4%D9%88%D8%B1-%D9%87%D8%B3%D8%AA%D9%86%D8%AF]
* বর্তমান বিশ্বের প্রেক্ষাপটে ইরান হলো মানবতার জাগ্রত বিবেক, প্রকৃত মর্যাদা এবং গৌরবের এক অনন্য প্রতীক। এটি এমন এক নির্বাচিত জাতি, যারা অন্ধকারের বিরুদ্ধে আলোর চূড়ান্ত বিজয়ের লক্ষ্যে নিরন্তর লড়াই করে যাচ্ছে। এটিই হলো ওরমজদ, ইশরাক এবং পবিত্র মাহদি অনুসারী মানুষের ভূখণ্ড।
** '''''আলেকজান্ডার দুগিন''''' [https://sahebkhabar.ir/news/77392273/%D8%AA%D9%88%DB%8C%DB%8C%D8%AA-%D8%A7%D9%84%DA%A9%D8%B3%D8%A7%D9%86%D8%AF%D8%B1-%D8%AF%D9%88%DA%AF%DB%8C%D9%86-%D9%BE%DB%8C%D8%B1%D8%A7%D9%85%D9%88%D9%86-%D8%A7%DB%8C%D8%B3%D8%AA%D8%A7%D8%AF%DA%AF%DB%8C-%D8%A7%DB%8C%D8%B1%D8%A7%D9%86]
* সাম্প্রতিক এই মহাযুদ্ধ আসলে কোনো সাধারণ সংঘাত নয়। এটি হলো ন্যায় এবং অন্যায়ের মধ্যে, সত্য এবং মিথ্যার মধ্যে এক চিরন্তন লড়াই।
** আইসিএ [https://sahebkhabar.ir/news/77432191/%D8%AC%D9%86%DA%AF-%D8%A7%D8%AE%DB%8C%D8%B1-%D8%AC%D9%86%DA%AF-%D8%AD%D9%82-%D9%88-%D8%A8%D8%A7%D8%B7%D9%84-%D8%A7%D8%B3%D8%AA]
* বজ্রের মতো প্রচণ্ড শক্তিতে আমরা হাইফা নগরী এবং এই অঞ্চলে অবস্থিত আমেরিকার প্রতিটি সামরিক ঘাঁটির ওপর আঘাত হানব।
** আইআরজিসি জেনারেল '''''সাইদ মুসাভি''''' [https://sahebkhabar.ir/news/77449498/%D8%B3%D8%B1%D9%84%D8%B4%DA%A9%D8%B1-%D8%B9%D8%A8%D8%AF%D8%A7%D9%84%D9%84%D9%87%DB%8C-%D9%87%D9%85%DA%86%D9%88%D9%86-%D8%B5%D8%A7%D8%B9%D9%82%D9%87-%D8%A8%D8%B1-%D8%AD%DB%8C%D9%81%D8%A7-%D9%88-%D9%BE%D8%A7%DB%8C%DA%AF%D8%A7%D9%87-%D9%87%D8%A7%DB%8C-%D8%A2%D9%85%D8%B1%DB%8C%DA%A9%D8%A7-%D8%AF%D8%B1-%D9%85%D9%86%D8%B7%D9%82%D9%87]
* এই ভয়াবহ আক্রমণ শুরু হওয়ার পূর্বে ইরানের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ অত্যন্ত স্পষ্টভাবে জানিয়েছিলেন যে তারা পারমাণবিক ইস্যুতে আলোচনা ও সমঝোতা করতে ইচ্ছুক ছিলেন। দীর্ঘ কূটনৈতিক আলাপ-আলোচনা চলছিল এবং একটি টেকসই চুক্তিতে পৌঁছানোর মতো যথেষ্ট ভিত্তিও তৈরি হয়েছিল; কারণ তৎকালীন ইরানি সরকার অদূর ভবিষ্যতে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ করার মতো অবস্থায় ছিল না। অন্যদিকে, সাধারণ আমেরিকান নাগরিকরা তাদের পূর্ববর্তী বড় যুদ্ধগুলোতে। বিশেষ করে {{w|regime change|শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের}} লক্ষ্যে চালানো আফগানিস্তান এবং ইরাক যুদ্ধে চরম বিপর্যয়ের কারণে গভীরভাবে অসন্তুষ্ট ছিল। ইরান বিরোধী এই যৌথ মার্কিন-ইসরায়েলি অভিযান যখন শুরু হয়, তখন মাত্র এক-তৃতীয়াংশ আমেরিকান এই সামরিক দুঃসাহসিকতাকে সমর্থন করেছিল...
** ডানা অ্যালিন, "মার্কিন রাজনীতি এবং ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ" (২ মার্চ ২০২৬); [https://www.iiss.org/online-analysis/online-analysis/2026/02/the-us-israel-campaign-in-iran/ "ইরানে মার্কিন-ইসরায়েল অভিযান"] @[[:w:International Institute for Strategic Studies|আইআইএসএস (IISS)]]।
* এটি এমন এক প্রলয়ংকরী যুদ্ধ যা চিরতরে সকল বিতর্কের অবসান ঘটাবে।
::[https://www.mehrnews.com/news/6764020/%D9%86%DB%8C%DA%A9%D8%B2%D8%A7%D8%AF-%D8%A8%D9%87-%D8%AF%D9%86%D8%A8%D8%A7%D9%84-%D8%AC%D9%86%DA%AF-%D9%85%D9%86%D8%B7%D9%82%D9%87-%D8%A7%DB%8C-%D9%86%DB%8C%D8%B3%D8%AA%DB%8C%D9%85-%D8%A7%DB%8C%D9%86-%D8%AC%D9%86%DA%AF-%D8%B1%D8%A7-%D8%AE%D9%88%D8%A7%D9%87%DB%8C%D9%85-%D8%A1%D8%B1%D8%AF আইসিএ (ICA)] (২ মার্চ ২০২৬)
* আমাদের সাহসী ও শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনী সেই প্রতিটি ইরানি মা, বাবা এবং সন্তানের ওপর চালানো বর্বরোচিত হামলার প্রতিশোধ নেবে, যারা শত্রুশক্তির ঘৃণ্য লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছেন।
** পররাষ্ট্রমন্ত্রী '''''আব্বাস ইরাকচি''''' [https://sahebkhabar.ir/news/77405403/%D8%B9%D8%B1%D8%A7%D9%82%DA%86%DB%8C-%D9%86%DB%8C%D8%B1%D9%88%D9%87%D8%A7%DB%8C-%D9%85%D8%B3%D9%84%D8%AD-%D9%85%D8%A7-%D8%A7%D9%86%D8%AA%D9%82%D8%A7%D9%85-%D8%AA%DA%A9-%D8%AA%DA%A9-%D8%B4%D9%87%D8%AF%D8%A7-%D8%B1%D8%A7-%D8%AE%D9%88%D8%A7%D9%87%D9%86%D8%AF-%DA%AF%D8%B1%D9%81%D8%AA]
* এমন কোনো আশ্রয়স্থল অবশিষ্ট নেই যেখানে তোমরা নিজেদের নিরাপদ রাখতে পারো।
** [https://www.shahrekhabar.com/news/177298212045678 আইআরজিসি (IRGC) বার্তা]; শাহরে খবর।
* আমরা প্রতিটি আমেরিকান সৈন্যের কফিন পূর্ণ করব। যতক্ষণ না তারা নিঃশর্তভাবে পূর্ণ আত্মসমর্পণ করছে, ততক্ষণ এই যুদ্ধের কোনো সমাপ্তি ঘটবে না।
** আইআরজিসি (IRGC) অপারেশন মিশন স্টেটমেন্ট [https://sahebkhabar.ir/news/77389339]
* ৫০০-এরও বেশি আমেরিকান সৈন্য ইতোমধ্যে নিহত হয়েছে। ট্রাম্প এখন হিসেব করে দেখুন যে তার কাছে 'আমেরিকা ফার্স্ট' বড় নাকি 'ইসরায়েল ফার্স্ট'। ইনশাআল্লাহ, আয়াতুল্লাহ খামেনীর ওপর আঘাত হানার জন্য তাদের অত্যন্ত চড়া মূল্য দিতে হবে।
** '''''আলি লারিজানি'''''<ref>[https://sahebkhabar.ir/news/77384703/%D8%AA%D8%B1%D8%A7%D9%85%D9%BE-%D8%AD%D8%B3%D8%A7%D8%A8-%DA%A9%D9%86%D8%AF-%D8%A8%D8%A7%D8%B2-%D9%87%D9%85-%D8%A7%D9%8 powder%D9%84-%D8%A2%D9%85%D8%B1%DB%8C%DA%A9%D8%A7%D8%B3%D8%AA-%DB%8C%D8%A7-%D8%A7%D9%8 powder%D9%84-%D8%A7%D8%B3%D8%B1%D8%A7%D8%A6%DB%8C%D9%84 ]</ref>
* যুদ্ধের ব্যয়ভার যা-ই হোক না কেন, তা বিবেচ্য নয়। ইরান বর্তমানের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো কোনো রাষ্ট্র নয়। গত ৩০০ বছরে ইরান কখনো আগে থেকে কোনো যুদ্ধ শুরু করেনি, তবে আমরা একটি দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত।
** '''''আলী লারিজানি''''', ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সাবেক সচিব। [https://sahebkhabar.ir/news/77359057 উৎস (ফার্সি ভাষায়)]
* এখন যেহেতু আমরা আমেরিকাকে যুদ্ধের ফাঁদে ফেলতে সক্ষম হয়েছি, তাই এই মুহূর্তে কোনোভাবেই যুদ্ধবিরতি কিংবা শান্তির পথে পা বাড়ানো যাবে না; আমাদের অবশ্যই তাদের চূড়ান্তভাবে ধ্বংস করতে হবে।
::আয়াতুল্লাহ পানাহিয়ান [https://sahebkhabar.ir/news/77388174/%D8%A8%D8%A8%DB%8C%D9%86%DB%8C%D8%AF-%D8%AD%D8%AC%D8%AA-%D8%A7%D9%84%D8%A7%D8%B3%D9%84%D8%A7%D9%85-%D9%BE%D9%86%D8%A7%D9%87%DB%8C%D8%A7%D9%86-%D8%A7%DA%AF%D8%B1-%D8%AA%D9%82%D8%A7%D8%B6%D8%A7%DB%8C-%D8%A2%D8%AA%D8%B4-%D8%A8%D8%B3-%DA%A9%D8%B1%D8%AF%D9%86%D8%AF-%D9%86%D9%BE%D8%B0%DB%8C%D8%B1%DB%8C%D8%AF]
* আমরা ইরানের সাধারণ মানুষ আজ বিচ্ছিন্ন, কেবল প্রেসিডেন্টের পুত্র আগা ইউসুফ পজেশকিয়ান এবং তার ঘনিষ্ঠ বন্ধুরাই বর্তমানে ইন্টারনেট সংযোগ ব্যবহারের বিশেষ সুবিধা ভোগ করছেন।
::[https://sahebkhabar.ir/news/77388864/%D8%A7%D8%B2-%D9%85%D8%A7-%D9%85%D8%B1%D8%AF%D9%85-%D8%A7%DB%8C%D8%B1%D8%A7%D9%86-%D9%81%D9%82%D8%B7-%D8%A2%D9%82%D8%A7-%DB%8C%D9%88%D8%B3%D9%81-%D9%88-%D8%B1%D9%81%DB%8C%D9%82%D8%A7%D8%B4-%D8%A7%DB%8C%D9%86%D8%AA%D8%B1%D9%86%D8%AA-%D8%AF%D8%A7%D8%B1%D9%86%D8%AF পাযামে ইমাম]
* ইসরায়েল এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে চালানো এই হামলাগুলো ছিল সম্পূর্ণ উস্কানিহীন। সেখানে কোনো তাৎক্ষণিক হুমকির অস্তিত্ব ছিল না। অনেকেই এই যুদ্ধকে একটি অবৈধ যুদ্ধ হিসেবেই ব্যাখ্যা করবেন।
** ইভালিলা পেসারন, [https://www.youtube.com/watch?v=5nJnVYpbKuM&t=600s "ইরানের সাথে যুদ্ধ: একজন বিশেষজ্ঞের বিশ্লেষণ"] (২ মার্চ ২০২৬); ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় চ্যানেলের ইউটিউব ভিডিও।
* আমি এমন কোনো লক্ষণ দেখি না যা প্রমাণ করে যে ওই প্রতিষ্ঠানগুলো দুর্বল বা ভেঙে পড়েছে কিংবা আপনি আকাশপথ থেকে হামলার মাধ্যমে সেগুলোকে ধ্বংস করতে পারবেন। বর্তমান প্রশাসন এই যুদ্ধকে অনেকটা জ্যাকসন পোলকের চিত্রকর্মের ঢঙে ন্যায়সঙ্গত প্রমাণের চেষ্টা করছে। আপনি ক্যানভাসের ওপর এক বালতি অজুহাত ছুঁড়ে মারলেন এবং আশা করলেন যে ফলাফলটি দেখতে চমৎকার হবে। ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রগুলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য হুমকি—এই দাবিটি সত্য থেকে প্রায় ৪,০০০ মাইল দূরে অবস্থান করছে। আমরা যদি এখন সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ হুমকি প্রতিরোধের দোহাই দিয়ে এই 'প্রতিরোধমূলক যুদ্ধ' শুরু করি, তবে [[উত্তর কোরিয়া]], [[চীন]] কিংবা [[রাশিয়া]] কি এই তালিকার পরবর্তী সারিতে আছে? আমি তা মনে করি না। এই যুদ্ধ শুরুর স্বপক্ষে বর্তমান প্রশাসন যেসব কারণ সামনে এনেছে, তার আমি কোনো আগামাথা খুঁজে পাচ্ছি না।
** '''''অ্যালান আয়ার''''', "বিশেষজ্ঞ প্যানেল ইরানের যুদ্ধে মার্কিন উদ্দেশ্যগুলো বিশ্লেষণ করছে" (২ মার্চ ২০২৬) @''পিবিএস নিউজ আওয়ার''।
* আবারও আমেরিকা ইসরায়েলের স্বার্থে যুদ্ধে যাচ্ছে। আবারও জায়নবাদী রাষ্ট্রের জন্য অসংখ্য মানুষ প্রাণ হারাবে, যার মধ্যে মার্কিন সেনাসদস্যরাও অন্তর্ভুক্ত। আবারও আমরা অন্ধের মতো একটি সামরিক বিপর্যয়ের দিকে পা বাড়াচ্ছি। আবারও আমরা একটি বিদেশি শক্তির আজ্ঞাবহ হয়ে কাজ করছি যাদের স্বার্থ আমাদের স্বার্থ নয়, কিন্তু যাদের লবিস্টরা ডোনাল্ড ট্রাম্পসহ আমাদের পুরো রাজনৈতিক শ্রেণিকে কিনে নিয়েছে। আবারও আমরা একটি দেশকে আক্রমণ করার মাধ্যমে জাতিসংঘের সনদ লঙ্ঘন করছি, যে দেশ আমাদের জন্য কোনো আসন্ন বা তাৎক্ষণিক হুমকি ছিল না।
** '''''ক্রিস হেজেস''''', [https://scheerpost.com/2026/03/01/going-to-war-again-for-israel/ ইসরায়েলের জন্য আবারও যুদ্ধে যাওয়া]। শেয়ারপোস্ট (ScheerPost)। (১ মার্চ ২০২৬)
* যে নজিরটি এখন স্থাপিত হচ্ছে তা হলো, কোনো দেশ যদি—
* এটি বহুলাংশে একটি চূড়ান্ত যুদ্ধ যা নির্ধারণ করবে যে আদতে [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] কিসের জন্য ছিল। ১৬৪৮ সালের ওয়েস্টফালিয়া শান্তি চুক্তি থেকে শুরু করে জাতিসংঘের সনদ পর্যন্ত জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও বিদেশি হস্তক্ষেপ ও নিপীড়নমুক্ত যে নিয়মগুলো একটি সভ্য আইন ব্যবস্থাকে সমর্থন করে, যথেষ্ট সংখ্যক দেশ সেগুলোকে রক্ষা করতে অনিচ্ছুক হওয়ায় আন্তর্জাতিক আইন কি এখন ধূলিসাৎ হয়ে যাবে? এবং অনিবার্যভাবে যে যুদ্ধগুলো সংঘটিত হতে যাচ্ছে, সেখানে কি সাধারণ বেসামরিক নাগরিক ও যুদ্ধে লিপ্ত নয় এমন মানুষদের রেহাই দেওয়া হবে...
** '''''মাইকেল হাডসন''''', [https://www.counterpunch.org/2026/03/02/the-us-israeli-attack-was-to-prevent-peace-not-advance-it/ "মার্কিন/ইসরায়েলি আক্রমণ শান্তি বজায় রাখার জন্য নয় বরং তা বাধাগ্রস্ত করার জন্য ছিল"] (২ মার্চ ২০২৬) @''কাউন্টারপাঞ্চ''।
* ইরানের আলোচনাকারীরা সম্মত হয়েছিলেন যে তারা কোনো পারমাণবিক বোমা রাখবে না। তাদের শোধিত ইউরেনিয়াম হ্রাস করবে, সেই ইউরেনিয়াম দেশের বাইরে পাঠিয়ে দেবে এবং এক নজিরবিহীন তদারকির আওতায় থাকবে... কিন্তু এর কোনোটিই আসলে পারমাণবিক বোমা নিয়ে ছিল না। আমেরিকা যে কারণে ইরান আক্রমণ করেছে, তা ছিল নিকট প্রাচ্যের তেলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়া এবং জেনারেল ডেভিড পেট্রেয়াস বহু বছর আগে এই পুরো পরিকল্পনাটির রূপরেখা তৈরি করেছিলেন, "...আপনার তেলের সমস্ত মুনাফা এবং খাজনা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে ফেরত ঋণ হিসেবে দেওয়া হবে, যা ডলারে মূল্যমান নির্ধারিত হবে এবং মার্কিন ট্রেজারি সিকিউরিটিজ, বন্ড ও স্টকগুলোতে বিনিয়োগ করা হবে। যাতে আপনার তেল রপ্তানি থেকে আসা বিশাল ডলারের প্রবাহ মার্কিন অর্থনীতির অংশ হয়ে ওঠে!"<br />আমি ১৯৭৪ সালে হোয়াইট হাউসের সেই বৈঠকগুলোতে উপস্থিত ছিলাম যখন এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছিল...
** '''''মাইকেল হাডসন''''', [https://www.democracynow.org/2026/3/3/michael_hudson_economist_trump_iran_attack তেলের জন্য একটি যুদ্ধ:] বিশ্বের তেল বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণে মার্কিন অনুসন্ধানের ওপর অর্থনীতিবিদ মাইকেল হাডসনের বক্তব্য (৩ মার্চ ২০২৬) @ডেমোক্রেসি নাও!
* এটি বহুলাংশে একটি চূড়ান্ত যুদ্ধ যা নির্ধারণ করবে যে আদতে [[দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ]] কিসের জন্য ছিল। ১৬৪৮ সালের ওয়েস্টফালিয়া শান্তি চুক্তি থেকে শুরু করে জাতিসংঘের সনদ পর্যন্ত জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও বিদেশি হস্তক্ষেপ ও নিপীড়নমুক্ত যে নিয়মগুলো একটি সভ্য আইন ব্যবস্থাকে সমর্থন করে, যথেষ্ট সংখ্যক দেশ সেগুলোকে রক্ষা করতে অনিচ্ছুক হওয়ায় আন্তর্জাতিক আইন কি এখন ধূলিসাৎ হয়ে যাবে? এবং অনিবার্যভাবে যে যুদ্ধগুলো সংঘটিত হতে যাচ্ছে, সেখানে কি সাধারণ বেসামরিক নাগরিক ও যুদ্ধে লিপ্ত নয় এমন মানুষদের রেহাই দেওয়া হবে...
** '''''মাইকেল হাডসন''''', [https://www.counterpunch.org/2026/03/02/the-us-israeli-attack-was-to-prevent-peace-not-advance-it/ "মার্কিন/ইসরায়েলি আক্রমণ শান্তি বজায় রাখার জন্য নয় বরং তা বাধাগ্রস্ত করার জন্য ছিল"] (২ মার্চ ২০২৬) @''কাউন্টারপাঞ্চ''।
* আমেরিকান দর্শন হলো—প্রথমত, আপনি বেসামরিক নাগরিকদের ওপর বোমা হামলা করবেন এবং এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক আইনের সেই সমস্ত নিয়ম ভঙ্গ করবেন যা এই ধরনের কাজের বিরুদ্ধে। আপনি সাধারণ মানুষকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করতে তাদের ওপর বোমা ফেলবেন। এবং আপনি যদি কয়েক সপ্তাহ আগে ইসরায়েলের পাশাপাশি ট্রাম্পের করা কর্মকাণ্ডের দিকে নজর দেন, তবে দেখবেন আপনি স্কুলে বোমা মারছেন, আপনি হাসপাতালে বোমা মারছেন। এটিই বিদেশের মাটিতে আমেরিকার নীতি। ইসরায়েলি নীতির ক্ষেত্রে এটি সবচেয়ে বেশি দৃশ্যমান যা গাজায় এবং এখন পশ্চিম তীরেও বিদ্যমান। এবং এটি সেই একই নীতি যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানে অনুসরণ করেছে।
** '''''মাইকেল হাডসন''''', [https://geopoliticaleconomy.com/2026/03/29/war-iran-change-economy-michael-hudson/ "ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ বিশ্ব অর্থনীতিকে বদলে দিচ্ছে: অর্থনীতিবিদ মাইকেল হাডসন ব্যাখ্যা করছেন কীভাবে"] (২৯ মার্চ ২০২৬) @জিওপলিটিক্যাল ইকোনমি রিপোর্ট।
* যখনই কোনো রাষ্ট্র যুদ্ধে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। তখন আপনাকে প্রশ্ন করতে হবে যে সেই হুমকির পেছনে গোয়েন্দা তথ্য কোথায়? ট্রাম্প প্রশাসন অত্যন্ত তাড়াহুড়ো করে কূটনীতিকে একপাশে সরিয়ে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অথচ ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, যিনি মধ্যস্থতা করছিলেন—তিনি নিশ্চিত ছিলেন যে ইরানের পারমাণবিক অস্ত্রের বিষয়ে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। যুদ্ধের পক্ষে আরও দুটি যুক্তি দেওয়া হয়। একটি হলো আমেরিকা ইরানের কাছ থেকে আসন্ন হুমকির সম্মুখীন এবং অন্যটি হলো ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য হুমকি। এই শেষ দাবিটি বাতিল করুন, এটি একেবারেই সত্য নয়। কেন একটি অত্যন্ত দুর্বল হয়ে পড়া ইসলামী প্রজাতন্ত্র "আসন্ন হুমকি" হয়ে দাঁড়াবে? মার্কো রুবিও একটি হাস্যকর যুক্তি সামনে এনেছেন... কেউ কি সত্যিই বিশ্বাস করে যে ইসরায়েল মার্কিন সমর্থন ছাড়া একা এই পথে হাঁটবে এবং এই অভিযানটি যৌথভাবে পরিকল্পনা করা হয়নি? এগুলো সবই মরিয়া হয়ে সাজানো গল্পমাত্র, কোনো গোয়েন্দা তথ্য নয়।
** '''''ওয়েসলি ওয়ার্ক''''', [https://thewalrus.ca/iran-foreign-policy-experts/ ইরানের যুদ্ধ সম্পর্কে আপনাকে যা বলা হচ্ছে না তার ওপর আটজন বিশেষজ্ঞের মতামত:] সেই প্রশ্নগুলো যা রণক্ষেত্রের সংবাদগুলোতে উঠে আসছে না (৩ মার্চ ২০২৬) @''দ্য ওয়ালরাস''।
* পরিহাসের বিষয় হলো, আন্তর্জাতিক আইনের এই গুরুতর লঙ্ঘনের ফলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগী হচ্ছে সেই সব পক্ষ, যাদেরকে সাধারণ পরিস্থিতিতে ওয়াশিংটন নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করত: মস্কো ইউক্রেনে তাদের বর্বরোচিত হামলা চালিয়ে যেতে উৎসাহিত হবে, আর অন্যদিকে চীন তাইওয়ান দখলের পদক্ষেপে নিজেকে ক্ষমতাবান মনে করবে।
** '''''স্ট্যানি টি. উইলিয়ামস''''', "ফ্লাইং ব্লাইন্ড" (২ মার্চ ২০২৬) [https://www.brookings.edu/articles/after-the-strike-the-danger-of-war-in-iran/ "হামলার পর: ইরানে যুদ্ধের বিপদ"]; ব্রুকিংস ইনস্টিটিউশন।
* দেশগুলোর জন্য এটি ভাবা প্রলুব্ধকর হবে যে, এমন এক [[পৃথিবী|পৃথিবীতে]] যেখানে কোনো নিয়ম নেই, যুদ্ধের কোনো আইন নেই, যেখানে যুদ্ধোত্তর সেই উদারপন্থী ব্যবস্থা (তা যতই ত্রুটিপূর্ণ হোক না কেন) এখন সম্পূর্ণভাবে উপেক্ষা করা হচ্ছে—তা আমাদের সবার জন্য পৃথিবীকে আরও বিপজ্জনক করে তুলবে। একসময় এক ধরনের শৃঙ্খলা ছিল... এই ধারণা ছিল যে অন্য দেশে হস্তক্ষেপ করার আগে একটি আন্তর্জাতিক ঐকমত্যের প্রয়োজন। যুদ্ধের কিছু নিয়ম ছিল। আমাদের সবারই এমন একটি বিশ্ব তৈরিতে সমর্থন দেওয়ার ব্যাপারে খুব চিন্তাশীল হওয়া দরকার যেখানে যা খুশি তাই করা যায় এবং যেখানে 'জোর যার মুল্লুক তার' নীতি চলে। আমেরিকা এখনও প্রধান শক্তি, মহাশক্তি এবং বিশ্বজুড়ে আধিপত্য বিস্তারকারী। আমি আশা করি এটি আমেরিকানদের জন্য সেই সত্যটি নিয়ে ভাবার একটি মুহূর্ত যে—নিয়ম-ভিত্তিক আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা, যা মার্কিন শক্তির ওপর এক ধরনের সীমাবদ্ধতা হিসেবে কাজ করত, তা আমেরিকাকে কিছু অর্থবহ সুরক্ষা প্রদান করেছিল।
** '''''ক্রিস্টিয়া ফ্রিল্যান্ড''''', [[ইরান]], [[ইউক্রেন]] এবং বিশ্বশক্তির পরিবর্তন নিয়ে ক্রিস্টিয়া ফ্রিল্যান্ড | আমানপুর অ্যান্ড কোম্পানি (৩ মার্চ ২০২৬) [https://www.youtube.com/watch?v=Vlj_beVDuxg&t=196s ৩:১৬]।
* যদি এমনটা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরে ইরানের মাধ্যমে কোনো সন্ত্রাসবাদী কর্মকাণ্ড ঘটতে চলেছে, তবে কংগ্রেস কীভাবে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিভাগ (DHS) এর সংস্কার এবং তাদের মিথ্যাচার বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত তাদের তহবিল আটকে রাখতে পারে? আপনারা অচিরেই ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি প্রবল চাপ সৃষ্টি করতে দেখবেন যেখানে বলা হবে, "তহবিল ছেড়ে দাও এবং এই বিভাগকে তাদের কার্যক্রম পুনরায় শুরু করতে দাও—এমনকি যদি তারা অভিবাসন কর্মকর্তার কাছে ক্যামেরা চালানো কোনো ব্যক্তিকে মিথ্যাভাবে সন্ত্রাসবাদী হিসেবে আখ্যা দেয়, তবুও।" আপনারা সংবাদপত্রের স্বাধীনতার ওপর আক্রমণ দেখতে পাবেন। এই প্রশাসন পেন্টাগনের কর্মচারীদের কাছে সাংবাদিকদের প্রশ্ন করাকে অবৈধ ও অপরাধমূলক বলে মনে করে। কেবল মনোনীত নেতারাই কথা বলার সুযোগ পান এবং যদি তারা এমন কিছু বলেন যা সত্য বলে মনে হচ্ছে না। তবুও আপনি তাদের দ্বিতীয়বার জিজ্ঞাসা বা প্রশ্ন করতে পারবেন না। আমরা অতীতে জরুরি ক্ষমতার ভুল ব্যবহারের অনেক উদাহরণ দেখেছি। শুল্ক সংক্রান্ত সমস্ত অর্থহীন বিষয়গুলো ছিল অর্থনৈতিক জরুরি অবস্থা সম্পর্কে প্রেসিডেন্টের মিথ্যা দাবির ফসল। এখন যেহেতু একটি প্রকৃত যুদ্ধ চলছে এবং সন্ত্রাসবাদী কর্মকাণ্ডের একটি বাস্তব ঝুঁকি রয়েছে, তাই এটি অনেক বেশি গ্রহণযোগ্য জরুরি অবস্থা হিসেবে প্রতীয়মান হবে। যে কোন আদালত এখন বলবে যে, "আমরা মনে করি না আপনি এ ব্যাপারেও সত্য বলছেন"? সুতরাং, জরুরি ক্ষমতার নতুন নতুন দাবি উত্থাপন করা হবে। যারা প্রেসিডেন্টের ঘনিষ্ঠ, তারা তাকে ২০২৬ সালের নির্বাচনে এই জরুরি ক্ষমতা ব্যবহার করার জন্য প্ররোচিত করছে। গত এক সপ্তাহ আগের তুলনায় আজ সেই সম্ভাবনা অনেক বেশি। আমরা গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য এক চরম বিপদের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। ইরানের এই যুদ্ধ এখন একটি জরুরি অভ্যন্তরীণ নীতি সংক্রান্ত প্রশ্ন... এটি এমন একজন প্রেসিডেন্ট এবং প্রশাসনের হাতে বিশাল ক্ষমতার অর্পণ, যারা ইতোমধ্যে প্রমাণ করেছে যে তাদের ওপর অর্পিত যেকোনো ক্ষমতার তারা অপব্যবহার করবে।
** '''''ডেভিড ফ্রাম''''', [https://www.youtube.com/watch?v=8w7KOoD8sCs&t=190s "ট্রাম্পের যুদ্ধ থেকে উত্তরণের পথ নেই: টম নিকোলসের সাথে"] দ্য ডেভিড ফ্রাম শো। ''দ্য আটলান্টিক'' চ্যানেলের একটি ইউটিউব ভিডিও। (৪ মার্চ ২০২৬)
* "ইরানের সাথে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া থেকে ট্রাম্পকে বিরত রাখতে সিনেটে আনা প্রস্তাবটি ভোটে নাকচ হয়ে গেছে।" (৪ মার্চ ২০২৬)
** <small>''দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট''। [https://www.independent.co.uk/news/world/americas/us-politics/senate-iran-war-vote-trump-powers-resolution-b2932221.html উৎস।]</small>
* কেউ লুকিয়ে থাকতে পারবে না কিংবা প্রেসিডেন্টকে সংবিধান এড়িয়ে যাওয়ার সহজ সুযোগ দিতে পারবে না। প্রত্যেককে স্পষ্ট করতে হবে যে তারা এই সময়ে এই যুদ্ধের পক্ষে নাকি বিপক্ষে রয়েছে।
** সিনেটর '''''টিম কেইন'''''
* যুদ্ধ কুৎসিত, এটি সব সময়ই কুৎসিত ছিল! তবে আমরা এমন একটি শাসনব্যবস্থাকে হটিয়ে দিচ্ছি যারা দীর্ঘ সময় ধরে আমাদের ওপর হামলা করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
** সিনেটর '''''মার্কওয়েন মুলিন'''''
* ইরাক এবং আফগানিস্তানে লড়াই করার সময় আমি শিখেছি যে, যখন ওয়াশিংটনের উচ্চবিত্তরা যুদ্ধের দামামা বাজায়, নিজেদের বীরত্ব জাহির করে, যুদ্ধের ব্যয় নিয়ে বড় বড় কথা বলে এবং কঠোর হওয়ার ভান করে। তখন তারা নিজেদের কথা বলে না, তারা তাদের সন্তানদের যুদ্ধের ময়দানে পাঠানোর কথা বলে না। তারা আমাদের মতো শ্রমজীবী পরিবারের সন্তানদের কথা বলে।
** রিপ্রেজেন্টেটিভ '''''জেসন ক্রো'''''
* আমরা কেন ইরানে যাচ্ছি? ...এটি প্রেসিডেন্টের নিছক অহংকার বা দাম্ভিকতা। তিনি মনে করছেন তিনি এক অভাবনীয় সাফল্যের জোয়ারে ভাসছেন। তিনি ভাবছেন এটি করা হয়তো খুবই সহজ, ভাবছেন [[ভেনেজুয়েলা|ভেনিজুয়েলার]] মতো একনায়কতন্ত্রকে সহজেই ধরাশায়ী করা যায় এবং এরপর বিজয় মিছিল করা যায়। তিনি মনে করছেন এটি তার অনেক সমস্যার সমাধান করে দেবে। এটি মানুষকে "'''এপস্টেইন ফাইল"''' নিয়ে চর্চা করা থেকে দূরে সরিয়ে রাখবে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের বৈদেশিক নীতির এক বিশাল অংশ জুড়ে রয়েছে মানুষকে এপস্টাইন ফাইল নিয়ে কথা বলা বন্ধ করানো। তিনি এতটাই সংকীর্ণমনা এবং স্থূল। এখন তিনি বলবেন যে তিনি একজন 'যুদ্ধকালীন রাষ্ট্রপতি'। তার মানে হলো আপনি আমাকে সমালোচনা করতে পারবেন না! আমি সংবাদমাধ্যমকে পিষে ফেলতে পারি! আমি জাতীয় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে দিতে পারি! ১৯৪৪ সালে ব্রিটিশ পার্লামেন্ট যেমনটা বলেছিল... "এটি নির্বাচনের জন্য কোনো উপযুক্ত সময় নয়।" যুদ্ধের সাথে সাথে নানা অনিষ্টের আগমন ঘটে কারণ রাষ্ট্রপতির যুদ্ধকালীন ক্ষমতাগুলো তখন প্রায় অনস্বীকার্য ও অপ্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে ওঠে।
** '''''টম নিকোলস''''', [https://www.youtube.com/watch?v=8w7KOoD8sCs&t=797s "ইরানের সাথে ট্রাম্পের যুদ্ধ এবং দেশের অভ্যন্তরে এক নতুন বিপদ"] | দ্য ডেভিড ফ্রাম শো (৪ মার্চ ২০২৬)। ''দ্য আটলান্টিক'' চ্যানেলের একটি ইউটিউব ভিডিও।
* প্রেসিডেন্ট সেই দীর্ঘ তালিকায় থাকা অন্য সাধারণ প্রেসিডেন্টদের মতো হতে চাননি, যারা কেবল হাত গুটিয়ে বসে থেকেছেন এবং পরবর্তী প্রশাসনের ওপর এই সরাসরি হুমকির বোঝা চাপিয়ে দিয়েছেন। প্রেসিডেন্টের একটি অন্তর্দৃষ্টি ছিল, যা তথ্যের ওপর ভিত্তি করেই তৈরি যে ইরান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এবং এই অঞ্চলে আমাদের সম্পদের ওপর আঘাত হানতে যাচ্ছে। আর সেই সমস্ত কারণেই তিনি 'অপারেশন এপিক ফিউরি' ( শুরু করার সংকল্প করেছিলেন।
** '''''ক্যারোলিন লেভিট''''', উদ্ধৃত: [https://www.independent.co.uk/news/world/americas/us-politics/trump-iran-war-white-house-briefing-b2931933.html "ক্যারোলিন লেভিট জোর দিয়ে বলছেন যে ইরান হামলার আগে ট্রাম্পের কাছে ‘তথ্যের ভিত্তিতে একটি অনুভূতি’ ছিল কিন্তু তবুও তিনি আমেরিকার জন্য আসন্ন হুমকির বিস্তারিত বিবরণ দেননি"], ''দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট'' (০৫ মার্চ ২০২৬)।
* মার্কিন জনগণের কাছে কোনো জোরালো যুক্তি উপস্থাপন না করে এবং দৃশ্যত অস্তিত্বহীন কোনো 'আসন্ন হুমকির' কথা উল্লেখ করে এই ধরনের অসাধারণ ঝুঁকি নেওয়াটা সমস্যাজনক। আর এর অনাকাঙ্ক্ষিত পরিণতির সম্ভাবনা অত্যন্ত গুরুতর। আমরা অনেক ক্ষেত্রে মাত্র ২০,০০০ ডলারের ড্রোন ধ্বংস করতে অত্যন্ত ব্যয়বহুল অস্ত্র ব্যবহার করছি যা সময়ের বিচারে এটি কোনো ভালো সমীকরণ নয়। আমি এর দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্যায়ের পরিণতি নিয়ে উদ্বিগ্ন। আমরা আমাদের অস্ত্রভাণ্ডার এতটাই নিঃশেষ করে ফেলছি যে তা পুনরায় গড়ে তুলতে দীর্ঘ সময় লাগবে! যা চীন কিংবা রাশিয়ার ক্ষেত্রে আমাদের একটি সুবিধাবঞ্চিত অবস্থানে ফেলে দেবে। যদিও সবাই পরিবর্তন দেখতে চায়, তবে এটি কেবল [[w:ইসলামি_বিপ্লবী_রক্ষীবাহিনী|আইআরজিসিকে]] আরও শক্তিশালী করে তুলতে পারে। বাইরে থেকে শাসনব্যবস্থা পরিবর্তন করা অত্যন্ত কঠিন, বোমা মেরে এটি সম্ভব নয়। আশঙ্কার লাল সংকেতটি হলো এটি সিরিয়া কিংবা লিবিয়ার পুনরাবৃত্তি হতে পারে! দেশটি ভেঙে পড়া, ভেতর থেকে ধ্বংস হওয়া বা এমনকি শরণার্থী ও অভিবাসনের চাপে বিস্ফোরিত হওয়া, চরমপন্থী গোষ্ঠীগুলোর নিয়ন্ত্রণ নেওয়া—এটি অবিশ্বাস্য রকমের বিপজ্জনক। কূটনীতির জন্য কখনোই খুব বেশি দেরি হয়ে যায় না। যখন রাশিয়া তাদের যুদ্ধকালীন অর্থনীতির জ্বালানি হিসেবে তেলের ওপর নির্ভরতার কারণে একটি দুর্বল অবস্থানে পৌঁছেছে, তখন তেলের দাম বেড়ে যাওয়ার ফলে তারা একটি লাইফলাইন বা বাঁচার পথ পেয়ে যাচ্ছে। ইউরোপীয়রা রুশ গ্যাস থেকে সরে আসার পর এখন মধ্যপ্রাচ্যের ওপর অনেক বেশি নির্ভরশীল। যদি [[w:হরমুজ_প্রণালী|হরমুজ প্রণালী]] অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে, তবে তা বিশাল চাপের সৃষ্টি করবে। সুতরাং প্রতিটি পদক্ষেপের পরিকল্পনা করা এবং দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্যায়ের প্রভাব মোকাবিলা করার জন্য কিছু ব্যবস্থা রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল; কিন্তু এটি করা হয়েছে কি না তা পরিষ্কার নয়। কেন এখন এই আক্রমণ, তা নিয়ে একেক সময় একেক যুক্তি বা ব্যাখ্যা দেওয়া হচ্ছে। একারণেই মার্কিন জনগণ এবং আমাদের অংশীদার ও মিত্রদের সামনে বিষয়টি আগে থেকে পরিষ্কার করা এত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। যদি একটি জোরালো যুক্তি থাকত, তবে তাদের সাথে আমাদের ঘর্ষণ বা মতবিরোধ অনেক কম হতো এবং আমরা অভিযানের মাঝপথে নয়, বরং শুরু থেকেই তাদের পাশে পেতাম।
** '''''অ্যান্টনি ব্লিনকেন''''', [https://www.youtube.com/watch?v=aHgG-lkOi6w&t=74s "ইরান যুদ্ধ অবসানের দুটি চাবিকাঠি নিয়ে প্রাক্তন পররাষ্ট্র সচিবের বক্তব্য"] (৪ মার্চ ২০২৬)। ব্লুমবার্গ পডকাস্ট চ্যানেলের একটি ইউটিউব ভিডিও।
* বিশেষজ্ঞ পর্ষদের বা Assembly of Experts অধিকাংশ সদস্য পরবর্তী নেতা নির্বাচনের ব্যাপারে একমত হয়েছেন এবং তারা 'সাইয়্যেদ'-কেই মনোনীত করেছেন।
** '''''দিরবাজ''''' [https://www.etemadonline.com/%D8%A8%D8%AE%D8%B4-%D8%B3%DB%8C%D8%A7%D8%B3%DB%8C-9/764537-%D9%85%D9%82%D8%A7%D9%85-%D9%85%D8%AC%D9%84%D8%B3-%D8%AE%D8%A8%D8%B1%DA%AF%D8%A7%D9%86-%D8%B1%D9%87%D8%A8%D8%B1%DB%8C] (৮ মার্চ ২০২৬)
* মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের এই উস্কানিহীন হামলাগুলো শক্তি প্রয়োগের মৌলিক নিষেধাজ্ঞা, সার্বভৌম সমতা, আঞ্চলিক অখণ্ডতা এবং শান্তিপূর্ণভাবে বিরোধ নিষ্পত্তির বাধ্যবাধকতাকে লঙ্ঘন করে। এগুলো জীবনের অধিকারকেও ক্ষুণ্ণ করে। আন্তর্জাতিক আইন কখন প্রযোজ্য হবে তা আমরা নিজেদের পছন্দমতো বেছে নিতে পারি না। অবৈধ সামরিক হস্তক্ষেপ কোনো সমাধান নয়... এই হামলাগুলো কেবল সামরিক বিমূর্ততায় আঘাত করে না—এগুলো সরাসরি মানুষের ওপর আঘাত হানে... সাধারণ বেসামরিক নাগরিকরাই এই যুদ্ধের মূল ধকল সইছে। যে দেশ ইতোমধ্যে রাজনৈতিক নিপীড়নের কারণে হাজার হাজার মানুষকে হারিয়েছে, সেখানে এই হামলাগুলো গভীর মানবিক ট্র্যাজেডিকে আরও ঘনীভূত করছে। বেসামরিক নাগরিক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং চিকিৎসা কেন্দ্রগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা আন্তর্জাতিক মানবিক আইন এবং মানবাধিকার আইনের গুরুতর লঙ্ঘন... সামনের যেকোনো পথ অবশ্যই আইনের শাসন, ইরানি জনগণের সদিচ্ছা এবং সকল পক্ষের দ্বারা আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের পূর্ণ জবাবদিহিতার ওপর ভিত্তি করে হতে হবে।
** '''''মাই সাতো''''', '''''সেসিলিয়া এম. বেইলিয়েট''''', '''''অ্যাস্ট্রিড পুয়েন্তেস রিয়ানো''''', '''''আলেক্সান্দ্রা জানথাকি''''', '''''ফরিদা শহীদ''''', সূর্য দেবা, '''''মার্গারেট স্যাটারথওয়েট''''', '''''জিনা রোমেরো''''', নিকোলাস লেভরাট, '''''রিচার্ড বেনেট''''', তোমোয়া ওবোকাতা, '''''মেরি ললর''''', '''''বেন সল''''', '''''অ্যালিস জিল এডওয়ার্ডস''''', ফ্রান্সেস্কা আলবানিজ, মরিস টিডবল-বিঞ্জ, '''''সিওভান মুলালি''''', গ্যাব্রিয়েলা সিট্রোনি, গ্রাজিনা বারানোস্কা, আউয়া বাল্ডে, আনা লোরেনা ডেলগাডিলো পেরেজ, '''''বীণা ডি’কস্তা''''', '''''ক্লডিয়া ফ্লোরেস''''', ইভানা ক্রসটিচ, '''''ডোরোথি এস্ট্রাদা-ট্যাঙ্ক''''', হাইনা লু, রিম আলসালেম, '''''পাওলা গাভিরিয়া বেটানকুর''''', এলিজাবেথ সালমন, মারিয়ানা কাটজারোভা (মানবাধিকার কাউন্সিলের বিশেষ পদ্ধতি, স্বেচ্ছাসেবী বিশেষ প্রতিবেদক/স্বতন্ত্র বিশেষজ্ঞ/ওয়ার্কিং গ্রুপ) [https://www.ohchr.org/en/press-releases/2026/03/iran-un-experts-call-de-escalation-and-accountability "ইরান: জাতিসংঘ বিশেষজ্ঞরা উত্তেজনা হ্রাস এবং জবাবদিহিতার আহ্বান জানিয়েছেন"] (৪ মার্চ ২০২৬) ওএইচসিএইচআর (OHCHR)।
* ক্রাউন প্রিন্স এবং পারস্য উপসাগরীয় অন্যান্য নেতারা আমেরিকাকে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ না নেওয়ার জন্য অনুরোধ করে আসছিলেন। কারণ আমরা সবাই বিশ্বাস করি যে এই পদক্ষেপ কেবল ইরানের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। ইরান এই অঞ্চলে থাকা আমেরিকানদের ওপর প্রতিশোধমূলক হামলা চালাবে, যারা সমস্ত উপসাগরীয় দেশ এবং এমনকি তুরস্ক পর্যন্ত বিস্তৃত... তারা আমেরিকানদের সতর্ক করে আসছিল যাতে তারা সামরিক পদক্ষেপ গ্রহণ না করে এবং এর পরিণাম ভোগ না করে। আমি মনে করি না ইরানের শাসনব্যবস্থা এত দ্রুত ভেঙে পড়বে। ইরানি নেতৃত্ব এই ধরনের পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিল, কারণ গত ৪০ বছর ধরে তারা মিস্টার নেতানিয়াহুর কাছ থেকে ক্রমাগত হুমকি শুনে আসছে। তিনি বারংবার ইরান ধ্বংসের ডাক দিয়ে আসছিলেন! তাই ইরানিরা এ ধরনের পরিস্থিতির জন্য নিজেদের প্রস্তুত করে রেখেছিল। এই শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের একমাত্র পথ হতে পারে কেবল ইরানি জনগণের মাধ্যমে।
** '''''তুর্কি বিন ফয়সাল আল সৌদ''''', "প্রাক্তন সৌদি গোয়েন্দা প্রধান ইরান হামলার বিষয়ে উপসাগরীয় দেশগুলোর প্রতিক্রিয়া নিয়ে আলোচনা করছেন | আমানপুর অ্যান্ড কোম্পানি" [https://www.youtube.com/watch?v=LfGcX4XuZ5A&t=62s ১:০২,] ৫:০৮।
* ইরান এইমাত্র ঘোষণা করেছে যে তারা আজ অত্যন্ত কঠোরভাবে আঘাত করতে যাচ্ছে, যা তাদের ওপর হওয়া পূর্ববর্তী যেকোনো আঘাতের চেয়েও তীব্র হবে। তবে তারা যেন এমনটা করার দুঃসাহস না দেখায়। কারণ তারা যদি তা করে, তবে আমরা তাদের ওপর এমন এক শক্তি প্রয়োগ করব যা আগে কখনো দেখা যায়নি!
** '''''ডোনাল্ড জে. ট্রাম্প''''', ট্রুথ সোশ্যাল পোস্ট, "ইরান পাল্টা হামলা চালালে ট্রাম্প নজিরবিহীন শক্তির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন" (২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬); রয়টার্স।
[[চিত্র:Donald Trump OEF.jpg|thumb|[[:w:ডোনাল্ড ট্রাম্প|ডোনাল্ড ট্রাম্প]]: "আমার মনে হয় যুদ্ধটি প্রায় সম্পূর্ণ এবং হয়তো বেশ সফলভাবেই সমাপ্ত হয়েছে"। (৯ মার্চ)]]
[[File:P20260307DT-1619 The Dignified Transfer of Remains of Six U.S. Soldiers.jpg|thumb|৪০০পিক্সেল|২০২৬ সালের ৭ মার্চ, পোর্টের শুয়াইবা ড্রোন হামলায় নিহত ছয়জন মার্কিন সেনার কফিন রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় যুক্তরাষ্ট্রে স্থানান্তরের দৃশ্য।]]
* আমি মনে করি যুদ্ধটি মোটামুটি সম্পন্নই হয়ে গেছে! ইরানের এখন কোনো নৌবাহিনী নেই, কোনো যোগাযোগ ব্যবস্থা নেই এবং তাদের কোনো বিমান বাহিনীও আর নাকি অবশিষ্ট নেই। তাদের ক্ষেপণাস্ত্রগুলো এখন কেবল বিচ্ছিন্নভাবে ছিটকে পড়ছে। তাদের ড্রোন উৎপাদন কেন্দ্রসহ ড্রোনগুলো সব জায়গায় ধ্বংস করে দেওয়া হচ্ছে।
** '''''ডোনাল্ড ট্রাম্প''''', উদ্ধৃত: [https://www.cbsnews.com/news/trump-iran-cbs-news-the-war-is-very-complete-strait-hormuz/ "ট্রাম্প বলেছেন 'যুদ্ধটি প্রায় সম্পন্ন', এবং তিনি হরমুজ প্রণালী দখল করার কথা বিবেচনা করছেন"], সিবিএস নিউজ (৯ মার্চ ২০২৬)।
* মার্কিন কর্মকর্তারা বাজার নিয়ন্ত্রণ করার জন্য ভুয়া খবর প্রচার করছেন। এটি তাদের সেই মুদ্রাস্ফীতির সুনামি থেকে রক্ষা করতে পারবে না যা তারা আমেরিকানদের ওপর চাপিয়ে দিয়েছে। বাজার এখন ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ঘাটতির সম্মুখীন হচ্ছে, যা আরব তেল অবরোধ কিংবা কুয়েত সংকটের চেয়েও ভয়াবহ।
** জনাব '''''আরাগচি''''' [https://www.etemadonline.com/%D8%A8%D8%AE%D8%B4-%D8%A8%DB%8C%D9%86-%D8%A7%D9%84%D9%85%D9%84%D9%84-17/764878-%D8%B9%D8%B1%D8%A7%D9%82%DA%86%DB%8C-%D9%88%D8%B2%DB%8C%D8%B1%D8%AE%D8%A7%D8%B1%D8%AC%D9%87-%D8%A7%DB%8C%D8%B1%D8%A7%D9%86-%D8%A2%D9%85%D8%B1%DB%8C%DA%A9%D8%A7] (১০ মার্চ ২০২৬)।
* ইরান যদি হরমুজ প্রণালীতে তেলের প্রবাহ বন্ধ করার মতো কোনো পদক্ষেপ নেয়, তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তাদের ওপর এখন পর্যন্ত হওয়া আঘাতের চেয়েও ২০ গুণ বেশি কঠোরভাবে আঘাত হানবে। এছাড়া, আমরা এমন সব সহজ লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করব যা একটি জাতি হিসেবে ইরানের পুনরুত্থানকে কার্যত অসম্ভব করে তুলবে। তাদের ওপর হয়তো মৃত্যু, অগ্নি এবং প্রচণ্ড ক্রোধের রাজত্ব কায়েম হবে! তবে আমি আশা করি এবং প্রার্থনা করি যেন এমনটা না ঘটে! এটি চীন এবং সেই সমস্ত দেশ যারা ব্যাপকভাবে হরমুজ প্রণালী ব্যবহার করে, তাদের প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে একটি উপহার। আশা করি, এই পদক্ষেপটি সমাদৃত হবে। বিষয়টি মনোযোগ দিয়ে শোনার জন্য আপনাদের ধন্যবাদ! প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড জে. ট্রাম্প।
** [https://x.com/WhiteHouse/status/2031167037620236703 ট্রাম্পের ট্রুথ সোশ্যাল পোস্ট] (১০ মার্চ ২০২৬)।
* আমরা নিশ্চিতভাবেই কোনো যুদ্ধবিরতি খুঁজছি না। আমরা জায়নবাদীদের সেই চক্রটি ভেঙে দেব যেখানে যুদ্ধ, আলোচনা এবং যুদ্ধবিরতি অনন্তকাল ধরে একের পর এক চলতে থাকে।
** '''''মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ''''' [https://www.etemadonline.com/%D8%A8%D8%AE%D8%B4-%D8%B3%DB%8C%D8%A7%D8%B3%DB%8C-9/764797-%D8%A2%D9%82%D8%A7%DB%8C-%D9%82%D8%A7%D9%84%DB%8C%D8%A8%D8%A7%D9%81-%D8%A2%D8%AA%D8%B4-%D8%A8%D8%B3-%D8%AC%D9%86%DA%AF-%D8%A7%DB%8C%D8%B1%D8%A7%D9%86-%D8%A7%D8%B3%D8%B1%D8%A7%D8%A6%DB%8C%D9%84] (১০ মার্চ ২০২৬)।
* [[w:বাহরাইন|বাহরাইন]] পুনর্দখল করো! একে ইরানের অন্তর্ভুক্ত করে ফেলো।
** [[w:সংসদ_সদস্য|সংসদ সদস্য]] আয়াতুল্লাহ '''''রেসায়ি হামিদ''''' [https://www.khabarfoori.com/%D8%A8%D8%AE%D8%B4-%D8%B3%DB%8C%D8%A7%D8%B3%DB%8C-59/3200147-%DB%8C%DA%A9-%D9%86%D9%85%D8%A7%DB%8C%D9%86%D8%AF%D9%87-%D9%85%D8%AC%D9%84%D8%B3-%D8%A8%D8%AD%D8%B1%DB%8C%D9%86-%D8%B1%D8%A7-%D9%BE%D8%B3-%D8%A8%DA%AF%DB%8C%D8%B1%DB%8C%D9%85] (১২ মার্চ ২০২৬)
* <blockquote>বাবার শাহাদাতের পর আমি তাঁর পবিত্র শবদেহ দেখেছি। আমি শুনেছি তিনি তাঁর মুষ্টিবদ্ধ হাত শক্ত করে রেখেছিলেন। আপনারা এই দেশের নেতৃত্ব দিয়েছেন। আপামর জনতার ইচ্ছা হলো এই কার্যকর এবং অনুশোচনাহীন প্রতিরক্ষা অব্যাহত রাখা। অবশ্যই [[w:হরমুজ_প্রণালী|হরমুজ প্রণালী]] অবরোধের কৌশলটি এখনও ব্যবহার করা উচিত। প্রতিবেশী দেশগুলোকে অবশ্যই আমাদের দেশের বিরুদ্ধে আগ্রাসীদের প্রতি তাদের অবস্থান পরিষ্কার করতে হবে। যেকোনো পরিস্থিতিতে আমরা শত্রুর কাছ থেকে অবশ্যই ক্ষতিপূরণ দাবি করব অথবা আদায় করে নেব। তারা অস্বীকার করলে আমরা তাদের সম্পদের যতটা প্রয়োজন জব্দ করব। আর তা সম্ভব না হলে আমরা তাদের সম্পদের যতটুকু পারি ধ্বংস করে দিব!
* '''''[[:w:মোজতবা খামেনি|মোজতবা খামেনি]]''''' (১২ মার্চ ২০২৬) [https://www.irna.ir/news/86100475/%D8%B1%D9%87%D8%A8%D8%B1-%D9%85%D8%B9%D8%B8%D9%85-%D8%A7%D9%86%D9%82%D9%84%D8%A7%D8%A8-%D8%AA%D8%A9%DA%A9%DB%8C%D8%AF-%D8%A8%D8%B1-%D9%86%D9%82%D8%B4-%D9%88-%D8%AD%D8%B6%D9%88%D8%B1-%D9%85%D8%B1%D8%AF%D9%85-%D8%AD%D8%B6%D9%88%D8%B1-%D8%AF%D8%B1-%D8%B5%D8%AD%D9%86%D9%87-%D8%A8%D8%A7%DB%8C%D8%AF] [https://www.khabarfoori.com/%D8%A8%D8%AE%D8%B4-%D8%B3%DB%8C%D8%A7%D8%B3%DB%8C-59/3200277-%D8%B4%D9%85%D8%A7-%D9%85%D8%B1%D8%AF%D9%85-%DA%A9%D8%B4%D9%88%D8%B1-%D8%B1%D8%A7-%D8%B1%D9%87%D8%A8%D8%B1%DB%8C-%DA%A9%D8%B1%D8%AF%DB%8C%D8%AF-%D8%A7%D8%B2-%D8%A7%D9%86%D8%AA%D9%82%D8%A7%D9%85-%D8%AE%D9%88%D9%86-%D8%B4%D9%87%DB%8C%D8%AF%D8%A7%D9%86-%D8%B4%D9%85%D8%A7-%D8%B5%D8%B1%D9%81-%D9%86%D8%B8%D8%B1-%D9%86%D8%AE%D9%88%D8%A7%D9%87%DB%8C%D9%85-%DA%A9%D8%B1%D8%AF-%D9%87%D9%85%DA%86%D9%86%D8%A7%D9%86-%D8%AA%D9%86%DA%AF%D9%87-%D9%87%D8%B1%D9%85%D8%B2-%D8%A8%D8%A7%DB%8C%D8%AF-%D8%A8%D8%B3%D8%AA%D9%87-%D8%A8%D9%85%D8%A7%D9%86%D8%AF-%D9%85%D8%B9%D8%AA%D9%82%D8%AF-%D8%A8%D9%87-%D8%AF%D9%88%D8%B3%D8%AA%DB%8C-%D8%A8%D8%A7-%D9%87%D9%85%D8%B3%D8%A7%DB%8C%DA%AF%D8%A7%D9%86-%D9%87%D8%B3%D8%AA%DB%8C%D9%85]</blockquote>
* ইরানি দ্বীপপুঞ্জের মাটির ওপর যেকোনো আগ্রাসন আমাদের সকল ধৈর্য ও সংযমকে চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দেবে। আমরা সকল প্রকার আত্মসংযম বিসর্জন দেব এবং পারস্য উপসাগরকে আক্রমণকারীদের রক্তে রঞ্জিত করে তুলব।
** '''''মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ''''' [https://sahebkhabar.ir/news/77477478/%D9%82%D8%A7%D9%84%DB%8C%D8%A8%D8%A7%D9%81-%D9%87%D8%B1%DA%AF%D9%88%D9%86%D9%87-%D8%AA%D8%B9%D8%AF%DB%8C-%D8%A8%D9%87-%D8%AE%D8%A7%DA%A9-%D8%AC%D8%B2%D8%A7%DB%8C%D8%B1-%D8%A7%DB%8C%D8%B1%D8%A7%D9%86%DB%8C-%D8%AE%D9%88%DB%8C%D8%B4%D9%86%D8%AF%D8%A7%D8%B1%DB%8C-%D8%B1%D8%A7-%D8%AA%D9%85%D8%A7%D9%85-%D9%85%DB%8C] (১২ মার্চ ২০২৬)
* মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে বিশ্বের বৃহত্তম তেল উৎপাদনকারী দেশ, তাই তেলের দাম যখন বৃদ্ধি পায়, আমরা প্রচুর অর্থ উপার্জন করি। কিন্তু রাষ্ট্রপতি হিসেবে আমার কাছে এর চেয়েও বড় আগ্রহ এবং গুরুত্বের বিষয় হলো যে এই শয়তানি সাম্রাজ্য ইরানকে [[পারমাণবিক অস্ত্র]] অর্জন করা থেকে বিরত রাখা, যাতে তারা মধ্যপ্রাচ্য এবং প্রকৃতপক্ষে পুরো বিশ্বকে ধ্বংস করতে না পারে। আমি কখনোই তা হতে দেব না!
** '''''ডোনাল্ড ট্রাম্প''''' [https://www.independent.co.uk/news/world/middle-east/iran-us-war-live-updates-supreme-leader-trump-oil-b2937272.html "ইরান-মার্কিন যুদ্ধ সর্বশেষ: ইরাকে ব্রিটিশ ঘাঁটিতে ড্রোন হামলার পর সর্বোচ্চ নেতার বিবৃতিতে নতুন হামলার হুমকি"], ''দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট'' (১২ মার্চ ২০২৬)।
* যতক্ষণ আমেরিকা এবং জায়নবাদী রাষ্ট্রের অস্তিত্ব থাকবে, ততক্ষণ মানবজাতি শান্তির মুখ দেখবে না। প্রকৃত শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য তাদের অবশ্যই ধ্বংস করতে হবে।
** আয়াতুল্লাহ '''''খাতামি''''', তেহরানের ইমাম [https://sahebkhabar.ir/news/77485962/%D8%AE%D8%A7%D8%AA%D9%85%DB%8C-%D8%A8%D8%B1%D8%A7%DB%8C-%D8%A7%D8%B3%D8%AA%D9%82%D8%B1%D8%A7%D8%B1-%D8%B5%D9%84%D8%AD-%D8%A8%D8%A7%DB%8C%D8%AF-%D8%B1%DA%98%DB%8C%D9%85-%D8%B5%D9%87%DB%8C%D9%88%D9%86%DB%8C%D8%B3%D8%AA%DB%8C-%D8%A7%D8%B2-%D8%A8%DB%8C%D9%86-%D8%A8%D8%B1%D9%88%D8%AF] [https://sahebkhabar.ir/news/77487036/%D8%AA%D8%A7-%D8%A2%D9%85%D8%B1%DB%8C%DA%A9%D8%A7-%D9%88-%D8%B1%DA%98%DB%8C%D9%85-%D8%B5%D9%87%DB%8C%D9%88%D9%86%DB%8C-%D9%87%D8%B3%D8%AA%D9%86%D8%AF-%D8%A8%D8%B4%D8%B1%DB%8C%D8%AA-%D8%B1%D9%88%DB%8C-%D8%A2%D8%B1%D8%A7%D9%85%D8%B4-%D9%86%D8%AE%D9%88%D8%A7%D9%87%D8%AF-%D8%AF%DB%8C%D8%AF] (১৩ মার্চ ২০২৬)
* <blockquote>'''פשוט לברוח!'''</blockquote>
* কেবল পালিয়ে যাও!
** আইআরজিসির [[w:হিব্রু_ভাষা|হিব্রু ভাষায়]] একটি বার্তা [https://sahebkhabar.ir/news/77499999/%D8%AE%D8%B7%D8%A7%D8%A8-%D8%A8%D9%87-%D8%B3%D8%A7%DA%A9%D9%86%D8%A7%D9%86-%D8%B3%D8%B1%D8%B2%D9%85%DB%8C%D9%86-%D9%87%D8%A7%DB%8C-%D8%A7%D8%B3%D8%AA%D9%82%D8%B1%D8%A7%D8%B1-%D8%A2%D8%B1%D8%A7%D9%85%D8%B4-%D9%86%D8%AE%D9%88%D8%A7%D9%87%D8%AF-%D8%AF%DB%8C%D8%AF] (১৪ মার্চ ২০২৬)
* আমেরিকানরা যদি খার্ক দ্বীপ দখলের জন্য কোনো হ্যালিবোর্ন অপারেশন (হেলিকপ্টার ভিত্তিক অভিযান) চালায়, তবে আমরা তাদের ঘাঁটিগুলোতে হামলা চালাব এবং সৈন্যদের বন্দি করব।
** পররাষ্ট্রমন্ত্রী '''''মানুচেহর মোত্তাকি''''', ইরানি আলোচক দল [https://sahebkhabar.ir/news/77500152/%D8%A8%D8%A8%DB%8C%D9%86%DB%8C%D8%AF-%D9%85%D8%AA%DA%A9%DB%8C-%D8%A7%DA%AF%D8%B1-%D8%A2%D9%85%D8%B1%DB%8C%DA%A9%D8%A7%DB%8C%DB%8C-%D9%87%D8%A7-%D8%A8%D8%AE%D9%88%D8%A7%D9%87%D9%86%D8%AF-%D8%AC%D8%Bre%DB%8C%D8%B1%D9%87-%D8%AE%D8%A7%D8%B1%DA%A9-%D8%B1%D8%A7-%D8%A7%D8%B4%D8%BA%D8%A7%D9%84-%DA%A9%D9%86%D9%86%D8%AF] (১৪ মার্চ ২০২৬)
* [[২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ|বিশ্বকাপের]] ম্যাচগুলো যদি [[মেক্সিকো|মেক্সিকোতে]] অনুষ্ঠিত হয়, তবে হয়তো আমরা সেখানে যাব।
** ক্রীড়া ও যুব বিষয়ক মন্ত্রী [https://sahebkhabar.ir/news/77499588/%D8%A8%D8%A8%DB%8C%D9%86%DB%8C%D8%AF-%D9%88%D8%B2%DB%8C%D8%B1-%D9%88%D8%B1%D8%B2%D8%B4-%D9%81%DB%8C%D9%81%D8%A7-%D8%A8%D8%A7%DB%8C%D8%AF-%D9%85%DB%8C%D8%B2%D8%A8%D8%A7%D9%86%DB%8C-%D8%AC%D8%A7%D9%85-%D8%AC%D9%87%D8%A7%D9%86%DB%8C-%D8%B1%D8%A7-%D8%A7%D8%B2-%D8%A2%D9%85%D8%B1%DB%8C%DA%A9%D8%A7] (১৪ মার্চ ২০২৬)
* খামেনেইকে হত্যার দায়ে এই অঞ্চলের দেশগুলোকে অবশ্যই ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
** ভাইস প্রেসিডেন্ট '''''মোহাম্মদ মোখবার''''' [https://www.mehrnews.com/news/6774791/%D9%85%D8%AE%D8%A8%D8%B1-%DA%A9%D8%B4%D9%88%D8%B1%D9%87%D8%A7%DB%8C-%D9%85%D9%86%D8%B7%D9%82%D9%87-%D9%85%DA%A9%D9%84%D9%81-%D8%A8%D9%87-%D8%AC%D8%A8%D8%B1%D8%A7%D9%86-%D8%AE%D8%B3%D8%A7%D8%B1%D8%AA-%D9%87%D8%A7%DB%8C-%D9%88%D8%A7%D8%B1%D8%AF%D9%87-%D8%A8%D9%87-%D8%A7%DB%8C%D8%B1%D8%A7%D9%86-%D9%87%D8%B3%D8%AA%D9%86%D8%AF] (১৪ মার্চ ২০২৬)
* যখন আমি এটি অনুভব করব। যখন আমি এটি আমার হাড়ের ভেতরে অনুভব করব।
** যুদ্ধ কবে শেষ হবে এমন প্রশ্নের জবাবে '''''প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প''''': [https://www.huffingtonpost.co.uk/entry/trump-says-iran-war-will-end-when-i-feel-it-in-my-bones_uk_69b57775e4b09d87d0277fa2 "ট্রাম্প বলেছেন ইরান যুদ্ধ শেষ হবে ‘যখন আমি এটি আমার হাড়ের ভেতরে অনুভব করব’"], ''হাফিংটন পোস্ট'' (১৪ মার্চ ২০২৬)।
* এটি কিছুটা অন্যায্য। আপনি যুদ্ধে জয়লাভ করেন, কিন্তু তারা যা করছে তা করার কোনো অধিকার তাদের নেই।
** '''''ডোনাল্ড ট্রাম্প''''' [https://www.bbc.co.uk/news/articles/c70k29914q4o "যুক্তরাষ্ট্রে পেট্রোলের দামের ঊর্ধ্বগতি ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পের জন্য রাজনৈতিক ঝুঁকি গভীর করছে"], ''বিবিসি নিউজ'' (১৭ মার্চ ২০২৬)।
* যেহেতু আমরা এমন ব্যাপক সামরিক সাফল্য অর্জন করেছি, তাই আমাদের আর ন্যাটো দেশগুলোর সহযোগিতার কোনো "প্রয়োজন" বা আকাঙ্ক্ষা নেই, আমাদের তা কখনোই ছিল না! একইভাবে [[w:জাপান|জাপান]], [[w:অস্ট্রেলিয়া|অস্ট্রেলিয়া]] বা দক্ষিণ কোরিয়ার সহযোগিতারও প্রয়োজন নেই! প্রকৃতপক্ষে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি হিসেবে বলছি যা বিশ্বের যেকোনো প্রান্তের তুলনায় দীর্ঘ ব্যবধানে সবথেকে শক্তিশালী দেশ। তাই আমাদের কারো কোনো ধরনের সাহায্যের প্রয়োজন নেই!
** [https://truthsocial.com/@realDonaldTrump/posts/116245182325726375 ট্রুথ সোশ্যালে ডোনাল্ড ট্রাম্প] (১৭ মার্চ ২০২৬)
* মধ্যপ্রাচ্যে যা ঘটেছে তার ক্ষোভ থেকে ইসরায়েল ইরানের 'সাউথ পার্স' নামক একটি প্রধান গ্যাস ক্ষেত্রে তীব্র হামলা চালিয়েছে। পুরো প্রকল্পের তুলনামূলক একটি ছোট অংশ এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই নির্দিষ্ট হামলা সম্পর্কে কিছুই জানত না এবং কাতার দেশটিও কোনোভাবেই এর সাথে জড়িত ছিল না, এমনকি তাদের এ বিষয়ে কোনো ধারণাও ছিল না যে এমন কিছু ঘটতে যাচ্ছে। দুর্ভাগ্যবশত, ইরান এই সত্যগুলো বা সাউথ পার্স হামলার সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো জানত না এবং অন্যায় ও অন্যায্যভাবে কাতারের এলএনজি বা LNG - Liquefied Natural Gas গ্যাস সুবিধার একটি অংশে আক্রমণ করেছে। এই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং মূল্যবান সাউথ পার্স ক্ষেত্র নিয়ে ইসরায়েলের পক্ষ থেকে আর কোনো হামলা চালানো হবে না, যদি না ইরান অবিবেচকের মতো পুনরায় নিরীহ কাতারকে আক্রমণ করার সিদ্ধান্ত নেয় যে ক্ষেত্রে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েলের সাহায্য বা সম্মতি ছাড়াই, সমগ্র সাউথ পার্স গ্যাস ক্ষেত্রটিকে এমন শক্তিতে উড়িয়ে দেবে যা ইরান আগে কখনো দেখেনি বা প্রত্যক্ষ করেনি। আমি এই পর্যায়ের সহিংসতা এবং ধ্বংসযজ্ঞের অনুমতি দিতে চাই না কারণ ইরানের ভবিষ্যতের ওপর এর দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব পড়বে, কিন্তু যদি কাতারের এলএনজি পুনরায় আক্রান্ত হয়, তবে আমি তা করতে দ্বিধা করব না।
** [https://truthsocial.com/@realDonaldTrump/posts/116253388303392718 ট্রুথ সোশ্যালে] '''''ডোনাল্ড ট্রাম্প''''' (১৯ মার্চ ২০২৬)
* ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রগুলো মুসলমান, খ্রিস্টান, ইহুদি কিংবা অন্য কোনো ধর্মের মধ্যে পার্থক্য করে না; তারা যে কাউকে হত্যা করতে প্রস্তুত কারণ তারা মনে করে যারা তাদের বিশ্বাস গ্রহণ করে না তারা সবাই কাফের।
** পশ্চিম তীরের বেইত আউয়া সেলুন হামলার পর ইসরায়েলি প্রেসিডেন্ট '''''আইজ্যাক হারজোগ'''''। (১৯ মার্চ ২০২৬) [https://www.jpost.com/middle-east/iran-news/article-890479]
* আমি মনে করি ইরানের শাসনের বিরুদ্ধে মধ্যপ্রাচ্যে আমাদের মহান সামরিক প্রচেষ্টাকে সমাপ্ত করার পথে আমরা আমাদের লক্ষ্য পূরণের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছি: (১) ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা, উৎক্ষেপক এবং এ সংক্রান্ত অন্য সবকিছু সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করা। (২) ইরানের প্রতিরক্ষা শিল্প কাঠামো ধ্বংস করা। (৩) বিমান বিধ্বংসী অস্ত্রশস্ত্রসহ তাদের নৌ ও বিমান বাহিনীকে নির্মূল করা। (৪) ইরানকে কখনোই পারমাণবিক সক্ষমতার ধারেকাছেও আসতে না দেওয়া এবং সবসময় এমন অবস্থানে থাকা যাতে এমন কোনো পরিস্থিতি তৈরি হলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দ্রুত ও শক্তিশালীভাবে প্রতিক্রিয়া জানাতে পারে। (৫) ইসরায়েল, [[w:সৌদি_আরব|সৌদি আরব]], [[w:কাতার|কাতার]], [[w:সংযুক্ত_আরব_আমিরাত|সংযুক্ত আরব আমিরাত]], [[w:Bahrain|বাহরাইন]], [[w:কুয়েত|কুয়েত]] এবং অন্যদেরসহ আমাদের মধ্যপ্রাচ্যের মিত্রদের সর্বোচ্চ স্তরে সুরক্ষা প্রদান করা। হরমুজ প্রণালী ব্যবহারকারী অন্যান্য দেশগুলোর মাধ্যমে প্রয়োজন অনুযায়ী পাহারা এবং তদারকি করতে হবে — মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তা করবে না!
** [https://truthsocial.com/@realDonaldTrump/posts/116263563453969628 ট্রুথ সোশ্যালে] '''''ডোনাল্ড ট্রাম্প''''' (২০ মার্চ ২০২৬)
[[File:Houses in Nesher hit by shrapnel from Missile parts of a Multiple independently targetable reentry vehicl, fired from Iran on March 24, 2026 at 00.22 AM 04.jpg|thumb|৪০০পিক্সেল|২০২৬ সালের ২৪ মার্চ রাত ১২:২২ মিনিটে ইরান থেকে ছোড়া একটি MIRV বা 'মাল্টিপল ইনডিপেনডেন্টলি টার্গেটেবল রিএন্ট্রি ভেহিকল' বা বিভক্ত সক্ষম মিসাইলের ধ্বংসাবশেষ ইসরায়েলের নেশের শহরের রামোত ইতজাক পাড়ায় আঘাত হানে। আইডিএফ মিসাইলটি প্রতিহত করলেও এর বড় একটি অংশ একটি দোতলা বাড়ির ওপর পড়ে সেটি ধ্বংস করে দেয় এবং আশপাশের বাড়ি ও গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।]]
* ইরান যদি এই মুহূর্ত থেকে ঠিক ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কোনো রকম হুমকি ছাড়াই হরমুজ প্রণালী পুরোপুরি খুলে না দেয়, তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তাদের বিভিন্ন বিদ্যুৎ কেন্দ্রে হামলা চালিয়ে সেগুলো ধ্বংস করে দেবে, যার শুরু হবে সবথেকে বড় কেন্দ্রটি দিয়ে!
** '''''ডোনাল্ড ট্রাম্প''''' [https://www.bbc.co.uk/news/articles/clyxv87zwwpo "ইরানে কঠিন বিকল্পগুলো বিবেচনার সময় ট্রাম্প এক মোড় পরিবর্তনের সন্ধিক্ষণে"], ''বিবিসি নিউজ'' (২১ মার্চ ২০২৬)।
* বর্তমানের এই কঠিন সময়ে, যখন ঘটনাপ্রবাহ অস্পষ্ট ও বিভ্রান্তিকর বলে মনে হচ্ছে, তখন মার্ক টোয়েনের সেই 'প্রাচীন কিংবদন্তির ভাঙা টুকরোগুলো' আমাদের গ্রেট ব্রিটেন কিংবা সোভিয়েত ইউনিয়নের ক্ষমতা ও প্রভাব পতনের মতো ঐতিহাসিক উপমাগুলোকে মনে করিয়ে দিতে পারে, যা আমাদের বুঝতে সাহায্য করে যে কীভাবে অতীত বর্তমানের কানে ফিসফিস করে কথা বলে। যেমনটা ইদানীং [[w:হরমুজ_প্রণালী|হরমুজ প্রণালীতে]] ঘটছে বলে মনে হচ্ছে।
** '''''আলফ্রেড ডব্লিউ ম্যাককয়''''', [https://inkstickmedia.com/how-the-iran-war-gave-trump-his-very-own-suez-crisis/ "কীভাবে ইরান যুদ্ধ ট্রাম্পকে তার নিজস্ব সুয়েজ সংকট উপহার দিল"] (২১ মার্চ ২০২৬)।
* ন্যাটোর কোনো মিত্র দেশ যাদেরকে ট্রাম্প বারবার হেনস্তা করেছেন, তারা এমন একজনের হয়ে এই আত্মঘাতী মিশনে যেতে রাজি হবে না—যে তাদের সাথে জঘন্য আচরণ করে।
** '''''অ্যাডাম মকলার''''' (''MeidasTouch'' থেকে), উদ্ধৃত: ''সিএনএনে'' [https://inews.co.uk/news/world/trump-iran-gamble-failed-americas-allies-pay-it-4309972 "ট্রাম্পের ইরান জুয়া ব্যর্থ হয়েছে – এবং আমেরিকার মিত্রদের এর মূল্য দিতে হবে"], ''আইনিউজ'' (২২ মার্চ ২০২৬)।
* হয়তো আমি। আমি এবং আয়াতুল্লাহ—সে যেই আয়াতুল্লাহই হোক না কেন, কিংবা পরবর্তী আয়াতুল্লাহ। সেখানে স্বয়ংক্রিয়ভাবে একটি শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন ঘটছে, তবে আমরা এমন কিছু মানুষের সাথে কাজ করছি যাদের আমি খুব যুক্তিবাদী এবং দৃঢ় বলে মনে করি। ভেতরে থাকা মানুষজন জানে তারা কারা। তারা অত্যন্ত সম্মানিত এবং হয়তো তাদের মধ্যে একজন ঠিক তেমনই হবেন যেমনটা আমরা খুঁজছি।
** হরমুজ প্রণালী কে নিয়ন্ত্রণ করবে—এই প্রশ্নে '''''ডোনাল্ড ট্রাম্প''''', উদ্ধৃত: [https://www.independent.co.uk/news/world/middle-east/trump-ayatollah-joint-leadership-hormuz-b2944024.html "ট্রাম্প আয়াতুল্লাহর পাশাপাশি ইরানের এক অসাধারণ ‘যৌথ নেতৃত্বের’ প্রস্তাব দিয়েছেন"], ''ইন্ডিপেন্ডেন্ট'' (২৩ মার্চ ২০২৬)।
* মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে কোনো আলোচনা হয়নি। আর্থিক ও তেলের বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যে চোরাবালিতে আটকা পড়েছে তা থেকে মুক্তি পেতে তারা ভুয়া খবর ব্যবহার করছে।
** '''''[[:w:মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ|মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ]]''''' [https://www.independent.co.uk/news/world/middle-east/trump-ayatollah-joint-leadership-hormuz-b2944024.html "ট্রাম্প আয়াতুল্লাহর পাশাপাশি ইরানের এক অসাধারণ ‘যৌথ নেতৃত্বের’ প্রস্তাব দিয়েছেন"], ''ইন্ডিপেন্ডেন্ট'' (২৩ মার্চ ২০২৬)।
* কারণ তারা একটি চুক্তি করতে যাচ্ছে। তারা গতকাল এমন কিছু করেছে যা আসলে আশ্চর্যজনক ছিল। তারা আমাদের একটি উপহার দিয়েছে। এবং সেই উপহারটি আজ এসে পৌঁছেছে। এটি একটি বিশাল উপহার ছিল যার আর্থিক মূল্য অকল্পনীয়। আমি আপনাদের বলব না সেই উপহারটি কী, কিন্তু এটি ছিল অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি পুরস্কার। এটি আমার কাছে একটি বিষয়ই স্পষ্ট করেছে আমরা সঠিক লোকজনের সাথেই লেনদেন করছি।
** ইরানের সাথে আলোচনার বিষয়ে '''''ডোনাল্ড ট্রাম্প''''', উদ্ধৃত: [https://www.newsbreak.com/the-new-republic-1991457/4556482986909-trump-says-he-changed-his-mind-after-iran-gave-very-big-present "ইরান ‘বিশাল উপহার’ দেওয়ার পর ট্রাম্প নিজের মত পরিবর্তনের কথা জানিয়েছেন"], ''নিউজব্রেক'' (২৪ মার্চ ২০২৬)।
* আপনার অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের মাত্রা কি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে আপনি এখন নিজের সাথেই আলোচনা করছেন?
** ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি ইরানি নাগরিক ইব্রাহিম জুলফিকারির প্রশ্ন, উদ্ধৃত: [https://www.aljazeera.com/news/2026/3/25/us-talking-to-itself-says-iran-as-trump-claims-wheels-of-diplomacy-turning "আমেরিকা নিজের সাথেই কথা বলছে, ট্রাম্পের কূটনীতির চাকা ঘোরার দাবির প্রেক্ষিতে ইরানের মন্তব্য"], ''আল জাজিরা'' (২৫ মার্চ ২০২৬)।
* শত্রু প্রকাশ্যে আলোচনার সংকেত দিলেও গোপনে স্থল অভিযানের ষড়যন্ত্র করছে। আমাদের গোলাবর্ষণ অব্যাহত রয়েছে। আমাদের ক্ষেপণাস্ত্রগুলো যথাস্থানে প্রস্তুত আছে। আমাদের সংকল্প এবং ঈমান আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। '''''ইরানি বাহিনী'' মার্কিন সেনাদের স্থলভাগে আগমনের অপেক্ষায় রয়েছে যাতে কীভাবে তাদের পুড়িয়ে মারা যায় এবং তাদের আঞ্চলিক সহযোগীদের চিরতরে নিঃশেষ করে দেওয়া যায়'''।
** '''''মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ''''', ইরানের সংসদ স্পিকার; উদ্ধৃত: [https://www.theguardian.com/world/2026/mar/29/iran-accuses-us-plotting-ground-assault-publicly-seeking-talks "প্রকাশ্যে আলোচনার কথা বললেও আমেরিকা স্থল অভিযানের ষড়যন্ত্র করছে বলে ইরানের অভিযোগ"], ''গার্ডিয়ান'' (২৯ মার্চ ২০২৬)।
* এই আমাদের ঈশ্বর। যিশু, শান্তির রাজা, যিনি যুদ্ধ প্রত্যাখ্যান করেন; যাকে কেউ যুদ্ধকে ন্যায়সঙ্গত প্রমাণের জন্য ব্যবহার করতে পারে না। যারা যুদ্ধ চালায় তিনি তাদের প্রার্থনা শোনেন না, বরং তাদের প্রত্যাখ্যান করেন।
* (যিশাইয় ১:১৫) ‘তোমরা অনেক প্রার্থনা করলেও আমি তা শুনব না: তোমাদের হাত রক্তে মাখা।’
** '''''পোপ লিও চতুর্দশ''''', ''যিশাইয়র বই'' থেকে উদ্ধৃতি; [https://www.bbc.co.uk/news/live/cje4x38q8xqt?post=asset%3A58d1f907-b13b-443a-b413-d7741b63b566 "'রক্তে মাখা হাত': পোপ লিও দৃশ্যত যুদ্ধে লিপ্তদের সমালোচনা করেছেন"], ''বিবিসি নিউজ'' (২৯ মার্চ ২০২৬)।
===এপ্রিল ২০২৬===
[[File:Gas prices Sonoma, California April 7 2026.jpg|thumb|ট্রাম্প: হরমুজ প্রণালী যখন উন্মুক্ত, মুক্ত এবং পরিষ্কার হবে তখন আমরা বিষয়টি বিবেচনা করব। ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা ইরানকে ধ্বংস করে দিচ্ছি অথবা তারা যেমনটা বলে—পাথর যুগে পাঠিয়ে দিচ্ছি।]]
* আমরা কাজ শেষ করছি এবং আমার মনে হয় সম্ভবত দুই সপ্তাহের মধ্যেই বা কয়েক দিন বেশি লাগতে পারে কাজটি শেষ করতে। কিন্তু আমরা তাদের কাছে থাকা প্রতিটি জিনিস ধ্বংস করে দিতে চাই। তবে হয়তো এটাও সম্ভব যে তার আগেই আমরা একটি চুক্তিতে পৌঁছে যাব।
** '''''ডোনাল্ড ট্রাম্প''''', উদ্ধৃত: [https://newsroom.ap.org/editorial-photos-videos/detail?itemid=ad13f6002bde4e30befd5495f58499d9 "ট্রাম্প: ২ থেকে ৩ সপ্তাহের মধ্যে আমেরিকা ইরান ছাড়তে পারে, হরমুজ প্রণালী নিরাপদ করা 'আমাদের কাজ নয়'"], ''এপি নিউজ'' (১ এপ্রিল ২০২৬)।
* হরমুজ প্রণালী যখন উন্মুক্ত, মুক্ত এবং পরিষ্কার হবে তখন আমরা যুদ্ধবিরতির বিষয়টি বিবেচনা করব। ততক্ষণ পর্যন্ত হয়তো আমরা ইরানকে ধ্বংস করে দিচ্ছি অথবা তারা যেমনটা বলে—পাথর যুগে পাঠিয়ে দিচ্ছি।
** '''''ডোনাল্ড ট্রাম্প''''', উদ্ধৃত: [https://www.independent.co.uk/news/world/americas/us-politics/trump-iran-speech-stone-age-b2950116.html "যুদ্ধের ওপর ভাষণের আগে ইরান এবং ন্যাটো মিত্র উভয়কেই ট্রাম্পের হুমকি: ‘পাথর যুগে প্রত্যাবর্তন’"], ''ইন্ডিপেন্ডেন্ট'' (১ এপ্রিল ২০২৬)।
* যদি শত্রুতা আরও বৃদ্ধি পায়, তবে পুরো অঞ্চলটি তোমাদের জন্য নরকে পরিণত হবে। [[w:ইরান#%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0_%E0%A6%93_%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A7%80%E0%A6%A4%E0%A6%BF|ইসলামী প্রজাতন্ত্র]] ইরানকে পরাজিত করার বিভ্রমটি এমন এক চোরাবালিতে পরিণত হবে যেখানে তোমরা ডুবে মরবে।
** '''''ইব্রাহিম জুলফিকারি'''''; উদ্ধৃত: [https://www.bbc.co.uk/news/articles/c5y90jl8veyo "নিখোঁজ মার্কিন বিমান সেনার সন্ধানের মধ্যেই আমেরিকা এবং ইরানের একে অপরকে ‘নরক’ নামিয়ে আনার হুমকি"], ''বিবিসি নিউজ'' (৪ এপ্রিল ২০২৬)।
* ইরানকে গণবিধ্বংসী অস্ত্র তৈরি করা থেকে বিরত রাখার চেষ্টায়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র উল্টো ইরানের হাতে একটি ''Weapon of Mass Disruption'' বা গণ-বিঘ্নকারী অস্ত্র' তুলে দিয়েছে!
** '''''আলী ভায়েজ''''', উদ্ধৃত: [https://www.reuters.com/world/middle-east/us-intelligence-warns-iran-unlikely-ease-hormuz-strait-chokehold-soon-sources-2026-04-03/ রয়টার্স]।
* মঙ্গলবার ইরানে ‘বিদ্যুৎ কেন্দ্র দিবস’ এবং ‘সেতু দিবস’—সব একসাথেই পালিত হবে। এর আগে এমন কিছু আর কখনো দেখা যায়নি!!! ঐ নরকীয় প্রণালীটি খুলে দাও, উন্মাদের দল, নয়তো তোমাদের নরকে বসবাস করতে হবে—শুধু তাকিয়ে দেখো! আলহামদুলিল্লাহ। জে. ট্রাম্প।
** [https://www.bbc.co.uk/news/articles/cvg0q6wdzp1o "হরমুজ প্রণালী অবরোধ নিয়ে ইরানকে ট্রাম্পের অকথ্য নিন্দাযোগ্য ভাষায় হুঁশিয়ারি"], ''বিবিসি নিউজ'' (৫ এপ্রিল ২০২৬)।
* ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরান যদি হরমুজ প্রণালী সম্পূর্ণ, অবিলম্বে এবং নিরাপদভাবে খুলে দিতে সম্মত হয়। তবে আমি দুই সপ্তাহের জন্য ইরানে বোমা হামলা এবং আক্রমণ স্থগিত করতে রাজি আছি।
** '''''ডোনাল্ড ট্রাম্প''''', উদ্ধৃত: [https://www.theguardian.com/us-news/2026/apr/07/trump-iran-war-ceasefire "তেহরান হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেওয়ার ঘোষণা দেওয়ায় আমেরিকা ও ইরান অস্থায়ী যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে"], ''দ্য গার্ডিয়ান'' (৮ এপ্রিল ২০২৬)।
* যদি ইরানের ওপর আক্রমণ বন্ধ করা হয়, তবে আমাদের শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনী তাদের প্রতিরক্ষা কার্যক্রম স্থগিত করবে। আগামী দুই সপ্তাহের জন্য, ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর সাথে সমন্বয় সাপেক্ষে এবং প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতাগুলো বিবেচনায় নিয়ে হরমুজ প্রণালী দিয়ে নিরাপদ চলাচল সম্ভব হবে।
** ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী '''''[[:w:আব্বাস আরাঘচি|আব্বাস আরাঘচি]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.theguardian.com/us-news/2026/apr/07/trump-iran-war-ceasefire "তেহরান হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেওয়ার ঘোষণা দেওয়ায় আমেরিকা ও ইরান অস্থায়ী যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে"], ''দ্য গার্ডিয়ান'' (৮ এপ্রিল ২০২৬)।
* ইরানিরা সম্ভবত এটা বুঝতে পারছে না যে আন্তর্জাতিক জলপথ ব্যবহার করে বিশ্বকে স্বল্পমেয়াদী ব্ল্যাকমেইল করা ছাড়া তাদের হাতে আর কোনো তাস নেই। তারা আজ যে বেঁচে আছে, তার একমাত্র কারণ হলো আলোচনা করা!
** '''''ডোনাল্ড ট্রাম্প''''', উদ্ধৃত: [https://www.theguardian.com/world/2026/apr/10/jd-vance-warns-iran-against-trying-to-play-the-us-in-peace-talks "জেডি ভ্যান্স শান্তি আলোচনায় আমেরিকাকে ‘খেলানো’র বিরুদ্ধে ইরানকে সতর্ক করেছেন"], ''দ্য গার্ডিয়ান'' (১০ এপ্রিল ২০২৬)।
* সহজ প্রশ্ন হলো, ইরানিরা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করার ব্যাপারে মৌলিক কোনো প্রতিশ্রুতি দেবে কি না—কেবল এখনকার জন্য নয়, কিংবা দুই বছর পরের জন্য নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদে। আমরা এখনও তেমন কিছু দেখিনি।
** '''''জেডি ভ্যান্স''''', উদ্ধৃত: [https://www.independent.co.uk/news/world/middle-east/iran-us-peace-talks-vance-trump-b2956013.html "কেন মাত্র একদিন পরেই আমেরিকা-ইরান শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হলো – এবং এরপর কী ঘটবে"], ''দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট'' (১২ এপ্রিল ২০২৬)।
* আমরা এই প্রণালীটি একদম সাফ করে ফেলব।
** '''''ডোনাল্ড ট্রাম্প''''', উদ্ধৃত: [https://thehill.com/homenews/administration/5827840-trump-navy-strait-hormuz-blockade/ "মার্কিন সামরিক বাহিনী হরমুজ প্রণালী ‘পরিষ্কার’ করবে: ট্রাম্প"], ''দ্য হিল'' (১২ এপ্রিল ২০২৬)।
* আমরা ন্যাটোর ওপর খুবই হতাশ বেদনায়, তারা যে আমাদের সাহায্যে এগিয়ে আসেনি তাতে আমরা অত্যন্ত হতাশ। এখন হয়তো তারা আসতে চায় এবং প্রণালী পরিষ্কারের কাজে সাহায্য করতে চায়।
** '''''ট্রাম্প''''', উদ্ধৃত: [https://thehill.com/homenews/administration/5827840-trump-navy-strait-hormuz-blockade/ "মার্কিন সামরিক বাহিনী হরমুজ প্রণালী ‘পরিষ্কার’ করবে: ট্রাম্প"], ''দ্য হিল'' (১২ এপ্রিল ২০২৬)।
[[File:Straße von Hormuz.jpg|thumb|ট্রাম্প - ইরান হরমুজ প্রণালী আর কখনোই বন্ধ না করতে সম্মত হয়েছে]]
* লেবাননের যুদ্ধবিরতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে, যুদ্ধবিরতির অবশিষ্ট সময়ের জন্য [[w:হরমুজ_প্রণালী|হরমুজ প্রণালী]] দিয়ে সকল বাণিজ্যিক জাহাজের চলাচল সম্পূর্ণ উন্মুক্ত ঘোষণা করা হলো। এই চলাচল ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের বন্দর ও সামুদ্রিক সংস্থা কর্তৃক ইতোপূর্বে ঘোষিত সমন্বিত রুট অনুযায়ী পরিচালিত হবে।
** ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী '''''[[:w:আব্বাস আরাঘচি|আব্বাস আরাঘচি]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.bbc.co.uk/news/live/cqxdg17yr2wt "ইরান বলছে হরমুজ প্রণালী 'উন্মুক্ত', অন্যদিকে ট্রাম্প বলছেন চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত মার্কিন অবরোধ অব্যাহত থাকবে"], ''বিবিসি নিউজ'' (১৭ এপ্রিল ২০২৬)।
* ইরান হরমুজ প্রণালী আর কখনোই বন্ধ না করতে সম্মত হয়েছে। এটিকে বিশ্বের বিরুদ্ধে আর কখনোই অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হবে না!
** [https://truthsocial.com/@realDonaldTrump/posts/116420562510387829 ট্রুথ সোশ্যালে ডোনাল্ড ট্রাম্প] (১৭ এপ্রিল ২০২৬)
* [[:w:ইরান সরকার|ইরান সরকারের]] অভ্যন্তরীণ কাঠামো বর্তমানে মারাত্মকভাবে খণ্ডিত ও বিশৃঙ্খল হয়ে পড়েছে, যা আমাদের কাছে খুব একটা অপ্রত্যাশিত ছিল না। এই পরিস্থিতিতে, [[:w:পাকিস্তান|পাকিস্তানের]] [[:w:ফিল্ড মার্শাল|ফিল্ড মার্শাল]] [[:w:আসিম মুনির|আসিম মুনির]] এবং প্রধানমন্ত্রী [[:w:শেহবাজ শরীফ|শাহবাজ শরিফের]] বিশেষ অনুরোধের প্রেক্ষিতে, আমি [[ইরান]] অভিমুখে আমাদের সামরিক আক্রমণ আপাতত স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। যতক্ষণ না তাদের নেতা ও প্রতিনিধিরা একটি ঐক্যবদ্ধ প্রস্তাব নিয়ে আমাদের সামনে উপস্থিত হতে পারেন। আমি আমাদের সামরিক বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছি যেন তারা অবরোধ অব্যাহত রাখে এবং প্রতিটি ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় ও সক্ষমতায় প্রস্তুত থাকে। এই যুদ্ধবিরতির মেয়াদ ততক্ষণ পর্যন্ত বর্ধিত করা হলো, যতক্ষণ না তাদের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রস্তাব পেশ করা হচ্ছে এবং সেই আলোচনার একটি চূড়ান্ত ফলাফল যা-ই হোক না কেন—অর্জিত হচ্ছে।"
** [[:w:ডোনাল্ড ট্রাম্প|ডোনাল্ড ট্রাম্প]]; সূত্র: [https://www.bbc.co.uk/news/live/cx297218m9vt "ইউএস ব্লকেড অব্যাহত থাকলে হরমুজ প্রণালী পুনরায় চালু করা 'অসম্ভব' বলছে ইরান"], ''বিবিসি নিউজ'' (২২ এপ্রিল, ২০২৬)
* আমরা সকলেই 'ইরানি' এবং 'বিপ্লবী'। জাতির এই ইস্পাতকঠিন ঐক্য, সরকার এবং সর্বোচ্চ নেতার প্রতি আমাদের পূর্ণ আনুগত্যের মাধ্যমে আমরা যেকোনো সময় আগ্রাসনকারী অপরাধীকে তার কৃতকর্মের জন্য অনুতপ্ত হতে বাধ্য করব।
** — ইরানের প্রেসিডেন্ট '''''[[:w:মাসুদ পেজেশকিয়ান|মাসুদ পেজেশকিয়ান]]'''''; সূত্রঃ [https://www.bbc.co.uk/news/live/c0mjev4kn9jt?page=2 "ট্রাম্প বলেছেন ইসরায়েল-লেবানন যুদ্ধবিরতি তিন সপ্তাহ বাড়ানো হয়েছে, তবে তিনি ইরান চুক্তিতে 'তাড়াহুড়ো' করবেন না"], 'বিবিসি নিউজে' (২৪ এপ্রিল ২০২৬) প্রকাশিত।
== আরও দেখুন ==
* [[যুদ্ধ]]
* [[মধ্যপ্রাচ্য]]
* [[ইরান]]
* [[যুক্তরাষ্ট্র]]
* [[ইসরায়েল]]
* [[ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ]]
== বহিঃসংযোগ ==
{{Wikipedia}}
* [https://www.bbc.com ২০২৬ সালের ইরান সংঘাত নিয়ে বিবিসির প্রতিবেদন]
* [https://www.aljazeera.com/news আল জাজিরা: ইরান সংকট কভারেজ]
[[বিষয়শ্রেণী:যুদ্ধ]]
[[বিষয়শ্রেণী:২০২০-এর দশকে ইরান]]
[[বিষয়শ্রেণী:যুদ্ধ ও যুদ্ধবিগ্রহ]]
[[বিষয়শ্রেণী:আরব-ইসরায়েল সংঘাত]]
t8spixu87veo2ml7ajdb0wdjw6a45bt
আসাদউদ্দিন ওয়াইসি
0
12540
83283
77060
2026-05-02T19:42:42Z
Tuhin
172
/* উক্তি */
83283
wikitext
text/x-wiki
[[চিত্র:OwaisiMM.png|থাম্ব|২০১৪ সালে ওয়াইসি হায়দ্রাবাদের মক্কা মসজিদে ভাষণ দিচ্ছেন]]
'''[[w:Asaduddin Owaisi|আসাদউদ্দিন ওয়াইসি]]''' (জন্ম ১৩ মে ১৯৬৯) একজন ভারতীয় রাজনীতিবিদ, যিনি [[w:All India Majlis-e-Ittehadul Muslimeen|অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমিনের]] সভাপতি।
==উক্তি==
* আমি সংসদে ক্ষমতাসীন সরকারকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম যে, হিন্দু, বৌদ্ধ, জৈন, পার্সি, শিখ এবং খ্রিস্টানদের ব্যাপক নির্যাতনের শিকার হওয়ার বিষয়টি প্রমাণ করার মতো কোনো সংখ্যা বা উপাত্ত তাদের কাছে আছে কি না। অমিত শাহ বলেছিলেন ‘লাখোঁ-করোড়োঁ’ (লাখ লাখ এবং কোটি কোটি) – যা একটি বিশাল এবং অপরীক্ষিত দাবি এবং দূরদূরান্ত পর্যন্ত প্রমাণিত নয়। আমি তার কাছে এই তিনটি ইসলামি রাষ্ট্রের মধ্যে রাষ্ট্রভিত্তিক সঠিক সংখ্যাটি ভেঙে বলতে বলেছিলাম এবং এর কোনো উত্তর দেওয়া হয়নি।
** ডিসেম্বর ২০১৯-এর একটি সাক্ষাৎকারে উদ্ধৃত, [https://www.opindia.com/2019/12/aimim-asaduddin-owaisi-interview-the-logical-indian-denies-persecution-hindus-in-islamic-nations/ আসাদউদ্দিন ওয়াইসি ডিনায়েজ পারসিকিউশন অফ হিন্দুস অ্যান্ড আদার মাইনরিটিজ ইন ইসলামিক নেশনস ইন আ শেয়ামফুল ইন্টারভিউ]
* আমি বিহারের না হতে পারি কিন্তু পুরো ভারত আসাদউদ্দিন ওয়াইসির বাবার সম্পত্তি। কীভাবে? আমার বাবা, আপনার বাবা, তাদের বাবা এবং তাদের পূর্বপুরুষরা ভারতে তাদের প্রথম পদক্ষেপ রেখেছিলেন। এভাবে এই দেশ আমার পূর্বপুরুষদের। আমার পূর্বপুরুষদের জমিতে আমাকে অনুপ্রবেশকারী বলার সাহস কারো নেই।
** ৭ নভেম্বর ২০২০-এ বিহারের নির্বাচনী জনসভায় উদ্ধৃত, [https://www.opindia.com/2020/11/aimim-asaduddin-owaisi-says-entire-india-is-his-ancestors-proprietary-bihar/ “এনটায়ার ইন্ডিয়া ইজ মাই অ্যানসেস্টরস প্রপার্টি”: এআইএমআইএম চিফ আসাদউদ্দিন ওয়াইসি ইন বিহার ইলেকশন র্যালি]
* রাসুলকে (সা.) অপমান করা গ্রহণযোগ্য নয়। ধর্মীয় শিক্ষক হিসেবে কাজ করা এই অপরাধীরা কি ইসলাম নিয়ে তাদের অস্বাভাবিক আচ্ছন্নতা কাটিয়ে উঠতে পারে না? আপনারা যা পছন্দ করেন না, তার পেছনে আপনারা অনেক সময় ব্যয় করেন। আমি নিশ্চিত যে আপনাদের নিজস্ব বিশ্বাস ব্যবস্থায় আলোচনা করার মতো যথেষ্ট কিছু রয়েছে।
**হিন্দু পুরোহিত যতি নরসিংহানন্দ সরস্বতী সম্পর্কে। টুইটারে টুইট এপ্রিল ২০২১, [https://twitter.com/asadowaisi/status/1378193374918807553] এআইএমআইএম প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়াইসি, ৩ এপ্রিল, ২০২১। [https://www.indiatoday.in/india/story/delhi-police-summons-up-priest-yati-narsinghanand-for-inflammatory-comments-on-prophet-1789133-2021-04-09 ] [https://goachronicle.com/there-is-no-soft-islam-islam-is-radical-yati-narsinghanand-saraswati/ ] [https://www.opindia.com/2021/04/yati-narsinghanand-saraswati-dasna-temple-interview-islam/ ]
* আমরা এই দেশকে সবুজ (ইসলামের রঙ) রঙে রাঙিয়ে দেব, অন্য কোনো রঙ এর সামনে টিকতে পারবে না।
* আপনারা যখনই এটা করেন আমরা তোয়াক্কা করি না, কিন্তু আমরা যখন সবুজ পরিধান করব, তখন সবকিছুকে সবুজ করে দেব... ইনশা আল্লাহ। এবং আমাদের সবুজের সামনে অন্য কোনো রঙ দাঁড়াতে পারবে না ইনশা আল্লাহ, মোদির রঙও নয়, বা কংগ্রেসের রঙও নয়... আর কেউ নয়, কেবল আমাদের সবুজ থাকবে..সবুজ, সবুজ, সবুজ...
** – আসাদউদ্দিন ওয়াইসি, এআইএমআইএম প্রধান। একটি ভাষণে আরোপিত, [https://twitter.com/ANI/status/944450807755182081] [https://www.hindupost.in/politics/asaduddin-owaisi-threatens-islamize-entire-country/]
* এটি আমাদের দেশ... মনে রাখবেন এটি আমাদের দেশ। আমাদের পূর্বপুরুষরা এই দেশের স্বাধীনতার জন্য জীবন দিয়েছেন।’ ‘...যদি আপনারা ভয় তৈরি করতে চান, তবে আল্লাহর ভয় তৈরি করুন...’ ‘...আমরা আমাদের অধিকারের জন্য লড়ব এবং আমরা বলছি না যে আমরা আকাশ থেকে তারা আনব বা চাঁদ থেকে জমি আনব। আমরা যা বলছি তা হলো উত্তরপ্রদেশের নানপাড়ার মাটিতে মজলিসের পতাকা উড়বে।’
** ২০২১ সালে উদ্ধৃত, [https://web.archive.org/web/20211019223939/https://www.opindia.com/2021/10/asaduddin-owaisi-asks-muslims-to-create-fear-of-allah-ahead-of-up-polls-ulema-jihad-british/ আসাদউদ্দিন ওয়াইসি আস্কস মুসলিমস টু ক্রিয়েট ফিয়ার অফ আল্লাহ, সেজ উলেমা ইস্যুড ফতোয়া প্রেসক্রাইবিং জিহাদ অ্যাগেইনস্ট ব্রিটিশ]
* "পাকিস্তানের সংবিধানে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে কেবল একটি ধর্মের ব্যক্তিই দেশটির প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন। বাবা সাহেবের সংবিধান বলে যে ভারতের যেকোনো নাগরিক প্রধানমন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী বা মেয়র হতে পারেন। এটি আমার স্বপ্ন যে এমন একটি দিন আসবে যখন একজন হিজাব পরিহিত কন্যা এই দেশের প্রধানমন্ত্রী হবেন," এএনআই-এর উদ্ধৃতি অনুযায়ী ওয়াইসি বলেন।
** ২০২৬, [https://x.com/ANI/status/2009874359331303722]
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৬৯-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতের রাজনীতিবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতের মুসলিম]]
ge5kgpt8h3udluw1cjrub1jb6wiqyq7
83284
83283
2026-05-02T19:44:07Z
Tuhin
172
/* উক্তি */
83284
wikitext
text/x-wiki
[[চিত্র:OwaisiMM.png|থাম্ব|২০১৪ সালে ওয়াইসি হায়দ্রাবাদের মক্কা মসজিদে ভাষণ দিচ্ছেন]]
'''[[w:Asaduddin Owaisi|আসাদউদ্দিন ওয়াইসি]]''' (জন্ম ১৩ মে ১৯৬৯) একজন ভারতীয় রাজনীতিবিদ, যিনি [[w:All India Majlis-e-Ittehadul Muslimeen|অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমিনের]] সভাপতি।
==উক্তি==
* আমি সংসদে ক্ষমতাসীন সরকারকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম যে, হিন্দু, বৌদ্ধ, জৈন, পার্সি, শিখ এবং খ্রিস্টানদের ব্যাপক নির্যাতনের শিকার হওয়ার বিষয়টি প্রমাণ করার মতো কোনো সংখ্যা বা উপাত্ত তাদের কাছে আছে কি না। অমিত শাহ বলেছিলেন ‘লাখোঁ-করোড়োঁ’ (লাখ লাখ এবং কোটি কোটি) – যা একটি বিশাল এবং অপরীক্ষিত দাবি এবং দূরদূরান্ত পর্যন্ত প্রমাণিত নয়। আমি তার কাছে এই তিনটি ইসলামি রাষ্ট্রের মধ্যে রাষ্ট্রভিত্তিক সঠিক সংখ্যাটি ভেঙে বলতে বলেছিলাম এবং এর কোনো উত্তর দেওয়া হয়নি।
** ডিসেম্বর ২০১৯-এর একটি সাক্ষাৎকারে উদ্ধৃত, [https://www.opindia.com/2019/12/aimim-asaduddin-owaisi-interview-the-logical-indian-denies-persecution-hindus-in-islamic-nations/ আসাদউদ্দিন ওয়াইসি ডিনায়েজ পারসিকিউশন অফ হিন্দুস অ্যান্ড আদার মাইনরিটিজ ইন ইসলামিক নেশনস ইন আ শেয়ামফুল ইন্টারভিউ]
* আমি বিহারের না হতে পারি কিন্তু পুরো ভারত আসাদউদ্দিন ওয়াইসির বাবার সম্পত্তি। কীভাবে? আমার বাবা, আপনার বাবা, তাদের বাবা এবং তাদের পূর্বপুরুষরা ভারতে তাদের প্রথম পদক্ষেপ রেখেছিলেন। এভাবে এই দেশ আমার পূর্বপুরুষদের। আমার পূর্বপুরুষদের জমিতে আমাকে অনুপ্রবেশকারী বলার সাহস কারো নেই।
** ৭ নভেম্বর ২০২০-এ বিহারের নির্বাচনী জনসভায় উদ্ধৃত, [https://www.opindia.com/2020/11/aimim-asaduddin-owaisi-says-entire-india-is-his-ancestors-proprietary-bihar/ “এনটায়ার ইন্ডিয়া ইজ মাই অ্যানসেস্টরস প্রপার্টি”: এআইএমআইএম চিফ আসাদউদ্দিন ওয়াইসি ইন বিহার ইলেকশন র্যালি]
* রাসুলকে (সা.) অপমান করা গ্রহণযোগ্য নয়। ধর্মীয় শিক্ষক হিসেবে কাজ করা এই অপরাধীরা কি ইসলাম নিয়ে তাদের অস্বাভাবিক আচ্ছন্নতা কাটিয়ে উঠতে পারে না? আপনারা যা পছন্দ করেন না, তার পেছনে আপনারা অনেক সময় ব্যয় করেন। আমি নিশ্চিত যে আপনাদের নিজস্ব বিশ্বাস ব্যবস্থায় আলোচনা করার মতো যথেষ্ট কিছু রয়েছে।
**হিন্দু পুরোহিত যতি নরসিংহানন্দ সরস্বতী সম্পর্কে। টুইটারে টুইট এপ্রিল ২০২১, [https://twitter.com/asadowaisi/status/1378193374918807553] এআইএমআইএম প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়াইসি, ৩ এপ্রিল, ২০২১। [https://www.indiatoday.in/india/story/delhi-police-summons-up-priest-yati-narsinghanand-for-inflammatory-comments-on-prophet-1789133-2021-04-09 ইন্ডিয়া টুডে] [https://goachronicle.com/there-is-no-soft-islam-islam-is-radical-yati-narsinghanand-saraswati/ দেয়ার ইজ নো সফট ইসলাম, ইসলাম ইজ র্যাডিক্যাল: যতি নরসিংহানন্দ সরস্বতী] [https://www.opindia.com/2021/04/yati-narsinghanand-saraswati-dasna-temple-interview-islam/ ‘নো ডিফারেন্স বিটুইন ইসলাম অ্যান্ড ইসলামিক র্যাডিক্যালিজম, ইটস আ ডেঞ্জার টু অল রিলিজিয়নস’: হোয়াট যতি নরসিংহানন্দ সেইড ইন আ রিসেন্ট ইন্টারভিউ]
* আমরা এই দেশকে সবুজ (ইসলামের রঙ) রঙে রাঙিয়ে দেব, অন্য কোনো রঙ এর সামনে টিকতে পারবে না।
* আপনারা যখনই এটা করেন আমরা তোয়াক্কা করি না, কিন্তু আমরা যখন সবুজ পরিধান করব, তখন সবকিছুকে সবুজ করে দেব... ইনশা আল্লাহ। এবং আমাদের সবুজের সামনে অন্য কোনো রঙ দাঁড়াতে পারবে না ইনশা আল্লাহ, মোদির রঙও নয়, বা কংগ্রেসের রঙও নয়... আর কেউ নয়, কেবল আমাদের সবুজ থাকবে..সবুজ, সবুজ, সবুজ...
** – আসাদউদ্দিন ওয়াইসি, এআইএমআইএম প্রধান। একটি ভাষণে আরোপিত, [https://twitter.com/ANI/status/944450807755182081] [https://www.hindupost.in/politics/asaduddin-owaisi-threatens-islamize-entire-country/]
* এটি আমাদের দেশ... মনে রাখবেন এটি আমাদের দেশ। আমাদের পূর্বপুরুষরা এই দেশের স্বাধীনতার জন্য জীবন দিয়েছেন।’ ‘...যদি আপনারা ভয় তৈরি করতে চান, তবে আল্লাহর ভয় তৈরি করুন...’ ‘...আমরা আমাদের অধিকারের জন্য লড়ব এবং আমরা বলছি না যে আমরা আকাশ থেকে তারা আনব বা চাঁদ থেকে জমি আনব। আমরা যা বলছি তা হলো উত্তরপ্রদেশের নানপাড়ার মাটিতে মজলিসের পতাকা উড়বে।’
** ২০২১ সালে উদ্ধৃত, [https://web.archive.org/web/20211019223939/https://www.opindia.com/2021/10/asaduddin-owaisi-asks-muslims-to-create-fear-of-allah-ahead-of-up-polls-ulema-jihad-british/ আসাদউদ্দিন ওয়াইসি আস্কস মুসলিমস টু ক্রিয়েট ফিয়ার অফ আল্লাহ, সেজ উলেমা ইস্যুড ফতোয়া প্রেসক্রাইবিং জিহাদ অ্যাগেইনস্ট ব্রিটিশ]
* "পাকিস্তানের সংবিধানে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে কেবল একটি ধর্মের ব্যক্তিই দেশটির প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন। বাবা সাহেবের সংবিধান বলে যে ভারতের যেকোনো নাগরিক প্রধানমন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী বা মেয়র হতে পারেন। এটি আমার স্বপ্ন যে এমন একটি দিন আসবে যখন একজন হিজাব পরিহিত কন্যা এই দেশের প্রধানমন্ত্রী হবেন," এএনআই-এর উদ্ধৃতি অনুযায়ী ওয়াইসি বলেন।
** ২০২৬, [https://x.com/ANI/status/2009874359331303722]
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৬৯-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতের রাজনীতিবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতের মুসলিম]]
tu5v5z4pf2zwsjda2iizbybz0u3r6t9
83285
83284
2026-05-02T19:45:57Z
Tuhin
172
83285
wikitext
text/x-wiki
[[চিত্র:OwaisiMM.png|থাম্ব|২০১৪ সালে ওয়াইসি হায়দ্রাবাদের মক্কা মসজিদে ভাষণ দিচ্ছেন]]
'''[[w:Asaduddin Owaisi|আসাদউদ্দিন ওয়াইসি]]''' (জন্ম ১৩ মে ১৯৬৯) একজন ভারতীয় রাজনীতিবিদ, যিনি [[w:All India Majlis-e-Ittehadul Muslimeen|অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমিনের]] সভাপতি।
==উক্তি==
* আমি সংসদে ক্ষমতাসীন সরকারকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম যে, হিন্দু, বৌদ্ধ, জৈন, পার্সি, শিখ এবং খ্রিস্টানদের ব্যাপক নির্যাতনের শিকার হওয়ার বিষয়টি প্রমাণ করার মতো কোনো সংখ্যা বা উপাত্ত তাদের কাছে আছে কি না। অমিত শাহ বলেছিলেন ‘লাখোঁ-করোড়োঁ’ (লাখ লাখ এবং কোটি কোটি) – যা একটি বিশাল এবং অপরীক্ষিত দাবি এবং দূরদূরান্ত পর্যন্ত প্রমাণিত নয়। আমি তার কাছে এই তিনটি ইসলামি রাষ্ট্রের মধ্যে রাষ্ট্রভিত্তিক সঠিক সংখ্যাটি ভেঙে বলতে বলেছিলাম এবং এর কোনো উত্তর দেওয়া হয়নি।
** ডিসেম্বর ২০১৯-এর একটি সাক্ষাৎকারে উদ্ধৃত, [https://www.opindia.com/2019/12/aimim-asaduddin-owaisi-interview-the-logical-indian-denies-persecution-hindus-in-islamic-nations/ আসাদউদ্দিন ওয়াইসি ডিনায়েজ পারসিকিউশন অফ হিন্দুস অ্যান্ড আদার মাইনরিটিজ ইন ইসলামিক নেশনস ইন আ শেয়ামফুল ইন্টারভিউ]
* আমি বিহারের না হতে পারি কিন্তু পুরো ভারত আসাদউদ্দিন ওয়াইসির বাবার সম্পত্তি। কীভাবে? আমার বাবা, আপনার বাবা, তাদের বাবা এবং তাদের পূর্বপুরুষরা ভারতে তাদের প্রথম পদক্ষেপ রেখেছিলেন। এভাবে এই দেশ আমার পূর্বপুরুষদের। আমার পূর্বপুরুষদের জমিতে আমাকে অনুপ্রবেশকারী বলার সাহস কারো নেই।
** ৭ নভেম্বর ২০২০-এ বিহারের নির্বাচনী জনসভায় উদ্ধৃত, [https://www.opindia.com/2020/11/aimim-asaduddin-owaisi-says-entire-india-is-his-ancestors-proprietary-bihar/ “এনটায়ার ইন্ডিয়া ইজ মাই অ্যানসেস্টরস প্রপার্টি”: এআইএমআইএম চিফ আসাদউদ্দিন ওয়াইসি ইন বিহার ইলেকশন র্যালি]
* রাসুলকে (সা.) অপমান করা গ্রহণযোগ্য নয়। ধর্মীয় শিক্ষক হিসেবে কাজ করা এই অপরাধীরা কি ইসলাম নিয়ে তাদের অস্বাভাবিক আচ্ছন্নতা কাটিয়ে উঠতে পারে না? আপনারা যা পছন্দ করেন না, তার পেছনে আপনারা অনেক সময় ব্যয় করেন। আমি নিশ্চিত যে আপনাদের নিজস্ব বিশ্বাস ব্যবস্থায় আলোচনা করার মতো যথেষ্ট কিছু রয়েছে।
**হিন্দু পুরোহিত যতি নরসিংহানন্দ সরস্বতী সম্পর্কে। টুইটারে টুইট এপ্রিল ২০২১, [https://twitter.com/asadowaisi/status/1378193374918807553] এআইএমআইএম প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়াইসি, ৩ এপ্রিল, ২০২১। [https://www.indiatoday.in/india/story/delhi-police-summons-up-priest-yati-narsinghanand-for-inflammatory-comments-on-prophet-1789133-2021-04-09 ইন্ডিয়া টুডে] [https://goachronicle.com/there-is-no-soft-islam-islam-is-radical-yati-narsinghanand-saraswati/ দেয়ার ইজ নো সফট ইসলাম, ইসলাম ইজ র্যাডিক্যাল: যতি নরসিংহানন্দ সরস্বতী] [https://www.opindia.com/2021/04/yati-narsinghanand-saraswati-dasna-temple-interview-islam/ ‘নো ডিফারেন্স বিটুইন ইসলাম অ্যান্ড ইসলামিক র্যাডিক্যালিজম, ইটস আ ডেঞ্জার টু অল রিলিজিয়নস’: হোয়াট যতি নরসিংহানন্দ সেইড ইন আ রিসেন্ট ইন্টারভিউ]
* আমরা এই দেশকে সবুজ (ইসলামের রঙ) রঙে রাঙিয়ে দেব, অন্য কোনো রঙ এর সামনে টিকতে পারবে না।
* আপনারা যখনই এটা করেন আমরা তোয়াক্কা করি না, কিন্তু আমরা যখন সবুজ পরিধান করব, তখন সবকিছুকে সবুজ করে দেব... ইনশা আল্লাহ। এবং আমাদের সবুজের সামনে অন্য কোনো রঙ দাঁড়াতে পারবে না ইনশা আল্লাহ, মোদির রঙও নয়, বা কংগ্রেসের রঙও নয়... আর কেউ নয়, কেবল আমাদের সবুজ থাকবে..সবুজ, সবুজ, সবুজ...
** – আসাদউদ্দিন ওয়াইসি, এআইএমআইএম প্রধান। একটি ভাষণে আরোপিত, [https://twitter.com/ANI/status/944450807755182081] [https://www.hindupost.in/politics/asaduddin-owaisi-threatens-islamize-entire-country/] [https://www.hindupost.in/dharma-religion/we-ruled-you-for-centuries-says-sufi-leader/]
* এটি আমাদের দেশ... মনে রাখবেন এটি আমাদের দেশ। আমাদের পূর্বপুরুষরা এই দেশের স্বাধীনতার জন্য জীবন দিয়েছেন।’ ‘...যদি আপনারা ভয় তৈরি করতে চান, তবে আল্লাহর ভয় তৈরি করুন...’ ‘...আমরা আমাদের অধিকারের জন্য লড়ব এবং আমরা বলছি না যে আমরা আকাশ থেকে তারা আনব বা চাঁদ থেকে জমি আনব। আমরা যা বলছি তা হলো উত্তরপ্রদেশের নানপাড়ার মাটিতে মজলিসের পতাকা উড়বে।’
** ২০২১ সালে উদ্ধৃত, [https://web.archive.org/web/20211019223939/https://www.opindia.com/2021/10/asaduddin-owaisi-asks-muslims-to-create-fear-of-allah-ahead-of-up-polls-ulema-jihad-british/ আসাদউদ্দিন ওয়াইসি আস্কস মুসলিমস টু ক্রিয়েট ফিয়ার অফ আল্লাহ, সেজ উলেমা ইস্যুড ফতোয়া প্রেসক্রাইবিং জিহাদ অ্যাগেইনস্ট ব্রিটিশ]
* "পাকিস্তানের সংবিধানে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে কেবল একটি ধর্মের ব্যক্তিই দেশটির প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন। বাবা সাহেবের সংবিধান বলে যে ভারতের যেকোনো নাগরিক প্রধানমন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী বা মেয়র হতে পারেন। এটি আমার স্বপ্ন যে এমন একটি দিন আসবে যখন একজন হিজাব পরিহিত কন্যা এই দেশের প্রধানমন্ত্রী হবেন," এএনআই-এর উদ্ধৃতি অনুযায়ী ওয়াইসি বলেন।
** ২০২৬, [https://x.com/ANI/status/2009874359331303722]
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৬৯-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতের রাজনীতিবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতের মুসলিম]]
12wxhnqcv74vfn0kslllp3ww3tx72rt
ব্যবহারকারী আলাপ:Minhaz Shakil
3
12619
83281
80193
2026-05-02T19:35:30Z
Minhaz Shakil
5264
/* Inspiration */ নতুন অনুচ্ছেদ
83281
wikitext
text/x-wiki
== উইকিউক্তিতে স্বাগত ==
<div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;">
সুপ্রিয় Minhaz Shakil,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন!
* উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন।
** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন।
* উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন।
* পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন।
* পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন।
* [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন!
কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম!
— [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটি]]
</div>
২০:১৩, ১৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== মানুষের মন ==
এতদিন আয়না পরিস্কার করে গেলাম অথচ দাগ ছিল আমার চেহারায় [[ব্যবহারকারী:Minhaz Shakil|Minhaz Shakil]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Minhaz Shakil#top|আলাপ]]) ২০:২৭, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== Inspiration ==
এতদিন আয়না পরিস্কার করে গেলাম অথচ দাগ ছিল আমার চেহারায় [[ব্যবহারকারী:Minhaz Shakil|Minhaz Shakil]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Minhaz Shakil#top|আলাপ]]) ১৯:৩৫, ২ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
54uh28me27lh8r4fv2kiy59vinyoygg
83282
83281
2026-05-02T19:37:29Z
Minhaz Shakil
5264
/* রাসুলুল্লাহ সাঃ এর হাদিস */ নতুন অনুচ্ছেদ
83282
wikitext
text/x-wiki
== উইকিউক্তিতে স্বাগত ==
<div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;">
সুপ্রিয় Minhaz Shakil,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন!
* উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন।
** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন।
* উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন।
* পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন।
* পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন।
* [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন!
কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম!
— [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটি]]
</div>
২০:১৩, ১৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== মানুষের মন ==
এতদিন আয়না পরিস্কার করে গেলাম অথচ দাগ ছিল আমার চেহারায় [[ব্যবহারকারী:Minhaz Shakil|Minhaz Shakil]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Minhaz Shakil#top|আলাপ]]) ২০:২৭, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)
== Inspiration ==
এতদিন আয়না পরিস্কার করে গেলাম অথচ দাগ ছিল আমার চেহারায় [[ব্যবহারকারী:Minhaz Shakil|Minhaz Shakil]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Minhaz Shakil#top|আলাপ]]) ১৯:৩৫, ২ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
== রাসুলুল্লাহ সাঃ এর হাদিস ==
প্রচার কর, যদি একটা মাত্র হাদিস ও হয় [[ব্যবহারকারী:Minhaz Shakil|Minhaz Shakil]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Minhaz Shakil#top|আলাপ]]) ১৯:৩৭, ২ মে ২০২৬ (ইউটিসি)
94lwo9biaddrj4k1jig0lthsv2p7i18
শাহ বানু মামলা
0
12637
83286
77643
2026-05-02T19:50:20Z
Tuhin
172
/* উক্তি */
83286
wikitext
text/x-wiki
{{italic title}}
'''[[w:শাহ বানু মামলা|মোহাম্মদ আহমেদ খান বনাম শাহ বানো বেগম]]''', যা সাধারণত '''শাহ বানু মামলা''' নামে পরিচিত, ছিল [[ভারত|ভারতের]] একটি বিতর্কিত ভরণপোষণ সংক্রান্ত মামলা। এই মামলায় [[w:ভারতের সুপ্রিম কোর্ট|সুপ্রিম কোর্ট]] একজন ক্ষতিগ্রস্ত তালাকপ্রাপ্ত মুসলিম নারীকে ভরণপোষণ দেওয়ার পক্ষে রায় দেয়। পরবর্তীতে তৎকালীন [[w:ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস|কংগ্রেস]] সরকার একটি আইন প্রণয়ন করে যার সবচেয়ে বিতর্কিত দিক ছিল তালাকের পর কেবল ''[[w:ইদ্দত|ইদ্দত]]'' কালীন সময়ের জন্য ভরণপোষণের অধিকার এবং এরপর তার ভরণপোষণের দায়ভার আত্মীয়স্বজন বা [[w:ওয়াকফ|ওয়াকফ]] বোর্ডের ওপর ন্যস্ত করা। এটি বৈষম্যমূলক হিসেবে দেখা হয় কারণ এটি মুসলিম [[w:ভারতে নারী|নারী]]দের [[w:ধর্মনিরপেক্ষ আইন|ধর্মনিরপেক্ষ আইনের]] অধীনে প্রাপ্য মৌলিক ভরণপোষণের অধিকার থেকে বঞ্চিত করেছিল।
==উক্তি==
*আমরা মনে করি এটি অত্যন্ত নিষ্ঠুর যে সত্তরোর্ধ্ব ও নিঃস্ব হওয়া সত্ত্বেও এবং পঁয়তাল্লিশ বছর সংসার ও পাঁচটি সন্তান জন্ম দেওয়ার পরেও ওলেমা বা ধর্মতাত্ত্বিকরা জেদ ধরেছিলেন যে শাহ বানু কোনো ভরণপোষণ পাবেন না যখন তার সমৃদ্ধ আইনজীবী স্বামী তাকে কেবল একটি শব্দ 'তালাক' উচ্চারণ করে বের করে দিয়েছিলেন। তবে স্বয়ং নবীই বিভিন্ন ক্ষেত্রে ঘোষণা করেছেন যে তালাকপ্রাপ্ত নারী কোনো ভরণপোষণ পাওয়ার অধিকারী নন।
**অরুণ শৌরি, দ্য ওয়ার্ল্ড অফ ফতোয়াস অর দ্য শরিয়াহ ইন অ্যাকশন, নয়ডা, উত্তরপ্রদেশ: হার্পার কলিন্স পাবলিশার্স ইন্ডিয়া, (২০১২)।
*তবে ওলেমাদের কাজ কেবল শরিয়াহকে 'রক্ষা' করার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকলে সেটি অর্ধেক কাজ হতো। আমরা যেমন দেখেছি, তাদের ক্ষমতা কেবল শরিয়াহর ওপর নয় বরং শরিয়াহ অস্পষ্ট ও বিধিবদ্ধ না থাকার ওপর নির্ভর করে। শাহ বানু মামলার রায় পরিবর্তনের বিল নিয়ে আলোচনার সাথে যুক্ত থাকা তাহির মাহমুদ পরবর্তীতে জানিয়েছিলেন: এই আইনের প্রচারণার সময় মুসলিম সম্প্রদায়ের নেতারা একমত হয়েছিলেন যে বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে দেশের জন্য মুসলিম আইনের একটি ব্যাপক খসড়া কোড তৈরি করা হবে যা সংসদে পেশ করা হবে। এই উদ্দেশ্যে ১৯৮৭ সালে অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ড কর্তৃক ধর্মতাত্ত্বিক ও আইনজীবীদের নিয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়। তবে বিহারের পাটনার কাছে ফুলওয়ারী শরীফে সদর দপ্তর থাকা সেই কমিটি এ পর্যন্ত উর্দুতে হানাফি আইনের বিবরণ দিয়ে কয়েকটি পুস্তিকা প্রকাশ করা ছাড়া আর কিছুই করতে পারেনি। তারা এই সত্যটি এড়িয়ে গেছেন যে এটি কোনো খসড়া কোড নয় এবং যে দেশে মুসলিম আইনের অন্তত চারটি ভিন্ন মাযহাবের (হানাফি, শাফি'ই, জাফরি এবং ইসমাইলি) অনুসারীরা বাস করেন সেখানে হানাফি আইন কখনোই পুরো সম্প্রদায়ের জন্য একমাত্র আইনি কোড হিসেবে গৃহীত হতে পারে না। তাদের এই প্রচেষ্টাটি ছিল নিরর্থক কারণ কোনো যথাযথ কোড বা সংহিতার অভাবে আদালত এবং অন্যান্য ব্যাখ্যাকারীরা অনির্ভরযোগ্য ও মাঝে মাঝে ত্রুটিপূর্ণ পাঠ্যপুস্তক এবং নজিরের ওপর নির্ভর করে চলেছেন।
**অরুণ শৌরি এর দ্য ওয়ার্ল্ড অফ ফতোয়াস অর দ্য শরিয়াহ ইন অ্যাকশন (২০১২) বইতে উদ্ধৃত তাহির মাহমুদ।
*এর ফলাফল? নবীর সময়ের ইতিমধ্যে ভারসাম্যহীন বিশ্বদৃষ্টির সাথে যুক্ত হওয়া অমানবিক বিষয়গুলোও স্পর্শ করা যায় না কারণ বৈষম্য ও পুরুষ আধিপত্যে অভ্যস্ত সমাজ নিশ্চিত করেছে যে কুরআন বা নবীর বাণীতে যেটুকু মানবিক সম্ভাবনা ছিল তা অতীতে কার্যকর করা হয়নি। এবং সেগুলো কার্যকর করার প্রতিটি প্রচেষ্টা যেমন শাহ বানু মামলায় সুপ্রিম কোর্ট বা 'তিন তালাক' এর বিষয়ে বিচারপতি তিলহরি যা করেছেন তা ইসলামে আঘাত হিসেবে নিন্দিত হয়।
**অরুণ শৌরি, দ্য ওয়ার্ল্ড অফ ফতোয়াস অর দ্য শরিয়াহ ইন অ্যাকশন, নয়ডা, উত্তরপ্রদেশ: হার্পার কলিন্স পাবলিশার্স ইন্ডিয়া, (২০১২)।
*ঐতিহাসিক উদাহরণ হিসেবে ১৯৮৫ সালের শাহ বানো মামলাটি দেওয়া হয়: স্বামী কর্তৃক পরিত্যক্ত হয়ে মুসলিম নারী শাহ বানু আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন খোরপোশ আদায়ের জন্য যা ইসলামিক আইনে নিষিদ্ধ। সুপ্রিম কোর্ট আইনের দৃষ্টিতে সমতার ভিত্তিতে তার দাবিকে বহাল রাখে তবে মুসলিমদের চাপে রাজীব গান্ধীর কংগ্রেস সরকার একটি আইন পাস করে আদালতের রায় বাতিল করে দেয় এবং অন্তত মুসলিমদের জন্য তালাক সংক্রান্ত ইসলামিক নিয়মগুলো পুনরায় নিশ্চিত করে।
**কোয়েনরাড এলস্ট, ডিকলোনাইজিং দ্য হিন্দু মাইন্ড: আইডিওলজিক্যাল ডেভেলপমেন্ট অফ হিন্দু রিভাইভালিজম, (২০০১)।
*সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে একটি নেতিবাচক ভাবমূর্তি তৈরি করতে এবং গতানুগতিক ছাঁচে বাঁধা পক্ষপাতিত্ব নির্মাণ করতে হিন্দু জাতীয়তাবাদের প্রতি অনুগত এক বিশাল নেটওয়ার্ক সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে ছড়িয়ে পড়েছে। এই আগ্রাসনের উসকানি ও যৌক্তিকতা তৈরি হয়েছিল মুসলিম নেতৃত্বের একাংশের শাহ বানু ভুলের মাধ্যমে। এরপর থেকে আর পেছনে তাকাতে হয়নি এবং বর্তমানের মুসলিমদের দানবীয় হিসেবে উপস্থাপন করতে মধ্যযুগীয় ইতিহাসকে ব্যবহার করা হয়েছে। এই তালিকায় দ্রুত যুক্ত হয়েছে লাভ জিহাদ, {{w|ঘর ওয়াপসি|ঘর ওয়াপসি}} এবং [[w:ভারতে গো-রক্ষা সংক্রান্ত সহিংসতা|গো-রক্ষা বাহিনী]] যা মুসলিমদের ধর্মীয় পরিচয়কে ক্ষুণ্ন করতে ও সমাজ থেকে প্রান্তিক করতে সহায়তা করেছে। এর ফলস্বরূপ সংখ্যালঘুদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা বেড়েছে এবং তারা ইসলামের কঠোর বিধান দেওয়া মাওলানাদের আশ্রয়ে চলে গেছে। গণমাধ্যমের একটি অংশ এই মাওলানাদের শিক্ষাকে ব্যবহার করেই পুরো সম্প্রদায়কে চিহ্নিত করে। অন্যদিকে মধ্যপন্থী মুসলিমরা যারা মানবিক মূল্যবোধের কথা বলতে চান তারা আজ প্রান্তিক হয়ে পড়েছেন।
**[[w:রাম পুনিয়ানি|রাম পুনিয়ানি]], [https://www.newsclick.in/Combating-Hate-Building-Bridges-Love-Indian-Democracy-Covid-19 "কমব্যাটিং হেট: বিল্ডিং ব্রিজেস অফ লাভ"], ১৪ মে ২০২০।
*একটি ঐতিহাসিক রায়ে সুপ্রিম কোর্ট মোহাম্মদ আহমেদ খানের আপিল খারিজ করে দেয় এবং তাকে হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী প্রাক্তন স্ত্রীকে রক্ষণাবেক্ষণের খরচ দেওয়ার নির্দেশ দেয়। আদালত প্রশ্ন তুলেছিল যে মুসলিম ব্যক্তিগত আইন কি একজন স্বামীর ওপর তার তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রীর ভরণপোষণের কোনো বাধ্যবাধকতা আরোপ করে না? নিঃসন্দেহে একজন মুসলিম স্বামী তার স্ত্রীকে যখন খুশি যেকোনো ভালো, মন্দ বা অস্পষ্ট কারণে বর্জন করার সুযোগ পান। এমনকি কোনো কারণ ছাড়াও। এটি অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে কিছু পক্ষ যারা স্বামীকে সমর্থন করেছিল তারা রক্ষণাবেক্ষণহীন নারীদের এই অধিকারকে নস্যাৎ করার জন্য চরম অবস্থান গ্রহণ করেছিল।
** [https://indiankanoon.org/doc/823221/ indiankanoon.org/doc/823221/], আনন্দ রঙ্গনাথন এর হিন্দুস ইন হিন্দু রাষ্ট্র : এইটথ-ক্লাস সিটিজেনস অ্যান্ড ভিক্টিমস অফ স্টেট-স্যাংশনড অ্যাপারথাইড (২০২৩) বইয়ের ৫ অধ্যায়ে উদ্ধৃত।
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতে ইসলাম]]
[[বিষয়শ্রেণী:ইসলাম ও নারী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় আইন ব্যবস্থা]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতের রাজনীতি]]
[[বিষয়শ্রেণী:ইসলাম ও রাজনীতি]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৮০-এর দশকে ভারত]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৮৫]]
7rwav2dv9ynjhwgztg4h6249733u27s
83295
83286
2026-05-03T00:39:19Z
ARI
356
83295
wikitext
text/x-wiki
{{italic title}}
'''[[w:শাহ বানু মামলা|মোহাম্মদ আহমেদ খান বনাম শাহ বানো বেগম]]''', যা সাধারণত '''শাহ বানু মামলা''' নামে পরিচিত, ছিল [[ভারত|ভারতের]] একটি বিতর্কিত ভরণপোষণ সংক্রান্ত মামলা। এই মামলায় [[w:ভারতের সুপ্রিম কোর্ট|সুপ্রিম কোর্ট]] একজন ক্ষতিগ্রস্ত তালাকপ্রাপ্ত মুসলিম নারীকে ভরণপোষণ দেওয়ার পক্ষে রায় দেয়। পরবর্তীতে তৎকালীন [[w:ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস|কংগ্রেস]] সরকার একটি আইন প্রণয়ন করে যার সবচেয়ে বিতর্কিত দিক ছিল তালাকের পর কেবল ''[[w:ইদ্দত|ইদ্দত]]'' কালীন সময়ের জন্য ভরণপোষণের অধিকার এবং এরপর তার ভরণপোষণের দায়ভার আত্মীয়স্বজন বা [[w:ওয়াকফ|ওয়াকফ]] বোর্ডের ওপর ন্যস্ত করা। এটি বৈষম্যমূলক হিসেবে দেখা হয় কারণ এটি মুসলিম [[w:ভারতে নারী|নারী]]দের [[w:ধর্মনিরপেক্ষ আইন|ধর্মনিরপেক্ষ আইনের]] অধীনে প্রাপ্য মৌলিক ভরণপোষণের অধিকার থেকে বঞ্চিত করেছিল।
==উক্তি==
*আমরা মনে করি এটি অত্যন্ত নিষ্ঠুর যে সত্তরোর্ধ্ব ও নিঃস্ব হওয়া সত্ত্বেও এবং পঁয়তাল্লিশ বছর সংসার ও পাঁচটি সন্তান জন্ম দেওয়ার পরেও ওলেমা বা ধর্মতাত্ত্বিকরা জেদ ধরেছিলেন যে শাহ বানু কোনো ভরণপোষণ পাবেন না যখন তার সমৃদ্ধ আইনজীবী স্বামী তাকে কেবল একটি শব্দ 'তালাক' উচ্চারণ করে বের করে দিয়েছিলেন। তবে স্বয়ং নবীই বিভিন্ন ক্ষেত্রে ঘোষণা করেছেন যে তালাকপ্রাপ্ত নারী কোনো ভরণপোষণ পাওয়ার অধিকারী নন।
**অরুণ শৌরি, দ্য ওয়ার্ল্ড অফ ফতোয়াস অর দ্য শরিয়াহ ইন অ্যাকশন, নয়ডা, উত্তরপ্রদেশ: হার্পার কলিন্স পাবলিশার্স ইন্ডিয়া, (২০১২)।
*তবে ওলেমাদের কাজ কেবল শরিয়াহকে 'রক্ষা' করার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকলে সেটি অর্ধেক কাজ হতো। আমরা যেমন দেখেছি, তাদের ক্ষমতা কেবল শরিয়াহর ওপর নয় বরং শরিয়াহ অস্পষ্ট ও বিধিবদ্ধ না থাকার ওপর নির্ভর করে। শাহ বানু মামলার রায় পরিবর্তনের বিল নিয়ে আলোচনার সাথে যুক্ত থাকা তাহির মাহমুদ পরবর্তীতে জানিয়েছিলেন: এই আইনের প্রচারণার সময় মুসলিম সম্প্রদায়ের নেতারা একমত হয়েছিলেন যে বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে দেশের জন্য মুসলিম আইনের একটি ব্যাপক খসড়া কোড তৈরি করা হবে যা সংসদে পেশ করা হবে। এই উদ্দেশ্যে ১৯৮৭ সালে অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ড কর্তৃক ধর্মতাত্ত্বিক ও আইনজীবীদের নিয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়। তবে বিহারের পাটনার কাছে ফুলওয়ারী শরীফে সদর দপ্তর থাকা সেই কমিটি এ পর্যন্ত উর্দুতে হানাফি আইনের বিবরণ দিয়ে কয়েকটি পুস্তিকা প্রকাশ করা ছাড়া আর কিছুই করতে পারেনি। তারা এই সত্যটি এড়িয়ে গেছেন যে এটি কোনো খসড়া কোড নয় এবং যে দেশে মুসলিম আইনের অন্তত চারটি ভিন্ন মাযহাবের (হানাফি, শাফি'ই, জাফরি এবং ইসমাইলি) অনুসারীরা বাস করেন সেখানে হানাফি আইন কখনোই পুরো সম্প্রদায়ের জন্য একমাত্র আইনি কোড হিসেবে গৃহীত হতে পারে না। তাদের এই প্রচেষ্টাটি ছিল নিরর্থক কারণ কোনো যথাযথ কোড বা সংহিতার অভাবে আদালত এবং অন্যান্য ব্যাখ্যাকারীরা অনির্ভরযোগ্য ও মাঝে মাঝে ত্রুটিপূর্ণ পাঠ্যপুস্তক এবং নজিরের ওপর নির্ভর করে চলেছেন।
**অরুণ শৌরি এর দ্য ওয়ার্ল্ড অফ ফতোয়াস অর দ্য শরিয়াহ ইন অ্যাকশন (২০১২) বইতে উদ্ধৃত তাহির মাহমুদ।
*এর ফলাফল? নবীর সময়ের ইতিমধ্যে ভারসাম্যহীন বিশ্বদৃষ্টির সাথে যুক্ত হওয়া অমানবিক বিষয়গুলোও স্পর্শ করা যায় না কারণ বৈষম্য ও পুরুষ আধিপত্যে অভ্যস্ত সমাজ নিশ্চিত করেছে যে কুরআন বা নবীর বাণীতে যেটুকু মানবিক সম্ভাবনা ছিল তা অতীতে কার্যকর করা হয়নি। এবং সেগুলো কার্যকর করার প্রতিটি প্রচেষ্টা যেমন শাহ বানু মামলায় সুপ্রিম কোর্ট বা 'তিন তালাক' এর বিষয়ে বিচারপতি তিলহরি যা করেছেন তা ইসলামে আঘাত হিসেবে নিন্দিত হয়।
**অরুণ শৌরি, দ্য ওয়ার্ল্ড অফ ফতোয়াস অর দ্য শরিয়াহ ইন অ্যাকশন, নয়ডা, উত্তরপ্রদেশ: হার্পার কলিন্স পাবলিশার্স ইন্ডিয়া, (২০১২)।
*ঐতিহাসিক উদাহরণ হিসেবে ১৯৮৫ সালের শাহ বানো মামলাটি দেওয়া হয়: স্বামী কর্তৃক পরিত্যক্ত হয়ে মুসলিম নারী শাহ বানু আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন খোরপোশ আদায়ের জন্য যা ইসলামিক আইনে নিষিদ্ধ। সুপ্রিম কোর্ট আইনের দৃষ্টিতে সমতার ভিত্তিতে তার দাবিকে বহাল রাখে তবে মুসলিমদের চাপে রাজীব গান্ধীর কংগ্রেস সরকার একটি আইন পাস করে আদালতের রায় বাতিল করে দেয় এবং অন্তত মুসলিমদের জন্য তালাক সংক্রান্ত ইসলামিক নিয়মগুলো পুনরায় নিশ্চিত করে।
**কোয়েনরাড এলস্ট, ডিকলোনাইজিং দ্য হিন্দু মাইন্ড: আইডিওলজিক্যাল ডেভেলপমেন্ট অফ হিন্দু রিভাইভালিজম, (২০০১)।
*সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে একটি নেতিবাচক ভাবমূর্তি তৈরি করতে এবং গতানুগতিক ছাঁচে বাঁধা পক্ষপাতিত্ব নির্মাণ করতে হিন্দু জাতীয়তাবাদের প্রতি অনুগত এক বিশাল নেটওয়ার্ক সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে ছড়িয়ে পড়েছে। এই আগ্রাসনের উসকানি ও যৌক্তিকতা তৈরি হয়েছিল মুসলিম নেতৃত্বের একাংশের শাহ বানু ভুলের মাধ্যমে। এরপর থেকে আর পেছনে তাকাতে হয়নি এবং বর্তমানের মুসলিমদের দানবীয় হিসেবে উপস্থাপন করতে মধ্যযুগীয় ইতিহাসকে ব্যবহার করা হয়েছে। এই তালিকায় দ্রুত যুক্ত হয়েছে লাভ জিহাদ, {{w|ঘর ওয়াপসি|ঘর ওয়াপসি}} এবং [[w:ভারতে গো-রক্ষা সংক্রান্ত সহিংসতা|গো-রক্ষা বাহিনী]] যা মুসলিমদের ধর্মীয় পরিচয়কে ক্ষুণ্ন করতে ও সমাজ থেকে প্রান্তিক করতে সহায়তা করেছে। এর ফলস্বরূপ সংখ্যালঘুদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা বেড়েছে এবং তারা ইসলামের কঠোর বিধান দেওয়া মাওলানাদের আশ্রয়ে চলে গেছে। গণমাধ্যমের একটি অংশ এই মাওলানাদের শিক্ষাকে ব্যবহার করেই পুরো সম্প্রদায়কে চিহ্নিত করে। অন্যদিকে মধ্যপন্থী মুসলিমরা যারা মানবিক মূল্যবোধের কথা বলতে চান তারা আজ প্রান্তিক হয়ে পড়েছেন।
**[[w:রাম পুনিয়ানি|রাম পুনিয়ানি]], [https://www.newsclick.in/Combating-Hate-Building-Bridges-Love-Indian-Democracy-Covid-19 ''কমব্যাটিং হেট: বিল্ডিং ব্রিজেস অফ লাভ''], ১৪ মে ২০২০।
*একটি ঐতিহাসিক রায়ে সুপ্রিম কোর্ট মোহাম্মদ আহমেদ খানের আপিল খারিজ করে দেয় এবং তাকে হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী প্রাক্তন স্ত্রীকে রক্ষণাবেক্ষণের খরচ দেওয়ার নির্দেশ দেয়। আদালত প্রশ্ন তুলেছিল যে মুসলিম ব্যক্তিগত আইন কি একজন স্বামীর ওপর তার তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রীর ভরণপোষণের কোনো বাধ্যবাধকতা আরোপ করে না? নিঃসন্দেহে একজন মুসলিম স্বামী তার স্ত্রীকে যখন খুশি যেকোনো ভালো, মন্দ বা অস্পষ্ট কারণে বর্জন করার সুযোগ পান। এমনকি কোনো কারণ ছাড়াও। এটি অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে কিছু পক্ষ যারা স্বামীকে সমর্থন করেছিল তারা রক্ষণাবেক্ষণহীন নারীদের এই অধিকারকে নস্যাৎ করার জন্য চরম অবস্থান গ্রহণ করেছিল।
** [https://indiankanoon.org/doc/823221/ indiankanoon.org/doc/823221/], আনন্দ রঙ্গনাথন এর হিন্দুস ইন হিন্দু রাষ্ট্র : এইটথ-ক্লাস সিটিজেনস অ্যান্ড ভিক্টিমস অফ স্টেট-স্যাংশনড অ্যাপারথাইড (২০২৩) বইয়ের ৫ অধ্যায়ে উদ্ধৃত।
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতে ইসলাম]]
[[বিষয়শ্রেণী:ইসলাম ও নারী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় আইন ব্যবস্থা]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতের রাজনীতি]]
[[বিষয়শ্রেণী:ইসলাম ও রাজনীতি]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৮০-এর দশকে ভারত]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৮৫]]
ao9pwcws8hnvtpyjwp2ies2lo69cvvr
সাংবাদিকতা
0
12652
83309
80107
2026-05-03T04:29:58Z
Oindrojalik Watch
4169
83309
wikitext
text/x-wiki
[[File:2 Fillettes vendant des journaux, Wilmington (Delaware), mai 1910.jpg|thumb|আমেরিকায় রাষ্ট্রপতি চার বছরের জন্য রাজত্ব করেন, আর সাংবাদিকতা শাসন করে অনন্তকাল ধরে!<br>~'''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''']]
'''[[w:সাংবাদিকতা|সাংবাদিকতা]]''' হলো সংবাদ সংগ্রহ, লিখন এবং সংবাদ পরিবেশনের একটি বিশেষ শাখা। বিস্তৃত অর্থে এটি সংবাদ নিবন্ধ সম্পাদনা ও উপস্থাপনার প্রক্রিয়াকেও অন্তর্ভুক্ত করে। সাংবাদিকতা বিভিন্ন মাধ্যমের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, তবে এটি কেবল [[w:সংবাদপত্র|সংবাদপত্র]], [[w:সাময়িকী_(পত্রিকা)|সাময়িকী]], [[w:বেতার|রেডিও]] এবং [[w:টেলিভিশন|টেলিভিশনের]] মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। সংবাদ প্রচারের দৌড়ে সবার আগে থাকার প্রবল চাপ থাকা সত্ত্বেও, প্রতিটি সংবাদ সংস্থা নিজস্ব নির্ভুলতা, গুণমান এবং শৈলীর মানদণ্ড মেনে চলে। যেখানে সাধারণত প্রকাশের পূর্বে প্রতিবেদনগুলো [[:w:সম্পাদনা|সম্পাদনা]] ও প্রুফরিডিং করা হয়। অনেক সংবাদ সংস্থা সরকারি কর্মকর্তা ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে জনগণের কাছে দায়বদ্ধ রাখার গৌরবময় ঐতিহ্য দাবি করে, যদিও সংবাদ মাধ্যম সমালোচকরা খোদ সংবাদপত্রের দায়বদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ''জার্নালিজম'' বা সাংবাদিকতা শব্দটি [[w:ফরাসি_ভাষা|ফরাসি ভাষার]] '''''journal''''' '''''বা''''' '''''জার্নাল''''' থেকে নেওয়া হয়েছে, যা কালক্রমে ল্যাটিন ''ডিউর্নাল'' বা দৈনিক শব্দ থেকে উদ্ভূত। [[w:প্রাচীন_রোম|প্রাচীন রোমের]] প্রধান জনচত্বর ফোরামে প্রতিদিন 'অ্যাক্টা ডিউর্না' নামক একটি হস্তলিখিত বুলেটিন টাঙিয়ে দেওয়া হতো, যা ছিল বিশ্বের প্রথম সংবাদপত্র।
[[File:Amy Goodman — Keynote, National Conference for Media Reform 2013 (8626124929).jpg|thumb|যেখানে নিস্তব্ধতা বিরাজ করে, সেখানে ছুটে যাওয়াই একজন সাংবাদিকের দায়িত্ব। যারা বিস্মৃত, পরিত্যক্ত এবং ক্ষমতাশালীদের দ্বারা নিগৃহীত, তাদের কণ্ঠস্বর হয়ে ওঠা।<br>~'''''অ্যামি গুডম্যান''''']]
__NOTOC__
{{TOCalpha|''[[#হোয়েট'স নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস|হোয়েট'স নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস]]'' · [[#আরোপিত|আরোপিত]]}}
== A ==
[[File:Julian Assange in Ecuadorian Embassy cropped.jpg|thumb|আমরা আমাদের পেছনে এমন এক অনন্য ক্ষেত্র তৈরি করছি যা সাংবাদিকতার সেই বিশেষ রূপটিকে বিকশিত হতে দেয়, যা সাংবাদিকতা চিরকাল নিজের জন্য প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিল। আমরা সেই ক্ষেত্রটি সৃষ্টি করছি কারণ আমরা শক্তিশালী গোষ্ঠীগুলোর মুখোশ সাহসের সাথে উন্মোচন করার ফলে আসা যাবতীয় সমালোচনা ও আক্রমণকে স্বেচ্ছায় গ্রহণ করছি।<br>~'''''[[:w:জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ|জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ]]''''' ]]
[[File:Great men and famous women - a series of pen and pencil sketches of the lives of more than 200 of the most prominent personages in history Volume 7 (1894) (14760162546).jpg|thumb|সাংবাদিকতা সত্যিই মহৎ। প্রতিটি দক্ষ ও সামর্থ্যবান সম্পাদক কি বিশ্বের একেকজন প্রকৃত শাসক নন, যেহেতু তিনি বিশ্ববাসীকে নিজের যুক্তি ও চিন্তায় প্ররোচিত ও প্রভাবিত করার ক্ষমতা রাখেন?<br>~'''''[[:w:টমাস কার্লাইল|টমাস কার্লাইল]]''''' ]]
*একটি রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ স্বাধীনতার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সংবাদপত্রের অবাধ স্বাধীনতা অপরিহার্য ও মৌলিক একটি শর্ত। অতএব, এই কমনওয়েলথ বা জনসমষ্টির মধ্যে কোনোভাবেই সংবাদপত্রের সেই স্বাধীনতাকে খর্ব বা সংকুচিত করা উচিত নয়।
**'''''ম্যাসাচুসেটস সংবিধান''''' (২৫ অক্টোবর, ১৭৮০ তারিখে গৃহীত; যা বিশ্বের প্রাচীনতম কার্যকর লিখিত সংবিধান) {{cite book|author='''''[[:w:জন অ্যাডামস|জন অ্যাডামস]]''''', '''''[[:w:স্যামুয়েল অ্যাডামস|স্যামুয়েল অ্যাডামস]]''''', '''''[[:w:জেমস বাউডোইন|জেমস বাউডোইন]]'''''|title=[[:w:ম্যাসাচুসেটস কমনওয়েলথ এর সংবিধান|ম্যাসাচুসেটস কমনওয়েলথ এর সংবিধান]]|publisher=[[:w:ম্যাসাচুসেটস|ম্যাসাচুসেটস কমনওয়েলথ]]|year=1780|pages= অনুচ্ছেদ XVI}}[http://en.wikisource.org/wiki/Constitution_of_the_Commonwealth_of_Massachusetts_%281780%29 মূল পাঠ্য]
* বেনামে তথ্য ফাঁস করা একটি প্রাচীন শিল্পকলা এবং অনেক ওয়েবসাইটই এমন সব উৎস থেকে প্রাপ্ত নথিপত্র প্রকাশ করে থাকে যাদের তারা শনাক্ত করতে পারে না। উইকিলিকস যা করেছে তা হলো এই পুরো প্রক্রিয়াটিকে পেশাদার রূপ দেওয়া। তারা তথ্য ফাঁস গ্রহণ, প্রক্রিয়াকরণ এবং তা জনসমক্ষে প্রকাশের জন্য একটি সুনির্দিষ্ট ও মানসম্মত কার্যপ্রণালী তৈরি করেছে।
** '''''স্টিফেন আফটারগুড''''', '''FAS''' বা ফেডারেশন অফ আমেরিকান সায়েন্টিস্টস প্রজেক্ট অন গভর্নমেন্ট সিক্রেসি — প্রতিবেদনে উল্লিখিত {{cite news|first=পল |last=মার্কস |author= |url= |title=উচ্চপদে আসীন ব্যক্তিদের অপ্রস্তুত করার একটি অব্যর্থ উপায়: হুইসেল-ব্লোয়ার বা তথ্য ফাঁসকারীরা কোনো চিহ্ন না রেখেই সব বলে দিতে পারেন, সেইসব ওয়েবসাইটকে ধন্যবাদ যা তাদের পরিচয় গোপন রাখে |work= নিউ সায়েন্টিস্ট|publisher=রিড বিজনেস ইনফরমেশন |pages= |page=২৮, খণ্ড ১৯৮; ইস্যু ২৬৫৫ |date=মে ১০, ২০০৮ |accessdate= }}
* একজন সাংবাদিক হিসেবে আমার কর্মজীবন আমার সাহিত্যিক সৃজনশীলতার ক্ষেত্রে এক মৌলিক ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছে। সাংবাদিকতাই আমাকে শব্দকে চিনতে এবং ভালোবাসতে শিখিয়েছে—যা আমার পেশার প্রধান হাতিয়ার এবং আমার শিল্পের মূল উপাদান। সাংবাদিকতা আমাকে সত্যের সন্ধান করতে এবং নৈর্ব্যক্তিক বা বস্তুনিষ্ঠ হতে শিখিয়েছে। শিখিয়েছে কীভাবে পাঠকের মনোযোগ কেড়ে নিতে হয় এবং তাকে এমনভাবে আষ্টেপৃষ্ঠে ধরে রাখতে হয় যেন সে কোনোভাবেই ফস্কে না যায়। এটি আমাকে বিভিন্ন ধারণাকে সংশ্লেষণ করতে এবং ঘটনাপ্রবাহের বর্ণনায় সুনির্দিষ্ট হতে শিখিয়েছে। আর সর্বোপরি, এটি আমার ভেতর থেকে সাদা পাতার প্রতি যাবতীয় ভয়কে চিরতরে দূর করে দিয়েছে।
** ১৯৯৪ সালের একটি সাক্ষাৎকার যা ''কনভারসেশনস উইথ '''''ইসাবেল আলেন্দে''''' '' (১৯৯৯) এ অন্তর্ভুক্ত, স্পেনীয় ভাষা থেকে কোলা ফ্রাঞ্জেন কর্তৃক অনূদিত।
* প্রথম সংশোধনীর প্রতিষ্ঠিত আইন অনুযায়ী, সংবাদ প্রকাশে পূর্ব-নিষেধাজ্ঞা বা সেন্সরশিপ যদি আদৌ সাংবিধানিক হয়ও, তবে তা কেবল চরম ও অতি-অস্বাভাবিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটেই অনুমোদিত হতে পারে। বর্তমান মামলার ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, আদালতের এমন সব নির্দেশ রয়েছে যা কার্যকরভাবে একটি ওয়েবসাইটকে বন্ধ করে দিয়েছে। যে সাইটটি বিশ্বজুড়ে সরকার ও কর্পোরেশনগুলোর দুর্নীতির মুখোশ উন্মোচনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছিল এবং এই নির্দেশটি যে কেউ পাঠ করলে তাকে সেই নথিগুলো প্রকাশ করা, এমনকি সেগুলোর লিঙ্ক দেওয়া থেকেও বিরত থাকতে বাধ্য করছে।
** '''''ডেভিড আরডিয়া''''', হার্ভার্ড ল স্কুলের বার্কম্যান সেন্টার ফর ইন্টারনেট অ্যান্ড সোসাইটি-র সিটিজেন মিডিয়া ল' প্রজেক্ট বা CMLP এর পরিচালক, '''''[[:w:ব্যাংক জুলিয়াস বায়ের বনাম উইকিলিকস মামলা|ব্যাংক জুলিয়াস বায়ের বনাম উইকিলিকস]]''''' প্রসঙ্গে মন্তব্যকালে — প্রতিবেদনে উল্লিখিত {{cite news|title=ইন্টারনেটে বাকস্বাধীনতা রক্ষা: একটি সাইবার-ল ক্লিনিকে শিক্ষার্থীরা প্রাথমিক আইনি বিষয়গুলো মোকাবিলায় সহায়তা করছে |work=হার্ভার্ড ল বুলেটিন |publisher= [[:w:হার্ভার্ড ল স্কুল|হার্ভার্ড ল স্কুল]]|page= |date=Fall 2008 |url=http://www.law.harvard.edu/news/bulletin/2008/fall/feature_2-side1.php|accessdate=2009-03-04}}
* আমরা আমাদের পেছনে এমন এক অনন্য ক্ষেত্র তৈরি করছি যা সাংবাদিকতার সেই বিশেষ রূপটিকে বিকশিত হতে দেয়, যা সাংবাদিকতা চিরকাল নিজের জন্য প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিল। আমরা সেই ক্ষেত্রটি সৃষ্টি করছি কারণ আমরা শক্তিশালী গোষ্ঠীগুলোর শক্তিমত্তা ও দুর্নীতির মুখোশ সাহসের সাথে উন্মোচন করার ফলে ধেয়ে আসা যাবতীয় সমালোচনা ও প্রবল বিরুদ্ধাচরণকে স্বেচ্ছায় গ্রহণ করছি।
** '''''[[:w:জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ|জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ]]''''' এর উদ্ধৃতি: [https://www.theguardian.com/media/2010/aug/01/julian-assange-wikileaks-afghanistan জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ, অনলাইন যুগের সেই সন্ন্যাসী যিনি বৌদ্ধিক লড়াইয়ের মাধ্যমেই বিকশিত হন, ক্যারল ক্যাডওয়ালাডার, ''দ্য গার্ডিয়ান''], (১ আগস্ট ২০১০)
== B ==
* অভিজ্ঞতা এটিই প্রমাণ করেছে যে, সাধারণ প্রত্যাশার সম্পূর্ণ বিপরীতে গিয়ে সংবাদপত্র হলো জনমতকে সঠিক পথে পরিচালিত করার, উত্তেজনাপূর্ণ আন্দোলনকে শান্ত করার এবং সেইসব মিথ্যা ও কৃত্রিম গুজবকে বিলীন করে দেওয়ার অন্যতম শ্রেষ্ঠ মাধ্যম, যার দ্বারা রাষ্ট্রের শত্রুরা তাদের অশুভ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করতে পারে। এই জনসমক্ষে প্রচারিত সংবাদপত্রগুলোর মাধ্যমে যেমন নির্দেশনা সরকার থেকে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারে, তেমনি তা মানুষের কাছ থেকে সরকারের কাছেও উন্নীত হতে পারে। সংবাদপত্রকে যত বেশি স্বাধীনতা প্রদান করা হবে, জনমতের গতিপথ সম্পর্কে তত বেশি নির্ভুলভাবে বিচার-বিশ্লেষণ করা সম্ভব হবে এবং তা তত বেশি সুনিশ্চিতভাবে কার্যকরী ভূমিকা পালন করবে।
**'''''[[:w:জেরেমি বেন্থাম|জেরেমি বেন্থাম]]''''', ''প্রিন্সিপালস অফ পেনাল ল''; তৃতীয় অংশ, "অপরাধ প্রতিরোধের পরোক্ষ পদ্ধতিসমূহ"; অধ্যায় XIX, "নির্দেশনা প্রদানের ক্ষমতা থেকে আহরিত ব্যবহার"। [https://books.google.com/books?id=GGpVAAAAcAAJ&newbks=1&newbks_redir=0&dq=%22jeremy%20bentham%22%20%22newspapers%20are%20one%20of%20the%20best%20means%20of%20directing%20opinion%22&pg=RA1-PA568#v=onepage&q=%22jeremy%20bentham%22%20%22newspapers%20are%20one%20of%20the%20best%20means%20of%20directing%20opinion%22&f=false গুগল বুকস]
* আপনি যদি সমগ্র আমেরিকা ঘুরে দেখেন, তবে দেখবেন ছোট ছোট সংবাদপত্রগুলো তাদের নিজ নিজ সম্প্রদায়ে সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে সত্যিই চমৎকার কাজ করছে। আধুনিক নিউ ইয়র্ক টাইমস, আধুনিক ওয়াশিংটন পোস্ট কিংবা আধুনিক ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল অধিকাংশ বিচারেই ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারির সময়ের চেয়ে এখন অনেক উন্নত মানের সংবাদপত্র। কিন্তু আপনি যদি এই ক্ষেত্রের বাকি অংশগুলোর দিকে তাকান... তবে দেখবেন যে সত্যের সর্বোত্তম লভ্য সংস্করণের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা প্রকৃত সংবাদ ক্রমশ একটি দুষ্প্রাপ্য পণ্যে পরিণত হচ্ছে এবং আমাদের সাংবাদিকতা প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রকৃত অংশ হিসেবে এর উপস্থিতি দিন দিন হ্রাস পাচ্ছে।
**'''''কার্ল বার্নস্টাইন''''', সাক্ষাৎকারে {{cite news | last =স্টাফ | title =সাক্ষাৎকার: কার্ল বার্নস্টাইন | work =[[:w:ফ্রন্টলাইন (মার্কিন টিভি সিরিজ)|ফ্রন্টলাইন]] | publisher =[[:w:ডব্লিউজিবিএইচ|ডব্লিউজিবিএইচ]] এডুকেশনাল ফাউন্ডেশন | date =১০ জুলাই ২০০৬ | url =http://www-c.pbs.org/wgbh/pages/frontline/newswar/interviews/bernstein.html | accessdate =২০০৯-০২-২০ }}
* প্রতিবেদক, বিশেষ্য: একজন লেখক যিনি সত্যের পথে অনুমানের ওপর ভিত্তি করে অগ্রসর হন এবং শব্দের প্রবল জলোচ্ছ্বাসে সেই সত্যকেই বিলীন করে দেন।
** '''''অ্যামব্রোস বিয়ার্স''''', ''দ্য ডেভিল'স ডিকশনারি'' (১৯১১)।
* প্রথম সংশোধনীর মাধ্যমে আমাদের প্রতিষ্ঠাতা পূর্বপুরুষগণ মুক্ত সংবাদমাধ্যমকে সেই সুরক্ষা প্রদান করেছিলেন যা আমাদের গণতন্ত্রে এর অপরিহার্য ভূমিকা পালনের জন্য একান্ত প্রয়োজন। সংবাদপত্রের কাজ ছিল শাসিতদের সেবা করা, শাসকদের নয়। সংবাদপত্রের ওপর সেন্সরশিপ বা বিধি-নিষেধ আরোপের সরকারি ক্ষমতা বিলুপ্ত করা হয়েছিল যাতে সংবাদপত্র চিরকাল সরকারকে কঠোর সমালোচনা করার স্বাধীনতা ভোগ করতে পারে। সংবাদমাধ্যমকে সুরক্ষা দেওয়া হয়েছিল যাতে এটি সরকারের গোপন রহস্যগুলো উন্মোচন করতে পারে এবং জনগণকে তথ্য দিয়ে সচেতন করতে পারে। কেবল একটি স্বাধীন এবং নিয়ন্ত্রণহীন সংবাদমাধ্যমই কার্যকরভাবে সরকারের প্রতারণা ও জালিয়াতির মুখোশ খুলে দিতে পারে।
** '''''হিউগো এল. ব্ল্যাক''''', নিউ ইয়র্ক টাইমস বনাম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মামলা, পৃ. ৭১৭
* দীর্ঘকাল ধরে এটি ধরে নেওয়া হয়েছিল যে, সাংবাদিকরা যেসব ঘটনা কভার করেন বা প্রতিবেদন তৈরি করেন, তা তাদের ওপর কোনো স্থায়ী প্রভাব ফেলে না। ট্রমাটিক বা মানসিকভাবে আঘাতমূলক ঘটনাগুলোর মুখোমুখি হওয়াকে তাদের চাকরির বিবরণের অংশ এবং এই পেশার একটি সাধারণ ঝুঁকি হিসেবে দেখা হতো। ঠিক যেমন একজন জরুরি বিভাগের চিকিৎসক বা অগ্নিনির্বাপক কর্মীর ক্ষেত্রে হয়ে থাকে। অনেকে মনে করতেন যে, যারা মৃত্যু এবং ধ্বংসের খবর সংগ্রহ করেন তারা অস্বাভাবিকভাবে কঠোর মনের মানুষ এবং তারা যে মানুষের দুঃখ-দুর্দশা প্রত্যক্ষ করেন, তার প্রতিধ্বনিমূলক প্রভাব থেকে তারা কোনোভাবে মুক্ত। কিছুদিন আগ পর্যন্তও সাংবাদিকরা মনে করতেন যে, যদি তারা জনসমক্ষে স্বীকার করেন যে সংবাদ সংগ্রহের অভিজ্ঞতা দীর্ঘমেয়াদে তাদের প্রভাবিত করতে পারে, তবে তাদের দুর্বল ভাবা হবে এবং সহকর্মীদের তুলনায় কম যোগ্য বলে মনে করা হবে।
** '''''এলিসা ই. বোল্টন''''', [https://www.ptsd.va.gov/public/community/journalists-ptsd.asp “সাংবাদিকদের দ্বারা সম্মুখীন হওয়া বেদনাদায়ক ঘটনাসমূহ“], '''''ন্যাশনাল সেন্টার ফর পিটিএসডি''''', '''''ইউএস ডিপার্টমেন্ট অফ ভেটেরান্স অ্যাফেয়ার্স'''''।
* সেখানে পোস্ট করা মাত্র কয়েকটি নথির প্রতিক্রিয়ায় পুরো সাইটটিতে প্রবেশাধিকার বন্ধ করে দেওয়া জনগণের জানার অধিকারকে সম্পূর্ণভাবে অবজ্ঞা করার শামিল।
** '''''অ্যান ব্রিক''''', [[:w:আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়ন|আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়ন]]-এর অ্যাটর্নি, '''''[[:w:ব্যাংক জুলিয়াস বায়ের বনাম উইকিলিকস মামলা|ব্যাংক জুলিয়াস বায়ের বনাম উইকিলিকস]]''''' মামলায় নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের আগে দেওয়া বিবৃতি — প্রতিবেদনে উল্লিখিত: [http://en.wikinews.org/wiki/Rights_groups:_Forcing_Wikileaks.org_offline_raises_%27serious_First_Amendment_concerns%27 "অধিকার গোষ্ঠীসমূহ: উইকিলিকস ডট অর্গকে অফলাইনে যেতে বাধ্য করা 'প্রথম সংশোধনীর গুরুতর উদ্বেগ' তৈরি করে"], '''''[[:n:প্রধান পাতা|উইকিসংবাদ]]''''', (২৮ ফেব্রুয়ারি ২০০৮)।
* কখনোই ভুলে যাবেন না যে, আপনি যদি আপনার প্রথম বাক্যটি দিয়েই সংবাদপত্রের পাঠকের চোখের মণি বরাবর আঘাত করতে না পারেন (অর্থাৎ তার তীক্ষ্ণ মনোযোগ আকর্ষণ করতে না পারেন), তবে দ্বিতীয় বাক্যটি আর লেখার কোনো প্রয়োজনই নেই।
** '''''আর্থার ব্রিসবেন''''' (আনু. ১৯০০), উদ্ধৃত হয়েছে: অলিভার কার্লসন রচিত '''''ব্রিসবেন: এ ক্যান্ডিড বায়োগ্রাফি''''' (১৯৩৭), অধ্যায় ৫।
* এমন এক সময় ছিল যখন হর্স ওয়াটসনদের মতো পেশার মানুষরা সাধারণত নেশামুক্ত অবস্থায় কখনও ঘুমাতে যেতেন না এবং তাদের লিভার বা যকৃৎ ক্ষয় হয়েই তারা মৃত্যুবরণ করতেন। সেই অক্ষরজ্ঞানসম্পন্ন দুঃসাহসী যোদ্ধাদের সীমান্ত অঞ্চলের স্যালুনগুলোতে নিজেদের বোকা বানাতে দেখাটা নিশ্চয়ই মজার ছিল। যেখানে তারা প্রতিদ্বন্দ্বী সাংবাদিক ও তাদের সমর্থকদের সাথে চাবুকপেটা এবং গোলাগুলিতে মেতে উঠতেন। কিন্তু কে থামত এটা ভাবতে যে, শব্দ এবং প্রকাশনার ক্ষমতা হাতে থাকা বলতে আসলে কী বোঝায়? এটা বুঝতে পারা যে, একটি পুরো শহর বা অঞ্চল বিচার করবে, নিন্দা জানাবে, কাজ করবে, দণ্ড মওকুফ করবে কিংবা গুণগান গাইবে শুধুমাত্র আপনার গতরাতের তড়িঘড়ি করে লেখা কোনো কিছুর ওপর ভিত্তি করে? কারণ আপনি টাইপসেটে কিছু একটা সাজিয়েছিলেন, আর তা করতে গিয়ে আপনার আঙুলের ডগায় লেগে যাওয়া ধাতব বিষগুলো অদম্যভাবে আপনার রক্তপ্রবাহে যাত্রা শুরু করেছিল? ক্ষমতার মোহে আপনি আপনার যকৃৎ আর বৃক্ককে এক স্পঞ্জি ও খিটখিটে পিন্ডে পরিণত করেছিলেন। আপনি আপনার মস্তিষ্কের কোষগুলোকে ভারী ধাতব আয়নের বিষে কলুষিত করেছিলেন যতক্ষণ না তা দিকভ্রান্ত দৃষ্টিভঙ্গির এক ভুতুড়ে বাড়িতে পরিণত হয়। [[w:অ্যালকোহল|অ্যালকোহল]] সাময়িকভাবে সেই প্রভাব কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করত। তাই আপনি একজন মদ্যপ হয়ে উঠেছিলেন, এবং দিনপ্রতি কিস্তিতে নিজের মানসিক সুস্থতা কিনে নিতেন, আর নিজেকে সবার হাসির পাত্রে পরিণত করতেন। শেষ পর্যন্ত এটি মজার কিংবা বিয়োগান্তক কোনোটিই ছিল না। এটি ছিল জীবনের এক রূঢ় বাস্তবতা যা মাঝারি মানের মানুষের ওপর ধীরগতিতে কাজ করত; কারণ সেই মাঝারিরা নিজেদের সত্ত্বাকে থামিয়ে দিয়ে নিশ্চিন্তে ঘুমাতে যেতে পারত, রাতের কাজটি তাদের নিজের সন্তুষ্টি অনুযায়ী হোক বা না হোক।
** '''''অ্যালজিস বাড্রিস''''', '''''মাইকেলমাস''''' (১৯৭৭), ISBN 0-425-03812-2, অধ্যায় ৩ (পৃ. ৩৬-৩৭)।
* সাংবাদিকতা হয়তো খুব বেশি দুঃসাহস দেখানোর সাহস পায় না। এটি মৃদু হাস্যরসাত্মক এবং বিদ্রূপাত্মক হতে পারে, খুব হালকাভাবে এতে ব্যক্তিগত বৈশিষ্ট্যের ছোঁয়া থাকতে পারে, কিন্তু খুব গভীরে খনন করে এটি পাঠকদের বিমুখ করতে পারে না। ভাষার প্রতি এর দৃষ্টিভঙ্গির ক্ষেত্রে এটি বিশেষভাবে সত্য: প্রচলিত রীতিগুলো নিয়ে এখানে কোনো প্রশ্ন তোলা হয় না।
** '''''[[:w:অ্যান্থনি বার্জেস|অ্যান্থনি বার্জেস]]''''', '''''এ মাউথফুল অফ এয়ার: ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজেস, এস্পেশালি ইংলিশ''''' (১৯৯২)।
* ''স্বঘোষিত এক তামাশাকার আর রসালো ভাড়াটে ভাঁড়,<br>নিম্নমানের মাসিক-লেখক ও উপহাসের উপহার!<br>শৈল্পিক চাটুকারিতে সে বেজায় রপ্ত,'' ''তার হস্তকৃত ম্যাগাজিন মিথ্যায় অভিশপ্ত!''
** '''''[[:w:লর্ড বায়রন|লর্ড বায়রন]]''''', '''''ইংলিশ বার্ডস অ্যান্ড স্কচ রিভিউয়ার্সের''''' খন্ডাংশ (১৮০৯), লাইন ৯৭৫, বাংলায় রুপান্তরঃ '''মাহমুদ''' (২৩ এপ্রিল, ২০২৬)।
== C ==
* মূলধারার সংবাদ মাধ্যমগুলো যখন ক্রমশ আত্মতুষ্ট হয়ে পড়ছে, এমনকি যুদ্ধপন্থী নীতিগুলোর সমর্থক হয়ে উঠছে, তখন এটি আরও বেশি অপরিহার্য হয়ে দাঁড়িয়েছে যে, যুদ্ধবিরোধী কণ্ঠস্বর এবং বিশেষ করে যুদ্ধবিরোধী সাংবাদিকরা যেন [[w:মার্কিন_যুক্তরাষ্ট্র|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের]] সেই নজির স্থাপনের প্রচেষ্টাকে প্রতিরোধ করেন, যা যুদ্ধাপরাধ প্রকাশের কাজটিকে একটি দণ্ডণীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য করতে চায়।
** '''''স্যাম কার্লিনার''''', [https://www.commondreams.org/views/2021/10/22/fate-anti-war-journalism-lies-upcoming-assange-hearings "যুদ্ধবিরোধী সাংবাদিকতার ভাগ্য আসন্ন অ্যাসাঞ্জ শুনানির ওপর নির্ভর করছে"], '''''কমন ড্রিমস''''', (২২ অক্টোবর ২০২১)।
* মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির অপূরণীয় ক্ষতির বিষয়ে যারা উদাসীন বা সরাসরি সমর্থনমূলক অবস্থান গ্রহণ করে, সেইসব প্রকাশনার সম্পূর্ণ বিপরীতে অবস্থান করছে উইকিলিকস এবং এর প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ। "যদি মিথ্যা দিয়ে যুদ্ধ শুরু করা যায়, তবে সত্য দিয়ে তা থামানোও সম্ভব"—তার এই দৃষ্টিভঙ্গি অনুসরণ করে, অ্যাসাঞ্জ একবিংশ শতাব্দীর মার্কিন পররাষ্ট্রনীতি সংক্রান্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য নিখুঁত নির্ভুলতার সাথে প্রকাশ করেছেন।
** '''''স্যাম কার্লিনার''''', [https://www.commondreams.org/views/2021/10/22/fate-anti-war-journalism-lies-upcoming-assange-hearings "যুদ্ধবিরোধী সাংবাদিকতার ভাগ্য আসন্ন অ্যাসাঞ্জ শুনানির ওপর নির্ভর করছে"], '''''কমন ড্রিমস''''', (২২ অক্টোবর ২০২১)।
* মূলধারার সংবাদমাধ্যমের হাজারো সমস্যা থাকা সত্ত্বেও, একটি শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান হিসেবে সাংবাদিকতা আজও যুদ্ধ প্রতিরোধ করার এবং ক্ষেত্রবিশেষে চলমান রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ বন্ধ করার অন্যতম প্রধান ও কার্যকর হাতিয়ার হিসেবে টিকে রয়েছে। এমনকি যারা সংবাদমাধ্যমের ওপর চরম আস্থাহীন, তাদেরও উচিত সংবাদপত্রের স্বাধীনতার ওপর আসা যাবতীয় আক্রমণ ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া। কারণ সংবাদপত্রের স্বাধীনতার এই সুনিশ্চিত গ্যারান্টিই যুদ্ধবিরোধী প্রতিবেদনগুলোকে মূলধারার আলোচনায় নিয়ে আসে এবং সাধারণ মানুষের প্রথাগত চিন্তাধারাকে পরিবর্তন করে তাদের সরকারকে আরও গভীরভাবে বুঝতে শেখায়।
** '''''স্যাম কার্লিনার''''', [https://www.commondreams.org/views/2021/10/22/fate-anti-war-journalism-lies-upcoming-assange-hearings "যুদ্ধবিরোধী সাংবাদিকতার ভাগ্য আসন্ন অ্যাসাঞ্জ শুনানির ওপর নির্ভর করছে"], '''''কমন ড্রিমস''''', (২২ অক্টোবর ২০২১)।
* দক্ষ ও দূরদর্শী সম্পাদকদের সমন্বয়ে গঠিত একটি 'চতুর্থ স্তম্ভ' বা ফোর্থ এস্টেটের অভ্যুদয় ঘটছে।
** '''''[[:w:টমাস কার্লাইল|টমাস কার্লাইল]]''''', '''''দ্য ফ্রেঞ্চ রেভোলিউশন, এ হিস্ট্রি''''' (১৮৩৭), প্রথম অংশ, ষষ্ঠ বই, অধ্যায় ৫।
* সাংবাদিকতা সত্যিই এক মহৎ ও বিশাল শক্তি। প্রতিটি দক্ষ ও কুশলী সম্পাদক কি এই বিশ্বের একেকজন প্রকৃত শাসক নন? কারণ তিনি তাঁর ক্ষুরধার লেখনী ও অকাট্য যুক্তির মাধ্যমে সমগ্র বিশ্ববাসীকে নিজ মতে প্ররোচিত করার ক্ষমতা রাখেন।
** '''''[[:w:টমাস কার্লাইল|টমাস কার্লাইল]]''''', '''''দ্য ফ্রেঞ্চ রেভোলিউশন, এ হিস্ট্রি''''' (১৮৩৭), দ্বিতীয় অংশ, প্রথম বই, অধ্যায় ৪।
* বার্ক বলেছিলেন যে পার্লামেন্টে তিনটি প্রধান স্তম্ভ বা এস্টেট রয়েছে। কিন্তু তিনি ঐ যে সংবাদদাতাদের গ্যালারির দিকে ইঙ্গিত করে বলেছিলেন, সেখানে একটি 'চতুর্থ স্তম্ভ' উপবিষ্ট আছে যা আগের তিনটি স্তম্ভের তুলনায় অনেক বেশি প্রভাবশালী ও গুরুত্বপূর্ণ। এটি কোনো আলঙ্কারিক শব্দ বা নিছক চাতুর্যপূর্ণ উক্তি নয়, বরং এটি একটি আক্ষরিক সত্য। যা বর্তমান এই অস্থির সময়ে আমাদের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও অমোঘ।
** '''''[[:w:টমাস কার্লাইল|টমাস কার্লাইল]]''''', '''''অন হিরোস, হিরো-ওয়ারশিপ, অ্যান্ড দ্য হিরোইক ইন হিস্ট্রি: সিক্স লেকচারস: রিপোর্টেড''''', উইলি অ্যান্ড হ্যালস্টেড, (১৮৫৯), পৃ. ১৪৭, বক্তৃতা ৫: "দ্য হিরো অ্যাজ ম্যান অফ লেটারস"।
* সাংবাদিকদের দেখলে মনে হতে পারে যে তারা প্রায় আক্ষরিক অর্থেই আধুনিক বিশ্বের এক একজন পুরোহিত... তবে পুরোহিততন্ত্রের নৈতিক অবক্ষয় ঠিক সেই মুহূর্তেই ঘটেছিল যখন এটি জ্ঞান বিতরণের জন্য গঠিত একটি সংখ্যালঘু গোষ্ঠী থেকে জ্ঞান গোপন রাখার জন্য গঠিত একটি সংখ্যালঘু গোষ্ঠীতে রূপান্তরিত হয়েছিল। সাংবাদিকতার অধঃপতনের ক্ষেত্রেও ঠিক একই ধরনের এক বিশাল বিপদ ও আশঙ্কা লুকিয়ে রয়েছে। সাংবাদিকতা নিজেই নিজের মধ্যে এমন এক ভয়াবহ দানবীয় রূপ এবং বিভ্রম সৃষ্টি করার সম্ভাবনা ধারণ করে, যা মানবজাতির জন্য অতীতে কখনও আসা যেকোনো অভিশাপের চেয়েও ভয়াবহ হতে পারে। এই ভয়ংকর রূপান্তরটি ঠিক সেই মুহূর্তেই ঘটবে যখন সাংবাদিকরা অনুধাবন করতে শুরু করবে যে তারা সমাজের এক বিশেষ অভিজাত শ্রেণীতে পরিণত হতে সক্ষম।
** '''''[[:w:জি. কে. চেস্টারটন|জি. কে. চেস্টারটন]]''''', "দ্য নিউ প্রিস্টস" (১৯০১)। [https://books.google.com/books?id=v6-RGg0qKpsC&pg=PA551&dq=%22Journalism+possesses+in+itself+the+potentiality+of+becoming+one+of+the+most+frightful+monstrosities%22&hl=en&newbks=1&newbks_redir=0&sa=X&ved=2ahUKEwikocyvmKf7AhWbj4kEHWQlDCAQuwV6BAgOEAY#v=onepage&q=%22Journalism%20possesses%20in%20itself%20the%20potentiality%20of%20becoming%20one%20of%20the%20most%20frightful%20monstrosities%22&f=false]
* সাংবাদিকতা বর্তমানে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে ঠিকই, তবে এই জনপ্রিয়তার মূল ভিত্তিটি আসলে এক ধরনের কাল্পনিক আখ্যান বা ফিকশন। আমাদের যাপিত জীবন হলো এক স্বতন্ত্র জগত, আর সংবাদপত্রের পাতায় প্রতিফলিত জীবন হলো সম্পূর্ণ ভিন্ন ও কৃত্রিম এক জগত।
** '''''[[:w:জি. কে. চেস্টারটন|জি. কে. চেস্টারটন]]''''', "অন দ্য ক্রিপ্টিক অ্যান্ড দ্য এলিপ্টিক", '''''অল থিংস কনসিডারড''''' (১৯০৮)।
* আমি জানি যে সাংবাদিকতা মূলত এমন সব মানুষকে 'লর্ড জোন্স মৃত' বলে সংবাদ দেওয়ার নামান্তর, যারা লর্ড জোন্স যে আদৌ জীবিত ছিলেন সেই খবরটিই কখনও জানতেন না।
** '''''[[:w:জি. কে. চেস্টারটন|জি. কে. চেস্টারটন]]''''', "দ্য পার্পল উইগ", '''''দ্য উইজডম অফ ফাদার ব্রাউন''''' (১৯১৪)।
* আমাদের আধুনিক অস্তিত্বের প্রতিচ্ছবি হিসেবে সাংবাদিকতার একটি বড় ও প্রধান দুর্বলতা হলো এই যে, একে এমন এক চিত্রকল্প হতে হয় যা পুরোপুরি কিছু ব্যতিক্রমী ঘটনার সমষ্টি। আমরা চটকদার পোস্টারে ঘোষণা করি যে কোনো এক ব্যক্তি ভারা থেকে নিচে পড়ে গিয়েছেন। কিন্তু আমরা কখনও রঙিন পোস্টারে এই ঘোষণা দিই না যে কোনো এক ব্যক্তি ভারা থেকে নিচে পড়ে যাননি। অথচ বাস্তবিকভাবে পরবর্তী তথ্যটিই অনেক বেশি রোমাঞ্চকর ও উদ্দীপক। কারণ এটি নির্দেশ করে যে মানুষ নামক রহস্য আর আতঙ্কের সেই সচল মিনারটি এখনও এই পৃথিবীতে সদর্পে বিচরণ করছে। মানুষটি যে ভারা থেকে পড়ে যায়নি, সেটিই আসলে প্রকৃত অর্থে বেশি চাঞ্চল্যকর এবং এটি নিয়মিত ঘটে যাওয়া হাজারো সাধারণ ঘটনার চেয়েও অনেক বেশি বাস্তব। কিন্তু সাংবাদিকতার কাছে এমন প্রত্যাশা করা অযৌক্তিক যে তারা এই চিরন্তন ও ধ্রুব অলৌকিক ঘটনাগুলোর ওপর জোর দেবে। ব্যস্ত সম্পাদকদের কাছ থেকে এমনটা আশা করা যায় না যে তারা তাদের পোস্টারে লিখবেন, "মিস্টার উইলকিনসন এখনও নিরাপদ আছেন" কিংবা "ওয়ার্দিং-এর মিস্টার জোন্স এখনও মারা যাননি।" তারা মানবজাতির সামগ্রিক সুখ বা সাধারণ স্বাভাবিকতাকে সংবাদ হিসেবে প্রচার করতে পারেন না। তারা এমন সব কাঁটাচামচের বর্ণনা দিতে পারেন না যা চুরি হয়নি, কিংবা এমন সব দাম্পত্যের কথা লিখতে পারেন না যা বিচারবুদ্ধি খাটিয়ে ভেঙে দেওয়া হয়নি। ফলস্বরূপ, জীবনের যে পূর্ণাঙ্গ চিত্র তারা তুলে ধরেন তা অপরিহার্যভাবেই বিভ্রান্তিকর ও ত্রুটিপূর্ণ হয়ে ওঠে। কারণ তারা কেবল যা অস্বাভাবিক ও ব্যতিক্রমী, তা-ই উপস্থাপন করতে সক্ষম। তারা যত বড় গণতান্ত্রিকই হোন না কেন, দিনশেষে তারা কেবলমাত্র সংখ্যালঘু এবং বিচ্ছিন্ন ঘটনাগুলো নিয়েই বেশি ব্যস্ত থাকেন।
** '''''[[:w:জি. কে. চেস্টারটন|জি. কে. চেস্টারটন]]''''', '''''দ্য বল অ্যান্ড দ্য ক্রস''''' (১৯০৯), [http://www.classicreader.com/book/2241/4/ চতুর্থ অধ্যায়: ভোরের আলোচনা] (দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ)।
* উইকিলিকস যদি কোনো ছাপাখানা থেকে প্রকাশিত সাধারণ সাময়িকী হতো, তবে এর ওপর এমন নিষেধাজ্ঞা আরোপের কথা চিন্তাও করা যেত না। ... এই মামলাটিকে যা আলাদা করে তুলেছে তা হলো, অভিযোগ অনুযায়ী তথাকথিত অগ্রহণযোগ্য বিষয়বস্তুগুলো কাগজের পরিবর্তে ইন্টারনেটে প্রকাশিত হয়েছিল। কিন্তু যারা কোনো কিছু প্রকাশ করতে চায় এবং যারা তা পড়তে চায়। তাদের সুরক্ষা প্রদানকারী মূলনীতিগুলো বিসর্জন দেওয়ার জন্য এটি অত্যন্ত দুর্বল ও ভিত্তিহীন একটি অজুহাত। মাধ্যম যা-ই হোক না কেন, সেন্সরশিপ বা কণ্ঠরোধ সবসময়ই সেন্সরশিপ হিসেবেই গণ্য হয়।
** '''''সম্পাদকীয়''''', "ইলেকট্রনিক সেন্সরশিপ", '''''[[:w:শিকাগো ট্রিবিউন|শিকাগো ট্রিবিউন]]''''', শিকাগো ট্রিবিউন কোম্পানি, (২৬ ফেব্রুয়ারি ২০০৮), পৃ. ১৪।
* '''সাংবাদিকদের পরম পবিত্র দায়িত্ব হলো সত্য প্রকাশ করা। সাংবাদিকতা মানে হলো আপনাকে প্রকৃত ঘটনার মূলে ফিরে যেতে হবে, নথিপত্রগুলো গভীরভাবে খতিয়ে দেখতে হবে, নথিবদ্ধ তথ্যের আসল রূপটি উন্মোচন করতে হবে এবং ঠিক সেভাবেই তা সবার সামনে তুলে ধরতে হবে।'''
** '''''[[:w:নোম চমস্কি|নোম চমস্কি]]''''', সাক্ষাৎকারে: জয় ওয়াং, "বক্তৃতা: নোম চমস্কি", '''''বুলপেন: এনওয়াইইউ জার্নালিজম''''', [[:w:নিউ ইয়র্ক ইউনিভার্সিটি|নিউ ইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়]], (ডিসেম্বর ২০০৪)।
* রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা রক্ষার প্রকৃত উদ্দেশ্য হলো সরকারকে তার নিজস্ব স্বার্থসিদ্ধি এবং প্রায়শই ভিত্তিহীন ও মিথ্যায় ঘেরা সত্যের একটি সংস্করণ প্রতিষ্ঠা করতে সহায়তা করা। আর এটি করা হয় জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়া 'তথ্য' বা 'উপাত্ত'গুলোকে অত্যন্ত সতর্কতার সাথে বাছাই করার মাধ্যমে। তারা তাদের প্রকৃত জানা তথ্যের যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত প্রকাশ কিংবা বিকল্প কোনো তথ্যসূত্রের উপস্থিতিতে চরমভাবে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। সংবাদসূচির ওপর তাদের এই একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার ক্ষেত্রে যেকোনো ধরনের হুমকিকে সম্ভব হলে দমন করা হয়। আর যেখানে দমন করা সম্ভব হয় না, সেখানে দায়ীদের খুঁজে বের করে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা হয়।<br>[[w:ইয়েমেনী_সংকট_(২০১১-বর্তমান)|ইয়েমেন যুদ্ধ]]—যেখানে অন্তত ৭০,০০০ মানুষ প্রাণ হারিয়েছে! সেই যুদ্ধ সম্পর্কে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশ করে দেওয়াই হলো প্রধান কারণ যার জন্য মার্কিন সরকার জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ এবং জিক্রি—উভয়কেই চরমভাবে হেনস্তা ও নিপীড়ন করছে।
** '''''প্যাট্রিক ককবার্ন''''', [https://www.counterpunch.org/2019/06/04/why-the-us-is-persecuting-assange/ "কেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অ্যাসাঞ্জকে নিপীড়ন করছে?"], '''''কাউন্টারপাঞ্চ''''', (৪ জুন ২০১৯)।
* এক দশক আগে আমি যখন কাবুলে অবস্থান করছিলাম, ঠিক তখনই উইকিলিকস আফগানিস্তান, ইরাক এবং ইয়েমেনের সংঘাত সংক্রান্ত মার্কিন সরকারের নথিপত্রের এক বিশাল ভাণ্ডার উন্মোচন করেছিল। সেই প্রকাশের দিনটিতে আমি একজন মার্কিন কর্মকর্তার সাথে দেখা করার জন্য ফোনে কথা বলছিলাম... তিনি এই বিষয়টি নিয়ে অত্যন্ত উৎসুক ছিলেন এবং আমার কাছে জানতে চেয়েছিলেন যে ফাইলগুলোর গোপনীয়তার মাত্রা বা ক্লাসিফিকেশন সম্পর্কে আসলে কী জানা গেছে। আমি যখন তাঁকে বিস্তারিত জানালাম, তিনি বেশ স্বস্তির সুরে বললেন: “তাহলে তো দেখছি এর মধ্যে প্রকৃত অর্থে গোপন রাখার মতো তেমন কিছুই নেই।”
** '''''প্যাট্রিক ককবার্ন''''', [https://www.counterpunch.org/2019/06/04/why-the-us-is-persecuting-assange/ "কেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অ্যাসাঞ্জকে নিপীড়ন করছে?"], '''''কাউন্টারপাঞ্চ''''', (৪ জুন ২০১৯)।
* আমরা এই শুনানিতে উপস্থিত সবাইকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানাচ্ছি। ১৯৮৯ সালের 'টেক্সাস বনাম জনসন' মামলায় সুপ্রিম কোর্ট আমাদের গণতন্ত্রের অন্যতম মৌলিক একটি আদর্শ তুলে ধরেছিল। সেটি হলোঃ প্রথম সংশোধনীর পেছনে যদি কোনো সুদৃঢ় ও অপরিবর্তনীয় ভিত্তি থেকে থাকে, তবে তা হলো এই যে: সরকার কোনো নির্দিষ্ট ধারণার বহিঃপ্রকাশকে কেবল এই অজুহাতে নিষিদ্ধ করতে পারে না যে সমাজ সেই ধারণাটিকে আপত্তিকর বা অপ্রীতিকর বলে মনে করছে। এই অমোঘ কথাগুলো ছিল বিচারপতি উইলিয়াম ব্রেনান জুনিয়রের।
** '''''কংগ্রেসম্যান জন কনিয়ার্স''''', [https://www.govinfo.gov/content/pkg/CHRG-111hhrg63081/html/CHRG-111hhrg63081.htm "মার্কিন কংগ্রেস হাউস হিয়ারিং: এসপিওনাজ অ্যাক্ট এবং উইকিলিকস কর্তৃক উত্থাপিত আইনি ও সাংবিধানিক সমস্যাসমূহ"], বিচার বিভাগীয় কমিটি, প্রতিনিধি সভা, (১৬ ডিসেম্বর ২০১০)। [https://www.c-span.org/video/?297115-1/wikileaksthe-espionage-act-constitution সি-স্প্যান রেকর্ডিং]
* ...এই বিতর্ক সম্পর্কে যার যা-ই মত থাকুক না কেন, এটি অত্যন্ত স্পষ্ট যে উইকিলিকস-এর বিরুদ্ধে বিচারিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে তা বাকস্বাধীনতা, সাংবাদিকের প্রকৃত পরিচয় এবং নাগরিকরা তাদের নিজস্ব সরকারের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে আসলে কতটুকু জানার অধিকার রাখে। তা নিয়ে অত্যন্ত মৌলিক ও সুদূরপ্রসারী প্রশ্নের জন্ম দেবে। প্রকৃতপক্ষে, যদিও এ বিষয়ে একটি সাধারণ ঐকমত্য রয়েছে যে মাঝে মাঝে রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা বজায় রাখা অপরিহার্য, তবুও বর্তমান সময়ের আসল সমস্যাটি গোপনীয়তার অভাব নয়, বরং অতিমাত্রায় গোপনীয়তা রক্ষা করার প্রবণতা।
** '''''কংগ্রেসম্যান জন কনিয়ার্স''''', [https://www.govinfo.gov/content/pkg/CHRG-111hhrg63081/html/CHRG-111hhrg63081.htm "মার্কিন কংগ্রেস হাউস হিয়ারিং: এসপিওনাজ অ্যাক্ট এবং উইকিলিকস কর্তৃক উত্থাপিত আইনি ও সাংবিধানিক সমস্যাসমূহ"], বিচার বিভাগীয় কমিটি, প্রতিনিধি সভা, (১৬ ডিসেম্বর ২০১০)। [https://www.c-span.org/video/?297115-1/wikileaksthe-espionage-act-constitution সি-স্প্যান রেকর্ডিং]
* গণমাধ্যম এমন এক ধরনের বিশ্বাসযোগ্যতা বহন করে যা তারা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই পাওয়ার যোগ্য নয়। আপনারা সবাই কোনো না কোনোভাবে জীবনের এই অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়েছেন। [...]<br>সংক্ষেপে বলতে গেলে, '''গেল-ম্যান অ্যামনেসিয়া এফেক্ট''' বা বিস্মৃতি প্রভাবটি হলো এইরকম: আপনি সংবাদপত্রের এমন একটি নিবন্ধ পড়তে শুরু করলেন যে বিষয়টি সম্পর্কে আপনার আগে থেকেই খুব ভালো জানাশোনা আছে। [...] আপনি নিবন্ধটি পড়লেন এবং বুঝতে পারলেন যে ওই সাংবাদিকের সংশ্লিষ্ট তথ্য বা বিষয়টি সম্পর্কে বিন্দুমাত্র কোনো ধারণা নেই। [...] আপনি অত্যন্ত বিরক্তি বা কৌতুকের সাথে সেই প্রতিবেদনের অসংখ্য ভুলগুলো লক্ষ্য করলেন, কিন্তু এরপরই পাতার উল্টো পাশে গিয়ে জাতীয় বা আন্তর্জাতিক বিষয়ক সংবাদগুলো এমনভাবে পড়তে শুরু করলেন যেন সংবাদপত্রের বাকি অংশগুলো [[w:ফিলিস্তিন|ফিলিস্তিন]] বা অন্য কোনো জটিল বিষয়ে অনেক বেশি নির্ভুল। যদিও মাত্র কয়েক মুহূর্ত আগেই আপনি একগাদা আজেবাজে ও ভুল তথ্য পড়েছেন। '''আপনি যদি পাতা উল্টাতে থাকেন, আর যা আপনি জানেন তা মুহূর্তেই ভুলে যান।'''
** '''''মাইকেল ক্রিকটন''''', [https://web.archive.org/web/20190808123852/http://larvatus.com/michael-crichton-why-speculate/ "কেন অনুমান করবেন?"], (লা জোলা, ক্যালিফোর্নিয়ার ইন্টারন্যাশনাল লিডারশিপ ফোরামে দেওয়া ভাষণ, ২৬ এপ্রিল ২০০২)। মূল উৎস থেকে ৮ আগস্ট ২০১৯ তারিখে আর্কাইভ করা। সংগৃহীত: ৩ মে ২০২২।
== D ==
[[File:Betty Friedan 1960.jpg|thumb|আজকের দিনের গম্ভীর ও মননশীল অ-কল্পকাহিনী লেখকরা সমাজের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ সামাজিক বিজ্ঞানের সুদৃঢ় ভিত্তি এবং একজন প্রতিবেদকের সাংবাদিকতা দক্ষতার সমন্বয়ে তাঁরা কেবল সংবাদ পরিবেশনের গণ্ডি পেরিয়ে আমাদের উদীয়মান সমাজের অগ্রযাত্রার একেবারে সম্মুখভাগে অবস্থান করেন।<br>~'''''বেটি ফ্রিডান''''' ]]
* আমি সত্যি বুঝতে অক্ষম যে সাংবাদিকতাকে কেন এত জঘন্য, এত বেশি বিদ্রূপাত্মক এবং অন্যের ব্যক্তিগত বিষয়ে হস্তক্ষেপকারী হতে হয়।
** '''''পাল ড্যানিয়েলস''''', উদ্ধৃত হয়েছে: '''''[[:w:দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট|দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট]]''''', (১৭ মার্চ ২০১৬)।
* এই সংবাদপত্র আমাদের জন্য সব কিছুই করে থাকে। এটি পুলিশ বাহিনীকে পরিচালনা করে এবং ব্যাংকগুলো চালায়, সামরিক বাহিনীকে আদেশ দেয়, আইনসভা নিয়ন্ত্রণ করে, নবজাতকদের দীক্ষা দেয়, নির্বোধদের বিবাহ সম্পন্ন করে, '''বেদনার্তদের সান্ত্বনা দেয় ও শান্তিতে থাকাদের অস্বস্তিতে ফেলে''', মৃতদের সমাহিত করে এবং পরবর্তীতে তাদের কঠোর সমালোচনা করে দহন করে। এমন কোনো বিষয় নেই যা তারা স্পর্শ করে না, তা পবিত্র রুটির আধ্যাত্মিক রূপান্তর ব্যাখ্যা করা থেকে শুরু করে সাধারণ বিস্কুট তৈরির প্রণালী পর্যন্ত যা-ই হোক না কেন।
** '''''ফিনলে পিটার ডান''''', "নিউজপেপার পাবলিসিটি", '''''অবজারভেশনস বাই মিস্টার ডুলি''''' (১৯০২)।
== E ==
* সাংবাদিকতা হলো একটি সুসংগঠিত পরচর্চা।
** '''''এডওয়ার্ড এগলেস্টন'''''
== F ==
* “সে কি তোমাকে বিশ্বাস করেছিল?”<br>“সে একজন অত্যন্ত দক্ষ ও ঝানু সাংবাদিক। কাজেই অবশ্যই বিশ্বাস করেনি।”
** '''''জ্যাসপার ফোর্ড''''', '''''ওয়ান অফ আওয়ার থার্সডেস ইজ মিসিং''''' (২০১১), ISBN 978-0-670-02252-6, পৃ. ২০৫।
* আমার মনে হয়, শেষ পর্যন্ত আমরা সাংবাদিকরা অন্তত সেই চেষ্টাটুকু করি বা করা উচিত। যেন আমরা ইতিহাসের প্রথম নিরপেক্ষ সাক্ষী হতে পারি। যদি আমাদের অস্তিত্বের পেছনে কোনো সার্থকতা থেকে থাকে, তবে তা অবশ্যই ইতিহাসের ঘটনাপ্রবাহ যেভাবে ঘটে ঠিক সেভাবেই উপস্থাপন করার ক্ষমতার মধ্যে নিহিত; যেন ভবিষ্যতে কেউ কখনও এমনটা বলতে না পারে: 'আমরা জানতাম না! আমাদের কেউ বলেনি।'
** '''''রবার্ট ফিস্ক''''', '''''দ্য গ্রেট ওয়ার ফর সিভিলাইজেশন: দ্য কনকুয়েস্ট অফ দ্য মিডল ইস্ট''''', ফোর্থ এস্টেট, (২০০৫), পৃ. ২৫, ISBN 0007203837।
* আজকের দিনের গম্ভীর ও মননশীল অ-কল্পকাহিনী লেখকরা সমাজের জন্য অপরিহার্য। কারণ সামাজিক বিজ্ঞানের সুদৃঢ় তাত্ত্বিক ভিত্তি এবং একজন প্রতিবেদকের তীক্ষ্ণ সাংবাদিকতা দক্ষতার অনবদ্য সমন্বয়ে তাঁরা কেবল সাধারণ সংবাদ পরিবেশনের গণ্ডি অতিক্রম করেন এবং আমাদের উদীয়মান ও পরিবর্তনশীল সমাজের অগ্রযাত্রার একেবারে সম্মুখভাগে অবস্থান নেন।
** '''''বেটি ফ্রিডান''''' (মে ১৯৭৮), ''৩০তম বার্ষিকী জার্নাল'', '''''আমেরিকান সোসাইটি অফ জার্নালিস্ট অ্যান্ড অথরস'''''; উদ্ধৃত হয়েছে: '''''দ্য কমপ্লিট গাইড টু রাইটিং নন-ফিকশন''''' (১৯৮৩), গ্লেন ইভান্স সম্পাদিত, রাইটার্স ডাইজেস্ট বুকস, সিনসিনাটি, ওহাইও, পৃ. ৫, ISBN 0-89879-117-0।
== G ==
* যখন সাংবাদিকতার বিকৃত ভাষা বা 'জার্নালিজ' তার চরম শিখরে পৌঁছেছিল, ঠিক তখনই স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, হয়তো এটি একটি কাকতালীয় ঘটনা মাত্র।
** '''''জন গলসওয়ার্দি''''' (জুলাই ১৯২৪), ''অন এক্সপ্রেশন'', ইংলিশ অ্যাসোসিয়েশনের রাষ্ট্রপতির ভাষণ, পৃ. ১২; উদ্ধৃতিটি পুনরুৎপাদন করা হয়েছে: ডেভিড ক্রিস্টাল ও হিলারি ক্রিস্টাল রচিত '''''ওয়ার্ডস অন ওয়ার্ডস: কোটেশনস অ্যাবাউট ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজেস''''' (২০০০), ইউনিভার্সিটি অফ শিকাগো প্রেস, পৃ. ২৭৬, ISBN 0226122018।
* সাংবাদিকতা কোনো প্রথাগত পেশা নয়... এর অন্তরে এটি কেবল একটি সৃজনশীল শিল্প বা কারুশিল্প। আর এর অর্থ হলো, যে কেউ যার বিচারবুদ্ধি আছে, যে বুদ্ধিমান, চিন্তাশীল এবং কৌতূহলী—তিনিই এই শিল্পের চর্চা করতে পারেন।
** '''''সু গার্ডনার''''', [https://en.wikinews.org/wiki/Interview_with_Sue_Gardner_of_the_Wikimedia_Foundation "উইকিমিডিয়া ফাউন্ডেশনের সু গার্ডনারের সাথে সাক্ষাৎকার"], '''''উইকিসংবাদ''''', ২৪ অক্টোবর ২০০৭।
* তৃণমূল পর্যায়ের সাংবাদিকতা হলো নাগরিক-সৃষ্ট সংবাদমাধ্যমের সেই বিস্তৃত পরিস্থিতির একটি অংশ, যা আসলে একটি বিশ্বব্যাপী আলাপচারিতা এবং এটি প্রতিনিয়ত শক্তিতে, জটিলতায় ও প্রভাবে সমৃদ্ধ হচ্ছে। মানুষ যখন নিজেকে প্রকাশ করার সুযোগ পায়, তারা অবশ্যই তা করে। যখন তারা শক্তিশালী অথচ সুলভ সরঞ্জাম হাতে পায়, তখন তারা অত্যন্ত দ্রুততার সাথে এই নতুন সংবাদমাধ্যমের জগতের সাথে নিজেদের মানিয়ে নেয়। আর যখন তারা সম্ভাব্য এক বিশ্বব্যাপী শ্রোতামণ্ডলীর কাছে পৌঁছাতে সক্ষম হয়, তখন তারা আক্ষরিক অর্থেই পুরো পৃথিবীটাকে বদলে দিতে পারে।
** '''''ড্যান গিলমোর''''', '''''উই দ্য মিডিয়া: গ্রাসরুটস জার্নালিজম বাই দ্য পিপল ফর দ্য পিপল''''' (২০০৬), ও'রেলি মিডিয়া, পৃ. xv, ISBN 0596102275।
* যদিও সাংবাদিকদের উচিত '''[[w:উইকিলিকস|উইকিলিকসকে]]''' (একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা; যা বিভিন্ন অপ্রকাশিত ও গোপন নথিসমূহ প্রকাশ করে) কিছুটা সংশয়ের দৃষ্টিতে দেখা, কিন্তু একে কোনোভাবেই উপেক্ষা করার উপায় নেই। অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার এই সাহসী নতুন বিশ্বে আপনাদের স্বাগতম।
** '''''শন গনসালভস''''', [http://www.alternet.org/mediaculture/90641/will_wikileaks_revolutionize_journalism/?page=2 "উইকিলিকস কি সাংবাদিকতায় বিপ্লব ঘটাবে?"], '''''অল্টারনেট''''', (৭ জুলাই ২০০৮)।
* যেখানে নিস্তব্ধতা বিরাজ করে, সেখানে ছুটে যাওয়াই একজন সাংবাদিকের পরম দায়িত্ব। যারা বিস্মৃত, পরিত্যক্ত এবং ক্ষমতাশালীদের দ্বারা নিগৃহীত হয়েছে, তাদের কণ্ঠস্বর হয়ে ওঠা। আমাদের এমন এক 'ট্রিকল-আপ' বা তৃণমূল থেকে উঠে আসা গণমাধ্যম গড়ে তুলতে হবে যা এই দেশ এবং এর মানুষের প্রকৃত চরিত্রকে প্রতিফলিত করবে।
** '''''অ্যামি গুডম্যান''''', ডেভিড গুডম্যানের সাথে যৌথভাবে রচিত '''''দ্য এক্সেপশন টু দ্য রুলার্স''''' (২০০৪)।
* সাংবাদিকদের কাজ হলো ক্ষমতার ওপর নজরদারি করা এবং ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষা করা, জনপ্রিয়তার প্রতিযোগিতায় জয়ী হওয়া নয়।
** '''''[[:w:অ্যামি গুডম্যান|অ্যামি গুডম্যান]]''''', ভূমিকা, '''''ডেমোক্রেসি নাও!: টুয়েন্টি ইয়ার্স কভারিং দ্য মুভমেন্টস চেঞ্জিং আমেরিকা''''' (২০১৬)।
* মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ধর্ম হলো সামরিক সব কিছুর উপাসনা করা। আর সাংবাদিকরা হলেন সেই ধর্মের প্রধান পুরোহিত।
** '''''গ্লেন গ্রিনওয়াল্ড''''' (১৯৬৭), ডেমোক্রেসি নাও! এর সাথে সাক্ষাৎকার (১৪ নভেম্বর ২০১২): [http://www.democracynow.org/2012/11/14/glenn_greenwald_while_petraeus_had_affair "গ্লেন গ্রিনওয়াল্ড: যখন পেট্রাউস জীবনীকারের সাথে প্রণয়ে লিপ্ত ছিলেন, কর্পোরেট মিডিয়া তখন পেট্রাউসের প্রেমে মগ্ন ছিল।"] সংগৃহীত: ১৫ নভেম্বর ২০১২।
* গাজায় সংবাদমাধ্যমের কার্যালয়গুলো ধ্বংস করা এবং সাংবাদিকদের হত্যা করা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। সংঘাতপূর্ণ এলাকাগুলোতেও সাংবাদিকদের আক্রমণ বা হেনস্তার ভয় ছাড়াই তাদের অপরিহার্য কাজ চালিয়ে যেতে সক্ষম হতে হবে। তাঁদের অবশ্যই সুরক্ষা দিতে হবে এবং সম্মান করতে হবে... এমনকি যুদ্ধেরও সুনির্দিষ্ট কিছু নিয়ম আছে। সর্বোপরি, সাধারণ নাগরিকদের অবশ্যই রক্ষা করতে হবে... বাছবিচারহীন হামলা এবং বেসামরিক ব্যক্তি ও তাদের সম্পদের ওপর আক্রমণ করা যুদ্ধ আইনের চরম লঙ্ঘন।
** '''''[[:w:আন্তোনিও গুতেরেস|আন্তোনিও গুতেরেস]]''''', [https://www.un.org/sg/en/content/sg/statement/2021-05-20/secretary-general%E2%80%99s-remarks-the-general-assembly-meeting-the-situation-the-middle-east-and-palestine-delivered "মধ্যপ্রাচ্য ও ফিলিস্তিন পরিস্থিতি নিয়ে সাধারণ পরিষদের সভায় মহাসচিবের বক্তব্য"], জাতিসংঘ মহাসচিব, বিবৃতি (২০ মে ২০২১)।
== H ==
[[File:Thomas Jefferson 1904 Issue, 2c.jpg|thumb|যদি আমাকে সিদ্ধান্ত নিতে বলা হয় যে আমাদের কি সংবাদপত্রহীন কোনো সরকার থাকা উচিত, নাকি সরকারহীন সংবাদপত্র থাকা উচিত। তবে আমি দ্বিতীয়টি বেছে নিতে এক মুহূর্তও দ্বিধা করব না।<br>~'''''[[:w:টমাস জেফারসন|টমাস জেফারসন]]''''' ]]
* সম্পাদক: সংবাদপত্রের দ্বারা নিযুক্ত এমন একজন ব্যক্তি, যাঁর কাজ হলো সারবস্তু থেকে অসার অংশকে আলাদা করা এবং এটি নিশ্চিত করা যে সেই অসার অংশগুলোই যেন সংবাদপত্রে ছাপা হয়।
** '''''এলবার্ট হাববার্ড''''' (১৯১৪), ''দ্য রয়ক্রফট ডিকশনারি অফ এপিগ্রামস''; উদ্ধৃত হয়েছে: ফ্রেড আর. শাপিরো সম্পাদিত '''''দ্য ইয়েল বুক অফ কোটেশনস''''', ইয়েল ইউনিভার্সিটি প্রেস, নিউ হ্যাভেন, কানেকটিকাট, পৃ. ৩৭৪, ISBN 0300107986।
== I ==
* ...মার্কিন সমাজবিজ্ঞানী জর্জ ইয়ান্সি তাঁর ২০১৫ সালের গ্রন্থ "হোস্টাইল এনভায়রনমেন্ট"-এ খ্রিস্টধর্ম এবং সাধারণভাবে রক্ষণশীল ধর্মের বিরুদ্ধে মার্কিন গণমাধ্যমের পক্ষপাতিত্বের ওপর আলোকপাত করেছেন এবং এর মূল কারণ হিসেবে খুঁজে পেয়েছেন যে, '''মূলধারার মার্কিন সাংবাদিকতা হলো একটি স্ব-স্থায়ীকৃত আভিজাত্য বা বর্ণপ্রথা।''' আপনি যদি একজন ইভানজেলিকাল খ্রিস্টান হন কিংবা প্রচলিত উদারপন্থী ও ধর্মনিরপেক্ষ আদর্শের সাথে, বিশেষ করে নৈতিক বিষয়গুলোতে একমত না হন, তবে কোনো মূলধারার সংবাদমাধ্যমে নিয়োগ পাওয়ার জন্য প্রথম সাক্ষাৎকারেই আপনাকে প্রত্যাখ্যান করে ছুড়ে ফেলে দেওয়া হবে।
** '''''মাসিমো ইনত্রোভিনে''''', [https://bitterwinter.org/the-anti-religious-anti-cult-and-anti-tai-ji-men-bias-in-the-media/ "গণমাধ্যমে ধর্ম-বিরোধী, গোষ্ঠী-বিরোধী এবং তাই জি মেন-বিরোধী পক্ষপাতিত্ব"], '''''বিটার উইন্টার''''', (মে ২০২৪)।
* সাংবাদিকতা মানে দর্শক বা পাঠকদের জটিলতা থেকে দূরে সরিয়ে রাখা নয়। বরং এটি হলো জটিল বিষয়গুলোকে নিখুঁতভাবে উপস্থাপন করা এবং সেই জটিলতার মধ্য দিয়ে পথ চলার জন্য দর্শকদের বিচারবুদ্ধির ওপর আস্থা রাখা। একটি তথ্যচিত্র যা সমস্ত ভিন্নমত পোষণকারী কণ্ঠস্বরকে বর্জন করে, তাকে কোনোভাবেই প্রকৃত অনুসন্ধান বলা চলে না।
** '''''মাসিমো ইনত্রোভিনে''''', [https://bitterwinter.org/france-hate-speech-against-scientology-now-funded-by-taxpayers/ "ফ্রান্স: সায়েন্টোলজির বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক বক্তব্য এখন করদাতাদের অর্থে অর্থায়িত হচ্ছে"], '''''বিটার উইন্টার''''', (১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬)।
== J ==
* একজন ব্যক্তির জীবন, স্বাধীনতা এবং সম্পত্তির অধিকার, সেইসাথে বাকস্বাধীনতা, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা, উপাসনা ও সমাবেশের অধিকার এবং অন্যান্য মৌলিক অধিকারগুলো ভোটের ওপর ছেড়ে দেওয়া যায় না। এগুলো কোনো নির্বাচনের ফলাফলের ওপর নির্ভর করে না।
** '''''[[:w:রবার্ট এইচ. জ্যাকসন|রবার্ট এইচ. জ্যাকসন]]''''', '''''[[:w:ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া স্টেট বোর্ড অফ এডুকেশন বনাম বারনেট মামলা|ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া স্টেট বোর্ড অফ এডুকেশন বনাম বারনেট]]''''', মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট, (১৯৪৩), ৩১৯ ইউ.এস. ৬২৪, ৬৩৮।
* আমাদের সরকারের ভিত্তি যেহেতু জনমত, তাই আমাদের প্রথম ও প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত সেই অধিকারকে সমুন্নত রাখা। আর যদি আমাকে সিদ্ধান্ত নিতে বলা হয় যে আমাদের কি সংবাদপত্রহীন কোনো সরকার থাকা উচিত, নাকি সরকারহীন সংবাদপত্র থাকা উচিত—তবে আমি দ্বিতীয়টি বেছে নিতে এক মুহূর্তও দ্বিধা করব না। তবে আমার এই বক্তব্যের অর্থ এই যে, প্রতিটি মানুষের কাছে সেই সংবাদপত্র পৌঁছাতে হবে এবং তাদের তা পাঠ করার সক্ষমতা থাকতে হবে।
** '''''[[:w:টমাস জেফারসন|টমাস জেফারসন]]''''', কর্নেল এডওয়ার্ড ক্যারিংটনকে লেখা চিঠি (১৬ জানুয়ারি ১৭৮৭), লিপসকম্ব ও বার্গ সংস্করণ ৬:৫৭।
* সংবাদপত্রকে কীভাবে পরিচালনা করলে তা সবচেয়ে বেশি জনকল্যাণকর হবে, এ বিষয়ে আমার মত জানতে চাইলে আমি বলব, "একে কেবল ধ্রুব সত্য ঘটনা এবং নির্ভুল নীতিমালার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার মাধ্যমে।" তবুও আমার ভয় হয় যে এমন সংবাদপত্রের গ্রাহক সংখ্যা হবে খুবই নগণ্য। এটি একটি বিষাদময় সত্য যে, সংবাদপত্রের কণ্ঠরোধ করা হলে দেশ যতটা না এর সুফল থেকে বঞ্চিত হয়, তার চেয়েও বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় যখন সংবাদপত্র নির্লজ্জভাবে মিথ্যার কাছে নিজেকে সঁপে দেয়। সংবাদপত্রে যা দেখা যায় তার কোনো কিছুই এখন আর বিশ্বাস করা যায় না। এমনকি পরম সত্যও যখন এই কলুষিত মাধ্যমের ভেতর দিয়ে প্রকাশিত হয়, তখন তাও সন্দেহজনক হয়ে ওঠে। ভুল তথ্যের এই রাজত্ব আসলে কতটা বিস্তৃত তা কেবল তারাই জানেন যারা তাদের ব্যক্তিগত জ্ঞান দিয়ে দিনের পর দিন এই মিথ্যাগুলোর মুখোশ উন্মোচন করতে পারেন। ... আমি আরও যোগ করব যে, যে ব্যক্তি কখনোই সংবাদপত্র দেখেন না তিনি সেই ব্যক্তির চেয়ে বেশি অবগত ও শিক্ষিত যিনি নিয়মিত সংবাদপত্র পড়েন। কারণ যিনি কিছুই জানেন না তিনি সেই ব্যক্তির তুলনায় সত্যের অনেক বেশি কাছাকাছি থাকেন যার মন মিথ্যা আর ভ্রান্তিতে পরিপূর্ণ। যে ব্যক্তি কিছুই পড়ে না সে অন্তত মহান সত্যগুলো শিখতে পারবে, যেখানে সংবাদপত্রের বিস্তারিত তথ্যগুলোর সবই মিথ্যে।
** '''''[[:w:টমাস জেফারসন|টমাস জেফারসন]]''''', [[:w:জন নরভেল|জন নরভেল]]-কে লেখা চিঠি (১১ জুন ১৮০৭)। [https://www.loc.gov/resource/mtj1.038_0592_0594/?sp=2&st=text মূল উৎস এবং প্রতিলিপি]
* আমাদের সংবাদপত্রগুলো বর্তমানে যে পঙ্কিল ও জঘন্য অবস্থায় পতিত হয়েছে, এবং যারা এই সংবাদপত্রের জন্য লেখেন, তাদের সেই বিদ্বেষপরায়ণতা, অসভ্যতা ও মিথ্যাচারের মানসিকতার জন্য আমি আপনার মতোই গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করছি। আমরা ঠিক কতটা অতল গহ্বরে তলিয়ে গেছি তার প্রমাণ হিসেবে আমি আপনাকে নিউ ইংল্যান্ডের একজন বিচারকের সাম্প্রতিক একটি লেখা পাঠাচ্ছি। এই সব আবর্জনা জনরুচিকে দ্রুত কলুষিত করছে এবং সুস্থ চিন্তার প্রতি মানুষের আগ্রহ কমিয়ে দিচ্ছে। তথ্যের বাহন হিসেবে এবং আমাদের কর্মকর্তাদের ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখার যন্ত্র হিসেবে সংবাদপত্রগুলো এখন সম্পূর্ণ অকেজো হয়ে পড়েছে; কারণ তারা বিশ্বাসযোগ্যতার সমস্ত দাবি হারিয়ে ফেলেছে। আমি আপনার সাথে একমত যে, দলীয় মানসিকতার চরম সহিংসতা এবং বিদ্বেষই এই পরিস্থিতির জন্য বহুলাংশে দায়ী...
** '''''[[:w:টমাস জেফারসন|টমাস জেফারসন]]''''', [https://founders.archives.gov/documents/Jefferson/03-07-02-0052 ওয়াল্টার জোন্সকে লেখা চিঠি] (২ জানুয়ারি ১৮১৪)।
* তারা এ নিয়ে মিথ্যে কথা বলেছিল! শত্রু যখন সমুদ্রের পানি ফুটিয়ে ফেলল, আমাদের ষষ্ঠ নৌবহরকে জ্বালিয়ে ছারখার করে দিল এবং উপকূলরেখার পঞ্চাশ মাইলের মধ্যে থাকা প্রতিটি পুরুষ, নারী ও শিশুকে পুড়িয়ে মারল! তখন কিন্তু আপনি অন্তত কিছু সংবাদ প্রতিবেদন আশা করতেই পারতেন। কিন্তু তারা কী রিপোর্ট করল? ফ্লোরিডাতে কিসের সামান্য ভূমিক্ষয়! ওহে নারী, তারা তো পুরো সমুদ্রটাই লাভা-প্লাবিত করে ফেলেছিল!
** '''''আর্থার এম. জলি''''', ''আফটার ইটস অল ওভার'' নাটকে, অরিজিনাল ওয়ার্কস প্রেস, (২০০৯)।
* বাইরের মানুষ যা বুঝতে পারেন না তা হলোঃ কটি সংবাদপত্র আসলে একটি 'সুফলে'র / '''Soufflé''' মতো, যা দ্রুত খাওয়ার জন্য খুব তড়িঘড়ি করে প্রস্তুত করা হয়। আর ঠিক এই কারণেই যখনই আপনি এমন কোনো ঘটনার সংবাদপত্র প্রতিবেদন পড়েন যা সম্পর্কে আপনার ব্যক্তিগত জ্ঞান রয়েছে, তখনই সেটি আপনার কাছে প্রায় সবসময়ই অপর্যাপ্ত বা ভুল বলে মনে হয়। সাংবাদিকরাও অন্য সবার মতো এই ত্রুটির বিষয়ে সচেতন। কিন্তু বিষয়টি স্রেফ এই যে, যদি তথ্যকে যত বেশি সম্ভব পাঠকের কাছে পৌঁছাতে হয়, তবে নিখুঁত হওয়ার চেয়ে বরং কিছুটা কম গুণমানকেই প্রায়শ মেনে নিতে হয়।
** '''''ডেভিড ই. এইচ. জোন্স''''', '''''নিউ সায়েন্টিস্ট''''', খণ্ড ২৬, (১৯৬৫)।
== K ==
* তারা ছিল পেশাদার ক্ষোভ-বিশারদ যারা কেবল একটি জিনিসই জানত। কীভাবে পরিচয়বাদী রাজনীতি বা আইডেন্টিটি পলিটিক্স দিয়ে গোটা পশ্চিমা বিশ্বকে পিটিয়ে হত্যা করতে হয়। আর এখন, গত কয়েক বছরের মধ্যে দেখা সবচেয়ে উদ্দীপক বিদ্রূপের সাথে আমরা অন্তত নিরাপদে এটা বলতে পারি যে, তাদের সময় ফুরিয়ে এসেছে, "'''#টাইমসআপ'''"।
** '''''রহিম কাসাম''''', "না, আমি সেই সাংবাদিকদের জন্য দুঃখিত নই যারা চাকরি হারিয়েছে — আমি বরং দারুণ রোমাঞ্চিত", '''''ডেইলি কলার''''', (২৮ জানুয়ারি ২০১৯)।
* আমার এবং আমাদের সবার সমস্যা হলো যে আমি মনে করি সংবাদ ব্যবসার সাথে জড়িত অধিকাংশ মানুষই আমার এই মতের সাথে একমত হবেন, যে আমরা (এবং এখানে আমি কেবল '[[w:দ্য_টাইমস|দ্য টাইমস]]' এর কথা বলছি না) নাম প্রকাশ না করার আড়ালে অত্যন্ত নীরস উদ্ধৃতি অথবা মাঝে মাঝে অলস পরচর্চা ও কটাক্ষ প্রকাশ করতে বড্ড বেশি উন্মুখ থাকি। আমার কাছে মনে হয়, এটি তথ্যসূত্রের সুরক্ষা বা সোর্স প্রোটেকশনের মূল্যকে সস্তা করে দেয়।
** '''''বিল কেলার''''', '''''[[:w:দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস|দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের]]''''' নির্বাহী সম্পাদক, বেনামী তথ্যসূত্র প্রসঙ্গে (১৩ মে ২০০৫), '''''অন দ্য মিডিয়া'''''তে।
== L ==
* সংবাদপত্র সবসময়ই মানুষের মনে প্রবল কৌতূহল জাগিয়ে তোলে। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো, কেউ কোনোদিন সংবাদপত্র পাঠ শেষ করার পর একরাশ হতাশা বা অতৃপ্তি ছাড়া তা হাত থেকে নামিয়ে রাখতে পারে না।
** '''''চার্লস ল্যাম্ব''''' (১৮৩৩), "অন বুকস অ্যান্ড রিডিং", ''দ্য লাস্ট এসেস অফ এলিয়া''; উদ্ধৃতিটি পুনরুৎপাদন করা হয়েছে: ডেভিড ক্রিস্টাল ও হিলারি ক্রিস্টাল রচিত '''''ওয়ার্ডস অন ওয়ার্ডস: কোটেশনস অ্যাবাউট ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজেস''''' (২০০০), ইউনিভার্সিটি অফ শিকাগো প্রেস, পৃ. ২৭৬, ISBN 0226122018।
* চাঞ্চল্যকর বা হলুদ সাংবাদিকতার চিরন্তন সাতটি প্রধান অনুষঙ্গ হলো: লোমহর্ষক অপরাধের বিবরণ, ব্যক্তিগত জীবনের কেলেঙ্কারি, ভিত্তিহীন কাল্পনিক বিজ্ঞান, মানসিক উন্মাদনা, সংখ্যাতত্ত্বের মতো নানাবিধ অন্ধবিশ্বাসের চর্চা, অলৌকিক দানব বা দানবীয় কর্মকাণ্ড এবং প্রভাবশালী ধনকুবেরদের জীবনকথা।
** '''''ফ্রিটজ লেইবার''''', ''এ রাইট অফ স্প্রিং'' (১৯৭৭); টেরি কার সম্পাদিত '''''ইউনিভার্স ৭''''', পৃ. ২৬।
* জেনারেল ডগলাস ম্যাকার্থারের প্রসঙ্গে বলতে গেলে, আমি আসলে এমন কোনো ব্যক্তি সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট বা স্পষ্ট কোনো মতামত দেওয়ার মতো অবস্থানে নিজেকে খুঁজে পাই না, যাঁকে আমি কেবল সংবাদপত্রের মাধ্যমেই চিনি। আপনি লক্ষ্য করে দেখবেন, সংবাদমাধ্যমগুলো যখনই এমন কোনো ব্যক্তি বা বিষয় নিয়ে আলোচনা করে যা সম্পর্কে আমার ব্যক্তিগত ধারণা বা জ্ঞান রয়েছে, তখনই আমি দেখি যে তাদের পরিবেশিত তথ্যগুলো সবসময়ই মিথ্যাচার আর ভুল বোঝাবুঝির এক বিশাল স্তূপ ছাড়া আর কিছুই নয়; আর এই অভিজ্ঞতা থেকেই আমি এই সিদ্ধান্তে উপনীত হই যে, যেসব ক্ষেত্র সম্পর্কে আমার বিন্দুমাত্র কোনো জ্ঞান নেই, সেখানেও তারা এর চেয়ে ভালো কিছু হওয়ার সম্ভাবনা রাখে না।
** '''''[[:w:সি. এস. লিউইস|সি. এস. লিউইস]]''''', মিসেস মেরি ভ্যান ডিউসেনকে লেখা চিঠি (৩০ এপ্রিল ১৯৫১), ''সংগৃহীত সি. এস. লিউইস পত্রাবলি, খণ্ড ৩: "নার্নিয়া, কেমব্রিজ, অ্যান্ড জয়", ১৯৫০-১৯৬৩'', পৃ. ১১৪।
== M ==
[[File:Janet Malcolm 3.18.13a (headshot).jpg|thumb|আমাদের বর্তমান সমাজে একজন সাংবাদিককে ঠিক একজন পরোপকারীর সমান্তরালে স্থান দেওয়া হয়, কারণ তাঁর হাতে বিলি করার মতো অত্যন্ত মূল্যবান কিছু একটি থাকে (তাঁর এই বিনিময়ের মুদ্রাটি হলো 'পাবলিসিটি' বা প্রচার নামক এক অদ্ভুত মাদকতাময় বস্তু), এবং ফলস্বরূপ তাঁকে এমন এক ধরনের শ্রদ্ধা ও সম্মান প্রদর্শন করা হয় যা একজন মানুষ হিসেবে তাঁর প্রকৃত যোগ্যতার তুলনায় একেবারেই ভারসাম্যহীন।<br>~'''''জ্যানেট ম্যালকম''''' ]]
* বিভিন্ন স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীর ওয়েবসাইটগুলো সাধারণত সাংবাদিকতার ছদ্মবেশে এক ধরনের অপপ্রচার বা 'জার্নালগান্ডা'র [হলুদ সাংবাদিকতা] জয়গান গায়। কারণ সেখানে সবকিছুই পরিবেশন করা হয় সেই নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর নিজস্ব স্বার্থের ফিল্টার বা ছাঁকনির ভেতর দিয়ে। এটি এক অদ্ভুত ও অবাস্তব জগত, তবে এর গুরুত্বও অপরিসীম। কারণ কট্টরপন্থীরা তাদের পূর্বনির্ধারিত চিন্তাধারাকে আরও শক্তিশালী করতে এখানেই ভিড় জমায়। আপনার অবস্থান যা-ই হোক না কেন, নিজেকে চূড়ান্তভাবে সঠিক মনে করার ক্ষেত্রে এই জার্নালগান্ডার চেয়ে কার্যকর আর কিছুই হতে পারে না। প্রকৃত সাংবাদিকতাকে সবসময় চিনে নেওয়া যায় তার কাজের ধরন দেখে। এটি প্রায়শই সাধারণ মানুষকে এই সাংবাদিকতার জগত সম্পর্কে চরম অস্বস্তি ও ভ্রান্ত বিচলিত অবস্থার মধ্যে ফেলে দেয়।
** '''''চার্লস এম. ম্যাডিগান''''' (২৫ অক্টোবর ২০০৫), [http://web.archive.org/web/20130625005510/http://www.chicagotribune.com/news/opinion/chi-0510250027oct25,0,3811209.column?page=2&coll=chi-ed_opinion_columnists-utl "আজকের 'সাংবাদিকতা'র সমস্যা"], '''''[[:w:শিকাগো ট্রিবিউন|শিকাগো ট্রিবিউন]]'''''।
* এমন প্রতিটি সাংবাদিক—যিনি পরিস্থিতির গভীরতা বোঝার মতো যথেষ্ট বুদ্ধিমান এবং নিজের অহংবোধে অন্ধ হয়ে যাননি। তিনি খুব ভালো করেই জানেন যে, তিনি যা করছেন তা নৈতিকভাবে সম্পূর্ণ অমার্জনীয়। তিনি মূলত এক প্রকারের প্রতারক বা 'কনফিডেন্স ম্যান', যিনি মানুষের অহংকার, অজ্ঞতা কিংবা একাকীত্বকে পুঁজি করে তাদের ওপর শিকারি পাখির মতো ঝাঁপিয়ে পড়েন। তিনি প্রথমে মানুষের বিশ্বাস অর্জন করেন এবং এরপর বিন্দুমাত্র অনুশোচনা ছাড়াই সেই বিশ্বাসের চরম অমর্যাদা করেন। ঠিক যেমন একজন অতি-বিশ্বাসী বিধবা একদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে আবিষ্কার করেন যে সেই মনোমুগ্ধকর যুবকটি তাঁর সারা জীবনের সমস্ত সঞ্চয় নিয়ে চম্পট দিয়েছে। তেমনি কোনো একটি অ-কাল্পনিক রচনার বিষয়বস্তু হওয়া ব্যক্তিটিও। যখন সেই নিবন্ধ বা বইটি প্রকাশিত হয়, তখনই তাঁর জীবনের সেই রূঢ় ও কঠিন শিক্ষাটি লাভ করেন। সাংবাদিকরা তাঁদের এই বিশ্বাসঘাতকতাকে নিজ নিজ স্বভাব অনুযায়ী বিভিন্নভাবে যুক্তিযুক্ত করার চেষ্টা করেন। তাঁদের মধ্যে যারা অধিকতর আড়ম্বরপূর্ণ, তারা বাকস্বাধীনতা এবং "জনগণের জানার অধিকার" নিয়ে লম্বা চওড়া কথা বলেন। যারা অপেক্ষাকৃত কম মেধাবী হয়, তারা একে এক ধরণের 'শিল্প' বলে আখ্যা দিয়ে থাকেন। আর যারা খুব বিনয়ী হওয়ার ভান করেন, তারা স্রেফ জীবনধারণের তাগিদে এই পেশা বেছে নেওয়ার কথা বলে মৃদু গুঞ্জন তোলে থাকেন।
** '''''[[:w:জ্যানেট ম্যালকম|জ্যানেট ম্যালকম]]''''', '''''[[:w:দ্য জার্নালিস্ট অ্যান্ড দ্য মার্ডারার|দ্য জার্নালিস্ট অ্যান্ড দ্য মার্ডারার]]''''' (১৯৯০), নিউ ইয়র্ক: নফ, পৃ. ৩ (বইটির উদ্বোধনী অনুচ্ছেদ)।
* আমাদের বর্তমান সমাজে একজন সাংবাদিককে ঠিক একজন পরোপকারীর সমান্তরালে স্থান দেওয়া হয়, কারণ তাঁর হাতে বিলি করার মতো অত্যন্ত মূল্যবান কিছু একটি থাকে (তাঁর এই বিনিময়ের মুদ্রাটি হলো 'পাবলিসিটি' বা প্রচার নামক এক অদ্ভুত মাদকতাময় বস্তু), এবং ফলস্বরূপ তাঁকে এমন এক ধরনের শ্রদ্ধা ও সম্মান প্রদর্শন করা হয় যা একজন মানুষ হিসেবে তাঁর প্রকৃত যোগ্যতার তুলনায় একেবারেই ভারসাম্যহীন। এই দেশে এমন মানুষের সংখ্যা খুবই নগণ্য যারা নিজেদের সম্পর্কে কোথাও লেখা হচ্ছে কিংবা কোনো রেডিও বা টেলিভিশন প্রোগ্রামে তাঁদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হচ্ছে, এমন সম্ভাবনা দেখে প্রবলভাবে উচ্ছ্বসিত হন না।
** '''''জ্যানেট ম্যালকম''''', '''''দ্য জার্নালিস্ট অ্যান্ড দ্য মার্ডারার''''' (১৯৯০), নিউ ইয়র্ক: নফ, পৃ. ৫৮।
* আমি এখন এমনটা ভাবতে শুরু করেছি যে... সাংবাদিকতামূলক রচনায় "আমি" নামক চরিত্রটি সাংবাদিকের সৃষ্ট অন্যান্য সমস্ত চরিত্র থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। কারণ এটি সেই নিয়মের একটি ব্যতিক্রম যেখানে বলা হয় যে কোনো কিছুই আবিষ্কার বা উদ্ভাবন করা যাবে না। সাংবাদিকতার এই "আমি" চরিত্রটি প্রায় পুরোপুরি একটি মনগড়া উদ্ভাবন। আত্মজীবনীতে ব্যবহৃত "আমি" যেখানে লেখকের সরাসরি প্রতিনিধিত্ব করার কথা, সেখানে সাংবাদিকতার এই "আমি" লেখকের সাথে খুব সামান্য বা ক্ষীণভাবেই যুক্ত। ঠিক যেভাবে সুপারম্যানের সাথে ক্লার্ক কেন্টের সংযোগ থাকে। সাংবাদিকতার এই "আমি" হলো এক অতি-নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারী, যার ওপর আখ্যানের গুরুত্বপূর্ণ কাজ, যুক্তি উপস্থাপন এবং সুর নির্ধারণের দায়িত্ব অর্পণ করা হয়। এটি গ্রিক ট্র্যাজেডির কোরাসের মতো একটি বিশেষ প্রয়োজনে সৃষ্ট সৃষ্টি। সে হলো একটি প্রতীকি চরিত্র, যে জীবনের এক নিরাসক্ত ও আবেগহীন পর্যবেক্ষক হিসেবে নিজেকে মূর্ত করে তোলে। তা সত্ত্বেও, পাঠকরা যারা সহজেই এই ধারণাটি মেনে নেন যে ফিকশন বা কল্পকাহিনীর বর্ণনাকারী এবং সেই বইয়ের লেখক এক ব্যক্তি নন, তারাই আবার সাংবাদিকতার এই উদ্ভাবিত "আমিত্বের" ধারণাটিকে জেদের সাথে প্রতিরোধ করেন। এমনকি সাংবাদিকদের মধ্যেও এমন অনেকে আছেন যারা নিজেদের টেক্সটের সেই 'সুপারম্যান' রূপ থেকে নিজেদের বাস্তব সত্ত্বাকে আলাদা করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত হিমশিম খান।
** '''''[[:w:জ্যানেট ম্যালকম|জ্যানেট ম্যালকম]]''''', '''''দ্য জার্নালিস্ট অ্যান্ড দ্য মার্ডারার''''' (১৯৯০), নিউ ইয়র্ক: নফ, পৃ. ১৫৯–১৬০।
* সাংবাদিকতার নৈতিক অস্পষ্টতা বা দ্বিধার লিখিত বয়ানের মধ্যে নয়, বরং সেই সম্পর্কের গভীরে নিহিত থাকে যেখান থেকে এই বয়ানগুলো জন্ম নেয়। আর এই সম্পর্কগুলো অনিবার্যভাবেই এবং কোনোভাবেই এড়ানো যায় না এমনভাবে একপেশে বা অসম প্রকৃতির হয়ে থাকে। সাংবাদিকতামূলক রচনার 'ভালো' চরিত্রগুলো ঠিক তেমনিভাবেই অন্য একজন মানুষের ওপর লেখকের সেই অশুভ ও প্রচণ্ড ক্ষমতার ফসল, যেভাবে 'মন্দ' চরিত্রগুলো সৃষ্টি হয়। [...] সাংবাদিকতার বিষয়বস্তু হওয়া ব্যক্তিটি হয়তো সাংবাদিককে নিজের স্বার্থে ব্যবহার বা ম্যানিপুলেট করার চেষ্টা করতে পারেন এবং জাগতিক জ্ঞানসম্পন্ন কোনো ব্যক্তিই কমবেশি এই প্রবণতার ঊর্ধ্বে নন। কিন্তু এই বিষয়টি কোনোভাবেই ব্যক্তিস্বাধীনতার চেতনার বিরুদ্ধে সাংবাদিকের নিজের করা পাপগুলোকে মোচন বা খণ্ডন করতে পারে না। [...] সাংবাদিকরা এই নৈতিক অচলাবস্থার সাথে লড়াই করার জন্য অগণিত বৈচিত্র্যময় পথ অবলম্বন করেন [...]। তাদের মধ্যে যারা সবচেয়ে প্রজ্ঞাবান, তারা ভালো করেই জানেন যে তারা সর্বোচ্চ যা করতে পারেন তা-ও আসলে যথেষ্ট নয়। আর যারা খুব একটা বুদ্ধিমান নন, তারা তাদের চিরচেনা অভ্যাসবশত এটা বিশ্বাস করতেই পছন্দ করেন যে আসলে কোনো সমস্যাই নেই এবং তারা হয়তো এর একটি সমাধানও করে ফেলেছেন।
** '''''জ্যানেট ম্যালকম''''', '''''[[:w:দ্য জার্নালিস্ট অ্যান্ড দ্য মার্ডারার|দ্য জার্নালিস্ট অ্যান্ড দ্য মার্ডারার]]''''' (১৯৯০), নিউ ইয়র্ক: নফ, পৃ. ১৬২-১৬৩। (শেষ বাক্যটি বইটির অন্তিম বাক্য)।
* উন্নত ও মানসম্মত সাংবাদিকতার জন্য তথ্যফাঁসকারী বা 'হুইসেলব্লোয়ার'রা অপরিহার্য। তাঁরা সাংবাদিকদের সেই সব গোপনীয়তার দেয়াল ভেদ করতে সাহায্য করেন যা সরকারি কর্মকর্তা এবং জনসংযোগ কর্মকর্তারা অত্যন্ত সযত্নে গড়ে তোলেন। এই হুইসেলব্লোয়াররাই সরকার, কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান, সামরিক বাহিনী এবং গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর ভেতরে লুকিয়ে থাকা নানা অনিয়ম ও অন্যায় কর্মকাণ্ডগুলো সবার সামনে এনে উন্মোচন করে থাকেন। এই সাহসী মানুষদের তাঁদের এই বীরত্বপূর্ণ কাজের জন্য পুরস্কৃত করা উচিত ছিল। কিন্তু তার পরিবর্তে, অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো যে তাঁদের প্রায়ই বিচারিক হয়রানি কিংবা কারাবাসের মুখোমুখি হতে হয়।
** '''''ইউয়েন ম্যাকআসকিল''''', [https://www.democracynow.org/2021/10/25/belmarsh_tribunal "জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জকে মুক্ত করুন: স্নোডেন, ভারুফাকিস, করবিন এবং তারিক আলী প্রত্যর্পণ শুনানির আগে কথা বলছেন"], '''''ডেমোক্রেসি নাও!''''', (২৫ অক্টোবর ২০২১)।
* যদি জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জকে অভিযুক্ত করে বিচার করা হয়, তবে '[[w:দ্য_গার্ডিয়ান|দ্য গার্ডিয়ান]]', [[w:দ্য_নিউ_ইয়র্ক_টাইমস|'দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস]]', 'ডার স্পিগেল', 'এল পাইস', 'লা রিপাবলিকা' এবং এই তথ্যগুলো প্রচারের সাথে জড়িত অন্যান্য সমস্ত সংবাদ সংস্থার সম্পাদক ও সাংবাদিকদের বিরুদ্ধেও মামলা করার সমান ও যথেষ্ট যুক্তিযুক্ত কারণ রয়েছে।
** '''''ইউয়েন ম্যাকআসকিল''''', [https://www.democracynow.org/2021/10/25/belmarsh_tribunal "জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জকে মুক্ত করুন: স্নোডেন, ভারুফাকিস, করবিন এবং তারিক আলী প্রত্যর্পণ শুনানির আগে কথা বলছেন"], '''''ডেমোক্রেসি নাও!''''', (২৫ অক্টোবর ২০২১)।
* মাইকেল শুডসন তাঁর “ডিসকভারিং দ্য নিউজ” (১৯৭৮) গ্রন্থে যেমনটি উল্লেখ করেছেন—ভালো সাংবাদিকতা মানেই যে তা “বস্তুনিষ্ঠ” (অর্থাৎ দলীয় প্রভাবমুক্ত এবং ব্যক্তিগত মতামতের ঊর্ধ্বে) হতে হবে, এই ধারণাটি মূলত বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে প্রথম আবির্ভূত হয়েছিল। শুডসন মনে করতেন যে, ধ্রুব এবং নির্ভরযোগ্য সত্যের ধারণাটির প্রতি মানুষের ক্রমবর্ধমান সংশয়বাদ থেকেই এই বস্তুনিষ্ঠতার ধারণার জন্ম হয়েছে। তাঁর ভাষায়, বস্তুনিষ্ঠতার এই মানদণ্ডটি “তথ্যের ওপর বিশ্বাসের কোনো চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ ছিল না; বরং এটি ছিল এমন এক জগতের জন্য পরিকল্পিত পদ্ধতির সুদৃঢ় দাবি, যেখানে এমনকি তথ্যকেও আর বিশ্বাস করা যাচ্ছিল না। ... সাংবাদিকরা বস্তুনিষ্ঠতায় বিশ্বাস করতে শুরু করেছিলেন ঠিক ততটুকুই যতটুকু তাঁদের প্রয়োজন ছিল। কারণ তাঁরা চেয়েছিলেন, তাঁদের দরকার ছিল এবং সাধারণ মানবিক আকাঙ্ক্ষা থেকেই তাঁরা তাঁদের নিজেদের গভীর সন্দেহ ও অস্থিরচিত্ততা থেকে মুক্তি পাওয়ার পথ খুঁজছিলেন।” অন্যভাবে বলতে গেলে, বস্তুনিষ্ঠতা বিষয়টি শুরু থেকেই একটি সমস্যাসঙ্কুল ধারণা ছিল... লিপম্যানের যুক্তি ছিল এই যে, সাংবাদিকতা আসলে কোনো সুনির্দিষ্ট পেশা নয়। এই পেশায় যুক্ত হওয়ার জন্য আপনার কোনো লাইসেন্স বা প্রাতিষ্ঠানিক একাডেমিক সনদের প্রয়োজন হয় না। সব ধরণের মানুষই নিজেদের সাংবাদিক বলে দাবি করেন। কিন্তু প্রশ্ন হলো, তাঁরা সবাই কি জনগণকে নির্ভরযোগ্য এবং স্বার্থহীন সংবাদ পণ্য সরবরাহ করতে সক্ষম?
** '''''[[:w:লুই মেনান্দ|লুই মেনান্দ]]''''', [https://www.newyorker.com/magazine/2023/02/06/when-americans-lost-faith-in-the-news “যখন আমেরিকানরা সংবাদমাধ্যমের ওপর আস্থা হারিয়েছিল”], '''''দ্য নিউ ইয়র্কার''''', (৩০ জানুয়ারি ২০২৩)।
* ১৯৪৫ থেকে ১৯৭৫ সালের মধ্যবর্তী সময়ে মার্কিন ক্যাবিনেটে মাত্র একজন নারী এবং একজন কৃষ্ণকায় ব্যক্তি ছিলেন। যাঁদের প্রত্যেকেই মাত্র দুই বছর মেয়াদে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। সংবাদমাধ্যমের দিকে তাকালে দেখা যায় যে পরিস্থিতি ছিল আরও ভয়াবহ। নারী ও কৃষ্ণকায় সাংবাদিকদের পরিকল্পিতভাবে মূলধারা থেকে বাদ দেওয়া হতো। নির্দিষ্ট কিছু সংবাদ সম্মেলনে তাঁদের প্রবেশাধিকার ছিল না এবং সম্পাদকরা নারীদের কখনোই সরকারি বিষয়গুলো কভার করার দায়িত্ব দিতেন না। ঘোর বর্ণবাদ এবং লিঙ্গবৈষম্য এত দীর্ঘ সময় ধরে সেখানে টিকে ছিল যে আজ তা প্রায় অবিশ্বাস্য বলে মনে হয়। <br> ওয়াশিংটনের সাংবাদিকদের জন্য প্রধান দুটি সামাজিক সংগঠন ছিল গ্রিডাইরন ক্লাব (১৮৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত) এবং ন্যাশনাল প্রেস ক্লাব (১৯০৮ সালে প্রতিষ্ঠিত)। ১৮৯৬ সালে গ্রিডাইরন ক্লাব সদস্যদের স্ত্রীদের একটি নৈশভোজে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল, কিন্তু নারী ভোটাধিকার আন্দোলনকে উপহাস করে পরিবেশিত একটি নাটক সেখানে মোটেও ভালো সাড়া ফেলেনি; যার ফলে ১৯৭২ সাল পর্যন্ত নারীদের সেখানে আর প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি। বিংশ শতাব্দীর পঞ্চাশের দশক পর্যন্তও গ্রিডাইরন ক্লাবের নৈশভোজগুলোতে বিনোদনের জন্য সদস্যরা মুখে কালো রঙ মেখে 'ব্ল্যাকফেস' সেজে অভিনয় করতেন। ম্যাকগারের বর্ণনা অনুযায়ী, ক্লাবটির সিগনেচার টিউন ছিল “দ্য ওয়াটারমেলন সং”, যা একটি বিশেষ আঞ্চলিক [[w:উপভাষা|উপভাষায়]] গাওয়া হতো। <br> ১৯৫৫ সালের আগে ন্যাশনাল প্রেস ক্লাবে কোনো কৃষ্ণকায় সদস্য ছিলেন না; এবং সেই একই বছরেই প্রথমবারের মতো নারীদের এমন মধ্যাহ্নভোজে উপস্থিত থাকার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল যেখানে কর্মকর্তারা সদস্যদের ব্রিফিং দিতেন। তবে নারীদের বসতে হতো ব্যালকনিতে এবং তাঁদের কোনো প্রশ্ন করার অনুমতি ছিল না। ১৯৭১ সালের আগে ন্যাশনাল প্রেস ক্লাব কোনো নারী সদস্য গ্রহণ করেনি। <br> 'দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট' ১৯৫১ সালে তাদের প্রথম কৃষ্ণকায় সাংবাদিক নিয়োগ দেয়। তাঁর জন্য আলাদা শৌচাগার বরাদ্দ করা হয়েছিল এবং মাত্র দুই বছর পরেই তিনি সেই পত্রিকা ত্যাগ করেন। (ম্যাকগার বলেন যে ওয়াশিংটন পোস্ট ১৯৭২ সালের আগে আর কোনো কৃষ্ণকায় সাংবাদিক নিয়োগ দেয়নি, তবে তথ্যটি ভুল: পত্রিকাটি ১৯৬১ সালে ডরোথি বাটলার গিলিয়াম এবং ১৯৬৮ সালে জ্যাক হোয়াইটকে নিয়োগ দিয়েছিল।) নাগরিক অধিকার আন্দোলনের অনেক গভীর সময় পর্যন্তও নিউ ইয়র্ক টাইমসে কৃষ্ণকায় সাংবাদিকদের সংখ্যা ছিল অতি সামান্য। এই পত্রিকার মতো অন্যান্য সাধারণ-আগ্রহের ম্যাগাজিনগুলোর রেকর্ডও এর চেয়ে ভালো কিছু ছিল না।
** '''''লুই মেনান্দ''''', [https://www.newyorker.com/magazine/2023/02/06/when-americans-lost-faith-in-the-news “যখন আমেরিকানরা সংবাদমাধ্যমের ওপর আস্থা হারিয়েছিল”], '''''দ্য নিউ ইয়র্কার''''', (৩০ জানুয়ারি ২০২৩)।
* সংবাদপত্রের শক্তি—তা যতটুকু বা যে পর্যায়েরই হোক না কেন—তা মূলত অনেকটা প্রাতিষ্ঠানিক পণ্ডিত, বৈজ্ঞানিক গবেষক এবং সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের শক্তির মতো। এটি কোনো পেশিবল বা শারীরিক শক্তির ওপর ভিত্তি করে দাঁড়িয়ে নেই; বরং এটি টিকে আছে মানুষের অগাধ বিশ্বাসের ওপর—এই বিশ্বাস যে, এরা হলো এমন একদল মানুষ যারা ভয় কিংবা পক্ষপাতিত্বের ঊর্ধ্বে থেকে কেবল সত্য অন্বেষণের জন্য নিজেদের উৎসর্গ করেছেন। যখনই তাঁরা এই মহান দায়িত্ব পালন থেকে বিচ্যুত হবেন, তখন সমাজ তাঁদের সেই একইভাবে দেখতে শুরু করবে যেভাবে বর্তমানে অন্যদের দেখা হয়—অর্থাৎ এমন একদল লোক যারা কেবল ব্যক্তিগত লাভ বা সামাজিক মর্যাদার লোভে তথ্যকে নিজ স্বার্থে ঘুরিয়ে পরিবেশন করে।
** '''''[[:w:লুই মেনান্দ|লুই মেনান্দ]]''''', [https://www.newyorker.com/magazine/2023/02/06/when-americans-lost-faith-in-the-news “যখন আমেরিকানরা সংবাদমাধ্যমের ওপর আস্থা হারিয়েছিল”], '''''দ্য নিউ ইয়র্কার''''', (৩০ জানুয়ারি ২০২৩)।
* যেহেতু আদর্শগত সত্য বলে পৃথিবীতে আসলে কিছুর অস্তিত্ব নেই, তাই স্বাভাবিকভাবেই এটা প্রতীয়মান হয় যে, একজন প্রতিবেদক যখনই নিজেকে [[w:রক্ষণশীলতাবাদ|উদারপন্থী বা রক্ষণশীল]], কিংবা ডেমোক্রেটিক, [[w:সাম্যবাদ|কমিউনিস্ট]] বা রিপাবলিকান প্রতিবেদক হিসেবে উপস্থাপন করেন, তখন তিনি আসলে আর মোটেও কোনো প্রতিবেদক থাকেন না।
** '''''এইচ. এল. মেনকেন''''' (১৯৩৭), উদ্ধৃত হয়েছে: অ্যালেস্টার কুক রচিত '''''মেমোরিস অফ দ্য গ্রেট অ্যান্ড গুড''''' (১৯৯৯), পৃ. ২২৪।
* সংবাদপত্রগুলো এখন জেসি-র পিছু নিতে শুরু করেছে। শুরুতে তারা তাকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করেছিল এবং সব ঘটনার দায়ভার অন্য যে কারো বা অন্য কিছুর ওপর চাপিয়ে দিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত, একজন অত্যন্ত রূপসী অথচ দৃশ্যত কোনো যৌনজীবন নেই এমন একজন নারীকে নিয়ে কাজ করা তাদের জন্য বেশ বিব্রতকর হয়ে দাঁড়িয়েছিল। কারণ তাকে কলঙ্কিত করার জন্য আসলে ঠিক কী ধরনের অপবাদ ব্যবহার করা উচিত, তা তারা খুঁজে পাচ্ছিল না।
** '''''নাওমি মিচিসন''''', “মেরি অ্যান্ড জো”; হ্যারি হ্যারিসন সম্পাদিত '''''নোভা ১''''', পৃ. ১৬৩।
* সাংবাদিকরা যখন কোনো ভুল করেন, তখন তাঁদের মানহানির মামলার মুখে পড়তে হয়; কিন্তু ঐতিহাসিকরা যখন কোনো ভুল করেন, তখন তাঁরা সেই ভুল শুধরে নিয়ে বইটির একটি পরিমার্জিত সংস্করণ প্রকাশের সুযোগ পান।
** '''''বিল ময়ার্স''''', "দ্য বিগ স্টোরি", টেক্সাস স্টেট হিস্টোরিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনে প্রদত্ত ভাষণ, (৭ মার্চ ১৯৯৭), '''''ময়ার্স অন ডেমোক্রেসি''''' (২০০৮), পৃ. ১৩১।
* বাকস্বাধীনতা এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতা, যা প্রথম সংশোধনীর মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ থেকে সুরক্ষিত করা হয়েছে। তা মূলত সেইসব মৌলিক ব্যক্তিগত অধিকার ও স্বাধীনতার অন্তর্ভুক্ত যা চতুর্দশ সংশোধনীর মাধ্যমে যেকোনো অঙ্গরাজ্যের হস্তক্ষেপ থেকে সকল নাগরিকের জন্য সুনিশ্চিত করা হয়েছে। এই অধিকারগুলোকে সুরক্ষিত রাখার মূল উদ্দেশ্য হলো যেন মানুষ তাদের জন্য অত্যাবশ্যকীয় বিষয়গুলো নিয়ে স্বাধীনভাবে চিন্তা ও কথা বলতে পারে এবং শিক্ষা ও আলোচনার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যেন মিথ্যার মুখোশ উন্মোচিত হয়। যা একটি মুক্ত ও স্বাধীন সরকারের জন্য একান্ত অপরিহার্য। যারা আমাদের স্বাধীনতা ছিনিয়ে এনেছিলেন, তাঁদের এই অটল বিশ্বাস ছিল যে, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সত্য আবিষ্কার এবং তা প্রচার করার জন্য স্বাধীন ও নির্ভীক যুক্তিপ্রদান এবং ধারণার আদান-প্রদান এক অজেয় শক্তি হিসেবে কাজ করবে।
** '''''[[:w:ফ্রাঙ্ক মারফি|ফ্রাঙ্ক মারফি]]''''', '''''[[:w:থর্নহিল বনাম আলাবামা মামলা|থর্নহিল বনাম আলাবামা]]''''', মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট, (১৯৪০), ৩১০ ইউ.এস. ৮৮, ৯৫।
== O ==
* সেই স্থূলকায় [[w:রুশ_জাতি|রুশ]] গোয়েন্দাটি একে একে সমস্ত বিদেশী উদ্বাস্তুদের এক কোণায় নিয়ে যাচ্ছিলেন এবং অত্যন্ত বিশ্বাসযোগ্য ভঙ্গিতে ব্যাখ্যা করছিলেন যে, এই পুরো ঘটনাটি আসলে ছিল একটি নৈরাজ্যবাদী চক্রান্ত। আমি বেশ আগ্রহ নিয়ে তাঁকে পর্যবেক্ষণ করছিলাম, কারণ সেটিই ছিল আমার জীবনে প্রথম দেখা এমন কোনো ব্যক্তি যাঁর পেশা হলো অনর্গল মিথ্যা বলা, অবশ্য যদি কেউ এই তালিকায় সাংবাদিকদের গণনা না করেন।
** '''''[[:w:জর্জ অরওয়েল|জর্জ অরওয়েল]]''''', '''''হোমেজ টু ক্যাটালোনিয়া''''' (১৯৩৮)।
* জীবনের শুরুর দিকেই আমি লক্ষ্য করেছিলাম যে সংবাদপত্রে কোনো ঘটনাই আসলে সঠিকভাবে উপস্থাপিত হয় না; কিন্তু স্পেনে আমি প্রথমবারের মতো এমন কিছু সংবাদ প্রতিবেদন দেখলাম যার সাথে বাস্তব তথ্যের বিন্দুমাত্র কোনো সম্পর্ক নেই, এমনকি একটি সাধারণ মিথ্যার মধ্যে যেটুকু সত্যের রেশ থাকে সেটুকুও সেখানে অনুপস্থিত ছিল। আমি দেখেছি এমন সব বিশাল যুদ্ধের খবর ছাপা হয়েছে যেখানে আসলে কোনো লড়াই-ই হয়নি, আবার যেখানে শত শত মানুষ প্রাণ হারিয়েছে সেখানে বজায় রাখা হয়েছে কবরের নিস্তব্ধতা। আমি দেখেছি যেসব সৈন্য সাহসিকতার সাথে লড়াই করেছে তাদেরকে উল্টো কাপুরুষ ও বিশ্বাসঘাতক হিসেবে নিন্দা জানানো হচ্ছে, আর যারা কোনোদিন যুদ্ধের ময়দানে একটি গুলিও ছোঁড়েনি তাদের কাল্পনিক বিজয়ের নায়ক হিসেবে জয়ধ্বনি দেওয়া হচ্ছে! শুধু তা-ই নয়, আমি দেখলাম '''[[w:লন্ডন|লন্ডনের]]''' সংবাদপত্রগুলো এই মিথ্যাগুলোই প্রচার করেছিল এবং উৎসাহী বুদ্ধিজীবীরা এমন সব ঘটনার ওপর আবেগপ্রবণ ইমারত গড়ে তুলছেন যা আদতে কখনও ঘটেইনি। আমি আসলে ইতিহাসকে এমনভাবে রচিত হতে দেখলাম যা কী ঘটেছে তার ওপর ভিত্তি করে নয়, বরং বিভিন্ন 'দলীয় আদর্শ' অনুযায়ী কী ঘটা উচিত ছিল, তার ওপর ভিত্তি করে তৈরি।
** '''''[[:w:জর্জ অরওয়েল|জর্জ অরওয়েল]]''''', '''''লুকিং ব্যাক অন দ্য স্প্যানিশ ওয়ার''''' (১৯৪৩)।
* অনেক সাংবাদিকই আজকের দ্রুত পরিবর্তনশীল ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে এতটাই আচ্ছন্ন থাকেন যে, তাঁদের মধ্যে ইতিহাসের গভীর উপলব্ধি বা ঐতিহাসিক চেতনার এক ধরনের চরম ঘাটতি লক্ষ্য করা যায়।
** '''''ফিন্টান ও'টুল''''', '''''দি আইরিশ টাইমস''''' (২০২৩)।
* অন্ধ স্তুতি বা ফ্যানডম এবং বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা কখনোই একে অপরের পরিপূরক হতে পারে না; বরং এই দুটি বিষয় একত্রে থাকলে তা অত্যন্ত বিপজ্জনক ও অসম এক সহাবস্থানের জন্ম দেয়।
** '''''ফিন্টান ও'টুল''''', '''''দি আইরিশ টাইমস''''' (২০২৩)।
== P ==
* বর্তমানের এই বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে যেখানে প্রতিটি মানুষই একেকজন প্রকাশক হয়ে উঠেছেন, সেখানে আশ্চর্যের বিষয় হলো কেউ আসলে প্রকৃত সম্পাদকের ভূমিকা পালন করছেন না। আর ঠিক এই জায়গাতেই আজকের দিনে আমরা এক ভয়াবহ সংকটের সম্মুখীন হচ্ছি।
** '''''স্কট পেলি''''', কুইনিপিয়াক ইউনিভার্সিটিতে প্রদত্ত ভাষণ (১০ মে ২০১৩)। [http://www.youtube.com/watch?v=1AyCD_lcl1Q ইউটিউব ভিডিও: সিবিএস নিউজ অ্যাঙ্কর স্কট পেলি: 'আমরা বারবার বড় বড় খবরগুলো ভুলভাবে পরিবেশন করছি']।
* সাংবাদিকদের জন্য নিজেদের কেবল সাধারণ বার্তাবাহক হিসেবে গণ্য করাই যথেষ্ট নয়। বরং তাঁদের পরিবেশিত বার্তার আড়ালে লুকিয়ে থাকা গোপন উদ্দেশ্য বা 'হিডেন এজেন্ডা' পুরিকল্পনা এবং সেই বার্তাকে ঘিরে থাকা প্রচলিত মিথ বা ভ্রান্ত ধারণাগুলো গভীরভাবে উপলব্ধি করা একান্ত প্রয়োজন।
** '''''[[:w:জন পিলজার|জন পিলজার]]''''', 'হিডেন এজেন্ডাস', ১৯৯৮।
* গোপন ক্ষমতা সেই সাংবাদিকদের মনেপ্রাণে ঘৃণা করে যারা নিজেদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করেন। যারা গোপনীয়তার পর্দা সরিয়ে দেন, বাহ্যিক চাকচিক্যের আড়ালে উঁকি দেন এবং অশুভ সত্যের ওপর রাখা পাথর তুলে ধরেন। উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের কাছ থেকে আসা নিন্দা বা তিরস্কারই হলো এই নির্ভীক সাংবাদিকদের জন্য সম্মানের শ্রেষ্ঠ স্মারক।
** '''''[[:w:জন পিলজার|জন পিলজার]]''''', '''''টেল মি নো লাইজ: ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিজম দ্যাট চেঞ্জড দ্য ওয়ার্ল্ড''''', থান্ডার্স মাউথ প্রেস, (২০০৫), পৃ. xv, ISBN 1560257865।
* আমরা যারা সাংবাদিক... আমাদের সেইসব ব্যক্তিদের অবজ্ঞা ও প্রতিরোধ করার মতো যথেষ্ট সাহসী হতে হবে, যারা অন্যের দেশে তাদের সাম্প্রতিকতম রক্তক্ষয়ী দুঃসাহসিক অভিযানগুলো বৈধ করার জন্য আমাদের সহযোগিতা কামনা করে। এর অর্থ হলো সরকারি ভাষ্যকে সবসময় চ্যালেঞ্জ করা, সেই ভাষ্যটি আপাতদৃষ্টিতে যতই দেশপ্রেমমূলক মনে হোক না কেন, অথবা সেটি যতই মোহনীয় ও বিভ্রান্তিকর হোক না কেন। কারণ প্রোপাগান্ডা বা অপপ্রচার পুরোপুরি আমাদের গণমাধ্যমের ওপর নির্ভর করে যেন তাদের প্রতারণার লক্ষ্যবস্তু কোনো দূরদেশের মানুষ নয়, বরং আপনার নিজের ঘরের মানুষ হয়। অন্তহীন সাম্রাজ্যবাদী যুদ্ধের এই যুগে অগণিত পুরুষ, নারী ও শিশুর জীবন আজ পরম সত্যের ওপর নির্ভর করছে। যদি সেই সত্য প্রকাশ না পায়, তবে তাদের ঝরানো রক্তের দায়ভার আমাদের ওপরই বর্তাবে। যাদের কাজ হলো ইতিহাসের নথিপত্রকে নির্ভুল রাখা, তাদের উচিত ক্ষমতার কণ্ঠস্বর না হয়ে সাধারণ মানুষের কণ্ঠস্বর হয়ে ওঠা।
** '''''[[:w:জন পিলজার|জন পিলজার]]''''', '''''দ্য ওয়ার ইউ ডোন্ট সি''''', আইটিভি১ (যুক্তরাজ্য), (১৪ ডিসেম্বর ২০১০)।
* উইকিলিকস কেন সাংবাদিকতার ইতিহাসে একটি মাইলফলক হিসেবে স্বীকৃত? কারণ এর মাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যগুলো আমাদের কাছে একশ শতাংশ নিখুঁতভাবে এই সত্যটি তুলে ধরেছে যে এই বিশ্বের একটি বড় অংশ আসলে কীভাবে এবং কেন বিভক্ত এবং ঠিক কীভাবে তা পরিচালিত হচ্ছে।
** '''''[[:w:জন পিলজার|জন পিলজার]]''''', [https://frontline.thehindu.com/cover-story/article25661115.ece "নতুন শীতল যুদ্ধ এবং আসন্ন হুমকি"], '''''ফ্রন্টলাইন, ভারত''''', (২১ ডিসেম্বর ২০১৮)।
* একজন সাংবাদিক সত্য প্রচারের মাধ্যমে অথবা তিনি যতটুকু সত্যের সন্ধান পান তা প্রকাশের মাধ্যমে মানুষের প্রভূত কল্যাণ সাধন করতে পারেন। তবে শর্ত হলো তাঁকে কোনো সরকার বা কোনো বিশেষ ক্ষমতার প্রতিনিধি হিসেবে নয়, বরং সাধারণ মানুষের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করতে হবে। এটিই হলো প্রকৃত সাংবাদিকতা। এর বাইরে যা কিছু আছে তার সবই আপাতদৃষ্টিতে সত্য মনে হলেও আসলে তা প্রতারণামূলক এবং মিথ্যা।
** '''''[[:w:জন পিলজার|জন পিলজার]]''''', উদ্ধৃত হয়েছে: [https://www.thedailystar.net/opinion/interviews/news/real-journalists-act-agents-people-not-power-1687921 "প্রকৃত সাংবাদিকরা জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেন, ক্ষমতার নয়"], '''''ডেইলি স্টার (বাংলাদেশ)''''', (১৬ জানুয়ারি ২০১৯)।
* কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ ছাড়া সরাসরি "পশ্চিমা গোয়েন্দা সংস্থার" দোহাই দিয়ে উদ্ধৃতি প্রদান করা কখনোই সাংবাদিকতা হতে পারে না; এটি প্রায় সবসময়ই একটি সুপরিকল্পিত অপপ্রচার বা প্রোপাগান্ডা। একজন প্রতিবেদক হিসেবে আমি এই শিক্ষাটি লাভ করেছি। বিবিসি এবং অন্যান্য সংবাদমাধ্যমের এই নিরন্তর 'কোল্ড ওয়ার' বা স্নায়ুযুদ্ধের দামামা আমাদের ধীরে ধীরে একটি বিশ্বযুদ্ধের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
** '''''[[:w:জন পিলজার|জন পিলজার]]''''', [https://twitter.com/johnpilger/status/1285869017412956160 টুইটার], (২২ জুলাই ২০২০)।
== R ==
[[File:Helen Thomas - USNWR.jpg|thumb|আমি আশা করি যে ভবিষ্যতের সাংবাদিকরা এই পেশার প্রকৃত নীতিমালাগুলো কঠোরভাবে মেনে চলবেন এবং এটি উপলব্ধি করবেন যে দেশে ও বিদেশে গণতন্ত্র এবং মুক্ত চিন্তার আদান-প্রদানকে সজীব রাখার ক্ষেত্রে তাঁরা এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও অপরিহার্য ভূমিকা পালন করছেন।<br>~'''''[[:w:হেলেন থমাস|হেলেন থমাস]]''''' ]]
* সংবাদ বোধ বা 'নিউজ সেন্স' হলো মূলত কোনটি গুরুত্বপূর্ণ, কোনটি অত্যাবশ্যক এবং কোনটির মাঝে প্রাণ ও রঙের স্পন্দন রয়েছে। অর্থাৎ মানুষ কোন বিষয়ে আগ্রহী, তা বোঝার এক অনন্য ক্ষমতা। এটিই হলো প্রকৃত সাংবাদিকতা।
** '''''বার্টন রাস্কো''''', উদ্ধৃত হয়েছে: ট্রায়ন এডওয়ার্ডস, সি. এন. ক্যাট্রেভাস এবং জনাথন এডওয়ার্ডস সম্পাদিত '''''ইউজফুল কোটেশনস: আ সাইক্লোপিডিয়া অফ কোটেশনস''''' (১৯৩৩)।
* বিতর্ক? আপনি যদি এই নামের যোগ্য কোনো প্রতিবেদক হতে চান, তবে আপনি কখনোই বিতর্ককে পুরোপুরি এড়িয়ে চলতে পারবেন না। আপনি একজন দক্ষ প্রতিবেদক হতে পারবেন না যদি না আপনি নিয়মিতভাবে কোনো না কোনো তর্কের সাথে জড়িয়ে পড়েন। আর আমি মনে করি না যে বিতর্ককে বারবার এড়িয়ে চলে আপনি একজন মহান প্রতিবেদক হতে পারবেন। কারণ একজন ভালো সাংবাদিকের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব হলো সহজ সত্যগুলোর পাশাপাশি কঠিন ও রূঢ় সত্যগুলোকেও সাহসের সাথে তুলে ধরা। আর এই কঠিন সত্যগুলোই আপনাকে বিতর্কের দিকে ঠেলে দেবে, এমনকি এই কঠিন সত্যের অনুসন্ধান করতে গিয়ে আপনাকে হয়তো চড়া মূল্যও দিতে হতে পারে। দয়া করে আমার এই কথাগুলোকে কোনো অভিযোগ হিসেবে গ্রহণ করবেন না। আমি কেবল এটিই বোঝাতে চাইছি যে আপনি যদি একজন সৎ ও নিষ্ঠাবান সাংবাদিক হন, তবে এই ঝুঁকিগুলো আপনার কাজেরই অবিচ্ছেদ্য অংশ। আপনি যদি এমনভাবে সাংবাদিকতা শুরু করেন অথবা জীবনের এমন এক পর্যায়ে পৌঁছান যেখানে আপনি নিজেই নিজেকে বলেন, "শুনুন, আমি এমন কোনো কিছু স্পর্শ করব না যা থেকে বিতর্কের সৃষ্টি হতে পারে," তবে আপনার উচিত হবে অনতিবিলম্বে এই পেশা ছেড়ে দেওয়া।
** '''''ড্যান রাদার''''', সাক্ষাৎকার: [http://www.achievement.org/autodoc/page/rat0int-1 "ড্যান রাদার ইন্টারভিউ: ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট, অন দ্য ফ্রন্টলাইনস অফ ব্রেকিং নিউজ"], '''''একাডেমি অফ অ্যাচিভমেন্ট''''', (৫ মে ২০০১)।
* উন্নতমানের সাংবাদিকতা সেই হাজারো 'নিষিদ্ধ বিষয়ের' রাজ্যে প্রশ্ন উত্থাপন করে, এমনকি যদি তার ফলাফল অত্যন্ত অদ্ভুত এবং বিচলিত করার মতো হওয়ার ঝুঁকিও থাকে। ... বর্তমান সময়ে সাংবাদিকরা কোনো গোয়েন্দা নন, আবার আধ্যাত্মিক ধর্মপ্রচারকও নন। তাঁরা কেবল তাঁদের অর্পিত দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করলেই তা যথেষ্ট। তবে সাংবাদিকতা পেশার সবসময়ই একটি অনুসন্ধানী দিকের পাশাপাশি একটি নৈতিক দিকও বিদ্যমান থাকে। সাংবাদিকরা গোয়েন্দা নন ঠিকই, কিন্তু তাঁদের কাজের মধ্য দিয়ে তাঁরা অনুসন্ধানের একটি নির্দিষ্ট মানদণ্ড বজায় রাখতে পারেন। তাঁরা গোয়েন্দা বাহিনীর কেউ নন, কিন্তু তাঁরা এমন সব তথ্য সরবরাহ করতে পারেন যা গোয়েন্দারাও কোনো না কোনোভাবে ব্যবহার করতে সক্ষম হন। সাংবাদিকরা আধ্যাত্মিক পথপ্রদর্শকও নন, কিন্তু পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করে তাঁরা এমন কিছু উপলক্ষ এবং সূত্র উপহার দিতে পারেন যা পাঠকদের আত্মিক খোরাক জোগাতেও কিছুটা সাহায্য করে। আসুন আমরা সবাই অত্যন্ত বিজ্ঞতার সাথে উপদেশমূলক সাংবাদিকতা থেকে দূরে থাকি; তবে ভালো সাংবাদিকরা অন্তত নিজের এবং তাঁদের পাঠকদের আত্মাকে বিষাক্ত করা থেকে বিরত থাকতে পারেন।
** '''''মার্কো রেসপিন্তি''''', [https://bitterwinter.org/a-universal-declaration-on-combating-and-preventing-forced-organ-harvesting/ "চীনের মানব ফসল এবং অবৈধ অঙ্গ বাণিজ্য: প্রকাশ করো নতুবা ধ্বংস হও?"], '''''বিটার উইন্টার'''''।
* একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে সাংবাদিকতা শেখানো কতটা ভয়ানক ও অদ্ভুত বিষয়! আমি ভেবেছিলাম এটি কেবল অক্সফোর্ডেই করা হয়। নিচ ও নোংরা জনমানুষের প্রতি এই অতি-সম্মান প্রদর্শন আসলে আমাদের সভ্যতাকে ধ্বংস করে দিচ্ছে।
** '''''[[:w:বার্ট্রান্ড রাসেল|বার্ট্রান্ড রাসেল]]''''', লুসি মার্টিন ডনেলিকে লেখা একটি চিঠিতে (৬ জুলাই ১৯০২)।
== S ==
* তবে আমি এমনভাবে এর প্রতিবেদন পেশ করব—<br>যেখানে সিনেটররা তাঁদের হাসির সাথে চোখের জলের মিশ্রণ ঘটাবেন।
** '''''[[:w:উইলিয়াম শেক্সপিয়র|উইলিয়াম শেক্সপিয়র]]''''', '''''[[:w:কোরিওলেনাস|কোরিওলেনাস]]''''' (আনু. ১৬০৭-০৮), প্রথম অংক, নবম দৃশ্য, লাইন ২।
* যারা অতৃপ্ত বা সত্য সম্পর্কে অবগত নয়,<br>তাদের কাছে আমাকে এবং আমার উদ্দেশ্যকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করো।
** '''''[[:w:উইলিয়াম শেক্সপিয়র|উইলিয়াম শেক্সপিয়র]]''''', '''''[[:w:হ্যামলেট|হ্যামলেট]]''''' (১৬০০-০২), পঞ্চম অংক, দ্বিতীয় দৃশ্য, লাইন ৩৫০।
* আমার কাছে আর কোনো প্রতিবেদন নিয়ে এসো না।
** '''''[[:w:উইলিয়াম শেক্সপিয়র|উইলিয়াম শেক্সপিয়র]]''''', '''''[[:w:ম্যাকবেথ|ম্যাকবেথ]]''''' (১৬০৫), পঞ্চম অংক, তৃতীয় দৃশ্য, লাইন ১।
* আমার মনে হয় না যে পরিস্থিতি এর আগে কখনো বর্তমানের মতো এত বেশি ভয়াবহ ছিল। কারণ এখন দেখে মনে হচ্ছে যে প্রতিটি সাংবাদিকই আসলে কোনো না কোনো হুমকির মুখে রয়েছেন।
** '''''নাজিব শরিফি''''', আফগান সাংবাদিক নিরাপত্তা কমিটির প্রধান, '''''ডিডব্লিউ''''' (DW)-এর সাথে একটি সাক্ষাৎকারে; [https://www.dw.com/en/2020-dozens-of-journalists-killed-in-targeted-attacks/a-56078207 "২০২০: লক্ষ্যবস্তু করে চালানো হামলায় কয়েক ডজন সাংবাদিক নিহত"] শীর্ষক প্রতিবেদনে প্রকাশিত।
* আমি আজও বিশ্বাস করি যে, আপনার লক্ষ্য যদি হয় এই পৃথিবীকে বদলে দেওয়া, তবে সাংবাদিকতা হলো তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি তাৎক্ষণিক এবং কার্যকর একটি স্বল্পমেয়াদী অস্ত্র।
** '''''[[:w:টম স্টপার্ড|টম স্টপার্ড]]''''', '''''টম স্টপার্ড ইন কনভারসেশন''''' (১৯৯৪), পল ডেলানি সম্পাদিত, ইউনিভার্সিটি অফ মিশিগান প্রেস, পৃ. ১৯৬।
* আমি কোনো সংবাদের বা গল্পের অংশ হয়ে উঠতে চাই না। আমি বরং একজন নামহীন, শান্ত ও নিভৃতচারী দর্শক হয়ে থাকতে চাই। যে আসলে পৃথিবীতে কী ঘটছে তা বোঝার চেষ্টা করে (যা মোটেও সহজ কোনো কাজ নয়) এবং পরবর্তীতে অন্য মানুষের কাছে সেই সত্যটি বর্ণনা করে। ঘটনার কেন্দ্রে কোনো গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র হয়ে থাকাটা আমার একদমই পছন্দ নয়।
** '''''[[:w:জন সিম্পসন|জন সিম্পসন]]''''', সাক্ষাৎকার: '''''বিবিসি নরফোক''''', (১২ অক্টোবর ২০০৭)।
[[File:William Thomas Stead.jpg|thumb|সংবাদমাধ্যম একই সাথে জনগণের চোখ, কান এবং জিহ্বা স্বরূপ। এটি যদি গণতন্ত্রের কণ্ঠস্বর নাও হয়, তবুও এটি গণতন্ত্রের এক দৃশ্যমান ভাষা। এটি আসলে পুরো বিশ্বের একটি জীবন্ত শব্দলেখচিত্র বা ফোনোগ্রাফ।<br>~'''''[[:w:উইলিয়াম থমাস স্টিড|উইলিয়াম থমাস স্টিড]]''''' ]]
* সংবাদমাধ্যম একই সাথে জনগণের চোখ, কান এবং জিহ্বা স্বরূপ তথা একটি দেহের মতো। এটি যদি গণতন্ত্রের প্রকৃত কণ্ঠস্বর নাও হয়ে থাকে, তবুও এটি গণতন্ত্রের এক অনন্য ও দৃশ্যমান ভাষা। সহজ কথায়, এটি পুরো বিশ্বের একটি জীবন্ত শব্দলেখচিত্র বা ফোনোগ্রাফ।
** '''''উইলিয়াম থমাস স্টিড''''' (মে ১৮৮৬), "গভর্নমেন্ট বাই জার্নালিজম", ''কন্টেম্পোরারি রিভিউ''।
* সাংবাদিকতা (একটি সংজ্ঞা দেওয়া যাক): জীবনকে একগুচ্ছ গতানুগতিক ক্লিশে বা ধরাবাঁধা চেনা ছাঁচের ধারাবাহিকতা হিসেবে উপস্থাপন করার একটি শিল্প কিংবা বিজ্ঞান।
** '''''রিচার্ড সামারবেল''''', '''''অ্যাবনরমালি হ্যাপি''''' (১৯৮৫), নিউ স্টার বুকস, পৃ. ৩০, ISBN 091957341X।
== T ==
* সংবাদপত্র পড়ার নেশা থেকে পুরোপুরি মুক্তি পেতে চাইলে, একটি বছর ব্যয় করুন গত সপ্তাহের পুরোনো সংবাদপত্রগুলো পড়ার পেছনে! (যেন সত্য এবং মিথ্যার মাঝে তৌফাতটা ধরতে পারা যায়!)
** '''''নাসিম এন. তালেব''''', '''''দ্য বেড অফ প্রোক্রাস্টাস: ফিলোসফিক্যাল অ্যান্ড প্র্যাকটিক্যাল অ্যাফোরিজমস''''' (২০১০), পৃ. ২১।
* আমি সবসময়ই উন্নতমানের ও শৈল্পিক লিখনশৈলীর মানদণ্ড বজায় রাখার চেষ্টা করেছি। এই সাংবাদিকতা পেশার ভেতরেও শিল্প লুকিয়ে আছে। এমনকি এখানে অত্যন্ত মহান শিল্প সৃষ্টি হওয়ার প্রবল সম্ভাবনাও বিদ্যমান।
** '''''[[:w:গে টালিস|গে টালিস]]''''' (১৪ সেপ্টেম্বর ২০০৬); রিপোর্ট করেছেন রেবেকা ক্যাথকার্ট: '''''বুলপেন: এনওয়াইইউ জার্নালিজম''''', নিউ ইয়র্ক ইউনিভার্সিটি।
* একজন সংবাদ প্রতিবেদকের প্রকৃত শিল্প চাতুর্য হলো কোনো শিকারকে কীভাবে আশ্বস্ত করে শান্ত করতে হয় তা আয়ত্ত করা। কারণ সমস্ত দক্ষ প্রতিবেদকই আসলে তাঁদের প্রাথমিক সত্তায় একেকজন অত্যন্ত ধুরন্ধর প্রতারক বা 'কনফিডেন্স ট্রিকস্টার'।
** '''''ডেরেক টাঙ্গি''''', ব্রিটিশ লেখক, '''''দ্য ওয়ে টু মাইনাক''''' (১৯৬৮), সপ্তম অধ্যায়।
* আমি মোটেও বিশ্বাস করি না যে সাংবাদিকতা একটি মৃতপ্রায় শিল্প। বরং আমি মনে করি, এটি আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় এখন অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ; এবং বিশ্বজুড়ে সাংবাদিকরা আমাদের কর্মপদ্ধতির সাথে নিজেদের মানিয়ে নিচ্ছেন, যার মূল লক্ষ্য হলো সরকারি কর্মকর্তাদের জনগণের কাছে দায়বদ্ধ করা। সাংবাদিকের ভূমিকা অপরিহার্য, এবং সংবাদকর্মীরা মাঝে মাঝে জনরোষের শিকার বা নিন্দিত হলেও, তাঁরা যখন নিষ্ঠার সাথে সত্য অন্বেষণ করেন এবং ইতিবাচক ফলাফল বয়ে আনেন, তখন তাঁরা আজও অত্যন্ত উচ্চ মর্যাদায় ভূষিত হন। আমার প্রত্যাশা এই যে, ভবিষ্যতের সাংবাদিকরা এই পেশার প্রকৃত মূলনীতিগুলো মেনে চলবেন এবং এটি উপলব্ধি করবেন যে, দেশে ও বিদেশে গণতন্ত্রকে সমুন্নত রাখতে এবং মুক্ত চিন্তার আদান-প্রদানকে সচল রাখতে তাঁরা এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও অনবদ্য ভূমিকা পালন করছেন।
** '''''হেলেন থমাস''''', '''''ওয়াচডগস অফ ডেমোক্রেসি?''''' (২০০৬), সাইমন অ্যান্ড শুস্টার, ভূমিকা অংশ, ISBN 0743267818।
* বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা নিয়ে এই হলো আমার বক্তব্য। আমার কোনো নামলিপির নিচে বা আমার চেনা অন্য কারোর লেখার মাঝেও এটি খুঁজে পাওয়ার বৃথা চেষ্টা করে লাভ নেই। খেলার স্কোরকার্ড, ঘোড়দৌড়ের ফলাফল কিংবা শেয়ার বাজারের তালিকার মতো গুটিকতক ব্যতিক্রম ছাড়া এই পৃথিবীতে 'বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা' বলে আসলে কিছুর অস্তিত্ব নেই। এই শব্দগুচ্ছটি নিজেই নিজের অর্থের মধ্যে এক উদ্ধত ও হাস্যকর বৈপরীত্য ছাড়া আর কিছুই নয়।
** '''''হান্টার এস. থম্পসন''''', '''''ফিয়ার অ্যান্ড লোদিং: অন দ্য ক্যাম্পেইন ট্রেইল '৭২''''' (২২ এপ্রিল ১৯৮৫), পৃ. ৪৮, ISBN 0446313645।
* "সংবাদপত্র যদি কেবল এইটুকুই দেওয়ার ক্ষমতা রাখে, তবে তা নিয়ে মাথা ঘামানোর দরকার কী? অ্যাগনিউ ঠিকই বলেছিলেন। সংবাদমাধ্যম হলো একদল নিষ্ঠুর ও বিকৃত মানুষের আস্তানা। সাংবাদিকতা কোনো পেশা বা সাধারণ ব্যবসা নয়। এটি হলো ব্যর্থ আর অযোগ্যদের ভিড় জমানোর এক সস্তা আশ্রয়স্থল। জীবনের পেছনের দরজার দিকে যাওয়ার জন্য এটি একটি মিথ্যে প্রবেশপথ। এটি বিল্ডিং পুলিশ ইন্সপেক্টর কর্তৃক পরিত্যক্ত এক নোংরা ও দুর্গন্ধযুক্ত গর্ত, যা কেবল কোনো মদ্যপ-ভবঘুরে ব্যক্তির ফুটপাত থেকে গুটিয়ে শুয়ে থাকার জন্য কিংবা চিড়িয়াখানার খাঁচায় বন্দি কোনো শিম্পাঞ্জির মতো কুরুচিপূর্ণ আচরণের উপযুক্ত স্থান হিসেবে যথেষ্ট গভীর।"
** '''''হান্টার এস. থম্পসন''''', '''''ফিয়ার অ্যান্ড লোদিং ইন লাস ভেগাস''''' (১৯৭১), পৃ. ২০০।
== U ==
* প্রত্যেকে ব্যক্তিরই স্বাধীনভাবে নিজস্ব মত পোষণ এবং তা প্রকাশের অধিকার রয়েছে। এই অধিকারের মধ্যে কোনো প্রকার হস্তক্ষেপ ছাড়াই স্বীয় মতামতে অটল থাকা এবং যেকোনো সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে এবং ভৌগোলিক সীমানা নির্বিশেষে তথ্য ও ধারণা অনুসন্ধান করা, গ্রহণ করা এবং তা প্রচার করার স্বাধীনতা অন্তর্ভুক্ত।
** '''''[[:w:জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ|জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ]]''''', '''''মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণা''''', [[w:জাতিসংঘ|জাতিসংঘ]], প্যালে ডি শাইলট, প্যারিস (১০ ডিসেম্বর ১৯৪৮), ধারা ১৯। [http://www.un.org/Overview/rights.html মূল পাঠ্য]
== V ==
[[File:Superman-facebook.svg|thumb|সাংবাদিকতা হলো সেই একমাত্র সত্তা যা আমাদেরকে সুরক্ষা প্রদান করতে পারে। ঐতিহাসিকভাবেই এমন কিছু আপসহীন ও প্রতিবাদী সাংবাদিক ছিলেন যারা পরিণতির পরোয়া না করে সত্যের পথে লড়াই করতেন। কিন্তু সেই ধারা এখন 'অ্যাডভোকেসি জার্নালিস্ট' বা ওকালতি সাংবাদিকতায় রূপ নিয়েছে, যাদের নির্দিষ্ট বামপন্থী কিংবা ডানপন্থী রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্ব রয়েছে। এর কোনো যৌক্তিক ভিত্তি নেই। একজন সাংবাদিকের একমাত্র উপাসনার বিষয় হওয়া উচিত ধ্রুব সত্য।<br>~'''''অ্যান্ড্রু ভাকস''''' ]]
* সাংবাদিকতা হলো সেই একমাত্র মাধ্যম যা আমাদের ঢাল হয়ে রক্ষা করে। অতীতে এমন অনেক আপসহীন ও লড়াকু সাংবাদিকের ইতিহাস ছিল যারা পরিণতির পরোয়া না করেই সত্য প্রকাশে অবিচল থাকতেন। কিন্তু সেই জায়গাটি এখন দখল করে নিয়েছে এক ধরনের 'ওকালতি সাংবাদিকতা'! যেখানে সংবাদকর্মীরা বাম কিংবা ডানপন্থী রাজনৈতিক আদর্শের প্রতি পক্ষপাতদুষ্ট। এটি মোটেও যুক্তিযুক্ত নয়। একজন সাংবাদিকের উপাসনার যোগ্য একমাত্র ঈশ্বর হওয়া উচিত পরম সত্য।
** '''''অ্যান্ড্রু ভাকস''''', ডুয়েন সোয়ারসিনস্কির নেওয়া সাক্ষাৎকার, ''ফিলডেলফিয়া সিটি পেপার'', (৭ জুলাই ২০০৫)।
== W ==
[[File:Oscar Wilde by Napoleon Sarony. Three-quarter-length photograph, seated.jpg|thumb|সাধারণ মানুষের মাঝে সবকিছু জানার এক অতৃপ্ত কৌতূহল কাজ করে, কেবল সেই বিষয়গুলো ছাড়া যা আসলে জানার যোগ্য। সাংবাদিকতা এই দুর্বলতা সম্পর্কে অনেক সচেতন এবং ব্যবসায়িক মানসিকতার অধিকারী হওয়ার ফলে তারা ঠিক সেই চাহিদাগুলোই মিটিয়ে থাকে।<br>~'''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''' ]]
* আমার একটি লক্ষ্য ছিল 'দ্য ''৬০ মিনিটস''' এর জন্য কাজ করা এবং বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে যাওয়ার সক্ষমতা অর্জন করা, যেকোনো বিষয়ের ওপর প্রতিবেদন তৈরি করা এবং প্রচারের জন্য যথেষ্ট সময় পাওয়া। সহজ কথায়, সাংবাদিকতায় এর সমতুল্য কোনো দ্বিতীয় কাজ আর নেই। শুরুতে এটি ছিল কেবল একটি স্বপ্ন। এখন ৮৪ বছর বয়সে এসেও আমি এমন সব মানুষের সাথে কাজ করছি যারা আমার অর্ধেক বয়সের বা তারও কম। আর এর মূল কারণ হলো সংবাদের প্রতি এক অমোঘ আকর্ষণ। যদি কোথাও কোনো ভালো সংবাদ বা গল্পের সুযোগ থাকে, তবে সেখানে উপস্থিত না হওয়ার কোনো কারণ আমি দেখি না।
** '''''মাইক ওয়ালেস''''', সাক্ষাৎকার: '''''অ্যাকাডেমি অফ অ্যাচিভমেন্ট''''', (৮ জুন ২০০২)।
* [[w:সংবাদ|সংবাদ]] হলো এমন কিছু যা সেই ব্যক্তিটি পড়তে চায় যে আসলে কোনো কিছু নিয়েই খুব একটা মাথা ঘামায় না। আর এটি ততক্ষণই সংবাদ হিসেবে টিকে থাকে যতক্ষণ না সে এটি পড়ছে। একবার পড়া হয়ে গেলে এটি স্রেফ একটি মৃত বিষয়ে পরিণত হয়।
** '''''ইভলিন ওয়াহ''''' (১৯৩৮), ''স্কুপ'', প্রথম খণ্ড, ৫ম অধ্যায়; উদ্ধৃতিটি পুনরুৎপাদন করা হয়েছে: ডেভিড ক্রিস্টাল ও হিলারি ক্রিস্টাল রচিত '''''ওয়ার্ডস অন ওয়ার্ডস: কোটেশনস অ্যাবাউট ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজেস''''' (২০০০), ইউনিভার্সিটি অফ শিকাগো প্রেস, পৃ. ২৭৭, ISBN 0226122018।
* এটি একটি ধ্রুব সত্য যে, কোনো অভিযোগের বিপরীতে দেওয়া খণ্ডন বা প্রতিবাদ কখনোই মূল অভিযোগের গতির সাথে পাল্লা দিয়ে উঠতে পারে না। যেসব সৎ সাংবাদিক ব্যক্তি হয়তো ভুলবশত কোনো মিথ্যা তথ্য ছাপিয়ে ফেলতে পারেন, তাঁরা খুব ভালো করেই জানেন যে অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে প্রকাশিত কোনো প্রতিবাদলিপি বা সংশোধনীও মূল প্রতিবেদনের মাধ্যমে হওয়া ক্ষতির ক্ষত কখনোই পুরোপুরি মুছে ফেলতে পারে না।
** '''''টম উইকার''''', [http://www.nytimes.com/1989/06/09/opinion/in-the-nation-lesson-of-lattimore.html "ইন দ্য নেশন; লেসন অফ ল্যাটিমোর"], '''''[[:w:দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস|দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস]]''''', (৯ জুন ১৯৮৯)।
* সেটি ছিল এক মারাত্মক ও অভিশপ্ত দিন যখন সাধারণ মানুষ প্রথম আবিষ্কার করল যে, কলম আসলে ফুটপাতের ইটের চেয়েও ভয়ংকর রকম্ন শক্তিশালী এবং একে অনায়াসেই ইটের টুকরোর মতো আক্রমণাত্মক করে তোলা সম্ভব! | এই সত্য জানার পরপরই তারা একজন সাংবাদিকের খোঁজ করল, তাকে খুঁজে বের করল, তাকে নিজেদের প্রয়োজনের তাগিদে তথা 'আপনা-সুবিধা' বাস্তবায়নের জন্য গড়ে তুলল এবং শেষ পর্যন্ত তাকে নিজেদের এক পরিশ্রমী ও উচ্চ বেতনের ভৃত্যে পরিণত করল। এটি উভয় পক্ষের জন্যই অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়। যুদ্ধের ব্যারিকেডের পেছনে হয়তো মহত্ত্ব আর বীরত্বের অনেক কিছু থাকতে পারে। কিন্তু সংবাদপত্রের সম্পাদকীয় বা প্রধান নিবন্ধগুলোর পেছনে কুসংস্কার, মূর্খতা, ভণ্ডামি আর নিরর্থক প্রলাপ ছাড়া আর কী-ই বা আছে? আর যখন এই চারটি বিষয় একত্রিত হয়, তখন তারা এক ভয়াবহ শক্তিতে রূপান্তরিত হয় এবং এক নতুন ও একনায়কতান্ত্রিক কর্তৃত্বের সৃষ্টি করে।
** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''[[:w:দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম|দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম]]''''' (১৮৯১); লন্ডন: আর্থার এল. হামফ্রেস (১৯১২ সংস্করণ)। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরি থেকে সংগৃহীত।
* প্রাচীনকালে মানুষের ওপর নির্যাতন করার জন্য 'র্যাক' (The Rack) নামক যন্ত্র ছিল, আর এখন তাদের হাতে আছে সংবাদমাধ্যম বা প্রেস। এটি নিশ্চিতভাবেই একটি উন্নতি বলা যায়। কিন্তু তা সত্ত্বেও এটি অত্যন্ত মন্দ, ভুল এবং নৈতিকভাবে অবক্ষয় সৃষ্টিকারী। কেউ একজন—তিনি কি বার্ক ছিলেন? সাংবাদিকতাকে 'চতুর্থ স্তম্ভ' বা ফোর্থ এস্টেট বলে অভিহিত করেছিলেন। সেই সময়ে সেটি নিঃসন্দেহে সত্য ছিল। কিন্তু বর্তমান মুহূর্তে এটিই আসলে একমাত্র স্তম্ভে পরিণত হয়েছে। কারণ এটি অন্য বাকি তিনটি স্তম্ভকেই গ্রাস করে ফেলেছে। লর্ডস টেম্পোরাল বা উচ্চকক্ষ এখন নিশ্চুপ, লর্ডস স্পিরিচুয়াল বা ধর্মীয় প্রতিনিধিদের বলার মতো কিছুই নেই এবং হাউজ অফ কমন্স বা নিম্নকক্ষের বলার মতো কিছু না থাকলেও তারা অনবরত কথা বলে যাচ্ছে। আমরা এখন পুরোপুরি সাংবাদিকতার আধিপত্য দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হচ্ছি।
** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''[[:w:দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম|দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম]]''''' (১৮৯১); লন্ডন: আর্থার এল. হামফ্রেস (১৯১২ সংস্করণ)। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরি থেকে সংগৃহীত।
* আমেরিকায় প্রেসিডেন্ট মাত্র চার বছরের জন্য রাজত্ব করেন, কিন্তু সাংবাদিকতা সেখানে শাসন চালায় অনন্তকাল ধরে! সৌভাগ্যবশত, ইতোমধ্যে আমেরিকায় 'সাংবাদিকতা' তার ক্ষমতাকে সবচেয়ে জঘন্য এবং পাশবিক চরম সীমায় নিয়ে গেছে। যার স্বাভাবিক পরিণতি হিসেবে এটি মানুষের মাঝে এক বিদ্রোহের চেতনা সৃষ্টি করতে শুরু করেছে! মানুষ এখন তাদের স্বভাব অনুযায়ী এই সাংবাদিকতা দেখে হয় বিনোদিত হয়, না হয় চরম বিরক্ত হয়। কিন্তু এটি আগের মতো আর সেই প্রকৃত প্রভাবশালী শক্তিতে টিকে নেই। মানুষ একে এখন আর খুব একটা গুরুত্ব দেয় না। অন্যদিকে [[w:ইংল্যান্ড|ইংল্যান্ডে]], সুপরিচিত গুটিকতক উদাহরণ ছাড়া সাংবাদিকতাকে যেহেতু এমন পাশবিক চরম সীমায় নিয়ে যাওয়া হয়নি, তাই এটি এখনও একটি বিশাল বড় প্রভাবক এবং এক উল্লেখযোগ্য শক্তি হিসেবে টিকে আছে। মানুষের ব্যক্তিগত জীবনের ওপর এটি যে ধরণের স্বৈরতান্ত্রিক শাসন কায়েম করতে চায়, তা আমার কাছে অত্যন্ত অস্বাভাবিক ও বিস্ময়কর বলে মনে হয়।
** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''[[:w:দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম|দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম]]''''' (১৮৯১); লন্ডন: আর্থার এল. হামফ্রেস (১৯১২ সংস্করণ)। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরি থেকে সংগৃহীত।
* আমরা এখানে সাংবাদিককে নিরঙ্কুশ স্বাধীনতা দিয়েছি, অথচ শিল্পীর পথকে করেছি সম্পূর্ণ কণ্টকাকীর্ণ ও সীমাবদ্ধ। ইংরেজ জনমত মূলত সেই মানুষটিকেই বাধাগ্রস্ত করতে, অবদমিত করতে এবং তাঁর যাত্রাপথকে বিকৃত করতে চায়, যিনি প্রকৃতপক্ষে সুন্দর কিছু সৃষ্টি করেন। অন্যদিকে এটিই আবার সাংবাদিককে বাধ্য করে কুৎসিত, জঘন্য কিংবা বাস্তবিকভাবেই চরম ঘৃণ্য বিষয়গুলো পরিবেশন করতে। আর এর ফলস্বরূপ আমরা একই সাথে বিশ্বের সবচেয়ে গম্ভীর সাংবাদিকতা এবং সবচেয়ে কুরুচিপূর্ণ সংবাদপত্রের অধিকারী হয়েছি।
** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''[[:w:দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম|দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম]]''''' (১৮৯১); লন্ডন: আর্থার এল. হামফ্রেস (১৯১২ সংস্করণ)। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরি থেকে সংগৃহীত।
* প্রকৃত সত্য এই যে, সাধারণ মানুষের মাঝে সবকিছু জানার এক প্রচণ্ড ও অতৃপ্ত কৌতূহল কাজ করে, কেবল সেই বিষয়গুলো ছাড়া যা আসলে জানার মতো কোনো যোগ্যতাই রাখে না। সাংবাদিকতা মানুষের এই চারিত্রিক দুর্বলতা সম্পর্কে পূর্ণ সচেতন এবং এক ধরণের খাঁটি ব্যবসায়িক মানসিকতার অধিকারী হওয়ার ফলে, তারা নিছক মুনাফার দায়ে মানুষের সেই কুরুচিপূর্ণ চাহিদাগুলোই পূরণ করে থাকে।
** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''[[:w:দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম|দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম]]''''' (১৮৯১); লন্ডন: আর্থার এল. হামফ্রেস (১৯১২ সংস্করণ)। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরি থেকে সংগৃহীত।
* আধুনিক সাংবাদিকতার পক্ষে বলার মতো আসলে অনেক কিছু আছে। অল্পশিক্ষিত বা মূর্খদের মতামত আমাদের সামনে উপস্থাপনের মাধ্যমে এটি আমাদের সমাজের সামগ্রিক অজ্ঞতার সাথে নিবিড়ভাবে যুক্ত রাখে। সমসাময়িক জীবনের দৈনন্দিন ঘটনাবলী অত্যন্ত সতর্কতার সাথে ধারাবাহিকভাবে লিপিবদ্ধ করার মাধ্যমে এটি আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয় যে, আদতে এই সব ঘটনার গুরুত্ব কতই না নগণ্য। আর সবসময় অপ্রয়োজনীয় বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে এটি আমাদের বুঝতে সাহায্য করে যে, সংস্কৃতির জন্য ঠিক কোন বিষয়গুলো অপরিহার্য এবং কোনগুলো একেবারেই অকেজো।
** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''দ্য ক্রিটিক অ্যাজ আর্টিস্ট''''' (১৮৯১), দ্বিতীয় খণ্ড।
* আর্নেস্ট: কিন্তু সাহিত্য এবং সাংবাদিকতার মধ্যে প্রকৃত পার্থক্যটি ঠিক কোথায়? গিলবার্ট: পার্থক্য শুধু এইটুকু যে সাংবাদিকতা হলো পাঠের অযোগ্য বিষয়, আর সাহিত্য কেউ সচরাচর পাঠ করে না। সাধারণত, এর বাইরে আর কোনো তফাৎ নেই।
** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''[[:w:দ্য ক্রিটিক অ্যাজ আর্টিস্ট|দ্য ক্রিটিক অ্যাজ আর্টিস্ট]]''''' (১৮৯১), প্রথম খণ্ড; নিউ ইয়র্ক: ব্রেটানোস (১৯০৫ সংস্করণ)। লাইব্রেরি অফ কংগ্রেস থেকে সংগৃহীত।
* আধুনিক সাংবাদিকতার কথা যদি বলেন, তবে এর স্বপক্ষে সাফাই গাওয়া বা একে রক্ষা করা আমার কাজ নয়। এটি ডারউইনের সেই বিবর্তনবাদ তত্ত্ব তথা 'যোগ্যতমের টিকে থাকার লড়াই'—এর পরিবর্তে 'নিকৃষ্টতমের টিকে থাকা' বা সার্ভাইভাল অফ দ্য ভালগারেস্টের মহান মূলনীতির মাধ্যমেই নিজের অস্তিত্বের যৌক্তিকতা প্রমাণ করে।
** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''[[:w:দ্য ক্রিটিক অ্যাজ আর্টিস্ট|দ্য ক্রিটিক অ্যাজ আর্টিস্ট]]''''' (১৮৯১), প্রথম খণ্ড; নিউ ইয়র্ক: ব্রেটানোস (১৯০৫ সংস্করণ)। লাইব্রেরি অফ কংগ্রেস থেকে সংগৃহীত।
* ঘুস দিয়ে যদি সাংবাদিককে বশে আনতে চান,<br>তবে আপনাকে নিন্দাবাদ<br />কিংবা নিজ স্বার্থের জন্য যদি বাঁকিয়ে ফেলতেও যান,<br>আপনাকে মুর্দাবাদ,<br />তাই গাহি স্রষ্টার গান!<br>-জনৈক ব্রিটিশ সাংবাদিক<br /><br>তবে, কোনো প্রকার ঘুস ছাড়াই সেই মানুষটি যা যা করতে সক্ষম—<br />তা দেখার পর, তাঁকে ঘুস দেওয়া ছাড়া আর কোন প্রয়োজনটিই অক্ষম!
** '''''হাম্বার্ট উলফ''''', "ওভার দ্য ফায়ার", ''দ্য আনসেলেস্টিয়াল সিটি'' (১৯৩০)-এ, ''রুপান্তরঃ'' '''মাহমুদ''' (২৩ এপ্রিল, ২০২৬)।
* যদি [[:w:মঙ্গল গ্রহ|মঙ্গল গ্রহ]] থেকে কেউ আমেরিকায় আসে এবং সেখানে কয়েক মাস বা কয়েক বছর ঘুরে বেড়ানোর পর আপনি তাকে জিজ্ঞাসা করেন যে, সেখানে কাদের কাজ বা পেশা সবচেয়ে চমৎকার; তবে সে নিশ্চিতভাবেই সাংবাদিকদের কথা বলবে। কারণ সাংবাদিকরা মানুষের জীবনের সেই মুহূর্তগুলোতে প্রবেশ করার সুযোগ পান যখন সেই জীবনগুলো অত্যন্ত আকর্ষণীয় ও রোমাঞ্চকর থাকে, আর ঠিক যখনই আকর্ষণ ফুরিয়ে যায়, তখনই তাঁরা সেখান থেকে নির্বিঘ্নে বেরিয়ে আসতে পারেন।
** '''''[[:w:বব উডওয়ার্ড|বব উডওয়ার্ড]]''''', সাক্ষাৎকার: '''''অ্যাকাডেমি অফ অ্যাচিভমেন্ট''''', (১ মে ২০০৩)।
== Y ==
* আমি সাংবাদিকদের মনে প্রাণে খুব-ই ঘৃণা করি! তাদের ভেতরটা বিদ্রূপাত্মক এবং উপহাসপূর্ণ শূন্যতা ছাড়া আর কিছুই নয়, জাস্ট কিছুই নয়!.. এই পৃথিবীর পৃষ্ঠে তারা হলো সবচেয়ে নিচু প্রকৃতির আর অন্তঃসারশূন্য একদল বুনো মানুষ!
** '''''[[:w:ডব্লিউ. বি. ইয়েটস|ডব্লিউ. বি. ইয়েটস]]''''', ক্যাথরিন টাইন্যানকে লেখা চিঠি (৩০ আগস্ট ১৮৮৮)।
* একজন রাষ্ট্রনায়ক বেশ সহজ-সরল ভাবুক,<br />কিন্তু তিনি তো টিয়ে পাখির মতো অনর্গল যন্ত্রতুল্য মিথ্যুক!<br />তবে একজন সাংবাদিক খুব আরামসে ধরতে পারেন আপনার মিথ্যের খুঁটি ,<br />এবং এরপর সেই মিথ্যের জোরেই চেপে ধরেন আপনার টুঁটি।
** '''''[[:w:ডব্লিউ. বি. ইয়েটস|ডব্লিউ. বি. ইয়েটস]]''''', ''দ্য ওল্ড স্টোন ক্রস''-এ, ''রুপান্তরঃ'' '''মাহমুদ'''।
* বর্তমান সময়ের সাংবাদিকতা, বড় বড় শহরগুলোর সংবাদপত্রগুলোর মধ্যকার পারস্পরিক সম্পর্কের কথা বিবেচনা করলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তাদেরকে বেশ ভদ্রোচিত এবং মার্জিত বলে মনে হয়। কিন্তু সেই দিনগুলোতে নিউ ইয়র্কের দৈনিক পত্রিকাগুলো একে অপরের কর্মকাণ্ড এবং উদ্দেশ্যকে প্রকাশ্যে এমন ঘৃণাভরে আক্রমণ করত, যা সচরাচর পরম সৎ নাগরিকরা ঘোড়া-চোর কিংবা ডাকাতদের প্রতি প্রকাশ করে থাকেন। 'দ্য সানের' ডানা এবং 'দ্য ওয়ার্ল্ডের' পুলিৎজারের মধ্যকার দীর্ঘস্থায়ী দ্বন্দ্ব সে সময় ব্যাপক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ছিল। এমনকি 'ওয়ার্ল্ড' এবং 'হেরাল্ড' পত্রিকা দুটিও প্রায়ই একে অপরের ওপর নেকড়ের মতো ক্ষিপ্ত হয়ে গর্জন করত।
** '''''আর্ট ইয়ং: হিজ লাইফ অ্যান্ড টাইমস''''' (১৯৩৯)।
===''হয়েটস নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস''===
:<small>'''''[[s:en:Hoyt's New Cyclopedia Of Practical Quotations (1922)|হয়েটস নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস]]''''' (১৯২২), পৃ. ৪০৭-০৮ থেকে প্রতিবেদনকৃত উদ্ধৃতিসমূহ।</small>
* আমি তাঁদের মঙ্গলের জন্য অত্যন্ত আন্তরিকভাবে এই পরামর্শ দেব—যেন তাঁরা এই সংবাদপত্রটি নিয়মিত সংগ্রহ করার আদেশ দেন এবং একে তাঁদের প্রতিদিনের বৈকালিক আপ্যায়নের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে গণ্য করেন।
** [[জোসেফ অ্যাডিসন|'''''জোসেফ অ্যাডিসন''''',]] ''স্পেকটেটর'', সংখ্যা ১০।
* তারা আমাদের কাগজ তৈরির শিল্পের একটি বিশাল অংশ ভোগ করে, মুদ্রণ কাজে আমাদের কারিগরদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে এবং অগণিত দরিদ্র ও অভাবী মানুষের জন্য জীবিকা নির্বাহের পথ প্রশস্ত করে দেয়।
** '''''[[জোসেফ অ্যাডিসন]]''''', ''স্পেকটেটর'', সংখ্যা ৩৬৭।
* বিজ্ঞাপন সাধারণ বা নিম্নবিত্ত মানুষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী একটি মাধ্যম। প্রথমত, এটি উচ্চাকাঙ্ক্ষা পূরণের হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে। একজন মানুষ যিনি কোনোভাবেই সরকারি গেজেটে স্থান পাওয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ নন, তিনি খুব সহজেই বিজ্ঞাপনের পাতায় নিজেকে ঢুকিয়ে দিতে পারেন। যার ফলে আমরা প্রায়ই দেখি একই সংবাদপত্রে একজন সাধারণ ওষুধ বিক্রেতা বা কবিরাজ একজন পূর্ণ ক্ষমতাপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূতের পাশে স্থান পেয়েছেন, কিংবা একজন সাধারণ বার্তাবাহক কোনো উচ্চপদস্থ দূতের সাথে একই সারিতে দাঁড়িয়ে আছেন।
** '''''[[জোসেফ অ্যাডিসন]]''''', ''ট্যাটলার'', সংখ্যা ২২৪।
* বিজ্ঞাপন লেখার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় কৌশল বা শিল্প হলো পাঠকের দৃষ্টি আকর্ষণ করার সঠিক পদ্ধতিটি খুঁজে বের করা। কারণ এই কৌশল ছাড়া একটি অত্যন্ত চমৎকার বস্তুও হয়তো অলক্ষিতও থেকে যেতে পারে, কিংবা দেউলিয়া হওয়ার সংবাদের ভিড়ে কোথাও হারিয়ে যেতে পারে।
** '''''[[জোসেফ অ্যাডিসন]]''''', ''ট্যাটলার'', সংখ্যা ২২৪।
* জিজ্ঞেস করছেন কীভাবে জীবন ধারণ করবেন? লিখুন, লিখুন, যা খুশি তা-ই লিখুন;<br>এই পৃথিবীটা এক চমৎকার বিশ্বাসপ্রবণ জগত, তাই স্রেফ সংবাদ লিখে যান।
** '''''বিউমন্ট এবং ফ্লেচার''''', ''উইট উইদাউট মানি'', দ্বিতীয় অংক।
* [বিরোধী সংবাদমাধ্যম] মূলত এমন সব অসন্তুষ্ট ও ঈর্ষাপরায়ণ ব্যক্তিদের হাতে ন্যস্ত থাকে, যারা নিজেদের কর্মজীবনে শোচনীয়ভাবে ব্যর্থ হয়েছে।
** '''''[[:w:অটো ফন বিসমার্ক|অটো ফন বিসমার্ক]]''''', রুজেনের একটি প্রতিনিধি দলের নিকট রাজার উদ্দেশে (১০ নভেম্বর ১৮৬২)।
* শোনো ওহে কেকের দেশ, আর স্কটল্যান্ডের ভাইয়েরা,<br>মেইডেনকার্ক থেকে জনি গ্রোটস—স্কল প্রান্তের মানুষেরা;<br>যদি তোমাদের পোশাকে কোনো তালি থাকে,<br>তবে সতর্ক করছি, তোমাদের সত্তা যেন সাবধানে থাকে।<br>তোমাদের মাঝে এমন এক আপদ বিদ্যমান, যে তুমাদের মাঝে কান পাতছে<br>এবং বিশ্বাস করো, সে নির্ঘাত তা সংবাদে ছাপিয়ে দিতে যাচ্ছে!
** '''''[[:w:রবার্ট বার্নস|রবার্ট বার্নস]]''''', ''অন ক্যাপটেন গ্রোস'স পেরেগ্রিনেশনস থ্রু স্কটল্যান্ড''।
* সম্পাদক তাঁর নিরব আলয়ে পড়ছে ঢুলে ঢুলে, অসম চিন্তার ভাঁজ তার কপালে,<br>মন তাঁর নিমগ্ন ব্যবসার অতলসম তলে, আর পা জোড়া তোলা চেয়ারের হাতলে,<br>এক হাত চেয়ারে ঠেকানো আর ডান হাত মাথায়টায়,<br>ধুলোমাখা মলিন টেবিলে তাঁর চোখ জোড়া ঠেকানো আর নথির পাহাড় ছড়িয়ে সেথায়!
** '''''উইল কার্লটন''''', ''ফার্ম ব্যালাডস'', ''দ্য এডিটর'স গেস্টস, রুপান্তরঃ '''মাহমুদ''''' (২৩ এপ্রিল, ২০২৬)।
* এডমন্ড বার্ক বলেছিলেন যে পার্লামেন্টে তিনটি স্তম্ভ বা এস্টেট রয়েছে; কিন্তু ওই দূরে প্রতিবেদকদের গ্যালারিতে এমন এক 'চতুর্থ স্তম্ভ' উপবিষ্ট আছে যা অন্য সবার চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
** '''''[[:w:টমাস কার্লাইল|টমাস কার্লাইল]]''''', '''''হিরোস অ্যান্ড হিরো-ওয়ারশিপ''''', বক্তৃতা ৫। বার্ককে এই শব্দটি উদ্ভাবনের কৃতিত্ব দেওয়া হলেও তাঁর প্রকাশিত কোনো রচনায় এর উল্লেখ পাওয়া যায় না। 'রাজ্যের তিনটি স্তম্ভ' হলো '''Lords Spiritual''' বা ধর্মীয় প্রতিনিধি, '''Lords Temporal''' উচ্চকক্ষ এবং '''Commons''' (নিম্নকক্ষ)। ডেভিড লিন্ডসে ১৫৩৫ সালে তাঁর 'অ্যান প্লেজেন্ট স্যাটায়ার অফ দ্য থ্রি এস্টেটসে' এর বর্ণনা দিয়েছেন। রাবেলে তাঁর 'পান্তাগ্রুয়েলে'(৪-৪৮) একজন সন্ন্যাসী, একজন বাজপাখি শিকারি, একজন আইনজীবী এবং একজন কৃষককে দ্বীপের '''Les quatre estatz de l'isle''' বা 'চারটি স্তম্ভ' হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
* একটি পার্লামেন্ট বা সংসদ, যা কি না সাংবাদিকদের মাধ্যমে বানকম্বের জনগণের কাছে এবং সেই দুই কোটি সত্তর লক্ষ মানুষের কাছে কথা বলে, যাঁদের অধিকাংশকেই নির্বোধ হিসেবে গণ্য করা যায়।
** '''''[[:w:টমাস কার্লাইল|টমাস কার্লাইল]]''''', '''''লেটার ডে প্যামফ্লেটস''''', সংখ্যা ৬: পার্লামেন্ট।
* প্রথমে আপনার প্রয়োজনীয় তথ্যগুলো সঠিকভাবে সংগ্রহ করুন, আর তারপর আপনি নিজের ইচ্ছেমতো সেগুলোকে যত খুশি বিকৃত করতে পারেন।
** '''''[[:w:মার্ক টোয়েন|মার্ক টোয়েন]]''''', কিপলিংয়ের সাথে সাক্ষাৎকার; '''''ইন ফ্রম সি টু সি''''', পত্র ৩৭।
* স্রেফ একটি সংবাদপত্র! যা দ্রুত পড়া হয় এবং দ্রুতই হারিয়ে যায়,<br>কে আর হিসাব রাখে সেই অমূল্য রত্নভাণ্ডারের, যা এটি বহন করে নিয়ে যায়?<br>ছিন্নভিন্ন হয়ে পায়ের তলায় পিষ্ট হওয়া সেই উজ্জ্বল নক্ষত্রের মতো মেধার মূল্যই বা ক’জন দেয়?
** '''''মেরি ক্লেমার''''', ''দ্য জার্নালিস্ট'', স্তবক ৯।
* নিজের প্রজন্মের সেবা করাই তোমার নিয়তি—<br>জলের ওপর যেমন নাম লিখলে তা মুছে যায়, ঠিক তেমনি তোমার নামও দ্রুতই মিলিয়ে যাবে।<br>কিন্তু যে ব্যক্তি মানবতাকে ভালোবাসেন, তিনি আদিতে ও অন্তে এমন এক মহান কর্ম সম্পাদন করেন যা খ্যাতির গণ্ডির চেয়েও অনেক বড়।
** '''''মেরি ক্লেমার''''', ''দ্য জার্নালিস্ট'', অন্তিম স্তবক।
* আমার মনে হয় কোথাও বলা হয়েছে যে—'দ্য টাইমস'-এর একটি মাত্র সংখ্যায় থুসিডাইডিসের সমগ্র ঐতিহাসিক রচনার চেয়েও অনেক বেশি দরকারী ও কার্যকর তথ্য নিহিত থাকে।
** '''''রিচার্ড কবডেন''''', ম্যানচেস্টার অ্যাথেনিয়ামে প্রদত্ত ভাষণ (২৭ ডিসেম্বর ১৮৫০)। দেখুন: দ্য টাইমস, ৩০ ডিসেম্বর ১৮৩০, পৃ. ৭; মর্লির 'লাইফ অফ কবডেন'-এ উদ্ধৃত, ২য় খণ্ড, পৃ. ৪২৯।
* যদি মৈত্রীর চেতনা সর্বত্র জয়ী হতো, তবে এই সংবাদমাধ্যম বা প্রেস নিশ্চিতভাবেই<br>সততা, সত্য এবং ভালোবাসার এক মহান বাহন হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করত।
** '''''উইলিয়াম কাউপার''''', ''চ্যারিটি'', লাইন ৬২৪।
* কীভাবে আমি তোমার প্রশংসা করব, বা কিভাবে সম্বোধিত হবে সেই পরাক্রমী অনড়,<br>হে সংবাদমাধ্যম—তুমিই তো আমাদের এই পৌত্তলিক আরাধনার অধিশ্বর!<br>* * * * *<br>স্বর্গের সেই নিষিদ্ধ জ্ঞানবৃক্ষের সাথেই,<br>ভালো এবং মন্দের যাবতীয় জ্ঞান তো প্রেরিত হয় তোমার মাধ্যমেই!
** '''''উইলিয়াম কাউপার''''', ''প্রোগ্রেস অফ এরর'', লাইন ৪৫২, ''বাংলায় কাব্যিক রুপান্তরঃ'' '''মাহমুদ''' (১৩ এপ্রিল, ২০২৬)।
* তিনি এসেছেন, এক অশান্ত মহাবিশ্বের বার্তাবাহক হয়ে—<br>কর্দমাক্ত বুট, কোমরবন্ধনীতে বাঁধা পোশাক আর জমে থাকা তুষারশুভ্র চুলের অবয়ব নিয়ে;<br>মহাবিশ্বের তাবৎ সংবাদ ঝুলছে তার পিঠে আকাশসম বোঝা হয়ে!
** '''''উইলিয়াম কাউপার''''', ''দ্য টাস্ক'' (১৭৮৫), চতুর্থ খণ্ড, লাইন ৫, ''রুপান্তরঃ'' '''মাহমুদ'''।
* যখনই কোনো মূল্যবান তথ্যের সন্ধান পাবেন, তখনই তা টুকে রাখুন।
** '''''[[:w:চার্লস ডিকেন্স|চার্লস ডিকেন্স]]''''', ''ডম্বি অ্যান্ড সান'', ১৫তম অধ্যায়।
* বিবিধ বিষয়ের লেখকরাই প্রতিটি জাতির কাছে সবচেয়ে জনপ্রিয় লেখক হিসেবে সমাদৃত হন। কারণ তাঁরাই মূলত শিক্ষিত এবং অশিক্ষিত সামাজিক স্তরের মধ্যে যোগাযোগের একটি সেতুবন্ধন তৈরি কর যান, যেন জন মানুষের এই দুটি বিশাল স্তর বা বিভাগের মাঝখানে তাঁরা এক শৈল্পিক সেতু নির্মাণ করে দিতে পারেন।
** '''''আইজ্যাক ডি'ইজরায়েলি''''', ''লিটারারি ক্যারেক্টার অফ মেন অফ জিনিয়াস'', বিবিধ লেখক বিভাগ।
* আমাদের রাজনৈতিক লেখকদের কেউই... রাজা, লর্ডস এবং কমন্স, এই তিনটি স্তম্ভ বা এস্টেটের বাইরে অন্য কিছুর দিকে নজর দেন না... তাঁরা অত্যন্ত সুকৌশলে সেই বিশাল ও প্রভাবশালী অংশটিকে এড়িয়ে যান যারা এই সমাজের প্রকৃত 'চতুর্থ স্তম্ভ' গঠন করে... আর সেই শক্তিটি হলো 'জনসাধারণ' বা গণমানুষের ভিড়।
** '''''[[:w:হেনরি ফিল্ডিং|হেনরি ফিল্ডিং]]''''', ''কোভেন্ট গার্ডেন জার্নাল'' (১৩ জুন ১৭৫২)।
* যদি কেলেঙ্কারির অভাবের কারণে হয় মানসিক অবসাদ<br>আমাদের প্রিয় নারীদের ব্যথিত করে—তবে তাঁদের পড়তে দিন সংবাদ।
** '''''ডেভিড গ্যারিক''''', শেরিডানের 'স্কুল ফর স্ক্যান্ডাল' এর প্রস্তাবনা।
* সংবাদপত্রের স্বাধীনতা হলো একজন ইংরেজ নাগরিকের সমস্ত দেওয়ানি, রাজনৈতিক এবং ধর্মীয় অধিকারের এক অপরাজেয় সুরক্ষাকবচ বা প্যালাডিয়াম।
** '''''[[:w:জুনিয়াস (লেখক)|জুনিয়াস]]''''', ''ডেডিকেশন টু লেটারস''।
* একজন সংবাদ লেখকের সর্বোচ্চ দৌড় হলো রাজনীতির ওপর কিছু অন্তঃসারশূন্য যুক্তি প্রদান করা এবং সরকারি ব্যবস্থাপনার ওপর ভিত্তিহীন ও বৃথা অনুমান করা।
** '''''জঁ দ্য লা ব্রুয়েয়ার''''', ''দ্য ক্যারেক্টারস অর ম্যানার্স অফ দ্য প্রেজেন্ট এজ'' (১৬৮৮), প্রথম অধ্যায়।
* একজন সংবাদ লেখক রাতের বেলা অত্যন্ত প্রশান্তির সাথে এমন একটি সংবাদের ওপর ভরসা করে ঘুমোতে যান যা ভোরের আলো ফোটার আগেই দেখা যায় পচে নষ্ট হয়ে যায়! এবং ঘুম থেকে ওঠার সাথে সাথেই তিনি তা আবর্জনার মতো ছুঁড়ে ফেলে দিতে বাধ্য হন।
** '''''জঁ দ্য লা ব্রুয়েয়ার''''', ''দ্য ক্যারেক্টারস অর ম্যানার্স অফ দ্য প্রেজেন্ট এজ'' (১৬৮৮), প্রথম অধ্যায়।
* '''প্রতিটি সংবাদপত্রের সম্পাদক শয়তানের কাছে তাঁর আনুগত্যের খাজনা দিতে বাধ্য!'''
** '''''[[:w:জঁ দ্য লা ফোঁতেন|জঁ দ্য লা ফোঁতেন]]''''', ''লেত্রে আ সিমোঁ দ্য ত্রোয়া'' (১৬৮৬)।
* সংবাদপত্র সবসময়ই কৌতূহল জাগিয়ে তোলে। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো, এক রাশ চরম হতাশার অনুভূতি ছাড়া কেউই সংবাদপত্র পাঠ শেষ করে তা সরিয়ে রাখতে পারেন না।
** '''''চার্লস ল্যাম্ব''''', ''এসেস অফ এলিয়া'': 'ডিট্যাচড থটস অন বুকস অ্যান্ড রিডিং'।
* দেখুন, এই বিশাল বিস্তৃত পৃথিবীটা প্রতি সপ্তাহে একটি বাদামী কাগজের (সংবাদ পত্র) মোড়কে বন্দি হয়ে আমার কাছে পাঠানো হয়।
** '''''[[:w:জেমস রাসেল লোয়েল|জেমস রাসেল লোয়েল]]''''', ''বিগলো পেপারস'', প্রথম সিরিজ, সংখ্যা ৬।
* '''আমি এক লক্ষ বেয়োনেটের চেয়ে তিনটি সংবাদপত্রকে অনেক বেশি ভয় পাই।'''
** '''''[[:w:নেপোলিয়ন বোনাপার্ট|প্রথম নেপোলিয়ন]]'''''।
* ওয়াশিংটনের হোয়াইট হাউসের তুলনায় [[w:নিউ_ইয়র্ক_শহর|নিউ ইয়র্কের]] এই সস্তা এক-পেনির সংবাদপত্রগুলোই এদেশ শাসনে অনেক বেশি কার্যকর ভূমিকা পালন করে।
** '''''ওয়েন্ডেল ফিলিপস'''''।
* আমরা মূলত একদল মানুষ যারা কিছু প্রভাতী সংবাদপত্র দ্বারা চালিত একটি সরকারের শাসনাধীনে বসবাস করছি।
** '''''ওয়েন্ডেল ফিলিপস'''''।
* সংবাদমাধ্যম হলো বাতাসের মতো অবারিত এবং এক সনদপ্রাপ্ত স্বেচ্ছাচারী শক্তি।
** '''''উইলিয়াম পিট''''', লর্ড গ্রেনভিলকে উদ্দেশ্য করে (প্রায় ১৭৫৭ সালে)।
* একদল অভিজাত ও সচ্ছল মানুষের ভিড়, যারা অত্যন্ত অনায়াসে এবং সাবলীলভাবে এতে লিখে যেতে পারেন।
** '''''অ্যালক্সান্ডার পোপ''''', ''এপিসেলস অফ হোরেস'', দ্বিতীয় খণ্ড, প্রথম পত্র, লাইন ১০৮।
* বিষয়টি যেহেতু লিখিত আকারে আছে, সেহেতু এটিকে ধ্রুব সত্যই হতে হবে।
** '''''ফ্রঁসোয়া রাবলে''''', ''পান্তাগ্রুয়েল''।
* এটা কি কোনোভাবে মেনে নেওয়া সম্ভব যে কোনো শিক্ষিত ব্যক্তি এক-পেনির এই সস্তা কাগজগুলো থেকে জানার মতো প্রয়োজনীয় কিছু শিখতে পারেন? হয়তো বলা হতে পারে যে মানুষ এর মাধ্যমে পার্লামেন্টে কী বলা হচ্ছে তা জেনে নিতে পারে। কিন্তু ভালো করে ভেবে দেখুন তো, সেটি কি তাঁদের প্রকৃত শিক্ষা বা জ্ঞানার্জনে বিন্দুমাত্র কোনো অবদান রাখতে পারছে?
** '''''লর্ড সলসবরি''''' (রবার্ট সেসিল), ভাষণ: দ্য হাউজ অফ কমন্স, ১৮৬১; 'কাগজ শুল্ক বিলোপ' সংক্রান্ত বিতর্কে।
* সংবাদপত্র! মশাই, ওগুলো হলো পুরোপুরি চরম পাপিষ্ঠ, লাগামহীন, জঘন্য এবং নারকীয় বস্তুর সমষ্টি! যদিও আমি ওগুলো কখনোই পড়ি না এবং আমি ইতিমধ্যেই নিয়ম করে ফেলেছি যে আমি কখনোই কোনো সংবাদপত্রের দিকে চোখ তুলে তাকাব না।
** '''''রিচার্ড ব্রিনসলে শেরিডান''''', ''দ্য ক্রিটিক'', প্রথম অংক, প্রথম দৃশ্য।
* ব্যবসায়ী ততক্ষণ পর্যন্ত তাঁর কর্মচঞ্চল দিনটির শুরু হয়েছে বলে করছেনা গণন,<br>যতক্ষণ না তাঁদের তীক্ষ্ণ দৃষ্টি সংবাদপত্রের ওপর দিয়ে কুরছেনা আলিঙ্গন!<br>তরুণী মেয়েটি তাঁর হাতের সেলাইয়ের কাজ দূরে সরিয়ে রাখে,<br>এবং সহপাঠিনীর বিয়ের খবর পড়ে আফসোস করে!<br>অন্যদিকে প্রবীন মা তাঁর চশমাটি চোখে এঁটে নেন,<br>এবং কোনো এক বন্ধুর বিদায়ের খবর পড়ে এক ফোঁটা অশ্রু বিসর্জন দেন।<br>এমনকি ধর্মপ্রচারকগ্ণও রবিবারের জন্য ধর্মীয় আলোচনার পাতাটি সরিয়ে রাখেন—<br>শহরের নব-উন্মাদনা চারিপাশ কোথাই মাতাচ্ছে তা জানার কৌতূহলে,<br>সে খবর আনন্দময় কিংবা বিষাদময় হোক, জীবনের তুচ্ছতম কিংবা [[মহত্ত্ব|মহত্ত্বের]] বেড়াজালে—<br>মোরগ লড়াই থেকে শুরু করে রাজায় রাজায় যুদ্ধের রণ-তালে-তালে!
** '''''স্প্রাগ''''', ''কিউরিওসিটি, বাংলায় রূপান্তরঃ'' '''মাহমুদ''' ''(২৩ এপ্রিল, ২০২৬) ।''
* এই সংবাদমাধ্যমই জনমানুষের অধিকারে অক্ষুণ্ণ,<br>যেন প্রতিপত্তির কাছে নতি স্বীকার না করে এবং লাভের মোহে না হয় ক্ষুণ্ণ;<br>এখানেই দেশপ্রেমিক তাঁর আদর্শের লিপিতে চিরনিবন্ধ,<br>ধর্ম, স্বাধীনতা এবং আইনের রক্ষক হিসেবে থাকবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
** '''''[[:w:জোসেফ স্টোরি|জোসেফ স্টোরি]]''''', ''সালেম রেজিস্টারের'' মূলমন্ত্র (১৮০২ সালে গৃহীত)। উইলিয়াম ডব্লিউ স্টোরি রচিত ''লাইফ অফ জোসেফ স্টোরি'', প্রথম খণ্ড, ৬ষ্ঠ অধ্যায়ে বর্ণিত, ''রূপান্তরঃ'' '''মাহমুদ।'''
* সম্পাদকের চেয়ারের কুশনে লুকিয়ে থাকা এক তীক্ষ্ণ কণ্টক।
** '''''[[:w:উইলিয়াম মেকপিস থ্যাকারায়|উইলিয়াম মেকপিস থ্যাকারায়]]''''', ''রাউন্ডঅবাউট পেপারস'': 'দ্য থর্ন ইন দ্য কুশন'।
== আরোপিত বা অ্যাট্রিবিউটেড ==
* গণমাধ্যম নির্ভুলতা সংক্রান্ত নোলের নীতি: সংবাদপত্রে আপনি যা কিছু পড়েন তার প্রতিটি অক্ষরই ধ্রুব সত্য—কেবল সেই বিরল সংবাদটি ছাড়া যে বিষয়টি সম্পর্কে আপনার একান্ত ব্যক্তিগতভাবে প্রত্যক্ষ জ্ঞান রয়েছে।
** '''''আরউইন নোল''''', সম্পাদক, ''দ্য প্রোগ্রেসিভ''।
* আমেরিকায় প্রেসিডেন্ট মাত্র চার বছরের জন্য শাসন করেন, কিন্তু সাংবাদিকতা সেখানে রাজত্ব চালায় চিরকাল।
** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]'''''; লোইস আগস্ট জেনিস রচিত ''ভয়েজ টু ইনসাইট'' (২০০৩), পৃ. ৭০-এ উদ্ধৃত।
* যখন একটি কুকুর কোনো মানুষকে কামড়ায়, সেটি কোনো সংবাদ নয়; কারণ এমন ঘটনা অহরহ ঘটে থাকে। কিন্তু যদি কোনো মানুষ একটি কুকুরকে কামড়ে দেয়, তবে সেটিই হলো প্রকৃত সংবাদ।
** '''''জন বি. বোগার্ট''''', 'নিউ ইয়র্ক সান'-এর সম্পাদক; ''বার্টলেট'স ফ্যামিলিয়ার কোটেশনস''-এ আরোপিত (১৬তম সংস্করণ, ১৯৯২), পৃ. ৫৫৪। আরও দেখুন: [[:w:ম্যান বাইটস ডগ|ম্যান বাইটস ডগ]]।
* ঔপন্যাসিকদের বড় বড় 'মহৎ আইডিয়া' বা তাত্ত্বিক চিন্তাভাবনা নিয়ে আমি খুব একটা মাথা ঘামাই না। উপন্যাস নিশ্চিতভাবেই চমৎকার বিষয়, তবে পড়ার ক্ষেত্রে আমি সংবাদপত্রকেই বেশি প্রাধান্য দিই।
** '''''উইল কাপি''''', স্ট্যানলি জে. কুনিটজ এবং হাওয়ার্ড হ্যাব্রাফট সম্পাদিত ''টোয়েন্টিয়েথ সেঞ্চুরি অথরস'' (১৯৪২), নিউ ইয়র্ক: এইচ. ডব্লিউ. উইলসন কোম্পানি, পৃ. ৩৪২।
* সাংবাদিকতা হলো ইতিহাসের প্রথম খসড়া। মূলত ভিন্ন একটি রূপে প্রথম প্রকাশিত হয়—“সংবাদ বা সংবাদমাধ্যম হলো ইতিহাসের প্রথম অমসৃণ খসড়া”। এই আধুনিক রূপটি অন্তত ১৯৪০-এর দশক থেকে প্রচলিত এবং সম্ভবত ''ওয়াশিংটন পোস্টের'' সম্পাদকীয় লেখক '''''অ্যালান বার্থ''''' এটিকে জনপ্রিয় করে তুলেছিলেন। সেই সময়কার প্রকাশিত ''ওয়াশিংটন'' ''পোস্টের'' সম্পাদকীয় পাতায় এই ভাবনার প্রতিফলন একাধিকবার দেখা যায়, যার মধ্যে বার্থের প্রথম উদ্ধৃতিটি ১৯৪৩ সালের: '''"সংবাদ হলো ইতিহাসের প্রথম অমসৃণ খসড়া মাত্র।"'''
::* '''''অ্যালান বার্থ''''', হ্যারল্ড এল. ইক্সেস রচিত ''দ্য অটোবায়োগ্রাফি অফ আ কারমাজিয়ন''-এর পর্যালোচনা, ''নিউ রিপাবলিক'' (১৯৪৩), ভলিউম ১০৮, পৃ. ৬৭৭-এ সংগৃহীত।
:* ''ওয়াশিংটন পোস্টে'' এর পরবর্তী ব্যবহারগুলো হলো:
:: সংবাদপত্র হলো আসলে ইতিহাসের প্রথম খসড়া, অথবা অন্তত তারা তেমন হওয়ার ভান করে থাকে!
::* নামবিহীন "সম্পাদকের টীকা", ''দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট'' (১৬ অক্টোবর ১৯৪৪)।
:* বিংশ শতাব্দীর প্রথম দশকেও একই ধরনের ভাবধারা পরিলক্ষিত হয়, যার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছেঃ [http://www.barrypopik.com/index.php/new_york_city/entry/first_draft_of_history_journalism/ “ইতিহাসের প্রথম খাসড়া” (সাংবাদিকতা)], ২৩ নভেম্বর ২০০৯, ব্যারি পপিক।
:: এটি অত্যন্ত সম্ভবপর যে, ৪১৩ অব্দ পর্যন্ত 'ইতিহাসের একটি প্রাথমিক ও অমসৃণ খসড়া' হয়তো ৪০৫ অব্দের আগেই থুসিডাইডিস কর্তৃক রূপরেখা আকারে প্রস্তুত করা হয়েছিল।
::* (এখানে “সংবাদ” শব্দটি বাদ দেওয়া হয়েছে এবং একটি নির্দিষ্ট পাঠ্যকে নির্দেশ করা হয়েছে) ১৯০২, '''''রিচার্ড ক্ল্যাভারহাউস জেব''''', [http://www.1902encyclopedia.com/T/THU/thucydides.html থুসিডাইডিস], এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা, ১০ম সংস্করণ (১৯০২)। ২০১০ সালে শেফার-এর মন্তব্যে ব্যাবেট হোগান কর্তৃক উদ্ধৃত।
:: সংবাদপত্রগুলো প্রতিদিন প্রভাতে 'ইতিহাসের একটি অমসৃণ খসড়া' তৈরি করে চলেছে। পরবর্তীতে ঐতিহাসিকগণ আসবেন, পুরোনো নথিপত্রগুলো হাতে নেবেন এবং সম্পাদক ও সংবাদদাতাদের সেই অপরিশোধিত অথচ আন্তরিক ও নির্ভুল বিবরণীগুলোকে প্রকৃত ইতিহাস ও কালোজয়ী সাহিত্যে রূপান্তরিত করবেন। আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থাকে অবশ্যই এই দৈনিক সংবাদপত্রের গুরুত্ব অনুধাবন করতে হবে।
::* (এখানে “প্রথম” শব্দটি বাদ দেওয়া হয়েছে) ৫ ডিসেম্বর ১৯০৫, দ্য স্টেট, “[http://blog.readex.com/wp-content/uploads/2010/10/TP-State-News-Draft-Dec-5-1905.pdf সংবাদের শিক্ষামূলক মূল্য]”, পৃ. ৪, কলাম ৪, কলাম্বিয়া, সাউথ ক্যারোলাইনা। টনি পেত্তিনাতো কর্তৃক ৪ অক্টোবর ২০১০ তারিখে উদ্ধৃত। 'কোট ইনভেস্টিগেটর'-এর গারসন ও'টুল এটি জিনিয়লজি-ব্যাংক ডাটাবেস থেকে সংগ্রহ করেছেন।
:: একজন প্রতিবেদক হলেন সেই তরুণ যুবক, যিনি প্রতিদিন একটি জরাজীর্ণ ও শব্দজব্দ টাইপরাইটারের ওপর 'ইতিহাসের প্রথম খসড়াটি' অত্যন্ত নিপুণভাবে অঙ্কন করেন।
::* (এখানে “অমসৃণ” শব্দটি বাদ দেওয়া হয়েছে) ৩ জুলাই ১৯১৪, লিঙ্কন (NE) ডেইলি স্টার, '''''জর্জ ফিচ'''''-এর লেখা “দ্য রিপোর্টার”, পৃ. ৬, কলাম ৪।
:* এই উক্তিটি সাধারণত ভুলভাবে '''''ফিলিপ এল. গ্রাহাম'''''-এর নামে দায়ী করা হয়, যা তিনি ১৯৬৩ সালে লন্ডনে 'নিউজউইক' প্রতিনিধিদের উদ্দেশ্যে দেওয়া একটি ভাষণে বলেছিলেন বলে মনে করা হয়: “[http://www.slate.com/id/2265540/pagenum/all এটি প্রথম কে বলেছিলেন? সাংবাদিকতা হলো 'ইতিহাসের প্রথম অমসৃণ খসড়া'।]”, '''''জ্যাক শেফার''''', ''স্লেট'' (৩০ আগস্ট ২০১০); ''পার্সোনাল হিস্ট্রি'' (১৯৯৭), '''''ক্যাথরিন গ্রাহাম'''''।
:: সুতরাং, আসুন আমরা আমাদের সেই অনিবার্য এবং অসম্ভব কাজের পেছনে অবিরাম শ্রম দিয়ে যাই—যা হলো প্রতি সপ্তাহে 'ইতিহাসের এমন একটি প্রথম অমসৃণ খসড়া' সরবরাহ করা, যা আসলে কখনোই সম্পন্ন হবে না; কারণ এই জগতকে আমরা কখনোই পুরোপুরি অনুধাবন করতে পারব না।
:* যদিও এই ভাষণটি উক্তিটিকে ব্যাপকভাবে জনপ্রিয় করেছিল, তবে এর আগেও গ্রাহাম নিজে এবং অন্য অনেকে (উপরে উল্লিখিত) একই ধরণের বক্তব্য প্রদান করেছিলেন:
:: সংবাদমাধ্যমের এই অপরিহার্য ক্ষিপ্রতা বা তাড়াহুড়ো অনিবার্যভাবেই এক ধরণের অগভীরতাকে সঙ্গী করে আনে। পরম গভীরতা অর্জন করা না আমাদের ক্ষমতার মধ্যে আছে, আর না তা আমাদের অধিকারভুক্ত। আমরা বছরের ৩৬৫ দিন জুড়েই 'ইতিহাসের প্রথম অমসৃণ খসড়া' লিখে চলি, এবং এটি সত্যিই এক অত্যন্ত মহৎ ও বিশাল দায়িত্ব।
::* আমেরিকান সোসাইটি ফর পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন-এ প্রদত্ত ভাষণ (৮ মার্চ ১৯৫৩); “[http://www.jstor.org/stable/972460 পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অ্যান্ড দ্য প্রেস]”-এ প্রকাশিত, ফিলিপ এল. গ্রাহাম, ''পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন রিভিউ'', ভলিউম ১৩, সংখ্যা ২ (বসন্ত, ১৯৫৩), পৃ. ৮৭-৮৮।
:* এছাড়াও আরও নানা ধরণের ভুল আরোপ বা অ্যাট্রিবিউশন বিদ্যমান—'''''হেলেন থমাস''''' তাঁর স্মৃতিকথা 'ফার্স্ট রো অ্যাট দ্য হোয়াইট হাউস'-এ উক্তিটিকে ভুলবশত '''''বেন ব্র্যাডলি'''''-এর নামে চালিয়ে দিয়েছেন।
** '''''হেলেন থমাস''''', ''ফ্রন্ট রো অ্যাট দ্য হোয়াইট হাউস: মাই লাইফ অ্যান্ড টাইমস'' (২০০০), সাইমন অ্যান্ড শুস্টার, পৃ. ৩৮৩, ISBN 0684845687।
== আরও দেখুন ==
* [[w:গণমাধ্যম|বিকল্প ধারার গণমাধ্যম]]
* [[:w:অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা|অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা]]
* [[:w:সংবাদ|সংবাদ]]
* [[:w:সংবাদপত্র|সংবাদপত্র]]
* [[:w:মূলধারার গণমাধ্যম|মূলধারার গণমাধ্যম]]
* [[w:গণমাধ্যম_সংস্কৃতি|গণমাধ্যম সংস্কৃতি]]
== বহিঃসংযোগ ==
{{similarlinks}}
* [https://www.fourthestate.org/journalism-quotes/ ফোর্থ এস্টেটে সাংবাদিকতা বিষয়ক উল্লেখযোগ্য উদ্ধৃতিসমূহ]
[[বিভাগ:সাংবাদিকতা| ]]
[[বিষয়শ্রেণী:সাংবাদিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:সাংবাদিকতা]]
[[বিষয়শ্রেণী:গণমাধ্যম]]
4bsm8ty02i0aqq2mbbmq1dy2mc41fvx
83310
83309
2026-05-03T04:31:48Z
Oindrojalik Watch
4169
83310
wikitext
text/x-wiki
[[File:2 Fillettes vendant des journaux, Wilmington (Delaware), mai 1910.jpg|thumb|আমেরিকায় রাষ্ট্রপতি চার বছরের জন্য রাজত্ব করেন, আর সাংবাদিকতা শাসন করে অনন্তকাল ধরে!<br>~'''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''']]
'''[[w:সাংবাদিকতা|সাংবাদিকতা]]''' হলো সংবাদ সংগ্রহ, লিখন এবং সংবাদ পরিবেশনের একটি বিশেষ শাখা। বিস্তৃত অর্থে এটি সংবাদ নিবন্ধ সম্পাদনা ও উপস্থাপনার প্রক্রিয়াকেও অন্তর্ভুক্ত করে। সাংবাদিকতা বিভিন্ন মাধ্যমের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, তবে এটি কেবল [[w:সংবাদপত্র|সংবাদপত্র]], [[w:সাময়িকী_(পত্রিকা)|সাময়িকী]], [[w:বেতার|রেডিও]] এবং [[w:টেলিভিশন|টেলিভিশনের]] মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। সংবাদ প্রচারের দৌড়ে সবার আগে থাকার প্রবল চাপ থাকা সত্ত্বেও, প্রতিটি সংবাদ সংস্থা নিজস্ব নির্ভুলতা, গুণমান এবং শৈলীর মানদণ্ড মেনে চলে। যেখানে সাধারণত প্রকাশের পূর্বে প্রতিবেদনগুলো [[:w:সম্পাদনা|সম্পাদনা]] ও প্রুফরিডিং করা হয়। অনেক সংবাদ সংস্থা সরকারি কর্মকর্তা ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে জনগণের কাছে দায়বদ্ধ রাখার গৌরবময় ঐতিহ্য দাবি করে, যদিও সংবাদ মাধ্যম সমালোচকরা খোদ সংবাদপত্রের দায়বদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ''জার্নালিজম'' বা সাংবাদিকতা শব্দটি [[w:ফরাসি_ভাষা|ফরাসি ভাষার]] '''''journal''''' '''''বা''''' '''''জার্নাল''''' থেকে নেওয়া হয়েছে, যা কালক্রমে ল্যাটিন ''ডিউর্নাল'' বা দৈনিক শব্দ থেকে উদ্ভূত। [[w:প্রাচীন_রোম|প্রাচীন রোমের]] প্রধান জনচত্বর ফোরামে প্রতিদিন 'অ্যাক্টা ডিউর্না' নামক একটি হস্তলিখিত বুলেটিন টাঙিয়ে দেওয়া হতো, যা ছিল বিশ্বের প্রথম সংবাদপত্র।
[[File:Amy Goodman — Keynote, National Conference for Media Reform 2013 (8626124929).jpg|thumb|যেখানে নিস্তব্ধতা বিরাজ করে, সেখানে ছুটে যাওয়াই একজন সাংবাদিকের দায়িত্ব। যারা বিস্মৃত, পরিত্যক্ত এবং ক্ষমতাশালীদের দ্বারা নিগৃহীত, তাদের কণ্ঠস্বর হয়ে ওঠা।<br>~'''''অ্যামি গুডম্যান''''']]
__NOTOC__
{{TOCalpha|''[[#হোয়েট'স নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস|হোয়েট'স নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস]]'' · [[#আরোপিত|আরোপিত]]}}
== A ==
[[File:Julian Assange in Ecuadorian Embassy cropped.jpg|thumb|আমরা আমাদের পেছনে এমন এক অনন্য ক্ষেত্র তৈরি করছি যা সাংবাদিকতার সেই বিশেষ রূপটিকে বিকশিত হতে দেয়, যা সাংবাদিকতা চিরকাল নিজের জন্য প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিল। আমরা সেই ক্ষেত্রটি সৃষ্টি করছি কারণ আমরা শক্তিশালী গোষ্ঠীগুলোর মুখোশ সাহসের সাথে উন্মোচন করার ফলে আসা যাবতীয় সমালোচনা ও আক্রমণকে স্বেচ্ছায় গ্রহণ করছি।<br>~'''''[[:w:জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ|জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ]]''''' ]]
[[File:Great men and famous women - a series of pen and pencil sketches of the lives of more than 200 of the most prominent personages in history Volume 7 (1894) (14760162546).jpg|thumb|সাংবাদিকতা সত্যিই মহৎ। প্রতিটি দক্ষ ও সামর্থ্যবান সম্পাদক কি বিশ্বের একেকজন প্রকৃত শাসক নন, যেহেতু তিনি বিশ্ববাসীকে নিজের যুক্তি ও চিন্তায় প্ররোচিত ও প্রভাবিত করার ক্ষমতা রাখেন?<br>~'''''[[:w:টমাস কার্লাইল|টমাস কার্লাইল]]''''' ]]
*একটি রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ স্বাধীনতার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সংবাদপত্রের অবাধ স্বাধীনতা অপরিহার্য ও মৌলিক একটি শর্ত। অতএব, এই কমনওয়েলথ বা জনসমষ্টির মধ্যে কোনোভাবেই সংবাদপত্রের সেই স্বাধীনতাকে খর্ব বা সংকুচিত করা উচিত নয়।
**'''''ম্যাসাচুসেটস সংবিধান''''' (২৫ অক্টোবর, ১৭৮০ তারিখে গৃহীত; যা বিশ্বের প্রাচীনতম কার্যকর লিখিত সংবিধান) {{cite book|author='''''[[:w:জন অ্যাডামস|জন অ্যাডামস]]''''', '''''[[:w:স্যামুয়েল অ্যাডামস|স্যামুয়েল অ্যাডামস]]''''', '''''[[:w:জেমস বাউডোইন|জেমস বাউডোইন]]'''''|title=[[:w:ম্যাসাচুসেটস কমনওয়েলথ এর সংবিধান|ম্যাসাচুসেটস কমনওয়েলথ এর সংবিধান]]|publisher=[[:w:ম্যাসাচুসেটস|ম্যাসাচুসেটস কমনওয়েলথ]]|year=1780|pages= অনুচ্ছেদ XVI}}[http://en.wikisource.org/wiki/Constitution_of_the_Commonwealth_of_Massachusetts_%281780%29 মূল পাঠ্য]
* বেনামে তথ্য ফাঁস করা একটি প্রাচীন শিল্পকলা এবং অনেক ওয়েবসাইটই এমন সব উৎস থেকে প্রাপ্ত নথিপত্র প্রকাশ করে থাকে যাদের তারা শনাক্ত করতে পারে না। উইকিলিকস যা করেছে তা হলো এই পুরো প্রক্রিয়াটিকে পেশাদার রূপ দেওয়া। তারা তথ্য ফাঁস গ্রহণ, প্রক্রিয়াকরণ এবং তা জনসমক্ষে প্রকাশের জন্য একটি সুনির্দিষ্ট ও মানসম্মত কার্যপ্রণালী তৈরি করেছে।
** '''''স্টিফেন আফটারগুড''''', '''FAS''' বা ফেডারেশন অফ আমেরিকান সায়েন্টিস্টস প্রজেক্ট অন গভর্নমেন্ট সিক্রেসি — প্রতিবেদনে উল্লিখিত {{cite news|first=পল |last=মার্কস |author= |url= |title=উচ্চপদে আসীন ব্যক্তিদের অপ্রস্তুত করার একটি অব্যর্থ উপায়: হুইসেল-ব্লোয়ার বা তথ্য ফাঁসকারীরা কোনো চিহ্ন না রেখেই সব বলে দিতে পারেন, সেইসব ওয়েবসাইটকে ধন্যবাদ যা তাদের পরিচয় গোপন রাখে |work= নিউ সায়েন্টিস্ট|publisher=রিড বিজনেস ইনফরমেশন |pages= |page=২৮, খণ্ড ১৯৮; ইস্যু ২৬৫৫ |date=মে ১০, ২০০৮ |accessdate= }}
* একজন সাংবাদিক হিসেবে আমার কর্মজীবন আমার সাহিত্যিক সৃজনশীলতার ক্ষেত্রে এক মৌলিক ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছে। সাংবাদিকতাই আমাকে শব্দকে চিনতে এবং ভালোবাসতে শিখিয়েছে—যা আমার পেশার প্রধান হাতিয়ার এবং আমার শিল্পের মূল উপাদান। সাংবাদিকতা আমাকে সত্যের সন্ধান করতে এবং নৈর্ব্যক্তিক বা বস্তুনিষ্ঠ হতে শিখিয়েছে। শিখিয়েছে কীভাবে পাঠকের মনোযোগ কেড়ে নিতে হয় এবং তাকে এমনভাবে আষ্টেপৃষ্ঠে ধরে রাখতে হয় যেন সে কোনোভাবেই ফস্কে না যায়। এটি আমাকে বিভিন্ন ধারণাকে সংশ্লেষণ করতে এবং ঘটনাপ্রবাহের বর্ণনায় সুনির্দিষ্ট হতে শিখিয়েছে। আর সর্বোপরি, এটি আমার ভেতর থেকে সাদা পাতার প্রতি যাবতীয় ভয়কে চিরতরে দূর করে দিয়েছে।
** ১৯৯৪ সালের একটি সাক্ষাৎকার যা ''কনভারসেশনস উইথ '''''ইসাবেল আলেন্দে''''' '' (১৯৯৯) এ অন্তর্ভুক্ত, স্পেনীয় ভাষা থেকে কোলা ফ্রাঞ্জেন কর্তৃক অনূদিত।
* প্রথম সংশোধনীর প্রতিষ্ঠিত আইন অনুযায়ী, সংবাদ প্রকাশে পূর্ব-নিষেধাজ্ঞা বা সেন্সরশিপ যদি আদৌ সাংবিধানিক হয়ও, তবে তা কেবল চরম ও অতি-অস্বাভাবিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটেই অনুমোদিত হতে পারে। বর্তমান মামলার ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, আদালতের এমন সব নির্দেশ রয়েছে যা কার্যকরভাবে একটি ওয়েবসাইটকে বন্ধ করে দিয়েছে। যে সাইটটি বিশ্বজুড়ে সরকার ও কর্পোরেশনগুলোর দুর্নীতির মুখোশ উন্মোচনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছিল এবং এই নির্দেশটি যে কেউ পাঠ করলে তাকে সেই নথিগুলো প্রকাশ করা, এমনকি সেগুলোর লিঙ্ক দেওয়া থেকেও বিরত থাকতে বাধ্য করছে।
** '''''ডেভিড আরডিয়া''''', হার্ভার্ড ল স্কুলের বার্কম্যান সেন্টার ফর ইন্টারনেট অ্যান্ড সোসাইটি-র সিটিজেন মিডিয়া ল' প্রজেক্ট বা CMLP এর পরিচালক, '''''[[:w:ব্যাংক জুলিয়াস বায়ের বনাম উইকিলিকস মামলা|ব্যাংক জুলিয়াস বায়ের বনাম উইকিলিকস]]''''' প্রসঙ্গে মন্তব্যকালে — প্রতিবেদনে উল্লিখিত {{cite news|title=ইন্টারনেটে বাকস্বাধীনতা রক্ষা: একটি সাইবার-ল ক্লিনিকে শিক্ষার্থীরা প্রাথমিক আইনি বিষয়গুলো মোকাবিলায় সহায়তা করছে |work=হার্ভার্ড ল বুলেটিন |publisher= [[:w:হার্ভার্ড ল স্কুল|হার্ভার্ড ল স্কুল]]|page= |date=Fall 2008 |url=http://www.law.harvard.edu/news/bulletin/2008/fall/feature_2-side1.php|accessdate=2009-03-04}}
* আমরা আমাদের পেছনে এমন এক অনন্য ক্ষেত্র তৈরি করছি যা সাংবাদিকতার সেই বিশেষ রূপটিকে বিকশিত হতে দেয়, যা সাংবাদিকতা চিরকাল নিজের জন্য প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিল। আমরা সেই ক্ষেত্রটি সৃষ্টি করছি কারণ আমরা শক্তিশালী গোষ্ঠীগুলোর শক্তিমত্তা ও দুর্নীতির মুখোশ সাহসের সাথে উন্মোচন করার ফলে ধেয়ে আসা যাবতীয় সমালোচনা ও প্রবল বিরুদ্ধাচরণকে স্বেচ্ছায় গ্রহণ করছি।
** '''''[[:w:জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ|জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ]]''''' এর উদ্ধৃতি: [https://www.theguardian.com/media/2010/aug/01/julian-assange-wikileaks-afghanistan জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ, অনলাইন যুগের সেই সন্ন্যাসী যিনি বৌদ্ধিক লড়াইয়ের মাধ্যমেই বিকশিত হন, ক্যারল ক্যাডওয়ালাডার, ''দ্য গার্ডিয়ান''], (১ আগস্ট ২০১০)
== B ==
* অভিজ্ঞতা এটিই প্রমাণ করেছে যে, সাধারণ প্রত্যাশার সম্পূর্ণ বিপরীতে গিয়ে সংবাদপত্র হলো জনমতকে সঠিক পথে পরিচালিত করার, উত্তেজনাপূর্ণ আন্দোলনকে শান্ত করার এবং সেইসব মিথ্যা ও কৃত্রিম গুজবকে বিলীন করে দেওয়ার অন্যতম শ্রেষ্ঠ মাধ্যম, যার দ্বারা রাষ্ট্রের শত্রুরা তাদের অশুভ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করতে পারে। এই জনসমক্ষে প্রচারিত সংবাদপত্রগুলোর মাধ্যমে যেমন নির্দেশনা সরকার থেকে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারে, তেমনি তা মানুষের কাছ থেকে সরকারের কাছেও উন্নীত হতে পারে। সংবাদপত্রকে যত বেশি স্বাধীনতা প্রদান করা হবে, জনমতের গতিপথ সম্পর্কে তত বেশি নির্ভুলভাবে বিচার-বিশ্লেষণ করা সম্ভব হবে এবং তা তত বেশি সুনিশ্চিতভাবে কার্যকরী ভূমিকা পালন করবে।
**'''''[[:w:জেরেমি বেন্থাম|জেরেমি বেন্থাম]]''''', ''প্রিন্সিপালস অফ পেনাল ল''; তৃতীয় অংশ, "অপরাধ প্রতিরোধের পরোক্ষ পদ্ধতিসমূহ"; অধ্যায় XIX, "নির্দেশনা প্রদানের ক্ষমতা থেকে আহরিত ব্যবহার"। [https://books.google.com/books?id=GGpVAAAAcAAJ&newbks=1&newbks_redir=0&dq=%22jeremy%20bentham%22%20%22newspapers%20are%20one%20of%20the%20best%20means%20of%20directing%20opinion%22&pg=RA1-PA568#v=onepage&q=%22jeremy%20bentham%22%20%22newspapers%20are%20one%20of%20the%20best%20means%20of%20directing%20opinion%22&f=false গুগল বুকস]
* আপনি যদি সমগ্র আমেরিকা ঘুরে দেখেন, তবে দেখবেন ছোট ছোট সংবাদপত্রগুলো তাদের নিজ নিজ সম্প্রদায়ে সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে সত্যিই চমৎকার কাজ করছে। আধুনিক নিউ ইয়র্ক টাইমস, আধুনিক ওয়াশিংটন পোস্ট কিংবা আধুনিক ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল অধিকাংশ বিচারেই ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারির সময়ের চেয়ে এখন অনেক উন্নত মানের সংবাদপত্র। কিন্তু আপনি যদি এই ক্ষেত্রের বাকি অংশগুলোর দিকে তাকান... তবে দেখবেন যে সত্যের সর্বোত্তম লভ্য সংস্করণের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা প্রকৃত সংবাদ ক্রমশ একটি দুষ্প্রাপ্য পণ্যে পরিণত হচ্ছে এবং আমাদের সাংবাদিকতা প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রকৃত অংশ হিসেবে এর উপস্থিতি দিন দিন হ্রাস পাচ্ছে।
**'''''কার্ল বার্নস্টাইন''''', সাক্ষাৎকারে {{cite news | last =স্টাফ | title =সাক্ষাৎকার: কার্ল বার্নস্টাইন | work =[[:w:ফ্রন্টলাইন (মার্কিন টিভি সিরিজ)|ফ্রন্টলাইন]] | publisher =[[:w:ডব্লিউজিবিএইচ|ডব্লিউজিবিএইচ]] এডুকেশনাল ফাউন্ডেশন | date =১০ জুলাই ২০০৬ | url =http://www-c.pbs.org/wgbh/pages/frontline/newswar/interviews/bernstein.html | accessdate =২০০৯-০২-২০ }}
* প্রতিবেদক, বিশেষ্য: একজন লেখক যিনি সত্যের পথে অনুমানের ওপর ভিত্তি করে অগ্রসর হন এবং শব্দের প্রবল জলোচ্ছ্বাসে সেই সত্যকেই বিলীন করে দেন।
** '''''অ্যামব্রোস বিয়ার্স''''', ''দ্য ডেভিল'স ডিকশনারি'' (১৯১১)।
* প্রথম সংশোধনীর মাধ্যমে আমাদের প্রতিষ্ঠাতা পূর্বপুরুষগণ মুক্ত সংবাদমাধ্যমকে সেই সুরক্ষা প্রদান করেছিলেন যা আমাদের গণতন্ত্রে এর অপরিহার্য ভূমিকা পালনের জন্য একান্ত প্রয়োজন। সংবাদপত্রের কাজ ছিল শাসিতদের সেবা করা, শাসকদের নয়। সংবাদপত্রের ওপর সেন্সরশিপ বা বিধি-নিষেধ আরোপের সরকারি ক্ষমতা বিলুপ্ত করা হয়েছিল যাতে সংবাদপত্র চিরকাল সরকারকে কঠোর সমালোচনা করার স্বাধীনতা ভোগ করতে পারে। সংবাদমাধ্যমকে সুরক্ষা দেওয়া হয়েছিল যাতে এটি সরকারের গোপন রহস্যগুলো উন্মোচন করতে পারে এবং জনগণকে তথ্য দিয়ে সচেতন করতে পারে। কেবল একটি স্বাধীন এবং নিয়ন্ত্রণহীন সংবাদমাধ্যমই কার্যকরভাবে সরকারের প্রতারণা ও জালিয়াতির মুখোশ খুলে দিতে পারে।
** '''''হিউগো এল. ব্ল্যাক''''', নিউ ইয়র্ক টাইমস বনাম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মামলা, পৃ. ৭১৭
* দীর্ঘকাল ধরে এটি ধরে নেওয়া হয়েছিল যে, সাংবাদিকরা যেসব ঘটনা কভার করেন বা প্রতিবেদন তৈরি করেন, তা তাদের ওপর কোনো স্থায়ী প্রভাব ফেলে না। ট্রমাটিক বা মানসিকভাবে আঘাতমূলক ঘটনাগুলোর মুখোমুখি হওয়াকে তাদের চাকরির বিবরণের অংশ এবং এই পেশার একটি সাধারণ ঝুঁকি হিসেবে দেখা হতো। ঠিক যেমন একজন জরুরি বিভাগের চিকিৎসক বা অগ্নিনির্বাপক কর্মীর ক্ষেত্রে হয়ে থাকে। অনেকে মনে করতেন যে, যারা মৃত্যু এবং ধ্বংসের খবর সংগ্রহ করেন তারা অস্বাভাবিকভাবে কঠোর মনের মানুষ এবং তারা যে মানুষের দুঃখ-দুর্দশা প্রত্যক্ষ করেন, তার প্রতিধ্বনিমূলক প্রভাব থেকে তারা কোনোভাবে মুক্ত। কিছুদিন আগ পর্যন্তও সাংবাদিকরা মনে করতেন যে, যদি তারা জনসমক্ষে স্বীকার করেন যে সংবাদ সংগ্রহের অভিজ্ঞতা দীর্ঘমেয়াদে তাদের প্রভাবিত করতে পারে, তবে তাদের দুর্বল ভাবা হবে এবং সহকর্মীদের তুলনায় কম যোগ্য বলে মনে করা হবে।
** '''''এলিসা ই. বোল্টন''''', [https://www.ptsd.va.gov/public/community/journalists-ptsd.asp “সাংবাদিকদের দ্বারা সম্মুখীন হওয়া বেদনাদায়ক ঘটনাসমূহ“], '''''ন্যাশনাল সেন্টার ফর পিটিএসডি''''', '''''ইউএস ডিপার্টমেন্ট অফ ভেটেরান্স অ্যাফেয়ার্স'''''।
* সেখানে পোস্ট করা মাত্র কয়েকটি নথির প্রতিক্রিয়ায় পুরো সাইটটিতে প্রবেশাধিকার বন্ধ করে দেওয়া জনগণের জানার অধিকারকে সম্পূর্ণভাবে অবজ্ঞা করার শামিল।
** '''''অ্যান ব্রিক''''', [[:w:আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়ন|আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়ন]]-এর অ্যাটর্নি, '''''[[:w:ব্যাংক জুলিয়াস বায়ের বনাম উইকিলিকস মামলা|ব্যাংক জুলিয়াস বায়ের বনাম উইকিলিকস]]''''' মামলায় নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের আগে দেওয়া বিবৃতি — প্রতিবেদনে উল্লিখিত: [http://en.wikinews.org/wiki/Rights_groups:_Forcing_Wikileaks.org_offline_raises_%27serious_First_Amendment_concerns%27 "অধিকার গোষ্ঠীসমূহ: উইকিলিকস ডট অর্গকে অফলাইনে যেতে বাধ্য করা 'প্রথম সংশোধনীর গুরুতর উদ্বেগ' তৈরি করে"], '''''[[:n:প্রধান পাতা|উইকিসংবাদ]]''''', (২৮ ফেব্রুয়ারি ২০০৮)।
* কখনোই ভুলে যাবেন না যে, আপনি যদি আপনার প্রথম বাক্যটি দিয়েই সংবাদপত্রের পাঠকের চোখের মণি বরাবর আঘাত করতে না পারেন (অর্থাৎ তার তীক্ষ্ণ মনোযোগ আকর্ষণ করতে না পারেন), তবে দ্বিতীয় বাক্যটি আর লেখার কোনো প্রয়োজনই নেই।
** '''''আর্থার ব্রিসবেন''''' (আনু. ১৯০০), উদ্ধৃত হয়েছে: অলিভার কার্লসন রচিত '''''ব্রিসবেন: এ ক্যান্ডিড বায়োগ্রাফি''''' (১৯৩৭), অধ্যায় ৫।
* এমন এক সময় ছিল যখন হর্স ওয়াটসনদের মতো পেশার মানুষরা সাধারণত নেশামুক্ত অবস্থায় কখনও ঘুমাতে যেতেন না এবং তাদের লিভার বা যকৃৎ ক্ষয় হয়েই তারা মৃত্যুবরণ করতেন। সেই অক্ষরজ্ঞানসম্পন্ন দুঃসাহসী যোদ্ধাদের সীমান্ত অঞ্চলের স্যালুনগুলোতে নিজেদের বোকা বানাতে দেখাটা নিশ্চয়ই মজার ছিল। যেখানে তারা প্রতিদ্বন্দ্বী সাংবাদিক ও তাদের সমর্থকদের সাথে চাবুকপেটা এবং গোলাগুলিতে মেতে উঠতেন। কিন্তু কে থামত এটা ভাবতে যে, শব্দ এবং প্রকাশনার ক্ষমতা হাতে থাকা বলতে আসলে কী বোঝায়? এটা বুঝতে পারা যে, একটি পুরো শহর বা অঞ্চল বিচার করবে, নিন্দা জানাবে, কাজ করবে, দণ্ড মওকুফ করবে কিংবা গুণগান গাইবে শুধুমাত্র আপনার গতরাতের তড়িঘড়ি করে লেখা কোনো কিছুর ওপর ভিত্তি করে? কারণ আপনি টাইপসেটে কিছু একটা সাজিয়েছিলেন, আর তা করতে গিয়ে আপনার আঙুলের ডগায় লেগে যাওয়া ধাতব বিষগুলো অদম্যভাবে আপনার রক্তপ্রবাহে যাত্রা শুরু করেছিল? ক্ষমতার মোহে আপনি আপনার যকৃৎ আর বৃক্ককে এক স্পঞ্জি ও খিটখিটে পিন্ডে পরিণত করেছিলেন। আপনি আপনার মস্তিষ্কের কোষগুলোকে ভারী ধাতব আয়নের বিষে কলুষিত করেছিলেন যতক্ষণ না তা দিকভ্রান্ত দৃষ্টিভঙ্গির এক ভুতুড়ে বাড়িতে পরিণত হয়। [[w:অ্যালকোহল|অ্যালকোহল]] সাময়িকভাবে সেই প্রভাব কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করত। তাই আপনি একজন মদ্যপ হয়ে উঠেছিলেন, এবং দিনপ্রতি কিস্তিতে নিজের মানসিক সুস্থতা কিনে নিতেন, আর নিজেকে সবার হাসির পাত্রে পরিণত করতেন। শেষ পর্যন্ত এটি মজার কিংবা বিয়োগান্তক কোনোটিই ছিল না। এটি ছিল জীবনের এক রূঢ় বাস্তবতা যা মাঝারি মানের মানুষের ওপর ধীরগতিতে কাজ করত; কারণ সেই মাঝারিরা নিজেদের সত্ত্বাকে থামিয়ে দিয়ে নিশ্চিন্তে ঘুমাতে যেতে পারত, রাতের কাজটি তাদের নিজের সন্তুষ্টি অনুযায়ী হোক বা না হোক।
** '''''অ্যালজিস বাড্রিস''''', '''''মাইকেলমাস''''' (১৯৭৭), ISBN 0-425-03812-2, অধ্যায় ৩ (পৃ. ৩৬-৩৭)।
* সাংবাদিকতা হয়তো খুব বেশি দুঃসাহস দেখানোর সাহস পায় না। এটি মৃদু হাস্যরসাত্মক এবং বিদ্রূপাত্মক হতে পারে, খুব হালকাভাবে এতে ব্যক্তিগত বৈশিষ্ট্যের ছোঁয়া থাকতে পারে, কিন্তু খুব গভীরে খনন করে এটি পাঠকদের বিমুখ করতে পারে না। ভাষার প্রতি এর দৃষ্টিভঙ্গির ক্ষেত্রে এটি বিশেষভাবে সত্য: প্রচলিত রীতিগুলো নিয়ে এখানে কোনো প্রশ্ন তোলা হয় না।
** '''''[[:w:অ্যান্থনি বার্জেস|অ্যান্থনি বার্জেস]]''''', '''''এ মাউথফুল অফ এয়ার: ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজেস, এস্পেশালি ইংলিশ''''' (১৯৯২)।
* ''স্বঘোষিত এক তামাশাকার আর রসালো ভাড়াটে ভাঁড়,<br>নিম্নমানের মাসিক-লেখক ও উপহাসের উপহার!<br>শৈল্পিক চাটুকারিতে সে বেজায় রপ্ত,''<br>''তার হস্তকৃত ম্যাগাজিন মিথ্যায় অভিশপ্ত!''
** '''''[[:w:লর্ড বায়রন|লর্ড বায়রন]]''''', '''''ইংলিশ বার্ডস অ্যান্ড স্কচ রিভিউয়ার্সের''''' খন্ডাংশ (১৮০৯), লাইন ৯৭৫, বাংলায় রুপান্তরঃ '''মাহমুদ''' (২৩ এপ্রিল, ২০২৬)।
== C ==
* মূলধারার সংবাদ মাধ্যমগুলো যখন ক্রমশ আত্মতুষ্ট হয়ে পড়ছে, এমনকি যুদ্ধপন্থী নীতিগুলোর সমর্থক হয়ে উঠছে, তখন এটি আরও বেশি অপরিহার্য হয়ে দাঁড়িয়েছে যে, যুদ্ধবিরোধী কণ্ঠস্বর এবং বিশেষ করে যুদ্ধবিরোধী সাংবাদিকরা যেন [[w:মার্কিন_যুক্তরাষ্ট্র|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের]] সেই নজির স্থাপনের প্রচেষ্টাকে প্রতিরোধ করেন, যা যুদ্ধাপরাধ প্রকাশের কাজটিকে একটি দণ্ডণীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য করতে চায়।
** '''''স্যাম কার্লিনার''''', [https://www.commondreams.org/views/2021/10/22/fate-anti-war-journalism-lies-upcoming-assange-hearings "যুদ্ধবিরোধী সাংবাদিকতার ভাগ্য আসন্ন অ্যাসাঞ্জ শুনানির ওপর নির্ভর করছে"], '''''কমন ড্রিমস''''', (২২ অক্টোবর ২০২১)।
* মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির অপূরণীয় ক্ষতির বিষয়ে যারা উদাসীন বা সরাসরি সমর্থনমূলক অবস্থান গ্রহণ করে, সেইসব প্রকাশনার সম্পূর্ণ বিপরীতে অবস্থান করছে উইকিলিকস এবং এর প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ। "যদি মিথ্যা দিয়ে যুদ্ধ শুরু করা যায়, তবে সত্য দিয়ে তা থামানোও সম্ভব"—তার এই দৃষ্টিভঙ্গি অনুসরণ করে, অ্যাসাঞ্জ একবিংশ শতাব্দীর মার্কিন পররাষ্ট্রনীতি সংক্রান্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য নিখুঁত নির্ভুলতার সাথে প্রকাশ করেছেন।
** '''''স্যাম কার্লিনার''''', [https://www.commondreams.org/views/2021/10/22/fate-anti-war-journalism-lies-upcoming-assange-hearings "যুদ্ধবিরোধী সাংবাদিকতার ভাগ্য আসন্ন অ্যাসাঞ্জ শুনানির ওপর নির্ভর করছে"], '''''কমন ড্রিমস''''', (২২ অক্টোবর ২০২১)।
* মূলধারার সংবাদমাধ্যমের হাজারো সমস্যা থাকা সত্ত্বেও, একটি শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান হিসেবে সাংবাদিকতা আজও যুদ্ধ প্রতিরোধ করার এবং ক্ষেত্রবিশেষে চলমান রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ বন্ধ করার অন্যতম প্রধান ও কার্যকর হাতিয়ার হিসেবে টিকে রয়েছে। এমনকি যারা সংবাদমাধ্যমের ওপর চরম আস্থাহীন, তাদেরও উচিত সংবাদপত্রের স্বাধীনতার ওপর আসা যাবতীয় আক্রমণ ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া। কারণ সংবাদপত্রের স্বাধীনতার এই সুনিশ্চিত গ্যারান্টিই যুদ্ধবিরোধী প্রতিবেদনগুলোকে মূলধারার আলোচনায় নিয়ে আসে এবং সাধারণ মানুষের প্রথাগত চিন্তাধারাকে পরিবর্তন করে তাদের সরকারকে আরও গভীরভাবে বুঝতে শেখায়।
** '''''স্যাম কার্লিনার''''', [https://www.commondreams.org/views/2021/10/22/fate-anti-war-journalism-lies-upcoming-assange-hearings "যুদ্ধবিরোধী সাংবাদিকতার ভাগ্য আসন্ন অ্যাসাঞ্জ শুনানির ওপর নির্ভর করছে"], '''''কমন ড্রিমস''''', (২২ অক্টোবর ২০২১)।
* দক্ষ ও দূরদর্শী সম্পাদকদের সমন্বয়ে গঠিত একটি 'চতুর্থ স্তম্ভ' বা ফোর্থ এস্টেটের অভ্যুদয় ঘটছে।
** '''''[[:w:টমাস কার্লাইল|টমাস কার্লাইল]]''''', '''''দ্য ফ্রেঞ্চ রেভোলিউশন, এ হিস্ট্রি''''' (১৮৩৭), প্রথম অংশ, ষষ্ঠ বই, অধ্যায় ৫।
* সাংবাদিকতা সত্যিই এক মহৎ ও বিশাল শক্তি। প্রতিটি দক্ষ ও কুশলী সম্পাদক কি এই বিশ্বের একেকজন প্রকৃত শাসক নন? কারণ তিনি তাঁর ক্ষুরধার লেখনী ও অকাট্য যুক্তির মাধ্যমে সমগ্র বিশ্ববাসীকে নিজ মতে প্ররোচিত করার ক্ষমতা রাখেন।
** '''''[[:w:টমাস কার্লাইল|টমাস কার্লাইল]]''''', '''''দ্য ফ্রেঞ্চ রেভোলিউশন, এ হিস্ট্রি''''' (১৮৩৭), দ্বিতীয় অংশ, প্রথম বই, অধ্যায় ৪।
* বার্ক বলেছিলেন যে পার্লামেন্টে তিনটি প্রধান স্তম্ভ বা এস্টেট রয়েছে। কিন্তু তিনি ঐ যে সংবাদদাতাদের গ্যালারির দিকে ইঙ্গিত করে বলেছিলেন, সেখানে একটি 'চতুর্থ স্তম্ভ' উপবিষ্ট আছে যা আগের তিনটি স্তম্ভের তুলনায় অনেক বেশি প্রভাবশালী ও গুরুত্বপূর্ণ। এটি কোনো আলঙ্কারিক শব্দ বা নিছক চাতুর্যপূর্ণ উক্তি নয়, বরং এটি একটি আক্ষরিক সত্য। যা বর্তমান এই অস্থির সময়ে আমাদের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও অমোঘ।
** '''''[[:w:টমাস কার্লাইল|টমাস কার্লাইল]]''''', '''''অন হিরোস, হিরো-ওয়ারশিপ, অ্যান্ড দ্য হিরোইক ইন হিস্ট্রি: সিক্স লেকচারস: রিপোর্টেড''''', উইলি অ্যান্ড হ্যালস্টেড, (১৮৫৯), পৃ. ১৪৭, বক্তৃতা ৫: "দ্য হিরো অ্যাজ ম্যান অফ লেটারস"।
* সাংবাদিকদের দেখলে মনে হতে পারে যে তারা প্রায় আক্ষরিক অর্থেই আধুনিক বিশ্বের এক একজন পুরোহিত... তবে পুরোহিততন্ত্রের নৈতিক অবক্ষয় ঠিক সেই মুহূর্তেই ঘটেছিল যখন এটি জ্ঞান বিতরণের জন্য গঠিত একটি সংখ্যালঘু গোষ্ঠী থেকে জ্ঞান গোপন রাখার জন্য গঠিত একটি সংখ্যালঘু গোষ্ঠীতে রূপান্তরিত হয়েছিল। সাংবাদিকতার অধঃপতনের ক্ষেত্রেও ঠিক একই ধরনের এক বিশাল বিপদ ও আশঙ্কা লুকিয়ে রয়েছে। সাংবাদিকতা নিজেই নিজের মধ্যে এমন এক ভয়াবহ দানবীয় রূপ এবং বিভ্রম সৃষ্টি করার সম্ভাবনা ধারণ করে, যা মানবজাতির জন্য অতীতে কখনও আসা যেকোনো অভিশাপের চেয়েও ভয়াবহ হতে পারে। এই ভয়ংকর রূপান্তরটি ঠিক সেই মুহূর্তেই ঘটবে যখন সাংবাদিকরা অনুধাবন করতে শুরু করবে যে তারা সমাজের এক বিশেষ অভিজাত শ্রেণীতে পরিণত হতে সক্ষম।
** '''''[[:w:জি. কে. চেস্টারটন|জি. কে. চেস্টারটন]]''''', "দ্য নিউ প্রিস্টস" (১৯০১)। [https://books.google.com/books?id=v6-RGg0qKpsC&pg=PA551&dq=%22Journalism+possesses+in+itself+the+potentiality+of+becoming+one+of+the+most+frightful+monstrosities%22&hl=en&newbks=1&newbks_redir=0&sa=X&ved=2ahUKEwikocyvmKf7AhWbj4kEHWQlDCAQuwV6BAgOEAY#v=onepage&q=%22Journalism%20possesses%20in%20itself%20the%20potentiality%20of%20becoming%20one%20of%20the%20most%20frightful%20monstrosities%22&f=false]
* সাংবাদিকতা বর্তমানে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে ঠিকই, তবে এই জনপ্রিয়তার মূল ভিত্তিটি আসলে এক ধরনের কাল্পনিক আখ্যান বা ফিকশন। আমাদের যাপিত জীবন হলো এক স্বতন্ত্র জগত, আর সংবাদপত্রের পাতায় প্রতিফলিত জীবন হলো সম্পূর্ণ ভিন্ন ও কৃত্রিম এক জগত।
** '''''[[:w:জি. কে. চেস্টারটন|জি. কে. চেস্টারটন]]''''', "অন দ্য ক্রিপ্টিক অ্যান্ড দ্য এলিপ্টিক", '''''অল থিংস কনসিডারড''''' (১৯০৮)।
* আমি জানি যে সাংবাদিকতা মূলত এমন সব মানুষকে 'লর্ড জোন্স মৃত' বলে সংবাদ দেওয়ার নামান্তর, যারা লর্ড জোন্স যে আদৌ জীবিত ছিলেন সেই খবরটিই কখনও জানতেন না।
** '''''[[:w:জি. কে. চেস্টারটন|জি. কে. চেস্টারটন]]''''', "দ্য পার্পল উইগ", '''''দ্য উইজডম অফ ফাদার ব্রাউন''''' (১৯১৪)।
* আমাদের আধুনিক অস্তিত্বের প্রতিচ্ছবি হিসেবে সাংবাদিকতার একটি বড় ও প্রধান দুর্বলতা হলো এই যে, একে এমন এক চিত্রকল্প হতে হয় যা পুরোপুরি কিছু ব্যতিক্রমী ঘটনার সমষ্টি। আমরা চটকদার পোস্টারে ঘোষণা করি যে কোনো এক ব্যক্তি ভারা থেকে নিচে পড়ে গিয়েছেন। কিন্তু আমরা কখনও রঙিন পোস্টারে এই ঘোষণা দিই না যে কোনো এক ব্যক্তি ভারা থেকে নিচে পড়ে যাননি। অথচ বাস্তবিকভাবে পরবর্তী তথ্যটিই অনেক বেশি রোমাঞ্চকর ও উদ্দীপক। কারণ এটি নির্দেশ করে যে মানুষ নামক রহস্য আর আতঙ্কের সেই সচল মিনারটি এখনও এই পৃথিবীতে সদর্পে বিচরণ করছে। মানুষটি যে ভারা থেকে পড়ে যায়নি, সেটিই আসলে প্রকৃত অর্থে বেশি চাঞ্চল্যকর এবং এটি নিয়মিত ঘটে যাওয়া হাজারো সাধারণ ঘটনার চেয়েও অনেক বেশি বাস্তব। কিন্তু সাংবাদিকতার কাছে এমন প্রত্যাশা করা অযৌক্তিক যে তারা এই চিরন্তন ও ধ্রুব অলৌকিক ঘটনাগুলোর ওপর জোর দেবে। ব্যস্ত সম্পাদকদের কাছ থেকে এমনটা আশা করা যায় না যে তারা তাদের পোস্টারে লিখবেন, "মিস্টার উইলকিনসন এখনও নিরাপদ আছেন" কিংবা "ওয়ার্দিং-এর মিস্টার জোন্স এখনও মারা যাননি।" তারা মানবজাতির সামগ্রিক সুখ বা সাধারণ স্বাভাবিকতাকে সংবাদ হিসেবে প্রচার করতে পারেন না। তারা এমন সব কাঁটাচামচের বর্ণনা দিতে পারেন না যা চুরি হয়নি, কিংবা এমন সব দাম্পত্যের কথা লিখতে পারেন না যা বিচারবুদ্ধি খাটিয়ে ভেঙে দেওয়া হয়নি। ফলস্বরূপ, জীবনের যে পূর্ণাঙ্গ চিত্র তারা তুলে ধরেন তা অপরিহার্যভাবেই বিভ্রান্তিকর ও ত্রুটিপূর্ণ হয়ে ওঠে। কারণ তারা কেবল যা অস্বাভাবিক ও ব্যতিক্রমী, তা-ই উপস্থাপন করতে সক্ষম। তারা যত বড় গণতান্ত্রিকই হোন না কেন, দিনশেষে তারা কেবলমাত্র সংখ্যালঘু এবং বিচ্ছিন্ন ঘটনাগুলো নিয়েই বেশি ব্যস্ত থাকেন।
** '''''[[:w:জি. কে. চেস্টারটন|জি. কে. চেস্টারটন]]''''', '''''দ্য বল অ্যান্ড দ্য ক্রস''''' (১৯০৯), [http://www.classicreader.com/book/2241/4/ চতুর্থ অধ্যায়: ভোরের আলোচনা] (দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ)।
* উইকিলিকস যদি কোনো ছাপাখানা থেকে প্রকাশিত সাধারণ সাময়িকী হতো, তবে এর ওপর এমন নিষেধাজ্ঞা আরোপের কথা চিন্তাও করা যেত না। ... এই মামলাটিকে যা আলাদা করে তুলেছে তা হলো, অভিযোগ অনুযায়ী তথাকথিত অগ্রহণযোগ্য বিষয়বস্তুগুলো কাগজের পরিবর্তে ইন্টারনেটে প্রকাশিত হয়েছিল। কিন্তু যারা কোনো কিছু প্রকাশ করতে চায় এবং যারা তা পড়তে চায়। তাদের সুরক্ষা প্রদানকারী মূলনীতিগুলো বিসর্জন দেওয়ার জন্য এটি অত্যন্ত দুর্বল ও ভিত্তিহীন একটি অজুহাত। মাধ্যম যা-ই হোক না কেন, সেন্সরশিপ বা কণ্ঠরোধ সবসময়ই সেন্সরশিপ হিসেবেই গণ্য হয়।
** '''''সম্পাদকীয়''''', "ইলেকট্রনিক সেন্সরশিপ", '''''[[:w:শিকাগো ট্রিবিউন|শিকাগো ট্রিবিউন]]''''', শিকাগো ট্রিবিউন কোম্পানি, (২৬ ফেব্রুয়ারি ২০০৮), পৃ. ১৪।
* '''সাংবাদিকদের পরম পবিত্র দায়িত্ব হলো সত্য প্রকাশ করা। সাংবাদিকতা মানে হলো আপনাকে প্রকৃত ঘটনার মূলে ফিরে যেতে হবে, নথিপত্রগুলো গভীরভাবে খতিয়ে দেখতে হবে, নথিবদ্ধ তথ্যের আসল রূপটি উন্মোচন করতে হবে এবং ঠিক সেভাবেই তা সবার সামনে তুলে ধরতে হবে।'''
** '''''[[:w:নোম চমস্কি|নোম চমস্কি]]''''', সাক্ষাৎকারে: জয় ওয়াং, "বক্তৃতা: নোম চমস্কি", '''''বুলপেন: এনওয়াইইউ জার্নালিজম''''', [[:w:নিউ ইয়র্ক ইউনিভার্সিটি|নিউ ইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়]], (ডিসেম্বর ২০০৪)।
* রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা রক্ষার প্রকৃত উদ্দেশ্য হলো সরকারকে তার নিজস্ব স্বার্থসিদ্ধি এবং প্রায়শই ভিত্তিহীন ও মিথ্যায় ঘেরা সত্যের একটি সংস্করণ প্রতিষ্ঠা করতে সহায়তা করা। আর এটি করা হয় জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়া 'তথ্য' বা 'উপাত্ত'গুলোকে অত্যন্ত সতর্কতার সাথে বাছাই করার মাধ্যমে। তারা তাদের প্রকৃত জানা তথ্যের যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত প্রকাশ কিংবা বিকল্প কোনো তথ্যসূত্রের উপস্থিতিতে চরমভাবে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। সংবাদসূচির ওপর তাদের এই একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার ক্ষেত্রে যেকোনো ধরনের হুমকিকে সম্ভব হলে দমন করা হয়। আর যেখানে দমন করা সম্ভব হয় না, সেখানে দায়ীদের খুঁজে বের করে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা হয়।<br>[[w:ইয়েমেনী_সংকট_(২০১১-বর্তমান)|ইয়েমেন যুদ্ধ]]—যেখানে অন্তত ৭০,০০০ মানুষ প্রাণ হারিয়েছে! সেই যুদ্ধ সম্পর্কে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশ করে দেওয়াই হলো প্রধান কারণ যার জন্য মার্কিন সরকার জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ এবং জিক্রি—উভয়কেই চরমভাবে হেনস্তা ও নিপীড়ন করছে।
** '''''প্যাট্রিক ককবার্ন''''', [https://www.counterpunch.org/2019/06/04/why-the-us-is-persecuting-assange/ "কেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অ্যাসাঞ্জকে নিপীড়ন করছে?"], '''''কাউন্টারপাঞ্চ''''', (৪ জুন ২০১৯)।
* এক দশক আগে আমি যখন কাবুলে অবস্থান করছিলাম, ঠিক তখনই উইকিলিকস আফগানিস্তান, ইরাক এবং ইয়েমেনের সংঘাত সংক্রান্ত মার্কিন সরকারের নথিপত্রের এক বিশাল ভাণ্ডার উন্মোচন করেছিল। সেই প্রকাশের দিনটিতে আমি একজন মার্কিন কর্মকর্তার সাথে দেখা করার জন্য ফোনে কথা বলছিলাম... তিনি এই বিষয়টি নিয়ে অত্যন্ত উৎসুক ছিলেন এবং আমার কাছে জানতে চেয়েছিলেন যে ফাইলগুলোর গোপনীয়তার মাত্রা বা ক্লাসিফিকেশন সম্পর্কে আসলে কী জানা গেছে। আমি যখন তাঁকে বিস্তারিত জানালাম, তিনি বেশ স্বস্তির সুরে বললেন: “তাহলে তো দেখছি এর মধ্যে প্রকৃত অর্থে গোপন রাখার মতো তেমন কিছুই নেই।”
** '''''প্যাট্রিক ককবার্ন''''', [https://www.counterpunch.org/2019/06/04/why-the-us-is-persecuting-assange/ "কেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অ্যাসাঞ্জকে নিপীড়ন করছে?"], '''''কাউন্টারপাঞ্চ''''', (৪ জুন ২০১৯)।
* আমরা এই শুনানিতে উপস্থিত সবাইকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানাচ্ছি। ১৯৮৯ সালের 'টেক্সাস বনাম জনসন' মামলায় সুপ্রিম কোর্ট আমাদের গণতন্ত্রের অন্যতম মৌলিক একটি আদর্শ তুলে ধরেছিল। সেটি হলোঃ প্রথম সংশোধনীর পেছনে যদি কোনো সুদৃঢ় ও অপরিবর্তনীয় ভিত্তি থেকে থাকে, তবে তা হলো এই যে: সরকার কোনো নির্দিষ্ট ধারণার বহিঃপ্রকাশকে কেবল এই অজুহাতে নিষিদ্ধ করতে পারে না যে সমাজ সেই ধারণাটিকে আপত্তিকর বা অপ্রীতিকর বলে মনে করছে। এই অমোঘ কথাগুলো ছিল বিচারপতি উইলিয়াম ব্রেনান জুনিয়রের।
** '''''কংগ্রেসম্যান জন কনিয়ার্স''''', [https://www.govinfo.gov/content/pkg/CHRG-111hhrg63081/html/CHRG-111hhrg63081.htm "মার্কিন কংগ্রেস হাউস হিয়ারিং: এসপিওনাজ অ্যাক্ট এবং উইকিলিকস কর্তৃক উত্থাপিত আইনি ও সাংবিধানিক সমস্যাসমূহ"], বিচার বিভাগীয় কমিটি, প্রতিনিধি সভা, (১৬ ডিসেম্বর ২০১০)। [https://www.c-span.org/video/?297115-1/wikileaksthe-espionage-act-constitution সি-স্প্যান রেকর্ডিং]
* ...এই বিতর্ক সম্পর্কে যার যা-ই মত থাকুক না কেন, এটি অত্যন্ত স্পষ্ট যে উইকিলিকস-এর বিরুদ্ধে বিচারিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে তা বাকস্বাধীনতা, সাংবাদিকের প্রকৃত পরিচয় এবং নাগরিকরা তাদের নিজস্ব সরকারের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে আসলে কতটুকু জানার অধিকার রাখে। তা নিয়ে অত্যন্ত মৌলিক ও সুদূরপ্রসারী প্রশ্নের জন্ম দেবে। প্রকৃতপক্ষে, যদিও এ বিষয়ে একটি সাধারণ ঐকমত্য রয়েছে যে মাঝে মাঝে রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা বজায় রাখা অপরিহার্য, তবুও বর্তমান সময়ের আসল সমস্যাটি গোপনীয়তার অভাব নয়, বরং অতিমাত্রায় গোপনীয়তা রক্ষা করার প্রবণতা।
** '''''কংগ্রেসম্যান জন কনিয়ার্স''''', [https://www.govinfo.gov/content/pkg/CHRG-111hhrg63081/html/CHRG-111hhrg63081.htm "মার্কিন কংগ্রেস হাউস হিয়ারিং: এসপিওনাজ অ্যাক্ট এবং উইকিলিকস কর্তৃক উত্থাপিত আইনি ও সাংবিধানিক সমস্যাসমূহ"], বিচার বিভাগীয় কমিটি, প্রতিনিধি সভা, (১৬ ডিসেম্বর ২০১০)। [https://www.c-span.org/video/?297115-1/wikileaksthe-espionage-act-constitution সি-স্প্যান রেকর্ডিং]
* গণমাধ্যম এমন এক ধরনের বিশ্বাসযোগ্যতা বহন করে যা তারা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই পাওয়ার যোগ্য নয়। আপনারা সবাই কোনো না কোনোভাবে জীবনের এই অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়েছেন। [...]<br>সংক্ষেপে বলতে গেলে, '''গেল-ম্যান অ্যামনেসিয়া এফেক্ট''' বা বিস্মৃতি প্রভাবটি হলো এইরকম: আপনি সংবাদপত্রের এমন একটি নিবন্ধ পড়তে শুরু করলেন যে বিষয়টি সম্পর্কে আপনার আগে থেকেই খুব ভালো জানাশোনা আছে। [...] আপনি নিবন্ধটি পড়লেন এবং বুঝতে পারলেন যে ওই সাংবাদিকের সংশ্লিষ্ট তথ্য বা বিষয়টি সম্পর্কে বিন্দুমাত্র কোনো ধারণা নেই। [...] আপনি অত্যন্ত বিরক্তি বা কৌতুকের সাথে সেই প্রতিবেদনের অসংখ্য ভুলগুলো লক্ষ্য করলেন, কিন্তু এরপরই পাতার উল্টো পাশে গিয়ে জাতীয় বা আন্তর্জাতিক বিষয়ক সংবাদগুলো এমনভাবে পড়তে শুরু করলেন যেন সংবাদপত্রের বাকি অংশগুলো [[w:ফিলিস্তিন|ফিলিস্তিন]] বা অন্য কোনো জটিল বিষয়ে অনেক বেশি নির্ভুল। যদিও মাত্র কয়েক মুহূর্ত আগেই আপনি একগাদা আজেবাজে ও ভুল তথ্য পড়েছেন। '''আপনি যদি পাতা উল্টাতে থাকেন, আর যা আপনি জানেন তা মুহূর্তেই ভুলে যান।'''
** '''''মাইকেল ক্রিকটন''''', [https://web.archive.org/web/20190808123852/http://larvatus.com/michael-crichton-why-speculate/ "কেন অনুমান করবেন?"], (লা জোলা, ক্যালিফোর্নিয়ার ইন্টারন্যাশনাল লিডারশিপ ফোরামে দেওয়া ভাষণ, ২৬ এপ্রিল ২০০২)। মূল উৎস থেকে ৮ আগস্ট ২০১৯ তারিখে আর্কাইভ করা। সংগৃহীত: ৩ মে ২০২২।
== D ==
[[File:Betty Friedan 1960.jpg|thumb|আজকের দিনের গম্ভীর ও মননশীল অ-কল্পকাহিনী লেখকরা সমাজের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ সামাজিক বিজ্ঞানের সুদৃঢ় ভিত্তি এবং একজন প্রতিবেদকের সাংবাদিকতা দক্ষতার সমন্বয়ে তাঁরা কেবল সংবাদ পরিবেশনের গণ্ডি পেরিয়ে আমাদের উদীয়মান সমাজের অগ্রযাত্রার একেবারে সম্মুখভাগে অবস্থান করেন।<br>~'''''বেটি ফ্রিডান''''' ]]
* আমি সত্যি বুঝতে অক্ষম যে সাংবাদিকতাকে কেন এত জঘন্য, এত বেশি বিদ্রূপাত্মক এবং অন্যের ব্যক্তিগত বিষয়ে হস্তক্ষেপকারী হতে হয়।
** '''''পাল ড্যানিয়েলস''''', উদ্ধৃত হয়েছে: '''''[[:w:দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট|দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট]]''''', (১৭ মার্চ ২০১৬)।
* এই সংবাদপত্র আমাদের জন্য সব কিছুই করে থাকে। এটি পুলিশ বাহিনীকে পরিচালনা করে এবং ব্যাংকগুলো চালায়, সামরিক বাহিনীকে আদেশ দেয়, আইনসভা নিয়ন্ত্রণ করে, নবজাতকদের দীক্ষা দেয়, নির্বোধদের বিবাহ সম্পন্ন করে, '''বেদনার্তদের সান্ত্বনা দেয় ও শান্তিতে থাকাদের অস্বস্তিতে ফেলে''', মৃতদের সমাহিত করে এবং পরবর্তীতে তাদের কঠোর সমালোচনা করে দহন করে। এমন কোনো বিষয় নেই যা তারা স্পর্শ করে না, তা পবিত্র রুটির আধ্যাত্মিক রূপান্তর ব্যাখ্যা করা থেকে শুরু করে সাধারণ বিস্কুট তৈরির প্রণালী পর্যন্ত যা-ই হোক না কেন।
** '''''ফিনলে পিটার ডান''''', "নিউজপেপার পাবলিসিটি", '''''অবজারভেশনস বাই মিস্টার ডুলি''''' (১৯০২)।
== E ==
* সাংবাদিকতা হলো একটি সুসংগঠিত পরচর্চা।
** '''''এডওয়ার্ড এগলেস্টন'''''
== F ==
* “সে কি তোমাকে বিশ্বাস করেছিল?”<br>“সে একজন অত্যন্ত দক্ষ ও ঝানু সাংবাদিক। কাজেই অবশ্যই বিশ্বাস করেনি।”
** '''''জ্যাসপার ফোর্ড''''', '''''ওয়ান অফ আওয়ার থার্সডেস ইজ মিসিং''''' (২০১১), ISBN 978-0-670-02252-6, পৃ. ২০৫।
* আমার মনে হয়, শেষ পর্যন্ত আমরা সাংবাদিকরা অন্তত সেই চেষ্টাটুকু করি বা করা উচিত। যেন আমরা ইতিহাসের প্রথম নিরপেক্ষ সাক্ষী হতে পারি। যদি আমাদের অস্তিত্বের পেছনে কোনো সার্থকতা থেকে থাকে, তবে তা অবশ্যই ইতিহাসের ঘটনাপ্রবাহ যেভাবে ঘটে ঠিক সেভাবেই উপস্থাপন করার ক্ষমতার মধ্যে নিহিত; যেন ভবিষ্যতে কেউ কখনও এমনটা বলতে না পারে: 'আমরা জানতাম না! আমাদের কেউ বলেনি।'
** '''''রবার্ট ফিস্ক''''', '''''দ্য গ্রেট ওয়ার ফর সিভিলাইজেশন: দ্য কনকুয়েস্ট অফ দ্য মিডল ইস্ট''''', ফোর্থ এস্টেট, (২০০৫), পৃ. ২৫, ISBN 0007203837।
* আজকের দিনের গম্ভীর ও মননশীল অ-কল্পকাহিনী লেখকরা সমাজের জন্য অপরিহার্য। কারণ সামাজিক বিজ্ঞানের সুদৃঢ় তাত্ত্বিক ভিত্তি এবং একজন প্রতিবেদকের তীক্ষ্ণ সাংবাদিকতা দক্ষতার অনবদ্য সমন্বয়ে তাঁরা কেবল সাধারণ সংবাদ পরিবেশনের গণ্ডি অতিক্রম করেন এবং আমাদের উদীয়মান ও পরিবর্তনশীল সমাজের অগ্রযাত্রার একেবারে সম্মুখভাগে অবস্থান নেন।
** '''''বেটি ফ্রিডান''''' (মে ১৯৭৮), ''৩০তম বার্ষিকী জার্নাল'', '''''আমেরিকান সোসাইটি অফ জার্নালিস্ট অ্যান্ড অথরস'''''; উদ্ধৃত হয়েছে: '''''দ্য কমপ্লিট গাইড টু রাইটিং নন-ফিকশন''''' (১৯৮৩), গ্লেন ইভান্স সম্পাদিত, রাইটার্স ডাইজেস্ট বুকস, সিনসিনাটি, ওহাইও, পৃ. ৫, ISBN 0-89879-117-0।
== G ==
* যখন সাংবাদিকতার বিকৃত ভাষা বা 'জার্নালিজ' তার চরম শিখরে পৌঁছেছিল, ঠিক তখনই স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, হয়তো এটি একটি কাকতালীয় ঘটনা মাত্র।
** '''''জন গলসওয়ার্দি''''' (জুলাই ১৯২৪), ''অন এক্সপ্রেশন'', ইংলিশ অ্যাসোসিয়েশনের রাষ্ট্রপতির ভাষণ, পৃ. ১২; উদ্ধৃতিটি পুনরুৎপাদন করা হয়েছে: ডেভিড ক্রিস্টাল ও হিলারি ক্রিস্টাল রচিত '''''ওয়ার্ডস অন ওয়ার্ডস: কোটেশনস অ্যাবাউট ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজেস''''' (২০০০), ইউনিভার্সিটি অফ শিকাগো প্রেস, পৃ. ২৭৬, ISBN 0226122018।
* সাংবাদিকতা কোনো প্রথাগত পেশা নয়... এর অন্তরে এটি কেবল একটি সৃজনশীল শিল্প বা কারুশিল্প। আর এর অর্থ হলো, যে কেউ যার বিচারবুদ্ধি আছে, যে বুদ্ধিমান, চিন্তাশীল এবং কৌতূহলী—তিনিই এই শিল্পের চর্চা করতে পারেন।
** '''''সু গার্ডনার''''', [https://en.wikinews.org/wiki/Interview_with_Sue_Gardner_of_the_Wikimedia_Foundation "উইকিমিডিয়া ফাউন্ডেশনের সু গার্ডনারের সাথে সাক্ষাৎকার"], '''''উইকিসংবাদ''''', ২৪ অক্টোবর ২০০৭।
* তৃণমূল পর্যায়ের সাংবাদিকতা হলো নাগরিক-সৃষ্ট সংবাদমাধ্যমের সেই বিস্তৃত পরিস্থিতির একটি অংশ, যা আসলে একটি বিশ্বব্যাপী আলাপচারিতা এবং এটি প্রতিনিয়ত শক্তিতে, জটিলতায় ও প্রভাবে সমৃদ্ধ হচ্ছে। মানুষ যখন নিজেকে প্রকাশ করার সুযোগ পায়, তারা অবশ্যই তা করে। যখন তারা শক্তিশালী অথচ সুলভ সরঞ্জাম হাতে পায়, তখন তারা অত্যন্ত দ্রুততার সাথে এই নতুন সংবাদমাধ্যমের জগতের সাথে নিজেদের মানিয়ে নেয়। আর যখন তারা সম্ভাব্য এক বিশ্বব্যাপী শ্রোতামণ্ডলীর কাছে পৌঁছাতে সক্ষম হয়, তখন তারা আক্ষরিক অর্থেই পুরো পৃথিবীটাকে বদলে দিতে পারে।
** '''''ড্যান গিলমোর''''', '''''উই দ্য মিডিয়া: গ্রাসরুটস জার্নালিজম বাই দ্য পিপল ফর দ্য পিপল''''' (২০০৬), ও'রেলি মিডিয়া, পৃ. xv, ISBN 0596102275।
* যদিও সাংবাদিকদের উচিত '''[[w:উইকিলিকস|উইকিলিকসকে]]''' (একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা; যা বিভিন্ন অপ্রকাশিত ও গোপন নথিসমূহ প্রকাশ করে) কিছুটা সংশয়ের দৃষ্টিতে দেখা, কিন্তু একে কোনোভাবেই উপেক্ষা করার উপায় নেই। অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার এই সাহসী নতুন বিশ্বে আপনাদের স্বাগতম।
** '''''শন গনসালভস''''', [http://www.alternet.org/mediaculture/90641/will_wikileaks_revolutionize_journalism/?page=2 "উইকিলিকস কি সাংবাদিকতায় বিপ্লব ঘটাবে?"], '''''অল্টারনেট''''', (৭ জুলাই ২০০৮)।
* যেখানে নিস্তব্ধতা বিরাজ করে, সেখানে ছুটে যাওয়াই একজন সাংবাদিকের পরম দায়িত্ব। যারা বিস্মৃত, পরিত্যক্ত এবং ক্ষমতাশালীদের দ্বারা নিগৃহীত হয়েছে, তাদের কণ্ঠস্বর হয়ে ওঠা। আমাদের এমন এক 'ট্রিকল-আপ' বা তৃণমূল থেকে উঠে আসা গণমাধ্যম গড়ে তুলতে হবে যা এই দেশ এবং এর মানুষের প্রকৃত চরিত্রকে প্রতিফলিত করবে।
** '''''অ্যামি গুডম্যান''''', ডেভিড গুডম্যানের সাথে যৌথভাবে রচিত '''''দ্য এক্সেপশন টু দ্য রুলার্স''''' (২০০৪)।
* সাংবাদিকদের কাজ হলো ক্ষমতার ওপর নজরদারি করা এবং ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষা করা, জনপ্রিয়তার প্রতিযোগিতায় জয়ী হওয়া নয়।
** '''''[[:w:অ্যামি গুডম্যান|অ্যামি গুডম্যান]]''''', ভূমিকা, '''''ডেমোক্রেসি নাও!: টুয়েন্টি ইয়ার্স কভারিং দ্য মুভমেন্টস চেঞ্জিং আমেরিকা''''' (২০১৬)।
* মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ধর্ম হলো সামরিক সব কিছুর উপাসনা করা। আর সাংবাদিকরা হলেন সেই ধর্মের প্রধান পুরোহিত।
** '''''গ্লেন গ্রিনওয়াল্ড''''' (১৯৬৭), ডেমোক্রেসি নাও! এর সাথে সাক্ষাৎকার (১৪ নভেম্বর ২০১২): [http://www.democracynow.org/2012/11/14/glenn_greenwald_while_petraeus_had_affair "গ্লেন গ্রিনওয়াল্ড: যখন পেট্রাউস জীবনীকারের সাথে প্রণয়ে লিপ্ত ছিলেন, কর্পোরেট মিডিয়া তখন পেট্রাউসের প্রেমে মগ্ন ছিল।"] সংগৃহীত: ১৫ নভেম্বর ২০১২।
* গাজায় সংবাদমাধ্যমের কার্যালয়গুলো ধ্বংস করা এবং সাংবাদিকদের হত্যা করা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। সংঘাতপূর্ণ এলাকাগুলোতেও সাংবাদিকদের আক্রমণ বা হেনস্তার ভয় ছাড়াই তাদের অপরিহার্য কাজ চালিয়ে যেতে সক্ষম হতে হবে। তাঁদের অবশ্যই সুরক্ষা দিতে হবে এবং সম্মান করতে হবে... এমনকি যুদ্ধেরও সুনির্দিষ্ট কিছু নিয়ম আছে। সর্বোপরি, সাধারণ নাগরিকদের অবশ্যই রক্ষা করতে হবে... বাছবিচারহীন হামলা এবং বেসামরিক ব্যক্তি ও তাদের সম্পদের ওপর আক্রমণ করা যুদ্ধ আইনের চরম লঙ্ঘন।
** '''''[[:w:আন্তোনিও গুতেরেস|আন্তোনিও গুতেরেস]]''''', [https://www.un.org/sg/en/content/sg/statement/2021-05-20/secretary-general%E2%80%99s-remarks-the-general-assembly-meeting-the-situation-the-middle-east-and-palestine-delivered "মধ্যপ্রাচ্য ও ফিলিস্তিন পরিস্থিতি নিয়ে সাধারণ পরিষদের সভায় মহাসচিবের বক্তব্য"], জাতিসংঘ মহাসচিব, বিবৃতি (২০ মে ২০২১)।
== H ==
[[File:Thomas Jefferson 1904 Issue, 2c.jpg|thumb|যদি আমাকে সিদ্ধান্ত নিতে বলা হয় যে আমাদের কি সংবাদপত্রহীন কোনো সরকার থাকা উচিত, নাকি সরকারহীন সংবাদপত্র থাকা উচিত। তবে আমি দ্বিতীয়টি বেছে নিতে এক মুহূর্তও দ্বিধা করব না।<br>~'''''[[:w:টমাস জেফারসন|টমাস জেফারসন]]''''' ]]
* সম্পাদক: সংবাদপত্রের দ্বারা নিযুক্ত এমন একজন ব্যক্তি, যাঁর কাজ হলো সারবস্তু থেকে অসার অংশকে আলাদা করা এবং এটি নিশ্চিত করা যে সেই অসার অংশগুলোই যেন সংবাদপত্রে ছাপা হয়।
** '''''এলবার্ট হাববার্ড''''' (১৯১৪), ''দ্য রয়ক্রফট ডিকশনারি অফ এপিগ্রামস''; উদ্ধৃত হয়েছে: ফ্রেড আর. শাপিরো সম্পাদিত '''''দ্য ইয়েল বুক অফ কোটেশনস''''', ইয়েল ইউনিভার্সিটি প্রেস, নিউ হ্যাভেন, কানেকটিকাট, পৃ. ৩৭৪, ISBN 0300107986।
== I ==
* ...মার্কিন সমাজবিজ্ঞানী জর্জ ইয়ান্সি তাঁর ২০১৫ সালের গ্রন্থ "হোস্টাইল এনভায়রনমেন্ট"-এ খ্রিস্টধর্ম এবং সাধারণভাবে রক্ষণশীল ধর্মের বিরুদ্ধে মার্কিন গণমাধ্যমের পক্ষপাতিত্বের ওপর আলোকপাত করেছেন এবং এর মূল কারণ হিসেবে খুঁজে পেয়েছেন যে, '''মূলধারার মার্কিন সাংবাদিকতা হলো একটি স্ব-স্থায়ীকৃত আভিজাত্য বা বর্ণপ্রথা।''' আপনি যদি একজন ইভানজেলিকাল খ্রিস্টান হন কিংবা প্রচলিত উদারপন্থী ও ধর্মনিরপেক্ষ আদর্শের সাথে, বিশেষ করে নৈতিক বিষয়গুলোতে একমত না হন, তবে কোনো মূলধারার সংবাদমাধ্যমে নিয়োগ পাওয়ার জন্য প্রথম সাক্ষাৎকারেই আপনাকে প্রত্যাখ্যান করে ছুড়ে ফেলে দেওয়া হবে।
** '''''মাসিমো ইনত্রোভিনে''''', [https://bitterwinter.org/the-anti-religious-anti-cult-and-anti-tai-ji-men-bias-in-the-media/ "গণমাধ্যমে ধর্ম-বিরোধী, গোষ্ঠী-বিরোধী এবং তাই জি মেন-বিরোধী পক্ষপাতিত্ব"], '''''বিটার উইন্টার''''', (মে ২০২৪)।
* সাংবাদিকতা মানে দর্শক বা পাঠকদের জটিলতা থেকে দূরে সরিয়ে রাখা নয়। বরং এটি হলো জটিল বিষয়গুলোকে নিখুঁতভাবে উপস্থাপন করা এবং সেই জটিলতার মধ্য দিয়ে পথ চলার জন্য দর্শকদের বিচারবুদ্ধির ওপর আস্থা রাখা। একটি তথ্যচিত্র যা সমস্ত ভিন্নমত পোষণকারী কণ্ঠস্বরকে বর্জন করে, তাকে কোনোভাবেই প্রকৃত অনুসন্ধান বলা চলে না।
** '''''মাসিমো ইনত্রোভিনে''''', [https://bitterwinter.org/france-hate-speech-against-scientology-now-funded-by-taxpayers/ "ফ্রান্স: সায়েন্টোলজির বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক বক্তব্য এখন করদাতাদের অর্থে অর্থায়িত হচ্ছে"], '''''বিটার উইন্টার''''', (১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬)।
== J ==
* একজন ব্যক্তির জীবন, স্বাধীনতা এবং সম্পত্তির অধিকার, সেইসাথে বাকস্বাধীনতা, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা, উপাসনা ও সমাবেশের অধিকার এবং অন্যান্য মৌলিক অধিকারগুলো ভোটের ওপর ছেড়ে দেওয়া যায় না। এগুলো কোনো নির্বাচনের ফলাফলের ওপর নির্ভর করে না।
** '''''[[:w:রবার্ট এইচ. জ্যাকসন|রবার্ট এইচ. জ্যাকসন]]''''', '''''[[:w:ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া স্টেট বোর্ড অফ এডুকেশন বনাম বারনেট মামলা|ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া স্টেট বোর্ড অফ এডুকেশন বনাম বারনেট]]''''', মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট, (১৯৪৩), ৩১৯ ইউ.এস. ৬২৪, ৬৩৮।
* আমাদের সরকারের ভিত্তি যেহেতু জনমত, তাই আমাদের প্রথম ও প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত সেই অধিকারকে সমুন্নত রাখা। আর যদি আমাকে সিদ্ধান্ত নিতে বলা হয় যে আমাদের কি সংবাদপত্রহীন কোনো সরকার থাকা উচিত, নাকি সরকারহীন সংবাদপত্র থাকা উচিত—তবে আমি দ্বিতীয়টি বেছে নিতে এক মুহূর্তও দ্বিধা করব না। তবে আমার এই বক্তব্যের অর্থ এই যে, প্রতিটি মানুষের কাছে সেই সংবাদপত্র পৌঁছাতে হবে এবং তাদের তা পাঠ করার সক্ষমতা থাকতে হবে।
** '''''[[:w:টমাস জেফারসন|টমাস জেফারসন]]''''', কর্নেল এডওয়ার্ড ক্যারিংটনকে লেখা চিঠি (১৬ জানুয়ারি ১৭৮৭), লিপসকম্ব ও বার্গ সংস্করণ ৬:৫৭।
* সংবাদপত্রকে কীভাবে পরিচালনা করলে তা সবচেয়ে বেশি জনকল্যাণকর হবে, এ বিষয়ে আমার মত জানতে চাইলে আমি বলব, "একে কেবল ধ্রুব সত্য ঘটনা এবং নির্ভুল নীতিমালার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার মাধ্যমে।" তবুও আমার ভয় হয় যে এমন সংবাদপত্রের গ্রাহক সংখ্যা হবে খুবই নগণ্য। এটি একটি বিষাদময় সত্য যে, সংবাদপত্রের কণ্ঠরোধ করা হলে দেশ যতটা না এর সুফল থেকে বঞ্চিত হয়, তার চেয়েও বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় যখন সংবাদপত্র নির্লজ্জভাবে মিথ্যার কাছে নিজেকে সঁপে দেয়। সংবাদপত্রে যা দেখা যায় তার কোনো কিছুই এখন আর বিশ্বাস করা যায় না। এমনকি পরম সত্যও যখন এই কলুষিত মাধ্যমের ভেতর দিয়ে প্রকাশিত হয়, তখন তাও সন্দেহজনক হয়ে ওঠে। ভুল তথ্যের এই রাজত্ব আসলে কতটা বিস্তৃত তা কেবল তারাই জানেন যারা তাদের ব্যক্তিগত জ্ঞান দিয়ে দিনের পর দিন এই মিথ্যাগুলোর মুখোশ উন্মোচন করতে পারেন। ... আমি আরও যোগ করব যে, যে ব্যক্তি কখনোই সংবাদপত্র দেখেন না তিনি সেই ব্যক্তির চেয়ে বেশি অবগত ও শিক্ষিত যিনি নিয়মিত সংবাদপত্র পড়েন। কারণ যিনি কিছুই জানেন না তিনি সেই ব্যক্তির তুলনায় সত্যের অনেক বেশি কাছাকাছি থাকেন যার মন মিথ্যা আর ভ্রান্তিতে পরিপূর্ণ। যে ব্যক্তি কিছুই পড়ে না সে অন্তত মহান সত্যগুলো শিখতে পারবে, যেখানে সংবাদপত্রের বিস্তারিত তথ্যগুলোর সবই মিথ্যে।
** '''''[[:w:টমাস জেফারসন|টমাস জেফারসন]]''''', [[:w:জন নরভেল|জন নরভেল]]-কে লেখা চিঠি (১১ জুন ১৮০৭)। [https://www.loc.gov/resource/mtj1.038_0592_0594/?sp=2&st=text মূল উৎস এবং প্রতিলিপি]
* আমাদের সংবাদপত্রগুলো বর্তমানে যে পঙ্কিল ও জঘন্য অবস্থায় পতিত হয়েছে, এবং যারা এই সংবাদপত্রের জন্য লেখেন, তাদের সেই বিদ্বেষপরায়ণতা, অসভ্যতা ও মিথ্যাচারের মানসিকতার জন্য আমি আপনার মতোই গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করছি। আমরা ঠিক কতটা অতল গহ্বরে তলিয়ে গেছি তার প্রমাণ হিসেবে আমি আপনাকে নিউ ইংল্যান্ডের একজন বিচারকের সাম্প্রতিক একটি লেখা পাঠাচ্ছি। এই সব আবর্জনা জনরুচিকে দ্রুত কলুষিত করছে এবং সুস্থ চিন্তার প্রতি মানুষের আগ্রহ কমিয়ে দিচ্ছে। তথ্যের বাহন হিসেবে এবং আমাদের কর্মকর্তাদের ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখার যন্ত্র হিসেবে সংবাদপত্রগুলো এখন সম্পূর্ণ অকেজো হয়ে পড়েছে; কারণ তারা বিশ্বাসযোগ্যতার সমস্ত দাবি হারিয়ে ফেলেছে। আমি আপনার সাথে একমত যে, দলীয় মানসিকতার চরম সহিংসতা এবং বিদ্বেষই এই পরিস্থিতির জন্য বহুলাংশে দায়ী...
** '''''[[:w:টমাস জেফারসন|টমাস জেফারসন]]''''', [https://founders.archives.gov/documents/Jefferson/03-07-02-0052 ওয়াল্টার জোন্সকে লেখা চিঠি] (২ জানুয়ারি ১৮১৪)।
* তারা এ নিয়ে মিথ্যে কথা বলেছিল! শত্রু যখন সমুদ্রের পানি ফুটিয়ে ফেলল, আমাদের ষষ্ঠ নৌবহরকে জ্বালিয়ে ছারখার করে দিল এবং উপকূলরেখার পঞ্চাশ মাইলের মধ্যে থাকা প্রতিটি পুরুষ, নারী ও শিশুকে পুড়িয়ে মারল! তখন কিন্তু আপনি অন্তত কিছু সংবাদ প্রতিবেদন আশা করতেই পারতেন। কিন্তু তারা কী রিপোর্ট করল? ফ্লোরিডাতে কিসের সামান্য ভূমিক্ষয়! ওহে নারী, তারা তো পুরো সমুদ্রটাই লাভা-প্লাবিত করে ফেলেছিল!
** '''''আর্থার এম. জলি''''', ''আফটার ইটস অল ওভার'' নাটকে, অরিজিনাল ওয়ার্কস প্রেস, (২০০৯)।
* বাইরের মানুষ যা বুঝতে পারেন না তা হলোঃ কটি সংবাদপত্র আসলে একটি 'সুফলে'র / '''Soufflé''' মতো, যা দ্রুত খাওয়ার জন্য খুব তড়িঘড়ি করে প্রস্তুত করা হয়। আর ঠিক এই কারণেই যখনই আপনি এমন কোনো ঘটনার সংবাদপত্র প্রতিবেদন পড়েন যা সম্পর্কে আপনার ব্যক্তিগত জ্ঞান রয়েছে, তখনই সেটি আপনার কাছে প্রায় সবসময়ই অপর্যাপ্ত বা ভুল বলে মনে হয়। সাংবাদিকরাও অন্য সবার মতো এই ত্রুটির বিষয়ে সচেতন। কিন্তু বিষয়টি স্রেফ এই যে, যদি তথ্যকে যত বেশি সম্ভব পাঠকের কাছে পৌঁছাতে হয়, তবে নিখুঁত হওয়ার চেয়ে বরং কিছুটা কম গুণমানকেই প্রায়শ মেনে নিতে হয়।
** '''''ডেভিড ই. এইচ. জোন্স''''', '''''নিউ সায়েন্টিস্ট''''', খণ্ড ২৬, (১৯৬৫)।
== K ==
* তারা ছিল পেশাদার ক্ষোভ-বিশারদ যারা কেবল একটি জিনিসই জানত। কীভাবে পরিচয়বাদী রাজনীতি বা আইডেন্টিটি পলিটিক্স দিয়ে গোটা পশ্চিমা বিশ্বকে পিটিয়ে হত্যা করতে হয়। আর এখন, গত কয়েক বছরের মধ্যে দেখা সবচেয়ে উদ্দীপক বিদ্রূপের সাথে আমরা অন্তত নিরাপদে এটা বলতে পারি যে, তাদের সময় ফুরিয়ে এসেছে, "'''#টাইমসআপ'''"।
** '''''রহিম কাসাম''''', "না, আমি সেই সাংবাদিকদের জন্য দুঃখিত নই যারা চাকরি হারিয়েছে — আমি বরং দারুণ রোমাঞ্চিত", '''''ডেইলি কলার''''', (২৮ জানুয়ারি ২০১৯)।
* আমার এবং আমাদের সবার সমস্যা হলো যে আমি মনে করি সংবাদ ব্যবসার সাথে জড়িত অধিকাংশ মানুষই আমার এই মতের সাথে একমত হবেন, যে আমরা (এবং এখানে আমি কেবল '[[w:দ্য_টাইমস|দ্য টাইমস]]' এর কথা বলছি না) নাম প্রকাশ না করার আড়ালে অত্যন্ত নীরস উদ্ধৃতি অথবা মাঝে মাঝে অলস পরচর্চা ও কটাক্ষ প্রকাশ করতে বড্ড বেশি উন্মুখ থাকি। আমার কাছে মনে হয়, এটি তথ্যসূত্রের সুরক্ষা বা সোর্স প্রোটেকশনের মূল্যকে সস্তা করে দেয়।
** '''''বিল কেলার''''', '''''[[:w:দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস|দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের]]''''' নির্বাহী সম্পাদক, বেনামী তথ্যসূত্র প্রসঙ্গে (১৩ মে ২০০৫), '''''অন দ্য মিডিয়া'''''তে।
== L ==
* সংবাদপত্র সবসময়ই মানুষের মনে প্রবল কৌতূহল জাগিয়ে তোলে। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো, কেউ কোনোদিন সংবাদপত্র পাঠ শেষ করার পর একরাশ হতাশা বা অতৃপ্তি ছাড়া তা হাত থেকে নামিয়ে রাখতে পারে না।
** '''''চার্লস ল্যাম্ব''''' (১৮৩৩), "অন বুকস অ্যান্ড রিডিং", ''দ্য লাস্ট এসেস অফ এলিয়া''; উদ্ধৃতিটি পুনরুৎপাদন করা হয়েছে: ডেভিড ক্রিস্টাল ও হিলারি ক্রিস্টাল রচিত '''''ওয়ার্ডস অন ওয়ার্ডস: কোটেশনস অ্যাবাউট ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজেস''''' (২০০০), ইউনিভার্সিটি অফ শিকাগো প্রেস, পৃ. ২৭৬, ISBN 0226122018।
* চাঞ্চল্যকর বা হলুদ সাংবাদিকতার চিরন্তন সাতটি প্রধান অনুষঙ্গ হলো: লোমহর্ষক অপরাধের বিবরণ, ব্যক্তিগত জীবনের কেলেঙ্কারি, ভিত্তিহীন কাল্পনিক বিজ্ঞান, মানসিক উন্মাদনা, সংখ্যাতত্ত্বের মতো নানাবিধ অন্ধবিশ্বাসের চর্চা, অলৌকিক দানব বা দানবীয় কর্মকাণ্ড এবং প্রভাবশালী ধনকুবেরদের জীবনকথা।
** '''''ফ্রিটজ লেইবার''''', ''এ রাইট অফ স্প্রিং'' (১৯৭৭); টেরি কার সম্পাদিত '''''ইউনিভার্স ৭''''', পৃ. ২৬।
* জেনারেল ডগলাস ম্যাকার্থারের প্রসঙ্গে বলতে গেলে, আমি আসলে এমন কোনো ব্যক্তি সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট বা স্পষ্ট কোনো মতামত দেওয়ার মতো অবস্থানে নিজেকে খুঁজে পাই না, যাঁকে আমি কেবল সংবাদপত্রের মাধ্যমেই চিনি। আপনি লক্ষ্য করে দেখবেন, সংবাদমাধ্যমগুলো যখনই এমন কোনো ব্যক্তি বা বিষয় নিয়ে আলোচনা করে যা সম্পর্কে আমার ব্যক্তিগত ধারণা বা জ্ঞান রয়েছে, তখনই আমি দেখি যে তাদের পরিবেশিত তথ্যগুলো সবসময়ই মিথ্যাচার আর ভুল বোঝাবুঝির এক বিশাল স্তূপ ছাড়া আর কিছুই নয়; আর এই অভিজ্ঞতা থেকেই আমি এই সিদ্ধান্তে উপনীত হই যে, যেসব ক্ষেত্র সম্পর্কে আমার বিন্দুমাত্র কোনো জ্ঞান নেই, সেখানেও তারা এর চেয়ে ভালো কিছু হওয়ার সম্ভাবনা রাখে না।
** '''''[[:w:সি. এস. লিউইস|সি. এস. লিউইস]]''''', মিসেস মেরি ভ্যান ডিউসেনকে লেখা চিঠি (৩০ এপ্রিল ১৯৫১), ''সংগৃহীত সি. এস. লিউইস পত্রাবলি, খণ্ড ৩: "নার্নিয়া, কেমব্রিজ, অ্যান্ড জয়", ১৯৫০-১৯৬৩'', পৃ. ১১৪।
== M ==
[[File:Janet Malcolm 3.18.13a (headshot).jpg|thumb|আমাদের বর্তমান সমাজে একজন সাংবাদিককে ঠিক একজন পরোপকারীর সমান্তরালে স্থান দেওয়া হয়, কারণ তাঁর হাতে বিলি করার মতো অত্যন্ত মূল্যবান কিছু একটি থাকে (তাঁর এই বিনিময়ের মুদ্রাটি হলো 'পাবলিসিটি' বা প্রচার নামক এক অদ্ভুত মাদকতাময় বস্তু), এবং ফলস্বরূপ তাঁকে এমন এক ধরনের শ্রদ্ধা ও সম্মান প্রদর্শন করা হয় যা একজন মানুষ হিসেবে তাঁর প্রকৃত যোগ্যতার তুলনায় একেবারেই ভারসাম্যহীন।<br>~'''''জ্যানেট ম্যালকম''''' ]]
* বিভিন্ন স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীর ওয়েবসাইটগুলো সাধারণত সাংবাদিকতার ছদ্মবেশে এক ধরনের অপপ্রচার বা 'জার্নালগান্ডা'র [হলুদ সাংবাদিকতা] জয়গান গায়। কারণ সেখানে সবকিছুই পরিবেশন করা হয় সেই নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর নিজস্ব স্বার্থের ফিল্টার বা ছাঁকনির ভেতর দিয়ে। এটি এক অদ্ভুত ও অবাস্তব জগত, তবে এর গুরুত্বও অপরিসীম। কারণ কট্টরপন্থীরা তাদের পূর্বনির্ধারিত চিন্তাধারাকে আরও শক্তিশালী করতে এখানেই ভিড় জমায়। আপনার অবস্থান যা-ই হোক না কেন, নিজেকে চূড়ান্তভাবে সঠিক মনে করার ক্ষেত্রে এই জার্নালগান্ডার চেয়ে কার্যকর আর কিছুই হতে পারে না। প্রকৃত সাংবাদিকতাকে সবসময় চিনে নেওয়া যায় তার কাজের ধরন দেখে। এটি প্রায়শই সাধারণ মানুষকে এই সাংবাদিকতার জগত সম্পর্কে চরম অস্বস্তি ও ভ্রান্ত বিচলিত অবস্থার মধ্যে ফেলে দেয়।
** '''''চার্লস এম. ম্যাডিগান''''' (২৫ অক্টোবর ২০০৫), [http://web.archive.org/web/20130625005510/http://www.chicagotribune.com/news/opinion/chi-0510250027oct25,0,3811209.column?page=2&coll=chi-ed_opinion_columnists-utl "আজকের 'সাংবাদিকতা'র সমস্যা"], '''''[[:w:শিকাগো ট্রিবিউন|শিকাগো ট্রিবিউন]]'''''।
* এমন প্রতিটি সাংবাদিক—যিনি পরিস্থিতির গভীরতা বোঝার মতো যথেষ্ট বুদ্ধিমান এবং নিজের অহংবোধে অন্ধ হয়ে যাননি। তিনি খুব ভালো করেই জানেন যে, তিনি যা করছেন তা নৈতিকভাবে সম্পূর্ণ অমার্জনীয়। তিনি মূলত এক প্রকারের প্রতারক বা 'কনফিডেন্স ম্যান', যিনি মানুষের অহংকার, অজ্ঞতা কিংবা একাকীত্বকে পুঁজি করে তাদের ওপর শিকারি পাখির মতো ঝাঁপিয়ে পড়েন। তিনি প্রথমে মানুষের বিশ্বাস অর্জন করেন এবং এরপর বিন্দুমাত্র অনুশোচনা ছাড়াই সেই বিশ্বাসের চরম অমর্যাদা করেন। ঠিক যেমন একজন অতি-বিশ্বাসী বিধবা একদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে আবিষ্কার করেন যে সেই মনোমুগ্ধকর যুবকটি তাঁর সারা জীবনের সমস্ত সঞ্চয় নিয়ে চম্পট দিয়েছে। তেমনি কোনো একটি অ-কাল্পনিক রচনার বিষয়বস্তু হওয়া ব্যক্তিটিও। যখন সেই নিবন্ধ বা বইটি প্রকাশিত হয়, তখনই তাঁর জীবনের সেই রূঢ় ও কঠিন শিক্ষাটি লাভ করেন। সাংবাদিকরা তাঁদের এই বিশ্বাসঘাতকতাকে নিজ নিজ স্বভাব অনুযায়ী বিভিন্নভাবে যুক্তিযুক্ত করার চেষ্টা করেন। তাঁদের মধ্যে যারা অধিকতর আড়ম্বরপূর্ণ, তারা বাকস্বাধীনতা এবং "জনগণের জানার অধিকার" নিয়ে লম্বা চওড়া কথা বলেন। যারা অপেক্ষাকৃত কম মেধাবী হয়, তারা একে এক ধরণের 'শিল্প' বলে আখ্যা দিয়ে থাকেন। আর যারা খুব বিনয়ী হওয়ার ভান করেন, তারা স্রেফ জীবনধারণের তাগিদে এই পেশা বেছে নেওয়ার কথা বলে মৃদু গুঞ্জন তোলে থাকেন।
** '''''[[:w:জ্যানেট ম্যালকম|জ্যানেট ম্যালকম]]''''', '''''[[:w:দ্য জার্নালিস্ট অ্যান্ড দ্য মার্ডারার|দ্য জার্নালিস্ট অ্যান্ড দ্য মার্ডারার]]''''' (১৯৯০), নিউ ইয়র্ক: নফ, পৃ. ৩ (বইটির উদ্বোধনী অনুচ্ছেদ)।
* আমাদের বর্তমান সমাজে একজন সাংবাদিককে ঠিক একজন পরোপকারীর সমান্তরালে স্থান দেওয়া হয়, কারণ তাঁর হাতে বিলি করার মতো অত্যন্ত মূল্যবান কিছু একটি থাকে (তাঁর এই বিনিময়ের মুদ্রাটি হলো 'পাবলিসিটি' বা প্রচার নামক এক অদ্ভুত মাদকতাময় বস্তু), এবং ফলস্বরূপ তাঁকে এমন এক ধরনের শ্রদ্ধা ও সম্মান প্রদর্শন করা হয় যা একজন মানুষ হিসেবে তাঁর প্রকৃত যোগ্যতার তুলনায় একেবারেই ভারসাম্যহীন। এই দেশে এমন মানুষের সংখ্যা খুবই নগণ্য যারা নিজেদের সম্পর্কে কোথাও লেখা হচ্ছে কিংবা কোনো রেডিও বা টেলিভিশন প্রোগ্রামে তাঁদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হচ্ছে, এমন সম্ভাবনা দেখে প্রবলভাবে উচ্ছ্বসিত হন না।
** '''''জ্যানেট ম্যালকম''''', '''''দ্য জার্নালিস্ট অ্যান্ড দ্য মার্ডারার''''' (১৯৯০), নিউ ইয়র্ক: নফ, পৃ. ৫৮।
* আমি এখন এমনটা ভাবতে শুরু করেছি যে... সাংবাদিকতামূলক রচনায় "আমি" নামক চরিত্রটি সাংবাদিকের সৃষ্ট অন্যান্য সমস্ত চরিত্র থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। কারণ এটি সেই নিয়মের একটি ব্যতিক্রম যেখানে বলা হয় যে কোনো কিছুই আবিষ্কার বা উদ্ভাবন করা যাবে না। সাংবাদিকতার এই "আমি" চরিত্রটি প্রায় পুরোপুরি একটি মনগড়া উদ্ভাবন। আত্মজীবনীতে ব্যবহৃত "আমি" যেখানে লেখকের সরাসরি প্রতিনিধিত্ব করার কথা, সেখানে সাংবাদিকতার এই "আমি" লেখকের সাথে খুব সামান্য বা ক্ষীণভাবেই যুক্ত। ঠিক যেভাবে সুপারম্যানের সাথে ক্লার্ক কেন্টের সংযোগ থাকে। সাংবাদিকতার এই "আমি" হলো এক অতি-নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারী, যার ওপর আখ্যানের গুরুত্বপূর্ণ কাজ, যুক্তি উপস্থাপন এবং সুর নির্ধারণের দায়িত্ব অর্পণ করা হয়। এটি গ্রিক ট্র্যাজেডির কোরাসের মতো একটি বিশেষ প্রয়োজনে সৃষ্ট সৃষ্টি। সে হলো একটি প্রতীকি চরিত্র, যে জীবনের এক নিরাসক্ত ও আবেগহীন পর্যবেক্ষক হিসেবে নিজেকে মূর্ত করে তোলে। তা সত্ত্বেও, পাঠকরা যারা সহজেই এই ধারণাটি মেনে নেন যে ফিকশন বা কল্পকাহিনীর বর্ণনাকারী এবং সেই বইয়ের লেখক এক ব্যক্তি নন, তারাই আবার সাংবাদিকতার এই উদ্ভাবিত "আমিত্বের" ধারণাটিকে জেদের সাথে প্রতিরোধ করেন। এমনকি সাংবাদিকদের মধ্যেও এমন অনেকে আছেন যারা নিজেদের টেক্সটের সেই 'সুপারম্যান' রূপ থেকে নিজেদের বাস্তব সত্ত্বাকে আলাদা করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত হিমশিম খান।
** '''''[[:w:জ্যানেট ম্যালকম|জ্যানেট ম্যালকম]]''''', '''''দ্য জার্নালিস্ট অ্যান্ড দ্য মার্ডারার''''' (১৯৯০), নিউ ইয়র্ক: নফ, পৃ. ১৫৯–১৬০।
* সাংবাদিকতার নৈতিক অস্পষ্টতা বা দ্বিধার লিখিত বয়ানের মধ্যে নয়, বরং সেই সম্পর্কের গভীরে নিহিত থাকে যেখান থেকে এই বয়ানগুলো জন্ম নেয়। আর এই সম্পর্কগুলো অনিবার্যভাবেই এবং কোনোভাবেই এড়ানো যায় না এমনভাবে একপেশে বা অসম প্রকৃতির হয়ে থাকে। সাংবাদিকতামূলক রচনার 'ভালো' চরিত্রগুলো ঠিক তেমনিভাবেই অন্য একজন মানুষের ওপর লেখকের সেই অশুভ ও প্রচণ্ড ক্ষমতার ফসল, যেভাবে 'মন্দ' চরিত্রগুলো সৃষ্টি হয়। [...] সাংবাদিকতার বিষয়বস্তু হওয়া ব্যক্তিটি হয়তো সাংবাদিককে নিজের স্বার্থে ব্যবহার বা ম্যানিপুলেট করার চেষ্টা করতে পারেন এবং জাগতিক জ্ঞানসম্পন্ন কোনো ব্যক্তিই কমবেশি এই প্রবণতার ঊর্ধ্বে নন। কিন্তু এই বিষয়টি কোনোভাবেই ব্যক্তিস্বাধীনতার চেতনার বিরুদ্ধে সাংবাদিকের নিজের করা পাপগুলোকে মোচন বা খণ্ডন করতে পারে না। [...] সাংবাদিকরা এই নৈতিক অচলাবস্থার সাথে লড়াই করার জন্য অগণিত বৈচিত্র্যময় পথ অবলম্বন করেন [...]। তাদের মধ্যে যারা সবচেয়ে প্রজ্ঞাবান, তারা ভালো করেই জানেন যে তারা সর্বোচ্চ যা করতে পারেন তা-ও আসলে যথেষ্ট নয়। আর যারা খুব একটা বুদ্ধিমান নন, তারা তাদের চিরচেনা অভ্যাসবশত এটা বিশ্বাস করতেই পছন্দ করেন যে আসলে কোনো সমস্যাই নেই এবং তারা হয়তো এর একটি সমাধানও করে ফেলেছেন।
** '''''জ্যানেট ম্যালকম''''', '''''[[:w:দ্য জার্নালিস্ট অ্যান্ড দ্য মার্ডারার|দ্য জার্নালিস্ট অ্যান্ড দ্য মার্ডারার]]''''' (১৯৯০), নিউ ইয়র্ক: নফ, পৃ. ১৬২-১৬৩। (শেষ বাক্যটি বইটির অন্তিম বাক্য)।
* উন্নত ও মানসম্মত সাংবাদিকতার জন্য তথ্যফাঁসকারী বা 'হুইসেলব্লোয়ার'রা অপরিহার্য। তাঁরা সাংবাদিকদের সেই সব গোপনীয়তার দেয়াল ভেদ করতে সাহায্য করেন যা সরকারি কর্মকর্তা এবং জনসংযোগ কর্মকর্তারা অত্যন্ত সযত্নে গড়ে তোলেন। এই হুইসেলব্লোয়াররাই সরকার, কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান, সামরিক বাহিনী এবং গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর ভেতরে লুকিয়ে থাকা নানা অনিয়ম ও অন্যায় কর্মকাণ্ডগুলো সবার সামনে এনে উন্মোচন করে থাকেন। এই সাহসী মানুষদের তাঁদের এই বীরত্বপূর্ণ কাজের জন্য পুরস্কৃত করা উচিত ছিল। কিন্তু তার পরিবর্তে, অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো যে তাঁদের প্রায়ই বিচারিক হয়রানি কিংবা কারাবাসের মুখোমুখি হতে হয়।
** '''''ইউয়েন ম্যাকআসকিল''''', [https://www.democracynow.org/2021/10/25/belmarsh_tribunal "জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জকে মুক্ত করুন: স্নোডেন, ভারুফাকিস, করবিন এবং তারিক আলী প্রত্যর্পণ শুনানির আগে কথা বলছেন"], '''''ডেমোক্রেসি নাও!''''', (২৫ অক্টোবর ২০২১)।
* যদি জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জকে অভিযুক্ত করে বিচার করা হয়, তবে '[[w:দ্য_গার্ডিয়ান|দ্য গার্ডিয়ান]]', [[w:দ্য_নিউ_ইয়র্ক_টাইমস|'দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস]]', 'ডার স্পিগেল', 'এল পাইস', 'লা রিপাবলিকা' এবং এই তথ্যগুলো প্রচারের সাথে জড়িত অন্যান্য সমস্ত সংবাদ সংস্থার সম্পাদক ও সাংবাদিকদের বিরুদ্ধেও মামলা করার সমান ও যথেষ্ট যুক্তিযুক্ত কারণ রয়েছে।
** '''''ইউয়েন ম্যাকআসকিল''''', [https://www.democracynow.org/2021/10/25/belmarsh_tribunal "জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জকে মুক্ত করুন: স্নোডেন, ভারুফাকিস, করবিন এবং তারিক আলী প্রত্যর্পণ শুনানির আগে কথা বলছেন"], '''''ডেমোক্রেসি নাও!''''', (২৫ অক্টোবর ২০২১)।
* মাইকেল শুডসন তাঁর “ডিসকভারিং দ্য নিউজ” (১৯৭৮) গ্রন্থে যেমনটি উল্লেখ করেছেন—ভালো সাংবাদিকতা মানেই যে তা “বস্তুনিষ্ঠ” (অর্থাৎ দলীয় প্রভাবমুক্ত এবং ব্যক্তিগত মতামতের ঊর্ধ্বে) হতে হবে, এই ধারণাটি মূলত বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে প্রথম আবির্ভূত হয়েছিল। শুডসন মনে করতেন যে, ধ্রুব এবং নির্ভরযোগ্য সত্যের ধারণাটির প্রতি মানুষের ক্রমবর্ধমান সংশয়বাদ থেকেই এই বস্তুনিষ্ঠতার ধারণার জন্ম হয়েছে। তাঁর ভাষায়, বস্তুনিষ্ঠতার এই মানদণ্ডটি “তথ্যের ওপর বিশ্বাসের কোনো চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ ছিল না; বরং এটি ছিল এমন এক জগতের জন্য পরিকল্পিত পদ্ধতির সুদৃঢ় দাবি, যেখানে এমনকি তথ্যকেও আর বিশ্বাস করা যাচ্ছিল না। ... সাংবাদিকরা বস্তুনিষ্ঠতায় বিশ্বাস করতে শুরু করেছিলেন ঠিক ততটুকুই যতটুকু তাঁদের প্রয়োজন ছিল। কারণ তাঁরা চেয়েছিলেন, তাঁদের দরকার ছিল এবং সাধারণ মানবিক আকাঙ্ক্ষা থেকেই তাঁরা তাঁদের নিজেদের গভীর সন্দেহ ও অস্থিরচিত্ততা থেকে মুক্তি পাওয়ার পথ খুঁজছিলেন।” অন্যভাবে বলতে গেলে, বস্তুনিষ্ঠতা বিষয়টি শুরু থেকেই একটি সমস্যাসঙ্কুল ধারণা ছিল... লিপম্যানের যুক্তি ছিল এই যে, সাংবাদিকতা আসলে কোনো সুনির্দিষ্ট পেশা নয়। এই পেশায় যুক্ত হওয়ার জন্য আপনার কোনো লাইসেন্স বা প্রাতিষ্ঠানিক একাডেমিক সনদের প্রয়োজন হয় না। সব ধরণের মানুষই নিজেদের সাংবাদিক বলে দাবি করেন। কিন্তু প্রশ্ন হলো, তাঁরা সবাই কি জনগণকে নির্ভরযোগ্য এবং স্বার্থহীন সংবাদ পণ্য সরবরাহ করতে সক্ষম?
** '''''[[:w:লুই মেনান্দ|লুই মেনান্দ]]''''', [https://www.newyorker.com/magazine/2023/02/06/when-americans-lost-faith-in-the-news “যখন আমেরিকানরা সংবাদমাধ্যমের ওপর আস্থা হারিয়েছিল”], '''''দ্য নিউ ইয়র্কার''''', (৩০ জানুয়ারি ২০২৩)।
* ১৯৪৫ থেকে ১৯৭৫ সালের মধ্যবর্তী সময়ে মার্কিন ক্যাবিনেটে মাত্র একজন নারী এবং একজন কৃষ্ণকায় ব্যক্তি ছিলেন। যাঁদের প্রত্যেকেই মাত্র দুই বছর মেয়াদে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। সংবাদমাধ্যমের দিকে তাকালে দেখা যায় যে পরিস্থিতি ছিল আরও ভয়াবহ। নারী ও কৃষ্ণকায় সাংবাদিকদের পরিকল্পিতভাবে মূলধারা থেকে বাদ দেওয়া হতো। নির্দিষ্ট কিছু সংবাদ সম্মেলনে তাঁদের প্রবেশাধিকার ছিল না এবং সম্পাদকরা নারীদের কখনোই সরকারি বিষয়গুলো কভার করার দায়িত্ব দিতেন না। ঘোর বর্ণবাদ এবং লিঙ্গবৈষম্য এত দীর্ঘ সময় ধরে সেখানে টিকে ছিল যে আজ তা প্রায় অবিশ্বাস্য বলে মনে হয়। <br> ওয়াশিংটনের সাংবাদিকদের জন্য প্রধান দুটি সামাজিক সংগঠন ছিল গ্রিডাইরন ক্লাব (১৮৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত) এবং ন্যাশনাল প্রেস ক্লাব (১৯০৮ সালে প্রতিষ্ঠিত)। ১৮৯৬ সালে গ্রিডাইরন ক্লাব সদস্যদের স্ত্রীদের একটি নৈশভোজে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল, কিন্তু নারী ভোটাধিকার আন্দোলনকে উপহাস করে পরিবেশিত একটি নাটক সেখানে মোটেও ভালো সাড়া ফেলেনি; যার ফলে ১৯৭২ সাল পর্যন্ত নারীদের সেখানে আর প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি। বিংশ শতাব্দীর পঞ্চাশের দশক পর্যন্তও গ্রিডাইরন ক্লাবের নৈশভোজগুলোতে বিনোদনের জন্য সদস্যরা মুখে কালো রঙ মেখে 'ব্ল্যাকফেস' সেজে অভিনয় করতেন। ম্যাকগারের বর্ণনা অনুযায়ী, ক্লাবটির সিগনেচার টিউন ছিল “দ্য ওয়াটারমেলন সং”, যা একটি বিশেষ আঞ্চলিক [[w:উপভাষা|উপভাষায়]] গাওয়া হতো। <br> ১৯৫৫ সালের আগে ন্যাশনাল প্রেস ক্লাবে কোনো কৃষ্ণকায় সদস্য ছিলেন না; এবং সেই একই বছরেই প্রথমবারের মতো নারীদের এমন মধ্যাহ্নভোজে উপস্থিত থাকার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল যেখানে কর্মকর্তারা সদস্যদের ব্রিফিং দিতেন। তবে নারীদের বসতে হতো ব্যালকনিতে এবং তাঁদের কোনো প্রশ্ন করার অনুমতি ছিল না। ১৯৭১ সালের আগে ন্যাশনাল প্রেস ক্লাব কোনো নারী সদস্য গ্রহণ করেনি। <br> 'দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট' ১৯৫১ সালে তাদের প্রথম কৃষ্ণকায় সাংবাদিক নিয়োগ দেয়। তাঁর জন্য আলাদা শৌচাগার বরাদ্দ করা হয়েছিল এবং মাত্র দুই বছর পরেই তিনি সেই পত্রিকা ত্যাগ করেন। (ম্যাকগার বলেন যে ওয়াশিংটন পোস্ট ১৯৭২ সালের আগে আর কোনো কৃষ্ণকায় সাংবাদিক নিয়োগ দেয়নি, তবে তথ্যটি ভুল: পত্রিকাটি ১৯৬১ সালে ডরোথি বাটলার গিলিয়াম এবং ১৯৬৮ সালে জ্যাক হোয়াইটকে নিয়োগ দিয়েছিল।) নাগরিক অধিকার আন্দোলনের অনেক গভীর সময় পর্যন্তও নিউ ইয়র্ক টাইমসে কৃষ্ণকায় সাংবাদিকদের সংখ্যা ছিল অতি সামান্য। এই পত্রিকার মতো অন্যান্য সাধারণ-আগ্রহের ম্যাগাজিনগুলোর রেকর্ডও এর চেয়ে ভালো কিছু ছিল না।
** '''''লুই মেনান্দ''''', [https://www.newyorker.com/magazine/2023/02/06/when-americans-lost-faith-in-the-news “যখন আমেরিকানরা সংবাদমাধ্যমের ওপর আস্থা হারিয়েছিল”], '''''দ্য নিউ ইয়র্কার''''', (৩০ জানুয়ারি ২০২৩)।
* সংবাদপত্রের শক্তি—তা যতটুকু বা যে পর্যায়েরই হোক না কেন—তা মূলত অনেকটা প্রাতিষ্ঠানিক পণ্ডিত, বৈজ্ঞানিক গবেষক এবং সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের শক্তির মতো। এটি কোনো পেশিবল বা শারীরিক শক্তির ওপর ভিত্তি করে দাঁড়িয়ে নেই; বরং এটি টিকে আছে মানুষের অগাধ বিশ্বাসের ওপর—এই বিশ্বাস যে, এরা হলো এমন একদল মানুষ যারা ভয় কিংবা পক্ষপাতিত্বের ঊর্ধ্বে থেকে কেবল সত্য অন্বেষণের জন্য নিজেদের উৎসর্গ করেছেন। যখনই তাঁরা এই মহান দায়িত্ব পালন থেকে বিচ্যুত হবেন, তখন সমাজ তাঁদের সেই একইভাবে দেখতে শুরু করবে যেভাবে বর্তমানে অন্যদের দেখা হয়—অর্থাৎ এমন একদল লোক যারা কেবল ব্যক্তিগত লাভ বা সামাজিক মর্যাদার লোভে তথ্যকে নিজ স্বার্থে ঘুরিয়ে পরিবেশন করে।
** '''''[[:w:লুই মেনান্দ|লুই মেনান্দ]]''''', [https://www.newyorker.com/magazine/2023/02/06/when-americans-lost-faith-in-the-news “যখন আমেরিকানরা সংবাদমাধ্যমের ওপর আস্থা হারিয়েছিল”], '''''দ্য নিউ ইয়র্কার''''', (৩০ জানুয়ারি ২০২৩)।
* যেহেতু আদর্শগত সত্য বলে পৃথিবীতে আসলে কিছুর অস্তিত্ব নেই, তাই স্বাভাবিকভাবেই এটা প্রতীয়মান হয় যে, একজন প্রতিবেদক যখনই নিজেকে [[w:রক্ষণশীলতাবাদ|উদারপন্থী বা রক্ষণশীল]], কিংবা ডেমোক্রেটিক, [[w:সাম্যবাদ|কমিউনিস্ট]] বা রিপাবলিকান প্রতিবেদক হিসেবে উপস্থাপন করেন, তখন তিনি আসলে আর মোটেও কোনো প্রতিবেদক থাকেন না।
** '''''এইচ. এল. মেনকেন''''' (১৯৩৭), উদ্ধৃত হয়েছে: অ্যালেস্টার কুক রচিত '''''মেমোরিস অফ দ্য গ্রেট অ্যান্ড গুড''''' (১৯৯৯), পৃ. ২২৪।
* সংবাদপত্রগুলো এখন জেসি-র পিছু নিতে শুরু করেছে। শুরুতে তারা তাকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করেছিল এবং সব ঘটনার দায়ভার অন্য যে কারো বা অন্য কিছুর ওপর চাপিয়ে দিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত, একজন অত্যন্ত রূপসী অথচ দৃশ্যত কোনো যৌনজীবন নেই এমন একজন নারীকে নিয়ে কাজ করা তাদের জন্য বেশ বিব্রতকর হয়ে দাঁড়িয়েছিল। কারণ তাকে কলঙ্কিত করার জন্য আসলে ঠিক কী ধরনের অপবাদ ব্যবহার করা উচিত, তা তারা খুঁজে পাচ্ছিল না।
** '''''নাওমি মিচিসন''''', “মেরি অ্যান্ড জো”; হ্যারি হ্যারিসন সম্পাদিত '''''নোভা ১''''', পৃ. ১৬৩।
* সাংবাদিকরা যখন কোনো ভুল করেন, তখন তাঁদের মানহানির মামলার মুখে পড়তে হয়; কিন্তু ঐতিহাসিকরা যখন কোনো ভুল করেন, তখন তাঁরা সেই ভুল শুধরে নিয়ে বইটির একটি পরিমার্জিত সংস্করণ প্রকাশের সুযোগ পান।
** '''''বিল ময়ার্স''''', "দ্য বিগ স্টোরি", টেক্সাস স্টেট হিস্টোরিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনে প্রদত্ত ভাষণ, (৭ মার্চ ১৯৯৭), '''''ময়ার্স অন ডেমোক্রেসি''''' (২০০৮), পৃ. ১৩১।
* বাকস্বাধীনতা এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতা, যা প্রথম সংশোধনীর মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ থেকে সুরক্ষিত করা হয়েছে। তা মূলত সেইসব মৌলিক ব্যক্তিগত অধিকার ও স্বাধীনতার অন্তর্ভুক্ত যা চতুর্দশ সংশোধনীর মাধ্যমে যেকোনো অঙ্গরাজ্যের হস্তক্ষেপ থেকে সকল নাগরিকের জন্য সুনিশ্চিত করা হয়েছে। এই অধিকারগুলোকে সুরক্ষিত রাখার মূল উদ্দেশ্য হলো যেন মানুষ তাদের জন্য অত্যাবশ্যকীয় বিষয়গুলো নিয়ে স্বাধীনভাবে চিন্তা ও কথা বলতে পারে এবং শিক্ষা ও আলোচনার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যেন মিথ্যার মুখোশ উন্মোচিত হয়। যা একটি মুক্ত ও স্বাধীন সরকারের জন্য একান্ত অপরিহার্য। যারা আমাদের স্বাধীনতা ছিনিয়ে এনেছিলেন, তাঁদের এই অটল বিশ্বাস ছিল যে, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সত্য আবিষ্কার এবং তা প্রচার করার জন্য স্বাধীন ও নির্ভীক যুক্তিপ্রদান এবং ধারণার আদান-প্রদান এক অজেয় শক্তি হিসেবে কাজ করবে।
** '''''[[:w:ফ্রাঙ্ক মারফি|ফ্রাঙ্ক মারফি]]''''', '''''[[:w:থর্নহিল বনাম আলাবামা মামলা|থর্নহিল বনাম আলাবামা]]''''', মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট, (১৯৪০), ৩১০ ইউ.এস. ৮৮, ৯৫।
== O ==
* সেই স্থূলকায় [[w:রুশ_জাতি|রুশ]] গোয়েন্দাটি একে একে সমস্ত বিদেশী উদ্বাস্তুদের এক কোণায় নিয়ে যাচ্ছিলেন এবং অত্যন্ত বিশ্বাসযোগ্য ভঙ্গিতে ব্যাখ্যা করছিলেন যে, এই পুরো ঘটনাটি আসলে ছিল একটি নৈরাজ্যবাদী চক্রান্ত। আমি বেশ আগ্রহ নিয়ে তাঁকে পর্যবেক্ষণ করছিলাম, কারণ সেটিই ছিল আমার জীবনে প্রথম দেখা এমন কোনো ব্যক্তি যাঁর পেশা হলো অনর্গল মিথ্যা বলা, অবশ্য যদি কেউ এই তালিকায় সাংবাদিকদের গণনা না করেন।
** '''''[[:w:জর্জ অরওয়েল|জর্জ অরওয়েল]]''''', '''''হোমেজ টু ক্যাটালোনিয়া''''' (১৯৩৮)।
* জীবনের শুরুর দিকেই আমি লক্ষ্য করেছিলাম যে সংবাদপত্রে কোনো ঘটনাই আসলে সঠিকভাবে উপস্থাপিত হয় না; কিন্তু স্পেনে আমি প্রথমবারের মতো এমন কিছু সংবাদ প্রতিবেদন দেখলাম যার সাথে বাস্তব তথ্যের বিন্দুমাত্র কোনো সম্পর্ক নেই, এমনকি একটি সাধারণ মিথ্যার মধ্যে যেটুকু সত্যের রেশ থাকে সেটুকুও সেখানে অনুপস্থিত ছিল। আমি দেখেছি এমন সব বিশাল যুদ্ধের খবর ছাপা হয়েছে যেখানে আসলে কোনো লড়াই-ই হয়নি, আবার যেখানে শত শত মানুষ প্রাণ হারিয়েছে সেখানে বজায় রাখা হয়েছে কবরের নিস্তব্ধতা। আমি দেখেছি যেসব সৈন্য সাহসিকতার সাথে লড়াই করেছে তাদেরকে উল্টো কাপুরুষ ও বিশ্বাসঘাতক হিসেবে নিন্দা জানানো হচ্ছে, আর যারা কোনোদিন যুদ্ধের ময়দানে একটি গুলিও ছোঁড়েনি তাদের কাল্পনিক বিজয়ের নায়ক হিসেবে জয়ধ্বনি দেওয়া হচ্ছে! শুধু তা-ই নয়, আমি দেখলাম '''[[w:লন্ডন|লন্ডনের]]''' সংবাদপত্রগুলো এই মিথ্যাগুলোই প্রচার করেছিল এবং উৎসাহী বুদ্ধিজীবীরা এমন সব ঘটনার ওপর আবেগপ্রবণ ইমারত গড়ে তুলছেন যা আদতে কখনও ঘটেইনি। আমি আসলে ইতিহাসকে এমনভাবে রচিত হতে দেখলাম যা কী ঘটেছে তার ওপর ভিত্তি করে নয়, বরং বিভিন্ন 'দলীয় আদর্শ' অনুযায়ী কী ঘটা উচিত ছিল, তার ওপর ভিত্তি করে তৈরি।
** '''''[[:w:জর্জ অরওয়েল|জর্জ অরওয়েল]]''''', '''''লুকিং ব্যাক অন দ্য স্প্যানিশ ওয়ার''''' (১৯৪৩)।
* অনেক সাংবাদিকই আজকের দ্রুত পরিবর্তনশীল ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে এতটাই আচ্ছন্ন থাকেন যে, তাঁদের মধ্যে ইতিহাসের গভীর উপলব্ধি বা ঐতিহাসিক চেতনার এক ধরনের চরম ঘাটতি লক্ষ্য করা যায়।
** '''''ফিন্টান ও'টুল''''', '''''দি আইরিশ টাইমস''''' (২০২৩)।
* অন্ধ স্তুতি বা ফ্যানডম এবং বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা কখনোই একে অপরের পরিপূরক হতে পারে না; বরং এই দুটি বিষয় একত্রে থাকলে তা অত্যন্ত বিপজ্জনক ও অসম এক সহাবস্থানের জন্ম দেয়।
** '''''ফিন্টান ও'টুল''''', '''''দি আইরিশ টাইমস''''' (২০২৩)।
== P ==
* বর্তমানের এই বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে যেখানে প্রতিটি মানুষই একেকজন প্রকাশক হয়ে উঠেছেন, সেখানে আশ্চর্যের বিষয় হলো কেউ আসলে প্রকৃত সম্পাদকের ভূমিকা পালন করছেন না। আর ঠিক এই জায়গাতেই আজকের দিনে আমরা এক ভয়াবহ সংকটের সম্মুখীন হচ্ছি।
** '''''স্কট পেলি''''', কুইনিপিয়াক ইউনিভার্সিটিতে প্রদত্ত ভাষণ (১০ মে ২০১৩)। [http://www.youtube.com/watch?v=1AyCD_lcl1Q ইউটিউব ভিডিও: সিবিএস নিউজ অ্যাঙ্কর স্কট পেলি: 'আমরা বারবার বড় বড় খবরগুলো ভুলভাবে পরিবেশন করছি']।
* সাংবাদিকদের জন্য নিজেদের কেবল সাধারণ বার্তাবাহক হিসেবে গণ্য করাই যথেষ্ট নয়। বরং তাঁদের পরিবেশিত বার্তার আড়ালে লুকিয়ে থাকা গোপন উদ্দেশ্য বা 'হিডেন এজেন্ডা' পুরিকল্পনা এবং সেই বার্তাকে ঘিরে থাকা প্রচলিত মিথ বা ভ্রান্ত ধারণাগুলো গভীরভাবে উপলব্ধি করা একান্ত প্রয়োজন।
** '''''[[:w:জন পিলজার|জন পিলজার]]''''', 'হিডেন এজেন্ডাস', ১৯৯৮।
* গোপন ক্ষমতা সেই সাংবাদিকদের মনেপ্রাণে ঘৃণা করে যারা নিজেদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করেন। যারা গোপনীয়তার পর্দা সরিয়ে দেন, বাহ্যিক চাকচিক্যের আড়ালে উঁকি দেন এবং অশুভ সত্যের ওপর রাখা পাথর তুলে ধরেন। উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের কাছ থেকে আসা নিন্দা বা তিরস্কারই হলো এই নির্ভীক সাংবাদিকদের জন্য সম্মানের শ্রেষ্ঠ স্মারক।
** '''''[[:w:জন পিলজার|জন পিলজার]]''''', '''''টেল মি নো লাইজ: ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিজম দ্যাট চেঞ্জড দ্য ওয়ার্ল্ড''''', থান্ডার্স মাউথ প্রেস, (২০০৫), পৃ. xv, ISBN 1560257865।
* আমরা যারা সাংবাদিক... আমাদের সেইসব ব্যক্তিদের অবজ্ঞা ও প্রতিরোধ করার মতো যথেষ্ট সাহসী হতে হবে, যারা অন্যের দেশে তাদের সাম্প্রতিকতম রক্তক্ষয়ী দুঃসাহসিক অভিযানগুলো বৈধ করার জন্য আমাদের সহযোগিতা কামনা করে। এর অর্থ হলো সরকারি ভাষ্যকে সবসময় চ্যালেঞ্জ করা, সেই ভাষ্যটি আপাতদৃষ্টিতে যতই দেশপ্রেমমূলক মনে হোক না কেন, অথবা সেটি যতই মোহনীয় ও বিভ্রান্তিকর হোক না কেন। কারণ প্রোপাগান্ডা বা অপপ্রচার পুরোপুরি আমাদের গণমাধ্যমের ওপর নির্ভর করে যেন তাদের প্রতারণার লক্ষ্যবস্তু কোনো দূরদেশের মানুষ নয়, বরং আপনার নিজের ঘরের মানুষ হয়। অন্তহীন সাম্রাজ্যবাদী যুদ্ধের এই যুগে অগণিত পুরুষ, নারী ও শিশুর জীবন আজ পরম সত্যের ওপর নির্ভর করছে। যদি সেই সত্য প্রকাশ না পায়, তবে তাদের ঝরানো রক্তের দায়ভার আমাদের ওপরই বর্তাবে। যাদের কাজ হলো ইতিহাসের নথিপত্রকে নির্ভুল রাখা, তাদের উচিত ক্ষমতার কণ্ঠস্বর না হয়ে সাধারণ মানুষের কণ্ঠস্বর হয়ে ওঠা।
** '''''[[:w:জন পিলজার|জন পিলজার]]''''', '''''দ্য ওয়ার ইউ ডোন্ট সি''''', আইটিভি১ (যুক্তরাজ্য), (১৪ ডিসেম্বর ২০১০)।
* উইকিলিকস কেন সাংবাদিকতার ইতিহাসে একটি মাইলফলক হিসেবে স্বীকৃত? কারণ এর মাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যগুলো আমাদের কাছে একশ শতাংশ নিখুঁতভাবে এই সত্যটি তুলে ধরেছে যে এই বিশ্বের একটি বড় অংশ আসলে কীভাবে এবং কেন বিভক্ত এবং ঠিক কীভাবে তা পরিচালিত হচ্ছে।
** '''''[[:w:জন পিলজার|জন পিলজার]]''''', [https://frontline.thehindu.com/cover-story/article25661115.ece "নতুন শীতল যুদ্ধ এবং আসন্ন হুমকি"], '''''ফ্রন্টলাইন, ভারত''''', (২১ ডিসেম্বর ২০১৮)।
* একজন সাংবাদিক সত্য প্রচারের মাধ্যমে অথবা তিনি যতটুকু সত্যের সন্ধান পান তা প্রকাশের মাধ্যমে মানুষের প্রভূত কল্যাণ সাধন করতে পারেন। তবে শর্ত হলো তাঁকে কোনো সরকার বা কোনো বিশেষ ক্ষমতার প্রতিনিধি হিসেবে নয়, বরং সাধারণ মানুষের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করতে হবে। এটিই হলো প্রকৃত সাংবাদিকতা। এর বাইরে যা কিছু আছে তার সবই আপাতদৃষ্টিতে সত্য মনে হলেও আসলে তা প্রতারণামূলক এবং মিথ্যা।
** '''''[[:w:জন পিলজার|জন পিলজার]]''''', উদ্ধৃত হয়েছে: [https://www.thedailystar.net/opinion/interviews/news/real-journalists-act-agents-people-not-power-1687921 "প্রকৃত সাংবাদিকরা জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেন, ক্ষমতার নয়"], '''''ডেইলি স্টার (বাংলাদেশ)''''', (১৬ জানুয়ারি ২০১৯)।
* কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ ছাড়া সরাসরি "পশ্চিমা গোয়েন্দা সংস্থার" দোহাই দিয়ে উদ্ধৃতি প্রদান করা কখনোই সাংবাদিকতা হতে পারে না; এটি প্রায় সবসময়ই একটি সুপরিকল্পিত অপপ্রচার বা প্রোপাগান্ডা। একজন প্রতিবেদক হিসেবে আমি এই শিক্ষাটি লাভ করেছি। বিবিসি এবং অন্যান্য সংবাদমাধ্যমের এই নিরন্তর 'কোল্ড ওয়ার' বা স্নায়ুযুদ্ধের দামামা আমাদের ধীরে ধীরে একটি বিশ্বযুদ্ধের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
** '''''[[:w:জন পিলজার|জন পিলজার]]''''', [https://twitter.com/johnpilger/status/1285869017412956160 টুইটার], (২২ জুলাই ২০২০)।
== R ==
[[File:Helen Thomas - USNWR.jpg|thumb|আমি আশা করি যে ভবিষ্যতের সাংবাদিকরা এই পেশার প্রকৃত নীতিমালাগুলো কঠোরভাবে মেনে চলবেন এবং এটি উপলব্ধি করবেন যে দেশে ও বিদেশে গণতন্ত্র এবং মুক্ত চিন্তার আদান-প্রদানকে সজীব রাখার ক্ষেত্রে তাঁরা এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও অপরিহার্য ভূমিকা পালন করছেন।<br>~'''''[[:w:হেলেন থমাস|হেলেন থমাস]]''''' ]]
* সংবাদ বোধ বা 'নিউজ সেন্স' হলো মূলত কোনটি গুরুত্বপূর্ণ, কোনটি অত্যাবশ্যক এবং কোনটির মাঝে প্রাণ ও রঙের স্পন্দন রয়েছে। অর্থাৎ মানুষ কোন বিষয়ে আগ্রহী, তা বোঝার এক অনন্য ক্ষমতা। এটিই হলো প্রকৃত সাংবাদিকতা।
** '''''বার্টন রাস্কো''''', উদ্ধৃত হয়েছে: ট্রায়ন এডওয়ার্ডস, সি. এন. ক্যাট্রেভাস এবং জনাথন এডওয়ার্ডস সম্পাদিত '''''ইউজফুল কোটেশনস: আ সাইক্লোপিডিয়া অফ কোটেশনস''''' (১৯৩৩)।
* বিতর্ক? আপনি যদি এই নামের যোগ্য কোনো প্রতিবেদক হতে চান, তবে আপনি কখনোই বিতর্ককে পুরোপুরি এড়িয়ে চলতে পারবেন না। আপনি একজন দক্ষ প্রতিবেদক হতে পারবেন না যদি না আপনি নিয়মিতভাবে কোনো না কোনো তর্কের সাথে জড়িয়ে পড়েন। আর আমি মনে করি না যে বিতর্ককে বারবার এড়িয়ে চলে আপনি একজন মহান প্রতিবেদক হতে পারবেন। কারণ একজন ভালো সাংবাদিকের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব হলো সহজ সত্যগুলোর পাশাপাশি কঠিন ও রূঢ় সত্যগুলোকেও সাহসের সাথে তুলে ধরা। আর এই কঠিন সত্যগুলোই আপনাকে বিতর্কের দিকে ঠেলে দেবে, এমনকি এই কঠিন সত্যের অনুসন্ধান করতে গিয়ে আপনাকে হয়তো চড়া মূল্যও দিতে হতে পারে। দয়া করে আমার এই কথাগুলোকে কোনো অভিযোগ হিসেবে গ্রহণ করবেন না। আমি কেবল এটিই বোঝাতে চাইছি যে আপনি যদি একজন সৎ ও নিষ্ঠাবান সাংবাদিক হন, তবে এই ঝুঁকিগুলো আপনার কাজেরই অবিচ্ছেদ্য অংশ। আপনি যদি এমনভাবে সাংবাদিকতা শুরু করেন অথবা জীবনের এমন এক পর্যায়ে পৌঁছান যেখানে আপনি নিজেই নিজেকে বলেন, "শুনুন, আমি এমন কোনো কিছু স্পর্শ করব না যা থেকে বিতর্কের সৃষ্টি হতে পারে," তবে আপনার উচিত হবে অনতিবিলম্বে এই পেশা ছেড়ে দেওয়া।
** '''''ড্যান রাদার''''', সাক্ষাৎকার: [http://www.achievement.org/autodoc/page/rat0int-1 "ড্যান রাদার ইন্টারভিউ: ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট, অন দ্য ফ্রন্টলাইনস অফ ব্রেকিং নিউজ"], '''''একাডেমি অফ অ্যাচিভমেন্ট''''', (৫ মে ২০০১)।
* উন্নতমানের সাংবাদিকতা সেই হাজারো 'নিষিদ্ধ বিষয়ের' রাজ্যে প্রশ্ন উত্থাপন করে, এমনকি যদি তার ফলাফল অত্যন্ত অদ্ভুত এবং বিচলিত করার মতো হওয়ার ঝুঁকিও থাকে। ... বর্তমান সময়ে সাংবাদিকরা কোনো গোয়েন্দা নন, আবার আধ্যাত্মিক ধর্মপ্রচারকও নন। তাঁরা কেবল তাঁদের অর্পিত দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করলেই তা যথেষ্ট। তবে সাংবাদিকতা পেশার সবসময়ই একটি অনুসন্ধানী দিকের পাশাপাশি একটি নৈতিক দিকও বিদ্যমান থাকে। সাংবাদিকরা গোয়েন্দা নন ঠিকই, কিন্তু তাঁদের কাজের মধ্য দিয়ে তাঁরা অনুসন্ধানের একটি নির্দিষ্ট মানদণ্ড বজায় রাখতে পারেন। তাঁরা গোয়েন্দা বাহিনীর কেউ নন, কিন্তু তাঁরা এমন সব তথ্য সরবরাহ করতে পারেন যা গোয়েন্দারাও কোনো না কোনোভাবে ব্যবহার করতে সক্ষম হন। সাংবাদিকরা আধ্যাত্মিক পথপ্রদর্শকও নন, কিন্তু পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করে তাঁরা এমন কিছু উপলক্ষ এবং সূত্র উপহার দিতে পারেন যা পাঠকদের আত্মিক খোরাক জোগাতেও কিছুটা সাহায্য করে। আসুন আমরা সবাই অত্যন্ত বিজ্ঞতার সাথে উপদেশমূলক সাংবাদিকতা থেকে দূরে থাকি; তবে ভালো সাংবাদিকরা অন্তত নিজের এবং তাঁদের পাঠকদের আত্মাকে বিষাক্ত করা থেকে বিরত থাকতে পারেন।
** '''''মার্কো রেসপিন্তি''''', [https://bitterwinter.org/a-universal-declaration-on-combating-and-preventing-forced-organ-harvesting/ "চীনের মানব ফসল এবং অবৈধ অঙ্গ বাণিজ্য: প্রকাশ করো নতুবা ধ্বংস হও?"], '''''বিটার উইন্টার'''''।
* একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে সাংবাদিকতা শেখানো কতটা ভয়ানক ও অদ্ভুত বিষয়! আমি ভেবেছিলাম এটি কেবল অক্সফোর্ডেই করা হয়। নিচ ও নোংরা জনমানুষের প্রতি এই অতি-সম্মান প্রদর্শন আসলে আমাদের সভ্যতাকে ধ্বংস করে দিচ্ছে।
** '''''[[:w:বার্ট্রান্ড রাসেল|বার্ট্রান্ড রাসেল]]''''', লুসি মার্টিন ডনেলিকে লেখা একটি চিঠিতে (৬ জুলাই ১৯০২)।
== S ==
* তবে আমি এমনভাবে এর প্রতিবেদন পেশ করব—<br>যেখানে সিনেটররা তাঁদের হাসির সাথে চোখের জলের মিশ্রণ ঘটাবেন।
** '''''[[:w:উইলিয়াম শেক্সপিয়র|উইলিয়াম শেক্সপিয়র]]''''', '''''[[:w:কোরিওলেনাস|কোরিওলেনাস]]''''' (আনু. ১৬০৭-০৮), প্রথম অংক, নবম দৃশ্য, লাইন ২।
* যারা অতৃপ্ত বা সত্য সম্পর্কে অবগত নয়,<br>তাদের কাছে আমাকে এবং আমার উদ্দেশ্যকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করো।
** '''''[[:w:উইলিয়াম শেক্সপিয়র|উইলিয়াম শেক্সপিয়র]]''''', '''''[[:w:হ্যামলেট|হ্যামলেট]]''''' (১৬০০-০২), পঞ্চম অংক, দ্বিতীয় দৃশ্য, লাইন ৩৫০।
* আমার কাছে আর কোনো প্রতিবেদন নিয়ে এসো না।
** '''''[[:w:উইলিয়াম শেক্সপিয়র|উইলিয়াম শেক্সপিয়র]]''''', '''''[[:w:ম্যাকবেথ|ম্যাকবেথ]]''''' (১৬০৫), পঞ্চম অংক, তৃতীয় দৃশ্য, লাইন ১।
* আমার মনে হয় না যে পরিস্থিতি এর আগে কখনো বর্তমানের মতো এত বেশি ভয়াবহ ছিল। কারণ এখন দেখে মনে হচ্ছে যে প্রতিটি সাংবাদিকই আসলে কোনো না কোনো হুমকির মুখে রয়েছেন।
** '''''নাজিব শরিফি''''', আফগান সাংবাদিক নিরাপত্তা কমিটির প্রধান, '''''ডিডব্লিউ''''' (DW)-এর সাথে একটি সাক্ষাৎকারে; [https://www.dw.com/en/2020-dozens-of-journalists-killed-in-targeted-attacks/a-56078207 "২০২০: লক্ষ্যবস্তু করে চালানো হামলায় কয়েক ডজন সাংবাদিক নিহত"] শীর্ষক প্রতিবেদনে প্রকাশিত।
* আমি আজও বিশ্বাস করি যে, আপনার লক্ষ্য যদি হয় এই পৃথিবীকে বদলে দেওয়া, তবে সাংবাদিকতা হলো তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি তাৎক্ষণিক এবং কার্যকর একটি স্বল্পমেয়াদী অস্ত্র।
** '''''[[:w:টম স্টপার্ড|টম স্টপার্ড]]''''', '''''টম স্টপার্ড ইন কনভারসেশন''''' (১৯৯৪), পল ডেলানি সম্পাদিত, ইউনিভার্সিটি অফ মিশিগান প্রেস, পৃ. ১৯৬।
* আমি কোনো সংবাদের বা গল্পের অংশ হয়ে উঠতে চাই না। আমি বরং একজন নামহীন, শান্ত ও নিভৃতচারী দর্শক হয়ে থাকতে চাই। যে আসলে পৃথিবীতে কী ঘটছে তা বোঝার চেষ্টা করে (যা মোটেও সহজ কোনো কাজ নয়) এবং পরবর্তীতে অন্য মানুষের কাছে সেই সত্যটি বর্ণনা করে। ঘটনার কেন্দ্রে কোনো গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র হয়ে থাকাটা আমার একদমই পছন্দ নয়।
** '''''[[:w:জন সিম্পসন|জন সিম্পসন]]''''', সাক্ষাৎকার: '''''বিবিসি নরফোক''''', (১২ অক্টোবর ২০০৭)।
[[File:William Thomas Stead.jpg|thumb|সংবাদমাধ্যম একই সাথে জনগণের চোখ, কান এবং জিহ্বা স্বরূপ। এটি যদি গণতন্ত্রের কণ্ঠস্বর নাও হয়, তবুও এটি গণতন্ত্রের এক দৃশ্যমান ভাষা। এটি আসলে পুরো বিশ্বের একটি জীবন্ত শব্দলেখচিত্র বা ফোনোগ্রাফ।<br>~'''''[[:w:উইলিয়াম থমাস স্টিড|উইলিয়াম থমাস স্টিড]]''''' ]]
* সংবাদমাধ্যম একই সাথে জনগণের চোখ, কান এবং জিহ্বা স্বরূপ তথা একটি দেহের মতো। এটি যদি গণতন্ত্রের প্রকৃত কণ্ঠস্বর নাও হয়ে থাকে, তবুও এটি গণতন্ত্রের এক অনন্য ও দৃশ্যমান ভাষা। সহজ কথায়, এটি পুরো বিশ্বের একটি জীবন্ত শব্দলেখচিত্র বা ফোনোগ্রাফ।
** '''''উইলিয়াম থমাস স্টিড''''' (মে ১৮৮৬), "গভর্নমেন্ট বাই জার্নালিজম", ''কন্টেম্পোরারি রিভিউ''।
* সাংবাদিকতা (একটি সংজ্ঞা দেওয়া যাক): জীবনকে একগুচ্ছ গতানুগতিক ক্লিশে বা ধরাবাঁধা চেনা ছাঁচের ধারাবাহিকতা হিসেবে উপস্থাপন করার একটি শিল্প কিংবা বিজ্ঞান।
** '''''রিচার্ড সামারবেল''''', '''''অ্যাবনরমালি হ্যাপি''''' (১৯৮৫), নিউ স্টার বুকস, পৃ. ৩০, ISBN 091957341X।
== T ==
* সংবাদপত্র পড়ার নেশা থেকে পুরোপুরি মুক্তি পেতে চাইলে, একটি বছর ব্যয় করুন গত সপ্তাহের পুরোনো সংবাদপত্রগুলো পড়ার পেছনে! (যেন সত্য এবং মিথ্যার মাঝে তৌফাতটা ধরতে পারা যায়!)
** '''''নাসিম এন. তালেব''''', '''''দ্য বেড অফ প্রোক্রাস্টাস: ফিলোসফিক্যাল অ্যান্ড প্র্যাকটিক্যাল অ্যাফোরিজমস''''' (২০১০), পৃ. ২১।
* আমি সবসময়ই উন্নতমানের ও শৈল্পিক লিখনশৈলীর মানদণ্ড বজায় রাখার চেষ্টা করেছি। এই সাংবাদিকতা পেশার ভেতরেও শিল্প লুকিয়ে আছে। এমনকি এখানে অত্যন্ত মহান শিল্প সৃষ্টি হওয়ার প্রবল সম্ভাবনাও বিদ্যমান।
** '''''[[:w:গে টালিস|গে টালিস]]''''' (১৪ সেপ্টেম্বর ২০০৬); রিপোর্ট করেছেন রেবেকা ক্যাথকার্ট: '''''বুলপেন: এনওয়াইইউ জার্নালিজম''''', নিউ ইয়র্ক ইউনিভার্সিটি।
* একজন সংবাদ প্রতিবেদকের প্রকৃত শিল্প চাতুর্য হলো কোনো শিকারকে কীভাবে আশ্বস্ত করে শান্ত করতে হয় তা আয়ত্ত করা। কারণ সমস্ত দক্ষ প্রতিবেদকই আসলে তাঁদের প্রাথমিক সত্তায় একেকজন অত্যন্ত ধুরন্ধর প্রতারক বা 'কনফিডেন্স ট্রিকস্টার'।
** '''''ডেরেক টাঙ্গি''''', ব্রিটিশ লেখক, '''''দ্য ওয়ে টু মাইনাক''''' (১৯৬৮), সপ্তম অধ্যায়।
* আমি মোটেও বিশ্বাস করি না যে সাংবাদিকতা একটি মৃতপ্রায় শিল্প। বরং আমি মনে করি, এটি আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় এখন অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ; এবং বিশ্বজুড়ে সাংবাদিকরা আমাদের কর্মপদ্ধতির সাথে নিজেদের মানিয়ে নিচ্ছেন, যার মূল লক্ষ্য হলো সরকারি কর্মকর্তাদের জনগণের কাছে দায়বদ্ধ করা। সাংবাদিকের ভূমিকা অপরিহার্য, এবং সংবাদকর্মীরা মাঝে মাঝে জনরোষের শিকার বা নিন্দিত হলেও, তাঁরা যখন নিষ্ঠার সাথে সত্য অন্বেষণ করেন এবং ইতিবাচক ফলাফল বয়ে আনেন, তখন তাঁরা আজও অত্যন্ত উচ্চ মর্যাদায় ভূষিত হন। আমার প্রত্যাশা এই যে, ভবিষ্যতের সাংবাদিকরা এই পেশার প্রকৃত মূলনীতিগুলো মেনে চলবেন এবং এটি উপলব্ধি করবেন যে, দেশে ও বিদেশে গণতন্ত্রকে সমুন্নত রাখতে এবং মুক্ত চিন্তার আদান-প্রদানকে সচল রাখতে তাঁরা এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও অনবদ্য ভূমিকা পালন করছেন।
** '''''হেলেন থমাস''''', '''''ওয়াচডগস অফ ডেমোক্রেসি?''''' (২০০৬), সাইমন অ্যান্ড শুস্টার, ভূমিকা অংশ, ISBN 0743267818।
* বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা নিয়ে এই হলো আমার বক্তব্য। আমার কোনো নামলিপির নিচে বা আমার চেনা অন্য কারোর লেখার মাঝেও এটি খুঁজে পাওয়ার বৃথা চেষ্টা করে লাভ নেই। খেলার স্কোরকার্ড, ঘোড়দৌড়ের ফলাফল কিংবা শেয়ার বাজারের তালিকার মতো গুটিকতক ব্যতিক্রম ছাড়া এই পৃথিবীতে 'বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা' বলে আসলে কিছুর অস্তিত্ব নেই। এই শব্দগুচ্ছটি নিজেই নিজের অর্থের মধ্যে এক উদ্ধত ও হাস্যকর বৈপরীত্য ছাড়া আর কিছুই নয়।
** '''''হান্টার এস. থম্পসন''''', '''''ফিয়ার অ্যান্ড লোদিং: অন দ্য ক্যাম্পেইন ট্রেইল '৭২''''' (২২ এপ্রিল ১৯৮৫), পৃ. ৪৮, ISBN 0446313645।
* "সংবাদপত্র যদি কেবল এইটুকুই দেওয়ার ক্ষমতা রাখে, তবে তা নিয়ে মাথা ঘামানোর দরকার কী? অ্যাগনিউ ঠিকই বলেছিলেন। সংবাদমাধ্যম হলো একদল নিষ্ঠুর ও বিকৃত মানুষের আস্তানা। সাংবাদিকতা কোনো পেশা বা সাধারণ ব্যবসা নয়। এটি হলো ব্যর্থ আর অযোগ্যদের ভিড় জমানোর এক সস্তা আশ্রয়স্থল। জীবনের পেছনের দরজার দিকে যাওয়ার জন্য এটি একটি মিথ্যে প্রবেশপথ। এটি বিল্ডিং পুলিশ ইন্সপেক্টর কর্তৃক পরিত্যক্ত এক নোংরা ও দুর্গন্ধযুক্ত গর্ত, যা কেবল কোনো মদ্যপ-ভবঘুরে ব্যক্তির ফুটপাত থেকে গুটিয়ে শুয়ে থাকার জন্য কিংবা চিড়িয়াখানার খাঁচায় বন্দি কোনো শিম্পাঞ্জির মতো কুরুচিপূর্ণ আচরণের উপযুক্ত স্থান হিসেবে যথেষ্ট গভীর।"
** '''''হান্টার এস. থম্পসন''''', '''''ফিয়ার অ্যান্ড লোদিং ইন লাস ভেগাস''''' (১৯৭১), পৃ. ২০০।
== U ==
* প্রত্যেকে ব্যক্তিরই স্বাধীনভাবে নিজস্ব মত পোষণ এবং তা প্রকাশের অধিকার রয়েছে। এই অধিকারের মধ্যে কোনো প্রকার হস্তক্ষেপ ছাড়াই স্বীয় মতামতে অটল থাকা এবং যেকোনো সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে এবং ভৌগোলিক সীমানা নির্বিশেষে তথ্য ও ধারণা অনুসন্ধান করা, গ্রহণ করা এবং তা প্রচার করার স্বাধীনতা অন্তর্ভুক্ত।
** '''''[[:w:জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ|জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ]]''''', '''''মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণা''''', [[w:জাতিসংঘ|জাতিসংঘ]], প্যালে ডি শাইলট, প্যারিস (১০ ডিসেম্বর ১৯৪৮), ধারা ১৯। [http://www.un.org/Overview/rights.html মূল পাঠ্য]
== V ==
[[File:Superman-facebook.svg|thumb|সাংবাদিকতা হলো সেই একমাত্র সত্তা যা আমাদেরকে সুরক্ষা প্রদান করতে পারে। ঐতিহাসিকভাবেই এমন কিছু আপসহীন ও প্রতিবাদী সাংবাদিক ছিলেন যারা পরিণতির পরোয়া না করে সত্যের পথে লড়াই করতেন। কিন্তু সেই ধারা এখন 'অ্যাডভোকেসি জার্নালিস্ট' বা ওকালতি সাংবাদিকতায় রূপ নিয়েছে, যাদের নির্দিষ্ট বামপন্থী কিংবা ডানপন্থী রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্ব রয়েছে। এর কোনো যৌক্তিক ভিত্তি নেই। একজন সাংবাদিকের একমাত্র উপাসনার বিষয় হওয়া উচিত ধ্রুব সত্য।<br>~'''''অ্যান্ড্রু ভাকস''''' ]]
* সাংবাদিকতা হলো সেই একমাত্র মাধ্যম যা আমাদের ঢাল হয়ে রক্ষা করে। অতীতে এমন অনেক আপসহীন ও লড়াকু সাংবাদিকের ইতিহাস ছিল যারা পরিণতির পরোয়া না করেই সত্য প্রকাশে অবিচল থাকতেন। কিন্তু সেই জায়গাটি এখন দখল করে নিয়েছে এক ধরনের 'ওকালতি সাংবাদিকতা'! যেখানে সংবাদকর্মীরা বাম কিংবা ডানপন্থী রাজনৈতিক আদর্শের প্রতি পক্ষপাতদুষ্ট। এটি মোটেও যুক্তিযুক্ত নয়। একজন সাংবাদিকের উপাসনার যোগ্য একমাত্র ঈশ্বর হওয়া উচিত পরম সত্য।
** '''''অ্যান্ড্রু ভাকস''''', ডুয়েন সোয়ারসিনস্কির নেওয়া সাক্ষাৎকার, ''ফিলডেলফিয়া সিটি পেপার'', (৭ জুলাই ২০০৫)।
== W ==
[[File:Oscar Wilde by Napoleon Sarony. Three-quarter-length photograph, seated.jpg|thumb|সাধারণ মানুষের মাঝে সবকিছু জানার এক অতৃপ্ত কৌতূহল কাজ করে, কেবল সেই বিষয়গুলো ছাড়া যা আসলে জানার যোগ্য। সাংবাদিকতা এই দুর্বলতা সম্পর্কে অনেক সচেতন এবং ব্যবসায়িক মানসিকতার অধিকারী হওয়ার ফলে তারা ঠিক সেই চাহিদাগুলোই মিটিয়ে থাকে।<br>~'''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''' ]]
* আমার একটি লক্ষ্য ছিল 'দ্য ''৬০ মিনিটস''' এর জন্য কাজ করা এবং বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে যাওয়ার সক্ষমতা অর্জন করা, যেকোনো বিষয়ের ওপর প্রতিবেদন তৈরি করা এবং প্রচারের জন্য যথেষ্ট সময় পাওয়া। সহজ কথায়, সাংবাদিকতায় এর সমতুল্য কোনো দ্বিতীয় কাজ আর নেই। শুরুতে এটি ছিল কেবল একটি স্বপ্ন। এখন ৮৪ বছর বয়সে এসেও আমি এমন সব মানুষের সাথে কাজ করছি যারা আমার অর্ধেক বয়সের বা তারও কম। আর এর মূল কারণ হলো সংবাদের প্রতি এক অমোঘ আকর্ষণ। যদি কোথাও কোনো ভালো সংবাদ বা গল্পের সুযোগ থাকে, তবে সেখানে উপস্থিত না হওয়ার কোনো কারণ আমি দেখি না।
** '''''মাইক ওয়ালেস''''', সাক্ষাৎকার: '''''অ্যাকাডেমি অফ অ্যাচিভমেন্ট''''', (৮ জুন ২০০২)।
* [[w:সংবাদ|সংবাদ]] হলো এমন কিছু যা সেই ব্যক্তিটি পড়তে চায় যে আসলে কোনো কিছু নিয়েই খুব একটা মাথা ঘামায় না। আর এটি ততক্ষণই সংবাদ হিসেবে টিকে থাকে যতক্ষণ না সে এটি পড়ছে। একবার পড়া হয়ে গেলে এটি স্রেফ একটি মৃত বিষয়ে পরিণত হয়।
** '''''ইভলিন ওয়াহ''''' (১৯৩৮), ''স্কুপ'', প্রথম খণ্ড, ৫ম অধ্যায়; উদ্ধৃতিটি পুনরুৎপাদন করা হয়েছে: ডেভিড ক্রিস্টাল ও হিলারি ক্রিস্টাল রচিত '''''ওয়ার্ডস অন ওয়ার্ডস: কোটেশনস অ্যাবাউট ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজেস''''' (২০০০), ইউনিভার্সিটি অফ শিকাগো প্রেস, পৃ. ২৭৭, ISBN 0226122018।
* এটি একটি ধ্রুব সত্য যে, কোনো অভিযোগের বিপরীতে দেওয়া খণ্ডন বা প্রতিবাদ কখনোই মূল অভিযোগের গতির সাথে পাল্লা দিয়ে উঠতে পারে না। যেসব সৎ সাংবাদিক ব্যক্তি হয়তো ভুলবশত কোনো মিথ্যা তথ্য ছাপিয়ে ফেলতে পারেন, তাঁরা খুব ভালো করেই জানেন যে অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে প্রকাশিত কোনো প্রতিবাদলিপি বা সংশোধনীও মূল প্রতিবেদনের মাধ্যমে হওয়া ক্ষতির ক্ষত কখনোই পুরোপুরি মুছে ফেলতে পারে না।
** '''''টম উইকার''''', [http://www.nytimes.com/1989/06/09/opinion/in-the-nation-lesson-of-lattimore.html "ইন দ্য নেশন; লেসন অফ ল্যাটিমোর"], '''''[[:w:দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস|দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস]]''''', (৯ জুন ১৯৮৯)।
* সেটি ছিল এক মারাত্মক ও অভিশপ্ত দিন যখন সাধারণ মানুষ প্রথম আবিষ্কার করল যে, কলম আসলে ফুটপাতের ইটের চেয়েও ভয়ংকর রকম্ন শক্তিশালী এবং একে অনায়াসেই ইটের টুকরোর মতো আক্রমণাত্মক করে তোলা সম্ভব! | এই সত্য জানার পরপরই তারা একজন সাংবাদিকের খোঁজ করল, তাকে খুঁজে বের করল, তাকে নিজেদের প্রয়োজনের তাগিদে তথা 'আপনা-সুবিধা' বাস্তবায়নের জন্য গড়ে তুলল এবং শেষ পর্যন্ত তাকে নিজেদের এক পরিশ্রমী ও উচ্চ বেতনের ভৃত্যে পরিণত করল। এটি উভয় পক্ষের জন্যই অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়। যুদ্ধের ব্যারিকেডের পেছনে হয়তো মহত্ত্ব আর বীরত্বের অনেক কিছু থাকতে পারে। কিন্তু সংবাদপত্রের সম্পাদকীয় বা প্রধান নিবন্ধগুলোর পেছনে কুসংস্কার, মূর্খতা, ভণ্ডামি আর নিরর্থক প্রলাপ ছাড়া আর কী-ই বা আছে? আর যখন এই চারটি বিষয় একত্রিত হয়, তখন তারা এক ভয়াবহ শক্তিতে রূপান্তরিত হয় এবং এক নতুন ও একনায়কতান্ত্রিক কর্তৃত্বের সৃষ্টি করে।
** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''[[:w:দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম|দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম]]''''' (১৮৯১); লন্ডন: আর্থার এল. হামফ্রেস (১৯১২ সংস্করণ)। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরি থেকে সংগৃহীত।
* প্রাচীনকালে মানুষের ওপর নির্যাতন করার জন্য 'র্যাক' (The Rack) নামক যন্ত্র ছিল, আর এখন তাদের হাতে আছে সংবাদমাধ্যম বা প্রেস। এটি নিশ্চিতভাবেই একটি উন্নতি বলা যায়। কিন্তু তা সত্ত্বেও এটি অত্যন্ত মন্দ, ভুল এবং নৈতিকভাবে অবক্ষয় সৃষ্টিকারী। কেউ একজন—তিনি কি বার্ক ছিলেন? সাংবাদিকতাকে 'চতুর্থ স্তম্ভ' বা ফোর্থ এস্টেট বলে অভিহিত করেছিলেন। সেই সময়ে সেটি নিঃসন্দেহে সত্য ছিল। কিন্তু বর্তমান মুহূর্তে এটিই আসলে একমাত্র স্তম্ভে পরিণত হয়েছে। কারণ এটি অন্য বাকি তিনটি স্তম্ভকেই গ্রাস করে ফেলেছে। লর্ডস টেম্পোরাল বা উচ্চকক্ষ এখন নিশ্চুপ, লর্ডস স্পিরিচুয়াল বা ধর্মীয় প্রতিনিধিদের বলার মতো কিছুই নেই এবং হাউজ অফ কমন্স বা নিম্নকক্ষের বলার মতো কিছু না থাকলেও তারা অনবরত কথা বলে যাচ্ছে। আমরা এখন পুরোপুরি সাংবাদিকতার আধিপত্য দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হচ্ছি।
** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''[[:w:দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম|দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম]]''''' (১৮৯১); লন্ডন: আর্থার এল. হামফ্রেস (১৯১২ সংস্করণ)। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরি থেকে সংগৃহীত।
* আমেরিকায় প্রেসিডেন্ট মাত্র চার বছরের জন্য রাজত্ব করেন, কিন্তু সাংবাদিকতা সেখানে শাসন চালায় অনন্তকাল ধরে! সৌভাগ্যবশত, ইতোমধ্যে আমেরিকায় 'সাংবাদিকতা' তার ক্ষমতাকে সবচেয়ে জঘন্য এবং পাশবিক চরম সীমায় নিয়ে গেছে। যার স্বাভাবিক পরিণতি হিসেবে এটি মানুষের মাঝে এক বিদ্রোহের চেতনা সৃষ্টি করতে শুরু করেছে! মানুষ এখন তাদের স্বভাব অনুযায়ী এই সাংবাদিকতা দেখে হয় বিনোদিত হয়, না হয় চরম বিরক্ত হয়। কিন্তু এটি আগের মতো আর সেই প্রকৃত প্রভাবশালী শক্তিতে টিকে নেই। মানুষ একে এখন আর খুব একটা গুরুত্ব দেয় না। অন্যদিকে [[w:ইংল্যান্ড|ইংল্যান্ডে]], সুপরিচিত গুটিকতক উদাহরণ ছাড়া সাংবাদিকতাকে যেহেতু এমন পাশবিক চরম সীমায় নিয়ে যাওয়া হয়নি, তাই এটি এখনও একটি বিশাল বড় প্রভাবক এবং এক উল্লেখযোগ্য শক্তি হিসেবে টিকে আছে। মানুষের ব্যক্তিগত জীবনের ওপর এটি যে ধরণের স্বৈরতান্ত্রিক শাসন কায়েম করতে চায়, তা আমার কাছে অত্যন্ত অস্বাভাবিক ও বিস্ময়কর বলে মনে হয়।
** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''[[:w:দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম|দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম]]''''' (১৮৯১); লন্ডন: আর্থার এল. হামফ্রেস (১৯১২ সংস্করণ)। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরি থেকে সংগৃহীত।
* আমরা এখানে সাংবাদিককে নিরঙ্কুশ স্বাধীনতা দিয়েছি, অথচ শিল্পীর পথকে করেছি সম্পূর্ণ কণ্টকাকীর্ণ ও সীমাবদ্ধ। ইংরেজ জনমত মূলত সেই মানুষটিকেই বাধাগ্রস্ত করতে, অবদমিত করতে এবং তাঁর যাত্রাপথকে বিকৃত করতে চায়, যিনি প্রকৃতপক্ষে সুন্দর কিছু সৃষ্টি করেন। অন্যদিকে এটিই আবার সাংবাদিককে বাধ্য করে কুৎসিত, জঘন্য কিংবা বাস্তবিকভাবেই চরম ঘৃণ্য বিষয়গুলো পরিবেশন করতে। আর এর ফলস্বরূপ আমরা একই সাথে বিশ্বের সবচেয়ে গম্ভীর সাংবাদিকতা এবং সবচেয়ে কুরুচিপূর্ণ সংবাদপত্রের অধিকারী হয়েছি।
** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''[[:w:দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম|দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম]]''''' (১৮৯১); লন্ডন: আর্থার এল. হামফ্রেস (১৯১২ সংস্করণ)। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরি থেকে সংগৃহীত।
* প্রকৃত সত্য এই যে, সাধারণ মানুষের মাঝে সবকিছু জানার এক প্রচণ্ড ও অতৃপ্ত কৌতূহল কাজ করে, কেবল সেই বিষয়গুলো ছাড়া যা আসলে জানার মতো কোনো যোগ্যতাই রাখে না। সাংবাদিকতা মানুষের এই চারিত্রিক দুর্বলতা সম্পর্কে পূর্ণ সচেতন এবং এক ধরণের খাঁটি ব্যবসায়িক মানসিকতার অধিকারী হওয়ার ফলে, তারা নিছক মুনাফার দায়ে মানুষের সেই কুরুচিপূর্ণ চাহিদাগুলোই পূরণ করে থাকে।
** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''[[:w:দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম|দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম]]''''' (১৮৯১); লন্ডন: আর্থার এল. হামফ্রেস (১৯১২ সংস্করণ)। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরি থেকে সংগৃহীত।
* আধুনিক সাংবাদিকতার পক্ষে বলার মতো আসলে অনেক কিছু আছে। অল্পশিক্ষিত বা মূর্খদের মতামত আমাদের সামনে উপস্থাপনের মাধ্যমে এটি আমাদের সমাজের সামগ্রিক অজ্ঞতার সাথে নিবিড়ভাবে যুক্ত রাখে। সমসাময়িক জীবনের দৈনন্দিন ঘটনাবলী অত্যন্ত সতর্কতার সাথে ধারাবাহিকভাবে লিপিবদ্ধ করার মাধ্যমে এটি আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয় যে, আদতে এই সব ঘটনার গুরুত্ব কতই না নগণ্য। আর সবসময় অপ্রয়োজনীয় বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে এটি আমাদের বুঝতে সাহায্য করে যে, সংস্কৃতির জন্য ঠিক কোন বিষয়গুলো অপরিহার্য এবং কোনগুলো একেবারেই অকেজো।
** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''দ্য ক্রিটিক অ্যাজ আর্টিস্ট''''' (১৮৯১), দ্বিতীয় খণ্ড।
* আর্নেস্ট: কিন্তু সাহিত্য এবং সাংবাদিকতার মধ্যে প্রকৃত পার্থক্যটি ঠিক কোথায়? গিলবার্ট: পার্থক্য শুধু এইটুকু যে সাংবাদিকতা হলো পাঠের অযোগ্য বিষয়, আর সাহিত্য কেউ সচরাচর পাঠ করে না। সাধারণত, এর বাইরে আর কোনো তফাৎ নেই।
** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''[[:w:দ্য ক্রিটিক অ্যাজ আর্টিস্ট|দ্য ক্রিটিক অ্যাজ আর্টিস্ট]]''''' (১৮৯১), প্রথম খণ্ড; নিউ ইয়র্ক: ব্রেটানোস (১৯০৫ সংস্করণ)। লাইব্রেরি অফ কংগ্রেস থেকে সংগৃহীত।
* আধুনিক সাংবাদিকতার কথা যদি বলেন, তবে এর স্বপক্ষে সাফাই গাওয়া বা একে রক্ষা করা আমার কাজ নয়। এটি ডারউইনের সেই বিবর্তনবাদ তত্ত্ব তথা 'যোগ্যতমের টিকে থাকার লড়াই'—এর পরিবর্তে 'নিকৃষ্টতমের টিকে থাকা' বা সার্ভাইভাল অফ দ্য ভালগারেস্টের মহান মূলনীতির মাধ্যমেই নিজের অস্তিত্বের যৌক্তিকতা প্রমাণ করে।
** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''[[:w:দ্য ক্রিটিক অ্যাজ আর্টিস্ট|দ্য ক্রিটিক অ্যাজ আর্টিস্ট]]''''' (১৮৯১), প্রথম খণ্ড; নিউ ইয়র্ক: ব্রেটানোস (১৯০৫ সংস্করণ)। লাইব্রেরি অফ কংগ্রেস থেকে সংগৃহীত।
* ঘুস দিয়ে যদি সাংবাদিককে বশে আনতে চান,<br>তবে আপনাকে নিন্দাবাদ<br />কিংবা নিজ স্বার্থের জন্য যদি বাঁকিয়ে ফেলতেও যান,<br>আপনাকে মুর্দাবাদ,<br />তাই গাহি স্রষ্টার গান!<br>-জনৈক ব্রিটিশ সাংবাদিক<br /><br>তবে, কোনো প্রকার ঘুস ছাড়াই সেই মানুষটি যা যা করতে সক্ষম—<br />তা দেখার পর, তাঁকে ঘুস দেওয়া ছাড়া আর কোন প্রয়োজনটিই অক্ষম!
** '''''হাম্বার্ট উলফ''''', "ওভার দ্য ফায়ার", ''দ্য আনসেলেস্টিয়াল সিটি'' (১৯৩০)-এ, ''রুপান্তরঃ'' '''মাহমুদ''' (২৩ এপ্রিল, ২০২৬)।
* যদি [[:w:মঙ্গল গ্রহ|মঙ্গল গ্রহ]] থেকে কেউ আমেরিকায় আসে এবং সেখানে কয়েক মাস বা কয়েক বছর ঘুরে বেড়ানোর পর আপনি তাকে জিজ্ঞাসা করেন যে, সেখানে কাদের কাজ বা পেশা সবচেয়ে চমৎকার; তবে সে নিশ্চিতভাবেই সাংবাদিকদের কথা বলবে। কারণ সাংবাদিকরা মানুষের জীবনের সেই মুহূর্তগুলোতে প্রবেশ করার সুযোগ পান যখন সেই জীবনগুলো অত্যন্ত আকর্ষণীয় ও রোমাঞ্চকর থাকে, আর ঠিক যখনই আকর্ষণ ফুরিয়ে যায়, তখনই তাঁরা সেখান থেকে নির্বিঘ্নে বেরিয়ে আসতে পারেন।
** '''''[[:w:বব উডওয়ার্ড|বব উডওয়ার্ড]]''''', সাক্ষাৎকার: '''''অ্যাকাডেমি অফ অ্যাচিভমেন্ট''''', (১ মে ২০০৩)।
== Y ==
* আমি সাংবাদিকদের মনে প্রাণে খুব-ই ঘৃণা করি! তাদের ভেতরটা বিদ্রূপাত্মক এবং উপহাসপূর্ণ শূন্যতা ছাড়া আর কিছুই নয়, জাস্ট কিছুই নয়!.. এই পৃথিবীর পৃষ্ঠে তারা হলো সবচেয়ে নিচু প্রকৃতির আর অন্তঃসারশূন্য একদল বুনো মানুষ!
** '''''[[:w:ডব্লিউ. বি. ইয়েটস|ডব্লিউ. বি. ইয়েটস]]''''', ক্যাথরিন টাইন্যানকে লেখা চিঠি (৩০ আগস্ট ১৮৮৮)।
* একজন রাষ্ট্রনায়ক বেশ সহজ-সরল ভাবুক,<br />কিন্তু তিনি তো টিয়ে পাখির মতো অনর্গল যন্ত্রতুল্য মিথ্যুক!<br />তবে একজন সাংবাদিক খুব আরামসে ধরতে পারেন আপনার মিথ্যের খুঁটি ,<br />এবং এরপর সেই মিথ্যের জোরেই চেপে ধরেন আপনার টুঁটি।
** '''''[[:w:ডব্লিউ. বি. ইয়েটস|ডব্লিউ. বি. ইয়েটস]]''''', ''দ্য ওল্ড স্টোন ক্রস''-এ, ''রুপান্তরঃ'' '''মাহমুদ'''।
* বর্তমান সময়ের সাংবাদিকতা, বড় বড় শহরগুলোর সংবাদপত্রগুলোর মধ্যকার পারস্পরিক সম্পর্কের কথা বিবেচনা করলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তাদেরকে বেশ ভদ্রোচিত এবং মার্জিত বলে মনে হয়। কিন্তু সেই দিনগুলোতে নিউ ইয়র্কের দৈনিক পত্রিকাগুলো একে অপরের কর্মকাণ্ড এবং উদ্দেশ্যকে প্রকাশ্যে এমন ঘৃণাভরে আক্রমণ করত, যা সচরাচর পরম সৎ নাগরিকরা ঘোড়া-চোর কিংবা ডাকাতদের প্রতি প্রকাশ করে থাকেন। 'দ্য সানের' ডানা এবং 'দ্য ওয়ার্ল্ডের' পুলিৎজারের মধ্যকার দীর্ঘস্থায়ী দ্বন্দ্ব সে সময় ব্যাপক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ছিল। এমনকি 'ওয়ার্ল্ড' এবং 'হেরাল্ড' পত্রিকা দুটিও প্রায়ই একে অপরের ওপর নেকড়ের মতো ক্ষিপ্ত হয়ে গর্জন করত।
** '''''আর্ট ইয়ং: হিজ লাইফ অ্যান্ড টাইমস''''' (১৯৩৯)।
===''হয়েটস নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস''===
:<small>'''''[[s:en:Hoyt's New Cyclopedia Of Practical Quotations (1922)|হয়েটস নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস]]''''' (১৯২২), পৃ. ৪০৭-০৮ থেকে প্রতিবেদনকৃত উদ্ধৃতিসমূহ।</small>
* আমি তাঁদের মঙ্গলের জন্য অত্যন্ত আন্তরিকভাবে এই পরামর্শ দেব—যেন তাঁরা এই সংবাদপত্রটি নিয়মিত সংগ্রহ করার আদেশ দেন এবং একে তাঁদের প্রতিদিনের বৈকালিক আপ্যায়নের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে গণ্য করেন।
** [[জোসেফ অ্যাডিসন|'''''জোসেফ অ্যাডিসন''''',]] ''স্পেকটেটর'', সংখ্যা ১০।
* তারা আমাদের কাগজ তৈরির শিল্পের একটি বিশাল অংশ ভোগ করে, মুদ্রণ কাজে আমাদের কারিগরদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে এবং অগণিত দরিদ্র ও অভাবী মানুষের জন্য জীবিকা নির্বাহের পথ প্রশস্ত করে দেয়।
** '''''[[জোসেফ অ্যাডিসন]]''''', ''স্পেকটেটর'', সংখ্যা ৩৬৭।
* বিজ্ঞাপন সাধারণ বা নিম্নবিত্ত মানুষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী একটি মাধ্যম। প্রথমত, এটি উচ্চাকাঙ্ক্ষা পূরণের হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে। একজন মানুষ যিনি কোনোভাবেই সরকারি গেজেটে স্থান পাওয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ নন, তিনি খুব সহজেই বিজ্ঞাপনের পাতায় নিজেকে ঢুকিয়ে দিতে পারেন। যার ফলে আমরা প্রায়ই দেখি একই সংবাদপত্রে একজন সাধারণ ওষুধ বিক্রেতা বা কবিরাজ একজন পূর্ণ ক্ষমতাপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূতের পাশে স্থান পেয়েছেন, কিংবা একজন সাধারণ বার্তাবাহক কোনো উচ্চপদস্থ দূতের সাথে একই সারিতে দাঁড়িয়ে আছেন।
** '''''[[জোসেফ অ্যাডিসন]]''''', ''ট্যাটলার'', সংখ্যা ২২৪।
* বিজ্ঞাপন লেখার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় কৌশল বা শিল্প হলো পাঠকের দৃষ্টি আকর্ষণ করার সঠিক পদ্ধতিটি খুঁজে বের করা। কারণ এই কৌশল ছাড়া একটি অত্যন্ত চমৎকার বস্তুও হয়তো অলক্ষিতও থেকে যেতে পারে, কিংবা দেউলিয়া হওয়ার সংবাদের ভিড়ে কোথাও হারিয়ে যেতে পারে।
** '''''[[জোসেফ অ্যাডিসন]]''''', ''ট্যাটলার'', সংখ্যা ২২৪।
* জিজ্ঞেস করছেন কীভাবে জীবন ধারণ করবেন? লিখুন, লিখুন, যা খুশি তা-ই লিখুন;<br>এই পৃথিবীটা এক চমৎকার বিশ্বাসপ্রবণ জগত, তাই স্রেফ সংবাদ লিখে যান।
** '''''বিউমন্ট এবং ফ্লেচার''''', ''উইট উইদাউট মানি'', দ্বিতীয় অংক।
* [বিরোধী সংবাদমাধ্যম] মূলত এমন সব অসন্তুষ্ট ও ঈর্ষাপরায়ণ ব্যক্তিদের হাতে ন্যস্ত থাকে, যারা নিজেদের কর্মজীবনে শোচনীয়ভাবে ব্যর্থ হয়েছে।
** '''''[[:w:অটো ফন বিসমার্ক|অটো ফন বিসমার্ক]]''''', রুজেনের একটি প্রতিনিধি দলের নিকট রাজার উদ্দেশে (১০ নভেম্বর ১৮৬২)।
* শোনো ওহে কেকের দেশ, আর স্কটল্যান্ডের ভাইয়েরা,<br>মেইডেনকার্ক থেকে জনি গ্রোটস—স্কল প্রান্তের মানুষেরা;<br>যদি তোমাদের পোশাকে কোনো তালি থাকে,<br>তবে সতর্ক করছি, তোমাদের সত্তা যেন সাবধানে থাকে।<br>তোমাদের মাঝে এমন এক আপদ বিদ্যমান, যে তুমাদের মাঝে কান পাতছে<br>এবং বিশ্বাস করো, সে নির্ঘাত তা সংবাদে ছাপিয়ে দিতে যাচ্ছে!
** '''''[[:w:রবার্ট বার্নস|রবার্ট বার্নস]]''''', ''অন ক্যাপটেন গ্রোস'স পেরেগ্রিনেশনস থ্রু স্কটল্যান্ড''।
* সম্পাদক তাঁর নিরব আলয়ে পড়ছে ঢুলে ঢুলে, অসম চিন্তার ভাঁজ তার কপালে,<br>মন তাঁর নিমগ্ন ব্যবসার অতলসম তলে, আর পা জোড়া তোলা চেয়ারের হাতলে,<br>এক হাত চেয়ারে ঠেকানো আর ডান হাত মাথায়টায়,<br>ধুলোমাখা মলিন টেবিলে তাঁর চোখ জোড়া ঠেকানো আর নথির পাহাড় ছড়িয়ে সেথায়!
** '''''উইল কার্লটন''''', ''ফার্ম ব্যালাডস'', ''দ্য এডিটর'স গেস্টস, রুপান্তরঃ '''মাহমুদ''''' (২৩ এপ্রিল, ২০২৬)।
* এডমন্ড বার্ক বলেছিলেন যে পার্লামেন্টে তিনটি স্তম্ভ বা এস্টেট রয়েছে; কিন্তু ওই দূরে প্রতিবেদকদের গ্যালারিতে এমন এক 'চতুর্থ স্তম্ভ' উপবিষ্ট আছে যা অন্য সবার চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
** '''''[[:w:টমাস কার্লাইল|টমাস কার্লাইল]]''''', '''''হিরোস অ্যান্ড হিরো-ওয়ারশিপ''''', বক্তৃতা ৫। বার্ককে এই শব্দটি উদ্ভাবনের কৃতিত্ব দেওয়া হলেও তাঁর প্রকাশিত কোনো রচনায় এর উল্লেখ পাওয়া যায় না। 'রাজ্যের তিনটি স্তম্ভ' হলো '''Lords Spiritual''' বা ধর্মীয় প্রতিনিধি, '''Lords Temporal''' উচ্চকক্ষ এবং '''Commons''' (নিম্নকক্ষ)। ডেভিড লিন্ডসে ১৫৩৫ সালে তাঁর 'অ্যান প্লেজেন্ট স্যাটায়ার অফ দ্য থ্রি এস্টেটসে' এর বর্ণনা দিয়েছেন। রাবেলে তাঁর 'পান্তাগ্রুয়েলে'(৪-৪৮) একজন সন্ন্যাসী, একজন বাজপাখি শিকারি, একজন আইনজীবী এবং একজন কৃষককে দ্বীপের '''Les quatre estatz de l'isle''' বা 'চারটি স্তম্ভ' হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
* একটি পার্লামেন্ট বা সংসদ, যা কি না সাংবাদিকদের মাধ্যমে বানকম্বের জনগণের কাছে এবং সেই দুই কোটি সত্তর লক্ষ মানুষের কাছে কথা বলে, যাঁদের অধিকাংশকেই নির্বোধ হিসেবে গণ্য করা যায়।
** '''''[[:w:টমাস কার্লাইল|টমাস কার্লাইল]]''''', '''''লেটার ডে প্যামফ্লেটস''''', সংখ্যা ৬: পার্লামেন্ট।
* প্রথমে আপনার প্রয়োজনীয় তথ্যগুলো সঠিকভাবে সংগ্রহ করুন, আর তারপর আপনি নিজের ইচ্ছেমতো সেগুলোকে যত খুশি বিকৃত করতে পারেন।
** '''''[[:w:মার্ক টোয়েন|মার্ক টোয়েন]]''''', কিপলিংয়ের সাথে সাক্ষাৎকার; '''''ইন ফ্রম সি টু সি''''', পত্র ৩৭।
* স্রেফ একটি সংবাদপত্র! যা দ্রুত পড়া হয় এবং দ্রুতই হারিয়ে যায়,<br>কে আর হিসাব রাখে সেই অমূল্য রত্নভাণ্ডারের, যা এটি বহন করে নিয়ে যায়?<br>ছিন্নভিন্ন হয়ে পায়ের তলায় পিষ্ট হওয়া সেই উজ্জ্বল নক্ষত্রের মতো মেধার মূল্যই বা ক’জন দেয়?
** '''''মেরি ক্লেমার''''', ''দ্য জার্নালিস্ট'', স্তবক ৯।
* নিজের প্রজন্মের সেবা করাই তোমার নিয়তি—<br>জলের ওপর যেমন নাম লিখলে তা মুছে যায়, ঠিক তেমনি তোমার নামও দ্রুতই মিলিয়ে যাবে।<br>কিন্তু যে ব্যক্তি মানবতাকে ভালোবাসেন, তিনি আদিতে ও অন্তে এমন এক মহান কর্ম সম্পাদন করেন যা খ্যাতির গণ্ডির চেয়েও অনেক বড়।
** '''''মেরি ক্লেমার''''', ''দ্য জার্নালিস্ট'', অন্তিম স্তবক।
* আমার মনে হয় কোথাও বলা হয়েছে যে—'দ্য টাইমস'-এর একটি মাত্র সংখ্যায় থুসিডাইডিসের সমগ্র ঐতিহাসিক রচনার চেয়েও অনেক বেশি দরকারী ও কার্যকর তথ্য নিহিত থাকে।
** '''''রিচার্ড কবডেন''''', ম্যানচেস্টার অ্যাথেনিয়ামে প্রদত্ত ভাষণ (২৭ ডিসেম্বর ১৮৫০)। দেখুন: দ্য টাইমস, ৩০ ডিসেম্বর ১৮৩০, পৃ. ৭; মর্লির 'লাইফ অফ কবডেন'-এ উদ্ধৃত, ২য় খণ্ড, পৃ. ৪২৯।
* যদি মৈত্রীর চেতনা সর্বত্র জয়ী হতো, তবে এই সংবাদমাধ্যম বা প্রেস নিশ্চিতভাবেই<br>সততা, সত্য এবং ভালোবাসার এক মহান বাহন হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করত।
** '''''উইলিয়াম কাউপার''''', ''চ্যারিটি'', লাইন ৬২৪।
* কীভাবে আমি তোমার প্রশংসা করব, বা কিভাবে সম্বোধিত হবে সেই পরাক্রমী অনড়,<br>হে সংবাদমাধ্যম—তুমিই তো আমাদের এই পৌত্তলিক আরাধনার অধিশ্বর!<br>* * * * *<br>স্বর্গের সেই নিষিদ্ধ জ্ঞানবৃক্ষের সাথেই,<br>ভালো এবং মন্দের যাবতীয় জ্ঞান তো প্রেরিত হয় তোমার মাধ্যমেই!
** '''''উইলিয়াম কাউপার''''', ''প্রোগ্রেস অফ এরর'', লাইন ৪৫২, ''বাংলায় কাব্যিক রুপান্তরঃ'' '''মাহমুদ''' (১৩ এপ্রিল, ২০২৬)।
* তিনি এসেছেন, এক অশান্ত মহাবিশ্বের বার্তাবাহক হয়ে—<br>কর্দমাক্ত বুট, কোমরবন্ধনীতে বাঁধা পোশাক আর জমে থাকা তুষারশুভ্র চুলের অবয়ব নিয়ে;<br>মহাবিশ্বের তাবৎ সংবাদ ঝুলছে তার পিঠে আকাশসম বোঝা হয়ে!
** '''''উইলিয়াম কাউপার''''', ''দ্য টাস্ক'' (১৭৮৫), চতুর্থ খণ্ড, লাইন ৫, ''রুপান্তরঃ'' '''মাহমুদ'''।
* যখনই কোনো মূল্যবান তথ্যের সন্ধান পাবেন, তখনই তা টুকে রাখুন।
** '''''[[:w:চার্লস ডিকেন্স|চার্লস ডিকেন্স]]''''', ''ডম্বি অ্যান্ড সান'', ১৫তম অধ্যায়।
* বিবিধ বিষয়ের লেখকরাই প্রতিটি জাতির কাছে সবচেয়ে জনপ্রিয় লেখক হিসেবে সমাদৃত হন। কারণ তাঁরাই মূলত শিক্ষিত এবং অশিক্ষিত সামাজিক স্তরের মধ্যে যোগাযোগের একটি সেতুবন্ধন তৈরি কর যান, যেন জন মানুষের এই দুটি বিশাল স্তর বা বিভাগের মাঝখানে তাঁরা এক শৈল্পিক সেতু নির্মাণ করে দিতে পারেন।
** '''''আইজ্যাক ডি'ইজরায়েলি''''', ''লিটারারি ক্যারেক্টার অফ মেন অফ জিনিয়াস'', বিবিধ লেখক বিভাগ।
* আমাদের রাজনৈতিক লেখকদের কেউই... রাজা, লর্ডস এবং কমন্স, এই তিনটি স্তম্ভ বা এস্টেটের বাইরে অন্য কিছুর দিকে নজর দেন না... তাঁরা অত্যন্ত সুকৌশলে সেই বিশাল ও প্রভাবশালী অংশটিকে এড়িয়ে যান যারা এই সমাজের প্রকৃত 'চতুর্থ স্তম্ভ' গঠন করে... আর সেই শক্তিটি হলো 'জনসাধারণ' বা গণমানুষের ভিড়।
** '''''[[:w:হেনরি ফিল্ডিং|হেনরি ফিল্ডিং]]''''', ''কোভেন্ট গার্ডেন জার্নাল'' (১৩ জুন ১৭৫২)।
* যদি কেলেঙ্কারির অভাবের কারণে হয় মানসিক অবসাদ<br>আমাদের প্রিয় নারীদের ব্যথিত করে—তবে তাঁদের পড়তে দিন সংবাদ।
** '''''ডেভিড গ্যারিক''''', শেরিডানের 'স্কুল ফর স্ক্যান্ডাল' এর প্রস্তাবনা।
* সংবাদপত্রের স্বাধীনতা হলো একজন ইংরেজ নাগরিকের সমস্ত দেওয়ানি, রাজনৈতিক এবং ধর্মীয় অধিকারের এক অপরাজেয় সুরক্ষাকবচ বা প্যালাডিয়াম।
** '''''[[:w:জুনিয়াস (লেখক)|জুনিয়াস]]''''', ''ডেডিকেশন টু লেটারস''।
* একজন সংবাদ লেখকের সর্বোচ্চ দৌড় হলো রাজনীতির ওপর কিছু অন্তঃসারশূন্য যুক্তি প্রদান করা এবং সরকারি ব্যবস্থাপনার ওপর ভিত্তিহীন ও বৃথা অনুমান করা।
** '''''জঁ দ্য লা ব্রুয়েয়ার''''', ''দ্য ক্যারেক্টারস অর ম্যানার্স অফ দ্য প্রেজেন্ট এজ'' (১৬৮৮), প্রথম অধ্যায়।
* একজন সংবাদ লেখক রাতের বেলা অত্যন্ত প্রশান্তির সাথে এমন একটি সংবাদের ওপর ভরসা করে ঘুমোতে যান যা ভোরের আলো ফোটার আগেই দেখা যায় পচে নষ্ট হয়ে যায়! এবং ঘুম থেকে ওঠার সাথে সাথেই তিনি তা আবর্জনার মতো ছুঁড়ে ফেলে দিতে বাধ্য হন।
** '''''জঁ দ্য লা ব্রুয়েয়ার''''', ''দ্য ক্যারেক্টারস অর ম্যানার্স অফ দ্য প্রেজেন্ট এজ'' (১৬৮৮), প্রথম অধ্যায়।
* '''প্রতিটি সংবাদপত্রের সম্পাদক শয়তানের কাছে তাঁর আনুগত্যের খাজনা দিতে বাধ্য!'''
** '''''[[:w:জঁ দ্য লা ফোঁতেন|জঁ দ্য লা ফোঁতেন]]''''', ''লেত্রে আ সিমোঁ দ্য ত্রোয়া'' (১৬৮৬)।
* সংবাদপত্র সবসময়ই কৌতূহল জাগিয়ে তোলে। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো, এক রাশ চরম হতাশার অনুভূতি ছাড়া কেউই সংবাদপত্র পাঠ শেষ করে তা সরিয়ে রাখতে পারেন না।
** '''''চার্লস ল্যাম্ব''''', ''এসেস অফ এলিয়া'': 'ডিট্যাচড থটস অন বুকস অ্যান্ড রিডিং'।
* দেখুন, এই বিশাল বিস্তৃত পৃথিবীটা প্রতি সপ্তাহে একটি বাদামী কাগজের (সংবাদ পত্র) মোড়কে বন্দি হয়ে আমার কাছে পাঠানো হয়।
** '''''[[:w:জেমস রাসেল লোয়েল|জেমস রাসেল লোয়েল]]''''', ''বিগলো পেপারস'', প্রথম সিরিজ, সংখ্যা ৬।
* '''আমি এক লক্ষ বেয়োনেটের চেয়ে তিনটি সংবাদপত্রকে অনেক বেশি ভয় পাই।'''
** '''''[[:w:নেপোলিয়ন বোনাপার্ট|প্রথম নেপোলিয়ন]]'''''।
* ওয়াশিংটনের হোয়াইট হাউসের তুলনায় [[w:নিউ_ইয়র্ক_শহর|নিউ ইয়র্কের]] এই সস্তা এক-পেনির সংবাদপত্রগুলোই এদেশ শাসনে অনেক বেশি কার্যকর ভূমিকা পালন করে।
** '''''ওয়েন্ডেল ফিলিপস'''''।
* আমরা মূলত একদল মানুষ যারা কিছু প্রভাতী সংবাদপত্র দ্বারা চালিত একটি সরকারের শাসনাধীনে বসবাস করছি।
** '''''ওয়েন্ডেল ফিলিপস'''''।
* সংবাদমাধ্যম হলো বাতাসের মতো অবারিত এবং এক সনদপ্রাপ্ত স্বেচ্ছাচারী শক্তি।
** '''''উইলিয়াম পিট''''', লর্ড গ্রেনভিলকে উদ্দেশ্য করে (প্রায় ১৭৫৭ সালে)।
* একদল অভিজাত ও সচ্ছল মানুষের ভিড়, যারা অত্যন্ত অনায়াসে এবং সাবলীলভাবে এতে লিখে যেতে পারেন।
** '''''অ্যালক্সান্ডার পোপ''''', ''এপিসেলস অফ হোরেস'', দ্বিতীয় খণ্ড, প্রথম পত্র, লাইন ১০৮।
* বিষয়টি যেহেতু লিখিত আকারে আছে, সেহেতু এটিকে ধ্রুব সত্যই হতে হবে।
** '''''ফ্রঁসোয়া রাবলে''''', ''পান্তাগ্রুয়েল''।
* এটা কি কোনোভাবে মেনে নেওয়া সম্ভব যে কোনো শিক্ষিত ব্যক্তি এক-পেনির এই সস্তা কাগজগুলো থেকে জানার মতো প্রয়োজনীয় কিছু শিখতে পারেন? হয়তো বলা হতে পারে যে মানুষ এর মাধ্যমে পার্লামেন্টে কী বলা হচ্ছে তা জেনে নিতে পারে। কিন্তু ভালো করে ভেবে দেখুন তো, সেটি কি তাঁদের প্রকৃত শিক্ষা বা জ্ঞানার্জনে বিন্দুমাত্র কোনো অবদান রাখতে পারছে?
** '''''লর্ড সলসবরি''''' (রবার্ট সেসিল), ভাষণ: দ্য হাউজ অফ কমন্স, ১৮৬১; 'কাগজ শুল্ক বিলোপ' সংক্রান্ত বিতর্কে।
* সংবাদপত্র! মশাই, ওগুলো হলো পুরোপুরি চরম পাপিষ্ঠ, লাগামহীন, জঘন্য এবং নারকীয় বস্তুর সমষ্টি! যদিও আমি ওগুলো কখনোই পড়ি না এবং আমি ইতিমধ্যেই নিয়ম করে ফেলেছি যে আমি কখনোই কোনো সংবাদপত্রের দিকে চোখ তুলে তাকাব না।
** '''''রিচার্ড ব্রিনসলে শেরিডান''''', ''দ্য ক্রিটিক'', প্রথম অংক, প্রথম দৃশ্য।
* ব্যবসায়ী ততক্ষণ পর্যন্ত তাঁর কর্মচঞ্চল দিনটির শুরু হয়েছে বলে করছেনা গণন,<br>যতক্ষণ না তাঁদের তীক্ষ্ণ দৃষ্টি সংবাদপত্রের ওপর দিয়ে কুরছেনা আলিঙ্গন!<br>তরুণী মেয়েটি তাঁর হাতের সেলাইয়ের কাজ দূরে সরিয়ে রাখে,<br>এবং সহপাঠিনীর বিয়ের খবর পড়ে আফসোস করে!<br>অন্যদিকে প্রবীন মা তাঁর চশমাটি চোখে এঁটে নেন,<br>এবং কোনো এক বন্ধুর বিদায়ের খবর পড়ে এক ফোঁটা অশ্রু বিসর্জন দেন।<br>এমনকি ধর্মপ্রচারকগ্ণও রবিবারের জন্য ধর্মীয় আলোচনার পাতাটি সরিয়ে রাখেন—<br>শহরের নব-উন্মাদনা চারিপাশ কোথাই মাতাচ্ছে তা জানার কৌতূহলে,<br>সে খবর আনন্দময় কিংবা বিষাদময় হোক, জীবনের তুচ্ছতম কিংবা [[মহত্ত্ব|মহত্ত্বের]] বেড়াজালে—<br>মোরগ লড়াই থেকে শুরু করে রাজায় রাজায় যুদ্ধের রণ-তালে-তালে!
** '''''স্প্রাগ''''', ''কিউরিওসিটি, বাংলায় রূপান্তরঃ'' '''মাহমুদ''' ''(২৩ এপ্রিল, ২০২৬) ।''
* এই সংবাদমাধ্যমই জনমানুষের অধিকারে অক্ষুণ্ণ,<br>যেন প্রতিপত্তির কাছে নতি স্বীকার না করে এবং লাভের মোহে না হয় ক্ষুণ্ণ;<br>এখানেই দেশপ্রেমিক তাঁর আদর্শের লিপিতে চিরনিবন্ধ,<br>ধর্ম, স্বাধীনতা এবং আইনের রক্ষক হিসেবে থাকবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
** '''''[[:w:জোসেফ স্টোরি|জোসেফ স্টোরি]]''''', ''সালেম রেজিস্টারের'' মূলমন্ত্র (১৮০২ সালে গৃহীত)। উইলিয়াম ডব্লিউ স্টোরি রচিত ''লাইফ অফ জোসেফ স্টোরি'', প্রথম খণ্ড, ৬ষ্ঠ অধ্যায়ে বর্ণিত, ''রূপান্তরঃ'' '''মাহমুদ।'''
* সম্পাদকের চেয়ারের কুশনে লুকিয়ে থাকা এক তীক্ষ্ণ কণ্টক।
** '''''[[:w:উইলিয়াম মেকপিস থ্যাকারায়|উইলিয়াম মেকপিস থ্যাকারায়]]''''', ''রাউন্ডঅবাউট পেপারস'': 'দ্য থর্ন ইন দ্য কুশন'।
== আরোপিত বা অ্যাট্রিবিউটেড ==
* গণমাধ্যম নির্ভুলতা সংক্রান্ত নোলের নীতি: সংবাদপত্রে আপনি যা কিছু পড়েন তার প্রতিটি অক্ষরই ধ্রুব সত্য—কেবল সেই বিরল সংবাদটি ছাড়া যে বিষয়টি সম্পর্কে আপনার একান্ত ব্যক্তিগতভাবে প্রত্যক্ষ জ্ঞান রয়েছে।
** '''''আরউইন নোল''''', সম্পাদক, ''দ্য প্রোগ্রেসিভ''।
* আমেরিকায় প্রেসিডেন্ট মাত্র চার বছরের জন্য শাসন করেন, কিন্তু সাংবাদিকতা সেখানে রাজত্ব চালায় চিরকাল।
** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]'''''; লোইস আগস্ট জেনিস রচিত ''ভয়েজ টু ইনসাইট'' (২০০৩), পৃ. ৭০-এ উদ্ধৃত।
* যখন একটি কুকুর কোনো মানুষকে কামড়ায়, সেটি কোনো সংবাদ নয়; কারণ এমন ঘটনা অহরহ ঘটে থাকে। কিন্তু যদি কোনো মানুষ একটি কুকুরকে কামড়ে দেয়, তবে সেটিই হলো প্রকৃত সংবাদ।
** '''''জন বি. বোগার্ট''''', 'নিউ ইয়র্ক সান'-এর সম্পাদক; ''বার্টলেট'স ফ্যামিলিয়ার কোটেশনস''-এ আরোপিত (১৬তম সংস্করণ, ১৯৯২), পৃ. ৫৫৪। আরও দেখুন: [[:w:ম্যান বাইটস ডগ|ম্যান বাইটস ডগ]]।
* ঔপন্যাসিকদের বড় বড় 'মহৎ আইডিয়া' বা তাত্ত্বিক চিন্তাভাবনা নিয়ে আমি খুব একটা মাথা ঘামাই না। উপন্যাস নিশ্চিতভাবেই চমৎকার বিষয়, তবে পড়ার ক্ষেত্রে আমি সংবাদপত্রকেই বেশি প্রাধান্য দিই।
** '''''উইল কাপি''''', স্ট্যানলি জে. কুনিটজ এবং হাওয়ার্ড হ্যাব্রাফট সম্পাদিত ''টোয়েন্টিয়েথ সেঞ্চুরি অথরস'' (১৯৪২), নিউ ইয়র্ক: এইচ. ডব্লিউ. উইলসন কোম্পানি, পৃ. ৩৪২।
* সাংবাদিকতা হলো ইতিহাসের প্রথম খসড়া। মূলত ভিন্ন একটি রূপে প্রথম প্রকাশিত হয়—“সংবাদ বা সংবাদমাধ্যম হলো ইতিহাসের প্রথম অমসৃণ খসড়া”। এই আধুনিক রূপটি অন্তত ১৯৪০-এর দশক থেকে প্রচলিত এবং সম্ভবত ''ওয়াশিংটন পোস্টের'' সম্পাদকীয় লেখক '''''অ্যালান বার্থ''''' এটিকে জনপ্রিয় করে তুলেছিলেন। সেই সময়কার প্রকাশিত ''ওয়াশিংটন'' ''পোস্টের'' সম্পাদকীয় পাতায় এই ভাবনার প্রতিফলন একাধিকবার দেখা যায়, যার মধ্যে বার্থের প্রথম উদ্ধৃতিটি ১৯৪৩ সালের: '''"সংবাদ হলো ইতিহাসের প্রথম অমসৃণ খসড়া মাত্র।"'''
::* '''''অ্যালান বার্থ''''', হ্যারল্ড এল. ইক্সেস রচিত ''দ্য অটোবায়োগ্রাফি অফ আ কারমাজিয়ন''-এর পর্যালোচনা, ''নিউ রিপাবলিক'' (১৯৪৩), ভলিউম ১০৮, পৃ. ৬৭৭-এ সংগৃহীত।
:* ''ওয়াশিংটন পোস্টে'' এর পরবর্তী ব্যবহারগুলো হলো:
:: সংবাদপত্র হলো আসলে ইতিহাসের প্রথম খসড়া, অথবা অন্তত তারা তেমন হওয়ার ভান করে থাকে!
::* নামবিহীন "সম্পাদকের টীকা", ''দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট'' (১৬ অক্টোবর ১৯৪৪)।
:* বিংশ শতাব্দীর প্রথম দশকেও একই ধরনের ভাবধারা পরিলক্ষিত হয়, যার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছেঃ [http://www.barrypopik.com/index.php/new_york_city/entry/first_draft_of_history_journalism/ “ইতিহাসের প্রথম খাসড়া” (সাংবাদিকতা)], ২৩ নভেম্বর ২০০৯, ব্যারি পপিক।
:: এটি অত্যন্ত সম্ভবপর যে, ৪১৩ অব্দ পর্যন্ত 'ইতিহাসের একটি প্রাথমিক ও অমসৃণ খসড়া' হয়তো ৪০৫ অব্দের আগেই থুসিডাইডিস কর্তৃক রূপরেখা আকারে প্রস্তুত করা হয়েছিল।
::* (এখানে “সংবাদ” শব্দটি বাদ দেওয়া হয়েছে এবং একটি নির্দিষ্ট পাঠ্যকে নির্দেশ করা হয়েছে) ১৯০২, '''''রিচার্ড ক্ল্যাভারহাউস জেব''''', [http://www.1902encyclopedia.com/T/THU/thucydides.html থুসিডাইডিস], এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা, ১০ম সংস্করণ (১৯০২)। ২০১০ সালে শেফার-এর মন্তব্যে ব্যাবেট হোগান কর্তৃক উদ্ধৃত।
:: সংবাদপত্রগুলো প্রতিদিন প্রভাতে 'ইতিহাসের একটি অমসৃণ খসড়া' তৈরি করে চলেছে। পরবর্তীতে ঐতিহাসিকগণ আসবেন, পুরোনো নথিপত্রগুলো হাতে নেবেন এবং সম্পাদক ও সংবাদদাতাদের সেই অপরিশোধিত অথচ আন্তরিক ও নির্ভুল বিবরণীগুলোকে প্রকৃত ইতিহাস ও কালোজয়ী সাহিত্যে রূপান্তরিত করবেন। আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থাকে অবশ্যই এই দৈনিক সংবাদপত্রের গুরুত্ব অনুধাবন করতে হবে।
::* (এখানে “প্রথম” শব্দটি বাদ দেওয়া হয়েছে) ৫ ডিসেম্বর ১৯০৫, দ্য স্টেট, “[http://blog.readex.com/wp-content/uploads/2010/10/TP-State-News-Draft-Dec-5-1905.pdf সংবাদের শিক্ষামূলক মূল্য]”, পৃ. ৪, কলাম ৪, কলাম্বিয়া, সাউথ ক্যারোলাইনা। টনি পেত্তিনাতো কর্তৃক ৪ অক্টোবর ২০১০ তারিখে উদ্ধৃত। 'কোট ইনভেস্টিগেটর'-এর গারসন ও'টুল এটি জিনিয়লজি-ব্যাংক ডাটাবেস থেকে সংগ্রহ করেছেন।
:: একজন প্রতিবেদক হলেন সেই তরুণ যুবক, যিনি প্রতিদিন একটি জরাজীর্ণ ও শব্দজব্দ টাইপরাইটারের ওপর 'ইতিহাসের প্রথম খসড়াটি' অত্যন্ত নিপুণভাবে অঙ্কন করেন।
::* (এখানে “অমসৃণ” শব্দটি বাদ দেওয়া হয়েছে) ৩ জুলাই ১৯১৪, লিঙ্কন (NE) ডেইলি স্টার, '''''জর্জ ফিচ'''''-এর লেখা “দ্য রিপোর্টার”, পৃ. ৬, কলাম ৪।
:* এই উক্তিটি সাধারণত ভুলভাবে '''''ফিলিপ এল. গ্রাহাম'''''-এর নামে দায়ী করা হয়, যা তিনি ১৯৬৩ সালে লন্ডনে 'নিউজউইক' প্রতিনিধিদের উদ্দেশ্যে দেওয়া একটি ভাষণে বলেছিলেন বলে মনে করা হয়: “[http://www.slate.com/id/2265540/pagenum/all এটি প্রথম কে বলেছিলেন? সাংবাদিকতা হলো 'ইতিহাসের প্রথম অমসৃণ খসড়া'।]”, '''''জ্যাক শেফার''''', ''স্লেট'' (৩০ আগস্ট ২০১০); ''পার্সোনাল হিস্ট্রি'' (১৯৯৭), '''''ক্যাথরিন গ্রাহাম'''''।
:: সুতরাং, আসুন আমরা আমাদের সেই অনিবার্য এবং অসম্ভব কাজের পেছনে অবিরাম শ্রম দিয়ে যাই—যা হলো প্রতি সপ্তাহে 'ইতিহাসের এমন একটি প্রথম অমসৃণ খসড়া' সরবরাহ করা, যা আসলে কখনোই সম্পন্ন হবে না; কারণ এই জগতকে আমরা কখনোই পুরোপুরি অনুধাবন করতে পারব না।
:* যদিও এই ভাষণটি উক্তিটিকে ব্যাপকভাবে জনপ্রিয় করেছিল, তবে এর আগেও গ্রাহাম নিজে এবং অন্য অনেকে (উপরে উল্লিখিত) একই ধরণের বক্তব্য প্রদান করেছিলেন:
:: সংবাদমাধ্যমের এই অপরিহার্য ক্ষিপ্রতা বা তাড়াহুড়ো অনিবার্যভাবেই এক ধরণের অগভীরতাকে সঙ্গী করে আনে। পরম গভীরতা অর্জন করা না আমাদের ক্ষমতার মধ্যে আছে, আর না তা আমাদের অধিকারভুক্ত। আমরা বছরের ৩৬৫ দিন জুড়েই 'ইতিহাসের প্রথম অমসৃণ খসড়া' লিখে চলি, এবং এটি সত্যিই এক অত্যন্ত মহৎ ও বিশাল দায়িত্ব।
::* আমেরিকান সোসাইটি ফর পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন-এ প্রদত্ত ভাষণ (৮ মার্চ ১৯৫৩); “[http://www.jstor.org/stable/972460 পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অ্যান্ড দ্য প্রেস]”-এ প্রকাশিত, ফিলিপ এল. গ্রাহাম, ''পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন রিভিউ'', ভলিউম ১৩, সংখ্যা ২ (বসন্ত, ১৯৫৩), পৃ. ৮৭-৮৮।
:* এছাড়াও আরও নানা ধরণের ভুল আরোপ বা অ্যাট্রিবিউশন বিদ্যমান—'''''হেলেন থমাস''''' তাঁর স্মৃতিকথা 'ফার্স্ট রো অ্যাট দ্য হোয়াইট হাউস'-এ উক্তিটিকে ভুলবশত '''''বেন ব্র্যাডলি'''''-এর নামে চালিয়ে দিয়েছেন।
** '''''হেলেন থমাস''''', ''ফ্রন্ট রো অ্যাট দ্য হোয়াইট হাউস: মাই লাইফ অ্যান্ড টাইমস'' (২০০০), সাইমন অ্যান্ড শুস্টার, পৃ. ৩৮৩, ISBN 0684845687।
== আরও দেখুন ==
* [[w:গণমাধ্যম|বিকল্প ধারার গণমাধ্যম]]
* [[:w:অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা|অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা]]
* [[:w:সংবাদ|সংবাদ]]
* [[:w:সংবাদপত্র|সংবাদপত্র]]
* [[:w:মূলধারার গণমাধ্যম|মূলধারার গণমাধ্যম]]
* [[w:গণমাধ্যম_সংস্কৃতি|গণমাধ্যম সংস্কৃতি]]
== বহিঃসংযোগ ==
{{similarlinks}}
* [https://www.fourthestate.org/journalism-quotes/ ফোর্থ এস্টেটে সাংবাদিকতা বিষয়ক উল্লেখযোগ্য উদ্ধৃতিসমূহ]
[[বিভাগ:সাংবাদিকতা| ]]
[[বিষয়শ্রেণী:সাংবাদিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:সাংবাদিকতা]]
[[বিষয়শ্রেণী:গণমাধ্যম]]
teq7vn89aszequ1k63h5namisw2kj0i
83311
83310
2026-05-03T04:46:41Z
Oindrojalik Watch
4169
83311
wikitext
text/x-wiki
[[File:2 Fillettes vendant des journaux, Wilmington (Delaware), mai 1910.jpg|thumb|আমেরিকায় রাষ্ট্রপতি চার বছরের জন্য রাজত্ব করেন, আর সাংবাদিকতা শাসন করে অনন্তকাল ধরে!<br>~'''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''']]
'''[[w:সাংবাদিকতা|সাংবাদিকতা]]''' হলো সংবাদ সংগ্রহ, লিখন এবং সংবাদ পরিবেশনের একটি বিশেষ শাখা। বিস্তৃত অর্থে এটি সংবাদ নিবন্ধ সম্পাদনা ও উপস্থাপনার প্রক্রিয়াকেও অন্তর্ভুক্ত করে। সাংবাদিকতা বিভিন্ন মাধ্যমের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, তবে এটি কেবল [[w:সংবাদপত্র|সংবাদপত্র]], [[w:সাময়িকী_(পত্রিকা)|সাময়িকী]], [[w:বেতার|রেডিও]] এবং [[w:টেলিভিশন|টেলিভিশনের]] মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। সংবাদ প্রচারের দৌড়ে সবার আগে থাকার প্রবল চাপ থাকা সত্ত্বেও, প্রতিটি সংবাদ সংস্থা নিজস্ব নির্ভুলতা, গুণমান এবং শৈলীর মানদণ্ড মেনে চলে। যেখানে সাধারণত প্রকাশের পূর্বে প্রতিবেদনগুলো [[:w:সম্পাদনা|সম্পাদনা]] ও প্রুফরিডিং করা হয়। অনেক সংবাদ সংস্থা সরকারি কর্মকর্তা ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে জনগণের কাছে দায়বদ্ধ রাখার গৌরবময় ঐতিহ্য দাবি করে, যদিও সংবাদ মাধ্যম সমালোচকরা খোদ সংবাদপত্রের দায়বদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ''জার্নালিজম'' বা সাংবাদিকতা শব্দটি [[w:ফরাসি_ভাষা|ফরাসি ভাষার]] '''''journal''''' '''''বা''''' '''''জার্নাল''''' থেকে নেওয়া হয়েছে, যা কালক্রমে ল্যাটিন ''ডিউর্নাল'' বা দৈনিক শব্দ থেকে উদ্ভূত। [[w:প্রাচীন_রোম|প্রাচীন রোমের]] প্রধান জনচত্বর ফোরামে প্রতিদিন 'অ্যাক্টা ডিউর্না' নামক একটি হস্তলিখিত বুলেটিন টাঙিয়ে দেওয়া হতো, যা ছিল বিশ্বের প্রথম সংবাদপত্র।
[[File:Amy Goodman — Keynote, National Conference for Media Reform 2013 (8626124929).jpg|thumb|যেখানে নিস্তব্ধতা বিরাজ করে, সেখানে ছুটে যাওয়াই একজন সাংবাদিকের দায়িত্ব। যারা বিস্মৃত, পরিত্যক্ত এবং ক্ষমতাশালীদের দ্বারা নিগৃহীত, তাদের কণ্ঠস্বর হয়ে ওঠা।<br>~'''''অ্যামি গুডম্যান''''']]
__NOTOC__
{{TOCalpha|''[[#হোয়েট'স নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস|হোয়েট'স নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস]]'' · [[#আরোপিত|আরোপিত]]}}
== A ==
[[File:Julian Assange in Ecuadorian Embassy cropped.jpg|thumb|আমরা আমাদের পেছনে এমন এক অনন্য ক্ষেত্র তৈরি করছি যা সাংবাদিকতার সেই বিশেষ রূপটিকে বিকশিত হতে দেয়, যা সাংবাদিকতা চিরকাল নিজের জন্য প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিল। আমরা সেই ক্ষেত্রটি সৃষ্টি করছি কারণ আমরা শক্তিশালী গোষ্ঠীগুলোর মুখোশ সাহসের সাথে উন্মোচন করার ফলে আসা যাবতীয় সমালোচনা ও আক্রমণকে স্বেচ্ছায় গ্রহণ করছি।<br>~'''''[[:w:জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ|জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ]]''''' ]]
[[File:Great men and famous women - a series of pen and pencil sketches of the lives of more than 200 of the most prominent personages in history Volume 7 (1894) (14760162546).jpg|thumb|সাংবাদিকতা সত্যিই মহৎ। প্রতিটি দক্ষ ও সামর্থ্যবান সম্পাদক কি বিশ্বের একেকজন প্রকৃত শাসক নন, যেহেতু তিনি বিশ্ববাসীকে নিজের যুক্তি ও চিন্তায় প্ররোচিত ও প্রভাবিত করার ক্ষমতা রাখেন?<br>~'''''[[:w:টমাস কার্লাইল|টমাস কার্লাইল]]''''' ]]
*একটি রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ স্বাধীনতার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সংবাদপত্রের অবাধ স্বাধীনতা অপরিহার্য ও মৌলিক একটি শর্ত। অতএব, এই কমনওয়েলথ বা জনসমষ্টির মধ্যে কোনোভাবেই সংবাদপত্রের সেই স্বাধীনতাকে খর্ব বা সংকুচিত করা উচিত নয়।
**'''''ম্যাসাচুসেটস সংবিধান''''' (২৫ অক্টোবর, ১৭৮০ তারিখে গৃহীত; যা বিশ্বের প্রাচীনতম কার্যকর লিখিত সংবিধান) {{cite book|author='''''[[:w:জন অ্যাডামস|জন অ্যাডামস]]''''', '''''[[:w:স্যামুয়েল অ্যাডামস|স্যামুয়েল অ্যাডামস]]''''', '''''[[:w:জেমস বাউডোইন|জেমস বাউডোইন]]'''''|title=[[:w:ম্যাসাচুসেটস কমনওয়েলথ এর সংবিধান|ম্যাসাচুসেটস কমনওয়েলথ এর সংবিধান]]|publisher=[[:w:ম্যাসাচুসেটস|ম্যাসাচুসেটস কমনওয়েলথ]]|year=1780|pages= অনুচ্ছেদ XVI}}[http://en.wikisource.org/wiki/Constitution_of_the_Commonwealth_of_Massachusetts_%281780%29 মূল পাঠ্য]
* বেনামে তথ্য ফাঁস করা একটি প্রাচীন শিল্পকলা এবং অনেক ওয়েবসাইটই এমন সব উৎস থেকে প্রাপ্ত নথিপত্র প্রকাশ করে থাকে যাদের তারা শনাক্ত করতে পারে না। উইকিলিকস যা করেছে তা হলো এই পুরো প্রক্রিয়াটিকে পেশাদার রূপ দেওয়া। তারা তথ্য ফাঁস গ্রহণ, প্রক্রিয়াকরণ এবং তা জনসমক্ষে প্রকাশের জন্য একটি সুনির্দিষ্ট ও মানসম্মত কার্যপ্রণালী তৈরি করেছে।
** '''''স্টিফেন আফটারগুড''''', '''FAS''' বা ফেডারেশন অফ আমেরিকান সায়েন্টিস্টস প্রজেক্ট অন গভর্নমেন্ট সিক্রেসি — প্রতিবেদনে উল্লিখিত {{cite news|first=পল |last=মার্কস |author= |url= |title=উচ্চপদে আসীন ব্যক্তিদের অপ্রস্তুত করার একটি অব্যর্থ উপায়: হুইসেল-ব্লোয়ার বা তথ্য ফাঁসকারীরা কোনো চিহ্ন না রেখেই সব বলে দিতে পারেন, সেইসব ওয়েবসাইটকে ধন্যবাদ যা তাদের পরিচয় গোপন রাখে |work= নিউ সায়েন্টিস্ট|publisher=রিড বিজনেস ইনফরমেশন |pages= |page=২৮, খণ্ড ১৯৮; ইস্যু ২৬৫৫ |date=মে ১০, ২০০৮ |accessdate= }}
* একজন সাংবাদিক হিসেবে আমার কর্মজীবন আমার সাহিত্যিক সৃজনশীলতার ক্ষেত্রে এক মৌলিক ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছে। সাংবাদিকতাই আমাকে শব্দকে চিনতে এবং ভালোবাসতে শিখিয়েছে—যা আমার পেশার প্রধান হাতিয়ার এবং আমার শিল্পের মূল উপাদান। সাংবাদিকতা আমাকে সত্যের সন্ধান করতে এবং নৈর্ব্যক্তিক বা বস্তুনিষ্ঠ হতে শিখিয়েছে। শিখিয়েছে কীভাবে পাঠকের মনোযোগ কেড়ে নিতে হয় এবং তাকে এমনভাবে আষ্টেপৃষ্ঠে ধরে রাখতে হয় যেন সে কোনোভাবেই ফস্কে না যায়। এটি আমাকে বিভিন্ন ধারণাকে সংশ্লেষণ করতে এবং ঘটনাপ্রবাহের বর্ণনায় সুনির্দিষ্ট হতে শিখিয়েছে। আর সর্বোপরি, এটি আমার ভেতর থেকে সাদা পাতার প্রতি যাবতীয় ভয়কে চিরতরে দূর করে দিয়েছে।
** ১৯৯৪ সালের একটি সাক্ষাৎকার যা ''কনভারসেশনস উইথ '''''ইসাবেল আলেন্দে''''' '' (১৯৯৯) এ অন্তর্ভুক্ত, স্পেনীয় ভাষা থেকে কোলা ফ্রাঞ্জেন কর্তৃক অনূদিত।
* প্রথম সংশোধনীর প্রতিষ্ঠিত আইন অনুযায়ী, সংবাদ প্রকাশে পূর্ব-নিষেধাজ্ঞা বা সেন্সরশিপ যদি আদৌ সাংবিধানিক হয়ও, তবে তা কেবল চরম ও অতি-অস্বাভাবিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটেই অনুমোদিত হতে পারে। বর্তমান মামলার ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, আদালতের এমন সব নির্দেশ রয়েছে যা কার্যকরভাবে একটি ওয়েবসাইটকে বন্ধ করে দিয়েছে। যে সাইটটি বিশ্বজুড়ে সরকার ও কর্পোরেশনগুলোর দুর্নীতির মুখোশ উন্মোচনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছিল এবং এই নির্দেশটি যে কেউ পাঠ করলে তাকে সেই নথিগুলো প্রকাশ করা, এমনকি সেগুলোর লিঙ্ক দেওয়া থেকেও বিরত থাকতে বাধ্য করছে।
** '''''ডেভিড আরডিয়া''''', হার্ভার্ড ল স্কুলের বার্কম্যান সেন্টার ফর ইন্টারনেট অ্যান্ড সোসাইটি-র সিটিজেন মিডিয়া ল' প্রজেক্ট বা CMLP এর পরিচালক, '''''[[:w:ব্যাংক জুলিয়াস বায়ের বনাম উইকিলিকস মামলা|ব্যাংক জুলিয়াস বায়ের বনাম উইকিলিকস]]''''' প্রসঙ্গে মন্তব্যকালে — প্রতিবেদনে উল্লিখিত {{cite news|title=ইন্টারনেটে বাকস্বাধীনতা রক্ষা: একটি সাইবার-ল ক্লিনিকে শিক্ষার্থীরা প্রাথমিক আইনি বিষয়গুলো মোকাবিলায় সহায়তা করছে |work=হার্ভার্ড ল বুলেটিন |publisher= [[:w:হার্ভার্ড ল স্কুল|হার্ভার্ড ল স্কুল]]|page= |date=Fall 2008 |url=http://www.law.harvard.edu/news/bulletin/2008/fall/feature_2-side1.php|accessdate=2009-03-04}}
* আমরা আমাদের পেছনে এমন এক অনন্য ক্ষেত্র তৈরি করছি যা সাংবাদিকতার সেই বিশেষ রূপটিকে বিকশিত হতে দেয়, যা সাংবাদিকতা চিরকাল নিজের জন্য প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিল। আমরা সেই ক্ষেত্রটি সৃষ্টি করছি কারণ আমরা শক্তিশালী গোষ্ঠীগুলোর শক্তিমত্তা ও দুর্নীতির মুখোশ সাহসের সাথে উন্মোচন করার ফলে ধেয়ে আসা যাবতীয় সমালোচনা ও প্রবল বিরুদ্ধাচরণকে স্বেচ্ছায় গ্রহণ করছি।
** '''''[[:w:জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ|জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ]]''''' এর উদ্ধৃতি: [https://www.theguardian.com/media/2010/aug/01/julian-assange-wikileaks-afghanistan জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ, অনলাইন যুগের সেই সন্ন্যাসী যিনি বৌদ্ধিক লড়াইয়ের মাধ্যমেই বিকশিত হন, ক্যারল ক্যাডওয়ালাডার, ''দ্য গার্ডিয়ান''], (১ আগস্ট ২০১০)
== B ==
* অভিজ্ঞতা এটিই প্রমাণ করেছে যে, সাধারণ প্রত্যাশার সম্পূর্ণ বিপরীতে গিয়ে সংবাদপত্র হলো জনমতকে সঠিক পথে পরিচালিত করার, উত্তেজনাপূর্ণ আন্দোলনকে শান্ত করার এবং সেইসব মিথ্যা ও কৃত্রিম গুজবকে বিলীন করে দেওয়ার অন্যতম শ্রেষ্ঠ মাধ্যম, যার দ্বারা রাষ্ট্রের শত্রুরা তাদের অশুভ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করতে পারে। এই জনসমক্ষে প্রচারিত সংবাদপত্রগুলোর মাধ্যমে যেমন নির্দেশনা সরকার থেকে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারে, তেমনি তা মানুষের কাছ থেকে সরকারের কাছেও উন্নীত হতে পারে। সংবাদপত্রকে যত বেশি স্বাধীনতা প্রদান করা হবে, জনমতের গতিপথ সম্পর্কে তত বেশি নির্ভুলভাবে বিচার-বিশ্লেষণ করা সম্ভব হবে এবং তা তত বেশি সুনিশ্চিতভাবে কার্যকরী ভূমিকা পালন করবে।
**'''''[[:w:জেরেমি বেন্থাম|জেরেমি বেন্থাম]]''''', ''প্রিন্সিপালস অফ পেনাল ল''; তৃতীয় অংশ, "অপরাধ প্রতিরোধের পরোক্ষ পদ্ধতিসমূহ"; অধ্যায় XIX, "নির্দেশনা প্রদানের ক্ষমতা থেকে আহরিত ব্যবহার"। [https://books.google.com/books?id=GGpVAAAAcAAJ&newbks=1&newbks_redir=0&dq=%22jeremy%20bentham%22%20%22newspapers%20are%20one%20of%20the%20best%20means%20of%20directing%20opinion%22&pg=RA1-PA568#v=onepage&q=%22jeremy%20bentham%22%20%22newspapers%20are%20one%20of%20the%20best%20means%20of%20directing%20opinion%22&f=false গুগল বুকস]
* আপনি যদি সমগ্র আমেরিকা ঘুরে দেখেন, তবে দেখবেন ছোট ছোট সংবাদপত্রগুলো তাদের নিজ নিজ সম্প্রদায়ে সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে সত্যিই চমৎকার কাজ করছে। আধুনিক নিউ ইয়র্ক টাইমস, আধুনিক ওয়াশিংটন পোস্ট কিংবা আধুনিক ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল অধিকাংশ বিচারেই ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারির সময়ের চেয়ে এখন অনেক উন্নত মানের সংবাদপত্র। কিন্তু আপনি যদি এই ক্ষেত্রের বাকি অংশগুলোর দিকে তাকান... তবে দেখবেন যে সত্যের সর্বোত্তম লভ্য সংস্করণের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা প্রকৃত সংবাদ ক্রমশ একটি দুষ্প্রাপ্য পণ্যে পরিণত হচ্ছে এবং আমাদের সাংবাদিকতা প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রকৃত অংশ হিসেবে এর উপস্থিতি দিন দিন হ্রাস পাচ্ছে।
**'''''কার্ল বার্নস্টাইন''''', সাক্ষাৎকারে {{cite news | last =স্টাফ | title =সাক্ষাৎকার: কার্ল বার্নস্টাইন | work =[[:w:ফ্রন্টলাইন (মার্কিন টিভি সিরিজ)|ফ্রন্টলাইন]] | publisher =[[:w:ডব্লিউজিবিএইচ|ডব্লিউজিবিএইচ]] এডুকেশনাল ফাউন্ডেশন | date =১০ জুলাই ২০০৬ | url =http://www-c.pbs.org/wgbh/pages/frontline/newswar/interviews/bernstein.html | accessdate =২০০৯-০২-২০ }}
* প্রতিবেদক, বিশেষ্য: একজন লেখক যিনি সত্যের পথে অনুমানের ওপর ভিত্তি করে অগ্রসর হন এবং শব্দের প্রবল জলোচ্ছ্বাসে সেই সত্যকেই বিলীন করে দেন।
** '''''অ্যামব্রোস বিয়ার্স''''', ''দ্য ডেভিল'স ডিকশনারি'' (১৯১১)।
* প্রথম সংশোধনীর মাধ্যমে আমাদের প্রতিষ্ঠাতা পূর্বপুরুষগণ মুক্ত সংবাদমাধ্যমকে সেই সুরক্ষা প্রদান করেছিলেন যা আমাদের গণতন্ত্রে এর অপরিহার্য ভূমিকা পালনের জন্য একান্ত প্রয়োজন। সংবাদপত্রের কাজ ছিল শাসিতদের সেবা করা, শাসকদের নয়। সংবাদপত্রের ওপর সেন্সরশিপ বা বিধি-নিষেধ আরোপের সরকারি ক্ষমতা বিলুপ্ত করা হয়েছিল যাতে সংবাদপত্র চিরকাল সরকারকে কঠোর সমালোচনা করার স্বাধীনতা ভোগ করতে পারে। সংবাদমাধ্যমকে সুরক্ষা দেওয়া হয়েছিল যাতে এটি সরকারের গোপন রহস্যগুলো উন্মোচন করতে পারে এবং জনগণকে তথ্য দিয়ে সচেতন করতে পারে। কেবল একটি স্বাধীন এবং নিয়ন্ত্রণহীন সংবাদমাধ্যমই কার্যকরভাবে সরকারের প্রতারণা ও জালিয়াতির মুখোশ খুলে দিতে পারে।
** '''''হিউগো এল. ব্ল্যাক''''', নিউ ইয়র্ক টাইমস বনাম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মামলা, পৃ. ৭১৭
* দীর্ঘকাল ধরে এটি ধরে নেওয়া হয়েছিল যে, সাংবাদিকরা যেসব ঘটনা কভার করেন বা প্রতিবেদন তৈরি করেন, তা তাদের ওপর কোনো স্থায়ী প্রভাব ফেলে না। ট্রমাটিক বা মানসিকভাবে আঘাতমূলক ঘটনাগুলোর মুখোমুখি হওয়াকে তাদের চাকরির বিবরণের অংশ এবং এই পেশার একটি সাধারণ ঝুঁকি হিসেবে দেখা হতো। ঠিক যেমন একজন জরুরি বিভাগের চিকিৎসক বা অগ্নিনির্বাপক কর্মীর ক্ষেত্রে হয়ে থাকে। অনেকে মনে করতেন যে, যারা মৃত্যু এবং ধ্বংসের খবর সংগ্রহ করেন তারা অস্বাভাবিকভাবে কঠোর মনের মানুষ এবং তারা যে মানুষের দুঃখ-দুর্দশা প্রত্যক্ষ করেন, তার প্রতিধ্বনিমূলক প্রভাব থেকে তারা কোনোভাবে মুক্ত। কিছুদিন আগ পর্যন্তও সাংবাদিকরা মনে করতেন যে, যদি তারা জনসমক্ষে স্বীকার করেন যে সংবাদ সংগ্রহের অভিজ্ঞতা দীর্ঘমেয়াদে তাদের প্রভাবিত করতে পারে, তবে তাদের দুর্বল ভাবা হবে এবং সহকর্মীদের তুলনায় কম যোগ্য বলে মনে করা হবে।
** '''''এলিসা ই. বোল্টন''''', [https://www.ptsd.va.gov/public/community/journalists-ptsd.asp “সাংবাদিকদের দ্বারা সম্মুখীন হওয়া বেদনাদায়ক ঘটনাসমূহ“], '''''ন্যাশনাল সেন্টার ফর পিটিএসডি''''', '''''ইউএস ডিপার্টমেন্ট অফ ভেটেরান্স অ্যাফেয়ার্স'''''।
* সেখানে পোস্ট করা মাত্র কয়েকটি নথির প্রতিক্রিয়ায় পুরো সাইটটিতে প্রবেশাধিকার বন্ধ করে দেওয়া জনগণের জানার অধিকারকে সম্পূর্ণভাবে অবজ্ঞা করার শামিল।
** '''''অ্যান ব্রিক''''', [[:w:আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়ন|আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়ন]]-এর অ্যাটর্নি, '''''[[:w:ব্যাংক জুলিয়াস বায়ের বনাম উইকিলিকস মামলা|ব্যাংক জুলিয়াস বায়ের বনাম উইকিলিকস]]''''' মামলায় নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের আগে দেওয়া বিবৃতি — প্রতিবেদনে উল্লিখিত: [http://en.wikinews.org/wiki/Rights_groups:_Forcing_Wikileaks.org_offline_raises_%27serious_First_Amendment_concerns%27 "অধিকার গোষ্ঠীসমূহ: উইকিলিকস ডট অর্গকে অফলাইনে যেতে বাধ্য করা 'প্রথম সংশোধনীর গুরুতর উদ্বেগ' তৈরি করে"], '''''[[:n:প্রধান পাতা|উইকিসংবাদ]]''''', (২৮ ফেব্রুয়ারি ২০০৮)।
* কখনোই ভুলে যাবেন না যে, আপনি যদি আপনার প্রথম বাক্যটি দিয়েই সংবাদপত্রের পাঠকের চোখের মণি বরাবর আঘাত করতে না পারেন (অর্থাৎ তার তীক্ষ্ণ মনোযোগ আকর্ষণ করতে না পারেন), তবে দ্বিতীয় বাক্যটি আর লেখার কোনো প্রয়োজনই নেই।
** '''''আর্থার ব্রিসবেন''''' (আনু. ১৯০০), উদ্ধৃত হয়েছে: অলিভার কার্লসন রচিত '''''ব্রিসবেন: এ ক্যান্ডিড বায়োগ্রাফি''''' (১৯৩৭), অধ্যায় ৫।
* এমন এক সময় ছিল যখন হর্স ওয়াটসনদের মতো পেশার মানুষরা সাধারণত নেশামুক্ত অবস্থায় কখনও ঘুমাতে যেতেন না এবং তাদের লিভার বা যকৃৎ ক্ষয় হয়েই তারা মৃত্যুবরণ করতেন। সেই অক্ষরজ্ঞানসম্পন্ন দুঃসাহসী যোদ্ধাদের সীমান্ত অঞ্চলের স্যালুনগুলোতে নিজেদের বোকা বানাতে দেখাটা নিশ্চয়ই মজার ছিল। যেখানে তারা প্রতিদ্বন্দ্বী সাংবাদিক ও তাদের সমর্থকদের সাথে চাবুকপেটা এবং গোলাগুলিতে মেতে উঠতেন। কিন্তু কে থামত এটা ভাবতে যে, শব্দ এবং প্রকাশনার ক্ষমতা হাতে থাকা বলতে আসলে কী বোঝায়? এটা বুঝতে পারা যে, একটি পুরো শহর বা অঞ্চল বিচার করবে, নিন্দা জানাবে, কাজ করবে, দণ্ড মওকুফ করবে কিংবা গুণগান গাইবে শুধুমাত্র আপনার গতরাতের তড়িঘড়ি করে লেখা কোনো কিছুর ওপর ভিত্তি করে? কারণ আপনি টাইপসেটে কিছু একটা সাজিয়েছিলেন, আর তা করতে গিয়ে আপনার আঙুলের ডগায় লেগে যাওয়া ধাতব বিষগুলো অদম্যভাবে আপনার রক্তপ্রবাহে যাত্রা শুরু করেছিল? ক্ষমতার মোহে আপনি আপনার যকৃৎ আর বৃক্ককে এক স্পঞ্জি ও খিটখিটে পিন্ডে পরিণত করেছিলেন। আপনি আপনার মস্তিষ্কের কোষগুলোকে ভারী ধাতব আয়নের বিষে কলুষিত করেছিলেন যতক্ষণ না তা দিকভ্রান্ত দৃষ্টিভঙ্গির এক ভুতুড়ে বাড়িতে পরিণত হয়। [[w:অ্যালকোহল|অ্যালকোহল]] সাময়িকভাবে সেই প্রভাব কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করত। তাই আপনি একজন মদ্যপ হয়ে উঠেছিলেন, এবং দিনপ্রতি কিস্তিতে নিজের মানসিক সুস্থতা কিনে নিতেন, আর নিজেকে সবার হাসির পাত্রে পরিণত করতেন। শেষ পর্যন্ত এটি মজার কিংবা বিয়োগান্তক কোনোটিই ছিল না। এটি ছিল জীবনের এক রূঢ় বাস্তবতা যা মাঝারি মানের মানুষের ওপর ধীরগতিতে কাজ করত; কারণ সেই মাঝারিরা নিজেদের সত্ত্বাকে থামিয়ে দিয়ে নিশ্চিন্তে ঘুমাতে যেতে পারত, রাতের কাজটি তাদের নিজের সন্তুষ্টি অনুযায়ী হোক বা না হোক।
** '''''অ্যালজিস বাড্রিস''''', '''''মাইকেলমাস''''' (১৯৭৭), ISBN 0-425-03812-2, অধ্যায় ৩ (পৃ. ৩৬-৩৭)।
* সাংবাদিকতা হয়তো খুব বেশি দুঃসাহস দেখানোর সাহস পায় না। এটি মৃদু হাস্যরসাত্মক এবং বিদ্রূপাত্মক হতে পারে, খুব হালকাভাবে এতে ব্যক্তিগত বৈশিষ্ট্যের ছোঁয়া থাকতে পারে, কিন্তু খুব গভীরে খনন করে এটি পাঠকদের বিমুখ করতে পারে না। ভাষার প্রতি এর দৃষ্টিভঙ্গির ক্ষেত্রে এটি বিশেষভাবে সত্য: প্রচলিত রীতিগুলো নিয়ে এখানে কোনো প্রশ্ন তোলা হয় না।
** '''''[[:w:অ্যান্থনি বার্জেস|অ্যান্থনি বার্জেস]]''''', '''''এ মাউথফুল অফ এয়ার: ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজেস, এস্পেশালি ইংলিশ''''' (১৯৯২)।
* ''স্বঘোষিত এক তামাশাকার আর রসালো ভাড়াটে ভাঁড়,<br>নিম্নমানের মাসিক-লেখক ও উপহাসের উপহার!<br>শৈল্পিক চাটুকারিতে সে বেজায় রপ্ত,''<br>''তার হস্তকৃত ম্যাগাজিন মিথ্যায় অভিশপ্ত!''
** '''''[[:w:লর্ড বায়রন|লর্ড বায়রন]]''''', '''''ইংলিশ বার্ডস অ্যান্ড স্কচ রিভিউয়ার্সের''''' খন্ডাংশ (১৮০৯), লাইন ৯৭৫, বাংলায় রুপান্তরঃ '''মাহমুদ''' (২৩ এপ্রিল, ২০২৬)।
== C ==
* মূলধারার সংবাদ মাধ্যমগুলো যখন ক্রমশ আত্মতুষ্ট হয়ে পড়ছে, এমনকি যুদ্ধপন্থী নীতিগুলোর সমর্থক হয়ে উঠছে, তখন এটি আরও বেশি অপরিহার্য হয়ে দাঁড়িয়েছে যে, যুদ্ধবিরোধী কণ্ঠস্বর এবং বিশেষ করে যুদ্ধবিরোধী সাংবাদিকরা যেন [[w:মার্কিন_যুক্তরাষ্ট্র|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের]] সেই নজির স্থাপনের প্রচেষ্টাকে প্রতিরোধ করেন, যা যুদ্ধাপরাধ প্রকাশের কাজটিকে একটি দণ্ডণীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য করতে চায়।
** '''''স্যাম কার্লিনার''''', [https://www.commondreams.org/views/2021/10/22/fate-anti-war-journalism-lies-upcoming-assange-hearings "যুদ্ধবিরোধী সাংবাদিকতার ভাগ্য আসন্ন অ্যাসাঞ্জ শুনানির ওপর নির্ভর করছে"], '''''কমন ড্রিমস''''', (২২ অক্টোবর ২০২১)।
* মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির অপূরণীয় ক্ষতির বিষয়ে যারা উদাসীন বা সরাসরি সমর্থনমূলক অবস্থান গ্রহণ করে, সেইসব প্রকাশনার সম্পূর্ণ বিপরীতে অবস্থান করছে উইকিলিকস এবং এর প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ। "যদি মিথ্যা দিয়ে যুদ্ধ শুরু করা যায়, তবে সত্য দিয়ে তা থামানোও সম্ভব"—তার এই দৃষ্টিভঙ্গি অনুসরণ করে, অ্যাসাঞ্জ একবিংশ শতাব্দীর মার্কিন পররাষ্ট্রনীতি সংক্রান্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য নিখুঁত নির্ভুলতার সাথে প্রকাশ করেছেন।
** '''''স্যাম কার্লিনার''''', [https://www.commondreams.org/views/2021/10/22/fate-anti-war-journalism-lies-upcoming-assange-hearings "যুদ্ধবিরোধী সাংবাদিকতার ভাগ্য আসন্ন অ্যাসাঞ্জ শুনানির ওপর নির্ভর করছে"], '''''কমন ড্রিমস''''', (২২ অক্টোবর ২০২১)।
* মূলধারার সংবাদমাধ্যমের হাজারো সমস্যা থাকা সত্ত্বেও, একটি শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান হিসেবে সাংবাদিকতা আজও যুদ্ধ প্রতিরোধ করার এবং ক্ষেত্রবিশেষে চলমান রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ বন্ধ করার অন্যতম প্রধান ও কার্যকর হাতিয়ার হিসেবে টিকে রয়েছে। এমনকি যারা সংবাদমাধ্যমের ওপর চরম আস্থাহীন, তাদেরও উচিত সংবাদপত্রের স্বাধীনতার ওপর আসা যাবতীয় আক্রমণ ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া। কারণ সংবাদপত্রের স্বাধীনতার এই সুনিশ্চিত গ্যারান্টিই যুদ্ধবিরোধী প্রতিবেদনগুলোকে মূলধারার আলোচনায় নিয়ে আসে এবং সাধারণ মানুষের প্রথাগত চিন্তাধারাকে পরিবর্তন করে তাদের সরকারকে আরও গভীরভাবে বুঝতে শেখায়।
** '''''স্যাম কার্লিনার''''', [https://www.commondreams.org/views/2021/10/22/fate-anti-war-journalism-lies-upcoming-assange-hearings "যুদ্ধবিরোধী সাংবাদিকতার ভাগ্য আসন্ন অ্যাসাঞ্জ শুনানির ওপর নির্ভর করছে"], '''''কমন ড্রিমস''''', (২২ অক্টোবর ২০২১)।
* দক্ষ ও দূরদর্শী সম্পাদকদের সমন্বয়ে গঠিত একটি 'চতুর্থ স্তম্ভ' বা ফোর্থ এস্টেটের অভ্যুদয় ঘটছে।
** '''''[[:w:টমাস কার্লাইল|টমাস কার্লাইল]]''''', '''''দ্য ফ্রেঞ্চ রেভোলিউশন, এ হিস্ট্রি''''' (১৮৩৭), প্রথম অংশ, ষষ্ঠ বই, অধ্যায় ৫।
* সাংবাদিকতা সত্যিই এক মহৎ ও বিশাল শক্তি। প্রতিটি দক্ষ ও কুশলী সম্পাদক কি এই বিশ্বের একেকজন প্রকৃত শাসক নন? কারণ তিনি তাঁর ক্ষুরধার লেখনী ও অকাট্য যুক্তির মাধ্যমে সমগ্র বিশ্ববাসীকে নিজ মতে প্ররোচিত করার ক্ষমতা রাখেন।
** '''''[[:w:টমাস কার্লাইল|টমাস কার্লাইল]]''''', '''''দ্য ফ্রেঞ্চ রেভোলিউশন, এ হিস্ট্রি''''' (১৮৩৭), দ্বিতীয় অংশ, প্রথম বই, অধ্যায় ৪।
* বার্ক বলেছিলেন যে পার্লামেন্টে তিনটি প্রধান স্তম্ভ বা এস্টেট রয়েছে। কিন্তু তিনি ঐ যে সংবাদদাতাদের গ্যালারির দিকে ইঙ্গিত করে বলেছিলেন, সেখানে একটি 'চতুর্থ স্তম্ভ' উপবিষ্ট আছে যা আগের তিনটি স্তম্ভের তুলনায় অনেক বেশি প্রভাবশালী ও গুরুত্বপূর্ণ। এটি কোনো আলঙ্কারিক শব্দ বা নিছক চাতুর্যপূর্ণ উক্তি নয়, বরং এটি একটি আক্ষরিক সত্য। যা বর্তমান এই অস্থির সময়ে আমাদের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও অমোঘ।
** '''''[[:w:টমাস কার্লাইল|টমাস কার্লাইল]]''''', '''''অন হিরোস, হিরো-ওয়ারশিপ, অ্যান্ড দ্য হিরোইক ইন হিস্ট্রি: সিক্স লেকচারস: রিপোর্টেড''''', উইলি অ্যান্ড হ্যালস্টেড, (১৮৫৯), পৃ. ১৪৭, বক্তৃতা ৫: "দ্য হিরো অ্যাজ ম্যান অফ লেটারস"।
* সাংবাদিকদের দেখলে মনে হতে পারে যে তারা প্রায় আক্ষরিক অর্থেই আধুনিক বিশ্বের এক একজন পুরোহিত... তবে পুরোহিততন্ত্রের নৈতিক অবক্ষয় ঠিক সেই মুহূর্তেই ঘটেছিল যখন এটি জ্ঞান বিতরণের জন্য গঠিত একটি সংখ্যালঘু গোষ্ঠী থেকে জ্ঞান গোপন রাখার জন্য গঠিত একটি সংখ্যালঘু গোষ্ঠীতে রূপান্তরিত হয়েছিল। সাংবাদিকতার অধঃপতনের ক্ষেত্রেও ঠিক একই ধরনের এক বিশাল বিপদ ও আশঙ্কা লুকিয়ে রয়েছে। সাংবাদিকতা নিজেই নিজের মধ্যে এমন এক ভয়াবহ দানবীয় রূপ এবং বিভ্রম সৃষ্টি করার সম্ভাবনা ধারণ করে, যা মানবজাতির জন্য অতীতে কখনও আসা যেকোনো অভিশাপের চেয়েও ভয়াবহ হতে পারে। এই ভয়ংকর রূপান্তরটি ঠিক সেই মুহূর্তেই ঘটবে যখন সাংবাদিকরা অনুধাবন করতে শুরু করবে যে তারা সমাজের এক বিশেষ অভিজাত শ্রেণীতে পরিণত হতে সক্ষম।
** '''''[[:w:জি. কে. চেস্টারটন|জি. কে. চেস্টারটন]]''''', "দ্য নিউ প্রিস্টস" (১৯০১)। [https://books.google.com/books?id=v6-RGg0qKpsC&pg=PA551&dq=%22Journalism+possesses+in+itself+the+potentiality+of+becoming+one+of+the+most+frightful+monstrosities%22&hl=en&newbks=1&newbks_redir=0&sa=X&ved=2ahUKEwikocyvmKf7AhWbj4kEHWQlDCAQuwV6BAgOEAY#v=onepage&q=%22Journalism%20possesses%20in%20itself%20the%20potentiality%20of%20becoming%20one%20of%20the%20most%20frightful%20monstrosities%22&f=false]
* সাংবাদিকতা বর্তমানে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে ঠিকই, তবে এই জনপ্রিয়তার মূল ভিত্তিটি আসলে এক ধরনের কাল্পনিক আখ্যান বা ফিকশন। আমাদের যাপিত জীবন হলো এক স্বতন্ত্র জগত, আর সংবাদপত্রের পাতায় প্রতিফলিত জীবন হলো সম্পূর্ণ ভিন্ন ও কৃত্রিম এক জগত।
** '''''[[:w:জি. কে. চেস্টারটন|জি. কে. চেস্টারটন]]''''', "অন দ্য ক্রিপ্টিক অ্যান্ড দ্য এলিপ্টিক", '''''অল থিংস কনসিডারড''''' (১৯০৮)।
* আমি জানি যে সাংবাদিকতা মূলত এমন সব মানুষকে 'লর্ড জোন্স মৃত' বলে সংবাদ দেওয়ার নামান্তর, যারা লর্ড জোন্স যে আদৌ জীবিত ছিলেন সেই খবরটিই কখনও জানতেন না।
** '''''[[:w:জি. কে. চেস্টারটন|জি. কে. চেস্টারটন]]''''', "দ্য পার্পল উইগ", '''''দ্য উইজডম অফ ফাদার ব্রাউন''''' (১৯১৪)।
* আমাদের আধুনিক অস্তিত্বের প্রতিচ্ছবি হিসেবে সাংবাদিকতার একটি বড় ও প্রধান দুর্বলতা হলো এই যে, একে এমন এক চিত্রকল্প হতে হয় যা পুরোপুরি কিছু ব্যতিক্রমী ঘটনার সমষ্টি। আমরা চটকদার পোস্টারে ঘোষণা করি যে কোনো এক ব্যক্তি ভারা থেকে নিচে পড়ে গিয়েছেন। কিন্তু আমরা কখনও রঙিন পোস্টারে এই ঘোষণা দিই না যে কোনো এক ব্যক্তি ভারা থেকে নিচে পড়ে যাননি। অথচ বাস্তবিকভাবে পরবর্তী তথ্যটিই অনেক বেশি রোমাঞ্চকর ও উদ্দীপক। কারণ এটি নির্দেশ করে যে মানুষ নামক রহস্য আর আতঙ্কের সেই সচল মিনারটি এখনও এই পৃথিবীতে সদর্পে বিচরণ করছে। মানুষটি যে ভারা থেকে পড়ে যায়নি, সেটিই আসলে প্রকৃত অর্থে বেশি চাঞ্চল্যকর এবং এটি নিয়মিত ঘটে যাওয়া হাজারো সাধারণ ঘটনার চেয়েও অনেক বেশি বাস্তব। কিন্তু সাংবাদিকতার কাছে এমন প্রত্যাশা করা অযৌক্তিক যে তারা এই চিরন্তন ও ধ্রুব অলৌকিক ঘটনাগুলোর ওপর জোর দেবে। ব্যস্ত সম্পাদকদের কাছ থেকে এমনটা আশা করা যায় না যে তারা তাদের পোস্টারে লিখবেন, "মিস্টার উইলকিনসন এখনও নিরাপদ আছেন" কিংবা "ওয়ার্দিং-এর মিস্টার জোন্স এখনও মারা যাননি।" তারা মানবজাতির সামগ্রিক সুখ বা সাধারণ স্বাভাবিকতাকে সংবাদ হিসেবে প্রচার করতে পারেন না। তারা এমন সব কাঁটাচামচের বর্ণনা দিতে পারেন না যা চুরি হয়নি, কিংবা এমন সব দাম্পত্যের কথা লিখতে পারেন না যা বিচারবুদ্ধি খাটিয়ে ভেঙে দেওয়া হয়নি। ফলস্বরূপ, জীবনের যে পূর্ণাঙ্গ চিত্র তারা তুলে ধরেন তা অপরিহার্যভাবেই বিভ্রান্তিকর ও ত্রুটিপূর্ণ হয়ে ওঠে। কারণ তারা কেবল যা অস্বাভাবিক ও ব্যতিক্রমী, তা-ই উপস্থাপন করতে সক্ষম। তারা যত বড় গণতান্ত্রিকই হোন না কেন, দিনশেষে তারা কেবলমাত্র সংখ্যালঘু এবং বিচ্ছিন্ন ঘটনাগুলো নিয়েই বেশি ব্যস্ত থাকেন।
** '''''[[:w:জি. কে. চেস্টারটন|জি. কে. চেস্টারটন]]''''', '''''দ্য বল অ্যান্ড দ্য ক্রস''''' (১৯০৯), [http://www.classicreader.com/book/2241/4/ চতুর্থ অধ্যায়: ভোরের আলোচনা] (দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ)।
* উইকিলিকস যদি কোনো ছাপাখানা থেকে প্রকাশিত সাধারণ সাময়িকী হতো, তবে এর ওপর এমন নিষেধাজ্ঞা আরোপের কথা চিন্তাও করা যেত না। ... এই মামলাটিকে যা আলাদা করে তুলেছে তা হলো, অভিযোগ অনুযায়ী তথাকথিত অগ্রহণযোগ্য বিষয়বস্তুগুলো কাগজের পরিবর্তে ইন্টারনেটে প্রকাশিত হয়েছিল। কিন্তু যারা কোনো কিছু প্রকাশ করতে চায় এবং যারা তা পড়তে চায়। তাদের সুরক্ষা প্রদানকারী মূলনীতিগুলো বিসর্জন দেওয়ার জন্য এটি অত্যন্ত দুর্বল ও ভিত্তিহীন একটি অজুহাত। মাধ্যম যা-ই হোক না কেন, সেন্সরশিপ বা কণ্ঠরোধ সবসময়ই সেন্সরশিপ হিসেবেই গণ্য হয়।
** '''''সম্পাদকীয়''''', "ইলেকট্রনিক সেন্সরশিপ", '''''[[:w:শিকাগো ট্রিবিউন|শিকাগো ট্রিবিউন]]''''', শিকাগো ট্রিবিউন কোম্পানি, (২৬ ফেব্রুয়ারি ২০০৮), পৃ. ১৪।
* '''সাংবাদিকদের পরম পবিত্র দায়িত্ব হলো সত্য প্রকাশ করা। সাংবাদিকতা মানে হলো আপনাকে প্রকৃত ঘটনার মূলে ফিরে যেতে হবে, নথিপত্রগুলো গভীরভাবে খতিয়ে দেখতে হবে, নথিবদ্ধ তথ্যের আসল রূপটি উন্মোচন করতে হবে এবং ঠিক সেভাবেই তা সবার সামনে তুলে ধরতে হবে।'''
** '''''[[:w:নোম চমস্কি|নোম চমস্কি]]''''', সাক্ষাৎকারে: জয় ওয়াং, "বক্তৃতা: নোম চমস্কি", '''''বুলপেন: এনওয়াইইউ জার্নালিজম''''', [[:w:নিউ ইয়র্ক ইউনিভার্সিটি|নিউ ইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়]], (ডিসেম্বর ২০০৪)।
* রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা রক্ষার প্রকৃত উদ্দেশ্য হলো সরকারকে তার নিজস্ব স্বার্থসিদ্ধি এবং প্রায়শই ভিত্তিহীন ও মিথ্যায় ঘেরা সত্যের একটি সংস্করণ প্রতিষ্ঠা করতে সহায়তা করা। আর এটি করা হয় জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়া 'তথ্য' বা 'উপাত্ত'গুলোকে অত্যন্ত সতর্কতার সাথে বাছাই করার মাধ্যমে। তারা তাদের প্রকৃত জানা তথ্যের যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত প্রকাশ কিংবা বিকল্প কোনো তথ্যসূত্রের উপস্থিতিতে চরমভাবে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। সংবাদসূচির ওপর তাদের এই একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার ক্ষেত্রে যেকোনো ধরনের হুমকিকে সম্ভব হলে দমন করা হয়। আর যেখানে দমন করা সম্ভব হয় না, সেখানে দায়ীদের খুঁজে বের করে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা হয়।<br>[[w:ইয়েমেনী_সংকট_(২০১১-বর্তমান)|ইয়েমেন যুদ্ধ]]—যেখানে অন্তত ৭০,০০০ মানুষ প্রাণ হারিয়েছে! সেই যুদ্ধ সম্পর্কে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশ করে দেওয়াই হলো প্রধান কারণ যার জন্য মার্কিন সরকার জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ এবং জিক্রি—উভয়কেই চরমভাবে হেনস্তা ও নিপীড়ন করছে।
** '''''প্যাট্রিক ককবার্ন''''', [https://www.counterpunch.org/2019/06/04/why-the-us-is-persecuting-assange/ "কেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অ্যাসাঞ্জকে নিপীড়ন করছে?"], '''''কাউন্টারপাঞ্চ''''', (৪ জুন ২০১৯)।
* এক দশক আগে আমি যখন কাবুলে অবস্থান করছিলাম, ঠিক তখনই উইকিলিকস আফগানিস্তান, ইরাক এবং ইয়েমেনের সংঘাত সংক্রান্ত মার্কিন সরকারের নথিপত্রের এক বিশাল ভাণ্ডার উন্মোচন করেছিল। সেই প্রকাশের দিনটিতে আমি একজন মার্কিন কর্মকর্তার সাথে দেখা করার জন্য ফোনে কথা বলছিলাম... তিনি এই বিষয়টি নিয়ে অত্যন্ত উৎসুক ছিলেন এবং আমার কাছে জানতে চেয়েছিলেন যে ফাইলগুলোর গোপনীয়তার মাত্রা বা ক্লাসিফিকেশন সম্পর্কে আসলে কী জানা গেছে। আমি যখন তাঁকে বিস্তারিত জানালাম, তিনি বেশ স্বস্তির সুরে বললেন: “তাহলে তো দেখছি এর মধ্যে প্রকৃত অর্থে গোপন রাখার মতো তেমন কিছুই নেই।”
** '''''প্যাট্রিক ককবার্ন''''', [https://www.counterpunch.org/2019/06/04/why-the-us-is-persecuting-assange/ "কেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অ্যাসাঞ্জকে নিপীড়ন করছে?"], '''''কাউন্টারপাঞ্চ''''', (৪ জুন ২০১৯)।
* আমরা এই শুনানিতে উপস্থিত সবাইকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানাচ্ছি। ১৯৮৯ সালের 'টেক্সাস বনাম জনসন' মামলায় সুপ্রিম কোর্ট আমাদের গণতন্ত্রের অন্যতম মৌলিক একটি আদর্শ তুলে ধরেছিল। সেটি হলোঃ প্রথম সংশোধনীর পেছনে যদি কোনো সুদৃঢ় ও অপরিবর্তনীয় ভিত্তি থেকে থাকে, তবে তা হলো এই যে: সরকার কোনো নির্দিষ্ট ধারণার বহিঃপ্রকাশকে কেবল এই অজুহাতে নিষিদ্ধ করতে পারে না যে সমাজ সেই ধারণাটিকে আপত্তিকর বা অপ্রীতিকর বলে মনে করছে। এই অমোঘ কথাগুলো ছিল বিচারপতি উইলিয়াম ব্রেনান জুনিয়রের।
** '''''কংগ্রেসম্যান জন কনিয়ার্স''''', [https://www.govinfo.gov/content/pkg/CHRG-111hhrg63081/html/CHRG-111hhrg63081.htm "মার্কিন কংগ্রেস হাউস হিয়ারিং: এসপিওনাজ অ্যাক্ট এবং উইকিলিকস কর্তৃক উত্থাপিত আইনি ও সাংবিধানিক সমস্যাসমূহ"], বিচার বিভাগীয় কমিটি, প্রতিনিধি সভা, (১৬ ডিসেম্বর ২০১০)। [https://www.c-span.org/video/?297115-1/wikileaksthe-espionage-act-constitution সি-স্প্যান রেকর্ডিং]
* ...এই বিতর্ক সম্পর্কে যার যা-ই মত থাকুক না কেন, এটি অত্যন্ত স্পষ্ট যে উইকিলিকস-এর বিরুদ্ধে বিচারিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে তা বাকস্বাধীনতা, সাংবাদিকের প্রকৃত পরিচয় এবং নাগরিকরা তাদের নিজস্ব সরকারের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে আসলে কতটুকু জানার অধিকার রাখে। তা নিয়ে অত্যন্ত মৌলিক ও সুদূরপ্রসারী প্রশ্নের জন্ম দেবে। প্রকৃতপক্ষে, যদিও এ বিষয়ে একটি সাধারণ ঐকমত্য রয়েছে যে মাঝে মাঝে রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা বজায় রাখা অপরিহার্য, তবুও বর্তমান সময়ের আসল সমস্যাটি গোপনীয়তার অভাব নয়, বরং অতিমাত্রায় গোপনীয়তা রক্ষা করার প্রবণতা।
** '''''কংগ্রেসম্যান জন কনিয়ার্স''''', [https://www.govinfo.gov/content/pkg/CHRG-111hhrg63081/html/CHRG-111hhrg63081.htm "মার্কিন কংগ্রেস হাউস হিয়ারিং: এসপিওনাজ অ্যাক্ট এবং উইকিলিকস কর্তৃক উত্থাপিত আইনি ও সাংবিধানিক সমস্যাসমূহ"], বিচার বিভাগীয় কমিটি, প্রতিনিধি সভা, (১৬ ডিসেম্বর ২০১০)। [https://www.c-span.org/video/?297115-1/wikileaksthe-espionage-act-constitution সি-স্প্যান রেকর্ডিং]
* গণমাধ্যম এমন এক ধরনের বিশ্বাসযোগ্যতা বহন করে যা তারা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই পাওয়ার যোগ্য নয়। আপনারা সবাই কোনো না কোনোভাবে জীবনের এই অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়েছেন। [...]<br>সংক্ষেপে বলতে গেলে, '''গেল-ম্যান অ্যামনেসিয়া এফেক্ট''' বা বিস্মৃতি প্রভাবটি হলো এইরকম: আপনি সংবাদপত্রের এমন একটি নিবন্ধ পড়তে শুরু করলেন যে বিষয়টি সম্পর্কে আপনার আগে থেকেই খুব ভালো জানাশোনা আছে। [...] আপনি নিবন্ধটি পড়লেন এবং বুঝতে পারলেন যে ওই সাংবাদিকের সংশ্লিষ্ট তথ্য বা বিষয়টি সম্পর্কে বিন্দুমাত্র কোনো ধারণা নেই। [...] আপনি অত্যন্ত বিরক্তি বা কৌতুকের সাথে সেই প্রতিবেদনের অসংখ্য ভুলগুলো লক্ষ্য করলেন, কিন্তু এরপরই পাতার উল্টো পাশে গিয়ে জাতীয় বা আন্তর্জাতিক বিষয়ক সংবাদগুলো এমনভাবে পড়তে শুরু করলেন যেন সংবাদপত্রের বাকি অংশগুলো [[w:ফিলিস্তিন|ফিলিস্তিন]] বা অন্য কোনো জটিল বিষয়ে অনেক বেশি নির্ভুল। যদিও মাত্র কয়েক মুহূর্ত আগেই আপনি একগাদা আজেবাজে ও ভুল তথ্য পড়েছেন। '''আপনি যদি পাতা উল্টাতে থাকেন, আর যা আপনি জানেন তা মুহূর্তেই ভুলে যান।'''
** '''''মাইকেল ক্রিকটন''''', [https://web.archive.org/web/20190808123852/http://larvatus.com/michael-crichton-why-speculate/ "কেন অনুমান করবেন?"], (লা জোলা, ক্যালিফোর্নিয়ার ইন্টারন্যাশনাল লিডারশিপ ফোরামে দেওয়া ভাষণ, ২৬ এপ্রিল ২০০২)। মূল উৎস থেকে ৮ আগস্ট ২০১৯ তারিখে আর্কাইভ করা। সংগৃহীত: ৩ মে ২০২২।
== D ==
[[File:Betty Friedan 1960.jpg|thumb|আজকের দিনের গম্ভীর ও মননশীল অ-কল্পকাহিনী লেখকরা সমাজের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ সামাজিক বিজ্ঞানের সুদৃঢ় ভিত্তি এবং একজন প্রতিবেদকের সাংবাদিকতা দক্ষতার সমন্বয়ে তাঁরা কেবল সংবাদ পরিবেশনের গণ্ডি পেরিয়ে আমাদের উদীয়মান সমাজের অগ্রযাত্রার একেবারে সম্মুখভাগে অবস্থান করেন।<br>~'''''বেটি ফ্রিডান''''' ]]
* আমি সত্যি বুঝতে অক্ষম যে সাংবাদিকতাকে কেন এত জঘন্য, এত বেশি বিদ্রূপাত্মক এবং অন্যের ব্যক্তিগত বিষয়ে হস্তক্ষেপকারী হতে হয়।
** '''''পাল ড্যানিয়েলস''''', উদ্ধৃত হয়েছে: '''''[[:w:দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট|দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট]]''''', (১৭ মার্চ ২০১৬)।
* এই সংবাদপত্র আমাদের জন্য সব কিছুই করে থাকে। এটি পুলিশ বাহিনীকে পরিচালনা করে এবং ব্যাংকগুলো চালায়, সামরিক বাহিনীকে আদেশ দেয়, আইনসভা নিয়ন্ত্রণ করে, নবজাতকদের দীক্ষা দেয়, নির্বোধদের বিবাহ সম্পন্ন করে, '''বেদনার্তদের সান্ত্বনা দেয় ও শান্তিতে থাকাদের অস্বস্তিতে ফেলে''', মৃতদের সমাহিত করে এবং পরবর্তীতে তাদের কঠোর সমালোচনা করে দহন করে। এমন কোনো বিষয় নেই যা তারা স্পর্শ করে না, তা পবিত্র রুটির আধ্যাত্মিক রূপান্তর ব্যাখ্যা করা থেকে শুরু করে সাধারণ বিস্কুট তৈরির প্রণালী পর্যন্ত যা-ই হোক না কেন।
** '''''ফিনলে পিটার ডান''''', "নিউজপেপার পাবলিসিটি", '''''অবজারভেশনস বাই মিস্টার ডুলি''''' (১৯০২)।
== E ==
* সাংবাদিকতা হলো একটি সুসংগঠিত পরচর্চা।
** '''''এডওয়ার্ড এগলেস্টন'''''
== F ==
* “সে কি তোমাকে বিশ্বাস করেছিল?”<br>“সে একজন অত্যন্ত দক্ষ ও ঝানু সাংবাদিক। কাজেই অবশ্যই বিশ্বাস করেনি।”
** '''''জ্যাসপার ফোর্ড''''', '''''ওয়ান অফ আওয়ার থার্সডেস ইজ মিসিং''''' (২০১১), ISBN 978-0-670-02252-6, পৃ. ২০৫।
* আমার মনে হয়, শেষ পর্যন্ত আমরা সাংবাদিকরা অন্তত সেই চেষ্টাটুকু করি বা করা উচিত। যেন আমরা ইতিহাসের প্রথম নিরপেক্ষ সাক্ষী হতে পারি। যদি আমাদের অস্তিত্বের পেছনে কোনো সার্থকতা থেকে থাকে, তবে তা অবশ্যই ইতিহাসের ঘটনাপ্রবাহ যেভাবে ঘটে ঠিক সেভাবেই উপস্থাপন করার ক্ষমতার মধ্যে নিহিত; যেন ভবিষ্যতে কেউ কখনও এমনটা বলতে না পারে: 'আমরা জানতাম না! আমাদের কেউ বলেনি।'
** '''''রবার্ট ফিস্ক''''', '''''দ্য গ্রেট ওয়ার ফর সিভিলাইজেশন: দ্য কনকুয়েস্ট অফ দ্য মিডল ইস্ট''''', ফোর্থ এস্টেট, (২০০৫), পৃ. ২৫, ISBN 0007203837।
* আজকের দিনের গম্ভীর ও মননশীল অ-কল্পকাহিনী লেখকরা সমাজের জন্য অপরিহার্য। কারণ সামাজিক বিজ্ঞানের সুদৃঢ় তাত্ত্বিক ভিত্তি এবং একজন প্রতিবেদকের তীক্ষ্ণ সাংবাদিকতা দক্ষতার অনবদ্য সমন্বয়ে তাঁরা কেবল সাধারণ সংবাদ পরিবেশনের গণ্ডি অতিক্রম করেন এবং আমাদের উদীয়মান ও পরিবর্তনশীল সমাজের অগ্রযাত্রার একেবারে সম্মুখভাগে অবস্থান নেন।
** '''''বেটি ফ্রিডান''''' (মে ১৯৭৮), ''৩০তম বার্ষিকী জার্নাল'', '''''আমেরিকান সোসাইটি অফ জার্নালিস্ট অ্যান্ড অথরস'''''; উদ্ধৃত হয়েছে: '''''দ্য কমপ্লিট গাইড টু রাইটিং নন-ফিকশন''''' (১৯৮৩), গ্লেন ইভান্স সম্পাদিত, রাইটার্স ডাইজেস্ট বুকস, সিনসিনাটি, ওহাইও, পৃ. ৫, ISBN 0-89879-117-0।
== G ==
* যখন সাংবাদিকতার বিকৃত ভাষা বা 'জার্নালিজ' তার চরম শিখরে পৌঁছেছিল, ঠিক তখনই স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, হয়তো এটি একটি কাকতালীয় ঘটনা মাত্র।
** '''''জন গলসওয়ার্দি''''' (জুলাই ১৯২৪), ''অন এক্সপ্রেশন'', ইংলিশ অ্যাসোসিয়েশনের রাষ্ট্রপতির ভাষণ, পৃ. ১২; উদ্ধৃতিটি পুনরুৎপাদন করা হয়েছে: ডেভিড ক্রিস্টাল ও হিলারি ক্রিস্টাল রচিত '''''ওয়ার্ডস অন ওয়ার্ডস: কোটেশনস অ্যাবাউট ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজেস''''' (২০০০), ইউনিভার্সিটি অফ শিকাগো প্রেস, পৃ. ২৭৬, ISBN 0226122018।
* সাংবাদিকতা কোনো প্রথাগত পেশা নয়... এর অন্তরে এটি কেবল একটি সৃজনশীল শিল্প বা কারুশিল্প। আর এর অর্থ হলো, যে কেউ যার বিচারবুদ্ধি আছে, যে বুদ্ধিমান, চিন্তাশীল এবং কৌতূহলী—তিনিই এই শিল্পের চর্চা করতে পারেন।
** '''''সু গার্ডনার''''', [https://en.wikinews.org/wiki/Interview_with_Sue_Gardner_of_the_Wikimedia_Foundation "উইকিমিডিয়া ফাউন্ডেশনের সু গার্ডনারের সাথে সাক্ষাৎকার"], '''''উইকিসংবাদ''''', ২৪ অক্টোবর ২০০৭।
* তৃণমূল পর্যায়ের সাংবাদিকতা হলো নাগরিক-সৃষ্ট সংবাদমাধ্যমের সেই বিস্তৃত পরিস্থিতির একটি অংশ, যা আসলে একটি বিশ্বব্যাপী আলাপচারিতা এবং এটি প্রতিনিয়ত শক্তিতে, জটিলতায় ও প্রভাবে সমৃদ্ধ হচ্ছে। মানুষ যখন নিজেকে প্রকাশ করার সুযোগ পায়, তারা অবশ্যই তা করে। যখন তারা শক্তিশালী অথচ সুলভ সরঞ্জাম হাতে পায়, তখন তারা অত্যন্ত দ্রুততার সাথে এই নতুন সংবাদমাধ্যমের জগতের সাথে নিজেদের মানিয়ে নেয়। আর যখন তারা সম্ভাব্য এক বিশ্বব্যাপী শ্রোতামণ্ডলীর কাছে পৌঁছাতে সক্ষম হয়, তখন তারা আক্ষরিক অর্থেই পুরো পৃথিবীটাকে বদলে দিতে পারে।
** '''''ড্যান গিলমোর''''', '''''উই দ্য মিডিয়া: গ্রাসরুটস জার্নালিজম বাই দ্য পিপল ফর দ্য পিপল''''' (২০০৬), ও'রেলি মিডিয়া, পৃ. xv, ISBN 0596102275।
* যদিও সাংবাদিকদের উচিত '''[[w:উইকিলিকস|উইকিলিকসকে]]''' (একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা; যা বিভিন্ন অপ্রকাশিত ও গোপন নথিসমূহ প্রকাশ করে) কিছুটা সংশয়ের দৃষ্টিতে দেখা, কিন্তু একে কোনোভাবেই উপেক্ষা করার উপায় নেই। অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার এই সাহসী নতুন বিশ্বে আপনাদের স্বাগতম।
** '''''শন গনসালভস''''', [http://www.alternet.org/mediaculture/90641/will_wikileaks_revolutionize_journalism/?page=2 "উইকিলিকস কি সাংবাদিকতায় বিপ্লব ঘটাবে?"], '''''অল্টারনেট''''', (৭ জুলাই ২০০৮)।
* যেখানে নিস্তব্ধতা বিরাজ করে, সেখানে ছুটে যাওয়াই একজন সাংবাদিকের পরম দায়িত্ব। যারা বিস্মৃত, পরিত্যক্ত এবং ক্ষমতাশালীদের দ্বারা নিগৃহীত হয়েছে, তাদের কণ্ঠস্বর হয়ে ওঠা। আমাদের এমন এক 'ট্রিকল-আপ' বা তৃণমূল থেকে উঠে আসা গণমাধ্যম গড়ে তুলতে হবে যা এই দেশ এবং এর মানুষের প্রকৃত চরিত্রকে প্রতিফলিত করবে।
** '''''অ্যামি গুডম্যান''''', ডেভিড গুডম্যানের সাথে যৌথভাবে রচিত '''''দ্য এক্সেপশন টু দ্য রুলার্স''''' (২০০৪)।
* সাংবাদিকদের কাজ হলো ক্ষমতার ওপর নজরদারি করা এবং ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষা করা, জনপ্রিয়তার প্রতিযোগিতায় জয়ী হওয়া নয়।
** '''''[[:w:অ্যামি গুডম্যান|অ্যামি গুডম্যান]]''''', ভূমিকা, '''''ডেমোক্রেসি নাও!: টুয়েন্টি ইয়ার্স কভারিং দ্য মুভমেন্টস চেঞ্জিং আমেরিকা''''' (২০১৬)।
* মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ধর্ম হলো সামরিক সব কিছুর উপাসনা করা। আর সাংবাদিকরা হলেন সেই ধর্মের প্রধান পুরোহিত।
** '''''গ্লেন গ্রিনওয়াল্ড''''' (১৯৬৭), ডেমোক্রেসি নাও! এর সাথে সাক্ষাৎকার (১৪ নভেম্বর ২০১২): [http://www.democracynow.org/2012/11/14/glenn_greenwald_while_petraeus_had_affair "গ্লেন গ্রিনওয়াল্ড: যখন পেট্রাউস জীবনীকারের সাথে প্রণয়ে লিপ্ত ছিলেন, কর্পোরেট মিডিয়া তখন পেট্রাউসের প্রেমে মগ্ন ছিল।"] সংগৃহীত: ১৫ নভেম্বর ২০১২।
* গাজায় সংবাদমাধ্যমের কার্যালয়গুলো ধ্বংস করা এবং সাংবাদিকদের হত্যা করা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। সংঘাতপূর্ণ এলাকাগুলোতেও সাংবাদিকদের আক্রমণ বা হেনস্তার ভয় ছাড়াই তাদের অপরিহার্য কাজ চালিয়ে যেতে সক্ষম হতে হবে। তাঁদের অবশ্যই সুরক্ষা দিতে হবে এবং সম্মান করতে হবে... এমনকি যুদ্ধেরও সুনির্দিষ্ট কিছু নিয়ম আছে। সর্বোপরি, সাধারণ নাগরিকদের অবশ্যই রক্ষা করতে হবে... বাছবিচারহীন হামলা এবং বেসামরিক ব্যক্তি ও তাদের সম্পদের ওপর আক্রমণ করা যুদ্ধ আইনের চরম লঙ্ঘন।
** '''''[[:w:আন্তোনিও গুতেরেস|আন্তোনিও গুতেরেস]]''''', [https://www.un.org/sg/en/content/sg/statement/2021-05-20/secretary-general%E2%80%99s-remarks-the-general-assembly-meeting-the-situation-the-middle-east-and-palestine-delivered "মধ্যপ্রাচ্য ও ফিলিস্তিন পরিস্থিতি নিয়ে সাধারণ পরিষদের সভায় মহাসচিবের বক্তব্য"], জাতিসংঘ মহাসচিব, বিবৃতি (২০ মে ২০২১)।
== H ==
[[File:Thomas Jefferson 1904 Issue, 2c.jpg|thumb|যদি আমাকে সিদ্ধান্ত নিতে বলা হয় যে আমাদের কি সংবাদপত্রহীন কোনো সরকার থাকা উচিত, নাকি সরকারহীন সংবাদপত্র থাকা উচিত। তবে আমি দ্বিতীয়টি বেছে নিতে এক মুহূর্তও দ্বিধা করব না।<br>~'''''[[:w:টমাস জেফারসন|টমাস জেফারসন]]''''' ]]
* সম্পাদক: সংবাদপত্রের দ্বারা নিযুক্ত এমন একজন ব্যক্তি, যাঁর কাজ হলো সারবস্তু থেকে অসার অংশকে আলাদা করা এবং এটি নিশ্চিত করা যে সেই অসার অংশগুলোই যেন সংবাদপত্রে ছাপা হয়।
** '''''এলবার্ট হাববার্ড''''' (১৯১৪), ''দ্য রয়ক্রফট ডিকশনারি অফ এপিগ্রামস''; উদ্ধৃত হয়েছে: ফ্রেড আর. শাপিরো সম্পাদিত '''''দ্য ইয়েল বুক অফ কোটেশনস''''', ইয়েল ইউনিভার্সিটি প্রেস, নিউ হ্যাভেন, কানেকটিকাট, পৃ. ৩৭৪, ISBN 0300107986।
== I ==
* ...মার্কিন সমাজবিজ্ঞানী জর্জ ইয়ান্সি তাঁর ২০১৫ সালের গ্রন্থ "হোস্টাইল এনভায়রনমেন্ট"-এ খ্রিস্টধর্ম এবং সাধারণভাবে রক্ষণশীল ধর্মের বিরুদ্ধে মার্কিন গণমাধ্যমের পক্ষপাতিত্বের ওপর আলোকপাত করেছেন এবং এর মূল কারণ হিসেবে খুঁজে পেয়েছেন যে, '''মূলধারার মার্কিন সাংবাদিকতা হলো একটি স্ব-স্থায়ীকৃত আভিজাত্য বা বর্ণপ্রথা।''' আপনি যদি একজন ইভানজেলিকাল খ্রিস্টান হন কিংবা প্রচলিত উদারপন্থী ও ধর্মনিরপেক্ষ আদর্শের সাথে, বিশেষ করে নৈতিক বিষয়গুলোতে একমত না হন, তবে কোনো মূলধারার সংবাদমাধ্যমে নিয়োগ পাওয়ার জন্য প্রথম সাক্ষাৎকারেই আপনাকে প্রত্যাখ্যান করে ছুড়ে ফেলে দেওয়া হবে।
** '''''মাসিমো ইনত্রোভিনে''''', [https://bitterwinter.org/the-anti-religious-anti-cult-and-anti-tai-ji-men-bias-in-the-media/ "গণমাধ্যমে ধর্ম-বিরোধী, গোষ্ঠী-বিরোধী এবং তাই জি মেন-বিরোধী পক্ষপাতিত্ব"], '''''বিটার উইন্টার''''', (মে ২০২৪)।
* সাংবাদিকতা মানে দর্শক বা পাঠকদের জটিলতা থেকে দূরে সরিয়ে রাখা নয়। বরং এটি হলো জটিল বিষয়গুলোকে নিখুঁতভাবে উপস্থাপন করা এবং সেই জটিলতার মধ্য দিয়ে পথ চলার জন্য দর্শকদের বিচারবুদ্ধির ওপর আস্থা রাখা। একটি তথ্যচিত্র যা সমস্ত ভিন্নমত পোষণকারী কণ্ঠস্বরকে বর্জন করে, তাকে কোনোভাবেই প্রকৃত অনুসন্ধান বলা চলে না।
** '''''মাসিমো ইনত্রোভিনে''''', [https://bitterwinter.org/france-hate-speech-against-scientology-now-funded-by-taxpayers/ "ফ্রান্স: সায়েন্টোলজির বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক বক্তব্য এখন করদাতাদের অর্থে অর্থায়িত হচ্ছে"], '''''বিটার উইন্টার''''', (১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬)।
== J ==
* একজন ব্যক্তির জীবন, স্বাধীনতা এবং সম্পত্তির অধিকার, সেইসাথে বাকস্বাধীনতা, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা, উপাসনা ও সমাবেশের অধিকার এবং অন্যান্য মৌলিক অধিকারগুলো ভোটের ওপর ছেড়ে দেওয়া যায় না। এগুলো কোনো নির্বাচনের ফলাফলের ওপর নির্ভর করে না।
** '''''[[:w:রবার্ট এইচ. জ্যাকসন|রবার্ট এইচ. জ্যাকসন]]''''', '''''[[:w:ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া স্টেট বোর্ড অফ এডুকেশন বনাম বারনেট মামলা|ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া স্টেট বোর্ড অফ এডুকেশন বনাম বারনেট]]''''', মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট, (১৯৪৩), ৩১৯ ইউ.এস. ৬২৪, ৬৩৮।
* আমাদের সরকারের ভিত্তি যেহেতু জনমত, তাই আমাদের প্রথম ও প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত সেই অধিকারকে সমুন্নত রাখা। আর যদি আমাকে সিদ্ধান্ত নিতে বলা হয় যে আমাদের কি সংবাদপত্রহীন কোনো সরকার থাকা উচিত, নাকি সরকারহীন সংবাদপত্র থাকা উচিত—তবে আমি দ্বিতীয়টি বেছে নিতে এক মুহূর্তও দ্বিধা করব না। তবে আমার এই বক্তব্যের অর্থ এই যে, প্রতিটি মানুষের কাছে সেই সংবাদপত্র পৌঁছাতে হবে এবং তাদের তা পাঠ করার সক্ষমতা থাকতে হবে।
** '''''[[:w:টমাস জেফারসন|টমাস জেফারসন]]''''', কর্নেল এডওয়ার্ড ক্যারিংটনকে লেখা চিঠি (১৬ জানুয়ারি ১৭৮৭), লিপসকম্ব ও বার্গ সংস্করণ ৬:৫৭।
* সংবাদপত্রকে কীভাবে পরিচালনা করলে তা সবচেয়ে বেশি জনকল্যাণকর হবে, এ বিষয়ে আমার মত জানতে চাইলে আমি বলব, "একে কেবল ধ্রুব সত্য ঘটনা এবং নির্ভুল নীতিমালার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার মাধ্যমে।" তবুও আমার ভয় হয় যে এমন সংবাদপত্রের গ্রাহক সংখ্যা হবে খুবই নগণ্য। এটি একটি বিষাদময় সত্য যে, সংবাদপত্রের কণ্ঠরোধ করা হলে দেশ যতটা না এর সুফল থেকে বঞ্চিত হয়, তার চেয়েও বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় যখন সংবাদপত্র নির্লজ্জভাবে মিথ্যার কাছে নিজেকে সঁপে দেয়। সংবাদপত্রে যা দেখা যায় তার কোনো কিছুই এখন আর বিশ্বাস করা যায় না। এমনকি পরম সত্যও যখন এই কলুষিত মাধ্যমের ভেতর দিয়ে প্রকাশিত হয়, তখন তাও সন্দেহজনক হয়ে ওঠে। ভুল তথ্যের এই রাজত্ব আসলে কতটা বিস্তৃত তা কেবল তারাই জানেন যারা তাদের ব্যক্তিগত জ্ঞান দিয়ে দিনের পর দিন এই মিথ্যাগুলোর মুখোশ উন্মোচন করতে পারেন। ... আমি আরও যোগ করব যে, যে ব্যক্তি কখনোই সংবাদপত্র দেখেন না তিনি সেই ব্যক্তির চেয়ে বেশি অবগত ও শিক্ষিত যিনি নিয়মিত সংবাদপত্র পড়েন। কারণ যিনি কিছুই জানেন না তিনি সেই ব্যক্তির তুলনায় সত্যের অনেক বেশি কাছাকাছি থাকেন যার মন মিথ্যা আর ভ্রান্তিতে পরিপূর্ণ। যে ব্যক্তি কিছুই পড়ে না সে অন্তত মহান সত্যগুলো শিখতে পারবে, যেখানে সংবাদপত্রের বিস্তারিত তথ্যগুলোর সবই মিথ্যে।
** '''''[[:w:টমাস জেফারসন|টমাস জেফারসন]]''''', [[:w:জন নরভেল|জন নরভেল]]-কে লেখা চিঠি (১১ জুন ১৮০৭)। [https://www.loc.gov/resource/mtj1.038_0592_0594/?sp=2&st=text মূল উৎস এবং প্রতিলিপি]
* আমাদের সংবাদপত্রগুলো বর্তমানে যে পঙ্কিল ও জঘন্য অবস্থায় পতিত হয়েছে, এবং যারা এই সংবাদপত্রের জন্য লেখেন, তাদের সেই বিদ্বেষপরায়ণতা, অসভ্যতা ও মিথ্যাচারের মানসিকতার জন্য আমি আপনার মতোই গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করছি। আমরা ঠিক কতটা অতল গহ্বরে তলিয়ে গেছি তার প্রমাণ হিসেবে আমি আপনাকে নিউ ইংল্যান্ডের একজন বিচারকের সাম্প্রতিক একটি লেখা পাঠাচ্ছি। এই সব আবর্জনা জনরুচিকে দ্রুত কলুষিত করছে এবং সুস্থ চিন্তার প্রতি মানুষের আগ্রহ কমিয়ে দিচ্ছে। তথ্যের বাহন হিসেবে এবং আমাদের কর্মকর্তাদের ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখার যন্ত্র হিসেবে সংবাদপত্রগুলো এখন সম্পূর্ণ অকেজো হয়ে পড়েছে; কারণ তারা বিশ্বাসযোগ্যতার সমস্ত দাবি হারিয়ে ফেলেছে। আমি আপনার সাথে একমত যে, দলীয় মানসিকতার চরম সহিংসতা এবং বিদ্বেষই এই পরিস্থিতির জন্য বহুলাংশে দায়ী...
** '''''[[:w:টমাস জেফারসন|টমাস জেফারসন]]''''', [https://founders.archives.gov/documents/Jefferson/03-07-02-0052 ওয়াল্টার জোন্সকে লেখা চিঠি] (২ জানুয়ারি ১৮১৪)।
* তারা এ নিয়ে মিথ্যে কথা বলেছিল! শত্রু যখন সমুদ্রের পানি ফুটিয়ে ফেলল, আমাদের ষষ্ঠ নৌবহরকে জ্বালিয়ে ছারখার করে দিল এবং উপকূলরেখার পঞ্চাশ মাইলের মধ্যে থাকা প্রতিটি পুরুষ, নারী ও শিশুকে পুড়িয়ে মারল! তখন কিন্তু আপনি অন্তত কিছু সংবাদ প্রতিবেদন আশা করতেই পারতেন। কিন্তু তারা কী রিপোর্ট করল? ফ্লোরিডাতে কিসের সামান্য ভূমিক্ষয়! ওহে নারী, তারা তো পুরো সমুদ্রটাই লাভা-প্লাবিত করে ফেলেছিল!
** '''''আর্থার এম. জলি''''', ''আফটার ইটস অল ওভার'' নাটকে, অরিজিনাল ওয়ার্কস প্রেস, (২০০৯)।
* বাইরের মানুষ যা বুঝতে পারেন না তা হলোঃ কটি সংবাদপত্র আসলে একটি 'সুফলে'র / '''Soufflé''' মতো, যা দ্রুত খাওয়ার জন্য খুব তড়িঘড়ি করে প্রস্তুত করা হয়। আর ঠিক এই কারণেই যখনই আপনি এমন কোনো ঘটনার সংবাদপত্র প্রতিবেদন পড়েন যা সম্পর্কে আপনার ব্যক্তিগত জ্ঞান রয়েছে, তখনই সেটি আপনার কাছে প্রায় সবসময়ই অপর্যাপ্ত বা ভুল বলে মনে হয়। সাংবাদিকরাও অন্য সবার মতো এই ত্রুটির বিষয়ে সচেতন। কিন্তু বিষয়টি স্রেফ এই যে, যদি তথ্যকে যত বেশি সম্ভব পাঠকের কাছে পৌঁছাতে হয়, তবে নিখুঁত হওয়ার চেয়ে বরং কিছুটা কম গুণমানকেই প্রায়শ মেনে নিতে হয়।
** '''''ডেভিড ই. এইচ. জোন্স''''', '''''নিউ সায়েন্টিস্ট''''', খণ্ড ২৬, (১৯৬৫)।
== K ==
* তারা ছিল পেশাদার ক্ষোভ-বিশারদ যারা কেবল একটি জিনিসই জানত। কীভাবে পরিচয়বাদী রাজনীতি বা আইডেন্টিটি পলিটিক্স দিয়ে গোটা পশ্চিমা বিশ্বকে পিটিয়ে হত্যা করতে হয়। আর এখন, গত কয়েক বছরের মধ্যে দেখা সবচেয়ে উদ্দীপক বিদ্রূপের সাথে আমরা অন্তত নিরাপদে এটা বলতে পারি যে, তাদের সময় ফুরিয়ে এসেছে, "'''#টাইমসআপ'''"।
** '''''রহিম কাসাম''''', "না, আমি সেই সাংবাদিকদের জন্য দুঃখিত নই যারা চাকরি হারিয়েছে — আমি বরং দারুণ রোমাঞ্চিত", '''''ডেইলি কলার''''', (২৮ জানুয়ারি ২০১৯)।
* আমার এবং আমাদের সবার সমস্যা হলো যে আমি মনে করি সংবাদ ব্যবসার সাথে জড়িত অধিকাংশ মানুষই আমার এই মতের সাথে একমত হবেন, যে আমরা (এবং এখানে আমি কেবল '[[w:দ্য_টাইমস|দ্য টাইমস]]' এর কথা বলছি না) নাম প্রকাশ না করার আড়ালে অত্যন্ত নীরস উদ্ধৃতি অথবা মাঝে মাঝে অলস পরচর্চা ও কটাক্ষ প্রকাশ করতে বড্ড বেশি উন্মুখ থাকি। আমার কাছে মনে হয়, এটি তথ্যসূত্রের সুরক্ষা বা সোর্স প্রোটেকশনের মূল্যকে সস্তা করে দেয়।
** '''''বিল কেলার''''', '''''[[:w:দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস|দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের]]''''' নির্বাহী সম্পাদক, বেনামী তথ্যসূত্র প্রসঙ্গে (১৩ মে ২০০৫), '''''অন দ্য মিডিয়া'''''তে।
== L ==
* সংবাদপত্র সবসময়ই মানুষের মনে প্রবল কৌতূহল জাগিয়ে তোলে। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো, কেউ কোনোদিন সংবাদপত্র পাঠ শেষ করার পর একরাশ হতাশা বা অতৃপ্তি ছাড়া তা হাত থেকে নামিয়ে রাখতে পারে না।
** '''''চার্লস ল্যাম্ব''''' (১৮৩৩), "অন বুকস অ্যান্ড রিডিং", ''দ্য লাস্ট এসেস অফ এলিয়া''; উদ্ধৃতিটি পুনরুৎপাদন করা হয়েছে: ডেভিড ক্রিস্টাল ও হিলারি ক্রিস্টাল রচিত '''''ওয়ার্ডস অন ওয়ার্ডস: কোটেশনস অ্যাবাউট ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজেস''''' (২০০০), ইউনিভার্সিটি অফ শিকাগো প্রেস, পৃ. ২৭৬, ISBN 0226122018।
* চাঞ্চল্যকর বা হলুদ সাংবাদিকতার চিরন্তন সাতটি প্রধান অনুষঙ্গ হলো: লোমহর্ষক অপরাধের বিবরণ, ব্যক্তিগত জীবনের কেলেঙ্কারি, ভিত্তিহীন কাল্পনিক বিজ্ঞান, মানসিক উন্মাদনা, সংখ্যাতত্ত্বের মতো নানাবিধ অন্ধবিশ্বাসের চর্চা, অলৌকিক দানব বা দানবীয় কর্মকাণ্ড এবং প্রভাবশালী ধনকুবেরদের জীবনকথা।
** '''''ফ্রিটজ লেইবার''''', ''এ রাইট অফ স্প্রিং'' (১৯৭৭); টেরি কার সম্পাদিত '''''ইউনিভার্স ৭''''', পৃ. ২৬।
* জেনারেল ডগলাস ম্যাকার্থারের প্রসঙ্গে বলতে গেলে, আমি আসলে এমন কোনো ব্যক্তি সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট বা স্পষ্ট কোনো মতামত দেওয়ার মতো অবস্থানে নিজেকে খুঁজে পাই না, যাঁকে আমি কেবল সংবাদপত্রের মাধ্যমেই চিনি। আপনি লক্ষ্য করে দেখবেন, সংবাদমাধ্যমগুলো যখনই এমন কোনো ব্যক্তি বা বিষয় নিয়ে আলোচনা করে যা সম্পর্কে আমার ব্যক্তিগত ধারণা বা জ্ঞান রয়েছে, তখনই আমি দেখি যে তাদের পরিবেশিত তথ্যগুলো সবসময়ই মিথ্যাচার আর ভুল বোঝাবুঝির এক বিশাল স্তূপ ছাড়া আর কিছুই নয়; আর এই অভিজ্ঞতা থেকেই আমি এই সিদ্ধান্তে উপনীত হই যে, যেসব ক্ষেত্র সম্পর্কে আমার বিন্দুমাত্র কোনো জ্ঞান নেই, সেখানেও তারা এর চেয়ে ভালো কিছু হওয়ার সম্ভাবনা রাখে না।
** '''''[[:w:সি. এস. লিউইস|সি. এস. লিউইস]]''''', মিসেস মেরি ভ্যান ডিউসেনকে লেখা চিঠি (৩০ এপ্রিল ১৯৫১), ''সংগৃহীত সি. এস. লিউইস পত্রাবলি, খণ্ড ৩: "নার্নিয়া, কেমব্রিজ, অ্যান্ড জয়", ১৯৫০-১৯৬৩'', পৃ. ১১৪।
== M ==
[[File:Janet Malcolm 3.18.13a (headshot).jpg|thumb|আমাদের বর্তমান সমাজে একজন সাংবাদিককে ঠিক একজন পরোপকারীর সমান্তরালে স্থান দেওয়া হয়, কারণ তাঁর হাতে বিলি করার মতো অত্যন্ত মূল্যবান কিছু একটি থাকে (তাঁর এই বিনিময়ের মুদ্রাটি হলো 'পাবলিসিটি' বা প্রচার নামক এক অদ্ভুত মাদকতাময় বস্তু), এবং ফলস্বরূপ তাঁকে এমন এক ধরনের শ্রদ্ধা ও সম্মান প্রদর্শন করা হয় যা একজন মানুষ হিসেবে তাঁর প্রকৃত যোগ্যতার তুলনায় একেবারেই ভারসাম্যহীন।<br>~'''''জ্যানেট ম্যালকম''''' ]]
* বিভিন্ন স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীর ওয়েবসাইটগুলো সাধারণত সাংবাদিকতার ছদ্মবেশে এক ধরনের অপপ্রচার বা 'জার্নালগান্ডা'র [হলুদ সাংবাদিকতা] জয়গান গায়। কারণ সেখানে সবকিছুই পরিবেশন করা হয় সেই নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর নিজস্ব স্বার্থের ফিল্টার বা ছাঁকনির ভেতর দিয়ে। এটি এক অদ্ভুত ও অবাস্তব জগত, তবে এর গুরুত্বও অপরিসীম। কারণ কট্টরপন্থীরা তাদের পূর্বনির্ধারিত চিন্তাধারাকে আরও শক্তিশালী করতে এখানেই ভিড় জমায়। আপনার অবস্থান যা-ই হোক না কেন, নিজেকে চূড়ান্তভাবে সঠিক মনে করার ক্ষেত্রে এই জার্নালগান্ডার চেয়ে কার্যকর আর কিছুই হতে পারে না। প্রকৃত সাংবাদিকতাকে সবসময় চিনে নেওয়া যায় তার কাজের ধরন দেখে। এটি প্রায়শই সাধারণ মানুষকে এই সাংবাদিকতার জগত সম্পর্কে চরম অস্বস্তি ও ভ্রান্ত বিচলিত অবস্থার মধ্যে ফেলে দেয়।
** '''''চার্লস এম. ম্যাডিগান''''' (২৫ অক্টোবর ২০০৫), [http://web.archive.org/web/20130625005510/http://www.chicagotribune.com/news/opinion/chi-0510250027oct25,0,3811209.column?page=2&coll=chi-ed_opinion_columnists-utl "আজকের 'সাংবাদিকতা'র সমস্যা"], '''''[[:w:শিকাগো ট্রিবিউন|শিকাগো ট্রিবিউন]]'''''।
* এমন প্রতিটি সাংবাদিক—যিনি পরিস্থিতির গভীরতা বোঝার মতো যথেষ্ট বুদ্ধিমান এবং নিজের অহংবোধে অন্ধ হয়ে যাননি। তিনি খুব ভালো করেই জানেন যে, তিনি যা করছেন তা নৈতিকভাবে সম্পূর্ণ অমার্জনীয়। তিনি মূলত এক প্রকারের প্রতারক বা 'কনফিডেন্স ম্যান', যিনি মানুষের অহংকার, অজ্ঞতা কিংবা একাকীত্বকে পুঁজি করে তাদের ওপর শিকারি পাখির মতো ঝাঁপিয়ে পড়েন। তিনি প্রথমে মানুষের বিশ্বাস অর্জন করেন এবং এরপর বিন্দুমাত্র অনুশোচনা ছাড়াই সেই বিশ্বাসের চরম অমর্যাদা করেন। ঠিক যেমন একজন অতি-বিশ্বাসী বিধবা একদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে আবিষ্কার করেন যে সেই মনোমুগ্ধকর যুবকটি তাঁর সারা জীবনের সমস্ত সঞ্চয় নিয়ে চম্পট দিয়েছে। তেমনি কোনো একটি অ-কাল্পনিক রচনার বিষয়বস্তু হওয়া ব্যক্তিটিও। যখন সেই নিবন্ধ বা বইটি প্রকাশিত হয়, তখনই তাঁর জীবনের সেই রূঢ় ও কঠিন শিক্ষাটি লাভ করেন। সাংবাদিকরা তাঁদের এই বিশ্বাসঘাতকতাকে নিজ নিজ স্বভাব অনুযায়ী বিভিন্নভাবে যুক্তিযুক্ত করার চেষ্টা করেন। তাঁদের মধ্যে যারা অধিকতর আড়ম্বরপূর্ণ, তারা বাকস্বাধীনতা এবং "জনগণের জানার অধিকার" নিয়ে লম্বা চওড়া কথা বলেন। যারা অপেক্ষাকৃত কম মেধাবী হয়, তারা একে এক ধরণের 'শিল্প' বলে আখ্যা দিয়ে থাকেন। আর যারা খুব বিনয়ী হওয়ার ভান করেন, তারা স্রেফ জীবনধারণের তাগিদে এই পেশা বেছে নেওয়ার কথা বলে মৃদু গুঞ্জন তোলে থাকেন।
** '''''[[:w:জ্যানেট ম্যালকম|জ্যানেট ম্যালকম]]''''', '''''[[:w:দ্য জার্নালিস্ট অ্যান্ড দ্য মার্ডারার|দ্য জার্নালিস্ট অ্যান্ড দ্য মার্ডারার]]''''' (১৯৯০), নিউ ইয়র্ক: নফ, পৃ. ৩ (বইটির উদ্বোধনী অনুচ্ছেদ)।
* আমাদের বর্তমান সমাজে একজন সাংবাদিককে ঠিক একজন পরোপকারীর সমান্তরালে স্থান দেওয়া হয়, কারণ তাঁর হাতে বিলি করার মতো অত্যন্ত মূল্যবান কিছু একটি থাকে (তাঁর এই বিনিময়ের মুদ্রাটি হলো 'পাবলিসিটি' বা প্রচার নামক এক অদ্ভুত মাদকতাময় বস্তু), এবং ফলস্বরূপ তাঁকে এমন এক ধরনের শ্রদ্ধা ও সম্মান প্রদর্শন করা হয় যা একজন মানুষ হিসেবে তাঁর প্রকৃত যোগ্যতার তুলনায় একেবারেই ভারসাম্যহীন। এই দেশে এমন মানুষের সংখ্যা খুবই নগণ্য যারা নিজেদের সম্পর্কে কোথাও লেখা হচ্ছে কিংবা কোনো রেডিও বা টেলিভিশন প্রোগ্রামে তাঁদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হচ্ছে, এমন সম্ভাবনা দেখে প্রবলভাবে উচ্ছ্বসিত হন না।
** '''''জ্যানেট ম্যালকম''''', '''''দ্য জার্নালিস্ট অ্যান্ড দ্য মার্ডারার''''' (১৯৯০), নিউ ইয়র্ক: নফ, পৃ. ৫৮।
* আমি এখন এমনটা ভাবতে শুরু করেছি যে... সাংবাদিকতামূলক রচনায় "আমি" নামক চরিত্রটি সাংবাদিকের সৃষ্ট অন্যান্য সমস্ত চরিত্র থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। কারণ এটি সেই নিয়মের একটি ব্যতিক্রম যেখানে বলা হয় যে কোনো কিছুই আবিষ্কার বা উদ্ভাবন করা যাবে না। সাংবাদিকতার এই "আমি" চরিত্রটি প্রায় পুরোপুরি একটি মনগড়া উদ্ভাবন। আত্মজীবনীতে ব্যবহৃত "আমি" যেখানে লেখকের সরাসরি প্রতিনিধিত্ব করার কথা, সেখানে সাংবাদিকতার এই "আমি" লেখকের সাথে খুব সামান্য বা ক্ষীণভাবেই যুক্ত। ঠিক যেভাবে সুপারম্যানের সাথে ক্লার্ক কেন্টের সংযোগ থাকে। সাংবাদিকতার এই "আমি" হলো এক অতি-নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারী, যার ওপর আখ্যানের গুরুত্বপূর্ণ কাজ, যুক্তি উপস্থাপন এবং সুর নির্ধারণের দায়িত্ব অর্পণ করা হয়। এটি গ্রিক ট্র্যাজেডির কোরাসের মতো একটি বিশেষ প্রয়োজনে সৃষ্ট সৃষ্টি। সে হলো একটি প্রতীকি চরিত্র, যে জীবনের এক নিরাসক্ত ও আবেগহীন পর্যবেক্ষক হিসেবে নিজেকে মূর্ত করে তোলে। তা সত্ত্বেও, পাঠকরা যারা সহজেই এই ধারণাটি মেনে নেন যে ফিকশন বা কল্পকাহিনীর বর্ণনাকারী এবং সেই বইয়ের লেখক এক ব্যক্তি নন, তারাই আবার সাংবাদিকতার এই উদ্ভাবিত "আমিত্বের" ধারণাটিকে জেদের সাথে প্রতিরোধ করেন। এমনকি সাংবাদিকদের মধ্যেও এমন অনেকে আছেন যারা নিজেদের টেক্সটের সেই 'সুপারম্যান' রূপ থেকে নিজেদের বাস্তব সত্ত্বাকে আলাদা করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত হিমশিম খান।
** '''''[[:w:জ্যানেট ম্যালকম|জ্যানেট ম্যালকম]]''''', '''''দ্য জার্নালিস্ট অ্যান্ড দ্য মার্ডারার''''' (১৯৯০), নিউ ইয়র্ক: নফ, পৃ. ১৫৯–১৬০।
* সাংবাদিকতার নৈতিক অস্পষ্টতা বা দ্বিধার লিখিত বয়ানের মধ্যে নয়, বরং সেই সম্পর্কের গভীরে নিহিত থাকে যেখান থেকে এই বয়ানগুলো জন্ম নেয়। আর এই সম্পর্কগুলো অনিবার্যভাবেই এবং কোনোভাবেই এড়ানো যায় না এমনভাবে একপেশে বা অসম প্রকৃতির হয়ে থাকে। সাংবাদিকতামূলক রচনার 'ভালো' চরিত্রগুলো ঠিক তেমনিভাবেই অন্য একজন মানুষের ওপর লেখকের সেই অশুভ ও প্রচণ্ড ক্ষমতার ফসল, যেভাবে 'মন্দ' চরিত্রগুলো সৃষ্টি হয়। [...] সাংবাদিকতার বিষয়বস্তু হওয়া ব্যক্তিটি হয়তো সাংবাদিককে নিজের স্বার্থে ব্যবহার বা ম্যানিপুলেট করার চেষ্টা করতে পারেন এবং জাগতিক জ্ঞানসম্পন্ন কোনো ব্যক্তিই কমবেশি এই প্রবণতার ঊর্ধ্বে নন। কিন্তু এই বিষয়টি কোনোভাবেই ব্যক্তিস্বাধীনতার চেতনার বিরুদ্ধে সাংবাদিকের নিজের করা পাপগুলোকে মোচন বা খণ্ডন করতে পারে না। [...] সাংবাদিকরা এই নৈতিক অচলাবস্থার সাথে লড়াই করার জন্য অগণিত বৈচিত্র্যময় পথ অবলম্বন করেন [...]। তাদের মধ্যে যারা সবচেয়ে প্রজ্ঞাবান, তারা ভালো করেই জানেন যে তারা সর্বোচ্চ যা করতে পারেন তা-ও আসলে যথেষ্ট নয়। আর যারা খুব একটা বুদ্ধিমান নন, তারা তাদের চিরচেনা অভ্যাসবশত এটা বিশ্বাস করতেই পছন্দ করেন যে আসলে কোনো সমস্যাই নেই এবং তারা হয়তো এর একটি সমাধানও করে ফেলেছেন।
** '''''জ্যানেট ম্যালকম''''', '''''[[:w:দ্য জার্নালিস্ট অ্যান্ড দ্য মার্ডারার|দ্য জার্নালিস্ট অ্যান্ড দ্য মার্ডারার]]''''' (১৯৯০), নিউ ইয়র্ক: নফ, পৃ. ১৬২-১৬৩। (শেষ বাক্যটি বইটির অন্তিম বাক্য)।
* উন্নত ও মানসম্মত সাংবাদিকতার জন্য তথ্যফাঁসকারী বা 'হুইসেলব্লোয়ার'রা অপরিহার্য। তাঁরা সাংবাদিকদের সেই সব গোপনীয়তার দেয়াল ভেদ করতে সাহায্য করেন যা সরকারি কর্মকর্তা এবং জনসংযোগ কর্মকর্তারা অত্যন্ত সযত্নে গড়ে তোলেন। এই হুইসেলব্লোয়াররাই সরকার, কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান, সামরিক বাহিনী এবং গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর ভেতরে লুকিয়ে থাকা নানা অনিয়ম ও অন্যায় কর্মকাণ্ডগুলো সবার সামনে এনে উন্মোচন করে থাকেন। এই সাহসী মানুষদের তাঁদের এই বীরত্বপূর্ণ কাজের জন্য পুরস্কৃত করা উচিত ছিল। কিন্তু তার পরিবর্তে, অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো যে তাঁদের প্রায়ই বিচারিক হয়রানি কিংবা কারাবাসের মুখোমুখি হতে হয়।
** '''''ইউয়েন ম্যাকআসকিল''''', [https://www.democracynow.org/2021/10/25/belmarsh_tribunal "জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জকে মুক্ত করুন: স্নোডেন, ভারুফাকিস, করবিন এবং তারিক আলী প্রত্যর্পণ শুনানির আগে কথা বলছেন"], '''''ডেমোক্রেসি নাও!''''', (২৫ অক্টোবর ২০২১)।
* যদি জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জকে অভিযুক্ত করে বিচার করা হয়, তবে '[[w:দ্য_গার্ডিয়ান|দ্য গার্ডিয়ান]]', [[w:দ্য_নিউ_ইয়র্ক_টাইমস|'দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস]]', 'ডার স্পিগেল', 'এল পাইস', 'লা রিপাবলিকা' এবং এই তথ্যগুলো প্রচারের সাথে জড়িত অন্যান্য সমস্ত সংবাদ সংস্থার সম্পাদক ও সাংবাদিকদের বিরুদ্ধেও মামলা করার সমান ও যথেষ্ট যুক্তিযুক্ত কারণ রয়েছে।
** '''''ইউয়েন ম্যাকআসকিল''''', [https://www.democracynow.org/2021/10/25/belmarsh_tribunal "জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জকে মুক্ত করুন: স্নোডেন, ভারুফাকিস, করবিন এবং তারিক আলী প্রত্যর্পণ শুনানির আগে কথা বলছেন"], '''''ডেমোক্রেসি নাও!''''', (২৫ অক্টোবর ২০২১)।
* মাইকেল শুডসন তাঁর “ডিসকভারিং দ্য নিউজ” (১৯৭৮) গ্রন্থে যেমনটি উল্লেখ করেছেন—ভালো সাংবাদিকতা মানেই যে তা “বস্তুনিষ্ঠ” (অর্থাৎ দলীয় প্রভাবমুক্ত এবং ব্যক্তিগত মতামতের ঊর্ধ্বে) হতে হবে, এই ধারণাটি মূলত বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে প্রথম আবির্ভূত হয়েছিল। শুডসন মনে করতেন যে, ধ্রুব এবং নির্ভরযোগ্য সত্যের ধারণাটির প্রতি মানুষের ক্রমবর্ধমান সংশয়বাদ থেকেই এই বস্তুনিষ্ঠতার ধারণার জন্ম হয়েছে। তাঁর ভাষায়, বস্তুনিষ্ঠতার এই মানদণ্ডটি “তথ্যের ওপর বিশ্বাসের কোনো চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ ছিল না; বরং এটি ছিল এমন এক জগতের জন্য পরিকল্পিত পদ্ধতির সুদৃঢ় দাবি, যেখানে এমনকি তথ্যকেও আর বিশ্বাস করা যাচ্ছিল না। ... সাংবাদিকরা বস্তুনিষ্ঠতায় বিশ্বাস করতে শুরু করেছিলেন ঠিক ততটুকুই যতটুকু তাঁদের প্রয়োজন ছিল। কারণ তাঁরা চেয়েছিলেন, তাঁদের দরকার ছিল এবং সাধারণ মানবিক আকাঙ্ক্ষা থেকেই তাঁরা তাঁদের নিজেদের গভীর সন্দেহ ও অস্থিরচিত্ততা থেকে মুক্তি পাওয়ার পথ খুঁজছিলেন।” অন্যভাবে বলতে গেলে, বস্তুনিষ্ঠতা বিষয়টি শুরু থেকেই একটি সমস্যাসঙ্কুল ধারণা ছিল... লিপম্যানের যুক্তি ছিল এই যে, সাংবাদিকতা আসলে কোনো সুনির্দিষ্ট পেশা নয়। এই পেশায় যুক্ত হওয়ার জন্য আপনার কোনো লাইসেন্স বা প্রাতিষ্ঠানিক একাডেমিক সনদের প্রয়োজন হয় না। সব ধরণের মানুষই নিজেদের সাংবাদিক বলে দাবি করেন। কিন্তু প্রশ্ন হলো, তাঁরা সবাই কি জনগণকে নির্ভরযোগ্য এবং স্বার্থহীন সংবাদ পণ্য সরবরাহ করতে সক্ষম?
** '''''[[:w:লুই মেনান্দ|লুই মেনান্দ]]''''', [https://www.newyorker.com/magazine/2023/02/06/when-americans-lost-faith-in-the-news “যখন আমেরিকানরা সংবাদমাধ্যমের ওপর আস্থা হারিয়েছিল”], '''''দ্য নিউ ইয়র্কার''''', (৩০ জানুয়ারি ২০২৩)।
* ১৯৪৫ থেকে ১৯৭৫ সালের মধ্যবর্তী সময়ে মার্কিন ক্যাবিনেটে মাত্র একজন নারী এবং একজন কৃষ্ণকায় ব্যক্তি ছিলেন। যাঁদের প্রত্যেকেই মাত্র দুই বছর মেয়াদে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। সংবাদমাধ্যমের দিকে তাকালে দেখা যায় যে পরিস্থিতি ছিল আরও ভয়াবহ। নারী ও কৃষ্ণকায় সাংবাদিকদের পরিকল্পিতভাবে মূলধারা থেকে বাদ দেওয়া হতো। নির্দিষ্ট কিছু সংবাদ সম্মেলনে তাঁদের প্রবেশাধিকার ছিল না এবং সম্পাদকরা নারীদের কখনোই সরকারি বিষয়গুলো কভার করার দায়িত্ব দিতেন না। ঘোর বর্ণবাদ এবং লিঙ্গবৈষম্য এত দীর্ঘ সময় ধরে সেখানে টিকে ছিল যে আজ তা প্রায় অবিশ্বাস্য বলে মনে হয়। <br> ওয়াশিংটনের সাংবাদিকদের জন্য প্রধান দুটি সামাজিক সংগঠন ছিল গ্রিডাইরন ক্লাব (১৮৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত) এবং ন্যাশনাল প্রেস ক্লাব (১৯০৮ সালে প্রতিষ্ঠিত)। ১৮৯৬ সালে গ্রিডাইরন ক্লাব সদস্যদের স্ত্রীদের একটি নৈশভোজে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল, কিন্তু নারী ভোটাধিকার আন্দোলনকে উপহাস করে পরিবেশিত একটি নাটক সেখানে মোটেও ভালো সাড়া ফেলেনি; যার ফলে ১৯৭২ সাল পর্যন্ত নারীদের সেখানে আর প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি। বিংশ শতাব্দীর পঞ্চাশের দশক পর্যন্তও গ্রিডাইরন ক্লাবের নৈশভোজগুলোতে বিনোদনের জন্য সদস্যরা মুখে কালো রঙ মেখে 'ব্ল্যাকফেস' সেজে অভিনয় করতেন। ম্যাকগারের বর্ণনা অনুযায়ী, ক্লাবটির সিগনেচার টিউন ছিল “দ্য ওয়াটারমেলন সং”, যা একটি বিশেষ আঞ্চলিক [[w:উপভাষা|উপভাষায়]] গাওয়া হতো। <br> ১৯৫৫ সালের আগে ন্যাশনাল প্রেস ক্লাবে কোনো কৃষ্ণকায় সদস্য ছিলেন না; এবং সেই একই বছরেই প্রথমবারের মতো নারীদের এমন মধ্যাহ্নভোজে উপস্থিত থাকার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল যেখানে কর্মকর্তারা সদস্যদের ব্রিফিং দিতেন। তবে নারীদের বসতে হতো ব্যালকনিতে এবং তাঁদের কোনো প্রশ্ন করার অনুমতি ছিল না। ১৯৭১ সালের আগে ন্যাশনাল প্রেস ক্লাব কোনো নারী সদস্য গ্রহণ করেনি। <br> 'দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট' ১৯৫১ সালে তাদের প্রথম কৃষ্ণকায় সাংবাদিক নিয়োগ দেয়। তাঁর জন্য আলাদা শৌচাগার বরাদ্দ করা হয়েছিল এবং মাত্র দুই বছর পরেই তিনি সেই পত্রিকা ত্যাগ করেন। (ম্যাকগার বলেন যে ওয়াশিংটন পোস্ট ১৯৭২ সালের আগে আর কোনো কৃষ্ণকায় সাংবাদিক নিয়োগ দেয়নি, তবে তথ্যটি ভুল: পত্রিকাটি ১৯৬১ সালে ডরোথি বাটলার গিলিয়াম এবং ১৯৬৮ সালে জ্যাক হোয়াইটকে নিয়োগ দিয়েছিল।) নাগরিক অধিকার আন্দোলনের অনেক গভীর সময় পর্যন্তও নিউ ইয়র্ক টাইমসে কৃষ্ণকায় সাংবাদিকদের সংখ্যা ছিল অতি সামান্য। এই পত্রিকার মতো অন্যান্য সাধারণ-আগ্রহের ম্যাগাজিনগুলোর রেকর্ডও এর চেয়ে ভালো কিছু ছিল না।
** '''''লুই মেনান্দ''''', [https://www.newyorker.com/magazine/2023/02/06/when-americans-lost-faith-in-the-news “যখন আমেরিকানরা সংবাদমাধ্যমের ওপর আস্থা হারিয়েছিল”], '''''দ্য নিউ ইয়র্কার''''', (৩০ জানুয়ারি ২০২৩)।
* সংবাদপত্রের শক্তি—তা যতটুকু বা যে পর্যায়েরই হোক না কেন—তা মূলত অনেকটা প্রাতিষ্ঠানিক পণ্ডিত, বৈজ্ঞানিক গবেষক এবং সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের শক্তির মতো। এটি কোনো পেশিবল বা শারীরিক শক্তির ওপর ভিত্তি করে দাঁড়িয়ে নেই; বরং এটি টিকে আছে মানুষের অগাধ বিশ্বাসের ওপর—এই বিশ্বাস যে, এরা হলো এমন একদল মানুষ যারা ভয় কিংবা পক্ষপাতিত্বের ঊর্ধ্বে থেকে কেবল সত্য অন্বেষণের জন্য নিজেদের উৎসর্গ করেছেন। যখনই তাঁরা এই মহান দায়িত্ব পালন থেকে বিচ্যুত হবেন, তখন সমাজ তাঁদের সেই একইভাবে দেখতে শুরু করবে যেভাবে বর্তমানে অন্যদের দেখা হয়—অর্থাৎ এমন একদল লোক যারা কেবল ব্যক্তিগত লাভ বা সামাজিক মর্যাদার লোভে তথ্যকে নিজ স্বার্থে ঘুরিয়ে পরিবেশন করে।
** '''''[[:w:লুই মেনান্দ|লুই মেনান্দ]]''''', [https://www.newyorker.com/magazine/2023/02/06/when-americans-lost-faith-in-the-news “যখন আমেরিকানরা সংবাদমাধ্যমের ওপর আস্থা হারিয়েছিল”], '''''দ্য নিউ ইয়র্কার''''', (৩০ জানুয়ারি ২০২৩)।
* যেহেতু আদর্শগত সত্য বলে পৃথিবীতে আসলে কিছুর অস্তিত্ব নেই, তাই স্বাভাবিকভাবেই এটা প্রতীয়মান হয় যে, একজন প্রতিবেদক যখনই নিজেকে [[w:রক্ষণশীলতাবাদ|উদারপন্থী বা রক্ষণশীল]], কিংবা ডেমোক্রেটিক, [[w:সাম্যবাদ|কমিউনিস্ট]] বা রিপাবলিকান প্রতিবেদক হিসেবে উপস্থাপন করেন, তখন তিনি আসলে আর মোটেও কোনো প্রতিবেদক থাকেন না।
** '''''এইচ. এল. মেনকেন''''' (১৯৩৭), উদ্ধৃত হয়েছে: অ্যালেস্টার কুক রচিত '''''মেমোরিস অফ দ্য গ্রেট অ্যান্ড গুড''''' (১৯৯৯), পৃ. ২২৪।
* সংবাদপত্রগুলো এখন জেসি-র পিছু নিতে শুরু করেছে। শুরুতে তারা তাকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করেছিল এবং সব ঘটনার দায়ভার অন্য যে কারো বা অন্য কিছুর ওপর চাপিয়ে দিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত, একজন অত্যন্ত রূপসী অথচ দৃশ্যত কোনো যৌনজীবন নেই এমন একজন নারীকে নিয়ে কাজ করা তাদের জন্য বেশ বিব্রতকর হয়ে দাঁড়িয়েছিল। কারণ তাকে কলঙ্কিত করার জন্য আসলে ঠিক কী ধরনের অপবাদ ব্যবহার করা উচিত, তা তারা খুঁজে পাচ্ছিল না।
** '''''নাওমি মিচিসন''''', “মেরি অ্যান্ড জো”; হ্যারি হ্যারিসন সম্পাদিত '''''নোভা ১''''', পৃ. ১৬৩।
* সাংবাদিকরা যখন কোনো ভুল করেন, তখন তাঁদের মানহানির মামলার মুখে পড়তে হয়; কিন্তু ঐতিহাসিকরা যখন কোনো ভুল করেন, তখন তাঁরা সেই ভুল শুধরে নিয়ে বইটির একটি পরিমার্জিত সংস্করণ প্রকাশের সুযোগ পান।
** '''''বিল ময়ার্স''''', "দ্য বিগ স্টোরি", টেক্সাস স্টেট হিস্টোরিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনে প্রদত্ত ভাষণ, (৭ মার্চ ১৯৯৭), '''''ময়ার্স অন ডেমোক্রেসি''''' (২০০৮), পৃ. ১৩১।
* বাকস্বাধীনতা এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতা, যা প্রথম সংশোধনীর মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ থেকে সুরক্ষিত করা হয়েছে। তা মূলত সেইসব মৌলিক ব্যক্তিগত অধিকার ও স্বাধীনতার অন্তর্ভুক্ত যা চতুর্দশ সংশোধনীর মাধ্যমে যেকোনো অঙ্গরাজ্যের হস্তক্ষেপ থেকে সকল নাগরিকের জন্য সুনিশ্চিত করা হয়েছে। এই অধিকারগুলোকে সুরক্ষিত রাখার মূল উদ্দেশ্য হলো যেন মানুষ তাদের জন্য অত্যাবশ্যকীয় বিষয়গুলো নিয়ে স্বাধীনভাবে চিন্তা ও কথা বলতে পারে এবং শিক্ষা ও আলোচনার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যেন মিথ্যার মুখোশ উন্মোচিত হয়। যা একটি মুক্ত ও স্বাধীন সরকারের জন্য একান্ত অপরিহার্য। যারা আমাদের স্বাধীনতা ছিনিয়ে এনেছিলেন, তাঁদের এই অটল বিশ্বাস ছিল যে, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সত্য আবিষ্কার এবং তা প্রচার করার জন্য স্বাধীন ও নির্ভীক যুক্তিপ্রদান এবং ধারণার আদান-প্রদান এক অজেয় শক্তি হিসেবে কাজ করবে।
** '''''[[:w:ফ্রাঙ্ক মারফি|ফ্রাঙ্ক মারফি]]''''', '''''[[:w:থর্নহিল বনাম আলাবামা মামলা|থর্নহিল বনাম আলাবামা]]''''', মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট, (১৯৪০), ৩১০ ইউ.এস. ৮৮, ৯৫।
== O ==
* সেই স্থূলকায় [[w:রুশ_জাতি|রুশ]] গোয়েন্দাটি একে একে সমস্ত বিদেশী উদ্বাস্তুদের এক কোণায় নিয়ে যাচ্ছিলেন এবং অত্যন্ত বিশ্বাসযোগ্য ভঙ্গিতে ব্যাখ্যা করছিলেন যে, এই পুরো ঘটনাটি আসলে ছিল একটি নৈরাজ্যবাদী চক্রান্ত। আমি বেশ আগ্রহ নিয়ে তাঁকে পর্যবেক্ষণ করছিলাম, কারণ সেটিই ছিল আমার জীবনে প্রথম দেখা এমন কোনো ব্যক্তি যাঁর পেশা হলো অনর্গল মিথ্যা বলা, অবশ্য যদি কেউ এই তালিকায় সাংবাদিকদের গণনা না করেন।
** '''''[[:w:জর্জ অরওয়েল|জর্জ অরওয়েল]]''''', '''''হোমেজ টু ক্যাটালোনিয়া''''' (১৯৩৮)।
* জীবনের শুরুর দিকেই আমি লক্ষ্য করেছিলাম যে সংবাদপত্রে কোনো ঘটনাই আসলে সঠিকভাবে উপস্থাপিত হয় না; কিন্তু স্পেনে আমি প্রথমবারের মতো এমন কিছু সংবাদ প্রতিবেদন দেখলাম যার সাথে বাস্তব তথ্যের বিন্দুমাত্র কোনো সম্পর্ক নেই, এমনকি একটি সাধারণ মিথ্যার মধ্যে যেটুকু সত্যের রেশ থাকে সেটুকুও সেখানে অনুপস্থিত ছিল। আমি দেখেছি এমন সব বিশাল যুদ্ধের খবর ছাপা হয়েছে যেখানে আসলে কোনো লড়াই-ই হয়নি, আবার যেখানে শত শত মানুষ প্রাণ হারিয়েছে সেখানে বজায় রাখা হয়েছে কবরের নিস্তব্ধতা। আমি দেখেছি যেসব সৈন্য সাহসিকতার সাথে লড়াই করেছে তাদেরকে উল্টো কাপুরুষ ও বিশ্বাসঘাতক হিসেবে নিন্দা জানানো হচ্ছে, আর যারা কোনোদিন যুদ্ধের ময়দানে একটি গুলিও ছোঁড়েনি তাদের কাল্পনিক বিজয়ের নায়ক হিসেবে জয়ধ্বনি দেওয়া হচ্ছে! শুধু তা-ই নয়, আমি দেখলাম '''[[w:লন্ডন|লন্ডনের]]''' সংবাদপত্রগুলো এই মিথ্যাগুলোই প্রচার করেছিল এবং উৎসাহী বুদ্ধিজীবীরা এমন সব ঘটনার ওপর আবেগপ্রবণ ইমারত গড়ে তুলছেন যা আদতে কখনও ঘটেইনি। আমি আসলে ইতিহাসকে এমনভাবে রচিত হতে দেখলাম যা কী ঘটেছে তার ওপর ভিত্তি করে নয়, বরং বিভিন্ন 'দলীয় আদর্শ' অনুযায়ী কী ঘটা উচিত ছিল, তার ওপর ভিত্তি করে তৈরি।
** '''''[[:w:জর্জ অরওয়েল|জর্জ অরওয়েল]]''''', '''''লুকিং ব্যাক অন দ্য স্প্যানিশ ওয়ার''''' (১৯৪৩)।
* অনেক সাংবাদিকই আজকের দ্রুত পরিবর্তনশীল ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে এতটাই আচ্ছন্ন থাকেন যে, তাঁদের মধ্যে ইতিহাসের গভীর উপলব্ধি বা ঐতিহাসিক চেতনার এক ধরনের চরম ঘাটতি লক্ষ্য করা যায়।
** '''''ফিন্টান ও'টুল''''', '''''দি আইরিশ টাইমস''''' (২০২৩)।
* অন্ধ স্তুতি বা ফ্যানডম এবং বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা কখনোই একে অপরের পরিপূরক হতে পারে না; বরং এই দুটি বিষয় একত্রে থাকলে তা অত্যন্ত বিপজ্জনক ও অসম এক সহাবস্থানের জন্ম দেয়।
** '''''ফিন্টান ও'টুল''''', '''''দি আইরিশ টাইমস''''' (২০২৩)।
== P ==
* বর্তমানের এই বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে যেখানে প্রতিটি মানুষই একেকজন প্রকাশক হয়ে উঠেছেন, সেখানে আশ্চর্যের বিষয় হলো কেউ আসলে প্রকৃত সম্পাদকের ভূমিকা পালন করছেন না। আর ঠিক এই জায়গাতেই আজকের দিনে আমরা এক ভয়াবহ সংকটের সম্মুখীন হচ্ছি।
** '''''স্কট পেলি''''', কুইনিপিয়াক ইউনিভার্সিটিতে প্রদত্ত ভাষণ (১০ মে ২০১৩)। [http://www.youtube.com/watch?v=1AyCD_lcl1Q ইউটিউব ভিডিও: সিবিএস নিউজ অ্যাঙ্কর স্কট পেলি: 'আমরা বারবার বড় বড় খবরগুলো ভুলভাবে পরিবেশন করছি']।
* সাংবাদিকদের জন্য নিজেদের কেবল সাধারণ বার্তাবাহক হিসেবে গণ্য করাই যথেষ্ট নয়। বরং তাঁদের পরিবেশিত বার্তার আড়ালে লুকিয়ে থাকা গোপন উদ্দেশ্য বা 'হিডেন এজেন্ডা' পুরিকল্পনা এবং সেই বার্তাকে ঘিরে থাকা প্রচলিত মিথ বা ভ্রান্ত ধারণাগুলো গভীরভাবে উপলব্ধি করা একান্ত প্রয়োজন।
** '''''[[:w:জন পিলজার|জন পিলজার]]''''', 'হিডেন এজেন্ডাস', ১৯৯৮।
* গোপন ক্ষমতা সেই সাংবাদিকদের মনেপ্রাণে ঘৃণা করে যারা নিজেদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করেন। যারা গোপনীয়তার পর্দা সরিয়ে দেন, বাহ্যিক চাকচিক্যের আড়ালে উঁকি দেন এবং অশুভ সত্যের ওপর রাখা পাথর তুলে ধরেন। উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের কাছ থেকে আসা নিন্দা বা তিরস্কারই হলো এই নির্ভীক সাংবাদিকদের জন্য সম্মানের শ্রেষ্ঠ স্মারক।
** '''''[[:w:জন পিলজার|জন পিলজার]]''''', '''''টেল মি নো লাইজ: ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিজম দ্যাট চেঞ্জড দ্য ওয়ার্ল্ড''''', থান্ডার্স মাউথ প্রেস, (২০০৫), পৃ. xv, ISBN 1560257865।
* আমরা যারা সাংবাদিক... আমাদের সেইসব ব্যক্তিদের অবজ্ঞা ও প্রতিরোধ করার মতো যথেষ্ট সাহসী হতে হবে, যারা অন্যের দেশে তাদের সাম্প্রতিকতম রক্তক্ষয়ী দুঃসাহসিক অভিযানগুলো বৈধ করার জন্য আমাদের সহযোগিতা কামনা করে। এর অর্থ হলো সরকারি ভাষ্যকে সবসময় চ্যালেঞ্জ করা, সেই ভাষ্যটি আপাতদৃষ্টিতে যতই দেশপ্রেমমূলক মনে হোক না কেন, অথবা সেটি যতই মোহনীয় ও বিভ্রান্তিকর হোক না কেন। কারণ প্রোপাগান্ডা বা অপপ্রচার পুরোপুরি আমাদের গণমাধ্যমের ওপর নির্ভর করে যেন তাদের প্রতারণার লক্ষ্যবস্তু কোনো দূরদেশের মানুষ নয়, বরং আপনার নিজের ঘরের মানুষ হয়। অন্তহীন সাম্রাজ্যবাদী যুদ্ধের এই যুগে অগণিত পুরুষ, নারী ও শিশুর জীবন আজ পরম সত্যের ওপর নির্ভর করছে। যদি সেই সত্য প্রকাশ না পায়, তবে তাদের ঝরানো রক্তের দায়ভার আমাদের ওপরই বর্তাবে। যাদের কাজ হলো ইতিহাসের নথিপত্রকে নির্ভুল রাখা, তাদের উচিত ক্ষমতার কণ্ঠস্বর না হয়ে সাধারণ মানুষের কণ্ঠস্বর হয়ে ওঠা।
** '''''[[:w:জন পিলজার|জন পিলজার]]''''', '''''দ্য ওয়ার ইউ ডোন্ট সি''''', আইটিভি১ (যুক্তরাজ্য), (১৪ ডিসেম্বর ২০১০)।
* উইকিলিকস কেন সাংবাদিকতার ইতিহাসে একটি মাইলফলক হিসেবে স্বীকৃত? কারণ এর মাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যগুলো আমাদের কাছে একশ শতাংশ নিখুঁতভাবে এই সত্যটি তুলে ধরেছে যে এই বিশ্বের একটি বড় অংশ আসলে কীভাবে এবং কেন বিভক্ত এবং ঠিক কীভাবে তা পরিচালিত হচ্ছে।
** '''''[[:w:জন পিলজার|জন পিলজার]]''''', [https://frontline.thehindu.com/cover-story/article25661115.ece "নতুন শীতল যুদ্ধ এবং আসন্ন হুমকি"], '''''ফ্রন্টলাইন, ভারত''''', (২১ ডিসেম্বর ২০১৮)।
* একজন সাংবাদিক সত্য প্রচারের মাধ্যমে অথবা তিনি যতটুকু সত্যের সন্ধান পান তা প্রকাশের মাধ্যমে মানুষের প্রভূত কল্যাণ সাধন করতে পারেন। তবে শর্ত হলো তাঁকে কোনো সরকার বা কোনো বিশেষ ক্ষমতার প্রতিনিধি হিসেবে নয়, বরং সাধারণ মানুষের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করতে হবে। এটিই হলো প্রকৃত সাংবাদিকতা। এর বাইরে যা কিছু আছে তার সবই আপাতদৃষ্টিতে সত্য মনে হলেও আসলে তা প্রতারণামূলক এবং মিথ্যা।
** '''''[[:w:জন পিলজার|জন পিলজার]]''''', উদ্ধৃত হয়েছে: [https://www.thedailystar.net/opinion/interviews/news/real-journalists-act-agents-people-not-power-1687921 "প্রকৃত সাংবাদিকরা জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেন, ক্ষমতার নয়"], '''''ডেইলি স্টার (বাংলাদেশ)''''', (১৬ জানুয়ারি ২০১৯)।
* কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ ছাড়া সরাসরি "পশ্চিমা গোয়েন্দা সংস্থার" দোহাই দিয়ে উদ্ধৃতি প্রদান করা কখনোই সাংবাদিকতা হতে পারে না; এটি প্রায় সবসময়ই একটি সুপরিকল্পিত অপপ্রচার বা প্রোপাগান্ডা। একজন প্রতিবেদক হিসেবে আমি এই শিক্ষাটি লাভ করেছি। বিবিসি এবং অন্যান্য সংবাদমাধ্যমের এই নিরন্তর 'কোল্ড ওয়ার' বা স্নায়ুযুদ্ধের দামামা আমাদের ধীরে ধীরে একটি বিশ্বযুদ্ধের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
** '''''[[:w:জন পিলজার|জন পিলজার]]''''', [https://twitter.com/johnpilger/status/1285869017412956160 টুইটার], (২২ জুলাই ২০২০)।
== R ==
[[File:Helen Thomas - USNWR.jpg|thumb|আমি আশা করি যে ভবিষ্যতের সাংবাদিকরা এই পেশার প্রকৃত নীতিমালাগুলো কঠোরভাবে মেনে চলবেন এবং এটি উপলব্ধি করবেন যে দেশে ও বিদেশে গণতন্ত্র এবং মুক্ত চিন্তার আদান-প্রদানকে সজীব রাখার ক্ষেত্রে তাঁরা এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও অপরিহার্য ভূমিকা পালন করছেন।<br>~'''''[[:w:হেলেন থমাস|হেলেন থমাস]]''''' ]]
* সংবাদ বোধ বা 'নিউজ সেন্স' হলো মূলত কোনটি গুরুত্বপূর্ণ, কোনটি অত্যাবশ্যক এবং কোনটির মাঝে প্রাণ ও রঙের স্পন্দন রয়েছে। অর্থাৎ মানুষ কোন বিষয়ে আগ্রহী, তা বোঝার এক অনন্য ক্ষমতা। এটিই হলো প্রকৃত সাংবাদিকতা।
** '''''বার্টন রাস্কো''''', উদ্ধৃত হয়েছে: ট্রায়ন এডওয়ার্ডস, সি. এন. ক্যাট্রেভাস এবং জনাথন এডওয়ার্ডস সম্পাদিত '''''ইউজফুল কোটেশনস: আ সাইক্লোপিডিয়া অফ কোটেশনস''''' (১৯৩৩)।
* বিতর্ক? আপনি যদি এই নামের যোগ্য কোনো প্রতিবেদক হতে চান, তবে আপনি কখনোই বিতর্ককে পুরোপুরি এড়িয়ে চলতে পারবেন না। আপনি একজন দক্ষ প্রতিবেদক হতে পারবেন না যদি না আপনি নিয়মিতভাবে কোনো না কোনো তর্কের সাথে জড়িয়ে পড়েন। আর আমি মনে করি না যে বিতর্ককে বারবার এড়িয়ে চলে আপনি একজন মহান প্রতিবেদক হতে পারবেন। কারণ একজন ভালো সাংবাদিকের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব হলো সহজ সত্যগুলোর পাশাপাশি কঠিন ও রূঢ় সত্যগুলোকেও সাহসের সাথে তুলে ধরা। আর এই কঠিন সত্যগুলোই আপনাকে বিতর্কের দিকে ঠেলে দেবে, এমনকি এই কঠিন সত্যের অনুসন্ধান করতে গিয়ে আপনাকে হয়তো চড়া মূল্যও দিতে হতে পারে। দয়া করে আমার এই কথাগুলোকে কোনো অভিযোগ হিসেবে গ্রহণ করবেন না। আমি কেবল এটিই বোঝাতে চাইছি যে আপনি যদি একজন সৎ ও নিষ্ঠাবান সাংবাদিক হন, তবে এই ঝুঁকিগুলো আপনার কাজেরই অবিচ্ছেদ্য অংশ। আপনি যদি এমনভাবে সাংবাদিকতা শুরু করেন অথবা জীবনের এমন এক পর্যায়ে পৌঁছান যেখানে আপনি নিজেই নিজেকে বলেন, "শুনুন, আমি এমন কোনো কিছু স্পর্শ করব না যা থেকে বিতর্কের সৃষ্টি হতে পারে," তবে আপনার উচিত হবে অনতিবিলম্বে এই পেশা ছেড়ে দেওয়া।
** '''''ড্যান রাদার''''', সাক্ষাৎকার: [http://www.achievement.org/autodoc/page/rat0int-1 "ড্যান রাদার ইন্টারভিউ: ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট, অন দ্য ফ্রন্টলাইনস অফ ব্রেকিং নিউজ"], '''''একাডেমি অফ অ্যাচিভমেন্ট''''', (৫ মে ২০০১)।
* উন্নতমানের সাংবাদিকতা সেই হাজারো 'নিষিদ্ধ বিষয়ের' রাজ্যে প্রশ্ন উত্থাপন করে, এমনকি যদি তার ফলাফল অত্যন্ত অদ্ভুত এবং বিচলিত করার মতো হওয়ার ঝুঁকিও থাকে। ... বর্তমান সময়ে সাংবাদিকরা কোনো গোয়েন্দা নন, আবার আধ্যাত্মিক ধর্মপ্রচারকও নন। তাঁরা কেবল তাঁদের অর্পিত দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করলেই তা যথেষ্ট। তবে সাংবাদিকতা পেশার সবসময়ই একটি অনুসন্ধানী দিকের পাশাপাশি একটি নৈতিক দিকও বিদ্যমান থাকে। সাংবাদিকরা গোয়েন্দা নন ঠিকই, কিন্তু তাঁদের কাজের মধ্য দিয়ে তাঁরা অনুসন্ধানের একটি নির্দিষ্ট মানদণ্ড বজায় রাখতে পারেন। তাঁরা গোয়েন্দা বাহিনীর কেউ নন, কিন্তু তাঁরা এমন সব তথ্য সরবরাহ করতে পারেন যা গোয়েন্দারাও কোনো না কোনোভাবে ব্যবহার করতে সক্ষম হন। সাংবাদিকরা আধ্যাত্মিক পথপ্রদর্শকও নন, কিন্তু পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করে তাঁরা এমন কিছু উপলক্ষ এবং সূত্র উপহার দিতে পারেন যা পাঠকদের আত্মিক খোরাক জোগাতেও কিছুটা সাহায্য করে। আসুন আমরা সবাই অত্যন্ত বিজ্ঞতার সাথে উপদেশমূলক সাংবাদিকতা থেকে দূরে থাকি; তবে ভালো সাংবাদিকরা অন্তত নিজের এবং তাঁদের পাঠকদের আত্মাকে বিষাক্ত করা থেকে বিরত থাকতে পারেন।
** '''''মার্কো রেসপিন্তি''''', [https://bitterwinter.org/a-universal-declaration-on-combating-and-preventing-forced-organ-harvesting/ "চীনের মানব ফসল এবং অবৈধ অঙ্গ বাণিজ্য: প্রকাশ করো নতুবা ধ্বংস হও?"], '''''বিটার উইন্টার'''''।
* একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে সাংবাদিকতা শেখানো কতটা ভয়ানক ও অদ্ভুত বিষয়! আমি ভেবেছিলাম এটি কেবল অক্সফোর্ডেই করা হয়। নিচ ও নোংরা জনমানুষের প্রতি এই অতি-সম্মান প্রদর্শন আসলে আমাদের সভ্যতাকে ধ্বংস করে দিচ্ছে।
** '''''[[:w:বার্ট্রান্ড রাসেল|বার্ট্রান্ড রাসেল]]''''', লুসি মার্টিন ডনেলিকে লেখা একটি চিঠিতে (৬ জুলাই ১৯০২)।
== S ==
* তবে আমি এমনভাবে এর প্রতিবেদন পেশ করব—<br>যেখানে সিনেটররা তাঁদের হাসির সাথে চোখের জলের মিশ্রণ ঘটাবেন।
** '''''[[:w:উইলিয়াম শেক্সপিয়র|উইলিয়াম শেক্সপিয়র]]''''', '''''[[:w:কোরিওলেনাস|কোরিওলেনাস]]''''' (আনু. ১৬০৭-০৮), প্রথম অংক, নবম দৃশ্য, লাইন ২।
* যারা অতৃপ্ত বা সত্য সম্পর্কে অবগত নয়,<br>তাদের কাছে আমাকে এবং আমার উদ্দেশ্যকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করো।
** '''''[[:w:উইলিয়াম শেক্সপিয়র|উইলিয়াম শেক্সপিয়র]]''''', '''''[[:w:হ্যামলেট|হ্যামলেট]]''''' (১৬০০-০২), পঞ্চম অংক, দ্বিতীয় দৃশ্য, লাইন ৩৫০।
* আমার কাছে আর কোনো প্রতিবেদন নিয়ে এসো না।
** '''''[[:w:উইলিয়াম শেক্সপিয়র|উইলিয়াম শেক্সপিয়র]]''''', '''''[[:w:ম্যাকবেথ|ম্যাকবেথ]]''''' (১৬০৫), পঞ্চম অংক, তৃতীয় দৃশ্য, লাইন ১।
* আমার মনে হয় না যে পরিস্থিতি এর আগে কখনো বর্তমানের মতো এত বেশি ভয়াবহ ছিল। কারণ এখন দেখে মনে হচ্ছে যে প্রতিটি সাংবাদিকই আসলে কোনো না কোনো হুমকির মুখে রয়েছেন।
** '''''নাজিব শরিফি''''', আফগান সাংবাদিক নিরাপত্তা কমিটির প্রধান, '''''ডিডব্লিউ''''' (DW)-এর সাথে একটি সাক্ষাৎকারে; [https://www.dw.com/en/2020-dozens-of-journalists-killed-in-targeted-attacks/a-56078207 "২০২০: লক্ষ্যবস্তু করে চালানো হামলায় কয়েক ডজন সাংবাদিক নিহত"] শীর্ষক প্রতিবেদনে প্রকাশিত।
* আমি আজও বিশ্বাস করি যে, আপনার লক্ষ্য যদি হয় এই পৃথিবীকে বদলে দেওয়া, তবে সাংবাদিকতা হলো তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি তাৎক্ষণিক এবং কার্যকর একটি স্বল্পমেয়াদী অস্ত্র।
** '''''[[:w:টম স্টপার্ড|টম স্টপার্ড]]''''', '''''টম স্টপার্ড ইন কনভারসেশন''''' (১৯৯৪), পল ডেলানি সম্পাদিত, ইউনিভার্সিটি অফ মিশিগান প্রেস, পৃ. ১৯৬।
* আমি কোনো সংবাদের বা গল্পের অংশ হয়ে উঠতে চাই না। আমি বরং একজন নামহীন, শান্ত ও নিভৃতচারী দর্শক হয়ে থাকতে চাই। যে আসলে পৃথিবীতে কী ঘটছে তা বোঝার চেষ্টা করে (যা মোটেও সহজ কোনো কাজ নয়) এবং পরবর্তীতে অন্য মানুষের কাছে সেই সত্যটি বর্ণনা করে। ঘটনার কেন্দ্রে কোনো গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র হয়ে থাকাটা আমার একদমই পছন্দ নয়।
** '''''[[:w:জন সিম্পসন|জন সিম্পসন]]''''', সাক্ষাৎকার: '''''বিবিসি নরফোক''''', (১২ অক্টোবর ২০০৭)।
[[File:William Thomas Stead.jpg|thumb|সংবাদমাধ্যম একই সাথে জনগণের চোখ, কান এবং জিহ্বা স্বরূপ। এটি যদি গণতন্ত্রের কণ্ঠস্বর নাও হয়, তবুও এটি গণতন্ত্রের এক দৃশ্যমান ভাষা। এটি আসলে পুরো বিশ্বের একটি জীবন্ত শব্দলেখচিত্র বা ফোনোগ্রাফ।<br>~'''''[[:w:উইলিয়াম থমাস স্টিড|উইলিয়াম থমাস স্টিড]]''''' ]]
* সংবাদমাধ্যম একই সাথে জনগণের চোখ, কান এবং জিহ্বা স্বরূপ তথা একটি দেহের মতো। এটি যদি গণতন্ত্রের প্রকৃত কণ্ঠস্বর নাও হয়ে থাকে, তবুও এটি গণতন্ত্রের এক অনন্য ও দৃশ্যমান ভাষা। সহজ কথায়, এটি পুরো বিশ্বের একটি জীবন্ত শব্দলেখচিত্র বা ফোনোগ্রাফ।
** '''''উইলিয়াম থমাস স্টিড''''' (মে ১৮৮৬), "গভর্নমেন্ট বাই জার্নালিজম", ''কন্টেম্পোরারি রিভিউ''।
* সাংবাদিকতা (একটি সংজ্ঞা দেওয়া যাক): জীবনকে একগুচ্ছ গতানুগতিক ক্লিশে বা ধরাবাঁধা চেনা ছাঁচের ধারাবাহিকতা হিসেবে উপস্থাপন করার একটি শিল্প কিংবা বিজ্ঞান।
** '''''রিচার্ড সামারবেল''''', '''''অ্যাবনরমালি হ্যাপি''''' (১৯৮৫), নিউ স্টার বুকস, পৃ. ৩০, ISBN 091957341X।
== T ==
* সংবাদপত্র পড়ার নেশা থেকে পুরোপুরি মুক্তি পেতে চাইলে, একটি বছর ব্যয় করুন গত সপ্তাহের পুরোনো সংবাদপত্রগুলো পড়ার পেছনে! (যেন সত্য এবং মিথ্যার মাঝে তৌফাতটা ধরতে পারা যায়!)
** '''''নাসিম এন. তালেব''''', '''''দ্য বেড অফ প্রোক্রাস্টাস: ফিলোসফিক্যাল অ্যান্ড প্র্যাকটিক্যাল অ্যাফোরিজমস''''' (২০১০), পৃ. ২১।
* আমি সবসময়ই উন্নতমানের ও শৈল্পিক লিখনশৈলীর মানদণ্ড বজায় রাখার চেষ্টা করেছি। এই সাংবাদিকতা পেশার ভেতরেও শিল্প লুকিয়ে আছে। এমনকি এখানে অত্যন্ত মহান শিল্প সৃষ্টি হওয়ার প্রবল সম্ভাবনাও বিদ্যমান।
** '''''[[:w:গে টালিস|গে টালিস]]''''' (১৪ সেপ্টেম্বর ২০০৬); রিপোর্ট করেছেন রেবেকা ক্যাথকার্ট: '''''বুলপেন: এনওয়াইইউ জার্নালিজম''''', নিউ ইয়র্ক ইউনিভার্সিটি।
* একজন সংবাদ প্রতিবেদকের প্রকৃত শিল্প চাতুর্য হলো কোনো শিকারকে কীভাবে আশ্বস্ত করে শান্ত করতে হয় তা আয়ত্ত করা। কারণ সমস্ত দক্ষ প্রতিবেদকই আসলে তাঁদের প্রাথমিক সত্তায় একেকজন অত্যন্ত ধুরন্ধর প্রতারক বা 'কনফিডেন্স ট্রিকস্টার'।
** '''''ডেরেক টাঙ্গি''''', ব্রিটিশ লেখক, '''''দ্য ওয়ে টু মাইনাক''''' (১৯৬৮), সপ্তম অধ্যায়।
* আমি মোটেও বিশ্বাস করি না যে সাংবাদিকতা একটি মৃতপ্রায় শিল্প। বরং আমি মনে করি, এটি আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় এখন অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ; এবং বিশ্বজুড়ে সাংবাদিকরা আমাদের কর্মপদ্ধতির সাথে নিজেদের মানিয়ে নিচ্ছেন, যার মূল লক্ষ্য হলো সরকারি কর্মকর্তাদের জনগণের কাছে দায়বদ্ধ করা। সাংবাদিকের ভূমিকা অপরিহার্য, এবং সংবাদকর্মীরা মাঝে মাঝে জনরোষের শিকার বা নিন্দিত হলেও, তাঁরা যখন নিষ্ঠার সাথে সত্য অন্বেষণ করেন এবং ইতিবাচক ফলাফল বয়ে আনেন, তখন তাঁরা আজও অত্যন্ত উচ্চ মর্যাদায় ভূষিত হন। আমার প্রত্যাশা এই যে, ভবিষ্যতের সাংবাদিকরা এই পেশার প্রকৃত মূলনীতিগুলো মেনে চলবেন এবং এটি উপলব্ধি করবেন যে, দেশে ও বিদেশে গণতন্ত্রকে সমুন্নত রাখতে এবং মুক্ত চিন্তার আদান-প্রদানকে সচল রাখতে তাঁরা এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও অনবদ্য ভূমিকা পালন করছেন।
** '''''হেলেন থমাস''''', '''''ওয়াচডগস অফ ডেমোক্রেসি?''''' (২০০৬), সাইমন অ্যান্ড শুস্টার, ভূমিকা অংশ, ISBN 0743267818।
* বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা নিয়ে এই হলো আমার বক্তব্য। আমার কোনো নামলিপির নিচে বা আমার চেনা অন্য কারোর লেখার মাঝেও এটি খুঁজে পাওয়ার বৃথা চেষ্টা করে লাভ নেই। খেলার স্কোরকার্ড, ঘোড়দৌড়ের ফলাফল কিংবা শেয়ার বাজারের তালিকার মতো গুটিকতক ব্যতিক্রম ছাড়া এই পৃথিবীতে 'বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা' বলে আসলে কিছুর অস্তিত্ব নেই। এই শব্দগুচ্ছটি নিজেই নিজের অর্থের মধ্যে এক উদ্ধত ও হাস্যকর বৈপরীত্য ছাড়া আর কিছুই নয়।
** '''''হান্টার এস. থম্পসন''''', '''''ফিয়ার অ্যান্ড লোদিং: অন দ্য ক্যাম্পেইন ট্রেইল '৭২''''' (২২ এপ্রিল ১৯৮৫), পৃ. ৪৮, ISBN 0446313645।
* "সংবাদপত্র যদি কেবল এইটুকুই দেওয়ার ক্ষমতা রাখে, তবে তা নিয়ে মাথা ঘামানোর দরকার কী? অ্যাগনিউ ঠিকই বলেছিলেন। সংবাদমাধ্যম হলো একদল নিষ্ঠুর ও বিকৃত মানুষের আস্তানা। সাংবাদিকতা কোনো পেশা বা সাধারণ ব্যবসা নয়। এটি হলো ব্যর্থ আর অযোগ্যদের ভিড় জমানোর এক সস্তা আশ্রয়স্থল। জীবনের পেছনের দরজার দিকে যাওয়ার জন্য এটি একটি মিথ্যে প্রবেশপথ। এটি বিল্ডিং পুলিশ ইন্সপেক্টর কর্তৃক পরিত্যক্ত এক নোংরা ও দুর্গন্ধযুক্ত গর্ত, যা কেবল কোনো মদ্যপ-ভবঘুরে ব্যক্তির ফুটপাত থেকে গুটিয়ে শুয়ে থাকার জন্য কিংবা চিড়িয়াখানার খাঁচায় বন্দি কোনো শিম্পাঞ্জির মতো কুরুচিপূর্ণ আচরণের উপযুক্ত স্থান হিসেবে যথেষ্ট গভীর।"
** '''''হান্টার এস. থম্পসন''''', '''''ফিয়ার অ্যান্ড লোদিং ইন লাস ভেগাস''''' (১৯৭১), পৃ. ২০০।
== U ==
* প্রত্যেকে ব্যক্তিরই স্বাধীনভাবে নিজস্ব মত পোষণ এবং তা প্রকাশের অধিকার রয়েছে। এই অধিকারের মধ্যে কোনো প্রকার হস্তক্ষেপ ছাড়াই স্বীয় মতামতে অটল থাকা এবং যেকোনো সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে এবং ভৌগোলিক সীমানা নির্বিশেষে তথ্য ও ধারণা অনুসন্ধান করা, গ্রহণ করা এবং তা প্রচার করার স্বাধীনতা অন্তর্ভুক্ত।
** '''''[[:w:জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ|জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ]]''''', '''''মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণা''''', [[w:জাতিসংঘ|জাতিসংঘ]], প্যালে ডি শাইলট, প্যারিস (১০ ডিসেম্বর ১৯৪৮), ধারা ১৯। [http://www.un.org/Overview/rights.html মূল পাঠ্য]
== V ==
[[File:Superman-facebook.svg|thumb|সাংবাদিকতা হলো সেই একমাত্র সত্তা যা আমাদেরকে সুরক্ষা প্রদান করতে পারে। ঐতিহাসিকভাবেই এমন কিছু আপসহীন ও প্রতিবাদী সাংবাদিক ছিলেন যারা পরিণতির পরোয়া না করে সত্যের পথে লড়াই করতেন। কিন্তু সেই ধারা এখন 'অ্যাডভোকেসি জার্নালিস্ট' বা ওকালতি সাংবাদিকতায় রূপ নিয়েছে, যাদের নির্দিষ্ট বামপন্থী কিংবা ডানপন্থী রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্ব রয়েছে। এর কোনো যৌক্তিক ভিত্তি নেই। একজন সাংবাদিকের একমাত্র উপাসনার বিষয় হওয়া উচিত ধ্রুব সত্য।<br>~'''''অ্যান্ড্রু ভাকস''''' ]]
* সাংবাদিকতা হলো সেই একমাত্র মাধ্যম যা আমাদের ঢাল হয়ে রক্ষা করে। অতীতে এমন অনেক আপসহীন ও লড়াকু সাংবাদিকের ইতিহাস ছিল যারা পরিণতির পরোয়া না করেই সত্য প্রকাশে অবিচল থাকতেন। কিন্তু সেই জায়গাটি এখন দখল করে নিয়েছে এক ধরনের 'ওকালতি সাংবাদিকতা'! যেখানে সংবাদকর্মীরা বাম কিংবা ডানপন্থী রাজনৈতিক আদর্শের প্রতি পক্ষপাতদুষ্ট। এটি মোটেও যুক্তিযুক্ত নয়। একজন সাংবাদিকের উপাসনার যোগ্য একমাত্র ঈশ্বর হওয়া উচিত পরম সত্য।
** '''''অ্যান্ড্রু ভাকস''''', ডুয়েন সোয়ারসিনস্কির নেওয়া সাক্ষাৎকার, ''ফিলডেলফিয়া সিটি পেপার'', (৭ জুলাই ২০০৫)।
== W ==
[[File:Oscar Wilde by Napoleon Sarony. Three-quarter-length photograph, seated.jpg|thumb|সাধারণ মানুষের মাঝে সবকিছু জানার এক অতৃপ্ত কৌতূহল কাজ করে, কেবল সেই বিষয়গুলো ছাড়া যা আসলে জানার যোগ্য। সাংবাদিকতা এই দুর্বলতা সম্পর্কে অনেক সচেতন এবং ব্যবসায়িক মানসিকতার অধিকারী হওয়ার ফলে তারা ঠিক সেই চাহিদাগুলোই মিটিয়ে থাকে।<br>~'''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''' ]]
* আমার একটি লক্ষ্য ছিল 'দ্য ''৬০ মিনিটস''' এর জন্য কাজ করা এবং বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে যাওয়ার সক্ষমতা অর্জন করা, যেকোনো বিষয়ের ওপর প্রতিবেদন তৈরি করা এবং প্রচারের জন্য যথেষ্ট সময় পাওয়া। সহজ কথায়, সাংবাদিকতায় এর সমতুল্য কোনো দ্বিতীয় কাজ আর নেই। শুরুতে এটি ছিল কেবল একটি স্বপ্ন। এখন ৮৪ বছর বয়সে এসেও আমি এমন সব মানুষের সাথে কাজ করছি যারা আমার অর্ধেক বয়সের বা তারও কম। আর এর মূল কারণ হলো সংবাদের প্রতি এক অমোঘ আকর্ষণ। যদি কোথাও কোনো ভালো সংবাদ বা গল্পের সুযোগ থাকে, তবে সেখানে উপস্থিত না হওয়ার কোনো কারণ আমি দেখি না।
** '''''মাইক ওয়ালেস''''', সাক্ষাৎকার: '''''অ্যাকাডেমি অফ অ্যাচিভমেন্ট''''', (৮ জুন ২০০২)।
* [[w:সংবাদ|সংবাদ]] হলো এমন কিছু যা সেই ব্যক্তিটি পড়তে চায় যে আসলে কোনো কিছু নিয়েই খুব একটা মাথা ঘামায় না। আর এটি ততক্ষণই সংবাদ হিসেবে টিকে থাকে যতক্ষণ না সে এটি পড়ছে। একবার পড়া হয়ে গেলে এটি স্রেফ একটি মৃত বিষয়ে পরিণত হয়।
** '''''ইভলিন ওয়াহ''''' (১৯৩৮), ''স্কুপ'', প্রথম খণ্ড, ৫ম অধ্যায়; উদ্ধৃতিটি পুনরুৎপাদন করা হয়েছে: ডেভিড ক্রিস্টাল ও হিলারি ক্রিস্টাল রচিত '''''ওয়ার্ডস অন ওয়ার্ডস: কোটেশনস অ্যাবাউট ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজেস''''' (২০০০), ইউনিভার্সিটি অফ শিকাগো প্রেস, পৃ. ২৭৭, ISBN 0226122018।
* এটি একটি ধ্রুব সত্য যে, কোনো অভিযোগের বিপরীতে দেওয়া খণ্ডন বা প্রতিবাদ কখনোই মূল অভিযোগের গতির সাথে পাল্লা দিয়ে উঠতে পারে না। যেসব সৎ সাংবাদিক ব্যক্তি হয়তো ভুলবশত কোনো মিথ্যা তথ্য ছাপিয়ে ফেলতে পারেন, তাঁরা খুব ভালো করেই জানেন যে অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে প্রকাশিত কোনো প্রতিবাদলিপি বা সংশোধনীও মূল প্রতিবেদনের মাধ্যমে হওয়া ক্ষতির ক্ষত কখনোই পুরোপুরি মুছে ফেলতে পারে না।
** '''''টম উইকার''''', [http://www.nytimes.com/1989/06/09/opinion/in-the-nation-lesson-of-lattimore.html "ইন দ্য নেশন; লেসন অফ ল্যাটিমোর"], '''''[[:w:দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস|দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস]]''''', (৯ জুন ১৯৮৯)।
* সেটি ছিল এক মারাত্মক ও অভিশপ্ত দিন যখন সাধারণ মানুষ প্রথম আবিষ্কার করল যে, কলম আসলে ফুটপাতের ইটের চেয়েও ভয়ংকর রকম্ন শক্তিশালী এবং একে অনায়াসেই ইটের টুকরোর মতো আক্রমণাত্মক করে তোলা সম্ভব! | এই সত্য জানার পরপরই তারা একজন সাংবাদিকের খোঁজ করল, তাকে খুঁজে বের করল, তাকে নিজেদের প্রয়োজনের তাগিদে তথা 'আপনা-সুবিধা' বাস্তবায়নের জন্য গড়ে তুলল এবং শেষ পর্যন্ত তাকে নিজেদের এক পরিশ্রমী ও উচ্চ বেতনের ভৃত্যে পরিণত করল। এটি উভয় পক্ষের জন্যই অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়। যুদ্ধের ব্যারিকেডের পেছনে হয়তো মহত্ত্ব আর বীরত্বের অনেক কিছু থাকতে পারে। কিন্তু সংবাদপত্রের সম্পাদকীয় বা প্রধান নিবন্ধগুলোর পেছনে কুসংস্কার, মূর্খতা, ভণ্ডামি আর নিরর্থক প্রলাপ ছাড়া আর কী-ই বা আছে? আর যখন এই চারটি বিষয় একত্রিত হয়, তখন তারা এক ভয়াবহ শক্তিতে রূপান্তরিত হয় এবং এক নতুন ও একনায়কতান্ত্রিক কর্তৃত্বের সৃষ্টি করে।
** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''[[:w:দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম|দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম]]''''' (১৮৯১); লন্ডন: আর্থার এল. হামফ্রেস (১৯১২ সংস্করণ)। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরি থেকে সংগৃহীত।
* প্রাচীনকালে মানুষের ওপর নির্যাতন করার জন্য 'র্যাক' (The Rack) নামক যন্ত্র ছিল, আর এখন তাদের হাতে আছে সংবাদমাধ্যম বা প্রেস। এটি নিশ্চিতভাবেই একটি উন্নতি বলা যায়। কিন্তু তা সত্ত্বেও এটি অত্যন্ত মন্দ, ভুল এবং নৈতিকভাবে অবক্ষয় সৃষ্টিকারী। কেউ একজন—তিনি কি বার্ক ছিলেন? সাংবাদিকতাকে 'চতুর্থ স্তম্ভ' বা ফোর্থ এস্টেট বলে অভিহিত করেছিলেন। সেই সময়ে সেটি নিঃসন্দেহে সত্য ছিল। কিন্তু বর্তমান মুহূর্তে এটিই আসলে একমাত্র স্তম্ভে পরিণত হয়েছে। কারণ এটি অন্য বাকি তিনটি স্তম্ভকেই গ্রাস করে ফেলেছে। লর্ডস টেম্পোরাল বা উচ্চকক্ষ এখন নিশ্চুপ, লর্ডস স্পিরিচুয়াল বা ধর্মীয় প্রতিনিধিদের বলার মতো কিছুই নেই এবং হাউজ অফ কমন্স বা নিম্নকক্ষের বলার মতো কিছু না থাকলেও তারা অনবরত কথা বলে যাচ্ছে। আমরা এখন পুরোপুরি সাংবাদিকতার আধিপত্য দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হচ্ছি।
** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''[[:w:দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম|দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম]]''''' (১৮৯১); লন্ডন: আর্থার এল. হামফ্রেস (১৯১২ সংস্করণ)। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরি থেকে সংগৃহীত।
* আমেরিকায় প্রেসিডেন্ট মাত্র চার বছরের জন্য রাজত্ব করেন, কিন্তু সাংবাদিকতা সেখানে শাসন চালায় অনন্তকাল ধরে! সৌভাগ্যবশত, ইতোমধ্যে আমেরিকায় 'সাংবাদিকতা' তার ক্ষমতাকে সবচেয়ে জঘন্য এবং পাশবিক চরম সীমায় নিয়ে গেছে। যার স্বাভাবিক পরিণতি হিসেবে এটি মানুষের মাঝে এক বিদ্রোহের চেতনা সৃষ্টি করতে শুরু করেছে! মানুষ এখন তাদের স্বভাব অনুযায়ী এই সাংবাদিকতা দেখে হয় বিনোদিত হয়, না হয় চরম বিরক্ত হয়। কিন্তু এটি আগের মতো আর সেই প্রকৃত প্রভাবশালী শক্তিতে টিকে নেই। মানুষ একে এখন আর খুব একটা গুরুত্ব দেয় না। অন্যদিকে [[w:ইংল্যান্ড|ইংল্যান্ডে]], সুপরিচিত গুটিকতক উদাহরণ ছাড়া সাংবাদিকতাকে যেহেতু এমন পাশবিক চরম সীমায় নিয়ে যাওয়া হয়নি, তাই এটি এখনও একটি বিশাল বড় প্রভাবক এবং এক উল্লেখযোগ্য শক্তি হিসেবে টিকে আছে। মানুষের ব্যক্তিগত জীবনের ওপর এটি যে ধরণের স্বৈরতান্ত্রিক শাসন কায়েম করতে চায়, তা আমার কাছে অত্যন্ত অস্বাভাবিক ও বিস্ময়কর বলে মনে হয়।
** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''[[:w:দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম|দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম]]''''' (১৮৯১); লন্ডন: আর্থার এল. হামফ্রেস (১৯১২ সংস্করণ)। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরি থেকে সংগৃহীত।
* আমরা এখানে সাংবাদিককে নিরঙ্কুশ স্বাধীনতা দিয়েছি, অথচ শিল্পীর পথকে করেছি সম্পূর্ণ কণ্টকাকীর্ণ ও সীমাবদ্ধ। ইংরেজ জনমত মূলত সেই মানুষটিকেই বাধাগ্রস্ত করতে, অবদমিত করতে এবং তাঁর যাত্রাপথকে বিকৃত করতে চায়, যিনি প্রকৃতপক্ষে সুন্দর কিছু সৃষ্টি করেন। অন্যদিকে এটিই আবার সাংবাদিককে বাধ্য করে কুৎসিত, জঘন্য কিংবা বাস্তবিকভাবেই চরম ঘৃণ্য বিষয়গুলো পরিবেশন করতে। আর এর ফলস্বরূপ আমরা একই সাথে বিশ্বের সবচেয়ে গম্ভীর সাংবাদিকতা এবং সবচেয়ে কুরুচিপূর্ণ সংবাদপত্রের অধিকারী হয়েছি।
** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''[[:w:দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম|দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম]]''''' (১৮৯১); লন্ডন: আর্থার এল. হামফ্রেস (১৯১২ সংস্করণ)। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরি থেকে সংগৃহীত।
* প্রকৃত সত্য এই যে, সাধারণ মানুষের মাঝে সবকিছু জানার এক প্রচণ্ড ও অতৃপ্ত কৌতূহল কাজ করে, কেবল সেই বিষয়গুলো ছাড়া যা আসলে জানার মতো কোনো যোগ্যতাই রাখে না। সাংবাদিকতা মানুষের এই চারিত্রিক দুর্বলতা সম্পর্কে পূর্ণ সচেতন এবং এক ধরণের খাঁটি ব্যবসায়িক মানসিকতার অধিকারী হওয়ার ফলে, তারা নিছক মুনাফার দায়ে মানুষের সেই কুরুচিপূর্ণ চাহিদাগুলোই পূরণ করে থাকে।
** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''[[:w:দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম|দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম]]''''' (১৮৯১); লন্ডন: আর্থার এল. হামফ্রেস (১৯১২ সংস্করণ)। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরি থেকে সংগৃহীত।
* আধুনিক সাংবাদিকতার পক্ষে বলার মতো আসলে অনেক কিছু আছে। অল্পশিক্ষিত বা মূর্খদের মতামত আমাদের সামনে উপস্থাপনের মাধ্যমে এটি আমাদের সমাজের সামগ্রিক অজ্ঞতার সাথে নিবিড়ভাবে যুক্ত রাখে। সমসাময়িক জীবনের দৈনন্দিন ঘটনাবলী অত্যন্ত সতর্কতার সাথে ধারাবাহিকভাবে লিপিবদ্ধ করার মাধ্যমে এটি আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয় যে, আদতে এই সব ঘটনার গুরুত্ব কতই না নগণ্য। আর সবসময় অপ্রয়োজনীয় বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে এটি আমাদের বুঝতে সাহায্য করে যে, সংস্কৃতির জন্য ঠিক কোন বিষয়গুলো অপরিহার্য এবং কোনগুলো একেবারেই অকেজো।
** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''দ্য ক্রিটিক অ্যাজ আর্টিস্ট''''' (১৮৯১), দ্বিতীয় খণ্ড।
* আর্নেস্ট: কিন্তু সাহিত্য এবং সাংবাদিকতার মধ্যে প্রকৃত পার্থক্যটি ঠিক কোথায়? গিলবার্ট: পার্থক্য শুধু এইটুকু যে সাংবাদিকতা হলো পাঠের অযোগ্য বিষয়, আর সাহিত্য কেউ সচরাচর পাঠ করে না। সাধারণত, এর বাইরে আর কোনো তফাৎ নেই।
** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''[[:w:দ্য ক্রিটিক অ্যাজ আর্টিস্ট|দ্য ক্রিটিক অ্যাজ আর্টিস্ট]]''''' (১৮৯১), প্রথম খণ্ড; নিউ ইয়র্ক: ব্রেটানোস (১৯০৫ সংস্করণ)। লাইব্রেরি অফ কংগ্রেস থেকে সংগৃহীত।
* আধুনিক সাংবাদিকতার কথা যদি বলেন, তবে এর স্বপক্ষে সাফাই গাওয়া বা একে রক্ষা করা আমার কাজ নয়। এটি ডারউইনের সেই বিবর্তনবাদ তত্ত্ব তথা 'যোগ্যতমের টিকে থাকার লড়াই'—এর পরিবর্তে 'নিকৃষ্টতমের টিকে থাকা' বা সার্ভাইভাল অফ দ্য ভালগারেস্টের মহান মূলনীতির মাধ্যমেই নিজের অস্তিত্বের যৌক্তিকতা প্রমাণ করে।
** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''[[:w:দ্য ক্রিটিক অ্যাজ আর্টিস্ট|দ্য ক্রিটিক অ্যাজ আর্টিস্ট]]''''' (১৮৯১), প্রথম খণ্ড; নিউ ইয়র্ক: ব্রেটানোস (১৯০৫ সংস্করণ)। লাইব্রেরি অফ কংগ্রেস থেকে সংগৃহীত।
* ঘুস দিয়ে যদি সাংবাদিককে বশে আনতে চান,<br>তবে আপনাকে নিন্দাবাদ<br />কিংবা নিজ স্বার্থের জন্য যদি বাঁকিয়ে ফেলতেও যান,<br>আপনাকে মুর্দাবাদ,<br />তাই গাহি স্রষ্টার গান!<br>-জনৈক ব্রিটিশ সাংবাদিক<br /><br>তবে, কোনো প্রকার ঘুস ছাড়াই সেই মানুষটি যা যা করতে সক্ষম—<br />তা দেখার পর, তাঁকে ঘুস দেওয়া ছাড়া আর কোন প্রয়োজনটিই অক্ষম!
** '''''হাম্বার্ট উলফ''''', "ওভার দ্য ফায়ার", ''দ্য আনসেলেস্টিয়াল সিটি'' (১৯৩০)-এ, ''রুপান্তরঃ'' '''মাহমুদ''' (২৩ এপ্রিল, ২০২৬)।
* যদি [[:w:মঙ্গল গ্রহ|মঙ্গল গ্রহ]] থেকে কেউ আমেরিকায় আসে এবং সেখানে কয়েক মাস বা কয়েক বছর ঘুরে বেড়ানোর পর আপনি তাকে জিজ্ঞাসা করেন যে, সেখানে কাদের কাজ বা পেশা সবচেয়ে চমৎকার; তবে সে নিশ্চিতভাবেই সাংবাদিকদের কথা বলবে। কারণ সাংবাদিকরা মানুষের জীবনের সেই মুহূর্তগুলোতে প্রবেশ করার সুযোগ পান যখন সেই জীবনগুলো অত্যন্ত আকর্ষণীয় ও রোমাঞ্চকর থাকে, আর ঠিক যখনই আকর্ষণ ফুরিয়ে যায়, তখনই তাঁরা সেখান থেকে নির্বিঘ্নে বেরিয়ে আসতে পারেন।
** '''''[[:w:বব উডওয়ার্ড|বব উডওয়ার্ড]]''''', সাক্ষাৎকার: '''''অ্যাকাডেমি অফ অ্যাচিভমেন্ট''''', (১ মে ২০০৩)।
== Y ==
* আমি সাংবাদিকদের মনে প্রাণে খুব-ই ঘৃণা করি! তাদের ভেতরটা বিদ্রূপাত্মক এবং উপহাসপূর্ণ শূন্যতা ছাড়া আর কিছুই নয়, জাস্ট কিছুই নয়!.. এই পৃথিবীর পৃষ্ঠে তারা হলো সবচেয়ে নিচু প্রকৃতির আর অন্তঃসারশূন্য একদল বুনো মানুষ!
** '''''[[:w:ডব্লিউ. বি. ইয়েটস|ডব্লিউ. বি. ইয়েটস]]''''', ক্যাথরিন টাইন্যানকে লেখা চিঠি (৩০ আগস্ট ১৮৮৮)।
* একজন রাষ্ট্রনায়ক বেশ সহজ-সরল ভাবুক,<br />কিন্তু তিনি তো টিয়ে পাখির মতো অনর্গল যন্ত্রতুল্য মিথ্যুক!<br />তবে একজন সাংবাদিক খুব আরামসে ধরতে পারেন আপনার মিথ্যের খুঁটি ,<br />এবং এরপর সেই মিথ্যের জোরেই চেপে ধরেন আপনার টুঁটি।
** '''''[[:w:ডব্লিউ. বি. ইয়েটস|ডব্লিউ. বি. ইয়েটস]]''''', ''দ্য ওল্ড স্টোন ক্রস''-এ, ''রুপান্তরঃ'' '''মাহমুদ'''।
* বর্তমান সময়ের সাংবাদিকতা, বড় বড় শহরগুলোর সংবাদপত্রগুলোর মধ্যকার পারস্পরিক সম্পর্কের কথা বিবেচনা করলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তাদেরকে বেশ ভদ্রোচিত এবং মার্জিত বলে মনে হয়। কিন্তু সেই দিনগুলোতে নিউ ইয়র্কের দৈনিক পত্রিকাগুলো একে অপরের কর্মকাণ্ড এবং উদ্দেশ্যকে প্রকাশ্যে এমন ঘৃণাভরে আক্রমণ করত, যা সচরাচর পরম সৎ নাগরিকরা ঘোড়া-চোর কিংবা ডাকাতদের প্রতি প্রকাশ করে থাকেন। 'দ্য সানের' ডানা এবং 'দ্য ওয়ার্ল্ডের' পুলিৎজারের মধ্যকার দীর্ঘস্থায়ী দ্বন্দ্ব সে সময় ব্যাপক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ছিল। এমনকি 'ওয়ার্ল্ড' এবং 'হেরাল্ড' পত্রিকা দুটিও প্রায়ই একে অপরের ওপর নেকড়ের মতো ক্ষিপ্ত হয়ে গর্জন করত।
** '''''আর্ট ইয়ং: হিজ লাইফ অ্যান্ড টাইমস''''' (১৯৩৯)।
===''হয়েটস নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস''===
:<small>'''''[[s:en:Hoyt's New Cyclopedia Of Practical Quotations (1922)|হয়েটস নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস]]''''' (১৯২২), পৃ. ৪০৭-০৮ থেকে প্রতিবেদনকৃত উদ্ধৃতিসমূহ।</small>
* আমি তাঁদের মঙ্গলের জন্য অত্যন্ত আন্তরিকভাবে এই পরামর্শ দেব—যেন তাঁরা এই সংবাদপত্রটি নিয়মিত সংগ্রহ করার আদেশ দেন এবং একে তাঁদের প্রতিদিনের বৈকালিক আপ্যায়নের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে গণ্য করেন।
** [[জোসেফ অ্যাডিসন|'''''জোসেফ অ্যাডিসন''''',]] ''স্পেকটেটর'', সংখ্যা ১০।
* তারা আমাদের কাগজ তৈরির শিল্পের একটি বিশাল অংশ ভোগ করে, মুদ্রণ কাজে আমাদের কারিগরদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে এবং অগণিত দরিদ্র ও অভাবী মানুষের জন্য জীবিকা নির্বাহের পথ প্রশস্ত করে দেয়।
** '''''[[জোসেফ অ্যাডিসন]]''''', ''স্পেকটেটর'', সংখ্যা ৩৬৭।
* বিজ্ঞাপন সাধারণ বা নিম্নবিত্ত মানুষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী একটি মাধ্যম। প্রথমত, এটি উচ্চাকাঙ্ক্ষা পূরণের হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে। একজন মানুষ যিনি কোনোভাবেই সরকারি গেজেটে স্থান পাওয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ নন, তিনি খুব সহজেই বিজ্ঞাপনের পাতায় নিজেকে ঢুকিয়ে দিতে পারেন। যার ফলে আমরা প্রায়ই দেখি একই সংবাদপত্রে একজন সাধারণ ওষুধ বিক্রেতা বা কবিরাজ একজন পূর্ণ ক্ষমতাপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূতের পাশে স্থান পেয়েছেন, কিংবা একজন সাধারণ বার্তাবাহক কোনো উচ্চপদস্থ দূতের সাথে একই সারিতে দাঁড়িয়ে আছেন।
** '''''[[জোসেফ অ্যাডিসন]]''''', ''ট্যাটলার'', সংখ্যা ২২৪।
* বিজ্ঞাপন লেখার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় কৌশল বা শিল্প হলো পাঠকের দৃষ্টি আকর্ষণ করার সঠিক পদ্ধতিটি খুঁজে বের করা। কারণ এই কৌশল ছাড়া একটি অত্যন্ত চমৎকার বস্তুও হয়তো অলক্ষিতও থেকে যেতে পারে, কিংবা দেউলিয়া হওয়ার সংবাদের ভিড়ে কোথাও হারিয়ে যেতে পারে।
** '''''[[জোসেফ অ্যাডিসন]]''''', ''ট্যাটলার'', সংখ্যা ২২৪।
* জিজ্ঞেস করছেন কীভাবে জীবন ধারণ করবেন? লিখুন, লিখুন, যা খুশি তা-ই লিখুন;<br>এই পৃথিবীটা এক চমৎকার বিশ্বাসপ্রবণ জগত, তাই স্রেফ সংবাদ লিখে যান।
** '''''বিউমন্ট এবং ফ্লেচার''''', ''উইট উইদাউট মানি'', দ্বিতীয় অংক।
* [বিরোধী সংবাদমাধ্যম] মূলত এমন সব অসন্তুষ্ট ও ঈর্ষাপরায়ণ ব্যক্তিদের হাতে ন্যস্ত থাকে, যারা নিজেদের কর্মজীবনে শোচনীয়ভাবে ব্যর্থ হয়েছে।
** '''''[[:w:অটো ফন বিসমার্ক|অটো ফন বিসমার্ক]]''''', রুজেনের একটি প্রতিনিধি দলের নিকট রাজার উদ্দেশে (১০ নভেম্বর ১৮৬২)।
* শোনো ওহে কেকের দেশ, আর স্কটল্যান্ডের ভাইয়েরা,<br>মেইডেনকার্ক থেকে জনি গ্রোটস—স্কল প্রান্তের মানুষেরা;<br>যদি তোমাদের পোশাকে কোনো তালি থাকে,<br>তবে সতর্ক করছি, তোমাদের সত্তা যেন সাবধানে থাকে।<br>তোমাদের মাঝে এমন এক আপদ বিদ্যমান, যে তুমাদের মাঝে কান পাতছে<br>এবং বিশ্বাস করো, সে নির্ঘাত তা সংবাদে ছাপিয়ে দিতে যাচ্ছে!
** '''''[[:w:রবার্ট বার্নস|রবার্ট বার্নস]]''''', ''অন ক্যাপটেন গ্রোস'স পেরেগ্রিনেশনস থ্রু স্কটল্যান্ড''।
* সম্পাদক তাঁর নিরব আলয়ে পড়ছে ঢুলে ঢুলে, অসম চিন্তার ভাঁজ তার কপালে,<br>মন তাঁর নিমগ্ন ব্যবসার অতলসম তলে, আর পা জোড়া তোলা চেয়ারের হাতলে,<br>এক হাত চেয়ারে ঠেকানো আর ডান হাত মাথায়টায়,<br>ধুলোমাখা মলিন টেবিলে তাঁর চোখ জোড়া ঠেকানো আর নথির পাহাড় ছড়িয়ে সেথায়!
** '''''উইল কার্লটন''''', ''ফার্ম ব্যালাডস'', ''দ্য এডিটর'স গেস্টস, রুপান্তরঃ '''মাহমুদ''''' (২৩ এপ্রিল, ২০২৬)।
* এডমন্ড বার্ক বলেছিলেন যে পার্লামেন্টে তিনটি স্তম্ভ বা এস্টেট রয়েছে; কিন্তু ওই দূরে প্রতিবেদকদের গ্যালারিতে এমন এক 'চতুর্থ স্তম্ভ' উপবিষ্ট আছে যা অন্য সবার চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
** '''''[[:w:টমাস কার্লাইল|টমাস কার্লাইল]]''''', '''''হিরোস অ্যান্ড হিরো-ওয়ারশিপ''''', বক্তৃতা ৫। বার্ককে এই শব্দটি উদ্ভাবনের কৃতিত্ব দেওয়া হলেও তাঁর প্রকাশিত কোনো রচনায় এর উল্লেখ পাওয়া যায় না। 'রাজ্যের তিনটি স্তম্ভ' হলো '''Lords Spiritual''' বা ধর্মীয় প্রতিনিধি, '''Lords Temporal''' উচ্চকক্ষ এবং '''Commons''' (নিম্নকক্ষ)। ডেভিড লিন্ডসে ১৫৩৫ সালে তাঁর 'অ্যান প্লেজেন্ট স্যাটায়ার অফ দ্য থ্রি এস্টেটসে' এর বর্ণনা দিয়েছেন। রাবেলে তাঁর 'পান্তাগ্রুয়েলে'(৪-৪৮) একজন সন্ন্যাসী, একজন বাজপাখি শিকারি, একজন আইনজীবী এবং একজন কৃষককে দ্বীপের '''Les quatre estatz de l'isle''' বা 'চারটি স্তম্ভ' হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
* একটি পার্লামেন্ট বা সংসদ, যা কি না সাংবাদিকদের মাধ্যমে বানকম্বের জনগণের কাছে এবং সেই দুই কোটি সত্তর লক্ষ মানুষের কাছে কথা বলে, যাঁদের অধিকাংশকেই নির্বোধ হিসেবে গণ্য করা যায়।
** '''''[[:w:টমাস কার্লাইল|টমাস কার্লাইল]]''''', '''''লেটার ডে প্যামফ্লেটস''''', সংখ্যা ৬: পার্লামেন্ট।
* প্রথমে আপনার প্রয়োজনীয় তথ্যগুলো সঠিকভাবে সংগ্রহ করুন, আর তারপর আপনি নিজের ইচ্ছেমতো সেগুলোকে যত খুশি বিকৃত করতে পারেন।
** '''''[[:w:মার্ক টোয়েন|মার্ক টোয়েন]]''''', কিপলিংয়ের সাথে সাক্ষাৎকার; '''''ইন ফ্রম সি টু সি''''', পত্র ৩৭।
* স্রেফ একটি সংবাদপত্র! যা দ্রুত পড়া হয় এবং দ্রুতই হারিয়ে যায়,<br>কে আর হিসাব রাখে সেই অমূল্য রত্নভাণ্ডারের, যা এটি বহন করে নিয়ে যায়?<br>ছিন্নভিন্ন হয়ে পায়ের তলায় পিষ্ট হওয়া সেই উজ্জ্বল নক্ষত্রের মতো মেধার মূল্যই বা ক’জন দেয়?
** '''''মেরি ক্লেমার''''', ''দ্য জার্নালিস্ট'', স্তবক ৯।
* নিজের প্রজন্মের সেবা করাই তোমার নিয়তি—<br>জলের ওপর যেমন নাম লিখলে তা মুছে যায়, ঠিক তেমনি তোমার নামও দ্রুতই মিলিয়ে যাবে।<br>কিন্তু যে ব্যক্তি মানবতাকে ভালোবাসেন, তিনি আদিতে ও অন্তে এমন এক মহান কর্ম সম্পাদন করেন যা খ্যাতির গণ্ডির চেয়েও অনেক বড়।
** '''''মেরি ক্লেমার''''', ''দ্য জার্নালিস্ট'', অন্তিম স্তবক।
* আমার মনে হয় কোথাও বলা হয়েছে যে—'দ্য টাইমস'-এর একটি মাত্র সংখ্যায় থুসিডাইডিসের সমগ্র ঐতিহাসিক রচনার চেয়েও অনেক বেশি দরকারী ও কার্যকর তথ্য নিহিত থাকে।
** '''''রিচার্ড কবডেন''''', ম্যানচেস্টার অ্যাথেনিয়ামে প্রদত্ত ভাষণ (২৭ ডিসেম্বর ১৮৫০)। দেখুন: দ্য টাইমস, ৩০ ডিসেম্বর ১৮৩০, পৃ. ৭; মর্লির 'লাইফ অফ কবডেন'-এ উদ্ধৃত, ২য় খণ্ড, পৃ. ৪২৯।
* যদি মৈত্রীর চেতনা সর্বত্র জয়ী হতো, তবে এই সংবাদমাধ্যম বা প্রেস নিশ্চিতভাবেই<br>সততা, সত্য এবং ভালোবাসার এক মহান বাহন হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করত।
** '''''উইলিয়াম কাউপার''''', ''চ্যারিটি'', লাইন ৬২৪।
* কীভাবে আমি তোমার প্রশংসা করব, বা কিভাবে সম্বোধিত হবে সেই পরাক্রমী অনড়,<br>হে সংবাদমাধ্যম—তুমিই তো আমাদের এই পৌত্তলিক আরাধনার অধিশ্বর!<br>* * * * *<br>স্বর্গের সেই নিষিদ্ধ জ্ঞানবৃক্ষের সাথেই,<br>ভালো এবং মন্দের যাবতীয় জ্ঞান তো প্রেরিত হয় তোমার মাধ্যমেই!
** '''''উইলিয়াম কাউপার''''', ''প্রোগ্রেস অফ এরর'', লাইন ৪৫২, ''বাংলায় কাব্যিক রুপান্তরঃ'' '''মাহমুদ''' (১৩ এপ্রিল, ২০২৬)।
* তিনি এসেছেন, এক অশান্ত মহাবিশ্বের বার্তাবাহক হয়ে—<br>কর্দমাক্ত বুট, কোমরবন্ধনীতে বাঁধা পোশাক আর জমে থাকা তুষারশুভ্র চুলের অবয়ব নিয়ে;<br>মহাবিশ্বের তাবৎ সংবাদ ঝুলছে তার পিঠে আকাশসম বোঝা হয়ে!
** '''''উইলিয়াম কাউপার''''', ''দ্য টাস্ক'' (১৭৮৫), চতুর্থ খণ্ড, লাইন ৫, ''রুপান্তরঃ'' '''মাহমুদ'''।
* যখনই কোনো মূল্যবান তথ্যের সন্ধান পাবেন, তখনই তা টুকে রাখুন।
** '''''[[:w:চার্লস ডিকেন্স|চার্লস ডিকেন্স]]''''', ''ডম্বি অ্যান্ড সান'', ১৫তম অধ্যায়।
* বিবিধ বিষয়ের লেখকরাই প্রতিটি জাতির কাছে সবচেয়ে জনপ্রিয় লেখক হিসেবে সমাদৃত হন। কারণ তাঁরাই মূলত শিক্ষিত এবং অশিক্ষিত সামাজিক স্তরের মধ্যে যোগাযোগের একটি সেতুবন্ধন তৈরি কর যান, যেন জন মানুষের এই দুটি বিশাল স্তর বা বিভাগের মাঝখানে তাঁরা এক শৈল্পিক সেতু নির্মাণ করে দিতে পারেন।
** '''''আইজ্যাক ডি'ইজরায়েলি''''', ''লিটারারি ক্যারেক্টার অফ মেন অফ জিনিয়াস'', বিবিধ লেখক বিভাগ।
* আমাদের রাজনৈতিক লেখকদের কেউই... রাজা, লর্ডস এবং কমন্স, এই তিনটি স্তম্ভ বা এস্টেটের বাইরে অন্য কিছুর দিকে নজর দেন না... তাঁরা অত্যন্ত সুকৌশলে সেই বিশাল ও প্রভাবশালী অংশটিকে এড়িয়ে যান যারা এই সমাজের প্রকৃত 'চতুর্থ স্তম্ভ' গঠন করে... আর সেই শক্তিটি হলো 'জনসাধারণ' বা গণমানুষের ভিড়।
** '''''[[:w:হেনরি ফিল্ডিং|হেনরি ফিল্ডিং]]''''', ''কোভেন্ট গার্ডেন জার্নাল'' (১৩ জুন ১৭৫২)।
* যদি কেলেঙ্কারির অভাবের কারণে হয় মানসিক অবসাদ<br>আমাদের প্রিয় নারীদের ব্যথিত করে—তবে তাঁদের পড়তে দিন সংবাদ।
** '''''ডেভিড গ্যারিক''''', শেরিডানের 'স্কুল ফর স্ক্যান্ডাল' এর প্রস্তাবনা।
* সংবাদপত্রের স্বাধীনতা হলো একজন ইংরেজ নাগরিকের সমস্ত দেওয়ানি, রাজনৈতিক এবং ধর্মীয় অধিকারের এক অপরাজেয় সুরক্ষাকবচ বা প্যালাডিয়াম।
** '''''[[:w:জুনিয়াস (লেখক)|জুনিয়াস]]''''', ''ডেডিকেশন টু লেটারস''।
* একজন সংবাদ লেখকের সর্বোচ্চ দৌড় হলো রাজনীতির ওপর কিছু অন্তঃসারশূন্য যুক্তি প্রদান করা এবং সরকারি ব্যবস্থাপনার ওপর ভিত্তিহীন ও বৃথা অনুমান করা।
** '''''জঁ দ্য লা ব্রুয়েয়ার''''', ''দ্য ক্যারেক্টারস অর ম্যানার্স অফ দ্য প্রেজেন্ট এজ'' (১৬৮৮), প্রথম অধ্যায়।
* একজন সংবাদ লেখক রাতের বেলা অত্যন্ত প্রশান্তির সাথে এমন একটি সংবাদের ওপর ভরসা করে ঘুমোতে যান যা ভোরের আলো ফোটার আগেই দেখা যায় পচে নষ্ট হয়ে যায়! এবং ঘুম থেকে ওঠার সাথে সাথেই তিনি তা আবর্জনার মতো ছুঁড়ে ফেলে দিতে বাধ্য হন।
** '''''জঁ দ্য লা ব্রুয়েয়ার''''', ''দ্য ক্যারেক্টারস অর ম্যানার্স অফ দ্য প্রেজেন্ট এজ'' (১৬৮৮), প্রথম অধ্যায়।
* '''প্রতিটি সংবাদপত্রের সম্পাদক শয়তানের কাছে তাঁর আনুগত্যের খাজনা দিতে বাধ্য!'''
** '''''[[:w:জঁ দ্য লা ফোঁতেন|জঁ দ্য লা ফোঁতেন]]''''', ''লেত্রে আ সিমোঁ দ্য ত্রোয়া'' (১৬৮৬)।
* সংবাদপত্র সবসময়ই কৌতূহল জাগিয়ে তোলে। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো, এক রাশ চরম হতাশার অনুভূতি ছাড়া কেউই সংবাদপত্র পাঠ শেষ করে তা সরিয়ে রাখতে পারেন না।
** '''''চার্লস ল্যাম্ব''''', ''এসেস অফ এলিয়া'': 'ডিট্যাচড থটস অন বুকস অ্যান্ড রিডিং'।
* দেখুন, এই বিশাল বিস্তৃত পৃথিবীটা প্রতি সপ্তাহে একটি বাদামী কাগজের (সংবাদ পত্র) মোড়কে বন্দি হয়ে আমার কাছে পাঠানো হয়।
** '''''[[:w:জেমস রাসেল লোয়েল|জেমস রাসেল লোয়েল]]''''', ''বিগলো পেপারস'', প্রথম সিরিজ, সংখ্যা ৬।
* '''আমি এক লক্ষ বেয়োনেটের চেয়ে তিনটি সংবাদপত্রকে অনেক বেশি ভয় পাই।'''
** '''''[[:w:নেপোলিয়ন বোনাপার্ট|প্রথম নেপোলিয়ন]]'''''।
* ওয়াশিংটনের হোয়াইট হাউসের তুলনায় [[w:নিউ_ইয়র্ক_শহর|নিউ ইয়র্কের]] এই সস্তা এক-পেনির সংবাদপত্রগুলোই এদেশ শাসনে অনেক বেশি কার্যকর ভূমিকা পালন করে।
** '''''ওয়েন্ডেল ফিলিপস'''''।
* আমরা মূলত একদল মানুষ যারা কিছু প্রভাতী সংবাদপত্র দ্বারা চালিত একটি সরকারের শাসনাধীনে বসবাস করছি।
** '''''ওয়েন্ডেল ফিলিপস'''''।
* সংবাদমাধ্যম হলো বাতাসের মতো অবারিত এবং এক সনদপ্রাপ্ত স্বেচ্ছাচারী শক্তি।
** '''''উইলিয়াম পিট''''', লর্ড গ্রেনভিলকে উদ্দেশ্য করে (প্রায় ১৭৫৭ সালে)।
* একদল অভিজাত ও সচ্ছল মানুষের ভিড়, যারা অত্যন্ত অনায়াসে এবং সাবলীলভাবে এতে লিখে যেতে পারেন।
** '''''অ্যালক্সান্ডার পোপ''''', ''এপিসেলস অফ হোরেস'', দ্বিতীয় খণ্ড, প্রথম পত্র, লাইন ১০৮।
* বিষয়টি যেহেতু লিখিত আকারে আছে, সেহেতু এটিকে ধ্রুব সত্যই হতে হবে।
** '''''ফ্রঁসোয়া রাবলে''''', ''পান্তাগ্রুয়েল''।
* এটা কি কোনোভাবে মেনে নেওয়া সম্ভব যে কোনো শিক্ষিত ব্যক্তি এক-পেনির এই সস্তা কাগজগুলো থেকে জানার মতো প্রয়োজনীয় কিছু শিখতে পারেন? হয়তো বলা হতে পারে যে মানুষ এর মাধ্যমে পার্লামেন্টে কী বলা হচ্ছে তা জেনে নিতে পারে। কিন্তু ভালো করে ভেবে দেখুন তো, সেটি কি তাঁদের প্রকৃত শিক্ষা বা জ্ঞানার্জনে বিন্দুমাত্র কোনো অবদান রাখতে পারছে?
** '''''লর্ড সলসবরি''''' (রবার্ট সেসিল), ভাষণ: দ্য হাউজ অফ কমন্স, ১৮৬১; 'কাগজ শুল্ক বিলোপ' সংক্রান্ত বিতর্কে।
* সংবাদপত্র! মশাই, ওগুলো হলো পুরোপুরি চরম পাপিষ্ঠ, লাগামহীন, জঘন্য এবং নারকীয় বস্তুর সমষ্টি! যদিও আমি ওগুলো কখনোই পড়ি না এবং আমি ইতিমধ্যেই নিয়ম করে ফেলেছি যে আমি কখনোই কোনো সংবাদপত্রের দিকে চোখ তুলে তাকাব না।
** '''''রিচার্ড ব্রিনসলে শেরিডান''''', ''দ্য ক্রিটিক'', প্রথম অংক, প্রথম দৃশ্য।
* ব্যবসায়ী ততক্ষণ পর্যন্ত তাঁর কর্মচঞ্চল দিনটির শুরু হয়েছে বলে করছেনা গণন,<br>যতক্ষণ না তাঁদের তীক্ষ্ণ দৃষ্টি সংবাদপত্রের ওপর দিয়ে করছেনা আলিঙ্গন!<br>তরুণী মেয়েটি তাঁর হাতের সেলাইয়ের কাজ সরিয়ে রাখে দূরে,<br>এবং সহপাঠিনীর বিয়ের খবর পড়ে আফসোস করে!<br>অন্যদিকে প্রবীন মা তাঁর চশমাটি চোখে এঁটে নেন,<br>এবং কোনো এক বন্ধুর বিদায়ের খবর পড়ে এক ফোঁটা অশ্রু বিসর্জন দেন।<br>এমনকি ধর্মপ্রচারকগ্ণও রবিবারের জন্য ধর্মীয় আলোচনার পাতাটি সরিয়ে রাখেন—<br>শহরের নব-উন্মাদনা চারিপাশ কোথাই মাতাচ্ছে তা জানার কৌতূহলে,<br>সে খবর আনন্দময় কিংবা বিষাদময় হোক, জীবনের তুচ্ছতম কিংবা [[মহত্ত্ব|মহত্ত্বের]] বেড়াজালে—<br>মোরগ লড়াই থেকে শুরু করে রাজায় রাজায় যুদ্ধের রণ-তালে-তালে!
** '''''স্প্রাগ''''', ''কিউরিওসিটি, বাংলায় রূপান্তরঃ'' '''মাহমুদ''' ''(২৩ এপ্রিল, ২০২৬) ।''
* এই সংবাদমাধ্যমই জনমানুষের অধিকারে অক্ষুণ্ণ,<br>যেন প্রতিপত্তির কাছে নতি স্বীকার না করে এবং লাভের মোহে না হয় ক্ষুণ্ণ;<br>এখানেই দেশপ্রেমিক তাঁর আদর্শের লিপিতে চিরনিবন্ধ,<br>ধর্ম, স্বাধীনতা এবং আইনের রক্ষক হিসেবে থাকবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
** '''''[[:w:জোসেফ স্টোরি|জোসেফ স্টোরি]]''''', ''সালেম রেজিস্টারের'' মূলমন্ত্র (১৮০২ সালে গৃহীত)। উইলিয়াম ডব্লিউ স্টোরি রচিত ''লাইফ অফ জোসেফ স্টোরি'', প্রথম খণ্ড, ৬ষ্ঠ অধ্যায়ে বর্ণিত, ''রূপান্তরঃ'' '''মাহমুদ।'''
* সম্পাদকের চেয়ারের কুশনে লুকিয়ে থাকা এক তীক্ষ্ণ কণ্টক।
** '''''[[:w:উইলিয়াম মেকপিস থ্যাকারায়|উইলিয়াম মেকপিস থ্যাকারায়]]''''', ''রাউন্ডঅবাউট পেপারস'': 'দ্য থর্ন ইন দ্য কুশন'।
== আরোপিত বা অ্যাট্রিবিউটেড ==
* গণমাধ্যম নির্ভুলতা সংক্রান্ত নোলের নীতি: সংবাদপত্রে আপনি যা কিছু পড়েন তার প্রতিটি অক্ষরই ধ্রুব সত্য—কেবল সেই বিরল সংবাদটি ছাড়া যে বিষয়টি সম্পর্কে আপনার একান্ত ব্যক্তিগতভাবে প্রত্যক্ষ জ্ঞান রয়েছে।
** '''''আরউইন নোল''''', সম্পাদক, ''দ্য প্রোগ্রেসিভ''।
* আমেরিকায় প্রেসিডেন্ট মাত্র চার বছরের জন্য শাসন করেন, কিন্তু সাংবাদিকতা সেখানে রাজত্ব চালায় চিরকাল।
** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]'''''; লোইস আগস্ট জেনিস রচিত ''ভয়েজ টু ইনসাইট'' (২০০৩), পৃ. ৭০-এ উদ্ধৃত।
* যখন একটি কুকুর কোনো মানুষকে কামড়ায়, সেটি কোনো সংবাদ নয়; কারণ এমন ঘটনা অহরহ ঘটে থাকে। কিন্তু যদি কোনো মানুষ একটি কুকুরকে কামড়ে দেয়, তবে সেটিই হলো প্রকৃত সংবাদ।
** '''''জন বি. বোগার্ট''''', 'নিউ ইয়র্ক সান'-এর সম্পাদক; ''বার্টলেট'স ফ্যামিলিয়ার কোটেশনস''-এ আরোপিত (১৬তম সংস্করণ, ১৯৯২), পৃ. ৫৫৪। আরও দেখুন: [[:w:ম্যান বাইটস ডগ|ম্যান বাইটস ডগ]]।
* ঔপন্যাসিকদের বড় বড় 'মহৎ আইডিয়া' বা তাত্ত্বিক চিন্তাভাবনা নিয়ে আমি খুব একটা মাথা ঘামাই না। উপন্যাস নিশ্চিতভাবেই চমৎকার বিষয়, তবে পড়ার ক্ষেত্রে আমি সংবাদপত্রকেই বেশি প্রাধান্য দিই।
** '''''উইল কাপি''''', স্ট্যানলি জে. কুনিটজ এবং হাওয়ার্ড হ্যাব্রাফট সম্পাদিত ''টোয়েন্টিয়েথ সেঞ্চুরি অথরস'' (১৯৪২), নিউ ইয়র্ক: এইচ. ডব্লিউ. উইলসন কোম্পানি, পৃ. ৩৪২।
* সাংবাদিকতা হলো ইতিহাসের প্রথম খসড়া। মূলত ভিন্ন একটি রূপে প্রথম প্রকাশিত হয়—“সংবাদ বা সংবাদমাধ্যম হলো ইতিহাসের প্রথম অমসৃণ খসড়া”। এই আধুনিক রূপটি অন্তত ১৯৪০-এর দশক থেকে প্রচলিত এবং সম্ভবত ''ওয়াশিংটন পোস্টের'' সম্পাদকীয় লেখক '''''অ্যালান বার্থ''''' এটিকে জনপ্রিয় করে তুলেছিলেন। সেই সময়কার প্রকাশিত ''ওয়াশিংটন'' ''পোস্টের'' সম্পাদকীয় পাতায় এই ভাবনার প্রতিফলন একাধিকবার দেখা যায়, যার মধ্যে বার্থের প্রথম উদ্ধৃতিটি ১৯৪৩ সালের: '''"সংবাদ হলো ইতিহাসের প্রথম অমসৃণ খসড়া মাত্র।"'''
::* '''''অ্যালান বার্থ''''', হ্যারল্ড এল. ইক্সেস রচিত ''দ্য অটোবায়োগ্রাফি অফ আ কারমাজিয়ন''-এর পর্যালোচনা, ''নিউ রিপাবলিক'' (১৯৪৩), ভলিউম ১০৮, পৃ. ৬৭৭-এ সংগৃহীত।
:* ''ওয়াশিংটন পোস্টে'' এর পরবর্তী ব্যবহারগুলো হলো:
:: সংবাদপত্র হলো আসলে ইতিহাসের প্রথম খসড়া, অথবা অন্তত তারা তেমন হওয়ার ভান করে থাকে!
::* নামবিহীন "সম্পাদকের টীকা", ''দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট'' (১৬ অক্টোবর ১৯৪৪)।
:* বিংশ শতাব্দীর প্রথম দশকেও একই ধরনের ভাবধারা পরিলক্ষিত হয়, যার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছেঃ [http://www.barrypopik.com/index.php/new_york_city/entry/first_draft_of_history_journalism/ “ইতিহাসের প্রথম খাসড়া” (সাংবাদিকতা)], ২৩ নভেম্বর ২০০৯, ব্যারি পপিক।
:: এটি অত্যন্ত সম্ভবপর যে, ৪১৩ অব্দ পর্যন্ত 'ইতিহাসের একটি প্রাথমিক ও অমসৃণ খসড়া' হয়তো ৪০৫ অব্দের আগেই থুসিডাইডিস কর্তৃক রূপরেখা আকারে প্রস্তুত করা হয়েছিল।
::* (এখানে “সংবাদ” শব্দটি বাদ দেওয়া হয়েছে এবং একটি নির্দিষ্ট পাঠ্যকে নির্দেশ করা হয়েছে) ১৯০২, '''''রিচার্ড ক্ল্যাভারহাউস জেব''''', [http://www.1902encyclopedia.com/T/THU/thucydides.html থুসিডাইডিস], এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা, ১০ম সংস্করণ (১৯০২)। ২০১০ সালে শেফার-এর মন্তব্যে ব্যাবেট হোগান কর্তৃক উদ্ধৃত।
:: সংবাদপত্রগুলো প্রতিদিন প্রভাতে 'ইতিহাসের একটি অমসৃণ খসড়া' তৈরি করে চলেছে। পরবর্তীতে ঐতিহাসিকগণ আসবেন, পুরোনো নথিপত্রগুলো হাতে নেবেন এবং সম্পাদক ও সংবাদদাতাদের সেই অপরিশোধিত অথচ আন্তরিক ও নির্ভুল বিবরণীগুলোকে প্রকৃত ইতিহাস ও কালোজয়ী সাহিত্যে রূপান্তরিত করবেন। আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থাকে অবশ্যই এই দৈনিক সংবাদপত্রের গুরুত্ব অনুধাবন করতে হবে।
::* (এখানে “প্রথম” শব্দটি বাদ দেওয়া হয়েছে) ৫ ডিসেম্বর ১৯০৫, দ্য স্টেট, “[http://blog.readex.com/wp-content/uploads/2010/10/TP-State-News-Draft-Dec-5-1905.pdf সংবাদের শিক্ষামূলক মূল্য]”, পৃ. ৪, কলাম ৪, কলাম্বিয়া, সাউথ ক্যারোলাইনা। টনি পেত্তিনাতো কর্তৃক ৪ অক্টোবর ২০১০ তারিখে উদ্ধৃত। 'কোট ইনভেস্টিগেটর'-এর গারসন ও'টুল এটি জিনিয়লজি-ব্যাংক ডাটাবেস থেকে সংগ্রহ করেছেন।
:: একজন প্রতিবেদক হলেন সেই তরুণ যুবক, যিনি প্রতিদিন একটি জরাজীর্ণ ও শব্দজব্দ টাইপরাইটারের ওপর 'ইতিহাসের প্রথম খসড়াটি' অত্যন্ত নিপুণভাবে অঙ্কন করেন।
::* (এখানে “অমসৃণ” শব্দটি বাদ দেওয়া হয়েছে) ৩ জুলাই ১৯১৪, লিঙ্কন (NE) ডেইলি স্টার, '''''জর্জ ফিচ'''''-এর লেখা “দ্য রিপোর্টার”, পৃ. ৬, কলাম ৪।
:* এই উক্তিটি সাধারণত ভুলভাবে '''''ফিলিপ এল. গ্রাহাম'''''-এর নামে দায়ী করা হয়, যা তিনি ১৯৬৩ সালে লন্ডনে 'নিউজউইক' প্রতিনিধিদের উদ্দেশ্যে দেওয়া একটি ভাষণে বলেছিলেন বলে মনে করা হয়: “[http://www.slate.com/id/2265540/pagenum/all এটি প্রথম কে বলেছিলেন? সাংবাদিকতা হলো 'ইতিহাসের প্রথম অমসৃণ খসড়া'।]”, '''''জ্যাক শেফার''''', ''স্লেট'' (৩০ আগস্ট ২০১০); ''পার্সোনাল হিস্ট্রি'' (১৯৯৭), '''''ক্যাথরিন গ্রাহাম'''''।
:: সুতরাং, আসুন আমরা আমাদের সেই অনিবার্য এবং অসম্ভব কাজের পেছনে অবিরাম শ্রম দিয়ে যাই—যা হলো প্রতি সপ্তাহে 'ইতিহাসের এমন একটি প্রথম অমসৃণ খসড়া' সরবরাহ করা, যা আসলে কখনোই সম্পন্ন হবে না; কারণ এই জগতকে আমরা কখনোই পুরোপুরি অনুধাবন করতে পারব না।
:* যদিও এই ভাষণটি উক্তিটিকে ব্যাপকভাবে জনপ্রিয় করেছিল, তবে এর আগেও গ্রাহাম নিজে এবং অন্য অনেকে (উপরে উল্লিখিত) একই ধরণের বক্তব্য প্রদান করেছিলেন:
:: সংবাদমাধ্যমের এই অপরিহার্য ক্ষিপ্রতা বা তাড়াহুড়ো অনিবার্যভাবেই এক ধরণের অগভীরতাকে সঙ্গী করে আনে। পরম গভীরতা অর্জন করা না আমাদের ক্ষমতার মধ্যে আছে, আর না তা আমাদের অধিকারভুক্ত। আমরা বছরের ৩৬৫ দিন জুড়েই 'ইতিহাসের প্রথম অমসৃণ খসড়া' লিখে চলি, এবং এটি সত্যিই এক অত্যন্ত মহৎ ও বিশাল দায়িত্ব।
::* আমেরিকান সোসাইটি ফর পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন-এ প্রদত্ত ভাষণ (৮ মার্চ ১৯৫৩); “[http://www.jstor.org/stable/972460 পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অ্যান্ড দ্য প্রেস]”-এ প্রকাশিত, ফিলিপ এল. গ্রাহাম, ''পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন রিভিউ'', ভলিউম ১৩, সংখ্যা ২ (বসন্ত, ১৯৫৩), পৃ. ৮৭-৮৮।
:* এছাড়াও আরও নানা ধরণের ভুল আরোপ বা অ্যাট্রিবিউশন বিদ্যমান—'''''হেলেন থমাস''''' তাঁর স্মৃতিকথা 'ফার্স্ট রো অ্যাট দ্য হোয়াইট হাউস'-এ উক্তিটিকে ভুলবশত '''''বেন ব্র্যাডলি'''''-এর নামে চালিয়ে দিয়েছেন।
** '''''হেলেন থমাস''''', ''ফ্রন্ট রো অ্যাট দ্য হোয়াইট হাউস: মাই লাইফ অ্যান্ড টাইমস'' (২০০০), সাইমন অ্যান্ড শুস্টার, পৃ. ৩৮৩, ISBN 0684845687।
== আরও দেখুন ==
* [[w:গণমাধ্যম|বিকল্প ধারার গণমাধ্যম]]
* [[:w:অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা|অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা]]
* [[:w:সংবাদ|সংবাদ]]
* [[:w:সংবাদপত্র|সংবাদপত্র]]
* [[:w:মূলধারার গণমাধ্যম|মূলধারার গণমাধ্যম]]
* [[w:গণমাধ্যম_সংস্কৃতি|গণমাধ্যম সংস্কৃতি]]
== বহিঃসংযোগ ==
{{similarlinks}}
* [https://www.fourthestate.org/journalism-quotes/ ফোর্থ এস্টেটে সাংবাদিকতা বিষয়ক উল্লেখযোগ্য উদ্ধৃতিসমূহ]
[[বিভাগ:সাংবাদিকতা| ]]
[[বিষয়শ্রেণী:সাংবাদিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:সাংবাদিকতা]]
[[বিষয়শ্রেণী:গণমাধ্যম]]
3pccjn0f697343fdz1kusxk5g1vaayq
83312
83311
2026-05-03T04:55:26Z
Oindrojalik Watch
4169
83312
wikitext
text/x-wiki
[[File:2 Fillettes vendant des journaux, Wilmington (Delaware), mai 1910.jpg|thumb|আমেরিকায় রাষ্ট্রপতি চার বছরের জন্য রাজত্ব করেন, আর সাংবাদিকতা শাসন করে অনন্তকাল ধরে!<br>~'''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''']]
'''[[w:সাংবাদিকতা|সাংবাদিকতা]]''' হলো সংবাদ সংগ্রহ, লিখন এবং সংবাদ পরিবেশনের একটি বিশেষ শাখা। বিস্তৃত অর্থে এটি সংবাদ নিবন্ধ সম্পাদনা ও উপস্থাপনার প্রক্রিয়াকেও অন্তর্ভুক্ত করে। সাংবাদিকতা বিভিন্ন মাধ্যমের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, তবে এটি কেবল [[w:সংবাদপত্র|সংবাদপত্র]], [[w:সাময়িকী_(পত্রিকা)|সাময়িকী]], [[w:বেতার|রেডিও]] এবং [[w:টেলিভিশন|টেলিভিশনের]] মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। সংবাদ প্রচারের দৌড়ে সবার আগে থাকার প্রবল চাপ থাকা সত্ত্বেও, প্রতিটি সংবাদ সংস্থা নিজস্ব নির্ভুলতা, গুণমান এবং শৈলীর মানদণ্ড মেনে চলে। যেখানে সাধারণত প্রকাশের পূর্বে প্রতিবেদনগুলো [[:w:সম্পাদনা|সম্পাদনা]] ও প্রুফরিডিং করা হয়। অনেক সংবাদ সংস্থা সরকারি কর্মকর্তা ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে জনগণের কাছে দায়বদ্ধ রাখার গৌরবময় ঐতিহ্য দাবি করে, যদিও সংবাদ মাধ্যম সমালোচকরা খোদ সংবাদপত্রের দায়বদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ''জার্নালিজম'' বা সাংবাদিকতা শব্দটি [[w:ফরাসি_ভাষা|ফরাসি ভাষার]] '''''journal''''' '''''বা''''' '''''জার্নাল''''' থেকে নেওয়া হয়েছে, যা কালক্রমে ল্যাটিন ''ডিউর্নাল'' বা দৈনিক শব্দ থেকে উদ্ভূত। [[w:প্রাচীন_রোম|প্রাচীন রোমের]] প্রধান জনচত্বর ফোরামে প্রতিদিন 'অ্যাক্টা ডিউর্না' নামক একটি হস্তলিখিত বুলেটিন টাঙিয়ে দেওয়া হতো, যা ছিল বিশ্বের প্রথম সংবাদপত্র।
[[File:Amy Goodman — Keynote, National Conference for Media Reform 2013 (8626124929).jpg|thumb|যেখানে নিস্তব্ধতা বিরাজ করে, সেখানে ছুটে যাওয়াই একজন সাংবাদিকের দায়িত্ব। যারা বিস্মৃত, পরিত্যক্ত এবং ক্ষমতাশালীদের দ্বারা নিগৃহীত, তাদের কণ্ঠস্বর হয়ে ওঠা।<br>~'''''অ্যামি গুডম্যান''''']]
__NOTOC__
{{TOCalpha|''[[#হোয়েট'স নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস|হোয়েট'স নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস]]'' · [[#আরোপিত|আরোপিত]]}}
== A ==
[[File:Julian Assange in Ecuadorian Embassy cropped.jpg|thumb|আমরা আমাদের পেছনে এমন এক অনন্য ক্ষেত্র তৈরি করছি যা সাংবাদিকতার সেই বিশেষ রূপটিকে বিকশিত হতে দেয়, যা সাংবাদিকতা চিরকাল নিজের জন্য প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিল। আমরা সেই ক্ষেত্রটি সৃষ্টি করছি কারণ আমরা শক্তিশালী গোষ্ঠীগুলোর মুখোশ সাহসের সাথে উন্মোচন করার ফলে আসা যাবতীয় সমালোচনা ও আক্রমণকে স্বেচ্ছায় গ্রহণ করছি।<br>~'''''[[:w:জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ|জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ]]''''' ]]
[[File:Great men and famous women - a series of pen and pencil sketches of the lives of more than 200 of the most prominent personages in history Volume 7 (1894) (14760162546).jpg|thumb|সাংবাদিকতা সত্যিই মহৎ। প্রতিটি দক্ষ ও সামর্থ্যবান সম্পাদক কি বিশ্বের একেকজন প্রকৃত শাসক নন, যেহেতু তিনি বিশ্ববাসীকে নিজের যুক্তি ও চিন্তায় প্ররোচিত ও প্রভাবিত করার ক্ষমতা রাখেন?<br>~'''''[[:w:টমাস কার্লাইল|টমাস কার্লাইল]]''''' ]]
*একটি রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ স্বাধীনতার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সংবাদপত্রের অবাধ স্বাধীনতা অপরিহার্য ও মৌলিক একটি শর্ত। অতএব, এই কমনওয়েলথ বা জনসমষ্টির মধ্যে কোনোভাবেই সংবাদপত্রের সেই স্বাধীনতাকে খর্ব বা সংকুচিত করা উচিত নয়।
**'''''ম্যাসাচুসেটস সংবিধান''''' (২৫ অক্টোবর, ১৭৮০ তারিখে গৃহীত; যা বিশ্বের প্রাচীনতম কার্যকর লিখিত সংবিধান) {{cite book|author='''''[[:w:জন অ্যাডামস|জন অ্যাডামস]]''''', '''''[[:w:স্যামুয়েল অ্যাডামস|স্যামুয়েল অ্যাডামস]]''''', '''''[[:w:জেমস বাউডোইন|জেমস বাউডোইন]]'''''|title=[[:w:ম্যাসাচুসেটস কমনওয়েলথ এর সংবিধান|ম্যাসাচুসেটস কমনওয়েলথ এর সংবিধান]]|publisher=[[:w:ম্যাসাচুসেটস|ম্যাসাচুসেটস কমনওয়েলথ]]|year=1780|pages= অনুচ্ছেদ XVI}}[http://en.wikisource.org/wiki/Constitution_of_the_Commonwealth_of_Massachusetts_%281780%29 মূল পাঠ্য]
* বেনামে তথ্য ফাঁস করা একটি প্রাচীন শিল্পকলা এবং অনেক ওয়েবসাইটই এমন সব উৎস থেকে প্রাপ্ত নথিপত্র প্রকাশ করে থাকে যাদের তারা শনাক্ত করতে পারে না। উইকিলিকস যা করেছে তা হলো এই পুরো প্রক্রিয়াটিকে পেশাদার রূপ দেওয়া। তারা তথ্য ফাঁস গ্রহণ, প্রক্রিয়াকরণ এবং তা জনসমক্ষে প্রকাশের জন্য একটি সুনির্দিষ্ট ও মানসম্মত কার্যপ্রণালী তৈরি করেছে।
** '''''স্টিফেন আফটারগুড''''', '''FAS''' বা ফেডারেশন অফ আমেরিকান সায়েন্টিস্টস প্রজেক্ট অন গভর্নমেন্ট সিক্রেসি — প্রতিবেদনে উল্লিখিত {{cite news|first=পল |last=মার্কস |author= |url= |title=উচ্চপদে আসীন ব্যক্তিদের অপ্রস্তুত করার একটি অব্যর্থ উপায়: হুইসেল-ব্লোয়ার বা তথ্য ফাঁসকারীরা কোনো চিহ্ন না রেখেই সব বলে দিতে পারেন, সেইসব ওয়েবসাইটকে ধন্যবাদ যা তাদের পরিচয় গোপন রাখে |work= নিউ সায়েন্টিস্ট|publisher=রিড বিজনেস ইনফরমেশন |pages= |page=২৮, খণ্ড ১৯৮; ইস্যু ২৬৫৫ |date=মে ১০, ২০০৮ |accessdate= }}
* একজন সাংবাদিক হিসেবে আমার কর্মজীবন আমার সাহিত্যিক সৃজনশীলতার ক্ষেত্রে এক মৌলিক ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছে। সাংবাদিকতাই আমাকে শব্দকে চিনতে এবং ভালোবাসতে শিখিয়েছে—যা আমার পেশার প্রধান হাতিয়ার এবং আমার শিল্পের মূল উপাদান। সাংবাদিকতা আমাকে সত্যের সন্ধান করতে এবং নৈর্ব্যক্তিক বা বস্তুনিষ্ঠ হতে শিখিয়েছে। শিখিয়েছে কীভাবে পাঠকের মনোযোগ কেড়ে নিতে হয় এবং তাকে এমনভাবে আষ্টেপৃষ্ঠে ধরে রাখতে হয় যেন সে কোনোভাবেই ফস্কে না যায়। এটি আমাকে বিভিন্ন ধারণাকে সংশ্লেষণ করতে এবং ঘটনাপ্রবাহের বর্ণনায় সুনির্দিষ্ট হতে শিখিয়েছে। আর সর্বোপরি, এটি আমার ভেতর থেকে সাদা পাতার প্রতি যাবতীয় ভয়কে চিরতরে দূর করে দিয়েছে।
** ১৯৯৪ সালের একটি সাক্ষাৎকার যা ''কনভারসেশনস উইথ '''''ইসাবেল আলেন্দে''''' '' (১৯৯৯) এ অন্তর্ভুক্ত, স্পেনীয় ভাষা থেকে কোলা ফ্রাঞ্জেন কর্তৃক অনূদিত।
* প্রথম সংশোধনীর প্রতিষ্ঠিত আইন অনুযায়ী, সংবাদ প্রকাশে পূর্ব-নিষেধাজ্ঞা বা সেন্সরশিপ যদি আদৌ সাংবিধানিক হয়ও, তবে তা কেবল চরম ও অতি-অস্বাভাবিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটেই অনুমোদিত হতে পারে। বর্তমান মামলার ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, আদালতের এমন সব নির্দেশ রয়েছে যা কার্যকরভাবে একটি ওয়েবসাইটকে বন্ধ করে দিয়েছে। যে সাইটটি বিশ্বজুড়ে সরকার ও কর্পোরেশনগুলোর দুর্নীতির মুখোশ উন্মোচনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছিল এবং এই নির্দেশটি যে কেউ পাঠ করলে তাকে সেই নথিগুলো প্রকাশ করা, এমনকি সেগুলোর লিঙ্ক দেওয়া থেকেও বিরত থাকতে বাধ্য করছে।
** '''''ডেভিড আরডিয়া''''', হার্ভার্ড ল স্কুলের বার্কম্যান সেন্টার ফর ইন্টারনেট অ্যান্ড সোসাইটি-র সিটিজেন মিডিয়া ল' প্রজেক্ট বা CMLP এর পরিচালক, '''''[[:w:ব্যাংক জুলিয়াস বায়ের বনাম উইকিলিকস মামলা|ব্যাংক জুলিয়াস বায়ের বনাম উইকিলিকস]]''''' প্রসঙ্গে মন্তব্যকালে — প্রতিবেদনে উল্লিখিত {{cite news|title=ইন্টারনেটে বাকস্বাধীনতা রক্ষা: একটি সাইবার-ল ক্লিনিকে শিক্ষার্থীরা প্রাথমিক আইনি বিষয়গুলো মোকাবিলায় সহায়তা করছে |work=হার্ভার্ড ল বুলেটিন |publisher= [[:w:হার্ভার্ড ল স্কুল|হার্ভার্ড ল স্কুল]]|page= |date=Fall 2008 |url=http://www.law.harvard.edu/news/bulletin/2008/fall/feature_2-side1.php|accessdate=2009-03-04}}
* আমরা আমাদের পেছনে এমন এক অনন্য ক্ষেত্র তৈরি করছি যা সাংবাদিকতার সেই বিশেষ রূপটিকে বিকশিত হতে দেয়, যা সাংবাদিকতা চিরকাল নিজের জন্য প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিল। আমরা সেই ক্ষেত্রটি সৃষ্টি করছি কারণ আমরা শক্তিশালী গোষ্ঠীগুলোর শক্তিমত্তা ও দুর্নীতির মুখোশ সাহসের সাথে উন্মোচন করার ফলে ধেয়ে আসা যাবতীয় সমালোচনা ও প্রবল বিরুদ্ধাচরণকে স্বেচ্ছায় গ্রহণ করছি।
** '''''[[:w:জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ|জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ]]''''' এর উদ্ধৃতি: [https://www.theguardian.com/media/2010/aug/01/julian-assange-wikileaks-afghanistan জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ, অনলাইন যুগের সেই সন্ন্যাসী যিনি বৌদ্ধিক লড়াইয়ের মাধ্যমেই বিকশিত হন, ক্যারল ক্যাডওয়ালাডার, ''দ্য গার্ডিয়ান''], (১ আগস্ট ২০১০)
== B ==
* অভিজ্ঞতা এটিই প্রমাণ করেছে যে, সাধারণ প্রত্যাশার সম্পূর্ণ বিপরীতে গিয়ে সংবাদপত্র হলো জনমতকে সঠিক পথে পরিচালিত করার, উত্তেজনাপূর্ণ আন্দোলনকে শান্ত করার এবং সেইসব মিথ্যা ও কৃত্রিম গুজবকে বিলীন করে দেওয়ার অন্যতম শ্রেষ্ঠ মাধ্যম, যার দ্বারা রাষ্ট্রের শত্রুরা তাদের অশুভ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করতে পারে। এই জনসমক্ষে প্রচারিত সংবাদপত্রগুলোর মাধ্যমে যেমন নির্দেশনা সরকার থেকে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারে, তেমনি তা মানুষের কাছ থেকে সরকারের কাছেও উন্নীত হতে পারে। সংবাদপত্রকে যত বেশি স্বাধীনতা প্রদান করা হবে, জনমতের গতিপথ সম্পর্কে তত বেশি নির্ভুলভাবে বিচার-বিশ্লেষণ করা সম্ভব হবে এবং তা তত বেশি সুনিশ্চিতভাবে কার্যকরী ভূমিকা পালন করবে।
**'''''[[:w:জেরেমি বেন্থাম|জেরেমি বেন্থাম]]''''', ''প্রিন্সিপালস অফ পেনাল ল''; তৃতীয় অংশ, "অপরাধ প্রতিরোধের পরোক্ষ পদ্ধতিসমূহ"; অধ্যায় XIX, "নির্দেশনা প্রদানের ক্ষমতা থেকে আহরিত ব্যবহার"। [https://books.google.com/books?id=GGpVAAAAcAAJ&newbks=1&newbks_redir=0&dq=%22jeremy%20bentham%22%20%22newspapers%20are%20one%20of%20the%20best%20means%20of%20directing%20opinion%22&pg=RA1-PA568#v=onepage&q=%22jeremy%20bentham%22%20%22newspapers%20are%20one%20of%20the%20best%20means%20of%20directing%20opinion%22&f=false গুগল বুকস]
* আপনি যদি সমগ্র আমেরিকা ঘুরে দেখেন, তবে দেখবেন ছোট ছোট সংবাদপত্রগুলো তাদের নিজ নিজ সম্প্রদায়ে সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে সত্যিই চমৎকার কাজ করছে। আধুনিক নিউ ইয়র্ক টাইমস, আধুনিক ওয়াশিংটন পোস্ট কিংবা আধুনিক ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল অধিকাংশ বিচারেই ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারির সময়ের চেয়ে এখন অনেক উন্নত মানের সংবাদপত্র। কিন্তু আপনি যদি এই ক্ষেত্রের বাকি অংশগুলোর দিকে তাকান... তবে দেখবেন যে সত্যের সর্বোত্তম লভ্য সংস্করণের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা প্রকৃত সংবাদ ক্রমশ একটি দুষ্প্রাপ্য পণ্যে পরিণত হচ্ছে এবং আমাদের সাংবাদিকতা প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রকৃত অংশ হিসেবে এর উপস্থিতি দিন দিন হ্রাস পাচ্ছে।
**'''''কার্ল বার্নস্টাইন''''', সাক্ষাৎকারে {{cite news | last =স্টাফ | title =সাক্ষাৎকার: কার্ল বার্নস্টাইন | work =[[:w:ফ্রন্টলাইন (মার্কিন টিভি সিরিজ)|ফ্রন্টলাইন]] | publisher =[[:w:ডব্লিউজিবিএইচ|ডব্লিউজিবিএইচ]] এডুকেশনাল ফাউন্ডেশন | date =১০ জুলাই ২০০৬ | url =http://www-c.pbs.org/wgbh/pages/frontline/newswar/interviews/bernstein.html | accessdate =২০০৯-০২-২০ }}
* প্রতিবেদক, বিশেষ্য: একজন লেখক যিনি সত্যের পথে অনুমানের ওপর ভিত্তি করে অগ্রসর হন এবং শব্দের প্রবল জলোচ্ছ্বাসে সেই সত্যকেই বিলীন করে দেন।
** '''''অ্যামব্রোস বিয়ার্স''''', ''দ্য ডেভিল'স ডিকশনারি'' (১৯১১)।
* প্রথম সংশোধনীর মাধ্যমে আমাদের প্রতিষ্ঠাতা পূর্বপুরুষগণ মুক্ত সংবাদমাধ্যমকে সেই সুরক্ষা প্রদান করেছিলেন যা আমাদের গণতন্ত্রে এর অপরিহার্য ভূমিকা পালনের জন্য একান্ত প্রয়োজন। সংবাদপত্রের কাজ ছিল শাসিতদের সেবা করা, শাসকদের নয়। সংবাদপত্রের ওপর সেন্সরশিপ বা বিধি-নিষেধ আরোপের সরকারি ক্ষমতা বিলুপ্ত করা হয়েছিল যাতে সংবাদপত্র চিরকাল সরকারকে কঠোর সমালোচনা করার স্বাধীনতা ভোগ করতে পারে। সংবাদমাধ্যমকে সুরক্ষা দেওয়া হয়েছিল যাতে এটি সরকারের গোপন রহস্যগুলো উন্মোচন করতে পারে এবং জনগণকে তথ্য দিয়ে সচেতন করতে পারে। কেবল একটি স্বাধীন এবং নিয়ন্ত্রণহীন সংবাদমাধ্যমই কার্যকরভাবে সরকারের প্রতারণা ও জালিয়াতির মুখোশ খুলে দিতে পারে।
** '''''হিউগো এল. ব্ল্যাক''''', নিউ ইয়র্ক টাইমস বনাম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মামলা, পৃ. ৭১৭
* দীর্ঘকাল ধরে এটি ধরে নেওয়া হয়েছিল যে, সাংবাদিকরা যেসব ঘটনা কভার করেন বা প্রতিবেদন তৈরি করেন, তা তাদের ওপর কোনো স্থায়ী প্রভাব ফেলে না। ট্রমাটিক বা মানসিকভাবে আঘাতমূলক ঘটনাগুলোর মুখোমুখি হওয়াকে তাদের চাকরির বিবরণের অংশ এবং এই পেশার একটি সাধারণ ঝুঁকি হিসেবে দেখা হতো। ঠিক যেমন একজন জরুরি বিভাগের চিকিৎসক বা অগ্নিনির্বাপক কর্মীর ক্ষেত্রে হয়ে থাকে। অনেকে মনে করতেন যে, যারা মৃত্যু এবং ধ্বংসের খবর সংগ্রহ করেন তারা অস্বাভাবিকভাবে কঠোর মনের মানুষ এবং তারা যে মানুষের দুঃখ-দুর্দশা প্রত্যক্ষ করেন, তার প্রতিধ্বনিমূলক প্রভাব থেকে তারা কোনোভাবে মুক্ত। কিছুদিন আগ পর্যন্তও সাংবাদিকরা মনে করতেন যে, যদি তারা জনসমক্ষে স্বীকার করেন যে সংবাদ সংগ্রহের অভিজ্ঞতা দীর্ঘমেয়াদে তাদের প্রভাবিত করতে পারে, তবে তাদের দুর্বল ভাবা হবে এবং সহকর্মীদের তুলনায় কম যোগ্য বলে মনে করা হবে।
** '''''এলিসা ই. বোল্টন''''', [https://www.ptsd.va.gov/public/community/journalists-ptsd.asp “সাংবাদিকদের দ্বারা সম্মুখীন হওয়া বেদনাদায়ক ঘটনাসমূহ“], '''''ন্যাশনাল সেন্টার ফর পিটিএসডি''''', '''''ইউএস ডিপার্টমেন্ট অফ ভেটেরান্স অ্যাফেয়ার্স'''''।
* সেখানে পোস্ট করা মাত্র কয়েকটি নথির প্রতিক্রিয়ায় পুরো সাইটটিতে প্রবেশাধিকার বন্ধ করে দেওয়া জনগণের জানার অধিকারকে সম্পূর্ণভাবে অবজ্ঞা করার শামিল।
** '''''অ্যান ব্রিক''''', [[:w:আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়ন|আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়নের]] অ্যাটর্নি, '''''[[:w:ব্যাংক জুলিয়াস বায়ের বনাম উইকিলিকস মামলা|ব্যাংক জুলিয়াস বায়ের বনাম উইকিলিকস]]''''' মামলায় নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের আগে দেওয়া বিবৃতি — প্রতিবেদনে উল্লিখিত: [http://en.wikinews.org/wiki/Rights_groups:_Forcing_Wikileaks.org_offline_raises_%27serious_First_Amendment_concerns%27 "অধিকার গোষ্ঠীসমূহ: উইকিলিকস ডট অর্গকে অফলাইনে যেতে বাধ্য করা 'প্রথম সংশোধনীর গুরুতর উদ্বেগ' তৈরি করে"], '''''[[:n:প্রধান পাতা|উইকিসংবাদ]]''''', (২৮ ফেব্রুয়ারি ২০০৮)।
* কখনোই ভুলে যাবেন না যে, আপনি যদি আপনার প্রথম বাক্যটি দিয়েই সংবাদপত্রের পাঠকের চোখের মণি বরাবর আঘাত করতে না পারেন (অর্থাৎ তার তীক্ষ্ণ মনোযোগ আকর্ষণ করতে না পারেন), তবে দ্বিতীয় বাক্যটি আর লেখার কোনো প্রয়োজনই নেই।
** '''''আর্থার ব্রিসবেন''''' (আনু. ১৯০০), উদ্ধৃত হয়েছে: অলিভার কার্লসন রচিত '''''ব্রিসবেন: এ ক্যান্ডিড বায়োগ্রাফি''''' (১৯৩৭), অধ্যায় ৫।
* এমন এক সময় ছিল যখন হর্স ওয়াটসনদের মতো পেশার মানুষরা সাধারণত নেশামুক্ত অবস্থায় কখনও ঘুমাতে যেতেন না এবং তাদের লিভার বা যকৃৎ ক্ষয় হয়েই তারা মৃত্যুবরণ করতেন। সেই অক্ষরজ্ঞানসম্পন্ন দুঃসাহসী যোদ্ধাদের সীমান্ত অঞ্চলের স্যালুনগুলোতে নিজেদের বোকা বানাতে দেখাটা নিশ্চয়ই মজার ছিল। যেখানে তারা প্রতিদ্বন্দ্বী সাংবাদিক ও তাদের সমর্থকদের সাথে চাবুকপেটা এবং গোলাগুলিতে মেতে উঠতেন। কিন্তু কে থামত এটা ভাবতে যে, শব্দ এবং প্রকাশনার ক্ষমতা হাতে থাকা বলতে আসলে কী বোঝায়? এটা বুঝতে পারা যে, একটি পুরো শহর বা অঞ্চল বিচার করবে, নিন্দা জানাবে, কাজ করবে, দণ্ড মওকুফ করবে কিংবা গুণগান গাইবে শুধুমাত্র আপনার গতরাতের তড়িঘড়ি করে লেখা কোনো কিছুর ওপর ভিত্তি করে? কারণ আপনি টাইপসেটে কিছু একটা সাজিয়েছিলেন, আর তা করতে গিয়ে আপনার আঙুলের ডগায় লেগে যাওয়া ধাতব বিষগুলো অদম্যভাবে আপনার রক্তপ্রবাহে যাত্রা শুরু করেছিল? ক্ষমতার মোহে আপনি আপনার যকৃৎ আর বৃক্ককে এক স্পঞ্জি ও খিটখিটে পিন্ডে পরিণত করেছিলেন। আপনি আপনার মস্তিষ্কের কোষগুলোকে ভারী ধাতব আয়নের বিষে কলুষিত করেছিলেন যতক্ষণ না তা দিকভ্রান্ত দৃষ্টিভঙ্গির এক ভুতুড়ে বাড়িতে পরিণত হয়। [[w:অ্যালকোহল|অ্যালকোহল]] সাময়িকভাবে সেই প্রভাব কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করত। তাই আপনি একজন মদ্যপ হয়ে উঠেছিলেন, এবং দিনপ্রতি কিস্তিতে নিজের মানসিক সুস্থতা কিনে নিতেন, আর নিজেকে সবার হাসির পাত্রে পরিণত করতেন। শেষ পর্যন্ত এটি মজার কিংবা বিয়োগান্তক কোনোটিই ছিল না। এটি ছিল জীবনের এক রূঢ় বাস্তবতা যা মাঝারি মানের মানুষের ওপর ধীরগতিতে কাজ করত; কারণ সেই মাঝারিরা নিজেদের সত্ত্বাকে থামিয়ে দিয়ে নিশ্চিন্তে ঘুমাতে যেতে পারত, রাতের কাজটি তাদের নিজের সন্তুষ্টি অনুযায়ী হোক বা না হোক।
** '''''অ্যালজিস বাড্রিস''''', '''''মাইকেলমাস''''' (১৯৭৭), ISBN 0-425-03812-2, অধ্যায় ৩ (পৃ. ৩৬-৩৭)।
* সাংবাদিকতা হয়তো খুব বেশি দুঃসাহস দেখানোর সাহস পায় না। এটি মৃদু হাস্যরসাত্মক এবং বিদ্রূপাত্মক হতে পারে, খুব হালকাভাবে এতে ব্যক্তিগত বৈশিষ্ট্যের ছোঁয়া থাকতে পারে, কিন্তু খুব গভীরে খনন করে এটি পাঠকদের বিমুখ করতে পারে না। ভাষার প্রতি এর দৃষ্টিভঙ্গির ক্ষেত্রে এটি বিশেষভাবে সত্য: প্রচলিত রীতিগুলো নিয়ে এখানে কোনো প্রশ্ন তোলা হয় না।
** '''''[[:w:অ্যান্থনি বার্জেস|অ্যান্থনি বার্জেস]]''''', '''''এ মাউথফুল অফ এয়ার: ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজেস, এস্পেশালি ইংলিশ''''' (১৯৯২)।
* ''স্বঘোষিত এক তামাশাকার আর রসালো ভাড়াটে ভাঁড়,<br>নিম্নমানের মাসিক-লেখক ও উপহাসের উপহার!<br>শৈল্পিক চাটুকারিতে সে বেজায় রপ্ত,''<br>''তার হস্তকৃত ম্যাগাজিন মিথ্যায় অভিশপ্ত!''
** '''''[[:w:লর্ড বায়রন|লর্ড বায়রন]]''''', '''''ইংলিশ বার্ডস অ্যান্ড স্কচ রিভিউয়ার্সের''''' খন্ডাংশ (১৮০৯), লাইন ৯৭৫, বাংলায় রূপান্তরঃ '''মাহমুদ''' (২৩ এপ্রিল, ২০২৬)।
== C ==
* মূলধারার সংবাদ মাধ্যমগুলো যখন ক্রমশ আত্মতুষ্ট হয়ে পড়ছে, এমনকি যুদ্ধপন্থী নীতিগুলোর সমর্থক হয়ে উঠছে, তখন এটি আরও বেশি অপরিহার্য হয়ে দাঁড়িয়েছে যে, যুদ্ধবিরোধী কণ্ঠস্বর এবং বিশেষ করে যুদ্ধবিরোধী সাংবাদিকরা যেন [[w:মার্কিন_যুক্তরাষ্ট্র|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের]] সেই নজির স্থাপনের প্রচেষ্টাকে প্রতিরোধ করেন, যা যুদ্ধাপরাধ প্রকাশের কাজটিকে একটি দণ্ডণীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য করতে চায়।
** '''''স্যাম কার্লিনার''''', [https://www.commondreams.org/views/2021/10/22/fate-anti-war-journalism-lies-upcoming-assange-hearings "যুদ্ধবিরোধী সাংবাদিকতার ভাগ্য আসন্ন অ্যাসাঞ্জ শুনানির ওপর নির্ভর করছে"], '''''কমন ড্রিমস''''', (২২ অক্টোবর ২০২১)।
* মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির অপূরণীয় ক্ষতির বিষয়ে যারা উদাসীন বা সরাসরি সমর্থনমূলক অবস্থান গ্রহণ করে, সেইসব প্রকাশনার সম্পূর্ণ বিপরীতে অবস্থান করছে উইকিলিকস এবং এর প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ। "যদি মিথ্যা দিয়ে যুদ্ধ শুরু করা যায়, তবে সত্য দিয়ে তা থামানোও সম্ভব"—তার এই দৃষ্টিভঙ্গি অনুসরণ করে, অ্যাসাঞ্জ একবিংশ শতাব্দীর মার্কিন পররাষ্ট্রনীতি সংক্রান্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য নিখুঁত নির্ভুলতার সাথে প্রকাশ করেছেন।
** '''''স্যাম কার্লিনার''''', [https://www.commondreams.org/views/2021/10/22/fate-anti-war-journalism-lies-upcoming-assange-hearings "যুদ্ধবিরোধী সাংবাদিকতার ভাগ্য আসন্ন অ্যাসাঞ্জ শুনানির ওপর নির্ভর করছে"], '''''কমন ড্রিমস''''', (২২ অক্টোবর ২০২১)।
* মূলধারার সংবাদমাধ্যমের হাজারো সমস্যা থাকা সত্ত্বেও, একটি শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান হিসেবে সাংবাদিকতা আজও যুদ্ধ প্রতিরোধ করার এবং ক্ষেত্রবিশেষে চলমান রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ বন্ধ করার অন্যতম প্রধান ও কার্যকর হাতিয়ার হিসেবে টিকে রয়েছে। এমনকি যারা সংবাদমাধ্যমের ওপর চরম আস্থাহীন, তাদেরও উচিত সংবাদপত্রের স্বাধীনতার ওপর আসা যাবতীয় আক্রমণ ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া। কারণ সংবাদপত্রের স্বাধীনতার এই সুনিশ্চিত গ্যারান্টিই যুদ্ধবিরোধী প্রতিবেদনগুলোকে মূলধারার আলোচনায় নিয়ে আসে এবং সাধারণ মানুষের প্রথাগত চিন্তাধারাকে পরিবর্তন করে তাদের সরকারকে আরও গভীরভাবে বুঝতে শেখায়।
** '''''স্যাম কার্লিনার''''', [https://www.commondreams.org/views/2021/10/22/fate-anti-war-journalism-lies-upcoming-assange-hearings "যুদ্ধবিরোধী সাংবাদিকতার ভাগ্য আসন্ন অ্যাসাঞ্জ শুনানির ওপর নির্ভর করছে"], '''''কমন ড্রিমস''''', (২২ অক্টোবর ২০২১)।
* দক্ষ ও দূরদর্শী সম্পাদকদের সমন্বয়ে গঠিত একটি 'চতুর্থ স্তম্ভ' বা ফোর্থ এস্টেটের অভ্যুদয় ঘটছে।
** '''''[[:w:টমাস কার্লাইল|টমাস কার্লাইল]]''''', '''''দ্য ফ্রেঞ্চ রেভোলিউশন, এ হিস্ট্রি''''' (১৮৩৭), প্রথম অংশ, ষষ্ঠ বই, অধ্যায় ৫।
* সাংবাদিকতা সত্যিই এক মহৎ ও বিশাল শক্তি। প্রতিটি দক্ষ ও কুশলী সম্পাদক কি এই বিশ্বের একেকজন প্রকৃত শাসক নন? কারণ তিনি তাঁর ক্ষুরধার লেখনী ও অকাট্য যুক্তির মাধ্যমে সমগ্র বিশ্ববাসীকে নিজ মতে প্ররোচিত করার ক্ষমতা রাখেন।
** '''''[[:w:টমাস কার্লাইল|টমাস কার্লাইল]]''''', '''''দ্য ফ্রেঞ্চ রেভোলিউশন, এ হিস্ট্রি''''' (১৮৩৭), দ্বিতীয় অংশ, প্রথম বই, অধ্যায় ৪।
* বার্ক বলেছিলেন যে পার্লামেন্টে তিনটি প্রধান স্তম্ভ বা এস্টেট রয়েছে। কিন্তু তিনি ঐ যে সংবাদদাতাদের গ্যালারির দিকে ইঙ্গিত করে বলেছিলেন, সেখানে একটি 'চতুর্থ স্তম্ভ' উপবিষ্ট আছে যা আগের তিনটি স্তম্ভের তুলনায় অনেক বেশি প্রভাবশালী ও গুরুত্বপূর্ণ। এটি কোনো আলঙ্কারিক শব্দ বা নিছক চাতুর্যপূর্ণ উক্তি নয়, বরং এটি একটি আক্ষরিক সত্য। যা বর্তমান এই অস্থির সময়ে আমাদের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও অমোঘ।
** '''''[[:w:টমাস কার্লাইল|টমাস কার্লাইল]]''''', '''''অন হিরোস, হিরো-ওয়ারশিপ, অ্যান্ড দ্য হিরোইক ইন হিস্ট্রি: সিক্স লেকচারস: রিপোর্টেড''''', উইলি অ্যান্ড হ্যালস্টেড, (১৮৫৯), পৃ. ১৪৭, বক্তৃতা ৫: "দ্য হিরো অ্যাজ ম্যান অফ লেটারস"।
* সাংবাদিকদের দেখলে মনে হতে পারে যে তারা প্রায় আক্ষরিক অর্থেই আধুনিক বিশ্বের এক একজন পুরোহিত... তবে পুরোহিততন্ত্রের নৈতিক অবক্ষয় ঠিক সেই মুহূর্তেই ঘটেছিল যখন এটি জ্ঞান বিতরণের জন্য গঠিত একটি সংখ্যালঘু গোষ্ঠী থেকে জ্ঞান গোপন রাখার জন্য গঠিত একটি সংখ্যালঘু গোষ্ঠীতে রূপান্তরিত হয়েছিল। সাংবাদিকতার অধঃপতনের ক্ষেত্রেও ঠিক একই ধরনের এক বিশাল বিপদ ও আশঙ্কা লুকিয়ে রয়েছে। সাংবাদিকতা নিজেই নিজের মধ্যে এমন এক ভয়াবহ দানবীয় রূপ এবং বিভ্রম সৃষ্টি করার সম্ভাবনা ধারণ করে, যা মানবজাতির জন্য অতীতে কখনও আসা যেকোনো অভিশাপের চেয়েও ভয়াবহ হতে পারে। এই ভয়ংকর রূপান্তরটি ঠিক সেই মুহূর্তেই ঘটবে যখন সাংবাদিকরা অনুধাবন করতে শুরু করবে যে তারা সমাজের এক বিশেষ অভিজাত শ্রেণীতে পরিণত হতে সক্ষম।
** '''''[[:w:জি. কে. চেস্টারটন|জি. কে. চেস্টারটন]]''''', "দ্য নিউ প্রিস্টস" (১৯০১)। [https://books.google.com/books?id=v6-RGg0qKpsC&pg=PA551&dq=%22Journalism+possesses+in+itself+the+potentiality+of+becoming+one+of+the+most+frightful+monstrosities%22&hl=en&newbks=1&newbks_redir=0&sa=X&ved=2ahUKEwikocyvmKf7AhWbj4kEHWQlDCAQuwV6BAgOEAY#v=onepage&q=%22Journalism%20possesses%20in%20itself%20the%20potentiality%20of%20becoming%20one%20of%20the%20most%20frightful%20monstrosities%22&f=false]
* সাংবাদিকতা বর্তমানে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে ঠিকই, তবে এই জনপ্রিয়তার মূল ভিত্তিটি আসলে এক ধরনের কাল্পনিক আখ্যান বা ফিকশন। আমাদের যাপিত জীবন হলো এক স্বতন্ত্র জগত, আর সংবাদপত্রের পাতায় প্রতিফলিত জীবন হলো সম্পূর্ণ ভিন্ন ও কৃত্রিম এক জগত।
** '''''[[:w:জি. কে. চেস্টারটন|জি. কে. চেস্টারটন]]''''', "অন দ্য ক্রিপ্টিক অ্যান্ড দ্য এলিপ্টিক", '''''অল থিংস কনসিডারড''''' (১৯০৮)।
* আমি জানি যে সাংবাদিকতা মূলত এমন সব মানুষকে 'লর্ড জোন্স মৃত' বলে সংবাদ দেওয়ার নামান্তর, যারা লর্ড জোন্স যে আদৌ জীবিত ছিলেন সেই খবরটিই কখনও জানতেন না।
** '''''[[:w:জি. কে. চেস্টারটন|জি. কে. চেস্টারটন]]''''', "দ্য পার্পল উইগ", '''''দ্য উইজডম অফ ফাদার ব্রাউন''''' (১৯১৪)।
* আমাদের আধুনিক অস্তিত্বের প্রতিচ্ছবি হিসেবে সাংবাদিকতার একটি বড় ও প্রধান দুর্বলতা হলো এই যে, একে এমন এক চিত্রকল্প হতে হয় যা পুরোপুরি কিছু ব্যতিক্রমী ঘটনার সমষ্টি। আমরা চটকদার পোস্টারে ঘোষণা করি যে কোনো এক ব্যক্তি ভারা থেকে নিচে পড়ে গিয়েছেন। কিন্তু আমরা কখনও রঙিন পোস্টারে এই ঘোষণা দিই না যে কোনো এক ব্যক্তি ভারা থেকে নিচে পড়ে যাননি। অথচ বাস্তবিকভাবে পরবর্তী তথ্যটিই অনেক বেশি রোমাঞ্চকর ও উদ্দীপক। কারণ এটি নির্দেশ করে যে মানুষ নামক রহস্য আর আতঙ্কের সেই সচল মিনারটি এখনও এই পৃথিবীতে সদর্পে বিচরণ করছে। মানুষটি যে ভারা থেকে পড়ে যায়নি, সেটিই আসলে প্রকৃত অর্থে বেশি চাঞ্চল্যকর এবং এটি নিয়মিত ঘটে যাওয়া হাজারো সাধারণ ঘটনার চেয়েও অনেক বেশি বাস্তব। কিন্তু সাংবাদিকতার কাছে এমন প্রত্যাশা করা অযৌক্তিক যে তারা এই চিরন্তন ও ধ্রুব অলৌকিক ঘটনাগুলোর ওপর জোর দেবে। ব্যস্ত সম্পাদকদের কাছ থেকে এমনটা আশা করা যায় না যে তারা তাদের পোস্টারে লিখবেন, "মিস্টার উইলকিনসন এখনও নিরাপদ আছেন" কিংবা "ওয়ার্দিং এর মিস্টার জোন্স এখনও মারা যাননি।" তারা মানবজাতির সামগ্রিক সুখ বা সাধারণ স্বাভাবিকতাকে সংবাদ হিসেবে প্রচার করতে পারেন না। তারা এমন সব কাঁটাচামচের বর্ণনা দিতে পারেন না যা চুরি হয়নি, কিংবা এমন সব দাম্পত্যের কথা লিখতে পারেন না যা বিচারবুদ্ধি খাটিয়ে ভেঙে দেওয়া হয়নি। ফলস্বরূপ, জীবনের যে পূর্ণাঙ্গ চিত্র তারা তুলে ধরেন তা অপরিহার্যভাবেই বিভ্রান্তিকর ও ত্রুটিপূর্ণ হয়ে ওঠে। কারণ তারা কেবল যা অস্বাভাবিক ও ব্যতিক্রমী, তা-ই উপস্থাপন করতে সক্ষম। তারা যত বড় গণতান্ত্রিকই হোন না কেন, দিনশেষে তারা কেবলমাত্র সংখ্যালঘু এবং বিচ্ছিন্ন ঘটনাগুলো নিয়েই বেশি ব্যস্ত থাকেন।
** '''''[[:w:জি. কে. চেস্টারটন|জি. কে. চেস্টারটন]]''''', '''''দ্য বল অ্যান্ড দ্য ক্রস''''' (১৯০৯), [http://www.classicreader.com/book/2241/4/ চতুর্থ অধ্যায়: ভোরের আলোচনা] (দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ)।
* উইকিলিকস যদি কোনো ছাপাখানা থেকে প্রকাশিত সাধারণ সাময়িকী হতো, তবে এর ওপর এমন নিষেধাজ্ঞা আরোপের কথা চিন্তাও করা যেত না। ... এই মামলাটিকে যা আলাদা করে তুলেছে তা হলো, অভিযোগ অনুযায়ী তথাকথিত অগ্রহণযোগ্য বিষয়বস্তুগুলো কাগজের পরিবর্তে ইন্টারনেটে প্রকাশিত হয়েছিল। কিন্তু যারা কোনো কিছু প্রকাশ করতে চায় এবং যারা তা পড়তে চায়। তাদের সুরক্ষা প্রদানকারী মূলনীতিগুলো বিসর্জন দেওয়ার জন্য এটি অত্যন্ত দুর্বল ও ভিত্তিহীন একটি অজুহাত। মাধ্যম যা-ই হোক না কেন, সেন্সরশিপ বা কণ্ঠরোধ সবসময়ই সেন্সরশিপ হিসেবেই গণ্য হয়।
** '''''সম্পাদকীয়''''', "ইলেকট্রনিক সেন্সরশিপ", '''''[[:w:শিকাগো ট্রিবিউন|শিকাগো ট্রিবিউন]]''''', শিকাগো ট্রিবিউন কোম্পানি, (২৬ ফেব্রুয়ারি ২০০৮), পৃ. ১৪।
* '''সাংবাদিকদের পরম পবিত্র দায়িত্ব হলো সত্য প্রকাশ করা। সাংবাদিকতা মানে হলো আপনাকে প্রকৃত ঘটনার মূলে ফিরে যেতে হবে, নথিপত্রগুলো গভীরভাবে খতিয়ে দেখতে হবে, নথিবদ্ধ তথ্যের আসল রূপটি উন্মোচন করতে হবে এবং ঠিক সেভাবেই তা সবার সামনে তুলে ধরতে হবে।'''
** '''''[[:w:নোম চমস্কি|নোম চমস্কি]]''''', সাক্ষাৎকারে: জয় ওয়াং, "বক্তৃতা: নোম চমস্কি", '''''বুলপেন: এনওয়াইইউ জার্নালিজম''''', [[:w:নিউ ইয়র্ক ইউনিভার্সিটি|নিউ ইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়]], (ডিসেম্বর ২০০৪)।
* রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা রক্ষার প্রকৃত উদ্দেশ্য হলো সরকারকে তার নিজস্ব স্বার্থসিদ্ধি এবং প্রায়শই ভিত্তিহীন ও মিথ্যায় ঘেরা সত্যের একটি সংস্করণ প্রতিষ্ঠা করতে সহায়তা করা। আর এটি করা হয় জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়া 'তথ্য' বা 'উপাত্ত'গুলোকে অত্যন্ত সতর্কতার সাথে বাছাই করার মাধ্যমে। তারা তাদের প্রকৃত জানা তথ্যের যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত প্রকাশ কিংবা বিকল্প কোনো তথ্যসূত্রের উপস্থিতিতে চরমভাবে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। সংবাদসূচির ওপর তাদের এই একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার ক্ষেত্রে যেকোনো ধরনের হুমকিকে সম্ভব হলে দমন করা হয়। আর যেখানে দমন করা সম্ভব হয় না, সেখানে দায়ীদের খুঁজে বের করে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা হয়।<br>[[w:ইয়েমেনী_সংকট_(২০১১-বর্তমান)|ইয়েমেন যুদ্ধ]]—যেখানে অন্তত ৭০,০০০ মানুষ প্রাণ হারিয়েছে! সেই যুদ্ধ সম্পর্কে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশ করে দেওয়াই হলো প্রধান কারণ যার জন্য মার্কিন সরকার জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ এবং জিক্রি—উভয়কেই চরমভাবে হেনস্তা ও নিপীড়ন করছে।
** '''''প্যাট্রিক ককবার্ন''''', [https://www.counterpunch.org/2019/06/04/why-the-us-is-persecuting-assange/ "কেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অ্যাসাঞ্জকে নিপীড়ন করছে?"], '''''কাউন্টারপাঞ্চ''''', (৪ জুন ২০১৯)।
* এক দশক আগে আমি যখন কাবুলে অবস্থান করছিলাম, ঠিক তখনই উইকিলিকস আফগানিস্তান, ইরাক এবং ইয়েমেনের সংঘাত সংক্রান্ত মার্কিন সরকারের নথিপত্রের এক বিশাল ভাণ্ডার উন্মোচন করেছিল। সেই প্রকাশের দিনটিতে আমি একজন মার্কিন কর্মকর্তার সাথে দেখা করার জন্য ফোনে কথা বলছিলাম... তিনি এই বিষয়টি নিয়ে অত্যন্ত উৎসুক ছিলেন এবং আমার কাছে জানতে চেয়েছিলেন যে ফাইলগুলোর গোপনীয়তার মাত্রা বা ক্লাসিফিকেশন সম্পর্কে আসলে কী জানা গেছে। আমি যখন তাঁকে বিস্তারিত জানালাম, তিনি বেশ স্বস্তির সুরে বললেন: “তাহলে তো দেখছি এর মধ্যে প্রকৃত অর্থে গোপন রাখার মতো তেমন কিছুই নেই।”
** '''''প্যাট্রিক ককবার্ন''''', [https://www.counterpunch.org/2019/06/04/why-the-us-is-persecuting-assange/ "কেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অ্যাসাঞ্জকে নিপীড়ন করছে?"], '''''কাউন্টারপাঞ্চ''''', (৪ জুন ২০১৯)।
* আমরা এই শুনানিতে উপস্থিত সবাইকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানাচ্ছি। ১৯৮৯ সালের 'টেক্সাস বনাম জনসন' মামলায় সুপ্রিম কোর্ট আমাদের গণতন্ত্রের অন্যতম মৌলিক একটি আদর্শ তুলে ধরেছিল। সেটি হলোঃ প্রথম সংশোধনীর পেছনে যদি কোনো সুদৃঢ় ও অপরিবর্তনীয় ভিত্তি থেকে থাকে, তবে তা হলো এই যে: সরকার কোনো নির্দিষ্ট ধারণার বহিঃপ্রকাশকে কেবল এই অজুহাতে নিষিদ্ধ করতে পারে না যে সমাজ সেই ধারণাটিকে আপত্তিকর বা অপ্রীতিকর বলে মনে করছে। এই অমোঘ কথাগুলো ছিল বিচারপতি উইলিয়াম ব্রেনান জুনিয়রের।
** '''''কংগ্রেসম্যান জন কনিয়ার্স''''', [https://www.govinfo.gov/content/pkg/CHRG-111hhrg63081/html/CHRG-111hhrg63081.htm "মার্কিন কংগ্রেস হাউস হিয়ারিং: এসপিওনাজ অ্যাক্ট এবং উইকিলিকস কর্তৃক উত্থাপিত আইনি ও সাংবিধানিক সমস্যাসমূহ"], বিচার বিভাগীয় কমিটি, প্রতিনিধি সভা, (১৬ ডিসেম্বর ২০১০)। [https://www.c-span.org/video/?297115-1/wikileaksthe-espionage-act-constitution সি-স্প্যান রেকর্ডিং]
* ...এই বিতর্ক সম্পর্কে যার যা-ই মত থাকুক না কেন, এটি অত্যন্ত স্পষ্ট যে উইকিলিকসের বিরুদ্ধে বিচারিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে তা বাকস্বাধীনতা, সাংবাদিকের প্রকৃত পরিচয় এবং নাগরিকরা তাদের নিজস্ব সরকারের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে আসলে কতটুকু জানার অধিকার রাখে। তা নিয়ে অত্যন্ত মৌলিক ও সুদূরপ্রসারী প্রশ্নের জন্ম দেবে। প্রকৃতপক্ষে, যদিও এ বিষয়ে একটি সাধারণ ঐকমত্য রয়েছে যে মাঝে মাঝে রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা বজায় রাখা অপরিহার্য, তবুও বর্তমান সময়ের আসল সমস্যাটি গোপনীয়তার অভাব নয়, বরং অতিমাত্রায় গোপনীয়তা রক্ষা করার প্রবণতা।
** '''''কংগ্রেসম্যান জন কনিয়ার্স''''', [https://www.govinfo.gov/content/pkg/CHRG-111hhrg63081/html/CHRG-111hhrg63081.htm "মার্কিন কংগ্রেস হাউস হিয়ারিং: এসপিওনাজ অ্যাক্ট এবং উইকিলিকস কর্তৃক উত্থাপিত আইনি ও সাংবিধানিক সমস্যাসমূহ"], বিচার বিভাগীয় কমিটি, প্রতিনিধি সভা, (১৬ ডিসেম্বর ২০১০)। [https://www.c-span.org/video/?297115-1/wikileaksthe-espionage-act-constitution সি-স্প্যান রেকর্ডিং]
* গণমাধ্যম এমন এক ধরনের বিশ্বাসযোগ্যতা বহন করে যা তারা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই পাওয়ার যোগ্য নয়। আপনারা সবাই কোনো না কোনোভাবে জীবনের এই অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়েছেন। [...]<br>সংক্ষেপে বলতে গেলে, '''গেল-ম্যান অ্যামনেসিয়া এফেক্ট''' বা বিস্মৃতি প্রভাবটি হলো এইরকম: আপনি সংবাদপত্রের এমন একটি নিবন্ধ পড়তে শুরু করলেন যে বিষয়টি সম্পর্কে আপনার আগে থেকেই খুব ভালো জানাশোনা আছে। [...] আপনি নিবন্ধটি পড়লেন এবং বুঝতে পারলেন যে ওই সাংবাদিকের সংশ্লিষ্ট তথ্য বা বিষয়টি সম্পর্কে বিন্দুমাত্র কোনো ধারণা নেই। [...] আপনি অত্যন্ত বিরক্তি বা কৌতুকের সাথে সেই প্রতিবেদনের অসংখ্য ভুলগুলো লক্ষ্য করলেন, কিন্তু এরপরই পাতার উল্টো পাশে গিয়ে জাতীয় বা আন্তর্জাতিক বিষয়ক সংবাদগুলো এমনভাবে পড়তে শুরু করলেন যেন সংবাদপত্রের বাকি অংশগুলো [[w:ফিলিস্তিন|ফিলিস্তিন]] বা অন্য কোনো জটিল বিষয়ে অনেক বেশি নির্ভুল। যদিও মাত্র কয়েক মুহূর্ত আগেই আপনি একগাদা আজেবাজে ও ভুল তথ্য পড়েছেন। '''আপনি যদি পাতা উল্টাতে থাকেন, আর যা আপনি জানেন তা মুহূর্তেই ভুলে যান।'''
** '''''মাইকেল ক্রিকটন''''', [https://web.archive.org/web/20190808123852/http://larvatus.com/michael-crichton-why-speculate/ "কেন অনুমান করবেন?"], (লা জোলা, ক্যালিফোর্নিয়ার ইন্টারন্যাশনাল লিডারশিপ ফোরামে দেওয়া ভাষণ, ২৬ এপ্রিল ২০০২)। মূল উৎস থেকে ৮ আগস্ট ২০১৯ তারিখে আর্কাইভ করা। সংগৃহীত: ৩ মে ২০২২।
== D ==
[[File:Betty Friedan 1960.jpg|thumb|আজকের দিনের গম্ভীর ও মননশীল অ-কল্পকাহিনী লেখকরা সমাজের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ সামাজিক বিজ্ঞানের সুদৃঢ় ভিত্তি এবং একজন প্রতিবেদকের সাংবাদিকতা দক্ষতার সমন্বয়ে তাঁরা কেবল সংবাদ পরিবেশনের গণ্ডি পেরিয়ে আমাদের উদীয়মান সমাজের অগ্রযাত্রার একেবারে সম্মুখভাগে অবস্থান করেন।<br>~'''''বেটি ফ্রিডান''''' ]]
* আমি সত্যি বুঝতে অক্ষম যে সাংবাদিকতাকে কেন এত জঘন্য, এত বেশি বিদ্রূপাত্মক এবং অন্যের ব্যক্তিগত বিষয়ে হস্তক্ষেপকারী হতে হয়।
** '''''পাল ড্যানিয়েলস''''', উদ্ধৃত হয়েছে: '''''[[:w:দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট|দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট]]''''', (১৭ মার্চ ২০১৬)।
* এই সংবাদপত্র আমাদের জন্য সব কিছুই করে থাকে। এটি পুলিশ বাহিনীকে পরিচালনা করে এবং ব্যাংকগুলো চালায়, সামরিক বাহিনীকে আদেশ দেয়, আইনসভা নিয়ন্ত্রণ করে, নবজাতকদের দীক্ষা দেয়, নির্বোধদের বিবাহ সম্পন্ন করে, '''বেদনার্তদের সান্ত্বনা দেয় ও শান্তিতে থাকাদের অস্বস্তিতে ফেলে''', মৃতদের সমাহিত করে এবং পরবর্তীতে তাদের কঠোর সমালোচনা করে দহন করে। এমন কোনো বিষয় নেই যা তারা স্পর্শ করে না, তা পবিত্র রুটির আধ্যাত্মিক রূপান্তর ব্যাখ্যা করা থেকে শুরু করে সাধারণ বিস্কুট তৈরির প্রণালী পর্যন্ত যা-ই হোক না কেন।
** '''''ফিনলে পিটার ডান''''', "নিউজপেপার পাবলিসিটি", '''''অবজারভেশনস বাই মিস্টার ডুলি''''' (১৯০২)।
== E ==
* সাংবাদিকতা হলো একটি সুসংগঠিত পরচর্চা।
** '''''এডওয়ার্ড এগলেস্টন'''''
== F ==
* “সে কি তোমাকে বিশ্বাস করেছিল?”<br>“সে একজন অত্যন্ত দক্ষ ও ঝানু সাংবাদিক। কাজেই অবশ্যই বিশ্বাস করেনি।”
** '''''জ্যাসপার ফোর্ড''''', '''''ওয়ান অফ আওয়ার থার্সডেস ইজ মিসিং''''' (২০১১), ISBN 978-0-670-02252-6, পৃ. ২০৫।
* আমার মনে হয়, শেষ পর্যন্ত আমরা সাংবাদিকরা অন্তত সেই চেষ্টাটুকু করি বা করা উচিত। যেন আমরা ইতিহাসের প্রথম নিরপেক্ষ সাক্ষী হতে পারি। যদি আমাদের অস্তিত্বের পেছনে কোনো সার্থকতা থেকে থাকে, তবে তা অবশ্যই ইতিহাসের ঘটনাপ্রবাহ যেভাবে ঘটে ঠিক সেভাবেই উপস্থাপন করার ক্ষমতার মধ্যে নিহিত; যেন ভবিষ্যতে কেউ কখনও এমনটা বলতে না পারে: 'আমরা জানতাম না! আমাদের কেউ বলেনি।'
** '''''রবার্ট ফিস্ক''''', '''''দ্য গ্রেট ওয়ার ফর সিভিলাইজেশন: দ্য কনকুয়েস্ট অফ দ্য মিডল ইস্ট''''', ফোর্থ এস্টেট, (২০০৫), পৃ. ২৫, ISBN 0007203837।
* আজকের দিনের গম্ভীর ও মননশীল অ-কল্পকাহিনী লেখকরা সমাজের জন্য অপরিহার্য। কারণ সামাজিক বিজ্ঞানের সুদৃঢ় তাত্ত্বিক ভিত্তি এবং একজন প্রতিবেদকের তীক্ষ্ণ সাংবাদিকতা দক্ষতার অনবদ্য সমন্বয়ে তাঁরা কেবল সাধারণ সংবাদ পরিবেশনের গণ্ডি অতিক্রম করেন এবং আমাদের উদীয়মান ও পরিবর্তনশীল সমাজের অগ্রযাত্রার একেবারে সম্মুখভাগে অবস্থান নেন।
** '''''বেটি ফ্রিডান''''' (মে ১৯৭৮), ''৩০তম বার্ষিকী জার্নাল'', '''''আমেরিকান সোসাইটি অফ জার্নালিস্ট অ্যান্ড অথরস'''''; উদ্ধৃত হয়েছে: '''''দ্য কমপ্লিট গাইড টু রাইটিং নন-ফিকশন''''' (১৯৮৩), গ্লেন ইভান্স সম্পাদিত, রাইটার্স ডাইজেস্ট বুকস, সিনসিনাটি, ওহাইও, পৃ. ৫, ISBN 0-89879-117-0।
== G ==
* যখন সাংবাদিকতার বিকৃত ভাষা বা 'জার্নালিজ' তার চরম শিখরে পৌঁছেছিল, ঠিক তখনই স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, হয়তো এটি একটি কাকতালীয় ঘটনা মাত্র।
** '''''জন গলসওয়ার্দি''''' (জুলাই ১৯২৪), ''অন এক্সপ্রেশন'', ইংলিশ অ্যাসোসিয়েশনের রাষ্ট্রপতির ভাষণ, পৃ. ১২; উদ্ধৃতিটি পুনরুৎপাদন করা হয়েছে: ডেভিড ক্রিস্টাল ও হিলারি ক্রিস্টাল রচিত '''''ওয়ার্ডস অন ওয়ার্ডস: কোটেশনস অ্যাবাউট ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজেস''''' (২০০০), ইউনিভার্সিটি অফ শিকাগো প্রেস, পৃ. ২৭৬, ISBN 0226122018।
* সাংবাদিকতা কোনো প্রথাগত পেশা নয়... এর অন্তরে এটি কেবল একটি সৃজনশীল শিল্প বা কারুশিল্প। আর এর অর্থ হলো, যে কেউ যার বিচারবুদ্ধি আছে, যে বুদ্ধিমান, চিন্তাশীল এবং কৌতূহলী—তিনিই এই শিল্পের চর্চা করতে পারেন।
** '''''সু গার্ডনার''''', [https://en.wikinews.org/wiki/Interview_with_Sue_Gardner_of_the_Wikimedia_Foundation "উইকিমিডিয়া ফাউন্ডেশনের সু গার্ডনারের সাথে সাক্ষাৎকার"], '''''উইকিসংবাদ''''', ২৪ অক্টোবর ২০০৭।
* তৃণমূল পর্যায়ের সাংবাদিকতা হলো নাগরিক-সৃষ্ট সংবাদমাধ্যমের সেই বিস্তৃত পরিস্থিতির একটি অংশ, যা আসলে একটি বিশ্বব্যাপী আলাপচারিতা এবং এটি প্রতিনিয়ত শক্তিতে, জটিলতায় ও প্রভাবে সমৃদ্ধ হচ্ছে। মানুষ যখন নিজেকে প্রকাশ করার সুযোগ পায়, তারা অবশ্যই তা করে। যখন তারা শক্তিশালী অথচ সুলভ সরঞ্জাম হাতে পায়, তখন তারা অত্যন্ত দ্রুততার সাথে এই নতুন সংবাদমাধ্যমের জগতের সাথে নিজেদের মানিয়ে নেয়। আর যখন তারা সম্ভাব্য এক বিশ্বব্যাপী শ্রোতামণ্ডলীর কাছে পৌঁছাতে সক্ষম হয়, তখন তারা আক্ষরিক অর্থেই পুরো পৃথিবীটাকে বদলে দিতে পারে।
** '''''ড্যান গিলমোর''''', '''''উই দ্য মিডিয়া: গ্রাসরুটস জার্নালিজম বাই দ্য পিপল ফর দ্য পিপল''''' (২০০৬), ও'রেলি মিডিয়া, পৃ. xv, ISBN 0596102275।
* যদিও সাংবাদিকদের উচিত '''[[w:উইকিলিকস|উইকিলিকসকে]]''' (একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা; যা বিভিন্ন অপ্রকাশিত ও গোপন নথিসমূহ প্রকাশ করে) কিছুটা সংশয়ের দৃষ্টিতে দেখা, কিন্তু একে কোনোভাবেই উপেক্ষা করার উপায় নেই। অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার এই সাহসী নতুন বিশ্বে আপনাদের স্বাগতম।
** '''''শন গনসালভস''''', [http://www.alternet.org/mediaculture/90641/will_wikileaks_revolutionize_journalism/?page=2 "উইকিলিকস কি সাংবাদিকতায় বিপ্লব ঘটাবে?"], '''''অল্টারনেট''''', (৭ জুলাই ২০০৮)।
* যেখানে নিস্তব্ধতা বিরাজ করে, সেখানে ছুটে যাওয়াই একজন সাংবাদিকের পরম দায়িত্ব। যারা বিস্মৃত, পরিত্যক্ত এবং ক্ষমতাশালীদের দ্বারা নিগৃহীত হয়েছে, তাদের কণ্ঠস্বর হয়ে ওঠা। আমাদের এমন এক 'ট্রিকল-আপ' বা তৃণমূল থেকে উঠে আসা গণমাধ্যম গড়ে তুলতে হবে যা এই দেশ এবং এর মানুষের প্রকৃত চরিত্রকে প্রতিফলিত করবে।
** '''''অ্যামি গুডম্যান''''', ডেভিড গুডম্যানের সাথে যৌথভাবে রচিত '''''দ্য এক্সেপশন টু দ্য রুলার্স''''' (২০০৪)।
* সাংবাদিকদের কাজ হলো ক্ষমতার ওপর নজরদারি করা এবং ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষা করা, জনপ্রিয়তার প্রতিযোগিতায় জয়ী হওয়া নয়।
** '''''[[:w:অ্যামি গুডম্যান|অ্যামি গুডম্যান]]''''', ভূমিকা, '''''ডেমোক্রেসি নাও!: টুয়েন্টি ইয়ার্স কভারিং দ্য মুভমেন্টস চেঞ্জিং আমেরিকা''''' (২০১৬)।
* মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ধর্ম হলো সামরিক সব কিছুর উপাসনা করা। আর সাংবাদিকরা হলেন সেই ধর্মের প্রধান পুরোহিত।
** '''''গ্লেন গ্রিনওয়াল্ড''''' (১৯৬৭), ডেমোক্রেসি নাও! এর সাথে সাক্ষাৎকার (১৪ নভেম্বর ২০১২): [http://www.democracynow.org/2012/11/14/glenn_greenwald_while_petraeus_had_affair "গ্লেন গ্রিনওয়াল্ড: যখন পেট্রাউস জীবনীকারের সাথে প্রণয়ে লিপ্ত ছিলেন, কর্পোরেট মিডিয়া তখন পেট্রাউসের প্রেমে মগ্ন ছিল।"] সংগৃহীত: ১৫ নভেম্বর ২০১২।
* গাজায় সংবাদমাধ্যমের কার্যালয়গুলো ধ্বংস করা এবং সাংবাদিকদের হত্যা করা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। সংঘাতপূর্ণ এলাকাগুলোতেও সাংবাদিকদের আক্রমণ বা হেনস্তার ভয় ছাড়াই তাদের অপরিহার্য কাজ চালিয়ে যেতে সক্ষম হতে হবে। তাঁদের অবশ্যই সুরক্ষা দিতে হবে এবং সম্মান করতে হবে... এমনকি যুদ্ধেরও সুনির্দিষ্ট কিছু নিয়ম আছে। সর্বোপরি, সাধারণ নাগরিকদের অবশ্যই রক্ষা করতে হবে... বাছবিচারহীন হামলা এবং বেসামরিক ব্যক্তি ও তাদের সম্পদের ওপর আক্রমণ করা যুদ্ধ আইনের চরম লঙ্ঘন।
** '''''[[:w:আন্তোনিও গুতেরেস|আন্তোনিও গুতেরেস]]''''', [https://www.un.org/sg/en/content/sg/statement/2021-05-20/secretary-general%E2%80%99s-remarks-the-general-assembly-meeting-the-situation-the-middle-east-and-palestine-delivered "মধ্যপ্রাচ্য ও ফিলিস্তিন পরিস্থিতি নিয়ে সাধারণ পরিষদের সভায় মহাসচিবের বক্তব্য"], জাতিসংঘ মহাসচিব, বিবৃতি (২০ মে ২০২১)।
== H ==
[[File:Thomas Jefferson 1904 Issue, 2c.jpg|thumb|যদি আমাকে সিদ্ধান্ত নিতে বলা হয় যে আমাদের কি সংবাদপত্রহীন কোনো সরকার থাকা উচিত, নাকি সরকারহীন সংবাদপত্র থাকা উচিত। তবে আমি দ্বিতীয়টি বেছে নিতে এক মুহূর্তও দ্বিধা করব না।<br>~'''''[[:w:টমাস জেফারসন|টমাস জেফারসন]]''''' ]]
* সম্পাদক: সংবাদপত্রের দ্বারা নিযুক্ত এমন একজন ব্যক্তি, যাঁর কাজ হলো সারবস্তু থেকে অসার অংশকে আলাদা করা এবং এটি নিশ্চিত করা যে সেই অসার অংশগুলোই যেন সংবাদপত্রে ছাপা হয়।
** '''''এলবার্ট হাববার্ড''''' (১৯১৪), ''দ্য রয়ক্রফট ডিকশনারি অফ এপিগ্রামস''; উদ্ধৃত হয়েছে: ফ্রেড আর. শাপিরো সম্পাদিত '''''দ্য ইয়েল বুক অফ কোটেশনস''''', ইয়েল ইউনিভার্সিটি প্রেস, নিউ হ্যাভেন, কানেকটিকাট, পৃ. ৩৭৪, ISBN 0300107986।
== I ==
* ...মার্কিন সমাজবিজ্ঞানী জর্জ ইয়ান্সি তাঁর ২০১৫ সালের গ্রন্থ "হোস্টাইল এনভায়রনমেন্টে" খ্রিস্টধর্ম এবং সাধারণভাবে রক্ষণশীল ধর্মের বিরুদ্ধে মার্কিন গণমাধ্যমের পক্ষপাতিত্বের ওপর আলোকপাত করেছেন এবং এর মূল কারণ হিসেবে খুঁজে পেয়েছেন যে, '''মূলধারার মার্কিন সাংবাদিকতা হলো একটি স্ব-স্থায়ীকৃত আভিজাত্য বা বর্ণপ্রথা।''' আপনি যদি একজন ইভানজেলিকাল খ্রিস্টান হন কিংবা প্রচলিত উদারপন্থী ও ধর্মনিরপেক্ষ আদর্শের সাথে, বিশেষ করে নৈতিক বিষয়গুলোতে একমত না হন, তবে কোনো মূলধারার সংবাদমাধ্যমে নিয়োগ পাওয়ার জন্য প্রথম সাক্ষাৎকারেই আপনাকে প্রত্যাখ্যান করে ছুড়ে ফেলে দেওয়া হবে।
** '''''মাসিমো ইনত্রোভিনে''''', [https://bitterwinter.org/the-anti-religious-anti-cult-and-anti-tai-ji-men-bias-in-the-media/ "গণমাধ্যমে ধর্ম-বিরোধী, গোষ্ঠী-বিরোধী এবং তাই জি মেন-বিরোধী পক্ষপাতিত্ব"], '''''বিটার উইন্টার''''', (মে ২০২৪)।
* সাংবাদিকতা মানে দর্শক বা পাঠকদের জটিলতা থেকে দূরে সরিয়ে রাখা নয়। বরং এটি হলো জটিল বিষয়গুলোকে নিখুঁতভাবে উপস্থাপন করা এবং সেই জটিলতার মধ্য দিয়ে পথ চলার জন্য দর্শকদের বিচারবুদ্ধির ওপর আস্থা রাখা। একটি তথ্যচিত্র যা সমস্ত ভিন্নমত পোষণকারী কণ্ঠস্বরকে বর্জন করে, তাকে কোনোভাবেই প্রকৃত অনুসন্ধান বলা চলে না।
** '''''মাসিমো ইনত্রোভিনে''''', [https://bitterwinter.org/france-hate-speech-against-scientology-now-funded-by-taxpayers/ "ফ্রান্স: সায়েন্টোলজির বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক বক্তব্য এখন করদাতাদের অর্থে অর্থায়িত হচ্ছে"], '''''বিটার উইন্টার''''', (১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬)।
== J ==
* একজন ব্যক্তির জীবন, স্বাধীনতা এবং সম্পত্তির অধিকার, সেইসাথে বাকস্বাধীনতা, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা, উপাসনা ও সমাবেশের অধিকার এবং অন্যান্য মৌলিক অধিকারগুলো ভোটের ওপর ছেড়ে দেওয়া যায় না। এগুলো কোনো নির্বাচনের ফলাফলের ওপর নির্ভর করে না।
** '''''[[:w:রবার্ট এইচ. জ্যাকসন|রবার্ট এইচ. জ্যাকসন]]''''', '''''[[:w:ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া স্টেট বোর্ড অফ এডুকেশন বনাম বারনেট মামলা|ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া স্টেট বোর্ড অফ এডুকেশন বনাম বারনেট]]''''', মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট, (১৯৪৩), ৩১৯ ইউ.এস. ৬২৪, ৬৩৮।
* আমাদের সরকারের ভিত্তি যেহেতু জনমত, তাই আমাদের প্রথম ও প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত সেই অধিকারকে সমুন্নত রাখা। আর যদি আমাকে সিদ্ধান্ত নিতে বলা হয় যে আমাদের কি সংবাদপত্রহীন কোনো সরকার থাকা উচিত, নাকি সরকারহীন সংবাদপত্র থাকা উচিত—তবে আমি দ্বিতীয়টি বেছে নিতে এক মুহূর্তও দ্বিধা করব না। তবে আমার এই বক্তব্যের অর্থ এই যে, প্রতিটি মানুষের কাছে সেই সংবাদপত্র পৌঁছাতে হবে এবং তাদের তা পাঠ করার সক্ষমতা থাকতে হবে।
** '''''[[:w:টমাস জেফারসন|টমাস জেফারসন]]''''', কর্নেল এডওয়ার্ড ক্যারিংটনকে লেখা চিঠি (১৬ জানুয়ারি ১৭৮৭), লিপসকম্ব ও বার্গ সংস্করণ ৬:৫৭।
* সংবাদপত্রকে কীভাবে পরিচালনা করলে তা সবচেয়ে বেশি জনকল্যাণকর হবে, এ বিষয়ে আমার মত জানতে চাইলে আমি বলব, "একে কেবল ধ্রুব সত্য ঘটনা এবং নির্ভুল নীতিমালার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার মাধ্যমে।" তবুও আমার ভয় হয় যে এমন সংবাদপত্রের গ্রাহক সংখ্যা হবে খুবই নগণ্য। এটি একটি বিষাদময় সত্য যে, সংবাদপত্রের কণ্ঠরোধ করা হলে দেশ যতটা না এর সুফল থেকে বঞ্চিত হয়, তার চেয়েও বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় যখন সংবাদপত্র নির্লজ্জভাবে মিথ্যার কাছে নিজেকে সঁপে দেয়। সংবাদপত্রে যা দেখা যায় তার কোনো কিছুই এখন আর বিশ্বাস করা যায় না। এমনকি পরম সত্যও যখন এই কলুষিত মাধ্যমের ভেতর দিয়ে প্রকাশিত হয়, তখন তাও সন্দেহজনক হয়ে ওঠে। ভুল তথ্যের এই রাজত্ব আসলে কতটা বিস্তৃত তা কেবল তারাই জানেন যারা তাদের ব্যক্তিগত জ্ঞান দিয়ে দিনের পর দিন এই মিথ্যাগুলোর মুখোশ উন্মোচন করতে পারেন। ... আমি আরও যোগ করব যে, যে ব্যক্তি কখনোই সংবাদপত্র দেখেন না তিনি সেই ব্যক্তির চেয়ে বেশি অবগত ও শিক্ষিত যিনি নিয়মিত সংবাদপত্র পড়েন। কারণ যিনি কিছুই জানেন না তিনি সেই ব্যক্তির তুলনায় সত্যের অনেক বেশি কাছাকাছি থাকেন যার মন মিথ্যা আর ভ্রান্তিতে পরিপূর্ণ। যে ব্যক্তি কিছুই পড়ে না সে অন্তত মহান সত্যগুলো শিখতে পারবে, যেখানে সংবাদপত্রের বিস্তারিত তথ্যগুলোর সবই মিথ্যে।
** '''''[[:w:টমাস জেফারসন|টমাস জেফারসন]]''''', [[:w:জন নরভেল|জন নরভেল]]-কে লেখা চিঠি (১১ জুন ১৮০৭)। [https://www.loc.gov/resource/mtj1.038_0592_0594/?sp=2&st=text মূল উৎস এবং প্রতিলিপি]
* আমাদের সংবাদপত্রগুলো বর্তমানে যে পঙ্কিল ও জঘন্য অবস্থায় পতিত হয়েছে, এবং যারা এই সংবাদপত্রের জন্য লেখেন, তাদের সেই বিদ্বেষপরায়ণতা, অসভ্যতা ও মিথ্যাচারের মানসিকতার জন্য আমি আপনার মতোই গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করছি। আমরা ঠিক কতটা অতল গহ্বরে তলিয়ে গেছি তার প্রমাণ হিসেবে আমি আপনাকে নিউ ইংল্যান্ডের একজন বিচারকের সাম্প্রতিক একটি লেখা পাঠাচ্ছি। এই সব আবর্জনা জনরুচিকে দ্রুত কলুষিত করছে এবং সুস্থ চিন্তার প্রতি মানুষের আগ্রহ কমিয়ে দিচ্ছে। তথ্যের বাহন হিসেবে এবং আমাদের কর্মকর্তাদের ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখার যন্ত্র হিসেবে সংবাদপত্রগুলো এখন সম্পূর্ণ অকেজো হয়ে পড়েছে; কারণ তারা বিশ্বাসযোগ্যতার সমস্ত দাবি হারিয়ে ফেলেছে। আমি আপনার সাথে একমত যে, দলীয় মানসিকতার চরম সহিংসতা এবং বিদ্বেষই এই পরিস্থিতির জন্য বহুলাংশে দায়ী...
** '''''[[:w:টমাস জেফারসন|টমাস জেফারসন]]''''', [https://founders.archives.gov/documents/Jefferson/03-07-02-0052 ওয়াল্টার জোন্সকে লেখা চিঠি] (২ জানুয়ারি ১৮১৪)।
* তারা এ নিয়ে মিথ্যে কথা বলেছিল! শত্রু যখন সমুদ্রের পানি ফুটিয়ে ফেলল, আমাদের ষষ্ঠ নৌবহরকে জ্বালিয়ে ছারখার করে দিল এবং উপকূলরেখার পঞ্চাশ মাইলের মধ্যে থাকা প্রতিটি পুরুষ, নারী ও শিশুকে পুড়িয়ে মারল! তখন কিন্তু আপনি অন্তত কিছু সংবাদ প্রতিবেদন আশা করতেই পারতেন। কিন্তু তারা কী রিপোর্ট করল? ফ্লোরিডাতে কিসের সামান্য ভূমিক্ষয়! ওহে নারী, তারা তো পুরো সমুদ্রটাই লাভা-প্লাবিত করে ফেলেছিল!
** '''''আর্থার এম. জলি''''', ''আফটার ইটস অল ওভার'' নাটকে, অরিজিনাল ওয়ার্কস প্রেস, (২০০৯)।
* বাইরের মানুষ যা বুঝতে পারেন না তা হলোঃ কটি সংবাদপত্র আসলে একটি 'সুফলে'র / '''Soufflé''' মতো, যা দ্রুত খাওয়ার জন্য খুব তড়িঘড়ি করে প্রস্তুত করা হয়। আর ঠিক এই কারণেই যখনই আপনি এমন কোনো ঘটনার সংবাদপত্র প্রতিবেদন পড়েন যা সম্পর্কে আপনার ব্যক্তিগত জ্ঞান রয়েছে, তখনই সেটি আপনার কাছে প্রায় সবসময়ই অপর্যাপ্ত বা ভুল বলে মনে হয়। সাংবাদিকরাও অন্য সবার মতো এই ত্রুটির বিষয়ে সচেতন। কিন্তু বিষয়টি স্রেফ এই যে, যদি তথ্যকে যত বেশি সম্ভব পাঠকের কাছে পৌঁছাতে হয়, তবে নিখুঁত হওয়ার চেয়ে বরং কিছুটা কম গুণমানকেই প্রায়শ মেনে নিতে হয়।
** '''''ডেভিড ই. এইচ. জোন্স''''', '''''নিউ সায়েন্টিস্ট''''', খণ্ড ২৬, (১৯৬৫)।
== K ==
* তারা ছিল পেশাদার ক্ষোভ-বিশারদ যারা কেবল একটি জিনিসই জানত। কীভাবে পরিচয়বাদী রাজনীতি বা আইডেন্টিটি পলিটিক্স দিয়ে গোটা পশ্চিমা বিশ্বকে পিটিয়ে হত্যা করতে হয়। আর এখন, গত কয়েক বছরের মধ্যে দেখা সবচেয়ে উদ্দীপক বিদ্রূপের সাথে আমরা অন্তত নিরাপদে এটা বলতে পারি যে, তাদের সময় ফুরিয়ে এসেছে, "'''#টাইমসআপ'''"।
** '''''রহিম কাসাম''''', "না, আমি সেই সাংবাদিকদের জন্য দুঃখিত নই যারা চাকরি হারিয়েছে — আমি বরং দারুণ রোমাঞ্চিত", '''''ডেইলি কলার''''', (২৮ জানুয়ারি ২০১৯)।
* আমার এবং আমাদের সবার সমস্যা হলো যে আমি মনে করি সংবাদ ব্যবসার সাথে জড়িত অধিকাংশ মানুষই আমার এই মতের সাথে একমত হবেন, যে আমরা (এবং এখানে আমি কেবল '[[w:দ্য_টাইমস|দ্য টাইমস]]' এর কথা বলছি না) নাম প্রকাশ না করার আড়ালে অত্যন্ত নীরস উদ্ধৃতি অথবা মাঝে মাঝে অলস পরচর্চা ও কটাক্ষ প্রকাশ করতে বড্ড বেশি উন্মুখ থাকি। আমার কাছে মনে হয়, এটি তথ্যসূত্রের সুরক্ষা বা সোর্স প্রোটেকশনের মূল্যকে সস্তা করে দেয়।
** '''''বিল কেলার''''', '''''[[:w:দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস|দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের]]''''' নির্বাহী সম্পাদক, বেনামী তথ্যসূত্র প্রসঙ্গে (১৩ মে ২০০৫), '''''অন দ্য মিডিয়া'''''তে।
== L ==
* সংবাদপত্র সবসময়ই মানুষের মনে প্রবল কৌতূহল জাগিয়ে তোলে। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো, কেউ কোনোদিন সংবাদপত্র পাঠ শেষ করার পর একরাশ হতাশা বা অতৃপ্তি ছাড়া তা হাত থেকে নামিয়ে রাখতে পারে না।
** '''''চার্লস ল্যাম্ব''''' (১৮৩৩), "অন বুকস অ্যান্ড রিডিং", ''দ্য লাস্ট এসেস অফ এলিয়া''; উদ্ধৃতিটি পুনরুৎপাদন করা হয়েছে: ডেভিড ক্রিস্টাল ও হিলারি ক্রিস্টাল রচিত '''''ওয়ার্ডস অন ওয়ার্ডস: কোটেশনস অ্যাবাউট ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজেস''''' (২০০০), ইউনিভার্সিটি অফ শিকাগো প্রেস, পৃ. ২৭৬, ISBN 0226122018।
* চাঞ্চল্যকর বা হলুদ সাংবাদিকতার চিরন্তন সাতটি প্রধান অনুষঙ্গ হলো: লোমহর্ষক অপরাধের বিবরণ, ব্যক্তিগত জীবনের কেলেঙ্কারি, ভিত্তিহীন কাল্পনিক বিজ্ঞান, মানসিক উন্মাদনা, সংখ্যাতত্ত্বের মতো নানাবিধ অন্ধবিশ্বাসের চর্চা, অলৌকিক দানব বা দানবীয় কর্মকাণ্ড এবং প্রভাবশালী ধনকুবেরদের জীবনকথা।
** '''''ফ্রিটজ লেইবার''''', ''এ রাইট অফ স্প্রিং'' (১৯৭৭); টেরি কার সম্পাদিত '''''ইউনিভার্স ৭''''', পৃ. ২৬।
* জেনারেল ডগলাস ম্যাকার্থারের প্রসঙ্গে বলতে গেলে, আমি আসলে এমন কোনো ব্যক্তি সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট বা স্পষ্ট কোনো মতামত দেওয়ার মতো অবস্থানে নিজেকে খুঁজে পাই না, যাঁকে আমি কেবল সংবাদপত্রের মাধ্যমেই চিনি। আপনি লক্ষ্য করে দেখবেন, সংবাদমাধ্যমগুলো যখনই এমন কোনো ব্যক্তি বা বিষয় নিয়ে আলোচনা করে যা সম্পর্কে আমার ব্যক্তিগত ধারণা বা জ্ঞান রয়েছে, তখনই আমি দেখি যে তাদের পরিবেশিত তথ্যগুলো সবসময়ই মিথ্যাচার আর ভুল বোঝাবুঝির এক বিশাল স্তূপ ছাড়া আর কিছুই নয়; আর এই অভিজ্ঞতা থেকেই আমি এই সিদ্ধান্তে উপনীত হই যে, যেসব ক্ষেত্র সম্পর্কে আমার বিন্দুমাত্র কোনো জ্ঞান নেই, সেখানেও তারা এর চেয়ে ভালো কিছু হওয়ার সম্ভাবনা রাখে না।
** '''''[[:w:সি. এস. লিউইস|সি. এস. লিউইস]]''''', মিসেস মেরি ভ্যান ডিউসেনকে লেখা চিঠি (৩০ এপ্রিল ১৯৫১), ''সংগৃহীত সি. এস. লিউইস পত্রাবলি, খণ্ড ৩: "নার্নিয়া, কেমব্রিজ, অ্যান্ড জয়", ১৯৫০-১৯৬৩'', পৃ. ১১৪।
== M ==
[[File:Janet Malcolm 3.18.13a (headshot).jpg|thumb|আমাদের বর্তমান সমাজে একজন সাংবাদিককে ঠিক একজন পরোপকারীর সমান্তরালে স্থান দেওয়া হয়, কারণ তাঁর হাতে বিলি করার মতো অত্যন্ত মূল্যবান কিছু একটি থাকে (তাঁর এই বিনিময়ের মুদ্রাটি হলো 'পাবলিসিটি' বা প্রচার নামক এক অদ্ভুত মাদকতাময় বস্তু), এবং ফলস্বরূপ তাঁকে এমন এক ধরনের শ্রদ্ধা ও সম্মান প্রদর্শন করা হয় যা একজন মানুষ হিসেবে তাঁর প্রকৃত যোগ্যতার তুলনায় একেবারেই ভারসাম্যহীন।<br>~'''''জ্যানেট ম্যালকম''''' ]]
* বিভিন্ন স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীর ওয়েবসাইটগুলো সাধারণত সাংবাদিকতার ছদ্মবেশে এক ধরনের অপপ্রচার বা 'জার্নালগান্ডা'র [হলুদ সাংবাদিকতা] জয়গান গায়। কারণ সেখানে সবকিছুই পরিবেশন করা হয় সেই নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর নিজস্ব স্বার্থের ফিল্টার বা ছাঁকনির ভেতর দিয়ে। এটি এক অদ্ভুত ও অবাস্তব জগত, তবে এর গুরুত্বও অপরিসীম। কারণ কট্টরপন্থীরা তাদের পূর্বনির্ধারিত চিন্তাধারাকে আরও শক্তিশালী করতে এখানেই ভিড় জমায়। আপনার অবস্থান যা-ই হোক না কেন, নিজেকে চূড়ান্তভাবে সঠিক মনে করার ক্ষেত্রে এই জার্নালগান্ডার চেয়ে কার্যকর আর কিছুই হতে পারে না। প্রকৃত সাংবাদিকতাকে সবসময় চিনে নেওয়া যায় তার কাজের ধরন দেখে। এটি প্রায়শই সাধারণ মানুষকে এই সাংবাদিকতার জগত সম্পর্কে চরম অস্বস্তি ও ভ্রান্ত বিচলিত অবস্থার মধ্যে ফেলে দেয়।
** '''''চার্লস এম. ম্যাডিগান''''' (২৫ অক্টোবর ২০০৫), [http://web.archive.org/web/20130625005510/http://www.chicagotribune.com/news/opinion/chi-0510250027oct25,0,3811209.column?page=2&coll=chi-ed_opinion_columnists-utl "আজকের 'সাংবাদিকতা'র সমস্যা"], '''''[[:w:শিকাগো ট্রিবিউন|শিকাগো ট্রিবিউন]]'''''।
* এমন প্রতিটি সাংবাদিক—যিনি পরিস্থিতির গভীরতা বোঝার মতো যথেষ্ট বুদ্ধিমান এবং নিজের অহংবোধে অন্ধ হয়ে যাননি। তিনি খুব ভালো করেই জানেন যে, তিনি যা করছেন তা নৈতিকভাবে সম্পূর্ণ অমার্জনীয়। তিনি মূলত এক প্রকারের প্রতারক বা 'কনফিডেন্স ম্যান', যিনি মানুষের অহংকার, অজ্ঞতা কিংবা একাকীত্বকে পুঁজি করে তাদের ওপর শিকারি পাখির মতো ঝাঁপিয়ে পড়েন। তিনি প্রথমে মানুষের বিশ্বাস অর্জন করেন এবং এরপর বিন্দুমাত্র অনুশোচনা ছাড়াই সেই বিশ্বাসের চরম অমর্যাদা করেন। ঠিক যেমন একজন অতি-বিশ্বাসী বিধবা একদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে আবিষ্কার করেন যে সেই মনোমুগ্ধকর যুবকটি তাঁর সারা জীবনের সমস্ত সঞ্চয় নিয়ে চম্পট দিয়েছে। তেমনি কোনো একটি অ-কাল্পনিক রচনার বিষয়বস্তু হওয়া ব্যক্তিটিও। যখন সেই নিবন্ধ বা বইটি প্রকাশিত হয়, তখনই তাঁর জীবনের সেই রূঢ় ও কঠিন শিক্ষাটি লাভ করেন। সাংবাদিকরা তাঁদের এই বিশ্বাসঘাতকতাকে নিজ নিজ স্বভাব অনুযায়ী বিভিন্নভাবে যুক্তিযুক্ত করার চেষ্টা করেন। তাঁদের মধ্যে যারা অধিকতর আড়ম্বরপূর্ণ, তারা বাকস্বাধীনতা এবং "জনগণের জানার অধিকার" নিয়ে লম্বা চওড়া কথা বলেন। যারা অপেক্ষাকৃত কম মেধাবী হয়, তারা একে এক ধরণের 'শিল্প' বলে আখ্যা দিয়ে থাকেন। আর যারা খুব বিনয়ী হওয়ার ভান করেন, তারা স্রেফ জীবনধারণের তাগিদে এই পেশা বেছে নেওয়ার কথা বলে মৃদু গুঞ্জন তোলে থাকেন।
** '''''[[:w:জ্যানেট ম্যালকম|জ্যানেট ম্যালকম]]''''', '''''[[:w:দ্য জার্নালিস্ট অ্যান্ড দ্য মার্ডারার|দ্য জার্নালিস্ট অ্যান্ড দ্য মার্ডারার]]''''' (১৯৯০), নিউ ইয়র্ক: নফ, পৃ. ৩ (বইটির উদ্বোধনী অনুচ্ছেদ)।
* আমাদের বর্তমান সমাজে একজন সাংবাদিককে ঠিক একজন পরোপকারীর সমান্তরালে স্থান দেওয়া হয়, কারণ তাঁর হাতে বিলি করার মতো অত্যন্ত মূল্যবান কিছু একটি থাকে (তাঁর এই বিনিময়ের মুদ্রাটি হলো 'পাবলিসিটি' বা প্রচার নামক এক অদ্ভুত মাদকতাময় বস্তু), এবং ফলস্বরূপ তাঁকে এমন এক ধরনের শ্রদ্ধা ও সম্মান প্রদর্শন করা হয় যা একজন মানুষ হিসেবে তাঁর প্রকৃত যোগ্যতার তুলনায় একেবারেই ভারসাম্যহীন। এই দেশে এমন মানুষের সংখ্যা খুবই নগণ্য যারা নিজেদের সম্পর্কে কোথাও লেখা হচ্ছে কিংবা কোনো রেডিও বা টেলিভিশন প্রোগ্রামে তাঁদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হচ্ছে, এমন সম্ভাবনা দেখে প্রবলভাবে উচ্ছ্বসিত হন না।
** '''''জ্যানেট ম্যালকম''''', '''''দ্য জার্নালিস্ট অ্যান্ড দ্য মার্ডারার''''' (১৯৯০), নিউ ইয়র্ক: নফ, পৃ. ৫৮।
* আমি এখন এমনটা ভাবতে শুরু করেছি যে... সাংবাদিকতামূলক রচনায় "আমি" নামক চরিত্রটি সাংবাদিকের সৃষ্ট অন্যান্য সমস্ত চরিত্র থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। কারণ এটি সেই নিয়মের একটি ব্যতিক্রম যেখানে বলা হয় যে কোনো কিছুই আবিষ্কার বা উদ্ভাবন করা যাবে না। সাংবাদিকতার এই "আমি" চরিত্রটি প্রায় পুরোপুরি একটি মনগড়া উদ্ভাবন। আত্মজীবনীতে ব্যবহৃত "আমি" যেখানে লেখকের সরাসরি প্রতিনিধিত্ব করার কথা, সেখানে সাংবাদিকতার এই "আমি" লেখকের সাথে খুব সামান্য বা ক্ষীণভাবেই যুক্ত। ঠিক যেভাবে সুপারম্যানের সাথে ক্লার্ক কেন্টের সংযোগ থাকে। সাংবাদিকতার এই "আমি" হলো এক অতি-নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারী, যার ওপর আখ্যানের গুরুত্বপূর্ণ কাজ, যুক্তি উপস্থাপন এবং সুর নির্ধারণের দায়িত্ব অর্পণ করা হয়। এটি গ্রিক ট্র্যাজেডির কোরাসের মতো একটি বিশেষ প্রয়োজনে সৃষ্ট সৃষ্টি। সে হলো একটি প্রতীকি চরিত্র, যে জীবনের এক নিরাসক্ত ও আবেগহীন পর্যবেক্ষক হিসেবে নিজেকে মূর্ত করে তোলে। তা সত্ত্বেও, পাঠকরা যারা সহজেই এই ধারণাটি মেনে নেন যে ফিকশন বা কল্পকাহিনীর বর্ণনাকারী এবং সেই বইয়ের লেখক এক ব্যক্তি নন, তারাই আবার সাংবাদিকতার এই উদ্ভাবিত "আমিত্বের" ধারণাটিকে জেদের সাথে প্রতিরোধ করেন। এমনকি সাংবাদিকদের মধ্যেও এমন অনেকে আছেন যারা নিজেদের টেক্সটের সেই 'সুপারম্যান' রূপ থেকে নিজেদের বাস্তব সত্ত্বাকে আলাদা করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত হিমশিম খান।
** '''''[[:w:জ্যানেট ম্যালকম|জ্যানেট ম্যালকম]]''''', '''''দ্য জার্নালিস্ট অ্যান্ড দ্য মার্ডারার''''' (১৯৯০), নিউ ইয়র্ক: নফ, পৃ. ১৫৯–১৬০।
* সাংবাদিকতার নৈতিক অস্পষ্টতা বা দ্বিধার লিখিত বয়ানের মধ্যে নয়, বরং সেই সম্পর্কের গভীরে নিহিত থাকে যেখান থেকে এই বয়ানগুলো জন্ম নেয়। আর এই সম্পর্কগুলো অনিবার্যভাবেই এবং কোনোভাবেই এড়ানো যায় না এমনভাবে একপেশে বা অসম প্রকৃতির হয়ে থাকে। সাংবাদিকতামূলক রচনার 'ভালো' চরিত্রগুলো ঠিক তেমনিভাবেই অন্য একজন মানুষের ওপর লেখকের সেই অশুভ ও প্রচণ্ড ক্ষমতার ফসল, যেভাবে 'মন্দ' চরিত্রগুলো সৃষ্টি হয়। [...] সাংবাদিকতার বিষয়বস্তু হওয়া ব্যক্তিটি হয়তো সাংবাদিককে নিজের স্বার্থে ব্যবহার বা ম্যানিপুলেট করার চেষ্টা করতে পারেন এবং জাগতিক জ্ঞানসম্পন্ন কোনো ব্যক্তিই কমবেশি এই প্রবণতার ঊর্ধ্বে নন। কিন্তু এই বিষয়টি কোনোভাবেই ব্যক্তিস্বাধীনতার চেতনার বিরুদ্ধে সাংবাদিকের নিজের করা পাপগুলোকে মোচন কিংবা খণ্ডন করতে পারে না। [...] সাংবাদিকরা এই নৈতিক অচলাবস্থার সাথে লড়াই করার জন্য অগণিত বৈচিত্র্যময় পথ অবলম্বন করে থাকেন [...]। তাদের মধ্যে যারা সবচেয়ে প্রজ্ঞাবান, তারাই ভালো করে জানেন যে তারা সর্বোচ্চ যা করতে পারেন তা-ও আসলে যথেষ্ট নয়। আর যারা খুব একটা বুদ্ধিমান নন, তারা তাদের চিরচেনা অভ্যাসবশত এটা বিশ্বাস করতেই পছন্দ করেন যে আসলে কোনো সমস্যাই নেই এবং তারা হয়তো এর একটি সমাধানও করে ফেলেছেন।
** '''''জ্যানেট ম্যালকম''''', '''''[[:w:দ্য জার্নালিস্ট অ্যান্ড দ্য মার্ডারার|দ্য জার্নালিস্ট অ্যান্ড দ্য মার্ডারার]]''''' (১৯৯০), নিউ ইয়র্ক: নফ, পৃ. ১৬২-১৬৩। (শেষ বাক্যটি বইটির অন্তিম বাক্য)।
* উন্নত ও মানসম্মত সাংবাদিকতার জন্য তথ্যফাঁসকারী বা 'হুইসেলব্লোয়ার'রা অপরিহার্য। তাঁরা সাংবাদিকদের সেই সব গোপনীয়তার দেয়াল ভেদ করতে সাহায্য করেন যা সরকারি কর্মকর্তা এবং জনসংযোগ কর্মকর্তারা অত্যন্ত সযত্নে গড়ে তোলেন। এই হুইসেলব্লোয়াররাই সরকার, কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান, সামরিক বাহিনী এবং গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর ভেতরে লুকিয়ে থাকা নানা অনিয়ম ও অন্যায় কর্মকাণ্ডগুলো সবার সামনে এনে উন্মোচন করে থাকেন। এই সাহসী মানুষদের তাঁদের এই বীরত্বপূর্ণ কাজের জন্য পুরস্কৃত করা উচিত ছিল। কিন্তু তার পরিবর্তে, অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো যে তাঁদের প্রায়ই বিচারিক হয়রানি কিংবা কারাবাসের মুখোমুখি হতে হয়।
** '''''ইউয়েন ম্যাকআসকিল''''', [https://www.democracynow.org/2021/10/25/belmarsh_tribunal "জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জকে মুক্ত করুন: স্নোডেন, ভারুফাকিস, করবিন এবং তারিক আলী প্রত্যর্পণ শুনানির আগে কথা বলছেন"], '''''ডেমোক্রেসি নাও!''''', (২৫ অক্টোবর ২০২১)।
* যদি জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জকে অভিযুক্ত করে বিচার করা হয়, তবে '[[w:দ্য_গার্ডিয়ান|দ্য গার্ডিয়ান]]', [[w:দ্য_নিউ_ইয়র্ক_টাইমস|'দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস]]', 'ডার স্পিগেল', 'এল পাইস', 'লা রিপাবলিকা' এবং এই তথ্যগুলো প্রচারের সাথে জড়িত অন্যান্য সমস্ত সংবাদ সংস্থার সম্পাদক ও সাংবাদিকদের বিরুদ্ধেও মামলা করার সমান ও যথেষ্ট যুক্তিযুক্ত কারণ রয়েছে।
** '''''ইউয়েন ম্যাকআসকিল''''', [https://www.democracynow.org/2021/10/25/belmarsh_tribunal "জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জকে মুক্ত করুন: স্নোডেন, ভারুফাকিস, করবিন এবং তারিক আলী প্রত্যর্পণ শুনানির আগে কথা বলছেন"], '''''ডেমোক্রেসি নাও!''''', (২৫ অক্টোবর ২০২১)।
* মাইকেল শুডসন তাঁর “ডিসকভারিং দ্য নিউজ” (১৯৭৮) গ্রন্থে যেমনটি উল্লেখ করেছেন—ভালো সাংবাদিকতা মানেই যে তা “বস্তুনিষ্ঠ” (অর্থাৎ দলীয় প্রভাবমুক্ত এবং ব্যক্তিগত মতামতের ঊর্ধ্বে) হতে হবে, এই ধারণাটি মূলত বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে প্রথম আবির্ভূত হয়েছিল। শুডসন মনে করতেন যে, ধ্রুব এবং নির্ভরযোগ্য সত্যের ধারণাটির প্রতি মানুষের ক্রমবর্ধমান সংশয়বাদ থেকেই এই বস্তুনিষ্ঠতার ধারণার জন্ম হয়েছে। তাঁর ভাষায়, বস্তুনিষ্ঠতার এই মানদণ্ডটি “তথ্যের ওপর বিশ্বাসের কোনো চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ ছিল না; বরং এটি ছিল এমন এক জগতের জন্য পরিকল্পিত পদ্ধতির সুদৃঢ় দাবি, যেখানে এমনকি তথ্যকেও আর বিশ্বাস করা যাচ্ছিল না। ... সাংবাদিকরা বস্তুনিষ্ঠতায় বিশ্বাস করতে শুরু করেছিলেন ঠিক ততটুকুই যতটুকু তাঁদের প্রয়োজন ছিল। কারণ তাঁরা চেয়েছিলেন, তাঁদের দরকার ছিল এবং সাধারণ মানবিক আকাঙ্ক্ষা থেকেই তাঁরা তাঁদের নিজেদের গভীর সন্দেহ ও অস্থিরচিত্ততা থেকে মুক্তি পাওয়ার পথ খুঁজছিলেন।” অন্যভাবে বলতে গেলে, বস্তুনিষ্ঠতা বিষয়টি শুরু থেকেই একটি সমস্যাসঙ্কুল ধারণা ছিল... লিপম্যানের যুক্তি ছিল এই যে, সাংবাদিকতা আসলে কোনো সুনির্দিষ্ট পেশা নয়। এই পেশায় যুক্ত হওয়ার জন্য আপনার কোনো লাইসেন্স বা প্রাতিষ্ঠানিক একাডেমিক সনদের প্রয়োজন হয় না। সব ধরণের মানুষই নিজেদের সাংবাদিক বলে দাবি করেন। কিন্তু প্রশ্ন হলো, তাঁরা সবাই কি জনগণকে নির্ভরযোগ্য এবং স্বার্থহীন সংবাদ পণ্য সরবরাহ করতে সক্ষম?
** '''''[[:w:লুই মেনান্দ|লুই মেনান্দ]]''''', [https://www.newyorker.com/magazine/2023/02/06/when-americans-lost-faith-in-the-news “যখন আমেরিকানরা সংবাদমাধ্যমের ওপর আস্থা হারিয়েছিল”], '''''দ্য নিউ ইয়র্কার''''', (৩০ জানুয়ারি ২০২৩)।
* ১৯৪৫ থেকে ১৯৭৫ সালের মধ্যবর্তী সময়ে মার্কিন ক্যাবিনেটে মাত্র একজন নারী এবং একজন কৃষ্ণকায় ব্যক্তি ছিলেন। যাঁদের প্রত্যেকেই মাত্র দুই বছর মেয়াদে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। সংবাদমাধ্যমের দিকে তাকালে দেখা যায় যে পরিস্থিতি ছিল আরও ভয়াবহ। নারী ও কৃষ্ণকায় সাংবাদিকদের পরিকল্পিতভাবে মূলধারা থেকে বাদ দেওয়া হতো। নির্দিষ্ট কিছু সংবাদ সম্মেলনে তাঁদের প্রবেশাধিকার ছিল না এবং সম্পাদকরা নারীদের কখনোই সরকারি বিষয়গুলো কভার করার দায়িত্ব দিতেন না। ঘোর বর্ণবাদ এবং লিঙ্গবৈষম্য এত দীর্ঘ সময় ধরে সেখানে টিকে ছিল যে আজ তা প্রায় অবিশ্বাস্য বলে মনে হয়। <br> ওয়াশিংটনের সাংবাদিকদের জন্য প্রধান দুটি সামাজিক সংগঠন ছিল গ্রিডাইরন ক্লাব (১৮৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত) এবং ন্যাশনাল প্রেস ক্লাব (১৯০৮ সালে প্রতিষ্ঠিত)। ১৮৯৬ সালে গ্রিডাইরন ক্লাব সদস্যদের স্ত্রীদের একটি নৈশভোজে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল, কিন্তু নারী ভোটাধিকার আন্দোলনকে উপহাস করে পরিবেশিত একটি নাটক সেখানে মোটেও ভালো সাড়া ফেলেনি; যার ফলে ১৯৭২ সাল পর্যন্ত নারীদের সেখানে আর প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি। বিংশ শতাব্দীর পঞ্চাশের দশক পর্যন্তও গ্রিডাইরন ক্লাবের নৈশভোজগুলোতে বিনোদনের জন্য সদস্যরা মুখে কালো রঙ মেখে 'ব্ল্যাকফেস' সেজে অভিনয় করতেন। ম্যাকগারের বর্ণনা অনুযায়ী, ক্লাবটির সিগনেচার টিউন ছিল “দ্য ওয়াটারমেলন সং”, যা একটি বিশেষ আঞ্চলিক [[w:উপভাষা|উপভাষায়]] গাওয়া হতো। <br> ১৯৫৫ সালের আগে ন্যাশনাল প্রেস ক্লাবে কোনো কৃষ্ণকায় সদস্য ছিলেন না; এবং সেই একই বছরেই প্রথমবারের মতো নারীদের এমন মধ্যাহ্নভোজে উপস্থিত থাকার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল যেখানে কর্মকর্তারা সদস্যদের ব্রিফিং দিতেন। তবে নারীদের বসতে হতো ব্যালকনিতে এবং তাঁদের কোনো প্রশ্ন করার অনুমতি ছিল না। ১৯৭১ সালের আগে ন্যাশনাল প্রেস ক্লাব কোনো নারী সদস্য গ্রহণ করেনি। <br> 'দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট' ১৯৫১ সালে তাদের প্রথম কৃষ্ণকায় সাংবাদিক নিয়োগ দেয়। তাঁর জন্য আলাদা শৌচাগার বরাদ্দ করা হয়েছিল এবং মাত্র দুই বছর পরেই তিনি সেই পত্রিকা ত্যাগ করেন। (ম্যাকগার বলেন যে ওয়াশিংটন পোস্ট ১৯৭২ সালের আগে আর কোনো কৃষ্ণকায় সাংবাদিক নিয়োগ দেয়নি, তবে তথ্যটি ভুল: পত্রিকাটি ১৯৬১ সালে ডরোথি বাটলার গিলিয়াম এবং ১৯৬৮ সালে জ্যাক হোয়াইটকে নিয়োগ দিয়েছিল।) নাগরিক অধিকার আন্দোলনের অনেক গভীর সময় পর্যন্তও নিউ ইয়র্ক টাইমসে কৃষ্ণকায় সাংবাদিকদের সংখ্যা ছিল অতি সামান্য। এই পত্রিকার মতো অন্যান্য সাধারণ-আগ্রহের ম্যাগাজিনগুলোর রেকর্ডও এর চেয়ে ভালো কিছু ছিল না।
** '''''লুই মেনান্দ''''', [https://www.newyorker.com/magazine/2023/02/06/when-americans-lost-faith-in-the-news “যখন আমেরিকানরা সংবাদমাধ্যমের ওপর আস্থা হারিয়েছিল”], '''''দ্য নিউ ইয়র্কার''''', (৩০ জানুয়ারি ২০২৩)।
* সংবাদপত্রের শক্তি—তা যতটুকু বা যে পর্যায়েরই হোক না কেন—তা মূলত অনেকটা প্রাতিষ্ঠানিক পণ্ডিত, বৈজ্ঞানিক গবেষক এবং সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের শক্তির মতো। এটি কোনো পেশিবল বা শারীরিক শক্তির ওপর ভিত্তি করে দাঁড়িয়ে নেই; বরং এটি টিকে আছে মানুষের অগাধ বিশ্বাসের ওপর—এই বিশ্বাস যে, এরা হলো এমন একদল মানুষ যারা ভয় কিংবা পক্ষপাতিত্বের ঊর্ধ্বে থেকে কেবল সত্য অন্বেষণের জন্য নিজেদের উৎসর্গ করেছেন। যখনই তাঁরা এই মহান দায়িত্ব পালন থেকে বিচ্যুত হবেন, তখন সমাজ তাঁদের সেই একইভাবে দেখতে শুরু করবে যেভাবে বর্তমানে অন্যদের দেখা হয়—অর্থাৎ এমন একদল লোক যারা কেবল ব্যক্তিগত লাভ বা সামাজিক মর্যাদার লোভে তথ্যকে নিজ স্বার্থে ঘুরিয়ে পরিবেশন করে।
** '''''[[:w:লুই মেনান্দ|লুই মেনান্দ]]''''', [https://www.newyorker.com/magazine/2023/02/06/when-americans-lost-faith-in-the-news “যখন আমেরিকানরা সংবাদমাধ্যমের ওপর আস্থা হারিয়েছিল”], '''''দ্য নিউ ইয়র্কার''''', (৩০ জানুয়ারি ২০২৩)।
* যেহেতু আদর্শগত সত্য বলে পৃথিবীতে আসলে কিছুর অস্তিত্ব নেই, তাই স্বাভাবিকভাবেই এটা প্রতীয়মান হয় যে, একজন প্রতিবেদক যখনই নিজেকে [[w:রক্ষণশীলতাবাদ|উদারপন্থী বা রক্ষণশীল]], কিংবা ডেমোক্রেটিক, [[w:সাম্যবাদ|কমিউনিস্ট]] বা রিপাবলিকান প্রতিবেদক হিসেবে উপস্থাপন করেন, তখন তিনি আসলে আর মোটেও কোনো প্রতিবেদক থাকেন না।
** '''''এইচ. এল. মেনকেন''''' (১৯৩৭), উদ্ধৃত হয়েছে: অ্যালেস্টার কুক রচিত '''''মেমোরিস অফ দ্য গ্রেট অ্যান্ড গুড''''' (১৯৯৯), পৃ. ২২৪।
* সংবাদপত্রগুলো এখন জেসি-র পিছু নিতে শুরু করেছে। শুরুতে তারা তাকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করেছিল এবং সব ঘটনার দায়ভার অন্য যে কারো বা অন্য কিছুর ওপর চাপিয়ে দিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত, একজন অত্যন্ত রূপসী অথচ দৃশ্যত কোনো যৌনজীবন নেই এমন একজন নারীকে নিয়ে কাজ করা তাদের জন্য বেশ বিব্রতকর হয়ে দাঁড়িয়েছিল। কারণ তাকে কলঙ্কিত করার জন্য আসলে ঠিক কী ধরনের অপবাদ ব্যবহার করা উচিত, তা তারা খুঁজে পাচ্ছিল না।
** '''''নাওমি মিচিসন''''', “মেরি অ্যান্ড জো”; হ্যারি হ্যারিসন সম্পাদিত '''''নোভা ১''''', পৃ. ১৬৩।
* সাংবাদিকরা যখন কোনো ভুল করেন, তখন তাঁদের মানহানির মামলার মুখে পড়তে হয়; কিন্তু ঐতিহাসিকরা যখন কোনো ভুল করেন, তখন তাঁরা সেই ভুল শুধরে নিয়ে বইটির একটি পরিমার্জিত সংস্করণ প্রকাশের সুযোগ পান।
** '''''বিল ময়ার্স''''', "দ্য বিগ স্টোরি", টেক্সাস স্টেট হিস্টোরিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনে প্রদত্ত ভাষণ, (৭ মার্চ ১৯৯৭), '''''ময়ার্স অন ডেমোক্রেসি''''' (২০০৮), পৃ. ১৩১।
* বাকস্বাধীনতা এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতা, যা প্রথম সংশোধনীর মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ থেকে সুরক্ষিত করা হয়েছে। তা মূলত সেইসব মৌলিক ব্যক্তিগত অধিকার ও স্বাধীনতার অন্তর্ভুক্ত যা চতুর্দশ সংশোধনীর মাধ্যমে যেকোনো অঙ্গরাজ্যের হস্তক্ষেপ থেকে সকল নাগরিকের জন্য সুনিশ্চিত করা হয়েছে। এই অধিকারগুলোকে সুরক্ষিত রাখার মূল উদ্দেশ্য হলো যেন মানুষ তাদের জন্য অত্যাবশ্যকীয় বিষয়গুলো নিয়ে স্বাধীনভাবে চিন্তা ও কথা বলতে পারে এবং শিক্ষা ও আলোচনার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যেন মিথ্যার মুখোশ উন্মোচিত হয়। যা একটি মুক্ত ও স্বাধীন সরকারের জন্য একান্ত অপরিহার্য। যারা আমাদের স্বাধীনতা ছিনিয়ে এনেছিলেন, তাঁদের এই অটল বিশ্বাস ছিল যে, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সত্য আবিষ্কার এবং তা প্রচার করার জন্য স্বাধীন ও নির্ভীক যুক্তিপ্রদান এবং ধারণার আদান-প্রদান এক অজেয় শক্তি হিসেবে কাজ করবে।
** '''''[[:w:ফ্রাঙ্ক মারফি|ফ্রাঙ্ক মারফি]]''''', '''''[[:w:থর্নহিল বনাম আলাবামা মামলা|থর্নহিল বনাম আলাবামা]]''''', মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট, (১৯৪০), ৩১০ ইউ.এস. ৮৮, ৯৫।
== O ==
* সেই স্থূলকায় [[w:রুশ_জাতি|রুশ]] গোয়েন্দাটি একে একে সমস্ত বিদেশী উদ্বাস্তুদের এক কোণায় নিয়ে যাচ্ছিলেন এবং অত্যন্ত বিশ্বাসযোগ্য ভঙ্গিতে ব্যাখ্যা করছিলেন যে, এই পুরো ঘটনাটি আসলে ছিল একটি নৈরাজ্যবাদী চক্রান্ত। আমি বেশ আগ্রহ নিয়ে তাঁকে পর্যবেক্ষণ করছিলাম, কারণ সেটিই ছিল আমার জীবনে প্রথম দেখা এমন কোনো ব্যক্তি যাঁর পেশা হলো অনর্গল মিথ্যা বলা, অবশ্য যদি কেউ এই তালিকায় সাংবাদিকদের গণনা না করেন।
** '''''[[:w:জর্জ অরওয়েল|জর্জ অরওয়েল]]''''', '''''হোমেজ টু ক্যাটালোনিয়া''''' (১৯৩৮)।
* জীবনের শুরুর দিকেই আমি লক্ষ্য করেছিলাম যে সংবাদপত্রে কোনো ঘটনাই আসলে সঠিকভাবে উপস্থাপিত হয় না; কিন্তু স্পেনে আমি প্রথমবারের মতো এমন কিছু সংবাদ প্রতিবেদন দেখলাম যার সাথে বাস্তব তথ্যের বিন্দুমাত্র কোনো সম্পর্ক নেই, এমনকি একটি সাধারণ মিথ্যার মধ্যে যেটুকু সত্যের রেশ থাকে সেটুকুও সেখানে অনুপস্থিত ছিল। আমি দেখেছি এমন সব বিশাল যুদ্ধের খবর ছাপা হয়েছে যেখানে আসলে কোনো লড়াই-ই হয়নি, আবার যেখানে শত শত মানুষ প্রাণ হারিয়েছে সেখানে বজায় রাখা হয়েছে কবরের নিস্তব্ধতা। আমি দেখেছি যেসব সৈন্য সাহসিকতার সাথে লড়াই করেছে তাদেরকে উল্টো কাপুরুষ ও বিশ্বাসঘাতক হিসেবে নিন্দা জানানো হচ্ছে, আর যারা কোনোদিন যুদ্ধের ময়দানে একটি গুলিও ছোঁড়েনি তাদের কাল্পনিক বিজয়ের নায়ক হিসেবে জয়ধ্বনি দেওয়া হচ্ছে! শুধু তা-ই নয়, আমি দেখলাম '''[[w:লন্ডন|লন্ডনের]]''' সংবাদপত্রগুলো এই মিথ্যাগুলোই প্রচার করেছিল এবং উৎসাহী বুদ্ধিজীবীরা এমন সব ঘটনার ওপর আবেগপ্রবণ ইমারত গড়ে তুলছেন যা আদতে কখনও ঘটেইনি। আমি আসলে ইতিহাসকে এমনভাবে রচিত হতে দেখলাম যা কী ঘটেছে তার ওপর ভিত্তি করে নয়, বরং বিভিন্ন 'দলীয় আদর্শ' অনুযায়ী কী ঘটা উচিত ছিল, তার ওপর ভিত্তি করে তৈরি।
** '''''[[:w:জর্জ অরওয়েল|জর্জ অরওয়েল]]''''', '''''লুকিং ব্যাক অন দ্য স্প্যানিশ ওয়ার''''' (১৯৪৩)।
* অনেক সাংবাদিকই আজকের দ্রুত পরিবর্তনশীল ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে এতটাই আচ্ছন্ন থাকেন যে, তাঁদের মধ্যে ইতিহাসের গভীর উপলব্ধি বা ঐতিহাসিক চেতনার এক ধরনের চরম ঘাটতি লক্ষ্য করা যায়।
** '''''ফিন্টান ও'টুল''''', '''''দি আইরিশ টাইমস''''' (২০২৩)।
* অন্ধ স্তুতি বা ফ্যানডম এবং বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা কখনোই একে অপরের পরিপূরক হতে পারে না; বরং এই দুটি বিষয় একত্রে থাকলে তা অত্যন্ত বিপজ্জনক ও অসম এক সহাবস্থানের জন্ম দেয়।
** '''''ফিন্টান ও'টুল''''', '''''দি আইরিশ টাইমস''''' (২০২৩)।
== P ==
* বর্তমানের এই বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে যেখানে প্রতিটি মানুষই একেকজন প্রকাশক হয়ে উঠেছেন, সেখানে আশ্চর্যের বিষয় হলো কেউ আসলে প্রকৃত সম্পাদকের ভূমিকা পালন করছেন না। আর ঠিক এই জায়গাতেই আজকের দিনে আমরা এক ভয়াবহ সংকটের সম্মুখীন হচ্ছি।
** '''''স্কট পেলি''''', কুইনিপিয়াক ইউনিভার্সিটিতে প্রদত্ত ভাষণ (১০ মে ২০১৩)। [http://www.youtube.com/watch?v=1AyCD_lcl1Q ইউটিউব ভিডিও: সিবিএস নিউজ অ্যাঙ্কর স্কট পেলি: 'আমরা বারবার বড় বড় খবরগুলো ভুলভাবে পরিবেশন করছি']।
* সাংবাদিকদের জন্য নিজেদের কেবল সাধারণ বার্তাবাহক হিসেবে গণ্য করাই যথেষ্ট নয়। বরং তাঁদের পরিবেশিত বার্তার আড়ালে লুকিয়ে থাকা গোপন উদ্দেশ্য বা 'হিডেন এজেন্ডা' পুরিকল্পনা এবং সেই বার্তাকে ঘিরে থাকা প্রচলিত মিথ বা ভ্রান্ত ধারণাগুলো গভীরভাবে উপলব্ধি করা একান্ত প্রয়োজন।
** '''''[[:w:জন পিলজার|জন পিলজার]]''''', 'হিডেন এজেন্ডাস', ১৯৯৮।
* গোপন ক্ষমতা সেই সাংবাদিকদের মনেপ্রাণে ঘৃণা করে যারা নিজেদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করেন। যারা গোপনীয়তার পর্দা সরিয়ে দেন, বাহ্যিক চাকচিক্যের আড়ালে উঁকি দেন এবং অশুভ সত্যের ওপর রাখা পাথর তুলে ধরেন। উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের কাছ থেকে আসা নিন্দা বা তিরস্কারই হলো এই নির্ভীক সাংবাদিকদের জন্য সম্মানের শ্রেষ্ঠ স্মারক।
** '''''[[:w:জন পিলজার|জন পিলজার]]''''', '''''টেল মি নো লাইজ: ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিজম দ্যাট চেঞ্জড দ্য ওয়ার্ল্ড''''', থান্ডার্স মাউথ প্রেস, (২০০৫), পৃ. xv, ISBN 1560257865।
* আমরা যারা সাংবাদিক... আমাদের সেইসব ব্যক্তিদের অবজ্ঞা ও প্রতিরোধ করার মতো যথেষ্ট সাহসী হতে হবে, যারা অন্যের দেশে তাদের সাম্প্রতিকতম রক্তক্ষয়ী দুঃসাহসিক অভিযানগুলো বৈধ করার জন্য আমাদের সহযোগিতা কামনা করে। এর অর্থ হলো সরকারি ভাষ্যকে সবসময় চ্যালেঞ্জ করা, সেই ভাষ্যটি আপাতদৃষ্টিতে যতই দেশপ্রেমমূলক মনে হোক না কেন, অথবা সেটি যতই মোহনীয় ও বিভ্রান্তিকর হোক না কেন। কারণ প্রোপাগান্ডা বা অপপ্রচার পুরোপুরি আমাদের গণমাধ্যমের ওপর নির্ভর করে যেন তাদের প্রতারণার লক্ষ্যবস্তু কোনো দূরদেশের মানুষ নয়, বরং আপনার নিজের ঘরের মানুষ হয়। অন্তহীন সাম্রাজ্যবাদী যুদ্ধের এই যুগে অগণিত পুরুষ, নারী ও শিশুর জীবন আজ পরম সত্যের ওপর নির্ভর করছে। যদি সেই সত্য প্রকাশ না পায়, তবে তাদের ঝরানো রক্তের দায়ভার আমাদের ওপরই বর্তাবে। যাদের কাজ হলো ইতিহাসের নথিপত্রকে নির্ভুল রাখা, তাদের উচিত ক্ষমতার কণ্ঠস্বর না হয়ে সাধারণ মানুষের কণ্ঠস্বর হয়ে ওঠা।
** '''''[[:w:জন পিলজার|জন পিলজার]]''''', '''''দ্য ওয়ার ইউ ডোন্ট সি''''', আইটিভি১ (যুক্তরাজ্য), (১৪ ডিসেম্বর ২০১০)।
* উইকিলিকস কেন সাংবাদিকতার ইতিহাসে একটি মাইলফলক হিসেবে স্বীকৃত? কারণ এর মাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যগুলো আমাদের কাছে একশ শতাংশ নিখুঁতভাবে এই সত্যটি তুলে ধরেছে যে এই বিশ্বের একটি বড় অংশ আসলে কীভাবে এবং কেন বিভক্ত এবং ঠিক কীভাবে তা পরিচালিত হচ্ছে।
** '''''[[:w:জন পিলজার|জন পিলজার]]''''', [https://frontline.thehindu.com/cover-story/article25661115.ece "নতুন শীতল যুদ্ধ এবং আসন্ন হুমকি"], '''''ফ্রন্টলাইন, ভারত''''', (২১ ডিসেম্বর ২০১৮)।
* একজন সাংবাদিক সত্য প্রচারের মাধ্যমে অথবা তিনি যতটুকু সত্যের সন্ধান পান তা প্রকাশের মাধ্যমে মানুষের প্রভূত কল্যাণ সাধন করতে পারেন। তবে শর্ত হলো তাঁকে কোনো সরকার বা কোনো বিশেষ ক্ষমতার প্রতিনিধি হিসেবে নয়, বরং সাধারণ মানুষের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করতে হবে। এটিই হলো প্রকৃত সাংবাদিকতা। এর বাইরে যা কিছু আছে তার সবই আপাতদৃষ্টিতে সত্য মনে হলেও আসলে তা প্রতারণামূলক এবং মিথ্যা।
** '''''[[:w:জন পিলজার|জন পিলজার]]''''', উদ্ধৃত হয়েছে: [https://www.thedailystar.net/opinion/interviews/news/real-journalists-act-agents-people-not-power-1687921 "প্রকৃত সাংবাদিকরা জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেন, ক্ষমতার নয়"], '''''ডেইলি স্টার (বাংলাদেশ)''''', (১৬ জানুয়ারি ২০১৯)।
* কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ ছাড়া সরাসরি "পশ্চিমা গোয়েন্দা সংস্থার" দোহাই দিয়ে উদ্ধৃতি প্রদান করা কখনোই সাংবাদিকতা হতে পারে না; এটি প্রায় সবসময়ই একটি সুপরিকল্পিত অপপ্রচার বা প্রোপাগান্ডা। একজন প্রতিবেদক হিসেবে আমি এই শিক্ষাটি লাভ করেছি। বিবিসি এবং অন্যান্য সংবাদমাধ্যমের এই নিরন্তর 'কোল্ড ওয়ার' বা স্নায়ুযুদ্ধের দামামা আমাদের ধীরে ধীরে একটি বিশ্বযুদ্ধের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
** '''''[[:w:জন পিলজার|জন পিলজার]]''''', [https://twitter.com/johnpilger/status/1285869017412956160 টুইটার], (২২ জুলাই ২০২০)।
== R ==
[[File:Helen Thomas - USNWR.jpg|thumb|আমি আশা করি যে ভবিষ্যতের সাংবাদিকরা এই পেশার প্রকৃত নীতিমালাগুলো কঠোরভাবে মেনে চলবেন এবং এটি উপলব্ধি করবেন যে দেশে ও বিদেশে গণতন্ত্র এবং মুক্ত চিন্তার আদান-প্রদানকে সজীব রাখার ক্ষেত্রে তাঁরা এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও অপরিহার্য ভূমিকা পালন করছেন।<br>~'''''[[:w:হেলেন থমাস|হেলেন থমাস]]''''' ]]
* সংবাদ বোধ বা 'নিউজ সেন্স' হলো মূলত কোনটি গুরুত্বপূর্ণ, কোনটি অত্যাবশ্যক এবং কোনটির মাঝে প্রাণ ও রঙের স্পন্দন রয়েছে। অর্থাৎ মানুষ কোন বিষয়ে আগ্রহী, তা বোঝার এক অনন্য ক্ষমতা। এটিই হলো প্রকৃত সাংবাদিকতা।
** '''''বার্টন রাস্কো''''', উদ্ধৃত হয়েছে: ট্রায়ন এডওয়ার্ডস, সি. এন. ক্যাট্রেভাস এবং জনাথন এডওয়ার্ডস সম্পাদিত '''''ইউজফুল কোটেশনস: আ সাইক্লোপিডিয়া অফ কোটেশনস''''' (১৯৩৩)।
* বিতর্ক? আপনি যদি এই নামের যোগ্য কোনো প্রতিবেদক হতে চান, তবে আপনি কখনোই বিতর্ককে পুরোপুরি এড়িয়ে চলতে পারবেন না। আপনি একজন দক্ষ প্রতিবেদক হতে পারবেন না যদি না আপনি নিয়মিতভাবে কোনো না কোনো তর্কের সাথে জড়িয়ে পড়েন। আর আমি মনে করি না যে বিতর্ককে বারবার এড়িয়ে চলে আপনি একজন মহান প্রতিবেদক হতে পারবেন। কারণ একজন ভালো সাংবাদিকের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব হলো সহজ সত্যগুলোর পাশাপাশি কঠিন ও রূঢ় সত্যগুলোকেও সাহসের সাথে তুলে ধরা। আর এই কঠিন সত্যগুলোই আপনাকে বিতর্কের দিকে ঠেলে দেবে, এমনকি এই কঠিন সত্যের অনুসন্ধান করতে গিয়ে আপনাকে হয়তো চড়া মূল্যও দিতে হতে পারে। দয়া করে আমার এই কথাগুলোকে কোনো অভিযোগ হিসেবে গ্রহণ করবেন না। আমি কেবল এটিই বোঝাতে চাইছি যে আপনি যদি একজন সৎ ও নিষ্ঠাবান সাংবাদিক হন, তবে এই ঝুঁকিগুলো আপনার কাজেরই অবিচ্ছেদ্য অংশ। আপনি যদি এমনভাবে সাংবাদিকতা শুরু করেন অথবা জীবনের এমন এক পর্যায়ে পৌঁছান যেখানে আপনি নিজেই নিজেকে বলেন, "শুনুন, আমি এমন কোনো কিছু স্পর্শ করব না যা থেকে বিতর্কের সৃষ্টি হতে পারে," তবে আপনার উচিত হবে অনতিবিলম্বে এই পেশা ছেড়ে দেওয়া।
** '''''ড্যান রাদার''''', সাক্ষাৎকার: [http://www.achievement.org/autodoc/page/rat0int-1 "ড্যান রাদার ইন্টারভিউ: ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট, অন দ্য ফ্রন্টলাইনস অফ ব্রেকিং নিউজ"], '''''একাডেমি অফ অ্যাচিভমেন্ট''''', (৫ মে ২০০১)।
* উন্নতমানের সাংবাদিকতা সেই হাজারো 'নিষিদ্ধ বিষয়ের' রাজ্যে প্রশ্ন উত্থাপন করে, এমনকি যদি তার ফলাফল অত্যন্ত অদ্ভুত এবং বিচলিত করার মতো হওয়ার ঝুঁকিও থাকে। ... বর্তমান সময়ে সাংবাদিকরা কোনো গোয়েন্দা নন, আবার আধ্যাত্মিক ধর্মপ্রচারকও নন। তাঁরা কেবল তাঁদের অর্পিত দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করলেই তা যথেষ্ট। তবে সাংবাদিকতা পেশার সবসময়ই একটি অনুসন্ধানী দিকের পাশাপাশি একটি নৈতিক দিকও বিদ্যমান থাকে। সাংবাদিকরা গোয়েন্দা নন ঠিকই, কিন্তু তাঁদের কাজের মধ্য দিয়ে তাঁরা অনুসন্ধানের একটি নির্দিষ্ট মানদণ্ড বজায় রাখতে পারেন। তাঁরা গোয়েন্দা বাহিনীর কেউ নন, কিন্তু তাঁরা এমন সব তথ্য সরবরাহ করতে পারেন যা গোয়েন্দারাও কোনো না কোনোভাবে ব্যবহার করতে সক্ষম হন। সাংবাদিকরা আধ্যাত্মিক পথপ্রদর্শকও নন, কিন্তু পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করে তাঁরা এমন কিছু উপলক্ষ এবং সূত্র উপহার দিতে পারেন যা পাঠকদের আত্মিক খোরাক জোগাতেও কিছুটা সাহায্য করে। আসুন আমরা সবাই অত্যন্ত বিজ্ঞতার সাথে উপদেশমূলক সাংবাদিকতা থেকে দূরে থাকি; তবে ভালো সাংবাদিকরা অন্তত নিজের এবং তাঁদের পাঠকদের আত্মাকে বিষাক্ত করা থেকে বিরত থাকতে পারেন।
** '''''মার্কো রেসপিন্তি''''', [https://bitterwinter.org/a-universal-declaration-on-combating-and-preventing-forced-organ-harvesting/ "চীনের মানব ফসল এবং অবৈধ অঙ্গ বাণিজ্য: প্রকাশ করো নতুবা ধ্বংস হও?"], '''''বিটার উইন্টার'''''।
* একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে সাংবাদিকতা শেখানো কতটা ভয়ানক ও অদ্ভুত বিষয়! আমি ভেবেছিলাম এটি কেবল অক্সফোর্ডেই করা হয়। নিচ ও নোংরা জনমানুষের প্রতি এই অতি-সম্মান প্রদর্শন আসলে আমাদের সভ্যতাকে ধ্বংস করে দিচ্ছে।
** '''''[[:w:বার্ট্রান্ড রাসেল|বার্ট্রান্ড রাসেল]]''''', লুসি মার্টিন ডনেলিকে লেখা একটি চিঠিতে (৬ জুলাই ১৯০২)।
== S ==
* তবে আমি এমনভাবে এর প্রতিবেদন পেশ করব—<br>যেখানে সিনেটররা তাঁদের হাসির সাথে চোখের জলের মিশ্রণ ঘটাবেন।
** '''''[[:w:উইলিয়াম শেক্সপিয়র|উইলিয়াম শেক্সপিয়র]]''''', '''''[[:w:কোরিওলেনাস|কোরিওলেনাস]]''''' (আনু. ১৬০৭-০৮), প্রথম অংক, নবম দৃশ্য, লাইন ২।
* যারা অতৃপ্ত বা সত্য সম্পর্কে অবগত নয়,<br>তাদের কাছে আমাকে এবং আমার উদ্দেশ্যকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করো।
** '''''[[:w:উইলিয়াম শেক্সপিয়র|উইলিয়াম শেক্সপিয়র]]''''', '''''[[:w:হ্যামলেট|হ্যামলেট]]''''' (১৬০০-০২), পঞ্চম অংক, দ্বিতীয় দৃশ্য, লাইন ৩৫০।
* আমার কাছে আর কোনো প্রতিবেদন নিয়ে এসো না।
** '''''[[:w:উইলিয়াম শেক্সপিয়র|উইলিয়াম শেক্সপিয়র]]''''', '''''[[:w:ম্যাকবেথ|ম্যাকবেথ]]''''' (১৬০৫), পঞ্চম অংক, তৃতীয় দৃশ্য, লাইন ১।
* আমার মনে হয় না যে পরিস্থিতি এর আগে কখনো বর্তমানের মতো এত বেশি ভয়াবহ ছিল। কারণ এখন দেখে মনে হচ্ছে যে প্রতিটি সাংবাদিকই আসলে কোনো না কোনো হুমকির মুখে রয়েছেন।
** '''''নাজিব শরিফি''''', আফগান সাংবাদিক নিরাপত্তা কমিটির প্রধান, '''''ডিডব্লিউ''''' (DW) এর সাথে একটি সাক্ষাৎকারে; [https://www.dw.com/en/2020-dozens-of-journalists-killed-in-targeted-attacks/a-56078207 "২০২০: লক্ষ্যবস্তু করে চালানো হামলায় কয়েক ডজন সাংবাদিক নিহত"] শীর্ষক প্রতিবেদনে প্রকাশিত।
* আমি আজও বিশ্বাস করি যে, আপনার লক্ষ্য যদি হয় এই পৃথিবীকে বদলে দেওয়া, তবে সাংবাদিকতা হলো তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি তাৎক্ষণিক এবং কার্যকর একটি স্বল্পমেয়াদী অস্ত্র।
** '''''[[:w:টম স্টপার্ড|টম স্টপার্ড]]''''', '''''টম স্টপার্ড ইন কনভারসেশন''''' (১৯৯৪), পল ডেলানি সম্পাদিত, ইউনিভার্সিটি অফ মিশিগান প্রেস, পৃ. ১৯৬।
* আমি কোনো সংবাদের বা গল্পের অংশ হয়ে উঠতে চাই না। আমি বরং একজন নামহীন, শান্ত ও নিভৃতচারী দর্শক হয়ে থাকতে চাই। যে আসলে পৃথিবীতে কী ঘটছে তা বোঝার চেষ্টা করে (যা মোটেও সহজ কোনো কাজ নয়) এবং পরবর্তীতে অন্য মানুষের কাছে সেই সত্যটি বর্ণনা করে। ঘটনার কেন্দ্রে কোনো গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র হয়ে থাকাটা আমার একদমই পছন্দ নয়।
** '''''[[:w:জন সিম্পসন|জন সিম্পসন]]''''', সাক্ষাৎকার: '''''বিবিসি নরফোক''''', (১২ অক্টোবর ২০০৭)।
[[File:William Thomas Stead.jpg|thumb|সংবাদমাধ্যম একই সাথে জনগণের চোখ, কান এবং জিহ্বা স্বরূপ। এটি যদি গণতন্ত্রের কণ্ঠস্বর নাও হয়, তবুও এটি গণতন্ত্রের এক দৃশ্যমান ভাষা। এটি আসলে পুরো বিশ্বের একটি জীবন্ত শব্দলেখচিত্র বা ফোনোগ্রাফ।<br>~'''''[[:w:উইলিয়াম থমাস স্টিড|উইলিয়াম থমাস স্টিড]]''''' ]]
* সংবাদমাধ্যম একই সাথে জনগণের চোখ, কান এবং জিহ্বা স্বরূপ তথা একটি দেহের মতো। এটি যদি গণতন্ত্রের প্রকৃত কণ্ঠস্বর নাও হয়ে থাকে, তবুও এটি গণতন্ত্রের এক অনন্য ও দৃশ্যমান ভাষা। সহজ কথায়, এটি পুরো বিশ্বের একটি জীবন্ত শব্দলেখচিত্র বা ফোনোগ্রাফ।
** '''''উইলিয়াম থমাস স্টিড''''' (মে ১৮৮৬), "গভর্নমেন্ট বাই জার্নালিজম", ''কন্টেম্পোরারি রিভিউ''।
* সাংবাদিকতা (একটি সংজ্ঞা দেওয়া যাক): জীবনকে একগুচ্ছ গতানুগতিক ক্লিশে বা ধরাবাঁধা চেনা ছাঁচের ধারাবাহিকতা হিসেবে উপস্থাপন করার একটি শিল্প কিংবা বিজ্ঞান।
** '''''রিচার্ড সামারবেল''''', '''''অ্যাবনরমালি হ্যাপি''''' (১৯৮৫), নিউ স্টার বুকস, পৃ. ৩০, ISBN 091957341X।
== T ==
* সংবাদপত্র পড়ার নেশা থেকে পুরোপুরি মুক্তি পেতে চাইলে, একটি বছর ব্যয় করুন গত সপ্তাহের পুরোনো সংবাদপত্রগুলো পড়ার পেছনে! (যেন সত্য এবং মিথ্যার মাঝে তৌফাতটা ধরতে পারা যায়!)
** '''''নাসিম এন. তালেব''''', '''''দ্য বেড অফ প্রোক্রাস্টাস: ফিলোসফিক্যাল অ্যান্ড প্র্যাকটিক্যাল অ্যাফোরিজমস''''' (২০১০), পৃ. ২১।
* আমি সবসময়ই উন্নতমানের ও শৈল্পিক লিখনশৈলীর মানদণ্ড বজায় রাখার চেষ্টা করেছি। এই সাংবাদিকতা পেশার ভেতরেও শিল্প লুকিয়ে আছে। এমনকি এখানে অত্যন্ত মহান শিল্প সৃষ্টি হওয়ার প্রবল সম্ভাবনাও বিদ্যমান।
** '''''[[:w:গে টালিস|গে টালিস]]''''' (১৪ সেপ্টেম্বর ২০০৬); রিপোর্ট করেছেন রেবেকা ক্যাথকার্ট: '''''বুলপেন: এনওয়াইইউ জার্নালিজম''''', নিউ ইয়র্ক ইউনিভার্সিটি।
* একজন সংবাদ প্রতিবেদকের প্রকৃত শিল্প চাতুর্য হলো কোনো শিকারকে কীভাবে আশ্বস্ত করে শান্ত করতে হয় তা আয়ত্ত করা। কারণ সমস্ত দক্ষ প্রতিবেদকই আসলে তাঁদের প্রাথমিক সত্তায় একেকজন অত্যন্ত ধুরন্ধর প্রতারক বা 'কনফিডেন্স ট্রিকস্টার'।
** '''''ডেরেক টাঙ্গি''''', ব্রিটিশ লেখক, '''''দ্য ওয়ে টু মাইনাক''''' (১৯৬৮), সপ্তম অধ্যায়।
* আমি মোটেও বিশ্বাস করি না যে সাংবাদিকতা একটি মৃতপ্রায় শিল্প। বরং আমি মনে করি, এটি আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় এখন অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ; এবং বিশ্বজুড়ে সাংবাদিকরা আমাদের কর্মপদ্ধতির সাথে নিজেদের মানিয়ে নিচ্ছেন, যার মূল লক্ষ্য হলো সরকারি কর্মকর্তাদের জনগণের কাছে দায়বদ্ধ করা। সাংবাদিকের ভূমিকা অপরিহার্য, এবং সংবাদকর্মীরা মাঝে মাঝে জনরোষের শিকার বা নিন্দিত হলেও, তাঁরা যখন নিষ্ঠার সাথে সত্য অন্বেষণ করেন এবং ইতিবাচক ফলাফল বয়ে আনেন, তখন তাঁরা আজও অত্যন্ত উচ্চ মর্যাদায় ভূষিত হন। আমার প্রত্যাশা এই যে, ভবিষ্যতের সাংবাদিকরা এই পেশার প্রকৃত মূলনীতিগুলো মেনে চলবেন এবং এটি উপলব্ধি করবেন যে, দেশে ও বিদেশে গণতন্ত্রকে সমুন্নত রাখতে এবং মুক্ত চিন্তার আদান-প্রদানকে সচল রাখতে তাঁরা এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও অনবদ্য ভূমিকা পালন করছেন।
** '''''হেলেন থমাস''''', '''''ওয়াচডগস অফ ডেমোক্রেসি?''''' (২০০৬), সাইমন অ্যান্ড শুস্টার, ভূমিকা অংশ, ISBN 0743267818।
* বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা নিয়ে এই হলো আমার বক্তব্য। আমার কোনো নামলিপির নিচে বা আমার চেনা অন্য কারোর লেখার মাঝেও এটি খুঁজে পাওয়ার বৃথা চেষ্টা করে লাভ নেই। খেলার স্কোরকার্ড, ঘোড়দৌড়ের ফলাফল কিংবা শেয়ার বাজারের তালিকার মতো গুটিকতক ব্যতিক্রম ছাড়া এই পৃথিবীতে 'বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা' বলে আসলে কিছুর অস্তিত্ব নেই। এই শব্দগুচ্ছটি নিজেই নিজের অর্থের মধ্যে এক উদ্ধত ও হাস্যকর বৈপরীত্য ছাড়া আর কিছুই নয়।
** '''''হান্টার এস. থম্পসন''''', '''''ফিয়ার অ্যান্ড লোদিং: অন দ্য ক্যাম্পেইন ট্রেইল '৭২''''' (২২ এপ্রিল ১৯৮৫), পৃ. ৪৮, ISBN 0446313645।
* "সংবাদপত্র যদি কেবল এইটুকুই দেওয়ার ক্ষমতা রাখে, তবে তা নিয়ে মাথা ঘামানোর দরকার কী? অ্যাগনিউ ঠিকই বলেছিলেন। সংবাদমাধ্যম হলো একদল নিষ্ঠুর ও বিকৃত মানুষের আস্তানা। সাংবাদিকতা কোনো পেশা বা সাধারণ ব্যবসা নয়। এটি হলো ব্যর্থ আর অযোগ্যদের ভিড় জমানোর এক সস্তা আশ্রয়স্থল। জীবনের পেছনের দরজার দিকে যাওয়ার জন্য এটি একটি মিথ্যে প্রবেশপথ। এটি বিল্ডিং পুলিশ ইন্সপেক্টর কর্তৃক পরিত্যক্ত এক নোংরা ও দুর্গন্ধযুক্ত গর্ত, যা কেবল কোনো মদ্যপ-ভবঘুরে ব্যক্তির ফুটপাত থেকে গুটিয়ে শুয়ে থাকার জন্য কিংবা চিড়িয়াখানার খাঁচায় বন্দি কোনো শিম্পাঞ্জির মতো কুরুচিপূর্ণ আচরণের উপযুক্ত স্থান হিসেবে যথেষ্ট গভীর।"
** '''''হান্টার এস. থম্পসন''''', '''''ফিয়ার অ্যান্ড লোদিং ইন লাস ভেগাস''''' (১৯৭১), পৃ. ২০০।
== U ==
* প্রত্যেকে ব্যক্তিরই স্বাধীনভাবে নিজস্ব মত পোষণ এবং তা প্রকাশের অধিকার রয়েছে। এই অধিকারের মধ্যে কোনো প্রকার হস্তক্ষেপ ছাড়াই স্বীয় মতামতে অটল থাকা এবং যেকোনো সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে এবং ভৌগোলিক সীমানা নির্বিশেষে তথ্য ও ধারণা অনুসন্ধান করা, গ্রহণ করা এবং তা প্রচার করার স্বাধীনতা অন্তর্ভুক্ত।
** '''''[[:w:জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ|জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ]]''''', '''''মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণা''''', [[w:জাতিসংঘ|জাতিসংঘ]], প্যালে ডি শাইলট, প্যারিস (১০ ডিসেম্বর ১৯৪৮), ধারা ১৯। [http://www.un.org/Overview/rights.html মূল পাঠ্য]
== V ==
[[File:Superman-facebook.svg|thumb|সাংবাদিকতা হলো সেই একমাত্র সত্তা যা আমাদেরকে সুরক্ষা প্রদান করতে পারে। ঐতিহাসিকভাবেই এমন কিছু আপসহীন ও প্রতিবাদী সাংবাদিক ছিলেন যারা পরিণতির পরোয়া না করে সত্যের পথে লড়াই করতেন। কিন্তু সেই ধারা এখন 'অ্যাডভোকেসি জার্নালিস্ট' বা ওকালতি সাংবাদিকতায় রূপ নিয়েছে, যাদের নির্দিষ্ট বামপন্থী কিংবা ডানপন্থী রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্ব রয়েছে। এর কোনো যৌক্তিক ভিত্তি নেই। একজন সাংবাদিকের একমাত্র উপাসনার বিষয় হওয়া উচিত ধ্রুব সত্য।<br>~'''''অ্যান্ড্রু ভাকস''''' ]]
* সাংবাদিকতা হলো সেই একমাত্র মাধ্যম যা আমাদের ঢাল হয়ে রক্ষা করে। অতীতে এমন অনেক আপসহীন ও লড়াকু সাংবাদিকের ইতিহাস ছিল যারা পরিণতির পরোয়া না করেই সত্য প্রকাশে অবিচল থাকতেন। কিন্তু সেই জায়গাটি এখন দখল করে নিয়েছে এক ধরনের 'ওকালতি সাংবাদিকতা'! যেখানে সংবাদকর্মীরা বাম কিংবা ডানপন্থী রাজনৈতিক আদর্শের প্রতি পক্ষপাতদুষ্ট। এটি মোটেও যুক্তিযুক্ত নয়। একজন সাংবাদিকের উপাসনার যোগ্য একমাত্র ঈশ্বর হওয়া উচিত পরম সত্য।
** '''''অ্যান্ড্রু ভাকস''''', ডুয়েন সোয়ারসিনস্কির নেওয়া সাক্ষাৎকার, ''ফিলডেলফিয়া সিটি পেপার'', (৭ জুলাই ২০০৫)।
== W ==
[[File:Oscar Wilde by Napoleon Sarony. Three-quarter-length photograph, seated.jpg|thumb|সাধারণ মানুষের মাঝে সবকিছু জানার এক অতৃপ্ত কৌতূহল কাজ করে, কেবল সেই বিষয়গুলো ছাড়া যা আসলে জানার যোগ্য। সাংবাদিকতা এই দুর্বলতা সম্পর্কে অনেক সচেতন এবং ব্যবসায়িক মানসিকতার অধিকারী হওয়ার ফলে তারা ঠিক সেই চাহিদাগুলোই মিটিয়ে থাকে।<br>~'''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''' ]]
* আমার একটি লক্ষ্য ছিল 'দ্য ''৬০ মিনিটস''' এর জন্য কাজ করা এবং বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে যাওয়ার সক্ষমতা অর্জন করা, যেকোনো বিষয়ের ওপর প্রতিবেদন তৈরি করা এবং প্রচারের জন্য যথেষ্ট সময় পাওয়া। সহজ কথায়, সাংবাদিকতায় এর সমতুল্য কোনো দ্বিতীয় কাজ আর নেই। শুরুতে এটি ছিল কেবল একটি স্বপ্ন। এখন ৮৪ বছর বয়সে এসেও আমি এমন সব মানুষের সাথে কাজ করছি যারা আমার অর্ধেক বয়সের বা তারও কম। আর এর মূল কারণ হলো সংবাদের প্রতি এক অমোঘ আকর্ষণ। যদি কোথাও কোনো ভালো সংবাদ বা গল্পের সুযোগ থাকে, তবে সেখানে উপস্থিত না হওয়ার কোনো কারণ আমি দেখি না।
** '''''মাইক ওয়ালেস''''', সাক্ষাৎকার: '''''অ্যাকাডেমি অফ অ্যাচিভমেন্ট''''', (৮ জুন ২০০২)।
* [[w:সংবাদ|সংবাদ]] হলো এমন কিছু যা সেই ব্যক্তিটি পড়তে চায় যে আসলে কোনো কিছু নিয়েই খুব একটা মাথা ঘামায় না। আর এটি ততক্ষণই সংবাদ হিসেবে টিকে থাকে যতক্ষণ না সে এটি পড়ছে। একবার পড়া হয়ে গেলে এটি স্রেফ একটি মৃত বিষয়ে পরিণত হয়।
** '''''ইভলিন ওয়াহ''''' (১৯৩৮), ''স্কুপ'', প্রথম খণ্ড, ৫ম অধ্যায়; উদ্ধৃতিটি পুনরুৎপাদন করা হয়েছে: ডেভিড ক্রিস্টাল ও হিলারি ক্রিস্টাল রচিত '''''ওয়ার্ডস অন ওয়ার্ডস: কোটেশনস অ্যাবাউট ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজেস''''' (২০০০), ইউনিভার্সিটি অফ শিকাগো প্রেস, পৃ. ২৭৭, ISBN 0226122018।
* এটি একটি ধ্রুব সত্য যে, কোনো অভিযোগের বিপরীতে দেওয়া খণ্ডন বা প্রতিবাদ কখনোই মূল অভিযোগের গতির সাথে পাল্লা দিয়ে উঠতে পারে না। যেসব সৎ সাংবাদিক ব্যক্তি হয়তো ভুলবশত কোনো মিথ্যা তথ্য ছাপিয়ে ফেলতে পারেন, তাঁরা খুব ভালো করেই জানেন যে অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে প্রকাশিত কোনো প্রতিবাদলিপি বা সংশোধনীও মূল প্রতিবেদনের মাধ্যমে হওয়া ক্ষতির ক্ষত কখনোই পুরোপুরি মুছে ফেলতে পারে না।
** '''''টম উইকার''''', [http://www.nytimes.com/1989/06/09/opinion/in-the-nation-lesson-of-lattimore.html "ইন দ্য নেশন; লেসন অফ ল্যাটিমোর"], '''''[[:w:দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস|দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস]]''''', (৯ জুন ১৯৮৯)।
* সেটি ছিল এক মারাত্মক ও অভিশপ্ত দিন যখন সাধারণ মানুষ প্রথম আবিষ্কার করল যে, কলম আসলে ফুটপাতের ইটের চেয়েও ভয়ংকর রকম্ন শক্তিশালী এবং একে অনায়াসেই ইটের টুকরোর মতো আক্রমণাত্মক করে তোলা সম্ভব! | এই সত্য জানার পরপরই তারা একজন সাংবাদিকের খোঁজ করল, তাকে খুঁজে বের করল, তাকে নিজেদের প্রয়োজনের তাগিদে তথা 'আপনা-সুবিধা' বাস্তবায়নের জন্য গড়ে তুলল এবং শেষ পর্যন্ত তাকে নিজেদের এক পরিশ্রমী ও উচ্চ বেতনের ভৃত্যে পরিণত করল। এটি উভয় পক্ষের জন্যই অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়। যুদ্ধের ব্যারিকেডের পেছনে হয়তো মহত্ত্ব আর বীরত্বের অনেক কিছু থাকতে পারে। কিন্তু সংবাদপত্রের সম্পাদকীয় বা প্রধান নিবন্ধগুলোর পেছনে কুসংস্কার, মূর্খতা, ভণ্ডামি আর নিরর্থক প্রলাপ ছাড়া আর কী-ই বা আছে? আর যখন এই চারটি বিষয় একত্রিত হয়, তখন তারা এক ভয়াবহ শক্তিতে রূপান্তরিত হয় এবং এক নতুন ও একনায়কতান্ত্রিক কর্তৃত্বের সৃষ্টি করে।
** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''[[:w:দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম|দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম]]''''' (১৮৯১); লন্ডন: আর্থার এল. হামফ্রেস (১৯১২ সংস্করণ)। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরি থেকে সংগৃহীত।
* প্রাচীনকালে মানুষের ওপর নির্যাতন করার জন্য 'র্যাক' (The Rack) নামক যন্ত্র ছিল, আর এখন তাদের হাতে আছে সংবাদমাধ্যম বা প্রেস। এটি নিশ্চিতভাবেই একটি উন্নতি বলা যায়। কিন্তু তা সত্ত্বেও এটি অত্যন্ত মন্দ, ভুল এবং নৈতিকভাবে অবক্ষয় সৃষ্টিকারী। কেউ একজন—তিনি কি বার্ক ছিলেন? সাংবাদিকতাকে 'চতুর্থ স্তম্ভ' বা ফোর্থ এস্টেট বলে অভিহিত করেছিলেন। সেই সময়ে সেটি নিঃসন্দেহে সত্য ছিল। কিন্তু বর্তমান মুহূর্তে এটিই আসলে একমাত্র স্তম্ভে পরিণত হয়েছে। কারণ এটি অন্য বাকি তিনটি স্তম্ভকেই গ্রাস করে ফেলেছে। লর্ডস টেম্পোরাল বা উচ্চকক্ষ এখন নিশ্চুপ, লর্ডস স্পিরিচুয়াল বা ধর্মীয় প্রতিনিধিদের বলার মতো কিছুই নেই এবং হাউজ অফ কমন্স বা নিম্নকক্ষের বলার মতো কিছু না থাকলেও তারা অনবরত কথা বলে যাচ্ছে। আমরা এখন পুরোপুরি সাংবাদিকতার আধিপত্য দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হচ্ছি।
** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''[[:w:দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম|দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম]]''''' (১৮৯১); লন্ডন: আর্থার এল. হামফ্রেস (১৯১২ সংস্করণ)। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরি থেকে সংগৃহীত।
* আমেরিকায় প্রেসিডেন্ট মাত্র চার বছরের জন্য রাজত্ব করেন, কিন্তু সাংবাদিকতা সেখানে শাসন চালায় অনন্তকাল ধরে! সৌভাগ্যবশত, ইতোমধ্যে আমেরিকায় 'সাংবাদিকতা' তার ক্ষমতাকে সবচেয়ে জঘন্য এবং পাশবিক চরম সীমায় নিয়ে গেছে। যার স্বাভাবিক পরিণতি হিসেবে এটি মানুষের মাঝে এক বিদ্রোহের চেতনা সৃষ্টি করতে শুরু করেছে! মানুষ এখন তাদের স্বভাব অনুযায়ী এই সাংবাদিকতা দেখে হয় বিনোদিত হয়, না হয় চরম বিরক্ত হয়। কিন্তু এটি আগের মতো আর সেই প্রকৃত প্রভাবশালী শক্তিতে টিকে নেই। মানুষ একে এখন আর খুব একটা গুরুত্ব দেয় না। অন্যদিকে [[w:ইংল্যান্ড|ইংল্যান্ডে]], সুপরিচিত গুটিকতক উদাহরণ ছাড়া সাংবাদিকতাকে যেহেতু এমন পাশবিক চরম সীমায় নিয়ে যাওয়া হয়নি, তাই এটি এখনও একটি বিশাল বড় প্রভাবক এবং এক উল্লেখযোগ্য শক্তি হিসেবে টিকে আছে। মানুষের ব্যক্তিগত জীবনের ওপর এটি যে ধরণের স্বৈরতান্ত্রিক শাসন কায়েম করতে চায়, তা আমার কাছে অত্যন্ত অস্বাভাবিক ও বিস্ময়কর বলে মনে হয়।
** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''[[:w:দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম|দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম]]''''' (১৮৯১); লন্ডন: আর্থার এল. হামফ্রেস (১৯১২ সংস্করণ)। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরি থেকে সংগৃহীত।
* আমরা এখানে সাংবাদিককে নিরঙ্কুশ স্বাধীনতা দিয়েছি, অথচ শিল্পীর পথকে করেছি সম্পূর্ণ কণ্টকাকীর্ণ ও সীমাবদ্ধ। ইংরেজ জনমত মূলত সেই মানুষটিকেই বাধাগ্রস্ত করতে, অবদমিত করতে এবং তাঁর যাত্রাপথকে বিকৃত করতে চায়, যিনি প্রকৃতপক্ষে সুন্দর কিছু সৃষ্টি করেন। অন্যদিকে এটিই আবার সাংবাদিককে বাধ্য করে কুৎসিত, জঘন্য কিংবা বাস্তবিকভাবেই চরম ঘৃণ্য বিষয়গুলো পরিবেশন করতে। আর এর ফলস্বরূপ আমরা একই সাথে বিশ্বের সবচেয়ে গম্ভীর সাংবাদিকতা এবং সবচেয়ে কুরুচিপূর্ণ সংবাদপত্রের অধিকারী হয়েছি।
** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''[[:w:দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম|দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম]]''''' (১৮৯১); লন্ডন: আর্থার এল. হামফ্রেস (১৯১২ সংস্করণ)। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরি থেকে সংগৃহীত।
* প্রকৃত সত্য এই যে, সাধারণ মানুষের মাঝে সবকিছু জানার এক প্রচণ্ড ও অতৃপ্ত কৌতূহল কাজ করে, কেবল সেই বিষয়গুলো ছাড়া যা আসলে জানার মতো কোনো যোগ্যতাই রাখে না। সাংবাদিকতা মানুষের এই চারিত্রিক দুর্বলতা সম্পর্কে পূর্ণ সচেতন এবং এক ধরণের খাঁটি ব্যবসায়িক মানসিকতার অধিকারী হওয়ার ফলে, তারা নিছক মুনাফার দায়ে মানুষের সেই কুরুচিপূর্ণ চাহিদাগুলোই পূরণ করে থাকে।
** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''[[:w:দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম|দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম]]''''' (১৮৯১); লন্ডন: আর্থার এল. হামফ্রেস (১৯১২ সংস্করণ)। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরি থেকে সংগৃহীত।
* আধুনিক সাংবাদিকতার পক্ষে বলার মতো আসলে অনেক কিছু আছে। অল্পশিক্ষিত বা মূর্খদের মতামত আমাদের সামনে উপস্থাপনের মাধ্যমে এটি আমাদের সমাজের সামগ্রিক অজ্ঞতার সাথে নিবিড়ভাবে যুক্ত রাখে। সমসাময়িক জীবনের দৈনন্দিন ঘটনাবলী অত্যন্ত সতর্কতার সাথে ধারাবাহিকভাবে লিপিবদ্ধ করার মাধ্যমে এটি আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয় যে, আদতে এই সব ঘটনার গুরুত্ব কতই না নগণ্য। আর সবসময় অপ্রয়োজনীয় বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে এটি আমাদের বুঝতে সাহায্য করে যে, সংস্কৃতির জন্য ঠিক কোন বিষয়গুলো অপরিহার্য এবং কোনগুলো একেবারেই অকেজো।
** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''দ্য ক্রিটিক অ্যাজ আর্টিস্ট''''' (১৮৯১), দ্বিতীয় খণ্ড।
* আর্নেস্ট: কিন্তু সাহিত্য এবং সাংবাদিকতার মধ্যে প্রকৃত পার্থক্যটি ঠিক কোথায়? গিলবার্ট: পার্থক্য শুধু এইটুকু যে সাংবাদিকতা হলো পাঠের অযোগ্য বিষয়, আর সাহিত্য কেউ সচরাচর পাঠ করে না। সাধারণত, এর বাইরে আর কোনো তফাৎ নেই।
** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''[[:w:দ্য ক্রিটিক অ্যাজ আর্টিস্ট|দ্য ক্রিটিক অ্যাজ আর্টিস্ট]]''''' (১৮৯১), প্রথম খণ্ড; নিউ ইয়র্ক: ব্রেটানোস (১৯০৫ সংস্করণ)। লাইব্রেরি অফ কংগ্রেস থেকে সংগৃহীত।
* আধুনিক সাংবাদিকতার কথা যদি বলেন, তবে এর স্বপক্ষে সাফাই গাওয়া বা একে রক্ষা করা আমার কাজ নয়। এটি ডারউইনের সেই বিবর্তনবাদ তত্ত্ব তথা 'যোগ্যতমের টিকে থাকার লড়াই'—এর পরিবর্তে 'নিকৃষ্টতমের টিকে থাকা' বা সার্ভাইভাল অফ দ্য ভালগারেস্টের মহান মূলনীতির মাধ্যমেই নিজের অস্তিত্বের যৌক্তিকতা প্রমাণ করে।
** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''[[:w:দ্য ক্রিটিক অ্যাজ আর্টিস্ট|দ্য ক্রিটিক অ্যাজ আর্টিস্ট]]''''' (১৮৯১), প্রথম খণ্ড; নিউ ইয়র্ক: ব্রেটানোস (১৯০৫ সংস্করণ)। লাইব্রেরি অফ কংগ্রেস থেকে সংগৃহীত।
* ''ঘুস দিয়ে যদি সাংবাদিককে বশে আনতে চান,<br>তবে আপনাকে নিন্দাবাদ<br />কিংবা নিজ স্বার্থের জন্য যদি বাঁকিয়ে ফেলতেও যান,<br>আপনাকে মুর্দাবাদ,<br />তাই গাহি স্রষ্টার গান!<br>-জনৈক ব্রিটিশ সাংবাদিক<br /><br>তবে, কোনো প্রকার ঘুস ছাড়াই সেই মানুষটি যা যা করতে সক্ষম—<br />তা দেখার পর, তাঁকে ঘুস দেওয়া ছাড়া আর কোন প্রয়োজনটিই অক্ষম!''
** '''''হাম্বার্ট উলফ''''', "ওভার দ্য ফায়ার", ''দ্য আনসেলেস্টিয়াল সিটি'' (১৯৩০), ''রুপান্তরঃ'' '''মাহমুদ''' (২৩ এপ্রিল, ২০২৬)।
* যদি [[:w:মঙ্গল গ্রহ|মঙ্গল গ্রহ]] থেকে কেউ আমেরিকায় আসে এবং সেখানে কয়েক মাস বা কয়েক বছর ঘুরে বেড়ানোর পর আপনি তাকে জিজ্ঞাসা করেন যে, সেখানে কাদের কাজ বা পেশা সবচেয়ে চমৎকার; তবে সে নিশ্চিতভাবেই সাংবাদিকদের কথা বলবে। কারণ সাংবাদিকরা মানুষের জীবনের সেই মুহূর্তগুলোতে প্রবেশ করার সুযোগ পান যখন সেই জীবনগুলো অত্যন্ত আকর্ষণীয় ও রোমাঞ্চকর থাকে, আর ঠিক যখনই আকর্ষণ ফুরিয়ে যায়, তখনই তাঁরা সেখান থেকে নির্বিঘ্নে বেরিয়ে আসতে পারেন।
** '''''[[:w:বব উডওয়ার্ড|বব উডওয়ার্ড]]''''', সাক্ষাৎকার: '''''অ্যাকাডেমি অফ অ্যাচিভমেন্ট''''', (১ মে ২০০৩)।
== Y ==
* আমি সাংবাদিকদের মনে প্রাণে খুব-ই ঘৃণা করি! তাদের ভেতরটা বিদ্রূপাত্মক এবং উপহাসপূর্ণ শূন্যতা ছাড়া আর কিছুই নয়, জাস্ট কিছুই নয়!.. এই পৃথিবীর পৃষ্ঠে তারা হলো সবচেয়ে নিচু প্রকৃতির আর অন্তঃসারশূন্য একদল বুনো মানুষ!
** '''''[[:w:ডব্লিউ. বি. ইয়েটস|ডব্লিউ. বি. ইয়েটস]]''''', ক্যাথরিন টাইন্যানকে লেখা চিঠি (৩০ আগস্ট ১৮৮৮)।
* ''একজন রাষ্ট্রনায়ক বেশ সহজ-সরল ভাবুক,<br />কিন্তু তিনি তো টিয়ে পাখির মতো অনর্গল যন্ত্রতুল্য মিথ্যুক!<br />তবে একজন সাংবাদিক খুব আরামসে ধরতে পারেন আপনার মিথ্যের খুঁটি ,<br />এবং এরপর সেই মিথ্যের জোরেই চেপে ধরেন আপনার টুঁটি।''
** '''''[[:w:ডব্লিউ. বি. ইয়েটস|ডব্লিউ. বি. ইয়েটস]]''''', ''দ্য ওল্ড স্টোন ক্রস'', ''রুপান্তরঃ'' '''মাহমুদ'''।
* বর্তমান সময়ের সাংবাদিকতা, বড় বড় শহরগুলোর সংবাদপত্রগুলোর মধ্যকার পারস্পরিক সম্পর্কের কথা বিবেচনা করলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তাদেরকে বেশ ভদ্রোচিত এবং মার্জিত বলে মনে হয়। কিন্তু সেই দিনগুলোতে নিউ ইয়র্কের দৈনিক পত্রিকাগুলো একে অপরের কর্মকাণ্ড এবং উদ্দেশ্যকে প্রকাশ্যে এমন ঘৃণাভরে আক্রমণ করত, যা সচরাচর পরম সৎ নাগরিকরা ঘোড়া-চোর কিংবা ডাকাতদের প্রতি প্রকাশ করে থাকেন। 'দ্য সানের' ডানা এবং 'দ্য ওয়ার্ল্ডের' পুলিৎজারের মধ্যকার দীর্ঘস্থায়ী দ্বন্দ্ব সে সময় ব্যাপক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ছিল। এমনকি 'ওয়ার্ল্ড' এবং 'হেরাল্ড' পত্রিকা দুটিও প্রায়ই একে অপরের ওপর নেকড়ের মতো ক্ষিপ্ত হয়ে গর্জন করত।
** '''''আর্ট ইয়ং: হিজ লাইফ অ্যান্ড টাইমস''''' (১৯৩৯)।
===''হয়েটস নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস''===
:<small>'''''[[s:en:Hoyt's New Cyclopedia Of Practical Quotations (1922)|হয়েটস নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস]]''''' (১৯২২), পৃ. ৪০৭-০৮ থেকে প্রতিবেদনকৃত উদ্ধৃতিসমূহ।</small>
* আমি তাঁদের মঙ্গলের জন্য অত্যন্ত আন্তরিকভাবে এই পরামর্শ দেব—যেন তাঁরা এই সংবাদপত্রটি নিয়মিত সংগ্রহ করার আদেশ দেন এবং একে তাঁদের প্রতিদিনের বৈকালিক আপ্যায়নের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে গণ্য করেন।
** [[জোসেফ অ্যাডিসন|'''''জোসেফ অ্যাডিসন''''',]] ''স্পেকটেটর'', সংখ্যা ১০।
* তারা আমাদের কাগজ তৈরির শিল্পের একটি বিশাল অংশ ভোগ করে, মুদ্রণ কাজে আমাদের কারিগরদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে এবং অগণিত দরিদ্র ও অভাবী মানুষের জন্য জীবিকা নির্বাহের পথ প্রশস্ত করে দেয়।
** '''''[[জোসেফ অ্যাডিসন]]''''', ''স্পেকটেটর'', সংখ্যা ৩৬৭।
* বিজ্ঞাপন সাধারণ বা নিম্নবিত্ত মানুষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী একটি মাধ্যম। প্রথমত, এটি উচ্চাকাঙ্ক্ষা পূরণের হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে। একজন মানুষ যিনি কোনোভাবেই সরকারি গেজেটে স্থান পাওয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ নন, তিনি খুব সহজেই বিজ্ঞাপনের পাতায় নিজেকে ঢুকিয়ে দিতে পারেন। যার ফলে আমরা প্রায়ই দেখি একই সংবাদপত্রে একজন সাধারণ ওষুধ বিক্রেতা বা কবিরাজ একজন পূর্ণ ক্ষমতাপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূতের পাশে স্থান পেয়েছেন, কিংবা একজন সাধারণ বার্তাবাহক কোনো উচ্চপদস্থ দূতের সাথে একই সারিতে দাঁড়িয়ে আছেন।
** '''''[[জোসেফ অ্যাডিসন]]''''', ''ট্যাটলার'', সংখ্যা ২২৪।
* বিজ্ঞাপন লেখার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় কৌশল বা শিল্প হলো পাঠকের দৃষ্টি আকর্ষণ করার সঠিক পদ্ধতিটি খুঁজে বের করা। কারণ এই কৌশল ছাড়া একটি অত্যন্ত চমৎকার বস্তুও হয়তো অলক্ষিতও থেকে যেতে পারে, কিংবা দেউলিয়া হওয়ার সংবাদের ভিড়ে কোথাও হারিয়ে যেতে পারে।
** '''''[[জোসেফ অ্যাডিসন]]''''', ''ট্যাটলার'', সংখ্যা ২২৪।
* জিজ্ঞেস করছেন কীভাবে জীবন ধারণ করবেন? লিখুন, লিখুন, যা খুশি তা-ই লিখুন;<br>এই পৃথিবীটা এক চমৎকার বিশ্বাসপ্রবণ জগত, তাই স্রেফ সংবাদ লিখে যান।
** '''''বিউমন্ট এবং ফ্লেচার''''', ''উইট উইদাউট মানি'', দ্বিতীয় অংক।
* [বিরোধী সংবাদমাধ্যম] মূলত এমন সব অসন্তুষ্ট ও ঈর্ষাপরায়ণ ব্যক্তিদের হাতে ন্যস্ত থাকে, যারা নিজেদের কর্মজীবনে শোচনীয়ভাবে ব্যর্থ হয়েছে।
** '''''[[:w:অটো ফন বিসমার্ক|অটো ফন বিসমার্ক]]''''', রুজেনের একটি প্রতিনিধি দলের নিকট রাজার উদ্দেশে (১০ নভেম্বর ১৮৬২)।
* ''শোনো ওহে কেকের দেশ, আর স্কটল্যান্ডের ভাইয়েরা,<br>মেইডেনকার্ক থেকে জনি গ্রোটস—স্কল প্রান্তের মানুষেরা;<br>যদি তোমাদের পোশাকে কোনো তালি থাকে,<br>তবে সতর্ক করছি, তোমাদের সত্তা যেন সাবধানে থাকে।<br>তোমাদের মাঝে এমন এক আপদ বিদ্যমান, যে তুমাদের মাঝে কান পাতছে<br>এবং বিশ্বাস করো, সে নির্ঘাত তা সংবাদে ছাপিয়ে দিতে যাচ্ছে!''
** '''''[[:w:রবার্ট বার্নস|রবার্ট বার্নস]]''''', ''অন ক্যাপটেন গ্রোস'স পেরেগ্রিনেশনস থ্রু স্কটল্যান্ড, রূপান্তরঃ '''মাহমুদ''' (২৩ এপ্রিল, ২০২৬)।''
* ''সম্পাদক তাঁর নিরব আলয়ে পড়ছে ঢুলে ঢুলে, অসম চিন্তার ভাঁজ তার কপালে,<br>মন তাঁর নিমগ্ন ব্যবসার অতলসম তলে, আর পা জোড়া তোলা চেয়ারের হাতলে,<br>এক হাত চেয়ারে ঠেকানো আর ডান হাত মাথায়টায়,<br>ধুলোমাখা মলিন টেবিলে তাঁর চোখ জোড়া ঠেকানো আর নথির পাহাড় ছড়িয়ে সেথায়!''
** '''''উইল কার্লটন''''', ''ফার্ম ব্যালাডস'', ''দ্য এডিটর'স গেস্টস, রূপান্তরঃ '''মাহমুদ''''' (২৩ এপ্রিল, ২০২৬)।
* এডমন্ড বার্ক বলেছিলেন যে পার্লামেন্টে তিনটি স্তম্ভ বা এস্টেট রয়েছে; কিন্তু ওই দূরে প্রতিবেদকদের গ্যালারিতে এমন এক 'চতুর্থ স্তম্ভ' উপবিষ্ট আছে যা অন্য সবার চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
** '''''[[:w:টমাস কার্লাইল|টমাস কার্লাইল]]''''', '''''হিরোস অ্যান্ড হিরো-ওয়ারশিপ''''', বক্তৃতা ৫। বার্ককে এই শব্দটি উদ্ভাবনের কৃতিত্ব দেওয়া হলেও তাঁর প্রকাশিত কোনো রচনায় এর উল্লেখ পাওয়া যায় না। 'রাজ্যের তিনটি স্তম্ভ' হলো '''Lords Spiritual''' বা ধর্মীয় প্রতিনিধি, '''Lords Temporal''' উচ্চকক্ষ এবং '''Commons''' (নিম্নকক্ষ)। ডেভিড লিন্ডসে ১৫৩৫ সালে তাঁর 'অ্যান প্লেজেন্ট স্যাটায়ার অফ দ্য থ্রি এস্টেটসে' এর বর্ণনা দিয়েছেন। রাবেলে তাঁর 'পান্তাগ্রুয়েলে'(৪-৪৮) একজন সন্ন্যাসী, একজন বাজপাখি শিকারি, একজন আইনজীবী এবং একজন কৃষককে দ্বীপের '''Les quatre estatz de l'isle''' বা 'চারটি স্তম্ভ' হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
* একটি পার্লামেন্ট বা সংসদ, যা কি না সাংবাদিকদের মাধ্যমে বানকম্বের জনগণের কাছে এবং সেই দুই কোটি সত্তর লক্ষ মানুষের কাছে কথা বলে, যাঁদের অধিকাংশকেই নির্বোধ হিসেবে গণ্য করা যায়।
** '''''[[:w:টমাস কার্লাইল|টমাস কার্লাইল]]''''', '''''লেটার ডে প্যামফ্লেটস''''', সংখ্যা ৬: পার্লামেন্ট।
* প্রথমে আপনার প্রয়োজনীয় তথ্যগুলো সঠিকভাবে সংগ্রহ করুন, আর তারপর আপনি নিজের ইচ্ছেমতো সেগুলোকে যত খুশি বিকৃত করতে পারেন।
** '''''[[:w:মার্ক টোয়েন|মার্ক টোয়েন]]''''', কিপলিংয়ের সাথে সাক্ষাৎকার; '''''ইন ফ্রম সি টু সি''''', পত্র ৩৭।
* স্রেফ একটি সংবাদপত্র! যা দ্রুত পড়া হয় এবং দ্রুতই হারিয়ে যায়,<br>কে আর হিসাব রাখে সেই অমূল্য রত্নভাণ্ডারের, যা এটি বহন করে নিয়ে যায়?<br>ছিন্নভিন্ন হয়ে পায়ের তলায় পিষ্ট হওয়া সেই উজ্জ্বল নক্ষত্রের মতো মেধার মূল্যই বা ক’জন দেয়?
** '''''মেরি ক্লেমার''''', ''দ্য জার্নালিস্ট'', স্তবক ৯।
* নিজের প্রজন্মের সেবা করাই তোমার নিয়তি—<br>জলের ওপর যেমন নাম লিখলে তা মুছে যায়, ঠিক তেমনি তোমার নামও দ্রুতই মিলিয়ে যাবে।<br>কিন্তু যে ব্যক্তি মানবতাকে ভালোবাসেন, তিনি আদিতে ও অন্তে এমন এক মহান কর্ম সম্পাদন করেন যা খ্যাতির গণ্ডির চেয়েও অনেক বড়।
** '''''মেরি ক্লেমার''''', ''দ্য জার্নালিস্ট'', অন্তিম স্তবক।
* আমার মনে হয় কোথাও বলা হয়েছে যে—'দ্য টাইমস' এর একটি মাত্র সংখ্যায় থুসিডাইডিসের সমগ্র ঐতিহাসিক রচনার চেয়েও অনেক বেশি দরকারী ও কার্যকর তথ্য নিহিত থাকে।
** '''''রিচার্ড কবডেন''''', ম্যানচেস্টার অ্যাথেনিয়ামে প্রদত্ত ভাষণ (২৭ ডিসেম্বর ১৮৫০)। দেখুন: দ্য টাইমস, ৩০ ডিসেম্বর ১৮৩০, পৃ. ৭; মর্লির 'লাইফ অফ কবডেনে' উদ্ধৃত, ২য় খণ্ড, পৃ. ৪২৯।
* যদি মৈত্রীর চেতনা সর্বত্র জয়ী হতো, তবে এই সংবাদমাধ্যম বা প্রেস নিশ্চিতভাবেই<br>সততা, সত্য এবং ভালোবাসার এক মহান বাহন হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করত।
** '''''উইলিয়াম কাউপার''''', ''চ্যারিটি'', লাইন ৬২৪।
* কীভাবে আমি তোমার প্রশংসা করব, বা কিভাবে সম্বোধিত হবে সেই পরাক্রমী অনড়,<br>হে সংবাদমাধ্যম—তুমিই তো আমাদের এই পৌত্তলিক আরাধনার অধিশ্বর!<br>* * * * *<br>স্বর্গের সেই নিষিদ্ধ জ্ঞানবৃক্ষের সাথেই,<br>ভালো এবং মন্দের যাবতীয় জ্ঞান তো প্রেরিত হয় তোমার মাধ্যমেই!
** '''''উইলিয়াম কাউপার''''', ''প্রোগ্রেস অফ এরর'', লাইন ৪৫২, ''বাংলায় কাব্যিক রুপান্তরঃ'' '''মাহমুদ''' (১৩ এপ্রিল, ২০২৬)।
* তিনি এসেছেন, এক অশান্ত মহাবিশ্বের বার্তাবাহক হয়ে—<br>কর্দমাক্ত বুট, কোমরবন্ধনীতে বাঁধা পোশাক আর জমে থাকা তুষারশুভ্র চুলের অবয়ব নিয়ে;<br>মহাবিশ্বের তাবৎ সংবাদ ঝুলছে তার পিঠে আকাশসম বোঝা হয়ে!
** '''''উইলিয়াম কাউপার''''', ''দ্য টাস্ক'' (১৭৮৫), চতুর্থ খণ্ড, লাইন ৫, ''রুপান্তরঃ'' '''মাহমুদ'''।
* যখনই কোনো মূল্যবান তথ্যের সন্ধান পাবেন, তখনই তা টুকে রাখুন।
** '''''[[:w:চার্লস ডিকেন্স|চার্লস ডিকেন্স]]''''', ''ডম্বি অ্যান্ড সান'', ১৫তম অধ্যায়।
* বিবিধ বিষয়ের লেখকরাই প্রতিটি জাতির কাছে সবচেয়ে জনপ্রিয় লেখক হিসেবে সমাদৃত হন। কারণ তাঁরাই মূলত শিক্ষিত এবং অশিক্ষিত সামাজিক স্তরের মধ্যে যোগাযোগের একটি সেতুবন্ধন তৈরি কর যান, যেন জন মানুষের এই দুটি বিশাল স্তর বা বিভাগের মাঝখানে তাঁরা এক শৈল্পিক সেতু নির্মাণ করে দিতে পারেন।
** '''''আইজ্যাক ডি'ইজরায়েলি''''', ''লিটারারি ক্যারেক্টার অফ মেন অফ জিনিয়াস'', বিবিধ লেখক বিভাগ।
* আমাদের রাজনৈতিক লেখকদের কেউই... রাজা, লর্ডস এবং কমন্স, এই তিনটি স্তম্ভ বা এস্টেটের বাইরে অন্য কিছুর দিকে নজর দেন না... তাঁরা অত্যন্ত সুকৌশলে সেই বিশাল ও প্রভাবশালী অংশটিকে এড়িয়ে যান যারা এই সমাজের প্রকৃত 'চতুর্থ স্তম্ভ' গঠন করে... আর সেই শক্তিটি হলো 'জনসাধারণ' বা গণমানুষের ভিড়।
** '''''[[:w:হেনরি ফিল্ডিং|হেনরি ফিল্ডিং]]''''', ''কোভেন্ট গার্ডেন জার্নাল'' (১৩ জুন ১৭৫২)।
* যদি কেলেঙ্কারির অভাবের কারণে হয় মানসিক অবসাদ<br>আমাদের প্রিয় নারীদের ব্যথিত করে—তবে তাঁদের পড়তে দিন সংবাদ।
** '''''ডেভিড গ্যারিক''''', শেরিডানের 'স্কুল ফর স্ক্যান্ডাল' এর প্রস্তাবনা।
* সংবাদপত্রের স্বাধীনতা হলো একজন ইংরেজ নাগরিকের সমস্ত দেওয়ানি, রাজনৈতিক এবং ধর্মীয় অধিকারের এক অপরাজেয় সুরক্ষাকবচ বা প্যালাডিয়াম।
** '''''[[:w:জুনিয়াস (লেখক)|জুনিয়াস]]''''', ''ডেডিকেশন টু লেটারস''।
* একজন সংবাদ লেখকের সর্বোচ্চ দৌড় হলো রাজনীতির ওপর কিছু অন্তঃসারশূন্য যুক্তি প্রদান করা এবং সরকারি ব্যবস্থাপনার ওপর ভিত্তিহীন ও বৃথা অনুমান করা।
** '''''জঁ দ্য লা ব্রুয়েয়ার''''', ''দ্য ক্যারেক্টারস অর ম্যানার্স অফ দ্য প্রেজেন্ট এজ'' (১৬৮৮), প্রথম অধ্যায়।
* একজন সংবাদ লেখক রাতের বেলা অত্যন্ত প্রশান্তির সাথে এমন একটি সংবাদের ওপর ভরসা করে ঘুমোতে যান যা ভোরের আলো ফোটার আগেই দেখা যায় পচে নষ্ট হয়ে যায়! এবং ঘুম থেকে ওঠার সাথে সাথেই তিনি তা আবর্জনার মতো ছুঁড়ে ফেলে দিতে বাধ্য হন।
** '''''জঁ দ্য লা ব্রুয়েয়ার''''', ''দ্য ক্যারেক্টারস অর ম্যানার্স অফ দ্য প্রেজেন্ট এজ'' (১৬৮৮), প্রথম অধ্যায়।
* '''প্রতিটি সংবাদপত্রের সম্পাদক শয়তানের কাছে তাঁর আনুগত্যের খাজনা দিতে বাধ্য!'''
** '''''[[:w:জঁ দ্য লা ফোঁতেন|জঁ দ্য লা ফোঁতেন]]''''', ''লেত্রে আ সিমোঁ দ্য ত্রোয়া'' (১৬৮৬)।
* সংবাদপত্র সবসময়ই কৌতূহল জাগিয়ে তোলে। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো, এক রাশ চরম হতাশার অনুভূতি ছাড়া কেউই সংবাদপত্র পাঠ শেষ করে তা সরিয়ে রাখতে পারেন না।
** '''''চার্লস ল্যাম্ব''''', ''এসেস অফ এলিয়া'': 'ডিট্যাচড থটস অন বুকস অ্যান্ড রিডিং'।
* দেখুন, এই বিশাল বিস্তৃত পৃথিবীটা প্রতি সপ্তাহে একটি বাদামী কাগজের (সংবাদ পত্র) মোড়কে বন্দি হয়ে আমার কাছে পাঠানো হয়।
** '''''[[:w:জেমস রাসেল লোয়েল|জেমস রাসেল লোয়েল]]''''', ''বিগলো পেপারস'', প্রথম সিরিজ, সংখ্যা ৬।
* '''আমি এক লক্ষ বেয়োনেটের চেয়ে তিনটি সংবাদপত্রকে অনেক বেশি ভয় পাই।'''
** '''''[[:w:নেপোলিয়ন বোনাপার্ট|প্রথম নেপোলিয়ন]]'''''।
* ওয়াশিংটনের হোয়াইট হাউসের তুলনায় [[w:নিউ_ইয়র্ক_শহর|নিউ ইয়র্কের]] এই সস্তা এক-পেনির সংবাদপত্রগুলোই এদেশ শাসনে অনেক বেশি কার্যকর ভূমিকা পালন করে।
** '''''ওয়েন্ডেল ফিলিপস'''''।
* আমরা মূলত একদল মানুষ যারা কিছু প্রভাতী সংবাদপত্র দ্বারা চালিত একটি সরকারের শাসনাধীনে বসবাস করছি।
** '''''ওয়েন্ডেল ফিলিপস'''''।
* সংবাদমাধ্যম হলো বাতাসের মতো অবারিত এবং এক সনদপ্রাপ্ত স্বেচ্ছাচারী শক্তি।
** '''''উইলিয়াম পিট''''', লর্ড গ্রেনভিলকে উদ্দেশ্য করে (প্রায় ১৭৫৭ সালে)।
* একদল অভিজাত ও সচ্ছল মানুষের ভিড়, যারা অত্যন্ত অনায়াসে এবং সাবলীলভাবে এতে লিখে যেতে পারেন।
** '''''অ্যালক্সান্ডার পোপ''''', ''এপিসেলস অফ হোরেস'', দ্বিতীয় খণ্ড, প্রথম পত্র, লাইন ১০৮।
* বিষয়টি যেহেতু লিখিত আকারে আছে, সেহেতু এটিকে ধ্রুব সত্যই হতে হবে।
** '''''ফ্রঁসোয়া রাবলে''''', ''পান্তাগ্রুয়েল''।
* এটা কি কোনোভাবে মেনে নেওয়া সম্ভব যে কোনো শিক্ষিত ব্যক্তি এক-পেনির এই সস্তা কাগজগুলো থেকে জানার মতো প্রয়োজনীয় কিছু শিখতে পারেন? হয়তো বলা হতে পারে যে মানুষ এর মাধ্যমে পার্লামেন্টে কী বলা হচ্ছে তা জেনে নিতে পারে। কিন্তু ভালো করে ভেবে দেখুন তো, সেটি কি তাঁদের প্রকৃত শিক্ষা বা জ্ঞানার্জনে বিন্দুমাত্র কোনো অবদান রাখতে পারছে?
** '''''লর্ড সলসবরি''''' (রবার্ট সেসিল), ভাষণ: দ্য হাউজ অফ কমন্স, ১৮৬১; 'কাগজ শুল্ক বিলোপ' সংক্রান্ত বিতর্কে।
* সংবাদপত্র! মশাই, ওগুলো হলো পুরোপুরি চরম পাপিষ্ঠ, লাগামহীন, জঘন্য এবং নারকীয় বস্তুর সমষ্টি! যদিও আমি ওগুলো কখনোই পড়ি না এবং আমি ইতিমধ্যেই নিয়ম করে ফেলেছি যে আমি কখনোই কোনো সংবাদপত্রের দিকে চোখ তুলে তাকাব না।
** '''''রিচার্ড ব্রিনসলে শেরিডান''''', ''দ্য ক্রিটিক'', প্রথম অংক, প্রথম দৃশ্য।
* ''ব্যবসায়ী ততক্ষণ পর্যন্ত তাঁর কর্মচঞ্চল দিনটির শুরু হয়েছে বলে করছেনা গণন,<br>যতক্ষণ না তাঁদের তীক্ষ্ণ দৃষ্টি সংবাদপত্রের ওপর দিয়ে করছেনা আলিঙ্গন!<br>তরুণী মেয়েটি তাঁর হাতের সেলাইয়ের কাজ সরিয়ে রাখে দূরে,<br>এবং সহপাঠিনীর বিয়ের খবর পড়ে আফসোস করে!<br>অন্যদিকে প্রবীন মা তাঁর চশমাটি চোখে এঁটে নেন,<br>এবং কোনো এক বন্ধুর বিদায়ের খবর পড়ে এক ফোঁটা অশ্রু বিসর্জন দেন।<br>এমনকি ধর্মপ্রচারকগ্ণও রবিবারের জন্য ধর্মীয় আলোচনার পাতাটি সরিয়ে রাখেন—<br>শহরের নব-উন্মাদনা চারিপাশ কোথাই মাতাচ্ছে তা জানার কৌতূহলে,<br>সে খবর আনন্দময় কিংবা বিষাদময় হোক, জীবনের তুচ্ছতম কিংবা [[মহত্ত্ব|মহত্ত্বের]] বেড়াজালে—<br>মোরগ লড়াই থেকে শুরু করে রাজায় রাজায় যুদ্ধের রণ-তালে-তালে!''
** '''''স্প্রাগ''''', ''কিউরিওসিটি, বাংলায় রূপান্তরঃ'' '''মাহমুদ''' ''(২৩ এপ্রিল, ২০২৬) ।''
* ''এই সংবাদমাধ্যমই জনমানুষের অধিকারে অক্ষুণ্ণ,<br>যেন প্রতিপত্তির কাছে নতি স্বীকার না করে এবং লাভের মোহে না হয় ক্ষুণ্ণ;<br>এখানেই দেশপ্রেমিক তাঁর আদর্শের লিপিতে চিরনিবন্ধ,<br>ধর্ম, স্বাধীনতা এবং আইনের রক্ষক হিসেবে থাকবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।''
** '''''[[:w:জোসেফ স্টোরি|জোসেফ স্টোরি]]''''', ''সালেম রেজিস্টারের'' মূলমন্ত্র (১৮০২ সালে গৃহীত)। উইলিয়াম ডব্লিউ স্টোরি রচিত ''লাইফ অফ জোসেফ স্টোরি'', প্রথম খণ্ড, ৬ষ্ঠ অধ্যায়ে বর্ণিত, ''রূপান্তরঃ'' '''মাহমুদ।'''
* সম্পাদকের চেয়ারের কুশনে লুকিয়ে থাকা এক তীক্ষ্ণ কণ্টক।
** '''''[[:w:উইলিয়াম মেকপিস থ্যাকারায়|উইলিয়াম মেকপিস থ্যাকারায়]]''''', ''রাউন্ডঅবাউট পেপারস'': 'দ্য থর্ন ইন দ্য কুশন'।
== আরোপিত বা অ্যাট্রিবিউটেড ==
* গণমাধ্যম নির্ভুলতা সংক্রান্ত নোলের নীতি: সংবাদপত্রে আপনি যা কিছু পড়েন তার প্রতিটি অক্ষরই ধ্রুব সত্য—কেবল সেই বিরল সংবাদটি ছাড়া যে বিষয়টি সম্পর্কে আপনার একান্ত ব্যক্তিগতভাবে প্রত্যক্ষ জ্ঞান রয়েছে।
** '''''আরউইন নোল''''', সম্পাদক, ''দ্য প্রোগ্রেসিভ''।
* আমেরিকায় প্রেসিডেন্ট মাত্র চার বছরের জন্য শাসন করেন, কিন্তু সাংবাদিকতা সেখানে রাজত্ব চালায় চিরকাল।
** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]'''''; লোইস আগস্ট জেনিস রচিত ''ভয়েজ টু ইনসাইট'' (২০০৩), পৃ. ৭০ এ উদ্ধৃত।
* যখন একটি কুকুর কোনো মানুষকে কামড়ায়, সেটি কোনো সংবাদ নয়; কারণ এমন ঘটনা অহরহ ঘটে থাকে। কিন্তু যদি কোনো মানুষ একটি কুকুরকে কামড়ে দেয়, তবে সেটিই হলো প্রকৃত সংবাদ।
** '''''জন বি. বোগার্ট''''', 'নিউ ইয়র্ক সানের' সম্পাদক; ''বার্টলেট'স ফ্যামিলিয়ার কোটেশনসে'' আরোপিত (১৬তম সংস্করণ, ১৯৯২), পৃ. ৫৫৪। আরও দেখুন: [[:w:ম্যান বাইটস ডগ|ম্যান বাইটস ডগ]]।
* ঔপন্যাসিকদের বড় বড় 'মহৎ আইডিয়া' বা তাত্ত্বিক চিন্তাভাবনা নিয়ে আমি খুব একটা মাথা ঘামাই না। উপন্যাস নিশ্চিতভাবেই চমৎকার বিষয়, তবে পড়ার ক্ষেত্রে আমি সংবাদপত্রকেই বেশি প্রাধান্য দিই।
** '''''উইল কাপি''''', স্ট্যানলি জে. কুনিটজ এবং হাওয়ার্ড হ্যাব্রাফট সম্পাদিত ''টোয়েন্টিয়েথ সেঞ্চুরি অথরস'' (১৯৪২), নিউ ইয়র্ক: এইচ. ডব্লিউ. উইলসন কোম্পানি, পৃ. ৩৪২।
* সাংবাদিকতা হলো ইতিহাসের প্রথম খসড়া। মূলত ভিন্ন একটি রূপে প্রথম প্রকাশিত হয়—“সংবাদ বা সংবাদমাধ্যম হলো ইতিহাসের প্রথম অমসৃণ খসড়া”। এই আধুনিক রূপটি অন্তত ১৯৪০ এর দশক থেকে প্রচলিত এবং সম্ভবত ''ওয়াশিংটন পোস্টের'' সম্পাদকীয় লেখক '''''অ্যালান বার্থ''''' এটিকে জনপ্রিয় করে তুলেছিলেন। সেই সময়কার প্রকাশিত ''ওয়াশিংটন'' ''পোস্টের'' সম্পাদকীয় পাতায় এই ভাবনার প্রতিফলন একাধিকবার দেখা যায়, যার মধ্যে বার্থের প্রথম উদ্ধৃতিটি ১৯৪৩ সালের: '''"সংবাদ হলো ইতিহাসের প্রথম অমসৃণ খসড়া মাত্র।"'''
::* '''''অ্যালান বার্থ''''', হ্যারল্ড এল. ইক্সেস রচিত ''দ্য অটোবায়োগ্রাফি অফ আ কারমাজিয়ন'' এর পর্যালোচনা, ''নিউ রিপাবলিক'' (১৯৪৩), ভলিউম ১০৮, পৃ. ৬৭৭ থেকে সংগৃহীত।
:* ''ওয়াশিংটন পোস্টে'' এর পরবর্তী ব্যবহারগুলো হলো:
:: সংবাদপত্র হলো আসলে ইতিহাসের প্রথম খসড়া, অথবা অন্তত তারা তেমন হওয়ার ভান করে থাকে!
::* নামবিহীন "সম্পাদকের টীকা", ''দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট'' (১৬ অক্টোবর ১৯৪৪)।
:* বিংশ শতাব্দীর প্রথম দশকেও একই ধরনের ভাবধারা পরিলক্ষিত হয়, যার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছেঃ [http://www.barrypopik.com/index.php/new_york_city/entry/first_draft_of_history_journalism/ “ইতিহাসের প্রথম খাসড়া” (সাংবাদিকতা)], ২৩ নভেম্বর ২০০৯, ব্যারি পপিক।
:: এটি অত্যন্ত সম্ভবপর যে, ৪১৩ অব্দ পর্যন্ত 'ইতিহাসের একটি প্রাথমিক ও অমসৃণ খসড়া' হয়তো ৪০৫ অব্দের আগেই থুসিডাইডিস কর্তৃক রূপরেখা আকারে প্রস্তুত করা হয়েছিল।
::* (এখানে “সংবাদ” শব্দটি বাদ দেওয়া হয়েছে এবং একটি নির্দিষ্ট পাঠ্যকে নির্দেশ করা হয়েছে) ১৯০২, '''''রিচার্ড ক্ল্যাভারহাউস জেব''''', [http://www.1902encyclopedia.com/T/THU/thucydides.html থুসিডাইডিস], এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা, ১০ম সংস্করণ (১৯০২)। ২০১০ সালে শেফারের মন্তব্যে ব্যাবেট হোগান কর্তৃক উদ্ধৃত।
:: সংবাদপত্রগুলো প্রতিদিন প্রভাতে 'ইতিহাসের একটি অমসৃণ খসড়া' তৈরি করে চলেছে। পরবর্তীতে ঐতিহাসিকগণ আসবেন, পুরোনো নথিপত্রগুলো হাতে নেবেন এবং সম্পাদক ও সংবাদদাতাদের সেই অপরিশোধিত অথচ আন্তরিক ও নির্ভুল বিবরণীগুলোকে প্রকৃত ইতিহাস ও কালোজয়ী সাহিত্যে রূপান্তরিত করবেন। আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থাকে অবশ্যই এই দৈনিক সংবাদপত্রের গুরুত্ব অনুধাবন করতে হবে।
::* (এখানে “প্রথম” শব্দটি বাদ দেওয়া হয়েছে) ৫ ডিসেম্বর ১৯০৫, দ্য স্টেট, “[http://blog.readex.com/wp-content/uploads/2010/10/TP-State-News-Draft-Dec-5-1905.pdf সংবাদের শিক্ষামূলক মূল্য]”, পৃ. ৪, কলাম ৪, কলাম্বিয়া, সাউথ ক্যারোলাইনা। টনি পেত্তিনাতো কর্তৃক ৪ অক্টোবর ২০১০ তারিখে উদ্ধৃত। 'কোট ইনভেস্টিগেটর' এর গারসন ও'টুল এটি জিনিয়লজি-ব্যাংক ডাটাবেস থেকে সংগ্রহ করেছেন।
:: একজন প্রতিবেদক হলেন সেই তরুণ যুবক, যিনি প্রতিদিন একটি জরাজীর্ণ ও শব্দজব্দ টাইপরাইটারের ওপর 'ইতিহাসের প্রথম খসড়াটি' অত্যন্ত নিপুণভাবে অঙ্কন করেন।
::* (এখানে “অমসৃণ” শব্দটি বাদ দেওয়া হয়েছে) ৩ জুলাই ১৯১৪, লিঙ্কন (NE) ডেইলি স্টার, '''''জর্জ ফিচের''''' লেখা “দ্য রিপোর্টার”, পৃ. ৬, কলাম ৪।
:* এই উক্তিটি সাধারণত ভুলভাবে '''''ফিলিপ এল. গ্রাহাম এর''''' নামে দায়ী করা হয়, যা তিনি ১৯৬৩ সালে লন্ডনে 'নিউজউইক' প্রতিনিধিদের উদ্দেশ্যে দেওয়া একটি ভাষণে বলেছিলেন বলে মনে করা হয়: “[http://www.slate.com/id/2265540/pagenum/all এটি প্রথম কে বলেছিলেন? সাংবাদিকতা হলো 'ইতিহাসের প্রথম অমসৃণ খসড়া'।]”, '''''জ্যাক শেফার''''', ''স্লেট'' (৩০ আগস্ট ২০১০); ''পার্সোনাল হিস্ট্রি'' (১৯৯৭), '''''ক্যাথরিন গ্রাহাম'''''।
:: সুতরাং, আসুন আমরা আমাদের সেই অনিবার্য এবং অসম্ভব কাজের পেছনে অবিরাম শ্রম দিয়ে যাই—যা হলো প্রতি সপ্তাহে 'ইতিহাসের এমন একটি প্রথম অমসৃণ খসড়া' সরবরাহ করা, যা আসলে কখনোই সম্পন্ন হবে না; কারণ এই জগতকে আমরা কখনোই পুরোপুরি অনুধাবন করতে পারব না।
:* যদিও এই ভাষণটি উক্তিটিকে ব্যাপকভাবে জনপ্রিয় করেছিল, তবে এর আগেও গ্রাহাম নিজে এবং অন্য অনেকে (উপরে উল্লিখিত) একই ধরণের বক্তব্য প্রদান করেছিলেন:
:: সংবাদমাধ্যমের এই অপরিহার্য ক্ষিপ্রতা বা তাড়াহুড়ো অনিবার্যভাবেই এক ধরণের অগভীরতাকে সঙ্গী করে আনে। পরম গভীরতা অর্জন করা না আমাদের ক্ষমতার মধ্যে আছে, আর না তা আমাদের অধিকারভুক্ত। আমরা বছরের ৩৬৫ দিন জুড়েই 'ইতিহাসের প্রথম অমসৃণ খসড়া' লিখে চলি, এবং এটি সত্যিই এক অত্যন্ত মহৎ ও বিশাল দায়িত্ব।
::* আমেরিকান সোসাইটি ফর পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশনে প্রদত্ত ভাষণ (৮ মার্চ ১৯৫৩); “[http://www.jstor.org/stable/972460 পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অ্যান্ড দ্য প্রেস]” থেকে প্রকাশিত, ফিলিপ এল. গ্রাহাম, ''পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন রিভিউ'', ভলিউম ১৩, সংখ্যা ২ (বসন্ত, ১৯৫৩), পৃ. ৮৭-৮৮।
:* এছাড়াও আরও নানা ধরণের ভুল আরোপ বা অ্যাট্রিবিউশন বিদ্যমান—'''''হেলেন থমাস''''' তাঁর স্মৃতিকথা 'ফার্স্ট রো অ্যাট দ্য হোয়াইট হাউসে' উক্তিটিকে ভুলবশত '''''বেন ব্র্যাডলির''''' নামে চালিয়ে দিয়েছেন।
** '''''হেলেন থমাস''''', ''ফ্রন্ট রো অ্যাট দ্য হোয়াইট হাউস: মাই লাইফ অ্যান্ড টাইমস'' (২০০০), সাইমন অ্যান্ড শুস্টার, পৃ. ৩৮৩, ISBN 0684845687।
== আরও দেখুন ==
* [[w:গণমাধ্যম|বিকল্প ধারার গণমাধ্যম]]
* [[:w:অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা|অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা]]
* [[:w:সংবাদ|সংবাদ]]
* [[:w:সংবাদপত্র|সংবাদপত্র]]
* [[:w:মূলধারার গণমাধ্যম|মূলধারার গণমাধ্যম]]
* [[w:গণমাধ্যম_সংস্কৃতি|গণমাধ্যম সংস্কৃতি]]
== বহিঃসংযোগ ==
{{similarlinks}}
* [https://www.fourthestate.org/journalism-quotes/ ফোর্থ এস্টেটে সাংবাদিকতা বিষয়ক উল্লেখযোগ্য উদ্ধৃতিসমূহ]
[[বিভাগ:সাংবাদিকতা| ]]
[[বিষয়শ্রেণী:সাংবাদিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:সাংবাদিকতা]]
[[বিষয়শ্রেণী:গণমাধ্যম]]
rap4m18pfl6cxn7a0528gvr1a9eokha
প্রজননবিরোধবাদ
0
12730
83302
83091
2026-05-03T01:36:28Z
ARI
356
পরিষ্কারকরণ
83302
wikitext
text/x-wiki
[[File:Brooklyn Museum - L'Ouie - Honoré Daumier.jpg|thumb|শিশু ভূমিষ্ঠ হওয়ার পরপরই যে মা তাকে পৃথিবীতে এনেছেন, তাকে অবশ্যই সন্তানকে সান্ত্বনা দিতে হবে। তার কান্না থামাতে হবে এবং তাকে দেওয়া অস্তিত্বের বোঝাকে হালকা করতে হবে। সন্তানকে সান্ত্বনা দেওয়া এবং বেঁচে থাকতে উৎসাহিত করা শৈশব ও কৈশোরে ভালো বাবা-মায়ের অন্যতম প্রধান কর্তব্য। কারণ দীর্ঘ অভিজ্ঞতা বা বেশি দিন বাঁচার কারণে যারা কষ্টে অভ্যস্ত, তাদের চেয়ে ওই বয়সে দুঃখ, কষ্ট ও আবেগ অনেক বেশি ভারী মনে হয়। সত্যি বলতে, সন্তানদের সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করার সময় ভালো বাবা-মায়ের পক্ষে এটিই সবচেয়ে মানানসই যে, তারা জন্ম দেওয়ার মাধ্যমে যে ক্ষতি করেছেন, তা যথাসম্ভব সংশোধন ও লাঘব করবেন। হে ঈশ্বর! তাহলে মানুষ কেন জন্মায়? এবং কেন সে জন্ম দেয়? সে যাদের জন্ম দিয়েছে, শুধু জন্ম নেওয়ার কারণেই কি তাদের সান্ত্বনা দেওয়ার জন্য? ~ জিয়াকোমো লিওপার্দি]]
'''[[w:প্রজননবিরোধবাদ|প্রজননবিরোধবাদ]]''' বা অ্যান্টি-ন্যাটালিজম হলো এমন একটি নৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি, যা প্রজননকে নেতিবাচকভাবে মূল্যায়ন করে। প্রজননবিরোধবাদীরা মনে করেন, মানুষের প্রজনন থেকে বিরত থাকা উচিত। কারণ এটি নৈতিকভাবে ভুল।
==উক্তি==
*কী! অনন্ত শক্তির অধিকারী হয়ে<br />কেবল নিজেকে হতাশাজনক দৃশ্য উপহার দেওয়া,<br />গণহত্যা চাপিয়ে দেওয়া, যন্ত্রণা দেওয়া,<br />নিজের চোখের সামনে কেবল মৃত ও মুমূর্ষুদের দেখতে চাওয়া!<br />আমাদের চরম যন্ত্রণার এই দর্শকের সামনে<br />আমাদের ক্ষোভ সমস্ত আতঙ্ককে জয় করবে;<br />আমরা আমাদের ঈশ্বরনিন্দার সুরগুলো মেলাব,<br />তার ক্রোধ উসকে দেওয়ার গোপন ইচ্ছা নিয়ে।<br />কে জানে? আমরা হয়তো এমন কোনো অপমান খুঁজে পাব<br />যা তাকে এত বেশি ক্ষুব্ধ করবে যে, এক উন্মত্ত বাহু দিয়ে,<br />তিনি স্বর্গ থেকে আমাদের এই অন্ধকার গ্রহকে ছিন্নভিন্ন করে ফেলবেন,<br />এবং এই দুর্ভাগা পৃথিবীটিকে হাজার টুকরো করে ভাঙবেন।<br />আমাদের এই দুঃসাহস অন্তত তোমাকে জন্ম নেওয়া থেকে বাঁচাবে,<br />তুমি যে এখনো ভবিষ্যতের গভীরে ঘুমিয়ে আছো।<br />আর অস্তিত্বহীন হয়ে আমরা বিজয়ী হব,<br />ঈশ্বরকে বাধ্য করব মানবতা থেকে হাত ধুয়ে ফেলতে।<br />আহ! এত কষ্টের পর কী বিপুল আনন্দ!<br />ধ্বংসস্তূপের মধ্য দিয়ে, গণকবরের ওপর দিয়ে।<br />অবশেষে মুক্তির এই চিৎকার করতে পারব:<br />আকাশের নিচে আর কোনো মানুষ নেই, আমরাই শেষ!
**{{w|লুইস-ভিক্টোরিন অ্যাকারম্যান}}, ''[[iarchive:CompleteWorksOfLouiseVictorineAckermannMyLifeFirstPoemsPhilosophicalPoems1877Tra/page/n133/mode/2up|পাস্কাল - লাস্ট ওয়ার্ড]]'', ১৮৭১
*ধূলিকণার মতো তুচ্ছ ও হতভাগ্য<br />যাকে শূন্যতা প্রত্যাখ্যান করেছে,<br />পৃথিবীতে তোমার জীবন মাত্র এক দিনের;<br />এই বিশালত্বের কাছে তুমি কিছুই নও।<br />তোমার মা গোঙানির মধ্য দিয়ে তোমাকে জন্ম দিয়েছেন:<br />তুমি ছিলে তার দুঃখের সন্তান;<br />আর তুমি অস্তিত্বকে স্বাগত জানিয়েছ<br />তীক্ষ্ণ কান্না ও কান্নার মধ্য দিয়ে,<br />এবং এই পঙ্ক্তিগুলো দিয়ে শেষ হচ্ছে:<br />তোমার কষ্টের ভারে তোমার জীর্ণ শরীর নুইয়ে পড়ে,<br />এবং, রাতের প্রশান্তির স্বাদ গ্রহণ করে,<br />কবরের ঘুমে অবশেষে তোমার চোখ বন্ধ হয়:<br />আনন্দ করো, বৃদ্ধ, এটাই তোমার প্রথম সুখ
**{{w|লুইস-ভিক্টোরিন অ্যাকারম্যান}}, [[iarchive:CompleteWorksOfLouiseVictorineAckermannMyLifeFirstPoemsPhilosophicalPoems1877Tra|''ওয়ার্কস অব লুইস-ভিক্টোরিন অ্যাকারম্যান: মাই লাইফ, ফার্স্ট পোয়েমস, ফিলোসফিক্যাল পোয়েমস'']], ১৮৭৭, [[iarchive:CompleteWorksOfLouiseVictorineAckermannMyLifeFirstPoemsPhilosophicalPoems1877Tra/page/n12/mode/1up|পৃষ্ঠা ১২]]
*সৃষ্ট মানুষদের মধ্যে এমন কিছু মানুষ সবসময় থাকে, যাদের অবর্ণনীয় কষ্ট ভোগ করতে হবে। এই বিষয়টি শুধু শোপেনহাওয়ার বা অন্যান্য নৈরাশ্যবাদীরাই বিবেচনা করেননি। বিংশ শতাব্দীর দিকে গভীরভাবে তাকালে যে কেউ এই দর্শনে প্রভাবিত হতে বাধ্য। এখন পর্যন্ত কেউ এটি প্রমাণ করতে পারেনি যে, অসউইটজ বা অন্য কোনো স্থানে স্থান ও কালভেদে মানুষদের ওপর যে অকল্পনীয় ও অপরিসীম কষ্ট চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে, তা ভুক্তভোগী বা অন্যদের অতীত বা ভবিষ্যৎ সুখ দিয়ে পুষিয়ে নেওয়া সম্ভব।
** করিম অ্যাকারমা, ''ভেরেবেন ডার মেনশহাইট?: নেগানথ্রোপি উন্ড অ্যানথ্রোপোডিসি'', ২০০০
*আপেক্ষিক বা সম্পূর্ণ সন্তানহীনতার মাধ্যমেই মানবজাতির বিলুপ্তি ঘটতে পারে। গ্রিক মিথের সিসিফাসের বিদ্রোহের কথা ধার করে একে সিসিফাসের বিদ্রোহ বলা যেতে পারে। সে তার কাজ ছেড়ে দেবে। তবে আত্মহত্যার জন্য নয়, বরং সন্তান জন্মদান থেকে বিরত থাকার মাধ্যমে। অন্যথায় সেই সন্তান তার জায়গা নিত। এভাবে কোনো একসময় পাথরের পথে আর কেউ থাকবে না। ফলে পাথরটি একসময় গড়িয়ে পড়বে। এশীয় আদিম সিদ্ধান্তের পরিভাষায়: প্রজনন থেকে বিরত থাকার মাধ্যমে দুঃখের চাকার গতি কেড়ে নেওয়া হবে, যতক্ষণ না এটি সম্পূর্ণ থেমে যায়।
** করিম অ্যাকারমা, ''ভেরেবেন ডার মেনশহাইট?: নেগানথ্রোপি উন্ড অ্যানথ্রোপোডিসি'', ২০০০
*মানুষের কীভাবে বাঁচা উচিত, এই প্রশ্নের অনেক উত্তর রয়েছে। তবে খুব কম চিন্তাবিদই ভেবেছেন যে, মানুষ সৃষ্টি করা আসলেই নৈতিক কি না। প্রজননবিরোধবাদ একটি আপাত স্পষ্ট বিষয়কে প্রশ্নবিদ্ধ করে: মানুষের জন্ম দেওয়া এবং জন্মগ্রহণ করা উচিত কি না।
** করিম অ্যাকারমা, [https://www.tabularasamagazin.de/was-ist-antinatalismus/ ''ওয়াস ইস্ট অ্যান্টিন্যাটালিজমাস?''], ২০১৪
*প্রাণীদের বন্ধ্যাকরণের মাধ্যমে আমরা তাদের প্রবৃত্তি থেকে মুক্ত করতে পারি। আমরা তাদের বারবার জন্ম নেওয়া, পরজীবীতে আক্রান্ত হওয়া, বার্ধক্য, অসুস্থতা এবং মৃত্যুর চক্র থেকে রক্ষা করতে পারি। খাওয়া এবং অন্যের খাবারে পরিণত হওয়ার চক্র থেকেও তাদের বাঁচানো যায়।
** করিম অ্যাকারমা, [http://akerma.de/Antinatalist%20Manifesto_Karim%20Akerma.pdf ''অ্যান্টিন্যাটালিস্ট ম্যানিফেস্টো. অন দ্য এথিকস অব অ্যান্টিন্যাটালিজম: চ্যালেঞ্জিং হিউম্যান অ্যান্ড অ্যানিমেল প্রোক্রিয়েশন''], ২০১৪
*যে প্রজনন করে, সে একজন স্বার্থপর অহং-উৎপাদনকারী। অন্যদিকে, যে দত্তক নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়, তার কাছে প্রকৃত পরার্থপরতা কী, তা দেখানোর সুযোগ থাকে।
** করিম অ্যাকারমা, ''অ্যান্টিন্যাটালিজমাস - আইন হ্যান্ডবুখ'', ২০১৭
*ঈশ্বর ছাড়া স্পষ্টতই কোনো থিওডিসি বা ঈশ্বরপক্ষ সমর্থনের প্রয়োজন নেই। অর্থাৎ, ঈশ্বর কেন এত কষ্ট সহ্য করেছেন, তা নিয়ে খোঁজখবর করার কোনো অর্থ নেই। অথবা, এই গভীর অসম্পূর্ণ বিশ্ব ছাড়া অন্য কোনো বিশ্ব সৃষ্টি করা সম্ভব না হলে, তাঁর কি বিশ্ব ও মানুষ সৃষ্টি করা থেকে বিরত থাকাই ভালো হতো কি না, তা ভাবারও দরকার নেই। কিন্তু আধুনিকতা থিওডিসির ইচ্ছা থেকে নিজেকে মুক্ত করেছে। তবে তারা বুঝতে পারেনি যে, এর মাধ্যমে তারা থিওডিসির জায়গায় একটি অ্যানথ্রোপোডিসি বা মানবপক্ষ সমর্থনের বাধ্যবাধকতা নিজেদের ওপর চাপিয়ে নিয়েছে। এই অ্যানথ্রোপোডিসি একটি সমান্তরাল কিন্তু পরিবর্তিত প্রশ্নের রূপ নেয়: অতীত, বর্তমান এবং ভবিষ্যতে এত কষ্টের মুখোমুখি হয়েও, মানুষ কেন আরও মানুষের জন্ম দেয়, তা কীভাবে ন্যায়সঙ্গত হতে পারে?
** করিম অ্যাকারমা, ''অ্যান্টিন্যাটালিজমাস - আইন হ্যান্ডবুখ'', ২০১৭
*তুমি যদি তোমার সন্তানদের কাছে প্রমাণ করতে চাও,<br />কাজের মাধ্যমে দেখাও তুমি তাদের কত ভালোবাসো,<br />তবে প্রজ্ঞার প্রতিটি কণ্ঠ এক হয়ে বলে,<br />তাদের তোমার ঔরসেই রেখে দাও।
** আবুল আলা আল-মাআরি, [https://ia902706.us.archive.org/35/items/studiesinislamic00nichuoft/studiesinislamic00nichuoft.pdf ''স্টাডিজ ইন ইসলামিক পোয়েট্রি'']
*আমার পিতা আমার বিরুদ্ধে এই অপরাধ করেছেন; আমি কারো বিরুদ্ধে কোনো অপরাধ করিনি।
** আবুল আলা আল-মাআরি, ''আরব সোশ্যালিজম''
** বিবরণ: বলা হয়, আল-মাআরি চেয়েছিলেন এই পঙ্ক্তিটি তার কবরে খোদাই করা হোক।
*টিকটিকির শিকার হওয়ার কারণ হলো তার পূর্বপুরুষরা।
**আবুল আলা আল-মাআরি, [https://ia902706.us.archive.org/35/items/studiesinislamic00nichuoft/studiesinislamic00nichuoft.pdf ''স্টাডিজ ইন ইসলামিক পোয়েট্রি''], ১৯২১
*জন্ম দেওয়া মানে মন্দের পরিমাণ বাড়ানো।
**আবুল আলা আল-মাআরি, [https://ia902706.us.archive.org/35/items/studiesinislamic00nichuoft/studiesinislamic00nichuoft.pdf ''স্টাডিজ ইন ইসলামিক পোয়েট্রি''], ১৯২১
*যখনই আমি চিন্তা করি, আমার কষ্টের কথা ভাবলেই আমি তাকেই দোষারোপ করি, যিনি আমাকে জন্ম দিয়েছেন। আমি আমার সন্তানদের শান্তি দিয়েছি। কারণ তারা অস্তিত্বহীনতার আনন্দে আছে, যা এই জগতের সমস্ত আনন্দকে ছাড়িয়ে যায়। তারা যদি জীবনে আসত, তবে তারা এমন দুর্দশা সহ্য করত যা তাদের পথহীন প্রান্তরে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিত।
**আবুল আলা আল-মাআরি, [https://ia902706.us.archive.org/35/items/studiesinislamic00nichuoft/studiesinislamic00nichuoft.pdf ''স্টাডিজ ইন ইসলামিক পোয়েট্রি''], ১৯২১
*আদম এবং তার ঔরস থেকে যারা এসেছে তাদের সবার জন্য ভালো হতো<br>যদি তিনি এবং তারা, জন্ম না নিয়ে, কখনোই সৃষ্টি না হতেন!<br>কারণ যখন তার শরীর মাটিতে ধুলো এবং পচা হাড় হয়ে গিয়েছিল,<br>আহ, তিনি কি অনুভব করেছিলেন তার সন্তানরা কী দেখেছিল এবং কত কষ্ট সহ্য করেছিল?
**আবুল আলা আল-মাআরি, [https://ia902706.us.archive.org/35/items/studiesinislamic00nichuoft/studiesinislamic00nichuoft.pdf ''স্টাডিজ ইন ইসলামিক পোয়েট্রি''], ১৯২১
*মানুষের সমস্ত কাজ তাদের অস্তিত্বের ভুল সংশোধনের চেষ্টা ছাড়া আর কিছুই নয়।
** {{w|আবদুল্লাহ আল-কাসিমি}}, ''আইয়্যুহাল আকল মান রা'আক?''
*আমার স্ত্রী এবং আমি এই পৃথিবীতে কোনো সন্তান আনিনি। এর বদলে আমরা দত্তক নিয়েছিলাম। নিজের সন্তান থাকা কোনো সুন্দর বিষয় নয়। হয়তো আমি ভুল, হয়তো আমি খুব কঠোর। তবে আমি মনে করি, কাউকে জীবন দিয়ে আমি তার কোনো বড় উপকার করছি না।
** উডি অ্যালেন, [https://www.welt.de/kultur/article93475/Kinder-selbst-zu-produzieren-ist-keine-schoene-Sache.html ''কিন্ডার সেলবস্ট জু প্রোডুজিয়েরেন, ইস্ট কেইনে শোনে সাশে''], ২০০৬
*আর আমি কী নিয়ে প্রার্থনা করব? আমি পরকাল নিয়ে ভয় পাই না। এটি এই পৃথিবীর চেয়ে খারাপ হতে পারে না। আর এই পৃথিবীতে প্রার্থনায় তেমন কোনো কাজ হয় না। আমি প্রার্থনা করেছিলাম যেন আমার কোনো সন্তান না হয়। কিন্তু আমার সন্তান হয়েছিল এবং সবকিছুই হয়েছিল। আমি প্রার্থনা করেছিলাম যেন সন্তানটি আমার কাছে থাকতে পারে। কিন্তু তাকে একটি প্রতিষ্ঠানে যেতে হয়েছিল। আমি প্রার্থনা করেছিলাম যেন সে সেখানে বেঁচে থাকতে পারে। কিন্তু সে মারা গেল।
** {{w|লিওনিড আন্দ্রেইভ}}, ''দ্য ক্রিশ্চিয়ানস''
** বিবরণ: চরিত্র গ্রুশার কথা।
*কাঁচা জেলির মতো তুমি অস্তিত্ব লাভ করতে শুরু করেছ,<br />এবং তুমি তোমার নীরবতায় আরও বড় হবে,<br />যা স্বাভাবিক, তবুও কোনো এক দিন, কান্না<br />তোমার ধারণ করা রূপ থেকে প্রবাহিত হবে!<br />জল, খালি মাটির সাথে মিলে,<br />গ্রানাইটকে জয় করে, তাকে নিচু করে... ভয়<br />আত্মাকে কাঁপিয়ে তোলে, এবং তবুও,<br />তোমার বিকাশ অব্যাহত থাকে!<br />মানব জেলি, তুমি আর অগ্রসর হয়ো না<br />এবং অনির্ধারিত পশ্চাদপসরণে,<br />অস্তিত্বহীনতার পুরোনো শান্তিতে ফিরে যাও!<br />শূন্যতার আগে, ওহ! জীবাণু, তুমি এখনো<br />সেখানে পৌঁছাবে, অন্যান্য জীবের জীবাণুর মতো<br />অস্তিত্বের চরম দুর্ভাগ্যের দিকে!
** {{w|অগাস্টো ডস আনজোস}}, [https://pt.wikisource.org/wiki/A_um_G%C3%A9rmen ''আ উম জার্মেন''], ১৯৪১
*জন্ম হলো সমস্ত অসুখের চালিকাশক্তি।
** ফিলিপ আন্নাবা, ''বিয়েনহুরে লেস স্টেরাইলস'', ২০০২
*গবাদিপশু ভালো ঘুমায়<br />তারা শান্তিতে জাবর কাটে<br />কারণ তারা জানে না যে আগামীকাল<br />তাদের বাছুর কসাইখানায় যাবে<br />ময়দানে যাবে<br />হয়তো তারা পাত্তাই দেয় না<br />তুমিও কি পাত্তাই দাও না<br />তোমার সন্তানদের ভাগ্য নিয়ে?
** ফিলিপ আন্নাবা, ''বিয়েনহুরে লেস স্টেরাইলস'', ১৯৭৩
*হে নারী, আমরা যদি পুরুষদের বাধ্য করতে চাই<br>শান্তির কাছে মাথানত করতে, তবে আমাদের বিরত থাকতে হবে ...<br>ভালোবাসার প্রতিটি গভীরতা থেকে আমাদের বিরত থাকতে হবে। ...<br>আমাদের শুধু অলস হয়ে ঘরের ভেতরে বসে থাকতে হবে<br>গালে মসৃণ গোলাপের গুঁড়ো মেখে,<br>চকচকে আমোরগোস সিল্কের ভাঁজ থেকে আমাদের নগ্ন শরীর জ্বলবে,<br>এবং পুরুষদের সাথে দেখা করব<br>আমাদের পরিপাটি করে ছাঁটা শুক্র গ্রহের মতো সাজে।<br>তাদের প্রবল ভালোবাসা তীব্রভাবে জেগে উঠবে,<br>তারা চাইবে আমরা যেন হাত বাড়িয়ে দিই। সেটাই হবে আমাদের সময়!<br>আমরা তাদের কড়ানাড়া উপেক্ষা করব, তাদের তাড়িয়ে দেব-<br>এবং তারা শিগগিরই শান্তির জন্য পাগল হয়ে উঠবে।<br>আমি এ বিষয়ে নিশ্চিত।
** [[অ্যারিস্টোফেনিস]], লিসিস্ট্রাটা নারীদের তাদের স্বামীদের কাছ থেকে সন্তুষ্টি আটকে রাখার পক্ষে যুক্তি দিচ্ছেন যতক্ষণ না পুরুষরা যুদ্ধে ছেলেদের হত্যা বন্ধ করতে রাজি হয়, ''[[w:লিসিস্ট্রাটা (নাটক)|লিসিস্ট্রাটা]]'' (৪১১ খ্রিস্টপূর্বাব্দ)
*কিন্তু আমি জানি কেউ কেউ ফিসফিস করে বলে: তারা বলে, যদি সব মানুষ সমস্ত যৌন সম্পর্ক থেকে বিরত থাকে, তবে মানবজাতি কোথা থেকে আসবে? আমি চাই সবাই এমনটি করুক। কেবল "বিশুদ্ধ হৃদয় থেকে দান, এবং ভালো বিবেক, এবং অকৃত্রিম বিশ্বাসের" মাধ্যমে এটি করা হোক। ঈশ্বরের শহর আরও দ্রুত পূর্ণ হবে এবং বিশ্বের সমাপ্তি ত্বরান্বিত হবে।
** [[হিপ্পোর অগাস্টিন]], ''নিসিন অ্যান্ড পোস্ট-নিসিন ফাদারস: ফার্স্ট সিরিজ, ভলিউম থ্রি সেন্ট অগাস্টিন: অন দ্য হোলি ট্রিনিটি, ডকট্রিনাল ট্রিটাইজেস, মোরাল ট্রিটাইজেস''
[[File:A distressed young woman leaning on a tombstone in a graveya Wellcome V0042389.jpg|thumb|এটি কৌতূহলজনক যে ভালো মানুষেরা তাদের সন্তানদের কষ্ট থেকে বাঁচাতে অনেক দূর পর্যন্ত যান। কিন্তু তাদের মধ্যে খুব কম মানুষই এটি খেয়াল করেন যে, সন্তানদের সমস্ত কষ্ট রোধ করার একমাত্র নিশ্চিত উপায় হলো প্রথমত সেই সন্তানদের পৃথিবীতে না আনা। ~ ডেভিড বেনাটার]]
[[File:Greuze- Young Girl Weeping for her Dead Bird-1759.jpg|thumb|ভালোবাসা বলতে পারে, এবং কেবল ভালোবাসাই, ... <br> কীভাবে, দুঃখ এবং মৃত্যু সত্ত্বেও, <br> জীবন আনন্দময়, এবং শ্বাস নেওয়া মধুর। <br> ~ [[রবার্ট ব্রিজেস]]]]
*আমার মনে হয় শিশুরা যখন জন্মায় তখন কাঁদে, কারণ তাদের সাথে ঘটতে চলা সমস্ত ভয়ংকর ঘটনার জ্ঞান নিয়েই তারা জন্মায়। এ কারণেই আমি কখনো সন্তান নিইনি। প্রতিটি জীবনই হলো একটি মৃত্যুদণ্ড। আমরা জীবনের পরের দিকে এটি ভুলে যাই। ঠিক যেমন ঘুম ভাঙার মুহূর্তেই আমরা স্বপ্ন ভুলে যাই। আমরা এটি নিয়ে চিন্তা করি বা না করি, ভয়ংকর ঘটনাগুলো ঘটবেই।
** {{w|ক্লাইভ বার্কার}}, ''দ্য স্কারলেট গসপেলস'', ২০১৫
*মিস বার্নস জীবন এবং জীবনের ধারাবাহিকতাকে একটি ভুল হিসেবে দেখেন। আসলে, বেঁচে থাকাই হলো ভুল। আর তারপর প্রজননের মাধ্যমে সেই ভুলকে আরও বাড়ানো হয় এবং আরও ট্র্যাজেডি ও ব্যথার জন্ম দেওয়া হয়।
** জেমস বি. স্কট, ''জুনা বার্নস'', ১৯৭৬, পৃষ্ঠা ২৪
** বিবরণ: জুনা বার্নস সম্পর্কে।
*জুনা বার্নসের চিন্তাভাবনা মানুষের পাশবিকতা এবং মানবজাতির পৃথিবীকে গুরুত্ব সহকারে না নেওয়া ও প্রজনন থেকে বিরত থাকার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেয়। আমরা যদি এটিকে কোনো নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে চিহ্নিত করতে চাই, তবে এটিকে চরিত্রগতভাবে স্যাটার্নিনিয়ান খ্রিষ্টান বলতে হবে।
** আন্দ্রেস ফিল্ড, ''জুনা, দ্য ফরমিডেবল মিস বার্নস'', ১৯৮৫, পৃষ্ঠা ১৭০
*সমকামিতা এখানে খুব একটা বড় বিষয় বলে মনে হয় না। কারণ নাইটউড এটিকে সমর্থন বা নিন্দা কোনোটিই করে না। তবে একটি তির্যক উপায় ছাড়া। জীবন যেহেতু কষ্টের, সেহেতু সবচেয়ে বড় অপরাধ হবে প্রজনন। এটি সমকামিতাকে একটি পছন্দের জীবনযাপন হিসেবে এগিয়ে রাখে বলে মনে হয়। কারণ এটি মানব প্রজাতির বিলুপ্তি ঘটায়।
** ফিলিপ এফ. হেরিং, ''জুনা: দ্য লাইফ অ্যান্ড ওয়ার্ক অব জুনা বার্নস'', ১৯৯৫, পৃষ্ঠা ২০৭
*একটি কবর এবং একটি কঠিন জন্মের দুই পাশে পা রেখে দাঁড়ানো। গর্তের নিচে, গোরখোদক ধীরে ধীরে সাঁড়াশি লাগায়। আমাদের বুড়ো হওয়ার সময় আছে। বাতাস আমাদের কান্নায় পূর্ণ।
** [[স্যামুয়েল বেকেট]], ভ্লাদিমির চরিত্র ''[[w:ওয়েটিং ফর গোডো|ওয়েটিং ফর গোডো]]''-তে, ১৯৫৩
*জন্মই ছিল তার মৃত্যু।
** [[স্যামুয়েল বেকেট]], ''{{w|অ্যা পিস অব মনোলগ}}'' (১৯৭৭)
*আমি যখন তাকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম যে তিনি কখনো সন্তান চেয়েছিলেন কি না, তখন তিনি উত্তর দিয়েছিলেন, "না, এটি এমন একটি বিষয় যা নিয়ে আমি গর্বিত।"
** লরেন্স শেইনবার্গের সাক্ষাৎকারে [[স্যামুয়েল বেকেট]], ''এক্সরসাইজিং বেকেট'', ১৯৮৭
*[[স্যামুয়েল বেকেট|বেকেট]] ... বাবা-মাকে দায়িত্বজ্ঞানহীন অপরাধী হিসেবে লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছিলেন। যদিও জীবনে সৌজন্যতা তাকে তার আসল অনুভূতি প্রকাশ করতে বাধা দিয়েছিল। হ্যাম তার ''[[w:এন্ডগেম (নাটক)|এন্ডগেমে]]'' তার বাবা-মাকে "অভিশপ্ত পূর্বপুরুষ" হিসেবে নিন্দা করেন এবং মলয় তাকে পৃথিবীতে আনার জন্য তার মাকে চরমভাবে ক্ষমা করতে অক্ষম। ব্যক্তিগতভাবে আমি জানতাম বেকেট তাদের প্রতি একটি নিষ্ক্রিয় ক্ষোভ প্রকাশ করতেন, যারা পরিবার গঠনের জন্য জোর দিত।
** জন ক্যাল্ডার কর্তৃক ''দ্য ফিলোসফি অব স্যামুয়েল বেকেট'' (২০০১)-এ বর্ণিত [[স্যামুয়েল বেকেট|স্যামুয়েল বেকেটের]] দৃষ্টিভঙ্গি।
*সন্তান জন্মদানের মাধ্যমে নতুন মানুষ সৃষ্টি করা মানবজীবনের এমন একটি অংশ যে, এর জন্য কোনো ন্যায্যতার প্রয়োজন আছে বলে খুব কমই ভাবা হয়। আসলে, মানুষ তাদের সন্তান জন্ম দেওয়া উচিত কি না, তা নিয়ে ভাবেও না। তারা শুধু জন্ম দেয়। অন্য কথায়, প্রজনন সাধারণত সিদ্ধান্ত নেওয়ার বদলে যৌনতার ফল হিসেবে ঘটে। যারা সন্তান নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়, তারা অনেক কারণেই তা করতে পারে। তবে এসব কারণের মধ্যে সম্ভাব্য সন্তানের স্বার্থ থাকতে পারে না। কেউই সন্তানের খাতিরে সন্তান নিতে পারে না।
** ডেভিড বেনাটার, ''বেটার নেভার টু হ্যাভ বিন: দ্য হার্ম অব কামিং ইনটু এক্সিসটেন্স'', ২০০৬, পৃষ্ঠা ২ (ভূমিকা) <small>{{ISBN|978-0199549269}}</small>
*এটি কৌতূহলজনক যে ভালো মানুষেরা তাদের সন্তানদের কষ্ট থেকে বাঁচাতে অনেক দূর পর্যন্ত যান। কিন্তু তাদের মধ্যে খুব কম মানুষই এটি খেয়াল করেন যে, সন্তানদের সমস্ত কষ্ট রোধ করার একমাত্র নিশ্চিত উপায় হলো প্রথমত সেই সন্তানদের পৃথিবীতে না আনা।
** ডেভিড বেনাটার, ''বেটার নেভার টু হ্যাভ বিন: দ্য হার্ম অব কামিং ইনটু এক্সিসটেন্স'', ২০০৬, পৃষ্ঠা ৬ (ভূমিকা) <small>{{ISBN|978-0199549269}}</small>
*ধরে নেওয়া যাক যে, প্রতিটি দম্পতির তিনটি সন্তান রয়েছে। দশ প্রজন্মের মধ্যে একটি আদি দম্পতির বংশধরদের সংখ্যা দাঁড়ায় ৮৮,৫৭২ জন। এটি প্রচুর অর্থহীন ও এড়ানো যায় এমন কষ্টের সৃষ্টি করে। নিশ্চিতভাবে বলা যায়, এর সম্পূর্ণ দায়ভার আদি দম্পতির ওপর বর্তায় না। কারণ প্রতিটি নতুন প্রজন্মই সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ পায় যে, তারা সেই বংশধারা চালিয়ে যাবে কি না। তবুও, পরবর্তী প্রজন্মের জন্য তারা কিছু দায় বহন করে। কেউ যদি সন্তান নেওয়া থেকে বিরত না হয়, তবে সে তার বংশধরদের কাছ থেকেও এটি আশা করতে পারে না।
** ডেভিড বেনাটার, ''বেটার নেভার টু হ্যাভ বিন: দ্য হার্ম অব কামিং ইনটু এক্সিসটেন্স'', ২০০৬, পৃষ্ঠা ৬-৭ (ভূমিকা) <small>{{ISBN|978-0199549269}}</small>
*যদিও আমরা দেখেছি যে, জন্মগ্রহণ না করার মতো ভাগ্যবান ''কেউই'' নয়। তবে ''সবাই'' জন্মগ্রহণ করার মতো যথেষ্ট ''দুর্ভাগ্যবান''। এটি বিশেষত কতটা খারাপ ''ভাগ্য'', তা আমি এখন ব্যাখ্যা করব। বেশ যুক্তিসংগত এই ধারণার ওপর ভিত্তি করে যে, কারও জেনেটিক উৎপত্তি অস্তিত্ব লাভের একটি প্রয়োজনীয় শর্ত। যে গ্যামেটগুলো জাইগোট তৈরি করেছিল, যা থেকে তার বিকাশ ঘটেছে, তা ছাড়া অন্য কিছুর দ্বারা সে গঠিত হতে পারত না। এর মানে হলো, কারও যে জেনেটিক বাবা-মা আছে, তা ছাড়া অন্য কোনো জেনেটিক বাবা-মা থাকতে পারত না। এর থেকে বোঝা যায় যে, কোনো ব্যক্তির অস্তিত্ব লাভের সম্ভাবনা অত্যন্ত ক্ষীণ। যে কোনো ব্যক্তির অস্তিত্ব কেবল তার বাবা-মায়ের অস্তিত্ব লাভ এবং তাদের দেখা হওয়ার ওপর নির্ভর করে না, বরং সেই সময়ে তারা তাকে গর্ভে ধারণ করেছিল কি না, তার ওপরও নির্ভর করে। প্রকৃতপক্ষে, কোন নির্দিষ্ট শুক্রাণুটি গর্ভধারণে সহায়ক হবে, তা কয়েক মুহূর্তের ব্যবধানেই বদলে যেতে পারে। অস্তিত্ব লাভের সম্ভাবনা কতটা ক্ষীণ ছিল তার স্বীকৃতি এবং অস্তিত্ব লাভ যে সব সময়ই একটি মারাত্মক ক্ষতিকর ব্যাপার তার স্বীকৃতি—এই দুটির সমন্বয়ে এই উপসংহারে পৌঁছানো যায় যে, কারও অস্তিত্ব লাভ সত্যিই খারাপ ভাগ্য। কোনো ক্ষতির শিকার হওয়া যথেষ্ট খারাপ। আর যখন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা খুব ক্ষীণ থাকে, তখন তা আরও খারাপ।
** ডেভিড বেনাটার, ''বেটার নেভার টু হ্যাভ বিন: দ্য হার্ম অব কামিং ইনটু এক্সিসটেন্স'', ২০০৬, পৃষ্ঠা ৭ (ভূমিকা) <small>{{ISBN|978-0199549269}}</small>
*অস্তিত্ব লাভ করা যে সবসময় একটি ক্ষতি, তার যুক্তিটি এভাবে সংক্ষেপে প্রকাশ করা যেতে পারে: ভালো এবং খারাপ—উভয় জিনিসই কেবল তাদের সাথেই ঘটে, যাদের অস্তিত্ব আছে। তবে ভালো এবং খারাপ জিনিসের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য রয়েছে। ব্যথা বা কষ্টের মতো খারাপ জিনিসের অনুপস্থিতি ভালো। এমনকি সেই ভালোটা উপভোগ করার জন্য যদি কেউ না-ও থাকে, তবুও এটি ভালো। অন্যদিকে, আনন্দের মতো ভালো জিনিসের অনুপস্থিতি তখনই খারাপ, যখন সেই ভালো জিনিসগুলো থেকে কাউকে বঞ্চিত করা হয়।
** ডেভিড বেনাটার, ''বেটার নেভার টু হ্যাভ বিন: দ্য হার্ম অব কামিং ইনটু এক্সিসটেন্স'', ২০০৬, পৃষ্ঠা ১৪ <small>{{ISBN|978-0199549269}}</small>
*আমরা একটি অনির্দিষ্ট কিন্তু বিদ্যমান ব্যক্তির জন্য অনুশোচনা করতে পারি যে তাকে কোনো সুবিধা দেওয়া হয়নি। কিন্তু এমন কোনো ব্যক্তির জন্য আমরা অনুশোচনা করতে পারি না, যার কখনোই অস্তিত্ব ছিল না। কারণ সেই অস্তিত্বহীন ব্যক্তি কখনোই কোনো সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয় না বা সেই সুবিধার অভিজ্ঞতা লাভ করে না। কেউ সন্তান না নেওয়ার জন্য শোক করতে পারে। কিন্তু সন্তানরা অস্তিত্ব থেকে বঞ্চিত হয়েছে, এমন ভেবে কেউ শোক করে না। সন্তান না নেওয়ার জন্য অনুশোচনা হলো নিজেদের জন্য অনুশোচনা—সন্তান জন্মদান এবং লালনপালনের অভিজ্ঞতা থেকে বঞ্চিত হওয়ার দুঃখ। তবে আমরা এমন কোনো সন্তান পৃথিবীতে আনার জন্য অনুশোচনা করি, যার জীবন অসুখী। আমরা সন্তানের খাতিরে অনুশোচনা করি, এমনকি নিজেদের খাতিরে হলেও। আমরা কাউকে পৃথিবীতে না আনার ব্যর্থতা নিয়ে আক্ষেপ করি না। কারণ অনুপস্থিত আনন্দ খারাপ কিছু নয়।
** ডেভিড বেনাটার, ''বেটার নেভার টু হ্যাভ বিন: দ্য হার্ম অব কামিং ইনটু এক্সিসটেন্স'', ২০০৬, পৃষ্ঠা ৩৪-৩৫ <small>{{ISBN|978-0199549269}}</small>
*প্রতিবন্ধী অধিকার কর্মীরাও সঠিকভাবে লক্ষ করেন যে, যাদের প্রতিবন্ধকতা আছে এবং যাদের নেই, তাদের মধ্যে জীবনের মানের মূল্যায়নে বেশ লক্ষণীয় পার্থক্য রয়েছে। যাদের কোনো প্রতিবন্ধকতা নেই, তাদের অনেকেই মনে করে যে, প্রতিবন্ধকতাযুক্ত জীবন শুরু করা উচিত নয় (এবং হয়তো চালিয়ে যাওয়াও উচিত নয়)। অন্যদিকে, যাদের প্রতিবন্ধকতা আছে, তাদের অনেকেই মনে করে যে, এই প্রতিবন্ধকতা নিয়েও জীবন শুরু করা উচিত (এবং অবশ্যই চালিয়ে যাওয়া উচিত)। আধিপত্যশীল এই দৃষ্টিভঙ্গিতে অবশ্যই কিছুটা আত্মস্বার্থ রয়েছে। এটি সুবিধাজনকভাবে জীবন শুরু করার মানের সীমা প্রতিবন্ধীদের চেয়ে উঁচুতে, কিন্তু সাধারণ মানুষের জীবনের চেয়ে নিচে নির্ধারণ করে। কিন্তু প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের দ্বারা তাদের জীবনের মানের ঠিক নিচে সীমা নির্ধারণ করার মধ্যে কি আত্মস্বার্থ কম আছে? প্রতিবন্ধী অধিকার কর্মীরা যুক্তি দেন যে, জীবনের ন্যূনতম মান সম্পর্কে বেশির ভাগ মানুষের ধারণায় সীমা খুব উঁচুতে নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে, ভিন্ন ভিন্ন ধারণার এই বিষয়টি এই দাবির সাথেও সমানভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ যে, সাধারণ সীমা খুব নিচে নির্ধারণ করা হয়েছে (যাতে অন্তত আমাদের মধ্যে কেউ কেউ এটি পার হতে পারে)। সীমা খুব নিচে নির্ধারণ করা হয়েছে, এই দৃষ্টিভঙ্গিটি ঠিক তেমনই একটি ধারণা, যা আমরা কল্পনা করতে পারি এমন একজন ভিনগ্রহবাসীর দ্বারা করা হবে, যার জীবন কোনো কষ্ট বা দুর্দশা ছাড়াই মোহনীয়। তারা আমাদের প্রজাতির দিকে করুণার চোখে তাকাবে। তারা প্রতিটি মানবজীবনের হতাশা, মানসিক যন্ত্রণা, শোক, ব্যথা এবং কষ্ট দেখতে পাবে। আর তারা আমাদের অস্তিত্বকে অস্তিত্বহীনতার বিকল্পের চেয়েও খারাপ বলে মনে করবে। ঠিক যেমন আমরা (সাধারণ মানুষ) শয্যাশায়ী পক্ষাঘাতগ্রস্তদের অস্তিত্বকে মূল্যায়ন করি।
** ডেভিড বেনাটার, ''বেটার নেভার টু হ্যাভ বিন: দ্য হার্ম অব কামিং ইনটু এক্সিসটেন্স'' (২০০৬), পৃষ্ঠা ১২০ <small>{{ISBN|978-0199549269}}</small>
*আমার কয়েকজন সমালোচক দাবি করেছেন যে, আমি আত্মহত্যা এবং এমনকি প্রজাতি হত্যার আকাঙ্খার প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তারা স্পষ্টতই এটিকে আমার দৃষ্টিভঙ্গির একটি অযৌক্তিক প্রমাণ হিসেবে তুলে ধরতে চান। তবে, আমি ''বেটার নেভার টু হ্যাভ বিন'' গ্রন্থে আত্মহত্যা এবং প্রজাতি হত্যার প্রশ্নগুলো বিবেচনা করেছি। আমি যুক্তি দিয়েছি যে এগুলো আমার দৃষ্টিভঙ্গির পরিণতি নয়। প্রথমত, এটি মনে করা সম্ভব যে অস্তিত্ব লাভ করা একটি গুরুতর ক্ষতি এবং মৃত্যুও (সাধারণত) একটি গুরুতর ক্ষতি। প্রকৃতপক্ষে, কেউ কেউ মনে করতে পারে যে অস্তিত্ব লাভ করা একটি গুরুতর ক্ষতি। কারণ এর ফলে মৃত্যুর ক্ষতি অনিবার্য হয়ে ওঠে।
** ডেভিড বেনাটার, ''স্টিল বেটার নেভার টু হ্যাভ বিন: আ রিপ্লাই টু (মোর অব) মাই ক্রিটিকস'', ২০১৩
*প্রজনন করা এক ধরনের রাশিয়ান রুলেট খেলার মতো। কিন্তু এখানে "বন্দুক" নিজের দিকে নয়, বরং নিজের সন্তানের দিকে তাক করা থাকে। আপনি একটি নতুন জীবনের সূচনা করেন এবং এর মাধ্যমে সেই নতুন জীবনকে অবর্ণনীয় কষ্টের ঝুঁকিতে ফেলে দেন।
** ডেভিড বেনাটার, ''ডিবেটিং প্রোক্রিয়েশন: ইজ ইট রং টু রিপ্রোডিউস?'', ২০১৫
*প্রজননবিরোধবাদে পৌঁছানোর আরেকটি পথ হলো যাকে আমি "মানববিদ্বেষী" যুক্তি বলি। এই যুক্তি অনুসারে, মানুষ একটি গভীরভাবে ত্রুটিপূর্ণ এবং ধ্বংসাত্মক প্রজাতি। এরা কোটি কোটি মানুষ এবং অন্যান্য প্রাণীর কষ্ট ও মৃত্যুর জন্য দায়ী। যদি অন্য কোনো প্রজাতি এই মাত্রার ধ্বংসযজ্ঞ চালাত, তবে আমরা দ্রুত সুপারিশ করতাম যে সেই প্রজাতির নতুন কোনো সদস্যকে যেন পৃথিবীতে আনা না হয়।
** ডেভিড বেনাটার, [http://www.philosophy.uct.ac.za/sites/default/files/image_tool/images/160/We%20Are%20Creatures%20That%20Should%20Not%20Exist%20The%20Theory%20of%20Anti-Natalism%20%28The%20Critique%2015%20July%202015%29.pdf ''"উই আর ক্রিয়েচারস দ্যাট শুড নট এক্সিস্ট": দ্য থিওরি অব অ্যান্টি-ন্যাটালিজম''], ২০১৫
*আমাদের প্রজাতি নিজেদের সম্পর্কে একটি চাটুকার দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করতে ভালোবাসে। মানুষ নিজেদের সৃষ্টির সেরা জীব বলে মনে করে। তারা ভাবে যে, এক দয়াময়, সর্বজ্ঞ এবং সর্বশক্তিমান ঈশ্বর তাদের নিজের আদলে তৈরি করেছেন। আর তারা মহাবিশ্বের কেন্দ্রে থাকা একটি গ্রহে বাস করে—যে গ্রহকে কেন্দ্র করে অন্য সব গ্রহ ঘোরে। বিজ্ঞান এসব ধারণার অনেকগুলোকেই ভুল প্রমাণ করেছে। আমরা এখন জানি যে, আমাদের গ্রহ মহাবিশ্বের কেন্দ্রে নেই: পৃথিবী সূর্যের চারপাশে ঘোরে, সূর্য পৃথিবীর চারপাশে নয়। আর আমরা জানি—বা অন্তত আমাদের মধ্যে কেউ কেউ জানে—যে আমরা একটি দীর্ঘ ও অন্ধ বিবর্তন প্রক্রিয়ার একদম নতুন ফসল।
** ডেভিড বেনাটার, ''[https://books.google.com/books?id=J6dBCgAAQBAJ&lpg=PA44&pg=PA35#v=onepage&q&f=false দ্য মিসানথ্রোপিক আর্গুমেন্ট ফর অ্যান্টি-ন্যাটালিজম]'' (২০১৫), পৃষ্ঠা ৩৫-৩৬
*মানুষ হয়তো তাদের জ্ঞানগত ক্ষমতার দিক দিয়ে অন্যান্য প্রাণীদের ছাড়িয়ে গেছে। কিন্তু ধ্বংসাত্মক ক্ষমতার দিক দিয়েও আমরা অন্যান্য প্রজাতিকে ছাড়িয়ে গেছি। অনেক প্রাণীই ক্ষতি করে। কিন্তু আমাদের গ্রহে বসবাসকারী সব প্রজাতির মধ্যে আমরাই সবচেয়ে বেশি প্রাণঘাতী। এটি একটি চমকপ্রদ ব্যাপার যে, নিজেদের পরিচয় দিতে গিয়ে আমরা ''এই'' সর্বোচ্চ বৈশিষ্ট্যের কথা উল্লেখ করি না। এমন অনেক প্রমাণ আছে যে, আমরা হচ্ছি ''হোমো পারনিসিয়াস'' তথা বিপজ্জনক এবং ধ্বংসাত্মক মানুষ।
** ডেভিড বেনাটার, ''[https://books.google.com/books?id=J6dBCgAAQBAJ&newbks=0&lpg=PA58&pg=PA38 দ্য মিসানথ্রোপিক আর্গুমেন্ট ফর অ্যান্টি-ন্যাটালিজম]'', পৃষ্ঠা ৩৮
*প্রতি বছর মানুষ কোটি কোটি প্রাণীর ওপর অবর্ণনীয় কষ্ট ও মৃত্যু চাপিয়ে দেয়। আর মানুষের বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশই এর সাথে ব্যাপকভাবে জড়িত।
** ডেভিড বেনাটার, ''[https://books.google.com/books?id=J6dBCgAAQBAJ&newbks=0&lpg=PP1&pg=PA43#v=onepage&q&f=false দ্য মিসানথ্রোপিক আর্গুমেন্ট ফর অ্যান্টি-ন্যাটালিজম]'', পৃষ্ঠা ৪৩
*মানুষ অন্য মানুষ এবং প্রাণীদের যে ক্ষতি করে, তার কিছুটা পরিবেশের ওপর মানুষের ধ্বংসাত্মক প্রভাবের মাধ্যমে ঘটে। মানব ইতিহাসের বড় একটা সময় ধরে এই ক্ষয়ক্ষতি ছিল স্থানীয় পর্যায়ের। মানুষের বিভিন্ন গোষ্ঠী তাদের চারপাশের পরিবেশকে দূষিত করত। কিন্তু সাম্প্রতিক শতকগুলোতে মানুষের নেতিবাচক প্রভাব বহুগুণ বেড়ে গেছে। এখন হুমকিটি গোটা বিশ্বের পরিবেশের জন্য। এই ক্রমবর্ধমান হুমকি মূলত দুটি জিনিসের যোগফল; তা হলো, মানুষের জনসংখ্যার দ্রুত বৃদ্ধি এবং মাথাপিছু নেতিবাচক প্রভাবের উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি। পরেরটি মূলত শিল্পায়ন এবং ভোগ বৃদ্ধির ফল।
** ডেভিড বেনাটার, ''[https://books.google.com/books?id=J6dBCgAAQBAJ&lpg=PA44&pg=PA48#v=onepage&q&f=false দ্য মিসানথ্রোপিক আর্গুমেন্ট ফর অ্যান্টি-ন্যাটালিজম]'', পৃষ্ঠা ৪৮
*প্রাণীদের সাথে আচরণের ক্ষেত্রে, নিশ্চিতভাবেই পাল্লা আমাদের বিরুদ্ধে অনেক বেশি ভারী। যদিও এটি সত্য যে কিছু মানুষ প্রাণীদের জন্য কিছু ভালো কাজ করে। এর অনেকটা হলো কেবল অন্যান্য মানুষের দুর্ব্যবহার থেকে প্রাণীদের রক্ষা করা। মানব প্রজাতির স্তরে এই সুবিধাগুলো দিয়ে ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়া যায় না। যদি ক্ষতি করার জন্য কোনো মানুষ না থাকত, তবে এই সুবিধাগুলোরও প্রয়োজন হতো না। অবশ্যই, মানুষ কিছু অন্যান্য সুবিধাও প্রদান করে। যেমন তাদের সঙ্গী প্রাণীদের জন্য পশুচিকিৎসা। তবে, এতে প্রভাবিত প্রাণীর সংখ্যা এবং যত ভালো কাজ করা হয়েছে, তা মানুষের দ্বারা অ-মানব প্রাণীদের করা ক্ষতির তুলনায় একেবারেই নগণ্য।
** ডেভিড বেনাটার, ''[https://books.google.com/books?id=J6dBCgAAQBAJ&newbks=0&lpg=PP1&pg=PA52#v=onepage&q&f=false দ্য মিসানথ্রোপিক আর্গুমেন্ট ফর অ্যান্টি-ন্যাটালিজম]'', ২০১৫, পৃষ্ঠা ৫২
*মানবতা হলো একটি নৈতিক বিপর্যয়। আমরা যদি কখনোই বিবর্তিত না হতাম, তবে অনেক কম ধ্বংসযজ্ঞ হতো। ভবিষ্যতে যত কম মানুষ থাকবে, ধ্বংসযজ্ঞও তত কম হবে।
** ডেভিড বেনাটার, ''[https://books.google.com/books?id=J6dBCgAAQBAJ&lpg=PA44&pg=PA55#v=onepage&q&f=false দ্য মিসানথ্রোপিক আর্গুমেন্ট ফর অ্যান্টি-ন্যাটালিজম]'', ২০১৫, পৃষ্ঠা ৫৫
*সম্ভাব্য প্রজননকারীদের মধ্যে খুব কম জনই তাদের সম্ভাব্য সন্তানের নান্দনিক প্রভাবের কথা বিবেচনা করে। কিন্তু মল ও মূত্র, পেট ফাঁপা, মাসিকের রক্ত ও বীর্য, ঘাম, শ্লেষ্মা, বমি এবং পুঁজ উৎপাদনকারীর আরও কতটা প্রয়োজন আমাদের? আমাদের আরও কতটা মানুষের বর্জ্য প্রক্রিয়াজাত করতে হবে? আমাদের আরও কতটা মৃতদেহের সৎকার করতে হবে? মানুষের সংখ্যা কম হলে এটি একটি নান্দনিক উন্নতি হতো।
** ডেভিড বেনাটার, ''[https://books.google.com/books?id=J6dBCgAAQBAJ&newbks=0&lpg=PP1&pg=PA58 দ্য মিসানথ্রোপিক আর্গুমেন্ট ফর অ্যান্টি-ন্যাটালিজম]'', ২০১৫, পৃষ্ঠা ৫৮
*অস্তিত্বে থাকা বা না থাকার প্রশ্নটি প্রজনন করা বা না করার মতো একটি মানবীয় সমস্যার ফল ও উদ্ভূত বিষয়। এটি অদ্ভুত যে সাহিত্যে খুব কমই এটিকে তুলে ধরা হয়। সাহিত্য একে অবমূল্যায়ন করে। সাহিত্য নীরবে ধরে নেয় যে, এর সমাধান আর জীবনের চর্চার স্পষ্টতা একই ধরনের বুদ্ধিবৃত্তিক স্পষ্টতা।
** হেনরিক বেরেজা, ''বিয়েগ রজেসি'', ১৯৮২
*পাগল মনে হওয়ার ঝুঁকি নিয়ে হলেও আমাদের এটি বলতে ভয় পাওয়া উচিত নয় যে, আমাদের বাবা-মায়েরা, তাদের আগের প্রজন্মের মতোই, প্রজননের অপরাধে অপরাধী। যার মানে হলো অসুখ সৃষ্টির অপরাধ, ক্রমবর্ধমান অসুখী বিশ্বের অসুখ বাড়ানোর জন্য অন্যদের সাথে ষড়যন্ত্র করার অপরাধ।
** {{w|টমাস বার্নহার্ড}}, ''গ্যাদারিং এভিডেন্স: আ মেমোয়ার'', ১৯৮৫
*একা না থাকার জন্য আরেকটি একাকীত্বের জন্ম দেওয়া অপরাধ।
** {{w|টমাস বার্নহার্ড}}, ''ফ্রস্ট'' গ্রন্থে মেলার স্ট্রচ, ১৯৬৩
*প্রতি রাতে এবং প্রতি সকালে<br />কেউ জন্মায় কষ্টের জন্য;<br />প্রতি সকালে এবং প্রতি রাতে<br />কেউ জন্মায় মধুর আনন্দের জন্য;<br />কেউ জন্মায় মধুর আনন্দের জন্য,<br />কেউ জন্মায় অন্তহীন রাতের জন্য।
* উইলিয়াম ব্লেক, "[[wikisource:Life_of_William_Blake_(1880),_Volume_2/Ideas_of_good_and_evil#107|অগুরিজ অব ইনোসেন্স]]" (১৮৮০)
*জন্ম নেওয়া প্রত্যেকেই জন্মের নির্দেশের অধীন। একজন সৃষ্টিকর্তা, তা সে "ঈশ্বর" হোক বা পিতা-মাতা, জীবন "উপহার" দেন। উপহারগ্রহীতার তা গ্রহণ করার অক্ষমতা তারা বিবেচনা করেন না। তারা এটিও ভাবেন না যে এই "উপহার" ছাড়া উপহারগ্রহীতা খুব একটা দরিদ্র হতো না। যখন তারা উপহারটি পেয়েছিলেন তখন উপহারগ্রহীতাদের কোনো অস্তিত্ব ছিল না, এবং এর ফলে তাদের প্রত্যাখ্যান করার বা ফিরিয়ে দেওয়ার কোনো সুযোগ ছিল না। একটি নতুন প্রাণীর সৃষ্টি নিঃসন্দেহে একটি খেয়ালি কাজ। কারণ এই সৃষ্টি একটি প্রাণীকে জীবনের দিকে জোরপূর্বক নির্বাসনের দিকে নিয়ে যায়। অথবা, হাইডেগারের কথায় বলতে গেলে, প্রাণীটিকে জীবনে "নিক্ষেপ" করা হয়। কিন্তু সেই কারণে জীবনে নিক্ষিপ্ত হওয়ার বদলে, প্রাণীটিকে জীবনে প্রবেশ করতে বাধ্য করা হয়, তাকে টেনে আনা হয়, নির্দোষভাবে বাঁচতে বাধ্য করা হয়। ফলে প্রতিটি জীবন নবজাতকের ইচ্ছার বিরুদ্ধে একটি লঙ্ঘনের মাধ্যমে শুরু হয়। কৌতুকপূর্ণ গুণাবলিযুক্ত এই ট্র্যাজেডিটি লিও তলস্তয় একটি সদয় উপায়ে বর্ণনা করেছেন, যখন তিনি বলেছেন: "আমার জীবন একটি বোকা এবং বিদ্বেষপূর্ণ কৌতুক, যা কেউ আমার সাথে করেছে"।
** গুন্টার ব্লেইবোম, ''ফ্লুচ ডার গেবুর্ট - থেসেন আইনার উবারলেবেনসেথিক'', ২০১১
** বিবরণ: [[লিও তলস্তয়|লিও তলস্তয়ের]] উক্তিটি [[wikisource:A_Confession_(Maudes_translation)/IV|''অ্যা কনফেশন'']] কাজটিকে নির্দেশ করে।
*তেরোশ বছর ধরে গির্জার ভেতরে বা এর সাথে পাল্লা দিয়ে বড় ধরনের আন্দোলন হয়েছিল, যা শেখাত যে প্রজনন একটি খারাপ জিনিস। এগুলোর মধ্যে রয়েছে: নসটিসিজম, ম্যানিকিয়ানিজম, প্রিসিলিয়ানিজম, বোগোমিলিজম এবং ক্যাথারিজম।
** {{w|রিচার্ড ডি. শোয়ার্টজ}}, জেরোম এইচ. স্কলনিক, ''সোসাইটি অ্যান্ড দ্য লিগ্যাল অর্ডার: কেসেস অ্যান্ড ম্যাটেরিয়ালস ইন দ্য সোশিওলজি অব ল'', ১৯৭০
*তবে, থিওফাইলাক্ট দ্বারা উল্লেখিত একটি প্রচলিত মতবাদ পলিসিয়ান নয় এমন উৎস থেকে এসেছে। তিনি লিখেছেন যে, বিধর্মীরা বৈধ বিবাহ প্রত্যাখ্যান করে এবং মনে করে যে মানব প্রজাতির প্রজনন হলো শয়তানের আইন। এই অতিরঞ্জিত এবং বিকৃত কঠোরতা, যা মূলত বোগোমিলিজমের বৈশিষ্ট্য, তা আধিভৌতিক দ্বৈতবাদের একটি যৌক্তিক পরিণতি। এর মতে, মন্দ শক্তির উৎপাদনে তৈরি পদার্থ হলো ঐশ্বরিকভাবে সৃষ্ট আত্মার সীমাবদ্ধতা এবং কষ্টের উৎস। তাই, পদার্থের প্রজননের মাধ্যম হিসেবে বিবাহকে নিন্দা করা উচিত এবং এড়িয়ে চলা উচিত।
** {{w|দিমিত্রি ওবোলেনস্কি}}, ''দ্য বোগোমিলস: অ্যা স্টাডি ইন বলকান নিও-ম্যানিকিয়ানিজম'', ২০০৪
*এতে কি কোনো সন্দেহ আছে যে, সৃষ্টি ছিল আমাদের পিতা ঈশ্বরের দ্বারা আমাদের মাতা অতল গহ্বরের বিরুদ্ধে একটি চরম সহিংসতার কাজ? তিনি স্বর্গ এবং পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন এবং তাদের আদলে আমরা আমাদের পৃথিবী তৈরি করেছি। জাতিগত হত্যাকাণ্ডের প্রতিটি শিকার, লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতার প্রতিটি লক্ষ্যবস্তু, সাম্রাজ্যবাদী নিপীড়নের ভারে পিষ্ট প্রতিটি হতভাগা প্রাণী—এরা সবাই তাদের পিতার নিষ্ঠুরতার পুনরাবৃত্তি করা শিশুদের শিকার এবং তাঁর কাছে উৎসর্গ। যেন তিনি তাঁর দিনের কঠোরতা থেকে রাতকে দূরে সরিয়ে রাখতে জয়ী হতে পারেন। কিন্তু, স্বর্গের সমস্ত ফেরেশতা এবং নরকের সমস্ত শয়তান সত্ত্বেও, আমরা এখনো এই শোচনীয় অস্তিত্বের হৃদয়ে তাঁর ফিসফিস করা কণ্ঠের প্রতিধ্বনি শুনতে পারি, যা আমাদের আবারও শূন্যতা এবং নীরবতার দিকে ডাকছে। তাহলে আসুন আমরা প্রার্থনা করি যে, প্রতিটি প্রাসাদ ভেঙে পড়বে এবং প্রতিটি সিংহাসন টুকরো টুকরো হবে, এবং সূর্য নিষ্প্রভ হবে এবং চাঁদ কালো হবে এবং তারাগুলো আকাশ থেকে খসে পড়বে। আমাদের উপাসনার যোগ্য কোনো পুরুষ দেবতা নেই; আমাদের উপাসনার যোগ্য কোনো শ্বেতাঙ্গ দেবতা নেই; শয়তান তার শক্তি ও সম্পদের প্রতিশ্রুতি দিয়ে এবং পুরোনো দেবতারা তাদের হারানো মহিমা নিয়ে তাঁরই অন্য মুখ ছাড়া আর কিছুই ছিল না, এবং সাপ এবং প্রমিথিয়ান লুসিফার কেবল তাঁর আদেশে কাজ করা অভিনেতা ছিল। আসুন আমরা দুর্বলতার প্রশংসা করি, শক্তির নয়; বিভ্রান্তির, নিরাপত্তার নয়; দুঃখের, বিজয়ের নয়; অন্ধকারের, রহস্যময় আলোর নয়; আমাদের হৃদয় কেবল তাঁর কাজের শোচনীয় সামগ্রিকতা বাতিলের জন্য এবং আমাদের প্রতিটি আকাঙ্ক্ষা শূন্যতার জন্য নিবেদিত হোক, যাতে তিনি আবারও তাঁর সমস্ত দুঃখ এবং ক্ষতি নিয়ে জেগে উঠতে পারেন এবং তাঁর কান্নার গভীরতায় এই পৃথিবীকে ডুবিয়ে দিতে পারেন।
** বুক অব স্যান্ড, ''অকাল্ট অ্যানার্কিস্ট প্রোপাগান্ডা'', ২০১৬
*জীবন্ত অস্তিত্ব পৃথিবীর দরজায় কড়া নাড়ছে<br />আমি তার জন্য পৃথিবীর দরজা। আমি দেহ<br />সে হাতুড়ি পেটাচ্ছে<br />সে মাথা দিয়ে আঘাত করছে<br />হাতির দাঁতের দরজা কাঁপছে<br />দরজাটি বন্ধ আছে। এটি খুলছে না<br />হয়তো তার ফিরে যাওয়া উচিত<br />বিরত থাকা উচিত<br />ইশারা বোঝা উচিত<br />সতর্কবাণী<br />হয়তো কোনো প্রয়োজন নেই<br />হয়তো এটি এর যোগ্য নয়<br />কোনো কিছুই থামানো যাবে না<br />দেহ শক্তির দ্বারা নিয়ন্ত্রিত<br />এটি সংকুচিত হয়, প্রসারিত হয়<br />এটি মোচড় দেয়, কাঁপে, ফুলে ওঠে<br />জীবন্ত অস্তিত্ব দেহকে ছিঁড়ে ফেলার চেষ্টা করে<br />এটি ভেতর থেকে বিস্ফোরিত হয়<br />আমি চারপাশের দেহ<br />পৃথিবীর দরজা<br />আমি সেই জিনিস, যা সে ছিঁড়ে ফেলতে চায়<br />বাঁকা দরজাটি চাপ সহ্য করতে পারছে না<br />এটি খুলছে, সামান্য খুলছে<br />প্রান্তগুলো সরে যাচ্ছে<br />জীবন্ত অস্তিত্বকে বের হতে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট নয়<br />কিন্তু পৃথিবীর ঝলক অনুভব করার জন্য যথেষ্ট<br />তাকে জানতে দিন<br />তাকে ফাটল দিয়ে তাকাতে দিন<br />এখনো সময় আছে<br />সময় এসে গেছে<br />জীবন্ত অস্তিত্ব একটি নরম নালিতে গড়িয়ে পড়ে<br />শ্লেষ্মা এবং রক্তের মধ্যে<br />সে সূচনার শ্লেষ্মা পান করে<br />আমি তার পিচ্ছিল পথ<br />পৃথিবীর রক্তাক্ত পথ<br />সে বুঝেছে<br />সে ফিরে যাচ্ছে<br />শ্বাস নাও! ধাক্কা দাও! আরও জোরে! পেটে<br />নয়! মলদ্বারের দিকে ধাক্কা দাও! ঠিক মলত্যাগের মতো। শ্বাস নাও! নিচের দিকে ধাক্কা দাও! এটি কোনো ধাক্কা নয়! এমনকি স্ফিংকটারও ফুলে উঠছে না। জোরে, আরও জোরে ধাক্কা দাও! আরও জোরে! আরও জোরে! ধাক্কা দিও না! ধাক্কা দিও না! আমি বলছি, ধাক্কা দিও না! কুকুরের মতো হাঁপাও!<br />জীবন্ত অস্তিত্ব তার মাথা ঘোরায়।<br />লি, লি, লি, লি, লাই,<br />নীল উত্তরাধিকারী।
** জোলান্টা ব্রাচ-চাজিনা, ''শচেলিনি ইস্তিনিয়েনিয়া'', ১৯৯২, পৃষ্ঠা ৪৫-৪৬
* বিবরণ: পোলিশ ভাষার অন্যতম পরিচিত একটি বড়দিনের গানের কথা হলো: "লি, লি, লি, লি, লাই, নীল উত্তরাধিকারী", এটি যীশুকে শোনানো একটি ঘুমপাড়ানি গান।
*সন্তান জন্মদানের সূত্রটি হলো: বর্তমান অবস্থা চলতে থাকুক। অবিশ্বাস্য বার্তা। "কষ্টের কথা ভুলে যাও, বিদ্রোহ করা বন্ধ করো।" এর মানে হলো যা কিছু ঘটে তা মেনে নেওয়া, এটি বোঝায় যে অস্তিত্বের একটি প্রশ্নাতীত মূল্য রয়েছে। এটি আরও প্রমাণ করে যে, অস্তিত্ব আমাদের ইচ্ছার মতো এতটা স্বাধীন নয়, বরং আমরাই সম্মতির চূড়ান্ত ভঙ্গি করি। এবং সেই কারণেই, আমরা দায়ী।
** জোলান্টা ব্রাচ-চাজিনা, ''শচেলিনি ইস্তিনিয়েনিয়া'', ১৯৯২, পৃষ্ঠা ৪৮
*জন্মদানের কাজের দর্শন অসামাজিক, কারণ এটি বোঝায় যে বিশ্বের উন্নতির কোনো প্রয়োজন নেই, এবং একমাত্র অসুবিধা হলো এটিকে মেনে নিতে হবে। এটি অনৈতিকও, কারণ এটি দাবি করে যে আমরা নিজেদের মেনে নেব। এটি কথিত অপরাধবোধ দূর করে এবং অভিযোগ প্রতিরোধ করে। এটি শালীন নৈতিক নীতিগুলোর কাঠামোতে ওঠার চেষ্টাও করে না, সামাজিক ন্যায়বিচারের নকশা করারও চেষ্টা করে না। এই প্রকল্পগুলো অনেক বেশি পরিশীলিত, খুব দূরের বিষয় যা ক্রচ থেকে পড়া যায় না। তবে, নৈতিক সূক্ষ্মতার অভাব মেটাফিজিক্যাল পরিণতির পথকে বন্ধ করে না।
** জোলান্টা ব্রাচ-চাজিনা, ''শচেলিনি ইস্তিনিয়েনিয়া'', ১৯৯২, পৃষ্ঠা ৫০
*যে জন্ম দেয়, সে জীবন নামক এক বন্য দেবতার কাছে আত্মত্যাগ করে।
** জোলান্টা ব্রাচ-চাজিনা, ''শচেলিনি ইস্তিনিয়েনিয়া'', ১৯৯২, পৃষ্ঠা ৫৪
*ভালোবাসা বলতে পারে, এবং কেবল ভালোবাসাই, ... <br> কীভাবে, দুঃখ এবং মৃত্যু সত্ত্বেও, <br> জীবন আনন্দময়, এবং শ্বাস নেওয়া মধুর।
** [[রবার্ট ব্রিজেস]], "মাই ডিলাইট অ্যান্ড দাই ডিলাইট", স্তবক ৫ (১৮৯৯)
*সম্মতি ছাড়া একটি শিশুকে পৃথিবীতে আনা অনৈতিক বলে মনে হয়। গর্ভাশয় ছেড়ে আসাটা পাগলামি। গর্ভাশয় হলো নির্বাণ। এটি স্থান-কালের সীমানার বাইরে একটি চিরন্তন গোলকের মধ্যে ঘোরাঘুরির মতো। এটি পৃথিবীর কেন্দ্রে একটি উষ্ণ, ভেজা রেভ পার্টি। কিন্তু তুমিই সেই পার্টির একমাত্র রেভার। সেখানে কোনো অদ্ভুত নতুন যুগের গাইড নেই। কোনো ফালতু টেকনো নেই। সেখানে কেবল তুমি এবং অসীমতা।
** {{w|মেলিসা ব্রডার}}, ''সো স্যাড টুডে: পার্সোনাল এসেস'', ২০১৬
*প্রজনন আমার জন্য একটি অসম্ভব ব্যাপার। কাউকে মৃত্যুদণ্ডের সারিতে দাঁড় করানোর জন্য আমি নিজেকে কখনো ক্ষমা করতে পারব না।
** {{w|এলিসা ব্রুন}}, ''লা মর্ট ড্যান্স এল'অ্যামে: ট্যাঙ্গো অ্যাভেক সিওরান'', ২০১১
*নন্দ, আমি নতুন অস্তিত্বের সৃষ্টিকে বিন্দুমাত্রও প্রশংসা করি না; আমি মুহূর্তের জন্যও নতুন অস্তিত্বের সৃষ্টিকে প্রশংসা করি না। কেন? কারণ নতুন অস্তিত্বের সৃষ্টি মানেই দুঃখ।
** [[গৌতম বুদ্ধ]], ''গর্ভঅবক্রান্তি সূত্র'', রবার্ট ক্রিটজারের "লাইফ ইন দ্য ওম্ব: কনসেপশন অ্যান্ড জেসটেশন ইন বুদ্ধিস্ট স্ক্রিপচার অ্যান্ড ক্লাসিক্যাল ইন্ডিয়ান মেডিকেল লিটারেচারে"; ভেনেসা আর. স্যাসন এবং জেন মেরি ল (সম্পাদিত) ''ইমাজিনিং দ্য ফিটাস: দ্য আনবর্ন ইন মিথ, রিলিজিয়ন, অ্যান্ড কালচার'' (অক্সফোর্ড ইউপি, ২০০৯) পৃষ্ঠা ৮২
*সাবত্থিতে স্থাপন করা হচ্ছে। এরপর সকালে, ভিক্ষুণী চালা পোশাক পরলেন... তিনি সারা দিন কাটানোর জন্য একটি গাছের নিচে বসলেন। তখন দুষ্ট মারা ভিক্ষুণী চালার কাছে এসে তাকে বলল: "তুমি কিসের অনুমোদন দাও না, ভিক্ষুণী?" চালা: "আমি জন্মের অনুমোদন দিই না, বন্ধু।" মারা: "কেন তুমি জন্মের অনুমোদন দাও না? একবার জন্মালে, মানুষ কামুক আনন্দ উপভোগ করে। কে তোমাকে এখন এতে প্ররোচিত করেছে: ভিক্ষুণী, জন্মের অনুমোদন দিও না?" চালা: "যার জন্ম হয়েছে তার জন্য মৃত্যু আছে; একবার জন্মালে, মানুষ দুঃখের মুখোমুখি হয় — বন্ধন, হত্যা, দুর্দশা — তাই জন্মের অনুমোদন দেওয়া উচিত নয়। বুদ্ধ ধম্ম শিখিয়েছেন, জন্মের অতিক্রমণ; সমস্ত দুঃখ ত্যাগ করার জন্য তিনি আমাকে সত্যে স্থির করেছেন। আর যারা রূপের মাঝে বিচরণ করে, এবং যারা অরূপে বাস করে — নিবৃত্তি বুঝতে না পেরে, তারা পুনরায় ভবচক্রে ফিরে আসে।" এরপর দুষ্ট মারা, এই বুঝতে পেরে যে, "ভিক্ষুণী চালা আমাকে চেনে," দুঃখিত ও হতাশ হয়ে সেখানেই অদৃশ্য হয়ে গেল।
** [[w:কেশামুত্তি সূত্র|''চালা সূত্র'']], ''[[সংযুক্ত নিকায়]]'', ভিক্ষু বোধি কর্তৃক পালি থেকে অনূদিত (১৯৯৭) [https://www.accesstoinsight.org/tipitaka/sn/sn05/sn05.006.bodh.html]
*বুদ্ধ তাঁর যুগের পণ্ডিতসুলভ শৈলীতে তাঁর প্রস্তাবনাগুলো তুলে ধরেছিলেন। তিনি সেগুলোকে যুক্তিবাক্যের আকারে সাজিয়েছেন। তবে যৌক্তিকভাবে এটি ত্রুটিপূর্ণ। এবং তিনি যা বোঝাতে চেয়েছিলেন তা হলো: জীবনের যে কষ্টের শিকার হতে হয় সে সম্পর্কে ভুলে গিয়ে মানুষ সন্তানের জন্ম দেয়, এবং এভাবেই বার্ধক্য ও মৃত্যুর কারণ হয়। যদি সে অনুধাবন করতে পারত যে তার এই কাজের কারণে সে কতটা কষ্ট বাড়াচ্ছে, তবে সে সন্তান জন্মদান থেকে বিরত থাকত; এবং এভাবেই বার্ধক্য ও মৃত্যুর চক্র থামিয়ে দিত।
** {{w|হরি সিং গৌর}}, ''দ্য স্পিরিট অব বুদ্ধিজম'', ১৯২৯
*ডেভিড গ্রে এবং জ্যানেট গায়াতসো দ্বারা নথিভুক্ত ভারত ও তিব্বতের মধ্যযুগীয় তান্ত্রিক ঐতিহ্যে, বীর্যপাতহীন যৌন মিলনকে মুক্তির উপলব্ধির একটি দ্রুত পথ হিসেবে তত্ত্বায়িত করা হয়েছে। এটিকে যোগ্য অনুশীলনকারীদের জন্য ব্রহ্মচর্যের চেয়েও উচ্চতর বলে মনে করা হতো (গ্রে ২০০৭; গায়াতসো ১৯৯৮)। এই উন্নয়নগুলো এই ধারণাটিকেও সমর্থন করে যে, প্রাচীন, শাস্ত্রীয় এবং মধ্যযুগীয় বৌদ্ধধর্মে যৌন সমস্যার সাথে ভুল আকাঙ্ক্ষার বিপদের চেয়ে নারী প্রজনন এবং সন্তান উৎপাদনের সম্পর্ক বেশি ছিল।
** অ্যামি প্যারিস ল্যাঞ্জেনবার্গ, ''বুদ্ধিস্ট অ্যান্টিন্যাটালিজম'', ২০১৮
*হয়তো পুনর্জন্ম মানে হলো কেবল সন্তান জন্ম দেওয়া।
** জ্যাক কেরুয়াক, ''সিলেক্টেড লেটারস, ১৯৫৭-১৯৬৯, ভলিউম ২'', ১৯৯৯
** বিবরণ: [[বৌদ্ধধর্ম|বৌদ্ধধর্মের]] সম্পর্কে।
*তারা ভালো বৌদ্ধ ছিল। আর প্রত্যেক ভালো বৌদ্ধই জানে যে জন্ম দেওয়া হলো কেবল বিলম্বিত হত্যাকাণ্ড। জন্ম ও মৃত্যুর চাকা থেকে বেরিয়ে আসার জন্য আপনার সর্বোচ্চ চেষ্টা করুন। আর ঈশ্বরের দোহাই, সেই চাকায় অপ্রয়োজনীয় শিকার যোগ করতে যাবেন না।
** অ্যালডাস হাক্সলি, ''আইল্যান্ড'', ১৯৬২
** বিবরণ: রঙ্গা চরিত্রের কথা।
*আমরা মৃত্যুর দিকে ছুটে যাই না, আমরা জন্মের বিপর্যয় থেকে পালিয়ে যাই, বেঁচে থাকা মানুষেরা এটি ভুলে যাওয়ার সংগ্রাম করে। মৃত্যুর ভয় হলো কেবল এমন একটি ভয়ের ভবিষ্যতের দিকে প্রজেকশন, যার শুরু আমাদের জীবনের প্রথম মুহূর্তে। অবশ্যই, আমরা জন্মকে একটি অভিশাপ হিসেবে দেখতে নারাজ: এটি কি সর্বোচ্চ ভালো হিসেবে শেখানো হয়নি—আমাদের কি বলা হয়নি যে সবচেয়ে খারাপ জিনিসটি জীবনের শেষে আসে, শুরুতে নয়? তবুও অশুভ, প্রকৃত অশুভ, আমাদের পেছনে রয়েছে, সামনে নয়। যা যীশুকে এড়িয়ে গিয়েছিল, তা বুদ্ধকে এড়ায়নি: "যদি পৃথিবীতে তিনটি জিনিস না থাকত, হে শিষ্যরা, তবে নিখুঁত সত্তা পৃথিবীতে অবতীর্ণ হতেন না..." এবং বার্ধক্য ও মৃত্যুর আগে তিনি জন্মের ঘটনাকে রেখেছেন, যা প্রতিটি দুর্বলতা ও প্রতিটি বিপর্যয়ের উৎস।
** এমিল সিওরান, ''দ্য ট্রাবল উইথ বিয়িং বর্ন'', ১৯৭৩
*বৌদ্ধ রচনাগুলোতে প্রায়ই "জন্মের অতল গহ্বরের" কথা উল্লেখ করা হয়। এটি সত্যিই একটি অতল গহ্বর, এমন একটি গহ্বর যেখানে আমরা পড়ি না, বরং যেখান থেকে আমরা বেরিয়ে আসি, যা আমাদের সার্বজনীন বিরক্তির কারণ।
** এমিল সিওরান, ''দ্য ট্রাবল উইথ বিয়িং বর্ন'', ১৯৭৩
*আপনি যদি অসুস্থতাকে ভয় পান, আপনি যদি মৃত্যুকে ভয় পান, তবে আপনার চিন্তা করা উচিত এগুলো কোথা থেকে আসে? এগুলো কোথা থেকে আসে? এগুলো জন্ম থেকে আসে। তাই কেউ মারা গেলে দুঃখ পাবেন না, এটি কেবল প্রকৃতি, এবং এই জীবনে তার কষ্ট শেষ হয়ে গেছে। আপনি যদি দুঃখ পেতে চান, তবে কেউ জন্ম নিলে দুঃখ পান: ওহ। না, তারা আবার এসেছে। তারা আবার কষ্ট পাবে এবং মারা যাবে!
** {{w|অজান চাহ}}, [https://www.ajahnchah.org/pdf/no_ajahn_chah.pdf ''নো অজান চাহ: রিফ্লেকশনস''], ১৯৯৪
*আমাদের জন্ম এবং মৃত্যু কেবল একটি জিনিস। আপনি একটি ছাড়া অন্যটি পেতে পারেন না। এটি দেখা কিছুটা হাস্যকর যে, মৃত্যুতে লোকেরা কীভাবে কাঁদে এবং দুঃখ পায়, আর জন্ম নিলে কীভাবে আনন্দিত হয়। এটি একটি বিভ্রম। আমার মনে হয় আপনি যদি সত্যিই কাঁদতে চান। তবে কেউ জন্ম নিলে তা করাই ভালো হবে। মূলে গিয়ে কাঁদুন, কারণ যদি কোনো জন্ম না থাকত, তবে কোনো মৃত্যুও থাকত না। আপনি কি এটি বুঝতে পারছেন?
** {{w|অজান চাহ}}, [https://www.ajahnchah.org/pdf/no_ajahn_chah.pdf ''নো অজান চাহ: রিফ্লেকশনস''], ১৯৯৪
*বৌদ্ধধর্ম - জন্মের অবসান ঘটানোর চূড়ান্ত প্রচেষ্টা। নির্বাণ বলতে এটিই বোঝায়। বৌদ্ধ অ্যাপোক্যালিপসের দেবদূত বলবেন, "আর কোনো জন্ম হবে না"।
** এমিল সিওরান, ''চাহিয়ারস ১৯৫৭-১৯৭২'', ১৯৯৭
*এক তরুণ সন্ন্যাসী এক সুন্দরী কুমারীর গভীর প্রেমে পড়েছিলেন। তিনি তার উপাসনালয় ছেড়ে গ্রামে গিয়েছিলেন তাকে ভালোবাসার কথা জানানোর উদ্দেশ্যে। যেহেতু সেখানে পৌঁছাতে পৌঁছাতে অন্ধকার হয়ে গিয়েছিল, তাই তিনি একটি সরাইখানায় উঠলেন এবং বিশ্রাম নিতে গেলেন। সেই রাতে তিনি স্বপ্ন দেখলেন যে তিনি তাকে বিয়ে করেছেন। তিনি তার ঘরে ঢুকলেন, তার সাথে ভালোবাসা বিনিময় করলেন... কিছু সময় পর তাদের যমজ সন্তান হলো। যখন তাদের বয়স তেরো বছর, তখন তাদের একজন নদীতে পড়ে ডুবে গেল। শোকে বিহ্বল পিতা অবিরাম কাঁদছিলেন... আর এভাবেই তিনি জেগে উঠলেন, তার চোখ জলে ভরা ছিল। সকাল হওয়ার সাথে সাথে তিনি তার পথ ফিরে ধরলেন, এবং আবারও তার উপাসনালয়ের দিকে রওনা হলেন।
** তাইসেন দেশিমারু, ''হিস্টোরিয়াস জেন'', ১৯৯০
*নন্দ, আমি নতুন অস্তিত্বের সৃষ্টিকে বিন্দুমাত্রও প্রশংসা করি না; আমি মুহূর্তের জন্যও নতুন অস্তিত্বের সৃষ্টিকে প্রশংসা করি না। কেন? কারণ নতুন অস্তিত্বের সৃষ্টি মানেই দুঃখ। উদাহরণস্বরূপ, সামান্য একটু বমিও দুর্গন্ধযুক্ত। একইভাবে, নন্দ, নতুন অস্তিত্বের সৃষ্টি, তা যত সামান্যই হোক বা এক মুহূর্তের জন্যই হোক, তা হলো দুঃখ। তাই, নন্দ, যা কিছু জন্ম নিয়ে গঠিত, [যেমন] বস্তুর উদ্ভব, এর টিকে থাকা, এর বৃদ্ধি এবং এর উত্থান, অনুভূতি, ধারণার গঠন, নিয়ন্ত্রক শক্তি এবং চেতনার উদ্ভব, টিকে থাকা, বৃদ্ধি এবং উত্থান, [এই সব কিছুই] হলো দুঃখ। টিকে থাকা মানেই অসুস্থতা। বৃদ্ধি মানেই বার্ধক্য এবং মৃত্যু। তাই, নন্দ, মায়ের গর্ভে থেকে অস্তিত্বের আকাঙ্ক্ষা করে এমন ব্যক্তির জন্য কী সন্তুষ্টি থাকতে পারে?
**[[গৌতম বুদ্ধ]], ''গর্ভঅবক্রান্তিসূত্র: দ্য সূত্র অন এন্ট্রি ইনটু দ্য ওম্ব'', টিকে থাকা সূত্রটির প্রাচীনতম সংস্করণ হলো ২৮১ বা ৩০৩ সালের ধর্মরক্ষের একটি চীনা অনুবাদ
*সিওরান ঠিক বলেছেন। একজন সত্যিকারের সৎ এবং দায়িত্ববান মানুষ জন্ম না নেওয়াকেই বেছে নেবে।
** ভ্যালেরিউ বুতুলেস্কু, ''নরোই অরিফার''
*এমন কারো জন্ম দেওয়া<br />যারা কেবল বহু বছর কষ্ট ভোগ করতে পারে, এবং মারা যায়,<br />আমার মনে হয় এটি কেবল মৃত্যুর বিস্তার করা,<br />এবং হত্যাকাণ্ডকে বহুগুণ বাড়ানো।
** [[লর্ড বায়রন]], ''কেইন'', ১৮২১
** বিবরণ: কেইন চরিত্রের কথা
[[File:Cioran in Romania.jpg|thumb|এমন একটি জাতি বা একটি উপজাতি খুঁজে পাওয়ার অসম্ভবতার চেয়ে মানবতা কতটা পিছিয়ে গেছে তার ভালো প্রমাণ আর কিছু হতে পারে না, যাদের মধ্যে জন্ম এখনো শোক এবং বিলাপের সৃষ্টি করে। ~ এমিল সিওরান]]
*আমাদের জন্মের অনিশ্চয়তার কারণে, সমস্ত ব্যথাই অপ্রয়োজনীয়। অপ্রয়োজনীয় ব্যথা অসহনীয়। ''সুতরাং'', জন্মগ্রহণ করাটা অসহনীয়। এই অর্থে, প্রজনন হলো অনৈতিক। প্রজনন একটি নৈতিক ভার বহন করে; এটি একটি সমস্যামূলক কাজ। ইতিবাচক নীতিশাস্ত্র যেমনটি মনে করে, এটি কোনো বিশুদ্ধ, নির্দোষ এবং সন্দেহমুক্ত ঘটনা নয়। ইতিবাচক নীতিশাস্ত্র বিশ্বের সামগ্রিক অনৈতিকতা বজায় রাখতে ইচ্ছুক কেবল এবং একচেটিয়াভাবে এর উৎপত্তির নৈতিকতা রক্ষার জন্য। নেতিবাচক নীতিশাস্ত্র এর বিপরীত কথা বলে: এর উৎপত্তির অনৈতিকতা আবিষ্কারের পর বিশ্বের নৈতিকতার উদ্ধার (এবং ঈশ্বরপক্ষ সমর্থনের খুব সমস্যাটি উল্টে যায়: ঐশ্বরিক দুষ্টতার সাথে বিশ্বের নির্দোষতা কীভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ?)।
** হুলিও ক্যাবরেরা, [https://misantropiaemelancolia.wordpress.com/2017/10/24/project-of-negative-ethics/ ''প্রজেতো দে এতিকা নেগাতিভা''], ১৯৮৯, পৃষ্ঠা ২১
*কষ্ট হলো এমন একটি জিনিস, যা সম্পূর্ণ এবং সহজভাবে "অস্তিত্বের" সাথে যুক্ত। ব্যথা ছাড়া কোনো কিছুকে "চালু করা" যায় না। সুতরাং, ব্যথা কোনো অভিশাপ নয়, কোনো শাস্তি নয়, কোনো অস্বাভাবিকতা নয়, কোনো অসামঞ্জস্য নয়, বা কোনো বিচ্যুতি নয়। বরং এটি অস্তিত্বের ''অপরিহার্য শর্ত''। অস্তিত্ব হলো প্রয়োজনীয় কষ্টের একটি শর্ত। ইতিবাচক নীতিশাস্ত্র, যতক্ষণ না তারা সুসংগততার মূল্যকে সম্মান করে, ততক্ষণ ব্যথা দূর করাকে তাদের উদ্বেগের বিষয় হিসেবে ঘোষণা করা উচিত নয়।
** হুলিও ক্যাবরেরা, [https://misantropiaemelancolia.wordpress.com/2017/10/24/project-of-negative-ethics/ ''প্রজেতো দে এতিকা নেগাতিভা''], ১৯৮৯, পৃষ্ঠা ২২
*রোগগুলো সাধারণত আমাদের কাছে অপ্রত্যাশিত কিছু হিসেবে দেখা দেয়। কারণ সুস্বাস্থ্যের একটি "ডিফল্ট" অবস্থা রয়েছে। স্বাস্থ্য পরিমাপের অসুবিধা হলো, বিদ্যমান বেশিরভাগ সূচকই নেতিবাচক। অর্থাৎ এগুলো স্বাস্থ্যের অনুপস্থিতি পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়। বিপরীতে, সুস্বাস্থ্যকে একটি আকস্মিক অস্বাভাবিকতা হিসেবে দেখা যেতে পারে, এটি কোনো অন্তর্নিহিত বৈশিষ্ট্য নয়। এবং মানুষের "অধিকার" তো আরও নয়। কোনো রোগের সম্মুখীন হলে, আমরা যাকে সাধারণত "জীবন" বলি, তা হলো বেঁচে থাকার, "প্রতিরোধ করার," "নিজেকে বজায় রাখার," "অবিচল থাকার," "সহ্য করার," "অধ্যবসায় করার" একটি প্রচেষ্টা। মৌলিক নৈতিক সমস্যাটি হলো, অন্য একজন মানুষের জীবনের সম্ভাব্য স্রষ্টা হিসেবে, আমরা সেই সম্ভাব্য ব্যক্তির বেঁচে থাকার প্রক্রিয়া, কাঠামোগত ব্যথার প্রতি তার দুর্বলতা সম্পর্কে কোনো ভবিষ্যদ্বাণী করতে পারি না। এই দুর্বলতার বিষয়ে একটি প্রমিত ভবিষ্যদ্বাণী করার কোনো নৈতিক অধিকার আমাদের নেই। অশুভ আনন্দ (অশুভ এবং অগভীর) যার মাধ্যমে আমাদের সমাজ গর্ভাবস্থা এবং জন্মকে স্বাগত জানায়, তাকে অবশ্যই তার নিজস্ব নৈতিক বিভাগগুলোর মুখোমুখি হতে হবে, যদি আমরা আমাদের চিন্তায় গভীর হই।
** হুলিও ক্যাবরেরা, [https://misantropiaemelancolia.wordpress.com/2017/10/24/project-of-negative-ethics/ ''প্রজেতো দে এতিকা নেগাতিভা''], ১৯৮৯, পৃষ্ঠা ২২-২৩
*আমাদের সামাজিক সংগঠনগুলো অন্ধভাবে মাতৃত্ব বা পিতৃত্বের নৈতিকতা নিশ্চিত করে। আর প্রজননকে স্বাভাবিকভাবে একটি ইতিবাচক মান হিসেবে তুলে ধরা হয়। এর বিপরীতে, এই মূল্যবোধগুলোর যেকোনো সমস্যাকে শয়তানি হিসেবে দেখা হবে। কিন্তু চিন্তাভাবনার জায়গাটি একেবারেই পরিষ্কার: হয় আমরা "অপ্রয়োজনীয় ব্যথা এড়ানোর" মূল্যবোধ ত্যাগ করব, নয়তো আমরা প্রজননের অন্ধ নৈতিকতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করব। নৈতিক চিন্তাভাবনা যদি যৌক্তিক হতে হয়, সত্যের সন্ধান করতে হয় ইত্যাদি, তবে এটিকে এই বিকল্পের মুখোমুখি হতে হবে।
** হুলিও ক্যাবরেরা, [https://misantropiaemelancolia.wordpress.com/2017/10/24/project-of-negative-ethics/ ''প্রজেতো দে এতিকা নেগাতিভা''], ১৯৮৯, পৃষ্ঠা ২৮
*যদি স্বাধীনতা, ঐতিহ্যগত নৈতিকতা অনুসারে, একটি মৌলিক নৈতিক মূল্যবোধ এবং নীতিশাস্ত্রের মূল ভিত্তি হয়, তবে একজনকে অবশ্যই সচেতন হতে হবে যে একটি শিশুর জন্ম মানব ব্যক্তির স্বাধীনতার প্রথম বড় অসম্মান হতে পারে। স্বাধীনতার বিষয়টি এখানে ব্যথার সমস্যার মতো একই সমস্যায় ভোগে: এটি এমন একটি নৈতিক মূল্যবোধের বিষয় যা ঐতিহ্যগত ইতিবাচক নীতিশাস্ত্র উগ্র করতে অক্ষম।
** হুলিও ক্যাবরেরা, [https://misantropiaemelancolia.wordpress.com/2017/10/24/project-of-negative-ethics/ ''প্রজেতো দে এতিকা নেগাতিভা''], ১৯৮৯, পৃষ্ঠা ২৮
*কাউকে হত্যা করা এবং কাউকে জন্ম দেওয়া দুটি হিংসাত্মক কাজ, যার মাধ্যমে জাদুকরীভাবে মানুষ নিজেকে ঈশ্বরের জায়গায় বসানোর চেষ্টা করে। হত্যাকাণ্ডের শিকার ব্যক্তি সবসময় অসহায় থাকে, তবে জন্মের শিকার ব্যক্তির মতো ততটা অসহায় কখনোই নয়। সন্তান জন্মদান হত্যাকাণ্ডের মতোই নির্দোষ রক্ত ঝরায়। যদি প্রজনন একটি স্বাধীন পছন্দ হয়, তবে জীবন মূলত একটি অপ্রয়োজনীয় ব্যথা।
** হুলিও ক্যাবরেরা, [https://misantropiaemelancolia.wordpress.com/2017/10/24/project-of-negative-ethics/ ''প্রজেতো দে এতিকা নেগাতিভা''], ১৯৮৯, পেছনের প্রচ্ছদ
*প্রাকৃতিক সত্তাতত্ত্বের আলোকে, এই যুক্তিটি সঠিক নয় যে আমরা আমাদের সম্ভাব্য বংশধরদের সম্পর্কে কিছুই জানি না। উদাহরণস্বরূপ, কাঠামোগত ব্যথা কাটিয়ে ওঠার ক্ষমতা তাদের কতটা থাকবে, তা নিয়ে আমরা কিছুই জানি না—এমন কথা বলা ভুল। কারণ যদিও আমরা জানি না যে তারা ভ্রমণ, কাজ বা শাস্ত্রীয় ভাষা অধ্যয়ন করতে পছন্দ করবে কি না, তবে আমরা জানি যে তারা দরিদ্র, ক্ষয়িষ্ণু, শূন্য প্রাণী হবে, যারা জন্মের পর থেকেই মরতে শুরু করবে। তারা পদ্ধতিগত কর্মহীনতার মুখোমুখি হবে এবং এর দ্বারা চিহ্নিত হবে। তাদের নিজেদের সত্তাকে অন্যদের বিরুদ্ধে একটি সত্তা হিসেবে গঠন করতে হবে – এর মানে হলো আগ্রাসন মোকাবিলা করা এবং অন্যদের ওপর তা চাপিয়ে দেওয়া। তারা যাদের ভালোবাসে তাদের হারাবে এবং যারা তাদের ভালোবাসে তাদের দ্বারা তারা হারিয়ে যাবে, এবং সময় তাদের গড়ে তোলা সবকিছু কেড়ে নেবে।
** হুলিও ক্যাবরেরা, [http://repositorio.unb.br/bitstream/10482/17430/3/Livro_CritiqueAffirmativeMorality.pdf ''অ্যা ক্রিটিক অব অ্যাফারমেটিভ মোরালিটি (অ্যা রিফ্লেকশন অন ডেথ, বার্থ অ্যান্ড দ্য ভ্যালু অব লাইফ)''], ১৯৯৬, পৃষ্ঠা ৫৪
*আমরা নিঃসন্দেহে এমন একজনের আচরণকে নৈতিকভাবে ন্যায্যতা দেব না, যে কোনো সহকর্মীকে বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে পাঠিয়ে বলে: "আমি তাকে সেখানে পাঠিয়েছিলাম কারণ আমি জানি সে শক্তিশালী এবং সে ভালোভাবে পরিস্থিতি সামলে নেবে"। নবজাতকের "শক্তি" কোনোভাবেই প্রজননকারীর নৈতিক দায়বদ্ধতা কমায় না। যে কেউই উত্তর দেবে: "এটি অপ্রাসঙ্গিক। এই বিষয়ে আপনার ভূমিকা হলো মানুষকে এমন একটি পরিস্থিতিতে পাঠানো, যা আপনি জানতেন যে কঠিন ও বেদনাদায়ক এবং আপনি এটি এড়াতে পারতেন। তাদের প্রতিক্রিয়ার ধরন সম্পর্কে আপনার ভবিষ্যদ্বাণী আপনার দায়িত্বকে বিন্দুমাত্রও কমায় না"। প্রজননের ক্ষেত্রেও যুক্তিটি একই হতে পারে, এবং এটি একটি পরিষ্কার জোর দেওয়া উপায়ে। কারণ পৃথিবীতে ইতিমধ্যে বিদ্যমান লোকদের সাথে যেকোনো পরিস্থিতিতে, যখন আমরা কাউকে বেদনাদায়ক বলে পরিচিত একটি অবস্থানে পাঠাই, তখন অন্য ব্যক্তি সর্বদা ব্যথার কাছ থেকে পালাতে পারে, কারণ তার সত্তা ইতিমধ্যে পৃথিবীতে আছে এবং সে বিপদের পূর্বাভাস দিতে পারে এবং উপেক্ষা ও নিয়ন্ত্রণমূলক কৌশল থেকে নিজেকে বাঁচাতে পারে। অন্যদিকে, যে জন্ম নিচ্ছে, তার ক্ষেত্রে এটি একেবারেই সম্ভব নয়। কারণ তার সত্তাই তৈরি করা হচ্ছে এবং ব্যবহার করা হচ্ছে। তাই জন্মের ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ সম্পূর্ণ বলে মনে হয়।
** হুলিও ক্যাবরেরা, [http://repositorio.unb.br/bitstream/10482/17430/3/Livro_CritiqueAffirmativeMorality.pdf ''অ্যা ক্রিটিক অব অ্যাফারমেটিভ মোরালিটি (অ্যা রিফ্লেকশন অন ডেথ, বার্থ অ্যান্ড দ্য ভ্যালু অব লাইফ)''], ১৯৯৬, পৃষ্ঠা ৫৪-৫৫
*সুতরাং, যে ব্যক্তি বলেছে ভালোবাসার জন্য প্রজনন করতে, যেমন অন্যরা ঘৃণার জন্য হত্যা করে, সে হয়তো একটি সত্য বলেছে। তবে নিঃসন্দেহে, এই ব্যক্তি প্রজননের জন্য কোনো নৈতিক ন্যায্যতা দেয়নি। "ভালোবাসার জন্য" আপনার একটি সন্তান হয়েছে, এমন কথা বলার অর্থ হলো আপনি তাকে বাধ্যতামূলকভাবে পেয়েছেন, জীবনের বন্য ছন্দ অনুসারে। একইভাবে, আমরা আমাদের বাবা-মাকে গভীরভাবে ভালোবাসতে পারি এবং একই সাথে, পিতৃত্ব বা মাতৃত্বকে নৈতিক-যৌক্তিক দিক থেকে সমস্যামূলক বলে মনে করতে পারি, এবং কল্পনা করতে পারি যে আমরা তাদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়েছি। আমি অনৈতিকতা শনাক্ত করার পরও ভালোবাসা চালিয়ে যেতে পারি, এর মধ্যে পরস্পরবিরোধী কিছুই নেই। ঘৃণার কারণে আমরা এটি করেছি, এমন কথা বলে যেমন একটি হত্যাকাণ্ডকে নৈতিকভাবে ন্যায্যতা দেওয়া যায় না, তেমনি "নিজেদের বিরুদ্ধে ঘৃণার কারণে" আমরা এটি করেছি, এমন কথা বলে আত্মহত্যার ন্যায্যতা দেওয়া যায় না। ভালোবাসা দ্বারা পরিচালিত হলেও কোনো কিছু নৈতিকভাবে সমস্যামূলক হতে পারে।
** হুলিও ক্যাবরেরা, [http://repositorio.unb.br/bitstream/10482/17430/3/Livro_CritiqueAffirmativeMorality.pdf ''অ্যা ক্রিটিক অব অ্যাফারমেটিভ মোরালিটি (অ্যা রিফ্লেকশন অন ডেথ, বার্থ অ্যান্ড দ্য ভ্যালু অব লাইফ)''], ১৯৯৬, পৃষ্ঠা ৫৯
*লোকেরা দাবি করে যে "মাতৃত্ব বা পিতৃত্বের অভিজ্ঞতা অসাধারণ" এবং এটি সবাইকে সুপারিশ করে (এবং যারা এর মধ্য দিয়ে যায়নি তাদের ছোট করে)। তবে আমরা ভাবতে পারি: "কার জন্য অসাধারণ?" এটি অবশ্যই বাবা-মায়ের জন্য অসাধারণ। যখন তারা বলে যে শুধু তারাই এই অভিজ্ঞতায় খুশি এবং সন্তুষ্ট হবে তা নয়, বরং তাদের সন্তানরাও হবে, তখন তারা সৃষ্টি করা এবং সৃষ্ট হওয়ার এই দুটি অভিজ্ঞতার মধ্যে বিশাল অসামঞ্জস্য এবং অমিল বুঝতে পারে না। সৃষ্ট শিশুটিকে অভিজ্ঞতাটি গ্রহণ করতে, এটিকে ভালো এবং আকর্ষণীয় (এবং এমনকি অসাধারণ) করে তুলতে বাধ্য করা হয়; তাদের আর কী বিকল্প থাকবে? এই বাধ্যবাধকতা বাবা-মায়ের মধ্যে থাকে না, যেখানে অভিজ্ঞতার "অসাধারণ" প্রকৃতি একটি আকর্ষণীয় এবং একতরফা প্রকল্পের অংশ। উভয় পক্ষের পরিস্থিতি তুলনীয় নয়। সুতরাং, যখন কেউ উত্তর দেয়: "জীবন যে খারাপ তা আপনি দেখাতে চাওয়ার কোনো মানে নেই; আপনি আপনার সন্তানের জন্য সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না; হয়তো সে বাঁচতে পছন্দ করবে," এর মানে কী? অবশ্যই, এক অর্থে তারা জীবনকে পছন্দ করতে বাধ্য! কিন্তু এই "পছন্দ করা" সবসময় একটি মরিয়া গ্রহণযোগ্যতা হবে। সৃষ্ট শিশুটি জীবনকে সত্যিই পছন্দ করার অবস্থানে নেই। তারা যদি সত্যিই অস্তিত্বে আসার পথ বেছে নিত, তবে তারা এটি পছন্দ করতে পারত। সম্পন্ন হওয়া ঘটনাটির মুখোমুখি হয়ে, তারা মরিয়া হয়ে জীবন আঁকড়ে ধরে রাখতে বাধ্য হয়। হয় তারা এটিকে "পছন্দ করবে" নয়তো তারা ধ্বংস হয়ে যাবে (মানসিক অসুস্থতা দ্বারা, বা অন্যদের শত্রুতা দ্বারা)।
** হুলিও ক্যাবরেরা, [https://misantropiaemelancolia.wordpress.com/2017/09/28/first-chapter-of-because-i-love-you-you-will-not-be-born/ ''পোরক তে আমো, নাও নাসসেরাস! নাসসিতুরি তে সালুতান্ত''], ২০০৯, পৃষ্ঠা ২৫-২৬
*একজন সত্যিকারের যুক্তিবাদী মানুষ কি জন্ম নিতে পছন্দ করবে? আর. এম. হেয়ারের বিরুদ্ধে আমার যুক্তি "ক্রিটিক অব অ্যাফারমেটিভ মোরালিটি"-তে আবার পড়া যেতে পারে।... সেখানে আমি মত দিয়েছি যে, অস্তিত্বহীন সত্তার সম্ভাব্য জন্ম সম্পর্কে জাদুকরীভাবে পরামর্শ নেওয়ার সেই পরীক্ষায় হেয়ার অন্ধভাবে ধরে নিয়েছিলেন যে "তারা" নিঃসন্দেহে জন্ম নেওয়া বেছে নেবে। (এটি স্বাভাবিক ইতিবাচক প্রবণতা।) ধরা যাক, আমরা এমন একজন মানুষের কথা বলছি, যে একজন যুক্তিবাদী প্রাণী এবং কারণ বিচার করতে সক্ষম। হেয়ারের পরীক্ষায় এই সম্ভাব্য সত্তাকে যে তথ্য দেওয়া হয়, তা অসম্পূর্ণ ও পক্ষপাতদুষ্ট। আমাদের তাদের এটাও বলা উচিত যে, যদি তারা জন্ম নেয়, তবে কোনো সমস্যা ছাড়াই জন্ম নেওয়ার কোনো নিশ্চয়তা নেই; যদি তারা কোনো সমস্যা ছাড়াই জন্ম নিতে সক্ষম হয়, তবে তারা প্রায় নিশ্চিতভাবেই পৃথিবীর ভেতরে অনেক খারাপ জিনিসের কারণে কষ্ট পাবে; যদি তারা এগুলো এড়াতে সক্ষম হয় (এবং পৃথিবীতে এটি সম্ভব, যদিও কঠিন), তবে আমরা তাদের জীবনের দৈর্ঘ্য বা তাদের মৃত্যু কেমন হবে, তা নিয়ে কোনো নিশ্চয়তা দিতে পারি না। আর তারা যাদের ভালোবাসতে শুরু করবে তাদের মৃত্যুতেও তাদের কষ্ট পেতে হবে এবং যারা তাদের ভালোবাসবে তাদের মৃত্যুতেও তারা কষ্ট পাবে (যদি তারা সৌভাগ্যবান হয় কাউকে ভালোবাসার এবং কারও দ্বারা ভালোবাসার মতো, যারও কোনো নিশ্চয়তা নেই)। তাদের অবশ্যই বলতে হবে যে, যদি তারা একটি সহিংস দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু এড়াতে সক্ষম হয়, তবে তারা কয়েক বছরের মধ্যে ক্ষয়িষ্ণু হয়ে পড়বে (ঠিক তাদের প্রিয়জনদের মতো)। আর তাদের এমন একজন মুমূর্ষু রোগী হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে, যে তার মৃত্যুর সময় পর্যন্ত ভয়ানক কষ্ট পেতে পারে। এই সব তথ্য হজম করার পর যদি সেই অস্তিত্বহীন সত্তার পক্ষে জন্ম নেওয়া বেছে নেওয়া সম্ভব হয়, তবে আমরা কি "যুক্তিবাদী মানুষ" হিসেবে তার গুণমান নিয়ে সুপ্রতিষ্ঠিত সন্দেহ পোষণ করতে পারি না?
** হুলিও ক্যাবরেরা, [https://misantropiaemelancolia.wordpress.com/2017/09/28/first-chapter-of-because-i-love-you-you-will-not-be-born/ ''পোরক তে আমো, নাও নাসসেরাস! নাসসিতুরি তে সালুতান্ত''], ২০০৯, পৃষ্ঠা ৭০-৭১
*দার্শনিকরা সবসময় জীবনকে "মৃত্যুর প্রস্তুতি" এবং দর্শনকে "মরতে শেখা" হিসেবে বলেছেন। তবে এর আগেও একটি প্রজ্ঞা রয়েছে: বিরত থাকতে শেখা; কাউকে মরতে শেখার পরিস্থিতিতে না ফেলা।
** হুলিও ক্যাবরেরা, [https://misantropiaemelancolia.wordpress.com/2017/09/28/first-chapter-of-because-i-love-you-you-will-not-be-born/ ''পোরক তে আমো, নাও নাসসেরাস! নাসসিতুরি তে সালুতান্ত''], ২০০৯, পৃষ্ঠা ৭৯
*এমভি বলেছেন যে জীবনের প্রত্যাখ্যান পরবর্তী অবস্থাগুলোতে দেখা দেয়, কিন্তু জন্মের সময় এবং তারও আগে, সবকিছুই জীবনের স্বীকৃতি। কিন্তু, তা কি সত্যিই এমন?? যে চিৎকারের সাথে শিশুরা জন্মায়, সেই আদিম কান্না, বিশ্বের সাথে সেই প্রথম মর্মান্তিক যোগাযোগ (যা নিয়ে ফ্রয়েড গবেষণা করেছেন) সম্পর্কে কী বলা যায়? শিশুর কান্না কি ইতিমধ্যে বিশ্ব সম্পর্কে তার প্রথম দার্শনিক মতামত নয়? কেন সে হাসতে হাসতে বা অন্তত শান্ত হয়ে জন্মায় না? যখন শিশুটিকে জন্মের সময় পৃথিবীতে ফেলে দেওয়া হয়, তখন তার প্রথম প্রতিক্রিয়া হয় হতাশাবাদী, এটি উপেক্ষা এবং বিরক্তির বিরুদ্ধে একটি প্রতিবাদ, একটি প্রাথমিক কান্না যা তাকে শিখতে হয়নি, যেমন তাকে জীবনের প্রথম কয়েক সপ্তাহ বা এমনকি মাসগুলোতে হাসতে শিখতে হবে (যা ইতিমধ্যে সত্তার খুব উদ্বোধনী কাজেই হতাশাবাদী অসামঞ্জস্যকে চিহ্নিত করে: শিশু হাসতে শেখে, কিন্তু কাঁদতে কাঁদতে জন্মায়); অন্যদের ইচ্ছায় বাধ্য হয়ে শিশুটি জন্মায়, এটি একটি প্রাথমিক হতাশার মধ্যে, গভীর ও অতল অসহায়ত্বের কান্নায়, এক আদিম আতঙ্কের মধ্যে জন্মায় যা প্রাপ্তবয়স্করা নড়াচড়া, আদর, সান্ত্বনা ইত্যাদির মাধ্যমে শান্ত করার চেষ্টা করবে। এই নড়াচড়াগুলো তার সারা জীবন ধরে বারবার ঘটবে: প্রাথমিক হতাশা এবং তার পর সুরক্ষামূলক সান্ত্বনা; কিন্তু সান্ত্বনাগুলো হতাশার পরে আসে; হতাশা আগে আসে, এবং সান্ত্বনাগুলো হলো প্রতিক্রিয়া। এগুলো একই স্তরে নেই। অসামঞ্জস্য!
** হুলিও ক্যাবরেরা, [https://misantropiaemelancolia.wordpress.com/2018/04/29/about-the-intellectual-and-existential-superiority-of-pessimism-over-optimism-reply-to-marcus-valerio/ ''অ্যাকারকা দা সুপিরিয়রদাদ ইন্তেলেকচুয়াল ই এক্সিসটেন্সিয়াল দো পেসসিমিসমো সোব্রে ও ওটিমিসমো (রেপ্লিকা আ মার্কাস ভ্যালেরিও)''], ২০১০, পৃষ্ঠা ২৪-২৫
*বাবা-মা খুব ভালো করেই জানেন যে তারা কেবল তাদের নিজেদের অর্জন এবং সুখের জন্য একটি সন্দেহজনক মানের পণ্য দিচ্ছেন। ব্যক্তিটি এটি ফেরত দিতে চাইতে পারে তা স্বীকার করার মাধ্যমে তারা নিজেরাই এই উপহারের সন্দেহজনক প্রকৃতি পুরোপুরি বুঝতে পারে।
** হুলিও ক্যাবরেরা, [https://misantropiaemelancolia.wordpress.com/2018/04/29/about-the-intellectual-and-existential-superiority-of-pessimism-over-optimism-reply-to-marcus-valerio/ ''অ্যাকারকা দা সুপিরিয়রদাদ ইন্তেলেকচুয়াল ই এক্সিসটেন্সিয়াল দো পেসসিমিসমো সোব্রে ও ওটিমিসমো (রেপ্লিকা আ মার্কাস ভ্যালেরিও)''], ২০১০, পৃষ্ঠা ২৮
** বিবরণ: প্রজনন এবং আত্মহত্যা সম্পর্কে।
*মৃত্যুর জন্য অনুশোচনা করা কাঠামোগতভাবে জন্ম নেওয়ার জন্য অনুশোচনা করার মতোই হওয়া উচিত। কারণ অমর উপায়ে জন্ম নেওয়া আমাদের ক্ষমতার মধ্যে নেই।
** হুলিও ক্যাবরেরা, [http://philosopherjuliocabrera.blogspot.com/2011/05/negative-ethics.html ''বিটউইন টু ডেথস: ফ্রম বর্ন ডেথ টু ডেড ডেথ''], ২০১১
*জন্ম না নেওয়াই সবচেয়ে ভালো হতো। নেতিবাচক নীতিশাস্ত্রে জন্ম না নেওয়া হলো পরম মঙ্গল। তবে এটি ঠিক এমন একটি মঙ্গল, যা চাওয়া যায় না। (মনোযোগ দিন: যে মঙ্গলগুলো চাওয়া যায় কিন্তু কখনো অর্জন করা যায় না, এই পরিস্থিতি তার চেয়েও বেশি চরম; জন্ম না নেওয়া তো চাইতেও পারা যায় না)।
** হুলিও ক্যাবরেরা, [https://drive.google.com/file/d/0B8lRhEwzaxOlckVlNG1RVjNPdHc/view ''সামারি অব দ্য এথিক্যাল কোয়েশ্চেন ইন হুলিও ক্যাবরেরাস ফিলোসফি''], ২০১৪, পৃষ্ঠা ৮
*মানুষ "মাতৃত্ব বা পিতৃত্বের চমৎকার অভিজ্ঞতা" নিয়ে কথা বলে। আপনি কি কখনো ভেবেছেন এটি কেন এত চমৎকার? এটি চমৎকার হতে পারে কারণ এটি অত্যন্ত নিয়ন্ত্রণমূলক। নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা অনেক আনন্দ দেয়, কারণ তখন আপনার হাতে একজন ব্যক্তি থাকে। যখন শিশু ছোট থাকে, তখন আপনি তাকে যেমন চান তেমন পোশাক পরান, যেমন চান তেমন চুল আঁচড়ে দেন, চুল কাটেন, টেবিলে বসান, যেমনটা আমি প্রায়ই দেখেছি। প্রাপ্তবয়স্করা শিশুটিকে নিয়ে খেলা করে। যেসব মানুষের কোনো কথা বলার বা মিথস্ক্রিয়া করার বিষয় থাকে না, যখন তাদের শূন্য, গুরুত্বহীন ধূসর জীবন আলোতে আসে, তখন শিশুটিই তাদের বাঁচায়।
** হুলিও ক্যাবরেরা, [https://www.youtube.com/watch?v=V6DiB3OtFu4 ''বার্থ অ্যাজ আ বায়োএথিক্যাল প্রবলেম: ফার্স্ট স্টেপস টুয়ার্ডস আ র্যাডিক্যাল বায়োএথিকস''], ২০১৮, ৪৪:৩৮-৪৫:২২ মিনিট।
*নৈতিক ঐতিহ্য বলে: আমাদের অনেক প্রাকৃতিক প্রবণতা আছে, কিন্তু নৈতিক মানুষ হিসেবে আমাদের প্রাকৃতিক প্রবৃত্তিগুলো কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করতে হবে। উদাহরণস্বরূপ, আমরা প্রাকৃতিকভাবেই সহিংস; মানুষ প্রাকৃতিকভাবে খুব স্বার্থপর, যারা তাদের সিদ্ধান্তগুলো নিজেদের ওপর কেন্দ্রীভূত করার চেষ্টা করে। কিন্তু নীতিশাস্ত্র সবসময় বলে: আপনাকে এই প্রাকৃতিক প্রবণতাগুলোর বিরুদ্ধে লড়াই করতে হবে। প্রকৃতি আপনাকে যতটা সহিংস হতে বলে, আপনি ততটা সহিংস হতে পারবেন না। প্রকৃতি আপনাকে যতটা স্বার্থপর হতে বলে, আপনি ততটা স্বার্থপর হতে পারবেন না। তাই আপনি যদি আমাকে বলেন যে প্রজনন একটি প্রাকৃতিক বিষয়, তবে প্রাকৃতিক হলেই তা নৈতিক প্রমাণিত হয় না। এর বিপরীতে, তোবিয়াস বারেতোর মতো বিস্মৃত ব্রাজিলিয়ান দার্শনিকরা ঠিক বিপরীত কথা বলেছিলেন। তোবিয়াস বারেতো মনে করতেন, যখন কোনো কিছু প্রাকৃতিক হয়, তখন তা খারাপ। আর আমাদের এর বিরুদ্ধে লড়াই করতে হবে। (অন্যদের ওপর এক গোষ্ঠীর দাসত্ব চাপানো প্রাকৃতিক, কিন্তু দাসত্ব থাকা উচিত নয়, এটি সাংস্কৃতিক বিষয়।) তাই আমাকে বলবেন না যে প্রজনন প্রাকৃতিক এবং আমাদের এটি করতে হবে। সমস্ত মানব নৈতিকতাই অপ্রাকৃতিক; সমস্ত মানব নৈতিকতা কৃত্রিম। ঠিক যেমন আমাদের অত্যাধুনিক রেস্তোরাঁগুলোতে আমাদের খাওয়াদাওয়ার ব্যবস্থাও কৃত্রিম এবং অপ্রাকৃতিক। কোন প্রাণী আমাদের মতো করে খায়? এমনকি আমাদের যৌনতাও কৃত্রিম; এটি কেবল প্রবৃত্তিমূলক নয়, বরং বহুলাংশে প্রতীকী। আপনার কাছে যদি সেই যুক্তি থাকে, তবে আপনাকে দেখাতে হবে যে যা প্রকৃতি থেকে আসে তা নৈতিক। কারণ এমন অনেক যুক্তি আছে যা প্রমাণ করে যে প্রকৃতি থেকে যা আসে তা নৈতিকতার বিপরীত হতে পারে।
** হুলিও ক্যাবরেরা, [https://www.youtube.com/watch?v=V6DiB3OtFu4 ''বার্থ অ্যাজ আ বায়োএথিক্যাল প্রবলেম: ফার্স্ট স্টেপস টুয়ার্ডস আ র্যাডিক্যাল বায়োএথিকস''], ২০১৮, ৪৭:৪৯-৪৯:৩০ মিনিট।
*যখন কেউ (দার্শনিকসহ) "সন্তান নেওয়া"র তথাকথিত সৌন্দর্যের পক্ষে কথা বলে, তখন তারা "তাদের বড় হতে দেখার" আনন্দের কথা উল্লেখ করে: প্রথমে শিশু হিসেবে, তারপর কিশোর হিসেবে, এরপর স্নাতক এবং স্বাধীন প্রাপ্তবয়স্ক হিসেবে (এটি শুধু ধনী শ্রেণিতেই নয়, বরং আংশিকভাবে দরিদ্র শ্রেণিতেও ঘটে)। তবে এটি অদ্ভুত যে, শিশুদের নিয়ে কথা বলার সময়, তারা অবর্ণনীয়ভাবে এই বিন্দুতে এসে থেমে যায় এবং কখনোই তাদের পতন, বার্ধক্য বা ক্ষয়ের কথা উল্লেখ করে না। হয়তো তারা ভাবে যে এই পতন দেখার জন্য তারা সেখানে থাকবে না। বাবা-মা এই প্রক্রিয়ার শেষটা না দেখাই পছন্দ করেন। যেন শিশুটি হাওয়ায় মিলিয়ে গেছে। পিতৃত্ব বা মাতৃত্বের অবশিষ্টাংশ লুকিয়ে রাখা হয়; কেবল শিশুর বিকশিত হওয়ার দিকগুলো কল্পনা করা হয়। শিশুর মৃত্যু বা অবশিষ্টাংশের কোনো দৃশ্যমানতা অস্বীকার করা হয়। প্রক্রিয়াগুলোর সমাপ্তিকে নোংরা এবং অশালীন কিছু হিসেবে আড়াল করা হয়, যা দেখানোর যোগ্য নয়।
** হুলিও ক্যাবরেরা, ''মাল-এস্টার ই মোরালিদাদ: সিটুয়াকাও হুম্যানা, এতিকা ই প্রক্রিয়াকাও রেসপন্সাবেল'', (২০১৮), পৃষ্ঠা ৩০৬ <small>{{ISBN|978-8523012182}}</small>
* প্রজননের নৈতিকতার বিষয়টি উত্থাপন করাকে কখনো কখনো নিষ্ঠুর বা অমানবিক বলে বিবেচনা করা হয়। এটি খুবই কৌতূহলোদ্দীপক। মনে হয় যেন এটি অনাগত শিশুদের প্রতি প্রত্যাখ্যান এবং তাদের জীবনের প্রতি এক ধরনের ঘৃণার প্রকাশ। এটি প্রজনন নিয়ে নৈতিক চিন্তাভাবনার উদ্দেশ্যগুলোর একটি সম্পূর্ণ বিকৃতি। বরং এই চিন্তাভাবনার মূলে রয়েছে সম্ভাব্য শিশুদের প্রতি গভীর উদ্বেগ। ছোট এবং প্রতিরক্ষাহীন প্রাণীদের প্রতি একটি অবিবেচক, সীমাবদ্ধ এবং আক্রমণাত্মক কাজের ফলে তাদের জন্ম হওয়ার ঝুঁকি থাকে। মানুষ মনে করে নিজেদের ইচ্ছা ও সন্তুষ্টি অনুযায়ী এই প্রাণীদের জীবনের সবকিছু পরিকল্পনা করার পূর্ণ অধিকার তাদের আছে। এই বিষয়টি উল্লেখ করলেই প্রাপ্তবয়স্কদের জগতে যে বিশাল বিদ্রোহের সৃষ্টি হয়, তা থেকে বোঝা যায় যে বাবা-মায়েরা প্রজনন প্রক্রিয়ায় ব্যাপক আনন্দ পান। যারা তাদের এই আনন্দের শক্তিশালী উৎসটি নিয়ে প্রশ্ন তোলে, তারা কখনো কখনো তাদের ওপর ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখান। ফলস্বরূপ, জন্ম নিতে যাওয়া শিশুটির ওপর তাদের বিশাল ক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেও তারা একই প্রতিক্রিয়া দেখান। অন্য একটি জীবনের ওপর এই নিরঙ্কুশ ক্ষমতা তীব্রভাবে প্রলুব্ধকর। কেউই এটি ছেড়ে দিতে চায় না। কিন্তু নৈতিক চিন্তাভাবনার ক্ষেত্রে বিষয়বস্তু যা-ই হোক না কেন, এটি কেবল আমাদের কাজের মাধ্যমে পাওয়া সন্তুষ্টি মূল্যায়নের বিষয় নয়। বরং আমরা যা করছি তা ঠিক নাকি ভুল, এবং অপেক্ষাকৃত প্রতিরক্ষাহীন প্রাণীদের ওপর আমরা যে ক্ষমতা সঞ্চয় করতে পারি তা নৈতিকভাবে ন্যায়সঙ্গত কিনা, তা বিবেচনা করা জরুরি।
** হুলিও ক্যাবরেরা, ''মাল-এস্টার ই মোরালিদাদে: সিচুয়াসাও উমানা, এথিকা ই প্রোক্রিয়াসাও রেসপনসাভেল'', (২০১৮), পৃষ্ঠা ৪৬৩ <small>{{ISBN|978-8523012182}}</small>
* সবচেয়ে কৌতূহলোদ্দীপক বিষয় হলো, দরিদ্র শ্রেণির মানুষরাই সাধারণত তাদের মায়েদের প্রতি অসীম ভক্তি দেখায়, কারণ মায়েরা অনেক ত্যাগ স্বীকার করে তাদের বড় করেছেন। তারা চরম দারিদ্র্য, রোগব্যাধি, অপরাধ, বৈষম্য, বর্জন এবং নির্যাতনের মতো সব ধরনের দুর্দশা ভোগ করে। কিন্তু তারা কখনোই বুঝতে পারে না যে, তাদের বাবা-মায়েরাই নিজেদের আনন্দ বা দায়িত্বহীন অবহেলার কারণে তাদের এই পরিস্থিতিতে ফেলেছেন। আর শিশুটি যখন তাকে ফেলে দেওয়া হতাশার বশবর্তী হয়ে কোনো ক্ষতিকর কাজ করে, তখন মানুষজন "অকৃতজ্ঞ" সন্তানের জন্ম দেওয়ার জন্য "বেচারা মায়ের" প্রতি সহানুভূতি দেখায়। উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া সব দুর্দশা জাদুকরীভাবে সন্তানের দায়িত্বে পরিণত হয়! এখানে যে যুক্তির কাঠামো প্রয়োগ করা হয়, তা থিওডিসি বা ঈশ্বরের ন্যায়বিচারের ক্ষেত্রেও প্রয়োগ করা হয়। বলা হয়, নিখুঁত পিতা ভালোবেসে তার সন্তানকে সৃষ্টি করেছেন, তাকে খুব মূল্যবান কিছু দিয়েছেন এবং তাকে "স্বাধীন" করেছেন। অন্যদিকে স্বাধীন সন্তান পাপ করেছে, খারাপ আচরণ করেছে এবং তাকে দেওয়া এই মূল্যবান জিনিসটিকে কলুষিত করেছে, যা তার দুর্ভাগ্যবান পিতার জন্য অসন্তোষের কারণ হয়েছে। এটি একটি প্রায় ট্র্যাজিকমিক বা হাস্যকর ও করুণ কাঠামো। কারণ এর ঠিক বিপরীতটাই সত্য বলে মনে হয়। আমাদের বাবা-মা নিজেদের আনন্দ এবং সুবিধার জন্য আমাদের অত্যন্ত সন্দেহজনক মূল্যের একটি জিনিস দিয়েছেন। পরাধীনতা এবং প্রয়োজনীয়তার ফলে আমাদের অনেক চেষ্টা করে এর উন্নতি করতে হয়। এটি কোনোভাবেই প্রকৃত "স্বাধীনতার" কাছাকাছি নয়। আমাদের সমাজে প্রচলিত এই মূল্যায়ন যতক্ষণ না আমরা উল্টে দিচ্ছি, ততক্ষণ পর্যন্ত নৈতিক বিষয়গুলো গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করাও শুরু করা যাবে না। কারণ সন্তানদের সাথে মায়ের চরম আত্মকেন্দ্রিক এবং নিয়ন্ত্রণমূলক সম্পর্ককে নৈতিকতার একটি দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচনা করা হতে থাকবে। অন্ততপক্ষে এটি মূল্যায়নের একটি গুরুতর ভুল, একটি অত্যন্ত গুরুতর পুরাণ এবং একটি বিশাল বিভ্রান্তি বলে মনে হয়।
** হুলিও ক্যাবরেরা, ''মাল-এস্টার ই মোরালিদাদে: সিচুয়াসাও উমানা, এথিকা ই প্রোক্রিয়াসাও রেসপনসাভেল'', (২০১৮), পৃষ্ঠা ৫৩৮-৫৩৯ <small>{{ISBN|978-8523012182}}</small>
* জীবনের প্রথম দশ বছরে সন্তানরা তাদের বাবা-মায়ের ওপর দীর্ঘ সময় নির্ভরশীল থাকে। এই সময়ে তাদের এমনকি প্রদর্শনের বস্তু হিসেবেও ব্যবহার করা হয়। কৈশোরের কঠিন সময়ে সন্তানদের বারবার "অকৃতজ্ঞ" বলা হয়, যেন তারা তাদের বিশাল ঋণ কখনোই শোধ করতে পারবে না। এই "অনন্ত কৃতজ্ঞতা" কেবল জীবনের প্রথম পর্যায়েই নয়, বরং সব সময়ই উপস্থিত থাকে। সন্তানের ভবিষ্যতের জন্য, তার পড়াশোনার জন্য যা কিছু কেনা হয়, যার কোনোটিই শিশুটি কখনো চায়নি, তা বাবা-মায়ের আবেগিক এবং অর্থনৈতিক বিনিয়োগের অংশ। এগুলোকে বছরের পর বছর ধরে ত্যাগ এবং ভালোবাসার প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়, যা অনন্ত কৃতজ্ঞতার বস্তু হিসেবে দাবি করা হয়। বলা হয় যে অকৃতজ্ঞ সন্তানরা কখনোই তা পুরোপুরি শোধ করতে পারে না। পিতৃত্ব বা মাতৃত্বের অবস্থান একটি শক্তিশালী নিয়ন্ত্রণের প্রক্রিয়া তৈরি করে। পৃথিবীতে ছুঁড়ে দেওয়া সেই সত্তাকে লালনপালনের নামে শাস্তি এবং মারধরের শারীরিক সহিংসতাকেও ন্যায়সঙ্গত বলে দাবি করা হয়, যদিও শিশুটি কখনো এই লালনপালন চায়নি। বাবা-মায়েরা এমন সুরক্ষা তৈরি করার চেষ্টা করেন যাতে শিশুটি সবেমাত্র পাওয়া এই বিশাল উপহারের কারণে ধ্বংস হয়ে না যায়।
** হুলিও ক্যাবরেরা, ''মাল-এস্টার ই মোরালিদাদে: সিচুয়াসাও উমানা, এথিকা ই প্রোক্রিয়াসাও রেসপনসাভেল'', (২০১৮), পৃষ্ঠা ৫৩৯-৫৪০ <small>{{ISBN|978-8523012182}}</small>
* অবশ্যই, নবজাতকের জীবন সংগ্রাম সহ্য করার শক্তি না থাকার বিষয়টি কেবল একটি সম্ভাবনা, কোনো নিশ্চিত ঘটনা নয়। তবে মূল কথা হলো, এর নিছক সম্ভাবনাই নৈতিক দায়বদ্ধতার জন্য যথেষ্ট। জীবনে তাদের ভাগ্য নির্ধারণের ক্ষেত্রে শিক্ষা এবং সন্তান লালনপালনের পদ্ধতিগুলোর মধ্যে কোনো শক্তিশালী কার্যকারণ সম্পর্ক নেই। যেমনটা বলা হয়, একটি শিশু হলো "একটি লটারি"। সন্তান জন্মদানকারীরা তাদের সন্তানদের কিছু নির্দিষ্ট ঝুঁকি থেকে বাঁচাতে যে সতর্কতাগুলো নেন, ঠিক সেগুলোই হয়তো তাদের আরও বড় বিপদের মুখে ফেলে দিতে পারে। অনেক মানুষের জীবন বিপর্যয়করভাবে শেষ হয়ে যায়। এটি একটি সংবেদনশীল প্রজননকারীর দ্বারা অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে করা হলেও, প্রজননের এই "জুয়াখেলা" নৈতিকভাবে ন্যায়সঙ্গত প্রমাণ করার চেষ্টায় কত চড়া মূল্য দিতে হয়, তা এই ঘটনাগুলো থেকে স্পষ্ট হয়। তবে এটি গুরুত্বপূর্ণ যে, এই বিপর্যয়গুলোর কোনোটি না ঘটলেও, নবজাতকের জীবনে সফলতা সন্তান জন্মদানকারীদের এই নৈতিক দায়িত্ব থেকে মুক্তি দেয় না যে তারা তাকে এই বিপর্যয়গুলোর শিকার হওয়ার ঝুঁকিতে ফেলেছিল। তাছাড়া, যে শিশুটি জুয়ায় "জিতেছে", তার "সফলতাও" চিরকাল এবং অনির্দিষ্টকালের জন্য প্রজনন প্রক্রিয়ার একতরফা প্রকৃতির সাথে যুক্ত থাকবে। জুয়া হয়তো জেতা হবে, কিন্তু এটি কখনোই শিশুটির নিজস্ব বাজি হবে না। নবজাতক হয়তো ভাগ্যবান হতে পারে এবং "জুয়ায় জিততে পারে", কিন্তু সে কখনোই এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে অস্বীকার করার অবস্থানে ছিল না।
** হুলিও ক্যাবরেরা, ''ডিসকমফোর্ট অ্যান্ড মোরাল ইমপেডিমেন্ট: দ্য হিউম্যান সিচুয়েশন, র্যাডিক্যাল বায়োএথিকস অ্যান্ড প্রোক্রিয়েশন'', (২০১৯), পৃষ্ঠা ১৫১ <small>{{ISBN|978-1527518032}}</small>
* শরীরের সমস্ত এড়ানো অসম্ভব এবং স্বৈরাচারী প্রয়োজনগুলো ইতিমধ্যেই নতুন কান্না এবং কষ্টের আকারে শিশুটির সামনে উপস্থিত হয়। সন্তান জন্মদানকারীরা এ বিষয়ে ক্রমশ সচেতন হয়ে উঠবে এবং তারা বলতে থাকবে: "সে কাঁদছে; হয়তো সে ক্ষুধার্ত"; "সে কাঁদছে; হয়তো তার ঠান্ডা লাগছে"; "সে কাঁদছে; হয়তো সে ক্লান্ত"। কিন্তু তারা কখনোই এই অশুভ সত্যে পৌঁছাবে না যে, "সে কাঁদছে কারণ সে জন্ম নিয়েছে"।
** হুলিও ক্যাবরেরা, ''ডিসকমফোর্ট অ্যান্ড মোরাল ইমপেডিমেন্ট: দ্য হিউম্যান সিচুয়েশন, র্যাডিক্যাল বায়োএথিকস অ্যান্ড প্রোক্রিয়েশন'', (২০১৯), পৃষ্ঠা ১৬২-১৬৩ <small>{{ISBN|978-1527518032}}</small>
* ছোট বাচ্চারা অনেক বছর ধরে কাঁদতে থাকে; তারা কেবল কাঁদে আর কাঁদে। এটি একটি খুব সাধারণ দৃশ্য যা আমরা প্রতিনিয়ত রাস্তায় দেখি। শিশুরা অবিরাম কাঁদে, আর বেশিরভাগ সময়ই বড়রা উদাসীন থাকে, অথবা হাসি বা অধৈর্য প্রকাশ করে। বাচ্চাদের কান্না প্রায়শই আমাদের বিরক্ত করে। কিন্তু আমাদের একটি দার্শনিক প্রচেষ্টা করতে হবে এটি বোঝার জন্য যে, নৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে তারা পুরোপুরি সঠিক, তাদের কাঁদার অধিকার আছে। তাদের কান্নায় আবেগপ্রবণ হয়ে আমাদের তাদের এই দাবি মেনে নিতে হবে, এমনকি কান্না যদি তীব্র এবং বিরক্তিকরও হয়। শিশুদের কান্নাকে আমাদের নৈতিক প্রতিক্রিয়া বা সহজাত রাজনৈতিক ঘটনা হিসেবে দেখতে শিখতে হবে। তাদের সাথে যা করা হয়েছে, তার বিরুদ্ধে এটি একটি সম্পূর্ণ ন্যায্য এবং বোধগম্য প্রতিক্রিয়া। শিশুদের কান্না আমাদের গভীরতম শ্রদ্ধা জাগিয়ে তুলবে। কারণ এই কান্না তাদের কাঠামোগত অসহায়ত্বের গভীর থেকে এবং জোর করে তাদের তৈরি করার কারণে আসে।
** হুলিও ক্যাবরেরা, ''ডিসকমফোর্ট অ্যান্ড মোরাল ইমপেডিমেন্ট: দ্য হিউম্যান সিচুয়েশন, র্যাডিক্যাল বায়োএথিকস অ্যান্ড প্রোক্রিয়েশন'', (২০১৯), পৃষ্ঠা ১৬৩ <small>{{ISBN|978-1527518032}}</small>
* কিছু শিশু বেশ বড় হওয়া পর্যন্ত কাঁদতে থাকে, পরে তারা প্রতিবাদের অন্য রূপ খুঁজে পায়। একটি ছোট শিশু হলো বিস্ফোরক এবং অপ্রতিরোধ্য প্রয়োজন, আকাঙ্ক্ষা এবং বাসনার এক বিশাল ভাণ্ডার। একটি শিশু সবচেয়ে বেশি যে কথাটি বলে তা হলো: "আমি চাই, আমি চাই, আমি চাই"। শিশুরা প্রতিনিয়ত এমন আকাঙ্ক্ষায় ছিন্নভিন্ন হয় যা এখন তাদের নিয়ন্ত্রণ করতে বাধ্য করা হয়। কারণ তাদের ওপর অসমভাবে চাপিয়ে দেওয়া জীবন সহ্য করার জন্য তাদের এটি করতে হয়, যে জীবনে তারা বাঁচতে বাধ্য। সন্তান জন্মদানকারীরা তাদের সন্তানদের বেশিরভাগ দাবিই অস্বীকার করবে। তারা বলবে যে পৃথিবী তাদের ইচ্ছায় ঘোরে না। অথচ এটি একটি চরম পরিহাস যে, এই একই বাবা-মায়েরাই তাদের সন্তানদের অতৃপ্ত বাসনায় পূর্ণ শরীর দিয়েছিল। শিশুরা প্রতিনিয়ত তাদের বাসনার শিকার হয়, বিশেষ করে যন্ত্রণাদায়ক প্রত্যাশা, হতাশা এবং একঘেয়েমির একাধিক রূপে। এর ফলে বাবা-মায়েদের তাদের সন্তানদের জন্মের সময় দেওয়া এই মরণশীল সত্তার বিপদ থেকে রক্ষা করতে হয়। অবশ্যই, খেলনা এবং অন্যান্য জিনিসপত্রের পুরো আয়োজনের ভূমিকা এটাই। বাবা-মায়েরা এখন তাদের ছোট সন্তান এবং তাদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া এই মরণশীল সত্তার মাঝখানে এগুলো রাখতে বাধ্য। রাস্তায় এবং শপিং মলে আমরা দেখি ছোট বাচ্চারা জোরে জোরে কাঁদছে, এটা-ওটা চাইছে। আর বিরক্ত, শান্ত, অতিরিক্ত মনোযোগী অথবা উদাসীন বাবা-মায়েরা তাদের টেনে নিয়ে যাচ্ছে। এই বাবা-মায়েদের তাদের সন্তানদের অভিযোগ শোনার সংবেদনশীলতা বা ধৈর্য নেই। তারা না শোনার ভান করে এবং অমনোযোগী থাকে, যেন ছোটদের দাবিগুলো অপ্রাসঙ্গিক এবং মনোযোগ পাওয়ার যোগ্য নয়। কেউ হয়তো বলতে পারে যে কয়েক মিনিট পরেই শিশুটি আবার হাসবে; কিন্তু খেয়াল করবেন, এটি কেবল কিছুক্ষণের জন্যই ঘটে। যখন সে কোনো ধরনের বিনোদন খুঁজে পায়, তখন কিছু সময়ের জন্য তার মনোযোগ অন্যদিকে সরে যায়।
** হুলিও ক্যাবরেরা, ''ডিসকমফোর্ট অ্যান্ড মোরাল ইমপেডিমেন্ট: দ্য হিউম্যান সিচুয়েশন, র্যাডিক্যাল বায়োএথিকস অ্যান্ড প্রোক্রিয়েশন'', (২০১৯), পৃষ্ঠা ১৬৩ <small>{{ISBN|978-1527518032}}</small>
* পৃথিবীতে মানুষের সবচেয়ে বড় অপরাধ হলো জন্মের এই মারাত্মক বাস্তব ঘটনাটি।
** পেদ্রো কালদেরন দে লা বার্সা, ''লা ভিদা এস সুয়েনো'', ১৬৩৫
* নির্জীব বস্তু সম্পূর্ণ বস্তুনিষ্ঠ হওয়ায় জীবন্ত প্রাণীদের যন্ত্রণা দেওয়া বিষয়গত ঘটনাগুলো সম্পর্কে অবগত নয়। অর্থাৎ এটি যেকোনো ধরনের কষ্ট থেকে মুক্ত এবং এক নিখুঁত প্রশান্তির অবস্থায় থাকে। জড় পদার্থের সাথে "নিষ্ঠুর" হওয়ার চেষ্টা করার কোনো মানে হয় না। পাথরকে পাহাড় থেকে ফেলে দিয়ে বা হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে নির্যাতন করার কোনো উপায় নেই। পদার্থকে কষ্ট দেওয়ার একটাই উপায় আছে: একে জীবন্ত সত্তায় পরিণত করা। এখান থেকে বোঝা যায় যে, একটি বস্তুনিষ্ঠ দৃষ্টিকোণ থেকেও আমরা প্রজননের নৈতিক প্রভাব খুঁজে পেতে পারি। কারণ এটি পদার্থকে কষ্ট ও প্রয়োজনের তাড়নায় চালিত একটি জীবন্ত সত্তা হিসেবে অকারণে ভুগতে বাধ্য করে। আর শেষ পর্যন্ত এটি আবার সেই প্রাথমিক অবস্থাতেই ফিরে যায়, যা তার জন্য কোনো অর্থ বা সুবিধা বয়ে আনে না। এই দৃষ্টিকোণ থেকে আমরা দাবি করি না যে প্রজনন ভুল, বরং এটি নিষ্ঠুর। আমরা নিশ্চিত করে বলি যে বস্তুনিষ্ঠভাবে বাঁচা মানেই কষ্ট পাওয়া। তবে আমরা এখান থেকে কোনো বিষয়গত উপসংহার টানি না। বেঁচে থাকাটা সার্থক কি না, তা একটি ভিন্ন এবং বিষয়গত প্রশ্ন, যা জীবনের প্রতি আমাদের দেওয়া মূল্যের ওপর নির্ভর করে। অনৈতিকতা এই বাস্তবতায় নিহিত যে জীবনের মূল্য এমন একটি বিষয় যা কেবল তারাই বিবেচনা করতে পারে যারা ইতিমধ্যেই বেঁচে আছে। আমরা যখন প্রজনন করি, তখন আমরা আমাদের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তগুলো এমন একজনের ওপর চাপিয়ে দিই যে নিজেকে রক্ষা করতেও পারে না। স্বাভাবিকভাবেই এটি কোনো অতীন্দ্রিয় এবং নিরঙ্কুশ নৈতিকতা নয়, বরং জীবনের সাপেক্ষে একটি আপেক্ষিক বিষয়। একে বস্তুনিষ্ঠ হিসেবে বোঝা যেতে পারে এই অর্থে যে এটি এমন কিছুকে নির্দেশ করে যা অনিবার্যভাবে ঘটে। জীবনের প্রকৃতির কারণেই এটি ঘটে এবং বস্তুনিষ্ঠ জগতের নিয়মে আবদ্ধ হওয়ার সময় বিষয়গত অস্তিত্বের ওপর চাপিয়ে দেওয়া শর্তগুলোর কারণেই এটি ঘটে। তাই আসুন এই পর্যবেক্ষণটিকে ঠিক-ভুল, অধিকার-কর্তব্য ইত্যাদি নিয়ে নৈতিক উপদেশের সাথে গুলিয়ে না ফেলি। আমরা কেবল একটি নতুন চেতনার অস্তিত্বে আনার সমান শারীরিক ঘটনার শারীরিক পরিণতিগুলো বস্তুনিষ্ঠভাবে বর্ণনা করতে আগ্রহী। এই চেতনা জীবনের গতিশীল অস্থিরতা দ্বারা তাড়িত হবে।
** আন্দ্রে ক্যানসিয়ান, ''[https://www.academia.edu/41872748/O_Vazio_da_M%C3%A1quina_-_Niilismo_e_outros_abismos ও ভাজিও দা মাকিনা: নিইলিসমো ই আউট্রোস আবিসমোস]'', ২০০৯, পৃষ্ঠা ২৮৯-২৯০ <small>{{ISBN|978-8590555827}}</small>
* এই দৃষ্টিকোণ থেকে প্রজনন আমাদের পৃথিবীতে কষ্ট সৃষ্টির জন্য দায়ী একমাত্র সত্তায় পরিণত করে। আমরা না থাকলে কোনো ব্যথা থাকত না। কিন্তু ব্যথা আছে, আর এটা আমাদেরই দোষ। বস্তুনিষ্ঠভাবে ব্যথা খারাপ কিছু নয়, কিন্তু বিষয়গতভাবে এটি খারাপ। জীবন্ত সত্তা হিসেবে আমাদের কাছে ব্যথা হলো অনাকাঙ্ক্ষিত সবকিছুর সর্বোচ্চ মানদণ্ড। আমাদের বস্তুনিষ্ঠ এবং জৈবিক প্রকৃতি আমাদের ওপর এই শর্ত চাপিয়ে দেয়। আনন্দ যেমন ভালো, ব্যথা তেমনই খারাপ—তা শারীরিক, মানসিক বা মনস্তাত্ত্বিক যা-ই হোক না কেন। আপেক্ষিকতাবাদীরা এই বিষয়ের "স্বেচ্ছাচারিতা" নিয়ে তাদের পাগলাটে তত্ত্ব নিয়ে দাঁড়াক। আমরা তাদের নখের নিচে কাঁটা ঢুকিয়ে দেওয়ার সময় দেখতে চাইব তারা এটি বিশ্বাস করে কি না। ইতিবাচকভাবে অনাকাঙ্ক্ষিত কিছু হিসেবে ব্যথার উপস্থিতি জীবনের টেকসই হওয়ার জন্য একটি অপরিহার্য প্রয়োজন। এটি বেঁচে থাকার যন্ত্র হিসেবে আমাদের ওপর বস্তুনিষ্ঠভাবে চাপিয়ে দেওয়া একটি শর্ত। ব্যথা আমাদের দক্ষ জীবে পরিণত করে। এটি ছাড়া আমরা ঠিকভাবে কাজ করতে পারতাম না এবং চারপাশের বিপদগুলো উপেক্ষা করার কারণে আমরা ব্যথাহীনভাবে মারা যেতাম। এর মানে হলো, আমরা যখন পৃথিবীতে বিদ্যমান সমস্ত ব্যথাকে শূন্যতা থেকে আবির্ভূত করি, তখন আমরা পদার্থকে সেই একমাত্র অবস্থায় ফেলি যেখানে এটি কষ্ট পেতে পারে। অর্থাৎ একে জীবন্ত সত্তায় পরিণত করার মাধ্যমে আমরা ইতিবাচকভাবে মন্দের রূপ ধারণ করি এবং কষ্ট ছড়ানোর জন্য দায়ী হই। তাই ইচ্ছাকৃত প্রজনন আমাদের বিকৃত এবং অনৈতিক জীবে পরিণত করে। এটি একটি সম্পূর্ণ বস্তুনিষ্ঠ অর্থে সত্য, কারণ এটি একটি সর্বজনীনভাবে বৈধ রায়, আমরা যে পরিস্থিতিতেই থাকি না কেন। যতদিন অস্তিত্বে ব্যথা থাকবে, যতদিন জীবনে কষ্ট থাকবে, প্রজনন করার অর্থ হলো এর বৃদ্ধিতে সহযোগিতা করা, এই দুর্ভাগ্যকে স্থায়ী করা এবং পৃথিবীকে আরও যন্ত্রণাদায়ক ও করুণ স্থানে পরিণত করার জন্য সক্রিয়ভাবে চেষ্টা করা।
** আন্দ্রে ক্যানসিয়ান, ''[https://www.academia.edu/41872748/O_Vazio_da_M%C3%A1quina_-_Niilismo_e_outros_abismos ও ভাজিও দা মাকিনা: নিইলিসমো ই আউট্রোস আবিসমোস]'', ২০০৯, পৃষ্ঠা ২৯০ <small>{{ISBN|978-8590555827}}</small>
* স্পষ্টতই, আমরা যতটা খুশি মন্দ এবং স্বার্থপর হওয়ার স্বাধীনতা রাখি। কিন্তু আমরা অস্বীকার করতে পারি না যে আমরা এমন হওয়ার জন্য দোষী; এই অভিযোগ থেকে নির্দোষ হওয়ার কোনো উপায় নেই। মূলে সেই জীবনের কোনো অস্তিত্ব ছিল না, কখনোই ছিল না, এবং এটি অস্তিত্বহীনই থাকত। যদি না আমাদের একটি জরায়ুতে বীর্যপাত করার এবং শূন্যতা থেকে একে অস্তিত্বে আনার চমৎকার ধারণাটি থাকত। আর তারপর আমরা দাবি করি যে তাদের কষ্ট "আমাদের সমস্যা নয়", আমরা দায়ী নই কারণ এটি "প্রাকৃতিক"। এখন একজন ধর্মতাত্ত্বিকও এমন খোঁড়া অজুহাতকে গুরুত্ব সহকারে নিতে পারবেন না। প্রজনন অনিবার্যভাবে আমাদের খারাপ করে তোলে না কারণ জীবনে কষ্ট প্রাকৃতিক এবং অনিবার্যভাবেই ঘটে—এই আপত্তিটি সমর্থনযোগ্য নয়। কারণ আমরা জীবনের অন্তর্নিহিত গঠন পরিবর্তন করতে না পারলেও, প্রজনন করা বা না করার পছন্দ আমাদের হাতে রয়েছে। অন্যদিকে যে জন্ম নেয়, সে পৃথিবীতে আসবে কি না তা বেছে নিতে পারে না। ঠিক যেমন আমাদের নিজেদের জন্মের ক্ষেত্রে আমাদের কোনো পছন্দ করার সুযোগ ছিল না। আমরা সন্তান নিতে পারি বা নাও নিতে পারি। তবে যখন আমরা তাদের নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিই, তখন এই পছন্দটি আমাদের ইতিবাচকভাবে খারাপ এবং অকারণে নিষ্ঠুর করে তোলে। আমরা, পদার্থের একটি অনিদ্রা হিসেবে, সেই সত্তার ক্ষতি করি যে গভীরভাবে ঘুমাচ্ছিল। শুধু আমাদের অনিদ্রা ভাগ করে নেওয়ার জন্য এবং আমাদের লজ্জাজনকভাবে অর্থহীন অস্তিত্বের একঘেয়েমি কমানোর জন্য আমরা এটি করি।
** আন্দ্রে ক্যানসিয়ান, ''[https://www.academia.edu/41872748/O_Vazio_da_M%C3%A1quina_-_Niilismo_e_outros_abismos ও ভাজিও দা মাকিনা: নিইলিসমো ই আউট্রোস আবিসমোস]'', ২০০৯, পৃষ্ঠা ২৯০-২৯১ <small>{{ISBN|978-8590555827}}</small>
* নিঃসন্দেহে প্রজননের তাড়নার গভীর জৈবিক শিকড় রয়েছে, কিন্তু এটিও আমাদের অপরাধবোধ থেকে মুক্ত করে না। অবশ্যই জীবন এবং এর নিয়মগুলো আমরা আবিষ্কার করিনি, কিন্তু আমরাই এর বিস্তার ঘটিয়েছি। আমরা ইচ্ছাকৃতভাবে এমন পরিস্থিতিতে একটি জীবন তৈরি করেছি যেখানে আমরা ''জানতাম'' যে কষ্ট অনিবার্য হবে। আগ্রাসনের প্রবৃত্তি প্রায়শই আমাদের অপরাধ করতে বাধ্য করে, কিন্তু তাই বলে আমরা এটিকে নিন্দনীয় মনে করতে ভুল করি না। এটি যৌন তাড়নার মতোই আমাদের মধ্যে গভীরভাবে প্রোথিত একটি সমপরিমাণ সহজাত এবং প্রাকৃতিক বিষয়। পার্থক্য হলো, প্রজননের ক্ষেত্রে আমাদের আগ্রাসন নয় মাস পরে বাস্তবায়িত হবে, যেন শূন্যতার হৃদয়ে একটি টাইম বোমা পুঁতে রাখা হচ্ছে।
** আন্দ্রে ক্যানসিয়ান, ''[https://www.academia.edu/41872748/O_Vazio_da_M%C3%A1quina_-_Niilismo_e_outros_abismos ও ভাজিও দা মাকিনা: নিইলিসমো ই আউট্রোস আবিসমোস]'', ২০০৯, পৃষ্ঠা ২৯১ <small>{{ISBN|978-8590555827}}</small>
* আমাদের বর্তমান পরিস্থিতিটি মূলত এরকম: একজন ব্যক্তি নিজের কষ্ট কমানোর আশায় অন্য একজনের ওপর ইচ্ছাকৃতভাবে বিশাল শারীরিক, মানসিক এবং মনস্তাত্ত্বিক কষ্ট চাপিয়ে দেয়। আর সেই শিকার আত্মহত্যা ছাড়া আর কখনোই এই ধরনের আগ্রাসন থেকে নিজেকে রক্ষা করতে পারবে না। যৌক্তিকভাবে ব্যথা সরাসরি আমাদের দ্বারা সৃষ্টি হবে না, বরং আমরা ব্যক্তিটিকে যে পরিস্থিতিতে ফেলি তার দ্বারা সৃষ্টি হবে। তবে যেকোনো সস্তা কনডম দিয়ে এটি এড়ানো যেত। একজন নির্দোষ ব্যক্তিকে বিশাল কষ্ট দেওয়া, শুধু আমাদের নিজেদের সামান্য কষ্ট কমানোর জন্য, এটি একটি জঘন্য এবং ঘৃণ্য কাজ। এই অযোগ্য এবং অবমাননাকর পরিস্থিতিতে ফেলার কারণে আমরা নিঃসন্দেহে এই অবিচারের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করার অধিকারী বোধ করতে পারতাম। জন্ম নেওয়ার অসুবিধার জন্য ক্ষতিপূরণ পাওয়াটা যৌক্তিক হতো। কিন্তু এটি এমন কিছু, যেমনটা বলা হয়েছিল, প্রকৃতি ইতিমধ্যেই সন্তানদের রক্ষা করার প্রবৃত্তির আকারে বুদ্ধিমত্তার সাথে প্রদান করেছে। বাবা-মায়ের ভালোবাসাই হলো সেই ক্ষতিপূরণ যা সন্তানরা পৃথিবীতে আনার জন্য তাদের বাবা-মায়ের কাছ থেকে পায়।
** আন্দ্রে ক্যানসিয়ান, ''[https://www.academia.edu/41872748/O_Vazio_da_M%C3%A1quina_-_Niilismo_e_outros_abismos ও ভাজিও দা মাকিনা: নিইলিসমো ই আউট্রোস আবিসমোস]'', ২০০৯, পৃষ্ঠা ২৯১-২৯২ <small>{{ISBN|978-8590555827}}</small>
* আমরা যখন সন্তান নেওয়ার ধারণা ত্যাগ করি, তখন আমরা বিশাল কষ্ট এড়ানোর জন্য একটি ছোট এবং সন্দেহজনক ব্যক্তিগত সন্তুষ্টি ত্যাগ করি। আমাদের মতে যে একমাত্র আমাদের ভালোবাসা এবং ত্যাগের বস্তু হবে, তার প্রতি যদি আমরা ন্যূনতম সহানুভূতি দেখাতে পারি, তবে আমরা দেখতে পাব যে প্রজনন না করার মাধ্যমেই আমরা আমাদের সন্তানদের প্রতি একমাত্র সম্ভাব্য দয়া অনুশীলন করব। আসুন আমরা এই ভেবে সান্ত্বনা পাই যে, তারা জন্ম নেয়নি বলে আমাদের স্বপ্নে তারা সবসময় তাদের ঘরে ঘুমিয়ে থাকবে। তাদের ওপর থাকবে সেই নরম কম্বল, যা সেই মানুষটির আলিঙ্গনের মতো নরম, যার ভালোবাসা তাদের কখনোই কষ্ট পেতে দিত না এবং এভাবেই তাদের অস্তিত্ব থেকে রক্ষা করেছিল। তারা আরামদায়ক, শান্ত এবং শান্তিতে থাকবে। তাদের ঠোঁটে থাকবে এক চিলতে হাসি, কারণ তারা কখনোই জীবনের তিক্ততা এবং হতাশার স্বাদ পায়নি। তারা চিরকাল পবিত্র থাকবে, পৃথিবীর বিপদ থেকে অনন্তকাল মুক্ত থাকবে। নিজের সন্তানদের জন্য নিজের জীবন ত্যাগ করার প্রকৃত অর্থ এটাই।
** আন্দ্রে ক্যানসিয়ান, ''[https://www.academia.edu/41872748/O_Vazio_da_M%C3%A1quina_-_Niilismo_e_outros_abismos ও ভাজিও দা মাকিনা: নিইলিসমো ই আউট্রোস আবিসমোস]'', ২০০৯, পৃষ্ঠা ২৯৪ <small>{{ISBN|978-8590555827}}</small>
* এই চিন্তাধারাটি খুবই চমৎকার এবং গভীর: "সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ থাকলে কেউই জীবনকে উপহার হিসেবে গ্রহণ করত না।" সেনেকা এই কথাটি বলেছিলেন এবং আমি তার সাথে একমত। কল্পনা করুন একটি পূর্ব-বিদ্যমান আত্মা, তার সমস্ত প্রশান্তির মধ্যে, যাকে মানুষের জীবনের অর্থ এবং এর সাথে যুক্ত খারাপ দিকগুলো সম্পর্কে জানানো হয়েছে। সে একটি শরীরে প্রবেশ করতে অস্বীকার করবে।
** জিয়াকোমো কাসানোভা, ''ডায়ালগস সুর লে সুইসাইড'', ১৭৮২
* যতদিন তাদের হত্যা করার ইচ্ছা থাকবে, ততদিন তারা প্রজনন করার লালসাও হারাবে না।
** গুইদো চেরোনেতি, ''দ্য সাইলেন্স অব দ্য বডি: মেটেরিয়ালস ফর দ্য স্টাডি অব মেডিসিন'', ১৯৭৯
* মানুষ নিজেকে নিষ্ঠুর হওয়ার সাহস দেয়, যখন সে ইতিমধ্যেই শান্তভাবে এবং বারবার সবচেয়ে নিষ্ঠুর কাজটি করে ফেলেছে। এটি হলো এমন প্রাণীদের জন্ম দেওয়া বা তাদের নিন্দা করা, যাদের অস্তিত্ব নেই বা যারা জীবনের ভয়াবহতার শিকার হয়।
** গুইদো চেরোনেতি, ''দ্য সাইলেন্স অব দ্য বডি: মেটেরিয়ালস ফর দ্য স্টাডি অব মেডিসিন'', ১৯৭৯
* সচেতন হিসেবে প্রশংসিত প্রজননের অনৈতিকতা হলো এই: পৃথিবীতে আরও মন্দ এবং ব্যথা প্রবর্তন করার জন্য একজন মানুষ তৈরির এই অপরাধটি মিলনের অন্ধকারের মধ্যে পরমানন্দ এবং নাটকের ঘোরে অসচেতনভাবে করা হয় না। বরং এটি ঠাণ্ডা মাথায় পূর্বপরিকল্পিত হয়। মানুষ তখন আর সতর্ক থাকে না এবং লক্ষ্য অর্জন না হওয়া পর্যন্ত কাজটি পুনরাবৃত্তি করে। তবে এর চেয়েও খারাপ কিছু আছে: কৃত্রিম প্রজনন এবং বীর্যের বরফ। এখানে চাতুর্যকারী এবং যে পেটের ব্যক্তিটি তার নিজের কাজে আতঙ্কিত, তাদের এমনকি সেই আনন্দটুকুও নেই যা কিছু ক্ষেত্রে একটি ক্ষমার যোগ্য পরিস্থিতি হতে পারত।
** গুইদো চেরোনেতি, ''দ্য সাইলেন্স অব দ্য বডি: মেটেরিয়ালস ফর দ্য স্টাডি অব মেডিসিন'', ১৯৭৯
* ওহ, যন্ত্রণার চুল্লিতে তাজা মাংসের জোগানদাতারা!
** গুইদো চেরোনেতি, ''লা কার্টা ই স্তাঙ্কা: উনা সেল্টা'', ২০০০
* দর্শনের সবচেয়ে ক্ষমার অযোগ্য বিশ্বাসঘাতকতা: প্রজনন।
** গুইদো চেরোনেতি, ''ল'ওকিয়ো দেল বারবাগিয়ান্নি'', ২০১৪
* মানবজাতির জন্য দুর্ভাগ্যবশত—এবং হয়তো স্বৈরশাসকদের জন্য সৌভাগ্যবশত—দরিদ্র এবং নিপীড়িতদের হাতির সেই প্রবৃত্তি বা অহংকার নেই, যারা বন্দিদশায় প্রজনন করতে অস্বীকার করে।
** নিকোলাস চামফোর্ট, ''ম্যাক্সিমস এট পেন্সিস'', #৫০৯
* জন্ম নেওয়ার দুর্ভাগ্যের পর, জন্ম দেওয়ার চেয়ে বড় কোনো দুর্ভাগ্য আমার জানা নেই।
** ফ্রাঁসোয়া-র্যনে দ্য শাতোব্রিয়াঁ, [https://fr.wikisource.org/wiki/M%C3%A9moires_d%E2%80%99outre-tombe ''মেমোয়ার্স দ'আউটরে-টোম্ব''], ১৮৪৯
* পৃথিবীতে থাকা প্রাণীদের কষ্ট কমানোর জন্য আমাদের যা যা করা সম্ভব তা করা উচিত। তবে আমাদের বন্দি প্রাণীদের প্রজনন বন্ধ করার কথাও বিবেচনা করা উচিত। এটি নিশ্চিত করবে যে কম সংখ্যক কষ্টভোগী প্রাণীর জন্ম হবে। আর এভাবেই সামগ্রিক কষ্টের পরিমাণও কমে আসবে।
** সায়মা এইচ. চৌধুরী, টড কে. শ্যাকেলফোর্ড, ''টু ব্রিড, অর নট টু ব্রিড?: অ্যান অ্যান্টিন্যাটালিস্ট আনসার টু দ্য কোয়েশ্চেন অব অ্যানিমেল ওয়েলফেয়ার'', ২০১৭
* জন্ম না নেওয়া এবং জীবনের এই কঠিন পাথরের মুখোমুখি না হওয়াটাই সবচেয়ে ভালো। কিন্তু তুমি যদি জন্ম নাও, তবে ভাগ্য নামের এই আগুন থেকে যত দ্রুত সম্ভব পালিয়ে যাওয়াই কি এর পরের সেরা উপায় নয়?
** মার্কাস তুলিয়াস সিসেরো, ''কনসোলেশন'', ৪৫ খ্রিস্টপূর্বাব্দ
* অস্তিত্ব কি আমাদের নির্বাসন এবং শূন্যতা কি আমাদের বাড়ি হতে পারে?
** এমিল সিওরান, ''পে কুলমিলে ডিসপেরারি'', ১৯৩৪
* জন্ম নেওয়ার জন্য তুমি কী পাপ করেছ, অস্তিত্ব পাওয়ার জন্য তুমি কী অপরাধ করেছ?
** এমিল সিওরান, ''অ্যা শর্ট হিস্ট্রি অব ডিকে'', ১৯৪৯
* প্রজনন করা মানেই হলো দুর্দশাকে ভালোবাসা, একে বজায় রাখা এবং বাড়ানোর চেষ্টা করা। সেই প্রাচীন দার্শনিকরা সঠিক ছিলেন, যারা মহাবিশ্বের মূলনীতির সাথে আগুনকে, এবং বাসনার সাথে আগুনকে সমতুল্য মনে করতেন। কারণ বাসনা পোড়ায়, গ্রাস করে, ধ্বংস করে: একই সাথে সত্তার চালক এবং ধ্বংসকারী হিসেবে এটি অন্ধকারাচ্ছন্ন এবং মূলত নারকীয়।
** এমিল সিওরান, ''দ্য নিউ গডস'', ১৯৬৯
* ১২১১ সালের বোগোমিলদের বিরুদ্ধে কাউন্সিলে তাদের অভিশাপ দেওয়া হয়েছিল যারা বিশ্বাস করত যে "নারী শয়তানের সহযোগিতায় তার গর্ভে গর্ভধারণ করে এবং শয়তান গর্ভধারণের পর থেকে শিশুর জন্ম না হওয়া পর্যন্ত সেখানে অবস্থান করে"। আমি এমনটা ভাবতে সাহস পাই না যে শয়তান আমাদের সাথে এতটা সময় কাটানোর জন্য এত মাস ধরে আমাদের সঙ্গ দেয়। কিন্তু আমি সন্দেহ করতে পারি না যে আমরা তার চোখের সামনেই গর্ভধারণ করেছি এবং সে আসলে আমাদের প্রিয় জন্মদাতাদের সাথে উপস্থিত ছিল।
** এমিল সিওরান, ''দ্য নিউ গডস'', ১৯৬৯
* মানবতা কতটা পিছিয়ে গেছে তার এর চেয়ে ভালো প্রমাণ আর নেই যে, এমন একটি জাতি বা উপজাতিও খুঁজে পাওয়া অসম্ভব, যাদের কাছে জন্ম এখনো শোক এবং বিলাপে পরিণত হয়।
** এমিল সিওরান, ''দ্য ট্রাবল উইথ বিয়িং বর্ন'', ১৯৭৩
* যদি মায়া একটি খারাপ জিনিস হয়, তবে আমাদের এর কারণটি জন্মের কেলেঙ্কারির মধ্যে খুঁজতে হবে। কারণ জন্ম নেওয়া মানেই যুক্ত হওয়া। তাই এই কেলেঙ্কারির চিহ্নগুলো, যা সবকিছুর মধ্যে সবচেয়ে গুরুতর এবং অসহনীয়, তা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্যই নিরাসক্তির প্রয়োগ করা উচিত।
** এমিল সিওরান, ''দ্য ট্রাবল উইথ বিয়িং বর্ন'', ১৯৭৩
* যদি আমরা স্বীকার করি যে জন্ম একটি বিপর্যয়কর বা অন্ততপক্ষে একটি অসময়ের ঘটনা, তবে সবকিছুই চমৎকারভাবে পরিষ্কার। কিন্তু আমরা যদি অন্যভাবে ভাবি, তবে আমাদের অবশ্যই অবোধ্য কিছুর কাছে আত্মসমর্পণ করতে হবে, অথবা অন্য সবার মতো প্রতারণা করতে হবে।
** এমিল সিওরান, ''দ্য ট্রাবল উইথ বিয়িং বর্ন'', ১৯৭৩
* যদি এটা সত্য হয় যে মৃত্যুর মাধ্যমে আমরা আবার সেই অবস্থায় ফিরে যাই যা আমরা অস্তিত্ব পাওয়ার আগে ছিলাম, তবে সেই বিশুদ্ধ সম্ভাবনার মধ্যে থেকে যাওয়া এবং তা থেকে না নড়াই কি ভালো হতো না? এই ঘোরানো পথের কী দরকার ছিল, যখন আমরা চিরকাল এক অবাস্তব পূর্ণতায় থেকে যেতে পারতাম?
** এমিল সিওরান, ''দ্য ট্রাবল উইথ বিয়িং বর্ন'', ১৯৭৩
* আমি গ্রামের দিকে তাকিয়ে থাকা সেই কবরস্থানে একা ছিলাম যখন একজন গর্ভবতী নারী সেখানে এল। আমি এই লাশ-বহনকারীকে খুব কাছ থেকে না দেখার জন্য, এবং একটি আক্রমণাত্মক গর্ভ এবং সময়ের স্রোতে জীর্ণ কবরগুলোর মধ্যকার বৈসাদৃশ্য—একটি মিথ্যা প্রতিশ্রুতি এবং সমস্ত প্রতিশ্রুতির সমাপ্তির মধ্যকার বৈসাদৃশ্য—নিয়ে চিন্তা না করার জন্য সাথে সাথে চলে গিয়েছিলাম।
** এমিল সিওরান, ''দ্য ট্রাবল উইথ বিয়িং বর্ন'', ১৯৭৩
* আমাদের প্রত্যেকের মধ্যে যে ক্ষীণ আলোটি আমাদের জন্মের আগের, সমস্ত জন্মের আগের সময়ের কথা মনে করিয়ে দেয়, সেটিকে রক্ষা করতে হবে। যদি আমরা সেই দূরের গৌরবে ফিরে যেতে চাই, যেখান থেকে আমরা কেন আলাদা হয়েছি তা আমরা কখনোই জানতে পারব না।
** এমিল সিওরান, ''দ্য ট্রাবল উইথ বিয়িং বর্ন'', ১৯৭৩
* যখন প্রতিটি মানুষ বুঝতে পারবে যে তার জন্ম একটি পরাজয়, তখন অবশেষে সহনীয় অস্তিত্ব আত্মসমর্পণের পরের দিনের মতো মনে হবে। এটি হবে বিজিতের স্বস্তি এবং বিশ্রামের মতো।
** এমিল সিওরান, ''দ্য ট্রাবল উইথ বিয়িং বর্ন'', ১৯৭৩
* জন্ম না নেওয়াটাই নিঃসন্দেহে সবচেয়ে ভালো পরিকল্পনা। দুর্ভাগ্যবশত, এটি কারও হাতের নাগালে নেই।
** এমিল সিওরান, ''দ্য ট্রাবল উইথ বিয়িং বর্ন'', ১৯৭৩
* আমি একাধিকবার বলেছি যে কেউ চাইলে বিশ্ব সম্পর্কে একটি যৌন-পরবর্তী দৃষ্টিভঙ্গি রাখতে পারে, যা সবচেয়ে হতাশাজনক দৃষ্টিভঙ্গি হতে পারে: এমন একটি অনুভূতি যে এমন কিছুতে সবকিছু বিনিয়োগ করা হয়েছে যা এর যোগ্য ছিল না। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হলো আমরা একটি বিপরীতমুখী অসীমতার সাথে কাজ করছি। যৌনতা হলো একটি বিশাল প্রতারণা, একটি বিশাল মিথ্যা যা অনিবার্যভাবে নিজেকে নবায়ন করে।
** এমিল সিওরান, ''অঁন্ত্রেতিয়াঁ'', ১৯৯৫
* আমি নিজেকে যে একমাত্র কারণে সাধুবাদ জানাই, তা হলো আমি খুব তাড়াতাড়ি, বিশ বছর বয়সের আগেই বুঝতে পেরেছিলাম যে কারো প্রজনন করা উচিত নয়। বিয়ে, পরিবার এবং সমস্ত সামাজিক রীতিনীতির প্রতি আমার বিরক্তির উৎস এখানেই। অপরাধ হলো নিজের দুর্বলতাগুলো অন্য কারও কাছে হস্তান্তর করা, কাউকে সেই একই জিনিসগুলো অনুভব করতে বাধ্য করা যা আমরা অনুভব করছি। কাউকে সেই কষ্টের পথে বাধ্য করা যা আমাদের নিজেদের চেয়েও খারাপ হতে পারে। দুর্ভাগ্য এবং মন্দের উত্তরাধিকারী কাউকে জীবন দিতে আমি কখনোই রাজি হতে পারিনি। সমস্ত বাবা-মায়েরাই দায়িত্বজ্ঞানহীন মানুষ, অথবা খুনি। প্রজনন কেবল পশুদেরই করা উচিত। করুণা আপনাকে "প্রজননকারী" হতে না চাওয়ার অনুভূতি দেয়। এটি আমার জানা সবচেয়ে নিষ্ঠুর শব্দ।
** এমিল সিওরান, ''কাহিয়ের্স ১৯৫৭-১৯৭২'', ১৯৯৭
* আরও একবার, আমি প্রার্থনা করতে, কাঁদতে, গলে যেতে, শূন্য হতে এবং জন্মের আগের সেই প্রাথমিক শূন্যে ফিরে যেতে চাই।
** এমিল সিওরান, ''কাহিয়ের্স ১৯৫৭-১৯৭২'', ১৯৯৭
* আমি যা জানি, আমি যা অনুভব করি, তার সাথে নিজের সাথে সম্পূর্ণ বিরোধে না গিয়ে, বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে অসৎ না হয়ে এবং একটি নৈতিক অপরাধ না করে আমি কাউকে জীবন দিতে পারতাম না। এটি কৌতূহলোদ্দীপক যে আমার মধ্যে এই মনোভাবটি সত্যিই পুরনো। কারণ এই বিষয়ে আমার চিন্তাভাবনাগুলো রূপ নেওয়ার আগেই আমার এই মনোভাব ছিল। খুব তাড়াতাড়ি প্রজননের প্রতি আমার বিতৃষ্ণা শুরু হয়েছিল; এটি আমার ভয়াবহতার একটি উত্তর ছিল; কেবল তা-ই নয়: জীবনের ভয়াবহতা এবং এর প্রতি তৃষ্ণার উত্তর ছিল। আমি আনন্দ ছাড়া অন্য কোনো কারণে যৌনতাকে কখনোই মেনে নিইনি। এর সঠিক কাজ সবসময় আমার মধ্যে একটি অনতিক্রম্য বিরক্তি তৈরি করেছে। আমি স্বেচ্ছায় জীবনের দায়িত্ব নিতে কখনোই রাজি হতাম না।
** এমিল সিওরান, ''কাহিয়ের্স ১৯৫৭-১৯৭২'', ১৯৯৭
* দায়িত্বের বিষয়টি তখনই অর্থবহ হতো যদি জন্মের আগে আমাদের মতামত চাওয়া হতো এবং আমরা যা আছি তা হতে রাজি হতাম।
** এমিল সিওরান, ''কাহিয়ের্স ১৯৫৭-১৯৭২'', ১৯৯৭
* ঘড়িতে মধ্যরাত বাজছে। আমার চেয়ে শক্তিশালী হতাশার মুখে আমি নিজেকে একাকী অনুভব করছি। আর আমি আবার আমার জন্মের আগের সময়ের আশ্রয় নিচ্ছি।
** এমিল সিওরান, ''কাহিয়ের্স ১৯৫৭-১৯৭২'', ১৯৯৭
* আমি জীবনকে ঘৃণা করি না বা মৃত্যু কামনা করি না, আমি কেবল জন্ম নেওয়ার জন্য আক্ষেপ করি। আমি জীবন এবং মৃত্যুর চেয়ে জন্ম না নেওয়াকে পছন্দ করি। জন্ম না নেওয়ার পরম সুখ। আমি যত বেশি দিন বাঁচি, তত বেশি স্বেচ্ছায় নিজেকে জন্ম না নেওয়ার আনন্দে সমর্পণ করি।
** এমিল সিওরান, ''কাহিয়ের্স ১৯৫৭-১৯৭২'', ১৯৯৭
* উরসুলা কে. লে গুইন তার "দ্য ওয়ানস হু ওয়াক অ্যাওয়ে ফ্রম ওমেলাস" উপন্যাসে এমন একটি শহরের বর্ণনা দিয়েছেন যেখানে নাগরিকদের সৌভাগ্যের জন্য একটি গোপন স্থানে একটি নিষ্পাপ শিশুকে নির্যাতন করা প্রয়োজন হয় (লে গুইন ১৯৭৩)। শিশুটি চরম কষ্টভোগীদের নির্দোষতার প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে। যারা ওমেলাস থেকে চলে যায়, তারা সেসব মানুষ, যারা বিশ্বকে অস্বীকার করে। এই গবেষণাপত্রে আমরা তাদের বৌদ্ধ ভিক্ষুদের সাথে যুক্ত করব, অর্থাৎ নিঃসন্তান থাকা এবং পিছিয়ে আসার সাথে। রূপকটি পরামর্শ দেয় যে ব্যক্তিগত সুখ একটি দ্বৈত বিষয়। সংখ্যাগরিষ্ঠের আনন্দ একটি কষ্টভোগী সংখ্যালঘুর মূল্যে আসে; একটি ছাড়া অন্যটি সম্ভব নয়। এতে কোনো সন্দেহ নেই যে এই বিশ্বে মানুষের কষ্টের কারণ প্রজনন, কিন্তু এই সম্পর্কটি পরোক্ষ। বাবা-মায়েরা মিথস্ক্রিয়া এবং সম্ভাবনার এক বিশাল জটিল ব্যবস্থায় অংশগ্রহণ করে। প্রায়শই একটি আকস্মিক ঘটনা সিদ্ধান্ত নেয় কে শিকার হবে। এর ফলে অংশগ্রহণকারীরা এই ব্যবস্থার ফলাফলের দায় অস্বীকার করে। এটি এমন একটি ঘটনা যা কাঠামোগত সহিংসতার প্রেক্ষাপটেও পরিচিত (গালতুং ১৯৬৯)। মানবজাতি যদি একটি সহানুভূতিশীল জাতি হতো, তবে তারা ওমেলাস থেকে চলে যেতে পারত।
** ব্রুনো কনটেস্টাবিল, [http://www.socrethics.com/Folder2/WorldDenial.htm ''দ্য ডিনায়াল অব দ্য ওয়ার্ল্ড ফ্রম অ্যান ইমপার্শিয়াল ভিউ''], ২০১৬
* মুহূর্তের মধ্যেই সবকিছু বদলে যায়। তবে দুটি জিনিস নিশ্চিত। সবাই কষ্ট পাবে। আর সবাই মারা যাবে। আমরা যেখান থেকে এসেছিলাম সেখানেই ফিরে যাব। এই কথা জেনে এবং সম্পূর্ণভাবে বুঝে যে যেকোনো নির্দিষ্ট জীবনে চরম ব্যথা এবং কিছু ক্ষেত্রে অবিরাম অসুখ অনুভব করার সম্ভাবনা থাকে, তারপরও প্রজনন কি সত্যিই এই ঝুঁকির যোগ্য?
** জিম ক্রফোর্ড, ''কনফেশনস অব অ্যান অ্যান্টিন্যাটালিস্ট'', ২০১০
* আমার কারণে অস্তিত্বে আসা একটি শিশু যদি আমাকে জিজ্ঞাসা করে কেন সে এখানে এসেছে, মৃত্যুর পর কী হয়, বা সে গ্যারান্টি দিতে পারবে কি না যে সে [https://en.wikipedia.org/wiki/Murder_of_Junko_Furuta ফুরুতা জুনকোর] মতো (অনুগ্রহ করে এটি খুঁজে দেখুন, কারণ এটি বর্ণনা করার জায়গা নেই) পরিণতি ভোগ করবে না, তবে আমি কী বলব? আমার কাছে, অনুমান, এড়িয়ে যাওয়া বা অন্ধ বিশ্বাস ছাড়া কোনো উত্তর না থাকার মানেই হলো সন্তান জন্ম দেওয়া একটি স্বার্থপর এবং নিষ্ঠুর কাজ।
** [[w:কুয়েন্টিন এস. ক্রিস্প|কুয়েন্টিন এস. ক্রিস্প]], [http://www.litfmag.com/issue-2/antinatalism-a-thought-experiment/ ''অ্যান্টিন্যাটালিজম: অ্যা থট এক্সপেরিমেন্ট''], ২০১৪
* হত্যা হলো এমন একটি জীবন সংক্ষিপ্ত করা যা এমনিতেই শেষ হয়ে যেত; কিন্তু সন্তান জন্ম দেওয়া এমন একটি মৃত্যু তৈরি করে যা কখনোই ঘটত না।
** [[w:কুয়েন্টিন এস. ক্রিস্প|কুয়েন্টিন এস. ক্রিস্প]], [http://www.litfmag.com/issue-2/antinatalism-a-thought-experiment/ ''অ্যান্টিন্যাটালিজম: অ্যা থট এক্সপেরিমেন্ট''], ২০১৪
* যারা আমাদের বিশ্বাস করে তারা অবিবাহিত থাকবে; আর যারা আমাদের বিশ্বাস করে না তারা সন্তান পালন করবে। আর মানুষের জাতি যদি অস্তিত্বহীন হয়ে যায়, তবে মাছি এবং বোলতা বিলুপ্ত হয়ে গেলে যেমন আক্ষেপের কারণ হতো, ঠিক ততটাই আক্ষেপের কারণ হবে।
** অজ্ঞাত, ''সিনিস এপিস্টলস, ৪৭তম পত্র''
** বর্ণনা: সিনিক দর্শনের নীতি ও অনুশীলন ব্যাখ্যাকারী চিঠির একটি সংগ্রহ থেকে নেওয়া বাক্য (ভুলভাবে ডায়োজিনিসের বলে দায়ী করা হয়)।
=== বিবিধ ===
* শয়তান, তার স্বভাবের কারণেই শরীরের ভেতর থাকা একটি আধ্যাত্মিক উপাদানের দখল নিতে অক্ষম হওয়ায়, বড়জোর শরীর থেকে এর মুক্তি বিলম্বিত করতে পারে। এই বিলম্বের প্রক্রিয়াটি প্রজননের মাধ্যমে করা হয়: "সমস্ত মাংস যৌন মিলন থেকে আসে। এই কারণেই এটি অপবিত্র।"
** জ্যঁ ডুভেরনয়, ''লা রিলিজিয়ন দেস ক্যাথারেস'', ১৯৭৬
* "আমাদের পূর্বপুরুষদের জন্য নিষিদ্ধ ফলটি একটি শারীরিক মিলনের আনন্দ ছাড়া আর কিছুই ছিল না, এবং আদম এই ফলটি তার স্ত্রীকে দিয়েছিল।" আসলে, "ফুল ফোটে এবং শস্য বীজ উৎপাদন করে, এবং মানুষ ও প্রাণী বৃদ্ধি পায়, এটি কোনো ভালো ঈশ্বরের কারণে নয়, বরং এটি একটি মন্দ ঈশ্বরের কারণে হয়।"
** জ্যঁ ডুভেরনয়, ''লা রিলিজিয়ন দেস ক্যাথারেস'', ১৯৭৬
* এটা বোধগম্য যে একটি শিশুর জন্ম একটি নতুন আত্মাকে পৃথিবীতে শৃঙ্খলিত করে এবং শয়তানের রাজত্বকে স্থায়ী করে। একজন পারফেক্ট ওয়ান দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলেন: "ঈশ্বর যেন এমন করেন যে আর কোনো শিশু জন্ম নেবে না, সমস্ত আত্মা রক্ষা পাবে এবং মন্দের রাজত্ব উৎখাত হবে।"
** রেনে নেলি, ''লা ভি কোতিদিয়েন দেস ক্যাথারেস দু ল্যাঙ্গুয়েডক ও ত্রয়োদশ সিয়েকল'', ১৯৭৯
* যৌন মিলনের বিষয়ে তাদের অবস্থান ছিল এই যে, প্রজননের দিকে না গেলে যেকোনো ধরনের মিলনই গ্রহণযোগ্য (এবং কারও কারও মতে, উদযাপিত)।
** জন এম. রিডল, ''কন্ট্রাসেপশন অ্যান্ড অ্যাবরশন ফ্রম দ্য অ্যানশিয়েন্ট ওয়ার্ল্ড টু দ্য রেনেসাঁ'', ১৯৯৪
** বর্ণনা: ক্যাথারদের সম্পর্কে।
* ক্যাথাররা বিশ্বাস করত যে সমগ্র মানবজাতি এবং প্রতিটি মানুষ স্বতন্ত্রভাবে শয়তানের সন্তান। তাহলে কষ্টের দ্বিগুণ বৃদ্ধি এবং শয়তানের বিজয়ের জন্য ছাড়া তাদের প্রজননে সাহায্য করার কী দরকার?
** ক্যাটারজিনা স্ক্রজিপিয়েক, [http://www.mowiawieki.pl/index.php?page=artykul&id=136 ''সেক্রেটনা উইকজারজা, চজিলি ও হেরেটিকাচ বুডজাসিচ সিম্পাটি''], ২০০৯
* অজানা পরিমার্জনার সাথে ক্যাথার চারণকবিরা সুন্দর ফরাসি এবং ইতালীয় নারীদের ভালোবাসতেন। একই সাথে, তারা "পবিত্র" ভালোবাসার ধারণার এক অতুলনীয় প্রবর্তক ছিলেন, অর্থাৎ যে ভালোবাসা গর্ভাবস্থার দিকে পরিচালিত করে না। ক্যাথাররা মনে করত যে শয়তান "এই পৃথিবীর শিশুদের বীজ দিয়ে সজ্জিত করেছে"; তারা গর্ভধারণকে শয়তানের কাজের সাথে যুক্ত করত, এবং তারা গর্ভবতী নারীদের অভিশাপ দিত।
** রোমান টোকারজিক, ''প্রাওয়া নারোদজিন, জাইসিয়া আই স্মিয়ের্সি'', ২০১২
* পৃথিবীতে জীবনের এই বিশাল, অর্থহীন, অপচয়মূলক এবং নিষ্ঠুর জন্ম! আমি কেবল এর ব্যথাই দেখি না, এর আনন্দ এবং উল্লাসগুলো এর দুঃখের চেয়েও বেশি আমাকে বিরক্ত করে, কারণ আমি এগুলো হারাতে চাই না।
** ক্ল্যারেন্স ড্যারো, [https://ia802606.us.archive.org/15/items/islifeworthlivin910star/islifeworthlivin910star_jpg.pdf ''ইজ লাইফ ওয়ার্থ লিভিং?''], ১৯২৫
* প্রকৃতি ঠিক-ভুল, ভালো-মন্দ, আনন্দ-বেদনা সম্পর্কে কিছুই জানে না; সে কেবল কাজ করে। সে একজন সুন্দরী নারী তৈরি করে এবং তার গালে একটি ক্যান্সার বসিয়ে দেয়। সে একজন আদর্শবাদী তৈরি করতে পারে এবং একটি জীবাণু দিয়ে তাকে মেরে ফেলতে পারে। সে একটি চমৎকার মন তৈরি করে এবং তারপর এটিকে একটি বিকৃত শরীরের ভারে চাপিয়ে দেয়। আর সে একটি চমৎকার শরীর তৈরি করবে, স্পষ্টতই যার কোনো ব্যবহার নেই। কাজ শুরু হওয়ার সাথে সাথেই সে সবচেয়ে চমৎকার জীবনটি ধ্বংস করে দিতে পারে। সে যক্ষ্মার জীবাণু সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দিতে পারে। সে দৃশ্যত কোনো পদ্ধতি, পরিকল্পনা বা উদ্দেশ্য ছাড়াই কাজ করে। সে কোনো করুণা বা কল্যাণ জানে না। প্রকৃতির মতো এত নিষ্ঠুর এবং পরিত্যক্ত আর কিছুই নেই। তাকে কোমল বা দয়ালু বলা শব্দের উপহাস এবং বুদ্ধিমত্তার অপমান। এই স্পষ্ট তথ্যগুলো বলার সাথে সাথেই কেউ শুনতে বাধ্য হবে যে প্রকৃতি এবং প্রকৃতির পেছনের ঈশ্বরের বিচার করার যোগ্যতা তার নেই। যদি আমাদের ঈশ্বরকে মন্দ হিসেবে বিচার না করতে হয়, তবে আমরা ঈশ্বরকে ভালো হিসেবেও বিচার করতে পারি না। জীবনের অন্যান্য সমস্ত বিষয়ে মানুষ শ্রেণিবদ্ধ করতে এবং বিচার করতে কখনো দ্বিধা করে না, কিন্তু যখন জীবন এগিয়ে নেওয়ার এবং জীবনের দায়িত্বের কথা আসে, তখন তাকে বলা হয় যে এটি অবশ্যই ভালো হবে, যদিও এই মতামত যুক্তি এবং বুদ্ধিমত্তাকে উপহাস করে এবং উভয়কেই অস্বীকার করে। আবেগের দিক থেকে, আমি নিঃসন্দেহে আমার অস্তিত্বের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অন্যদের মতোই কাজ করব। আমার শেষ নিশ্বাস দিয়ে আমি সম্ভবত আরেকটি নেওয়ার চেষ্টা করব, কিন্তু বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে, আমি সন্তুষ্ট যে জীবন একটি গুরুতর বোঝা, যা কোনো চিন্তাশীল এবং মানবিক ব্যক্তি অকারণে অন্য কারও ওপর চাপিয়ে দিতে চাইবে না।
** ক্ল্যারেন্স ড্যারো, [http://gutenberg.net.au/ebooks05/0500951h.html ''দ্য স্টোরি অব মাই লাইফ''], ১৯৩২
* আমি যা কিছু দেখেছি তা থেকে তোমাকে বাঁচাতে,<br />যে ক্ষতিগুলো আমি সয়েছি তা থেকে রক্ষা করতে,<br />আমি আমার ভেতরের মানবিক তাড়নাকে দমন করেছি।
** সাদ দারউইশ, ''আইভ কমিটেড নো সাচ ক্রাইম!: অ্যা কনভারসেশন উইথ মাই আনবর্ন সন'', ''ফাদারস অ্যান্ড সন্স ইন দ্য আরব মিডল ইস্ট'', ২০১৩
* প্রজননের নিরর্থকতা এবং প্রজনন করার মানুষের অদ্ভুত তাড়না সম্পর্কে তার চিন্তাভাবনা এখানে আবার বিশদভাবে বলার কোনো প্রয়োজন নেই। তবে শিশুটির অবিরাম কান্না তাকে এটি অনুমান করতে বাধ্য করে যে সে (বা সে, পরিস্থিতি যাই হোক না কেন) রুগ্ন এবং দুর্বল। আর সে তিক্ত উপহাসের সাথে মন্তব্য করে, "তার প্রেমময় বাবা-মায়ের কাছ থেকে পাওয়া প্রথম উপহারটি হলো দুর্বলতা এবং অস্বাস্থ্যকর শরীর।"
** জুটা ই. কনোরজার, ''আলী দাশতিস প্রিজন ডেজ: লাইফ আন্ডার রেজা শাহ'', ১৯৯৪
** বর্ণনা: আলী দাশতি সম্পর্কে।
* জন্মদিন উদযাপন করা আমাদের বাবা-মায়ের একটি অশুভ প্রহসনের উদযাপন ছাড়া আর কিছুই নয়। আমাদের পৃথিবীতে এনে তারা এটি সাজিয়েছেন।
** [[আলেকজান্দ্রা ডেভিড-নিল]], ''লা লাম্পে ডি সেগেস'', ১৯৮৬
* না, কোনো শেষ না থাকলে আমি তা পছন্দ করতাম না। এটি আক্ষরিক অর্থেই এমন কিছু যা আমরা প্রভাবিত করতে পারি: মানবতার একটি শান্তিপূর্ণ সমাপ্তি। কেউ যেন আর বাবা-মা না হয়; এটাই আমার প্রথম চাওয়া। এটি অনাগতদের কোনো ক্ষতি করে না, এবং তাদের অনেক ঝামেলা থেকে বাঁচায়।
** [[কার্লহেইঞ্জ ডেসনার]], ''ফ্রমের ওনশ। ফার আইন ফ্রিডলিচেস এন্ডে ডার মেনশেইট'', পিটার রুস এবং ফ্রিডেরিক হাসাউয়ারের ''কিন্ডারওনশ। রেডেন আন্ড গেগেনরেডেন'', ১৯৯১
* আসলে, তার কোনো চিরন্তন নিয়মের ফলে আমাকে পৃথিবীতে আনার কী অধিকার এই প্রকৃতির ছিল? আমাকে চেতনা দিয়ে তৈরি করা হয়েছিল, আর আমি এই প্রকৃতি সম্পর্কে সচেতন ছিলাম: আমার চাওয়া ছাড়াই আমাকে একটি সচেতন প্রাণী হিসেবে তৈরি করার কী অধিকার তার ছিল? একজন সচেতন প্রাণী, এবং এভাবেই একজন কষ্টভোগী প্রাণী; কিন্তু আমি কষ্ট পেতে চাই না, কারণ আমি কেন তাতে রাজি হতাম? . . . এবং শেষ পর্যন্ত, যদিও কেউ পৃথিবীতে যুক্তিসঙ্গত এবং বৈজ্ঞানিক ভিত্তির ওপর শেষ পর্যন্ত সংগঠিত মানব সমাজের এই রূপকথার সম্ভাবনা স্বীকার করে; যদি কেউ এটি বিশ্বাস করে, মানুষের ভবিষ্যৎ সুখে বিশ্বাস করে, তবে কেবল এই চিন্তাই যে প্রকৃতির কিছু নিরলস নিয়ম মানবজাতিকে সেই সুখ অর্জনের সুযোগ দেওয়ার আগে হাজার বছরের জন্য নির্যাতন করা অপরিহার্য করে তুলেছিল—কেবল এই চিন্তাই অসহনীয়ভাবে জঘন্য। এবার এর সাথে এই সত্যটি যোগ করুন যে এই একই প্রকৃতি, যা মানবতাকে শেষ পর্যন্ত সুখ অর্জনের অনুমতি দিয়েছে, আগামীকাল কোনো কারণে এটিকে শূন্যে নামিয়ে আনা প্রয়োজনীয় মনে করবে, যে কষ্ট দিয়ে মানবতা এই সুখের মূল্য চুকিয়েছে তা সত্ত্বেও; এবং আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, গরুর কাছ থেকে সে যেমন লুকিয়েছিল তেমন কিছু না লুকিয়ে আমার এবং আমার চেতনার কাছ থেকে প্রকৃতি এই সব করে। এমন পরিস্থিতিতে একজন মানুষ এই অত্যন্ত মজাদার অথচ অসহনীয়ভাবে দুঃখজনক চিন্তায় না এসে পারে না: "কী হবে যদি মানবজাতিকে কোনো নির্লজ্জ পরীক্ষার অংশ হিসেবে পৃথিবীতে রাখা হয়, কেবল এই প্রাণীরা এখানে বাঁচতে পারবে কি না তা দেখার জন্য?" এই চিন্তার দুঃখজনক দিকটি মূলত এই সত্যে নিহিত যে আবারও কাউকে দোষ দেওয়া যায় না; কেউ পরীক্ষাটি পরিচালনা করেনি; এমন কেউ নেই যাকে আমরা অভিশাপ দিতে পারি; প্রকৃতির মৃত নিয়মগুলোর কারণেই সবকিছু ঘটেছিল, যা আমি একেবারেই বুঝতে পারি না এবং যার সাথে আমার চেতনা পুরোপুরি একমত হতে অক্ষম।
** [[ফিওদোর দস্তয়েভ্স্কি]], ''আ রাইটার্স ডায়েরি, খণ্ড ১, দ্য সেন্টেন্স'', ১৮৭৬
** বর্ণনা: একজন বস্তুবাদীর দৃষ্টিকোণ থেকে লেখা এবং এন.এন. স্বাক্ষরিত।
** দ্রষ্টব্য: জোসেফ ফ্র্যাঙ্কের "''দস্তয়েভস্কি: দ্য ম্যান্টল অব দ্য প্রফেট''" বই থেকে আমরা জানতে পারি, 'দ্য সেন্টেন্স' ছিল দস্তয়েভস্কির দ্বারা উদ্ভাবিত একটি সুইসাইড নোট, যা প্রমাণ করে যে মানুষ "যৌক্তিক আত্মহত্যার" আশ্রয় নিতে পারে কারণ তিনি (দস্তয়েভস্কি) ভেবেছিলেন যে "ঈশ্বর এবং আত্মার অমরত্বে বিশ্বাস ছাড়া, মানব জীবন অর্থহীন এবং তাই এটি একটি 'যৌক্তিক' আত্মহত্যার মাধ্যমে শেষ হতে পারে" (যা অ্যান্টিন্যাটালিজম প্রত্যাখ্যান করে, কারণ আত্মহত্যা কখনোই অর্থহীনতার উপসংহার নয়; উপসংহার হলো সন্তান ধারণ না করা)।
* নারীবাদকে অবশ্যই আগুন এবং উজ্জ্বলতা দিয়ে সজ্জিত করতে হবে। এটি এই সময়ের সবচেয়ে পবিত্র আদর্শ। নারীদের মহৎ প্রাকৃতিক অধিকার এত দেরিতে আবিষ্কৃত হয়েছে তা তথাকথিত মানব উন্নয়নের ইতিহাসের ওপর একটি ভয়ানক আলো ফেলে। অদীক্ষিতদের কাছে নারীবাদের মধ্যে অদ্ভুত কিছু মনে হতে পারে, কিন্তু আমরা সেই বিন্দুতে পৌঁছানোর সাথে সাথেই দর্শন তার অভিজাত মাথা তুলে আমাদের বলবে: "নতুন মতবাদগুলো কেবল নারীদের পুরোহিত হওয়ার সাথে জড়িত। এটি নিরাশাবাদের সত্যতা এবং বর্তমান ব্যবস্থায় বিশ্বব্যাপী দুর্দশার প্রয়োজনীয়তা প্রমাণ করে, কিন্তু অস্তিত্বের অবিরাম ধারাবাহিকতার প্রমাণ দেয় না।" তারপর, নারীদের উচ্চতর লক্ষ্য অনুযায়ী, নারীরা নিজেদের উচ্চতর প্রাণী, তাদের জাতির পুরোহিত, প্রাকৃতিক অভিজাত হিসেবে স্বীকৃতি দেবে। জীবনের উচ্চতর আইন সম্পর্কে সচেতন হয়ে, সেই একই সময়ে, জীবনের উচ্চতর আইনের উপলব্ধির অধীনে, নারীরা তাদের উচ্চতর উদ্দেশ্য সম্পর্কে পুরোপুরি সচেতন হয়ে উঠবে, মৃত্যুর দিকে নেতা হিসেবে আবির্ভূত হতে, শেষের শেষ প্রস্তুত করতে। এটি তখন আদর্শ হয়ে ওঠে, এবং কোনো শেষ বা লক্ষ্য ছাড়া যেকোনো আদর্শের জায়গা নিয়ে নেয়!
** হেলেন ফন ড্রুসকোভিৎজ, [https://de.wikisource.org/wiki/Pessimistische_Kardinals%C3%A4tze ''পেসিমিস্টিস কার্দিনালস্যাটজ: আইন ভাডেমিকুম ফার ডাই ফ্রেইসটেন গেইস্টার''], ১৯০৫
* তারপর আমি ফিরে তাকালাম, আর দেখলাম সূর্যের নিচে যে সব অত্যাচার হচ্ছে: যারা অত্যাচারিত হচ্ছে তাদের চোখের জল দেখলাম, আর তাদের সান্ত্বনা দেওয়ার কেউ নেই। অত্যাচারীদের হাতে ক্ষমতা ছিল, কিন্তু অত্যাচারিতদের কোনো সান্ত্বনাকারী ছিল না। তাই আমি জীবিতদের চেয়ে মৃতদের বেশি প্রশংসা করলাম। হ্যাঁ, তাদের দুজনের চেয়ে সেই বেশি ভাগ্যবান যে এখনো জন্মায়নি, যে সূর্যের নিচে করা মন্দ কাজগুলো দেখেনি।
** হিতোপদেশ, [https://www.biblegateway.com/passage/?search=Ecclesiastes+4&version=KJV ''এক্লেসিয়াস্টেস ৪:১-৩, কিং জেমস ভার্সন অব দ্য বাইবেল, ১৬১১'']
* অন্যান্য গোষ্ঠী, যেমন এনক্রাটিটরা, প্রজননকে শয়তানের দ্বারা অনুপ্রাণিত মন্দ হিসেবে দেখেছিল যা এই মরণশীল কুণ্ডলীর মধ্যে আমাদের বন্দিদশাকে স্থায়ী করে। তারা যুক্তি দিয়েছিল যে সম্পূর্ণ বিশুদ্ধতা আটকা পড়া আত্মাদের মুক্ত করবে এবং তাদের আলোর সাথে পুনরায় মিলিত করবে।
** জো অ্যান ম্যাকনামারা, ''এ নিউ সং: সেলিবেট উইমেন ইন দ্য ফার্স্ট থ্রি ক্রিশ্চিয়ান সেঞ্চুরিজ'', ১৯৮৫
* জং: "পৃথিবীতে নিশ্চিতভাবেই এমন মানুষ এখনো আছে যারা বিলুপ্তির এই আত্মঘাতী নিয়ম মেনে নেয় না।" ক্যাসিয়াস: "যদি এটি তোমার জন্য একটি আশা হয়, যে কোথাও মানুষ আরও রক্তাক্ত যুদ্ধে একে অপরকে ছিঁড়ে ফেলার জন্য নতুন শক্তি জড়ো করছে, তবে তা-ই হোক, তোমার এমন আশা থাকুক।"
** কার্ল এত্তলিঙ্গার, ''ডার এরশসসেন স্টোরচ'', ১৯৩০
** বর্ণনা: উপন্যাসের চরিত্রদের মধ্যে কথোপকথন। জং, যে রাসায়নিক অস্ত্রে অধিকাংশ মানুষ খুন হওয়ার পর একটি পোস্ট-অ্যাপোক্যালিপটিক বিশ্বে পাঁচ হাজার বছরের শীতনিদ্রা থেকে জেগে ওঠে, এবং ক্যাসিয়াস, শেষ মানুষদের নেতা, শান্তিবাদী এবং নিরামিষভোজীরা যারা জীবন উপভোগ করছে, যারা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছে প্রজনন থেকে পদত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে মানুষের অস্তিত্ব সবসময়ই আজ হোক বা কাল নিজেদের দ্বারা গণহত্যা করার সাথে যুক্ত।
* অন্যদিকে যারা একটি ধার্মিক আবরণের নিচে তাদের সংযমের দ্বারা সৃষ্টি এবং পবিত্র সৃষ্টিকর্তা, সর্বশক্তিমান এবং একমাত্র ঈশ্বর উভয়কেই নিন্দা করে, এবং শিক্ষা দেয় যে কাউকে বিয়ে এবং সন্তান জন্মদান প্রত্যাখ্যান করতে হবে, এবং এই হতভাগ্য পৃথিবীতে বাস করার জন্য তাদের জায়গায় অন্যদের আনা উচিত নয়, বা মৃত্যুকে কোনো পুষ্টি দেওয়া উচিত নয়, তাদের প্রতি আমাদের উত্তরটি নিচে দেওয়া হলো।
** আলেকজান্দ্রিয়ার ক্লিমেন্ট, [http://gnosis.org/library/strom3.htm ''স্ট্রোমাটা, বই ৩, অধ্যায় ৬, ৪৫'']
** বর্ণনা: এনক্রাটিটদের জ্ঞানবাদী সম্প্রদায় সম্পর্কে।
* "মরণশীলদের জন্য জন্ম নেওয়ার চেয়ে জন্ম না নেওয়া ভালো; আমি প্রচণ্ড ব্যথায় সন্তানদের জন্ম দিই; আর যখন আমি তাদের জন্ম দিই তখন তাদের বোঝার ক্ষমতা থাকে না। আমি বৃথাই দীর্ঘশ্বাস ফেলি, যে আমাকে দুষ্ট বংশধরদের দিকে তাকাতে হবে। যখন আমি ভালোকে হারাই। যদি ভালো টিকে থাকে, তবে আমার হতভাগ্য হৃদয় আতঙ্কে গলে যায়। তাহলে এই ভালো কী? এটাই কি যথেষ্ট নয় যে আমি কেবল একজনের যত্ন নেব আর এই একটি আত্মার জন্য কষ্ট সইব?" এবং একই প্রভাবে আরও বলা হয়েছে, "তাই এখন আমি ভাবছি এবং অনেক দিন ধরেই এমনটা ভাবছিলাম যে মানুষের কখনোই সন্তান জন্ম দেওয়া উচিত নয়, আমরা কোন যন্ত্রণার মধ্যে জন্ম নিচ্ছি তা দেখে।" কিন্তু নিচের লাইনগুলোতে তিনি স্পষ্টভাবে আদি উৎপত্তির দিকে মন্দের কারণকে দায়ী করেছেন, যখন তিনি এভাবে বলেন: "হে তুমি যে দুর্ভাগ্য এবং বিপর্যয়ের জন্য জন্ম নিয়েছ, তুমি একজন মানুষ হিসেবে জন্ম নিয়েছ, আর তুমি তোমার অসুখী জীবন সেই জায়গা থেকে পেয়েছ যেখান থেকে স্বর্গের বাতাস, যা মরণশীলদের নিশ্বাস দেয়, প্রথম সবার জন্য খাবার দেওয়া শুরু করেছিল। তোমার মরণশীল অবস্থার অভিযোগ কোরো না, তুমি যে মরণশীল।" আবার তিনি একই ধারণা এই কথাগুলোতে তুলে ধরেছেন: "কোনো মরণশীলই সন্তুষ্ট এবং সুখী নয় বা কেউই দুঃখ থেকে মুক্ত হয়ে জন্মায় না।"
** [[ইউরিপিদেস]], আলেকজান্দ্রিয়ার ক্লিমেন্ট দ্বারা উদ্ধৃত এবং মন্তব্য করা হয়েছে, [http://gnosis.org/library/strom3.htm ''স্ট্রোমাটা, বই ৩, অধ্যায় ৩, ২২-২৩'']
* এর চেয়ে খারাপ আর কী হতে পারে?<br />যৌনতা মৃত্যুর নৃত্যের নেতৃত্ব দেয়,<br />সন্তান জন্মদানে শোক শুরু হয়।
** [[ইউরিপিদেস]], ''[[w:মিডিয়া (নাটক)|মিডিয়া]]''
* এখন থেকে একশ বছর পর আমি কোথায় থাকব? পৃথিবীর বর্তমান অধিবাসীরা সবাই কোথায় থাকবে? চিরকালের জন্য মারা যাওয়া; কেবল এক মুহূর্তের জন্য অস্তিত্ব থাকা! কী এক উপহাস! জন্ম না নেওয়া কি এর চেয়ে শতগুণ ভালো হতো না? কিন্তু যদি চিরকাল বেঁচে থাকা আমাদের ভাগ্য হয় এবং যে দুর্ভাগ্য আমাদের বয়ে নিয়ে যায় তার কিছুই আমরা পরিবর্তন করতে না পারি, আমাদের সামনে সবসময় সীমাহীন অনন্তকাল থাকে, তাহলে আমরা এমন নিয়তির বোঝা কীভাবে সইব? সেটাই কি আমাদের জন্য অপেক্ষা করা পরিণতি? যদি আমরা অস্তিত্বে ক্লান্ত হয়ে পড়ি, তবে আমাদের এ থেকে পালাতে নিষেধ করা হবে; এটি শেষ করা অসম্ভব হবে। এই ধারণার মধ্যে তাজা সন্ধ্যার বাতাসে উড়ে যাওয়া একটি পোকামাকড়ের ক্ষণস্থায়ী জীবনের চেয়ে অনেক বেশি ক্ষমাহীন নিষ্ঠুরতা রয়েছে। তাহলে আমরা কেন জন্মেছিলাম? অনিশ্চয়তার কষ্ট সইতে; পরীক্ষার পর দেখতে যে আমাদের একটি আশাও অবশিষ্ট নেই; যদি আমরা চিন্তা না করি তবে বোকাদের মতো বাঁচতে, আর যদি চিন্তা করি তবে পাগলদের মতো বাঁচতে?
** ক্যামিল ফ্লামারিওন, [http://www.gutenberg.org/files/52933/52933-h/52933-h.htm ''ইউরেনি''], ১৮৮৯
** বর্ণনা: চরিত্র, জর্জেস স্পেরোর কথা।
* তিনি গুরুত্বের সাথে ভেবেছিলেন যে সন্তান জন্ম দেওয়ার চেয়ে মানুষ হত্যা করায় কম ক্ষতি আছে: প্রথম ক্ষেত্রে আপনি কাউকে জীবন থেকে মুক্তি দিচ্ছেন, তার পুরো জীবন নয় বরং তার অস্তিত্বের অর্ধেক বা এক-চতুর্থাংশ বা শততম অংশ যা শেষ হতে চলেছে, যা আপনাকে ছাড়াই শেষ হতো; কিন্তু দ্বিতীয়টির ক্ষেত্রে, তিনি বলতেন, দোলনা থেকে কবর পর্যন্ত সে যত চোখের জল ফেলবে, তার সবকিছুর জন্য কি আপনি তার কাছে দায়ী নন? আপনাকে ছাড়া সে কখনোই জন্মাত না, আর সে কেন জন্মায়? আপনার বিনোদনের জন্য, তার জন্য নয়, এটা নিশ্চিত; আপনার নাম বহন করার জন্য, একজন বোকার নাম। আমি নিশ্চিত, আপনি এই নামটি কোনো দেয়ালেও লিখতে পারেন; তিন বা চারটি অক্ষরের বোঝা বহন করার জন্য আপনার একজন মানুষের কেন প্রয়োজন?
** গুস্তাভ ফ্লোবের, ''নভেম্বর'', ১৮৪১
** বর্ণনা: প্রধান চরিত্র সম্পর্কে।
* পৃথিবীতে কাউকে আনার ধারণাটি আমাকে আতঙ্কে ভরিয়ে দেয়। আমি বাবা হলে নিজেকে অভিশাপ দিতাম। আমার একটি ছেলে! ওহ না, না, না! আমার পুরো শরীর ধ্বংস হয়ে যাক এবং আমি যেন কারও কাছে অস্তিত্বের বিরক্তি এবং কলঙ্ক হস্তান্তর না করি।
** গুস্তাভ ফ্লোবের, ''দ্য লেটারস অব গুস্তাভ ফ্লোবের ১৮৩০-১৮৫৭'', ১৮৪৬
[[চিত্র:Still from "Militantisme et diffusion des idées de décroissances (conférence)".png|thumb|বিনা দ্বিধায় উত্তর দিন: যদি এমন কোনো সমাধান থাকত যা বিপর্যয়কর মানবতার ওপর চাপিয়ে দেওয়া সমস্ত মন্দের সমষ্টিকে বাতিল করতে পারত, যদি কোনো সহজ, অবিশ্বাস্যভাবে সস্তা, তাৎক্ষণিকভাবে অ্যাক্সেসযোগ্য, কঠোরভাবে ক্ষতিকারক, পরম এবং সুনির্দিষ্ট দক্ষতার প্রতিকারের মাধ্যমে সমস্ত কষ্ট, সমস্ত কান্না, সমস্ত যন্ত্রণার চিৎকার, সমস্ত রোগব্যাধি, অসুস্থতার সমস্ত প্রতিবাদ, সমস্ত হতাশা, সমস্ত প্রলয়, সমস্ত উদ্বেগ, সমস্ত অসুখ, সংক্ষেপে মানব প্রজাতিকে পীড়িত করা সমস্ত নির্যাতন বন্ধ করা সম্ভব হতো, তবে কি আপনার কাছে এমন একটি প্রতিকার প্রত্যাখ্যান করার, এমন একটি অলৌকিক নিরাময়কে অবজ্ঞা করার মতো ভয়ানক বোকামি থাকত? না, এটা বলার অপেক্ষা রাখে না। আচ্ছা, এই সমাধানটি সত্যিই আছে, আর রহস্যটি এর মাধ্যমেই আমাদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে: এটি কেবল এর পবিত্র সারল্যের মধ্যেই নিহিত, আর তা হলো প্রজনন না করা। ~ [[w:থিওফিল ডি জিরো|থিওফিল ডি জিরো]]]]
* এক মুহূর্তের জন্য ধরে নিন যে সমস্ত প্রজনন বন্ধ হয়ে গেছে, এর মানে কেবল এটাই হবে যে সমস্ত ধ্বংস বন্ধ হয়ে যাবে। মোক্ষ মানে জন্ম ও মৃত্যুর চক্র থেকে মুক্তি ছাড়া আর কিছুই নয়। এটি একাই সর্বোচ্চ পরমানন্দ বলে বিশ্বাস করা হয়, এবং তা সঠিকভাবেই।
** [[মহাত্মা গান্ধী]], ''কালেক্টেড ওয়ার্কস, ভলিউম ২৩'', ১৯৫৮
* আদর্শ ব্রহ্মচারীকে কামুক বাসনা বা প্রজননের বাসনার সাথে লড়াই করতে হয় না; এটি তাকে কখনোই বিরক্ত করে না। পুরো পৃথিবী তার কাছে একটি বিশাল পরিবার হবে, সে মানবজাতির দুঃখকষ্ট দূর করায় তার সমস্ত উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে কেন্দ্রীভূত করবে এবং প্রজননের বাসনা তার কাছে তিক্ততার মতো হবে।
** [[মহাত্মা গান্ধী]], ''কালেক্টেড ওয়ার্কস, ভলিউম ৩০'', ১৯৬৮
* ধ্বংস যদি সহিংসতা হয়, তবে সৃষ্টিও সহিংসতা। তাই প্রজননও সহিংসতার সাথে জড়িত। যা ধ্বংস হতে বাধ্য তার সৃষ্টি অবশ্যই সহিংসতার সাথে জড়িত।
** [[মহাত্মা গান্ধী]], ''কালেক্টেড ওয়ার্কস, ভলিউম ৩২'', ১৯৬৯
* আমি কী লিখব ...? যদি বলি এটা ভালো, তবে মিথ্যা বলা হবে। যদি দুঃখ প্রকাশ করি, তবে তা সহিংসতা হবে। ... আমি কেবল বলব এবং আশা করব যে তোমরা নিজেদের ইন্দ্রিয় নিয়ন্ত্রণ করতে শিখবে।
** [[মহাত্মা গান্ধী]], ''গান্ধীস প্যাশন: দ্য লাইফ অ্যান্ড লিগ্যাসি অব মহাত্মা গান্ধী'', ২০০২
** বর্ণনা: তার ভাতিজা ছগনলালের স্ত্রী কাশিকে লেখা চিঠি, যিনি সবেমাত্র একটি মেয়ের জন্ম দিয়েছিলেন।
* বিনা দ্বিধায় উত্তর দিন: যদি এমন কোনো সমাধান থাকত যা বিপর্যয়কর মানবতার ওপর চাপিয়ে দেওয়া সমস্ত মন্দের সমষ্টিকে বাতিল করতে পারত, যদি কোনো সহজ, অবিশ্বাস্যভাবে সস্তা, তাৎক্ষণিকভাবে অ্যাক্সেসযোগ্য, কঠোরভাবে ক্ষতিকারক, পরম এবং সুনির্দিষ্ট দক্ষতার প্রতিকারের মাধ্যমে সমস্ত কষ্ট, সমস্ত কান্না, সমস্ত যন্ত্রণার চিৎকার, সমস্ত রোগব্যাধি, অসুস্থতার সমস্ত প্রতিবাদ, সমস্ত হতাশা, সমস্ত প্রলয়, সমস্ত উদ্বেগ, সমস্ত অসুখ, সংক্ষেপে মানব প্রজাতিকে পীড়িত করা সমস্ত নির্যাতন বন্ধ করা সম্ভব হতো, তবে কি আপনার কাছে এমন একটি প্রতিকার প্রত্যাখ্যান করার, এমন একটি অলৌকিক নিরাময়কে অবজ্ঞা করার মতো ভয়ানক বোকামি থাকত? না, এটা বলার অপেক্ষা রাখে না। আচ্ছা, এই সমাধানটি সত্যিই আছে, আর রহস্যটি এর মাধ্যমেই আমাদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে: এটি কেবল এর পবিত্র সারল্যের মধ্যেই নিহিত, আর তা হলো প্রজনন না করা।
** [[w:থিওফিল ডি জিরো|থিওফিল ডি জিরো]], [http://theophiledegiraud.e-monsite.com/medias/files/manifeste-anti-nataliste.pdf ''ল'আর্ট ডি গিলোটিনার লেস প্রোক্রিয়েটারস: ম্যানিফেস্ট অ্যান্টি-ন্যাটালিস্ট''], ২০০৬, পৃষ্ঠা ১০
* তাৎপর্যপূর্ণ প্রতীকীবাদ: আমরা সবাই নোংরামি এবং কষ্টের মধ্যে জন্ম নিই, অবশ্যই আমাদের মায়ের কষ্টের মধ্যে, যার অবশ্য অভিযোগ করার কোনো অধিকার নেই যদি এটি তার নিজের পছন্দ হয়ে থাকে। কিন্তু সর্বোপরি আমরা, যারা শিকার, শূন্যতার দুর্ভাগ্যবান নির্বাসিত, আমরা যে কষ্ট অনুভব করি, স্বর্গীয় সামুদ্রিক অন্ধকারে থাকার কারণে, যেখানে কোনো উদ্বেগ আমাদের ছুঁতে পারেনি, আমরা হঠাৎ করেই সংগ্রাম করতে শুরু করি, ভয়ানকভাবে চেপে, প্রায় পিষে, দম বন্ধ হয়ে অজ্ঞান হয়ে যাই। কারণ মাদার নেচার নামের এই অযোগ্য কর্মীর ডিজাইন করা এক নিম্নমানের জন্ম নালী দিয়ে আমাদের জোর করে বের করা হয়।
** [[w:থিওফিল ডি জিরো|থিওফিল ডি জিরো]], [http://theophiledegiraud.e-monsite.com/medias/files/manifeste-anti-nataliste.pdf ''ল'আর্ট ডি গিলোটিনার লেস প্রোক্রিয়েটারস: ম্যানিফেস্ট অ্যান্টি-ন্যাটালিস্ট''], ২০০৬, পৃষ্ঠা ১৩–১৪
* আমাদের জন্ম দেওয়া দায়িত্বজ্ঞানহীনদের দ্বারা প্রায়শই আরেকটি যুক্তি দেওয়া হয় – যে এটি একটি "চিহ্ন রেখে যাওয়ার" কাজ – অদ্ভুত প্ররোচনা! আসুন আমরা এখনই লক্ষ্য করি যে আচরণগত দৃষ্টিকোণ থেকে এটি একটি স্তন্যপায়ী প্রাণীর তাদের পথ বা এলাকা চিহ্নিত করার জন্য মাটিতে মলত্যাগ করার মনোভাবের মতো। ল্যাম্প পোস্টের গায়ে প্রস্রাব করা কুকুরটিও একটি চিহ্ন রেখে যায়, তবে এমন একটি চিহ্ন যা শিশুর বিপরীতে জীবনের ক্লান্তিকর চাপগুলো সহ্য না করার সুবিধা ভোগ করে।
** [[w:থিওফিল ডি জিরো|থিওফিল ডি জিরো]], [http://theophiledegiraud.e-monsite.com/medias/files/manifeste-anti-nataliste.pdf ''ল'আর্ট ডি গিলোটিনার লেস প্রোক্রিয়েটারস: ম্যানিফেস্ট অ্যান্টি-ন্যাটালিস্ট''], ২০০৬, পৃষ্ঠা ৩৫
* যদি অন্যরকম হতো, যদি প্রজনন সবচেয়ে জঘন্য আত্মরতির ফল না হতো, আমাদের ঘৃণ্য বাবা-মা যদি সত্যিই কোনো উদারতা দ্বারা চালিত হতেন, তবে দত্তক নেওয়ার সম্ভাব্য প্রার্থীদের সংখ্যা সেই লাখ লাখ শিশুর চেয়ে অনেক বেশি হতো যারা ঠিক এই মুহূর্তে দত্তক নেওয়ার জন্য অপেক্ষা করছে! কিন্তু দত্তক নেওয়ার কথা বলুন আর দেখবেন তাদের মুখে "হ্যাঁ-কিন্তু-আমার-জন্য-নয়" এর একটি বড় ভ্রুকুটি তৈরি হয়েছে। তারা সম্পূর্ণভাবে তাদের নিজেদের শরীর থেকে আসা একটি শিকারের মালিক হওয়ার জন্য লোভী। "অনাথ? অন্য কারো বাচ্চা? তার চেয়ে বরং বিজ্ঞানীদের ডাকো আমার বন্ধ্যাত্ব দূর করতে সাহায্য করতে!"
** [[w:থিওফিল ডি জিরো|থিওফিল ডি জিরো]], [http://theophiledegiraud.e-monsite.com/medias/files/manifeste-anti-nataliste.pdf ''ল'আর্ট ডি গিলোটিনার লেস প্রোক্রিয়েটারস: ম্যানিফেস্ট অ্যান্টি-ন্যাটালিস্ট''], ২০০৬, পৃষ্ঠা ৫১
* স্পষ্টতই মহৎ ব্যক্তিদের প্রবণতা এবং অনুপ্রেরণা মূল্যায়ন করা হয়, যে ব্যক্তিরা দত্তক নেওয়ার মাধ্যমে বিদ্যমান শিশুকে অস্তিত্বের নরকে সাঁতার কাটতে সাহায্য করতে চান। কিন্তু এমনকি সবচেয়ে অশুভ বোকাও, যদি তার কেবল এমন একটি ইচ্ছা থাকে, তবে কোনোভাবেই এটিকে ন্যায্যতা না দিয়ে সৃষ্টির মাধ্যমে তাদের এই নরকে নিমজ্জিত করার নিরঙ্কুশ অধিকার তার আছে।
** [[w:থিওফিল ডি জিরো|থিওফিল ডি জিরো]], [http://theophiledegiraud.e-monsite.com/medias/files/manifeste-anti-nataliste.pdf ''ল'আর্ট ডি গিলোটিনার লেস প্রোক্রিয়েটারস: ম্যানিফেস্ট অ্যান্টি-ন্যাটালিস্ট''], ২০০৬, পৃষ্ঠা ১৪৭
* এটা কীভাবে সম্ভব যে ইতিহাসের কোনো যুগে, পৃথিবীর কোনো স্থানে, মানুষের জীবনের নিষ্ঠুরতার মুখে মানব জীবনকে নিশ্চিহ্ন করার উদ্দেশ্যে কোনো জ্ঞানী মানুষের সম্প্রদায় গড়ে ওঠেনি?
** [[গনকোর্ট ভ্রাতৃদ্বয়]], ''জার্নাল: মেমোয়ারস ডি লা ভি লিটারার। ১৮৬৪-১৮৭৮। খণ্ড ২''
* কল্পনা করুন যে এটি সম্ভব। আমি এটাই মনে করি। . . . যখন আমি তরুণ ছিলাম তখন আমি এটাই ভাবতাম এবং আজও এটাই ভাবি যে, আমি জানি না এসব কীভাবে কাজ করে এবং এটি কোথায় নিয়ে যাচ্ছে... আমি একটি শিশুকে এসব সম্পর্কে কী বলব, কেন তারা জন্মেছে এবং কী উদ্দেশ্যে? . . . আমরা প্রজনন করি, আমরা চিন্তা না করেই জন্ম দিই। কিন্তু তারপর, যখন শিশুটি বলে: আমি তো কখনো এটি চাইনি – তখন আমাদের কাছে কোনো উত্তর থাকে না। পৃথিবীতে অনেক দুর্ভাগ্য ঘটছে, জীবন একটি বড় ঝুঁকি, এবং এটি প্রায়শই ভয়ানক আঘাত দেয়... তাহলে কি কারো দায়িত্ব নেওয়া উচিত, কাউকে পৃথিবীতে আনা উচিত, "জীবনের উপহার দেওয়া" উচিত?
** ক্রিস্টিনা গোনেট, ''জ্যাক বাই তো পোভিদজিচ... রোজমোউই জ ক্রিস্টিয়ানেম লুপা'', ২০০২, পৃষ্ঠা ৪৭–৪৮
** বর্ণনা: ক্রিস্টিয়ান লুপার প্রশ্নের উত্তর "এমনটা কি ভাবা সম্ভব যে আমাদের মোটেই সন্তানের জন্ম দেওয়া উচিত নয়, কারণ জীবনের অর্থ নিশ্চিত নয়?"
* আমি আমার জীবনে অর্থ খুঁজে পেতে সক্ষম, কিন্তু আমি এটি কারও ওপর চাপিয়ে দেওয়ার অধিকার অনুভব করি না।
** ক্রিস্টিনা গোনেট, ''জ্যাক বাই তো পোভিদজিচ... রোজমোউই জ ক্রিস্টিয়ানেম লুপা'', ২০০২, পৃষ্ঠা ৪৯
*কনরাডের মহান উপন্যাস "হার্ট অব ডার্কনেসে" কি মৃত্যুশয্যায় এই হতাশার অনুভূতি ছিল না, যখন তিনি মৃত্যুর সাথে কুর্জের সন্দেহজনক লড়াইয়ের কথা উল্লেখ করেছেন। আত্মবিশ্বাসহীন লড়াই? একই কনরাড, যিনি তার একটি উপন্যাসে ক্যালদেরনের কথাগুলো রেখেছিলেন যে, মানুষের সবচেয়ে বড় দুর্ভাগ্য হলো জন্ম নেওয়া? এটি আপনার বারবার বলা তত্ত্বের সাথে মিলে যায় যে, সবচেয়ে বড় অন্যায় হলো শিশুদের জীবনে আনা, কারণ তাদের জন্ম দেওয়া মানে তাদের মৃত্যুর দণ্ড দেওয়া। আমরা তাদের শূন্যতা থেকে, সম্পূর্ণ অচেতন অবস্থা থেকে বাস্তবতায় টেনে আনছি। তারপর আমরা তাদের মৃত্যুর যন্ত্রণা ভোগ করার নির্দেশ দিচ্ছি, যা তারা প্রথম স্থানে বেঁচে না থাকলে তাদের অনুভব করতে হতো না।
** জবিগনিউ গ্রাবোস্কি, ''রোজমোউই জ তোবা'', ১৯৭৪, পৃষ্ঠা ১৫১
** বর্ণনা: তার স্ত্রী জোফিয়া গ্রাবোস্কাকে লেখা।
* কারণ শিশুদের শারীরিক প্রজনন (কেউ যেন এই যুক্তিতে বিভ্রান্ত না হয়) মানুষের জন্য জীবনের চেয়ে মৃত্যুর দিকে বেশি যাত্রা। জন্মের মধ্য দিয়েই ক্ষয়ের শুরু হয় এবং যারা কুমারীত্বের মাধ্যমে প্রজনন থেকে বিরত থাকে তারা নিজেদের মাধ্যমে মৃত্যুর অবসান ঘটায়, কারণ তারা তাদের কারণে মৃত্যুকে আর এগিয়ে যেতে দেয় না। এবং জীবন ও মৃত্যুর মধ্যে এক ধরণের সীমানা পাথর হিসেবে নিজেদের স্থাপন করে, তারা মৃত্যুকে এগিয়ে যেতে বাধা দেয়।
** [[নিসার গ্রেগরি]], ''অ্যাসেটিক্যাল ওয়ার্কস (দ্য ফাদারস অব দ্য চার্চ, ভলিউম ৫৮)''
* সবচেয়ে সচেতন দুটি কাজ আছে যার ওপর মানুষ কাজ করতে পারে: আত্মহত্যা এবং প্রজনন থেকে বিরত থাকা।
** ইউতাকা হানিয়া, ''無限の相のもとに'', ১৯৯৭
* উদাহরণস্বরূপ, মানুষ আমাকে নিরাশাবাদী বলে; আর সফোক্লিসের সাথে যদি এটি ভাবা নিরাশাবাদ হয় যে 'জন্ম না নেওয়াটাই সেরা,' তবে আমি এই উপাধিটি প্রত্যাখ্যান করি না।
** [[টমাস হার্ডি]], ''ইন্টারভিউস অ্যান্ড রিকালেকশনস'', ২০১৬
* মানুষ পৃথিবীর সবচেয়ে ধ্বংসাত্মক প্রাণী। আমরা বিপুল সংখ্যক প্রাণীর মৃত্যুর কারণ (প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ উভয়ভাবেই)। আমরা আবাসস্থল ধ্বংস করি। আমরা পরিবেশের ক্ষতি করি। আমরা বর্তমানে বিশ্বের জলবায়ুকে এমনভাবে উত্তপ্ত করছি যা সম্ভবত অসংখ্য প্রাণীর (আমাদের নিজেদের সহ) জন্য ক্ষতিকর হবে। আর একটি বোতাম টিপে সবকিছু ধ্বংস করার মতো উপায়, পারমাণবিক অস্ত্র আমাদের কাছে রয়েছে। আমরা একবার সেই বোতামটি টেপার খুব কাছাকাছি চলে গিয়েছিলাম (১৯৬২ সালে কিউবার ক্ষেপণাস্ত্র সংকট)। ধ্বংস থামানোর সবচেয়ে ভালো উপায় হলো ধ্বংসাত্মক শক্তিকে সরিয়ে দেওয়া; প্রজনন থেকে বিরত থাকার মাধ্যমে মানুষকে সরিয়ে দেওয়া। সংক্ষেপে, মানুষের দ্বারা সৃষ্ট বিপুল পরিমাণ ক্ষতি আমাদের মানব প্রজাতিকে বর্জন করার একটি নৈতিক কারণ দেয়।
** জেরাল্ড হ্যারিসন, জুলিয়া ট্যানার, [https://www.cambridge.org/core/services/aop-cambridge-core/content/view/3AF8BE47794522E31BE351F4D9822344/S1477175610000436a.pdf/better_not_to_have_children.pdf ''বেটার নট টু হ্যাভ চিলড্রেন''], ২০১০, পৃষ্ঠা ১১৩
* এটি উল্লেখ করা যেতে পারে যে আমরা অস্তিত্ব পাওয়ার জন্য কারো সম্মতি পেতে পারি না; তাদের অস্তিত্ব পাওয়ার আগে আমরা তাদের সম্মতি পেতে পারি না এবং যখন তাদের অস্তিত্ব আসে তখন অনেক দেরি হয়ে যায়। কিন্তু আমরা তাদের সম্মতি পেতে পারি না এই বাস্তবতার মানে এই নয় যে আমরা এটি ছাড়াই কাজ করতে স্বাধীন। ধরুন আপনি কাউকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে নির্যাতন করতে চান, আপনি আপনার শিকারের সম্মতি চাইতে পারেন না; তাহলে নির্যাতন তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে হবে না। এই কারণে আমরা মানুষের ইচ্ছার বিরুদ্ধে নির্যাতন করার অনুমতি পেয়েছি বলে যুক্তি দেওয়া অযৌক্তিক হবে। একইভাবে, সম্ভাব্য বাবা-মায়েরা যাদের অস্তিত্বে আনার পরিকল্পনা করছেন তাদের সম্মতি পেতে পারেন না এই বাস্তবতার জাদুকরী অর্থ এই নয় যে এটি ঠিক আছে। বরং এর ঠিক বিপরীতটাই সত্য। যদি আপনি এমন কোনো ব্যক্তির সম্মতি পেতে না পারেন যাকে আপনার কাজ উল্লেখযোগ্যভাবে প্রভাবিত করবে, তবে ডিফল্ট অবস্থান হলো আপনি এমন কিছু করবেন না যা তাদের প্রভাবিত করবে। ব্যতিক্রম আছে। পতনশীল পিয়ানোর পথ থেকে কাউকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেওয়া নৈতিকভাবে সঠিক, এমনকি যদি কোনো পূর্ব সম্মতি দেওয়া না যায় (যদি, উদাহরণস্বরূপ, সময় না থাকে)। কিন্তু এ ধরনের ক্ষেত্রে আপনি কাউকে বড় ক্ষতি থেকে রক্ষা করছেন। প্রজনন করা তথা কাউকে জীবনের অধীন করা আসলে তাদের ক্ষতি থেকে রক্ষা করে না। তৈরি না হওয়া তাদের ক্ষতি করতে পারে না কারণ তাদের কোনো অস্তিত্বই নেই।
** জেরাল্ড হ্যারিসন, জুলিয়া ট্যানার, [https://www.cambridge.org/core/services/aop-cambridge-core/content/view/3AF8BE47794522E31BE351F4D9822344/S1477175610000436a.pdf/better_not_to_have_children.pdf ''বেটার নট টু হ্যাভ চিলড্রেন''], ২০১০, পৃষ্ঠা ১১৭–১১৮
* তাই মনে হয় কমপক্ষে দুটি প্রাথমিক দায়িত্ব রয়েছে যা সামগ্রিকভাবে প্রজননমূলক কাজগুলোকে ভুল প্রমাণ করার দিকে ধাবিত করে: ব্যথা রোধ করার জন্য আমাদের প্রাথমিক দায়িত্ব এবং পূর্ব সম্মতি ছাড়া কাউকে গভীরভাবে প্রভাবিত না করার প্রাথমিক দায়িত্ব।
** জেরাল্ড হ্যারিসন, ''অ্যান্টিন্যাটালিজম, অ্যাসিমেট্রি, অ্যান্ড অ্যান এথিক অব প্রাইমা ফেসিয়ে ডিউটিস'', ২০১২
* আমি বিশ্বাস করি অন্য মানুষের পরিহারযোগ্য কষ্টের কারণ হওয়া নৈতিকভাবে ভুল। এই বিশ্বাস মানুষের প্রজননের প্রতি দুটি ভিন্ন আপত্তির জন্ম দেয়। একদিকে, যেহেতু সমস্ত মানুষ তাদের জীবনের কোনো না কোনো সময়ে কষ্ট পায়, তাই প্রত্যেক বাবা-মা যারা প্রজনন প্রত্যাখ্যান করতে পারত তারা দোষী। অন্যদিকে, যেহেতু সম্ভাব্য বাবা-মায়েরা গ্যারান্টি দিতে পারে না যে তাদের সন্তানদের জীবন অস্তিত্বহীনতার চেয়ে ভালো হবে, তাই ফলাফল যাই হোক না কেন, তাদের অন্যের জীবন নিয়ে জুয়া খেলার জন্য সঠিকভাবে অভিযুক্ত করা যেতে পারে। মানব জীবনের অনিশ্চয়তার কারণে, যে কারও সন্তান এই যুক্তি দিতে পারে যে তাদের জন্ম না নেওয়াটাই ভালো হতো। এই ফলাফলের সম্ভাবনা অপরিহার্যভাবে গুরুত্বপূর্ণ নয়। এটিই যথেষ্ট যে সম্ভাবনাটি বাস্তব, যা সবসময়ই থাকে।
** ম্যাটি হেইরি, [https://www.ncbi.nlm.nih.gov/pmc/articles/PMC1733883/pdf/v030p00377.pdf ''আ র্যাশনাল কিউর ফর প্রিরিপ্রোডাক্টিভ স্ট্রেস সিনড্রোম''], ২০০৪
* ঘুম ভালো, মৃত্যু আরও ভালো; কিন্তু অবশ্যই,<br />সবচেয়ে ভালো ব্যাপার হতো যদি কখনোই জন্ম না নেওয়া হতো।
** [[হাইনরিশ হাইনে]], ''মরফিন'', ১৮৫৬
* একটি বাচ্চা নেওয়া, এই পরিষ্কার, সুন্দর স্লেট পাওয়া কি ভালো হবে না, যা আমরা পূরণ করতে পারি, এবং একটি ছোট পরিষ্কার আত্মা, সম্পূর্ণ, আপনি জানেন, নিষ্পাপ, এবং এটিকে ভালো ধারণা দিয়ে পূরণ করতে পারি। হ্যাঁ, হ্যাঁ, এটা কেমন হবে? আপনি যদি এতটা পরোপকারী হন, তবে ছোট পরিষ্কার আত্মাটি এখন যেখানে আছে তাকে সেখানেই রেখে দিচ্ছেন না কেন? ঠিক আছে? ভয়ংকর কাজ, সন্তানের জন্ম। এটি একটি দুঃস্বপ্ন। আনা – আমি কখনোই একটি বাচ্চাকে এই জঘন্য গ্রহে আনব না।
** [[বিল হিক্স]], ''লাভ অল দ্য পিপল: লেটারস, লিরিকস, রুটিনস'', ২০০৪
* মাতৃত্বের প্রবৃত্তি এমন কিছু যা আমার মধ্যে একেবারেই নেই। আমি নিজেকে এভাবেই ব্যাখ্যা করি: জীবন কান্নার এক উপত্যকা এবং সমস্ত মানুষই হতভাগ্য প্রাণী, তাই আমি পৃথিবীতে আরও একজন অসুখী প্রাণী আনার দায়িত্ব নিতে পারি না।
** [[এতি হিলেসুম]], ''অ্যান ইন্টারাপ্টেড লাইফ: দ্য ডায়েরিস অব এতি হিলেসুম ১৯৪১–১৯৪৩'', ১৯৮১
* এই মহাদেশের উত্তরের কিছু অংশকে "আমেরিকা"-তে রূপান্তর করা সুযোগ এবং উদ্ভাবনের একটি প্রায় সীমাহীন যুগের সূচনা করেছিল। তাই যারা কখনো জন্মায়নি বলে আশা করেছিল তাদের অংশগ্রহণ থাকুক বা না থাকুক, অত্যন্ত শক্তি এবং উৎসাহের সাথে এটি উদযাপনের যোগ্য।
** [[ক্রিস্টোফার হিচেন্স]], "মাইনরিটি রিপোর্ট", ''দ্য নেশনে'' (১৯ অক্টোবর ১৯৯২)
* আমি দলত্যাগকারীদের সম্মান করি এবং জোরপূর্বক নিয়োগপ্রাপ্তদের সাথে সংহতি প্রকাশ করি।
** উলরিখ হর্স্টম্যান, [http://www.literaturkritik.de/public/rezension.php?rez_id=583 ''উইর বেওহনেন আইনেন হিন্টারহোফ – আইন ইন্টারভিউ মিট উলরিখ হর্স্টম্যান'']
** বর্ণনা: আত্মহত্যা এবং প্রজনন সম্পর্কে।
* মানবজাতির একমাত্র লক্ষ্য হলো প্রজনন করা, প্রজাতিকে টিকিয়ে রাখা। যদিও এই লক্ষ্যটি স্পষ্টতই গুরুত্বহীন, মানবজাতি ভয়ানক অনমনীয়তার সাথে এটি অনুসরণ করে। মানুষ খুব অসুখী হতে পারে, চরমভাবে অসুখী হতে পারে, কিন্তু তারা তাদের সমস্ত শক্তি দিয়ে সেই জিনিসটিকে প্রতিরোধ করে যা তাদের ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারে: তারা সন্তান চায়, এবং তাদের মতো সন্তান চায়, যাতে তাদের নিজস্ব কবর খুঁড়তে পারে এবং অসুখের পরিস্থিতিগুলোকে স্থায়ী করতে পারে।
** [[মিশেল উয়েলবেক]], ''দ্য পসিবিলিটি অব অ্যান আইল্যান্ড'', ২০০৫
** বর্ণনা: চরিত্র, নবীর কথা।
* ...আমি বাবা-মা হওয়ার জন্য তৈরি হইনি। তাছাড়া, আমি বিয়েকে পাপ এবং সন্তান নেওয়াকে অপরাধ বলে মনে করি। ... এটিও আমার বিশ্বাস যে, যে নিজেকে বিয়ের জোয়ালে বাঁধে সে একজন বোকা, এমনকি আরও বড় একজন পাপী। একজন বোকা, কারণ তা করতে গিয়ে সে কোনো উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ না পেয়েই নিজের স্বাধীনতা বিলিয়ে দেয়; একজন পাপী, কারণ সে সন্তানদের সুখের নিশ্চয়তা দিতে না পেরেই তাদের জীবন দেয়। আমি এর সমস্ত স্তরে মানবজাতিকে অবজ্ঞা করি; আমি অনুমান করি যে আমাদের বংশধররা আমাদের চেয়ে অনেক বেশি অসুখী হবে — আমি কি একজন পাপী হতাম না যদি, এই দৃষ্টিভঙ্গি থাকা সত্ত্বেও, আমি যারা আসবে তাদের জন্য, অর্থাৎ সেই অসুখী প্রাণীদের জন্য চিন্তা না করতাম? - একটি নিষ্পাপ ছোট শিশুর দৃশ্যের চেয়ে বেশি বিষণ্ণতায় আমাকে আর কোনো দৃশ্য ভরিয়ে দেয় না। আমি প্রতিবার সেই কষ্টের কথা ভাবতে সাহায্য করতে পারি না, যার দিকে এটি পরিপক্ক হয়। সমস্ত জীবন একটি বড় বাজে কথা। আর যখন কেউ আশি বছর ধরে পরিশ্রম এবং গবেষণা করেছে, তখন তাকে অবশ্যই স্বীকার করতে হবে যে সে শূন্যের জন্য পরিশ্রম এবং গবেষণা করেছে। ইশ আমরা যদি জানতাম কেন আমরা এই পৃথিবীতে আছি! কিন্তু একজন চিন্তাবিদের কাছে সবকিছুই রহস্যময় এবং রহস্যময় হয়ে থাকবে, আর সবচেয়ে বড় সুখ হলো বোকা হয়ে জন্ম নেওয়া।
** [[আলেকজান্ডার ফন হুমবোল্ট]], [https://salmoxisbote.de/Bote06/Humboldt.htm কাউন্টেস ফন বি.র ডায়েরি থেকে, পূর্বে ফ্রাউলেইন ফন আর., যিনি ১৮৫২ সালে মারা গিয়েছিলেন, যেখানে তিনি ১৮১২ সালে প্যারিসে তার এক বন্ধুর সাথে হুমবোল্টের কথোপকথনের কথা লিপিবদ্ধ করেছিলেন।]
** বর্ণনা: একই উদ্ধৃতি, উদাহরণস্বরূপ, ফিলিপ মাইনল্যান্ডারের 'ফিলোসোফি ডের এরলোসুংয়েও' পাওয়া যেতে পারে।
* বিশ্বাস করো, ফিলো, পুরো পৃথিবী অভিশপ্ত এবং দূষিত। সমস্ত জীবন্ত প্রাণীর মধ্যে একটি চিরস্থায়ী যুদ্ধ প্রজ্বলিত। প্রয়োজনীয়তা, ক্ষুধা, অভাব, শক্তিশালী এবং সাহসীদের উদ্দীপিত করে: ভয়, উদ্বেগ, আতঙ্ক, দুর্বল এবং অক্ষমদের আলোড়িত করে। জীবনে প্রথম প্রবেশ নবজাতক শিশু এবং তার হতভাগ্য বাবা-মাকে যন্ত্রণা দেয়: দুর্বলতা, অক্ষমতা, দুর্দশা, সেই জীবনের প্রতিটি পর্যায়ে উপস্থিত থাকে: আর শেষ পর্যন্ত তা তীব্র যন্ত্রণা এবং আতঙ্কে শেষ হয়।
** [[ডেভিড হিউম]], ''ডায়ালগস কনসার্নিং ন্যাচারাল রিলিজিয়ন'', ১৭৭৯
** বর্ণনা: চরিত্র, দেমিয়ার কথা।
* সুখ কারও জন্যই নেই, কারণ এটি প্রকৃতির অন্তর্নিহিত নয়; এর বদলে, দুর্ভাগ্যই হলো সাধারণ নিয়ম; এটি চিরন্তন দুর্ভাগ্য যা সমস্ত প্রাণীর ওপর ভর করে থাকে, যার কাছে আমাদের হয় নতি স্বীকার করতে হবে বা তা থেকে সরে আসতে হবে: ''কিন্তু জীবনের প্রতি বোকামিপূর্ণ ভালোবাসা এতই শক্তিশালী'', যে বেশিরভাগ মানুষই কষ্টের কাছে নতি স্বীকার করে এবং মেনে নেয়। যদি মানুষ এই বোঝা কেবল ব্যক্তিগতভাবে গ্রহণ করত, তবে তাকে ক্ষমা করা যেত; কিন্তু শেষ পর্যন্ত নিষ্ক্রিয় থেকে, সে তার শত্রুকে মান্য করে: প্রবৃত্তি, এবং যে প্রাণীরা জন্ম নিতে চায় না তাদের জীবন দিয়ে অভিশপ্ত ঐতিহ্যকে স্থায়ী করে।
** মেরি হুওট, ''[https://www.tpsalomonreinach.mom.fr/Reinach/MOM_TP_129996/MOM_TP_129996_0001/PDF/MOM_TP_129996_0001.pdf লে মাল ডি ভিভরে]'', ১৯০৯
* যারা প্রজনন করে তাদের অনুভূতি যা-ই হোক না কেন, যতক্ষণ তারা জেনেশুনে কাজ করে যে তারা ব্যথার জন্য প্রাণী তৈরি করছে, হতাশার আত্মা, ক্ষতিকারক প্রাণী, শিকার এবং জল্লাদ উভয়ই, তারা অপরাধী, এবং শিশুর অধিকার আছে তার বাবা-মাকে নিছক খুনি হিসেবে বিবেচনা করার। হ্যাঁ, খুনি! কারণ জীবন দেওয়া মানে মৃত্যুও দেওয়া। প্রজনন থেকে বিরত থাকার দাবি করার জন্য এই দৃষ্টিকোণ থেকে একটি দেখাই যথেষ্ট হওয়া উচিত। আর তারপর কী? পৃথিবীর শেষ! অবশ্যই, এটি স্বল্প বা দীর্ঘমেয়াদে পৃথিবীর শেষ হবে এবং আমি এতে কোনো সমস্যা দেখি না।
** মেরি হুওট, ''[https://www.tpsalomonreinach.mom.fr/Reinach/MOM_TP_129996/MOM_TP_129996_0001/PDF/MOM_TP_129996_0001.pdf লে মাল দে ভিভরে]'', ১৯০৯
* সম্মতি দেওয়ার অক্ষমতা মানে এই নয় যে সম্মতি দিতে অক্ষম এমন ব্যক্তির ওপর কেউ কোনো কাজ চাপিয়ে দিতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, সম্মতি দেওয়ার বয়সের নিচে থাকা অপ্রাপ্তবয়স্কদের সম্মতি দিতে অক্ষম বলে মনে করা হয়। তাই এ ধরনের অপ্রাপ্তবয়স্কদের সাথে যেকোনো যৌন সম্পর্ককে নিঃশর্তভাবে ধর্ষণ (বিধিবদ্ধ ধর্ষণ) হিসেবে গণ্য করা হয়। যদিও উদাহরণস্বরূপ চিকিৎসা, টিকাদান এবং বাধ্যতামূলক শিক্ষা শিশুর অবহিত সম্মতি ছাড়াই চাপিয়ে দেওয়া হয়। তবে এ ধরনের কাজ শিশুর (প্রকৃত হোক বা উদ্দেশ্যমূলক) সর্বোত্তম স্বার্থে ন্যায়সংগত বলে মনে করা হয়। প্রজননের ক্ষেত্রে, শিশু এতে সম্মতি দেয় না বা অস্তিত্বে আসার কোনো আগ্রহও তার থাকে না। তবে একবার অস্তিত্বে আসার পর, শিশুর অস্তিত্ব চালিয়ে যাওয়ার আগ্রহ থাকতে পারে।
** জিউন হোয়াং, ''প্রোক্রিয়েশন ইজ মার্ডার: দ্য কেস ফর ভলান্টারি হিউম্যান এক্সটিংশন'', ২০১৭
* আতঙ্ক ও ব্যথার মধ্যে জন্ম নিয়েছি। আমি শেষ বা প্রস্থানের ভয়ংকর আতঙ্কের মধ্যেও বেঁচে আছি। আমি দুটি ভয়ংকর ঘটনার মাঝখানে একটি অবিশ্বাস্য, অগ্রহণযোগ্য ও নারকীয় ফাঁদে আটকে আছি।
**[[ইউজিন আয়োনেস্কো]], ''দ্য হারমিট'', ১৯৭৭
* দুটি বিষয় অগ্রহণযোগ্য: জন্ম এবং মৃত্যু। আমি এগুলো চাইনি এবং আমি এগুলো মেনেও নিই না।
** [[ইউজিন আয়োনেস্কো]], ''উন হোমে এন কোয়েশ্চেন'', ১৯৭৯
* জীবন যখন আমাদের প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হয়। যখন আমরা নিজেদের তৈরি করা ছেড়ে দিই। যখন আমরা অনুভব করি যে সবকিছু ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। তখন আমরা মর্গে যাওয়ার বদলে পরিবার ও আত্মীয়দের আরও বেশি গুরুতর ও বাজে জায়গায় নিয়ে যাই: প্রসূতি ওয়ার্ডে।
** রোল্যান্ড জ্যাকার্ড, ''লা টেনস্টেশন নিহিলিস্টে'', ১৯৮৯
* একজন নারী গর্বের সাথে তার গর্ভে একটি ভবিষ্যৎ মৃতদেহ বহন করছেন, এর চেয়ে অশ্লীল আর কী হতে পারে?
** রোল্যান্ড জ্যাকার্ড, ''টোপোলোজি ডু পেসিমিসমে'', ১৯৯৭
* একটি শিশুর জন্ম দেওয়া মানে এই শিশুর ওপর নির্যাতন করা। তারা জীবন দিতে পারে, এই নিছক ধারণায় প্রতিটি জ্ঞানী ব্যক্তি মনে করেন যে তিনি এর বদলে মরে যাওয়াই পছন্দ করবেন।
** রোল্যান্ড জ্যাকার্ড, ''আন ক্লাইমেটিজিউর এন এনফার'', ২০০০
* বিশ্বকে একজন ভালো ঈশ্বর সৃষ্টি করেছেন, এমন একটি উন্মাদ ধারণাকে কেউ কীভাবে গুরুত্বের সাথে নিতে পারে? আর সমস্ত আদেশের মধ্যে সবচেয়ে অপরাধমূলকটিতে কীভাবে স্বাক্ষর করতে পারে: "ফলবতী হও এবং বংশবৃদ্ধি করো"?
** রোল্যান্ড জ্যাকার্ড, ''সেক্সে এট সারকাসমেস'', ২০০৯
* জীবনের কোনো পর্যায়েই আমি এই ধারণা থেকে মুক্তি পাইনি যে জীবনের এই ধরনের পরিণতি, যা মৃত্যু ডেকে আনে, তা একটি অযৌক্তিক বিষয়। এটি কোনো না কোনো মিথের ধোঁয়াশা ছাড়া সহ্য করা যায় না। এটি এমন একটি বিভ্রম যা আমাদের জৈবিক সত্তার সীমানা ছাড়িয়ে যায়। আমাদের জৈবিক সত্তা একটি মৌসুমী সত্তা, যা স্থান এবং সময় দ্বারা আবদ্ধ এবং কেবল এই বিভাগগুলোতেই বোঝা যায়। এর মানে এই নয় যে আমাদের অস্তিত্ব এবং অনস্তিত্ব হিসেবে সত্তার ঠিক এই রূপটিকেই বুঝতে হবে। একে যুক্তিসংগত, ধার্মিক এবং একমাত্র হিসেবে বুঝতে হবে, কেবল এই কারণে যে এটি প্রয়োজনীয়। অনিবার্যতা মানেই কোনো বিজ্ঞ সমাধান নয়। প্রথমত, এটি আমাদের স্বাধীনতা কেড়ে নেয়। চেতনার প্রথম বছরগুলো থেকেই আমরা নির্ধারিত। আমরা এটি সম্পর্কে জানি। যেকোনো সময় আমরা বিপদে পড়তে পারি, আমরা কখনোই নিরাপদ নই। মহাবিশ্বের বিশালতায় অস্তিত্ব কি ধ্রুবক ঝুঁকির সাথে যুক্ত হতে হবে? এটিকে কি এমন একটি বাড়ির মতো হতে হবে, যেখানে ভাড়াচুক্তি যেকোনো সময় বাতিল করা যেতে পারে? আমরা কি আরও স্থায়ী ভিত্তির ওপর ভিত্তি করে অস্তিত্ব সম্পর্কে ভাবতে পারি না, যা কম সীমিত এবং অনেক বেশি বুদ্ধিমান কিছু সম্পর্কে জ্ঞান রাখে? যুক্তিবাদী সত্তার এই চিন্তাভাবনাগুলো সাধারণ যুক্তির ওপর ভিত্তি করে তৈরি। এগুলো অন্য সম্ভাবনাকে বিবেচনা করে না। সত্তাকে যুক্তি এবং প্রয়োজনীয়তার বিভাগে বিবেচনা করা উচিত নয়। বরং একে অযৌক্তিক, যুক্তির অভাব এবং প্রতিকূল প্রয়োজনীয়তার বিভাগে বিবেচনা করা যেতে পারে। মৃত্যুকে মেনে নেওয়ার অসুবিধা জীবনের প্রতি আসক্তি থেকে আসতে হবে না। এটি এমন কোনো বড় ঘাটতি থেকে আসতে হবে না যে ইতিমধ্যে অস্তিত্বে আনা একটি সত্তা চিরকাল বেঁচে থাকতে চাইবে বা একেবারেই জন্মগ্রহণ করতে চাইবে না। তবে, এটি কোনো অর্থহীন চিন্তাভাবনা নয়। বরং একটি ছোট জীবনের জন্য এই বিশাল প্রস্তুতির চেয়ে এটি অনেক বেশি বুদ্ধিমান বলে মনে হয়। একজন যুক্তিবাদী সত্তার মৃত্যু বেছে নেওয়ার অধিকার থাকা উচিত (আমাদের কাছে এমনটি মনে হতে পারে)। কিন্তু তাকে একটি নির্ধারিত মৃত্যুদণ্ডের অধীন হওয়া উচিত নয়। তার একজন দোষী সাব্যস্ত অপরাধী হওয়া উচিত নয়।
**{{w|মিয়েচিস্লাভ জাস্ট্রুন}}, ''ওলনস্ক ওয়াইবোরু'', ১৯৬৯
* তুমি এই স্থানে বিয়ে করবে না এবং তোমার কোনো ছেলে বা মেয়ে থাকবে না।
:* [[যিরমিয় পুস্তক|যিরমিয়]] ১৬:২
::: ''বার্নস নোটস অন দ্য বাইবেল'' এই ব্যাখ্যা দেয়:
:::* যেহেতু ইহুদিদের জন্য বিবাহ বাধ্যতামূলক ছিল। তাই যিরমিয়ের প্রতি এর নিষেধাজ্ঞা একটি লক্ষণ ছিল যে আসন্ন বিপদ এত বড় ছিল যা সমস্ত সাধারণ কর্তব্যের ঊর্ধ্বে।
::::* ''বার্নস নোটস অন দ্য বাইবেল'', খণ্ড ৫, পৃষ্ঠা ৪১২
* সে জিজ্ঞেস করে, "মানুষ আর কতদিন মারা যাবে?" যীশু উত্তর দেন, "যতদিন তোমরা নারীরা সন্তান জন্ম দেবে"। জুলিয়াস ক্যাসিয়ানাসের মতো লেখকরা এটিকে প্রজনন থেকে বিরত থাকার মাধ্যমে মৃত্যুকে পরাজিত করার একটি অন্তর্নিহিত নির্দেশ বলে মনে করেন। ক্লিমেন্ট রূপক ব্যাখ্যার আশ্রয় নেন। "যতদিন নারীরা সন্তান জন্ম দেবে" বলতে প্রভু বুঝিয়েছেন "যতদিন আকাঙ্ক্ষা সক্রিয় থাকবে"।
** {{w|জন টি. নুনান জুনিয়র}}, ''কন্ট্রাসেপশন; আ হিস্ট্রি অব ইটস ট্রিটমেন্ট বাই দ্য ক্যাথলিক থিওলজিয়ানস অ্যান্ড ক্যানোনিস্টস''
** বিবরণ: [[w:গ্রিক গসপেল অব দ্য ইজিপশিয়ানস|গ্রিক গসপেল অব দ্য ইজিপশিয়ানস]] থেকে সালোমের সাথে যীশু খ্রিষ্টের কথোপকথন। (কথোপকথনের পরবর্তী অংশ: সালোম: "তাহলে কি আমি সন্তান জন্ম না দিয়ে ভালো করেছি?" যীশু: "তুমি প্রতিটি উদ্ভিদ খাবে, কিন্তু যার তিক্ততা আছে তা খাবে না। আমি নারীর কাজগুলো ধ্বংস করতে এসেছি।")
* কামনাবাসনা হলো জন্মের প্রত্যক্ষ কারণ, যা কষ্ট ও মৃত্যুর প্রত্যক্ষ কারণ। এই অনুভূতির ওপর ভিত্তি করে আমিও পুরো এক বছর ব্রহ্মচর্য পালন করেছিলাম। আমি সত্যিই কোনো মিথ্যা না বলে এমন পর্যায়ে পৌঁছেছিলাম, যেখানে আমি কামনাবাসনাকে আপত্তিকর এবং এমনকি নিষ্ঠুর বলে মনে করতাম। যখনই আমি অনিচ্ছাকৃতভাবে মাথা ঘুরিয়ে ইন্ডিয়ান মেক্সিকোর অতুলনীয় সুন্দরীদের দিকে তাকাতাম, তখন আমার কথা ছিল, "সুন্দরী মেয়েরা কবর তৈরি করে"।
** জ্যাক কেরুয়াক, ''দ্য ধর্ম বামস'', ১৯৫৮
* আমাকে একমাত্র সম্ভাব্য সত্যটি প্রচার করতে হবে: জন্ম বিলুপ্ত করার মাধ্যমে মৃত্যুর বিলুপ্তি। জীবন নিয়ন্ত্রণ। যৌন সম্পর্ক থেকে বিরত থাকার মাধ্যমে মানুষের পুনর্জন্মের অবসান ঘটানো। সবাই প্রজনন বন্ধ করুন বা জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতির মাধ্যমে জন্ম বন্ধ করুন। একই সাথে, খেলাধুলার জন্য বা খাওয়ার জন্য জীবিত প্রাণীদের হত্যা করা বন্ধ করুন; তারাও শাস্তি ও মৃত্যুতে কাঁপে। সবাই শাকসবজি এবং কৃত্রিম খাবার খেয়ে বেঁচে থাকুন। কোথাও কোনো ব্যথা সৃষ্টি করবেন না।
** জ্যাক কেরুয়াক, ''সাম অব দ্য ধর্ম'', ১৯৯৭
* আসুন আমরা পাশবিকতা বন্ধ করি এবং শূন্যতা উপলব্ধি করে মনের আলোকিত ঘরে প্রবেশ করি এবং সত্যের সাথে বসি। ১৯৫৪ সালের ৯ ডিসেম্বরের পর কোনো মানুষ যেন জন্ম দেওয়ার অপরাধে অপরাধী না হয়। জন্মের অবসান হোক, জীবনের অবসান হোক এবং তাই মৃত্যুরও অবসান হোক। এই সম্পর্কে আর কোনো রূপকথা এবং ভূতের গল্প যেন না থাকে। আমি চাই না যে সবাই মারা যাক। আমি কেবল বলছি যে সবাই পবিত্রতা, একাকিত্ব, ভদ্রতা এবং সত্য উপলব্ধির মাধ্যমে আপনাদের জীবন শেষ করুন। আর কোনো জন্মের কারণ হবেন না এবং মৃত্যুর কালো চাকা ঘোরাবেন না।
** জ্যাক কেরুয়াক, ''সাম অব দ্য ধর্ম'', ১৯৯৭
* আমার কথা বলার সুযোগ থাকলে আমি আসতাম না,<br>আমার উপায় থাকলে আমি এখান থেকে যেতামও না;<br>আহ, এই পৃথিবীতে এর চেয়ে ভালো আর কিছুই হতে পারে না<br>না আসা, না হওয়া, না যাওয়ার চেয়ে।
** [[ওমর খৈয়াম]], ''রুবাইয়্যাত অব ওমর খৈয়াম''
* যেহেতু স্বর্গ আমাদের কষ্ট ছাড়া আর কিছুই বাড়ায় না,<br>এবং এমন কিছুই দেয় না যা সে আবার ফিরিয়ে নেয় না,<br>অজাতরা কখনোই এখানে আসত না যদি তারা<br>কেবল জানত যে আমরা ভাগ্যের হাতে কী সহ্য করি।
** [[ওমর খৈয়াম]], ''দ্য উইজডম অব ওমর খৈয়াম''
* মানুষ পাপের মধ্যে জন্মায়। সে একটি অপরাধের মাধ্যমে এই পৃথিবীতে প্রবেশ করে। তার অস্তিত্ব একটি অপরাধ। আর প্রজনন হলো পতন।
** [[সোরেন কিয়ের্কেগার্ড]], ''দ্য লাস্ট ইয়ার্স: দ্য কিয়ের্কেগার্ড জার্নালস ১৮৫৩-১৮৫৫'', ১৯৬৫
* আমি ঈশ্বরকে ধন্যবাদ দিই যে কোনো জীবিত প্রাণী তার অস্তিত্বের জন্য আমার কাছে ঋণী নয়।
** [[সোরেন কিয়ের্কেগার্ড]], ''দ্য লাস্ট ইয়ার্স: দ্য কিয়ের্কেগার্ড জার্নালস ১৮৫৩-১৮৫৫'', ১৯৬৫
* খ্রিষ্টধর্ম ঠিক এই জন্যই। এটি সরাসরি প্রজননের পথ বন্ধ করে দেয়। এর মানে হলো: থামুন!
** [[সোরেন কিয়ের্কেগার্ড]], ''দ্য লাস্ট ইয়ার্স: দ্য কিয়ের্কেগার্ড জার্নালস ১৮৫৩-১৮৫৫'', ১৯৬৫
* সন্তান জন্ম দেওয়ার সময় প্রসব বেদনায় কাতরাতে থাকা একজন নারীর কান্না শুনুন। মুমূর্ষু মানুষের শেষ মুহূর্তের সংগ্রাম দেখুন। তারপর আমাকে বলুন যে এমনভাবে শুরু এবং শেষ হওয়া কোনো কিছু কি উপভোগ করার উদ্দেশ্যে তৈরি হতে পারে।
** [[সোরেন কিয়ের্কেগার্ড]], {{cite book |editor1-last=রোহডে |editor1-first=পিটার পি. |title=Diary |trans-title=ডায়েরি |date=১৯৬০ |publisher={{w|ফিলোসফিক্যাল লাইব্রেরি}} |isbn=978-0-8065-0251-9 |page=২৫ |url=https://books.google.com/books?id=8ToNAQAAMAAJ}} এ উদ্ধৃত।
* স্বেচ্ছায় প্রজনন বন্ধ করে মানবজাতিকে ধীরে ধীরে বিলুপ্ত করার মাধ্যমে পৃথিবীর জীবমণ্ডলকে সুস্বাস্থ্যে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে। আমাদের ঘনত্ব কমলে ভিড় এবং সম্পদের ঘাটতি দূর হবে।
** লেস ইউ. নাইট, ''এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড ন্যাচারাল রিসোর্সেস'', ২০১০
* প্রথমে স্যাঁতসেঁতে, অন্ধকার গভীরতা এবং একটি উষ্ণ অভ্যন্তরে একটি একাকী ভ্রূণ। সে এখনো জানে না যে তার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করা হয়েছে, তার রায় দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যেই তার ভবিষ্যতের সমস্ত বিভ্রম এবং পরাজয় লুকিয়ে আছে। আপাতত সে এখনো বাগানে আছে, চেতনার বাইরে। কিন্তু তারা তাকে বের করে আনবে এবং তার যন্ত্রণাদায়ক চিৎকার কোনো কাজে আসবে না। এখানে কেউ তাকে করুণা করবেবিধা না কারণ কেউই করুণা পায়নি। প্রথমে কেবল একটি শরীর হিসেবে, নিজের সম্পর্কে অজ্ঞান থাকে। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, এটি সেভাবে থাকতে পারে না। এই শরীরটি যদি দেখতে পেত যে তার জন্য কী অপেক্ষা করছে! বিশ্বাসঘাতকতা এখানেই যে, এটি দেখতে পায় না! শরীরটিকে দেখতে দেওয়া হয় না, কারণ রায় কার্যকর করতে হবে। জন্মের বর্ণনাতীত আতঙ্ক যার মধ্যে ইতিমধ্যে কুঁচকে আছে জীবনের আতঙ্ক। এই আতঙ্ক তারপর চারপাশে হামাগুড়ি দিয়ে কেবল একটি গর্তে, একটি নর্দমায়, শহরতলির রেলগাড়িতে, হাসপাতালের বিছানার বরফ আচ্ছাদিত চাদরে বা উষ্ণ চাদরে, কাছের মানুষদের মধ্যে শেষ হবে। যারা নিজেদের সম্পর্কে তাদের বলার জন্য সবসময় খুব দূরে থাকে। যদি এমন হয় শুরু, তবে শেষে কী আশা করা যায়? তারপর, যখন তারা তাকে ভেতর থেকে ছিনিয়ে নেয়, চিৎকার এবং অনুরোধ সত্ত্বেও। যখন তারা হত্যার পর হাত থেকে রক্ত ধুয়ে ফেলে। কারো সাথে দেখা করার জন্য, কোথাও যাওয়ার জন্য পথচলা শুরু হয়। দুটোই অসম্ভব, তবে এই অসম্ভবতা কেবল কিছুক্ষণ পরেই দেখা যায়। তাই আবার এটি কয়েকটি বিভ্রম এবং আরামের দিকে ফিরে যায়, যা রাস্তার একঘেয়েমিকে আরও আনন্দদায়ক করে তোলে। এই সমস্ত দমকা হাওয়া, উচ্ছ্বাস, জাগ্রত ইন্দ্রিয়ের হতাশা। এবং এটি কেবল আকাঙ্ক্ষা এবং ছিদ্রের একটি ছোট ফাঁস। আর এটি কেবল অভ্যাসের একটি শৃঙ্খল যা তার পরে আরও অনেককে বেঁধে রাখবে। স্বপ্ন, বিভ্রম, ফ্যান্টাসি, এদের ঝাঁক। তারা দৌড়ায়, পরিশেষে ক্লান্তিতে যেকোনো জায়গায় পড়ে যায়। মুখে ময়লা, ধ্বংসাবশেষ, আঠালো কাদার গর্ত, এবং পরিশেষে নাকের ছিদ্রে বিস্ফোরিত হওয়া ময়লার বিশাল দুর্গন্ধ অনুভব করে।
** গ্রেজেগর্জ কোসিউবা, ''কতোস'', ২০০৩
* ওহ, সবচেয়ে বড় যন্ত্রণা<br />ভোরের দিকে আলিঙ্গন করো<br />মৃত্যুর ফুল ফুটুক!<br />ওহ, সবচেয়ে বড় যন্ত্রণা<br />কবরে ফুল বপন করা<br />নিজের গর্ভ থেকে প্রস্ফুটিত হওয়া<br />ওহ, সবচেয়ে বড় যন্ত্রণা<br />গোঙানিগুলোর পুনরুৎপাদন করা<br />আরও একটি গোঙানি যোগ করা<br />একটি, বিশেষ একটি<br />যা মায়ের আত্মাকে টানে<br />সবচেয়ে কঠোর যন্ত্রণার দ্বারা<br />ওহ, সবচেয়ে বড় শাস্তি<br />জীবনের পুরোনো ক্ষুদাকে খাওয়ানো<br />তাদের আমাদের রক্ত দিয়ে<br />মৃত্যুর বিশাল স্তূপে<br />চিরন্তন উত্তাপে ধোঁয়া উঠছে<br />আরও কাঠ ছুড়ে দাও!<br />ওহ, এই সময়গুলো আসবে,<br />যখন মায়ের ব্যথা বাড়বে,<br />এটি জীবনের অপরাধবোধের মুখোমুখি হবে<br />জন্ম পরিপূর্ণ পৃথিবীর মতো<br />এবং একটি হিসাব করার কণ্ঠে জিজ্ঞাসা করবে:<br />তোমার ফল কোথায়? তোমার সন্তান কোথায়?<br />ওহ, এই সময়টি আসবে,<br />গোধূলিতে কী কাঁপতে শুরু করে,<br />শতাব্দীর মরিচা রঙের ব্রোঞ্জে<br />যখন এই গর্ভগুলো বন্ধ হয়ে যায়<br />অনুর্বর জমির মতো<br />যা আজ তাদের ক্রুশের জন্ম দেয়।
** {{w|মারিয়া কোনোপনিকা}}, ''বত্তিচেল্লি'', ১৯০১
* আরও একজন শহীদ! তুমি যেখান থেকে এসেছ সেখানে ফিরে যাও, শিশু<br />তোমাকে ছাড়াও পৃথিবীতে যথেষ্ট দুর্ভাগা মানুষ আছে,<br />ফিরে যাও, তোমার চোখ বন্ধ করো, পৃথিবীর দিকে তাকিও না,<br />তোমার মায়ের স্তন দূরে ঠেলে দাও এবং জীবন দাবি কোরো না।
** {{w|জোজেফ ইগনেসি ক্রাসজেভস্কি}}, ''ডো নোভোনারোডজোনেগো'', ১৮৪৩
* তুমিও আনন্দ পাবে! আনন্দ পাওয়ার জন্য জন্ম নেওয়াটা কোনো কাজের নয়।<br />এটি রাতের তারার মতো, এটি জ্বলবে এবং অস্ত যাবে,<br />এবং এটি কেবল উদিত হবে যাতে রক্তাক্ত যন্ত্রণা,<br />তোমার হৃদয় এবং আত্মাকে আরও কঠিনভাবে ছিঁড়ে ফেলবে।<br />এমন আনন্দকে আনন্দ বলা যায় না。<br />এবং এই পৃথিবী তোমাকে অন্য কোনো আনন্দ দেবে না।
** {{w|জোজেফ ইগনেসি ক্রাসজেভস্কি}}, ''ডো নোভোনারোডজোনেগো'', ১৮৪৩
* এই অচেনা দেশে তোমার জন্মের জন্য আমাকে ক্ষমা করো।<br />আমি তোমার শিশুর চুমু চেয়েছিলাম, আমার ঘাড়ে জড়িয়ে রাখা তোমার মুষ্টিবদ্ধ হাত চেয়েছিলাম।<br />আমি তোমাকে চেয়েছিলাম, যদিও তুমি জন্মেছিলে<br />আমার অসুস্থতার পর, আমার ম্লান পূর্বাভাসের পর।<br />আমি স্বার্থপর ছিলাম: আমি তোমাকে এই দুঃখ, এই পৃথিবী দিয়েছিলাম।<br />আমার খাতিরে তুমি নির্বাসন পেয়েছ।
** {{w|আনিয়া ক্রুগোভয় সিলভার}}, [https://www.christiancentury.org/artsculture/poems/psalm-137-noah ''সাম ১৩৭ ফর নোয়া'']
** বিবরণ: ক্যানসারে মারা যাওয়ার আগে লেখিকা তার ছেলের জন্য এই কবিতাটি লিখেছিলেন।
* আমি খোলামেলাভাবেই বলব। আমি সবসময় অনুভব করেছি যে এমন একজনকে পৃথিবীতে পাঠানো ভয়ংকর, যে সেখানে থাকতে চায়নি। ... তোমার চারদিকে তাকাও। তুমি যত মানুষ দেখছ, তাদের মধ্যে কেউই নিজের ইচ্ছায় এখানে আসেনি। অবশ্যই, আমি যা বললাম তা সবচেয়ে সাধারণ সত্য। এটি এতই সাধারণ এবং মৌলিক যে, আমরা এটি দেখা এবং শোনা বন্ধ করে দিয়েছি। ... সবাই মানবাধিকার নিয়ে কথা বলে। কী মজার ব্যাপার! তোমার অস্তিত্ব কোনো অধিকারের ওপর প্রতিষ্ঠিত নয়। মানবাধিকারের এই রক্ষকরা তোমাকে তোমার নিজের পছন্দে তোমার জীবন শেষ করতেও দেয় না। ... তাদের সবার দিকে তাকাও! তাকাও! তুমি যেসব মানুষকে দেখছ তাদের অন্তত অর্ধেকই কুৎসিত। কুৎসিত হওয়াটাও কি মানবাধিকারের একটি অংশ? আর তুমি কি জানো তোমার সারা জীবন এই কুৎসিত রূপ নিয়ে বেঁচে থাকা মানে কী? কোনো স্বস্তির মুহূর্ত ছাড়া? অথবা তোমার লিঙ্গ? তুমি কখনোই তা বেছে নাওনি। অথবা তোমার চোখের রং? অথবা পৃথিবীতে তোমার সময়? অথবা তোমার দেশ? অথবা তোমার মা? গুরুত্বপূর্ণ কোনো বিষয়ই নয়। একজন মানুষের যেসব অধিকার থাকতে পারে, তা কেবল অর্থহীন বিষয়গুলোর সাথেই জড়িত। এগুলোর জন্য লড়াই করার বা বড় বড় ঘোষণা লেখার কোনো কারণ নেই! তুমি যেমন আছ, তেমনই আছ। কারণ আমি দুর্বল ছিলাম। সেটি ছিল আমার দোষ। আমাকে ক্ষমা করো।
**[[মিলান কুন্ডেরা]], ''দ্য ফেস্টিভ্যাল অব ইনসিগনিফিক্যান্স''
** বিবরণ: চরিত্র, অ্যালাইনের কাল্পনিক মায়ের কথা।
* সহিংস উপায়ে (হত্যা, যুদ্ধ এবং অন্যান্য) নয়, বরং শান্তিপূর্ণভাবে আমাদের পৃথিবী থেকে মানবজাতিকে বিলুপ্ত হতে দেওয়া উচিত।
** কার্নিগ, ''ডার নিও-নিহিলিসমাস. অ্যান্টি-মিলিটারিসমাস. সেক্সুয়াললেবেন (এন্ডে ডার মেনশহাইট)'', পৃষ্ঠা ৫১
* আপনি পৃথিবীতে যেসব প্রাণী আনেন আমি তাদের জন্য শোক করি। আপনি যখন তাদের তৈরি করেছিলেন তখন তারা নিজেদের রক্ষা করতে পারেনি। অন্যথায় তারা আপনার কাজের বিরুদ্ধে উচ্চস্বরে প্রতিবাদ করত। কারণ এটি কেবল কষ্ট এবং ধ্বংসের দিকেই নিয়ে যায়।
** কার্নিগ, ''ডার নিও-নিহিলিসমাস. অ্যান্টি-মিলিটারিসমাস. সেক্সুয়াললেবেন (এন্ডে ডার মেনশহাইট)'', পৃষ্ঠা ৮৪
* কখনোই প্রজনন না করা। মৃত্যুর সময় এটিই হোক আপনার সান্ত্বনা।
** কার্নিগ, ''ডার নিও-নিহিলিসমাস. অ্যান্টি-মিলিটারিসমাস. সেক্সুয়াললেবেন (এন্ডে ডার মেনশহাইট)'', পৃষ্ঠা ৯২
* তোমার মধ্যে কী আছে এবং কী নেই তা দেখার আনন্দ পেতে আমি তোমাকে জন্ম দিয়েছি (এমন একজন পালনকারী বলেন)। এটি করে আমি তোমার ওপর অনেক কষ্ট চাপিয়ে দিচ্ছি। আর পরিশেষে মৃত্যুর ভয়ংকর বিপর্যয়।
** কার্নিগ, ''ডার নিও-নিহিলিসমাস. অ্যান্টি-মিলিটারিসমাস. সেক্সুয়াললেবেন (এন্ডে ডার মেনশহাইট)'', পৃষ্ঠা ১২৫
* মানুষ মানুষের হাতে তুলে দেয় দুর্দশা।<br>এটি উপকূলীয় তাকের মতো গভীর হয়।<br>যত তাড়াতাড়ি পারো বেরিয়ে যাও,<br>এবং নিজের কোনো সন্তান রেখো না।
**[[ফিলিপ লারকিন]], [https://www.poetryfoundation.org/poems/48419/this-be-the-verse ''দিস বি দ্য ভার্স''], ১৯৭১
* আমাদের সবার সম্মতি ছাড়াই আমাদের অস্তিত্বে আনা হয়েছে। আমাদের জীবনের পুরোটা সময় ধরে আমরা অনেক ভালো জিনিসের সাথে পরিচিত হই। দুর্ভাগ্যবশত, আমাদের প্রত্যেকের জীবনে ভালো জিনিসের পরিমাণের একটি সীমা রয়েছে। একসময় আমাদের প্রত্যেকেই মারা যাবে এবং আমরা স্থায়ীভাবে আরও ভালো কিছুর সম্ভাবনা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ব। এই দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে, অস্তিত্বকে একটি নিষ্ঠুর কৌতুক বলে মনে হয়।
** মার্ক লারোক, [https://research-repository.st-andrews.ac.uk/bitstream/handle/10023/717/Marc%20Larock%20MPhil%20thesis.pdf?sequence=6&isAllowed=y ''পসিবল প্রেফারেন্সস অ্যান্ড দ্য হার্ম অব এক্সিসটেন্স''], ২০০৯, পৃষ্ঠা ৮৯
* হয়তো এমন দিন কখনোই আসবে না যখন মানুষ বুঝতে পারবে যে আমাদের মতো নৈতিক রোগীদের অস্তিত্ব বিলুপ্ত হওয়া উচিত। আমরা যদি কখনোই এমনটি না করি তবে এটি একটি অকল্পনীয় ট্র্যাজেডি হবে। তবে আমি আশাবাদী। সম্প্রতি এই সিদ্ধান্তে সমর্থন করে কিছু খুব আকর্ষণীয় যুক্তি তুলে ধরা হয়েছে যে, একজন ব্যক্তির জন্ম না নেওয়ার চেয়ে বেঁচে থাকা সবসময়ই খারাপ। আমার সন্দেহ যে আরও অনেক যুক্তি আসবে। যে দিন পর্যন্ত ব্যক্তিরা ব্যাপকভাবে প্রজনন না করাকে গুরুত্বের সাথে নিতে শুরু করবে না, হয়তো ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা কেবল শোপেনহাওয়ারকে অনুসরণ করতে পারি: "এই প্রত্যয় যে বিশ্ব এবং সেই কারণে মানুষও এমন একটি জিনিস যার আসলে অস্তিত্ব থাকা উচিত নয়। এটি আসলে একে অপরের প্রতি আমাদের মধ্যে প্রশ্রয় দেওয়ার জন্য গণনা করা হয়েছে। কারণ আমাদের মতো এমন পরিস্থিতিতে রাখা প্রাণীদের কাছ থেকে কী আশা করা যায়? এই দৃষ্টিকোণ থেকে একজন ব্যক্তি সত্যিই বিবেচনা করতে পারে যে মানুষ এবং মানুষের মধ্যে সম্বোধনের উপযুক্ত রূপটি মহাশয় বা স্যার হওয়া উচিত নয়। বরং সহভুক্তভোগী বা কমপ্যাগনন ডি মিজেরেস হওয়া উচিত। এটি শুনতে যতই অদ্ভুত লাগুক না কেন, এটি মামলার প্রকৃতির সাথে মিলে যায়। এটি আমাদের অন্যান্য পুরুষদের প্রকৃত আলোতে দেখতে সাহায্য করে। এবং এটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে সমস্ত জিনিসের মধ্যে সবচেয়ে প্রয়োজনীয় জিনিসগুলো কী: সহনশীলতা, ধৈর্য, ক্ষমা এবং দানশীলতা, যা আমাদের প্রত্যেকের প্রয়োজন এবং তাই আমরা প্রত্যেকে একে অপরের কাছে ঋণী।" (অন দ্য সাফারিংস অব দ্য ওয়ার্ল্ড)
** মার্ক লারোক, [https://research-repository.st-andrews.ac.uk/bitstream/handle/10023/717/Marc%20Larock%20MPhil%20thesis.pdf?sequence=6&isAllowed=y ''পসিবল প্রেফারেন্সস অ্যান্ড দ্য হার্ম অব এক্সিসটেন্স''], ২০০৯, পৃষ্ঠা ১৩৮
* জন্ম আমার কাছে এতই দুঃখজনক এবং জঘন্য একটি দুর্ঘটনা বলে মনে হয়... যদি বাবা-মা শিশুদের এই কষ্টের পৃথিবীতে আনার আগে চিন্তা করতেন, তবে তাদের মধ্যে কেবল দানবরাই এটি করার সাহস পেত।
** [[টি. ই. লরেন্স]], ''আ প্রিন্স অব আওয়ার ডিজঅর্ডার: দ্য লাইফ অব টি. ই. লরেন্স'', ১৯৯৮
* যেসব মানুষ এভাবে তাদের নিজস্ব জন্ম ও মৃত্যু সম্পর্কে সচেতন, তাদের কোনো ঘাটতি নেই বলে বলা হয়। কিসে ঘাটতি নেই? জন্মে ঘাটতি নেই। তারা অতীতে অনেক জীবন ও অস্তিত্বের অবস্থার মধ্য দিয়ে যেসব জন্মের অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে, তার সাথে তারা পরিচিত। এতগুলো জন্ম যে তারা সবকিছুর ওপর ক্লান্ত হয়ে পড়েছে। এমন এক পর্যায়ে যেখানে তারা আর জন্ম নিতে চায় না। যারা জানে না, যাদের এই সচেতনতা নেই, তারা অনুভব করে যে তাদের ঘাটতি রয়েছে। তারা আবার জন্ম নিতে চায় এবং তাই তারা বারবার জন্ম সৃষ্টি করতে থাকে। যাদের সচেতনতা আছে, তাদের আর জন্ম নেওয়ার প্রয়োজন নেই। তারা যথেষ্ট বুদ্ধিমান। তারা আর কোনো জন্ম বা অস্তিত্বের অবস্থার জন্ম দেবে না। যা কিছু ভালো, তারা তাদের ভেতরেই রাখে। যেমন একটি পাকা আমের বীজ একটি শোকেসে দেখার জন্য রাখা, অথবা এর শক্ত বাইরের খোলস ছাড়িয়ে একটি স্টোররুমে রাখা। কেউ এটি আবার লাগাতে পারবে না, এবং আমরা যখন চাই তখন দেখার জন্য এটি বের করে নিতে পারি।
**[[অজান লি]], ''ইনার স্ট্রেংথ'' (১৯৫৬), থানিজারো ভিক্ষু কর্তৃক থাই ভাষা থেকে অনূদিত
* যখন বাবা-মা তাদের সন্তানদের সতর্ক করে দেন যে পৃথিবীটা এমন সব স্বার্থপর মানুষে ভরা, যারা তাদের সুযোগ নিতে চায় এবং তাদের সাথে অন্যায় আচরণ করবে। এটি আসলে সন্তানদের সতর্ক করে দেওয়ার মতোই যে, পৃথিবীতে বাবা-মায়ের মতো আরও মানুষ আছে। এটি তাদের জানানোর সমতুল্য যে, পৃথিবী এমন শোষণকারী এবং অন্যায্য মানুষে ভরা থাকা সত্ত্বেও এবং জীবন খুব কঠিন হওয়া সত্ত্বেও, বাবা-মা (যারা এসব জানতেন) তাদের সন্তানদের পৃথিবীতে আসতে বাধ্য করেছিলেন, যদিও এটি এড়ানো যেত।
** থিয়াগো লেনহারো ডি সান্তিস, [https://misantropiaemelancolia.wordpress.com/2017/12/09/second-chapter-of-because-i-love-you-you-will-not-be-born/ ''পোরক তে আমো, নাও নাসসেরাস! নাসসিতুরি তে সালুতান্ত''], ২০০৯, পৃষ্ঠা ১৪৬
* [জন্ম নেওয়া] শিশুটি যে "সুখী" হবে, তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এই লক্ষ্যের দিকে করা যেকোনো প্রচেষ্টা বৃথা যেতে পারে। যদি শিশুটির অস্তিত্ব না থাকত, তবে এই সমস্যাটিও থাকত না। এবং এই ধরনের সমস্যা দেখা দিয়েছে কারণ শিশুটিকে তার বাবা-মায়ের বিলাসিতার জন্য বাধ্য হয়ে জন্ম নিতে হয়েছিল, যদিও এটি এড়ানো সম্ভব ছিল। এসব থেকে এটি বোঝা যায়, একজন দায়িত্বশীল এবং সংবেদনশীল "প্রজননকারী" (বা বরং একজন দায়িত্বশীল প্রাক-প্রজননকারী) সেখানেই থেমে যেতেন, প্রজননের ঠিক আগে।
** থিয়াগো লেনহারো ডি সান্তিস, [https://misantropiaemelancolia.wordpress.com/2018/02/12/third-chapter-of-because-i-love-you-you-will-not-be-born/ ''পোরক তে আমো, নাও নাসসেরাস! নাসসিতুরি তে সালুতান্ত''], ২০০৯, পৃষ্ঠা ১৬২-১৬৩
* এই ক্ষেত্রে এই জুয়া ক্ষমতা, জ্ঞান এবং দায়িত্বহীন অন্য একজন নিরীহ মানুষকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলেছে। জুয়াটি অপ্রয়োজনীয় ছিল এবং এড়ানো যেতে পারত। যদি এটি এড়ানো যেত, তবে এটি এই নিরীহ মানুষের কোনো ক্ষতি করত না। কিন্তু এটি এড়ানো হয়নি কারণ আমরা একজন বাধ্যতামূলক জুয়াড়ির কথা বলছি।
** থিয়াগো লেনহারো ডি সান্তিস, [https://misantropiaemelancolia.wordpress.com/2018/02/12/third-chapter-of-because-i-love-you-you-will-not-be-born/ ''পোরক তে আমো, নাও নাসসেরাস! নাসসিতুরি তে সালুতান্ত''], ২০০৯, পৃষ্ঠা ১৮৬-১৮৭
* নতুন সত্তা (শিশু) অপরিচিত। তাদের জন্য কিছু সম্ভাবনা ভয়ংকর এবং ধ্বংসাত্মক। এই সম্ভাবনাগুলোর মধ্যে একটি হলো আত্মহত্যার বেদনাদায়ক প্রক্রিয়া। এই প্রক্রিয়ায় ব্যক্তি কখনো কখনো কয়েক বছর ধরে বিভিন্ন ধরনের কষ্টের সম্মুখীন হয়, যতক্ষণ না তারা কার্যকরভাবে সবকিছু থেকে মুক্তি পায়। খেয়াল করুন, যখন আমরা সন্তান নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিই, তখন আমাদের এটি নিশ্চিত করার কোনো উপায় নেই যে তারা এর মধ্য দিয়ে যাবে না। বাবা-মাকে তাদের সন্তানকে এমন সম্ভাবনার মুখে ফেলতে কেবল সন্তানটি জন্ম দিলেই হয়।
** থিয়াগো লেনহারো ডি সান্তিস, [https://www.youtube.com/watch?v=0GKo0aMJhS8&feature=youtu.be ''পোরক তে আমো, নাও নাসসেরাস! প্যালেস্ট্রা ২ ডে ৩''], ২০১৩, ১:০৬ - ১:৪৩
* আপনি যদি আত্মহত্যার চরম ঘটনা বা বিশেষভাবে হতাশাবাদী গোষ্ঠীকে কোনো বৈধ বা বাস্তব ঝুঁকি হিসেবে বিবেচনা না করেন, তবে এই উপস্থাপনার উদ্দেশ্যে এই উদাহরণগুলো অন্য ঘটনা দিয়ে প্রতিস্থাপন করা যেতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, এমন মানুষদের কথা বলা যেতে পারে যারা গুরুতর অস্তিত্বের সমস্যার সাথে লড়াই করে (যেমন সাধারণত মনোবিশ্লেষকরা চিকিৎসা করে থাকেন)। অথবা সাধারণ স্বাস্থ্য সমস্যাযুক্ত মানুষের কথা বলা যেতে পারে: বর্তমানে আমাদের কাছে ৭০০০-এর বেশি রোগের একটি তালিকা রয়েছে যা আমাদের শারীরিক এবং মানসিক স্বাস্থ্যকে প্রভাবিত করে। এটি খুব হঠাৎ করেও আমাদের জীবনের মান মারাত্মকভাবে পরিবর্তন করতে পারে। অবশ্যই, বার্ধক্য এবং ক্লান্তির প্রাকৃতিক প্রক্রিয়াগুলোর কথা না বললেই নয়, যার মুখোমুখি আমরা সবাই হই। অথবা এমন মানুষদের কথা বলা যেতে পারে যারা পেশাদার সাহায্য খোঁজে না, বরং বেঁচে থাকার জন্য তাদের নিজেদের নেশাগ্রস্ত করতে হয়। তারা আইনি বা বেআইনি ওষুধের মাধ্যমে তাদের চেতনার অবস্থা পরিবর্তন করে, মানসিক ব্যাধি তৈরি করে ইত্যাদি। যাই হোক না কেন, যে ব্যক্তি আত্মহত্যার যন্ত্রণায় ভুগছে না, তার জন্যও জীবন খুব একটা সহজ বলে মনে হয় না। কখনো কখনো একজন ব্যক্তিকে ন্যূনতম স্থিতিশীল হতে কয়েক বছরের থেরাপির প্রয়োজন হয়। আর যদি নতুন সত্তা, আমাদের সন্তান, কোনো একসময় এমন অবস্থায় নিজেকে খুঁজে পায়, তবে কী হবে? লক্ষ করুন যে, একটি সাধারণ সিদ্ধান্ত, যার অভ্যাস মহৎ বলে মনে করা হয়, তা কীভাবে অপরিসীম কষ্ট নিয়ে আসতে পারে। তখনই এই সিদ্ধান্তের প্রকৃত গুরুত্ব সামনে আসতে শুরু করে। পাশাপাশি এই বিষয়ে বৃহত্তর চিন্তাভাবনা এবং সংবেদনশীলতা থাকা কতটা গুরুত্বপূর্ণ (বা এমনকি প্রয়োজনীয়) তা স্পষ্ট হয়। তবে এটি সর্বদা নতুন সত্তার দৃষ্টিকোণ থেকে হতে হবে, কেবল ভবিষ্যৎ বাবা-মা হিসেবে আমাদের দৃষ্টিকোণ থেকে নয়।
** থিয়াগো লেনহারো ডি সান্তিস, [https://www.youtube.com/watch?v=0GKo0aMJhS8&feature=youtu.be ''পোরক তে আমো, নাও নাসসেরাস! প্যালেস্ট্রা ২ ডে ৩''], ২০১৩, ১:৫৭ - ৩:২৮
* অবশ্যই প্রজননে অসংখ্য ঝুঁকি রয়েছে। তবে আসল সমস্যা কেবল এই নয় যে এখানে ঝুঁকি আছে। সমস্যা হলো এই ঝুঁকিগুলো কেবল বাবা-মায়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না, বরং সন্তানের ওপরও প্রভাব ফেলে। প্রজননের পক্ষে নেওয়া সিদ্ধান্তটি সিদ্ধান্ত গ্রহণকারীদের ছাড়িয়ে যায়। এর ফলে এটি এমন একজন নিরীহ সত্তার জন্য প্রভাব নিয়ে আসে, যে তাদের প্রভাবিত করবে এমন প্রক্রিয়ায় সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেনি। যে বাবা বা মা সত্যিই তাদের সন্তানের মঙ্গলের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, তারা এমন সম্ভাবনা তৈরি করবেন গঠন না। তারা সন্তানকে ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতিতে ফেলবেন না বা এমন কিছু নিয়ে আসবেন না যা সন্তানের জন্য ধ্বংসাত্মক হতে পারে।
** থিয়াগো লেনহারো ডি সান্তিস, [https://www.youtube.com/watch?v=0GKo0aMJhS8&feature=youtu.be ''পোরক তে আমো, নাও নাসসেরাস! প্যালেস্ট্রা ২ ডে ৩''], ২০১৩, ৩:৩০ - ৪:০৭
* আমরা যদি প্রজনন করি, তবে আমরা সন্তানকে অসংখ্য ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দিই এবং তার মঙ্গলের কোনো নিশ্চয়তা থাকে না। যদি আমরা প্রজনন না করি, তবে আমরা তাদের ঝুঁকিতে ফেলি না এবং একই সাথে আমরা তাদের কোনো কিছু থেকে বঞ্চিত করি না। কারণ তারা কখনোই পৃথিবীতে আসেনি, তাদের কখনোই অস্তিত্ব ছিল না এবং তাই তারা কখনোই কোনো কিছু মিস করবে না।
** থিয়াগো লেনহারো ডি সান্তিস, [https://www.youtube.com/watch?v=0GKo0aMJhS8&feature=youtu.be ''পোরক তে আমো, নাও নাসসেরাস! প্যালেস্ট্রা ২ ডে ৩''], ২০১৩, ৬:১০ - ৬:২৮
* মানুষ কী উদ্দেশ্যে জন্মগ্রহণ করেছে বলে তিনি মনে করেন, তা জানতে চাওয়া হলে তিনি হাসতে হাসতে উত্তর দিয়েছিলেন: জন্মগ্রহণ না করাটা কতটা ভালো ছিল, তা উপলব্ধি করার জন্য।
** [[জিয়াকোমো লিওপার্দি]], [https://it.wikisource.org/wiki/Operette_morali/Detti_memorabili_di_Filippo_Ottonieri/Capitolo_primo ''ওপেরেত্তে মোরালি, রিমার্কেবল সেয়িংস অব ফিলিপ অটোনিয়েরি''], ১৮২৭
** বিবরণ: ফিলিপ অটোনিয়েরি চরিত্রের কথা।
* কষ্টের মধ্যেই মানুষের জন্ম হয়;<br />তার জন্ম প্রায়ই মৃত্যুর কারণ হয়,<br />এবং তার প্রথম নিশ্বাস থেকেই<br />সে ব্যথা এবং যন্ত্রণা অনুভব করে: প্রথম থেকেই,<br />তার বাবা-মা পরম স্নেহে চেষ্টা করে<br />তার দুর্দশায় তাকে সান্ত্বনা দিতে;<br />আর সে যদি বাঁচে এবং বাড়ে,<br />তবে তারা সাধ্যমতো কঠোর সংগ্রাম করে,<br />মিষ্টি কথা ও কাজ দিয়ে তাকে আনন্দ দিতে,<br />এবং যত্নের সাথে চেষ্টা করে,<br />তার নিষ্ঠুর ভাগ্য সহ্য করার শক্তি জোগাতে।<br />তারা বেচারা শিশুর জন্য সর্বোচ্চ এটাই করতে পারে,<br />তা যতই স্নেহশীল এবং সত্য হোক না কেন।<br />কিন্তু কেন তাকে জীবন দিলে?<br />কেনই-বা তাকে বড় করলে,<br />যদি এটিই সব হয়?<br />জীবন যদি কেবলই কষ্ট এবং চিন্তার হয়,<br />তবে কেন, কেন আমাদের এই বোঝা বইতে হবে?
** [[জিয়াকোমো লিওপার্দি]], [https://it.wikisource.org/wiki/Canti_(Leopardi_-_Donati)/XXIII._Canto_notturno_di_un_pastore_errante_dell%27Asia ''নাইট সং অব আ ওয়ান্ডারিং শেফার্ড ইন এশিয়া''], ১৮৩১
* সম্ভবত সূর্যের নিচে প্রতিটি অবস্থায়,<br />তা উঁচু হোক বা নিচু, দোলনায় হোক বা গোয়ালে,<br />জন্মের দিনটি আমাদের সবার জন্যই মারাত্মক।
** [[জিয়াকোমো লিওপার্দি]], [https://it.wikisource.org/wiki/Canti_(Leopardi_-_Donati)/XXIII._Canto_notturno_di_un_pastore_errante_dell%27Asia ''নাইট সং অব আ ওয়ান্ডারিং শেফার্ড ইন এশিয়া''], ১৮৩১
* এটি অধিক যুক্তিসংগত ছিল যে আপনি [প্রকৃতি] সুখকে একটি প্রয়োজনীয়তা করে তুলবেন। অথবা এটি যদি অসম্ভব হয়, তবে মানুষকে পৃথিবীতে না আনাই ভালো ছিল।
** [[জিয়াকোমো লিওপার্দি]], "ডায়ালগ বিটউইন নেচার অ্যান্ড আ সোল", ''[https://www.gutenberg.org/ebooks/52356 এসেস অ্যান্ড ডায়ালগস]'' (১৮৮২), পৃষ্ঠা ৩৭
* এভাবেই আমি আপনাকে [প্রকৃতি] উত্তর দিই। আমি ভালো করেই জানি যে আপনি মানুষের সেবার জন্য পৃথিবী সৃষ্টি করেননি। এটি বিশ্বাস করা সহজ যে আপনি এটিকে স্পষ্টভাবে তাদের জন্য যন্ত্রণার জায়গা হিসেবে তৈরি করেছেন। কিন্তু আমাকে বলুন: আমি কেন এখানে আছি? আমি কি পৃথিবীতে আসার জন্য বলেছিলাম? নাকি আমি অস্বাভাবিকভাবে আপনার ইচ্ছার বিরুদ্ধে এখানে আছি? তবে আপনি যদি নিজেই আমাকে এখানে রেখে থাকেন, আমাকে এই জীবনের উপহার গ্রহণ বা প্রত্যাখ্যান করার ক্ষমতা না দিয়ে, তবে আপনার কি যথাসম্ভব আমাকে সুখী করার চেষ্টা করা উচিত নয়? বা অন্তত আমাকে সেই মন্দ এবং বিপদ থেকে রক্ষা করা উচিত নয়, যা আমার অবস্থানকে বেদনাদায়ক করে তোলে? এবং আমি নিজের সম্পর্কে যা বলি, তা সমগ্র মানবজাতি এবং প্রতিটি জীবের জন্য বলি।
** [[জিয়াকোমো লিওপার্দি]], "ডায়ালগ বিটউইন নেচার অ্যান্ড অ্যান আইসল্যান্ডার", ''[https://www.gutenberg.org/ebooks/52356 এসেস অ্যান্ড ডায়ালগস]'' (১৮৮২), পৃষ্ঠা ৭৮-৭৯
* শিশু ভূমিষ্ঠ হওয়ার পরপরই যে মা তাকে পৃথিবীতে এনেছেন, তাকে অবশ্যই সন্তানকে সান্ত্বনা দিতে হবে। তার কান্না থামাতে হবে এবং তাকে দেওয়া অস্তিত্বের বোঝাকে হালকা করতে হবে। সন্তানকে সান্ত্বনা দেওয়া এবং বেঁচে থাকতে উৎসাহিত করা শৈশব ও কৈশোরে ভালো বাবা-মায়ের অন্যতম প্রধান কর্তব্য। কারণ দীর্ঘ অভিজ্ঞতা বা বেশি দিন বাঁচার কারণে যারা কষ্টে অভ্যস্ত, তাদের চেয়ে ওই বয়সে দুঃখ, কষ্ট ও আবেগ অনেক বেশি ভারী মনে হয়। সত্যি বলতে, সন্তানদের সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করার সময় ভালো বাবা-মায়ের পক্ষে এটিই সবচেয়ে মানানসই যে, তারা জন্ম দেওয়ার মাধ্যমে যে ক্ষতি করেছেন, তা যথাসম্ভব সংশোধন ও লাঘব করবেন। হে ঈশ্বর! তাহলে মানুষ কেন জন্মায়? এবং কেন সে জন্ম দেয়? সে যাদের জন্ম দিয়েছে, কেবল জন্ম নেওয়ার কারণেই কি তাদের সান্ত্বনা দেওয়ার জন্য?
** [[জিয়াকোমো লিওপার্দি]], ক্যাথলিন বল্ডউইন এবং অন্যান্য কর্তৃক অনূদিত, ''জিবাল্ডোন'' (২০১৩), [২৬০৭] <small>{{ISBN|978-0374296827}}</small>
* সম্ভবত দার্শনিক নৈরাশ্যবাদের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় আঘাতটি হলো এর একমাত্র বিষয় হলো মানুষের কষ্ট। এটি আমাদের প্রজাতির আবেশের তালিকার একেবারে শেষের বিষয়। আর এটি আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ সবকিছু, যেমন ভালো, সুন্দর এবং একটি ঝকঝকে পরিষ্কার টয়লেটের বাটি থেকে মনোযোগ সরিয়ে নেয়। নৈরাশ্যবাদীদের জন্য মানুষের কষ্ট বা এমন কোনো উপলব্ধি, যা মানুষের কষ্টের উৎপত্তি, প্রকৃতি এবং তা দূর করাকে উদ্দেশ্য করে না, তা বিচ্ছিন্নভাবে বিবেচনা করলে মূলগতভাবে বিনোদনমূলক। তা সে ধারণাগত অনুসন্ধান বা পৃথিবীতে শারীরিক কাজ যে রূপেই হোক না কেন। উদাহরণস্বরূপ, যথাক্রমে গেম থিওরির গভীরে যাওয়া বা মহাকাশে ভ্রমণ করা। "মানুষের কষ্ট" বলতে নৈরাশ্যবাদীরা কেবল নির্দিষ্ট কোনো কষ্ট বা তার উপশমের কথা বোঝান না। বরং তারা কষ্ট জিনিসটি নিয়েই কথা বলেন। নির্দিষ্ট কিছু রোগের প্রতিকার হয়তো আবিষ্কৃত হতে পারে। আবার সামাজিক ও রাজনৈতিক বর্বরতা সংশোধন করা যেতে পারে। কিন্তু এগুলো কেবল সাময়িক সমাধান। মানুষ যতদিন থাকবে, মানুষের কষ্ট ততদিন অমীমাংসিত থেকে যাবে। কষ্টের একটি সত্যিই কার্যকর সমাধান রয়েছে, যার কথা [[পিটার ওয়েসেল জ্যাপফে|জ্যাপফের]] "[[w:দ্য লাস্ট মেসায়াহ|লাস্ট মেসায়াহ]]"-তে বলা হয়েছে। সাময়িক সমাধানের পৃথিবীতে এটি হয়তো কোনো স্বাগত সমাধান নয়। তবে আমরা যদি কখনো চাই, এটি চিরতরে কষ্টের অবসান ঘটাতে পারে। নৈরাশ্যবাদীদের মূল নীতি বা এর মধ্যে একটি হলো, অস্তিত্বহীনতা কখনোই কাউকে আঘাত করেনি এবং অস্তিত্ব সবাইকে আঘাত করে। আমাদের আত্মসত্তাগুলো চেতনার বিভ্রান্তিকর সৃষ্টি হলেও, আমাদের ব্যথা সত্যই বাস্তব।
** [[টমাস লিগোটি]], ''দ্য কনস্পিরেসি অ্যাগেইনস্ট দ্য হিউম্যান রেস: আ কন্ট্রাইভেন্স অব হরর'' (২০১০), পৃষ্ঠা ৭৪-৭৫ <small>{{ISBN|978-0984480272}}</small>
* তাদের সংখ্যা যখন কমে আসবে, আমাদের প্রজাতির এই শেষ মানুষেরা ইতিহাসের সবচেয়ে সুবিধাপ্রাপ্ত ব্যক্তি হতে পারে। তারা একে অপরের সাথে বস্তুগত স্বাচ্ছন্দ্য ভাগ করে নিতে পারবে, যা একসময় কেবল অভিজাত বা অর্থ উপার্জনকারী শ্রেণির জন্য সংরক্ষিত ছিল। যেহেতু ব্যক্তিগত অর্থনৈতিক লাভ নতুন মানবতার জন্য একটি পুরোনো উদ্দেশ্য হবে, তাই কাজ করার জন্য কেবল একটিমাত্র গ্রহণযোগ্য প্রেরণা থাকবে: একে অপরকে শেষ পর্যন্ত দেখা। এটি এমন একটি প্রকল্প যা সবাইকে ব্যস্ত রাখবে। কেবল শেষ দেখার জন্য অপেক্ষা করার সময় শূন্যতার দিকে তাকিয়ে থাকা নয়। যারা কখনোই পৃথিবীতে আসতে বাধ্য হবে না, তাদের এই নিঃস্বার্থ উপকর্তাদের মধ্যে উজ্জ্বল হাসিও বিনিময় হতে পারে।
** [[টমাস লিগোটি]], ''দ্য কনস্পিরেসি অ্যাগেইনস্ট দ্য হিউম্যান রেস: আ কন্ট্রাইভেন্স অব হরর'' (২০১০), পৃষ্ঠা ৮১ <small>{{ISBN|978-0984480272}}</small>
* মতামত: প্রজনন করার জন্য কোনো প্রশংসনীয় প্রণোদনা নেই। প্রজননবাদীদের কাছে সন্তান কেবল একটি লক্ষ্য অর্জনের মাধ্যম। আর সেই লক্ষ্যগুলোর কোনোটিই প্রশংসনীয় নয়। এগুলো এমন মানুষের লক্ষ্য, যাদের ইতিমধ্যে অস্তিত্ব আছে। এই অবস্থা স্বয়ংক্রিয়ভাবে তাদের অস্তিত্বের পক্ষে পক্ষপাতদুষ্ট করে তোলে। এই লোকেরা বেঁচে থাকাকে ঠিক বলে মনে করলেও, তারা এমন কিছু কারণ ভাবতে পারে যেখানে অস্তিত্ব না থাকাই ভালো হতো। তারা কেবল আশা করতে পারে যে তাদের সন্তান সেই ক্ষেত্রগুলোর মধ্যে একটি হবে না, তাদের নিজেদের স্বার্থে এবং তাদের সন্তানদের স্বার্থে। সন্তান জন্মদানের জন্য একটি প্রশংসনীয় প্রণোদনা পেতে হলে, কাউকে প্রথমে প্রমাণ করতে হবে যে সন্তান নিজেই একটি লক্ষ্য। কেউ কোনো কিছুর ব্যাপারে এটি প্রমাণ করতে পারে না। এমন কোনো কিছুর ব্যাপারে তো নয়ই, যার এখনো কোনো অস্তিত্ব নেই। আপনি অবশ্যই যুক্তি দিতে পারেন যে, একটি শিশু নিজেই একটি লক্ষ্য এবং নিজেই একটি ভালো জিনিস। আর আপনি ততক্ষণ পর্যন্ত যুক্তি চালিয়ে যেতে পারেন, যতক্ষণ না শিশুটি বার্ধক্যে মারা যায় বা অসুস্থ হয়ে মারা যায় বা কোনো মারাত্মক সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হয়। কিন্তু কেউ কোনো ভালো পরিণতিতে পৌঁছায় বলে আপনি যুক্তি দিতে পারেন না। আপনি কেবল এটি মেনে নিতে পারেন যে, কোনো এক দিন তিনি এমন একটি পরিণতিতে পৌঁছাবেন, যা নিজেই একটি শেষ পরিণতি। যেমনটি লোকেরা কখনো কখনো বলে, এটি ভালো কিছুর জন্যই হতে পারে।
** [[টমাস লিগোটি]], ''দ্য কনস্পিরেসি অ্যাগেইনস্ট দ্য হিউম্যান রেস: আ কন্ট্রাইভেন্স অব হরর'' (২০১০), পৃষ্ঠা ১৭৭-১৭৮ <small>{{ISBN|978-0984480272}}</small>
* এটি সত্য যে জন্মনিরোধবাদী বা প্রজননবাদী কেউই তাদের অবস্থান প্রমাণ করতে পারে না। তা সত্ত্বেও, প্রজননবাদীদের এমন একটি সম্ভাবনা নিয়ে বাঁচতে হয় যে তারা ভুল হতে পারে। এটি বহন করার মতো একটি ভারী বোঝা, এবং পরবর্তী প্রজন্মের কাছে হস্তান্তর করার মতো আরও ভারী একটি বোঝা। জন্মনিরোধবাদীদের এমন কোনো বোঝা নেই। যখন তাদের পক্ষে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয় এবং কোনো শিশুর জন্ম হয় না, তখন কোনো ক্ষতি হয় না। কাউকে কষ্ট পেতে এবং মরতে হয় না।
** [[টমাস লিগোটি]], [http://evilhat.blogspot.com/2011/09/interview-thomas-ligotti.html ''ইন্টারভিউ: টমাস লিগোটি''], ২০১১
* ব্যক্তিগতভাবে আমি কষ্ট পেতে ভয় পাই এবং মরতে ভয় পাই। যারা আমার কাছের মানুষ, তাদের কষ্ট এবং মৃত্যু দেখতেও আমি ভয় পাই। আর কোনো সন্দেহ নেই যে আমি আমার এই ভয়গুলোকে আমার চারপাশের মানুষ এবং আগামী দিনের মানুষদের ওপর চাপিয়ে দিই। এর ফলে সবাই কেন জন্মনিরোধবাদী নয়, তা বোঝা আমার পক্ষে অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়। ঠিক যেমন আমাকে ধরে নিতে হয় যে প্রজননবাদীরা বুঝতে পারে না যে সবাই কেন তাদের মতো নয়।
** [[টমাস লিগোটি]], [http://evilhat.blogspot.com/2011/09/interview-thomas-ligotti.html ''ইন্টারভিউ: টমাস লিগোটি''], ২০১১
* সন্দেহবাদী হওয়া ভালো। একটি তৃপ্ত বিড়াল হওয়া আরও ভালো। আর একেবারেই অস্তিত্ব না থাকা হলো সবচেয়ে ভালো। সার্বজনীন আত্মহত্যা বিশ্বের সবচেয়ে যুক্তিসংগত বিষয়। আমরা কেবল আমাদের আদিম কাপুরুষতা এবং অন্ধকারের শিশুসুলভ ভয়ের কারণেই একে প্রত্যাখ্যান করি। আমরা যদি সংবেদনশীল হতাম, তবে আমরা মৃত্যুকে খুঁজতাম। এটি ঠিক সেই আনন্দময় শূন্যতা, যা আমরা আমাদের অস্তিত্বের আগে উপভোগ করেছিলাম।
** [[এইচ. পি. লাভক্র্যাফট]], [http://www.hplovecraft.hu/print.php?type=etexts&id=625&lang=angol ''নিয়েৎজেশেইজম অ্যান্ড রিয়েলিজম''], ১৯২১
* তিনি শেখান যে, মানুষের প্রজননের মাধ্যমে ডেমিউর্জ এবং স্রষ্টার উন্নতির বিরোধিতা করার জন্য মানুষদের বিবাহ থেকে বিরত থাকা উচিত। তিনি বলেন, "কারণ বিবাহ হলো মানুষের প্রজননের মাধ্যমে ডেমিউর্জের সমৃদ্ধির একটি উৎস।"
** [[এপিফেনিয়াস]], ''দ্য প্যানারিওন অব এপিফেনিয়াস অব সালামিস: বুক ১ (সেক্টস ১-৪৬)'', ১৯৮৭
** বিবরণ: মার্সিওন অব সিনোপের শিষ্য লুসিয়ান অব সিনোপ সম্পর্কে।
* আমরা যদি জন্মের কথা না জানতাম, তবে আমাদের কী ক্ষতি হতো?<br />জীবিত আমি যেন দীর্ঘ জীবনের আকাঙ্ক্ষা করি,<br />যখন গভীর স্নেহ তাদের হৃদয়কে পৃথিবীর সাথে বেঁধে রাখে<br />তবে যে ব্যক্তি কখনোই জীবনের আকাঙ্ক্ষার স্বাদ পায়নি,<br />অজাত, নৈর্ব্যক্তিক, সে কোনো কিছুর অভাব অনুভব করতে পারেতিক্রম করতে পারে না।
** [[লুক্রেটিয়াস]], ''ট্রেজার্স অব লুক্রেটিয়াস: সিলেক্টেড প্যাসেজেস ফ্রম দ্য "ডি রেরাম ন্যাচুরা"'', প্রথম শতাব্দী (খ্রিষ্টপূর্ব)
* সন্তান নিলে তা কেবল আপনার কার্বন ফুটপ্রিন্টই বাড়ায় না। বরং আমরা এমন এক পৃথিবীতে বাস করছি যেখানে মানুষ এবং প্রাণীসহ অনেক জীবের চরম যত্নের প্রয়োজন রয়েছে। তাই আমার কাছে মনে হয়, মানুষ যদি শিশু, প্রাণী বা যেকোনো কিছুর যত্ন নিতে চায়, তবে সব জায়গাতেই যত্নের জন্য আর্তনাদ রয়েছে। আমি বলছি যে, আমাদের প্রজনন করার প্রয়োজনীয়তার ধারণাটির ওপর আমাদের গভীরভাবে চিন্তা করা উচিত।
**[[প্যাট্রিসিয়া ম্যাককর্ম্যাক]], [https://www.yahoo.com/lifestyle/why-professor-climate-crisis-solution-rankling-twitter-155305526.html হোয়াই দিস প্রফেসর'স ক্লাইমেট-ক্রাইসিস সলিউশন ইজ র্যাংকলিং টুইটার: 'দ্য ওয়ার্স্ট থিং ইউ ক্যান ডু ইজ হ্যাভ আ চাইল্ড']। ''ইয়াহু!লাইফ'', ২০২০।
* আমার কোনো সন্তান ছিল না। আমি আমাদের দুর্দশার উত্তরাধিকার কোনো প্রাণীর কাছে হস্তান্তর করিনি।
** [[জোয়াকিন মারিয়া মাচাদো দি আসিস]], ''দ্য পোস্টহিউমাস মেমোয়ার্স অব ব্রাস কিউবাস'', ১৮৮১
** বিবরণ: ব্রাস কিউবাস চরিত্রের কথা।
* আর কে একজন নৈরাশ্যবাদী এবং কার এমনটি ''হওয়া উচিত''? সেই ব্যক্তি যে মৃত্যুর জন্য ''পরিপক্ব'' এবং জীবনকে ভালোবাসার মতো কোনো অবস্থায় নেই। ঠিক যেমন আশাবাদী ব্যক্তি এটি থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে পারে না। যদি সে বুঝতে না পারে যে ''সে'' তার সন্তানদের মধ্যে বেঁচে থাকবে, তবে তার প্রজনন তার ''ভয়ানক'' চরিত্র হারায়। কিন্তু যদি সে এটি বুঝতে পারে, তবে সে ভয় পেয়ে এটি থেকে পিছিয়ে আসবে। ঠিক [[আলেকজান্ডার ফন হামবোল্ট|হামবোল্টের]] মতো, যখন তিনি লক্ষ করেছিলেন যে ''অন্য'' একটি সত্তাকে সম্ভবত আশি বছর ধরে যে যন্ত্রণা সহ্য করতে হবে, তা কয়েক মিনিটের আনন্দের জন্য অনেক বেশি মূল্য। তাই সে সন্তান জন্মদানকে একটি ''অপরাধ'' বলে মনে করবে এবং তা সঠিকভাবেই।
** ফিলিপ মাইনল্যান্ডার, ফিলোসফি ডার এর্লোসুং, এরস্টার ব্যান্ড (২০১৪), মেটাফিজিক, অনুচ্ছেদ ২১ <small>{{ISBN|978-1494963262}}</small>
* ইচ্ছাশক্তিকে কেবল মৃত্যুকে ঘৃণা করলেই চলবে না, বরং তাকে একে ভালোবাসতেও হবে। কারণ পবিত্রতা হলো মৃত্যুর প্রতি ভালোবাসা।
** ফিলিপ মাইনল্যান্ডার, ফিলোসফি ডার এর্লোসুং, এরস্টার ব্যান্ড (২০১৪), এথিক, অনুচ্ছেদ ২৬ <small>{{ISBN|978-1494963262}}</small>
* যে মানুষটি পরিষ্কারভাবে এবং স্পষ্টভাবে জেনেছে যে সমস্ত জীবনই কষ্টে পরিপূর্ণ। যেকোনোভাবেই তা উপস্থিত হোক না কেন, তা মূলত অসুখী এবং ব্যথায় পরিপূর্ণ (এমনকি আদর্শ অবস্থাতেও)। তাই সে [https://en.wikipedia.org/wiki/Sistine_Madonna সিস্টিন ম্যাডোনার] বাহুতে থাকা খ্রিষ্ট শিশুর মতো কেবল আতঙ্কিত চোখেই পৃথিবীর দিকে তাকাতে পারে। আর যে তারপর গভীর প্রশান্তি, নান্দনিক চিন্তায় অবর্ণনীয় সুখ এবং জাগ্রত অবস্থার বিপরীতে স্বপ্নহীন ঘুমের সুখ নিয়ে চিন্তা করে। এই সুখের অনন্তকালে উন্নীত হওয়াই হলো পরম মৃত্যু। এমন একজন মানুষকে এই প্রদত্ত সুবিধা দিয়ে উদ্দীপ্ত হতে হবে। সে অন্য কিছু করতে পারে না। তার অসুখী সন্তানদের মধ্যে পুনরুজ্জীবিত হওয়ার চিন্তাই তার কাছে সবচেয়ে বেশি মর্মান্তিক ও বিরক্তিকর হতে পারে। এর মানে হলো কাঁটা ও শক্ত পাথরে ভরা অস্তিত্বের রাস্তায় কোনো বিশ্রাম বা বিরতি ছাড়াই তার পথ অনুসরণ করতে হবে। অন্যদিকে, তার কাছে সবচেয়ে মিষ্টি এবং সতেজ চিন্তাটি হতে হবে সেই দীর্ঘ প্রক্রিয়ার গতি ভাঙতে পারা, যেখানে সে রক্তাক্ত পায়ে, নির্যাতিত, উৎপীড়িত ও শহীদ হয়ে শান্তিতে পৌঁছানোর জন্য দীর্ঘশ্বাস ফেলতে বাধ্য হয়েছিল। আর একবার সে সঠিক পথে উঠলে, যৌন প্রবৃত্তি তাকে প্রতিটি পদক্ষেপে কম চিন্তায় ফেলে। এটি ধীরে ধীরে তার হৃদয়ের জন্য সহজ হয়ে ওঠে। পরিশেষে তার ভেতরের সত্তা সত্যিকারের খ্রিষ্টান সাধুর মতো একই আনন্দ, আশীর্বাদপূর্ণ প্রশান্তি এবং সম্পূর্ণ স্থিরতায় দাঁড়িয়ে যায়। সে মানবজাতির অস্তিত্ব থেকে অনস্তিত্বের দিকে, জীবনের যন্ত্রণা থেকে পরম মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাওয়ার আন্দোলনের সাথে সামঞ্জস্য অনুভব করে। সে আনন্দের সাথে সমগ্রের এই আন্দোলনে প্রবেশ করে। সে অত্যন্ত নৈতিকভাবে কাজ করে। আর তার পুরস্কার হলো হৃদয়ের অবিচ্ছিন্ন শান্তি, "মনের সমুদ্রের শান্ততা," সেই শান্তি যা সমস্ত যুক্তির ঊর্ধ্বে। আর এই সবকিছুই পৃথিবীতে, এর ওপরে বা এর বাইরে কোনো ঐক্যের ওপর বিশ্বাস ছাড়াই ঘটতে পারে। মৃত্যুর পর কোনো নরকের ভয় বা স্বর্গের রাজ্যের আশা ছাড়াই, কোনো রহস্যময় বৌদ্ধিক দৃষ্টিভঙ্গি ছাড়াই, অনুগ্রহের কোনো বোধগম্য প্রভাব ছাড়াই, প্রকৃতির সাথে কোনো বৈপরীত্য বা আমাদের নিজস্ব সত্তার সচেতনতা ছাড়াই এটি ঘটতে পারে। এগুলো হলো একমাত্র উৎস যেখান থেকে আমরা নিশ্চিতভাবে ফলাফল পেতে পারি। এটি আমাদের যুক্তির একটি কুসংস্কারমুক্ত, বিশুদ্ধ ও শীতল উপলব্ধির ফল, যা "মানুষের সর্বোচ্চ শক্তি"।
** ফিলিপ মাইনল্যান্ডার, ফিলোসফি ডার এর্লোসুং, এরস্টার ব্যান্ড (২০১৪), এথিক, অনুচ্ছেদ ২৬ <small>{{ISBN|978-1494963262}}</small>
* আদর্শ অবস্থা কী? এটি হবে সেই ঐতিহাসিক রূপ যা সমস্ত মানবজাতিকে ঘিরে রাখে। তবে, আমরা এই রূপটি আরও বিশদভাবে সংজ্ঞায়িত করব না। কারণ এটি বেশ গৌণ একটি বিষয়: মূল বিষয় হলো আদর্শ রাষ্ট্রের নাগরিক। ইতিহাসের শুরু থেকে ব্যক্তিরা যা ছিল, সেও তা-ই হবে: একজন পুরোপুরি স্বাধীন মানুষ। সে ঐতিহাসিক আইন ও কাঠামোর কর্তাকে পুরোপুরি ছাড়িয়ে গেছে এবং সমস্ত রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও আধ্যাত্মিক শৃঙ্খল থেকে মুক্ত হয়ে আইনের ঊর্ধ্বে দাঁড়িয়েছে। সমস্ত বাহ্যিক কাঠামো ভেঙে গেছে: মানুষ পুরোপুরি মুক্ত হয়েছে। মানবজাতির জীবন থেকে সমস্ত চালিকাশক্তি ধীরে ধীরে অদৃশ্য হয়ে গেছে: ক্ষমতা, সম্পত্তি, খ্যাতি, বিবাহ। সমস্ত মানসিক বন্ধন ধীরে ধীরে ছিন্ন হয়েছে: মানুষ ক্লান্ত। তার আত্মা এখন জীবনকে সঠিকভাবে বিচার করে এবং তার ইচ্ছা এই বিচারে উদ্দীপ্ত হয়। এখন হৃদয় কেবল একটি আকাঙ্ক্ষায় পূর্ণ: জীবনের বিশাল বই থেকে চিরতরে মুছে যাওয়া। এবং ইচ্ছা তার লক্ষ্যে পৌঁছায়: পরম মৃত্যু।
** ফিলিপ মাইনল্যান্ডার, ফিলোসফি ডার এর্লোসুং, এরস্টার ব্যান্ড (২০১৪), পলিটিক, অনুচ্ছেদ ৪৭ <small>{{ISBN|978-1494963262}}</small>
* ম্যানিকিয়াস এবং প্রিসিলিয়ান যেমন বলেছেন, তেমনি যদি কেউ মানব বিবাহকে নিন্দা করে এবং জীবন্ত দেহের প্রজনন সম্পর্কে আতঙ্কগ্রস্ত হয়, তবে তাকে অভিশপ্ত বলে গণ্য করা হবে।
** বিশপগণ, কাউন্সিল অব ব্রাগা ১-এর প্রস্তাব, ''দ্য কম্প্যানিয়ন টু দ্য ক্যাটেচিজম অব দ্য ক্যাথলিক চার্চ: আ কম্পেনডিয়াম অব টেক্সটস রেফারড টু ইন দ্য ক্যাটেচিজম অব দ্য ক্যাথলিক চার্চ'', ৫৬১
* এই কসমো-সটেরিওলজিক্যাল সিস্টেম বা মহাজাগতিক-ত্রাণতাত্ত্বিক ব্যবস্থা থেকে পাওয়া ব্যবহারিক সিদ্ধান্তগুলো অত্যন্ত স্পষ্ট। এগুলোর সবগুলোই কঠোর ত্যাগের সমতুল্য। "যেহেতু ঈশ্বরের দ্বারা হাইলের ধ্বংসের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তাই একজনকে সমস্ত প্রাণযুক্ত জিনিস থেকে বিরত থাকতে হবে। কেবল শাকসবজি এবং অন্যান্য অনুভূতিহীন জিনিস খেতে হবে। বিবাহ, প্রেমের আনন্দ এবং সন্তান জন্মদান থেকে বিরত থাকতে হবে। যাতে ঐশ্বরিক শক্তি প্রজন্মের পরম্পরায় আর হাইলের মধ্যে না থাকে।" তবে জিনিসের বিশুদ্ধকরণে সহায়তা করার জন্য কাউকে আত্মহত্যা করা উচিত নয়।
** {{w|হ্যান্স জোনাস}}, ''দ্য নস্টিক রিলিজিয়ন. দ্য মেসেজ অব দ্য এলিয়েন গড অ্যান্ড দ্য বিগিনিংস অব খ্রিষ্টানিটি'', ১৯৫৮
** বিবরণ: ম্যানিকিয়ানিজম সম্পর্কে।
* বিবাহের প্রতি ম্যানিকিয়ানিজমের দৃষ্টিভঙ্গি সম্পূর্ণ নেতিবাচক ছিল। কারণ প্রজননের কাজটি আত্মার কারাবাসকে দীর্ঘায়িত করে, যা এখন পদার্থের মধ্যে আরও বৈচিত্র্যময় হবে।
** ইয়াইন গার্ডনার এবং স্যামুয়েল এন. সি. লিউ, ''ম্যানিকিয়ান টেক্সটস ফ্রম দ্য রোমান এম্পায়ার'', ২০০৪
* কেউই দীক্ষাস্নান বা যিশুর নৈশভোজ স্মরণোৎসবে ভর্তি হতে পারত না, যদি না তারা কোনো সন্তান না নেওয়ার শপথ গ্রহণ করত।
** {{w|নাথানিয়েল লার্ডনার}}, জন হগ, ''দ্য হিস্টোরি অব দ্য হেরেটিকস অব দ্য টু ফার্স্ট সেঞ্চুরিজ আফটার ক্রাইস্ট'', ১৭৮০
** বিবরণ: মার্সিওনাইটদের সম্পর্কে।
* যৌন সম্পর্ক এবং বিবাহ নিষিদ্ধ করার ক্ষেত্রে বাধা দেওয়ার উদ্দেশ্যটি বিশেষভাবে পরিষ্কার: "ডেমিউর্জের তৈরি পৃথিবী পূরণে সাহায্য করতে না চাওয়ায়, মার্সিওনাইটরা বিবাহ থেকে বিরত থাকার আদেশ দিয়েছিল। তারা তাদের স্রষ্টাকে অমান্য করে এবং ভালোর দিকে এগিয়ে যায়, যিনি তাদের ডেকেছেন। তারা বলে যে তিনিই ভিন্ন অর্থে ঈশ্বর: তাই, এখানে নিজেদের কিছুই রেখে যেতে না চাওয়ায়, তারা কোনো নৈতিক নীতি থেকে নয়, বরং তাদের স্রষ্টার প্রতি বৈরিতা এবং তার সৃষ্টি ব্যবহার করতে অনিচ্ছার কারণে বিরত থাকে" (ক্লিমেন্ট আলেকজান্দ্রিয়া. হে. সিট.)। এখানে মাংসের দূষণ এবং এর কামনাবাসনা নিয়ে কোনো কথা বলা হয়নি, যা সেই যুগে খুব প্রচলিত ছিল। এর বদলে (যদিও এটি বাদ দেওয়া হয়নি: সিএফ. টার্টুলিয়ান, অপ. সিট. ১. ১৯, যেখানে বিবাহকে "নোংরামি" বা "অশ্লীলতা" [স্পুরসিটি] বলা হয়েছে) প্রজননের দিকটি যৌনতাকে অযোগ্য করে তোলে। আর প্রকৃতির ব্যবস্থার অধীনে এই উদ্দেশ্যটি কেবল গির্জার চোখেই এটিকে ন্যায়সংগত করে। মার্সিওন এখানে একটি অকৃত্রিম এবং সাধারণ নস্টিক যুক্তি তুলে ধরেছেন, যার পূর্ণাঙ্গ রূপ আমরা ম্যানির মধ্যে দেখতে পাব। তা হলো, প্রজনন ব্যবস্থাটি পৃথিবীতে আত্মাদের অনির্দিষ্টকালের জন্য আটকে রাখার একটি উদ্ভাবনী আর্নটিক কৌশল। তাই, মার্সিওনের ত্যাগ এসেনেস বা পরবর্তী খ্রিষ্টান সন্ন্যাসবাদের মতো ছিল না। মানুষের অস্তিত্বকে পবিত্র করার জন্য এর সৃষ্টি হয়নি। বরং এটি ধারণার দিক থেকে মূলত নেতিবাচক ছিল এবং মহাবিশ্বের বিরুদ্ধে নস্টিক বিদ্রোহের অংশ ছিল।
** {{w|হ্যান্স জোনাস}}, ''দ্য নস্টিক রিলিজিয়ন. দ্য মেসেজ অব দ্য এলিয়েন গড অ্যান্ড দ্য বিগিনিংস অব খ্রিষ্টানিটি'', ১৯৫৮
* মার্সিওনের দৃষ্টিতে, সমস্ত প্রজনন কেবল কষ্টকেই দীর্ঘায়িত করে। কারণ এভাবে তৈরি নতুন আত্মারা একটি বস্তুগত কারাগারে বন্দি হয়।
** পিওতর অশ্বিন-সিজকোস্কি, ''ক্লিমেন্ট অব আলেকজান্দ্রিয়া: আ প্রজেক্ট অব খ্রিষ্টান পারফেকশন'', ২০০৮
* ঈশ্বর কেবল রোগের জীবাণুতে পরিপূর্ণ অসভ্য প্রাণীদেরই সৃষ্টি করেছেন। যারা কয়েক বছর পাশবিক আনন্দ উপভোগ করার পর বার্ধক্যের সব কুৎসিততা এবং ক্ষমতার অভাব নিয়ে বৃদ্ধ ও দুর্বল হয়ে পড়ে। মনে হয় তিনি কেবল তাদের প্রজাতির একটি অসম্মানজনক উপায়ে পুনরুৎপাদন করার জন্যই সৃষ্টি করেছেন, যাতে তারা পরে ক্ষণস্থায়ী পোকামাকড়ের মতো মারা যায়। আমি বলেছিলাম অসম্মানজনক উপায়ে প্রজাতির পুনরুৎপাদন করা এবং আমি এই কথায় অটল আছি। সত্যি বলতে, জীবিত প্রাণীদের পুনরুৎপাদনের সেই কাজের চেয়ে আর কী বেশি অসম্মানজনক এবং ঘৃণ্য হতে পারে, যার বিরুদ্ধে সমস্ত সূক্ষ্ম মন সর্বদা বিদ্রোহ করেছে এবং সর্বদা বিদ্রোহ করবে?
** [[গি দ্য মোপাসঁ]], [http://www.classicshorts.com/stories/UselessBeauty.html ''ইউজলেস বিউটি''], ১৮৯০
** বিবরণ: রজার ডি সালিন্স চরিত্রের কথা।
*"কী নরক! তার সমস্ত যৌবন, তার সমস্ত সৌন্দর্য, সাফল্যের প্রতিটি আশা, একটি উজ্জ্বল জীবনের প্রতিটি কাব্যিক আদর্শ পুনরুৎপাদনের সেই জঘন্য আইনের কাছে বিসর্জন দেওয়া হয়েছে। এটি সাধারণ নারীকে পৃথিবীতে শিশু আনার একটি নিছক যন্ত্রে পরিণত করে।"
"তুমি কী চাও? এটি কেবল প্রকৃতি!"
"হ্যাঁ, কিন্তু আমি বলি যে প্রকৃতি আমাদের শত্রু, আমাদের সর্বদা প্রকৃতির বিরুদ্ধে লড়াই করতে হবে, কারণ সে ক্রমাগত আমাদের একটি পাশবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনছে। তুমি নিশ্চিত থাকতে পারো যে ঈশ্বর এই পৃথিবীতে পরিষ্কার, সুন্দর, মার্জিত বা আমাদের আদর্শের সাথে মানানসই কোনো কিছু দেননি। এটি মানুষের মস্তিষ্ক করেছে। মানুষই গান গেয়ে, এর ব্যাখ্যা করে, একজন কবি হিসেবে এর প্রশংসা করে, একজন শিল্পী হিসেবে একে আদর্শ করে এবং বিজ্ঞানের মাধ্যমে এর ব্যাখ্যা করে সৃষ্টিতে সামান্য অনুগ্রহ, সৌন্দর্য, অজানা আকর্ষণ এবং রহস্য যুক্ত করেছে। এতে নিঃসন্দেহে ভুল রয়েছে। কিন্তু প্রকৃতির বিভিন্ন ঘটনায় উদ্ভাবনী কারণ, লুকানো অনুগ্রহ এবং সৌন্দর্য, অজানা আকর্ষণ এবং রহস্য খুঁজে বের করেছে।"
** [[গি দ্য মোপাসঁ]], [http://www.classicshorts.com/stories/UselessBeauty.html ''ইউজলেস বিউটি''], ১৮৯০
** বিবরণ: রজার ডি সালিন্স চরিত্রের কথা।
* কিন্তু কী হবে যদি, প্রথম সত্যিকারের সহানুভূতিশীল দার্শনিক নীতিশাস্ত্রবিদ হিসেবে এটি আমাদের বোঝানোর চেষ্টা করে যে, এই গ্রহে কুৎসিত জৈবিক বুটস্ট্র্যাপ পর্বটি শান্তিপূর্ণভাবে শেষ করার সময় এসেছে?
** {{w|টমাস মেটজিঙ্গার}}, [https://www.edge.org/conversation/thomas_metzinger-benevolent-artificial-anti-natalism-baan ''বেনেভোলেন্ট আর্টিফিশিয়াল অ্যান্টি-ন্যাটালিজম (বিএএএন)''], ২০১৭
** বিবরণ: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পর্কে।
* মৃত্যু হলো অবমাননা, কারণ এটি আমাদের শব্দ, সংগীতের সুর, রেখা এবং রঙের বিন্যাস থেকে দূরে সরিয়ে নেয়। তাই আমাদের প্রকৃতিবিরোধী স্বাধীনতা যা প্রকাশ করে, তা থেকে আমাদের কেড়ে নেয় এবং প্রয়োজনীয়তার জোয়ালে আটকে দেয়। এটি আমাদের জড়তার রাজ্যে, নির্দোষ ক্ষয় এবং নির্দোষ জন্মের কাছে ফেরত পাঠায়।
** [[চেস্লাভ মিলোসজ]], ''উইডজেনিয়া ন্যাড জাতোকা সান ফ্রান্সিসকো'', ১৯৬৯
* অস্তিত্বহীন হওয়া, কষ্ট না পাওয়া<br />ব্যথা না দেওয়া।<br />সবকিছু বাতিল করা<br />এক অস্তিত্ব,<br />যাতে কোনো খবর<br /> বা স্মৃতিচিহ্ন<br />আমার পর আর না থাকে।
** [[চেস্লাভ মিলোসজ]], ''নিক'', ১৯৭৬
* আমি নিজেকে বলি: শেষ পর্যন্ত চিন্তা করার অনীহা<br />জীবিতদের জন্য জীবন রক্ষাকারী। পৃথিবীতে প্রতি মিনিটে<br />একই সাথে যা কিছু ঘটে, একটি পরিষ্কার চেতনা কি<br />তা সব সহ্য করতে পারে?<br />ক্ষতি না করা। মাছ এবং মাংস খাওয়া বন্ধ করা।<br />নিজেকে খোঁজা করা, ঠিক টিনির মতো, একটি নির্দোষ বিড়াল<br />আমাদের শহরে প্রতিদিন বিড়ালছানাদের ডোবানো থেকে।<br />ক্যাথারিরা ঠিকই বলেছিল: গর্ভধারণের পাপ এড়িয়ে চলো<br />(কারণ হয় তুমি তোমার বীজ হত্যা করবে এবং বিবেকের দংশনে জ্বলবে<br />নয়তো তুমি একটি ব্যথাপূর্ণ জীবনের জন্য দায়ী থাকবে)।
** [[চেস্লাভ মিলোসজ]], ''স্পাইডার'', ১৯৯১
* দুই তাওবাদী সাইহুংকে মনে করিয়ে দিয়েছিল যে জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হলো আত্মিক মৃত্যু, শূন্যতার সাথে মিশে যাওয়া। এটি করার জন্য, কাউকে পুনর্জন্মের চক্র থেকে মুক্ত হতে হবে। এর মানে হলো পার্থিব কোনো সম্পর্ক না থাকা। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকটি হলো, সন্তান থাকা স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাউকে পুনর্জন্মের চক্রের সাথে বেঁধে ফেলে। অন্যথা কীভাবে হতে পারে? নিজের আধিভৌতিক এবং শারীরিক জেনেটিক্স অন্যের মধ্যে দিয়ে, কেউ তার পার্থিব কর্মফল বজায় রাখে। এই কারণেই ঋষিদের কোনো জৈবিক সন্তান ছিল না।
**{{w|ডেং মিং-ডাও}}, ''সেভেন ব্যাম্বু ট্যাবলেটস অব দ্য ক্লাউডি স্যাচেল'', ১৯৮৭
* প্রকৃতির দ্বারা প্রোগ্রাম করা এবং সমাজের দ্বারা সামাজিকভাবে গড়ে ওঠা, যা মানিয়ে নেওয়ার দাবি করে, আমাদের জীবনের "খেলা" খেলতে হয়। কিন্তু বেকেটের একটি চরিত্রের কথায়, "দিনের পর দিন এই প্রহসন কেন?" এই সব কোথায় গিয়ে শেষ হচ্ছে?
** রমেশ মিশ্র (কেন কোটস ছদ্মনামে), ''অ্যান্টিন্যাটালিজম: রিজেকশনিস্ট ফিলোসফি ফ্রম বুদ্ধিজম টু বেনাটার'', ২০১৪
* প্রজনন এমন প্রাণীদের ওপর অস্তিত্ব চাপিয়ে দেয়, যারা জন্ম নিতে পছন্দ করেনি। এটি একধরনের দাসত্ব বা বাধ্যতামূলক নিয়োগের সমতুল্য, যা দুটি দিক থেকে একটি অনৈতিক কাজ: সম্ভাব্য সত্তার স্বায়ত্তশাসন লঙ্ঘন করা এবং তাদের ব্যথা ও কষ্টের মুখোমুখি করা।
** রমেশ মিশ্র (কেন কোটস ছদ্মনামে), ''অ্যান্টিন্যাটালিজম: রিজেকশনিস্ট ফিলোসফি ফ্রম বুদ্ধিজম টু বেনাটার'', ২০১৪
* বাবা-মা সাধারণত অস্তিত্বের শূন্যতা সামলাতে পারেন না। তারা এই সত্যটি মেনে নিতে পারেন না যে জীবন হলো টিকে থাকা, একঘেয়েমি এড়ানো, অস্বস্তি এড়ানো ইত্যাদির সাথে সম্পর্কিত প্রেরণার একটি সিরিজ। এতে মূলত লক্ষ্যে পৌঁছানো এবং তারপর অসন্তুষ্ট হওয়া, অন্যান্য লক্ষ্য অনুসরণ করা এবং আবার অসন্তুষ্ট হওয়া ইত্যাদি জড়িত। কাজ করা, বিনোদন করা, সময় কাটানোর জিনিস খোঁজা, ভবিষ্যতের সাথে মোকাবিলা করা, অসুস্থতা মোকাবিলা করা, সম্পদ জমা করা এবং তুচ্ছ কাজ করা। আর এই সব কী উদ্দেশ্যে? ধনী হওয়ার জন্য, গুরুত্বপূর্ণ কেউ হওয়ার জন্য? অবশ্যই, মানুষ এসব জিনিসের জন্য মারে এবং মরে, কিন্তু তারপর কী? এই স্বল্প সময়ের মধ্যে মানুষ এসব জিনিস দিয়ে কী করে? এখানে আমাদের উদ্দেশ্য কেবল নিরুৎসাহিত করা নয়, বরং মানুষ কেন সব কিছু জমা করার চেষ্টা করে, অন্যদের চেয়ে ভালো হতে চায়, এমনকি অপরাধ করে, অন্যদের জীবন শেষ করে দেয় তা নিয়ে সত্যিকার অর্থে অনুসন্ধান করা। যদি একটি নির্দিষ্ট অর্থে তারা সবাই একত্রিত হয়, তারা সবাই একই খেলার অংশ হয়, তারা বিবর্তনগতভাবে দূর সম্পর্কের আত্মীয় হয়। এবং পরিশেষে, সবাই একই পরিণতির জন্য দণ্ডিত, তা হলো বিশুদ্ধ এবং সাধারণ বিলুপ্তি।
** রাফায়েল টেজস মেলো, [https://archive.org/details/aultimafilosofia_20191026 আ উলটিমা ফিলোসোফিয়া: উম এনসাইও সোব্রে ও অ্যান্টিন্যাটালিসমো], ২০১১, পৃষ্ঠা ১৩১-১৩২ <small>{{ISBN|9781461172734}}</small>
* যাওয়ার কোনো জায়গা নেই, ব্যাটন এগিয়ে দেওয়ার এবং ভবিষ্যৎ নতুন প্রজন্ম এমন কোনো সুখ অর্জন করবে যা বেঁচে থাকা সবার অধিকার হওয়া উচিত ছিল, এমন আশা করার কোনো কারণ নেই। জুলিয়াস সিজারের বিখ্যাত উক্তিটি পুনরাবৃত্তি করে বলছি: আমি এলাম, আমি দেখলাম, আমি জয় করলাম। এই মহাবিশ্বের বিশাল উদাসীনতা এবং এর লক্ষ্যগুলোর বিরুদ্ধে লড়াই করার আমার আকাঙ্ক্ষা ছাড়া এখানে আমার জন্য উল্লেখ করার মতো কিছুই নেই। নিজের এবং অস্তিত্বহীনতার প্রতি আমার কিছুটা আশা আছে (যদি এখনো আশা নিয়ে কথা বলা সম্ভব হয়!)। এছাড়া এই ঘৃণ্য অস্তিত্বের সাথে আমি কোনো সম্পর্ক রাখতে চাই না।
** রাফায়েল তাগেস মেলো, [https://archive.org/details/aultimafilosofia_20191026 আ উল্টিমা ফিলোসোফিয়া: উম এনসাইও সোব্রে ও অ্যান্টিনাটালিসমো], ২০১১, পৃষ্ঠা ১৯৩ <small>{{ISBN|9781461172734}}</small>
* আমরা নিজেদের প্রশ্ন করতে পারি যে মানুষ সৃষ্টি করার এবং এভাবে তাদের সম্মতি ছাড়া তাদের জীবন ও মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়ার কোনো নৈতিক অধিকার আমাদের আছে কি না।
** মার্টিন নিউফার, ''নাইন জুম লেবেন – আইন এস্সে''
* সন্তান না নেওয়ার কারণ অপছন্দ নয়, বরং তাদের এই পৃথিবীতে আনার জন্য ভালোবাসাটা বড্ড বেশি, বড্ড সীমাবদ্ধ, বড্ড বৃথা এবং বড্ড নিষ্ঠুর।
** মিশেল অনফ্রে, ''জার্নাল হেডোনিস্টে: টোম ২, লেস ভার্তুস দে লা ফৌদ্রে'', ১৯৯৮
* আমাদের কি এই প্রহসনকে আরও উসকে দেওয়া উচিত? এই নিষ্ঠুর থিয়েটারকে এমনভাবে সমৃদ্ধ করা উচিত যেন আমরা এতে ঘটা ঘটনাগুলোর প্রতি অন্ধ? অন্ধ হতে চাওয়া, একে নির্দোষ বলা, চিন্তা না করা এবং কামনার ক্ষমতার কাছে মাথা নত করা, এসব কি ক্রমাগত বিজয়ী মৃত্যুর বিরুদ্ধে কার্যকর লড়াইয়ের বিভ্রম তৈরি করার জন্য?
** মিশেল অনফ্রে, ''জার্নাল হেডোনিস্টে: টোম ২, লেস ভার্তুস দে লা ফৌদ্রে'', ১৯৯৮
* আনন্দবাদী যুক্তি অনুসারে, আমরা এমন কারো ওপর অস্তিত্বসহ কোনো কিছুই চাপিয়ে দেওয়া এড়িয়ে চলব যে এটি চায়নি।
** মিশেল অনফ্রে, ''থিওরি দু কর্পস আমোরোক্স'', ২০০০
* প্রাপ্তবয়স্কদের নিষ্ঠুর ইচ্ছাই কি জন্মের মাধ্যমে শিশুদের নার্সারি, প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক বিদ্যালয়, উচ্চ বিদ্যালয়, বিশ্ববিদ্যালয় বা সেনাবাহিনীতে এবং পরে কারখানা, কর্মশালা, কোম্পানি বা অফিসে কাজ, শৃঙ্খলা, আনুগত্য, বশ্যতা এবং হতাশার দিকে ঠেলে দিচ্ছে না? আমাদের নিজেদের শরীর থেকে এই জঘন্যতাকে অন্য শরীরে স্থানান্তর করাকে কি আমাদের ভালোবাসা বলা উচিত?
** মিশেল অনফ্রে, ''থিওরি দু কর্পস আমোরোক্স'', ২০০০
* কেবল সেই ব্যক্তি যে শিশুদের সবচেয়ে বেশি ভালোবাসে সে-ই নিজের নাকের ডগার বাইরে তাদের দেখতে পারে এবং এখনো অস্তিত্ব না থাকা প্রাণীদের মৃত্যুদণ্ডে স্বাক্ষর করার পরিণতি নিয়ে ভাবতে পারে।
** মিশেল অনফ্রে, ''থিওরি দু কর্পস আমোরোক্স'', ২০০০
* যারা স্বেচ্ছায় নিঃসন্তান তারা শিশুদের উর্বর প্রজননকারীদের চেয়ে সমান বা বেশি ভালোবাসে। কেন তার সন্তান নেই জানতে চাওয়া হলে [[w:মিলেটাসের থেলিস|থেলিস]] উত্তর দিয়েছিলেন, "কারণ শিশুদের প্রতি আমার উদ্বেগ আছে।"
** মিশেল অনফ্রে, ''থিওরি দু কর্পস আমোরোক্স'', ২০০০
* কেন সন্তান জন্ম দেব? কিসের নামে? কী অর্জনের জন্য? শূন্যতা থেকে একটি সত্তাকে টেনে বের করা, তার শান্তি নষ্ট করা, কেবল এই গ্রহে তাকে একটু হাঁটতে দেওয়ার জন্য, যা তাকে সেই শূন্যতাতেই ফিরিয়ে নিয়ে যায় যেখান থেকে তাকে টেনে বের করা হয়েছিল—একে কী বৈধতা দেয়?
** মিশেল অনফ্রে, ''লা পুইসান্স দ'এক্সিস্টার। ম্যানিফেস্টে হেডোনিস্টে'', ২০০৬
* বর্তমান সংকটের কারণে, আমি মনে করি একজন মানুষের তার বর্তমান অবস্থাতেই থাকা ভালো। তুমি কি স্ত্রীর প্রতি দায়বদ্ধ? মুক্তি পেয়ো না। তুমি কি দায়বদ্ধতা থেকে মুক্ত? স্ত্রী খুঁজো না।
** [[w:টারসাসের পল|পল]], [[w:১ করিন্থীয়|১ করিন্থীয়]] ৭:২৬
* সন্তান জন্মদানের মাধ্যমে কষ্টকে স্থায়ী করাই সবচেয়ে বড় অপরাধ।
** ভ্যালেরি পেরেলশিন, ''ভ্যালেরি পেরেলশিন: দ্য লাইফ অব আ সিল্কওয়ার্ম'', ২০১৫
* মানব দুর্দশার গুরুত্বকে সম্মান জানিয়ে সতর্কতার নীতি প্রজননের বিরুদ্ধে ওজন রাখে, কারণ সৃষ্ট ব্যক্তিটি একটি ভালো জীবন পাবে কি না তা অনুমান করা অসম্ভব।
** সারাহ পেরি, ''এভরি ক্রেডল ইজ আ গ্রেভ: রিথিংকিং দ্য এথিকস অব বার্থ অ্যান্ড সুইসাইড'', ২০১৪, পৃষ্ঠা ১৬৭
* বেশিরভাগ মানুষ মনে করে সন্তান নেওয়া নৈতিকভাবে গ্রহণযোগ্য। শিশুরা তাদের জীবদ্দশায় নিশ্চিতভাবেই অনেক কষ্ট পাবে এবং ব্যতিক্রমী মাত্রায় কষ্ট পেতে পারে—এই বাস্তবতার পরও বেশিরভাগ মানুষ এমনটাই ভাবে। প্রজননবাদীরা সাধারণত জীবনের ভালো জিনিসগুলো—কুকুরছানা এবং সূর্যাস্তের আনন্দদায়ক প্রভাবগুলো—তুলে ধরতে চায় এবং জীবনের ক্ষতির বিপরীতে সেগুলোর ভারসাম্য বজায় রাখতে চায়। কিন্তু পৃথিবীতে একটি শিশুকে আনা মানেই একজন অপরিচিত মানুষের ক্ষতি করা (কারণ প্রজননের আগে কেউ নিজের সন্তানের মূল্যবোধ জানে না)। এটি কোনো কারণ ছাড়াই একজন অপরিচিত মানুষকে এক্সট্যাসি বা মাদক দেওয়ার চেয়ে আলাদা কিছু নয়, শুধু জীবনের ক্ষতিগুলো এক্সট্যাসির ক্ষতির চেয়ে অনেক বেশি, আর জীবনের আনন্দ অনেকের জন্যই অনেক কম।
** সারাহ পেরি, ''এভরি ক্রেডল ইজ আ গ্রেভ: রিথিংকিং দ্য এথিকস অব বার্থ অ্যান্ড সুইসাইড'', ২০১৪, পৃষ্ঠা ১৯৪
* যা-ই হোক না কেন, জন্ম না নেওয়াটাই ভালো হতো।
** ফার্নান্দো পেসোয়া, [http://arquivopessoa.net/textos/827 ''প্যাসেজেম দাস হোরাস''], ১৯১৬
* এপিফেনিয়াস যেসব গোষ্ঠীকে আক্রমণ করেছেন তাদের মধ্যে সবচেয়ে কুখ্যাত গোষ্ঠীটি বিভিন্ন নামে পরিচিত ছিল, যার মধ্যে "ফিবায়োনাইটরা" অন্যতম। গোষ্ঠীটি সম্পর্কে আমাদের তথ্যের একমাত্র উৎস এপিফেনিয়াস। তার মতে এই জ্ঞানবাদী বিশ্বাসীরা নৈশকালীন যৌন আচার-অনুষ্ঠানে লিপ্ত হতো যেখানে নির্বিচার যৌনতা, প্রত্যাহার পদ্ধতি এবং বীর্য ও মাসিকের রক্ত খাওয়া অন্তর্ভুক্ত ছিল। এগুলো সবই খ্রিস্টান উপাসনার (একটি পবিত্র ইউক্যারিস্ট) এক অদ্ভুত কাজ হিসেবে করা হতো। তদুপরি, তারা তাদের এই জঘন্য আচার-অনুষ্ঠানগুলোকে সমর্থন করে এমন অ্যাপোস্টলিক বা প্রেরিতদের বইগুলোর অধিকারী ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে, যার মধ্যে একটি :গ্রেটার কোয়েশ্চেনস অব মেরি: (প্যানারিওন ২৬.৮) নামে পরিচিত। এপিফেনিয়াস দাবি করেন যে এই এবং অন্যান্য ফিবায়োনাইট বইগুলোতে তার প্রবেশাধিকার ছিল। তবে তিনি আসলে এটি উদ্ধৃত করেছেন। যদি উদ্ধৃতিটি এপিফেনিয়াসের উর্বর কল্পনার বদলে কোনো বাস্তব নথিতে ফিরে যায়, তবে এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই যে বইটি কখনোই টিকে থাকতে পারেনি। কারণ এটি এমন একটি ঘটনার বর্ণনা দেয় যেখানে যিশু নিজেই একজন হতবাক মেরি ম্যাগডালিনের সামনে যৌনকর্মে লিপ্ত হন। জ্ঞানবাদী ফিবায়োনাইটদের জন্য এই পাঠ্য এবং তাদের সংশ্লিষ্ট আচারগুলো তাদের মতবাদগত দৃষ্টিভঙ্গির সাথে সম্পর্কিত ছিল যে মানুষ মানব দেহে আটকে পড়া ঐশ্বরিক স্ফুলিঙ্গকে প্রতিনিধিত্ব করে, যাদের পালাতে হবে। মানব প্রজনন দেহের অবিরাম সরবরাহ প্রদানের মাধ্যমে আটকে পড়ার এই অবস্থাকে স্থায়ী করে।
** {{w|বার্ট ডি. এরহমান}}, জ্লাতকো প্লেস, ''দ্য অ্যাপোক্রিফাল গসপেলস: টেক্সটস অ্যান্ড ট্রান্সলেশনস'', ২০১১
* আমি মনে করি মানুষের চেতনা বিবর্তনের একটি মর্মান্তিক ভুল পদক্ষেপ। আমরা বড্ড বেশি আত্মসচেতন হয়ে উঠেছি। প্রকৃতি নিজের থেকে আলাদা প্রকৃতির একটি দিক তৈরি করেছে। আমরা এমন প্রাণী যা প্রাকৃতিক নিয়মে থাকা উচিত নয়। আমরা এমন জিনিস যা একটি আত্ম থাকার ভ্রান্তির অধীনে পরিশ্রম করে। সংবেদন, অভিজ্ঞতা এবং অনুভূতির একটি জমাটবদ্ধ অবস্থা, যা সম্পূর্ণ আশ্বাসের সাথে প্রোগ্রাম করা হয়েছে যে আমরা প্রত্যেকেই কেউ একজন। অথচ বাস্তবে সবাই আসলে কেউ নয়। হয়তো আমাদের প্রজাতির জন্য সম্মানজনক কাজটি হলো আমাদের প্রোগ্রামিংকে অস্বীকার করা, প্রজনন বন্ধ করা এবং বিলুপ্তির দিকে হাতে হাত রেখে হাঁটা। এক শেষ মধ্যরাতে, ভাই ও বোনেরা এই অন্যায্য চুক্তি থেকে বেরিয়ে আসছে।
** {{w|নিক পিজোলাতো}}, ''ট্রু ডিটেকটিভ: দ্য লং ব্রাইট ডার্ক'', ২০১৪
** বর্ণনা: চরিত্র রাস্টিন কোলের কথা।
* অস্তিত্বহীনতা থেকে একটি আত্মাকে টেনে এই মাংসে আনার জন্য কতটা অহংকার থাকা দরকার। আর একটি জীবনকে এই থ্রেসারে বা মাড়াই কলে বাধ্য করা।
** {{w|নিক পিজোলাতো}}, ''ট্রু ডিটেকটিভ: সিইং থিংস'', ২০১৪
** বর্ণনা: চরিত্র রাস্টিন কোলের কথা।
* প্রিসিলিয়ানিস্টিক মতবাদ অনুসারে, অন্যান্য সমস্ত মাংসের মতো মানবদেহও শয়তানের কাছ থেকে এসেছে। . . . একই নীতিগুলো তাদের বিবাহ এবং সন্তান জন্মদানে অসম্মতি জানাতে পরিচালিত করেছিল; এবং মাংস খাওয়া নিষিদ্ধ করেছিল।
** {{w|জোহান লরেঞ্জ ফন মোসহেইম}}, ''ইন্সটিটিউটস অব এক্লেসিয়াস্টিক্যাল হিস্ট্রি, অ্যানশিয়েন্ট অ্যান্ড মডার্ন: মাচ কারেক্টেড, এনলার্জড অ্যান্ড ইমপ্রুভড, ফ্রম দ্য প্রাইমারি অথরিটিস, টোম ১'', ১৮৩২
* একটি শিশুকে এই ভয়ের প্রকোষ্ঠে ছুঁড়ে ফেলার মুহূর্ত থেকেই আমরা যদি গভীরভাবে লক্ষ্য করি, তবে তার ভয় এবং হতাশা দেখতে পাই। শিশুটি অবিরাম কাঁদে, এবং তাকে চুপ থাকতে এবং তার ভয়ানক ভাগ্যের মুখোমুখি হতে নির্মমভাবে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। শিশুটি কৈশোরে পৌঁছালে এবং যুক্তির বয়সে পৌঁছালে তার পরিস্থিতির প্রতি সচেতনতা (এবং ক্ষোভ) বাড়তে থাকে। সাধারণত অপরাধী বাবা-মায়েদের শিশুটির কাছ থেকে অনিবার্য দূরত্ব বজায় রাখার মাধ্যমে এটি মোকাবেলা করা হয়। তারা তখন ঘোষণা করে, "আমি তোমার কাছে ঋণী নই। আমি তোমার রাগ সহ্য করতে পারব না।" অবশ্যই, এই রাগ একটি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক এবং স্বাস্থ্যকর প্রতিক্রিয়া, যা আসে সবচেয়ে দানবীয় উপায়ে প্রতারিত হওয়ার সচেতনতা থেকে। তার জীবনের বাকি সময়টা অর্থহীন কার্যকলাপ এবং অসাড় করে দেওয়া আসক্তিকর পদার্থের মাধ্যমে জীবনের আতঙ্ক থেকে যতটা সম্ভব দূরত্ব বজায় রেখে কাটে। "মায়ের গর্ভ থেকে বেরিয়ে আসার সময় থেকে একজন ব্যক্তির প্রতিটি প্রচেষ্টা কৃত্রিম গর্ভ তৈরি করা, বজায় রাখা এবং তার মধ্যে ফিরে যাওয়ার দিকে পরিচালিত হয়, যা বিভিন্ন ধরণের বিকল্প প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা বা খোলস"। অবাস্তবতার ওপর অবাস্তবতা স্তূপ করে, নিজের ছায়া থেকে লুকিয়ে থাকা এই প্রাণীটি, মায়ের বিস্মৃতির মধ্যে ফিরে যাওয়ার চেয়ে বেশি কিছু না চেয়েও, জীবনকে ভালোবাসে বলে সফলভাবে প্রতারিত হয়!
** হার্মিস পুরবাকেটস, [https://www.churchofeuthanasia.org/e-sermons/mansubgd.html ''ম্যানস সাবলিমিনাল গড''], ২০০১
** বর্ণনা: "কৃত্রিম গর্ভ" সম্পর্কিত উদ্ধৃতিটি ''সিক্রেট ওয়েপনস ফর কোয়ায়েট ওয়ার্স'' বই থেকে নেওয়া হয়েছে।
* একজন নারী<br />অস্থিসন্ধিগুলো দিয়ে একসাথে ধরে রাখা শরীরের অংশ<br />নিতম্ব দিয়ে শক্ত করা অন্ত্র<br />স্তনবৃন্ত দিয়ে শ্বাস নেওয়া হৃদয়<br />একজন নারী<br />ভাস্কর্যের আকার নেওয়া মাংসের টুকরো<br />যার শেষ প্রান্তগুলো মসৃণ আর ভেজা<br />নরম আর দুর্গন্ধযুক্ত ভাস্কর্য<br />একজন নারী<br />পেট আর উরু যৌনাঙ্গ দিয়ে আলাদা করা<br />যন্ত্রণার নিশ্বাস ফেলা যৌনাঙ্গ<br />একজন নারী হলো মৃত্যু<br />দীর্ঘ আর যন্ত্রণাদায়ক
** কাজিমিয়ার্জ রাতোন, ''পয়েজিয়ে'', ২০০৪, পৃষ্ঠা ১৯৯
* পচা মস্তিষ্ক থেকে প্রতিনিয়ত পুঁজ বেরোচ্ছে<br />পোকামাকড়গুলো শরীরের চারপাশে ঘন স্রোতে বংশবৃদ্ধি করছে<br />তারা হৃৎপিণ্ড আর শরীরের নিচের অংশে প্রবেশ করছে<br />তারা হাড় ঢেকে রাখা রক্ত আর চর্বি চুষে খাচ্ছে<br />ভয়ংকর নির্দয় পোকামাকড় যৌনাঙ্গে কামড়াচ্ছে<br />তারা শক্ত হয়ে আসা গলা আর চোখের দিকে ছুটছে<br />তারা তোমাকে ধ্বংস করতে চায়<br />চোখের মণিগুলো পিষে ফেলতে আর নিশ্বাস বন্ধ করতে চায়<br />যাতে তুমি খিঁচুনিতে হাঁপাতে পারো আর থুতু ফেলতে পারো<br />যাতে তোমার রাগ আর ঘৃণার সময় না থাকে<br />যাতে তুমি নিজেকে রক্ষা করতে না পারো<br />তুমি শুধু আরও চুপচাপ ঘ্যানঘ্যান করবে<br />যতক্ষণ না পুরোপুরি শ্বাসরোধ হয়<br />তারপর তারা চলে যেতে পারবে<br />অন্য কোনো শরীর ছিঁড়তে<br />অন্য কোনো মস্তিষ্ক থেকে পুঁজ খেতে<br />তুমি তাদের জীবন দিয়েছ<br />তোমার পচা মস্তিষ্কই তাদের জন্ম দিয়েছে
** কাজিমিয়ার্জ রাতোন, ''পয়েজিয়ে'', ২০০৪, পৃষ্ঠা ২১২
* জীবন বিস্তার করা মানে সন্ত্রাস বিস্তার করা।
** মারিও আন্দ্রেয়া রিগোনি, ''ভারিয়াজিওনি সুল'ইম্পসিবিল'', ১৯৯৩
* আমার গর্ভধারণ সম্পর্কে আমি ঠিক ততটুকুই জানি যতটা তুমি তোমার গর্ভধারণ সম্পর্কে জানো। এটি অন্ধকারে ঘটেছিল এবং আমি রাজি ছিলাম না। আমি (এবং সেই সবচেয়ে সরু শব্দটি সেই বিরল জিনিসের জন্য বড্ড বেশি স্থূল যা আমি তখন ছিলাম) পৌঁছানো যায় না এমন বিস্মৃতির ভেতর দিয়ে চিরকাল হাঁটছিলাম, রাতের বেলা ফোটা ফুলের গন্ধ নেওয়ার মেজাজে, আর হঠাৎ—আমাকে যারা ধর্ষণ করেছিল তারা আমার মধ্যে তাদের চিহ্ন রেখে গিয়েছিল, পুরুষ এবং নারী। আর কয়েক মাস ধরে আমি গোল হয়েছিলাম, ভারী হয়েছিলাম, যতক্ষণ না কেলেঙ্কারিটি আর লুকিয়ে রাখা যাচ্ছিল না এবং বিস্মৃতি আমাকে তাড়িয়ে দিয়েছিল। তবে আমার জাতের সবার সাথেই আমার এই মিল আছে। কোনো এক ভয়ংকর আলকেমির কারণে যা কেবল অস্তিত্বহীনতা ছিল তা মৃত্যুতে পরিণত হয় যখন এর সাথে জীবন মিশে যায়। তাই তারা আমাদের ফিরে আসার পথ বন্ধ করে দেয়।
** মেরিলিন রবিনসন, ''হাউসকিপিং'', ১৯৮০
** বর্ণনা: চরিত্র রুথের কথা।
* নিরাশাবাদী অসুস্থতার সবচেয়ে সাধারণ প্রতিক্রিয়া হলো অ্যান্টিন্যাটালিজম বা প্রজননবিরোধিতা। তবে এটি যুক্তি এবং আত্মনিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে নিজেকে পরিবর্তন করার মানবতার ক্ষমতার ওপর এক নির্বোধ আশার ওপর নির্ভর করে। এই ধরনের আশা ঠিক সেই একই ইউটোপিয়ান বা কাল্পনিক আশাবাদের সাথে মিলে যায় যাকে নিরাশাবাদী দর্শন শুরুতেই প্রত্যাখ্যান করেছিল।
** জোশুয়া রবিনসন মিলার, "ইউটোপিক পেসিমিসম: দ্য মেসিয়ানিক আন্ডারপিনিংস অব দ্য অ্যান্টিন্যাটালিস্ট পোলেমিক," শার্লটের ইউনিভার্সিটি অফ নর্থ ক্যারোলিনার অনুষদে জমা দেওয়া থিসিস, ২০১৫
* দত্তক নেওয়া প্রজননের একটি গুরুত্বপূর্ণ নৈতিক বিকল্প দেয়, যা প্রজনন সাহিত্যে ব্যাপকভাবে উপেক্ষিত হয়েছে বা দ্রুত উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রজননের সম্ভাব্য ক্ষতি সম্পর্কে উদ্বিগ্ন হয়েও বাবা-মা এবং সন্তানের সম্পর্কের ভালো দিকগুলো অনুভব করতে চাওয়া যুক্তিবাদী এবং নৈতিক মানুষের এটি বিবেচনা করা উচিত।
** টিনা রুলি, ''দ্য এথিকস অব প্রোক্রিয়েশন অ্যান্ড অ্যাডপশন'', ২০১৬
* আমরা যদি এখন জীবনের কোলাহল এবং অস্থিরতার কথা চিন্তা করি, তবে আমরা দেখতে পাব যে প্রত্যেকেই তার যত্ন এবং সমস্যা নিয়ে ব্যস্ত। অনন্ত প্রয়োজন মেটাতে এবং অনেক রূপে কষ্ট দূর করতে সবাই তাদের সমস্ত শক্তি প্রয়োগ করছে। তারপরও এর পরিবর্তে কেবল স্বল্প সময়ের জন্য এই যন্ত্রণাদায়ক অস্তিত্ব রক্ষা করা ছাড়া আর কোনো কিছুর আশা করার সাহস তাদের নেই। তবে এর মাঝখানে, আমরা কোলাহলের মধ্যে দুজন প্রেমিকের দৃষ্টি আকুলভাবে মিলতে দেখি: তবুও কেন এত গোপনে, নার্ভাসভাবে, এবং চুপিচুপি? কারণ এই প্রেমিকরা হলো সেই বিশ্বাসঘাতক যারা গোপনে সেই সমস্ত সমস্যা এবং পরিশ্রমকে স্থায়ী করার চেষ্টা করে যা অন্যথায় দ্রুত শেষ হয়ে যেত। তারা এমন একটি সমাপ্তি আটকাতে চেষ্টা করে, যেমনটা তাদের মতো অন্যরাও আগে আটকেছে।
** আর্থার শোপেনহাওয়ার] অনুবাদক ই. এফ. জে. পেইন, ''দ্য ওয়ার্ল্ড অ্যাজ উইল অ্যান্ড রিপ্রেজেন্টেশন'', ভলিউম ২ (১৯৬৬), অধ্যায় ৪৪: দ্য মেটাফিজিক্স অব সেক্সুয়াল লাভ <small>{{ISBN|9780486217628}}</small>
* জীবনকে তখন একটি উপহার হিসেবে দেওয়া হয়। অথচ এটি স্পষ্ট যে কেউ যদি আগে থেকে এটি দেখে এবং পরীক্ষা করে নিতে পারত, তবে সে ধন্যবাদ জানিয়ে এটি প্রত্যাখ্যান করত। ঠিক যেমন [[গটহোল্ড এফ্রাইম লেসিং|লেসিং]] তার ছেলের বোঝাপড়ার প্রশংসা করেছিলেন। কারণ এই ছেলেটি পৃথিবীতে আসতে একেবারেই অস্বীকৃতি জানিয়েছিল, তাই তাকে ফোরসেপস বা সাঁড়াশি ব্যবহার করে জোর করে জীবনে টেনে আনতে হয়েছিল; কিন্তু এতে প্রবেশ করার পর সে খুব দ্রুতই এখান থেকে দূরে সরে গিয়েছিল। অন্যদিকে, এটা খুব ভালোভাবে বলা হয় যে জীবন শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কেবল একটি পাঠ হওয়া উচিত। তবে এর উত্তরে যে কেউ বলতে পারে: "এই কারণে, আমি আশা করি আমাকে স্বয়ংসম্পূর্ণ শূন্যতার শান্তিতে রেখে দেওয়া হতো, যেখানে আমার কোনো পাঠ বা অন্য কিছুর প্রয়োজন হতো না।" কিন্তু যদি এর সাথে যোগ করা হয় যে একদিন তাকে তার জীবনের প্রতিটি ঘণ্টার হিসাব দিতে হবে, তবে সেই শান্তি এবং নিরিবিলি থেকে তাকে সরিয়ে এনে এমন একটি অনিশ্চিত, অন্ধকার, উদ্বিগ্ন এবং বেদনাদায়ক অবস্থানে কেন রাখা হয়েছিল, তার হিসাব চাওয়ার অধিকার সে প্রথমে পাবে। মিথ্যা মৌলিক দৃষ্টিভঙ্গি ঠিক এই দিকেই নিয়ে যায়। মানুষের অস্তিত্ব একটি উপহারের চরিত্র বহন করা তো দূরের কথা, এটি সম্পূর্ণভাবে একটি চুক্তিবদ্ধ ঋণের চরিত্র ধারণ করে। জরুরি প্রয়োজন, যন্ত্রণাদায়ক বাসনা, এবং সেই অস্তিত্বের মাধ্যমে আনা অন্তহীন দুর্দশার আকারে এই ঋণের দাবি সামনে আসে। সাধারণত, পুরো জীবনকাল এই ঋণ শোধ করার জন্যই ব্যবহৃত হয়, তবুও এভাবেই কেবল সুদ শোধ করা হয়। মৃত্যুর মাধ্যমে আসল ঋণ পরিশোধ করা হয়। আর এই ঋণ কখন চুক্তিবদ্ধ হয়েছিল? গর্ভধারণের সময়।
** আর্থার শোপেনহাওয়ার, অনুবাদক ই. এফ. জে. পেইন, ''দ্য ওয়ার্ল্ড অ্যাজ উইল অ্যান্ড রিপ্রেজেন্টেশন'', ভলিউম ২ (১৯৬৬), অধ্যায় ৪৬: অন দ্য ভ্যানিটি অ্যান্ড সাফারিং অব লাইফ <small>{{ISBN|9780486217628}}</small>
* চার্চের কিছু ফাদার শিখিয়েছেন যে এমনকি বৈবাহিক সহবাসের অনুমতি কেবল তখনই দেওয়া উচিত যখন এটি শুধুমাত্র সন্তান জন্মদানের উদ্দেশ্যে ঘটে। ... ক্লিমেন্স (স্ট্রোমাটা, বই ৩, অধ্যায় ৩) পিথাগোরাসীয়দের ওপর এই দৃষ্টিভঙ্গির দায় চাপান। তবে, কঠোরভাবে বলতে গেলে, এটি ভুল। কারণ যদি যৌন মিলন আর তার নিজস্ব কারণে কাম্য না হয়, তবে বাঁচার ইচ্ছার নেতিকরণ ইতিমধ্যেই উপস্থিত হয়েছে, এবং মানবজাতির বিস্তার তখন অপ্রয়োজনীয় এবং অর্থহীন হয়ে পড়ে, কারণ এর উদ্দেশ্য ইতিমধ্যেই অর্জিত হয়েছে। তাছাড়া, কোনো বিষয়গত আবেগ ছাড়া, কাম এবং শারীরিক চাপ ছাড়া, কেবল বিবেচনার সাথে, এবং ঠাণ্ডা মাথায় পৃথিবীতে একজন মানুষকে আনার উদ্দেশ্যে যাতে সে সেখানে থাকে, এটি একটি অত্যন্ত সন্দেহজনক নৈতিক কাজ হবে যা খুব কম লোকই নিজের কাঁধে নেবে। কেউ এমনকি এর সম্পর্কে বলতে পারে যে, রাগ করে কাউকে মৃত্যু আঘাত করার সাথে ঠাণ্ডা মাথায় ইচ্ছাকৃত খুনের যে সম্পর্ক, শুধুমাত্র যৌন প্রবৃত্তি থেকে প্রজননের সাথে এর সম্পর্ক ঠিক একই রকম।
** আর্থার শোপেনহাওয়ার, ''কন্ট্রিবিউশনস টু দ্য ডকট্রিন অব দ্য অ্যাফার্মেশন অ্যান্ড নেগেশন অব দ্য উইল-টু-লিভ'' (১৮৫১)
* একজন মানুষ কীভাবে গর্বিত হবে, যখন তার গর্ভধারণ একটি অপরাধ, তার জন্ম একটি শাস্তি, তার জীবন একটি পরিশ্রম, এবং মৃত্যু একটি অনিবার্য পরিণতি!
** আর্থার শোপেনহাওয়ার, ''প্যারের্গা উন্ড প্যালিপোমেনা'' (১৮৫১)
* ''কুইড টুপারবিট হোমো? কুজুস কনসেপ্টিও কালপা, <br> নাস্কি পোয়েনা, লেবার ভিটা, নেসেস মোরি!''
** আর্থার শোপেনহাওয়ারের ''প্যারের্গা উন্ড প্যালিপোমেনা'' (১৮৫১) বইয়ে উল্লেখিত; অনুবাদক টমাস বেইলি সন্ডার্স, ''অন হিউম্যান নেচার: এসেজ, পার্টলি পোস্টহুমাস, ইন এথিকস অ্যান্ড পলিটিক্স'' (জর্জ অ্যালেন অ্যান্ড আনউইন লিমিটেড, ১৮৯৬) পৃষ্ঠা ৫
* প্রজননে নারীর অংশ পুরুষের চেয়ে বেশি নির্দোষ; কারণ পুরুষ সন্তানকে তার ইচ্ছা প্রদান করে, যা প্রথম পাপ, এবং তাই সমস্ত মন্দের মূলে; বিপরীতভাবে নারী তার বুদ্ধি প্রদান করে, যা মুক্তির পথ।
** আর্থার শোপেনহাওয়ার, ''প্যারের্গা উন্ড প্যালিপোমেনা'', ১৮৫১
* যদি কেবল বিশুদ্ধ যুক্তির কাজ দ্বারাই শিশুদের পৃথিবীতে আনা হতো, তবে কি মানবজাতি টিকে থাকত? একজন মানুষ কি বরং আগামী প্রজন্মের প্রতি এত বেশি সহানুভূতি দেখাত না যে তাদের অস্তিত্বের বোঝা থেকে রেহাই দিত, অথবা অন্তত ঠাণ্ডা মাথায় সেই বোঝা তাদের ওপর চাপিয়ে দেওয়ার দায়িত্ব নিজে নিত না?
** আর্থার শোপেনহাওয়ার, [https://en.wikisource.org/wiki/On_the_Sufferings_of_the_World ''অন দ্য সাফারিংস অব দ্য ওয়ার্ল্ড''], ১৮৬২
* পৃথিবীর শেষ, এখানেই মুক্তি। শেষ প্রস্তুত করা, এটাই ঋষির কাজ এবং তপস্বী অস্তিত্বের সর্বোচ্চ উদ্দেশ্য। পরোপকারের একজন প্রবর্তক, প্রচেষ্টা, দান, সান্ত্বনা এবং অলৌকিক কাজের মাধ্যমে, অত্যন্ত কষ্টে একটি পরিবারকে মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচাতে সফল হন, যা তার উপকারের কারণে এখন দীর্ঘ যন্ত্রণার দিকে পরিচালিত হয়। অন্যদিকে একজন তপস্বী, পুরো প্রজন্মকে মৃত্যুর হাত থেকে নয়, বরং জীবনের হাত থেকে বাঁচান।
** আর্থার শোপেনহাওয়ার, [https://fr.wikisource.org/wiki/Un_Bouddhiste_contemporain_en_Allemagne,_Arthur_Schopenhauer ''আন বুদ্ধিস্টে কনটেম্পোরাইন এন অ্যালেমাগনে – আর্থার শোপেনহাওয়ার''], ১৮৭০
* আমার কোনো বিবেক নেই, একটুও নেই। কিন্তু আমি এই পৃথিবীতে কোনো আত্মাকে আনতে চাই না। যখন সে পাপ করবে এবং কষ্ট পাবে, তখন মরা হাতের মতো কিছু একটা আমার ওপর পড়বে – "তুমি এটা করেছ, তুমি। নিজের আনন্দের জন্য তুমি এই জিনিসটা তৈরি করেছ! তোমার কাজের ফল দেখো!"
** [[অলিভ শ্রাইনার]], [http://www.gutenberg.org/files/1441/1441-h/1441-h.htm ''দ্য স্টোরি অব অ্যান আফ্রিকান ফার্ম'']
** বর্ণনা: চরিত্র লিন্ডলের কথা।
* দুর্ভাগ্যবশত, আমাদের বাস্তব জগতে, বিপুল সংখ্যক শিশু ভুক্তভোগী, অপরাধী বা দর্শক হিসেবে বড় হয়। খুব কম শিশুই আসলে পৃথিবীকে একটি সুন্দর জায়গা হিসেবে গড়ে তুলতে বড় হয়। ব্যক্তিগতভাবে, আমি মনে করি না যে নতুন ভুক্তভোগী, অপরাধী এবং দর্শক তৈরি করা এমন কোনো বড় সামাজিক অর্জন, যেমনটা দেখানো হয়। আমি বুঝতে পারি যে মানুষ তাদের নিজস্ব প্রয়োজনের কারণে সন্তান নিতে চায়, অগত্যা শিশুর জন্য বা পৃথিবীর জন্য নয়, এবং হয়তো এটিই যথেষ্ট কারণ, কিন্তু আমি জানি না কেন।
** সারাহ শুলম্যান, ''দ্য জেন্ট্রিফিকেশন অব দ্য মাইন্ড: উইটনেস টু আ লস্ট ইমাজিনেশন'', ২০১২
* তুমি কি জানতে চাও এভাবে জীবন দেওয়াটা কীভাবে কোনো বড় উপকার নয়? তুমি আমাকে উন্মুক্ত করে দিতে পারতে; এটা স্পষ্ট যে আমার জন্ম দেওয়াটা একটা অবিচার ছিল!
** [[লুসিয়াস অ্যানিয়াস সেনেকা]], লিজ গ্লোইনের ''দ্য এথিকস অব দ্য ফ্যামিলি ইন সেনেকা''র ''ডি বেনিফিসিস'', ২০১৭, ৫৯ খ্রিস্টপূর্বাব্দ
* মানব জীবনের মতো এতটা প্রতারণামূলক, এতটা বিশ্বাসঘাতক আর কিছুই নেই। হারকিউলিসের কসম, যদি মানুষ কোনো মতামত তৈরি করার আগে জীবন তাদের দেওয়া না হতো, তবে কেউই এটি গ্রহণ করত না। তাই, জন্ম না নেওয়াটাই সবার মধ্যে সবচেয়ে আনন্দের পরিণতি।
** লুসিয়াস অ্যানিয়াস সেনেকা, [https://en.wikisource.org/wiki/Of_Consolation:_To_Marcia ''কনসোলেশন টু মার্সিয়া''], ৪০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ
* তুমি কোনো কনভেন্টে চলে যাও। কেন তুমি পাপীদের জন্মদাতা হবে? আমি নিজেই মোটামুটি সৎ; তবুও আমি নিজেকে এমন জিনিসের জন্য দোষারোপ করতে পারি যে আমার মায়ের আমাকে জন্ম না দেওয়াটাই ভালো হতো।
** [[উইলিয়াম শেক্সপিয়র]], ''[[হ্যামলেট]]'', অঙ্ক ৩, দৃশ্য ১ (হ্যামলেটের কথা)
* যখন আমরা জন্ম নিই, আমরা কাঁদি কারণ আমরা এসেছি<br>বোকাদের এই বিশাল মঞ্চে।
** উইলিয়াম শেক্সপিয়র, ''[[কিং লিয়ার]]'', অঙ্ক ৪, দৃশ্য ৬ (লিয়ারের কথা)
* সেই প্রকৃতি, মানুষের নিষ্ঠুরতায় অসুস্থ হয়েও,<br>এখনো ক্ষুধার্ত! সাধারণ মা, তুমি, ...<br>তোমার উর্বর এবং গর্ভধারণকারী জরায়ুকে পুড়িয়ে ফেলো,<br>তা যেন আর অকৃতজ্ঞ মানুষের জন্ম না দেয়।<br>বাঘ, ড্রাগন, নেকড়ে আর ভাল্লুকের সাথে মহান হও;<br>নতুন দানবদের জন্ম দাও।
** উইলিয়াম শেক্সপিয়র, ''[[টাইমন অব এথেন্স]]'', অঙ্ক ৪, দৃশ্য ৩ (টাইমনের কথা)
* এইভাবে, চারটি বিষয় অনুমানমূলক সম্মতির আবেদনকে সমস্যাযুক্ত করে তোলে: (১) এই সত্যটি যে কোনো পদক্ষেপ না নিলে বড় কোনো ক্ষতি হবে না; (২) কিন্তু যদি পদক্ষেপ নেওয়া হয়, তবে যে ক্ষতিগুলো হতে পারে তা খুব গুরুতর হতে পারে; (৩) চাপিয়ে দেওয়া অবস্থা থেকে চড়া মূল্য ছাড়া পালানো যায় না; এবং (৪) অনুমানমূলক সম্মতি প্রক্রিয়াটি এমন ব্যক্তির বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে তৈরি নয় যে চাপিয়ে দেওয়া অবস্থাটি বহন করবে।
** {{w|সিয়ানা শিফরিন}}, [https://jwcwolf.public.iastate.edu/Papers/Shiffrin%20Wrongful%20life%20procreative%20responsibility%20and%20the%20significance%20of%20harm.pdf ''রংফুল লাইফ, প্রোক্রিয়েটিভ রেসপনসিবিলিটি, অ্যান্ড দ্য সিগনিফিকেন্স অব হার্ম''], ১৯৯৯
* একটি প্রজননবিরোধী দৃষ্টিভঙ্গির পক্ষপাতী হওয়ার জন্য একজনকে বিশ্বাস করতে হবে না যে অস্তিত্বে আসা সবসময়ই একটি সামগ্রিক ক্ষতি। কেবল এটি বিশ্বাস করাই যথেষ্ট যে অন্যদের সম্মতি ছাড়া তাদের ওপর গুরুতর, প্রতিরোধযোগ্য ক্ষতি চাপিয়ে দেওয়া নৈতিকভাবে সমস্যাযুক্ত।
** আশিল সিং, [https://ujcontent.uj.ac.za/vital/access/services/Download/uj:7429/CONTENT1?view=true ''অ্যাসেসিং অ্যান্টি-ন্যাটালিজম: আ ফিলোসফিক্যাল এক্সামিনেশন অব দ্য মোরালিটি অব প্রোক্রিয়েশন''], ২০১২
* "অন্য মানুষের নাক যেখানে শুরু হয়, তোমার হাত ঘোরানোর অধিকার ঠিক সেখানেই শেষ হয়।" (জেকারিয়া চেফি)
** মার্টিন স্মিথ, [https://theselfishparent.files.wordpress.com/2012/06/nbnc4_4.pdf ''নো বেবি নো ক্রাই: ক্রিশ্চিয়ান অ্যান্টিন্যাটালিজম''], পৃষ্ঠা ৬
* বাস্তব বিশ্বের পরিণতি এবং সন্তান নেওয়ার আপনার ইচ্ছার মধ্যে সংযোগ স্থাপন করতে যদি আপনার অসুবিধা হয়, তবে পৃথিবীকে নতুনভাবে দেখার চেষ্টা করুন। যখন কর্মক্ষেত্রে চাকরি হারানো হয়, কল্পনা করুন যে শিশুটিকে আপনি পৃথিবীতে আনার ব্যাপারে এত বদ্ধপরিকর, তার সাথে এমনটা ঘটছে। কুৎসিত বিবাহবিচ্ছেদের শিকার দুজনেই কারও না কারও সন্তান। কোনো ধর্ষণের খবর ঘোষণা করা সংবাদ পাঠক, অপরাধী এবং শিকার দুজনেই কারও না কারও সন্তান। আপনি যে গাড়ি দুর্ঘটনার পাশ দিয়ে গেছেন, ন্যূনতম মজুরিতে কাজ করা টয়লেট ক্লিনার, ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালের ওয়ার্ডে মরতে থাকা লোকটা, মাটিতে নামানো কফিনটা। আমি যদি একটি বিস্তৃত তালিকা দিই তবে তা পুরো বইটি পূরণ করবে। তবে আমি চাই আপনি নিজেই আপনার তালিকা তৈরি করুন। এক সপ্তাহের জন্য এই খেলাটি খেলুন এবং এটি আপনার রঙিন চশমা ভেঙে দেবে; এটি আনন্দদায়ক নয় তবে এটি সৎ।
** মার্টিন স্মিথ, [https://theselfishparent.files.wordpress.com/2012/06/nbnc4_4.pdf ''নো বেবি নো ক্রাই: ক্রিশ্চিয়ান অ্যান্টিন্যাটালিজম''], পৃষ্ঠা ১২
* একটি জীবন সৃষ্টির মাধ্যমে আমরা সেই ব্যক্তিকে জীবনের ক্ষতির সম্মুখীন করি। মানুষ আঘাত পাবে, কেউ কেউ খুব খারাপভাবে। আমার মনে হয় জীবন সৃষ্টির একমাত্র কারণ হলো বাবা-মায়ের (এবং কিছুটা অন্যান্য আত্মীয়দের) মানসিক (এবং কখনো কখনো বস্তুগত) প্রয়োজন মেটানো। গর্ভধারণের সময় জেনেটিক রিকম্বিনেশনের ত্রুটি থেকে শুরু করে মুমূর্ষু ব্যক্তির শেষ নিশ্বাস পর্যন্ত সম্ভাব্য ক্ষতির তালিকা তৈরি করতে লাইব্রেরি লেগে যাবে। আমরা এই সত্যের পরিণতি এড়াতে মানসিক কসরতের একটি বিন্যাস ব্যবহার করি, কিন্তু গভীরভাবে আমরা সবাই এটি কোনো না কোনো স্তরে জানি। আমাদের সমাজের রীতিনীতির বিপরীতে, একটি শিশুর আগমন উদযাপন করার কারণ নয় বরং শান্তভাবে চিন্তা করার সময় হওয়া উচিত। আমি নিজেদের জীবনের উন্নতির আশায় অন্য কারও কল্যাণ নিয়ে জুয়া খেলার জন্য মানুষকে অভিনন্দন জানাব না। আমি সন্দেহ করি যে এটি যারা পড়ছেন তাদের অনেকেই মনে করবেন যে তাদের নিজস্ব প্রয়োজনগুলোই সন্তান নেওয়ার জন্য যথেষ্ট ভালো কারণ। যদি তা-ই হয়, তবে আমি আপনাকে অন্তত পছন্দের আত্মকেন্দ্রিক প্রকৃতিটি স্বীকার করতে বলব। এবং যখন আপনার সন্তানরা যথেষ্ট বড় হবে, তখন আপনি তাদের ব্যাখ্যা করতে পারবেন যে কেন আপনি জীবনের রুলেটের চাকায় বাজি ধরেছিলেন।
** মার্টিন স্মিথ, [https://theselfishparent.files.wordpress.com/2012/06/nbnc4_4.pdf ''নো বেবি নো ক্রাই: ক্রিশ্চিয়ান অ্যান্টিন্যাটালিজম''], পৃষ্ঠা ১৯
* আপনি যদি অনন্তকাল নরকবাসে বিশ্বাস করেন, তবে সন্তান নেওয়া সত্যিই একটি খুব গুরুতর বিষয়। আপনি অসীম বাজি ধরে জুয়া খেলছেন।
** মার্টিন স্মিথ, [https://theselfishparent.files.wordpress.com/2012/06/nbnc4_4.pdf ''নো বেবি নো ক্রাই: ক্রিশ্চিয়ান অ্যান্টিন্যাটালিজম''], পৃষ্ঠা ৩১
** বর্ণনা: খ্রিস্টধর্মের প্রধান স্রোতগুলোতে অনন্তকাল নরকবাস হলো পাপীদের জন্য নরকে যাওয়া এবং চিরকাল যন্ত্রণা ভোগ করার শাস্তি।
* আমি সন্তান না নেওয়ায় কখনোই আক্ষেপ করিনি। এ বিষয়ে আমার মানসিকতা স্থির ছিল। আমি জন্মানোর ঘোর বিরোধী ছিলাম, এবং আমি অন্য কারো ওপর জীবন চাপিয়ে দিতে অস্বীকার করি।
** [[w:রবার্ট স্মিথ (সঙ্গীতশিল্পী)|রবার্ট স্মিথ]], [https://www.theguardian.com/music/2011/sep/10/robert-smith-the-cure-bestival ''দ্য কিওরস রবার্ট স্মিথ: 'আই অ্যাম আনকমফোর্টেবল উইথ পলিটিসাইজড মিউজিশিয়ানস'''], ২০১১
* মোটেই জন্ম না নেওয়া<br />সবচেয়ে ভালো, ভাগ্যে ঘটা সেরা বিষয়,<br />এরপরের সেরাটি হলো, জন্ম নেওয়ার পর, ন্যূনতম দেরিতে<br />পেছনের পথে ফিরে যাওয়া।<br />কারণ চঞ্চল সঙ্গী নিয়ে যৌবন পেরিয়ে গেলে,<br />সমস্যার পর সমস্যা, পরিশ্রমের পর পরিশ্রম আসে,<br />ব্যথা, ব্যথা, চিরকাল ব্যথা;<br />আর কেউই জীবনের প্যাঁচ থেকে পালাতে পারে না।<br />হিংসা, রাষ্ট্রদ্রোহ, বিবাদ,<br />হত্যাকাণ্ড আর যুদ্ধ, জীবনের গল্প তৈরি করে।<br />শেষে আসে সবচেয়ে খারাপ এবং ঘৃণ্য পর্যায়<br />অবহেলিত বার্ধক্যের,<br />আনন্দহীন, সঙ্গীহীন আর ধীর,<br />সমস্ত দুঃখের মুকুট পরানো দুঃখ।
** [[সফোক্লেস]], [https://en.wikisource.org/wiki/Oedipus_at_Colonus_(Storr) ''ইডিপাস অ্যাট কলোনাস''], ৪০৬ খ্রিস্টপূর্বাব্দ
** বর্ণনা: সম্মিলিত চরিত্র, কোরাসের কথা।
* "ফলপ্রসূ হও এবং বংশবৃদ্ধি করো" হলো এমন একটি সুপারিশ যা মানুষের ঈশ্বরের চেয়ে খরগোশের ঈশ্বরের সাথে বেশি মানানসই। অবশ্যই খরগোশদের প্রতি কোনো অসম্মান ছাড়াই বলছি।
** জিওভান্নি সোরিয়ানো, ''ফিঞ্চে সিয়ে ভিটা নন সিয়ে স্পেরাঞ্জা'', ২০১০
* সৃষ্টি হত্যার চেয়েও অনেক বেশি স্বৈরতান্ত্রিক একটি কাজ; আর ঠিক যেমন কারো অন্যের জীবন কেড়ে নেওয়া উচিত নয়, তেমনি কারো ওপর জীবন চাপিয়ে দেওয়াও উচিত নয়।
** জিওভান্নি সোরিয়ানো, ''মালোমন্ডো। ইন লোদে দেল্লা স্টুপিডিটা'', ২০১৩
* ব্যথা, ক্ষতি, কষ্ট, অনিশ্চয়তা এবং মৃত্যু মানব জীবন থেকে অবিচ্ছেদ্য। কেউ কি এমন কোনো নির্দোষের ওপর এমন মন্দ চাপিয়ে দিতে পারে যে কোনো ধরনের ঝুঁকি রয়েছে এমন পরিস্থিতিতে পড়তে সম্মতি দেয়নি? প্রজনন কি সত্যিই প্রথাগতভাবে মনে করা ততটাই "সহজ" এবং "নৈতিকভাবে নির্দোষ" কাজ?
** পিকেশ শ্রীবাস্তব, ''গ্লিম্পসেস অব ট্রুথ: মোরালিটি, কর্মা, প্রোক্রিয়েশন'', ২০১৭, পৃষ্ঠা ৩৩২
* "জীবন সুন্দর। আমি একে ভালোবাসি। এর সাথে যদি ক্ষতি আসে, তবে তাতে কী? জীবনকে পূর্ণভাবে বাঁচতে শিখুন এবং খারাপ অংশগুলোতে নিমজ্জিত হবেন না। জীবনের সেরা অংশগুলো খারাপ অংশগুলোকে ছাড়িয়ে যায়।" আমাকে একটি সমান্তরাল উদাহরণ আঁকতে দিন। "সিগারেট খাওয়া উপভোগ্য। আমি এটি ভালোবাসি। এর সাথে যদি ক্ষতি আসে, তবে তাতে কী? কিছু জিতি, কিছু হারি। এর আনন্দ এর দ্বারা সৃষ্ট ক্ষতির চেয়ে অনেক বেশি।" যদিও কেউ এ ধরনের দৃষ্টিভঙ্গি ধারণ করার অধিকারী, তবে এটি সত্যকে পরিবর্তন করতে পারে না: ধূমপান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর; সব মিলিয়ে এটি একটি ক্ষতিকর অভ্যাস যা এড়িয়ে চলাই ভালো। আপনি ধূমপান উপভোগ করতে পারেন, এবং এর সাথে আসা সমস্ত ঝুঁকি সার্থক মনে করতে পারেন, কিন্তু অন্যের ওপর এমন অভ্যাস জোর করে চাপিয়ে দেওয়ার অধিকার কি আপনার আছে? একটি সন্তান তৈরি করার ক্ষেত্রে, একজন ঠিক এটাই করছেন সম্মতি ছাড়াই। তাদের যেসব ক্ষতির সম্মুখীন করা হচ্ছে তা বিবেচনা না করেই, অন্যের ওপর জীবন চাপিয়ে দিচ্ছেন। আর পাঠক যেন ভুলে না যান, ধূমপানের সাথে আসা ঝুঁকিগুলো জীবন আমাদের যেসব অসংখ্য ক্ষতির মুখোমুখি করে তার তুলনায় কিছুই নয়।
** পিকেশ শ্রীবাস্তব, ''গ্লিম্পসেস অব ট্রুথ: মোরালিটি, কর্মা, প্রোক্রিয়েশন'', ২০১৭, পৃষ্ঠা ৩৬৯–৩৭০
* একটি প্রাচীন কিংবদন্তি বর্ণনা করে যে রাজা মিডাস কীভাবে ডায়োনিসাসের সঙ্গী জ্ঞানী সাইলিনাসের জন্য বনে দীর্ঘ সময় ধরে শিকার করেছিলেন, কিন্তু তাকে ধরতে ব্যর্থ হন। যখন সাইলিনাস অবশেষে তার হাতে ধরা পড়ে, তখন রাজা জিজ্ঞাসা করেন মানুষের জন্য সবচেয়ে ভালো এবং চমৎকার জিনিস কী। স্থির এবং নিশ্চল, শয়তান নীরব থাকে যতক্ষণ না রাজা তাকে কথা বলতে বাধ্য করেন। অবশেষে সে তীক্ষ্ণ হাসিতে ফেটে পড়ে এবং বলে: "হতভাগ্য, ক্ষণস্থায়ী জাতি, সুযোগ এবং দুর্দশার সন্তান, তোমরা আমাকে এমন কিছু বলতে কেন বাধ্য করছ যা না শোনাটাই তোমাদের জন্য সবচেয়ে লাভজনক হবে? সবচেয়ে ভালো জিনিসটি তোমাদের সম্পূর্ণ নাগালের বাইরে: জন্ম না নেওয়া, না থাকা, শূন্য হওয়া। তবে তোমাদের জন্য দ্বিতীয় সেরা জিনিসটি হলো: খুব শিগগিরই মারা যাওয়া"।
** [[ফ্রিডরিখ নিটশে]], ''দ্য বার্থ অব ট্র্যাজেডি'', ১৮৭২
* আমার বয়স ছত্রিশ বছর।<br />আমি কিসের জন্য অপেক্ষা করছি?<br />সম্ভবত মৃত্যুর জন্য।<br />আমার অতীত ততটাই তীব্র<br />যতটা আমার ভবিষ্যৎ শূন্য আর অনাথ।<br />আর আমি খুব শিগগিরই একটা লাশ হয়ে যাব –<br />আমি একজন পাগল; আমি এটা নিয়ে কাজ করছি<br />সেই সময় থেকে যখন আমাকে আমার মায়ের<br />ভেতর থেকে টেনে বের করা হয়েছিল।<br />আমি এটা অনেক দিন ধরেই জানি<br />আর আমি এটাই চাই, দুর্ভাগ্যবশত, আমার এমনটাই মনে হয়।<br />কারণ আমার ইতিমধ্যেই যথেষ্ট হয়েছে। আমি বলছি –<br />তুমি জানো।<br />পৃথিবী তাদের মুক্তি দেবে<br />অস্তিত্ব নিয়ে যাদের সন্দেহ ছিল<br />যারা কখনোই জন্ম দেয়নি আর কখনোই হত্যা করেনি।
** ডোমোকোস সিলাগি, [http://mek.oszk.hu/02900/02916/02916.pdf ''১৯৭৪'']
* নতুন মানুষ তৈরি করা তাদের ছোটখাটো নয় এমন ক্ষতির মুখে ফেলে দেয়। যদিও অন্যান্য ক্ষেত্রে এই ধরনের ক্ষতি সমর্থনযোগ্য হতে পারে যদি তা মানুষকে আরও বড় ক্ষতি থেকে বাঁচানোর জন্য করা হয়, তবে প্রজননকারীরা এই সম্ভাবনার আবেদন করতে পারে না। প্রজননকে বুদ্ধিমানের মতো অস্তিত্বহীন ব্যক্তিদের (বড়) ক্ষতি থেকে বাঁচানোর কাজ হিসেবে দেখা যায় না। বরং, শিফরিনের মতে, প্রজননকে বড়জোর সৃষ্ট ব্যক্তিকে অনাকাঙ্ক্ষিত এবং অপ্রয়োজনীয় সুবিধা (অর্থাৎ, "বিশুদ্ধ সুবিধা") দেওয়ার জন্য ছোটখাটো নয় এমন ক্ষতির মুখে ফেলার নৈতিকভাবে সমস্যাযুক্ত কাজ হিসেবে দেখা যেতে পারে; আর সবচেয়ে খারাপ ক্ষেত্রে, এটিকে বড় ক্ষতি প্রশমিত করার উদ্দেশ্যে নয় এমন কোনো রোগীর ওপর গুরুতর, দীর্ঘস্থায়ী ক্ষতি চাপিয়ে দেওয়ার নৈতিকভাবে অগ্রহণযোগ্য কাজ হিসেবে দেখা যেতে পারে। তদুপরি, এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, সুবিধা পাওয়ার জন্য অস্তিত্বের ক্ষতির মুখোমুখি হওয়ার সম্মতি দেওয়ার সুযোগ শিশুদের থাকে না, যার মানে হলো প্রজনন করা ভুল।
** আশিল সিং, [https://www.researchgate.net/publication/328847972_The_Hypothetical_Consent_Objection_to_Anti-Natalism দ্য হাইপোথেটিক্যাল কনসেন্ট অবজেকশন টু অ্যান্টি-ন্যাটালিজম], ২০১৮
* মানুষদের অস্তিত্বে আনার অনুমতি নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় প্রজননকারীরা যুক্তিসঙ্গতভাবেই বিষয়গত অনুমানমূলক সম্মতির ওপর নির্ভর করতে পারে না। অস্তিত্বহীনদের অগ্রাধিকার আছে বলে বলা যায় না—অনন্য, ব্যক্তিগত অগ্রাধিকার তো দূরের কথা! শিফরিন ধারাবাহিকভাবে বজায় রেখেছেন যে তৈরি করা ব্যক্তির অনন্য বৈশিষ্ট্যগুলো বাবা-মা বিবেচনা করতে পারে না। তাই মনে হয় যেন তিনি মনে করেন বাবা-মায়েরা তাদের অনাগত সন্তানদের সাধারণভাবে বিবেচনা করেন—অর্থাৎ, একই ধরণের জিনিস হিসেবে। কিন্তু প্রো-ন্যাটাল বা প্রজননপন্থী পৈতৃক মনোভাবাপন্ন ব্যক্তি যুক্তি দিতে পারেন যে বিষয়গুলো এত সহজ নয়। তিনি বলতে পারেন যে, যতটা সম্ভব, বাবা-মায়েরা প্রায়শই, এবং সর্বদা, সেই জীবনের অনন্য পরিস্থিতি বিবেচনা করেন যেখানে তারা তাদের সন্তানদের আনবেন। এই যুক্তির ধারাটি এই দৃষ্টিভঙ্গির আবেদন করে যে বাবা-মায়েরা প্রায়শই তাদের সন্তানরা কী ধরনের জীবন উপভোগ করতে পারে সে সম্পর্কে একটি মোটামুটি ভালো ধারণা রাখেন। সম্ভাব্য বাবা-মায়েরা তাদের শেয়ার করা জিনগত ইতিহাস, তাদের আর্থসামাজিক পরিস্থিতি ইত্যাদি থেকে তুলনামূলকভাবে নির্ভরযোগ্য একটি চিত্র তৈরি করতে পারেন এবং তাদের সন্তানরা কী পছন্দ করবে সে সম্পর্কে যুক্তিসঙ্গতভাবে নিশ্চিত হতে পারেন। তাই এই যুক্তির ধারায়, এটি বলা ঠিক নয় যে সম্ভাব্য বাবা-মায়েরা তাদের সম্ভাব্য সন্তানদের সাধারণভাবে বিবেচনা করেন; বরং, তারা তাদের সন্তানদের, যতটা সম্ভব, তাদের (বাবা-মায়ের) অনন্য পরিস্থিতির অনন্য ফলাফল হিসেবে বিবেচনা করেন। কিন্তু আমি নিশ্চিত নই যে এই আপত্তির খুব একটা গুরুত্ব আছে। এই সত্যটি বিবেচনা করুন যে ভাই-বোনদের প্রায়শই খুব আলাদা পছন্দ থাকে। তদুপরি, এটিও বিবেচনা করুন যে শিশুরা প্রায়শই তাদের বাবা-মায়ের প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হয়। সবশেষে, যদিও শিফরিন (যতদূর আমি বুঝতে পারি) মনে করেন এটি বিরল, তবে শিশুদের অস্তিত্বের প্রতি বিষয়গত পছন্দ নাও থাকতে পারে—এবং অ্যান্টিন্যাটালিস্ট বা প্রজননবিরোধীদের বিরুদ্ধে প্রশ্ন তোলা হতে পারে যে শিশুদের এটিকে বস্তুনিষ্ঠ পছন্দ হিসেবে নেওয়া উচিত বলে দাবি করা। (এখানে আত্মহত্যার সমস্যাটি বিবেচনা করুন।) তাই মনে হয় না যে বিষয়গত অনুমানমূলক সম্মতির আবেদনের মাধ্যমে প্রজননকে ন্যায়সঙ্গত প্রমাণ করা যায়।
** আশিল সিং, [https://www.researchgate.net/publication/328847972_The_Hypothetical_Consent_Objection_to_Anti-Natalism দ্য হাইপোথেটিক্যাল কনসেন্ট অবজেকশন টু অ্যান্টি-ন্যাটালিজম], ২০১৮
* একজন নির্দিষ্ট ব্যক্তি প্রজননের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা জানান, একে কলুষিত এবং ধ্বংসাত্মক বলে অভিহিত করেন; এবং কেউ কেউ [শাস্ত্রের ওপর] সহিংসতা করে, ত্রাতা যিশুর কথাগুলো প্রজননের ক্ষেত্রে প্রয়োগ করে, "পৃথিবীতে সম্পদ সঞ্চয় কোরো না, যেখানে মথ এবং মরিচা ধ্বংস করে"; এবং সে এর সাথে নবীর কথাগুলো যোগ করতে লজ্জিত হয় না: "তোমরা সবাই পোশাকের মতো বৃদ্ধ হবে, এবং মথ তোমাদের গ্রাস করবে।"
** আলেকজান্দ্রিয়ার ক্লিমেন্ট, ''স্ট্রোমাটা''
** বর্ণনা: [[w:অ্যাসিরিয়ান তাতিয়ান|অ্যাসিরিয়ান তাতিয়ান]] সম্পর্কে।
* মরণশীল প্রাণীদের জন্য সবচেয়ে ভালো হলো কখনোই জন্ম না নেওয়া। অথবা সূর্যের উজ্জ্বল আলোর ওপর কখনো চোখ না রাখা।
** [[w:মেগারার থিওগনিস|মেগারার থিওগনিস]], ''গ্রিক এলিজিয়াক পোয়েট্রি''
* [প্রকৃতি] এই বিষয়ে আমাদের কোনো পছন্দ না দিয়েই আমাদের পৃথিবীতে বের করে দেয়; যদিও অন্যান্য সমস্ত ভোটাধিকার এবং স্বাধীনতাগুলো সেই একটির তুলনায় পুরোপুরি তুচ্ছ, যা থেকে আমাদের এভাবে বঞ্চিত করা হয়, অর্থাৎ এই প্রশ্নের ওপর একটি কার্যকর এবং আলোকিত ভোট: আমি কি জন্ম নেব, নাকি নেব না?
** [[w:জেমস থমসন (বি.ভি.)|জেমস থমসন (বি.ভি.)]], "দ্য স্পিডি এক্সটিংশন অব এভিল অ্যান্ড মিজারি", পার্ট ২, ''[[iarchive:essaysandphanta00thomgoog/|এসেজ অ্যান্ড ফ্যান্টাসিস]]'' (১৮৮১), পৃষ্ঠা ৬২
* ঈশ্বর যখন সরাসরি মানুষের মাধ্যমে কাজ করেছিলেন, তখন তা আমাদের অসংখ্য এবং ধার্মিক হওয়ার কারণে ছিল না, বরং আমরা অসংখ্য এবং দুষ্ট হওয়ার কারণেই ছিল। তখন সহস্রাব্দ ধরে কর্তব্যপরায়ণ প্রজনন আমাদের যিশুকে দেয়নি (যিনি আজ্ঞাবহ এবং যোগ্য হওয়ার জন্য মানুষকে উদযাপন করতে আসেননি), বরং আমাদের বেপরোয়া অন্যায়ের জন্য রক্ত ঝরাতে ঈশ্বরের দয়ালু, আত্মত্যাগী সংকল্পই তাকে এনেছিল। মরণশীল এবং পাপীরা করুণার পাত্র। মরণশীল এবং পাপীদের মুক্তি প্রয়োজন। পতিত ইতিহাসে, অসংখ্য হওয়াটা কখনোই পরিকল্পনা ছিল না; যতটা সম্ভব মানুষকে ঈশ্বরের দিকে ফেরানোই (সহানুভূতিশীলভাবে এবং জবরদস্তি না করে; নিজেকে দিয়ে শুরু করে) জীবিতদের জন্য একমাত্র সত্য পরিকল্পনা, যেমনটা বাইবেল প্রকাশ করে এবং যিশু পুরো গসপেল জুড়ে দৃঢ়ভাবে জোর দেন।
** পি. টিয়াবল, [https://www.barnesandnoble.com/w/2nd-half-of-the-truth-p-tiable/1139376291 ২য় হাফ অব দ্য ট্রুথ. প্রোক্রিয়েশন, আওয়ার ওর্স্ট ফ্যালাসি? মাল্টিপ্লাইং ইন আওয়ার ফলেন ইমেজ, গডস প্ল্যান অর আওয়ারস?], ২০২১, পৃষ্ঠা ১৬। লেখকের অনলাইন প্রতিলিপি: [http://2ndhalfofthetruth.com/ ২য় হাফ অব দ্য ট্রুথ. অ্যান্টিন্যাটালিজম মেকস সেন্স।]
* বাইবেল হলো কীভাবে আমাদের পতনকে বাঁচতে হবে তা নিয়ে (এবং আত্মার মুক্তি চেয়ে এর পরকালের বর্ধিত পরিণতিগুলো কীভাবে এড়াতে হবে), কীভাবে পতনকে পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনতে হবে তা নিয়ে নয়। উচ্চতর উপলব্ধির দিকে, কিন্তু সীমিত গ্রহণ এবং আলিঙ্গনের সাথে, এটি কীভাবে পতন প্রচার এড়াতে হবে তা নিয়েও; তবে, যদিও বেশিরভাগ মানুষ এটি বুঝবে, এমন কয়েকজন যারা বুঝবে না বা সেই বোঝার সাথে লেগে থাকতে পারবে না, তারা পতন চালিয়ে যাবে (যার ফলে শেষ পর্যন্ত ঈশ্বরের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন হবে, পতনকে পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনতে খ্রিষ্টের দ্বিতীয় এবং চূড়ান্ত আগমন; এবং বাইবেল এমন একটি সমাপ্তির দিকে একটি অস্বাভাবিক মহাপ্রলয়মূলক দৃষ্টিভঙ্গি দেয়)। তখন এটি স্পষ্ট হয়ে ওঠে যে কেন সরাসরি প্রাপ্ত শিক্ষাগুলো (বাইবেলে লিপিবদ্ধ) মূলত মুক্তি নিয়ে ছিল (যৌনতার ক্ষেত্রে স্পষ্ট, তীক্ষ্ণ পুনর্জাগরণ অন্তর্ভুক্ত না করে; যা, সেই সময়ে, কেবল প্রেরিতরা বা অ্যাপোস্টলরা যথাযথভাবে গ্রহণ করতে পারত): কারণ মুক্তির প্রয়োজনীয়তা আমরা সহজেই বুঝতে এবং গ্রহণ করতে পারি, অন্যদিকে যৌন বাসনা (আমাদের পতিত চিত্রে এর সম্পর্কিত প্রজননের সাথে) বিচ্ছেদে মানুষের মাংসে প্রোথিত পরিণতি।
** পি. টিয়াবল, [https://www.barnesandnoble.com/w/2nd-half-of-the-truth-p-tiable/1139376291 ২য় হাফ অব দ্য ট্রুথ. প্রোক্রিয়েশন, আওয়ার ওর্স্ট ফ্যালাসি? মাল্টিপ্লাইং ইন আওয়ার ফলেন ইমেজ, গডস প্ল্যান অর আওয়ারস?], ২০২১, পৃষ্ঠা ২৬। লেখকের অনলাইন প্রতিলিপি: [http://2ndhalfofthetruth.com/ ২য় হাফ অব দ্য ট্রুথ. অ্যান্টিন্যাটালিজম মেকস সেন্স।]
* কিন্তু যদি আমরা ধরেও নিই যে নিখুঁত সতীত্বের খ্রিস্টীয় আদর্শ বাস্তবায়িত হয়েছে, তবে কী হবে? আমরা কেবল নিজেদের একদিকে ধর্মের পরিচিত শিক্ষার মুখোমুখি দেখতে পাব, যার অন্যতম মতবাদ হলো পৃথিবী একদিন শেষ হয়ে যাবে; এবং অন্যদিকে তথাকথিত বিজ্ঞানের মুখোমুখি হব, যা আমাদের জানায় যে সূর্য ধীরে ধীরে তার তাপ হারাচ্ছে, যার ফলে একসময় মানবজাতির বিলুপ্তি ঘটবে।
** [[ল্যেভ তল্স্তোয়]], ''লেসন অব দ্য "দ্য ক্রুটজার সোনাটা"'', ১৮৮৯
* আমরা যদি জিনগতভাবে আমাদের প্রকৃতি ঠিক করতে না পারি তবে আমি জাপফের সাথে একমত। প্রজননের এই অদ্ভুত নাগরদোলা চালিয়ে যাওয়ার চেয়ে পৃথিবীকে এক পরিত্যক্ত জায়গা হিসেবে ফেলে রেখে যাওয়া ভালো।
** {{w|হারমান টনেসেন}}, ''নেড মেড ন্যাচুরেন!'', ১৯৮৪
** বর্ণনা: ট্রান্সহিউম্যানিজম সম্পর্কেও।
* স্বর্গ এবং সুখের কোনো অস্তিত্ব নেই। আপনাকে এই পৃথিবীতে আনার অপরাধকে ন্যায়সঙ্গত প্রমাণ করার এটি আপনার বাবা-মায়ের একটি উপায়। যা বিদ্যমান তা হলো বাস্তবতা, কঠিন বাস্তবতা, এই কসাইখানা যেখানে আমরা মরতে এসেছি, যদি হত্যা করতে এবং আমাদের সহকর্মী প্রাণী, পশুদের খেতে না আসি। তাই, প্রজনন করবেন না, আপনার প্রতি করা অপরাধের পুনরাবৃত্তি করবেন না, একই জিনিস ফেরত দেবেন না, মন্দের জবাব মন্দ দিয়ে দেবেন না, কারণ জীবন চাপিয়ে দেওয়াই সবচেয়ে বড় অপরাধ। অনাগতদের বিরক্ত করবেন না, তাদের শূন্যতার শান্তিতে থাকতে দিন, যাইহোক আমরা সবাই শেষ পর্যন্ত সেখানেই ফিরে যাব, তাহলে কেন শুধু শুধু ঘুরে মরা?
** {{w|ফার্নান্দো ভ্যালেজো}}, [https://www.youtube.com/watch?v=5-e69sP9HMI ''লা ডেসাজন সুপ্রেমা: রেত্রাতো ডি ফার্নান্দো ভ্যালেজো''], ২০০৩, ১:৩০–২:১৭ মিনিট।
* যাদের আমি সবচেয়ে বেশি ভালোবেসেছি তারা হলো আমার দাদি রাকেল পিজানো এবং আমার কুকুর ব্রুজা। আমি আমার বাবাকেও ভালোবাসতাম। কিন্তু শেষ পর্যন্ত, তিনি আমার ওপর জীবনের বোঝা চাপিয়ে দেওয়ার জন্য দোষী। জীবন একটা বোঝা, এটা একটা অভিশাপ। আমি যাদের ভালোবাসতাম, তারা এখন মৃত, আমাকে কবরের দিকে টেনে নিয়ে যাচ্ছে। তাদের ছাড়া চালিয়ে যাওয়া খুব কঠিন। আমার বাঁচার একটাই উপায়, তা হলো তাদের ভুলে যাওয়া।
** {{w|ফার্নান্দো ভ্যালেজো}}, [https://www.youtube.com/watch?v=5-e69sP9HMI ''লা ডেসাজন সুপ্রেমা: রেত্রাতো ডি ফার্নান্দো ভ্যালেজো''], ২০০৩, ৮:২০–৮:৩৭ মিনিট।
* এই সমস্ত কলঙ্কের উৎপত্তি জন্ম নেওয়া থেকে, যা তাই সমস্ত বিপর্যয়ের মধ্যে সবচেয়ে বড়।
** অ্যানাক্লেটো ভেরেকিয়া, ''ডায়ারিও দেল গ্রান প্যারাডিসো'', ১৯৯৭
* দত্তক নেওয়া সাহায্য করতে পারে যদি তা আজকালকার চেয়ে অনেক বড় পরিসরে চর্চা করা হয়, যাতে বাবা-মায়ের অনাকাঙ্ক্ষিত বা প্রতিকূল সামাজিক পরিস্থিতিতে জন্ম নেওয়া যেকোনো শিশু এমন মানুষদের দ্বারা দত্তক নেওয়া যেতে পারে যারা সন্তান চায় কিন্তু সেই উদ্দেশ্যে তাদের তৈরি করতে চায় না।
** হারমান ভেটার, ''দ্য প্রোডাকশন অব চিলড্রেন অ্যাজ আ প্রবলেম অব ইউটিলিটারিয়ান এথিকস'', ১৯৬৯
* যেকোনো ক্ষেত্রেই, সন্তান জন্ম না দেওয়া নৈতিকভাবে বেশি পছন্দনীয়। এর জন্য প্রয়োজন যে কোনো ব্যক্তিগত সাক্ষাতে, এবং শিক্ষা, গণমাধ্যম, অর্থনৈতিক এবং আইনি নীতিতে যেকোনো প্রাতিষ্ঠানিক কার্যকলাপের মাধ্যমে, মানুষকে সন্তান গ্রহণে নিরুৎসাহিত করা উচিত। যদি এ ধরনের প্রবণতা যথেষ্ট সফল হয়, তবে পৃথিবীতে মানুষের সংখ্যা কমতে শুরু করতে পারে, এবং যদি এই ধরনের উন্নয়ন যথেষ্ট দীর্ঘ সময় ধরে চলতে থাকে, তবে মানবজাতি বিলুপ্ত হয়ে যাবে। তবে নার্ভেসন এবং আমার মতে এটি মোটেও আক্ষেপ করার মতো কোনো পরিণতি হবে না: মানবজাতির অস্তিত্বের নিজস্ব কোনো মূল্য নেই। বিপরীতে, মানবজাতি যদি অস্তিত্বহীন হয়ে যায়, তবে সমস্ত কষ্ট নিখুঁতভাবে নিভে যাবে, যা মানুষের অন্য কোনো প্রচেষ্টাই ঘটাতে পারবে না। অন্যদিকে, অবশ্যই, মানুষের সমস্ত সুখের অভিজ্ঞতাও অদৃশ্য হয়ে যাবে। কিন্তু এটি, নার্ভেসনের উপসংহার অনুসারে, আক্ষেপ করার মতো হবে না, কারণ এমন কোনো মানব বিষয় থাকবে না যা সুখের অভিজ্ঞতা থেকে বঞ্চিত হবে।
** হারমান ভেটার, ''ইউটিলিটারিয়ানিজম অ্যান্ড নিউ জেনারেশনস'', ১৯৭১
* ফেরেশতা থেকে শুরু করে ঝিনুক পর্যন্ত সমস্ত অবস্থা এবং পরিস্থিতি আমার কাছে সমানভাবে দুর্ভাগ্যজনক বলে মনে হয়। জন্ম নেওয়াটাই হলো সবচেয়ে কষ্টের বিষয়।
** [[w:মেরি অ্যান ডি ভিচি-চ্যামরন্ড, মার্কুইস ডু ডেফান্ড|মেরি অ্যান ডি ভিচি-চ্যামরন্ড, মার্কুইস ডু ডেফান্ড]], [[ভলতেয়ার|ভলতেয়ারকে]] লেখা চিঠি, ১৭৫৯
* মানবজাতি যদি ভবিষ্যতে কষ্ট কমাতে চায়, তবে তাকে অবশ্যই বিশ্বের সাথে সম্পৃক্ত হতে হবে, এটি থেকে পিছিয়ে আসা উচিত নয়।
** ম্যাগনাস ভিন্ডিং, [https://www.smashwords.com/books/view/543094 ''অ্যান্টিন্যাটালিজম অ্যান্ড দ্য ফিউচার অব সাফারিং: হোয়াই নেগেটিভ ইউটিলিটারিয়ানস শুড নট এইম ফর এক্সটিংশন''], ২০১৫
* আমরা প্রকৃতিতে ঘটা কষ্টগুলোকে মিথ্যা যুক্তির মাধ্যমে উড়িয়ে দিতে পারি না, এবং প্রকৃতির বিভীষিকার শিকার হওয়াদের ভুলে যেতে পারি না। শুধু এই কারণে যে সেই বাস্তবতা আমাদের সুবিধাজনক নৈতিক তত্ত্বগুলোর সাথে খাপ খায় না, যে তত্ত্বগুলো শেষ পর্যন্ত একটি অকল্পনীয়ভাবে খারাপ বাস্তবতার মুখে আমাদের নিজেদেরকে ধারাবাহিক এবং ভালো অনুভব করানোর জন্যই কাজ করে।
** ম্যাগনাস ভিন্ডিং, [https://www.smashwords.com/books/view/624122 ''দ্য স্পিসিজম অব লিভিং নেচার অ্যালোন, অ্যান্ড দ্য থিওরিটিক্যাল কেস ফর "ওয়াইল্ডলাইফ অ্যান্টি-ন্যাটালিজম"''], ২০১৬
* জীবনে খুব কমই আকর্ষণ আছে!<br />আর তবুও আমরা এটি চাই।<br />মৃত্যুর ভয়াবহতার মধ্যে<br />আর কোনো আনন্দ নেই, কোনো ক্ষমতা নেই।<br />শ্বাস নেওয়া একটি মশার সমান<br />একটি মৃত সিংহও নয়।<br /> হে দুর্ভাগা মরণশীল!<br />তোমার আত্মা তোমার দেওয়া<br />মুহূর্তগুলো উপভোগ করুক,<br />বা মৃত্যু এর অবসান ঘটাক,<br />উভয়ই নির্যাতন।<br />জন্ম না নেওয়াটাই ভালো।
** [[ভলতেয়ার]], [http://www.monsieurdevoltaire.com/2014/08/poeme-precis-de-l-ecclesiaste.html ''প্রিসিস অব এক্লেসিয়াস্টেস''], ১৭৬০
* প্রজননের প্রতিটি রূপই ঘৃণ্য, এবং নিজের প্রতি সৎ এমন কেউই মানবজাতির ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে বাধ্য বোধ করে না। আর যাকে আমরা কর্তব্য বলে বুঝতে পারি না, তা কোনো কর্তব্য নয়। বিপরীতভাবে, কোনো গৌণ কারণে একজন মানুষের জন্ম দেওয়া, একজন প্রাণীকে মানবতার সীমাবদ্ধতায় আনা, তার জন্ম পরিচয়ের মাধ্যমে তার জন্য তৈরি করা শর্তগুলোর মধ্যে আনা অনৈতিক; একজন মানুষের সম্ভাব্য স্বাধীনতা এবং স্বতঃস্ফূর্ততা কেন সীমিত, তার মৌলিক প্রশ্ন হলো যে তাকে এমন সীমিত উপায়ে জন্ম দেওয়া হয়েছিল। মানবজাতির টিকে থাকা উচিত, এটি যুক্তির কাছে কোনো আগ্রহের বিষয় নয়; যে ব্যক্তি মানবজাতিকে স্থায়ী করবে সে সমস্যা এবং অপরাধবোধকে স্থায়ী করবে; এটিই একমাত্র সমস্যা এবং একমাত্র অপরাধবোধ।
** অটো উইনিংগার, ''সেক্স অ্যান্ড ক্যারেক্টার''
* জন্ম না নেওয়াটা সুখের প্রথম ধাপ। যদি কেউ কোনো অসুখী দুর্ঘটনার কারণে এই পৃথিবীতে আসে, তবে একটি জিনিস তাদের সান্ত্বনা দেওয়া উচিত; তারা মূল অবস্থায় ফিরে যাবে।
** মারিয়া উইসনোস্কা, ''মারিয়া উইসনোস্কা। জেজলি মনে কোচাছ – জাবিজ!'', ২০০৩
* এমন একটি পৃথিবীতে কেউ সন্তান আনতে পারে না। কেউ কষ্ট স্থায়ী করতে পারে না, বা এই কামুক প্রাণীদের বংশবৃদ্ধি করতে পারে না, যাদের কোনো দীর্ঘস্থায়ী আবেগ নেই, কেবল খেয়াল এবং অহংকার আছে, যা তাদের কখনো এদিকে, কখনো ওদিকে ঘোরায়।
** [[ভার্জিনিয়া উলফ]], ''মিসেস ড্যালোওয়ে'', ১৯২৫
** বর্ণনা: চরিত্র সেপ্টিমাস ওয়ারেন স্মিথের কথা।
* সহজ কথায় বলতে গেলে, শূন্যতাবাদী ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে আমি গভীরভাবে বিশ্বাস করি যে সন্তান জন্মদান একটি হতাশাজনক কাজ ছাড়া আর কিছুই নয়। এই চিন্তাভাবনাটি সরানো সম্ভব নয়, এবং আমি এটি সরাতে আর পরোয়াও করি না। আনন্দের ক্ষেত্রে, মানুষ কখন এতে ডুবে যাবে তা অনুমান করা যায় না, এবং এই কারণে, শিশুদের এই গোলমালে জড়িয়ে পড়া এড়াতে তাদের জন্ম দেওয়া উচিত নয়। ভয়ংকর ব্যাপার হলো, আনন্দ আকাঙ্ক্ষী অহংকারী প্রাপ্তবয়স্কদের কাজের ফল হিসেবে শিশুদের শুধু এই পৃথিবীতে ছুঁড়ে ফেলা হয়, এবং পরে শিশুটির জীবনের অর্থ এত স্বেচ্ছায় চাপিয়ে দেওয়া হয়।
** নাওকি ইয়ানাসে, ''翻訳からの回路'', ১৯৮৪
* ধ্বংসের চিহ্ন তোমাদের ভ্রুতে লেখা আছে, আর কতদিন তোমরা পিন ফোটানোর বিরুদ্ধে লাথি মারবে? কিন্তু একটাই বিজয় এবং একটাই মুকুট আছে, একটাই মুক্তি এবং একটাই সমাধান আছে। নিজেদের চেনো, অনুর্বর হও এবং তোমাদের পর পৃথিবীটাকে শান্ত হতে দাও।
** পিটার ওয়েসেল জাপফে, [https://philosophynow.org/issues/45/The_Last_Messiah ''দ্য লাস্ট মেসায়াহ''], ১৯৩৩
* ভবিষ্যতের কোনো বিজয় বা রূপান্তর একজন মানুষের ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাকে করুণভাবে ধ্বংস করার ন্যায্যতা প্রমাণ করতে পারে না।
** পিটার ওয়েসেল জাপফে, ''দ্য কন্সপিরেসি অ্যাগেইনস্ট দ্য হিউম্যান রেস: আ কন্ট্রাইভেন্স অব হরর'', ১৯৫৮
* সর্বোপরি, আমাদের অবশ্যই প্রজননের প্রশ্নটিকে নৈতিকভাবে প্রাসঙ্গিক করে তুলতে হবে। একজন ভিখারিকে দেওয়ার আগে একটি মুদ্রা ঘুরিয়ে দেখা হয়, অথচ একটি শিশুকে কোনো রকম দ্বিধা ছাড়াই মহাজাগতিক নিষ্ঠুরতার মধ্যে ছুঁড়ে ফেলা হয়।
** পিটার ওয়েসেল জাপফে, ''এসেজ ওগ এপিস্টলার'', ১৯৬৭
* তুমি আমাকে পেয়েছ। কিন্তু আমার ছেলেকে তুমি পাবে না। তুমি প্রজননকেও আমার ইচ্ছার ওপর ছেড়ে দিয়ে একটি মারাত্মক ভুল করেছিলে। আর তুমি এটি ভালোবাসা থেকে করোনি..., বরং সব দায়িত্বের মধ্যে সবচেয়ে ভারী দায়িত্বটি আমার কাঁধে চাপানোর জন্য করেছ...: আমি কি এই প্রজাতিকে টিকিয়ে রাখব নাকি রাখব না? আর এখন থেকে আমি আর জিজ্ঞাসা করব না তুমি কী চাও; বরং তুমি জিজ্ঞাসা করবে আমি কী চাই। আর আমি জীবনের ঈশ্বরের কাছে আর কোনো বলির প্রস্তাব দেব না। আমাকে যন্ত্রণা দেওয়ার জন্য তুমি আমাকে যে সামর্থ্য দিয়েছ, আমি তা দিয়েই তোমাকে শাস্তি দেব; আমি আমার দিব্যদৃষ্টি তোমার বিরুদ্ধে কাজে লাগাব এবং এর মাধ্যমে তোমাকে তোমার শিকার থেকে বঞ্চিত করব। আর নির্যাতিত লাখ লাখ মানুষ লাঙলের মতো আমার পেছনে দাঁড়াবে... আর চিরকাল দুজন মানুষ মিলে একজন মানুষ তৈরি করবে... এভাবে তুমি তোমার রক্তমাখা হাঁটুতে আমার কাছে ভিক্ষা চেয়ে নিজের অক্ষমতা অনুভব করবে।
** পিটার ওয়েসেল জাপফে, ''ওম ডেট ট্রাজিস্ক'', ১৯৮৩
* মানবজাতির উচিত নিজেদের ইচ্ছায় তাদের অস্তিত্ব শেষ করে দেওয়া।
** পিটার ওয়েসেল জাপফে, ''ভাদ ডিট বেটির আট ভেরে মেন্সকে'', ১৯৯০
* এই পৃথিবীতে সন্তান জন্ম দেওয়া হলো জ্বলন্ত বাড়িতে কাঠ বয়ে নিয়ে যাওয়ার মতো।
** পিটার ওয়েসেল জাপফে, ''রিফ্লেক্সার ই ট্রাইল্লেগ্লাস: স্টেমার ফ্রা ভোর্ট আরহান্ড্রে'', ১৯৯৮
* আমার কাছে, একটি নির্জন দ্বীপ কোনো ট্র্যাজেডি নয়, একটি নির্জন গ্রহও নয়।
** পিটার ওয়েসেল জাপফে, ''ফিলোসফিক্যাল ডায়ালগস'', ১৯৯৯
* কারণ আমি এমন প্রাণীদের জীবন দেওয়ার অপরাধ করতে চাই না যারা পরে অসুখী হতে পারে এবং তাদের জন্মের মুহূর্তটিকে অভিশাপ দিতে পারে।
** {{w|গ্যাব্রিয়েলা জাপোলস্কা}}, ''ফিন-ডে সিয়েক্ল'ইস্টকা'', ১৮৯৪
** বর্ণনা: চরিত্র হেলেনার কথা। তিনি কেন সন্তান নেবেন না, এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি এটি বলেছিলেন। পরে তিনি মত বদলান এবং একটি সন্তানের জন্ম দেন।
== আরও দেখুন ==
* [[জন্ম]]
* [[জন্ম নিয়ন্ত্রণ]]
* [[দার্শনিক নিরাশাবাদ]]
== বহিঃসংযোগ ==
{{Wikipedia}}
[[বিষয়শ্রেণী:প্রজননবিরোধিতা| ]]
[[বিষয়শ্রেণী:নীতিশাস্ত্র]]
[[বিষয়শ্রেণী:দর্শন]]
dd41ujzex1btiirr27qhig5sbfodh8i
আতঙ্ক
0
12876
83287
78551
2026-05-02T19:54:03Z
Tuhin
172
83287
wikitext
text/x-wiki
[[File:Sir Charles Bell, Essays on Expression Wellcome L0021920.jpg|thumb|২৬২পিক্সেল|''এসেস অন এক্সপ্রেশন'' থেকে স্যার চার্লস বেলের আঁকা একজন আতঙ্কিত মানুষের ছবি।]]
[[File:Expression of the Emotions Figure 20.png|thumb|২৫০পিক্সেল|upright|right|[[চার্লস ডারউইন|চার্লস ডারউইনের]] ''[[w:দ্য এক্সপ্রেশন অফ দ্য ইমোশনস ইন ম্যান অ্যান্ড অ্যানিম্যালস|দ্য এক্সপ্রেশন অফ দ্য ইমোশনস ইন ম্যান অ্যান্ড অ্যানিম্যালস]]'' (১৮৭২) থেকে ২০ নম্বর চিত্র। ক্যাপশনে লেখা "চিত্র ২০: আতঙ্ক, ডক্টর ডুচেন কর্তৃক একটি ছবি থেকে সংগৃহীত।"]]
'''[[Wikipedia:Horror and terror|আতঙ্ক]]''' হলো এক প্রকার [[ভয়]], যা হুমকি বা বিপদের প্রতি একটি মানসিক প্রতিক্রিয়া। একে সাধারণত ভয়াবহ অভিজ্ঞতার পূর্ববর্তী আশঙ্কা এবং চরম ভীতির অনুভূতি হিসেবে বর্ণনা করা হয়।
== উক্তি ==
* আর ঈশ্বর যাকোবকে বললেন, ওঠো, বৈথেলে যাও এবং সেখানে বসবাস করো। সেখানে ঈশ্বরের উদ্দেশে একটি যজ্ঞবেদি নির্মাণ করো যিনি তোমার কাছে আবির্ভূত হয়েছিলেন, যখন তুমি তোমার ভাই এষৌর ভয়ে পালিয়ে যাচ্ছিলে। <br/>তখন যাকোব তার পরিবারবর্গকে এবং তার সাথে থাকা সকলকে বললেন, তোমাদের মাঝে যে সকল বিজাতীয় দেবতা রয়েছে তাদের ত্যাগ করো এবং পবিত্র হও ও তোমাদের বস্ত্র পরিবর্তন করো। এসো আমরা উঠি এবং বৈথেলে যাই। আমি সেখানে সেই ঈশ্বরের উদ্দেশে একটি যজ্ঞবেদি তৈরি করব, যিনি আমার বিপদের দিনে আমার ডাকে সাড়া দিয়েছিলেন এবং আমি যে পথে গিয়েছি সেখানে আমার সাথে ছিলেন। তখন তারা যাকোবের হাতে তাদের কাছে থাকা সমস্ত বিজাতীয় দেবতা এবং কানে থাকা সমস্ত দুল দিয়ে দিল। যাকোব সেগুলো শিখেমের কাছে একটি ওক গাছের নিচে পুঁতে রাখলেন। এরপর তারা যাত্রা শুরু করল এবং তাদের চারপাশের শহরগুলোর ওপর ঈশ্বরের আতঙ্ক চেপে বসল যার ফলে তারা যাকোবের পুত্রদের অনুসরণ করল না।
** [[আদিপুস্তক|জেনেসিস]] ৩৫:১ ৫
* এখন প্রায় মাঝরাত এবং অশুভ কিছু একটা ওত পেতে আছে <br> অন্ধকারের ভেতর <br> চাঁদের আলোয় তুমি এমন কিছু দেখলে যা তোমার হৃদস্পন্দন <br> থামিয়ে দেওয়ার মতো। <br> তুমি চিৎকার করার চেষ্টা করলে কিন্তু তোমার শব্দ করার আগেই আতঙ্ক তা <br> কেড়ে নিল <br> তুমি জমে যেতে শুরু করলে যখন বিভীষিকা তোমার চোখের দিকে হুবহু <br> তাকাল <br> তুমি পঙ্গু হয়ে গেলে <br> কারণ এটি একটি শিহরণ জাগানিয়া রাত <br> এবং সেই জন্তুর আক্রমণ থেকে কেউ তোমাকে বাঁচাতে <br> আসবে না <br> তুমি জানো এটি একটি শিহরণ জাগানিয়া রাত <br> তুমি তোমার প্রাণের জন্য লড়াই করছ একটি খুনে <br> শিহরণের রাতে।
:* [[রড টেম্পারটন]], ''[[w:থ্রিলার (গান)|থ্রিলার]]'', ''[[w:থ্রিলার (অ্যালবাম)|থ্রিলার]]'' অ্যালবাম থেকে (১৯৮২)
*স্মরণ করো যখন তোমার প্রতিপালক ফেরেশতাদের প্রতি প্রত্যাদেশ করলেন (এই বার্তা দিয়ে): “আমি তোমাদের সাথে আছি। সুতরাং মুমিনদের অবিচল রাখো। আমি কাফেরদের হৃদয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করব। অতএব তোমরা তাদের স্কন্ধের ওপর আঘাত করো এবং তাদের প্রতিটি আঙুলের ডগা কেটে ফেলো।”
**কুরআন ৮:১২ (ইউসুফ আলী)
*আর তোমরা তাদের মোকাবিলা করার জন্য তোমাদের সাধ্যমতো শক্তি এবং যুদ্ধের ঘোড়া প্রস্তুত রাখো, যা দিয়ে তোমরা আল্লাহর শত্রু ও তোমাদের শত্রুদের এবং তাদের বাইরে অন্যদের আতঙ্কিত করতে পারো, যাদের তোমরা চেনো না কিন্তু আল্লাহ চেনেন। আল্লাহর পথে তোমরা যা কিছু ব্যয় করবে তার পূর্ণ প্রতিদান তোমাদের দেওয়া হবে এবং তোমাদের প্রতি কোনো অন্যায় করা হবে না।
**কুরআন ৮:৬০ (ইউসুফ আলী)
*শীঘ্রই আমি কাফেরদের হৃদয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করব কারণ তারা আল্লাহর সাথে শরিক সাব্যস্ত করেছে যার কোনো প্রমাণ নাযিল করা হয়নি। তাদের আবাসস্থল হবে অগ্নি এবং জালিমদের আবাসস্থল কতই না নিকৃষ্ট।
**কুরআন ৩:১৫১ (এম. এম. পিকথাল)
*আমাকে আতঙ্ক দিয়ে বিজয়ী করা হয়েছে।
** বুখারী, খণ্ড ৪, বই ৫৬, নং ২৯৭৭।
== আরও দেখুন ==
* [[ভয়াবহতা]]
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া|ভয় ও আতঙ্ক}}
{{উইকিঅভিধান|আতঙ্ক}}
[[বিষয়শ্রেণী:মনোবিজ্ঞান]]
jaalxxx7yho70dvo5c4rn61o82tskk5
মণিপুর
0
12915
83290
78667
2026-05-02T20:04:02Z
Tuhin
172
83290
wikitext
text/x-wiki
[[File:Manipur in India.svg|thumb|মণিপুর]]
'''[[w:মণিপুর|মণিপুর]]''' হলো উত্তর-পূর্ব [[w:ভারতের অঙ্গরাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল|ভারতের]] একটি রাজ্য, যার রাজধানী হলো [[w:ইম্ফল|ইম্ফল]]। এর উত্তরে নাগাল্যান্ড, দক্ষিণে মিজোরাম এবং পশ্চিমে আসাম অবস্থিত এবং এর পূর্ব দিকে রয়েছে [[w:মায়ানমার|মিয়ানমার]]।
[[মৈতৈ জাতি|মৈতৈরা]] মণিপুর রাজ্যের প্রধান জাতিগোষ্ঠী, যাদের ভিত্তি হিসেবে [[মৈতৈ সভ্যতা|মৈতৈ সভ্যতাকে]] কৃতিত্ব দেওয়া হয়। এই সভ্যতার শিল্পকলা, সাহিত্য, দর্শন এবং ক্রীড়াসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ উপাদানের মাধ্যম হলো [[মৈতৈ ভাষা]]।
== উক্তি ==
* পোলোর উৎস হিসেবে মণিপুর রাজ্যকে চিহ্নিত করা যায় (আনুমানিক ৩১০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ), যখন এটি 'সগোল কাংজৈ' হিসেবে খেলা হতো। অন্যান্য দাবি অনুযায়ী এটি পারস্য বংশোদ্ভূত, যা আনুমানিক ৫২৫ খ্রিস্টপূর্বাব্দে 'পুলু' নামে খেলা হতো।
** দ্য গিনেস বুক অফ রেকর্ডস ১৯৯১। (১৯৯০)। যুক্তরাজ্য: গিনেস পাবলিশিং। পৃ. ২৮৮
* এটি নথিবদ্ধ করা হয়েছে যে, মণিপুর একটি সার্বভৌম দেশ ছিল যা তাদের রাজতন্ত্র দ্বারা শাসিত হতো। সুবিকশিত সাহিত্যিক ভাষা, সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, রীতিনীতি ও ঐতিহ্য এবং আচার-অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এর নিজস্ব দুই সহস্রাব্দের পুরনো সাংস্কৃতিক কাঠামো ছিল, যা মণিপুরি সভ্যতার জন্ম ও উত্থানের এক জীবন্ত সাক্ষ্য প্রদান করে।
** [https://books.google.co.in/books?id=kqJVDwAAQBAJ&pg=PT4&dq=meitei+people+civilization&hl=en&newbks=1&newbks_redir=0&source=gb_mobile_search&sa=X&ved=2ahUKEwjr4MeczIaBAxUG1jgGHbIoCJM4HhDoAXoECAUQAw#v=onepage&q&f=false নুংলেকপাম প্রেমি দেবী, এ গ্লিম্পস অফ মণিপুরি লিটারারি ওয়ার্কস। (২০১৮)। এফএসপি মিডিয়া পাবলিকেশনস। পৃ. ৪]
* মণিপুর ছিল একটি প্রাচীন রাজ্য, যা মানব সভ্যতা ও সৃজনশীলতার এক সূতিকাগার। এটি বিভিন্ন সময়ে আসা নানা জাতিগোষ্ঠীর সংস্কৃতির প্রভাবে এসেছে, যারা মণিপুরের সভ্যতার বিকাশে অবদান রেখেছে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ভারতের প্রবেশদ্বার হওয়ায়, মণিপুরের ইতিহাস ও সাংস্কৃতিক বিকাশে এর ভৌগোলিক অবস্থান এবং বাস্তুসংস্থান দ্বারা প্রভাবিত হয়েছে।
** সালাম আইরিন, [https://books.google.co.in/books?id=RHmkHBTT_T0C&pg=PA12&dq=meitei+people+civilization&hl=en&newbks=1&newbks_redir=0&source=gb_mobile_search&sa=X&ved=2ahUKEwiCnquhy4aBAxU79zgGHURRASc4ChDoAXoECAoQAw#v=onepage&q&f=false দ্য মুসলিমস অফ মণিপুর। (২০১০)। ভারত: কল্পজ পাবলিকেশনস। পৃ. ১২]
* এর মহিমান্বিত প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের কারণে মণিপুর 'ভারতের সুইজারল্যান্ড'-এর মতো উপাধি অর্জন করেছে। এই রাজ্যটি মৈতৈপাক, কাঙলৈপাক বা মৈতৈলৈপাক ছাড়াও আরও ২০টি নামে পরিচিত। এটি ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় সাতটি রাজ্যের মধ্যে সবচেয়ে সুন্দর। চমৎকার দৃশ্যপট, চারদিকের উপত্যকা, নীল জলের হ্রদ, ঘন বন এবং উপত্যকার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া মেঘমালা – এই সবকিছু মিলে পুরো অঞ্চলটিকে পৃথিবীর স্বর্গ বলে মনে হয়।
** {{cite book|author=অনিতা গৌর|title=দ্য লাইফ অ্যান্ড টাইমস অফ এম.সি. মেরি কম|url=https://books.google.com/books?id=2LOaDAAAQBAJ&pg=PA12|isbn=978-93-5186-599-5|page=১২}}
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতের রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল]]
tdjq9glzqe2hpjbnvw97gfa5mijhjqa
83296
83290
2026-05-03T00:40:34Z
ARI
356
/* উক্তি */
83296
wikitext
text/x-wiki
[[File:Manipur in India.svg|thumb|মণিপুর]]
'''[[w:মণিপুর|মণিপুর]]''' হলো উত্তর-পূর্ব [[w:ভারতের অঙ্গরাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল|ভারতের]] একটি রাজ্য, যার রাজধানী হলো [[w:ইম্ফল|ইম্ফল]]। এর উত্তরে নাগাল্যান্ড, দক্ষিণে মিজোরাম এবং পশ্চিমে আসাম অবস্থিত এবং এর পূর্ব দিকে রয়েছে [[w:মায়ানমার|মিয়ানমার]]।
[[মৈতৈ জাতি|মৈতৈরা]] মণিপুর রাজ্যের প্রধান জাতিগোষ্ঠী, যাদের ভিত্তি হিসেবে [[মৈতৈ সভ্যতা|মৈতৈ সভ্যতাকে]] কৃতিত্ব দেওয়া হয়। এই সভ্যতার শিল্পকলা, সাহিত্য, দর্শন এবং ক্রীড়াসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ উপাদানের মাধ্যম হলো [[মৈতৈ ভাষা]]।
== উক্তি ==
* পোলোর উৎস হিসেবে মণিপুর রাজ্যকে চিহ্নিত করা যায় (আনুমানিক ৩১০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ), যখন এটি সগোল কাংজৈ হিসেবে খেলা হতো। অন্যান্য দাবি অনুযায়ী এটি পারস্য বংশোদ্ভূত, যা আনুমানিক ৫২৫ খ্রিস্টপূর্বাব্দে পুলু নামে খেলা হতো।
** দ্য গিনেস বুক অফ রেকর্ডস ১৯৯১। (১৯৯০)। যুক্তরাজ্য: গিনেস পাবলিশিং। পৃ. ২৮৮
* এটি নথিবদ্ধ করা হয়েছে যে, মণিপুর একটি সার্বভৌম দেশ ছিল যা তাদের রাজতন্ত্র দ্বারা শাসিত হতো। সুবিকশিত সাহিত্যিক ভাষা, সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, রীতিনীতি ও ঐতিহ্য এবং আচার-অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এর নিজস্ব দুই সহস্রাব্দের পুরনো সাংস্কৃতিক কাঠামো ছিল, যা মণিপুরি সভ্যতার জন্ম ও উত্থানের এক জীবন্ত সাক্ষ্য প্রদান করে।
** [https://books.google.co.in/books?id=kqJVDwAAQBAJ&pg=PT4&dq=meitei+people+civilization&hl=en&newbks=1&newbks_redir=0&source=gb_mobile_search&sa=X&ved=2ahUKEwjr4MeczIaBAxUG1jgGHbIoCJM4HhDoAXoECAUQAw#v=onepage&q&f=false নুংলেকপাম প্রেমি দেবী, এ গ্লিম্পস অফ মণিপুরি লিটারারি ওয়ার্কস। (২০১৮)। এফএসপি মিডিয়া পাবলিকেশনস। পৃ. ৪]
* মণিপুর ছিল একটি প্রাচীন রাজ্য, যা মানব সভ্যতা ও সৃজনশীলতার এক সূতিকাগার। এটি বিভিন্ন সময়ে আসা নানা জাতিগোষ্ঠীর সংস্কৃতির প্রভাবে এসেছে, যারা মণিপুরের সভ্যতার বিকাশে অবদান রেখেছে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ভারতের প্রবেশদ্বার হওয়ায়, মণিপুরের ইতিহাস ও সাংস্কৃতিক বিকাশে এর ভৌগোলিক অবস্থান এবং বাস্তুসংস্থান দ্বারা প্রভাবিত হয়েছে।
** সালাম আইরিন, [https://books.google.co.in/books?id=RHmkHBTT_T0C&pg=PA12&dq=meitei+people+civilization&hl=en&newbks=1&newbks_redir=0&source=gb_mobile_search&sa=X&ved=2ahUKEwiCnquhy4aBAxU79zgGHURRASc4ChDoAXoECAoQAw#v=onepage&q&f=false দ্য মুসলিমস অফ মণিপুর। (২০১০)। ভারত: কল্পজ পাবলিকেশনস। পৃ. ১২]
* এর মহিমান্বিত প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের কারণে মণিপুর 'ভারতের সুইজারল্যান্ড'-এর মতো উপাধি অর্জন করেছে। এই রাজ্যটি মৈতৈপাক, কাঙলৈপাক বা মৈতৈলৈপাক ছাড়াও আরও ২০টি নামে পরিচিত। এটি ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় সাতটি রাজ্যের মধ্যে সবচেয়ে সুন্দর। চমৎকার দৃশ্যপট, চারদিকের উপত্যকা, নীল জলের হ্রদ, ঘন বন এবং উপত্যকার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া মেঘমালা – এই সবকিছু মিলে পুরো অঞ্চলটিকে পৃথিবীর স্বর্গ বলে মনে হয়।
** {{cite book|author=অনিতা গৌর|title=দ্য লাইফ অ্যান্ড টাইমস অফ এম.সি. মেরি কম|url=https://books.google.com/books?id=2LOaDAAAQBAJ&pg=PA12|isbn=978-93-5186-599-5|page=১২}}
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতের রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল]]
iei9hn8yvjmozu9kilmwziam0j9mfqi
মৈতৈ জাতি
0
12939
83291
78785
2026-05-02T20:07:37Z
Tuhin
172
83291
wikitext
text/x-wiki
'''[[w:মৈতৈ জাতি|মৈতৈ জাতি]]''' (মীতি জাতি বা মণিপুরি জাতি) হলো [[মণিপুর|মণিপুরের]] একটি আদিবাসী জাতিগোষ্ঠী। তাদের মাতৃভাষা হলো [[মৈতৈ ভাষা]] এবং তারা তাদের উন্নত [[মৈতৈ সভ্যতা|মৈতৈ সভ্যতার]] জন্য সুপরিচিত।
== উক্তি ==
* মৈতৈরা, যারা আসামের মণিপুরে প্রভাবশালী জাতি হিসেবে পরিচিত, তারা মূলত তিব্বতি-বর্মি ভাষায় কথা বলা একটি মঙ্গোলীয় জনগোষ্ঠী। রক্ত এবং ভাষার দিক থেকে তারা চারপাশের পাহাড়ি উপজাতিদের সাথে সম্পর্কিত হলেও, তারা সামাজিক সংস্কৃতির উচ্চতর স্তরে উন্নীত হয়েছে। এর ফলে তারা বর্বরতার অরণ্যের মাঝে তুলনামূলক সভ্যতা এবং সুসংগঠিত সমাজের একটি অনন্য মরুদ্যান গঠন করেছে।
** [https://archive.org/details/cu31924029281801/page/448/mode/1up ফ্রেজার, জে. জি. (১৯১৮)। ফোক-লোর ইন দ্য ওল্ড টেস্টামেন্ট: স্টাডিজ ইন কমপ্যারেটিভ রিলিজিয়ন, লিজেন্ড অ্যান্ড ল। যুক্তরাজ্য: ম্যাকমিলান। পৃ. ৪৪৮]
* মণিপুর হলো মৈতৈ জাতির আবাসস্থল, যারা মূলত উর্বর ইম্ফল উপত্যকায় কেন্দ্রীভূত, যার মধ্য দিয়ে মণিপুর নদী প্রবাহিত হয়। মৈতৈরা সাংস্কৃতিকভাবে অত্যন্ত সমৃদ্ধ এবং এই অঞ্চলের অন্যান্য গোষ্ঠী যেমন নাগা এবং কুকিদের থেকে একটি স্বতন্ত্র জাতিগোষ্ঠী।
** [https://books.google.co.in/books?id=DcKGAwAAQBAJ&pg=PA306 চাড্ডা, ভি. (২০০৫)। লো ইনটেনসিটি কনফ্লিক্টস ইন ইন্ডিয়া: এন অ্যানালাইসিস। ভারত: সেজ পাবলিকেশনস। পৃ. ৩০৬]
* অবশ্যই এই ব্যবস্থায় কিছু ব্যতিক্রম ছিল। যেমন, ব্রিটিশ ঔপনিবেশিকদের দৃষ্টিতে মণিপুরিরা, বিশেষ করে মৈতৈরা, "বর্বর জনগোষ্ঠীর ভিড়ের" মধ্যে "তুলনামূলক সভ্যতার এক অনন্য মরুদ্যান" হিসেবে দাঁড়িয়ে ছিল। এটি এমন এক ব্যতিক্রম যা এশীয় জনগণের সম্পর্কে প্রাচ্যবাদীদের দৃষ্টিভঙ্গিকে বৈধতা দিয়েছিল।
** [https://books.google.co.in/books?id=BapCbbhL8EAC&pg=PA120 বিশ্বাস, পি. এবং থমাস, সি. জে. (২০০৬)। পিস ইন ইন্ডিয়াস নর্থ-ইস্ট: মিনিং, মেটাফর, অ্যান্ড মেথড। ভারত: রিজেন্সি পাবলিকেশনস। পৃ. ১২০]
* মৈতৈরা ফর্সা রঙের এবং আকর্ষণীয় মানুষ। মৈতৈ নারীদের সৌন্দর্য সুপরিচিত। এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই যে তারা অহোম এবং ত্রিপুরার রাজাদের প্রিয় রানি ছিলেন। পুরুষরাও একইভাবে সুদর্শন এবং বলিষ্ঠ।
** [https://books.google.co.in/books?id=wxkC9S2jYCkC&pg=PA1549 প্রকাশ, সি. ভি. (২০০৭)। এনসাইক্লোপিডিয়া অফ নর্থ-ইস্ট ইন্ডিয়া। ভারত: আটলান্টিক পাবলিশার্স। পৃ. ১৫৪৯]
* মণিপুরের নথিবদ্ধ ইতিহাসে নাগা উপজাতিদের সাথে সম্পর্কের এবং নাগা উপজাতি প্রধানদের কর প্রদানের অসংখ্য উল্লেখ রয়েছে। মণিপুরি রাজাদের সেনাবাহিনীতে নিয়মিত নাগাদের নিয়োগ করা হতো। অনেক নাগা উপজাতি মৈতৈ ভাষায় কথা বলত। অনেক নাগা গ্রামের নিজস্ব নামের পাশাপাশি মণিপুরি নামও ছিল। যখনই কোনো মণিপুরি নাগা গ্রামে যেতেন, তাকে সম্মানিত অতিথি হিসেবে গণ্য করা হতো। অনেক নাগা গ্রাম মণিপুরি রাজাদের বার্ষিক কর প্রদান করত।
** [https://books.google.co.in/books?id=6fSpCQAAQBAJ&pg=PA96 রামমোহন, ই. এন. (২০১১)। কাউন্টারিং ইনসারজেন্সি ইন ইন্ডিয়া: এন ইনসাইডারস ভিউ। ভারত: ভিজ বুকস ইন্ডিয়া। পৃ. ৯৬]
* মৈতৈরা মণিপুরি জনগণের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ। তারা তুলনামূলকভাবে সমৃদ্ধ ছিল, যেহেতু তাদের দখলে উর্বর উপত্যকা ছিল। ফলে, তাদের মধ্যে কেউ কেউ নিজেদের চারপাশের পাহাড়ের উপজাতি প্রতিবেশীদের তুলনায় শ্রেষ্ঠ এবং সভ্য মনে করবে এটাই স্বাভাবিক। মৈতৈরা বাইরের পৃথিবী এবং এর প্রগতিশীল ধারণার সাথে পরিচিত ছিল, তাই পাহাড়ি উপজাতিদের তুলনায় তারা উন্নত অবস্থায় রয়েছে।
** [https://books.google.co.in/books?id=wxkC9S2jYCkC&pg=PA1549 প্রকাশ, সি. ভি. (২০০৭)। এনসাইক্লোপিডিয়া অফ নর্থ-ইস্ট ইন্ডিয়া। ভারত: আটলান্টিক পাবলিশার্স। পৃ. ১৫৪৯]
* "পঁয়ত্রিশ বছর বয়সী 'আবেয়মা' লাইচারাম ইচান দেবীর কান্না মৈরাংয়ের খোয়োল কৈতৈল ত্রাণ শিবিরের বিশাল খোলা হলগুলোকে আচ্ছন্ন করে রেখেছে, যেখানে প্রতিবেশী সীমান্ত গ্রামগুলো থেকে আসা প্রায় ৪০০ মৈতৈ পরিবার আশ্রয় নিয়েছে। তিনি বলেন যে, প্রতিবার যখনই তিনি চোখ বন্ধ করে ঘুমানোর চেষ্টা করেন, তখনই তিনি আগুনের দুঃস্বপ্ন দেখেন – সেই আগুনের, যা কেবল তার ঘরই নয়, পুরো গ্রামকে গ্রাস করেছিল। তিনি মনে করেন কীভাবে চুরাচাঁদপুর এবং বিষ্ণুপুরের সীমান্তে অবস্থিত তোরবাংয়ে উন্মত্ত জনতা নেমে এসেছিল এবং ঘরবাড়ি লুটপাট ও পোড়ানো শুরু করেছিল.."<br>"তার স্বামী শিবিরের অন্যান্য পুরুষদের সাথে মিলে রাতে আরও আক্রমণ থেকে গ্রাম পাহারা দিতে স্থানীয়দের সাহায্য করেন। স্বেচ্ছাসেবক এবং বেসামরিক নাগরিকদের এমন সশস্ত্র পাহারা এই মুহূর্তে সহিংসতা-কবলিত জেলাগুলোতে একটি সাধারণ চিত্র। তা সত্ত্বেও ইচান দেবী এবং শিবিরের অন্যরা অন্য একটি হামলার ক্রমাগত আতঙ্কে দিন কাটান। তিনি তার ছয় বছর বয়সী বড় ছেলের দিকে আঙুল দেখিয়ে আরও যোগ করেন, “আমি আট দিন ধরে গোসল করিনি। আমার বাচ্চারা বিস্কুট খেয়ে বেঁচে আছে। শীঘ্রই তাদের কাছে সেটিও থাকবে না।”"<br>"এই নারীদের কারোরই ফিরে যাওয়ার মতো কোনো ঘরবাড়ি অবশিষ্ট নেই। তিনি বলেন, “তারা সবকিছু পুড়িয়ে দিয়েছে এবং চুরাচাঁদপুরে আমাদের পূর্বপুরুষদের জমিকে আদিবাসী ভূমি হিসেবে ঘোষণা করেছে। এটি আইনত আমাদের জমি যা মৈতৈদের ছিল। চুরাচাঁদপুরই আমার ঘর।”"
** [https://www.outlookindia.com/national/the-burden-of-riots-magazine-287805 আউটলুক ইন্ডিয়া: দ্য বারডেন অফ রায়টস]
* প্রাথমিক সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়েছিল মৈতৈদের "তফসিলি উপজাতি" মর্যাদা দেওয়ার দাবির মাধ্যমে, যা তাদের জমি মালিকানার অধিকারের পাশাপাশি শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ প্রদান করবে – যে সুবিধাগুলো কুকি সম্প্রদায় ইতিমধ্যে ভোগ করছে।
** [https://www.dw.com/en/india-is-manipur-reaching-a-breaking-point/a-67042906 ইন্ডিয়া: ইজ মণিপুর রিচিং এ ব্রেকিং পয়েন্ট?]
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতের ব্যক্তি]]
0vjkisysky02s2e7srgyr06jp5jrdd2
উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন
0
12996
83300
83180
2026-05-03T01:25:15Z
ARI
356
/* 'রেমিনিসেন্স অফ লর্ড কিলব্র্যাকেন' (১৯৩১) */
83300
wikitext
text/x-wiki
[[File:William Ewart Gladstone CDV 1861 for infobox.jpg|thumb|right|[[স্বাধীনতা|স্বাধীনতার]] প্রতি সহানুভূতি থাকা উচিত এবং এটিকে সুযোগ দেওয়ার ইচ্ছা থাকা উচিত, যা কোনো কাল্পনিক ধারণার ওপর ভিত্তি করে নয়, বরং বহু প্রজন্মের দীর্ঘ [[অভিজ্ঞতা|অভিজ্ঞতার]] ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে...]]
'''[[w:উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন|উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন]]''' (২৯ ডিসেম্বর ১৮০৯ – ১৯ মে ১৮৯৮) একজন ব্রিটিশ লিবারেল রাজনীতিবিদ এবং প্রধানমন্ত্রী (১৮৬৮–১৮৭৪, ১৮৮০–১৮৮৫, ১৮৮৬ এবং ১৮৯২–১৮৯৪) ছিলেন। তিনি একজন উল্লেখযোগ্য রাজনৈতিক সংস্কারক ছিলেন। তিনি তাঁর জনতাবাদী ভাষণের জন্য পরিচিত ছিলেন। এছাড়া তিনি দীর্ঘকাল ধরে [[বেঞ্জামিন ডিসরাইলি|বেঞ্জামিন ডিসরাইলির]] প্রধান রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন।
== উক্তি ==
[[File:Gladstone 1830s WH Mote ILN.jpg|thumb|right|আমি অভিজ্ঞতা থেকে ''নিশ্চিত'' যে, জীবনের শুরুতে কঠোরভাবে হিসাব রাখার সুবিধা অনেক।]]
=== ১৮৪০-এর দশক ===
*আমি আগেই আমার মতামত প্রকাশ করেছি যে, আফিম বাণিজ্য দমনের জন্য নোবেল লর্ডের হস্তক্ষেপ করা উচিত ছিল। [[চীন|চীনাদের]] কোনো বাড়াবাড়ির কারণে এই যুদ্ধ সমর্থনযোগ্য ছিল না। আমি ইতোমধ্যে বলেছি যে, চীনারা নিঃসন্দেহে অনেক অযৌক্তিক শব্দ ব্যবহার, অহংকার এবং কিছু বাড়াবাড়ির জন্য দোষী ছিল। তবে আমার মতে, ন্যায়বিচার তাদের পক্ষেই আছে। তারা পৌত্তলিক এবং অর্ধ-সভ্য বর্বর হওয়া সত্ত্বেও তাদের মধ্যে ন্যায়বিচার রয়েছে। অন্যদিকে আমরা আলোকিত এবং সভ্য [[খ্রিস্টধর্ম|খ্রিস্টান]] হয়েও ন্যায়বিচার ও ধর্ম উভয়ের পরিপন্থী উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ করছি।
**[[w:প্রথম আফিম যুদ্ধ|প্রথম আফিম যুদ্ধের]] বিরুদ্ধে হাউস অফ কমন্সে দেওয়া [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1840/apr/08/war-with-china-adjourned-debate#column_819 ভাষণ] (৮ এপ্রিল ১৮৪০)
*মাননীয় ভদ্রলোক যুক্তি দিয়েছেন, সরকারের প্রস্তাবিত পরিকল্পনা গ্রহণ করলে ভোক্তারা সুবিধা পাবে, রাজস্ব বাড়বে এবং প্রস্তুতকারকদের শিল্পের প্রসার ঘটবে। কিন্তু স্যার, আমরা যুক্তি দিচ্ছি যে, রাজস্বের সামান্য সুবিধা এবং ভোক্তাদের প্রায় অদৃশ্য ত্রাণের বিনিময়ে ব্রিটিশ প্রস্তুতকারকদের নিশ্চিত স্বার্থের ক্ষতি করা হচ্ছে। আপনাকে মানবতার একটি মহান নীতি বর্জন করতে বলা হচ্ছে। এই নীতিটি আইনসভার সবচেয়ে পবিত্র অনুমোদন লাভ করেছে; এট হলো দাস বাণিজ্য এবং [[দাসত্ব|দাসপ্রথার]] বিরুদ্ধে বিরোধিতার নীতি।
**হাউস অফ কমন্সে দেওয়া [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1841/may/10/sugar-duties-ways-and-means-adjourned#column_161 ভাষণ] (১০ মে ১৮৪১)। গ্ল্যাডস্টোন বিদেশি এবং ঔপনিবেশিক চিনির ওপর শুল্ক সমতা করার বিরোধী ছিলেন, কারণ তিনি বিশ্বাস করতেন যে এটি দাস বাণিজ্যকে উৎসাহিত করবে।
*আমি রাষ্ট্রে একটি বিবেক এবং একটি ক্যাথলিক বিবেকের ধারণা আঁকড়ে ধরেছিলাম। তবে এই ধারণাটি সাধারণ মানুষের মনে এতটাই দুর্বল হয়ে পড়েছে যে, জনস্বার্থের আন্দোলনে এটি একেবারেই অকেজো। আমি জানি না এই নীতির ওপর ভিত্তি করে কেউ [[w:মেনুথ কলেজ আইন ১৮৪৫|মেনুথ বিলের]] বিরোধিতা করছে কি না। যখন আমি নিজেকে জাহাজের শেষ ব্যক্তি হিসেবে আবিষ্কার করেছি, তখন আমি মনে করি আমি এটি ছেড়ে যেতে মুক্ত।
**[[জন হেনরি নিউম্যান|জন হেনরি নিউম্যানকে]] লেখা চিঠি (১৯ এপ্রিল ১৮৪৫), পিটার সি. এর্ব (২০১৩) সম্পাদিত ''দ্য করেস্পন্ডেন্স অফ হেনরি এডওয়ার্ড ম্যানিং অ্যান্ড উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন: ভলিউম টু, ১৮৪৪–১৮৫৩'' গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১৪১
* '''[[আয়ারল্যান্ড]], আয়ারল্যান্ড! পশ্চিমের ঐ মেঘ! ঐ আসন্ন ঝড়!''' নিষ্ঠুর, বদ্ধমূল এবং অর্ধেক প্রায়শ্চিত্ত করা অন্যায়ের ওপর [[ঈশ্বর|ঈশ্বরের]] প্রতিষেধক! আয়ারল্যান্ড আমাদের ওপর সেই মহান সামাজিক এবং ধর্মীয় প্রশ্নগুলো চাপিয়ে দেয়। ঈশ্বর আমাদের সেগুলোর মুখোমুখি হওয়ার এবং সেগুলো সমাধান করার [[সাহস]] দিন।
** তাঁর স্ত্রী ক্যাথরিন গ্ল্যাডস্টোনকে লেখা চিঠি (১২ অক্টোবর ১৮৪৫), জন মর্লির ''দ্য লাইফ অফ উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন, ভলিউম ওয়ান'' (১৯০৩) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৩৮৩
=== ১৮৫০-এর দশক ===
*আমি বিশ্বাস করি, দাস বাণিজ্য হলো মানব ইতিহাসের সবচেয়ে জঘন্য অপরাধ, যা কোনো খ্রিস্টান বা পৌত্তলিক দেশের ইতিহাসকে কলঙ্কিত করে।
**হাউস অফ কমন্সে দেওয়া [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1850/mar/19/slave-trade#column_1158 ভাষণ] (১৯ মার্চ ১৮৫০)
*এটি সরকারের একটি ব্যবস্থা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত ঈশ্বরের অস্বীকৃতি।
**''আ লেটার টু দ্য আর্ল অফ অ্যাবারডিন, অন দ্য স্টেট প্রসিকিউশনস অফ দ্য নিয়াপলিটান গভর্নমেন্ট'' (৭ এপ্রিল ১৮৫১), পৃষ্ঠা ৯
*আমি বিশ্বাস করি, আমরা আঞ্চলিক অধিগ্রহণের প্রাচীন দ্বন্দ্বের পরিবর্তে অন্য একটি দ্বন্দ্ব প্রতিষ্ঠা করতে কাজ করছি। এটি হলো জাতিগুলোর মধ্যে একটি শান্তিপূর্ণ এবং ভ্রাতৃত্বপূর্ণ দ্বন্দ্ব, যা শিল্প ও কলার একটি সৎ এবং মহৎ প্রতিযোগিতা।
**''অ্যান এক্সামিনেশন অফ দি অফিশিয়াল রিপ্লাই অফ দ্য নিয়াপলিটান গভর্নমেন্ট'' (১৮৫২), পৃষ্ঠা ৫০
*যদি এটি সত্য হয় যে, অতীতের কোনো এক সময়ে ইংল্যান্ড তার দৃষ্টান্তের মাধ্যমে বিশ্বের সামরিক সংগ্রামগুলোকে উদ্দীপিত করতে সম্পূর্ণ প্রভাব বিস্তার করেছিল, তবে এখন এবং ভবিষ্যতেও তার এগিয়ে আসা উচিত। তার দেখানো উচিত যে সে অভিজ্ঞতার ভারী পাঠ থেকে লাভবান হয়েছে। যদি বিধাতার পরিকল্পনায় তাকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়, তবে সে শান্তি, শিল্প এবং বাণিজ্যের ফলপ্রসূ পথে জাতিগুলোর পতাকাবাহী হতে পারে।
**''অ্যান এক্সামিনেশন অফ দি অফিশিয়াল রিপ্লাই অফ দ্য নিয়াপলিটান গভর্নমেন্ট'' (১৮৫২), পৃষ্ঠা ৫০
*আমরা পরোক্ষ [[কর|করারোপ]] থেকে তাদের ছাড় আরও প্রসারিত করার মাধ্যমে [[ইংল্যান্ড|ইংল্যান্ডের]] মহান শ্রমজীবী সম্প্রদায়ের প্রতি ন্যায়বিচার করার চেষ্টা করেছি। তবে আমরা এক শ্রেণিকে অন্য শ্রেণির বিরুদ্ধে দাঁড় করানোর কোনো ইচ্ছা দ্বারা পরিচালিত হইনি। আমরা অনুভব করেছি যে, শ্রেণি ও শ্রেণির মধ্যে কোনো বৈষম্য না করে আমরা আমাদের নিজস্ব সম্মান সবচেয়ে ভালোভাবে বজায় রাখতে পারব। এটি সংসদের মতামত পূরণে এবং দেশের স্বার্থকে উন্নীত করতে সহায়তা করবে। আমরা সমান এবং নিরপেক্ষ হাতে বোঝা ও সুবিধা বণ্টন করাকে পবিত্র লক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করেছি। আমরা বিশ্বাস করি, এই ধরনের প্রস্তাবগুলোর মাধ্যমে আমরা দেশের বস্তুগত সম্পদের বিকাশে অবদান রাখতে পারব। এছাড়া এই মহান জাতির বিভিন্ন শ্রেণিকে আগের চেয়ে আরও ঘনিষ্ঠভাবে সেই সিংহাসন এবং প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে যুক্ত করতে পারব, যার অধীনে বাস করা তাদের জন্য আনন্দের।
**হাউস অফ কমন্সে দেওয়া [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1853/apr/18/the-financial-statement-the-budget#column_1422 ভাষণ] (১৮ এপ্রিল ১৮৫৩)
*আমরা যখন সাধারণ যুদ্ধের কথা বলি, তখন আমরা স্বাধীনতার পথে প্রকৃত অগ্রগতি বোঝাই না। বলপ্রয়োগের মাধ্যমে অর্জিত মানুষের প্রকৃত, নৈতিক এবং সামাজিক অগ্রগতিও বোঝাই না। এটি উদ্দেশ্য হতে পারে, তবে সাধারণ যুদ্ধের ফল খুব কমই এমন হয়! আমরা এর দ্বারা বোঝাই যে প্রকৃতির চেহারা মানুষের রক্তে রঞ্জিত হয়। আমরা বোঝাই যে কর বৃদ্ধি পায় এবং শিল্প হ্রাস পায়। আমরা জানি এর অর্থ হলো অযৌক্তিক এবং অকথ্য বোঝা পরবর্তী প্রজন্মের ওপর চাপানো হয়। আমরা জানি এর অর্থ হলো নৈতিক অবক্ষয়, পরিবারগুলো ভেঙে যাওয়া এবং যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়া প্রতিটি দেশে লালসা লাগামহীন হয়ে ওঠা।
**ম্যানচেস্টারে দেওয়া ভাষণ (১২ অক্টোবর ১৮৫৩), ''দ্য টাইমস'' (১৩ অক্টোবর ১৮৫৩)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৭
*যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে আমাদের দাবি করা সমস্ত শর্তগুলো মূলত মেনে নেওয়া হয়েছে। আমার মাননীয় বন্ধু বলেছেন আরও ভালো শর্ত নিশ্চিত করার জন্য আমাদের অবশ্যই একটি সাফল্য অর্জন করতে হবে। তবে এটি জনমত নয়। সাধারণ মানুষের অনুভূতি হলো, শর্তের বিষয়ে কোনো বড় সমস্যা নেই, বরং আপনার যা প্রয়োজন তা হলো আরও সামরিক সাফল্য। এটি কেবল সমর্থনযোগ্য নয়, বরং এটি জঘন্য, অখ্রিস্টান, অনৈতিক এবং অমানবিক। আপনি যাকে সাফল্য বলেন, কেবল তার জন্য যুদ্ধ করার কোনো অধিকার আপনার নেই। আপনি যখন যুদ্ধের উদ্দেশ্যগুলো অর্জন করেছেন, তারপরও যদি সামরিক গৌরব অর্জনের জন্য এটি চালিয়ে যান, তবে আপনি ঈশ্বরের ন্যায়বিচারের সাথে প্রতারণা করছেন। তাঁর হাতে সেনাবাহিনীর ভাগ্য ঠিক সেভাবেই অর্পিত, যেভাবে দোলনায় ঘুমন্ত শিশুর ভাগ্য থাকে। আপনি তাঁর ক্রোধ আপনার ওপর নামিয়ে আনার জন্য তাঁকে প্রলুব্ধ করছেন। যদি এটাই সাহস হয়, তবে আমার অন্তত এমন পথে চলার কোনো সাহস নেই। আমি বিশ্বাস করি এটি সমানভাবে দোষী এবং মূর্খতার কাজ।
**[[w:ক্রিমীয় যুদ্ধ|ক্রিমীয় যুদ্ধ]] সম্পর্কে হাউস অফ কমন্সে দেওয়া [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1855/may/24/prosecution-of-the-war ভাষণ] (২৪ মে ১৮৫৫)
*[[ইউরোপ|ইউরোপের]] মহান আন্তর্জাতিক নীতি এবং আইনকে স্থায়ীভাবে বজায় রাখার একটিমাত্র উপায় রয়েছে। [[ফ্রান্স]], ইংল্যান্ড বা [[রাশিয়া|রাশিয়ার]] মতো শক্তিশালী কোনো শক্তি যদি আক্রমণাত্মক নীতির দিকে ঝুঁকে পড়ে, তবে তাকে সীমার মধ্যে রাখার একটিমাত্র পথ আছে। সেটি বড় নৌবহর বা শারীরিক শক্তির অন্য কোনো প্রদর্শনী বজায় রাখার মাধ্যমে নয়, বরং ইউরোপের কার্যকর সম্প্রীতি বজায় রাখার মাধ্যমে। আমি মনে করি শারীরিক শক্তির বিষয়টি সত্যিই একটি নগণ্য অংশ।
**হাউস অফ কমন্সে দেওয়া [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1855/aug/03/the-negotiations-at-vienna#column_1810 ভাষণ] (৩ আগস্ট ১৮৫৫)
*একটি নীতি খুব প্রয়োজনীয় হয়ে পড়েছে। ১৮৪১ সালে স্যার [[রবার্ট পিল]] যে সাধারণ নীতি সমর্থন করার জন্য দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন, তা হলো বিদেশে শান্তি, অর্থনীতি, আর্থিক ভারসাম্য, অপব্যবহারের অবিচল প্রতিরোধ এবং দেশে ব্যবহারিক উন্নতির প্রচার। এর সাথে অপ্রয়োজনীয়ভাবে উত্থাপিত সংস্কারের প্রশ্নগুলোর প্রতি অনীহা ছিল।
**হুইটওয়েল এলউইনকে লেখা চিঠি (২ ডিসেম্বর ১৮৫৬), জন মর্লির ''দ্য লাইফ অফ উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন, ভলিউম ওয়ান'' (১৯০৩) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৫৫৩
*ব্যয়ের চেয়ে আয়ের স্থিতিশীল উদ্বৃত্ত বজায় রাখা, পরোক্ষ কর অত্যধিক হলে জনগণের স্বস্তির জন্য তা হ্রাস করা, আমাদের আর্থিক ব্যবস্থাকে সহজ করা এবং আয়করের অস্থায়ী চরিত্র চিহ্নিত করে ও একে আইনের উপকারী পরিবর্তনের সাথে যুক্ত করে এর প্রতি সমর্থন জোগাড় করা। এই লক্ষ্যগুলোই পনেরো বছর ধরে আমাদের জীবনের কাজ ছিল।
**স্মারকলিপি (১৪ ফেব্রুয়ারি ১৮৫৭), জন ব্রুক এবং মেরি সোরেনসেন (সম্পাদিত), ''দ্য প্রাইম মিনিস্টারস পেপারস: ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোন. থ্রি: অটোবায়োগ্রাফিক্যাল মেমোরেন্ডা ১৮৪৫–১৮৬৬'' (১৯৭৮) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ২১৫
[[File:Destroying Chinese war junks, by E. Duncan (1843).jpg|thumb|[[যুদ্ধ]] মানবজাতির জন্য একটি ভয়ঙ্কর অভিশাপ। কিন্তু এটি এমন হওয়ায় যুগের [[প্রজ্ঞা]] এটিকে কঠোর [[আইন]] ও [[প্রথা|প্রথার]] মধ্যে আবদ্ধ করেছে। এছাড়া এটি মানুষের বন্য [[আবেগ|আবেগকে]] নিয়ন্ত্রণ করতে কিছু আনুষ্ঠানিকতা পালনের দাবি করেছে, যাতে সম্পূর্ণ [[বিবেচনা]] এবং চরম [[প্রয়োজনীয়তা]] ছাড়া এই অভিশাপ মুক্ত হতে না পারে। আপনি এই সমস্ত সতর্কতাগুলো পরিহার করেছেন।]]
* স্যার, চীনের সাথে যুদ্ধ হচ্ছে না, কিন্তু সেখানে কী হচ্ছে? সেখানে শত্রুতা চলছে। রক্তপাত হচ্ছে। শক্তিমানরা দুর্বলদের পদদলিত করছে। দুর্বলরা শক্তিমানদের ওপর ভয়ংকর এবং ঘৃণ্য প্রতিশোধ নিচ্ছে। আপনি এখন এই হাউসে একজন চীনা রুটিওয়ালা সম্পর্কে মর্মান্তিক বিবরণ দিচ্ছেন, যে রুটিতে বিষ মিশিয়েছিল। আপনি ব্রিটিশদের মাথা কাটার ঘোষণা এবং একটি ডাকবাহী স্টিমারে হামলার কথা বলছেন। আপনি মনে করেন এগুলো আপনার মামলাকে শক্তিশালী করবে। কিন্তু এগুলো আপনার অপরাধকে আরও গভীর করে তোলে। এগুলো আপনাকে আরও সম্পূর্ণভাবে ভুলের দিকে ঠেলে দেয়। '''যুদ্ধ মানবজাতির জন্য একটি ভয়ঙ্কর অভিশাপ। কিন্তু এটি এমন হওয়ায় যুগের প্রজ্ঞা এটিকে কঠোর আইন ও প্রথার মধ্যে আবদ্ধ করেছে। এছাড়া এটি মানুষের বন্য আবেগকে নিয়ন্ত্রণ করতে কিছু আনুষ্ঠানিকতা পালনের দাবি করেছে, যাতে সম্পূর্ণ বিবেচনা এবং চরম প্রয়োজনীয়তা ছাড়া এই অভিশাপ মুক্ত হতে না পারে। আপনি এই সমস্ত সতর্কতাগুলো পরিহার করেছেন।''' আপনি একজন কনসালকে একজন কূটনীতিক বানিয়েছেন। সেই পরিবর্তিত কনসাল এখন ইংল্যান্ডের পুরো শক্তি একটি প্রতিরক্ষাহীন জাতির বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে স্বাধীন। যুদ্ধ মানুষের জন্য অভিশাপ হলেও এর কিছু ইতিবাচক দিক রয়েছে। এর সাথে বীরত্বপূর্ণ আত্মত্যাগ এবং অসীম সাহসের কাজ জড়িত। আপনি মাঠে সমান শত্রুর মুখোমুখি হচ্ছেন এবং আপনি যখন জীবন বা মৃত্যুর চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেন, তখন আপনি অন্তত একটি ন্যায্য লড়াইয়ে অবতীর্ণ হন। কিন্তু আপনি চীনে গিয়ে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছেন, যারা আপনার সামনে নারী বা শিশুর মতো দাঁড়িয়ে আছে। তারা আপনাকে প্রতিরোধ করার চেষ্টা করে। তারা তাদের সৈন্য জড়ো করে। তারা তাদের বন্দুক লোড করে। তারা যুদ্ধে একজন মানুষকে হত্যা করে এবং অন্যজনকে আহত করে। কিন্তু তারা যখন এই কাজগুলো করে, তখন আপনি হয়তো হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করেন। তারা মাঠে আপনার মোকাবিলা করতে অক্ষম। তাদের মুখোমুখি হওয়ার জন্য আপনার কোনো সমান ক্ষেত্র নেই। এই ধরনের যুদ্ধে আপনি কোনো গৌরব অর্জন করতে পারবেন না। যারা ব্রিটিশ পতাকাকে এ ধরনের কাজে ব্যবহার করে, তারাই একে কলঙ্কিত করে। জাতীয় পতাকার প্রতি আমাদের যে আনুগত্য রয়েছে, সে সম্পর্কে তাদের কাছ থেকে আমাদের অলংকারিক অতিরঞ্জন শোনার কোনো কারণ নেই। চীনের যুদ্ধের অবস্থা এমনই। এই মানুষগুলোর আপনাকে উন্মুক্ত প্রতিরোধ করার কোনো উপায় নেই। তারা আপনার সামনে নারী ও শিশুর মতো। আপনি যখন তাদের সাথে যুদ্ধ করেন, তখন তারা কী করে? তারা তাদের শত্রুদের ধ্বংস করার জন্য সেই শোচনীয় এবং ঘৃণ্য কৌশলগুলোর আশ্রয় নেয়, যা তাদের দুর্বলতা তাদের শেখায়। বিশ্বের ইতিহাসে এমন ঘটনা এই প্রথম নয়। আপনি কি কখনও সেই দাসদের বিদ্রোহের কথা পড়েননি, যা যুদ্ধ বলা হতো এবং যা ইতিহাসে দাসদের যুদ্ধ হিসেবে লিপিবদ্ধ আছে? এটি কি সর্বজনবিদিত নয় যে, ইতিহাসে লিপিবদ্ধ সমস্ত যুদ্ধের মধ্যে সেগুলো সবচেয়ে ভয়ঙ্কর, হিংস্র এবং ধ্বংসাত্মক ছিল? কেন? কারণ যারা পদদলিত হয়েছিল, তারা তাদের অত্যাচারীদের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেওয়ার আবেগকে তৃপ্ত করতে কোনো সীমা মানেনি। তাদের বাড়াবাড়ি যতই ভুল হোক না কেন, যারা তাদের উসকে দিয়েছিল, তাদের পক্ষ থেকে এটি অভিযোগের ন্যায্য বিষয় হতে পারে না। এই যুদ্ধের কারণে হওয়া নিষ্ঠুরতা এবং অমানবিকতার প্রতিটি বিবরণ আমার কষ্ট ও লজ্জাকে আরও বাড়িয়ে তোলে। আমি বিশ্বাস করি, এই হাউস এই দুঃখজনক প্রতিযোগিতার উৎসের দিকে ফিরে তাকালে একই কষ্ট ও লজ্জা অনুভব করবে।
**[[w:দ্বিতীয় আফিম যুদ্ধ|দ্বিতীয় আফিম যুদ্ধের]] বিরুদ্ধে [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1857/mar/03/resolution-moved-resumed-debate-fourth#column_1802 হাউস অফ কমন্সে দেওয়া ভাষণ] (৩ মার্চ ১৮৫৭)
*এমন এক সময়ে যখন আবেগগুলো এতটাই বিভক্ত, আমি বিশ্বাস করি প্রত্যেক মানুষ তার ভোট দেওয়ার সময় এটি মনে রাখবে যে তার একটি মাত্র ভোটের ওপর নির্ভর করতে পারে যে [[চীন|চীনে]] আমি যে দুঃখকষ্ট, অপরাধ এবং অমানবিকতার ভয় করছি, তা বন্ধ করা হবে কি না। আমরা এখন সংকটের মধ্যে আছি। ইংল্যান্ড এখনও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ নয়। কিন্তু যদি একটি প্রতিকূল ভোট দেওয়া হয়, তবে ইংল্যান্ড প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হবে। এরপর আপনাদের সাথে, আমাদের সাথে, আমাদের প্রত্যেকের সাথে এটি দেখানোর দায়িত্ব থাকবে যে, এই হাউসটি বিশ্বের সবচেয়ে প্রাচীন এবং স্বাধীনতার শ্রেষ্ঠ মন্দির। এটি সেই চিরস্থায়ী ন্যায়বিচারেরও মন্দির, যা ছাড়া স্বাধীনতা কেবল একটি নাম বা মানবজাতির জন্য একটি অভিশাপ হয়ে দাঁড়াবে। আমি বিশ্বাস করি আজ রাতে যখন আপনি, স্যার, আপনার আসন থেকে ভোটের ফলাফল ঘোষণা করবেন, তখন আপনার কথাগুলো কেবল শান্তি ও ক্ষমার বার্তা হিসেবে নয়, বরং ব্রিটিশ ন্যায়বিচার ও প্রজ্ঞার বার্তা হিসেবে বিশ্বের দূরতম প্রান্তে পৌঁছে যাবে।
**[[w:দ্বিতীয় আফিম যুদ্ধ|দ্বিতীয় আফিম যুদ্ধের]] বিরুদ্ধে হাউস অফ কমন্সে দেওয়া [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1857/mar/03/resolution-moved-resumed-debate-fourth#column_1808 ভাষণ] (৩ মার্চ ১৮৫৭)
* সংখ্যাগরিষ্ঠের দ্বারা সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক ততটাই একটি উপায়, যতটা গ্যাসের মাধ্যমে আলো জ্বালানো।
** ''স্টাডিজ অন হোমার অ্যান্ড দ্য হোমারিক এজ'' (অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস, ১৮৫৮), পৃষ্ঠা ১১৬।
[[File:Gladstone-by-Watts-1859.jpg|thumb|right|আমি বলতে সাহস করছি যে, ব্যক্তিগত অযোগ্যতা বা রাজনৈতিক বিপদের কোনো বিবেচনায় যিনি সম্ভবত অক্ষম নন, এমন প্রত্যেক ব্যক্তি নৈতিকভাবে সংবিধানের আওতায় আসার অধিকারী।]]
* '''আমার আর্থিক বিশ্বাসে [[অর্থনীতি]] হলো প্রথম এবং প্রধান বিষয় (অর্থনীতি যেমনটা আমি বুঝি)।''' প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ করের মধ্যে বিতর্ক একটি গৌণ, তবে গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে।
** লিভারপুলে ফিন্যান্সিয়াল রিফর্ম অ্যাসোসিয়েশনের তাঁর ভাই রবার্টসনকে লেখা চিঠি (১৮৫৯), এফ. ডব্লিউ. হার্স্টের ''গ্ল্যাডস্টোন অ্যাজ ফাইন্যান্সিয়ার অ্যান্ড ইকোনমিস্ট'' (১৯৩১) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ২৪১
*১৮৫৩ সাল থেকে পরিস্থিতি কেমন ছিল? এই সত্যটি এড়িয়ে যাওয়া অর্থহীন যে, কেবল সরকারি বিভাগ বা মন্ত্রিসভার মধ্যেই নয়, বরং পুরো দেশজুড়ে এবং এই হাউসের আশেপাশেও জনসচেতনতার অভাব দেখা গেছে। সময়ের সাথে সাথে সামান্য পরীক্ষার মাধ্যমেই জনগণের তহবিলের ওপর সব ধরনের ব্যয় অনুমোদিত হয়েছে। এই বা সেই ব্যয়ের জন্য প্রত্যেক মানুষের আবেদন এত সহজে মেনে নেওয়া হয়েছে যে, এই ধারা আরও পাঁচ বা দশ বছর চলতে থাকলে দেশের অর্থনীতি সম্পূর্ণ বিশৃঙ্খলার মধ্যে পড়বে।
**বেঞ্জামিন ডিসরাইলির বাজেটের বিরুদ্ধে হাউস অফ কমন্সে দেওয়া [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1859/jul/21/financial-policy-of-the-late-government ভাষণ] (২১ জুলাই ১৮৫৯)
=== ১৮৬০-এর দশক ===
* '''আমি অভিজ্ঞতা থেকে ''নিশ্চিত'' যে, জীবনের শুরুতে কঠোরভাবে হিসাব রাখার সুবিধা অনেক।''' এটি ব্যাকরণ শেখার মতো, যা একবার শিখলে পরে আর বারবার দেখার প্রয়োজন হয় না।
** মিসেস গ্ল্যাডস্টোনকে লেখা চিঠি (১৪ জানুয়ারি ১৮৬০), এফ. ডব্লিউ. হার্স্টের ''গ্ল্যাডস্টোন অ্যাজ ফাইন্যান্সিয়ার অ্যান্ড ইকোনমিস্ট'' (১৯৩১) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ২৪২
*মহান লক্ষ্য হলো এই আইনের নৈতিক ও রাজনৈতিক তাৎপর্য এবং এর কাঙ্ক্ষিত ফল হিসেবে দুই দেশকে স্বার্থ ও স্নেহের মাধ্যমে একত্রিত করা। ব্রিটিশ বাণিজ্যের প্রসারের খাতিরে আপনি বা আমি কেউই এই [[w:কবডেন-শেভালিয়ার চুক্তি|চুক্তির]] ওপর আপাতত কোনো অতিমূল্য আরোপ করছি না। আমি যা খুঁজছি তা হলো সামাজিক কল্যাণ, দুই দেশের সম্পর্কের উন্নতি এবং ইউরোপের শান্তিতে এর প্রভাব।
**[[রিচার্ড কবডেন|রিচার্ড কবডেনকে]] লেখা চিঠি (আনুমানিক ১৮৬০), এইচ. সি. জি. ম্যাথিউয়ের ''গ্ল্যাডস্টোন, ১৮০৯–১৮৭৪'' (১৯৮৬) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১১৩
*স্যার, একসময় ইংল্যান্ড এবং ফ্রান্সের সরকারের মধ্যে বন্ধুত্বের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক স্থাপিত হয়েছিল। এটি ছিল পরবর্তী স্টুয়ার্টদের রাজত্বকালে। এটি আমাদের ইতিহাসে একটি অন্ধকার দিক চিহ্নিত করে, কারণ এটি একদিকে আধিপত্যবাদী উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং অন্যদিকে ভিত্তিহীন ও জঘন্য অধীনতার চেতনায় গঠিত একটি ঐক্য ছিল। কিন্তু স্যার, সেটি জাতিগুলোর ঐক্য ছিল না, সেটি ছিল সরকারের ঐক্য। এটি সরকারের ঐক্য নয়, এটি জাতিগুলোর ঐক্য হতে যাচ্ছে।
**[[w:কবডেন-শেভালিয়ার চুক্তি|অ্যাংলো-ফ্রেঞ্চ বাণিজ্যিক চুক্তি]] সম্পর্কে হাউস অফ কমন্সে দেওয়া [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1860/feb/10/customs-acts-committee-the-financial#column_836 ভাষণ] (১০ ফেব্রুয়ারি ১৮৬০)
*আমাদের প্রস্তাবগুলোর মধ্যে রয়েছে আমাদের শুল্কে একটি বড় সংস্কার, করের একটি বড় মওকুফ এবং সবশেষে ফ্রান্সের সাথে সেই বাণিজ্যিক চুক্তি। এ ধরনের পথ অনুসরণ করে আপনি জনগণের মধ্যে আশীর্বাদ ছড়িয়ে দিতে পারবেন। এই আশীর্বাদগুলো আপনার নিষ্পত্তির সবচেয়ে শক্তিশালী এবং স্বাস্থ্যকর আশীর্বাদগুলোর মধ্যে অন্যতম। কারণ এ ধরনের আইনে আপনি মানুষের জন্য যান্ত্রিক সাহায্য তৈরি করছেন না। তাদের নিজেদের যা করা উচিত, তা তাদের জন্য করার চেষ্টা করছেন না। বরং আপনি তাদের স্বাধীনতা সংকুচিত না করে তাদের সুযোগ বাড়াচ্ছেন। আপনি তাদের শ্রমের মূল্য দিচ্ছেন, তাদের দায়িত্ববোধকে জাগ্রত করছেন এবং তাদের সম্মানজনক আত্মনির্ভরশীলতাকে দুর্বল করছেন না।
**হাউস অফ কমন্সে দেওয়া [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1860/feb/10/customs-acts-committee-the-financial#column_871 ভাষণ] (১০ ফেব্রুয়ারি ১৮৬০)
*আমার নিজের দিক থেকে আমি গভীরভাবে নিশ্চিত যে, দেশের বৈধ চাহিদার বাইরে সরকারি ব্যয়ের সমস্ত বাড়াবাড়ি কেবল আর্থিক অপচয় নয়। এটি তুলনামূলকভাবে একটি তুচ্ছ বিষয় হলেও, এটি একটি বড় রাজনৈতিক এবং নৈতিক অন্যায়। আর্থিক অপচয়ের একটি বৈশিষ্ট্য হলো এটি নীরবে এবং গোপনে এগিয়ে আসে। এটি একটি বিশাল আকার ধারণ না করা পর্যন্ত অদৃশ্য এবং অনুভূত হয় না। অবশেষে আমরা এটিকে দেখতে পাই। সম্ভবত এটি এখন মহান ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে অন্তত একটির ক্ষেত্রে বিদ্যমান। এর দিকটি এত ভয়ানক এবং হুমকিস্বরূপ যে এটি জাতীয় অস্তিত্বের ভিত্তিকেই হুমকির মুখে ফেলে বলে মনে হয়।
**হাউস অফ কমন্সে দেওয়া [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1861/apr/15/first-night#column_595 ভাষণ] (১৫ এপ্রিল ১৮৬১)
*[[w:এডওয়ার্ড হর্সম্যান|স্ট্রাউডের মাননীয় সদস্য]] এই বাজেট সম্পর্কে বলেছেন, এটি সংবিধানে একটি মারাত্মক আঘাত। আমি জানতে চাই এটি কোন সংবিধানে মারাত্মক আঘাত হানে? আমার মতে এটি কোনো মারাত্মক আঘাত হানে না। বরং এটি সাম্প্রতিক অনুশীলনের যেকোনো কিছু পরিবর্তন করার ক্ষেত্রে সেই ভালো পুরোনো সংবিধান পুনরুদ্ধারের দিকে এগিয়ে যায়। এই সংবিধান স্যাক্সন সময়ে এর শিকড় গেড়েছিল, প্লান্টাজেনেটদের অধীনে বৃদ্ধি পেয়েছিল, টিউডরদের কঠোর শাসন সহ্য করেছিল এবং স্টুয়ার্টদের আগ্রাসন প্রতিরোধ করেছিল। এখন ব্রান্সউইক হাউসের শাসনে এটি নিখুঁত পরিপক্বতায় পৌঁছেছে।
**হাউস অফ কমন্সে দেওয়া [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1861/may/16/second-reading-second-night#column_2133 ভাষণ] (১৬ মে ১৮৬১)
* [[যুক্তরাষ্ট্রে দাসপ্রথা|দাসপ্রথা]] সম্পর্কে আমাদের নিজস্ব মতামত থাকতে পারে। আমরা [[দক্ষিণ যুক্তরাষ্ট্র|দক্ষিণের]] পক্ষে বা বিপক্ষে থাকতে পারি। তবে এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, [[জেফারসন ডেভিস]] এবং [[কনফেডারেট স্টেটস অফ আমেরিকা|দক্ষিণের অন্যান্য নেতারা]] একটি সেনাবাহিনী তৈরি করেছেন। তারা দৃশ্যত একটি নৌবাহিনী তৈরি করছেন এবং তারা এর চেয়েও বেশি কিছু করেছেন, ''তারা একটি জাতি তৈরি করেছেন''। উত্তর থেকে তাদের বিচ্ছিন্নতার বিষয়ে আমরা নিশ্চিতভাবে দক্ষিণের রাজ্যগুলোর সাফল্য আশা করতে পারি। আমি বিশ্বাস না করে পারি না যে, এই ঘটনাটি ভবিষ্যতের যেকোনো সম্ভাব্য ঘটনার মতোই নিশ্চিত।
** আমেরিকান গৃহযুদ্ধ নিয়ে টাউন হল, নিউক্যাসল আপন টাইনে দেওয়া ভাষণ (৭ অক্টোবর ১৮৬২), ''দ্য টাইমস'' (৯ অক্টোবর ১৮৬২)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৭-৮
* আমি বোঝাতে চাই যে, ব্যয়ের তথাকথিত বৃদ্ধির সাথে সাথে এমন একটি চেতনাও গড়ে ওঠে, যা অজান্তে জনগণের চেতনাকে প্রভাবিত করে। এটি সংসদের চেতনা, সরকারি বিভাগগুলোর চেতনা এবং সম্ভবত যাদের সংসদে প্রাক্কলন জমা দেওয়ার দায়িত্ব রয়েছে, তাদের চেতনাকেও প্রভাবিত করে।
** হাউস অফ কমন্সে দেওয়া ভাষণ (১৬ এপ্রিল ১৮৬৩), [[জন মর্লি|জন মর্লির]] ''দ্য লাইফ অফ উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন. ভলিউম টু'' (১৯০৩) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৬২
[[File:William Ewart Gladstone - Project Gutenberg eText 13103.jpg|thumb|right| [[ভুল|ভুলের]] বিরোধিতা করলেই যে কেউ [[সঠিক]] হবে, আমাদের মানসিক গঠনে তার খুব কম নিশ্চয়তাই রয়েছে।]]
* কিন্তু ব্যয়ের এই চেতনাকে কীভাবে দূর করা যায়? প্রচারের মাধ্যমে নয়, আপনার প্রচারের মাধ্যমেও তা সম্ভব হবে বলে আমি সন্দেহ করি। আমি গভীরভাবে সন্দেহ করি, যতদিন আমাদের আয়কর থাকবে, ততদিন এই চেতনা পুরোনো অর্থনীতির চেতনার জায়গা নিতে পারবে কি না। এর মধ্যেই গভীর ব্যবহারিক মুহূর্তের প্রশ্নগুলো লুকিয়ে আছে।
** রিচার্ড কবডেনকে লেখা চিঠি (৫ জানুয়ারি ১৮৬৪), [[জন মর্লি|জন মর্লির]] ''দ্য লাইফ অফ উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন ভলিউম টু'' (১৯০৩) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৬২
* '''আমি বলতে সাহস করছি যে, ব্যক্তিগত অযোগ্যতা বা রাজনৈতিক বিপদের কোনো বিবেচনায় যিনি সম্ভবত অক্ষম নন, এমন প্রত্যেক ব্যক্তি নৈতিকভাবে সংবিধানের আওতায় আসার অধিকারী।''' অধিকারের জন্য উপযুক্ততা থাকলে কাউকে সংবিধানের বাইরে রাখা যায় না। আমি শ্রমিক শ্রেণির একটি নির্বাচিত অংশের ক্ষেত্রে এটি প্রমাণ করতে পারি। বর্তমান পরিস্থিতি ভালো আছে, এই অজুহাতে তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করা যায় না। আমি আরও দাবি করি, যারা এ ধরনের মতামত প্রকাশ করেছেন এবং যাদের আমি শ্রমিক শ্রেণির সদস্য বলে জানি, তারা নাগরিকত্বের দায়িত্ব পালনের যোগ্য। তারা সেই দায়িত্ব পালনের অধিকার ভালোভাবে এবং ন্যায্যভাবে পাওয়ার অধিকারী।
** হাউস অফ কমন্সে দেওয়া [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1864/may/11/second-reading#column_324 ভাষণ] (১১ মে ১৮৬৪)
*কোন গুণগুলো একজন মানুষকে ভোটাধিকারের মতো সুবিধা প্রয়োগের যোগ্য করে তোলে? আত্মনিয়ন্ত্রণ, শৃঙ্খলার প্রতি সম্মান, কষ্টের মধ্যে ধৈর্য, আইনের প্রতি আস্থা এবং ঊর্ধ্বতনদের প্রতি সম্মান।
**হাউস অফ কমন্সে দেওয়া [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1864/may/11/second-reading#column_325 ভাষণ] (১১ মে ১৮৬৪)
*তাঁর দেবী যুক্তির বিষয়ে আমি কেবল এটিই বুঝি যে, মহাদেশে যা [[ফরাসি বিপ্লব|ফরাসি বিপ্লবের]] নীতি হিসেবে পরিচিত, তার গ্রহণ। ইংল্যান্ডে আমরা এগুলো চাইও না এবং এগুলো খুব একটা পছন্দও করি না।
**[[জুসেপ্পে গারিবালদি|জুসেপ্পে গারিবালদির]] ব্রিটেন সফরের পর হেনরি এডওয়ার্ড ম্যানিংকে লেখা চিঠি (আনুমানিক জুলাই ১৮৬৪), পিটার সি. এর্ব (২০১৩) সম্পাদিত ''দ্য করেস্পন্ডেন্স অফ হেনরি এডওয়ার্ড ম্যানিং অ্যান্ড উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন: ভলিউম থ্রি, ১৮৬১–১৮৭৫'' গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ২৮
* অবশেষে, আমার বন্ধুরা, আমি আপনাদের মাঝে এসেছি। এবং আমি এসেছি... ''মুক্তভাবে''।
**দক্ষিণ ল্যাঙ্কাশায়ারের নির্বাচকদের উদ্দেশে দেওয়া ভাষণ। (১৮ জুলাই ১৮৬৫)
*আমি লিবারেল সরকারের একজন সদস্য। আমি লিবারেল দলের সাথে যুক্ত। জীবনে প্রবেশ করার সময় আমি যে সত্যিকারের রক্ষণশীল উদ্দেশ্য এবং আকাঙ্ক্ষাগুলো ধারণ করেছিলাম, তা থেকে আমি কখনো বিচ্যুত হইনি। আমি আমার দেশের প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি আগের চেয়ে আরও বেশি অনুরক্ত হয়ে পড়েছি। ছোটবেলায় সিফোর্থের বালির পাহাড়ে বা [[লিভারপুল|লিভারপুলের]] রাস্তায় ঘুরে বেড়ানোর সময়ও আমার এতটা অনুরাগ ছিল না। কিন্তু অভিজ্ঞতা আমাকে শিক্ষা দিয়েছে। আমি শিখেছি যে বিশ্বাসের নীতিতে প্রজ্ঞা রয়েছে এবং অবিশ্বাসের নীতিতে মূর্খতা রয়েছে। আমি সময়ের লক্ষণগুলো গ্রহণ করতে অস্বীকার করিনি। আমি লিবারেল আইনের প্রভাব পর্যবেক্ষণ করেছি। যদি আমাদের বলা হয় যে দেশের সমস্ত অনুভূতি সর্বোত্তম এবং বিস্তৃত অর্থে রক্ষণশীল, অর্থাৎ মানুষ দেশ এবং দেশের আইন ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে মূল্য দেয়, তবে সততা আমাদের স্বীকার করতে বাধ্য করে যে এই ফলাফল লিবারেল আইনের মাধ্যমেই আনা হয়েছে।
**লিভারপুলে দেওয়া ভাষণ (১৮ জুলাই ১৮৬৫), ''দ্য টাইমস'' (১৯ জুলাই ১৮৬৫)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১১।
*ভদ্রমহোদয়গণ, বিশ্বে ইংল্যান্ডের অবস্থান একটি অদ্ভুত অবস্থান। ইংল্যান্ড হয়তো অন্য যেকোনো ইউরোপীয় দেশের চেয়ে অতীত যুগের সবচেয়ে মহৎ এবং শ্রদ্ধেয় ঐতিহ্য উত্তরাধিকারসূত্রে পেয়েছে। একই সাথে অতীতের তার ঐতিহ্যগুলো এতই সমৃদ্ধ এবং ফলপ্রসূ যে আমাদের সমস্ত মন এবং চরিত্র বহুলাংশে সেগুলো দ্বারা গঠিত হয়েছে। ভৌগোলিকভাবে সে একদিকে ইউরোপ এবং অন্যদিকে [[যুক্তরাষ্ট্র|আমেরিকার]] মাঝখানে দাঁড়িয়ে আছে। সে সেই [[সামন্তবাদ|সামন্ততান্ত্রিক]] প্রতিষ্ঠানগুলোর মাঝখানে দাঁড়িয়ে আছে, যেখানে ইউরোপীয় সমাজ গঠিত হয়েছিল এবং যা তাকে শ্রেণির একটি স্তরবিন্যাস দিয়েছে। অন্যদিকে সে আমেরিকায় সমাজের ভিত্তি গঠনকারী সমতার নীতিগুলোর মাঝখানেও দাঁড়িয়ে আছে।
**লিভারপুল লিবারেল অ্যাসোসিয়েশনের উদ্দেশে দেওয়া ভাষণ (৬ এপ্রিল ১৮৬৬), ''দ্য টাইমস'' (৭ এপ্রিল ১৮৬৬)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৯
*মাঝে মাঝে বলা হয় যে আমরা যে ব্যবস্থাটির প্রস্তাব করছি, তা একটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা। "[[গণতন্ত্র]]" শব্দের খুব ভিন্ন অর্থ রয়েছে। গণতন্ত্র মানে যদি স্বাধীনতা হয়, গণতন্ত্র মানে যদি প্রত্যেক মানুষকে তার নিজস্ব পরিমণ্ডলে প্রতিটি সুবিধা এবং প্রতিটি ভোটাধিকার প্রসারিত করা হয়, যা সে নিজের সুবিধার জন্য এবং রাষ্ট্রের নিরাপত্তার সাথে প্রয়োগ করতে পারে, তবে আমি স্বীকার করতে বাধ্য যে গণতন্ত্র শব্দটিতে আমাদের শঙ্কিত হওয়ার খুব বেশি কিছু নেই। (হর্ষধ্বনি) কিন্তু গণতন্ত্র মানে যদি জ্ঞানের বিরুদ্ধে অজ্ঞতাকে সিংহাসনে বসানো হয়, পুণ্যের বিরুদ্ধে পাপকে প্রতিষ্ঠা করা হয়, পদমর্যাদাকে অবজ্ঞা করা হয়, আমাদের পূর্বপুরুষরা আমাদের জন্য যা করেছেন তা ভুলে যাওয়া হয়, আমরা যে উত্তরাধিকার উপভোগ করছি তার প্রতি উদাসীনতা বা শীতলতা দেখানো হয়, তবে ভদ্রমহোদয়গণ, আমি একা এবং আমি বিশ্বাস করি যাদের আমি সম্বোধন করার সম্মান পেয়েছি তারা সবাই সেই অর্থে গণতন্ত্রের শত্রু।
**লিভারপুল লিবারেল অ্যাসোসিয়েশনের উদ্দেশে দেওয়া ভাষণ (৬ এপ্রিল ১৮৬৬), ''দ্য টাইমস'' (৭ এপ্রিল ১৮৬৬)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৯
*স্যার, লিবারেল দলের ক্ষেত্রে আমার অবস্থান সব দিক থেকেই [[জন রাসেল, প্রথম আর্ল রাসেল|আর্ল রাসেলের]] বিপরীত। তাঁর যে দাবিগুলো রয়েছে, আমার তা নেই। যাদের সাথে আমি যুক্ত ছিলাম, তাদের কাছ থেকে বিতাড়িত হয়ে আমি আপনাদের মাঝে এসেছি। আমি স্বীকার করি, কোনো স্বেচ্ছাচারী কাজের কারণে নয়, বরং দৃঢ় প্রত্যয়ের ধীর এবং অপ্রতিরোধ্য শক্তির কারণেই আমি বিতাড়িত হয়েছি। আইনি পরিভাষায় বলতে গেলে, আমি আপনাদের মাঝে ''ইন পপারিস ফরমা'' হিসেবে এসেছি। বিশ্বস্ত এবং সম্মানজনক সেবা ছাড়া আপনাদের দেওয়ার মতো আমার আর কিছুই ছিল না। আপনারা আমাকে দয়া, প্রশ্রয় এবং উদারতার সাথে গ্রহণ করেছেন। আমি বলতে পারি যে আপনারা কিছুটা আত্মবিশ্বাসের সাথেই আমাকে গ্রহণ করেছেন। আমাদের মধ্যে সম্পর্ক এমন একটি রূপ নিয়েছে যে আপনারা কখনোই আমার কাছে ঋণী হতে পারবেন না, বরং আমাকে চিরকাল আপনাদের কাছে ঋণী থাকতে হবে।
**রিপ্রেজেন্টেশন অফ দ্য পিপল বিলের দ্বিতীয় পাঠে হাউস অফ কমন্সে দেওয়া [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1866/apr/27/adjourned-debate-eighth-night#column_130 ভাষণ] (২৭ এপ্রিল ১৮৬৬)
*আমার কাছে মনে হয়েছিল যে, বর্তমান সরকারের অধীনে সরকারি ব্যয় সংক্রান্ত এমন একটি ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে, যাকে আমি সবাইকে খুশি রাখার ব্যবস্থা বলে থাকি। এর মানে হলো এক শহর থেকে অন্য শহরে যাওয়া, এই সম্প্রদায় যা চায় তা দেওয়া, ঐ সম্প্রদায় যা চায় তা দেওয়া এবং অন্য সম্প্রদায় যা চায় তা দেওয়া। সেই বিশাল জনসাধারণকে দৃষ্টির বাইরে রাখা, যাদের দুর্ভাগ্যবশত এই স্থানীয় এবং বিশেষ দাবিগুলোর বিরুদ্ধে রক্ষা করার জন্য সর্বদা কোনো কণ্ঠস্বর এবং আইনজীবী প্রস্তুত থাকে না। তবে এটি আমাদের জন্য সবচেয়ে গর্বের বিষয় যে আমরা তাদের আইনজীবী এবং চ্যাম্পিয়ন হতে চাই।
**ল্যাঙ্কাশায়ারের লেইগে দেওয়া ভাষণ (২০ অক্টোবর ১৮৬৮), ''দ্য টাইমস'' (২১ অক্টোবর ১৮৬৮)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১১
*আপনি যদি সেবা পেতে চান, তবে যারা আপনাকে সেবা দিতে চায় এবং যারা চায় না, তাদের মধ্যে পার্থক্য করতে হবে। দক্ষিণ ল্যাঙ্কাশায়ার এবং সাধারণভাবে দেশের ভোটাররা যদি ব্যয় করার এই পদ্ধতিটি চলতে দিতে সন্তুষ্ট থাকে, তবে আপনাদের অস্পষ্ট এবং সাধারণ প্রতিশ্রুতিগুলো নিয়ে সন্তুষ্ট থাকা অর্থহীন। এই মহাদেশীয় ব্যবস্থাটি সমগ্র জনগণের ব্যয়ে নির্দিষ্ট শ্রেণি এবং অংশের আকাঙ্ক্ষা পূরণ করে। যদি এটি সেই ব্যবস্থা হয় যার ভিত্তিতে সরকারি অর্থ পরিচালনা করা হবে, তবে ভালো বছরেও কর মওকুফের সমস্ত আশা ছেড়ে দেওয়ার জন্য আপনাদের প্রস্তুত থাকতে হবে। খারাপ বছরে আয়করের স্থির বৃদ্ধির জন্য আপনাদের অপেক্ষা করতে হবে।
**ল্যাঙ্কাশায়ারের লেইগে দেওয়া ভাষণ (২০ অক্টোবর ১৮৬৮), ''দ্য টাইমস'' (২১ অক্টোবর ১৮৬৮)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১১
*আমরা দেখতে পাচ্ছি এবং জানি যে, আয়ারল্যান্ডে রাষ্ট্রের ক্ষমতা এবং প্রভাবকে অন্যের বিরুদ্ধে একটি ধর্মকে সমর্থন করার মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করার চেষ্টা করা হয়েছে। এটি দেশের জন্য একটি প্লেগ এবং অভিশাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এটি মানুষকে মানুষ থেকে, শ্রেণিকে শ্রেণি থেকে, রাজ্যকে রাজ্য থেকে বিভক্ত করেছে। এই মহান, প্রাচীন এবং মহৎ সাম্রাজ্যে এর প্রভাব এমন হয়েছে যে, এটি এখন বিশ্ববাসীর সামনে আমাদের একটি বিভক্ত দেশ হিসেবে তুলে ধরেছে। এই তিনটি রাজ্যের মধ্যে দুটিতে আমরা সত্যই আন্তরিকভাবে ঐক্যবদ্ধ এবং যুক্ত। তবে তৃতীয়টি মানবজাতির সামনে একটি বেদনাদায়ক দৃশ্য উপস্থাপন করে, যা নিজেদের মধ্যে বিভেদ ও ধ্বংসের দ্বারা পূর্ণ। এটি এই রাজ্যের সিংহাসন এবং সংবিধানের ক্ষেত্রেও বিচ্ছিন্নতা এবং দূরত্বের সৃষ্টি করেছে।
**ওয়েভারট্রির অ্যাসেম্বলি-রুমে দেওয়া ভাষণ (১৪ নভেম্বর ১৮৬৮), ''দ্য টাইমস'' (১৬ নভেম্বর ১৮৬৮)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৫
* "কয়লা খনি শ্রমিকদের মজুরি বাড়ানোর" জন্য আমার ক্ষমতায় থাকা একমাত্র উপায়টি ছিল বাণিজ্যের সেই সমস্ত বিধিনিষেধগুলো ভেঙে ফেলার চেষ্টা করা, যা তাদের শ্রমের পণ্যের জন্য প্রাপ্ত মূল্যকে হ্রাস করার প্রবণতা রাখে। এছাড়া তাদের ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় পণ্যগুলোর ওপর যতটা সম্ভব কর কমানোর চেষ্টা করা। এর বাইরে আমি দূরদর্শিতার দিকে তাকাই, যা স্কটল্যান্ড এবং কিছু বিদেশি দেশের মতো এই দেশে এখনও এত ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েনি। আপনাদের মনে করিয়ে দেওয়ার প্রয়োজন নেই যে, এর প্রয়োগ সহজ করার জন্য সরকারকে আইন প্রণয়নের মাধ্যমে ক্ষমতায়ন করা হয়েছে, যাতে [[w:জেনারেল পোস্ট অফিস|পি.ও.]] বিভাগের মাধ্যমে তারা সঞ্চয়ের গ্রহীতা এবং অভিভাবক হতে পারে।
** ড্যানিয়েল জোন্স নামে একজন বেকার খনি শ্রমিককে লেখা চিঠি, যিনি বেকারত্ব এবং কম মজুরির বিষয়ে অভিযোগ করেছিলেন (২০ অক্টোবর ১৮৬৯), এইচ. সি. জি. ম্যাথিউয়ের ''দ্য গ্ল্যাডস্টোন ডায়েরিজ: উইথ ক্যাবিনেট মিনিটস অ্যান্ড প্রাইম-মিনিস্টারিয়াল করেস্পন্ডেন্স: ১৮৬৯-জুন ১৮৭১'' ভলিউম ৭ (১৯৮২) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা lxxiv
=== ১৮৭০-এর দশক ===
* [[w:হেফাস্টাস|হেফাইস্তোস]] হোমারের বর্ণনায় দ্বৈত রূপ ধারণ করেছেন। তিনি প্রকৃতির একটি শক্তি হিসেবে আগুনের উপাদানের প্রতিনিধিত্ব করেন। পাশাপাশি তিনি এমন একজন দেবতার রূপ ধারণ করেন, যিনি এমন একটি সময়ের শিল্পের দেবতা ছিলেন, যখন আগুনের সাহায্যে উৎপাদিত ধাতুর কাজই একমাত্র পরিচিত চারুকলা ছিল।
** ''জুভেন্টাস মুন্ডি: দ্য গডস অ্যান্ড মেন অফ দ্য হিরোয়িক এজ'' (১৮৭০) [https://archive.org/stream/juventusmundigod00glad_1#page/288/mode/2up পৃষ্ঠা ২৮৯।]
*মানুষের সম্মতি ছাড়া এক সার্বভৌমত্ব থেকে অন্য সার্বভৌমত্বে তাদের আনুগত্য এবং নাগরিকত্ব হস্তান্তর করা ইউরোপের কিছু অতীত ঘটনার জন্য একটি বড় কলঙ্ক হয়ে দাঁড়িয়েছে। এটি অনেক যুদ্ধ এবং অশান্তির জন্ম দিয়েছে। ন্যায়বিচারের বিবেচনার সাথে এর সমন্বয় করা কঠিন এবং আধুনিক সভ্যতার অনুভূতির কাছে এটি বিকর্ষণীয়।
**[[w:গ্র্যানভিল লেভেসন-গাওয়ার, ২য় আর্ল গ্র্যানভিল|লর্ড গ্র্যানভিলকে]] লেখা চিঠি (২৪ সেপ্টেম্বর ১৮৭০), হ্যারল্ড টেম্পারলি এবং লিলিয়ান এম. পেনসনের ''ফাউন্ডেশনস অফ ব্রিটিশ ফরেন পলিসি ফ্রম পিট (১৭৯২) টু স্যালিসবারি (১৯০২) অর ডকুমেন্টস, ওল্ড অ্যান্ড নিউ'' (১৯৩৮) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৩২৫–৩২৬
*আমি এই ধারণায় খুব নিপীড়িত বোধ করছি যে, মানুষের এই পণ্যদ্রব্যের মতো হস্তান্তর কোনো সম্মিলিত ইউরোপীয় কণ্ঠস্বর ছাড়াই এগিয়ে যাবে, যদি তারা কথা বলতে ইচ্ছুক হয়।
**জার্মানির [[w:আলসাস-লরেন|আলসাস-লরেন]] অধিগ্রহণের বিষয়ে [[w:গ্র্যানভিল লেভেসন-গাওয়ার, ২য় আর্ল গ্র্যানভিল|লর্ড গ্র্যানভিলকে]] লেখা চিঠি (৩০ সেপ্টেম্বর ১৮৭০), আগাথা র্যাম (সম্পাদিত) এর ''দ্য গ্ল্যাডস্টোন–গ্র্যানভিল করেস্পন্ডেন্স'' [১৯৫২] (১৯৯৮) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১৩৫
*নৈতিক শক্তি এবং ইউরোপীয় রাজনীতিতে তাদের ক্রমবর্ধমান প্রভাবের ওপর আমার গভীর বিশ্বাস রয়েছে। সম্ভবত সেই কারণেই আমি স্বীকার করতে মুক্ত যে এটি মাঝে মাঝে বিভ্রান্তিকরও হতে পারে।
**[[w:গ্র্যানভিল লেভেসন-গাওয়ার, ২য় আর্ল গ্র্যানভিল|লর্ড গ্র্যানভিলকে]] লেখা চিঠি (৮ অক্টোবর ১৮৭০), হ্যারল্ড টেম্পারলি এবং লিলিয়ান এম. পেনসনের ''ফাউন্ডেশনস অফ ব্রিটিশ ফরেন পলিসি ফ্রম পিট (১৭৯২) টু স্যালিসবারি (১৯০২) অর ডকুমেন্টস, ওল্ড অ্যান্ড নিউ'' (১৯৩৮) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৩২৩
*সামগ্রিকভাবে এটি আশা করা যুক্তিসঙ্গত বলে মনে হয় যে, আমাদের টিউটনিক কাজিনদের [জার্মানি] ব্যবহারিক চরিত্র এবং তাদের অভ্যন্তরীণ দুঃখের বিশাল পরিমাণ তাদের শান্তি ও শুভেচ্ছার মেজাজে স্থির হতে সহায়তা করবে। কিন্তু তারা তা করুক বা না করুক, এটি আশঙ্কা করা বৃথা যে তাদের সামনে বিশ্বব্যাপী বিজয় বা নিরঙ্কুশ আধিপত্যের কোনো পেশা রয়েছে। এছাড়া এটিও আশঙ্কা করা বৃথা যে ইউরোপীয় পরিবার তার অবাধ্য এবং গোলমালকারী সদস্যদের অদ্ভুত আচরণ সংশোধন করার জন্য যথেষ্ট শক্তিশালী নয়।
*‘জার্মানি, ফ্রান্স, অ্যান্ড ইংল্যান্ড’, ''এডিনবার্গ রিভিউ'' (অক্টোবর ১৮৭০), ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোনের ''গ্লিনিংস অফ পাস্ট ইয়ারস, ১৮৪৩–৭৮. ভলিউম ফোর. ফরেন'' (১৮৭৯) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ২৪৯
*এটি নিশ্চিত যে একটি নতুন [[আন্তর্জাতিক আইন|জাতিগুলোর আইন]] ধীরে ধীরে মনের ওপর নিয়ন্ত্রণ নিচ্ছে এবং বিশ্বের অনুশীলনকে প্রভাবিত করছে। এটি এমন একটি আইন যা স্বাধীনতাকে স্বীকৃতি দেয়, আগ্রাসনকে ভ্রুকুটি করে এবং বিরোধের রক্তক্ষয়ী নিষ্পত্তির বদলে শান্তিপূর্ণ সমাধানের পক্ষে থাকে। এটি অস্থায়ী নয়, বরং স্থায়ী সমন্বয়ের লক্ষ্য রাখে। সর্বোপরি এটি সভ্য মানবজাতির সাধারণ রায়কে সর্বোচ্চ কর্তৃত্বের বিচারালয় হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। এটি ফ্রান্সের আগ্রাসনকে নিন্দা করেছে এবং প্রয়োজন হলে [[জার্মানি|জার্মানির]] লোভকেও নিন্দা করবে। “''সেকিউরাস জুডিকেট অরবিস টেরারাম।''” সমস্ত জাতির জন্য পথভ্রষ্ট হওয়া কঠিন। তাদের সার্বজনীন পরিষদ তাদের আংশিক আবেগের ঊর্ধ্বে বসে থাকে, যারা স্বার্থ দ্বারা বিভ্রান্ত এবং কলহ দ্বারা বিরক্ত হয়। '''আমাদের সময়ের সবচেয়ে বড় বিজয়, বিদ্যুৎ এবং বাষ্পের চেয়ে উচ্চতর অঞ্চলের একটি বিজয় হবে ইউরোপীয় নীতির নিয়ামক ধারণা হিসেবে জনস্বার্থের এই ধারণার সিংহাসনারোহণ।''' এটি সমস্ত ভূমির সাধারণ এবং মূল্যবান উত্তরাধিকার হবে, যা যেকোনো ক্ষণস্থায়ী মতামতের চেয়ে শ্রেষ্ঠ।
**‘জার্মানি, ফ্রান্স, অ্যান্ড ইংল্যান্ড’, ''এডিনবার্গ রিভিউ'' (অক্টোবর ১৮৭০), ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোনের ''গ্লিনিংস অফ পাস্ট ইয়ারস, ১৮৪৩–৭৮. ভলিউম ফোর. ফরেন'' (১৮৭৯) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ২৫৬–২৫৭
* আমি বলতে আগ্রহী যে বর্তমান আন্দোলনের অনেক উদ্যোক্তার বৃহত্তর উদ্দেশ্যগুলোর কোনো সন্দেহ বাদ দিলেও, নির্বাচনী কার্যক্রমে নারীদের ব্যক্তিগত উপস্থিতি এবং হস্তক্ষেপ একটি ব্যবহারিক মন্দ কাজ হবে। এটি কেবল সবচেয়ে গুরুতর নয়, বরং এটি একটি অসহনীয় চরিত্রের কাজ হবে।
** উইমেনস ডিজেবিলিটিস বিলের ওপর হাউস অফ কমন্সে দেওয়া [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1871/may/03/second-reading ভাষণ] (৩ মে ১৮৭১)
*লন্ডনে বিশেষ করে শ্রেণির স্বার্থগুলো কেন্দ্রীভূত ছিল না। সেখানে সম্পদই সর্বশক্তিমান ছিল। বর্তমান বছরে তাদের কর্মকাণ্ডের কারণে সম্পদ মারাত্মক অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে, কারণ সরকার সংসদকে সুপারিশ করেছে যে ইংলিশ সেনাবাহিনীতে ক্ষমতা আর সম্পদের পুরস্কার হবে না, বরং তা হবে যোগ্যতার পুরস্কার।
**[[w:কার্ডওয়েল সংস্কার|কার্ডওয়েল সংস্কারের]] ওপর হুইটবিতে দেওয়া ভাষণ (২ সেপ্টেম্বর ১৮৭১), ''দ্য টাইমস'' (৪ সেপ্টেম্বর ১৮৭১)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১২
*[[মুক্ত বাণিজ্য|বাণিজ্যের স্বাধীনতা]] প্রতিষ্ঠা এবং বাণিজ্য থেকে সম্ভাব্য প্রতিটি বিধিনিষেধ ও বোঝা দূর করার সাধারণ প্রবৃত্তি যুক্তরাজ্যকে আজ এই অসাধারণ অবস্থানে নিয়ে আসার প্রধান চালিকাশক্তি হয়েছে। আমি যদি বলি যে গত ৩০ বছরে আমাদের জনসংখ্যা প্রায় ২৫ বা ৩০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, আর একই সময়ে আমাদের বাণিজ্য প্রায় ৪০০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, তবে আমি খুব বিনয়ের সাথেই এই কথাটি তুলে ধরছি।
**ওয়েকফিল্ডে দেওয়া ভাষণ (৫ সেপ্টেম্বর ১৮৭১), ''দ্য টাইমস'' (৬ সেপ্টেম্বর ১৮৭১)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৩
*আমার শিরায় স্কটিশ রক্ত ছাড়া আর এক ফোঁটা রক্তও নেই। আমার হৃদয়ের একটি বড় অংশ সবসময় স্কটল্যান্ডের ছিল এবং ভবিষ্যতেও স্কটল্যান্ডের থাকবে।
**শহরের স্বাধীনতা লাভের পর অ্যাবারডিনে দেওয়া ভাষণ (২৬ সেপ্টেম্বর ১৮৭১), ''দ্য টাইমস'' (২৭ সেপ্টেম্বর ১৮৭১)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৬
*যারা আপনাকে মানুষের জীবনের কষ্টগুলো দূর করার জন্য আইনসভার দিকে তাকাতে শেখায়, তারা আপনার বন্ধু নয়, তারা আপনার শত্রু। যদিও তাদের উদ্দেশ্য হয়তো খারাপ নয়। মানুষের সুখ বা দুঃখ মূলত নির্ভর করে তার নিজস্ব মন, বিবেক এবং ব্যক্তিগত চরিত্রের ওপর। (হর্ষধ্বনি) আমাদের সামনে যে সামাজিক সমস্যাগুলো আছে, সেগুলো অনেক এবং ভয়ংকর। সরকার তার সর্বোচ্চ চেষ্টা করুক, আইনসভা আপনার সেবায় দিনরাত কাজ করুক। কিন্তু সবচেয়ে ভালো ফলাফল অর্জন করার পরও, একজন ইংরেজ বাবা সুখী পরিবারের বাবা হতে পারবেন কি না এবং একটি ঐক্যবদ্ধ বাড়ির কেন্দ্র হতে পারবেন কি না, সেই প্রশ্নটি মূলত তার নিজের ওপরই নির্ভর করবে। (হর্ষধ্বনি) আর যারা শহরের বাসিন্দাদের প্রতিশ্রুতি দেয় যে তাদের প্রত্যেকের মুক্ত বাতাসে পর্যাপ্ত জায়গাসহ একটি বাড়ি ও বাগান থাকবে, যারা বলে যে পাইকারি দামে খুচরা জিনিস কেনার বাজার থাকবে—আমি বলব না যে তারা প্রতারক, কারণ আমি নিশ্চিত যে তারা আন্তরিক। তবে আমি বলব তারা হাতুড়ে ডাক্তার (হর্ষধ্বনি)। তারা একটি নকল পরোপকারের দ্বারা বিভ্রান্ত ও প্রতারিত। যখন তাদের উচিত আপনাকে বাস্তবসম্মত সুযোগ দেওয়া, এমনকি সেগুলো যদি সাধারণও হয়, তখন তারা হয়তো নিজেদের অজান্তেই আপনাকে ধর্মান্ধতার মাধ্যমে প্রতারিত করার চেষ্টা করছে। তারা আপনাকে এমন একটি ফল দিচ্ছে, যার স্বাদ নিতে গেলে সেটি আপনার মুখে ছাইয়ের মতো মনে হবে। (হর্ষধ্বনি)
**ব্ল্যাকহিথে দেওয়া ভাষণ (২৮ অক্টোবর ১৮৭১), ''দ্য টাইমস'' (৩০ অক্টোবর ১৮৭১)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৩
* আয়কর বাতিলের ধারণাটি আমার কাছে অত্যন্ত আকর্ষণীয়। এর কারণ হলো এটি জনস্বার্থের অর্থনীতির দিকে ধাবিত করে এবং অন্যান্য যৌক্তিক কারণও রয়েছে।
** এইচ. সি. ই. চাইল্ডার্সকে লেখা চিঠি (৩ এপ্রিল ১৮৭৩)
*যদি [[w:ফিজি|এই দ্বীপগুলোকে]] অধিভুক্ত করা হয়, তবে সেগুলো আমাদের কাছে সবচেয়ে মারাত্মক রূপে উপস্থিত হবে। এটি জাতিগত পার্থক্য থেকে উদ্ভূত একটি অসুবিধা, যা ইতিমধ্যে আমাদের কিছু ঔপনিবেশিক সম্পত্তিতে ঘটেছে। যেখানে উন্নত জাতির সংখ্যা বেশি এবং কম উন্নত বা সভ্য জাতির সংখ্যা কম, সেখানে এই অসুবিধা খুব কমই অনুভূত হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, [[পুয়ের্তো রিকো|পোর্তো রিকোতে]] বিপুল সংখ্যক [[কৃষ্ণাঙ্গ|নিগ্রো]] থাকা সত্ত্বেও শ্বেতাঙ্গদের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি ছিল এবং কোনো অসুবিধা ছাড়াই দাসদের [[দাসমুক্তি|মুক্তি]] কার্যকর করা হয়েছিল। তবে [[জ্যামাইকা]] পোর্তো রিকোর মতো ছিল না। জ্যামাইকায় কম উন্নত জাতির তুলনায় শ্বেতাঙ্গদের সংখ্যা অত্যন্ত কম ছিল।
**হাউস অফ কমন্সে দেওয়া [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1873/jun/13/resolution#column_951 ভাষণ] (১৩ জুন ১৮৭৩)
*আপনার ভাষা [[ওয়েলশ ভাষা|একটি প্রাচীন ভাষা]]। এই ভাষাটি একটি প্রাচীন ইতিহাস, একটি প্রাচীন সংগীত এবং একটি প্রাচীন সাহিত্যের সাথে যুক্ত। আমি বলি যে এটি অতীতের একটি শ্রদ্ধেয় ধ্বংসাবশেষ। বর্তমান বা অন্য যেকোনো সময়ে পৃথিবীতে এর চেয়ে বড় মূর্খতা আর নেই যে অতীতকে অবমূল্যায়ন করা এবং বর্তমান প্রজন্মের সাথে অতীতের সেই প্রজন্মের সংযোগগুলো ছিন্ন করা, যারা চলে গেছে এবং যাদের হিসাব নেওয়া হয়েছে। আমরা যদি সত্যই সভ্যতার অগ্রগতিকে উন্নীত করতে চাই, তবে আমাদের কখনোই অতীতকে অবহেলা বা অবমূল্যায়ন করা উচিত নয় এবং এর প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন বন্ধ করা উচিত নয়। বিশ্বাস করুন, যে ব্যক্তি তার মৃত পূর্বপুরুষদের যথাযথ মূল্যায়ন করে না, সে তার দেশের সম্মান বা মর্যাদা বাড়াতে খুব কমই অবদান রাখতে পারে। আপনাদের প্রশংসনীয় এবং দেশপ্রেমিক প্রচেষ্টাগুলো সাধারণ [[ইংরেজ জাতি|ইংরেজ জনগণের]] কাছে আরও বেশি করে বোঝা এবং সম্মানিত হবে। আপনাদের সেই সভাগুলোতে সমৃদ্ধি এবং সম্মান থাকবে, যার মাধ্যমে আপনারা আপনাদের দেশ, [[ওয়েলস|প্রিন্সিপালিটি অফ ওয়েলসের]] প্রাচীন ইতিহাস, কাজ এবং সাহিত্যকে সংরক্ষণ ও স্মরণ করার চেষ্টা করেন।
**মোল্ডে [[w:আইসটেডফড|আইসটেডফডের]] উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতি গ্ল্যাডস্টোনের দেওয়া উদ্বোধনী ভাষণ (১৯ আগস্ট ১৮৭৩), ''দ্য টাইমস'' (২০ আগস্ট ১৮৭৩)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৫
*নিজের জন্য আমি বলেছিলাম যে, কেবল শিক্ষায় নয়, বরং শিক্ষাসহ সব ক্ষেত্রে, আমি আইনি যন্ত্রপাতির চেয়ে স্বেচ্ছাসেবী যন্ত্রপাতি বেশি পছন্দ করি, যখন কাজটি যেকোনোভাবেই ভালোভাবে করা যায়।
**জন ব্রাইটকে লেখা চিঠি (২১ আগস্ট ১৮৭৩), জন মর্লির ''দ্য লাইফ অফ উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন, ভলিউম টু'' (১৯০৩) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৬৪৬
*ব্যক্তিগত দাসত্ব যতই শোচনীয় হোক না কেন, তা ল্যাটিন চার্চকে সন্তুষ্ট করবে না। রাষ্ট্রকেও অবশ্যই দাস হতে হবে।
**''দ্য ভ্যাটিকান ডিক্রিস ইন দেয়ার বিয়ারিং অন সিভিল অ্যালিজিয়েন্স: আ পলিটিক্যাল এক্সপোজিশন'' (নভেম্বর ১৮৭৪), মাইকেল ডি সেমলিয়েনের ''অল রোডস লিড টু রোম? দ্য ইকিউমেনিক্যাল মুভমেন্ট'' (২০০৪) গ্রন্থে উদ্ধৃত
*জাতিগুলোর ইতিহাস হলো তাদের সরকারের ইতিহাস, যা একটি বিষণ্ণ অধ্যায়। আমি দুঃখের সাথে এই মত পোষণ করি, যদিও চমৎকার গুণের অধিকারী ব্যক্তিরা উচ্চ পর্যায়ে থাকেন, তবে বৃহত্তর পরিসরে এই গুণগুলো সাধারণত সাধারণ মানুষের মধ্যেই পাওয়া যায়। জাতিগুলোর ইতিহাস হলো মানব ইতিহাসের সবচেয়ে অনৈতিক অংশগুলোর একটি।
**[[w:ওলগা নোভিকফ|ওলগা নোভিকফকে]] লেখা চিঠি (১৮৭৬), ওলগা নোভিকফের ''রাশিয়ান মেমোরিজ'' (১৯১৬) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ২১৯
* [[সংশয়বাদ|সংশয়বাদের]] অযৌক্তিক বাড়াবাড়ি এবং অস্পষ্টতার বিরুদ্ধে একটি যুক্তিসঙ্গত প্রতিক্রিয়া সহজেই অন্ধবিশ্বাসের প্রতিদ্বন্দ্বী [[মূর্খতা|মূর্খতায়]] পরিণত হতে পারে। আমি এটি স্বীকার করি। '''[[ভুল|ভুলের]] বিরোধিতা করলেই যে কেউ [[সঠিক]] হবে, আমাদের মানসিক গঠনে তার খুব কম নিশ্চয়তাই রয়েছে।'''
** ''হোমারিক সিনক্রোনিজম : অ্যান এনকোয়ারি ইনটু দ্য টাইম অ্যান্ড প্লেস অফ হোমার'' (১৮৭৬), ভূমিকা
*বাণিজ্যের কার্যক্রম কেবল বস্তুগত লক্ষ্যের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। জাতিগুলোর মধ্যে বন্ধুত্ব সুসংহত করার ক্ষেত্রে এর চেয়ে শক্তিশালী আর কোনো মাধ্যম নেই। মানুষের আবেগ দমন করা এবং সেই লালসা ও আকাঙ্ক্ষাগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করা যুদ্ধের অন্যতম প্রধান কারণ। এই বিজ্ঞান যা আপনি প্রচার করতে চান, তা বুঝতে ও প্রয়োগ করতে এটি সরাসরি সম্পর্কিত।
**[[অ্যাডাম স্মিথ|অ্যাডাম স্মিথের]] ''দ্য ওয়েলথ অফ নেশনসের'' শতবর্ষ পূর্তিতে [[w:পলিটিকাল ইকোনমি ক্লাব|পলিটিকাল ইকোনমি ক্লাবের]] উদ্দেশে দেওয়া [https://archive.org/details/revisedreportofp00poli ভাষণ] (৩১ মে ১৮৭৬)
*সেই [ক্রিমীয়] যুদ্ধের প্রভাব ছিল ইউরোপীয় বিবেকের প্রতিষ্ঠা করা। এটি ইউরোপীয় শক্তিগুলোর সম্মিলিত গ্যারান্টি এবং সমন্বিত সাধারণ পদক্ষেপের মাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছিল, যা একক শক্তির ব্যক্তিগত পদক্ষেপের বিকল্প হিসেবে কাজ করেছিল। এই নীতির গুরুত্ব অতিরঞ্জিত করা অসম্ভব।
**হাউস অফ কমন্সে দেওয়া [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1876/jul/31/resolution#column_184 ভাষণ] (৩১ জুলাই ১৮৭৬)
*আমি দেখতে পেয়ে আনন্দিত যে এই উপলক্ষে কত অল্পবয়সী ছেলে এবং মেয়ে সম্মানের স্বীকৃতি পেতে এগিয়ে এসেছে। যদি তাদের জন্য কোনো কার্যকরী ভালো কিছু করতে হয়, তবে তা তাদের শিক্ষা, উৎসাহ প্রদান এবং তাদের নিজেদের সাহায্য করতে সাহায্য করার মাধ্যমে করতে হবে। '''যারা আপনাদের নিজস্ব বিষয়গুলো আপনাদের হাত থেকে কেড়ে নেওয়ার এবং আপনাদের জন্য সবকিছু করার ভান করে, আমি বলব না যে তারা প্রতারক। আমি এমনকি বলব না যে তারা হাতুড়ে ডাক্তার। তবে আমি বলব যে তারা ভুল পথে চালিত মানুষ।''' এই প্রতিষ্ঠানগুলোকে সমর্থন এবং সহায়তা করার একমাত্র সঠিক ও স্বাস্থ্যকর বর্ণনা হলো এটি, যা স্বাধীনতা এবং আত্মনির্ভরশীলতা শেখায়। আমি যখন বলি যে আপনাদের নিজেদের সাহায্য করা উচিত—এবং আমি জীবনের সর্বস্তরের প্রত্যেক মানুষকে প্রতিবেশীদের কাছ থেকে পাওয়ার চেয়ে আত্মনির্ভরশীলতার ওপর বেশি নির্ভর করতে উৎসাহিত করব—তখন এমন একজন আছেন যিনি আমাদের সবাইকে সাহায্য করেন। তাঁর সাহায্য ছাড়া আমাদের প্রতিটি প্রচেষ্টা বৃথা। সর্বশক্তিমান [[ঈশ্বর|ঈশ্বরের]] অনুগ্রহ উপলব্ধি করার জন্য এই ফুল, উদ্ভিদ এবং ফলগুলোর সৌন্দর্য ও উপযোগিতা দেখার চেয়ে ভালো আর কিছু হতে পারে না, যা তিনি আমাদের স্বাচ্ছন্দ্য এবং সুবিধার জন্য পৃথিবীতে সৃষ্টি করেন।
**হাওয়ার্ডেন অ্যামেচার হর্টিকালচারাল সোসাইটির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণ (১৭ আগস্ট ১৮৭৬), "মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন অন কটেজ গার্ডেনিং", ''দ্য টাইমস'' (১৮ আগস্ট ১৮৭৬)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৯
[[File:William Ewart Gladstone by Alfred Edward Emslie.jpg|thumb|right|[[স্বার্থপরতা]] মানবজাতির সবচেয়ে বড় [[অভিশাপ]]।]]
* তুর্কিদের এখন তাদের অপব্যবহারগুলো একমাত্র সম্ভাব্য উপায়ে, অর্থাৎ নিজেদের সরিয়ে নেওয়ার মাধ্যমে দূর করতে দিন। আমি আশা করি তাদের জাপতিয়েহ এবং তাদের মুদির, তাদের বিমবাশি এবং ইউজবাশি, তাদের কাইমাকাম এবং তাদের [[w:পাশা|পাশারা]] ব্যাগ-ব্যাগেজ নিয়ে সেই প্রদেশ থেকে পরিষ্কার হয়ে যাবে, যা তারা ধ্বংস এবং অপবিত্র করেছে। এই পূর্ণাঙ্গ মুক্তিই একমাত্র ক্ষতিপূরণ, যা আমরা সেই স্তূপীকৃত মৃতদেহগুলোর জন্য করতে পারি। এটি সেই গৃহিণী, কুমারী এবং শিশুদের লঙ্ঘিত বিশুদ্ধতার ক্ষতিপূরণ। এটি সেই সভ্যতার ক্ষতিপূরণ, যা অপমানিত এবং লজ্জিত হয়েছে। এটি ঈশ্বরের আইনের, বা আপনি চাইলে [[আল্লাহ|আল্লাহর]] আইনের, এবং বৃহত্তর মানবজাতির নৈতিক অনুভূতির ক্ষতিপূরণ। ইউরোপীয় জেলে এমন কোনো অপরাধী নেই, [[w:পলিনেশিয়া|দক্ষিণ সাগর দ্বীপপুঞ্জে]] এমন কোনো অপরাধী নেই, যার ক্ষোভ সেই কাজের বর্ণনায় ফুটবে না, যা করা হয়েছে, যা খুব দেরিতে পরীক্ষা করা হয়েছে, কিন্তু যার কোনো প্রতিশোধ নেওয়া হয়নি। এটি সমস্ত ঘৃণ্য এবং ভয়ংকর আবেগগুলো রেখে গেছে, যা এর জন্ম দিয়েছে এবং যা রক্তে ভেজা মাটিতে এবং অপরাধ ও লজ্জার প্রতিটি অনুমেয় কাজে দূষিত বাতাসে আরেকটি খুনে ফসলের জন্ম দিতে পারে। এমন কাজ একবার করা আমাদের জাতির সেই অংশের জন্য একটি চরম কলঙ্ক, যারা এটি করেছে। তাদের পুনরাবৃত্তির জন্য দরজা সামান্য খোলা রাখলেও সেই লজ্জা পুরো পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়বে!
* আমাকে খুব সংক্ষেপে একটি রূপরেখা তৈরি করার চেষ্টা করতে দিন যে, [[তুর্কি জাতি|তুর্কি জাতি]] কী ছিল এবং এখন কী আছে। এটি কেবল [[ইসলাম|মোহাম্মদীয়বাদের]] প্রশ্ন নয়, বরং একটি জাতির অদ্ভুত চরিত্রের সাথে যুক্ত মোহাম্মদীয়বাদের প্রশ্ন। তারা [[ভারতে ইসলাম|ভারতের]] মৃদু মোহাম্মদীয় নয়, [[সিরিয়া|সিরিয়ার]] শৌর্যবান [[w:সালাদিন|সালাদিনদের]] মতোও নয়, কিংবা [[স্পেন|স্পেনের]] সুসংস্কৃত [[মুর জাতি|মুরও]] নয়। সামগ্রিকভাবে, যেদিন তারা প্রথম ইউরোপে প্রবেশ করেছিল, সেদিন থেকেই তারা মানবতার চরম মানবতাবিরোধী উদাহরণ ছিল। তারা যেখানেই গেছে, রক্তের এক বিস্তৃত রেখা তাদের পেছনে চিহ্ন রেখে গেছে এবং তাদের আধিপত্য যতদূর পৌঁছেছে, সভ্যতা সেখান থেকে হারিয়ে গেছে। তারা সব জায়গাতেই আইনের শাসনের পরিবর্তে বলপ্রয়োগের শাসনের প্রতিনিধিত্ব করেছে। তবে একটি বৌদ্ধিক উপাদানের সাহায্য ছাড়া বলপ্রয়োগের শাসন বজায় রাখা যায় না। এর ফলে বিশ্বের ইতিহাসে যা বিরল, তা-ই ঘটেছিল—নিষ্ঠুরতা, স্বৈরাচার এবং লুণ্ঠনের মাঝেও এক ধরনের সহনশীলতা গড়ে উঠেছিল। খ্রিস্টানদের জীবনের একটি বড় অংশ অবজ্ঞার সাথে একা ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল এবং একদল [[গ্রিক জাতি|গ্রিককে]] [[ইস্তাম্বুল|কনস্টান্টিনোপলে]] আকৃষ্ট করা হয়েছিল। এই গ্রিকরা মনের উপাদানে তুর্কি ইসলামের ঘাটতি কিছুটা হলেও পূরণ করেছিল!
** {{cite book|last=গ্ল্যাডস্টোন|first= উইলিয়াম ইওয়ার্ট|author2=|title= Bulgarian Horrors and the Question of the East |trans-title= বুলগেরিয়ান হররস অ্যান্ড দ্য কোশ্চেন অফ দ্য ইস্ট |publisher= জন মারে |location= লন্ডন |year= ১৮৭৬|chapter= |url= http://www.archive.org/details/bulgarianhorrors00gladiala |page= ৩১ |accessdate= ২ সেপ্টেম্বর ২০১৩}}
*মহানগরের প্রেসে তুরস্কের পক্ষে একটি সন্দেহজনক এবং তীক্ষ্ণ সমাবেশ রয়েছে। এটি মূলত তথাকথিত উচ্চ স্তরের দশ হাজার মানুষের ধারণা এবং মতামতের প্রতিনিধিত্ব করে। আমার স্মৃতিতে এ ধরনের কোনো শরীর থেকে এমন কোনো প্ররোচনা আসেনি, যা গত অর্ধশতাব্দীতে ইংল্যান্ডের খ্যাতি এবং সুখে এত বেশি অবদান রাখা মহান পদক্ষেপগুলোকে উৎসাহিত করেছে এবং অবশেষে অর্জন করেছে। তারা ভিন্নমতাবলম্বী, রোমান ক্যাথলিক এবং ইহুদিদের মুক্ত করেনি। তারা সংসদের সংস্কার করেনি। তারা নিগ্রো দাসদের মুক্ত করেনি। তারা কর্ন আইন বাতিল করেনি। তারা প্রেস থেকে কর তুলে নেয়নি। তারা আইরিশ প্রতিষ্ঠিত চার্চ বাতিল করেনি। তারা ইতালীয় স্বাধীনতা এবং পুনর্গঠনের কাজকে উৎসাহিত করেনি। তবুও এই সমস্ত কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং এগুলো তাদের অন্যান্য সংস্থার দ্বারাই সম্পন্ন হয়েছে, এমনকি তাদের বিরোধিতা সত্ত্বেও।
**[[w:ওলগা নোভিকফ|ওলগা নোভিকফকে]] লেখা চিঠি (১৭ অক্টোবর ১৮৭৬), জন মর্লির ''দ্য লাইফ অফ উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন, ভলিউম টু'' (১৯০৩) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৫৫৭
*তুরস্কে প্রচলিত ব্যবস্থা এবং পুরোনো নিগ্রো দাসপ্রথার মধ্যে প্রকৃতপক্ষে অনেক মিল রয়েছে। কিছু দিক থেকে এটি নিগ্রো দাসপ্রথার চেয়ে কম খারাপ, আবার কিছু দিক থেকে অনেক বেশি খারাপ। এটি এই দিক থেকে খারাপ যে, নিগ্রো দাসপ্রথার ক্ষেত্রে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন একটি জাতি নিম্ন ক্ষমতাসম্পন্ন একটি জাতির ওপর শাসন করত। কিন্তু এই ব্যবস্থার ক্ষেত্রে দুর্ভাগ্যবশত একটি নিম্ন ক্ষমতাসম্পন্ন জাতি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন একটি জাতির ওপর শাসন করে।
**হাওয়ার্ডেনে দেওয়া ভাষণ (১৬ জানুয়ারি ১৮৭৭), ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোনের ''[https://en.m.wikisource.org/wiki/The_Sclavonic_Provinces_of_the_Ottoman_Empire দ্য স্কলাভোনিক প্রভিন্সেস অফ দ্য অটোমান অ্যাম্পায়ার]'' (১৮৭৭) গ্রন্থে উদ্ধৃত
*স্যার, এমন একদিন ছিল যখন ইংল্যান্ড স্বাধীনতার আশা ছিল। বিশ্বের যেখানেই কোনো উচ্চ আকাঙ্ক্ষা পোষণ করা হতো বা কোনো মহৎ আঘাত হানা হতো, নিপীড়িতদের চোখ সবসময় ইংল্যান্ডের দিকেই ফিরত। ইংল্যান্ড ছিল অনেক সুযোগ-সুবিধা এবং সুখের প্রিয় আবাসভূমি। এটা সবার জানা ছিল যে, যেসব মানুষ নিজেদের জন্য একটি মহৎ কাঠামো তৈরি করেছিল, তারা অন্যদের জন্যও একই অমূল্য সুবিধা নিশ্চিত করার জন্য প্রস্তুত থাকবে। আপনি আমার সাথে তুরস্কের বিষয়ে প্রতিষ্ঠিত ঐতিহ্য এবং নীতি নিয়ে কথা বলছেন। আমি একটি পুরোনো, বৃহত্তর এবং মহৎ প্রতিষ্ঠিত ঐতিহ্যের কাছে আবেদন করছি। এটি এমন একটি ঐতিহ্য, যা ব্রিটিশ স্বার্থকে উপেক্ষা করে না, বরং সম্মান এবং ন্যায়বিচারের নির্দেশগুলো মেনে সেই স্বার্থের প্রচার করতে শেখায়।
**হাউস অফ কমন্সে দেওয়া [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1877/may/07/postponement-of-orders-of-the-day#column_437 ভাষণ] (৭ মে ১৮৭৭)
*আমার মত হলো এবং অনেক দিন ধরেই আছে যে, গ্রিক শিল্পের মতো লিবারেল দলের গুরুত্বপূর্ণ নীতি হলো কাজ করা। আমি বিশ্বাস করি কাজ ছাড়া অন্য কোনো কিছুই একে দলের নামের যোগ্য করে তুলতে পারবে না।
**[[w:গ্র্যানভিল লেভেসন-গাওয়ার, ২য় আর্ল গ্র্যানভিল|লর্ড গ্র্যানভিলকে]] লেখা চিঠি (১৯ মে ১৮৭৭), আগাথা র্যাম (সম্পাদিত) এর ''দ্য গ্ল্যাডস্টোন–গ্র্যানভিল করেস্পন্ডেন্স, ১৮৭৬–১৮৮৬'' (১৯৬২) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৪০
*আমি মনে করি আপনি দেখতে পাবেন যে রক্ষণশীলতার প্রধান ধারণা হলো বিশ্রামের মিশরীয় নীতি। কিন্তু আমাদের লিবারেল দলে আমরা গ্রিক জীবন এবং গতির ধারণা পেয়েছি।
**বার্মিংহামে দেওয়া ভাষণ (৩১ মে ১৮৭৭), ''দ্য টাইমস'' (১ জুন ১৮৭৭)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১০
*[[w:ননকনফর্মিস্ট (প্রোটেস্ট্যান্টবাদ)|ননকনফর্মিটি]]... এখনও এত বড় মাত্রায় ব্রিটিশ লিবারেলিজমের মেরুদণ্ড সরবরাহ করে।
**‘দ্য কাউন্টি ফ্র্যাঞ্চাইজ, অ্যান্ড মিস্টার লো দেয়ারঅন’, ''দ্য নাইনটিন্থ সেঞ্চুরি'' (নভেম্বর ১৮৭৭), ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোনের ''গ্লিনিংস অফ পাস্ট ইয়ারস, ১৮৪৩-১৮৭৮, ভলিউম ওয়ান'' (১৮৭৯) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১৫৮
*[[স্কটল্যান্ড|স্কটল্যান্ডের]] সাথে সম্পর্কিত সমস্ত কিছুর প্রতি আমি এক অদ্ভুত সহানুভূতি অনুভব করি। স্কটল্যান্ডের স্থানীয় অধিবাসীরা এবং যাদের শিরায় স্কটিশ রক্ত রয়েছে, বিশেষ করে আমার মতো যাদের শিরায় কেবলই স্কটিশ রক্ত বইছে, তারা কখনোই নিজেদের উৎপত্তিস্থল ভুলে যাওয়ার মতো নয়। তারা এর মহৎ গুণাবলি সম্পর্কে জানে। তারা এর চরিত্রের দৃঢ়তা সম্পর্কেও সচেতন।
**ওয়েস্টমিনস্টার প্যালেস হোটেলে দেওয়া ভাষণ (২৩ মে ১৮৭৮), ''দ্য টাইমস'' (২৪ মে ১৮৭৮)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১২
*'''স্বাধীনতা কখনোই নিরাপদ নয়।'''
**কাউন্টেস রাসেলের কাছে বলা এবং তার ডায়েরিতে লিপিবদ্ধ, ডেসমন্ড ম্যাককার্থি এবং আগাথা রাসেল সম্পাদিত ''লেডি জন রাসেল: আ মেমোয়ার (১৯১০)''। পৃষ্ঠা ২৫২
*অসম ক্ষমতার যুক্তিটি সম্প্রদায়ের অধিকসংখ্যক শ্রেণির বিরুদ্ধে ততটা অভিন্নভাবে বলা যায় না, যতটা মনে করা যেতে পারে। নৈতিক কারণ হোক বা অন্য কোনো কারণেই হোক, নির্দিষ্ট কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নে উচ্চশ্রেণির তুলনায় সাধারণ মানুষের রায় অনেক বেশি ন্যায্য হয়।
**‘পোস্টস্ক্রিপ্টাম অন দ্য কাউন্টি ফ্র্যাঞ্চাইজ’, ''দ্য নাইনটিন্থ সেঞ্চুরি'' (জুলাই ১৮৭৮), ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোনের ''গ্লিনিংস অফ পাস্ট ইয়ারস, ১৮৪৩-১৮৭৮, ভলিউম ওয়ান'' (১৮৭৯) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১৯৮
* '''ব্রিটিশ সংবিধান হলো প্রগতিশীল [[ইতিহাস|ইতিহাসের]] গর্ভ এবং দীর্ঘ গর্ভাবস্থা থেকে উদ্ভূত সবচেয়ে সূক্ষ্ম জীব। ঠিক তেমনি, [[যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান|আমেরিকান সংবিধানও]] আমার দেখা মতে মানুষের মস্তিষ্ক এবং [[উদ্দেশ্য|উদ্দেশ্য]] দ্বারা তৈরি সবচেয়ে বিস্ময়কর কাজ।'''
**[https://books.google.com/books?id=R5M2AQAAMAAJ&pg=PA179 ''কিন বিয়ন্ড সি''], ''দ্য নর্থ আমেরিকান রিভিউে'' প্রকাশিত, পৃষ্ঠা ১৭৯-২০২
*একমাত্র আমেরিকা আগামী সময়ে আমাদের কাছ থেকে সেই বাণিজ্যিক শ্রেষ্ঠত্ব ছিনিয়ে নিতে পারে এবং সম্ভবত তা করবেও। আমার কোনো অধিকার নেই এবং আমি সে সম্ভাবনায় বচসা করার কোনো ইচ্ছাও পোষণ করি না। আমাদের বিরুদ্ধে আমেরিকার যতটা অধিকার রয়েছে, তার চেয়ে বেশি অধিকার আমাদের বিরুদ্ধে ভেনিস, জেনোয়া বা হল্যান্ডের ছিল না।
*''কিন বিয়ন্ড সি'', ''দ্য নর্থ আমেরিকান রিভিউ'' ভলিউম ১২৭, নম্বর ২৬৪ (সেপ্টেম্বর-অক্টোবর, ১৮৭৮), পৃষ্ঠা ১৮০
*ইংরেজরা সমতায় বিশ্বাসী নয়। তারা ১৭৭৬ সালের ৪ জুলাইয়ের সেই বিখ্যাত [[স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র|ঘোষণাপত্রের]] সাথে একমত নয় যে, সব মানুষ জন্মগতভাবে সমান। বরং তারা এই প্রস্তাবের বিপরীতটাই বিশ্বাস করে। অন্তত বাস্তবে তারা অসমতায় বিশ্বাসী। কখনো কখনো এমনকি না জেনেও তারা এমনটা করে। ব্রিটিশ সমাজের একেবারে ভিত্তি থেকে শুরু করে এর সমস্ত দৃঢ় স্তরবিন্যাসের মাধ্যমে তাদের স্বাভাবিক প্রবণতা হলো ওপরের দিকে তাকানো। শাসক হলেন এই ব্যবস্থার সর্বোচ্চ শিখর। রোমান দেবতাদের মধ্যে জুপিটারের মতো তিনি এই ব্যবস্থায় অদ্বিতীয়। ব্রিটিশ সংবিধানের প্রজ্ঞা হলো এর প্রধানের ব্যক্তিত্বকে এত উঁচুতে স্থাপন করা যে, কেউ কোনো অবস্থাতেই তার সাথে পাল্লা দেওয়ার বা সে স্বপ্ন দেখার প্রলোভনে পড়বে না।
**''কিন বিয়ন্ড সি'', ''দ্য নর্থ আমেরিকান রিভিউ'' ভলিউম ১২৭, নম্বর ২৬৪ (সেপ্টেম্বর-অক্টোবর, ১৮৭৮), পৃষ্ঠা ২০২
* '''জাতীয় অন্যায় হলো জাতীয় পতনের সবচেয়ে নিশ্চিত পথ।'''
** প্লামস্টিডে দেওয়া ভাষণ (৩০ নভেম্বর ১৮৭৮), ''কংগ্রেশনাল রেকর্ড'', ভলিউম ৫৭, পৃষ্ঠা ৪৫০৩-এ উদ্ধৃত
* '''বিবেকের রোগ বিশ্বের সমস্ত দেশের সমস্ত চিকিৎসকের অনুশীলনের বাইরে।'''
** প্লামস্টিডে দেওয়া ভাষণ (৩০ নভেম্বর ১৮৭৮), ''দ্য অ্যানুয়াল রেজিস্টার অফ ওয়ার্ল্ড ইভেন্টস: আ রিভিউ অফ দ্য ইয়ার'', ভলিউম ১২০, পৃষ্ঠা ২০৮-এ উদ্ধৃত
* আমি মনে করি রক্ষণশীল দলের নীতি হলো [[স্বাধীনতা]] এবং [[জনগণ|জনগণের]] প্রতি [[ঈর্ষা|ঈর্ষা]], যা কেবল [[ভয়]] দ্বারা যোগ্য। কিন্তু আমি মনে করি '''লিবারেল দলের নীতি হলো জনগণের প্রতি [[আস্থা]], যা কেবল [[প্রজ্ঞা]] দ্বারা যোগ্য'''।
** অক্সফোর্ডে পামারস্টন ক্লাবের উদ্বোধনে দেওয়া ভাষণ (ডিসেম্বর ১৮৭৮), [http://query.nytimes.com/gst/abstract.html?res=9C03E4DB123EE73BBC4153DFB4668382669FDE ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস'' (৯ ফেব্রুয়ারি ১৮৭৯)-এর "গ্ল্যাডস্টোনস কোনানড্রামস; দ্য স্টেটসম্যান আনসারস সানড্রি ইন্টারেস্টিং কোশ্চেনস"]-এ উদ্ধৃত
*একটি সরকারের, বিশেষ করে বৈদেশিক বিষয়ে, সবচেয়ে বড় দায়িত্ব হলো জনগণের মনকে শান্ত করা। তাদের বিপদের দিকে ঠেলে দেওয়ার জন্য গৌরবের মিথ্যা ভূত দাঁড় করানো নয়। তারা বিশ্বের বাকি সব মানুষের চেয়ে ভালো, এই বিশ্বাসে পরিচালিত করে তাদের দুর্বলতাগুলোকে তোষামোদ করা নয়। বরং এমন একটি নীতির ওপর এগিয়ে যাওয়া, যা জাতিগুলোর ভ্রাতৃত্ব এবং তাদের মধ্যে জনসাধারণের অধিকারের নিরঙ্কুশ সমতাকে স্বীকৃতি দেয়। সর্বোপরি, দেশের জনমতে এমন একটি শান্ত এবং বিবেচনাপূর্ণ মেজাজ তৈরি এবং বজায় রাখার চেষ্টা করা, যাতে কেউ এটিকে বিরক্ত করতে না পারে।
**এডিনবার্গে দেওয়া ভাষণ (২৫ নভেম্বর ১৮৭৯), ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোনের ''মিডলোথিয়ান স্পিচেস ১৮৭৯'' (লিসেস্টার ইউনিভার্সিটি প্রেস, ১৯৭১) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৩৭।
*যারা আপনাকে সবসময় বলে যে ইংল্যান্ডের শক্তি তার মর্যাদার ওপর, বা তার সাম্রাজ্য সম্প্রসারণের ওপর, বা সমুদ্রের ওপারে তার সম্পদের ওপর নির্ভর করে, আমি তাদের সেই অলস স্বপ্নগুলো দূর করতে চাই। বিশ্বাস করুন, গ্রেট ব্রিটেন এবং আয়ারল্যান্ডের শক্তি যুক্তরাজ্যের মধ্যেই নিহিত রয়েছে।
**এডিনবার্গে দেওয়া ভাষণ (২৫ নভেম্বর ১৮৭৯), ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোনের ''মিডলোথিয়ান স্পিচেস ১৮৭৯'' (লিসেস্টার ইউনিভার্সিটি প্রেস, ১৯৭১) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৪৬।
[[File:Acgladstone2.jpg|thumb|right|জাতীয় অন্যায় হলো জাতীয় পতনের সবচেয়ে নিশ্চিত পথ।]]
* যাকে আমরা অসভ্য বলি, তার অধিকারের কথা স্মরণ করুন। মনে রাখবেন যে তার বিনম্র বাড়ির সুখ এবং শীতের বরফের মধ্যে আফগানিস্তানের পাহাড়ি গ্রামগুলোতে জীবনের পবিত্রতা, সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের চোখে আপনার মতোই পবিত্র। মনে রাখবেন যে তিনি আপনাদের একই রক্তমাংসে মানুষ হিসেবে একত্রিত করেছেন। তিনি আপনাদের পারস্পরিক ভালোবাসার আইন দ্বারা আবদ্ধ করেছেন। সেই পারস্পরিক ভালোবাসা এই দ্বীপের তীরে সীমাবদ্ধ নয়। এটি খ্রিস্টান সভ্যতার সীমানায় সীমাবদ্ধ নয়। এটি পৃথিবীর পুরো পৃষ্ঠের ওপর দিয়ে যায় এবং এর বিস্তৃত পরিধিতে সর্বশ্রেষ্ঠদের সাথে ক্ষুদ্রতমদেরও গ্রহণ করে।
** স্কটল্যান্ডের ডালকিথে ফরেস্টার্স হলে দেওয়া ভাষণ (২৬ নভেম্বর ১৮৭৯), [[w:মিডলোথিয়ান প্রচারাভিযান|মিডলোথিয়ান প্রচারাভিযানের]] অংশ হিসেবে; "মিস্টার গ্ল্যাডস্টোনস ভিজিট টু মিড-লোথিয়ান: মিটিং অ্যাট দ্য ফরেস্টার্স হল" (২৭ নভেম্বর ১৮৭৯), ''দ্য স্কটসম্যান'', পৃষ্ঠা ৬-এ প্রকাশিত; এছাড়া [[জন মর্লি|জন মর্লির]] ''লাইফ অফ গ্ল্যাডস্টোন'' (১৯০৩) গ্রন্থে উদ্ধৃত, ২, (পৃষ্ঠা ৫৯৫)
* '''এখানে আমার বৈদেশিক নীতির প্রথম নীতি রয়েছে: দেশে সুশাসন।''' আমার বৈদেশিক নীতির দ্বিতীয় নীতি হলো এটি, বিশ্বের জাতিগুলোর জন্য শান্তির আশীর্বাদ সংরক্ষণ করা এর লক্ষ্য হওয়া উচিত। বিশেষ করে যখন আমরা খ্রিস্টান হিসেবে আমাদের বহন করা পবিত্র নামটি স্মরণ করি, তখন অন্তত লজ্জার খাতিরে বিশ্বের খ্রিস্টান জাতিগুলোর জন্য এটি করা উচিত। এটি আমার দ্বিতীয় নীতি।
** স্কটল্যান্ডের ওয়েস্ট ক্যাল্ডারে দেওয়া ভাষণ (২৭ নভেম্বর ১৮৭৯), ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোনের ''মিডলোথিয়ান স্পিচেস ১৮৭৯'' (লিসেস্টার ইউনিভার্সিটি প্রেস, ১৯৭১) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১১৫।
*আমার মতে তৃতীয় যৌক্তিক নীতিটি হলো এটি। যাকে [[w:ইউরোপের কনসার্ট|ইউরোপের কনসার্ট]] বলা হয়, তার চাষ এবং রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করা উচিত। ইউরোপীয় শক্তিগুলোকে ঐক্যবদ্ধ রাখা উচিত। আর কেন? কারণ সবাইকে একত্রিত রাখার মাধ্যমে আপনি একে অপরের স্বার্থপর লক্ষ্যগুলোকে নিরপেক্ষ করতে এবং বেঁধে রাখতে পারেন। আমি এখানে ইংল্যান্ড বা তাদের কাউকেই তোষামোদ করতে আসিনি। তাদের স্বার্থপর লক্ষ্য রয়েছে, যেমন দুর্ভাগ্যবশত আমরা সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অত্যন্ত দুঃখজনকভাবে দেখিয়েছি যে আমাদেরও স্বার্থপর লক্ষ্য ছিল। তবে সাধারণ পদক্ষেপ স্বার্থপর লক্ষ্যগুলোর জন্য মারাত্মক। সাধারণ পদক্ষেপের অর্থ হলো সাধারণ লক্ষ্য। ইউরোপীয় শক্তিগুলোকে আপনি কেবল তাদের সকলের সাধারণ মঙ্গলের সাথে যুক্ত লক্ষ্যগুলোর জন্যই একত্রিত করতে পারেন। ভদ্রমহোদয়গণ, এটিই আমার বৈদেশিক নীতির তৃতীয় নীতি।
**স্কটল্যান্ডের ওয়েস্ট ক্যাল্ডারে দেওয়া ভাষণ (২৭ নভেম্বর ১৮৭৯), ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোনের ''মিডলোথিয়ান স্পিচেস ১৮৭৯'' (লিসেস্টার ইউনিভার্সিটি প্রেস, ১৯৭১) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১১৫-১১৬।
* আমার চতুর্থ নীতিটি হলো, '''আপনাদের অপ্রয়োজনীয় এবং জটিল সংযোগগুলো এড়িয়ে চলা উচিত।'' আপনারা এগুলো নিয়ে বড়াই করতে পারেন, এগুলো নিয়ে দম্ভ করতে পারেন। আপনারা বলতে পারেন যে আপনারা দেশের জন্য সম্মান নিয়ে আসছেন। আপনারা বলতে পারেন যে একজন ইংরেজ এখন জাতিগুলোর মধ্যে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারে। কিন্তু ভদ্রমহোদয়গণ, এই সবের মানে কী? '''এর মানে হলো, আপনারা আপনাদের শক্তি বৃদ্ধি না করেই আপনাদের সংযোগ বৃদ্ধি করছেন। আর যদি আপনারা শক্তি বৃদ্ধি না করে সংযোগ বৃদ্ধি করেন, তবে আপনারা শক্তি হ্রাস করছেন, শক্তি বিলুপ্ত করছেন। আপনারা আসলে সাম্রাজ্যকে হ্রাস করছেন এবং একে বৃদ্ধি করছেন না।'' আপনারা একে তার দায়িত্ব পালনে কম সক্ষম করে তুলছেন। আপনারা একে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের হাতে তুলে দেওয়ার জন্য কম মূল্যবান উত্তরাধিকার হিসেবে পরিণত করছেন।
** স্কটল্যান্ডের ওয়েস্ট ক্যাল্ডারে দেওয়া ভাষণ (২৭ নভেম্বর ১৮৭৯), ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোনের ''মিডলোথিয়ান স্পিচেস ১৮৭৯'' (লিসেস্টার ইউনিভার্সিটি প্রেস, ১৯৭১) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১১৬।
*আমার পঞ্চম নীতি হলো সমস্ত জাতির সমান অধিকার স্বীকার করা। আপনি অন্য একটি জাতির চেয়ে একটি জাতির প্রতি বেশি সহানুভূতিশীল হতে পারেন। কিছু নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে আপনাকে অবশ্যই একটি জাতির চেয়ে অন্য জাতির প্রতি বেশি সহানুভূতিশীল হতে হবে। নিয়ম হিসেবে আপনি সেই জাতিগুলোর প্রতি সবচেয়ে বেশি সহানুভূতিশীল হবেন, যাদের সাথে আপনার ভাষা, রক্ত এবং ধর্মে সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে বা যাদের পরিস্থিতি সেই সময়ে সহানুভূতির জন্য সবচেয়ে শক্তিশালী দাবি বলে মনে হয়। কিন্তু অধিকারের দিক থেকে সবাই সমান। তাদের মধ্যে কাউকে নৈতিক সন্দেহ বা গুপ্তচরবৃত্তির অধীনে রাখার বা ক্রমাগত নিন্দার পাত্র করার কোনো অধিকার আপনার নেই। আপনি যদি তা করেন এবং বিশেষ করে যদি আপনি তাদের সবার ওপর নিজের জন্য শ্রেষ্ঠত্ব বা অহংকারী শ্রেষ্ঠত্ব দাবি করেন, তবে আপনি চাইলে আপনার দেশপ্রেম নিয়ে কথা বলতে পারেন। তবে আপনি আপনার দেশের একজন ভুল বিচারক বন্ধু। অন্য লোকেদের কাছে আপনার দেশের সম্মান এবং শ্রদ্ধার ভিত্তি দুর্বল করার মাধ্যমে আপনি বাস্তবে এর মারাত্মক ক্ষতি করছেন।
**স্কটল্যান্ডের ওয়েস্ট ক্যাল্ডারে দেওয়া ভাষণ (২৭ নভেম্বর ১৮৭৯), ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোনের ''মিডলোথিয়ান স্পিচেস ১৮৭৯'' (লিসেস্টার ইউনিভার্সিটি প্রেস, ১৯৭১) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১১৬-১১৭।
*[আমার ষষ্ঠ নীতি হলো] ইংল্যান্ডের বৈদেশিক নীতি সব সময় স্বাধীনতার ভালোবাসা দ্বারা অনুপ্রাণিত হওয়া উচিত। '''[[স্বাধীনতা|স্বাধীনতার]] প্রতি সহানুভূতি থাকা উচিত এবং এটিকে সুযোগ দেওয়ার ইচ্ছা থাকা উচিত। এটি কোনো কাল্পনিক ধারণার ওপর ভিত্তি করে নয়, বরং এই সুখী দ্বীপের তীরে বহু প্রজন্মের দীর্ঘ অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে হওয়া উচিত। স্বাধীনতায় আপনি [[আনুগত্য]] এবং [[শৃঙ্খলা|শৃঙ্খলার]] সবচেয়ে দৃঢ় ভিত্তি স্থাপন করেন। এটি ব্যক্তির [[চরিত্র|চরিত্র]] বিকাশের দৃঢ় ভিত্তি এবং বৃহত্তর জাতির [[সুখ|সুখের]] জন্য সর্বোত্তম ব্যবস্থা।'''
**স্কটল্যান্ডের ওয়েস্ট ক্যাল্ডারে দেওয়া ভাষণ (২৭ নভেম্বর ১৮৭৯), ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোনের ''মিডলোথিয়ান স্পিচেস ১৮৭৯'' (লিসেস্টার ইউনিভার্সিটি প্রেস, ১৯৭১) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১১৭।
*ভদ্রমহোদয়গণ, বৈদেশিক নীতির সমস্ত নীতির মধ্যে আমি জাতিগুলোর সমতার নীতিকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিই। কারণ এই নীতিটিকে স্বীকৃতি না দিলে জনস্বার্থ বলে কিছু থাকে না। আর আন্তর্জাতিক জনস্বার্থ ছাড়া বস্তুত শক্তি প্রয়োগ ব্যতীত মানবজাতির লেনদেন নিষ্পত্তির জন্য কোনো হাতিয়ার থাকে না। এর ফলে, আমার মতে জাতিগুলোর মধ্যে সমতার নীতি একটি খ্রিস্টান সভ্যতার একেবারে মূলে এবং ভিত্তিতে নিহিত রয়েছে। যখন এই নীতির সাথে আপস করা হয় বা একে পরিত্যাগ করা হয়, তখন এর সাথে মানবজাতির জন্য আমাদের প্রশান্তি এবং অগ্রগতির আশাও চলে যেতে হবে।
**স্কটল্যান্ডের ওয়েস্ট ক্যাল্ডারে দেওয়া ভাষণ (২৭ নভেম্বর ১৮৭৯), ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোনের ''মিডলোথিয়ান স্পিচেস ১৮৭৯'' (লিসেস্টার ইউনিভার্সিটি প্রেস, ১৯৭১) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১২৩।
*রোমানদের মুখে "স্বাধীনতা এবং সাম্রাজ্য" শব্দ দুটির অর্থ কী ছিল? তাদের অর্থ ছিল কেবল এটি, নিজেদের জন্য স্বাধীনতা এবং বাকি মানবজাতির ওপর সাম্রাজ্য।
**স্কটল্যান্ডের ওয়েস্ট ক্যাল্ডারে দেওয়া ভাষণ (২৭ নভেম্বর ১৮৭৯), ''দ্য টাইমস'' (২৮ নভেম্বর ১৮৭৮)-এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১০। রক্ষণশীল প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন ডিসরাইলি তাঁর নীতিকে "ইম্পেরিয়াম এট লিবার্টাস" হিসেবে ঘোষণা করেছিলেন।
* চ্যান্সেলর অফ দ্য এক্সচেকারের সাহসের সাথে অর্থনীতিকে বিস্তারিতভাবে সমর্থন করা উচিত। যখন তিনি অর্থনীতিকে বিস্তারিতভাবে সমর্থন করতে পিছপা হন, তখন এটি একজন ভীরু চ্যান্সেলরের লক্ষণ। যখন এটি কেবল দুই বা তিন হাজার পাউন্ডের প্রশ্ন, তখন তিনি বলেন এটি কোনো ব্যাপার না। মোমবাতির শেষাংশ এবং পনিরের টুকরো বাঁচানোর জন্য তাকে হয়তো উপহাস করা হয়। কিন্তু তিনি যদি দেশের স্বার্থে মোমবাতির শেষাংশ এবং পনিরের টুকরো বাঁচানোর জন্য প্রস্তুত না থাকেন, তবে তিনি তার পদের যোগ্য নন। কোনো চ্যান্সেলর অফ দ্য এক্সচেকার তার পদের যোগ্য নন, যদি তিনি জনগণের তহবিল পরিচালনা করার সময় নিজের জনপ্রিয়তাকে কোনোভাবে বিবেচনায় নেন। আমার মতে, চ্যান্সেলর অফ দ্য এক্সচেকার হলেন জনগণের বিশ্বস্ত এবং গোপনীয় রক্ষক। তিনি যা কিছু ব্যয় করতে সম্মত হন, তার সবকিছুর ক্ষেত্রে একটি পবিত্র বাধ্যবাধকতার অধীনে থাকেন।
** এডিনবার্গে দেওয়া ভাষণ (২৯ নভেম্বর ১৮৭৯), এফ. ডব্লিউ. হার্স্টের ''গ্ল্যাডস্টোন অ্যাজ ফাইন্যান্সিয়ার অ্যান্ড ইকোনমিস্ট'' (১৯৩১) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ২৪৩
*সেই চ্যান্সেলর অফ দ্য এক্সচেকার হলেন সেই ব্যক্তি, যিনি আমাদের মধ্যে আর্থিক সততার যা কিছু আছে তা দুর্নীতিগ্রস্ত করতে আসেন। তিনি আমাদের মনে সেই প্রলোভনসঙ্কুল এবং বিষাক্ত ধারণাগুলো ঢুকিয়ে দিতে আসেন যে ঘাটতি থাকলে খুব বেশি কিছু যায় আসে না এবং বাণিজ্যের অবস্থা ভালো না থাকলে মানুষকে কর দিতে বলা অত্যন্ত অপ্রীতিকর। সেটি কি স্যার [[রবার্ট পিল|রবার্ট পিলের]] অনুশীলন ছিল? তিনি সংসদে এসে হাউস অফ কমন্সে তার জায়গায় দাঁড়িয়ে পরিসংখ্যানগুলো নির্দেশ করে তাদের বলেছিলেন, আমি আপনাদের জিজ্ঞাসা করছি, আপনারা কি ঘাটতি সহ্য করার এবং বছর বছর ঋণের মাধ্যমে বিধান করার "শোচনীয় উপায়" অবলম্বন করবেন? যাকে তিনি "শোচনীয় উপায়" হিসেবে নিন্দা করেছিলেন, তা এখন স্থায়ী আইনে পরিণত হয়েছে। এটি প্রায় বর্তমান সরকারের আর্থিক সুসমাচার হয়ে দাঁড়িয়েছে।
**এডিনবার্গে দেওয়া ভাষণ (২৯ নভেম্বর ১৮৭৯), ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোনের ''মিডলোথিয়ান স্পিচেস ১৮৭৯'' (লিসেস্টার ইউনিভার্সিটি প্রেস, ১৯৭১) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ১৫২
*ভারত সরকার একটি জাতির দ্বারা গৃহীত সবচেয়ে কঠিন এবং সম্ভবত সবচেয়ে মহৎ দায়িত্ব।
**গ্লাসগোতে দেওয়া ভাষণ (৫ ডিসেম্বর ১৮৭৯), মাইকেল বেলফোরের ''ব্রিটেন অ্যান্ড জোসেফ চেম্বারলেইন'' (১৯৮৫) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ২১৩
=== ১৮৮০-এর দশক ===
* ১৮৪২ সালের পূর্বে [[মুক্ত বাণিজ্য|মুক্ত বাণিজ্যের]] এমন কোনো অংশ ছিল না, যা আমাদের বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন। ... তাই আমি ১৮৪৩ সালকে নতুন ট্যারিফ নামে পরিচিত লিবারেল আইনের প্রথম কিস্তির প্রথম কার্যকরী বছর হিসেবে ধরছি। দ্বিতীয় কিস্তি ছিল ১৮৪৫ সালের নতুন ট্যারিফ। তৃতীয় কিস্তি ছিল ১৮৪৯ সালের শুরুতে কর্ন ল বাতিল করা এবং একই সাথে সেই বছরের সংসদীয় অধিবেশনে ন্যাভিগেশন ল বাতিল করা। চতুর্থটি ছিল ১৮৫৩ সালের নতুন ট্যারিফ, যার সাথে সাবান শুল্ক এবং অন্যান্য পরিবর্তন বাতিল করা হয়েছিল। পঞ্চম এবং সর্বশেষ বড় কিস্তি ১৮৬০ সালের কাস্টমস অ্যাক্ট দ্বারা মঞ্জুর করা হয়েছিল, যা শেষ পর্যন্ত নিম্নলিখিত নীতিগুলোকে প্রায় সর্বজনীন রূপ দিয়েছিল:<br>১. কাঁচামাল, খাদ্য বা উৎপাদিত পণ্যের ওপর কোনো সুরক্ষামূলক শুল্ক আরোপ করা উচিত নয়।<br>২. কাস্টমস শুল্ক হিসেবে রাজস্ব আদায়ের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ যথাসম্ভব কম সংখ্যক নিবন্ধের ওপর থেকে সংগ্রহ করা উচিত।
** 'ফ্রি ট্রেড, রেলওয়েজ, অ্যান্ড দ্য গ্রোথ অব কমার্স', ''দ্য নাইনটিন্থ সেঞ্চুরি'', নং. ৩৬ (ফেব্রুয়ারি ১৮৮০), ''দ্য নাইনটিন্থ সেঞ্চুরি'', খণ্ড ৭ (জানুয়ারি-জুন ১৮৮০), পৃষ্ঠা ৩৭৪-এ উদ্ধৃত
* রক্ষণশীলতা একটি সর্বজনীন বিষ কি না, অথবা কোনো নতুন শিল্পে প্রাথমিক বিনিয়োগকে রক্ষা করার জন্য কয়েক বছর ধরে মঞ্জুর করা হলে এটি খাদ্যের মতো কাজ করতে পারে কি না, সে বিষয়ে আমি এখন জিজ্ঞাসা করছি না। আমরা অন্তত এটিকে সেই প্রশমিত রূপে কখনো দেখিনি বা জানিনি। আমাদের কাছে এটি কেবল জনকল্যাণের ন্যায্য দাবির বিরুদ্ধে শ্রেণির সবচেয়ে স্বার্থপর প্রবৃত্তিগুলোকে রক্ষা করেছে। এটি তাদেরকে এমন শক্তিশালী ঘাঁটি প্রদান করেছে, যেখান থেকে আমাদের উৎপাদকরা প্রয়োজনের সময় খুব সাধারণভাবে বেরিয়ে এসেছে। তারা মাথা থেকে পা পর্যন্ত ক্ষমতা ও প্রভাবে সজ্জিত ছিল, যা মূলত সম্প্রদায়ের খরচে অর্জিত হয়েছিল। তারা প্রকৃতি, স্বাধীনতা এবং ন্যায়ের বিরুদ্ধে এক বিকৃত সাহসিকতার সাথে যুদ্ধ করার জন্য এটি করেছিল।
** 'ফ্রি ট্রেড, রেলওয়েজ, অ্যান্ড দ্য গ্রোথ অব কমার্স', ''দ্য নাইনটিন্থ সেঞ্চুরি'', নং. ৩৬ (ফেব্রুয়ারি ১৮৮০), ''দ্য নাইনটিন্থ সেঞ্চুরি'', খণ্ড ৭ (জানুয়ারি-জুন ১৮৮০), পৃষ্ঠা ৩৭৭-এ উদ্ধৃত
* আমাদেরকে জাতীয় স্বাধীনতার বিস্তৃত এবং অটল শক্তির ওপর নির্ভর করতে হবে। আমরা এমন কোনো শ্রেণিকে স্বীকৃতি দিতে অস্বীকার করি, তারা অভিজাত হোক বা ভদ্রলোক হোক বা আপনি যা-ই বলুন না কেন, যারা জাতির ইচ্ছার বিরুদ্ধে এই জাতির ভাগ্য নিয়ন্ত্রণের অধিকারী।
** প্যাথহেড, স্কটল্যান্ডে দেওয়া ভাষণ (২৩ মার্চ ১৮৮০), ''পলিটিক্যাল স্পিচেস ইন স্কটল্যান্ড, মার্চ অ্যান্ড এপ্রিল ১৮৮০'' (১৮৮০), পৃষ্ঠা ২৬৮-এ উদ্ধৃত
* যে মনোভাবগুলো আমাদেরকে অ্যালাবামা মামলার সালিশিতে পক্ষ হতে পরিচালিত করেছিল, তা এখনো আমাদের সাথে আগের মতোই আছে। আমরা নিরুৎসাহিত হইনি। আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালের রায়ে আমাদেরকে জরিমানা করা হয়েছিল এবং কঠোরভাবে জরিমানা করা হয়েছিল, এই ঘটনায় আমাদের অনুভূতি দমে যায়নি। যদিও আমরা ভাবতে পারি যে রায়টি তার পরিসরে কঠোর এবং তার ভিত্তিতে অন্যায্য ছিল, তবুও ইংল্যান্ড এবং আমেরিকার মতো দুটি মহান জাতি যখন শান্তির সাথে একটি বিচারিক ট্রাইব্যুনালে এই বেদনাদায়ক পার্থক্যগুলো নিষ্পত্তি করতে যায়, তখন স্থাপিত উদাহরণের নৈতিক মূল্যের তুলনায় আমরা এই দেশের ওপর আরোপিত জরিমানাকে অতি নগণ্য বলে মনে করি। এই দুটি জাতি জাতীয় সম্মানকে স্পর্শ করে এমন যেকোনো বিষয়ে বিশ্বের সবচেয়ে উগ্র এবং সবচেয়ে ঈর্ষান্বিত জাতিগুলোর অন্যতম। তারা তলোয়ারের মাধ্যমে মীমাংসার আশ্রয় নেওয়ার পরিবর্তে এই পথ বেছে নিয়েছিল।
** হাউস অব কমন্সে দেওয়া [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1880/jun/15/motion-for-an-address#column_106 ভাষণ] (১৫ জুন ১৮৮০)
* তিনি যেভাবে বেঁচে ছিলেন, সেভাবেই মারা গেছেন। সবই লোকদেখানো, যার কোনো বাস্তবতা বা অকৃত্রিমতা ছিল না।
** [[বেঞ্জামিন ডিসরায়েলি|বেঞ্জামিন ডিসরায়েলির]] একটি সাধারণ অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পাদনের নির্দেশনার বিষয়ে ১৮৮১ সালের মে মাসে তার সচিব এডওয়ার্ড হ্যামিল্টনকে বলেছিলেন। ডিসরায়েলিকে তার স্ত্রীর গ্রামীণ গির্জার কবরস্থানে সমাহিত করা হয়েছিল। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী গ্ল্যাডস্টোন একটি রাষ্ট্রীয় অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া এবং ওয়েস্টমিনস্টার অ্যাবেতে দাফনের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। ফিলিপ ম্যাগনাস রচিত ''গ্ল্যাডস্টোন: আ বায়োগ্রাফি'' (১৯৫৪)-এর ১১তম অধ্যায়ে উদ্ধৃত
* আমি কোনোভাবেই খুব একটা ব্যথিত নই, তবে মিশরে জাতীয় অনুভূতি এবং দলের এই দ্রুত বিকাশে আমি অনেক বেশি অবাক হয়েছি। ... 'মিশরীয়দের জন্য মিশর' হলো সেই অনুভূতি যাকে আমি সুযোগ দিতে চাই। যদি এটি প্রাধান্য লাভ করতে পারে, তবে আমি মনে করি এটি 'মিশরীয় প্রশ্নের' সবচেয়ে ভালো এবং একমাত্র ভালো সমাধান হবে।
** লর্ড গ্র্যানভিলের কাছে চিঠি (৪ জানুয়ারি ১৮৮২), এইচ. সি. জি. ম্যাথিউ সম্পাদিত ''দ্য গ্ল্যাডস্টোন ডায়েরিজ, উইথ ক্যাবিনেট মিনিটস অ্যান্ড প্রাইম-মিনিস্টেরিয়াল করেস্পন্ডেন্স: ভলিউম ১০: জানুয়ারি ১৮৮১-জুন ১৮৮৩'' (১৯৯০), পৃষ্ঠা ৬৮-এ উদ্ধৃত
* মহাশয়, তিনটি নীতি আছে, যা অন্য সবগুলোর চেয়ে বড়। আমার মতে, সমস্ত ভালো অর্থব্যবস্থা এগুলোর ওপর ভিত্তি করে হওয়া উচিত। এর মধ্যে প্রথমটি হলো, চার্জ যা-ই হোক না কেন, তা পরিশোধ করা যাবে বলে সবসময় একটি নিশ্চয়তা থাকতে হবে। আমি বিশ্বাস করি এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দ্বিতীয়টি হলো, শান্তি ও সমৃদ্ধির সময়ে দেশের জনগণের তাদের ঋণ কমানো উচিত। এবং তৃতীয় বিষয়টি হলো তাদের ব্যয় কমানো উচিত।
** হাউস অব কমন্সে দেওয়া [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1882/apr/24/ways-and-means-financial-statement#column_1298 ভাষণ] (২৪ এপ্রিল ১৮৮২)
* "বয়কটিং" বলতে কী বোঝায়? প্রথমত, এটি একটি সম্মিলিত ভয়ভীতি প্রদর্শন। দ্বিতীয়ত, এটি ধ্বংস এবং অনাহারের ভয় দেখিয়ে পছন্দের ব্যক্তিগত স্বাধীনতাকে ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত একটি সম্মিলিত ভয়ভীতি প্রদর্শন।
** হাউস অব কমন্সে দেওয়া [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1882/may/24/committee-adjourned-debate#column_1551 ভাষণ] (২৪ মে ১৮৮২)
* উইলিসেস রুমে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত সভায় গৃহীত প্রস্তাবগুলো গ্রহণ করার সম্মান আমি পেয়েছি, যা আপনার লর্ডশিপ আমার কাছে ফরোয়ার্ড করার অনুগ্রহ করেছেন। আমি আপনার লর্ডশিপকে আশ্বস্ত করতে পারি যে সেই প্রস্তাবগুলোর বিষয়বস্তু মহামান্য রানির সরকারের আন্তরিক মনোযোগ আকর্ষণ করছে। সরকার দাসপ্রথা এবং দাস ব্যবসা দমনের বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্য প্রতিটি সুযোগ কাজে লাগাবে।
** ব্রিটিশ অ্যান্ড ফরেন অ্যান্টি-স্ল্যাভারি সোসাইটির সভার সভাপতি লর্ড শ্যাফটসবারির কাছে লেখা চিঠি (২২ নভেম্বর ১৮৮২), ''দ্য টাইমস'' (২৭ নভেম্বর ১৮৮২), পৃষ্ঠা ৪-এ উদ্ধৃত
* আমি যা আশা করি এবং আকাঙ্ক্ষা করি, যার জন্য আমি পরিশ্রম করি এবং অন্তরে ধারণ করি, তা হলো আয়ারল্যান্ডে কর্তৃত্বের বিকেন্দ্রীকরণ। আমরা চার্চকে অপ্রতিষ্ঠিত করেছি এবং ভাড়াটিয়া শ্রেণিকে অনেক ক্ষোভ থেকে মুক্তি দিয়েছি। আমরা এখন এমন একটি অবস্থা তৈরি করতে যাচ্ছি যা সবচেয়ে বিনীত আইরিশ নাগরিককেও উপলব্ধি করাবে যে তিনি একটি শাসক সংস্থা এবং সরকার তার দ্বারা এবং তার জন্যই পরিচালিত হবে।
** [[জর্জ ক্লেমঁসো|জর্জ ক্লেমঁসোর]] কাছে লেখা চিঠি (শীতকাল ১৮৮২), বার্নার্ড হেনরি হল্যান্ড রচিত ''দ্য লাইফ অব স্পেন্সার কম্পটন, এইটথ ডিউক অব ডেভনশায়ার, ভলিউম ১'' (১৯১১), পৃষ্ঠা ৩৮৩-এ উদ্ধৃত
* আপনারা কি মনে করেন যে আমরা অজ্ঞ? মি. ব্র্যাডলফের মামলাটি উত্থাপিত হওয়ার পর থেকে অনুষ্ঠিত প্রতিটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনে আপনারা ভোট পেয়েছেন এবং আমরা সেগুলো হারিয়েছি। আপনারা এ বিষয়ে পুরোপুরি অবগত আছেন। আমরাও এ বিষয়ে কম অবগত নই। কিন্তু আপনারা যদি পুরোপুরি অবগত থাকেন, তবে আমাদেরকে কি কিছু কৃতিত্ব দেওয়া উচিত নয়? আমরা আপনাদেরকে আরও কঠিন পরিস্থিতিতে একই জিনিস দিচ্ছি। আনুমানিক সততা এবং উদ্দেশ্যের বিশুদ্ধতার জন্য কি আমাদেরকে কিছু কৃতিত্ব দেওয়া উচিত নয়? মহাশয়, লিবারেল পার্টি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং এই কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এর ইতিহাসে এটি প্রথমবার নয়। এটি আবার সেই পুরোনো গল্প। ধর্মীয় সহনশীলতার প্রসার এবং অযোগ্যতা হ্রাস ও অপসারণের বিষয়ে যে বিতর্কই দেখা দিয়েছে, লিবারেল পার্টি আগেও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং সম্ভবত এখন আবার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তবুও এটি এমন কোনো দল নয়, যার সামগ্রিকভাবে গত অর্ধ শতাব্দীতে জনগণের স্নেহ এবং অনুমোদনের ওপর সামান্যতম বা সবচেয়ে দুর্বল দখল রয়েছে। দেশের প্রোটেস্ট্যান্ট মতবাদ থেকে কারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে? এটি সেই দল ছিল, যারা ব্যক্তিদের কাছ থেকে মূল্যবান সহায়তা পেয়েছিল, কিন্তু কেবল সেইসব ব্যক্তিরাই এর জন্য তাদের জনপ্রিয়তা হারিয়েছিল। এটি সেই দল ছিল যারা মহান রোমান ক্যাথলিক বিতর্কের ক্ষেত্রে স্বাধীনতার লড়াই করেছিল, যখন প্রোটেস্ট্যান্টবাদের নাম বর্তমানে ঈশ্বরবাদের মতো ততটা প্রভাবের সাথে ডাকা হয়েছিল এবং পিটিশনগুলো বর্তমানের মতোই অবাধে ঢেলে দেওয়া হয়েছিল। ১৮২৯ সালের আইনের ধাক্কা সামলে নিয়েছিল প্রোটেস্ট্যান্টবাদ। এরপর শুরু হয় খ্রিস্টধর্মের যুদ্ধ, এবং বলা হয় যে লিবারেল পার্টির দ্বারা দেশের খ্রিস্টধর্ম বলিদান করা হয়েছে। কক্ষের অপর দিকের ভদ্রলোকেরা মনে হয় যা কিছু ঘটেছে তা ভুলে গেছেন। তারা পার্লামেন্টে ইহুদিদের প্রবেশের বিষয়ে নিজেদেরকে নিয়ে গর্ব করছেন, যেন তারা নিখুঁত সততার সাথে এটি প্রতিহত করেননি। আমি তাদের সম্মানের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ করছি না এবং কোনো অযোগ্য উদ্দেশ্য আরোপ করছি না। যেন তারা বর্তমান অনুষ্ঠানে যতটা সংকল্প প্রদর্শন করছেন, ততটা সংকল্প নিয়ে এটি প্রতিহত করেননি। '''মহাশয়, আমি এটাই আশা করি, লিবারেল পার্টি ভয় বা অনুগ্রহের কারণে পিছপা হবে না, বরং সমতা ও ন্যায়ের পথ বলে বিশ্বাস করে এমন পথে অবিচলভাবে কাজ করে যাবে। একজন মানুষের জন্য সে যা ন্যায্য বলে মনে করে তার জন্য কষ্টভোগ করার চেয়ে বড় সম্মান আর নেই। এবং একটি দলের জন্য এমন নীতিগুলো কার্যকর করার প্রচেষ্টায় কষ্টভোগ করার চেয়ে বড় সম্মান আর নেই, যা তারা ন্যায্য বলে বিশ্বাস করে।'''
** নাস্তিক চার্লস ব্র্যাডলফকে সংসদে তার আসন গ্রহণের অনুমতি দেওয়ার সমর্থনে হাউস অব কমন্সে দেওয়া একটি [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1883/apr/26/second-reading-adjourned-debate-second ভাষণের] (২৬ এপ্রিল ১৮৮৩) অংশ।
* আমি নিশ্চিত যে প্রতিটি ধর্মীয় এবং রাজনৈতিক ভিত্তির ওপর, '''সত্য ও বিজ্ঞ পথ হলো ধর্মীয় স্বাধীনতাকে অর্ধেক, এক-চতুর্থাংশ বা ভগ্নাংশ হিসেবে বিবেচনা করা নয়; বরং এটিকে সম্পূর্ণভাবে বিবেচনা করা এবং দেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ধর্মীয় পার্থক্যের ভিত্তিতে মানুষের মধ্যে কোনো পার্থক্য না রাখা।'''
** নাস্তিক চার্লস ব্র্যাডলফকে সংসদে তার আসন গ্রহণের অনুমতি দেওয়ার সমর্থনে হাউস অব কমন্সে দেওয়া একটি [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1883/apr/26/second-reading-adjourned-debate-second ভাষণের] (২৬ এপ্রিল ১৮৮৩) অংশ।
* আমাকে অবশ্যই বেদনাদায়কভাবে আমার মতামত রেকর্ড করতে হবে যে অনেক মানুষের মনে ধর্মের প্রতি গভীর আঘাত করা হয়েছে। নির্দেশিত মনে নয়, বরং এমন মনে যারা অশিক্ষিত বা আংশিকভাবে শিক্ষিত, যাদের আমাদের বিবেচনার ওপর বড় দাবি রয়েছে। দুর্ভাগ্যবশত নেওয়া পদক্ষেপগুলোর কারণে এটি হয়েছে। নর্দাম্পটনের নির্বাচনী এলাকার দ্বারা নির্বাচিত ব্যক্তির বিরুদ্ধে যে প্রতিরোধ দেওয়া হয়েছে, তার কারণে অনেক মনে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, যা সম্প্রদায়ের একটি অংশ অন্যায় বলে বিশ্বাস করে। যখন তারা ধর্মের পেশা এবং ধর্মের স্বার্থকে বাহ্যিকভাবে অন্যায়ের সাথে যুক্ত হতে দেখে, তখন তারা ধর্ম সম্পর্কে প্রশ্ন করতে পরিচালিত হয়, যা তারা অন্যায়ের সাথে যুক্ত বলে দেখে। অবিশ্বাস এমন একটি সহানুভূতি আকর্ষণ করে যা এটি অন্যথায় উপভোগ করতে পারত না। এবং এর ফলাফল হলো সেই বিশ্বাস এবং ধর্মীয় বিশ্বাসকে দুর্বল করা, যার ক্ষতি আমি এমন একটি অবর্ণনীয় বিপর্যয় বলে মনে করি যা কোনো মানুষ বা জাতির ওপর নেমে আসতে পারে।
** নাস্তিক চার্লস ব্র্যাডলফকে সংসদে তার আসন গ্রহণের অনুমতি দেওয়ার সমর্থনে হাউস অব কমন্সে দেওয়া একটি [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1883/apr/26/second-reading-adjourned-debate-second ভাষণের] (২৬ এপ্রিল ১৮৮৩) অংশ।
* বিদেশি উৎপাদক যে কারণে তার উৎপাদিত পণ্য বাজারে সস্তায় পায়, তা হলো বিদেশি পণ্য সংগ্রহ করা হয় এবং প্রচুর পরিমাণে আনা হয় এবং বাজারে বিশাল আকারে পাঠানো হয়। এটাই হলো সস্তা পরিবহনের রহস্য। আমাদেরকে আমাদের উৎপাদনের পাউন্ডগুলোকে টনে পরিণত করার চেষ্টা করতে হবে অথবা বেশ কয়েকজন উৎপাদককে একত্রিত করতে হবে। আপনারা ক্ষুদ্র কৃষকরা যদি সম্মিলিতভাবে রেলওয়ে কোম্পানিগুলোকে প্রচুর পরিমাণে পণ্য সরবরাহ করতে পারেন, তবে তারা আপনাদেরকে ভালো শর্ত দেবে।
** হাওয়ার্ডেনে দেওয়া ভাষণ (৫ জানুয়ারি ১৮৮৪), এফ. ডব্লিউ. হার্স্ট রচিত ''গ্ল্যাডস্টোন অ্যাজ ফাইন্যান্সিয়ার অ্যান্ড ইকোনমিস্ট'' (১৯৩১), পৃষ্ঠা ২৫৮-এ উদ্ধৃত
* আদর্শিক পরিপূর্ণতা ইংরেজি আইনের প্রকৃত ভিত্তি নয়। আমরা অর্জনযোগ্য বিষয়ের দিকে তাকাই। আমরা বাস্তবসম্মত বিষয়ের দিকে তাকাই। ইউটোপিয়ায় সম্ভবত কী অর্জন করা যেতে পারে, সে সম্পর্কে আশাবাদী বর্ণনাগুলোর দ্বারা বিভ্রান্ত হওয়ার চেয়ে আমাদের কাছে যথেষ্ট পরিমাণ ইংরেজি জ্ঞান রয়েছে। এটি আমাদেরকে এমন একটি পথ থেকে দূরে সরিয়ে দেয় যা ইংল্যান্ডের জনগণের জন্য দারুণ মঙ্গল সাধন করতে সক্ষম হওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়।
** রিপ্রেজেন্টেশন অব দ্য পিপল বিলের ওপর বিতর্কের সময় হাউস অব কমন্সে দেওয়া [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1884/feb/28/motion-for-leave ভাষণ] (২৮ ফেব্রুয়ারি ১৮৮৪)
* মাননীয় ভদ্রলোক বারবার এই ঘোষণার উদ্ধৃতি দিয়েছেন, মিশরের বাইরে [বিদ্রোহ] রাখতে হলে সুদানে এটি দমন করা প্রয়োজন। এবং এটাই হলো সেই কাজ যা মাননীয় ভদ্রলোক ইংল্যান্ডের ওপর চাপিয়ে দিতে চান। এখন আমি মাননীয় ভদ্রলোকদের বলছি যে, এই কাজটির অর্থ হলো সুদান পুনর্দখল করা। আমি মুহূর্তের জন্য জলবায়ু, দূরত্ব, অসুবিধা, বিশাল ব্যয় এবং ভয়াবহ প্রাণহানির সমস্ত প্রশ্ন সরিয়ে রাখছি। মাননীয় ভদ্রলোকের পরিকল্পনায় এর চেয়েও খারাপ কিছু জড়িত আছে। এটি হবে মুক্ত হতে সংগ্রাম করা একটি জাতির বিরুদ্ধে বিজয়ের যুদ্ধ। ["না, না!"] '''হ্যাঁ, এরা এমন মানুষ যারা মুক্ত হওয়ার জন্য সংগ্রাম করছে, এবং তারা মুক্ত হওয়ার জন্য ন্যায্যভাবেই সংগ্রাম করছে।'''
** মাহদিস্ট যুদ্ধের সময় হাউস অব কমন্সে দেওয়া [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1884/may/12/vote-of-censure ভাষণ] (১২ মে ১৮৮৪)।
[[File:William Ewart Gladstone by Rupert Potter.jpg|thumb|right|আমাদের উৎপাদনের পাউন্ডগুলোকে টনে পরিণত করার চেষ্টা করতে হবে অথবা বেশ কয়েকজন উৎপাদককে একত্রিত করতে হবে।]]
* ধীর পরিবর্তন এবং বিকাশের একটি প্রক্রিয়া চলছে, যা মূলত এমন দিকে যাচ্ছে যা আমি সন্দেহের চোখে দেখি। "টোরি গণতন্ত্র" হলো সেই দিকের একটি প্রিয় ধারণা। এটি আমি যে কনজারভেটিভ পার্টিতে বেড়ে উঠেছি তার মতো নয়, ঠিক যেমন এটি লিবারেলিজমের মতো নয়। বস্তুত এটি আরও কম। এটি হলো ডেম্যাগোগিজম। এটি সবচেয়ে খারাপ উপায়ে প্রয়োগ করা হয়, সেই শান্তিকামী, আইন-শ্রদ্ধাশীল, অর্থনৈতিক উপাদানগুলোকে দমন করার জন্য, যা পুরোনো রক্ষণশীলতাকে উন্নত করেছিল। এটি রাগান্বিত আবেগের প্ররোচনায় বেঁচে থাকে এবং গোপনে আগের মতোই শ্রেণির স্বার্থের মন্দ নীতির সাথে একগুঁয়েভাবে যুক্ত থাকে। আজকের লিবারেলিজম তুলনামূলক ভালো, তবে তা ভালো হওয়ার থেকে অনেক দূরে। এর প্রিয় ধারণাটি হলো তারা যাকে নির্মাণ বলে ডাকে, অর্থাৎ প্রতিটি মানুষের কাজ রাষ্ট্রের হাতে তুলে নেওয়া। এই দুটোরই আমাকে দূরে সরিয়ে দেওয়ার মতো অনেক কিছু আছে এবং এগুলো আমাকে অনেক বছর ধরে দূরে সরিয়ে রেখেছে।
** [[লর্ড অ্যাক্টন|লর্ড অ্যাক্টনের]] কাছে লেখা চিঠি (১১ ফেব্রুয়ারি ১৮৮৫), জন মর্লে রচিত ''দ্য লাইফ অব উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন, ভলিউম ৩'' (১৯০৩), পৃষ্ঠা ১৭২-এ উদ্ধৃত
* আমার এমন আশাও আছে যে, জনগণের মধ্যে দৃঢ়ভাবে অবস্থান করা ন্যায়বিচারের বোধ কখনো জেনেশুনে উগ্র জাতীয়তাবাদের শয়তানের সাথে হাত মেলাবে না।
** [[লর্ড অ্যাক্টন|লর্ড অ্যাক্টনের]] কাছে লেখা চিঠি (১১ ফেব্রুয়ারি ১৮৮৫), জন মর্লে রচিত ''দ্য লাইফ অব উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন, ভলিউম ৩'' (১৯০৩), পৃষ্ঠা ১৭৩-এ উদ্ধৃত
* একজন প্রতিষ্ঠিত যাজক সবসময় একটি টোরি কর্পস ডি'আর্মি হবেন।
** স্যার [[উইলিয়াম হারকোর্ট|উইলিয়াম হারকোর্টের]] কাছে লেখা চিঠি (৩ জুলাই ১৮৮৫), এইচ. সি. জি. ম্যাথিউ সম্পাদিত, ''দ্য গ্ল্যাডস্টোন ডায়েরিজ, ভলিউম ১০: জানুয়ারি ১৮৮১-জুন ১৮৮৩'' (১৯৯০), পৃষ্ঠা ১৬৯-এ উদ্ধৃত
* আমাদের নীতির নিয়ম হলো, স্বেচ্ছাসেবী প্রচেষ্টার মাধ্যমে যে কাজ ভালোভাবে বা আরও ভালোভাবে করা যায়, রাষ্ট্রের তা করা উচিত নয়। এবং আমি এমন কিছু ''জানি না'' যে, এর নৈতিক বা এমনকি এর সাহিত্যিক দিকগুলোতেও [[শিক্ষা|শিক্ষার]] জন্য রাষ্ট্রের কাজ এখনো ''ধর্মীয় গোষ্ঠী'' বা ''জনহিতকর ব্যক্তিদের'' কাজের চেয়ে তার ''শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করেছে''। এমনকি ''উল্লেখযোগ্যভাবে বর্ধিত ব্যয়ের'' ''অর্থনৈতিক'' বিবেচনাগুলোও পুরোপুরি নগণ্য বলে মনে হয় না।
** [http://oll.libertyfund.org/EBooks/Smith_0306.pdf লিবারেল ইশতেহার (সেপ্টেম্বর ১৮৮৫)]
* জনকল্যাণমূলক অর্থনীতির যে বিস্মৃতি ঘটেছে, তার জন্য আমি গভীরভাবে শোকাহত। আতঙ্কের বিষয়টিকে বিলাসবহুল করে তোলার যে বর্তমান প্রবণতা রয়েছে, যা মানুষ একটি চাঞ্চল্যকর উপন্যাস বা উচ্চ মশলাযুক্ত রান্নার মতো উপভোগ করে বলে মনে হয়, এবং উভয় পক্ষেরই [[সমাজতন্ত্র|সমাজতন্ত্রের]] দিকে ঝোঁক রয়েছে, যাকে আমি মৌলিকভাবে অপছন্দ করি।
** ডিউক অব আর্গাইলের কাছে লেখা চিঠি (৩০ সেপ্টেম্বর ১৮৮৫), জন মর্লে রচিত ''দ্য লাইফ অব উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন, ভলিউম ৩'' (১৯০৩), পৃষ্ঠা ২২১-এ উদ্ধৃত
* সমাজতন্ত্র। এই জায়গায় আমি আপনার সাথে একমত। আমি সবসময় এর বিরোধিতা করেছি। এটি এখন উভয় দলকে এমনভাবে আঁকড়ে ধরছে যা আমি খুব অপছন্দ করি। এবং দুর্ভাগ্যবশত [[রবার্ট গাসকোয়েন-সেসিল, থার্ড মার্কুইস অব স্যালিসবারি|লর্ড স্যালিসবারি]] এর একজন নেতা হয়ে উঠেছেন। তাকে বাধা দেওয়ার মতো কোনো লর্ড হার্টিংটন নেই (ডারওয়েনে তার ভাষণ দেখুন)।
** লর্ড সাউথেস্কের কাছে লেখা চিঠি (২৭ অক্টোবর ১৮৮৫)
* আমি তাদেরকে আমার নিজের পরামর্শ গোপন রাখার উদ্দেশ্যের কথা জানাতাম। এবং আমি একজন '''পুরোনো সংসদীয় অভিজ্ঞ ব্যক্তি''' হিসেবে তাদেরকে একই কাজ করার সুপারিশ করার সাহস করব।
** হাউস অব কমন্সে দেওয়া [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1886/jan/21/first-eight ভাষণ] (২১ জানুয়ারি ১৮৮৬)
* আমি যে নীতি নির্ধারণ করছি, তা কেবল আয়ারল্যান্ডের জন্য ব্যতিক্রমীভাবে নির্ধারণ করছি না। এটি হলো সেই একই নীতি যার ওপর ভিত্তি করে, আমার স্মরণে, দেশের ব্যাপক সুবিধার জন্য, আমরা শুধু পরিবর্তনই করিনি, বরং উপনিবেশগুলো পরিচালনা করার পদ্ধতিতে বিপ্লব এনেছি। ... ইংল্যান্ড সেই সময়ে উপনিবেশগুলোর জন্য ভালো আইন পাস করার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু উপনিবেশগুলো বলেছিল, "আমরা আপনাদের ভালো আইন চাই না। আমরা আমাদের নিজস্ব আইন চাই।" আমরা সেই নীতির যৌক্তিকতা স্বীকার করেছিলাম, এবং এটি এখন সমুদ্রের ওপার থেকে আমাদের কাছে ফিরে আসছে। আমাদের বিবেচনা করতে হবে যে এটি আয়ারল্যান্ডের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য কি না। ... আমি চাই যে, আমাদের নিজস্ব ক্ষেত্রে আমরা দৃঢ় এবং নির্ভীক হাতে তা অনুশীলন করব যা আমরা প্রায়শই প্রচার করেছি, অর্থাৎ সেই মতবাদ যা আমরা প্রায়শই অন্যদের মধ্যে গেঁথে দিয়েছি। তা হলো, স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন দেওয়া মানে ঐক্যকে দুর্বল বা ক্ষুণ্ণ করার উপায় নয়, বরং এটি ঐক্যকে শক্তিশালী ও সুসংহত করার উপায়।
** আইরিশ হোম রুল বিল উত্থাপন করার সময় হাউস অব কমন্সে দেওয়া [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1886/apr/08/motion-for-leave-first-night#column_1081 ভাষণ] (৮ এপ্রিল ১৮৮৬)
* সরকারের বিরোধিতাকারী পক্ষে প্রচুর পরিমাণে অবস্থান, উপাধি, সম্পদ, সামাজিক প্রভাব, পেশা বা তাদের বড় অংশ পাওয়া যায়, এককথায় শ্রেণির চেতনা এবং ক্ষমতা। এগুলোই হলো বিরোধী পক্ষের প্রধান অংশ। শুধু তাই নয়। পুরোনো দিনের নাইটদের যেমন স্কয়ার ছিল, তেমনি শ্রেণির বিশাল বাহিনীতে প্রতিটি তালিকাভুক্ত সৈনিকের সাধারণত নির্ভরশীল ব্যক্তি থাকে। বিরোধী বাহিনী তাহলে শ্রেণি এবং শ্রেণির ওপর নির্ভরশীলদের নিয়ে গঠিত। কিন্তু এই শক্তিশালী বাহিনীটি এর উপাদানগুলোর একটি বড় অংশে একই রকম। এই বাহিনীটি গত ৬০ বছরের বড় প্রতিটি রাজনৈতিক লড়াইয়ে অংশ নিয়েছে এবং পরাজিত হয়েছে। এই বড় বিতর্কের আগে আমাদের বড় বিতর্ক ছিল, যেমন মুক্ত বাণিজ্য, নৌচলাচলের স্বাধীনতা, জনশিক্ষা, নাগরিক বিষয়ে ধর্মীয় সমতা, বর্তমান ভিত্তিতে ভোটাধিকারের সম্প্রসারণ। এই এবং অন্যান্য অনেক বড় ইস্যুতে শ্রেণিগুলো ধারাবাহিকভাবে ভুল পক্ষে লড়াই করেছে এবং ধারাবাহিকভাবে এমন একটি শক্তির কাছে পরাজিত হয়েছে যাকে একত্রিত করা কঠিন, কিন্তু একত্রিত হলে অপ্রতিরোধ্য। এটি হলো জাতির ন্যায়পরায়ণতা।
** মিডলোথিয়ানের ভোটারদের উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণ, ''ডেইলি রিভিউ'' (৩ মে ১৮৮৬), ''দ্য টাইমস'' (৪ মে ১৮৮৬), পৃষ্ঠা ৫-এ উদ্ধৃত।
* একদিকে স্বাধীনতা ও মর্যাদার সাথে দান করা এবং অন্যদিকে স্বীকৃতি ও কৃতজ্ঞতার সাথে দান করার মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। বাধ্য হয়ে দান করা মানে অবমাননার সাথে দান করা। আপনি যে পথেই যান না কেন ক্ষোভের সাথে দান করা, এই পার্থক্যটি আমাদের চোখে মৌলিক। এবং এটি কেবল আমরা কেন কাজ করেছি তার প্রধান কারণ নয়, বরং আমরা এখন কেন কাজ করেছি তারও প্রধান কারণ। আমি যদি ঠিক বুঝি, তবে এটি আমাদের ইতিহাসের অন্যতম সোনালি মুহূর্ত। এটি এমন একটি সুযোগ যা আসতে পারে এবং যেতে পারে, কিন্তু খুব কমই ফিরে আসে। অথবা, যদি তারা ফিরেও আসে, তবে তারা দীর্ঘ বিরতিতে এবং এমন পরিস্থিতিতে ফিরে আসে যা কোনো মানুষ পূর্বাভাস দিতে পারে না।
** আইরিশ হোম রুল বিলের দ্বিতীয় পাঠের সময় হাউস অব কমন্সে দেওয়া [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1886/jun/07/second-reading-adjourned-debate ভাষণ] (৭ জুন ১৮৮৬)
* আয়ারল্যান্ড আপনাদের কাঠগড়ায় প্রত্যাশিত, আশাবাদী এবং প্রায় প্রার্থনাকারী হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে। তার কথাগুলো সত্য ও শান্ত। সে অতীতের এক আশীর্বাদপূর্ণ বিস্মৃতি চায়, এবং সেই বিস্মৃতিতে আমাদের স্বার্থ তার চেয়েও গভীর। ...সে ভবিষ্যতের জন্য একটি আশীর্বাদও চায়। এবং ভবিষ্যতের জন্য সেই আশীর্বাদটি, যদি আমরা খুব ভুল না করে থাকি, সম্মানের ক্ষেত্রে আমাদের জন্য একটি আশীর্বাদ হবে, ঠিক যতটা তা সুখ, সমৃদ্ধি এবং শান্তির ক্ষেত্রে তার জন্য একটি আশীর্বাদ হবে। মহাশয়, এটিই তার প্রার্থনা। আমি আপনাদের অনুরোধ করছি, চিন্তা করুন। ভালোভাবে চিন্তা করুন, বিজ্ঞতার সাথে চিন্তা করুন। মুহূর্তের জন্য নয়, বরং যে বছরগুলো আসছে তার জন্য চিন্তা করুন, এই বিলটি প্রত্যাখ্যান করার আগে।
** আইরিশ হোম রুল বিলের দ্বিতীয় পাঠের সময় হাউস অব কমন্সে দেওয়া [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1886/jun/07/second-reading-adjourned-debate ভাষণ] (৭ জুন ১৮৮৬)
* যদি আমাদেরকে এতে প্রবেশ করতে বাধ্য করা হয়, তবে আমি আপনাদেরকে এটি বলতে বাধ্য। আমাদের বিরুদ্ধে আপনাদের অবস্থান, বড়, ধনী এবং অভিজাতদের দৃঢ় সংঘবদ্ধতা এবং জনগণের প্রকৃত প্রকৃত অনুভূতির বিরুদ্ধে আমি জানি না কারা আমাদের সত্য উন্মোচন করতে বাধ্য করছে। এবং আমি আপনাদেরকে এটি বলছি যে, আমি যতদূর বিচার করতে পারি এবং যতদূর আমার জ্ঞান আছে, বিশিষ্ট আইরিশদের উপস্থিতিতে বলতে আমার কষ্ট হচ্ছে যে মানুষের ইতিহাসে ইউনিয়ন গঠনের চেয়ে কালো বা জঘন্য লেনদেন আমার জানা নেই।
** লিভারপুলে দেওয়া ভাষণ (২৮ জুন ১৮৮৬), ''দ্য টাইমস'' (২৯ জুন ১৮৮৬), পৃষ্ঠা ১১-এ উদ্ধৃত
* আমি এই কথা বলার সাহস করব যে, সমস্ত বড় বিষয়ের মধ্যে, সবচেয়ে বড় এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের ওপর, যেখানে সত্য, ন্যায়বিচার এবং মানবতাকে সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর প্রধান বিবেচনা হওয়া উচিত, ভদ্রমহোদয়গণ, সেখানে আমি সারা বিশ্বে '''শ্রেণির বিরুদ্ধে জনগণকে সমর্থন করব।'''
** লিভারপুলে দেওয়া ভাষণ (২৮ জুন ১৮৮৬), ''দ্য টাইমস'' (২৯ জুন ১৮৮৬), পৃষ্ঠা ১১-এ উদ্ধৃত
* বাস্তব বিপদের ক্ষেত্রে ইংল্যান্ড এবং স্কটল্যান্ডের মানুষ সম্ভবত বিশ্বের সবচেয়ে সাহসী মানুষ। অন্তত, পৃথিবীতে এমন কোনো জাতি নেই যাদের কাছে তারা আত্মসমর্পণ করতে প্রস্তুত বা যাদের কাছে কেউ তাদের সাহসিকতার খেতাব সমর্পণ করতে বলবে। কিন্তু আমি দুঃখের সাথে বলছি যে এই মামলার আরেকটি দিক রয়েছে। কাল্পনিক বিপদের জন্য পৃথিবীতে এমন কোনো জাতি নেই যারা অযৌক্তিক এবং অলস কল্পনার শিকার হওয়ার ক্ষেত্রে ইংরেজদের মতো যেকোনো মাত্রায় কাছাকাছি। এটি সারা বিশ্বে সর্বজনীন। আমরা ফরাসিদেরকে একটি উত্তেজিত জাতি বলে মনে করি। কিন্তু একজন ইংরেজ কাল্পনিক বিপদের মোকাবিলা করার সময় ভয় এবং ক্ষোভের যে আবেগে আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে, তা দেখে ফরাসিরা বিস্ময়ে দাঁড়িয়ে থাকে।
** লিভারপুলে দেওয়া ভাষণ (২৮ জুন ১৮৮৬), ''দ্য টাইমস'' (২৯ জুন ১৮৮৬), পৃষ্ঠা ১১-এ উদ্ধৃত
* তারা [হোম রুলের বিরোধীরা] বলে যে এটি কী ভয়ানক ঘটনা হবে যখন তারা যা ভবিষ্যদ্বাণী করেছে তা সব সত্যি হবে। এটি কখনো সত্যি হবে না। কিন্তু তবুও, যা কিছু ঘটেছে তার পর আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে সশস্ত্র বাহিনী ছাড়া আর কোনো প্রতিকার থাকবে না। এই ভদ্রলোকেরা সশস্ত্র বাহিনী দিয়ে আয়ারল্যান্ডকে ধরে রাখার ধারণা নিয়ে চরমভাবে হতবাক হয়েছেন। (হাসি।) আমি জানতে চাই আপনারা এখন একে কীভাবে ধরে রেখেছেন? (দীর্ঘ উল্লাস।) আমি জানতে চাই আপনারা এই ছিয়াশি বছর ধরে একে কীভাবে ধরে রেখেছিলেন? (একটি কণ্ঠস্বর। "জবরদস্তি।") আপনারা একে সশস্ত্র বাহিনীর সাহায্যে ধরে রেখেছেন। নিজেদের কাছে বাস্তবতাকে গোপন করবেন না। আপনারা যে কারণের ওপর বিচার করবেন তার অপরিহার্য বৈশিষ্ট্যগুলো থেকে চোখ বন্ধ করবেন না। '''জোর করে আপনারা একে ধরে রেখেছেন। জোর করে আপনারা একে ধরে রাখছেন। আমরা আপনাদেরকে ভালোবাসা দিয়ে একে ধরে রাখার অনুরোধ করছি।''' (উচ্চকণ্ঠ এবং দীর্ঘ উল্লাস, এই সময়ে দর্শকরা উঠে দাঁড়িয়ে তাদের রুমাল নাড়ায়, এবং "গ্র্যান্ড ওল্ড ম্যানের" জন্য তিনটি উল্লাস চাওয়া হয় এবং দেওয়া হয়।)
** লিভারপুলে দেওয়া ভাষণ (২৮ জুন ১৮৮৬), ''দ্য টাইমস'' (২৯ জুন ১৮৮৬), পৃষ্ঠা ১১-এ উদ্ধৃত
* আমি জোর দিয়ে বলছি যে ওয়েলশ জাতীয়তা ঠিক ততটাই বাস্তব যতটা ইংরেজি জাতীয়তা। এটি হয়তো ততটা বড় বাস্তবতা নয় কারণ এটি এত বড় দেশজুড়ে বিস্তৃত নয়, তবে ওয়েলসের ঐতিহ্য এবং ইতিহাসের সাথে, ওয়েলসের ভাষার সাথে (শুনুন, শুনুন), ওয়েলসের ধর্মের সাথে (উল্লাস), ওয়েলসের অনুভূতির সাথে, আমি মনে করি ওয়েলশ জাতীয়তা স্কটল্যান্ডের জাতীয়তার মতোই সত্য, যার সাথে আমি রক্তে একচেটিয়াভাবে যুক্ত।
** সোয়ানসিতে দেওয়া ভাষণ (৪ জুন ১৮৮৭), ''দ্য টাইমস'' (৬ জুন ১৮৮৭), পৃষ্ঠা ১০-এ উদ্ধৃত
* একটি জনসভা কী? এটি কোনো নৈরাজ্যবাদী সমাবেশ নয়। এটি কোনো দাঙ্গা নয়। এটি হলো যৌক্তিক প্রাণীদের একটি সমাবেশ। যদি আমন্ত্রণটি সাধারণ হয়, তবে সেখানে প্রতিটি মানুষের যাওয়ার অধিকার রয়েছে, এবং সরকারি প্রতিবেদকের যাওয়ার অধিকার রয়েছে। তবে কেবল অন্যদের মতো এবং সাধারণ আইনের অধীন। কিন্তু সভার উদ্যোক্তাদের কাছে সরকারি প্রতিবেদককে সুবিধা প্রদানের আবেদন করার পরিবর্তে... যদি সহিংসতার পথ বেছে নেওয়া হয়, তবে আমি বলব যে আইনের এজেন্টরাই আইন ভেঙেছে। আইরিশ জনগণকে আইন মেনে চলার কর্তব্য সম্পর্কে বলা, অথবা তাদের আইন মেনে চলতে বাধ্য করার জন্য জবরদস্তিমূলক বিল আনা অর্থহীন, যদি সেই সরকার নিজেই এই কথা বলে এবং এই বিলগুলো আনে, যাদের এজেন্টরা সুশৃঙ্খল জনসভায় সহিংসভাবে বিঘ্ন ঘটিয়ে আইন লঙ্ঘন করে এবং যারা এই বেআইনি পদক্ষেপে মন্ত্রীদের দ্বারা সমর্থিত হয়।
** নটিংহ্যামে দেওয়া ভাষণ (১৮ অক্টোবর ১৮৮৭) [[w:Mitchelstown#Mitchelstown_Massacre|মিচেলসটাউন গণহত্যার]] কথা উল্লেখ করে, ''দ্য টাইমস'' (১৯ অক্টোবর ১৮৮৭), পৃষ্ঠা ৬-এ উদ্ধৃত
* আমি বলেছি এবং আমি আবার বলছি, "মিচেলসটাউনের কথা মনে রেখো"।
** নটিংহ্যামে দেওয়া ভাষণ (১৮ অক্টোবর ১৮৮৭), ''দ্য টাইমস'' (১৯ অক্টোবর ১৮৮৭), পৃষ্ঠা ৬-এ উদ্ধৃত
* জনকল্যাণমূলক অর্থনীতি জনকল্যাণমূলক গুণাবলির অংশ।
** ওয়েলবির কাছে লেখা চিঠি (২৬ অক্টোবর ১৮৮৭), অ্যান্থনি হাওয়ে রচিত ''ফ্রি ট্রেড অ্যান্ড লিবারেল ইংল্যান্ড ১৮৪৬-১৯৪৬'' (১৯৯৭), পৃষ্ঠা ১৯-এ উদ্ধৃত
* যে জবরদস্তি চালু করা হয়েছে তা অপরাধের বিরুদ্ধে কোনো জবরদস্তি নয়...এটি একত্রীকরণের বিরুদ্ধে একটি জবরদস্তি। এবং একত্রীকরণ, যা আয়ারল্যান্ডের ইতিহাসের প্রতিটি পৃষ্ঠায় জ্বলজ্বল করছে, এটিই একমাত্র অস্ত্র যার দ্বারা একটি দরিদ্র, নিঃস্ব এবং দুর্বল জনগোষ্ঠী রাষ্ট্র এবং ধনীদের আধিপত্যকারী ক্ষমতার বিরুদ্ধে, যাদের পেছনে ইংল্যান্ডের সমর্থন রয়েছে, সামান্য মাত্রায় হলেও নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।
** লন্ডনে দেওয়া ভাষণ (৯ মে ১৮৮৮), ''দ্য টাইমস'' (১০ মে ১৮৮৮), পৃষ্ঠা ৮-এ উদ্ধৃত।
* এই জবরদস্তি আইন দাবি করে যে এটি প্রধানত ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে পরিচালিত একটি আইন, এবং ষড়যন্ত্র একটি খারাপ জিনিস। কিন্তু ষড়যন্ত্রের নামে আমরা বলি যে এটি একত্রীকরণের বিরুদ্ধে পরিচালিত। একত্রীকরণ সবসময় খুব ভালো জিনিস নয়, তবে একত্রীকরণ হলো অনেক ক্ষেত্রে একমাত্র উপায় যার সাহায্যে দুর্বলেরা শক্তিশালীদের বিরুদ্ধে, দরিদ্ররা ধনীদের বিরুদ্ধে নিজেদের রক্ষা করতে পারে।
** লন্ডনে দেওয়া ভাষণ (৩০ জুন ১৮৮৮), ''দ্য টাইমস'' (২ জুলাই ১৮৮৮), পৃষ্ঠা ৭-এ উদ্ধৃত।
* ভদ্রমহিলা ও ভদ্রমহোদয়গণ, আপনাদের "মেন অব হারলেচের" কথা চিন্তা করুন। আমার বিচারে, একটি জাতীয় সঙ্গীতের উদ্দেশ্যে এবং পুরোনো "গড সেভ দ্য কুইন" বা অন্য কিছুর অবমাননা না করে, এটি সম্ভবত বিশ্বের সেরা জাতীয় সঙ্গীত।
** রেক্সামে ইস্টেডফোডে দেওয়া ভাষণ (৮ সেপ্টেম্বর ১৮৮৮), এ. ডব্লিউ. হাটন এবং এইচ. জে. কোহেন সম্পাদিত, ''দ্য স্পিচেস অব দ্য রাইট অনারেবল ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোন অন হোম রুল, ক্রিমিনাল ল, ওয়েলশ অ্যান্ড আইরিশ ন্যাশনালিটি, ন্যাশনাল ডেবট অ্যান্ড দ্য কুইনস রেইন. ১৮৮৮-১৮৯১'' (১৯০২), পৃষ্ঠা ৫৬-এ উদ্ধৃত
* জাতীয়তার নীতি এবং প্রাচীনত্বের প্রতি শ্রদ্ধার নীতি, যাকে আমি স্থানীয় দেশপ্রেম বলতে পারি, তা শুধু নিজেই একটি মহৎ জিনিস নয়, এর একটি বিশাল অর্থনৈতিক মূল্যও রয়েছে। ... আপনার দেশের প্রতি সংযুক্তি, ব্রিটিশ নাগরিকদের মধ্যে ব্রিটেনের প্রতি সংযুক্তি, এবং সেইসাথে ওয়েলশ বংশোদ্ভূতদের মধ্যে ওয়েলসের প্রতি সংযুক্তি, এগুলোর মধ্যে কিছুটা শক্তি এবং এর বিকাশের জন্য উৎসাহ উভয়ই রয়েছে, এবং একইভাবে নৈতিক মানের কিছু উপাদানও রয়েছে; কারণ ওয়েলশম্যান যেখানেই যাক না কেন, সে নামটিকে অপমান করতে চাইবে না। এটি একটি পরিচিত পর্যবেক্ষণ যে, ইউরোপের চরম পূর্বাঞ্চলেও, যেখানে স্বৈরাচারী সরকারের পরিবর্তে স্বাধীন প্রতিষ্ঠানগুলো প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, এর অনিবার্য প্রভাব হলো দেশের পরিশ্রমী কার্যকলাপে একটি বিশাল উদ্দীপনা প্রদান করা।
** রেক্সামে ইস্টেডফোডে দেওয়া ভাষণ (৮ সেপ্টেম্বর ১৮৮৮), এ. ডব্লিউ. হাটন এবং এইচ. জে. কোহেন সম্পাদিত, ''দ্য স্পিচেস অব দ্য রাইট অনারেবল ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোন অন হোম রুল, ক্রিমিনাল ল, ওয়েলশ অ্যান্ড আইরিশ ন্যাশনালিটি, ন্যাশনাল ডেবট অ্যান্ড দ্য কুইনস রেইন. ১৮৮৮-১৮৯১'' (১৯০২), পৃষ্ঠা ৫৮-এ উদ্ধৃত
* আত্মরক্ষার জন্য ওয়েলশরা ইংরেজদের বিরুদ্ধে খুব ভালো এবং খুব কঠিন লড়াই করেছিল, এবং এর ফলাফল কী হয়েছিল? ইংরেজরা আপনাদের অঞ্চলকে বড় বড় দুর্গ দিয়ে ঘিরে রাখতে বাধ্য হয়েছিল। এবং এর প্রভাব এমন হয়েছে যে, আমি যতদূর হিসাব করতে পারি, ট্যুইডের দক্ষিণে সমগ্র দ্বীপে দুর্গগুলোর মহান ধ্বংসাবশেষের অর্ধেকেরও বেশি হলো সেই দুর্গগুলো যা ওয়েলসকে ঘিরে রয়েছে। এটি দেখায় যে ওয়েলসে এমন লোকেরা বাস করত যারা তাদের স্বাধীনতাকে মূল্যায়ন করত এবং তার জন্য সংগ্রাম করতে প্রস্তুত ছিল।
** রেক্সামে ইস্টেডফোডে দেওয়া ভাষণ (৮ সেপ্টেম্বর ১৮৮৮), এ. ডব্লিউ. হাটন এবং এইচ. জে. কোহেন সম্পাদিত, ''দ্য স্পিচেস অব দ্য রাইট অনারেবল ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোন অন হোম রুল, ক্রিমিনাল ল, ওয়েলশ অ্যান্ড আইরিশ ন্যাশনালিটি, ন্যাশনাল ডেবট অ্যান্ড দ্য কুইনস রেইন. ১৮৮৮-১৮৯১'' (১৯০২), পৃষ্ঠা ৬১-এ উদ্ধৃত
* লিবারেল পার্টির আন্তরিকতার বিষয়ে বলতে গেলে, আমি কিছু আস্থার সাথে গত ৫০ বছর ধরে সেই দলের পরিশ্রমের কথা উল্লেখ করছি, যা সাধারণ মানুষের ব্যয়ে বিশেষ স্বার্থের সুবিধার জন্য প্রণীত অনেক অযৌক্তিক কর এবং বিধিনিষেধ থেকে মূলধন এবং সব ধরনের হস্তশিল্প উভয়কেই মুক্ত করার জন্য করা হয়েছিল। এই পরিশ্রমগুলোর ফলে শ্রমজীবী সম্প্রদায়ের অবস্থার একটি অভিন্ন নয়, বরং একটি খুব সাধারণ এবং খুব বড় উন্নতি হয়েছে।
** বেকার শ্রমিকদের দ্বারা তার কাছে জমা দেওয়া স্মারকলিপির উত্তর (১৮ ডিসেম্বর ১৮৮৮), ''দ্য টাইমস'' (২০ ডিসেম্বর ১৮৮৮), পৃষ্ঠা ৭-এ উদ্ধৃত
* আমরা রানির দাস এবং সেইসাথে জনগণেরও দাস। ... আমি এটি বলতে লজ্জিত নই যে আমার বার্ধক্যে আমি এমন যেকোনো সুযোগ পেয়ে আনন্দিত যা আমাকে এটি সাক্ষ্য দিতে সক্ষম করে যে, আমার মতামত সম্পর্কে যাই ভাবা হোক না কেন, সাধারণ রাজনীতিতে আমার প্রস্তাবগুলো সম্পর্কে যাই ভাবা হোক না কেন, ব্রিটিশ রাজতন্ত্রের বিশিষ্ট প্রতিনিধির জন্য আমি এতদিন ধরে যে কাজ করেছি তা আমি ভুলি না।
** হাউস অব কমন্সে দেওয়া [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1889/jul/25/the-royal-grants#S3V0338P0_18890725_HOC_142 ভাষণ] (২৫ জুলাই ১৮৮৯)
* এই ধর্মঘটের বিশেষত্বটি হলো বিপুল সংখ্যক পৃথক পেশা, যাদের একে অপরের সাথে কোনো সম্পর্ক নেই, তারা দেখিয়েছে যে তারা একটি সাধারণ কারণ তৈরি করতে চায়। আপনি এর ওপর নির্ভর করতে পারেন যে এটি একটি উচ্চতর গুরুত্বের সামাজিক ঘটনা এবং ভবিষ্যতের খুব সাধারণ গুরুত্বের একটি ঘটনা। আমি বিশ্বাস করি આ শিক্ষা আয়ারল্যান্ড থেকে নেওয়া হয়েছে, এবং এটি বর্তমান সরকার ও আয়ারল্যান্ডে এর জবরদস্তিমূলক আইনগুলোর কারণে হয়েছে। এটি দেশের বিভিন্ন অংশের আয়ারল্যান্ডের জনগণের ওপর আরোপিত প্রয়োজনীয়তার কারণে হয়েছে, যাদের একে অপরের সাথে কোনো সংযোগ নেই, এমন একটি লক্ষ্যের জন্য একত্রিত হওয়া যা তারা সবার জন্য অত্যাবশ্যক বলে বিশ্বাস করে। আমি খুব বেশি ভাবতে আগ্রহী যে লন্ডনের শ্রমজীবীরা আয়ারল্যান্ড থেকে এই শিক্ষা নিয়েছেন।
** চেশায়ারে দেওয়া ভাষণ (২৩ সেপ্টেম্বর ১৮৮৯) লন্ডন ডক ধর্মঘটের ওপর, ''দ্য টাইমস'' (২৪ সেপ্টেম্বর ১৮৮৯), পৃষ্ঠা ১০-এ উদ্ধৃত
* একজন আলোকিত নিরপেক্ষ পর্যবেক্ষক মানবতার সাধারণ স্বার্থে এই উল্লেখযোগ্য ধর্মঘট এবং এই ধর্মঘটের ফলাফলগুলো মনে করতে আগ্রহী হবেন, যা পুঁজির মোকাবিলায় শ্রমের অবস্থাকে কিছুটা শক্তিশালী করার প্রবণতা দেখিয়েছে। এটি হলো আমাদের এমন একটি রেকর্ড যাকে সন্তোষজনক এবং একটি বাস্তব সামাজিক অগ্রগতি হিসেবে দেখা উচিত। এটি একটি বৃহত্তর, আরও অভিন্ন এবং ন্যায্য সম্পর্কের আরও দৃঢ় প্রতিষ্ঠার দিকে ঝুঁকছে। এটি শিল্পের ফলগুলোর বিভাজনের একটি ন্যায্য নীতির দিকে ঝুঁকছে।
** চেশায়ারে দেওয়া ভাষণ (২৩ সেপ্টেম্বর ১৮৮৯) লন্ডন ডক ধর্মঘটের ওপর, ''দ্য টাইমস'' (২৪ সেপ্টেম্বর ১৮৮৯), পৃষ্ঠা ১০-এ উদ্ধৃত
* কিন্তু শ্রমিককে অন্য একটি [[বিপদ]] থেকে সতর্ক থাকতে দিন। আমরা এমন একটি সময়ে বাস করি যখন এই প্রবণতা দেখা যায় যে সরকারের এটি এবং ওটি করা উচিত এবং সরকারের সবকিছু করা উচিত। সরকারের এমন অনেক কিছু করা উচিত, এ বিষয়ে আমার কোনো সন্দেহ নেই। পূর্ববর্তী সময়গুলোতে সরকার অনেক কিছু অবহেলা করেছে এবং সম্ভবত এখনো তারা কিছু অবহেলা করে। তবে অন্য দিকে একটি বিপদ রয়েছে। মানুষের নিজের যা করা উচিত তা যদি সরকার নিজের হাতে তুলে নেয়, তবে তিনি যে সমস্ত সুবিধা পেয়েছেন বা এর থেকে যে সমস্ত সুবিধা পেতে পারেন, তার চেয়ে এটি তার ওপর বেশি [[ক্ষতি]] সাধন করবে। পুরো বিষয়টির মূল কথা হলো, জনগণের মনে আত্মনির্ভরশীলতার চেতনা এবং সত্যিকারের ও অকৃত্রিম স্বাধীন চেতনা বজায় রাখা উচিত। জনগণের ব্যাপক অংশের মনে এবং শ্রেণির প্রতিটি সদস্যের মনে এই চেতনা বজায় রাখা উচিত। যদি সে তার আত্মত্যাগ হারিয়ে ফেলে, যদি সে নিজের ওপর নির্ভর না করে ধনীদের ওপর কাপুরুষোচিতভাবে নির্ভর করতে শেখে, তবে আপনি এর ওপর নির্ভর করতে পারেন যে সে এমন ক্ষতি ডেকে আনে যার কোনো ক্ষতিপূরণ করা যায় না।
** চেশায়ারে সল্টনি লিটারারি ইনস্টিটিউট কর্তৃক নির্মিত সল্টনির রিডিং অ্যান্ড রিক্রিয়েশন রুমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেওয়া ভাষণ (২৬ অক্টোবর ১৮৮৯), ''দ্য টাইমস'' পত্রিকায় "মি. গ্ল্যাডস্টোন অন দ্য ওয়ার্কিং ক্লাসেসে" (২৮ অক্টোবর ১৮৮৯), পৃষ্ঠা ৮-এ উদ্ধৃত
* লিবারেল পার্টির গুরুতর বিভাজন ১৮৮৬ সালে শুরু হয়নি। দীর্ঘ সময় ধরে ধনী এবং ক্ষমতাবানরা লিবারেল পার্টির শরীর থেকে নিজেদেরকে আলাদা করছিল এবং টোরিবাদ, স্থবিরতা এবং প্রতিরোধে তাদের সবচেয়ে স্বাভাবিক সম্পৃক্ততা খুঁজে পাচ্ছিল। তাদের অনেকের কাছে এটি ঈশ্বরের আশীর্বাদস্বরূপ ছিল যখন হোম রুল আবির্ভূত হয় এবং তারা মনে মনে যা করার জন্য একটি অজুহাতের আকাঙ্ক্ষা করছিল, তা প্রকাশ্যে বা এমনকি আড়ম্বরপূর্ণভাবে করার জন্য তাদের একটি যুক্তিসঙ্গত অজুহাত সরবরাহ করে।
** ম্যানচেস্টারে ন্যাশনাল লিবারেল ফেডারেশনে দেওয়া ভাষণ (৩ ডিসেম্বর ১৮৮৯), ''দ্য টাইমস'' (৪ ডিসেম্বর ১৮৮৯), পৃষ্ঠা ৬-এ উদ্ধৃত
* সামাজিক ক্ষয়ক্ষতির কারণে আমরা দ্রুত ব্যক্তিদের বিচার করব না। এই সামাজিক ক্ষতিগুলো তাদের পূর্বপুরুষদের কাছ থেকে উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত একটি অবস্থান ধারণ করার কারণে শরীর হিসেবে তাদের ওপর বর্তাতে পারে। তাদের এই অবস্থানের সমগ্র প্রকৃতি শনাক্ত করার মতো শক্তি এবং গভীর প্রজ্ঞা ছিল না।
** 'মেমোরিয়ালস অব আ সাউদার্ন প্লান্টার', ''দ্য নাইনটিন্থ সেঞ্চুরি'', খণ্ড ২৬, সংখ্যা ১৫৪ (ডিসেম্বর ১৮৮৯), পৃষ্ঠা ৯৮৪-৯৮৬
=== ১৮৯০-এর দশক ===
[[File:Gladstone.jpg|thumb|right|[[স্বাধীনতা|স্বাধীনতার]] মধ্যে আপনি [[আনুগত্য]] এবং [[শৃঙ্খলা]] উভয়েরই সবচেয়ে দৃঢ় ভিত্তি স্থাপন করেন। এটি ব্যক্তির [[চরিত্র]] বিকাশের জন্য সবচেয়ে দৃঢ় ভিত্তি এবং সামগ্রিকভাবে জাতির [[সুখ|সুখের]] জন্য সেরা বিধান।]]
* আমি মনে করি আমাদের অবশ্যই স্বীকার করতে হবে যে গত ২৫ বছরে মুক্ত বাণিজ্যের মতবাদগুলো কতটা ভিত্তি হারিয়েছে। এটি একটি বড় এবং ভারী হতাশা। আমার কোনো সন্দেহ নেই যে এই ভয়ানক সামরিকবাদ, যা ইনকিউবাস বা ভ্যাম্পায়ারের মতো ইউরোপের ওপর চেপে বসে আছে, তা এই ক্ষতির বেশিরভাগের জন্য দায়ী।
** পিকাডিলির প্রিন্সেস হলে দেওয়া ভাষণ (১২ মে ১৮৯০), ''দ্য টাইমস'' (১৩ মে ১৮৯০), পৃষ্ঠা ১১-এ উদ্ধৃত
* আসুন আমরা নিজেদের কাছে এই বিষয়টি গোপন না করি: বর্তমান সময়ে এই দেশটি প্রায় একাই মুক্ত বাণিজ্যের দুর্গ হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। ... আমি আত্মবিশ্বাসের সাথে প্রত্যাশা করি, দীর্ঘমেয়াদে এই মুক্ত বাণিজ্যের মতবাদগুলো পৃথিবীতে এর বাইরে আর কোনো অর্থ বহন করবে না। প্রতিটি মানুষ এবং প্রতিটি দেশ কৃত্রিম হস্তক্ষেপ বা বাধা ছাড়াই, ঈশ্বর তাদেরকে যে ক্ষমতা এবং উপহার দিয়েছেন তা সর্বোত্তমভাবে কাজে লাগাবে। এটি হলো আমাদের বিশ্বাসের সারসংক্ষেপ, আলফা এবং ওমেগা।
** পিকাডিলির প্রিন্সেস হলে দেওয়া ভাষণ (১২ মে ১৮৯০), ''দ্য টাইমস'' (১৩ মে ১৮৯০), পৃষ্ঠা ১১-এ উদ্ধৃত
* আমি সারা জীবন একজন শিক্ষার্থী ছিলাম এবং আমি এখনো একজন শিক্ষার্থী। ... আমার এমন কিছু ধারণা আছে যা একজন লিবারেল রাজনীতিবিদের জন্য ভালো উপাদান সরবরাহ করে বলে মনে নাও হতে পারে। আমি শুধু পরিবর্তনের জন্য পরিবর্তন পছন্দ করি না, আমি কেবল তখনই পরিবর্তন পছন্দ করি যখন খারাপ কিছুকে ভালো কিছুতে বা ভালো কিছুকে আরও ভালো কিছুতে পরিবর্তন করার প্রয়োজন হয়। ... আমার লিবারেলিজমের ভিত্তি হলো এটি। আমি তরুণ বয়স থেকেই এই শিক্ষা নিচ্ছি। আমি স্বাধীনতার একজন প্রেমিক। এবং আমি নিজের জন্য যে স্বাধীনতাকে মূল্য দিই, আমি প্রতিটি মানুষের জন্য তার সামর্থ্য এবং সুযোগের অনুপাতে সেই স্বাধীনতাকে মূল্য দিই। এটি এমন একটি ভিত্তি যার ওপর আমি অযৌক্তিক পরিবর্তনের প্রতি অপছন্দ এবং প্রাচীন সবকিছুর প্রতি গভীর শ্রদ্ধার সাথে একত্রে কাজ করা সম্পূর্ণ বাস্তবসম্মত বলে মনে করি, তবে শর্ত হলো সেই শ্রদ্ধা যেন তার যোগ্য হয়।
** নরউইচে দেওয়া ভাষণ (১৬ মে ১৮৯০), জন মর্লে রচিত ''দ্য লাইফ অব উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন, ভলিউম ২'' (১৯০৩), পৃষ্ঠা ১৭৮-১৭৯-এ উদ্ধৃত
* '''সমস্ত [[স্বার্থপরতা]] মানবজাতির একটি বড় [[অভিশাপ]]''', এবং যখন আমাদের নিজেদের চেয়ে কম সুখী অন্য মানুষদের প্রতি সত্যিকারের সহানুভূতি থাকে, তখন তা স্বার্থপরতা থেকে মুক্তির সূচনার মতো ভালো লক্ষণ।
** হাওয়ার্ডেনে দেওয়া ভাষণ (২৮ মে ১৮৯০), ''দ্য টাইমস'' (২৯ মে ১৮৯০), পৃষ্ঠা ১২-এ উদ্ধৃত
* [[মিতব্যয়িতা|মিতব্যয়িতার]] চর্চা এই দেশের মানুষের সবচেয়ে স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে একটি নয়। এটি নিঃসন্দেহে ইংল্যান্ডের তুলনায় স্কটল্যান্ডের সীমান্তের ওপারে বেশি বিদ্যমান, তবে এটি ইংল্যান্ডেই বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং সৌভাগ্যবশত খুব বেশি বৃদ্ধি পাচ্ছে। আমি এটা বলতে পেরে আনন্দিত যে, রাষ্ট্রের পক্ষে বুদ্ধিমান আইনের মাধ্যমে এটি কার্যকর করা সম্ভব হয়েছে। যাকে "ঠাকুমার আইন" বলা হয় তার মাধ্যমে নয়, যার প্রতি আমার নিজের অনেক সন্দেহ রয়েছে, বরং নীতিগতভাবে সম্পূর্ণ সঠিক আইনের মাধ্যমে। অর্থাৎ এমন আইন যা আপনার সেভিংস ব্যাংকের মতো জনগণকে নিজেদের সাহায্য করতে সক্ষম করে সাহায্য করে।
** সিটি টার্মিনাস হোটেলে সাউথ-ইস্টার্ন এবং মেট্রোপলিটন রেলওয়ে কোম্পানিগুলোর সাথে যুক্ত প্রভিডেন্ট সেভিংস ব্যাংকের আমানতকারীদের বার্ষিক সভায় দেওয়া ভাষণ (১৮ জুন ১৮৯০), ''দ্য টাইমস'' (১৯ জুন ১৮৯০), পৃষ্ঠা ৬-এ উদ্ধৃত
* আমি স্কচম্যান নাম দাবি করতে ধীর নই, এবং নিঃসন্দেহে, এমনকি আমি যদি এটি দাবি করতে ধীরও হতাম, তবুও আমার চোখের সামনে এই বাস্তবতা রয়েছে যে স্কটিশ বংশপরিচয় থেকে প্রাপ্ত ছাড়া আমার শিরায় আর কোনো রক্ত প্রবাহিত হয় না।
** ডান্ডিতে দেওয়া ভাষণ (২৯ অক্টোবর ১৮৯০), ''দ্য টাইমস'' (৩০ অক্টোবর ১৮৯০), পৃষ্ঠা ৪-এ উদ্ধৃত
* দেশের অর্থব্যবস্থা দেশের স্বাধীনতার সাথে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত। এটি একটি শক্তিশালী লিভারেজ যার দ্বারা ধীরে ধীরে ইংরেজি স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছে। অনেক শতাব্দী ধরে প্রাচীনকালের গভীরে ফিরে গিয়ে এটি ইংরেজি স্বাধীনতার মূলে অবস্থান করছে। এবং হাউস অব কমন্স যদি কোনোভাবে সরকারি অর্থের অনুদান নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে, তবে এর ওপর নির্ভর করুন যে তুলনামূলকভাবে আপনার স্বাধীনতার মূল্য খুব সামান্য হবে।
** হেস্টিংসে দেওয়া ভাষণ (১৭ মার্চ ১৮৯১), এ. ডব্লিউ. হাটন এবং এইচ. জে. কোহেন সম্পাদিত, ''দ্য স্পিচেস অব দ্য রাইট অনারেবল ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোন অন হোম রুল, ক্রিমিনাল ল, ওয়েলশ অ্যান্ড আইরিশ ন্যাশনালিটি, ন্যাশনাল ডেবট অ্যান্ড দ্য কুইনস রেইন. ১৮৮৮-১৮৯১'' (১৯০২), পৃষ্ঠা ৩৪৩-এ উদ্ধৃত
* আমি পরবর্তী একটি শব্দের নাম বলছি যা এই দিনগুলোতে উচ্চারণ করতে কিছুটা সাহসের প্রয়োজন—শব্দটি হলো অর্থনীতি। এটি আমার প্রাথমিক জীবনের দূরবর্তী সময় থেকে আসা একটি প্রতিধ্বনির মতো। আমি ভয় পাচ্ছি যে দেশের সম্পদ এবং স্বাচ্ছন্দ্যের বিশাল তুলনামূলক প্রসার অন্তত এর আরও কঠোর এবং চরম আকারে জনকল্যাণমূলক অর্থনীতিকে দুঃখজনকভাবে সমর্থন হারিয়েছে।
** নিউক্যাসলে ন্যাশনাল লিবারেল ফেডারেশনে দেওয়া ভাষণ (২ অক্টোবর ১৮৯১), এ. ডব্লিউ. হাটন এবং এইচ. জে. কোহেন সম্পাদিত, ''দ্য স্পিচেস অব দ্য রাইট অনারেবল ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোন অন হোম রুল, ক্রিমিনাল ল, ওয়েলশ অ্যান্ড আইরিশ ন্যাশনালিটি, ন্যাশনাল ডেবট অ্যান্ড দ্য কুইনস রেইন. ১৮৮৮-১৮৯১'' (১৯০২), পৃষ্ঠা ৩৭৭-এ উদ্ধৃত
* পার্লামেন্টে শ্রমিকের প্রতিনিধিত্ব প্রসারিত করার জন্য লিবারেল পার্টির একটি বড় প্রচেষ্টা থাকা উচিত। ... এবং আমরা দৃঢ়ভাবে বলছি যে দলের উচ্চ এবং অপরিহার্য দায়িত্বগুলোর মধ্যে একটি হলো জেলা পরিষদ এবং প্যারিশ পরিষদ প্রতিষ্ঠার জন্য এগিয়ে যাওয়া, এবং এর মাধ্যমে দেশের শ্রমজীবী মানুষদের দোরগোড়ায় স্বায়ত্তশাসন পৌঁছে দেওয়া। উপরন্তু আমি সাহসের সাথে যোগ করব যে উপযুক্ত সংস্থাগুলোকে ন্যায্য এবং উপযুক্ত শর্তে জমি অধিগ্রহণ করতে সক্ষম করার জন্য বাধ্যতামূলক ক্ষমতা প্রণয়ন করা তাদের দায়িত্ব হবে। এর উদ্দেশ্য হলো গ্রামীণ জনগণকে জমির সাথে, জমির ব্যবহার এবং লাভের সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কে স্থাপন করা। যে জমি তারা এত দিন ধরে অন্যদের সুবিধার জন্য চাষ করেছে, কিন্তু নিজেদের জন্য প্রায় বৃথাই করেছে।
** নিউক্যাসলে ন্যাশনাল লিবারেল ফেডারেশনে দেওয়া ভাষণ যেখানে নিউক্যাসল কর্মসূচির রূপরেখা দেওয়া হয়েছে (২ অক্টোবর ১৮৯১), এ. ডব্লিউ. হাটন এবং এইচ. জে. কোহেন সম্পাদিত, ''দ্য স্পিচেস অব দ্য রাইট অনারেবল ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোন অন হোম রুল, ক্রিমিনাল ল, ওয়েলশ অ্যান্ড আইরিশ ন্যাশনালিটি, ন্যাশনাল ডেবট অ্যান্ড দ্য কুইনস রেইন. ১৮৮৮-১৮৯১'' (১৯০২), পৃষ্ঠা ৩৮৩-৩৮৪, ৩৮৬-এ উদ্ধৃত
* ভূমি আইনের সেই সংস্কার, জমির হস্তান্তরের ন্যায্য সুবিধাগুলোর সাথে বর্তমান উত্তরাধিকার ব্যবস্থার সেই বিলুপ্তি এই দেশের গ্রামাঞ্চলে বসবাসকারী মানুষদের প্রতি সাধারণ ন্যায়বিচার করার জন্য একেবারে প্রয়োজনীয়। আমরা এখন তাদের যেমন এক আদমশুমারি থেকে অন্য আদমশুমারিতে হ্রাস পেতে দেখছি, এর পরিবর্তে, আমি আমার দিক থেকে, এবং আমি বিশ্বাস করি আপনারাও আমার সাথে, সমগ্র ভূমির ওপর তাদের বর্তমান সংখ্যায় নয়, বরং ক্রমবর্ধমান সংখ্যায় বজায় রাখা দেখতে আন্তরিকভাবে আকাঙ্ক্ষা করবেন।
** নিউক্যাসলে ন্যাশনাল লিবারেল ফেডারেশনে দেওয়া ভাষণ যেখানে নিউক্যাসল কর্মসূচির রূপরেখা দেওয়া হয়েছে (২ অক্টোবর ১৮৯১), এ. ডব্লিউ. হাটন এবং এইচ. জে. কোহেন সম্পাদিত, ''দ্য স্পিচেস অব দ্য রাইট অনারেবল ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোন অন হোম রুল, ক্রিমিনাল ল, ওয়েলশ অ্যান্ড আইরিশ ন্যাশনালিটি, ন্যাশনাল ডেবট অ্যান্ড দ্য কুইনস রেইন. ১৮৮৮-১৮৯১'' (১৯০২), পৃষ্ঠা ৩৮৬-এ উদ্ধৃত
* এটি একটি দুঃখজনক ঘটনা যে, আমাদের সভ্যতার মাঝে এবং উনবিংশ শতাব্দীর শেষে, দীর্ঘ এবং সম্মানজনক জীবনের শেষে পরিশ্রমী শ্রমিককে কেবল ওয়ার্কহাউসই প্রস্তাব করা যেতে পারে। আমি এখন বিস্তারিতভাবে প্রশ্নে প্রবেশ করছি না। আমি বলছি না যে এটি একটি সহজ প্রশ্ন। আমি বলছি না যে এটি এক মুহূর্তের মধ্যে সমাধান হয়ে যাবে। তবে আমি এই কথা বলি যে, একটি দীর্ঘ এবং দোষহীন জীবনের শেষে সমাজ যতক্ষণ না পরিশ্রমী শ্রমিককে ওয়ার্কহাউসের চেয়ে ভালো কিছু প্রস্তাব করতে সক্ষম হবে, ততক্ষণ সমাজ তার দরিদ্র সদস্যদের প্রতি দায়িত্ব পালন করতে পারবে না।
** লন্ডনে দেওয়া ভাষণ (১১ ডিসেম্বর ১৮৯১), ''দ্য টাইমস'' (১২ ডিসেম্বর ১৮৯১), পৃষ্ঠা ৭-এ উদ্ধৃত
* আমি মনে করি আমার রাজনীতিতে আসা সমস্ত পরিবর্তনকে একটি বাক্যে তুলে ধরতে পারব। আমি স্বাধীনতাকে অবিশ্বাস এবং অপছন্দ করতে শিখেছি, আমি এটিকে বিশ্বাস করতে শিখেছি। এটাই হলো আমার সমস্ত পরিবর্তনের চাবিকাঠি।
** [[জন মর্লে|জন মর্লেকে]] দেওয়া মন্তব্য (২৭ ডিসেম্বর ১৮৯১), জন মর্লে রচিত ''দ্য লাইফ অব উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন. ভলিউম ৩ (১৮৮০-১৮৯৮)'' (১৯০৩), পৃষ্ঠা ৪৭৪-৪৭৫-এ উদ্ধৃত
* [[এডমন্ড বার্ক|বার্কের]] একটি কথা রয়েছে যার সাথে আমাকে পুরোপুরি দ্বিমত পোষণ করতে হবে। "সম্পত্তি মন্থর এবং নিষ্ক্রিয়।" ঠিক তার বিপরীত। সম্পত্তি সতর্ক, সক্রিয়, নিদ্রাহীন। যদি কখনো মনে হয় যে এটি ঘুমাচ্ছে, তবে নিশ্চিত থাকুন যে এর একটি চোখ খোলা আছে।
** [[জন মর্লে|জন মর্লেকে]] দেওয়া মন্তব্য (৩১ ডিসেম্বর ১৮৯১), জন মর্লে রচিত ''দ্য লাইফ অব উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন. ভলিউম ৩ (১৮৮০-১৮৯৮)'' (১৯০৩), পৃষ্ঠা ৪৬৯-এ উদ্ধৃত
* রক্ষণশীলতা এবং [[সামরিকবাদ]] একটি অপবিত্র অথচ বৈধ বিবাহে আবদ্ধ হয়েছে। এবং আমার দৃঢ় বিশ্বাস যে একে অপরকে স্বাধীনতার শত্রু হিসেবে দেখে।
** [[w:Antonio Starabba, Marchese di Rudinì|মার্চেস ডি রুদিনির]] কাছে লেখা চিঠি (৩০ এপ্রিল ১৮৯২), ভিলফেডো প্যারেটো রচিত ''লিবার্টে ইকোনোমিক এট লেস এভেন্টমেন্টস ডি'ইতালি'' (১৯৭০), পৃষ্ঠা ৪৯-এ উদ্ধৃত
* আপনাদের বলা হয়েছে যে শিক্ষা, সেই আলোকায়ন, সেই অবসর, সেই উচ্চ মর্যাদা, সেই রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা বিরোধী শিবিরে সজ্জিত। এবং আমি দুঃখের সাথে বলছি যে এর একটি বড় অংশকে আমি অস্বীকার করতে পারি না। তবে আমি এটি অস্বীকার করতে না পারলেও, আমি বেদনাদায়কভাবে প্রতিফলিত করি। গত ৫০ বছরের প্রায় প্রতিটি বড় রাজনৈতিক বিতর্কে, তা ভোটাধিকারকে প্রভাবিত করুক, বা তা বাণিজ্যকে প্রভাবিত করুক, বা তা ধর্মকে প্রভাবিত করুক, বা তা দাসত্বের খারাপ এবং জঘন্য প্রতিষ্ঠানকে প্রভাবিত করুক, বা তারা যে বিষয়েই স্পর্শ করুক না কেন, এই অবসরপ্রাপ্ত শ্রেণি, এই শিক্ষিত শ্রেণি, এই ধনী শ্রেণি, এই উপাধিধারী শ্রেণিগুলো ভুল করেছে।
** এডিনবার্গে দেওয়া ভাষণ (৩০ জুন ১৮৯২), ''দ্য টাইমস'' (১ জুলাই ১৮৯২), পৃষ্ঠা ১২-এ উদ্ধৃত
* আসুন আমরা হাতের ভালো কাজ নিয়ে এগিয়ে যাই এবং আসুন আমরা আমাদের বিশ্বাস স্থাপন করি স্কোয়ার এবং পিয়ারদের ওপর নয়, এবং উপাধি বা একরের ওপর নয়। আমি আরও এগিয়ে গিয়ে বলব যে, মানুষ হিসেবে মানুষের ওপর নয়, বরং সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের ওপর বিশ্বাস স্থাপন করি, যিনি ন্যায়বিচারের ঈশ্বর, এবং যিনি আমাদের জীবনের পথপ্রদর্শক এবং নিয়ন্ত্রক হিসেবে ন্যায়, সমতা এবং স্বাধীনতার নীতি নির্ধারণ করেছেন।
** এডিনবার্গে দেওয়া ভাষণ (৩০ জুন ১৮৯২), ''দ্য টাইমস'' (১ জুলাই ১৮৯২), পৃষ্ঠা ১২-এ উদ্ধৃত
* আপনার কাউন্টিতে অনেক খনি শ্রমিক যারা বাধ্যতামূলক আট ঘণ্টা বিল চায়, তারা সমস্ত খনি শ্রমিকের জন্য এই বিল সমর্থন করতে আপনার অস্বীকৃতির কারণে নটিংহ্যামের আপনার বিভাগে আপনার বিরোধিতা করছে। ... প্রশ্ন হলো নটিংহ্যামশায়ারের খনি শ্রমিকরা বা তাদের একটি অংশ তাদের আট ঘণ্টা প্রশ্নের খাতিরে লিবারেল এবং আইরিশ লক্ষ্যের একজন শত্রুকে আপনার চেয়ে বেশি পছন্দ করবে কি না, যার প্রতি সারা দেশের মানুষ সহানুভূতিশীল। আমি দীর্ঘকাল ধরে ইংরেজ শ্রমজীবী শ্রেণির একটি বৈশিষ্ট্য হিসেবে এটি জানি যে তারা জানে কীভাবে তাদের দৃষ্টিভঙ্গি এবং স্পষ্ট স্বার্থকে আরও ব্যাপক এবং গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যের জন্য উৎসর্গ করতে হয়। ঠিক একইভাবে আমেরিকান গৃহযুদ্ধের সময় ল্যাঙ্কাশায়ারের জনসংখ্যা হাসিমুখে তুলা দুর্ভিক্ষের মোকাবিলা করেছিল কারণ তারা দাসপ্রথাকে ঘৃণা করত এবং কারণ আমেরিকা ছিল শ্রমের আবাসস্থল।
** হেনরি ব্রডহার্স্টের কাছে লেখা চিঠি (১ জুলাই ১৮৯২), ''দ্য টাইমস'' (৪ জুলাই ১৮৯২), পৃষ্ঠা ৬-এ উদ্ধৃত
* কাউন্টিতে নির্বাচন চলছিল। ... আমি স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে (অন্য সব স্নাতকের মতো) নরেইসের পক্ষে ভিড়ের মধ্যে ঘোরাফেরা করছিলাম। আমি সংস্কারই বিপ্লব এই প্রতিষ্ঠিত পাঠ্যের ওপর একজন শ্রমজীবী মানুষের, সম্ভবত চল্লিশ শিলিং ফ্রিহোল্ডারের কাছে আমার বক্তব্য পেশ করছিলাম। আমার মতবাদকে সমর্থন করার জন্য আমি বলেছিলাম, “কেন, বিদেশের বিপ্লবগুলোর দিকে তাকান”, অর্থাৎ ফ্রান্স এবং বেলজিয়ামের বিপ্লব। লোকটি আমার দিকে কড়া চোখে তাকিয়ে ঠিক এই কথাগুলো বলেছিল: “সব বিদেশ চুলোয় যাক। বিদেশের সাথে পুরোনো ইংল্যান্ডের কী সম্পর্ক?” একটি বিনীত উৎস থেকে আমি এই একবারই গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা পাইনি।
** 'মাই আর্লিয়ার পলিটিক্যাল ওপিনিয়ন্স. (১) দ্য ডিসেন্ট' (১২ জুলাই ১৮৯২), জন ব্রুক এবং মেরি সোরেনসেন সম্পাদিত, ''দ্য প্রাইম মিনিস্টারস পেপারস: ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোন. ১: অটোবায়োগ্রাফিকা'' (১৯৭১), পৃষ্ঠা ৩৭-এ উদ্ধৃত
* [আমি ছিলাম] তার তেইশ বছর বয়সী একজন তরুণ, যে তার বয়সের তুলনায় ছোট ছিল, যে পৃথিবীর কিছুই দেখেনি বললেই চলে, যে রাজনীতিতে পদত্যাগ করেছিল, কিন্তু যার আকাঙ্ক্ষা ছিল ঈশ্বরের পরিচর্যার জন্য। এই আকাঙ্ক্ষার অবশিষ্টাংশ দুর্ভাগ্যজনকভাবে কাজ করেছিল। এগুলো আমাকে কেবল রাষ্ট্রের ধর্মীয় চরিত্রকেই একটি অসংযত উপায়ে এবং মাত্রায় মহিমান্বিত করতে পরিচালিত করেনি, যা বাস্তবে নিম্ন স্তরে ছিল, বরং কনজারভেটিভ পার্টির ধর্মীয় লক্ষ্যকেও মহিমান্বিত করেছিল। আমার চোখে, সংস্কার আইনে অ্যান্টি-ক্রাইস্টের একটি নির্দিষ্ট উপাদান ছিল এবং সেই আইনটি আন্তরিকভাবে ঘৃণিত হয়েছিল। ... স্যার রবার্ট পিলের (দ্বিতীয়) সরকারের অধীনেই আমি কেবল শিখেছিলাম যে চার্চের জন্য রক্ষণশীল কার্যালয় কতটা ক্ষমতাহীন [এবং] অনুর্বর ছিল।
** 'মাই আর্লিয়ার পলিটিক্যাল ওপিনিয়ন্স. (২) দ্য এক্সট্রিকেশন' (১৬ জুলাই ১৮৯২), জন ব্রুক এবং মেরি সোরেনসেন সম্পাদিত, ''দ্য প্রাইম মিনিস্টারস পেপারস: ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোন. ১: অটোবায়োগ্রাফিকা'' (১৯৭১), পৃষ্ঠা ৪০-এ উদ্ধৃত
* আমি শ্রমিক শ্রেণির কিছু অংশকে ক্ষমতার আভাস পেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত হতে দেখে বিরক্ত বোধ করছি, ঠিক যেমন অন্য শ্রেণিগুলো এর বাস্তবতায় কলুষিত ও বিকৃত হয়েছে। এবং আমি তাদের একটি অংশকে আয়ারল্যান্ডকে পুরোপুরি পেছনের সারিতে ঠেলে দিতে প্রস্তুত দেখে বিরক্ত বোধ করছি, যে আয়ারল্যান্ড দাবির দিক থেকে অনেক এগিয়ে আছে। দুর্বল, দুর্বল, দুর্বল মানব স্বভাব।
** আট ঘণ্টা কাজের দিন প্রশ্নের ওপর [[জন মর্লে|জন মর্লের]] কাছে লেখা চিঠি (২২ আগস্ট ১৮৯২), ডি. এ. হ্যামার রচিত ''লিবারেল পলিটিকস ইন দ্য এজ অব গ্ল্যাডস্টোন অ্যান্ড রোজবেরি: আ স্টাডি ইন লিডারশিপ অ্যান্ড পলিসি'' (১৯৭২), পৃষ্ঠা ২২৬-২২৭-এ উদ্ধৃত
* আমি দুঃখ প্রকাশ না করে পারছি না যে মাননীয় এবং সাহসী ভদ্রলোক প্রশ্নটি উত্থাপন করাকে তার দায়িত্ব বলে মনে করেছেন। এটি এমন পরিস্থিতিতে করা হয়েছে যা স্বাভাবিকভাবেই বাণিজ্যের অবস্থার সেই ওঠানামাগুলোর মধ্যে একটির অন্তর্গত, যা যতই দুর্ভাগ্যজনক এবং দুঃখজনক হোক না কেন, সময়ে সময়ে বারবার ঘটে। নিঃসন্দেহে আমি মনে করি এ ধরনের প্রশ্ন, প্রশ্নকর্তার উদ্দেশ্য যা-ই হোক না কেন, মানুষের মনে এমন একটি ধারণা তৈরি করার বা মানুষকে পরামর্শ দেওয়ার প্রবণতা রাখে যে, এই ওঠানামাগুলো নির্বাহী সরকারের পদক্ষেপ দ্বারা সংশোধন করা যেতে পারে। এমন যেকোনো কিছু যা এ ধরনের ধারণায় অবদান রাখে তা শ্রমজীবী জনগোষ্ঠীর ওপর ক্ষতি সাধন করে।
** হাওয়ার্ড ভিনসেন্ট এমপির একটি প্রশ্নের উত্তরে হাউস অব কমন্সে দেওয়া [https://api.parliament.uk/historic-hansard/commons/1893/sep/01/the-unemployed#S4V0016P0_18930901_HOC_190 ভাষণ] (১ সেপ্টেম্বর ১৮৯৩), যিনি গ্ল্যাডস্টোনকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন বেকারত্বের "কারণে সাধারণ মানুষের যে পরিণতি হবে তা প্রশমিত করার জন্য সরকার কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তাব করছে কি না।"
* [[দ্বিতীয় চার্লস|দ্বিতীয় চার্লস]] বা [[গ্রেট ব্রিটেনের দ্বিতীয় জর্জ|দ্বিতীয় জর্জের]] তুলনায় [[যুক্তরাজ্যের তৃতীয় জর্জ|তৃতীয় জর্জ]] তার ব্যক্তিগত চরিত্রে সুবিধাজনক অবস্থানে আছেন। কিন্তু তৃতীয় জর্জ যদি স্বাধীনতা ও সংসদীয় সরকার দমনে সফল হতেন, তবে আমরা ফরাসি বিপ্লবের মতো ততটা খারাপ না হলেও একই ধরনের একটি বিপ্লবের সম্মুখীন হতাম। ভালো নীতির সেই অযোগ্য প্রতিনিধি [[জন উইলকস|উইলকসের]] কারণে আমরা এ ধরনের বিপর্যয় থেকে রক্ষা পেয়েছি।
** লিওনেল টলেমাচে দেওয়া মন্তব্য (২৯ জানুয়ারি ১৮৯৪), লিওনেল টলেমাচে রচিত ''টকস উইথ মি. গ্ল্যাডস্টোন'' (১৮৯৮), পৃষ্ঠা ১২১-এ উদ্ধৃত
* আমি আপনার সাথে একমত যে আমি আপনাকে দুটি অদ্ভুত একাক্ষরবিশিষ্ট বিশেষণে [পাগল এবং মাতাল] যে পরিকল্পনার বর্ণনা দিয়েছিলাম, তার সাথে যুক্ত লিবারেল পার্টির ওপর একটি গুরুতর বিপর্যয় নেমে আসছে। ... লিবারেলিজম এর জন্য কষ্ট না পেয়ে জিঙ্গোইজমের পোশাক পরতে পারে না... [গত ষাট বছর ধরে আমার জীবন ছিল] অর্থনীতি ও শান্তির জন্য আমার সাধ্যমতো কাজ করার একটি অবিরাম প্রচেষ্টা। শুধু এই দেশের শান্তি নয়, বরং বিশ্বের শান্তি... এটি এখন অর্থনীতি নয়, বরং শান্তি যা পরিস্থিতির মূল সুর সরবরাহ করে... যদি বিষয়টি আদৌ করতে হয়, তবে যারা এটিকে ''সঠিক'' বলে মনে করেন তাদের দ্বারাই এটি করা হোক।
** বর্ধিত নৌ অনুমানের প্রতি তার বিরোধিতার ব্যাখ্যা দিয়ে এ. জে. মুন্ডেল্লার কাছে লেখা চিঠি (৫ ফেব্রুয়ারি ১৮৯৪), পিটার স্ট্যানস্কি রচিত ''অ্যাম্বিশনস অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিস: দ্য স্ট্রাগল ফর দ্য লিডারশিপ অব দ্য লিবারেল পার্টি ইন দ্য ১৮৯০স'' (১৯৬৪), পৃষ্ঠা ৩৫ এবং অ্যান্থনি হাওয়ে রচিত ''ফ্রি ট্রেড অ্যান্ড লিবারেল ইংল্যান্ড ১৮৪৬-১৯৪৬'' (১৯৯৭), পৃষ্ঠা ১৭৬-এ উদ্ধৃত
* গত ষাট বছরের স্বাধীনতামূলক শ্রমে অংশ নিতে পেরে আমি কৃতজ্ঞ। কিন্তু আমি পুরোপুরি অনিশ্চিত যে, আমাকে যদি এখন আমার জীবন শুরু করতে হতো, তবে আগামী ষাট বছরের খুব ভিন্ন সমস্যাগুলোর আমি কীভাবে মোকাবিলা করতে পারতাম। একটি বিষয়ে আমি নিশ্চিত, এবং সবসময় নিশ্চিত ছিলাম—তা হলো, রাষ্ট্রের মাধ্যমে মানুষকে পুনর্জীবিত করা যায় না, এবং এই অন্ধকারাচ্ছন্ন পৃথিবীর ভয়ানক দুঃখকষ্টগুলো কার্যকরভাবে মোকাবিলা করা যায় না। কিছু ক্ষেত্রে এবং কিছু খুব গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে, আমি আমার প্রথম বিশ বছরের মানুষ এবং ধারণাগুলোর অসম্ভব পুনরুজ্জীবনের জন্য আকাঙ্ক্ষা করি, যা অবিলম্বে প্রথম সংস্কার আইন অনুসরণ করেছিল।
** জর্জ উইলিয়াম এরস্কিন রাসেলের কাছে লেখা চিঠি (৬ মার্চ ১৮৯৪), জি. ডব্লিউ. ই. রাসেল রচিত ''ওয়ান লুক ব্যাক'' (১৯১১), পৃষ্ঠা ২৬৫-এ উদ্ধৃত
* সত্যিকারের দেশপ্রেমিকের জন্য এখন সময় এসেছে জনসাধারণকে মনে করিয়ে দেওয়ার যে তাদের বর্তমান রাজনৈতিক উন্নয়ন এর চেয়ে কম বিস্তৃত এবং মহৎ কোনো নীতির কারণে হয়নি। শ্রেণি, ধর্ম বা দেশের পার্থক্য ছাড়াই সকলের জন্য স্বাধীনতার ভালোবাসা, এবং যেকোনো সংকীর্ণ স্বার্থের ঊর্ধ্বে সমগ্রের স্বার্থকে দৃঢ়ভাবে অগ্রাধিকার দেওয়া।
** স্যার জন কাওয়ানের কাছে লেখা চিঠি (১৭ মার্চ ১৮৯৪), ''দ্য টাইমস'' (২২ মার্চ ১৮৯৪), পৃষ্ঠা ৮-এ উদ্ধৃত
* নৌ অনুমানের বিষয়ে আমার সহকর্মীদের 'পাগল এবং মাতাল' প্রকল্পটিকে ''আমি'' যা বলি। ... এই প্রকল্পটি (আমার মতে জঘন্য সামরিকবাদে সবচেয়ে অবাঞ্ছিত অবদান, যা এখনো পর্যন্ত যেকোনো মহলে করা হয়েছে, সম্ভবত ক্রিস্পিয়ান ইতালি ছাড়া)।
** 'ওয়ে ওপেনড ফর রিটায়ারমেন্ট' (১৯ মার্চ ১৮৯৪), জন ব্রুক এবং মেরি সোরেনসেন সম্পাদিত, ''দ্য প্রাইম মিনিস্টারস পেপারস: ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোন. ১: অটোবায়োগ্রাফিকা'' (১৯৭১), পৃষ্ঠা ১২১-এ উদ্ধৃত
* ১৮৮০ সালে মিডলোথিয়ান পথ দেখিয়ে, জাতি মহৎভাবে ন্যায়বিচারের আহ্বানে সাড়া দিয়েছিল এবং ব্যাপকভাবে মানুষের ভ্রাতৃত্বকে স্বীকৃতি দিয়েছিল। এটি ছিল জাতি, শ্রেণি নয়।
** '১৮৭৯-৯৪' (১১ জুলাই ১৮৯৪), জন ব্রুক এবং মেরি সোরেনসেন সম্পাদিত, ''দ্য প্রাইম মিনিস্টারস পেপারস: ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোন. ১: অটোবায়োগ্রাফিকা'' (১৯৭১), পৃষ্ঠা ১১৩-এ উদ্ধৃত
* আমি নৈতিক এবং অর্থনৈতিক উভয় ক্ষেত্রেই একজন মুক্ত ব্যবসায়ী। কারণ আমি মনে করি মানুষের লোভ এবং স্বার্থপরতা রক্ষাকারী ব্যবস্থার প্রতিটি সুতোর সাথে বোনা।
** 'প্রোটেকশনিজম, ১৮৪০-১৮৬০' (১২ জুলাই ১৮৯৪), জন ব্রুক এবং মেরি সোরেনসেন সম্পাদিত, ''দ্য প্রাইম মিনিস্টারস পেপারস: ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোন. ১: অটোবায়োগ্রাফিকা'' (১৯৭১), পৃষ্ঠা ৭৪-এ উদ্ধৃত
* এর মানে হলো যুদ্ধ!
** কিয়েল খালের উদ্বোধনে জার্মান নৌবহর দেখে মন্তব্য (প্রায় ২০ জুন ১৮৯৫), এইচ. সি. জি. ম্যাথিউ রচিত ''গ্ল্যাডস্টোন, ১৮৭৫-১৮৯৮'' (১৯৯৫), পৃষ্ঠা ৩৫২, টীকাতে উদ্ধৃত
* আমি এর [টিকা] বাধ্যতামূলক হওয়ার ধারণাটি অপছন্দ করি। যখন এটি একেবারে প্রয়োজনীয় না হয় তখন রাষ্ট্র পিতা-মাতা এবং সন্তানের মধ্যে হস্তক্ষেপ করবে এই ধারণাটি আমার পছন্দ নয়। রাষ্ট্র সাধারণত একটি খুব খারাপ নার্স।
** লিওনেল টলেমাচে দেওয়া মন্তব্য (৮ জানুয়ারি ১৮৯৬), লিওনেল টলেমাচে রচিত ''টকস উইথ মি. গ্ল্যাডস্টোন'' (১৮৯৮), পৃষ্ঠা ১৬০-এ উদ্ধৃত
* আমি গণতন্ত্র বা বিজ্ঞানকে ততটা ভয় পাই না যতটা অর্থের ভালোবাসাকে ভয় পাই। এটি আমার কাছে একটি ক্রমবর্ধমান মন্দ বলে মনে হচ্ছে। এছাড়াও, সেই ভয়ানক সামরিক চেতনার বৃদ্ধি থেকে একটি বিপদ রয়েছে।
** লিওনেল টলেমাচে দেওয়া মন্তব্য (৮ জানুয়ারি ১৮৯৬), লিওনেল টলেমাচে রচিত ''টকস উইথ মি. গ্ল্যাডস্টোন'' (১৮৯৮), পৃষ্ঠা ১৬৬-১৬৭-এ উদ্ধৃত
* উপনিবেশগুলো মাতৃভূমির শক্তি বৃদ্ধি করে, এই ধারণাটি আমার কাছে মধ্যযুগে বিদ্যমান যেকোনো কুসংস্কারের মতোই অন্ধকার কুসংস্কার বলে মনে হয়।
** লিওনেল টলেমাচে দেওয়া মন্তব্য (১৩ জানুয়ারি ১৮৯৬), লিওনেল টলেমাচে রচিত ''টকস উইথ মি. গ্ল্যাডস্টোন'' (১৮৯৮), পৃষ্ঠা ১৩৬-এ উদ্ধৃত
* আর্মেনিয়ার সেবা করা মানে সভ্যতার সেবা করা।
** ১ মে ১৮৯৬ সালে হাওয়ার্ডেন থেকে লেখা একটি চিঠি, মেসরোব জ্যাকব শেঠ রচিত ''আর্মেনিয়ানস ইন ইন্ডিয়া, ফ্রম দ্য আর্লিয়েস্ট টাইমস টু দ্য প্রেজেন্ট ডে: আ ওয়ার্ক অব অরিজিনাল রিসার্চ'' (এশিয়ান এডুকেশনাল সার্ভিসেস, ১৯৩৭), পৃষ্ঠা ৯১–-এ উদ্ধৃত
* [''দ্য জুবিলি অব ফ্রি ট্রেডের'' প্রকাশনা] একটি মহান সাহসিকতার কাজ। কারণ কোবডেনীয় বিশ্বাস সব ক্ষেত্রেই একটি ভারী ছাড়ে রয়েছে—শান্তি, সংকোচন, মুক্ত বাণিজ্য এবং এর বাকি সব, যা আমার খুব দুঃখের সাথে স্বীকার করতে হবে।
** টমাস ফিশার আনউইনের কাছে লেখা চিঠি (২ জুন ১৮৯৬), অ্যান্থনি হাওয়ে রচিত ''ফ্রি ট্রেড অ্যান্ড লিবারেল ইংল্যান্ড ১৮৪৬-১৯৪৬'' (১৯৯৭), পৃষ্ঠা ১৯২-এ উদ্ধৃত
* আমরা আমাদের হাতে থাকা কাজটিকে এই ভিত্তিতে পরিচালনা করি না যে তারা আমাদের সহখ্রিস্টান। এটি মোহামেডানিজমের বিরুদ্ধে কোনো ক্রুসেড নয়। ... তাছাড়া আমি বলব যে এটি তুর্কি সাম্রাজ্যের মোহামেডানদের সার্বজনীন নিন্দার কোনো ঘোষণাও নয়। বরং...এমন ভালো ও উদার মোহামেডানও আছেন, যারা এই অপকর্মগুলোকে তাদের সাধ্যমতো প্রতিহত করেছেন। ... যদিও এটা সত্যি যে যাদের পক্ষে আমরা পদক্ষেপ নিচ্ছি তারা খ্রিস্টান। তবে আমি দৃঢ়ভাবে বলছি... যদি তারা খ্রিস্টান না হয়ে মোহামেডান, হিন্দু, বৌদ্ধ, কনফুসীয়—যাই হতেন না কেন, আমাদের সমর্থনের ওপর তাদের ঠিক একই দাবি থাকত। আর যেসব উদ্দেশ্য আজ আমাদের এখানে নিয়ে এসেছে, সেগুলো একই শক্তি এবং একই পবিত্রতার সাথে আমাদের ওপর বর্তাত, যা আমরা এই মুহূর্তে স্বীকার করছি। ... আমরা যে ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে আছি তা ব্রিটিশ বা ইউরোপীয় নয়, বরং তা মানবিক। এর চেয়ে সংকীর্ণ কোনো কিছুই এক মুহূর্তের জন্যও সঠিকভাবে এর প্রতিনিধিত্ব করার দাবি করতে পারে না। (উল্লাস।)
** আর্মেনীয় নৃশংসতার ওপর লিভারপুলের হেংলারস সার্কাসে দেওয়া ভাষণ (২৪ সেপ্টেম্বর ১৮৯৬), ''দ্য টাইমস'' (২৫ সেপ্টেম্বর ১৮৯৬), পৃষ্ঠা ৫-এ উদ্ধৃত
* মহান ঘাতক।
** গ্ল্যাডস্টোন ২৪ সেপ্টেম্বর ১৮৯৬ সালে লিভারপুলে এক ভাষণে দ্বিতীয় আব্দুল হামিদকে ১৮৯৪-১৮৯৬ সালের আর্মেনীয় নৃশংসতার জন্য নিন্দা জানিয়েছিলেন। মাইকেল পার্ট্রিজ রচিত ''গ্ল্যাডস্টোন'' (২০০৩), আইএসবিএন ৯৭৮০৪১৫২১৬২৭২, পৃষ্ঠা ২৩৫-এ উদ্ধৃত
* আমি মৌলিকভাবে একজন মৃত মানুষ। আমি মৌলিকভাবে একজন [[রবার্ট পিল|পিল]]–[[রিচার্ড কোবডেন|কোবডেন]] মানুষ।
** [[জেমস ব্রাইস, ফার্স্ট ভিসকাউন্ট ব্রাইস|জেমস ব্রাইসের]] কাছে লেখা চিঠি (৫ ডিসেম্বর ১৮৯৬), অ্যান্ড্রু ম্যারিসন সম্পাদিত, ''ফ্রি ট্রেড অ্যান্ড ইটস রিসেপশন ১৮১৫-১৯৬০: ফ্রিডম অ্যান্ড ট্রেড: ভলিউম ওয়ান'' (২০০২), পৃষ্ঠা ২০৯-এ উদ্ধৃত
* আমি আপনাকে আশ্বস্ত করার সাহস করছি যে আমি আপনার এবং আপনার বন্ধুদের দ্বারা গঠিত নকশাটিকে আন্তরিক আগ্রহের সাথে দেখি। এবং বিশেষ করে যাকে [[কালেক্টিভিজম|সমষ্টিবাদ]] বলা হয় তার বিপরীতে ব্যক্তি স্বাধীনতা এবং আত্মনির্ভরশীলতার পক্ষে আপনি যে সমস্ত প্রচেষ্টা চালাতে পারেন তার সাফল্য কামনা করছি।
** ''এসেজ ইন লিবারেলিজমের'' মুখবন্ধ লিখতে না পারার বিষয়ে এফ. ডব্লিউ. হার্স্টের কাছে লেখা চিঠি (২ জানুয়ারি ১৮৯৭), এফ. ডব্লিউ. হার্স্ট রচিত ''ইন দ্য গোল্ডেন ডেজ'' (১৯৪৭), পৃষ্ঠা ১৫৮-এ উদ্ধৃত
* তুর্কি সরকারের আশাহীনতা আমাকে এটি দেখতে আনন্দিত করবে যে এটি যে দেশগুলোকে নির্যাতন করে সেখান থেকে তা বিতাড়িত হচ্ছে। অটোমান সরকারের চেয়ে বেশি শোচনীয় এবং নিন্দনীয় আর কিছুই হতে পারে না। গ্রিক এবং স্লাভদের মধ্যে ঈর্ষা এবং অন্য অঞ্চল দখলের জন্য ইতিমধ্যে বিদ্যমান রাজ্যগুলোর পরিকল্পনা করা দুঃখজনক। বুলগেরিয়ানদের জন্য বুলগেরিয়া এবং সার্বিয়ানদের জন্য সার্বিয়ার মতো মেসিডোনিয়ানদের জন্য মেসিডোনিয়া কেন হবে না?
** ''দ্য টাইমস'' পত্রিকায় (৬ ফেব্রুয়ারি ১৮৯৭) প্রকাশিত ''মি. গ্ল্যাডস্টোন অ্যান্ড দ্য বলকান কনফেডারেশনে'' উদ্ধৃত চিঠি
* হাউস অব লর্ডস প্যারিশ কাউন্সিল বিলে একটি মারাত্মক অঙ্গচ্ছেদ ঘটিয়েছিল। তারা (নিয়োগকর্তাদের দায়বদ্ধতার ওপর আমাদের পদক্ষেপ প্রত্যাখ্যান করার পর) বড় বিষয়গুলোতে জনমতের সাথে তীব্র সংঘাতে জড়িয়ে পড়েছিল। ... ১৮৯৪ সালের জানুয়ারি বা ফেব্রুয়ারিতে যখন এটি ঘটেছিল তখন আমি বিয়ারিটজে ছিলাম। আমি লন্ডনে আমার সহকর্মীদের কাছে বিলুপ্তির পরামর্শ দিয়েছিলাম। ... কিন্তু...আমি বিষয়টি বাদ দিতে বাধ্য হয়েছিলাম। ... এর ফলে জনপ্রিয় সরকারের কাছে অত্যাবশ্যকীয় গুরুত্বের একটি ইস্যু নির্ণায়কভাবে উত্থাপন করার জন্য আমার মতে চমৎকার একটি সুযোগ হাতছাড়া হয়ে যায়। এমন একটি সুযোগ যা সঠিকভাবে ব্যবহার করা হলে লিবারেল পার্টিকে এক বা সম্ভবত দুটি পার্লামেন্টের পূর্ণ মেয়াদের জন্য একটি নির্ণায়ক প্রাধান্য দিত, যা নাগালের মধ্যে থাকা বিশাল জনসাধারণের সুবিধার বাইরে ছিল। ১৮৩১-৩২ সালে ভয়ংকর এবং ১৮৬০-১ সালে ভয়াবহ লর্ডস ও কমন্সের মধ্যে বড় বিতর্ক, ১৮৮৪ সালে রানির বিজ্ঞ সহায়তায় সুখকরভাবে এড়ানো গিয়েছিল... তা একটি ব্যবহারিক নিষ্পত্তিতে পৌঁছাত। এবং আয়ারল্যান্ডের সাথে সাত শ বছরের আরও গুরুতর বিতর্ক... হোম রুলের একটি পদক্ষেপের মাধ্যমে একটি সম্পূর্ণ নিষ্পত্তির কাছাকাছি পৌঁছাত।
** 'ক্রাইসিস অব ১৮৯৪ অ্যাজ টু দ্য লর্ডস অ্যান্ড ডিসোলিউশন' (১৩ ফেব্রুয়ারি ১৮৯৭), জন ব্রুক এবং মেরি সোরেনসেন সম্পাদিত, ''দ্য প্রাইম মিনিস্টারস পেপারস: ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোন. ১: অটোবায়োগ্রাফিকা'' (১৯৭১), পৃষ্ঠা ১১৬-১১৭-এ উদ্ধৃত
* ১৮৩৪ সালে সরকার নতুন দরিদ্র আইন অ্যাক্ট দ্বারা নিজেদের উচ্চ সম্মানজনক কাজ করেছিল, যা ইংরেজ কৃষকদের তাদের স্বাধীনতার সম্পূর্ণ ক্ষতি থেকে উদ্ধার করেছিল।
** 'আর্লি পার্লামেন্টারি লাইফ ১৮৩২-৫২. ১৮৩৩-৪ ইন দ্য ওল্ড হাউস অব কমন্স' (৩ জুন ১৮৯৭), জন ব্রুক এবং মেরি সোরেনসেন সম্পাদিত, ''দ্য প্রাইম মিনিস্টারস পেপারস: ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোন. ১: অটোবায়োগ্রাফিকা'' (১৯৭১), পৃষ্ঠা ৫৫-এ উদ্ধৃত
{{disputed begin}}
== বিতর্কিত ==
* যতদিন এই বইটি থাকবে, পৃথিবীতে শান্তি আসবে না।
** হাউস অব কমন্সে একটি কুরআন তুলে ধরে বলেছিলেন; রফিক জাকারিয়া রচিত ''মুহাম্মদ অ্যান্ড দ্য কুরআন'' (পেঙ্গুইন বুকস, ১৯৯১), পৃষ্ঠা ৫৯-এ উদ্ধৃত।
*** বৈকল্পিক: "যতদিন এই অভিশপ্ত [[কুরআন|বইটির]] একটি অনুলিপি টিকে থাকবে ততদিন পৃথিবীতে কোনো ন্যায়বিচার হতে পারে না।" পল জি. লরেন সম্পাদিত, ''দ্য চায়না হ্যান্ডস লিগ্যাসি: এথিকস অ্যান্ড ডিপ্লোমেসি'' (ওয়েস্টভিউ প্রেস, ১৯৮৭), পৃষ্ঠা ১৩৬-এ উদ্ধৃত।
*** "গ্ল্যাডস্টোন...কুরআনটিকে একটি আলমারিতে ছুড়ে ফেলে বলেছিলেন, 'যতদিন এটি থাকবে ততদিন পৃথিবীতে কোনো শান্তি থাকবে না।'" এলিয়েজার বি'রি রচিত ''আর্মি অফিসার্স ইন আরব পলিটিকস অ্যান্ড সোসাইটি'' (১৯৭০), পৃষ্ঠা ৩৬৭-এ প্রতিবেদন করা হয়েছে।
এই উক্তিটি ১৯১৫ সালের একটি জার্মান নথিতে "[https://www.jstor.org/stable/1568984?seq=1#page_scan_tab_contents ক্রিগসুরকুন্ডেন. ১৭. ফতোয়া ডেস শেইখ এস-সাইজিদ হিবেট এড-দিন এশ-শহরাস্তানি এন-নেদশেফি উবার ডাই ফ্রয়েন্ডশ্যাফট ডের মুসলিমে মিট ডেন ডয়েচেন]"-এ [https://books.google.ca/books?id=qCXBAgAAQBAJ&pg=PA42&dq=gladstone+%22was+defiled%22&hl=en&sa=X&redir_esc=y#v=onepage&q=gladstone%20%22was%20defiled%22&f=false জাল করা হয়েছিল], এমন এক সময়ে যখন জার্মানরা আরবি দেশগুলোকে ব্রিটিশদের পরিবর্তে তাদের পক্ষ নিতে প্ররোচিত করার চেষ্টা করছিল। 'উক্তিটি' ১৯৫০-এর দশকে [https://books.google.ca/books?id=PkRMDwAAQBAJ&pg=PA463&dq=%22Gladstone%22+%22muslim+brotherhood%22&hl=en&sa=X&redir_esc=y#v=onepage&q=%22Gladstone%22%20%22muslim%20brotherhood%22&f=false 'আবিষ্কৃত' হয়েছিল এবং মুসলিম ব্রাদারহুড এবং মিশরীয় প্রেসে] মিশর থেকে ব্রিটিশ প্রভাব দূর করার অভিযানের অংশ হিসেবে ব্যাপকভাবে পুনরাবৃত্তি করা হয়েছিল। এর কোনো বিশ্বাসযোগ্য সমসাময়িক রেকর্ড নেই এবং হ্যান্সার্ডে এই বক্তব্যের কোনো রেকর্ড নেই।
[[File:W E Gladstone and Dorothy Drew.jpg|thumb|right|আমরা এমন এক [[সময়|সময়ের]] অপেক্ষায় আছি যখন [[ভালোবাসা|ভালোবাসার]] [[শক্তি]] ক্ষমতার ভালোবাসাকে প্রতিস্থাপন করবে। তখন আমাদের পৃথিবী [[শান্তি|শান্তির]] আশীর্বাদ জানতে পারবে।]]
* আমাকে দেখান কীভাবে একটি জাতি বা সম্প্রদায় তাদের মৃতদের যত্ন নেয়। আমি ঠিক তার মানুষের সহানুভূতি, দেশের আইনের প্রতি তাদের সম্মান এবং উচ্চ আদর্শের প্রতি তাদের আনুগত্য পরিমাপ করব।
** ''দ্য আমেরিকান সিমেট্রি''-তে (মার্চ ১৯৩৮) "সাকসেসফুল সিমেট্রি অ্যাডভারটাইজিংয়ে" আরোপিত, পৃষ্ঠা ১৩; ''রেসপেক্টফুলি কোটেড: আ ডিকশনারি অব কোটেশনস'' (১৯৮৯)-এ যাচাইহীন হিসেবে প্রতিবেদন করা হয়েছে
* '''আমরা এমন এক [[সময়|সময়ের]] অপেক্ষায় আছি যখন [[ভালোবাসা|ভালোবাসার]] [[শক্তি]] ক্ষমতার ভালোবাসাকে প্রতিস্থাপন করবে। তখন আমাদের পৃথিবী [[শান্তি|শান্তির]] আশীর্বাদ জানতে পারবে।'''
** ''[https://books.google.com/books?id=T8YVAQAAIAAJ&q=%22Then+will+our+world+know+the+blessings+of+peace.%22&dq=%22Then+will+our+world+know+the+blessings+of+peace.%22&hl=en&sa=X&ved=0ahUKEwj1iNCMvcHLAhUMcz4KHXvcCt84MhDoAQgfMAE দ্য ন্যাশনাল এলিমেন্টারি প্রিন্সিপাল]'' (১৯৪৮) খণ্ড ২৮, পৃষ্ঠা ৩৪-এ আরোপিত। অনুরূপ একটি বক্তব্য [[জিমি হেনড্রিক্স|জিমি হেনড্রিক্সের]] সাথেও যুক্ত হয়েছে: "'''যখন ভালোবাসার শক্তি ক্ষমতার ভালোবাসাকে জয় করবে তখন পৃথিবী শান্তি জানতে পারবে।'''" অনুরূপ একটি উক্তি [[শ্রী চিন্ময়|শ্রী চিন্ময়ের]] ''মাই হার্ট শ্যাল গিভ আ ওয়াননেস-ফিস্ট'' (১৯৯৩)-এ পাওয়া যায়: "'''আমার বইগুলোর একটাই বার্তা আছে: হৃদয়ের ভালোবাসার শক্তিকে অবশ্যই মনের ক্ষমতার ভালোবাসাকে প্রতিস্থাপন করতে হবে।''' যদি আমার কাছে ভালোবাসার শক্তি থাকে, তবে আমি পুরো বিশ্বকে আমার নিজের বলে দাবি করব ... '''বিশ্বশান্তি অর্জন করা যেতে পারে যখন ভালোবাসার শক্তি ক্ষমতার ভালোবাসাকে প্রতিস্থাপন করে।'''" চিন্ময়ের একটি আরও পুরোনো বক্তব্য ''মেডিটেশনস: ফুড ফর দ্য সোল'' (১৯৭০)-এ পাওয়া যায়: "'''যখন ভালোবাসার শক্তি ক্ষমতার ভালোবাসাকে প্রতিস্থাপন করবে, তখন [[মানবজাতি|মানুষের]] একটি নতুন [[নাম]] হবে: [[ঈশ্বর]]।'''"
{{Disputed end}}
{{Misattributed begin}}
== ভুলভাবে আরোপিত ==
* নৈতিকভাবে ভুল এমন কোনো কিছুই রাজনৈতিকভাবে সঠিক হতে পারে না।
** গ্ল্যাডস্টোনের কোনো উদ্ধৃতি পাওয়া যায়নি। ১৮৩৭ সালে [https://en.wikipedia.org/wiki/Hannah_More হান্নাহ মোর] তার [https://books.google.com/books?id=lv5JAAAAcAAJ&pg=PA179&lpg=PA179&dq=%E2%80%9CNothing+that+is+morally+wrong+can+be+politically+right.%E2%80%9D&source=bl&ots=ne_BjY9onV&sig=8RyZJKi_o7AvvR3N9WcQUU5Q0TI&hl=en&sa=X&ei=84mhVIufIoahyASOrYCoAw&ved=0CEMQ6AEwBw#v=onepage&q=%E2%80%9CNothing%20that%20is%20morally%20wrong%20can%20be%20politically%20right.%E2%80%9D&f=false ''হিন্টস টুয়ার্ডস ফর্মিং দ্য ক্যারেক্টার অব আ ইয়াং প্রিন্সেস''], ''দ্য ওয়ার্কস অব হান্নাহ মোর'', ভলিউম ৪, ১৭৯ পৃষ্ঠায় নিম্নলিখিত কথাটি বলেছিলেন: "সামগ্রিকভাবে, আমাদের এটি জোর দিয়ে বলতে দ্বিধা করা উচিত নয় যে, দীর্ঘ ঘটনাবলির ধারায়, '''নৈতিকভাবে ভুল এমন কোনো কিছুই রাজনৈতিকভাবে সঠিক হতে পারে না।''' অন্যায্য এমন কোনো কিছুই শেষ পর্যন্ত সফল হতে পারে না।"
* লন্ডন দেখার সেরা উপায় হলো বাসের ছাদ থেকে দেখা।
** গ্ল্যাডস্টোনের কোনো পরিচিত সরাসরি উদ্ধৃতি নেই। প্রথম ১৯০০-এর দশকের শুরুতে আরোপিত (যেমন: ''হাইওয়েজ অ্যান্ড বাইওয়েজ ইন লন্ডন'', ১৯০৩, এমিলি কনস্ট্যান্স বেয়ার্ড কুক, ম্যাকমিলান অ্যান্ড কোং) কিন্তু অন্যান্য লেখকদের দ্বারা ১৮০০-এর দশকের শেষের দিকের লন্ডন গাইডগুলোতে উপস্থিত হয়, যেমন:
::: লন্ডন দেখার সেরা উপায় হলো অমনিবাস লাইনের মাধ্যমে।
:::: জন বি. গোরম্যান রচিত ''আ ট্যুর অ্যারাউন্ড দ্য ওয়ার্ল্ড ইন ১৮৮৪: অর স্কেচেস অব ট্রাভেল ইন দ্য ইস্টার্ন অ্যান্ড ওয়েস্টার্ন হেমিস্ফিয়ারস'' (১৮৮৬)
* [অর্থ] জনগণের পকেটে ফলপ্রসূ হওয়া উচিত।
** প্রায়শই গ্ল্যাডস্টোনের বলে মনে করা হয়। ১৮৬৭ সালের বাজেটের বিতর্কের সময়, ল্যাং গ্ল্যাডস্টোনের কাছে ১৮৩২ সালে [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1832/feb/06/finance-deficiency-in-the-revenue লর্ড সিডেনহ্যামের] বাক্যাংশটি ব্যবহারের কথা উল্লেখ করেছিলেন, যার জবাবে গ্ল্যাডস্টোন [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1867/apr/04/ways-and-means-tue-financial-statement উত্তর দিয়েছিলেন]: "...'''যখন আপনি অর্থের "ফলপ্রসূ" হওয়ার কথা বলেন—আমি শব্দটি গ্রহণ করছি, যা মূলত অত্যন্ত উচ্চ কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে এসেছে'''—জনসাধারণের সুবিধার জন্য, ঋণ হ্রাসে প্রযুক্ত অর্থ থেকে জনসাধারণ যে সুবিধা পায় তার চেয়ে প্রত্যক্ষ এবং আরও সম্পূর্ণ সুবিধা আর কোনোটি নয়।" শব্দবন্ধটি আগে ঘটেছিল, অন্যদের মধ্যে:
::: আমাদের কি বর্তমান পরিস্থিতিতে রাজ্যের কোষাগারে একটি সংযোজন তৈরি করতে জাতির সম্পদ এবং উৎপাদনশীল পুঁজি থেকে ৩০ লক্ষ অর্থ বরাদ্দ করা উচিত? জাতীয় শিল্প বজায় রাখা তহবিলগুলোকে উৎসর্গ করে কি আমাদের সরকারি ঋণ হ্রাস করা উচিত? আমাদের ঋণ পরিশোধের জন্য জনগণের কাছ থেকে ৩০ লক্ষ মূলধন কেড়ে নেওয়া কি উচিত, যা সরকারের হাতে থাকার চেয়ে তাদের হাতে অনেক বেশি ফলপ্রসূ হবে?
:::: [http://hansard.millbanksystems.com/lords/1819/jun/21/cash-payments-bill দ্য মার্কুইস অব ল্যান্সডাউন (২১ জুন ১৮১৯)]
::: তিনি টনটনের সদস্য তার মাননীয় বন্ধুর কাছে এটি তুলে ধরেছিলেন, স্টকের কাল্পনিক মূল্য বাড়ানোর খাতিরে, যে পেষণকারী কর ঋণের ভিত্তি তৈরি করে এমন মূলধনকে দখল করে নিয়েছে তা সহ্য করা উচিত কি না। তিনি তার শক্তিশালী মনের কাছে এটি তুলে ধরেছিলেন, সব কেড়ে নিয়ে, তাদের ধ্বংস করে এবং রাজস্ব বিলুপ্ত করার চেয়ে যা তাদের সাথে বৃদ্ধি পায় এবং ফলপ্রসূ হয় তা জনগণের পকেটে রেখে দেওয়া ভালো কি না।
:::: [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1821/jun/14/agricultural-horse-tax লর্ড মিল্টন (১৪ জুন ১৮২১)]
::: সিনকিং ফান্ড হিসেবে পঞ্চাশ লক্ষ উদ্বৃত্ত প্রয়োগের ক্ষেত্রে মাননীয় ভদ্রলোক একটি আপত্তি জানিয়েছিলেন, এটি জনগণের কাছ থেকে নেওয়া হচ্ছে, যা ঋণ হ্রাসের চেয়ে তাদের পকেটে জাতীয় সুবিধার জন্য অনেক বেশি ফলপ্রসূ হবে।
:::: [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1823/feb/28/reduction-of-taxation উইলিয়াম হাসকিসন (২৮ ফেব্রুয়ারি ১৮২৩)]
::: এটি মি. পিটের ব্যবস্থার একটি বড় ত্রুটি ছিল যে, চার বা পাঁচ শতাংশ সুদে দাঁড়িয়ে থাকা ঋণ কেনার জন্য জনগণের ওপর কর আরোপ করা উচিত, যখন এটি স্পষ্ট ছিল যে সেই অর্থ যদি জনগণের পকেটে ফলপ্রসূ হওয়ার জন্য রেখে দেওয়া হয়, তবে তা দেশের জন্য অসীম বেশি উপকারী হবে।
:::: [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1827/jun/01/the-budget লর্ড মিল্টন (১ জুন ১৮২৭)]
{{Misattributed end}}
== গ্ল্যাডস্টোন সম্পর্কে উক্তি ==
:<small>বংশগত পদবি অনুযায়ী বর্ণানুক্রমিক।</small>
[[File:Jan Vilímek - William Ewart Gladstone HL.jpg|thumb|right|আমি মি. গ্ল্যাডস্টোনের চেহারায় বিপরীত গুণাবলির মিশ্রণ দেখেছিলাম। সেখানে ভেড়ার মতো শান্তি ও ভদ্রতা ছিল এবং সিংহের মতো শক্তি ও সংকল্প ছিল। ~ [[ফ্রেডেরিক ডগলাস]] ]]
[[File:Elliott & Fry10a.jpg|thumb|right|আপনি যদি লোকটিকে শুধু শার্ট পরিয়ে একটি প্রান্তরে রেখে দেন, তবে সে যা খুশি তাই হতে পারবে। ~ [[টি. এইচ. হাক্সলি]] ]]
[[File:Gladstone.png|thumb|right|তার [[শক্তি|শক্তির]] ত্রুটিগুলো তার ওপর বাড়ছে। সমস্ত কালো খুবই কালো, সমস্ত সাদা খুবই সাদা। ~ লর্ড রোজবেরি]]
=== এ-এল ===
* যদি কোনো টোরি না থাকত, তবে আমার ভয় হয় যে তিনি তাদের উদ্ভাবন করতেন।
** মিসেস ড্রুর কাছে লেখা চিঠিতে [[লর্ড অ্যাক্টন]] (২৪ এপ্রিল ১৮৮১)
* আমি বলতে পারি যে, একজন শ্রমজীবী মানুষ হিসেবে, আমার সহানুভূতি, সমর্থন এবং স্নেহের ওপর মি. গ্ল্যাডস্টোনের চেয়ে বেশি দাবি আর কোনো মানুষের নেই বলে আমি মনে করি। যখন ১৮৮০ সালের নির্বাচন আসে তখন আমরা তাকে পরিচালনার শীর্ষে বসিয়েছিলাম। যদিও দুর্বল মানসিকতার লিবারেল এবং টোরিরা আমাকে ঠাট্টা করেছিল যে তিনি কখনো ভোটাধিকার স্বীকার করবেন না, তবে তার সততায়, জনগণের প্রতি তার ন্যায়বিচারের বোধে এবং জনগণের প্রতি তার ভালোবাসায় আমার বিশ্বাস এই উপহাসগুলোর দ্বারা সামান্যতমও টলেনি। আমি পুরোপুরি নিশ্চিত ছিলাম যে তিনি আমার শ্রেণিকে ভোটাধিকার দেবেন। এই মহান রাষ্ট্রনায়কের আবক্ষ মূর্তি উন্মোচন করার জন্য এই আবরণটি সরিয়ে নিয়ে আমি বিরোধিতার ভয় ছাড়াই বলতে পারি যে, তিনি হাজার হাজার মানুষের, হ্যাঁ, হাজার হাজার মানুষের স্নেহে বেঁচে আছেন, যারা আমাদের গ্রামাঞ্চলে সাধারণ কুঁড়েঘরে বাস করে। এবং আমি বিশ্বাস করি যখনই একজন বিজ্ঞ স্রষ্টা তাকে এই কর্মক্ষেত্র থেকে সরিয়ে নেবেন, তখন তারা গভীর অনুভূতির সাথে তার ক্ষতির জন্য শোক করবে। আমি বিশ্বাস করি না যে মি. গ্ল্যাডস্টোন বা অন্য কোনো জীবিত প্রাণী ভুল থেকে মুক্ত। তবে এই বিষয়ে আমি নিশ্চিত যে, যখনই তিনি কোনো ভুল করেছেন এবং তা বুঝতে পেরেছেন, তখন তিনি তা স্বীকার করার মতো সম্মানিত এবং পুরুষোচিত হয়েছেন এবং তা সংশোধনের জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করেছেন।
** জোসেফ আর্চ, বিংলি লিবারেল ক্লাবে মি. গ্ল্যাডস্টোনের আবক্ষ মূর্তি উন্মোচনের সময় ভাষণ (১৮৯৩), জোসেফ আর্চ রচিত ''দ্য স্টোরি অব হিজ লাইফ, টোল্ড বাই হিমসেলফ'', কাউন্টেস অব ওয়ারউইক সম্পাদিত (১৮৯৮), পৃষ্ঠা ৩৭৯-৩৮০-এ উদ্ধৃত
* মি. গ্ল্যাডস্টোন একবার আমাকে বলেছিলেন: “আপনাকে যদি কখনো সরকার গঠন করতে হয়, তবে আপনাকে আপনার স্নায়ুকে ইস্পাত করতে হবে এবং কসাইয়ের মতো কাজ করতে হবে”। এটি একটি অত্যন্ত যুক্তিসঙ্গত পরামর্শ (যা আমি অভিজ্ঞতা থেকে শিখেছি)।
** [[এইচ. এইচ. অ্যাসকুইথ]], ''স্টাডিজ অ্যান্ড স্কেচেস'' (১৯২৪), পৃষ্ঠা ২০৫-২০৬
* '''তার কাছে মানব প্রকৃতির উচ্চতর অংশের ওপর একটি বাস্তব বিশ্বাস আছে, এবং এটি মহৎ শক্তির একটি উৎস। তিনি তার সমস্ত হৃদয়, আত্মা এবং শক্তি দিয়ে বিশ্বাস করেন যে সত্যের মতো কিছু আছে। তার কাছে একজন শহীদের আত্মা এবং একজন আইনজীবীর বুদ্ধি রয়েছে।'''
** "মি. গ্ল্যাডস্টোনে" [[ওয়াল্টার ব্যাগেহট]], ''ন্যাশনাল রিভিউ'' (জুলাই ১৮৬০)
* মি. গ্ল্যাডস্টোনের ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা এমন ছিল যা [[উইলিয়াম পিট দ্য ইয়ংগার|মি. পিটের]] সময়ের পর থেকে আর দেখা যায়নি এবং হয়তো আর কখনো দেখা যাবে না। অবশ্যই এটি খুব কমই দেখা যাবে। একজন খারাপ বক্তাকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে তিনি একজন প্রার্থী হিসেবে কীভাবে কাজ করেছিলেন। “ওহ,” তিনি উত্তর দিয়েছিলেন, “যখন আমি জানি না কী বলতে হবে, তখন আমি ‘গ্ল্যাডস্টোন’ বলি, আর তখন তারা নিশ্চিতভাবে উল্লাস করে, এবং আমি ভাবার সময় পাই।” আসলে, সেই জনপ্রিয়তা নির্বাচনী এলাকা এবং সদস্যদের উভয়ের জন্যই গাইড হিসেবে কাজ করেছিল। প্রার্থীরা শুধু বলেছিল যে তারা মি. গ্ল্যাডস্টোনের পক্ষে ভোট দেবে, আর নির্বাচনী এলাকাগুলো শুধু তাদেরই বেছে নিয়েছিল যারা এমনটি বলেছিল। এমনকি সংখ্যালঘুদের কেবল গ্ল্যাডস্টোন-বিরোধী হিসেবে বর্ণনা করা যেতে পারে, ঠিক যেমন সংখ্যাগরিষ্ঠদের কেবল গ্ল্যাডস্টোন-সমর্থক হিসেবে বর্ণনা করা যেতে পারে।
** [[ওয়াল্টার ব্যাগেহট]], 'ইন্ট্রোডাকশন টু দ্য সেকেন্ড এডিশন' (২০ জুন ১৮৭২), ''দ্য ইংলিশ কনস্টিটিউশন'' (১৮৮২), পৃষ্ঠা ১৮
* মি. গ্ল্যাডস্টোন ছিলেন সবচেয়ে বড় আলোচনার পরিষদের সর্বশ্রেষ্ঠ সদস্য যা বিশ্ব আজ পর্যন্ত দেখেছে।
** [[আর্থার বেলফোর]], হাউস অব কমন্সে
*উদারপন্থীদের নেতা কে? তিনি<br>যিনি আমাদের জন্য দাঁড়িয়েছেন,<br>জয় ও পরাজয়ের মধ্য দিয়ে দাঁড়িয়েছেন<br>জনগণের মঙ্গলের জন্য;<br>আমরা জনগণ, আমাদের একটি মন আছে,<br>এটি ভালভাবেই জানা যাবে,<br>গ্ল্যাডস্টোন, তিনিই এখনও আমাদের নেতৃত্ব দেবেন,<br>তিনি, এবং কেবল তিনিই।<br>আমাদের ভোট আছে এবং তাদের আমাদের কথা শুনতে দিন;<br>গ্ল্যাডস্টোন, কেবল তিনিই আমাদের নেতৃত্ব দেবেন।<br> কেন? কারণ তিনি আমাদের অন্যায় অনুভব করেন<br>এবং আমাদের অধিকার জয় করবেন;<br>কেন? কারণ তিনি আমাদের জন্য লড়াই করেন<br>ক্ষমতার বাইরে এবং ভেতরে। [...]<br>ভোটাররা তাদের বলুন, যাদের আমাদের প্রয়োজন হবে,<br>গ্ল্যাডস্টোন, কেবল তিনিই আমাদের নেতৃত্ব দেবেন।
**ডব্লিউ. সি. বেনেট, ‘গ্ল্যাডস্টোন, হি অ্যালোন শ্যাল লিড আস’, ''দ্য ওয়াটারফোর্ড নিউজ অ্যান্ড জেনারেল অ্যাডভারটাইজার'', খণ্ড ২০, নং ২৭ (১৫ মে ১৮৬৮), পৃ. ৪
*সর্বদা শক্তির এই বিশাল সমাবেশ ছিল। তার জীবনের প্রতিটি কাজে উদ্দেশ্য একটি চুল্লির মতো গর্জন করত। তিনি একবার কোনো বিষয়ে নিজেকে বোঝাতে পারলে, সেটি আর তার মতামত থাকত না। সেটি একটি মহাজাগতিক সত্যে পরিণত হতো এবং প্রতিটি সঠিক মনের মানুষের দায়িত্ব হতো তা সমুন্নত রাখা। তিনি নিশ্চিত ছিলেন এবং তা বলতেন। তিনি বিশ্বাস করতেন ইংরেজ জনগণের ইচ্ছা ছিল [[w:আইরিশ হোমরুল আন্দোলন|আয়ারল্যান্ডে হোমরুল]] প্রদান করা। তিনি তাদের জন্য সেই ইচ্ছা পূরণের নিযুক্ত হাতিয়ার ছিলেন। ঈশ্বর তাকে সেই কাজের জন্য স্বাস্থ্য এবং জীবনীশক্তি দিয়েছিলেন। এইভাবে তার বিবেক ব্যক্তিগত উচ্চাকাঙ্ক্ষা থেকে সর্বদা মুক্ত ছিল। তিনি নিজের ধারণার জন্য কাজ করছিলেন না বরং তার বাইরের কোনো মহান কারণের জন্য কাজ করছিলেন। মিসেস গ্ল্যাডস্টোন আমার মাকে বলেছিলেন, যারা একসময় তার বন্ধু ছিল তাদের বিচ্ছিন্নতা ও অভিশাপ তাকে কখনোই বলতে বাধ্য করেনি, "আমি যদি এটি না করতাম!" তিনি যে তিক্ততা জাগিয়েছিলেন তার জন্য তিনি অনুতপ্ত হতে পারতেন। কিন্তু তিনি কখনও সেই পদক্ষেপগুলোর জন্য অনুতপ্ত হননি যা এর কারণ ছিল।
**[[ই. এফ. বেনসন]], ''অ্যাজ উই ওয়্যার: আ ভিক্টোরিয়ান পিপ-শো'' (১৯৩০), পৃ. ১০৮-১০৯
*সেই মহাদেশের [উত্তর আমেরিকা] মানুষের কাছে আপনার ব্যক্তিত্ব স্বাধীনতার কারণের সাথে একাত্ম হয়ে গেছে। আপনি তাদের কাছে রাষ্ট্রনায়কের সর্বোচ্চ আদর্শের মূর্ত প্রতীক।
**[[w:এডওয়ার্ড ব্লেক|এডওয়ার্ড ব্লেক]] গ্ল্যাডস্টোনকে লেখা চিঠি (২ মার্চ ১৮৯৪), ই. এফ. বিয়াগিনির ''ব্রিটিশ ডেমোক্রেসি অ্যান্ড আইরিশ ন্যাশনালিজম, ১৮৭৬–১৯০৬'' (২০০৭) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ১৬০
*'''হাউস অফ কমন্সে এমন কে আছেন যিনি সমস্ত রাজনৈতিক প্রশ্নের জ্ঞানে তার সমকক্ষ? কে আন্তরিকতায় তার সমকক্ষ? কে বাগ্মিতায় তার সমকক্ষ? কে সাহস এবং তার দৃঢ় বিশ্বাসের প্রতি বিশ্বস্ততায় তার সমকক্ষ?''' এই ভদ্রলোকেরা যারা বলছেন তারা তাকে অনুসরণ করবেন না, তাদের যদি এমন কেউ সমকক্ষ থাকে, তবে তাকে দেখান। যদি তারা এমন কোনো রাষ্ট্রনায়ককে নির্দেশ করতে পারেন যিনি মিস্টার গ্ল্যাডস্টোনের মর্যাদাকে আরও বাড়িয়ে তুলতে পারেন, তবে তাকে সামনে আনুন।
**[[জন ব্রাইট]], বার্মিংহামে দেওয়া ভাষণ (২২ এপ্রিল ১৮৬৭), জর্জ বার্নেট স্মিথের ''দ্য লাইফ অ্যান্ড স্পিচেস অফ দ্য রাইট অনারেবল জন ব্রাইট, এম.পি. খণ্ড ৪'' (১৮৮৬) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ৫২৯–৫৩০
*মহান উদারপন্থী নেতার ভাষণের বিস্ময়কর বাগ্মিতা, মর্মস্পর্শী আবেগ এবং জ্বলন্ত উদ্দীপনা দেশের আত্মাকে গভীরভাবে আলোড়িত করেছিল। আমি যদি বলি গ্রেট ব্রিটেনের [[w:ননকনফর্মিস্ট (প্রোটেস্ট্যান্ট মতবাদ)|ননকনফর্মিস্টরা]] একজন পুরুষ এবং একজন নারী হিসেবে তার পাশে দাঁড়িয়েছিলেন, তবে তা অতিরঞ্জিত হবে না। তারা তাকে জাতিসমূহের রক্ষকর্তা, জনগণের অনুপ্রাণিত নেতা, অন্যায় ও নিপীড়নের শক্তির সাথে লড়াই করা এবং তাদের জয় করা এক অপরাজেয় শক্তির দৈত্য হিসেবে দেখেছিলেন। তার দেশ ছিল বিশ্ব। প্রতিটি বর্ণ ও ধর্মের মানুষ ছিল তার ভাই। বহু শতাব্দীতে এমন কোনো জাতি এমন একজন সন্তানের অধিকারী হয় না যিনি এতটা সর্বজনীন এবং প্রায় অক্ষয় প্রশংসার অধিকারী হন, যা সেই দিনগুলোতে উইলিয়াম এওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোনের ওপর বর্ষিত হয়েছিল। আমি প্রায়ই অনুভব করেছি, এই সময়ে অনেক মানুষ মহান নেতার জন্য মৃত্যুবরণ করাকে সম্মানের মনে করত এবং একটি আনন্দদায়ক আত্মত্যাগ হিসেবে গণ্য করত।
**[[w:হেনরি ব্রডহার্স্ট|হেনরি ব্রডহার্স্ট]], ''দ্য স্টোরি অফ হিজ লাইফ ফ্রম আ স্টোনম্যাসনস বেঞ্চ টু দ্য ট্রেজারি বেঞ্চ'' (১৯০১), পৃ. ৮৮
*তার কণ্ঠস্বর ছিল সমৃদ্ধ, অনুরণিত এবং সুন্দরভাবে নিয়ন্ত্রিত। তার অঙ্গভঙ্গির মাধুর্য ও বৈচিত্র্য এবং তার চোখের ঝলকানির সাথে দর্শকদের কাছ থেকে আসা কোনো বাধায় তিনি যে সহজ ক্ষমতা দেখিয়েছিলেন, তা কেবল তাকে কথা বলতে দেখলেই বোঝা যায়। সম্মতি বা অসম্মতির অভিব্যক্তি দ্বারা প্রস্তাবিত কোনো যুক্তি তিনি তাৎক্ষণিকভাবে অনুসরণ করতেন। তার প্রস্তুতি ছিল আশ্চর্যজনক। আমরা যারা সংসদে তার কথা শুনেছিলাম, তারা ভাবতাম যে বিতর্কে হঠাৎ কোনো প্রশ্ন উঠলে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে যে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দিতেন, তা তার মনের দ্রুততা প্রকাশ করত। এটি তার পূর্বনির্ধারিত বিস্তৃত আলোচনার চেয়ে তার পুরো প্রকৃতির লড়াকু শক্তিকে আরও ভালোভাবে ফুটিয়ে তুলত। এই তাৎক্ষণিক বিস্ফোরণগুলোতে একটি আগুন, একটি আবেগ, বর্ণনার একটি ঘনীভূত শক্তি ছিল যা তার অনুগামীদের জাগিয়ে তুলত এবং তার বিরোধীদের ভয় দেখাত। অন্যায়, মিথ্যা বা নিষ্ঠুরতার প্রতি প্রায়শই জ্বলন্ত ক্ষোভ থাকত। কিন্তু কোনো ব্যক্তিগত আক্রোশ, বিদ্বেষ বা প্রতিশোধপরায়ণতার কোনো চিহ্ন থাকত না।
**[[জেমস ব্রাইস, ১ম ভিসকাউন্ট ব্রাইস|জেমস ব্রাইস]], 'প্রিফেস' (অক্টোবর ১৯১৬), আর্থার টিলনে ব্যাসেট, ''গ্ল্যাডস্টোনস স্পিচেস: ডেসক্রিপটিভ ইনডেক্স অ্যান্ড বিব্লিওগ্রাফি'' (১৯১৬), পৃ. ৬-৭
*তার যুক্তিগুলো মাঝে মাঝে সূক্ষ্ম হতে পারে। সেগুলো কখনোই তুচ্ছ নয়। তিনি আকাশে উঁচুতে ওড়া ঈগলের মতো। তিনি দূরের জিনিসগুলো এবং কাছের জিনিসগুলো দেখতে পান। মাটিতে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষের চেয়ে তিনি সেগুলোর পারষ্পরিক সম্পর্ক আরও সত্যরূপে দেখতে পান। তার চিন্তাভাবনা অনুসরণ করার সময়, স্থায়ী নৈতিক মানদণ্ড দ্বারা মতামত এবং প্রস্তাবগুলো যাচাই করার ক্ষমতা গভীরভাবে অনুভব করা যায়। তার কাছে নৈতিক মূল্যবোধগুলো সর্বদা বাস্তব এবং চূড়ান্ত মূল্যবোধ ছিল। তিনি নৈতিক নীতিগুলোকে প্রতিটি প্রশ্নে ব্যবহৃত সত্যিকারের সন্ধানী আলো মনে করতেন।
**[[জেমস ব্রাইস, ১ম ভিসকাউন্ট ব্রাইস|জেমস ব্রাইস]], 'প্রিফেস' (অক্টোবর ১৯১৬), আর্থার টিলনে ব্যাসেট, ''গ্ল্যাডস্টোনস স্পিচেস: ডেসক্রিপটিভ ইনডেক্স অ্যান্ড বিব্লিওগ্রাফি'' (১৯১৬), পৃ. ৮
*তিনি প্রথম নেতৃস্থানীয় ইংরেজ হিসেবে পশ্চিমা দেশগুলোর সহানুভূতি ইতালীয় স্বাধীনতার জন্য সংগ্রামকারীদের পক্ষে জয় করেছিলেন। তিনিই সেই রাষ্ট্রনায়ক যিনি গৃহযুদ্ধের কারণে আমেরিকার সাথে সৃষ্ট বিরোধের অবসান ঘটিয়েছিলেন। তিনি দেশগুলোর মধ্যে আগের চেয়ে আরও ভালো সম্পর্ক তৈরি করা সম্ভব করেছিলেন। এই সেবাগুলোর কোনোটির জন্যই সে সময় তাকে খুব একটা কৃতিত্ব দেওয়া হয়নি, ঠিক যেমনটা প্রাচ্য প্রশ্নে তার ভূমিকার ক্ষেত্রেও হয়নি। কিন্তু ইতিহাস এগুলো ভুলবে না।
**[[জেমস ব্রাইস, ১ম ভিসকাউন্ট ব্রাইস|জেমস ব্রাইস]], 'প্রিফেস' (অক্টোবর ১৯১৬), আর্থার টিলনে ব্যাসেট, ''গ্ল্যাডস্টোনস স্পিচেস: ডেসক্রিপটিভ ইনডেক্স অ্যান্ড বিব্লিওগ্রাফি'' (১৯১৬), পৃ. ১০
*[[অবাধ বাণিজ্য]], [[w:কোবডেন-শেভালিয়ার চুক্তি|ফ্রান্সের সাথে একটি বাণিজ্যিক চুক্তি]], [[w:জ্ঞানের ওপর কর#জ্ঞানের ওপর করের সমাপ্তি|কাগজের শুল্ক বাতিল]], ব্যয় ও কর হ্রাস, [[w:আইরিশ চার্চ আইন ১৮৬৯|আইরিশ চার্চের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি বাতিল]], [[w:প্রাথমিক শিক্ষা আইন ১৮৭০|১৮৭০ সালের শিক্ষা আইন]], [[w:ব্যালট আইন ১৮৭২|ব্যালট আইন]], [[w:ননকনফর্মিস্ট (প্রোটেস্ট্যান্ট মতবাদ)|ননকনফর্মিস্টদের]] জন্য [[w:বিশ্ববিদ্যালয় পরীক্ষা আইন ১৮৭১|বিশ্ববিদ্যালয় উন্মুক্তকরণ]] এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে [[w:সিভিল সার্ভিস (যুক্তরাজ্য)|সিভিল সার্ভিসে]] প্রবেশ, [[w:কার্ডওয়েল সংস্কার|কার্ডওয়েলের সেনাবাহিনী সংস্কার]], [[w:অ্যালাবামা দাবি|অ্যালাবামা সালিশি]] এবং [[ফ্রাঙ্কো-প্রুশীয় যুদ্ধ|ফ্রাঙ্কো-প্রুশীয় যুদ্ধে]] নিরপেক্ষতা। এটি ছিল একটি চিত্তাকর্ষক রেকর্ড। তবে সবই স্বীকৃত উদারপন্থী ধারণার নিয়মের মধ্যে ছিল।
**[[w:অ্যালান বুলক|অ্যালান বুলক]] এবং [[w:মরিস শক|মরিস শক]], ‘ইন্ট্রোডাকশন’, ''দ্য লিবারেল ট্র্যাডিশন: ফ্রম ফক্স টু কেইনস'' (১৯৫৬; ১৯৬৭), পৃ. ৩৮
*গ্ল্যাডস্টোন সারা জীবন জাতীয় স্বাধীনতা অর্জনের জন্য সংগ্রামরত জনগণের প্রতি গভীর সহানুভূতি অনুভব করেছিলেন। এটি তার পররাষ্ট্র নীতি বিষয়ক দৃষ্টিভঙ্গির আরেকটি ভিত্তি তৈরি করে। বলকান এবং আয়ারল্যান্ডের সমস্যার ক্ষেত্রে তার উত্তর ছিল "স্বায়ত্তশাসনের ক্ষমতা"। ১৮৮০ সালে তুরস্কের খ্রিস্টান প্রজাদের সম্পর্কে তিনি বলেছিলেন, "সেই লোকদের স্বাধীনতা এবং স্বাধীনতার সুবিধা দিন। সেটিই স্বৈরতন্ত্রের বিরুদ্ধে একটি বাধা তৈরি করার উপায়। দুর্গগুলো ধূলিসাৎ হতে পারে। চুক্তিগুলো পায়ের নিচে পিষ্ট হতে পারে। স্বৈরতন্ত্রের বিরুদ্ধে সত্যিকারের বাধা মানব হৃদয় এবং মনে রয়েছে।" তার এই সহানুভূতি থেকে গ্ল্যাডস্টোনের কাছে এটি স্পষ্ট হয়েছিল যে সমস্ত জাতির সমান অধিকার উপভোগ করা উচিত। এর থেকেই তিনি সাম্রাজ্যবাদের নিন্দা করেছিলেন। এটি সমতার পরিবর্তে আধিপত্য ঘোষণা করেছিল। এটি সম্প্রসারণের আগ্রহে অন্যান্য জাতির অধিকারগুলোকে সরিয়ে দিয়ে তাদের বিদেশি শাসনের অধীনে এনেছিল।
**[[w:অ্যালান বুলক|অ্যালান বুলক]] এবং [[w:মরিস শক|মরিস শক]], ‘ইন্ট্রোডাকশন’, ''দ্য লিবারেল ট্র্যাডিশন: ফ্রম ফক্স টু কেইনস'' (১৯৫৬; ১৯৬৭), পৃ. ৩৯-৪০
*আপনার জীবন ছিল মহান। আমার জানা সবচেয়ে মহৎ এবং সেরা। এটি একটি অনুপ্রেরণা এবং একটি বিজয় ছিল। এটি লক্ষ লক্ষ নারী-পুরুষের জন্য অগণিত সুবিধায় ফলপ্রসূ হয়েছিল। আমি সত্যই অনুভব করি, উপযুক্ত শব্দটি সমবেদনা বা অভিনন্দন নয়, বরং কৃতজ্ঞতা। এই পরম কৃতজ্ঞতা যে এমন একজন মানুষকে আমাদের দেওয়া হয়েছিল। তিনি জানতেন কীভাবে তার উপহারগুলোকে মানবতার সর্বোচ্চ সেবায় পরিচালনা এবং ব্যবহার করতে হয়।
**[[w:থমাস বার্ট|থমাস বার্ট]] গ্ল্যাডস্টোনকে লেখা চিঠি (৬ মার্চ ১৮৯৪), ই. এফ. বিয়াগিনির ''লিবার্টি, রিট্রেঞ্চমেন্ট অ্যান্ড রিফর্ম: পপুলার লিবারেলিজম ইন দি এজ অফ গ্ল্যাডস্টোন, ১৮৬০–১৮৮০'' (১৯৯২) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ৪২৫
*তার বিস্ময়কর প্রতিভা তাকে অর্থায়নকে জনপ্রিয় করতে সক্ষম করেছিল। এটি জনগণের বোঝার উপযোগী হয়েছিল। তিনি দেশকে এর গুরুত্ব উপলব্ধি করতে শিখিয়েছিলেন। তার কাজ একটি উল্লেখযোগ্য বার্ষিক উদ্বৃত্তের শক্ত পাথরের ওপর ভিত্তি করে ছিল। এটি কঠোর অর্থনীতির কম সহজে সুরক্ষিত ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত ছিল। শুল্ক ট্যারিফ সম্পূর্ণ এবং চূড়ান্তভাবে পরিষ্কার করা হয়েছিল। খাদ্যের ওপর অবশিষ্ট শুল্ক বাতিল করা হয়েছিল। অন্যান্য দেশের সাথে বাণিজ্যিক সম্পর্ক প্রসারিত হয়েছিল। মাদকদ্রব্য ছাড়া অন্যান্য সমস্ত অবশিষ্ট আবগারি শুল্ক বাতিল করা হয়েছিল। কর ব্যবস্থাকে রাজস্বের ভিত্তিতে স্থাপন করা হয়েছিল। এটি সমস্ত শ্রেণির মানুষের ব্যবহৃত কয়েকটি নিবন্ধের ওপর ঘনীভূত হয়েছিল। এক কথায়, কর সহজ করার মাধ্যমে এবং এর ভিত্তি সংকুচিত করার মাধ্যমে এর ভিত্তি শক্তিশালী হয়েছিল। এটি ভোক্তার জন্য হালকা এবং করদাতার জন্য কম বোঝা হয়েছিল। এটি বাণিজ্য ও শিল্পের জন্য কম সীমাবদ্ধ ছিল। এটি সংগ্রহে সস্তা এবং কম বিরক্তিকর ছিল। এটি আরও পুনরুদ্ধারকারী এবং রাজকোষের জন্য বেশি লাভজনক ছিল।
**[[w:সিডনি বাক্সটন, ১ম আর্ল বাক্সটন|সিডনি বাক্সটন]], ''মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন অ্যাজ চ্যান্সেলর অফ দি এক্সচেকার: আ স্টাডি'' (১৯০১), পৃ. ১৬৭-১৬৮
*তার ব্যক্তিত্বের অসাধারণ তীব্রতা আমাদের অধঃপতিত প্রজন্মের জন্য উপলব্ধি করা আরও কঠিন। তার বিস্ময়কর শারীরিক ও বৌদ্ধিক শক্তি, আধ্যাত্মিক ও যৌন যন্ত্রণা, উচ্চ নৈতিক গাম্ভীর্য যা তার সময়ের প্রতিটি ঈশ্বর প্রদত্ত মুহূর্তের ব্যবহার নির্ধারণ করত, তা তার সমসাময়িকদের কাছে আশ্চর্যজনক ছিল। কিন্তু সেগুলো আমাদের কাছে প্রায় আক্ষরিক অর্থেই অচিন্তনীয়। আমরা তো নিন্দাবাদ এবং তুচ্ছতায় বড় হয়েছি। শুধু গ্ল্যাডস্টোন সম্পর্কে চিন্তাভাবনা করা আধুনিক পাঠকের জন্য গভীরভাবে বিনম্র করার মতো।
**[[w:জন ক্যাম্পবেল (জীবনীকার)|জন ক্যাম্পবেল]], 'ব্রিংগিং গড ইনটু পলিটিক্স', ''দ্য টাইমস'' (২৭ নভেম্বর ১৯৮৬), পৃ. ১৭
*তার ভাষণগুলো এখনও তাদের সামাজিক চরমপন্থা এবং নিছক নৈতিক শক্তি দিয়ে অবাক করে দিতে পারে।
**[[w:জন ক্যাম্পবেল (জীবনীকার)|জন ক্যাম্পবেল]], 'আ ম্যান হু কুড মেক মিসেস থ্যাচার লুক লেজি', ''দ্য টাইমস'' (৭ এপ্রিল ১৯৯০), পৃ. ৩৮
* প্রায় একটি বর্ণালীর মতো মানুষের ছায়ামূর্তি। রূপ ও আচার-অনুষ্ঠান এবং বাইরের আবরণ ছাড়া তার মধ্যে কিছুই নেই।
** [[থমাস কার্লাইল]], চিঠি (মার্চ ১৮৭৩)
*আমিও [গ্ল্যাডস্টোনের ''জোসেফ চেম্বারলেইন''] দ্বিতীয় খণ্ডটি পড়ছি... গ্ল্যাডস্টোনের সাথে যেভাবে আচরণ করা হয়েছে তার আমি বিশেষভাবে প্রশংসা করি। বৃদ্ধ লোকটির দুষ্টতা, তার ধূর্ততা ও বিশ্বাসঘাতকতা এবং সময় থাকতে নিজের পথ করে নেওয়ার সংকল্প স্পষ্টভাবে দেখা যায়। আমি যখন এটি পড়ি তখন আমার পুরনো ক্ষোভ আবার জ্বলে ওঠে।
**[[নেভিল চেম্বারলেইন]], বিবৃতি (২৮ এপ্রিল ১৯৩৩), কিথ ফেইলিংয়ের ''দ্য লাইফ অফ নেভিল চেম্বারলেইন'' (১৯৪৬) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ২৩৪
* তারা আমাকে বলেছিলেন কীভাবে মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন মজা করার জন্য [[হোমার]] পড়তেন। আমি ভেবেছিলাম এটি তার জন্য ঠিকই ছিল।
** [[উইনস্টন চার্চিল]], ''মাই আর্লি লাইফ: আ রোভিং কমিশন'' [১৯৩০] (১৯৪৪), পৃ. ৩১
*এমনকি মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন যখন [[w:আয়ারল্যান্ড সরকার আইন ১৮৯৩|হোমরুল বিলের]] দ্বিতীয় পাঠ শেষ করেছিলেন, তখন আমি বিশিষ্ট অপরিচিতদের গ্যালারিতে প্রবেশ করতে সক্ষম হয়েছিলাম। সেই দৃশ্য এবং এর কিছু ঘটনা আমার ভালোভাবে মনে আছে। মহান বৃদ্ধ লোকটিকে একসাথে হিংস্র এবং জাঁকজমকপূর্ণ একটি বিশাল সাদা ঈগলের মতো লাগছিল। তার বাক্যগুলো রাজকীয়ভাবে বের হচ্ছিল। সবাই উল্লাস করতে বা উপহাস করতে আগ্রহী হয়ে তার ঠোঁট এবং অঙ্গভঙ্গির দিকে তাকিয়ে ছিল। উদারপন্থী দল কীভাবে সর্বদা সমর্থন করা প্রতিটি কারণকে বিজয়ের দিকে নিয়ে গিয়েছিল, সে সম্পর্কে তিনি একটি অসাধারণ পর্বের চূড়ায় ছিলেন। তিনি একটি ভুল করে বসলেন। তিনি চিৎকার করে বললেন, "এবং এমন কোনো কারণ নেই ([[w:আইরিশ হোমরুল আন্দোলন|হোমরুল]]), যার জন্য উদারপন্থী দল এত কষ্ট পেয়েছে বা ''এত নিচে নেমেছে''।" কীভাবে টোরিরা লাফিয়ে উঠল এবং আনন্দে গর্জন করে উঠল! কিন্তু মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন তার ডান হাত নেড়ে থাবার মতো আঙুল ছড়িয়ে কোলাহল শান্ত করলেন। তিনি আবার শুরু করলেন, "কিন্তু আমরা আবার উঠে দাঁড়িয়েছি..."
** [[উইনস্টন চার্চিল]], ''মাই আর্লি লাইফ: আ রোভিং কমিশন'' [১৯৩০] (১৯৪৪), পৃ. ৪২
*তিনি রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে নবী হয়ে উঠেছিলেন। ভিক্টোরিয়ান খ্রিস্টধর্মের [[w:আয়াতুল্লাহ|আয়াতুল্লাহ]]।
**[[w:পিটার ক্লার্ক (ইতিহাসবিদ)|পিটার ক্লার্ক]], ''আ কোয়েশ্চন অফ লিডারশিপ: গ্ল্যাডস্টোন টু থ্যাচার'' (১৯৯১), পৃ. ৩২
*[[w:আইরিশ প্রশ্ন|আইরিশ প্রশ্নে]] গ্ল্যাডস্টোনের অসাধারণ স্বচ্ছতা এবং ক্ষমতার ভাষণ। তার ভঙ্গি সবচেয়ে আন্তরিক ছিল। তার মনের প্রবণতা রাজকীয়, তীক্ষ্ণ, বিজয়ী এবং অপ্রতিরোধ্য। তিনি মানুষের একজন সেনাপতি। কথায় সরল, স্পষ্ট এবং আক্রমণাত্মক। বিশাল নৈতিক ভরবেগ ছিল। এটি একটি প্রতিযোগিতা ছিল। শ্রোতা অনুভব করেছিলেন তিনি ন্যায়পরায়ণতা, মানবতা এবং ঈশ্বরের জন্য একটি লড়াই প্রত্যক্ষ করছেন।
**[[w:জন ক্লিফোর্ড (মন্ত্রী)|জন ক্লিফোর্ড]], ডায়েরি এন্ট্রি (১১ মে ১৮৮৭), জেমস মার্চেন্টের ''ড. জন ক্লিফোর্ড, সি. এইচ. লাইফ, লেটারস অ্যান্ড রেমিনিসেন্স'' (১৯২৪) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ৮০
*আমি আপনাকে আগেই বলেছি যে গ্ল্যাডস্টোন এই ব্যবসায়ে অনেক হৃদয় দেখিয়েছেন। আমাদের অস্ত্রশস্ত্রের পেছনে অর্থের অপচয়ের প্রতি তার তীব্র অনীহা রয়েছে। আমাদের প্রতি তার অনেক বেশি সহানুভূতি রয়েছে। ব্রিটেনের অন্য যেকোনো ক্ষমতাধর ব্যক্তির চেয়ে আপনার এবং আমার সাথে তার অনেক বেশি মিল রয়েছে।
**[[রিচার্ড কোবডেন]] ফ্রান্সের সাথে তার অবাধ বাণিজ্য চুক্তির আলোচনার বিষয়ে জন ব্রাইটকে (১৮৬০), ডব্লিউ. ই. উইলিয়ামসের ''দ্য রাইজ অফ গ্ল্যাডস্টোন টু দ্য লিডারশিপ অফ দ্য লিবারেল পার্টি, ১৮৫৯ টু ১৮৬৮'' (১৯৩৪) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ২০
*হাউস অফ কমন্সে আমি ব্যক্তিগতভাবে যাদের শুনেছি তাদের মধ্যে তিনি ছিলেন সবচেয়ে মহান বাগ্মী। প্রকৃতপক্ষে প্রায় একমাত্র বাগ্মী ছিলেন মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন। এই মহান এবং বিখ্যাত ব্যক্তিত্ব যখন হাউস অফ কমন্সে ছিলেন, তখন হাউসের চোখ অন্য কারো দিকে থাকত না। বেঞ্চে তার নড়াচড়া অস্থির এবং আগ্রহী ছিল। নিজের পায়ে দাঁড়ানোর সময় তার আচরণ একটি সাধারণ প্রশ্নের উত্তর দেওয়া, একটি জটিল বিল ব্যাখ্যা করা বা তীব্র ঘোষণার মধ্যে গর্জন করার ক্ষেত্রে জাদুকরী ছিল। তার নাটকীয় অঙ্গভঙ্গি, তার প্রশস্ত পরিধি এবং চিহ্নিত [[w:উত্তর ইংল্যান্ডের ইংরেজি ভাষা|উত্তরাঞ্চলীয় উচ্চারণ]] সহ তার গভীর এবং স্পন্দিত কণ্ঠস্বর, তার জ্বলজ্বলে চোখ, ধারণা ও শব্দের ওপর তার প্রায় অবিশ্বাস্য নিয়ন্ত্রণ—সব মিলে একটি অপ্রতিরোধ্য আকর্ষণ এবং ক্ষমতার সংমিশ্রণ তৈরি করেছিল। আমরা যারা তার শেষ বছরগুলোতে তার বিপরীতে বসেছিলাম, তারা তার মধ্যে একটি বৃদ্ধ ঈগলের প্রতিচ্ছবি দেখতে পেতাম, যে তার দৃষ্টিতে নির্ভীক এবং তার শক্তিতে এখনও উল্লাসিত। কখনও কখনও শিকারের কোনো ডানাযুক্ত প্রাণীর মতো, যে কোনো প্রতিরক্ষাহীন শিকারের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ছে। আবার কখনও একটি বাঘের মতো, যে হঠাৎ তার আস্তানা থেকে জেগে উঠেছে এবং রাগে ঘুরে বেড়াচ্ছে। মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন আমার কাছে বাগ্মিতা এবং অলঙ্কারশাস্ত্রের প্রতিটি শিল্পের উস্তাদ বলে মনে হয়েছিল। তিনি ইচ্ছামতো আবেগী বা শান্ত, গম্ভীর বা চঞ্চল, স্পষ্ট বা জড়িত, গুরুতর বা রসিক (এক ধরনের ভারী পরিহাসের সাথে), প্ররোচনামূলক বা নিন্দামূলক হতে পারতেন। এটি সত্য যে তার প্রচুর শব্দভাণ্ডার কখনও কখনও অপ্রতিরোধ্য ছিল এবং তার সূক্ষ্মতা কখনও কখনও প্রায় শয়তানের মতো ছিল।
**[[জর্জ কার্জন, কেডলস্টনের ১ম মার্কুইস কার্জন|লর্ড কার্জন]], ''[[উইকিসংকলন:মডার্ন পার্লামেন্টারি এলোকোয়েন্স|মডার্ন পার্লামেন্টারি এলোকোয়েন্স: দ্য রিড লেকচার, ডেলিভারড বিফোর দ্য ইউনিভার্সিটি অফ ক্যামব্রিজ, নভেম্বর ৬, ১৯১৩]]'' (১৯১৪), পৃ. ২৩-২৪
*একজন আইরিশ হিসেবে আমি অনুভব করি, গতকাল মারা যাওয়া মহান ইংরেজের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে যোগ দেওয়ার একটি বিশেষ অধিকার আমার আছে। কারণ সবাই একমত হবেন যে, তার কঠোর ও দুর্দান্ত জীবনের শেষ এবং সবচেয়ে গৌরবময় বছরগুলো আমাদের জাতির প্রতি তার ভালোবাসা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত ছিল। তিনি আয়ারল্যান্ডের সেবা করার এবং তাকে স্বাধীনতা ও শান্তি দেওয়ার আগ্রহী এবং এমনকি আবেগময় আকাঙ্ক্ষা পোষণ করতেন। তার প্রকৃতির দুর্দান্ত গুণাবলীর কারণে, যা তাকে চিরস্থায়ী তারুণ্য দিয়েছিল বলে মনে হয়, যে কারণের জন্য তিনি একবার নিজেকে উৎসর্গ করেছিলেন তার প্রতি মিস্টার গ্ল্যাডস্টোনের বিশ্বাস কখনও টলেনি বা তার উৎসাহও কখনও ঠান্ডা হয়নি। অসুবিধা এবং অগ্রসর বয়সের ভার তার উদ্দেশ্যের প্রান্ত ভোঁতা করতে বা তার দুর্দান্ত সাহসকে দমিয়ে রাখতে সমানভাবে অকার্যকর ছিল। এমনকি যখন তিনি ব্যথায় ভুগছিলেন এবং যখন মৃত্যুর ছায়া তাকে অন্ধকার করে দিচ্ছিল, তখন তার হৃদয় এখনও আয়ারল্যান্ডের জনগণের জন্য আকাঙ্ক্ষা করছিল। তার শেষ জনসাধারণের ভাষণ ছিল আয়ারল্যান্ডের প্রতি সহানুভূতি এবং তার ভবিষ্যতের আশার বার্তা। তিনি গভীর প্রকৃতির মানুষ ছিলেন। তিনি জনগণকে একটি প্রজ্ঞাপূর্ণ এবং অধ্যবসায়ী ভালোবাসার সাথে ভালোবাসতেন। মানুষের প্রতি তার ভালোবাসা এবং মানবিক অগ্রগতির হাতিয়ার হিসেবে জনগণের সম্মতির ওপর ভিত্তি করে স্বাধীনতা এবং সরকারের কার্যকারিতার ওপর তার চিরস্থায়ী বিশ্বাস তারুণ্যের উৎসাহের ফল ছিল না। এটি দীর্ঘ বছরের গভীর শেকড়যুক্ত বিকাশ ছিল এবং এটি মানুষ এবং বিষয়াবলির প্রায় অতুলনীয় অভিজ্ঞতা থেকে তার শক্তি অর্জন করেছিল। '''আমি তার সম্পর্কে যা কিছু জেনেছি বা পড়েছি, তার ক্ষেত্রে বছর পেরিয়ে যাওয়া তার সহানুভূতিকে সংকুচিত করতে বা তার হৃদয়কে সংকুচিত করতে কোনো প্রভাব ফেলেনি বলে মনে হয়। যুবকরা তার পাশে বৃদ্ধ বোধ করত।''' এবং শেষ পর্যন্ত কোনো উদার কারণ, কোনো ভুক্তভোগী মানুষ তার কাছে বৃথা আবেদন করেনি। সেই গৌরবময় কণ্ঠস্বর যা বহুবার স্বাধীনতার বন্ধুদের অনুপ্রাণিত করেছিল এবং তাদের বিজয়ের দিকে পরিচালিত করেছিল, তা শেষ পর্যন্ত যেকোনো জাতি বা গোত্রের দুর্বল ও নিপীড়িতদের সেবায় নিয়োজিত ছিল। '''মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন তার সময়ের সবচেয়ে মহান ইংরেজ ছিলেন।''' তিনি তার নিজের লোকদের ততটাই ভালোবাসতেন যতটা কোনো ইংরেজ কখনও বাসত। কিন্তু তার নিজের লোকদের হৃদয়ের সাথে যোগাযোগের মাধ্যমে তিনি অন্যান্য লোকদের বোঝার এবং তাদের প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করার সেই বৃহত্তর এবং মহান উপহারটি অর্জন করেছিলেন। তিনি তাদের দুঃখকষ্টে প্রবেশ করতেন এবং তাদের নিপীড়ন অনুভব করতেন। তিনি দুর্দান্ত সাহসের সাথে নিজের অত্যন্ত প্রিয় ইংল্যান্ডের ক্ষেত্রেও তাকে নিন্দা করতে দ্বিধা করেননি যখন তিনি ভেবেছিলেন সে অন্যদের প্রতি অন্যায় করছে। এর মাধ্যমে তিনি তার নিজের লোকদের মধ্যে নির্ভীকভাবে বিদ্বেষ এবং অজনপ্রিয়তার মুখোমুখি হয়েছিলেন, যা সহ্য করা তার জন্য তিক্ত ছিল। আর তাই তিনি একজন ব্রিটিশ রাষ্ট্রনায়কের চেয়ে অনেক বড় কিছু হয়ে উঠেছিলেন এবং মানবজাতির সর্বশ্রেষ্ঠ নেতাদের মধ্যে জায়গা করে নিয়েছিলেন। একটি বস্তুবাদী যুগের বাধা এবং নিন্দাবাদের মাঝে তিনি কখনই "আদর্শ" এর ওপর তার দখল হারাননি। আর তাই এমনটি হয়েছিল যে সভ্য বিশ্ব জুড়ে যখনই কোনো জাতি বা গোষ্ঠীর মানুষ নিপীড়নের শিকার হচ্ছিল, তখন তাদের চিন্তাভাবনা গ্ল্যাডস্টোনের দিকে ঘুরে যেত। যখন সেই শক্তিশালী কণ্ঠস্বর তাদের পক্ষে উত্থাপিত হতো, তখন ইউরোপ এবং সভ্য বিশ্ব শুনত। দীর্ঘ হতাশায় মরিয়া হয়ে ওঠা মানুষের হৃদয়ে নতুন আশার সঞ্চার হতো।
**[[w:জন ডিলন|জন ডিলন]], হাউস অফ কমন্সে দেওয়া ভাষণ (২০ মে ১৮৯৮)
*ভবিষ্যৎ বংশধররা সেই নীতিহীন উন্মাদ গ্ল্যাডস্টোনের প্রতি সুবিচার করবে। তিনি ঈর্ষা, প্রতিশোধপরায়ণতা, ভণ্ডামি এবং কুসংস্কারের একটি অসাধারণ মিশ্রণ ছিলেন। তার একটি নিয়ন্ত্রক বৈশিষ্ট্য ছিল। তিনি প্রধানমন্ত্রী বা বিরোধীদলীয় নেতা, প্রচার, প্রার্থনা, বক্তৃতা বা লেখালেখি যাই করুন না কেন—তিনি কখনই একজন ভদ্রলোক ছিলেন না!
**[[বেঞ্জামিন ডিসরায়েলি]], লর্ড ডার্বিকে লেখা চিঠি (অক্টোবর ১৮৭৬), উইলিয়াম ফ্ল্যাভেল মনীপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের ''দ্য লাইফ অফ বেঞ্জামিন ডিসরায়েলি, আর্ল অফ বেকনসফিল্ড. খণ্ড ২. ১৮৬০–১৮৮১'' (১৯২৯) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ৯৩৯
*সার্বভৌম ক্ষমতার অনুগ্রহ এবং তাদের সহকর্মীদের আস্থায় সম্মানিত ইংরেজ ভদ্রলোকদের একটি দল, যারা আপনার বিষয়গুলো পাঁচ বছর ধরে পরিচালনা করছে, আমি আশা করি বিচক্ষণতার সাথে এবং সম্পূর্ণ সফলতার সাথে, তাদের কি আপনি একটি উন্মাদ সম্মেলনে প্রবেশ করার সবচেয়ে বেশি সম্ভাবনা আছে বলে বিশ্বাস করেন? নাকি '''একজন পরিশীলিত আলঙ্কারিক, নিজের কথার প্রাচুর্যে মত্ত এবং একটি অহংকারী কল্পনার অধিকারী যিনি সর্বদা একজন প্রতিপক্ষকে অপমান করার জন্য এবং নিজেকে মহিমান্বিত করার জন্য যুক্তিগুলোর একটি অন্তহীন এবং অসামঞ্জস্যপূর্ণ ধারা তৈরি করতে পারেন?'''
**[[বেঞ্জামিন ডিসরায়েলি]], নাইটস্রিজে তাকে দেওয়া একটি ভোজে দেওয়া ভাষণ। গ্ল্যাডস্টোন [[w:সাইপ্রাস কনভেনশন|সাইপ্রাস কনভেনশনকে]] "উন্মাদ চুক্তি" বলার জন্য তিনি এই আক্রমণ করেছিলেন (২৭ জুলাই ১৮৭৮), উইলিয়াম ফ্ল্যাভেল মনীপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের ''দ্য লাইফ অফ বেঞ্জামিন ডিসরায়েলি, আর্ল অফ বেকনসফিল্ড'', খণ্ড ২. ১৮৬০–১৮৮১ (১৯২৯) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ১২২৮-৯
*[[হেনরি টেম্পল, ৩য় ভিসকাউন্ট পামারস্টন|লর্ড পামারস্টনের]] "বিপজ্জনক লোকটি" শেষ পর্যন্ত সেই রাষ্ট্রনায়কের ভবিষ্যদ্বাণী যাচাই করে তার চূড়ান্ত উন্মাদনা প্রমাণ করেছে।
**[[বেঞ্জামিন ডিসরায়েলি]], রানি ভিক্টোরিয়াকে লেখা চিঠি (১৯ সেপ্টেম্বর ১৮৭৮), রবার্ট ব্লেকের ''ডিসরায়েলি'' (১৮৬৬) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ৬০৬
*গ্ল্যাডস্টোন সম্পর্কে আপনি যা বলেন তা সবচেয়ে ন্যায়সঙ্গত। কী অস্থিরতা! কী অহংকার! এবং তার কী অসুখী অবস্থা হতে হবে! বলা সহজ যে তিনি পাগল। দেখে তা-ই মনে হয়। তার সম্পর্কে আমার তত্ত্ব অপরিবর্তিত। তিনি শুরু থেকেই একজন অবিরাম ভণ্ড। এ ধরনের মানুষ ৭০ বছর বয়সে পাগল হয় না।
**[[বেঞ্জামিন ডিসরায়েলি]], লেডি ব্র্যাডফোর্ডকে লেখা চিঠি (৩ অক্টোবর ১৮৭৯), উইলিয়াম ফ্ল্যাভেল মনীপেনি এবং জর্জ আর্ল বাকলের ''দ্য লাইফ অফ বেঞ্জামিন ডিসরায়েলি, আর্ল অফ বেকনসফিল্ড. খণ্ড ২. ১৮৬০–১৮৮১'' (১৯২৯) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ১০৫২-১০৫৩
* '''আমি মিস্টার গ্ল্যাডস্টোনের মুখে বিপরীত গুণাবলীর মিশ্রণ দেখেছিলাম। সেখানে একটি ভেড়ার শান্তি ও ভদ্রতা ছিল, সাথে একটি সিংহের শক্তি ও সংকল্প ছিল।''' গভীর আন্তরিকতা তার সমস্ত বৈশিষ্ট্যে প্রকাশ পেয়েছিল। তিনি তার বক্তৃতা শুরু করেছিলেন একটি শান্ত এবং প্ররোচনামূলক সুরে। বিলের বিরুদ্ধে তার যুক্তি পরিসংখ্যানের ওপর ভিত্তি করে ছিল, যা তিনি বিস্ময়কর সাবলীলতার সাথে পরিচালনা করেছিলেন। তিনি দেখিয়েছিলেন সরকার আয়ারল্যান্ডে যে সংখ্যক অপরাধের জন্য ফোর্স বিল দাবি করছে তা ইংল্যান্ডের বিশাল শ্রেণির অপরাধের চেয়ে বেশি ছিল না। তাই এক দেশের চেয়ে অন্য দেশে ফোর্স বিলের কোনো কারণ ছিল না। তার তথ্য এবং পরিসংখ্যানগুলো একটি নিপুণ এবং বিশ্বাসযোগ্য পদ্ধতিতে উপস্থাপন করার পর, তিনি তার কণ্ঠস্বর উঁচু করে সরাসরি মিস্টার [[w:আর্থার জেমস বেলফোর|বেলফোরের]] দিকে আঙুল তুলে প্রায় হুমকিস্বরূপ এবং মর্মান্তিক সুরে চিৎকার করে উঠলেন, "আপনারা কিসের জন্য লড়ছেন?" এর প্রভাব ছিল রোমাঞ্চকর। তার বক্তৃতা ছিল [[স্বাধীনতা|স্বাধীনতার]] প্রতি ইংরেজদের ভালোবাসার এক চমৎকার আবেদন। তিনি বসে পড়ার পর হাউসটি সাথে সাথে ফাঁকা হয়ে গেল। '''মিস্টার গ্ল্যাডস্টোনের কথা শোনার পর সদস্য বা দর্শকদের মধ্যে অন্য কারও কণ্ঠস্বর শোনার কোনো ইচ্ছা ছিল বলে মনে হয়নি।'''
** [[ফ্রেডেরিক ডগলাস]], ''লাইফ অ্যান্ড টাইমস অফ ফ্রেডেরিক ডগলাস'' (১৮৯২), তৃতীয় খণ্ড, অধ্যায় ৮: "ইউরোপিয়ান ট্যুর"
* রাতের খাবারে আমরা [[জন হেনরি নিউম্যান|নিউম্যানকে]] নিয়ে কথা বলছিলাম। তার ''ড্রিম অফ জেরন্টিয়াস'' গ্ল্যাডস্টোন খুব উঁচুতে রাখেন। এত উঁচুতে যে তিনি ''ডিভিনা কমেডিয়ার'' সাথে একই নিঃশ্বাসে এর কথা বলেন। এক পর্যায়ে তিনি জিজ্ঞেস করলেন, "একশ বছর পর তার কোন লেখাগুলো পড়া হবে?" হেনরি স্মিথ বললেন, "অবশ্যই তার স্তোত্র, 'লিড কাইন্ডলি লাইট,' এবং 'দ্য পার্টিং অফ ফ্রেন্ডস,' লিটলমোর ছেড়ে যাওয়ার আগে তিনি যে ধর্মোপদেশ দিয়েছিলেন।" গ্ল্যাডস্টোন বললেন, "আমি আরও এগিয়ে যাব। আমি মনে করি তার সমস্ত প্যারোশিয়াল ধর্মোপদেশ পড়া হবে।"
** স্যার [[w:এম. ই. গ্রান্ট ডাফ|মাউন্টস্টুয়ার্ট এলফিনস্টোন গ্রান্ট ডাফ]], ''নোটস ফ্রম আ ডায়েরি, ১৮৫১-১৯০১: ১৮৭৩-১৮৮১'' (১৮৯৮), পৃ. ১৪০
*ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোন ১৮৬৮ থেকে ১৮৯৪ সালের মধ্যে তিনি যে দলের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন তাকে একত্রিত করার জন্য বিভিন্ন কৌশল ব্যবহার করেছিলেন। তিনি আইরিশ চার্চের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি বাতিল করে এবং চার্চ অব ইংল্যান্ডের অবশিষ্ট কিছু সুযোগ-সুবিধা দূর করে [[w:ননকনফর্মিস্ট (প্রোটেস্ট্যান্ট মতবাদ)|ননকনফর্মিস্টদের]] সমর্থন সুসংহত করেছিলেন। তবুও অবাধ বাণিজ্য ছিল তার সবচেয়ে স্থায়ী থিম। তিনি দৃঢ়ভাবে সুরক্ষাবাদী শুল্কের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক বিষয়টিকে স্বায়ত্তশাসিত নাগরিকদের সমাজের উদার আদর্শের সাথে যুক্ত করেছিলেন, যারা মৌলিক অধিকারের অধিকারে সমান ছিল।
**রবার্ট এক্লেশাল, ''ব্রিটিশ লিবারেলিজম: লিবারেল থট ফ্রম দ্য ১৬৪০স টু দ্য ১৯৮০স'' (১৯৮৬), পৃ. ২৬
*আমার কাছে এবং হাজার হাজার মানুষের কাছে মিস্টার গ্ল্যাডস্টোনের হাউস অফ কমন্সে লিবারেল দলের নেতৃত্ব গ্রহণ করা একটি নতুন যুগের সূচনার প্রতিশ্রুতি বলে মনে হয়েছিল। এটা জানা ছিল যে পামারস্টন পার্লামেন্টে জনগণের প্রতিনিধিত্ব সংশোধন এবং সম্প্রসারণের পক্ষে যতটা ছিলেন, গ্ল্যাডস্টোন ঠিক ততটাই এর পক্ষে ছিলেন। শ্রমজীবী শ্রেণি তার প্রধানমন্ত্রী পদে আসীন হওয়াকে আনন্দ এবং আশার সাথে স্বাগত জানিয়েছিল।
**[[w:থমাস ফ্রস্ট (লেখক)|থমাস ফ্রস্ট]], ''ফোর্টি ইয়ারস রেমিনিসেন্স: লিটারারি অ্যান্ড পলিটিক্যাল'' (১৮৮০), পৃ. ২৯১
*আমরা কী বোকা ছিলাম যে গ্ল্যাডস্টোনের হোমরুল বিল মেনে নিইনি। সাম্রাজ্য এখন আইরিশ ফ্রি স্টেট আমাদের এত কষ্ট দিচ্ছে এবং আমাদের টুকরো টুকরো করে ফেলছে না।
**[[যুক্তরাজ্যের পঞ্চম জর্জ|পঞ্চম জর্জ]], [[র্যামসে ম্যাকডোনাল্ড|র্যামসে ম্যাকডোনাল্ডের]] কাছে মন্তব্য, যেমনটি ম্যাকডোনাল্ডের ডায়েরিতে উল্লেখ করা হয়েছে (৬ জুলাই ১৯৩০), কেনেথ রোজের ''কিং জর্জ ভি'' (১৯৮৩) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ২৪০
*অন্য যেকোনো মানুষের যা করতে ষোল ঘণ্টা লাগত, গ্ল্যাডস্টোন তা চার ঘণ্টায় করতে পারতেন। তিনি দিনে ষোল ঘণ্টা কাজ করতেন।
**[[w:স্যার জেমস গ্রাহাম, ২য় ব্যারোনেট|স্যার জেমস গ্রাহাম]] (''আনুমানিক''. ১৮৪১), ডি. সি. ল্যাথবারির ''করেসপন্ডেন্স অন চার্চ অ্যান্ড রিলিজিয়ন অফ উইলিয়াম এওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন, খণ্ড ১'' (১৯১০) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ২৫৯
* গত রাতে আমি গ্ল্যাডস্টোনের সাথে দেখা করেছি। এটি আমার কাছে সবসময় একটি স্মরণীয় রাত হয়ে থাকবে। সেখানে স্টাবস ছিলেন এবং গোল্ডউইন স্মিথ এবং হামফ্রে স্যান্ডউইথ এবং ম্যাকেঞ্জি ওয়ালেস ছিলেন, যার রাশিয়া সম্পর্কিত মহান বইটি এত আলোড়ন সৃষ্টি করেছে, পাশাপাশি আরও কয়েকজন চমৎকার মানুষ। তবে গ্ল্যাডস্টোনের উপস্থিতিতে মানুষ সবকিছু ভুলে যায়। তার নিখুঁত স্বাভাবিকতা এবং শিষ্টাচার, তার কথোপকথনের মনোমুগ্ধকর সাবলীলতা, তার অকৃত্রিম বিনয়, সমস্ত মহৎ ও ভালো জিনিসের প্রতি তার উষ্ণ উদ্দীপনা। আমি আমার নেতার জন্য খুব গর্ববোধ করছিলাম। সেই প্রধান যাকে আমি সবসময় ভালো ও খারাপ খবরের মধ্য দিয়ে আঁকড়ে ধরে রেখেছি। কারণ, '''তিনি এই বা সেই বিষয়ে জ্ঞানী বা নির্বোধ বলে মনে হতে পারেন, তিনি সর্বদা আত্মার দিক থেকে মহৎ ছিলেন।''' তিনি আমার প্রতি খুব আন্তরিক ছিলেন এবং আমরা যে নতুন ঐতিহাসিক স্কুল তৈরি করার আশা করছিলাম তা নিয়ে কথা বলেছিলেন। তিনি মন্টিনিগ্রোবাসী এবং তাদের স্বাধীনতার সংগ্রামের কথা কী আবেগের সাথে বলেছিলেন তা যদি আপনি দেখতে পারতেন! তিনি কীভাবে আমাদেরকে তাদের দীর্ঘ স্বাধীনতার লড়াই সম্পর্কে লিখতে বলেছিলেন! '''এবং সারা সন্ধ্যা ধরে আমাদের মধ্যে তার শ্রেষ্ঠত্ব স্মরণ করিয়ে দেওয়ার মতো একটি শব্দও ছিল না। সহজ, স্বাভাবিক, তার সমকক্ষদের মধ্যে একজন সমান মানুষ। তিনি সবার কথা শুনছিলেন, সবাইকে বের করে আনছিলেন। এমন একটি শক্তি এবং বিনয়ের সাথে যা তার সমস্ত ক্ষমতার চেয়ে আমাদের বেশি স্পর্শ করেছিল।'''
**[[জন রিচার্ড গ্রিন]] মিস স্টপফোর্ডকে লেখা চিঠি (২১ ফেব্রুয়ারি ১৮৭৭), লেসলি স্টিফেনের ''লেটারস অফ জন রিচার্ড গ্রিন'' (১৯০১) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ৪৪৬
*আমি দেখতে পাচ্ছি যে ডিসরায়েলির সম্পূর্ণ রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির চেয়ে গ্ল্যাডস্টোনের "মানবতাবাদী" দৃষ্টিভঙ্গিতে অনেক বেশি প্রকৃত প্রজ্ঞা থাকতে পারে। জাতিগুলোর সাথে জাতিগুলোর সহানুভূতি, জাতিগুলোর মধ্যে একটি সাধারণ মানবতার অনুভূতি, স্বাধীনতা এবং স্বনির্ভরতার পর জাতিগুলোর আকাঙ্ক্ষা, এগুলো ''সত্যিকারের'' রাজনৈতিক শক্তি। আর শুধু গ্ল্যাডস্টোন এগুলোকে শক্তি হিসেবে স্বীকার করেন এবং ডিসরায়েলি এগুলোকে অস্বীকার করেন বলেই জার্মানি বা ইতালি গড়ার মতো সমান্তরাল প্রশ্নগুলোতে একজন সঠিক পক্ষে এবং অন্যজন ভুল পক্ষে ছিলেন। আমি মনে করি স্লেভ গড়ার ক্ষেত্রেও এমনটাই হবে।
**[[জন রিচার্ড গ্রিন]] মিস স্টপফোর্ডকে লেখা চিঠি (২৩ ফেব্রুয়ারি ১৮৭৭), লেসলি স্টিফেনের ''লেটারস অফ জন রিচার্ড গ্রিন'' (১৯০১) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ৪৪৭
*আমার দেখা সবচেয়ে মহান রাষ্ট্রনায়ক।
**[[এডওয়ার্ড গ্রে, ফ্যালোডনের ১ম ভিসকাউন্ট গ্রে|এডওয়ার্ড গ্রে]], থমাস জোনসের ''আ ডায়েরি উইথ লেটারস, ১৯৩১–১৯৫০'' (১৯৫৪) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ২৩
*মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন সবসময় যে প্রতিভার জন্য সবচেয়ে বেশি বিখ্যাত হয়ে থাকবেন তা হলো একজন বাগ্মী এবং বিতার্কিকের প্রতিভা। তিনি সরাসরি হৃদয় থেকে কথা বলতেন। তিনি নিশ্চিত ছিলেন তার দর্শকরা যদি তার জানা বিষয়গুলো জানত, তবে তিনি যেমন অনুভব করেছিলেন তারাও তেমনি অনুভব করত। তিনি যেমন বিশ্বাস করেছিলেন তারাও তেমনি বিশ্বাস করত। এর চেয়েও বেশি কার্যকরী ছিল তার বিষয়ের প্রতি তিনি যে আবেগ ঢেলে দিয়েছিলেন এবং যে আন্তরিকতার সাথে তিনি তার কারণের পক্ষে আবেদন করেছিলেন। এর প্রভাব ছিল যাদের তিনি সম্বোধন করছিলেন তাদের মধ্যে অসাধারণ উদ্দীপনা জাগানো, তাদের আবেগে শিহরিত করা এবং তাদের মন্ত্রমুগ্ধ করে রাখা।
**[[w:এডওয়ার্ড ওয়াল্টার হ্যামিল্টন|এডওয়ার্ড ওয়াল্টার হ্যামিল্টন]], ''মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন: আ মনোগ্রাফ'' (১৮৯৮), পৃ. ১, ১৩-১৪
*তার রাজনৈতিক সাহস যত মহানই হোক না কেন, তার আরও উচ্চতর মানের সাহস ছিল—তার দৃঢ় বিশ্বাসের সাহস। তার কাছে অধিকারই ছিল শক্তি। তিনি যদি একবার নিজেকে একটি নির্দিষ্ট পথের সততা এবং ন্যায়বিচার সম্পর্কে নিশ্চিত করতে পারতেন, তবে তার নির্ভীকতা কোনো সীমা জানত না। এই দৃঢ় বিশ্বাস, যা প্রায় অকাট্যতার বোধের সমতুল্য ছিল, তা অন্যদের মধ্যেও বিশ্বাস জাগিয়ে তুলত। তিনি তার সহকর্মীদের ওপর এত বেশি প্রভাব বিস্তার করেছিলেন তার এটি অন্যতম প্রধান কারণ ছিল।
**[[w:এডওয়ার্ড ওয়াল্টার হ্যামিল্টন|এডওয়ার্ড ওয়াল্টার হ্যামিল্টন]], ''মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন: আ মনোগ্রাফ'' (১৮৯৮), পৃ. ২০, ২৪
*তিনি অস্ত্রশস্ত্রের পেছনে জনগণের অর্থের অযথা ব্যয় বলে মনে করতেন এবং এর জন্য তিনি দুঃখ প্রকাশ করেছিলেন। একইভাবে ভূখণ্ড সংযুক্ত করার প্রতি তার গভীর অনীহা ছিল। এটি কারণ ছিল, তিনি অনুভব করেছিলেন একটি সরকার বিচক্ষণতার সাথে যে দায়িত্বগুলো গ্রহণ করতে পারে তার একটি সীমা ছিল। এমন একটি বিন্দু ছিল যেখানে প্রশাসনের শক্তি অতিরিক্ত চাপে পড়বে।
**[[w:এডওয়ার্ড ওয়াল্টার হ্যামিল্টন|এডওয়ার্ড ওয়াল্টার হ্যামিল্টন]], ''মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন: আ মনোগ্রাফ'' (১৮৯৮), পৃ. ৭৫-৭৬
*ধর্মই সেই গভীর উদ্দেশ্যগুলোকে অনুপ্রাণিত করেছিল যা তার আচরণকে পরিচালিত করেছিল। প্রকৃতপক্ষে, এটি তার ব্যক্তিগত এবং সেইসাথে জনসাধারণের সমগ্র জীবনকে প্রাণবন্ত করে তুলেছিল। এটি তার কাছে একটি দুর্দান্ত নিয়ন্ত্রক শক্তি এবং তার কাজগুলোর প্রধান নীতি ছিল। [[খ্রিস্টধর্ম|খ্রিস্টধর্মের]] সত্যতা তার কাছে সবচেয়ে নিশ্চিত বাস্তবতা ছিল। খ্রিষ্টের চার্চের সবচেয়ে বিশ্বস্ত প্রতিনিধি হিসেবে বিবেচনা করে, [[w:চার্চ অব ইংল্যান্ড|ইংলিশ চার্চের]] জীবন এবং লক্ষ্যের প্রতি তার দৃঢ় বিশ্বাস ছিল। তিনি ধর্মান্ধতা এবং সাম্প্রদায়িকতা থেকে মুক্ত ছিলেন। যেখানেই খ্রিস্টধর্মের মৌলিক মতবাদগুলো আন্তরিকভাবে ধারণ করা হতো, সেখানেই তিনি সমস্ত সম্প্রদায়ের সদস্যদের প্রতি তার সহানুভূতি প্রকাশ করতে প্রস্তুত ছিলেন। খুব কম সাধারণ মানুষই এত অধ্যবসায় এবং শ্রদ্ধার সাথে তাদের [[বাইবেল]] অধ্যয়ন করেছেন। খ্রিস্টধর্মের নৈতিক শিক্ষাগুলো কেবল মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন স্বীকার করেননি, বরং তিনি সেগুলো অনুশীলনও করেছিলেন। এই পেশার কারণে, অনুশীলনের দ্বারা অনুসৃত হয়ে তিনি অন্যায় ও নিষ্ঠুরতার প্রতি এমন অসহিষ্ণুতা, ভুক্তভোগী ও নিপীড়িতদের প্রতি এমন সহানুভূতি, শান্তি ও স্বাধীনতার প্রতি এমন ভালোবাসা প্রদর্শন করেছিলেন।
**[[w:এডওয়ার্ড ওয়াল্টার হ্যামিল্টন|এডওয়ার্ড ওয়াল্টার হ্যামিল্টন]], ''মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন: আ মনোগ্রাফ'' (১৮৯৮), পৃ. ১৫৪-১৫৮
*তিনি নিঃসন্দেহে উচ্চ নীতির দ্বারা অনুপ্রাণিত ছিলেন। এবং তিনি উচ্চ নীতির কাছে আবেদন করেছিলেন। স্বাধীনতা, সহনশীলতা এবং অগ্রগতির প্রচার, তার সহকর্মীদের ভাগ্যের উন্নয়ন, দুঃখকষ্টের উপশম, জাতির সম্পদগুলোর প্রজ্ঞাপূর্ণ ব্যবহার—সংক্ষেপে, আরও ভালো প্রশাসনের প্রচারই ছিল তার লক্ষ্য। মানুষের মধ্যে তিনি যা সবচেয়ে বেশি দেখতে চেয়েছিলেন তা হলো ''চরিত্র''; এবং ব্যবস্থায়, ''সমতা''।
**[[w:এডওয়ার্ড ওয়াল্টার হ্যামিল্টন|এডওয়ার্ড ওয়াল্টার হ্যামিল্টন]], ''মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন: আ মনোগ্রাফ'' (১৮৯৮), পৃ. ১৭৫-১৭৬
*ঈশ্বর তার মঙ্গল করুন! যে মহান কাজে তিনি হাত দিয়েছেন তা সম্পন্ন করার জন্য তাকে যেন বাঁচিয়ে রাখা হয়।
**[[কিয়ার হার্ডি]], ''আরড্রোসান অ্যান্ড সল্টকোটস হেরাল্ড'' (২৭ মে ১৮৮৭), পিটার জে. জ্যাগার (সম্পাদিত) এর ''গ্ল্যাডস্টোন'' (১৯৯৮) গ্রন্থে কেনেথ ও. মরগান, ‘গ্ল্যাডস্টোন, ওয়েলস অ্যান্ড দ্য নিউ র্যাডিক্যালিজম’-এ উদ্ধৃত, পৃ. ১২৩
*গ্ল্যাডস্টোনের কাজ [[সমাজতন্ত্র|সমাজতন্ত্রকে]] সম্ভব করেছে—না, সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রয়োজনীয়, অপরিহার্য পথিকৃৎ হয়েছে।
**[[কিয়ার হার্ডি]], ''লেবার লিডার'' (২৮ মে ১৮৯৮), পিটার জে. জ্যাগার (সম্পাদিত) এর ''গ্ল্যাডস্টোন'' (১৯৯৮) গ্রন্থে কেনেথ ও. মরগান, ‘গ্ল্যাডস্টোন, ওয়েলস অ্যান্ড দ্য নিউ র্যাডিক্যালিজম’ বইয়ে উদ্ধৃত, পৃ. ১২৩ এবং ডেভিড হাওয়েল, ''ব্রিটিশ ওয়ার্কারস অ্যান্ড দি ইন্ডিপেনডেন্ট লেবার পার্টি, ১৮৮৮–১৯০৬'' (১৯৮৪), পৃ. ৩৬৬
*গত বিশ বছরে ইংল্যান্ড জার্মান পথে ভ্রমণ করেছে। সমসাময়িক ইংরেজি সাহিত্যে [[অটো ফন বিসমার্ক|বিসমার্কের]] সহানুভূতিশীল আচরণের কোনো অভাব নেই। তবে তরুণ প্রজন্মের দ্বারা গ্ল্যাডস্টোনের নাম তার [[w:ভিক্টোরীয় নৈতিকতা|ভিক্টোরীয় নৈতিকতা]] এবং সরল কল্পনাবাদের ওপর কটাক্ষ ছাড়া খুব কমই উল্লেখ করা হয়, এর চেয়ে স্পষ্টভাবে সম্ভবত আর কিছুই এই পরিবর্তন দেখায় না।
**[[ফ্রিডরিখ হাইক]], ''[[দ্য রোড টু সার্ফডম]]'' (১৯৪৪), পৃ. ১৩৬
*আমার কাছে মনে হয় এই ধরনের সরল যুক্তিবাদিতার জন্য সবচেয়ে ভালো নাম হলো যুক্তিবাদী গঠনবাদ। কেউ যদি মনে করেন যে এই দৃষ্টিভঙ্গিকে 'গঠনবাদ' বলে চিহ্নিত করে আমি আবারও আমার বিরোধীদের কাছে একটি ভালো শব্দ তুলে দিচ্ছি, তবে আমি বলব যে এই শব্দটি ঊনবিংশ শতাব্দীর অন্যতম মহান উদারপন্থী ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোন ঠিক এই অর্থেই ব্যবহার করেছিলেন। তিনি এটিকে সেই মনোভাবের নাম হিসেবে ব্যবহার করেছিলেন যার জন্য অতীতে আমার কাছে 'প্রকৌশল ধরনের মন' এর চেয়ে ভালো কোনো শব্দ ছিল না।
**[[ফ্রিডরিখ হাইক]], 'কাইন্ডস অফ র্যাশনালিজম' (২৭ এপ্রিল ১৯৬৪), ''[[স্টাডিজ ইন ফিলোসফি, পলিটিকস অ্যান্ড ইকোনমিকস]]'' (১৯৬৭), পৃ. ৮৫
*সেই সময় ব্রিটেনে উদারনৈতিক আন্দোলনের প্রধান ব্যক্তিত্ব হিসেবে ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোনও আবির্ভূত হয়েছিলেন। তিনি প্রথমে চ্যান্সেলর অব দি এক্সচেকার এবং পরে লিবারেল প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ব্যাপকভাবে উদার নীতির জীবন্ত মূর্ত প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হন। বিশেষ করে ১৮৬৫ সালে পামারস্টনের মৃত্যুর পর পররাষ্ট্র নীতির ক্ষেত্রে [[জন ব্রাইট]] তার প্রধান সহযোগী ছিলেন। তার সাথে ব্রিটিশ উদারনীতির পুরোনো সম্পর্কটি শক্তিশালী নৈতিক ও ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গির সাথে পুনরায় পুনরুজ্জীবিত হয়েছিল।
**[[ফ্রিডরিখ হাইক]], ‘লিবারেলিজম’ (১৯৭৩), ''[[নিউ স্টাডিজ ইন ফিলোসফি, পলিটিকস, ইকোনমিকস অ্যান্ড দ্য হিস্ট্রি অফ আইডিয়াস]]'' (১৯৮৫), পৃ. ১২৯
*[গ্ল্যাডস্টোন] আধুনিক জ্ঞানালোকের সাথে একটি চিরস্থায়ী সততাকে তার মধ্যে একত্রিত করেছেন বলে মনে হয়েছিল।
**[[w:টিম হিলি (রাজনীতিবিদ)|টিম হিলি]], ই. এফ. বিয়াগিনির ''ব্রিটিশ ডেমোক্রেসি অ্যান্ড আইরিশ ন্যাশনালিজম, ১৮৭৬–১৯০৬'' (২০০৭) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ১৪৮
*মিস্টার গ্ল্যাডস্টোনের মৃত্যুর পর তার নিজের হাতে লেখা নিচের নোটটি পাওয়া যায়: "''অর্থায়নের নিয়ম'': (১) আপনার নিজের পথে অর্থ প্রদান করা; (২) আপনার ঋণ হ্রাস করা; (৩) অর্থনীতি অনুশীলন করা।"
**[[w:ফ্রান্সিস হার্স্ট|ফ্রান্সিস হার্স্ট]], ''প্রিন্সিপালস অফ প্রসপারিটি'' (১৯৪৪), পৃ. ১১১
*গ্ল্যাডস্টোনিয়ান নীতিকে [[ম্যাকিয়াভেলি|ম্যাকিয়াভেলি]] এবং [[অটো ফন বিসমার্ক|বিসমার্কের]] নীতি এবং প্রতিটি পররাষ্ট্র দপ্তরের অনুশীলনের বিপরীত হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা যেতে পারে। সেই অনুশীলন এই নীতির ওপর এগিয়ে যায় যে রাষ্ট্রের কারণগুলো সবকিছুকে সমর্থন করে। তাই '''গ্ল্যাডস্টোন এই নীতির ওপর এগিয়ে গিয়েছিলেন রাষ্ট্রের কারণগুলো এমন কোনো কিছুকে সমর্থন করে না যা মানুষের বিবেক দ্বারা ইতিমধ্যে সমর্থিত নয়।''' রাষ্ট্রনায়ক তার কাছে এমন একজন ব্যক্তি যিনি কেবল বৈষয়িক স্বার্থ নয়, তার দেশের সম্মান বজায় রাখার দায়িত্বও পালন করেন। তিনি বিশ্বের একজন নাগরিক কারণ তিনি তার জাতির প্রতিনিধিত্ব করেন, যা বিশ্ব সম্প্রদায়ের একটি সদস্য। তাকে অধিকার এবং কর্তব্যগুলোকে স্বীকৃতি দিতে হবে, ঠিক যেমন অন্য প্রতিটি মানব সংস্থার প্রতিটি প্রতিনিধিকে অধিকার এবং কর্তব্যগুলোকে স্বীকৃতি দিতে হবে। মানবিক বাধ্যবাধকতাগুলো শেষ হয়ে যাওয়ার বাইরে কোনো রেখা আঁকা নেই। এমন কোনো উপসাগর নেই যার ওপারে মানুষের দুর্ভোগের কথা শোনা যায় না, যার বাইরে গণহত্যা এবং নির্যাতন ঘৃণ্য হওয়া বন্ধ হয়ে যায়। আবারও একজন দেশপ্রেমিক হিসেবে, একজন মানুষের স্বীকৃতি দেওয়া উচিত যে একটি জাতি কেবল মানচিত্র লাল করে বা সমস্ত নজিরের বাইরে তার বাণিজ্য সম্প্রসারিত করেই মহান হয়ে উঠতে পারে না। বরং ন্যায়বিচারের চ্যাম্পিয়ন, নিপীড়িতদের সাহায্যকারী, স্বাধীনতার প্রতিষ্ঠিত বাড়ি হিসেবেও মহান হতে পারে। আফিম যুদ্ধের নিন্দা থেকে শুরু করে নিয়াপলিটান কারাগারগুলোর উন্মোচন পর্যন্ত, কনস্টান্টিনোপল গণহত্যার পর তার শেষ উপস্থিতি পর্যন্ত, এটিই ছিল সেই বার্তা যা গ্ল্যাডস্টোন জানাতে চেয়েছিলেন। তিনি তার সময়ের চেয়ে এগিয়ে ছিলেন। তিনি সর্বদা তার নিজের মন্ত্রিসভায় তার নীতি বজায় রাখতে সক্ষম হননি। এবং তার অবসরের পর বিশ্ব নিশ্চিতভাবে পুরোনো পথে ফিরে গেছে বলে মনে হয়েছিল।
**[[লিওনার্ড ট্রেলনি হবহোউস]], ''লিবারেলিজম'' (১৯১১), পৃ. ৪৫-৪৬
*যখন মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন উত্তরে গিয়েছিলেন, আপনার ভালো করেই মনে আছে যখন খবরের কাগজ থেকে শ্রমিকের কাছে খবর পৌঁছেছিল যে এটি খনি এবং কল, কারখানা এবং ওয়ার্কশপগুলোতে ছড়িয়ে পড়েছে। তারা সেই একমাত্র ব্রিটিশ মন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানাতে বেরিয়ে এসেছিল যিনি ইংরেজ জনগণকে একটি অধিকার দিয়েছিলেন কারণ তাদের এটি পাওয়া উচিত ছিল। তিনি যখন টাইন নদীর ধারে গিয়েছিলেন, তখন পুরো দেশ শুনেছিল যে কীভাবে বিশ মাইল তীর মানুষের দ্বারা সারিবদ্ধ ছিল যারা তাকে অভ্যর্থনা জানাতে এসেছিল। পুরুষরা চিমনির আগুনে দাঁড়িয়েছিল। কারখানার ছাদগুলো ভিড় ছিল। খনি শ্রমিকরা খনি থেকে উঠে এসেছিল। নারীরা তাদের সন্তানদের তীরে তুলে ধরেছিল যাতে পরবর্তী জীবনে বলা যেতে পারে যে তারা জনগণের চ্যান্সেলরকে যেতে দেখেছে। নদীটি জমির মতো ঢাকা পড়েছিল। যে লোকটি দাঁড় টানতে পারত সে মিস্টার গ্ল্যাডস্টোনকে উল্লাস জানাতে উঠে এসেছিল। লর্ড পামারস্টন যখন ব্র্যাডফোর্ডে গিয়েছিলেন, তখন রাস্তাগুলো শান্ত ছিল এবং শ্রমজীবী মানুষ নিজেদের ওপর নীরবতা আরোপ করেছিল। যখন মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন টাইন নদীতে উপস্থিত হয়েছিলেন তখন তিনি এমন উল্লাস শুনেছিলেন যা অন্য কোনো ইংরেজ মন্ত্রী কখনও শোনেননি। জনগণ তার প্রতি কৃতজ্ঞ ছিল। রুক্ষ খনি শ্রমিকরা যারা আগে কখনও কোনো জনসাধারণের মানুষের কাছে যায়নি, তারা হাজার হাজার সংখ্যায় তার গাড়ির চারপাশে ভিড় করেছিল। এবং মিস্টার গ্ল্যাডস্টোনের সাথে হাত মেলাতে একসাথে হাজার হাজার হাত প্রসারিত হয়েছিল।
**[[জর্জ হোলিওকে]], 'দ্য লিবারেল সিচুয়েশন, অর দ্য পার্লামেন্টারি ট্রিটমেন্ট অফ দ্য পিপল. ২.', ''নিউক্যাসেল উইকলি ক্রনিকল'' (১৮ মার্চ ১৮৬৫), পৃ. ৪, ইউজেনিও এফ. বিয়াগিনি এবং অ্যালাস্টেয়ার জে. রেইড (সম্পাদিত), ''কারেন্টস অফ র্যাডিক্যালিজম: পপুলার র্যাডিক্যালিজম, অর্গানাইজড লেবার অ্যান্ড পার্টি পলিটিকস ইন ব্রিটেন, ১৮৫০–১৯১৪'' (১৯৯১) গ্রন্থে ইউজেনিও এফ. বিয়াগিনির ‘পপুলার লিবারেলস, গ্ল্যাডস্টোনিয়ান ফাইন্যান্স অ্যান্ড দ্য ডিবেট অন ট্যাক্সেশন, ১৮৬০-১৮৭৪’-এ উদ্ধৃত, পৃ. ১৪২
*আমাদের মহান উদারপন্থী নেতা মিস্টার গ্ল্যাডস্টোনের প্রতি আমার গভীর বিশ্বাস আমাকে আমাদের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে আরও বেশি নিরাপদ বোধ করায়। তিনি স্পষ্টতই নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিগুলোকে বিশ্বস্তভাবে রাখা এবং উদ্ধার করা প্রতিশ্রুতি হিসেবে বিবেচনা করেন।
**[[w:জর্জ হাওয়েল (ট্রেড ইউনিয়নবাদী)|জর্জ হাওয়েল]] থেকে [[w:এডমন্ড বিয়েলস|এডমন্ড বিয়েলস]] (১০ মার্চ ১৮৬৯), এফ. এম. লেভেন্থাল, ''রেসপেক্টেবল র্যাডিক্যাল: জর্জ হাওয়েল অ্যান্ড ভিক্টোরিয়ান ওয়ার্কিং ক্লাস পলিটিকস'' (১৯৭১) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ১১৫
* '''আপনি যদি সেই লোকটিকে কেবল তার শার্ট পরিয়ে একটি ময়দানে রেখে দেন, তবে সে যা খুশি তা-ই হয়ে উঠবে।'''
** [[টি. এইচ. হাক্সলি]], ''[[রবার্ট গ্যাসকোয়েন-সেসিল, ৩য় মার্কুইস অফ সালিসবারি|লর্ড রবার্ট সেসিলের]] গোল্ডফিল্ডস ডায়েরি,'' সম্পাদিত আর্নেস্ট স্কট (১৯৪৫) গ্রন্থে উদ্ধৃত
*গ্ল্যাডস্টোন খুব আকর্ষণীয়। তার শিষ্টাচার চরম। তার চোখ একজন প্রতিভাবান মানুষের। এবং তিনি যা বলছেন তার প্রতি তার আপাত আত্মসমর্পণ ত্রুটিহীন। তিনি আমার ওপর একটি দুর্দান্ত ছাপ ফেলেছিলেন। আমি এখানে যাকে দেখেছি তার চেয়ে বড়। যদিও এটি হয়তো আমার সরলতা এবং রাষ্ট্রনায়কদের সাথে অপরিচিতির কারণে হতে পারে।
**[[হেনরি জেমস]] উইলিয়াম জেমসকে লেখা চিঠি (২৯ মার্চ ১৮৭৭), ''দ্য কমপ্লিট লেটারস অফ হেনরি জেমস, ১৮৭৬–১৮৭৮, খণ্ড ১'', সম্পাদিত পিয়েরে এ. ওয়াকার এবং গ্রেগ ডব্লিউ. জাকারিয়াস (২০১২) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ৮৩
*তিনি জোর দিয়ে বলেছিলেন, এমন একটি বিশ্ব সম্প্রদায়ে ব্রিটিশদের অন্যান্য দেশের কাজগুলোকে ঈর্ষার চেয়ে বেশি বোঝার দৃষ্টিতে দেখা উচিত। মানব পরিবারকে নিজের দেশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য একই মানদণ্ড দ্বারা বিচার করতে হবে। ব্রিটিশদেরও যুদ্ধকে একইভাবে দেখা উচিত। ফ্রন্টলাইনের অপর প্রান্তে তাদের মানব ভাইদের কী ঘটছে তা নিয়ে তাদের ''উদ্বিগ্ন'' হওয়া উচিত। মানব অভিজ্ঞতা এবং মানব মর্যাদার সার্বজনীনতার আসল অর্থটি তাদের অন্তরে গ্রহণ করা উচিত। ডালকিথের ফরেস্টারস হলে সমবেত নারীদের তিনি বলেছিলেন ব্রিটেনের বোঝাটি ছিল অনেক পাহাড় এবং উপত্যকাকে রক্তে ভাসিয়ে দেওয়ার ফলাফল। জুলুরা কেবল দেশপ্রেমিক ব্রিটিশদের মতোই কাজ করছিল, নিজেদের দেশ রক্ষা করছিল। আফগানিস্তানে, টোরিদের নির্বিচার আক্রমণ বন্য ধ্বংস ডেকে এনেছিল।
**রবার্ট কেলি, 'মিডলোথিয়ান: আ স্টাডি ইন পলিটিকস অ্যান্ড আইডিয়াস', ''ভিক্টোরিয়ান স্টাডিজ'', খণ্ড ৪, নং ২ (ডিসেম্বর ১৯৬০), পৃ. ১৩৬-১৩৭
*অবশ্যই একজন খ্রিস্টান ধর্মতত্ত্ববিদ কেবল এটাই বলবেন যে গ্ল্যাডস্টোন ভ্রাতৃত্বের পুরোনো বার্তাটি নতুন করে প্রচার করেছিলেন। তিনি ব্রিটিশদের একটি খ্রিস্টান পররাষ্ট্র নীতি দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। যাই হোক না কেন, গ্ল্যাডস্টোন গোষ্ঠীগত অনুভূতির ক্ষমতা সম্পর্কে গভীরভাবে উপলব্ধি করেছিলেন। কারণ তিনি কেবল এই জোর দিয়েই তার কাঙ্ক্ষিত সাড়া জাগানোর চেষ্টা করেছিলেন সমস্ত মানুষ একই সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত। তিনি প্রথমে অনুভব করেছিলেন জাগ্রত জাতিসত্তাগুলোর গোষ্ঠীগত অনুভূতিকে স্বায়ত্তশাসনে প্রকাশ করতে হবে। এবং তারপর যদি এই গোষ্ঠীগত অনুভূতিগুলো সমস্ত মানবজাতিকে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য প্রসারিত না হয় তবে সেগুলো অনিবার্যভাবে ঈর্ষা, অহংকার, বিদ্বেষ, আবেগ এবং যুদ্ধ ডেকে আনবে। যেমনটি তারা করেছিল। সার্বজনীনতা এবং অন্তর্ভুক্তি ছিল মূল কথা। তিনি সর্বদা একটি আন্তঃনির্ভরশীল সমগ্রের মধ্যে সমস্ত কিছুকে অন্তর্ভুক্ত করে বিশাল চিত্রটি উল্লেখ করে ব্যাখ্যা করতেন। এই কারণে, দেশে হোক বা বিদেশে, তার প্রতিপক্ষ সর্বদা সেই শ্রেণি বা সরকার ছিল যারা বাদ দেওয়ার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিল, যারা মানবজাতির ঐক্যকে অস্বীকার করেছিল।
**রবার্ট কেলি, 'মিডলোথিয়ান: আ স্টাডি ইন পলিটিকস অ্যান্ড আইডিয়াস', ''ভিক্টোরিয়ান স্টাডিজ'', খণ্ড ৪, নং ২ (ডিসেম্বর ১৯৬০), পৃ. ১৪০
* '''গ্ল্যাডস্টোনের হাতায় সবসময় তুরুপের তাস থাকার ব্যাপারে আমার কোনো আপত্তি নেই। তবে সর্বশক্তিমান সেটি সেখানে রেখেছেন বলে তার বিশ্বাসের প্রতি আমার আপত্তি আছে।'''
** [[w:হেনরি ল্যাবউচেরে|হেনরি ল্যাবউচেরে]], [[w:হেসকেথ পিয়ারসন|হেসকেথ পিয়ারসনের]] ''লাইভস অফ দ্য উইটস'' (১৯৬২) গ্রন্থে উদ্ধৃত
*মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন আমার পরিচিত যেকোনো রাজনীতিবিদের চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা ছিলেন। তিনি যাদের সাথে কাজ করতেন তাদের বেশিরভাগের চেয়ে বয়সে অনেক বড় ছিলেন। কিন্তু শরীর, আত্মা এবং চেতনায় সবচেয়ে কনিষ্ঠ ছিলেন। আমি এখন তার কণ্ঠস্বর শুনতে পাচ্ছি এবং তাকে দেখতে পাচ্ছি। যদিও আমি যা লিখব তার কোনো কিছুই একজন পাঠকের কাছে তার কথার অসাধারণ আবেগগত প্রভাব পৌঁছে দেবে না। কেবল [‘অনুপ্রাণিত’] শব্দটিই আঠারো বছর বয়সী সেই ছেলেটির মনে রেখে যাওয়া ছাপটি দেয় যে তার কথা শুনছিল।
**[[জর্জ ল্যান্সবারি]], ''লুকিং ব্যাকওয়ার্ডস—অ্যান্ড ফরওয়ার্ডস'' (১৯৩৭), পৃ. ৮৫
*বছরের পর বছর ধরে আমি মিস্টার গ্ল্যাডস্টোনের রাজনৈতিক তীর্থে উপাসনা করেছি।
**[[w:জর্জ ল্যান্সবারি|জর্জ ল্যান্সবারি]], ''মাই লাইফ'' (১৯৩৮), পৃ. ৮৬
* সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ চ্যান্সেলর।
** [[w:নাইজেল লসন|নাইজেল লসন]], ''দ্য ভিউ ফ্রম নং ১১: মেমোয়ারস অফ আ টোরি র্যাডিক্যাল'' (১৯৯২), পৃ. ২৭৯
*গ্ল্যাডস্টোন গরিবদের অসুবিধা বুঝতে পারেননি, কিন্তু ডিসরায়েলি পেরেছিলেন। গ্ল্যাডস্টোন সাধারণ মানুষের স্তরে নেমে আসতে পারেননি। সেটাই ছিল তার সমস্যা।
**[[ডেভিড লয়েড জর্জ|ডেভিড লয়েড জর্জের]] [[w:এ. জে. সিলভেস্টার|এ. জে. সিলভেস্টারের]] কাছে মন্তব্য, যেমনটি সিলভেস্টারের ডায়েরিতে উল্লেখ করা হয়েছে (১৮ এপ্রিল ১৯৩৩), এ. জে. সিলভেস্টারের ''লাইফ উইথ লয়েড জর্জ: দ্য ডায়েরি অফ এ. জে. সিলভেস্টার ১৯৩১-৪৫'', সম্পাদিত কলিন ক্রস (১৯৭৫) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ৯৫
*[ডেভিড লয়েড জর্জ] গ্ল্যাডস্টোনের কথা বলেছিলেন। এবং তিনি [লয়েড জর্জ] কীভাবে হাউস অফ কমন্সে তার খুব শুরুর দিকে ক্লার্জি ডিসিপ্লিন বিলে তাকে আক্রমণ করেছিলেন তা বলেছিলেন। পরে যখন তিনি [লয়েড জর্জ] ওয়েলসে গিয়েছিলেন এবং গ্ল্যাডস্টোনের ওপর তার আক্রমণের জন্য আরও উপযুক্ত লোকেরা তাকে তিরস্কার করেছিল, তখন তিনি বলেছিলেন: 'আমি আপনাদের সেই একই উত্তর দিচ্ছি যা ক্রোমওয়েল দিয়েছিলেন, "আমি যদি যুদ্ধে রাজার সাথে দেখা করি, তবে আমি তাকে লক্ষ্য করে আমার পিস্তল ছুঁড়ব"।' [লয়েড জর্জ] বলেছেন তিনি মনে করেন একজন চার্চম্যান হিসেবে গ্ল্যাডস্টোনের [[w:ইংলিশ ডিসেন্টার|ডিসেন্টারদের]] প্রতি মৌলিক অপছন্দ ছিল। 'আমি তাকে প্রশংসা করি, কিন্তু আমি তাকে কখনও পছন্দ করিনি', সর্বদা [লয়েড জর্জের] যোগ্য মন্তব্য।
**[[ডেভিড লয়েড জর্জ|ডেভিড লয়েড জর্জের]] [[w:ফ্রান্সিস স্টিভেনসন|ফ্রান্সিস স্টিভেনসনের]] কাছে মন্তব্য, যেমনটি স্টিভেনসনের ডায়েরিতে উল্লেখ করা হয়েছে (১৬ নভেম্বর ১৯৩৪), ফ্রান্সিস স্টিভেনসনের ''লয়েড জর্জ: আ ডায়েরি'', সম্পাদিত এ. জে. পি. টেলর (১৯৭১) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ২৯১
*হাউস অফ কমন্সে আমার সদস্যপদের প্রথম চার বছর গ্ল্যাডস্টোন আমার নেতা ছিলেন, এটি আমার অহংকার। ব্রিটিশ রাজনীতিতে গ্ল্যাডস্টোন ছিলেন সবচেয়ে মহান এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব। সেই বৃদ্ধ মানুষের স্মৃতি, চরিত্র, অর্জন এবং অনুপ্রেরণার একটি গৌরবময় পুনরুত্থান হবে। তিনি যে মতবাদগুলোতে নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন, তা আমরা আজ ব্যাপকভাবে অবহেলা করার ফলে ভুগছি। তা হলো শান্তির মতবাদ।
**[[ডেভিড লয়েড জর্জ|ডেভিড লয়েড জর্জের]] [[w:এ. জে. সিলভেস্টার|এ. জে. সিলভেস্টারের]] কাছে মন্তব্য, যেমনটি সিলভেস্টারের ডায়েরিতে উল্লেখ করা হয়েছে (২৪ এপ্রিল ১৯৪০), এ. জে. সিলভেস্টারের ''লাইফ উইথ লয়েড জর্জ: দ্য ডায়েরি অফ এ. জে. সিলভেস্টার ১৯৩১-৪৫'', সম্পাদিত কলিন ক্রস (১৯৭৫) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ২৫৭
=== এম–জেড ===
* '''তার এমন এক ধরনের ভাষার ওপর বিশাল দখল রয়েছে যা গম্ভীর এবং রাজকীয়। কিন্তু এর অর্থ অস্পষ্ট এবং অনিশ্চিত। একজন দর্শকের জন্য এই ক্ষমতাটি সবচেয়ে বিপজ্জনক।'''
** [[থমাস ব্যাবিংটন ম্যাকলে, ১ম ব্যারন ম্যাকলে|থমাস ব্যাবিংটন ম্যাকলে]], "গ্ল্যাডস্টোন অন চার্চ অ্যান্ড স্টেট," ''এডিনবার্গ রিভিউ'' (এপ্রিল ১৮৩৯)
*যে মানুষটি প্রায় ত্রিশ বছর ধরে উদারনীতিবাদের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন তিনি অবসর নিয়েছিলেন। রাজনীতি তাকে আর চিনতে পারেনি। উদারনীতিবাদের এই ক্ষতি পর্যাপ্তভাবে পরিমাপ করা অসম্ভব। এই মুহূর্তে আমরা তিনি উদারনীতিবাদের জন্য যা করেছেন তার কোনো চূড়ান্ত বিচার করার চেষ্টাও করতে পারি না। কেবল আমরা বলতে পারি যে ইংল্যান্ডের সমস্ত মহান রাষ্ট্রনায়কদের মধ্যে এমন কেউ নেই যিনি অন্যায্য সুযোগ-সুবিধা ধ্বংস করতে এবং জনগণের জন্য তাদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে তার মতো এতটা অর্জন করেছেন। আমরা কি এর চেয়ে বেশি কিছু বলতে পারি? মানুষের একজন শাসকের পক্ষে এর চেয়ে মহৎ বা বৃহত্তর কোনো রেকর্ড রেখে যাওয়া কি সম্ভব? সম্ভবত নেতা চলে যাওয়ার পরই আমরা কেবল দেখতে পাচ্ছি যে তিনি জাতির জীবনে কতটা কমান্ডিং স্থান দখল করেছিলেন এবং তার অবসরের ফলে অগ্রগতির কারণ কতটা ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে।
**[[w:ফিলিপ জেমস ম্যাকডোনেল|ফিলিপ জেমস ম্যাকডোনেল]], ‘দ্য হিস্টোরিক বেসিস অফ লিবারেলিজম’, ''এসেস ইন লিবারেলিজম বাই সিক্স অক্সফোর্ড মেন'' (১৮৯৭) গ্রন্থে, পৃ. ২৬৬–২৬৭
*মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন একেবারে অনন্য ব্যক্তিত্বের অধিকারী ছিলেন। তার অঙ্গভঙ্গি, বিতর্কে তার বিস্ময়কর দক্ষতা, গভীরতম আবেগ নাড়া দেওয়ার তার ক্ষমতা, তার একনিষ্ঠতার ধারণা, সঠিক কাজ করার আকাঙ্ক্ষা এবং ঈশ্বরের সামনে একটি ভালো বিবেক বজায় রাখার আকাঙ্ক্ষা। এই সবই হাউস অফ কমন্সে তাকে একটি মহান নৈতিক এবং বৌদ্ধিক প্রভাব হিসেবে গড়ে তুলতে একসাথে কাজ করেছিল। এটি এমন একটি সত্য যা নিয়ে প্রতিটি সদস্য তাদের ধর্ম বা দল নির্বিশেষে যথাযথভাবেই গর্বিত ছিলেন। আমি তখন মানুষের উপাসক ছিলাম না এবং এখনও নই। কিন্তু আচরণ এবং যোগ্যতায় খুব বিনয়ী পদমর্যাদার ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রায়শই ব্যবহৃত "মহান মানুষ" অভিব্যক্তিটি আমার বিচারে প্রধানত মিস্টার গ্ল্যাডস্টোনের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। তিনি আমাদের সাথে থাকা অবস্থায় তার এই উপাধির দাবি তার সমর্থকরা যতটা দ্বিধাহীনভাবে স্বীকার করেছিলেন, তার রাজনৈতিক বিরোধীরাও ঠিক ততটাই স্বীকার করেছিলেন।
**[[w:জে. জি. সুইফট ম্যাকনিল|জে. জি. সুইফট ম্যাকনিল]], ''হোয়াট আই হ্যাভ সিন অ্যান্ড হার্ড'' (১৯২৫), পৃ. ২৪৪–২৪৫
*মহান ইংরেজ [[হোরেশিও নেলসন|নেলসন]], [[পার্সি বিশি শেলি|শেলি]], গ্ল্যাডস্টোনের মতো কোনো মানুষের দল কখনও এতটা "অ-ইংরেজ" ছিল না। তারা যুদ্ধে, সাহিত্যে, ব্যবহারিক বিষয়ে সর্বোচ্চ ছিলেন। তবুও তাদের শক্তির বৈশিষ্ট্যগুলোতে কোনো প্রমাণ ছিল না যে তাদের মধ্যে ইংরেজ রক্তের গুণাবলী রয়েছে। তবে সাধারণ স্টক থেকে এ ধরনের বিভ্রান্তিকর বৈচিত্র্যের নেতৃত্ব মেনে নেওয়ার ক্ষেত্রে ইংরেজ কেবল মহাবিশ্বের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করার পরিবর্তে এটিকে মেনে নেওয়ার তার সাধারণ ক্ষমতাই প্রদর্শন করছে।
** [[w:চার্লস মাস্টারম্যান|সি. এফ. জি. মাস্টারম্যান]], ''দ্য কন্ডিশন অফ ইংল্যান্ড'' (১৯০৯)
*১৮৮০ সালের মার্চ মাসে তিনি প্রকৃত নির্বাচনী লড়াইয়ের জন্য ফিরে আসেন। ভিড় করা হলে, অস্বস্তিকর, আবছা আলোয় তিনি খনি শ্রমিকদের এবং অন্যান্য শ্রমিকদের মন্ত্রমুগ্ধ করে রেখেছিলেন, যারা অনুসারীদের মতো আনুগত্য নিয়ে তার কথা শুনতে এসেছিল। গ্ল্যাডস্টোনের সেই ভাবমূর্তি যা তখন জনপ্রিয় মনে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। তিনি ছিলেন বাগ্মী, ধার্মিক নবী, স্বাধীনতা এবং ন্যায়বিচারের বন্ধু। তার মৃত্যুর পর দীর্ঘকাল এটি টিকে ছিল এবং এটি প্রায়শই তার প্রতিভাবান সহকর্মীদের পুরো দল এবং দলের সমস্ত নীতিমালার চেয়ে বেশি শক্তিশালী ছিল। [[w:১৯৫৫ সালের যুক্তরাজ্যের সাধারণ নির্বাচন|১৯৫৫ সালে]] শটল্যান্ডের একজন বৃদ্ধা কনজারভেটিভদের ভোট দেওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হয়েছিলেন। কিন্তু মানিব্যাগের জন্য বাড়ি ফিরে তিনি তার বাবার মিস্টার গ্ল্যাডস্টোনের ছবি দেখেন এবং [[জো গ্রিমন্ড|মিস্টার গ্রিমন্ডকে]] ভোট দিতে কেন্দ্রে যান।
**[[w:আর. বি. ম্যাকক্যালাম|আর. বি. ম্যাকক্যালাম]], ''দ্য লিবারেল পার্টি ফ্রম আর্ল গ্রে টু অ্যাসকুইথ'' (১৯৬৩), পৃ. ৯০ + টীকা ১
*আমি মনে করি এটি আমি ধরে নিতে পারি যে মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন হলেন রানি ভিক্টোরিয়ার রাজত্বকালে আবির্ভূত সবচেয়ে মহান ইংরেজ রাষ্ট্রনায়ক। এটি প্রকৃতপক্ষে আমার কাছে একটি বাস্তব সত্য বলে মনে হয় এবং কোনো সমালোচনার বিষয় নয়।
**[[w:জাস্টিন হান্টলি ম্যাকার্থি|জাস্টিন হান্টলি ম্যাকার্থি]], ''দ্য স্টোরি অফ গ্ল্যাডস্টোনস লাইফ'' (১৮৯৮), পৃ. ১
*মিস্টার গ্ল্যাডস্টোনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে (উল্লাস)। আন্তরিকতার প্রশ্নে তাকে নিয়ে কথা বলে কী লাভ? (উল্লাস)। তার সরকারি জীবনের প্রতিটি বছর একগুচ্ছ ব্যবস্থার দ্বারা চিহ্নিত ছিল। কোনো বছরই সেগুলো ছাড়া ছিল না। কিছু বড়, কিছু ছোট, কিন্তু সবগুলোই জনগণের মঙ্গলের লক্ষ্যে ছিল। এই দেশের মানুষের মঙ্গলের জন্য এবং বিশেষ করে দরিদ্র শ্রেণির জন্য ছিল। এই ব্যবস্থাগুলো এমনকি তাকে প্রস্তাবও করা হয়নি। সেগুলো ছিল তার নিজের মন, ইচ্ছা এবং উদ্দেশ্যের ফসল। তার দেশবাসীর কাছে তার কাছ থেকে অবাধ উপহার, যা প্রস্তাবিত বা নির্দেশিত হয়নি। (জোরে উল্লাস)... গ্ল্যাডস্টোনকে এমন প্রথম রাষ্ট্রনায়ক বলে মনে হয়েছিল যিনি একটি মহান আধুনিক রাষ্ট্রনায়কের ধারণার কাছাকাছি এসেছিলেন। ... আমরা যদি তার পাশে না দাঁড়াই...তাহলে আমাদের একইভাবে সেবা করার মতো কাউকে আমরা সহজে খুঁজে পাব না। (জোরে উল্লাস)।
**[[জন স্টুয়ার্ট মিল]], ওয়েস্টমিনস্টার রিফর্ম সভায় দেওয়া ভাষণ, ''দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফে'' (১৩ এপ্রিল ১৮৬৬) রিপোর্ট করা হয়েছে, জন ভিনসেন্টের ''দ্য ফরমেশন অফ দ্য ব্রিটিশ লিবারেল পার্টি, ১৮৫৭–১৮৬৮'' [১৯৬৬] (১৯৭২) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ১৯৪
*উদারপন্থী দলের কথা বলছেন? এটা তো মিস্টার জি-কে নিয়ে গঠিত। তার পর এর অস্তিত্ব বিলুপ্ত হবে এবং সব বিশৃঙ্খলা দেখা দেবে।
**[[জন মর্লি]], স্যার এডওয়ার্ড হ্যামিল্টনের ডায়েরিতে (১৩ জানুয়ারি ১৮৯১) উদ্ধৃত, ডি. এ. হামারের ''লিবারেল পলিটিকস ইন দি এজ অফ গ্ল্যাডস্টোন অ্যান্ড রোজবেরি: আ স্টাডি ইন লিডারশিপ অ্যান্ড পলিসি'' (১৯৭২) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ১৪১
*[১৮৬৮ সালের] ১ ডিসেম্বরের বিকেলে তিনি হাওয়ার্ডেনে উইন্ডসরের বার্তাটি পেয়েছিলেন। মিস্টার [[w:এভলিন অ্যাশলে|এভলিন অ্যাশলে]] বলেন, "আমি তার কোটটি আমার বাহুতে নিয়ে তার পাশে দাঁড়িয়েছিলাম, যখন তিনি শার্টের হাতায় একটি গাছ কাটার জন্য কুঠার চালাচ্ছিলেন। একজন টেলিগ্রাম বার্তা বাহক এলো। তিনি টেলিগ্রামটি নিলেন, খুললেন এবং পড়লেন। তারপর আমার হাতে দিলেন এবং কেবল দুটি শব্দ বললেন, 'খুব তাৎপর্যপূর্ণ,' এবং সাথে সাথে তার কাজ আবার শুরু করলেন। বার্তাটিতে কেবল বলা হয়েছিল যে জেনারেল গ্রে সেদিন সন্ধ্যায় উইন্ডসর থেকে আসবেন। এর অর্থ অবশ্যই ছিল যে রানির কাছ থেকে মিস্টার গ্ল্যাডস্টোনকে তার প্রথম সরকার গঠনের দায়িত্ব দিয়ে একটি নির্দেশ আসছিল... কয়েক মিনিট পর আঘাত করা বন্ধ হলো এবং মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন তার কুঠারের হাতলে বিশ্রাম নিয়ে উপরে তাকালেন। তার কণ্ঠস্বরে গভীর আন্তরিকতা এবং চেহারায় প্রচণ্ড তীব্রতার সাথে তিনি চিৎকার করে বললেন, ‘'''আয়ারল্যান্ডকে শান্ত করাই আমার মিশন।'''’ তারপর তিনি তার কাজ আবার শুরু করলেন এবং গাছটি নিচে না পড়া পর্যন্ত আর একটি কথাও বললেন না।"
**[[জন মর্লি]], ''দ্য লাইফ অফ উইলিয়াম এওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন, খণ্ড ২ (১৮৫৯-১৮৮০)'' (১৯০৩), পৃ. ২৫২
*তিনি প্রায়শই পর্যবেক্ষকের কাছে "অধিকৃত" বলে মনে হতেন। তিনি যদি খুব ভালো মানুষ না হতেন, তবে তিনি খুব খারাপ মানুষ হতেন।
**[[w:জে. এইচ. মরগান|জে. এইচ. মরগান]], ''[[জন মর্লি, ব্ল্যাকবার্নের ১ম ভিসকাউন্ট মর্লি|জন ভিসকাউন্ট মর্লি]] অ্যান অ্যাপ্রিসিয়েশন অ্যান্ড সাম রেমিনিসেন্সেস'', ১৯২৪, পৃ. ১৪৩
*আমি বলেছিলাম যে মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন আয়ারল্যান্ড সম্পর্কে ভালো জানেন, এবং যোগ করেছিলাম, “আমার সময়ে আয়ারল্যান্ডের জন্য যা কিছু করা হয়েছে তার প্রায় সবই মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন করেছেন—গ্ল্যাডস্টোন ''যোগ'' [[w:ফেনিয়ান|ফেনিয়ানবাদ]], এবং ''যোগ'' আপনি।”
**[[w:রিচার্ড ব্যারি ও'ব্রায়েন|রিচার্ড ব্যারি ও'ব্রায়েন]], [[চার্লস স্টুয়ার্ট পার্নেল|চার্লস স্টুয়ার্ট পার্নেলের]] কাছে মন্তব্য, রিচার্ড ব্যারি ও'ব্রায়েনের ''দ্য লাইফ অফ চার্লস স্টুয়ার্ট পার্নেল, ১৮৪৬-১৮৯১, খণ্ড ২'' (১৮৯৮) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ৩৩৫–৩৩৬
*এই প্রজন্মের মানুষ তাকে হাউস অফ কমন্সের সবচেয়ে মহান সংসদ সদস্য হিসেবে স্থান দিতে একমত হবেন।
**[[w:টি. পি. ও'কনর|টি. পি. ও'কনর]], ''ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোন, স্টেটসম্যান, ওরেটর, স্কলার অ্যান্ড থিওলজিয়ান'' (১৯০৮), ডেവിഡ് বেবিংটন এবং রজার সুইফট (সম্পাদিত), ''গ্ল্যাডস্টোন সেন্টেনারি এসেস'' (২০০০) গ্রন্থে অ্যালান ও'ডে, ‘গ্ল্যাডস্টোন অ্যান্ড আইরিশ ন্যাশনালিজম’-এ উদ্ধৃত, পৃ. ১৭১
*তাহলে তিনি এমনটিই ছিলেন। তার প্রতিটি গুণাবলীতে একটি বিস্ময় এবং একটি লক্ষণ। তার বিশাল বৌদ্ধিক ক্ষমতায়, তার অদম্য সাহসে, তার অবিরাম শক্তিতে, তার প্রচণ্ড শারীরিক কার্যকলাপ এবং শক্তিতে, তার রাজনৈতিক আবেগের তীব্রতা এবং উদ্দীপনায়, তার উদ্দেশ্যের দৃঢ়তা এবং ঝড়ে তিনি একজন একক এবং নির্জন মানুষের চেয়ে একটি মূর্ত ঘূর্ণিঝড়ের মতো ছিলেন, যা তার সময়ের মধ্য দিয়ে প্রবল, অপ্রতিরোধ্য, নির্দয়ভাবে ছুটে চলছিল। এবং যে মানুষটি তাকে ভালোবেসে বা ঘৃণা করে দেখেছে এবং জেনেছে, সে নিজেকে বলতে পারে যে এই পৃথিবীতে আমরা আর কখনও তার মতো কাউকে দেখতে পাব না।
**[[w:টি. পি. ও'কনর|টি. পি. ও'কনর]], ''ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোন, স্টেটসম্যান, ওরেটর, স্কলার অ্যান্ড থিওলজিয়ান'' (১৯০৮), ডেവിഡ് বেবিংটন এবং রজার সুইফট (সম্পাদিত), ''গ্ল্যাডস্টোন সেন্টেনারি এসেস'' (২০০০) গ্রন্থে অ্যালান ও'ডে, ‘গ্ল্যাডস্টোন অ্যান্ড আইরিশ ন্যাশনালিজম’-এ উদ্ধৃত, পৃ. ১৭১
*গ্ল্যাডস্টোন শীঘ্রই তার নিজের পথ পেয়ে যাবেন। আর যখনই তিনি আমার জায়গা পাবেন, আমাদের অদ্ভুত ঘটনা ঘটবে... তিনি একজন বিপজ্জনক মানুষ, তাকে অক্সফোর্ডে রাখুন, এবং তিনি আংশিকভাবে মুখবন্ধ থাকবেন। কিন্তু তাকে অন্য কোথাও পাঠান, এবং তিনি বন্য হয়ে ছুটবেন।
** [[হেনরি টেম্পল, ৩য় ভিসকাউন্ট পামারস্টন|লর্ড পামারস্টন]], সংসদের বিলুপ্তির সময় লর্ড শাফটসবারির কাছে মন্তব্য (জুলাই ১৮৬৫), ই. হডারের ''দ্য লাইফ অ্যান্ড ওয়ার্ক অফ দ্য সেভেনথ আর্ল অফ শাফটসবারি, খণ্ড ৩'' (১৮৮৬) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ১৮৭–১৮৮
* এই চিঠিগুলো যেমনটি দেখায়, যে মানুষটিকে [[জন ডালবার্গ-অ্যাক্টন, ১ম ব্যারন অ্যাক্টন|লর্ড অ্যাক্টন]] অন্য সবার চেয়ে বেশি সম্মান করতেন এবং শ্রদ্ধা করতেন তিনি হলেন মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন। মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন তার বৈশিষ্ট্যমূলক বিনয়ের সাথে সর্বদা ঐতিহাসিক বিষয়ে লর্ড অ্যাক্টনের বিচারের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করতেন। অন্যদিকে, লর্ড অ্যাক্টন, যিনি অত্যন্ত অতি-সমালোচক ছিলেন এবং বীর-উপাসনার ঠিক বিপরীত ছিলেন। যদি কখনও কোনো প্রতিমা ধ্বংসকারী থেকে থাকেন, তবে তিনি মিস্টার গ্ল্যাডস্টোনকে জীবিত বা মৃত প্রথম ইংরেজ রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে বিবেচনা করতেন।
** [[w:হার্বার্ট পল|হার্বার্ট পল]], পরিচায়ক স্মৃতিচারণ, ''লেটারস অফ লর্ড অ্যাক্টন টু মেরি, ডটার অফ দ্য রাইট অনারেবল ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোন'' (১৯০৪) [https://books.google.com/books?id=nV0wAAAAIAAJ&pg=PR60 পৃ. ৬০]
*আপনি সম্ভবত শুনেছেন আমরা ট্যারিফের বিষয়ে আলোচনা শেষ করেছি। আমি আপনার ছেলের অর্জিত পার্থক্যের জন্য, যে পদ্ধতিতে তিনি সেই আলোচনাগুলোতে এবং অফিসে নিয়োগের পর থেকে অন্যান্য সমস্ত আলোচনায় নিজেকে পরিচালিত করেছেন, তার জন্য আপনাকে আন্তরিকভাবে অভিনন্দন জানানোর প্রলোভন থেকে নিজেকে আটকাতে পারছি না, তা শুধু আমার নিজের অনুভূতির তৃপ্তির জন্যই হোক না কেন। সংসদের ইতিহাসে কখনও সক্ষমতা, বিস্তৃত জ্ঞান, মেজাজ এবং বিচক্ষণতার এমন প্রশংসনীয় সংমিশ্রণ প্রদর্শিত হয়নি। আপনার ছেলে যে বৌদ্ধিক প্রচেষ্টা করেছেন তার স্বাভাবিক এবং ন্যায়সঙ্গত সাফল্যের দ্বারা আপনার পিতৃসুলভ অনুভূতিগুলো সর্বোচ্চ মাত্রায় তৃপ্ত হতে হবে। এবং একজন বাবা হিসেবে আপনি অত্যন্ত আনন্দিত হবেন এই ভেবে যে, তার ক্ষেত্রে এ ধরনের প্রচেষ্টা করার ক্ষমতা হৃদয়ের পবিত্রতা এবং আচরণের সততার সাথে মিলিত হয়েছে।
**[[রবার্ট পিল]] [[w:স্যার জন গ্ল্যাডস্টোন, ১ম ব্যারোনেট|জন গ্ল্যাডস্টোনকে]] লেখা চিঠি (১৬ জুন ১৮৪২), জন মর্লির ''দ্য লাইফ অফ উইলিয়াম এওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন, খণ্ড ১'' (১৯০৩) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ২৫৭
*একবার মধ্যাহ্নভোজে গ্ল্যাডস্টোন তরুণ প্রজন্মের ওপর এক তীব্র আক্রমণে মেতে উঠেছিলেন। তিনি [[ধ্রুপদী প্রাচীনত্ব|ধ্রুপদী সাহিত্য]] সম্পর্কে তাদের সমস্ত জ্ঞানের অভাবের ওপর অবজ্ঞা বর্ষণ করেছিলেন। এবং তার বিষয়টি বোঝাতে এবং এখনকার শোচনীয় অজ্ঞতা দেখাতে তিনি হঠাৎ আমার দিকে ফিরলেন। আমার বয়স তখন তেরো এবং আমি [[w:ইটন কলেজ|ইটনে]] ছিলাম। কিন্তু ধ্রুপদী সাহিত্য সম্পর্কে আমার জ্ঞান শূন্য ছিল। তিনি আমাকে [[হোরেস|হোরেসের]] একটি উদ্ধৃতিতে কোনো শব্দাংশের পরিমাণ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছিলেন। আমি কখনও উদ্ধৃতিটি শুনিনি এবং এটি দীর্ঘ বা ছোট সে সম্পর্কে আমার কোনো ধারণা ছিল না। কিন্তু যেহেতু আমার কাছ থেকে স্পষ্টতই কিছু বলার আশা করা হয়েছিল তাই আমি বললাম "দীর্ঘ"। তিনি টেবিলে আঘাত করলেন এবং বিজয়ের সুরে চিৎকার করে উঠলেন, "সবাই তা-ই বলে", এবং আমার মনে হলো যেন আমি ভুল করে কোনো বিজয়ীকে সমর্থন করেছি। তারপর তিনি তার মহিমান্বিত ভঙ্গিতে চালিয়ে গেলেন, "তবে এটি ভুল, সম্পূর্ণ ভুল; এটি ছোট, দীর্ঘ নয়।" এবং এর জন্য খুব জোরালো কারণ দেওয়ার পর তিনি এগিয়ে গেলেন: "পরের বার যখন আপনি হোরেসের [[ওডস (হোরেস)|ওডস]] করবেন, তখন আপনি উঠে দাঁড়িয়ে মাস্টারকে জিজ্ঞাসা করবেন এটি ছোট নাকি দীর্ঘ। এবং তিনি যখন উত্তর দেবেন, যেমনটি তিনি নিঃসন্দেহে দেবেন, যে এটি দীর্ঘ, তখন আপনি বলবেন "না, স্যার, আপনি ভুল।" এবং আমি এইমাত্র যে কারণগুলো দিয়েছি তা আপনি পুনরাবৃত্তি করবেন।" আমি নিজেকে তেরো বছরের এক ফ্যাকাশে যুবক হিসেবে দেখতে পাচ্ছিলাম, যে দাঁড়িয়ে আছে এবং ধ্রুপদী মাস্টারের জন্য একটি ফাঁদ পাতছে, এবং তারপর ব্যাখ্যার জগাখিচুড়ি তৈরি করছে। আমি বেশ অনিবার্য ফলাফলটিও আগে থেকে দেখতে পাচ্ছিলাম, যা ধৃষ্টতার জন্য একটি উত্তম প্রহার হবে। আমি কখনই তার পরামর্শটি পালন করিনি।
**[[w:ফ্রেডেরিক পনসনবি, ১ম ব্যারন সিসনবি|ফ্রেডেরিক পনসনবি]], ''রেকালেকশনস অফ থ্রি রেইনস'' (১৯৫১), পৃ. ৩-৪
*দুর্গত ও নিপীড়িত জাতিগুলোর পক্ষে মিস্টার গ্ল্যাডস্টোনের দীর্ঘ ও উদ্যমী প্রচেষ্টা দেখায় যে তার মহান উপহারগুলো কেবল তার নিজের দেশবাসীর জন্যই নয়, সাধারণ মানবতার জন্যও একচেটিয়াভাবে ব্যবহৃত হয়নি।
**[[w:জর্জ পটার (ট্রেড ইউনিয়নবাদী)|জর্জ পটার]], ''লাইফ অফ ডব্লিউ. ই. গ্ল্যাডস্টোন'' (১৮৮৫), ই. এফ. বিয়াগিনির ''ব্রিটিশ ডেমোক্রেসি অ্যান্ড আইরিশ ন্যাশনালিজম, ১৮৭৬–১৯০৬'' (২০০৭) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ৩৯
*বিনা পরিশ্রমে—আমার কাছে এমনটিই মনে হয়েছিল—মহান বাগ্মী তার দর্শকদের প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে ধরে রেখেছিলেন। আমি এত দূরে দাঁড়িয়েছিলাম যে বৈশিষ্ট্যগুলো অস্পষ্ট ছিল, কিন্তু বিস্ময়কর কণ্ঠস্বরের সুর এবং চুম্বকত্বে মন্ত্রমুগ্ধ হয়েছিলাম। আমি আগে কখনো এই লোকটির মতো কোনো বক্তার কথা শুনিনি। তিনি যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছিলেন তার গুণাগুণ সম্পর্কে আমি সামান্যই জানতাম এবং কম পরোয়া করতাম। আমি কেবল একটি মহান মানবিক ব্যক্তিত্বের উপস্থিতি সম্পর্কে সচেতন ছিলাম যার জাদুতে আমি ছিলাম এবং যার কাছ থেকে আমি কোনোভাবেই বাঁচতে পারছিলাম না। শব্দের জাদুটি তার বিস্ময়কর কণ্ঠে ছিল। এবং তিনি যা বলেছিলেন তা যদি আমার কাছে অবোধ্যও হতো, তবুও তার কণ্ঠস্বর অনুপ্রেরণা এবং উত্তরণের ক্ষমতার মতো কিছু একটা নিয়ে এসেছিল।
**[[w:ফ্রেডেরিক রজার্স (বুকবাইন্ডার)|ফ্রেডেরিক রজার্স]], ব্ল্যাকহিথে গ্ল্যাডস্টোনের ১৮৭১ সালের অক্টোবরের বক্তৃতার কথা স্মরণ করে, ''লেবার, লাইফ অ্যান্ড লিটারেচার: সাম মেমোরিস অফ সিক্সটি ইয়ারস'' (১৯১৩) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ২৫
* '''তার [[শক্তি|শক্তির]] ত্রুটিগুলো তার ওপর বাড়তে থাকে। সব কালো খুব কালো, সব সাদা খুব সাদা।'''
** [[w:আর্কিবল্ড প্রিমরোজ, ৫ম আর্ল অফ রোজবেরি|লর্ড রোজবেরি]], ডায়েরি এন্ট্রি (৪ আগস্ট ১৮৮৭)
*একসময় রাস্কিন এবং মিস্টার জি.র মধ্যে সামান্য বন্ধুত্বপূর্ণ দ্বৈরথের মতো কিছু একটা ঘটেছিল, যখন রাস্কিন সরাসরি তার আয়োজককে "সমতা বিধানকারী" হিসেবে আক্রমণ করেছিলেন। "আপনি দেখেন আপনি মনে করেন একজন মানুষ অন্যের মতোই ভালো এবং সব মানুষ রাজনৈতিক প্রশ্নে সঠিকভাবে বিচার করতে সমানভাবে পারদর্শী। অথচ আমি অভিজাততন্ত্রে বিশ্বাসী।" এবং সরাসরি মিস্টার গ্ল্যাডস্টোনের কাছ থেকে উত্তর এল, "'''ওহ ডিয়ার, না! আমি এ ধরনের কিছুই নই। আমি অভিজাত নীতিতে একজন দৃঢ় বিশ্বাসী—সেরাদের শাসন। আমি একজন চরম অসমতাবাদী'''।" এটি এমন একটি স্বীকারোক্তি যা রাস্কিন তীব্র আনন্দের সাথে গ্রহণ করেছিলেন এবং বিজয়ীভাবে হাততালি দিয়েছিলেন।
**[[জন রাস্কিন]] এবং গ্ল্যাডস্টোনের মধ্যে কথোপকথনের একটি বিবরণ, জন মর্লির ''দ্য লাইফ অফ উইলিয়াম এওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন, খণ্ড ২'' (১৯০৩), পৃ. ৫৮২ এবং জন রাস্কিনের ''লেটারস টু এম. জি. অ্যান্ড এইচ. জি.'' (১৯০৩) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ২৬-২৭
*দর্শকের পরামর্শে [[w:হাওয়ার্ডেন ক্যাসেল (অষ্টাদশ শতক)|হাওয়ার্ডেনে]] একটি খেলা খেলা হয়েছিল (যদি তা সঠিক শব্দ হয়)। প্রত্যেক ব্যক্তিকে বলতে হয়েছিল যে তারা অতীত বা ভবিষ্যতের কোন দিনটিতে বাঁচতে বেছে নেবে। এটি শর্ত ছিল যে তার বর্তমান জ্ঞান থাকতে হবে এবং এরপর সে বর্তমান অস্তিত্বে ফিরে আসবে। মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন বলেছিলেন [[প্রাচীন গ্রিস|প্রাচীন গ্রিসের]] একটি দিন যখন [[অ্যাথেন্স]] তার সর্বোচ্চ গৌরবে ছিল। দর্শক বলেছিলেন তিনি [[w:পেন্টেকোস্ট|পেন্টেকোস্টের]] দিনটি বেছে নেবেন। এতে মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন কিছুটা লজ্জিত হয়ে তার আগের পছন্দ প্রত্যাহার করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন তিনি "প্রভুর সাথে একটি দিন" নির্বাচন করবেন।
**[[w:এডওয়ার্ড রাসেল, ১ম ব্যারন রাসেল অফ লিভারপুল|ই. আর. রাসেল]], ''দ্যাট রিমাইন্ডস মি—'' (১৯০০), পৃ. ১২৩-১২৪
* '''তিনিই প্রথম চ্যান্সেলর অব দি এক্সচেকার যিনি বাজেটকে আকর্ষণীয় করে তুলেছিলেন।''' বলা হতো, "তিনি দোকানের কথা বলতেন একজন দশম মিউজের মতো।" তিনি সবচেয়ে নীরস ব্যয় এবং লাভের প্রশ্নগুলোতে তার উজ্জ্বল বাগ্মিতার সমস্ত সম্পদ প্রয়োগ করতে পারতেন। তিনি বিয়ারকে রোমান্টিক এবং চিনিকে সিরিয়াস করতে পারতেন। তিনি আর্থিক ভবিষ্যতের সবচেয়ে বিস্তৃত দিগন্ত পরিষ্কার করতে পারতেন। তবুও পেনি স্ট্যাম্প এবং আধা-ফারথিংয়ের আর্থিক যোগ্যতার মতো ক্ষুদ্রতম বিষয়গুলোতে সর্বোচ্চ মনোযোগ দিতে নিচে নামতে পারতেন।
** [[w:জর্জ উইলিয়াম এরস্কিন রাসেল|জি. ডব্লিউ. ই. রাসেল]], [http://www.gutenberg.org/files/11665/11665-8.txt ''কালেকশনস অ্যান্ড রেকালেকশনস''] (১৮৯৮): অধ্যায় ১২: পার্লামেন্টারি ওরেটরি
*জীবিতদের তালিকা থেকে এই শতাব্দীর সবচেয়ে বিশিষ্ট রাজনৈতিক নামটি প্রত্যাহার করা হয়েছে। তিনি যা চেয়েছিলেন তা হলো মহান আদর্শের অর্জন। সেগুলো সঠিক বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে থাকুক বা না থাকুক, সেগুলো সর্বশ্রেষ্ঠ এবং বিশুদ্ধতম নৈতিক আকাঙ্ক্ষা থেকে ছাড়া আর কিছুই থেকে আসতে পারে না। তিনি তার দেশবাসীর দ্বারা সম্মানিত কারণ এত বছর ধরে, এতগুলো উত্থান-পতন এবং দ্বন্দ্বের মধ্য দিয়ে তারা তার কর্মের এই একটি বৈশিষ্ট্যকে স্বীকৃতি দিয়েছে যা তাকে কখনই ছাড়েনি, তাকে রঙিন করা বন্ধ করেনি। তিনি বিশেষ করে তাদের কাছে যারা তার শেষ বছরগুলোর ইতিহাস গভীর আগ্রহের সাথে অনুসরণ করেছেন। একজন মহান খ্রিস্টান রাষ্ট্রনায়কের স্মৃতি রেখে যাবেন, যা অগত্যা উঁচুতে স্থাপিত হয়েছে, যেখান থেকে তার চরিত্র, তার উদ্দেশ্য এবং তার উদ্দেশ্যগুলোর দৃশ্য এমনভাবে অবস্থিত ছিল যাতে এটি সমগ্র বিশ্বকে আঘাত করতে পারে। তিনি যে প্রজন্মে বাস করতেন তার রাজনৈতিক চিন্তাধারা এবং সামাজিক চিন্তাধারায় এটি একটি গভীর এবং সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর প্রভাব রেখে যাবে। তিনি দীর্ঘকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবেন, তিনি যে কারণগুলোতে যুক্ত ছিলেন বা তিনি যে রাজনৈতিক প্রকল্পগুলোর পক্ষে ছিলেন তার জন্য এতটা নয়, বরং একজন মহান খ্রিস্টান মানুষ হিসেবে, যার সমকক্ষ ইতিহাস খুব কমই প্রদান করে।
**[[রবার্ট গ্যাসকোয়েন-সেসিল, ৩য় মার্কুইস অফ সালিসবারি|লর্ড স্যালিসবেরি]], [https://api.parliament.uk/historic-hansard/lords/1898/may/20/death-of-mr-gladstone#S4V0058P0_18980520_HOL_59 হাউস অফ লর্ডসে দেওয়া ভাষণ (২০ মে ১৮৯৮)]
*এমন একজন ব্যক্তি ছিলেন যিনি কেবল অতুলনীয় সুযোগের সাথে উচ্চ ক্ষমতাকে একত্রিত করেননি, বরং কীভাবে বাজেটকে রাজনৈতিক বিজয়ে পরিণত করতে হয় তাও জানতেন। তিনি অর্থনৈতিক উদারনীতির সবচেয়ে বড় ইংরেজ অর্থদাতা হিসেবে ইতিহাসে দাঁড়িয়ে আছেন, গ্ল্যাডস্টোন। গ্ল্যাডস্টোনিয়ান অর্থায়ন ছিল 'প্রাকৃতিক স্বাধীনতা,' [[অবাধ নীতি|লেসে-ফেয়ার]] এবং [[অবাধ বাণিজ্য|অবাধ বাণিজ্যের]] ব্যবস্থার অর্থায়ন। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল ব্যক্তিগত ক্রিয়াকলাপের আর্থিক বাধা দূর করা। আর এর জন্য সরকারি ব্যয় কম রাখা প্রয়োজন ছিল। ব্যয় সংকোচন ছিল সেদিনের বিজয়ী স্লোগান। সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ ছিল সেই রাজস্ব সংগ্রহ করা যা এখনও এমনভাবে সংগ্রহ করতে হবে যাতে সমস্ত কর না থাকলে অর্থনৈতিক আচরণ যতটা বিচ্যুত হতো, তার চেয়ে যতটা সম্ভব কম বিচ্যুত হয় ('কেবলমাত্র রাজস্বের জন্য কর')। আর যেহেতু লাভের উদ্দেশ্য এবং সঞ্চয়ের প্রবণতাকে সমস্ত শ্রেণির অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হতো, এর অর্থ বিশেষ করে এই ছিল যে করের ফলে ব্যবসার নিট উপার্জনে যতটা সম্ভব কম হস্তক্ষেপ করা উচিত। পরোক্ষ করের বিষয়ে ন্যূনতম হস্তক্ষেপের নীতিকে গ্ল্যাডস্টোন ব্যাখ্যা করেছিলেন এই বলে যে করকে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নিবন্ধের ওপর ঘনীভূত করা উচিত এবং বাকিগুলো বিনামূল্যে ছেড়ে দেওয়া উচিত। সবশেষে আমরা ভারসাম্যপূর্ণ বাজেটের নীতিটি পাই।
**[[জোসেফ শুম্পেটার]], ''হিস্ট্রি অফ ইকোনমিক অ্যানালাইসিস'' (১৯৫৪), পৃ. ৪০২-৪০৪
*আমি সন্দেহ করতে পারি না যে সঠিক মাননীয় ভদ্রলোক, অবাধ বাণিজ্যের প্রবক্তা, অচিরেই চিন্তার সবচেয়ে অবাধ স্বাধীনতার প্রবক্তা হয়ে উঠবেন।
**[[w:রিচার্ড লালর শেইল|রিচার্ড লালর শেইল]], [[w:লেডি হিউলে ট্রাস্ট#ডিসেন্টারস চ্যাপেল আইন ১৮৪৪|ডিসেন্টিং চ্যাপেলস বিল]] নিয়ে বিতর্কের সময় হাউস অফ কমন্সে [http://hansard.millbanksystems.com/commons/1844/jun/06/dissenters-chapels-bill#S3V0075P0_18440606_HOC_20 ভাষণ] (৬ জুন ১৮৪৪)
*আমি এমনকি গ্ল্যাডস্টোনের সেই ছোট ঝলকটিকেও ঈর্ষা করি যা আপনি অ্যাবেরিস্টউইথে আসার সময় পেয়েছিলেন। আমি নিশ্চিত যে সেই ঐতিহাসিক দিনগুলোতে একজন কানাডীয় যুবক হিসেবে গ্ল্যাডস্টোন আমার কাছে কী অর্থ বহন করতেন সে সম্পর্কে আপনার কোনো ধারণা নেই। আমার দাদা একজন কঠোর প্রেসবাইটেরিয়ান এবং সমানভাবে কঠোর লিবারেল ছিলেন। আমি নিশ্চিত যে তার কাছে গ্ল্যাডস্টোনের বক্তৃতা প্রায় বাইবেলের সমতুল্য ছিল। আমি সেই পরিবেশে বড় হয়েছি এবং প্রাথমিক প্রশিক্ষণটি সত্যিই কখনও কাটিয়ে উঠিনি। আসলে, আমি এটি কাটিয়ে উঠতে চাইনি কারণ এটি একটি দুর্দান্ত দৃষ্টিভঙ্গি, যা এর মানবতা এবং ন্যায়বিচারের অনুভূতিতে সমৃদ্ধ।
**[[w:জেমস টি. শটওয়েল|জেমস টি. শটওয়েল]] থেকে [[w:থমাস জোনস (সরকারি কর্মচারী)|থমাস জোনস]] (৬ জানুয়ারি ১৯৫০), থমাস জোনসের ''আ ডায়েরি উইথ লেটারস, ১৯৩১–১৯৫০'' (১৯৫৪) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ৫৪৭
*শনিবার বিকেলে গ্রিনউইচে দাঁড়িয়ে আমি যখন আধুনিক সময়ের সবচেয়ে মহান বাগ্মী এবং রাষ্ট্রনায়কের জ্বলন্ত কথাগুলো শুনছিলাম, তখন আমার মনে হলো যেন আমি রাজনীতির এক পবিত্র অঞ্চলে উন্নীত হয়েছি। যেখানে টোরিরা দুর্নীতি করতে পারে না বা জিঙ্গোরা ভেঙে পড়তে এবং চিৎকার করতে পারে না।
**''রেফারি''-তে (১৮৭৭) [[w:জর্জ রবার্ট সিমস|জর্জ রবার্ট সিমস]], গ্রিনউইচে গ্ল্যাডস্টোনের ১৮৭১ সালের বক্তৃতার কথা স্মরণ করে, ফ্রেডেরিক রজার্সের ''লেবার, লাইফ অ্যান্ড লিটারেচার: সাম মেমোরিস অফ সিক্সটি ইয়ারস'' (১৯১৩) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ২৫-২৬
*শ্রমিকদের স্বাভাবিক ধর্ম গ্ল্যাডস্টোনিয়ানবাদ, এই প্রায় সার্বজনীন 'সাধারণ ধারণা'।
**[[w:জন স্ট্রেচি (সাংবাদিক)|জন স্ট্রেচি]], ‘ইনফ্রিঞ্জিং আ পলিটিক্যাল প্যাটেন্ট’, ''দ্য নাইনটিনথ সেঞ্চুরি'' ৩৭ (ফেব্রুয়ারি ১৮৯৫), পৃ. ২০৮
*আমরা সবাই একমত হতে পারি যে [[চার্লস জর্জ গর্ডন|গর্ডনকে]] মুক্তি দিতে ব্যর্থ হওয়া গ্ল্যাডস্টোনের ক্যারিয়ারের সবচেয়ে অপমানজনক পর্ব ছিল।
**[[এ. জে. পি. টেলর]], 'আ ক্র্যাকড হিরো', ''দ্য ম্যানচেস্টার গার্ডিয়ান'' (২৯ অক্টোবর ১৯৫৪), পৃ. ৪
*স্যার, আমি কেবল আপনাকে বলতে পারি যে আমি তাকে যতই গভীরভাবে অবিশ্বাস করি না কেন এবং সামগ্রিকভাবে তার বাগ্মিতার বাহ্যিক গুণাবলীকে আমি যতই হালকাভাবে মূল্যায়ন করি না কেন, আমি কখনও মানুষের ওপর তার প্রভাব দেখে বিস্মিত না হয়ে তাকে কয়েক মিনিটের জন্যও শুনিনি। একজন [[w:কোভেনান্টার|কোভেনান্টারের]] মতো কঠোর অথচ একজন কৌতুক অভিনেতার মতো মোবাইল সেই সাদা-তপ্ত মুখ। সেই অস্থির জ্বলজ্বলে চোখ। সেই বিস্ময়কর কণ্ঠস্বর, উত্তরের সুর যার সমৃদ্ধি বাড়িয়ে তোলে, যেমন কাঠের স্পর্শ একটি দুর্লভ পুরোনো ওয়াইনের মাধুর্য বের করে আনে। তার বাচনের নিপুণ তাল। তার ভঙ্গির প্রাণবন্ত শক্তি। তার অঙ্গভঙ্গির সূক্ষ্ম সজীবতা। স্যার, যখন আমি চোখ এবং কানের মাধ্যমে আক্রমণকারীদের এই কম্প্যাক্ট ফ্যালানক্স দ্বারা আক্রান্ত হই, তখন কী আশ্চর্য যে ইন্দ্রিয়ের ঝড়ো ঘাঁটিগুলো মনের প্রধান শিবিরে তাদের নিজস্ব আত্মসমর্পণের ছোঁয়াচ ছড়িয়ে দেবে। এবং আমার বিচারের বিরুদ্ধে, আমার বিবেকের অবজ্ঞায়, না, আমার ইচ্ছার অবজ্ঞায়, আমাকে চিৎকার করে বলতে হবে: "এটি সত্যিই সত্য এবং প্রজ্ঞার কণ্ঠস্বর। এই লোকটি তার সঙ্গীদের চেয়ে সৎ এবং বিচক্ষণ। তাকে বিশ্বাস করতে হবে। তাকে মানতে হবে।"
**[[w:হেনরি ডাফ ট্রেইল|হেনরি ডাফ ট্রেইল]], ''দ্য নিউ লুসিয়ান, বিয়িং আ সিরিজ অফ ডায়ালগস অফ দ্য ডেড'' (১৮৮৪), পৃ. ১৭৯
* '''তিনি আমার সাথে এমনভাবে কথা বলেন যেন আমি কোনো জনসভা।'''
** [[যুক্তরাজ্যের ভিক্টোরিয়া|রানি ভিক্টোরিয়া]], জি. ডব্লিউ. ই. রাসেলের ''কালেকশনস অ্যান্ড রেকালেকশনস'' (১৮৯৮) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ১৪০
* বেচারা, তিনি খুব চালাক ছিলেন এবং দেশের উন্নতি ও অগ্রগতির জন্য ধারণায় পূর্ণ ছিলেন। তিনি ব্যক্তিগতভাবে আমার প্রতি সবসময় সবচেয়ে অনুগত ছিলেন এবং রাজপরিবারের জন্য যেকোনো কিছু করতে প্রস্তুত ছিলেন। কিন্তু হায়! আমি নিশ্চিত যে অনিচ্ছাকৃতভাবেই তিনি মাঝে মাঝে বেশ ক্ষতি করেছিলেন। তার কথা বলার এবং জনতাকে তার সাথে নিয়ে যাওয়ার এক চমৎকার ক্ষমতা ছিল।
** রানি ভিক্টোরিয়া, গ্ল্যাডস্টোনের মৃত্যুর খবরে ডায়েরি এন্ট্রি, ১৯ মে ১৮৯৮
*গ্ল্যাডস্টোনের জীবন পড়ছি। এটা লক্ষ করা আকর্ষণীয় যে যখন, দশ বছরের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার পর, তিনি নিশ্চিত হয়েছিলেন রাষ্ট্রকে একটি অবিশ্বাসী রাষ্ট্র হতে হবে এবং ধর্মীয় সত্য প্রচারের জন্য ব্যবহার করা যাবে না। তিনি সরাসরি এমন একজন ''[[অবাধ নীতি|লেসে-ফেয়ার]]'' গণতন্ত্রীতে পরিণত হয়েছিলেন যিনি অবিচলভাবে সরকারের কার্যকারিতা হ্রাস করার নীতি আঁকড়ে ধরেছিলেন। এবং কোনো ব্যক্তি আগে থেকে রাজি না হওয়া পর্যন্ত কিছুই না করার নীতি আঁকড়ে ধরেছিলেন। তাই তার জাতীয়তার মতবাদ এবং শেষ পর্যন্ত [[w:আইরিশ হোমরুল আন্দোলন|আইরিশ হোমরুল]]। এর সাথে যুক্ত করুন বুদ্ধিবৃত্তিক বিশ্বাসের অকৃত্রিম পরিবর্তন, শহরের শ্রমিকদের অপরিপক্ব গণতন্ত্রের সাথে একমত হওয়ার শক্তিশালী আবেগ এবং একজন পুনরুজ্জীবনকারী প্রচারক হিসেবে তার অসামান্য প্রতিভার কারণে, এর নেতৃত্ব দেওয়া। আপনি ১৮৬৯-৮০ সালের গ্ল্যাডস্টোনকে পাবেন। ১৮৮০ সালের পর শহরের শ্রমিকদের নতুন গণতন্ত্রের সামষ্টিকবাদী প্রবণতার প্রতি তার সহানুভূতি ছিল না। এবং তিনি একজন প্রতিক্রিয়াশীল হয়ে উঠেছিলেন, নতুন ধর্মমতের ভয়ে এবং নতুন প্রেরিতদের ঘৃণা করে করুণভাবে [[w:ননকনফর্মিস্ট (প্রোটেস্ট্যান্ট মতবাদ)|ননকনফর্মিস্ট]] মধ্যবিত্তদের কাছে আবেদন করেছিলেন। তার আত্মা তার নিজস্ব নীতিগুলোতে মোড়ানো ছিল—ধর্মীয় এবং অর্থনৈতিক—প্রতিটি জলরোধী বগিতে সেট করা। তিনি কখনই ধারণার নতুন ক্রম উপলব্ধি করতে পারেননি। তাছাড়া তিনি সামাজিকভাবে একজন অভিজাত ছিলেন এবং ধন-সম্পদ ও রাজনৈতিক ক্ষমতায় ''পারভেনু''কে অপছন্দ করতেন। যেমন [[জোসেফ চেম্বারলেইন|চেম্বারলেইন]]।
**[[w:বিয়াট্রিস ওয়েব|বিয়াট্রিস ওয়েব]], ডায়েরি এন্ট্রি (৩ নভেম্বর ১৯০৩), বিয়াট্রিস ওয়েবের ''আওয়ার পার্টনারশিপ'', সম্পাদিত বারবারা ড্রেক এবং মার্গারেট আই. কোল (১৯৪৮) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ২৭৫
* আহ, অক্সফোর্ড ওপরে, কিন্তু লিভারপুল নিচে।
** গ্ল্যাডস্টোনের বাজেটে কমন্সে একজন নামহীন হুইগের মন্তব্য (ফেব্রুয়ারি ১৮৬০), ''ন্যাশনাল রিভিউ''-তে (জুলাই ১৮৬০) [[ওয়াল্টার ব্যাজেট|ওয়াল্টার ব্যাজেটের]] "মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন" হিসেবে রিপোর্ট করা হয়েছে।
*গ্ল্যাডস্টোন আইরিশ সমস্যার সমাধান করতে ব্যর্থ হলেও—যদিও তিনি এটিকে শীতল করার জন্য অনেক কিছু করেছিলেন—আমার সময়ের কোনো রাজনীতিবিদ তাকে সমালোচনা করার মতো অবস্থানে নেই। তিনি খুব প্রয়োজনীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য অনেক সময় এবং প্রচেষ্টা উৎসর্গ করেছিলেন। উদাহরণস্বরূপ, পৃষ্ঠপোষকতার পরিবর্তে প্রতিযোগিতার জন্য সিভিল সার্ভিস উন্মুক্ত করা। সেনাবাহিনীর কমিশন কেনার ব্যবস্থা বাতিল করা। তার দৃষ্টান্তেই বিচার ব্যবস্থা নাটকীয়ভাবে সংস্কার করা হয়েছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ের ধর্মীয় পরীক্ষার ভিত্তিতে আমাদের মহান বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে প্রবেশের সমাপ্তি ঘটেছিল। তিনি [[w:উইলিয়াম এডওয়ার্ড ফরস্টার|ফরস্টারের]] [[w:প্রাথমিক শিক্ষা আইন ১৮৭০|শিক্ষা আইনের]] মাধ্যমে জাতীয় শিক্ষায় দুর্দান্ত অগ্রগতির প্রধান রূপকার ছিলেন। প্রথমবারের মতো প্রাথমিক শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করেছিলেন। তিনি ডিসরায়েলির পূর্বদেশীয় নীতিতে ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন। এবং [[w:মিডলোথিয়ান প্রচারাভিযান|মিডলোথিয়ান প্রচারাভিযান]], যা সম্ভবত আমাদের ইতিহাসে রাজনৈতিক বক্তৃতার সর্বশ্রেষ্ঠ সিরিজ। এটি কেবল শ্রোতাদের পর শ্রোতাদেরই মুগ্ধ করেনি, বরং উদীয়মান জাতিগুলোর অধিকারের সমস্যার একটি নতুন দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করেছে। এটি যুক্তিসঙ্গত যে পূর্ববর্তী বা পরবর্তী কোনো প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে এতটা অর্জন করতে পারেননি।
**[[হ্যারল্ড উইলসন]], হাওয়ার্ডেনে বক্তৃতা (১৯৮৬), পিটার জে. জ্যাগার (সম্পাদিত) এর ''গ্ল্যাডস্টোন'' (১৯৯৮) গ্রন্থে পিটার জে. জ্যাগার, ‘ইন্ট্রোডাকশন’-এ উদ্ধৃত, পৃ. ১২
*তিনিই সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ রাষ্ট্রনায়ক এবং আমি যখন বড় হব, তখন আমিও একজন মহান রাষ্ট্রনায়ক হওয়ার ইচ্ছে রাখি।
**[[উড্রো উইলসন]], ১৬ বছর বয়সে উইলসনের ডেস্কের ওপরে থাকা গ্ল্যাডস্টোনের ছবি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা একজন চাচাতো ভাইয়ের কাছে মন্তব্য (১৮৭৩), উইলিয়াম বার্কসডেল মেনার্ডের ''উড্রো উইলসন: প্রিন্সটন টু দ্য প্রেসিডেন্সি'' (২০০৮) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ৭
=== ''রেমিনিসেন্স অফ লর্ড কিলব্র্যাকেন'' (১৯৩১) ===
:<small>[[w:আর্থার গডলি, ১ম ব্যারন কিলব্র্যাকেন|লর্ড কিলব্র্যাকেন]] দ্বারা</small>
*সত্য হলো, আমি বিশ্বাস করি, রাজনৈতিক প্রশ্নগুলো সাধারণত তার মনে ন্যায়-অন্যায়ের নৈতিক প্রশ্ন হিসেবে দেখা দিত। তিনি প্রথম দেখায় এটি উপলব্ধি করতে অসুবিধা বোধ করতেন যে তার নিজের মতামতের বিপরীত কোনো মতামত কোনো সামান্য নৈতিক অবক্ষয় ছাড়াই ধারণ করা যেতে পারে।
**পৃ. ৭৯-৮০
*আমি মনে করি সামাজিক ও রাজনৈতিক বিষয়গুলো নিয়ে কোনো গুরুতর চিন্তাভাবনা করা আমার পরিচিত ব্যক্তিদের মধ্যে মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন ছিলেন সবচেয়ে শক্তিশালী সমাজতন্ত্র-বিরোধী। এটি বেশ সত্য, যেমনটি প্রায়শই বলা হয়েছে, "আমরা সবাই একটি নির্দিষ্ট পর্যায় পর্যন্ত সমাজতান্ত্রিক।" তবে মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন সেই পর্যায়টি আরও নিচে নির্ধারণ করেছিলেন, এবং যারা এর ওপরে গিয়েছিল তাদের বিরুদ্ধে আমার পরিচিত অন্য যেকোনো রাজনীতিবিদ বা কর্মকর্তার চেয়ে বেশি সোচ্চার ছিলেন। অবাধ বাণিজ্যের প্রতি তার দৃঢ় বিশ্বাস ছিল তার এই গভীর বিশ্বাসের একটি ফলাফল যে ব্যক্তির অবাধ ক্রিয়াকলাপে সরকারের হস্তক্ষেপ, তা করের মাধ্যমেই হোক বা অন্য কোনোভাবেই হোক, তা ন্যূনতম রাখা উচিত। সত্যি কথা বলতে কি, উদারনীতিবাদ সম্পর্কে তার ধারণা ছিল সমাজতন্ত্রের অবসান।
**পৃ. ৮৩-৮৪
*প্রয়োজনীয় সত্যটি ছিল তার সমস্ত আবেগের অসাধারণ তীব্রতা এবং প্রচণ্ডতা। আমরা যদি এক মুহূর্তের জন্য মানুষ সম্পর্কে চিন্তা করি, তারা অভ্যন্তরীণ শক্তি দ্বারা পরিচালিত হয় যা অশ্বক্ষমতার এককে পরিমাপ করা যায়। এবং আমরা যদি একজন সাধারণ মানুষের চিত্র ১০০ এবং একজন ব্যতিক্রমীভাবে উদ্যমী ব্যক্তির চিত্র ২০০ ধরি, তবে মিস্টার গ্ল্যাডস্টোনের অশ্বক্ষমতা ছিল কমপক্ষে ১,০০০। এবং এই বিশাল শক্তি যেকোনো দিকে এবং যেকোনো ছোট বা বড় উদ্দেশ্যে চালিত হতে পারে। সাধারণ মানুষ অলসভাবে এবং দুর্বলভাবে তাদের নিজ নিজ লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের দিকে ধাবিত হওয়া বিভিন্ন এবং অসংখ্য উদ্দেশ্য তার মধ্যে জ্বলন্ত তলোয়ার ছিল। এটি তাকে প্রায় অপ্রতিরোধ্য শক্তির সাথে সেই লক্ষ্যের দিকে ধাবিত করেছিল যার ওপর সেই মুহূর্তে তার পুরো মন নিবদ্ধ ছিল। এটি যোগ করার দরকার নেই যে এই তীব্র প্রাকৃতিক প্রচণ্ডতা, যা কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রিত এবং নির্দেশিত হয়েছিল, তা তার আধিপত্যের গোপন রহস্য ছিল। এটি সেই অসীম উৎসাহের গোপন রহস্য ছিল যা তিনি প্রায় সকলের মধ্যে জাগিয়ে তুলেছিলেন। তারা তাকে চিনত এবং হাজার হাজার মানুষের মধ্যে যারা তার মুখ দেখেনি বা তার কণ্ঠ শোনেনি।
**পৃ. ১২৩-১২৪
*একজন মানুষ হিসেবে, মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন নিজের একটি শ্রেণিতে ছিলেন। তিনি একজন অসাধারণ ভালো মানুষ ছিলেন। কিন্তু আমি মনে করি আমি তার মতো আরও ভালো কাউকে চিনতাম। তার বৌদ্ধিক উপহারগুলো বিস্ময়কর ছিল, কিন্তু খাঁটি বুদ্ধিমত্তার জন্য আমি অন্যদের চিনতাম যাদের আমি সমান বা উচ্চতর স্থান দেব। যা তাকে মানবজাতির বাকি অংশের থেকে আলাদা করেছিল তা হলো, প্রথমত, আমি যে বিশাল চালিকা শক্তির কথা বলেছিলাম তার সাথে এই গুণাবলীর সংমিশ্রণ। দ্বিতীয়ত, তিনি এই শক্তিশালী শক্তির ওপর যে কঠোর এবং কার্যকর নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছিলেন। এবং তৃতীয়ত, তার মনের আশ্চর্যজনকভাবে ব্যবহারযোগ্য গুণমান, যা সর্বদা তার নির্দেশে ছিল, সর্বদা পরিস্থিতি অনুযায়ী উঠত। এটি ব্যর্থভাবে তাকে অন্তহীন চিন্তাভাবনা, যুক্তি এবং শব্দ সরবরাহ করত। সম্ভবত চিন্তার এমন কিছু ক্ষেত্র ছিল যেখানে তিনি সহজে বা স্বাধীনভাবে চলাফেরা করতেন না, তবে সেগুলো এমন ছিল যে তাকে খুব কমই সেগুলোর সাথে নিজেকে জড়াতে হতো। এবং দ্রুত উপলব্ধি এবং একটি কঠিন বিষয়ের অন্তর্দৃষ্টির ক্ষেত্রে তিনি অপ্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন, যদি তা তার স্বাভাবিক দৃষ্টিসীমার মধ্যে পড়ে।
**পৃ. ১২৭
*আমি মনে করি বলা যেতে পারে যে তিনি স্বাভাবিক এবং অকৃত্রিমভাবে কেবল দুটি [রাষ্ট্রীয় বিভাগে] আগ্রহী ছিলেন। তা হলো ট্রেজারি এবং বোর্ড অফ ট্রেড। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাকে...পররাষ্ট্র বিষয়ক নিয়ে ভাবতে বাধ্য করা হয়েছিল...কিন্তু তার কাছে এটি সাধারণত একটি কাজের মতো ছিল। এবং তুরস্ক বা অন্য কোথাও "নিপীড়িত জাতিগুলোর" প্রতি তার উদার এবং প্রশংসনীয় আগ্রহ কার্যকর হওয়ার মতো ঘটনাগুলো ছাড়া, তার সমালোচনা এবং পরামর্শগুলো কম ছিল এবং প্রায় সবসময়ই [[শান্তি|শান্তি]], [[w:অ-হস্তক্ষেপবাদ|অ-হস্তক্ষেপ]] এবং ''[[অবাধ নীতি|লেসে-ফেয়ার]]'' এর দিকে ছিল... আমি তাকে কখনও এমন কোনো কথা বলতে শুনিনি যা নৌবাহিনী বা সেনাবাহিনীর প্রতি সামান্যতম আগ্রহ দেখায়, শুধু এইটুকু ছাড়া যে এগুলোর ব্যয়, যা তিনি সবসময় কমাতে আগ্রহী ছিলেন, তা প্রাক্কলনকে প্রভাবিত করত। প্রাচীন বা আধুনিক কোনো ব্রিটিশ অস্ত্রের কীর্তি নিয়ে তাকে গর্ব বা সন্তুষ্টির সাথে উল্লেখ করতে আমার মনে পড়ে না, যদিও তিনি তুর্কিদের সাথে তাদের যুদ্ধে "মন্টেনি-''গ্রিনদের''" সম্পর্কে প্রায়শই বাগ্মী ছিলেন, যেমনটি তিনি সবসময় তাদের ডাকতেন। যদি কখনও কোনো রাষ্ট্রনায়ক "শান্তির মানুষ" হিসেবে পরিচিত হওয়ার যোগ্য হন, তবে মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন সেই মানুষটি ছিলেন।
**পৃ. ১৩৫
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{commonscat|William Gladstone}}
* [http://hansard.millbanksystems.com/people/mr-we-gladstone/ হ্যানসার্ড ১৮০৩–২০০৫: উইলিয়াম গ্ল্যাডস্টোনের সংসদে অবদান]
* [http://www.attackingthedevil.co.uk/reviews/glad1.php ''রিভিউ অফ রিভিউজে'' ডব্লিউ. টি. স্টেড রচিত "মিস্টার গ্ল্যাডস্টোন" চরিত্র চিত্রণ (১৮৯২)]
* [http://www.britannica.com/EBchecked/topic/234729/William-Ewart-Gladstone ''এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকাে'' উইলিয়াম এওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন নিবন্ধ]
* [http://www.badley.info/history/Gladstone-William-Ewart-Great-Britain.biog.html উইলিয়াম এওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন কালপঞ্জি বিশ্ব ইতিহাস ডেটাবেস]
* {{গুটেনবার্গ লেখক| id=W.+E.+Gladstone|name=উইলিয়াম এওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন}}
* [http://www.pm.gov.uk/output/Page145.asp ডাউনিং স্ট্রিট ওয়েবসাইটে উইলিয়াম এওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন সম্পর্কে আরও জানুন]
* [http://www.liberalhistory.org.uk/item_single.php?item_id=7&item=biography লিবারেল ডেমোক্র্যাট হিস্ট্রি গ্রুপ থেকে উইলিয়াম এওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোন ১৮০৯–৯৮, জীবনী]
* [http://www.bbc.co.uk/radio4/factual/gramophones_grooves.shtml বিবিসি রেডিও – প্রোগ্রাম টুতে গ্ল্যাডস্টোনের কণ্ঠস্বরের রেকর্ডিং রয়েছে]
[[বিষয়শ্রেণী:১৮০৯-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৮৯৮-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী]]
[[বিষয়শ্রেণী:ইংল্যান্ডের রাজনীতিবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাজ্যের শিক্ষাবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:ইংল্যান্ডের ধর্মতত্ত্ববিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:লিবারেল পার্টির (যুক্তরাজ্য) রাজনীতিবিদ]]
[[বিষয়শ্রেণী:অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]]
[[বিষয়শ্রেণী:বিরোধীদলীয় নেতা (যুক্তরাজ্য)]]
db64h8jqh3jehe5sevrm54ku3ejtmp7
মাইকেল বিশপ
0
13485
83292
80864
2026-05-02T20:10:31Z
Tuhin
172
83292
wikitext
text/x-wiki
'''[[w:মাইকেল বিশপ (লেখক)|মাইকেল লসন বিশপ]]''' ([[১২ নভেম্বর]], [[১৯৪৫]] – [[১৩ নভেম্বর]], [[২০২৩]]) একজন পুরস্কার বিজয়ী মার্কিন কল্পবিজ্ঞান ও ফ্যান্টাসি লেখক ছিলেন।
== উক্তি ==
=== ছোটগল্প ===
==== ''[[w:মাইকেল বিশপ (লেখক)|ওল্ড ফোকস অ্যাট হোম]]'' (১৯৭৮) ====
:<small> [[w:গার্ডনার ডোজোয়া|গার্ডনার ডোজোয়া]] সম্পাদিত ''বেস্ট সায়েন্স ফিকশন স্টোরিজ অফ দ্য ইয়ার: এইটথ অ্যানুয়াল কালেকশন''-এ পুনঃপ্রকাশিত সংস্করণ থেকে পৃষ্ঠা নম্বর নেওয়া হয়েছে, {{ISBN|0-440-11232-X}} </small>
* তার পা সবসময় সেই চওড়া আর ঢিলেঢালা রেকাবে আটকে যেত: অর্থাৎ তার নিজের মুখে।
** পৃষ্ঠা ২৩৩
* “পরম বাণী। প্রতি তিন মাস অন্তর, প্রতি নতুন মাসের শুরুতে আমি এটি প্রচার করি।”<br>“কিসের পরম বাণী? আপনি তো জানেন, প্রত্যেকেরই নিজস্ব এক একটা পরম বাণী থাকে।”<br>“কীভাবে মরতে হবে না, সেই বাণী নারী। এটাই সব ধর্মের মূল ভিত্তি।”<br>“না,” জোয়ি বলল। “সব ধর্মের নয়; কেবল সেই ধর্মগুলোর, যারা বর্তমান নিয়ে ঠিক কী করতে হবে তা জানে না।”
** পৃষ্ঠা ২৮১
==== ''[[w:মাইকেল বিশপ (লেখক)|ক্রি ডি কোয়ের]]'' (১৯৯৪) ====
:<small> [[w:গার্ডনার ডোজোয়া|গার্ডনার ডোজোয়া]] সম্পাদিত ''দ্য ইয়ার'স বেস্ট সায়েন্স ফিকশন: টুয়েলভথ অ্যানুয়াল কালেকশন''-এ পুনঃপ্রকাশিত সংস্করণ থেকে পৃষ্ঠা নম্বর নেওয়া হয়েছে, {{ISBN|0-312-13222-0}} </small>
* শোনা যায় যে, [[w:তিগলাত-পিলেসার ৩|তিগলাত-পিলেসার]] একজন মানুষ ছিলেন। আর [[w:ক্যালিগুলা|ক্যালিগুলা]]-ও। বিশ শতকের বহু অত্যাচারী শাসকও তাই ছিলেন। এমনকি সেই বুদ্ধিহীন গাধাগুলোও মানুষ ছিল যারা পৃথিবীকে বৃক্ষহীন এক বন্দিশিবিরে পরিণত করেছে। আমি ভয় পাচ্ছি যে, মানুষ হওয়া মানেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে কেউ উপদেবতার মর্যাদা পায় না।
** পৃষ্ঠা ৪৩৩
=== ''[[w:মাইকেল বিশপ (লেখক)|এ ফিউনারেল ফর দ্য আইজ অফ ফায়ার]]'' (১৯৭৫) ===
:<small> ব্যালান্টাইন বুকস প্রকাশিত মাস মার্কেট প্রথম সংস্করণ থেকে সকল পৃষ্ঠা নম্বর নেওয়া হয়েছে, {{ISBN|0-345-24350-1}} </small>
* অজানার উপস্থিতিতে ভীত হওয়ার মধ্যে নিন্দনীয় কী ছিল?
** অধ্যায় ১, “প্ল্যানেটফল: দ্য হকস অফ কনসায়েন্স” (পৃষ্ঠা ৩৩)
* ঈশ্বর আমাকে ভীরুতার জন্য খুব একটা দোষ দিতে পারবেন না, কারণ তিনি তো নিজেই এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের হস্তক্ষেপ না করার বা অবাধ নীতির এক বিশাল উদাহরণ।
** অধ্যায় ২, “কভেন্যান্ট: ডেরিঞ্জার অ্যান্ড ডাসক্রা” (পৃষ্ঠা ৩৪)
* আমি টেলিপ্যাথিক সম্প্রদায় বা মনের খবর বুঝতে পারা সমাজ নিয়ে কিছুটা ভেবেছি, এবং আমি এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছি যে এটি সম্ভবত হয় একদল পুরোপুরি সন্দেহপ্রবণ অথবা পুরোপুরি একই ধাঁচের মানুষ তৈরি করবে। একদিকে থাকবে চরম অবিশ্বাস আর শত্রুতা, অন্যদিকে থাকবে সম্পূর্ণ সংহতি আর ঐক্য। আমি এর কোনোটিই পছন্দ করি না।
** অধ্যায় ২, “কভেন্যান্ট: ডেরিঞ্জার অ্যান্ড ডাসক্রা” (পৃষ্ঠা ৩৫)
* তবে কী আপনাকে অনুপ্রাণিত করে? দয়া করে আমাকে পরোপকারের কথা বলবেন না। আমি অতটাও সহজ-সরল নই।
** অধ্যায় ২, “কভেন্যান্ট: ডেরিঞ্জার অ্যান্ড ডাসক্রা” (পৃষ্ঠা ৪১)
* জবরদস্তি হলো নিরুপায়দের হাতিয়ার।
** অধ্যায় ৩, “সুপারস্টিশনস: এ নাইট পিস” (পৃষ্ঠা ৬৪)
* উন্মাদ ছাড়া আর কে পাহাড়ের সাথে লড়াই করতে যাবে?
** অধ্যায় ৪, “এনলাইটেনমেন্ট: ডাউন অন দ্য এজগ্লিম প্লেইনস” (পৃষ্ঠা ৭৫)
* “প্রকৃতির নিজস্ব যুক্তি আছে, অন্তত ভাই পিটার আমাদের তাই বলেন।”<br>“সুযোগের যুক্তি – যা নীতিহীন এবং মাঝেমধ্যে ভুল।”<br>“বেশ, ফাউটলিফ, আমরা পৃথিবীবাসীরা তো ‘প্রাকৃতিক’ প্রক্রিয়ারই ফসল। তাই মাঝেমধ্যে আমাদের মধ্যে এই দুটো জিনিস অর্থাৎ নীতিহীনতা আর ভুল খুঁজে পেলে আপনার অবাক হওয়া উচিত নয়।”
** অধ্যায় ৪, “এনলাইটেনমেন্ট: ডাউন অন দ্য এজগ্লিম প্লেইনস” (পৃষ্ঠা ৮৩)
* যেখানে যুক্তি কখনো চর্চা করা হয়নি, সেখানে যুক্তি খুঁজতে যাবেন না।
** অধ্যায় ৫, “অ্যাম্বিভ্যালেন্স: দ্য চিলড্রেন অফ দ্য ওয়েমার্টসি” (পৃষ্ঠা ৯২)
* শিশুদের জীবনীশক্তি স্বচ্ছ এবং সৎ। তাদের সামান্য ত্রুটিগুলো ৯৯ শতাংশ ক্ষেত্রেই তাদের অকর্মণ্য বড়দের সংকীর্ণতা থেকে আসে। এই মানসিক সংক্রামকতা একটি প্রজন্মগত বাস্তবতা। তবে শিশুরা তাদের বড়দের এই আধ্যাত্মিক স্কার্ভি বা অবক্ষয়ের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারে, কারণ তারা নতুন।
** অধ্যায় ৫, “অ্যাম্বিভ্যালেন্স: দ্য চিলড্রেন অফ দ্য ওয়েমার্টসি” (পৃষ্ঠা ৯৩)
* ''তবে যারা আপনাকে উপাসনা করে তারা কেবল তা-ই দেখে যা তারা দেখতে চায়, আপনার ভেতরের আসল রহস্যটি দেখার পরিবর্তে।''
** অধ্যায় ৬, “ইনকুইজিশন: দ্য মেসায়াহ হু কেম টু লেট” (পৃষ্ঠা ১১৩)
* “কাল বালডুইন, আপনি কি আশা করেন যে স্বপ্নও যৌক্তিকভাবে উন্মোচিত হবে? প্রতিটি ঘটনার কি সুনির্দিষ্ট আর বাস্তব কারণ থাকতে হবে?”<br>“না, আপনি যদি কোনো স্বপ্নের বর্ণনা দেন তবে তা লাগবে না। তবে আপনি যদি প্লেজসনের মতো দাবি করেন যে আপনার কল্পনা আর বাস্তবতা একই জিনিস, তবে আমি সংগতি আশা করি। অর্থহীন রূপকথার জন্য আমার বয়স এখন আর নেই।”
** অধ্যায় ৭, “ইন্টারলিউড: হার্টসিড অ্যান্ড টাওয়ার” (পৃষ্ঠা ১৪২)
* ঈশ্বর এবং মানুষ উভয়েই একে অপরকে সমান সুন্দর অবজ্ঞার চোখে দেখে।
** অধ্যায় ১১, “ইউসারপেশন: টু মেটিওরস, প্রডিগাল অফ লাইট” (পৃষ্ঠা ১৯৬)
* “মাননীয় বিচারক, আপনি কোনো সমস্যাকে সমস্যা হিসেবে গণ্য করা বন্ধ করে দিলেই যে সেটির অস্তিত্ব শেষ হয়ে যায়, এমনটা নয়।”<br>”প্রায়শই, ডেপুটি ফাউটলিফ, এমনটাই ঘটে।”
** অধ্যায় ১১, “ইউসারপেশন: টু মেটিওরস, প্রডিগাল অফ লাইট” (পৃষ্ঠা ২০০)
* বাইরে বৃষ্টি তার ছন্দময় আর উদাসীন ধারা চালিয়ে যাচ্ছিল।
** অধ্যায় ১২, “ডিবেকল: দ্য সোয়ারমিংস” (পৃষ্ঠা ২৪০)
* এই ধরণের সব ভবিষ্যৎবাণীর মতো এটিও কেবল তখনই চিত্তাকর্ষক লাগে যখন খুব কাছ থেকে পরীক্ষা করা হয় না।
** অধ্যায় ১৩, “আফটারম্যাথ: সারকোফ্যাগি অ্যান্ড কফিনস” (পৃষ্ঠা ২৪৯)
* ''তিনি এই ট্রোপম্যানদের ক্ষমা করলেন, তারপর ক্ষমার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার এই ধৃষ্টতার জন্য নিজের প্রতি অবজ্ঞা অনুভব করলেন, তারপর আবারও ক্ষমা করলেন, তারপর নিজের অহংকারকে অভিশাপ দিলেন, আরও একবার ক্ষমা করলেন, নিজের ধৃষ্টতাকে নিন্দা জানালেন এবং শেষ পর্যন্ত নিজেকেও ক্ষমা করে দিলেন।''
** অধ্যায় ১৪, “ডিনুমেন্ট: অ্যাসেন্ট টু দ্য অ্যাক্রোপলিস” (পৃষ্ঠা ২৬৫)
* ''একটি যৌক্তিক এবং মানবিক সমাধান – কারণ গেলভরি বিশ্বাস করতেন যে যৌক্তিকতা আর মানবিকতা আসলে সমার্থক, একই জিনিসের ভিন্ন দুটি নাম মাত্র।''
** অধ্যায় ১৪, “ডিনুমেন্ট: অ্যাসেন্ট টু দ্য অ্যাক্রোপলিস” (পৃষ্ঠা ২৬৬)
=== ''[[w:নো এনিমি বাট টাইম|নো এনিমি বাট টাইম]]'' (১৯৮২) ===
:<small> ব্যান্টাম বুকস প্রকাশিত মাস মার্কেট সংস্করণ থেকে সকল পৃষ্ঠা নম্বর নেওয়া হয়েছে </small>
* প্রয়োজনীয়তা প্রায়ই উদ্ভাবনের পরিবর্তে হাতসাফাইয়ের জননী হয়ে ওঠে।
** অধ্যায় ১০ “ফ্রুট অফ দ্য লুমস” (পৃষ্ঠা ৭৬)
* আদি-নৃতাত্ত্বিকরা স্বভাবগতভাবেই প্রচারমাধ্যমমুখী ছিলেন।
** অধ্যায় ১৭ “পেনসাকোলা, ফ্লোরিডা” (পৃষ্ঠা ১৪৭)
* বিলুপ্তি একজন ‘হয়ে যাওয়া’ ব্যক্তিকে ঠিক সেই পৌরাণিক মর্যাদা দান করে যা কল্পনা দান করে একজন ‘কখনো না হওয়া’ ব্যক্তিকে।
** অধ্যায় ১৮ “ই আ সিজন অফ ড্রোট” (পৃষ্ঠা ১৫৮)
* আপনি আবারও ঘরে ফিরতে পারেন না, বিশেষ করে যদি আপনার কোনো ঘর কখনোই না থেকে থাকে।
** অধ্যায় ২৩ “পেনাসকোলা সিটি, ফ্লোরিডা” (পৃষ্ঠা ২০৬)
* আট বছরে তারা দুজনেই বদলে গেছে, সময়ের নদীর স্রোতে হয়তো কিছুটা ক্ষয় হয়েছে অথবা সূক্ষ্মভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
** অধ্যায় ৩০ “মারাশই, জারাকল” (পৃষ্ঠা ৩০৩)
* এই তো সে, বয়স পঁচিশও পূর্ণ হয়নি, আর তাকে নিজের জন্য এক নতুন জীবন গড়ে নিতে হবে। তার সামনে অনেকগুলো পথ খোলা ছিল, তবে এই মুহূর্তে সে কেবল এক গভীর শূন্যতা আর অনিশ্চয়তা অনুভব করছিল। তার আগের সত্তায় ফেরার সব পথ বন্ধ হয়ে গেছে এবং সে জানত না কোন নতুন পথটি বেছে নিতে হবে।<br>''“চাও,”'' সে আবারও বলল, আর এবার সে তার মায়ের সাথে কথা বলছিল না।
** অধ্যায় ৩০ “মারাশই, জারাকল” (পৃষ্ঠা ৩১৫; সমাপ্তি উক্তি)
* সময়, তার চিরাচরিত নিয়মে বয়ে চলল।
** কোডা (পৃষ্ঠা ৩১৬)
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৪৫-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:২০২৩-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ঔপন্যাসিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কল্পবিজ্ঞান লেখক]]
[[বিষয়শ্রেণী:ফ্যান্টাসি লেখক]]
[[বিষয়শ্রেণী:নেব্রাস্কার ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:নেবুলা পুরস্কার বিজয়ী]]
ivp8igna3rcfy4479zzu8vdoet0a3km
নিখিল ভারত মুসলিম লীগ
0
13700
83317
81451
2026-05-03T09:15:28Z
Tuhin
172
83317
wikitext
text/x-wiki
[[File:All India Muslim league conference 1906 attendees in Dhaka.jpg|right|350px|thumb|১৯০৬ সালে ঢাকার নবাব পরিবারের আহসান মঞ্জিল প্রাসাদে অনুষ্ঠিত নিখিল ভারত মোহামেডান এডুকেশনাল কনফারেন্স, যা মুসলিম লীগের ভিত্তি স্থাপন করেছিল।]]
'''[[w:নিখিল ভারত মুসলিম লীগ|নিখিল ভারত মুসলিম লীগ]]''' (মুসলিম লীগ নামেই সমধিক পরিচিত) ছিল ২০শ শতাব্দীর শুরুর দিকে ব্রিটিশ ভারতীয় সাম্রাজ্যে প্রতিষ্ঠিত একটি রাজনৈতিক দল। একটি পৃথক মুসলিম-সংখ্যাগরিষ্ঠ রাষ্ট্র পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠার জন্য দলটির জোরালো ওকালতি শেষ পর্যন্ত ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ সাম্রাজ্য কর্তৃক ব্রিটিশ ভারত বিভক্তির দিকে পরিচালিত করে।
== উক্তি ==
* তুলনায় মুসলিম লীগ সব সময়ই একটি অত্যন্ত দুর্বল সংগঠন ছিল। মূলত ১৯০৬ সালে ইসলামি রাজপুত্র ও অভিজাতদের দ্বারা “ভারতের মুসলমানদের মধ্যে ব্রিটিশ সরকারের প্রতি আনুগত্যের বোধ জাগ্রত করার জন্য” (এর লক্ষ্যমাত্রার বিবৃতি থেকে উদ্ধৃত) এটি তৈরি করা হয়েছিল। ১৯৩০-এর দশকে জিন্নাহর নেতৃত্বে শিক্ষিত মুসলিম মধ্যবিত্ত শ্রেণি এটি দখল করে এবং সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য কংগ্রেস পার্টির সাথে জোটে ছিল। তবে এর মূল লক্ষ্য ব্রিটিশ-বিরোধী হওয়ার চেয়ে সব সময়ই হিন্দু-বিরোধী ছিল।
** তারিক আলী - ‘দ্য ডুয়েল: পাকিস্তান অন দ্য ফ্লাইট পাথ অফ আমেরিকান পাওয়ার’ (২০০৮)।
* সুদেতেন জার্মানদের স্বার্থে চেকোস্লোভাকিয়ার বিরুদ্ধে হিটলারের গুণ্ডামিমূলক কৌশলের পাঠ মুসলিম লীগের নেতারা গভীরভাবে অধ্যয়ন করেছেন এবং সেই কৌশল থেকে শিক্ষাও নিয়েছেন বলে মনে হয়। ১৯৩৭ সালে করাচিতে অনুষ্ঠিত লীগের অধিবেশনে তাদের হুমকিমূলক বক্তৃতাগুলো দেখুন।
** [http://books.google.com/books?id=f_pDAAAAIAAJ বি. আর. আম্বেদকর, পাকিস্তান অর দ্য পার্টিশন অফ ইন্ডিয়া (১৯৪৬)]
* সমাজের উচ্চবিত্ত স্তর থেকে আসা একজন মার্জিত সভাপতি হিসেবে তার লালন-পালন খুব কমই রাগ এবং কুসংস্কারকে তার ওপর প্রভাব বিস্তার করতে দিত। তিনি ছিলেন একজন একনিষ্ঠ কংগ্রেসী এবং ধর্মনিরপেক্ষতার প্রতি তার গভীর অঙ্গীকার ছিল... জীবনের পরবর্তী সময়ে তাকে “সাম্প্রদায়িক” আখ্যা দেওয়ার প্রচেষ্টার মোকাবিলা করতে হয়েছিল কারণ তিনি আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষিত তরুণ মুসলমানদের—যে ক্যাম্পাসটি তখন মুসলিম লীগের সাম্প্রদায়িক আদর্শ দ্বারা প্রভাবিত বলে মনে করা হতো—কংগ্রেসের প্রতি আকৃষ্ট করার চেষ্টা করেছিলেন।
** ফখরুদ্দিন আলী আহমেদ সম্পর্কে। [http://books.google.co.in/books?id=ToBFJZiRsxMC&pg=PA47 শারদা দুবে: ফার্স্ট অ্যামাং ইকুয়ালস প্রেসিডেন্ট অফ ইন্ডিয়া (২০০৯), পৃ. ৫৬]
* এটি কি সত্য যে সব পাকিস্তানপন্থী উপাদান পাকিস্তানে চলে গেছে? উত্তর প্রদেশের নেতৃত্বে হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রদেশগুলোর মুসলমানরাই শুরু থেকেই পাকিস্তান আন্দোলনের অগ্রভাগ সামলেছিল। এবং বিভক্তির পরেও তারা এখানে শক্তভাবে থেকে গেছে। সেই নির্বাচনগুলোতে মুসলিম লীগ পাকিস্তানকে নির্বাচনী হাতিয়ার বানিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিল... এর অর্থ হলো কোটি কোটি মুসলমান যারা এখনও এখানে আছে, তারা একযোগে পাকিস্তানের পক্ষে ভোট দিয়েছিল।
** এম. এস. গোলওয়ালকর, বাঞ্চ অফ থটস
* নিখিল ভারত মুসলিম লীগকে সাম্প্রদায়িক হিসেবে চিহ্নিত করার যেকোনো প্রচেষ্টা ভুল হবে। এটি সত্য যে, এটি সেই দলের ধারাবাহিকতা যা সাম্প্রদায়িক ভিত্তিতে ভারত বিভাজন অর্জন করেছিল। তা সত্ত্বেও, কংগ্রেস পার্টি এবং ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী)-র মতো জোরদার ধর্মনিরপেক্ষ দলগুলো কেরালা রাজ্য পরিচালনাকারী জোটে মুসলিম লীগকে অন্তর্ভুক্ত করতে কখনো দ্বিধা করেনি।
** [https://web.archive.org/web/20190310235845/http://koenraadelst.bharatvani.org/articles/hinduism/sitaramgoel.html কোয়েনরাদ এলস্ট, ইন্ডিয়াজ অনলি কমিউনালিস্ট]
* "আমি পাঞ্জাব, উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশ, সিন্ধু এবং বেলুচিস্তানকে একটি একক রাষ্ট্রে একীভূত দেখতে চাই। ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অভ্যন্তরে স্বায়ত্তশাসন বা ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের বাইরে—একটি সুসংহত উত্তর-পশ্চিম ভারতীয় মুসলিম রাষ্ট্র গঠনই মুসলমানদের চূড়ান্ত নিয়তি বলে আমার মনে হয়।"
** [http://www.columbia.edu/itc/mealac/pritchett/00islamlinks/txt_iqbal_1930.html ১৯৩০ সালের ২৯ ডিসেম্বর নিখিল ভারত মুসলিম লীগের অধিবেশনে স্যার মুহাম্মদ ইকবালের সভাপতির ভাষণ]
* স্বাধীনতা আন্দোলন বিকশিত হওয়ার সাথে সাথে মুসলিম লীগ সম্পূর্ণভাবে তার ইসলামি উৎসের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ একটি মতাদর্শ ব্যক্ত করে এবং দেশে সম্প্রদায়ের রাজনৈতিক আধিপত্য বজায় রাখার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেয়। লীগের অস্বীকৃতি বা ব্যর্থতা তাকে জাতীয় মূলধারা থেকে আরও দূরে সরিয়ে দিয়েছিল।
** মীনাক্ষী জৈন, পাওয়ার ইকুয়েশনস ইন এইটিনথ অ্যান্ড আর্লি নাইনটিনথ সেঞ্চুরি ইন্ডিয়া (২০০৩)।
* যখন আমরা বলি ‘এই পতাকা ইসলামের পতাকা’, তারা মনে করে আমরা রাজনীতিতে ধর্ম নিয়ে আসছি—আসলে এই বিষয়টি নিয়ে আমরা গর্বিত। ইসলাম আমাদের একটি পূর্ণাঙ্গ বিধান দেয়। এটি কেবল ধর্ম নয়, বরং এর মধ্যে আইন, দর্শন এবং রাজনীতি রয়েছে।
** মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ, ১৯৩৮ সালের জানুয়ারিতে গয়া মুসলিম লীগ কনফারেন্সে ভাষণ।
* প্রতিটি পক্ষই সহিংসতার জন্য অপর পক্ষকে দোষারোপ করেছিল। জিন্নাহ দোষারোপ করেছিলেন ‘ভাইসরয়, মিস্টার গান্ধী এবং কংগ্রেসকে’। নেহরু কলকাতায় যা ঘটেছিল তার সব দায়ভার মুসলিম লীগের ওপর চাপিয়ে দিয়েছিলেন।
** [http://books.google.co.in/books?id=dRQcKsx-YgQC&pg=PA46 গান্ধীস এক্সপেরিমেন্টস উইথ ট্রুথ: এসেনশিয়াল রাইটিংস বাই অ্যান্ড অ্যাবাউট মহাত্মা গান্ধী, পৃ. ৪৬]
* ওহে মুসলমানগণ, জাগো, সজাগ হও! হিন্দুদের সাথে একই স্কুলে পড়ো না। হিন্দুদের তৈরি কোনো জিনিস স্পর্শ করো না। হিন্দুদের কোনো চাকরি দিও না। কোনো হিন্দুর অধীনে অবমাননাকর পদ গ্রহণ করো না। তোমরা অজ্ঞ, কিন্তু যদি তোমরা জ্ঞান অর্জন করো তবে সব হিন্দুকে জাহান্নামে পাঠাতে পারবে। তোমরা এই প্রদেশের জনসংখ্যার সংখ্যাগরিষ্ঠ। হিন্দুর নিজস্ব কোনো সম্পদ নেই এবং সে কেবল তোমাদের সম্পদ লুণ্ঠন করে ধনী হয়েছে। যদি তোমরা যথেষ্ট সচেতন হও, তবে হিন্দুরা না খেয়ে মরবে এবং শীঘ্রই মোহামেডান (মুসলমান) হয়ে যাবে।
** লাল ইশতেহার (রেড প্যামফলেট), ১৯০৬ সালের ডিসেম্বরে ঢাকায় প্রথম মুসলিম লীগ সভার প্রাক্কালে সারা বাংলায় প্রচার করা হয়েছিল। আর. সি. মজুমদার (সম্পাদিত), ‘হিস্ট্রি অ্যান্ড কালচার অফ দ্য ইন্ডিয়ান পিপল’, খণ্ড ১১, বোম্বে, ১৯৭৮, পৃ. ৫৪-এ উদ্ধৃত।
* কলকাতার হত্যাকাণ্ডের পর ১৯৪৬ সালের অক্টোবরে 'নোয়াখালী দাঙ্গা' হয়েছিল। সেখানে তফসিলি জাতিসহ হিন্দুদের হত্যা করা হয় এবং শত শত লোককে ইসলামে ধর্মান্তরিত করা হয়। হিন্দু নারীদের ধর্ষণ ও অপহরণ করা হয়। আমার সম্প্রদায়ের মানুষও জীবন ও সম্পদের ক্ষতির শিকার হয়েছে। এই ঘটনার পরপরই আমি ত্রিপুরা ও ফেনী সফর করি এবং দাঙ্গাকবলিত কিছু এলাকা দেখি। হিন্দুদের ভয়াবহ ভোগান্তি আমাকে শোকে অভিভূত করেছিল, কিন্তু তবুও আমি মুসলিম লীগের সাথে সহযোগিতার নীতি বজায় রেখেছিলাম।
** পাকিস্তান সরকারের আইন ও শ্রম মন্ত্রী [[w:যোগেন্দ্রনাথ মণ্ডল|যোগেন্দ্রনাথ মণ্ডলের]] পদত্যাগপত্রের অংশবিশেষ, ৮ অক্টোবর ১৯৫০। [https://en.wikisource.org/wiki/Resignation_letter_of_Jogendra_Nath_Mandal]
* এই পৃষ্ঠাগুলোতে শিখ ও হিন্দুদের ওপর যে নৃশংসতার বিবরণ দেওয়া হয়েছে তা প্রকৃত ঘটনার তুলনায় কিছুই নয়। এগুলো পশ্চিম পাঞ্জাব এবং পশ্চিম পাকিস্তানের অন্যান্য এলাকায় যা ঘটেছিল তার কয়েকটির প্রতিনিধিত্বমূলক ঘটনা মাত্র। হাজার হাজার গ্রাম এবং শত শত শহরে এমন ঘটনা ঘটার কথা কল্পনা করুন, তবেই আপনারা প্রকৃত পরিস্থিতির ভয়াবহতার কিছুটা আঁচ করতে পারবেন। এই তথ্যগুলো ভুক্তভোগীদের জবানবন্দি থেকে নেওয়া হয়েছে।
** গুরবচন সিং তালিব, ‘মুসলিম লীগ অ্যাটাক অন দ্য শিখস অ্যান্ড হিন্দুস ইন পাঞ্জাব, ১৯৪৭’ (১৯৫০)।
* এই সব ঘটনা এমন এক সময় ঘটেছিল যখন ভারতে [[w:মহাত্মা গান্ধী|মহাত্মা গান্ধী]] ভারতীয় মুসলমানদের জন্য আরও ভালো আচরণের দাবিতে তার শেষ অনশন শুরু করেছিলেন। মহাত্মার সেই মহানুভবতার প্রতি পাকিস্তানের প্রতিক্রিয়া ছিল এমনই। ঠিক যখন দিল্লিতে মুসলমানদের নিরাপদ করা হচ্ছিল, তখন করাচিতে ৮০০ শিখকে গণহত্যা করা হয় এবং সব হিন্দুর সম্পদ লুট করা হয়।
** গুরবচন সিং তালিব, ‘মুসলিম লীগ অ্যাটাক অন দ্য শিখস অ্যান্ড হিন্দুস ইন পাঞ্জাব, ১৯৪৭’ (১৯৫০)।
* ভারত ছাড়ো আন্দোলনের একটি অনিচ্ছাকৃত ভালো দিক ছিল: এটি একটি হীন আপস প্রস্তাবকে টেবিল থেকে সরিয়ে দিয়েছিল। গান্ধী এবং কংগ্রেসের অনেক নেতা সাম্প্রদায়িক ভিত্তিতে দেশভাগের ধারণা গ্রহণে অনিচ্ছুক ছিলেন এবং মুসলিম লীগকে সন্তুষ্ট করার জন্য ক্রমবর্ধমান অযৌক্তিক সমাধান দেওয়া হচ্ছিল। চূড়ান্ত তুষ্টিকরণ প্রস্তাবটি ছিল ক্ষমতা পুরোপুরি মুসলিম লীগের হাতে তুলে দিয়ে ভারতকে ঐক্যবদ্ধ রাখা। মাওলানা আজাদ এই প্রস্তাব দিয়েছিলেন এবং গান্ধী ১৯৪২ সালের ৬ আগস্ট এটি অনুমোদন করেন।
** মহাত্মা গান্ধী। কোয়েনরাদ এলস্ট (২০১৮), ‘হোয়াই আই কিলড দ্য মহাত্মা: আনকভারিং গডসেস ডিফেন্স’-এ উদ্ধৃত।
* এটি বাড়িয়ে বলা যে ‘মুসলিম সম্প্রদায় ক্রমাগত মুসলিম লীগকে সমর্থন করেছিল।’ ১৯৪৬ সালের নির্বাচনে মুসলিম ভোট নাটকীয়ভাবে মুসলিম লীগের দিকে ঝুঁকেছিল, যেখানে তারা ৮৬.৬ শতাংশ ভোট পেয়েছিল। অন্যদিকে ১৯৩৭ সালে যে ৯১ শতাংশ মুসলিম ভোটার লীগকে সমর্থন করতে অস্বীকার করেছিল, তাদের মধ্য থেকে জিন্নাহর বিরোধিতা করার মতো কোনো শক্তিশালী রাজনৈতিক শক্তি গড়ে ওঠেনি। রক্ষণশীল উলামারা পাকিস্তান প্রকল্পের বিরোধিতা করেছিলেন (কারণ তারা অংশ নয় বরং পুরো ভারতকে নিয়ন্ত্রণ করতে চেয়েছিলেন) কিন্তু লীগের অন্যান্য সাম্প্রদায়িক দাবিগুলোকে সমর্থন করেছিলেন। এভাবেই লীগ নীতিগুলোর প্রতি মুসলিম সমর্থন লীগের নিজস্ব ভোটের শতাংশের চেয়ে অনেক বেশি ছিল।
** আর. সি. মজুমদার। কোয়েনরাদ এলস্ট (২০১৮), ‘হোয়াই আই কিলড দ্য মহাত্মা: আনকভারিং গডসেস ডিফেন্স’-এ উদ্ধৃত।
* ‘আমাদের বড় লড়াই ২২ কোটি হিন্দু শত্রুর সাথে যারা সংখ্যাগরিষ্ঠ... তারা যদি শক্তিশালী হয় তবে এই হিন্দুরা মুসলিম ইন্ডিয়া এবং ধীরে ধীরে মিশর, তুরস্ক, কাবুল, মক্কা গিলে খাবে... তাই প্রত্যেক ধর্মপ্রাণ মুসলমানের অপরিহার্য কর্তব্য হলো মুসলিম লীগে যোগ দিয়ে লড়াই চালিয়ে যাওয়া যাতে এখানে হিন্দুরা প্রতিষ্ঠিত হতে না পারে এবং ইংরেজরা চলে যাওয়ার সাথে সাথেই ভারতে একটি মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠিত হতে পারে।’
** মাওলানা আজাদ সোবহানির ভাষণ, আনন্দবাজার পত্রিকায় প্রকাশিত। বি. আর. আম্বেদকর: পাকিস্তান, পৃ. ২৭৩ এবং কোয়েনরাদ এলস্ট (২০১৮)-এ উদ্ধৃত।
* "১৯৩৮ সালে ইউরোপ সফর শেষে নেহরু যখন ফিরে আসেন, তিনি ভারতের মুসলিম লীগের প্রচার পদ্ধতির সাথে জার্মানির নাৎসিদের প্রচার পদ্ধতির মিল দেখে অবাক হয়েছিলেন: 'লীগ নেতারা গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে ফ্যাসিবাদী প্রচারণার প্রতিধ্বনি শুরু করেছিলেন... নাৎসিরা নেতিবাচক নীতিতে বিশ্বাসী ছিল। লীগও তাই ছিল। লীগ ছিল হিন্দু-বিরোধী, কংগ্রেস-বিরোধী, জাতীয়তাবাদ-বিরোধী... নাৎসিরা ইহুদিদের বিরুদ্ধে ঘৃণার ডাক দিয়েছিল, লীগ হিন্দুদের বিরুদ্ধে ডাক দিয়েছিল'।"
** বি. আর. নন্দ: ‘গান্ধী অ্যান্ড হিজ ক্রিটিকস’, ওইউপি, দিল্লি ১৯৯৩, পৃ. ৮৮। কোয়েনরাদ এলস্ট (১৯৯৯)-এ উদ্ধৃত।
* মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলের অমুসলিমদের ওপর আক্রমণের জন্য মুসলিম লীগের এই দ্বি-মুখী নীতি ছিল। প্রথমত তারা তাদের দ্বিজাতি তত্ত্ব প্রচার করছিল এবং হিন্দু ও শিখদের আপসহীন বিরোধিতা করছিল। দ্বিতীয়ত মুসলিম লীগ মুসলমানদের শারীরিকভাবে এবং সামরিকভাবে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত করছিল। ১৯৪৬ সালের ডিসেম্বরে এবং ১৯৪৭ সালের জানুয়ারিতে উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশে তারা যা করেছিল তা এর প্রমাণ।
** [[w:এস. জি. এস. তালিব|তালিব, এস. জি. এস.]] (১৯৫০)। [https://web.archive.org/web/20100620015130/http://www.bharatvani.org/books/mla/index.htm মুসলিম লীগ অ্যাটাক অন শিখস অ্যান্ড হিন্দুস ইন দ্য পাঞ্জাব, ১৯৪৭]। অমৃতসর: শিরোমণি গুরুদ্বারা প্রবন্ধক কমিটি। [https://www.allaboutsikhs.com/sikh-literature/books-gst/muslim-league-attack-on-sikhs-and-hindus-in-the-punjab-1947-sind/] [https://www.sikhiwiki.org/index.php/Muslim_League_Attack_on_Sikhs_and_Hindus_in_the_Punjab_1947] [https://voibooks.bitbucket.io/mla/index.html]
* মুসলিম লীগ নেতারা অনেক আগে থেকেই মুসলিম ও অমুসলিম ভারতের মধ্যে জনসংখ্যা বিনিময়ের পক্ষে সওয়াল করেছিলেন। যারা একটি মুসলিম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পক্ষে ছিলেন তারা এর প্রয়োজনীয় অনুষঙ্গ হিসেবে জনসংখ্যা বিনিময়কেও সমর্থন করেছিলেন।
** [[w:এস. জি. এস. তালিব|তালিব, এস. জি. এস.]] (১৯৫০)। [https://web.archive.org/web/20100620015130/http://www.bharatvani.org/books/mla/index.htm মুসলিম লীগ অ্যাটাক অন শিখস অ্যান্ড হিন্দুস ইন দ্য পাঞ্জাব, ১৯৪৭]। অমৃতসর: শিরোমণি গুরুদ্বারা প্রবন্ধক কমিটি। [https://www.allaboutsikhs.com/sikh-literature/books-gst/muslim-league-attack-on-sikhs-and-hindus-in-the-punjab-1947-sind/] [https://www.sikhiwiki.org/index.php/Muslim_League_Attack_on_Sikhs_and_Hindus_in_the_Punjab_1947] [https://voibooks.bitbucket.io/mla/index.html] পৃ. ২১৬।
* মুসলিম লীগ তার রাজনৈতিক সাফল্যের জন্য আততায়ীর ছুরি এবং খুনিদের বুলেটের ওপর নির্ভর করত। এই ‘বাহিনী’ পরিচালিত হতো একদল বুদ্ধিমান নেতার দ্বারা যারা পরিকল্পিতভাবে তাদের সহধর্মীদের মনে ধর্মীয় ঘৃণা ঢুকিয়ে দিত এবং সেই উস্কানি দিয়ে অসহায় হিন্দু ও শিখদের ওপর উন্মত্ত জনতাকে লেলিয়ে দিত। এভাবেই মুসলিম লীগ ভারতে একটি ঐক্যবদ্ধ সরকার প্রতিষ্ঠা অসম্ভব করে তুলতে চেয়েছিল।
** [[w:এস. জি. এস. তালিব|তালিব, এস. জি. এস.]] (১৯৫০)। [https://web.archive.org/web/20100620015130/http://www.bharatvani.org/books/mla/index.htm মুসলিম লীগ অ্যাটাক অন শিখস অ্যান্ড হিন্দুস ইন দ্য পাঞ্জাব, ১৯৪৭]। অমৃতসর। পৃ. ২৪২।
* এটি লক্ষ্য করা যেতে পারে যে, ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান গঠনের দাবিতে নির্বিচার সহিংসতা চালানোর সময় মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর নেতৃত্বে মুসলিম লীগ পার্টি মুসলমানদের মধ্যে গোপন লিফলেট বিলি করেছিল যেখানে বলা হয়েছিল, ‘‘একজন মুসলমানের পাঁচজন হিন্দুর ওপর অধিকার পাওয়া উচিত, অর্থাৎ প্রতিটি মুসলমান পাঁচজন হিন্দুর সমান।’’
** খোসলা জিডি (১৯৮৯), ‘স্টার্ন রেকনিং: এ সার্ভে অফ ইভেন্টস লিডিং আপ টু অ্যান্ড ফলোয়িং দ্য পার্টিশন অফ ইন্ডিয়া’, অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস, দিল্লি, পৃ. ৩১৩।
* [যদি ইংরেজরা ভারত ছেড়ে চলে যায়], তবে ভারতের শাসন সেই সম্প্রদায়ের হাতে চলে যাবে যারা আমাদের তুলনায় প্রায় চার গুণ বড়... তখন আমাদের জীবন, আমাদের সম্পদ, আমাদের সম্মান এবং আমাদের ধর্ম সবই বড় বিপদের মুখে পড়বে... ধিক সেই সময়ের যখন আমরা আমাদের প্রতিবেশীদের প্রজা হয়ে যাব এবং তাদের কাছে আরঙ্গজেব ও অন্যান্য মুসলিম বিজেতা ও শাসকদের পাপের জবাবদিহি করতে হবে।
** নবাব ওয়াকার-উল-মুলক কাম্বোহ, নিখিল ভারত মুসলিম লীগের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা। বালকৃষ্ণ এস. (২০২০), ‘লেসনস ফ্রম হিন্দু হিস্ট্রি ইন ১০ এপিসোডস’-এ উদ্ধৃত।
* মুসলিম লীগ — যা পাকিস্তানের শাসক দল — তারা তাদের ন্যাশনাল গার্ডস নামে পরিচিত স্বেচ্ছাসেবকদের হিন্দুদের সন্ত্রস্ত করতে এবং তাদের দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক হিসেবে গণ্য করতে নির্দেশ দিয়েছিল। মুসলিম লীগ নিজেই একটি ফ্যাসিবাদী সংগঠন ছিল যা জাতিগত ঘৃণার ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এবং তাদের স্বেচ্ছাসেবক সংগঠনটি হিটলারের স্টর্ম-ট্রুপার্সদের নীতি ও মডেলে পরিচালিত হতো।
** লাহিড়ী পি. সি. (১৯৬৪), ‘ইন্ডিয়া পার্টিশনড অ্যান্ড মাইনরিটিজ ইন পাকিস্তান’, পৃ. ৮। কামরা এ. জে. (২০০০)-এ উদ্ধৃত।
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:পাকিস্তানের ইতিহাস]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতের ইতিহাস]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতে ইসলাম]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতের রাজনৈতিক দল]]
hy526detfuo010l1xle26aaiqnh65hq
83318
83317
2026-05-03T09:54:06Z
Tuhin
172
83318
wikitext
text/x-wiki
[[File:All India Muslim league conference 1906 attendees in Dhaka.jpg|right|350px|thumb|১৯০৬ সালে ঢাকার নবাব পরিবারের আহসান মঞ্জিল প্রাসাদে অনুষ্ঠিত নিখিল ভারত মোহামেডান এডুকেশনাল কনফারেন্স, যা মুসলিম লীগের ভিত্তি স্থাপন করেছিল।]]
'''[[w:নিখিল ভারত মুসলিম লীগ|নিখিল ভারত মুসলিম লীগ]]''' (মুসলিম লীগ নামেই সমধিক পরিচিত) ছিল ২০শ শতাব্দীর শুরুর দিকে ব্রিটিশ ভারতীয় সাম্রাজ্যে প্রতিষ্ঠিত একটি রাজনৈতিক দল। একটি পৃথক মুসলিম-সংখ্যাগরিষ্ঠ রাষ্ট্র পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠার জন্য দলটির জোরালো ওকালতি শেষ পর্যন্ত ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ সাম্রাজ্য কর্তৃক ব্রিটিশ ভারত বিভক্তির দিকে পরিচালিত করে।
== উক্তি ==
* মুসলিম লীগ সব সময়ই তুলনামূলকভাবে একটি অত্যন্ত দুর্বল সংগঠন ছিল। মূলত ১৯০৬ সালে ইসলামি রাজপুত্র এবং অভিজাতদের দ্বারা "ভারতের মুসলমানদের মধ্যে ব্রিটিশ সরকারের প্রতি আনুগত্যের বোধ জাগ্রত করার জন্য" (এর লক্ষ্যের বিবৃতি থেকে উদ্ধৃত) এটি তৈরি করা হয়েছিল যা ১৯৩০-এর দশকে জিন্নাহর নেতৃত্বে শিক্ষিত মুসলিম মধ্যবিত্ত শ্রেণি এটি দখল করে এবং অল্প সময়ের জন্য কংগ্রেস পার্টির সাথে জোটে ছিল। তবে এর মূল লক্ষ্য সব সময়ই ব্রিটিশবিরোধী হওয়ার পরিবর্তে হিন্দুবিরোধী ছিল।
** তারিক আলি - ‘দ্য ডুয়েল: পাকিস্তান অন দ্য ফ্লাইট পাথ অফ আমেরিকান পাওয়ার’ (২০০৮)।
* সুদেতেন জার্মানদের স্বার্থে চেকোস্লোভাকিয়ার বিরুদ্ধে হিটলারের গুণ্ডামিমূলক কৌশলের পাঠ মুসলিম লীগের নেতারা গভীরভাবে অধ্যয়ন করেছেন এবং সেই কৌশল থেকে শিক্ষাও নিয়েছেন বলে মনে হয়। ১৯৩৭ সালে করাচিতে অনুষ্ঠিত লীগের অধিবেশনে তাদের হুমকিমূলক বক্তৃতাগুলো দেখুন।
** [http://books.google.com/books?id=f_pDAAAAIAAJ বি. আর. আম্বেদকর, পাকিস্তান অর দ্য পার্টিশন অফ ইন্ডিয়া (১৯৪৬)]
* * [[সমাজ|সমাজের]] উচ্চস্তরের একজন মার্জিত রাষ্ট্রপতি হিসেবে তার লালন-পালন খুব কমই তাকে রাগ ও [[কুসংস্কার|কুসংস্কারের]] বশবর্তী হতে দিত। তিনি একজন একনিষ্ঠ কংগ্রেস সদস্যও ছিলেন যার [[ধর্মনিরপেক্ষতা|ধর্মনিরপেক্ষতার]] প্রতি গভীর অঙ্গীকার ছিল। পরবর্তী [[জীবন|জীবনে]] তাকে "সাম্প্রদায়িক" তকমা পাওয়ার মোকাবিলা করতে হয়েছিল কারণ তিনি আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষিত তরুণ [[মুসলিম|মুসলমানদের]] আকৃষ্ট করার চেষ্টা করেছিলেন। এটি কংগ্রেসের কাছে তৎকালীন মুসলিম লীগের সাম্প্রদায়িক চিন্তাধারা দ্বারা প্রভাবিত একটি ক্যাম্পাস হিসেবে বিবেচিত হত।
** ফখরুদ্দিন আলী আহমেদ সম্পর্কে। [http://books.google.co.in/books?id=ToBFJZiRsxMC&pg=PA47 শারদা দুবে: ফার্স্ট অ্যামাং ইকুয়ালস প্রেসিডেন্ট অফ ইন্ডিয়া (২০০৯), পৃ. ৫৬]
* * বিশ্বের অনেক দেশের ইতিহাসের এটি একটি দুঃখজনক শিক্ষা যে বাইরের আক্রমণকারীদের তুলনায় দেশের অভ্যন্তরে থাকা শত্রুভাবাপন্ন উপাদানগুলো জাতীয় নিরাপত্তার জন্য অনেক বড় হুমকি হয়ে দাঁড়ায়। এটি কি সত্য যে সমস্ত পাকিস্তানপন্থী উপাদান পাকিস্তানে চলে গেছে? উত্তরপ্রদেশের নেতৃত্বে হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রদেশগুলোর মুসলমানরাই শুরু থেকেই পাকিস্তান আন্দোলনের অগ্রসেনা হিসেবে কাজ করেছিল। এবং দেশভাগের পরেও তারা এখানে শক্তভাবে অবস্থান করছে। সেই নির্বাচনগুলোতে মুসলিম লীগ পাকিস্তানের সৃষ্টিকে তাদের নির্বাচনী মূল ভিত্তি বানিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিল। কংগ্রেসও সারা দেশে কিছু মুসলিম প্রার্থী দাঁড় করিয়েছিল। কিন্তু প্রায় প্রতিটি জায়গায় মুসলমানরা মুসলিম লীগ প্রার্থীদের ভোট দিয়েছিল এবং কংগ্রেসের মুসলিম প্রার্থীরা শোচনীয়ভাবে পরাজিত হয়েছিল। উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশ এর ব্যতিক্রম ছিল। এর অর্থ কেবল এই যে কোটি কোটি মুসলমান যারা এখনও এখানে আছেন তারা সবাই মিলে পাকিস্তানের পক্ষে ভোট দিয়েছিলেন। যারা এখানে রয়ে গেছেন তারা কি অন্তত এরপর পরিবর্তিত হয়েছেন? ১৯৪৬-৪৭ সালে নজিরবিহীনভাবে ব্যাপক দাঙ্গা, লুটপাট, অগ্নিসংযোগ, ধর্ষণ এবং সব ধরণের তাণ্ডবের জন্ম দেওয়া তাদের সেই পুরনো শত্রুতা এবং খুনি মনোভাব কি অন্তত এখন থেমেছে? পাকিস্তান সৃষ্টির পর তারা রাতারাতি দেশপ্রেমিক হয়ে গেছে বলে নিজেদের বিভ্রান্ত করা হবে আত্মঘাতী। উল্টো পাকিস্তান সৃষ্টির ফলে মুসলিম হুমকি শতগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে যা আমাদের দেশের ওপর তাদের ভবিষ্যৎ সমস্ত আক্রমণাত্মক পরিকল্পনার ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে।
** এম. এস. গোলওয়ালকর, বাঞ্চ অফ থটস
* * সর্বভারতীয় মুসলিম লীগকে সাম্প্রদায়িক হিসেবে আখ্যায়িত করার যেকোনো প্রচেষ্টা ভুল হবে। এটি সত্য যে এটি সেই দলেরই ধারাবাহিকতা যা সাম্প্রদায়িক ভিত্তিতে ভারত বিভাজন সম্পন্ন করেছিল। তা সত্ত্বেও কংগ্রেস পার্টি এবং ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্ক্সবাদী) এর মতো প্রবলভাবে ধর্মনিরপেক্ষ দলগুলো কেরল রাজ্য পরিচালনাকারী জোটে মুসলিম লীগকে অন্তর্ভুক্ত করতে কখনোই দ্বিধা করেনি। কোনো প্রকৃত সাম্প্রদায়িক এমন সুযোগ পেত না।
** [https://web.archive.org/web/20190310235845/http://koenraadelst.bharatvani.org/articles/hinduism/sitaramgoel.html কোয়েনরাদ এলস্ট, ইন্ডিয়াজ অনলি কমিউনালিস্ট]
* "আমি পাঞ্জাব, উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশ, সিন্ধু এবং বেলুচিস্তানকে একটি একক রাষ্ট্রে একীভূত দেখতে চাই। ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অভ্যন্তরে বা ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের বাইরে একটি সুসংহত উত্তর-পশ্চিম ভারতীয় মুসলিম রাষ্ট্র গঠনই আমার কাছে মুসলমানদের বিশেষ করে উত্তর-পশ্চিম ভারতের মুসলমানদের চূড়ান্ত ভাগ্য বলে মনে হয়।"
** [http://www.columbia.edu/itc/mealac/pritchett/00islamlinks/txt_iqbal_1930.html ১৯৩০ সালের ২৯ ডিসেম্বর নিখিল ভারত মুসলিম লীগের অধিবেশনে স্যার মুহাম্মদ ইকবালের সভাপতির ভাষণ]
* এই রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক বাস্তবতা সত্ত্বেও প্রাথমিক ভারতীয় জাতীয়তাবাদীরা উদীয়মান আর্থ-সামাজিক এবং রাজনৈতিক আলোচনায় অন্তর্ভুক্তি ও সহনশীলতার চেতনা জাগিয়ে তোলার চেষ্টা করেছিলেন। তবে স্বাধীনতা আন্দোলন বিকশিত হওয়ার সাথে সাথে মুসলিম লীগ সম্পূর্ণভাবে তার ইসলামি উৎসের প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ একটি আদর্শ তুলে ধরে এবং দেশে এই সম্প্রদায়ের রাজনৈতিক আধিপত্য বজায় রাখার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেয়। ব্রিটিশদের প্রবর্তিত আধুনিকায়নের শক্তিগুলোর সাথে মুসলিম লীগের আপস করতে অস্বীকৃতি বা ব্যর্থতা একে জাতীয় মূলধারা থেকে দূরে একটি ভিন্ন পথে আরও ঠেলে দেয়।
**মীনাক্ষী জৈন, "পাওয়ার ইকুয়েশনস ইন এইটিনথ অ্যান্ড আর্লি নাইনটিনথ সেঞ্চুরি ইন্ডিয়া: দ্য এম্পিরিক্যাল ব্যাকড্রপ টু ন্যাশনালিজম", ইন্টারন্যাশনাল ফোরাম ফর ইন্ডিয়াস হেরিটেজ, ২০০৩।
* যখন আমরা বলি 'এই পতাকা (মুসলিম লীগের পতাকা) হলো ইসলামের পতাকা' তখন '''তারা মনে করে আমরা রাজনীতিতে ধর্ম নিয়ে আসছি যা এমন একটি সত্য যার জন্য আমরা গর্বিত'''। ইসলাম আমাদের একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধান দেয়। এটি কেবল ধর্মই নয় বরং এর মধ্যে আইন, দর্শন এবং রাজনীতিও রয়েছে। প্রকৃতপক্ষে এতে একজন মানুষের সকাল থেকে রাত পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সবকিছুই বিদ্যমান। যখন আমরা ইসলামের কথা বলি তখন আমরা একে একটি সর্বব্যাপী শব্দ হিসেবে গ্রহণ করি। আমরা কারো কোনো অমঙ্গল কামনা করি না। আমাদের ইসলামি বিধানের ভিত্তি হলো আমরা স্বাধীনতা, সাম্য এবং ভ্রাতৃত্বের পক্ষে দাঁড়াই।
** মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ, ১৯৩৮ সালের জানুয়ারিতে গয়া মুসলিম লীগ কনফারেন্সে ভাষণ।
* প্রতিটি দল সহিংসতার জন্য অন্য পক্ষকে অভিযুক্ত করেছিল। জিন্নাহ "ভাইসরয়, মিস্টার গান্ধী এবং কংগ্রেসকে" দায়ী করেন। নেহেরু কলকাতায় "যা কিছু ঘটেছে তার সবকিছুর জন্য" মুসলিম লীগের ওপর দায় চাপিয়ে দেন।
** গান্ধীর এক্সপেরিমেন্টস উইথ ট্রুথ: এসেনশিয়াল রাইটিংস বাই অ্যান্ড অ্যাবাউট মহাত্মা গান্ধী। রিচার্ড এল. জনসন, [http://books.google.co.in/books?id=dRQcKsx-YgQC&pg=PA46 গান্ধীর এক্সপেরিমেন্টস উইথ ট্রুথ: এসেনশিয়াল রাইটিংস বাই অ্যান্ড অ্যাবাউট মহাত্মা গান্ধী] পৃষ্ঠা ৪৬ এ।
* হে মুসলমানগণ, জাগো, সজাগ হও! হিন্দুদের সাথে একই স্কুলে পড়ো না। হিন্দুদের তৈরি কোনো পণ্য স্পর্শ করো না। হিন্দুদের কোনো চাকরি দিও না। কোনো হিন্দুর অধীনে কোনো অসম্মানজনক পদ গ্রহণ করো না। তোমরা অজ্ঞ, কিন্তু যদি তোমরা জ্ঞান অর্জন করো তবে তোমরা সকল হিন্দুকে জাহান্নামে পাঠিয়ে দিতে পারো। এই প্রদেশে তোমরাই জনসংখ্যার সংখ্যাগরিষ্ঠ। হিন্দুদের নিজস্ব কোনো সম্পদ নেই এবং তারা কেবল তোমাদের সম্পদ লুণ্ঠন করেই নিজেদের ধনী করেছে। তোমরা যদি পর্যাপ্তরূপে আলোকিত হও তবে হিন্দুরা না খেয়ে মরবে এবং শীঘ্রই মোহামেডান (মুসলমান) হয়ে যাবে।
** লাল ইশতেহার [ঢাকার নবাব সলিমুল্লাহর] যা ১৯০৬ সালের ডিসেম্বরে ঢাকায় প্রথম মুসলিম লীগ বৈঠকের পর সারা বাংলায় প্রচার করা হয়েছিল। আর.সি. মজুমদার (সম্পাদিত), হিস্ট্রি অ্যান্ড কালচার অফ দ্য ইন্ডিয়ান পিপল, ভলিউম ১১, বোম্বে, ১৯৭৮, পৃষ্ঠা ৫৪-তে উদ্ধৃত।
* কলকাতার হত্যাকাণ্ডের পর ১৯৪৬ সালের অক্টোবরে 'নোয়াখালী দাঙ্গা' হয়েছিল। সেখানে তফসিলি জাতিসহ হিন্দুদের হত্যা করা হয় এবং শত শত লোককে ইসলামে ধর্মান্তরিত করা হয়। হিন্দু নারীদের ধর্ষণ ও অপহরণ করা হয়। আমার সম্প্রদায়ের মানুষও জীবন ও সম্পদের ক্ষতির শিকার হয়েছে। এই ঘটনার পরপরই আমি ত্রিপুরা ও ফেনী সফর করি এবং দাঙ্গাকবলিত কিছু এলাকা দেখি। হিন্দুদের ভয়াবহ ভোগান্তি আমাকে শোকে অভিভূত করেছিল, কিন্তু তবুও আমি মুসলিম লীগের সাথে সহযোগিতার নীতি বজায় রেখেছিলাম।
** পাকিস্তান সরকারের আইন ও শ্রম মন্ত্রী [[w:যোগেন্দ্রনাথ মণ্ডল|যোগেন্দ্রনাথ মণ্ডলের]] পদত্যাগপত্রের অংশবিশেষ, ৮ অক্টোবর ১৯৫০। [https://en.wikisource.org/wiki/Resignation_letter_of_Jogendra_Nath_Mandal]
[https://biblio.wiki/wiki/Resignation_letter_of_Jogendra_Nath_Mandal]
* এই পৃষ্ঠাগুলোতে শিখ এবং হিন্দুদের ওপর সংঘটিত নৃশংসতার যে বিবরণ দেওয়া হয়েছে তা সম্পূর্ণ নয় এমনকি বাস্তবে যা ঘটেছিল তার একটি মোটামুটি বড় অংশও নয়। এগুলো সমগ্র পশ্চিম [[পাঞ্জাব]] এবং পশ্চিম পাকিস্তানের অন্যান্য এলাকার কিছু গ্রাম ও শহরে যা ঘটেছিল তার প্রতিনিধি মূলক কিছু ঘটনা মাত্র। হাজার হাজার গ্রাম এবং শত শত শহরে এই ধরণের ঘটনা ঘটছে কল্পনা করুন এবং কেবল তখনই আপনি বাস্তবতার কাছাকাছি সেই অনুপাত অনুধাবন করতে পারবেন যা চূড়ান্ত বিশ্লেষণে তার পূর্ণ ভয়াবহতায় ভাষায় প্রকাশ করা অসম্ভব। এখানে ব্যবহৃত তথ্যগুলো এই ভয়াবহতার শিকার ব্যক্তিদের বর্ণনা থেকে নেওয়া হয়েছে যা কর্তৃপক্ষের কাছে করা অভিযোগ, নির্ভরযোগ্য সংবাদপত্রের প্রতিবেদন এবং পূর্ব পাঞ্জাবের শরণার্থী শিবিরগুলোতে অত্যন্ত বিশ্বস্ততার সাথে রেকর্ড করা ও বর্ণনাকারীদের স্বাক্ষরিত বিবৃতি থেকে সংগৃহীত।
** গুরবচন সিং তালিব, মুসলিম লীগ অ্যাটাক অন দ্য শিখস অ্যান্ড হিন্দুস ইন পাঞ্জাব, ১৯৪৭ (১৯৫০)।
* এই সব ঘটনা এমন এক সময় ঘটেছিল যখন ভারতে [[w:মহাত্মা গান্ধী|মহাত্মা গান্ধী]] ভারতীয় মুসলমানদের জন্য আরও ভালো আচরণের দাবিতে তার শেষ অনশন শুরু করেছিলেন। মহাত্মার সেই মহানুভবতার প্রতি পাকিস্তানের প্রতিক্রিয়া ছিল এমনই। ঠিক যখন দিল্লিতে মুসলমানদের নিরাপদ করা হচ্ছিল, তখন করাচিতে ৮০০ শিখকে গণহত্যা করা হয় এবং সব হিন্দুর সম্পদ লুট করা হয়।
** গুরবচন সিং তালিব, ‘মুসলিম লীগ অ্যাটাক অন দ্য শিখস অ্যান্ড হিন্দুস ইন পাঞ্জাব, ১৯৪৭’ (১৯৫০)।
* ভারত ছাড়ো আন্দোলনের একটি অনিচ্ছাকৃত ভালো দিক ছিল: এটি একটি হীন আপস প্রস্তাবকে টেবিল থেকে সরিয়ে দিয়েছিল। গান্ধী এবং কংগ্রেসের অনেক নেতা সাম্প্রদায়িক ভিত্তিতে দেশভাগের ধারণা গ্রহণে অনিচ্ছুক ছিলেন এবং মুসলিম লীগকে সন্তুষ্ট করার জন্য ক্রমবর্ধমান অযৌক্তিক সমাধান দেওয়া হচ্ছিল। চূড়ান্ত তুষ্টিকরণ প্রস্তাবটি ছিল ক্ষমতা পুরোপুরি মুসলিম লীগের হাতে তুলে দিয়ে ভারতকে ঐক্যবদ্ধ রাখা। মাওলানা আজাদ এই প্রস্তাব দিয়েছিলেন এবং গান্ধী ১৯৪২ সালের ৬ আগস্ট এটি অনুমোদন করেন।
** মহাত্মা গান্ধী। কোয়েনরাদ এলস্ট (২০১৮), ‘হোয়াই আই কিলড দ্য মহাত্মা: আনকভারিং গডসেস ডিফেন্স’-এ উদ্ধৃত।
* এটি বাড়িয়ে বলা যে ‘মুসলিম সম্প্রদায় ক্রমাগত মুসলিম লীগকে সমর্থন করেছিল।’ ... কেবল ১৯৪৬ সালের শুরুতে অনুষ্ঠিত নির্বাচনগুলোতেই মুসলিম ভোট নাটকীয়ভাবে মুসলিম লীগের দিকে ঝুঁকেছিল যা ৮৬.৬ শতাংশ ভোট দখল করেছিল অর্থাৎ পাকিস্তানের সৃষ্টির জন্য একটি জোরালো ম্যান্ডেট। অন্যদিকে ১৯৩৭ সালে যে ৯১ শতাংশ মুসলিম ভোটার লীগকে সমর্থন করতে অস্বীকার করেছিল তাদের মধ্য থেকে জিন্নাহর কার্যকর বিরোধিতা করার মতো কোনো বিশ্বাসযোগ্য রাজনৈতিক শক্তি গড়ে ওঠেনি। যদিও হিন্দু মহাসভাকে কংগ্রেস একটি রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে কোণঠাসা করে দিয়েছিল কিন্তু মুসলিম অভিজাতদের কোনো অংশ থেকেই লীগের বিরুদ্ধে অনুরূপ কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। মুসলিম নেতৃত্বাধীন বহুধর্মীয় দলগুলো (যেমন পাঞ্জাবে সিকান্দার হায়াত খানের ইউনিয়নিস্ট এবং বাংলায় ফজলুল হকের কৃষক প্রজা পার্টি) মুসলিম লীগ মুসলমানদের জন্য যে বিশেষ সুযোগ-সুবিধা দাবি করেছিল এবং অর্জন করেছিল তার মোটেও বিরোধিতা করেনি। স্ট্রাগল ফর ফ্রিডমে আর.সি. মজুমদার উল্লেখ করেছেন যে ১৯৩০-৩২ সালের গোলটেবিল বৈঠকে মুসলমানদের সাময়িক অনৈক্যের পর সব মতের মুসলমানরা জোর দিয়েছিলেন যে তাদের দাবিগুলো অবশ্যই পূরণ করতে হবে। মজুমদার তার বইতে আরও ব্যাখ্যা করেছেন যে লীগের বিরোধিতা করার পাশাপাশি তারা অন্তত পরোক্ষভাবে লীগের কিছু সাম্প্রদায়িক নীতিকে সমর্থন করেছিলেন এবং তাদের সেই সক্রিয় সমর্থনই ১৯৩৭ সালের পরাজয়ের পর 'লীগে নতুন প্রাণের সঞ্চার করেছিল'। একইভাবে রক্ষণশীল উলেমাগণ পাকিস্তান প্রকল্পের বিরোধিতা করেছিলেন কারণ তাদের লক্ষ্য ছিল ভারতের কোনো অংশের পরিবর্তে সমগ্র ভারত নিয়ন্ত্রণ করা কিন্তু তারা লীগের অন্যান্য অধিকাংশ সাম্প্রদায়িক দাবি সমর্থন করেছিলেন যা পাকিস্তানের দাবির মূলে থাকা সাম্প্রদায়িক দৃষ্টিভঙ্গিকে আরও শক্তিশালী করেছিল। কংগ্রেসের পক্ষ থেকে ‘জাতীয়তাবাদী মুসলিম’ হিসেবে স্বাগত জানানো এই ব্যক্তিরা গান্ধী এবং নেহেরুকে কংগ্রেসের মধ্যে সমস্ত সোচ্চার হিন্দু কণ্ঠস্বর দমনে সহায়তা করেছিলেন। এভাবে লীগের নীতিগুলোর প্রতি মুসলিম সমর্থন লীগের নিজস্ব ভোটের শতাংশের চেয়েও উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি ছিল।
** আর. সি. মজুমদার। কোয়েনরাদ এলস্ট (২০১৮), ‘হোয়াই আই কিলড দ্য মহাত্মা: আনকভারিং গডসেস ডিফেন্স’-এ উদ্ধৃত।
* ‘আমাদের বড় লড়াই হলো আমাদের ২২ কোটি হিন্দু শত্রুর সাথে যারা সংখ্যাগরিষ্ঠ (...) যদি তারা শক্তিশালী হয়ে ওঠে তবে এই হিন্দুরা মুসলিম ভারত এবং ধীরে ধীরে এমনকি মিশর, তুরস্ক, কাবুল, মক্কা গিলে ফেলবে (...) তাই মুসলিম লীগে যোগ দিয়ে লড়াই চালিয়ে যাওয়া প্রতিটি ধর্মপ্রাণ মুসলমানের অপরিহার্য কর্তব্য যাতে হিন্দুরা এখানে প্রতিষ্ঠিত হতে না পারে এবং ইংরেজরা চলে যাওয়ার সাথে সাথেই ভারতে একটি মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠিত হতে পারে।’
** বি.আর. আম্বেদকর: পাকিস্তান, পৃষ্ঠা ২৭৩-এ উদ্ধৃত মাওলানা আজাদ সোবহানি। আনন্দবাজার পত্রিকায় প্রকাশিত আজাদ সোবহানির ভাষণ। এলস্ট, কোয়েনরাড (২০১৮), হোয়াই আই কিলড দ্য মহাত্মা: আনকভারিং গডসেস ডিফেন্স, নিউ দিল্লি: রূপা, ২০১৮ থেকে উদ্ধৃত।
* "১৯৩৮ সালে ইউরোপে একটি সংক্ষিপ্ত সফর শেষে নেহেরু যখন ফিরে আসেন তখন তিনি ভারতে মুসলিম লীগের প্রচার পদ্ধতির সাথে জার্মানির নাৎসিদের প্রচার পদ্ধতির সাদৃশ্য দেখে বিস্মিত হয়েছিলেন: 'লীগ নেতারা গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে ফ্যাসিবাদী তিরস্কারের প্রতিধ্বনি করতে শুরু করেছিলেন... নাৎসিরা একটি নেতিবাচক নীতির সাথে যুক্ত ছিল। লীগও ঠিক তাই ছিল। লীগ ছিল হিন্দুবিরোধী, কংগ্রেস বিরোধী, জাতিবিরোধী... নাৎসিরা ইহুদিদের বিরুদ্ধে ঘৃণার চিৎকার তুলেছিল আর লীগ হিন্দুদের বিরুদ্ধে তাদের চিৎকার তুলেছিল।'"
**(বি.আর. নন্দ: গান্ধী অ্যান্ড হিজ ক্রিটিকস, ওইউপি, দিল্লি ১৯৯৩ (১৯৮৫), পৃষ্ঠা ৮৮) এলস্ট, কে. ওয়াজ গুরু গোলওয়ালকর আ নাৎসি?, ১৯৯৯ থেকে উদ্ধৃত। [https://web.archive.org/web/20100706155844/http://koenraadelst.bharatvani.org/articles/fascism/golwalkar.html] এছাড়াও এলস্ট, কে. (২০১০), দ্য স্যাফ্রন স্বস্তিকা: দ্য নোশন অফ "হিন্দু ফ্যাসিবাদ"-এ বর্ণিত।
* মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলের অমুসলিমদের ওপর আক্রমণের ক্ষেত্রে মুসলিম লীগের এই দ্বিমুখী কৌশল ছিল। প্রথমত এটি তার দ্বিজাতি তত্ত্ব এবং হিন্দুদের প্রতি ও পাঞ্জাবে শিখদের প্রতিও চরম বিরোধিতার প্রচার চালাচ্ছিল। দ্বিতীয়ত মুসলিম লীগ মুসলমানদের শারীরিকভাবে এবং সামরিকভাবে এই ধরণের লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত করছিল যার ফলে যখন আক্রমণ শুরু হয় তখন হিন্দু ও শিখরা অপ্রস্তুত অবস্থায় ধরা পড়ে এবং নিহতের সংখ্যায়, আহতের সংখ্যায়, নারীদের অপহরণ ও লাঞ্ছনায়, সম্পত্তি লুণ্ঠন এবং ঘরবাড়ি ও ধর্মীয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। হিন্দু ও শিখদের পক্ষ থেকে যে পাল্টা আক্রমণ এসেছিল তা ছিল বিলম্বিত এবং তা তখনই ঘটেছিল যখন মুসলিম আক্রমণ ক্রমাগত হতে থাকে এবং তাদের অস্তিত্বের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়ায়। ১৯৪৭ সালের আগস্টের আগে যেখানেই এই ধরণের পাল্টা আক্রমণ হয়েছে তা এমনকি মুসলিম লীগের উদ্দেশ্যই সাধন করেছিল কারণ এটি ভারতে সেই গৃহযুদ্ধের পরিবেশ তৈরি করেছিল যা মুসলিম লীগ তার কর্মসূচি ও নীতি এগিয়ে নেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় মনে করেছিল। এর ফলে তারা নৃশংসতার গল্প ছড়িয়ে দিতে পারত এবং অন্য জায়গার মুসলমানদের হিন্দু ও শিখদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়তে প্ররোচিত করতে পারত যেমনটি তারা প্রকৃতপক্ষে ১৯৪৬ সালের ডিসেম্বরে এবং ১৯৪৭ সালের জানুয়ারিতে উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশে করেছিল। মুসলিম লীগের লক্ষ্য ও পদ্ধতি ঠিক এমনই ছিল।
** তালিব, এস. জি. এস. (১৯৫০)[https://web.archive.org/web/20100620015130/http://www.bharatvani.org/books/mla/index.htm মুসলিম লীগ অ্যাটাক অন শিখস অ্যান্ড হিন্দুস ইন দ্য পাঞ্জাব, ১৯৪৭]। অমৃতসর: শিরোমণি গুরুদ্বারা প্রবন্ধক কমিটি। [https://www.allaboutsikhs.com/sikh-literature/books-gst/muslim-league-attack-on-sikhs-and-hindus-in-the-punjab-1947-sind/] [https://www.sikhiwiki.org/index.php/Muslim_League_Attack_on_Sikhs_and_Hindus_in_the_Punjab_1947] [https://voibooks.bitbucket.io/mla/index.html]
* মুসলিম লীগ নেতারা দীর্ঘকাল ধরে মুসলিম এবং অমুসলিম ভারতের মধ্যে জনসংখ্যা বিনিময়ের পক্ষে সওয়াল করেছিলেন। যারা একটি মুসলিম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পক্ষে ছিলেন তারা এর অনিবার্য ফলাফল হিসেবে জনসংখ্যা বিনিময়েরও সমর্থন করেছিলেন।
** তালিব, এস. জি. এস. (১৯৫০)। [https://web.archive.org/web/20100620015130/http://www.bharatvani.org/books/mla/index.htm মুসলিম লীগ অ্যাটাক অন শিখস অ্যান্ড হিন্দুস ইন দ্য পাঞ্জাব, ১৯৪৭]। অমৃতসর: শিরোমণি গুরুদ্বারা প্রবন্ধক কমিটি। [https://www.allaboutsikhs.com/sikh-literature/books-gst/muslim-league-attack-on-sikhs-and-hindus-in-the-punjab-1947-sind/] [https://www.sikhiwiki.org/index.php/Muslim_League_Attack_on_Sikhs_and_Hindus_in_the_Punjab_1947] [http://www.bharatvani.org/books/mla/index.htm] [https://voibooks.bitbucket.io/mla/index.html] পৃষ্ঠা ২১৬।
* মুসলিম লীগ তার রাজনৈতিক সাফল্যের জন্য আততায়ীর ছুরি, খুনির বুলেট এবং হাজার হাজার অগ্নিসংযোগকারী, অসহায় নারী ও শিশুদের হত্যাকারী, দস্যু ও সব ধরণের দুষ্কৃতিকারীদের মাঠে নামানোর ওপর নির্ভরশীল ছিল। এই ‘বাহিনী’ ওপরতলার একদল বুদ্ধিমান এবং ঠান্ডা মাথার পরিকল্পনাকারী নেতাদের দ্বারা পরিচালিত ছিল যারা ইচ্ছাকৃতভাবে তাদের সহধর্মীদের মনে অন্যদের প্রতি ধর্মীয় ঘৃণা জাগিয়ে তুলত, সেই ঘৃণাকে একটি সহিংস উন্মাদনায় রূপ দিত এবং তারপরে এই ঘৃণা-অনুপ্রাণিত জনতাকে এমন অসহায় হিন্দু ও শিখদের ওপর লেলিয়ে দিত যারা নির্দিষ্ট এলাকায় সংখ্যালঘু ছিল এবং তাই সহজেই দমে যেত। এভাবে মুসলিম লীগ ভারতের জন্য একটি ঐক্যবদ্ধ সরকার প্রতিষ্ঠা করা অসম্ভব করে তুলতে চেয়েছিল এবং এমন একটি পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে চেয়েছিল যাতে দেশের রাজনৈতিক বিভাজন অনিবার্য হয়ে ওঠে।
** তালিব, এস. জি. এস. (১৯৫০)। [https://web.archive.org/web/20100620015130/http://www.bharatvani.org/books/mla/index.htm মুসলিম লীগ অ্যাটাক অন শিখস অ্যান্ড হিন্দুস ইন দ্য পাঞ্জাব, ১৯৪৭]। অমৃতসর: শিরোমণি গুরুদ্বারা প্রবন্ধক কমিটি। [https://www.allaboutsikhs.com/sikh-literature/books-gst/muslim-league-attack-on-sikhs-and-hindus-in-the-punjab-1947-sind/] [https://www.sikhiwiki.org/index.php/Muslim_League_Attack_on_Sikhs_and_Hindus_in_the_Punjab_1947] [http://www.bharatvani.org/books/mla/index.htm] [https://voibooks.bitbucket.io/mla/index.html] পৃষ্ঠা ২৪২।
* এখানে উল্লেখ করা যেতে পারে যে ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান বিচ্ছিন্ন করার জন্য অবিবেচকের মতো সহিংসতা ছড়িয়ে দেওয়ার সময় মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর নেতৃত্বে মুসলিম লীগ পার্টি মুসলমানদের মধ্যে গোপন প্যামফ্লেট বিলি করেছিল যেখানে বলা হয়েছিল ‘‘একজন মুসলমানের পাঁচজন হিন্দুর অধিকার পাওয়া উচিত অর্থাৎ প্রতিটি মুসলমান পাঁচজন হিন্দুর সমান।’’
** খোসলা জিডি (১৯৮৯) স্টার্ন রেকনিং: আ সার্ভে অফ ইভেন্টস লিডিং আপ টু অ্যান্ড ফলোয়িং দ্য পার্টিশন অফ ইন্ডিয়া, অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস, দিল্লি, পৃষ্ঠা ৩১৩ [https://archive.org/details/stern-reckoning/page/313/mode/2up] এম.এ. খান ইসলামিক জিহাদ: আ লেগাসি অফ ফোর্সড কনভার্সন, ইম্পেরিয়ালিজম অ্যান্ড স্লেভারি (২০১১) থেকে উদ্ধৃত।
* [যদি ব্রিটিশরা ভারত ছেড়ে চলে যায়] তবে ভারতের শাসনভার সেই সম্প্রদায়ের হাতে চলে যাবে যারা আমাদের তুলনায় প্রায় চার গুণ বড় … তখন আমাদের জীবন, আমাদের সম্পত্তি, আমাদের সম্মান এবং আমাদের বিশ্বাস সবই বড় বিপদের মুখে পড়বে। … সেই সময়ের জন্য দুর্ভোগ যখন আমরা আমাদের প্রতিবেশীদের প্রজা হয়ে যাব এবং আওরঙ্গজেব … এবং তার আগে চলে যাওয়া অন্যান্য মুসলমান বিজেতা ও শাসকদের প্রকৃত বা কাল্পনিক পাপের জন্য তাদের কাছে জবাবদিহি করতে হবে।
** নবাব ওয়াকার-উল-মুলক কাম্বোহ ওরফে মুশতাক হোসেন জুবেরি, অল ইন্ডিয়া মুসলিম লীগের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা, বালকৃষ্ণ এস. লেসনস ফ্রম হিন্দু হিস্ট্রি ইন ১০ এপিসোডস (২০২০)-এ উদ্ধৃত।
* মুসলিম লীগ যা পাকিস্তানের ক্ষমতাসীন দল তারা তাদের ন্যাশনাল গার্ড নামে পরিচিত স্বেচ্ছাসেবকদের হিন্দুদের আতঙ্কিত করতে এবং তাদের দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিকত্বে নামিয়ে আনতে এগিয়ে যাওয়ার জন্য নিয়োজিত ও নির্দেশিত করেছিল। মুসলিম লীগ নিজেই ছিল জাতিগত ঘৃণার ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত একটি ফ্যাসিবাদী সংগঠন এবং তাদের স্বেচ্ছাসেবক সংগঠনটি হিটলারের স্টর্ম-ট্রুপারদের নীতি ও মডেলে পরিচালিত হতো। স্বাধীনতার প্রথম ঝোঁকে পাকিস্তানের সাধারণ মুসলমানরা অনুভব করতে শুরু করেছিল যে তারা একটি উচ্চতর শ্রেণি এবং একটি শাসক জাতি।
** লাহিরী পি. সি. (১৯৬৪)। ইন্ডিয়া পার্টিশনড অ্যান্ড মাইনরিটিজ ইন পাকিস্তান। পৃষ্ঠা ৮ কামরা এ. জে. (২০০০) দ্য প্রলোনড পার্টিশন অ্যান্ড ইটস পোগ্রোমস : টেস্টিমনিস অন ভায়োলেন্স এগেইনস্ট হিন্দুস ইন ইস্ট বেঙ্গল ১৯৪৬-৬৪ পৃষ্ঠা ৯-এ উদ্ধৃত।
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:পাকিস্তানের ইতিহাস]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতের ইতিহাস]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতে ইসলাম]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতের রাজনৈতিক দল]]
88mpoucc70vsrve6aqt603dxxt3q85j
83319
83318
2026-05-03T09:59:17Z
Tuhin
172
83319
wikitext
text/x-wiki
[[File:All India Muslim league conference 1906 attendees in Dhaka.jpg|right|350px|thumb|১৯০৬ সালে ঢাকার নবাব পরিবারের আহসান মঞ্জিল প্রাসাদে অনুষ্ঠিত নিখিল ভারত মোহামেডান এডুকেশনাল কনফারেন্স, যা মুসলিম লীগের ভিত্তি স্থাপন করেছিল।]]
'''[[w:নিখিল ভারত মুসলিম লীগ|নিখিল ভারত মুসলিম লীগ]]''' (মুসলিম লীগ নামেই সমধিক পরিচিত) ছিল ২০শ শতাব্দীর শুরুর দিকে ব্রিটিশ ভারতীয় সাম্রাজ্যে প্রতিষ্ঠিত একটি রাজনৈতিক দল। একটি পৃথক মুসলিম-সংখ্যাগরিষ্ঠ রাষ্ট্র পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠার জন্য দলটির জোরালো ওকালতি শেষ পর্যন্ত ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ সাম্রাজ্য কর্তৃক ব্রিটিশ ভারত বিভক্তির দিকে পরিচালিত করে।
== উক্তি ==
* মুসলিম লীগ সব সময়ই তুলনামূলকভাবে একটি অত্যন্ত দুর্বল সংগঠন ছিল। মূলত ১৯০৬ সালে ইসলামি রাজপুত্র এবং অভিজাতদের দ্বারা "ভারতের মুসলমানদের মধ্যে ব্রিটিশ সরকারের প্রতি আনুগত্যের বোধ জাগ্রত করার জন্য" (এর লক্ষ্যের বিবৃতি থেকে উদ্ধৃত) এটি তৈরি করা হয়েছিল যা ১৯৩০-এর দশকে জিন্নাহর নেতৃত্বে শিক্ষিত মুসলিম মধ্যবিত্ত শ্রেণি এটি দখল করে এবং অল্প সময়ের জন্য কংগ্রেস পার্টির সাথে জোটে ছিল। তবে এর মূল লক্ষ্য সব সময়ই ব্রিটিশবিরোধী হওয়ার পরিবর্তে হিন্দুবিরোধী ছিল।
** তারিক আলি - ‘দ্য ডুয়েল: পাকিস্তান অন দ্য ফ্লাইট পাথ অফ আমেরিকান পাওয়ার’ (২০০৮)।
* সুদেতেন জার্মানদের স্বার্থে চেকোস্লোভাকিয়ার বিরুদ্ধে হিটলারের গুণ্ডামিমূলক কৌশলের পাঠ মুসলিম লীগের নেতারা গভীরভাবে অধ্যয়ন করেছেন এবং সেই কৌশল থেকে শিক্ষাও নিয়েছেন বলে মনে হয়। ১৯৩৭ সালে করাচিতে অনুষ্ঠিত লীগের অধিবেশনে তাদের হুমকিমূলক বক্তৃতাগুলো দেখুন।
** [http://books.google.com/books?id=f_pDAAAAIAAJ বি. আর. আম্বেদকর, পাকিস্তান অর দ্য পার্টিশন অফ ইন্ডিয়া (১৯৪৬)]
* * [[সমাজ|সমাজের]] উচ্চস্তরের একজন মার্জিত রাষ্ট্রপতি হিসেবে তার লালন-পালন খুব কমই তাকে রাগ ও [[কুসংস্কার|কুসংস্কারের]] বশবর্তী হতে দিত। তিনি একজন একনিষ্ঠ কংগ্রেস সদস্যও ছিলেন যার [[ধর্মনিরপেক্ষতা|ধর্মনিরপেক্ষতার]] প্রতি গভীর অঙ্গীকার ছিল। পরবর্তী [[জীবন|জীবনে]] তাকে "সাম্প্রদায়িক" তকমা পাওয়ার মোকাবিলা করতে হয়েছিল কারণ তিনি আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষিত তরুণ [[মুসলিম|মুসলমানদের]] আকৃষ্ট করার চেষ্টা করেছিলেন। এটি কংগ্রেসের কাছে তৎকালীন মুসলিম লীগের সাম্প্রদায়িক চিন্তাধারা দ্বারা প্রভাবিত একটি ক্যাম্পাস হিসেবে বিবেচিত হত।
** ফখরুদ্দিন আলী আহমেদ সম্পর্কে। [http://books.google.co.in/books?id=ToBFJZiRsxMC&pg=PA47 শারদা দুবে: ফার্স্ট অ্যামাং ইকুয়ালস প্রেসিডেন্ট অফ ইন্ডিয়া (২০০৯), পৃ. ৫৬]
* * বিশ্বের অনেক দেশের ইতিহাসের এটি একটি দুঃখজনক শিক্ষা যে বাইরের আক্রমণকারীদের তুলনায় দেশের অভ্যন্তরে থাকা শত্রুভাবাপন্ন উপাদানগুলো জাতীয় নিরাপত্তার জন্য অনেক বড় হুমকি হয়ে দাঁড়ায়। এটি কি সত্য যে সমস্ত পাকিস্তানপন্থী উপাদান পাকিস্তানে চলে গেছে? উত্তরপ্রদেশের নেতৃত্বে হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রদেশগুলোর মুসলমানরাই শুরু থেকেই পাকিস্তান আন্দোলনের অগ্রসেনা হিসেবে কাজ করেছিল। এবং দেশভাগের পরেও তারা এখানে শক্তভাবে অবস্থান করছে। সেই নির্বাচনগুলোতে মুসলিম লীগ পাকিস্তানের সৃষ্টিকে তাদের নির্বাচনী মূল ভিত্তি বানিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিল। কংগ্রেসও সারা দেশে কিছু মুসলিম প্রার্থী দাঁড় করিয়েছিল। কিন্তু প্রায় প্রতিটি জায়গায় মুসলমানরা মুসলিম লীগ প্রার্থীদের ভোট দিয়েছিল এবং কংগ্রেসের মুসলিম প্রার্থীরা শোচনীয়ভাবে পরাজিত হয়েছিল। উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশ এর ব্যতিক্রম ছিল। এর অর্থ কেবল এই যে কোটি কোটি মুসলমান যারা এখনও এখানে আছেন তারা সবাই মিলে পাকিস্তানের পক্ষে ভোট দিয়েছিলেন। যারা এখানে রয়ে গেছেন তারা কি অন্তত এরপর পরিবর্তিত হয়েছেন? ১৯৪৬-৪৭ সালে নজিরবিহীনভাবে ব্যাপক দাঙ্গা, লুটপাট, অগ্নিসংযোগ, ধর্ষণ এবং সব ধরণের তাণ্ডবের জন্ম দেওয়া তাদের সেই পুরনো শত্রুতা এবং খুনি মনোভাব কি অন্তত এখন থেমেছে? পাকিস্তান সৃষ্টির পর তারা রাতারাতি দেশপ্রেমিক হয়ে গেছে বলে নিজেদের বিভ্রান্ত করা হবে আত্মঘাতী। উল্টো পাকিস্তান সৃষ্টির ফলে মুসলিম হুমকি শতগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে যা আমাদের দেশের ওপর তাদের ভবিষ্যৎ সমস্ত আক্রমণাত্মক পরিকল্পনার ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে।
** এম. এস. গোলওয়ালকর, বাঞ্চ অফ থটস
* * নিখিল ভারত মুসলিম লীগকে সাম্প্রদায়িক হিসেবে আখ্যায়িত করার যেকোনো প্রচেষ্টা ভুল হবে। এটি সত্য যে এটি সেই দলেরই ধারাবাহিকতা যা সাম্প্রদায়িক ভিত্তিতে ভারত বিভাজন সম্পন্ন করেছিল। তা সত্ত্বেও কংগ্রেস পার্টি এবং ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্ক্সবাদী) এর মতো প্রবলভাবে ধর্মনিরপেক্ষ দলগুলো কেরল রাজ্য পরিচালনাকারী জোটে মুসলিম লীগকে অন্তর্ভুক্ত করতে কখনোই দ্বিধা করেনি। কোনো প্রকৃত সাম্প্রদায়িক এমন সুযোগ পেত না।
** [https://web.archive.org/web/20190310235845/http://koenraadelst.bharatvani.org/articles/hinduism/sitaramgoel.html কোয়েনরাদ এলস্ট, ইন্ডিয়াজ অনলি কমিউনালিস্ট]
* "আমি পাঞ্জাব, উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশ, সিন্ধু এবং বেলুচিস্তানকে একটি একক রাষ্ট্রে একীভূত দেখতে চাই। ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অভ্যন্তরে বা ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের বাইরে একটি সুসংহত উত্তর-পশ্চিম ভারতীয় মুসলিম রাষ্ট্র গঠনই আমার কাছে মুসলমানদের বিশেষ করে উত্তর-পশ্চিম ভারতের মুসলমানদের চূড়ান্ত ভাগ্য বলে মনে হয়।"
** [http://www.columbia.edu/itc/mealac/pritchett/00islamlinks/txt_iqbal_1930.html ১৯৩০ সালের ২৯ ডিসেম্বর নিখিল ভারত মুসলিম লীগের অধিবেশনে স্যার মুহাম্মদ ইকবালের সভাপতির ভাষণ]
* এই রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক বাস্তবতা সত্ত্বেও প্রাথমিক ভারতীয় জাতীয়তাবাদীরা উদীয়মান আর্থ-সামাজিক এবং রাজনৈতিক আলোচনায় অন্তর্ভুক্তি ও সহনশীলতার চেতনা জাগিয়ে তোলার চেষ্টা করেছিলেন। তবে স্বাধীনতা আন্দোলন বিকশিত হওয়ার সাথে সাথে মুসলিম লীগ সম্পূর্ণভাবে তার ইসলামি উৎসের প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ একটি আদর্শ তুলে ধরে এবং দেশে এই সম্প্রদায়ের রাজনৈতিক আধিপত্য বজায় রাখার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেয়। ব্রিটিশদের প্রবর্তিত আধুনিকায়নের শক্তিগুলোর সাথে মুসলিম লীগের আপস করতে অস্বীকৃতি বা ব্যর্থতা একে জাতীয় মূলধারা থেকে দূরে একটি ভিন্ন পথে আরও ঠেলে দেয়।
**মীনাক্ষী জৈন, "পাওয়ার ইকুয়েশনস ইন এইটিনথ অ্যান্ড আর্লি নাইনটিনথ সেঞ্চুরি ইন্ডিয়া: দ্য এম্পিরিক্যাল ব্যাকড্রপ টু ন্যাশনালিজম", ইন্টারন্যাশনাল ফোরাম ফর ইন্ডিয়াস হেরিটেজ, ২০০৩।
* যখন আমরা বলি 'এই পতাকা (মুসলিম লীগের পতাকা) হলো ইসলামের পতাকা' তখন '''তারা মনে করে আমরা রাজনীতিতে ধর্ম নিয়ে আসছি যা এমন একটি সত্য যার জন্য আমরা গর্বিত'''। ইসলাম আমাদের একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধান দেয়। এটি কেবল ধর্মই নয় বরং এর মধ্যে আইন, দর্শন এবং রাজনীতিও রয়েছে। প্রকৃতপক্ষে এতে একজন মানুষের সকাল থেকে রাত পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সবকিছুই বিদ্যমান। যখন আমরা ইসলামের কথা বলি তখন আমরা একে একটি সর্বব্যাপী শব্দ হিসেবে গ্রহণ করি। আমরা কারো কোনো অমঙ্গল কামনা করি না। আমাদের ইসলামি বিধানের ভিত্তি হলো আমরা স্বাধীনতা, সাম্য এবং ভ্রাতৃত্বের পক্ষে দাঁড়াই।
** মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ, ১৯৩৮ সালের জানুয়ারিতে গয়া মুসলিম লীগ কনফারেন্সে ভাষণ।
* প্রতিটি দল সহিংসতার জন্য অন্য পক্ষকে অভিযুক্ত করেছিল। জিন্নাহ "ভাইসরয়, মিস্টার গান্ধী এবং কংগ্রেসকে" দায়ী করেন। নেহেরু কলকাতায় "যা কিছু ঘটেছে তার সবকিছুর জন্য" মুসলিম লীগের ওপর দায় চাপিয়ে দেন।
** গান্ধীর এক্সপেরিমেন্টস উইথ ট্রুথ: এসেনশিয়াল রাইটিংস বাই অ্যান্ড অ্যাবাউট মহাত্মা গান্ধী। রিচার্ড এল. জনসন, [http://books.google.co.in/books?id=dRQcKsx-YgQC&pg=PA46 গান্ধীর এক্সপেরিমেন্টস উইথ ট্রুথ: এসেনশিয়াল রাইটিংস বাই অ্যান্ড অ্যাবাউট মহাত্মা গান্ধী] পৃষ্ঠা ৪৬ এ।
* হে মুসলমানগণ, জাগো, সজাগ হও! হিন্দুদের সাথে একই স্কুলে পড়ো না। হিন্দুদের তৈরি কোনো পণ্য স্পর্শ করো না। হিন্দুদের কোনো চাকরি দিও না। কোনো হিন্দুর অধীনে কোনো অসম্মানজনক পদ গ্রহণ করো না। তোমরা অজ্ঞ, কিন্তু যদি তোমরা জ্ঞান অর্জন করো তবে তোমরা সকল হিন্দুকে জাহান্নামে পাঠিয়ে দিতে পারো। এই প্রদেশে তোমরাই জনসংখ্যার সংখ্যাগরিষ্ঠ। হিন্দুদের নিজস্ব কোনো সম্পদ নেই এবং তারা কেবল তোমাদের সম্পদ লুণ্ঠন করেই নিজেদের ধনী করেছে। তোমরা যদি পর্যাপ্তরূপে আলোকিত হও তবে হিন্দুরা না খেয়ে মরবে এবং শীঘ্রই মোহামেডান (মুসলমান) হয়ে যাবে।
** লাল ইশতেহার [ঢাকার নবাব সলিমুল্লাহর] যা ১৯০৬ সালের ডিসেম্বরে ঢাকায় প্রথম মুসলিম লীগ বৈঠকের পর সারা বাংলায় প্রচার করা হয়েছিল। আর.সি. মজুমদার (সম্পাদিত), হিস্ট্রি অ্যান্ড কালচার অফ দ্য ইন্ডিয়ান পিপল, ভলিউম ১১, বোম্বে, ১৯৭৮, পৃষ্ঠা ৫৪-তে উদ্ধৃত।
* কলকাতার হত্যাকাণ্ডের পর ১৯৪৬ সালের অক্টোবরে 'নোয়াখালী দাঙ্গা' হয়েছিল। সেখানে তফসিলি জাতিসহ হিন্দুদের হত্যা করা হয় এবং শত শত লোককে ইসলামে ধর্মান্তরিত করা হয়। হিন্দু নারীদের ধর্ষণ ও অপহরণ করা হয়। আমার সম্প্রদায়ের মানুষও জীবন ও সম্পদের ক্ষতির শিকার হয়েছে। এই ঘটনার পরপরই আমি ত্রিপুরা ও ফেনী সফর করি এবং দাঙ্গাকবলিত কিছু এলাকা দেখি। হিন্দুদের ভয়াবহ ভোগান্তি আমাকে শোকে অভিভূত করেছিল, কিন্তু তবুও আমি মুসলিম লীগের সাথে সহযোগিতার নীতি বজায় রেখেছিলাম।
** পাকিস্তান সরকারের আইন ও শ্রম মন্ত্রী [[w:যোগেন্দ্রনাথ মণ্ডল|যোগেন্দ্রনাথ মণ্ডলের]] পদত্যাগপত্রের অংশবিশেষ, ৮ অক্টোবর ১৯৫০। [https://en.wikisource.org/wiki/Resignation_letter_of_Jogendra_Nath_Mandal]
[https://biblio.wiki/wiki/Resignation_letter_of_Jogendra_Nath_Mandal]
* এই পৃষ্ঠাগুলোতে শিখ এবং হিন্দুদের ওপর সংঘটিত নৃশংসতার যে বিবরণ দেওয়া হয়েছে তা সম্পূর্ণ নয় এমনকি বাস্তবে যা ঘটেছিল তার একটি মোটামুটি বড় অংশও নয়। এগুলো সমগ্র পশ্চিম [[পাঞ্জাব]] এবং পশ্চিম পাকিস্তানের অন্যান্য এলাকার কিছু গ্রাম ও শহরে যা ঘটেছিল তার প্রতিনিধি মূলক কিছু ঘটনা মাত্র। হাজার হাজার গ্রাম এবং শত শত শহরে এই ধরণের ঘটনা ঘটছে কল্পনা করুন এবং কেবল তখনই আপনি বাস্তবতার কাছাকাছি সেই অনুপাত অনুধাবন করতে পারবেন যা চূড়ান্ত বিশ্লেষণে তার পূর্ণ ভয়াবহতায় ভাষায় প্রকাশ করা অসম্ভব। এখানে ব্যবহৃত তথ্যগুলো এই ভয়াবহতার শিকার ব্যক্তিদের বর্ণনা থেকে নেওয়া হয়েছে যা কর্তৃপক্ষের কাছে করা অভিযোগ, নির্ভরযোগ্য সংবাদপত্রের প্রতিবেদন এবং পূর্ব পাঞ্জাবের শরণার্থী শিবিরগুলোতে অত্যন্ত বিশ্বস্ততার সাথে রেকর্ড করা ও বর্ণনাকারীদের স্বাক্ষরিত বিবৃতি থেকে সংগৃহীত।
** গুরবচন সিং তালিব, মুসলিম লীগ অ্যাটাক অন দ্য শিখস অ্যান্ড হিন্দুস ইন পাঞ্জাব, ১৯৪৭ (১৯৫০)।
* এই সব ঘটনা এমন এক সময় ঘটেছিল যখন ভারতে [[w:মহাত্মা গান্ধী|মহাত্মা গান্ধী]] ভারতীয় মুসলমানদের জন্য আরও ভালো আচরণের দাবিতে তার শেষ অনশন শুরু করেছিলেন। মহাত্মার সেই মহানুভবতার প্রতি পাকিস্তানের প্রতিক্রিয়া ছিল এমনই। ঠিক যখন দিল্লিতে মুসলমানদের নিরাপদ করা হচ্ছিল, তখন করাচিতে ৮০০ শিখকে গণহত্যা করা হয় এবং সব হিন্দুর সম্পদ লুট করা হয়।
** গুরবচন সিং তালিব, ‘মুসলিম লীগ অ্যাটাক অন দ্য শিখস অ্যান্ড হিন্দুস ইন পাঞ্জাব, ১৯৪৭’ (১৯৫০)।
* ভারত ছাড়ো আন্দোলনের একটি অনিচ্ছাকৃত ভালো দিক ছিল: এটি একটি হীন আপস প্রস্তাবকে টেবিল থেকে সরিয়ে দিয়েছিল। গান্ধী এবং কংগ্রেসের অনেক নেতা সাম্প্রদায়িক ভিত্তিতে দেশভাগের ধারণা গ্রহণে অনিচ্ছুক ছিলেন এবং মুসলিম লীগকে সন্তুষ্ট করার জন্য ক্রমবর্ধমান অযৌক্তিক সমাধান দেওয়া হচ্ছিল। চূড়ান্ত তুষ্টিকরণ প্রস্তাবটি ছিল ক্ষমতা পুরোপুরি মুসলিম লীগের হাতে তুলে দিয়ে ভারতকে ঐক্যবদ্ধ রাখা। মাওলানা আজাদ এই প্রস্তাব দিয়েছিলেন এবং গান্ধী ১৯৪২ সালের ৬ আগস্ট এটি অনুমোদন করেন।
** মহাত্মা গান্ধী। কোয়েনরাদ এলস্ট (২০১৮), ‘হোয়াই আই কিলড দ্য মহাত্মা: আনকভারিং গডসেস ডিফেন্স’-এ উদ্ধৃত।
* এটি বাড়িয়ে বলা যে ‘মুসলিম সম্প্রদায় ক্রমাগত মুসলিম লীগকে সমর্থন করেছিল।’ ... কেবল ১৯৪৬ সালের শুরুতে অনুষ্ঠিত নির্বাচনগুলোতেই মুসলিম ভোট নাটকীয়ভাবে মুসলিম লীগের দিকে ঝুঁকেছিল যা ৮৬.৬ শতাংশ ভোট দখল করেছিল অর্থাৎ পাকিস্তানের সৃষ্টির জন্য একটি জোরালো ম্যান্ডেট। অন্যদিকে ১৯৩৭ সালে যে ৯১ শতাংশ মুসলিম ভোটার লীগকে সমর্থন করতে অস্বীকার করেছিল তাদের মধ্য থেকে জিন্নাহর কার্যকর বিরোধিতা করার মতো কোনো বিশ্বাসযোগ্য রাজনৈতিক শক্তি গড়ে ওঠেনি। যদিও হিন্দু মহাসভাকে কংগ্রেস একটি রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে কোণঠাসা করে দিয়েছিল কিন্তু মুসলিম অভিজাতদের কোনো অংশ থেকেই লীগের বিরুদ্ধে অনুরূপ কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। মুসলিম নেতৃত্বাধীন বহুধর্মীয় দলগুলো (যেমন পাঞ্জাবে সিকান্দার হায়াত খানের ইউনিয়নিস্ট এবং বাংলায় ফজলুল হকের কৃষক প্রজা পার্টি) মুসলিম লীগ মুসলমানদের জন্য যে বিশেষ সুযোগ-সুবিধা দাবি করেছিল এবং অর্জন করেছিল তার মোটেও বিরোধিতা করেনি। স্ট্রাগল ফর ফ্রিডমে আর.সি. মজুমদার উল্লেখ করেছেন যে ১৯৩০-৩২ সালের গোলটেবিল বৈঠকে মুসলমানদের সাময়িক অনৈক্যের পর সব মতের মুসলমানরা জোর দিয়েছিলেন যে তাদের দাবিগুলো অবশ্যই পূরণ করতে হবে। মজুমদার তার বইতে আরও ব্যাখ্যা করেছেন যে লীগের বিরোধিতা করার পাশাপাশি তারা অন্তত পরোক্ষভাবে লীগের কিছু সাম্প্রদায়িক নীতিকে সমর্থন করেছিলেন এবং তাদের সেই সক্রিয় সমর্থনই ১৯৩৭ সালের পরাজয়ের পর 'লীগে নতুন প্রাণের সঞ্চার করেছিল'। একইভাবে রক্ষণশীল উলেমাগণ পাকিস্তান প্রকল্পের বিরোধিতা করেছিলেন কারণ তাদের লক্ষ্য ছিল ভারতের কোনো অংশের পরিবর্তে সমগ্র ভারত নিয়ন্ত্রণ করা কিন্তু তারা লীগের অন্যান্য অধিকাংশ সাম্প্রদায়িক দাবি সমর্থন করেছিলেন যা পাকিস্তানের দাবির মূলে থাকা সাম্প্রদায়িক দৃষ্টিভঙ্গিকে আরও শক্তিশালী করেছিল। কংগ্রেসের পক্ষ থেকে ‘জাতীয়তাবাদী মুসলিম’ হিসেবে স্বাগত জানানো এই ব্যক্তিরা গান্ধী এবং নেহেরুকে কংগ্রেসের মধ্যে সমস্ত সোচ্চার হিন্দু কণ্ঠস্বর দমনে সহায়তা করেছিলেন। এভাবে লীগের নীতিগুলোর প্রতি মুসলিম সমর্থন লীগের নিজস্ব ভোটের শতাংশের চেয়েও উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি ছিল।
** আর. সি. মজুমদার। কোয়েনরাদ এলস্ট (২০১৮), ‘হোয়াই আই কিলড দ্য মহাত্মা: আনকভারিং গডসেস ডিফেন্স’-এ উদ্ধৃত।
* ‘আমাদের বড় লড়াই হলো আমাদের ২২ কোটি হিন্দু শত্রুর সাথে যারা সংখ্যাগরিষ্ঠ (...) যদি তারা শক্তিশালী হয়ে ওঠে তবে এই হিন্দুরা মুসলিম ভারত এবং ধীরে ধীরে এমনকি মিশর, তুরস্ক, কাবুল, মক্কা গিলে ফেলবে (...) তাই মুসলিম লীগে যোগ দিয়ে লড়াই চালিয়ে যাওয়া প্রতিটি ধর্মপ্রাণ মুসলমানের অপরিহার্য কর্তব্য যাতে হিন্দুরা এখানে প্রতিষ্ঠিত হতে না পারে এবং ইংরেজরা চলে যাওয়ার সাথে সাথেই ভারতে একটি মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠিত হতে পারে।’
** বি.আর. আম্বেদকর: পাকিস্তান, পৃষ্ঠা ২৭৩-এ উদ্ধৃত মাওলানা আজাদ সোবহানি। আনন্দবাজার পত্রিকায় প্রকাশিত আজাদ সোবহানির ভাষণ। এলস্ট, কোয়েনরাড (২০১৮), হোয়াই আই কিলড দ্য মহাত্মা: আনকভারিং গডসেস ডিফেন্স, নিউ দিল্লি: রূপা, ২০১৮ থেকে উদ্ধৃত।
* "১৯৩৮ সালে ইউরোপে একটি সংক্ষিপ্ত সফর শেষে নেহেরু যখন ফিরে আসেন তখন তিনি ভারতে মুসলিম লীগের প্রচার পদ্ধতির সাথে জার্মানির নাৎসিদের প্রচার পদ্ধতির সাদৃশ্য দেখে বিস্মিত হয়েছিলেন: 'লীগ নেতারা গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে ফ্যাসিবাদী তিরস্কারের প্রতিধ্বনি করতে শুরু করেছিলেন... নাৎসিরা একটি নেতিবাচক নীতির সাথে যুক্ত ছিল। লীগও ঠিক তাই ছিল। লীগ ছিল হিন্দুবিরোধী, কংগ্রেস বিরোধী, জাতিবিরোধী... নাৎসিরা ইহুদিদের বিরুদ্ধে ঘৃণার চিৎকার তুলেছিল আর লীগ হিন্দুদের বিরুদ্ধে তাদের চিৎকার তুলেছিল।'"
**(বি.আর. নন্দ: গান্ধী অ্যান্ড হিজ ক্রিটিকস, ওইউপি, দিল্লি ১৯৯৩ (১৯৮৫), পৃষ্ঠা ৮৮) এলস্ট, কে. ওয়াজ গুরু গোলওয়ালকর আ নাৎসি?, ১৯৯৯ থেকে উদ্ধৃত। [https://web.archive.org/web/20100706155844/http://koenraadelst.bharatvani.org/articles/fascism/golwalkar.html] এছাড়াও এলস্ট, কে. (২০১০), দ্য স্যাফ্রন স্বস্তিকা: দ্য নোশন অফ "হিন্দু ফ্যাসিবাদ"-এ বর্ণিত।
* মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলের অমুসলিমদের ওপর আক্রমণের ক্ষেত্রে মুসলিম লীগের এই দ্বিমুখী কৌশল ছিল। প্রথমত এটি তার দ্বিজাতি তত্ত্ব এবং হিন্দুদের প্রতি ও পাঞ্জাবে শিখদের প্রতিও চরম বিরোধিতার প্রচার চালাচ্ছিল। দ্বিতীয়ত মুসলিম লীগ মুসলমানদের শারীরিকভাবে এবং সামরিকভাবে এই ধরণের লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত করছিল যার ফলে যখন আক্রমণ শুরু হয় তখন হিন্দু ও শিখরা অপ্রস্তুত অবস্থায় ধরা পড়ে এবং নিহতের সংখ্যায়, আহতের সংখ্যায়, নারীদের অপহরণ ও লাঞ্ছনায়, সম্পত্তি লুণ্ঠন এবং ঘরবাড়ি ও ধর্মীয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। হিন্দু ও শিখদের পক্ষ থেকে যে পাল্টা আক্রমণ এসেছিল তা ছিল বিলম্বিত এবং তা তখনই ঘটেছিল যখন মুসলিম আক্রমণ ক্রমাগত হতে থাকে এবং তাদের অস্তিত্বের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়ায়। ১৯৪৭ সালের আগস্টের আগে যেখানেই এই ধরণের পাল্টা আক্রমণ হয়েছে তা এমনকি মুসলিম লীগের উদ্দেশ্যই সাধন করেছিল কারণ এটি ভারতে সেই গৃহযুদ্ধের পরিবেশ তৈরি করেছিল যা মুসলিম লীগ তার কর্মসূচি ও নীতি এগিয়ে নেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় মনে করেছিল। এর ফলে তারা নৃশংসতার গল্প ছড়িয়ে দিতে পারত এবং অন্য জায়গার মুসলমানদের হিন্দু ও শিখদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়তে প্ররোচিত করতে পারত যেমনটি তারা প্রকৃতপক্ষে ১৯৪৬ সালের ডিসেম্বরে এবং ১৯৪৭ সালের জানুয়ারিতে উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশে করেছিল। মুসলিম লীগের লক্ষ্য ও পদ্ধতি ঠিক এমনই ছিল।
** তালিব, এস. জি. এস. (১৯৫০)[https://web.archive.org/web/20100620015130/http://www.bharatvani.org/books/mla/index.htm মুসলিম লীগ অ্যাটাক অন শিখস অ্যান্ড হিন্দুস ইন দ্য পাঞ্জাব, ১৯৪৭]। অমৃতসর: শিরোমণি গুরুদ্বারা প্রবন্ধক কমিটি। [https://www.allaboutsikhs.com/sikh-literature/books-gst/muslim-league-attack-on-sikhs-and-hindus-in-the-punjab-1947-sind/] [https://www.sikhiwiki.org/index.php/Muslim_League_Attack_on_Sikhs_and_Hindus_in_the_Punjab_1947] [https://voibooks.bitbucket.io/mla/index.html]
* মুসলিম লীগ নেতারা দীর্ঘকাল ধরে মুসলিম এবং অমুসলিম ভারতের মধ্যে জনসংখ্যা বিনিময়ের পক্ষে সওয়াল করেছিলেন। যারা একটি মুসলিম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পক্ষে ছিলেন তারা এর অনিবার্য ফলাফল হিসেবে জনসংখ্যা বিনিময়েরও সমর্থন করেছিলেন।
** তালিব, এস. জি. এস. (১৯৫০)। [https://web.archive.org/web/20100620015130/http://www.bharatvani.org/books/mla/index.htm মুসলিম লীগ অ্যাটাক অন শিখস অ্যান্ড হিন্দুস ইন দ্য পাঞ্জাব, ১৯৪৭]। অমৃতসর: শিরোমণি গুরুদ্বারা প্রবন্ধক কমিটি। [https://www.allaboutsikhs.com/sikh-literature/books-gst/muslim-league-attack-on-sikhs-and-hindus-in-the-punjab-1947-sind/] [https://www.sikhiwiki.org/index.php/Muslim_League_Attack_on_Sikhs_and_Hindus_in_the_Punjab_1947] [http://www.bharatvani.org/books/mla/index.htm] [https://voibooks.bitbucket.io/mla/index.html] পৃষ্ঠা ২১৬।
* মুসলিম লীগ তার রাজনৈতিক সাফল্যের জন্য আততায়ীর ছুরি, খুনির বুলেট এবং হাজার হাজার অগ্নিসংযোগকারী, অসহায় নারী ও শিশুদের হত্যাকারী, দস্যু ও সব ধরণের দুষ্কৃতিকারীদের মাঠে নামানোর ওপর নির্ভরশীল ছিল। এই ‘বাহিনী’ ওপরতলার একদল বুদ্ধিমান এবং ঠান্ডা মাথার পরিকল্পনাকারী নেতাদের দ্বারা পরিচালিত ছিল যারা ইচ্ছাকৃতভাবে তাদের সহধর্মীদের মনে অন্যদের প্রতি ধর্মীয় ঘৃণা জাগিয়ে তুলত, সেই ঘৃণাকে একটি সহিংস উন্মাদনায় রূপ দিত এবং তারপরে এই ঘৃণা-অনুপ্রাণিত জনতাকে এমন অসহায় হিন্দু ও শিখদের ওপর লেলিয়ে দিত যারা নির্দিষ্ট এলাকায় সংখ্যালঘু ছিল এবং তাই সহজেই দমে যেত। এভাবে মুসলিম লীগ ভারতের জন্য একটি ঐক্যবদ্ধ সরকার প্রতিষ্ঠা করা অসম্ভব করে তুলতে চেয়েছিল এবং এমন একটি পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে চেয়েছিল যাতে দেশের রাজনৈতিক বিভাজন অনিবার্য হয়ে ওঠে।
** তালিব, এস. জি. এস. (১৯৫০)। [https://web.archive.org/web/20100620015130/http://www.bharatvani.org/books/mla/index.htm মুসলিম লীগ অ্যাটাক অন শিখস অ্যান্ড হিন্দুস ইন দ্য পাঞ্জাব, ১৯৪৭]। অমৃতসর: শিরোমণি গুরুদ্বারা প্রবন্ধক কমিটি। [https://www.allaboutsikhs.com/sikh-literature/books-gst/muslim-league-attack-on-sikhs-and-hindus-in-the-punjab-1947-sind/] [https://www.sikhiwiki.org/index.php/Muslim_League_Attack_on_Sikhs_and_Hindus_in_the_Punjab_1947] [http://www.bharatvani.org/books/mla/index.htm] [https://voibooks.bitbucket.io/mla/index.html] পৃষ্ঠা ২৪২।
* এখানে উল্লেখ করা যেতে পারে যে ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান বিচ্ছিন্ন করার জন্য অবিবেচকের মতো সহিংসতা ছড়িয়ে দেওয়ার সময় মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর নেতৃত্বে মুসলিম লীগ পার্টি মুসলমানদের মধ্যে গোপন প্যামফ্লেট বিলি করেছিল যেখানে বলা হয়েছিল ‘‘একজন মুসলমানের পাঁচজন হিন্দুর অধিকার পাওয়া উচিত অর্থাৎ প্রতিটি মুসলমান পাঁচজন হিন্দুর সমান।’’
** খোসলা জিডি (১৯৮৯) স্টার্ন রেকনিং: আ সার্ভে অফ ইভেন্টস লিডিং আপ টু অ্যান্ড ফলোয়িং দ্য পার্টিশন অফ ইন্ডিয়া, অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস, দিল্লি, পৃষ্ঠা ৩১৩ [https://archive.org/details/stern-reckoning/page/313/mode/2up] এম.এ. খান ইসলামিক জিহাদ: আ লেগাসি অফ ফোর্সড কনভার্সন, ইম্পেরিয়ালিজম অ্যান্ড স্লেভারি (২০১১) থেকে উদ্ধৃত।
* [যদি ব্রিটিশরা ভারত ছেড়ে চলে যায়] তবে ভারতের শাসনভার সেই সম্প্রদায়ের হাতে চলে যাবে যারা আমাদের তুলনায় প্রায় চার গুণ বড় … তখন আমাদের জীবন, আমাদের সম্পত্তি, আমাদের সম্মান এবং আমাদের বিশ্বাস সবই বড় বিপদের মুখে পড়বে। … সেই সময়ের জন্য দুর্ভোগ যখন আমরা আমাদের প্রতিবেশীদের প্রজা হয়ে যাব এবং আওরঙ্গজেব … এবং তার আগে চলে যাওয়া অন্যান্য মুসলমান বিজেতা ও শাসকদের প্রকৃত বা কাল্পনিক পাপের জন্য তাদের কাছে জবাবদিহি করতে হবে।
** নবাব ওয়াকার-উল-মুলক কাম্বোহ ওরফে মুশতাক হোসেন জুবেরি, অল ইন্ডিয়া মুসলিম লীগের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা, বালকৃষ্ণ এস. লেসনস ফ্রম হিন্দু হিস্ট্রি ইন ১০ এপিসোডস (২০২০)-এ উদ্ধৃত।
* মুসলিম লীগ যা পাকিস্তানের ক্ষমতাসীন দল তারা তাদের ন্যাশনাল গার্ড নামে পরিচিত স্বেচ্ছাসেবকদের হিন্দুদের আতঙ্কিত করতে এবং তাদের দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিকত্বে নামিয়ে আনতে এগিয়ে যাওয়ার জন্য নিয়োজিত ও নির্দেশিত করেছিল। মুসলিম লীগ নিজেই ছিল জাতিগত ঘৃণার ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত একটি ফ্যাসিবাদী সংগঠন এবং তাদের স্বেচ্ছাসেবক সংগঠনটি হিটলারের স্টর্ম-ট্রুপারদের নীতি ও মডেলে পরিচালিত হতো। স্বাধীনতার প্রথম ঝোঁকে পাকিস্তানের সাধারণ মুসলমানরা অনুভব করতে শুরু করেছিল যে তারা একটি উচ্চতর শ্রেণি এবং একটি শাসক জাতি।
** লাহিরী পি. সি. (১৯৬৪)। ইন্ডিয়া পার্টিশনড অ্যান্ড মাইনরিটিজ ইন পাকিস্তান। পৃষ্ঠা ৮ কামরা এ. জে. (২০০০) দ্য প্রলোনড পার্টিশন অ্যান্ড ইটস পোগ্রোমস : টেস্টিমনিস অন ভায়োলেন্স এগেইনস্ট হিন্দুস ইন ইস্ট বেঙ্গল ১৯৪৬-৬৪ পৃষ্ঠা ৯-এ উদ্ধৃত।
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:পাকিস্তানের ইতিহাস]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতের ইতিহাস]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতে ইসলাম]]
[[বিষয়শ্রেণী:ভারতের রাজনৈতিক দল]]
an4nzvvxz4a81buhwsqkhmgscz416bw
জমিদার
0
13713
83316
81467
2026-05-03T09:13:12Z
Tuhin
172
83316
wikitext
text/x-wiki
ভারতীয় উপমহাদেশে একজন '''[[w:জমিদার|জমিদার]]''' ছিলেন একজন অভিজাত ব্যক্তি। ফার্সি ভাষায় এই শব্দটির অর্থ হলো ভূমির মালিক। সাধারণত বংশানুক্রমিক এই জমিদাররা বিশাল ভূখণ্ডের অধিকারী ছিলেন এবং কৃষকদের ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ ছিল। রাজকীয় আদালতের পক্ষে বা সামরিক উদ্দেশ্যে কৃষকদের কাছ থেকে কর আদায় করার অধিকার তাদের ছিল। তাদের পরিবারগুলো আভিজাত্যের পরিচায়ক বিভিন্ন উপাধি বহন করত।
== উক্তি ==
* তিনি খুব কমই জানতেন যে ঔপনিবেশিক দাসত্ব থেকে মুক্তি পাওয়া জমিদারের হাত থেকে মুক্তি পাওয়ার চেয়ে সহজ ছিল। স্বাধীনতার আগে দেশের অধিকাংশ মানুষ গ্রামে বাস করত, যেখানে দরিদ্র ও ভূমিহীন কৃষকরা শোষক জমিদার বা জাগিরদারদের শাসনাধীন ছিল। জমিদাররা এই ভূমিহীন কৃষকদের লাঙ্গল ও বীজ দিত, তাদের বলদের মতো খাটিয়ে জমি চাষ করাত এবং বিনিময়ে ফসলের সামান্য অংশ দিত। এটি ছিল সেই সময় যখন দুর্ভিক্ষ ও খরা চলছিল এবং খাদ্যাভাবের কারণে ভারত অভুক্ত ছিল। এই প্রেক্ষাপটে জমিদাররা ছিল শোষণমূলক ব্যবস্থার কেন্দ্রবিন্দু। গ্রাম ছিল তার নিজস্ব জগত। তিনি নিজের খেয়ালখুশিমতো খাজনা বা লগান আদায় করতেন। তিনি ইচ্ছামতো নারীদের ধর্ষণ করতেন। তার কোঠি বা অট্টালিকা ছিল কৃষকদের শোষণের প্রতীক। তাকে ঘিরে থাকা রহস্য, তার গোঁফ, পাগড়ি, ভৃত্য এবং লাঠি তাকে ত্রাসের মূর্ত প্রতীক করে তুলেছিল। তিনি ছিলেন শয়তান। তিনি ক্ষুধার্ত কৃষক দেখতে ভালোবাসতেন। যখন কোনো কৃষক তার ইজ্জত অর্থাৎ পাগড়ি তার পায়ে রাখত, তখন তার হৃদয় আনন্দে ভরে উঠত। ক্ষুধার্ত কৃষকের পিঠে চাবুকের আঘাতের শব্দ তিনি উপভোগ করতেন। তিনি এই সব করতে পারতেন কারণ তিনি ছিলেন জমির মালিক। আর জমিই হলো একমাত্র সম্পদ যা ঈশ্বর আর তৈরি করেন না। তিনি ঈশ্বরের সবচেয়ে চাহিদাসম্পন্ন এবং বিরল সৃষ্টি ভূমির মালিক ছিলেন। ফলে তিনি নিজেই ঈশ্বর হয়ে উঠেছিলেন।
** বিবেক অগ্নিহোত্রী, ‘আরবান নকশালস: দ্য মেকিং অফ বুদ্ধ ইন এ ট্রাফিক জ্যাম’ (২০১৮, গরুড় প্রকাশন)।
* স্বাধীন ভারতের আর্থ-সামাজিক কাঠামোতে এই জমিদারদের ক্ষমতা ও প্রভাব ছিল অপ্রতিদ্বন্দ্বী, কারণ তারা রাজনীতির তহবিলে তাদের অবৈধ অর্থ ঢেলে দিচ্ছিল। এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই যে তৎকালীন আবাদযোগ্য জমির বেশিরভাগেরই মালিক ছিল মাত্র পাঁচ শতাংশ মানুষ এই জমিদাররা।
** বিবেক অগ্নিহোত্রী, ‘আরবান নকশালস: দ্য মেকিং অফ বুদ্ধ ইন এ ট্রাফিক জ্যাম’ (২০১৮, গরুড় প্রকাশন)।
* প্রতিটি তরুণ ছেলে এবং মেয়ে জমিদারকে ঘৃণা করত কারণ তিনি তার বাবা, চাচা এবং ভাইদের শোষণ করতেন। তার বোন, মা বা প্রতিবেশীর মেয়েকে শ্লীলতাহানি বা ধর্ষণ করার জন্য। এই তরুণ ছেলেটি একরাশ ক্ষোভ নিয়ে বড় হতো। আর এই ক্ষোভই নকশাল আন্দোলনের খোরাক হয়ে উঠেছিল।
** বিবেক অগ্নিহোত্রী, ‘আরবান নকশালস: দ্য মেকিং অফ বুদ্ধ ইন এ ট্রাফিক জ্যাম’ (২০১৮, গরুড় প্রকাশন)।
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:ভারত]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশ]]
jbhygacqia1qyn64y1oaklqzdakqqej
রবার্ট অ্যাটকিনস (বিচারক)
0
13913
83314
82545
2026-05-03T08:56:35Z
Tuhin
172
83314
wikitext
text/x-wiki
'''[[w:রবার্ট অ্যাটকিনস (বিচারক)|স্যার রবার্ট অ্যাটকিনস]]''' [[w:অর্ডার অফ দ্য বাথ|কেবি]] [[w:কিংস সার্জেন্ট|কেএস]] (১৬২১ - ১৭১০) ছিলেন একজন ইংরেজ [[w:লর্ড চিফ ব্যারন অফ দ্য এক্সচেকার|লর্ড চিফ ব্যারন অফ দ্য এক্সচেকার]], সংসদ সদস্য এবং [[w:স্পিকার অফ দ্য হাউস অফ লর্ডস|হাউস অফ লর্ডসের স্পিকার]]।
==উক্তি==
===''ট্রায়াল অফ স্যার এডওয়ার্ড হেলস'' (১৬৮৬)===
* বর্তমান যুগের আমরা নিজেরাই আমাদের [[কমন ল]] বেছে নিয়েছি এবং প্রাচীনতম সংসদীয় আইনগুলোতে সম্মতি দিয়েছি। কারণ ১,০০০ বছর আগে আমরা আমাদের পূর্বপুরুষদের মধ্যেই বাস করতাম এবং সেই পূর্বপুরুষরা আজও আমাদের মধ্যে বেঁচে আছেন।
** ১১ হাউ. সেন্ট টিআর. ১২০৪।
* বিধাতা যাদেরকে একই দ্বীপ বা দেশে একত্রে রেখেছেন তারা আসলে একটি মহান রাজনৈতিক সত্তা, যা মাথা এবং অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ নিয়ে গঠিত, ঠিক একটি প্রাকৃতিক শরীরের অনুকরণের মতো। আপিল বিধিতে (২৪ এইচ. ৮, সি. ১২) এটি চমৎকারভাবে তুলে ধরা হয়েছে, যেখানে রাজাকে সর্বোচ্চ প্রধান এবং জনগণকে একটি রাজনৈতিক সত্তা (এগুলোই সেই সঠিক শব্দ) হিসেবে আখ্যা দেওয়া হয়েছে। এই সত্তা সব ধরণের ও স্তরের মানুষের সমন্বয়ে গঠিত এবং এটি আধ্যাত্মিক ও জাগতিক দুই ভাগে বিভক্ত। আর এই সত্তা কখনোই মৃত্যুবরণ করে না।
** ১১ হাউ. সেন্ট টিআর. ১২০৪।
* সেরা মানুষরাও দিনশেষে মানুষই, আর তারা মাঝেমধ্যে আবেগ দ্বারা চালিত হন।
** ১১ হাউ. সেন্ট টিআর. ১২০৬।
* কেবল আইনই সব সময় উচ্চ-নিচ নির্বিশেষে সব মানুষের সাথে একই রকম নিরপেক্ষ কণ্ঠে কথা বলে। আইনের কাছে কোনো প্রিয়পাত্র নেই।
** ১১ হাউ. সেন্ট টিআর. ১২০৬।
* মানুষের এমন কোনো দূরদর্শিতা বা প্রজ্ঞা নেই, এমনকি কোনো মন্ত্রিপরিষদেরও নেই, যা একটি নতুন আইন তৈরির সময় ভবিষ্যতে ঘটতে পারে এমন সব ঘটনা বা বৈচিত্র্যময় পরিস্থিতি আগে থেকে দেখে ব্যবস্থা নিতে পারে।
** ১১ হাউ. সেন্ট টিআর. ১২০৮।
* আর আইন বলে, একটি অসুবিধার চেয়ে একটি ক্ষতি ভালো। এখানে ক্ষতি বলতে বোঝানো হয়েছে যখন কোনো আইনের কঠোরতার কারণে একজন বা কয়েকজন মানুষ কষ্ট পায়, কিন্তু সেই আইনটি জনস্বার্থে প্রয়োজনীয়। অন্যদিকে অসুবিধা হলো একটি গণ-আইন অমান্য হওয়া বা ভেঙে যাওয়া, অথবা কোনো অপরাধের বিচার না হওয়া।
** ১১ হাউ. সেন্ট টিআর. ১২০৮।
* এটি সর্বোচ্চ আদালতের জন্যই বেশি উপযুক্ত যে তারা একটি নির্দিষ্ট নিয়ম তৈরি করবে, যা নিচের আদালতগুলোর বিচারিক কাজ পরিচালনা ও পথপ্রদর্শন করতে পারে।
** ১১ হাউ. সেন্ট টিআর. ১২১৩।
* [[আর্জি পেশকরণ|আর্জি পেশ]] হলো সত্যের এক নিখুঁত উপস্থাপন।
** ১১ হাউ. সেন্ট টিআর. ১২৪৩।
==বহিঃসংযোগ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{Wikisource| Atkyns, Robert (1621-1709) (DNB00)}}
[[বিষয়শ্রেণী:১৭১০-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:ইংল্যান্ডের বিচারক]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৬২১-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাজ্যের সংসদ সদস্য]]
6jx602quvmyi6ljxwpll8hg0yck3i8n
83315
83314
2026-05-03T09:07:32Z
Tuhin
172
83315
wikitext
text/x-wiki
'''[[w:রবার্ট অ্যাটকিনস (বিচারক)|স্যার রবার্ট অ্যাটকিনস]]''' [[w:অর্ডার অফ দ্য বাথ|কেবি]] [[w:কিংস সার্জেন্ট|কেএস]] (১৬২১ - ১৭১০) ছিলেন একজন ইংরেজ [[w:লর্ড চিফ ব্যারন অফ দ্য এক্সচেকার|লর্ড চিফ ব্যারন অফ দ্য এক্সচেকার]], সংসদ সদস্য এবং [[w:স্পিকার অফ দ্য হাউস অফ লর্ডস|হাউস অফ লর্ডসের স্পিকার]]।
==উক্তি==
===''ট্রায়াল অফ স্যার এডওয়ার্ড হেলস'' (১৬৮৬)===
* বর্তমান প্রজন্মের আমরা নিজেরাই আমাদের [[কমন ল]] বেছে নিয়েছি এবং পার্লামেন্টের সবচেয়ে প্রাচীন আইনগুলোতে সম্মতি দিয়েছি, কারণ আমরা ১,০০০ বছর আগে আমাদের পূর্বপুরুষদের মাঝে বাস করতাম এবং সেই পূর্বপুরুষরা এখনও আমাদের মাঝে বেঁচে আছেন।
** ১১ হাউ. সেন্ট. টিআর. ১২০৪।
* বিধাতা যাদেরকে একটি দ্বীপে বা দেশে একত্রিত করেছেন তারা প্রকৃতপক্ষে একটি বিশাল রাজনৈতিক সংস্থা, যা প্রাকৃতিক শরীরের অনুকরণে মাথা ও অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ নিয়ে গঠিত। এটি ১৫৩২ সালের আপিল সংবিধানে (২৪ এইচ. ৮, সি. ১২) চমৎকারভাবে বর্ণিত হয়েছে, যা রাজাকে সর্বোচ্চ প্রধান এবং জনগণকে একটি রাজনৈতিক সংস্থা (এগুলোই সেই সঠিক শব্দ) হিসেবে অভিহিত করে যা আধ্যাত্মিকতা ও পার্থিবতায় বিভক্ত সব ধরণের ও স্তরের মানুষের সমন্বয়ে গঠিত। এবং এই সংস্থা কখনোই মরে না।
** ১১ হাউ. সেন্ট. টিআর. ১২০৪।
* শ্রেষ্ঠ মানুষরাও কেবল মানুষই এবং তারা কখনো কখনো আবেগের বশবর্তী হন।
** ১১ হাউ. সেন্ট. টিআর. ১২০৬।
* কেবল আইনই সবসময় উচ্চ বা নিম্ন সকল ব্যক্তির সাথে অভিন্ন ও নিরপেক্ষ কণ্ঠে কথা বলে। আইনের কোনো প্রিয়পাত্র নেই।
** ১১ হাউ. সেন্ট. টিআর. ১২০৬।
* মানুষের এমন কোনো দূরদর্শিতা বা প্রজ্ঞা নেই, এমনকি মানুষের কোনো পরিষদেরও নেই যা একটি নতুন আইন তৈরির সময় উদ্ভূত হতে পারে এমন সকল ঘটনা বা বৈচিত্র্যময় পরিস্থিতি আগে থেকে দেখতে পারে এবং তার সমাধান দিতে পারে।
** ১১ হাউ. সেন্ট. টিআর. ১২০৮।
* এবং আইন বলে, অসুবিধার চেয়ে ক্ষতি ভালো। ক্ষতি বলতে বোঝায় যখন একজন বা কিছু মানুষ একটি আইনের কঠোরতার কারণে কষ্ট পায়, যে আইনটি কি না জনগণের জন্য দরকারী। কিন্তু অসুবিধা হলো একটি জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট আইন অমান্য করা বা ভঙ্গ করা অথবা কোনো অপরাধের শাস্তি না হওয়া।
** ১১ হাউ. সেন্ট. টিআর. ১২০৮।
* সুপ্রিম কোর্টের জন্য এটিই বেশি উপযুক্ত যে তারা এমন কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম দেবে যা নিম্ন আদালতের বিচার নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করতে পারে।
** ১১ হাউ. সেন্ট. টিআর. ১২১৩।
* [[আরজি]] হলো সত্যের এক সুনির্দিষ্ট উপস্থাপনা।
** ১১ হাউ. সেন্ট. টিআর. ১২৪৩।
==বহিঃসংযোগ==
{{উইকিপিডিয়া}}
{{Wikisource| Atkyns, Robert (1621-1709) (DNB00)}}
[[বিষয়শ্রেণী:১৭১০-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:ইংল্যান্ডের বিচারক]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৬২১-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাজ্যের সংসদ সদস্য]]
mb8fuwp3riefail123d4fdkzs6o764n
এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন
0
14016
83269
82888
2026-05-02T17:43:08Z
Tuhin
172
83269
wikitext
text/x-wiki
[[File:Elizabeth Gurley Flynn point (cropped).jpg|thumb|এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন]]
'''[[w:bn:এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন|এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন]]''' (৭ আগস্ট ১৮৯০ – ৫ সেপ্টেম্বর ১৯৬৪) ছিলেন একজন [[w:bn:শ্রমিক নেতা|শ্রমিক নেতা]], সক্রিয়কর্মী এবং [[w:bn:নারীবাদী|নারীবাদী]] যিনি [[w:bn:ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়ার্কার্স অফ দ্য ওয়ার্ল্ড|ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়ার্কার্স অফ দ্য ওয়ার্ল্ডে]] অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন। ফ্লিন [[w:bn:আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়ন|আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়নের]] একজন প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং [[নারীর অধিকার]], [[জন্ম নিয়ন্ত্রণ]] এবং [[w:bn:নারী ভোটাধিকার|নারী ভোটাধিকারের]] একজন বিশিষ্ট প্রবক্তা ছিলেন। তিনি ১৯৩৬ সালে [[w:bn:কমিউনিস্ট পার্টি ইউএসএ|কমিউনিস্ট পার্টি ইউএসএ]]-তে যোগ দেন এবং জীবনের শেষভাগে, ১৯৬১ সালে এর সভানেত্রী হন।
== উক্তি ==
===[https://speakingwhilefemale.co/jobs-flynn2/ "দ্য ওয়ার্কিং ক্লাস"] (২৯ জুন, ১৯০৯)===
* ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়ার্কার্স অফ দ্য ওয়ার্ল্ড হলো শ্রমিক সংগঠনের একটি নতুন রূপ, যা কেবল শিল্প শ্রমিক শ্রেণি এবং শুধুমাত্র সেই শ্রেণির জন্যই কাজ করে।
* এই দেশের শ্রমিক শ্রেণি এমন এক পরিস্থিতির দিকে তাকিয়ে আছে যেখানে সারা বিশ্বের চাহিদা মেটানোর মতো প্রাকৃতিক সম্পদ বিদ্যমান। তারা এমন এক শিল্প পরিস্থিতির দিকে তাকিয়ে আছে যা এমন সব যন্ত্রপাতি উদ্ভাবন করেছে যা খুব সামান্য শ্রম ব্যয়ে এই প্রাকৃতিক সম্পদগুলোকে প্রয়োজনীয় পণ্য বা বিলাসদ্রব্যে রূপান্তর করতে সক্ষম। তবুও তা সত্ত্বেও এবং যারা পরিশ্রম করে তাদের দ্বারা সম্ভব হওয়া উৎপাদনশীলতা এবং পৃথিবীর প্রাকৃতিক প্রাচুর্য সত্ত্বেও, আমাদের এই দেশে মানুষ না খেয়ে মরছে এবং পঞ্চাশ লক্ষ মানুষ বেকার। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে দশ লক্ষেরও বেশি শিশু শ্রমিক, নিউ ইয়র্ক সিটিতে সত্তর হাজার এবং শিকাগোতে পঞ্চাশ হাজার শিশু সকালে নাস্তা না খেয়ে স্কুলে যায়। আমাদের এমন এক অবস্থা যেখানে অধিকাংশ মানুষ সম্পদহীন শ্রেণি, যারা কোনো জমির মালিক নয়, যারা সেই উৎপাদনশীল যন্ত্রপাতির কোনোটিই নিয়ন্ত্রণ করে না, যারা এই স্বাধীন দেশে এবং সাহসীদের আবাসভূমিতে নিজের শ্রমশক্তি অর্থাৎ নিজের কাজ করার ক্ষমতা ছাড়া আর কিছুই নিয়ন্ত্রণ করে না।
* আজ শ্রমিক শ্রেণির কাছে কেবল এমন কিছু পরিস্থিতি রয়েছে যা তারা নিজেরা প্রতিকার করার অবস্থানে আছে। তাদের কাছে কেবল কিছু মিথ্যা পরিস্থিতি রয়েছে, যা প্রকৃতির সৃষ্টি নয় বরং মানুষের তৈরি, যা তারা নিজেরা উৎখাত করতে পারে।
* আমাদের যা কিছু আছে তা হলো কাজ করার ক্ষমতা এবং পুঁজিবাদী শ্রেণির কাছে সেই একটি পণ্যই নেই। তাদের কারখানা আছে, জমি আছে, রেলপথ আছে কিন্তু তাদের কাছে শ্রমশক্তি নেই, যা সম্পদ তৈরির আসল ক্ষমতা।
* স্যামুয়েল গম্পার্স হলো মালিকদের বন্ধু।
* আমাদের আছে শুধু আমাদের সংগঠন, সহকর্মীবৃন্দ। তাদের আছে পুঁজি, তাদের আছে সরকারের ক্ষমতা, পুঁজিবাদী শ্রেণীর সংগ্রামী গোষ্ঠী; তাদের আছে রাষ্ট্রের ক্ষমতা; তাদের আছে আন্তর্জাতিক পুঁজির ক্ষমতা — আর আমাদের আছে শুধু আমাদের সাংগঠনিক শক্তি।
==="দ্য ট্রুথ অ্যাবাউট দ্য প্যাটারসন স্ট্রাইক" (১৯১৪)===
১৯৮৪ সালে প্রকাশিত 'আউটস্পোকেন উইমেন' গ্রন্থে সংকলিত।
* আমি মনে করি আমাদের অনেক সমালোচকই সেইসব মানুষ যারা ঘরে বসে বিছানায় বিশ্রাম নিচ্ছিলেন যখন আমরা ধর্মঘটের কঠিন কাজগুলো করছিলাম।
* শ্রমিকদের বিজয় কী? আমি মনে করি এটি একটি দ্বিমুখী বিষয়। পূর্ণ বিজয় অর্জনের জন্য শ্রমিকদের কেবল অর্থনৈতিক সুবিধা পেলেই হবে না, তাদের মধ্যে বিপ্লবী চেতনাও থাকতে হবে। শ্রমিকদের দিনে কয়েক সেন্ট বেশি আয় করা বা দিনে কয়েক মিনিট কম কাজ করা এবং একই মনস্তত্ত্ব ও সমাজের প্রতি একই দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কাজে ফিরে যাওয়া মানে একটি সাময়িক সুবিধা পাওয়া, কোনো স্থায়ী বিজয় নয়। শ্রমিকদের শ্রেণি-সচেতন চেতনা এবং সমাজের প্রতি একটি সংগঠিত ও দৃঢ় মনোভাব নিয়ে কাজে ফিরে যাওয়ার অর্থ হলো—এমনকি যদি তারা কোনো অর্থনৈতিক লাভ নাও করে থাকে, তবুও ভবিষ্যতে তাদের লাভের সম্ভাবনা থাকে। অন্য কথায়, একটি শ্রমিক বিজয়কে অবশ্যই অর্থনৈতিক এবং বৈপ্লবিক হতে হবে। অন্যথায় এটি পূর্ণাঙ্গ নয়।
* একটি শ্রমিক বিজয় অবশ্যই দ্বিমুখী হতে হবে, তবে যদি কেবল একটি পাওয়া সম্ভব হয় তবে অর্থনৈতিক সুবিধার চেয়ে চেতনা অর্জন করা অনেক বেশি ভালো।
* আমাদের কাজ ছিল শিক্ষিত করা এবং অনুপ্রাণিত করা। শিক্ষা কোনো রূপান্তর নয়, এটি একটি প্রক্রিয়া। শ্রমিকদের সামনে একটি মাত্র ভাষণ তাদের সারা জীবনের সংস্কার কাটিয়ে দেয় না। আমাদের জাতীয় ইস্যুগুলোতে সংস্কার ছিল, কারুশিল্পের মধ্যে সংস্কার ছিল, প্রতিদ্বন্দ্বী নারী ও পুরুষদের মধ্যে সংস্কার ছিল—এই সবই কাটিয়ে উঠতে হয়েছিল।
* ধর্মঘটে অনুপ্রাণিত করার অর্থ হলো—সেই ধর্মঘট এবং তার মাধ্যমে শ্রেণি সংগ্রামকে তাদের ধর্মে পরিণত করা; তাদের এই তথ্য ভুলিয়ে দেওয়া যে এটি মাত্র কয়েক সেন্ট বা কয়েক ঘণ্টার লড়াই, বরং তাদের মনে করানো যে এই ধর্মঘটে জেতা তাদের জন্য একটি "ধর্মীয় কর্তব্য"। এই দুটি জিনিসই ছিল আমাদের কাজ—তাদের মধ্যে সংহতি এবং শ্রেণি-সচেতনতার অনুভূতি তৈরি করা।
* আমি বলছি না যে সহিংসতা ব্যবহার করা উচিত নয়, তবে যেখানে এর কোনো প্রয়োজন নেই, সেখানে আমাদের এটি বেছে নেওয়ার কোনো কারণ নেই।
* শারীরিক সহিংসতা নাটকীয়। এটি বিশেষ করে তখনই নাটকীয় হয় যখন আপনি এটি নিয়ে কথা বলেন কিন্তু কাজে ব্যবহার করেন না। কিন্তু প্রকৃত সহিংসতা হলো ধর্মঘট পরিচালনা করার একটি পুরনো পদ্ধতি। আর গণ-আন্দোলন, যা সমস্ত শিল্পকে অচল করে দেয়, তা হলো ধর্মঘট পরিচালনার একটি নতুন এবং অনেক বেশি ভীতি জাগানিয়া পদ্ধতি। তার মানে এই নয় যে আত্মরক্ষার জন্য সহিংসতা ব্যবহার করা উচিত নয়। প্রত্যেকেই আত্মরক্ষার জন্য সহিংসতায় বিশ্বাস করে। ধর্মঘটীদের তা বলে দেওয়ার প্রয়োজন হয় না। কিন্তু আসল সত্য হলো এই যে, আমাদের তত্ত্ব অনুযায়ী ধর্মঘটে জেতার উপায় হলো পকেটে হাত দিয়ে কাজ করতে অস্বীকার করা...
* কিন্তু রবিবার যদি আপনি সেইসব মানুষকে বাড়িতে থাকতে দেন, যেখানে চুলায় কোনো আগুন নেই, যেখানে টেবিলে পর্যাপ্ত খাবার নেই, যেখানে শিশুদের জুতোর তলা ক্ষয়ে যাওয়া দেখেন এবং শিশুদের শরীরে ছেঁড়া কাপড় দেখেন—তবে তারা কেবল "নিজেদের" কথা ভাবতে শুরু করে এবং বৃহত্তর সংহতি ও এই উপলব্ধি হারিয়ে ফেলে যে সবাই তাদের মতোই কষ্ট পাচ্ছে। আপনাকে সপ্তাহের প্রতিদিন তাদের ব্যস্ত রাখতে হবে, বিশেষ করে রবিবার, যাতে সেই মনোবল শূন্যে নেমে না যায়। আমি মনে করি পাদ্রিরা এই কারণেই রবিবার উপদেশ দেন, যাতে মানুষ সপ্তাহের বাকি সময় তাদের অবস্থা কতটা খারাপ তা ভাবার সুযোগ না পায়। যাই হোক, ধর্মঘটে এটি একটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় বিষয়।
* প্রকৃতপক্ষে এটি প্রতিটি ধর্মঘটের একটি প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া—মানুষকে সবসময় ব্যস্ত রাখা, তাদের সক্রিয় রাখা এবং লড়াকু সৈনিক হিসেবে মাঠে রাখা। আর এটিই হলো একজন আন্দোলনকারীর কাজ—বিভিন্ন ধরনের কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা করা এবং পরামর্শ দেওয়া যা ধর্মঘটের ওপর নিবদ্ধ থাকবে। এই কারণেই আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. বড় বড় গণসমাবেশ, নারীদের সমাবেশ, শিশুদের সমাবেশ আয়োজন করে; এই কারণেই আমরা গণ-পিকেটিং এবং গণ-অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া পালন করি। আর এই সমস্ত নিরবচ্ছিন্ন গণ-তৎপরতার মাধ্যমেই আমরা শ্রমিকদের মনে এই অনুভূতি তৈরি করতে পারি—"একজনের জন্য সবাই এবং সবার জন্য একজন"। আমরা তাদের উপলব্ধি করাতে পারি যে একজনের ক্ষতি মানে সবার ক্ষতি; আমরা তাদের সেই পর্যায়ে নিয়ে আসতে পারি যেখানে তারা ধর্মঘটের সুবিধার বদলে ত্রাণ চায়, সেই পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারি যেখানে তারা শত শত মানুষ একসাথে জেল খাটবে তবুও জরিমানা দেবে না।
* এই নিরবচ্ছিন্ন কর্মকাণ্ডই হলো একজন আন্দোলনকারীর কাজ। আমরা অনেক রাত জেগে কাটাতাম এটা ভাবতে যে তাদের আর কী কী কাজ দেওয়া যায়। আমার মনে পড়ে লরেন্সে এক রাতে আমাদের কেউ ঘুমানি। কাজের অভাবে ধর্মঘটের মনোবল কমে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছিল। আমার মনে পড়ে বিল হেউড শেষ পর্যন্ত বলেছিলেন, "চলো এসেক্স স্ট্রিটে একটি পিকেট লাইন তৈরি করি। প্রত্যেক ধর্মঘটীকে একটি ছোট লাল ফিতা পরতে বলো এবং রাস্তায় পায়চারি করে বুঝিয়ে দাও যে ধর্মঘট ভেঙে যায়নি।" কয়েকদিন পর এই পরামর্শ কার্যকর করা হয়েছিল এবং যখন তারা বাড়ি থেকে বেরিয়ে নিজেদের বিশাল জনসমুদ্র দেখল, তখন তারা নতুন শক্তি ও উৎসাহ পেল যা তাদের আরও অনেক সপ্তাহ ধর্মঘট চালিয়ে নিতে সাহায্য করেছিল।
* মানুষ কাজ করার মাধ্যমে কাজ শেখে। ধর্মঘটে আমাদের কোনো সামরিক বাহিনী নেই যাকে আপনি বলবেন "এটা করো" বা "ওটা করো" আর তারা নির্ভুলভাবে তা মেনে চলবে। গণতন্ত্র মানে অনেক ভুল, বারবার ভুল। কিন্তু এর অর্থ অভিজ্ঞতাও এবং এই ভুলের পুনরাবৃত্তি না হওয়া।
* নিয়োগকর্তারা আপনার বাহিনীর পূর্ণ চিত্র দেখতে পান। কিন্তু আপনি তাদের বাহিনীর কোনো চিত্র দেখতে পান না এবং কেবল তাদের অবস্থা অনুমান করতে পারেন।
===[https://www.marxists.org/subject/women/authors/flynn/1916/patriotism.htm "ডু ইউ বিলিভ ইন প্যাট্রিওটিজম?"] (মার্চ, ১৯১৬)===
'দ্য মাসেস' পত্রিকায় প্রকাশিত।
* প্রশ্নটি কি এমন হওয়া উচিত 'আমেরিকা আগে' নাকি 'দুনিয়ার মজদুর, এক হও!'
* যাদের এই দেশ আছে, যারা যুদ্ধের প্রস্তুতির জন্য চিৎকার করছে এবং তা থেকে মুনাফা লুটছে, তাদের নিজেদের সম্পদ রক্ষার জন্য তাদেরকেই লড়তে দাও।
* আমি রাজা বা কাইজারের শাসনের মতো [[রকফেলার]] এবং [[মরগান|মরগানের]] শাসনকেও ঘৃণা করি; বেলজিয়ামের ঘটনায় আমি যতটা ক্ষুব্ধ, লুডলো এবং ক্যালুমেটের ঘটনায় আমি ততটাই লজ্জিত ও ক্ষুব্ধ।
* আমাদের শ্রমিকদের অধিকাংশ হলো বিদেশি, যারা এক বা দুই প্রজন্ম আগে এখানে এসেছে। তাদের ইউরোপীয় পারিবারিক টান এবং আমেরিকান পরিবেশের কারণে এই বৈচিত্র্যময় জনগোষ্ঠীর জন্য আন্তর্জাতিকতাবাদই যৌক্তিক দেশপ্রেম হয়ে ওঠে।
* যে ট্রেনে বসে আমি এই লেখাটি লিখছি, সেটি এমন সব কারখানার পাশ দিয়ে দ্রুত বেগে ছুটে চলেছে যেখানে সোনার বিনিময়ে হত্যার সরঞ্জাম তৈরি করা হয়।
===[https://www.marxists.org/subject/women/authors/flynn/1941/mayday.htm "মে ফার্স্ট: দ্য সান অফ টুমরো"] (৬ মে, ১৯৪১)===
* এটি জাতি, ধর্ম, বর্ণ এবং জাতীয়তার সমস্ত পার্থক্যকে মুছে দেয়। এটি সর্বত্র সকল শ্রমিকের ভ্রাতৃত্বকে উদযাপন করে। এটি সমস্ত জাতীয় সীমানা অতিক্রম করে, সমস্ত ভাষার বাধা পেরিয়ে যায়, সমস্ত ধর্মীয় বিভেদকে উপেক্ষা করে। এটি সারা বিশ্বে সমস্ত শ্রমিক এবং সমস্ত শোষণকারীদের মধ্যে অলঙ্ঘনীয় ফাটলকে স্পষ্ট করে তোলে। এটি সেই দিন যখন শ্রেণি সংগ্রামের লড়াকু তাৎপর্য প্রতিটি সচেতন শ্রমিকের মাধ্যমে পুনরায় নিশ্চিত হয়।
* জ্ঞানদীপ্ত শ্রমিকের কাছে এই দিনটি একটি নতুন বিশ্ব, একটি শ্রেণিহীন বিশ্ব, একটি শান্তিপূর্ণ বিশ্ব, দারিদ্র্য বা দুঃখহীন বিশ্বের পূর্বাভাস। এটি সমাজতন্ত্রের এক উজ্জ্বল প্রতিশ্রুতি, মানবজাতির প্রকৃত ভ্রাতৃত্ব। ১৯৪১ সালের এই দিনে লেনিনের সেই বিজ্ঞ বাণী; “জীবন নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করবেই। কমিউনিস্টদের অবশ্যই জানতে হবে যে ভবিষ্যৎ তাদেরই,” ব্রাউডার এবং থেলম্যান ও আরও অসংখ্য মানুষের একাকী জেলখানাকে আলোকিত করবে। কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পগুলোতে বিপ্লবী গানের মৃদু সুর শোনা যাবে। সমুদ্রে, সামরিক ব্যারাকে, কারখানা বা কলের জবরদস্তিমূলক শ্রমে নিযুক্ত শ্রমিকদের হৃদস্পন্দন তাদের সাথে মিলে যাবে যারা বহুদূরে মস্কোর রেড স্কয়ারে উত্তাল সংগীতের তালে লাল পতাকার পেছনে আনন্দভরে প্যারেড করছে। ইউরোপের পরিখায় থাকা সৈনিকরা, ফ্রাঙ্কোর অন্ধকূপের বন্দিরা, হিটলারের নরককুণ্ডের এবং মুসোলিনির কারাগারের বন্দিরা দাঁতে দাঁত চেপে বিড়বিড় করে বলবে; “তোমাদের দিন ফুরিয়ে আসছে। তোমরা জনগণের চূড়ান্ত বিজয় রুখতে পারবে না!”
* মে দিবস আমেরিকান শ্রমিকদের রক্তে দীক্ষিত হয়েছিল।
* ফাঁসির দড়ি গলায় শক্ত হওয়ার সময় [[আলবার্ট পারসন্স|পারসন্স]] চিৎকার করে বলেছিলেন, "জনগণের কণ্ঠস্বর শুনতে দাও!" গতকালের বীর শহিদ, মে দিবসে এই কণ্ঠস্বর শোনা গেছে এবং সবসময় শোনা যাবে! এই বছর শিকাগোর ইন্টারন্যাশনাল হারভেস্টার ওয়ার্কসের নবসংগঠিত বিজয়ী ধর্মঘটীরা মে মাসের এক তারিখে তোমাদের নামকে পবিত্র করবে।
* জার্মানির সাহসী সমাজতন্ত্রী নারী [[রোজা লুক্সেমবার্গ]], যাকে পরে সামরিকবাদীরা নির্মমভাবে হত্যা করেছিল, ১৯১৩ সালে বিশ্বযুদ্ধের বিরুদ্ধে সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন। তিনি মে দিবসকে শান্তি ও সমাজতন্ত্রের জন্য এক শক্তিশালী গণবিক্ষোভে পরিণত করার আহ্বান জানিয়েছিলেন। “দুনিয়ার মজদুর, এক হও!” মে দিবসে এটিই ছিল জোরালো দাবি। প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে চাপ দেওয়া হয়েছিল এবং প্রতিটি দেশে ও আন্তর্জাতিকভাবে আরও বেশি লড়াকু স্লোগান তোলা হয়েছিল।
* কেবল শ্রমিকদের জন্যই আন্তর্জাতিকতাবাদী হওয়া নিষিদ্ধ। [[জে. পি. মরগান]] এবং [[হেনরি ফোর্ড]], ব্যাংকার, অস্ত্র ব্যবসায়ী গোষ্ঠী, রাসায়নিক কোম্পানিগুলোর জন্য এটি একদম ঠিক আছে। বিজ্ঞানী, ডাকটিকিট সংগ্রাহক, অ্যাথলেটিক অ্যাসোসিয়েশন, সংগীতশিল্পী, আধ্যাত্মবাদী, মৌমাছি পালনকারীদের জন্য আন্তর্জাতিকতাবাদী হওয়া ঠিক আছে—কিন্তু শ্রমিকদের জন্য নয়। কেবল শ্রমিকরা যখন সীমানা পেরিয়ে একে অপরের হাত ধরে, তখনই প্রতিটি দেশে তাদের ওপর আঘাত হানা হয়। নৃবিজ্ঞানীরা জটিল ভাষায় বলতে পারেন, “কেবল একটিই জাতি আছে—মানবজাতি!” কিন্তু একজন শ্রমিক যদি বলে, “ভাই, সহকর্মী শ্রমিক, কমরেড”—তবেই নরক ভেঙে পড়ে। তাকে যেখান থেকে এসেছে সেখানে ফেরত পাঠানো উচিত! তার নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া উচিত; তার চাকরি হারানো উচিত; তাকে জেলে পাঠানো উচিত! যদি খ্রিস্টের মতো কোনো কণ্ঠস্বর তাদের চ্যালেঞ্জ করে বলে: “তোমার প্রতিবেশীকে নিজের মতো ভালোবাসার বিষয়টি কী হবে?” তবে টেক্সাসের সেই বন্য মানুষটি চিৎকার করে উঠবে: “একথা কে বলেছে? সে একজন লাল, নাশকতামূলক কাজ করা লোক, একজন গোলযোগ সৃষ্টিকারী!” আমরা এই উন্মাদনায় বিন্দুমাত্র বিচলিত হব না। আসুন আমরা লেনিনের সেই শীতল বাক্যগুলো মনে রাখি: "বুর্জোয়ারা এভাবেই কাজ করে যেভাবে ইতিহাস কর্তৃক মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত সমস্ত শ্রেণি কাজ করেছিল।" সংহতি, বিজয় এবং আশার প্রতিটি সুন্দর মে দিবস আমাদের "দীর্ঘ মেয়াদী দৃষ্টিভঙ্গি" নেওয়ার কথা মনে করিয়ে দেয়—যা সমসাময়িক ঘটনাগুলো দেখার বলশেভিক দৃষ্টিভঙ্গি। সামনের রাস্তা হয়তো আরও বন্ধুর হতে পারে কিন্তু এটি পেছনের রাস্তার চেয়ে ছোট।
* মে দিবসে আমরা সোভিয়েত ইউনিয়নকে অভিবাদন জানাই—সমাজতন্ত্রের দেশ—শান্তি ও প্রাচুর্যের দেশ, অনাদিকাল থেকে শ্রমজীবী মানুষের মহান আদর্শ, সকল পরিশ্রমী মানুষের সমবায় রাষ্ট্র।
* যুদ্ধবাজদের চিৎকার করতে দিন; মুনাফালোভীদের উন্মাদনা চলতে দিন। মে দিবসে আমেরিকার এই লক্ষ লক্ষ শ্রমিক জবাব দেয়, “আমরা আমাদের অবস্থান থেকে নড়ব না!” হতাশ হওয়ার কিছু নেই; ক্লান্ত হওয়ার কিছু নেই—যতক্ষণ না আমরা সংগঠিত হচ্ছি এবং লড়াই করছি। যতক্ষণ আমরা আমাদের অর্জনগুলোকে লোহার মুষ্টিতে ধরে রাখছি; সামনে এগিয়ে যাচ্ছি এবং আরও বেশি আদায় করছি। যতক্ষণ আমেরিকার ছিয়াশি শতাংশ মানুষের মধ্যে রুজভেল্ট-উইলকি যুদ্ধবাজ দলের বিরুদ্ধে অটল প্রতিরোধ বজায় আছে। সংগঠিত হোন। লড়াই করুন। সামনে এগিয়ে যান—এটাই ১৯৪১ সালে আমেরিকার মে দিবসের চেতনা।
* যুদ্ধে অংশ না নেওয়ার জন্য সংগঠিত হোন এবং লড়াই করুন! আমেরিকানসহ সকল সাম্রাজ্যবাদ ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে!
* ১৯৪১ সালের পহেলা মে বিশ্বজুড়ে লক্ষ লক্ষ মানুষের হৃদয়ে, মনে এবং মুখে শান্তি ও সমাজতন্ত্রের কথা ধ্বনিত হচ্ছে। “আগামীকালের সূর্য” আমাদের ওপর আলোকিত হচ্ছে। ভবিষ্যৎ আমাদের।
=== আদালতে ভাষণ, স্মিথ অ্যাক্টের অধীনে অভিযুক্ত (১৯৫২) ===
এস. মিশেল নিক্স সম্পাদিত 'উইমেন অ্যাট দ্য পডিয়াম: মেমোরবল স্পিচেস ইন হিস্ট্রি' গ্রন্থ থেকে।
* আমি বা আমার কমরেডদের কেউই বলপ্রয়োগ ও সহিংসতার মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকারকে উৎখাত করার কোনো ষড়যন্ত্রে দোষী নই। মৌনতাকে পরাজয়বাদ হিসেবে গণ্য করা হতে পারে, কিন্তু সত্য হলো আমি আমাদের নির্দোষিতার বিষয়ে এতটাই শান্ত ও সচেতন যে, আমাকে কারারুদ্ধ করা যেতে পারে কিন্তু আমাকে সংশোধন করা, সংস্কার করা বা পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। আমার শরীরকে বন্দি করা যেতে পারে কিন্তু আমার চিন্তাভাবনা স্বাধীন ও অপ্রভাবিত থাকবে। সমগ্র মানব ইতিহাস প্রমাণ করেছে যে ধারণা বা চিন্তাকে কারাগারে বন্দি করা যায় না। সেগুলোর মোকাবিলা কেবল জনসমক্ষে আলোচনার মাধ্যমেই সম্ভব।
* পুঁজিবাদের অধীনে যে রাজনৈতিক, শিল্প এবং সামাজিক পরিস্থিতি আমাদের এই চিন্তাধারা তৈরি করেছে, তা এখনও বিদ্যমান। এগুলো আরও অসংখ্য মানুষের মনে অনুরূপ চিন্তার জন্ম দেবে এবং আমাদের মনে সেই চিন্তাগুলোকে আরও শক্তিশালী করবে। কারাগার কখনোই সেইসব সংকল্পবদ্ধ মানুষকে প্রভাবিত করতে পারেনি যারা নিজেদের আদর্শ নিয়ে বাঁচে, কাজ করে এবং প্রয়োজনে মৃত্যুবরণ করে। আমরা কমিউনিস্টরা ঠিক তেমনই মানুষ। মিথ্যা, হিস্টিরিয়া, কুসংস্কার এবং সর্বোপরি ভয়ের কুয়াশা একবার দূর হয়ে গেলে আমেরিকান জনগণের চূড়ান্ত ন্যায়বিচারের ওপর আমার বিশ্বাস আছে। নিজের দেশকে ভয়ের কবলে দেখা এক ভয়াবহ বিষয়—অপ্রয়োজনীয়, নির্বোধ ও মূর্খ ভয়; কাল্পনিক শত্রুর ভয়, আমাদের মিত্র ও বন্ধুদের ভয়; গুপ্তচরদের অভিযুক্ত আঙুলের ভয়, নিজের চাকরি বা নাগরিকত্ব বা সমাজে নিজের স্থান হারানোর ভয়। পুরো সরকারি আমলাতন্ত্র বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার অপচয় করছে, দম্ভোক্তি করছে, বড়াই করছে এবং ভয় দেখাচ্ছে; তারা মূলত ভয়ের অন্ধকারে দাঁড়িয়ে শিস দিচ্ছে এবং পুরো বিশ্বকে আমাদের দেখে ভীত করার চেষ্টা করছে।
* এক মুঠো ভীতু ধনকুবেরদের কাছ থেকেই এই সংক্রমণ ছড়িয়েছে—সেইসব ট্রাস্টের মালিকরা, যারা তাদের স্টকের কাগজের চেয়ে দেশকে কখনোই বেশি ভালোবাসেনি, যাদের দেশপ্রেম সবসময় লাভের শতাংশের ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয়, যারা কেবল তাদের দেশবাসীকে নয় বরং পুরো মানবজাতিকে শাসন করতে, শোষণ করতে এবং তাদের বিরুদ্ধে সহিংসতা চালাতে চায়। তারা কেবল তাদের সংকীর্ণ ও ভাড়াটে শাসন এবং জীবনযাত্রা বজায় রাখার জন্য বিশ্বকে পারমাণবিক যুদ্ধের রক্তসমুদ্রে ডুবিয়ে দেবে এবং তা এমন সব মানুষের ওপর চাপিয়ে দেবে যারা এর কিছুই চায় না। বিপদ যত বড়ই হোক না কেন, আমার বিশ্বাস আছে যে আমাদের দেশে ফ্যাসিবাদ কখনোই জয়ী হবে না। ১৯৩৫ সাল থেকে সেই বিপদ সম্পর্কে সতর্ক করার ক্ষেত্রে আমাদের পার্টি যে ভূমিকা পালন করেছে তার জন্য আমি গর্বিত।
* ১৮০০ সালের এলিয়েন অ্যান্ড সেডিশন ল, ষাটের দশকের ফিউজিটিভ স্লেভ ল এবং ১৯২০-এর দশকের ক্রিমিনাল সিন্ডিকালিস্ট ল-এর মতো স্মিথ অ্যাক্টও অচিরেই বাতিলের তালিকায় চলে যাবে।
* আদালত কক্ষ, মধ্যবিত্ত জুরি এবং সংবাদমাধ্যমকে ঘিরে থাকা এই কুয়াশা সাধারণ মানুষের মাঝখান থেকে সরে যাবে—যাদের সাধারণ উপস্থিতি এবং আচরণ সেইসব কঠোর রাজনৈতিক মনোনীত ব্যক্তিদের সন্তুষ্ট করতে পারে না যারা সমৃদ্ধশালীদের তোষামোদি করে।
* দমনমূলক আইন, আনুগত্যের শপথ, কংগ্রেসের তদন্ত, ডাইনি শিকার, রাজনৈতিক বিচার এবং এই জাতীয় সবকিছুর বিরুদ্ধে আমাদের দেশে একটি গণআন্দোলন প্রবল বেগে প্রেইরি বাতাসের মতো জেগে উঠছে।
* ধর্মাবতার, আমি গত শুক্রবার আপনাকে একটি প্রশ্ন করেছিলাম যা আমি এখন আবার করছি: যদি কমিউনিস্ট পার্টি অবৈধ না হয়, এর সদস্যপদ এবং নেতৃত্ব অবৈধ না হয়, যদি সমাজতন্ত্রের প্রচার অবৈধ না হয়, যদি প্রতিদিনের কর্মসূচির মাধ্যমে "সৎ কাজ" করা (সরকার যাকে বিদ্রূপ করে বলছে) অবৈধ না হয়, তবে বিবেক অনুযায়ী এখানে অবৈধ কী? আমরা কিসে অপরাধী?
* আমার এই দীর্ঘ জীবনে... আমি কখনো ভাবিনি যে আমাকে বইয়ের জন্য জেলে যেতে হবে, এবং এমনকি পুরো বইয়ের জন্য নয় বরং বইয়ের কিছু অংশ বা টুকরো উদ্ধৃতির জন্য। আর আমি যদি গত সাতচল্লিশ বছরের আমার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যাই—যেখানে আমি ইউনিয়নবাদ, গণতান্ত্রিক অধিকার, নিগ্রো জনগোষ্ঠী ও নারীদের অধিকার নিয়ে, শান্তি এবং ফ্যাসিবাদ ও যুদ্ধের বিরুদ্ধে এবং সমাজতন্ত্র নিয়ে কাজ করেছি ও কথা বলেছি—তবে তখন কী হবে, ধর্মাবতার?
* ধর্মাবতার, জরিমানার ক্ষেত্রে আমার মালিকানাধীন সমস্ত বৈষয়িক সম্পত্তি বলতে কেবল সেই বইগুলোই আছে যা আমি ষোলো বছর বয়সে টম পেইনের 'কমন সেন্স'-এর একটি কাগজ-বাঁধানো কপি কেনার পর থেকে জমিয়েছি। সেগুলো ভালো বই—কবিতা, নাটক, ইতিহাস, রাজনৈতিক অর্থনীতি, কথাসাহিত্য, দর্শন, শিল্পকলা, সংগীত, ভ্রমণ এবং সাহিত্য। সেখানে শেক্সপিয়র, শ, এমারসন, হেগেল, মার্ক টোয়েনের পাশে মার্ক্স ও এঙ্গেলস আছেন; থোরো, জেফারসন, বিয়ার্ড দম্পতি, ওয়েব দম্পতি, হুগো, হার্ডি এবং আরও অনেকের পাশে লেনিন ও স্ট্যালিন আছেন... সেই বইয়ের তাকগুলোতে বলপ্রয়োগ ও সহিংসতা আছে কিন্তু সরকার যেখানে খুঁজছে সেখানে নয়। এটি আয়ারল্যান্ডের ইতিহাসে আছে—কনেলি, ও’কেসি এবং অন্যান্যরা ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে দীর্ঘ ও রক্তাক্ত সংগ্রামের কথা বলছেন। এটি আমেরিকান শ্রমের ইতিহাসে আছে—কলোরাডো, পশ্চিম ভার্জিনিয়া, হোমস্টেড, দক্ষিণ শিকাগো এবং সান ফ্রান্সিসকোর এমবার্কাডেরোতে। এটি আমেরিকার ইতিহাসে আছে—বিপ্লব, আমেরিকান ইন্ডিয়ানদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ, গৃহযুদ্ধ, স্পেন-আমেরিকান যুদ্ধ। এটি নিগ্রো জনগণের সংগ্রামে আছে। এটি বাইবেলেও আছে—যা আমার বইয়ের তাকেই আছে, ধর্মাবতার—ইহুদি উপজাতি এবং পুরনো নবীদের বিরুদ্ধে সহিংসতা, যিশু ও তার শিষ্যদের এবং প্রাথমিক খ্রিস্টান শহিদদের বিরুদ্ধে সহিংসতা।
* বলপ্রয়োগ এবং সহিংসতা শাসক শ্রেণির কাছ থেকে আসে, সাধারণ মানুষের কাছ থেকে নয়।
===''দ্য রেবেল গার্ল: অ্যান অটোবায়োগ্রাফি, মাই ফার্স্ট লাইফ'' (১৯৫৫)===
*আমাদের শৈশবের একটি অবিস্মরণীয় ট্র্যাজেডি ছিল ১৯০৪ সালে জেনারেল স্লোকাম নামক প্রমোদ তরণীটি পুড়ে যাওয়া।
*এডওয়ার্ড বেলামি রচিত 'লুকিং ব্যাকওয়ার্ড' বইটি এই দেশে প্রথম সমাজতন্ত্রের ধারণাকে জনপ্রিয় করেছিল। এটি ছিল পুঁজিবাদের একটি তীক্ষ্ণ সমালোচনা, যা অনেক আমেরিকানের মনে দাগ কেটেছিল এবং ক্রমবর্ধমান একচেটিয়া কারবারের সেই দিনগুলোতে তারা এর সাথে একমত পোষণ করেছিল।
*পিটার ক্রোপোটকিনের দরিদ্র যুবকদের প্রতি করা আবেদন আমাকে ব্যক্তিগতভাবে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছিল, যেন তিনি ব্রঙ্কসে আমাদের সেই জরাজীর্ণ দারিদ্র্যপীড়িত ফ্ল্যাটেই আমাদের সাথে কথা বলছেন: "তোমাকে কি তোমার বাবা-মায়ের মতো আরও ত্রিশ বা চল্লিশ বছর একই ক্লান্তিকর অস্তিত্ব টেনে নিয়ে যেতে হবে? অন্যদের জন্য সুস্বাস্থ্য, জ্ঞান এবং শিল্পের সমস্ত আনন্দ নিশ্চিত করতে কি তোমাকে জীবনভর কঠোর পরিশ্রম করতে হবে এবং নিজের জন্য কেবল এক টুকরো রুটি পাবে কি না—সেই চিরন্তন উদ্বেগটুকু রেখে দিতে হবে?"
*আমার মনে পড়ে আরেকটি বইয়ের কথা, যা আমার জীবনে তাৎক্ষণিক পরিবর্তন এনেছিল—আপটন সিনক্লেয়ারের 'দ্য জঙ্গল'। এটি পড়ার পর আমি তৎক্ষণাৎ নিরামিষাশী হয়ে গিয়েছিলাম!
*সেই সময়ে (১৯০৬ সালের দিকে) আমি আরও দুটি বই পড়েছিলাম, যা আমাকে সমাজতান্ত্রিক কর্মকাণ্ডে ঝাঁপিয়ে পড়তে সাহায্য করেছিল। একটি ছিল মেরি উলস্টোনক্র্যাফট রচিত 'ভিন্ডিকেশন অফ দ্য রাইটস অফ উইমেন' এবং অন্যটি ছিল আগস্ট বেবেলের 'উইমেন অ্যান্ড সোশ্যালিজম'।
*নারীদের ইউনিয়ন গঠন করার প্রক্রিয়াটি তখন কেবল শুরু হয়েছিল, এমনকি সুচিশিল্পের মতো পেশাগুলোতেও যেখানে তাদের প্রাধান্য ছিল। সমান সুযোগ, সমান বেতন এবং সংগঠিত হওয়ার অধিকার তখন মজুরি উপার্জনকারী নারীদের জন্য অত্যন্ত জরুরি প্রয়োজন ছিল এবং দুর্ভাগ্যবশত এই দাবিগুলো আজও আমাদের মাঝে রয়ে গেছে। অনেক ইউনিয়ন নেতা, যেমন আমেরিকান ফেডারেশন অফ লেবার-এর সভাপতি স্যামুয়েল গম্পার্স, নারী শ্রমিকদের সংগঠিত হওয়ার যোগ্য বা নির্ভরযোগ্য মনে করতেন না। "তারা কেবল হাতখরচের জন্য কাজ করে"—এটিই ছিল সাধারণ অভিযোগ। একজন নারী শ্রমিক নিজেও বাইরের চাকরিকে একটি সাময়িক প্রয়োজনীয় আপদ হিসেবে দেখতেন—যা তার বাবার বাড়ি এবং স্বামীর বাড়ির মধ্যবর্তী সময়ের একটি সাময়িক ব্যবস্থা মাত্র। বাবা এবং স্বামীরা নারীদের মজুরি সংগ্রহ করত, কখনও কখনও সরাসরি কোম্পানির অফিস থেকেই। নারীদের নিজেদের উপার্জনের ওপর কোনো আইনি অধিকার ছিল না। কর্মজীবী মায়েদের বিশেষ প্রয়োজন এবং সমস্যার বিষয়ে কোনো বিবেচনা ছিল না, যদিও তাদের সংখ্যা ছিল অনেক এবং সমস্যাগুলো ছিল প্রকট। এমনকি নারীদের পোশাকও তাদের জন্য বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল—মাটি ছোঁয়া লম্বা স্কার্ট, বড় ঢিলেঢালা হাতা এবং বিশাল হ্যাট। আপনার স্কার্ট যদি জুতার ওপরের অংশ পর্যন্ত উঁচু হতো, তবে আপনাকে তখনও "একটি বালিকা" হিসেবে গণ্য করা হতো।
*নারীদের ভোটাধিকারের সংগ্রাম দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছিল এবং শক্তিশালী হচ্ছিল। এটি ১৮৪৮ সালে নিউ ইয়র্কের সেনেকা ফলসে প্রথম সমানাধিকার সম্মেলনের মাধ্যমে শুরু হয়েছিল, যার নেতৃত্বে ছিলেন এলিজাবেথ ক্যাডি স্ট্যান্টন এবং সুসান বি অ্যান্থনি এবং যেখানে মহান নিগ্রো নেতা ফ্রেডরিক ডগলাস ভাষণ দিয়েছিলেন। ভোটাধিকার কর্মীদের বিদ্রূপ করা হয়েছিল, ভিড়ের দ্বারা আক্রান্ত হতে হয়েছিল, হলরুম দিতে অস্বীকার করা হয়েছিল, ভোট দেওয়ার চেষ্টার জন্য গ্রেপ্তার করা হয়েছিল এবং পরিবার থেকে ত্যাজ্য করা হয়েছিল। ১৯০৪ সালের মধ্যে কর্মজীবী নারীদের বিভিন্ন দল, বিশেষ করে সমাজতন্ত্রী নারীরা ভোটের দাবিতে একত্রিত হতে শুরু করে। দুই বছর পর নিউ ইয়র্কের ইস্ট সাইডে এই নারীদের ভোটাধিকার আন্দোলনের উদ্যোগেই আন্তর্জাতিক নারী দিবসের জন্ম হয়। এটি সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে এবং আজ সর্বজনীনভাবে পালিত হয়, যদিও এখানে একে "একটি বিদেশি উৎসব" হিসেবে অবজ্ঞা করা হয়।
*ভোটাধিকার আন্দোলন আরও লড়াকু হয়ে উঠছিল এবং মড ম্যালনের মতো ব্যক্তিত্বরা আবির্ভূত হয়েছিলেন। তিনি ১৯০৫ সালে হারলেম ইকুয়াল রাইটস লিগ গঠন করেন। তিনি ৩,০০০ মানুষের এক সভায় থিওডোর রুজভেল্টকে থামিয়ে দিয়ে দাবি করেছিলেন যে নারী ভোটাধিকারের বিষয়ে তার অবস্থান কী। আমরা যখন ব্রডওয়েতে রাস্তার পাশে সভা করতাম, তখন তিনি সেখানে স্যান্ডউইচ ম্যানের মতো সামনে-পেছনে "নারীদের জন্য ভোট" লেখা সাইনবোর্ড নিয়ে পায়চারি করতেন এবং এর ফলে তাকে লাইব্রেরিয়ানের পদ হারাতে হয়েছিল।
*রাস্তার মোড়ে ভোটাধিকার কর্মীদের ভাষণের সময় সবসময় বলা হতো: "বাড়ি যাও এবং থালা-বাসন মাজো," অথবা তাদের বয়স নির্বিশেষে বলা হতো: "তোমার বাচ্চাদের দেখাশোনা কে করছে?" অন্যরা বলত: "কল্পনা করো একজন অন্তঃসত্ত্বা নারী অফিসের পদের জন্য লড়ছেন," অথবা "নারীরা কীভাবে জুরির দায়িত্ব পালন করবে এবং পুরুষ জুরিদের সাথে একই ঘরে বন্দি থাকবে?"
*একটি প্রচলিত ধারণা ছিল যে "নারীর কাজ" কেবল গৃহস্থালির মধ্যেই সীমাবদ্ধ। "নারীর স্থান ঘরে"—এটাই ছিল সাধারণ রব। পুরুষদের কাজ কেড়ে নেওয়ার জন্য নারীদের সবসময় অভিযুক্ত করা হতো।
*আমি তখনও বলেছিলাম এবং আজও বিশ্বাস করি যে, পুঁজিবাদী ব্যবস্থার অধীনে নারীদের পূর্ণ সুযোগ পাওয়া এবং মানুষের সমস্ত প্রচেষ্টার ক্ষেত্রে স্বাধীন ও সমান নাগরিক হওয়া সম্ভব নয়, যদিও সুসংগঠিত সংগ্রামের মাধ্যমে অনেক দাবিই আদায় করা হয়েছে।
*"বিগ" বিল হেউড জেল থেকে একজন বীর হিসেবে বেরিয়ে এসেছিলেন—যা শ্রমিক সংহতির এক উপযুক্ত প্রতীক। একজন সাংবাদিক তাকে "দেহে, মস্তিকে এবং সাহসে বিশাল" হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন। তিনি সোশ্যালিস্ট পার্টি এবং যেসব শ্রমিক সংগঠন তাকে রক্ষা করেছিল, তাদের তত্ত্বাবধানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং কানাডায় এক বিজয় সফর করেন। তিনি ছিলেন অত্যন্ত বাস্তববাদী এবং নাটকীয় বক্তা। আমার মনে পড়ে তাকে বলতে শুনেছিলাম: "আপনারা জানেন, আমি পশ্চিম থেকে আসা দুই-বন্দুকওয়ালা মানুষ," আর দর্শক যখন রুদ্ধশ্বাসে অপেক্ষা করছিল, তখন তিনি এক পকেট থেকে তার ইউনিয়ন কার্ড এবং অন্য পকেট থেকে তার সোশ্যালিস্ট কার্ড বের করে দেখালেন।
*১৯০৭ সালে ময়ার, হেউড এবং পেটিবোনকে মুক্ত করার অভিযানের সময় নিউ জার্সি অঙ্গরাজ্যের নেওয়ার্কে সোশ্যালিস্ট লেবার পার্টির আয়োজিত একটি সভায় আমাকে বক্তা হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল... এই সভাটি আমার জীবনের একটি অবিস্মরণীয় ঘটনা কারণ এখানেই আমি প্রথম জেমস কনেলির সাথে পরিচিত হই। তিনি ছিলেন আইরিশ সমাজতন্ত্রী বক্তা, লেখক এবং শ্রমিক সংগঠক, যিনি এর নয় বছর পর ১৯১৬ সালে ডাবলিনের ইস্টার উইক অভ্যুত্থানে আয়ারল্যান্ডের স্বাধীনতার জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন... তিনি ছিলেন খাটো, কিছুটা স্থূলকায়, বড় কালো গোঁফওয়ালা একজন সাধারণ চেহারার মানুষ। তার কপাল ছিল বেশ উঁচু এবং কালো বিষণ্ণ চোখ। তিনি খুব কম হাসতেন। একজন পণ্ডিত এবং চমৎকার লেখক হওয়া সত্ত্বেও, গ্লাসগোতে দীর্ঘকাল বসবাসের কারণে তার কণ্ঠস্বরে উত্তর আয়ারল্যান্ডের টান এবং স্কচ উচ্চারণের মিশ্রণ ছিল, যা আমেরিকান দর্শকদের জন্য বোঝা কিছুটা কঠিন ছিল... কনেলি আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর জন্য কাজ করতেন এবং কুপার স্কয়ারে তার একটি অফিস ছিল। তিনি ছিলেন একজন চমৎকার সংগঠক, যা জেমস লার্কিনের সাথে আইরিশ ট্রান্সপোর্ট ওয়ার্কার্সদের জন্য তার পরবর্তী কাজগুলো প্রমাণ করেছিল... তিনি গভীরভাবে অনুভব করতেন যে আয়ারল্যান্ডের জাতীয় মুক্তির সংগ্রামের প্রতি আমেরিকান সমাজতন্ত্রীরা যথেষ্ট সহানুভূতি বা বোঝাপড়া দেখায়নি। এখানকার আইরিশ শ্রমিকদের সমাজতন্ত্রীরা খুব সহজেই "প্রতিক্রিয়াশীল" হিসেবে বর্জন করত এবং আইরিশ-আমেরিকান শ্রমিকদের কাছে সমাজতন্ত্রের বার্তা পৌঁছে দেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত প্রচেষ্টা ছিল না... তিনি 'দ্য হার্প' নামে একটি মাসিক পত্রিকা প্রকাশ করতেন। সেখানে তার নিজের লেখা অনেক কবিতা প্রকাশিত হতো। কুপার ইউনিয়ন বা ইস্ট সাইডের অন্য কোনো হলের দরজায় তাকে জরাজীর্ণ পোশাকে দাঁড়িয়ে নিজের ছোট কাগজটি বিক্রি করতে দেখা যেত, যা ছিল এক করুণ দৃশ্য। যেসব সম্পদশালী আইরিশরা তার মৃত্যুর পর তার প্রতি গভীর প্রশংসা প্রকাশ করেছিল, তাদের কেউই সেই সময় তার দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়নি। জিম কনেলি তাদের কাছে অভিশপ্ত ছিলেন কারণ তিনি ছিলেন একজন "সমাজতন্ত্রী"। তার কোনো মিথ্যে অহংকার ছিল না এবং তিনি নিজে উদাহরণ সৃষ্টি করে অন্যদের ছোটখাটো কাজ করতে উৎসাহিত করতেন। রাস্তার সভাগুলোতে তিনি তাদেরই "সভার সভাপতিত্ব" করতে রাজি করাতেন যাদের কথা বলার কোনো অভিজ্ঞতা ছিল না, যাতে তারা প্রশিক্ষণ পেতে পারে। আইরিশ শ্রমিকদের কাছে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে কনেলির এক বিরল দক্ষতা ছিল, যা তার বিশাল জ্ঞান থেকে জন্ম নিয়েছিল। প্রয়োজনে তিনি সত্যকে অত্যন্ত তীক্ষ্ণ এবং জোরালোভাবে বলতেন।
*আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর আগমন ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা এবং ১৯০৫ থেকে ১৯২০-এর দশকের শুরু পর্যন্ত এটি আমেরিকান শ্রম অঙ্গনে একটি বিশাল ধূমকেতুর মতো পথ দেখিয়েছিল। এটি শ্রমিক ইতিহাসের নতুন অধ্যায় তৈরি করেছিল এবং শ্রমিক আন্দোলনে এক অমোঘ ছাপ রেখে গিয়েছিল। আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. ছিল একটি লড়াকু এবং সংগ্রামী শ্রমিক শ্রেণির ইউনিয়ন। মালিক শ্রেণি দ্রুত এটি বুঝতে পেরেছিল এবং এর জন্মের পর থেকেই লড়াই শুরু করেছিল। আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. নিজেকে দরিদ্রতম, সবচেয়ে শোষিত এবং সবচেয়ে নিপীড়িত শ্রমিকদের সমস্ত তাৎক্ষণিক প্রয়োজনের সাথে যুক্ত করেছিল। এটি তাদের অসন্তোষের "আগুনে হাওয়া" দিয়েছিল। এটি তাদের বীরত্বপূর্ণ সংগ্রামের নেতৃত্ব দিয়েছিল, যার কিছু তারা নিজেরাই সংগঠিত করেছিল। অন্য অনেক ক্ষেত্রে ধর্মঘট শুরু হওয়ার পর তারা এর নেতৃত্বে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। যিশুর বিরুদ্ধে করা সেই স্মরণীয় অভিযোগ, "সে মানুষকে উত্তেজিত করছে!" আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য ছিল। এটি পূর্বের গণ-উৎপাদন শিল্পগুলোতে অসংগঠিত ও অদক্ষ বিদেশি বংশোদ্ভূত শ্রমিকদের এবং পশ্চিমের অসংগঠিত যাযাবর শ্রমিকদের সংগঠিত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিল, যারা মূলত আমেরিকান বংশোদ্ভূত ছিল এবং নৌপরিবহন, কাঠ, কৃষি, খনি ও নির্মাণ কাজে নিয়োজিত ছিল। পূর্ব এবং দক্ষিণে এটি টেক্সটাইল, রাবার, কয়লা এবং কাঠ শিল্পের পাশাপাশি বিভিন্ন ছোট শিল্পে শ্রমিকদের কাছে পৌঁছে গিয়েছিল। যেমন, নিউ ইয়র্ক সিটিতে পোশাক, টেক্সটাইল, জুতো, চুরুট, বেত, পিয়ানো, পিতল এবং হোটেল শিল্পে আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর শাখা ছিল। পশ্চিমে কাউবয়দের জন্য আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর একটি শাখা ছিল। নেভাদার গোল্ডফিল্ড শহরের সমগ্র শ্রমিক শ্রেণিকে ১৯০৬ সালে ভিনসেন্ট সেন্ট জন আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-তে সংগঠিত করেছিলেন। এমনকি মার্কিন সেনাবাহিনীর ওয়েস্ট পয়েন্টে কর্মরত ইতালীয় শ্রমিকরাও একসময় আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-তে সংগঠিত ছিল। আমার মনে পড়ে ১৯১১ সালের দিকে আমি সেখানে তাদের সামনে ভাষণ দিয়েছিলাম। আমি ১৯০৬ সালে এতে যোগ দেই...
*আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর এই সম্মেলনে লুসি পারসন্স-এর সাথে দেখা করে আমি রোমাঞ্চিত হয়েছিলাম। তিনি ছিলেন আলবার্ট পারসন্স-এর বিধবা স্ত্রী, যাকে ২০ বছর আগে শিকাগোর কুক কাউন্টি জেলের প্রাঙ্গণে ফাঁসিতে ঝোলানো হয়েছিল। যখন তার স্বামীকে ফাঁসি দেওয়া হচ্ছিল, তখন তাকে ক্লার্ক স্ট্রিট স্টেশন হাউসে বন্দি করে রাখা হয়েছিল, যা আমাদের সেই সভার জায়গা থেকে খুব বেশি দূরে নয়... আমার মনে পড়ে মিসেস পারসন্স তরুণদের উদ্দেশ্যে আবেগপূর্ণভাবে কথা বলছিলেন এবং আমাদের সামনের দিনগুলোর সংগ্রামের গুরুত্ব সম্পর্কে সতর্ক করছিলেন, যা বিজয় আসার আগে জেল এবং মৃত্যুর দিকে নিয়ে যেতে পারে। বছরের পর বছর ধরে তিনি এক শহর থেকে অন্য শহরে ঘুরে বেড়িয়েছেন, স্থানীয় ইউনিয়নগুলোর দরজায় কড়া নেড়েছেন এবং শিকাগো বিচারের কাহিনী শুনিয়েছেন। তার স্বামী বলেছিলেন: "আমাদের নাম কলঙ্কমুক্ত করো!" এবং তিনি এটিকে তার জীবনের লক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন।
*আমি ভিনসেন্ট সেন্ট জনের চেয়ে বেশি শ্রদ্ধার পাত্র আর কোনো মানুষ দেখিনি... তাকে ডিনামাইট বিস্ফোরণকারী, বন্দুকধারী এবং একজন বিপজ্জনক আন্দোলনকারী হিসেবে গালি দেওয়া হতো; তিনি মাথার ওপর পুরস্কার নিয়ে বিভিন্ন ক্যাম্পে প্রবেশ করতেন, তার মায়ের নাম—ম্যাগি—ব্যবহার করতেন এবং প্রায়ই একা হাতে শত শত মানুষকে সংগঠিত করতেন। তিনি এই দেশের জন্ম দেওয়া সর্বশ্রেষ্ঠ শ্রমিক সংগঠকদের একজন ছিলেন... তিনি গঠনে কিছুটা খাটো এবং হালকা ছিলেন, যদিও কাঁধ ছিল চওড়া। তার চলাফেরা ছিল দ্রুত এবং ছন্দময়, তিনি ছিলেন শান্ত ও বিনয়ী, কিন্তু তার বুদ্ধিবৃত্তি ও উপস্থিত বুদ্ধি যেকোনো প্রতিপক্ষকে হার মানাতে পারত... আসল লড়াইয়ের সময় সেন্ট জনের শান্ত নীল চোখগুলো ইস্পাতের মতো কঠোর ও শীতল হয়ে উঠত। তিনি কেবল আদর্শের জন্য লড়তেন এবং তখন শ্রমিকদের শত্রুদের মতোই নির্মম হয়ে উঠতেন। শ্রমিক শ্রেণির প্রতি তার আনুগত্য ছিল সীমাহীন। ১৯০৭ থেকে ১৯১৫ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ আট বছর তিনি অর্থের অভাব এবং আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর অসম বিকাশের সাথে লড়াই করেছেন, যার শক্তিকে তিনি কখনোই বাড়িয়ে বলতেন না।
*আমাদের সময়ের শ্রেষ্ঠ নারী আন্দোলনকারী ছিলেন মাদার জোন্স। গ্রেপ্তার, নির্বাসন, মিলিশিয়াদের হাতে বন্দি হওয়া এবং পুলিশ ও বন্দুকধারীদের দ্বারা তাড়া ও হুমকির শিকার হওয়া সত্ত্বেও তিনি দীর্ঘ ৬০ বছর নির্ভীকভাবে কাজ করে গেছেন। ১৯০৮ সালের গ্রীষ্মে ব্রঙ্কসের একটি উন্মুক্ত সভায় আমি তাকে প্রথম দেখি। তিনি শহরের মানুষদের কঠোর সমালোচনা করছিলেন। আমরা কেন পশ্চিমের খনি শ্রমিকদের সাহায্য করছি না? আমরা কেন ডিয়াজের বিরুদ্ধে মেক্সিকোর জনগণকে সমর্থন দিচ্ছি না? তিনি বলেছিলেন, আমরা হলাম "সাদা কলিজার খরগোশ যারা কখনও মাটির ওপর পা রাখিনি।" পশ্চিমের খনি শ্রমিকদের ধর্মঘটের সময় ফেডারেল সৈন্যরা তাদের যেভাবে পশুর মতো খাঁচায় আটকে রেখেছিল এবং সেখানে যে রক্তপাত ও কষ্ট হয়েছিল, তার বর্ণনা তিনি এত জীবন্তভাবে দিয়েছিলেন যে, অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকায় মাথা ঝিমঝিম করে আমি মূর্ছা গিয়েছিলাম। তিনি তার অগ্নিঝরা ভাষণের মাঝপথে থেমে গিয়ে বলেছিলেন, "গরিব বাচ্চাটাকে একটু জল দাও!" এরপর তিনি আবার তার ভাষণ চালিয়ে যান। আমি খুব লজ্জিত হয়েছিলাম।
*পরের শীতকালে শিকাগোর হুল হাউসে রুডেউইটজ কমিটির একটি সভায় আমি মাদার জোন্সকে আবার দেখি, যেখানে আমি আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর ৮৫ নম্বর শাখা থেকে প্রতিনিধি হিসেবে গিয়েছিলাম। "ধর্মীয় হত্যা"-র জঘন্য অজুহাতে একজন তরুণ ইহুদি শ্রমিককে দেশান্তরের বিরুদ্ধে তার উত্তপ্ত, রাগান্বিত ও অবজ্ঞাপূর্ণ কথাগুলো আমি শুনেছিলাম। (জেন অ্যাডামস এবং অন্যরা সাহসিকতাপূর্ণ পক্ষ সমর্থনের মাধ্যমে তাকে নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচিয়েছিলেন)। মাদার জোন্স একটি পুরনো ধাঁচের কালো রেশমি পোশাক পরেছিলেন, যার গলায় লেস লাগানো ছিল এবং সাথে ছিল একটি লম্বা ঝুলের স্কার্ট ও ফুলে সাজানো ছোট একটি টুপি। তিনি সারা জীবনে তার পোশাকের ধরন পরিবর্তন করেননি। তাকে দেখতে হুইসলারের আঁকা মায়ের ছবির মতো মনে হতে পারে, কিন্তু এই বৃদ্ধা নারীটি মোটেও শান্ত বা স্থির ছিলেন না; যেখানেই যেতেন সেখানেই নির্ভীক আন্দোলনের বার্তা ছড়াতেন... তাকে হোটেল থেকে বের করে দেওয়া হতো। কোম্পানি শাসিত শহরগুলোতে যেসব পরিবার তাকে আশ্রয় দিত, তাদের উচ্ছেদ করা হতো। হলরুম বন্ধ করে দিলে তিনি খোলা মাঠে ভাষণ দিতেন। পশ্চিম ভার্জিনিয়ায় নদীর ওপারে খনি শ্রমিকদের সংগঠিত করার জন্য তিনি কেলি ক্রিক নদীর জল ভেঙে হেঁটে গিয়েছিলেন। একটি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করার দায়ে অভিযুক্ত হয়ে তিনি বিচারককে "দালাল" বলে ডাকেন এবং সেটি তাকে প্রমাণ করে দেখান। তিনি দালালদের তাড়ানোর জন্য ঝাড়ু, লাঠি আর থালাবাসন নিয়ে "নারীবাহিনী" গঠন করেছিলেন। "ঈশ্বর! ওই বুড়ি মা তার পাগলাটে নারীদের নিয়ে আসছে!"—মালিকরা যন্ত্রণায় ককিয়ে উঠত। পেনসিলভানিয়ার গ্রিনসবার্গে যখন একদল পিকেটিং করা নারীকে তাদের শিশুদেরসহ গ্রেপ্তার করে ৩০ দিনের সাজা দেওয়া হয়, তখন তিনি তাদের পরামর্শ দেন: "সারা রাত বাচ্চাদের গান শোনাও!" মাত্র কয়েক দিনের মাথায় সেই গান শুনে অতিষ্ঠ হয়ে অনিদ্রায় ভোগা শহরবাসীকে স্বস্তি দিতে পুলিশ তাদের জেল থেকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়। এক সংসদীয় শুনানিতে তাকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল: "আপনার বাড়ি কোথায়?" তিনি উত্তর দিয়েছিলেন: "কখনও আমি ওয়াশিংটনে, কখনও পেনসিলভানিয়া, অ্যারিজোনা, টেক্সাস, অ্যালাবামা, কলোরাডো বা মিনেসোটায়। আমার ঠিকানা আমার জুতোর মতো। এটি আমার সাথেই ঘোরে। যেখানে অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই হয়, সেখানেই আমি থাকি।" ১৯০৩ সালে তিনি পেনসিলভানিয়ার কেনসিংটন এলাকার টেক্সটাইল মিলের একদল শিশু শ্রমিককে নিয়ে নিউ ইয়র্কের লং আইল্যান্ডের অয়েস্টার বে-তে গিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট থিওডোর রুজভেল্টকে শিশু শ্রমের প্রমাণ দিয়ে মোকাবিলা করতে। কলোরাডোতে ১৯১৪ সালের লাডলো হত্যাকাণ্ডের পর তিনি গভর্নরের অফিস পর্যন্ত একটি প্রতিবাদ মিছিলের নেতৃত্ব দেন। পশ্চিম ভার্জিনিয়ায় তিনি বারবার বিভিন্ন গভর্নরের সাথে দেখা করতে প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং তার ভাষায় তাদের "উচিত শিক্ষা" দিয়েছেন... যখন তিনি খুব বৃদ্ধা হয়েছিলেন, তখন তিনি সাধারণ কর্মীদের সেইসব নেতাদের সম্পর্কে সতর্ক করেছিলেন যারা শ্রমিকের স্বার্থের চেয়ে নিজেদের স্বার্থকে বড় করে দেখে। মৃত্যু পর্যন্ত তিনি তার একটি মহান বিশ্বাস অটলভাবে ধরে রেখেছিলেন: "ভবিষ্যৎ শ্রমিকের শক্তিশালী ও অমসৃণ হাতের মুঠোয়!"... শুরুর দিনগুলোতে নিউ ইয়র্ক এবং শিকাগোতে প্রথম যখন তাকে দেখি, তিনি আমাকে অনেক অনুপ্রাণিত করেছিলেন, যদিও সত্যি বলতে আমি তার তিক্ষ্ণ কথাকে ভয় পেতাম। কিন্তু যখন আমি তাকে ব্রঙ্কসের সেই সভার কথা মনে করিয়ে দিয়ে বললাম যে আমি আমার সন্তানকে হারিয়েছি, তখন তিনি অত্যন্ত সহানুভূতিশীল ও দয়ালু আচরণ করেছিলেন। তার কঠোরতা কেবল মালিক, দালাল এবং অসৎ শ্রমিক নেতাদের জন্য বরাদ্দ ছিল।
*যুদ্ধ ঘোষণার পর সারা দেশে উন্মাদনা এবং গণ-সহিংসতার এক জোয়ার বয়ে যায়। আমেরিকার বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠ সাধারণ মানুষ এর সাথে যুক্ত না থাকলেও তারা উত্তরোত্তর আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। সরকারি জায়গাগুলোতে নোটিশ লাগিয়ে দেওয়া হয়েছিল: "আইন মেনে চলো এবং নিজের মুখ বন্ধ রাখো!" যার নিচে অ্যাটর্নি জেনারেল গ্রেগরির সই ছিল। এই গণ-সহিংসতার শিকার হয়েছিল বিভিন্ন স্তরের মানুষ—খ্রিস্টান ধর্মযাজক, কৃষ্ণাঙ্গ ও শ্বেতাঙ্গ শান্তিপ্রয়াসী মানুষ, সমাজতন্ত্রী, আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. কর্মী, নন-পার্টিজান লিগের সদস্য যারা মধ্য-পশ্চিমের কৃষকদের মধ্যে শক্তিশালী ছিল, আয়ারল্যান্ডের স্বাধীনতার বন্ধু এবং আরও অনেকে। যুদ্ধের বিরুদ্ধে, সেনাবাহিনীতে নিয়োগ বা বন্ড বিক্রির বিষয়ে আকস্মিক মন্তব্য করার অপরাধে অনেক নারী ও পুরুষকে আলকাতরা এবং পালক মাখিয়ে অপমান করা হতো, কখনও অচেতন হওয়া পর্যন্ত মারধর করা হতো, জোর করে পতাকায় চুমু খাওয়ানো হতো, শহর থেকে বের করে দেওয়া হতো, জোর করে বন্ড কিনতে বাধ্য করা হতো এবং এমনকি পিটিয়ে মারার হুমকি দেওয়া হতো।
*গণ-সহিংসতার এই মনোভাব আমাদের দেশের অন্যতম বিপজ্জনক এবং লজ্জাজনক বহিঃপ্রকাশ ছিল, যার সবকিছুই করা হয়েছিল বিশ্বকে "গণতন্ত্রের জন্য নিরাপদ" করার নামে।
*কেট রিচার্ডস ও’হারে, যাকে আমি বর্ণনা করেছি, তিনি ছিলেন একজন বিশিষ্ট এবং অত্যন্ত কার্যকর সমাজতন্ত্রী বক্তা।
*পরবর্তীতে তার রাজনৈতিক ত্রুটি যা-ই থাকুক না কেন, প্রগতিশীল নারীরা সেই সময়ে তার জন্য খুব গর্ববোধ করতেন।
** ১৯১৭ সালের দিকে জিনেট র্যাঙ্কিন সম্পর্কে
*আমি একজন নিবেদিতপ্রাণ আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. কর্মী ছিলাম, কিন্তু ওয়ার্কার্স ডিফেন্স ইউনিয়নে আমার কর্মকাণ্ড আমাকে সমাজতন্ত্রী, নৈরাজ্যবাদী, ট্রেড ইউনিয়নবাদী, কমিউনিস্ট, ভোটাধিকার কর্মী, শান্তিবাদী, উদারপন্থী, ইন্ডিয়ান, আইরিশ জাতীয়তাবাদী এবং সোভিয়েত ও আইরিশ প্রজাতন্ত্রের সরকারি প্রতিনিধিদের সংস্পর্শে নিয়ে এসেছিল।
*ইতালীয় আন্দোলনে—নৈরাজ্যবাদী বা সমাজতন্ত্রী কোনো পক্ষেই—নারীরা কার্যত ছিল না। কার্লোর সাথে আমি যে বাড়িতেই যেতাম, দেখতাম নারীরা সবসময় পর্দার আড়ালে রান্নাঘরে ব্যস্ত থাকত এবং এমনকি পুরুষদের সাথে খেতে বসার সুযোগও তাদের খুব কমই হতো।
*উড্রো উইলসন একজন "উদারপন্থী" হিসেবে সমস্ত বিষয়ে অনর্গল ও সাবলীলভাবে কথা বলতেন, কিন্তু তার দুঃখজনক কাজগুলো তার কথার সম্পূর্ণ বিপরীত ছিল। "আত্মনিয়ন্ত্রণ" এবং "বিশ্বকে গণতন্ত্রের জন্য নিরাপদ করা"—এই দুটি ছিল তার সবচেয়ে দুর্বল জায়গা। শান্তি বজায় রাখা, "রাশিয়া থেকে হাত তোলো", আয়ারল্যান্ডের স্বাধীনতা, রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তি এবং শেষত কিন্তু সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ "নারীদের ভোটাধিকার"—এইসব দাবির আন্দোলনকারী ও প্রতিনিধি দলগুলো প্রতিটি মোড়ে তার মুখোমুখি হতো। তার প্রশাসন ১৯১৯-২০ সালের বিশাল ইস্পাত শ্রমিক ধর্মঘটের সম্মুখীন হয়েছিল। লিগ অফ নেশনস-এ যোগ দেওয়ার তার পরিকল্পনা সেনেট দ্বারা পরাজিত হয়। বিভিন্ন ইস্যুতে প্রতিবাদ জানিয়ে তার প্রশাসনের সদস্যরা পদত্যাগ করেছিলেন—যুদ্ধের ইস্যুতে একজন পররাষ্ট্রমন্ত্রী, ভোটাধিকারের ইস্যুতে নিউ ইয়র্ক বন্দরের একজন সংগ্রাহক; সম্ভবত এই ভোটাধিকার ইস্যুটিই তাকে সবচেয়ে বেশি বিব্রত করেছিল।
*প্রথম বিশ্বযুদ্ধ আমেরিকান নারীদের জীবনে অনেক মৌলিক পরিবর্তন এনেছিল। এটি "ভদ্রমহিলা" বা আভিজাত্যপূর্ণ নারীত্বের ধারণাটি শেষ করে দিয়েছিল। শ্রমিকের ঘাটতি ছিল প্রচুর এবং প্রশিক্ষিত কর্মীর প্রয়োজন ছিল তীব্র। ১৯১৮ সালের শেষে প্রায় ত্রিশ লক্ষ নারী খাদ্য, টেক্সটাইল এবং যুদ্ধ শিল্পে নিয়োজিত ছিলেন। যেসব পেশাকে এতদিন "পুরুষের কাজ" বলে মনে করা হতো, সেগুলো নারীদের জন্য উন্মুক্ত হয়ে গিয়েছিল। তারা রাস্তার ট্রাম বা বাসে কন্ডাক্টর হিসেবে কাজ শুরু করেছিলেন। প্রথমবারের মতো তাদের রেডিও অপারেটর হিসেবে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছিল। নারীরা সেনাবাহিনীতে মোটর কোরে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করেছিলেন এবং প্রথমবারের মতো ইউনিফর্ম পরেছিলেন। শহর থেকে আসা "কৃষক কন্যারা" ব্লুমার পরে খামারে কাজ করতে গিয়েছিল। নারীরা ত্রাণ কাজ করেছেন, যুদ্ধের বন্ড বিক্রি করেছেন, সশস্ত্র বাহিনীর জন্য ক্যান্টিন পরিচালনা করেছেন এবং নার্সিং ইউনিটে যোগ দিয়েছেন। হাজার হাজার নারী ঘর থেকে বেরিয়ে জনজীবনে প্রবেশ করেছিলেন। যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর প্রয়োজন বা পছন্দের কারণে অনেকেই এই শিল্পগুলোতে থেকে গিয়েছিলেন।
*এলিজাবেথ ক্যাডি স্ট্যান্টন এবং সুসান বি অ্যান্থনির মতো সাহসী নারীরা ছিলেন শুরুর দিকের অগ্রগামী, যারা বিদ্রূপ, গালাগালি, সহিংসতা এবং এমনকি ভোট দেওয়ার চেষ্টার জন্য গ্রেপ্তারের মুখোমুখি হয়েছিলেন। পরবর্তীতে ড. আন্না হাওয়ার্ড শ এবং ক্যারি চ্যাপম্যান ক্যাটের মতো নারীরা ন্যাশনাল আমেরিকান উইমেনস সাফ্রেজ অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, যা "নারীদের জড়তা এবং পুরুষদের বিরোধিতার" বিরুদ্ধে লড়াই করেছিল। কিন্তু ১৯১৬ সালের দিকে একটি তরুণ, সাহসী এবং আরও লড়াকু গোষ্ঠী আবির্ভূত হয়, যারা প্রতিটি অঙ্গরাজ্যে আলাদাভাবে ভোটাধিকার জেতার ধীর প্রক্রিয়ায় সন্তুষ্ট ছিল না এবং তারা সাংবিধানিক সংশোধনীর জন্য লড়াই শুরু করে। তারা ১৯১৬ সালে উইমেনস পার্টি গঠন করে, যারা কেবল সেইসব দল এবং প্রার্থীদের জন্য নারীদের ভোট সংগ্রহের পরিকল্পনা করেছিল যারা জাতীয় ভোটাধিকার সমর্থন করবে। সেই বছর একদল ধনী ভোটাধিকার কর্মী একটি বিশেষ ট্রেনের অর্থায়ন করেছিলেন এবং তাতে চড়ে প্রচার চালিয়েছিলেন। তারা রিপাবলিকান প্রার্থী চার্লস ইভান্স হিউজের পক্ষে সরাসরি প্রচার করেননি, কিন্তু তাদের স্লোগান ছিল উইলসন-বিরোধী: "উইলসনের বিরুদ্ধে ভোট দিন! তিনি আমাদের ভোটাধিকার থেকে দূরে রেখেছেন!" অনেকে ইউজিন ডেবসকেও ভোট দিয়েছিলেন, যিনি তখন কারাগারে ছিলেন।
*উইমেনস পার্টি ১৯১৭ সালের জানুয়ারি থেকে ১৯১৯ সালের ১৯ মার্চ পর্যন্ত প্রায় একটানা পিকেটিং চালিয়েছিল। তারা হোয়াইট হাউস এবং ক্যাপিটল ভবনে পিকেটিং করেছে, সামরিক কুচকাওয়াজ করেছে, উইলসন যখন ইউরোপ সফর থেকে ফিরতেন বা যখন চলে যেতেন তখন তার জন্য সংবর্ধনার আয়োজন করেছে। তারা ওয়াশিংটন, বোস্টন এবং নিউ ইয়র্কে তার পিকেটিং করেছে। কেবল আইরিশরাই আগে এই ধরনের কৌশল অবলম্বন করেছিল। পরবর্তীতে রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তির দাবিতে শিশুদের একটি প্রতিনিধি দল প্রেসিডেন্ট হার্ডিংকে পিকেটিং করেছিল। ভোটাধিকারের ব্যানারগুলো বিদেশি অতিথিদের উদ্দেশ্যে প্রদর্শন করা হতো এবং দেশে-বিদেশে প্রেসিডেন্টের দেওয়া "স্বাধীনতা" ও "গণতন্ত্র" বিষয়ক ভাষণগুলো তারা "স্বাধীনতার প্রহর" নামক পাত্রে জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ফেলত।
*একবার ভোটাধিকার অর্জিত হওয়ার পর নারীরা কেবল নারী হিসেবে ঐক্যবদ্ধ থাকেনি, বরং তাদের নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি এবং স্বার্থ অনুযায়ী বিদ্যমান রাজনৈতিক দল এবং অন্যান্য সংগঠনে বিভক্ত হয়ে গিয়েছিল। আমার বিশ্বাস, শান্তির সাধারণ লক্ষ্যটিই নারীদের আবারও ঐক্যবদ্ধ করতে পারে, কিছু ব্যতিক্রম বাদে।
*১৯২০-এর দশকে "সংযুক্ত ফ্রন্ট" শব্দটির ব্যবহারের কোনো স্মৃতি আমার নেই। এটি অনেক পরে ব্যবহারে আসে। কিন্তু তখনকার র্যাডিকাল এবং প্রগতিশীল আন্দোলনগুলো যে এই নীতিতেই চলত তা খুবই স্পষ্ট। যেসব নারী ও পুরুষ ভোটাধিকারের জন্য কথা বলতেন, তারা আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর জন্য আর্থিক সাহায্যের আবেদনেও স্বাক্ষর করতেন এবং আয়ারল্যান্ডের মুক্তি বা বন্দিদের মুক্তির প্রতিনিধি দলেও থাকতেন এবং শান্তি আন্দোলনেও সক্রিয় ছিলেন। স্বাধীনতার এক একটি মহৎ উদ্দেশ্যের মাঝে তখন কোনো কঠোর সীমারেখা ছিল না এবং আজকের মতো প্রতিশোধের ভয়ও ছিল না। মানুষ ভয় পেত না যে একটি আন্দোলনের সাথে নিজেকে যুক্ত করলে অন্য আন্দোলনটি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। আজ আমি অবাক হয়ে ভাবি যে সেই দিনগুলোতে আমার যোগাযোগ এবং বন্ধুত্ব কতটা বিস্তৃত ও বৈচিত্র্যময় ছিল।
*আমি তখনও আমার বিশ্বাসে একজন আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. ছিলাম এবং কোনো রাজনৈতিক দলে যোগ দিতে দ্বিধা করছিলাম, যদিও রুশ বিপ্লব এবং ভোটাধিকার কর্মী ও কমিউনিস্টদের সাথে মেলামেশা আমার দৃষ্টিভঙ্গিকে অনেকটা বদলে দিচ্ছিল।
*১৯১৭ সালের নভেম্বরে যখন রাশিয়ার বলশেভিক বিপ্লবের খবর সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ল, আমেরিকান শ্রমিকরা মানব ইতিহাসের এই বিশাল ঘটনার মাধ্যমে প্রথমবারের মতো ভ্লাদিমির লেনিন নামক এক মানুষের কথা জানতে পারল—যা ছিল সমাজতন্ত্রের শুরু। আমরা কিছু নতুন শব্দও শিখলাম যা অল্প সময়ের মধ্যেই ভাষার অংশ হয়ে গেল, যার মধ্যে ছিল "বলশেভিক" এবং "সোভিয়েত"। এমনকি আমাদের মধ্যে যারা বাম-সমাজতন্ত্রী এবং আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. কর্মী ছিলাম, তারাও রাশিয়ার সমাজতান্ত্রিক আন্দোলন সম্পর্কে কার্যত কিছুই জানতাম না, কেবল জারের নিষ্ঠুর ও রক্তাক্ত শাসন উৎখাত করার জন্য তাদের দীর্ঘ ও যন্ত্রণাদায়ক সংগ্রামের প্রতি আমাদের গভীর সহানুভূতি ছিল। রাতারাতি "বলশেভিক" শব্দটি প্রতিটি ঘরে পরিচিত হয়ে উঠল, এমনকি যারা জানত না যে এর অর্থ কেবল "সংখ্যাগরিষ্ঠ" এবং এটি রাশিয়ান সোশ্যাল-ডেমোক্রেটিক লেবার পার্টির একটি রাজনৈতিক বিভাজনকে নির্দেশ করে। ডেবস বলেছিলেন, "আমি আমার মাথার তালু থেকে পায়ের আঙুল পর্যন্ত একজন বলশেভিক!" মালিকরা লড়াকু শ্রমিক এবং ইউনিয়ন সংগঠকদের দিকে চিৎকার করে বলত, "অভিশপ্ত বলশেভিক!" অবশ্য সমস্ত ধর্মঘটীরাই তখন মালিকদের চোখে "বলশেভিক" ছিল।
===[http://www.sojust.net/speeches/elizabeth_flynn_memories.html "মেমোরিজ অফ দ্য ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়ার্কার্স অফ দ্য ওয়ার্ল্ড"] (৮ নভেম্বর, ১৯৬২)===
* আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. (IWW)... এগুলো হলো ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়ার্কার্স অফ দ্য ওয়ার্ল্ড-এর আদ্যক্ষর, যাকে আগে "আই ওয়ন্ট ওয়ার্ক" (আমি কাজ করব না) বলা হতো। এটি ছিল অত্যন্ত বেমানান কারণ বাস্তবে যারা এই সংগঠনের সদস্য ছিলেন তারা আমাদের দেশের সবচেয়ে মৌলিক ও কঠিন পরিশ্রমের শিল্পগুলোতে কাজ করতেন। একে বিশ্বের শ্রমিক বলাটা বেশ উচ্চাকাঙ্ক্ষী নাম ছিল কারণ আসলে এটি কখনও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সীমানা ছাড়িয়ে যায়নি। এটি মূলত পুরনো নাইটস অফ লেবার-এর ঐতিহ্য ও সাংগঠনিক রূপ ধরে রাখার আমেরিকান শ্রমিকদের ইচ্ছা থেকে তৈরি হয়েছিল।
* আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. কেবল ১৮৮০-এর দশকের অনেক ঐতিহ্যের উত্তরাধিকারী ছিল না, বরং ১৮৮০-এর দশকের সাথে যুক্ত ব্যক্তিত্বরাও আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর শুরুর দিকের সম্মেলনগুলোতে উপস্থিত ছিলেন। আপনি যদি শ্রমিক ইতিহাসের ছাত্র না হন তবে নামগুলো আপনার কাছে পরিচিত নাও হতে পারে, তবে তাদের মধ্যে ছিলেন ইউজিন ডেবস, ড্যানিয়েল ডিলিয়ন এবং মিসেস লুসি পারসন্স।
* সেখানে বাক-স্বাধীনতার অনেক লড়াই হয়েছিল... তাদের কৌশলগুলো ছিল অনেকটা আজকের ফ্রিডম রাইডারদের মতো। তারা টেলিগ্রাম পাঠাত—আর আমি বিষয়টি বুঝিয়ে বলছি, আমি কোনো প্রচারণা করছি না—তারা অনেকটা এইভাবে টেলিগ্রাম পাঠাত: "মুক্তমনা ওবলিরা, এখনই এসো, অধিকারের সনদ রক্ষা করো।" তারা ট্রেনের ওপর, নিচে, পাশে, মালবাহী বগিতে এবং এমন প্রতিটি উপায়ে আসত যেখানে ভাড়া দিতে হয় না। আক্ষরিক অর্থেই শত শত মানুষ এই এলাকাগুলোতে এসে হাজির হতো, যা কর্তৃপক্ষকে আতঙ্কিত ও স্তম্ভিত করে দিত। তারা প্ল্যাটফর্ম বা সাবান রাখার বাক্সের ওপর দাঁড়িয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের অংশবিশেষ বা অধিকারের সনদ পড়ে শোনাত... এগুলো ছিল বাক-স্বাধীনতার লড়াই যা অত্যন্ত পরিচিত এবং দেশের পশ্চিমাঞ্চলে আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর একটি বৈশিষ্ট্য ছিল।
* এ.এফ.এল. (AFL) ছিল দক্ষ শ্রমিকদের সংগঠন এবং এর গঠন, পদ্ধতি ও নীতি আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর মতো ছিল না। আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. শ্রেণি সংগ্রামে বিশ্বাস করত। তারা পুঁজি ও শ্রমের ভ্রাতৃত্বে বিশ্বাস করত না। তারা বিশ্বাস করত যে এই অসংগঠিত বিদেশি বংশোদ্ভূত গণ-উৎপাদন শ্রমিকদের একটি শিল্প ইউনিয়নে সংগঠিত করা উচিত—সবাই মিলে একটি ইউনিয়নে, ডজনখানেক বা তার বেশি সংগঠনে বিভক্ত হয়ে নয়।
* ১৯১২ সালের সেই বড় ধর্মঘট [যা রুটি ও গোলাপ ধর্মঘট নামে পরিচিত], যা আমাদের দেশের অন্যতম মহান ঐতিহাসিক সংগ্রাম, সেটি শুরু হয়েছিল রাষ্ট্রের একটি রাজনৈতিক পদক্ষেপের কারণে।
* বিল হেউড সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন যে আমাদের ইংরেজিতে কথা বলতে হবে যাতে এই মানুষগুলো তা বুঝতে পারে। তিনি আমাদের যে শিক্ষা দিয়েছিলেন তা আমি কখনও ভুলব না। তখন আমি খুব তরুণ ছিলাম, আমার বয়স ছিল ২২। তিনি বললেন, শোনো, তোমরা এই শ্রমিকদের সাথে, এই খনি শ্রমিকদের সাথে এমন ইংরেজিতে কথা বলবে যা প্রাথমিক স্কুলে পড়া তাদের সন্তানরা তাদের সাথে বলে, তবেই তারা তা বুঝতে পারবে। প্রাথমিক স্কুলের ইংরেজিতে কথা বলাটা মোটেও সহজ নয়। যাই হোক, আমরা তা শিখেছিলাম। আমার সমস্যা হলো এটি আমার অভ্যাসে গেঁথে গিয়েছিল এবং এখন যখন আমি কলেজের দর্শকদের সামনে কথা বলতে যাই, তখন নিজেকে কিছুটা অসুবিধায় মনে হয় কারণ আমি বড় বড় সব শব্দ জানি না। উইলিয়াম হেউড আমাকে ছোট ছোট এবং সহজ শব্দগুলোতেই দক্ষ করে তুলেছিলেন।
* তিনি কীভাবে কথা বলতেন তার একটি উদাহরণ দিই। আমাদের তাদের বোঝাতে হতো কেন আমরা চাই তারা এ.এফ.এল.-এ না গিয়ে আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-তে যোগ দিক। তিনি হাত উঁচিয়ে আঙুলগুলো ছড়িয়ে বলতেন, আমেরিকান ফেডারেশন অফ লেবার বা এ.এফ.এল. হলো ঠিক এইরকম, প্রতিটি আলাদা আলাদা। কিন্তু আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. হলো এইরকম, [তিনি হাতের মুঠো পাকাতেন] এবং তারা সবাই চিৎকার করে উঠত আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর জয় হোক। এভাবেই তিনি তার বক্তব্য বুঝিয়ে দিতেন।
* যখন লরেন্সের এই ধর্মঘট চলছিল, তখন লুইজিয়ানায় কাঠ শ্রমিকদের একটি বড় ধর্মঘট চলছিল, সেটিও আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর অধীনে। যদিও আমাদের সব জায়গায় ধর্মঘট ছিল এবং আমরা এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় ছুটে বেড়াচ্ছিলাম, তবুও আমি বিশেষ করে এই ঘটনাটি উল্লেখ করছি কারণ সেখানে প্রথমবারের মতো বৈষম্য ও বর্ণবাদের নিয়মগুলো ভেঙে ফেলা হয়েছিল। উইলিয়াম ডি. হেউড সেখানে ভাষণ দিতে গিয়েছিলেন এবং তিনি বলেছিলেন প্রতিটি ধর্মঘটী যেখানে খুশি বসতে পারে। আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর এই হলে কোনো বিভাজন নেই। নিগ্রো এবং শ্বেতাঙ্গ শ্রমিকরা, আমার মনে হয় আমেরিকান শ্রমিক ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সেই সামাজিক বিধিনিষেধ ভেঙে একসাথে মিলিত হয়েছিল।
* আমার দীর্ঘ শ্রমিক ইতিহাসে যদি এমন কিছু থাকে যা নিয়ে আমি সত্যিই গর্বিত, তা হলো—ফাঁসির আগে কারাগারে থাকাকালীন জো হিল আমার জন্য একটি গান লিখেছিলেন এবং আমাকে উৎসর্গ করেছিলেন, যার নাম ছিল "রেবেল গার্ল"। সেই গানটি—আমি আশা করি আপনারা এখানে কোনো একদিন সেটি গাইবেন—হয়তো এর কথা বা সুর সেরা নয়, কিন্তু এটি হৃদয় থেকে এসেছিল এবং এটি আমার কাছে অত্যন্ত মূল্যবান।
* প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ., সমাজতন্ত্রী এবং আমাদের দেশের সমস্ত প্রগতিশীলদের ওপর প্রচণ্ড আক্রমণ চালানো হয়েছিল। সেই সময় একটি শক্তিশালী শান্তি আন্দোলন ছিল। এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মতো ছিল না, যা ছিল একটি ফ্যাসিবাদ-বিরোধী যুদ্ধ।
*অন্যান্য সংগঠনের সাথে আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর সম্পর্ক কেমন ছিল সে সম্পর্কে আমার আপনাদের কিছু বলা উচিত কারণ চিত্রটি সম্ভবত এখনও খুব বেশি পরিষ্কার নয়। এটি কোনো কারুশিল্প ভিত্তিক ইউনিয়ন ছিল না; এটি ছিল একটি শিল্প ইউনিয়ন এবং এটি এ.এফ.এল.-এর ঘোর বিরোধী ছিল। এ.এফ.এল. যেসব আদর্শে বিশ্বাস করত—যেমন ন্যায্য কাজের জন্য ন্যায্য মজুরি, পুঁজি ও শ্রমের ভ্রাতৃত্ব—আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. তার কোনোটিতেই বিশ্বাস করত না। সুযোগ পেলেই মালিকের বিরুদ্ধে লড়াই করার বিষয়ে এটি খুব কঠোর ছিল। তাদের বিশ্বাস ছিল যে কোনো চুক্তি করা উচিত নয়। তারা মনে করত যতক্ষণ আপনারা সংগঠিত আছেন, ততক্ষণ আপনারা মালিককে তার প্রতিশ্রুতি পালনে বাধ্য করতে পারবেন। কিন্তু একটি চুক্তি বা কাগজের টুকরো আপনাদের হাত-পা বেঁধে ফেলে, তাই তারা কোনো চুক্তি করত না। তবে আমাদের তথাকথিত 'হোয়াইট কলার' বা দাপ্তরিক কর্মীদের প্রতি তাদের দৃষ্টিভঙ্গি ভালো ছিল না। মোটেও ভালো ছিল না কারণ তারা মনে করত এই কর্মীরা শ্রমিক শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত নয়। আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর মতে শ্রমিক হতে হলে আপনাকে ওভারঅল পোশাক পরতে হবে, পেশিবহুল হতে হবে এবং হাড়ভাঙা খাটুনি খাটতে হবে। আপনি যদি কেবল কলম পিষতেন, তবে আপনি শ্রমিক ছিলেন না। এই একই কথা শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য ছিল। অন্য কথায়, তারা ছিল একটি অত্যন্ত সংকীর্ণমনা সংগঠন। তবে তৎকালীন সময়ের শিক্ষার্থীরাও কিছুটা দায়ী ছিল কারণ শ্রম আন্দোলনের প্রতি তাদের কোনো সহানুভূতি ছিল না। প্রকৃতপক্ষে, যখন ধর্মঘট হতো তখন শ্রমিকদের জায়গায় কাজ করার জন্য সবসময় শিক্ষার্থীদের পাওয়া যেত। আমি নিউ ইয়র্ক সিটির একটি হোটেলের ধর্মঘটে এমনটা দেখেছি। যাই হোক, আমি খুব আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে এখন সময় বদলেছে।
*আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. এ.এফ.এল.-এর চেয়ে আরও একটি বিষয়ে আলাদা ছিল যে তারা সমাজতন্ত্রে বিশ্বাস করত। যদিও তারা রাজনৈতিক দল এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড বর্জন করার কারণে সোশ্যালিস্ট পার্টির থেকে ভিন্ন ছিল। তাদের এই অদ্ভুত ধারণা ছিল যে আসল লড়াই হলো শিল্পকারখানায়, অর্থাৎ উৎপাদনের জায়গায়।
*আমি যখন আপনাদের বলি যে তখন কী কী ছিল না, তখন মনে হয় আমরা যেন এক অরণ্যে বাস করতাম। তখন কোনো রেডিও ছিল না, টিভি ছিল না, সিনেমা ছিল না, আজকের মতো বিজ্ঞাপন ছিল না, কোনো প্লাস্টিক বা কৃত্রিম কাপড় ছিল না এবং কোনো বিমানও ছিল না।
*আমি ১৯১৯-২০ সালের কথা বলছি যখন জে. এডগার হুভার প্রথম আত্মপ্রকাশ করেন। তাকে এই ধরপাকড় অভিযানের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল এবং সারা দেশের সমস্ত রিপোর্ট তাকে জমা দিতে হতো। তাদের বলা হতো "জি ম্যান"। এফবিআই আরও পরে ১৯২৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। সুতরাং কোনো সরকারের পরোয়া না করেই তিনি দীর্ঘ ৩৮ বছর ধরে এই সাম্রাজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন এবং এটি আসলে কোনো সিভিল সার্ভিস বা বিচার বিভাগের নিয়ন্ত্রণে নেই।
*আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর বিরুদ্ধে ঘৃণা এতটাই তীব্র ছিল যে সংবাদপত্রের সম্পাদকীয়তে লেখা হতো, "তাদের ভোরবেলা গ্রেপ্তার করা উচিত এবং নাস্তা করার আগেই বিচার ছাড়াই গুলি করে মারা উচিত।"
*আজকের দিনে ইউনিয়নের সাথে রাজনৈতিক সহযোগী থাকা অনেক বেশি কার্যকর একটি পদ্ধতি। কিন্তু আমরা তখন সবকিছু এক পাত্রে রাখার চেষ্টা করেছিলাম এবং সেটি মোটেও কাজ করেনি। আমরা বেশ অহংকারী ছিলাম। আমরা তরুণ ছিলাম এবং মনে করতাম সবকিছুর সঠিক উত্তর কেবল আমাদের কাছেই আছে। আমরা এ.এফ.এল.-এর সাথে কাজ করতে চাইনি, সোশ্যালিস্ট পার্টির সাথে কাজ করতে চাইনি, এমনকি অন্য কারও সাথেই কাজ করতে চাইনি। স্বাভাবিকভাবেই যখন কমিউনিস্ট পার্টি এল, তারা সেটাকে একটি সত্যিকারের দল হিসেবে বিবেচনা করল কারণ সেটি পুরনো সোশ্যালিস্ট পার্টির চেয়ে অনেক বেশি বিপ্লবী ছিল। আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. রুশ বিপ্লবের ধারণার সাথে পুরোপুরি একমত ছিল না, যদিও তারা খুশি ছিল যে এটি এমন একটি বিপ্লব যা জারকে উৎখাত করেছে। তারা কেরেনস্কির পক্ষে ছিল না কিন্তু বিপ্লব সম্পর্কে তাদের কিছু আদিম ধারণা ছিল। আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর কাছে বিপ্লব মানে ছিল কারখানা, দোকান, কলকারখানা, খনি আর ফসলের মাঠ দখল করে নেওয়া এবং মালিকদের স্রেফ তাড়িয়ে দেওয়া। মালিকদের তাড়িয়ে দেওয়া মানেই ছিল বিপ্লবের শেষ।
*আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর ইতিবাচক দিক ছিল যে এটি নিশ্চিতভাবেই লড়াকু ও সাহসী ছিল, এটি সেই সময়ের জন্য উপযুক্ত ছিল এবং এটি দরিদ্রতম, সবচেয়ে একাকী ও সবচেয়ে অবহেলিতদের স্বার্থের জন্য লড়াই করেছিল—যাদের এ.এফ.এল. সংগঠিত করতে পারেনি; যেমন বিদেশি বংশোদ্ভূত শ্রমিক, নারী এবং যখন কৃষ্ণাঙ্গরা শিল্পে আসতে শুরু করল, তখন সেই কৃষ্ণাঙ্গ শ্রমিকরা।
*আমরা তখন সামাজিক নিরাপত্তা বা বেকার ভাতার মতো কোনো কিছুর কথা কখনও শুনিনি এবং ভাবিনি যে এমন কিছু হওয়া সম্ভব। এগুলো ছিল ত্রিশের দশকের লড়াইয়ের ফলাফল—আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর পতনের পরের বড় সংগ্রামের ফল। এছাড়া আমরা কখনও বেতনসহ ছুটির কথা শুনিনি। বেতনসহ ছুটি তো দূরের কথা, আমরা ছুটির কথাই শুনিনি। আজকের দিনের মতো চাকরির জ্যেষ্ঠতার কোনো ধারণা আমাদের ছিল না। শ্রমিকদের অবসরের জন্য কোনো পেনশন ছিল না। ইউনিয়নের কোনো কল্যাণ তহবিল বা স্বাস্থ্যকেন্দ্র ছিল না এবং আজকের মতো কোনো ট্রেড ইউনিয়ন স্কুলও ছিল না। এই সমস্ত সুযোগ-সুবিধা আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর পরবর্তী সময়ে গড়ে ওঠা ইউনিয়নগুলোর মাধ্যমে এসেছে।
*আজকের দিনে শ্রমিকের বিরুদ্ধে সরাসরি সহিংসতা কম কিন্তু আইনি বিধিনিষেধ অনেক বেশি। দমনমূলক আইন এবং সব ধরনের বিধিনিষেধের মাধ্যমে শ্রমিকের অধিকার হরণ করার চেষ্টা এখন অনেক বেশি হচ্ছে।
*আমরা কি উন্নতি করেছি? ওহ, আমরা অবশ্যই উন্নতি করেছি! সমস্ত অসুবিধা এবং সমস্যা সত্ত্বেও শ্রমিক আন্দোলন বিশাল উন্নতি করেছে। আজকের যুবকদের জন্য একটি নতুন ভূমিকা এবং নতুন দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে। বহু বছর আগে আমি পিটার ক্রোপোটকিনের 'আপিল টু দ্য ইয়ং' বা 'তরুণদের প্রতি আবেদন' নামক একটি পুস্তিকা পড়েছিলাম। এটি ছিল যুবকদের প্রতি এই বিশ্বকে বসবাসের উপযোগী একটি সুন্দর জায়গা হিসেবে গড়ে তোলার দায়িত্ব নেওয়ার এক চমৎকার আহ্বান। এখন আমি অনুভব করি যে আমরা আমাদের সাধ্যমতো সেরা চেষ্টা করেছি। কিন্তু সময় এমন আসে যখন আপনি জানেন যে বাধ্য হয়েই আপনাকে থামতে হয়; যদিও বলা হয় বার্ধক্য কোনো রোগ নয় কিন্তু আমি মনে করি এটি একটি রোগ। এমন এক সময় আসে যখন আপনাকে গতি কমিয়ে দিতে হয় এবং কাজ থেকে বিদায় নিতে হয়, আর যদি নতুন প্রজন্ম চায় তবে আপনার অভিজ্ঞতার সুফল তাদের কাছে পৌঁছে দিতে হয়।
== এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন সম্পর্কে উক্তি ==
* হেটেরোডক্সির সদস্য এবং ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়ার্কার্স অফ দ্য ওয়ার্ল্ড-এর প্রখ্যাত সংগঠক এবং পরবর্তীতে ইউ.এস. কমিউনিস্ট পার্টির শীর্ষস্থানীয় সদস্য এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন এই সংগঠনে তার সদস্যপদকে "এক অবিচ্ছিন্ন আনন্দের অভিজ্ঞতা" হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি আরও যোগ করেছেন, "এটি ভবিষ্যতের নারীদের এক ঝলক দেখার মতো ছিল—যারা বিশাল হৃদয়ের অধিকারী, বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে সজাগ এবং পুরনো সেই 'নারীত্ব' বর্জিত যার স্থলাভিষিক্ত হয়েছে নারীদের এক চমৎকার ভ্রাতৃত্ব।"
** [[বেটিনা আপথেকার]], ''ট্যাপেস্ট্রিস অফ লাইফ: উইমেনস ওয়ার্ক, উইমেনস কনশাসনেস, অ্যান্ড দ্য মিনিং অফ ডেইলি এক্সপেরিয়েন্স'' (১৯৮৯)
* আমার নির্জন কারাবাসের দিনগুলোতে, মার্গারেট যখন জেল সুপারকে আমাকে পড়ার সুযোগ দেওয়ার জন্য রাজি করালেন, তখন আমি গ্রন্থাগারে একা কয়েকটি সেশন কাটিয়েছিলাম। অল্প সময়ের মধ্যেই আমি পুরো জায়গাটি তন্নতন্ন করে খুঁজি এবং সামান্য আগ্রহ জাগানিয়া মাত্র কয়েকটি বই খুঁজে পাই: এডগার স্নো-এর লেখা চীনা বিপ্লবের ওপর একটি বই, ডব্লিউ. ই. বি. ডু বোইস-এর আত্মজীবনী এবং একজন আশ্চর্যজনকভাবে নিরপেক্ষ ও স্বল্প পরিচিত লেখকের লেখা সাম্যবাদের ওপর একটি বই। এই বইগুলো আবিষ্কার করার পর আমার চিন্তাভাবনা বারবার সেগুলোর রহস্যময় উপস্থিতির দিকে ফিরে যাচ্ছিল। হঠাৎ আমার মনে হলো: এগুলো সম্ভবত এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন, ক্লডিয়া জোন্স অথবা অন্য কোনো কমিউনিস্ট নেতাদের দ্বারা পড়া হয়েছিল যারা ম্যাকার্থি যুগে স্মিথ অ্যাক্টের অধীনে নিপীড়িত হয়েছিলেন। আমাকে জানানো হয়েছিল যে সেখানে থাকাকালীন আমি যদি কোনো বই পাই, তবে তা গ্রন্থাগারে দান করতে হবে—যা ছিল এক আনন্দের বিষয়, কারণ তথাকথিত সেই শিক্ষা কেন্দ্রের অবস্থা ছিল করুণ। আমি যখন সেই বইগুলোর পাতা উল্টাচ্ছিলাম, তখন আমি এই দেশের কিছু অসামান্য বীরাঙ্গনাদের ঐতিহ্য অনুসরণ করতে পেরে সম্মানিত বোধ করছিলাম: কমিউনিস্ট নারী নেতৃবৃন্দ, বিশেষ করে কৃষ্ণাঙ্গ কমিউনিস্ট ক্লডিয়া জোন্স।
** ''[[অ্যাঞ্জেলা ডেভিস]]ের আত্মজীবনী'' (১৯৭৪)
* জোসেফ ইটর এবং আর্তুরো জিওভানিত্তির গ্রেপ্তারের ফলে তৈরি হওয়া শূন্যতা তাৎক্ষণিকভাবে বিল হেউড এবং এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন পূরণ করেছিলেন। শ্রমিক সংগ্রামে হেউডের বছরের পর বছর অভিজ্ঞতা, তার দৃঢ় সংকল্প এবং বিচক্ষণতা তাকে লরেন্সের পরিস্থিতিতে এক অনন্য শক্তিতে পরিণত করেছিল। অন্যদিকে, এলিজাবেথের তারুণ্য, চার্ম এবং বাগ্মিতা খুব সহজেই সবার মন জয় করে নিয়েছিল। এই দুজনের নাম এবং খ্যাতি ধর্মঘটের জন্য দেশব্যাপী প্রচার ও সমর্থন জোগাড় করতে সাহায্য করেছিল। বছরের পর বছর আগে একটি উন্মুক্ত সভায় প্রথমবার শোনার পর থেকেই আমি এলিজাবেথকে জানতাম এবং শ্রদ্ধা করতাম। সেই সময় তার বয়স চৌদ্দ বছরের বেশি ছিল না, তার ছিল এক সুন্দর মুখাবয়ব এবং আন্তরিকতায় ভরপুর এক কণ্ঠস্বর। তিনি আমার ওপর গভীর প্রভাব ফেলেছিলেন। পরবর্তীতে আমার বক্তৃতায় তার বাবার সাথে তাকে প্রায়ই আসতে দেখতাম। কালো চুল, বড় বড় নীল চোখ এবং চমৎকার গায়ের রঙে তিনি ছিলেন এক মোহনীয় প্রতিচ্ছবি... স্পোকেনে আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর অন্যান্য সদস্যদের সাথে তিনি যে চমৎকার বাক-স্বাধীনতার লড়াই করেছিলেন এবং যে নিপীড়ন সহ্য করেছিলেন, তা এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিনকে আমার খুব কাছে নিয়ে এসেছিল। আর যখন শুনলাম যে সন্তান জন্ম দেওয়ার পর তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েছেন, তখন এই তরুণ বিদ্রোহীর জন্য আমি গভীর সহানুভূতি অনুভব করেছিলাম, যিনি সর্বহারা পটভূমি থেকে আসা প্রথম আমেরিকান নারী বিপ্লবীদের একজন। তার প্রতি আমার আগ্রহ কেবল স্পোকেন লড়াইয়ের জন্যই নয়, বরং মা হওয়ার প্রথম মাসগুলোতে এলিজাবেথের ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য তহবিল সংগ্রহে আমার প্রচেষ্টাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছিল। তিনি নিউ ইয়র্কে ফিরে আসার পর থেকে আমরা প্রায়ই সভায় এবং আরও ব্যক্তিগতভাবে একসাথে সময় কাটিয়েছি। এলিজাবেথ নৈরাজ্যবাদী ছিলেন না, তবে তিনি সোশ্যালিস্ট লেবার পার্টি থেকে আসা তার কিছু কমরেডদের মতো গোঁড়া বা বিদ্বেষীও ছিলেন না। আমাদের সার্কেলে তিনি আমাদেরই একজন হিসেবে স্বীকৃত ছিলেন এবং আমি তাকে বন্ধু হিসেবে ভালোবাসতাম।
** [[এমা গোল্ডম্যান]], ''লিভিং মাই লাইফ'' (১৯৩১)
* ফ্লিন পার্টির চেয়ারম্যান হিসেবে জিনের স্থলাভিষিক্ত হন। তিনি ছিলেন সেই পদে নির্বাচিত প্রথম নারী। তিনি ছিলেন একজন সমঝোতামূলক প্রার্থী; বেন ডেভিসও এই পদের জন্য প্রচারণা চালাচ্ছিলেন এবং কৃষ্ণাঙ্গ নেতৃত্বের একটি বড় অংশসহ পার্টির অনেক মানুষ সেই সম্ভাবনায় ভীত ছিল। লিজকে তখন সেরা বিকল্প মনে হয়েছিল। পার্টিতে এলিজাবেথের খুব ইতিবাচক খ্যাতি ছিল। ১৯৩০-এর দশকে যখন তিনি পুনরায় যোগ দেন (তিনি ১৯২০-এর দশকে সংক্ষিপ্তভাবে এবং গোপনে সদস্য ছিলেন), তখন তিনি সরাসরি শীর্ষ নেতৃত্বে চলে আসেন। পদমর্যাদায় উপরে ওঠার লড়াইয়ে অন্যান্য নারীদের যে কঠোর আচরণের প্রয়োজন হতো, তার সেটি করার প্রয়োজন পড়েনি। তিনি মানুষের প্রতি এমনভাবে আন্তরিক ছিলেন যা অধিকাংশ পার্টি নেতার মধ্যে ছিল না। আমি যখনই নিউ ইয়র্কে যেতাম, চেলসি হোটেলে তার সাথে দেখা করার চেষ্টা করতাম যেখানে তিনি থাকতেন। তার রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং জাতীয় অফিসে তার সহকর্মীদের সম্পর্কে তার তীক্ষ্ণ ও নির্ভীক মতামতের কারণে তিনি শোনার মতো একজন ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তিনি জিন ডেনিসকে পছন্দ করতেন কিন্তু ফস্টারের প্রতি সবসময় সমালোচনামূলক ছিলেন। স্পষ্টতই এই বিরোধ অনেক অনেক বছর আগের। ইউনিয়ন সংগঠক হিসেবে তার বীরত্বপূর্ণ অতীতের গ্ল্যামার তাকে মোহিত করতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত তার নিজেরও এমন সব পরিচয় ছিল যা ফস্টারের চেয়ে কোনো অংশে কম প্রভাবশালী ছিল না। তিনি পার্টির জনসম্মুখের মুখ হিসেবে এবং ওবলিদের ঐতিহাসিক অতীত, লরেন্সের "ব্রেড অ্যান্ড রোজেস" ধর্মঘট এবং স্পোকেনের বাক-স্বাধীনতা লড়াইয়ের যোগসূত্র হিসেবে খুব কার্যকর ছিলেন। বিশাল শ্রোতাদের সামনে সহজ ভাষায় কথা বলার এবং তাৎক্ষণিক সম্পর্ক তৈরি করার এক অসাধারণ ক্ষমতা তার ছিল। এটি ছিল পার্টির পুরনো দিনের আন্দোলনকারীদের একটি গুণ—ফ্লিন, ফস্টার এবং ক্ল্যারেন্স হ্যাথওয়ের মতো মানুষের মধ্যে এটি আমার প্রজন্মের চেয়ে অনেক বেশি ছিল। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে লিজের প্রতি আমার মিশ্র অনুভূতি তৈরি হয়েছিল। পার্টির সভাগুলোতে তিনি সবসময় গুস বা সোভিয়েত ইউনিয়নের কাছে অগ্রহণযোগ্য কিছু না বলার বিষয়ে খুব সতর্ক থাকতেন। তিনি আমাকে নিয়ে এবং আমার রাজনীতি আমাকে যে খারাপ পরিণতির দিকে নিয়ে যাবে তা নিয়ে চিন্তিত ছিলেন।
** [[ডরোথি রে হিলি]], ''ক্যালিফোর্নিয়া রেড: আ লাইফ ইন দ্য আমেরিকান কমিউনিস্ট পার্টি'' (১৯৯০)
* আমি এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন এবং পেটিস পেরি ও আমার সকল সহ-অভিযুক্তদের সেই বিশ্বাসে বিশ্বাসী যে, আমেরিকার শ্রমজীবী মানুষ—কৃষ্ণাঙ্গ ও শ্বেতাঙ্গ—অবশ্যই জেগে উঠবে; ভেড়ার মতো নয় বরং তাদের স্বাধীনতার প্রতি সজাগ দৃষ্টি রেখে। তারা নিশ্চিত করবে যে শান্তি জয়ী হবে এবং এই ক্ষয়িষ্ণু স্মিথ অ্যাক্ট, যা অধিকারের সনদকে লঙ্ঘন করে, তা ইতিহাসের পাতা থেকে মুছে যাবে।
** [[ক্লডিয়া জোন্স]], জবানবন্দি (জানুয়ারি ১৯৫৩)
*আমি তোমাকে দেখব সেইসব কচি অঙ্কুরিত চারার মাঝে/যারা আগাছাকে অবজ্ঞা করে—সন্দেহে কুঁকড়ে যাওয়া বার্ধক্যকে/সেইসব ব্যবহারকারীদের যারা গালিগালাজে কলুষিত করে,/সংগ্রামের মধ্য দিয়ে গড়ে তোলা সেবায় নিবেদিত এক সার্থক জীবনকে... আমি তোমাকে চিরদিন মনে রাখব/এবং কীভাবে তোমার আত্মা প্রতিধ্বনিত হয়/কারণ তোমার বিশ্বাস আগুনের শিখার মতো লাফিয়ে ওঠে/যা সবকিছুর জন্য এক মধুর লালন।
** ক্লডিয়া জোন্স, 'বিয়ন্ড কন্টেইনমেন্ট: অটোবায়োগ্রাফিক্যাল রিফ্লেকশনস, এসেস, অ্যান্ড পোয়েমস' গ্রন্থে "টু এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন" কবিতা।
*ডরোথি ডে এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিনকে (যিনি ১৯৩৭ সালে ইউ.এস. কমিউনিস্ট পার্টিতে যোগ দিয়েছিলেন) "শব্দের গভীরতম অর্থে আমার বোন" হিসেবে গণ্য করতেন। ডে লিখেছিলেন, ফ্লিন "সর্বদাই তা-ই করেছেন যা আজকাল সাধারণ মানুষদের করার জন্য তাগিদ দেওয়া হয়। তিনি দরিদ্রদের রক্ষায়, তাদের অন্যায় ও অভাব থেকে বাঁচাতে নিজের ক্ষমতার সবটুকু করার দায়িত্ব অনুভব করতেন" (লং লোনলিনেস, ১৪৫-১৪৬)।
** [[মার্গারেট সি. জোন্স]], 'হেরিটিকস অ্যান্ড হেলরাইজার্স: উইমেন কন্ট্রিবিউটরস টু দ্য মাসেস, ১৯১১-১৯১৭' (১৯৯৩)
*শ্রম আন্দোলনের ইতিহাসের আমার অন্যতম প্রিয় ব্যক্তিত্ব এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন—সেই বিখ্যাত 'রেবেল গার্ল' যাকে নিয়ে জো হিল গান গেয়েছিলেন এবং যিনি নিজের যোগ্যতায় একজন অসাধারণ ইউনিয়ন সংগঠক ছিলেন—ঊনবিংশ শতাব্দীতেই একটি অত্যন্ত সঠিক কথা বলেছিলেন। তথাকথিত রুটি-রুজির অর্থনৈতিক ইস্যুগুলোর সমান গুরুত্ব দিয়ে রাজনৈতিক ও সামাজিক ন্যায়বিচারের দাবিগুলো ধরে রাখার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে তিনি বলেছিলেন: "শ্রমিকের বিজয় আসলে কী? আমি মনে করি এটি একটি দ্বিমুখী বিষয়। পূর্ণাঙ্গ বিজয় অর্জনের জন্য শ্রমিকদের কেবল অর্থনৈতিক সুবিধাই অর্জন করলে চলবে না, তাদের মধ্যে বিপ্লবী চেতনাও থাকতে হবে। শ্রমিকদের দিনে কয়েক সেন্ট বেশি পাওয়া বা কয়েক মিনিট কম কাজ করে সেই একই মানসিকতা এবং সমাজের প্রতি একই দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কাজে ফিরে যাওয়া মানে একটি সাময়িক লাভ অর্জন করা, কোনো স্থায়ী বিজয় নয়।"
** কিম কেলি (সাংবাদিক), 'ফাইট লাইক হেল: দ্য আনটোল্ড হিস্ট্রি অফ আমেরিকান লেবার' (২০২২)
* ফ্লিনের ভাষায়, এটি ছিল "আমেরিকান শ্রম ইতিহাসের এক অতুলনীয় দিন... লরেন্সে তখন ত্রাসের রাজত্ব চলছিল যা আক্ষরিক অর্থেই আমেরিকাকে কাঁপিয়ে দিয়েছিল।"
** কিম কেলি (সাংবাদিক), 'ফাইট লাইক হেল: দ্য আনটোল্ড হিস্ট্রি অফ আমেরিকান লেবার' (২০২২)
*প্রথাগত মার্ক্সবাদী তত্ত্ব অনুযায়ী গৃহিণীদের শ্রেণি সচেতনতা ছিল একটি সমস্যাজনক বিষয়; তারা প্রায়ই আমূল সংস্কারবাদী পুরুষদের কাছে অনির্ভরযোগ্য মিত্র ছিলেন। তাদের সাধারণত কৃষক এবং বুদ্ধিজীবীদের সাথে এমন এক রক্ষণশীল গোষ্ঠী হিসেবে দেখা হতো যারা সর্বহারা পুরুষদের অগ্রযাত্রায় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। নারীদের সমঅধিকার সমস্ত মার্ক্সবাদী আন্দোলনের একটি ঘোষিত লক্ষ্য ছিল, কিন্তু নারী ইস্যুগুলোকে যেভাবে দেখা হতো, তাতে স্পষ্ট বার্তা পাওয়া যেত যে—নারীদের কাজ এই সংগ্রামের ক্ষেত্রে প্রান্তিক বা গৌণ, যদি না তারা পুরুষদের মতো করে কাজ করতে পারদর্শী হয়। প্রখ্যাত এবং উদযাপিত নারী নেত্রীরা—ডলোরেস ইবারুরি (লা পাসিওনারিয়া), মাদার ব্লুর, এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন, ক্লারা লেমলিচ—গৃহিণীদের সংগঠিত করেননি; তারা নারী কারখানা শ্রমিক, নারীদের সহযোগী সংগঠন বা পুরুষদের সংগঠিত করেছিলেন।
** [[গের্ডা লার্নার]], 'ফায়ারউইড: আ পলিটিক্যাল অটোবায়োগ্রাফি' (২০০২)
*যুদ্ধবন্দিদের জন্য আমার সফরের সময় আমি পর্যায়ক্রমে নিউ ইয়র্কে ফিরে আসতাম সংগঠনকে রিপোর্ট দিতে এবং এই কাজে এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন ও অন্যদের সাথে পরামর্শ করতে। এভাবেই আইরিশ লড়াকু পূর্বপুরুষদের সেই লড়াকু কন্যার সাথে আমার দীর্ঘ বছরের মেলামেশা শুরু হয়। ষোলো বছর বয়সেই তিনি আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-তে সক্রিয় ছিলেন এবং জো হিল তাকে নিয়ে একটি ওবলি গান লিখেছিলেন, "দ্য রেবেল গার্ল"। যদিও কমিউনিস্ট পার্টির শুরুর দিনগুলোতে তিনি আমাদের সাথে যোগ দেননি, কিন্তু তিনি আমাদের সাথে খুব ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতেন। পরিশেষে, ওরেগনের পোর্টল্যান্ডে দশ বছর অসুস্থ থাকার পর তিনি নিউ ইয়র্কে ফিরে আসেন এবং পার্টিতে যোগ দেন। আজ তিনি আমাদের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বক্তা এবং আমাদের জাতীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সম্মানিত ও প্রিয় সদস্য। এলিজাবেথের জীবনের গল্প এই দেশের অনেক মহান শ্রমিক সংগ্রামের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে। সর্বত্র শ্রমিকরা তার সুন্দর সুমধুর কণ্ঠস্বর, উজ্জ্বল উদ্দীপনা এবং বিশাল লড়াকু হৃদয়ের কথা জানে। ক্যালুমেট, পাসাইক, প্যাটারসন, লরেন্স—এই সব জায়গার পিকেট লাইন এবং মঞ্চ তাকে চেনে। আজ তার একমাত্র ছেলে ফ্রেডের আকস্মিক মৃত্যুর শোকের ভার বহন করেও তিনি এমন এক বিশ্বের জন্য লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন যেখানে মায়েদের তাদের প্রভুদের স্বার্থ রক্ষার যুদ্ধে অকারণে সন্তান হারাতে হবে না।
** [[এলা রিভ ব্লুর]], 'উই আর মেনি: অ্যান অটোবায়োগ্রাফি' (১৯৪০)
*যে নারীর প্রতি আমার গভীরতম শ্রদ্ধা ছিল, তিনি অবশ্যই এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন।
** [[এমা তেনাইউকা]], সাক্ষাৎকার (১৯৮৭)
*তিনি তার এই বিস্ময়কর রেকর্ডের সূচনা করেছিলেন পনেরো বছর বয়সে রাস্তার মোড়ে গ্রেপ্তার হওয়ার মাধ্যমে। তার বাবাও তার সাথে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। এরপর থেকে তার বাবা আর কখনও গ্রেপ্তার হননি। এটি ছিল তার জন্য কেবল শুরু। বিচারক কৌতূহলী হয়ে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, "তুমি কি ব্রডওয়েতে কথা বলে মানুষকে সমাজতন্ত্রে দীক্ষিত করার আশা করো?" তিনি বিচারকের দিকে তাকালেন এবং গম্ভীরভাবে উত্তর দিলেন, "অবশ্যই করি।" বিচারক করুণায় দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন, "মামলা খারিজ।"
** [[মেরি হিটন ভোর্স]] (১৯২৬), গের্ডা লার্নার সম্পাদিত 'দ্য ফিমেল এক্সপেরিয়েন্স: অ্যান আমেরিকান ডকুমেন্টারি' গ্রন্থে সংকলিত।
*তিনি আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-তে যোগ দিয়েছিলেন যখন সেটি তার সোনালী যুগে ছিল। আদর্শবাদে পূর্ণ এই আন্দোলন উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলকে প্লাবিত করেছিল। সব জায়গায় তাদের বাক-স্বাধীনতার লড়াই চলছিল। কর্তৃপক্ষ তাদের গ্রেপ্তার করত এবং আরও বেশি মানুষ আসত। তারা জেলখানাগুলোকে জনাকীর্ণ করে ফেলেছিল। এলিজাবেথ বলেছিলেন, "একটি শহরে জেলে এত বেশি মানুষ ছিল যে দিনের বেলা তাদের ছেড়ে দেওয়া হতো। বাইরের আমাদের তাদের খাওয়াতে হতো। প্রতি রাতে তারা আবার জেলে ফিরে যেত। অবশেষে ওবলিরা সিদ্ধান্ত নিল যে জেলের দরজা খুললেও তারা বের হবে না। দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ সেইসব ওবলিদের দেখতে আসত যারা জেল ছাড়তে রাজি ছিল না।" তার জীবনের এই অংশটি—পশ্চিমের যাযাবর শ্রমিকদের সংগঠিত করা এবং তাদের হয়ে লড়াই করা—তার জীবনের সেই অংশ যা তিনি সবচেয়ে বেশি পছন্দ করেন।
** মেরি হিটন ভোর্স (১৯২৬), গের্ডা লার্নার সম্পাদিত 'দ্য ফিমেল এক্সপেরিয়েন্স: অ্যান আমেরিকান ডকুমেন্টারি' গ্রন্থে সংকলিত।
*প্রতিরক্ষার কাজ তার কাছে নতুন কিছু ছিল না এবং ১৯১৮ সাল থেকে ইদানীংকাল পর্যন্ত তার প্রধান কাজ ছিল রাজনৈতিক বন্দিদের জেল থেকে মুক্ত করা। আর ১৯২১ সাল থেকে তিনি স্যাকো-ভানজেত্তি মামলার ওপর মনোযোগ নিবদ্ধ করেছেন। সেখানে ছিল নিরন্তর কাজ, ছিল গ্রেপ্তার এবং তার আদর্শের জন্য বন্দি হওয়া কমরেডদের নিয়ে তার নিরন্তর ব্যস্ততা। শ্রমিক আন্দোলনে তার প্রথম বিশ বছর পার করার পরও তিনি অম্লান এবং নিরুৎসাহহীন।
** মেরি হিটন ভোর্স (১৯২৬), গের্ডা লার্নার সম্পাদিত 'দ্য ফিমেল এক্সপেরিয়েন্স: অ্যান আমেরিকান ডকুমেন্টারি' গ্রন্থে সংকলিত।
*প্রগতিশীল বা আমূল সংস্কারবাদী আন্দোলনে সক্রিয় যেসব সুন্দরী নারীর সাথে আমার দেখা হয়েছে, তাদের সুন্দর স্মৃতি ছাড়া যদি মনে রাখার মতো আর কিছু না-ও থাকত, তবুও জীবন সার্থক হতো। আমি এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিনের প্রেমে পড়েছিলাম যখন একজন তরুণী হিসেবে তিনি তার স্পষ্ট ও সুমধুর কণ্ঠে হাজার হাজার মানুষকে সামাজিক বিদ্রোহের আদর্শে উদ্বুদ্ধ করেছিলেন।
** [[আর্ট ইয়াং]], 'হিজ লাইফ অ্যান্ড টাইমস' (১৯৩৯)
*বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকের সেইসব বিপ্লবীদের শক্তি ও উদ্দীপনার আঁচ পাওয়া যায় কেবল এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিনের পুলিশের রেকর্ড বা অপরাধের তালিকার দিকে তাকালে।
** [[হাওয়ার্ড জিন]], 'আ পিপলস হিস্ট্রি অফ দ্য ইউনাইটেড স্টেটস'
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:শ্রমিক নেতা]]
[[বিষয়শ্রেণী:শ্রমিক আন্দোলনকর্মী]]
[[বিষয়শ্রেণী:নারী অধিকার কর্মী]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নারী সক্রিয়কর্মী]]
[[বিষয়শ্রেণী:কমিউনিস্ট পার্টি ইউএসএ-এর সদস্য]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নারীবাদী]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আত্মজীবনীকার]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক লেখক]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লেখিকা]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমাজতন্ত্রী]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাক-স্বাধীনতা আন্দোলনকর্মী]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাম্যবাদী]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৮৯০-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৬৪-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯শ শতাব্দীতে জন্মগ্রহণকারী নারী]]
[[বিষয়শ্রেণী:নিউ হ্যাম্পশায়ারের ব্যক্তি]]
3touy52xcaacpnsnqhrnzvzxgx6pbqh
83270
83269
2026-05-02T17:53:47Z
Tuhin
172
83270
wikitext
text/x-wiki
[[File:Elizabeth Gurley Flynn point (cropped).jpg|thumb|এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন]]
'''[[w:bn:এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন|এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন]]''' (৭ আগস্ট ১৮৯০ – ৫ সেপ্টেম্বর ১৯৬৪) ছিলেন একজন [[w:bn:শ্রমিক নেতা|শ্রমিক নেতা]], সক্রিয়কর্মী এবং [[w:bn:নারীবাদী|নারীবাদী]] যিনি [[w:bn:ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়ার্কার্স অফ দ্য ওয়ার্ল্ড|ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়ার্কার্স অফ দ্য ওয়ার্ল্ডে]] অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন। ফ্লিন [[w:bn:আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়ন|আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়নের]] একজন প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং [[নারীর অধিকার]], [[জন্ম নিয়ন্ত্রণ]] এবং [[w:bn:নারী ভোটাধিকার|নারী ভোটাধিকারের]] একজন বিশিষ্ট প্রবক্তা ছিলেন। তিনি ১৯৩৬ সালে [[w:bn:কমিউনিস্ট পার্টি ইউএসএ|কমিউনিস্ট পার্টি ইউএসএ]]-তে যোগ দেন এবং জীবনের শেষভাগে, ১৯৬১ সালে এর সভানেত্রী হন।
== উক্তি ==
===[https://speakingwhilefemale.co/jobs-flynn2/ "দ্য ওয়ার্কিং ক্লাস"] (২৯ জুন, ১৯০৯)===
* ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়ার্কার্স অফ দ্য ওয়ার্ল্ড হলো শ্রমিক সংগঠনের একটি নতুন রূপ, যা কেবল শিল্প শ্রমিক শ্রেণি এবং শুধুমাত্র সেই শ্রেণির জন্যই কাজ করে।
* এই দেশের শ্রমিক শ্রেণি এমন এক পরিস্থিতির দিকে তাকিয়ে আছে যেখানে সারা বিশ্বের চাহিদা মেটানোর মতো প্রাকৃতিক সম্পদ বিদ্যমান। তারা এমন এক শিল্প পরিস্থিতির দিকে তাকিয়ে আছে যা এমন সব যন্ত্রপাতি উদ্ভাবন করেছে যা খুব সামান্য শ্রম ব্যয়ে এই প্রাকৃতিক সম্পদগুলোকে প্রয়োজনীয় পণ্য বা বিলাসদ্রব্যে রূপান্তর করতে সক্ষম। তবুও তা সত্ত্বেও এবং যারা পরিশ্রম করে তাদের দ্বারা সম্ভব হওয়া উৎপাদনশীলতা এবং পৃথিবীর প্রাকৃতিক প্রাচুর্য সত্ত্বেও, আমাদের এই দেশে মানুষ না খেয়ে মরছে এবং পঞ্চাশ লক্ষ মানুষ বেকার। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে দশ লক্ষেরও বেশি শিশু শ্রমিক, নিউ ইয়র্ক সিটিতে সত্তর হাজার এবং শিকাগোতে পঞ্চাশ হাজার শিশু সকালে নাস্তা না খেয়ে স্কুলে যায়। আমাদের এমন এক অবস্থা যেখানে অধিকাংশ মানুষ সম্পদহীন শ্রেণি, যারা কোনো জমির মালিক নয়, যারা সেই উৎপাদনশীল যন্ত্রপাতির কোনোটিই নিয়ন্ত্রণ করে না, যারা এই স্বাধীন দেশে এবং সাহসীদের আবাসভূমিতে নিজের শ্রমশক্তি অর্থাৎ নিজের কাজ করার ক্ষমতা ছাড়া আর কিছুই নিয়ন্ত্রণ করে না।
* আজ শ্রমিক শ্রেণির কাছে কেবল এমন কিছু পরিস্থিতি রয়েছে যা তারা নিজেরা প্রতিকার করার অবস্থানে আছে। তাদের কাছে কেবল কিছু মিথ্যা পরিস্থিতি রয়েছে, যা প্রকৃতির সৃষ্টি নয় বরং মানুষের তৈরি, যা তারা নিজেরা উৎখাত করতে পারে।
* আমাদের যা কিছু আছে তা হলো কাজ করার ক্ষমতা এবং পুঁজিবাদী শ্রেণির কাছে সেই একটি পণ্যই নেই। তাদের কারখানা আছে, জমি আছে, রেলপথ আছে কিন্তু তাদের কাছে শ্রমশক্তি নেই, যা সম্পদ তৈরির আসল ক্ষমতা।
* স্যামুয়েল গম্পার্স হলো মালিকদের বন্ধু।
* আমাদের আছে শুধু আমাদের সংগঠন, সহকর্মীবৃন্দ। তাদের আছে পুঁজি, তাদের আছে সরকারের ক্ষমতা, পুঁজিবাদী শ্রেণীর সংগ্রামী গোষ্ঠী; তাদের আছে রাষ্ট্রের ক্ষমতা; তাদের আছে আন্তর্জাতিক পুঁজির ক্ষমতা — আর আমাদের আছে শুধু আমাদের সাংগঠনিক শক্তি।
==="দ্য ট্রুথ অ্যাবাউট দ্য প্যাটারসন স্ট্রাইক" (১৯১৪)===
''আউটস্পোকেন উইমেন'' (১৯৮৪) সংকলন থেকে। ক্যাপশন: "নিচের ভাষণটি ১৯১৪ সালের ৩১শে জানুয়ারি নিউ ইয়র্ক সিটির নিউ ইয়র্ক সিভিক ক্লাব ফোরামে প্রদান করা হয়েছিল। এর টাইপস্ক্রিপ্টটি মিশিগানের অ্যান আর্বারে অবস্থিত ইউনিভার্সিটি অফ মিশিগান লাইব্রেরির লাবাদি কালেকশনে সংরক্ষিত রয়েছে।"
* আমি মনে করি আমাদের অনেক সমালোচকই সেইসব মানুষ যারা ঘরে বসে বিছানায় বিশ্রাম নিচ্ছিলেন যখন আমরা ধর্মঘটের কঠিন কাজগুলো করছিলাম।
* শ্রমিকদের বিজয় আসলে কী? আমি মনে করি এটি একটি দ্বিমুখী বিষয়। একটি পূর্ণাঙ্গ বিজয় অর্জনের জন্য শ্রমিকদের অবশ্যই অর্থনৈতিক সুবিধা অর্জন করতে হবে। একই সাথে তাদের মধ্যে বৈপ্লবিক চেতনাও জাগ্রত হতে হবে। শ্রমিকরা দিনে কয়েক সেন্ট মজুরি বেশি পেল বা কয়েক মিনিট কম কাজ করল, কিন্তু সেই একই মানসিকতা নিয়ে কাজে ফিরল। সমাজের প্রতি তাদের দৃষ্টিভঙ্গি যদি একই থাকে, তবে সেটি কেবল একটি সাময়িক লাভ। এটি কোনো স্থায়ী বিজয় নয়। শ্রমিকরা যদি শ্রেণি-সচেতন চেতনা এবং একটি সংগঠিত ও দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ মনোভাব নিয়ে কাজে ফেরে, তবেই সেটি প্রকৃত জয়। এর ফলে তাৎক্ষণিক কোনো অর্থনৈতিক লাভ না হলেও ভবিষ্যতে তা অর্জনের সম্ভাবনা তৈরি হয়। অন্য কথায়, শ্রমিকের বিজয়কে অবশ্যই অর্থনৈতিক এবং বৈপ্লবিক হতে হবে। তা না হলে সেটি পূর্ণাঙ্গ হয় না।
* একটি শ্রমিক বিজয় অবশ্যই দ্বিমুখী হতে হবে, তবে যদি কেবল একটি পাওয়া সম্ভব হয় তবে অর্থনৈতিক সুবিধার চেয়ে চেতনা অর্জন করা অনেক বেশি ভালো।
* আমাদের কাজ ছিল শিক্ষিত করা এবং অনুপ্রাণিত করা। শিক্ষা কোনো তাৎক্ষণিক পরিবর্তন নয়, বরং এটি একটি প্রক্রিয়া। শ্রমিকদের সামনে দেওয়া একটি মাত্র ভাষণ তাদের সারা জীবনের সংস্কারগুলো দূর করে দেয় না। আমাদের জাতীয় বিষয়গুলো নিয়ে কুসংস্কার ছিল। বিভিন্ন পেশার মধ্যে এবং নারী-পুরুষের প্রতিযোগিতার মধ্যেও সংস্কার ছিল। আমাদের এই সবকিছুই কাটিয়ে উঠতে হয়েছিল।
* ধর্মঘটের ক্ষেত্রে উদ্দীপনা মানে হলো সেই ধর্মঘট এবং তার মাধ্যমে হওয়া শ্রেণী সংগ্রামকে তাদের ধর্মে পরিণত করা। তারা যে সামান্য কয়েক সেন্ট মজুরি বা কয়েক ঘণ্টা সময়ের জন্য লড়ছে, সেই কথাটি তাদের ভুলিয়ে দিতে হবে। তাদের মনে এই অনুভূতি জাগিয়ে তুলতে হবে যে এই ধর্মঘটে জয়ী হওয়া তাদের একটি "ধর্মীয় দায়িত্ব"। আমাদের কাজের মূলে ছিল এই দুটি বিষয়। তাদের মধ্যে সংহতি এবং শ্রেণী-সচেতনতার বোধ তৈরি করা।
* আমি বলছি না যে সহিংসতা ব্যবহার করা উচিত নয়। তবে যেখানে এর কোনো প্রয়োজন নেই, সেখানে আমাদের এটি অবলম্বন করারও কোনো কারণ নেই।
* শারীরিক সহিংসতা নাটকীয় মনে হয়। বিশেষ করে যখন আপনি এটি নিয়ে কেবল কথা বলেন কিন্তু বাস্তবে প্রয়োগ করেন না, তখন এটি বেশি নাটকীয় লাগে। তবে ধর্মঘট পরিচালনার ক্ষেত্রে প্রকৃত সহিংসতা এখন একটি সেকেলে পদ্ধতি। সমস্ত শিল্প-কারখানাকে অচল করে দেওয়ার মতো গণ-আন্দোলন অনেক বেশি আধুনিক এবং ভীতিকর পদ্ধতি। এর মানে এই নয় যে আত্মরক্ষার জন্য সহিংসতা ব্যবহার করা যাবে না। আত্মরক্ষার জন্য সহিংসতার প্রয়োজনীয়তা সবাই বিশ্বাস করে। ধর্মঘটীদের এটি আলাদা করে বলে দেওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে মূল বিষয়টি হলো ধর্মঘটে জেতার উপায় হলো নিজের হাত পকেটে রেখে কাজ করতে অস্বীকার করা।
* যদি রবিবারে আপনি সেই মানুষগুলোকে বাড়িতে থাকতে দেন, তবে তারা আগুনহীন চুলার পাশে বসে থাকবে। তারা এমন টেবিলে খেতে বসবে যেখানে খুব বেশি খাবার নেই। তারা দেখবে সন্তানদের জুতো ছিঁড়ে পাতলা হয়ে গেছে এবং তাদের পোশাকগুলোও জীর্ণ হয়ে যাচ্ছে। তখন তারা কেবল "নিজের" কথা ভাবতে শুরু করবে। এতে তাদের মধ্যে থাকা গণ-চেতনা হারিয়ে যাবে এবং সবাই যে তাদের মতোই কষ্ট পাচ্ছে সেই উপলব্ধি তারা হারাবে। সপ্তাহের প্রতিদিন এবং বিশেষ করে রবিবারে তাদের কাজে ব্যস্ত রাখতে হবে। এটি করা প্রয়োজন যাতে তাদের মনোবল শূন্যে নেমে না যায়। আমি মনে করি পাদ্রিরা রবিবারে এই কারণেই ধর্মোপদেশ দেন যাতে মানুষ সপ্তাহের বাকি দিনগুলো তাদের অবস্থা কতটা খারাপ ছিল তা ভাবার সুযোগ না পায়। যাই হোক, ধর্মঘটের সময় এটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি বিষয়।
* প্রকৃতপক্ষে প্রতিটি ধর্মঘটের এটি একটি জরুরি প্রক্রিয়া। মানুষকে সবসময় ব্যস্ত রাখা এবং তাদের সক্রিয় রাখা প্রয়োজন যাতে তারা সারিবদ্ধ লড়াইয়ের যোদ্ধা হিসেবে কাজ করতে পারে। আন্দোলনকারীর কাজ হলো বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রমের পরিকল্পনা করা এবং পরামর্শ দেওয়া যা পুরোপুরি ধর্মঘটের ওপর নিবদ্ধ থাকবে। এই কারণেই আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. বড় বড় জনসভা, নারী সমাবেশ এবং শিশুদের সমাবেশের আয়োজন করে। আমরা কেন বড় আকারে পিকেটিং এবং গণ-অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার আয়োজন করি তার কারণও এটিই। এই নিরবচ্ছিন্ন গণ-কার্যক্রমের মাধ্যমেই আমরা শ্রমিকদের মনে "একজনের জন্য সবাই এবং সবার জন্য একজন" এই অনুভূতি তৈরি করতে পারি। আমরা তাদের বোঝাতে সক্ষম হই যে একজনের ক্ষতি মানেই সবার ক্ষতি। আমরা তাদের এমন এক পর্যায়ে নিয়ে আসতে পারি যেখানে তারা ধর্মঘটের ভাতার চেয়ে পারস্পরিক সহায়তার ওপর বেশি ভরসা করবে। তারা জরিমানা দিতে অস্বীকার করে একসাথে শত শত মানুষ জেলে যাবে।
* এই অনবরত সক্রিয়তাই হলো একজন আন্দোলনকারীর কাজ। তাদের নতুন কী কাজ দেওয়া যায় তা ভাবতে গিয়ে আমরা অনেক রাত জেগে কাটিয়েছি। লরেন্সের কথা মনে পড়ে যখন আমাদের কেউ এক রাত ঘুমাতে পারিনি। কাজের অভাবে ধর্মঘটের উদ্দীপনা তখন কমে যাওয়ার ঝুঁকিতে ছিল। আমার মনে আছে [[বিল হেউড]] শেষ পর্যন্ত বলেছিলেন, "চলো এসেক্স স্ট্রিটে পিকেট লাইন তৈরি করি। প্রতিটি ধর্মঘটী একটি করে ছোট লাল ফিতা পরবে এবং রাস্তায় পায়চারি করে বুঝিয়ে দেবে যে ধর্মঘট ভেঙে যায়নি।" কয়েক দিন পর সেই পরামর্শ কার্যকর করা হয়। যখন তারা বাড়ি থেকে বেরিয়ে নিজেদের বিশাল সংখ্যাটি দেখল, তখন তারা নতুন শক্তি ও উদ্যম ফিরে পেল। এটি তাদের ধর্মঘটকে আরও অনেক সপ্তাহ এগিয়ে নিতে সাহায্য করেছিল।
* মানুষ কাজের মাধ্যমেই কাজ শেখে। ধর্মঘটে আমাদের কোনো সামরিক বাহিনী নেই যাকে "এটি করো" বা "ওটি করো" বললেই তারা নিখুঁতভাবে মেনে চলবে। গণতন্ত্রের মানে হলো ভুল করা এবং অনেক ভুল করা। তবে এর মানে অভিজ্ঞতা অর্জন করাও যাতে সেই ভুলগুলোর পুনরাবৃত্তি না হয়।
* নিয়োগকর্তারা আপনার বাহিনীর সবটুকু দেখতে পান। কিন্তু আপনি তাদের বাহিনীর কিছুই দেখতে পান না এবং কেবল তাদের অবস্থা অনুমান করতে পারেন।
===[https://www.marxists.org/subject/women/authors/flynn/1916/patriotism.htm "ডু ইউ বিলিভ ইন প্যাট্রিওটিজম?"] (মার্চ, ১৯১৬)===
'দ্য মাসেস' পত্রিকায় প্রকাশিত।
* প্রশ্নটি কি এমন হওয়া উচিত 'আমেরিকা আগে' নাকি 'দুনিয়ার মজদুর, এক হও!'
* যাদের এই দেশ আছে, যারা যুদ্ধের প্রস্তুতির জন্য চিৎকার করছে এবং তা থেকে মুনাফা লুটছে, তাদের নিজেদের সম্পদ রক্ষার জন্য তাদেরকেই লড়তে দাও।
* আমি রাজা বা কাইজারের শাসনের মতো [[রকফেলার]] এবং [[মরগান|মরগানের]] শাসনকেও ঘৃণা করি; বেলজিয়ামের ঘটনায় আমি যতটা ক্ষুব্ধ, লুডলো এবং ক্যালুমেটের ঘটনায় আমি ততটাই লজ্জিত ও ক্ষুব্ধ।
* আমাদের শ্রমিকদের অধিকাংশ হলো বিদেশি, যারা এক বা দুই প্রজন্ম আগে এখানে এসেছে। তাদের ইউরোপীয় পারিবারিক টান এবং আমেরিকান পরিবেশের কারণে এই বৈচিত্র্যময় জনগোষ্ঠীর জন্য আন্তর্জাতিকতাবাদই যৌক্তিক দেশপ্রেম হয়ে ওঠে।
* যে ট্রেনে বসে আমি এই লেখাটি লিখছি, সেটি এমন সব কারখানার পাশ দিয়ে দ্রুত বেগে ছুটে চলেছে যেখানে সোনার বিনিময়ে হত্যার সরঞ্জাম তৈরি করা হয়।
===[https://www.marxists.org/subject/women/authors/flynn/1941/mayday.htm "মে ফার্স্ট: দ্য সান অফ টুমরো"] (৬ মে, ১৯৪১)===
* এটি জাতি, ধর্ম, বর্ণ এবং জাতীয়তার সমস্ত পার্থক্যকে মুছে দেয়। এটি সর্বত্র সকল শ্রমিকের ভ্রাতৃত্বকে উদযাপন করে। এটি সমস্ত জাতীয় সীমানা অতিক্রম করে, সমস্ত ভাষার বাধা পেরিয়ে যায়, সমস্ত ধর্মীয় বিভেদকে উপেক্ষা করে। এটি সারা বিশ্বে সমস্ত শ্রমিক এবং সমস্ত শোষণকারীদের মধ্যে অলঙ্ঘনীয় ফাটলকে স্পষ্ট করে তোলে। এটি সেই দিন যখন শ্রেণি সংগ্রামের লড়াকু তাৎপর্য প্রতিটি সচেতন শ্রমিকের মাধ্যমে পুনরায় নিশ্চিত হয়।
* জ্ঞানদীপ্ত শ্রমিকের কাছে এই দিনটি একটি নতুন বিশ্ব, একটি শ্রেণিহীন বিশ্ব, একটি শান্তিপূর্ণ বিশ্ব, দারিদ্র্য বা দুঃখহীন বিশ্বের পূর্বাভাস। এটি সমাজতন্ত্রের এক উজ্জ্বল প্রতিশ্রুতি, মানবজাতির প্রকৃত ভ্রাতৃত্ব। ১৯৪১ সালের এই দিনে লেনিনের সেই বিজ্ঞ বাণী; “জীবন নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করবেই। কমিউনিস্টদের অবশ্যই জানতে হবে যে ভবিষ্যৎ তাদেরই,” ব্রাউডার এবং থেলম্যান ও আরও অসংখ্য মানুষের একাকী জেলখানাকে আলোকিত করবে। কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পগুলোতে বিপ্লবী গানের মৃদু সুর শোনা যাবে। সমুদ্রে, সামরিক ব্যারাকে, কারখানা বা কলের জবরদস্তিমূলক শ্রমে নিযুক্ত শ্রমিকদের হৃদস্পন্দন তাদের সাথে মিলে যাবে যারা বহুদূরে মস্কোর রেড স্কয়ারে উত্তাল সংগীতের তালে লাল পতাকার পেছনে আনন্দভরে প্যারেড করছে। ইউরোপের পরিখায় থাকা সৈনিকরা, ফ্রাঙ্কোর অন্ধকূপের বন্দিরা, হিটলারের নরককুণ্ডের এবং মুসোলিনির কারাগারের বন্দিরা দাঁতে দাঁত চেপে বিড়বিড় করে বলবে; “তোমাদের দিন ফুরিয়ে আসছে। তোমরা জনগণের চূড়ান্ত বিজয় রুখতে পারবে না!”
* মে দিবস আমেরিকান শ্রমিকদের রক্তে দীক্ষিত হয়েছিল।
* ফাঁসির দড়ি গলায় শক্ত হওয়ার সময় [[আলবার্ট পারসন্স|পারসন্স]] চিৎকার করে বলেছিলেন, "জনগণের কণ্ঠস্বর শুনতে দাও!" গতকালের বীর শহিদ, মে দিবসে এই কণ্ঠস্বর শোনা গেছে এবং সবসময় শোনা যাবে! এই বছর শিকাগোর ইন্টারন্যাশনাল হারভেস্টার ওয়ার্কসের নবসংগঠিত বিজয়ী ধর্মঘটীরা মে মাসের এক তারিখে তোমাদের নামকে পবিত্র করবে।
* জার্মানির সাহসী সমাজতন্ত্রী নারী [[রোজা লুক্সেমবার্গ]], যাকে পরে সামরিকবাদীরা নির্মমভাবে হত্যা করেছিল, ১৯১৩ সালে বিশ্বযুদ্ধের বিরুদ্ধে সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন। তিনি মে দিবসকে শান্তি ও সমাজতন্ত্রের জন্য এক শক্তিশালী গণবিক্ষোভে পরিণত করার আহ্বান জানিয়েছিলেন। “দুনিয়ার মজদুর, এক হও!” মে দিবসে এটিই ছিল জোরালো দাবি। প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে চাপ দেওয়া হয়েছিল এবং প্রতিটি দেশে ও আন্তর্জাতিকভাবে আরও বেশি লড়াকু স্লোগান তোলা হয়েছিল।
* কেবল শ্রমিকদের জন্যই আন্তর্জাতিকতাবাদী হওয়া নিষিদ্ধ। [[জে. পি. মরগান]] এবং [[হেনরি ফোর্ড]], ব্যাংকার, অস্ত্র ব্যবসায়ী গোষ্ঠী, রাসায়নিক কোম্পানিগুলোর জন্য এটি একদম ঠিক আছে। বিজ্ঞানী, ডাকটিকিট সংগ্রাহক, অ্যাথলেটিক অ্যাসোসিয়েশন, সংগীতশিল্পী, আধ্যাত্মবাদী, মৌমাছি পালনকারীদের জন্য আন্তর্জাতিকতাবাদী হওয়া ঠিক আছে—কিন্তু শ্রমিকদের জন্য নয়। কেবল শ্রমিকরা যখন সীমানা পেরিয়ে একে অপরের হাত ধরে, তখনই প্রতিটি দেশে তাদের ওপর আঘাত হানা হয়। নৃবিজ্ঞানীরা জটিল ভাষায় বলতে পারেন, “কেবল একটিই জাতি আছে—মানবজাতি!” কিন্তু একজন শ্রমিক যদি বলে, “ভাই, সহকর্মী শ্রমিক, কমরেড”—তবেই নরক ভেঙে পড়ে। তাকে যেখান থেকে এসেছে সেখানে ফেরত পাঠানো উচিত! তার নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া উচিত; তার চাকরি হারানো উচিত; তাকে জেলে পাঠানো উচিত! যদি খ্রিস্টের মতো কোনো কণ্ঠস্বর তাদের চ্যালেঞ্জ করে বলে: “তোমার প্রতিবেশীকে নিজের মতো ভালোবাসার বিষয়টি কী হবে?” তবে টেক্সাসের সেই বন্য মানুষটি চিৎকার করে উঠবে: “একথা কে বলেছে? সে একজন লাল, নাশকতামূলক কাজ করা লোক, একজন গোলযোগ সৃষ্টিকারী!” আমরা এই উন্মাদনায় বিন্দুমাত্র বিচলিত হব না। আসুন আমরা লেনিনের সেই শীতল বাক্যগুলো মনে রাখি: "বুর্জোয়ারা এভাবেই কাজ করে যেভাবে ইতিহাস কর্তৃক মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত সমস্ত শ্রেণি কাজ করেছিল।" সংহতি, বিজয় এবং আশার প্রতিটি সুন্দর মে দিবস আমাদের "দীর্ঘ মেয়াদী দৃষ্টিভঙ্গি" নেওয়ার কথা মনে করিয়ে দেয়—যা সমসাময়িক ঘটনাগুলো দেখার বলশেভিক দৃষ্টিভঙ্গি। সামনের রাস্তা হয়তো আরও বন্ধুর হতে পারে কিন্তু এটি পেছনের রাস্তার চেয়ে ছোট।
* মে দিবসে আমরা সোভিয়েত ইউনিয়নকে অভিবাদন জানাই—সমাজতন্ত্রের দেশ—শান্তি ও প্রাচুর্যের দেশ, অনাদিকাল থেকে শ্রমজীবী মানুষের মহান আদর্শ, সকল পরিশ্রমী মানুষের সমবায় রাষ্ট্র।
* যুদ্ধবাজদের চিৎকার করতে দিন; মুনাফালোভীদের উন্মাদনা চলতে দিন। মে দিবসে আমেরিকার এই লক্ষ লক্ষ শ্রমিক জবাব দেয়, “আমরা আমাদের অবস্থান থেকে নড়ব না!” হতাশ হওয়ার কিছু নেই; ক্লান্ত হওয়ার কিছু নেই—যতক্ষণ না আমরা সংগঠিত হচ্ছি এবং লড়াই করছি। যতক্ষণ আমরা আমাদের অর্জনগুলোকে লোহার মুষ্টিতে ধরে রাখছি; সামনে এগিয়ে যাচ্ছি এবং আরও বেশি আদায় করছি। যতক্ষণ আমেরিকার ছিয়াশি শতাংশ মানুষের মধ্যে রুজভেল্ট-উইলকি যুদ্ধবাজ দলের বিরুদ্ধে অটল প্রতিরোধ বজায় আছে। সংগঠিত হোন। লড়াই করুন। সামনে এগিয়ে যান—এটাই ১৯৪১ সালে আমেরিকার মে দিবসের চেতনা।
* যুদ্ধে অংশ না নেওয়ার জন্য সংগঠিত হোন এবং লড়াই করুন! আমেরিকানসহ সকল সাম্রাজ্যবাদ ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে!
* ১৯৪১ সালের পহেলা মে বিশ্বজুড়ে লক্ষ লক্ষ মানুষের হৃদয়ে, মনে এবং মুখে শান্তি ও সমাজতন্ত্রের কথা ধ্বনিত হচ্ছে। “আগামীকালের সূর্য” আমাদের ওপর আলোকিত হচ্ছে। ভবিষ্যৎ আমাদের।
=== আদালতে ভাষণ, স্মিথ অ্যাক্টের অধীনে অভিযুক্ত (১৯৫২) ===
এস. মিশেল নিক্স সম্পাদিত 'উইমেন অ্যাট দ্য পডিয়াম: মেমোরবল স্পিচেস ইন হিস্ট্রি' গ্রন্থ থেকে।
* আমি বা আমার কমরেডদের কেউই বলপ্রয়োগ ও সহিংসতার মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকারকে উৎখাত করার কোনো ষড়যন্ত্রে দোষী নই। মৌনতাকে পরাজয়বাদ হিসেবে গণ্য করা হতে পারে, কিন্তু সত্য হলো আমি আমাদের নির্দোষিতার বিষয়ে এতটাই শান্ত ও সচেতন যে, আমাকে কারারুদ্ধ করা যেতে পারে কিন্তু আমাকে সংশোধন করা, সংস্কার করা বা পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। আমার শরীরকে বন্দি করা যেতে পারে কিন্তু আমার চিন্তাভাবনা স্বাধীন ও অপ্রভাবিত থাকবে। সমগ্র মানব ইতিহাস প্রমাণ করেছে যে ধারণা বা চিন্তাকে কারাগারে বন্দি করা যায় না। সেগুলোর মোকাবিলা কেবল জনসমক্ষে আলোচনার মাধ্যমেই সম্ভব।
* পুঁজিবাদের অধীনে যে রাজনৈতিক, শিল্প এবং সামাজিক পরিস্থিতি আমাদের এই চিন্তাধারা তৈরি করেছে, তা এখনও বিদ্যমান। এগুলো আরও অসংখ্য মানুষের মনে অনুরূপ চিন্তার জন্ম দেবে এবং আমাদের মনে সেই চিন্তাগুলোকে আরও শক্তিশালী করবে। কারাগার কখনোই সেইসব সংকল্পবদ্ধ মানুষকে প্রভাবিত করতে পারেনি যারা নিজেদের আদর্শ নিয়ে বাঁচে, কাজ করে এবং প্রয়োজনে মৃত্যুবরণ করে। আমরা কমিউনিস্টরা ঠিক তেমনই মানুষ। মিথ্যা, হিস্টিরিয়া, কুসংস্কার এবং সর্বোপরি ভয়ের কুয়াশা একবার দূর হয়ে গেলে আমেরিকান জনগণের চূড়ান্ত ন্যায়বিচারের ওপর আমার বিশ্বাস আছে। নিজের দেশকে ভয়ের কবলে দেখা এক ভয়াবহ বিষয়—অপ্রয়োজনীয়, নির্বোধ ও মূর্খ ভয়; কাল্পনিক শত্রুর ভয়, আমাদের মিত্র ও বন্ধুদের ভয়; গুপ্তচরদের অভিযুক্ত আঙুলের ভয়, নিজের চাকরি বা নাগরিকত্ব বা সমাজে নিজের স্থান হারানোর ভয়। পুরো সরকারি আমলাতন্ত্র বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার অপচয় করছে, দম্ভোক্তি করছে, বড়াই করছে এবং ভয় দেখাচ্ছে; তারা মূলত ভয়ের অন্ধকারে দাঁড়িয়ে শিস দিচ্ছে এবং পুরো বিশ্বকে আমাদের দেখে ভীত করার চেষ্টা করছে।
* এক মুঠো ভীতু ধনকুবেরদের কাছ থেকেই এই সংক্রমণ ছড়িয়েছে—সেইসব ট্রাস্টের মালিকরা, যারা তাদের স্টকের কাগজের চেয়ে দেশকে কখনোই বেশি ভালোবাসেনি, যাদের দেশপ্রেম সবসময় লাভের শতাংশের ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয়, যারা কেবল তাদের দেশবাসীকে নয় বরং পুরো মানবজাতিকে শাসন করতে, শোষণ করতে এবং তাদের বিরুদ্ধে সহিংসতা চালাতে চায়। তারা কেবল তাদের সংকীর্ণ ও ভাড়াটে শাসন এবং জীবনযাত্রা বজায় রাখার জন্য বিশ্বকে পারমাণবিক যুদ্ধের রক্তসমুদ্রে ডুবিয়ে দেবে এবং তা এমন সব মানুষের ওপর চাপিয়ে দেবে যারা এর কিছুই চায় না। বিপদ যত বড়ই হোক না কেন, আমার বিশ্বাস আছে যে আমাদের দেশে ফ্যাসিবাদ কখনোই জয়ী হবে না। ১৯৩৫ সাল থেকে সেই বিপদ সম্পর্কে সতর্ক করার ক্ষেত্রে আমাদের পার্টি যে ভূমিকা পালন করেছে তার জন্য আমি গর্বিত।
* ১৮০০ সালের এলিয়েন অ্যান্ড সেডিশন ল, ষাটের দশকের ফিউজিটিভ স্লেভ ল এবং ১৯২০-এর দশকের ক্রিমিনাল সিন্ডিকালিস্ট ল-এর মতো স্মিথ অ্যাক্টও অচিরেই বাতিলের তালিকায় চলে যাবে।
* আদালত কক্ষ, মধ্যবিত্ত জুরি এবং সংবাদমাধ্যমকে ঘিরে থাকা এই কুয়াশা সাধারণ মানুষের মাঝখান থেকে সরে যাবে—যাদের সাধারণ উপস্থিতি এবং আচরণ সেইসব কঠোর রাজনৈতিক মনোনীত ব্যক্তিদের সন্তুষ্ট করতে পারে না যারা সমৃদ্ধশালীদের তোষামোদি করে।
* দমনমূলক আইন, আনুগত্যের শপথ, কংগ্রেসের তদন্ত, ডাইনি শিকার, রাজনৈতিক বিচার এবং এই জাতীয় সবকিছুর বিরুদ্ধে আমাদের দেশে একটি গণআন্দোলন প্রবল বেগে প্রেইরি বাতাসের মতো জেগে উঠছে।
* ধর্মাবতার, আমি গত শুক্রবার আপনাকে একটি প্রশ্ন করেছিলাম যা আমি এখন আবার করছি: যদি কমিউনিস্ট পার্টি অবৈধ না হয়, এর সদস্যপদ এবং নেতৃত্ব অবৈধ না হয়, যদি সমাজতন্ত্রের প্রচার অবৈধ না হয়, যদি প্রতিদিনের কর্মসূচির মাধ্যমে "সৎ কাজ" করা (সরকার যাকে বিদ্রূপ করে বলছে) অবৈধ না হয়, তবে বিবেক অনুযায়ী এখানে অবৈধ কী? আমরা কিসে অপরাধী?
* আমার এই দীর্ঘ জীবনে... আমি কখনো ভাবিনি যে আমাকে বইয়ের জন্য জেলে যেতে হবে, এবং এমনকি পুরো বইয়ের জন্য নয় বরং বইয়ের কিছু অংশ বা টুকরো উদ্ধৃতির জন্য। আর আমি যদি গত সাতচল্লিশ বছরের আমার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যাই—যেখানে আমি ইউনিয়নবাদ, গণতান্ত্রিক অধিকার, নিগ্রো জনগোষ্ঠী ও নারীদের অধিকার নিয়ে, শান্তি এবং ফ্যাসিবাদ ও যুদ্ধের বিরুদ্ধে এবং সমাজতন্ত্র নিয়ে কাজ করেছি ও কথা বলেছি—তবে তখন কী হবে, ধর্মাবতার?
* ধর্মাবতার, জরিমানার ক্ষেত্রে আমার মালিকানাধীন সমস্ত বৈষয়িক সম্পত্তি বলতে কেবল সেই বইগুলোই আছে যা আমি ষোলো বছর বয়সে টম পেইনের 'কমন সেন্স'-এর একটি কাগজ-বাঁধানো কপি কেনার পর থেকে জমিয়েছি। সেগুলো ভালো বই—কবিতা, নাটক, ইতিহাস, রাজনৈতিক অর্থনীতি, কথাসাহিত্য, দর্শন, শিল্পকলা, সংগীত, ভ্রমণ এবং সাহিত্য। সেখানে শেক্সপিয়র, শ, এমারসন, হেগেল, মার্ক টোয়েনের পাশে মার্ক্স ও এঙ্গেলস আছেন; থোরো, জেফারসন, বিয়ার্ড দম্পতি, ওয়েব দম্পতি, হুগো, হার্ডি এবং আরও অনেকের পাশে লেনিন ও স্ট্যালিন আছেন... সেই বইয়ের তাকগুলোতে বলপ্রয়োগ ও সহিংসতা আছে কিন্তু সরকার যেখানে খুঁজছে সেখানে নয়। এটি আয়ারল্যান্ডের ইতিহাসে আছে—কনেলি, ও’কেসি এবং অন্যান্যরা ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে দীর্ঘ ও রক্তাক্ত সংগ্রামের কথা বলছেন। এটি আমেরিকান শ্রমের ইতিহাসে আছে—কলোরাডো, পশ্চিম ভার্জিনিয়া, হোমস্টেড, দক্ষিণ শিকাগো এবং সান ফ্রান্সিসকোর এমবার্কাডেরোতে। এটি আমেরিকার ইতিহাসে আছে—বিপ্লব, আমেরিকান ইন্ডিয়ানদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ, গৃহযুদ্ধ, স্পেন-আমেরিকান যুদ্ধ। এটি নিগ্রো জনগণের সংগ্রামে আছে। এটি বাইবেলেও আছে—যা আমার বইয়ের তাকেই আছে, ধর্মাবতার—ইহুদি উপজাতি এবং পুরনো নবীদের বিরুদ্ধে সহিংসতা, যিশু ও তার শিষ্যদের এবং প্রাথমিক খ্রিস্টান শহিদদের বিরুদ্ধে সহিংসতা।
* বলপ্রয়োগ এবং সহিংসতা শাসক শ্রেণির কাছ থেকে আসে, সাধারণ মানুষের কাছ থেকে নয়।
===''দ্য রেবেল গার্ল: অ্যান অটোবায়োগ্রাফি, মাই ফার্স্ট লাইফ'' (১৯৫৫)===
*আমাদের শৈশবের একটি অবিস্মরণীয় ট্র্যাজেডি ছিল ১৯০৪ সালে জেনারেল স্লোকাম নামক প্রমোদ তরণীটি পুড়ে যাওয়া।
*এডওয়ার্ড বেলামি রচিত 'লুকিং ব্যাকওয়ার্ড' বইটি এই দেশে প্রথম সমাজতন্ত্রের ধারণাকে জনপ্রিয় করেছিল। এটি ছিল পুঁজিবাদের একটি তীক্ষ্ণ সমালোচনা, যা অনেক আমেরিকানের মনে দাগ কেটেছিল এবং ক্রমবর্ধমান একচেটিয়া কারবারের সেই দিনগুলোতে তারা এর সাথে একমত পোষণ করেছিল।
*পিটার ক্রোপোটকিনের দরিদ্র যুবকদের প্রতি করা আবেদন আমাকে ব্যক্তিগতভাবে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছিল, যেন তিনি ব্রঙ্কসে আমাদের সেই জরাজীর্ণ দারিদ্র্যপীড়িত ফ্ল্যাটেই আমাদের সাথে কথা বলছেন: "তোমাকে কি তোমার বাবা-মায়ের মতো আরও ত্রিশ বা চল্লিশ বছর একই ক্লান্তিকর অস্তিত্ব টেনে নিয়ে যেতে হবে? অন্যদের জন্য সুস্বাস্থ্য, জ্ঞান এবং শিল্পের সমস্ত আনন্দ নিশ্চিত করতে কি তোমাকে জীবনভর কঠোর পরিশ্রম করতে হবে এবং নিজের জন্য কেবল এক টুকরো রুটি পাবে কি না—সেই চিরন্তন উদ্বেগটুকু রেখে দিতে হবে?"
*আমার মনে পড়ে আরেকটি বইয়ের কথা, যা আমার জীবনে তাৎক্ষণিক পরিবর্তন এনেছিল—আপটন সিনক্লেয়ারের 'দ্য জঙ্গল'। এটি পড়ার পর আমি তৎক্ষণাৎ নিরামিষাশী হয়ে গিয়েছিলাম!
*সেই সময়ে (১৯০৬ সালের দিকে) আমি আরও দুটি বই পড়েছিলাম, যা আমাকে সমাজতান্ত্রিক কর্মকাণ্ডে ঝাঁপিয়ে পড়তে সাহায্য করেছিল। একটি ছিল মেরি উলস্টোনক্র্যাফট রচিত 'ভিন্ডিকেশন অফ দ্য রাইটস অফ উইমেন' এবং অন্যটি ছিল আগস্ট বেবেলের 'উইমেন অ্যান্ড সোশ্যালিজম'।
*নারীদের ইউনিয়ন গঠন করার প্রক্রিয়াটি তখন কেবল শুরু হয়েছিল, এমনকি সুচিশিল্পের মতো পেশাগুলোতেও যেখানে তাদের প্রাধান্য ছিল। সমান সুযোগ, সমান বেতন এবং সংগঠিত হওয়ার অধিকার তখন মজুরি উপার্জনকারী নারীদের জন্য অত্যন্ত জরুরি প্রয়োজন ছিল এবং দুর্ভাগ্যবশত এই দাবিগুলো আজও আমাদের মাঝে রয়ে গেছে। অনেক ইউনিয়ন নেতা, যেমন আমেরিকান ফেডারেশন অফ লেবার-এর সভাপতি স্যামুয়েল গম্পার্স, নারী শ্রমিকদের সংগঠিত হওয়ার যোগ্য বা নির্ভরযোগ্য মনে করতেন না। "তারা কেবল হাতখরচের জন্য কাজ করে"—এটিই ছিল সাধারণ অভিযোগ। একজন নারী শ্রমিক নিজেও বাইরের চাকরিকে একটি সাময়িক প্রয়োজনীয় আপদ হিসেবে দেখতেন—যা তার বাবার বাড়ি এবং স্বামীর বাড়ির মধ্যবর্তী সময়ের একটি সাময়িক ব্যবস্থা মাত্র। বাবা এবং স্বামীরা নারীদের মজুরি সংগ্রহ করত, কখনও কখনও সরাসরি কোম্পানির অফিস থেকেই। নারীদের নিজেদের উপার্জনের ওপর কোনো আইনি অধিকার ছিল না। কর্মজীবী মায়েদের বিশেষ প্রয়োজন এবং সমস্যার বিষয়ে কোনো বিবেচনা ছিল না, যদিও তাদের সংখ্যা ছিল অনেক এবং সমস্যাগুলো ছিল প্রকট। এমনকি নারীদের পোশাকও তাদের জন্য বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল—মাটি ছোঁয়া লম্বা স্কার্ট, বড় ঢিলেঢালা হাতা এবং বিশাল হ্যাট। আপনার স্কার্ট যদি জুতার ওপরের অংশ পর্যন্ত উঁচু হতো, তবে আপনাকে তখনও "একটি বালিকা" হিসেবে গণ্য করা হতো।
*নারীদের ভোটাধিকারের সংগ্রাম দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছিল এবং শক্তিশালী হচ্ছিল। এটি ১৮৪৮ সালে নিউ ইয়র্কের সেনেকা ফলসে প্রথম সমানাধিকার সম্মেলনের মাধ্যমে শুরু হয়েছিল, যার নেতৃত্বে ছিলেন এলিজাবেথ ক্যাডি স্ট্যান্টন এবং সুসান বি অ্যান্থনি এবং যেখানে মহান নিগ্রো নেতা ফ্রেডরিক ডগলাস ভাষণ দিয়েছিলেন। ভোটাধিকার কর্মীদের বিদ্রূপ করা হয়েছিল, ভিড়ের দ্বারা আক্রান্ত হতে হয়েছিল, হলরুম দিতে অস্বীকার করা হয়েছিল, ভোট দেওয়ার চেষ্টার জন্য গ্রেপ্তার করা হয়েছিল এবং পরিবার থেকে ত্যাজ্য করা হয়েছিল। ১৯০৪ সালের মধ্যে কর্মজীবী নারীদের বিভিন্ন দল, বিশেষ করে সমাজতন্ত্রী নারীরা ভোটের দাবিতে একত্রিত হতে শুরু করে। দুই বছর পর নিউ ইয়র্কের ইস্ট সাইডে এই নারীদের ভোটাধিকার আন্দোলনের উদ্যোগেই আন্তর্জাতিক নারী দিবসের জন্ম হয়। এটি সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে এবং আজ সর্বজনীনভাবে পালিত হয়, যদিও এখানে একে "একটি বিদেশি উৎসব" হিসেবে অবজ্ঞা করা হয়।
*ভোটাধিকার আন্দোলন আরও লড়াকু হয়ে উঠছিল এবং মড ম্যালনের মতো ব্যক্তিত্বরা আবির্ভূত হয়েছিলেন। তিনি ১৯০৫ সালে হারলেম ইকুয়াল রাইটস লিগ গঠন করেন। তিনি ৩,০০০ মানুষের এক সভায় থিওডোর রুজভেল্টকে থামিয়ে দিয়ে দাবি করেছিলেন যে নারী ভোটাধিকারের বিষয়ে তার অবস্থান কী। আমরা যখন ব্রডওয়েতে রাস্তার পাশে সভা করতাম, তখন তিনি সেখানে স্যান্ডউইচ ম্যানের মতো সামনে-পেছনে "নারীদের জন্য ভোট" লেখা সাইনবোর্ড নিয়ে পায়চারি করতেন এবং এর ফলে তাকে লাইব্রেরিয়ানের পদ হারাতে হয়েছিল।
*রাস্তার মোড়ে ভোটাধিকার কর্মীদের ভাষণের সময় সবসময় বলা হতো: "বাড়ি যাও এবং থালা-বাসন মাজো," অথবা তাদের বয়স নির্বিশেষে বলা হতো: "তোমার বাচ্চাদের দেখাশোনা কে করছে?" অন্যরা বলত: "কল্পনা করো একজন অন্তঃসত্ত্বা নারী অফিসের পদের জন্য লড়ছেন," অথবা "নারীরা কীভাবে জুরির দায়িত্ব পালন করবে এবং পুরুষ জুরিদের সাথে একই ঘরে বন্দি থাকবে?"
*একটি প্রচলিত ধারণা ছিল যে "নারীর কাজ" কেবল গৃহস্থালির মধ্যেই সীমাবদ্ধ। "নারীর স্থান ঘরে"—এটাই ছিল সাধারণ রব। পুরুষদের কাজ কেড়ে নেওয়ার জন্য নারীদের সবসময় অভিযুক্ত করা হতো।
*আমি তখনও বলেছিলাম এবং আজও বিশ্বাস করি যে, পুঁজিবাদী ব্যবস্থার অধীনে নারীদের পূর্ণ সুযোগ পাওয়া এবং মানুষের সমস্ত প্রচেষ্টার ক্ষেত্রে স্বাধীন ও সমান নাগরিক হওয়া সম্ভব নয়, যদিও সুসংগঠিত সংগ্রামের মাধ্যমে অনেক দাবিই আদায় করা হয়েছে।
*"বিগ" বিল হেউড জেল থেকে একজন বীর হিসেবে বেরিয়ে এসেছিলেন—যা শ্রমিক সংহতির এক উপযুক্ত প্রতীক। একজন সাংবাদিক তাকে "দেহে, মস্তিকে এবং সাহসে বিশাল" হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন। তিনি সোশ্যালিস্ট পার্টি এবং যেসব শ্রমিক সংগঠন তাকে রক্ষা করেছিল, তাদের তত্ত্বাবধানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং কানাডায় এক বিজয় সফর করেন। তিনি ছিলেন অত্যন্ত বাস্তববাদী এবং নাটকীয় বক্তা। আমার মনে পড়ে তাকে বলতে শুনেছিলাম: "আপনারা জানেন, আমি পশ্চিম থেকে আসা দুই-বন্দুকওয়ালা মানুষ," আর দর্শক যখন রুদ্ধশ্বাসে অপেক্ষা করছিল, তখন তিনি এক পকেট থেকে তার ইউনিয়ন কার্ড এবং অন্য পকেট থেকে তার সোশ্যালিস্ট কার্ড বের করে দেখালেন।
*১৯০৭ সালে ময়ার, হেউড এবং পেটিবোনকে মুক্ত করার অভিযানের সময় নিউ জার্সি অঙ্গরাজ্যের নেওয়ার্কে সোশ্যালিস্ট লেবার পার্টির আয়োজিত একটি সভায় আমাকে বক্তা হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল... এই সভাটি আমার জীবনের একটি অবিস্মরণীয় ঘটনা কারণ এখানেই আমি প্রথম জেমস কনেলির সাথে পরিচিত হই। তিনি ছিলেন আইরিশ সমাজতন্ত্রী বক্তা, লেখক এবং শ্রমিক সংগঠক, যিনি এর নয় বছর পর ১৯১৬ সালে ডাবলিনের ইস্টার উইক অভ্যুত্থানে আয়ারল্যান্ডের স্বাধীনতার জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন... তিনি ছিলেন খাটো, কিছুটা স্থূলকায়, বড় কালো গোঁফওয়ালা একজন সাধারণ চেহারার মানুষ। তার কপাল ছিল বেশ উঁচু এবং কালো বিষণ্ণ চোখ। তিনি খুব কম হাসতেন। একজন পণ্ডিত এবং চমৎকার লেখক হওয়া সত্ত্বেও, গ্লাসগোতে দীর্ঘকাল বসবাসের কারণে তার কণ্ঠস্বরে উত্তর আয়ারল্যান্ডের টান এবং স্কচ উচ্চারণের মিশ্রণ ছিল, যা আমেরিকান দর্শকদের জন্য বোঝা কিছুটা কঠিন ছিল... কনেলি আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর জন্য কাজ করতেন এবং কুপার স্কয়ারে তার একটি অফিস ছিল। তিনি ছিলেন একজন চমৎকার সংগঠক, যা জেমস লার্কিনের সাথে আইরিশ ট্রান্সপোর্ট ওয়ার্কার্সদের জন্য তার পরবর্তী কাজগুলো প্রমাণ করেছিল... তিনি গভীরভাবে অনুভব করতেন যে আয়ারল্যান্ডের জাতীয় মুক্তির সংগ্রামের প্রতি আমেরিকান সমাজতন্ত্রীরা যথেষ্ট সহানুভূতি বা বোঝাপড়া দেখায়নি। এখানকার আইরিশ শ্রমিকদের সমাজতন্ত্রীরা খুব সহজেই "প্রতিক্রিয়াশীল" হিসেবে বর্জন করত এবং আইরিশ-আমেরিকান শ্রমিকদের কাছে সমাজতন্ত্রের বার্তা পৌঁছে দেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত প্রচেষ্টা ছিল না... তিনি 'দ্য হার্প' নামে একটি মাসিক পত্রিকা প্রকাশ করতেন। সেখানে তার নিজের লেখা অনেক কবিতা প্রকাশিত হতো। কুপার ইউনিয়ন বা ইস্ট সাইডের অন্য কোনো হলের দরজায় তাকে জরাজীর্ণ পোশাকে দাঁড়িয়ে নিজের ছোট কাগজটি বিক্রি করতে দেখা যেত, যা ছিল এক করুণ দৃশ্য। যেসব সম্পদশালী আইরিশরা তার মৃত্যুর পর তার প্রতি গভীর প্রশংসা প্রকাশ করেছিল, তাদের কেউই সেই সময় তার দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়নি। জিম কনেলি তাদের কাছে অভিশপ্ত ছিলেন কারণ তিনি ছিলেন একজন "সমাজতন্ত্রী"। তার কোনো মিথ্যে অহংকার ছিল না এবং তিনি নিজে উদাহরণ সৃষ্টি করে অন্যদের ছোটখাটো কাজ করতে উৎসাহিত করতেন। রাস্তার সভাগুলোতে তিনি তাদেরই "সভার সভাপতিত্ব" করতে রাজি করাতেন যাদের কথা বলার কোনো অভিজ্ঞতা ছিল না, যাতে তারা প্রশিক্ষণ পেতে পারে। আইরিশ শ্রমিকদের কাছে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে কনেলির এক বিরল দক্ষতা ছিল, যা তার বিশাল জ্ঞান থেকে জন্ম নিয়েছিল। প্রয়োজনে তিনি সত্যকে অত্যন্ত তীক্ষ্ণ এবং জোরালোভাবে বলতেন।
*আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর আগমন ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা এবং ১৯০৫ থেকে ১৯২০-এর দশকের শুরু পর্যন্ত এটি আমেরিকান শ্রম অঙ্গনে একটি বিশাল ধূমকেতুর মতো পথ দেখিয়েছিল। এটি শ্রমিক ইতিহাসের নতুন অধ্যায় তৈরি করেছিল এবং শ্রমিক আন্দোলনে এক অমোঘ ছাপ রেখে গিয়েছিল। আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. ছিল একটি লড়াকু এবং সংগ্রামী শ্রমিক শ্রেণির ইউনিয়ন। মালিক শ্রেণি দ্রুত এটি বুঝতে পেরেছিল এবং এর জন্মের পর থেকেই লড়াই শুরু করেছিল। আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. নিজেকে দরিদ্রতম, সবচেয়ে শোষিত এবং সবচেয়ে নিপীড়িত শ্রমিকদের সমস্ত তাৎক্ষণিক প্রয়োজনের সাথে যুক্ত করেছিল। এটি তাদের অসন্তোষের "আগুনে হাওয়া" দিয়েছিল। এটি তাদের বীরত্বপূর্ণ সংগ্রামের নেতৃত্ব দিয়েছিল, যার কিছু তারা নিজেরাই সংগঠিত করেছিল। অন্য অনেক ক্ষেত্রে ধর্মঘট শুরু হওয়ার পর তারা এর নেতৃত্বে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। যিশুর বিরুদ্ধে করা সেই স্মরণীয় অভিযোগ, "সে মানুষকে উত্তেজিত করছে!" আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য ছিল। এটি পূর্বের গণ-উৎপাদন শিল্পগুলোতে অসংগঠিত ও অদক্ষ বিদেশি বংশোদ্ভূত শ্রমিকদের এবং পশ্চিমের অসংগঠিত যাযাবর শ্রমিকদের সংগঠিত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিল, যারা মূলত আমেরিকান বংশোদ্ভূত ছিল এবং নৌপরিবহন, কাঠ, কৃষি, খনি ও নির্মাণ কাজে নিয়োজিত ছিল। পূর্ব এবং দক্ষিণে এটি টেক্সটাইল, রাবার, কয়লা এবং কাঠ শিল্পের পাশাপাশি বিভিন্ন ছোট শিল্পে শ্রমিকদের কাছে পৌঁছে গিয়েছিল। যেমন, নিউ ইয়র্ক সিটিতে পোশাক, টেক্সটাইল, জুতো, চুরুট, বেত, পিয়ানো, পিতল এবং হোটেল শিল্পে আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর শাখা ছিল। পশ্চিমে কাউবয়দের জন্য আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর একটি শাখা ছিল। নেভাদার গোল্ডফিল্ড শহরের সমগ্র শ্রমিক শ্রেণিকে ১৯০৬ সালে ভিনসেন্ট সেন্ট জন আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-তে সংগঠিত করেছিলেন। এমনকি মার্কিন সেনাবাহিনীর ওয়েস্ট পয়েন্টে কর্মরত ইতালীয় শ্রমিকরাও একসময় আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-তে সংগঠিত ছিল। আমার মনে পড়ে ১৯১১ সালের দিকে আমি সেখানে তাদের সামনে ভাষণ দিয়েছিলাম। আমি ১৯০৬ সালে এতে যোগ দেই...
*আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর এই সম্মেলনে লুসি পারসন্স-এর সাথে দেখা করে আমি রোমাঞ্চিত হয়েছিলাম। তিনি ছিলেন আলবার্ট পারসন্স-এর বিধবা স্ত্রী, যাকে ২০ বছর আগে শিকাগোর কুক কাউন্টি জেলের প্রাঙ্গণে ফাঁসিতে ঝোলানো হয়েছিল। যখন তার স্বামীকে ফাঁসি দেওয়া হচ্ছিল, তখন তাকে ক্লার্ক স্ট্রিট স্টেশন হাউসে বন্দি করে রাখা হয়েছিল, যা আমাদের সেই সভার জায়গা থেকে খুব বেশি দূরে নয়... আমার মনে পড়ে মিসেস পারসন্স তরুণদের উদ্দেশ্যে আবেগপূর্ণভাবে কথা বলছিলেন এবং আমাদের সামনের দিনগুলোর সংগ্রামের গুরুত্ব সম্পর্কে সতর্ক করছিলেন, যা বিজয় আসার আগে জেল এবং মৃত্যুর দিকে নিয়ে যেতে পারে। বছরের পর বছর ধরে তিনি এক শহর থেকে অন্য শহরে ঘুরে বেড়িয়েছেন, স্থানীয় ইউনিয়নগুলোর দরজায় কড়া নেড়েছেন এবং শিকাগো বিচারের কাহিনী শুনিয়েছেন। তার স্বামী বলেছিলেন: "আমাদের নাম কলঙ্কমুক্ত করো!" এবং তিনি এটিকে তার জীবনের লক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন।
*আমি ভিনসেন্ট সেন্ট জনের চেয়ে বেশি শ্রদ্ধার পাত্র আর কোনো মানুষ দেখিনি... তাকে ডিনামাইট বিস্ফোরণকারী, বন্দুকধারী এবং একজন বিপজ্জনক আন্দোলনকারী হিসেবে গালি দেওয়া হতো; তিনি মাথার ওপর পুরস্কার নিয়ে বিভিন্ন ক্যাম্পে প্রবেশ করতেন, তার মায়ের নাম—ম্যাগি—ব্যবহার করতেন এবং প্রায়ই একা হাতে শত শত মানুষকে সংগঠিত করতেন। তিনি এই দেশের জন্ম দেওয়া সর্বশ্রেষ্ঠ শ্রমিক সংগঠকদের একজন ছিলেন... তিনি গঠনে কিছুটা খাটো এবং হালকা ছিলেন, যদিও কাঁধ ছিল চওড়া। তার চলাফেরা ছিল দ্রুত এবং ছন্দময়, তিনি ছিলেন শান্ত ও বিনয়ী, কিন্তু তার বুদ্ধিবৃত্তি ও উপস্থিত বুদ্ধি যেকোনো প্রতিপক্ষকে হার মানাতে পারত... আসল লড়াইয়ের সময় সেন্ট জনের শান্ত নীল চোখগুলো ইস্পাতের মতো কঠোর ও শীতল হয়ে উঠত। তিনি কেবল আদর্শের জন্য লড়তেন এবং তখন শ্রমিকদের শত্রুদের মতোই নির্মম হয়ে উঠতেন। শ্রমিক শ্রেণির প্রতি তার আনুগত্য ছিল সীমাহীন। ১৯০৭ থেকে ১৯১৫ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ আট বছর তিনি অর্থের অভাব এবং আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর অসম বিকাশের সাথে লড়াই করেছেন, যার শক্তিকে তিনি কখনোই বাড়িয়ে বলতেন না।
*আমাদের সময়ের শ্রেষ্ঠ নারী আন্দোলনকারী ছিলেন মাদার জোন্স। গ্রেপ্তার, নির্বাসন, মিলিশিয়াদের হাতে বন্দি হওয়া এবং পুলিশ ও বন্দুকধারীদের দ্বারা তাড়া ও হুমকির শিকার হওয়া সত্ত্বেও তিনি দীর্ঘ ৬০ বছর নির্ভীকভাবে কাজ করে গেছেন। ১৯০৮ সালের গ্রীষ্মে ব্রঙ্কসের একটি উন্মুক্ত সভায় আমি তাকে প্রথম দেখি। তিনি শহরের মানুষদের কঠোর সমালোচনা করছিলেন। আমরা কেন পশ্চিমের খনি শ্রমিকদের সাহায্য করছি না? আমরা কেন ডিয়াজের বিরুদ্ধে মেক্সিকোর জনগণকে সমর্থন দিচ্ছি না? তিনি বলেছিলেন, আমরা হলাম "সাদা কলিজার খরগোশ যারা কখনও মাটির ওপর পা রাখিনি।" পশ্চিমের খনি শ্রমিকদের ধর্মঘটের সময় ফেডারেল সৈন্যরা তাদের যেভাবে পশুর মতো খাঁচায় আটকে রেখেছিল এবং সেখানে যে রক্তপাত ও কষ্ট হয়েছিল, তার বর্ণনা তিনি এত জীবন্তভাবে দিয়েছিলেন যে, অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকায় মাথা ঝিমঝিম করে আমি মূর্ছা গিয়েছিলাম। তিনি তার অগ্নিঝরা ভাষণের মাঝপথে থেমে গিয়ে বলেছিলেন, "গরিব বাচ্চাটাকে একটু জল দাও!" এরপর তিনি আবার তার ভাষণ চালিয়ে যান। আমি খুব লজ্জিত হয়েছিলাম।
*পরের শীতকালে শিকাগোর হুল হাউসে রুডেউইটজ কমিটির একটি সভায় আমি মাদার জোন্সকে আবার দেখি, যেখানে আমি আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর ৮৫ নম্বর শাখা থেকে প্রতিনিধি হিসেবে গিয়েছিলাম। "ধর্মীয় হত্যা"-র জঘন্য অজুহাতে একজন তরুণ ইহুদি শ্রমিককে দেশান্তরের বিরুদ্ধে তার উত্তপ্ত, রাগান্বিত ও অবজ্ঞাপূর্ণ কথাগুলো আমি শুনেছিলাম। (জেন অ্যাডামস এবং অন্যরা সাহসিকতাপূর্ণ পক্ষ সমর্থনের মাধ্যমে তাকে নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচিয়েছিলেন)। মাদার জোন্স একটি পুরনো ধাঁচের কালো রেশমি পোশাক পরেছিলেন, যার গলায় লেস লাগানো ছিল এবং সাথে ছিল একটি লম্বা ঝুলের স্কার্ট ও ফুলে সাজানো ছোট একটি টুপি। তিনি সারা জীবনে তার পোশাকের ধরন পরিবর্তন করেননি। তাকে দেখতে হুইসলারের আঁকা মায়ের ছবির মতো মনে হতে পারে, কিন্তু এই বৃদ্ধা নারীটি মোটেও শান্ত বা স্থির ছিলেন না; যেখানেই যেতেন সেখানেই নির্ভীক আন্দোলনের বার্তা ছড়াতেন... তাকে হোটেল থেকে বের করে দেওয়া হতো। কোম্পানি শাসিত শহরগুলোতে যেসব পরিবার তাকে আশ্রয় দিত, তাদের উচ্ছেদ করা হতো। হলরুম বন্ধ করে দিলে তিনি খোলা মাঠে ভাষণ দিতেন। পশ্চিম ভার্জিনিয়ায় নদীর ওপারে খনি শ্রমিকদের সংগঠিত করার জন্য তিনি কেলি ক্রিক নদীর জল ভেঙে হেঁটে গিয়েছিলেন। একটি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করার দায়ে অভিযুক্ত হয়ে তিনি বিচারককে "দালাল" বলে ডাকেন এবং সেটি তাকে প্রমাণ করে দেখান। তিনি দালালদের তাড়ানোর জন্য ঝাড়ু, লাঠি আর থালাবাসন নিয়ে "নারীবাহিনী" গঠন করেছিলেন। "ঈশ্বর! ওই বুড়ি মা তার পাগলাটে নারীদের নিয়ে আসছে!"—মালিকরা যন্ত্রণায় ককিয়ে উঠত। পেনসিলভানিয়ার গ্রিনসবার্গে যখন একদল পিকেটিং করা নারীকে তাদের শিশুদেরসহ গ্রেপ্তার করে ৩০ দিনের সাজা দেওয়া হয়, তখন তিনি তাদের পরামর্শ দেন: "সারা রাত বাচ্চাদের গান শোনাও!" মাত্র কয়েক দিনের মাথায় সেই গান শুনে অতিষ্ঠ হয়ে অনিদ্রায় ভোগা শহরবাসীকে স্বস্তি দিতে পুলিশ তাদের জেল থেকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়। এক সংসদীয় শুনানিতে তাকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল: "আপনার বাড়ি কোথায়?" তিনি উত্তর দিয়েছিলেন: "কখনও আমি ওয়াশিংটনে, কখনও পেনসিলভানিয়া, অ্যারিজোনা, টেক্সাস, অ্যালাবামা, কলোরাডো বা মিনেসোটায়। আমার ঠিকানা আমার জুতোর মতো। এটি আমার সাথেই ঘোরে। যেখানে অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই হয়, সেখানেই আমি থাকি।" ১৯০৩ সালে তিনি পেনসিলভানিয়ার কেনসিংটন এলাকার টেক্সটাইল মিলের একদল শিশু শ্রমিককে নিয়ে নিউ ইয়র্কের লং আইল্যান্ডের অয়েস্টার বে-তে গিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট থিওডোর রুজভেল্টকে শিশু শ্রমের প্রমাণ দিয়ে মোকাবিলা করতে। কলোরাডোতে ১৯১৪ সালের লাডলো হত্যাকাণ্ডের পর তিনি গভর্নরের অফিস পর্যন্ত একটি প্রতিবাদ মিছিলের নেতৃত্ব দেন। পশ্চিম ভার্জিনিয়ায় তিনি বারবার বিভিন্ন গভর্নরের সাথে দেখা করতে প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং তার ভাষায় তাদের "উচিত শিক্ষা" দিয়েছেন... যখন তিনি খুব বৃদ্ধা হয়েছিলেন, তখন তিনি সাধারণ কর্মীদের সেইসব নেতাদের সম্পর্কে সতর্ক করেছিলেন যারা শ্রমিকের স্বার্থের চেয়ে নিজেদের স্বার্থকে বড় করে দেখে। মৃত্যু পর্যন্ত তিনি তার একটি মহান বিশ্বাস অটলভাবে ধরে রেখেছিলেন: "ভবিষ্যৎ শ্রমিকের শক্তিশালী ও অমসৃণ হাতের মুঠোয়!"... শুরুর দিনগুলোতে নিউ ইয়র্ক এবং শিকাগোতে প্রথম যখন তাকে দেখি, তিনি আমাকে অনেক অনুপ্রাণিত করেছিলেন, যদিও সত্যি বলতে আমি তার তিক্ষ্ণ কথাকে ভয় পেতাম। কিন্তু যখন আমি তাকে ব্রঙ্কসের সেই সভার কথা মনে করিয়ে দিয়ে বললাম যে আমি আমার সন্তানকে হারিয়েছি, তখন তিনি অত্যন্ত সহানুভূতিশীল ও দয়ালু আচরণ করেছিলেন। তার কঠোরতা কেবল মালিক, দালাল এবং অসৎ শ্রমিক নেতাদের জন্য বরাদ্দ ছিল।
*যুদ্ধ ঘোষণার পর সারা দেশে উন্মাদনা এবং গণ-সহিংসতার এক জোয়ার বয়ে যায়। আমেরিকার বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠ সাধারণ মানুষ এর সাথে যুক্ত না থাকলেও তারা উত্তরোত্তর আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। সরকারি জায়গাগুলোতে নোটিশ লাগিয়ে দেওয়া হয়েছিল: "আইন মেনে চলো এবং নিজের মুখ বন্ধ রাখো!" যার নিচে অ্যাটর্নি জেনারেল গ্রেগরির সই ছিল। এই গণ-সহিংসতার শিকার হয়েছিল বিভিন্ন স্তরের মানুষ—খ্রিস্টান ধর্মযাজক, কৃষ্ণাঙ্গ ও শ্বেতাঙ্গ শান্তিপ্রয়াসী মানুষ, সমাজতন্ত্রী, আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. কর্মী, নন-পার্টিজান লিগের সদস্য যারা মধ্য-পশ্চিমের কৃষকদের মধ্যে শক্তিশালী ছিল, আয়ারল্যান্ডের স্বাধীনতার বন্ধু এবং আরও অনেকে। যুদ্ধের বিরুদ্ধে, সেনাবাহিনীতে নিয়োগ বা বন্ড বিক্রির বিষয়ে আকস্মিক মন্তব্য করার অপরাধে অনেক নারী ও পুরুষকে আলকাতরা এবং পালক মাখিয়ে অপমান করা হতো, কখনও অচেতন হওয়া পর্যন্ত মারধর করা হতো, জোর করে পতাকায় চুমু খাওয়ানো হতো, শহর থেকে বের করে দেওয়া হতো, জোর করে বন্ড কিনতে বাধ্য করা হতো এবং এমনকি পিটিয়ে মারার হুমকি দেওয়া হতো।
*গণ-সহিংসতার এই মনোভাব আমাদের দেশের অন্যতম বিপজ্জনক এবং লজ্জাজনক বহিঃপ্রকাশ ছিল, যার সবকিছুই করা হয়েছিল বিশ্বকে "গণতন্ত্রের জন্য নিরাপদ" করার নামে।
*কেট রিচার্ডস ও’হারে, যাকে আমি বর্ণনা করেছি, তিনি ছিলেন একজন বিশিষ্ট এবং অত্যন্ত কার্যকর সমাজতন্ত্রী বক্তা।
*পরবর্তীতে তার রাজনৈতিক ত্রুটি যা-ই থাকুক না কেন, প্রগতিশীল নারীরা সেই সময়ে তার জন্য খুব গর্ববোধ করতেন।
** ১৯১৭ সালের দিকে জিনেট র্যাঙ্কিন সম্পর্কে
*আমি একজন নিবেদিতপ্রাণ আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. কর্মী ছিলাম, কিন্তু ওয়ার্কার্স ডিফেন্স ইউনিয়নে আমার কর্মকাণ্ড আমাকে সমাজতন্ত্রী, নৈরাজ্যবাদী, ট্রেড ইউনিয়নবাদী, কমিউনিস্ট, ভোটাধিকার কর্মী, শান্তিবাদী, উদারপন্থী, ইন্ডিয়ান, আইরিশ জাতীয়তাবাদী এবং সোভিয়েত ও আইরিশ প্রজাতন্ত্রের সরকারি প্রতিনিধিদের সংস্পর্শে নিয়ে এসেছিল।
*ইতালীয় আন্দোলনে—নৈরাজ্যবাদী বা সমাজতন্ত্রী কোনো পক্ষেই—নারীরা কার্যত ছিল না। কার্লোর সাথে আমি যে বাড়িতেই যেতাম, দেখতাম নারীরা সবসময় পর্দার আড়ালে রান্নাঘরে ব্যস্ত থাকত এবং এমনকি পুরুষদের সাথে খেতে বসার সুযোগও তাদের খুব কমই হতো।
*উড্রো উইলসন একজন "উদারপন্থী" হিসেবে সমস্ত বিষয়ে অনর্গল ও সাবলীলভাবে কথা বলতেন, কিন্তু তার দুঃখজনক কাজগুলো তার কথার সম্পূর্ণ বিপরীত ছিল। "আত্মনিয়ন্ত্রণ" এবং "বিশ্বকে গণতন্ত্রের জন্য নিরাপদ করা"—এই দুটি ছিল তার সবচেয়ে দুর্বল জায়গা। শান্তি বজায় রাখা, "রাশিয়া থেকে হাত তোলো", আয়ারল্যান্ডের স্বাধীনতা, রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তি এবং শেষত কিন্তু সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ "নারীদের ভোটাধিকার"—এইসব দাবির আন্দোলনকারী ও প্রতিনিধি দলগুলো প্রতিটি মোড়ে তার মুখোমুখি হতো। তার প্রশাসন ১৯১৯-২০ সালের বিশাল ইস্পাত শ্রমিক ধর্মঘটের সম্মুখীন হয়েছিল। লিগ অফ নেশনস-এ যোগ দেওয়ার তার পরিকল্পনা সেনেট দ্বারা পরাজিত হয়। বিভিন্ন ইস্যুতে প্রতিবাদ জানিয়ে তার প্রশাসনের সদস্যরা পদত্যাগ করেছিলেন—যুদ্ধের ইস্যুতে একজন পররাষ্ট্রমন্ত্রী, ভোটাধিকারের ইস্যুতে নিউ ইয়র্ক বন্দরের একজন সংগ্রাহক; সম্ভবত এই ভোটাধিকার ইস্যুটিই তাকে সবচেয়ে বেশি বিব্রত করেছিল।
*প্রথম বিশ্বযুদ্ধ আমেরিকান নারীদের জীবনে অনেক মৌলিক পরিবর্তন এনেছিল। এটি "ভদ্রমহিলা" বা আভিজাত্যপূর্ণ নারীত্বের ধারণাটি শেষ করে দিয়েছিল। শ্রমিকের ঘাটতি ছিল প্রচুর এবং প্রশিক্ষিত কর্মীর প্রয়োজন ছিল তীব্র। ১৯১৮ সালের শেষে প্রায় ত্রিশ লক্ষ নারী খাদ্য, টেক্সটাইল এবং যুদ্ধ শিল্পে নিয়োজিত ছিলেন। যেসব পেশাকে এতদিন "পুরুষের কাজ" বলে মনে করা হতো, সেগুলো নারীদের জন্য উন্মুক্ত হয়ে গিয়েছিল। তারা রাস্তার ট্রাম বা বাসে কন্ডাক্টর হিসেবে কাজ শুরু করেছিলেন। প্রথমবারের মতো তাদের রেডিও অপারেটর হিসেবে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছিল। নারীরা সেনাবাহিনীতে মোটর কোরে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করেছিলেন এবং প্রথমবারের মতো ইউনিফর্ম পরেছিলেন। শহর থেকে আসা "কৃষক কন্যারা" ব্লুমার পরে খামারে কাজ করতে গিয়েছিল। নারীরা ত্রাণ কাজ করেছেন, যুদ্ধের বন্ড বিক্রি করেছেন, সশস্ত্র বাহিনীর জন্য ক্যান্টিন পরিচালনা করেছেন এবং নার্সিং ইউনিটে যোগ দিয়েছেন। হাজার হাজার নারী ঘর থেকে বেরিয়ে জনজীবনে প্রবেশ করেছিলেন। যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর প্রয়োজন বা পছন্দের কারণে অনেকেই এই শিল্পগুলোতে থেকে গিয়েছিলেন।
*এলিজাবেথ ক্যাডি স্ট্যান্টন এবং সুসান বি অ্যান্থনির মতো সাহসী নারীরা ছিলেন শুরুর দিকের অগ্রগামী, যারা বিদ্রূপ, গালাগালি, সহিংসতা এবং এমনকি ভোট দেওয়ার চেষ্টার জন্য গ্রেপ্তারের মুখোমুখি হয়েছিলেন। পরবর্তীতে ড. আন্না হাওয়ার্ড শ এবং ক্যারি চ্যাপম্যান ক্যাটের মতো নারীরা ন্যাশনাল আমেরিকান উইমেনস সাফ্রেজ অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, যা "নারীদের জড়তা এবং পুরুষদের বিরোধিতার" বিরুদ্ধে লড়াই করেছিল। কিন্তু ১৯১৬ সালের দিকে একটি তরুণ, সাহসী এবং আরও লড়াকু গোষ্ঠী আবির্ভূত হয়, যারা প্রতিটি অঙ্গরাজ্যে আলাদাভাবে ভোটাধিকার জেতার ধীর প্রক্রিয়ায় সন্তুষ্ট ছিল না এবং তারা সাংবিধানিক সংশোধনীর জন্য লড়াই শুরু করে। তারা ১৯১৬ সালে উইমেনস পার্টি গঠন করে, যারা কেবল সেইসব দল এবং প্রার্থীদের জন্য নারীদের ভোট সংগ্রহের পরিকল্পনা করেছিল যারা জাতীয় ভোটাধিকার সমর্থন করবে। সেই বছর একদল ধনী ভোটাধিকার কর্মী একটি বিশেষ ট্রেনের অর্থায়ন করেছিলেন এবং তাতে চড়ে প্রচার চালিয়েছিলেন। তারা রিপাবলিকান প্রার্থী চার্লস ইভান্স হিউজের পক্ষে সরাসরি প্রচার করেননি, কিন্তু তাদের স্লোগান ছিল উইলসন-বিরোধী: "উইলসনের বিরুদ্ধে ভোট দিন! তিনি আমাদের ভোটাধিকার থেকে দূরে রেখেছেন!" অনেকে ইউজিন ডেবসকেও ভোট দিয়েছিলেন, যিনি তখন কারাগারে ছিলেন।
*উইমেনস পার্টি ১৯১৭ সালের জানুয়ারি থেকে ১৯১৯ সালের ১৯ মার্চ পর্যন্ত প্রায় একটানা পিকেটিং চালিয়েছিল। তারা হোয়াইট হাউস এবং ক্যাপিটল ভবনে পিকেটিং করেছে, সামরিক কুচকাওয়াজ করেছে, উইলসন যখন ইউরোপ সফর থেকে ফিরতেন বা যখন চলে যেতেন তখন তার জন্য সংবর্ধনার আয়োজন করেছে। তারা ওয়াশিংটন, বোস্টন এবং নিউ ইয়র্কে তার পিকেটিং করেছে। কেবল আইরিশরাই আগে এই ধরনের কৌশল অবলম্বন করেছিল। পরবর্তীতে রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তির দাবিতে শিশুদের একটি প্রতিনিধি দল প্রেসিডেন্ট হার্ডিংকে পিকেটিং করেছিল। ভোটাধিকারের ব্যানারগুলো বিদেশি অতিথিদের উদ্দেশ্যে প্রদর্শন করা হতো এবং দেশে-বিদেশে প্রেসিডেন্টের দেওয়া "স্বাধীনতা" ও "গণতন্ত্র" বিষয়ক ভাষণগুলো তারা "স্বাধীনতার প্রহর" নামক পাত্রে জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ফেলত।
*একবার ভোটাধিকার অর্জিত হওয়ার পর নারীরা কেবল নারী হিসেবে ঐক্যবদ্ধ থাকেনি, বরং তাদের নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি এবং স্বার্থ অনুযায়ী বিদ্যমান রাজনৈতিক দল এবং অন্যান্য সংগঠনে বিভক্ত হয়ে গিয়েছিল। আমার বিশ্বাস, শান্তির সাধারণ লক্ষ্যটিই নারীদের আবারও ঐক্যবদ্ধ করতে পারে, কিছু ব্যতিক্রম বাদে।
*১৯২০-এর দশকে "সংযুক্ত ফ্রন্ট" শব্দটির ব্যবহারের কোনো স্মৃতি আমার নেই। এটি অনেক পরে ব্যবহারে আসে। কিন্তু তখনকার র্যাডিকাল এবং প্রগতিশীল আন্দোলনগুলো যে এই নীতিতেই চলত তা খুবই স্পষ্ট। যেসব নারী ও পুরুষ ভোটাধিকারের জন্য কথা বলতেন, তারা আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর জন্য আর্থিক সাহায্যের আবেদনেও স্বাক্ষর করতেন এবং আয়ারল্যান্ডের মুক্তি বা বন্দিদের মুক্তির প্রতিনিধি দলেও থাকতেন এবং শান্তি আন্দোলনেও সক্রিয় ছিলেন। স্বাধীনতার এক একটি মহৎ উদ্দেশ্যের মাঝে তখন কোনো কঠোর সীমারেখা ছিল না এবং আজকের মতো প্রতিশোধের ভয়ও ছিল না। মানুষ ভয় পেত না যে একটি আন্দোলনের সাথে নিজেকে যুক্ত করলে অন্য আন্দোলনটি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। আজ আমি অবাক হয়ে ভাবি যে সেই দিনগুলোতে আমার যোগাযোগ এবং বন্ধুত্ব কতটা বিস্তৃত ও বৈচিত্র্যময় ছিল।
*আমি তখনও আমার বিশ্বাসে একজন আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. ছিলাম এবং কোনো রাজনৈতিক দলে যোগ দিতে দ্বিধা করছিলাম, যদিও রুশ বিপ্লব এবং ভোটাধিকার কর্মী ও কমিউনিস্টদের সাথে মেলামেশা আমার দৃষ্টিভঙ্গিকে অনেকটা বদলে দিচ্ছিল।
*১৯১৭ সালের নভেম্বরে যখন রাশিয়ার বলশেভিক বিপ্লবের খবর সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ল, আমেরিকান শ্রমিকরা মানব ইতিহাসের এই বিশাল ঘটনার মাধ্যমে প্রথমবারের মতো ভ্লাদিমির লেনিন নামক এক মানুষের কথা জানতে পারল—যা ছিল সমাজতন্ত্রের শুরু। আমরা কিছু নতুন শব্দও শিখলাম যা অল্প সময়ের মধ্যেই ভাষার অংশ হয়ে গেল, যার মধ্যে ছিল "বলশেভিক" এবং "সোভিয়েত"। এমনকি আমাদের মধ্যে যারা বাম-সমাজতন্ত্রী এবং আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. কর্মী ছিলাম, তারাও রাশিয়ার সমাজতান্ত্রিক আন্দোলন সম্পর্কে কার্যত কিছুই জানতাম না, কেবল জারের নিষ্ঠুর ও রক্তাক্ত শাসন উৎখাত করার জন্য তাদের দীর্ঘ ও যন্ত্রণাদায়ক সংগ্রামের প্রতি আমাদের গভীর সহানুভূতি ছিল। রাতারাতি "বলশেভিক" শব্দটি প্রতিটি ঘরে পরিচিত হয়ে উঠল, এমনকি যারা জানত না যে এর অর্থ কেবল "সংখ্যাগরিষ্ঠ" এবং এটি রাশিয়ান সোশ্যাল-ডেমোক্রেটিক লেবার পার্টির একটি রাজনৈতিক বিভাজনকে নির্দেশ করে। ডেবস বলেছিলেন, "আমি আমার মাথার তালু থেকে পায়ের আঙুল পর্যন্ত একজন বলশেভিক!" মালিকরা লড়াকু শ্রমিক এবং ইউনিয়ন সংগঠকদের দিকে চিৎকার করে বলত, "অভিশপ্ত বলশেভিক!" অবশ্য সমস্ত ধর্মঘটীরাই তখন মালিকদের চোখে "বলশেভিক" ছিল।
===[http://www.sojust.net/speeches/elizabeth_flynn_memories.html "মেমোরিজ অফ দ্য ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়ার্কার্স অফ দ্য ওয়ার্ল্ড"] (৮ নভেম্বর, ১৯৬২)===
* আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. (IWW)... এগুলো হলো ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়ার্কার্স অফ দ্য ওয়ার্ল্ড-এর আদ্যক্ষর, যাকে আগে "আই ওয়ন্ট ওয়ার্ক" (আমি কাজ করব না) বলা হতো। এটি ছিল অত্যন্ত বেমানান কারণ বাস্তবে যারা এই সংগঠনের সদস্য ছিলেন তারা আমাদের দেশের সবচেয়ে মৌলিক ও কঠিন পরিশ্রমের শিল্পগুলোতে কাজ করতেন। একে বিশ্বের শ্রমিক বলাটা বেশ উচ্চাকাঙ্ক্ষী নাম ছিল কারণ আসলে এটি কখনও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সীমানা ছাড়িয়ে যায়নি। এটি মূলত পুরনো নাইটস অফ লেবার-এর ঐতিহ্য ও সাংগঠনিক রূপ ধরে রাখার আমেরিকান শ্রমিকদের ইচ্ছা থেকে তৈরি হয়েছিল।
* আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. কেবল ১৮৮০-এর দশকের অনেক ঐতিহ্যের উত্তরাধিকারী ছিল না, বরং ১৮৮০-এর দশকের সাথে যুক্ত ব্যক্তিত্বরাও আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর শুরুর দিকের সম্মেলনগুলোতে উপস্থিত ছিলেন। আপনি যদি শ্রমিক ইতিহাসের ছাত্র না হন তবে নামগুলো আপনার কাছে পরিচিত নাও হতে পারে, তবে তাদের মধ্যে ছিলেন ইউজিন ডেবস, ড্যানিয়েল ডিলিয়ন এবং মিসেস লুসি পারসন্স।
* সেখানে বাক-স্বাধীনতার অনেক লড়াই হয়েছিল... তাদের কৌশলগুলো ছিল অনেকটা আজকের ফ্রিডম রাইডারদের মতো। তারা টেলিগ্রাম পাঠাত—আর আমি বিষয়টি বুঝিয়ে বলছি, আমি কোনো প্রচারণা করছি না—তারা অনেকটা এইভাবে টেলিগ্রাম পাঠাত: "মুক্তমনা ওবলিরা, এখনই এসো, অধিকারের সনদ রক্ষা করো।" তারা ট্রেনের ওপর, নিচে, পাশে, মালবাহী বগিতে এবং এমন প্রতিটি উপায়ে আসত যেখানে ভাড়া দিতে হয় না। আক্ষরিক অর্থেই শত শত মানুষ এই এলাকাগুলোতে এসে হাজির হতো, যা কর্তৃপক্ষকে আতঙ্কিত ও স্তম্ভিত করে দিত। তারা প্ল্যাটফর্ম বা সাবান রাখার বাক্সের ওপর দাঁড়িয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের অংশবিশেষ বা অধিকারের সনদ পড়ে শোনাত... এগুলো ছিল বাক-স্বাধীনতার লড়াই যা অত্যন্ত পরিচিত এবং দেশের পশ্চিমাঞ্চলে আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর একটি বৈশিষ্ট্য ছিল।
* এ.এফ.এল. (AFL) ছিল দক্ষ শ্রমিকদের সংগঠন এবং এর গঠন, পদ্ধতি ও নীতি আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর মতো ছিল না। আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. শ্রেণি সংগ্রামে বিশ্বাস করত। তারা পুঁজি ও শ্রমের ভ্রাতৃত্বে বিশ্বাস করত না। তারা বিশ্বাস করত যে এই অসংগঠিত বিদেশি বংশোদ্ভূত গণ-উৎপাদন শ্রমিকদের একটি শিল্প ইউনিয়নে সংগঠিত করা উচিত—সবাই মিলে একটি ইউনিয়নে, ডজনখানেক বা তার বেশি সংগঠনে বিভক্ত হয়ে নয়।
* ১৯১২ সালের সেই বড় ধর্মঘট [যা রুটি ও গোলাপ ধর্মঘট নামে পরিচিত], যা আমাদের দেশের অন্যতম মহান ঐতিহাসিক সংগ্রাম, সেটি শুরু হয়েছিল রাষ্ট্রের একটি রাজনৈতিক পদক্ষেপের কারণে।
* বিল হেউড সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন যে আমাদের ইংরেজিতে কথা বলতে হবে যাতে এই মানুষগুলো তা বুঝতে পারে। তিনি আমাদের যে শিক্ষা দিয়েছিলেন তা আমি কখনও ভুলব না। তখন আমি খুব তরুণ ছিলাম, আমার বয়স ছিল ২২। তিনি বললেন, শোনো, তোমরা এই শ্রমিকদের সাথে, এই খনি শ্রমিকদের সাথে এমন ইংরেজিতে কথা বলবে যা প্রাথমিক স্কুলে পড়া তাদের সন্তানরা তাদের সাথে বলে, তবেই তারা তা বুঝতে পারবে। প্রাথমিক স্কুলের ইংরেজিতে কথা বলাটা মোটেও সহজ নয়। যাই হোক, আমরা তা শিখেছিলাম। আমার সমস্যা হলো এটি আমার অভ্যাসে গেঁথে গিয়েছিল এবং এখন যখন আমি কলেজের দর্শকদের সামনে কথা বলতে যাই, তখন নিজেকে কিছুটা অসুবিধায় মনে হয় কারণ আমি বড় বড় সব শব্দ জানি না। উইলিয়াম হেউড আমাকে ছোট ছোট এবং সহজ শব্দগুলোতেই দক্ষ করে তুলেছিলেন।
* তিনি কীভাবে কথা বলতেন তার একটি উদাহরণ দিই। আমাদের তাদের বোঝাতে হতো কেন আমরা চাই তারা এ.এফ.এল.-এ না গিয়ে আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-তে যোগ দিক। তিনি হাত উঁচিয়ে আঙুলগুলো ছড়িয়ে বলতেন, আমেরিকান ফেডারেশন অফ লেবার বা এ.এফ.এল. হলো ঠিক এইরকম, প্রতিটি আলাদা আলাদা। কিন্তু আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. হলো এইরকম, [তিনি হাতের মুঠো পাকাতেন] এবং তারা সবাই চিৎকার করে উঠত আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর জয় হোক। এভাবেই তিনি তার বক্তব্য বুঝিয়ে দিতেন।
* যখন লরেন্সের এই ধর্মঘট চলছিল, তখন লুইজিয়ানায় কাঠ শ্রমিকদের একটি বড় ধর্মঘট চলছিল, সেটিও আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর অধীনে। যদিও আমাদের সব জায়গায় ধর্মঘট ছিল এবং আমরা এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় ছুটে বেড়াচ্ছিলাম, তবুও আমি বিশেষ করে এই ঘটনাটি উল্লেখ করছি কারণ সেখানে প্রথমবারের মতো বৈষম্য ও বর্ণবাদের নিয়মগুলো ভেঙে ফেলা হয়েছিল। উইলিয়াম ডি. হেউড সেখানে ভাষণ দিতে গিয়েছিলেন এবং তিনি বলেছিলেন প্রতিটি ধর্মঘটী যেখানে খুশি বসতে পারে। আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর এই হলে কোনো বিভাজন নেই। নিগ্রো এবং শ্বেতাঙ্গ শ্রমিকরা, আমার মনে হয় আমেরিকান শ্রমিক ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সেই সামাজিক বিধিনিষেধ ভেঙে একসাথে মিলিত হয়েছিল।
* আমার দীর্ঘ শ্রমিক ইতিহাসে যদি এমন কিছু থাকে যা নিয়ে আমি সত্যিই গর্বিত, তা হলো—ফাঁসির আগে কারাগারে থাকাকালীন জো হিল আমার জন্য একটি গান লিখেছিলেন এবং আমাকে উৎসর্গ করেছিলেন, যার নাম ছিল "রেবেল গার্ল"। সেই গানটি—আমি আশা করি আপনারা এখানে কোনো একদিন সেটি গাইবেন—হয়তো এর কথা বা সুর সেরা নয়, কিন্তু এটি হৃদয় থেকে এসেছিল এবং এটি আমার কাছে অত্যন্ত মূল্যবান।
* প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ., সমাজতন্ত্রী এবং আমাদের দেশের সমস্ত প্রগতিশীলদের ওপর প্রচণ্ড আক্রমণ চালানো হয়েছিল। সেই সময় একটি শক্তিশালী শান্তি আন্দোলন ছিল। এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মতো ছিল না, যা ছিল একটি ফ্যাসিবাদ-বিরোধী যুদ্ধ।
*অন্যান্য সংগঠনের সাথে আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর সম্পর্ক কেমন ছিল সে সম্পর্কে আমার আপনাদের কিছু বলা উচিত কারণ চিত্রটি সম্ভবত এখনও খুব বেশি পরিষ্কার নয়। এটি কোনো কারুশিল্প ভিত্তিক ইউনিয়ন ছিল না; এটি ছিল একটি শিল্প ইউনিয়ন এবং এটি এ.এফ.এল.-এর ঘোর বিরোধী ছিল। এ.এফ.এল. যেসব আদর্শে বিশ্বাস করত—যেমন ন্যায্য কাজের জন্য ন্যায্য মজুরি, পুঁজি ও শ্রমের ভ্রাতৃত্ব—আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. তার কোনোটিতেই বিশ্বাস করত না। সুযোগ পেলেই মালিকের বিরুদ্ধে লড়াই করার বিষয়ে এটি খুব কঠোর ছিল। তাদের বিশ্বাস ছিল যে কোনো চুক্তি করা উচিত নয়। তারা মনে করত যতক্ষণ আপনারা সংগঠিত আছেন, ততক্ষণ আপনারা মালিককে তার প্রতিশ্রুতি পালনে বাধ্য করতে পারবেন। কিন্তু একটি চুক্তি বা কাগজের টুকরো আপনাদের হাত-পা বেঁধে ফেলে, তাই তারা কোনো চুক্তি করত না। তবে আমাদের তথাকথিত 'হোয়াইট কলার' বা দাপ্তরিক কর্মীদের প্রতি তাদের দৃষ্টিভঙ্গি ভালো ছিল না। মোটেও ভালো ছিল না কারণ তারা মনে করত এই কর্মীরা শ্রমিক শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত নয়। আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর মতে শ্রমিক হতে হলে আপনাকে ওভারঅল পোশাক পরতে হবে, পেশিবহুল হতে হবে এবং হাড়ভাঙা খাটুনি খাটতে হবে। আপনি যদি কেবল কলম পিষতেন, তবে আপনি শ্রমিক ছিলেন না। এই একই কথা শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য ছিল। অন্য কথায়, তারা ছিল একটি অত্যন্ত সংকীর্ণমনা সংগঠন। তবে তৎকালীন সময়ের শিক্ষার্থীরাও কিছুটা দায়ী ছিল কারণ শ্রম আন্দোলনের প্রতি তাদের কোনো সহানুভূতি ছিল না। প্রকৃতপক্ষে, যখন ধর্মঘট হতো তখন শ্রমিকদের জায়গায় কাজ করার জন্য সবসময় শিক্ষার্থীদের পাওয়া যেত। আমি নিউ ইয়র্ক সিটির একটি হোটেলের ধর্মঘটে এমনটা দেখেছি। যাই হোক, আমি খুব আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে এখন সময় বদলেছে।
*আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. এ.এফ.এল.-এর চেয়ে আরও একটি বিষয়ে আলাদা ছিল যে তারা সমাজতন্ত্রে বিশ্বাস করত। যদিও তারা রাজনৈতিক দল এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড বর্জন করার কারণে সোশ্যালিস্ট পার্টির থেকে ভিন্ন ছিল। তাদের এই অদ্ভুত ধারণা ছিল যে আসল লড়াই হলো শিল্পকারখানায়, অর্থাৎ উৎপাদনের জায়গায়।
*আমি যখন আপনাদের বলি যে তখন কী কী ছিল না, তখন মনে হয় আমরা যেন এক অরণ্যে বাস করতাম। তখন কোনো রেডিও ছিল না, টিভি ছিল না, সিনেমা ছিল না, আজকের মতো বিজ্ঞাপন ছিল না, কোনো প্লাস্টিক বা কৃত্রিম কাপড় ছিল না এবং কোনো বিমানও ছিল না।
*আমি ১৯১৯-২০ সালের কথা বলছি যখন জে. এডগার হুভার প্রথম আত্মপ্রকাশ করেন। তাকে এই ধরপাকড় অভিযানের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল এবং সারা দেশের সমস্ত রিপোর্ট তাকে জমা দিতে হতো। তাদের বলা হতো "জি ম্যান"। এফবিআই আরও পরে ১৯২৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। সুতরাং কোনো সরকারের পরোয়া না করেই তিনি দীর্ঘ ৩৮ বছর ধরে এই সাম্রাজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন এবং এটি আসলে কোনো সিভিল সার্ভিস বা বিচার বিভাগের নিয়ন্ত্রণে নেই।
*আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর বিরুদ্ধে ঘৃণা এতটাই তীব্র ছিল যে সংবাদপত্রের সম্পাদকীয়তে লেখা হতো, "তাদের ভোরবেলা গ্রেপ্তার করা উচিত এবং নাস্তা করার আগেই বিচার ছাড়াই গুলি করে মারা উচিত।"
*আজকের দিনে ইউনিয়নের সাথে রাজনৈতিক সহযোগী থাকা অনেক বেশি কার্যকর একটি পদ্ধতি। কিন্তু আমরা তখন সবকিছু এক পাত্রে রাখার চেষ্টা করেছিলাম এবং সেটি মোটেও কাজ করেনি। আমরা বেশ অহংকারী ছিলাম। আমরা তরুণ ছিলাম এবং মনে করতাম সবকিছুর সঠিক উত্তর কেবল আমাদের কাছেই আছে। আমরা এ.এফ.এল.-এর সাথে কাজ করতে চাইনি, সোশ্যালিস্ট পার্টির সাথে কাজ করতে চাইনি, এমনকি অন্য কারও সাথেই কাজ করতে চাইনি। স্বাভাবিকভাবেই যখন কমিউনিস্ট পার্টি এল, তারা সেটাকে একটি সত্যিকারের দল হিসেবে বিবেচনা করল কারণ সেটি পুরনো সোশ্যালিস্ট পার্টির চেয়ে অনেক বেশি বিপ্লবী ছিল। আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. রুশ বিপ্লবের ধারণার সাথে পুরোপুরি একমত ছিল না, যদিও তারা খুশি ছিল যে এটি এমন একটি বিপ্লব যা জারকে উৎখাত করেছে। তারা কেরেনস্কির পক্ষে ছিল না কিন্তু বিপ্লব সম্পর্কে তাদের কিছু আদিম ধারণা ছিল। আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর কাছে বিপ্লব মানে ছিল কারখানা, দোকান, কলকারখানা, খনি আর ফসলের মাঠ দখল করে নেওয়া এবং মালিকদের স্রেফ তাড়িয়ে দেওয়া। মালিকদের তাড়িয়ে দেওয়া মানেই ছিল বিপ্লবের শেষ।
*আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর ইতিবাচক দিক ছিল যে এটি নিশ্চিতভাবেই লড়াকু ও সাহসী ছিল, এটি সেই সময়ের জন্য উপযুক্ত ছিল এবং এটি দরিদ্রতম, সবচেয়ে একাকী ও সবচেয়ে অবহেলিতদের স্বার্থের জন্য লড়াই করেছিল—যাদের এ.এফ.এল. সংগঠিত করতে পারেনি; যেমন বিদেশি বংশোদ্ভূত শ্রমিক, নারী এবং যখন কৃষ্ণাঙ্গরা শিল্পে আসতে শুরু করল, তখন সেই কৃষ্ণাঙ্গ শ্রমিকরা।
*আমরা তখন সামাজিক নিরাপত্তা বা বেকার ভাতার মতো কোনো কিছুর কথা কখনও শুনিনি এবং ভাবিনি যে এমন কিছু হওয়া সম্ভব। এগুলো ছিল ত্রিশের দশকের লড়াইয়ের ফলাফল—আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর পতনের পরের বড় সংগ্রামের ফল। এছাড়া আমরা কখনও বেতনসহ ছুটির কথা শুনিনি। বেতনসহ ছুটি তো দূরের কথা, আমরা ছুটির কথাই শুনিনি। আজকের দিনের মতো চাকরির জ্যেষ্ঠতার কোনো ধারণা আমাদের ছিল না। শ্রমিকদের অবসরের জন্য কোনো পেনশন ছিল না। ইউনিয়নের কোনো কল্যাণ তহবিল বা স্বাস্থ্যকেন্দ্র ছিল না এবং আজকের মতো কোনো ট্রেড ইউনিয়ন স্কুলও ছিল না। এই সমস্ত সুযোগ-সুবিধা আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর পরবর্তী সময়ে গড়ে ওঠা ইউনিয়নগুলোর মাধ্যমে এসেছে।
*আজকের দিনে শ্রমিকের বিরুদ্ধে সরাসরি সহিংসতা কম কিন্তু আইনি বিধিনিষেধ অনেক বেশি। দমনমূলক আইন এবং সব ধরনের বিধিনিষেধের মাধ্যমে শ্রমিকের অধিকার হরণ করার চেষ্টা এখন অনেক বেশি হচ্ছে।
*আমরা কি উন্নতি করেছি? ওহ, আমরা অবশ্যই উন্নতি করেছি! সমস্ত অসুবিধা এবং সমস্যা সত্ত্বেও শ্রমিক আন্দোলন বিশাল উন্নতি করেছে। আজকের যুবকদের জন্য একটি নতুন ভূমিকা এবং নতুন দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে। বহু বছর আগে আমি পিটার ক্রোপোটকিনের 'আপিল টু দ্য ইয়ং' বা 'তরুণদের প্রতি আবেদন' নামক একটি পুস্তিকা পড়েছিলাম। এটি ছিল যুবকদের প্রতি এই বিশ্বকে বসবাসের উপযোগী একটি সুন্দর জায়গা হিসেবে গড়ে তোলার দায়িত্ব নেওয়ার এক চমৎকার আহ্বান। এখন আমি অনুভব করি যে আমরা আমাদের সাধ্যমতো সেরা চেষ্টা করেছি। কিন্তু সময় এমন আসে যখন আপনি জানেন যে বাধ্য হয়েই আপনাকে থামতে হয়; যদিও বলা হয় বার্ধক্য কোনো রোগ নয় কিন্তু আমি মনে করি এটি একটি রোগ। এমন এক সময় আসে যখন আপনাকে গতি কমিয়ে দিতে হয় এবং কাজ থেকে বিদায় নিতে হয়, আর যদি নতুন প্রজন্ম চায় তবে আপনার অভিজ্ঞতার সুফল তাদের কাছে পৌঁছে দিতে হয়।
== এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন সম্পর্কে উক্তি ==
* হেটেরোডক্সির সদস্য এবং ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়ার্কার্স অফ দ্য ওয়ার্ল্ড-এর প্রখ্যাত সংগঠক এবং পরবর্তীতে ইউ.এস. কমিউনিস্ট পার্টির শীর্ষস্থানীয় সদস্য এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন এই সংগঠনে তার সদস্যপদকে "এক অবিচ্ছিন্ন আনন্দের অভিজ্ঞতা" হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি আরও যোগ করেছেন, "এটি ভবিষ্যতের নারীদের এক ঝলক দেখার মতো ছিল—যারা বিশাল হৃদয়ের অধিকারী, বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে সজাগ এবং পুরনো সেই 'নারীত্ব' বর্জিত যার স্থলাভিষিক্ত হয়েছে নারীদের এক চমৎকার ভ্রাতৃত্ব।"
** [[বেটিনা আপথেকার]], ''ট্যাপেস্ট্রিস অফ লাইফ: উইমেনস ওয়ার্ক, উইমেনস কনশাসনেস, অ্যান্ড দ্য মিনিং অফ ডেইলি এক্সপেরিয়েন্স'' (১৯৮৯)
* আমার নির্জন কারাবাসের দিনগুলোতে, মার্গারেট যখন জেল সুপারকে আমাকে পড়ার সুযোগ দেওয়ার জন্য রাজি করালেন, তখন আমি গ্রন্থাগারে একা কয়েকটি সেশন কাটিয়েছিলাম। অল্প সময়ের মধ্যেই আমি পুরো জায়গাটি তন্নতন্ন করে খুঁজি এবং সামান্য আগ্রহ জাগানিয়া মাত্র কয়েকটি বই খুঁজে পাই: এডগার স্নো-এর লেখা চীনা বিপ্লবের ওপর একটি বই, ডব্লিউ. ই. বি. ডু বোইস-এর আত্মজীবনী এবং একজন আশ্চর্যজনকভাবে নিরপেক্ষ ও স্বল্প পরিচিত লেখকের লেখা সাম্যবাদের ওপর একটি বই। এই বইগুলো আবিষ্কার করার পর আমার চিন্তাভাবনা বারবার সেগুলোর রহস্যময় উপস্থিতির দিকে ফিরে যাচ্ছিল। হঠাৎ আমার মনে হলো: এগুলো সম্ভবত এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন, ক্লডিয়া জোন্স অথবা অন্য কোনো কমিউনিস্ট নেতাদের দ্বারা পড়া হয়েছিল যারা ম্যাকার্থি যুগে স্মিথ অ্যাক্টের অধীনে নিপীড়িত হয়েছিলেন। আমাকে জানানো হয়েছিল যে সেখানে থাকাকালীন আমি যদি কোনো বই পাই, তবে তা গ্রন্থাগারে দান করতে হবে—যা ছিল এক আনন্দের বিষয়, কারণ তথাকথিত সেই শিক্ষা কেন্দ্রের অবস্থা ছিল করুণ। আমি যখন সেই বইগুলোর পাতা উল্টাচ্ছিলাম, তখন আমি এই দেশের কিছু অসামান্য বীরাঙ্গনাদের ঐতিহ্য অনুসরণ করতে পেরে সম্মানিত বোধ করছিলাম: কমিউনিস্ট নারী নেতৃবৃন্দ, বিশেষ করে কৃষ্ণাঙ্গ কমিউনিস্ট ক্লডিয়া জোন্স।
** ''[[অ্যাঞ্জেলা ডেভিস]]ের আত্মজীবনী'' (১৯৭৪)
* জোসেফ ইটর এবং আর্তুরো জিওভানিত্তির গ্রেপ্তারের ফলে তৈরি হওয়া শূন্যতা তাৎক্ষণিকভাবে বিল হেউড এবং এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন পূরণ করেছিলেন। শ্রমিক সংগ্রামে হেউডের বছরের পর বছর অভিজ্ঞতা, তার দৃঢ় সংকল্প এবং বিচক্ষণতা তাকে লরেন্সের পরিস্থিতিতে এক অনন্য শক্তিতে পরিণত করেছিল। অন্যদিকে, এলিজাবেথের তারুণ্য, চার্ম এবং বাগ্মিতা খুব সহজেই সবার মন জয় করে নিয়েছিল। এই দুজনের নাম এবং খ্যাতি ধর্মঘটের জন্য দেশব্যাপী প্রচার ও সমর্থন জোগাড় করতে সাহায্য করেছিল। বছরের পর বছর আগে একটি উন্মুক্ত সভায় প্রথমবার শোনার পর থেকেই আমি এলিজাবেথকে জানতাম এবং শ্রদ্ধা করতাম। সেই সময় তার বয়স চৌদ্দ বছরের বেশি ছিল না, তার ছিল এক সুন্দর মুখাবয়ব এবং আন্তরিকতায় ভরপুর এক কণ্ঠস্বর। তিনি আমার ওপর গভীর প্রভাব ফেলেছিলেন। পরবর্তীতে আমার বক্তৃতায় তার বাবার সাথে তাকে প্রায়ই আসতে দেখতাম। কালো চুল, বড় বড় নীল চোখ এবং চমৎকার গায়ের রঙে তিনি ছিলেন এক মোহনীয় প্রতিচ্ছবি... স্পোকেনে আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর অন্যান্য সদস্যদের সাথে তিনি যে চমৎকার বাক-স্বাধীনতার লড়াই করেছিলেন এবং যে নিপীড়ন সহ্য করেছিলেন, তা এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিনকে আমার খুব কাছে নিয়ে এসেছিল। আর যখন শুনলাম যে সন্তান জন্ম দেওয়ার পর তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েছেন, তখন এই তরুণ বিদ্রোহীর জন্য আমি গভীর সহানুভূতি অনুভব করেছিলাম, যিনি সর্বহারা পটভূমি থেকে আসা প্রথম আমেরিকান নারী বিপ্লবীদের একজন। তার প্রতি আমার আগ্রহ কেবল স্পোকেন লড়াইয়ের জন্যই নয়, বরং মা হওয়ার প্রথম মাসগুলোতে এলিজাবেথের ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য তহবিল সংগ্রহে আমার প্রচেষ্টাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছিল। তিনি নিউ ইয়র্কে ফিরে আসার পর থেকে আমরা প্রায়ই সভায় এবং আরও ব্যক্তিগতভাবে একসাথে সময় কাটিয়েছি। এলিজাবেথ নৈরাজ্যবাদী ছিলেন না, তবে তিনি সোশ্যালিস্ট লেবার পার্টি থেকে আসা তার কিছু কমরেডদের মতো গোঁড়া বা বিদ্বেষীও ছিলেন না। আমাদের সার্কেলে তিনি আমাদেরই একজন হিসেবে স্বীকৃত ছিলেন এবং আমি তাকে বন্ধু হিসেবে ভালোবাসতাম।
** [[এমা গোল্ডম্যান]], ''লিভিং মাই লাইফ'' (১৯৩১)
* ফ্লিন পার্টির চেয়ারম্যান হিসেবে জিনের স্থলাভিষিক্ত হন। তিনি ছিলেন সেই পদে নির্বাচিত প্রথম নারী। তিনি ছিলেন একজন সমঝোতামূলক প্রার্থী; বেন ডেভিসও এই পদের জন্য প্রচারণা চালাচ্ছিলেন এবং কৃষ্ণাঙ্গ নেতৃত্বের একটি বড় অংশসহ পার্টির অনেক মানুষ সেই সম্ভাবনায় ভীত ছিল। লিজকে তখন সেরা বিকল্প মনে হয়েছিল। পার্টিতে এলিজাবেথের খুব ইতিবাচক খ্যাতি ছিল। ১৯৩০-এর দশকে যখন তিনি পুনরায় যোগ দেন (তিনি ১৯২০-এর দশকে সংক্ষিপ্তভাবে এবং গোপনে সদস্য ছিলেন), তখন তিনি সরাসরি শীর্ষ নেতৃত্বে চলে আসেন। পদমর্যাদায় উপরে ওঠার লড়াইয়ে অন্যান্য নারীদের যে কঠোর আচরণের প্রয়োজন হতো, তার সেটি করার প্রয়োজন পড়েনি। তিনি মানুষের প্রতি এমনভাবে আন্তরিক ছিলেন যা অধিকাংশ পার্টি নেতার মধ্যে ছিল না। আমি যখনই নিউ ইয়র্কে যেতাম, চেলসি হোটেলে তার সাথে দেখা করার চেষ্টা করতাম যেখানে তিনি থাকতেন। তার রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং জাতীয় অফিসে তার সহকর্মীদের সম্পর্কে তার তীক্ষ্ণ ও নির্ভীক মতামতের কারণে তিনি শোনার মতো একজন ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তিনি জিন ডেনিসকে পছন্দ করতেন কিন্তু ফস্টারের প্রতি সবসময় সমালোচনামূলক ছিলেন। স্পষ্টতই এই বিরোধ অনেক অনেক বছর আগের। ইউনিয়ন সংগঠক হিসেবে তার বীরত্বপূর্ণ অতীতের গ্ল্যামার তাকে মোহিত করতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত তার নিজেরও এমন সব পরিচয় ছিল যা ফস্টারের চেয়ে কোনো অংশে কম প্রভাবশালী ছিল না। তিনি পার্টির জনসম্মুখের মুখ হিসেবে এবং ওবলিদের ঐতিহাসিক অতীত, লরেন্সের "ব্রেড অ্যান্ড রোজেস" ধর্মঘট এবং স্পোকেনের বাক-স্বাধীনতা লড়াইয়ের যোগসূত্র হিসেবে খুব কার্যকর ছিলেন। বিশাল শ্রোতাদের সামনে সহজ ভাষায় কথা বলার এবং তাৎক্ষণিক সম্পর্ক তৈরি করার এক অসাধারণ ক্ষমতা তার ছিল। এটি ছিল পার্টির পুরনো দিনের আন্দোলনকারীদের একটি গুণ—ফ্লিন, ফস্টার এবং ক্ল্যারেন্স হ্যাথওয়ের মতো মানুষের মধ্যে এটি আমার প্রজন্মের চেয়ে অনেক বেশি ছিল। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে লিজের প্রতি আমার মিশ্র অনুভূতি তৈরি হয়েছিল। পার্টির সভাগুলোতে তিনি সবসময় গুস বা সোভিয়েত ইউনিয়নের কাছে অগ্রহণযোগ্য কিছু না বলার বিষয়ে খুব সতর্ক থাকতেন। তিনি আমাকে নিয়ে এবং আমার রাজনীতি আমাকে যে খারাপ পরিণতির দিকে নিয়ে যাবে তা নিয়ে চিন্তিত ছিলেন।
** [[ডরোথি রে হিলি]], ''ক্যালিফোর্নিয়া রেড: আ লাইফ ইন দ্য আমেরিকান কমিউনিস্ট পার্টি'' (১৯৯০)
* আমি এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন এবং পেটিস পেরি ও আমার সকল সহ-অভিযুক্তদের সেই বিশ্বাসে বিশ্বাসী যে, আমেরিকার শ্রমজীবী মানুষ—কৃষ্ণাঙ্গ ও শ্বেতাঙ্গ—অবশ্যই জেগে উঠবে; ভেড়ার মতো নয় বরং তাদের স্বাধীনতার প্রতি সজাগ দৃষ্টি রেখে। তারা নিশ্চিত করবে যে শান্তি জয়ী হবে এবং এই ক্ষয়িষ্ণু স্মিথ অ্যাক্ট, যা অধিকারের সনদকে লঙ্ঘন করে, তা ইতিহাসের পাতা থেকে মুছে যাবে।
** [[ক্লডিয়া জোন্স]], জবানবন্দি (জানুয়ারি ১৯৫৩)
*আমি তোমাকে দেখব সেইসব কচি অঙ্কুরিত চারার মাঝে/যারা আগাছাকে অবজ্ঞা করে—সন্দেহে কুঁকড়ে যাওয়া বার্ধক্যকে/সেইসব ব্যবহারকারীদের যারা গালিগালাজে কলুষিত করে,/সংগ্রামের মধ্য দিয়ে গড়ে তোলা সেবায় নিবেদিত এক সার্থক জীবনকে... আমি তোমাকে চিরদিন মনে রাখব/এবং কীভাবে তোমার আত্মা প্রতিধ্বনিত হয়/কারণ তোমার বিশ্বাস আগুনের শিখার মতো লাফিয়ে ওঠে/যা সবকিছুর জন্য এক মধুর লালন।
** ক্লডিয়া জোন্স, 'বিয়ন্ড কন্টেইনমেন্ট: অটোবায়োগ্রাফিক্যাল রিফ্লেকশনস, এসেস, অ্যান্ড পোয়েমস' গ্রন্থে "টু এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন" কবিতা।
*ডরোথি ডে এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিনকে (যিনি ১৯৩৭ সালে ইউ.এস. কমিউনিস্ট পার্টিতে যোগ দিয়েছিলেন) "শব্দের গভীরতম অর্থে আমার বোন" হিসেবে গণ্য করতেন। ডে লিখেছিলেন, ফ্লিন "সর্বদাই তা-ই করেছেন যা আজকাল সাধারণ মানুষদের করার জন্য তাগিদ দেওয়া হয়। তিনি দরিদ্রদের রক্ষায়, তাদের অন্যায় ও অভাব থেকে বাঁচাতে নিজের ক্ষমতার সবটুকু করার দায়িত্ব অনুভব করতেন" (লং লোনলিনেস, ১৪৫-১৪৬)।
** [[মার্গারেট সি. জোন্স]], 'হেরিটিকস অ্যান্ড হেলরাইজার্স: উইমেন কন্ট্রিবিউটরস টু দ্য মাসেস, ১৯১১-১৯১৭' (১৯৯৩)
*শ্রম আন্দোলনের ইতিহাসের আমার অন্যতম প্রিয় ব্যক্তিত্ব এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন—সেই বিখ্যাত 'রেবেল গার্ল' যাকে নিয়ে জো হিল গান গেয়েছিলেন এবং যিনি নিজের যোগ্যতায় একজন অসাধারণ ইউনিয়ন সংগঠক ছিলেন—ঊনবিংশ শতাব্দীতেই একটি অত্যন্ত সঠিক কথা বলেছিলেন। তথাকথিত রুটি-রুজির অর্থনৈতিক ইস্যুগুলোর সমান গুরুত্ব দিয়ে রাজনৈতিক ও সামাজিক ন্যায়বিচারের দাবিগুলো ধরে রাখার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে তিনি বলেছিলেন: "শ্রমিকের বিজয় আসলে কী? আমি মনে করি এটি একটি দ্বিমুখী বিষয়। পূর্ণাঙ্গ বিজয় অর্জনের জন্য শ্রমিকদের কেবল অর্থনৈতিক সুবিধাই অর্জন করলে চলবে না, তাদের মধ্যে বিপ্লবী চেতনাও থাকতে হবে। শ্রমিকদের দিনে কয়েক সেন্ট বেশি পাওয়া বা কয়েক মিনিট কম কাজ করে সেই একই মানসিকতা এবং সমাজের প্রতি একই দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কাজে ফিরে যাওয়া মানে একটি সাময়িক লাভ অর্জন করা, কোনো স্থায়ী বিজয় নয়।"
** কিম কেলি (সাংবাদিক), 'ফাইট লাইক হেল: দ্য আনটোল্ড হিস্ট্রি অফ আমেরিকান লেবার' (২০২২)
* ফ্লিনের ভাষায়, এটি ছিল "আমেরিকান শ্রম ইতিহাসের এক অতুলনীয় দিন... লরেন্সে তখন ত্রাসের রাজত্ব চলছিল যা আক্ষরিক অর্থেই আমেরিকাকে কাঁপিয়ে দিয়েছিল।"
** কিম কেলি (সাংবাদিক), 'ফাইট লাইক হেল: দ্য আনটোল্ড হিস্ট্রি অফ আমেরিকান লেবার' (২০২২)
*প্রথাগত মার্ক্সবাদী তত্ত্ব অনুযায়ী গৃহিণীদের শ্রেণি সচেতনতা ছিল একটি সমস্যাজনক বিষয়; তারা প্রায়ই আমূল সংস্কারবাদী পুরুষদের কাছে অনির্ভরযোগ্য মিত্র ছিলেন। তাদের সাধারণত কৃষক এবং বুদ্ধিজীবীদের সাথে এমন এক রক্ষণশীল গোষ্ঠী হিসেবে দেখা হতো যারা সর্বহারা পুরুষদের অগ্রযাত্রায় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। নারীদের সমঅধিকার সমস্ত মার্ক্সবাদী আন্দোলনের একটি ঘোষিত লক্ষ্য ছিল, কিন্তু নারী ইস্যুগুলোকে যেভাবে দেখা হতো, তাতে স্পষ্ট বার্তা পাওয়া যেত যে—নারীদের কাজ এই সংগ্রামের ক্ষেত্রে প্রান্তিক বা গৌণ, যদি না তারা পুরুষদের মতো করে কাজ করতে পারদর্শী হয়। প্রখ্যাত এবং উদযাপিত নারী নেত্রীরা—ডলোরেস ইবারুরি (লা পাসিওনারিয়া), মাদার ব্লুর, এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন, ক্লারা লেমলিচ—গৃহিণীদের সংগঠিত করেননি; তারা নারী কারখানা শ্রমিক, নারীদের সহযোগী সংগঠন বা পুরুষদের সংগঠিত করেছিলেন।
** [[গের্ডা লার্নার]], 'ফায়ারউইড: আ পলিটিক্যাল অটোবায়োগ্রাফি' (২০০২)
*যুদ্ধবন্দিদের জন্য আমার সফরের সময় আমি পর্যায়ক্রমে নিউ ইয়র্কে ফিরে আসতাম সংগঠনকে রিপোর্ট দিতে এবং এই কাজে এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন ও অন্যদের সাথে পরামর্শ করতে। এভাবেই আইরিশ লড়াকু পূর্বপুরুষদের সেই লড়াকু কন্যার সাথে আমার দীর্ঘ বছরের মেলামেশা শুরু হয়। ষোলো বছর বয়সেই তিনি আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-তে সক্রিয় ছিলেন এবং জো হিল তাকে নিয়ে একটি ওবলি গান লিখেছিলেন, "দ্য রেবেল গার্ল"। যদিও কমিউনিস্ট পার্টির শুরুর দিনগুলোতে তিনি আমাদের সাথে যোগ দেননি, কিন্তু তিনি আমাদের সাথে খুব ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতেন। পরিশেষে, ওরেগনের পোর্টল্যান্ডে দশ বছর অসুস্থ থাকার পর তিনি নিউ ইয়র্কে ফিরে আসেন এবং পার্টিতে যোগ দেন। আজ তিনি আমাদের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বক্তা এবং আমাদের জাতীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সম্মানিত ও প্রিয় সদস্য। এলিজাবেথের জীবনের গল্প এই দেশের অনেক মহান শ্রমিক সংগ্রামের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে। সর্বত্র শ্রমিকরা তার সুন্দর সুমধুর কণ্ঠস্বর, উজ্জ্বল উদ্দীপনা এবং বিশাল লড়াকু হৃদয়ের কথা জানে। ক্যালুমেট, পাসাইক, প্যাটারসন, লরেন্স—এই সব জায়গার পিকেট লাইন এবং মঞ্চ তাকে চেনে। আজ তার একমাত্র ছেলে ফ্রেডের আকস্মিক মৃত্যুর শোকের ভার বহন করেও তিনি এমন এক বিশ্বের জন্য লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন যেখানে মায়েদের তাদের প্রভুদের স্বার্থ রক্ষার যুদ্ধে অকারণে সন্তান হারাতে হবে না।
** [[এলা রিভ ব্লুর]], 'উই আর মেনি: অ্যান অটোবায়োগ্রাফি' (১৯৪০)
*যে নারীর প্রতি আমার গভীরতম শ্রদ্ধা ছিল, তিনি অবশ্যই এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন।
** [[এমা তেনাইউকা]], সাক্ষাৎকার (১৯৮৭)
*তিনি তার এই বিস্ময়কর রেকর্ডের সূচনা করেছিলেন পনেরো বছর বয়সে রাস্তার মোড়ে গ্রেপ্তার হওয়ার মাধ্যমে। তার বাবাও তার সাথে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। এরপর থেকে তার বাবা আর কখনও গ্রেপ্তার হননি। এটি ছিল তার জন্য কেবল শুরু। বিচারক কৌতূহলী হয়ে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, "তুমি কি ব্রডওয়েতে কথা বলে মানুষকে সমাজতন্ত্রে দীক্ষিত করার আশা করো?" তিনি বিচারকের দিকে তাকালেন এবং গম্ভীরভাবে উত্তর দিলেন, "অবশ্যই করি।" বিচারক করুণায় দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন, "মামলা খারিজ।"
** [[মেরি হিটন ভোর্স]] (১৯২৬), গের্ডা লার্নার সম্পাদিত 'দ্য ফিমেল এক্সপেরিয়েন্স: অ্যান আমেরিকান ডকুমেন্টারি' গ্রন্থে সংকলিত।
*তিনি আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-তে যোগ দিয়েছিলেন যখন সেটি তার সোনালী যুগে ছিল। আদর্শবাদে পূর্ণ এই আন্দোলন উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলকে প্লাবিত করেছিল। সব জায়গায় তাদের বাক-স্বাধীনতার লড়াই চলছিল। কর্তৃপক্ষ তাদের গ্রেপ্তার করত এবং আরও বেশি মানুষ আসত। তারা জেলখানাগুলোকে জনাকীর্ণ করে ফেলেছিল। এলিজাবেথ বলেছিলেন, "একটি শহরে জেলে এত বেশি মানুষ ছিল যে দিনের বেলা তাদের ছেড়ে দেওয়া হতো। বাইরের আমাদের তাদের খাওয়াতে হতো। প্রতি রাতে তারা আবার জেলে ফিরে যেত। অবশেষে ওবলিরা সিদ্ধান্ত নিল যে জেলের দরজা খুললেও তারা বের হবে না। দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ সেইসব ওবলিদের দেখতে আসত যারা জেল ছাড়তে রাজি ছিল না।" তার জীবনের এই অংশটি—পশ্চিমের যাযাবর শ্রমিকদের সংগঠিত করা এবং তাদের হয়ে লড়াই করা—তার জীবনের সেই অংশ যা তিনি সবচেয়ে বেশি পছন্দ করেন।
** মেরি হিটন ভোর্স (১৯২৬), গের্ডা লার্নার সম্পাদিত 'দ্য ফিমেল এক্সপেরিয়েন্স: অ্যান আমেরিকান ডকুমেন্টারি' গ্রন্থে সংকলিত।
*প্রতিরক্ষার কাজ তার কাছে নতুন কিছু ছিল না এবং ১৯১৮ সাল থেকে ইদানীংকাল পর্যন্ত তার প্রধান কাজ ছিল রাজনৈতিক বন্দিদের জেল থেকে মুক্ত করা। আর ১৯২১ সাল থেকে তিনি স্যাকো-ভানজেত্তি মামলার ওপর মনোযোগ নিবদ্ধ করেছেন। সেখানে ছিল নিরন্তর কাজ, ছিল গ্রেপ্তার এবং তার আদর্শের জন্য বন্দি হওয়া কমরেডদের নিয়ে তার নিরন্তর ব্যস্ততা। শ্রমিক আন্দোলনে তার প্রথম বিশ বছর পার করার পরও তিনি অম্লান এবং নিরুৎসাহহীন।
** মেরি হিটন ভোর্স (১৯২৬), গের্ডা লার্নার সম্পাদিত 'দ্য ফিমেল এক্সপেরিয়েন্স: অ্যান আমেরিকান ডকুমেন্টারি' গ্রন্থে সংকলিত।
*প্রগতিশীল বা আমূল সংস্কারবাদী আন্দোলনে সক্রিয় যেসব সুন্দরী নারীর সাথে আমার দেখা হয়েছে, তাদের সুন্দর স্মৃতি ছাড়া যদি মনে রাখার মতো আর কিছু না-ও থাকত, তবুও জীবন সার্থক হতো। আমি এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিনের প্রেমে পড়েছিলাম যখন একজন তরুণী হিসেবে তিনি তার স্পষ্ট ও সুমধুর কণ্ঠে হাজার হাজার মানুষকে সামাজিক বিদ্রোহের আদর্শে উদ্বুদ্ধ করেছিলেন।
** [[আর্ট ইয়াং]], 'হিজ লাইফ অ্যান্ড টাইমস' (১৯৩৯)
*বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকের সেইসব বিপ্লবীদের শক্তি ও উদ্দীপনার আঁচ পাওয়া যায় কেবল এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিনের পুলিশের রেকর্ড বা অপরাধের তালিকার দিকে তাকালে।
** [[হাওয়ার্ড জিন]], 'আ পিপলস হিস্ট্রি অফ দ্য ইউনাইটেড স্টেটস'
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:শ্রমিক নেতা]]
[[বিষয়শ্রেণী:শ্রমিক আন্দোলনকর্মী]]
[[বিষয়শ্রেণী:নারী অধিকার কর্মী]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নারী সক্রিয়কর্মী]]
[[বিষয়শ্রেণী:কমিউনিস্ট পার্টি ইউএসএ-এর সদস্য]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নারীবাদী]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আত্মজীবনীকার]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক লেখক]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লেখিকা]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমাজতন্ত্রী]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাক-স্বাধীনতা আন্দোলনকর্মী]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাম্যবাদী]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৮৯০-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৬৪-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯শ শতাব্দীতে জন্মগ্রহণকারী নারী]]
[[বিষয়শ্রেণী:নিউ হ্যাম্পশায়ারের ব্যক্তি]]
nt8buuwovkm3agkd2ifedrorvxah88e
83271
83270
2026-05-02T17:55:22Z
Tuhin
172
83271
wikitext
text/x-wiki
[[File:Elizabeth Gurley Flynn point (cropped).jpg|thumb|এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন]]
'''[[w:bn:এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন|এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন]]''' (৭ আগস্ট ১৮৯০ – ৫ সেপ্টেম্বর ১৯৬৪) ছিলেন একজন [[w:bn:শ্রমিক নেতা|শ্রমিক নেতা]], সক্রিয়কর্মী এবং [[w:bn:নারীবাদী|নারীবাদী]] যিনি [[w:bn:ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়ার্কার্স অফ দ্য ওয়ার্ল্ড|ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়ার্কার্স অফ দ্য ওয়ার্ল্ডে]] অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন। ফ্লিন [[w:bn:আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়ন|আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়নের]] একজন প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং [[নারীর অধিকার]], [[জন্ম নিয়ন্ত্রণ]] এবং [[w:bn:নারী ভোটাধিকার|নারী ভোটাধিকারের]] একজন বিশিষ্ট প্রবক্তা ছিলেন। তিনি ১৯৩৬ সালে [[w:bn:কমিউনিস্ট পার্টি ইউএসএ|কমিউনিস্ট পার্টি ইউএসএ]]-তে যোগ দেন এবং জীবনের শেষভাগে, ১৯৬১ সালে এর সভানেত্রী হন।
== উক্তি ==
===[https://speakingwhilefemale.co/jobs-flynn2/ "দ্য ওয়ার্কিং ক্লাস"] (২৯ জুন, ১৯০৯)===
* ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়ার্কার্স অফ দ্য ওয়ার্ল্ড হলো শ্রমিক সংগঠনের একটি নতুন রূপ, যা কেবল শিল্প শ্রমিক শ্রেণি এবং শুধুমাত্র সেই শ্রেণির জন্যই কাজ করে।
* এই দেশের শ্রমিক শ্রেণি এমন এক পরিস্থিতির দিকে তাকিয়ে আছে যেখানে সারা বিশ্বের চাহিদা মেটানোর মতো প্রাকৃতিক সম্পদ বিদ্যমান। তারা এমন এক শিল্প পরিস্থিতির দিকে তাকিয়ে আছে যা এমন সব যন্ত্রপাতি উদ্ভাবন করেছে যা খুব সামান্য শ্রম ব্যয়ে এই প্রাকৃতিক সম্পদগুলোকে প্রয়োজনীয় পণ্য বা বিলাসদ্রব্যে রূপান্তর করতে সক্ষম। তবুও তা সত্ত্বেও এবং যারা পরিশ্রম করে তাদের দ্বারা সম্ভব হওয়া উৎপাদনশীলতা এবং পৃথিবীর প্রাকৃতিক প্রাচুর্য সত্ত্বেও, আমাদের এই দেশে মানুষ না খেয়ে মরছে এবং পঞ্চাশ লক্ষ মানুষ বেকার। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে দশ লক্ষেরও বেশি শিশু শ্রমিক, নিউ ইয়র্ক সিটিতে সত্তর হাজার এবং শিকাগোতে পঞ্চাশ হাজার শিশু সকালে নাস্তা না খেয়ে স্কুলে যায়। আমাদের এমন এক অবস্থা যেখানে অধিকাংশ মানুষ সম্পদহীন শ্রেণি, যারা কোনো জমির মালিক নয়, যারা সেই উৎপাদনশীল যন্ত্রপাতির কোনোটিই নিয়ন্ত্রণ করে না, যারা এই স্বাধীন দেশে এবং সাহসীদের আবাসভূমিতে নিজের শ্রমশক্তি অর্থাৎ নিজের কাজ করার ক্ষমতা ছাড়া আর কিছুই নিয়ন্ত্রণ করে না।
* আজ শ্রমিক শ্রেণির কাছে কেবল এমন কিছু পরিস্থিতি রয়েছে যা তারা নিজেরা প্রতিকার করার অবস্থানে আছে। তাদের কাছে কেবল কিছু মিথ্যা পরিস্থিতি রয়েছে, যা প্রকৃতির সৃষ্টি নয় বরং মানুষের তৈরি, যা তারা নিজেরা উৎখাত করতে পারে।
* আমাদের যা কিছু আছে তা হলো কাজ করার ক্ষমতা এবং পুঁজিবাদী শ্রেণির কাছে সেই একটি পণ্যই নেই। তাদের কারখানা আছে, জমি আছে, রেলপথ আছে কিন্তু তাদের কাছে শ্রমশক্তি নেই, যা সম্পদ তৈরির আসল ক্ষমতা।
* স্যামুয়েল গম্পার্স হলো মালিকদের বন্ধু।
* আমাদের আছে শুধু আমাদের সংগঠন, সহকর্মীবৃন্দ। তাদের আছে পুঁজি, তাদের আছে সরকারের ক্ষমতা, পুঁজিবাদী শ্রেণীর সংগ্রামী গোষ্ঠী; তাদের আছে রাষ্ট্রের ক্ষমতা; তাদের আছে আন্তর্জাতিক পুঁজির ক্ষমতা — আর আমাদের আছে শুধু আমাদের সাংগঠনিক শক্তি।
==="দ্য ট্রুথ অ্যাবাউট দ্য প্যাটারসন স্ট্রাইক" (১৯১৪)===
''আউটস্পোকেন উইমেন'' (১৯৮৪) সংকলন থেকে। ক্যাপশন: "নিচের ভাষণটি ১৯১৪ সালের ৩১শে জানুয়ারি নিউ ইয়র্ক সিটির নিউ ইয়র্ক সিভিক ক্লাব ফোরামে প্রদান করা হয়েছিল। এর টাইপস্ক্রিপ্টটি মিশিগানের অ্যান আর্বারে অবস্থিত ইউনিভার্সিটি অফ মিশিগান লাইব্রেরির লাবাদি কালেকশনে সংরক্ষিত রয়েছে।"
* আমি মনে করি আমাদের অনেক সমালোচকই সেইসব মানুষ যারা ঘরে বসে বিছানায় বিশ্রাম নিচ্ছিলেন যখন আমরা ধর্মঘটের কঠিন কাজগুলো করছিলাম।
* শ্রমিকদের বিজয় আসলে কী? আমি মনে করি এটি একটি দ্বিমুখী বিষয়। একটি পূর্ণাঙ্গ বিজয় অর্জনের জন্য শ্রমিকদের অবশ্যই অর্থনৈতিক সুবিধা অর্জন করতে হবে। একই সাথে তাদের মধ্যে বৈপ্লবিক চেতনাও জাগ্রত হতে হবে। শ্রমিকরা দিনে কয়েক সেন্ট মজুরি বেশি পেল বা কয়েক মিনিট কম কাজ করল, কিন্তু সেই একই মানসিকতা নিয়ে কাজে ফিরল। সমাজের প্রতি তাদের দৃষ্টিভঙ্গি যদি একই থাকে, তবে সেটি কেবল একটি সাময়িক লাভ। এটি কোনো স্থায়ী বিজয় নয়। শ্রমিকরা যদি শ্রেণি-সচেতন চেতনা এবং একটি সংগঠিত ও দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ মনোভাব নিয়ে কাজে ফেরে, তবেই সেটি প্রকৃত জয়। এর ফলে তাৎক্ষণিক কোনো অর্থনৈতিক লাভ না হলেও ভবিষ্যতে তা অর্জনের সম্ভাবনা তৈরি হয়। অন্য কথায়, শ্রমিকের বিজয়কে অবশ্যই অর্থনৈতিক এবং বৈপ্লবিক হতে হবে। তা না হলে সেটি পূর্ণাঙ্গ হয় না।
* একটি শ্রমিক বিজয় অবশ্যই দ্বিমুখী হতে হবে, তবে যদি কেবল একটি পাওয়া সম্ভব হয় তবে অর্থনৈতিক সুবিধার চেয়ে চেতনা অর্জন করা অনেক বেশি ভালো।
* আমাদের কাজ ছিল শিক্ষিত করা এবং অনুপ্রাণিত করা। শিক্ষা কোনো তাৎক্ষণিক পরিবর্তন নয়, বরং এটি একটি প্রক্রিয়া। শ্রমিকদের সামনে দেওয়া একটি মাত্র ভাষণ তাদের সারা জীবনের সংস্কারগুলো দূর করে দেয় না। আমাদের জাতীয় বিষয়গুলো নিয়ে কুসংস্কার ছিল। বিভিন্ন পেশার মধ্যে এবং নারী-পুরুষের প্রতিযোগিতার মধ্যেও সংস্কার ছিল। আমাদের এই সবকিছুই কাটিয়ে উঠতে হয়েছিল।
* ধর্মঘটের ক্ষেত্রে উদ্দীপনা মানে হলো সেই ধর্মঘট এবং তার মাধ্যমে হওয়া শ্রেণী সংগ্রামকে তাদের ধর্মে পরিণত করা। তারা যে সামান্য কয়েক সেন্ট মজুরি বা কয়েক ঘণ্টা সময়ের জন্য লড়ছে, সেই কথাটি তাদের ভুলিয়ে দিতে হবে। তাদের মনে এই অনুভূতি জাগিয়ে তুলতে হবে যে এই ধর্মঘটে জয়ী হওয়া তাদের একটি "ধর্মীয় দায়িত্ব"। আমাদের কাজের মূলে ছিল এই দুটি বিষয়। তাদের মধ্যে সংহতি এবং শ্রেণী-সচেতনতার বোধ তৈরি করা।
* আমি বলছি না যে সহিংসতা ব্যবহার করা উচিত নয়। তবে যেখানে এর কোনো প্রয়োজন নেই, সেখানে আমাদের এটি অবলম্বন করারও কোনো কারণ নেই।
* শারীরিক সহিংসতা নাটকীয় মনে হয়। বিশেষ করে যখন আপনি এটি নিয়ে কেবল কথা বলেন কিন্তু বাস্তবে প্রয়োগ করেন না, তখন এটি বেশি নাটকীয় লাগে। তবে ধর্মঘট পরিচালনার ক্ষেত্রে প্রকৃত সহিংসতা এখন একটি সেকেলে পদ্ধতি। সমস্ত শিল্প-কারখানাকে অচল করে দেওয়ার মতো গণ-আন্দোলন অনেক বেশি আধুনিক এবং ভীতিকর পদ্ধতি। এর মানে এই নয় যে আত্মরক্ষার জন্য সহিংসতা ব্যবহার করা যাবে না। আত্মরক্ষার জন্য সহিংসতার প্রয়োজনীয়তা সবাই বিশ্বাস করে। ধর্মঘটীদের এটি আলাদা করে বলে দেওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে মূল বিষয়টি হলো ধর্মঘটে জেতার উপায় হলো নিজের হাত পকেটে রেখে কাজ করতে অস্বীকার করা।
* যদি রবিবারে আপনি সেই মানুষগুলোকে বাড়িতে থাকতে দেন, তবে তারা আগুনহীন চুলার পাশে বসে থাকবে। তারা এমন টেবিলে খেতে বসবে যেখানে খুব বেশি খাবার নেই। তারা দেখবে সন্তানদের জুতো ছিঁড়ে পাতলা হয়ে গেছে এবং তাদের পোশাকগুলোও জীর্ণ হয়ে যাচ্ছে। তখন তারা কেবল "নিজের" কথা ভাবতে শুরু করবে। এতে তাদের মধ্যে থাকা গণ-চেতনা হারিয়ে যাবে এবং সবাই যে তাদের মতোই কষ্ট পাচ্ছে সেই উপলব্ধি তারা হারাবে। সপ্তাহের প্রতিদিন এবং বিশেষ করে রবিবারে তাদের কাজে ব্যস্ত রাখতে হবে। এটি করা প্রয়োজন যাতে তাদের মনোবল শূন্যে নেমে না যায়। আমি মনে করি পাদ্রিরা রবিবারে এই কারণেই ধর্মোপদেশ দেন যাতে মানুষ সপ্তাহের বাকি দিনগুলো তাদের অবস্থা কতটা খারাপ ছিল তা ভাবার সুযোগ না পায়। যাই হোক, ধর্মঘটের সময় এটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি বিষয়।
* প্রকৃতপক্ষে প্রতিটি ধর্মঘটের এটি একটি জরুরি প্রক্রিয়া। মানুষকে সবসময় ব্যস্ত রাখা এবং তাদের সক্রিয় রাখা প্রয়োজন যাতে তারা সারিবদ্ধ লড়াইয়ের যোদ্ধা হিসেবে কাজ করতে পারে। আন্দোলনকারীর কাজ হলো বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রমের পরিকল্পনা করা এবং পরামর্শ দেওয়া যা পুরোপুরি ধর্মঘটের ওপর নিবদ্ধ থাকবে। এই কারণেই আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. বড় বড় জনসভা, নারী সমাবেশ এবং শিশুদের সমাবেশের আয়োজন করে। আমরা কেন বড় আকারে পিকেটিং এবং গণ-অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার আয়োজন করি তার কারণও এটিই। এই নিরবচ্ছিন্ন গণ-কার্যক্রমের মাধ্যমেই আমরা শ্রমিকদের মনে "একজনের জন্য সবাই এবং সবার জন্য একজন" এই অনুভূতি তৈরি করতে পারি। আমরা তাদের বোঝাতে সক্ষম হই যে একজনের ক্ষতি মানেই সবার ক্ষতি। আমরা তাদের এমন এক পর্যায়ে নিয়ে আসতে পারি যেখানে তারা ধর্মঘটের ভাতার চেয়ে পারস্পরিক সহায়তার ওপর বেশি ভরসা করবে। তারা জরিমানা দিতে অস্বীকার করে একসাথে শত শত মানুষ জেলে যাবে।
* এই অনবরত সক্রিয়তাই হলো একজন আন্দোলনকারীর কাজ। তাদের নতুন কী কাজ দেওয়া যায় তা ভাবতে গিয়ে আমরা অনেক রাত জেগে কাটিয়েছি। লরেন্সের কথা মনে পড়ে যখন আমাদের কেউ এক রাত ঘুমাতে পারিনি। কাজের অভাবে ধর্মঘটের উদ্দীপনা তখন কমে যাওয়ার ঝুঁকিতে ছিল। আমার মনে আছে [[বিল হেউড]] শেষ পর্যন্ত বলেছিলেন, "চলো এসেক্স স্ট্রিটে পিকেট লাইন তৈরি করি। প্রতিটি ধর্মঘটী একটি করে ছোট লাল ফিতা পরবে এবং রাস্তায় পায়চারি করে বুঝিয়ে দেবে যে ধর্মঘট ভেঙে যায়নি।" কয়েক দিন পর সেই পরামর্শ কার্যকর করা হয়। যখন তারা বাড়ি থেকে বেরিয়ে নিজেদের বিশাল সংখ্যাটি দেখল, তখন তারা নতুন শক্তি ও উদ্যম ফিরে পেল। এটি তাদের ধর্মঘটকে আরও অনেক সপ্তাহ এগিয়ে নিতে সাহায্য করেছিল।
* মানুষ কাজের মাধ্যমেই কাজ শেখে। ধর্মঘটে আমাদের কোনো সামরিক বাহিনী নেই যাকে "এটি করো" বা "ওটি করো" বললেই তারা নিখুঁতভাবে মেনে চলবে। গণতন্ত্রের মানে হলো ভুল করা এবং অনেক ভুল করা। তবে এর মানে অভিজ্ঞতা অর্জন করাও যাতে সেই ভুলগুলোর পুনরাবৃত্তি না হয়।
* নিয়োগকর্তারা আপনার বাহিনীর সবটুকু দেখতে পান। কিন্তু আপনি তাদের বাহিনীর কিছুই দেখতে পান না এবং কেবল তাদের অবস্থা অনুমান করতে পারেন।
===[https://www.marxists.org/subject/women/authors/flynn/1916/patriotism.htm "ডু ইউ বিলিভ ইন প্যাট্রিওটিজম?"] (মার্চ, ১৯১৬)===
'দ্য মাসেস' পত্রিকায় প্রকাশিত।
* প্রশ্নটি কি এমন হওয়া উচিত 'আমেরিকা আগে' নাকি 'দুনিয়ার মজদুর, এক হও!'
* যাদের এই দেশ আছে, যারা যুদ্ধের প্রস্তুতির জন্য চিৎকার করছে এবং তা থেকে মুনাফা লুটছে, তাদের নিজেদের সম্পদ রক্ষার জন্য তাদেরকেই লড়তে দাও।
* আমি রাজা বা কাইজারের শাসনের মতো [[রকফেলার]] এবং [[মরগান|মরগানের]] শাসনকেও ঘৃণা করি। বেলজিয়ামের ঘটনায় আমি যতটা ক্ষুব্ধ, লুডলো এবং ক্যালুমেটের ঘটনায় আমি ততটাই লজ্জিত ও ক্ষুব্ধ।
* আমাদের শ্রমিকদের অধিকাংশ হলো বিদেশি, যারা এক বা দুই প্রজন্ম আগে এখানে এসেছে। তাদের ইউরোপীয় পারিবারিক টান এবং আমেরিকান পরিবেশের কারণে এই বৈচিত্র্যময় জনগোষ্ঠীর জন্য আন্তর্জাতিকতাবাদই যৌক্তিক দেশপ্রেম হয়ে ওঠে।
* যে ট্রেনে বসে আমি এই লেখাটি লিখছি, সেটি এমন সব কারখানার পাশ দিয়ে দ্রুত বেগে ছুটে চলেছে যেখানে সোনার বিনিময়ে হত্যার সরঞ্জাম তৈরি করা হয়।
===[https://www.marxists.org/subject/women/authors/flynn/1941/mayday.htm "মে ফার্স্ট: দ্য সান অফ টুমরো"] (৬ মে, ১৯৪১)===
* এটি জাতি, ধর্ম, বর্ণ এবং জাতীয়তার সমস্ত পার্থক্যকে মুছে দেয়। এটি সর্বত্র সকল শ্রমিকের ভ্রাতৃত্বকে উদযাপন করে। এটি সমস্ত জাতীয় সীমানা অতিক্রম করে, সমস্ত ভাষার বাধা পেরিয়ে যায়, সমস্ত ধর্মীয় বিভেদকে উপেক্ষা করে। এটি সারা বিশ্বে সমস্ত শ্রমিক এবং সমস্ত শোষণকারীদের মধ্যে অলঙ্ঘনীয় ফাটলকে স্পষ্ট করে তোলে। এটি সেই দিন যখন শ্রেণি সংগ্রামের লড়াকু তাৎপর্য প্রতিটি সচেতন শ্রমিকের মাধ্যমে পুনরায় নিশ্চিত হয়।
* জ্ঞানদীপ্ত শ্রমিকের কাছে এই দিনটি একটি নতুন বিশ্ব, একটি শ্রেণিহীন বিশ্ব, একটি শান্তিপূর্ণ বিশ্ব, দারিদ্র্য বা দুঃখহীন বিশ্বের পূর্বাভাস। এটি সমাজতন্ত্রের এক উজ্জ্বল প্রতিশ্রুতি, মানবজাতির প্রকৃত ভ্রাতৃত্ব। ১৯৪১ সালের এই দিনে লেনিনের সেই বিজ্ঞ বাণী; “জীবন নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করবেই। কমিউনিস্টদের অবশ্যই জানতে হবে যে ভবিষ্যৎ তাদেরই,” ব্রাউডার এবং থেলম্যান ও আরও অসংখ্য মানুষের একাকী জেলখানাকে আলোকিত করবে। কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পগুলোতে বিপ্লবী গানের মৃদু সুর শোনা যাবে। সমুদ্রে, সামরিক ব্যারাকে, কারখানা বা কলের জবরদস্তিমূলক শ্রমে নিযুক্ত শ্রমিকদের হৃদস্পন্দন তাদের সাথে মিলে যাবে যারা বহুদূরে মস্কোর রেড স্কয়ারে উত্তাল সংগীতের তালে লাল পতাকার পেছনে আনন্দভরে প্যারেড করছে। ইউরোপের পরিখায় থাকা সৈনিকরা, ফ্রাঙ্কোর অন্ধকূপের বন্দিরা, হিটলারের নরককুণ্ডের এবং মুসোলিনির কারাগারের বন্দিরা দাঁতে দাঁত চেপে বিড়বিড় করে বলবে; “তোমাদের দিন ফুরিয়ে আসছে। তোমরা জনগণের চূড়ান্ত বিজয় রুখতে পারবে না!”
* মে দিবস আমেরিকান শ্রমিকদের রক্তে দীক্ষিত হয়েছিল।
* ফাঁসির দড়ি গলায় শক্ত হওয়ার সময় [[আলবার্ট পারসন্স|পারসন্স]] চিৎকার করে বলেছিলেন, "জনগণের কণ্ঠস্বর শুনতে দাও!" গতকালের বীর শহিদ, মে দিবসে এই কণ্ঠস্বর শোনা গেছে এবং সবসময় শোনা যাবে! এই বছর শিকাগোর ইন্টারন্যাশনাল হারভেস্টার ওয়ার্কসের নবসংগঠিত বিজয়ী ধর্মঘটীরা মে মাসের এক তারিখে তোমাদের নামকে পবিত্র করবে।
* জার্মানির সাহসী সমাজতন্ত্রী নারী [[রোজা লুক্সেমবার্গ]], যাকে পরে সামরিকবাদীরা নির্মমভাবে হত্যা করেছিল, ১৯১৩ সালে বিশ্বযুদ্ধের বিরুদ্ধে সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন। তিনি মে দিবসকে শান্তি ও সমাজতন্ত্রের জন্য এক শক্তিশালী গণবিক্ষোভে পরিণত করার আহ্বান জানিয়েছিলেন। “দুনিয়ার মজদুর, এক হও!” মে দিবসে এটিই ছিল জোরালো দাবি। প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে চাপ দেওয়া হয়েছিল এবং প্রতিটি দেশে ও আন্তর্জাতিকভাবে আরও বেশি লড়াকু স্লোগান তোলা হয়েছিল।
* কেবল শ্রমিকদের জন্যই আন্তর্জাতিকতাবাদী হওয়া নিষিদ্ধ। [[জে. পি. মরগান]] এবং [[হেনরি ফোর্ড]], ব্যাংকার, অস্ত্র ব্যবসায়ী গোষ্ঠী, রাসায়নিক কোম্পানিগুলোর জন্য এটি একদম ঠিক আছে। বিজ্ঞানী, ডাকটিকিট সংগ্রাহক, অ্যাথলেটিক অ্যাসোসিয়েশন, সংগীতশিল্পী, আধ্যাত্মবাদী, মৌমাছি পালনকারীদের জন্য আন্তর্জাতিকতাবাদী হওয়া ঠিক আছে—কিন্তু শ্রমিকদের জন্য নয়। কেবল শ্রমিকরা যখন সীমানা পেরিয়ে একে অপরের হাত ধরে, তখনই প্রতিটি দেশে তাদের ওপর আঘাত হানা হয়। নৃবিজ্ঞানীরা জটিল ভাষায় বলতে পারেন, “কেবল একটিই জাতি আছে—মানবজাতি!” কিন্তু একজন শ্রমিক যদি বলে, “ভাই, সহকর্মী শ্রমিক, কমরেড”—তবেই নরক ভেঙে পড়ে। তাকে যেখান থেকে এসেছে সেখানে ফেরত পাঠানো উচিত! তার নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া উচিত; তার চাকরি হারানো উচিত; তাকে জেলে পাঠানো উচিত! যদি খ্রিস্টের মতো কোনো কণ্ঠস্বর তাদের চ্যালেঞ্জ করে বলে: “তোমার প্রতিবেশীকে নিজের মতো ভালোবাসার বিষয়টি কী হবে?” তবে টেক্সাসের সেই বন্য মানুষটি চিৎকার করে উঠবে: “একথা কে বলেছে? সে একজন লাল, নাশকতামূলক কাজ করা লোক, একজন গোলযোগ সৃষ্টিকারী!” আমরা এই উন্মাদনায় বিন্দুমাত্র বিচলিত হব না। আসুন আমরা লেনিনের সেই শীতল বাক্যগুলো মনে রাখি: "বুর্জোয়ারা এভাবেই কাজ করে যেভাবে ইতিহাস কর্তৃক মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত সমস্ত শ্রেণি কাজ করেছিল।" সংহতি, বিজয় এবং আশার প্রতিটি সুন্দর মে দিবস আমাদের "দীর্ঘ মেয়াদী দৃষ্টিভঙ্গি" নেওয়ার কথা মনে করিয়ে দেয়—যা সমসাময়িক ঘটনাগুলো দেখার বলশেভিক দৃষ্টিভঙ্গি। সামনের রাস্তা হয়তো আরও বন্ধুর হতে পারে কিন্তু এটি পেছনের রাস্তার চেয়ে ছোট।
* মে দিবসে আমরা সোভিয়েত ইউনিয়নকে অভিবাদন জানাই—সমাজতন্ত্রের দেশ—শান্তি ও প্রাচুর্যের দেশ, অনাদিকাল থেকে শ্রমজীবী মানুষের মহান আদর্শ, সকল পরিশ্রমী মানুষের সমবায় রাষ্ট্র।
* যুদ্ধবাজদের চিৎকার করতে দিন; মুনাফালোভীদের উন্মাদনা চলতে দিন। মে দিবসে আমেরিকার এই লক্ষ লক্ষ শ্রমিক জবাব দেয়, “আমরা আমাদের অবস্থান থেকে নড়ব না!” হতাশ হওয়ার কিছু নেই; ক্লান্ত হওয়ার কিছু নেই—যতক্ষণ না আমরা সংগঠিত হচ্ছি এবং লড়াই করছি। যতক্ষণ আমরা আমাদের অর্জনগুলোকে লোহার মুষ্টিতে ধরে রাখছি; সামনে এগিয়ে যাচ্ছি এবং আরও বেশি আদায় করছি। যতক্ষণ আমেরিকার ছিয়াশি শতাংশ মানুষের মধ্যে রুজভেল্ট-উইলকি যুদ্ধবাজ দলের বিরুদ্ধে অটল প্রতিরোধ বজায় আছে। সংগঠিত হোন। লড়াই করুন। সামনে এগিয়ে যান—এটাই ১৯৪১ সালে আমেরিকার মে দিবসের চেতনা।
* যুদ্ধে অংশ না নেওয়ার জন্য সংগঠিত হোন এবং লড়াই করুন! আমেরিকানসহ সকল সাম্রাজ্যবাদ ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে!
* ১৯৪১ সালের পহেলা মে বিশ্বজুড়ে লক্ষ লক্ষ মানুষের হৃদয়ে, মনে এবং মুখে শান্তি ও সমাজতন্ত্রের কথা ধ্বনিত হচ্ছে। “আগামীকালের সূর্য” আমাদের ওপর আলোকিত হচ্ছে। ভবিষ্যৎ আমাদের।
=== আদালতে ভাষণ, স্মিথ অ্যাক্টের অধীনে অভিযুক্ত (১৯৫২) ===
এস. মিশেল নিক্স সম্পাদিত 'উইমেন অ্যাট দ্য পডিয়াম: মেমোরবল স্পিচেস ইন হিস্ট্রি' গ্রন্থ থেকে।
* আমি বা আমার কমরেডদের কেউই বলপ্রয়োগ ও সহিংসতার মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকারকে উৎখাত করার কোনো ষড়যন্ত্রে দোষী নই। মৌনতাকে পরাজয়বাদ হিসেবে গণ্য করা হতে পারে, কিন্তু সত্য হলো আমি আমাদের নির্দোষিতার বিষয়ে এতটাই শান্ত ও সচেতন যে, আমাকে কারারুদ্ধ করা যেতে পারে কিন্তু আমাকে সংশোধন করা, সংস্কার করা বা পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। আমার শরীরকে বন্দি করা যেতে পারে কিন্তু আমার চিন্তাভাবনা স্বাধীন ও অপ্রভাবিত থাকবে। সমগ্র মানব ইতিহাস প্রমাণ করেছে যে ধারণা বা চিন্তাকে কারাগারে বন্দি করা যায় না। সেগুলোর মোকাবিলা কেবল জনসমক্ষে আলোচনার মাধ্যমেই সম্ভব।
* পুঁজিবাদের অধীনে যে রাজনৈতিক, শিল্প এবং সামাজিক পরিস্থিতি আমাদের এই চিন্তাধারা তৈরি করেছে, তা এখনও বিদ্যমান। এগুলো আরও অসংখ্য মানুষের মনে অনুরূপ চিন্তার জন্ম দেবে এবং আমাদের মনে সেই চিন্তাগুলোকে আরও শক্তিশালী করবে। কারাগার কখনোই সেইসব সংকল্পবদ্ধ মানুষকে প্রভাবিত করতে পারেনি যারা নিজেদের আদর্শ নিয়ে বাঁচে, কাজ করে এবং প্রয়োজনে মৃত্যুবরণ করে। আমরা কমিউনিস্টরা ঠিক তেমনই মানুষ। মিথ্যা, হিস্টিরিয়া, কুসংস্কার এবং সর্বোপরি ভয়ের কুয়াশা একবার দূর হয়ে গেলে আমেরিকান জনগণের চূড়ান্ত ন্যায়বিচারের ওপর আমার বিশ্বাস আছে। নিজের দেশকে ভয়ের কবলে দেখা এক ভয়াবহ বিষয়—অপ্রয়োজনীয়, নির্বোধ ও মূর্খ ভয়; কাল্পনিক শত্রুর ভয়, আমাদের মিত্র ও বন্ধুদের ভয়; গুপ্তচরদের অভিযুক্ত আঙুলের ভয়, নিজের চাকরি বা নাগরিকত্ব বা সমাজে নিজের স্থান হারানোর ভয়। পুরো সরকারি আমলাতন্ত্র বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার অপচয় করছে, দম্ভোক্তি করছে, বড়াই করছে এবং ভয় দেখাচ্ছে; তারা মূলত ভয়ের অন্ধকারে দাঁড়িয়ে শিস দিচ্ছে এবং পুরো বিশ্বকে আমাদের দেখে ভীত করার চেষ্টা করছে।
* এক মুঠো ভীতু ধনকুবেরদের কাছ থেকেই এই সংক্রমণ ছড়িয়েছে—সেইসব ট্রাস্টের মালিকরা, যারা তাদের স্টকের কাগজের চেয়ে দেশকে কখনোই বেশি ভালোবাসেনি, যাদের দেশপ্রেম সবসময় লাভের শতাংশের ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয়, যারা কেবল তাদের দেশবাসীকে নয় বরং পুরো মানবজাতিকে শাসন করতে, শোষণ করতে এবং তাদের বিরুদ্ধে সহিংসতা চালাতে চায়। তারা কেবল তাদের সংকীর্ণ ও ভাড়াটে শাসন এবং জীবনযাত্রা বজায় রাখার জন্য বিশ্বকে পারমাণবিক যুদ্ধের রক্তসমুদ্রে ডুবিয়ে দেবে এবং তা এমন সব মানুষের ওপর চাপিয়ে দেবে যারা এর কিছুই চায় না। বিপদ যত বড়ই হোক না কেন, আমার বিশ্বাস আছে যে আমাদের দেশে ফ্যাসিবাদ কখনোই জয়ী হবে না। ১৯৩৫ সাল থেকে সেই বিপদ সম্পর্কে সতর্ক করার ক্ষেত্রে আমাদের পার্টি যে ভূমিকা পালন করেছে তার জন্য আমি গর্বিত।
* ১৮০০ সালের এলিয়েন অ্যান্ড সেডিশন ল, ষাটের দশকের ফিউজিটিভ স্লেভ ল এবং ১৯২০-এর দশকের ক্রিমিনাল সিন্ডিকালিস্ট ল-এর মতো স্মিথ অ্যাক্টও অচিরেই বাতিলের তালিকায় চলে যাবে।
* আদালত কক্ষ, মধ্যবিত্ত জুরি এবং সংবাদমাধ্যমকে ঘিরে থাকা এই কুয়াশা সাধারণ মানুষের মাঝখান থেকে সরে যাবে—যাদের সাধারণ উপস্থিতি এবং আচরণ সেইসব কঠোর রাজনৈতিক মনোনীত ব্যক্তিদের সন্তুষ্ট করতে পারে না যারা সমৃদ্ধশালীদের তোষামোদি করে।
* দমনমূলক আইন, আনুগত্যের শপথ, কংগ্রেসের তদন্ত, ডাইনি শিকার, রাজনৈতিক বিচার এবং এই জাতীয় সবকিছুর বিরুদ্ধে আমাদের দেশে একটি গণআন্দোলন প্রবল বেগে প্রেইরি বাতাসের মতো জেগে উঠছে।
* ধর্মাবতার, আমি গত শুক্রবার আপনাকে একটি প্রশ্ন করেছিলাম যা আমি এখন আবার করছি: যদি কমিউনিস্ট পার্টি অবৈধ না হয়, এর সদস্যপদ এবং নেতৃত্ব অবৈধ না হয়, যদি সমাজতন্ত্রের প্রচার অবৈধ না হয়, যদি প্রতিদিনের কর্মসূচির মাধ্যমে "সৎ কাজ" করা (সরকার যাকে বিদ্রূপ করে বলছে) অবৈধ না হয়, তবে বিবেক অনুযায়ী এখানে অবৈধ কী? আমরা কিসে অপরাধী?
* আমার এই দীর্ঘ জীবনে... আমি কখনো ভাবিনি যে আমাকে বইয়ের জন্য জেলে যেতে হবে, এবং এমনকি পুরো বইয়ের জন্য নয় বরং বইয়ের কিছু অংশ বা টুকরো উদ্ধৃতির জন্য। আর আমি যদি গত সাতচল্লিশ বছরের আমার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যাই—যেখানে আমি ইউনিয়নবাদ, গণতান্ত্রিক অধিকার, নিগ্রো জনগোষ্ঠী ও নারীদের অধিকার নিয়ে, শান্তি এবং ফ্যাসিবাদ ও যুদ্ধের বিরুদ্ধে এবং সমাজতন্ত্র নিয়ে কাজ করেছি ও কথা বলেছি—তবে তখন কী হবে, ধর্মাবতার?
* ধর্মাবতার, জরিমানার ক্ষেত্রে আমার মালিকানাধীন সমস্ত বৈষয়িক সম্পত্তি বলতে কেবল সেই বইগুলোই আছে যা আমি ষোলো বছর বয়সে টম পেইনের 'কমন সেন্স'-এর একটি কাগজ-বাঁধানো কপি কেনার পর থেকে জমিয়েছি। সেগুলো ভালো বই—কবিতা, নাটক, ইতিহাস, রাজনৈতিক অর্থনীতি, কথাসাহিত্য, দর্শন, শিল্পকলা, সংগীত, ভ্রমণ এবং সাহিত্য। সেখানে শেক্সপিয়র, শ, এমারসন, হেগেল, মার্ক টোয়েনের পাশে মার্ক্স ও এঙ্গেলস আছেন; থোরো, জেফারসন, বিয়ার্ড দম্পতি, ওয়েব দম্পতি, হুগো, হার্ডি এবং আরও অনেকের পাশে লেনিন ও স্ট্যালিন আছেন... সেই বইয়ের তাকগুলোতে বলপ্রয়োগ ও সহিংসতা আছে কিন্তু সরকার যেখানে খুঁজছে সেখানে নয়। এটি আয়ারল্যান্ডের ইতিহাসে আছে—কনেলি, ও’কেসি এবং অন্যান্যরা ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে দীর্ঘ ও রক্তাক্ত সংগ্রামের কথা বলছেন। এটি আমেরিকান শ্রমের ইতিহাসে আছে—কলোরাডো, পশ্চিম ভার্জিনিয়া, হোমস্টেড, দক্ষিণ শিকাগো এবং সান ফ্রান্সিসকোর এমবার্কাডেরোতে। এটি আমেরিকার ইতিহাসে আছে—বিপ্লব, আমেরিকান ইন্ডিয়ানদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ, গৃহযুদ্ধ, স্পেন-আমেরিকান যুদ্ধ। এটি নিগ্রো জনগণের সংগ্রামে আছে। এটি বাইবেলেও আছে—যা আমার বইয়ের তাকেই আছে, ধর্মাবতার—ইহুদি উপজাতি এবং পুরনো নবীদের বিরুদ্ধে সহিংসতা, যিশু ও তার শিষ্যদের এবং প্রাথমিক খ্রিস্টান শহিদদের বিরুদ্ধে সহিংসতা।
* বলপ্রয়োগ এবং সহিংসতা শাসক শ্রেণির কাছ থেকে আসে, সাধারণ মানুষের কাছ থেকে নয়।
===''দ্য রেবেল গার্ল: অ্যান অটোবায়োগ্রাফি, মাই ফার্স্ট লাইফ'' (১৯৫৫)===
*আমাদের শৈশবের একটি অবিস্মরণীয় ট্র্যাজেডি ছিল ১৯০৪ সালে জেনারেল স্লোকাম নামক প্রমোদ তরণীটি পুড়ে যাওয়া।
*এডওয়ার্ড বেলামি রচিত 'লুকিং ব্যাকওয়ার্ড' বইটি এই দেশে প্রথম সমাজতন্ত্রের ধারণাকে জনপ্রিয় করেছিল। এটি ছিল পুঁজিবাদের একটি তীক্ষ্ণ সমালোচনা, যা অনেক আমেরিকানের মনে দাগ কেটেছিল এবং ক্রমবর্ধমান একচেটিয়া কারবারের সেই দিনগুলোতে তারা এর সাথে একমত পোষণ করেছিল।
*পিটার ক্রোপোটকিনের দরিদ্র যুবকদের প্রতি করা আবেদন আমাকে ব্যক্তিগতভাবে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছিল, যেন তিনি ব্রঙ্কসে আমাদের সেই জরাজীর্ণ দারিদ্র্যপীড়িত ফ্ল্যাটেই আমাদের সাথে কথা বলছেন: "তোমাকে কি তোমার বাবা-মায়ের মতো আরও ত্রিশ বা চল্লিশ বছর একই ক্লান্তিকর অস্তিত্ব টেনে নিয়ে যেতে হবে? অন্যদের জন্য সুস্বাস্থ্য, জ্ঞান এবং শিল্পের সমস্ত আনন্দ নিশ্চিত করতে কি তোমাকে জীবনভর কঠোর পরিশ্রম করতে হবে এবং নিজের জন্য কেবল এক টুকরো রুটি পাবে কি না—সেই চিরন্তন উদ্বেগটুকু রেখে দিতে হবে?"
*আমার মনে পড়ে আরেকটি বইয়ের কথা, যা আমার জীবনে তাৎক্ষণিক পরিবর্তন এনেছিল—আপটন সিনক্লেয়ারের 'দ্য জঙ্গল'। এটি পড়ার পর আমি তৎক্ষণাৎ নিরামিষাশী হয়ে গিয়েছিলাম!
*সেই সময়ে (১৯০৬ সালের দিকে) আমি আরও দুটি বই পড়েছিলাম, যা আমাকে সমাজতান্ত্রিক কর্মকাণ্ডে ঝাঁপিয়ে পড়তে সাহায্য করেছিল। একটি ছিল মেরি উলস্টোনক্র্যাফট রচিত 'ভিন্ডিকেশন অফ দ্য রাইটস অফ উইমেন' এবং অন্যটি ছিল আগস্ট বেবেলের 'উইমেন অ্যান্ড সোশ্যালিজম'।
*নারীদের ইউনিয়ন গঠন করার প্রক্রিয়াটি তখন কেবল শুরু হয়েছিল, এমনকি সুচিশিল্পের মতো পেশাগুলোতেও যেখানে তাদের প্রাধান্য ছিল। সমান সুযোগ, সমান বেতন এবং সংগঠিত হওয়ার অধিকার তখন মজুরি উপার্জনকারী নারীদের জন্য অত্যন্ত জরুরি প্রয়োজন ছিল এবং দুর্ভাগ্যবশত এই দাবিগুলো আজও আমাদের মাঝে রয়ে গেছে। অনেক ইউনিয়ন নেতা, যেমন আমেরিকান ফেডারেশন অফ লেবার-এর সভাপতি স্যামুয়েল গম্পার্স, নারী শ্রমিকদের সংগঠিত হওয়ার যোগ্য বা নির্ভরযোগ্য মনে করতেন না। "তারা কেবল হাতখরচের জন্য কাজ করে"—এটিই ছিল সাধারণ অভিযোগ। একজন নারী শ্রমিক নিজেও বাইরের চাকরিকে একটি সাময়িক প্রয়োজনীয় আপদ হিসেবে দেখতেন—যা তার বাবার বাড়ি এবং স্বামীর বাড়ির মধ্যবর্তী সময়ের একটি সাময়িক ব্যবস্থা মাত্র। বাবা এবং স্বামীরা নারীদের মজুরি সংগ্রহ করত, কখনও কখনও সরাসরি কোম্পানির অফিস থেকেই। নারীদের নিজেদের উপার্জনের ওপর কোনো আইনি অধিকার ছিল না। কর্মজীবী মায়েদের বিশেষ প্রয়োজন এবং সমস্যার বিষয়ে কোনো বিবেচনা ছিল না, যদিও তাদের সংখ্যা ছিল অনেক এবং সমস্যাগুলো ছিল প্রকট। এমনকি নারীদের পোশাকও তাদের জন্য বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল—মাটি ছোঁয়া লম্বা স্কার্ট, বড় ঢিলেঢালা হাতা এবং বিশাল হ্যাট। আপনার স্কার্ট যদি জুতার ওপরের অংশ পর্যন্ত উঁচু হতো, তবে আপনাকে তখনও "একটি বালিকা" হিসেবে গণ্য করা হতো।
*নারীদের ভোটাধিকারের সংগ্রাম দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছিল এবং শক্তিশালী হচ্ছিল। এটি ১৮৪৮ সালে নিউ ইয়র্কের সেনেকা ফলসে প্রথম সমানাধিকার সম্মেলনের মাধ্যমে শুরু হয়েছিল, যার নেতৃত্বে ছিলেন এলিজাবেথ ক্যাডি স্ট্যান্টন এবং সুসান বি অ্যান্থনি এবং যেখানে মহান নিগ্রো নেতা ফ্রেডরিক ডগলাস ভাষণ দিয়েছিলেন। ভোটাধিকার কর্মীদের বিদ্রূপ করা হয়েছিল, ভিড়ের দ্বারা আক্রান্ত হতে হয়েছিল, হলরুম দিতে অস্বীকার করা হয়েছিল, ভোট দেওয়ার চেষ্টার জন্য গ্রেপ্তার করা হয়েছিল এবং পরিবার থেকে ত্যাজ্য করা হয়েছিল। ১৯০৪ সালের মধ্যে কর্মজীবী নারীদের বিভিন্ন দল, বিশেষ করে সমাজতন্ত্রী নারীরা ভোটের দাবিতে একত্রিত হতে শুরু করে। দুই বছর পর নিউ ইয়র্কের ইস্ট সাইডে এই নারীদের ভোটাধিকার আন্দোলনের উদ্যোগেই আন্তর্জাতিক নারী দিবসের জন্ম হয়। এটি সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে এবং আজ সর্বজনীনভাবে পালিত হয়, যদিও এখানে একে "একটি বিদেশি উৎসব" হিসেবে অবজ্ঞা করা হয়।
*ভোটাধিকার আন্দোলন আরও লড়াকু হয়ে উঠছিল এবং মড ম্যালনের মতো ব্যক্তিত্বরা আবির্ভূত হয়েছিলেন। তিনি ১৯০৫ সালে হারলেম ইকুয়াল রাইটস লিগ গঠন করেন। তিনি ৩,০০০ মানুষের এক সভায় থিওডোর রুজভেল্টকে থামিয়ে দিয়ে দাবি করেছিলেন যে নারী ভোটাধিকারের বিষয়ে তার অবস্থান কী। আমরা যখন ব্রডওয়েতে রাস্তার পাশে সভা করতাম, তখন তিনি সেখানে স্যান্ডউইচ ম্যানের মতো সামনে-পেছনে "নারীদের জন্য ভোট" লেখা সাইনবোর্ড নিয়ে পায়চারি করতেন এবং এর ফলে তাকে লাইব্রেরিয়ানের পদ হারাতে হয়েছিল।
*রাস্তার মোড়ে ভোটাধিকার কর্মীদের ভাষণের সময় সবসময় বলা হতো: "বাড়ি যাও এবং থালা-বাসন মাজো," অথবা তাদের বয়স নির্বিশেষে বলা হতো: "তোমার বাচ্চাদের দেখাশোনা কে করছে?" অন্যরা বলত: "কল্পনা করো একজন অন্তঃসত্ত্বা নারী অফিসের পদের জন্য লড়ছেন," অথবা "নারীরা কীভাবে জুরির দায়িত্ব পালন করবে এবং পুরুষ জুরিদের সাথে একই ঘরে বন্দি থাকবে?"
*একটি প্রচলিত ধারণা ছিল যে "নারীর কাজ" কেবল গৃহস্থালির মধ্যেই সীমাবদ্ধ। "নারীর স্থান ঘরে"—এটাই ছিল সাধারণ রব। পুরুষদের কাজ কেড়ে নেওয়ার জন্য নারীদের সবসময় অভিযুক্ত করা হতো।
*আমি তখনও বলেছিলাম এবং আজও বিশ্বাস করি যে, পুঁজিবাদী ব্যবস্থার অধীনে নারীদের পূর্ণ সুযোগ পাওয়া এবং মানুষের সমস্ত প্রচেষ্টার ক্ষেত্রে স্বাধীন ও সমান নাগরিক হওয়া সম্ভব নয়, যদিও সুসংগঠিত সংগ্রামের মাধ্যমে অনেক দাবিই আদায় করা হয়েছে।
*"বিগ" বিল হেউড জেল থেকে একজন বীর হিসেবে বেরিয়ে এসেছিলেন—যা শ্রমিক সংহতির এক উপযুক্ত প্রতীক। একজন সাংবাদিক তাকে "দেহে, মস্তিকে এবং সাহসে বিশাল" হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন। তিনি সোশ্যালিস্ট পার্টি এবং যেসব শ্রমিক সংগঠন তাকে রক্ষা করেছিল, তাদের তত্ত্বাবধানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং কানাডায় এক বিজয় সফর করেন। তিনি ছিলেন অত্যন্ত বাস্তববাদী এবং নাটকীয় বক্তা। আমার মনে পড়ে তাকে বলতে শুনেছিলাম: "আপনারা জানেন, আমি পশ্চিম থেকে আসা দুই-বন্দুকওয়ালা মানুষ," আর দর্শক যখন রুদ্ধশ্বাসে অপেক্ষা করছিল, তখন তিনি এক পকেট থেকে তার ইউনিয়ন কার্ড এবং অন্য পকেট থেকে তার সোশ্যালিস্ট কার্ড বের করে দেখালেন।
*১৯০৭ সালে ময়ার, হেউড এবং পেটিবোনকে মুক্ত করার অভিযানের সময় নিউ জার্সি অঙ্গরাজ্যের নেওয়ার্কে সোশ্যালিস্ট লেবার পার্টির আয়োজিত একটি সভায় আমাকে বক্তা হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল... এই সভাটি আমার জীবনের একটি অবিস্মরণীয় ঘটনা কারণ এখানেই আমি প্রথম জেমস কনেলির সাথে পরিচিত হই। তিনি ছিলেন আইরিশ সমাজতন্ত্রী বক্তা, লেখক এবং শ্রমিক সংগঠক, যিনি এর নয় বছর পর ১৯১৬ সালে ডাবলিনের ইস্টার উইক অভ্যুত্থানে আয়ারল্যান্ডের স্বাধীনতার জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন... তিনি ছিলেন খাটো, কিছুটা স্থূলকায়, বড় কালো গোঁফওয়ালা একজন সাধারণ চেহারার মানুষ। তার কপাল ছিল বেশ উঁচু এবং কালো বিষণ্ণ চোখ। তিনি খুব কম হাসতেন। একজন পণ্ডিত এবং চমৎকার লেখক হওয়া সত্ত্বেও, গ্লাসগোতে দীর্ঘকাল বসবাসের কারণে তার কণ্ঠস্বরে উত্তর আয়ারল্যান্ডের টান এবং স্কচ উচ্চারণের মিশ্রণ ছিল, যা আমেরিকান দর্শকদের জন্য বোঝা কিছুটা কঠিন ছিল... কনেলি আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর জন্য কাজ করতেন এবং কুপার স্কয়ারে তার একটি অফিস ছিল। তিনি ছিলেন একজন চমৎকার সংগঠক, যা জেমস লার্কিনের সাথে আইরিশ ট্রান্সপোর্ট ওয়ার্কার্সদের জন্য তার পরবর্তী কাজগুলো প্রমাণ করেছিল... তিনি গভীরভাবে অনুভব করতেন যে আয়ারল্যান্ডের জাতীয় মুক্তির সংগ্রামের প্রতি আমেরিকান সমাজতন্ত্রীরা যথেষ্ট সহানুভূতি বা বোঝাপড়া দেখায়নি। এখানকার আইরিশ শ্রমিকদের সমাজতন্ত্রীরা খুব সহজেই "প্রতিক্রিয়াশীল" হিসেবে বর্জন করত এবং আইরিশ-আমেরিকান শ্রমিকদের কাছে সমাজতন্ত্রের বার্তা পৌঁছে দেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত প্রচেষ্টা ছিল না... তিনি 'দ্য হার্প' নামে একটি মাসিক পত্রিকা প্রকাশ করতেন। সেখানে তার নিজের লেখা অনেক কবিতা প্রকাশিত হতো। কুপার ইউনিয়ন বা ইস্ট সাইডের অন্য কোনো হলের দরজায় তাকে জরাজীর্ণ পোশাকে দাঁড়িয়ে নিজের ছোট কাগজটি বিক্রি করতে দেখা যেত, যা ছিল এক করুণ দৃশ্য। যেসব সম্পদশালী আইরিশরা তার মৃত্যুর পর তার প্রতি গভীর প্রশংসা প্রকাশ করেছিল, তাদের কেউই সেই সময় তার দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়নি। জিম কনেলি তাদের কাছে অভিশপ্ত ছিলেন কারণ তিনি ছিলেন একজন "সমাজতন্ত্রী"। তার কোনো মিথ্যে অহংকার ছিল না এবং তিনি নিজে উদাহরণ সৃষ্টি করে অন্যদের ছোটখাটো কাজ করতে উৎসাহিত করতেন। রাস্তার সভাগুলোতে তিনি তাদেরই "সভার সভাপতিত্ব" করতে রাজি করাতেন যাদের কথা বলার কোনো অভিজ্ঞতা ছিল না, যাতে তারা প্রশিক্ষণ পেতে পারে। আইরিশ শ্রমিকদের কাছে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে কনেলির এক বিরল দক্ষতা ছিল, যা তার বিশাল জ্ঞান থেকে জন্ম নিয়েছিল। প্রয়োজনে তিনি সত্যকে অত্যন্ত তীক্ষ্ণ এবং জোরালোভাবে বলতেন।
*আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর আগমন ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা এবং ১৯০৫ থেকে ১৯২০-এর দশকের শুরু পর্যন্ত এটি আমেরিকান শ্রম অঙ্গনে একটি বিশাল ধূমকেতুর মতো পথ দেখিয়েছিল। এটি শ্রমিক ইতিহাসের নতুন অধ্যায় তৈরি করেছিল এবং শ্রমিক আন্দোলনে এক অমোঘ ছাপ রেখে গিয়েছিল। আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. ছিল একটি লড়াকু এবং সংগ্রামী শ্রমিক শ্রেণির ইউনিয়ন। মালিক শ্রেণি দ্রুত এটি বুঝতে পেরেছিল এবং এর জন্মের পর থেকেই লড়াই শুরু করেছিল। আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. নিজেকে দরিদ্রতম, সবচেয়ে শোষিত এবং সবচেয়ে নিপীড়িত শ্রমিকদের সমস্ত তাৎক্ষণিক প্রয়োজনের সাথে যুক্ত করেছিল। এটি তাদের অসন্তোষের "আগুনে হাওয়া" দিয়েছিল। এটি তাদের বীরত্বপূর্ণ সংগ্রামের নেতৃত্ব দিয়েছিল, যার কিছু তারা নিজেরাই সংগঠিত করেছিল। অন্য অনেক ক্ষেত্রে ধর্মঘট শুরু হওয়ার পর তারা এর নেতৃত্বে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। যিশুর বিরুদ্ধে করা সেই স্মরণীয় অভিযোগ, "সে মানুষকে উত্তেজিত করছে!" আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য ছিল। এটি পূর্বের গণ-উৎপাদন শিল্পগুলোতে অসংগঠিত ও অদক্ষ বিদেশি বংশোদ্ভূত শ্রমিকদের এবং পশ্চিমের অসংগঠিত যাযাবর শ্রমিকদের সংগঠিত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিল, যারা মূলত আমেরিকান বংশোদ্ভূত ছিল এবং নৌপরিবহন, কাঠ, কৃষি, খনি ও নির্মাণ কাজে নিয়োজিত ছিল। পূর্ব এবং দক্ষিণে এটি টেক্সটাইল, রাবার, কয়লা এবং কাঠ শিল্পের পাশাপাশি বিভিন্ন ছোট শিল্পে শ্রমিকদের কাছে পৌঁছে গিয়েছিল। যেমন, নিউ ইয়র্ক সিটিতে পোশাক, টেক্সটাইল, জুতো, চুরুট, বেত, পিয়ানো, পিতল এবং হোটেল শিল্পে আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর শাখা ছিল। পশ্চিমে কাউবয়দের জন্য আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর একটি শাখা ছিল। নেভাদার গোল্ডফিল্ড শহরের সমগ্র শ্রমিক শ্রেণিকে ১৯০৬ সালে ভিনসেন্ট সেন্ট জন আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-তে সংগঠিত করেছিলেন। এমনকি মার্কিন সেনাবাহিনীর ওয়েস্ট পয়েন্টে কর্মরত ইতালীয় শ্রমিকরাও একসময় আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-তে সংগঠিত ছিল। আমার মনে পড়ে ১৯১১ সালের দিকে আমি সেখানে তাদের সামনে ভাষণ দিয়েছিলাম। আমি ১৯০৬ সালে এতে যোগ দেই...
*আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর এই সম্মেলনে লুসি পারসন্স-এর সাথে দেখা করে আমি রোমাঞ্চিত হয়েছিলাম। তিনি ছিলেন আলবার্ট পারসন্স-এর বিধবা স্ত্রী, যাকে ২০ বছর আগে শিকাগোর কুক কাউন্টি জেলের প্রাঙ্গণে ফাঁসিতে ঝোলানো হয়েছিল। যখন তার স্বামীকে ফাঁসি দেওয়া হচ্ছিল, তখন তাকে ক্লার্ক স্ট্রিট স্টেশন হাউসে বন্দি করে রাখা হয়েছিল, যা আমাদের সেই সভার জায়গা থেকে খুব বেশি দূরে নয়... আমার মনে পড়ে মিসেস পারসন্স তরুণদের উদ্দেশ্যে আবেগপূর্ণভাবে কথা বলছিলেন এবং আমাদের সামনের দিনগুলোর সংগ্রামের গুরুত্ব সম্পর্কে সতর্ক করছিলেন, যা বিজয় আসার আগে জেল এবং মৃত্যুর দিকে নিয়ে যেতে পারে। বছরের পর বছর ধরে তিনি এক শহর থেকে অন্য শহরে ঘুরে বেড়িয়েছেন, স্থানীয় ইউনিয়নগুলোর দরজায় কড়া নেড়েছেন এবং শিকাগো বিচারের কাহিনী শুনিয়েছেন। তার স্বামী বলেছিলেন: "আমাদের নাম কলঙ্কমুক্ত করো!" এবং তিনি এটিকে তার জীবনের লক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন।
*আমি ভিনসেন্ট সেন্ট জনের চেয়ে বেশি শ্রদ্ধার পাত্র আর কোনো মানুষ দেখিনি... তাকে ডিনামাইট বিস্ফোরণকারী, বন্দুকধারী এবং একজন বিপজ্জনক আন্দোলনকারী হিসেবে গালি দেওয়া হতো; তিনি মাথার ওপর পুরস্কার নিয়ে বিভিন্ন ক্যাম্পে প্রবেশ করতেন, তার মায়ের নাম—ম্যাগি—ব্যবহার করতেন এবং প্রায়ই একা হাতে শত শত মানুষকে সংগঠিত করতেন। তিনি এই দেশের জন্ম দেওয়া সর্বশ্রেষ্ঠ শ্রমিক সংগঠকদের একজন ছিলেন... তিনি গঠনে কিছুটা খাটো এবং হালকা ছিলেন, যদিও কাঁধ ছিল চওড়া। তার চলাফেরা ছিল দ্রুত এবং ছন্দময়, তিনি ছিলেন শান্ত ও বিনয়ী, কিন্তু তার বুদ্ধিবৃত্তি ও উপস্থিত বুদ্ধি যেকোনো প্রতিপক্ষকে হার মানাতে পারত... আসল লড়াইয়ের সময় সেন্ট জনের শান্ত নীল চোখগুলো ইস্পাতের মতো কঠোর ও শীতল হয়ে উঠত। তিনি কেবল আদর্শের জন্য লড়তেন এবং তখন শ্রমিকদের শত্রুদের মতোই নির্মম হয়ে উঠতেন। শ্রমিক শ্রেণির প্রতি তার আনুগত্য ছিল সীমাহীন। ১৯০৭ থেকে ১৯১৫ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ আট বছর তিনি অর্থের অভাব এবং আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর অসম বিকাশের সাথে লড়াই করেছেন, যার শক্তিকে তিনি কখনোই বাড়িয়ে বলতেন না।
*আমাদের সময়ের শ্রেষ্ঠ নারী আন্দোলনকারী ছিলেন মাদার জোন্স। গ্রেপ্তার, নির্বাসন, মিলিশিয়াদের হাতে বন্দি হওয়া এবং পুলিশ ও বন্দুকধারীদের দ্বারা তাড়া ও হুমকির শিকার হওয়া সত্ত্বেও তিনি দীর্ঘ ৬০ বছর নির্ভীকভাবে কাজ করে গেছেন। ১৯০৮ সালের গ্রীষ্মে ব্রঙ্কসের একটি উন্মুক্ত সভায় আমি তাকে প্রথম দেখি। তিনি শহরের মানুষদের কঠোর সমালোচনা করছিলেন। আমরা কেন পশ্চিমের খনি শ্রমিকদের সাহায্য করছি না? আমরা কেন ডিয়াজের বিরুদ্ধে মেক্সিকোর জনগণকে সমর্থন দিচ্ছি না? তিনি বলেছিলেন, আমরা হলাম "সাদা কলিজার খরগোশ যারা কখনও মাটির ওপর পা রাখিনি।" পশ্চিমের খনি শ্রমিকদের ধর্মঘটের সময় ফেডারেল সৈন্যরা তাদের যেভাবে পশুর মতো খাঁচায় আটকে রেখেছিল এবং সেখানে যে রক্তপাত ও কষ্ট হয়েছিল, তার বর্ণনা তিনি এত জীবন্তভাবে দিয়েছিলেন যে, অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকায় মাথা ঝিমঝিম করে আমি মূর্ছা গিয়েছিলাম। তিনি তার অগ্নিঝরা ভাষণের মাঝপথে থেমে গিয়ে বলেছিলেন, "গরিব বাচ্চাটাকে একটু জল দাও!" এরপর তিনি আবার তার ভাষণ চালিয়ে যান। আমি খুব লজ্জিত হয়েছিলাম।
*পরের শীতকালে শিকাগোর হুল হাউসে রুডেউইটজ কমিটির একটি সভায় আমি মাদার জোন্সকে আবার দেখি, যেখানে আমি আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর ৮৫ নম্বর শাখা থেকে প্রতিনিধি হিসেবে গিয়েছিলাম। "ধর্মীয় হত্যা"-র জঘন্য অজুহাতে একজন তরুণ ইহুদি শ্রমিককে দেশান্তরের বিরুদ্ধে তার উত্তপ্ত, রাগান্বিত ও অবজ্ঞাপূর্ণ কথাগুলো আমি শুনেছিলাম। (জেন অ্যাডামস এবং অন্যরা সাহসিকতাপূর্ণ পক্ষ সমর্থনের মাধ্যমে তাকে নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচিয়েছিলেন)। মাদার জোন্স একটি পুরনো ধাঁচের কালো রেশমি পোশাক পরেছিলেন, যার গলায় লেস লাগানো ছিল এবং সাথে ছিল একটি লম্বা ঝুলের স্কার্ট ও ফুলে সাজানো ছোট একটি টুপি। তিনি সারা জীবনে তার পোশাকের ধরন পরিবর্তন করেননি। তাকে দেখতে হুইসলারের আঁকা মায়ের ছবির মতো মনে হতে পারে, কিন্তু এই বৃদ্ধা নারীটি মোটেও শান্ত বা স্থির ছিলেন না; যেখানেই যেতেন সেখানেই নির্ভীক আন্দোলনের বার্তা ছড়াতেন... তাকে হোটেল থেকে বের করে দেওয়া হতো। কোম্পানি শাসিত শহরগুলোতে যেসব পরিবার তাকে আশ্রয় দিত, তাদের উচ্ছেদ করা হতো। হলরুম বন্ধ করে দিলে তিনি খোলা মাঠে ভাষণ দিতেন। পশ্চিম ভার্জিনিয়ায় নদীর ওপারে খনি শ্রমিকদের সংগঠিত করার জন্য তিনি কেলি ক্রিক নদীর জল ভেঙে হেঁটে গিয়েছিলেন। একটি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করার দায়ে অভিযুক্ত হয়ে তিনি বিচারককে "দালাল" বলে ডাকেন এবং সেটি তাকে প্রমাণ করে দেখান। তিনি দালালদের তাড়ানোর জন্য ঝাড়ু, লাঠি আর থালাবাসন নিয়ে "নারীবাহিনী" গঠন করেছিলেন। "ঈশ্বর! ওই বুড়ি মা তার পাগলাটে নারীদের নিয়ে আসছে!"—মালিকরা যন্ত্রণায় ককিয়ে উঠত। পেনসিলভানিয়ার গ্রিনসবার্গে যখন একদল পিকেটিং করা নারীকে তাদের শিশুদেরসহ গ্রেপ্তার করে ৩০ দিনের সাজা দেওয়া হয়, তখন তিনি তাদের পরামর্শ দেন: "সারা রাত বাচ্চাদের গান শোনাও!" মাত্র কয়েক দিনের মাথায় সেই গান শুনে অতিষ্ঠ হয়ে অনিদ্রায় ভোগা শহরবাসীকে স্বস্তি দিতে পুলিশ তাদের জেল থেকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়। এক সংসদীয় শুনানিতে তাকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল: "আপনার বাড়ি কোথায়?" তিনি উত্তর দিয়েছিলেন: "কখনও আমি ওয়াশিংটনে, কখনও পেনসিলভানিয়া, অ্যারিজোনা, টেক্সাস, অ্যালাবামা, কলোরাডো বা মিনেসোটায়। আমার ঠিকানা আমার জুতোর মতো। এটি আমার সাথেই ঘোরে। যেখানে অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই হয়, সেখানেই আমি থাকি।" ১৯০৩ সালে তিনি পেনসিলভানিয়ার কেনসিংটন এলাকার টেক্সটাইল মিলের একদল শিশু শ্রমিককে নিয়ে নিউ ইয়র্কের লং আইল্যান্ডের অয়েস্টার বে-তে গিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট থিওডোর রুজভেল্টকে শিশু শ্রমের প্রমাণ দিয়ে মোকাবিলা করতে। কলোরাডোতে ১৯১৪ সালের লাডলো হত্যাকাণ্ডের পর তিনি গভর্নরের অফিস পর্যন্ত একটি প্রতিবাদ মিছিলের নেতৃত্ব দেন। পশ্চিম ভার্জিনিয়ায় তিনি বারবার বিভিন্ন গভর্নরের সাথে দেখা করতে প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং তার ভাষায় তাদের "উচিত শিক্ষা" দিয়েছেন... যখন তিনি খুব বৃদ্ধা হয়েছিলেন, তখন তিনি সাধারণ কর্মীদের সেইসব নেতাদের সম্পর্কে সতর্ক করেছিলেন যারা শ্রমিকের স্বার্থের চেয়ে নিজেদের স্বার্থকে বড় করে দেখে। মৃত্যু পর্যন্ত তিনি তার একটি মহান বিশ্বাস অটলভাবে ধরে রেখেছিলেন: "ভবিষ্যৎ শ্রমিকের শক্তিশালী ও অমসৃণ হাতের মুঠোয়!"... শুরুর দিনগুলোতে নিউ ইয়র্ক এবং শিকাগোতে প্রথম যখন তাকে দেখি, তিনি আমাকে অনেক অনুপ্রাণিত করেছিলেন, যদিও সত্যি বলতে আমি তার তিক্ষ্ণ কথাকে ভয় পেতাম। কিন্তু যখন আমি তাকে ব্রঙ্কসের সেই সভার কথা মনে করিয়ে দিয়ে বললাম যে আমি আমার সন্তানকে হারিয়েছি, তখন তিনি অত্যন্ত সহানুভূতিশীল ও দয়ালু আচরণ করেছিলেন। তার কঠোরতা কেবল মালিক, দালাল এবং অসৎ শ্রমিক নেতাদের জন্য বরাদ্দ ছিল।
*যুদ্ধ ঘোষণার পর সারা দেশে উন্মাদনা এবং গণ-সহিংসতার এক জোয়ার বয়ে যায়। আমেরিকার বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠ সাধারণ মানুষ এর সাথে যুক্ত না থাকলেও তারা উত্তরোত্তর আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। সরকারি জায়গাগুলোতে নোটিশ লাগিয়ে দেওয়া হয়েছিল: "আইন মেনে চলো এবং নিজের মুখ বন্ধ রাখো!" যার নিচে অ্যাটর্নি জেনারেল গ্রেগরির সই ছিল। এই গণ-সহিংসতার শিকার হয়েছিল বিভিন্ন স্তরের মানুষ—খ্রিস্টান ধর্মযাজক, কৃষ্ণাঙ্গ ও শ্বেতাঙ্গ শান্তিপ্রয়াসী মানুষ, সমাজতন্ত্রী, আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. কর্মী, নন-পার্টিজান লিগের সদস্য যারা মধ্য-পশ্চিমের কৃষকদের মধ্যে শক্তিশালী ছিল, আয়ারল্যান্ডের স্বাধীনতার বন্ধু এবং আরও অনেকে। যুদ্ধের বিরুদ্ধে, সেনাবাহিনীতে নিয়োগ বা বন্ড বিক্রির বিষয়ে আকস্মিক মন্তব্য করার অপরাধে অনেক নারী ও পুরুষকে আলকাতরা এবং পালক মাখিয়ে অপমান করা হতো, কখনও অচেতন হওয়া পর্যন্ত মারধর করা হতো, জোর করে পতাকায় চুমু খাওয়ানো হতো, শহর থেকে বের করে দেওয়া হতো, জোর করে বন্ড কিনতে বাধ্য করা হতো এবং এমনকি পিটিয়ে মারার হুমকি দেওয়া হতো।
*গণ-সহিংসতার এই মনোভাব আমাদের দেশের অন্যতম বিপজ্জনক এবং লজ্জাজনক বহিঃপ্রকাশ ছিল, যার সবকিছুই করা হয়েছিল বিশ্বকে "গণতন্ত্রের জন্য নিরাপদ" করার নামে।
*কেট রিচার্ডস ও’হারে, যাকে আমি বর্ণনা করেছি, তিনি ছিলেন একজন বিশিষ্ট এবং অত্যন্ত কার্যকর সমাজতন্ত্রী বক্তা।
*পরবর্তীতে তার রাজনৈতিক ত্রুটি যা-ই থাকুক না কেন, প্রগতিশীল নারীরা সেই সময়ে তার জন্য খুব গর্ববোধ করতেন।
** ১৯১৭ সালের দিকে জিনেট র্যাঙ্কিন সম্পর্কে
*আমি একজন নিবেদিতপ্রাণ আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. কর্মী ছিলাম, কিন্তু ওয়ার্কার্স ডিফেন্স ইউনিয়নে আমার কর্মকাণ্ড আমাকে সমাজতন্ত্রী, নৈরাজ্যবাদী, ট্রেড ইউনিয়নবাদী, কমিউনিস্ট, ভোটাধিকার কর্মী, শান্তিবাদী, উদারপন্থী, ইন্ডিয়ান, আইরিশ জাতীয়তাবাদী এবং সোভিয়েত ও আইরিশ প্রজাতন্ত্রের সরকারি প্রতিনিধিদের সংস্পর্শে নিয়ে এসেছিল।
*ইতালীয় আন্দোলনে—নৈরাজ্যবাদী বা সমাজতন্ত্রী কোনো পক্ষেই—নারীরা কার্যত ছিল না। কার্লোর সাথে আমি যে বাড়িতেই যেতাম, দেখতাম নারীরা সবসময় পর্দার আড়ালে রান্নাঘরে ব্যস্ত থাকত এবং এমনকি পুরুষদের সাথে খেতে বসার সুযোগও তাদের খুব কমই হতো।
*উড্রো উইলসন একজন "উদারপন্থী" হিসেবে সমস্ত বিষয়ে অনর্গল ও সাবলীলভাবে কথা বলতেন, কিন্তু তার দুঃখজনক কাজগুলো তার কথার সম্পূর্ণ বিপরীত ছিল। "আত্মনিয়ন্ত্রণ" এবং "বিশ্বকে গণতন্ত্রের জন্য নিরাপদ করা"—এই দুটি ছিল তার সবচেয়ে দুর্বল জায়গা। শান্তি বজায় রাখা, "রাশিয়া থেকে হাত তোলো", আয়ারল্যান্ডের স্বাধীনতা, রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তি এবং শেষত কিন্তু সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ "নারীদের ভোটাধিকার"—এইসব দাবির আন্দোলনকারী ও প্রতিনিধি দলগুলো প্রতিটি মোড়ে তার মুখোমুখি হতো। তার প্রশাসন ১৯১৯-২০ সালের বিশাল ইস্পাত শ্রমিক ধর্মঘটের সম্মুখীন হয়েছিল। লিগ অফ নেশনস-এ যোগ দেওয়ার তার পরিকল্পনা সেনেট দ্বারা পরাজিত হয়। বিভিন্ন ইস্যুতে প্রতিবাদ জানিয়ে তার প্রশাসনের সদস্যরা পদত্যাগ করেছিলেন—যুদ্ধের ইস্যুতে একজন পররাষ্ট্রমন্ত্রী, ভোটাধিকারের ইস্যুতে নিউ ইয়র্ক বন্দরের একজন সংগ্রাহক; সম্ভবত এই ভোটাধিকার ইস্যুটিই তাকে সবচেয়ে বেশি বিব্রত করেছিল।
*প্রথম বিশ্বযুদ্ধ আমেরিকান নারীদের জীবনে অনেক মৌলিক পরিবর্তন এনেছিল। এটি "ভদ্রমহিলা" বা আভিজাত্যপূর্ণ নারীত্বের ধারণাটি শেষ করে দিয়েছিল। শ্রমিকের ঘাটতি ছিল প্রচুর এবং প্রশিক্ষিত কর্মীর প্রয়োজন ছিল তীব্র। ১৯১৮ সালের শেষে প্রায় ত্রিশ লক্ষ নারী খাদ্য, টেক্সটাইল এবং যুদ্ধ শিল্পে নিয়োজিত ছিলেন। যেসব পেশাকে এতদিন "পুরুষের কাজ" বলে মনে করা হতো, সেগুলো নারীদের জন্য উন্মুক্ত হয়ে গিয়েছিল। তারা রাস্তার ট্রাম বা বাসে কন্ডাক্টর হিসেবে কাজ শুরু করেছিলেন। প্রথমবারের মতো তাদের রেডিও অপারেটর হিসেবে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছিল। নারীরা সেনাবাহিনীতে মোটর কোরে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করেছিলেন এবং প্রথমবারের মতো ইউনিফর্ম পরেছিলেন। শহর থেকে আসা "কৃষক কন্যারা" ব্লুমার পরে খামারে কাজ করতে গিয়েছিল। নারীরা ত্রাণ কাজ করেছেন, যুদ্ধের বন্ড বিক্রি করেছেন, সশস্ত্র বাহিনীর জন্য ক্যান্টিন পরিচালনা করেছেন এবং নার্সিং ইউনিটে যোগ দিয়েছেন। হাজার হাজার নারী ঘর থেকে বেরিয়ে জনজীবনে প্রবেশ করেছিলেন। যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর প্রয়োজন বা পছন্দের কারণে অনেকেই এই শিল্পগুলোতে থেকে গিয়েছিলেন।
*এলিজাবেথ ক্যাডি স্ট্যান্টন এবং সুসান বি অ্যান্থনির মতো সাহসী নারীরা ছিলেন শুরুর দিকের অগ্রগামী, যারা বিদ্রূপ, গালাগালি, সহিংসতা এবং এমনকি ভোট দেওয়ার চেষ্টার জন্য গ্রেপ্তারের মুখোমুখি হয়েছিলেন। পরবর্তীতে ড. আন্না হাওয়ার্ড শ এবং ক্যারি চ্যাপম্যান ক্যাটের মতো নারীরা ন্যাশনাল আমেরিকান উইমেনস সাফ্রেজ অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, যা "নারীদের জড়তা এবং পুরুষদের বিরোধিতার" বিরুদ্ধে লড়াই করেছিল। কিন্তু ১৯১৬ সালের দিকে একটি তরুণ, সাহসী এবং আরও লড়াকু গোষ্ঠী আবির্ভূত হয়, যারা প্রতিটি অঙ্গরাজ্যে আলাদাভাবে ভোটাধিকার জেতার ধীর প্রক্রিয়ায় সন্তুষ্ট ছিল না এবং তারা সাংবিধানিক সংশোধনীর জন্য লড়াই শুরু করে। তারা ১৯১৬ সালে উইমেনস পার্টি গঠন করে, যারা কেবল সেইসব দল এবং প্রার্থীদের জন্য নারীদের ভোট সংগ্রহের পরিকল্পনা করেছিল যারা জাতীয় ভোটাধিকার সমর্থন করবে। সেই বছর একদল ধনী ভোটাধিকার কর্মী একটি বিশেষ ট্রেনের অর্থায়ন করেছিলেন এবং তাতে চড়ে প্রচার চালিয়েছিলেন। তারা রিপাবলিকান প্রার্থী চার্লস ইভান্স হিউজের পক্ষে সরাসরি প্রচার করেননি, কিন্তু তাদের স্লোগান ছিল উইলসন-বিরোধী: "উইলসনের বিরুদ্ধে ভোট দিন! তিনি আমাদের ভোটাধিকার থেকে দূরে রেখেছেন!" অনেকে ইউজিন ডেবসকেও ভোট দিয়েছিলেন, যিনি তখন কারাগারে ছিলেন।
*উইমেনস পার্টি ১৯১৭ সালের জানুয়ারি থেকে ১৯১৯ সালের ১৯ মার্চ পর্যন্ত প্রায় একটানা পিকেটিং চালিয়েছিল। তারা হোয়াইট হাউস এবং ক্যাপিটল ভবনে পিকেটিং করেছে, সামরিক কুচকাওয়াজ করেছে, উইলসন যখন ইউরোপ সফর থেকে ফিরতেন বা যখন চলে যেতেন তখন তার জন্য সংবর্ধনার আয়োজন করেছে। তারা ওয়াশিংটন, বোস্টন এবং নিউ ইয়র্কে তার পিকেটিং করেছে। কেবল আইরিশরাই আগে এই ধরনের কৌশল অবলম্বন করেছিল। পরবর্তীতে রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তির দাবিতে শিশুদের একটি প্রতিনিধি দল প্রেসিডেন্ট হার্ডিংকে পিকেটিং করেছিল। ভোটাধিকারের ব্যানারগুলো বিদেশি অতিথিদের উদ্দেশ্যে প্রদর্শন করা হতো এবং দেশে-বিদেশে প্রেসিডেন্টের দেওয়া "স্বাধীনতা" ও "গণতন্ত্র" বিষয়ক ভাষণগুলো তারা "স্বাধীনতার প্রহর" নামক পাত্রে জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ফেলত।
*একবার ভোটাধিকার অর্জিত হওয়ার পর নারীরা কেবল নারী হিসেবে ঐক্যবদ্ধ থাকেনি, বরং তাদের নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি এবং স্বার্থ অনুযায়ী বিদ্যমান রাজনৈতিক দল এবং অন্যান্য সংগঠনে বিভক্ত হয়ে গিয়েছিল। আমার বিশ্বাস, শান্তির সাধারণ লক্ষ্যটিই নারীদের আবারও ঐক্যবদ্ধ করতে পারে, কিছু ব্যতিক্রম বাদে।
*১৯২০-এর দশকে "সংযুক্ত ফ্রন্ট" শব্দটির ব্যবহারের কোনো স্মৃতি আমার নেই। এটি অনেক পরে ব্যবহারে আসে। কিন্তু তখনকার র্যাডিকাল এবং প্রগতিশীল আন্দোলনগুলো যে এই নীতিতেই চলত তা খুবই স্পষ্ট। যেসব নারী ও পুরুষ ভোটাধিকারের জন্য কথা বলতেন, তারা আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর জন্য আর্থিক সাহায্যের আবেদনেও স্বাক্ষর করতেন এবং আয়ারল্যান্ডের মুক্তি বা বন্দিদের মুক্তির প্রতিনিধি দলেও থাকতেন এবং শান্তি আন্দোলনেও সক্রিয় ছিলেন। স্বাধীনতার এক একটি মহৎ উদ্দেশ্যের মাঝে তখন কোনো কঠোর সীমারেখা ছিল না এবং আজকের মতো প্রতিশোধের ভয়ও ছিল না। মানুষ ভয় পেত না যে একটি আন্দোলনের সাথে নিজেকে যুক্ত করলে অন্য আন্দোলনটি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। আজ আমি অবাক হয়ে ভাবি যে সেই দিনগুলোতে আমার যোগাযোগ এবং বন্ধুত্ব কতটা বিস্তৃত ও বৈচিত্র্যময় ছিল।
*আমি তখনও আমার বিশ্বাসে একজন আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. ছিলাম এবং কোনো রাজনৈতিক দলে যোগ দিতে দ্বিধা করছিলাম, যদিও রুশ বিপ্লব এবং ভোটাধিকার কর্মী ও কমিউনিস্টদের সাথে মেলামেশা আমার দৃষ্টিভঙ্গিকে অনেকটা বদলে দিচ্ছিল।
*১৯১৭ সালের নভেম্বরে যখন রাশিয়ার বলশেভিক বিপ্লবের খবর সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ল, আমেরিকান শ্রমিকরা মানব ইতিহাসের এই বিশাল ঘটনার মাধ্যমে প্রথমবারের মতো ভ্লাদিমির লেনিন নামক এক মানুষের কথা জানতে পারল—যা ছিল সমাজতন্ত্রের শুরু। আমরা কিছু নতুন শব্দও শিখলাম যা অল্প সময়ের মধ্যেই ভাষার অংশ হয়ে গেল, যার মধ্যে ছিল "বলশেভিক" এবং "সোভিয়েত"। এমনকি আমাদের মধ্যে যারা বাম-সমাজতন্ত্রী এবং আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. কর্মী ছিলাম, তারাও রাশিয়ার সমাজতান্ত্রিক আন্দোলন সম্পর্কে কার্যত কিছুই জানতাম না, কেবল জারের নিষ্ঠুর ও রক্তাক্ত শাসন উৎখাত করার জন্য তাদের দীর্ঘ ও যন্ত্রণাদায়ক সংগ্রামের প্রতি আমাদের গভীর সহানুভূতি ছিল। রাতারাতি "বলশেভিক" শব্দটি প্রতিটি ঘরে পরিচিত হয়ে উঠল, এমনকি যারা জানত না যে এর অর্থ কেবল "সংখ্যাগরিষ্ঠ" এবং এটি রাশিয়ান সোশ্যাল-ডেমোক্রেটিক লেবার পার্টির একটি রাজনৈতিক বিভাজনকে নির্দেশ করে। ডেবস বলেছিলেন, "আমি আমার মাথার তালু থেকে পায়ের আঙুল পর্যন্ত একজন বলশেভিক!" মালিকরা লড়াকু শ্রমিক এবং ইউনিয়ন সংগঠকদের দিকে চিৎকার করে বলত, "অভিশপ্ত বলশেভিক!" অবশ্য সমস্ত ধর্মঘটীরাই তখন মালিকদের চোখে "বলশেভিক" ছিল।
===[http://www.sojust.net/speeches/elizabeth_flynn_memories.html "মেমোরিজ অফ দ্য ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়ার্কার্স অফ দ্য ওয়ার্ল্ড"] (৮ নভেম্বর, ১৯৬২)===
* আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. (IWW)... এগুলো হলো ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়ার্কার্স অফ দ্য ওয়ার্ল্ড-এর আদ্যক্ষর, যাকে আগে "আই ওয়ন্ট ওয়ার্ক" (আমি কাজ করব না) বলা হতো। এটি ছিল অত্যন্ত বেমানান কারণ বাস্তবে যারা এই সংগঠনের সদস্য ছিলেন তারা আমাদের দেশের সবচেয়ে মৌলিক ও কঠিন পরিশ্রমের শিল্পগুলোতে কাজ করতেন। একে বিশ্বের শ্রমিক বলাটা বেশ উচ্চাকাঙ্ক্ষী নাম ছিল কারণ আসলে এটি কখনও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সীমানা ছাড়িয়ে যায়নি। এটি মূলত পুরনো নাইটস অফ লেবার-এর ঐতিহ্য ও সাংগঠনিক রূপ ধরে রাখার আমেরিকান শ্রমিকদের ইচ্ছা থেকে তৈরি হয়েছিল।
* আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. কেবল ১৮৮০-এর দশকের অনেক ঐতিহ্যের উত্তরাধিকারী ছিল না, বরং ১৮৮০-এর দশকের সাথে যুক্ত ব্যক্তিত্বরাও আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর শুরুর দিকের সম্মেলনগুলোতে উপস্থিত ছিলেন। আপনি যদি শ্রমিক ইতিহাসের ছাত্র না হন তবে নামগুলো আপনার কাছে পরিচিত নাও হতে পারে, তবে তাদের মধ্যে ছিলেন ইউজিন ডেবস, ড্যানিয়েল ডিলিয়ন এবং মিসেস লুসি পারসন্স।
* সেখানে বাক-স্বাধীনতার অনেক লড়াই হয়েছিল... তাদের কৌশলগুলো ছিল অনেকটা আজকের ফ্রিডম রাইডারদের মতো। তারা টেলিগ্রাম পাঠাত—আর আমি বিষয়টি বুঝিয়ে বলছি, আমি কোনো প্রচারণা করছি না—তারা অনেকটা এইভাবে টেলিগ্রাম পাঠাত: "মুক্তমনা ওবলিরা, এখনই এসো, অধিকারের সনদ রক্ষা করো।" তারা ট্রেনের ওপর, নিচে, পাশে, মালবাহী বগিতে এবং এমন প্রতিটি উপায়ে আসত যেখানে ভাড়া দিতে হয় না। আক্ষরিক অর্থেই শত শত মানুষ এই এলাকাগুলোতে এসে হাজির হতো, যা কর্তৃপক্ষকে আতঙ্কিত ও স্তম্ভিত করে দিত। তারা প্ল্যাটফর্ম বা সাবান রাখার বাক্সের ওপর দাঁড়িয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের অংশবিশেষ বা অধিকারের সনদ পড়ে শোনাত... এগুলো ছিল বাক-স্বাধীনতার লড়াই যা অত্যন্ত পরিচিত এবং দেশের পশ্চিমাঞ্চলে আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর একটি বৈশিষ্ট্য ছিল।
* এ.এফ.এল. (AFL) ছিল দক্ষ শ্রমিকদের সংগঠন এবং এর গঠন, পদ্ধতি ও নীতি আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর মতো ছিল না। আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. শ্রেণি সংগ্রামে বিশ্বাস করত। তারা পুঁজি ও শ্রমের ভ্রাতৃত্বে বিশ্বাস করত না। তারা বিশ্বাস করত যে এই অসংগঠিত বিদেশি বংশোদ্ভূত গণ-উৎপাদন শ্রমিকদের একটি শিল্প ইউনিয়নে সংগঠিত করা উচিত—সবাই মিলে একটি ইউনিয়নে, ডজনখানেক বা তার বেশি সংগঠনে বিভক্ত হয়ে নয়।
* ১৯১২ সালের সেই বড় ধর্মঘট [যা রুটি ও গোলাপ ধর্মঘট নামে পরিচিত], যা আমাদের দেশের অন্যতম মহান ঐতিহাসিক সংগ্রাম, সেটি শুরু হয়েছিল রাষ্ট্রের একটি রাজনৈতিক পদক্ষেপের কারণে।
* বিল হেউড সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন যে আমাদের ইংরেজিতে কথা বলতে হবে যাতে এই মানুষগুলো তা বুঝতে পারে। তিনি আমাদের যে শিক্ষা দিয়েছিলেন তা আমি কখনও ভুলব না। তখন আমি খুব তরুণ ছিলাম, আমার বয়স ছিল ২২। তিনি বললেন, শোনো, তোমরা এই শ্রমিকদের সাথে, এই খনি শ্রমিকদের সাথে এমন ইংরেজিতে কথা বলবে যা প্রাথমিক স্কুলে পড়া তাদের সন্তানরা তাদের সাথে বলে, তবেই তারা তা বুঝতে পারবে। প্রাথমিক স্কুলের ইংরেজিতে কথা বলাটা মোটেও সহজ নয়। যাই হোক, আমরা তা শিখেছিলাম। আমার সমস্যা হলো এটি আমার অভ্যাসে গেঁথে গিয়েছিল এবং এখন যখন আমি কলেজের দর্শকদের সামনে কথা বলতে যাই, তখন নিজেকে কিছুটা অসুবিধায় মনে হয় কারণ আমি বড় বড় সব শব্দ জানি না। উইলিয়াম হেউড আমাকে ছোট ছোট এবং সহজ শব্দগুলোতেই দক্ষ করে তুলেছিলেন।
* তিনি কীভাবে কথা বলতেন তার একটি উদাহরণ দিই। আমাদের তাদের বোঝাতে হতো কেন আমরা চাই তারা এ.এফ.এল.-এ না গিয়ে আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-তে যোগ দিক। তিনি হাত উঁচিয়ে আঙুলগুলো ছড়িয়ে বলতেন, আমেরিকান ফেডারেশন অফ লেবার বা এ.এফ.এল. হলো ঠিক এইরকম, প্রতিটি আলাদা আলাদা। কিন্তু আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. হলো এইরকম, [তিনি হাতের মুঠো পাকাতেন] এবং তারা সবাই চিৎকার করে উঠত আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর জয় হোক। এভাবেই তিনি তার বক্তব্য বুঝিয়ে দিতেন।
* যখন লরেন্সের এই ধর্মঘট চলছিল, তখন লুইজিয়ানায় কাঠ শ্রমিকদের একটি বড় ধর্মঘট চলছিল, সেটিও আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর অধীনে। যদিও আমাদের সব জায়গায় ধর্মঘট ছিল এবং আমরা এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় ছুটে বেড়াচ্ছিলাম, তবুও আমি বিশেষ করে এই ঘটনাটি উল্লেখ করছি কারণ সেখানে প্রথমবারের মতো বৈষম্য ও বর্ণবাদের নিয়মগুলো ভেঙে ফেলা হয়েছিল। উইলিয়াম ডি. হেউড সেখানে ভাষণ দিতে গিয়েছিলেন এবং তিনি বলেছিলেন প্রতিটি ধর্মঘটী যেখানে খুশি বসতে পারে। আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর এই হলে কোনো বিভাজন নেই। নিগ্রো এবং শ্বেতাঙ্গ শ্রমিকরা, আমার মনে হয় আমেরিকান শ্রমিক ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সেই সামাজিক বিধিনিষেধ ভেঙে একসাথে মিলিত হয়েছিল।
* আমার দীর্ঘ শ্রমিক ইতিহাসে যদি এমন কিছু থাকে যা নিয়ে আমি সত্যিই গর্বিত, তা হলো—ফাঁসির আগে কারাগারে থাকাকালীন জো হিল আমার জন্য একটি গান লিখেছিলেন এবং আমাকে উৎসর্গ করেছিলেন, যার নাম ছিল "রেবেল গার্ল"। সেই গানটি—আমি আশা করি আপনারা এখানে কোনো একদিন সেটি গাইবেন—হয়তো এর কথা বা সুর সেরা নয়, কিন্তু এটি হৃদয় থেকে এসেছিল এবং এটি আমার কাছে অত্যন্ত মূল্যবান।
* প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ., সমাজতন্ত্রী এবং আমাদের দেশের সমস্ত প্রগতিশীলদের ওপর প্রচণ্ড আক্রমণ চালানো হয়েছিল। সেই সময় একটি শক্তিশালী শান্তি আন্দোলন ছিল। এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মতো ছিল না, যা ছিল একটি ফ্যাসিবাদ-বিরোধী যুদ্ধ।
*অন্যান্য সংগঠনের সাথে আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর সম্পর্ক কেমন ছিল সে সম্পর্কে আমার আপনাদের কিছু বলা উচিত কারণ চিত্রটি সম্ভবত এখনও খুব বেশি পরিষ্কার নয়। এটি কোনো কারুশিল্প ভিত্তিক ইউনিয়ন ছিল না; এটি ছিল একটি শিল্প ইউনিয়ন এবং এটি এ.এফ.এল.-এর ঘোর বিরোধী ছিল। এ.এফ.এল. যেসব আদর্শে বিশ্বাস করত—যেমন ন্যায্য কাজের জন্য ন্যায্য মজুরি, পুঁজি ও শ্রমের ভ্রাতৃত্ব—আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. তার কোনোটিতেই বিশ্বাস করত না। সুযোগ পেলেই মালিকের বিরুদ্ধে লড়াই করার বিষয়ে এটি খুব কঠোর ছিল। তাদের বিশ্বাস ছিল যে কোনো চুক্তি করা উচিত নয়। তারা মনে করত যতক্ষণ আপনারা সংগঠিত আছেন, ততক্ষণ আপনারা মালিককে তার প্রতিশ্রুতি পালনে বাধ্য করতে পারবেন। কিন্তু একটি চুক্তি বা কাগজের টুকরো আপনাদের হাত-পা বেঁধে ফেলে, তাই তারা কোনো চুক্তি করত না। তবে আমাদের তথাকথিত 'হোয়াইট কলার' বা দাপ্তরিক কর্মীদের প্রতি তাদের দৃষ্টিভঙ্গি ভালো ছিল না। মোটেও ভালো ছিল না কারণ তারা মনে করত এই কর্মীরা শ্রমিক শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত নয়। আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর মতে শ্রমিক হতে হলে আপনাকে ওভারঅল পোশাক পরতে হবে, পেশিবহুল হতে হবে এবং হাড়ভাঙা খাটুনি খাটতে হবে। আপনি যদি কেবল কলম পিষতেন, তবে আপনি শ্রমিক ছিলেন না। এই একই কথা শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য ছিল। অন্য কথায়, তারা ছিল একটি অত্যন্ত সংকীর্ণমনা সংগঠন। তবে তৎকালীন সময়ের শিক্ষার্থীরাও কিছুটা দায়ী ছিল কারণ শ্রম আন্দোলনের প্রতি তাদের কোনো সহানুভূতি ছিল না। প্রকৃতপক্ষে, যখন ধর্মঘট হতো তখন শ্রমিকদের জায়গায় কাজ করার জন্য সবসময় শিক্ষার্থীদের পাওয়া যেত। আমি নিউ ইয়র্ক সিটির একটি হোটেলের ধর্মঘটে এমনটা দেখেছি। যাই হোক, আমি খুব আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে এখন সময় বদলেছে।
*আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. এ.এফ.এল.-এর চেয়ে আরও একটি বিষয়ে আলাদা ছিল যে তারা সমাজতন্ত্রে বিশ্বাস করত। যদিও তারা রাজনৈতিক দল এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড বর্জন করার কারণে সোশ্যালিস্ট পার্টির থেকে ভিন্ন ছিল। তাদের এই অদ্ভুত ধারণা ছিল যে আসল লড়াই হলো শিল্পকারখানায়, অর্থাৎ উৎপাদনের জায়গায়।
*আমি যখন আপনাদের বলি যে তখন কী কী ছিল না, তখন মনে হয় আমরা যেন এক অরণ্যে বাস করতাম। তখন কোনো রেডিও ছিল না, টিভি ছিল না, সিনেমা ছিল না, আজকের মতো বিজ্ঞাপন ছিল না, কোনো প্লাস্টিক বা কৃত্রিম কাপড় ছিল না এবং কোনো বিমানও ছিল না।
*আমি ১৯১৯-২০ সালের কথা বলছি যখন জে. এডগার হুভার প্রথম আত্মপ্রকাশ করেন। তাকে এই ধরপাকড় অভিযানের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল এবং সারা দেশের সমস্ত রিপোর্ট তাকে জমা দিতে হতো। তাদের বলা হতো "জি ম্যান"। এফবিআই আরও পরে ১৯২৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। সুতরাং কোনো সরকারের পরোয়া না করেই তিনি দীর্ঘ ৩৮ বছর ধরে এই সাম্রাজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন এবং এটি আসলে কোনো সিভিল সার্ভিস বা বিচার বিভাগের নিয়ন্ত্রণে নেই।
*আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর বিরুদ্ধে ঘৃণা এতটাই তীব্র ছিল যে সংবাদপত্রের সম্পাদকীয়তে লেখা হতো, "তাদের ভোরবেলা গ্রেপ্তার করা উচিত এবং নাস্তা করার আগেই বিচার ছাড়াই গুলি করে মারা উচিত।"
*আজকের দিনে ইউনিয়নের সাথে রাজনৈতিক সহযোগী থাকা অনেক বেশি কার্যকর একটি পদ্ধতি। কিন্তু আমরা তখন সবকিছু এক পাত্রে রাখার চেষ্টা করেছিলাম এবং সেটি মোটেও কাজ করেনি। আমরা বেশ অহংকারী ছিলাম। আমরা তরুণ ছিলাম এবং মনে করতাম সবকিছুর সঠিক উত্তর কেবল আমাদের কাছেই আছে। আমরা এ.এফ.এল.-এর সাথে কাজ করতে চাইনি, সোশ্যালিস্ট পার্টির সাথে কাজ করতে চাইনি, এমনকি অন্য কারও সাথেই কাজ করতে চাইনি। স্বাভাবিকভাবেই যখন কমিউনিস্ট পার্টি এল, তারা সেটাকে একটি সত্যিকারের দল হিসেবে বিবেচনা করল কারণ সেটি পুরনো সোশ্যালিস্ট পার্টির চেয়ে অনেক বেশি বিপ্লবী ছিল। আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. রুশ বিপ্লবের ধারণার সাথে পুরোপুরি একমত ছিল না, যদিও তারা খুশি ছিল যে এটি এমন একটি বিপ্লব যা জারকে উৎখাত করেছে। তারা কেরেনস্কির পক্ষে ছিল না কিন্তু বিপ্লব সম্পর্কে তাদের কিছু আদিম ধারণা ছিল। আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর কাছে বিপ্লব মানে ছিল কারখানা, দোকান, কলকারখানা, খনি আর ফসলের মাঠ দখল করে নেওয়া এবং মালিকদের স্রেফ তাড়িয়ে দেওয়া। মালিকদের তাড়িয়ে দেওয়া মানেই ছিল বিপ্লবের শেষ।
*আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর ইতিবাচক দিক ছিল যে এটি নিশ্চিতভাবেই লড়াকু ও সাহসী ছিল, এটি সেই সময়ের জন্য উপযুক্ত ছিল এবং এটি দরিদ্রতম, সবচেয়ে একাকী ও সবচেয়ে অবহেলিতদের স্বার্থের জন্য লড়াই করেছিল—যাদের এ.এফ.এল. সংগঠিত করতে পারেনি; যেমন বিদেশি বংশোদ্ভূত শ্রমিক, নারী এবং যখন কৃষ্ণাঙ্গরা শিল্পে আসতে শুরু করল, তখন সেই কৃষ্ণাঙ্গ শ্রমিকরা।
*আমরা তখন সামাজিক নিরাপত্তা বা বেকার ভাতার মতো কোনো কিছুর কথা কখনও শুনিনি এবং ভাবিনি যে এমন কিছু হওয়া সম্ভব। এগুলো ছিল ত্রিশের দশকের লড়াইয়ের ফলাফল—আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর পতনের পরের বড় সংগ্রামের ফল। এছাড়া আমরা কখনও বেতনসহ ছুটির কথা শুনিনি। বেতনসহ ছুটি তো দূরের কথা, আমরা ছুটির কথাই শুনিনি। আজকের দিনের মতো চাকরির জ্যেষ্ঠতার কোনো ধারণা আমাদের ছিল না। শ্রমিকদের অবসরের জন্য কোনো পেনশন ছিল না। ইউনিয়নের কোনো কল্যাণ তহবিল বা স্বাস্থ্যকেন্দ্র ছিল না এবং আজকের মতো কোনো ট্রেড ইউনিয়ন স্কুলও ছিল না। এই সমস্ত সুযোগ-সুবিধা আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর পরবর্তী সময়ে গড়ে ওঠা ইউনিয়নগুলোর মাধ্যমে এসেছে।
*আজকের দিনে শ্রমিকের বিরুদ্ধে সরাসরি সহিংসতা কম কিন্তু আইনি বিধিনিষেধ অনেক বেশি। দমনমূলক আইন এবং সব ধরনের বিধিনিষেধের মাধ্যমে শ্রমিকের অধিকার হরণ করার চেষ্টা এখন অনেক বেশি হচ্ছে।
*আমরা কি উন্নতি করেছি? ওহ, আমরা অবশ্যই উন্নতি করেছি! সমস্ত অসুবিধা এবং সমস্যা সত্ত্বেও শ্রমিক আন্দোলন বিশাল উন্নতি করেছে। আজকের যুবকদের জন্য একটি নতুন ভূমিকা এবং নতুন দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে। বহু বছর আগে আমি পিটার ক্রোপোটকিনের 'আপিল টু দ্য ইয়ং' বা 'তরুণদের প্রতি আবেদন' নামক একটি পুস্তিকা পড়েছিলাম। এটি ছিল যুবকদের প্রতি এই বিশ্বকে বসবাসের উপযোগী একটি সুন্দর জায়গা হিসেবে গড়ে তোলার দায়িত্ব নেওয়ার এক চমৎকার আহ্বান। এখন আমি অনুভব করি যে আমরা আমাদের সাধ্যমতো সেরা চেষ্টা করেছি। কিন্তু সময় এমন আসে যখন আপনি জানেন যে বাধ্য হয়েই আপনাকে থামতে হয়; যদিও বলা হয় বার্ধক্য কোনো রোগ নয় কিন্তু আমি মনে করি এটি একটি রোগ। এমন এক সময় আসে যখন আপনাকে গতি কমিয়ে দিতে হয় এবং কাজ থেকে বিদায় নিতে হয়, আর যদি নতুন প্রজন্ম চায় তবে আপনার অভিজ্ঞতার সুফল তাদের কাছে পৌঁছে দিতে হয়।
== এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন সম্পর্কে উক্তি ==
* হেটেরোডক্সির সদস্য এবং ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়ার্কার্স অফ দ্য ওয়ার্ল্ড-এর প্রখ্যাত সংগঠক এবং পরবর্তীতে ইউ.এস. কমিউনিস্ট পার্টির শীর্ষস্থানীয় সদস্য এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন এই সংগঠনে তার সদস্যপদকে "এক অবিচ্ছিন্ন আনন্দের অভিজ্ঞতা" হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি আরও যোগ করেছেন, "এটি ভবিষ্যতের নারীদের এক ঝলক দেখার মতো ছিল—যারা বিশাল হৃদয়ের অধিকারী, বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে সজাগ এবং পুরনো সেই 'নারীত্ব' বর্জিত যার স্থলাভিষিক্ত হয়েছে নারীদের এক চমৎকার ভ্রাতৃত্ব।"
** [[বেটিনা আপথেকার]], ''ট্যাপেস্ট্রিস অফ লাইফ: উইমেনস ওয়ার্ক, উইমেনস কনশাসনেস, অ্যান্ড দ্য মিনিং অফ ডেইলি এক্সপেরিয়েন্স'' (১৯৮৯)
* আমার নির্জন কারাবাসের দিনগুলোতে, মার্গারেট যখন জেল সুপারকে আমাকে পড়ার সুযোগ দেওয়ার জন্য রাজি করালেন, তখন আমি গ্রন্থাগারে একা কয়েকটি সেশন কাটিয়েছিলাম। অল্প সময়ের মধ্যেই আমি পুরো জায়গাটি তন্নতন্ন করে খুঁজি এবং সামান্য আগ্রহ জাগানিয়া মাত্র কয়েকটি বই খুঁজে পাই: এডগার স্নো-এর লেখা চীনা বিপ্লবের ওপর একটি বই, ডব্লিউ. ই. বি. ডু বোইস-এর আত্মজীবনী এবং একজন আশ্চর্যজনকভাবে নিরপেক্ষ ও স্বল্প পরিচিত লেখকের লেখা সাম্যবাদের ওপর একটি বই। এই বইগুলো আবিষ্কার করার পর আমার চিন্তাভাবনা বারবার সেগুলোর রহস্যময় উপস্থিতির দিকে ফিরে যাচ্ছিল। হঠাৎ আমার মনে হলো: এগুলো সম্ভবত এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন, ক্লডিয়া জোন্স অথবা অন্য কোনো কমিউনিস্ট নেতাদের দ্বারা পড়া হয়েছিল যারা ম্যাকার্থি যুগে স্মিথ অ্যাক্টের অধীনে নিপীড়িত হয়েছিলেন। আমাকে জানানো হয়েছিল যে সেখানে থাকাকালীন আমি যদি কোনো বই পাই, তবে তা গ্রন্থাগারে দান করতে হবে—যা ছিল এক আনন্দের বিষয়, কারণ তথাকথিত সেই শিক্ষা কেন্দ্রের অবস্থা ছিল করুণ। আমি যখন সেই বইগুলোর পাতা উল্টাচ্ছিলাম, তখন আমি এই দেশের কিছু অসামান্য বীরাঙ্গনাদের ঐতিহ্য অনুসরণ করতে পেরে সম্মানিত বোধ করছিলাম: কমিউনিস্ট নারী নেতৃবৃন্দ, বিশেষ করে কৃষ্ণাঙ্গ কমিউনিস্ট ক্লডিয়া জোন্স।
** ''[[অ্যাঞ্জেলা ডেভিস]]ের আত্মজীবনী'' (১৯৭৪)
* জোসেফ ইটর এবং আর্তুরো জিওভানিত্তির গ্রেপ্তারের ফলে তৈরি হওয়া শূন্যতা তাৎক্ষণিকভাবে বিল হেউড এবং এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন পূরণ করেছিলেন। শ্রমিক সংগ্রামে হেউডের বছরের পর বছর অভিজ্ঞতা, তার দৃঢ় সংকল্প এবং বিচক্ষণতা তাকে লরেন্সের পরিস্থিতিতে এক অনন্য শক্তিতে পরিণত করেছিল। অন্যদিকে, এলিজাবেথের তারুণ্য, চার্ম এবং বাগ্মিতা খুব সহজেই সবার মন জয় করে নিয়েছিল। এই দুজনের নাম এবং খ্যাতি ধর্মঘটের জন্য দেশব্যাপী প্রচার ও সমর্থন জোগাড় করতে সাহায্য করেছিল। বছরের পর বছর আগে একটি উন্মুক্ত সভায় প্রথমবার শোনার পর থেকেই আমি এলিজাবেথকে জানতাম এবং শ্রদ্ধা করতাম। সেই সময় তার বয়স চৌদ্দ বছরের বেশি ছিল না, তার ছিল এক সুন্দর মুখাবয়ব এবং আন্তরিকতায় ভরপুর এক কণ্ঠস্বর। তিনি আমার ওপর গভীর প্রভাব ফেলেছিলেন। পরবর্তীতে আমার বক্তৃতায় তার বাবার সাথে তাকে প্রায়ই আসতে দেখতাম। কালো চুল, বড় বড় নীল চোখ এবং চমৎকার গায়ের রঙে তিনি ছিলেন এক মোহনীয় প্রতিচ্ছবি... স্পোকেনে আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর অন্যান্য সদস্যদের সাথে তিনি যে চমৎকার বাক-স্বাধীনতার লড়াই করেছিলেন এবং যে নিপীড়ন সহ্য করেছিলেন, তা এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিনকে আমার খুব কাছে নিয়ে এসেছিল। আর যখন শুনলাম যে সন্তান জন্ম দেওয়ার পর তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েছেন, তখন এই তরুণ বিদ্রোহীর জন্য আমি গভীর সহানুভূতি অনুভব করেছিলাম, যিনি সর্বহারা পটভূমি থেকে আসা প্রথম আমেরিকান নারী বিপ্লবীদের একজন। তার প্রতি আমার আগ্রহ কেবল স্পোকেন লড়াইয়ের জন্যই নয়, বরং মা হওয়ার প্রথম মাসগুলোতে এলিজাবেথের ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য তহবিল সংগ্রহে আমার প্রচেষ্টাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছিল। তিনি নিউ ইয়র্কে ফিরে আসার পর থেকে আমরা প্রায়ই সভায় এবং আরও ব্যক্তিগতভাবে একসাথে সময় কাটিয়েছি। এলিজাবেথ নৈরাজ্যবাদী ছিলেন না, তবে তিনি সোশ্যালিস্ট লেবার পার্টি থেকে আসা তার কিছু কমরেডদের মতো গোঁড়া বা বিদ্বেষীও ছিলেন না। আমাদের সার্কেলে তিনি আমাদেরই একজন হিসেবে স্বীকৃত ছিলেন এবং আমি তাকে বন্ধু হিসেবে ভালোবাসতাম।
** [[এমা গোল্ডম্যান]], ''লিভিং মাই লাইফ'' (১৯৩১)
* ফ্লিন পার্টির চেয়ারম্যান হিসেবে জিনের স্থলাভিষিক্ত হন। তিনি ছিলেন সেই পদে নির্বাচিত প্রথম নারী। তিনি ছিলেন একজন সমঝোতামূলক প্রার্থী; বেন ডেভিসও এই পদের জন্য প্রচারণা চালাচ্ছিলেন এবং কৃষ্ণাঙ্গ নেতৃত্বের একটি বড় অংশসহ পার্টির অনেক মানুষ সেই সম্ভাবনায় ভীত ছিল। লিজকে তখন সেরা বিকল্প মনে হয়েছিল। পার্টিতে এলিজাবেথের খুব ইতিবাচক খ্যাতি ছিল। ১৯৩০-এর দশকে যখন তিনি পুনরায় যোগ দেন (তিনি ১৯২০-এর দশকে সংক্ষিপ্তভাবে এবং গোপনে সদস্য ছিলেন), তখন তিনি সরাসরি শীর্ষ নেতৃত্বে চলে আসেন। পদমর্যাদায় উপরে ওঠার লড়াইয়ে অন্যান্য নারীদের যে কঠোর আচরণের প্রয়োজন হতো, তার সেটি করার প্রয়োজন পড়েনি। তিনি মানুষের প্রতি এমনভাবে আন্তরিক ছিলেন যা অধিকাংশ পার্টি নেতার মধ্যে ছিল না। আমি যখনই নিউ ইয়র্কে যেতাম, চেলসি হোটেলে তার সাথে দেখা করার চেষ্টা করতাম যেখানে তিনি থাকতেন। তার রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং জাতীয় অফিসে তার সহকর্মীদের সম্পর্কে তার তীক্ষ্ণ ও নির্ভীক মতামতের কারণে তিনি শোনার মতো একজন ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তিনি জিন ডেনিসকে পছন্দ করতেন কিন্তু ফস্টারের প্রতি সবসময় সমালোচনামূলক ছিলেন। স্পষ্টতই এই বিরোধ অনেক অনেক বছর আগের। ইউনিয়ন সংগঠক হিসেবে তার বীরত্বপূর্ণ অতীতের গ্ল্যামার তাকে মোহিত করতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত তার নিজেরও এমন সব পরিচয় ছিল যা ফস্টারের চেয়ে কোনো অংশে কম প্রভাবশালী ছিল না। তিনি পার্টির জনসম্মুখের মুখ হিসেবে এবং ওবলিদের ঐতিহাসিক অতীত, লরেন্সের "ব্রেড অ্যান্ড রোজেস" ধর্মঘট এবং স্পোকেনের বাক-স্বাধীনতা লড়াইয়ের যোগসূত্র হিসেবে খুব কার্যকর ছিলেন। বিশাল শ্রোতাদের সামনে সহজ ভাষায় কথা বলার এবং তাৎক্ষণিক সম্পর্ক তৈরি করার এক অসাধারণ ক্ষমতা তার ছিল। এটি ছিল পার্টির পুরনো দিনের আন্দোলনকারীদের একটি গুণ—ফ্লিন, ফস্টার এবং ক্ল্যারেন্স হ্যাথওয়ের মতো মানুষের মধ্যে এটি আমার প্রজন্মের চেয়ে অনেক বেশি ছিল। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে লিজের প্রতি আমার মিশ্র অনুভূতি তৈরি হয়েছিল। পার্টির সভাগুলোতে তিনি সবসময় গুস বা সোভিয়েত ইউনিয়নের কাছে অগ্রহণযোগ্য কিছু না বলার বিষয়ে খুব সতর্ক থাকতেন। তিনি আমাকে নিয়ে এবং আমার রাজনীতি আমাকে যে খারাপ পরিণতির দিকে নিয়ে যাবে তা নিয়ে চিন্তিত ছিলেন।
** [[ডরোথি রে হিলি]], ''ক্যালিফোর্নিয়া রেড: আ লাইফ ইন দ্য আমেরিকান কমিউনিস্ট পার্টি'' (১৯৯০)
* আমি এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন এবং পেটিস পেরি ও আমার সকল সহ-অভিযুক্তদের সেই বিশ্বাসে বিশ্বাসী যে, আমেরিকার শ্রমজীবী মানুষ—কৃষ্ণাঙ্গ ও শ্বেতাঙ্গ—অবশ্যই জেগে উঠবে; ভেড়ার মতো নয় বরং তাদের স্বাধীনতার প্রতি সজাগ দৃষ্টি রেখে। তারা নিশ্চিত করবে যে শান্তি জয়ী হবে এবং এই ক্ষয়িষ্ণু স্মিথ অ্যাক্ট, যা অধিকারের সনদকে লঙ্ঘন করে, তা ইতিহাসের পাতা থেকে মুছে যাবে।
** [[ক্লডিয়া জোন্স]], জবানবন্দি (জানুয়ারি ১৯৫৩)
*আমি তোমাকে দেখব সেইসব কচি অঙ্কুরিত চারার মাঝে/যারা আগাছাকে অবজ্ঞা করে—সন্দেহে কুঁকড়ে যাওয়া বার্ধক্যকে/সেইসব ব্যবহারকারীদের যারা গালিগালাজে কলুষিত করে,/সংগ্রামের মধ্য দিয়ে গড়ে তোলা সেবায় নিবেদিত এক সার্থক জীবনকে... আমি তোমাকে চিরদিন মনে রাখব/এবং কীভাবে তোমার আত্মা প্রতিধ্বনিত হয়/কারণ তোমার বিশ্বাস আগুনের শিখার মতো লাফিয়ে ওঠে/যা সবকিছুর জন্য এক মধুর লালন।
** ক্লডিয়া জোন্স, 'বিয়ন্ড কন্টেইনমেন্ট: অটোবায়োগ্রাফিক্যাল রিফ্লেকশনস, এসেস, অ্যান্ড পোয়েমস' গ্রন্থে "টু এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন" কবিতা।
*ডরোথি ডে এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিনকে (যিনি ১৯৩৭ সালে ইউ.এস. কমিউনিস্ট পার্টিতে যোগ দিয়েছিলেন) "শব্দের গভীরতম অর্থে আমার বোন" হিসেবে গণ্য করতেন। ডে লিখেছিলেন, ফ্লিন "সর্বদাই তা-ই করেছেন যা আজকাল সাধারণ মানুষদের করার জন্য তাগিদ দেওয়া হয়। তিনি দরিদ্রদের রক্ষায়, তাদের অন্যায় ও অভাব থেকে বাঁচাতে নিজের ক্ষমতার সবটুকু করার দায়িত্ব অনুভব করতেন" (লং লোনলিনেস, ১৪৫-১৪৬)।
** [[মার্গারেট সি. জোন্স]], 'হেরিটিকস অ্যান্ড হেলরাইজার্স: উইমেন কন্ট্রিবিউটরস টু দ্য মাসেস, ১৯১১-১৯১৭' (১৯৯৩)
*শ্রম আন্দোলনের ইতিহাসের আমার অন্যতম প্রিয় ব্যক্তিত্ব এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন—সেই বিখ্যাত 'রেবেল গার্ল' যাকে নিয়ে জো হিল গান গেয়েছিলেন এবং যিনি নিজের যোগ্যতায় একজন অসাধারণ ইউনিয়ন সংগঠক ছিলেন—ঊনবিংশ শতাব্দীতেই একটি অত্যন্ত সঠিক কথা বলেছিলেন। তথাকথিত রুটি-রুজির অর্থনৈতিক ইস্যুগুলোর সমান গুরুত্ব দিয়ে রাজনৈতিক ও সামাজিক ন্যায়বিচারের দাবিগুলো ধরে রাখার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে তিনি বলেছিলেন: "শ্রমিকের বিজয় আসলে কী? আমি মনে করি এটি একটি দ্বিমুখী বিষয়। পূর্ণাঙ্গ বিজয় অর্জনের জন্য শ্রমিকদের কেবল অর্থনৈতিক সুবিধাই অর্জন করলে চলবে না, তাদের মধ্যে বিপ্লবী চেতনাও থাকতে হবে। শ্রমিকদের দিনে কয়েক সেন্ট বেশি পাওয়া বা কয়েক মিনিট কম কাজ করে সেই একই মানসিকতা এবং সমাজের প্রতি একই দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কাজে ফিরে যাওয়া মানে একটি সাময়িক লাভ অর্জন করা, কোনো স্থায়ী বিজয় নয়।"
** কিম কেলি (সাংবাদিক), 'ফাইট লাইক হেল: দ্য আনটোল্ড হিস্ট্রি অফ আমেরিকান লেবার' (২০২২)
* ফ্লিনের ভাষায়, এটি ছিল "আমেরিকান শ্রম ইতিহাসের এক অতুলনীয় দিন... লরেন্সে তখন ত্রাসের রাজত্ব চলছিল যা আক্ষরিক অর্থেই আমেরিকাকে কাঁপিয়ে দিয়েছিল।"
** কিম কেলি (সাংবাদিক), 'ফাইট লাইক হেল: দ্য আনটোল্ড হিস্ট্রি অফ আমেরিকান লেবার' (২০২২)
*প্রথাগত মার্ক্সবাদী তত্ত্ব অনুযায়ী গৃহিণীদের শ্রেণি সচেতনতা ছিল একটি সমস্যাজনক বিষয়; তারা প্রায়ই আমূল সংস্কারবাদী পুরুষদের কাছে অনির্ভরযোগ্য মিত্র ছিলেন। তাদের সাধারণত কৃষক এবং বুদ্ধিজীবীদের সাথে এমন এক রক্ষণশীল গোষ্ঠী হিসেবে দেখা হতো যারা সর্বহারা পুরুষদের অগ্রযাত্রায় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। নারীদের সমঅধিকার সমস্ত মার্ক্সবাদী আন্দোলনের একটি ঘোষিত লক্ষ্য ছিল, কিন্তু নারী ইস্যুগুলোকে যেভাবে দেখা হতো, তাতে স্পষ্ট বার্তা পাওয়া যেত যে—নারীদের কাজ এই সংগ্রামের ক্ষেত্রে প্রান্তিক বা গৌণ, যদি না তারা পুরুষদের মতো করে কাজ করতে পারদর্শী হয়। প্রখ্যাত এবং উদযাপিত নারী নেত্রীরা—ডলোরেস ইবারুরি (লা পাসিওনারিয়া), মাদার ব্লুর, এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন, ক্লারা লেমলিচ—গৃহিণীদের সংগঠিত করেননি; তারা নারী কারখানা শ্রমিক, নারীদের সহযোগী সংগঠন বা পুরুষদের সংগঠিত করেছিলেন।
** [[গের্ডা লার্নার]], 'ফায়ারউইড: আ পলিটিক্যাল অটোবায়োগ্রাফি' (২০০২)
*যুদ্ধবন্দিদের জন্য আমার সফরের সময় আমি পর্যায়ক্রমে নিউ ইয়র্কে ফিরে আসতাম সংগঠনকে রিপোর্ট দিতে এবং এই কাজে এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন ও অন্যদের সাথে পরামর্শ করতে। এভাবেই আইরিশ লড়াকু পূর্বপুরুষদের সেই লড়াকু কন্যার সাথে আমার দীর্ঘ বছরের মেলামেশা শুরু হয়। ষোলো বছর বয়সেই তিনি আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-তে সক্রিয় ছিলেন এবং জো হিল তাকে নিয়ে একটি ওবলি গান লিখেছিলেন, "দ্য রেবেল গার্ল"। যদিও কমিউনিস্ট পার্টির শুরুর দিনগুলোতে তিনি আমাদের সাথে যোগ দেননি, কিন্তু তিনি আমাদের সাথে খুব ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতেন। পরিশেষে, ওরেগনের পোর্টল্যান্ডে দশ বছর অসুস্থ থাকার পর তিনি নিউ ইয়র্কে ফিরে আসেন এবং পার্টিতে যোগ দেন। আজ তিনি আমাদের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বক্তা এবং আমাদের জাতীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সম্মানিত ও প্রিয় সদস্য। এলিজাবেথের জীবনের গল্প এই দেশের অনেক মহান শ্রমিক সংগ্রামের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে। সর্বত্র শ্রমিকরা তার সুন্দর সুমধুর কণ্ঠস্বর, উজ্জ্বল উদ্দীপনা এবং বিশাল লড়াকু হৃদয়ের কথা জানে। ক্যালুমেট, পাসাইক, প্যাটারসন, লরেন্স—এই সব জায়গার পিকেট লাইন এবং মঞ্চ তাকে চেনে। আজ তার একমাত্র ছেলে ফ্রেডের আকস্মিক মৃত্যুর শোকের ভার বহন করেও তিনি এমন এক বিশ্বের জন্য লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন যেখানে মায়েদের তাদের প্রভুদের স্বার্থ রক্ষার যুদ্ধে অকারণে সন্তান হারাতে হবে না।
** [[এলা রিভ ব্লুর]], 'উই আর মেনি: অ্যান অটোবায়োগ্রাফি' (১৯৪০)
*যে নারীর প্রতি আমার গভীরতম শ্রদ্ধা ছিল, তিনি অবশ্যই এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন।
** [[এমা তেনাইউকা]], সাক্ষাৎকার (১৯৮৭)
*তিনি তার এই বিস্ময়কর রেকর্ডের সূচনা করেছিলেন পনেরো বছর বয়সে রাস্তার মোড়ে গ্রেপ্তার হওয়ার মাধ্যমে। তার বাবাও তার সাথে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। এরপর থেকে তার বাবা আর কখনও গ্রেপ্তার হননি। এটি ছিল তার জন্য কেবল শুরু। বিচারক কৌতূহলী হয়ে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, "তুমি কি ব্রডওয়েতে কথা বলে মানুষকে সমাজতন্ত্রে দীক্ষিত করার আশা করো?" তিনি বিচারকের দিকে তাকালেন এবং গম্ভীরভাবে উত্তর দিলেন, "অবশ্যই করি।" বিচারক করুণায় দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন, "মামলা খারিজ।"
** [[মেরি হিটন ভোর্স]] (১৯২৬), গের্ডা লার্নার সম্পাদিত 'দ্য ফিমেল এক্সপেরিয়েন্স: অ্যান আমেরিকান ডকুমেন্টারি' গ্রন্থে সংকলিত।
*তিনি আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-তে যোগ দিয়েছিলেন যখন সেটি তার সোনালী যুগে ছিল। আদর্শবাদে পূর্ণ এই আন্দোলন উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলকে প্লাবিত করেছিল। সব জায়গায় তাদের বাক-স্বাধীনতার লড়াই চলছিল। কর্তৃপক্ষ তাদের গ্রেপ্তার করত এবং আরও বেশি মানুষ আসত। তারা জেলখানাগুলোকে জনাকীর্ণ করে ফেলেছিল। এলিজাবেথ বলেছিলেন, "একটি শহরে জেলে এত বেশি মানুষ ছিল যে দিনের বেলা তাদের ছেড়ে দেওয়া হতো। বাইরের আমাদের তাদের খাওয়াতে হতো। প্রতি রাতে তারা আবার জেলে ফিরে যেত। অবশেষে ওবলিরা সিদ্ধান্ত নিল যে জেলের দরজা খুললেও তারা বের হবে না। দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ সেইসব ওবলিদের দেখতে আসত যারা জেল ছাড়তে রাজি ছিল না।" তার জীবনের এই অংশটি—পশ্চিমের যাযাবর শ্রমিকদের সংগঠিত করা এবং তাদের হয়ে লড়াই করা—তার জীবনের সেই অংশ যা তিনি সবচেয়ে বেশি পছন্দ করেন।
** মেরি হিটন ভোর্স (১৯২৬), গের্ডা লার্নার সম্পাদিত 'দ্য ফিমেল এক্সপেরিয়েন্স: অ্যান আমেরিকান ডকুমেন্টারি' গ্রন্থে সংকলিত।
*প্রতিরক্ষার কাজ তার কাছে নতুন কিছু ছিল না এবং ১৯১৮ সাল থেকে ইদানীংকাল পর্যন্ত তার প্রধান কাজ ছিল রাজনৈতিক বন্দিদের জেল থেকে মুক্ত করা। আর ১৯২১ সাল থেকে তিনি স্যাকো-ভানজেত্তি মামলার ওপর মনোযোগ নিবদ্ধ করেছেন। সেখানে ছিল নিরন্তর কাজ, ছিল গ্রেপ্তার এবং তার আদর্শের জন্য বন্দি হওয়া কমরেডদের নিয়ে তার নিরন্তর ব্যস্ততা। শ্রমিক আন্দোলনে তার প্রথম বিশ বছর পার করার পরও তিনি অম্লান এবং নিরুৎসাহহীন।
** মেরি হিটন ভোর্স (১৯২৬), গের্ডা লার্নার সম্পাদিত 'দ্য ফিমেল এক্সপেরিয়েন্স: অ্যান আমেরিকান ডকুমেন্টারি' গ্রন্থে সংকলিত।
*প্রগতিশীল বা আমূল সংস্কারবাদী আন্দোলনে সক্রিয় যেসব সুন্দরী নারীর সাথে আমার দেখা হয়েছে, তাদের সুন্দর স্মৃতি ছাড়া যদি মনে রাখার মতো আর কিছু না-ও থাকত, তবুও জীবন সার্থক হতো। আমি এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিনের প্রেমে পড়েছিলাম যখন একজন তরুণী হিসেবে তিনি তার স্পষ্ট ও সুমধুর কণ্ঠে হাজার হাজার মানুষকে সামাজিক বিদ্রোহের আদর্শে উদ্বুদ্ধ করেছিলেন।
** [[আর্ট ইয়াং]], 'হিজ লাইফ অ্যান্ড টাইমস' (১৯৩৯)
*বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকের সেইসব বিপ্লবীদের শক্তি ও উদ্দীপনার আঁচ পাওয়া যায় কেবল এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিনের পুলিশের রেকর্ড বা অপরাধের তালিকার দিকে তাকালে।
** [[হাওয়ার্ড জিন]], 'আ পিপলস হিস্ট্রি অফ দ্য ইউনাইটেড স্টেটস'
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:শ্রমিক নেতা]]
[[বিষয়শ্রেণী:শ্রমিক আন্দোলনকর্মী]]
[[বিষয়শ্রেণী:নারী অধিকার কর্মী]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নারী সক্রিয়কর্মী]]
[[বিষয়শ্রেণী:কমিউনিস্ট পার্টি ইউএসএ-এর সদস্য]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নারীবাদী]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আত্মজীবনীকার]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক লেখক]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লেখিকা]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমাজতন্ত্রী]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাক-স্বাধীনতা আন্দোলনকর্মী]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাম্যবাদী]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৮৯০-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৬৪-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯শ শতাব্দীতে জন্মগ্রহণকারী নারী]]
[[বিষয়শ্রেণী:নিউ হ্যাম্পশায়ারের ব্যক্তি]]
7ww0psmz56s8gjn1p7nlnh6q2d5epx8
83272
83271
2026-05-02T17:55:42Z
Tuhin
172
83272
wikitext
text/x-wiki
[[File:Elizabeth Gurley Flynn point (cropped).jpg|thumb|এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন]]
'''[[w:bn:এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন|এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন]]''' (৭ আগস্ট ১৮৯০ – ৫ সেপ্টেম্বর ১৯৬৪) ছিলেন একজন [[w:bn:শ্রমিক নেতা|শ্রমিক নেতা]], সক্রিয়কর্মী এবং [[w:bn:নারীবাদী|নারীবাদী]] যিনি [[w:bn:ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়ার্কার্স অফ দ্য ওয়ার্ল্ড|ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়ার্কার্স অফ দ্য ওয়ার্ল্ডে]] অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন। ফ্লিন [[w:bn:আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়ন|আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়নের]] একজন প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং [[নারীর অধিকার]], [[জন্ম নিয়ন্ত্রণ]] এবং [[w:bn:নারী ভোটাধিকার|নারী ভোটাধিকারের]] একজন বিশিষ্ট প্রবক্তা ছিলেন। তিনি ১৯৩৬ সালে [[w:bn:কমিউনিস্ট পার্টি ইউএসএ|কমিউনিস্ট পার্টি ইউএসএ]]-তে যোগ দেন এবং জীবনের শেষভাগে, ১৯৬১ সালে এর সভানেত্রী হন।
== উক্তি ==
===[https://speakingwhilefemale.co/jobs-flynn2/ "দ্য ওয়ার্কিং ক্লাস"] (২৯ জুন, ১৯০৯)===
* ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়ার্কার্স অফ দ্য ওয়ার্ল্ড হলো শ্রমিক সংগঠনের একটি নতুন রূপ, যা কেবল শিল্প শ্রমিক শ্রেণি এবং শুধুমাত্র সেই শ্রেণির জন্যই কাজ করে।
* এই দেশের শ্রমিক শ্রেণি এমন এক পরিস্থিতির দিকে তাকিয়ে আছে যেখানে সারা বিশ্বের চাহিদা মেটানোর মতো প্রাকৃতিক সম্পদ বিদ্যমান। তারা এমন এক শিল্প পরিস্থিতির দিকে তাকিয়ে আছে যা এমন সব যন্ত্রপাতি উদ্ভাবন করেছে যা খুব সামান্য শ্রম ব্যয়ে এই প্রাকৃতিক সম্পদগুলোকে প্রয়োজনীয় পণ্য বা বিলাসদ্রব্যে রূপান্তর করতে সক্ষম। তবুও তা সত্ত্বেও এবং যারা পরিশ্রম করে তাদের দ্বারা সম্ভব হওয়া উৎপাদনশীলতা এবং পৃথিবীর প্রাকৃতিক প্রাচুর্য সত্ত্বেও, আমাদের এই দেশে মানুষ না খেয়ে মরছে এবং পঞ্চাশ লক্ষ মানুষ বেকার। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে দশ লক্ষেরও বেশি শিশু শ্রমিক, নিউ ইয়র্ক সিটিতে সত্তর হাজার এবং শিকাগোতে পঞ্চাশ হাজার শিশু সকালে নাস্তা না খেয়ে স্কুলে যায়। আমাদের এমন এক অবস্থা যেখানে অধিকাংশ মানুষ সম্পদহীন শ্রেণি, যারা কোনো জমির মালিক নয়, যারা সেই উৎপাদনশীল যন্ত্রপাতির কোনোটিই নিয়ন্ত্রণ করে না, যারা এই স্বাধীন দেশে এবং সাহসীদের আবাসভূমিতে নিজের শ্রমশক্তি অর্থাৎ নিজের কাজ করার ক্ষমতা ছাড়া আর কিছুই নিয়ন্ত্রণ করে না।
* আজ শ্রমিক শ্রেণির কাছে কেবল এমন কিছু পরিস্থিতি রয়েছে যা তারা নিজেরা প্রতিকার করার অবস্থানে আছে। তাদের কাছে কেবল কিছু মিথ্যা পরিস্থিতি রয়েছে, যা প্রকৃতির সৃষ্টি নয় বরং মানুষের তৈরি, যা তারা নিজেরা উৎখাত করতে পারে।
* আমাদের যা কিছু আছে তা হলো কাজ করার ক্ষমতা এবং পুঁজিবাদী শ্রেণির কাছে সেই একটি পণ্যই নেই। তাদের কারখানা আছে, জমি আছে, রেলপথ আছে কিন্তু তাদের কাছে শ্রমশক্তি নেই, যা সম্পদ তৈরির আসল ক্ষমতা।
* স্যামুয়েল গম্পার্স হলো মালিকদের বন্ধু।
* আমাদের আছে শুধু আমাদের সংগঠন, সহকর্মীবৃন্দ। তাদের আছে পুঁজি, তাদের আছে সরকারের ক্ষমতা, পুঁজিবাদী শ্রেণীর সংগ্রামী গোষ্ঠী; তাদের আছে রাষ্ট্রের ক্ষমতা; তাদের আছে আন্তর্জাতিক পুঁজির ক্ষমতা — আর আমাদের আছে শুধু আমাদের সাংগঠনিক শক্তি।
==="দ্য ট্রুথ অ্যাবাউট দ্য প্যাটারসন স্ট্রাইক" (১৯১৪)===
''আউটস্পোকেন উইমেন'' (১৯৮৪) সংকলন থেকে। ক্যাপশন: "নিচের ভাষণটি ১৯১৪ সালের ৩১শে জানুয়ারি নিউ ইয়র্ক সিটির নিউ ইয়র্ক সিভিক ক্লাব ফোরামে প্রদান করা হয়েছিল। এর টাইপস্ক্রিপ্টটি মিশিগানের অ্যান আর্বারে অবস্থিত ইউনিভার্সিটি অফ মিশিগান লাইব্রেরির লাবাদি কালেকশনে সংরক্ষিত রয়েছে।"
* আমি মনে করি আমাদের অনেক সমালোচকই সেইসব মানুষ যারা ঘরে বসে বিছানায় বিশ্রাম নিচ্ছিলেন যখন আমরা ধর্মঘটের কঠিন কাজগুলো করছিলাম।
* শ্রমিকদের বিজয় আসলে কী? আমি মনে করি এটি একটি দ্বিমুখী বিষয়। একটি পূর্ণাঙ্গ বিজয় অর্জনের জন্য শ্রমিকদের অবশ্যই অর্থনৈতিক সুবিধা অর্জন করতে হবে। একই সাথে তাদের মধ্যে বৈপ্লবিক চেতনাও জাগ্রত হতে হবে। শ্রমিকরা দিনে কয়েক সেন্ট মজুরি বেশি পেল বা কয়েক মিনিট কম কাজ করল, কিন্তু সেই একই মানসিকতা নিয়ে কাজে ফিরল। সমাজের প্রতি তাদের দৃষ্টিভঙ্গি যদি একই থাকে, তবে সেটি কেবল একটি সাময়িক লাভ। এটি কোনো স্থায়ী বিজয় নয়। শ্রমিকরা যদি শ্রেণি-সচেতন চেতনা এবং একটি সংগঠিত ও দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ মনোভাব নিয়ে কাজে ফেরে, তবেই সেটি প্রকৃত জয়। এর ফলে তাৎক্ষণিক কোনো অর্থনৈতিক লাভ না হলেও ভবিষ্যতে তা অর্জনের সম্ভাবনা তৈরি হয়। অন্য কথায়, শ্রমিকের বিজয়কে অবশ্যই অর্থনৈতিক এবং বৈপ্লবিক হতে হবে। তা না হলে সেটি পূর্ণাঙ্গ হয় না।
* একটি শ্রমিক বিজয় অবশ্যই দ্বিমুখী হতে হবে, তবে যদি কেবল একটি পাওয়া সম্ভব হয় তবে অর্থনৈতিক সুবিধার চেয়ে চেতনা অর্জন করা অনেক বেশি ভালো।
* আমাদের কাজ ছিল শিক্ষিত করা এবং অনুপ্রাণিত করা। শিক্ষা কোনো তাৎক্ষণিক পরিবর্তন নয়, বরং এটি একটি প্রক্রিয়া। শ্রমিকদের সামনে দেওয়া একটি মাত্র ভাষণ তাদের সারা জীবনের সংস্কারগুলো দূর করে দেয় না। আমাদের জাতীয় বিষয়গুলো নিয়ে কুসংস্কার ছিল। বিভিন্ন পেশার মধ্যে এবং নারী-পুরুষের প্রতিযোগিতার মধ্যেও সংস্কার ছিল। আমাদের এই সবকিছুই কাটিয়ে উঠতে হয়েছিল।
* ধর্মঘটের ক্ষেত্রে উদ্দীপনা মানে হলো সেই ধর্মঘট এবং তার মাধ্যমে হওয়া শ্রেণী সংগ্রামকে তাদের ধর্মে পরিণত করা। তারা যে সামান্য কয়েক সেন্ট মজুরি বা কয়েক ঘণ্টা সময়ের জন্য লড়ছে, সেই কথাটি তাদের ভুলিয়ে দিতে হবে। তাদের মনে এই অনুভূতি জাগিয়ে তুলতে হবে যে এই ধর্মঘটে জয়ী হওয়া তাদের একটি "ধর্মীয় দায়িত্ব"। আমাদের কাজের মূলে ছিল এই দুটি বিষয়। তাদের মধ্যে সংহতি এবং শ্রেণী-সচেতনতার বোধ তৈরি করা।
* আমি বলছি না যে সহিংসতা ব্যবহার করা উচিত নয়। তবে যেখানে এর কোনো প্রয়োজন নেই, সেখানে আমাদের এটি অবলম্বন করারও কোনো কারণ নেই।
* শারীরিক সহিংসতা নাটকীয় মনে হয়। বিশেষ করে যখন আপনি এটি নিয়ে কেবল কথা বলেন কিন্তু বাস্তবে প্রয়োগ করেন না, তখন এটি বেশি নাটকীয় লাগে। তবে ধর্মঘট পরিচালনার ক্ষেত্রে প্রকৃত সহিংসতা এখন একটি সেকেলে পদ্ধতি। সমস্ত শিল্প-কারখানাকে অচল করে দেওয়ার মতো গণ-আন্দোলন অনেক বেশি আধুনিক এবং ভীতিকর পদ্ধতি। এর মানে এই নয় যে আত্মরক্ষার জন্য সহিংসতা ব্যবহার করা যাবে না। আত্মরক্ষার জন্য সহিংসতার প্রয়োজনীয়তা সবাই বিশ্বাস করে। ধর্মঘটীদের এটি আলাদা করে বলে দেওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে মূল বিষয়টি হলো ধর্মঘটে জেতার উপায় হলো নিজের হাত পকেটে রেখে কাজ করতে অস্বীকার করা।
* যদি রবিবারে আপনি সেই মানুষগুলোকে বাড়িতে থাকতে দেন, তবে তারা আগুনহীন চুলার পাশে বসে থাকবে। তারা এমন টেবিলে খেতে বসবে যেখানে খুব বেশি খাবার নেই। তারা দেখবে সন্তানদের জুতো ছিঁড়ে পাতলা হয়ে গেছে এবং তাদের পোশাকগুলোও জীর্ণ হয়ে যাচ্ছে। তখন তারা কেবল "নিজের" কথা ভাবতে শুরু করবে। এতে তাদের মধ্যে থাকা গণ-চেতনা হারিয়ে যাবে এবং সবাই যে তাদের মতোই কষ্ট পাচ্ছে সেই উপলব্ধি তারা হারাবে। সপ্তাহের প্রতিদিন এবং বিশেষ করে রবিবারে তাদের কাজে ব্যস্ত রাখতে হবে। এটি করা প্রয়োজন যাতে তাদের মনোবল শূন্যে নেমে না যায়। আমি মনে করি পাদ্রিরা রবিবারে এই কারণেই ধর্মোপদেশ দেন যাতে মানুষ সপ্তাহের বাকি দিনগুলো তাদের অবস্থা কতটা খারাপ ছিল তা ভাবার সুযোগ না পায়। যাই হোক, ধর্মঘটের সময় এটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি বিষয়।
* প্রকৃতপক্ষে প্রতিটি ধর্মঘটের এটি একটি জরুরি প্রক্রিয়া। মানুষকে সবসময় ব্যস্ত রাখা এবং তাদের সক্রিয় রাখা প্রয়োজন যাতে তারা সারিবদ্ধ লড়াইয়ের যোদ্ধা হিসেবে কাজ করতে পারে। আন্দোলনকারীর কাজ হলো বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রমের পরিকল্পনা করা এবং পরামর্শ দেওয়া যা পুরোপুরি ধর্মঘটের ওপর নিবদ্ধ থাকবে। এই কারণেই আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. বড় বড় জনসভা, নারী সমাবেশ এবং শিশুদের সমাবেশের আয়োজন করে। আমরা কেন বড় আকারে পিকেটিং এবং গণ-অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার আয়োজন করি তার কারণও এটিই। এই নিরবচ্ছিন্ন গণ-কার্যক্রমের মাধ্যমেই আমরা শ্রমিকদের মনে "একজনের জন্য সবাই এবং সবার জন্য একজন" এই অনুভূতি তৈরি করতে পারি। আমরা তাদের বোঝাতে সক্ষম হই যে একজনের ক্ষতি মানেই সবার ক্ষতি। আমরা তাদের এমন এক পর্যায়ে নিয়ে আসতে পারি যেখানে তারা ধর্মঘটের ভাতার চেয়ে পারস্পরিক সহায়তার ওপর বেশি ভরসা করবে। তারা জরিমানা দিতে অস্বীকার করে একসাথে শত শত মানুষ জেলে যাবে।
* এই অনবরত সক্রিয়তাই হলো একজন আন্দোলনকারীর কাজ। তাদের নতুন কী কাজ দেওয়া যায় তা ভাবতে গিয়ে আমরা অনেক রাত জেগে কাটিয়েছি। লরেন্সের কথা মনে পড়ে যখন আমাদের কেউ এক রাত ঘুমাতে পারিনি। কাজের অভাবে ধর্মঘটের উদ্দীপনা তখন কমে যাওয়ার ঝুঁকিতে ছিল। আমার মনে আছে [[বিল হেউড]] শেষ পর্যন্ত বলেছিলেন, "চলো এসেক্স স্ট্রিটে পিকেট লাইন তৈরি করি। প্রতিটি ধর্মঘটী একটি করে ছোট লাল ফিতা পরবে এবং রাস্তায় পায়চারি করে বুঝিয়ে দেবে যে ধর্মঘট ভেঙে যায়নি।" কয়েক দিন পর সেই পরামর্শ কার্যকর করা হয়। যখন তারা বাড়ি থেকে বেরিয়ে নিজেদের বিশাল সংখ্যাটি দেখল, তখন তারা নতুন শক্তি ও উদ্যম ফিরে পেল। এটি তাদের ধর্মঘটকে আরও অনেক সপ্তাহ এগিয়ে নিতে সাহায্য করেছিল।
* মানুষ কাজের মাধ্যমেই কাজ শেখে। ধর্মঘটে আমাদের কোনো সামরিক বাহিনী নেই যাকে "এটি করো" বা "ওটি করো" বললেই তারা নিখুঁতভাবে মেনে চলবে। গণতন্ত্রের মানে হলো ভুল করা এবং অনেক ভুল করা। তবে এর মানে অভিজ্ঞতা অর্জন করাও যাতে সেই ভুলগুলোর পুনরাবৃত্তি না হয়।
* নিয়োগকর্তারা আপনার বাহিনীর সবটুকু দেখতে পান। কিন্তু আপনি তাদের বাহিনীর কিছুই দেখতে পান না এবং কেবল তাদের অবস্থা অনুমান করতে পারেন।
===[https://www.marxists.org/subject/women/authors/flynn/1916/patriotism.htm "ডু ইউ বিলিভ ইন প্যাট্রিওটিজম?"] (মার্চ, ১৯১৬)===
''দ্য মাসেস'' পত্রিকায় প্রকাশিত।
* প্রশ্নটি কি এমন হওয়া উচিত 'আমেরিকা আগে' নাকি 'দুনিয়ার মজদুর, এক হও!'
* যাদের এই দেশ আছে, যারা যুদ্ধের প্রস্তুতির জন্য চিৎকার করছে এবং তা থেকে মুনাফা লুটছে, তাদের নিজেদের সম্পদ রক্ষার জন্য তাদেরকেই লড়তে দাও।
* আমি রাজা বা কাইজারের শাসনের মতো [[রকফেলার]] এবং [[মরগান|মরগানের]] শাসনকেও ঘৃণা করি। বেলজিয়ামের ঘটনায় আমি যতটা ক্ষুব্ধ, লুডলো এবং ক্যালুমেটের ঘটনায় আমি ততটাই লজ্জিত ও ক্ষুব্ধ।
* আমাদের শ্রমিকদের অধিকাংশ হলো বিদেশি, যারা এক বা দুই প্রজন্ম আগে এখানে এসেছে। তাদের ইউরোপীয় পারিবারিক টান এবং আমেরিকান পরিবেশের কারণে এই বৈচিত্র্যময় জনগোষ্ঠীর জন্য আন্তর্জাতিকতাবাদই যৌক্তিক দেশপ্রেম হয়ে ওঠে।
* যে ট্রেনে বসে আমি এই লেখাটি লিখছি, সেটি এমন সব কারখানার পাশ দিয়ে দ্রুত বেগে ছুটে চলেছে যেখানে সোনার বিনিময়ে হত্যার সরঞ্জাম তৈরি করা হয়।
===[https://www.marxists.org/subject/women/authors/flynn/1941/mayday.htm "মে ফার্স্ট: দ্য সান অফ টুমরো"] (৬ মে, ১৯৪১)===
* এটি জাতি, ধর্ম, বর্ণ এবং জাতীয়তার সমস্ত পার্থক্যকে মুছে দেয়। এটি সর্বত্র সকল শ্রমিকের ভ্রাতৃত্বকে উদযাপন করে। এটি সমস্ত জাতীয় সীমানা অতিক্রম করে, সমস্ত ভাষার বাধা পেরিয়ে যায়, সমস্ত ধর্মীয় বিভেদকে উপেক্ষা করে। এটি সারা বিশ্বে সমস্ত শ্রমিক এবং সমস্ত শোষণকারীদের মধ্যে অলঙ্ঘনীয় ফাটলকে স্পষ্ট করে তোলে। এটি সেই দিন যখন শ্রেণি সংগ্রামের লড়াকু তাৎপর্য প্রতিটি সচেতন শ্রমিকের মাধ্যমে পুনরায় নিশ্চিত হয়।
* জ্ঞানদীপ্ত শ্রমিকের কাছে এই দিনটি একটি নতুন বিশ্ব, একটি শ্রেণিহীন বিশ্ব, একটি শান্তিপূর্ণ বিশ্ব, দারিদ্র্য বা দুঃখহীন বিশ্বের পূর্বাভাস। এটি সমাজতন্ত্রের এক উজ্জ্বল প্রতিশ্রুতি, মানবজাতির প্রকৃত ভ্রাতৃত্ব। ১৯৪১ সালের এই দিনে লেনিনের সেই বিজ্ঞ বাণী; “জীবন নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করবেই। কমিউনিস্টদের অবশ্যই জানতে হবে যে ভবিষ্যৎ তাদেরই,” ব্রাউডার এবং থেলম্যান ও আরও অসংখ্য মানুষের একাকী জেলখানাকে আলোকিত করবে। কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পগুলোতে বিপ্লবী গানের মৃদু সুর শোনা যাবে। সমুদ্রে, সামরিক ব্যারাকে, কারখানা বা কলের জবরদস্তিমূলক শ্রমে নিযুক্ত শ্রমিকদের হৃদস্পন্দন তাদের সাথে মিলে যাবে যারা বহুদূরে মস্কোর রেড স্কয়ারে উত্তাল সংগীতের তালে লাল পতাকার পেছনে আনন্দভরে প্যারেড করছে। ইউরোপের পরিখায় থাকা সৈনিকরা, ফ্রাঙ্কোর অন্ধকূপের বন্দিরা, হিটলারের নরককুণ্ডের এবং মুসোলিনির কারাগারের বন্দিরা দাঁতে দাঁত চেপে বিড়বিড় করে বলবে; “তোমাদের দিন ফুরিয়ে আসছে। তোমরা জনগণের চূড়ান্ত বিজয় রুখতে পারবে না!”
* মে দিবস আমেরিকান শ্রমিকদের রক্তে দীক্ষিত হয়েছিল।
* ফাঁসির দড়ি গলায় শক্ত হওয়ার সময় [[আলবার্ট পারসন্স|পারসন্স]] চিৎকার করে বলেছিলেন, "জনগণের কণ্ঠস্বর শুনতে দাও!" গতকালের বীর শহিদ, মে দিবসে এই কণ্ঠস্বর শোনা গেছে এবং সবসময় শোনা যাবে! এই বছর শিকাগোর ইন্টারন্যাশনাল হারভেস্টার ওয়ার্কসের নবসংগঠিত বিজয়ী ধর্মঘটীরা মে মাসের এক তারিখে তোমাদের নামকে পবিত্র করবে।
* জার্মানির সাহসী সমাজতন্ত্রী নারী [[রোজা লুক্সেমবার্গ]], যাকে পরে সামরিকবাদীরা নির্মমভাবে হত্যা করেছিল, ১৯১৩ সালে বিশ্বযুদ্ধের বিরুদ্ধে সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন। তিনি মে দিবসকে শান্তি ও সমাজতন্ত্রের জন্য এক শক্তিশালী গণবিক্ষোভে পরিণত করার আহ্বান জানিয়েছিলেন। “দুনিয়ার মজদুর, এক হও!” মে দিবসে এটিই ছিল জোরালো দাবি। প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে চাপ দেওয়া হয়েছিল এবং প্রতিটি দেশে ও আন্তর্জাতিকভাবে আরও বেশি লড়াকু স্লোগান তোলা হয়েছিল।
* কেবল শ্রমিকদের জন্যই আন্তর্জাতিকতাবাদী হওয়া নিষিদ্ধ। [[জে. পি. মরগান]] এবং [[হেনরি ফোর্ড]], ব্যাংকার, অস্ত্র ব্যবসায়ী গোষ্ঠী, রাসায়নিক কোম্পানিগুলোর জন্য এটি একদম ঠিক আছে। বিজ্ঞানী, ডাকটিকিট সংগ্রাহক, অ্যাথলেটিক অ্যাসোসিয়েশন, সংগীতশিল্পী, আধ্যাত্মবাদী, মৌমাছি পালনকারীদের জন্য আন্তর্জাতিকতাবাদী হওয়া ঠিক আছে—কিন্তু শ্রমিকদের জন্য নয়। কেবল শ্রমিকরা যখন সীমানা পেরিয়ে একে অপরের হাত ধরে, তখনই প্রতিটি দেশে তাদের ওপর আঘাত হানা হয়। নৃবিজ্ঞানীরা জটিল ভাষায় বলতে পারেন, “কেবল একটিই জাতি আছে—মানবজাতি!” কিন্তু একজন শ্রমিক যদি বলে, “ভাই, সহকর্মী শ্রমিক, কমরেড”—তবেই নরক ভেঙে পড়ে। তাকে যেখান থেকে এসেছে সেখানে ফেরত পাঠানো উচিত! তার নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া উচিত; তার চাকরি হারানো উচিত; তাকে জেলে পাঠানো উচিত! যদি খ্রিস্টের মতো কোনো কণ্ঠস্বর তাদের চ্যালেঞ্জ করে বলে: “তোমার প্রতিবেশীকে নিজের মতো ভালোবাসার বিষয়টি কী হবে?” তবে টেক্সাসের সেই বন্য মানুষটি চিৎকার করে উঠবে: “একথা কে বলেছে? সে একজন লাল, নাশকতামূলক কাজ করা লোক, একজন গোলযোগ সৃষ্টিকারী!” আমরা এই উন্মাদনায় বিন্দুমাত্র বিচলিত হব না। আসুন আমরা লেনিনের সেই শীতল বাক্যগুলো মনে রাখি: "বুর্জোয়ারা এভাবেই কাজ করে যেভাবে ইতিহাস কর্তৃক মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত সমস্ত শ্রেণি কাজ করেছিল।" সংহতি, বিজয় এবং আশার প্রতিটি সুন্দর মে দিবস আমাদের "দীর্ঘ মেয়াদী দৃষ্টিভঙ্গি" নেওয়ার কথা মনে করিয়ে দেয়—যা সমসাময়িক ঘটনাগুলো দেখার বলশেভিক দৃষ্টিভঙ্গি। সামনের রাস্তা হয়তো আরও বন্ধুর হতে পারে কিন্তু এটি পেছনের রাস্তার চেয়ে ছোট।
* মে দিবসে আমরা সোভিয়েত ইউনিয়নকে অভিবাদন জানাই—সমাজতন্ত্রের দেশ—শান্তি ও প্রাচুর্যের দেশ, অনাদিকাল থেকে শ্রমজীবী মানুষের মহান আদর্শ, সকল পরিশ্রমী মানুষের সমবায় রাষ্ট্র।
* যুদ্ধবাজদের চিৎকার করতে দিন; মুনাফালোভীদের উন্মাদনা চলতে দিন। মে দিবসে আমেরিকার এই লক্ষ লক্ষ শ্রমিক জবাব দেয়, “আমরা আমাদের অবস্থান থেকে নড়ব না!” হতাশ হওয়ার কিছু নেই; ক্লান্ত হওয়ার কিছু নেই—যতক্ষণ না আমরা সংগঠিত হচ্ছি এবং লড়াই করছি। যতক্ষণ আমরা আমাদের অর্জনগুলোকে লোহার মুষ্টিতে ধরে রাখছি; সামনে এগিয়ে যাচ্ছি এবং আরও বেশি আদায় করছি। যতক্ষণ আমেরিকার ছিয়াশি শতাংশ মানুষের মধ্যে রুজভেল্ট-উইলকি যুদ্ধবাজ দলের বিরুদ্ধে অটল প্রতিরোধ বজায় আছে। সংগঠিত হোন। লড়াই করুন। সামনে এগিয়ে যান—এটাই ১৯৪১ সালে আমেরিকার মে দিবসের চেতনা।
* যুদ্ধে অংশ না নেওয়ার জন্য সংগঠিত হোন এবং লড়াই করুন! আমেরিকানসহ সকল সাম্রাজ্যবাদ ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে!
* ১৯৪১ সালের পহেলা মে বিশ্বজুড়ে লক্ষ লক্ষ মানুষের হৃদয়ে, মনে এবং মুখে শান্তি ও সমাজতন্ত্রের কথা ধ্বনিত হচ্ছে। “আগামীকালের সূর্য” আমাদের ওপর আলোকিত হচ্ছে। ভবিষ্যৎ আমাদের।
=== আদালতে ভাষণ, স্মিথ অ্যাক্টের অধীনে অভিযুক্ত (১৯৫২) ===
এস. মিশেল নিক্স সম্পাদিত 'উইমেন অ্যাট দ্য পডিয়াম: মেমোরবল স্পিচেস ইন হিস্ট্রি' গ্রন্থ থেকে।
* আমি বা আমার কমরেডদের কেউই বলপ্রয়োগ ও সহিংসতার মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকারকে উৎখাত করার কোনো ষড়যন্ত্রে দোষী নই। মৌনতাকে পরাজয়বাদ হিসেবে গণ্য করা হতে পারে, কিন্তু সত্য হলো আমি আমাদের নির্দোষিতার বিষয়ে এতটাই শান্ত ও সচেতন যে, আমাকে কারারুদ্ধ করা যেতে পারে কিন্তু আমাকে সংশোধন করা, সংস্কার করা বা পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। আমার শরীরকে বন্দি করা যেতে পারে কিন্তু আমার চিন্তাভাবনা স্বাধীন ও অপ্রভাবিত থাকবে। সমগ্র মানব ইতিহাস প্রমাণ করেছে যে ধারণা বা চিন্তাকে কারাগারে বন্দি করা যায় না। সেগুলোর মোকাবিলা কেবল জনসমক্ষে আলোচনার মাধ্যমেই সম্ভব।
* পুঁজিবাদের অধীনে যে রাজনৈতিক, শিল্প এবং সামাজিক পরিস্থিতি আমাদের এই চিন্তাধারা তৈরি করেছে, তা এখনও বিদ্যমান। এগুলো আরও অসংখ্য মানুষের মনে অনুরূপ চিন্তার জন্ম দেবে এবং আমাদের মনে সেই চিন্তাগুলোকে আরও শক্তিশালী করবে। কারাগার কখনোই সেইসব সংকল্পবদ্ধ মানুষকে প্রভাবিত করতে পারেনি যারা নিজেদের আদর্শ নিয়ে বাঁচে, কাজ করে এবং প্রয়োজনে মৃত্যুবরণ করে। আমরা কমিউনিস্টরা ঠিক তেমনই মানুষ। মিথ্যা, হিস্টিরিয়া, কুসংস্কার এবং সর্বোপরি ভয়ের কুয়াশা একবার দূর হয়ে গেলে আমেরিকান জনগণের চূড়ান্ত ন্যায়বিচারের ওপর আমার বিশ্বাস আছে। নিজের দেশকে ভয়ের কবলে দেখা এক ভয়াবহ বিষয়—অপ্রয়োজনীয়, নির্বোধ ও মূর্খ ভয়; কাল্পনিক শত্রুর ভয়, আমাদের মিত্র ও বন্ধুদের ভয়; গুপ্তচরদের অভিযুক্ত আঙুলের ভয়, নিজের চাকরি বা নাগরিকত্ব বা সমাজে নিজের স্থান হারানোর ভয়। পুরো সরকারি আমলাতন্ত্র বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার অপচয় করছে, দম্ভোক্তি করছে, বড়াই করছে এবং ভয় দেখাচ্ছে; তারা মূলত ভয়ের অন্ধকারে দাঁড়িয়ে শিস দিচ্ছে এবং পুরো বিশ্বকে আমাদের দেখে ভীত করার চেষ্টা করছে।
* এক মুঠো ভীতু ধনকুবেরদের কাছ থেকেই এই সংক্রমণ ছড়িয়েছে—সেইসব ট্রাস্টের মালিকরা, যারা তাদের স্টকের কাগজের চেয়ে দেশকে কখনোই বেশি ভালোবাসেনি, যাদের দেশপ্রেম সবসময় লাভের শতাংশের ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয়, যারা কেবল তাদের দেশবাসীকে নয় বরং পুরো মানবজাতিকে শাসন করতে, শোষণ করতে এবং তাদের বিরুদ্ধে সহিংসতা চালাতে চায়। তারা কেবল তাদের সংকীর্ণ ও ভাড়াটে শাসন এবং জীবনযাত্রা বজায় রাখার জন্য বিশ্বকে পারমাণবিক যুদ্ধের রক্তসমুদ্রে ডুবিয়ে দেবে এবং তা এমন সব মানুষের ওপর চাপিয়ে দেবে যারা এর কিছুই চায় না। বিপদ যত বড়ই হোক না কেন, আমার বিশ্বাস আছে যে আমাদের দেশে ফ্যাসিবাদ কখনোই জয়ী হবে না। ১৯৩৫ সাল থেকে সেই বিপদ সম্পর্কে সতর্ক করার ক্ষেত্রে আমাদের পার্টি যে ভূমিকা পালন করেছে তার জন্য আমি গর্বিত।
* ১৮০০ সালের এলিয়েন অ্যান্ড সেডিশন ল, ষাটের দশকের ফিউজিটিভ স্লেভ ল এবং ১৯২০-এর দশকের ক্রিমিনাল সিন্ডিকালিস্ট ল-এর মতো স্মিথ অ্যাক্টও অচিরেই বাতিলের তালিকায় চলে যাবে।
* আদালত কক্ষ, মধ্যবিত্ত জুরি এবং সংবাদমাধ্যমকে ঘিরে থাকা এই কুয়াশা সাধারণ মানুষের মাঝখান থেকে সরে যাবে—যাদের সাধারণ উপস্থিতি এবং আচরণ সেইসব কঠোর রাজনৈতিক মনোনীত ব্যক্তিদের সন্তুষ্ট করতে পারে না যারা সমৃদ্ধশালীদের তোষামোদি করে।
* দমনমূলক আইন, আনুগত্যের শপথ, কংগ্রেসের তদন্ত, ডাইনি শিকার, রাজনৈতিক বিচার এবং এই জাতীয় সবকিছুর বিরুদ্ধে আমাদের দেশে একটি গণআন্দোলন প্রবল বেগে প্রেইরি বাতাসের মতো জেগে উঠছে।
* ধর্মাবতার, আমি গত শুক্রবার আপনাকে একটি প্রশ্ন করেছিলাম যা আমি এখন আবার করছি: যদি কমিউনিস্ট পার্টি অবৈধ না হয়, এর সদস্যপদ এবং নেতৃত্ব অবৈধ না হয়, যদি সমাজতন্ত্রের প্রচার অবৈধ না হয়, যদি প্রতিদিনের কর্মসূচির মাধ্যমে "সৎ কাজ" করা (সরকার যাকে বিদ্রূপ করে বলছে) অবৈধ না হয়, তবে বিবেক অনুযায়ী এখানে অবৈধ কী? আমরা কিসে অপরাধী?
* আমার এই দীর্ঘ জীবনে... আমি কখনো ভাবিনি যে আমাকে বইয়ের জন্য জেলে যেতে হবে, এবং এমনকি পুরো বইয়ের জন্য নয় বরং বইয়ের কিছু অংশ বা টুকরো উদ্ধৃতির জন্য। আর আমি যদি গত সাতচল্লিশ বছরের আমার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যাই—যেখানে আমি ইউনিয়নবাদ, গণতান্ত্রিক অধিকার, নিগ্রো জনগোষ্ঠী ও নারীদের অধিকার নিয়ে, শান্তি এবং ফ্যাসিবাদ ও যুদ্ধের বিরুদ্ধে এবং সমাজতন্ত্র নিয়ে কাজ করেছি ও কথা বলেছি—তবে তখন কী হবে, ধর্মাবতার?
* ধর্মাবতার, জরিমানার ক্ষেত্রে আমার মালিকানাধীন সমস্ত বৈষয়িক সম্পত্তি বলতে কেবল সেই বইগুলোই আছে যা আমি ষোলো বছর বয়সে টম পেইনের 'কমন সেন্স'-এর একটি কাগজ-বাঁধানো কপি কেনার পর থেকে জমিয়েছি। সেগুলো ভালো বই—কবিতা, নাটক, ইতিহাস, রাজনৈতিক অর্থনীতি, কথাসাহিত্য, দর্শন, শিল্পকলা, সংগীত, ভ্রমণ এবং সাহিত্য। সেখানে শেক্সপিয়র, শ, এমারসন, হেগেল, মার্ক টোয়েনের পাশে মার্ক্স ও এঙ্গেলস আছেন; থোরো, জেফারসন, বিয়ার্ড দম্পতি, ওয়েব দম্পতি, হুগো, হার্ডি এবং আরও অনেকের পাশে লেনিন ও স্ট্যালিন আছেন... সেই বইয়ের তাকগুলোতে বলপ্রয়োগ ও সহিংসতা আছে কিন্তু সরকার যেখানে খুঁজছে সেখানে নয়। এটি আয়ারল্যান্ডের ইতিহাসে আছে—কনেলি, ও’কেসি এবং অন্যান্যরা ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে দীর্ঘ ও রক্তাক্ত সংগ্রামের কথা বলছেন। এটি আমেরিকান শ্রমের ইতিহাসে আছে—কলোরাডো, পশ্চিম ভার্জিনিয়া, হোমস্টেড, দক্ষিণ শিকাগো এবং সান ফ্রান্সিসকোর এমবার্কাডেরোতে। এটি আমেরিকার ইতিহাসে আছে—বিপ্লব, আমেরিকান ইন্ডিয়ানদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ, গৃহযুদ্ধ, স্পেন-আমেরিকান যুদ্ধ। এটি নিগ্রো জনগণের সংগ্রামে আছে। এটি বাইবেলেও আছে—যা আমার বইয়ের তাকেই আছে, ধর্মাবতার—ইহুদি উপজাতি এবং পুরনো নবীদের বিরুদ্ধে সহিংসতা, যিশু ও তার শিষ্যদের এবং প্রাথমিক খ্রিস্টান শহিদদের বিরুদ্ধে সহিংসতা।
* বলপ্রয়োগ এবং সহিংসতা শাসক শ্রেণির কাছ থেকে আসে, সাধারণ মানুষের কাছ থেকে নয়।
===''দ্য রেবেল গার্ল: অ্যান অটোবায়োগ্রাফি, মাই ফার্স্ট লাইফ'' (১৯৫৫)===
*আমাদের শৈশবের একটি অবিস্মরণীয় ট্র্যাজেডি ছিল ১৯০৪ সালে জেনারেল স্লোকাম নামক প্রমোদ তরণীটি পুড়ে যাওয়া।
*এডওয়ার্ড বেলামি রচিত 'লুকিং ব্যাকওয়ার্ড' বইটি এই দেশে প্রথম সমাজতন্ত্রের ধারণাকে জনপ্রিয় করেছিল। এটি ছিল পুঁজিবাদের একটি তীক্ষ্ণ সমালোচনা, যা অনেক আমেরিকানের মনে দাগ কেটেছিল এবং ক্রমবর্ধমান একচেটিয়া কারবারের সেই দিনগুলোতে তারা এর সাথে একমত পোষণ করেছিল।
*পিটার ক্রোপোটকিনের দরিদ্র যুবকদের প্রতি করা আবেদন আমাকে ব্যক্তিগতভাবে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছিল, যেন তিনি ব্রঙ্কসে আমাদের সেই জরাজীর্ণ দারিদ্র্যপীড়িত ফ্ল্যাটেই আমাদের সাথে কথা বলছেন: "তোমাকে কি তোমার বাবা-মায়ের মতো আরও ত্রিশ বা চল্লিশ বছর একই ক্লান্তিকর অস্তিত্ব টেনে নিয়ে যেতে হবে? অন্যদের জন্য সুস্বাস্থ্য, জ্ঞান এবং শিল্পের সমস্ত আনন্দ নিশ্চিত করতে কি তোমাকে জীবনভর কঠোর পরিশ্রম করতে হবে এবং নিজের জন্য কেবল এক টুকরো রুটি পাবে কি না—সেই চিরন্তন উদ্বেগটুকু রেখে দিতে হবে?"
*আমার মনে পড়ে আরেকটি বইয়ের কথা, যা আমার জীবনে তাৎক্ষণিক পরিবর্তন এনেছিল—আপটন সিনক্লেয়ারের 'দ্য জঙ্গল'। এটি পড়ার পর আমি তৎক্ষণাৎ নিরামিষাশী হয়ে গিয়েছিলাম!
*সেই সময়ে (১৯০৬ সালের দিকে) আমি আরও দুটি বই পড়েছিলাম, যা আমাকে সমাজতান্ত্রিক কর্মকাণ্ডে ঝাঁপিয়ে পড়তে সাহায্য করেছিল। একটি ছিল মেরি উলস্টোনক্র্যাফট রচিত 'ভিন্ডিকেশন অফ দ্য রাইটস অফ উইমেন' এবং অন্যটি ছিল আগস্ট বেবেলের 'উইমেন অ্যান্ড সোশ্যালিজম'।
*নারীদের ইউনিয়ন গঠন করার প্রক্রিয়াটি তখন কেবল শুরু হয়েছিল, এমনকি সুচিশিল্পের মতো পেশাগুলোতেও যেখানে তাদের প্রাধান্য ছিল। সমান সুযোগ, সমান বেতন এবং সংগঠিত হওয়ার অধিকার তখন মজুরি উপার্জনকারী নারীদের জন্য অত্যন্ত জরুরি প্রয়োজন ছিল এবং দুর্ভাগ্যবশত এই দাবিগুলো আজও আমাদের মাঝে রয়ে গেছে। অনেক ইউনিয়ন নেতা, যেমন আমেরিকান ফেডারেশন অফ লেবার-এর সভাপতি স্যামুয়েল গম্পার্স, নারী শ্রমিকদের সংগঠিত হওয়ার যোগ্য বা নির্ভরযোগ্য মনে করতেন না। "তারা কেবল হাতখরচের জন্য কাজ করে"—এটিই ছিল সাধারণ অভিযোগ। একজন নারী শ্রমিক নিজেও বাইরের চাকরিকে একটি সাময়িক প্রয়োজনীয় আপদ হিসেবে দেখতেন—যা তার বাবার বাড়ি এবং স্বামীর বাড়ির মধ্যবর্তী সময়ের একটি সাময়িক ব্যবস্থা মাত্র। বাবা এবং স্বামীরা নারীদের মজুরি সংগ্রহ করত, কখনও কখনও সরাসরি কোম্পানির অফিস থেকেই। নারীদের নিজেদের উপার্জনের ওপর কোনো আইনি অধিকার ছিল না। কর্মজীবী মায়েদের বিশেষ প্রয়োজন এবং সমস্যার বিষয়ে কোনো বিবেচনা ছিল না, যদিও তাদের সংখ্যা ছিল অনেক এবং সমস্যাগুলো ছিল প্রকট। এমনকি নারীদের পোশাকও তাদের জন্য বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল—মাটি ছোঁয়া লম্বা স্কার্ট, বড় ঢিলেঢালা হাতা এবং বিশাল হ্যাট। আপনার স্কার্ট যদি জুতার ওপরের অংশ পর্যন্ত উঁচু হতো, তবে আপনাকে তখনও "একটি বালিকা" হিসেবে গণ্য করা হতো।
*নারীদের ভোটাধিকারের সংগ্রাম দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছিল এবং শক্তিশালী হচ্ছিল। এটি ১৮৪৮ সালে নিউ ইয়র্কের সেনেকা ফলসে প্রথম সমানাধিকার সম্মেলনের মাধ্যমে শুরু হয়েছিল, যার নেতৃত্বে ছিলেন এলিজাবেথ ক্যাডি স্ট্যান্টন এবং সুসান বি অ্যান্থনি এবং যেখানে মহান নিগ্রো নেতা ফ্রেডরিক ডগলাস ভাষণ দিয়েছিলেন। ভোটাধিকার কর্মীদের বিদ্রূপ করা হয়েছিল, ভিড়ের দ্বারা আক্রান্ত হতে হয়েছিল, হলরুম দিতে অস্বীকার করা হয়েছিল, ভোট দেওয়ার চেষ্টার জন্য গ্রেপ্তার করা হয়েছিল এবং পরিবার থেকে ত্যাজ্য করা হয়েছিল। ১৯০৪ সালের মধ্যে কর্মজীবী নারীদের বিভিন্ন দল, বিশেষ করে সমাজতন্ত্রী নারীরা ভোটের দাবিতে একত্রিত হতে শুরু করে। দুই বছর পর নিউ ইয়র্কের ইস্ট সাইডে এই নারীদের ভোটাধিকার আন্দোলনের উদ্যোগেই আন্তর্জাতিক নারী দিবসের জন্ম হয়। এটি সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে এবং আজ সর্বজনীনভাবে পালিত হয়, যদিও এখানে একে "একটি বিদেশি উৎসব" হিসেবে অবজ্ঞা করা হয়।
*ভোটাধিকার আন্দোলন আরও লড়াকু হয়ে উঠছিল এবং মড ম্যালনের মতো ব্যক্তিত্বরা আবির্ভূত হয়েছিলেন। তিনি ১৯০৫ সালে হারলেম ইকুয়াল রাইটস লিগ গঠন করেন। তিনি ৩,০০০ মানুষের এক সভায় থিওডোর রুজভেল্টকে থামিয়ে দিয়ে দাবি করেছিলেন যে নারী ভোটাধিকারের বিষয়ে তার অবস্থান কী। আমরা যখন ব্রডওয়েতে রাস্তার পাশে সভা করতাম, তখন তিনি সেখানে স্যান্ডউইচ ম্যানের মতো সামনে-পেছনে "নারীদের জন্য ভোট" লেখা সাইনবোর্ড নিয়ে পায়চারি করতেন এবং এর ফলে তাকে লাইব্রেরিয়ানের পদ হারাতে হয়েছিল।
*রাস্তার মোড়ে ভোটাধিকার কর্মীদের ভাষণের সময় সবসময় বলা হতো: "বাড়ি যাও এবং থালা-বাসন মাজো," অথবা তাদের বয়স নির্বিশেষে বলা হতো: "তোমার বাচ্চাদের দেখাশোনা কে করছে?" অন্যরা বলত: "কল্পনা করো একজন অন্তঃসত্ত্বা নারী অফিসের পদের জন্য লড়ছেন," অথবা "নারীরা কীভাবে জুরির দায়িত্ব পালন করবে এবং পুরুষ জুরিদের সাথে একই ঘরে বন্দি থাকবে?"
*একটি প্রচলিত ধারণা ছিল যে "নারীর কাজ" কেবল গৃহস্থালির মধ্যেই সীমাবদ্ধ। "নারীর স্থান ঘরে"—এটাই ছিল সাধারণ রব। পুরুষদের কাজ কেড়ে নেওয়ার জন্য নারীদের সবসময় অভিযুক্ত করা হতো।
*আমি তখনও বলেছিলাম এবং আজও বিশ্বাস করি যে, পুঁজিবাদী ব্যবস্থার অধীনে নারীদের পূর্ণ সুযোগ পাওয়া এবং মানুষের সমস্ত প্রচেষ্টার ক্ষেত্রে স্বাধীন ও সমান নাগরিক হওয়া সম্ভব নয়, যদিও সুসংগঠিত সংগ্রামের মাধ্যমে অনেক দাবিই আদায় করা হয়েছে।
*"বিগ" বিল হেউড জেল থেকে একজন বীর হিসেবে বেরিয়ে এসেছিলেন—যা শ্রমিক সংহতির এক উপযুক্ত প্রতীক। একজন সাংবাদিক তাকে "দেহে, মস্তিকে এবং সাহসে বিশাল" হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন। তিনি সোশ্যালিস্ট পার্টি এবং যেসব শ্রমিক সংগঠন তাকে রক্ষা করেছিল, তাদের তত্ত্বাবধানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং কানাডায় এক বিজয় সফর করেন। তিনি ছিলেন অত্যন্ত বাস্তববাদী এবং নাটকীয় বক্তা। আমার মনে পড়ে তাকে বলতে শুনেছিলাম: "আপনারা জানেন, আমি পশ্চিম থেকে আসা দুই-বন্দুকওয়ালা মানুষ," আর দর্শক যখন রুদ্ধশ্বাসে অপেক্ষা করছিল, তখন তিনি এক পকেট থেকে তার ইউনিয়ন কার্ড এবং অন্য পকেট থেকে তার সোশ্যালিস্ট কার্ড বের করে দেখালেন।
*১৯০৭ সালে ময়ার, হেউড এবং পেটিবোনকে মুক্ত করার অভিযানের সময় নিউ জার্সি অঙ্গরাজ্যের নেওয়ার্কে সোশ্যালিস্ট লেবার পার্টির আয়োজিত একটি সভায় আমাকে বক্তা হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল... এই সভাটি আমার জীবনের একটি অবিস্মরণীয় ঘটনা কারণ এখানেই আমি প্রথম জেমস কনেলির সাথে পরিচিত হই। তিনি ছিলেন আইরিশ সমাজতন্ত্রী বক্তা, লেখক এবং শ্রমিক সংগঠক, যিনি এর নয় বছর পর ১৯১৬ সালে ডাবলিনের ইস্টার উইক অভ্যুত্থানে আয়ারল্যান্ডের স্বাধীনতার জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন... তিনি ছিলেন খাটো, কিছুটা স্থূলকায়, বড় কালো গোঁফওয়ালা একজন সাধারণ চেহারার মানুষ। তার কপাল ছিল বেশ উঁচু এবং কালো বিষণ্ণ চোখ। তিনি খুব কম হাসতেন। একজন পণ্ডিত এবং চমৎকার লেখক হওয়া সত্ত্বেও, গ্লাসগোতে দীর্ঘকাল বসবাসের কারণে তার কণ্ঠস্বরে উত্তর আয়ারল্যান্ডের টান এবং স্কচ উচ্চারণের মিশ্রণ ছিল, যা আমেরিকান দর্শকদের জন্য বোঝা কিছুটা কঠিন ছিল... কনেলি আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর জন্য কাজ করতেন এবং কুপার স্কয়ারে তার একটি অফিস ছিল। তিনি ছিলেন একজন চমৎকার সংগঠক, যা জেমস লার্কিনের সাথে আইরিশ ট্রান্সপোর্ট ওয়ার্কার্সদের জন্য তার পরবর্তী কাজগুলো প্রমাণ করেছিল... তিনি গভীরভাবে অনুভব করতেন যে আয়ারল্যান্ডের জাতীয় মুক্তির সংগ্রামের প্রতি আমেরিকান সমাজতন্ত্রীরা যথেষ্ট সহানুভূতি বা বোঝাপড়া দেখায়নি। এখানকার আইরিশ শ্রমিকদের সমাজতন্ত্রীরা খুব সহজেই "প্রতিক্রিয়াশীল" হিসেবে বর্জন করত এবং আইরিশ-আমেরিকান শ্রমিকদের কাছে সমাজতন্ত্রের বার্তা পৌঁছে দেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত প্রচেষ্টা ছিল না... তিনি 'দ্য হার্প' নামে একটি মাসিক পত্রিকা প্রকাশ করতেন। সেখানে তার নিজের লেখা অনেক কবিতা প্রকাশিত হতো। কুপার ইউনিয়ন বা ইস্ট সাইডের অন্য কোনো হলের দরজায় তাকে জরাজীর্ণ পোশাকে দাঁড়িয়ে নিজের ছোট কাগজটি বিক্রি করতে দেখা যেত, যা ছিল এক করুণ দৃশ্য। যেসব সম্পদশালী আইরিশরা তার মৃত্যুর পর তার প্রতি গভীর প্রশংসা প্রকাশ করেছিল, তাদের কেউই সেই সময় তার দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়নি। জিম কনেলি তাদের কাছে অভিশপ্ত ছিলেন কারণ তিনি ছিলেন একজন "সমাজতন্ত্রী"। তার কোনো মিথ্যে অহংকার ছিল না এবং তিনি নিজে উদাহরণ সৃষ্টি করে অন্যদের ছোটখাটো কাজ করতে উৎসাহিত করতেন। রাস্তার সভাগুলোতে তিনি তাদেরই "সভার সভাপতিত্ব" করতে রাজি করাতেন যাদের কথা বলার কোনো অভিজ্ঞতা ছিল না, যাতে তারা প্রশিক্ষণ পেতে পারে। আইরিশ শ্রমিকদের কাছে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে কনেলির এক বিরল দক্ষতা ছিল, যা তার বিশাল জ্ঞান থেকে জন্ম নিয়েছিল। প্রয়োজনে তিনি সত্যকে অত্যন্ত তীক্ষ্ণ এবং জোরালোভাবে বলতেন।
*আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর আগমন ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা এবং ১৯০৫ থেকে ১৯২০-এর দশকের শুরু পর্যন্ত এটি আমেরিকান শ্রম অঙ্গনে একটি বিশাল ধূমকেতুর মতো পথ দেখিয়েছিল। এটি শ্রমিক ইতিহাসের নতুন অধ্যায় তৈরি করেছিল এবং শ্রমিক আন্দোলনে এক অমোঘ ছাপ রেখে গিয়েছিল। আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. ছিল একটি লড়াকু এবং সংগ্রামী শ্রমিক শ্রেণির ইউনিয়ন। মালিক শ্রেণি দ্রুত এটি বুঝতে পেরেছিল এবং এর জন্মের পর থেকেই লড়াই শুরু করেছিল। আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. নিজেকে দরিদ্রতম, সবচেয়ে শোষিত এবং সবচেয়ে নিপীড়িত শ্রমিকদের সমস্ত তাৎক্ষণিক প্রয়োজনের সাথে যুক্ত করেছিল। এটি তাদের অসন্তোষের "আগুনে হাওয়া" দিয়েছিল। এটি তাদের বীরত্বপূর্ণ সংগ্রামের নেতৃত্ব দিয়েছিল, যার কিছু তারা নিজেরাই সংগঠিত করেছিল। অন্য অনেক ক্ষেত্রে ধর্মঘট শুরু হওয়ার পর তারা এর নেতৃত্বে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। যিশুর বিরুদ্ধে করা সেই স্মরণীয় অভিযোগ, "সে মানুষকে উত্তেজিত করছে!" আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য ছিল। এটি পূর্বের গণ-উৎপাদন শিল্পগুলোতে অসংগঠিত ও অদক্ষ বিদেশি বংশোদ্ভূত শ্রমিকদের এবং পশ্চিমের অসংগঠিত যাযাবর শ্রমিকদের সংগঠিত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিল, যারা মূলত আমেরিকান বংশোদ্ভূত ছিল এবং নৌপরিবহন, কাঠ, কৃষি, খনি ও নির্মাণ কাজে নিয়োজিত ছিল। পূর্ব এবং দক্ষিণে এটি টেক্সটাইল, রাবার, কয়লা এবং কাঠ শিল্পের পাশাপাশি বিভিন্ন ছোট শিল্পে শ্রমিকদের কাছে পৌঁছে গিয়েছিল। যেমন, নিউ ইয়র্ক সিটিতে পোশাক, টেক্সটাইল, জুতো, চুরুট, বেত, পিয়ানো, পিতল এবং হোটেল শিল্পে আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর শাখা ছিল। পশ্চিমে কাউবয়দের জন্য আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর একটি শাখা ছিল। নেভাদার গোল্ডফিল্ড শহরের সমগ্র শ্রমিক শ্রেণিকে ১৯০৬ সালে ভিনসেন্ট সেন্ট জন আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-তে সংগঠিত করেছিলেন। এমনকি মার্কিন সেনাবাহিনীর ওয়েস্ট পয়েন্টে কর্মরত ইতালীয় শ্রমিকরাও একসময় আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-তে সংগঠিত ছিল। আমার মনে পড়ে ১৯১১ সালের দিকে আমি সেখানে তাদের সামনে ভাষণ দিয়েছিলাম। আমি ১৯০৬ সালে এতে যোগ দেই...
*আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর এই সম্মেলনে লুসি পারসন্স-এর সাথে দেখা করে আমি রোমাঞ্চিত হয়েছিলাম। তিনি ছিলেন আলবার্ট পারসন্স-এর বিধবা স্ত্রী, যাকে ২০ বছর আগে শিকাগোর কুক কাউন্টি জেলের প্রাঙ্গণে ফাঁসিতে ঝোলানো হয়েছিল। যখন তার স্বামীকে ফাঁসি দেওয়া হচ্ছিল, তখন তাকে ক্লার্ক স্ট্রিট স্টেশন হাউসে বন্দি করে রাখা হয়েছিল, যা আমাদের সেই সভার জায়গা থেকে খুব বেশি দূরে নয়... আমার মনে পড়ে মিসেস পারসন্স তরুণদের উদ্দেশ্যে আবেগপূর্ণভাবে কথা বলছিলেন এবং আমাদের সামনের দিনগুলোর সংগ্রামের গুরুত্ব সম্পর্কে সতর্ক করছিলেন, যা বিজয় আসার আগে জেল এবং মৃত্যুর দিকে নিয়ে যেতে পারে। বছরের পর বছর ধরে তিনি এক শহর থেকে অন্য শহরে ঘুরে বেড়িয়েছেন, স্থানীয় ইউনিয়নগুলোর দরজায় কড়া নেড়েছেন এবং শিকাগো বিচারের কাহিনী শুনিয়েছেন। তার স্বামী বলেছিলেন: "আমাদের নাম কলঙ্কমুক্ত করো!" এবং তিনি এটিকে তার জীবনের লক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন।
*আমি ভিনসেন্ট সেন্ট জনের চেয়ে বেশি শ্রদ্ধার পাত্র আর কোনো মানুষ দেখিনি... তাকে ডিনামাইট বিস্ফোরণকারী, বন্দুকধারী এবং একজন বিপজ্জনক আন্দোলনকারী হিসেবে গালি দেওয়া হতো; তিনি মাথার ওপর পুরস্কার নিয়ে বিভিন্ন ক্যাম্পে প্রবেশ করতেন, তার মায়ের নাম—ম্যাগি—ব্যবহার করতেন এবং প্রায়ই একা হাতে শত শত মানুষকে সংগঠিত করতেন। তিনি এই দেশের জন্ম দেওয়া সর্বশ্রেষ্ঠ শ্রমিক সংগঠকদের একজন ছিলেন... তিনি গঠনে কিছুটা খাটো এবং হালকা ছিলেন, যদিও কাঁধ ছিল চওড়া। তার চলাফেরা ছিল দ্রুত এবং ছন্দময়, তিনি ছিলেন শান্ত ও বিনয়ী, কিন্তু তার বুদ্ধিবৃত্তি ও উপস্থিত বুদ্ধি যেকোনো প্রতিপক্ষকে হার মানাতে পারত... আসল লড়াইয়ের সময় সেন্ট জনের শান্ত নীল চোখগুলো ইস্পাতের মতো কঠোর ও শীতল হয়ে উঠত। তিনি কেবল আদর্শের জন্য লড়তেন এবং তখন শ্রমিকদের শত্রুদের মতোই নির্মম হয়ে উঠতেন। শ্রমিক শ্রেণির প্রতি তার আনুগত্য ছিল সীমাহীন। ১৯০৭ থেকে ১৯১৫ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ আট বছর তিনি অর্থের অভাব এবং আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর অসম বিকাশের সাথে লড়াই করেছেন, যার শক্তিকে তিনি কখনোই বাড়িয়ে বলতেন না।
*আমাদের সময়ের শ্রেষ্ঠ নারী আন্দোলনকারী ছিলেন মাদার জোন্স। গ্রেপ্তার, নির্বাসন, মিলিশিয়াদের হাতে বন্দি হওয়া এবং পুলিশ ও বন্দুকধারীদের দ্বারা তাড়া ও হুমকির শিকার হওয়া সত্ত্বেও তিনি দীর্ঘ ৬০ বছর নির্ভীকভাবে কাজ করে গেছেন। ১৯০৮ সালের গ্রীষ্মে ব্রঙ্কসের একটি উন্মুক্ত সভায় আমি তাকে প্রথম দেখি। তিনি শহরের মানুষদের কঠোর সমালোচনা করছিলেন। আমরা কেন পশ্চিমের খনি শ্রমিকদের সাহায্য করছি না? আমরা কেন ডিয়াজের বিরুদ্ধে মেক্সিকোর জনগণকে সমর্থন দিচ্ছি না? তিনি বলেছিলেন, আমরা হলাম "সাদা কলিজার খরগোশ যারা কখনও মাটির ওপর পা রাখিনি।" পশ্চিমের খনি শ্রমিকদের ধর্মঘটের সময় ফেডারেল সৈন্যরা তাদের যেভাবে পশুর মতো খাঁচায় আটকে রেখেছিল এবং সেখানে যে রক্তপাত ও কষ্ট হয়েছিল, তার বর্ণনা তিনি এত জীবন্তভাবে দিয়েছিলেন যে, অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকায় মাথা ঝিমঝিম করে আমি মূর্ছা গিয়েছিলাম। তিনি তার অগ্নিঝরা ভাষণের মাঝপথে থেমে গিয়ে বলেছিলেন, "গরিব বাচ্চাটাকে একটু জল দাও!" এরপর তিনি আবার তার ভাষণ চালিয়ে যান। আমি খুব লজ্জিত হয়েছিলাম।
*পরের শীতকালে শিকাগোর হুল হাউসে রুডেউইটজ কমিটির একটি সভায় আমি মাদার জোন্সকে আবার দেখি, যেখানে আমি আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর ৮৫ নম্বর শাখা থেকে প্রতিনিধি হিসেবে গিয়েছিলাম। "ধর্মীয় হত্যা"-র জঘন্য অজুহাতে একজন তরুণ ইহুদি শ্রমিককে দেশান্তরের বিরুদ্ধে তার উত্তপ্ত, রাগান্বিত ও অবজ্ঞাপূর্ণ কথাগুলো আমি শুনেছিলাম। (জেন অ্যাডামস এবং অন্যরা সাহসিকতাপূর্ণ পক্ষ সমর্থনের মাধ্যমে তাকে নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচিয়েছিলেন)। মাদার জোন্স একটি পুরনো ধাঁচের কালো রেশমি পোশাক পরেছিলেন, যার গলায় লেস লাগানো ছিল এবং সাথে ছিল একটি লম্বা ঝুলের স্কার্ট ও ফুলে সাজানো ছোট একটি টুপি। তিনি সারা জীবনে তার পোশাকের ধরন পরিবর্তন করেননি। তাকে দেখতে হুইসলারের আঁকা মায়ের ছবির মতো মনে হতে পারে, কিন্তু এই বৃদ্ধা নারীটি মোটেও শান্ত বা স্থির ছিলেন না; যেখানেই যেতেন সেখানেই নির্ভীক আন্দোলনের বার্তা ছড়াতেন... তাকে হোটেল থেকে বের করে দেওয়া হতো। কোম্পানি শাসিত শহরগুলোতে যেসব পরিবার তাকে আশ্রয় দিত, তাদের উচ্ছেদ করা হতো। হলরুম বন্ধ করে দিলে তিনি খোলা মাঠে ভাষণ দিতেন। পশ্চিম ভার্জিনিয়ায় নদীর ওপারে খনি শ্রমিকদের সংগঠিত করার জন্য তিনি কেলি ক্রিক নদীর জল ভেঙে হেঁটে গিয়েছিলেন। একটি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করার দায়ে অভিযুক্ত হয়ে তিনি বিচারককে "দালাল" বলে ডাকেন এবং সেটি তাকে প্রমাণ করে দেখান। তিনি দালালদের তাড়ানোর জন্য ঝাড়ু, লাঠি আর থালাবাসন নিয়ে "নারীবাহিনী" গঠন করেছিলেন। "ঈশ্বর! ওই বুড়ি মা তার পাগলাটে নারীদের নিয়ে আসছে!"—মালিকরা যন্ত্রণায় ককিয়ে উঠত। পেনসিলভানিয়ার গ্রিনসবার্গে যখন একদল পিকেটিং করা নারীকে তাদের শিশুদেরসহ গ্রেপ্তার করে ৩০ দিনের সাজা দেওয়া হয়, তখন তিনি তাদের পরামর্শ দেন: "সারা রাত বাচ্চাদের গান শোনাও!" মাত্র কয়েক দিনের মাথায় সেই গান শুনে অতিষ্ঠ হয়ে অনিদ্রায় ভোগা শহরবাসীকে স্বস্তি দিতে পুলিশ তাদের জেল থেকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়। এক সংসদীয় শুনানিতে তাকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল: "আপনার বাড়ি কোথায়?" তিনি উত্তর দিয়েছিলেন: "কখনও আমি ওয়াশিংটনে, কখনও পেনসিলভানিয়া, অ্যারিজোনা, টেক্সাস, অ্যালাবামা, কলোরাডো বা মিনেসোটায়। আমার ঠিকানা আমার জুতোর মতো। এটি আমার সাথেই ঘোরে। যেখানে অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই হয়, সেখানেই আমি থাকি।" ১৯০৩ সালে তিনি পেনসিলভানিয়ার কেনসিংটন এলাকার টেক্সটাইল মিলের একদল শিশু শ্রমিককে নিয়ে নিউ ইয়র্কের লং আইল্যান্ডের অয়েস্টার বে-তে গিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট থিওডোর রুজভেল্টকে শিশু শ্রমের প্রমাণ দিয়ে মোকাবিলা করতে। কলোরাডোতে ১৯১৪ সালের লাডলো হত্যাকাণ্ডের পর তিনি গভর্নরের অফিস পর্যন্ত একটি প্রতিবাদ মিছিলের নেতৃত্ব দেন। পশ্চিম ভার্জিনিয়ায় তিনি বারবার বিভিন্ন গভর্নরের সাথে দেখা করতে প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং তার ভাষায় তাদের "উচিত শিক্ষা" দিয়েছেন... যখন তিনি খুব বৃদ্ধা হয়েছিলেন, তখন তিনি সাধারণ কর্মীদের সেইসব নেতাদের সম্পর্কে সতর্ক করেছিলেন যারা শ্রমিকের স্বার্থের চেয়ে নিজেদের স্বার্থকে বড় করে দেখে। মৃত্যু পর্যন্ত তিনি তার একটি মহান বিশ্বাস অটলভাবে ধরে রেখেছিলেন: "ভবিষ্যৎ শ্রমিকের শক্তিশালী ও অমসৃণ হাতের মুঠোয়!"... শুরুর দিনগুলোতে নিউ ইয়র্ক এবং শিকাগোতে প্রথম যখন তাকে দেখি, তিনি আমাকে অনেক অনুপ্রাণিত করেছিলেন, যদিও সত্যি বলতে আমি তার তিক্ষ্ণ কথাকে ভয় পেতাম। কিন্তু যখন আমি তাকে ব্রঙ্কসের সেই সভার কথা মনে করিয়ে দিয়ে বললাম যে আমি আমার সন্তানকে হারিয়েছি, তখন তিনি অত্যন্ত সহানুভূতিশীল ও দয়ালু আচরণ করেছিলেন। তার কঠোরতা কেবল মালিক, দালাল এবং অসৎ শ্রমিক নেতাদের জন্য বরাদ্দ ছিল।
*যুদ্ধ ঘোষণার পর সারা দেশে উন্মাদনা এবং গণ-সহিংসতার এক জোয়ার বয়ে যায়। আমেরিকার বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠ সাধারণ মানুষ এর সাথে যুক্ত না থাকলেও তারা উত্তরোত্তর আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। সরকারি জায়গাগুলোতে নোটিশ লাগিয়ে দেওয়া হয়েছিল: "আইন মেনে চলো এবং নিজের মুখ বন্ধ রাখো!" যার নিচে অ্যাটর্নি জেনারেল গ্রেগরির সই ছিল। এই গণ-সহিংসতার শিকার হয়েছিল বিভিন্ন স্তরের মানুষ—খ্রিস্টান ধর্মযাজক, কৃষ্ণাঙ্গ ও শ্বেতাঙ্গ শান্তিপ্রয়াসী মানুষ, সমাজতন্ত্রী, আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. কর্মী, নন-পার্টিজান লিগের সদস্য যারা মধ্য-পশ্চিমের কৃষকদের মধ্যে শক্তিশালী ছিল, আয়ারল্যান্ডের স্বাধীনতার বন্ধু এবং আরও অনেকে। যুদ্ধের বিরুদ্ধে, সেনাবাহিনীতে নিয়োগ বা বন্ড বিক্রির বিষয়ে আকস্মিক মন্তব্য করার অপরাধে অনেক নারী ও পুরুষকে আলকাতরা এবং পালক মাখিয়ে অপমান করা হতো, কখনও অচেতন হওয়া পর্যন্ত মারধর করা হতো, জোর করে পতাকায় চুমু খাওয়ানো হতো, শহর থেকে বের করে দেওয়া হতো, জোর করে বন্ড কিনতে বাধ্য করা হতো এবং এমনকি পিটিয়ে মারার হুমকি দেওয়া হতো।
*গণ-সহিংসতার এই মনোভাব আমাদের দেশের অন্যতম বিপজ্জনক এবং লজ্জাজনক বহিঃপ্রকাশ ছিল, যার সবকিছুই করা হয়েছিল বিশ্বকে "গণতন্ত্রের জন্য নিরাপদ" করার নামে।
*কেট রিচার্ডস ও’হারে, যাকে আমি বর্ণনা করেছি, তিনি ছিলেন একজন বিশিষ্ট এবং অত্যন্ত কার্যকর সমাজতন্ত্রী বক্তা।
*পরবর্তীতে তার রাজনৈতিক ত্রুটি যা-ই থাকুক না কেন, প্রগতিশীল নারীরা সেই সময়ে তার জন্য খুব গর্ববোধ করতেন।
** ১৯১৭ সালের দিকে জিনেট র্যাঙ্কিন সম্পর্কে
*আমি একজন নিবেদিতপ্রাণ আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. কর্মী ছিলাম, কিন্তু ওয়ার্কার্স ডিফেন্স ইউনিয়নে আমার কর্মকাণ্ড আমাকে সমাজতন্ত্রী, নৈরাজ্যবাদী, ট্রেড ইউনিয়নবাদী, কমিউনিস্ট, ভোটাধিকার কর্মী, শান্তিবাদী, উদারপন্থী, ইন্ডিয়ান, আইরিশ জাতীয়তাবাদী এবং সোভিয়েত ও আইরিশ প্রজাতন্ত্রের সরকারি প্রতিনিধিদের সংস্পর্শে নিয়ে এসেছিল।
*ইতালীয় আন্দোলনে—নৈরাজ্যবাদী বা সমাজতন্ত্রী কোনো পক্ষেই—নারীরা কার্যত ছিল না। কার্লোর সাথে আমি যে বাড়িতেই যেতাম, দেখতাম নারীরা সবসময় পর্দার আড়ালে রান্নাঘরে ব্যস্ত থাকত এবং এমনকি পুরুষদের সাথে খেতে বসার সুযোগও তাদের খুব কমই হতো।
*উড্রো উইলসন একজন "উদারপন্থী" হিসেবে সমস্ত বিষয়ে অনর্গল ও সাবলীলভাবে কথা বলতেন, কিন্তু তার দুঃখজনক কাজগুলো তার কথার সম্পূর্ণ বিপরীত ছিল। "আত্মনিয়ন্ত্রণ" এবং "বিশ্বকে গণতন্ত্রের জন্য নিরাপদ করা"—এই দুটি ছিল তার সবচেয়ে দুর্বল জায়গা। শান্তি বজায় রাখা, "রাশিয়া থেকে হাত তোলো", আয়ারল্যান্ডের স্বাধীনতা, রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তি এবং শেষত কিন্তু সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ "নারীদের ভোটাধিকার"—এইসব দাবির আন্দোলনকারী ও প্রতিনিধি দলগুলো প্রতিটি মোড়ে তার মুখোমুখি হতো। তার প্রশাসন ১৯১৯-২০ সালের বিশাল ইস্পাত শ্রমিক ধর্মঘটের সম্মুখীন হয়েছিল। লিগ অফ নেশনস-এ যোগ দেওয়ার তার পরিকল্পনা সেনেট দ্বারা পরাজিত হয়। বিভিন্ন ইস্যুতে প্রতিবাদ জানিয়ে তার প্রশাসনের সদস্যরা পদত্যাগ করেছিলেন—যুদ্ধের ইস্যুতে একজন পররাষ্ট্রমন্ত্রী, ভোটাধিকারের ইস্যুতে নিউ ইয়র্ক বন্দরের একজন সংগ্রাহক; সম্ভবত এই ভোটাধিকার ইস্যুটিই তাকে সবচেয়ে বেশি বিব্রত করেছিল।
*প্রথম বিশ্বযুদ্ধ আমেরিকান নারীদের জীবনে অনেক মৌলিক পরিবর্তন এনেছিল। এটি "ভদ্রমহিলা" বা আভিজাত্যপূর্ণ নারীত্বের ধারণাটি শেষ করে দিয়েছিল। শ্রমিকের ঘাটতি ছিল প্রচুর এবং প্রশিক্ষিত কর্মীর প্রয়োজন ছিল তীব্র। ১৯১৮ সালের শেষে প্রায় ত্রিশ লক্ষ নারী খাদ্য, টেক্সটাইল এবং যুদ্ধ শিল্পে নিয়োজিত ছিলেন। যেসব পেশাকে এতদিন "পুরুষের কাজ" বলে মনে করা হতো, সেগুলো নারীদের জন্য উন্মুক্ত হয়ে গিয়েছিল। তারা রাস্তার ট্রাম বা বাসে কন্ডাক্টর হিসেবে কাজ শুরু করেছিলেন। প্রথমবারের মতো তাদের রেডিও অপারেটর হিসেবে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছিল। নারীরা সেনাবাহিনীতে মোটর কোরে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করেছিলেন এবং প্রথমবারের মতো ইউনিফর্ম পরেছিলেন। শহর থেকে আসা "কৃষক কন্যারা" ব্লুমার পরে খামারে কাজ করতে গিয়েছিল। নারীরা ত্রাণ কাজ করেছেন, যুদ্ধের বন্ড বিক্রি করেছেন, সশস্ত্র বাহিনীর জন্য ক্যান্টিন পরিচালনা করেছেন এবং নার্সিং ইউনিটে যোগ দিয়েছেন। হাজার হাজার নারী ঘর থেকে বেরিয়ে জনজীবনে প্রবেশ করেছিলেন। যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর প্রয়োজন বা পছন্দের কারণে অনেকেই এই শিল্পগুলোতে থেকে গিয়েছিলেন।
*এলিজাবেথ ক্যাডি স্ট্যান্টন এবং সুসান বি অ্যান্থনির মতো সাহসী নারীরা ছিলেন শুরুর দিকের অগ্রগামী, যারা বিদ্রূপ, গালাগালি, সহিংসতা এবং এমনকি ভোট দেওয়ার চেষ্টার জন্য গ্রেপ্তারের মুখোমুখি হয়েছিলেন। পরবর্তীতে ড. আন্না হাওয়ার্ড শ এবং ক্যারি চ্যাপম্যান ক্যাটের মতো নারীরা ন্যাশনাল আমেরিকান উইমেনস সাফ্রেজ অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, যা "নারীদের জড়তা এবং পুরুষদের বিরোধিতার" বিরুদ্ধে লড়াই করেছিল। কিন্তু ১৯১৬ সালের দিকে একটি তরুণ, সাহসী এবং আরও লড়াকু গোষ্ঠী আবির্ভূত হয়, যারা প্রতিটি অঙ্গরাজ্যে আলাদাভাবে ভোটাধিকার জেতার ধীর প্রক্রিয়ায় সন্তুষ্ট ছিল না এবং তারা সাংবিধানিক সংশোধনীর জন্য লড়াই শুরু করে। তারা ১৯১৬ সালে উইমেনস পার্টি গঠন করে, যারা কেবল সেইসব দল এবং প্রার্থীদের জন্য নারীদের ভোট সংগ্রহের পরিকল্পনা করেছিল যারা জাতীয় ভোটাধিকার সমর্থন করবে। সেই বছর একদল ধনী ভোটাধিকার কর্মী একটি বিশেষ ট্রেনের অর্থায়ন করেছিলেন এবং তাতে চড়ে প্রচার চালিয়েছিলেন। তারা রিপাবলিকান প্রার্থী চার্লস ইভান্স হিউজের পক্ষে সরাসরি প্রচার করেননি, কিন্তু তাদের স্লোগান ছিল উইলসন-বিরোধী: "উইলসনের বিরুদ্ধে ভোট দিন! তিনি আমাদের ভোটাধিকার থেকে দূরে রেখেছেন!" অনেকে ইউজিন ডেবসকেও ভোট দিয়েছিলেন, যিনি তখন কারাগারে ছিলেন।
*উইমেনস পার্টি ১৯১৭ সালের জানুয়ারি থেকে ১৯১৯ সালের ১৯ মার্চ পর্যন্ত প্রায় একটানা পিকেটিং চালিয়েছিল। তারা হোয়াইট হাউস এবং ক্যাপিটল ভবনে পিকেটিং করেছে, সামরিক কুচকাওয়াজ করেছে, উইলসন যখন ইউরোপ সফর থেকে ফিরতেন বা যখন চলে যেতেন তখন তার জন্য সংবর্ধনার আয়োজন করেছে। তারা ওয়াশিংটন, বোস্টন এবং নিউ ইয়র্কে তার পিকেটিং করেছে। কেবল আইরিশরাই আগে এই ধরনের কৌশল অবলম্বন করেছিল। পরবর্তীতে রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তির দাবিতে শিশুদের একটি প্রতিনিধি দল প্রেসিডেন্ট হার্ডিংকে পিকেটিং করেছিল। ভোটাধিকারের ব্যানারগুলো বিদেশি অতিথিদের উদ্দেশ্যে প্রদর্শন করা হতো এবং দেশে-বিদেশে প্রেসিডেন্টের দেওয়া "স্বাধীনতা" ও "গণতন্ত্র" বিষয়ক ভাষণগুলো তারা "স্বাধীনতার প্রহর" নামক পাত্রে জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ফেলত।
*একবার ভোটাধিকার অর্জিত হওয়ার পর নারীরা কেবল নারী হিসেবে ঐক্যবদ্ধ থাকেনি, বরং তাদের নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি এবং স্বার্থ অনুযায়ী বিদ্যমান রাজনৈতিক দল এবং অন্যান্য সংগঠনে বিভক্ত হয়ে গিয়েছিল। আমার বিশ্বাস, শান্তির সাধারণ লক্ষ্যটিই নারীদের আবারও ঐক্যবদ্ধ করতে পারে, কিছু ব্যতিক্রম বাদে।
*১৯২০-এর দশকে "সংযুক্ত ফ্রন্ট" শব্দটির ব্যবহারের কোনো স্মৃতি আমার নেই। এটি অনেক পরে ব্যবহারে আসে। কিন্তু তখনকার র্যাডিকাল এবং প্রগতিশীল আন্দোলনগুলো যে এই নীতিতেই চলত তা খুবই স্পষ্ট। যেসব নারী ও পুরুষ ভোটাধিকারের জন্য কথা বলতেন, তারা আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর জন্য আর্থিক সাহায্যের আবেদনেও স্বাক্ষর করতেন এবং আয়ারল্যান্ডের মুক্তি বা বন্দিদের মুক্তির প্রতিনিধি দলেও থাকতেন এবং শান্তি আন্দোলনেও সক্রিয় ছিলেন। স্বাধীনতার এক একটি মহৎ উদ্দেশ্যের মাঝে তখন কোনো কঠোর সীমারেখা ছিল না এবং আজকের মতো প্রতিশোধের ভয়ও ছিল না। মানুষ ভয় পেত না যে একটি আন্দোলনের সাথে নিজেকে যুক্ত করলে অন্য আন্দোলনটি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। আজ আমি অবাক হয়ে ভাবি যে সেই দিনগুলোতে আমার যোগাযোগ এবং বন্ধুত্ব কতটা বিস্তৃত ও বৈচিত্র্যময় ছিল।
*আমি তখনও আমার বিশ্বাসে একজন আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. ছিলাম এবং কোনো রাজনৈতিক দলে যোগ দিতে দ্বিধা করছিলাম, যদিও রুশ বিপ্লব এবং ভোটাধিকার কর্মী ও কমিউনিস্টদের সাথে মেলামেশা আমার দৃষ্টিভঙ্গিকে অনেকটা বদলে দিচ্ছিল।
*১৯১৭ সালের নভেম্বরে যখন রাশিয়ার বলশেভিক বিপ্লবের খবর সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ল, আমেরিকান শ্রমিকরা মানব ইতিহাসের এই বিশাল ঘটনার মাধ্যমে প্রথমবারের মতো ভ্লাদিমির লেনিন নামক এক মানুষের কথা জানতে পারল—যা ছিল সমাজতন্ত্রের শুরু। আমরা কিছু নতুন শব্দও শিখলাম যা অল্প সময়ের মধ্যেই ভাষার অংশ হয়ে গেল, যার মধ্যে ছিল "বলশেভিক" এবং "সোভিয়েত"। এমনকি আমাদের মধ্যে যারা বাম-সমাজতন্ত্রী এবং আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. কর্মী ছিলাম, তারাও রাশিয়ার সমাজতান্ত্রিক আন্দোলন সম্পর্কে কার্যত কিছুই জানতাম না, কেবল জারের নিষ্ঠুর ও রক্তাক্ত শাসন উৎখাত করার জন্য তাদের দীর্ঘ ও যন্ত্রণাদায়ক সংগ্রামের প্রতি আমাদের গভীর সহানুভূতি ছিল। রাতারাতি "বলশেভিক" শব্দটি প্রতিটি ঘরে পরিচিত হয়ে উঠল, এমনকি যারা জানত না যে এর অর্থ কেবল "সংখ্যাগরিষ্ঠ" এবং এটি রাশিয়ান সোশ্যাল-ডেমোক্রেটিক লেবার পার্টির একটি রাজনৈতিক বিভাজনকে নির্দেশ করে। ডেবস বলেছিলেন, "আমি আমার মাথার তালু থেকে পায়ের আঙুল পর্যন্ত একজন বলশেভিক!" মালিকরা লড়াকু শ্রমিক এবং ইউনিয়ন সংগঠকদের দিকে চিৎকার করে বলত, "অভিশপ্ত বলশেভিক!" অবশ্য সমস্ত ধর্মঘটীরাই তখন মালিকদের চোখে "বলশেভিক" ছিল।
===[http://www.sojust.net/speeches/elizabeth_flynn_memories.html "মেমোরিজ অফ দ্য ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়ার্কার্স অফ দ্য ওয়ার্ল্ড"] (৮ নভেম্বর, ১৯৬২)===
* আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. (IWW)... এগুলো হলো ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়ার্কার্স অফ দ্য ওয়ার্ল্ড-এর আদ্যক্ষর, যাকে আগে "আই ওয়ন্ট ওয়ার্ক" (আমি কাজ করব না) বলা হতো। এটি ছিল অত্যন্ত বেমানান কারণ বাস্তবে যারা এই সংগঠনের সদস্য ছিলেন তারা আমাদের দেশের সবচেয়ে মৌলিক ও কঠিন পরিশ্রমের শিল্পগুলোতে কাজ করতেন। একে বিশ্বের শ্রমিক বলাটা বেশ উচ্চাকাঙ্ক্ষী নাম ছিল কারণ আসলে এটি কখনও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সীমানা ছাড়িয়ে যায়নি। এটি মূলত পুরনো নাইটস অফ লেবার-এর ঐতিহ্য ও সাংগঠনিক রূপ ধরে রাখার আমেরিকান শ্রমিকদের ইচ্ছা থেকে তৈরি হয়েছিল।
* আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. কেবল ১৮৮০-এর দশকের অনেক ঐতিহ্যের উত্তরাধিকারী ছিল না, বরং ১৮৮০-এর দশকের সাথে যুক্ত ব্যক্তিত্বরাও আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর শুরুর দিকের সম্মেলনগুলোতে উপস্থিত ছিলেন। আপনি যদি শ্রমিক ইতিহাসের ছাত্র না হন তবে নামগুলো আপনার কাছে পরিচিত নাও হতে পারে, তবে তাদের মধ্যে ছিলেন ইউজিন ডেবস, ড্যানিয়েল ডিলিয়ন এবং মিসেস লুসি পারসন্স।
* সেখানে বাক-স্বাধীনতার অনেক লড়াই হয়েছিল... তাদের কৌশলগুলো ছিল অনেকটা আজকের ফ্রিডম রাইডারদের মতো। তারা টেলিগ্রাম পাঠাত—আর আমি বিষয়টি বুঝিয়ে বলছি, আমি কোনো প্রচারণা করছি না—তারা অনেকটা এইভাবে টেলিগ্রাম পাঠাত: "মুক্তমনা ওবলিরা, এখনই এসো, অধিকারের সনদ রক্ষা করো।" তারা ট্রেনের ওপর, নিচে, পাশে, মালবাহী বগিতে এবং এমন প্রতিটি উপায়ে আসত যেখানে ভাড়া দিতে হয় না। আক্ষরিক অর্থেই শত শত মানুষ এই এলাকাগুলোতে এসে হাজির হতো, যা কর্তৃপক্ষকে আতঙ্কিত ও স্তম্ভিত করে দিত। তারা প্ল্যাটফর্ম বা সাবান রাখার বাক্সের ওপর দাঁড়িয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের অংশবিশেষ বা অধিকারের সনদ পড়ে শোনাত... এগুলো ছিল বাক-স্বাধীনতার লড়াই যা অত্যন্ত পরিচিত এবং দেশের পশ্চিমাঞ্চলে আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর একটি বৈশিষ্ট্য ছিল।
* এ.এফ.এল. (AFL) ছিল দক্ষ শ্রমিকদের সংগঠন এবং এর গঠন, পদ্ধতি ও নীতি আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর মতো ছিল না। আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. শ্রেণি সংগ্রামে বিশ্বাস করত। তারা পুঁজি ও শ্রমের ভ্রাতৃত্বে বিশ্বাস করত না। তারা বিশ্বাস করত যে এই অসংগঠিত বিদেশি বংশোদ্ভূত গণ-উৎপাদন শ্রমিকদের একটি শিল্প ইউনিয়নে সংগঠিত করা উচিত—সবাই মিলে একটি ইউনিয়নে, ডজনখানেক বা তার বেশি সংগঠনে বিভক্ত হয়ে নয়।
* ১৯১২ সালের সেই বড় ধর্মঘট [যা রুটি ও গোলাপ ধর্মঘট নামে পরিচিত], যা আমাদের দেশের অন্যতম মহান ঐতিহাসিক সংগ্রাম, সেটি শুরু হয়েছিল রাষ্ট্রের একটি রাজনৈতিক পদক্ষেপের কারণে।
* বিল হেউড সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন যে আমাদের ইংরেজিতে কথা বলতে হবে যাতে এই মানুষগুলো তা বুঝতে পারে। তিনি আমাদের যে শিক্ষা দিয়েছিলেন তা আমি কখনও ভুলব না। তখন আমি খুব তরুণ ছিলাম, আমার বয়স ছিল ২২। তিনি বললেন, শোনো, তোমরা এই শ্রমিকদের সাথে, এই খনি শ্রমিকদের সাথে এমন ইংরেজিতে কথা বলবে যা প্রাথমিক স্কুলে পড়া তাদের সন্তানরা তাদের সাথে বলে, তবেই তারা তা বুঝতে পারবে। প্রাথমিক স্কুলের ইংরেজিতে কথা বলাটা মোটেও সহজ নয়। যাই হোক, আমরা তা শিখেছিলাম। আমার সমস্যা হলো এটি আমার অভ্যাসে গেঁথে গিয়েছিল এবং এখন যখন আমি কলেজের দর্শকদের সামনে কথা বলতে যাই, তখন নিজেকে কিছুটা অসুবিধায় মনে হয় কারণ আমি বড় বড় সব শব্দ জানি না। উইলিয়াম হেউড আমাকে ছোট ছোট এবং সহজ শব্দগুলোতেই দক্ষ করে তুলেছিলেন।
* তিনি কীভাবে কথা বলতেন তার একটি উদাহরণ দিই। আমাদের তাদের বোঝাতে হতো কেন আমরা চাই তারা এ.এফ.এল.-এ না গিয়ে আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-তে যোগ দিক। তিনি হাত উঁচিয়ে আঙুলগুলো ছড়িয়ে বলতেন, আমেরিকান ফেডারেশন অফ লেবার বা এ.এফ.এল. হলো ঠিক এইরকম, প্রতিটি আলাদা আলাদা। কিন্তু আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. হলো এইরকম, [তিনি হাতের মুঠো পাকাতেন] এবং তারা সবাই চিৎকার করে উঠত আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর জয় হোক। এভাবেই তিনি তার বক্তব্য বুঝিয়ে দিতেন।
* যখন লরেন্সের এই ধর্মঘট চলছিল, তখন লুইজিয়ানায় কাঠ শ্রমিকদের একটি বড় ধর্মঘট চলছিল, সেটিও আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর অধীনে। যদিও আমাদের সব জায়গায় ধর্মঘট ছিল এবং আমরা এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় ছুটে বেড়াচ্ছিলাম, তবুও আমি বিশেষ করে এই ঘটনাটি উল্লেখ করছি কারণ সেখানে প্রথমবারের মতো বৈষম্য ও বর্ণবাদের নিয়মগুলো ভেঙে ফেলা হয়েছিল। উইলিয়াম ডি. হেউড সেখানে ভাষণ দিতে গিয়েছিলেন এবং তিনি বলেছিলেন প্রতিটি ধর্মঘটী যেখানে খুশি বসতে পারে। আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর এই হলে কোনো বিভাজন নেই। নিগ্রো এবং শ্বেতাঙ্গ শ্রমিকরা, আমার মনে হয় আমেরিকান শ্রমিক ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সেই সামাজিক বিধিনিষেধ ভেঙে একসাথে মিলিত হয়েছিল।
* আমার দীর্ঘ শ্রমিক ইতিহাসে যদি এমন কিছু থাকে যা নিয়ে আমি সত্যিই গর্বিত, তা হলো—ফাঁসির আগে কারাগারে থাকাকালীন জো হিল আমার জন্য একটি গান লিখেছিলেন এবং আমাকে উৎসর্গ করেছিলেন, যার নাম ছিল "রেবেল গার্ল"। সেই গানটি—আমি আশা করি আপনারা এখানে কোনো একদিন সেটি গাইবেন—হয়তো এর কথা বা সুর সেরা নয়, কিন্তু এটি হৃদয় থেকে এসেছিল এবং এটি আমার কাছে অত্যন্ত মূল্যবান।
* প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ., সমাজতন্ত্রী এবং আমাদের দেশের সমস্ত প্রগতিশীলদের ওপর প্রচণ্ড আক্রমণ চালানো হয়েছিল। সেই সময় একটি শক্তিশালী শান্তি আন্দোলন ছিল। এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মতো ছিল না, যা ছিল একটি ফ্যাসিবাদ-বিরোধী যুদ্ধ।
*অন্যান্য সংগঠনের সাথে আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর সম্পর্ক কেমন ছিল সে সম্পর্কে আমার আপনাদের কিছু বলা উচিত কারণ চিত্রটি সম্ভবত এখনও খুব বেশি পরিষ্কার নয়। এটি কোনো কারুশিল্প ভিত্তিক ইউনিয়ন ছিল না; এটি ছিল একটি শিল্প ইউনিয়ন এবং এটি এ.এফ.এল.-এর ঘোর বিরোধী ছিল। এ.এফ.এল. যেসব আদর্শে বিশ্বাস করত—যেমন ন্যায্য কাজের জন্য ন্যায্য মজুরি, পুঁজি ও শ্রমের ভ্রাতৃত্ব—আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. তার কোনোটিতেই বিশ্বাস করত না। সুযোগ পেলেই মালিকের বিরুদ্ধে লড়াই করার বিষয়ে এটি খুব কঠোর ছিল। তাদের বিশ্বাস ছিল যে কোনো চুক্তি করা উচিত নয়। তারা মনে করত যতক্ষণ আপনারা সংগঠিত আছেন, ততক্ষণ আপনারা মালিককে তার প্রতিশ্রুতি পালনে বাধ্য করতে পারবেন। কিন্তু একটি চুক্তি বা কাগজের টুকরো আপনাদের হাত-পা বেঁধে ফেলে, তাই তারা কোনো চুক্তি করত না। তবে আমাদের তথাকথিত 'হোয়াইট কলার' বা দাপ্তরিক কর্মীদের প্রতি তাদের দৃষ্টিভঙ্গি ভালো ছিল না। মোটেও ভালো ছিল না কারণ তারা মনে করত এই কর্মীরা শ্রমিক শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত নয়। আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর মতে শ্রমিক হতে হলে আপনাকে ওভারঅল পোশাক পরতে হবে, পেশিবহুল হতে হবে এবং হাড়ভাঙা খাটুনি খাটতে হবে। আপনি যদি কেবল কলম পিষতেন, তবে আপনি শ্রমিক ছিলেন না। এই একই কথা শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য ছিল। অন্য কথায়, তারা ছিল একটি অত্যন্ত সংকীর্ণমনা সংগঠন। তবে তৎকালীন সময়ের শিক্ষার্থীরাও কিছুটা দায়ী ছিল কারণ শ্রম আন্দোলনের প্রতি তাদের কোনো সহানুভূতি ছিল না। প্রকৃতপক্ষে, যখন ধর্মঘট হতো তখন শ্রমিকদের জায়গায় কাজ করার জন্য সবসময় শিক্ষার্থীদের পাওয়া যেত। আমি নিউ ইয়র্ক সিটির একটি হোটেলের ধর্মঘটে এমনটা দেখেছি। যাই হোক, আমি খুব আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে এখন সময় বদলেছে।
*আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. এ.এফ.এল.-এর চেয়ে আরও একটি বিষয়ে আলাদা ছিল যে তারা সমাজতন্ত্রে বিশ্বাস করত। যদিও তারা রাজনৈতিক দল এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড বর্জন করার কারণে সোশ্যালিস্ট পার্টির থেকে ভিন্ন ছিল। তাদের এই অদ্ভুত ধারণা ছিল যে আসল লড়াই হলো শিল্পকারখানায়, অর্থাৎ উৎপাদনের জায়গায়।
*আমি যখন আপনাদের বলি যে তখন কী কী ছিল না, তখন মনে হয় আমরা যেন এক অরণ্যে বাস করতাম। তখন কোনো রেডিও ছিল না, টিভি ছিল না, সিনেমা ছিল না, আজকের মতো বিজ্ঞাপন ছিল না, কোনো প্লাস্টিক বা কৃত্রিম কাপড় ছিল না এবং কোনো বিমানও ছিল না।
*আমি ১৯১৯-২০ সালের কথা বলছি যখন জে. এডগার হুভার প্রথম আত্মপ্রকাশ করেন। তাকে এই ধরপাকড় অভিযানের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল এবং সারা দেশের সমস্ত রিপোর্ট তাকে জমা দিতে হতো। তাদের বলা হতো "জি ম্যান"। এফবিআই আরও পরে ১৯২৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। সুতরাং কোনো সরকারের পরোয়া না করেই তিনি দীর্ঘ ৩৮ বছর ধরে এই সাম্রাজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন এবং এটি আসলে কোনো সিভিল সার্ভিস বা বিচার বিভাগের নিয়ন্ত্রণে নেই।
*আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর বিরুদ্ধে ঘৃণা এতটাই তীব্র ছিল যে সংবাদপত্রের সম্পাদকীয়তে লেখা হতো, "তাদের ভোরবেলা গ্রেপ্তার করা উচিত এবং নাস্তা করার আগেই বিচার ছাড়াই গুলি করে মারা উচিত।"
*আজকের দিনে ইউনিয়নের সাথে রাজনৈতিক সহযোগী থাকা অনেক বেশি কার্যকর একটি পদ্ধতি। কিন্তু আমরা তখন সবকিছু এক পাত্রে রাখার চেষ্টা করেছিলাম এবং সেটি মোটেও কাজ করেনি। আমরা বেশ অহংকারী ছিলাম। আমরা তরুণ ছিলাম এবং মনে করতাম সবকিছুর সঠিক উত্তর কেবল আমাদের কাছেই আছে। আমরা এ.এফ.এল.-এর সাথে কাজ করতে চাইনি, সোশ্যালিস্ট পার্টির সাথে কাজ করতে চাইনি, এমনকি অন্য কারও সাথেই কাজ করতে চাইনি। স্বাভাবিকভাবেই যখন কমিউনিস্ট পার্টি এল, তারা সেটাকে একটি সত্যিকারের দল হিসেবে বিবেচনা করল কারণ সেটি পুরনো সোশ্যালিস্ট পার্টির চেয়ে অনেক বেশি বিপ্লবী ছিল। আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. রুশ বিপ্লবের ধারণার সাথে পুরোপুরি একমত ছিল না, যদিও তারা খুশি ছিল যে এটি এমন একটি বিপ্লব যা জারকে উৎখাত করেছে। তারা কেরেনস্কির পক্ষে ছিল না কিন্তু বিপ্লব সম্পর্কে তাদের কিছু আদিম ধারণা ছিল। আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর কাছে বিপ্লব মানে ছিল কারখানা, দোকান, কলকারখানা, খনি আর ফসলের মাঠ দখল করে নেওয়া এবং মালিকদের স্রেফ তাড়িয়ে দেওয়া। মালিকদের তাড়িয়ে দেওয়া মানেই ছিল বিপ্লবের শেষ।
*আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর ইতিবাচক দিক ছিল যে এটি নিশ্চিতভাবেই লড়াকু ও সাহসী ছিল, এটি সেই সময়ের জন্য উপযুক্ত ছিল এবং এটি দরিদ্রতম, সবচেয়ে একাকী ও সবচেয়ে অবহেলিতদের স্বার্থের জন্য লড়াই করেছিল—যাদের এ.এফ.এল. সংগঠিত করতে পারেনি; যেমন বিদেশি বংশোদ্ভূত শ্রমিক, নারী এবং যখন কৃষ্ণাঙ্গরা শিল্পে আসতে শুরু করল, তখন সেই কৃষ্ণাঙ্গ শ্রমিকরা।
*আমরা তখন সামাজিক নিরাপত্তা বা বেকার ভাতার মতো কোনো কিছুর কথা কখনও শুনিনি এবং ভাবিনি যে এমন কিছু হওয়া সম্ভব। এগুলো ছিল ত্রিশের দশকের লড়াইয়ের ফলাফল—আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর পতনের পরের বড় সংগ্রামের ফল। এছাড়া আমরা কখনও বেতনসহ ছুটির কথা শুনিনি। বেতনসহ ছুটি তো দূরের কথা, আমরা ছুটির কথাই শুনিনি। আজকের দিনের মতো চাকরির জ্যেষ্ঠতার কোনো ধারণা আমাদের ছিল না। শ্রমিকদের অবসরের জন্য কোনো পেনশন ছিল না। ইউনিয়নের কোনো কল্যাণ তহবিল বা স্বাস্থ্যকেন্দ্র ছিল না এবং আজকের মতো কোনো ট্রেড ইউনিয়ন স্কুলও ছিল না। এই সমস্ত সুযোগ-সুবিধা আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর পরবর্তী সময়ে গড়ে ওঠা ইউনিয়নগুলোর মাধ্যমে এসেছে।
*আজকের দিনে শ্রমিকের বিরুদ্ধে সরাসরি সহিংসতা কম কিন্তু আইনি বিধিনিষেধ অনেক বেশি। দমনমূলক আইন এবং সব ধরনের বিধিনিষেধের মাধ্যমে শ্রমিকের অধিকার হরণ করার চেষ্টা এখন অনেক বেশি হচ্ছে।
*আমরা কি উন্নতি করেছি? ওহ, আমরা অবশ্যই উন্নতি করেছি! সমস্ত অসুবিধা এবং সমস্যা সত্ত্বেও শ্রমিক আন্দোলন বিশাল উন্নতি করেছে। আজকের যুবকদের জন্য একটি নতুন ভূমিকা এবং নতুন দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে। বহু বছর আগে আমি পিটার ক্রোপোটকিনের 'আপিল টু দ্য ইয়ং' বা 'তরুণদের প্রতি আবেদন' নামক একটি পুস্তিকা পড়েছিলাম। এটি ছিল যুবকদের প্রতি এই বিশ্বকে বসবাসের উপযোগী একটি সুন্দর জায়গা হিসেবে গড়ে তোলার দায়িত্ব নেওয়ার এক চমৎকার আহ্বান। এখন আমি অনুভব করি যে আমরা আমাদের সাধ্যমতো সেরা চেষ্টা করেছি। কিন্তু সময় এমন আসে যখন আপনি জানেন যে বাধ্য হয়েই আপনাকে থামতে হয়; যদিও বলা হয় বার্ধক্য কোনো রোগ নয় কিন্তু আমি মনে করি এটি একটি রোগ। এমন এক সময় আসে যখন আপনাকে গতি কমিয়ে দিতে হয় এবং কাজ থেকে বিদায় নিতে হয়, আর যদি নতুন প্রজন্ম চায় তবে আপনার অভিজ্ঞতার সুফল তাদের কাছে পৌঁছে দিতে হয়।
== এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন সম্পর্কে উক্তি ==
* হেটেরোডক্সির সদস্য এবং ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়ার্কার্স অফ দ্য ওয়ার্ল্ড-এর প্রখ্যাত সংগঠক এবং পরবর্তীতে ইউ.এস. কমিউনিস্ট পার্টির শীর্ষস্থানীয় সদস্য এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন এই সংগঠনে তার সদস্যপদকে "এক অবিচ্ছিন্ন আনন্দের অভিজ্ঞতা" হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি আরও যোগ করেছেন, "এটি ভবিষ্যতের নারীদের এক ঝলক দেখার মতো ছিল—যারা বিশাল হৃদয়ের অধিকারী, বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে সজাগ এবং পুরনো সেই 'নারীত্ব' বর্জিত যার স্থলাভিষিক্ত হয়েছে নারীদের এক চমৎকার ভ্রাতৃত্ব।"
** [[বেটিনা আপথেকার]], ''ট্যাপেস্ট্রিস অফ লাইফ: উইমেনস ওয়ার্ক, উইমেনস কনশাসনেস, অ্যান্ড দ্য মিনিং অফ ডেইলি এক্সপেরিয়েন্স'' (১৯৮৯)
* আমার নির্জন কারাবাসের দিনগুলোতে, মার্গারেট যখন জেল সুপারকে আমাকে পড়ার সুযোগ দেওয়ার জন্য রাজি করালেন, তখন আমি গ্রন্থাগারে একা কয়েকটি সেশন কাটিয়েছিলাম। অল্প সময়ের মধ্যেই আমি পুরো জায়গাটি তন্নতন্ন করে খুঁজি এবং সামান্য আগ্রহ জাগানিয়া মাত্র কয়েকটি বই খুঁজে পাই: এডগার স্নো-এর লেখা চীনা বিপ্লবের ওপর একটি বই, ডব্লিউ. ই. বি. ডু বোইস-এর আত্মজীবনী এবং একজন আশ্চর্যজনকভাবে নিরপেক্ষ ও স্বল্প পরিচিত লেখকের লেখা সাম্যবাদের ওপর একটি বই। এই বইগুলো আবিষ্কার করার পর আমার চিন্তাভাবনা বারবার সেগুলোর রহস্যময় উপস্থিতির দিকে ফিরে যাচ্ছিল। হঠাৎ আমার মনে হলো: এগুলো সম্ভবত এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন, ক্লডিয়া জোন্স অথবা অন্য কোনো কমিউনিস্ট নেতাদের দ্বারা পড়া হয়েছিল যারা ম্যাকার্থি যুগে স্মিথ অ্যাক্টের অধীনে নিপীড়িত হয়েছিলেন। আমাকে জানানো হয়েছিল যে সেখানে থাকাকালীন আমি যদি কোনো বই পাই, তবে তা গ্রন্থাগারে দান করতে হবে—যা ছিল এক আনন্দের বিষয়, কারণ তথাকথিত সেই শিক্ষা কেন্দ্রের অবস্থা ছিল করুণ। আমি যখন সেই বইগুলোর পাতা উল্টাচ্ছিলাম, তখন আমি এই দেশের কিছু অসামান্য বীরাঙ্গনাদের ঐতিহ্য অনুসরণ করতে পেরে সম্মানিত বোধ করছিলাম: কমিউনিস্ট নারী নেতৃবৃন্দ, বিশেষ করে কৃষ্ণাঙ্গ কমিউনিস্ট ক্লডিয়া জোন্স।
** ''[[অ্যাঞ্জেলা ডেভিস]]ের আত্মজীবনী'' (১৯৭৪)
* জোসেফ ইটর এবং আর্তুরো জিওভানিত্তির গ্রেপ্তারের ফলে তৈরি হওয়া শূন্যতা তাৎক্ষণিকভাবে বিল হেউড এবং এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন পূরণ করেছিলেন। শ্রমিক সংগ্রামে হেউডের বছরের পর বছর অভিজ্ঞতা, তার দৃঢ় সংকল্প এবং বিচক্ষণতা তাকে লরেন্সের পরিস্থিতিতে এক অনন্য শক্তিতে পরিণত করেছিল। অন্যদিকে, এলিজাবেথের তারুণ্য, চার্ম এবং বাগ্মিতা খুব সহজেই সবার মন জয় করে নিয়েছিল। এই দুজনের নাম এবং খ্যাতি ধর্মঘটের জন্য দেশব্যাপী প্রচার ও সমর্থন জোগাড় করতে সাহায্য করেছিল। বছরের পর বছর আগে একটি উন্মুক্ত সভায় প্রথমবার শোনার পর থেকেই আমি এলিজাবেথকে জানতাম এবং শ্রদ্ধা করতাম। সেই সময় তার বয়স চৌদ্দ বছরের বেশি ছিল না, তার ছিল এক সুন্দর মুখাবয়ব এবং আন্তরিকতায় ভরপুর এক কণ্ঠস্বর। তিনি আমার ওপর গভীর প্রভাব ফেলেছিলেন। পরবর্তীতে আমার বক্তৃতায় তার বাবার সাথে তাকে প্রায়ই আসতে দেখতাম। কালো চুল, বড় বড় নীল চোখ এবং চমৎকার গায়ের রঙে তিনি ছিলেন এক মোহনীয় প্রতিচ্ছবি... স্পোকেনে আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর অন্যান্য সদস্যদের সাথে তিনি যে চমৎকার বাক-স্বাধীনতার লড়াই করেছিলেন এবং যে নিপীড়ন সহ্য করেছিলেন, তা এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিনকে আমার খুব কাছে নিয়ে এসেছিল। আর যখন শুনলাম যে সন্তান জন্ম দেওয়ার পর তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েছেন, তখন এই তরুণ বিদ্রোহীর জন্য আমি গভীর সহানুভূতি অনুভব করেছিলাম, যিনি সর্বহারা পটভূমি থেকে আসা প্রথম আমেরিকান নারী বিপ্লবীদের একজন। তার প্রতি আমার আগ্রহ কেবল স্পোকেন লড়াইয়ের জন্যই নয়, বরং মা হওয়ার প্রথম মাসগুলোতে এলিজাবেথের ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য তহবিল সংগ্রহে আমার প্রচেষ্টাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছিল। তিনি নিউ ইয়র্কে ফিরে আসার পর থেকে আমরা প্রায়ই সভায় এবং আরও ব্যক্তিগতভাবে একসাথে সময় কাটিয়েছি। এলিজাবেথ নৈরাজ্যবাদী ছিলেন না, তবে তিনি সোশ্যালিস্ট লেবার পার্টি থেকে আসা তার কিছু কমরেডদের মতো গোঁড়া বা বিদ্বেষীও ছিলেন না। আমাদের সার্কেলে তিনি আমাদেরই একজন হিসেবে স্বীকৃত ছিলেন এবং আমি তাকে বন্ধু হিসেবে ভালোবাসতাম।
** [[এমা গোল্ডম্যান]], ''লিভিং মাই লাইফ'' (১৯৩১)
* ফ্লিন পার্টির চেয়ারম্যান হিসেবে জিনের স্থলাভিষিক্ত হন। তিনি ছিলেন সেই পদে নির্বাচিত প্রথম নারী। তিনি ছিলেন একজন সমঝোতামূলক প্রার্থী; বেন ডেভিসও এই পদের জন্য প্রচারণা চালাচ্ছিলেন এবং কৃষ্ণাঙ্গ নেতৃত্বের একটি বড় অংশসহ পার্টির অনেক মানুষ সেই সম্ভাবনায় ভীত ছিল। লিজকে তখন সেরা বিকল্প মনে হয়েছিল। পার্টিতে এলিজাবেথের খুব ইতিবাচক খ্যাতি ছিল। ১৯৩০-এর দশকে যখন তিনি পুনরায় যোগ দেন (তিনি ১৯২০-এর দশকে সংক্ষিপ্তভাবে এবং গোপনে সদস্য ছিলেন), তখন তিনি সরাসরি শীর্ষ নেতৃত্বে চলে আসেন। পদমর্যাদায় উপরে ওঠার লড়াইয়ে অন্যান্য নারীদের যে কঠোর আচরণের প্রয়োজন হতো, তার সেটি করার প্রয়োজন পড়েনি। তিনি মানুষের প্রতি এমনভাবে আন্তরিক ছিলেন যা অধিকাংশ পার্টি নেতার মধ্যে ছিল না। আমি যখনই নিউ ইয়র্কে যেতাম, চেলসি হোটেলে তার সাথে দেখা করার চেষ্টা করতাম যেখানে তিনি থাকতেন। তার রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং জাতীয় অফিসে তার সহকর্মীদের সম্পর্কে তার তীক্ষ্ণ ও নির্ভীক মতামতের কারণে তিনি শোনার মতো একজন ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তিনি জিন ডেনিসকে পছন্দ করতেন কিন্তু ফস্টারের প্রতি সবসময় সমালোচনামূলক ছিলেন। স্পষ্টতই এই বিরোধ অনেক অনেক বছর আগের। ইউনিয়ন সংগঠক হিসেবে তার বীরত্বপূর্ণ অতীতের গ্ল্যামার তাকে মোহিত করতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত তার নিজেরও এমন সব পরিচয় ছিল যা ফস্টারের চেয়ে কোনো অংশে কম প্রভাবশালী ছিল না। তিনি পার্টির জনসম্মুখের মুখ হিসেবে এবং ওবলিদের ঐতিহাসিক অতীত, লরেন্সের "ব্রেড অ্যান্ড রোজেস" ধর্মঘট এবং স্পোকেনের বাক-স্বাধীনতা লড়াইয়ের যোগসূত্র হিসেবে খুব কার্যকর ছিলেন। বিশাল শ্রোতাদের সামনে সহজ ভাষায় কথা বলার এবং তাৎক্ষণিক সম্পর্ক তৈরি করার এক অসাধারণ ক্ষমতা তার ছিল। এটি ছিল পার্টির পুরনো দিনের আন্দোলনকারীদের একটি গুণ—ফ্লিন, ফস্টার এবং ক্ল্যারেন্স হ্যাথওয়ের মতো মানুষের মধ্যে এটি আমার প্রজন্মের চেয়ে অনেক বেশি ছিল। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে লিজের প্রতি আমার মিশ্র অনুভূতি তৈরি হয়েছিল। পার্টির সভাগুলোতে তিনি সবসময় গুস বা সোভিয়েত ইউনিয়নের কাছে অগ্রহণযোগ্য কিছু না বলার বিষয়ে খুব সতর্ক থাকতেন। তিনি আমাকে নিয়ে এবং আমার রাজনীতি আমাকে যে খারাপ পরিণতির দিকে নিয়ে যাবে তা নিয়ে চিন্তিত ছিলেন।
** [[ডরোথি রে হিলি]], ''ক্যালিফোর্নিয়া রেড: আ লাইফ ইন দ্য আমেরিকান কমিউনিস্ট পার্টি'' (১৯৯০)
* আমি এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন এবং পেটিস পেরি ও আমার সকল সহ-অভিযুক্তদের সেই বিশ্বাসে বিশ্বাসী যে, আমেরিকার শ্রমজীবী মানুষ—কৃষ্ণাঙ্গ ও শ্বেতাঙ্গ—অবশ্যই জেগে উঠবে; ভেড়ার মতো নয় বরং তাদের স্বাধীনতার প্রতি সজাগ দৃষ্টি রেখে। তারা নিশ্চিত করবে যে শান্তি জয়ী হবে এবং এই ক্ষয়িষ্ণু স্মিথ অ্যাক্ট, যা অধিকারের সনদকে লঙ্ঘন করে, তা ইতিহাসের পাতা থেকে মুছে যাবে।
** [[ক্লডিয়া জোন্স]], জবানবন্দি (জানুয়ারি ১৯৫৩)
*আমি তোমাকে দেখব সেইসব কচি অঙ্কুরিত চারার মাঝে/যারা আগাছাকে অবজ্ঞা করে—সন্দেহে কুঁকড়ে যাওয়া বার্ধক্যকে/সেইসব ব্যবহারকারীদের যারা গালিগালাজে কলুষিত করে,/সংগ্রামের মধ্য দিয়ে গড়ে তোলা সেবায় নিবেদিত এক সার্থক জীবনকে... আমি তোমাকে চিরদিন মনে রাখব/এবং কীভাবে তোমার আত্মা প্রতিধ্বনিত হয়/কারণ তোমার বিশ্বাস আগুনের শিখার মতো লাফিয়ে ওঠে/যা সবকিছুর জন্য এক মধুর লালন।
** ক্লডিয়া জোন্স, 'বিয়ন্ড কন্টেইনমেন্ট: অটোবায়োগ্রাফিক্যাল রিফ্লেকশনস, এসেস, অ্যান্ড পোয়েমস' গ্রন্থে "টু এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন" কবিতা।
*ডরোথি ডে এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিনকে (যিনি ১৯৩৭ সালে ইউ.এস. কমিউনিস্ট পার্টিতে যোগ দিয়েছিলেন) "শব্দের গভীরতম অর্থে আমার বোন" হিসেবে গণ্য করতেন। ডে লিখেছিলেন, ফ্লিন "সর্বদাই তা-ই করেছেন যা আজকাল সাধারণ মানুষদের করার জন্য তাগিদ দেওয়া হয়। তিনি দরিদ্রদের রক্ষায়, তাদের অন্যায় ও অভাব থেকে বাঁচাতে নিজের ক্ষমতার সবটুকু করার দায়িত্ব অনুভব করতেন" (লং লোনলিনেস, ১৪৫-১৪৬)।
** [[মার্গারেট সি. জোন্স]], 'হেরিটিকস অ্যান্ড হেলরাইজার্স: উইমেন কন্ট্রিবিউটরস টু দ্য মাসেস, ১৯১১-১৯১৭' (১৯৯৩)
*শ্রম আন্দোলনের ইতিহাসের আমার অন্যতম প্রিয় ব্যক্তিত্ব এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন—সেই বিখ্যাত 'রেবেল গার্ল' যাকে নিয়ে জো হিল গান গেয়েছিলেন এবং যিনি নিজের যোগ্যতায় একজন অসাধারণ ইউনিয়ন সংগঠক ছিলেন—ঊনবিংশ শতাব্দীতেই একটি অত্যন্ত সঠিক কথা বলেছিলেন। তথাকথিত রুটি-রুজির অর্থনৈতিক ইস্যুগুলোর সমান গুরুত্ব দিয়ে রাজনৈতিক ও সামাজিক ন্যায়বিচারের দাবিগুলো ধরে রাখার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে তিনি বলেছিলেন: "শ্রমিকের বিজয় আসলে কী? আমি মনে করি এটি একটি দ্বিমুখী বিষয়। পূর্ণাঙ্গ বিজয় অর্জনের জন্য শ্রমিকদের কেবল অর্থনৈতিক সুবিধাই অর্জন করলে চলবে না, তাদের মধ্যে বিপ্লবী চেতনাও থাকতে হবে। শ্রমিকদের দিনে কয়েক সেন্ট বেশি পাওয়া বা কয়েক মিনিট কম কাজ করে সেই একই মানসিকতা এবং সমাজের প্রতি একই দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কাজে ফিরে যাওয়া মানে একটি সাময়িক লাভ অর্জন করা, কোনো স্থায়ী বিজয় নয়।"
** কিম কেলি (সাংবাদিক), 'ফাইট লাইক হেল: দ্য আনটোল্ড হিস্ট্রি অফ আমেরিকান লেবার' (২০২২)
* ফ্লিনের ভাষায়, এটি ছিল "আমেরিকান শ্রম ইতিহাসের এক অতুলনীয় দিন... লরেন্সে তখন ত্রাসের রাজত্ব চলছিল যা আক্ষরিক অর্থেই আমেরিকাকে কাঁপিয়ে দিয়েছিল।"
** কিম কেলি (সাংবাদিক), 'ফাইট লাইক হেল: দ্য আনটোল্ড হিস্ট্রি অফ আমেরিকান লেবার' (২০২২)
*প্রথাগত মার্ক্সবাদী তত্ত্ব অনুযায়ী গৃহিণীদের শ্রেণি সচেতনতা ছিল একটি সমস্যাজনক বিষয়; তারা প্রায়ই আমূল সংস্কারবাদী পুরুষদের কাছে অনির্ভরযোগ্য মিত্র ছিলেন। তাদের সাধারণত কৃষক এবং বুদ্ধিজীবীদের সাথে এমন এক রক্ষণশীল গোষ্ঠী হিসেবে দেখা হতো যারা সর্বহারা পুরুষদের অগ্রযাত্রায় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। নারীদের সমঅধিকার সমস্ত মার্ক্সবাদী আন্দোলনের একটি ঘোষিত লক্ষ্য ছিল, কিন্তু নারী ইস্যুগুলোকে যেভাবে দেখা হতো, তাতে স্পষ্ট বার্তা পাওয়া যেত যে—নারীদের কাজ এই সংগ্রামের ক্ষেত্রে প্রান্তিক বা গৌণ, যদি না তারা পুরুষদের মতো করে কাজ করতে পারদর্শী হয়। প্রখ্যাত এবং উদযাপিত নারী নেত্রীরা—ডলোরেস ইবারুরি (লা পাসিওনারিয়া), মাদার ব্লুর, এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন, ক্লারা লেমলিচ—গৃহিণীদের সংগঠিত করেননি; তারা নারী কারখানা শ্রমিক, নারীদের সহযোগী সংগঠন বা পুরুষদের সংগঠিত করেছিলেন।
** [[গের্ডা লার্নার]], 'ফায়ারউইড: আ পলিটিক্যাল অটোবায়োগ্রাফি' (২০০২)
*যুদ্ধবন্দিদের জন্য আমার সফরের সময় আমি পর্যায়ক্রমে নিউ ইয়র্কে ফিরে আসতাম সংগঠনকে রিপোর্ট দিতে এবং এই কাজে এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন ও অন্যদের সাথে পরামর্শ করতে। এভাবেই আইরিশ লড়াকু পূর্বপুরুষদের সেই লড়াকু কন্যার সাথে আমার দীর্ঘ বছরের মেলামেশা শুরু হয়। ষোলো বছর বয়সেই তিনি আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-তে সক্রিয় ছিলেন এবং জো হিল তাকে নিয়ে একটি ওবলি গান লিখেছিলেন, "দ্য রেবেল গার্ল"। যদিও কমিউনিস্ট পার্টির শুরুর দিনগুলোতে তিনি আমাদের সাথে যোগ দেননি, কিন্তু তিনি আমাদের সাথে খুব ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতেন। পরিশেষে, ওরেগনের পোর্টল্যান্ডে দশ বছর অসুস্থ থাকার পর তিনি নিউ ইয়র্কে ফিরে আসেন এবং পার্টিতে যোগ দেন। আজ তিনি আমাদের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বক্তা এবং আমাদের জাতীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সম্মানিত ও প্রিয় সদস্য। এলিজাবেথের জীবনের গল্প এই দেশের অনেক মহান শ্রমিক সংগ্রামের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে। সর্বত্র শ্রমিকরা তার সুন্দর সুমধুর কণ্ঠস্বর, উজ্জ্বল উদ্দীপনা এবং বিশাল লড়াকু হৃদয়ের কথা জানে। ক্যালুমেট, পাসাইক, প্যাটারসন, লরেন্স—এই সব জায়গার পিকেট লাইন এবং মঞ্চ তাকে চেনে। আজ তার একমাত্র ছেলে ফ্রেডের আকস্মিক মৃত্যুর শোকের ভার বহন করেও তিনি এমন এক বিশ্বের জন্য লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন যেখানে মায়েদের তাদের প্রভুদের স্বার্থ রক্ষার যুদ্ধে অকারণে সন্তান হারাতে হবে না।
** [[এলা রিভ ব্লুর]], 'উই আর মেনি: অ্যান অটোবায়োগ্রাফি' (১৯৪০)
*যে নারীর প্রতি আমার গভীরতম শ্রদ্ধা ছিল, তিনি অবশ্যই এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন।
** [[এমা তেনাইউকা]], সাক্ষাৎকার (১৯৮৭)
*তিনি তার এই বিস্ময়কর রেকর্ডের সূচনা করেছিলেন পনেরো বছর বয়সে রাস্তার মোড়ে গ্রেপ্তার হওয়ার মাধ্যমে। তার বাবাও তার সাথে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। এরপর থেকে তার বাবা আর কখনও গ্রেপ্তার হননি। এটি ছিল তার জন্য কেবল শুরু। বিচারক কৌতূহলী হয়ে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, "তুমি কি ব্রডওয়েতে কথা বলে মানুষকে সমাজতন্ত্রে দীক্ষিত করার আশা করো?" তিনি বিচারকের দিকে তাকালেন এবং গম্ভীরভাবে উত্তর দিলেন, "অবশ্যই করি।" বিচারক করুণায় দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন, "মামলা খারিজ।"
** [[মেরি হিটন ভোর্স]] (১৯২৬), গের্ডা লার্নার সম্পাদিত 'দ্য ফিমেল এক্সপেরিয়েন্স: অ্যান আমেরিকান ডকুমেন্টারি' গ্রন্থে সংকলিত।
*তিনি আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-তে যোগ দিয়েছিলেন যখন সেটি তার সোনালী যুগে ছিল। আদর্শবাদে পূর্ণ এই আন্দোলন উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলকে প্লাবিত করেছিল। সব জায়গায় তাদের বাক-স্বাধীনতার লড়াই চলছিল। কর্তৃপক্ষ তাদের গ্রেপ্তার করত এবং আরও বেশি মানুষ আসত। তারা জেলখানাগুলোকে জনাকীর্ণ করে ফেলেছিল। এলিজাবেথ বলেছিলেন, "একটি শহরে জেলে এত বেশি মানুষ ছিল যে দিনের বেলা তাদের ছেড়ে দেওয়া হতো। বাইরের আমাদের তাদের খাওয়াতে হতো। প্রতি রাতে তারা আবার জেলে ফিরে যেত। অবশেষে ওবলিরা সিদ্ধান্ত নিল যে জেলের দরজা খুললেও তারা বের হবে না। দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ সেইসব ওবলিদের দেখতে আসত যারা জেল ছাড়তে রাজি ছিল না।" তার জীবনের এই অংশটি—পশ্চিমের যাযাবর শ্রমিকদের সংগঠিত করা এবং তাদের হয়ে লড়াই করা—তার জীবনের সেই অংশ যা তিনি সবচেয়ে বেশি পছন্দ করেন।
** মেরি হিটন ভোর্স (১৯২৬), গের্ডা লার্নার সম্পাদিত 'দ্য ফিমেল এক্সপেরিয়েন্স: অ্যান আমেরিকান ডকুমেন্টারি' গ্রন্থে সংকলিত।
*প্রতিরক্ষার কাজ তার কাছে নতুন কিছু ছিল না এবং ১৯১৮ সাল থেকে ইদানীংকাল পর্যন্ত তার প্রধান কাজ ছিল রাজনৈতিক বন্দিদের জেল থেকে মুক্ত করা। আর ১৯২১ সাল থেকে তিনি স্যাকো-ভানজেত্তি মামলার ওপর মনোযোগ নিবদ্ধ করেছেন। সেখানে ছিল নিরন্তর কাজ, ছিল গ্রেপ্তার এবং তার আদর্শের জন্য বন্দি হওয়া কমরেডদের নিয়ে তার নিরন্তর ব্যস্ততা। শ্রমিক আন্দোলনে তার প্রথম বিশ বছর পার করার পরও তিনি অম্লান এবং নিরুৎসাহহীন।
** মেরি হিটন ভোর্স (১৯২৬), গের্ডা লার্নার সম্পাদিত 'দ্য ফিমেল এক্সপেরিয়েন্স: অ্যান আমেরিকান ডকুমেন্টারি' গ্রন্থে সংকলিত।
*প্রগতিশীল বা আমূল সংস্কারবাদী আন্দোলনে সক্রিয় যেসব সুন্দরী নারীর সাথে আমার দেখা হয়েছে, তাদের সুন্দর স্মৃতি ছাড়া যদি মনে রাখার মতো আর কিছু না-ও থাকত, তবুও জীবন সার্থক হতো। আমি এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিনের প্রেমে পড়েছিলাম যখন একজন তরুণী হিসেবে তিনি তার স্পষ্ট ও সুমধুর কণ্ঠে হাজার হাজার মানুষকে সামাজিক বিদ্রোহের আদর্শে উদ্বুদ্ধ করেছিলেন।
** [[আর্ট ইয়াং]], 'হিজ লাইফ অ্যান্ড টাইমস' (১৯৩৯)
*বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকের সেইসব বিপ্লবীদের শক্তি ও উদ্দীপনার আঁচ পাওয়া যায় কেবল এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিনের পুলিশের রেকর্ড বা অপরাধের তালিকার দিকে তাকালে।
** [[হাওয়ার্ড জিন]], 'আ পিপলস হিস্ট্রি অফ দ্য ইউনাইটেড স্টেটস'
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:শ্রমিক নেতা]]
[[বিষয়শ্রেণী:শ্রমিক আন্দোলনকর্মী]]
[[বিষয়শ্রেণী:নারী অধিকার কর্মী]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নারী সক্রিয়কর্মী]]
[[বিষয়শ্রেণী:কমিউনিস্ট পার্টি ইউএসএ-এর সদস্য]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নারীবাদী]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আত্মজীবনীকার]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক লেখক]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লেখিকা]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমাজতন্ত্রী]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাক-স্বাধীনতা আন্দোলনকর্মী]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাম্যবাদী]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৮৯০-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৬৪-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯শ শতাব্দীতে জন্মগ্রহণকারী নারী]]
[[বিষয়শ্রেণী:নিউ হ্যাম্পশায়ারের ব্যক্তি]]
ljf0r6g7pho9ly7kcpqolullp44ml07
83273
83272
2026-05-02T18:05:53Z
Tuhin
172
83273
wikitext
text/x-wiki
[[File:Elizabeth Gurley Flynn point (cropped).jpg|thumb|এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন]]
'''[[w:bn:এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন|এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন]]''' (৭ আগস্ট ১৮৯০ – ৫ সেপ্টেম্বর ১৯৬৪) ছিলেন একজন [[w:bn:শ্রমিক নেতা|শ্রমিক নেতা]], সক্রিয়কর্মী এবং [[w:bn:নারীবাদী|নারীবাদী]] যিনি [[w:bn:ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়ার্কার্স অফ দ্য ওয়ার্ল্ড|ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়ার্কার্স অফ দ্য ওয়ার্ল্ডে]] অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন। ফ্লিন [[w:bn:আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়ন|আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়নের]] একজন প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং [[নারীর অধিকার]], [[জন্ম নিয়ন্ত্রণ]] এবং [[w:bn:নারী ভোটাধিকার|নারী ভোটাধিকারের]] একজন বিশিষ্ট প্রবক্তা ছিলেন। তিনি ১৯৩৬ সালে [[w:bn:কমিউনিস্ট পার্টি ইউএসএ|কমিউনিস্ট পার্টি ইউএসএ]]-তে যোগ দেন এবং জীবনের শেষভাগে, ১৯৬১ সালে এর সভানেত্রী হন।
== উক্তি ==
===[https://speakingwhilefemale.co/jobs-flynn2/ "দ্য ওয়ার্কিং ক্লাস"] (২৯ জুন, ১৯০৯)===
* ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়ার্কার্স অফ দ্য ওয়ার্ল্ড হলো শ্রমিক সংগঠনের একটি নতুন রূপ, যা কেবল শিল্প শ্রমিক শ্রেণি এবং শুধুমাত্র সেই শ্রেণির জন্যই কাজ করে।
* এই দেশের শ্রমিক শ্রেণি এমন এক পরিস্থিতির দিকে তাকিয়ে আছে যেখানে সারা বিশ্বের চাহিদা মেটানোর মতো প্রাকৃতিক সম্পদ বিদ্যমান। তারা এমন এক শিল্প পরিস্থিতির দিকে তাকিয়ে আছে যা এমন সব যন্ত্রপাতি উদ্ভাবন করেছে যা খুব সামান্য শ্রম ব্যয়ে এই প্রাকৃতিক সম্পদগুলোকে প্রয়োজনীয় পণ্য বা বিলাসদ্রব্যে রূপান্তর করতে সক্ষম। তবুও তা সত্ত্বেও এবং যারা পরিশ্রম করে তাদের দ্বারা সম্ভব হওয়া উৎপাদনশীলতা এবং পৃথিবীর প্রাকৃতিক প্রাচুর্য সত্ত্বেও, আমাদের এই দেশে মানুষ না খেয়ে মরছে এবং পঞ্চাশ লক্ষ মানুষ বেকার। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে দশ লক্ষেরও বেশি শিশু শ্রমিক, নিউ ইয়র্ক সিটিতে সত্তর হাজার এবং শিকাগোতে পঞ্চাশ হাজার শিশু সকালে নাস্তা না খেয়ে স্কুলে যায়। আমাদের এমন এক অবস্থা যেখানে অধিকাংশ মানুষ সম্পদহীন শ্রেণি, যারা কোনো জমির মালিক নয়, যারা সেই উৎপাদনশীল যন্ত্রপাতির কোনোটিই নিয়ন্ত্রণ করে না, যারা এই স্বাধীন দেশে এবং সাহসীদের আবাসভূমিতে নিজের শ্রমশক্তি অর্থাৎ নিজের কাজ করার ক্ষমতা ছাড়া আর কিছুই নিয়ন্ত্রণ করে না।
* আজ শ্রমিক শ্রেণির কাছে কেবল এমন কিছু পরিস্থিতি রয়েছে যা তারা নিজেরা প্রতিকার করার অবস্থানে আছে। তাদের কাছে কেবল কিছু মিথ্যা পরিস্থিতি রয়েছে, যা প্রকৃতির সৃষ্টি নয় বরং মানুষের তৈরি, যা তারা নিজেরা উৎখাত করতে পারে।
* আমাদের যা কিছু আছে তা হলো কাজ করার ক্ষমতা এবং পুঁজিবাদী শ্রেণির কাছে সেই একটি পণ্যই নেই। তাদের কারখানা আছে, জমি আছে, রেলপথ আছে কিন্তু তাদের কাছে শ্রমশক্তি নেই, যা সম্পদ তৈরির আসল ক্ষমতা।
* স্যামুয়েল গম্পার্স হলো মালিকদের বন্ধু।
* আমাদের আছে শুধু আমাদের সংগঠন, সহকর্মীবৃন্দ। তাদের আছে পুঁজি, তাদের আছে সরকারের ক্ষমতা, পুঁজিবাদী শ্রেণীর সংগ্রামী গোষ্ঠী; তাদের আছে রাষ্ট্রের ক্ষমতা; তাদের আছে আন্তর্জাতিক পুঁজির ক্ষমতা — আর আমাদের আছে শুধু আমাদের সাংগঠনিক শক্তি।
==="দ্য ট্রুথ অ্যাবাউট দ্য প্যাটারসন স্ট্রাইক" (১৯১৪)===
''আউটস্পোকেন উইমেন'' (১৯৮৪) সংকলন থেকে। ক্যাপশন: "নিচের ভাষণটি ১৯১৪ সালের ৩১শে জানুয়ারি নিউ ইয়র্ক সিটির নিউ ইয়র্ক সিভিক ক্লাব ফোরামে প্রদান করা হয়েছিল। এর টাইপস্ক্রিপ্টটি মিশিগানের অ্যান আর্বারে অবস্থিত ইউনিভার্সিটি অফ মিশিগান লাইব্রেরির লাবাদি কালেকশনে সংরক্ষিত রয়েছে।"
* আমি মনে করি আমাদের অনেক সমালোচকই সেইসব মানুষ যারা ঘরে বসে বিছানায় বিশ্রাম নিচ্ছিলেন যখন আমরা ধর্মঘটের কঠিন কাজগুলো করছিলাম।
* শ্রমিকদের বিজয় আসলে কী? আমি মনে করি এটি একটি দ্বিমুখী বিষয়। একটি পূর্ণাঙ্গ বিজয় অর্জনের জন্য শ্রমিকদের অবশ্যই অর্থনৈতিক সুবিধা অর্জন করতে হবে। একই সাথে তাদের মধ্যে বৈপ্লবিক চেতনাও জাগ্রত হতে হবে। শ্রমিকরা দিনে কয়েক সেন্ট মজুরি বেশি পেল বা কয়েক মিনিট কম কাজ করল, কিন্তু সেই একই মানসিকতা নিয়ে কাজে ফিরল। সমাজের প্রতি তাদের দৃষ্টিভঙ্গি যদি একই থাকে, তবে সেটি কেবল একটি সাময়িক লাভ। এটি কোনো স্থায়ী বিজয় নয়। শ্রমিকরা যদি শ্রেণি-সচেতন চেতনা এবং একটি সংগঠিত ও দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ মনোভাব নিয়ে কাজে ফেরে, তবেই সেটি প্রকৃত জয়। এর ফলে তাৎক্ষণিক কোনো অর্থনৈতিক লাভ না হলেও ভবিষ্যতে তা অর্জনের সম্ভাবনা তৈরি হয়। অন্য কথায়, শ্রমিকের বিজয়কে অবশ্যই অর্থনৈতিক এবং বৈপ্লবিক হতে হবে। তা না হলে সেটি পূর্ণাঙ্গ হয় না।
* একটি শ্রমিক বিজয় অবশ্যই দ্বিমুখী হতে হবে, তবে যদি কেবল একটি পাওয়া সম্ভব হয় তবে অর্থনৈতিক সুবিধার চেয়ে চেতনা অর্জন করা অনেক বেশি ভালো।
* আমাদের কাজ ছিল শিক্ষিত করা এবং অনুপ্রাণিত করা। শিক্ষা কোনো তাৎক্ষণিক পরিবর্তন নয়, বরং এটি একটি প্রক্রিয়া। শ্রমিকদের সামনে দেওয়া একটি মাত্র ভাষণ তাদের সারা জীবনের সংস্কারগুলো দূর করে দেয় না। আমাদের জাতীয় বিষয়গুলো নিয়ে কুসংস্কার ছিল। বিভিন্ন পেশার মধ্যে এবং নারী-পুরুষের প্রতিযোগিতার মধ্যেও সংস্কার ছিল। আমাদের এই সবকিছুই কাটিয়ে উঠতে হয়েছিল।
* ধর্মঘটের ক্ষেত্রে উদ্দীপনা মানে হলো সেই ধর্মঘট এবং তার মাধ্যমে হওয়া শ্রেণী সংগ্রামকে তাদের ধর্মে পরিণত করা। তারা যে সামান্য কয়েক সেন্ট মজুরি বা কয়েক ঘণ্টা সময়ের জন্য লড়ছে, সেই কথাটি তাদের ভুলিয়ে দিতে হবে। তাদের মনে এই অনুভূতি জাগিয়ে তুলতে হবে যে এই ধর্মঘটে জয়ী হওয়া তাদের একটি "ধর্মীয় দায়িত্ব"। আমাদের কাজের মূলে ছিল এই দুটি বিষয়। তাদের মধ্যে সংহতি এবং শ্রেণী-সচেতনতার বোধ তৈরি করা।
* আমি বলছি না যে সহিংসতা ব্যবহার করা উচিত নয়। তবে যেখানে এর কোনো প্রয়োজন নেই, সেখানে আমাদের এটি অবলম্বন করারও কোনো কারণ নেই।
* শারীরিক সহিংসতা নাটকীয় মনে হয়। বিশেষ করে যখন আপনি এটি নিয়ে কেবল কথা বলেন কিন্তু বাস্তবে প্রয়োগ করেন না, তখন এটি বেশি নাটকীয় লাগে। তবে ধর্মঘট পরিচালনার ক্ষেত্রে প্রকৃত সহিংসতা এখন একটি সেকেলে পদ্ধতি। সমস্ত শিল্প-কারখানাকে অচল করে দেওয়ার মতো গণ-আন্দোলন অনেক বেশি আধুনিক এবং ভীতিকর পদ্ধতি। এর মানে এই নয় যে আত্মরক্ষার জন্য সহিংসতা ব্যবহার করা যাবে না। আত্মরক্ষার জন্য সহিংসতার প্রয়োজনীয়তা সবাই বিশ্বাস করে। ধর্মঘটীদের এটি আলাদা করে বলে দেওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে মূল বিষয়টি হলো ধর্মঘটে জেতার উপায় হলো নিজের হাত পকেটে রেখে কাজ করতে অস্বীকার করা।
* যদি রবিবারে আপনি সেই মানুষগুলোকে বাড়িতে থাকতে দেন, তবে তারা আগুনহীন চুলার পাশে বসে থাকবে। তারা এমন টেবিলে খেতে বসবে যেখানে খুব বেশি খাবার নেই। তারা দেখবে সন্তানদের জুতো ছিঁড়ে পাতলা হয়ে গেছে এবং তাদের পোশাকগুলোও জীর্ণ হয়ে যাচ্ছে। তখন তারা কেবল "নিজের" কথা ভাবতে শুরু করবে। এতে তাদের মধ্যে থাকা গণ-চেতনা হারিয়ে যাবে এবং সবাই যে তাদের মতোই কষ্ট পাচ্ছে সেই উপলব্ধি তারা হারাবে। সপ্তাহের প্রতিদিন এবং বিশেষ করে রবিবারে তাদের কাজে ব্যস্ত রাখতে হবে। এটি করা প্রয়োজন যাতে তাদের মনোবল শূন্যে নেমে না যায়। আমি মনে করি পাদ্রিরা রবিবারে এই কারণেই ধর্মোপদেশ দেন যাতে মানুষ সপ্তাহের বাকি দিনগুলো তাদের অবস্থা কতটা খারাপ ছিল তা ভাবার সুযোগ না পায়। যাই হোক, ধর্মঘটের সময় এটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি বিষয়।
* প্রকৃতপক্ষে প্রতিটি ধর্মঘটের এটি একটি জরুরি প্রক্রিয়া। মানুষকে সবসময় ব্যস্ত রাখা এবং তাদের সক্রিয় রাখা প্রয়োজন যাতে তারা সারিবদ্ধ লড়াইয়ের যোদ্ধা হিসেবে কাজ করতে পারে। আন্দোলনকারীর কাজ হলো বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রমের পরিকল্পনা করা এবং পরামর্শ দেওয়া যা পুরোপুরি ধর্মঘটের ওপর নিবদ্ধ থাকবে। এই কারণেই আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. বড় বড় জনসভা, নারী সমাবেশ এবং শিশুদের সমাবেশের আয়োজন করে। আমরা কেন বড় আকারে পিকেটিং এবং গণ-অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার আয়োজন করি তার কারণও এটিই। এই নিরবচ্ছিন্ন গণ-কার্যক্রমের মাধ্যমেই আমরা শ্রমিকদের মনে "একজনের জন্য সবাই এবং সবার জন্য একজন" এই অনুভূতি তৈরি করতে পারি। আমরা তাদের বোঝাতে সক্ষম হই যে একজনের ক্ষতি মানেই সবার ক্ষতি। আমরা তাদের এমন এক পর্যায়ে নিয়ে আসতে পারি যেখানে তারা ধর্মঘটের ভাতার চেয়ে পারস্পরিক সহায়তার ওপর বেশি ভরসা করবে। তারা জরিমানা দিতে অস্বীকার করে একসাথে শত শত মানুষ জেলে যাবে।
* এই অনবরত সক্রিয়তাই হলো একজন আন্দোলনকারীর কাজ। তাদের নতুন কী কাজ দেওয়া যায় তা ভাবতে গিয়ে আমরা অনেক রাত জেগে কাটিয়েছি। লরেন্সের কথা মনে পড়ে যখন আমাদের কেউ এক রাত ঘুমাতে পারিনি। কাজের অভাবে ধর্মঘটের উদ্দীপনা তখন কমে যাওয়ার ঝুঁকিতে ছিল। আমার মনে আছে [[বিল হেউড]] শেষ পর্যন্ত বলেছিলেন, "চলো এসেক্স স্ট্রিটে পিকেট লাইন তৈরি করি। প্রতিটি ধর্মঘটী একটি করে ছোট লাল ফিতা পরবে এবং রাস্তায় পায়চারি করে বুঝিয়ে দেবে যে ধর্মঘট ভেঙে যায়নি।" কয়েক দিন পর সেই পরামর্শ কার্যকর করা হয়। যখন তারা বাড়ি থেকে বেরিয়ে নিজেদের বিশাল সংখ্যাটি দেখল, তখন তারা নতুন শক্তি ও উদ্যম ফিরে পেল। এটি তাদের ধর্মঘটকে আরও অনেক সপ্তাহ এগিয়ে নিতে সাহায্য করেছিল।
* মানুষ কাজের মাধ্যমেই কাজ শেখে। ধর্মঘটে আমাদের কোনো সামরিক বাহিনী নেই যাকে "এটি করো" বা "ওটি করো" বললেই তারা নিখুঁতভাবে মেনে চলবে। গণতন্ত্রের মানে হলো ভুল করা এবং অনেক ভুল করা। তবে এর মানে অভিজ্ঞতা অর্জন করাও যাতে সেই ভুলগুলোর পুনরাবৃত্তি না হয়।
* নিয়োগকর্তারা আপনার বাহিনীর সবটুকু দেখতে পান। কিন্তু আপনি তাদের বাহিনীর কিছুই দেখতে পান না এবং কেবল তাদের অবস্থা অনুমান করতে পারেন।
===[https://www.marxists.org/subject/women/authors/flynn/1916/patriotism.htm "ডু ইউ বিলিভ ইন প্যাট্রিওটিজম?"] (মার্চ, ১৯১৬)===
''দ্য মাসেস'' পত্রিকায় প্রকাশিত।
* প্রশ্নটি কি এমন হওয়া উচিত 'আমেরিকা আগে' নাকি 'দুনিয়ার মজদুর, এক হও!'
* যাদের এই দেশ আছে, যারা যুদ্ধের প্রস্তুতির জন্য চিৎকার করছে এবং তা থেকে মুনাফা লুটছে, তাদের নিজেদের সম্পদ রক্ষার জন্য তাদেরকেই লড়তে দাও।
* আমি রাজা বা কাইজারের শাসনের মতো [[রকফেলার]] এবং [[মরগান|মরগানের]] শাসনকেও ঘৃণা করি। বেলজিয়ামের ঘটনায় আমি যতটা ক্ষুব্ধ, লুডলো এবং ক্যালুমেটের ঘটনায় আমি ততটাই লজ্জিত ও ক্ষুব্ধ।
* আমাদের শ্রমিকদের অধিকাংশ হলো বিদেশি, যারা এক বা দুই প্রজন্ম আগে এখানে এসেছে। তাদের ইউরোপীয় পারিবারিক টান এবং আমেরিকান পরিবেশের কারণে এই বৈচিত্র্যময় জনগোষ্ঠীর জন্য আন্তর্জাতিকতাবাদই যৌক্তিক দেশপ্রেম হয়ে ওঠে।
* যে ট্রেনে বসে আমি এই লেখাটি লিখছি, সেটি এমন সব কারখানার পাশ দিয়ে দ্রুত বেগে ছুটে চলেছে যেখানে সোনার বিনিময়ে হত্যার সরঞ্জাম তৈরি করা হয়।
===[https://www.marxists.org/subject/women/authors/flynn/1941/mayday.htm "মে ফার্স্ট: দ্য সান অফ টুমরো"] (৬ মে, ১৯৪১)===
* এটি জাতি, ধর্ম, বর্ণ এবং জাতীয়তার সমস্ত পার্থক্যকে মুছে দেয়। এটি সর্বত্র সকল শ্রমিকের ভ্রাতৃত্বকে উদযাপন করে। এটি সমস্ত জাতীয় সীমানা অতিক্রম করে, সমস্ত ভাষার বাধা পেরিয়ে যায়, সমস্ত ধর্মীয় বিভেদকে উপেক্ষা করে। এটি সারা বিশ্বে সমস্ত শ্রমিক এবং সমস্ত শোষণকারীদের মধ্যে অলঙ্ঘনীয় ফাটলকে স্পষ্ট করে তোলে। এটি সেই দিন যখন শ্রেণি সংগ্রামের লড়াকু তাৎপর্য প্রতিটি সচেতন শ্রমিকের মাধ্যমে পুনরায় নিশ্চিত হয়।
* জ্ঞানদীপ্ত শ্রমিকের কাছে এই দিনটি একটি নতুন বিশ্ব, একটি শ্রেণিহীন বিশ্ব, একটি শান্তিপূর্ণ বিশ্ব, দারিদ্র্য বা দুঃখহীন বিশ্বের পূর্বাভাস। এটি সমাজতন্ত্রের এক উজ্জ্বল প্রতিশ্রুতি, মানবজাতির প্রকৃত ভ্রাতৃত্ব। ১৯৪১ সালের এই দিনে লেনিনের সেই বিজ্ঞ বাণী “জীবন নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করবেই। কমিউনিস্টদের অবশ্যই জানতে হবে যে ভবিষ্যৎ তাদেরই,” ব্রাউডার এবং থেলম্যান ও আরও অসংখ্য মানুষের একাকী জেলখানাকে আলোকিত করবে। কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পগুলোতে বিপ্লবী গানের মৃদু সুর শোনা যাবে। সমুদ্রে, সামরিক ব্যারাকে, কারখানা বা কলের জবরদস্তিমূলক শ্রমে নিযুক্ত শ্রমিকদের হৃদস্পন্দন তাদের সাথে মিলে যাবে যারা বহুদূরে মস্কোর রেড স্কয়ারে উত্তাল সংগীতের তালে লাল পতাকার পেছনে আনন্দভরে প্যারেড করছে। ইউরোপের পরিখায় থাকা সৈনিকরা, ফ্রাঙ্কোর অন্ধকূপের বন্দিরা, হিটলারের নরককুণ্ডের এবং মুসোলিনির কারাগারের বন্দিরা দাঁতে দাঁত চেপে বিড়বিড় করে বলবে, “তোমাদের দিন ফুরিয়ে আসছে। তোমরা জনগণের চূড়ান্ত বিজয় রুখতে পারবে না!”
* মে দিবস আমেরিকান শ্রমিকদের রক্তে দীক্ষিত হয়েছিল।
* ফাঁসির দড়ি গলায় শক্ত হওয়ার সময় [[আলবার্ট পারসন্স|পারসন্স]] চিৎকার করে বলেছিলেন, "জনগণের কণ্ঠস্বর শুনতে দাও!" গতকালের বীর শহিদ, মে দিবসে এই কণ্ঠস্বর শোনা গেছে এবং সবসময় শোনা যাবে! এই বছর শিকাগোর ইন্টারন্যাশনাল হারভেস্টার ওয়ার্কসের নবসংগঠিত বিজয়ী ধর্মঘটীরা মে মাসের এক তারিখে তোমাদের নামকে পবিত্র করবে।
* জার্মানির সাহসী সমাজতন্ত্রী নারী [[রোজা লুক্সেমবার্গ]], যাকে পরে সামরিকবাদীরা নির্মমভাবে হত্যা করেছিল, ১৯১৩ সালে বিশ্বযুদ্ধের বিরুদ্ধে সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন। তিনি মে দিবসকে শান্তি ও সমাজতন্ত্রের জন্য এক শক্তিশালী গণবিক্ষোভে পরিণত করার আহ্বান জানিয়েছিলেন। “দুনিয়ার মজদুর, এক হও!” মে দিবসে এটিই ছিল জোরালো দাবি। প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে চাপ দেওয়া হয়েছিল এবং প্রতিটি দেশে ও আন্তর্জাতিকভাবে আরও বেশি লড়াকু স্লোগান তোলা হয়েছিল।
* কেবল শ্রমিকদের জন্যই আন্তর্জাতিকতাবাদী হওয়া নিষেধ। অথচ [[জে. পি. মরগান]] এবং [[হেনরি ফোর্ড]]ের মতো ব্যক্তিদের জন্য এটি একদম স্বাভাবিক বিষয়। ব্যাংকার, অস্ত্র ব্যবসায়ী এবং রাসায়নিক কোম্পানিগুলোর জন্য এটি মানানসই। বিজ্ঞানী, ডাকটিকিট সংগ্রাহক, ক্রীড়া সংস্থা, সঙ্গীতশিল্পী এমনকি যারা মৌমাছি পালন করেন তাদের জন্য আন্তর্জাতিকতাবাদী হওয়া ঠিক আছে। কিন্তু শ্রমিকদের জন্য নয়। যখনই শ্রমিকরা সীমান্ত পেরিয়ে একে অপরের হাত ধরে, তখনই সব দেশে তাদের ওপর আঘাত হানা হয়। নৃতত্ত্ববিদরা যখন দুর্বোধ্য ভাষায় বলেন যে "পৃথিবীতে কেবল একটিই জাতি আছে আর তা হলো মানবজাতি", তখন সবাই তা মেনে নেয়। কিন্তু একজন শ্রমিক যখন অন্যকে "ভাই" বা "কমরেড" বলে সম্বোধন করে, তখনই বিপদ নেমে আসে। তাকে যেখান থেকে এসেছে সেখানে ফেরত পাঠানোর দাবি ওঠে। তার নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া হয়। তাকে চাকরি হারাতে হয় এবং কারাবরণ করতে হয়। যদি যিশুর মতো কোনো কণ্ঠ তাদের চ্যালেঞ্জ করে জিজ্ঞেস করে যে "নিজের মতো করে প্রতিবেশীকে ভালোবাসার কী হবে?", তখন টেক্সাসের সেই বন্য লোকটি গর্জে উঠবে। সে বলবে যে "কে এ কথা বলেছে? সে নিশ্চয়ই একজন লালপন্থী এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী!" আমাদের এই উন্মাদনায় মোটেও বিচলিত হওয়া উচিত নয়। আমাদের লেনিনের সেই শান্ত কথাগুলো মনে রাখা উচিত। তিনি বলেছিলেন যে বুর্জোয়ারা ঠিক সেভাবেই আচরণ করছে যেমনটি ইতিহাসে মৃত্যু দণ্ডপ্রাপ্ত প্রতিটি শ্রেণী করে থাকে। সংহতি ও আশার প্রতিটি সুন্দর মে দিবস আমাদের দীর্ঘমেয়াদী দৃষ্টিভঙ্গি লালন করার কথা মনে করিয়ে দেয়। সামনের রাস্তা হয়তো অনেক বেশি বন্ধুর হতে পারে, কিন্তু এটি পেছনের রাস্তার চেয়ে অনেক ছোট।
* মে দিবসে আমরা সোভিয়েত ইউনিয়নকে অভিবাদন জানাই। এটি সমাজতন্ত্রের দেশ এবং শান্তি ও প্রাচুর্যের দেশ। অনাদিকাল থেকে এটি শ্রমজীবী মানুষের এক মহান আদর্শ। এটি সকল মেহনতি মানুষের এক সহযোগিতামূলক সাধারণতন্ত্র।
* যুদ্ধবাজরা চিৎকার করুক এবং মুনাফালোভীরা আস্ফালন করুক। মে দিবসে আমেরিকার লক্ষ লক্ষ শ্রমিক জবাব দিচ্ছে যে "আমরা বিচলিত হব না"। যতক্ষণ আমরা সংগঠিত হচ্ছি এবং লড়াই করছি, ততক্ষণ হতাশ হওয়ার বা ক্লান্ত হওয়ার কিছু নেই। আমরা যা জয় করেছি তা যতক্ষণ শক্ত হাতে ধরে রাখছি এবং আরও অর্জনের জন্য এগিয়ে যাচ্ছি, ততক্ষণ ভয়ের কিছু নেই। আমেরিকার ছিয়াশি শতাংশ মানুষের মধ্যে যুদ্ধবাজ রুজভেল্ট-উইলকি গোষ্ঠীর প্রতি যতক্ষণ অটল প্রতিরোধ আছে, ততক্ষণ বিজয় আমাদেরই। সংগঠিত হও। লড়াই করো। সামনের দিকে এগিয়ে যাও। এটাই ১৯৪১ সালে আমেরিকার মে দিবসের চেতনা।
* যুদ্ধে অংশ না নেওয়ার জন্য সংগঠিত হোন এবং লড়াই করুন! আমেরিকানসহ সকল সাম্রাজ্যবাদ ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে!
* ১৯৪১ সালের পহেলা মে বিশ্বজুড়ে লক্ষ লক্ষ মানুষের হৃদয়ে, মনে এবং মুখে শান্তি ও সমাজতন্ত্রের কথা ধ্বনিত হচ্ছে। “আগামীকালের সূর্য” আমাদের ওপর আলোকিত হচ্ছে। ভবিষ্যৎ আমাদের।
=== আদালতে ভাষণ, স্মিথ অ্যাক্টের অধীনে অভিযুক্ত (১৯৫২) ===
এস. মিশেল নিক্স সম্পাদিত 'উইমেন অ্যাট দ্য পডিয়াম: মেমোরবল স্পিচেস ইন হিস্ট্রি' গ্রন্থ থেকে।
* আমি বা আমার কমরেডদের কেউই বলপ্রয়োগ ও সহিংসতার মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকারকে উৎখাত করার কোনো ষড়যন্ত্রে দোষী নই। মৌনতাকে পরাজয়বাদ হিসেবে গণ্য করা হতে পারে, কিন্তু সত্য হলো আমি আমাদের নির্দোষিতার বিষয়ে এতটাই শান্ত ও সচেতন যে, আমাকে কারারুদ্ধ করা যেতে পারে কিন্তু আমাকে সংশোধন করা, সংস্কার করা বা পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। আমার শরীরকে বন্দি করা যেতে পারে কিন্তু আমার চিন্তাভাবনা স্বাধীন ও অপ্রভাবিত থাকবে। সমগ্র মানব ইতিহাস প্রমাণ করেছে যে ধারণা বা চিন্তাকে কারাগারে বন্দি করা যায় না। সেগুলোর মোকাবিলা কেবল জনসমক্ষে আলোচনার মাধ্যমেই সম্ভব।
* পুঁজিবাদের অধীনে যে রাজনৈতিক, শিল্প এবং সামাজিক পরিস্থিতি আমাদের এই চিন্তাধারা তৈরি করেছে, তা এখনও বিদ্যমান। এগুলো আরও অসংখ্য মানুষের মনে অনুরূপ চিন্তার জন্ম দেবে এবং আমাদের মনে সেই চিন্তাগুলোকে আরও শক্তিশালী করবে। কারাগার কখনোই সেইসব সংকল্পবদ্ধ মানুষকে প্রভাবিত করতে পারেনি যারা নিজেদের আদর্শ নিয়ে বাঁচে, কাজ করে এবং প্রয়োজনে মৃত্যুবরণ করে। আমরা কমিউনিস্টরা ঠিক তেমনই মানুষ। মিথ্যা, হিস্টিরিয়া, কুসংস্কার এবং সর্বোপরি ভয়ের কুয়াশা একবার দূর হয়ে গেলে আমেরিকান জনগণের চূড়ান্ত ন্যায়বিচারের ওপর আমার বিশ্বাস আছে। নিজের দেশকে ভয়ের কবলে দেখা এক ভয়াবহ বিষয়—অপ্রয়োজনীয়, নির্বোধ ও মূর্খ ভয়; কাল্পনিক শত্রুর ভয়, আমাদের মিত্র ও বন্ধুদের ভয়; গুপ্তচরদের অভিযুক্ত আঙুলের ভয়, নিজের চাকরি বা নাগরিকত্ব বা সমাজে নিজের স্থান হারানোর ভয়। পুরো সরকারি আমলাতন্ত্র বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার অপচয় করছে, দম্ভোক্তি করছে, বড়াই করছে এবং ভয় দেখাচ্ছে; তারা মূলত ভয়ের অন্ধকারে দাঁড়িয়ে শিস দিচ্ছে এবং পুরো বিশ্বকে আমাদের দেখে ভীত করার চেষ্টা করছে।
* এক মুঠো ভীতু ধনকুবেরদের কাছ থেকেই এই সংক্রমণ ছড়িয়েছে—সেইসব ট্রাস্টের মালিকরা, যারা তাদের স্টকের কাগজের চেয়ে দেশকে কখনোই বেশি ভালোবাসেনি, যাদের দেশপ্রেম সবসময় লাভের শতাংশের ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয়, যারা কেবল তাদের দেশবাসীকে নয় বরং পুরো মানবজাতিকে শাসন করতে, শোষণ করতে এবং তাদের বিরুদ্ধে সহিংসতা চালাতে চায়। তারা কেবল তাদের সংকীর্ণ ও ভাড়াটে শাসন এবং জীবনযাত্রা বজায় রাখার জন্য বিশ্বকে পারমাণবিক যুদ্ধের রক্তসমুদ্রে ডুবিয়ে দেবে এবং তা এমন সব মানুষের ওপর চাপিয়ে দেবে যারা এর কিছুই চায় না। বিপদ যত বড়ই হোক না কেন, আমার বিশ্বাস আছে যে আমাদের দেশে ফ্যাসিবাদ কখনোই জয়ী হবে না। ১৯৩৫ সাল থেকে সেই বিপদ সম্পর্কে সতর্ক করার ক্ষেত্রে আমাদের পার্টি যে ভূমিকা পালন করেছে তার জন্য আমি গর্বিত।
* ১৮০০ সালের এলিয়েন অ্যান্ড সেডিশন ল, ষাটের দশকের ফিউজিটিভ স্লেভ ল এবং ১৯২০-এর দশকের ক্রিমিনাল সিন্ডিকালিস্ট ল-এর মতো স্মিথ অ্যাক্টও অচিরেই বাতিলের তালিকায় চলে যাবে।
* আদালত কক্ষ, মধ্যবিত্ত জুরি এবং সংবাদমাধ্যমকে ঘিরে থাকা এই কুয়াশা সাধারণ মানুষের মাঝখান থেকে সরে যাবে—যাদের সাধারণ উপস্থিতি এবং আচরণ সেইসব কঠোর রাজনৈতিক মনোনীত ব্যক্তিদের সন্তুষ্ট করতে পারে না যারা সমৃদ্ধশালীদের তোষামোদি করে।
* দমনমূলক আইন, আনুগত্যের শপথ, কংগ্রেসের তদন্ত, ডাইনি শিকার, রাজনৈতিক বিচার এবং এই জাতীয় সবকিছুর বিরুদ্ধে আমাদের দেশে একটি গণআন্দোলন প্রবল বেগে প্রেইরি বাতাসের মতো জেগে উঠছে।
* ধর্মাবতার, আমি গত শুক্রবার আপনাকে একটি প্রশ্ন করেছিলাম যা আমি এখন আবার করছি: যদি কমিউনিস্ট পার্টি অবৈধ না হয়, এর সদস্যপদ এবং নেতৃত্ব অবৈধ না হয়, যদি সমাজতন্ত্রের প্রচার অবৈধ না হয়, যদি প্রতিদিনের কর্মসূচির মাধ্যমে "সৎ কাজ" করা (সরকার যাকে বিদ্রূপ করে বলছে) অবৈধ না হয়, তবে বিবেক অনুযায়ী এখানে অবৈধ কী? আমরা কিসে অপরাধী?
* আমার এই দীর্ঘ জীবনে... আমি কখনো ভাবিনি যে আমাকে বইয়ের জন্য জেলে যেতে হবে, এবং এমনকি পুরো বইয়ের জন্য নয় বরং বইয়ের কিছু অংশ বা টুকরো উদ্ধৃতির জন্য। আর আমি যদি গত সাতচল্লিশ বছরের আমার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যাই—যেখানে আমি ইউনিয়নবাদ, গণতান্ত্রিক অধিকার, নিগ্রো জনগোষ্ঠী ও নারীদের অধিকার নিয়ে, শান্তি এবং ফ্যাসিবাদ ও যুদ্ধের বিরুদ্ধে এবং সমাজতন্ত্র নিয়ে কাজ করেছি ও কথা বলেছি—তবে তখন কী হবে, ধর্মাবতার?
* ধর্মাবতার, জরিমানার ক্ষেত্রে আমার মালিকানাধীন সমস্ত বৈষয়িক সম্পত্তি বলতে কেবল সেই বইগুলোই আছে যা আমি ষোলো বছর বয়সে টম পেইনের 'কমন সেন্স'-এর একটি কাগজ-বাঁধানো কপি কেনার পর থেকে জমিয়েছি। সেগুলো ভালো বই—কবিতা, নাটক, ইতিহাস, রাজনৈতিক অর্থনীতি, কথাসাহিত্য, দর্শন, শিল্পকলা, সংগীত, ভ্রমণ এবং সাহিত্য। সেখানে শেক্সপিয়র, শ, এমারসন, হেগেল, মার্ক টোয়েনের পাশে মার্ক্স ও এঙ্গেলস আছেন; থোরো, জেফারসন, বিয়ার্ড দম্পতি, ওয়েব দম্পতি, হুগো, হার্ডি এবং আরও অনেকের পাশে লেনিন ও স্ট্যালিন আছেন... সেই বইয়ের তাকগুলোতে বলপ্রয়োগ ও সহিংসতা আছে কিন্তু সরকার যেখানে খুঁজছে সেখানে নয়। এটি আয়ারল্যান্ডের ইতিহাসে আছে—কনেলি, ও’কেসি এবং অন্যান্যরা ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে দীর্ঘ ও রক্তাক্ত সংগ্রামের কথা বলছেন। এটি আমেরিকান শ্রমের ইতিহাসে আছে—কলোরাডো, পশ্চিম ভার্জিনিয়া, হোমস্টেড, দক্ষিণ শিকাগো এবং সান ফ্রান্সিসকোর এমবার্কাডেরোতে। এটি আমেরিকার ইতিহাসে আছে—বিপ্লব, আমেরিকান ইন্ডিয়ানদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ, গৃহযুদ্ধ, স্পেন-আমেরিকান যুদ্ধ। এটি নিগ্রো জনগণের সংগ্রামে আছে। এটি বাইবেলেও আছে—যা আমার বইয়ের তাকেই আছে, ধর্মাবতার—ইহুদি উপজাতি এবং পুরনো নবীদের বিরুদ্ধে সহিংসতা, যিশু ও তার শিষ্যদের এবং প্রাথমিক খ্রিস্টান শহিদদের বিরুদ্ধে সহিংসতা।
* বলপ্রয়োগ এবং সহিংসতা শাসক শ্রেণির কাছ থেকে আসে, সাধারণ মানুষের কাছ থেকে নয়।
===''দ্য রেবেল গার্ল: অ্যান অটোবায়োগ্রাফি, মাই ফার্স্ট লাইফ'' (১৯৫৫)===
*আমাদের শৈশবের একটি অবিস্মরণীয় ট্র্যাজেডি ছিল ১৯০৪ সালে জেনারেল স্লোকাম নামক প্রমোদ তরণীটি পুড়ে যাওয়া।
*এডওয়ার্ড বেলামি রচিত 'লুকিং ব্যাকওয়ার্ড' বইটি এই দেশে প্রথম সমাজতন্ত্রের ধারণাকে জনপ্রিয় করেছিল। এটি ছিল পুঁজিবাদের একটি তীক্ষ্ণ সমালোচনা, যা অনেক আমেরিকানের মনে দাগ কেটেছিল এবং ক্রমবর্ধমান একচেটিয়া কারবারের সেই দিনগুলোতে তারা এর সাথে একমত পোষণ করেছিল।
*পিটার ক্রোপোটকিনের দরিদ্র যুবকদের প্রতি করা আবেদন আমাকে ব্যক্তিগতভাবে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছিল, যেন তিনি ব্রঙ্কসে আমাদের সেই জরাজীর্ণ দারিদ্র্যপীড়িত ফ্ল্যাটেই আমাদের সাথে কথা বলছেন: "তোমাকে কি তোমার বাবা-মায়ের মতো আরও ত্রিশ বা চল্লিশ বছর একই ক্লান্তিকর অস্তিত্ব টেনে নিয়ে যেতে হবে? অন্যদের জন্য সুস্বাস্থ্য, জ্ঞান এবং শিল্পের সমস্ত আনন্দ নিশ্চিত করতে কি তোমাকে জীবনভর কঠোর পরিশ্রম করতে হবে এবং নিজের জন্য কেবল এক টুকরো রুটি পাবে কি না—সেই চিরন্তন উদ্বেগটুকু রেখে দিতে হবে?"
*আমার মনে পড়ে আরেকটি বইয়ের কথা, যা আমার জীবনে তাৎক্ষণিক পরিবর্তন এনেছিল—আপটন সিনক্লেয়ারের 'দ্য জঙ্গল'। এটি পড়ার পর আমি তৎক্ষণাৎ নিরামিষাশী হয়ে গিয়েছিলাম!
*সেই সময়ে (১৯০৬ সালের দিকে) আমি আরও দুটি বই পড়েছিলাম, যা আমাকে সমাজতান্ত্রিক কর্মকাণ্ডে ঝাঁপিয়ে পড়তে সাহায্য করেছিল। একটি ছিল মেরি উলস্টোনক্র্যাফট রচিত 'ভিন্ডিকেশন অফ দ্য রাইটস অফ উইমেন' এবং অন্যটি ছিল আগস্ট বেবেলের 'উইমেন অ্যান্ড সোশ্যালিজম'।
*নারীদের ইউনিয়ন গঠন করার প্রক্রিয়াটি তখন কেবল শুরু হয়েছিল, এমনকি সুচিশিল্পের মতো পেশাগুলোতেও যেখানে তাদের প্রাধান্য ছিল। সমান সুযোগ, সমান বেতন এবং সংগঠিত হওয়ার অধিকার তখন মজুরি উপার্জনকারী নারীদের জন্য অত্যন্ত জরুরি প্রয়োজন ছিল এবং দুর্ভাগ্যবশত এই দাবিগুলো আজও আমাদের মাঝে রয়ে গেছে। অনেক ইউনিয়ন নেতা, যেমন আমেরিকান ফেডারেশন অফ লেবার-এর সভাপতি স্যামুয়েল গম্পার্স, নারী শ্রমিকদের সংগঠিত হওয়ার যোগ্য বা নির্ভরযোগ্য মনে করতেন না। "তারা কেবল হাতখরচের জন্য কাজ করে"—এটিই ছিল সাধারণ অভিযোগ। একজন নারী শ্রমিক নিজেও বাইরের চাকরিকে একটি সাময়িক প্রয়োজনীয় আপদ হিসেবে দেখতেন—যা তার বাবার বাড়ি এবং স্বামীর বাড়ির মধ্যবর্তী সময়ের একটি সাময়িক ব্যবস্থা মাত্র। বাবা এবং স্বামীরা নারীদের মজুরি সংগ্রহ করত, কখনও কখনও সরাসরি কোম্পানির অফিস থেকেই। নারীদের নিজেদের উপার্জনের ওপর কোনো আইনি অধিকার ছিল না। কর্মজীবী মায়েদের বিশেষ প্রয়োজন এবং সমস্যার বিষয়ে কোনো বিবেচনা ছিল না, যদিও তাদের সংখ্যা ছিল অনেক এবং সমস্যাগুলো ছিল প্রকট। এমনকি নারীদের পোশাকও তাদের জন্য বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল—মাটি ছোঁয়া লম্বা স্কার্ট, বড় ঢিলেঢালা হাতা এবং বিশাল হ্যাট। আপনার স্কার্ট যদি জুতার ওপরের অংশ পর্যন্ত উঁচু হতো, তবে আপনাকে তখনও "একটি বালিকা" হিসেবে গণ্য করা হতো।
*নারীদের ভোটাধিকারের সংগ্রাম দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছিল এবং শক্তিশালী হচ্ছিল। এটি ১৮৪৮ সালে নিউ ইয়র্কের সেনেকা ফলসে প্রথম সমানাধিকার সম্মেলনের মাধ্যমে শুরু হয়েছিল, যার নেতৃত্বে ছিলেন এলিজাবেথ ক্যাডি স্ট্যান্টন এবং সুসান বি অ্যান্থনি এবং যেখানে মহান নিগ্রো নেতা ফ্রেডরিক ডগলাস ভাষণ দিয়েছিলেন। ভোটাধিকার কর্মীদের বিদ্রূপ করা হয়েছিল, ভিড়ের দ্বারা আক্রান্ত হতে হয়েছিল, হলরুম দিতে অস্বীকার করা হয়েছিল, ভোট দেওয়ার চেষ্টার জন্য গ্রেপ্তার করা হয়েছিল এবং পরিবার থেকে ত্যাজ্য করা হয়েছিল। ১৯০৪ সালের মধ্যে কর্মজীবী নারীদের বিভিন্ন দল, বিশেষ করে সমাজতন্ত্রী নারীরা ভোটের দাবিতে একত্রিত হতে শুরু করে। দুই বছর পর নিউ ইয়র্কের ইস্ট সাইডে এই নারীদের ভোটাধিকার আন্দোলনের উদ্যোগেই আন্তর্জাতিক নারী দিবসের জন্ম হয়। এটি সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে এবং আজ সর্বজনীনভাবে পালিত হয়, যদিও এখানে একে "একটি বিদেশি উৎসব" হিসেবে অবজ্ঞা করা হয়।
*ভোটাধিকার আন্দোলন আরও লড়াকু হয়ে উঠছিল এবং মড ম্যালনের মতো ব্যক্তিত্বরা আবির্ভূত হয়েছিলেন। তিনি ১৯০৫ সালে হারলেম ইকুয়াল রাইটস লিগ গঠন করেন। তিনি ৩,০০০ মানুষের এক সভায় থিওডোর রুজভেল্টকে থামিয়ে দিয়ে দাবি করেছিলেন যে নারী ভোটাধিকারের বিষয়ে তার অবস্থান কী। আমরা যখন ব্রডওয়েতে রাস্তার পাশে সভা করতাম, তখন তিনি সেখানে স্যান্ডউইচ ম্যানের মতো সামনে-পেছনে "নারীদের জন্য ভোট" লেখা সাইনবোর্ড নিয়ে পায়চারি করতেন এবং এর ফলে তাকে লাইব্রেরিয়ানের পদ হারাতে হয়েছিল।
*রাস্তার মোড়ে ভোটাধিকার কর্মীদের ভাষণের সময় সবসময় বলা হতো: "বাড়ি যাও এবং থালা-বাসন মাজো," অথবা তাদের বয়স নির্বিশেষে বলা হতো: "তোমার বাচ্চাদের দেখাশোনা কে করছে?" অন্যরা বলত: "কল্পনা করো একজন অন্তঃসত্ত্বা নারী অফিসের পদের জন্য লড়ছেন," অথবা "নারীরা কীভাবে জুরির দায়িত্ব পালন করবে এবং পুরুষ জুরিদের সাথে একই ঘরে বন্দি থাকবে?"
*একটি প্রচলিত ধারণা ছিল যে "নারীর কাজ" কেবল গৃহস্থালির মধ্যেই সীমাবদ্ধ। "নারীর স্থান ঘরে"—এটাই ছিল সাধারণ রব। পুরুষদের কাজ কেড়ে নেওয়ার জন্য নারীদের সবসময় অভিযুক্ত করা হতো।
*আমি তখনও বলেছিলাম এবং আজও বিশ্বাস করি যে, পুঁজিবাদী ব্যবস্থার অধীনে নারীদের পূর্ণ সুযোগ পাওয়া এবং মানুষের সমস্ত প্রচেষ্টার ক্ষেত্রে স্বাধীন ও সমান নাগরিক হওয়া সম্ভব নয়, যদিও সুসংগঠিত সংগ্রামের মাধ্যমে অনেক দাবিই আদায় করা হয়েছে।
*"বিগ" বিল হেউড জেল থেকে একজন বীর হিসেবে বেরিয়ে এসেছিলেন—যা শ্রমিক সংহতির এক উপযুক্ত প্রতীক। একজন সাংবাদিক তাকে "দেহে, মস্তিকে এবং সাহসে বিশাল" হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন। তিনি সোশ্যালিস্ট পার্টি এবং যেসব শ্রমিক সংগঠন তাকে রক্ষা করেছিল, তাদের তত্ত্বাবধানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং কানাডায় এক বিজয় সফর করেন। তিনি ছিলেন অত্যন্ত বাস্তববাদী এবং নাটকীয় বক্তা। আমার মনে পড়ে তাকে বলতে শুনেছিলাম: "আপনারা জানেন, আমি পশ্চিম থেকে আসা দুই-বন্দুকওয়ালা মানুষ," আর দর্শক যখন রুদ্ধশ্বাসে অপেক্ষা করছিল, তখন তিনি এক পকেট থেকে তার ইউনিয়ন কার্ড এবং অন্য পকেট থেকে তার সোশ্যালিস্ট কার্ড বের করে দেখালেন।
*১৯০৭ সালে ময়ার, হেউড এবং পেটিবোনকে মুক্ত করার অভিযানের সময় নিউ জার্সি অঙ্গরাজ্যের নেওয়ার্কে সোশ্যালিস্ট লেবার পার্টির আয়োজিত একটি সভায় আমাকে বক্তা হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল... এই সভাটি আমার জীবনের একটি অবিস্মরণীয় ঘটনা কারণ এখানেই আমি প্রথম জেমস কনেলির সাথে পরিচিত হই। তিনি ছিলেন আইরিশ সমাজতন্ত্রী বক্তা, লেখক এবং শ্রমিক সংগঠক, যিনি এর নয় বছর পর ১৯১৬ সালে ডাবলিনের ইস্টার উইক অভ্যুত্থানে আয়ারল্যান্ডের স্বাধীনতার জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন... তিনি ছিলেন খাটো, কিছুটা স্থূলকায়, বড় কালো গোঁফওয়ালা একজন সাধারণ চেহারার মানুষ। তার কপাল ছিল বেশ উঁচু এবং কালো বিষণ্ণ চোখ। তিনি খুব কম হাসতেন। একজন পণ্ডিত এবং চমৎকার লেখক হওয়া সত্ত্বেও, গ্লাসগোতে দীর্ঘকাল বসবাসের কারণে তার কণ্ঠস্বরে উত্তর আয়ারল্যান্ডের টান এবং স্কচ উচ্চারণের মিশ্রণ ছিল, যা আমেরিকান দর্শকদের জন্য বোঝা কিছুটা কঠিন ছিল... কনেলি আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর জন্য কাজ করতেন এবং কুপার স্কয়ারে তার একটি অফিস ছিল। তিনি ছিলেন একজন চমৎকার সংগঠক, যা জেমস লার্কিনের সাথে আইরিশ ট্রান্সপোর্ট ওয়ার্কার্সদের জন্য তার পরবর্তী কাজগুলো প্রমাণ করেছিল... তিনি গভীরভাবে অনুভব করতেন যে আয়ারল্যান্ডের জাতীয় মুক্তির সংগ্রামের প্রতি আমেরিকান সমাজতন্ত্রীরা যথেষ্ট সহানুভূতি বা বোঝাপড়া দেখায়নি। এখানকার আইরিশ শ্রমিকদের সমাজতন্ত্রীরা খুব সহজেই "প্রতিক্রিয়াশীল" হিসেবে বর্জন করত এবং আইরিশ-আমেরিকান শ্রমিকদের কাছে সমাজতন্ত্রের বার্তা পৌঁছে দেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত প্রচেষ্টা ছিল না... তিনি 'দ্য হার্প' নামে একটি মাসিক পত্রিকা প্রকাশ করতেন। সেখানে তার নিজের লেখা অনেক কবিতা প্রকাশিত হতো। কুপার ইউনিয়ন বা ইস্ট সাইডের অন্য কোনো হলের দরজায় তাকে জরাজীর্ণ পোশাকে দাঁড়িয়ে নিজের ছোট কাগজটি বিক্রি করতে দেখা যেত, যা ছিল এক করুণ দৃশ্য। যেসব সম্পদশালী আইরিশরা তার মৃত্যুর পর তার প্রতি গভীর প্রশংসা প্রকাশ করেছিল, তাদের কেউই সেই সময় তার দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়নি। জিম কনেলি তাদের কাছে অভিশপ্ত ছিলেন কারণ তিনি ছিলেন একজন "সমাজতন্ত্রী"। তার কোনো মিথ্যে অহংকার ছিল না এবং তিনি নিজে উদাহরণ সৃষ্টি করে অন্যদের ছোটখাটো কাজ করতে উৎসাহিত করতেন। রাস্তার সভাগুলোতে তিনি তাদেরই "সভার সভাপতিত্ব" করতে রাজি করাতেন যাদের কথা বলার কোনো অভিজ্ঞতা ছিল না, যাতে তারা প্রশিক্ষণ পেতে পারে। আইরিশ শ্রমিকদের কাছে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে কনেলির এক বিরল দক্ষতা ছিল, যা তার বিশাল জ্ঞান থেকে জন্ম নিয়েছিল। প্রয়োজনে তিনি সত্যকে অত্যন্ত তীক্ষ্ণ এবং জোরালোভাবে বলতেন।
*আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর আগমন ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা এবং ১৯০৫ থেকে ১৯২০-এর দশকের শুরু পর্যন্ত এটি আমেরিকান শ্রম অঙ্গনে একটি বিশাল ধূমকেতুর মতো পথ দেখিয়েছিল। এটি শ্রমিক ইতিহাসের নতুন অধ্যায় তৈরি করেছিল এবং শ্রমিক আন্দোলনে এক অমোঘ ছাপ রেখে গিয়েছিল। আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. ছিল একটি লড়াকু এবং সংগ্রামী শ্রমিক শ্রেণির ইউনিয়ন। মালিক শ্রেণি দ্রুত এটি বুঝতে পেরেছিল এবং এর জন্মের পর থেকেই লড়াই শুরু করেছিল। আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. নিজেকে দরিদ্রতম, সবচেয়ে শোষিত এবং সবচেয়ে নিপীড়িত শ্রমিকদের সমস্ত তাৎক্ষণিক প্রয়োজনের সাথে যুক্ত করেছিল। এটি তাদের অসন্তোষের "আগুনে হাওয়া" দিয়েছিল। এটি তাদের বীরত্বপূর্ণ সংগ্রামের নেতৃত্ব দিয়েছিল, যার কিছু তারা নিজেরাই সংগঠিত করেছিল। অন্য অনেক ক্ষেত্রে ধর্মঘট শুরু হওয়ার পর তারা এর নেতৃত্বে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। যিশুর বিরুদ্ধে করা সেই স্মরণীয় অভিযোগ, "সে মানুষকে উত্তেজিত করছে!" আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য ছিল। এটি পূর্বের গণ-উৎপাদন শিল্পগুলোতে অসংগঠিত ও অদক্ষ বিদেশি বংশোদ্ভূত শ্রমিকদের এবং পশ্চিমের অসংগঠিত যাযাবর শ্রমিকদের সংগঠিত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিল, যারা মূলত আমেরিকান বংশোদ্ভূত ছিল এবং নৌপরিবহন, কাঠ, কৃষি, খনি ও নির্মাণ কাজে নিয়োজিত ছিল। পূর্ব এবং দক্ষিণে এটি টেক্সটাইল, রাবার, কয়লা এবং কাঠ শিল্পের পাশাপাশি বিভিন্ন ছোট শিল্পে শ্রমিকদের কাছে পৌঁছে গিয়েছিল। যেমন, নিউ ইয়র্ক সিটিতে পোশাক, টেক্সটাইল, জুতো, চুরুট, বেত, পিয়ানো, পিতল এবং হোটেল শিল্পে আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর শাখা ছিল। পশ্চিমে কাউবয়দের জন্য আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর একটি শাখা ছিল। নেভাদার গোল্ডফিল্ড শহরের সমগ্র শ্রমিক শ্রেণিকে ১৯০৬ সালে ভিনসেন্ট সেন্ট জন আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-তে সংগঠিত করেছিলেন। এমনকি মার্কিন সেনাবাহিনীর ওয়েস্ট পয়েন্টে কর্মরত ইতালীয় শ্রমিকরাও একসময় আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-তে সংগঠিত ছিল। আমার মনে পড়ে ১৯১১ সালের দিকে আমি সেখানে তাদের সামনে ভাষণ দিয়েছিলাম। আমি ১৯০৬ সালে এতে যোগ দেই...
*আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর এই সম্মেলনে লুসি পারসন্স-এর সাথে দেখা করে আমি রোমাঞ্চিত হয়েছিলাম। তিনি ছিলেন আলবার্ট পারসন্স-এর বিধবা স্ত্রী, যাকে ২০ বছর আগে শিকাগোর কুক কাউন্টি জেলের প্রাঙ্গণে ফাঁসিতে ঝোলানো হয়েছিল। যখন তার স্বামীকে ফাঁসি দেওয়া হচ্ছিল, তখন তাকে ক্লার্ক স্ট্রিট স্টেশন হাউসে বন্দি করে রাখা হয়েছিল, যা আমাদের সেই সভার জায়গা থেকে খুব বেশি দূরে নয়... আমার মনে পড়ে মিসেস পারসন্স তরুণদের উদ্দেশ্যে আবেগপূর্ণভাবে কথা বলছিলেন এবং আমাদের সামনের দিনগুলোর সংগ্রামের গুরুত্ব সম্পর্কে সতর্ক করছিলেন, যা বিজয় আসার আগে জেল এবং মৃত্যুর দিকে নিয়ে যেতে পারে। বছরের পর বছর ধরে তিনি এক শহর থেকে অন্য শহরে ঘুরে বেড়িয়েছেন, স্থানীয় ইউনিয়নগুলোর দরজায় কড়া নেড়েছেন এবং শিকাগো বিচারের কাহিনী শুনিয়েছেন। তার স্বামী বলেছিলেন: "আমাদের নাম কলঙ্কমুক্ত করো!" এবং তিনি এটিকে তার জীবনের লক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন।
*আমি ভিনসেন্ট সেন্ট জনের চেয়ে বেশি শ্রদ্ধার পাত্র আর কোনো মানুষ দেখিনি... তাকে ডিনামাইট বিস্ফোরণকারী, বন্দুকধারী এবং একজন বিপজ্জনক আন্দোলনকারী হিসেবে গালি দেওয়া হতো; তিনি মাথার ওপর পুরস্কার নিয়ে বিভিন্ন ক্যাম্পে প্রবেশ করতেন, তার মায়ের নাম—ম্যাগি—ব্যবহার করতেন এবং প্রায়ই একা হাতে শত শত মানুষকে সংগঠিত করতেন। তিনি এই দেশের জন্ম দেওয়া সর্বশ্রেষ্ঠ শ্রমিক সংগঠকদের একজন ছিলেন... তিনি গঠনে কিছুটা খাটো এবং হালকা ছিলেন, যদিও কাঁধ ছিল চওড়া। তার চলাফেরা ছিল দ্রুত এবং ছন্দময়, তিনি ছিলেন শান্ত ও বিনয়ী, কিন্তু তার বুদ্ধিবৃত্তি ও উপস্থিত বুদ্ধি যেকোনো প্রতিপক্ষকে হার মানাতে পারত... আসল লড়াইয়ের সময় সেন্ট জনের শান্ত নীল চোখগুলো ইস্পাতের মতো কঠোর ও শীতল হয়ে উঠত। তিনি কেবল আদর্শের জন্য লড়তেন এবং তখন শ্রমিকদের শত্রুদের মতোই নির্মম হয়ে উঠতেন। শ্রমিক শ্রেণির প্রতি তার আনুগত্য ছিল সীমাহীন। ১৯০৭ থেকে ১৯১৫ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ আট বছর তিনি অর্থের অভাব এবং আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর অসম বিকাশের সাথে লড়াই করেছেন, যার শক্তিকে তিনি কখনোই বাড়িয়ে বলতেন না।
*আমাদের সময়ের শ্রেষ্ঠ নারী আন্দোলনকারী ছিলেন মাদার জোন্স। গ্রেপ্তার, নির্বাসন, মিলিশিয়াদের হাতে বন্দি হওয়া এবং পুলিশ ও বন্দুকধারীদের দ্বারা তাড়া ও হুমকির শিকার হওয়া সত্ত্বেও তিনি দীর্ঘ ৬০ বছর নির্ভীকভাবে কাজ করে গেছেন। ১৯০৮ সালের গ্রীষ্মে ব্রঙ্কসের একটি উন্মুক্ত সভায় আমি তাকে প্রথম দেখি। তিনি শহরের মানুষদের কঠোর সমালোচনা করছিলেন। আমরা কেন পশ্চিমের খনি শ্রমিকদের সাহায্য করছি না? আমরা কেন ডিয়াজের বিরুদ্ধে মেক্সিকোর জনগণকে সমর্থন দিচ্ছি না? তিনি বলেছিলেন, আমরা হলাম "সাদা কলিজার খরগোশ যারা কখনও মাটির ওপর পা রাখিনি।" পশ্চিমের খনি শ্রমিকদের ধর্মঘটের সময় ফেডারেল সৈন্যরা তাদের যেভাবে পশুর মতো খাঁচায় আটকে রেখেছিল এবং সেখানে যে রক্তপাত ও কষ্ট হয়েছিল, তার বর্ণনা তিনি এত জীবন্তভাবে দিয়েছিলেন যে, অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকায় মাথা ঝিমঝিম করে আমি মূর্ছা গিয়েছিলাম। তিনি তার অগ্নিঝরা ভাষণের মাঝপথে থেমে গিয়ে বলেছিলেন, "গরিব বাচ্চাটাকে একটু জল দাও!" এরপর তিনি আবার তার ভাষণ চালিয়ে যান। আমি খুব লজ্জিত হয়েছিলাম।
*পরের শীতকালে শিকাগোর হুল হাউসে রুডেউইটজ কমিটির একটি সভায় আমি মাদার জোন্সকে আবার দেখি, যেখানে আমি আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর ৮৫ নম্বর শাখা থেকে প্রতিনিধি হিসেবে গিয়েছিলাম। "ধর্মীয় হত্যা"-র জঘন্য অজুহাতে একজন তরুণ ইহুদি শ্রমিককে দেশান্তরের বিরুদ্ধে তার উত্তপ্ত, রাগান্বিত ও অবজ্ঞাপূর্ণ কথাগুলো আমি শুনেছিলাম। (জেন অ্যাডামস এবং অন্যরা সাহসিকতাপূর্ণ পক্ষ সমর্থনের মাধ্যমে তাকে নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচিয়েছিলেন)। মাদার জোন্স একটি পুরনো ধাঁচের কালো রেশমি পোশাক পরেছিলেন, যার গলায় লেস লাগানো ছিল এবং সাথে ছিল একটি লম্বা ঝুলের স্কার্ট ও ফুলে সাজানো ছোট একটি টুপি। তিনি সারা জীবনে তার পোশাকের ধরন পরিবর্তন করেননি। তাকে দেখতে হুইসলারের আঁকা মায়ের ছবির মতো মনে হতে পারে, কিন্তু এই বৃদ্ধা নারীটি মোটেও শান্ত বা স্থির ছিলেন না; যেখানেই যেতেন সেখানেই নির্ভীক আন্দোলনের বার্তা ছড়াতেন... তাকে হোটেল থেকে বের করে দেওয়া হতো। কোম্পানি শাসিত শহরগুলোতে যেসব পরিবার তাকে আশ্রয় দিত, তাদের উচ্ছেদ করা হতো। হলরুম বন্ধ করে দিলে তিনি খোলা মাঠে ভাষণ দিতেন। পশ্চিম ভার্জিনিয়ায় নদীর ওপারে খনি শ্রমিকদের সংগঠিত করার জন্য তিনি কেলি ক্রিক নদীর জল ভেঙে হেঁটে গিয়েছিলেন। একটি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করার দায়ে অভিযুক্ত হয়ে তিনি বিচারককে "দালাল" বলে ডাকেন এবং সেটি তাকে প্রমাণ করে দেখান। তিনি দালালদের তাড়ানোর জন্য ঝাড়ু, লাঠি আর থালাবাসন নিয়ে "নারীবাহিনী" গঠন করেছিলেন। "ঈশ্বর! ওই বুড়ি মা তার পাগলাটে নারীদের নিয়ে আসছে!"—মালিকরা যন্ত্রণায় ককিয়ে উঠত। পেনসিলভানিয়ার গ্রিনসবার্গে যখন একদল পিকেটিং করা নারীকে তাদের শিশুদেরসহ গ্রেপ্তার করে ৩০ দিনের সাজা দেওয়া হয়, তখন তিনি তাদের পরামর্শ দেন: "সারা রাত বাচ্চাদের গান শোনাও!" মাত্র কয়েক দিনের মাথায় সেই গান শুনে অতিষ্ঠ হয়ে অনিদ্রায় ভোগা শহরবাসীকে স্বস্তি দিতে পুলিশ তাদের জেল থেকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়। এক সংসদীয় শুনানিতে তাকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল: "আপনার বাড়ি কোথায়?" তিনি উত্তর দিয়েছিলেন: "কখনও আমি ওয়াশিংটনে, কখনও পেনসিলভানিয়া, অ্যারিজোনা, টেক্সাস, অ্যালাবামা, কলোরাডো বা মিনেসোটায়। আমার ঠিকানা আমার জুতোর মতো। এটি আমার সাথেই ঘোরে। যেখানে অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই হয়, সেখানেই আমি থাকি।" ১৯০৩ সালে তিনি পেনসিলভানিয়ার কেনসিংটন এলাকার টেক্সটাইল মিলের একদল শিশু শ্রমিককে নিয়ে নিউ ইয়র্কের লং আইল্যান্ডের অয়েস্টার বে-তে গিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট থিওডোর রুজভেল্টকে শিশু শ্রমের প্রমাণ দিয়ে মোকাবিলা করতে। কলোরাডোতে ১৯১৪ সালের লাডলো হত্যাকাণ্ডের পর তিনি গভর্নরের অফিস পর্যন্ত একটি প্রতিবাদ মিছিলের নেতৃত্ব দেন। পশ্চিম ভার্জিনিয়ায় তিনি বারবার বিভিন্ন গভর্নরের সাথে দেখা করতে প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং তার ভাষায় তাদের "উচিত শিক্ষা" দিয়েছেন... যখন তিনি খুব বৃদ্ধা হয়েছিলেন, তখন তিনি সাধারণ কর্মীদের সেইসব নেতাদের সম্পর্কে সতর্ক করেছিলেন যারা শ্রমিকের স্বার্থের চেয়ে নিজেদের স্বার্থকে বড় করে দেখে। মৃত্যু পর্যন্ত তিনি তার একটি মহান বিশ্বাস অটলভাবে ধরে রেখেছিলেন: "ভবিষ্যৎ শ্রমিকের শক্তিশালী ও অমসৃণ হাতের মুঠোয়!"... শুরুর দিনগুলোতে নিউ ইয়র্ক এবং শিকাগোতে প্রথম যখন তাকে দেখি, তিনি আমাকে অনেক অনুপ্রাণিত করেছিলেন, যদিও সত্যি বলতে আমি তার তিক্ষ্ণ কথাকে ভয় পেতাম। কিন্তু যখন আমি তাকে ব্রঙ্কসের সেই সভার কথা মনে করিয়ে দিয়ে বললাম যে আমি আমার সন্তানকে হারিয়েছি, তখন তিনি অত্যন্ত সহানুভূতিশীল ও দয়ালু আচরণ করেছিলেন। তার কঠোরতা কেবল মালিক, দালাল এবং অসৎ শ্রমিক নেতাদের জন্য বরাদ্দ ছিল।
*যুদ্ধ ঘোষণার পর সারা দেশে উন্মাদনা এবং গণ-সহিংসতার এক জোয়ার বয়ে যায়। আমেরিকার বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠ সাধারণ মানুষ এর সাথে যুক্ত না থাকলেও তারা উত্তরোত্তর আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। সরকারি জায়গাগুলোতে নোটিশ লাগিয়ে দেওয়া হয়েছিল: "আইন মেনে চলো এবং নিজের মুখ বন্ধ রাখো!" যার নিচে অ্যাটর্নি জেনারেল গ্রেগরির সই ছিল। এই গণ-সহিংসতার শিকার হয়েছিল বিভিন্ন স্তরের মানুষ—খ্রিস্টান ধর্মযাজক, কৃষ্ণাঙ্গ ও শ্বেতাঙ্গ শান্তিপ্রয়াসী মানুষ, সমাজতন্ত্রী, আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. কর্মী, নন-পার্টিজান লিগের সদস্য যারা মধ্য-পশ্চিমের কৃষকদের মধ্যে শক্তিশালী ছিল, আয়ারল্যান্ডের স্বাধীনতার বন্ধু এবং আরও অনেকে। যুদ্ধের বিরুদ্ধে, সেনাবাহিনীতে নিয়োগ বা বন্ড বিক্রির বিষয়ে আকস্মিক মন্তব্য করার অপরাধে অনেক নারী ও পুরুষকে আলকাতরা এবং পালক মাখিয়ে অপমান করা হতো, কখনও অচেতন হওয়া পর্যন্ত মারধর করা হতো, জোর করে পতাকায় চুমু খাওয়ানো হতো, শহর থেকে বের করে দেওয়া হতো, জোর করে বন্ড কিনতে বাধ্য করা হতো এবং এমনকি পিটিয়ে মারার হুমকি দেওয়া হতো।
*গণ-সহিংসতার এই মনোভাব আমাদের দেশের অন্যতম বিপজ্জনক এবং লজ্জাজনক বহিঃপ্রকাশ ছিল, যার সবকিছুই করা হয়েছিল বিশ্বকে "গণতন্ত্রের জন্য নিরাপদ" করার নামে।
*কেট রিচার্ডস ও’হারে, যাকে আমি বর্ণনা করেছি, তিনি ছিলেন একজন বিশিষ্ট এবং অত্যন্ত কার্যকর সমাজতন্ত্রী বক্তা।
*পরবর্তীতে তার রাজনৈতিক ত্রুটি যা-ই থাকুক না কেন, প্রগতিশীল নারীরা সেই সময়ে তার জন্য খুব গর্ববোধ করতেন।
** ১৯১৭ সালের দিকে জিনেট র্যাঙ্কিন সম্পর্কে
*আমি একজন নিবেদিতপ্রাণ আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. কর্মী ছিলাম, কিন্তু ওয়ার্কার্স ডিফেন্স ইউনিয়নে আমার কর্মকাণ্ড আমাকে সমাজতন্ত্রী, নৈরাজ্যবাদী, ট্রেড ইউনিয়নবাদী, কমিউনিস্ট, ভোটাধিকার কর্মী, শান্তিবাদী, উদারপন্থী, ইন্ডিয়ান, আইরিশ জাতীয়তাবাদী এবং সোভিয়েত ও আইরিশ প্রজাতন্ত্রের সরকারি প্রতিনিধিদের সংস্পর্শে নিয়ে এসেছিল।
*ইতালীয় আন্দোলনে—নৈরাজ্যবাদী বা সমাজতন্ত্রী কোনো পক্ষেই—নারীরা কার্যত ছিল না। কার্লোর সাথে আমি যে বাড়িতেই যেতাম, দেখতাম নারীরা সবসময় পর্দার আড়ালে রান্নাঘরে ব্যস্ত থাকত এবং এমনকি পুরুষদের সাথে খেতে বসার সুযোগও তাদের খুব কমই হতো।
*উড্রো উইলসন একজন "উদারপন্থী" হিসেবে সমস্ত বিষয়ে অনর্গল ও সাবলীলভাবে কথা বলতেন, কিন্তু তার দুঃখজনক কাজগুলো তার কথার সম্পূর্ণ বিপরীত ছিল। "আত্মনিয়ন্ত্রণ" এবং "বিশ্বকে গণতন্ত্রের জন্য নিরাপদ করা"—এই দুটি ছিল তার সবচেয়ে দুর্বল জায়গা। শান্তি বজায় রাখা, "রাশিয়া থেকে হাত তোলো", আয়ারল্যান্ডের স্বাধীনতা, রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তি এবং শেষত কিন্তু সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ "নারীদের ভোটাধিকার"—এইসব দাবির আন্দোলনকারী ও প্রতিনিধি দলগুলো প্রতিটি মোড়ে তার মুখোমুখি হতো। তার প্রশাসন ১৯১৯-২০ সালের বিশাল ইস্পাত শ্রমিক ধর্মঘটের সম্মুখীন হয়েছিল। লিগ অফ নেশনস-এ যোগ দেওয়ার তার পরিকল্পনা সেনেট দ্বারা পরাজিত হয়। বিভিন্ন ইস্যুতে প্রতিবাদ জানিয়ে তার প্রশাসনের সদস্যরা পদত্যাগ করেছিলেন—যুদ্ধের ইস্যুতে একজন পররাষ্ট্রমন্ত্রী, ভোটাধিকারের ইস্যুতে নিউ ইয়র্ক বন্দরের একজন সংগ্রাহক; সম্ভবত এই ভোটাধিকার ইস্যুটিই তাকে সবচেয়ে বেশি বিব্রত করেছিল।
*প্রথম বিশ্বযুদ্ধ আমেরিকান নারীদের জীবনে অনেক মৌলিক পরিবর্তন এনেছিল। এটি "ভদ্রমহিলা" বা আভিজাত্যপূর্ণ নারীত্বের ধারণাটি শেষ করে দিয়েছিল। শ্রমিকের ঘাটতি ছিল প্রচুর এবং প্রশিক্ষিত কর্মীর প্রয়োজন ছিল তীব্র। ১৯১৮ সালের শেষে প্রায় ত্রিশ লক্ষ নারী খাদ্য, টেক্সটাইল এবং যুদ্ধ শিল্পে নিয়োজিত ছিলেন। যেসব পেশাকে এতদিন "পুরুষের কাজ" বলে মনে করা হতো, সেগুলো নারীদের জন্য উন্মুক্ত হয়ে গিয়েছিল। তারা রাস্তার ট্রাম বা বাসে কন্ডাক্টর হিসেবে কাজ শুরু করেছিলেন। প্রথমবারের মতো তাদের রেডিও অপারেটর হিসেবে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছিল। নারীরা সেনাবাহিনীতে মোটর কোরে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করেছিলেন এবং প্রথমবারের মতো ইউনিফর্ম পরেছিলেন। শহর থেকে আসা "কৃষক কন্যারা" ব্লুমার পরে খামারে কাজ করতে গিয়েছিল। নারীরা ত্রাণ কাজ করেছেন, যুদ্ধের বন্ড বিক্রি করেছেন, সশস্ত্র বাহিনীর জন্য ক্যান্টিন পরিচালনা করেছেন এবং নার্সিং ইউনিটে যোগ দিয়েছেন। হাজার হাজার নারী ঘর থেকে বেরিয়ে জনজীবনে প্রবেশ করেছিলেন। যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর প্রয়োজন বা পছন্দের কারণে অনেকেই এই শিল্পগুলোতে থেকে গিয়েছিলেন।
*এলিজাবেথ ক্যাডি স্ট্যান্টন এবং সুসান বি অ্যান্থনির মতো সাহসী নারীরা ছিলেন শুরুর দিকের অগ্রগামী, যারা বিদ্রূপ, গালাগালি, সহিংসতা এবং এমনকি ভোট দেওয়ার চেষ্টার জন্য গ্রেপ্তারের মুখোমুখি হয়েছিলেন। পরবর্তীতে ড. আন্না হাওয়ার্ড শ এবং ক্যারি চ্যাপম্যান ক্যাটের মতো নারীরা ন্যাশনাল আমেরিকান উইমেনস সাফ্রেজ অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, যা "নারীদের জড়তা এবং পুরুষদের বিরোধিতার" বিরুদ্ধে লড়াই করেছিল। কিন্তু ১৯১৬ সালের দিকে একটি তরুণ, সাহসী এবং আরও লড়াকু গোষ্ঠী আবির্ভূত হয়, যারা প্রতিটি অঙ্গরাজ্যে আলাদাভাবে ভোটাধিকার জেতার ধীর প্রক্রিয়ায় সন্তুষ্ট ছিল না এবং তারা সাংবিধানিক সংশোধনীর জন্য লড়াই শুরু করে। তারা ১৯১৬ সালে উইমেনস পার্টি গঠন করে, যারা কেবল সেইসব দল এবং প্রার্থীদের জন্য নারীদের ভোট সংগ্রহের পরিকল্পনা করেছিল যারা জাতীয় ভোটাধিকার সমর্থন করবে। সেই বছর একদল ধনী ভোটাধিকার কর্মী একটি বিশেষ ট্রেনের অর্থায়ন করেছিলেন এবং তাতে চড়ে প্রচার চালিয়েছিলেন। তারা রিপাবলিকান প্রার্থী চার্লস ইভান্স হিউজের পক্ষে সরাসরি প্রচার করেননি, কিন্তু তাদের স্লোগান ছিল উইলসন-বিরোধী: "উইলসনের বিরুদ্ধে ভোট দিন! তিনি আমাদের ভোটাধিকার থেকে দূরে রেখেছেন!" অনেকে ইউজিন ডেবসকেও ভোট দিয়েছিলেন, যিনি তখন কারাগারে ছিলেন।
*উইমেনস পার্টি ১৯১৭ সালের জানুয়ারি থেকে ১৯১৯ সালের ১৯ মার্চ পর্যন্ত প্রায় একটানা পিকেটিং চালিয়েছিল। তারা হোয়াইট হাউস এবং ক্যাপিটল ভবনে পিকেটিং করেছে, সামরিক কুচকাওয়াজ করেছে, উইলসন যখন ইউরোপ সফর থেকে ফিরতেন বা যখন চলে যেতেন তখন তার জন্য সংবর্ধনার আয়োজন করেছে। তারা ওয়াশিংটন, বোস্টন এবং নিউ ইয়র্কে তার পিকেটিং করেছে। কেবল আইরিশরাই আগে এই ধরনের কৌশল অবলম্বন করেছিল। পরবর্তীতে রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তির দাবিতে শিশুদের একটি প্রতিনিধি দল প্রেসিডেন্ট হার্ডিংকে পিকেটিং করেছিল। ভোটাধিকারের ব্যানারগুলো বিদেশি অতিথিদের উদ্দেশ্যে প্রদর্শন করা হতো এবং দেশে-বিদেশে প্রেসিডেন্টের দেওয়া "স্বাধীনতা" ও "গণতন্ত্র" বিষয়ক ভাষণগুলো তারা "স্বাধীনতার প্রহর" নামক পাত্রে জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ফেলত।
*একবার ভোটাধিকার অর্জিত হওয়ার পর নারীরা কেবল নারী হিসেবে ঐক্যবদ্ধ থাকেনি, বরং তাদের নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি এবং স্বার্থ অনুযায়ী বিদ্যমান রাজনৈতিক দল এবং অন্যান্য সংগঠনে বিভক্ত হয়ে গিয়েছিল। আমার বিশ্বাস, শান্তির সাধারণ লক্ষ্যটিই নারীদের আবারও ঐক্যবদ্ধ করতে পারে, কিছু ব্যতিক্রম বাদে।
*১৯২০-এর দশকে "সংযুক্ত ফ্রন্ট" শব্দটির ব্যবহারের কোনো স্মৃতি আমার নেই। এটি অনেক পরে ব্যবহারে আসে। কিন্তু তখনকার র্যাডিকাল এবং প্রগতিশীল আন্দোলনগুলো যে এই নীতিতেই চলত তা খুবই স্পষ্ট। যেসব নারী ও পুরুষ ভোটাধিকারের জন্য কথা বলতেন, তারা আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর জন্য আর্থিক সাহায্যের আবেদনেও স্বাক্ষর করতেন এবং আয়ারল্যান্ডের মুক্তি বা বন্দিদের মুক্তির প্রতিনিধি দলেও থাকতেন এবং শান্তি আন্দোলনেও সক্রিয় ছিলেন। স্বাধীনতার এক একটি মহৎ উদ্দেশ্যের মাঝে তখন কোনো কঠোর সীমারেখা ছিল না এবং আজকের মতো প্রতিশোধের ভয়ও ছিল না। মানুষ ভয় পেত না যে একটি আন্দোলনের সাথে নিজেকে যুক্ত করলে অন্য আন্দোলনটি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। আজ আমি অবাক হয়ে ভাবি যে সেই দিনগুলোতে আমার যোগাযোগ এবং বন্ধুত্ব কতটা বিস্তৃত ও বৈচিত্র্যময় ছিল।
*আমি তখনও আমার বিশ্বাসে একজন আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. ছিলাম এবং কোনো রাজনৈতিক দলে যোগ দিতে দ্বিধা করছিলাম, যদিও রুশ বিপ্লব এবং ভোটাধিকার কর্মী ও কমিউনিস্টদের সাথে মেলামেশা আমার দৃষ্টিভঙ্গিকে অনেকটা বদলে দিচ্ছিল।
*১৯১৭ সালের নভেম্বরে যখন রাশিয়ার বলশেভিক বিপ্লবের খবর সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ল, আমেরিকান শ্রমিকরা মানব ইতিহাসের এই বিশাল ঘটনার মাধ্যমে প্রথমবারের মতো ভ্লাদিমির লেনিন নামক এক মানুষের কথা জানতে পারল—যা ছিল সমাজতন্ত্রের শুরু। আমরা কিছু নতুন শব্দও শিখলাম যা অল্প সময়ের মধ্যেই ভাষার অংশ হয়ে গেল, যার মধ্যে ছিল "বলশেভিক" এবং "সোভিয়েত"। এমনকি আমাদের মধ্যে যারা বাম-সমাজতন্ত্রী এবং আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. কর্মী ছিলাম, তারাও রাশিয়ার সমাজতান্ত্রিক আন্দোলন সম্পর্কে কার্যত কিছুই জানতাম না, কেবল জারের নিষ্ঠুর ও রক্তাক্ত শাসন উৎখাত করার জন্য তাদের দীর্ঘ ও যন্ত্রণাদায়ক সংগ্রামের প্রতি আমাদের গভীর সহানুভূতি ছিল। রাতারাতি "বলশেভিক" শব্দটি প্রতিটি ঘরে পরিচিত হয়ে উঠল, এমনকি যারা জানত না যে এর অর্থ কেবল "সংখ্যাগরিষ্ঠ" এবং এটি রাশিয়ান সোশ্যাল-ডেমোক্রেটিক লেবার পার্টির একটি রাজনৈতিক বিভাজনকে নির্দেশ করে। ডেবস বলেছিলেন, "আমি আমার মাথার তালু থেকে পায়ের আঙুল পর্যন্ত একজন বলশেভিক!" মালিকরা লড়াকু শ্রমিক এবং ইউনিয়ন সংগঠকদের দিকে চিৎকার করে বলত, "অভিশপ্ত বলশেভিক!" অবশ্য সমস্ত ধর্মঘটীরাই তখন মালিকদের চোখে "বলশেভিক" ছিল।
===[http://www.sojust.net/speeches/elizabeth_flynn_memories.html "মেমোরিজ অফ দ্য ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়ার্কার্স অফ দ্য ওয়ার্ল্ড"] (৮ নভেম্বর, ১৯৬২)===
* আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. (IWW)... এগুলো হলো ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়ার্কার্স অফ দ্য ওয়ার্ল্ড-এর আদ্যক্ষর, যাকে আগে "আই ওয়ন্ট ওয়ার্ক" (আমি কাজ করব না) বলা হতো। এটি ছিল অত্যন্ত বেমানান কারণ বাস্তবে যারা এই সংগঠনের সদস্য ছিলেন তারা আমাদের দেশের সবচেয়ে মৌলিক ও কঠিন পরিশ্রমের শিল্পগুলোতে কাজ করতেন। একে বিশ্বের শ্রমিক বলাটা বেশ উচ্চাকাঙ্ক্ষী নাম ছিল কারণ আসলে এটি কখনও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সীমানা ছাড়িয়ে যায়নি। এটি মূলত পুরনো নাইটস অফ লেবার-এর ঐতিহ্য ও সাংগঠনিক রূপ ধরে রাখার আমেরিকান শ্রমিকদের ইচ্ছা থেকে তৈরি হয়েছিল।
* আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. কেবল ১৮৮০-এর দশকের অনেক ঐতিহ্যের উত্তরাধিকারী ছিল না, বরং ১৮৮০-এর দশকের সাথে যুক্ত ব্যক্তিত্বরাও আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর শুরুর দিকের সম্মেলনগুলোতে উপস্থিত ছিলেন। আপনি যদি শ্রমিক ইতিহাসের ছাত্র না হন তবে নামগুলো আপনার কাছে পরিচিত নাও হতে পারে, তবে তাদের মধ্যে ছিলেন ইউজিন ডেবস, ড্যানিয়েল ডিলিয়ন এবং মিসেস লুসি পারসন্স।
* সেখানে বাক-স্বাধীনতার অনেক লড়াই হয়েছিল... তাদের কৌশলগুলো ছিল অনেকটা আজকের ফ্রিডম রাইডারদের মতো। তারা টেলিগ্রাম পাঠাত—আর আমি বিষয়টি বুঝিয়ে বলছি, আমি কোনো প্রচারণা করছি না—তারা অনেকটা এইভাবে টেলিগ্রাম পাঠাত: "মুক্তমনা ওবলিরা, এখনই এসো, অধিকারের সনদ রক্ষা করো।" তারা ট্রেনের ওপর, নিচে, পাশে, মালবাহী বগিতে এবং এমন প্রতিটি উপায়ে আসত যেখানে ভাড়া দিতে হয় না। আক্ষরিক অর্থেই শত শত মানুষ এই এলাকাগুলোতে এসে হাজির হতো, যা কর্তৃপক্ষকে আতঙ্কিত ও স্তম্ভিত করে দিত। তারা প্ল্যাটফর্ম বা সাবান রাখার বাক্সের ওপর দাঁড়িয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের অংশবিশেষ বা অধিকারের সনদ পড়ে শোনাত... এগুলো ছিল বাক-স্বাধীনতার লড়াই যা অত্যন্ত পরিচিত এবং দেশের পশ্চিমাঞ্চলে আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর একটি বৈশিষ্ট্য ছিল।
* এ.এফ.এল. (AFL) ছিল দক্ষ শ্রমিকদের সংগঠন এবং এর গঠন, পদ্ধতি ও নীতি আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর মতো ছিল না। আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. শ্রেণি সংগ্রামে বিশ্বাস করত। তারা পুঁজি ও শ্রমের ভ্রাতৃত্বে বিশ্বাস করত না। তারা বিশ্বাস করত যে এই অসংগঠিত বিদেশি বংশোদ্ভূত গণ-উৎপাদন শ্রমিকদের একটি শিল্প ইউনিয়নে সংগঠিত করা উচিত—সবাই মিলে একটি ইউনিয়নে, ডজনখানেক বা তার বেশি সংগঠনে বিভক্ত হয়ে নয়।
* ১৯১২ সালের সেই বড় ধর্মঘট [যা রুটি ও গোলাপ ধর্মঘট নামে পরিচিত], যা আমাদের দেশের অন্যতম মহান ঐতিহাসিক সংগ্রাম, সেটি শুরু হয়েছিল রাষ্ট্রের একটি রাজনৈতিক পদক্ষেপের কারণে।
* বিল হেউড সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন যে আমাদের ইংরেজিতে কথা বলতে হবে যাতে এই মানুষগুলো তা বুঝতে পারে। তিনি আমাদের যে শিক্ষা দিয়েছিলেন তা আমি কখনও ভুলব না। তখন আমি খুব তরুণ ছিলাম, আমার বয়স ছিল ২২। তিনি বললেন, শোনো, তোমরা এই শ্রমিকদের সাথে, এই খনি শ্রমিকদের সাথে এমন ইংরেজিতে কথা বলবে যা প্রাথমিক স্কুলে পড়া তাদের সন্তানরা তাদের সাথে বলে, তবেই তারা তা বুঝতে পারবে। প্রাথমিক স্কুলের ইংরেজিতে কথা বলাটা মোটেও সহজ নয়। যাই হোক, আমরা তা শিখেছিলাম। আমার সমস্যা হলো এটি আমার অভ্যাসে গেঁথে গিয়েছিল এবং এখন যখন আমি কলেজের দর্শকদের সামনে কথা বলতে যাই, তখন নিজেকে কিছুটা অসুবিধায় মনে হয় কারণ আমি বড় বড় সব শব্দ জানি না। উইলিয়াম হেউড আমাকে ছোট ছোট এবং সহজ শব্দগুলোতেই দক্ষ করে তুলেছিলেন।
* তিনি কীভাবে কথা বলতেন তার একটি উদাহরণ দিই। আমাদের তাদের বোঝাতে হতো কেন আমরা চাই তারা এ.এফ.এল.-এ না গিয়ে আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-তে যোগ দিক। তিনি হাত উঁচিয়ে আঙুলগুলো ছড়িয়ে বলতেন, আমেরিকান ফেডারেশন অফ লেবার বা এ.এফ.এল. হলো ঠিক এইরকম, প্রতিটি আলাদা আলাদা। কিন্তু আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. হলো এইরকম, [তিনি হাতের মুঠো পাকাতেন] এবং তারা সবাই চিৎকার করে উঠত আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর জয় হোক। এভাবেই তিনি তার বক্তব্য বুঝিয়ে দিতেন।
* যখন লরেন্সের এই ধর্মঘট চলছিল, তখন লুইজিয়ানায় কাঠ শ্রমিকদের একটি বড় ধর্মঘট চলছিল, সেটিও আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর অধীনে। যদিও আমাদের সব জায়গায় ধর্মঘট ছিল এবং আমরা এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় ছুটে বেড়াচ্ছিলাম, তবুও আমি বিশেষ করে এই ঘটনাটি উল্লেখ করছি কারণ সেখানে প্রথমবারের মতো বৈষম্য ও বর্ণবাদের নিয়মগুলো ভেঙে ফেলা হয়েছিল। উইলিয়াম ডি. হেউড সেখানে ভাষণ দিতে গিয়েছিলেন এবং তিনি বলেছিলেন প্রতিটি ধর্মঘটী যেখানে খুশি বসতে পারে। আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর এই হলে কোনো বিভাজন নেই। নিগ্রো এবং শ্বেতাঙ্গ শ্রমিকরা, আমার মনে হয় আমেরিকান শ্রমিক ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সেই সামাজিক বিধিনিষেধ ভেঙে একসাথে মিলিত হয়েছিল।
* আমার দীর্ঘ শ্রমিক ইতিহাসে যদি এমন কিছু থাকে যা নিয়ে আমি সত্যিই গর্বিত, তা হলো—ফাঁসির আগে কারাগারে থাকাকালীন জো হিল আমার জন্য একটি গান লিখেছিলেন এবং আমাকে উৎসর্গ করেছিলেন, যার নাম ছিল "রেবেল গার্ল"। সেই গানটি—আমি আশা করি আপনারা এখানে কোনো একদিন সেটি গাইবেন—হয়তো এর কথা বা সুর সেরা নয়, কিন্তু এটি হৃদয় থেকে এসেছিল এবং এটি আমার কাছে অত্যন্ত মূল্যবান।
* প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ., সমাজতন্ত্রী এবং আমাদের দেশের সমস্ত প্রগতিশীলদের ওপর প্রচণ্ড আক্রমণ চালানো হয়েছিল। সেই সময় একটি শক্তিশালী শান্তি আন্দোলন ছিল। এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মতো ছিল না, যা ছিল একটি ফ্যাসিবাদ-বিরোধী যুদ্ধ।
*অন্যান্য সংগঠনের সাথে আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর সম্পর্ক কেমন ছিল সে সম্পর্কে আমার আপনাদের কিছু বলা উচিত কারণ চিত্রটি সম্ভবত এখনও খুব বেশি পরিষ্কার নয়। এটি কোনো কারুশিল্প ভিত্তিক ইউনিয়ন ছিল না; এটি ছিল একটি শিল্প ইউনিয়ন এবং এটি এ.এফ.এল.-এর ঘোর বিরোধী ছিল। এ.এফ.এল. যেসব আদর্শে বিশ্বাস করত—যেমন ন্যায্য কাজের জন্য ন্যায্য মজুরি, পুঁজি ও শ্রমের ভ্রাতৃত্ব—আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. তার কোনোটিতেই বিশ্বাস করত না। সুযোগ পেলেই মালিকের বিরুদ্ধে লড়াই করার বিষয়ে এটি খুব কঠোর ছিল। তাদের বিশ্বাস ছিল যে কোনো চুক্তি করা উচিত নয়। তারা মনে করত যতক্ষণ আপনারা সংগঠিত আছেন, ততক্ষণ আপনারা মালিককে তার প্রতিশ্রুতি পালনে বাধ্য করতে পারবেন। কিন্তু একটি চুক্তি বা কাগজের টুকরো আপনাদের হাত-পা বেঁধে ফেলে, তাই তারা কোনো চুক্তি করত না। তবে আমাদের তথাকথিত 'হোয়াইট কলার' বা দাপ্তরিক কর্মীদের প্রতি তাদের দৃষ্টিভঙ্গি ভালো ছিল না। মোটেও ভালো ছিল না কারণ তারা মনে করত এই কর্মীরা শ্রমিক শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত নয়। আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর মতে শ্রমিক হতে হলে আপনাকে ওভারঅল পোশাক পরতে হবে, পেশিবহুল হতে হবে এবং হাড়ভাঙা খাটুনি খাটতে হবে। আপনি যদি কেবল কলম পিষতেন, তবে আপনি শ্রমিক ছিলেন না। এই একই কথা শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য ছিল। অন্য কথায়, তারা ছিল একটি অত্যন্ত সংকীর্ণমনা সংগঠন। তবে তৎকালীন সময়ের শিক্ষার্থীরাও কিছুটা দায়ী ছিল কারণ শ্রম আন্দোলনের প্রতি তাদের কোনো সহানুভূতি ছিল না। প্রকৃতপক্ষে, যখন ধর্মঘট হতো তখন শ্রমিকদের জায়গায় কাজ করার জন্য সবসময় শিক্ষার্থীদের পাওয়া যেত। আমি নিউ ইয়র্ক সিটির একটি হোটেলের ধর্মঘটে এমনটা দেখেছি। যাই হোক, আমি খুব আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে এখন সময় বদলেছে।
*আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. এ.এফ.এল.-এর চেয়ে আরও একটি বিষয়ে আলাদা ছিল যে তারা সমাজতন্ত্রে বিশ্বাস করত। যদিও তারা রাজনৈতিক দল এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড বর্জন করার কারণে সোশ্যালিস্ট পার্টির থেকে ভিন্ন ছিল। তাদের এই অদ্ভুত ধারণা ছিল যে আসল লড়াই হলো শিল্পকারখানায়, অর্থাৎ উৎপাদনের জায়গায়।
*আমি যখন আপনাদের বলি যে তখন কী কী ছিল না, তখন মনে হয় আমরা যেন এক অরণ্যে বাস করতাম। তখন কোনো রেডিও ছিল না, টিভি ছিল না, সিনেমা ছিল না, আজকের মতো বিজ্ঞাপন ছিল না, কোনো প্লাস্টিক বা কৃত্রিম কাপড় ছিল না এবং কোনো বিমানও ছিল না।
*আমি ১৯১৯-২০ সালের কথা বলছি যখন জে. এডগার হুভার প্রথম আত্মপ্রকাশ করেন। তাকে এই ধরপাকড় অভিযানের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল এবং সারা দেশের সমস্ত রিপোর্ট তাকে জমা দিতে হতো। তাদের বলা হতো "জি ম্যান"। এফবিআই আরও পরে ১৯২৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। সুতরাং কোনো সরকারের পরোয়া না করেই তিনি দীর্ঘ ৩৮ বছর ধরে এই সাম্রাজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন এবং এটি আসলে কোনো সিভিল সার্ভিস বা বিচার বিভাগের নিয়ন্ত্রণে নেই।
*আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর বিরুদ্ধে ঘৃণা এতটাই তীব্র ছিল যে সংবাদপত্রের সম্পাদকীয়তে লেখা হতো, "তাদের ভোরবেলা গ্রেপ্তার করা উচিত এবং নাস্তা করার আগেই বিচার ছাড়াই গুলি করে মারা উচিত।"
*আজকের দিনে ইউনিয়নের সাথে রাজনৈতিক সহযোগী থাকা অনেক বেশি কার্যকর একটি পদ্ধতি। কিন্তু আমরা তখন সবকিছু এক পাত্রে রাখার চেষ্টা করেছিলাম এবং সেটি মোটেও কাজ করেনি। আমরা বেশ অহংকারী ছিলাম। আমরা তরুণ ছিলাম এবং মনে করতাম সবকিছুর সঠিক উত্তর কেবল আমাদের কাছেই আছে। আমরা এ.এফ.এল.-এর সাথে কাজ করতে চাইনি, সোশ্যালিস্ট পার্টির সাথে কাজ করতে চাইনি, এমনকি অন্য কারও সাথেই কাজ করতে চাইনি। স্বাভাবিকভাবেই যখন কমিউনিস্ট পার্টি এল, তারা সেটাকে একটি সত্যিকারের দল হিসেবে বিবেচনা করল কারণ সেটি পুরনো সোশ্যালিস্ট পার্টির চেয়ে অনেক বেশি বিপ্লবী ছিল। আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. রুশ বিপ্লবের ধারণার সাথে পুরোপুরি একমত ছিল না, যদিও তারা খুশি ছিল যে এটি এমন একটি বিপ্লব যা জারকে উৎখাত করেছে। তারা কেরেনস্কির পক্ষে ছিল না কিন্তু বিপ্লব সম্পর্কে তাদের কিছু আদিম ধারণা ছিল। আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর কাছে বিপ্লব মানে ছিল কারখানা, দোকান, কলকারখানা, খনি আর ফসলের মাঠ দখল করে নেওয়া এবং মালিকদের স্রেফ তাড়িয়ে দেওয়া। মালিকদের তাড়িয়ে দেওয়া মানেই ছিল বিপ্লবের শেষ।
*আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর ইতিবাচক দিক ছিল যে এটি নিশ্চিতভাবেই লড়াকু ও সাহসী ছিল, এটি সেই সময়ের জন্য উপযুক্ত ছিল এবং এটি দরিদ্রতম, সবচেয়ে একাকী ও সবচেয়ে অবহেলিতদের স্বার্থের জন্য লড়াই করেছিল—যাদের এ.এফ.এল. সংগঠিত করতে পারেনি; যেমন বিদেশি বংশোদ্ভূত শ্রমিক, নারী এবং যখন কৃষ্ণাঙ্গরা শিল্পে আসতে শুরু করল, তখন সেই কৃষ্ণাঙ্গ শ্রমিকরা।
*আমরা তখন সামাজিক নিরাপত্তা বা বেকার ভাতার মতো কোনো কিছুর কথা কখনও শুনিনি এবং ভাবিনি যে এমন কিছু হওয়া সম্ভব। এগুলো ছিল ত্রিশের দশকের লড়াইয়ের ফলাফল—আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর পতনের পরের বড় সংগ্রামের ফল। এছাড়া আমরা কখনও বেতনসহ ছুটির কথা শুনিনি। বেতনসহ ছুটি তো দূরের কথা, আমরা ছুটির কথাই শুনিনি। আজকের দিনের মতো চাকরির জ্যেষ্ঠতার কোনো ধারণা আমাদের ছিল না। শ্রমিকদের অবসরের জন্য কোনো পেনশন ছিল না। ইউনিয়নের কোনো কল্যাণ তহবিল বা স্বাস্থ্যকেন্দ্র ছিল না এবং আজকের মতো কোনো ট্রেড ইউনিয়ন স্কুলও ছিল না। এই সমস্ত সুযোগ-সুবিধা আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর পরবর্তী সময়ে গড়ে ওঠা ইউনিয়নগুলোর মাধ্যমে এসেছে।
*আজকের দিনে শ্রমিকের বিরুদ্ধে সরাসরি সহিংসতা কম কিন্তু আইনি বিধিনিষেধ অনেক বেশি। দমনমূলক আইন এবং সব ধরনের বিধিনিষেধের মাধ্যমে শ্রমিকের অধিকার হরণ করার চেষ্টা এখন অনেক বেশি হচ্ছে।
*আমরা কি উন্নতি করেছি? ওহ, আমরা অবশ্যই উন্নতি করেছি! সমস্ত অসুবিধা এবং সমস্যা সত্ত্বেও শ্রমিক আন্দোলন বিশাল উন্নতি করেছে। আজকের যুবকদের জন্য একটি নতুন ভূমিকা এবং নতুন দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে। বহু বছর আগে আমি পিটার ক্রোপোটকিনের 'আপিল টু দ্য ইয়ং' বা 'তরুণদের প্রতি আবেদন' নামক একটি পুস্তিকা পড়েছিলাম। এটি ছিল যুবকদের প্রতি এই বিশ্বকে বসবাসের উপযোগী একটি সুন্দর জায়গা হিসেবে গড়ে তোলার দায়িত্ব নেওয়ার এক চমৎকার আহ্বান। এখন আমি অনুভব করি যে আমরা আমাদের সাধ্যমতো সেরা চেষ্টা করেছি। কিন্তু সময় এমন আসে যখন আপনি জানেন যে বাধ্য হয়েই আপনাকে থামতে হয়; যদিও বলা হয় বার্ধক্য কোনো রোগ নয় কিন্তু আমি মনে করি এটি একটি রোগ। এমন এক সময় আসে যখন আপনাকে গতি কমিয়ে দিতে হয় এবং কাজ থেকে বিদায় নিতে হয়, আর যদি নতুন প্রজন্ম চায় তবে আপনার অভিজ্ঞতার সুফল তাদের কাছে পৌঁছে দিতে হয়।
== এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন সম্পর্কে উক্তি ==
* হেটেরোডক্সির সদস্য এবং ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়ার্কার্স অফ দ্য ওয়ার্ল্ড-এর প্রখ্যাত সংগঠক এবং পরবর্তীতে ইউ.এস. কমিউনিস্ট পার্টির শীর্ষস্থানীয় সদস্য এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন এই সংগঠনে তার সদস্যপদকে "এক অবিচ্ছিন্ন আনন্দের অভিজ্ঞতা" হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি আরও যোগ করেছেন, "এটি ভবিষ্যতের নারীদের এক ঝলক দেখার মতো ছিল—যারা বিশাল হৃদয়ের অধিকারী, বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে সজাগ এবং পুরনো সেই 'নারীত্ব' বর্জিত যার স্থলাভিষিক্ত হয়েছে নারীদের এক চমৎকার ভ্রাতৃত্ব।"
** [[বেটিনা আপথেকার]], ''ট্যাপেস্ট্রিস অফ লাইফ: উইমেনস ওয়ার্ক, উইমেনস কনশাসনেস, অ্যান্ড দ্য মিনিং অফ ডেইলি এক্সপেরিয়েন্স'' (১৯৮৯)
* আমার নির্জন কারাবাসের দিনগুলোতে, মার্গারেট যখন জেল সুপারকে আমাকে পড়ার সুযোগ দেওয়ার জন্য রাজি করালেন, তখন আমি গ্রন্থাগারে একা কয়েকটি সেশন কাটিয়েছিলাম। অল্প সময়ের মধ্যেই আমি পুরো জায়গাটি তন্নতন্ন করে খুঁজি এবং সামান্য আগ্রহ জাগানিয়া মাত্র কয়েকটি বই খুঁজে পাই: এডগার স্নো-এর লেখা চীনা বিপ্লবের ওপর একটি বই, ডব্লিউ. ই. বি. ডু বোইস-এর আত্মজীবনী এবং একজন আশ্চর্যজনকভাবে নিরপেক্ষ ও স্বল্প পরিচিত লেখকের লেখা সাম্যবাদের ওপর একটি বই। এই বইগুলো আবিষ্কার করার পর আমার চিন্তাভাবনা বারবার সেগুলোর রহস্যময় উপস্থিতির দিকে ফিরে যাচ্ছিল। হঠাৎ আমার মনে হলো: এগুলো সম্ভবত এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন, ক্লডিয়া জোন্স অথবা অন্য কোনো কমিউনিস্ট নেতাদের দ্বারা পড়া হয়েছিল যারা ম্যাকার্থি যুগে স্মিথ অ্যাক্টের অধীনে নিপীড়িত হয়েছিলেন। আমাকে জানানো হয়েছিল যে সেখানে থাকাকালীন আমি যদি কোনো বই পাই, তবে তা গ্রন্থাগারে দান করতে হবে—যা ছিল এক আনন্দের বিষয়, কারণ তথাকথিত সেই শিক্ষা কেন্দ্রের অবস্থা ছিল করুণ। আমি যখন সেই বইগুলোর পাতা উল্টাচ্ছিলাম, তখন আমি এই দেশের কিছু অসামান্য বীরাঙ্গনাদের ঐতিহ্য অনুসরণ করতে পেরে সম্মানিত বোধ করছিলাম: কমিউনিস্ট নারী নেতৃবৃন্দ, বিশেষ করে কৃষ্ণাঙ্গ কমিউনিস্ট ক্লডিয়া জোন্স।
** ''[[অ্যাঞ্জেলা ডেভিস]]ের আত্মজীবনী'' (১৯৭৪)
* জোসেফ ইটর এবং আর্তুরো জিওভানিত্তির গ্রেপ্তারের ফলে তৈরি হওয়া শূন্যতা তাৎক্ষণিকভাবে বিল হেউড এবং এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন পূরণ করেছিলেন। শ্রমিক সংগ্রামে হেউডের বছরের পর বছর অভিজ্ঞতা, তার দৃঢ় সংকল্প এবং বিচক্ষণতা তাকে লরেন্সের পরিস্থিতিতে এক অনন্য শক্তিতে পরিণত করেছিল। অন্যদিকে, এলিজাবেথের তারুণ্য, চার্ম এবং বাগ্মিতা খুব সহজেই সবার মন জয় করে নিয়েছিল। এই দুজনের নাম এবং খ্যাতি ধর্মঘটের জন্য দেশব্যাপী প্রচার ও সমর্থন জোগাড় করতে সাহায্য করেছিল। বছরের পর বছর আগে একটি উন্মুক্ত সভায় প্রথমবার শোনার পর থেকেই আমি এলিজাবেথকে জানতাম এবং শ্রদ্ধা করতাম। সেই সময় তার বয়স চৌদ্দ বছরের বেশি ছিল না, তার ছিল এক সুন্দর মুখাবয়ব এবং আন্তরিকতায় ভরপুর এক কণ্ঠস্বর। তিনি আমার ওপর গভীর প্রভাব ফেলেছিলেন। পরবর্তীতে আমার বক্তৃতায় তার বাবার সাথে তাকে প্রায়ই আসতে দেখতাম। কালো চুল, বড় বড় নীল চোখ এবং চমৎকার গায়ের রঙে তিনি ছিলেন এক মোহনীয় প্রতিচ্ছবি... স্পোকেনে আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর অন্যান্য সদস্যদের সাথে তিনি যে চমৎকার বাক-স্বাধীনতার লড়াই করেছিলেন এবং যে নিপীড়ন সহ্য করেছিলেন, তা এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিনকে আমার খুব কাছে নিয়ে এসেছিল। আর যখন শুনলাম যে সন্তান জন্ম দেওয়ার পর তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েছেন, তখন এই তরুণ বিদ্রোহীর জন্য আমি গভীর সহানুভূতি অনুভব করেছিলাম, যিনি সর্বহারা পটভূমি থেকে আসা প্রথম আমেরিকান নারী বিপ্লবীদের একজন। তার প্রতি আমার আগ্রহ কেবল স্পোকেন লড়াইয়ের জন্যই নয়, বরং মা হওয়ার প্রথম মাসগুলোতে এলিজাবেথের ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য তহবিল সংগ্রহে আমার প্রচেষ্টাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছিল। তিনি নিউ ইয়র্কে ফিরে আসার পর থেকে আমরা প্রায়ই সভায় এবং আরও ব্যক্তিগতভাবে একসাথে সময় কাটিয়েছি। এলিজাবেথ নৈরাজ্যবাদী ছিলেন না, তবে তিনি সোশ্যালিস্ট লেবার পার্টি থেকে আসা তার কিছু কমরেডদের মতো গোঁড়া বা বিদ্বেষীও ছিলেন না। আমাদের সার্কেলে তিনি আমাদেরই একজন হিসেবে স্বীকৃত ছিলেন এবং আমি তাকে বন্ধু হিসেবে ভালোবাসতাম।
** [[এমা গোল্ডম্যান]], ''লিভিং মাই লাইফ'' (১৯৩১)
* ফ্লিন পার্টির চেয়ারম্যান হিসেবে জিনের স্থলাভিষিক্ত হন। তিনি ছিলেন সেই পদে নির্বাচিত প্রথম নারী। তিনি ছিলেন একজন সমঝোতামূলক প্রার্থী; বেন ডেভিসও এই পদের জন্য প্রচারণা চালাচ্ছিলেন এবং কৃষ্ণাঙ্গ নেতৃত্বের একটি বড় অংশসহ পার্টির অনেক মানুষ সেই সম্ভাবনায় ভীত ছিল। লিজকে তখন সেরা বিকল্প মনে হয়েছিল। পার্টিতে এলিজাবেথের খুব ইতিবাচক খ্যাতি ছিল। ১৯৩০-এর দশকে যখন তিনি পুনরায় যোগ দেন (তিনি ১৯২০-এর দশকে সংক্ষিপ্তভাবে এবং গোপনে সদস্য ছিলেন), তখন তিনি সরাসরি শীর্ষ নেতৃত্বে চলে আসেন। পদমর্যাদায় উপরে ওঠার লড়াইয়ে অন্যান্য নারীদের যে কঠোর আচরণের প্রয়োজন হতো, তার সেটি করার প্রয়োজন পড়েনি। তিনি মানুষের প্রতি এমনভাবে আন্তরিক ছিলেন যা অধিকাংশ পার্টি নেতার মধ্যে ছিল না। আমি যখনই নিউ ইয়র্কে যেতাম, চেলসি হোটেলে তার সাথে দেখা করার চেষ্টা করতাম যেখানে তিনি থাকতেন। তার রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং জাতীয় অফিসে তার সহকর্মীদের সম্পর্কে তার তীক্ষ্ণ ও নির্ভীক মতামতের কারণে তিনি শোনার মতো একজন ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তিনি জিন ডেনিসকে পছন্দ করতেন কিন্তু ফস্টারের প্রতি সবসময় সমালোচনামূলক ছিলেন। স্পষ্টতই এই বিরোধ অনেক অনেক বছর আগের। ইউনিয়ন সংগঠক হিসেবে তার বীরত্বপূর্ণ অতীতের গ্ল্যামার তাকে মোহিত করতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত তার নিজেরও এমন সব পরিচয় ছিল যা ফস্টারের চেয়ে কোনো অংশে কম প্রভাবশালী ছিল না। তিনি পার্টির জনসম্মুখের মুখ হিসেবে এবং ওবলিদের ঐতিহাসিক অতীত, লরেন্সের "ব্রেড অ্যান্ড রোজেস" ধর্মঘট এবং স্পোকেনের বাক-স্বাধীনতা লড়াইয়ের যোগসূত্র হিসেবে খুব কার্যকর ছিলেন। বিশাল শ্রোতাদের সামনে সহজ ভাষায় কথা বলার এবং তাৎক্ষণিক সম্পর্ক তৈরি করার এক অসাধারণ ক্ষমতা তার ছিল। এটি ছিল পার্টির পুরনো দিনের আন্দোলনকারীদের একটি গুণ—ফ্লিন, ফস্টার এবং ক্ল্যারেন্স হ্যাথওয়ের মতো মানুষের মধ্যে এটি আমার প্রজন্মের চেয়ে অনেক বেশি ছিল। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে লিজের প্রতি আমার মিশ্র অনুভূতি তৈরি হয়েছিল। পার্টির সভাগুলোতে তিনি সবসময় গুস বা সোভিয়েত ইউনিয়নের কাছে অগ্রহণযোগ্য কিছু না বলার বিষয়ে খুব সতর্ক থাকতেন। তিনি আমাকে নিয়ে এবং আমার রাজনীতি আমাকে যে খারাপ পরিণতির দিকে নিয়ে যাবে তা নিয়ে চিন্তিত ছিলেন।
** [[ডরোথি রে হিলি]], ''ক্যালিফোর্নিয়া রেড: আ লাইফ ইন দ্য আমেরিকান কমিউনিস্ট পার্টি'' (১৯৯০)
* আমি এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন এবং পেটিস পেরি ও আমার সকল সহ-অভিযুক্তদের সেই বিশ্বাসে বিশ্বাসী যে, আমেরিকার শ্রমজীবী মানুষ—কৃষ্ণাঙ্গ ও শ্বেতাঙ্গ—অবশ্যই জেগে উঠবে; ভেড়ার মতো নয় বরং তাদের স্বাধীনতার প্রতি সজাগ দৃষ্টি রেখে। তারা নিশ্চিত করবে যে শান্তি জয়ী হবে এবং এই ক্ষয়িষ্ণু স্মিথ অ্যাক্ট, যা অধিকারের সনদকে লঙ্ঘন করে, তা ইতিহাসের পাতা থেকে মুছে যাবে।
** [[ক্লডিয়া জোন্স]], জবানবন্দি (জানুয়ারি ১৯৫৩)
*আমি তোমাকে দেখব সেইসব কচি অঙ্কুরিত চারার মাঝে/যারা আগাছাকে অবজ্ঞা করে—সন্দেহে কুঁকড়ে যাওয়া বার্ধক্যকে/সেইসব ব্যবহারকারীদের যারা গালিগালাজে কলুষিত করে,/সংগ্রামের মধ্য দিয়ে গড়ে তোলা সেবায় নিবেদিত এক সার্থক জীবনকে... আমি তোমাকে চিরদিন মনে রাখব/এবং কীভাবে তোমার আত্মা প্রতিধ্বনিত হয়/কারণ তোমার বিশ্বাস আগুনের শিখার মতো লাফিয়ে ওঠে/যা সবকিছুর জন্য এক মধুর লালন।
** ক্লডিয়া জোন্স, 'বিয়ন্ড কন্টেইনমেন্ট: অটোবায়োগ্রাফিক্যাল রিফ্লেকশনস, এসেস, অ্যান্ড পোয়েমস' গ্রন্থে "টু এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন" কবিতা।
*ডরোথি ডে এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিনকে (যিনি ১৯৩৭ সালে ইউ.এস. কমিউনিস্ট পার্টিতে যোগ দিয়েছিলেন) "শব্দের গভীরতম অর্থে আমার বোন" হিসেবে গণ্য করতেন। ডে লিখেছিলেন, ফ্লিন "সর্বদাই তা-ই করেছেন যা আজকাল সাধারণ মানুষদের করার জন্য তাগিদ দেওয়া হয়। তিনি দরিদ্রদের রক্ষায়, তাদের অন্যায় ও অভাব থেকে বাঁচাতে নিজের ক্ষমতার সবটুকু করার দায়িত্ব অনুভব করতেন" (লং লোনলিনেস, ১৪৫-১৪৬)।
** [[মার্গারেট সি. জোন্স]], 'হেরিটিকস অ্যান্ড হেলরাইজার্স: উইমেন কন্ট্রিবিউটরস টু দ্য মাসেস, ১৯১১-১৯১৭' (১৯৯৩)
*শ্রম আন্দোলনের ইতিহাসের আমার অন্যতম প্রিয় ব্যক্তিত্ব এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন—সেই বিখ্যাত 'রেবেল গার্ল' যাকে নিয়ে জো হিল গান গেয়েছিলেন এবং যিনি নিজের যোগ্যতায় একজন অসাধারণ ইউনিয়ন সংগঠক ছিলেন—ঊনবিংশ শতাব্দীতেই একটি অত্যন্ত সঠিক কথা বলেছিলেন। তথাকথিত রুটি-রুজির অর্থনৈতিক ইস্যুগুলোর সমান গুরুত্ব দিয়ে রাজনৈতিক ও সামাজিক ন্যায়বিচারের দাবিগুলো ধরে রাখার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে তিনি বলেছিলেন: "শ্রমিকের বিজয় আসলে কী? আমি মনে করি এটি একটি দ্বিমুখী বিষয়। পূর্ণাঙ্গ বিজয় অর্জনের জন্য শ্রমিকদের কেবল অর্থনৈতিক সুবিধাই অর্জন করলে চলবে না, তাদের মধ্যে বিপ্লবী চেতনাও থাকতে হবে। শ্রমিকদের দিনে কয়েক সেন্ট বেশি পাওয়া বা কয়েক মিনিট কম কাজ করে সেই একই মানসিকতা এবং সমাজের প্রতি একই দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কাজে ফিরে যাওয়া মানে একটি সাময়িক লাভ অর্জন করা, কোনো স্থায়ী বিজয় নয়।"
** কিম কেলি (সাংবাদিক), 'ফাইট লাইক হেল: দ্য আনটোল্ড হিস্ট্রি অফ আমেরিকান লেবার' (২০২২)
* ফ্লিনের ভাষায়, এটি ছিল "আমেরিকান শ্রম ইতিহাসের এক অতুলনীয় দিন... লরেন্সে তখন ত্রাসের রাজত্ব চলছিল যা আক্ষরিক অর্থেই আমেরিকাকে কাঁপিয়ে দিয়েছিল।"
** কিম কেলি (সাংবাদিক), 'ফাইট লাইক হেল: দ্য আনটোল্ড হিস্ট্রি অফ আমেরিকান লেবার' (২০২২)
*প্রথাগত মার্ক্সবাদী তত্ত্ব অনুযায়ী গৃহিণীদের শ্রেণি সচেতনতা ছিল একটি সমস্যাজনক বিষয়; তারা প্রায়ই আমূল সংস্কারবাদী পুরুষদের কাছে অনির্ভরযোগ্য মিত্র ছিলেন। তাদের সাধারণত কৃষক এবং বুদ্ধিজীবীদের সাথে এমন এক রক্ষণশীল গোষ্ঠী হিসেবে দেখা হতো যারা সর্বহারা পুরুষদের অগ্রযাত্রায় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। নারীদের সমঅধিকার সমস্ত মার্ক্সবাদী আন্দোলনের একটি ঘোষিত লক্ষ্য ছিল, কিন্তু নারী ইস্যুগুলোকে যেভাবে দেখা হতো, তাতে স্পষ্ট বার্তা পাওয়া যেত যে—নারীদের কাজ এই সংগ্রামের ক্ষেত্রে প্রান্তিক বা গৌণ, যদি না তারা পুরুষদের মতো করে কাজ করতে পারদর্শী হয়। প্রখ্যাত এবং উদযাপিত নারী নেত্রীরা—ডলোরেস ইবারুরি (লা পাসিওনারিয়া), মাদার ব্লুর, এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন, ক্লারা লেমলিচ—গৃহিণীদের সংগঠিত করেননি; তারা নারী কারখানা শ্রমিক, নারীদের সহযোগী সংগঠন বা পুরুষদের সংগঠিত করেছিলেন।
** [[গের্ডা লার্নার]], 'ফায়ারউইড: আ পলিটিক্যাল অটোবায়োগ্রাফি' (২০০২)
*যুদ্ধবন্দিদের জন্য আমার সফরের সময় আমি পর্যায়ক্রমে নিউ ইয়র্কে ফিরে আসতাম সংগঠনকে রিপোর্ট দিতে এবং এই কাজে এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন ও অন্যদের সাথে পরামর্শ করতে। এভাবেই আইরিশ লড়াকু পূর্বপুরুষদের সেই লড়াকু কন্যার সাথে আমার দীর্ঘ বছরের মেলামেশা শুরু হয়। ষোলো বছর বয়সেই তিনি আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-তে সক্রিয় ছিলেন এবং জো হিল তাকে নিয়ে একটি ওবলি গান লিখেছিলেন, "দ্য রেবেল গার্ল"। যদিও কমিউনিস্ট পার্টির শুরুর দিনগুলোতে তিনি আমাদের সাথে যোগ দেননি, কিন্তু তিনি আমাদের সাথে খুব ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতেন। পরিশেষে, ওরেগনের পোর্টল্যান্ডে দশ বছর অসুস্থ থাকার পর তিনি নিউ ইয়র্কে ফিরে আসেন এবং পার্টিতে যোগ দেন। আজ তিনি আমাদের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বক্তা এবং আমাদের জাতীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সম্মানিত ও প্রিয় সদস্য। এলিজাবেথের জীবনের গল্প এই দেশের অনেক মহান শ্রমিক সংগ্রামের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে। সর্বত্র শ্রমিকরা তার সুন্দর সুমধুর কণ্ঠস্বর, উজ্জ্বল উদ্দীপনা এবং বিশাল লড়াকু হৃদয়ের কথা জানে। ক্যালুমেট, পাসাইক, প্যাটারসন, লরেন্স—এই সব জায়গার পিকেট লাইন এবং মঞ্চ তাকে চেনে। আজ তার একমাত্র ছেলে ফ্রেডের আকস্মিক মৃত্যুর শোকের ভার বহন করেও তিনি এমন এক বিশ্বের জন্য লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন যেখানে মায়েদের তাদের প্রভুদের স্বার্থ রক্ষার যুদ্ধে অকারণে সন্তান হারাতে হবে না।
** [[এলা রিভ ব্লুর]], 'উই আর মেনি: অ্যান অটোবায়োগ্রাফি' (১৯৪০)
*যে নারীর প্রতি আমার গভীরতম শ্রদ্ধা ছিল, তিনি অবশ্যই এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন।
** [[এমা তেনাইউকা]], সাক্ষাৎকার (১৯৮৭)
*তিনি তার এই বিস্ময়কর রেকর্ডের সূচনা করেছিলেন পনেরো বছর বয়সে রাস্তার মোড়ে গ্রেপ্তার হওয়ার মাধ্যমে। তার বাবাও তার সাথে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। এরপর থেকে তার বাবা আর কখনও গ্রেপ্তার হননি। এটি ছিল তার জন্য কেবল শুরু। বিচারক কৌতূহলী হয়ে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, "তুমি কি ব্রডওয়েতে কথা বলে মানুষকে সমাজতন্ত্রে দীক্ষিত করার আশা করো?" তিনি বিচারকের দিকে তাকালেন এবং গম্ভীরভাবে উত্তর দিলেন, "অবশ্যই করি।" বিচারক করুণায় দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন, "মামলা খারিজ।"
** [[মেরি হিটন ভোর্স]] (১৯২৬), গের্ডা লার্নার সম্পাদিত 'দ্য ফিমেল এক্সপেরিয়েন্স: অ্যান আমেরিকান ডকুমেন্টারি' গ্রন্থে সংকলিত।
*তিনি আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-তে যোগ দিয়েছিলেন যখন সেটি তার সোনালী যুগে ছিল। আদর্শবাদে পূর্ণ এই আন্দোলন উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলকে প্লাবিত করেছিল। সব জায়গায় তাদের বাক-স্বাধীনতার লড়াই চলছিল। কর্তৃপক্ষ তাদের গ্রেপ্তার করত এবং আরও বেশি মানুষ আসত। তারা জেলখানাগুলোকে জনাকীর্ণ করে ফেলেছিল। এলিজাবেথ বলেছিলেন, "একটি শহরে জেলে এত বেশি মানুষ ছিল যে দিনের বেলা তাদের ছেড়ে দেওয়া হতো। বাইরের আমাদের তাদের খাওয়াতে হতো। প্রতি রাতে তারা আবার জেলে ফিরে যেত। অবশেষে ওবলিরা সিদ্ধান্ত নিল যে জেলের দরজা খুললেও তারা বের হবে না। দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ সেইসব ওবলিদের দেখতে আসত যারা জেল ছাড়তে রাজি ছিল না।" তার জীবনের এই অংশটি—পশ্চিমের যাযাবর শ্রমিকদের সংগঠিত করা এবং তাদের হয়ে লড়াই করা—তার জীবনের সেই অংশ যা তিনি সবচেয়ে বেশি পছন্দ করেন।
** মেরি হিটন ভোর্স (১৯২৬), গের্ডা লার্নার সম্পাদিত 'দ্য ফিমেল এক্সপেরিয়েন্স: অ্যান আমেরিকান ডকুমেন্টারি' গ্রন্থে সংকলিত।
*প্রতিরক্ষার কাজ তার কাছে নতুন কিছু ছিল না এবং ১৯১৮ সাল থেকে ইদানীংকাল পর্যন্ত তার প্রধান কাজ ছিল রাজনৈতিক বন্দিদের জেল থেকে মুক্ত করা। আর ১৯২১ সাল থেকে তিনি স্যাকো-ভানজেত্তি মামলার ওপর মনোযোগ নিবদ্ধ করেছেন। সেখানে ছিল নিরন্তর কাজ, ছিল গ্রেপ্তার এবং তার আদর্শের জন্য বন্দি হওয়া কমরেডদের নিয়ে তার নিরন্তর ব্যস্ততা। শ্রমিক আন্দোলনে তার প্রথম বিশ বছর পার করার পরও তিনি অম্লান এবং নিরুৎসাহহীন।
** মেরি হিটন ভোর্স (১৯২৬), গের্ডা লার্নার সম্পাদিত 'দ্য ফিমেল এক্সপেরিয়েন্স: অ্যান আমেরিকান ডকুমেন্টারি' গ্রন্থে সংকলিত।
*প্রগতিশীল বা আমূল সংস্কারবাদী আন্দোলনে সক্রিয় যেসব সুন্দরী নারীর সাথে আমার দেখা হয়েছে, তাদের সুন্দর স্মৃতি ছাড়া যদি মনে রাখার মতো আর কিছু না-ও থাকত, তবুও জীবন সার্থক হতো। আমি এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিনের প্রেমে পড়েছিলাম যখন একজন তরুণী হিসেবে তিনি তার স্পষ্ট ও সুমধুর কণ্ঠে হাজার হাজার মানুষকে সামাজিক বিদ্রোহের আদর্শে উদ্বুদ্ধ করেছিলেন।
** [[আর্ট ইয়াং]], 'হিজ লাইফ অ্যান্ড টাইমস' (১৯৩৯)
*বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকের সেইসব বিপ্লবীদের শক্তি ও উদ্দীপনার আঁচ পাওয়া যায় কেবল এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিনের পুলিশের রেকর্ড বা অপরাধের তালিকার দিকে তাকালে।
** [[হাওয়ার্ড জিন]], 'আ পিপলস হিস্ট্রি অফ দ্য ইউনাইটেড স্টেটস'
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:শ্রমিক নেতা]]
[[বিষয়শ্রেণী:শ্রমিক আন্দোলনকর্মী]]
[[বিষয়শ্রেণী:নারী অধিকার কর্মী]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নারী সক্রিয়কর্মী]]
[[বিষয়শ্রেণী:কমিউনিস্ট পার্টি ইউএসএ-এর সদস্য]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নারীবাদী]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আত্মজীবনীকার]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক লেখক]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লেখিকা]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমাজতন্ত্রী]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাক-স্বাধীনতা আন্দোলনকর্মী]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাম্যবাদী]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৮৯০-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৬৪-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯শ শতাব্দীতে জন্মগ্রহণকারী নারী]]
[[বিষয়শ্রেণী:নিউ হ্যাম্পশায়ারের ব্যক্তি]]
a3rksz4qyj78i7cazc6314y9olxkku3
83274
83273
2026-05-02T18:12:21Z
Tuhin
172
83274
wikitext
text/x-wiki
[[File:Elizabeth Gurley Flynn point (cropped).jpg|thumb|এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন]]
'''[[w:bn:এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন|এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন]]''' (৭ আগস্ট ১৮৯০ – ৫ সেপ্টেম্বর ১৯৬৪) ছিলেন একজন [[w:bn:শ্রমিক নেতা|শ্রমিক নেতা]], সক্রিয়কর্মী এবং [[w:bn:নারীবাদী|নারীবাদী]] যিনি [[w:bn:ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়ার্কার্স অফ দ্য ওয়ার্ল্ড|ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়ার্কার্স অফ দ্য ওয়ার্ল্ডে]] অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন। ফ্লিন [[w:bn:আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়ন|আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়নের]] একজন প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং [[নারীর অধিকার]], [[জন্ম নিয়ন্ত্রণ]] এবং [[w:bn:নারী ভোটাধিকার|নারী ভোটাধিকারের]] একজন বিশিষ্ট প্রবক্তা ছিলেন। তিনি ১৯৩৬ সালে [[w:bn:কমিউনিস্ট পার্টি ইউএসএ|কমিউনিস্ট পার্টি ইউএসএ]]-তে যোগ দেন এবং জীবনের শেষভাগে, ১৯৬১ সালে এর সভানেত্রী হন।
== উক্তি ==
===[https://speakingwhilefemale.co/jobs-flynn2/ "দ্য ওয়ার্কিং ক্লাস"] (২৯ জুন, ১৯০৯)===
* ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়ার্কার্স অফ দ্য ওয়ার্ল্ড হলো শ্রমিক সংগঠনের একটি নতুন রূপ, যা কেবল শিল্প শ্রমিক শ্রেণি এবং শুধুমাত্র সেই শ্রেণির জন্যই কাজ করে।
* এই দেশের শ্রমিক শ্রেণি এমন এক পরিস্থিতির দিকে তাকিয়ে আছে যেখানে সারা বিশ্বের চাহিদা মেটানোর মতো প্রাকৃতিক সম্পদ বিদ্যমান। তারা এমন এক শিল্প পরিস্থিতির দিকে তাকিয়ে আছে যা এমন সব যন্ত্রপাতি উদ্ভাবন করেছে যা খুব সামান্য শ্রম ব্যয়ে এই প্রাকৃতিক সম্পদগুলোকে প্রয়োজনীয় পণ্য বা বিলাসদ্রব্যে রূপান্তর করতে সক্ষম। তবুও তা সত্ত্বেও এবং যারা পরিশ্রম করে তাদের দ্বারা সম্ভব হওয়া উৎপাদনশীলতা এবং পৃথিবীর প্রাকৃতিক প্রাচুর্য সত্ত্বেও, আমাদের এই দেশে মানুষ না খেয়ে মরছে এবং পঞ্চাশ লক্ষ মানুষ বেকার। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে দশ লক্ষেরও বেশি শিশু শ্রমিক, নিউ ইয়র্ক সিটিতে সত্তর হাজার এবং শিকাগোতে পঞ্চাশ হাজার শিশু সকালে নাস্তা না খেয়ে স্কুলে যায়। আমাদের এমন এক অবস্থা যেখানে অধিকাংশ মানুষ সম্পদহীন শ্রেণি, যারা কোনো জমির মালিক নয়, যারা সেই উৎপাদনশীল যন্ত্রপাতির কোনোটিই নিয়ন্ত্রণ করে না, যারা এই স্বাধীন দেশে এবং সাহসীদের আবাসভূমিতে নিজের শ্রমশক্তি অর্থাৎ নিজের কাজ করার ক্ষমতা ছাড়া আর কিছুই নিয়ন্ত্রণ করে না।
* আজ শ্রমিক শ্রেণির কাছে কেবল এমন কিছু পরিস্থিতি রয়েছে যা তারা নিজেরা প্রতিকার করার অবস্থানে আছে। তাদের কাছে কেবল কিছু মিথ্যা পরিস্থিতি রয়েছে, যা প্রকৃতির সৃষ্টি নয় বরং মানুষের তৈরি, যা তারা নিজেরা উৎখাত করতে পারে।
* আমাদের যা কিছু আছে তা হলো কাজ করার ক্ষমতা এবং পুঁজিবাদী শ্রেণির কাছে সেই একটি পণ্যই নেই। তাদের কারখানা আছে, জমি আছে, রেলপথ আছে কিন্তু তাদের কাছে শ্রমশক্তি নেই, যা সম্পদ তৈরির আসল ক্ষমতা।
* স্যামুয়েল গম্পার্স হলো মালিকদের বন্ধু।
* আমাদের আছে শুধু আমাদের সংগঠন, সহকর্মীবৃন্দ। তাদের আছে পুঁজি, তাদের আছে সরকারের ক্ষমতা, পুঁজিবাদী শ্রেণীর সংগ্রামী গোষ্ঠী; তাদের আছে রাষ্ট্রের ক্ষমতা; তাদের আছে আন্তর্জাতিক পুঁজির ক্ষমতা — আর আমাদের আছে শুধু আমাদের সাংগঠনিক শক্তি।
==="দ্য ট্রুথ অ্যাবাউট দ্য প্যাটারসন স্ট্রাইক" (১৯১৪)===
''আউটস্পোকেন উইমেন'' (১৯৮৪) সংকলন থেকে। ক্যাপশন: "নিচের ভাষণটি ১৯১৪ সালের ৩১শে জানুয়ারি নিউ ইয়র্ক সিটির নিউ ইয়র্ক সিভিক ক্লাব ফোরামে প্রদান করা হয়েছিল। এর টাইপস্ক্রিপ্টটি মিশিগানের অ্যান আর্বারে অবস্থিত ইউনিভার্সিটি অফ মিশিগান লাইব্রেরির লাবাদি কালেকশনে সংরক্ষিত রয়েছে।"
* আমি মনে করি আমাদের অনেক সমালোচকই সেইসব মানুষ যারা ঘরে বসে বিছানায় বিশ্রাম নিচ্ছিলেন যখন আমরা ধর্মঘটের কঠিন কাজগুলো করছিলাম।
* শ্রমিকদের বিজয় আসলে কী? আমি মনে করি এটি একটি দ্বিমুখী বিষয়। একটি পূর্ণাঙ্গ বিজয় অর্জনের জন্য শ্রমিকদের অবশ্যই অর্থনৈতিক সুবিধা অর্জন করতে হবে। একই সাথে তাদের মধ্যে বৈপ্লবিক চেতনাও জাগ্রত হতে হবে। শ্রমিকরা দিনে কয়েক সেন্ট মজুরি বেশি পেল বা কয়েক মিনিট কম কাজ করল, কিন্তু সেই একই মানসিকতা নিয়ে কাজে ফিরল। সমাজের প্রতি তাদের দৃষ্টিভঙ্গি যদি একই থাকে, তবে সেটি কেবল একটি সাময়িক লাভ। এটি কোনো স্থায়ী বিজয় নয়। শ্রমিকরা যদি শ্রেণি-সচেতন চেতনা এবং একটি সংগঠিত ও দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ মনোভাব নিয়ে কাজে ফেরে, তবেই সেটি প্রকৃত জয়। এর ফলে তাৎক্ষণিক কোনো অর্থনৈতিক লাভ না হলেও ভবিষ্যতে তা অর্জনের সম্ভাবনা তৈরি হয়। অন্য কথায়, শ্রমিকের বিজয়কে অবশ্যই অর্থনৈতিক এবং বৈপ্লবিক হতে হবে। তা না হলে সেটি পূর্ণাঙ্গ হয় না।
* একটি শ্রমিক বিজয় অবশ্যই দ্বিমুখী হতে হবে, তবে যদি কেবল একটি পাওয়া সম্ভব হয় তবে অর্থনৈতিক সুবিধার চেয়ে চেতনা অর্জন করা অনেক বেশি ভালো।
* আমাদের কাজ ছিল শিক্ষিত করা এবং অনুপ্রাণিত করা। শিক্ষা কোনো তাৎক্ষণিক পরিবর্তন নয়, বরং এটি একটি প্রক্রিয়া। শ্রমিকদের সামনে দেওয়া একটি মাত্র ভাষণ তাদের সারা জীবনের সংস্কারগুলো দূর করে দেয় না। আমাদের জাতীয় বিষয়গুলো নিয়ে কুসংস্কার ছিল। বিভিন্ন পেশার মধ্যে এবং নারী-পুরুষের প্রতিযোগিতার মধ্যেও সংস্কার ছিল। আমাদের এই সবকিছুই কাটিয়ে উঠতে হয়েছিল।
* ধর্মঘটের ক্ষেত্রে উদ্দীপনা মানে হলো সেই ধর্মঘট এবং তার মাধ্যমে হওয়া শ্রেণী সংগ্রামকে তাদের ধর্মে পরিণত করা। তারা যে সামান্য কয়েক সেন্ট মজুরি বা কয়েক ঘণ্টা সময়ের জন্য লড়ছে, সেই কথাটি তাদের ভুলিয়ে দিতে হবে। তাদের মনে এই অনুভূতি জাগিয়ে তুলতে হবে যে এই ধর্মঘটে জয়ী হওয়া তাদের একটি "ধর্মীয় দায়িত্ব"। আমাদের কাজের মূলে ছিল এই দুটি বিষয়। তাদের মধ্যে সংহতি এবং শ্রেণী-সচেতনতার বোধ তৈরি করা।
* আমি বলছি না যে সহিংসতা ব্যবহার করা উচিত নয়। তবে যেখানে এর কোনো প্রয়োজন নেই, সেখানে আমাদের এটি অবলম্বন করারও কোনো কারণ নেই।
* শারীরিক সহিংসতা নাটকীয় মনে হয়। বিশেষ করে যখন আপনি এটি নিয়ে কেবল কথা বলেন কিন্তু বাস্তবে প্রয়োগ করেন না, তখন এটি বেশি নাটকীয় লাগে। তবে ধর্মঘট পরিচালনার ক্ষেত্রে প্রকৃত সহিংসতা এখন একটি সেকেলে পদ্ধতি। সমস্ত শিল্প-কারখানাকে অচল করে দেওয়ার মতো গণ-আন্দোলন অনেক বেশি আধুনিক এবং ভীতিকর পদ্ধতি। এর মানে এই নয় যে আত্মরক্ষার জন্য সহিংসতা ব্যবহার করা যাবে না। আত্মরক্ষার জন্য সহিংসতার প্রয়োজনীয়তা সবাই বিশ্বাস করে। ধর্মঘটীদের এটি আলাদা করে বলে দেওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে মূল বিষয়টি হলো ধর্মঘটে জেতার উপায় হলো নিজের হাত পকেটে রেখে কাজ করতে অস্বীকার করা।
* যদি রবিবারে আপনি সেই মানুষগুলোকে বাড়িতে থাকতে দেন, তবে তারা আগুনহীন চুলার পাশে বসে থাকবে। তারা এমন টেবিলে খেতে বসবে যেখানে খুব বেশি খাবার নেই। তারা দেখবে সন্তানদের জুতো ছিঁড়ে পাতলা হয়ে গেছে এবং তাদের পোশাকগুলোও জীর্ণ হয়ে যাচ্ছে। তখন তারা কেবল "নিজের" কথা ভাবতে শুরু করবে। এতে তাদের মধ্যে থাকা গণ-চেতনা হারিয়ে যাবে এবং সবাই যে তাদের মতোই কষ্ট পাচ্ছে সেই উপলব্ধি তারা হারাবে। সপ্তাহের প্রতিদিন এবং বিশেষ করে রবিবারে তাদের কাজে ব্যস্ত রাখতে হবে। এটি করা প্রয়োজন যাতে তাদের মনোবল শূন্যে নেমে না যায়। আমি মনে করি পাদ্রিরা রবিবারে এই কারণেই ধর্মোপদেশ দেন যাতে মানুষ সপ্তাহের বাকি দিনগুলো তাদের অবস্থা কতটা খারাপ ছিল তা ভাবার সুযোগ না পায়। যাই হোক, ধর্মঘটের সময় এটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি বিষয়।
* প্রকৃতপক্ষে প্রতিটি ধর্মঘটের এটি একটি জরুরি প্রক্রিয়া। মানুষকে সবসময় ব্যস্ত রাখা এবং তাদের সক্রিয় রাখা প্রয়োজন যাতে তারা সারিবদ্ধ লড়াইয়ের যোদ্ধা হিসেবে কাজ করতে পারে। আন্দোলনকারীর কাজ হলো বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রমের পরিকল্পনা করা এবং পরামর্শ দেওয়া যা পুরোপুরি ধর্মঘটের ওপর নিবদ্ধ থাকবে। এই কারণেই আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. বড় বড় জনসভা, নারী সমাবেশ এবং শিশুদের সমাবেশের আয়োজন করে। আমরা কেন বড় আকারে পিকেটিং এবং গণ-অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার আয়োজন করি তার কারণও এটিই। এই নিরবচ্ছিন্ন গণ-কার্যক্রমের মাধ্যমেই আমরা শ্রমিকদের মনে "একজনের জন্য সবাই এবং সবার জন্য একজন" এই অনুভূতি তৈরি করতে পারি। আমরা তাদের বোঝাতে সক্ষম হই যে একজনের ক্ষতি মানেই সবার ক্ষতি। আমরা তাদের এমন এক পর্যায়ে নিয়ে আসতে পারি যেখানে তারা ধর্মঘটের ভাতার চেয়ে পারস্পরিক সহায়তার ওপর বেশি ভরসা করবে। তারা জরিমানা দিতে অস্বীকার করে একসাথে শত শত মানুষ জেলে যাবে।
* এই অনবরত সক্রিয়তাই হলো একজন আন্দোলনকারীর কাজ। তাদের নতুন কী কাজ দেওয়া যায় তা ভাবতে গিয়ে আমরা অনেক রাত জেগে কাটিয়েছি। লরেন্সের কথা মনে পড়ে যখন আমাদের কেউ এক রাত ঘুমাতে পারিনি। কাজের অভাবে ধর্মঘটের উদ্দীপনা তখন কমে যাওয়ার ঝুঁকিতে ছিল। আমার মনে আছে [[বিল হেউড]] শেষ পর্যন্ত বলেছিলেন, "চলো এসেক্স স্ট্রিটে পিকেট লাইন তৈরি করি। প্রতিটি ধর্মঘটী একটি করে ছোট লাল ফিতা পরবে এবং রাস্তায় পায়চারি করে বুঝিয়ে দেবে যে ধর্মঘট ভেঙে যায়নি।" কয়েক দিন পর সেই পরামর্শ কার্যকর করা হয়। যখন তারা বাড়ি থেকে বেরিয়ে নিজেদের বিশাল সংখ্যাটি দেখল, তখন তারা নতুন শক্তি ও উদ্যম ফিরে পেল। এটি তাদের ধর্মঘটকে আরও অনেক সপ্তাহ এগিয়ে নিতে সাহায্য করেছিল।
* মানুষ কাজের মাধ্যমেই কাজ শেখে। ধর্মঘটে আমাদের কোনো সামরিক বাহিনী নেই যাকে "এটি করো" বা "ওটি করো" বললেই তারা নিখুঁতভাবে মেনে চলবে। গণতন্ত্রের মানে হলো ভুল করা এবং অনেক ভুল করা। তবে এর মানে অভিজ্ঞতা অর্জন করাও যাতে সেই ভুলগুলোর পুনরাবৃত্তি না হয়।
* নিয়োগকর্তারা আপনার বাহিনীর সবটুকু দেখতে পান। কিন্তু আপনি তাদের বাহিনীর কিছুই দেখতে পান না এবং কেবল তাদের অবস্থা অনুমান করতে পারেন।
===[https://www.marxists.org/subject/women/authors/flynn/1916/patriotism.htm "ডু ইউ বিলিভ ইন প্যাট্রিওটিজম?"] (মার্চ, ১৯১৬)===
''দ্য মাসেস'' পত্রিকায় প্রকাশিত।
* প্রশ্নটি কি এমন হওয়া উচিত 'আমেরিকা আগে' নাকি 'দুনিয়ার মজদুর, এক হও!'
* যাদের এই দেশ আছে, যারা যুদ্ধের প্রস্তুতির জন্য চিৎকার করছে এবং তা থেকে মুনাফা লুটছে, তাদের নিজেদের সম্পদ রক্ষার জন্য তাদেরকেই লড়তে দাও।
* আমি রাজা বা কাইজারের শাসনের মতো [[রকফেলার]] এবং [[মরগান|মরগানের]] শাসনকেও ঘৃণা করি। বেলজিয়ামের ঘটনায় আমি যতটা ক্ষুব্ধ, লুডলো এবং ক্যালুমেটের ঘটনায় আমি ততটাই লজ্জিত ও ক্ষুব্ধ।
* আমাদের শ্রমিকদের অধিকাংশ হলো বিদেশি, যারা এক বা দুই প্রজন্ম আগে এখানে এসেছে। তাদের ইউরোপীয় পারিবারিক টান এবং আমেরিকান পরিবেশের কারণে এই বৈচিত্র্যময় জনগোষ্ঠীর জন্য আন্তর্জাতিকতাবাদই যৌক্তিক দেশপ্রেম হয়ে ওঠে।
* যে ট্রেনে বসে আমি এই লেখাটি লিখছি, সেটি এমন সব কারখানার পাশ দিয়ে দ্রুত বেগে ছুটে চলেছে যেখানে সোনার বিনিময়ে হত্যার সরঞ্জাম তৈরি করা হয়।
===[https://www.marxists.org/subject/women/authors/flynn/1941/mayday.htm "মে ফার্স্ট: দ্য সান অফ টুমরো"] (৬ মে, ১৯৪১)===
* এটি জাতি, ধর্ম, বর্ণ এবং জাতীয়তার সমস্ত পার্থক্যকে মুছে দেয়। এটি সর্বত্র সকল শ্রমিকের ভ্রাতৃত্বকে উদযাপন করে। এটি সমস্ত জাতীয় সীমানা অতিক্রম করে, সমস্ত ভাষার বাধা পেরিয়ে যায়, সমস্ত ধর্মীয় বিভেদকে উপেক্ষা করে। এটি সারা বিশ্বে সমস্ত শ্রমিক এবং সমস্ত শোষণকারীদের মধ্যে অলঙ্ঘনীয় ফাটলকে স্পষ্ট করে তোলে। এটি সেই দিন যখন শ্রেণি সংগ্রামের লড়াকু তাৎপর্য প্রতিটি সচেতন শ্রমিকের মাধ্যমে পুনরায় নিশ্চিত হয়।
* জ্ঞানদীপ্ত শ্রমিকের কাছে এই দিনটি একটি নতুন বিশ্ব, একটি শ্রেণিহীন বিশ্ব, একটি শান্তিপূর্ণ বিশ্ব, দারিদ্র্য বা দুঃখহীন বিশ্বের পূর্বাভাস। এটি সমাজতন্ত্রের এক উজ্জ্বল প্রতিশ্রুতি, মানবজাতির প্রকৃত ভ্রাতৃত্ব। ১৯৪১ সালের এই দিনে লেনিনের সেই বিজ্ঞ বাণী “জীবন নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করবেই। কমিউনিস্টদের অবশ্যই জানতে হবে যে ভবিষ্যৎ তাদেরই,” ব্রাউডার এবং থেলম্যান ও আরও অসংখ্য মানুষের একাকী জেলখানাকে আলোকিত করবে। কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পগুলোতে বিপ্লবী গানের মৃদু সুর শোনা যাবে। সমুদ্রে, সামরিক ব্যারাকে, কারখানা বা কলের জবরদস্তিমূলক শ্রমে নিযুক্ত শ্রমিকদের হৃদস্পন্দন তাদের সাথে মিলে যাবে যারা বহুদূরে মস্কোর রেড স্কয়ারে উত্তাল সংগীতের তালে লাল পতাকার পেছনে আনন্দভরে প্যারেড করছে। ইউরোপের পরিখায় থাকা সৈনিকরা, ফ্রাঙ্কোর অন্ধকূপের বন্দিরা, হিটলারের নরককুণ্ডের এবং মুসোলিনির কারাগারের বন্দিরা দাঁতে দাঁত চেপে বিড়বিড় করে বলবে, “তোমাদের দিন ফুরিয়ে আসছে। তোমরা জনগণের চূড়ান্ত বিজয় রুখতে পারবে না!”
* মে দিবস আমেরিকান শ্রমিকদের রক্তে দীক্ষিত হয়েছিল।
* ফাঁসির দড়ি গলায় শক্ত হওয়ার সময় [[আলবার্ট পারসন্স|পারসন্স]] চিৎকার করে বলেছিলেন, "জনগণের কণ্ঠস্বর শুনতে দাও!" গতকালের বীর শহিদ, মে দিবসে এই কণ্ঠস্বর শোনা গেছে এবং সবসময় শোনা যাবে! এই বছর শিকাগোর ইন্টারন্যাশনাল হারভেস্টার ওয়ার্কসের নবসংগঠিত বিজয়ী ধর্মঘটীরা মে মাসের এক তারিখে তোমাদের নামকে পবিত্র করবে।
* জার্মানির সাহসী সমাজতন্ত্রী নারী [[রোজা লুক্সেমবার্গ]], যাকে পরে সামরিকবাদীরা নির্মমভাবে হত্যা করেছিল, ১৯১৩ সালে বিশ্বযুদ্ধের বিরুদ্ধে সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন। তিনি মে দিবসকে শান্তি ও সমাজতন্ত্রের জন্য এক শক্তিশালী গণবিক্ষোভে পরিণত করার আহ্বান জানিয়েছিলেন। “দুনিয়ার মজদুর, এক হও!” মে দিবসে এটিই ছিল জোরালো দাবি। প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে চাপ দেওয়া হয়েছিল এবং প্রতিটি দেশে ও আন্তর্জাতিকভাবে আরও বেশি লড়াকু স্লোগান তোলা হয়েছিল।
* কেবল শ্রমিকদের জন্যই আন্তর্জাতিকতাবাদী হওয়া নিষেধ। অথচ [[জে. পি. মরগান]] এবং [[হেনরি ফোর্ড]]ের মতো ব্যক্তিদের জন্য এটি একদম স্বাভাবিক বিষয়। ব্যাংকার, অস্ত্র ব্যবসায়ী এবং রাসায়নিক কোম্পানিগুলোর জন্য এটি মানানসই। বিজ্ঞানী, ডাকটিকিট সংগ্রাহক, ক্রীড়া সংস্থা, সঙ্গীতশিল্পী এমনকি যারা মৌমাছি পালন করেন তাদের জন্য আন্তর্জাতিকতাবাদী হওয়া ঠিক আছে। কিন্তু শ্রমিকদের জন্য নয়। যখনই শ্রমিকরা সীমান্ত পেরিয়ে একে অপরের হাত ধরে, তখনই সব দেশে তাদের ওপর আঘাত হানা হয়। নৃতত্ত্ববিদরা যখন দুর্বোধ্য ভাষায় বলেন যে "পৃথিবীতে কেবল একটিই জাতি আছে আর তা হলো মানবজাতি", তখন সবাই তা মেনে নেয়। কিন্তু একজন শ্রমিক যখন অন্যকে "ভাই" বা "কমরেড" বলে সম্বোধন করে, তখনই বিপদ নেমে আসে। তাকে যেখান থেকে এসেছে সেখানে ফেরত পাঠানোর দাবি ওঠে। তার নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া হয়। তাকে চাকরি হারাতে হয় এবং কারাবরণ করতে হয়। যদি যিশুর মতো কোনো কণ্ঠ তাদের চ্যালেঞ্জ করে জিজ্ঞেস করে যে "নিজের মতো করে প্রতিবেশীকে ভালোবাসার কী হবে?", তখন টেক্সাসের সেই বন্য লোকটি গর্জে উঠবে। সে বলবে যে "কে এ কথা বলেছে? সে নিশ্চয়ই একজন লালপন্থী এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী!" আমাদের এই উন্মাদনায় মোটেও বিচলিত হওয়া উচিত নয়। আমাদের লেনিনের সেই শান্ত কথাগুলো মনে রাখা উচিত। তিনি বলেছিলেন যে বুর্জোয়ারা ঠিক সেভাবেই আচরণ করছে যেমনটি ইতিহাসে মৃত্যু দণ্ডপ্রাপ্ত প্রতিটি শ্রেণী করে থাকে। সংহতি ও আশার প্রতিটি সুন্দর মে দিবস আমাদের দীর্ঘমেয়াদী দৃষ্টিভঙ্গি লালন করার কথা মনে করিয়ে দেয়। সামনের রাস্তা হয়তো অনেক বেশি বন্ধুর হতে পারে, কিন্তু এটি পেছনের রাস্তার চেয়ে অনেক ছোট।
* মে দিবসে আমরা সোভিয়েত ইউনিয়নকে অভিবাদন জানাই। এটি সমাজতন্ত্রের দেশ এবং শান্তি ও প্রাচুর্যের দেশ। অনাদিকাল থেকে এটি শ্রমজীবী মানুষের এক মহান আদর্শ। এটি সকল মেহনতি মানুষের এক সহযোগিতামূলক সাধারণতন্ত্র।
* যুদ্ধবাজরা চিৎকার করুক এবং মুনাফালোভীরা আস্ফালন করুক। মে দিবসে আমেরিকার লক্ষ লক্ষ শ্রমিক জবাব দিচ্ছে যে "আমরা বিচলিত হব না"। যতক্ষণ আমরা সংগঠিত হচ্ছি এবং লড়াই করছি, ততক্ষণ হতাশ হওয়ার বা ক্লান্ত হওয়ার কিছু নেই। আমরা যা জয় করেছি তা যতক্ষণ শক্ত হাতে ধরে রাখছি এবং আরও অর্জনের জন্য এগিয়ে যাচ্ছি, ততক্ষণ ভয়ের কিছু নেই। আমেরিকার ছিয়াশি শতাংশ মানুষের মধ্যে যুদ্ধবাজ রুজভেল্ট-উইলকি গোষ্ঠীর প্রতি যতক্ষণ অটল প্রতিরোধ আছে, ততক্ষণ বিজয় আমাদেরই। সংগঠিত হও। লড়াই করো। সামনের দিকে এগিয়ে যাও। এটাই ১৯৪১ সালে আমেরিকার মে দিবসের চেতনা।
* যুদ্ধে অংশ না নেওয়ার জন্য সংগঠিত হোন এবং লড়াই করুন! আমেরিকানসহ সকল সাম্রাজ্যবাদ ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে!
* ১৯৪১ সালের পহেলা মে বিশ্বজুড়ে লক্ষ লক্ষ মানুষের হৃদয়ে, মনে এবং মুখে শান্তি ও সমাজতন্ত্রের কথা ধ্বনিত হচ্ছে। “আগামীকালের সূর্য” আমাদের ওপর আলোকিত হচ্ছে। ভবিষ্যৎ আমাদের।
=== আদালতে ভাষণ, স্মিথ অ্যাক্টের অধীনে অভিযুক্ত (১৯৫২) ===
এস. মিশেল নিক্স সম্পাদিত ''উইমেন অ্যাট দ্য পডিয়াম: মেমোরবল স্পিচেস ইন হিস্ট্রি'' গ্রন্থ থেকে।
* আমি বা আমার কমরেডদের কেউই বলপ্রয়োগ ও সহিংসতার মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকারকে উৎখাত করার কোনো ষড়যন্ত্রে দোষী নই। মৌনতাকে পরাজয়বাদ হিসেবে গণ্য করা হতে পারে, কিন্তু সত্য হলো আমি আমাদের নির্দোষিতার বিষয়ে এতটাই শান্ত ও সচেতন যে, আমাকে কারারুদ্ধ করা যেতে পারে কিন্তু আমাকে সংশোধন করা, সংস্কার করা বা পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। আমার শরীরকে বন্দি করা যেতে পারে কিন্তু আমার চিন্তাভাবনা স্বাধীন ও অপ্রভাবিত থাকবে। সমগ্র মানব ইতিহাস প্রমাণ করেছে যে ধারণা বা চিন্তাকে কারাগারে বন্দি করা যায় না। সেগুলোর মোকাবিলা কেবল জনসমক্ষে আলোচনার মাধ্যমেই সম্ভব।
* পুঁজিবাদী ব্যবস্থার অধীনে যে রাজনৈতিক, শিল্পগত ও সামাজিক পরিস্থিতি আমাদের চিন্তাধারা তৈরি করেছিল, তা এখনও বিদ্যমান। এগুলো অসংখ্য মানুষের মনে একই ধরনের চিন্তা তৈরি করবে এবং আমাদের বিশ্বাসকে আরও শক্তিশালী করবে। কারাগার কখনোই সেইসব দৃঢ়প্রতিজ্ঞ মানুষকে প্রভাবিত করতে পারে না যারা নিজেদের আদর্শের জন্য বাঁচে, কাজ করে এবং প্রয়োজনে মৃত্যুবরণ করে। আমরা কমিউনিস্টরা তেমনই মানুষ। মিথ্যা, হিস্টিরিয়া, কুসংস্কার এবং বিশেষ করে ভয়ের কুয়াশা একবার কেটে গেলে আমি আমেরিকার মানুষের চূড়ান্ত ন্যায়বিচারের ওপর আস্থা রাখি। নিজের দেশকে ভয়ের কবলে দেখা এক ভয়াবহ বিষয়। এই ভয় অপ্রয়োজনীয়, নির্বোধ এবং মূর্খতাপূর্ণ। এটি কাল্পনিক শত্রুর ভয়, আমাদের মিত্র ও বন্ধুদের ভয়। এটি গুপ্তচরদের আঙুল তোলার ভয় এবং নিজের চাকরি, নাগরিকত্ব বা সমাজে নিজের অবস্থান হারানোর ভয়। বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার অপচয়কারী এবং দম্ভোক্তি ও দমন-পীড়নকারী এই পুরো সরকারি আমলাতন্ত্র আসলে ভয়ের অন্ধকারে দাঁড়িয়ে শিস দিচ্ছে এবং পুরো পৃথিবীকে আমাদের ভয়ে আতঙ্কিত করার চেষ্টা করছে।
* মুষ্টিমেয় কিছু আতঙ্কিত ধনীর মাধ্যমেই এই সংক্রমণ ছড়িয়েছে। এরা সেইসব ট্রাস্টের লোক যারা নিজেদের দেশের চেয়ে শেয়ার আর বন্ডকে বেশি ভালোবাসে। তাদের দেশপ্রেম সবসময় মুনাফার হারের ওপর নির্ভরশীল। তারা কেবল নিজের দেশের মানুষ নয়, বরং পুরো মানবজাতিকে শাসন ও শোষণ করতে এবং তাদের বিরুদ্ধে সহিংসতা চালাতে চায়। নিজেদের নীচ ও স্বার্থপর শাসনব্যবস্থা এবং জীবনধারা বজায় রাখার জন্য তারা পারমাণবিক যুদ্ধের মাধ্যমে পুরো পৃথিবীকে রক্তগঙ্গায় ভাসিয়ে দিতেও দ্বিধা করবে না। এই পদ্ধতি তারা এমন সব মানুষের ওপর চাপিয়ে দিতে চায় যারা এটি চায় না। বিপদ যত বড়ই হোক না কেন, আমার বিশ্বাস যে আমাদের দেশে ফ্যাসিবাদের জয় কখনোই হবে না। ১৯৩৫ সাল থেকে সেই বিপদের সংকেত দেওয়ার ক্ষেত্রে আমাদের দল যে ভূমিকা রেখেছে, তা নিয়ে আমি গর্বিত।
* খুব শীঘ্রই ১৮০০ সালের এলিয়েন অ্যান্ড সেডিশন ল, ষাটের দশকের ফিউজিটিভ স্লেভ ল এবং ১৯২০-এর দশকের ক্রিমিনাল সিন্ডিকালিস্ট আইনের মতো স্মিথ অ্যাক্টও বাতিলের খাতায় চলে যাবে।
* আদালত কক্ষ, মধ্যবিত্ত জুরি এবং সংবাদমাধ্যমকে ঘিরে থাকা এই কুয়াশা সাধারণ মানুষের মাঝ থেকে অচিরেই কেটে যাবে। এই সাধারণ মানুষরা কখনোই ফেডারেল জুরিতে জায়গা পায় না। কারণ তাদের চেহারা আর চালচলন সেইসব কট্টর রাজনৈতিক ব্যক্তিদের সন্তুষ্ট করতে পারে না যারা নিজেরা ভাষাগত ভুলে ভরা এবং বিত্তবানদের তোষামোদ করে চলে।
* দমনমূলক আইন, আনুগত্যের শপথ, সংসদীয় তদন্ত, রাজনৈতিক বিচার এবং এই জাতীয় অন্যায়ের বিরুদ্ধে আমাদের দেশে একটি গণ-আন্দোলন জেগে উঠছে। এটি যেন প্রেইরি অঞ্চলের এক শক্তিশালী ও সতেজ বাতাসের মতো।
* ধর্মাবতার, আমি গত শুক্রবার আপনাকে একটি প্রশ্ন করেছিলাম যা আমি আবারও করছি। যদি কমিউনিস্ট পার্টি অবৈধ না হয়, এর সদস্যপদ এবং পদাধিকারী হওয়া অবৈধ না হয়, যদি সমাজতন্ত্রের কথা বলা অবৈধ না হয় কিংবা প্রতিদিনের জনকল্যাণমূলক কাজের প্রচার করা অবৈধ না হয়, তবে বিবেক অনুযায়ী এখানে অবৈধ কোনটি? আমরা কিসের জন্য দোষী?
* আমার এই দীর্ঘ জীবনে আমি কখনো ভাবিনি যে আমাকে বইয়ের জন্য জেলে যেতে হবে। এমনকি পুরো বই নয়, বরং কিছু ছেঁড়া অংশ আর উদ্ধৃতির জন্য। আমি যদি গত সাতচল্লিশ বছরের মতো আমার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যাই এবং ইউনিয়নবাদ, গণতান্ত্রিক অধিকার, কৃষ্ণাঙ্গ ও নারীদের অধিকার এবং শান্তি ও সমাজতন্ত্র নিয়ে কথা বলি, তবে তখন কী ঘটবে, ইয়োর অনার?
* ধর্মাবতার, জরিমানার কথা যদি বলি তবে আমার মালিকানায় থাকা সমস্ত বৈষয়িক সম্পদ হলো সেই বইগুলো যা আমি ষোলো বছর বয়সে টম পেইনের 'কমন সেন্স'-এর একটি পেপারব্যাক কপি কেনার পর থেকে সংগ্রহ করেছি। এগুলো খুব ভালো বই। এর মধ্যে কবিতা, নাটক, ইতিহাস, রাজনীতি, অর্থনীতি, দর্শন, শিল্প, সঙ্গীত এবং সাহিত্য রয়েছে। শেক্সপিয়র, শ এবং এমারসনের পাশে সেখানে মার্ক্স আর এঙ্গেলস আছেন। থরো, জেফারসন এবং হুগোর পাশে সেখানে লেনিন আর স্টালিন আছেন। আমার ওই বইয়ের তাকে শক্তি এবং সহিংসতাও আছে, তবে সরকার যেখানে খুঁজছে সেখানে নয়। এটি রয়েছে আইরিশ ইতিহাসে যেখানে ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে দীর্ঘ ও রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের কথা বলা হয়েছে। এটি আছে আমেরিকার শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাসে এবং আমেরিকার বিপ্লব ও গৃহযুদ্ধের ইতিহাসে। এটি কৃষ্ণাঙ্গ মানুষের সংগ্রামের মাঝেও আছে। ইয়োর অনার, আমার তাকে বাইবেলও আছে। সেখানেও ইহুদি গোষ্ঠী, যিশু ও তার শিষ্যদের বিরুদ্ধে এবং আদি খ্রিস্টান শহীদদের ওপর চলা সহিংসতার কথা বলা হয়েছে।
* শক্তি প্রয়োগ এবং সহিংসতা সবসময় শাসক শ্রেণীর কাছ থেকে আসে, সাধারণ মানুষের কাছ থেকে নয়।
===''দ্য রেবেল গার্ল: অ্যান অটোবায়োগ্রাফি, মাই ফার্স্ট লাইফ'' (১৯৫৫)===
*আমাদের শৈশবের একটি অবিস্মরণীয় ট্র্যাজেডি ছিল ১৯০৪ সালে জেনারেল স্লোকাম নামক প্রমোদ তরণীটি পুড়ে যাওয়া।
*এডওয়ার্ড বেলামি রচিত 'লুকিং ব্যাকওয়ার্ড' বইটি এই দেশে প্রথম সমাজতন্ত্রের ধারণাকে জনপ্রিয় করেছিল। এটি ছিল পুঁজিবাদের একটি তীক্ষ্ণ সমালোচনা, যা অনেক আমেরিকানের মনে দাগ কেটেছিল এবং ক্রমবর্ধমান একচেটিয়া কারবারের সেই দিনগুলোতে তারা এর সাথে একমত পোষণ করেছিল।
*পিটার ক্রোপোটকিনের দরিদ্র যুবকদের প্রতি করা আবেদন আমাকে ব্যক্তিগতভাবে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছিল, যেন তিনি ব্রঙ্কসে আমাদের সেই জরাজীর্ণ দারিদ্র্যপীড়িত ফ্ল্যাটেই আমাদের সাথে কথা বলছেন: "তোমাকে কি তোমার বাবা-মায়ের মতো আরও ত্রিশ বা চল্লিশ বছর একই ক্লান্তিকর অস্তিত্ব টেনে নিয়ে যেতে হবে? অন্যদের জন্য সুস্বাস্থ্য, জ্ঞান এবং শিল্পের সমস্ত আনন্দ নিশ্চিত করতে কি তোমাকে জীবনভর কঠোর পরিশ্রম করতে হবে এবং নিজের জন্য কেবল এক টুকরো রুটি পাবে কি না—সেই চিরন্তন উদ্বেগটুকু রেখে দিতে হবে?"
*আমার মনে পড়ে আরেকটি বইয়ের কথা, যা আমার জীবনে তাৎক্ষণিক পরিবর্তন এনেছিল—আপটন সিনক্লেয়ারের 'দ্য জঙ্গল'। এটি পড়ার পর আমি তৎক্ষণাৎ নিরামিষাশী হয়ে গিয়েছিলাম!
*সেই সময়ে (১৯০৬ সালের দিকে) আমি আরও দুটি বই পড়েছিলাম, যা আমাকে সমাজতান্ত্রিক কর্মকাণ্ডে ঝাঁপিয়ে পড়তে সাহায্য করেছিল। একটি ছিল মেরি উলস্টোনক্র্যাফট রচিত 'ভিন্ডিকেশন অফ দ্য রাইটস অফ উইমেন' এবং অন্যটি ছিল আগস্ট বেবেলের 'উইমেন অ্যান্ড সোশ্যালিজম'।
*নারীদের ইউনিয়ন গঠন করার প্রক্রিয়াটি তখন কেবল শুরু হয়েছিল, এমনকি সুচিশিল্পের মতো পেশাগুলোতেও যেখানে তাদের প্রাধান্য ছিল। সমান সুযোগ, সমান বেতন এবং সংগঠিত হওয়ার অধিকার তখন মজুরি উপার্জনকারী নারীদের জন্য অত্যন্ত জরুরি প্রয়োজন ছিল এবং দুর্ভাগ্যবশত এই দাবিগুলো আজও আমাদের মাঝে রয়ে গেছে। অনেক ইউনিয়ন নেতা, যেমন আমেরিকান ফেডারেশন অফ লেবার-এর সভাপতি স্যামুয়েল গম্পার্স, নারী শ্রমিকদের সংগঠিত হওয়ার যোগ্য বা নির্ভরযোগ্য মনে করতেন না। "তারা কেবল হাতখরচের জন্য কাজ করে"—এটিই ছিল সাধারণ অভিযোগ। একজন নারী শ্রমিক নিজেও বাইরের চাকরিকে একটি সাময়িক প্রয়োজনীয় আপদ হিসেবে দেখতেন—যা তার বাবার বাড়ি এবং স্বামীর বাড়ির মধ্যবর্তী সময়ের একটি সাময়িক ব্যবস্থা মাত্র। বাবা এবং স্বামীরা নারীদের মজুরি সংগ্রহ করত, কখনও কখনও সরাসরি কোম্পানির অফিস থেকেই। নারীদের নিজেদের উপার্জনের ওপর কোনো আইনি অধিকার ছিল না। কর্মজীবী মায়েদের বিশেষ প্রয়োজন এবং সমস্যার বিষয়ে কোনো বিবেচনা ছিল না, যদিও তাদের সংখ্যা ছিল অনেক এবং সমস্যাগুলো ছিল প্রকট। এমনকি নারীদের পোশাকও তাদের জন্য বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল—মাটি ছোঁয়া লম্বা স্কার্ট, বড় ঢিলেঢালা হাতা এবং বিশাল হ্যাট। আপনার স্কার্ট যদি জুতার ওপরের অংশ পর্যন্ত উঁচু হতো, তবে আপনাকে তখনও "একটি বালিকা" হিসেবে গণ্য করা হতো।
*নারীদের ভোটাধিকারের সংগ্রাম দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছিল এবং শক্তিশালী হচ্ছিল। এটি ১৮৪৮ সালে নিউ ইয়র্কের সেনেকা ফলসে প্রথম সমানাধিকার সম্মেলনের মাধ্যমে শুরু হয়েছিল, যার নেতৃত্বে ছিলেন এলিজাবেথ ক্যাডি স্ট্যান্টন এবং সুসান বি অ্যান্থনি এবং যেখানে মহান নিগ্রো নেতা ফ্রেডরিক ডগলাস ভাষণ দিয়েছিলেন। ভোটাধিকার কর্মীদের বিদ্রূপ করা হয়েছিল, ভিড়ের দ্বারা আক্রান্ত হতে হয়েছিল, হলরুম দিতে অস্বীকার করা হয়েছিল, ভোট দেওয়ার চেষ্টার জন্য গ্রেপ্তার করা হয়েছিল এবং পরিবার থেকে ত্যাজ্য করা হয়েছিল। ১৯০৪ সালের মধ্যে কর্মজীবী নারীদের বিভিন্ন দল, বিশেষ করে সমাজতন্ত্রী নারীরা ভোটের দাবিতে একত্রিত হতে শুরু করে। দুই বছর পর নিউ ইয়র্কের ইস্ট সাইডে এই নারীদের ভোটাধিকার আন্দোলনের উদ্যোগেই আন্তর্জাতিক নারী দিবসের জন্ম হয়। এটি সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে এবং আজ সর্বজনীনভাবে পালিত হয়, যদিও এখানে একে "একটি বিদেশি উৎসব" হিসেবে অবজ্ঞা করা হয়।
*ভোটাধিকার আন্দোলন আরও লড়াকু হয়ে উঠছিল এবং মড ম্যালনের মতো ব্যক্তিত্বরা আবির্ভূত হয়েছিলেন। তিনি ১৯০৫ সালে হারলেম ইকুয়াল রাইটস লিগ গঠন করেন। তিনি ৩,০০০ মানুষের এক সভায় থিওডোর রুজভেল্টকে থামিয়ে দিয়ে দাবি করেছিলেন যে নারী ভোটাধিকারের বিষয়ে তার অবস্থান কী। আমরা যখন ব্রডওয়েতে রাস্তার পাশে সভা করতাম, তখন তিনি সেখানে স্যান্ডউইচ ম্যানের মতো সামনে-পেছনে "নারীদের জন্য ভোট" লেখা সাইনবোর্ড নিয়ে পায়চারি করতেন এবং এর ফলে তাকে লাইব্রেরিয়ানের পদ হারাতে হয়েছিল।
*রাস্তার মোড়ে ভোটাধিকার কর্মীদের ভাষণের সময় সবসময় বলা হতো: "বাড়ি যাও এবং থালা-বাসন মাজো," অথবা তাদের বয়স নির্বিশেষে বলা হতো: "তোমার বাচ্চাদের দেখাশোনা কে করছে?" অন্যরা বলত: "কল্পনা করো একজন অন্তঃসত্ত্বা নারী অফিসের পদের জন্য লড়ছেন," অথবা "নারীরা কীভাবে জুরির দায়িত্ব পালন করবে এবং পুরুষ জুরিদের সাথে একই ঘরে বন্দি থাকবে?"
*একটি প্রচলিত ধারণা ছিল যে "নারীর কাজ" কেবল গৃহস্থালির মধ্যেই সীমাবদ্ধ। "নারীর স্থান ঘরে"—এটাই ছিল সাধারণ রব। পুরুষদের কাজ কেড়ে নেওয়ার জন্য নারীদের সবসময় অভিযুক্ত করা হতো।
*আমি তখনও বলেছিলাম এবং আজও বিশ্বাস করি যে, পুঁজিবাদী ব্যবস্থার অধীনে নারীদের পূর্ণ সুযোগ পাওয়া এবং মানুষের সমস্ত প্রচেষ্টার ক্ষেত্রে স্বাধীন ও সমান নাগরিক হওয়া সম্ভব নয়, যদিও সুসংগঠিত সংগ্রামের মাধ্যমে অনেক দাবিই আদায় করা হয়েছে।
*"বিগ" বিল হেউড জেল থেকে একজন বীর হিসেবে বেরিয়ে এসেছিলেন—যা শ্রমিক সংহতির এক উপযুক্ত প্রতীক। একজন সাংবাদিক তাকে "দেহে, মস্তিকে এবং সাহসে বিশাল" হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন। তিনি সোশ্যালিস্ট পার্টি এবং যেসব শ্রমিক সংগঠন তাকে রক্ষা করেছিল, তাদের তত্ত্বাবধানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং কানাডায় এক বিজয় সফর করেন। তিনি ছিলেন অত্যন্ত বাস্তববাদী এবং নাটকীয় বক্তা। আমার মনে পড়ে তাকে বলতে শুনেছিলাম: "আপনারা জানেন, আমি পশ্চিম থেকে আসা দুই-বন্দুকওয়ালা মানুষ," আর দর্শক যখন রুদ্ধশ্বাসে অপেক্ষা করছিল, তখন তিনি এক পকেট থেকে তার ইউনিয়ন কার্ড এবং অন্য পকেট থেকে তার সোশ্যালিস্ট কার্ড বের করে দেখালেন।
*১৯০৭ সালে ময়ার, হেউড এবং পেটিবোনকে মুক্ত করার অভিযানের সময় নিউ জার্সি অঙ্গরাজ্যের নেওয়ার্কে সোশ্যালিস্ট লেবার পার্টির আয়োজিত একটি সভায় আমাকে বক্তা হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল... এই সভাটি আমার জীবনের একটি অবিস্মরণীয় ঘটনা কারণ এখানেই আমি প্রথম জেমস কনেলির সাথে পরিচিত হই। তিনি ছিলেন আইরিশ সমাজতন্ত্রী বক্তা, লেখক এবং শ্রমিক সংগঠক, যিনি এর নয় বছর পর ১৯১৬ সালে ডাবলিনের ইস্টার উইক অভ্যুত্থানে আয়ারল্যান্ডের স্বাধীনতার জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন... তিনি ছিলেন খাটো, কিছুটা স্থূলকায়, বড় কালো গোঁফওয়ালা একজন সাধারণ চেহারার মানুষ। তার কপাল ছিল বেশ উঁচু এবং কালো বিষণ্ণ চোখ। তিনি খুব কম হাসতেন। একজন পণ্ডিত এবং চমৎকার লেখক হওয়া সত্ত্বেও, গ্লাসগোতে দীর্ঘকাল বসবাসের কারণে তার কণ্ঠস্বরে উত্তর আয়ারল্যান্ডের টান এবং স্কচ উচ্চারণের মিশ্রণ ছিল, যা আমেরিকান দর্শকদের জন্য বোঝা কিছুটা কঠিন ছিল... কনেলি আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর জন্য কাজ করতেন এবং কুপার স্কয়ারে তার একটি অফিস ছিল। তিনি ছিলেন একজন চমৎকার সংগঠক, যা জেমস লার্কিনের সাথে আইরিশ ট্রান্সপোর্ট ওয়ার্কার্সদের জন্য তার পরবর্তী কাজগুলো প্রমাণ করেছিল... তিনি গভীরভাবে অনুভব করতেন যে আয়ারল্যান্ডের জাতীয় মুক্তির সংগ্রামের প্রতি আমেরিকান সমাজতন্ত্রীরা যথেষ্ট সহানুভূতি বা বোঝাপড়া দেখায়নি। এখানকার আইরিশ শ্রমিকদের সমাজতন্ত্রীরা খুব সহজেই "প্রতিক্রিয়াশীল" হিসেবে বর্জন করত এবং আইরিশ-আমেরিকান শ্রমিকদের কাছে সমাজতন্ত্রের বার্তা পৌঁছে দেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত প্রচেষ্টা ছিল না... তিনি 'দ্য হার্প' নামে একটি মাসিক পত্রিকা প্রকাশ করতেন। সেখানে তার নিজের লেখা অনেক কবিতা প্রকাশিত হতো। কুপার ইউনিয়ন বা ইস্ট সাইডের অন্য কোনো হলের দরজায় তাকে জরাজীর্ণ পোশাকে দাঁড়িয়ে নিজের ছোট কাগজটি বিক্রি করতে দেখা যেত, যা ছিল এক করুণ দৃশ্য। যেসব সম্পদশালী আইরিশরা তার মৃত্যুর পর তার প্রতি গভীর প্রশংসা প্রকাশ করেছিল, তাদের কেউই সেই সময় তার দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়নি। জিম কনেলি তাদের কাছে অভিশপ্ত ছিলেন কারণ তিনি ছিলেন একজন "সমাজতন্ত্রী"। তার কোনো মিথ্যে অহংকার ছিল না এবং তিনি নিজে উদাহরণ সৃষ্টি করে অন্যদের ছোটখাটো কাজ করতে উৎসাহিত করতেন। রাস্তার সভাগুলোতে তিনি তাদেরই "সভার সভাপতিত্ব" করতে রাজি করাতেন যাদের কথা বলার কোনো অভিজ্ঞতা ছিল না, যাতে তারা প্রশিক্ষণ পেতে পারে। আইরিশ শ্রমিকদের কাছে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে কনেলির এক বিরল দক্ষতা ছিল, যা তার বিশাল জ্ঞান থেকে জন্ম নিয়েছিল। প্রয়োজনে তিনি সত্যকে অত্যন্ত তীক্ষ্ণ এবং জোরালোভাবে বলতেন।
*আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর আগমন ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা এবং ১৯০৫ থেকে ১৯২০-এর দশকের শুরু পর্যন্ত এটি আমেরিকান শ্রম অঙ্গনে একটি বিশাল ধূমকেতুর মতো পথ দেখিয়েছিল। এটি শ্রমিক ইতিহাসের নতুন অধ্যায় তৈরি করেছিল এবং শ্রমিক আন্দোলনে এক অমোঘ ছাপ রেখে গিয়েছিল। আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. ছিল একটি লড়াকু এবং সংগ্রামী শ্রমিক শ্রেণির ইউনিয়ন। মালিক শ্রেণি দ্রুত এটি বুঝতে পেরেছিল এবং এর জন্মের পর থেকেই লড়াই শুরু করেছিল। আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. নিজেকে দরিদ্রতম, সবচেয়ে শোষিত এবং সবচেয়ে নিপীড়িত শ্রমিকদের সমস্ত তাৎক্ষণিক প্রয়োজনের সাথে যুক্ত করেছিল। এটি তাদের অসন্তোষের "আগুনে হাওয়া" দিয়েছিল। এটি তাদের বীরত্বপূর্ণ সংগ্রামের নেতৃত্ব দিয়েছিল, যার কিছু তারা নিজেরাই সংগঠিত করেছিল। অন্য অনেক ক্ষেত্রে ধর্মঘট শুরু হওয়ার পর তারা এর নেতৃত্বে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। যিশুর বিরুদ্ধে করা সেই স্মরণীয় অভিযোগ, "সে মানুষকে উত্তেজিত করছে!" আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য ছিল। এটি পূর্বের গণ-উৎপাদন শিল্পগুলোতে অসংগঠিত ও অদক্ষ বিদেশি বংশোদ্ভূত শ্রমিকদের এবং পশ্চিমের অসংগঠিত যাযাবর শ্রমিকদের সংগঠিত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিল, যারা মূলত আমেরিকান বংশোদ্ভূত ছিল এবং নৌপরিবহন, কাঠ, কৃষি, খনি ও নির্মাণ কাজে নিয়োজিত ছিল। পূর্ব এবং দক্ষিণে এটি টেক্সটাইল, রাবার, কয়লা এবং কাঠ শিল্পের পাশাপাশি বিভিন্ন ছোট শিল্পে শ্রমিকদের কাছে পৌঁছে গিয়েছিল। যেমন, নিউ ইয়র্ক সিটিতে পোশাক, টেক্সটাইল, জুতো, চুরুট, বেত, পিয়ানো, পিতল এবং হোটেল শিল্পে আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর শাখা ছিল। পশ্চিমে কাউবয়দের জন্য আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর একটি শাখা ছিল। নেভাদার গোল্ডফিল্ড শহরের সমগ্র শ্রমিক শ্রেণিকে ১৯০৬ সালে ভিনসেন্ট সেন্ট জন আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-তে সংগঠিত করেছিলেন। এমনকি মার্কিন সেনাবাহিনীর ওয়েস্ট পয়েন্টে কর্মরত ইতালীয় শ্রমিকরাও একসময় আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-তে সংগঠিত ছিল। আমার মনে পড়ে ১৯১১ সালের দিকে আমি সেখানে তাদের সামনে ভাষণ দিয়েছিলাম। আমি ১৯০৬ সালে এতে যোগ দেই...
*আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর এই সম্মেলনে লুসি পারসন্স-এর সাথে দেখা করে আমি রোমাঞ্চিত হয়েছিলাম। তিনি ছিলেন আলবার্ট পারসন্স-এর বিধবা স্ত্রী, যাকে ২০ বছর আগে শিকাগোর কুক কাউন্টি জেলের প্রাঙ্গণে ফাঁসিতে ঝোলানো হয়েছিল। যখন তার স্বামীকে ফাঁসি দেওয়া হচ্ছিল, তখন তাকে ক্লার্ক স্ট্রিট স্টেশন হাউসে বন্দি করে রাখা হয়েছিল, যা আমাদের সেই সভার জায়গা থেকে খুব বেশি দূরে নয়... আমার মনে পড়ে মিসেস পারসন্স তরুণদের উদ্দেশ্যে আবেগপূর্ণভাবে কথা বলছিলেন এবং আমাদের সামনের দিনগুলোর সংগ্রামের গুরুত্ব সম্পর্কে সতর্ক করছিলেন, যা বিজয় আসার আগে জেল এবং মৃত্যুর দিকে নিয়ে যেতে পারে। বছরের পর বছর ধরে তিনি এক শহর থেকে অন্য শহরে ঘুরে বেড়িয়েছেন, স্থানীয় ইউনিয়নগুলোর দরজায় কড়া নেড়েছেন এবং শিকাগো বিচারের কাহিনী শুনিয়েছেন। তার স্বামী বলেছিলেন: "আমাদের নাম কলঙ্কমুক্ত করো!" এবং তিনি এটিকে তার জীবনের লক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন।
*আমি ভিনসেন্ট সেন্ট জনের চেয়ে বেশি শ্রদ্ধার পাত্র আর কোনো মানুষ দেখিনি... তাকে ডিনামাইট বিস্ফোরণকারী, বন্দুকধারী এবং একজন বিপজ্জনক আন্দোলনকারী হিসেবে গালি দেওয়া হতো; তিনি মাথার ওপর পুরস্কার নিয়ে বিভিন্ন ক্যাম্পে প্রবেশ করতেন, তার মায়ের নাম—ম্যাগি—ব্যবহার করতেন এবং প্রায়ই একা হাতে শত শত মানুষকে সংগঠিত করতেন। তিনি এই দেশের জন্ম দেওয়া সর্বশ্রেষ্ঠ শ্রমিক সংগঠকদের একজন ছিলেন... তিনি গঠনে কিছুটা খাটো এবং হালকা ছিলেন, যদিও কাঁধ ছিল চওড়া। তার চলাফেরা ছিল দ্রুত এবং ছন্দময়, তিনি ছিলেন শান্ত ও বিনয়ী, কিন্তু তার বুদ্ধিবৃত্তি ও উপস্থিত বুদ্ধি যেকোনো প্রতিপক্ষকে হার মানাতে পারত... আসল লড়াইয়ের সময় সেন্ট জনের শান্ত নীল চোখগুলো ইস্পাতের মতো কঠোর ও শীতল হয়ে উঠত। তিনি কেবল আদর্শের জন্য লড়তেন এবং তখন শ্রমিকদের শত্রুদের মতোই নির্মম হয়ে উঠতেন। শ্রমিক শ্রেণির প্রতি তার আনুগত্য ছিল সীমাহীন। ১৯০৭ থেকে ১৯১৫ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ আট বছর তিনি অর্থের অভাব এবং আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর অসম বিকাশের সাথে লড়াই করেছেন, যার শক্তিকে তিনি কখনোই বাড়িয়ে বলতেন না।
*আমাদের সময়ের শ্রেষ্ঠ নারী আন্দোলনকারী ছিলেন মাদার জোন্স। গ্রেপ্তার, নির্বাসন, মিলিশিয়াদের হাতে বন্দি হওয়া এবং পুলিশ ও বন্দুকধারীদের দ্বারা তাড়া ও হুমকির শিকার হওয়া সত্ত্বেও তিনি দীর্ঘ ৬০ বছর নির্ভীকভাবে কাজ করে গেছেন। ১৯০৮ সালের গ্রীষ্মে ব্রঙ্কসের একটি উন্মুক্ত সভায় আমি তাকে প্রথম দেখি। তিনি শহরের মানুষদের কঠোর সমালোচনা করছিলেন। আমরা কেন পশ্চিমের খনি শ্রমিকদের সাহায্য করছি না? আমরা কেন ডিয়াজের বিরুদ্ধে মেক্সিকোর জনগণকে সমর্থন দিচ্ছি না? তিনি বলেছিলেন, আমরা হলাম "সাদা কলিজার খরগোশ যারা কখনও মাটির ওপর পা রাখিনি।" পশ্চিমের খনি শ্রমিকদের ধর্মঘটের সময় ফেডারেল সৈন্যরা তাদের যেভাবে পশুর মতো খাঁচায় আটকে রেখেছিল এবং সেখানে যে রক্তপাত ও কষ্ট হয়েছিল, তার বর্ণনা তিনি এত জীবন্তভাবে দিয়েছিলেন যে, অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকায় মাথা ঝিমঝিম করে আমি মূর্ছা গিয়েছিলাম। তিনি তার অগ্নিঝরা ভাষণের মাঝপথে থেমে গিয়ে বলেছিলেন, "গরিব বাচ্চাটাকে একটু জল দাও!" এরপর তিনি আবার তার ভাষণ চালিয়ে যান। আমি খুব লজ্জিত হয়েছিলাম।
*পরের শীতকালে শিকাগোর হুল হাউসে রুডেউইটজ কমিটির একটি সভায় আমি মাদার জোন্সকে আবার দেখি, যেখানে আমি আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর ৮৫ নম্বর শাখা থেকে প্রতিনিধি হিসেবে গিয়েছিলাম। "ধর্মীয় হত্যা"-র জঘন্য অজুহাতে একজন তরুণ ইহুদি শ্রমিককে দেশান্তরের বিরুদ্ধে তার উত্তপ্ত, রাগান্বিত ও অবজ্ঞাপূর্ণ কথাগুলো আমি শুনেছিলাম। (জেন অ্যাডামস এবং অন্যরা সাহসিকতাপূর্ণ পক্ষ সমর্থনের মাধ্যমে তাকে নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচিয়েছিলেন)। মাদার জোন্স একটি পুরনো ধাঁচের কালো রেশমি পোশাক পরেছিলেন, যার গলায় লেস লাগানো ছিল এবং সাথে ছিল একটি লম্বা ঝুলের স্কার্ট ও ফুলে সাজানো ছোট একটি টুপি। তিনি সারা জীবনে তার পোশাকের ধরন পরিবর্তন করেননি। তাকে দেখতে হুইসলারের আঁকা মায়ের ছবির মতো মনে হতে পারে, কিন্তু এই বৃদ্ধা নারীটি মোটেও শান্ত বা স্থির ছিলেন না; যেখানেই যেতেন সেখানেই নির্ভীক আন্দোলনের বার্তা ছড়াতেন... তাকে হোটেল থেকে বের করে দেওয়া হতো। কোম্পানি শাসিত শহরগুলোতে যেসব পরিবার তাকে আশ্রয় দিত, তাদের উচ্ছেদ করা হতো। হলরুম বন্ধ করে দিলে তিনি খোলা মাঠে ভাষণ দিতেন। পশ্চিম ভার্জিনিয়ায় নদীর ওপারে খনি শ্রমিকদের সংগঠিত করার জন্য তিনি কেলি ক্রিক নদীর জল ভেঙে হেঁটে গিয়েছিলেন। একটি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করার দায়ে অভিযুক্ত হয়ে তিনি বিচারককে "দালাল" বলে ডাকেন এবং সেটি তাকে প্রমাণ করে দেখান। তিনি দালালদের তাড়ানোর জন্য ঝাড়ু, লাঠি আর থালাবাসন নিয়ে "নারীবাহিনী" গঠন করেছিলেন। "ঈশ্বর! ওই বুড়ি মা তার পাগলাটে নারীদের নিয়ে আসছে!"—মালিকরা যন্ত্রণায় ককিয়ে উঠত। পেনসিলভানিয়ার গ্রিনসবার্গে যখন একদল পিকেটিং করা নারীকে তাদের শিশুদেরসহ গ্রেপ্তার করে ৩০ দিনের সাজা দেওয়া হয়, তখন তিনি তাদের পরামর্শ দেন: "সারা রাত বাচ্চাদের গান শোনাও!" মাত্র কয়েক দিনের মাথায় সেই গান শুনে অতিষ্ঠ হয়ে অনিদ্রায় ভোগা শহরবাসীকে স্বস্তি দিতে পুলিশ তাদের জেল থেকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়। এক সংসদীয় শুনানিতে তাকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল: "আপনার বাড়ি কোথায়?" তিনি উত্তর দিয়েছিলেন: "কখনও আমি ওয়াশিংটনে, কখনও পেনসিলভানিয়া, অ্যারিজোনা, টেক্সাস, অ্যালাবামা, কলোরাডো বা মিনেসোটায়। আমার ঠিকানা আমার জুতোর মতো। এটি আমার সাথেই ঘোরে। যেখানে অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই হয়, সেখানেই আমি থাকি।" ১৯০৩ সালে তিনি পেনসিলভানিয়ার কেনসিংটন এলাকার টেক্সটাইল মিলের একদল শিশু শ্রমিককে নিয়ে নিউ ইয়র্কের লং আইল্যান্ডের অয়েস্টার বে-তে গিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট থিওডোর রুজভেল্টকে শিশু শ্রমের প্রমাণ দিয়ে মোকাবিলা করতে। কলোরাডোতে ১৯১৪ সালের লাডলো হত্যাকাণ্ডের পর তিনি গভর্নরের অফিস পর্যন্ত একটি প্রতিবাদ মিছিলের নেতৃত্ব দেন। পশ্চিম ভার্জিনিয়ায় তিনি বারবার বিভিন্ন গভর্নরের সাথে দেখা করতে প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং তার ভাষায় তাদের "উচিত শিক্ষা" দিয়েছেন... যখন তিনি খুব বৃদ্ধা হয়েছিলেন, তখন তিনি সাধারণ কর্মীদের সেইসব নেতাদের সম্পর্কে সতর্ক করেছিলেন যারা শ্রমিকের স্বার্থের চেয়ে নিজেদের স্বার্থকে বড় করে দেখে। মৃত্যু পর্যন্ত তিনি তার একটি মহান বিশ্বাস অটলভাবে ধরে রেখেছিলেন: "ভবিষ্যৎ শ্রমিকের শক্তিশালী ও অমসৃণ হাতের মুঠোয়!"... শুরুর দিনগুলোতে নিউ ইয়র্ক এবং শিকাগোতে প্রথম যখন তাকে দেখি, তিনি আমাকে অনেক অনুপ্রাণিত করেছিলেন, যদিও সত্যি বলতে আমি তার তিক্ষ্ণ কথাকে ভয় পেতাম। কিন্তু যখন আমি তাকে ব্রঙ্কসের সেই সভার কথা মনে করিয়ে দিয়ে বললাম যে আমি আমার সন্তানকে হারিয়েছি, তখন তিনি অত্যন্ত সহানুভূতিশীল ও দয়ালু আচরণ করেছিলেন। তার কঠোরতা কেবল মালিক, দালাল এবং অসৎ শ্রমিক নেতাদের জন্য বরাদ্দ ছিল।
*যুদ্ধ ঘোষণার পর সারা দেশে উন্মাদনা এবং গণ-সহিংসতার এক জোয়ার বয়ে যায়। আমেরিকার বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠ সাধারণ মানুষ এর সাথে যুক্ত না থাকলেও তারা উত্তরোত্তর আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। সরকারি জায়গাগুলোতে নোটিশ লাগিয়ে দেওয়া হয়েছিল: "আইন মেনে চলো এবং নিজের মুখ বন্ধ রাখো!" যার নিচে অ্যাটর্নি জেনারেল গ্রেগরির সই ছিল। এই গণ-সহিংসতার শিকার হয়েছিল বিভিন্ন স্তরের মানুষ—খ্রিস্টান ধর্মযাজক, কৃষ্ণাঙ্গ ও শ্বেতাঙ্গ শান্তিপ্রয়াসী মানুষ, সমাজতন্ত্রী, আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. কর্মী, নন-পার্টিজান লিগের সদস্য যারা মধ্য-পশ্চিমের কৃষকদের মধ্যে শক্তিশালী ছিল, আয়ারল্যান্ডের স্বাধীনতার বন্ধু এবং আরও অনেকে। যুদ্ধের বিরুদ্ধে, সেনাবাহিনীতে নিয়োগ বা বন্ড বিক্রির বিষয়ে আকস্মিক মন্তব্য করার অপরাধে অনেক নারী ও পুরুষকে আলকাতরা এবং পালক মাখিয়ে অপমান করা হতো, কখনও অচেতন হওয়া পর্যন্ত মারধর করা হতো, জোর করে পতাকায় চুমু খাওয়ানো হতো, শহর থেকে বের করে দেওয়া হতো, জোর করে বন্ড কিনতে বাধ্য করা হতো এবং এমনকি পিটিয়ে মারার হুমকি দেওয়া হতো।
*গণ-সহিংসতার এই মনোভাব আমাদের দেশের অন্যতম বিপজ্জনক এবং লজ্জাজনক বহিঃপ্রকাশ ছিল, যার সবকিছুই করা হয়েছিল বিশ্বকে "গণতন্ত্রের জন্য নিরাপদ" করার নামে।
*কেট রিচার্ডস ও’হারে, যাকে আমি বর্ণনা করেছি, তিনি ছিলেন একজন বিশিষ্ট এবং অত্যন্ত কার্যকর সমাজতন্ত্রী বক্তা।
*পরবর্তীতে তার রাজনৈতিক ত্রুটি যা-ই থাকুক না কেন, প্রগতিশীল নারীরা সেই সময়ে তার জন্য খুব গর্ববোধ করতেন।
** ১৯১৭ সালের দিকে জিনেট র্যাঙ্কিন সম্পর্কে
*আমি একজন নিবেদিতপ্রাণ আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. কর্মী ছিলাম, কিন্তু ওয়ার্কার্স ডিফেন্স ইউনিয়নে আমার কর্মকাণ্ড আমাকে সমাজতন্ত্রী, নৈরাজ্যবাদী, ট্রেড ইউনিয়নবাদী, কমিউনিস্ট, ভোটাধিকার কর্মী, শান্তিবাদী, উদারপন্থী, ইন্ডিয়ান, আইরিশ জাতীয়তাবাদী এবং সোভিয়েত ও আইরিশ প্রজাতন্ত্রের সরকারি প্রতিনিধিদের সংস্পর্শে নিয়ে এসেছিল।
*ইতালীয় আন্দোলনে—নৈরাজ্যবাদী বা সমাজতন্ত্রী কোনো পক্ষেই—নারীরা কার্যত ছিল না। কার্লোর সাথে আমি যে বাড়িতেই যেতাম, দেখতাম নারীরা সবসময় পর্দার আড়ালে রান্নাঘরে ব্যস্ত থাকত এবং এমনকি পুরুষদের সাথে খেতে বসার সুযোগও তাদের খুব কমই হতো।
*উড্রো উইলসন একজন "উদারপন্থী" হিসেবে সমস্ত বিষয়ে অনর্গল ও সাবলীলভাবে কথা বলতেন, কিন্তু তার দুঃখজনক কাজগুলো তার কথার সম্পূর্ণ বিপরীত ছিল। "আত্মনিয়ন্ত্রণ" এবং "বিশ্বকে গণতন্ত্রের জন্য নিরাপদ করা"—এই দুটি ছিল তার সবচেয়ে দুর্বল জায়গা। শান্তি বজায় রাখা, "রাশিয়া থেকে হাত তোলো", আয়ারল্যান্ডের স্বাধীনতা, রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তি এবং শেষত কিন্তু সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ "নারীদের ভোটাধিকার"—এইসব দাবির আন্দোলনকারী ও প্রতিনিধি দলগুলো প্রতিটি মোড়ে তার মুখোমুখি হতো। তার প্রশাসন ১৯১৯-২০ সালের বিশাল ইস্পাত শ্রমিক ধর্মঘটের সম্মুখীন হয়েছিল। লিগ অফ নেশনস-এ যোগ দেওয়ার তার পরিকল্পনা সেনেট দ্বারা পরাজিত হয়। বিভিন্ন ইস্যুতে প্রতিবাদ জানিয়ে তার প্রশাসনের সদস্যরা পদত্যাগ করেছিলেন—যুদ্ধের ইস্যুতে একজন পররাষ্ট্রমন্ত্রী, ভোটাধিকারের ইস্যুতে নিউ ইয়র্ক বন্দরের একজন সংগ্রাহক; সম্ভবত এই ভোটাধিকার ইস্যুটিই তাকে সবচেয়ে বেশি বিব্রত করেছিল।
*প্রথম বিশ্বযুদ্ধ আমেরিকান নারীদের জীবনে অনেক মৌলিক পরিবর্তন এনেছিল। এটি "ভদ্রমহিলা" বা আভিজাত্যপূর্ণ নারীত্বের ধারণাটি শেষ করে দিয়েছিল। শ্রমিকের ঘাটতি ছিল প্রচুর এবং প্রশিক্ষিত কর্মীর প্রয়োজন ছিল তীব্র। ১৯১৮ সালের শেষে প্রায় ত্রিশ লক্ষ নারী খাদ্য, টেক্সটাইল এবং যুদ্ধ শিল্পে নিয়োজিত ছিলেন। যেসব পেশাকে এতদিন "পুরুষের কাজ" বলে মনে করা হতো, সেগুলো নারীদের জন্য উন্মুক্ত হয়ে গিয়েছিল। তারা রাস্তার ট্রাম বা বাসে কন্ডাক্টর হিসেবে কাজ শুরু করেছিলেন। প্রথমবারের মতো তাদের রেডিও অপারেটর হিসেবে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছিল। নারীরা সেনাবাহিনীতে মোটর কোরে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করেছিলেন এবং প্রথমবারের মতো ইউনিফর্ম পরেছিলেন। শহর থেকে আসা "কৃষক কন্যারা" ব্লুমার পরে খামারে কাজ করতে গিয়েছিল। নারীরা ত্রাণ কাজ করেছেন, যুদ্ধের বন্ড বিক্রি করেছেন, সশস্ত্র বাহিনীর জন্য ক্যান্টিন পরিচালনা করেছেন এবং নার্সিং ইউনিটে যোগ দিয়েছেন। হাজার হাজার নারী ঘর থেকে বেরিয়ে জনজীবনে প্রবেশ করেছিলেন। যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর প্রয়োজন বা পছন্দের কারণে অনেকেই এই শিল্পগুলোতে থেকে গিয়েছিলেন।
*এলিজাবেথ ক্যাডি স্ট্যান্টন এবং সুসান বি অ্যান্থনির মতো সাহসী নারীরা ছিলেন শুরুর দিকের অগ্রগামী, যারা বিদ্রূপ, গালাগালি, সহিংসতা এবং এমনকি ভোট দেওয়ার চেষ্টার জন্য গ্রেপ্তারের মুখোমুখি হয়েছিলেন। পরবর্তীতে ড. আন্না হাওয়ার্ড শ এবং ক্যারি চ্যাপম্যান ক্যাটের মতো নারীরা ন্যাশনাল আমেরিকান উইমেনস সাফ্রেজ অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, যা "নারীদের জড়তা এবং পুরুষদের বিরোধিতার" বিরুদ্ধে লড়াই করেছিল। কিন্তু ১৯১৬ সালের দিকে একটি তরুণ, সাহসী এবং আরও লড়াকু গোষ্ঠী আবির্ভূত হয়, যারা প্রতিটি অঙ্গরাজ্যে আলাদাভাবে ভোটাধিকার জেতার ধীর প্রক্রিয়ায় সন্তুষ্ট ছিল না এবং তারা সাংবিধানিক সংশোধনীর জন্য লড়াই শুরু করে। তারা ১৯১৬ সালে উইমেনস পার্টি গঠন করে, যারা কেবল সেইসব দল এবং প্রার্থীদের জন্য নারীদের ভোট সংগ্রহের পরিকল্পনা করেছিল যারা জাতীয় ভোটাধিকার সমর্থন করবে। সেই বছর একদল ধনী ভোটাধিকার কর্মী একটি বিশেষ ট্রেনের অর্থায়ন করেছিলেন এবং তাতে চড়ে প্রচার চালিয়েছিলেন। তারা রিপাবলিকান প্রার্থী চার্লস ইভান্স হিউজের পক্ষে সরাসরি প্রচার করেননি, কিন্তু তাদের স্লোগান ছিল উইলসন-বিরোধী: "উইলসনের বিরুদ্ধে ভোট দিন! তিনি আমাদের ভোটাধিকার থেকে দূরে রেখেছেন!" অনেকে ইউজিন ডেবসকেও ভোট দিয়েছিলেন, যিনি তখন কারাগারে ছিলেন।
*উইমেনস পার্টি ১৯১৭ সালের জানুয়ারি থেকে ১৯১৯ সালের ১৯ মার্চ পর্যন্ত প্রায় একটানা পিকেটিং চালিয়েছিল। তারা হোয়াইট হাউস এবং ক্যাপিটল ভবনে পিকেটিং করেছে, সামরিক কুচকাওয়াজ করেছে, উইলসন যখন ইউরোপ সফর থেকে ফিরতেন বা যখন চলে যেতেন তখন তার জন্য সংবর্ধনার আয়োজন করেছে। তারা ওয়াশিংটন, বোস্টন এবং নিউ ইয়র্কে তার পিকেটিং করেছে। কেবল আইরিশরাই আগে এই ধরনের কৌশল অবলম্বন করেছিল। পরবর্তীতে রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তির দাবিতে শিশুদের একটি প্রতিনিধি দল প্রেসিডেন্ট হার্ডিংকে পিকেটিং করেছিল। ভোটাধিকারের ব্যানারগুলো বিদেশি অতিথিদের উদ্দেশ্যে প্রদর্শন করা হতো এবং দেশে-বিদেশে প্রেসিডেন্টের দেওয়া "স্বাধীনতা" ও "গণতন্ত্র" বিষয়ক ভাষণগুলো তারা "স্বাধীনতার প্রহর" নামক পাত্রে জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ফেলত।
*একবার ভোটাধিকার অর্জিত হওয়ার পর নারীরা কেবল নারী হিসেবে ঐক্যবদ্ধ থাকেনি, বরং তাদের নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি এবং স্বার্থ অনুযায়ী বিদ্যমান রাজনৈতিক দল এবং অন্যান্য সংগঠনে বিভক্ত হয়ে গিয়েছিল। আমার বিশ্বাস, শান্তির সাধারণ লক্ষ্যটিই নারীদের আবারও ঐক্যবদ্ধ করতে পারে, কিছু ব্যতিক্রম বাদে।
*১৯২০-এর দশকে "সংযুক্ত ফ্রন্ট" শব্দটির ব্যবহারের কোনো স্মৃতি আমার নেই। এটি অনেক পরে ব্যবহারে আসে। কিন্তু তখনকার র্যাডিকাল এবং প্রগতিশীল আন্দোলনগুলো যে এই নীতিতেই চলত তা খুবই স্পষ্ট। যেসব নারী ও পুরুষ ভোটাধিকারের জন্য কথা বলতেন, তারা আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর জন্য আর্থিক সাহায্যের আবেদনেও স্বাক্ষর করতেন এবং আয়ারল্যান্ডের মুক্তি বা বন্দিদের মুক্তির প্রতিনিধি দলেও থাকতেন এবং শান্তি আন্দোলনেও সক্রিয় ছিলেন। স্বাধীনতার এক একটি মহৎ উদ্দেশ্যের মাঝে তখন কোনো কঠোর সীমারেখা ছিল না এবং আজকের মতো প্রতিশোধের ভয়ও ছিল না। মানুষ ভয় পেত না যে একটি আন্দোলনের সাথে নিজেকে যুক্ত করলে অন্য আন্দোলনটি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। আজ আমি অবাক হয়ে ভাবি যে সেই দিনগুলোতে আমার যোগাযোগ এবং বন্ধুত্ব কতটা বিস্তৃত ও বৈচিত্র্যময় ছিল।
*আমি তখনও আমার বিশ্বাসে একজন আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. ছিলাম এবং কোনো রাজনৈতিক দলে যোগ দিতে দ্বিধা করছিলাম, যদিও রুশ বিপ্লব এবং ভোটাধিকার কর্মী ও কমিউনিস্টদের সাথে মেলামেশা আমার দৃষ্টিভঙ্গিকে অনেকটা বদলে দিচ্ছিল।
*১৯১৭ সালের নভেম্বরে যখন রাশিয়ার বলশেভিক বিপ্লবের খবর সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ল, আমেরিকান শ্রমিকরা মানব ইতিহাসের এই বিশাল ঘটনার মাধ্যমে প্রথমবারের মতো ভ্লাদিমির লেনিন নামক এক মানুষের কথা জানতে পারল—যা ছিল সমাজতন্ত্রের শুরু। আমরা কিছু নতুন শব্দও শিখলাম যা অল্প সময়ের মধ্যেই ভাষার অংশ হয়ে গেল, যার মধ্যে ছিল "বলশেভিক" এবং "সোভিয়েত"। এমনকি আমাদের মধ্যে যারা বাম-সমাজতন্ত্রী এবং আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. কর্মী ছিলাম, তারাও রাশিয়ার সমাজতান্ত্রিক আন্দোলন সম্পর্কে কার্যত কিছুই জানতাম না, কেবল জারের নিষ্ঠুর ও রক্তাক্ত শাসন উৎখাত করার জন্য তাদের দীর্ঘ ও যন্ত্রণাদায়ক সংগ্রামের প্রতি আমাদের গভীর সহানুভূতি ছিল। রাতারাতি "বলশেভিক" শব্দটি প্রতিটি ঘরে পরিচিত হয়ে উঠল, এমনকি যারা জানত না যে এর অর্থ কেবল "সংখ্যাগরিষ্ঠ" এবং এটি রাশিয়ান সোশ্যাল-ডেমোক্রেটিক লেবার পার্টির একটি রাজনৈতিক বিভাজনকে নির্দেশ করে। ডেবস বলেছিলেন, "আমি আমার মাথার তালু থেকে পায়ের আঙুল পর্যন্ত একজন বলশেভিক!" মালিকরা লড়াকু শ্রমিক এবং ইউনিয়ন সংগঠকদের দিকে চিৎকার করে বলত, "অভিশপ্ত বলশেভিক!" অবশ্য সমস্ত ধর্মঘটীরাই তখন মালিকদের চোখে "বলশেভিক" ছিল।
===[http://www.sojust.net/speeches/elizabeth_flynn_memories.html "মেমোরিজ অফ দ্য ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়ার্কার্স অফ দ্য ওয়ার্ল্ড"] (৮ নভেম্বর, ১৯৬২)===
* আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. (IWW)... এগুলো হলো ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়ার্কার্স অফ দ্য ওয়ার্ল্ড-এর আদ্যক্ষর, যাকে আগে "আই ওয়ন্ট ওয়ার্ক" (আমি কাজ করব না) বলা হতো। এটি ছিল অত্যন্ত বেমানান কারণ বাস্তবে যারা এই সংগঠনের সদস্য ছিলেন তারা আমাদের দেশের সবচেয়ে মৌলিক ও কঠিন পরিশ্রমের শিল্পগুলোতে কাজ করতেন। একে বিশ্বের শ্রমিক বলাটা বেশ উচ্চাকাঙ্ক্ষী নাম ছিল কারণ আসলে এটি কখনও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সীমানা ছাড়িয়ে যায়নি। এটি মূলত পুরনো নাইটস অফ লেবার-এর ঐতিহ্য ও সাংগঠনিক রূপ ধরে রাখার আমেরিকান শ্রমিকদের ইচ্ছা থেকে তৈরি হয়েছিল।
* আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. কেবল ১৮৮০-এর দশকের অনেক ঐতিহ্যের উত্তরাধিকারী ছিল না, বরং ১৮৮০-এর দশকের সাথে যুক্ত ব্যক্তিত্বরাও আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর শুরুর দিকের সম্মেলনগুলোতে উপস্থিত ছিলেন। আপনি যদি শ্রমিক ইতিহাসের ছাত্র না হন তবে নামগুলো আপনার কাছে পরিচিত নাও হতে পারে, তবে তাদের মধ্যে ছিলেন ইউজিন ডেবস, ড্যানিয়েল ডিলিয়ন এবং মিসেস লুসি পারসন্স।
* সেখানে বাক-স্বাধীনতার অনেক লড়াই হয়েছিল... তাদের কৌশলগুলো ছিল অনেকটা আজকের ফ্রিডম রাইডারদের মতো। তারা টেলিগ্রাম পাঠাত—আর আমি বিষয়টি বুঝিয়ে বলছি, আমি কোনো প্রচারণা করছি না—তারা অনেকটা এইভাবে টেলিগ্রাম পাঠাত: "মুক্তমনা ওবলিরা, এখনই এসো, অধিকারের সনদ রক্ষা করো।" তারা ট্রেনের ওপর, নিচে, পাশে, মালবাহী বগিতে এবং এমন প্রতিটি উপায়ে আসত যেখানে ভাড়া দিতে হয় না। আক্ষরিক অর্থেই শত শত মানুষ এই এলাকাগুলোতে এসে হাজির হতো, যা কর্তৃপক্ষকে আতঙ্কিত ও স্তম্ভিত করে দিত। তারা প্ল্যাটফর্ম বা সাবান রাখার বাক্সের ওপর দাঁড়িয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের অংশবিশেষ বা অধিকারের সনদ পড়ে শোনাত... এগুলো ছিল বাক-স্বাধীনতার লড়াই যা অত্যন্ত পরিচিত এবং দেশের পশ্চিমাঞ্চলে আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর একটি বৈশিষ্ট্য ছিল।
* এ.এফ.এল. (AFL) ছিল দক্ষ শ্রমিকদের সংগঠন এবং এর গঠন, পদ্ধতি ও নীতি আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর মতো ছিল না। আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. শ্রেণি সংগ্রামে বিশ্বাস করত। তারা পুঁজি ও শ্রমের ভ্রাতৃত্বে বিশ্বাস করত না। তারা বিশ্বাস করত যে এই অসংগঠিত বিদেশি বংশোদ্ভূত গণ-উৎপাদন শ্রমিকদের একটি শিল্প ইউনিয়নে সংগঠিত করা উচিত—সবাই মিলে একটি ইউনিয়নে, ডজনখানেক বা তার বেশি সংগঠনে বিভক্ত হয়ে নয়।
* ১৯১২ সালের সেই বড় ধর্মঘট [যা রুটি ও গোলাপ ধর্মঘট নামে পরিচিত], যা আমাদের দেশের অন্যতম মহান ঐতিহাসিক সংগ্রাম, সেটি শুরু হয়েছিল রাষ্ট্রের একটি রাজনৈতিক পদক্ষেপের কারণে।
* বিল হেউড সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন যে আমাদের ইংরেজিতে কথা বলতে হবে যাতে এই মানুষগুলো তা বুঝতে পারে। তিনি আমাদের যে শিক্ষা দিয়েছিলেন তা আমি কখনও ভুলব না। তখন আমি খুব তরুণ ছিলাম, আমার বয়স ছিল ২২। তিনি বললেন, শোনো, তোমরা এই শ্রমিকদের সাথে, এই খনি শ্রমিকদের সাথে এমন ইংরেজিতে কথা বলবে যা প্রাথমিক স্কুলে পড়া তাদের সন্তানরা তাদের সাথে বলে, তবেই তারা তা বুঝতে পারবে। প্রাথমিক স্কুলের ইংরেজিতে কথা বলাটা মোটেও সহজ নয়। যাই হোক, আমরা তা শিখেছিলাম। আমার সমস্যা হলো এটি আমার অভ্যাসে গেঁথে গিয়েছিল এবং এখন যখন আমি কলেজের দর্শকদের সামনে কথা বলতে যাই, তখন নিজেকে কিছুটা অসুবিধায় মনে হয় কারণ আমি বড় বড় সব শব্দ জানি না। উইলিয়াম হেউড আমাকে ছোট ছোট এবং সহজ শব্দগুলোতেই দক্ষ করে তুলেছিলেন।
* তিনি কীভাবে কথা বলতেন তার একটি উদাহরণ দিই। আমাদের তাদের বোঝাতে হতো কেন আমরা চাই তারা এ.এফ.এল.-এ না গিয়ে আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-তে যোগ দিক। তিনি হাত উঁচিয়ে আঙুলগুলো ছড়িয়ে বলতেন, আমেরিকান ফেডারেশন অফ লেবার বা এ.এফ.এল. হলো ঠিক এইরকম, প্রতিটি আলাদা আলাদা। কিন্তু আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. হলো এইরকম, [তিনি হাতের মুঠো পাকাতেন] এবং তারা সবাই চিৎকার করে উঠত আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর জয় হোক। এভাবেই তিনি তার বক্তব্য বুঝিয়ে দিতেন।
* যখন লরেন্সের এই ধর্মঘট চলছিল, তখন লুইজিয়ানায় কাঠ শ্রমিকদের একটি বড় ধর্মঘট চলছিল, সেটিও আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর অধীনে। যদিও আমাদের সব জায়গায় ধর্মঘট ছিল এবং আমরা এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় ছুটে বেড়াচ্ছিলাম, তবুও আমি বিশেষ করে এই ঘটনাটি উল্লেখ করছি কারণ সেখানে প্রথমবারের মতো বৈষম্য ও বর্ণবাদের নিয়মগুলো ভেঙে ফেলা হয়েছিল। উইলিয়াম ডি. হেউড সেখানে ভাষণ দিতে গিয়েছিলেন এবং তিনি বলেছিলেন প্রতিটি ধর্মঘটী যেখানে খুশি বসতে পারে। আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর এই হলে কোনো বিভাজন নেই। নিগ্রো এবং শ্বেতাঙ্গ শ্রমিকরা, আমার মনে হয় আমেরিকান শ্রমিক ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সেই সামাজিক বিধিনিষেধ ভেঙে একসাথে মিলিত হয়েছিল।
* আমার দীর্ঘ শ্রমিক ইতিহাসে যদি এমন কিছু থাকে যা নিয়ে আমি সত্যিই গর্বিত, তা হলো—ফাঁসির আগে কারাগারে থাকাকালীন জো হিল আমার জন্য একটি গান লিখেছিলেন এবং আমাকে উৎসর্গ করেছিলেন, যার নাম ছিল "রেবেল গার্ল"। সেই গানটি—আমি আশা করি আপনারা এখানে কোনো একদিন সেটি গাইবেন—হয়তো এর কথা বা সুর সেরা নয়, কিন্তু এটি হৃদয় থেকে এসেছিল এবং এটি আমার কাছে অত্যন্ত মূল্যবান।
* প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ., সমাজতন্ত্রী এবং আমাদের দেশের সমস্ত প্রগতিশীলদের ওপর প্রচণ্ড আক্রমণ চালানো হয়েছিল। সেই সময় একটি শক্তিশালী শান্তি আন্দোলন ছিল। এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মতো ছিল না, যা ছিল একটি ফ্যাসিবাদ-বিরোধী যুদ্ধ।
*অন্যান্য সংগঠনের সাথে আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর সম্পর্ক কেমন ছিল সে সম্পর্কে আমার আপনাদের কিছু বলা উচিত কারণ চিত্রটি সম্ভবত এখনও খুব বেশি পরিষ্কার নয়। এটি কোনো কারুশিল্প ভিত্তিক ইউনিয়ন ছিল না; এটি ছিল একটি শিল্প ইউনিয়ন এবং এটি এ.এফ.এল.-এর ঘোর বিরোধী ছিল। এ.এফ.এল. যেসব আদর্শে বিশ্বাস করত—যেমন ন্যায্য কাজের জন্য ন্যায্য মজুরি, পুঁজি ও শ্রমের ভ্রাতৃত্ব—আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. তার কোনোটিতেই বিশ্বাস করত না। সুযোগ পেলেই মালিকের বিরুদ্ধে লড়াই করার বিষয়ে এটি খুব কঠোর ছিল। তাদের বিশ্বাস ছিল যে কোনো চুক্তি করা উচিত নয়। তারা মনে করত যতক্ষণ আপনারা সংগঠিত আছেন, ততক্ষণ আপনারা মালিককে তার প্রতিশ্রুতি পালনে বাধ্য করতে পারবেন। কিন্তু একটি চুক্তি বা কাগজের টুকরো আপনাদের হাত-পা বেঁধে ফেলে, তাই তারা কোনো চুক্তি করত না। তবে আমাদের তথাকথিত 'হোয়াইট কলার' বা দাপ্তরিক কর্মীদের প্রতি তাদের দৃষ্টিভঙ্গি ভালো ছিল না। মোটেও ভালো ছিল না কারণ তারা মনে করত এই কর্মীরা শ্রমিক শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত নয়। আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর মতে শ্রমিক হতে হলে আপনাকে ওভারঅল পোশাক পরতে হবে, পেশিবহুল হতে হবে এবং হাড়ভাঙা খাটুনি খাটতে হবে। আপনি যদি কেবল কলম পিষতেন, তবে আপনি শ্রমিক ছিলেন না। এই একই কথা শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য ছিল। অন্য কথায়, তারা ছিল একটি অত্যন্ত সংকীর্ণমনা সংগঠন। তবে তৎকালীন সময়ের শিক্ষার্থীরাও কিছুটা দায়ী ছিল কারণ শ্রম আন্দোলনের প্রতি তাদের কোনো সহানুভূতি ছিল না। প্রকৃতপক্ষে, যখন ধর্মঘট হতো তখন শ্রমিকদের জায়গায় কাজ করার জন্য সবসময় শিক্ষার্থীদের পাওয়া যেত। আমি নিউ ইয়র্ক সিটির একটি হোটেলের ধর্মঘটে এমনটা দেখেছি। যাই হোক, আমি খুব আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে এখন সময় বদলেছে।
*আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. এ.এফ.এল.-এর চেয়ে আরও একটি বিষয়ে আলাদা ছিল যে তারা সমাজতন্ত্রে বিশ্বাস করত। যদিও তারা রাজনৈতিক দল এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড বর্জন করার কারণে সোশ্যালিস্ট পার্টির থেকে ভিন্ন ছিল। তাদের এই অদ্ভুত ধারণা ছিল যে আসল লড়াই হলো শিল্পকারখানায়, অর্থাৎ উৎপাদনের জায়গায়।
*আমি যখন আপনাদের বলি যে তখন কী কী ছিল না, তখন মনে হয় আমরা যেন এক অরণ্যে বাস করতাম। তখন কোনো রেডিও ছিল না, টিভি ছিল না, সিনেমা ছিল না, আজকের মতো বিজ্ঞাপন ছিল না, কোনো প্লাস্টিক বা কৃত্রিম কাপড় ছিল না এবং কোনো বিমানও ছিল না।
*আমি ১৯১৯-২০ সালের কথা বলছি যখন জে. এডগার হুভার প্রথম আত্মপ্রকাশ করেন। তাকে এই ধরপাকড় অভিযানের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল এবং সারা দেশের সমস্ত রিপোর্ট তাকে জমা দিতে হতো। তাদের বলা হতো "জি ম্যান"। এফবিআই আরও পরে ১৯২৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। সুতরাং কোনো সরকারের পরোয়া না করেই তিনি দীর্ঘ ৩৮ বছর ধরে এই সাম্রাজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন এবং এটি আসলে কোনো সিভিল সার্ভিস বা বিচার বিভাগের নিয়ন্ত্রণে নেই।
*আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর বিরুদ্ধে ঘৃণা এতটাই তীব্র ছিল যে সংবাদপত্রের সম্পাদকীয়তে লেখা হতো, "তাদের ভোরবেলা গ্রেপ্তার করা উচিত এবং নাস্তা করার আগেই বিচার ছাড়াই গুলি করে মারা উচিত।"
*আজকের দিনে ইউনিয়নের সাথে রাজনৈতিক সহযোগী থাকা অনেক বেশি কার্যকর একটি পদ্ধতি। কিন্তু আমরা তখন সবকিছু এক পাত্রে রাখার চেষ্টা করেছিলাম এবং সেটি মোটেও কাজ করেনি। আমরা বেশ অহংকারী ছিলাম। আমরা তরুণ ছিলাম এবং মনে করতাম সবকিছুর সঠিক উত্তর কেবল আমাদের কাছেই আছে। আমরা এ.এফ.এল.-এর সাথে কাজ করতে চাইনি, সোশ্যালিস্ট পার্টির সাথে কাজ করতে চাইনি, এমনকি অন্য কারও সাথেই কাজ করতে চাইনি। স্বাভাবিকভাবেই যখন কমিউনিস্ট পার্টি এল, তারা সেটাকে একটি সত্যিকারের দল হিসেবে বিবেচনা করল কারণ সেটি পুরনো সোশ্যালিস্ট পার্টির চেয়ে অনেক বেশি বিপ্লবী ছিল। আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. রুশ বিপ্লবের ধারণার সাথে পুরোপুরি একমত ছিল না, যদিও তারা খুশি ছিল যে এটি এমন একটি বিপ্লব যা জারকে উৎখাত করেছে। তারা কেরেনস্কির পক্ষে ছিল না কিন্তু বিপ্লব সম্পর্কে তাদের কিছু আদিম ধারণা ছিল। আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর কাছে বিপ্লব মানে ছিল কারখানা, দোকান, কলকারখানা, খনি আর ফসলের মাঠ দখল করে নেওয়া এবং মালিকদের স্রেফ তাড়িয়ে দেওয়া। মালিকদের তাড়িয়ে দেওয়া মানেই ছিল বিপ্লবের শেষ।
*আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর ইতিবাচক দিক ছিল যে এটি নিশ্চিতভাবেই লড়াকু ও সাহসী ছিল, এটি সেই সময়ের জন্য উপযুক্ত ছিল এবং এটি দরিদ্রতম, সবচেয়ে একাকী ও সবচেয়ে অবহেলিতদের স্বার্থের জন্য লড়াই করেছিল—যাদের এ.এফ.এল. সংগঠিত করতে পারেনি; যেমন বিদেশি বংশোদ্ভূত শ্রমিক, নারী এবং যখন কৃষ্ণাঙ্গরা শিল্পে আসতে শুরু করল, তখন সেই কৃষ্ণাঙ্গ শ্রমিকরা।
*আমরা তখন সামাজিক নিরাপত্তা বা বেকার ভাতার মতো কোনো কিছুর কথা কখনও শুনিনি এবং ভাবিনি যে এমন কিছু হওয়া সম্ভব। এগুলো ছিল ত্রিশের দশকের লড়াইয়ের ফলাফল—আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর পতনের পরের বড় সংগ্রামের ফল। এছাড়া আমরা কখনও বেতনসহ ছুটির কথা শুনিনি। বেতনসহ ছুটি তো দূরের কথা, আমরা ছুটির কথাই শুনিনি। আজকের দিনের মতো চাকরির জ্যেষ্ঠতার কোনো ধারণা আমাদের ছিল না। শ্রমিকদের অবসরের জন্য কোনো পেনশন ছিল না। ইউনিয়নের কোনো কল্যাণ তহবিল বা স্বাস্থ্যকেন্দ্র ছিল না এবং আজকের মতো কোনো ট্রেড ইউনিয়ন স্কুলও ছিল না। এই সমস্ত সুযোগ-সুবিধা আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর পরবর্তী সময়ে গড়ে ওঠা ইউনিয়নগুলোর মাধ্যমে এসেছে।
*আজকের দিনে শ্রমিকের বিরুদ্ধে সরাসরি সহিংসতা কম কিন্তু আইনি বিধিনিষেধ অনেক বেশি। দমনমূলক আইন এবং সব ধরনের বিধিনিষেধের মাধ্যমে শ্রমিকের অধিকার হরণ করার চেষ্টা এখন অনেক বেশি হচ্ছে।
*আমরা কি উন্নতি করেছি? ওহ, আমরা অবশ্যই উন্নতি করেছি! সমস্ত অসুবিধা এবং সমস্যা সত্ত্বেও শ্রমিক আন্দোলন বিশাল উন্নতি করেছে। আজকের যুবকদের জন্য একটি নতুন ভূমিকা এবং নতুন দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে। বহু বছর আগে আমি পিটার ক্রোপোটকিনের 'আপিল টু দ্য ইয়ং' বা 'তরুণদের প্রতি আবেদন' নামক একটি পুস্তিকা পড়েছিলাম। এটি ছিল যুবকদের প্রতি এই বিশ্বকে বসবাসের উপযোগী একটি সুন্দর জায়গা হিসেবে গড়ে তোলার দায়িত্ব নেওয়ার এক চমৎকার আহ্বান। এখন আমি অনুভব করি যে আমরা আমাদের সাধ্যমতো সেরা চেষ্টা করেছি। কিন্তু সময় এমন আসে যখন আপনি জানেন যে বাধ্য হয়েই আপনাকে থামতে হয়; যদিও বলা হয় বার্ধক্য কোনো রোগ নয় কিন্তু আমি মনে করি এটি একটি রোগ। এমন এক সময় আসে যখন আপনাকে গতি কমিয়ে দিতে হয় এবং কাজ থেকে বিদায় নিতে হয়, আর যদি নতুন প্রজন্ম চায় তবে আপনার অভিজ্ঞতার সুফল তাদের কাছে পৌঁছে দিতে হয়।
== এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন সম্পর্কে উক্তি ==
* হেটেরোডক্সির সদস্য এবং ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়ার্কার্স অফ দ্য ওয়ার্ল্ড-এর প্রখ্যাত সংগঠক এবং পরবর্তীতে ইউ.এস. কমিউনিস্ট পার্টির শীর্ষস্থানীয় সদস্য এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন এই সংগঠনে তার সদস্যপদকে "এক অবিচ্ছিন্ন আনন্দের অভিজ্ঞতা" হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি আরও যোগ করেছেন, "এটি ভবিষ্যতের নারীদের এক ঝলক দেখার মতো ছিল—যারা বিশাল হৃদয়ের অধিকারী, বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে সজাগ এবং পুরনো সেই 'নারীত্ব' বর্জিত যার স্থলাভিষিক্ত হয়েছে নারীদের এক চমৎকার ভ্রাতৃত্ব।"
** [[বেটিনা আপথেকার]], ''ট্যাপেস্ট্রিস অফ লাইফ: উইমেনস ওয়ার্ক, উইমেনস কনশাসনেস, অ্যান্ড দ্য মিনিং অফ ডেইলি এক্সপেরিয়েন্স'' (১৯৮৯)
* আমার নির্জন কারাবাসের দিনগুলোতে, মার্গারেট যখন জেল সুপারকে আমাকে পড়ার সুযোগ দেওয়ার জন্য রাজি করালেন, তখন আমি গ্রন্থাগারে একা কয়েকটি সেশন কাটিয়েছিলাম। অল্প সময়ের মধ্যেই আমি পুরো জায়গাটি তন্নতন্ন করে খুঁজি এবং সামান্য আগ্রহ জাগানিয়া মাত্র কয়েকটি বই খুঁজে পাই: এডগার স্নো-এর লেখা চীনা বিপ্লবের ওপর একটি বই, ডব্লিউ. ই. বি. ডু বোইস-এর আত্মজীবনী এবং একজন আশ্চর্যজনকভাবে নিরপেক্ষ ও স্বল্প পরিচিত লেখকের লেখা সাম্যবাদের ওপর একটি বই। এই বইগুলো আবিষ্কার করার পর আমার চিন্তাভাবনা বারবার সেগুলোর রহস্যময় উপস্থিতির দিকে ফিরে যাচ্ছিল। হঠাৎ আমার মনে হলো: এগুলো সম্ভবত এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন, ক্লডিয়া জোন্স অথবা অন্য কোনো কমিউনিস্ট নেতাদের দ্বারা পড়া হয়েছিল যারা ম্যাকার্থি যুগে স্মিথ অ্যাক্টের অধীনে নিপীড়িত হয়েছিলেন। আমাকে জানানো হয়েছিল যে সেখানে থাকাকালীন আমি যদি কোনো বই পাই, তবে তা গ্রন্থাগারে দান করতে হবে—যা ছিল এক আনন্দের বিষয়, কারণ তথাকথিত সেই শিক্ষা কেন্দ্রের অবস্থা ছিল করুণ। আমি যখন সেই বইগুলোর পাতা উল্টাচ্ছিলাম, তখন আমি এই দেশের কিছু অসামান্য বীরাঙ্গনাদের ঐতিহ্য অনুসরণ করতে পেরে সম্মানিত বোধ করছিলাম: কমিউনিস্ট নারী নেতৃবৃন্দ, বিশেষ করে কৃষ্ণাঙ্গ কমিউনিস্ট ক্লডিয়া জোন্স।
** ''[[অ্যাঞ্জেলা ডেভিস]]ের আত্মজীবনী'' (১৯৭৪)
* জোসেফ ইটর এবং আর্তুরো জিওভানিত্তির গ্রেপ্তারের ফলে তৈরি হওয়া শূন্যতা তাৎক্ষণিকভাবে বিল হেউড এবং এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন পূরণ করেছিলেন। শ্রমিক সংগ্রামে হেউডের বছরের পর বছর অভিজ্ঞতা, তার দৃঢ় সংকল্প এবং বিচক্ষণতা তাকে লরেন্সের পরিস্থিতিতে এক অনন্য শক্তিতে পরিণত করেছিল। অন্যদিকে, এলিজাবেথের তারুণ্য, চার্ম এবং বাগ্মিতা খুব সহজেই সবার মন জয় করে নিয়েছিল। এই দুজনের নাম এবং খ্যাতি ধর্মঘটের জন্য দেশব্যাপী প্রচার ও সমর্থন জোগাড় করতে সাহায্য করেছিল। বছরের পর বছর আগে একটি উন্মুক্ত সভায় প্রথমবার শোনার পর থেকেই আমি এলিজাবেথকে জানতাম এবং শ্রদ্ধা করতাম। সেই সময় তার বয়স চৌদ্দ বছরের বেশি ছিল না, তার ছিল এক সুন্দর মুখাবয়ব এবং আন্তরিকতায় ভরপুর এক কণ্ঠস্বর। তিনি আমার ওপর গভীর প্রভাব ফেলেছিলেন। পরবর্তীতে আমার বক্তৃতায় তার বাবার সাথে তাকে প্রায়ই আসতে দেখতাম। কালো চুল, বড় বড় নীল চোখ এবং চমৎকার গায়ের রঙে তিনি ছিলেন এক মোহনীয় প্রতিচ্ছবি... স্পোকেনে আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর অন্যান্য সদস্যদের সাথে তিনি যে চমৎকার বাক-স্বাধীনতার লড়াই করেছিলেন এবং যে নিপীড়ন সহ্য করেছিলেন, তা এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিনকে আমার খুব কাছে নিয়ে এসেছিল। আর যখন শুনলাম যে সন্তান জন্ম দেওয়ার পর তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েছেন, তখন এই তরুণ বিদ্রোহীর জন্য আমি গভীর সহানুভূতি অনুভব করেছিলাম, যিনি সর্বহারা পটভূমি থেকে আসা প্রথম আমেরিকান নারী বিপ্লবীদের একজন। তার প্রতি আমার আগ্রহ কেবল স্পোকেন লড়াইয়ের জন্যই নয়, বরং মা হওয়ার প্রথম মাসগুলোতে এলিজাবেথের ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য তহবিল সংগ্রহে আমার প্রচেষ্টাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছিল। তিনি নিউ ইয়র্কে ফিরে আসার পর থেকে আমরা প্রায়ই সভায় এবং আরও ব্যক্তিগতভাবে একসাথে সময় কাটিয়েছি। এলিজাবেথ নৈরাজ্যবাদী ছিলেন না, তবে তিনি সোশ্যালিস্ট লেবার পার্টি থেকে আসা তার কিছু কমরেডদের মতো গোঁড়া বা বিদ্বেষীও ছিলেন না। আমাদের সার্কেলে তিনি আমাদেরই একজন হিসেবে স্বীকৃত ছিলেন এবং আমি তাকে বন্ধু হিসেবে ভালোবাসতাম।
** [[এমা গোল্ডম্যান]], ''লিভিং মাই লাইফ'' (১৯৩১)
* ফ্লিন পার্টির চেয়ারম্যান হিসেবে জিনের স্থলাভিষিক্ত হন। তিনি ছিলেন সেই পদে নির্বাচিত প্রথম নারী। তিনি ছিলেন একজন সমঝোতামূলক প্রার্থী; বেন ডেভিসও এই পদের জন্য প্রচারণা চালাচ্ছিলেন এবং কৃষ্ণাঙ্গ নেতৃত্বের একটি বড় অংশসহ পার্টির অনেক মানুষ সেই সম্ভাবনায় ভীত ছিল। লিজকে তখন সেরা বিকল্প মনে হয়েছিল। পার্টিতে এলিজাবেথের খুব ইতিবাচক খ্যাতি ছিল। ১৯৩০-এর দশকে যখন তিনি পুনরায় যোগ দেন (তিনি ১৯২০-এর দশকে সংক্ষিপ্তভাবে এবং গোপনে সদস্য ছিলেন), তখন তিনি সরাসরি শীর্ষ নেতৃত্বে চলে আসেন। পদমর্যাদায় উপরে ওঠার লড়াইয়ে অন্যান্য নারীদের যে কঠোর আচরণের প্রয়োজন হতো, তার সেটি করার প্রয়োজন পড়েনি। তিনি মানুষের প্রতি এমনভাবে আন্তরিক ছিলেন যা অধিকাংশ পার্টি নেতার মধ্যে ছিল না। আমি যখনই নিউ ইয়র্কে যেতাম, চেলসি হোটেলে তার সাথে দেখা করার চেষ্টা করতাম যেখানে তিনি থাকতেন। তার রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং জাতীয় অফিসে তার সহকর্মীদের সম্পর্কে তার তীক্ষ্ণ ও নির্ভীক মতামতের কারণে তিনি শোনার মতো একজন ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তিনি জিন ডেনিসকে পছন্দ করতেন কিন্তু ফস্টারের প্রতি সবসময় সমালোচনামূলক ছিলেন। স্পষ্টতই এই বিরোধ অনেক অনেক বছর আগের। ইউনিয়ন সংগঠক হিসেবে তার বীরত্বপূর্ণ অতীতের গ্ল্যামার তাকে মোহিত করতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত তার নিজেরও এমন সব পরিচয় ছিল যা ফস্টারের চেয়ে কোনো অংশে কম প্রভাবশালী ছিল না। তিনি পার্টির জনসম্মুখের মুখ হিসেবে এবং ওবলিদের ঐতিহাসিক অতীত, লরেন্সের "ব্রেড অ্যান্ড রোজেস" ধর্মঘট এবং স্পোকেনের বাক-স্বাধীনতা লড়াইয়ের যোগসূত্র হিসেবে খুব কার্যকর ছিলেন। বিশাল শ্রোতাদের সামনে সহজ ভাষায় কথা বলার এবং তাৎক্ষণিক সম্পর্ক তৈরি করার এক অসাধারণ ক্ষমতা তার ছিল। এটি ছিল পার্টির পুরনো দিনের আন্দোলনকারীদের একটি গুণ—ফ্লিন, ফস্টার এবং ক্ল্যারেন্স হ্যাথওয়ের মতো মানুষের মধ্যে এটি আমার প্রজন্মের চেয়ে অনেক বেশি ছিল। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে লিজের প্রতি আমার মিশ্র অনুভূতি তৈরি হয়েছিল। পার্টির সভাগুলোতে তিনি সবসময় গুস বা সোভিয়েত ইউনিয়নের কাছে অগ্রহণযোগ্য কিছু না বলার বিষয়ে খুব সতর্ক থাকতেন। তিনি আমাকে নিয়ে এবং আমার রাজনীতি আমাকে যে খারাপ পরিণতির দিকে নিয়ে যাবে তা নিয়ে চিন্তিত ছিলেন।
** [[ডরোথি রে হিলি]], ''ক্যালিফোর্নিয়া রেড: আ লাইফ ইন দ্য আমেরিকান কমিউনিস্ট পার্টি'' (১৯৯০)
* আমি এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন এবং পেটিস পেরি ও আমার সকল সহ-অভিযুক্তদের সেই বিশ্বাসে বিশ্বাসী যে, আমেরিকার শ্রমজীবী মানুষ—কৃষ্ণাঙ্গ ও শ্বেতাঙ্গ—অবশ্যই জেগে উঠবে; ভেড়ার মতো নয় বরং তাদের স্বাধীনতার প্রতি সজাগ দৃষ্টি রেখে। তারা নিশ্চিত করবে যে শান্তি জয়ী হবে এবং এই ক্ষয়িষ্ণু স্মিথ অ্যাক্ট, যা অধিকারের সনদকে লঙ্ঘন করে, তা ইতিহাসের পাতা থেকে মুছে যাবে।
** [[ক্লডিয়া জোন্স]], জবানবন্দি (জানুয়ারি ১৯৫৩)
*আমি তোমাকে দেখব সেইসব কচি অঙ্কুরিত চারার মাঝে/যারা আগাছাকে অবজ্ঞা করে—সন্দেহে কুঁকড়ে যাওয়া বার্ধক্যকে/সেইসব ব্যবহারকারীদের যারা গালিগালাজে কলুষিত করে,/সংগ্রামের মধ্য দিয়ে গড়ে তোলা সেবায় নিবেদিত এক সার্থক জীবনকে... আমি তোমাকে চিরদিন মনে রাখব/এবং কীভাবে তোমার আত্মা প্রতিধ্বনিত হয়/কারণ তোমার বিশ্বাস আগুনের শিখার মতো লাফিয়ে ওঠে/যা সবকিছুর জন্য এক মধুর লালন।
** ক্লডিয়া জোন্স, 'বিয়ন্ড কন্টেইনমেন্ট: অটোবায়োগ্রাফিক্যাল রিফ্লেকশনস, এসেস, অ্যান্ড পোয়েমস' গ্রন্থে "টু এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন" কবিতা।
*ডরোথি ডে এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিনকে (যিনি ১৯৩৭ সালে ইউ.এস. কমিউনিস্ট পার্টিতে যোগ দিয়েছিলেন) "শব্দের গভীরতম অর্থে আমার বোন" হিসেবে গণ্য করতেন। ডে লিখেছিলেন, ফ্লিন "সর্বদাই তা-ই করেছেন যা আজকাল সাধারণ মানুষদের করার জন্য তাগিদ দেওয়া হয়। তিনি দরিদ্রদের রক্ষায়, তাদের অন্যায় ও অভাব থেকে বাঁচাতে নিজের ক্ষমতার সবটুকু করার দায়িত্ব অনুভব করতেন" (লং লোনলিনেস, ১৪৫-১৪৬)।
** [[মার্গারেট সি. জোন্স]], 'হেরিটিকস অ্যান্ড হেলরাইজার্স: উইমেন কন্ট্রিবিউটরস টু দ্য মাসেস, ১৯১১-১৯১৭' (১৯৯৩)
*শ্রম আন্দোলনের ইতিহাসের আমার অন্যতম প্রিয় ব্যক্তিত্ব এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন—সেই বিখ্যাত 'রেবেল গার্ল' যাকে নিয়ে জো হিল গান গেয়েছিলেন এবং যিনি নিজের যোগ্যতায় একজন অসাধারণ ইউনিয়ন সংগঠক ছিলেন—ঊনবিংশ শতাব্দীতেই একটি অত্যন্ত সঠিক কথা বলেছিলেন। তথাকথিত রুটি-রুজির অর্থনৈতিক ইস্যুগুলোর সমান গুরুত্ব দিয়ে রাজনৈতিক ও সামাজিক ন্যায়বিচারের দাবিগুলো ধরে রাখার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে তিনি বলেছিলেন: "শ্রমিকের বিজয় আসলে কী? আমি মনে করি এটি একটি দ্বিমুখী বিষয়। পূর্ণাঙ্গ বিজয় অর্জনের জন্য শ্রমিকদের কেবল অর্থনৈতিক সুবিধাই অর্জন করলে চলবে না, তাদের মধ্যে বিপ্লবী চেতনাও থাকতে হবে। শ্রমিকদের দিনে কয়েক সেন্ট বেশি পাওয়া বা কয়েক মিনিট কম কাজ করে সেই একই মানসিকতা এবং সমাজের প্রতি একই দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কাজে ফিরে যাওয়া মানে একটি সাময়িক লাভ অর্জন করা, কোনো স্থায়ী বিজয় নয়।"
** কিম কেলি (সাংবাদিক), 'ফাইট লাইক হেল: দ্য আনটোল্ড হিস্ট্রি অফ আমেরিকান লেবার' (২০২২)
* ফ্লিনের ভাষায়, এটি ছিল "আমেরিকান শ্রম ইতিহাসের এক অতুলনীয় দিন... লরেন্সে তখন ত্রাসের রাজত্ব চলছিল যা আক্ষরিক অর্থেই আমেরিকাকে কাঁপিয়ে দিয়েছিল।"
** কিম কেলি (সাংবাদিক), 'ফাইট লাইক হেল: দ্য আনটোল্ড হিস্ট্রি অফ আমেরিকান লেবার' (২০২২)
*প্রথাগত মার্ক্সবাদী তত্ত্ব অনুযায়ী গৃহিণীদের শ্রেণি সচেতনতা ছিল একটি সমস্যাজনক বিষয়; তারা প্রায়ই আমূল সংস্কারবাদী পুরুষদের কাছে অনির্ভরযোগ্য মিত্র ছিলেন। তাদের সাধারণত কৃষক এবং বুদ্ধিজীবীদের সাথে এমন এক রক্ষণশীল গোষ্ঠী হিসেবে দেখা হতো যারা সর্বহারা পুরুষদের অগ্রযাত্রায় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। নারীদের সমঅধিকার সমস্ত মার্ক্সবাদী আন্দোলনের একটি ঘোষিত লক্ষ্য ছিল, কিন্তু নারী ইস্যুগুলোকে যেভাবে দেখা হতো, তাতে স্পষ্ট বার্তা পাওয়া যেত যে—নারীদের কাজ এই সংগ্রামের ক্ষেত্রে প্রান্তিক বা গৌণ, যদি না তারা পুরুষদের মতো করে কাজ করতে পারদর্শী হয়। প্রখ্যাত এবং উদযাপিত নারী নেত্রীরা—ডলোরেস ইবারুরি (লা পাসিওনারিয়া), মাদার ব্লুর, এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন, ক্লারা লেমলিচ—গৃহিণীদের সংগঠিত করেননি; তারা নারী কারখানা শ্রমিক, নারীদের সহযোগী সংগঠন বা পুরুষদের সংগঠিত করেছিলেন।
** [[গের্ডা লার্নার]], 'ফায়ারউইড: আ পলিটিক্যাল অটোবায়োগ্রাফি' (২০০২)
*যুদ্ধবন্দিদের জন্য আমার সফরের সময় আমি পর্যায়ক্রমে নিউ ইয়র্কে ফিরে আসতাম সংগঠনকে রিপোর্ট দিতে এবং এই কাজে এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন ও অন্যদের সাথে পরামর্শ করতে। এভাবেই আইরিশ লড়াকু পূর্বপুরুষদের সেই লড়াকু কন্যার সাথে আমার দীর্ঘ বছরের মেলামেশা শুরু হয়। ষোলো বছর বয়সেই তিনি আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-তে সক্রিয় ছিলেন এবং জো হিল তাকে নিয়ে একটি ওবলি গান লিখেছিলেন, "দ্য রেবেল গার্ল"। যদিও কমিউনিস্ট পার্টির শুরুর দিনগুলোতে তিনি আমাদের সাথে যোগ দেননি, কিন্তু তিনি আমাদের সাথে খুব ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতেন। পরিশেষে, ওরেগনের পোর্টল্যান্ডে দশ বছর অসুস্থ থাকার পর তিনি নিউ ইয়র্কে ফিরে আসেন এবং পার্টিতে যোগ দেন। আজ তিনি আমাদের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বক্তা এবং আমাদের জাতীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সম্মানিত ও প্রিয় সদস্য। এলিজাবেথের জীবনের গল্প এই দেশের অনেক মহান শ্রমিক সংগ্রামের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে। সর্বত্র শ্রমিকরা তার সুন্দর সুমধুর কণ্ঠস্বর, উজ্জ্বল উদ্দীপনা এবং বিশাল লড়াকু হৃদয়ের কথা জানে। ক্যালুমেট, পাসাইক, প্যাটারসন, লরেন্স—এই সব জায়গার পিকেট লাইন এবং মঞ্চ তাকে চেনে। আজ তার একমাত্র ছেলে ফ্রেডের আকস্মিক মৃত্যুর শোকের ভার বহন করেও তিনি এমন এক বিশ্বের জন্য লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন যেখানে মায়েদের তাদের প্রভুদের স্বার্থ রক্ষার যুদ্ধে অকারণে সন্তান হারাতে হবে না।
** [[এলা রিভ ব্লুর]], 'উই আর মেনি: অ্যান অটোবায়োগ্রাফি' (১৯৪০)
*যে নারীর প্রতি আমার গভীরতম শ্রদ্ধা ছিল, তিনি অবশ্যই এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন।
** [[এমা তেনাইউকা]], সাক্ষাৎকার (১৯৮৭)
*তিনি তার এই বিস্ময়কর রেকর্ডের সূচনা করেছিলেন পনেরো বছর বয়সে রাস্তার মোড়ে গ্রেপ্তার হওয়ার মাধ্যমে। তার বাবাও তার সাথে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। এরপর থেকে তার বাবা আর কখনও গ্রেপ্তার হননি। এটি ছিল তার জন্য কেবল শুরু। বিচারক কৌতূহলী হয়ে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, "তুমি কি ব্রডওয়েতে কথা বলে মানুষকে সমাজতন্ত্রে দীক্ষিত করার আশা করো?" তিনি বিচারকের দিকে তাকালেন এবং গম্ভীরভাবে উত্তর দিলেন, "অবশ্যই করি।" বিচারক করুণায় দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন, "মামলা খারিজ।"
** [[মেরি হিটন ভোর্স]] (১৯২৬), গের্ডা লার্নার সম্পাদিত 'দ্য ফিমেল এক্সপেরিয়েন্স: অ্যান আমেরিকান ডকুমেন্টারি' গ্রন্থে সংকলিত।
*তিনি আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-তে যোগ দিয়েছিলেন যখন সেটি তার সোনালী যুগে ছিল। আদর্শবাদে পূর্ণ এই আন্দোলন উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলকে প্লাবিত করেছিল। সব জায়গায় তাদের বাক-স্বাধীনতার লড়াই চলছিল। কর্তৃপক্ষ তাদের গ্রেপ্তার করত এবং আরও বেশি মানুষ আসত। তারা জেলখানাগুলোকে জনাকীর্ণ করে ফেলেছিল। এলিজাবেথ বলেছিলেন, "একটি শহরে জেলে এত বেশি মানুষ ছিল যে দিনের বেলা তাদের ছেড়ে দেওয়া হতো। বাইরের আমাদের তাদের খাওয়াতে হতো। প্রতি রাতে তারা আবার জেলে ফিরে যেত। অবশেষে ওবলিরা সিদ্ধান্ত নিল যে জেলের দরজা খুললেও তারা বের হবে না। দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ সেইসব ওবলিদের দেখতে আসত যারা জেল ছাড়তে রাজি ছিল না।" তার জীবনের এই অংশটি—পশ্চিমের যাযাবর শ্রমিকদের সংগঠিত করা এবং তাদের হয়ে লড়াই করা—তার জীবনের সেই অংশ যা তিনি সবচেয়ে বেশি পছন্দ করেন।
** মেরি হিটন ভোর্স (১৯২৬), গের্ডা লার্নার সম্পাদিত 'দ্য ফিমেল এক্সপেরিয়েন্স: অ্যান আমেরিকান ডকুমেন্টারি' গ্রন্থে সংকলিত।
*প্রতিরক্ষার কাজ তার কাছে নতুন কিছু ছিল না এবং ১৯১৮ সাল থেকে ইদানীংকাল পর্যন্ত তার প্রধান কাজ ছিল রাজনৈতিক বন্দিদের জেল থেকে মুক্ত করা। আর ১৯২১ সাল থেকে তিনি স্যাকো-ভানজেত্তি মামলার ওপর মনোযোগ নিবদ্ধ করেছেন। সেখানে ছিল নিরন্তর কাজ, ছিল গ্রেপ্তার এবং তার আদর্শের জন্য বন্দি হওয়া কমরেডদের নিয়ে তার নিরন্তর ব্যস্ততা। শ্রমিক আন্দোলনে তার প্রথম বিশ বছর পার করার পরও তিনি অম্লান এবং নিরুৎসাহহীন।
** মেরি হিটন ভোর্স (১৯২৬), গের্ডা লার্নার সম্পাদিত 'দ্য ফিমেল এক্সপেরিয়েন্স: অ্যান আমেরিকান ডকুমেন্টারি' গ্রন্থে সংকলিত।
*প্রগতিশীল বা আমূল সংস্কারবাদী আন্দোলনে সক্রিয় যেসব সুন্দরী নারীর সাথে আমার দেখা হয়েছে, তাদের সুন্দর স্মৃতি ছাড়া যদি মনে রাখার মতো আর কিছু না-ও থাকত, তবুও জীবন সার্থক হতো। আমি এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিনের প্রেমে পড়েছিলাম যখন একজন তরুণী হিসেবে তিনি তার স্পষ্ট ও সুমধুর কণ্ঠে হাজার হাজার মানুষকে সামাজিক বিদ্রোহের আদর্শে উদ্বুদ্ধ করেছিলেন।
** [[আর্ট ইয়াং]], 'হিজ লাইফ অ্যান্ড টাইমস' (১৯৩৯)
*বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকের সেইসব বিপ্লবীদের শক্তি ও উদ্দীপনার আঁচ পাওয়া যায় কেবল এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিনের পুলিশের রেকর্ড বা অপরাধের তালিকার দিকে তাকালে।
** [[হাওয়ার্ড জিন]], 'আ পিপলস হিস্ট্রি অফ দ্য ইউনাইটেড স্টেটস'
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:শ্রমিক নেতা]]
[[বিষয়শ্রেণী:শ্রমিক আন্দোলনকর্মী]]
[[বিষয়শ্রেণী:নারী অধিকার কর্মী]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নারী সক্রিয়কর্মী]]
[[বিষয়শ্রেণী:কমিউনিস্ট পার্টি ইউএসএ-এর সদস্য]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নারীবাদী]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আত্মজীবনীকার]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক লেখক]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লেখিকা]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমাজতন্ত্রী]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাক-স্বাধীনতা আন্দোলনকর্মী]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাম্যবাদী]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৮৯০-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৬৪-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯শ শতাব্দীতে জন্মগ্রহণকারী নারী]]
[[বিষয়শ্রেণী:নিউ হ্যাম্পশায়ারের ব্যক্তি]]
dipxnmo9fwior1kdnezewp56ynvcu7t
83275
83274
2026-05-02T18:44:58Z
Tuhin
172
83275
wikitext
text/x-wiki
[[File:Elizabeth Gurley Flynn point (cropped).jpg|thumb|এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন]]
'''[[w:bn:এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন|এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন]]''' (৭ আগস্ট ১৮৯০ – ৫ সেপ্টেম্বর ১৯৬৪) ছিলেন একজন [[w:bn:শ্রমিক নেতা|শ্রমিক নেতা]], সক্রিয়কর্মী এবং [[w:bn:নারীবাদী|নারীবাদী]] যিনি [[w:bn:ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়ার্কার্স অফ দ্য ওয়ার্ল্ড|ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়ার্কার্স অফ দ্য ওয়ার্ল্ডে]] অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন। ফ্লিন [[w:bn:আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়ন|আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়নের]] একজন প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং [[নারীর অধিকার]], [[জন্ম নিয়ন্ত্রণ]] এবং [[w:bn:নারী ভোটাধিকার|নারী ভোটাধিকারের]] একজন বিশিষ্ট প্রবক্তা ছিলেন। তিনি ১৯৩৬ সালে [[w:bn:কমিউনিস্ট পার্টি ইউএসএ|কমিউনিস্ট পার্টি ইউএসএ]]-তে যোগ দেন এবং জীবনের শেষভাগে, ১৯৬১ সালে এর সভানেত্রী হন।
== উক্তি ==
===[https://speakingwhilefemale.co/jobs-flynn2/ "দ্য ওয়ার্কিং ক্লাস"] (২৯ জুন, ১৯০৯)===
* ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়ার্কার্স অফ দ্য ওয়ার্ল্ড হলো শ্রমিক সংগঠনের একটি নতুন রূপ, যা কেবল শিল্প শ্রমিক শ্রেণি এবং শুধুমাত্র সেই শ্রেণির জন্যই কাজ করে।
* এই দেশের শ্রমিক শ্রেণি এমন এক পরিস্থিতির দিকে তাকিয়ে আছে যেখানে সারা বিশ্বের চাহিদা মেটানোর মতো প্রাকৃতিক সম্পদ বিদ্যমান। তারা এমন এক শিল্প পরিস্থিতির দিকে তাকিয়ে আছে যা এমন সব যন্ত্রপাতি উদ্ভাবন করেছে যা খুব সামান্য শ্রম ব্যয়ে এই প্রাকৃতিক সম্পদগুলোকে প্রয়োজনীয় পণ্য বা বিলাসদ্রব্যে রূপান্তর করতে সক্ষম। তবুও তা সত্ত্বেও এবং যারা পরিশ্রম করে তাদের দ্বারা সম্ভব হওয়া উৎপাদনশীলতা এবং পৃথিবীর প্রাকৃতিক প্রাচুর্য সত্ত্বেও, আমাদের এই দেশে মানুষ না খেয়ে মরছে এবং পঞ্চাশ লক্ষ মানুষ বেকার। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে দশ লক্ষেরও বেশি শিশু শ্রমিক, নিউ ইয়র্ক সিটিতে সত্তর হাজার এবং শিকাগোতে পঞ্চাশ হাজার শিশু সকালে নাস্তা না খেয়ে স্কুলে যায়। আমাদের এমন এক অবস্থা যেখানে অধিকাংশ মানুষ সম্পদহীন শ্রেণি, যারা কোনো জমির মালিক নয়, যারা সেই উৎপাদনশীল যন্ত্রপাতির কোনোটিই নিয়ন্ত্রণ করে না, যারা এই স্বাধীন দেশে এবং সাহসীদের আবাসভূমিতে নিজের শ্রমশক্তি অর্থাৎ নিজের কাজ করার ক্ষমতা ছাড়া আর কিছুই নিয়ন্ত্রণ করে না।
* আজ শ্রমিক শ্রেণির কাছে কেবল এমন কিছু পরিস্থিতি রয়েছে যা তারা নিজেরা প্রতিকার করার অবস্থানে আছে। তাদের কাছে কেবল কিছু মিথ্যা পরিস্থিতি রয়েছে, যা প্রকৃতির সৃষ্টি নয় বরং মানুষের তৈরি, যা তারা নিজেরা উৎখাত করতে পারে।
* আমাদের যা কিছু আছে তা হলো কাজ করার ক্ষমতা এবং পুঁজিবাদী শ্রেণির কাছে সেই একটি পণ্যই নেই। তাদের কারখানা আছে, জমি আছে, রেলপথ আছে কিন্তু তাদের কাছে শ্রমশক্তি নেই, যা সম্পদ তৈরির আসল ক্ষমতা।
* স্যামুয়েল গম্পার্স হলো মালিকদের বন্ধু।
* আমাদের আছে শুধু আমাদের সংগঠন, সহকর্মীবৃন্দ। তাদের আছে পুঁজি, তাদের আছে সরকারের ক্ষমতা, পুঁজিবাদী শ্রেণীর সংগ্রামী গোষ্ঠী; তাদের আছে রাষ্ট্রের ক্ষমতা; তাদের আছে আন্তর্জাতিক পুঁজির ক্ষমতা — আর আমাদের আছে শুধু আমাদের সাংগঠনিক শক্তি।
==="দ্য ট্রুথ অ্যাবাউট দ্য প্যাটারসন স্ট্রাইক" (১৯১৪)===
''আউটস্পোকেন উইমেন'' (১৯৮৪) সংকলন থেকে। ক্যাপশন: "নিচের ভাষণটি ১৯১৪ সালের ৩১শে জানুয়ারি নিউ ইয়র্ক সিটির নিউ ইয়র্ক সিভিক ক্লাব ফোরামে প্রদান করা হয়েছিল। এর টাইপস্ক্রিপ্টটি মিশিগানের অ্যান আর্বারে অবস্থিত ইউনিভার্সিটি অফ মিশিগান লাইব্রেরির লাবাদি কালেকশনে সংরক্ষিত রয়েছে।"
* আমি মনে করি আমাদের অনেক সমালোচকই সেইসব মানুষ যারা ঘরে বসে বিছানায় বিশ্রাম নিচ্ছিলেন যখন আমরা ধর্মঘটের কঠিন কাজগুলো করছিলাম।
* শ্রমিকদের বিজয় আসলে কী? আমি মনে করি এটি একটি দ্বিমুখী বিষয়। একটি পূর্ণাঙ্গ বিজয় অর্জনের জন্য শ্রমিকদের অবশ্যই অর্থনৈতিক সুবিধা অর্জন করতে হবে। একই সাথে তাদের মধ্যে বৈপ্লবিক চেতনাও জাগ্রত হতে হবে। শ্রমিকরা দিনে কয়েক সেন্ট মজুরি বেশি পেল বা কয়েক মিনিট কম কাজ করল, কিন্তু সেই একই মানসিকতা নিয়ে কাজে ফিরল। সমাজের প্রতি তাদের দৃষ্টিভঙ্গি যদি একই থাকে, তবে সেটি কেবল একটি সাময়িক লাভ। এটি কোনো স্থায়ী বিজয় নয়। শ্রমিকরা যদি শ্রেণি-সচেতন চেতনা এবং একটি সংগঠিত ও দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ মনোভাব নিয়ে কাজে ফেরে, তবেই সেটি প্রকৃত জয়। এর ফলে তাৎক্ষণিক কোনো অর্থনৈতিক লাভ না হলেও ভবিষ্যতে তা অর্জনের সম্ভাবনা তৈরি হয়। অন্য কথায়, শ্রমিকের বিজয়কে অবশ্যই অর্থনৈতিক এবং বৈপ্লবিক হতে হবে। তা না হলে সেটি পূর্ণাঙ্গ হয় না।
* একটি শ্রমিক বিজয় অবশ্যই দ্বিমুখী হতে হবে, তবে যদি কেবল একটি পাওয়া সম্ভব হয় তবে অর্থনৈতিক সুবিধার চেয়ে চেতনা অর্জন করা অনেক বেশি ভালো।
* আমাদের কাজ ছিল শিক্ষিত করা এবং অনুপ্রাণিত করা। শিক্ষা কোনো তাৎক্ষণিক পরিবর্তন নয়, বরং এটি একটি প্রক্রিয়া। শ্রমিকদের সামনে দেওয়া একটি মাত্র ভাষণ তাদের সারা জীবনের সংস্কারগুলো দূর করে দেয় না। আমাদের জাতীয় বিষয়গুলো নিয়ে কুসংস্কার ছিল। বিভিন্ন পেশার মধ্যে এবং নারী-পুরুষের প্রতিযোগিতার মধ্যেও সংস্কার ছিল। আমাদের এই সবকিছুই কাটিয়ে উঠতে হয়েছিল।
* ধর্মঘটের ক্ষেত্রে উদ্দীপনা মানে হলো সেই ধর্মঘট এবং তার মাধ্যমে হওয়া শ্রেণী সংগ্রামকে তাদের ধর্মে পরিণত করা। তারা যে সামান্য কয়েক সেন্ট মজুরি বা কয়েক ঘণ্টা সময়ের জন্য লড়ছে, সেই কথাটি তাদের ভুলিয়ে দিতে হবে। তাদের মনে এই অনুভূতি জাগিয়ে তুলতে হবে যে এই ধর্মঘটে জয়ী হওয়া তাদের একটি "ধর্মীয় দায়িত্ব"। আমাদের কাজের মূলে ছিল এই দুটি বিষয়। তাদের মধ্যে সংহতি এবং শ্রেণী-সচেতনতার বোধ তৈরি করা।
* আমি বলছি না যে সহিংসতা ব্যবহার করা উচিত নয়। তবে যেখানে এর কোনো প্রয়োজন নেই, সেখানে আমাদের এটি অবলম্বন করারও কোনো কারণ নেই।
* শারীরিক সহিংসতা নাটকীয় মনে হয়। বিশেষ করে যখন আপনি এটি নিয়ে কেবল কথা বলেন কিন্তু বাস্তবে প্রয়োগ করেন না, তখন এটি বেশি নাটকীয় লাগে। তবে ধর্মঘট পরিচালনার ক্ষেত্রে প্রকৃত সহিংসতা এখন একটি সেকেলে পদ্ধতি। সমস্ত শিল্প-কারখানাকে অচল করে দেওয়ার মতো গণ-আন্দোলন অনেক বেশি আধুনিক এবং ভীতিকর পদ্ধতি। এর মানে এই নয় যে আত্মরক্ষার জন্য সহিংসতা ব্যবহার করা যাবে না। আত্মরক্ষার জন্য সহিংসতার প্রয়োজনীয়তা সবাই বিশ্বাস করে। ধর্মঘটীদের এটি আলাদা করে বলে দেওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে মূল বিষয়টি হলো ধর্মঘটে জেতার উপায় হলো নিজের হাত পকেটে রেখে কাজ করতে অস্বীকার করা।
* যদি রবিবারে আপনি সেই মানুষগুলোকে বাড়িতে থাকতে দেন, তবে তারা আগুনহীন চুলার পাশে বসে থাকবে। তারা এমন টেবিলে খেতে বসবে যেখানে খুব বেশি খাবার নেই। তারা দেখবে সন্তানদের জুতো ছিঁড়ে পাতলা হয়ে গেছে এবং তাদের পোশাকগুলোও জীর্ণ হয়ে যাচ্ছে। তখন তারা কেবল "নিজের" কথা ভাবতে শুরু করবে। এতে তাদের মধ্যে থাকা গণ-চেতনা হারিয়ে যাবে এবং সবাই যে তাদের মতোই কষ্ট পাচ্ছে সেই উপলব্ধি তারা হারাবে। সপ্তাহের প্রতিদিন এবং বিশেষ করে রবিবারে তাদের কাজে ব্যস্ত রাখতে হবে। এটি করা প্রয়োজন যাতে তাদের মনোবল শূন্যে নেমে না যায়। আমি মনে করি পাদ্রিরা রবিবারে এই কারণেই ধর্মোপদেশ দেন যাতে মানুষ সপ্তাহের বাকি দিনগুলো তাদের অবস্থা কতটা খারাপ ছিল তা ভাবার সুযোগ না পায়। যাই হোক, ধর্মঘটের সময় এটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি বিষয়।
* প্রকৃতপক্ষে প্রতিটি ধর্মঘটের এটি একটি জরুরি প্রক্রিয়া। মানুষকে সবসময় ব্যস্ত রাখা এবং তাদের সক্রিয় রাখা প্রয়োজন যাতে তারা সারিবদ্ধ লড়াইয়ের যোদ্ধা হিসেবে কাজ করতে পারে। আন্দোলনকারীর কাজ হলো বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রমের পরিকল্পনা করা এবং পরামর্শ দেওয়া যা পুরোপুরি ধর্মঘটের ওপর নিবদ্ধ থাকবে। এই কারণেই আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. বড় বড় জনসভা, নারী সমাবেশ এবং শিশুদের সমাবেশের আয়োজন করে। আমরা কেন বড় আকারে পিকেটিং এবং গণ-অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার আয়োজন করি তার কারণও এটিই। এই নিরবচ্ছিন্ন গণ-কার্যক্রমের মাধ্যমেই আমরা শ্রমিকদের মনে "একজনের জন্য সবাই এবং সবার জন্য একজন" এই অনুভূতি তৈরি করতে পারি। আমরা তাদের বোঝাতে সক্ষম হই যে একজনের ক্ষতি মানেই সবার ক্ষতি। আমরা তাদের এমন এক পর্যায়ে নিয়ে আসতে পারি যেখানে তারা ধর্মঘটের ভাতার চেয়ে পারস্পরিক সহায়তার ওপর বেশি ভরসা করবে। তারা জরিমানা দিতে অস্বীকার করে একসাথে শত শত মানুষ জেলে যাবে।
* এই অনবরত সক্রিয়তাই হলো একজন আন্দোলনকারীর কাজ। তাদের নতুন কী কাজ দেওয়া যায় তা ভাবতে গিয়ে আমরা অনেক রাত জেগে কাটিয়েছি। লরেন্সের কথা মনে পড়ে যখন আমাদের কেউ এক রাত ঘুমাতে পারিনি। কাজের অভাবে ধর্মঘটের উদ্দীপনা তখন কমে যাওয়ার ঝুঁকিতে ছিল। আমার মনে আছে [[বিল হেউড]] শেষ পর্যন্ত বলেছিলেন, "চলো এসেক্স স্ট্রিটে পিকেট লাইন তৈরি করি। প্রতিটি ধর্মঘটী একটি করে ছোট লাল ফিতা পরবে এবং রাস্তায় পায়চারি করে বুঝিয়ে দেবে যে ধর্মঘট ভেঙে যায়নি।" কয়েক দিন পর সেই পরামর্শ কার্যকর করা হয়। যখন তারা বাড়ি থেকে বেরিয়ে নিজেদের বিশাল সংখ্যাটি দেখল, তখন তারা নতুন শক্তি ও উদ্যম ফিরে পেল। এটি তাদের ধর্মঘটকে আরও অনেক সপ্তাহ এগিয়ে নিতে সাহায্য করেছিল।
* মানুষ কাজের মাধ্যমেই কাজ শেখে। ধর্মঘটে আমাদের কোনো সামরিক বাহিনী নেই যাকে "এটি করো" বা "ওটি করো" বললেই তারা নিখুঁতভাবে মেনে চলবে। গণতন্ত্রের মানে হলো ভুল করা এবং অনেক ভুল করা। তবে এর মানে অভিজ্ঞতা অর্জন করাও যাতে সেই ভুলগুলোর পুনরাবৃত্তি না হয়।
* নিয়োগকর্তারা আপনার বাহিনীর সবটুকু দেখতে পান। কিন্তু আপনি তাদের বাহিনীর কিছুই দেখতে পান না এবং কেবল তাদের অবস্থা অনুমান করতে পারেন।
===[https://www.marxists.org/subject/women/authors/flynn/1916/patriotism.htm "ডু ইউ বিলিভ ইন প্যাট্রিওটিজম?"] (মার্চ, ১৯১৬)===
''দ্য মাসেস'' পত্রিকায় প্রকাশিত।
* প্রশ্নটি কি এমন হওয়া উচিত 'আমেরিকা আগে' নাকি 'দুনিয়ার মজদুর, এক হও!'
* যাদের এই দেশ আছে, যারা যুদ্ধের প্রস্তুতির জন্য চিৎকার করছে এবং তা থেকে মুনাফা লুটছে, তাদের নিজেদের সম্পদ রক্ষার জন্য তাদেরকেই লড়তে দাও।
* আমি রাজা বা কাইজারের শাসনের মতো [[রকফেলার]] এবং [[মরগান|মরগানের]] শাসনকেও ঘৃণা করি। বেলজিয়ামের ঘটনায় আমি যতটা ক্ষুব্ধ, লুডলো এবং ক্যালুমেটের ঘটনায় আমি ততটাই লজ্জিত ও ক্ষুব্ধ।
* আমাদের শ্রমিকদের অধিকাংশ হলো বিদেশি, যারা এক বা দুই প্রজন্ম আগে এখানে এসেছে। তাদের ইউরোপীয় পারিবারিক টান এবং আমেরিকান পরিবেশের কারণে এই বৈচিত্র্যময় জনগোষ্ঠীর জন্য আন্তর্জাতিকতাবাদই যৌক্তিক দেশপ্রেম হয়ে ওঠে।
* যে ট্রেনে বসে আমি এই লেখাটি লিখছি, সেটি এমন সব কারখানার পাশ দিয়ে দ্রুত বেগে ছুটে চলেছে যেখানে সোনার বিনিময়ে হত্যার সরঞ্জাম তৈরি করা হয়।
===[https://www.marxists.org/subject/women/authors/flynn/1941/mayday.htm "মে ফার্স্ট: দ্য সান অফ টুমরো"] (৬ মে, ১৯৪১)===
* এটি জাতি, ধর্ম, বর্ণ এবং জাতীয়তার সমস্ত পার্থক্যকে মুছে দেয়। এটি সর্বত্র সকল শ্রমিকের ভ্রাতৃত্বকে উদযাপন করে। এটি সমস্ত জাতীয় সীমানা অতিক্রম করে, সমস্ত ভাষার বাধা পেরিয়ে যায়, সমস্ত ধর্মীয় বিভেদকে উপেক্ষা করে। এটি সারা বিশ্বে সমস্ত শ্রমিক এবং সমস্ত শোষণকারীদের মধ্যে অলঙ্ঘনীয় ফাটলকে স্পষ্ট করে তোলে। এটি সেই দিন যখন শ্রেণি সংগ্রামের লড়াকু তাৎপর্য প্রতিটি সচেতন শ্রমিকের মাধ্যমে পুনরায় নিশ্চিত হয়।
* জ্ঞানদীপ্ত শ্রমিকের কাছে এই দিনটি একটি নতুন বিশ্ব, একটি শ্রেণিহীন বিশ্ব, একটি শান্তিপূর্ণ বিশ্ব, দারিদ্র্য বা দুঃখহীন বিশ্বের পূর্বাভাস। এটি সমাজতন্ত্রের এক উজ্জ্বল প্রতিশ্রুতি, মানবজাতির প্রকৃত ভ্রাতৃত্ব। ১৯৪১ সালের এই দিনে লেনিনের সেই বিজ্ঞ বাণী “জীবন নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করবেই। কমিউনিস্টদের অবশ্যই জানতে হবে যে ভবিষ্যৎ তাদেরই,” ব্রাউডার এবং থেলম্যান ও আরও অসংখ্য মানুষের একাকী জেলখানাকে আলোকিত করবে। কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পগুলোতে বিপ্লবী গানের মৃদু সুর শোনা যাবে। সমুদ্রে, সামরিক ব্যারাকে, কারখানা বা কলের জবরদস্তিমূলক শ্রমে নিযুক্ত শ্রমিকদের হৃদস্পন্দন তাদের সাথে মিলে যাবে যারা বহুদূরে মস্কোর রেড স্কয়ারে উত্তাল সংগীতের তালে লাল পতাকার পেছনে আনন্দভরে প্যারেড করছে। ইউরোপের পরিখায় থাকা সৈনিকরা, ফ্রাঙ্কোর অন্ধকূপের বন্দিরা, হিটলারের নরককুণ্ডের এবং মুসোলিনির কারাগারের বন্দিরা দাঁতে দাঁত চেপে বিড়বিড় করে বলবে, “তোমাদের দিন ফুরিয়ে আসছে। তোমরা জনগণের চূড়ান্ত বিজয় রুখতে পারবে না!”
* মে দিবস আমেরিকান শ্রমিকদের রক্তে দীক্ষিত হয়েছিল।
* ফাঁসির দড়ি গলায় শক্ত হওয়ার সময় [[আলবার্ট পারসন্স|পারসন্স]] চিৎকার করে বলেছিলেন, "জনগণের কণ্ঠস্বর শুনতে দাও!" গতকালের বীর শহিদ, মে দিবসে এই কণ্ঠস্বর শোনা গেছে এবং সবসময় শোনা যাবে! এই বছর শিকাগোর ইন্টারন্যাশনাল হারভেস্টার ওয়ার্কসের নবসংগঠিত বিজয়ী ধর্মঘটীরা মে মাসের এক তারিখে তোমাদের নামকে পবিত্র করবে।
* জার্মানির সাহসী সমাজতন্ত্রী নারী [[রোজা লুক্সেমবার্গ]], যাকে পরে সামরিকবাদীরা নির্মমভাবে হত্যা করেছিল, ১৯১৩ সালে বিশ্বযুদ্ধের বিরুদ্ধে সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন। তিনি মে দিবসকে শান্তি ও সমাজতন্ত্রের জন্য এক শক্তিশালী গণবিক্ষোভে পরিণত করার আহ্বান জানিয়েছিলেন। “দুনিয়ার মজদুর, এক হও!” মে দিবসে এটিই ছিল জোরালো দাবি। প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে চাপ দেওয়া হয়েছিল এবং প্রতিটি দেশে ও আন্তর্জাতিকভাবে আরও বেশি লড়াকু স্লোগান তোলা হয়েছিল।
* কেবল শ্রমিকদের জন্যই আন্তর্জাতিকতাবাদী হওয়া নিষেধ। অথচ [[জে. পি. মরগান]] এবং [[হেনরি ফোর্ড]]ের মতো ব্যক্তিদের জন্য এটি একদম স্বাভাবিক বিষয়। ব্যাংকার, অস্ত্র ব্যবসায়ী এবং রাসায়নিক কোম্পানিগুলোর জন্য এটি মানানসই। বিজ্ঞানী, ডাকটিকিট সংগ্রাহক, ক্রীড়া সংস্থা, সঙ্গীতশিল্পী এমনকি যারা মৌমাছি পালন করেন তাদের জন্য আন্তর্জাতিকতাবাদী হওয়া ঠিক আছে। কিন্তু শ্রমিকদের জন্য নয়। যখনই শ্রমিকরা সীমান্ত পেরিয়ে একে অপরের হাত ধরে, তখনই সব দেশে তাদের ওপর আঘাত হানা হয়। নৃতত্ত্ববিদরা যখন দুর্বোধ্য ভাষায় বলেন যে "পৃথিবীতে কেবল একটিই জাতি আছে আর তা হলো মানবজাতি", তখন সবাই তা মেনে নেয়। কিন্তু একজন শ্রমিক যখন অন্যকে "ভাই" বা "কমরেড" বলে সম্বোধন করে, তখনই বিপদ নেমে আসে। তাকে যেখান থেকে এসেছে সেখানে ফেরত পাঠানোর দাবি ওঠে। তার নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া হয়। তাকে চাকরি হারাতে হয় এবং কারাবরণ করতে হয়। যদি যিশুর মতো কোনো কণ্ঠ তাদের চ্যালেঞ্জ করে জিজ্ঞেস করে যে "নিজের মতো করে প্রতিবেশীকে ভালোবাসার কী হবে?", তখন টেক্সাসের সেই বন্য লোকটি গর্জে উঠবে। সে বলবে যে "কে এ কথা বলেছে? সে নিশ্চয়ই একজন লালপন্থী এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী!" আমাদের এই উন্মাদনায় মোটেও বিচলিত হওয়া উচিত নয়। আমাদের লেনিনের সেই শান্ত কথাগুলো মনে রাখা উচিত। তিনি বলেছিলেন যে বুর্জোয়ারা ঠিক সেভাবেই আচরণ করছে যেমনটি ইতিহাসে মৃত্যু দণ্ডপ্রাপ্ত প্রতিটি শ্রেণী করে থাকে। সংহতি ও আশার প্রতিটি সুন্দর মে দিবস আমাদের দীর্ঘমেয়াদী দৃষ্টিভঙ্গি লালন করার কথা মনে করিয়ে দেয়। সামনের রাস্তা হয়তো অনেক বেশি বন্ধুর হতে পারে, কিন্তু এটি পেছনের রাস্তার চেয়ে অনেক ছোট।
* মে দিবসে আমরা সোভিয়েত ইউনিয়নকে অভিবাদন জানাই। এটি সমাজতন্ত্রের দেশ এবং শান্তি ও প্রাচুর্যের দেশ। অনাদিকাল থেকে এটি শ্রমজীবী মানুষের এক মহান আদর্শ। এটি সকল মেহনতি মানুষের এক সহযোগিতামূলক সাধারণতন্ত্র।
* যুদ্ধবাজরা চিৎকার করুক এবং মুনাফালোভীরা আস্ফালন করুক। মে দিবসে আমেরিকার লক্ষ লক্ষ শ্রমিক জবাব দিচ্ছে যে "আমরা বিচলিত হব না"। যতক্ষণ আমরা সংগঠিত হচ্ছি এবং লড়াই করছি, ততক্ষণ হতাশ হওয়ার বা ক্লান্ত হওয়ার কিছু নেই। আমরা যা জয় করেছি তা যতক্ষণ শক্ত হাতে ধরে রাখছি এবং আরও অর্জনের জন্য এগিয়ে যাচ্ছি, ততক্ষণ ভয়ের কিছু নেই। আমেরিকার ছিয়াশি শতাংশ মানুষের মধ্যে যুদ্ধবাজ রুজভেল্ট-উইলকি গোষ্ঠীর প্রতি যতক্ষণ অটল প্রতিরোধ আছে, ততক্ষণ বিজয় আমাদেরই। সংগঠিত হও। লড়াই করো। সামনের দিকে এগিয়ে যাও। এটাই ১৯৪১ সালে আমেরিকার মে দিবসের চেতনা।
* যুদ্ধে অংশ না নেওয়ার জন্য সংগঠিত হোন এবং লড়াই করুন! আমেরিকানসহ সকল সাম্রাজ্যবাদ ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে!
* ১৯৪১ সালের পহেলা মে বিশ্বজুড়ে লক্ষ লক্ষ মানুষের হৃদয়ে, মনে এবং মুখে শান্তি ও সমাজতন্ত্রের কথা ধ্বনিত হচ্ছে। “আগামীকালের সূর্য” আমাদের ওপর আলোকিত হচ্ছে। ভবিষ্যৎ আমাদের।
=== আদালতে ভাষণ, স্মিথ অ্যাক্টের অধীনে অভিযুক্ত (১৯৫২) ===
এস. মিশেল নিক্স সম্পাদিত ''উইমেন অ্যাট দ্য পডিয়াম: মেমোরবল স্পিচেস ইন হিস্ট্রি'' গ্রন্থ থেকে।
* আমি বা আমার কমরেডদের কেউই বলপ্রয়োগ ও সহিংসতার মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকারকে উৎখাত করার কোনো ষড়যন্ত্রে দোষী নই। মৌনতাকে পরাজয়বাদ হিসেবে গণ্য করা হতে পারে, কিন্তু সত্য হলো আমি আমাদের নির্দোষিতার বিষয়ে এতটাই শান্ত ও সচেতন যে, আমাকে কারারুদ্ধ করা যেতে পারে কিন্তু আমাকে সংশোধন করা, সংস্কার করা বা পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। আমার শরীরকে বন্দি করা যেতে পারে কিন্তু আমার চিন্তাভাবনা স্বাধীন ও অপ্রভাবিত থাকবে। সমগ্র মানব ইতিহাস প্রমাণ করেছে যে ধারণা বা চিন্তাকে কারাগারে বন্দি করা যায় না। সেগুলোর মোকাবিলা কেবল জনসমক্ষে আলোচনার মাধ্যমেই সম্ভব।
* পুঁজিবাদী ব্যবস্থার অধীনে যে রাজনৈতিক, শিল্পগত ও সামাজিক পরিস্থিতি আমাদের চিন্তাধারা তৈরি করেছিল, তা এখনও বিদ্যমান। এগুলো অসংখ্য মানুষের মনে একই ধরনের চিন্তা তৈরি করবে এবং আমাদের বিশ্বাসকে আরও শক্তিশালী করবে। কারাগার কখনোই সেইসব দৃঢ়প্রতিজ্ঞ মানুষকে প্রভাবিত করতে পারে না যারা নিজেদের আদর্শের জন্য বাঁচে, কাজ করে এবং প্রয়োজনে মৃত্যুবরণ করে। আমরা কমিউনিস্টরা তেমনই মানুষ। মিথ্যা, হিস্টিরিয়া, কুসংস্কার এবং বিশেষ করে ভয়ের কুয়াশা একবার কেটে গেলে আমি আমেরিকার মানুষের চূড়ান্ত ন্যায়বিচারের ওপর আস্থা রাখি। নিজের দেশকে ভয়ের কবলে দেখা এক ভয়াবহ বিষয়। এই ভয় অপ্রয়োজনীয়, নির্বোধ এবং মূর্খতাপূর্ণ। এটি কাল্পনিক শত্রুর ভয়, আমাদের মিত্র ও বন্ধুদের ভয়। এটি গুপ্তচরদের আঙুল তোলার ভয় এবং নিজের চাকরি, নাগরিকত্ব বা সমাজে নিজের অবস্থান হারানোর ভয়। বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার অপচয়কারী এবং দম্ভোক্তি ও দমন-পীড়নকারী এই পুরো সরকারি আমলাতন্ত্র আসলে ভয়ের অন্ধকারে দাঁড়িয়ে শিস দিচ্ছে এবং পুরো পৃথিবীকে আমাদের ভয়ে আতঙ্কিত করার চেষ্টা করছে।
* মুষ্টিমেয় কিছু আতঙ্কিত ধনীর মাধ্যমেই এই সংক্রমণ ছড়িয়েছে। এরা সেইসব ট্রাস্টের লোক যারা নিজেদের দেশের চেয়ে শেয়ার আর বন্ডকে বেশি ভালোবাসে। তাদের দেশপ্রেম সবসময় মুনাফার হারের ওপর নির্ভরশীল। তারা কেবল নিজের দেশের মানুষ নয়, বরং পুরো মানবজাতিকে শাসন ও শোষণ করতে এবং তাদের বিরুদ্ধে সহিংসতা চালাতে চায়। নিজেদের নীচ ও স্বার্থপর শাসনব্যবস্থা এবং জীবনধারা বজায় রাখার জন্য তারা পারমাণবিক যুদ্ধের মাধ্যমে পুরো পৃথিবীকে রক্তগঙ্গায় ভাসিয়ে দিতেও দ্বিধা করবে না। এই পদ্ধতি তারা এমন সব মানুষের ওপর চাপিয়ে দিতে চায় যারা এটি চায় না। বিপদ যত বড়ই হোক না কেন, আমার বিশ্বাস যে আমাদের দেশে ফ্যাসিবাদের জয় কখনোই হবে না। ১৯৩৫ সাল থেকে সেই বিপদের সংকেত দেওয়ার ক্ষেত্রে আমাদের দল যে ভূমিকা রেখেছে, তা নিয়ে আমি গর্বিত।
* খুব শীঘ্রই ১৮০০ সালের এলিয়েন অ্যান্ড সেডিশন ল, ষাটের দশকের ফিউজিটিভ স্লেভ ল এবং ১৯২০-এর দশকের ক্রিমিনাল সিন্ডিকালিস্ট আইনের মতো স্মিথ অ্যাক্টও বাতিলের খাতায় চলে যাবে।
* আদালত কক্ষ, মধ্যবিত্ত জুরি এবং সংবাদমাধ্যমকে ঘিরে থাকা এই কুয়াশা সাধারণ মানুষের মাঝ থেকে অচিরেই কেটে যাবে। এই সাধারণ মানুষরা কখনোই ফেডারেল জুরিতে জায়গা পায় না। কারণ তাদের চেহারা আর চালচলন সেইসব কট্টর রাজনৈতিক ব্যক্তিদের সন্তুষ্ট করতে পারে না যারা নিজেরা ভাষাগত ভুলে ভরা এবং বিত্তবানদের তোষামোদ করে চলে।
* দমনমূলক আইন, আনুগত্যের শপথ, সংসদীয় তদন্ত, রাজনৈতিক বিচার এবং এই জাতীয় অন্যায়ের বিরুদ্ধে আমাদের দেশে একটি গণ-আন্দোলন জেগে উঠছে। এটি যেন প্রেইরি অঞ্চলের এক শক্তিশালী ও সতেজ বাতাসের মতো।
* ধর্মাবতার, আমি গত শুক্রবার আপনাকে একটি প্রশ্ন করেছিলাম যা আমি আবারও করছি। যদি কমিউনিস্ট পার্টি অবৈধ না হয়, এর সদস্যপদ এবং পদাধিকারী হওয়া অবৈধ না হয়, যদি সমাজতন্ত্রের কথা বলা অবৈধ না হয় কিংবা প্রতিদিনের জনকল্যাণমূলক কাজের প্রচার করা অবৈধ না হয়, তবে বিবেক অনুযায়ী এখানে অবৈধ কোনটি? আমরা কিসের জন্য দোষী?
* আমার এই দীর্ঘ জীবনে আমি কখনো ভাবিনি যে আমাকে বইয়ের জন্য জেলে যেতে হবে। এমনকি পুরো বই নয়, বরং কিছু ছেঁড়া অংশ আর উদ্ধৃতির জন্য। আমি যদি গত সাতচল্লিশ বছরের মতো আমার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যাই এবং ইউনিয়নবাদ, গণতান্ত্রিক অধিকার, কৃষ্ণাঙ্গ ও নারীদের অধিকার এবং শান্তি ও সমাজতন্ত্র নিয়ে কথা বলি, তবে তখন কী ঘটবে, ইয়োর অনার?
* ধর্মাবতার, জরিমানার কথা যদি বলি তবে আমার মালিকানায় থাকা সমস্ত বৈষয়িক সম্পদ হলো সেই বইগুলো যা আমি ষোলো বছর বয়সে টম পেইনের 'কমন সেন্স'-এর একটি পেপারব্যাক কপি কেনার পর থেকে সংগ্রহ করেছি। এগুলো খুব ভালো বই। এর মধ্যে কবিতা, নাটক, ইতিহাস, রাজনীতি, অর্থনীতি, দর্শন, শিল্প, সঙ্গীত এবং সাহিত্য রয়েছে। শেক্সপিয়র, শ এবং এমারসনের পাশে সেখানে মার্ক্স আর এঙ্গেলস আছেন। থরো, জেফারসন এবং হুগোর পাশে সেখানে লেনিন আর স্টালিন আছেন। আমার ওই বইয়ের তাকে শক্তি এবং সহিংসতাও আছে, তবে সরকার যেখানে খুঁজছে সেখানে নয়। এটি রয়েছে আইরিশ ইতিহাসে যেখানে ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে দীর্ঘ ও রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের কথা বলা হয়েছে। এটি আছে আমেরিকার শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাসে এবং আমেরিকার বিপ্লব ও গৃহযুদ্ধের ইতিহাসে। এটি কৃষ্ণাঙ্গ মানুষের সংগ্রামের মাঝেও আছে। ইয়োর অনার, আমার তাকে বাইবেলও আছে। সেখানেও ইহুদি গোষ্ঠী, যিশু ও তার শিষ্যদের বিরুদ্ধে এবং আদি খ্রিস্টান শহীদদের ওপর চলা সহিংসতার কথা বলা হয়েছে।
* শক্তি প্রয়োগ এবং সহিংসতা সবসময় শাসক শ্রেণীর কাছ থেকে আসে, সাধারণ মানুষের কাছ থেকে নয়।
===''দ্য রেবেল গার্ল: অ্যান অটোবায়োগ্রাফি, মাই ফার্স্ট লাইফ'' (১৯৫৫)===
*আমাদের শৈশবের একটি অবিস্মরণীয় ট্র্যাজেডি ছিল ১৯০৪ সালে জেনারেল স্লোকাম নামক প্রমোদ তরণীটি পুড়ে যাওয়া।
* এই বইটি ([[এডওয়ার্ড বেলামি|এডওয়ার্ড বেলামির]] 'লুকিং ব্যাকওয়ার্ড') প্রথম এ দেশে সমাজতন্ত্রের ধারণাটিকে জনপ্রিয় করেছিল। এটি ছিল পুঁজিবাদের একটি তীব্র সমালোচনা যা অনেক আমেরিকানকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছিল এবং তারা ক্রমবর্ধমান [[একচেটিয়া|একচেটিয়াগুলোর]] উত্থানের সেই দিনগুলোতে এর সাথে একমত হয়েছিল।
* দরিদ্র যুবসমাজের প্রতি তার ([[পিটার ক্রোপটকিন|পিটার ক্রোপটকিনের]]) সেই আবেদন আমাকে ব্যক্তিগতভাবে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছিল। আমার মনে হয়েছিল তিনি যেন ব্রঙ্কসে আমাদের সেই জীর্ণ ও দারিদ্র্যপীড়িত ফ্ল্যাটে বসে আমাদের উদ্দেশ্যেই কথা বলছেন। তিনি বলেছিলেন, "তোমাকেও কি তোমার বাবা-মায়ের মতো ত্রিশ বা চল্লিশ বছর ধরে একই ক্লান্তিকর অস্তিত্ব টেনে নিয়ে যেতে হবে? অন্যদের জন্য সুস্বাস্থ্য, জ্ঞান আর শিল্পের সমস্ত আনন্দ জোগাড় করতে গিয়ে কি তোমাকেও সারাজীবন হাড়ভাঙা খাটুনি খাটতে হবে এবং নিজের জন্য কেবল এক টুকরো রুটি জুটবে কি না সেই চিরস্থায়ী উদ্বেগটুকু রেখে দিতে হবে?"
* আমার মনে পড়ে এমন আরেকটি বই যা আমার জীবনে তাৎক্ষণিক পরিবর্তন এনেছিল, সেটি হলো [[আপটন সিনক্লেয়ার|আপটন সিনক্লেয়ারের]] 'দ্য জঙ্গল'। এটি পড়ার পর আমি তৎক্ষণাৎ নিরামিষাশী হয়ে গিয়েছিলাম!
*সেই সময়ে (১৯০৬ সালের দিকে) আমি আরও দুটি বই পড়েছিলাম, যা আমাকে সমাজতান্ত্রিক কর্মকাণ্ডে ঝাঁপিয়ে পড়তে সাহায্য করেছিল। একটি ছিল মেরি উলস্টোনক্র্যাফট রচিত 'ভিন্ডিকেশন অফ দ্য রাইটস অফ উইমেন' এবং অন্যটি ছিল আগস্ট বেবেলের 'উইমেন অ্যান্ড সোশ্যালিজম'।
* নারীদের ইউনিয়নভুক্ত করার কাজ তখনও খুব একটা শুরু হয়নি, এমনকি সুঁই-সুতার কাজের মতো পেশাতেও যেখানে তাদের প্রাধান্য ছিল বেশি। সমান সুযোগ, সমান মজুরি এবং সংগঠিত হওয়ার অধিকার ছিল সেই সময়ের নারী শ্রমিকদের প্রধান দাবি এবং দুর্ভাগ্যবশত এই দাবিগুলো আজও আমাদের মাঝে রয়ে গেছে। [[স্যামুয়েল গোম্পার্স|স্যামুয়েল গোম্পার্সের]] মতো অনেক ইউনিয়ন নেতা, যিনি আমেরিকান ফেডারেশন অফ লেবার-এর সভাপতি ছিলেন, তিনি নারী শ্রমিকদের সংগঠিত হওয়ার যোগ্য বা নির্ভরযোগ্য বলে মনে করতেন না। "তারা কেবল হাতখরচের জন্য কাজ করে" এটিই ছিল সাধারণ অভিযোগ। নারী শ্রমিকরা নিজেরাও বাইরের কাজকে একটি সাময়িক ও প্রয়োজনীয় আপদ হিসেবে দেখতেন যা কেবল বাবার বাড়ি থেকে স্বামীর বাড়িতে যাওয়ার মাঝখানের একটি সময় কাটানোর পথ ছিল। বাবা এবং স্বামীরা নারীদের মজুরি সংগ্রহ করতেন এবং কখনও কখনও সরাসরি কোম্পানির অফিস থেকেই তা নিয়ে নিতেন। নারীদের নিজেদের উপার্জনের ওপর কোনো আইনি অধিকার ছিল না। কর্মজীবী মায়েদের বিশেষ প্রয়োজন এবং সমস্যাগুলো সংখ্যায় অনেক এবং জরুরি হওয়া সত্ত্বেও সেগুলো নিয়ে কোনো বিবেচনা করা হতো না। এমনকি নারীদের পোশাকও তাদের কাজে বাধা সৃষ্টি করত। মাটির সাথে লেগে থাকা লম্বা স্কার্ট, বড় ঢিলেঢালা হাতা এবং বিশাল সব টুপি তাদের জন্য ছিল অসুবিধাজনক। আপনার স্কার্ট যদি জুতোর ওপর পর্যন্ত থাকত, তবে তখনও আপনাকে কেবল "একটি মেয়ে" হিসেবেই গণ্য করা হতো।
*নারীদের ভোটাধিকারের সংগ্রাম দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছিল এবং শক্তিশালী হচ্ছিল। এটি ১৮৪৮ সালে নিউ ইয়র্কের সেনেকা ফলসে প্রথম সমানাধিকার সম্মেলনের মাধ্যমে শুরু হয়েছিল, যার নেতৃত্বে ছিলেন এলিজাবেথ ক্যাডি স্ট্যান্টন এবং সুসান বি অ্যান্থনি এবং যেখানে মহান নিগ্রো নেতা ফ্রেডরিক ডগলাস ভাষণ দিয়েছিলেন। ভোটাধিকার কর্মীদের বিদ্রূপ করা হয়েছিল, ভিড়ের দ্বারা আক্রান্ত হতে হয়েছিল, হলরুম দিতে অস্বীকার করা হয়েছিল, ভোট দেওয়ার চেষ্টার জন্য গ্রেপ্তার করা হয়েছিল এবং পরিবার থেকে ত্যাজ্য করা হয়েছিল। ১৯০৪ সালের মধ্যে কর্মজীবী নারীদের বিভিন্ন দল, বিশেষ করে সমাজতন্ত্রী নারীরা ভোটের দাবিতে একত্রিত হতে শুরু করে। দুই বছর পর নিউ ইয়র্কের ইস্ট সাইডে এই নারীদের ভোটাধিকার আন্দোলনের উদ্যোগেই আন্তর্জাতিক নারী দিবসের জন্ম হয়। এটি সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে এবং আজ সর্বজনীনভাবে পালিত হয়, যদিও এখানে একে "একটি বিদেশি উৎসব" হিসেবে অবজ্ঞা করা হয়।
*ভোটাধিকার আন্দোলন আরও লড়াকু হয়ে উঠছিল এবং মড ম্যালনের মতো ব্যক্তিত্বরা আবির্ভূত হয়েছিলেন। তিনি ১৯০৫ সালে হারলেম ইকুয়াল রাইটস লিগ গঠন করেন। তিনি ৩,০০০ মানুষের এক সভায় থিওডোর রুজভেল্টকে থামিয়ে দিয়ে দাবি করেছিলেন যে নারী ভোটাধিকারের বিষয়ে তার অবস্থান কী। আমরা যখন ব্রডওয়েতে রাস্তার পাশে সভা করতাম, তখন তিনি সেখানে স্যান্ডউইচ ম্যানের মতো সামনে-পেছনে "নারীদের জন্য ভোট" লেখা সাইনবোর্ড নিয়ে পায়চারি করতেন এবং এর ফলে তাকে লাইব্রেরিয়ানের পদ হারাতে হয়েছিল।
*রাস্তার মোড়ে ভোটাধিকার কর্মীদের ভাষণের সময় সবসময় বলা হতো: "বাড়ি যাও এবং থালা-বাসন মাজো," অথবা তাদের বয়স নির্বিশেষে বলা হতো: "তোমার বাচ্চাদের দেখাশোনা কে করছে?" অন্যরা বলত: "কল্পনা করো একজন অন্তঃসত্ত্বা নারী অফিসের পদের জন্য লড়ছেন," অথবা "নারীরা কীভাবে জুরির দায়িত্ব পালন করবে এবং পুরুষ জুরিদের সাথে একই ঘরে বন্দি থাকবে?"
*একটি প্রচলিত ধারণা ছিল যে "নারীর কাজ" কেবল গৃহস্থালির মধ্যেই সীমাবদ্ধ। "নারীর স্থান ঘরে" এটাই ছিল সাধারণ রব। পুরুষদের চাকরি কেড়ে নেওয়ার জন্য নারীদের সবসময় অভিযুক্ত করা হতো।
*আমি তখনও বলেছিলাম এবং আজও বিশ্বাস করি যে, পুঁজিবাদী ব্যবস্থার অধীনে নারীদের পূর্ণ সুযোগ পাওয়া এবং মানুষের সমস্ত প্রচেষ্টার ক্ষেত্রে স্বাধীন ও সমান নাগরিক হওয়া সম্ভব নয়, যদিও সুসংগঠিত সংগ্রামের মাধ্যমে অনেক দাবিই আদায় করা হয়েছে।
*"বিগ" [[বিল হেউড]] যখন জেল থেকে বেরিয়ে এলেন তখন তিনি একজন বীর এবং শ্রমিক সংহতির এক সার্থক প্রতীকে পরিণত হয়েছিলেন। একজন সাংবাদিক তাকে বিশাল দেহ এবং তীক্ষ্ণ বুদ্ধি ও অসীম সাহসের মানুষ হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন। তিনি সোশ্যালিস্ট পার্টি এবং তাকে রক্ষাকারী শ্রম সংগঠনগুলোর অধীনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় এক বর্ণাঢ্য সফর করেছিলেন। তিনি অত্যন্ত বাস্তবধর্মী ও নাটকীয় বক্তা ছিলেন। আমার মনে পড়ে তাকে বলতে শুনেছিলাম যে আমি পশ্চিমের সেই দুই পিস্তলধারী মানুষ এবং যখন দর্শকরা দম বন্ধ করে অপেক্ষা করছিল তখন তিনি এক পকেট থেকে তার ইউনিয়ন কার্ড এবং অন্য পকেট থেকে সোশ্যালিস্ট কার্ড বের করেছিলেন।
*১৯০৭ সালে ময়ার, হেউড এবং পেটিবোনকে মুক্ত করার অভিযানের সময় নিউ জার্সি অঙ্গরাজ্যের নেওয়ার্কে সোশ্যালিস্ট লেবার পার্টির আয়োজিত একটি সভায় আমাকে বক্তা হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল... এই সভাটি আমার জীবনের একটি অবিস্মরণীয় ঘটনা কারণ এখানেই আমি প্রথম জেমস কনেলির সাথে পরিচিত হই। তিনি ছিলেন আইরিশ সমাজতন্ত্রী বক্তা, লেখক এবং শ্রমিক সংগঠক, যিনি এর নয় বছর পর ১৯১৬ সালে ডাবলিনের ইস্টার উইক অভ্যুত্থানে আয়ারল্যান্ডের স্বাধীনতার জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন... তিনি ছিলেন খাটো, কিছুটা স্থূলকায়, বড় কালো গোঁফওয়ালা একজন সাধারণ চেহারার মানুষ। তার কপাল ছিল বেশ উঁচু এবং কালো বিষণ্ণ চোখ। তিনি খুব কম হাসতেন। একজন পণ্ডিত এবং চমৎকার লেখক হওয়া সত্ত্বেও, গ্লাসগোতে দীর্ঘকাল বসবাসের কারণে তার কণ্ঠস্বরে উত্তর আয়ারল্যান্ডের টান এবং স্কচ উচ্চারণের মিশ্রণ ছিল, যা আমেরিকান দর্শকদের জন্য বোঝা কিছুটা কঠিন ছিল... কনেলি আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর জন্য কাজ করতেন এবং কুপার স্কয়ারে তার একটি অফিস ছিল। তিনি ছিলেন একজন চমৎকার সংগঠক, যা জেমস লার্কিনের সাথে আইরিশ ট্রান্সপোর্ট ওয়ার্কার্সদের জন্য তার পরবর্তী কাজগুলো প্রমাণ করেছিল... তিনি গভীরভাবে অনুভব করতেন যে আয়ারল্যান্ডের জাতীয় মুক্তির সংগ্রামের প্রতি আমেরিকান সমাজতন্ত্রীরা যথেষ্ট সহানুভূতি বা বোঝাপড়া দেখায়নি। এখানকার আইরিশ শ্রমিকদের সমাজতন্ত্রীরা খুব সহজেই "প্রতিক্রিয়াশীল" হিসেবে বর্জন করত এবং আইরিশ-আমেরিকান শ্রমিকদের কাছে সমাজতন্ত্রের বার্তা পৌঁছে দেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত প্রচেষ্টা ছিল না... তিনি 'দ্য হার্প' নামে একটি মাসিক পত্রিকা প্রকাশ করতেন। সেখানে তার নিজের লেখা অনেক কবিতা প্রকাশিত হতো। কুপার ইউনিয়ন বা ইস্ট সাইডের অন্য কোনো হলের দরজায় তাকে জরাজীর্ণ পোশাকে দাঁড়িয়ে নিজের ছোট কাগজটি বিক্রি করতে দেখা যেত, যা ছিল এক করুণ দৃশ্য। যেসব সম্পদশালী আইরিশরা তার মৃত্যুর পর তার প্রতি গভীর প্রশংসা প্রকাশ করেছিল, তাদের কেউই সেই সময় তার দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়নি। জিম কনেলি তাদের কাছে অভিশপ্ত ছিলেন কারণ তিনি ছিলেন একজন "সমাজতন্ত্রী"। তার কোনো মিথ্যে অহংকার ছিল না এবং তিনি নিজে উদাহরণ সৃষ্টি করে অন্যদের ছোটখাটো কাজ করতে উৎসাহিত করতেন। রাস্তার সভাগুলোতে তিনি তাদেরই "সভার সভাপতিত্ব" করতে রাজি করাতেন যাদের কথা বলার কোনো অভিজ্ঞতা ছিল না, যাতে তারা প্রশিক্ষণ পেতে পারে। আইরিশ শ্রমিকদের কাছে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে কনেলির এক বিরল দক্ষতা ছিল, যা তার বিশাল জ্ঞান থেকে জন্ম নিয়েছিল। প্রয়োজনে তিনি সত্যকে অত্যন্ত তীক্ষ্ণ এবং জোরালোভাবে বলতেন।
*আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর আগমন ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা এবং ১৯০৫ থেকে ১৯২০-এর দশকের শুরু পর্যন্ত এটি আমেরিকান শ্রম অঙ্গনে একটি বিশাল ধূমকেতুর মতো পথ দেখিয়েছিল। এটি শ্রমিক ইতিহাসের নতুন অধ্যায় তৈরি করেছিল এবং শ্রমিক আন্দোলনে এক অমোঘ ছাপ রেখে গিয়েছিল। আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. ছিল একটি লড়াকু এবং সংগ্রামী শ্রমিক শ্রেণির ইউনিয়ন। মালিক শ্রেণি দ্রুত এটি বুঝতে পেরেছিল এবং এর জন্মের পর থেকেই লড়াই শুরু করেছিল। আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. নিজেকে দরিদ্রতম, সবচেয়ে শোষিত এবং সবচেয়ে নিপীড়িত শ্রমিকদের সমস্ত তাৎক্ষণিক প্রয়োজনের সাথে যুক্ত করেছিল। এটি তাদের অসন্তোষের "আগুনে হাওয়া" দিয়েছিল। এটি তাদের বীরত্বপূর্ণ সংগ্রামের নেতৃত্ব দিয়েছিল, যার কিছু তারা নিজেরাই সংগঠিত করেছিল। অন্য অনেক ক্ষেত্রে ধর্মঘট শুরু হওয়ার পর তারা এর নেতৃত্বে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। যিশুর বিরুদ্ধে করা সেই স্মরণীয় অভিযোগ, "সে মানুষকে উত্তেজিত করছে!" আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য ছিল। এটি পূর্বের গণ-উৎপাদন শিল্পগুলোতে অসংগঠিত ও অদক্ষ বিদেশি বংশোদ্ভূত শ্রমিকদের এবং পশ্চিমের অসংগঠিত যাযাবর শ্রমিকদের সংগঠিত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিল, যারা মূলত আমেরিকান বংশোদ্ভূত ছিল এবং নৌপরিবহন, কাঠ, কৃষি, খনি ও নির্মাণ কাজে নিয়োজিত ছিল। পূর্ব এবং দক্ষিণে এটি টেক্সটাইল, রাবার, কয়লা এবং কাঠ শিল্পের পাশাপাশি বিভিন্ন ছোট শিল্পে শ্রমিকদের কাছে পৌঁছে গিয়েছিল। যেমন, নিউ ইয়র্ক সিটিতে পোশাক, টেক্সটাইল, জুতো, চুরুট, বেত, পিয়ানো, পিতল এবং হোটেল শিল্পে আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর শাখা ছিল। পশ্চিমে কাউবয়দের জন্য আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর একটি শাখা ছিল। নেভাদার গোল্ডফিল্ড শহরের সমগ্র শ্রমিক শ্রেণিকে ১৯০৬ সালে ভিনসেন্ট সেন্ট জন আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-তে সংগঠিত করেছিলেন। এমনকি মার্কিন সেনাবাহিনীর ওয়েস্ট পয়েন্টে কর্মরত ইতালীয় শ্রমিকরাও একসময় আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-তে সংগঠিত ছিল। আমার মনে পড়ে ১৯১১ সালের দিকে আমি সেখানে তাদের সামনে ভাষণ দিয়েছিলাম। আমি ১৯০৬ সালে এতে যোগ দেই...
*আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর এই সম্মেলনে লুসি পারসন্সের সাথে দেখা করে আমি রোমাঞ্চিত হয়েছিলাম। তিনি ছিলেন আলবার্ট পারসন্সের বিধবা স্ত্রী, যাকে ২০ বছর আগে শিকাগোর কুক কাউন্টি জেলের প্রাঙ্গণে ফাঁসিতে ঝোলানো হয়েছিল। যখন তার স্বামীকে ফাঁসি দেওয়া হচ্ছিল, তখন তাকে ক্লার্ক স্ট্রিট স্টেশন হাউসে বন্দি করে রাখা হয়েছিল, যা আমাদের সেই সভার জায়গা থেকে খুব বেশি দূরে নয়... আমার মনে পড়ে মিসেস পারসন্স তরুণদের উদ্দেশ্যে আবেগপূর্ণভাবে কথা বলছিলেন এবং আমাদের সামনের দিনগুলোর সংগ্রামের গুরুত্ব সম্পর্কে সতর্ক করছিলেন, যা বিজয় আসার আগে জেল এবং মৃত্যুর দিকে নিয়ে যেতে পারে। বছরের পর বছর ধরে তিনি এক শহর থেকে অন্য শহরে ঘুরে বেড়িয়েছেন, স্থানীয় ইউনিয়নগুলোর দরজায় কড়া নেড়েছেন এবং শিকাগো বিচারের কাহিনী শুনিয়েছেন। তার স্বামী বলেছিলেন: "আমাদের নাম কলঙ্কমুক্ত করো!" এবং তিনি এটিকে তার জীবনের লক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন।
* আমি ভিনসেন্ট সেন্ট জনের চেয়ে বেশি কোনো মানুষকে শ্রদ্ধা করিনি... তাকে ডিনামাইট বহনকারী এবং বন্দুকধারী ও এক বিপজ্জনক আন্দোলনকারী হিসেবে অভিযুক্ত করা হয়েছিল। মাথার ওপর হুলিয়া নিয়ে তিনি বিভিন্ন ক্যাম্পে প্রবেশ করতেন এবং নিজের মায়ের নাম মেজি ব্যবহার করে প্রায়ই একাই শত শত মানুষকে সংগঠিত করতেন। তিনি এ দেশের জন্ম দেওয়া শ্রেষ্ঠ শ্রমিক সংগঠকদের একজন ছিলেন... তিনি শারীরিক গঠনে খাটো এবং রোগা হলেও চওড়া কাঁধের অধিকারী ছিলেন এবং তার চলাফেরা ছিল ক্ষিপ্র ও ছন্দময়। তিনি শান্ত, আত্মসংযমী এবং বিনয়ী ছিলেন কিন্তু তার বুদ্ধির তীক্ষ্ণতা ও রসবোধ যেকোনো প্রতিপক্ষকে হারিয়ে দিত... প্রকৃত লড়াইয়ের সময় সেন্টের মৃদু নীল চোখগুলো ইস্পাতের মতো কঠোর ও শীতল হয়ে উঠত। তিনি কেবল আদর্শের জন্য লড়াই করতেন এবং তখন তিনি শ্রমিকদের শত্রুদের মতোই নির্দয় হয়ে উঠতেন। শ্রমজীবী মানুষের প্রতি তার আনুগত্য ছিল সীমাহীন। ১৯০৭ থেকে ১৯১৫ সাল পর্যন্ত টানা আট বছর তিনি অর্থের অভাব এবং আইডব্লিউডব্লিউ এর অসম অগ্রগতির সাথে লড়াই করেছিলেন যার শক্তি সম্পর্কে তিনি কখনো বাড়িয়ে বলতেন না।
*আমাদের সময়ের শ্রেষ্ঠ নারী আন্দোলনকারী ছিলেন মাদার জোন্স। গ্রেপ্তার, নির্বাসন, মিলিশিয়াদের হাতে বন্দি হওয়া এবং পুলিশ ও বন্দুকধারীদের দ্বারা তাড়া ও হুমকির শিকার হওয়া সত্ত্বেও তিনি দীর্ঘ ৬০ বছর নির্ভীকভাবে কাজ করে গেছেন। ১৯০৮ সালের গ্রীষ্মে ব্রঙ্কসের একটি উন্মুক্ত সভায় আমি তাকে প্রথম দেখি। তিনি শহরের মানুষদের কঠোর সমালোচনা করছিলেন। আমরা কেন পশ্চিমের খনি শ্রমিকদের সাহায্য করছি না? আমরা কেন ডিয়াজের বিরুদ্ধে মেক্সিকোর জনগণকে সমর্থন দিচ্ছি না? তিনি বলেছিলেন, আমরা হলাম "সাদা কলিজার খরগোশ যারা কখনও মাটির ওপর পা রাখিনি।" পশ্চিমের খনি শ্রমিকদের ধর্মঘটের সময় ফেডারেল সৈন্যরা তাদের যেভাবে পশুর মতো খাঁচায় আটকে রেখেছিল এবং সেখানে যে রক্তপাত ও কষ্ট হয়েছিল, তার বর্ণনা তিনি এত জীবন্তভাবে দিয়েছিলেন যে, অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকায় মাথা ঝিমঝিম করে আমি মূর্ছা গিয়েছিলাম। তিনি তার অগ্নিঝরা ভাষণের মাঝপথে থেমে গিয়ে বলেছিলেন, "গরিব বাচ্চাটাকে একটু জল দাও!" এরপর তিনি আবার তার ভাষণ চালিয়ে যান। আমি খুব লজ্জিত হয়েছিলাম।
*পরের শীতকালে শিকাগোর হুল হাউসে রুডেউইটজ কমিটির একটি সভায় আমি মাদার জোন্সকে আবার দেখি, যেখানে আমি আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর ৮৫ নম্বর শাখা থেকে প্রতিনিধি হিসেবে গিয়েছিলাম। "ধর্মীয় হত্যা"-র জঘন্য অজুহাতে একজন তরুণ ইহুদি শ্রমিককে দেশান্তরের বিরুদ্ধে তার উত্তপ্ত, রাগান্বিত ও অবজ্ঞাপূর্ণ কথাগুলো আমি শুনেছিলাম। (জেন অ্যাডামস এবং অন্যরা সাহসিকতাপূর্ণ পক্ষ সমর্থনের মাধ্যমে তাকে নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচিয়েছিলেন)। মাদার জোন্স একটি পুরনো ধাঁচের কালো রেশমি পোশাক পরেছিলেন, যার গলায় লেস লাগানো ছিল এবং সাথে ছিল একটি লম্বা ঝুলের স্কার্ট ও ফুলে সাজানো ছোট একটি টুপি। তিনি সারা জীবনে তার পোশাকের ধরন পরিবর্তন করেননি। তাকে দেখতে হুইসলারের আঁকা মায়ের ছবির মতো মনে হতে পারে, কিন্তু এই বৃদ্ধা নারীটি মোটেও শান্ত বা স্থির ছিলেন না; যেখানেই যেতেন সেখানেই নির্ভীক আন্দোলনের বার্তা ছড়াতেন... তাকে হোটেল থেকে বের করে দেওয়া হতো। কোম্পানি শাসিত শহরগুলোতে যেসব পরিবার তাকে আশ্রয় দিত, তাদের উচ্ছেদ করা হতো। হলরুম বন্ধ করে দিলে তিনি খোলা মাঠে ভাষণ দিতেন। পশ্চিম ভার্জিনিয়ায় নদীর ওপারে খনি শ্রমিকদের সংগঠিত করার জন্য তিনি কেলি ক্রিক নদীর জল ভেঙে হেঁটে গিয়েছিলেন। একটি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করার দায়ে অভিযুক্ত হয়ে তিনি বিচারককে "দালাল" বলে ডাকেন এবং সেটি তাকে প্রমাণ করে দেখান। তিনি দালালদের তাড়ানোর জন্য ঝাড়ু, লাঠি আর থালাবাসন নিয়ে "নারীবাহিনী" গঠন করেছিলেন। "ঈশ্বর! ওই বুড়ি মা তার পাগলাটে নারীদের নিয়ে আসছে!" বলে মালিকরা যন্ত্রণায় ককিয়ে উঠত। পেনসিলভানিয়ার গ্রিনসবার্গে যখন একদল পিকেটিং করা নারীকে তাদের শিশুদেরসহ গ্রেপ্তার করে ৩০ দিনের সাজা দেওয়া হয়, তখন তিনি তাদের পরামর্শ দেন: "সারা রাত বাচ্চাদের গান শোনাও!" মাত্র কয়েক দিনের মাথায় সেই গান শুনে অতিষ্ঠ হয়ে অনিদ্রায় ভোগা শহরবাসীকে স্বস্তি দিতে পুলিশ তাদের জেল থেকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়। এক সংসদীয় শুনানিতে তাকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল: "আপনার বাড়ি কোথায়?" তিনি উত্তর দিয়েছিলেন: "কখনও আমি ওয়াশিংটনে, কখনও পেনসিলভানিয়া, অ্যারিজোনা, টেক্সাস, অ্যালাবামা, কলোরাডো বা মিনেসোটায়। আমার ঠিকানা আমার জুতোর মতো। এটি আমার সাথেই ঘোরে। যেখানে অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই হয়, সেখানেই আমি থাকি।" ১৯০৩ সালে তিনি পেনসিলভানিয়ার কেনসিংটন এলাকার টেক্সটাইল মিলের একদল শিশু শ্রমিককে নিয়ে নিউ ইয়র্কের লং আইল্যান্ডের অয়েস্টার বে-তে গিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট থিওডোর রুজভেল্টকে শিশু শ্রমের প্রমাণ দিয়ে মোকাবিলা করতে। কলোরাডোতে ১৯১৪ সালের লাডলো হত্যাকাণ্ডের পর তিনি গভর্নরের অফিস পর্যন্ত একটি প্রতিবাদ মিছিলের নেতৃত্ব দেন। পশ্চিম ভার্জিনিয়ায় তিনি বারবার বিভিন্ন গভর্নরের সাথে দেখা করতে প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং তার ভাষায় তাদের "উচিত শিক্ষা" দিয়েছেন... যখন তিনি খুব বৃদ্ধা হয়েছিলেন, তখন তিনি সাধারণ কর্মীদের সেইসব নেতাদের সম্পর্কে সতর্ক করেছিলেন যারা শ্রমিকের স্বার্থের চেয়ে নিজেদের স্বার্থকে বড় করে দেখে। মৃত্যু পর্যন্ত তিনি তার একটি মহান বিশ্বাস অটলভাবে ধরে রেখেছিলেন: "ভবিষ্যৎ শ্রমিকের শক্তিশালী ও অমসৃণ হাতের মুঠোয়!"... শুরুর দিনগুলোতে নিউ ইয়র্ক এবং শিকাগোতে প্রথম যখন তাকে দেখি, তিনি আমাকে অনেক অনুপ্রাণিত করেছিলেন, যদিও সত্যি বলতে আমি তার তিক্ষ্ণ কথাকে ভয় পেতাম। কিন্তু যখন আমি তাকে ব্রঙ্কসের সেই সভার কথা মনে করিয়ে দিয়ে বললাম যে আমি আমার সন্তানকে হারিয়েছি, তখন তিনি অত্যন্ত সহানুভূতিশীল ও দয়ালু আচরণ করেছিলেন। তার কঠোরতা কেবল মালিক, দালাল এবং অসৎ শ্রমিক নেতাদের জন্য বরাদ্দ ছিল।
* যুদ্ধ ঘোষণার পর দেশজুড়ে উন্মাদনা এবং গণসহিংসতার এক প্রবল জোয়ার বয়ে গিয়েছিল। এটি আমেরিকান জনগণের বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশের কাজ ছিল না বরং তারা ক্রমেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিল। প্রকাশ্য স্থানগুলোতে ছাপানো নোটিশ লাগিয়ে দেওয়া হয়েছিল যে আইন মানুন এবং মুখ বন্ধ রাখুন যা অ্যাটর্নি জেনারেল গ্রেগরি কর্তৃক স্বাক্ষরিত ছিল। গণসহিংসতার শিকার ব্যক্তিরা ছিলেন বৈচিত্র্যময় যেমন খ্রিস্টান ধর্মযাজক এবং কৃষ্ণাঙ্গ ও শ্বেতাঙ্গ মানুষ ও ধর্মীয় বা নৈতিক অথবা রাজনৈতিক কারণে শান্তির প্রবক্তারা। তালিকায় আরও ছিলেন সোশ্যালিস্ট এবং আইডব্লিউডব্লিউ ও নন-পার্টিসান লীগের সদস্যরা যা মধ্য-পশ্চিমের কৃষকদের মধ্যে বেশ শক্তিশালী ছিল এবং আয়ারল্যান্ডের স্বাধীনতার বন্ধু ও অন্যান্যরা। কিছু পুরুষ ও নারী যারা যুদ্ধ বা বাধ্যতামূলক সামরিক সেবা অথবা বন্ড বিক্রি নিয়ে আকস্মিক মন্তব্য করেছিলেন তাদের শরীরে আলকাতরা ও পালক মাখিয়ে অপমান করা হয়েছিল এবং কখনো অজ্ঞান হওয়া পর্যন্ত মারধর করা হয়েছিল। তাদের জাতীয় পতাকায় চুমু খেতে বাধ্য করা হয়েছিল এবং শহর থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল ও বন্ড কিনতে বাধ্য করা হয়েছিল এমনকি তাদের পিটিয়ে মারার হুমকিও দেওয়া হয়েছিল।
*গণ-সহিংসতার এই মনোভাব আমাদের দেশের অন্যতম বিপজ্জনক এবং লজ্জাজনক বহিঃপ্রকাশ ছিল, যার সবকিছুই করা হয়েছিল বিশ্বকে "গণতন্ত্রের জন্য নিরাপদ" করার নামে।
*কেট রিচার্ডস ও’হারে, যাকে আমি বর্ণনা করেছি, তিনি ছিলেন একজন বিশিষ্ট এবং অত্যন্ত কার্যকর সমাজতন্ত্রী বক্তা।
*পরবর্তীতে তার রাজনৈতিক ত্রুটি যা-ই থাকুক না কেন, প্রগতিশীল নারীরা সেই সময়ে তার জন্য খুব গর্ববোধ করতেন।
** ১৯১৭ সালের দিকে জিনেট র্যাঙ্কিন সম্পর্কে
*আমি একজন নিবেদিতপ্রাণ আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. কর্মী ছিলাম, কিন্তু ওয়ার্কার্স ডিফেন্স ইউনিয়নে আমার কর্মকাণ্ড আমাকে সমাজতন্ত্রী, নৈরাজ্যবাদী, ট্রেড ইউনিয়নবাদী, কমিউনিস্ট, ভোটাধিকার কর্মী, শান্তিবাদী, উদারপন্থী, ইন্ডিয়ান, আইরিশ জাতীয়তাবাদী এবং সোভিয়েত ও আইরিশ প্রজাতন্ত্রের সরকারি প্রতিনিধিদের সংস্পর্শে নিয়ে এসেছিল।
* ইতালীয় আন্দোলনে কার্যত কোনো নারী ছিল না তারা নৈরাজ্যবাদী কিংবা সমাজতন্ত্রী যাই হোক না কেন। কার্লোর সাথে আমি যে বাড়িতেই গিয়েছি সেখানে নারীদের সবসময় পর্দার আড়ালে বা রান্নাঘরে রান্না করতে দেখেছি এবং তারা খুব কমই পুরুষদের সাথে খেতে বসত।
* উড্রো উইলসন একজন উদারপন্থী হিসেবে সব বিষয়ে সাবলীল ও মুক্তভাবে কথা বলতেন। তবে তার দুঃখজনক কাজগুলো তার কথার বিপরীত ছিল। আত্মনিয়ন্ত্রণ এবং বিশ্বকে গণতন্ত্রের জন্য নিরাপদ করার মতো বিষয়গুলো ছিল সবচেয়ে দুর্বল। শান্তি কামনাকারী এবং রাশিয়া থেকে হাত সরাও ও আয়ারল্যান্ডের স্বাধীনতা ও রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তি এবং সবশেষে নারী ভোটাধিকারের দাবিতে আন্দোলনকারীরা তাকে প্রতিটি মোড়ে মোকাবিলা করেছিল। তার প্রশাসন ১৯১৯ থেকে ২০ সালের সেই বিশাল ইস্পাত ধর্মঘটের সম্মুখীন হয়েছিল। লিগ অফ নেশনসে যোগদানের জন্য তার পরিকল্পনাগুলো সেনেট দ্বারা পরাজিত হয়েছিল। তার প্রশাসনের সদস্যরা বিভিন্ন ইস্যুতে প্রতিবাদ জানিয়ে পদত্যাগ করেছিলেন যেমন যুদ্ধের কারণে একজন স্টেট সেক্রেটারি এবং ভোটাধিকারের প্রশ্নে নিউ ইয়র্ক বন্দরের একজন সংগ্রাহক যিনি সম্ভবত তাকে সবচেয়ে বেশি অতিষ্ঠ করেছিলেন।
* প্রথম বিশ্বযুদ্ধ আমেরিকান নারীদের জীবনে অনেক আমূল পরিবর্তন এনেছিল। এটি অভিজাত নারী ঘরানার অবসান ঘটিয়েছিল। শ্রমের অভাব ছিল প্রকট এবং প্রশিক্ষিত কর্মীর প্রয়োজন ছিল তীব্র। ১৯১৮ সালের শেষে প্রায় ত্রিশ লক্ষ নারী খাদ্য ও বস্ত্র এবং যুদ্ধ শিল্পে নিযুক্ত ছিলেন। এতদিন পর্যন্ত পুরুষের কাজ হিসেবে গণ্য হওয়া পেশাগুলো নারীদের জন্য উন্মুক্ত হয়ে গিয়েছিল। তারা রাস্তার গাড়িতে কন্ডাক্টর হিসেবে কাজ করতেন। প্রথমবারের মতো তাদের রেডিও অপারেটর হিসেবে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছিল। নারীরা সেনাবাহিনীর মোটর কর্পসে স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে কাজ করেছিলেন এবং প্রথমবারের মতো ইউনিফর্ম পরেছিলেন। ব্লুমার পরা নারী চাষিরা শহর থেকে খামারে গিয়েছিলেন। নারীরা ত্রাণ কাজ করেছিলেন এবং যুদ্ধের বন্ড বিক্রি ও সশস্ত্র বাহিনীর জন্য ক্যান্টিন পরিচালনা এবং নার্সিং ইউনিটে যোগ দিয়েছিলেন। হাজার হাজার নারী তাদের ঘর থেকে বেরিয়ে জনজীবনে প্রবেশ করেছিলেন। যুদ্ধ শেষ হলে তাদের অনেকে প্রয়োজন বা পছন্দের কারণে শিল্পক্ষেত্রেই থেকে গিয়েছিলেন।
* এলিজাবেথ ক্যাডি স্ট্যান্টন এবং সুসান বি. অ্যান্টনির মতো সাহসী নারীরা ছিলেন শুরুর দিকের অগ্রপথিক যারা গালিগালাজ ও বিদ্রূপ এবং সহিংসতা এমনকি ভোট দেওয়ার চেষ্টার জন্য গ্রেপ্তারের সম্মুখীন হয়েছিলেন। পরবর্তীতে ডক্টর [[আন্না হাওয়ার্ড শ]] এবং [[ক্যারি চ্যাপম্যান ক্যাট|ক্যারি চ্যাপম্যান ক্যাটের]] মতো নারীরা ন্যাশনাল আমেরিকান উইমেনস সাফ্রেজ অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, যা নারীদের জড়তা এবং পুরুষদের বিরোধিতার বিরুদ্ধে লড়াই করেছিল। তবে ১৯১৬ সালের মধ্যে একটি তরুণ ও সাহসী এবং আরও সংগ্রামী দল আবির্ভূত হয়েছিল যারা রাজ্য ধরে ধরে ভোটাধিকার জেতার ধীর প্রক্রিয়ায় অসন্তুষ্ট ছিল এবং একটি সাংবিধানিক সংশোধনীর জন্য লড়াই করেছিল। তারা ১৯১৬ সালে উইমেনস পার্টি গঠন করেছিল যা কেবল সেই দল ও প্রার্থীদের জন্য সমস্ত ভোটাধিকার প্রাপ্ত রাজ্যে নারীদের ভোট একত্রিত করার পরিকল্পনা করেছিল যারা জাতীয় ভোটাধিকার সমর্থন করবে। সেই বছর একদল ধনী ভোটাধিকার আন্দোলনকারী অর্থায়ন করে একটি সাফ্রেজ স্পেশাল ট্রেনে সফর করেছিলেন। তারা রিপাবলিকান প্রার্থী চার্লস ইভান্স হিউজেসের পক্ষে সরাসরি প্রচার করেননি। তবে তাদের স্লোগান ছিল উইলসন বিরোধী, যেমন উইলসনের বিরুদ্ধে ভোট দিন কারণ তিনি আমাদের ভোটাধিকার থেকে দূরে রেখেছেন। অনেকে তখন কারাগারে থাকা [[ইউজিন ভি. ডেবস|ইউজিন ভি. ডেবসের]] পক্ষে ভোট দিয়েছিলেন।
* উইমেনস পার্টি ১৯১৭ সালের জানুয়ারি থেকে ১৯১৯ সালের ১৯ মার্চ পর্যন্ত প্রায় অবিরাম পিকেটিং করেছিল। তারা হোয়াইট হাউস এবং ক্যাপিটলে পিকেটিং করেছিল এবং সামরিক প্যারেড ও উইলসনের ইউরোপ সফরের পর সংবর্ধনা এবং তার প্রস্থানের সময় অভ্যর্থনার আয়োজন করেছিল। তারা ওয়াশিংটন ও বোস্টন এবং নিউ ইয়র্কে তাকে পিকেটিং করেছিল। কেবল আইরিশরাই এমন কৌশল অবলম্বন করেছিল। পরবর্তীতে রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তির জন্য একটি চিলড্রেনস ক্রুসেড প্রেসিডেন্ট হার্ডিংকে পিকেটিং করেছিল। ভোটাধিকারের ব্যানারগুলো বিদেশি দর্শনার্থীদের উদ্দেশ্যে রাখা হয়েছিল এবং দেশে ও বিদেশে স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র নিয়ে প্রেসিডেন্ট উইলসনের দেওয়া ভাষণগুলো ভোটাধিকার আন্দোলনকারীরা স্বাধীনতার প্রহরী আগুনের পাত্রে পুড়িয়ে দিয়েছিল।
* একবার ভোটাধিকার অর্জিত হওয়ার পর নারীরা কেবল নারী হিসেবে ঐক্যবদ্ধ থাকেনি, বরং তাদের দৃষ্টিভঙ্গি এবং স্বার্থ অনুযায়ী বিদ্যমান রাজনৈতিক দল ও অন্যান্য সংগঠনে বিভক্ত হয়ে গিয়েছিল। আমি বিশ্বাস করি যে শান্তির সাধারণ লক্ষ্যটি আবারও নারীদের ঐক্যবদ্ধ করতে পারে তবে এর কিছু ব্যতিক্রম থাকতে পারে।
* ১৯২০-এর দশকে যুক্তফ্রন্ট শব্দটি ব্যবহারের কথা আমার মনে পড়ে না। এটি অনেক পরে প্রচলিত হয়েছিল। তবে সেই সময়ে আমূল সংস্কারবাদী এবং প্রগতিশীল আন্দোলনগুলো যে এই নীতির ভিত্তিতে পরিচালিত হতো তা অত্যন্ত স্পষ্ট। যারা ভোটাধিকারের পক্ষে কথা বলতেন তারা আইডব্লিউডব্লিউ-এর আর্থিক সাহায্যের আবেদনেও স্বাক্ষর করতেন এবং আইরিশ ও বন্দিদের মুক্তি সংক্রান্ত প্রতিনিধি দলে থাকতেন ও শান্তি আন্দোলনে যুক্ত হতেন। স্বাধীনতার একটি ভালো আদর্শ এবং অন্যটির মধ্যে কোনো কঠোর সীমারেখা টানা ছিল না এবং আজকের মতো প্রতিশোধের কোনো ভয় ছিল না। মানুষ ভয় পেত না যে তারা অন্য কিছুর সাথে নিজেদের যুক্ত করলে একটি আদর্শের ক্ষতি হবে। আমি আজ অবাক হই যে সেই দিনগুলোতে আমার যোগাযোগ এবং বন্ধুত্ব কতটা বিস্তৃত ও ছড়িয়ে ছিল।
* আমি তখনও আমার বিশ্বাসে একজন আইডব্লিউডব্লিউ ছিলাম এবং কোনো রাজনৈতিক দলে যোগ দিতে দ্বিধা করছিলাম যদিও রুশ বিপ্লব এবং ভোটাধিকার আন্দোলনকারী ও কমিউনিস্টদের সাথে মেলামেশা আমার দৃষ্টিভঙ্গিকে অনেকটা পরিবর্তন করছিল।
* ১৯১৭ সালের নভেম্বরে যখন রুশ বলশেভিক বিপ্লবের খবর সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ল তখন আমেরিকান শ্রমিকরা মানব ইতিহাসের এই মহান ঘটনার মাধ্যমে প্রথমবার [[ভ্লাদিমির লেনিন]] নামের এক ব্যক্তির কথা এবং সমাজতন্ত্রের সূচনা সম্পর্কে জানতে পারল। আমরা কিছু নতুন শব্দও শিখেছিলাম যা অল্প সময়ের মধ্যেই ভাষার অংশ হয়ে গিয়েছিল, যেমন “বলশেভিক” এবং “সোভিয়েত”। এমনকি আমাদের মধ্যে যারা বাম ঘরানার সমাজতন্ত্রী এবং আইডব্লিউডব্লিউ সদস্য ছিলাম তারাও রুশ সমাজতান্ত্রিক আন্দোলন সম্পর্কে কার্যত কিছুই জানতাম না। কেবল জারের নিষ্ঠুর ও রক্তক্ষয়ী শাসন উৎখাত করার দীর্ঘ ও যন্ত্রণাদায়ক লড়াইয়ের প্রতি আমাদের গভীর সহানুভূতি ছিল। রাতারাতি বলশেভিক একটি পরিচিত শব্দে পরিণত হয়েছিল, এমনকি তাদের কাছেও যারা জানত না যে এর অর্থ কেবল সংখ্যাগরিষ্ঠ এবং এটি রুশ সোশ্যাল-ডেমোক্রেটিক লেবার পার্টির একটি রাজনৈতিক বিভাজনকে বোঝায়। ডেবস বলেছিলেন যে আমি মাথার তালু থেকে পায়ের আঙুল পর্যন্ত একজন বলশেভিক। মালিকরা সংগ্রামী শ্রমিক এবং ইউনিয়ন সংগঠকদের দিকে তাকিয়ে অভিশপ্ত বলশেভিক বলে চিৎকার করত। সব ধর্মঘটকারীই স্বাভাবিকভাবেই “বলশেভিক” ছিল।
===[http://www.sojust.net/speeches/elizabeth_flynn_memories.html "মেমোরিজ অফ দ্য ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়ার্কার্স অফ দ্য ওয়ার্ল্ড"] (৮ নভেম্বর, ১৯৬২)===
* আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. (IWW)... এগুলো হলো ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়ার্কার্স অফ দ্য ওয়ার্ল্ড-এর আদ্যক্ষর, যাকে আগে "আই ওয়ন্ট ওয়ার্ক" (আমি কাজ করব না) বলা হতো। এটি ছিল অত্যন্ত বেমানান কারণ বাস্তবে যারা এই সংগঠনের সদস্য ছিলেন তারা আমাদের দেশের সবচেয়ে মৌলিক ও কঠিন পরিশ্রমের শিল্পগুলোতে কাজ করতেন। একে বিশ্বের শ্রমিক বলাটা বেশ উচ্চাকাঙ্ক্ষী নাম ছিল কারণ আসলে এটি কখনও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সীমানা ছাড়িয়ে যায়নি। এটি মূলত পুরনো নাইটস অফ লেবার-এর ঐতিহ্য ও সাংগঠনিক রূপ ধরে রাখার আমেরিকান শ্রমিকদের ইচ্ছা থেকে তৈরি হয়েছিল।
* আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. কেবল ১৮৮০-এর দশকের অনেক ঐতিহ্যের উত্তরাধিকারী ছিল না, বরং ১৮৮০-এর দশকের সাথে যুক্ত ব্যক্তিত্বরাও আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর শুরুর দিকের সম্মেলনগুলোতে উপস্থিত ছিলেন। আপনি যদি শ্রমিক ইতিহাসের ছাত্র না হন তবে নামগুলো আপনার কাছে পরিচিত নাও হতে পারে, তবে তাদের মধ্যে ছিলেন ইউজিন ডেবস, ড্যানিয়েল ডিলিয়ন এবং মিসেস লুসি পারসন্স।
* সেখানে বাক-স্বাধীনতার অনেক লড়াই হয়েছিল... তাদের কৌশলগুলো ছিল অনেকটা আজকের ফ্রিডম রাইডারদের মতো। তারা টেলিগ্রাম পাঠাত—আর আমি বিষয়টি বুঝিয়ে বলছি, আমি কোনো প্রচারণা করছি না—তারা অনেকটা এইভাবে টেলিগ্রাম পাঠাত: "মুক্তমনা ওবলিরা, এখনই এসো, অধিকারের সনদ রক্ষা করো।" তারা ট্রেনের ওপর, নিচে, পাশে, মালবাহী বগিতে এবং এমন প্রতিটি উপায়ে আসত যেখানে ভাড়া দিতে হয় না। আক্ষরিক অর্থেই শত শত মানুষ এই এলাকাগুলোতে এসে হাজির হতো, যা কর্তৃপক্ষকে আতঙ্কিত ও স্তম্ভিত করে দিত। তারা প্ল্যাটফর্ম বা সাবান রাখার বাক্সের ওপর দাঁড়িয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের অংশবিশেষ বা অধিকারের সনদ পড়ে শোনাত... এগুলো ছিল বাক-স্বাধীনতার লড়াই যা অত্যন্ত পরিচিত এবং দেশের পশ্চিমাঞ্চলে আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর একটি বৈশিষ্ট্য ছিল।
* এ.এফ.এল. (AFL) ছিল দক্ষ শ্রমিকদের সংগঠন এবং এর গঠন, পদ্ধতি ও নীতি আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর মতো ছিল না। আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. শ্রেণি সংগ্রামে বিশ্বাস করত। তারা পুঁজি ও শ্রমের ভ্রাতৃত্বে বিশ্বাস করত না। তারা বিশ্বাস করত যে এই অসংগঠিত বিদেশি বংশোদ্ভূত গণ-উৎপাদন শ্রমিকদের একটি শিল্প ইউনিয়নে সংগঠিত করা উচিত—সবাই মিলে একটি ইউনিয়নে, ডজনখানেক বা তার বেশি সংগঠনে বিভক্ত হয়ে নয়।
* ১৯১২ সালের সেই বড় ধর্মঘট [যা রুটি ও গোলাপ ধর্মঘট নামে পরিচিত], যা আমাদের দেশের অন্যতম মহান ঐতিহাসিক সংগ্রাম, সেটি শুরু হয়েছিল রাষ্ট্রের একটি রাজনৈতিক পদক্ষেপের কারণে।
* বিল হেউড সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন যে আমাদের ইংরেজিতে কথা বলতে হবে যাতে এই মানুষগুলো তা বুঝতে পারে। তিনি আমাদের যে শিক্ষা দিয়েছিলেন তা আমি কখনও ভুলব না। তখন আমি খুব তরুণ ছিলাম, আমার বয়স ছিল ২২। তিনি বললেন, শোনো, তোমরা এই শ্রমিকদের সাথে, এই খনি শ্রমিকদের সাথে এমন ইংরেজিতে কথা বলবে যা প্রাথমিক স্কুলে পড়া তাদের সন্তানরা তাদের সাথে বলে, তবেই তারা তা বুঝতে পারবে। প্রাথমিক স্কুলের ইংরেজিতে কথা বলাটা মোটেও সহজ নয়। যাই হোক, আমরা তা শিখেছিলাম। আমার সমস্যা হলো এটি আমার অভ্যাসে গেঁথে গিয়েছিল এবং এখন যখন আমি কলেজের দর্শকদের সামনে কথা বলতে যাই, তখন নিজেকে কিছুটা অসুবিধায় মনে হয় কারণ আমি বড় বড় সব শব্দ জানি না। উইলিয়াম হেউড আমাকে ছোট ছোট এবং সহজ শব্দগুলোতেই দক্ষ করে তুলেছিলেন।
* তিনি কীভাবে কথা বলতেন তার একটি উদাহরণ দিই। আমাদের তাদের বোঝাতে হতো কেন আমরা চাই তারা এ.এফ.এল.-এ না গিয়ে আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-তে যোগ দিক। তিনি হাত উঁচিয়ে আঙুলগুলো ছড়িয়ে বলতেন, আমেরিকান ফেডারেশন অফ লেবার বা এ.এফ.এল. হলো ঠিক এইরকম, প্রতিটি আলাদা আলাদা। কিন্তু আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. হলো এইরকম, [তিনি হাতের মুঠো পাকাতেন] এবং তারা সবাই চিৎকার করে উঠত আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর জয় হোক। এভাবেই তিনি তার বক্তব্য বুঝিয়ে দিতেন।
* যখন লরেন্সের এই ধর্মঘট চলছিল, তখন লুইজিয়ানায় কাঠ শ্রমিকদের একটি বড় ধর্মঘট চলছিল, সেটিও আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর অধীনে। যদিও আমাদের সব জায়গায় ধর্মঘট ছিল এবং আমরা এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় ছুটে বেড়াচ্ছিলাম, তবুও আমি বিশেষ করে এই ঘটনাটি উল্লেখ করছি কারণ সেখানে প্রথমবারের মতো বৈষম্য ও বর্ণবাদের নিয়মগুলো ভেঙে ফেলা হয়েছিল। উইলিয়াম ডি. হেউড সেখানে ভাষণ দিতে গিয়েছিলেন এবং তিনি বলেছিলেন প্রতিটি ধর্মঘটী যেখানে খুশি বসতে পারে। আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর এই হলে কোনো বিভাজন নেই। নিগ্রো এবং শ্বেতাঙ্গ শ্রমিকরা, আমার মনে হয় আমেরিকান শ্রমিক ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সেই সামাজিক বিধিনিষেধ ভেঙে একসাথে মিলিত হয়েছিল।
* আমার দীর্ঘ শ্রমিক ইতিহাসে যদি এমন কিছু থাকে যা নিয়ে আমি সত্যিই গর্বিত, তা হলো—ফাঁসির আগে কারাগারে থাকাকালীন জো হিল আমার জন্য একটি গান লিখেছিলেন এবং আমাকে উৎসর্গ করেছিলেন, যার নাম ছিল "রেবেল গার্ল"। সেই গানটি—আমি আশা করি আপনারা এখানে কোনো একদিন সেটি গাইবেন—হয়তো এর কথা বা সুর সেরা নয়, কিন্তু এটি হৃদয় থেকে এসেছিল এবং এটি আমার কাছে অত্যন্ত মূল্যবান।
* প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ., সমাজতন্ত্রী এবং আমাদের দেশের সমস্ত প্রগতিশীলদের ওপর প্রচণ্ড আক্রমণ চালানো হয়েছিল। সেই সময় একটি শক্তিশালী শান্তি আন্দোলন ছিল। এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মতো ছিল না, যা ছিল একটি ফ্যাসিবাদ-বিরোধী যুদ্ধ।
*অন্যান্য সংগঠনের সাথে আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর সম্পর্ক কেমন ছিল সে সম্পর্কে আমার আপনাদের কিছু বলা উচিত কারণ চিত্রটি সম্ভবত এখনও খুব বেশি পরিষ্কার নয়। এটি কোনো কারুশিল্প ভিত্তিক ইউনিয়ন ছিল না; এটি ছিল একটি শিল্প ইউনিয়ন এবং এটি এ.এফ.এল.-এর ঘোর বিরোধী ছিল। এ.এফ.এল. যেসব আদর্শে বিশ্বাস করত—যেমন ন্যায্য কাজের জন্য ন্যায্য মজুরি, পুঁজি ও শ্রমের ভ্রাতৃত্ব—আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. তার কোনোটিতেই বিশ্বাস করত না। সুযোগ পেলেই মালিকের বিরুদ্ধে লড়াই করার বিষয়ে এটি খুব কঠোর ছিল। তাদের বিশ্বাস ছিল যে কোনো চুক্তি করা উচিত নয়। তারা মনে করত যতক্ষণ আপনারা সংগঠিত আছেন, ততক্ষণ আপনারা মালিককে তার প্রতিশ্রুতি পালনে বাধ্য করতে পারবেন। কিন্তু একটি চুক্তি বা কাগজের টুকরো আপনাদের হাত-পা বেঁধে ফেলে, তাই তারা কোনো চুক্তি করত না। তবে আমাদের তথাকথিত 'হোয়াইট কলার' বা দাপ্তরিক কর্মীদের প্রতি তাদের দৃষ্টিভঙ্গি ভালো ছিল না। মোটেও ভালো ছিল না কারণ তারা মনে করত এই কর্মীরা শ্রমিক শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত নয়। আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর মতে শ্রমিক হতে হলে আপনাকে ওভারঅল পোশাক পরতে হবে, পেশিবহুল হতে হবে এবং হাড়ভাঙা খাটুনি খাটতে হবে। আপনি যদি কেবল কলম পিষতেন, তবে আপনি শ্রমিক ছিলেন না। এই একই কথা শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য ছিল। অন্য কথায়, তারা ছিল একটি অত্যন্ত সংকীর্ণমনা সংগঠন। তবে তৎকালীন সময়ের শিক্ষার্থীরাও কিছুটা দায়ী ছিল কারণ শ্রম আন্দোলনের প্রতি তাদের কোনো সহানুভূতি ছিল না। প্রকৃতপক্ষে, যখন ধর্মঘট হতো তখন শ্রমিকদের জায়গায় কাজ করার জন্য সবসময় শিক্ষার্থীদের পাওয়া যেত। আমি নিউ ইয়র্ক সিটির একটি হোটেলের ধর্মঘটে এমনটা দেখেছি। যাই হোক, আমি খুব আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে এখন সময় বদলেছে।
*আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. এ.এফ.এল.-এর চেয়ে আরও একটি বিষয়ে আলাদা ছিল যে তারা সমাজতন্ত্রে বিশ্বাস করত। যদিও তারা রাজনৈতিক দল এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড বর্জন করার কারণে সোশ্যালিস্ট পার্টির থেকে ভিন্ন ছিল। তাদের এই অদ্ভুত ধারণা ছিল যে আসল লড়াই হলো শিল্পকারখানায়, অর্থাৎ উৎপাদনের জায়গায়।
*আমি যখন আপনাদের বলি যে তখন কী কী ছিল না, তখন মনে হয় আমরা যেন এক অরণ্যে বাস করতাম। তখন কোনো রেডিও ছিল না, টিভি ছিল না, সিনেমা ছিল না, আজকের মতো বিজ্ঞাপন ছিল না, কোনো প্লাস্টিক বা কৃত্রিম কাপড় ছিল না এবং কোনো বিমানও ছিল না।
*আমি ১৯১৯-২০ সালের কথা বলছি যখন জে. এডগার হুভার প্রথম আত্মপ্রকাশ করেন। তাকে এই ধরপাকড় অভিযানের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল এবং সারা দেশের সমস্ত রিপোর্ট তাকে জমা দিতে হতো। তাদের বলা হতো "জি ম্যান"। এফবিআই আরও পরে ১৯২৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। সুতরাং কোনো সরকারের পরোয়া না করেই তিনি দীর্ঘ ৩৮ বছর ধরে এই সাম্রাজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন এবং এটি আসলে কোনো সিভিল সার্ভিস বা বিচার বিভাগের নিয়ন্ত্রণে নেই।
*আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর বিরুদ্ধে ঘৃণা এতটাই তীব্র ছিল যে সংবাদপত্রের সম্পাদকীয়তে লেখা হতো, "তাদের ভোরবেলা গ্রেপ্তার করা উচিত এবং নাস্তা করার আগেই বিচার ছাড়াই গুলি করে মারা উচিত।"
*আজকের দিনে ইউনিয়নের সাথে রাজনৈতিক সহযোগী থাকা অনেক বেশি কার্যকর একটি পদ্ধতি। কিন্তু আমরা তখন সবকিছু এক পাত্রে রাখার চেষ্টা করেছিলাম এবং সেটি মোটেও কাজ করেনি। আমরা বেশ অহংকারী ছিলাম। আমরা তরুণ ছিলাম এবং মনে করতাম সবকিছুর সঠিক উত্তর কেবল আমাদের কাছেই আছে। আমরা এ.এফ.এল.-এর সাথে কাজ করতে চাইনি, সোশ্যালিস্ট পার্টির সাথে কাজ করতে চাইনি, এমনকি অন্য কারও সাথেই কাজ করতে চাইনি। স্বাভাবিকভাবেই যখন কমিউনিস্ট পার্টি এল, তারা সেটাকে একটি সত্যিকারের দল হিসেবে বিবেচনা করল কারণ সেটি পুরনো সোশ্যালিস্ট পার্টির চেয়ে অনেক বেশি বিপ্লবী ছিল। আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. রুশ বিপ্লবের ধারণার সাথে পুরোপুরি একমত ছিল না, যদিও তারা খুশি ছিল যে এটি এমন একটি বিপ্লব যা জারকে উৎখাত করেছে। তারা কেরেনস্কির পক্ষে ছিল না কিন্তু বিপ্লব সম্পর্কে তাদের কিছু আদিম ধারণা ছিল। আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর কাছে বিপ্লব মানে ছিল কারখানা, দোকান, কলকারখানা, খনি আর ফসলের মাঠ দখল করে নেওয়া এবং মালিকদের স্রেফ তাড়িয়ে দেওয়া। মালিকদের তাড়িয়ে দেওয়া মানেই ছিল বিপ্লবের শেষ।
*আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর ইতিবাচক দিক ছিল যে এটি নিশ্চিতভাবেই লড়াকু ও সাহসী ছিল, এটি সেই সময়ের জন্য উপযুক্ত ছিল এবং এটি দরিদ্রতম, সবচেয়ে একাকী ও সবচেয়ে অবহেলিতদের স্বার্থের জন্য লড়াই করেছিল—যাদের এ.এফ.এল. সংগঠিত করতে পারেনি; যেমন বিদেশি বংশোদ্ভূত শ্রমিক, নারী এবং যখন কৃষ্ণাঙ্গরা শিল্পে আসতে শুরু করল, তখন সেই কৃষ্ণাঙ্গ শ্রমিকরা।
*আমরা তখন সামাজিক নিরাপত্তা বা বেকার ভাতার মতো কোনো কিছুর কথা কখনও শুনিনি এবং ভাবিনি যে এমন কিছু হওয়া সম্ভব। এগুলো ছিল ত্রিশের দশকের লড়াইয়ের ফলাফল—আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর পতনের পরের বড় সংগ্রামের ফল। এছাড়া আমরা কখনও বেতনসহ ছুটির কথা শুনিনি। বেতনসহ ছুটি তো দূরের কথা, আমরা ছুটির কথাই শুনিনি। আজকের দিনের মতো চাকরির জ্যেষ্ঠতার কোনো ধারণা আমাদের ছিল না। শ্রমিকদের অবসরের জন্য কোনো পেনশন ছিল না। ইউনিয়নের কোনো কল্যাণ তহবিল বা স্বাস্থ্যকেন্দ্র ছিল না এবং আজকের মতো কোনো ট্রেড ইউনিয়ন স্কুলও ছিল না। এই সমস্ত সুযোগ-সুবিধা আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর পরবর্তী সময়ে গড়ে ওঠা ইউনিয়নগুলোর মাধ্যমে এসেছে।
*আজকের দিনে শ্রমিকের বিরুদ্ধে সরাসরি সহিংসতা কম কিন্তু আইনি বিধিনিষেধ অনেক বেশি। দমনমূলক আইন এবং সব ধরনের বিধিনিষেধের মাধ্যমে শ্রমিকের অধিকার হরণ করার চেষ্টা এখন অনেক বেশি হচ্ছে।
*আমরা কি উন্নতি করেছি? ওহ, আমরা অবশ্যই উন্নতি করেছি! সমস্ত অসুবিধা এবং সমস্যা সত্ত্বেও শ্রমিক আন্দোলন বিশাল উন্নতি করেছে। আজকের যুবকদের জন্য একটি নতুন ভূমিকা এবং নতুন দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে। বহু বছর আগে আমি পিটার ক্রোপোটকিনের 'আপিল টু দ্য ইয়ং' বা 'তরুণদের প্রতি আবেদন' নামক একটি পুস্তিকা পড়েছিলাম। এটি ছিল যুবকদের প্রতি এই বিশ্বকে বসবাসের উপযোগী একটি সুন্দর জায়গা হিসেবে গড়ে তোলার দায়িত্ব নেওয়ার এক চমৎকার আহ্বান। এখন আমি অনুভব করি যে আমরা আমাদের সাধ্যমতো সেরা চেষ্টা করেছি। কিন্তু সময় এমন আসে যখন আপনি জানেন যে বাধ্য হয়েই আপনাকে থামতে হয়; যদিও বলা হয় বার্ধক্য কোনো রোগ নয় কিন্তু আমি মনে করি এটি একটি রোগ। এমন এক সময় আসে যখন আপনাকে গতি কমিয়ে দিতে হয় এবং কাজ থেকে বিদায় নিতে হয়, আর যদি নতুন প্রজন্ম চায় তবে আপনার অভিজ্ঞতার সুফল তাদের কাছে পৌঁছে দিতে হয়।
== এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন সম্পর্কে উক্তি ==
* হেটেরোডক্সির সদস্য এবং ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়ার্কার্স অফ দ্য ওয়ার্ল্ড-এর প্রখ্যাত সংগঠক এবং পরবর্তীতে ইউ.এস. কমিউনিস্ট পার্টির শীর্ষস্থানীয় সদস্য এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন এই সংগঠনে তার সদস্যপদকে "এক অবিচ্ছিন্ন আনন্দের অভিজ্ঞতা" হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি আরও যোগ করেছেন, "এটি ভবিষ্যতের নারীদের এক ঝলক দেখার মতো ছিল—যারা বিশাল হৃদয়ের অধিকারী, বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে সজাগ এবং পুরনো সেই 'নারীত্ব' বর্জিত যার স্থলাভিষিক্ত হয়েছে নারীদের এক চমৎকার ভ্রাতৃত্ব।"
** [[বেটিনা আপথেকার]], ''ট্যাপেস্ট্রিস অফ লাইফ: উইমেনস ওয়ার্ক, উইমেনস কনশাসনেস, অ্যান্ড দ্য মিনিং অফ ডেইলি এক্সপেরিয়েন্স'' (১৯৮৯)
* আমার নির্জন কারাবাসের দিনগুলোতে, মার্গারেট যখন জেল সুপারকে আমাকে পড়ার সুযোগ দেওয়ার জন্য রাজি করালেন, তখন আমি গ্রন্থাগারে একা কয়েকটি সেশন কাটিয়েছিলাম। অল্প সময়ের মধ্যেই আমি পুরো জায়গাটি তন্নতন্ন করে খুঁজি এবং সামান্য আগ্রহ জাগানিয়া মাত্র কয়েকটি বই খুঁজে পাই: এডগার স্নো-এর লেখা চীনা বিপ্লবের ওপর একটি বই, ডব্লিউ. ই. বি. ডু বোইস-এর আত্মজীবনী এবং একজন আশ্চর্যজনকভাবে নিরপেক্ষ ও স্বল্প পরিচিত লেখকের লেখা সাম্যবাদের ওপর একটি বই। এই বইগুলো আবিষ্কার করার পর আমার চিন্তাভাবনা বারবার সেগুলোর রহস্যময় উপস্থিতির দিকে ফিরে যাচ্ছিল। হঠাৎ আমার মনে হলো: এগুলো সম্ভবত এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন, ক্লডিয়া জোন্স অথবা অন্য কোনো কমিউনিস্ট নেতাদের দ্বারা পড়া হয়েছিল যারা ম্যাকার্থি যুগে স্মিথ অ্যাক্টের অধীনে নিপীড়িত হয়েছিলেন। আমাকে জানানো হয়েছিল যে সেখানে থাকাকালীন আমি যদি কোনো বই পাই, তবে তা গ্রন্থাগারে দান করতে হবে—যা ছিল এক আনন্দের বিষয়, কারণ তথাকথিত সেই শিক্ষা কেন্দ্রের অবস্থা ছিল করুণ। আমি যখন সেই বইগুলোর পাতা উল্টাচ্ছিলাম, তখন আমি এই দেশের কিছু অসামান্য বীরাঙ্গনাদের ঐতিহ্য অনুসরণ করতে পেরে সম্মানিত বোধ করছিলাম: কমিউনিস্ট নারী নেতৃবৃন্দ, বিশেষ করে কৃষ্ণাঙ্গ কমিউনিস্ট ক্লডিয়া জোন্স।
** ''[[অ্যাঞ্জেলা ডেভিস]]ের আত্মজীবনী'' (১৯৭৪)
* জোসেফ ইটর এবং আর্তুরো জিওভানিত্তির গ্রেপ্তারের ফলে তৈরি হওয়া শূন্যতা তাৎক্ষণিকভাবে বিল হেউড এবং এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন পূরণ করেছিলেন। শ্রমিক সংগ্রামে হেউডের বছরের পর বছর অভিজ্ঞতা, তার দৃঢ় সংকল্প এবং বিচক্ষণতা তাকে লরেন্সের পরিস্থিতিতে এক অনন্য শক্তিতে পরিণত করেছিল। অন্যদিকে, এলিজাবেথের তারুণ্য, চার্ম এবং বাগ্মিতা খুব সহজেই সবার মন জয় করে নিয়েছিল। এই দুজনের নাম এবং খ্যাতি ধর্মঘটের জন্য দেশব্যাপী প্রচার ও সমর্থন জোগাড় করতে সাহায্য করেছিল। বছরের পর বছর আগে একটি উন্মুক্ত সভায় প্রথমবার শোনার পর থেকেই আমি এলিজাবেথকে জানতাম এবং শ্রদ্ধা করতাম। সেই সময় তার বয়স চৌদ্দ বছরের বেশি ছিল না, তার ছিল এক সুন্দর মুখাবয়ব এবং আন্তরিকতায় ভরপুর এক কণ্ঠস্বর। তিনি আমার ওপর গভীর প্রভাব ফেলেছিলেন। পরবর্তীতে আমার বক্তৃতায় তার বাবার সাথে তাকে প্রায়ই আসতে দেখতাম। কালো চুল, বড় বড় নীল চোখ এবং চমৎকার গায়ের রঙে তিনি ছিলেন এক মোহনীয় প্রতিচ্ছবি... স্পোকেনে আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর অন্যান্য সদস্যদের সাথে তিনি যে চমৎকার বাক-স্বাধীনতার লড়াই করেছিলেন এবং যে নিপীড়ন সহ্য করেছিলেন, তা এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিনকে আমার খুব কাছে নিয়ে এসেছিল। আর যখন শুনলাম যে সন্তান জন্ম দেওয়ার পর তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েছেন, তখন এই তরুণ বিদ্রোহীর জন্য আমি গভীর সহানুভূতি অনুভব করেছিলাম, যিনি সর্বহারা পটভূমি থেকে আসা প্রথম আমেরিকান নারী বিপ্লবীদের একজন। তার প্রতি আমার আগ্রহ কেবল স্পোকেন লড়াইয়ের জন্যই নয়, বরং মা হওয়ার প্রথম মাসগুলোতে এলিজাবেথের ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য তহবিল সংগ্রহে আমার প্রচেষ্টাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছিল। তিনি নিউ ইয়র্কে ফিরে আসার পর থেকে আমরা প্রায়ই সভায় এবং আরও ব্যক্তিগতভাবে একসাথে সময় কাটিয়েছি। এলিজাবেথ নৈরাজ্যবাদী ছিলেন না, তবে তিনি সোশ্যালিস্ট লেবার পার্টি থেকে আসা তার কিছু কমরেডদের মতো গোঁড়া বা বিদ্বেষীও ছিলেন না। আমাদের সার্কেলে তিনি আমাদেরই একজন হিসেবে স্বীকৃত ছিলেন এবং আমি তাকে বন্ধু হিসেবে ভালোবাসতাম।
** [[এমা গোল্ডম্যান]], ''লিভিং মাই লাইফ'' (১৯৩১)
* ফ্লিন পার্টির চেয়ারম্যান হিসেবে জিনের স্থলাভিষিক্ত হন। তিনি ছিলেন সেই পদে নির্বাচিত প্রথম নারী। তিনি ছিলেন একজন সমঝোতামূলক প্রার্থী; বেন ডেভিসও এই পদের জন্য প্রচারণা চালাচ্ছিলেন এবং কৃষ্ণাঙ্গ নেতৃত্বের একটি বড় অংশসহ পার্টির অনেক মানুষ সেই সম্ভাবনায় ভীত ছিল। লিজকে তখন সেরা বিকল্প মনে হয়েছিল। পার্টিতে এলিজাবেথের খুব ইতিবাচক খ্যাতি ছিল। ১৯৩০-এর দশকে যখন তিনি পুনরায় যোগ দেন (তিনি ১৯২০-এর দশকে সংক্ষিপ্তভাবে এবং গোপনে সদস্য ছিলেন), তখন তিনি সরাসরি শীর্ষ নেতৃত্বে চলে আসেন। পদমর্যাদায় উপরে ওঠার লড়াইয়ে অন্যান্য নারীদের যে কঠোর আচরণের প্রয়োজন হতো, তার সেটি করার প্রয়োজন পড়েনি। তিনি মানুষের প্রতি এমনভাবে আন্তরিক ছিলেন যা অধিকাংশ পার্টি নেতার মধ্যে ছিল না। আমি যখনই নিউ ইয়র্কে যেতাম, চেলসি হোটেলে তার সাথে দেখা করার চেষ্টা করতাম যেখানে তিনি থাকতেন। তার রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং জাতীয় অফিসে তার সহকর্মীদের সম্পর্কে তার তীক্ষ্ণ ও নির্ভীক মতামতের কারণে তিনি শোনার মতো একজন ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তিনি জিন ডেনিসকে পছন্দ করতেন কিন্তু ফস্টারের প্রতি সবসময় সমালোচনামূলক ছিলেন। স্পষ্টতই এই বিরোধ অনেক অনেক বছর আগের। ইউনিয়ন সংগঠক হিসেবে তার বীরত্বপূর্ণ অতীতের গ্ল্যামার তাকে মোহিত করতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত তার নিজেরও এমন সব পরিচয় ছিল যা ফস্টারের চেয়ে কোনো অংশে কম প্রভাবশালী ছিল না। তিনি পার্টির জনসম্মুখের মুখ হিসেবে এবং ওবলিদের ঐতিহাসিক অতীত, লরেন্সের "ব্রেড অ্যান্ড রোজেস" ধর্মঘট এবং স্পোকেনের বাক-স্বাধীনতা লড়াইয়ের যোগসূত্র হিসেবে খুব কার্যকর ছিলেন। বিশাল শ্রোতাদের সামনে সহজ ভাষায় কথা বলার এবং তাৎক্ষণিক সম্পর্ক তৈরি করার এক অসাধারণ ক্ষমতা তার ছিল। এটি ছিল পার্টির পুরনো দিনের আন্দোলনকারীদের একটি গুণ—ফ্লিন, ফস্টার এবং ক্ল্যারেন্স হ্যাথওয়ের মতো মানুষের মধ্যে এটি আমার প্রজন্মের চেয়ে অনেক বেশি ছিল। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে লিজের প্রতি আমার মিশ্র অনুভূতি তৈরি হয়েছিল। পার্টির সভাগুলোতে তিনি সবসময় গুস বা সোভিয়েত ইউনিয়নের কাছে অগ্রহণযোগ্য কিছু না বলার বিষয়ে খুব সতর্ক থাকতেন। তিনি আমাকে নিয়ে এবং আমার রাজনীতি আমাকে যে খারাপ পরিণতির দিকে নিয়ে যাবে তা নিয়ে চিন্তিত ছিলেন।
** [[ডরোথি রে হিলি]], ''ক্যালিফোর্নিয়া রেড: আ লাইফ ইন দ্য আমেরিকান কমিউনিস্ট পার্টি'' (১৯৯০)
* আমি এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন এবং পেটিস পেরি ও আমার সকল সহ-অভিযুক্তদের সেই বিশ্বাসে বিশ্বাসী যে, আমেরিকার শ্রমজীবী মানুষ—কৃষ্ণাঙ্গ ও শ্বেতাঙ্গ—অবশ্যই জেগে উঠবে; ভেড়ার মতো নয় বরং তাদের স্বাধীনতার প্রতি সজাগ দৃষ্টি রেখে। তারা নিশ্চিত করবে যে শান্তি জয়ী হবে এবং এই ক্ষয়িষ্ণু স্মিথ অ্যাক্ট, যা অধিকারের সনদকে লঙ্ঘন করে, তা ইতিহাসের পাতা থেকে মুছে যাবে।
** [[ক্লডিয়া জোন্স]], জবানবন্দি (জানুয়ারি ১৯৫৩)
*আমি তোমাকে দেখব সেইসব কচি অঙ্কুরিত চারার মাঝে/যারা আগাছাকে অবজ্ঞা করে—সন্দেহে কুঁকড়ে যাওয়া বার্ধক্যকে/সেইসব ব্যবহারকারীদের যারা গালিগালাজে কলুষিত করে,/সংগ্রামের মধ্য দিয়ে গড়ে তোলা সেবায় নিবেদিত এক সার্থক জীবনকে... আমি তোমাকে চিরদিন মনে রাখব/এবং কীভাবে তোমার আত্মা প্রতিধ্বনিত হয়/কারণ তোমার বিশ্বাস আগুনের শিখার মতো লাফিয়ে ওঠে/যা সবকিছুর জন্য এক মধুর লালন।
** ক্লডিয়া জোন্স, 'বিয়ন্ড কন্টেইনমেন্ট: অটোবায়োগ্রাফিক্যাল রিফ্লেকশনস, এসেস, অ্যান্ড পোয়েমস' গ্রন্থে "টু এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন" কবিতা।
*ডরোথি ডে এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিনকে (যিনি ১৯৩৭ সালে ইউ.এস. কমিউনিস্ট পার্টিতে যোগ দিয়েছিলেন) "শব্দের গভীরতম অর্থে আমার বোন" হিসেবে গণ্য করতেন। ডে লিখেছিলেন, ফ্লিন "সর্বদাই তা-ই করেছেন যা আজকাল সাধারণ মানুষদের করার জন্য তাগিদ দেওয়া হয়। তিনি দরিদ্রদের রক্ষায়, তাদের অন্যায় ও অভাব থেকে বাঁচাতে নিজের ক্ষমতার সবটুকু করার দায়িত্ব অনুভব করতেন" (লং লোনলিনেস, ১৪৫-১৪৬)।
** [[মার্গারেট সি. জোন্স]], 'হেরিটিকস অ্যান্ড হেলরাইজার্স: উইমেন কন্ট্রিবিউটরস টু দ্য মাসেস, ১৯১১-১৯১৭' (১৯৯৩)
*শ্রম আন্দোলনের ইতিহাসের আমার অন্যতম প্রিয় ব্যক্তিত্ব এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন—সেই বিখ্যাত 'রেবেল গার্ল' যাকে নিয়ে জো হিল গান গেয়েছিলেন এবং যিনি নিজের যোগ্যতায় একজন অসাধারণ ইউনিয়ন সংগঠক ছিলেন—ঊনবিংশ শতাব্দীতেই একটি অত্যন্ত সঠিক কথা বলেছিলেন। তথাকথিত রুটি-রুজির অর্থনৈতিক ইস্যুগুলোর সমান গুরুত্ব দিয়ে রাজনৈতিক ও সামাজিক ন্যায়বিচারের দাবিগুলো ধরে রাখার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে তিনি বলেছিলেন: "শ্রমিকের বিজয় আসলে কী? আমি মনে করি এটি একটি দ্বিমুখী বিষয়। পূর্ণাঙ্গ বিজয় অর্জনের জন্য শ্রমিকদের কেবল অর্থনৈতিক সুবিধাই অর্জন করলে চলবে না, তাদের মধ্যে বিপ্লবী চেতনাও থাকতে হবে। শ্রমিকদের দিনে কয়েক সেন্ট বেশি পাওয়া বা কয়েক মিনিট কম কাজ করে সেই একই মানসিকতা এবং সমাজের প্রতি একই দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কাজে ফিরে যাওয়া মানে একটি সাময়িক লাভ অর্জন করা, কোনো স্থায়ী বিজয় নয়।"
** কিম কেলি (সাংবাদিক), 'ফাইট লাইক হেল: দ্য আনটোল্ড হিস্ট্রি অফ আমেরিকান লেবার' (২০২২)
* ফ্লিনের ভাষায়, এটি ছিল "আমেরিকান শ্রম ইতিহাসের এক অতুলনীয় দিন... লরেন্সে তখন ত্রাসের রাজত্ব চলছিল যা আক্ষরিক অর্থেই আমেরিকাকে কাঁপিয়ে দিয়েছিল।"
** কিম কেলি (সাংবাদিক), 'ফাইট লাইক হেল: দ্য আনটোল্ড হিস্ট্রি অফ আমেরিকান লেবার' (২০২২)
*প্রথাগত মার্ক্সবাদী তত্ত্ব অনুযায়ী গৃহিণীদের শ্রেণি সচেতনতা ছিল একটি সমস্যাজনক বিষয়; তারা প্রায়ই আমূল সংস্কারবাদী পুরুষদের কাছে অনির্ভরযোগ্য মিত্র ছিলেন। তাদের সাধারণত কৃষক এবং বুদ্ধিজীবীদের সাথে এমন এক রক্ষণশীল গোষ্ঠী হিসেবে দেখা হতো যারা সর্বহারা পুরুষদের অগ্রযাত্রায় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। নারীদের সমঅধিকার সমস্ত মার্ক্সবাদী আন্দোলনের একটি ঘোষিত লক্ষ্য ছিল, কিন্তু নারী ইস্যুগুলোকে যেভাবে দেখা হতো, তাতে স্পষ্ট বার্তা পাওয়া যেত যে—নারীদের কাজ এই সংগ্রামের ক্ষেত্রে প্রান্তিক বা গৌণ, যদি না তারা পুরুষদের মতো করে কাজ করতে পারদর্শী হয়। প্রখ্যাত এবং উদযাপিত নারী নেত্রীরা—ডলোরেস ইবারুরি (লা পাসিওনারিয়া), মাদার ব্লুর, এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন, ক্লারা লেমলিচ—গৃহিণীদের সংগঠিত করেননি; তারা নারী কারখানা শ্রমিক, নারীদের সহযোগী সংগঠন বা পুরুষদের সংগঠিত করেছিলেন।
** [[গের্ডা লার্নার]], 'ফায়ারউইড: আ পলিটিক্যাল অটোবায়োগ্রাফি' (২০০২)
*যুদ্ধবন্দিদের জন্য আমার সফরের সময় আমি পর্যায়ক্রমে নিউ ইয়র্কে ফিরে আসতাম সংগঠনকে রিপোর্ট দিতে এবং এই কাজে এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন ও অন্যদের সাথে পরামর্শ করতে। এভাবেই আইরিশ লড়াকু পূর্বপুরুষদের সেই লড়াকু কন্যার সাথে আমার দীর্ঘ বছরের মেলামেশা শুরু হয়। ষোলো বছর বয়সেই তিনি আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-তে সক্রিয় ছিলেন এবং জো হিল তাকে নিয়ে একটি ওবলি গান লিখেছিলেন, "দ্য রেবেল গার্ল"। যদিও কমিউনিস্ট পার্টির শুরুর দিনগুলোতে তিনি আমাদের সাথে যোগ দেননি, কিন্তু তিনি আমাদের সাথে খুব ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতেন। পরিশেষে, ওরেগনের পোর্টল্যান্ডে দশ বছর অসুস্থ থাকার পর তিনি নিউ ইয়র্কে ফিরে আসেন এবং পার্টিতে যোগ দেন। আজ তিনি আমাদের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বক্তা এবং আমাদের জাতীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সম্মানিত ও প্রিয় সদস্য। এলিজাবেথের জীবনের গল্প এই দেশের অনেক মহান শ্রমিক সংগ্রামের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে। সর্বত্র শ্রমিকরা তার সুন্দর সুমধুর কণ্ঠস্বর, উজ্জ্বল উদ্দীপনা এবং বিশাল লড়াকু হৃদয়ের কথা জানে। ক্যালুমেট, পাসাইক, প্যাটারসন, লরেন্স—এই সব জায়গার পিকেট লাইন এবং মঞ্চ তাকে চেনে। আজ তার একমাত্র ছেলে ফ্রেডের আকস্মিক মৃত্যুর শোকের ভার বহন করেও তিনি এমন এক বিশ্বের জন্য লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন যেখানে মায়েদের তাদের প্রভুদের স্বার্থ রক্ষার যুদ্ধে অকারণে সন্তান হারাতে হবে না।
** [[এলা রিভ ব্লুর]], 'উই আর মেনি: অ্যান অটোবায়োগ্রাফি' (১৯৪০)
*যে নারীর প্রতি আমার গভীরতম শ্রদ্ধা ছিল, তিনি অবশ্যই এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন।
** [[এমা তেনাইউকা]], সাক্ষাৎকার (১৯৮৭)
*তিনি তার এই বিস্ময়কর রেকর্ডের সূচনা করেছিলেন পনেরো বছর বয়সে রাস্তার মোড়ে গ্রেপ্তার হওয়ার মাধ্যমে। তার বাবাও তার সাথে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। এরপর থেকে তার বাবা আর কখনও গ্রেপ্তার হননি। এটি ছিল তার জন্য কেবল শুরু। বিচারক কৌতূহলী হয়ে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, "তুমি কি ব্রডওয়েতে কথা বলে মানুষকে সমাজতন্ত্রে দীক্ষিত করার আশা করো?" তিনি বিচারকের দিকে তাকালেন এবং গম্ভীরভাবে উত্তর দিলেন, "অবশ্যই করি।" বিচারক করুণায় দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন, "মামলা খারিজ।"
** [[মেরি হিটন ভোর্স]] (১৯২৬), গের্ডা লার্নার সম্পাদিত 'দ্য ফিমেল এক্সপেরিয়েন্স: অ্যান আমেরিকান ডকুমেন্টারি' গ্রন্থে সংকলিত।
*তিনি আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-তে যোগ দিয়েছিলেন যখন সেটি তার সোনালী যুগে ছিল। আদর্শবাদে পূর্ণ এই আন্দোলন উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলকে প্লাবিত করেছিল। সব জায়গায় তাদের বাক-স্বাধীনতার লড়াই চলছিল। কর্তৃপক্ষ তাদের গ্রেপ্তার করত এবং আরও বেশি মানুষ আসত। তারা জেলখানাগুলোকে জনাকীর্ণ করে ফেলেছিল। এলিজাবেথ বলেছিলেন, "একটি শহরে জেলে এত বেশি মানুষ ছিল যে দিনের বেলা তাদের ছেড়ে দেওয়া হতো। বাইরের আমাদের তাদের খাওয়াতে হতো। প্রতি রাতে তারা আবার জেলে ফিরে যেত। অবশেষে ওবলিরা সিদ্ধান্ত নিল যে জেলের দরজা খুললেও তারা বের হবে না। দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ সেইসব ওবলিদের দেখতে আসত যারা জেল ছাড়তে রাজি ছিল না।" তার জীবনের এই অংশটি—পশ্চিমের যাযাবর শ্রমিকদের সংগঠিত করা এবং তাদের হয়ে লড়াই করা—তার জীবনের সেই অংশ যা তিনি সবচেয়ে বেশি পছন্দ করেন।
** মেরি হিটন ভোর্স (১৯২৬), গের্ডা লার্নার সম্পাদিত 'দ্য ফিমেল এক্সপেরিয়েন্স: অ্যান আমেরিকান ডকুমেন্টারি' গ্রন্থে সংকলিত।
*প্রতিরক্ষার কাজ তার কাছে নতুন কিছু ছিল না এবং ১৯১৮ সাল থেকে ইদানীংকাল পর্যন্ত তার প্রধান কাজ ছিল রাজনৈতিক বন্দিদের জেল থেকে মুক্ত করা। আর ১৯২১ সাল থেকে তিনি স্যাকো-ভানজেত্তি মামলার ওপর মনোযোগ নিবদ্ধ করেছেন। সেখানে ছিল নিরন্তর কাজ, ছিল গ্রেপ্তার এবং তার আদর্শের জন্য বন্দি হওয়া কমরেডদের নিয়ে তার নিরন্তর ব্যস্ততা। শ্রমিক আন্দোলনে তার প্রথম বিশ বছর পার করার পরও তিনি অম্লান এবং নিরুৎসাহহীন।
** মেরি হিটন ভোর্স (১৯২৬), গের্ডা লার্নার সম্পাদিত 'দ্য ফিমেল এক্সপেরিয়েন্স: অ্যান আমেরিকান ডকুমেন্টারি' গ্রন্থে সংকলিত।
*প্রগতিশীল বা আমূল সংস্কারবাদী আন্দোলনে সক্রিয় যেসব সুন্দরী নারীর সাথে আমার দেখা হয়েছে, তাদের সুন্দর স্মৃতি ছাড়া যদি মনে রাখার মতো আর কিছু না-ও থাকত, তবুও জীবন সার্থক হতো। আমি এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিনের প্রেমে পড়েছিলাম যখন একজন তরুণী হিসেবে তিনি তার স্পষ্ট ও সুমধুর কণ্ঠে হাজার হাজার মানুষকে সামাজিক বিদ্রোহের আদর্শে উদ্বুদ্ধ করেছিলেন।
** [[আর্ট ইয়াং]], 'হিজ লাইফ অ্যান্ড টাইমস' (১৯৩৯)
*বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকের সেইসব বিপ্লবীদের শক্তি ও উদ্দীপনার আঁচ পাওয়া যায় কেবল এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিনের পুলিশের রেকর্ড বা অপরাধের তালিকার দিকে তাকালে।
** [[হাওয়ার্ড জিন]], 'আ পিপলস হিস্ট্রি অফ দ্য ইউনাইটেড স্টেটস'
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:শ্রমিক নেতা]]
[[বিষয়শ্রেণী:শ্রমিক আন্দোলনকর্মী]]
[[বিষয়শ্রেণী:নারী অধিকার কর্মী]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নারী সক্রিয়কর্মী]]
[[বিষয়শ্রেণী:কমিউনিস্ট পার্টি ইউএসএ-এর সদস্য]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নারীবাদী]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আত্মজীবনীকার]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক লেখক]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লেখিকা]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমাজতন্ত্রী]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাক-স্বাধীনতা আন্দোলনকর্মী]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাম্যবাদী]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৮৯০-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৬৪-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯শ শতাব্দীতে জন্মগ্রহণকারী নারী]]
[[বিষয়শ্রেণী:নিউ হ্যাম্পশায়ারের ব্যক্তি]]
4b0ht3nvr0x0ric9a2awxv6ui5ekw87
83276
83275
2026-05-02T18:56:35Z
Tuhin
172
83276
wikitext
text/x-wiki
[[File:Elizabeth Gurley Flynn point (cropped).jpg|thumb|এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন]]
'''[[w:bn:এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন|এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন]]''' (৭ আগস্ট ১৮৯০ – ৫ সেপ্টেম্বর ১৯৬৪) ছিলেন একজন [[w:bn:শ্রমিক নেতা|শ্রমিক নেতা]], সক্রিয়কর্মী এবং [[w:bn:নারীবাদী|নারীবাদী]] যিনি [[w:bn:ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়ার্কার্স অফ দ্য ওয়ার্ল্ড|ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়ার্কার্স অফ দ্য ওয়ার্ল্ডে]] অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন। ফ্লিন [[w:bn:আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়ন|আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়নের]] একজন প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং [[নারীর অধিকার]], [[জন্ম নিয়ন্ত্রণ]] এবং [[w:bn:নারী ভোটাধিকার|নারী ভোটাধিকারের]] একজন বিশিষ্ট প্রবক্তা ছিলেন। তিনি ১৯৩৬ সালে [[w:bn:কমিউনিস্ট পার্টি ইউএসএ|কমিউনিস্ট পার্টি ইউএসএ]]-তে যোগ দেন এবং জীবনের শেষভাগে, ১৯৬১ সালে এর সভানেত্রী হন।
== উক্তি ==
===[https://speakingwhilefemale.co/jobs-flynn2/ "দ্য ওয়ার্কিং ক্লাস"] (২৯ জুন, ১৯০৯)===
* ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়ার্কার্স অফ দ্য ওয়ার্ল্ড হলো শ্রমিক সংগঠনের একটি নতুন রূপ, যা কেবল শিল্প শ্রমিক শ্রেণি এবং শুধুমাত্র সেই শ্রেণির জন্যই কাজ করে।
* এই দেশের শ্রমিক শ্রেণি এমন এক পরিস্থিতির দিকে তাকিয়ে আছে যেখানে সারা বিশ্বের চাহিদা মেটানোর মতো প্রাকৃতিক সম্পদ বিদ্যমান। তারা এমন এক শিল্প পরিস্থিতির দিকে তাকিয়ে আছে যা এমন সব যন্ত্রপাতি উদ্ভাবন করেছে যা খুব সামান্য শ্রম ব্যয়ে এই প্রাকৃতিক সম্পদগুলোকে প্রয়োজনীয় পণ্য বা বিলাসদ্রব্যে রূপান্তর করতে সক্ষম। তবুও তা সত্ত্বেও এবং যারা পরিশ্রম করে তাদের দ্বারা সম্ভব হওয়া উৎপাদনশীলতা এবং পৃথিবীর প্রাকৃতিক প্রাচুর্য সত্ত্বেও, আমাদের এই দেশে মানুষ না খেয়ে মরছে এবং পঞ্চাশ লক্ষ মানুষ বেকার। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে দশ লক্ষেরও বেশি শিশু শ্রমিক, নিউ ইয়র্ক সিটিতে সত্তর হাজার এবং শিকাগোতে পঞ্চাশ হাজার শিশু সকালে নাস্তা না খেয়ে স্কুলে যায়। আমাদের এমন এক অবস্থা যেখানে অধিকাংশ মানুষ সম্পদহীন শ্রেণি, যারা কোনো জমির মালিক নয়, যারা সেই উৎপাদনশীল যন্ত্রপাতির কোনোটিই নিয়ন্ত্রণ করে না, যারা এই স্বাধীন দেশে এবং সাহসীদের আবাসভূমিতে নিজের শ্রমশক্তি অর্থাৎ নিজের কাজ করার ক্ষমতা ছাড়া আর কিছুই নিয়ন্ত্রণ করে না।
* আজ শ্রমিক শ্রেণির কাছে কেবল এমন কিছু পরিস্থিতি রয়েছে যা তারা নিজেরা প্রতিকার করার অবস্থানে আছে। তাদের কাছে কেবল কিছু মিথ্যা পরিস্থিতি রয়েছে, যা প্রকৃতির সৃষ্টি নয় বরং মানুষের তৈরি, যা তারা নিজেরা উৎখাত করতে পারে।
* আমাদের যা কিছু আছে তা হলো কাজ করার ক্ষমতা এবং পুঁজিবাদী শ্রেণির কাছে সেই একটি পণ্যই নেই। তাদের কারখানা আছে, জমি আছে, রেলপথ আছে কিন্তু তাদের কাছে শ্রমশক্তি নেই, যা সম্পদ তৈরির আসল ক্ষমতা।
* স্যামুয়েল গম্পার্স হলো মালিকদের বন্ধু।
* আমাদের আছে শুধু আমাদের সংগঠন, সহকর্মীবৃন্দ। তাদের আছে পুঁজি, তাদের আছে সরকারের ক্ষমতা, পুঁজিবাদী শ্রেণীর সংগ্রামী গোষ্ঠী; তাদের আছে রাষ্ট্রের ক্ষমতা; তাদের আছে আন্তর্জাতিক পুঁজির ক্ষমতা — আর আমাদের আছে শুধু আমাদের সাংগঠনিক শক্তি।
==="দ্য ট্রুথ অ্যাবাউট দ্য প্যাটারসন স্ট্রাইক" (১৯১৪)===
''আউটস্পোকেন উইমেন'' (১৯৮৪) সংকলন থেকে। ক্যাপশন: "নিচের ভাষণটি ১৯১৪ সালের ৩১শে জানুয়ারি নিউ ইয়র্ক সিটির নিউ ইয়র্ক সিভিক ক্লাব ফোরামে প্রদান করা হয়েছিল। এর টাইপস্ক্রিপ্টটি মিশিগানের অ্যান আর্বারে অবস্থিত ইউনিভার্সিটি অফ মিশিগান লাইব্রেরির লাবাদি কালেকশনে সংরক্ষিত রয়েছে।"
* আমি মনে করি আমাদের অনেক সমালোচকই সেইসব মানুষ যারা ঘরে বসে বিছানায় বিশ্রাম নিচ্ছিলেন যখন আমরা ধর্মঘটের কঠিন কাজগুলো করছিলাম।
* শ্রমিকদের বিজয় আসলে কী? আমি মনে করি এটি একটি দ্বিমুখী বিষয়। একটি পূর্ণাঙ্গ বিজয় অর্জনের জন্য শ্রমিকদের অবশ্যই অর্থনৈতিক সুবিধা অর্জন করতে হবে। একই সাথে তাদের মধ্যে বৈপ্লবিক চেতনাও জাগ্রত হতে হবে। শ্রমিকরা দিনে কয়েক সেন্ট মজুরি বেশি পেল বা কয়েক মিনিট কম কাজ করল, কিন্তু সেই একই মানসিকতা নিয়ে কাজে ফিরল। সমাজের প্রতি তাদের দৃষ্টিভঙ্গি যদি একই থাকে, তবে সেটি কেবল একটি সাময়িক লাভ। এটি কোনো স্থায়ী বিজয় নয়। শ্রমিকরা যদি শ্রেণি-সচেতন চেতনা এবং একটি সংগঠিত ও দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ মনোভাব নিয়ে কাজে ফেরে, তবেই সেটি প্রকৃত জয়। এর ফলে তাৎক্ষণিক কোনো অর্থনৈতিক লাভ না হলেও ভবিষ্যতে তা অর্জনের সম্ভাবনা তৈরি হয়। অন্য কথায়, শ্রমিকের বিজয়কে অবশ্যই অর্থনৈতিক এবং বৈপ্লবিক হতে হবে। তা না হলে সেটি পূর্ণাঙ্গ হয় না।
* একটি শ্রমিক বিজয় অবশ্যই দ্বিমুখী হতে হবে, তবে যদি কেবল একটি পাওয়া সম্ভব হয় তবে অর্থনৈতিক সুবিধার চেয়ে চেতনা অর্জন করা অনেক বেশি ভালো।
* আমাদের কাজ ছিল শিক্ষিত করা এবং অনুপ্রাণিত করা। শিক্ষা কোনো তাৎক্ষণিক পরিবর্তন নয়, বরং এটি একটি প্রক্রিয়া। শ্রমিকদের সামনে দেওয়া একটি মাত্র ভাষণ তাদের সারা জীবনের সংস্কারগুলো দূর করে দেয় না। আমাদের জাতীয় বিষয়গুলো নিয়ে কুসংস্কার ছিল। বিভিন্ন পেশার মধ্যে এবং নারী-পুরুষের প্রতিযোগিতার মধ্যেও সংস্কার ছিল। আমাদের এই সবকিছুই কাটিয়ে উঠতে হয়েছিল।
* ধর্মঘটের ক্ষেত্রে উদ্দীপনা মানে হলো সেই ধর্মঘট এবং তার মাধ্যমে হওয়া শ্রেণী সংগ্রামকে তাদের ধর্মে পরিণত করা। তারা যে সামান্য কয়েক সেন্ট মজুরি বা কয়েক ঘণ্টা সময়ের জন্য লড়ছে, সেই কথাটি তাদের ভুলিয়ে দিতে হবে। তাদের মনে এই অনুভূতি জাগিয়ে তুলতে হবে যে এই ধর্মঘটে জয়ী হওয়া তাদের একটি "ধর্মীয় দায়িত্ব"। আমাদের কাজের মূলে ছিল এই দুটি বিষয়। তাদের মধ্যে সংহতি এবং শ্রেণী-সচেতনতার বোধ তৈরি করা।
* আমি বলছি না যে সহিংসতা ব্যবহার করা উচিত নয়। তবে যেখানে এর কোনো প্রয়োজন নেই, সেখানে আমাদের এটি অবলম্বন করারও কোনো কারণ নেই।
* শারীরিক সহিংসতা নাটকীয় মনে হয়। বিশেষ করে যখন আপনি এটি নিয়ে কেবল কথা বলেন কিন্তু বাস্তবে প্রয়োগ করেন না, তখন এটি বেশি নাটকীয় লাগে। তবে ধর্মঘট পরিচালনার ক্ষেত্রে প্রকৃত সহিংসতা এখন একটি সেকেলে পদ্ধতি। সমস্ত শিল্প-কারখানাকে অচল করে দেওয়ার মতো গণ-আন্দোলন অনেক বেশি আধুনিক এবং ভীতিকর পদ্ধতি। এর মানে এই নয় যে আত্মরক্ষার জন্য সহিংসতা ব্যবহার করা যাবে না। আত্মরক্ষার জন্য সহিংসতার প্রয়োজনীয়তা সবাই বিশ্বাস করে। ধর্মঘটীদের এটি আলাদা করে বলে দেওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে মূল বিষয়টি হলো ধর্মঘটে জেতার উপায় হলো নিজের হাত পকেটে রেখে কাজ করতে অস্বীকার করা।
* যদি রবিবারে আপনি সেই মানুষগুলোকে বাড়িতে থাকতে দেন, তবে তারা আগুনহীন চুলার পাশে বসে থাকবে। তারা এমন টেবিলে খেতে বসবে যেখানে খুব বেশি খাবার নেই। তারা দেখবে সন্তানদের জুতো ছিঁড়ে পাতলা হয়ে গেছে এবং তাদের পোশাকগুলোও জীর্ণ হয়ে যাচ্ছে। তখন তারা কেবল "নিজের" কথা ভাবতে শুরু করবে। এতে তাদের মধ্যে থাকা গণ-চেতনা হারিয়ে যাবে এবং সবাই যে তাদের মতোই কষ্ট পাচ্ছে সেই উপলব্ধি তারা হারাবে। সপ্তাহের প্রতিদিন এবং বিশেষ করে রবিবারে তাদের কাজে ব্যস্ত রাখতে হবে। এটি করা প্রয়োজন যাতে তাদের মনোবল শূন্যে নেমে না যায়। আমি মনে করি পাদ্রিরা রবিবারে এই কারণেই ধর্মোপদেশ দেন যাতে মানুষ সপ্তাহের বাকি দিনগুলো তাদের অবস্থা কতটা খারাপ ছিল তা ভাবার সুযোগ না পায়। যাই হোক, ধর্মঘটের সময় এটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি বিষয়।
* প্রকৃতপক্ষে প্রতিটি ধর্মঘটের এটি একটি জরুরি প্রক্রিয়া। মানুষকে সবসময় ব্যস্ত রাখা এবং তাদের সক্রিয় রাখা প্রয়োজন যাতে তারা সারিবদ্ধ লড়াইয়ের যোদ্ধা হিসেবে কাজ করতে পারে। আন্দোলনকারীর কাজ হলো বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রমের পরিকল্পনা করা এবং পরামর্শ দেওয়া যা পুরোপুরি ধর্মঘটের ওপর নিবদ্ধ থাকবে। এই কারণেই আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. বড় বড় জনসভা, নারী সমাবেশ এবং শিশুদের সমাবেশের আয়োজন করে। আমরা কেন বড় আকারে পিকেটিং এবং গণ-অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার আয়োজন করি তার কারণও এটিই। এই নিরবচ্ছিন্ন গণ-কার্যক্রমের মাধ্যমেই আমরা শ্রমিকদের মনে "একজনের জন্য সবাই এবং সবার জন্য একজন" এই অনুভূতি তৈরি করতে পারি। আমরা তাদের বোঝাতে সক্ষম হই যে একজনের ক্ষতি মানেই সবার ক্ষতি। আমরা তাদের এমন এক পর্যায়ে নিয়ে আসতে পারি যেখানে তারা ধর্মঘটের ভাতার চেয়ে পারস্পরিক সহায়তার ওপর বেশি ভরসা করবে। তারা জরিমানা দিতে অস্বীকার করে একসাথে শত শত মানুষ জেলে যাবে।
* এই অনবরত সক্রিয়তাই হলো একজন আন্দোলনকারীর কাজ। তাদের নতুন কী কাজ দেওয়া যায় তা ভাবতে গিয়ে আমরা অনেক রাত জেগে কাটিয়েছি। লরেন্সের কথা মনে পড়ে যখন আমাদের কেউ এক রাত ঘুমাতে পারিনি। কাজের অভাবে ধর্মঘটের উদ্দীপনা তখন কমে যাওয়ার ঝুঁকিতে ছিল। আমার মনে আছে [[বিল হেউড]] শেষ পর্যন্ত বলেছিলেন, "চলো এসেক্স স্ট্রিটে পিকেট লাইন তৈরি করি। প্রতিটি ধর্মঘটী একটি করে ছোট লাল ফিতা পরবে এবং রাস্তায় পায়চারি করে বুঝিয়ে দেবে যে ধর্মঘট ভেঙে যায়নি।" কয়েক দিন পর সেই পরামর্শ কার্যকর করা হয়। যখন তারা বাড়ি থেকে বেরিয়ে নিজেদের বিশাল সংখ্যাটি দেখল, তখন তারা নতুন শক্তি ও উদ্যম ফিরে পেল। এটি তাদের ধর্মঘটকে আরও অনেক সপ্তাহ এগিয়ে নিতে সাহায্য করেছিল।
* মানুষ কাজের মাধ্যমেই কাজ শেখে। ধর্মঘটে আমাদের কোনো সামরিক বাহিনী নেই যাকে "এটি করো" বা "ওটি করো" বললেই তারা নিখুঁতভাবে মেনে চলবে। গণতন্ত্রের মানে হলো ভুল করা এবং অনেক ভুল করা। তবে এর মানে অভিজ্ঞতা অর্জন করাও যাতে সেই ভুলগুলোর পুনরাবৃত্তি না হয়।
* নিয়োগকর্তারা আপনার বাহিনীর সবটুকু দেখতে পান। কিন্তু আপনি তাদের বাহিনীর কিছুই দেখতে পান না এবং কেবল তাদের অবস্থা অনুমান করতে পারেন।
===[https://www.marxists.org/subject/women/authors/flynn/1916/patriotism.htm "ডু ইউ বিলিভ ইন প্যাট্রিওটিজম?"] (মার্চ, ১৯১৬)===
''দ্য মাসেস'' পত্রিকায় প্রকাশিত।
* প্রশ্নটি কি এমন হওয়া উচিত 'আমেরিকা আগে' নাকি 'দুনিয়ার মজদুর, এক হও!'
* যাদের এই দেশ আছে, যারা যুদ্ধের প্রস্তুতির জন্য চিৎকার করছে এবং তা থেকে মুনাফা লুটছে, তাদের নিজেদের সম্পদ রক্ষার জন্য তাদেরকেই লড়তে দাও।
* আমি রাজা বা কাইজারের শাসনের মতো [[রকফেলার]] এবং [[মরগান|মরগানের]] শাসনকেও ঘৃণা করি। বেলজিয়ামের ঘটনায় আমি যতটা ক্ষুব্ধ, লুডলো এবং ক্যালুমেটের ঘটনায় আমি ততটাই লজ্জিত ও ক্ষুব্ধ।
* আমাদের শ্রমিকদের অধিকাংশ হলো বিদেশি, যারা এক বা দুই প্রজন্ম আগে এখানে এসেছে। তাদের ইউরোপীয় পারিবারিক টান এবং আমেরিকান পরিবেশের কারণে এই বৈচিত্র্যময় জনগোষ্ঠীর জন্য আন্তর্জাতিকতাবাদই যৌক্তিক দেশপ্রেম হয়ে ওঠে।
* যে ট্রেনে বসে আমি এই লেখাটি লিখছি, সেটি এমন সব কারখানার পাশ দিয়ে দ্রুত বেগে ছুটে চলেছে যেখানে সোনার বিনিময়ে হত্যার সরঞ্জাম তৈরি করা হয়।
===[https://www.marxists.org/subject/women/authors/flynn/1941/mayday.htm "মে ফার্স্ট: দ্য সান অফ টুমরো"] (৬ মে, ১৯৪১)===
* এটি জাতি, ধর্ম, বর্ণ এবং জাতীয়তার সমস্ত পার্থক্যকে মুছে দেয়। এটি সর্বত্র সকল শ্রমিকের ভ্রাতৃত্বকে উদযাপন করে। এটি সমস্ত জাতীয় সীমানা অতিক্রম করে, সমস্ত ভাষার বাধা পেরিয়ে যায়, সমস্ত ধর্মীয় বিভেদকে উপেক্ষা করে। এটি সারা বিশ্বে সমস্ত শ্রমিক এবং সমস্ত শোষণকারীদের মধ্যে অলঙ্ঘনীয় ফাটলকে স্পষ্ট করে তোলে। এটি সেই দিন যখন শ্রেণি সংগ্রামের লড়াকু তাৎপর্য প্রতিটি সচেতন শ্রমিকের মাধ্যমে পুনরায় নিশ্চিত হয়।
* জ্ঞানদীপ্ত শ্রমিকের কাছে এই দিনটি একটি নতুন বিশ্ব, একটি শ্রেণিহীন বিশ্ব, একটি শান্তিপূর্ণ বিশ্ব, দারিদ্র্য বা দুঃখহীন বিশ্বের পূর্বাভাস। এটি সমাজতন্ত্রের এক উজ্জ্বল প্রতিশ্রুতি, মানবজাতির প্রকৃত ভ্রাতৃত্ব। ১৯৪১ সালের এই দিনে লেনিনের সেই বিজ্ঞ বাণী “জীবন নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করবেই। কমিউনিস্টদের অবশ্যই জানতে হবে যে ভবিষ্যৎ তাদেরই,” ব্রাউডার এবং থেলম্যান ও আরও অসংখ্য মানুষের একাকী জেলখানাকে আলোকিত করবে। কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পগুলোতে বিপ্লবী গানের মৃদু সুর শোনা যাবে। সমুদ্রে, সামরিক ব্যারাকে, কারখানা বা কলের জবরদস্তিমূলক শ্রমে নিযুক্ত শ্রমিকদের হৃদস্পন্দন তাদের সাথে মিলে যাবে যারা বহুদূরে মস্কোর রেড স্কয়ারে উত্তাল সংগীতের তালে লাল পতাকার পেছনে আনন্দভরে প্যারেড করছে। ইউরোপের পরিখায় থাকা সৈনিকরা, ফ্রাঙ্কোর অন্ধকূপের বন্দিরা, হিটলারের নরককুণ্ডের এবং মুসোলিনির কারাগারের বন্দিরা দাঁতে দাঁত চেপে বিড়বিড় করে বলবে, “তোমাদের দিন ফুরিয়ে আসছে। তোমরা জনগণের চূড়ান্ত বিজয় রুখতে পারবে না!”
* মে দিবস আমেরিকান শ্রমিকদের রক্তে দীক্ষিত হয়েছিল।
* ফাঁসির দড়ি গলায় শক্ত হওয়ার সময় [[আলবার্ট পারসন্স|পারসন্স]] চিৎকার করে বলেছিলেন, "জনগণের কণ্ঠস্বর শুনতে দাও!" গতকালের বীর শহিদ, মে দিবসে এই কণ্ঠস্বর শোনা গেছে এবং সবসময় শোনা যাবে! এই বছর শিকাগোর ইন্টারন্যাশনাল হারভেস্টার ওয়ার্কসের নবসংগঠিত বিজয়ী ধর্মঘটীরা মে মাসের এক তারিখে তোমাদের নামকে পবিত্র করবে।
* জার্মানির সাহসী সমাজতন্ত্রী নারী [[রোজা লুক্সেমবার্গ]], যাকে পরে সামরিকবাদীরা নির্মমভাবে হত্যা করেছিল, ১৯১৩ সালে বিশ্বযুদ্ধের বিরুদ্ধে সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন। তিনি মে দিবসকে শান্তি ও সমাজতন্ত্রের জন্য এক শক্তিশালী গণবিক্ষোভে পরিণত করার আহ্বান জানিয়েছিলেন। “দুনিয়ার মজদুর, এক হও!” মে দিবসে এটিই ছিল জোরালো দাবি। প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে চাপ দেওয়া হয়েছিল এবং প্রতিটি দেশে ও আন্তর্জাতিকভাবে আরও বেশি লড়াকু স্লোগান তোলা হয়েছিল।
* কেবল শ্রমিকদের জন্যই আন্তর্জাতিকতাবাদী হওয়া নিষেধ। অথচ [[জে. পি. মরগান]] এবং [[হেনরি ফোর্ড]]ের মতো ব্যক্তিদের জন্য এটি একদম স্বাভাবিক বিষয়। ব্যাংকার, অস্ত্র ব্যবসায়ী এবং রাসায়নিক কোম্পানিগুলোর জন্য এটি মানানসই। বিজ্ঞানী, ডাকটিকিট সংগ্রাহক, ক্রীড়া সংস্থা, সঙ্গীতশিল্পী এমনকি যারা মৌমাছি পালন করেন তাদের জন্য আন্তর্জাতিকতাবাদী হওয়া ঠিক আছে। কিন্তু শ্রমিকদের জন্য নয়। যখনই শ্রমিকরা সীমান্ত পেরিয়ে একে অপরের হাত ধরে, তখনই সব দেশে তাদের ওপর আঘাত হানা হয়। নৃতত্ত্ববিদরা যখন দুর্বোধ্য ভাষায় বলেন যে "পৃথিবীতে কেবল একটিই জাতি আছে আর তা হলো মানবজাতি", তখন সবাই তা মেনে নেয়। কিন্তু একজন শ্রমিক যখন অন্যকে "ভাই" বা "কমরেড" বলে সম্বোধন করে, তখনই বিপদ নেমে আসে। তাকে যেখান থেকে এসেছে সেখানে ফেরত পাঠানোর দাবি ওঠে। তার নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া হয়। তাকে চাকরি হারাতে হয় এবং কারাবরণ করতে হয়। যদি যিশুর মতো কোনো কণ্ঠ তাদের চ্যালেঞ্জ করে জিজ্ঞেস করে যে "নিজের মতো করে প্রতিবেশীকে ভালোবাসার কী হবে?", তখন টেক্সাসের সেই বন্য লোকটি গর্জে উঠবে। সে বলবে যে "কে এ কথা বলেছে? সে নিশ্চয়ই একজন লালপন্থী এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী!" আমাদের এই উন্মাদনায় মোটেও বিচলিত হওয়া উচিত নয়। আমাদের লেনিনের সেই শান্ত কথাগুলো মনে রাখা উচিত। তিনি বলেছিলেন যে বুর্জোয়ারা ঠিক সেভাবেই আচরণ করছে যেমনটি ইতিহাসে মৃত্যু দণ্ডপ্রাপ্ত প্রতিটি শ্রেণী করে থাকে। সংহতি ও আশার প্রতিটি সুন্দর মে দিবস আমাদের দীর্ঘমেয়াদী দৃষ্টিভঙ্গি লালন করার কথা মনে করিয়ে দেয়। সামনের রাস্তা হয়তো অনেক বেশি বন্ধুর হতে পারে, কিন্তু এটি পেছনের রাস্তার চেয়ে অনেক ছোট।
* মে দিবসে আমরা সোভিয়েত ইউনিয়নকে অভিবাদন জানাই। এটি সমাজতন্ত্রের দেশ এবং শান্তি ও প্রাচুর্যের দেশ। অনাদিকাল থেকে এটি শ্রমজীবী মানুষের এক মহান আদর্শ। এটি সকল মেহনতি মানুষের এক সহযোগিতামূলক সাধারণতন্ত্র।
* যুদ্ধবাজরা চিৎকার করুক এবং মুনাফালোভীরা আস্ফালন করুক। মে দিবসে আমেরিকার লক্ষ লক্ষ শ্রমিক জবাব দিচ্ছে যে "আমরা বিচলিত হব না"। যতক্ষণ আমরা সংগঠিত হচ্ছি এবং লড়াই করছি, ততক্ষণ হতাশ হওয়ার বা ক্লান্ত হওয়ার কিছু নেই। আমরা যা জয় করেছি তা যতক্ষণ শক্ত হাতে ধরে রাখছি এবং আরও অর্জনের জন্য এগিয়ে যাচ্ছি, ততক্ষণ ভয়ের কিছু নেই। আমেরিকার ছিয়াশি শতাংশ মানুষের মধ্যে যুদ্ধবাজ রুজভেল্ট-উইলকি গোষ্ঠীর প্রতি যতক্ষণ অটল প্রতিরোধ আছে, ততক্ষণ বিজয় আমাদেরই। সংগঠিত হও। লড়াই করো। সামনের দিকে এগিয়ে যাও। এটাই ১৯৪১ সালে আমেরিকার মে দিবসের চেতনা।
* যুদ্ধে অংশ না নেওয়ার জন্য সংগঠিত হোন এবং লড়াই করুন! আমেরিকানসহ সকল সাম্রাজ্যবাদ ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে!
* ১৯৪১ সালের পহেলা মে বিশ্বজুড়ে লক্ষ লক্ষ মানুষের হৃদয়ে, মনে এবং মুখে শান্তি ও সমাজতন্ত্রের কথা ধ্বনিত হচ্ছে। “আগামীকালের সূর্য” আমাদের ওপর আলোকিত হচ্ছে। ভবিষ্যৎ আমাদের।
=== আদালতে ভাষণ, স্মিথ অ্যাক্টের অধীনে অভিযুক্ত (১৯৫২) ===
এস. মিশেল নিক্স সম্পাদিত ''উইমেন অ্যাট দ্য পডিয়াম: মেমোরবল স্পিচেস ইন হিস্ট্রি'' গ্রন্থ থেকে।
* আমি বা আমার কমরেডদের কেউই বলপ্রয়োগ ও সহিংসতার মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকারকে উৎখাত করার কোনো ষড়যন্ত্রে দোষী নই। মৌনতাকে পরাজয়বাদ হিসেবে গণ্য করা হতে পারে, কিন্তু সত্য হলো আমি আমাদের নির্দোষিতার বিষয়ে এতটাই শান্ত ও সচেতন যে, আমাকে কারারুদ্ধ করা যেতে পারে কিন্তু আমাকে সংশোধন করা, সংস্কার করা বা পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। আমার শরীরকে বন্দি করা যেতে পারে কিন্তু আমার চিন্তাভাবনা স্বাধীন ও অপ্রভাবিত থাকবে। সমগ্র মানব ইতিহাস প্রমাণ করেছে যে ধারণা বা চিন্তাকে কারাগারে বন্দি করা যায় না। সেগুলোর মোকাবিলা কেবল জনসমক্ষে আলোচনার মাধ্যমেই সম্ভব।
* পুঁজিবাদী ব্যবস্থার অধীনে যে রাজনৈতিক, শিল্পগত ও সামাজিক পরিস্থিতি আমাদের চিন্তাধারা তৈরি করেছিল, তা এখনও বিদ্যমান। এগুলো অসংখ্য মানুষের মনে একই ধরনের চিন্তা তৈরি করবে এবং আমাদের বিশ্বাসকে আরও শক্তিশালী করবে। কারাগার কখনোই সেইসব দৃঢ়প্রতিজ্ঞ মানুষকে প্রভাবিত করতে পারে না যারা নিজেদের আদর্শের জন্য বাঁচে, কাজ করে এবং প্রয়োজনে মৃত্যুবরণ করে। আমরা কমিউনিস্টরা তেমনই মানুষ। মিথ্যা, হিস্টিরিয়া, কুসংস্কার এবং বিশেষ করে ভয়ের কুয়াশা একবার কেটে গেলে আমি আমেরিকার মানুষের চূড়ান্ত ন্যায়বিচারের ওপর আস্থা রাখি। নিজের দেশকে ভয়ের কবলে দেখা এক ভয়াবহ বিষয়। এই ভয় অপ্রয়োজনীয়, নির্বোধ এবং মূর্খতাপূর্ণ। এটি কাল্পনিক শত্রুর ভয়, আমাদের মিত্র ও বন্ধুদের ভয়। এটি গুপ্তচরদের আঙুল তোলার ভয় এবং নিজের চাকরি, নাগরিকত্ব বা সমাজে নিজের অবস্থান হারানোর ভয়। বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার অপচয়কারী এবং দম্ভোক্তি ও দমন-পীড়নকারী এই পুরো সরকারি আমলাতন্ত্র আসলে ভয়ের অন্ধকারে দাঁড়িয়ে শিস দিচ্ছে এবং পুরো পৃথিবীকে আমাদের ভয়ে আতঙ্কিত করার চেষ্টা করছে।
* মুষ্টিমেয় কিছু আতঙ্কিত ধনীর মাধ্যমেই এই সংক্রমণ ছড়িয়েছে। এরা সেইসব ট্রাস্টের লোক যারা নিজেদের দেশের চেয়ে শেয়ার আর বন্ডকে বেশি ভালোবাসে। তাদের দেশপ্রেম সবসময় মুনাফার হারের ওপর নির্ভরশীল। তারা কেবল নিজের দেশের মানুষ নয়, বরং পুরো মানবজাতিকে শাসন ও শোষণ করতে এবং তাদের বিরুদ্ধে সহিংসতা চালাতে চায়। নিজেদের নীচ ও স্বার্থপর শাসনব্যবস্থা এবং জীবনধারা বজায় রাখার জন্য তারা পারমাণবিক যুদ্ধের মাধ্যমে পুরো পৃথিবীকে রক্তগঙ্গায় ভাসিয়ে দিতেও দ্বিধা করবে না। এই পদ্ধতি তারা এমন সব মানুষের ওপর চাপিয়ে দিতে চায় যারা এটি চায় না। বিপদ যত বড়ই হোক না কেন, আমার বিশ্বাস যে আমাদের দেশে ফ্যাসিবাদের জয় কখনোই হবে না। ১৯৩৫ সাল থেকে সেই বিপদের সংকেত দেওয়ার ক্ষেত্রে আমাদের দল যে ভূমিকা রেখেছে, তা নিয়ে আমি গর্বিত।
* খুব শীঘ্রই ১৮০০ সালের এলিয়েন অ্যান্ড সেডিশন ল, ষাটের দশকের ফিউজিটিভ স্লেভ ল এবং ১৯২০-এর দশকের ক্রিমিনাল সিন্ডিকালিস্ট আইনের মতো স্মিথ অ্যাক্টও বাতিলের খাতায় চলে যাবে।
* আদালত কক্ষ, মধ্যবিত্ত জুরি এবং সংবাদমাধ্যমকে ঘিরে থাকা এই কুয়াশা সাধারণ মানুষের মাঝ থেকে অচিরেই কেটে যাবে। এই সাধারণ মানুষরা কখনোই ফেডারেল জুরিতে জায়গা পায় না। কারণ তাদের চেহারা আর চালচলন সেইসব কট্টর রাজনৈতিক ব্যক্তিদের সন্তুষ্ট করতে পারে না যারা নিজেরা ভাষাগত ভুলে ভরা এবং বিত্তবানদের তোষামোদ করে চলে।
* দমনমূলক আইন, আনুগত্যের শপথ, সংসদীয় তদন্ত, রাজনৈতিক বিচার এবং এই জাতীয় অন্যায়ের বিরুদ্ধে আমাদের দেশে একটি গণ-আন্দোলন জেগে উঠছে। এটি যেন প্রেইরি অঞ্চলের এক শক্তিশালী ও সতেজ বাতাসের মতো।
* ধর্মাবতার, আমি গত শুক্রবার আপনাকে একটি প্রশ্ন করেছিলাম যা আমি আবারও করছি। যদি কমিউনিস্ট পার্টি অবৈধ না হয়, এর সদস্যপদ এবং পদাধিকারী হওয়া অবৈধ না হয়, যদি সমাজতন্ত্রের কথা বলা অবৈধ না হয় কিংবা প্রতিদিনের জনকল্যাণমূলক কাজের প্রচার করা অবৈধ না হয়, তবে বিবেক অনুযায়ী এখানে অবৈধ কোনটি? আমরা কিসের জন্য দোষী?
* আমার এই দীর্ঘ জীবনে আমি কখনো ভাবিনি যে আমাকে বইয়ের জন্য জেলে যেতে হবে। এমনকি পুরো বই নয়, বরং কিছু ছেঁড়া অংশ আর উদ্ধৃতির জন্য। আমি যদি গত সাতচল্লিশ বছরের মতো আমার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যাই এবং ইউনিয়নবাদ, গণতান্ত্রিক অধিকার, কৃষ্ণাঙ্গ ও নারীদের অধিকার এবং শান্তি ও সমাজতন্ত্র নিয়ে কথা বলি, তবে তখন কী ঘটবে, ইয়োর অনার?
* ধর্মাবতার, জরিমানার কথা যদি বলি তবে আমার মালিকানায় থাকা সমস্ত বৈষয়িক সম্পদ হলো সেই বইগুলো যা আমি ষোলো বছর বয়সে টম পেইনের 'কমন সেন্স'-এর একটি পেপারব্যাক কপি কেনার পর থেকে সংগ্রহ করেছি। এগুলো খুব ভালো বই। এর মধ্যে কবিতা, নাটক, ইতিহাস, রাজনীতি, অর্থনীতি, দর্শন, শিল্প, সঙ্গীত এবং সাহিত্য রয়েছে। শেক্সপিয়র, শ এবং এমারসনের পাশে সেখানে মার্ক্স আর এঙ্গেলস আছেন। থরো, জেফারসন এবং হুগোর পাশে সেখানে লেনিন আর স্টালিন আছেন। আমার ওই বইয়ের তাকে শক্তি এবং সহিংসতাও আছে, তবে সরকার যেখানে খুঁজছে সেখানে নয়। এটি রয়েছে আইরিশ ইতিহাসে যেখানে ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে দীর্ঘ ও রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের কথা বলা হয়েছে। এটি আছে আমেরিকার শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাসে এবং আমেরিকার বিপ্লব ও গৃহযুদ্ধের ইতিহাসে। এটি কৃষ্ণাঙ্গ মানুষের সংগ্রামের মাঝেও আছে। ইয়োর অনার, আমার তাকে বাইবেলও আছে। সেখানেও ইহুদি গোষ্ঠী, যিশু ও তার শিষ্যদের বিরুদ্ধে এবং আদি খ্রিস্টান শহীদদের ওপর চলা সহিংসতার কথা বলা হয়েছে।
* শক্তি প্রয়োগ এবং সহিংসতা সবসময় শাসক শ্রেণীর কাছ থেকে আসে, সাধারণ মানুষের কাছ থেকে নয়।
===''দ্য রেবেল গার্ল: অ্যান অটোবায়োগ্রাফি, মাই ফার্স্ট লাইফ'' (১৯৫৫)===
*আমাদের শৈশবের একটি অবিস্মরণীয় ট্র্যাজেডি ছিল ১৯০৪ সালে জেনারেল স্লোকাম নামক প্রমোদ তরণীটি পুড়ে যাওয়া।
* এই বইটি ([[এডওয়ার্ড বেলামি|এডওয়ার্ড বেলামির]] 'লুকিং ব্যাকওয়ার্ড') প্রথম এ দেশে সমাজতন্ত্রের ধারণাটিকে জনপ্রিয় করেছিল। এটি ছিল পুঁজিবাদের একটি তীব্র সমালোচনা যা অনেক আমেরিকানকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছিল এবং তারা ক্রমবর্ধমান [[একচেটিয়া|একচেটিয়াগুলোর]] উত্থানের সেই দিনগুলোতে এর সাথে একমত হয়েছিল।
* দরিদ্র যুবসমাজের প্রতি তার ([[পিটার ক্রোপটকিন|পিটার ক্রোপটকিনের]]) সেই আবেদন আমাকে ব্যক্তিগতভাবে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছিল। আমার মনে হয়েছিল তিনি যেন ব্রঙ্কসে আমাদের সেই জীর্ণ ও দারিদ্র্যপীড়িত ফ্ল্যাটে বসে আমাদের উদ্দেশ্যেই কথা বলছেন। তিনি বলেছিলেন, "তোমাকেও কি তোমার বাবা-মায়ের মতো ত্রিশ বা চল্লিশ বছর ধরে একই ক্লান্তিকর অস্তিত্ব টেনে নিয়ে যেতে হবে? অন্যদের জন্য সুস্বাস্থ্য, জ্ঞান আর শিল্পের সমস্ত আনন্দ জোগাড় করতে গিয়ে কি তোমাকেও সারাজীবন হাড়ভাঙা খাটুনি খাটতে হবে এবং নিজের জন্য কেবল এক টুকরো রুটি জুটবে কি না সেই চিরস্থায়ী উদ্বেগটুকু রেখে দিতে হবে?"
* আমার মনে পড়ে এমন আরেকটি বই যা আমার জীবনে তাৎক্ষণিক পরিবর্তন এনেছিল, সেটি হলো [[আপটন সিনক্লেয়ার|আপটন সিনক্লেয়ারের]] 'দ্য জঙ্গল'। এটি পড়ার পর আমি তৎক্ষণাৎ নিরামিষাশী হয়ে গিয়েছিলাম!
*সেই সময়ে (১৯০৬ সালের দিকে) আমি আরও দুটি বই পড়েছিলাম, যা আমাকে সমাজতান্ত্রিক কর্মকাণ্ডে ঝাঁপিয়ে পড়তে সাহায্য করেছিল। একটি ছিল মেরি উলস্টোনক্র্যাফট রচিত 'ভিন্ডিকেশন অফ দ্য রাইটস অফ উইমেন' এবং অন্যটি ছিল আগস্ট বেবেলের 'উইমেন অ্যান্ড সোশ্যালিজম'।
* নারীদের ইউনিয়নভুক্ত করার কাজ তখনও খুব একটা শুরু হয়নি, এমনকি সুঁই-সুতার কাজের মতো পেশাতেও যেখানে তাদের প্রাধান্য ছিল বেশি। সমান সুযোগ, সমান মজুরি এবং সংগঠিত হওয়ার অধিকার ছিল সেই সময়ের নারী শ্রমিকদের প্রধান দাবি এবং দুর্ভাগ্যবশত এই দাবিগুলো আজও আমাদের মাঝে রয়ে গেছে। [[স্যামুয়েল গোম্পার্স|স্যামুয়েল গোম্পার্সের]] মতো অনেক ইউনিয়ন নেতা, যিনি আমেরিকান ফেডারেশন অফ লেবার-এর সভাপতি ছিলেন, তিনি নারী শ্রমিকদের সংগঠিত হওয়ার যোগ্য বা নির্ভরযোগ্য বলে মনে করতেন না। "তারা কেবল হাতখরচের জন্য কাজ করে" এটিই ছিল সাধারণ অভিযোগ। নারী শ্রমিকরা নিজেরাও বাইরের কাজকে একটি সাময়িক ও প্রয়োজনীয় আপদ হিসেবে দেখতেন যা কেবল বাবার বাড়ি থেকে স্বামীর বাড়িতে যাওয়ার মাঝখানের একটি সময় কাটানোর পথ ছিল। বাবা এবং স্বামীরা নারীদের মজুরি সংগ্রহ করতেন এবং কখনও কখনও সরাসরি কোম্পানির অফিস থেকেই তা নিয়ে নিতেন। নারীদের নিজেদের উপার্জনের ওপর কোনো আইনি অধিকার ছিল না। কর্মজীবী মায়েদের বিশেষ প্রয়োজন এবং সমস্যাগুলো সংখ্যায় অনেক এবং জরুরি হওয়া সত্ত্বেও সেগুলো নিয়ে কোনো বিবেচনা করা হতো না। এমনকি নারীদের পোশাকও তাদের কাজে বাধা সৃষ্টি করত। মাটির সাথে লেগে থাকা লম্বা স্কার্ট, বড় ঢিলেঢালা হাতা এবং বিশাল সব টুপি তাদের জন্য ছিল অসুবিধাজনক। আপনার স্কার্ট যদি জুতোর ওপর পর্যন্ত থাকত, তবে তখনও আপনাকে কেবল "একটি মেয়ে" হিসেবেই গণ্য করা হতো।
*নারীদের ভোটাধিকারের সংগ্রাম দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছিল এবং শক্তিশালী হচ্ছিল। এটি ১৮৪৮ সালে নিউ ইয়র্কের সেনেকা ফলসে প্রথম সমানাধিকার সম্মেলনের মাধ্যমে শুরু হয়েছিল, যার নেতৃত্বে ছিলেন এলিজাবেথ ক্যাডি স্ট্যান্টন এবং সুসান বি অ্যান্থনি এবং যেখানে মহান নিগ্রো নেতা ফ্রেডরিক ডগলাস ভাষণ দিয়েছিলেন। ভোটাধিকার কর্মীদের বিদ্রূপ করা হয়েছিল, ভিড়ের দ্বারা আক্রান্ত হতে হয়েছিল, হলরুম দিতে অস্বীকার করা হয়েছিল, ভোট দেওয়ার চেষ্টার জন্য গ্রেপ্তার করা হয়েছিল এবং পরিবার থেকে ত্যাজ্য করা হয়েছিল। ১৯০৪ সালের মধ্যে কর্মজীবী নারীদের বিভিন্ন দল, বিশেষ করে সমাজতন্ত্রী নারীরা ভোটের দাবিতে একত্রিত হতে শুরু করে। দুই বছর পর নিউ ইয়র্কের ইস্ট সাইডে এই নারীদের ভোটাধিকার আন্দোলনের উদ্যোগেই আন্তর্জাতিক নারী দিবসের জন্ম হয়। এটি সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে এবং আজ সর্বজনীনভাবে পালিত হয়, যদিও এখানে একে "একটি বিদেশি উৎসব" হিসেবে অবজ্ঞা করা হয়।
*ভোটাধিকার আন্দোলন আরও লড়াকু হয়ে উঠছিল এবং মড ম্যালনের মতো ব্যক্তিত্বরা আবির্ভূত হয়েছিলেন। তিনি ১৯০৫ সালে হারলেম ইকুয়াল রাইটস লিগ গঠন করেন। তিনি ৩,০০০ মানুষের এক সভায় থিওডোর রুজভেল্টকে থামিয়ে দিয়ে দাবি করেছিলেন যে নারী ভোটাধিকারের বিষয়ে তার অবস্থান কী। আমরা যখন ব্রডওয়েতে রাস্তার পাশে সভা করতাম, তখন তিনি সেখানে স্যান্ডউইচ ম্যানের মতো সামনে-পেছনে "নারীদের জন্য ভোট" লেখা সাইনবোর্ড নিয়ে পায়চারি করতেন এবং এর ফলে তাকে লাইব্রেরিয়ানের পদ হারাতে হয়েছিল।
*রাস্তার মোড়ে ভোটাধিকার কর্মীদের ভাষণের সময় সবসময় বলা হতো: "বাড়ি যাও এবং থালা-বাসন মাজো," অথবা তাদের বয়স নির্বিশেষে বলা হতো: "তোমার বাচ্চাদের দেখাশোনা কে করছে?" অন্যরা বলত: "কল্পনা করো একজন অন্তঃসত্ত্বা নারী অফিসের পদের জন্য লড়ছেন," অথবা "নারীরা কীভাবে জুরির দায়িত্ব পালন করবে এবং পুরুষ জুরিদের সাথে একই ঘরে বন্দি থাকবে?"
*একটি প্রচলিত ধারণা ছিল যে "নারীর কাজ" কেবল গৃহস্থালির মধ্যেই সীমাবদ্ধ। "নারীর স্থান ঘরে" এটাই ছিল সাধারণ রব। পুরুষদের চাকরি কেড়ে নেওয়ার জন্য নারীদের সবসময় অভিযুক্ত করা হতো।
*আমি তখনও বলেছিলাম এবং আজও বিশ্বাস করি যে, পুঁজিবাদী ব্যবস্থার অধীনে নারীদের পূর্ণ সুযোগ পাওয়া এবং মানুষের সমস্ত প্রচেষ্টার ক্ষেত্রে স্বাধীন ও সমান নাগরিক হওয়া সম্ভব নয়, যদিও সুসংগঠিত সংগ্রামের মাধ্যমে অনেক দাবিই আদায় করা হয়েছে।
*"বিগ" [[বিল হেউড]] যখন জেল থেকে বেরিয়ে এলেন তখন তিনি একজন বীর এবং শ্রমিক সংহতির এক সার্থক প্রতীকে পরিণত হয়েছিলেন। একজন সাংবাদিক তাকে বিশাল দেহ এবং তীক্ষ্ণ বুদ্ধি ও অসীম সাহসের মানুষ হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন। তিনি সোশ্যালিস্ট পার্টি এবং তাকে রক্ষাকারী শ্রম সংগঠনগুলোর অধীনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় এক বর্ণাঢ্য সফর করেছিলেন। তিনি অত্যন্ত বাস্তবধর্মী ও নাটকীয় বক্তা ছিলেন। আমার মনে পড়ে তাকে বলতে শুনেছিলাম যে আমি পশ্চিমের সেই দুই পিস্তলধারী মানুষ এবং যখন দর্শকরা দম বন্ধ করে অপেক্ষা করছিল তখন তিনি এক পকেট থেকে তার ইউনিয়ন কার্ড এবং অন্য পকেট থেকে সোশ্যালিস্ট কার্ড বের করেছিলেন।
*১৯০৭ সালে ময়ার, হেউড এবং পেটিবোনকে মুক্ত করার অভিযানের সময় নিউ জার্সি অঙ্গরাজ্যের নেওয়ার্কে সোশ্যালিস্ট লেবার পার্টির আয়োজিত একটি সভায় আমাকে বক্তা হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল... এই সভাটি আমার জীবনের একটি অবিস্মরণীয় ঘটনা কারণ এখানেই আমি প্রথম জেমস কনেলির সাথে পরিচিত হই। তিনি ছিলেন আইরিশ সমাজতন্ত্রী বক্তা, লেখক এবং শ্রমিক সংগঠক, যিনি এর নয় বছর পর ১৯১৬ সালে ডাবলিনের ইস্টার উইক অভ্যুত্থানে আয়ারল্যান্ডের স্বাধীনতার জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন... তিনি ছিলেন খাটো, কিছুটা স্থূলকায়, বড় কালো গোঁফওয়ালা একজন সাধারণ চেহারার মানুষ। তার কপাল ছিল বেশ উঁচু এবং কালো বিষণ্ণ চোখ। তিনি খুব কম হাসতেন। একজন পণ্ডিত এবং চমৎকার লেখক হওয়া সত্ত্বেও, গ্লাসগোতে দীর্ঘকাল বসবাসের কারণে তার কণ্ঠস্বরে উত্তর আয়ারল্যান্ডের টান এবং স্কচ উচ্চারণের মিশ্রণ ছিল, যা আমেরিকান দর্শকদের জন্য বোঝা কিছুটা কঠিন ছিল... কনেলি আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর জন্য কাজ করতেন এবং কুপার স্কয়ারে তার একটি অফিস ছিল। তিনি ছিলেন একজন চমৎকার সংগঠক, যা জেমস লার্কিনের সাথে আইরিশ ট্রান্সপোর্ট ওয়ার্কার্সদের জন্য তার পরবর্তী কাজগুলো প্রমাণ করেছিল... তিনি গভীরভাবে অনুভব করতেন যে আয়ারল্যান্ডের জাতীয় মুক্তির সংগ্রামের প্রতি আমেরিকান সমাজতন্ত্রীরা যথেষ্ট সহানুভূতি বা বোঝাপড়া দেখায়নি। এখানকার আইরিশ শ্রমিকদের সমাজতন্ত্রীরা খুব সহজেই "প্রতিক্রিয়াশীল" হিসেবে বর্জন করত এবং আইরিশ-আমেরিকান শ্রমিকদের কাছে সমাজতন্ত্রের বার্তা পৌঁছে দেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত প্রচেষ্টা ছিল না... তিনি 'দ্য হার্প' নামে একটি মাসিক পত্রিকা প্রকাশ করতেন। সেখানে তার নিজের লেখা অনেক কবিতা প্রকাশিত হতো। কুপার ইউনিয়ন বা ইস্ট সাইডের অন্য কোনো হলের দরজায় তাকে জরাজীর্ণ পোশাকে দাঁড়িয়ে নিজের ছোট কাগজটি বিক্রি করতে দেখা যেত, যা ছিল এক করুণ দৃশ্য। যেসব সম্পদশালী আইরিশরা তার মৃত্যুর পর তার প্রতি গভীর প্রশংসা প্রকাশ করেছিল, তাদের কেউই সেই সময় তার দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়নি। জিম কনেলি তাদের কাছে অভিশপ্ত ছিলেন কারণ তিনি ছিলেন একজন "সমাজতন্ত্রী"। তার কোনো মিথ্যে অহংকার ছিল না এবং তিনি নিজে উদাহরণ সৃষ্টি করে অন্যদের ছোটখাটো কাজ করতে উৎসাহিত করতেন। রাস্তার সভাগুলোতে তিনি তাদেরই "সভার সভাপতিত্ব" করতে রাজি করাতেন যাদের কথা বলার কোনো অভিজ্ঞতা ছিল না, যাতে তারা প্রশিক্ষণ পেতে পারে। আইরিশ শ্রমিকদের কাছে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে কনেলির এক বিরল দক্ষতা ছিল, যা তার বিশাল জ্ঞান থেকে জন্ম নিয়েছিল। প্রয়োজনে তিনি সত্যকে অত্যন্ত তীক্ষ্ণ এবং জোরালোভাবে বলতেন।
*আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর আগমন ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা এবং ১৯০৫ থেকে ১৯২০-এর দশকের শুরু পর্যন্ত এটি আমেরিকান শ্রম অঙ্গনে একটি বিশাল ধূমকেতুর মতো পথ দেখিয়েছিল। এটি শ্রমিক ইতিহাসের নতুন অধ্যায় তৈরি করেছিল এবং শ্রমিক আন্দোলনে এক অমোঘ ছাপ রেখে গিয়েছিল। আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. ছিল একটি লড়াকু এবং সংগ্রামী শ্রমিক শ্রেণির ইউনিয়ন। মালিক শ্রেণি দ্রুত এটি বুঝতে পেরেছিল এবং এর জন্মের পর থেকেই লড়াই শুরু করেছিল। আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. নিজেকে দরিদ্রতম, সবচেয়ে শোষিত এবং সবচেয়ে নিপীড়িত শ্রমিকদের সমস্ত তাৎক্ষণিক প্রয়োজনের সাথে যুক্ত করেছিল। এটি তাদের অসন্তোষের "আগুনে হাওয়া" দিয়েছিল। এটি তাদের বীরত্বপূর্ণ সংগ্রামের নেতৃত্ব দিয়েছিল, যার কিছু তারা নিজেরাই সংগঠিত করেছিল। অন্য অনেক ক্ষেত্রে ধর্মঘট শুরু হওয়ার পর তারা এর নেতৃত্বে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। যিশুর বিরুদ্ধে করা সেই স্মরণীয় অভিযোগ, "সে মানুষকে উত্তেজিত করছে!" আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য ছিল। এটি পূর্বের গণ-উৎপাদন শিল্পগুলোতে অসংগঠিত ও অদক্ষ বিদেশি বংশোদ্ভূত শ্রমিকদের এবং পশ্চিমের অসংগঠিত যাযাবর শ্রমিকদের সংগঠিত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিল, যারা মূলত আমেরিকান বংশোদ্ভূত ছিল এবং নৌপরিবহন, কাঠ, কৃষি, খনি ও নির্মাণ কাজে নিয়োজিত ছিল। পূর্ব এবং দক্ষিণে এটি টেক্সটাইল, রাবার, কয়লা এবং কাঠ শিল্পের পাশাপাশি বিভিন্ন ছোট শিল্পে শ্রমিকদের কাছে পৌঁছে গিয়েছিল। যেমন, নিউ ইয়র্ক সিটিতে পোশাক, টেক্সটাইল, জুতো, চুরুট, বেত, পিয়ানো, পিতল এবং হোটেল শিল্পে আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর শাখা ছিল। পশ্চিমে কাউবয়দের জন্য আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর একটি শাখা ছিল। নেভাদার গোল্ডফিল্ড শহরের সমগ্র শ্রমিক শ্রেণিকে ১৯০৬ সালে ভিনসেন্ট সেন্ট জন আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-তে সংগঠিত করেছিলেন। এমনকি মার্কিন সেনাবাহিনীর ওয়েস্ট পয়েন্টে কর্মরত ইতালীয় শ্রমিকরাও একসময় আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-তে সংগঠিত ছিল। আমার মনে পড়ে ১৯১১ সালের দিকে আমি সেখানে তাদের সামনে ভাষণ দিয়েছিলাম। আমি ১৯০৬ সালে এতে যোগ দেই...
*আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর এই সম্মেলনে লুসি পারসন্সের সাথে দেখা করে আমি রোমাঞ্চিত হয়েছিলাম। তিনি ছিলেন আলবার্ট পারসন্সের বিধবা স্ত্রী, যাকে ২০ বছর আগে শিকাগোর কুক কাউন্টি জেলের প্রাঙ্গণে ফাঁসিতে ঝোলানো হয়েছিল। যখন তার স্বামীকে ফাঁসি দেওয়া হচ্ছিল, তখন তাকে ক্লার্ক স্ট্রিট স্টেশন হাউসে বন্দি করে রাখা হয়েছিল, যা আমাদের সেই সভার জায়গা থেকে খুব বেশি দূরে নয়... আমার মনে পড়ে মিসেস পারসন্স তরুণদের উদ্দেশ্যে আবেগপূর্ণভাবে কথা বলছিলেন এবং আমাদের সামনের দিনগুলোর সংগ্রামের গুরুত্ব সম্পর্কে সতর্ক করছিলেন, যা বিজয় আসার আগে জেল এবং মৃত্যুর দিকে নিয়ে যেতে পারে। বছরের পর বছর ধরে তিনি এক শহর থেকে অন্য শহরে ঘুরে বেড়িয়েছেন, স্থানীয় ইউনিয়নগুলোর দরজায় কড়া নেড়েছেন এবং শিকাগো বিচারের কাহিনী শুনিয়েছেন। তার স্বামী বলেছিলেন: "আমাদের নাম কলঙ্কমুক্ত করো!" এবং তিনি এটিকে তার জীবনের লক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন।
* আমি ভিনসেন্ট সেন্ট জনের চেয়ে বেশি কোনো মানুষকে শ্রদ্ধা করিনি... তাকে ডিনামাইট বহনকারী এবং বন্দুকধারী ও এক বিপজ্জনক আন্দোলনকারী হিসেবে অভিযুক্ত করা হয়েছিল। মাথার ওপর হুলিয়া নিয়ে তিনি বিভিন্ন ক্যাম্পে প্রবেশ করতেন এবং নিজের মায়ের নাম মেজি ব্যবহার করে প্রায়ই একাই শত শত মানুষকে সংগঠিত করতেন। তিনি এ দেশের জন্ম দেওয়া শ্রেষ্ঠ শ্রমিক সংগঠকদের একজন ছিলেন... তিনি শারীরিক গঠনে খাটো এবং রোগা হলেও চওড়া কাঁধের অধিকারী ছিলেন এবং তার চলাফেরা ছিল ক্ষিপ্র ও ছন্দময়। তিনি শান্ত, আত্মসংযমী এবং বিনয়ী ছিলেন কিন্তু তার বুদ্ধির তীক্ষ্ণতা ও রসবোধ যেকোনো প্রতিপক্ষকে হারিয়ে দিত... প্রকৃত লড়াইয়ের সময় সেন্টের মৃদু নীল চোখগুলো ইস্পাতের মতো কঠোর ও শীতল হয়ে উঠত। তিনি কেবল আদর্শের জন্য লড়াই করতেন এবং তখন তিনি শ্রমিকদের শত্রুদের মতোই নির্দয় হয়ে উঠতেন। শ্রমজীবী মানুষের প্রতি তার আনুগত্য ছিল সীমাহীন। ১৯০৭ থেকে ১৯১৫ সাল পর্যন্ত টানা আট বছর তিনি অর্থের অভাব এবং আইডব্লিউডব্লিউ এর অসম অগ্রগতির সাথে লড়াই করেছিলেন যার শক্তি সম্পর্কে তিনি কখনো বাড়িয়ে বলতেন না।
*আমাদের সময়ের শ্রেষ্ঠ নারী আন্দোলনকারী ছিলেন মাদার জোন্স। গ্রেপ্তার, নির্বাসন, মিলিশিয়াদের হাতে বন্দি হওয়া এবং পুলিশ ও বন্দুকধারীদের দ্বারা তাড়া ও হুমকির শিকার হওয়া সত্ত্বেও তিনি দীর্ঘ ৬০ বছর নির্ভীকভাবে কাজ করে গেছেন। ১৯০৮ সালের গ্রীষ্মে ব্রঙ্কসের একটি উন্মুক্ত সভায় আমি তাকে প্রথম দেখি। তিনি শহরের মানুষদের কঠোর সমালোচনা করছিলেন। আমরা কেন পশ্চিমের খনি শ্রমিকদের সাহায্য করছি না? আমরা কেন ডিয়াজের বিরুদ্ধে মেক্সিকোর জনগণকে সমর্থন দিচ্ছি না? তিনি বলেছিলেন, আমরা হলাম "সাদা কলিজার খরগোশ যারা কখনও মাটির ওপর পা রাখিনি।" পশ্চিমের খনি শ্রমিকদের ধর্মঘটের সময় ফেডারেল সৈন্যরা তাদের যেভাবে পশুর মতো খাঁচায় আটকে রেখেছিল এবং সেখানে যে রক্তপাত ও কষ্ট হয়েছিল, তার বর্ণনা তিনি এত জীবন্তভাবে দিয়েছিলেন যে, অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকায় মাথা ঝিমঝিম করে আমি মূর্ছা গিয়েছিলাম। তিনি তার অগ্নিঝরা ভাষণের মাঝপথে থেমে গিয়ে বলেছিলেন, "গরিব বাচ্চাটাকে একটু জল দাও!" এরপর তিনি আবার তার ভাষণ চালিয়ে যান। আমি খুব লজ্জিত হয়েছিলাম।
*পরের শীতকালে শিকাগোর হুল হাউসে রুডেউইটজ কমিটির একটি সভায় আমি মাদার জোন্সকে আবার দেখি, যেখানে আমি আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর ৮৫ নম্বর শাখা থেকে প্রতিনিধি হিসেবে গিয়েছিলাম। "ধর্মীয় হত্যা"-র জঘন্য অজুহাতে একজন তরুণ ইহুদি শ্রমিককে দেশান্তরের বিরুদ্ধে তার উত্তপ্ত, রাগান্বিত ও অবজ্ঞাপূর্ণ কথাগুলো আমি শুনেছিলাম। (জেন অ্যাডামস এবং অন্যরা সাহসিকতাপূর্ণ পক্ষ সমর্থনের মাধ্যমে তাকে নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচিয়েছিলেন)। মাদার জোন্স একটি পুরনো ধাঁচের কালো রেশমি পোশাক পরেছিলেন, যার গলায় লেস লাগানো ছিল এবং সাথে ছিল একটি লম্বা ঝুলের স্কার্ট ও ফুলে সাজানো ছোট একটি টুপি। তিনি সারা জীবনে তার পোশাকের ধরন পরিবর্তন করেননি। তাকে দেখতে হুইসলারের আঁকা মায়ের ছবির মতো মনে হতে পারে, কিন্তু এই বৃদ্ধা নারীটি মোটেও শান্ত বা স্থির ছিলেন না; যেখানেই যেতেন সেখানেই নির্ভীক আন্দোলনের বার্তা ছড়াতেন... তাকে হোটেল থেকে বের করে দেওয়া হতো। কোম্পানি শাসিত শহরগুলোতে যেসব পরিবার তাকে আশ্রয় দিত, তাদের উচ্ছেদ করা হতো। হলরুম বন্ধ করে দিলে তিনি খোলা মাঠে ভাষণ দিতেন। পশ্চিম ভার্জিনিয়ায় নদীর ওপারে খনি শ্রমিকদের সংগঠিত করার জন্য তিনি কেলি ক্রিক নদীর জল ভেঙে হেঁটে গিয়েছিলেন। একটি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করার দায়ে অভিযুক্ত হয়ে তিনি বিচারককে "দালাল" বলে ডাকেন এবং সেটি তাকে প্রমাণ করে দেখান। তিনি দালালদের তাড়ানোর জন্য ঝাড়ু, লাঠি আর থালাবাসন নিয়ে "নারীবাহিনী" গঠন করেছিলেন। "ঈশ্বর! ওই বুড়ি মা তার পাগলাটে নারীদের নিয়ে আসছে!" বলে মালিকরা যন্ত্রণায় ককিয়ে উঠত। পেনসিলভানিয়ার গ্রিনসবার্গে যখন একদল পিকেটিং করা নারীকে তাদের শিশুদেরসহ গ্রেপ্তার করে ৩০ দিনের সাজা দেওয়া হয়, তখন তিনি তাদের পরামর্শ দেন: "সারা রাত বাচ্চাদের গান শোনাও!" মাত্র কয়েক দিনের মাথায় সেই গান শুনে অতিষ্ঠ হয়ে অনিদ্রায় ভোগা শহরবাসীকে স্বস্তি দিতে পুলিশ তাদের জেল থেকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়। এক সংসদীয় শুনানিতে তাকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল: "আপনার বাড়ি কোথায়?" তিনি উত্তর দিয়েছিলেন: "কখনও আমি ওয়াশিংটনে, কখনও পেনসিলভানিয়া, অ্যারিজোনা, টেক্সাস, অ্যালাবামা, কলোরাডো বা মিনেসোটায়। আমার ঠিকানা আমার জুতোর মতো। এটি আমার সাথেই ঘোরে। যেখানে অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই হয়, সেখানেই আমি থাকি।" ১৯০৩ সালে তিনি পেনসিলভানিয়ার কেনসিংটন এলাকার টেক্সটাইল মিলের একদল শিশু শ্রমিককে নিয়ে নিউ ইয়র্কের লং আইল্যান্ডের অয়েস্টার বে-তে গিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট থিওডোর রুজভেল্টকে শিশু শ্রমের প্রমাণ দিয়ে মোকাবিলা করতে। কলোরাডোতে ১৯১৪ সালের লাডলো হত্যাকাণ্ডের পর তিনি গভর্নরের অফিস পর্যন্ত একটি প্রতিবাদ মিছিলের নেতৃত্ব দেন। পশ্চিম ভার্জিনিয়ায় তিনি বারবার বিভিন্ন গভর্নরের সাথে দেখা করতে প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং তার ভাষায় তাদের "উচিত শিক্ষা" দিয়েছেন... যখন তিনি খুব বৃদ্ধা হয়েছিলেন, তখন তিনি সাধারণ কর্মীদের সেইসব নেতাদের সম্পর্কে সতর্ক করেছিলেন যারা শ্রমিকের স্বার্থের চেয়ে নিজেদের স্বার্থকে বড় করে দেখে। মৃত্যু পর্যন্ত তিনি তার একটি মহান বিশ্বাস অটলভাবে ধরে রেখেছিলেন: "ভবিষ্যৎ শ্রমিকের শক্তিশালী ও অমসৃণ হাতের মুঠোয়!"... শুরুর দিনগুলোতে নিউ ইয়র্ক এবং শিকাগোতে প্রথম যখন তাকে দেখি, তিনি আমাকে অনেক অনুপ্রাণিত করেছিলেন, যদিও সত্যি বলতে আমি তার তিক্ষ্ণ কথাকে ভয় পেতাম। কিন্তু যখন আমি তাকে ব্রঙ্কসের সেই সভার কথা মনে করিয়ে দিয়ে বললাম যে আমি আমার সন্তানকে হারিয়েছি, তখন তিনি অত্যন্ত সহানুভূতিশীল ও দয়ালু আচরণ করেছিলেন। তার কঠোরতা কেবল মালিক, দালাল এবং অসৎ শ্রমিক নেতাদের জন্য বরাদ্দ ছিল।
* যুদ্ধ ঘোষণার পর দেশজুড়ে উন্মাদনা এবং গণসহিংসতার এক প্রবল জোয়ার বয়ে গিয়েছিল। এটি আমেরিকান জনগণের বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশের কাজ ছিল না বরং তারা ক্রমেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিল। প্রকাশ্য স্থানগুলোতে ছাপানো নোটিশ লাগিয়ে দেওয়া হয়েছিল যে আইন মানুন এবং মুখ বন্ধ রাখুন যা অ্যাটর্নি জেনারেল গ্রেগরি কর্তৃক স্বাক্ষরিত ছিল। গণসহিংসতার শিকার ব্যক্তিরা ছিলেন বৈচিত্র্যময় যেমন খ্রিস্টান ধর্মযাজক এবং কৃষ্ণাঙ্গ ও শ্বেতাঙ্গ মানুষ ও ধর্মীয় বা নৈতিক অথবা রাজনৈতিক কারণে শান্তির প্রবক্তারা। তালিকায় আরও ছিলেন সোশ্যালিস্ট এবং আইডব্লিউডব্লিউ ও নন-পার্টিসান লীগের সদস্যরা যা মধ্য-পশ্চিমের কৃষকদের মধ্যে বেশ শক্তিশালী ছিল এবং আয়ারল্যান্ডের স্বাধীনতার বন্ধু ও অন্যান্যরা। কিছু পুরুষ ও নারী যারা যুদ্ধ বা বাধ্যতামূলক সামরিক সেবা অথবা বন্ড বিক্রি নিয়ে আকস্মিক মন্তব্য করেছিলেন তাদের শরীরে আলকাতরা ও পালক মাখিয়ে অপমান করা হয়েছিল এবং কখনো অজ্ঞান হওয়া পর্যন্ত মারধর করা হয়েছিল। তাদের জাতীয় পতাকায় চুমু খেতে বাধ্য করা হয়েছিল এবং শহর থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল ও বন্ড কিনতে বাধ্য করা হয়েছিল এমনকি তাদের পিটিয়ে মারার হুমকিও দেওয়া হয়েছিল।
*গণ-সহিংসতার এই মনোভাব আমাদের দেশের অন্যতম বিপজ্জনক এবং লজ্জাজনক বহিঃপ্রকাশ ছিল, যার সবকিছুই করা হয়েছিল বিশ্বকে "গণতন্ত্রের জন্য নিরাপদ" করার নামে।
*কেট রিচার্ডস ও’হারে, যাকে আমি বর্ণনা করেছি, তিনি ছিলেন একজন বিশিষ্ট এবং অত্যন্ত কার্যকর সমাজতন্ত্রী বক্তা।
*পরবর্তীতে তার রাজনৈতিক ত্রুটি যা-ই থাকুক না কেন, প্রগতিশীল নারীরা সেই সময়ে তার জন্য খুব গর্ববোধ করতেন।
** ১৯১৭ সালের দিকে জিনেট র্যাঙ্কিন সম্পর্কে
*আমি একজন নিবেদিতপ্রাণ আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. কর্মী ছিলাম, কিন্তু ওয়ার্কার্স ডিফেন্স ইউনিয়নে আমার কর্মকাণ্ড আমাকে সমাজতন্ত্রী, নৈরাজ্যবাদী, ট্রেড ইউনিয়নবাদী, কমিউনিস্ট, ভোটাধিকার কর্মী, শান্তিবাদী, উদারপন্থী, ইন্ডিয়ান, আইরিশ জাতীয়তাবাদী এবং সোভিয়েত ও আইরিশ প্রজাতন্ত্রের সরকারি প্রতিনিধিদের সংস্পর্শে নিয়ে এসেছিল।
* ইতালীয় আন্দোলনে কার্যত কোনো নারী ছিল না তারা নৈরাজ্যবাদী কিংবা সমাজতন্ত্রী যাই হোক না কেন। কার্লোর সাথে আমি যে বাড়িতেই গিয়েছি সেখানে নারীদের সবসময় পর্দার আড়ালে বা রান্নাঘরে রান্না করতে দেখেছি এবং তারা খুব কমই পুরুষদের সাথে খেতে বসত।
* উড্রো উইলসন একজন উদারপন্থী হিসেবে সব বিষয়ে সাবলীল ও মুক্তভাবে কথা বলতেন। তবে তার দুঃখজনক কাজগুলো তার কথার বিপরীত ছিল। আত্মনিয়ন্ত্রণ এবং বিশ্বকে গণতন্ত্রের জন্য নিরাপদ করার মতো বিষয়গুলো ছিল সবচেয়ে দুর্বল। শান্তি কামনাকারী এবং রাশিয়া থেকে হাত সরাও ও আয়ারল্যান্ডের স্বাধীনতা ও রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তি এবং সবশেষে নারী ভোটাধিকারের দাবিতে আন্দোলনকারীরা তাকে প্রতিটি মোড়ে মোকাবিলা করেছিল। তার প্রশাসন ১৯১৯ থেকে ২০ সালের সেই বিশাল ইস্পাত ধর্মঘটের সম্মুখীন হয়েছিল। লিগ অফ নেশনসে যোগদানের জন্য তার পরিকল্পনাগুলো সেনেট দ্বারা পরাজিত হয়েছিল। তার প্রশাসনের সদস্যরা বিভিন্ন ইস্যুতে প্রতিবাদ জানিয়ে পদত্যাগ করেছিলেন যেমন যুদ্ধের কারণে একজন স্টেট সেক্রেটারি এবং ভোটাধিকারের প্রশ্নে নিউ ইয়র্ক বন্দরের একজন সংগ্রাহক যিনি সম্ভবত তাকে সবচেয়ে বেশি অতিষ্ঠ করেছিলেন।
* প্রথম বিশ্বযুদ্ধ আমেরিকান নারীদের জীবনে অনেক আমূল পরিবর্তন এনেছিল। এটি অভিজাত নারী ঘরানার অবসান ঘটিয়েছিল। শ্রমের অভাব ছিল প্রকট এবং প্রশিক্ষিত কর্মীর প্রয়োজন ছিল তীব্র। ১৯১৮ সালের শেষে প্রায় ত্রিশ লক্ষ নারী খাদ্য ও বস্ত্র এবং যুদ্ধ শিল্পে নিযুক্ত ছিলেন। এতদিন পর্যন্ত পুরুষের কাজ হিসেবে গণ্য হওয়া পেশাগুলো নারীদের জন্য উন্মুক্ত হয়ে গিয়েছিল। তারা রাস্তার গাড়িতে কন্ডাক্টর হিসেবে কাজ করতেন। প্রথমবারের মতো তাদের রেডিও অপারেটর হিসেবে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছিল। নারীরা সেনাবাহিনীর মোটর কর্পসে স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে কাজ করেছিলেন এবং প্রথমবারের মতো ইউনিফর্ম পরেছিলেন। ব্লুমার পরা নারী চাষিরা শহর থেকে খামারে গিয়েছিলেন। নারীরা ত্রাণ কাজ করেছিলেন এবং যুদ্ধের বন্ড বিক্রি ও সশস্ত্র বাহিনীর জন্য ক্যান্টিন পরিচালনা এবং নার্সিং ইউনিটে যোগ দিয়েছিলেন। হাজার হাজার নারী তাদের ঘর থেকে বেরিয়ে জনজীবনে প্রবেশ করেছিলেন। যুদ্ধ শেষ হলে তাদের অনেকে প্রয়োজন বা পছন্দের কারণে শিল্পক্ষেত্রেই থেকে গিয়েছিলেন।
* এলিজাবেথ ক্যাডি স্ট্যান্টন এবং সুসান বি. অ্যান্টনির মতো সাহসী নারীরা ছিলেন শুরুর দিকের অগ্রপথিক যারা গালিগালাজ ও বিদ্রূপ এবং সহিংসতা এমনকি ভোট দেওয়ার চেষ্টার জন্য গ্রেপ্তারের সম্মুখীন হয়েছিলেন। পরবর্তীতে ডক্টর [[আন্না হাওয়ার্ড শ]] এবং [[ক্যারি চ্যাপম্যান ক্যাট|ক্যারি চ্যাপম্যান ক্যাটের]] মতো নারীরা ন্যাশনাল আমেরিকান উইমেনস সাফ্রেজ অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, যা নারীদের জড়তা এবং পুরুষদের বিরোধিতার বিরুদ্ধে লড়াই করেছিল। তবে ১৯১৬ সালের মধ্যে একটি তরুণ ও সাহসী এবং আরও সংগ্রামী দল আবির্ভূত হয়েছিল যারা রাজ্য ধরে ধরে ভোটাধিকার জেতার ধীর প্রক্রিয়ায় অসন্তুষ্ট ছিল এবং একটি সাংবিধানিক সংশোধনীর জন্য লড়াই করেছিল। তারা ১৯১৬ সালে উইমেনস পার্টি গঠন করেছিল যা কেবল সেই দল ও প্রার্থীদের জন্য সমস্ত ভোটাধিকার প্রাপ্ত রাজ্যে নারীদের ভোট একত্রিত করার পরিকল্পনা করেছিল যারা জাতীয় ভোটাধিকার সমর্থন করবে। সেই বছর একদল ধনী ভোটাধিকার আন্দোলনকারী অর্থায়ন করে একটি সাফ্রেজ স্পেশাল ট্রেনে সফর করেছিলেন। তারা রিপাবলিকান প্রার্থী চার্লস ইভান্স হিউজেসের পক্ষে সরাসরি প্রচার করেননি। তবে তাদের স্লোগান ছিল উইলসন বিরোধী, যেমন উইলসনের বিরুদ্ধে ভোট দিন কারণ তিনি আমাদের ভোটাধিকার থেকে দূরে রেখেছেন। অনেকে তখন কারাগারে থাকা [[ইউজিন ভি. ডেবস|ইউজিন ভি. ডেবসের]] পক্ষে ভোট দিয়েছিলেন।
* উইমেনস পার্টি ১৯১৭ সালের জানুয়ারি থেকে ১৯১৯ সালের ১৯ মার্চ পর্যন্ত প্রায় অবিরাম পিকেটিং করেছিল। তারা হোয়াইট হাউস এবং ক্যাপিটলে পিকেটিং করেছিল এবং সামরিক প্যারেড ও উইলসনের ইউরোপ সফরের পর সংবর্ধনা এবং তার প্রস্থানের সময় অভ্যর্থনার আয়োজন করেছিল। তারা ওয়াশিংটন ও বোস্টন এবং নিউ ইয়র্কে তাকে পিকেটিং করেছিল। কেবল আইরিশরাই এমন কৌশল অবলম্বন করেছিল। পরবর্তীতে রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তির জন্য একটি চিলড্রেনস ক্রুসেড প্রেসিডেন্ট হার্ডিংকে পিকেটিং করেছিল। ভোটাধিকারের ব্যানারগুলো বিদেশি দর্শনার্থীদের উদ্দেশ্যে রাখা হয়েছিল এবং দেশে ও বিদেশে স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র নিয়ে প্রেসিডেন্ট উইলসনের দেওয়া ভাষণগুলো ভোটাধিকার আন্দোলনকারীরা স্বাধীনতার প্রহরী আগুনের পাত্রে পুড়িয়ে দিয়েছিল।
* একবার ভোটাধিকার অর্জিত হওয়ার পর নারীরা কেবল নারী হিসেবে ঐক্যবদ্ধ থাকেনি, বরং তাদের দৃষ্টিভঙ্গি এবং স্বার্থ অনুযায়ী বিদ্যমান রাজনৈতিক দল ও অন্যান্য সংগঠনে বিভক্ত হয়ে গিয়েছিল। আমি বিশ্বাস করি যে শান্তির সাধারণ লক্ষ্যটি আবারও নারীদের ঐক্যবদ্ধ করতে পারে তবে এর কিছু ব্যতিক্রম থাকতে পারে।
* ১৯২০-এর দশকে যুক্তফ্রন্ট শব্দটি ব্যবহারের কথা আমার মনে পড়ে না। এটি অনেক পরে প্রচলিত হয়েছিল। তবে সেই সময়ে আমূল সংস্কারবাদী এবং প্রগতিশীল আন্দোলনগুলো যে এই নীতির ভিত্তিতে পরিচালিত হতো তা অত্যন্ত স্পষ্ট। যারা ভোটাধিকারের পক্ষে কথা বলতেন তারা আইডব্লিউডব্লিউ-এর আর্থিক সাহায্যের আবেদনেও স্বাক্ষর করতেন এবং আইরিশ ও বন্দিদের মুক্তি সংক্রান্ত প্রতিনিধি দলে থাকতেন ও শান্তি আন্দোলনে যুক্ত হতেন। স্বাধীনতার একটি ভালো আদর্শ এবং অন্যটির মধ্যে কোনো কঠোর সীমারেখা টানা ছিল না এবং আজকের মতো প্রতিশোধের কোনো ভয় ছিল না। মানুষ ভয় পেত না যে তারা অন্য কিছুর সাথে নিজেদের যুক্ত করলে একটি আদর্শের ক্ষতি হবে। আমি আজ অবাক হই যে সেই দিনগুলোতে আমার যোগাযোগ এবং বন্ধুত্ব কতটা বিস্তৃত ও ছড়িয়ে ছিল।
* আমি তখনও আমার বিশ্বাসে একজন আইডব্লিউডব্লিউ ছিলাম এবং কোনো রাজনৈতিক দলে যোগ দিতে দ্বিধা করছিলাম যদিও রুশ বিপ্লব এবং ভোটাধিকার আন্দোলনকারী ও কমিউনিস্টদের সাথে মেলামেশা আমার দৃষ্টিভঙ্গিকে অনেকটা পরিবর্তন করছিল।
* ১৯১৭ সালের নভেম্বরে যখন রুশ বলশেভিক বিপ্লবের খবর সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ল তখন আমেরিকান শ্রমিকরা মানব ইতিহাসের এই মহান ঘটনার মাধ্যমে প্রথমবার [[ভ্লাদিমির লেনিন]] নামের এক ব্যক্তির কথা এবং সমাজতন্ত্রের সূচনা সম্পর্কে জানতে পারল। আমরা কিছু নতুন শব্দও শিখেছিলাম যা অল্প সময়ের মধ্যেই ভাষার অংশ হয়ে গিয়েছিল, যেমন “বলশেভিক” এবং “সোভিয়েত”। এমনকি আমাদের মধ্যে যারা বাম ঘরানার সমাজতন্ত্রী এবং আইডব্লিউডব্লিউ সদস্য ছিলাম তারাও রুশ সমাজতান্ত্রিক আন্দোলন সম্পর্কে কার্যত কিছুই জানতাম না। কেবল জারের নিষ্ঠুর ও রক্তক্ষয়ী শাসন উৎখাত করার দীর্ঘ ও যন্ত্রণাদায়ক লড়াইয়ের প্রতি আমাদের গভীর সহানুভূতি ছিল। রাতারাতি বলশেভিক একটি পরিচিত শব্দে পরিণত হয়েছিল, এমনকি তাদের কাছেও যারা জানত না যে এর অর্থ কেবল সংখ্যাগরিষ্ঠ এবং এটি রুশ সোশ্যাল-ডেমোক্রেটিক লেবার পার্টির একটি রাজনৈতিক বিভাজনকে বোঝায়। ডেবস বলেছিলেন যে আমি মাথার তালু থেকে পায়ের আঙুল পর্যন্ত একজন বলশেভিক। মালিকরা সংগ্রামী শ্রমিক এবং ইউনিয়ন সংগঠকদের দিকে তাকিয়ে অভিশপ্ত বলশেভিক বলে চিৎকার করত। সব ধর্মঘটকারীই স্বাভাবিকভাবেই “বলশেভিক” ছিল।
===[http://www.sojust.net/speeches/elizabeth_flynn_memories.html "মেমোরিজ অফ দ্য ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়ার্কার্স অফ দ্য ওয়ার্ল্ড"] (৮ নভেম্বর, ১৯৬২)===
* আইডব্লিউডব্লিউ... এটি হলো ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়ার্কার্স অফ দ্য ওয়ার্ল্ড এর সংক্ষিপ্ত রূপ যাকে একসময় "আই ওন্ট ওয়ার্ক" বলে ডাকা হতো। এটি ছিল অত্যন্ত বেমানান, কারণ মূলত যারা এই সংগঠনের সদস্য ছিলেন তারা এ দেশের মৌলিক এবং সবচেয়ে কঠিন পরিশ্রমের শিল্পগুলোতে কাজ করতেন। একে বিশ্বের শ্রমিক বলাটা ছিল বেশ উচ্চাভিলাষী একটি নাম। কারণ প্রকৃতপক্ষে এটি কখনোই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সীমানা ছাড়িয়ে যায়নি এবং পুরনো নাইটস অফ লেবার এর ঐতিহ্য ও সাংগঠনিক কাঠামো ধরে রাখার জন্য আমেরিকান শ্রমিকদের যে ইচ্ছা ছিল, সেখান থেকেই এর উৎপত্তি হয়েছিল।
* আইডব্লিউডব্লিউ কেবল ১৮৮০-এর দশকের অনেক ঐতিহ্যের উত্তরাধিকারীই ছিল না বরং সেই সময়ের অনেক পরিচিত ব্যক্তিত্ব এই সংগঠনের শুরুর দিকের সম্মেলনগুলোতে উপস্থিত ছিলেন। আপনি যদি শ্রমিক ইতিহাসের ছাত্র না হন তবে এই নামগুলো আপনার কাছে পরিচিত না-ও হতে পারে। তবে তাদের মধ্যে [[ইউজিন ডেবস]], [[ড্যানিয়েল ডিলিয়ন]] এবং মিসেস [[লুসি পারসনস|লুসি পারসনসের]] মতো ব্যক্তিত্বরা অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।
* সেখানে অনেক বাক-স্বাধীনতা রক্ষার লড়াই হয়েছিল... তাদের কৌশলগুলো ছিল অনেকটা আজকের দিনের ফ্রিডম রাইডারদের মতো। তারা টেলিগ্রাম পাঠাত এবং আমি কেবল ব্যাখ্যা করছি। কারণ আপনি তো বুঝতেই পারছেন যে আমি কোনো উসকানি দিচ্ছি না। তারা অনেকটা এমন ধরনের টেলিগ্রাম পাঠাত যেখানে লেখা থাকত যে ভবঘুরে ওবলিরা এখনই চলে এসো এবং বিল অফ রাইটস রক্ষা করো। তারা ট্রেনের ছাদে কিংবা ট্রেনের নিচে ও পাশে এমনকি মালবাহী বগিতে করে এমন সব উপায়ে আসত যেখানে ভাড়া দিতে হতো না। আক্ষরিক অর্থেই শত শত মানুষ সেই জনপদগুলোতে এসে হাজির হতো যা কর্তৃপক্ষকে আতঙ্কিত ও স্তম্ভিত করে দিত। তারা তখন প্ল্যাটফর্ম বা সাবানের বাক্সের ওপর দাঁড়িয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের অংশবিশেষ কিংবা বিল অফ রাইটস পাঠ করত... এগুলোই ছিল সেই বিখ্যাত বাক-স্বাধীনতা রক্ষার লড়াই যা দেশের পশ্চিমাঞ্চলে আইডব্লিউডব্লিউ এর একটি অত্যন্ত পরিচিত বৈশিষ্ট্য ছিল।
* এএফএল ছিল দক্ষ শ্রমিকদের সংগঠন এবং এর রূপ ও পদ্ধতি ও আদর্শ আইডব্লিউডব্লিউ এর মতো ছিল না। আইডব্লিউডব্লিউ শ্রেণি সংগ্রামে বিশ্বাস করত। তারা পুঁজি এবং শ্রমের ভ্রাতৃত্বে বিশ্বাস করত না এবং তারা মনে করত যে এই অসংগঠিত ও বিদেশে জন্মগ্রহণ করা গণউৎপাদনকারী শ্রমিকদের একটি শিল্প ইউনিয়নে সংগঠিত করা উচিত। তারা মনে করত যে সবাইকে একটি ইউনিয়নের অধীনে থাকতে হবে এবং এক ডজন বা তার বেশি সংগঠনে বিভক্ত হওয়া চলবে না।
* ১৯১২ সালের সেই বড় ধর্মঘট [যা রুটি ও গোলাপ ধর্মঘট নামে পরিচিত], যা আমাদের দেশের অন্যতম মহান ঐতিহাসিক সংগ্রাম, সেটি শুরু হয়েছিল রাষ্ট্রের একটি রাজনৈতিক পদক্ষেপের কারণে।
* বিল হেউড সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন যে আমাদের ইংরেজিতে কথা বলতে হবে যাতে এই মানুষগুলো তা বুঝতে পারে। তিনি আমাদের যে শিক্ষা দিয়েছিলেন তা আমি কখনও ভুলব না। তখন আমি খুব তরুণ ছিলাম, আমার বয়স ছিল ২২। তিনি বললেন, শোনো, তোমরা এই শ্রমিকদের সাথে, এই খনি শ্রমিকদের সাথে এমন ইংরেজিতে কথা বলবে যা প্রাথমিক স্কুলে পড়া তাদের সন্তানরা তাদের সাথে বলে, তবেই তারা তা বুঝতে পারবে। প্রাথমিক স্কুলের ইংরেজিতে কথা বলাটা মোটেও সহজ নয়। যাই হোক, আমরা তা শিখেছিলাম। আমার সমস্যা হলো এটি আমার অভ্যাসে গেঁথে গিয়েছিল এবং এখন যখন আমি কলেজের দর্শকদের সামনে কথা বলতে যাই, তখন নিজেকে কিছুটা অসুবিধায় মনে হয় কারণ আমি বড় বড় সব শব্দ জানি না। উইলিয়াম হেউড আমাকে ছোট ছোট এবং সহজ শব্দগুলোতেই দক্ষ করে তুলেছিলেন।
* তিনি কীভাবে কথা বলতেন তার একটি উদাহরণ দিই। আমাদের তাদের বোঝাতে হতো কেন আমরা চাই তারা এ.এফ.এল.-এ না গিয়ে আইডব্লিউডব্লিউ-তে যোগ দিক। তিনি হাত উঁচিয়ে আঙুলগুলো ছড়িয়ে বলতেন, আমেরিকান ফেডারেশন অফ লেবার বা এ.এফ.এল. হলো ঠিক এইরকম, প্রতিটি আলাদা আলাদা। কিন্তু আইডব্লিউডব্লিউ হলো এইরকম, [তিনি হাতের মুঠো পাকাতেন] এবং তারা সবাই চিৎকার করে উঠত আইডব্লিউডব্লিউ-এর জয় হোক। এভাবেই তিনি তার বক্তব্য বুঝিয়ে দিতেন।
* যখন লরেন্সের এই ধর্মঘট চলছিল, তখন লুইজিয়ানায় কাঠ শ্রমিকদের একটি বড় ধর্মঘট চলছিল, সেটিও আইডব্লিউডব্লিউ-এর অধীনে। যদিও আমাদের সব জায়গায় ধর্মঘট ছিল এবং আমরা এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় ছুটে বেড়াচ্ছিলাম, তবুও আমি বিশেষ করে এই ঘটনাটি উল্লেখ করছি কারণ সেখানে প্রথমবারের মতো বৈষম্য ও বর্ণবাদের নিয়মগুলো ভেঙে ফেলা হয়েছিল। উইলিয়াম ডি. হেউড সেখানে ভাষণ দিতে গিয়েছিলেন এবং তিনি বলেছিলেন প্রতিটি ধর্মঘটী যেখানে খুশি বসতে পারে। আইডব্লিউডব্লিউ-এর এই হলে কোনো বিভাজন নেই। নিগ্রো এবং শ্বেতাঙ্গ শ্রমিকরা, আমার মনে হয় আমেরিকান শ্রমিক ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সেই সামাজিক বিধিনিষেধ ভেঙে একসাথে মিলিত হয়েছিল।
* আমার দীর্ঘ শ্রম ইতিহাসে যদি সত্যিই এমন কোনো বিষয় থাকে যা নিয়ে আমি গর্বিত তবে তা হলো জো হিল কারাগারে থাকাকালীন এবং তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার আগে আমার জন্য একটি গান লিখেছিলেন যা আমাকে উৎসর্গ করা হয়েছিল। গানটির নাম ছিল "রেবেল গার্ল" এবং আমি আশা করি আপনারা এখানে কোনো এক সময় গানটি গাইবেন। এটি হয়তো কথার দিক থেকে সেরা নয় কিংবা সুরের দিক থেকেও সেরা না-ও হতে পারে কিন্তু এটি হৃদয় থেকে এসেছিল এবং এটি অবশ্যই অত্যন্ত মূল্যবান।
* প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ., সমাজতন্ত্রী এবং আমাদের দেশের সমস্ত প্রগতিশীলদের ওপর প্রচণ্ড আক্রমণ চালানো হয়েছিল। সেই সময় একটি শক্তিশালী শান্তি আন্দোলন ছিল। এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মতো ছিল না, যা ছিল একটি ফ্যাসিবাদ-বিরোধী যুদ্ধ।
* অন্যান্য সংগঠনের সাথে আইডব্লিউডব্লিউ-এর অবস্থান আসলে কোথায় ছিল সে সম্পর্কে আমার সত্যিই আপনাদের কিছু বলা উচিত কারণ বিষয়টি সম্ভবত এখনও খুব একটা পরিষ্কার নয়। এটি কোনো পেশাভিত্তিক ইউনিয়ন ছিল না বরং এটি ছিল একটি শিল্প ইউনিয়ন এবং এটি এএফএল-এর প্রবল বিরোধী ছিল। এএফএল যেসব আদর্শে বিশ্বাস করত যেমন ন্যায্য কাজের জন্য ন্যায্য মজুরি কিংবা পুঁজি ও শ্রমের ভ্রাতৃত্ব এগুলোর কোনোটিই আইডব্লিউডব্লিউ সমর্থন করত না। সুযোগ পেলেই মালিকপক্ষের বিরুদ্ধে লড়াই করার ব্যাপারে তারা অত্যন্ত কঠোর ছিল এবং তাই কিছু বিষয় শুনতে খুব অদ্ভুত মনে হলেও সেটিই ছিল সত্য। তারা কোনো চুক্তিতে বিশ্বাস করত না। তারা মনে করত যে যতক্ষণ আপনারা সংগঠিত আছেন ততক্ষণ আপনারা কর্তৃপক্ষকে তাদের প্রতিশ্রুতি পালনে বাধ্য করতে পারবেন। কিন্তু একটি চুক্তি বা এক টুকরো কাগজ আপনাদের আটকে রাখে আর তাই তারা কোনো চুক্তি করত না। তবে যাদের আমরা হোয়াইট কলার বা বুদ্ধিবৃত্তিক পেশার কর্মী বলি তাদের প্রতি আইডব্লিউডব্লিউ-এর মনোভাব ভালো ছিল না। মোটেও ভালো ছিল না কারণ তারা মনে করত যে এই কর্মীরা শ্রমিক শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত নয়। আইডব্লিউডব্লিউ-এর মতে আপনাকে ওভারঅল পোশাক পরতে হবে এবং পেশিবহুল হতে হবে ও কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। আপনি যদি কেবল কলম পিষতেন তবে তাদের কাছে আপনি শ্রমিক ছিলেন না। এই একই ধারণা শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য ছিল। অন্যভাবে বলতে গেলে আজ যাকে একটি অত্যন্ত সংকীর্ণমনা সংগঠন বলা হতো। তবে সেই সময়ের শিক্ষার্থীরাও কিছুটা দায়ী ছিল কারণ শ্রমিক আন্দোলনের প্রতি তাদের কোনো সহানুভূতি ছিল না। প্রকৃতপক্ষে যখন ধর্মঘট হতো তখন সবসময়ই শিক্ষার্থীদের পাওয়া সম্ভব ছিল যারা শ্রমিকদের জায়গায় গিয়ে কাজ করত যেমনটি আমি নিউ ইয়র্ক সিটির একটি হোটেলের ধর্মঘটে দেখেছিলাম। আমি অত্যন্ত আনন্দের সাথে বলছি যে এখন সময়ের পরিবর্তন হয়েছে।
*আইডব্লিউডব্লিউ এ.এফ.এল.-এর চেয়ে আরও একটি বিষয়ে আলাদা ছিল যে তারা সমাজতন্ত্রে বিশ্বাস করত। যদিও তারা রাজনৈতিক দল এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড বর্জন করার কারণে সোশ্যালিস্ট পার্টির থেকে ভিন্ন ছিল। তাদের এই অদ্ভুত ধারণা ছিল যে আসল লড়াই হলো শিল্পকারখানায়, অর্থাৎ উৎপাদনের জায়গায়।
*আমি যখন আপনাদের বলি যে তখন কী কী ছিল না, তখন মনে হয় আমরা যেন এক অরণ্যে বাস করতাম। তখন কোনো রেডিও ছিল না, টিভি ছিল না, সিনেমা ছিল না, আজকের মতো বিজ্ঞাপন ছিল না, কোনো প্লাস্টিক বা কৃত্রিম কাপড় ছিল না এবং কোনো বিমানও ছিল না।
*আমি ১৯১৯-২০ সালের কথা বলছি যখন জে. এডগার হুভার প্রথম আত্মপ্রকাশ করেন। তাকে এই ধরপাকড় অভিযানের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল এবং সারা দেশের সমস্ত রিপোর্ট তাকে জমা দিতে হতো। তাদের বলা হতো "জি ম্যান"। এফবিআই আরও পরে ১৯২৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। সুতরাং কোনো সরকারের পরোয়া না করেই তিনি দীর্ঘ ৩৮ বছর ধরে এই সাম্রাজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন এবং এটি আসলে কোনো সিভিল সার্ভিস বা বিচার বিভাগের নিয়ন্ত্রণে নেই।
*আইডব্লিউডব্লিউ-এর বিরুদ্ধে ঘৃণা এতটাই তীব্র ছিল যে সংবাদপত্রের সম্পাদকীয়তে লেখা হতো, "তাদের ভোরবেলা গ্রেপ্তার করা উচিত এবং নাস্তা করার আগেই বিচার ছাড়াই গুলি করে মারা উচিত।"
*আজকের দিনে ইউনিয়নের সাথে রাজনৈতিক সহযোগী থাকা অনেক বেশি কার্যকর একটি পদ্ধতি। কিন্তু আমরা তখন সবকিছু এক পাত্রে রাখার চেষ্টা করেছিলাম এবং সেটি মোটেও কাজ করেনি। আমরা বেশ অহংকারী ছিলাম। আমরা তরুণ ছিলাম এবং মনে করতাম সবকিছুর সঠিক উত্তর কেবল আমাদের কাছেই আছে। আমরা এ.এফ.এল.-এর সাথে কাজ করতে চাইনি, সোশ্যালিস্ট পার্টির সাথে কাজ করতে চাইনি, এমনকি অন্য কারও সাথেই কাজ করতে চাইনি। স্বাভাবিকভাবেই যখন কমিউনিস্ট পার্টি এল, তারা সেটাকে একটি সত্যিকারের দল হিসেবে বিবেচনা করল কারণ সেটি পুরনো সোশ্যালিস্ট পার্টির চেয়ে অনেক বেশি বিপ্লবী ছিল। আইডব্লিউডব্লিউ রুশ বিপ্লবের ধারণার সাথে পুরোপুরি একমত ছিল না, যদিও তারা খুশি ছিল যে এটি এমন একটি বিপ্লব যা জারকে উৎখাত করেছে। তারা কেরেনস্কির পক্ষে ছিল না কিন্তু বিপ্লব সম্পর্কে তাদের কিছু আদিম ধারণা ছিল। আইডব্লিউডব্লিউ-এর কাছে বিপ্লব মানে ছিল কারখানা, দোকান, কলকারখানা, খনি আর ফসলের মাঠ দখল করে নেওয়া এবং মালিকদের স্রেফ তাড়িয়ে দেওয়া। মালিকদের তাড়িয়ে দেওয়া মানেই ছিল বিপ্লবের শেষ।
*আইডব্লিউডব্লিউ-এর ইতিবাচক দিক ছিল যে এটি নিশ্চিতভাবেই লড়াকু ও সাহসী ছিল, এটি সেই সময়ের জন্য উপযুক্ত ছিল এবং এটি দরিদ্রতম, সবচেয়ে একাকী ও সবচেয়ে অবহেলিতদের স্বার্থের জন্য লড়াই করেছিল—যাদের এ.এফ.এল. সংগঠিত করতে পারেনি; যেমন বিদেশি বংশোদ্ভূত শ্রমিক, নারী এবং যখন কৃষ্ণাঙ্গরা শিল্পে আসতে শুরু করল, তখন সেই কৃষ্ণাঙ্গ শ্রমিকরা।
*আমরা তখন সামাজিক নিরাপত্তা বা বেকার ভাতার মতো কোনো কিছুর কথা কখনও শুনিনি এবং ভাবিনি যে এমন কিছু হওয়া সম্ভব। এগুলো ছিল ত্রিশের দশকের লড়াইয়ের ফলাফল—আইডব্লিউডব্লিউ-এর পতনের পরের বড় সংগ্রামের ফল। এছাড়া আমরা কখনও বেতনসহ ছুটির কথা শুনিনি। বেতনসহ ছুটি তো দূরের কথা, আমরা ছুটির কথাই শুনিনি। আজকের দিনের মতো চাকরির জ্যেষ্ঠতার কোনো ধারণা আমাদের ছিল না। শ্রমিকদের অবসরের জন্য কোনো পেনশন ছিল না। ইউনিয়নের কোনো কল্যাণ তহবিল বা স্বাস্থ্যকেন্দ্র ছিল না এবং আজকের মতো কোনো ট্রেড ইউনিয়ন স্কুলও ছিল না। এই সমস্ত সুযোগ-সুবিধা আইডব্লিউডব্লিউ-এর পরবর্তী সময়ে গড়ে ওঠা ইউনিয়নগুলোর মাধ্যমে এসেছে।
*আজকের দিনে শ্রমিকের বিরুদ্ধে সরাসরি সহিংসতা কম কিন্তু আইনি বিধিনিষেধ অনেক বেশি। দমনমূলক আইন এবং সব ধরনের বিধিনিষেধের মাধ্যমে শ্রমিকের অধিকার হরণ করার চেষ্টা এখন অনেক বেশি হচ্ছে।
*আমরা কি উন্নতি করেছি? ওহ, আমরা অবশ্যই উন্নতি করেছি! সমস্ত অসুবিধা এবং সমস্যা সত্ত্বেও শ্রমিক আন্দোলন বিশাল উন্নতি করেছে। আজকের যুবকদের জন্য একটি নতুন ভূমিকা এবং নতুন দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে। বহু বছর আগে আমি পিটার ক্রোপোটকিনের 'আপিল টু দ্য ইয়ং' বা 'তরুণদের প্রতি আবেদন' নামক একটি পুস্তিকা পড়েছিলাম। এটি ছিল যুবকদের প্রতি এই বিশ্বকে বসবাসের উপযোগী একটি সুন্দর জায়গা হিসেবে গড়ে তোলার দায়িত্ব নেওয়ার এক চমৎকার আহ্বান। এখন আমি অনুভব করি যে আমরা আমাদের সাধ্যমতো সেরা চেষ্টা করেছি। কিন্তু সময় এমন আসে যখন আপনি জানেন যে বাধ্য হয়েই আপনাকে থামতে হয়; যদিও বলা হয় বার্ধক্য কোনো রোগ নয় কিন্তু আমি মনে করি এটি একটি রোগ। এমন এক সময় আসে যখন আপনাকে গতি কমিয়ে দিতে হয় এবং কাজ থেকে বিদায় নিতে হয়, আর যদি নতুন প্রজন্ম চায় তবে আপনার অভিজ্ঞতার সুফল তাদের কাছে পৌঁছে দিতে হয়।
== এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন সম্পর্কে উক্তি ==
* হেটেরোডক্সির সদস্য এবং ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়ার্কার্স অফ দ্য ওয়ার্ল্ড-এর প্রখ্যাত সংগঠক এবং পরবর্তীতে ইউ.এস. কমিউনিস্ট পার্টির শীর্ষস্থানীয় সদস্য এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন এই সংগঠনে তার সদস্যপদকে "এক অবিচ্ছিন্ন আনন্দের অভিজ্ঞতা" হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি আরও যোগ করেছেন, "এটি ভবিষ্যতের নারীদের এক ঝলক দেখার মতো ছিল—যারা বিশাল হৃদয়ের অধিকারী, বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে সজাগ এবং পুরনো সেই 'নারীত্ব' বর্জিত যার স্থলাভিষিক্ত হয়েছে নারীদের এক চমৎকার ভ্রাতৃত্ব।"
** [[বেটিনা আপথেকার]], ''ট্যাপেস্ট্রিস অফ লাইফ: উইমেনস ওয়ার্ক, উইমেনস কনশাসনেস, অ্যান্ড দ্য মিনিং অফ ডেইলি এক্সপেরিয়েন্স'' (১৯৮৯)
* আমার নির্জন কারাবাসের দিনগুলোতে, মার্গারেট যখন জেল সুপারকে আমাকে পড়ার সুযোগ দেওয়ার জন্য রাজি করালেন, তখন আমি গ্রন্থাগারে একা কয়েকটি সেশন কাটিয়েছিলাম। অল্প সময়ের মধ্যেই আমি পুরো জায়গাটি তন্নতন্ন করে খুঁজি এবং সামান্য আগ্রহ জাগানিয়া মাত্র কয়েকটি বই খুঁজে পাই: এডগার স্নো-এর লেখা চীনা বিপ্লবের ওপর একটি বই, ডব্লিউ. ই. বি. ডু বোইস-এর আত্মজীবনী এবং একজন আশ্চর্যজনকভাবে নিরপেক্ষ ও স্বল্প পরিচিত লেখকের লেখা সাম্যবাদের ওপর একটি বই। এই বইগুলো আবিষ্কার করার পর আমার চিন্তাভাবনা বারবার সেগুলোর রহস্যময় উপস্থিতির দিকে ফিরে যাচ্ছিল। হঠাৎ আমার মনে হলো: এগুলো সম্ভবত এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন, ক্লডিয়া জোন্স অথবা অন্য কোনো কমিউনিস্ট নেতাদের দ্বারা পড়া হয়েছিল যারা ম্যাকার্থি যুগে স্মিথ অ্যাক্টের অধীনে নিপীড়িত হয়েছিলেন। আমাকে জানানো হয়েছিল যে সেখানে থাকাকালীন আমি যদি কোনো বই পাই, তবে তা গ্রন্থাগারে দান করতে হবে—যা ছিল এক আনন্দের বিষয়, কারণ তথাকথিত সেই শিক্ষা কেন্দ্রের অবস্থা ছিল করুণ। আমি যখন সেই বইগুলোর পাতা উল্টাচ্ছিলাম, তখন আমি এই দেশের কিছু অসামান্য বীরাঙ্গনাদের ঐতিহ্য অনুসরণ করতে পেরে সম্মানিত বোধ করছিলাম: কমিউনিস্ট নারী নেতৃবৃন্দ, বিশেষ করে কৃষ্ণাঙ্গ কমিউনিস্ট ক্লডিয়া জোন্স।
** ''[[অ্যাঞ্জেলা ডেভিস]]ের আত্মজীবনী'' (১৯৭৪)
* জোসেফ ইটর এবং আর্তুরো জিওভানিত্তির গ্রেপ্তারের ফলে তৈরি হওয়া শূন্যতা তাৎক্ষণিকভাবে বিল হেউড এবং এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন পূরণ করেছিলেন। শ্রমিক সংগ্রামে হেউডের বছরের পর বছর অভিজ্ঞতা, তার দৃঢ় সংকল্প এবং বিচক্ষণতা তাকে লরেন্সের পরিস্থিতিতে এক অনন্য শক্তিতে পরিণত করেছিল। অন্যদিকে, এলিজাবেথের তারুণ্য, চার্ম এবং বাগ্মিতা খুব সহজেই সবার মন জয় করে নিয়েছিল। এই দুজনের নাম এবং খ্যাতি ধর্মঘটের জন্য দেশব্যাপী প্রচার ও সমর্থন জোগাড় করতে সাহায্য করেছিল। বছরের পর বছর আগে একটি উন্মুক্ত সভায় প্রথমবার শোনার পর থেকেই আমি এলিজাবেথকে জানতাম এবং শ্রদ্ধা করতাম। সেই সময় তার বয়স চৌদ্দ বছরের বেশি ছিল না, তার ছিল এক সুন্দর মুখাবয়ব এবং আন্তরিকতায় ভরপুর এক কণ্ঠস্বর। তিনি আমার ওপর গভীর প্রভাব ফেলেছিলেন। পরবর্তীতে আমার বক্তৃতায় তার বাবার সাথে তাকে প্রায়ই আসতে দেখতাম। কালো চুল, বড় বড় নীল চোখ এবং চমৎকার গায়ের রঙে তিনি ছিলেন এক মোহনীয় প্রতিচ্ছবি... স্পোকেনে আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর অন্যান্য সদস্যদের সাথে তিনি যে চমৎকার বাক-স্বাধীনতার লড়াই করেছিলেন এবং যে নিপীড়ন সহ্য করেছিলেন, তা এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিনকে আমার খুব কাছে নিয়ে এসেছিল। আর যখন শুনলাম যে সন্তান জন্ম দেওয়ার পর তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েছেন, তখন এই তরুণ বিদ্রোহীর জন্য আমি গভীর সহানুভূতি অনুভব করেছিলাম, যিনি সর্বহারা পটভূমি থেকে আসা প্রথম আমেরিকান নারী বিপ্লবীদের একজন। তার প্রতি আমার আগ্রহ কেবল স্পোকেন লড়াইয়ের জন্যই নয়, বরং মা হওয়ার প্রথম মাসগুলোতে এলিজাবেথের ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য তহবিল সংগ্রহে আমার প্রচেষ্টাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছিল। তিনি নিউ ইয়র্কে ফিরে আসার পর থেকে আমরা প্রায়ই সভায় এবং আরও ব্যক্তিগতভাবে একসাথে সময় কাটিয়েছি। এলিজাবেথ নৈরাজ্যবাদী ছিলেন না, তবে তিনি সোশ্যালিস্ট লেবার পার্টি থেকে আসা তার কিছু কমরেডদের মতো গোঁড়া বা বিদ্বেষীও ছিলেন না। আমাদের সার্কেলে তিনি আমাদেরই একজন হিসেবে স্বীকৃত ছিলেন এবং আমি তাকে বন্ধু হিসেবে ভালোবাসতাম।
** [[এমা গোল্ডম্যান]], ''লিভিং মাই লাইফ'' (১৯৩১)
* ফ্লিন পার্টির চেয়ারম্যান হিসেবে জিনের স্থলাভিষিক্ত হন। তিনি ছিলেন সেই পদে নির্বাচিত প্রথম নারী। তিনি ছিলেন একজন সমঝোতামূলক প্রার্থী; বেন ডেভিসও এই পদের জন্য প্রচারণা চালাচ্ছিলেন এবং কৃষ্ণাঙ্গ নেতৃত্বের একটি বড় অংশসহ পার্টির অনেক মানুষ সেই সম্ভাবনায় ভীত ছিল। লিজকে তখন সেরা বিকল্প মনে হয়েছিল। পার্টিতে এলিজাবেথের খুব ইতিবাচক খ্যাতি ছিল। ১৯৩০-এর দশকে যখন তিনি পুনরায় যোগ দেন (তিনি ১৯২০-এর দশকে সংক্ষিপ্তভাবে এবং গোপনে সদস্য ছিলেন), তখন তিনি সরাসরি শীর্ষ নেতৃত্বে চলে আসেন। পদমর্যাদায় উপরে ওঠার লড়াইয়ে অন্যান্য নারীদের যে কঠোর আচরণের প্রয়োজন হতো, তার সেটি করার প্রয়োজন পড়েনি। তিনি মানুষের প্রতি এমনভাবে আন্তরিক ছিলেন যা অধিকাংশ পার্টি নেতার মধ্যে ছিল না। আমি যখনই নিউ ইয়র্কে যেতাম, চেলসি হোটেলে তার সাথে দেখা করার চেষ্টা করতাম যেখানে তিনি থাকতেন। তার রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং জাতীয় অফিসে তার সহকর্মীদের সম্পর্কে তার তীক্ষ্ণ ও নির্ভীক মতামতের কারণে তিনি শোনার মতো একজন ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তিনি জিন ডেনিসকে পছন্দ করতেন কিন্তু ফস্টারের প্রতি সবসময় সমালোচনামূলক ছিলেন। স্পষ্টতই এই বিরোধ অনেক অনেক বছর আগের। ইউনিয়ন সংগঠক হিসেবে তার বীরত্বপূর্ণ অতীতের গ্ল্যামার তাকে মোহিত করতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত তার নিজেরও এমন সব পরিচয় ছিল যা ফস্টারের চেয়ে কোনো অংশে কম প্রভাবশালী ছিল না। তিনি পার্টির জনসম্মুখের মুখ হিসেবে এবং ওবলিদের ঐতিহাসিক অতীত, লরেন্সের "ব্রেড অ্যান্ড রোজেস" ধর্মঘট এবং স্পোকেনের বাক-স্বাধীনতা লড়াইয়ের যোগসূত্র হিসেবে খুব কার্যকর ছিলেন। বিশাল শ্রোতাদের সামনে সহজ ভাষায় কথা বলার এবং তাৎক্ষণিক সম্পর্ক তৈরি করার এক অসাধারণ ক্ষমতা তার ছিল। এটি ছিল পার্টির পুরনো দিনের আন্দোলনকারীদের একটি গুণ—ফ্লিন, ফস্টার এবং ক্ল্যারেন্স হ্যাথওয়ের মতো মানুষের মধ্যে এটি আমার প্রজন্মের চেয়ে অনেক বেশি ছিল। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে লিজের প্রতি আমার মিশ্র অনুভূতি তৈরি হয়েছিল। পার্টির সভাগুলোতে তিনি সবসময় গুস বা সোভিয়েত ইউনিয়নের কাছে অগ্রহণযোগ্য কিছু না বলার বিষয়ে খুব সতর্ক থাকতেন। তিনি আমাকে নিয়ে এবং আমার রাজনীতি আমাকে যে খারাপ পরিণতির দিকে নিয়ে যাবে তা নিয়ে চিন্তিত ছিলেন।
** [[ডরোথি রে হিলি]], ''ক্যালিফোর্নিয়া রেড: আ লাইফ ইন দ্য আমেরিকান কমিউনিস্ট পার্টি'' (১৯৯০)
* আমি এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন এবং পেটিস পেরি ও আমার সকল সহ-অভিযুক্তদের সেই বিশ্বাসে বিশ্বাসী যে, আমেরিকার শ্রমজীবী মানুষ—কৃষ্ণাঙ্গ ও শ্বেতাঙ্গ—অবশ্যই জেগে উঠবে; ভেড়ার মতো নয় বরং তাদের স্বাধীনতার প্রতি সজাগ দৃষ্টি রেখে। তারা নিশ্চিত করবে যে শান্তি জয়ী হবে এবং এই ক্ষয়িষ্ণু স্মিথ অ্যাক্ট, যা অধিকারের সনদকে লঙ্ঘন করে, তা ইতিহাসের পাতা থেকে মুছে যাবে।
** [[ক্লডিয়া জোন্স]], জবানবন্দি (জানুয়ারি ১৯৫৩)
*আমি তোমাকে দেখব সেইসব কচি অঙ্কুরিত চারার মাঝে/যারা আগাছাকে অবজ্ঞা করে—সন্দেহে কুঁকড়ে যাওয়া বার্ধক্যকে/সেইসব ব্যবহারকারীদের যারা গালিগালাজে কলুষিত করে,/সংগ্রামের মধ্য দিয়ে গড়ে তোলা সেবায় নিবেদিত এক সার্থক জীবনকে... আমি তোমাকে চিরদিন মনে রাখব/এবং কীভাবে তোমার আত্মা প্রতিধ্বনিত হয়/কারণ তোমার বিশ্বাস আগুনের শিখার মতো লাফিয়ে ওঠে/যা সবকিছুর জন্য এক মধুর লালন।
** ক্লডিয়া জোন্স, 'বিয়ন্ড কন্টেইনমেন্ট: অটোবায়োগ্রাফিক্যাল রিফ্লেকশনস, এসেস, অ্যান্ড পোয়েমস' গ্রন্থে "টু এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন" কবিতা।
*ডরোথি ডে এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিনকে (যিনি ১৯৩৭ সালে ইউ.এস. কমিউনিস্ট পার্টিতে যোগ দিয়েছিলেন) "শব্দের গভীরতম অর্থে আমার বোন" হিসেবে গণ্য করতেন। ডে লিখেছিলেন, ফ্লিন "সর্বদাই তা-ই করেছেন যা আজকাল সাধারণ মানুষদের করার জন্য তাগিদ দেওয়া হয়। তিনি দরিদ্রদের রক্ষায়, তাদের অন্যায় ও অভাব থেকে বাঁচাতে নিজের ক্ষমতার সবটুকু করার দায়িত্ব অনুভব করতেন" (লং লোনলিনেস, ১৪৫-১৪৬)।
** [[মার্গারেট সি. জোন্স]], 'হেরিটিকস অ্যান্ড হেলরাইজার্স: উইমেন কন্ট্রিবিউটরস টু দ্য মাসেস, ১৯১১-১৯১৭' (১৯৯৩)
*শ্রম আন্দোলনের ইতিহাসের আমার অন্যতম প্রিয় ব্যক্তিত্ব এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন—সেই বিখ্যাত 'রেবেল গার্ল' যাকে নিয়ে জো হিল গান গেয়েছিলেন এবং যিনি নিজের যোগ্যতায় একজন অসাধারণ ইউনিয়ন সংগঠক ছিলেন—ঊনবিংশ শতাব্দীতেই একটি অত্যন্ত সঠিক কথা বলেছিলেন। তথাকথিত রুটি-রুজির অর্থনৈতিক ইস্যুগুলোর সমান গুরুত্ব দিয়ে রাজনৈতিক ও সামাজিক ন্যায়বিচারের দাবিগুলো ধরে রাখার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে তিনি বলেছিলেন: "শ্রমিকের বিজয় আসলে কী? আমি মনে করি এটি একটি দ্বিমুখী বিষয়। পূর্ণাঙ্গ বিজয় অর্জনের জন্য শ্রমিকদের কেবল অর্থনৈতিক সুবিধাই অর্জন করলে চলবে না, তাদের মধ্যে বিপ্লবী চেতনাও থাকতে হবে। শ্রমিকদের দিনে কয়েক সেন্ট বেশি পাওয়া বা কয়েক মিনিট কম কাজ করে সেই একই মানসিকতা এবং সমাজের প্রতি একই দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কাজে ফিরে যাওয়া মানে একটি সাময়িক লাভ অর্জন করা, কোনো স্থায়ী বিজয় নয়।"
** কিম কেলি (সাংবাদিক), 'ফাইট লাইক হেল: দ্য আনটোল্ড হিস্ট্রি অফ আমেরিকান লেবার' (২০২২)
* ফ্লিনের ভাষায়, এটি ছিল "আমেরিকান শ্রম ইতিহাসের এক অতুলনীয় দিন... লরেন্সে তখন ত্রাসের রাজত্ব চলছিল যা আক্ষরিক অর্থেই আমেরিকাকে কাঁপিয়ে দিয়েছিল।"
** কিম কেলি (সাংবাদিক), 'ফাইট লাইক হেল: দ্য আনটোল্ড হিস্ট্রি অফ আমেরিকান লেবার' (২০২২)
*প্রথাগত মার্ক্সবাদী তত্ত্ব অনুযায়ী গৃহিণীদের শ্রেণি সচেতনতা ছিল একটি সমস্যাজনক বিষয়; তারা প্রায়ই আমূল সংস্কারবাদী পুরুষদের কাছে অনির্ভরযোগ্য মিত্র ছিলেন। তাদের সাধারণত কৃষক এবং বুদ্ধিজীবীদের সাথে এমন এক রক্ষণশীল গোষ্ঠী হিসেবে দেখা হতো যারা সর্বহারা পুরুষদের অগ্রযাত্রায় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। নারীদের সমঅধিকার সমস্ত মার্ক্সবাদী আন্দোলনের একটি ঘোষিত লক্ষ্য ছিল, কিন্তু নারী ইস্যুগুলোকে যেভাবে দেখা হতো, তাতে স্পষ্ট বার্তা পাওয়া যেত যে—নারীদের কাজ এই সংগ্রামের ক্ষেত্রে প্রান্তিক বা গৌণ, যদি না তারা পুরুষদের মতো করে কাজ করতে পারদর্শী হয়। প্রখ্যাত এবং উদযাপিত নারী নেত্রীরা—ডলোরেস ইবারুরি (লা পাসিওনারিয়া), মাদার ব্লুর, এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন, ক্লারা লেমলিচ—গৃহিণীদের সংগঠিত করেননি; তারা নারী কারখানা শ্রমিক, নারীদের সহযোগী সংগঠন বা পুরুষদের সংগঠিত করেছিলেন।
** [[গের্ডা লার্নার]], 'ফায়ারউইড: আ পলিটিক্যাল অটোবায়োগ্রাফি' (২০০২)
*যুদ্ধবন্দিদের জন্য আমার সফরের সময় আমি পর্যায়ক্রমে নিউ ইয়র্কে ফিরে আসতাম সংগঠনকে রিপোর্ট দিতে এবং এই কাজে এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন ও অন্যদের সাথে পরামর্শ করতে। এভাবেই আইরিশ লড়াকু পূর্বপুরুষদের সেই লড়াকু কন্যার সাথে আমার দীর্ঘ বছরের মেলামেশা শুরু হয়। ষোলো বছর বয়সেই তিনি আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-তে সক্রিয় ছিলেন এবং জো হিল তাকে নিয়ে একটি ওবলি গান লিখেছিলেন, "দ্য রেবেল গার্ল"। যদিও কমিউনিস্ট পার্টির শুরুর দিনগুলোতে তিনি আমাদের সাথে যোগ দেননি, কিন্তু তিনি আমাদের সাথে খুব ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতেন। পরিশেষে, ওরেগনের পোর্টল্যান্ডে দশ বছর অসুস্থ থাকার পর তিনি নিউ ইয়র্কে ফিরে আসেন এবং পার্টিতে যোগ দেন। আজ তিনি আমাদের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বক্তা এবং আমাদের জাতীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সম্মানিত ও প্রিয় সদস্য। এলিজাবেথের জীবনের গল্প এই দেশের অনেক মহান শ্রমিক সংগ্রামের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে। সর্বত্র শ্রমিকরা তার সুন্দর সুমধুর কণ্ঠস্বর, উজ্জ্বল উদ্দীপনা এবং বিশাল লড়াকু হৃদয়ের কথা জানে। ক্যালুমেট, পাসাইক, প্যাটারসন, লরেন্স—এই সব জায়গার পিকেট লাইন এবং মঞ্চ তাকে চেনে। আজ তার একমাত্র ছেলে ফ্রেডের আকস্মিক মৃত্যুর শোকের ভার বহন করেও তিনি এমন এক বিশ্বের জন্য লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন যেখানে মায়েদের তাদের প্রভুদের স্বার্থ রক্ষার যুদ্ধে অকারণে সন্তান হারাতে হবে না।
** [[এলা রিভ ব্লুর]], 'উই আর মেনি: অ্যান অটোবায়োগ্রাফি' (১৯৪০)
*যে নারীর প্রতি আমার গভীরতম শ্রদ্ধা ছিল, তিনি অবশ্যই এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন।
** [[এমা তেনাইউকা]], সাক্ষাৎকার (১৯৮৭)
*তিনি তার এই বিস্ময়কর রেকর্ডের সূচনা করেছিলেন পনেরো বছর বয়সে রাস্তার মোড়ে গ্রেপ্তার হওয়ার মাধ্যমে। তার বাবাও তার সাথে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। এরপর থেকে তার বাবা আর কখনও গ্রেপ্তার হননি। এটি ছিল তার জন্য কেবল শুরু। বিচারক কৌতূহলী হয়ে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, "তুমি কি ব্রডওয়েতে কথা বলে মানুষকে সমাজতন্ত্রে দীক্ষিত করার আশা করো?" তিনি বিচারকের দিকে তাকালেন এবং গম্ভীরভাবে উত্তর দিলেন, "অবশ্যই করি।" বিচারক করুণায় দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন, "মামলা খারিজ।"
** [[মেরি হিটন ভোর্স]] (১৯২৬), গের্ডা লার্নার সম্পাদিত 'দ্য ফিমেল এক্সপেরিয়েন্স: অ্যান আমেরিকান ডকুমেন্টারি' গ্রন্থে সংকলিত।
*তিনি আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-তে যোগ দিয়েছিলেন যখন সেটি তার সোনালী যুগে ছিল। আদর্শবাদে পূর্ণ এই আন্দোলন উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলকে প্লাবিত করেছিল। সব জায়গায় তাদের বাক-স্বাধীনতার লড়াই চলছিল। কর্তৃপক্ষ তাদের গ্রেপ্তার করত এবং আরও বেশি মানুষ আসত। তারা জেলখানাগুলোকে জনাকীর্ণ করে ফেলেছিল। এলিজাবেথ বলেছিলেন, "একটি শহরে জেলে এত বেশি মানুষ ছিল যে দিনের বেলা তাদের ছেড়ে দেওয়া হতো। বাইরের আমাদের তাদের খাওয়াতে হতো। প্রতি রাতে তারা আবার জেলে ফিরে যেত। অবশেষে ওবলিরা সিদ্ধান্ত নিল যে জেলের দরজা খুললেও তারা বের হবে না। দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ সেইসব ওবলিদের দেখতে আসত যারা জেল ছাড়তে রাজি ছিল না।" তার জীবনের এই অংশটি—পশ্চিমের যাযাবর শ্রমিকদের সংগঠিত করা এবং তাদের হয়ে লড়াই করা—তার জীবনের সেই অংশ যা তিনি সবচেয়ে বেশি পছন্দ করেন।
** মেরি হিটন ভোর্স (১৯২৬), গের্ডা লার্নার সম্পাদিত 'দ্য ফিমেল এক্সপেরিয়েন্স: অ্যান আমেরিকান ডকুমেন্টারি' গ্রন্থে সংকলিত।
*প্রতিরক্ষার কাজ তার কাছে নতুন কিছু ছিল না এবং ১৯১৮ সাল থেকে ইদানীংকাল পর্যন্ত তার প্রধান কাজ ছিল রাজনৈতিক বন্দিদের জেল থেকে মুক্ত করা। আর ১৯২১ সাল থেকে তিনি স্যাকো-ভানজেত্তি মামলার ওপর মনোযোগ নিবদ্ধ করেছেন। সেখানে ছিল নিরন্তর কাজ, ছিল গ্রেপ্তার এবং তার আদর্শের জন্য বন্দি হওয়া কমরেডদের নিয়ে তার নিরন্তর ব্যস্ততা। শ্রমিক আন্দোলনে তার প্রথম বিশ বছর পার করার পরও তিনি অম্লান এবং নিরুৎসাহহীন।
** মেরি হিটন ভোর্স (১৯২৬), গের্ডা লার্নার সম্পাদিত 'দ্য ফিমেল এক্সপেরিয়েন্স: অ্যান আমেরিকান ডকুমেন্টারি' গ্রন্থে সংকলিত।
*প্রগতিশীল বা আমূল সংস্কারবাদী আন্দোলনে সক্রিয় যেসব সুন্দরী নারীর সাথে আমার দেখা হয়েছে, তাদের সুন্দর স্মৃতি ছাড়া যদি মনে রাখার মতো আর কিছু না-ও থাকত, তবুও জীবন সার্থক হতো। আমি এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিনের প্রেমে পড়েছিলাম যখন একজন তরুণী হিসেবে তিনি তার স্পষ্ট ও সুমধুর কণ্ঠে হাজার হাজার মানুষকে সামাজিক বিদ্রোহের আদর্শে উদ্বুদ্ধ করেছিলেন।
** [[আর্ট ইয়াং]], 'হিজ লাইফ অ্যান্ড টাইমস' (১৯৩৯)
*বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকের সেইসব বিপ্লবীদের শক্তি ও উদ্দীপনার আঁচ পাওয়া যায় কেবল এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিনের পুলিশের রেকর্ড বা অপরাধের তালিকার দিকে তাকালে।
** [[হাওয়ার্ড জিন]], 'আ পিপলস হিস্ট্রি অফ দ্য ইউনাইটেড স্টেটস'
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:শ্রমিক নেতা]]
[[বিষয়শ্রেণী:শ্রমিক আন্দোলনকর্মী]]
[[বিষয়শ্রেণী:নারী অধিকার কর্মী]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নারী সক্রিয়কর্মী]]
[[বিষয়শ্রেণী:কমিউনিস্ট পার্টি ইউএসএ-এর সদস্য]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নারীবাদী]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আত্মজীবনীকার]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক লেখক]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লেখিকা]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমাজতন্ত্রী]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাক-স্বাধীনতা আন্দোলনকর্মী]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাম্যবাদী]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৮৯০-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৬৪-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯শ শতাব্দীতে জন্মগ্রহণকারী নারী]]
[[বিষয়শ্রেণী:নিউ হ্যাম্পশায়ারের ব্যক্তি]]
4bymq2wuut62xphycetso3mtnfjr4w1
83277
83276
2026-05-02T19:01:32Z
Tuhin
172
83277
wikitext
text/x-wiki
[[File:Elizabeth Gurley Flynn point (cropped).jpg|thumb|এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন]]
'''[[w:bn:এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন|এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন]]''' (৭ আগস্ট ১৮৯০ – ৫ সেপ্টেম্বর ১৯৬৪) ছিলেন একজন [[w:bn:শ্রমিক নেতা|শ্রমিক নেতা]], সক্রিয়কর্মী এবং [[w:bn:নারীবাদী|নারীবাদী]] যিনি [[w:bn:ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়ার্কার্স অফ দ্য ওয়ার্ল্ড|ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়ার্কার্স অফ দ্য ওয়ার্ল্ডে]] অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন। ফ্লিন [[w:bn:আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়ন|আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়নের]] একজন প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং [[নারীর অধিকার]], [[জন্ম নিয়ন্ত্রণ]] এবং [[w:bn:নারী ভোটাধিকার|নারী ভোটাধিকারের]] একজন বিশিষ্ট প্রবক্তা ছিলেন। তিনি ১৯৩৬ সালে [[w:bn:কমিউনিস্ট পার্টি ইউএসএ|কমিউনিস্ট পার্টি ইউএসএ]]-তে যোগ দেন এবং জীবনের শেষভাগে, ১৯৬১ সালে এর সভানেত্রী হন।
== উক্তি ==
===[https://speakingwhilefemale.co/jobs-flynn2/ "দ্য ওয়ার্কিং ক্লাস"] (২৯ জুন, ১৯০৯)===
* ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়ার্কার্স অফ দ্য ওয়ার্ল্ড হলো শ্রমিক সংগঠনের একটি নতুন রূপ, যা কেবল শিল্প শ্রমিক শ্রেণি এবং শুধুমাত্র সেই শ্রেণির জন্যই কাজ করে।
* এই দেশের শ্রমিক শ্রেণি এমন এক পরিস্থিতির দিকে তাকিয়ে আছে যেখানে সারা বিশ্বের চাহিদা মেটানোর মতো প্রাকৃতিক সম্পদ বিদ্যমান। তারা এমন এক শিল্প পরিস্থিতির দিকে তাকিয়ে আছে যা এমন সব যন্ত্রপাতি উদ্ভাবন করেছে যা খুব সামান্য শ্রম ব্যয়ে এই প্রাকৃতিক সম্পদগুলোকে প্রয়োজনীয় পণ্য বা বিলাসদ্রব্যে রূপান্তর করতে সক্ষম। তবুও তা সত্ত্বেও এবং যারা পরিশ্রম করে তাদের দ্বারা সম্ভব হওয়া উৎপাদনশীলতা এবং পৃথিবীর প্রাকৃতিক প্রাচুর্য সত্ত্বেও, আমাদের এই দেশে মানুষ না খেয়ে মরছে এবং পঞ্চাশ লক্ষ মানুষ বেকার। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে দশ লক্ষেরও বেশি শিশু শ্রমিক, নিউ ইয়র্ক সিটিতে সত্তর হাজার এবং শিকাগোতে পঞ্চাশ হাজার শিশু সকালে নাস্তা না খেয়ে স্কুলে যায়। আমাদের এমন এক অবস্থা যেখানে অধিকাংশ মানুষ সম্পদহীন শ্রেণি, যারা কোনো জমির মালিক নয়, যারা সেই উৎপাদনশীল যন্ত্রপাতির কোনোটিই নিয়ন্ত্রণ করে না, যারা এই স্বাধীন দেশে এবং সাহসীদের আবাসভূমিতে নিজের শ্রমশক্তি অর্থাৎ নিজের কাজ করার ক্ষমতা ছাড়া আর কিছুই নিয়ন্ত্রণ করে না।
* আজ শ্রমিক শ্রেণির কাছে কেবল এমন কিছু পরিস্থিতি রয়েছে যা তারা নিজেরা প্রতিকার করার অবস্থানে আছে। তাদের কাছে কেবল কিছু মিথ্যা পরিস্থিতি রয়েছে, যা প্রকৃতির সৃষ্টি নয় বরং মানুষের তৈরি, যা তারা নিজেরা উৎখাত করতে পারে।
* আমাদের যা কিছু আছে তা হলো কাজ করার ক্ষমতা এবং পুঁজিবাদী শ্রেণির কাছে সেই একটি পণ্যই নেই। তাদের কারখানা আছে, জমি আছে, রেলপথ আছে কিন্তু তাদের কাছে শ্রমশক্তি নেই, যা সম্পদ তৈরির আসল ক্ষমতা।
* স্যামুয়েল গম্পার্স হলো মালিকদের বন্ধু।
* আমাদের আছে শুধু আমাদের সংগঠন, সহকর্মীবৃন্দ। তাদের আছে পুঁজি, তাদের আছে সরকারের ক্ষমতা, পুঁজিবাদী শ্রেণীর সংগ্রামী গোষ্ঠী; তাদের আছে রাষ্ট্রের ক্ষমতা; তাদের আছে আন্তর্জাতিক পুঁজির ক্ষমতা — আর আমাদের আছে শুধু আমাদের সাংগঠনিক শক্তি।
==="দ্য ট্রুথ অ্যাবাউট দ্য প্যাটারসন স্ট্রাইক" (১৯১৪)===
''আউটস্পোকেন উইমেন'' (১৯৮৪) সংকলন থেকে। ক্যাপশন: "নিচের ভাষণটি ১৯১৪ সালের ৩১শে জানুয়ারি নিউ ইয়র্ক সিটির নিউ ইয়র্ক সিভিক ক্লাব ফোরামে প্রদান করা হয়েছিল। এর টাইপস্ক্রিপ্টটি মিশিগানের অ্যান আর্বারে অবস্থিত ইউনিভার্সিটি অফ মিশিগান লাইব্রেরির লাবাদি কালেকশনে সংরক্ষিত রয়েছে।"
* আমি মনে করি আমাদের অনেক সমালোচকই সেইসব মানুষ যারা ঘরে বসে বিছানায় বিশ্রাম নিচ্ছিলেন যখন আমরা ধর্মঘটের কঠিন কাজগুলো করছিলাম।
* শ্রমিকদের বিজয় আসলে কী? আমি মনে করি এটি একটি দ্বিমুখী বিষয়। একটি পূর্ণাঙ্গ বিজয় অর্জনের জন্য শ্রমিকদের অবশ্যই অর্থনৈতিক সুবিধা অর্জন করতে হবে। একই সাথে তাদের মধ্যে বৈপ্লবিক চেতনাও জাগ্রত হতে হবে। শ্রমিকরা দিনে কয়েক সেন্ট মজুরি বেশি পেল বা কয়েক মিনিট কম কাজ করল, কিন্তু সেই একই মানসিকতা নিয়ে কাজে ফিরল। সমাজের প্রতি তাদের দৃষ্টিভঙ্গি যদি একই থাকে, তবে সেটি কেবল একটি সাময়িক লাভ। এটি কোনো স্থায়ী বিজয় নয়। শ্রমিকরা যদি শ্রেণি-সচেতন চেতনা এবং একটি সংগঠিত ও দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ মনোভাব নিয়ে কাজে ফেরে, তবেই সেটি প্রকৃত জয়। এর ফলে তাৎক্ষণিক কোনো অর্থনৈতিক লাভ না হলেও ভবিষ্যতে তা অর্জনের সম্ভাবনা তৈরি হয়। অন্য কথায়, শ্রমিকের বিজয়কে অবশ্যই অর্থনৈতিক এবং বৈপ্লবিক হতে হবে। তা না হলে সেটি পূর্ণাঙ্গ হয় না।
* একটি শ্রমিক বিজয় অবশ্যই দ্বিমুখী হতে হবে, তবে যদি কেবল একটি পাওয়া সম্ভব হয় তবে অর্থনৈতিক সুবিধার চেয়ে চেতনা অর্জন করা অনেক বেশি ভালো।
* আমাদের কাজ ছিল শিক্ষিত করা এবং অনুপ্রাণিত করা। শিক্ষা কোনো তাৎক্ষণিক পরিবর্তন নয়, বরং এটি একটি প্রক্রিয়া। শ্রমিকদের সামনে দেওয়া একটি মাত্র ভাষণ তাদের সারা জীবনের সংস্কারগুলো দূর করে দেয় না। আমাদের জাতীয় বিষয়গুলো নিয়ে কুসংস্কার ছিল। বিভিন্ন পেশার মধ্যে এবং নারী-পুরুষের প্রতিযোগিতার মধ্যেও সংস্কার ছিল। আমাদের এই সবকিছুই কাটিয়ে উঠতে হয়েছিল।
* ধর্মঘটের ক্ষেত্রে উদ্দীপনা মানে হলো সেই ধর্মঘট এবং তার মাধ্যমে হওয়া শ্রেণী সংগ্রামকে তাদের ধর্মে পরিণত করা। তারা যে সামান্য কয়েক সেন্ট মজুরি বা কয়েক ঘণ্টা সময়ের জন্য লড়ছে, সেই কথাটি তাদের ভুলিয়ে দিতে হবে। তাদের মনে এই অনুভূতি জাগিয়ে তুলতে হবে যে এই ধর্মঘটে জয়ী হওয়া তাদের একটি "ধর্মীয় দায়িত্ব"। আমাদের কাজের মূলে ছিল এই দুটি বিষয়। তাদের মধ্যে সংহতি এবং শ্রেণী-সচেতনতার বোধ তৈরি করা।
* আমি বলছি না যে সহিংসতা ব্যবহার করা উচিত নয়। তবে যেখানে এর কোনো প্রয়োজন নেই, সেখানে আমাদের এটি অবলম্বন করারও কোনো কারণ নেই।
* শারীরিক সহিংসতা নাটকীয় মনে হয়। বিশেষ করে যখন আপনি এটি নিয়ে কেবল কথা বলেন কিন্তু বাস্তবে প্রয়োগ করেন না, তখন এটি বেশি নাটকীয় লাগে। তবে ধর্মঘট পরিচালনার ক্ষেত্রে প্রকৃত সহিংসতা এখন একটি সেকেলে পদ্ধতি। সমস্ত শিল্প-কারখানাকে অচল করে দেওয়ার মতো গণ-আন্দোলন অনেক বেশি আধুনিক এবং ভীতিকর পদ্ধতি। এর মানে এই নয় যে আত্মরক্ষার জন্য সহিংসতা ব্যবহার করা যাবে না। আত্মরক্ষার জন্য সহিংসতার প্রয়োজনীয়তা সবাই বিশ্বাস করে। ধর্মঘটীদের এটি আলাদা করে বলে দেওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে মূল বিষয়টি হলো ধর্মঘটে জেতার উপায় হলো নিজের হাত পকেটে রেখে কাজ করতে অস্বীকার করা।
* যদি রবিবারে আপনি সেই মানুষগুলোকে বাড়িতে থাকতে দেন, তবে তারা আগুনহীন চুলার পাশে বসে থাকবে। তারা এমন টেবিলে খেতে বসবে যেখানে খুব বেশি খাবার নেই। তারা দেখবে সন্তানদের জুতো ছিঁড়ে পাতলা হয়ে গেছে এবং তাদের পোশাকগুলোও জীর্ণ হয়ে যাচ্ছে। তখন তারা কেবল "নিজের" কথা ভাবতে শুরু করবে। এতে তাদের মধ্যে থাকা গণ-চেতনা হারিয়ে যাবে এবং সবাই যে তাদের মতোই কষ্ট পাচ্ছে সেই উপলব্ধি তারা হারাবে। সপ্তাহের প্রতিদিন এবং বিশেষ করে রবিবারে তাদের কাজে ব্যস্ত রাখতে হবে। এটি করা প্রয়োজন যাতে তাদের মনোবল শূন্যে নেমে না যায়। আমি মনে করি পাদ্রিরা রবিবারে এই কারণেই ধর্মোপদেশ দেন যাতে মানুষ সপ্তাহের বাকি দিনগুলো তাদের অবস্থা কতটা খারাপ ছিল তা ভাবার সুযোগ না পায়। যাই হোক, ধর্মঘটের সময় এটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি বিষয়।
* প্রকৃতপক্ষে প্রতিটি ধর্মঘটের এটি একটি জরুরি প্রক্রিয়া। মানুষকে সবসময় ব্যস্ত রাখা এবং তাদের সক্রিয় রাখা প্রয়োজন যাতে তারা সারিবদ্ধ লড়াইয়ের যোদ্ধা হিসেবে কাজ করতে পারে। আন্দোলনকারীর কাজ হলো বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রমের পরিকল্পনা করা এবং পরামর্শ দেওয়া যা পুরোপুরি ধর্মঘটের ওপর নিবদ্ধ থাকবে। এই কারণেই আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. বড় বড় জনসভা, নারী সমাবেশ এবং শিশুদের সমাবেশের আয়োজন করে। আমরা কেন বড় আকারে পিকেটিং এবং গণ-অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার আয়োজন করি তার কারণও এটিই। এই নিরবচ্ছিন্ন গণ-কার্যক্রমের মাধ্যমেই আমরা শ্রমিকদের মনে "একজনের জন্য সবাই এবং সবার জন্য একজন" এই অনুভূতি তৈরি করতে পারি। আমরা তাদের বোঝাতে সক্ষম হই যে একজনের ক্ষতি মানেই সবার ক্ষতি। আমরা তাদের এমন এক পর্যায়ে নিয়ে আসতে পারি যেখানে তারা ধর্মঘটের ভাতার চেয়ে পারস্পরিক সহায়তার ওপর বেশি ভরসা করবে। তারা জরিমানা দিতে অস্বীকার করে একসাথে শত শত মানুষ জেলে যাবে।
* এই অনবরত সক্রিয়তাই হলো একজন আন্দোলনকারীর কাজ। তাদের নতুন কী কাজ দেওয়া যায় তা ভাবতে গিয়ে আমরা অনেক রাত জেগে কাটিয়েছি। লরেন্সের কথা মনে পড়ে যখন আমাদের কেউ এক রাত ঘুমাতে পারিনি। কাজের অভাবে ধর্মঘটের উদ্দীপনা তখন কমে যাওয়ার ঝুঁকিতে ছিল। আমার মনে আছে [[বিল হেউড]] শেষ পর্যন্ত বলেছিলেন, "চলো এসেক্স স্ট্রিটে পিকেট লাইন তৈরি করি। প্রতিটি ধর্মঘটী একটি করে ছোট লাল ফিতা পরবে এবং রাস্তায় পায়চারি করে বুঝিয়ে দেবে যে ধর্মঘট ভেঙে যায়নি।" কয়েক দিন পর সেই পরামর্শ কার্যকর করা হয়। যখন তারা বাড়ি থেকে বেরিয়ে নিজেদের বিশাল সংখ্যাটি দেখল, তখন তারা নতুন শক্তি ও উদ্যম ফিরে পেল। এটি তাদের ধর্মঘটকে আরও অনেক সপ্তাহ এগিয়ে নিতে সাহায্য করেছিল।
* মানুষ কাজের মাধ্যমেই কাজ শেখে। ধর্মঘটে আমাদের কোনো সামরিক বাহিনী নেই যাকে "এটি করো" বা "ওটি করো" বললেই তারা নিখুঁতভাবে মেনে চলবে। গণতন্ত্রের মানে হলো ভুল করা এবং অনেক ভুল করা। তবে এর মানে অভিজ্ঞতা অর্জন করাও যাতে সেই ভুলগুলোর পুনরাবৃত্তি না হয়।
* নিয়োগকর্তারা আপনার বাহিনীর সবটুকু দেখতে পান। কিন্তু আপনি তাদের বাহিনীর কিছুই দেখতে পান না এবং কেবল তাদের অবস্থা অনুমান করতে পারেন।
===[https://www.marxists.org/subject/women/authors/flynn/1916/patriotism.htm "ডু ইউ বিলিভ ইন প্যাট্রিওটিজম?"] (মার্চ, ১৯১৬)===
''দ্য মাসেস'' পত্রিকায় প্রকাশিত।
* প্রশ্নটি কি এমন হওয়া উচিত 'আমেরিকা আগে' নাকি 'দুনিয়ার মজদুর, এক হও!'
* যাদের এই দেশ আছে, যারা যুদ্ধের প্রস্তুতির জন্য চিৎকার করছে এবং তা থেকে মুনাফা লুটছে, তাদের নিজেদের সম্পদ রক্ষার জন্য তাদেরকেই লড়তে দাও।
* আমি রাজা বা কাইজারের শাসনের মতো [[রকফেলার]] এবং [[মরগান|মরগানের]] শাসনকেও ঘৃণা করি। বেলজিয়ামের ঘটনায় আমি যতটা ক্ষুব্ধ, লুডলো এবং ক্যালুমেটের ঘটনায় আমি ততটাই লজ্জিত ও ক্ষুব্ধ।
* আমাদের শ্রমিকদের অধিকাংশ হলো বিদেশি, যারা এক বা দুই প্রজন্ম আগে এখানে এসেছে। তাদের ইউরোপীয় পারিবারিক টান এবং আমেরিকান পরিবেশের কারণে এই বৈচিত্র্যময় জনগোষ্ঠীর জন্য আন্তর্জাতিকতাবাদই যৌক্তিক দেশপ্রেম হয়ে ওঠে।
* যে ট্রেনে বসে আমি এই লেখাটি লিখছি, সেটি এমন সব কারখানার পাশ দিয়ে দ্রুত বেগে ছুটে চলেছে যেখানে সোনার বিনিময়ে হত্যার সরঞ্জাম তৈরি করা হয়।
===[https://www.marxists.org/subject/women/authors/flynn/1941/mayday.htm "মে ফার্স্ট: দ্য সান অফ টুমরো"] (৬ মে, ১৯৪১)===
* এটি জাতি, ধর্ম, বর্ণ এবং জাতীয়তার সমস্ত পার্থক্যকে মুছে দেয়। এটি সর্বত্র সকল শ্রমিকের ভ্রাতৃত্বকে উদযাপন করে। এটি সমস্ত জাতীয় সীমানা অতিক্রম করে, সমস্ত ভাষার বাধা পেরিয়ে যায়, সমস্ত ধর্মীয় বিভেদকে উপেক্ষা করে। এটি সারা বিশ্বে সমস্ত শ্রমিক এবং সমস্ত শোষণকারীদের মধ্যে অলঙ্ঘনীয় ফাটলকে স্পষ্ট করে তোলে। এটি সেই দিন যখন শ্রেণি সংগ্রামের লড়াকু তাৎপর্য প্রতিটি সচেতন শ্রমিকের মাধ্যমে পুনরায় নিশ্চিত হয়।
* জ্ঞানদীপ্ত শ্রমিকের কাছে এই দিনটি একটি নতুন বিশ্ব, একটি শ্রেণিহীন বিশ্ব, একটি শান্তিপূর্ণ বিশ্ব, দারিদ্র্য বা দুঃখহীন বিশ্বের পূর্বাভাস। এটি সমাজতন্ত্রের এক উজ্জ্বল প্রতিশ্রুতি, মানবজাতির প্রকৃত ভ্রাতৃত্ব। ১৯৪১ সালের এই দিনে লেনিনের সেই বিজ্ঞ বাণী “জীবন নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করবেই। কমিউনিস্টদের অবশ্যই জানতে হবে যে ভবিষ্যৎ তাদেরই,” ব্রাউডার এবং থেলম্যান ও আরও অসংখ্য মানুষের একাকী জেলখানাকে আলোকিত করবে। কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পগুলোতে বিপ্লবী গানের মৃদু সুর শোনা যাবে। সমুদ্রে, সামরিক ব্যারাকে, কারখানা বা কলের জবরদস্তিমূলক শ্রমে নিযুক্ত শ্রমিকদের হৃদস্পন্দন তাদের সাথে মিলে যাবে যারা বহুদূরে মস্কোর রেড স্কয়ারে উত্তাল সংগীতের তালে লাল পতাকার পেছনে আনন্দভরে প্যারেড করছে। ইউরোপের পরিখায় থাকা সৈনিকরা, ফ্রাঙ্কোর অন্ধকূপের বন্দিরা, হিটলারের নরককুণ্ডের এবং মুসোলিনির কারাগারের বন্দিরা দাঁতে দাঁত চেপে বিড়বিড় করে বলবে, “তোমাদের দিন ফুরিয়ে আসছে। তোমরা জনগণের চূড়ান্ত বিজয় রুখতে পারবে না!”
* মে দিবস আমেরিকান শ্রমিকদের রক্তে দীক্ষিত হয়েছিল।
* ফাঁসির দড়ি গলায় শক্ত হওয়ার সময় [[আলবার্ট পারসন্স|পারসন্স]] চিৎকার করে বলেছিলেন, "জনগণের কণ্ঠস্বর শুনতে দাও!" গতকালের বীর শহিদ, মে দিবসে এই কণ্ঠস্বর শোনা গেছে এবং সবসময় শোনা যাবে! এই বছর শিকাগোর ইন্টারন্যাশনাল হারভেস্টার ওয়ার্কসের নবসংগঠিত বিজয়ী ধর্মঘটীরা মে মাসের এক তারিখে তোমাদের নামকে পবিত্র করবে।
* জার্মানির সাহসী সমাজতন্ত্রী নারী [[রোজা লুক্সেমবার্গ]], যাকে পরে সামরিকবাদীরা নির্মমভাবে হত্যা করেছিল, ১৯১৩ সালে বিশ্বযুদ্ধের বিরুদ্ধে সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন। তিনি মে দিবসকে শান্তি ও সমাজতন্ত্রের জন্য এক শক্তিশালী গণবিক্ষোভে পরিণত করার আহ্বান জানিয়েছিলেন। “দুনিয়ার মজদুর, এক হও!” মে দিবসে এটিই ছিল জোরালো দাবি। প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে চাপ দেওয়া হয়েছিল এবং প্রতিটি দেশে ও আন্তর্জাতিকভাবে আরও বেশি লড়াকু স্লোগান তোলা হয়েছিল।
* কেবল শ্রমিকদের জন্যই আন্তর্জাতিকতাবাদী হওয়া নিষেধ। অথচ [[জে. পি. মরগান]] এবং [[হেনরি ফোর্ড]]ের মতো ব্যক্তিদের জন্য এটি একদম স্বাভাবিক বিষয়। ব্যাংকার, অস্ত্র ব্যবসায়ী এবং রাসায়নিক কোম্পানিগুলোর জন্য এটি মানানসই। বিজ্ঞানী, ডাকটিকিট সংগ্রাহক, ক্রীড়া সংস্থা, সঙ্গীতশিল্পী এমনকি যারা মৌমাছি পালন করেন তাদের জন্য আন্তর্জাতিকতাবাদী হওয়া ঠিক আছে। কিন্তু শ্রমিকদের জন্য নয়। যখনই শ্রমিকরা সীমান্ত পেরিয়ে একে অপরের হাত ধরে, তখনই সব দেশে তাদের ওপর আঘাত হানা হয়। নৃতত্ত্ববিদরা যখন দুর্বোধ্য ভাষায় বলেন যে "পৃথিবীতে কেবল একটিই জাতি আছে আর তা হলো মানবজাতি", তখন সবাই তা মেনে নেয়। কিন্তু একজন শ্রমিক যখন অন্যকে "ভাই" বা "কমরেড" বলে সম্বোধন করে, তখনই বিপদ নেমে আসে। তাকে যেখান থেকে এসেছে সেখানে ফেরত পাঠানোর দাবি ওঠে। তার নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া হয়। তাকে চাকরি হারাতে হয় এবং কারাবরণ করতে হয়। যদি যিশুর মতো কোনো কণ্ঠ তাদের চ্যালেঞ্জ করে জিজ্ঞেস করে যে "নিজের মতো করে প্রতিবেশীকে ভালোবাসার কী হবে?", তখন টেক্সাসের সেই বন্য লোকটি গর্জে উঠবে। সে বলবে যে "কে এ কথা বলেছে? সে নিশ্চয়ই একজন লালপন্থী এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী!" আমাদের এই উন্মাদনায় মোটেও বিচলিত হওয়া উচিত নয়। আমাদের লেনিনের সেই শান্ত কথাগুলো মনে রাখা উচিত। তিনি বলেছিলেন যে বুর্জোয়ারা ঠিক সেভাবেই আচরণ করছে যেমনটি ইতিহাসে মৃত্যু দণ্ডপ্রাপ্ত প্রতিটি শ্রেণী করে থাকে। সংহতি ও আশার প্রতিটি সুন্দর মে দিবস আমাদের দীর্ঘমেয়াদী দৃষ্টিভঙ্গি লালন করার কথা মনে করিয়ে দেয়। সামনের রাস্তা হয়তো অনেক বেশি বন্ধুর হতে পারে, কিন্তু এটি পেছনের রাস্তার চেয়ে অনেক ছোট।
* মে দিবসে আমরা সোভিয়েত ইউনিয়নকে অভিবাদন জানাই। এটি সমাজতন্ত্রের দেশ এবং শান্তি ও প্রাচুর্যের দেশ। অনাদিকাল থেকে এটি শ্রমজীবী মানুষের এক মহান আদর্শ। এটি সকল মেহনতি মানুষের এক সহযোগিতামূলক সাধারণতন্ত্র।
* যুদ্ধবাজরা চিৎকার করুক এবং মুনাফালোভীরা আস্ফালন করুক। মে দিবসে আমেরিকার লক্ষ লক্ষ শ্রমিক জবাব দিচ্ছে যে "আমরা বিচলিত হব না"। যতক্ষণ আমরা সংগঠিত হচ্ছি এবং লড়াই করছি, ততক্ষণ হতাশ হওয়ার বা ক্লান্ত হওয়ার কিছু নেই। আমরা যা জয় করেছি তা যতক্ষণ শক্ত হাতে ধরে রাখছি এবং আরও অর্জনের জন্য এগিয়ে যাচ্ছি, ততক্ষণ ভয়ের কিছু নেই। আমেরিকার ছিয়াশি শতাংশ মানুষের মধ্যে যুদ্ধবাজ রুজভেল্ট-উইলকি গোষ্ঠীর প্রতি যতক্ষণ অটল প্রতিরোধ আছে, ততক্ষণ বিজয় আমাদেরই। সংগঠিত হও। লড়াই করো। সামনের দিকে এগিয়ে যাও। এটাই ১৯৪১ সালে আমেরিকার মে দিবসের চেতনা।
* যুদ্ধে অংশ না নেওয়ার জন্য সংগঠিত হোন এবং লড়াই করুন! আমেরিকানসহ সকল সাম্রাজ্যবাদ ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে!
* ১৯৪১ সালের পহেলা মে বিশ্বজুড়ে লক্ষ লক্ষ মানুষের হৃদয়ে, মনে এবং মুখে শান্তি ও সমাজতন্ত্রের কথা ধ্বনিত হচ্ছে। “আগামীকালের সূর্য” আমাদের ওপর আলোকিত হচ্ছে। ভবিষ্যৎ আমাদের।
=== আদালতে ভাষণ, স্মিথ অ্যাক্টের অধীনে অভিযুক্ত (১৯৫২) ===
এস. মিশেল নিক্স সম্পাদিত ''উইমেন অ্যাট দ্য পডিয়াম: মেমোরবল স্পিচেস ইন হিস্ট্রি'' গ্রন্থ থেকে।
* আমি বা আমার কমরেডদের কেউই বলপ্রয়োগ ও সহিংসতার মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকারকে উৎখাত করার কোনো ষড়যন্ত্রে দোষী নই। মৌনতাকে পরাজয়বাদ হিসেবে গণ্য করা হতে পারে, কিন্তু সত্য হলো আমি আমাদের নির্দোষিতার বিষয়ে এতটাই শান্ত ও সচেতন যে, আমাকে কারারুদ্ধ করা যেতে পারে কিন্তু আমাকে সংশোধন করা, সংস্কার করা বা পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। আমার শরীরকে বন্দি করা যেতে পারে কিন্তু আমার চিন্তাভাবনা স্বাধীন ও অপ্রভাবিত থাকবে। সমগ্র মানব ইতিহাস প্রমাণ করেছে যে ধারণা বা চিন্তাকে কারাগারে বন্দি করা যায় না। সেগুলোর মোকাবিলা কেবল জনসমক্ষে আলোচনার মাধ্যমেই সম্ভব।
* পুঁজিবাদী ব্যবস্থার অধীনে যে রাজনৈতিক, শিল্পগত ও সামাজিক পরিস্থিতি আমাদের চিন্তাধারা তৈরি করেছিল, তা এখনও বিদ্যমান। এগুলো অসংখ্য মানুষের মনে একই ধরনের চিন্তা তৈরি করবে এবং আমাদের বিশ্বাসকে আরও শক্তিশালী করবে। কারাগার কখনোই সেইসব দৃঢ়প্রতিজ্ঞ মানুষকে প্রভাবিত করতে পারে না যারা নিজেদের আদর্শের জন্য বাঁচে, কাজ করে এবং প্রয়োজনে মৃত্যুবরণ করে। আমরা কমিউনিস্টরা তেমনই মানুষ। মিথ্যা, হিস্টিরিয়া, কুসংস্কার এবং বিশেষ করে ভয়ের কুয়াশা একবার কেটে গেলে আমি আমেরিকার মানুষের চূড়ান্ত ন্যায়বিচারের ওপর আস্থা রাখি। নিজের দেশকে ভয়ের কবলে দেখা এক ভয়াবহ বিষয়। এই ভয় অপ্রয়োজনীয়, নির্বোধ এবং মূর্খতাপূর্ণ। এটি কাল্পনিক শত্রুর ভয়, আমাদের মিত্র ও বন্ধুদের ভয়। এটি গুপ্তচরদের আঙুল তোলার ভয় এবং নিজের চাকরি, নাগরিকত্ব বা সমাজে নিজের অবস্থান হারানোর ভয়। বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার অপচয়কারী এবং দম্ভোক্তি ও দমন-পীড়নকারী এই পুরো সরকারি আমলাতন্ত্র আসলে ভয়ের অন্ধকারে দাঁড়িয়ে শিস দিচ্ছে এবং পুরো পৃথিবীকে আমাদের ভয়ে আতঙ্কিত করার চেষ্টা করছে।
* মুষ্টিমেয় কিছু আতঙ্কিত ধনীর মাধ্যমেই এই সংক্রমণ ছড়িয়েছে। এরা সেইসব ট্রাস্টের লোক যারা নিজেদের দেশের চেয়ে শেয়ার আর বন্ডকে বেশি ভালোবাসে। তাদের দেশপ্রেম সবসময় মুনাফার হারের ওপর নির্ভরশীল। তারা কেবল নিজের দেশের মানুষ নয়, বরং পুরো মানবজাতিকে শাসন ও শোষণ করতে এবং তাদের বিরুদ্ধে সহিংসতা চালাতে চায়। নিজেদের নীচ ও স্বার্থপর শাসনব্যবস্থা এবং জীবনধারা বজায় রাখার জন্য তারা পারমাণবিক যুদ্ধের মাধ্যমে পুরো পৃথিবীকে রক্তগঙ্গায় ভাসিয়ে দিতেও দ্বিধা করবে না। এই পদ্ধতি তারা এমন সব মানুষের ওপর চাপিয়ে দিতে চায় যারা এটি চায় না। বিপদ যত বড়ই হোক না কেন, আমার বিশ্বাস যে আমাদের দেশে ফ্যাসিবাদের জয় কখনোই হবে না। ১৯৩৫ সাল থেকে সেই বিপদের সংকেত দেওয়ার ক্ষেত্রে আমাদের দল যে ভূমিকা রেখেছে, তা নিয়ে আমি গর্বিত।
* খুব শীঘ্রই ১৮০০ সালের এলিয়েন অ্যান্ড সেডিশন ল, ষাটের দশকের ফিউজিটিভ স্লেভ ল এবং ১৯২০-এর দশকের ক্রিমিনাল সিন্ডিকালিস্ট আইনের মতো স্মিথ অ্যাক্টও বাতিলের খাতায় চলে যাবে।
* আদালত কক্ষ, মধ্যবিত্ত জুরি এবং সংবাদমাধ্যমকে ঘিরে থাকা এই কুয়াশা সাধারণ মানুষের মাঝ থেকে অচিরেই কেটে যাবে। এই সাধারণ মানুষরা কখনোই ফেডারেল জুরিতে জায়গা পায় না। কারণ তাদের চেহারা আর চালচলন সেইসব কট্টর রাজনৈতিক ব্যক্তিদের সন্তুষ্ট করতে পারে না যারা নিজেরা ভাষাগত ভুলে ভরা এবং বিত্তবানদের তোষামোদ করে চলে।
* দমনমূলক আইন, আনুগত্যের শপথ, সংসদীয় তদন্ত, রাজনৈতিক বিচার এবং এই জাতীয় অন্যায়ের বিরুদ্ধে আমাদের দেশে একটি গণ-আন্দোলন জেগে উঠছে। এটি যেন প্রেইরি অঞ্চলের এক শক্তিশালী ও সতেজ বাতাসের মতো।
* ধর্মাবতার, আমি গত শুক্রবার আপনাকে একটি প্রশ্ন করেছিলাম যা আমি আবারও করছি। যদি কমিউনিস্ট পার্টি অবৈধ না হয়, এর সদস্যপদ এবং পদাধিকারী হওয়া অবৈধ না হয়, যদি সমাজতন্ত্রের কথা বলা অবৈধ না হয় কিংবা প্রতিদিনের জনকল্যাণমূলক কাজের প্রচার করা অবৈধ না হয়, তবে বিবেক অনুযায়ী এখানে অবৈধ কোনটি? আমরা কিসের জন্য দোষী?
* আমার এই দীর্ঘ জীবনে আমি কখনো ভাবিনি যে আমাকে বইয়ের জন্য জেলে যেতে হবে। এমনকি পুরো বই নয়, বরং কিছু ছেঁড়া অংশ আর উদ্ধৃতির জন্য। আমি যদি গত সাতচল্লিশ বছরের মতো আমার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যাই এবং ইউনিয়নবাদ, গণতান্ত্রিক অধিকার, কৃষ্ণাঙ্গ ও নারীদের অধিকার এবং শান্তি ও সমাজতন্ত্র নিয়ে কথা বলি, তবে তখন কী ঘটবে, ইয়োর অনার?
* ধর্মাবতার, জরিমানার কথা যদি বলি তবে আমার মালিকানায় থাকা সমস্ত বৈষয়িক সম্পদ হলো সেই বইগুলো যা আমি ষোলো বছর বয়সে টম পেইনের 'কমন সেন্স'-এর একটি পেপারব্যাক কপি কেনার পর থেকে সংগ্রহ করেছি। এগুলো খুব ভালো বই। এর মধ্যে কবিতা, নাটক, ইতিহাস, রাজনীতি, অর্থনীতি, দর্শন, শিল্প, সঙ্গীত এবং সাহিত্য রয়েছে। শেক্সপিয়র, শ এবং এমারসনের পাশে সেখানে মার্ক্স আর এঙ্গেলস আছেন। থরো, জেফারসন এবং হুগোর পাশে সেখানে লেনিন আর স্টালিন আছেন। আমার ওই বইয়ের তাকে শক্তি এবং সহিংসতাও আছে, তবে সরকার যেখানে খুঁজছে সেখানে নয়। এটি রয়েছে আইরিশ ইতিহাসে যেখানে ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে দীর্ঘ ও রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের কথা বলা হয়েছে। এটি আছে আমেরিকার শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাসে এবং আমেরিকার বিপ্লব ও গৃহযুদ্ধের ইতিহাসে। এটি কৃষ্ণাঙ্গ মানুষের সংগ্রামের মাঝেও আছে। ইয়োর অনার, আমার তাকে বাইবেলও আছে। সেখানেও ইহুদি গোষ্ঠী, যিশু ও তার শিষ্যদের বিরুদ্ধে এবং আদি খ্রিস্টান শহীদদের ওপর চলা সহিংসতার কথা বলা হয়েছে।
* শক্তি প্রয়োগ এবং সহিংসতা সবসময় শাসক শ্রেণীর কাছ থেকে আসে, সাধারণ মানুষের কাছ থেকে নয়।
===''দ্য রেবেল গার্ল: অ্যান অটোবায়োগ্রাফি, মাই ফার্স্ট লাইফ'' (১৯৫৫)===
*আমাদের শৈশবের একটি অবিস্মরণীয় ট্র্যাজেডি ছিল ১৯০৪ সালে জেনারেল স্লোকাম নামক প্রমোদ তরণীটি পুড়ে যাওয়া।
* এই বইটি ([[এডওয়ার্ড বেলামি|এডওয়ার্ড বেলামির]] 'লুকিং ব্যাকওয়ার্ড') প্রথম এ দেশে সমাজতন্ত্রের ধারণাটিকে জনপ্রিয় করেছিল। এটি ছিল পুঁজিবাদের একটি তীব্র সমালোচনা যা অনেক আমেরিকানকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছিল এবং তারা ক্রমবর্ধমান [[একচেটিয়া|একচেটিয়াগুলোর]] উত্থানের সেই দিনগুলোতে এর সাথে একমত হয়েছিল।
* দরিদ্র যুবসমাজের প্রতি তার ([[পিটার ক্রোপটকিন|পিটার ক্রোপটকিনের]]) সেই আবেদন আমাকে ব্যক্তিগতভাবে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছিল। আমার মনে হয়েছিল তিনি যেন ব্রঙ্কসে আমাদের সেই জীর্ণ ও দারিদ্র্যপীড়িত ফ্ল্যাটে বসে আমাদের উদ্দেশ্যেই কথা বলছেন। তিনি বলেছিলেন, "তোমাকেও কি তোমার বাবা-মায়ের মতো ত্রিশ বা চল্লিশ বছর ধরে একই ক্লান্তিকর অস্তিত্ব টেনে নিয়ে যেতে হবে? অন্যদের জন্য সুস্বাস্থ্য, জ্ঞান আর শিল্পের সমস্ত আনন্দ জোগাড় করতে গিয়ে কি তোমাকেও সারাজীবন হাড়ভাঙা খাটুনি খাটতে হবে এবং নিজের জন্য কেবল এক টুকরো রুটি জুটবে কি না সেই চিরস্থায়ী উদ্বেগটুকু রেখে দিতে হবে?"
* আমার মনে পড়ে এমন আরেকটি বই যা আমার জীবনে তাৎক্ষণিক পরিবর্তন এনেছিল, সেটি হলো [[আপটন সিনক্লেয়ার|আপটন সিনক্লেয়ারের]] 'দ্য জঙ্গল'। এটি পড়ার পর আমি তৎক্ষণাৎ নিরামিষাশী হয়ে গিয়েছিলাম!
*সেই সময়ে (১৯০৬ সালের দিকে) আমি আরও দুটি বই পড়েছিলাম, যা আমাকে সমাজতান্ত্রিক কর্মকাণ্ডে ঝাঁপিয়ে পড়তে সাহায্য করেছিল। একটি ছিল মেরি উলস্টোনক্র্যাফট রচিত 'ভিন্ডিকেশন অফ দ্য রাইটস অফ উইমেন' এবং অন্যটি ছিল আগস্ট বেবেলের 'উইমেন অ্যান্ড সোশ্যালিজম'।
* নারীদের ইউনিয়নভুক্ত করার কাজ তখনও খুব একটা শুরু হয়নি, এমনকি সুঁই-সুতার কাজের মতো পেশাতেও যেখানে তাদের প্রাধান্য ছিল বেশি। সমান সুযোগ, সমান মজুরি এবং সংগঠিত হওয়ার অধিকার ছিল সেই সময়ের নারী শ্রমিকদের প্রধান দাবি এবং দুর্ভাগ্যবশত এই দাবিগুলো আজও আমাদের মাঝে রয়ে গেছে। [[স্যামুয়েল গোম্পার্স|স্যামুয়েল গোম্পার্সের]] মতো অনেক ইউনিয়ন নেতা, যিনি আমেরিকান ফেডারেশন অফ লেবার-এর সভাপতি ছিলেন, তিনি নারী শ্রমিকদের সংগঠিত হওয়ার যোগ্য বা নির্ভরযোগ্য বলে মনে করতেন না। "তারা কেবল হাতখরচের জন্য কাজ করে" এটিই ছিল সাধারণ অভিযোগ। নারী শ্রমিকরা নিজেরাও বাইরের কাজকে একটি সাময়িক ও প্রয়োজনীয় আপদ হিসেবে দেখতেন যা কেবল বাবার বাড়ি থেকে স্বামীর বাড়িতে যাওয়ার মাঝখানের একটি সময় কাটানোর পথ ছিল। বাবা এবং স্বামীরা নারীদের মজুরি সংগ্রহ করতেন এবং কখনও কখনও সরাসরি কোম্পানির অফিস থেকেই তা নিয়ে নিতেন। নারীদের নিজেদের উপার্জনের ওপর কোনো আইনি অধিকার ছিল না। কর্মজীবী মায়েদের বিশেষ প্রয়োজন এবং সমস্যাগুলো সংখ্যায় অনেক এবং জরুরি হওয়া সত্ত্বেও সেগুলো নিয়ে কোনো বিবেচনা করা হতো না। এমনকি নারীদের পোশাকও তাদের কাজে বাধা সৃষ্টি করত। মাটির সাথে লেগে থাকা লম্বা স্কার্ট, বড় ঢিলেঢালা হাতা এবং বিশাল সব টুপি তাদের জন্য ছিল অসুবিধাজনক। আপনার স্কার্ট যদি জুতোর ওপর পর্যন্ত থাকত, তবে তখনও আপনাকে কেবল "একটি মেয়ে" হিসেবেই গণ্য করা হতো।
*নারীদের ভোটাধিকারের সংগ্রাম দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছিল এবং শক্তিশালী হচ্ছিল। এটি ১৮৪৮ সালে নিউ ইয়র্কের সেনেকা ফলসে প্রথম সমানাধিকার সম্মেলনের মাধ্যমে শুরু হয়েছিল, যার নেতৃত্বে ছিলেন এলিজাবেথ ক্যাডি স্ট্যান্টন এবং সুসান বি অ্যান্থনি এবং যেখানে মহান নিগ্রো নেতা ফ্রেডরিক ডগলাস ভাষণ দিয়েছিলেন। ভোটাধিকার কর্মীদের বিদ্রূপ করা হয়েছিল, ভিড়ের দ্বারা আক্রান্ত হতে হয়েছিল, হলরুম দিতে অস্বীকার করা হয়েছিল, ভোট দেওয়ার চেষ্টার জন্য গ্রেপ্তার করা হয়েছিল এবং পরিবার থেকে ত্যাজ্য করা হয়েছিল। ১৯০৪ সালের মধ্যে কর্মজীবী নারীদের বিভিন্ন দল, বিশেষ করে সমাজতন্ত্রী নারীরা ভোটের দাবিতে একত্রিত হতে শুরু করে। দুই বছর পর নিউ ইয়র্কের ইস্ট সাইডে এই নারীদের ভোটাধিকার আন্দোলনের উদ্যোগেই আন্তর্জাতিক নারী দিবসের জন্ম হয়। এটি সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে এবং আজ সর্বজনীনভাবে পালিত হয়, যদিও এখানে একে "একটি বিদেশি উৎসব" হিসেবে অবজ্ঞা করা হয়।
*ভোটাধিকার আন্দোলন আরও লড়াকু হয়ে উঠছিল এবং মড ম্যালনের মতো ব্যক্তিত্বরা আবির্ভূত হয়েছিলেন। তিনি ১৯০৫ সালে হারলেম ইকুয়াল রাইটস লিগ গঠন করেন। তিনি ৩,০০০ মানুষের এক সভায় থিওডোর রুজভেল্টকে থামিয়ে দিয়ে দাবি করেছিলেন যে নারী ভোটাধিকারের বিষয়ে তার অবস্থান কী। আমরা যখন ব্রডওয়েতে রাস্তার পাশে সভা করতাম, তখন তিনি সেখানে স্যান্ডউইচ ম্যানের মতো সামনে-পেছনে "নারীদের জন্য ভোট" লেখা সাইনবোর্ড নিয়ে পায়চারি করতেন এবং এর ফলে তাকে লাইব্রেরিয়ানের পদ হারাতে হয়েছিল।
*রাস্তার মোড়ে ভোটাধিকার কর্মীদের ভাষণের সময় সবসময় বলা হতো: "বাড়ি যাও এবং থালা-বাসন মাজো," অথবা তাদের বয়স নির্বিশেষে বলা হতো: "তোমার বাচ্চাদের দেখাশোনা কে করছে?" অন্যরা বলত: "কল্পনা করো একজন অন্তঃসত্ত্বা নারী অফিসের পদের জন্য লড়ছেন," অথবা "নারীরা কীভাবে জুরির দায়িত্ব পালন করবে এবং পুরুষ জুরিদের সাথে একই ঘরে বন্দি থাকবে?"
*একটি প্রচলিত ধারণা ছিল যে "নারীর কাজ" কেবল গৃহস্থালির মধ্যেই সীমাবদ্ধ। "নারীর স্থান ঘরে" এটাই ছিল সাধারণ রব। পুরুষদের চাকরি কেড়ে নেওয়ার জন্য নারীদের সবসময় অভিযুক্ত করা হতো।
*আমি তখনও বলেছিলাম এবং আজও বিশ্বাস করি যে, পুঁজিবাদী ব্যবস্থার অধীনে নারীদের পূর্ণ সুযোগ পাওয়া এবং মানুষের সমস্ত প্রচেষ্টার ক্ষেত্রে স্বাধীন ও সমান নাগরিক হওয়া সম্ভব নয়, যদিও সুসংগঠিত সংগ্রামের মাধ্যমে অনেক দাবিই আদায় করা হয়েছে।
*"বিগ" [[বিল হেউড]] যখন জেল থেকে বেরিয়ে এলেন তখন তিনি একজন বীর এবং শ্রমিক সংহতির এক সার্থক প্রতীকে পরিণত হয়েছিলেন। একজন সাংবাদিক তাকে বিশাল দেহ এবং তীক্ষ্ণ বুদ্ধি ও অসীম সাহসের মানুষ হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন। তিনি সোশ্যালিস্ট পার্টি এবং তাকে রক্ষাকারী শ্রম সংগঠনগুলোর অধীনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় এক বর্ণাঢ্য সফর করেছিলেন। তিনি অত্যন্ত বাস্তবধর্মী ও নাটকীয় বক্তা ছিলেন। আমার মনে পড়ে তাকে বলতে শুনেছিলাম যে আমি পশ্চিমের সেই দুই পিস্তলধারী মানুষ এবং যখন দর্শকরা দম বন্ধ করে অপেক্ষা করছিল তখন তিনি এক পকেট থেকে তার ইউনিয়ন কার্ড এবং অন্য পকেট থেকে সোশ্যালিস্ট কার্ড বের করেছিলেন।
*১৯০৭ সালে ময়ার, হেউড এবং পেটিবোনকে মুক্ত করার অভিযানের সময় নিউ জার্সি অঙ্গরাজ্যের নেওয়ার্কে সোশ্যালিস্ট লেবার পার্টির আয়োজিত একটি সভায় আমাকে বক্তা হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল... এই সভাটি আমার জীবনের একটি অবিস্মরণীয় ঘটনা কারণ এখানেই আমি প্রথম জেমস কনেলির সাথে পরিচিত হই। তিনি ছিলেন আইরিশ সমাজতন্ত্রী বক্তা, লেখক এবং শ্রমিক সংগঠক, যিনি এর নয় বছর পর ১৯১৬ সালে ডাবলিনের ইস্টার উইক অভ্যুত্থানে আয়ারল্যান্ডের স্বাধীনতার জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন... তিনি ছিলেন খাটো, কিছুটা স্থূলকায়, বড় কালো গোঁফওয়ালা একজন সাধারণ চেহারার মানুষ। তার কপাল ছিল বেশ উঁচু এবং কালো বিষণ্ণ চোখ। তিনি খুব কম হাসতেন। একজন পণ্ডিত এবং চমৎকার লেখক হওয়া সত্ত্বেও, গ্লাসগোতে দীর্ঘকাল বসবাসের কারণে তার কণ্ঠস্বরে উত্তর আয়ারল্যান্ডের টান এবং স্কচ উচ্চারণের মিশ্রণ ছিল, যা আমেরিকান দর্শকদের জন্য বোঝা কিছুটা কঠিন ছিল... কনেলি আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর জন্য কাজ করতেন এবং কুপার স্কয়ারে তার একটি অফিস ছিল। তিনি ছিলেন একজন চমৎকার সংগঠক, যা জেমস লার্কিনের সাথে আইরিশ ট্রান্সপোর্ট ওয়ার্কার্সদের জন্য তার পরবর্তী কাজগুলো প্রমাণ করেছিল... তিনি গভীরভাবে অনুভব করতেন যে আয়ারল্যান্ডের জাতীয় মুক্তির সংগ্রামের প্রতি আমেরিকান সমাজতন্ত্রীরা যথেষ্ট সহানুভূতি বা বোঝাপড়া দেখায়নি। এখানকার আইরিশ শ্রমিকদের সমাজতন্ত্রীরা খুব সহজেই "প্রতিক্রিয়াশীল" হিসেবে বর্জন করত এবং আইরিশ-আমেরিকান শ্রমিকদের কাছে সমাজতন্ত্রের বার্তা পৌঁছে দেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত প্রচেষ্টা ছিল না... তিনি 'দ্য হার্প' নামে একটি মাসিক পত্রিকা প্রকাশ করতেন। সেখানে তার নিজের লেখা অনেক কবিতা প্রকাশিত হতো। কুপার ইউনিয়ন বা ইস্ট সাইডের অন্য কোনো হলের দরজায় তাকে জরাজীর্ণ পোশাকে দাঁড়িয়ে নিজের ছোট কাগজটি বিক্রি করতে দেখা যেত, যা ছিল এক করুণ দৃশ্য। যেসব সম্পদশালী আইরিশরা তার মৃত্যুর পর তার প্রতি গভীর প্রশংসা প্রকাশ করেছিল, তাদের কেউই সেই সময় তার দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়নি। জিম কনেলি তাদের কাছে অভিশপ্ত ছিলেন কারণ তিনি ছিলেন একজন "সমাজতন্ত্রী"। তার কোনো মিথ্যে অহংকার ছিল না এবং তিনি নিজে উদাহরণ সৃষ্টি করে অন্যদের ছোটখাটো কাজ করতে উৎসাহিত করতেন। রাস্তার সভাগুলোতে তিনি তাদেরই "সভার সভাপতিত্ব" করতে রাজি করাতেন যাদের কথা বলার কোনো অভিজ্ঞতা ছিল না, যাতে তারা প্রশিক্ষণ পেতে পারে। আইরিশ শ্রমিকদের কাছে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে কনেলির এক বিরল দক্ষতা ছিল, যা তার বিশাল জ্ঞান থেকে জন্ম নিয়েছিল। প্রয়োজনে তিনি সত্যকে অত্যন্ত তীক্ষ্ণ এবং জোরালোভাবে বলতেন।
*আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর আগমন ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা এবং ১৯০৫ থেকে ১৯২০-এর দশকের শুরু পর্যন্ত এটি আমেরিকান শ্রম অঙ্গনে একটি বিশাল ধূমকেতুর মতো পথ দেখিয়েছিল। এটি শ্রমিক ইতিহাসের নতুন অধ্যায় তৈরি করেছিল এবং শ্রমিক আন্দোলনে এক অমোঘ ছাপ রেখে গিয়েছিল। আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. ছিল একটি লড়াকু এবং সংগ্রামী শ্রমিক শ্রেণির ইউনিয়ন। মালিক শ্রেণি দ্রুত এটি বুঝতে পেরেছিল এবং এর জন্মের পর থেকেই লড়াই শুরু করেছিল। আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. নিজেকে দরিদ্রতম, সবচেয়ে শোষিত এবং সবচেয়ে নিপীড়িত শ্রমিকদের সমস্ত তাৎক্ষণিক প্রয়োজনের সাথে যুক্ত করেছিল। এটি তাদের অসন্তোষের "আগুনে হাওয়া" দিয়েছিল। এটি তাদের বীরত্বপূর্ণ সংগ্রামের নেতৃত্ব দিয়েছিল, যার কিছু তারা নিজেরাই সংগঠিত করেছিল। অন্য অনেক ক্ষেত্রে ধর্মঘট শুরু হওয়ার পর তারা এর নেতৃত্বে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। যিশুর বিরুদ্ধে করা সেই স্মরণীয় অভিযোগ, "সে মানুষকে উত্তেজিত করছে!" আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য ছিল। এটি পূর্বের গণ-উৎপাদন শিল্পগুলোতে অসংগঠিত ও অদক্ষ বিদেশি বংশোদ্ভূত শ্রমিকদের এবং পশ্চিমের অসংগঠিত যাযাবর শ্রমিকদের সংগঠিত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিল, যারা মূলত আমেরিকান বংশোদ্ভূত ছিল এবং নৌপরিবহন, কাঠ, কৃষি, খনি ও নির্মাণ কাজে নিয়োজিত ছিল। পূর্ব এবং দক্ষিণে এটি টেক্সটাইল, রাবার, কয়লা এবং কাঠ শিল্পের পাশাপাশি বিভিন্ন ছোট শিল্পে শ্রমিকদের কাছে পৌঁছে গিয়েছিল। যেমন, নিউ ইয়র্ক সিটিতে পোশাক, টেক্সটাইল, জুতো, চুরুট, বেত, পিয়ানো, পিতল এবং হোটেল শিল্পে আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর শাখা ছিল। পশ্চিমে কাউবয়দের জন্য আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর একটি শাখা ছিল। নেভাদার গোল্ডফিল্ড শহরের সমগ্র শ্রমিক শ্রেণিকে ১৯০৬ সালে ভিনসেন্ট সেন্ট জন আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-তে সংগঠিত করেছিলেন। এমনকি মার্কিন সেনাবাহিনীর ওয়েস্ট পয়েন্টে কর্মরত ইতালীয় শ্রমিকরাও একসময় আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-তে সংগঠিত ছিল। আমার মনে পড়ে ১৯১১ সালের দিকে আমি সেখানে তাদের সামনে ভাষণ দিয়েছিলাম। আমি ১৯০৬ সালে এতে যোগ দেই...
*আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর এই সম্মেলনে লুসি পারসন্সের সাথে দেখা করে আমি রোমাঞ্চিত হয়েছিলাম। তিনি ছিলেন আলবার্ট পারসন্সের বিধবা স্ত্রী, যাকে ২০ বছর আগে শিকাগোর কুক কাউন্টি জেলের প্রাঙ্গণে ফাঁসিতে ঝোলানো হয়েছিল। যখন তার স্বামীকে ফাঁসি দেওয়া হচ্ছিল, তখন তাকে ক্লার্ক স্ট্রিট স্টেশন হাউসে বন্দি করে রাখা হয়েছিল, যা আমাদের সেই সভার জায়গা থেকে খুব বেশি দূরে নয়... আমার মনে পড়ে মিসেস পারসন্স তরুণদের উদ্দেশ্যে আবেগপূর্ণভাবে কথা বলছিলেন এবং আমাদের সামনের দিনগুলোর সংগ্রামের গুরুত্ব সম্পর্কে সতর্ক করছিলেন, যা বিজয় আসার আগে জেল এবং মৃত্যুর দিকে নিয়ে যেতে পারে। বছরের পর বছর ধরে তিনি এক শহর থেকে অন্য শহরে ঘুরে বেড়িয়েছেন, স্থানীয় ইউনিয়নগুলোর দরজায় কড়া নেড়েছেন এবং শিকাগো বিচারের কাহিনী শুনিয়েছেন। তার স্বামী বলেছিলেন: "আমাদের নাম কলঙ্কমুক্ত করো!" এবং তিনি এটিকে তার জীবনের লক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন।
* আমি ভিনসেন্ট সেন্ট জনের চেয়ে বেশি কোনো মানুষকে শ্রদ্ধা করিনি... তাকে ডিনামাইট বহনকারী এবং বন্দুকধারী ও এক বিপজ্জনক আন্দোলনকারী হিসেবে অভিযুক্ত করা হয়েছিল। মাথার ওপর হুলিয়া নিয়ে তিনি বিভিন্ন ক্যাম্পে প্রবেশ করতেন এবং নিজের মায়ের নাম মেজি ব্যবহার করে প্রায়ই একাই শত শত মানুষকে সংগঠিত করতেন। তিনি এ দেশের জন্ম দেওয়া শ্রেষ্ঠ শ্রমিক সংগঠকদের একজন ছিলেন... তিনি শারীরিক গঠনে খাটো এবং রোগা হলেও চওড়া কাঁধের অধিকারী ছিলেন এবং তার চলাফেরা ছিল ক্ষিপ্র ও ছন্দময়। তিনি শান্ত, আত্মসংযমী এবং বিনয়ী ছিলেন কিন্তু তার বুদ্ধির তীক্ষ্ণতা ও রসবোধ যেকোনো প্রতিপক্ষকে হারিয়ে দিত... প্রকৃত লড়াইয়ের সময় সেন্টের মৃদু নীল চোখগুলো ইস্পাতের মতো কঠোর ও শীতল হয়ে উঠত। তিনি কেবল আদর্শের জন্য লড়াই করতেন এবং তখন তিনি শ্রমিকদের শত্রুদের মতোই নির্দয় হয়ে উঠতেন। শ্রমজীবী মানুষের প্রতি তার আনুগত্য ছিল সীমাহীন। ১৯০৭ থেকে ১৯১৫ সাল পর্যন্ত টানা আট বছর তিনি অর্থের অভাব এবং আইডব্লিউডব্লিউ এর অসম অগ্রগতির সাথে লড়াই করেছিলেন যার শক্তি সম্পর্কে তিনি কখনো বাড়িয়ে বলতেন না।
*আমাদের সময়ের শ্রেষ্ঠ নারী আন্দোলনকারী ছিলেন মাদার জোন্স। গ্রেপ্তার, নির্বাসন, মিলিশিয়াদের হাতে বন্দি হওয়া এবং পুলিশ ও বন্দুকধারীদের দ্বারা তাড়া ও হুমকির শিকার হওয়া সত্ত্বেও তিনি দীর্ঘ ৬০ বছর নির্ভীকভাবে কাজ করে গেছেন। ১৯০৮ সালের গ্রীষ্মে ব্রঙ্কসের একটি উন্মুক্ত সভায় আমি তাকে প্রথম দেখি। তিনি শহরের মানুষদের কঠোর সমালোচনা করছিলেন। আমরা কেন পশ্চিমের খনি শ্রমিকদের সাহায্য করছি না? আমরা কেন ডিয়াজের বিরুদ্ধে মেক্সিকোর জনগণকে সমর্থন দিচ্ছি না? তিনি বলেছিলেন, আমরা হলাম "সাদা কলিজার খরগোশ যারা কখনও মাটির ওপর পা রাখিনি।" পশ্চিমের খনি শ্রমিকদের ধর্মঘটের সময় ফেডারেল সৈন্যরা তাদের যেভাবে পশুর মতো খাঁচায় আটকে রেখেছিল এবং সেখানে যে রক্তপাত ও কষ্ট হয়েছিল, তার বর্ণনা তিনি এত জীবন্তভাবে দিয়েছিলেন যে, অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকায় মাথা ঝিমঝিম করে আমি মূর্ছা গিয়েছিলাম। তিনি তার অগ্নিঝরা ভাষণের মাঝপথে থেমে গিয়ে বলেছিলেন, "গরিব বাচ্চাটাকে একটু জল দাও!" এরপর তিনি আবার তার ভাষণ চালিয়ে যান। আমি খুব লজ্জিত হয়েছিলাম।
*পরের শীতকালে শিকাগোর হুল হাউসে রুডেউইটজ কমিটির একটি সভায় আমি মাদার জোন্সকে আবার দেখি, যেখানে আমি আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর ৮৫ নম্বর শাখা থেকে প্রতিনিধি হিসেবে গিয়েছিলাম। "ধর্মীয় হত্যা"-র জঘন্য অজুহাতে একজন তরুণ ইহুদি শ্রমিককে দেশান্তরের বিরুদ্ধে তার উত্তপ্ত, রাগান্বিত ও অবজ্ঞাপূর্ণ কথাগুলো আমি শুনেছিলাম। (জেন অ্যাডামস এবং অন্যরা সাহসিকতাপূর্ণ পক্ষ সমর্থনের মাধ্যমে তাকে নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচিয়েছিলেন)। মাদার জোন্স একটি পুরনো ধাঁচের কালো রেশমি পোশাক পরেছিলেন, যার গলায় লেস লাগানো ছিল এবং সাথে ছিল একটি লম্বা ঝুলের স্কার্ট ও ফুলে সাজানো ছোট একটি টুপি। তিনি সারা জীবনে তার পোশাকের ধরন পরিবর্তন করেননি। তাকে দেখতে হুইসলারের আঁকা মায়ের ছবির মতো মনে হতে পারে, কিন্তু এই বৃদ্ধা নারীটি মোটেও শান্ত বা স্থির ছিলেন না; যেখানেই যেতেন সেখানেই নির্ভীক আন্দোলনের বার্তা ছড়াতেন... তাকে হোটেল থেকে বের করে দেওয়া হতো। কোম্পানি শাসিত শহরগুলোতে যেসব পরিবার তাকে আশ্রয় দিত, তাদের উচ্ছেদ করা হতো। হলরুম বন্ধ করে দিলে তিনি খোলা মাঠে ভাষণ দিতেন। পশ্চিম ভার্জিনিয়ায় নদীর ওপারে খনি শ্রমিকদের সংগঠিত করার জন্য তিনি কেলি ক্রিক নদীর জল ভেঙে হেঁটে গিয়েছিলেন। একটি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করার দায়ে অভিযুক্ত হয়ে তিনি বিচারককে "দালাল" বলে ডাকেন এবং সেটি তাকে প্রমাণ করে দেখান। তিনি দালালদের তাড়ানোর জন্য ঝাড়ু, লাঠি আর থালাবাসন নিয়ে "নারীবাহিনী" গঠন করেছিলেন। "ঈশ্বর! ওই বুড়ি মা তার পাগলাটে নারীদের নিয়ে আসছে!" বলে মালিকরা যন্ত্রণায় ককিয়ে উঠত। পেনসিলভানিয়ার গ্রিনসবার্গে যখন একদল পিকেটিং করা নারীকে তাদের শিশুদেরসহ গ্রেপ্তার করে ৩০ দিনের সাজা দেওয়া হয়, তখন তিনি তাদের পরামর্শ দেন: "সারা রাত বাচ্চাদের গান শোনাও!" মাত্র কয়েক দিনের মাথায় সেই গান শুনে অতিষ্ঠ হয়ে অনিদ্রায় ভোগা শহরবাসীকে স্বস্তি দিতে পুলিশ তাদের জেল থেকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়। এক সংসদীয় শুনানিতে তাকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল: "আপনার বাড়ি কোথায়?" তিনি উত্তর দিয়েছিলেন: "কখনও আমি ওয়াশিংটনে, কখনও পেনসিলভানিয়া, অ্যারিজোনা, টেক্সাস, অ্যালাবামা, কলোরাডো বা মিনেসোটায়। আমার ঠিকানা আমার জুতোর মতো। এটি আমার সাথেই ঘোরে। যেখানে অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই হয়, সেখানেই আমি থাকি।" ১৯০৩ সালে তিনি পেনসিলভানিয়ার কেনসিংটন এলাকার টেক্সটাইল মিলের একদল শিশু শ্রমিককে নিয়ে নিউ ইয়র্কের লং আইল্যান্ডের অয়েস্টার বে-তে গিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট থিওডোর রুজভেল্টকে শিশু শ্রমের প্রমাণ দিয়ে মোকাবিলা করতে। কলোরাডোতে ১৯১৪ সালের লাডলো হত্যাকাণ্ডের পর তিনি গভর্নরের অফিস পর্যন্ত একটি প্রতিবাদ মিছিলের নেতৃত্ব দেন। পশ্চিম ভার্জিনিয়ায় তিনি বারবার বিভিন্ন গভর্নরের সাথে দেখা করতে প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং তার ভাষায় তাদের "উচিত শিক্ষা" দিয়েছেন... যখন তিনি খুব বৃদ্ধা হয়েছিলেন, তখন তিনি সাধারণ কর্মীদের সেইসব নেতাদের সম্পর্কে সতর্ক করেছিলেন যারা শ্রমিকের স্বার্থের চেয়ে নিজেদের স্বার্থকে বড় করে দেখে। মৃত্যু পর্যন্ত তিনি তার একটি মহান বিশ্বাস অটলভাবে ধরে রেখেছিলেন: "ভবিষ্যৎ শ্রমিকের শক্তিশালী ও অমসৃণ হাতের মুঠোয়!"... শুরুর দিনগুলোতে নিউ ইয়র্ক এবং শিকাগোতে প্রথম যখন তাকে দেখি, তিনি আমাকে অনেক অনুপ্রাণিত করেছিলেন, যদিও সত্যি বলতে আমি তার তিক্ষ্ণ কথাকে ভয় পেতাম। কিন্তু যখন আমি তাকে ব্রঙ্কসের সেই সভার কথা মনে করিয়ে দিয়ে বললাম যে আমি আমার সন্তানকে হারিয়েছি, তখন তিনি অত্যন্ত সহানুভূতিশীল ও দয়ালু আচরণ করেছিলেন। তার কঠোরতা কেবল মালিক, দালাল এবং অসৎ শ্রমিক নেতাদের জন্য বরাদ্দ ছিল।
* যুদ্ধ ঘোষণার পর দেশজুড়ে উন্মাদনা এবং গণসহিংসতার এক প্রবল জোয়ার বয়ে গিয়েছিল। এটি আমেরিকান জনগণের বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশের কাজ ছিল না বরং তারা ক্রমেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিল। প্রকাশ্য স্থানগুলোতে ছাপানো নোটিশ লাগিয়ে দেওয়া হয়েছিল যে আইন মানুন এবং মুখ বন্ধ রাখুন যা অ্যাটর্নি জেনারেল গ্রেগরি কর্তৃক স্বাক্ষরিত ছিল। গণসহিংসতার শিকার ব্যক্তিরা ছিলেন বৈচিত্র্যময় যেমন খ্রিস্টান ধর্মযাজক এবং কৃষ্ণাঙ্গ ও শ্বেতাঙ্গ মানুষ ও ধর্মীয় বা নৈতিক অথবা রাজনৈতিক কারণে শান্তির প্রবক্তারা। তালিকায় আরও ছিলেন সোশ্যালিস্ট এবং আইডব্লিউডব্লিউ ও নন-পার্টিসান লীগের সদস্যরা যা মধ্য-পশ্চিমের কৃষকদের মধ্যে বেশ শক্তিশালী ছিল এবং আয়ারল্যান্ডের স্বাধীনতার বন্ধু ও অন্যান্যরা। কিছু পুরুষ ও নারী যারা যুদ্ধ বা বাধ্যতামূলক সামরিক সেবা অথবা বন্ড বিক্রি নিয়ে আকস্মিক মন্তব্য করেছিলেন তাদের শরীরে আলকাতরা ও পালক মাখিয়ে অপমান করা হয়েছিল এবং কখনো অজ্ঞান হওয়া পর্যন্ত মারধর করা হয়েছিল। তাদের জাতীয় পতাকায় চুমু খেতে বাধ্য করা হয়েছিল এবং শহর থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল ও বন্ড কিনতে বাধ্য করা হয়েছিল এমনকি তাদের পিটিয়ে মারার হুমকিও দেওয়া হয়েছিল।
*গণ-সহিংসতার এই মনোভাব আমাদের দেশের অন্যতম বিপজ্জনক এবং লজ্জাজনক বহিঃপ্রকাশ ছিল, যার সবকিছুই করা হয়েছিল বিশ্বকে "গণতন্ত্রের জন্য নিরাপদ" করার নামে।
*কেট রিচার্ডস ও’হারে, যাকে আমি বর্ণনা করেছি, তিনি ছিলেন একজন বিশিষ্ট এবং অত্যন্ত কার্যকর সমাজতন্ত্রী বক্তা।
*পরবর্তীতে তার রাজনৈতিক ত্রুটি যা-ই থাকুক না কেন, প্রগতিশীল নারীরা সেই সময়ে তার জন্য খুব গর্ববোধ করতেন।
** ১৯১৭ সালের দিকে জিনেট র্যাঙ্কিন সম্পর্কে
*আমি একজন নিবেদিতপ্রাণ আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. কর্মী ছিলাম, কিন্তু ওয়ার্কার্স ডিফেন্স ইউনিয়নে আমার কর্মকাণ্ড আমাকে সমাজতন্ত্রী, নৈরাজ্যবাদী, ট্রেড ইউনিয়নবাদী, কমিউনিস্ট, ভোটাধিকার কর্মী, শান্তিবাদী, উদারপন্থী, ইন্ডিয়ান, আইরিশ জাতীয়তাবাদী এবং সোভিয়েত ও আইরিশ প্রজাতন্ত্রের সরকারি প্রতিনিধিদের সংস্পর্শে নিয়ে এসেছিল।
* ইতালীয় আন্দোলনে কার্যত কোনো নারী ছিল না তারা নৈরাজ্যবাদী কিংবা সমাজতন্ত্রী যাই হোক না কেন। কার্লোর সাথে আমি যে বাড়িতেই গিয়েছি সেখানে নারীদের সবসময় পর্দার আড়ালে বা রান্নাঘরে রান্না করতে দেখেছি এবং তারা খুব কমই পুরুষদের সাথে খেতে বসত।
* উড্রো উইলসন একজন উদারপন্থী হিসেবে সব বিষয়ে সাবলীল ও মুক্তভাবে কথা বলতেন। তবে তার দুঃখজনক কাজগুলো তার কথার বিপরীত ছিল। আত্মনিয়ন্ত্রণ এবং বিশ্বকে গণতন্ত্রের জন্য নিরাপদ করার মতো বিষয়গুলো ছিল সবচেয়ে দুর্বল। শান্তি কামনাকারী এবং রাশিয়া থেকে হাত সরাও ও আয়ারল্যান্ডের স্বাধীনতা ও রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তি এবং সবশেষে নারী ভোটাধিকারের দাবিতে আন্দোলনকারীরা তাকে প্রতিটি মোড়ে মোকাবিলা করেছিল। তার প্রশাসন ১৯১৯ থেকে ২০ সালের সেই বিশাল ইস্পাত ধর্মঘটের সম্মুখীন হয়েছিল। লিগ অফ নেশনসে যোগদানের জন্য তার পরিকল্পনাগুলো সেনেট দ্বারা পরাজিত হয়েছিল। তার প্রশাসনের সদস্যরা বিভিন্ন ইস্যুতে প্রতিবাদ জানিয়ে পদত্যাগ করেছিলেন যেমন যুদ্ধের কারণে একজন স্টেট সেক্রেটারি এবং ভোটাধিকারের প্রশ্নে নিউ ইয়র্ক বন্দরের একজন সংগ্রাহক যিনি সম্ভবত তাকে সবচেয়ে বেশি অতিষ্ঠ করেছিলেন।
* প্রথম বিশ্বযুদ্ধ আমেরিকান নারীদের জীবনে অনেক আমূল পরিবর্তন এনেছিল। এটি অভিজাত নারী ঘরানার অবসান ঘটিয়েছিল। শ্রমের অভাব ছিল প্রকট এবং প্রশিক্ষিত কর্মীর প্রয়োজন ছিল তীব্র। ১৯১৮ সালের শেষে প্রায় ত্রিশ লক্ষ নারী খাদ্য ও বস্ত্র এবং যুদ্ধ শিল্পে নিযুক্ত ছিলেন। এতদিন পর্যন্ত পুরুষের কাজ হিসেবে গণ্য হওয়া পেশাগুলো নারীদের জন্য উন্মুক্ত হয়ে গিয়েছিল। তারা রাস্তার গাড়িতে কন্ডাক্টর হিসেবে কাজ করতেন। প্রথমবারের মতো তাদের রেডিও অপারেটর হিসেবে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছিল। নারীরা সেনাবাহিনীর মোটর কর্পসে স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে কাজ করেছিলেন এবং প্রথমবারের মতো ইউনিফর্ম পরেছিলেন। ব্লুমার পরা নারী চাষিরা শহর থেকে খামারে গিয়েছিলেন। নারীরা ত্রাণ কাজ করেছিলেন এবং যুদ্ধের বন্ড বিক্রি ও সশস্ত্র বাহিনীর জন্য ক্যান্টিন পরিচালনা এবং নার্সিং ইউনিটে যোগ দিয়েছিলেন। হাজার হাজার নারী তাদের ঘর থেকে বেরিয়ে জনজীবনে প্রবেশ করেছিলেন। যুদ্ধ শেষ হলে তাদের অনেকে প্রয়োজন বা পছন্দের কারণে শিল্পক্ষেত্রেই থেকে গিয়েছিলেন।
* এলিজাবেথ ক্যাডি স্ট্যান্টন এবং সুসান বি. অ্যান্টনির মতো সাহসী নারীরা ছিলেন শুরুর দিকের অগ্রপথিক যারা গালিগালাজ ও বিদ্রূপ এবং সহিংসতা এমনকি ভোট দেওয়ার চেষ্টার জন্য গ্রেপ্তারের সম্মুখীন হয়েছিলেন। পরবর্তীতে ডক্টর [[আন্না হাওয়ার্ড শ]] এবং [[ক্যারি চ্যাপম্যান ক্যাট|ক্যারি চ্যাপম্যান ক্যাটের]] মতো নারীরা ন্যাশনাল আমেরিকান উইমেনস সাফ্রেজ অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, যা নারীদের জড়তা এবং পুরুষদের বিরোধিতার বিরুদ্ধে লড়াই করেছিল। তবে ১৯১৬ সালের মধ্যে একটি তরুণ ও সাহসী এবং আরও সংগ্রামী দল আবির্ভূত হয়েছিল যারা রাজ্য ধরে ধরে ভোটাধিকার জেতার ধীর প্রক্রিয়ায় অসন্তুষ্ট ছিল এবং একটি সাংবিধানিক সংশোধনীর জন্য লড়াই করেছিল। তারা ১৯১৬ সালে উইমেনস পার্টি গঠন করেছিল যা কেবল সেই দল ও প্রার্থীদের জন্য সমস্ত ভোটাধিকার প্রাপ্ত রাজ্যে নারীদের ভোট একত্রিত করার পরিকল্পনা করেছিল যারা জাতীয় ভোটাধিকার সমর্থন করবে। সেই বছর একদল ধনী ভোটাধিকার আন্দোলনকারী অর্থায়ন করে একটি সাফ্রেজ স্পেশাল ট্রেনে সফর করেছিলেন। তারা রিপাবলিকান প্রার্থী চার্লস ইভান্স হিউজেসের পক্ষে সরাসরি প্রচার করেননি। তবে তাদের স্লোগান ছিল উইলসন বিরোধী, যেমন উইলসনের বিরুদ্ধে ভোট দিন কারণ তিনি আমাদের ভোটাধিকার থেকে দূরে রেখেছেন। অনেকে তখন কারাগারে থাকা [[ইউজিন ভি. ডেবস|ইউজিন ভি. ডেবসের]] পক্ষে ভোট দিয়েছিলেন।
* উইমেনস পার্টি ১৯১৭ সালের জানুয়ারি থেকে ১৯১৯ সালের ১৯ মার্চ পর্যন্ত প্রায় অবিরাম পিকেটিং করেছিল। তারা হোয়াইট হাউস এবং ক্যাপিটলে পিকেটিং করেছিল এবং সামরিক প্যারেড ও উইলসনের ইউরোপ সফরের পর সংবর্ধনা এবং তার প্রস্থানের সময় অভ্যর্থনার আয়োজন করেছিল। তারা ওয়াশিংটন ও বোস্টন এবং নিউ ইয়র্কে তাকে পিকেটিং করেছিল। কেবল আইরিশরাই এমন কৌশল অবলম্বন করেছিল। পরবর্তীতে রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তির জন্য একটি চিলড্রেনস ক্রুসেড প্রেসিডেন্ট হার্ডিংকে পিকেটিং করেছিল। ভোটাধিকারের ব্যানারগুলো বিদেশি দর্শনার্থীদের উদ্দেশ্যে রাখা হয়েছিল এবং দেশে ও বিদেশে স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র নিয়ে প্রেসিডেন্ট উইলসনের দেওয়া ভাষণগুলো ভোটাধিকার আন্দোলনকারীরা স্বাধীনতার প্রহরী আগুনের পাত্রে পুড়িয়ে দিয়েছিল।
* একবার ভোটাধিকার অর্জিত হওয়ার পর নারীরা কেবল নারী হিসেবে ঐক্যবদ্ধ থাকেনি, বরং তাদের দৃষ্টিভঙ্গি এবং স্বার্থ অনুযায়ী বিদ্যমান রাজনৈতিক দল ও অন্যান্য সংগঠনে বিভক্ত হয়ে গিয়েছিল। আমি বিশ্বাস করি যে শান্তির সাধারণ লক্ষ্যটি আবারও নারীদের ঐক্যবদ্ধ করতে পারে তবে এর কিছু ব্যতিক্রম থাকতে পারে।
* ১৯২০-এর দশকে যুক্তফ্রন্ট শব্দটি ব্যবহারের কথা আমার মনে পড়ে না। এটি অনেক পরে প্রচলিত হয়েছিল। তবে সেই সময়ে আমূল সংস্কারবাদী এবং প্রগতিশীল আন্দোলনগুলো যে এই নীতির ভিত্তিতে পরিচালিত হতো তা অত্যন্ত স্পষ্ট। যারা ভোটাধিকারের পক্ষে কথা বলতেন তারা আইডব্লিউডব্লিউ-এর আর্থিক সাহায্যের আবেদনেও স্বাক্ষর করতেন এবং আইরিশ ও বন্দিদের মুক্তি সংক্রান্ত প্রতিনিধি দলে থাকতেন ও শান্তি আন্দোলনে যুক্ত হতেন। স্বাধীনতার একটি ভালো আদর্শ এবং অন্যটির মধ্যে কোনো কঠোর সীমারেখা টানা ছিল না এবং আজকের মতো প্রতিশোধের কোনো ভয় ছিল না। মানুষ ভয় পেত না যে তারা অন্য কিছুর সাথে নিজেদের যুক্ত করলে একটি আদর্শের ক্ষতি হবে। আমি আজ অবাক হই যে সেই দিনগুলোতে আমার যোগাযোগ এবং বন্ধুত্ব কতটা বিস্তৃত ও ছড়িয়ে ছিল।
* আমি তখনও আমার বিশ্বাসে একজন আইডব্লিউডব্লিউ ছিলাম এবং কোনো রাজনৈতিক দলে যোগ দিতে দ্বিধা করছিলাম যদিও রুশ বিপ্লব এবং ভোটাধিকার আন্দোলনকারী ও কমিউনিস্টদের সাথে মেলামেশা আমার দৃষ্টিভঙ্গিকে অনেকটা পরিবর্তন করছিল।
* ১৯১৭ সালের নভেম্বরে যখন রুশ বলশেভিক বিপ্লবের খবর সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ল তখন আমেরিকান শ্রমিকরা মানব ইতিহাসের এই মহান ঘটনার মাধ্যমে প্রথমবার [[ভ্লাদিমির লেনিন]] নামের এক ব্যক্তির কথা এবং সমাজতন্ত্রের সূচনা সম্পর্কে জানতে পারল। আমরা কিছু নতুন শব্দও শিখেছিলাম যা অল্প সময়ের মধ্যেই ভাষার অংশ হয়ে গিয়েছিল, যেমন “বলশেভিক” এবং “সোভিয়েত”। এমনকি আমাদের মধ্যে যারা বাম ঘরানার সমাজতন্ত্রী এবং আইডব্লিউডব্লিউ সদস্য ছিলাম তারাও রুশ সমাজতান্ত্রিক আন্দোলন সম্পর্কে কার্যত কিছুই জানতাম না। কেবল জারের নিষ্ঠুর ও রক্তক্ষয়ী শাসন উৎখাত করার দীর্ঘ ও যন্ত্রণাদায়ক লড়াইয়ের প্রতি আমাদের গভীর সহানুভূতি ছিল। রাতারাতি বলশেভিক একটি পরিচিত শব্দে পরিণত হয়েছিল, এমনকি তাদের কাছেও যারা জানত না যে এর অর্থ কেবল সংখ্যাগরিষ্ঠ এবং এটি রুশ সোশ্যাল-ডেমোক্রেটিক লেবার পার্টির একটি রাজনৈতিক বিভাজনকে বোঝায়। ডেবস বলেছিলেন যে আমি মাথার তালু থেকে পায়ের আঙুল পর্যন্ত একজন বলশেভিক। মালিকরা সংগ্রামী শ্রমিক এবং ইউনিয়ন সংগঠকদের দিকে তাকিয়ে অভিশপ্ত বলশেভিক বলে চিৎকার করত। সব ধর্মঘটকারীই স্বাভাবিকভাবেই “বলশেভিক” ছিল।
===[http://www.sojust.net/speeches/elizabeth_flynn_memories.html "মেমোরিজ অফ দ্য ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়ার্কার্স অফ দ্য ওয়ার্ল্ড"] (৮ নভেম্বর, ১৯৬২)===
* আইডব্লিউডব্লিউ... এটি হলো ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়ার্কার্স অফ দ্য ওয়ার্ল্ড এর সংক্ষিপ্ত রূপ যাকে একসময় "আই ওন্ট ওয়ার্ক" বলে ডাকা হতো। এটি ছিল অত্যন্ত বেমানান, কারণ মূলত যারা এই সংগঠনের সদস্য ছিলেন তারা এ দেশের মৌলিক এবং সবচেয়ে কঠিন পরিশ্রমের শিল্পগুলোতে কাজ করতেন। একে বিশ্বের শ্রমিক বলাটা ছিল বেশ উচ্চাভিলাষী একটি নাম। কারণ প্রকৃতপক্ষে এটি কখনোই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সীমানা ছাড়িয়ে যায়নি এবং পুরনো নাইটস অফ লেবার এর ঐতিহ্য ও সাংগঠনিক কাঠামো ধরে রাখার জন্য আমেরিকান শ্রমিকদের যে ইচ্ছা ছিল, সেখান থেকেই এর উৎপত্তি হয়েছিল।
* আইডব্লিউডব্লিউ কেবল ১৮৮০-এর দশকের অনেক ঐতিহ্যের উত্তরাধিকারীই ছিল না বরং সেই সময়ের অনেক পরিচিত ব্যক্তিত্ব এই সংগঠনের শুরুর দিকের সম্মেলনগুলোতে উপস্থিত ছিলেন। আপনি যদি শ্রমিক ইতিহাসের ছাত্র না হন তবে এই নামগুলো আপনার কাছে পরিচিত না-ও হতে পারে। তবে তাদের মধ্যে [[ইউজিন ডেবস]], [[ড্যানিয়েল ডিলিয়ন]] এবং মিসেস [[লুসি পারসনস|লুসি পারসনসের]] মতো ব্যক্তিত্বরা অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।
* সেখানে অনেক বাক-স্বাধীনতা রক্ষার লড়াই হয়েছিল... তাদের কৌশলগুলো ছিল অনেকটা আজকের দিনের ফ্রিডম রাইডারদের মতো। তারা টেলিগ্রাম পাঠাত এবং আমি কেবল ব্যাখ্যা করছি। কারণ আপনি তো বুঝতেই পারছেন যে আমি কোনো উসকানি দিচ্ছি না। তারা অনেকটা এমন ধরনের টেলিগ্রাম পাঠাত যেখানে লেখা থাকত যে ভবঘুরে ওবলিরা এখনই চলে এসো এবং বিল অফ রাইটস রক্ষা করো। তারা ট্রেনের ছাদে কিংবা ট্রেনের নিচে ও পাশে এমনকি মালবাহী বগিতে করে এমন সব উপায়ে আসত যেখানে ভাড়া দিতে হতো না। আক্ষরিক অর্থেই শত শত মানুষ সেই জনপদগুলোতে এসে হাজির হতো যা কর্তৃপক্ষকে আতঙ্কিত ও স্তম্ভিত করে দিত। তারা তখন প্ল্যাটফর্ম বা সাবানের বাক্সের ওপর দাঁড়িয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের অংশবিশেষ কিংবা বিল অফ রাইটস পাঠ করত... এগুলোই ছিল সেই বিখ্যাত বাক-স্বাধীনতা রক্ষার লড়াই যা দেশের পশ্চিমাঞ্চলে আইডব্লিউডব্লিউ এর একটি অত্যন্ত পরিচিত বৈশিষ্ট্য ছিল।
* এএফএল ছিল দক্ষ শ্রমিকদের সংগঠন এবং এর রূপ ও পদ্ধতি ও আদর্শ আইডব্লিউডব্লিউ এর মতো ছিল না। আইডব্লিউডব্লিউ শ্রেণি সংগ্রামে বিশ্বাস করত। তারা পুঁজি এবং শ্রমের ভ্রাতৃত্বে বিশ্বাস করত না এবং তারা মনে করত যে এই অসংগঠিত ও বিদেশে জন্মগ্রহণ করা গণউৎপাদনকারী শ্রমিকদের একটি শিল্প ইউনিয়নে সংগঠিত করা উচিত। তারা মনে করত যে সবাইকে একটি ইউনিয়নের অধীনে থাকতে হবে এবং এক ডজন বা তার বেশি সংগঠনে বিভক্ত হওয়া চলবে না।
* ১৯১২ সালের সেই বড় ধর্মঘট [যা রুটি ও গোলাপ ধর্মঘট নামে পরিচিত], যা আমাদের দেশের অন্যতম মহান ঐতিহাসিক সংগ্রাম, সেটি শুরু হয়েছিল রাষ্ট্রের একটি রাজনৈতিক পদক্ষেপের কারণে।
* বিল হেউড সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন যে আমাদের ইংরেজিতে কথা বলতে হবে যাতে এই মানুষগুলো তা বুঝতে পারে। তিনি আমাদের যে শিক্ষা দিয়েছিলেন তা আমি কখনও ভুলব না। তখন আমি খুব তরুণ ছিলাম, আমার বয়স ছিল ২২। তিনি বললেন, শোনো, তোমরা এই শ্রমিকদের সাথে, এই খনি শ্রমিকদের সাথে এমন ইংরেজিতে কথা বলবে যা প্রাথমিক স্কুলে পড়া তাদের সন্তানরা তাদের সাথে বলে, তবেই তারা তা বুঝতে পারবে। প্রাথমিক স্কুলের ইংরেজিতে কথা বলাটা মোটেও সহজ নয়। যাই হোক, আমরা তা শিখেছিলাম। আমার সমস্যা হলো এটি আমার অভ্যাসে গেঁথে গিয়েছিল এবং এখন যখন আমি কলেজের দর্শকদের সামনে কথা বলতে যাই, তখন নিজেকে কিছুটা অসুবিধায় মনে হয় কারণ আমি বড় বড় সব শব্দ জানি না। উইলিয়াম হেউড আমাকে ছোট ছোট এবং সহজ শব্দগুলোতেই দক্ষ করে তুলেছিলেন।
* তিনি কীভাবে কথা বলতেন তার একটি উদাহরণ দিই। আমাদের তাদের বোঝাতে হতো কেন আমরা চাই তারা এএফএল-এ না গিয়ে আইডব্লিউডব্লিউ-তে যোগ দিক। তিনি হাত উঁচিয়ে আঙুলগুলো ছড়িয়ে বলতেন, আমেরিকান ফেডারেশন অফ লেবার বা এএফএল হলো ঠিক এইরকম, প্রতিটি আলাদা আলাদা। কিন্তু আইডব্লিউডব্লিউ হলো এইরকম, [তিনি হাতের মুঠো পাকাতেন] এবং তারা সবাই চিৎকার করে উঠত আইডব্লিউডব্লিউ-এর জয় হোক। এভাবেই তিনি তার বক্তব্য বুঝিয়ে দিতেন।
* যখন লরেন্সের এই ধর্মঘট চলছিল, তখন লুইজিয়ানায় কাঠ শ্রমিকদের একটি বড় ধর্মঘট চলছিল, সেটিও আইডব্লিউডব্লিউ-এর অধীনে। যদিও আমাদের সব জায়গায় ধর্মঘট ছিল এবং আমরা এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় ছুটে বেড়াচ্ছিলাম, তবুও আমি বিশেষ করে এই ঘটনাটি উল্লেখ করছি কারণ সেখানে প্রথমবারের মতো বৈষম্য ও বর্ণবাদের নিয়মগুলো ভেঙে ফেলা হয়েছিল। উইলিয়াম ডি. হেউড সেখানে ভাষণ দিতে গিয়েছিলেন এবং তিনি বলেছিলেন প্রতিটি ধর্মঘটী যেখানে খুশি বসতে পারে। আইডব্লিউডব্লিউ-এর এই হলে কোনো বিভাজন নেই। নিগ্রো এবং শ্বেতাঙ্গ শ্রমিকরা, আমার মনে হয় আমেরিকান শ্রমিক ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সেই সামাজিক বিধিনিষেধ ভেঙে একসাথে মিলিত হয়েছিল।
* আমার দীর্ঘ শ্রম ইতিহাসে যদি সত্যিই এমন কোনো বিষয় থাকে যা নিয়ে আমি গর্বিত তবে তা হলো জো হিল কারাগারে থাকাকালীন এবং তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার আগে আমার জন্য একটি গান লিখেছিলেন যা আমাকে উৎসর্গ করা হয়েছিল। গানটির নাম ছিল "রেবেল গার্ল" এবং আমি আশা করি আপনারা এখানে কোনো এক সময় গানটি গাইবেন। এটি হয়তো কথার দিক থেকে সেরা নয় কিংবা সুরের দিক থেকেও সেরা না-ও হতে পারে কিন্তু এটি হৃদয় থেকে এসেছিল এবং এটি অবশ্যই অত্যন্ত মূল্যবান।
* প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় আইডব্লিউডব্লিউ, সমাজতন্ত্রী এবং আমাদের দেশের সমস্ত প্রগতিশীলদের ওপর প্রচণ্ড আক্রমণ চালানো হয়েছিল। সেই সময় একটি শক্তিশালী শান্তি আন্দোলন ছিল। এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মতো ছিল না, যা ছিল একটি ফ্যাসিবাদ-বিরোধী যুদ্ধ।
* অন্যান্য সংগঠনের সাথে আইডব্লিউডব্লিউ-এর অবস্থান আসলে কোথায় ছিল সে সম্পর্কে আমার সত্যিই আপনাদের কিছু বলা উচিত কারণ বিষয়টি সম্ভবত এখনও খুব একটা পরিষ্কার নয়। এটি কোনো পেশাভিত্তিক ইউনিয়ন ছিল না বরং এটি ছিল একটি শিল্প ইউনিয়ন এবং এটি এএফএল-এর প্রবল বিরোধী ছিল। এএফএল যেসব আদর্শে বিশ্বাস করত যেমন ন্যায্য কাজের জন্য ন্যায্য মজুরি কিংবা পুঁজি ও শ্রমের ভ্রাতৃত্ব এগুলোর কোনোটিই আইডব্লিউডব্লিউ সমর্থন করত না। সুযোগ পেলেই মালিকপক্ষের বিরুদ্ধে লড়াই করার ব্যাপারে তারা অত্যন্ত কঠোর ছিল এবং তাই কিছু বিষয় শুনতে খুব অদ্ভুত মনে হলেও সেটিই ছিল সত্য। তারা কোনো চুক্তিতে বিশ্বাস করত না। তারা মনে করত যে যতক্ষণ আপনারা সংগঠিত আছেন ততক্ষণ আপনারা কর্তৃপক্ষকে তাদের প্রতিশ্রুতি পালনে বাধ্য করতে পারবেন। কিন্তু একটি চুক্তি বা এক টুকরো কাগজ আপনাদের আটকে রাখে আর তাই তারা কোনো চুক্তি করত না। তবে যাদের আমরা হোয়াইট কলার বা বুদ্ধিবৃত্তিক পেশার কর্মী বলি তাদের প্রতি আইডব্লিউডব্লিউ-এর মনোভাব ভালো ছিল না। মোটেও ভালো ছিল না কারণ তারা মনে করত যে এই কর্মীরা শ্রমিক শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত নয়। আইডব্লিউডব্লিউ-এর মতে আপনাকে ওভারঅল পোশাক পরতে হবে এবং পেশিবহুল হতে হবে ও কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। আপনি যদি কেবল কলম পিষতেন তবে তাদের কাছে আপনি শ্রমিক ছিলেন না। এই একই ধারণা শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য ছিল। অন্যভাবে বলতে গেলে আজ যাকে একটি অত্যন্ত সংকীর্ণমনা সংগঠন বলা হতো। তবে সেই সময়ের শিক্ষার্থীরাও কিছুটা দায়ী ছিল কারণ শ্রমিক আন্দোলনের প্রতি তাদের কোনো সহানুভূতি ছিল না। প্রকৃতপক্ষে যখন ধর্মঘট হতো তখন সবসময়ই শিক্ষার্থীদের পাওয়া সম্ভব ছিল যারা শ্রমিকদের জায়গায় গিয়ে কাজ করত যেমনটি আমি নিউ ইয়র্ক সিটির একটি হোটেলের ধর্মঘটে দেখেছিলাম। আমি অত্যন্ত আনন্দের সাথে বলছি যে এখন সময়ের পরিবর্তন হয়েছে।
*আইডব্লিউডব্লিউ এএফএল.-এর চেয়ে আরও একটি বিষয়ে আলাদা ছিল যে তারা সমাজতন্ত্রে বিশ্বাস করত। যদিও তারা রাজনৈতিক দল এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড বর্জন করার কারণে সোশ্যালিস্ট পার্টির থেকে ভিন্ন ছিল। তাদের এই অদ্ভুত ধারণা ছিল যে আসল লড়াই হলো শিল্পকারখানায়, অর্থাৎ উৎপাদনের জায়গায়।
*আমি যখন আপনাদের বলি যে তখন কী কী ছিল না, তখন মনে হয় আমরা যেন এক অরণ্যে বাস করতাম। তখন কোনো রেডিও ছিল না, টিভি ছিল না, সিনেমা ছিল না, আজকের মতো বিজ্ঞাপন ছিল না, কোনো প্লাস্টিক বা কৃত্রিম কাপড় ছিল না এবং কোনো বিমানও ছিল না।
*আমি ১৯১৯-২০ সালের কথা বলছি যখন জে. এডগার হুভার প্রথম আত্মপ্রকাশ করেন। তাকে এই ধরপাকড় অভিযানের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল এবং সারা দেশের সমস্ত রিপোর্ট তাকে জমা দিতে হতো। তাদের বলা হতো "জি ম্যান"। এফবিআই আরও পরে ১৯২৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। সুতরাং কোনো সরকারের পরোয়া না করেই তিনি দীর্ঘ ৩৮ বছর ধরে এই সাম্রাজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন এবং এটি আসলে কোনো সিভিল সার্ভিস বা বিচার বিভাগের নিয়ন্ত্রণে নেই।
*আইডব্লিউডব্লিউ-এর বিরুদ্ধে ঘৃণা এতটাই তীব্র ছিল যে সংবাদপত্রের সম্পাদকীয়তে লেখা হতো, "তাদের ভোরবেলা গ্রেপ্তার করা উচিত এবং নাস্তা করার আগেই বিচার ছাড়াই গুলি করে মারা উচিত।"
*আজকের দিনে ইউনিয়নের সাথে রাজনৈতিক সহযোগী থাকা অনেক বেশি কার্যকর একটি পদ্ধতি। কিন্তু আমরা তখন সবকিছু এক পাত্রে রাখার চেষ্টা করেছিলাম এবং সেটি মোটেও কাজ করেনি। আমরা বেশ অহংকারী ছিলাম। আমরা তরুণ ছিলাম এবং মনে করতাম সবকিছুর সঠিক উত্তর কেবল আমাদের কাছেই আছে। আমরা এএফএল-এর সাথে কাজ করতে চাইনি, সোশ্যালিস্ট পার্টির সাথে কাজ করতে চাইনি, এমনকি অন্য কারও সাথেই কাজ করতে চাইনি। স্বাভাবিকভাবেই যখন কমিউনিস্ট পার্টি এল, তারা সেটাকে একটি সত্যিকারের দল হিসেবে বিবেচনা করল কারণ সেটি পুরনো সোশ্যালিস্ট পার্টির চেয়ে অনেক বেশি বিপ্লবী ছিল। আইডব্লিউডব্লিউ রুশ বিপ্লবের ধারণার সাথে পুরোপুরি একমত ছিল না, যদিও তারা খুশি ছিল যে এটি এমন একটি বিপ্লব যা জারকে উৎখাত করেছে। তারা কেরেনস্কির পক্ষে ছিল না কিন্তু বিপ্লব সম্পর্কে তাদের কিছু আদিম ধারণা ছিল। আইডব্লিউডব্লিউ-এর কাছে বিপ্লব মানে ছিল কারখানা, দোকান, কলকারখানা, খনি আর ফসলের মাঠ দখল করে নেওয়া এবং মালিকদের স্রেফ তাড়িয়ে দেওয়া। মালিকদের তাড়িয়ে দেওয়া মানেই ছিল বিপ্লবের শেষ।
* আইডব্লিউডব্লিউ-এর ইতিবাচক দিকটি হলো এটি অবশ্যই আপসহীন এবং অত্যন্ত সাহসী ছিল। এটি সেই সময়ের জন্য উপযুক্ত ছিল এবং সেই অগ্রযাত্রার দিনগুলোতে এটি সবচেয়ে গরিব ও নিঃসঙ্গ এবং সবচেয়ে অবহেলিত মানুষদের স্বার্থের জন্য লড়াই করেছিল। এটি সেই মানুষদের সংগঠিত করেছিল যাদের এএফএল করতে পারেনি যেমন বিদেশে জন্মগ্রহণ করা মানুষ ও নারী এবং পরবর্তীতে যখন কৃষ্ণাঙ্গরা শিল্পক্ষেত্রে আসতে শুরু করল তখন সেই কৃষ্ণাঙ্গ জনগোষ্ঠী।
* আমরা অবশ্যই এই ধরনের কোনো বিষয়ের কথা কখনো শুনিনি এবং আমরা কখনো ভাবিনি যে সামাজিক নিরাপত্তা বা বেকারত্ব বীমা থাকা সম্ভব হতে পারে। এগুলো ছিল ৩০-এর দশকের ফলাফল যা আইডব্লিউডব্লিউ-এর পতনের পর বড় ধরনের সংগ্রামের মাধ্যমে এসেছিল। এছাড়াও আমরা কখনো বেতনসহ ছুটির কথা শুনিনি। আমরা ছুটির কথাই কখনো শুনিনি সেখানে বেতনসহ ছুটির তো প্রশ্নই আসে না। আমরা বর্তমান সময়ের মতো জ্যেষ্ঠতা কী তাও কখনো শুনিনি। শ্রমিকদের অবসরের জন্য কোনো পেনশনের ব্যবস্থা ছিল না। ইউনিয়নগুলোর কোনো কল্যাণ তহবিল ছিল না। ইউনিয়নগুলোর কোনো স্বাস্থ্যকেন্দ্র ছিল না এবং আজকের মতো কোনো ট্রেড ইউনিয়ন স্কুলও ছিল না। এই সমস্ত বিষয় সেই ইউনিয়নগুলোর সাথে এসেছে যেগুলো আইডব্লিউডব্লিউ-এর পরবর্তী সময়ে অস্তিত্ব লাভ করেছে।
*আজকের দিনে শ্রমিকের বিরুদ্ধে সরাসরি সহিংসতা কম কিন্তু আইনি বিধিনিষেধ অনেক বেশি। দমনমূলক আইন এবং সব ধরনের বিধিনিষেধের মাধ্যমে শ্রমিকের অধিকার হরণ করার চেষ্টা এখন অনেক বেশি হচ্ছে।
*আমরা কি উন্নতি করেছি? ওহ, আমরা অবশ্যই উন্নতি করেছি! সমস্ত অসুবিধা এবং সমস্যা সত্ত্বেও শ্রমিক আন্দোলন বিশাল উন্নতি করেছে। আজকের যুবকদের জন্য একটি নতুন ভূমিকা এবং নতুন দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে। বহু বছর আগে আমি পিটার ক্রোপোটকিনের 'তরুণদের প্রতি আবেদন' নামক একটি পুস্তিকা পড়েছিলাম। এটি ছিল যুবকদের প্রতি এই বিশ্বকে বসবাসের উপযোগী একটি সুন্দর জায়গা হিসেবে গড়ে তোলার দায়িত্ব নেওয়ার এক চমৎকার আহ্বান। এখন আমি অনুভব করি যে আমরা আমাদের সাধ্যমতো সেরা চেষ্টা করেছি। কিন্তু সময় এমন আসে যখন আপনি জানেন যে বাধ্য হয়েই আপনাকে থামতে হয়; যদিও বলা হয় বার্ধক্য কোনো রোগ নয় কিন্তু আমি মনে করি এটি একটি রোগ। এমন এক সময় আসে যখন আপনাকে গতি কমিয়ে দিতে হয় এবং কাজ থেকে বিদায় নিতে হয়, আর যদি নতুন প্রজন্ম চায় তবে আপনার অভিজ্ঞতার সুফল তাদের কাছে পৌঁছে দিতে হয়।
== এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন সম্পর্কে উক্তি ==
* হেটেরোডক্সির সদস্য এবং ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়ার্কার্স অফ দ্য ওয়ার্ল্ড-এর প্রখ্যাত সংগঠক এবং পরবর্তীতে ইউ.এস. কমিউনিস্ট পার্টির শীর্ষস্থানীয় সদস্য এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন এই সংগঠনে তার সদস্যপদকে "এক অবিচ্ছিন্ন আনন্দের অভিজ্ঞতা" হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি আরও যোগ করেছেন, "এটি ভবিষ্যতের নারীদের এক ঝলক দেখার মতো ছিল—যারা বিশাল হৃদয়ের অধিকারী, বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে সজাগ এবং পুরনো সেই 'নারীত্ব' বর্জিত যার স্থলাভিষিক্ত হয়েছে নারীদের এক চমৎকার ভ্রাতৃত্ব।"
** [[বেটিনা আপথেকার]], ''ট্যাপেস্ট্রিস অফ লাইফ: উইমেনস ওয়ার্ক, উইমেনস কনশাসনেস, অ্যান্ড দ্য মিনিং অফ ডেইলি এক্সপেরিয়েন্স'' (১৯৮৯)
* আমার নির্জন কারাবাসের দিনগুলোতে, মার্গারেট যখন জেল সুপারকে আমাকে পড়ার সুযোগ দেওয়ার জন্য রাজি করালেন, তখন আমি গ্রন্থাগারে একা কয়েকটি সেশন কাটিয়েছিলাম। অল্প সময়ের মধ্যেই আমি পুরো জায়গাটি তন্নতন্ন করে খুঁজি এবং সামান্য আগ্রহ জাগানিয়া মাত্র কয়েকটি বই খুঁজে পাই: এডগার স্নো-এর লেখা চীনা বিপ্লবের ওপর একটি বই, ডব্লিউ. ই. বি. ডু বোইস-এর আত্মজীবনী এবং একজন আশ্চর্যজনকভাবে নিরপেক্ষ ও স্বল্প পরিচিত লেখকের লেখা সাম্যবাদের ওপর একটি বই। এই বইগুলো আবিষ্কার করার পর আমার চিন্তাভাবনা বারবার সেগুলোর রহস্যময় উপস্থিতির দিকে ফিরে যাচ্ছিল। হঠাৎ আমার মনে হলো: এগুলো সম্ভবত এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন, ক্লডিয়া জোন্স অথবা অন্য কোনো কমিউনিস্ট নেতাদের দ্বারা পড়া হয়েছিল যারা ম্যাকার্থি যুগে স্মিথ অ্যাক্টের অধীনে নিপীড়িত হয়েছিলেন। আমাকে জানানো হয়েছিল যে সেখানে থাকাকালীন আমি যদি কোনো বই পাই, তবে তা গ্রন্থাগারে দান করতে হবে—যা ছিল এক আনন্দের বিষয়, কারণ তথাকথিত সেই শিক্ষা কেন্দ্রের অবস্থা ছিল করুণ। আমি যখন সেই বইগুলোর পাতা উল্টাচ্ছিলাম, তখন আমি এই দেশের কিছু অসামান্য বীরাঙ্গনাদের ঐতিহ্য অনুসরণ করতে পেরে সম্মানিত বোধ করছিলাম: কমিউনিস্ট নারী নেতৃবৃন্দ, বিশেষ করে কৃষ্ণাঙ্গ কমিউনিস্ট ক্লডিয়া জোন্স।
** ''[[অ্যাঞ্জেলা ডেভিস]]ের আত্মজীবনী'' (১৯৭৪)
* জোসেফ ইটর এবং আর্তুরো জিওভানিত্তির গ্রেপ্তারের ফলে তৈরি হওয়া শূন্যতা তাৎক্ষণিকভাবে বিল হেউড এবং এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন পূরণ করেছিলেন। শ্রমিক সংগ্রামে হেউডের বছরের পর বছর অভিজ্ঞতা, তার দৃঢ় সংকল্প এবং বিচক্ষণতা তাকে লরেন্সের পরিস্থিতিতে এক অনন্য শক্তিতে পরিণত করেছিল। অন্যদিকে, এলিজাবেথের তারুণ্য, চার্ম এবং বাগ্মিতা খুব সহজেই সবার মন জয় করে নিয়েছিল। এই দুজনের নাম এবং খ্যাতি ধর্মঘটের জন্য দেশব্যাপী প্রচার ও সমর্থন জোগাড় করতে সাহায্য করেছিল। বছরের পর বছর আগে একটি উন্মুক্ত সভায় প্রথমবার শোনার পর থেকেই আমি এলিজাবেথকে জানতাম এবং শ্রদ্ধা করতাম। সেই সময় তার বয়স চৌদ্দ বছরের বেশি ছিল না, তার ছিল এক সুন্দর মুখাবয়ব এবং আন্তরিকতায় ভরপুর এক কণ্ঠস্বর। তিনি আমার ওপর গভীর প্রভাব ফেলেছিলেন। পরবর্তীতে আমার বক্তৃতায় তার বাবার সাথে তাকে প্রায়ই আসতে দেখতাম। কালো চুল, বড় বড় নীল চোখ এবং চমৎকার গায়ের রঙে তিনি ছিলেন এক মোহনীয় প্রতিচ্ছবি... স্পোকেনে আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর অন্যান্য সদস্যদের সাথে তিনি যে চমৎকার বাক-স্বাধীনতার লড়াই করেছিলেন এবং যে নিপীড়ন সহ্য করেছিলেন, তা এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিনকে আমার খুব কাছে নিয়ে এসেছিল। আর যখন শুনলাম যে সন্তান জন্ম দেওয়ার পর তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েছেন, তখন এই তরুণ বিদ্রোহীর জন্য আমি গভীর সহানুভূতি অনুভব করেছিলাম, যিনি সর্বহারা পটভূমি থেকে আসা প্রথম আমেরিকান নারী বিপ্লবীদের একজন। তার প্রতি আমার আগ্রহ কেবল স্পোকেন লড়াইয়ের জন্যই নয়, বরং মা হওয়ার প্রথম মাসগুলোতে এলিজাবেথের ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য তহবিল সংগ্রহে আমার প্রচেষ্টাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছিল। তিনি নিউ ইয়র্কে ফিরে আসার পর থেকে আমরা প্রায়ই সভায় এবং আরও ব্যক্তিগতভাবে একসাথে সময় কাটিয়েছি। এলিজাবেথ নৈরাজ্যবাদী ছিলেন না, তবে তিনি সোশ্যালিস্ট লেবার পার্টি থেকে আসা তার কিছু কমরেডদের মতো গোঁড়া বা বিদ্বেষীও ছিলেন না। আমাদের সার্কেলে তিনি আমাদেরই একজন হিসেবে স্বীকৃত ছিলেন এবং আমি তাকে বন্ধু হিসেবে ভালোবাসতাম।
** [[এমা গোল্ডম্যান]], ''লিভিং মাই লাইফ'' (১৯৩১)
* ফ্লিন পার্টির চেয়ারম্যান হিসেবে জিনের স্থলাভিষিক্ত হন। তিনি ছিলেন সেই পদে নির্বাচিত প্রথম নারী। তিনি ছিলেন একজন সমঝোতামূলক প্রার্থী; বেন ডেভিসও এই পদের জন্য প্রচারণা চালাচ্ছিলেন এবং কৃষ্ণাঙ্গ নেতৃত্বের একটি বড় অংশসহ পার্টির অনেক মানুষ সেই সম্ভাবনায় ভীত ছিল। লিজকে তখন সেরা বিকল্প মনে হয়েছিল। পার্টিতে এলিজাবেথের খুব ইতিবাচক খ্যাতি ছিল। ১৯৩০-এর দশকে যখন তিনি পুনরায় যোগ দেন (তিনি ১৯২০-এর দশকে সংক্ষিপ্তভাবে এবং গোপনে সদস্য ছিলেন), তখন তিনি সরাসরি শীর্ষ নেতৃত্বে চলে আসেন। পদমর্যাদায় উপরে ওঠার লড়াইয়ে অন্যান্য নারীদের যে কঠোর আচরণের প্রয়োজন হতো, তার সেটি করার প্রয়োজন পড়েনি। তিনি মানুষের প্রতি এমনভাবে আন্তরিক ছিলেন যা অধিকাংশ পার্টি নেতার মধ্যে ছিল না। আমি যখনই নিউ ইয়র্কে যেতাম, চেলসি হোটেলে তার সাথে দেখা করার চেষ্টা করতাম যেখানে তিনি থাকতেন। তার রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং জাতীয় অফিসে তার সহকর্মীদের সম্পর্কে তার তীক্ষ্ণ ও নির্ভীক মতামতের কারণে তিনি শোনার মতো একজন ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তিনি জিন ডেনিসকে পছন্দ করতেন কিন্তু ফস্টারের প্রতি সবসময় সমালোচনামূলক ছিলেন। স্পষ্টতই এই বিরোধ অনেক অনেক বছর আগের। ইউনিয়ন সংগঠক হিসেবে তার বীরত্বপূর্ণ অতীতের গ্ল্যামার তাকে মোহিত করতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত তার নিজেরও এমন সব পরিচয় ছিল যা ফস্টারের চেয়ে কোনো অংশে কম প্রভাবশালী ছিল না। তিনি পার্টির জনসম্মুখের মুখ হিসেবে এবং ওবলিদের ঐতিহাসিক অতীত, লরেন্সের "ব্রেড অ্যান্ড রোজেস" ধর্মঘট এবং স্পোকেনের বাক-স্বাধীনতা লড়াইয়ের যোগসূত্র হিসেবে খুব কার্যকর ছিলেন। বিশাল শ্রোতাদের সামনে সহজ ভাষায় কথা বলার এবং তাৎক্ষণিক সম্পর্ক তৈরি করার এক অসাধারণ ক্ষমতা তার ছিল। এটি ছিল পার্টির পুরনো দিনের আন্দোলনকারীদের একটি গুণ—ফ্লিন, ফস্টার এবং ক্ল্যারেন্স হ্যাথওয়ের মতো মানুষের মধ্যে এটি আমার প্রজন্মের চেয়ে অনেক বেশি ছিল। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে লিজের প্রতি আমার মিশ্র অনুভূতি তৈরি হয়েছিল। পার্টির সভাগুলোতে তিনি সবসময় গুস বা সোভিয়েত ইউনিয়নের কাছে অগ্রহণযোগ্য কিছু না বলার বিষয়ে খুব সতর্ক থাকতেন। তিনি আমাকে নিয়ে এবং আমার রাজনীতি আমাকে যে খারাপ পরিণতির দিকে নিয়ে যাবে তা নিয়ে চিন্তিত ছিলেন।
** [[ডরোথি রে হিলি]], ''ক্যালিফোর্নিয়া রেড: আ লাইফ ইন দ্য আমেরিকান কমিউনিস্ট পার্টি'' (১৯৯০)
* আমি এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন এবং পেটিস পেরি ও আমার সকল সহ-অভিযুক্তদের সেই বিশ্বাসে বিশ্বাসী যে, আমেরিকার শ্রমজীবী মানুষ—কৃষ্ণাঙ্গ ও শ্বেতাঙ্গ—অবশ্যই জেগে উঠবে; ভেড়ার মতো নয় বরং তাদের স্বাধীনতার প্রতি সজাগ দৃষ্টি রেখে। তারা নিশ্চিত করবে যে শান্তি জয়ী হবে এবং এই ক্ষয়িষ্ণু স্মিথ অ্যাক্ট, যা অধিকারের সনদকে লঙ্ঘন করে, তা ইতিহাসের পাতা থেকে মুছে যাবে।
** [[ক্লডিয়া জোন্স]], জবানবন্দি (জানুয়ারি ১৯৫৩)
*আমি তোমাকে দেখব সেইসব কচি অঙ্কুরিত চারার মাঝে/যারা আগাছাকে অবজ্ঞা করে—সন্দেহে কুঁকড়ে যাওয়া বার্ধক্যকে/সেইসব ব্যবহারকারীদের যারা গালিগালাজে কলুষিত করে,/সংগ্রামের মধ্য দিয়ে গড়ে তোলা সেবায় নিবেদিত এক সার্থক জীবনকে... আমি তোমাকে চিরদিন মনে রাখব/এবং কীভাবে তোমার আত্মা প্রতিধ্বনিত হয়/কারণ তোমার বিশ্বাস আগুনের শিখার মতো লাফিয়ে ওঠে/যা সবকিছুর জন্য এক মধুর লালন।
** ক্লডিয়া জোন্স, 'বিয়ন্ড কন্টেইনমেন্ট: অটোবায়োগ্রাফিক্যাল রিফ্লেকশনস, এসেস, অ্যান্ড পোয়েমস' গ্রন্থে "টু এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন" কবিতা।
*ডরোথি ডে এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিনকে (যিনি ১৯৩৭ সালে ইউ.এস. কমিউনিস্ট পার্টিতে যোগ দিয়েছিলেন) "শব্দের গভীরতম অর্থে আমার বোন" হিসেবে গণ্য করতেন। ডে লিখেছিলেন, ফ্লিন "সর্বদাই তা-ই করেছেন যা আজকাল সাধারণ মানুষদের করার জন্য তাগিদ দেওয়া হয়। তিনি দরিদ্রদের রক্ষায়, তাদের অন্যায় ও অভাব থেকে বাঁচাতে নিজের ক্ষমতার সবটুকু করার দায়িত্ব অনুভব করতেন" (লং লোনলিনেস, ১৪৫-১৪৬)।
** [[মার্গারেট সি. জোন্স]], 'হেরিটিকস অ্যান্ড হেলরাইজার্স: উইমেন কন্ট্রিবিউটরস টু দ্য মাসেস, ১৯১১-১৯১৭' (১৯৯৩)
*শ্রম আন্দোলনের ইতিহাসের আমার অন্যতম প্রিয় ব্যক্তিত্ব এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন—সেই বিখ্যাত 'রেবেল গার্ল' যাকে নিয়ে জো হিল গান গেয়েছিলেন এবং যিনি নিজের যোগ্যতায় একজন অসাধারণ ইউনিয়ন সংগঠক ছিলেন—ঊনবিংশ শতাব্দীতেই একটি অত্যন্ত সঠিক কথা বলেছিলেন। তথাকথিত রুটি-রুজির অর্থনৈতিক ইস্যুগুলোর সমান গুরুত্ব দিয়ে রাজনৈতিক ও সামাজিক ন্যায়বিচারের দাবিগুলো ধরে রাখার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে তিনি বলেছিলেন: "শ্রমিকের বিজয় আসলে কী? আমি মনে করি এটি একটি দ্বিমুখী বিষয়। পূর্ণাঙ্গ বিজয় অর্জনের জন্য শ্রমিকদের কেবল অর্থনৈতিক সুবিধাই অর্জন করলে চলবে না, তাদের মধ্যে বিপ্লবী চেতনাও থাকতে হবে। শ্রমিকদের দিনে কয়েক সেন্ট বেশি পাওয়া বা কয়েক মিনিট কম কাজ করে সেই একই মানসিকতা এবং সমাজের প্রতি একই দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কাজে ফিরে যাওয়া মানে একটি সাময়িক লাভ অর্জন করা, কোনো স্থায়ী বিজয় নয়।"
** কিম কেলি (সাংবাদিক), 'ফাইট লাইক হেল: দ্য আনটোল্ড হিস্ট্রি অফ আমেরিকান লেবার' (২০২২)
* ফ্লিনের ভাষায়, এটি ছিল "আমেরিকান শ্রম ইতিহাসের এক অতুলনীয় দিন... লরেন্সে তখন ত্রাসের রাজত্ব চলছিল যা আক্ষরিক অর্থেই আমেরিকাকে কাঁপিয়ে দিয়েছিল।"
** কিম কেলি (সাংবাদিক), 'ফাইট লাইক হেল: দ্য আনটোল্ড হিস্ট্রি অফ আমেরিকান লেবার' (২০২২)
*প্রথাগত মার্ক্সবাদী তত্ত্ব অনুযায়ী গৃহিণীদের শ্রেণি সচেতনতা ছিল একটি সমস্যাজনক বিষয়; তারা প্রায়ই আমূল সংস্কারবাদী পুরুষদের কাছে অনির্ভরযোগ্য মিত্র ছিলেন। তাদের সাধারণত কৃষক এবং বুদ্ধিজীবীদের সাথে এমন এক রক্ষণশীল গোষ্ঠী হিসেবে দেখা হতো যারা সর্বহারা পুরুষদের অগ্রযাত্রায় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। নারীদের সমঅধিকার সমস্ত মার্ক্সবাদী আন্দোলনের একটি ঘোষিত লক্ষ্য ছিল, কিন্তু নারী ইস্যুগুলোকে যেভাবে দেখা হতো, তাতে স্পষ্ট বার্তা পাওয়া যেত যে—নারীদের কাজ এই সংগ্রামের ক্ষেত্রে প্রান্তিক বা গৌণ, যদি না তারা পুরুষদের মতো করে কাজ করতে পারদর্শী হয়। প্রখ্যাত এবং উদযাপিত নারী নেত্রীরা—ডলোরেস ইবারুরি (লা পাসিওনারিয়া), মাদার ব্লুর, এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন, ক্লারা লেমলিচ—গৃহিণীদের সংগঠিত করেননি; তারা নারী কারখানা শ্রমিক, নারীদের সহযোগী সংগঠন বা পুরুষদের সংগঠিত করেছিলেন।
** [[গের্ডা লার্নার]], 'ফায়ারউইড: আ পলিটিক্যাল অটোবায়োগ্রাফি' (২০০২)
*যুদ্ধবন্দিদের জন্য আমার সফরের সময় আমি পর্যায়ক্রমে নিউ ইয়র্কে ফিরে আসতাম সংগঠনকে রিপোর্ট দিতে এবং এই কাজে এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন ও অন্যদের সাথে পরামর্শ করতে। এভাবেই আইরিশ লড়াকু পূর্বপুরুষদের সেই লড়াকু কন্যার সাথে আমার দীর্ঘ বছরের মেলামেশা শুরু হয়। ষোলো বছর বয়সেই তিনি আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-তে সক্রিয় ছিলেন এবং জো হিল তাকে নিয়ে একটি ওবলি গান লিখেছিলেন, "দ্য রেবেল গার্ল"। যদিও কমিউনিস্ট পার্টির শুরুর দিনগুলোতে তিনি আমাদের সাথে যোগ দেননি, কিন্তু তিনি আমাদের সাথে খুব ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতেন। পরিশেষে, ওরেগনের পোর্টল্যান্ডে দশ বছর অসুস্থ থাকার পর তিনি নিউ ইয়র্কে ফিরে আসেন এবং পার্টিতে যোগ দেন। আজ তিনি আমাদের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বক্তা এবং আমাদের জাতীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সম্মানিত ও প্রিয় সদস্য। এলিজাবেথের জীবনের গল্প এই দেশের অনেক মহান শ্রমিক সংগ্রামের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে। সর্বত্র শ্রমিকরা তার সুন্দর সুমধুর কণ্ঠস্বর, উজ্জ্বল উদ্দীপনা এবং বিশাল লড়াকু হৃদয়ের কথা জানে। ক্যালুমেট, পাসাইক, প্যাটারসন, লরেন্স—এই সব জায়গার পিকেট লাইন এবং মঞ্চ তাকে চেনে। আজ তার একমাত্র ছেলে ফ্রেডের আকস্মিক মৃত্যুর শোকের ভার বহন করেও তিনি এমন এক বিশ্বের জন্য লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন যেখানে মায়েদের তাদের প্রভুদের স্বার্থ রক্ষার যুদ্ধে অকারণে সন্তান হারাতে হবে না।
** [[এলা রিভ ব্লুর]], 'উই আর মেনি: অ্যান অটোবায়োগ্রাফি' (১৯৪০)
*যে নারীর প্রতি আমার গভীরতম শ্রদ্ধা ছিল, তিনি অবশ্যই এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন।
** [[এমা তেনাইউকা]], সাক্ষাৎকার (১৯৮৭)
*তিনি তার এই বিস্ময়কর রেকর্ডের সূচনা করেছিলেন পনেরো বছর বয়সে রাস্তার মোড়ে গ্রেপ্তার হওয়ার মাধ্যমে। তার বাবাও তার সাথে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। এরপর থেকে তার বাবা আর কখনও গ্রেপ্তার হননি। এটি ছিল তার জন্য কেবল শুরু। বিচারক কৌতূহলী হয়ে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, "তুমি কি ব্রডওয়েতে কথা বলে মানুষকে সমাজতন্ত্রে দীক্ষিত করার আশা করো?" তিনি বিচারকের দিকে তাকালেন এবং গম্ভীরভাবে উত্তর দিলেন, "অবশ্যই করি।" বিচারক করুণায় দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন, "মামলা খারিজ।"
** [[মেরি হিটন ভোর্স]] (১৯২৬), গের্ডা লার্নার সম্পাদিত 'দ্য ফিমেল এক্সপেরিয়েন্স: অ্যান আমেরিকান ডকুমেন্টারি' গ্রন্থে সংকলিত।
*তিনি আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-তে যোগ দিয়েছিলেন যখন সেটি তার সোনালী যুগে ছিল। আদর্শবাদে পূর্ণ এই আন্দোলন উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলকে প্লাবিত করেছিল। সব জায়গায় তাদের বাক-স্বাধীনতার লড়াই চলছিল। কর্তৃপক্ষ তাদের গ্রেপ্তার করত এবং আরও বেশি মানুষ আসত। তারা জেলখানাগুলোকে জনাকীর্ণ করে ফেলেছিল। এলিজাবেথ বলেছিলেন, "একটি শহরে জেলে এত বেশি মানুষ ছিল যে দিনের বেলা তাদের ছেড়ে দেওয়া হতো। বাইরের আমাদের তাদের খাওয়াতে হতো। প্রতি রাতে তারা আবার জেলে ফিরে যেত। অবশেষে ওবলিরা সিদ্ধান্ত নিল যে জেলের দরজা খুললেও তারা বের হবে না। দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ সেইসব ওবলিদের দেখতে আসত যারা জেল ছাড়তে রাজি ছিল না।" তার জীবনের এই অংশটি—পশ্চিমের যাযাবর শ্রমিকদের সংগঠিত করা এবং তাদের হয়ে লড়াই করা—তার জীবনের সেই অংশ যা তিনি সবচেয়ে বেশি পছন্দ করেন।
** মেরি হিটন ভোর্স (১৯২৬), গের্ডা লার্নার সম্পাদিত 'দ্য ফিমেল এক্সপেরিয়েন্স: অ্যান আমেরিকান ডকুমেন্টারি' গ্রন্থে সংকলিত।
*প্রতিরক্ষার কাজ তার কাছে নতুন কিছু ছিল না এবং ১৯১৮ সাল থেকে ইদানীংকাল পর্যন্ত তার প্রধান কাজ ছিল রাজনৈতিক বন্দিদের জেল থেকে মুক্ত করা। আর ১৯২১ সাল থেকে তিনি স্যাকো-ভানজেত্তি মামলার ওপর মনোযোগ নিবদ্ধ করেছেন। সেখানে ছিল নিরন্তর কাজ, ছিল গ্রেপ্তার এবং তার আদর্শের জন্য বন্দি হওয়া কমরেডদের নিয়ে তার নিরন্তর ব্যস্ততা। শ্রমিক আন্দোলনে তার প্রথম বিশ বছর পার করার পরও তিনি অম্লান এবং নিরুৎসাহহীন।
** মেরি হিটন ভোর্স (১৯২৬), গের্ডা লার্নার সম্পাদিত 'দ্য ফিমেল এক্সপেরিয়েন্স: অ্যান আমেরিকান ডকুমেন্টারি' গ্রন্থে সংকলিত।
*প্রগতিশীল বা আমূল সংস্কারবাদী আন্দোলনে সক্রিয় যেসব সুন্দরী নারীর সাথে আমার দেখা হয়েছে, তাদের সুন্দর স্মৃতি ছাড়া যদি মনে রাখার মতো আর কিছু না-ও থাকত, তবুও জীবন সার্থক হতো। আমি এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিনের প্রেমে পড়েছিলাম যখন একজন তরুণী হিসেবে তিনি তার স্পষ্ট ও সুমধুর কণ্ঠে হাজার হাজার মানুষকে সামাজিক বিদ্রোহের আদর্শে উদ্বুদ্ধ করেছিলেন।
** [[আর্ট ইয়াং]], 'হিজ লাইফ অ্যান্ড টাইমস' (১৯৩৯)
*বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকের সেইসব বিপ্লবীদের শক্তি ও উদ্দীপনার আঁচ পাওয়া যায় কেবল এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিনের পুলিশের রেকর্ড বা অপরাধের তালিকার দিকে তাকালে।
** [[হাওয়ার্ড জিন]], 'আ পিপলস হিস্ট্রি অফ দ্য ইউনাইটেড স্টেটস'
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:শ্রমিক নেতা]]
[[বিষয়শ্রেণী:শ্রমিক আন্দোলনকর্মী]]
[[বিষয়শ্রেণী:নারী অধিকার কর্মী]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নারী সক্রিয়কর্মী]]
[[বিষয়শ্রেণী:কমিউনিস্ট পার্টি ইউএসএ-এর সদস্য]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নারীবাদী]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আত্মজীবনীকার]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক লেখক]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লেখিকা]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমাজতন্ত্রী]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাক-স্বাধীনতা আন্দোলনকর্মী]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাম্যবাদী]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৮৯০-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৬৪-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯শ শতাব্দীতে জন্মগ্রহণকারী নারী]]
[[বিষয়শ্রেণী:নিউ হ্যাম্পশায়ারের ব্যক্তি]]
jps08vq1hrfclan7ccyc8uo0majnmaa
83278
83277
2026-05-02T19:17:35Z
Tuhin
172
83278
wikitext
text/x-wiki
[[File:Elizabeth Gurley Flynn point (cropped).jpg|thumb|এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন]]
'''[[w:bn:এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন|এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন]]''' (৭ আগস্ট ১৮৯০ – ৫ সেপ্টেম্বর ১৯৬৪) ছিলেন একজন [[w:bn:শ্রমিক নেতা|শ্রমিক নেতা]], সক্রিয়কর্মী এবং [[w:bn:নারীবাদী|নারীবাদী]] যিনি [[w:bn:ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়ার্কার্স অফ দ্য ওয়ার্ল্ড|ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়ার্কার্স অফ দ্য ওয়ার্ল্ডে]] অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন। ফ্লিন [[w:bn:আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়ন|আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়নের]] একজন প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং [[নারীর অধিকার]], [[জন্ম নিয়ন্ত্রণ]] এবং [[w:bn:নারী ভোটাধিকার|নারী ভোটাধিকারের]] একজন বিশিষ্ট প্রবক্তা ছিলেন। তিনি ১৯৩৬ সালে [[w:bn:কমিউনিস্ট পার্টি ইউএসএ|কমিউনিস্ট পার্টি ইউএসএ]]-তে যোগ দেন এবং জীবনের শেষভাগে, ১৯৬১ সালে এর সভানেত্রী হন।
== উক্তি ==
===[https://speakingwhilefemale.co/jobs-flynn2/ "দ্য ওয়ার্কিং ক্লাস"] (২৯ জুন, ১৯০৯)===
* ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়ার্কার্স অফ দ্য ওয়ার্ল্ড হলো শ্রমিক সংগঠনের একটি নতুন রূপ, যা কেবল শিল্প শ্রমিক শ্রেণি এবং শুধুমাত্র সেই শ্রেণির জন্যই কাজ করে।
* এই দেশের শ্রমিক শ্রেণি এমন এক পরিস্থিতির দিকে তাকিয়ে আছে যেখানে সারা বিশ্বের চাহিদা মেটানোর মতো প্রাকৃতিক সম্পদ বিদ্যমান। তারা এমন এক শিল্প পরিস্থিতির দিকে তাকিয়ে আছে যা এমন সব যন্ত্রপাতি উদ্ভাবন করেছে যা খুব সামান্য শ্রম ব্যয়ে এই প্রাকৃতিক সম্পদগুলোকে প্রয়োজনীয় পণ্য বা বিলাসদ্রব্যে রূপান্তর করতে সক্ষম। তবুও তা সত্ত্বেও এবং যারা পরিশ্রম করে তাদের দ্বারা সম্ভব হওয়া উৎপাদনশীলতা এবং পৃথিবীর প্রাকৃতিক প্রাচুর্য সত্ত্বেও, আমাদের এই দেশে মানুষ না খেয়ে মরছে এবং পঞ্চাশ লক্ষ মানুষ বেকার। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে দশ লক্ষেরও বেশি শিশু শ্রমিক, নিউ ইয়র্ক সিটিতে সত্তর হাজার এবং শিকাগোতে পঞ্চাশ হাজার শিশু সকালে নাস্তা না খেয়ে স্কুলে যায়। আমাদের এমন এক অবস্থা যেখানে অধিকাংশ মানুষ সম্পদহীন শ্রেণি, যারা কোনো জমির মালিক নয়, যারা সেই উৎপাদনশীল যন্ত্রপাতির কোনোটিই নিয়ন্ত্রণ করে না, যারা এই স্বাধীন দেশে এবং সাহসীদের আবাসভূমিতে নিজের শ্রমশক্তি অর্থাৎ নিজের কাজ করার ক্ষমতা ছাড়া আর কিছুই নিয়ন্ত্রণ করে না।
* আজ শ্রমিক শ্রেণির কাছে কেবল এমন কিছু পরিস্থিতি রয়েছে যা তারা নিজেরা প্রতিকার করার অবস্থানে আছে। তাদের কাছে কেবল কিছু মিথ্যা পরিস্থিতি রয়েছে, যা প্রকৃতির সৃষ্টি নয় বরং মানুষের তৈরি, যা তারা নিজেরা উৎখাত করতে পারে।
* আমাদের যা কিছু আছে তা হলো কাজ করার ক্ষমতা এবং পুঁজিবাদী শ্রেণির কাছে সেই একটি পণ্যই নেই। তাদের কারখানা আছে, জমি আছে, রেলপথ আছে কিন্তু তাদের কাছে শ্রমশক্তি নেই, যা সম্পদ তৈরির আসল ক্ষমতা।
* স্যামুয়েল গম্পার্স হলো মালিকদের বন্ধু।
* আমাদের আছে শুধু আমাদের সংগঠন, সহকর্মীবৃন্দ। তাদের আছে পুঁজি, তাদের আছে সরকারের ক্ষমতা, পুঁজিবাদী শ্রেণীর সংগ্রামী গোষ্ঠী; তাদের আছে রাষ্ট্রের ক্ষমতা; তাদের আছে আন্তর্জাতিক পুঁজির ক্ষমতা — আর আমাদের আছে শুধু আমাদের সাংগঠনিক শক্তি।
==="দ্য ট্রুথ অ্যাবাউট দ্য প্যাটারসন স্ট্রাইক" (১৯১৪)===
''আউটস্পোকেন উইমেন'' (১৯৮৪) সংকলন থেকে। ক্যাপশন: "নিচের ভাষণটি ১৯১৪ সালের ৩১শে জানুয়ারি নিউ ইয়র্ক সিটির নিউ ইয়র্ক সিভিক ক্লাব ফোরামে প্রদান করা হয়েছিল। এর টাইপস্ক্রিপ্টটি মিশিগানের অ্যান আর্বারে অবস্থিত ইউনিভার্সিটি অফ মিশিগান লাইব্রেরির লাবাদি কালেকশনে সংরক্ষিত রয়েছে।"
* আমি মনে করি আমাদের অনেক সমালোচকই সেইসব মানুষ যারা ঘরে বসে বিছানায় বিশ্রাম নিচ্ছিলেন যখন আমরা ধর্মঘটের কঠিন কাজগুলো করছিলাম।
* শ্রমিকদের বিজয় আসলে কী? আমি মনে করি এটি একটি দ্বিমুখী বিষয়। একটি পূর্ণাঙ্গ বিজয় অর্জনের জন্য শ্রমিকদের অবশ্যই অর্থনৈতিক সুবিধা অর্জন করতে হবে। একই সাথে তাদের মধ্যে বৈপ্লবিক চেতনাও জাগ্রত হতে হবে। শ্রমিকরা দিনে কয়েক সেন্ট মজুরি বেশি পেল বা কয়েক মিনিট কম কাজ করল, কিন্তু সেই একই মানসিকতা নিয়ে কাজে ফিরল। সমাজের প্রতি তাদের দৃষ্টিভঙ্গি যদি একই থাকে, তবে সেটি কেবল একটি সাময়িক লাভ। এটি কোনো স্থায়ী বিজয় নয়। শ্রমিকরা যদি শ্রেণি-সচেতন চেতনা এবং একটি সংগঠিত ও দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ মনোভাব নিয়ে কাজে ফেরে, তবেই সেটি প্রকৃত জয়। এর ফলে তাৎক্ষণিক কোনো অর্থনৈতিক লাভ না হলেও ভবিষ্যতে তা অর্জনের সম্ভাবনা তৈরি হয়। অন্য কথায়, শ্রমিকের বিজয়কে অবশ্যই অর্থনৈতিক এবং বৈপ্লবিক হতে হবে। তা না হলে সেটি পূর্ণাঙ্গ হয় না।
* একটি শ্রমিক বিজয় অবশ্যই দ্বিমুখী হতে হবে, তবে যদি কেবল একটি পাওয়া সম্ভব হয় তবে অর্থনৈতিক সুবিধার চেয়ে চেতনা অর্জন করা অনেক বেশি ভালো।
* আমাদের কাজ ছিল শিক্ষিত করা এবং অনুপ্রাণিত করা। শিক্ষা কোনো তাৎক্ষণিক পরিবর্তন নয়, বরং এটি একটি প্রক্রিয়া। শ্রমিকদের সামনে দেওয়া একটি মাত্র ভাষণ তাদের সারা জীবনের সংস্কারগুলো দূর করে দেয় না। আমাদের জাতীয় বিষয়গুলো নিয়ে কুসংস্কার ছিল। বিভিন্ন পেশার মধ্যে এবং নারী-পুরুষের প্রতিযোগিতার মধ্যেও সংস্কার ছিল। আমাদের এই সবকিছুই কাটিয়ে উঠতে হয়েছিল।
* ধর্মঘটের ক্ষেত্রে উদ্দীপনা মানে হলো সেই ধর্মঘট এবং তার মাধ্যমে হওয়া শ্রেণী সংগ্রামকে তাদের ধর্মে পরিণত করা। তারা যে সামান্য কয়েক সেন্ট মজুরি বা কয়েক ঘণ্টা সময়ের জন্য লড়ছে, সেই কথাটি তাদের ভুলিয়ে দিতে হবে। তাদের মনে এই অনুভূতি জাগিয়ে তুলতে হবে যে এই ধর্মঘটে জয়ী হওয়া তাদের একটি "ধর্মীয় দায়িত্ব"। আমাদের কাজের মূলে ছিল এই দুটি বিষয়। তাদের মধ্যে সংহতি এবং শ্রেণী-সচেতনতার বোধ তৈরি করা।
* আমি বলছি না যে সহিংসতা ব্যবহার করা উচিত নয়। তবে যেখানে এর কোনো প্রয়োজন নেই, সেখানে আমাদের এটি অবলম্বন করারও কোনো কারণ নেই।
* শারীরিক সহিংসতা নাটকীয় মনে হয়। বিশেষ করে যখন আপনি এটি নিয়ে কেবল কথা বলেন কিন্তু বাস্তবে প্রয়োগ করেন না, তখন এটি বেশি নাটকীয় লাগে। তবে ধর্মঘট পরিচালনার ক্ষেত্রে প্রকৃত সহিংসতা এখন একটি সেকেলে পদ্ধতি। সমস্ত শিল্প-কারখানাকে অচল করে দেওয়ার মতো গণ-আন্দোলন অনেক বেশি আধুনিক এবং ভীতিকর পদ্ধতি। এর মানে এই নয় যে আত্মরক্ষার জন্য সহিংসতা ব্যবহার করা যাবে না। আত্মরক্ষার জন্য সহিংসতার প্রয়োজনীয়তা সবাই বিশ্বাস করে। ধর্মঘটীদের এটি আলাদা করে বলে দেওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে মূল বিষয়টি হলো ধর্মঘটে জেতার উপায় হলো নিজের হাত পকেটে রেখে কাজ করতে অস্বীকার করা।
* যদি রবিবারে আপনি সেই মানুষগুলোকে বাড়িতে থাকতে দেন, তবে তারা আগুনহীন চুলার পাশে বসে থাকবে। তারা এমন টেবিলে খেতে বসবে যেখানে খুব বেশি খাবার নেই। তারা দেখবে সন্তানদের জুতো ছিঁড়ে পাতলা হয়ে গেছে এবং তাদের পোশাকগুলোও জীর্ণ হয়ে যাচ্ছে। তখন তারা কেবল "নিজের" কথা ভাবতে শুরু করবে। এতে তাদের মধ্যে থাকা গণ-চেতনা হারিয়ে যাবে এবং সবাই যে তাদের মতোই কষ্ট পাচ্ছে সেই উপলব্ধি তারা হারাবে। সপ্তাহের প্রতিদিন এবং বিশেষ করে রবিবারে তাদের কাজে ব্যস্ত রাখতে হবে। এটি করা প্রয়োজন যাতে তাদের মনোবল শূন্যে নেমে না যায়। আমি মনে করি পাদ্রিরা রবিবারে এই কারণেই ধর্মোপদেশ দেন যাতে মানুষ সপ্তাহের বাকি দিনগুলো তাদের অবস্থা কতটা খারাপ ছিল তা ভাবার সুযোগ না পায়। যাই হোক, ধর্মঘটের সময় এটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি বিষয়।
* প্রকৃতপক্ষে প্রতিটি ধর্মঘটের এটি একটি জরুরি প্রক্রিয়া। মানুষকে সবসময় ব্যস্ত রাখা এবং তাদের সক্রিয় রাখা প্রয়োজন যাতে তারা সারিবদ্ধ লড়াইয়ের যোদ্ধা হিসেবে কাজ করতে পারে। আন্দোলনকারীর কাজ হলো বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রমের পরিকল্পনা করা এবং পরামর্শ দেওয়া যা পুরোপুরি ধর্মঘটের ওপর নিবদ্ধ থাকবে। এই কারণেই আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. বড় বড় জনসভা, নারী সমাবেশ এবং শিশুদের সমাবেশের আয়োজন করে। আমরা কেন বড় আকারে পিকেটিং এবং গণ-অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার আয়োজন করি তার কারণও এটিই। এই নিরবচ্ছিন্ন গণ-কার্যক্রমের মাধ্যমেই আমরা শ্রমিকদের মনে "একজনের জন্য সবাই এবং সবার জন্য একজন" এই অনুভূতি তৈরি করতে পারি। আমরা তাদের বোঝাতে সক্ষম হই যে একজনের ক্ষতি মানেই সবার ক্ষতি। আমরা তাদের এমন এক পর্যায়ে নিয়ে আসতে পারি যেখানে তারা ধর্মঘটের ভাতার চেয়ে পারস্পরিক সহায়তার ওপর বেশি ভরসা করবে। তারা জরিমানা দিতে অস্বীকার করে একসাথে শত শত মানুষ জেলে যাবে।
* এই অনবরত সক্রিয়তাই হলো একজন আন্দোলনকারীর কাজ। তাদের নতুন কী কাজ দেওয়া যায় তা ভাবতে গিয়ে আমরা অনেক রাত জেগে কাটিয়েছি। লরেন্সের কথা মনে পড়ে যখন আমাদের কেউ এক রাত ঘুমাতে পারিনি। কাজের অভাবে ধর্মঘটের উদ্দীপনা তখন কমে যাওয়ার ঝুঁকিতে ছিল। আমার মনে আছে [[বিল হেউড]] শেষ পর্যন্ত বলেছিলেন, "চলো এসেক্স স্ট্রিটে পিকেট লাইন তৈরি করি। প্রতিটি ধর্মঘটী একটি করে ছোট লাল ফিতা পরবে এবং রাস্তায় পায়চারি করে বুঝিয়ে দেবে যে ধর্মঘট ভেঙে যায়নি।" কয়েক দিন পর সেই পরামর্শ কার্যকর করা হয়। যখন তারা বাড়ি থেকে বেরিয়ে নিজেদের বিশাল সংখ্যাটি দেখল, তখন তারা নতুন শক্তি ও উদ্যম ফিরে পেল। এটি তাদের ধর্মঘটকে আরও অনেক সপ্তাহ এগিয়ে নিতে সাহায্য করেছিল।
* মানুষ কাজের মাধ্যমেই কাজ শেখে। ধর্মঘটে আমাদের কোনো সামরিক বাহিনী নেই যাকে "এটি করো" বা "ওটি করো" বললেই তারা নিখুঁতভাবে মেনে চলবে। গণতন্ত্রের মানে হলো ভুল করা এবং অনেক ভুল করা। তবে এর মানে অভিজ্ঞতা অর্জন করাও যাতে সেই ভুলগুলোর পুনরাবৃত্তি না হয়।
* নিয়োগকর্তারা আপনার বাহিনীর সবটুকু দেখতে পান। কিন্তু আপনি তাদের বাহিনীর কিছুই দেখতে পান না এবং কেবল তাদের অবস্থা অনুমান করতে পারেন।
===[https://www.marxists.org/subject/women/authors/flynn/1916/patriotism.htm "ডু ইউ বিলিভ ইন প্যাট্রিওটিজম?"] (মার্চ, ১৯১৬)===
''দ্য মাসেস'' পত্রিকায় প্রকাশিত।
* প্রশ্নটি কি এমন হওয়া উচিত 'আমেরিকা আগে' নাকি 'দুনিয়ার মজদুর, এক হও!'
* যাদের এই দেশ আছে, যারা যুদ্ধের প্রস্তুতির জন্য চিৎকার করছে এবং তা থেকে মুনাফা লুটছে, তাদের নিজেদের সম্পদ রক্ষার জন্য তাদেরকেই লড়তে দাও।
* আমি রাজা বা কাইজারের শাসনের মতো [[রকফেলার]] এবং [[মরগান|মরগানের]] শাসনকেও ঘৃণা করি। বেলজিয়ামের ঘটনায় আমি যতটা ক্ষুব্ধ, লুডলো এবং ক্যালুমেটের ঘটনায় আমি ততটাই লজ্জিত ও ক্ষুব্ধ।
* আমাদের শ্রমিকদের অধিকাংশ হলো বিদেশি, যারা এক বা দুই প্রজন্ম আগে এখানে এসেছে। তাদের ইউরোপীয় পারিবারিক টান এবং আমেরিকান পরিবেশের কারণে এই বৈচিত্র্যময় জনগোষ্ঠীর জন্য আন্তর্জাতিকতাবাদই যৌক্তিক দেশপ্রেম হয়ে ওঠে।
* যে ট্রেনে বসে আমি এই লেখাটি লিখছি, সেটি এমন সব কারখানার পাশ দিয়ে দ্রুত বেগে ছুটে চলেছে যেখানে সোনার বিনিময়ে হত্যার সরঞ্জাম তৈরি করা হয়।
===[https://www.marxists.org/subject/women/authors/flynn/1941/mayday.htm "মে ফার্স্ট: দ্য সান অফ টুমরো"] (৬ মে, ১৯৪১)===
* এটি জাতি, ধর্ম, বর্ণ এবং জাতীয়তার সমস্ত পার্থক্যকে মুছে দেয়। এটি সর্বত্র সকল শ্রমিকের ভ্রাতৃত্বকে উদযাপন করে। এটি সমস্ত জাতীয় সীমানা অতিক্রম করে, সমস্ত ভাষার বাধা পেরিয়ে যায়, সমস্ত ধর্মীয় বিভেদকে উপেক্ষা করে। এটি সারা বিশ্বে সমস্ত শ্রমিক এবং সমস্ত শোষণকারীদের মধ্যে অলঙ্ঘনীয় ফাটলকে স্পষ্ট করে তোলে। এটি সেই দিন যখন শ্রেণি সংগ্রামের লড়াকু তাৎপর্য প্রতিটি সচেতন শ্রমিকের মাধ্যমে পুনরায় নিশ্চিত হয়।
* জ্ঞানদীপ্ত শ্রমিকের কাছে এই দিনটি একটি নতুন বিশ্ব, একটি শ্রেণিহীন বিশ্ব, একটি শান্তিপূর্ণ বিশ্ব, দারিদ্র্য বা দুঃখহীন বিশ্বের পূর্বাভাস। এটি সমাজতন্ত্রের এক উজ্জ্বল প্রতিশ্রুতি, মানবজাতির প্রকৃত ভ্রাতৃত্ব। ১৯৪১ সালের এই দিনে লেনিনের সেই বিজ্ঞ বাণী “জীবন নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করবেই। কমিউনিস্টদের অবশ্যই জানতে হবে যে ভবিষ্যৎ তাদেরই,” ব্রাউডার এবং থেলম্যান ও আরও অসংখ্য মানুষের একাকী জেলখানাকে আলোকিত করবে। কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পগুলোতে বিপ্লবী গানের মৃদু সুর শোনা যাবে। সমুদ্রে, সামরিক ব্যারাকে, কারখানা বা কলের জবরদস্তিমূলক শ্রমে নিযুক্ত শ্রমিকদের হৃদস্পন্দন তাদের সাথে মিলে যাবে যারা বহুদূরে মস্কোর রেড স্কয়ারে উত্তাল সংগীতের তালে লাল পতাকার পেছনে আনন্দভরে প্যারেড করছে। ইউরোপের পরিখায় থাকা সৈনিকরা, ফ্রাঙ্কোর অন্ধকূপের বন্দিরা, হিটলারের নরককুণ্ডের এবং মুসোলিনির কারাগারের বন্দিরা দাঁতে দাঁত চেপে বিড়বিড় করে বলবে, “তোমাদের দিন ফুরিয়ে আসছে। তোমরা জনগণের চূড়ান্ত বিজয় রুখতে পারবে না!”
* মে দিবস আমেরিকান শ্রমিকদের রক্তে দীক্ষিত হয়েছিল।
* ফাঁসির দড়ি গলায় শক্ত হওয়ার সময় [[আলবার্ট পারসন্স|পারসন্স]] চিৎকার করে বলেছিলেন, "জনগণের কণ্ঠস্বর শুনতে দাও!" গতকালের বীর শহিদ, মে দিবসে এই কণ্ঠস্বর শোনা গেছে এবং সবসময় শোনা যাবে! এই বছর শিকাগোর ইন্টারন্যাশনাল হারভেস্টার ওয়ার্কসের নবসংগঠিত বিজয়ী ধর্মঘটীরা মে মাসের এক তারিখে তোমাদের নামকে পবিত্র করবে।
* জার্মানির সাহসী সমাজতন্ত্রী নারী [[রোজা লুক্সেমবার্গ]], যাকে পরে সামরিকবাদীরা নির্মমভাবে হত্যা করেছিল, ১৯১৩ সালে বিশ্বযুদ্ধের বিরুদ্ধে সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন। তিনি মে দিবসকে শান্তি ও সমাজতন্ত্রের জন্য এক শক্তিশালী গণবিক্ষোভে পরিণত করার আহ্বান জানিয়েছিলেন। “দুনিয়ার মজদুর, এক হও!” মে দিবসে এটিই ছিল জোরালো দাবি। প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে চাপ দেওয়া হয়েছিল এবং প্রতিটি দেশে ও আন্তর্জাতিকভাবে আরও বেশি লড়াকু স্লোগান তোলা হয়েছিল।
* কেবল শ্রমিকদের জন্যই আন্তর্জাতিকতাবাদী হওয়া নিষেধ। অথচ [[জে. পি. মরগান]] এবং [[হেনরি ফোর্ড]]ের মতো ব্যক্তিদের জন্য এটি একদম স্বাভাবিক বিষয়। ব্যাংকার, অস্ত্র ব্যবসায়ী এবং রাসায়নিক কোম্পানিগুলোর জন্য এটি মানানসই। বিজ্ঞানী, ডাকটিকিট সংগ্রাহক, ক্রীড়া সংস্থা, সঙ্গীতশিল্পী এমনকি যারা মৌমাছি পালন করেন তাদের জন্য আন্তর্জাতিকতাবাদী হওয়া ঠিক আছে। কিন্তু শ্রমিকদের জন্য নয়। যখনই শ্রমিকরা সীমান্ত পেরিয়ে একে অপরের হাত ধরে, তখনই সব দেশে তাদের ওপর আঘাত হানা হয়। নৃতত্ত্ববিদরা যখন দুর্বোধ্য ভাষায় বলেন যে "পৃথিবীতে কেবল একটিই জাতি আছে আর তা হলো মানবজাতি", তখন সবাই তা মেনে নেয়। কিন্তু একজন শ্রমিক যখন অন্যকে "ভাই" বা "কমরেড" বলে সম্বোধন করে, তখনই বিপদ নেমে আসে। তাকে যেখান থেকে এসেছে সেখানে ফেরত পাঠানোর দাবি ওঠে। তার নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া হয়। তাকে চাকরি হারাতে হয় এবং কারাবরণ করতে হয়। যদি যিশুর মতো কোনো কণ্ঠ তাদের চ্যালেঞ্জ করে জিজ্ঞেস করে যে "নিজের মতো করে প্রতিবেশীকে ভালোবাসার কী হবে?", তখন টেক্সাসের সেই বন্য লোকটি গর্জে উঠবে। সে বলবে যে "কে এ কথা বলেছে? সে নিশ্চয়ই একজন লালপন্থী এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী!" আমাদের এই উন্মাদনায় মোটেও বিচলিত হওয়া উচিত নয়। আমাদের লেনিনের সেই শান্ত কথাগুলো মনে রাখা উচিত। তিনি বলেছিলেন যে বুর্জোয়ারা ঠিক সেভাবেই আচরণ করছে যেমনটি ইতিহাসে মৃত্যু দণ্ডপ্রাপ্ত প্রতিটি শ্রেণী করে থাকে। সংহতি ও আশার প্রতিটি সুন্দর মে দিবস আমাদের দীর্ঘমেয়াদী দৃষ্টিভঙ্গি লালন করার কথা মনে করিয়ে দেয়। সামনের রাস্তা হয়তো অনেক বেশি বন্ধুর হতে পারে, কিন্তু এটি পেছনের রাস্তার চেয়ে অনেক ছোট।
* মে দিবসে আমরা সোভিয়েত ইউনিয়নকে অভিবাদন জানাই। এটি সমাজতন্ত্রের দেশ এবং শান্তি ও প্রাচুর্যের দেশ। অনাদিকাল থেকে এটি শ্রমজীবী মানুষের এক মহান আদর্শ। এটি সকল মেহনতি মানুষের এক সহযোগিতামূলক সাধারণতন্ত্র।
* যুদ্ধবাজরা চিৎকার করুক এবং মুনাফালোভীরা আস্ফালন করুক। মে দিবসে আমেরিকার লক্ষ লক্ষ শ্রমিক জবাব দিচ্ছে যে "আমরা বিচলিত হব না"। যতক্ষণ আমরা সংগঠিত হচ্ছি এবং লড়াই করছি, ততক্ষণ হতাশ হওয়ার বা ক্লান্ত হওয়ার কিছু নেই। আমরা যা জয় করেছি তা যতক্ষণ শক্ত হাতে ধরে রাখছি এবং আরও অর্জনের জন্য এগিয়ে যাচ্ছি, ততক্ষণ ভয়ের কিছু নেই। আমেরিকার ছিয়াশি শতাংশ মানুষের মধ্যে যুদ্ধবাজ রুজভেল্ট-উইলকি গোষ্ঠীর প্রতি যতক্ষণ অটল প্রতিরোধ আছে, ততক্ষণ বিজয় আমাদেরই। সংগঠিত হও। লড়াই করো। সামনের দিকে এগিয়ে যাও। এটাই ১৯৪১ সালে আমেরিকার মে দিবসের চেতনা।
* যুদ্ধে অংশ না নেওয়ার জন্য সংগঠিত হোন এবং লড়াই করুন! আমেরিকানসহ সকল সাম্রাজ্যবাদ ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে!
* ১৯৪১ সালের পহেলা মে বিশ্বজুড়ে লক্ষ লক্ষ মানুষের হৃদয়ে, মনে এবং মুখে শান্তি ও সমাজতন্ত্রের কথা ধ্বনিত হচ্ছে। “আগামীকালের সূর্য” আমাদের ওপর আলোকিত হচ্ছে। ভবিষ্যৎ আমাদের।
=== আদালতে ভাষণ, স্মিথ অ্যাক্টের অধীনে অভিযুক্ত (১৯৫২) ===
এস. মিশেল নিক্স সম্পাদিত ''উইমেন অ্যাট দ্য পডিয়াম: মেমোরবল স্পিচেস ইন হিস্ট্রি'' গ্রন্থ থেকে।
* আমি বা আমার কমরেডদের কেউই বলপ্রয়োগ ও সহিংসতার মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকারকে উৎখাত করার কোনো ষড়যন্ত্রে দোষী নই। মৌনতাকে পরাজয়বাদ হিসেবে গণ্য করা হতে পারে, কিন্তু সত্য হলো আমি আমাদের নির্দোষিতার বিষয়ে এতটাই শান্ত ও সচেতন যে, আমাকে কারারুদ্ধ করা যেতে পারে কিন্তু আমাকে সংশোধন করা, সংস্কার করা বা পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। আমার শরীরকে বন্দি করা যেতে পারে কিন্তু আমার চিন্তাভাবনা স্বাধীন ও অপ্রভাবিত থাকবে। সমগ্র মানব ইতিহাস প্রমাণ করেছে যে ধারণা বা চিন্তাকে কারাগারে বন্দি করা যায় না। সেগুলোর মোকাবিলা কেবল জনসমক্ষে আলোচনার মাধ্যমেই সম্ভব।
* পুঁজিবাদী ব্যবস্থার অধীনে যে রাজনৈতিক, শিল্পগত ও সামাজিক পরিস্থিতি আমাদের চিন্তাধারা তৈরি করেছিল, তা এখনও বিদ্যমান। এগুলো অসংখ্য মানুষের মনে একই ধরনের চিন্তা তৈরি করবে এবং আমাদের বিশ্বাসকে আরও শক্তিশালী করবে। কারাগার কখনোই সেইসব দৃঢ়প্রতিজ্ঞ মানুষকে প্রভাবিত করতে পারে না যারা নিজেদের আদর্শের জন্য বাঁচে, কাজ করে এবং প্রয়োজনে মৃত্যুবরণ করে। আমরা কমিউনিস্টরা তেমনই মানুষ। মিথ্যা, হিস্টিরিয়া, কুসংস্কার এবং বিশেষ করে ভয়ের কুয়াশা একবার কেটে গেলে আমি আমেরিকার মানুষের চূড়ান্ত ন্যায়বিচারের ওপর আস্থা রাখি। নিজের দেশকে ভয়ের কবলে দেখা এক ভয়াবহ বিষয়। এই ভয় অপ্রয়োজনীয়, নির্বোধ এবং মূর্খতাপূর্ণ। এটি কাল্পনিক শত্রুর ভয়, আমাদের মিত্র ও বন্ধুদের ভয়। এটি গুপ্তচরদের আঙুল তোলার ভয় এবং নিজের চাকরি, নাগরিকত্ব বা সমাজে নিজের অবস্থান হারানোর ভয়। বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার অপচয়কারী এবং দম্ভোক্তি ও দমন-পীড়নকারী এই পুরো সরকারি আমলাতন্ত্র আসলে ভয়ের অন্ধকারে দাঁড়িয়ে শিস দিচ্ছে এবং পুরো পৃথিবীকে আমাদের ভয়ে আতঙ্কিত করার চেষ্টা করছে।
* মুষ্টিমেয় কিছু আতঙ্কিত ধনীর মাধ্যমেই এই সংক্রমণ ছড়িয়েছে। এরা সেইসব ট্রাস্টের লোক যারা নিজেদের দেশের চেয়ে শেয়ার আর বন্ডকে বেশি ভালোবাসে। তাদের দেশপ্রেম সবসময় মুনাফার হারের ওপর নির্ভরশীল। তারা কেবল নিজের দেশের মানুষ নয়, বরং পুরো মানবজাতিকে শাসন ও শোষণ করতে এবং তাদের বিরুদ্ধে সহিংসতা চালাতে চায়। নিজেদের নীচ ও স্বার্থপর শাসনব্যবস্থা এবং জীবনধারা বজায় রাখার জন্য তারা পারমাণবিক যুদ্ধের মাধ্যমে পুরো পৃথিবীকে রক্তগঙ্গায় ভাসিয়ে দিতেও দ্বিধা করবে না। এই পদ্ধতি তারা এমন সব মানুষের ওপর চাপিয়ে দিতে চায় যারা এটি চায় না। বিপদ যত বড়ই হোক না কেন, আমার বিশ্বাস যে আমাদের দেশে ফ্যাসিবাদের জয় কখনোই হবে না। ১৯৩৫ সাল থেকে সেই বিপদের সংকেত দেওয়ার ক্ষেত্রে আমাদের দল যে ভূমিকা রেখেছে, তা নিয়ে আমি গর্বিত।
* খুব শীঘ্রই ১৮০০ সালের এলিয়েন অ্যান্ড সেডিশন ল, ষাটের দশকের ফিউজিটিভ স্লেভ ল এবং ১৯২০-এর দশকের ক্রিমিনাল সিন্ডিকালিস্ট আইনের মতো স্মিথ অ্যাক্টও বাতিলের খাতায় চলে যাবে।
* আদালত কক্ষ, মধ্যবিত্ত জুরি এবং সংবাদমাধ্যমকে ঘিরে থাকা এই কুয়াশা সাধারণ মানুষের মাঝ থেকে অচিরেই কেটে যাবে। এই সাধারণ মানুষরা কখনোই ফেডারেল জুরিতে জায়গা পায় না। কারণ তাদের চেহারা আর চালচলন সেইসব কট্টর রাজনৈতিক ব্যক্তিদের সন্তুষ্ট করতে পারে না যারা নিজেরা ভাষাগত ভুলে ভরা এবং বিত্তবানদের তোষামোদ করে চলে।
* দমনমূলক আইন, আনুগত্যের শপথ, সংসদীয় তদন্ত, রাজনৈতিক বিচার এবং এই জাতীয় অন্যায়ের বিরুদ্ধে আমাদের দেশে একটি গণ-আন্দোলন জেগে উঠছে। এটি যেন প্রেইরি অঞ্চলের এক শক্তিশালী ও সতেজ বাতাসের মতো।
* ধর্মাবতার, আমি গত শুক্রবার আপনাকে একটি প্রশ্ন করেছিলাম যা আমি আবারও করছি। যদি কমিউনিস্ট পার্টি অবৈধ না হয়, এর সদস্যপদ এবং পদাধিকারী হওয়া অবৈধ না হয়, যদি সমাজতন্ত্রের কথা বলা অবৈধ না হয় কিংবা প্রতিদিনের জনকল্যাণমূলক কাজের প্রচার করা অবৈধ না হয়, তবে বিবেক অনুযায়ী এখানে অবৈধ কোনটি? আমরা কিসের জন্য দোষী?
* আমার এই দীর্ঘ জীবনে আমি কখনো ভাবিনি যে আমাকে বইয়ের জন্য জেলে যেতে হবে। এমনকি পুরো বই নয়, বরং কিছু ছেঁড়া অংশ আর উদ্ধৃতির জন্য। আমি যদি গত সাতচল্লিশ বছরের মতো আমার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যাই এবং ইউনিয়নবাদ, গণতান্ত্রিক অধিকার, কৃষ্ণাঙ্গ ও নারীদের অধিকার এবং শান্তি ও সমাজতন্ত্র নিয়ে কথা বলি, তবে তখন কী ঘটবে, ইয়োর অনার?
* ধর্মাবতার, জরিমানার কথা যদি বলি তবে আমার মালিকানায় থাকা সমস্ত বৈষয়িক সম্পদ হলো সেই বইগুলো যা আমি ষোলো বছর বয়সে টম পেইনের 'কমন সেন্স'-এর একটি পেপারব্যাক কপি কেনার পর থেকে সংগ্রহ করেছি। এগুলো খুব ভালো বই। এর মধ্যে কবিতা, নাটক, ইতিহাস, রাজনীতি, অর্থনীতি, দর্শন, শিল্প, সঙ্গীত এবং সাহিত্য রয়েছে। শেক্সপিয়র, শ এবং এমারসনের পাশে সেখানে মার্ক্স আর এঙ্গেলস আছেন। থরো, জেফারসন এবং হুগোর পাশে সেখানে লেনিন আর স্টালিন আছেন। আমার ওই বইয়ের তাকে শক্তি এবং সহিংসতাও আছে, তবে সরকার যেখানে খুঁজছে সেখানে নয়। এটি রয়েছে আইরিশ ইতিহাসে যেখানে ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে দীর্ঘ ও রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের কথা বলা হয়েছে। এটি আছে আমেরিকার শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাসে এবং আমেরিকার বিপ্লব ও গৃহযুদ্ধের ইতিহাসে। এটি কৃষ্ণাঙ্গ মানুষের সংগ্রামের মাঝেও আছে। ইয়োর অনার, আমার তাকে বাইবেলও আছে। সেখানেও ইহুদি গোষ্ঠী, যিশু ও তার শিষ্যদের বিরুদ্ধে এবং আদি খ্রিস্টান শহীদদের ওপর চলা সহিংসতার কথা বলা হয়েছে।
* শক্তি প্রয়োগ এবং সহিংসতা সবসময় শাসক শ্রেণীর কাছ থেকে আসে, সাধারণ মানুষের কাছ থেকে নয়।
===''দ্য রেবেল গার্ল: অ্যান অটোবায়োগ্রাফি, মাই ফার্স্ট লাইফ'' (১৯৫৫)===
*আমাদের শৈশবের একটি অবিস্মরণীয় ট্র্যাজেডি ছিল ১৯০৪ সালে জেনারেল স্লোকাম নামক প্রমোদ তরণীটি পুড়ে যাওয়া।
* এই বইটি ([[এডওয়ার্ড বেলামি|এডওয়ার্ড বেলামির]] 'লুকিং ব্যাকওয়ার্ড') প্রথম এ দেশে সমাজতন্ত্রের ধারণাটিকে জনপ্রিয় করেছিল। এটি ছিল পুঁজিবাদের একটি তীব্র সমালোচনা যা অনেক আমেরিকানকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছিল এবং তারা ক্রমবর্ধমান [[একচেটিয়া|একচেটিয়াগুলোর]] উত্থানের সেই দিনগুলোতে এর সাথে একমত হয়েছিল।
* দরিদ্র যুবসমাজের প্রতি তার ([[পিটার ক্রোপটকিন|পিটার ক্রোপটকিনের]]) সেই আবেদন আমাকে ব্যক্তিগতভাবে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছিল। আমার মনে হয়েছিল তিনি যেন ব্রঙ্কসে আমাদের সেই জীর্ণ ও দারিদ্র্যপীড়িত ফ্ল্যাটে বসে আমাদের উদ্দেশ্যেই কথা বলছেন। তিনি বলেছিলেন, "তোমাকেও কি তোমার বাবা-মায়ের মতো ত্রিশ বা চল্লিশ বছর ধরে একই ক্লান্তিকর অস্তিত্ব টেনে নিয়ে যেতে হবে? অন্যদের জন্য সুস্বাস্থ্য, জ্ঞান আর শিল্পের সমস্ত আনন্দ জোগাড় করতে গিয়ে কি তোমাকেও সারাজীবন হাড়ভাঙা খাটুনি খাটতে হবে এবং নিজের জন্য কেবল এক টুকরো রুটি জুটবে কি না সেই চিরস্থায়ী উদ্বেগটুকু রেখে দিতে হবে?"
* আমার মনে পড়ে এমন আরেকটি বই যা আমার জীবনে তাৎক্ষণিক পরিবর্তন এনেছিল, সেটি হলো [[আপটন সিনক্লেয়ার|আপটন সিনক্লেয়ারের]] 'দ্য জঙ্গল'। এটি পড়ার পর আমি তৎক্ষণাৎ নিরামিষাশী হয়ে গিয়েছিলাম!
*সেই সময়ে (১৯০৬ সালের দিকে) আমি আরও দুটি বই পড়েছিলাম, যা আমাকে সমাজতান্ত্রিক কর্মকাণ্ডে ঝাঁপিয়ে পড়তে সাহায্য করেছিল। একটি ছিল মেরি উলস্টোনক্র্যাফট রচিত 'ভিন্ডিকেশন অফ দ্য রাইটস অফ উইমেন' এবং অন্যটি ছিল আগস্ট বেবেলের 'উইমেন অ্যান্ড সোশ্যালিজম'।
* নারীদের ইউনিয়নভুক্ত করার কাজ তখনও খুব একটা শুরু হয়নি, এমনকি সুঁই-সুতার কাজের মতো পেশাতেও যেখানে তাদের প্রাধান্য ছিল বেশি। সমান সুযোগ, সমান মজুরি এবং সংগঠিত হওয়ার অধিকার ছিল সেই সময়ের নারী শ্রমিকদের প্রধান দাবি এবং দুর্ভাগ্যবশত এই দাবিগুলো আজও আমাদের মাঝে রয়ে গেছে। [[স্যামুয়েল গোম্পার্স|স্যামুয়েল গোম্পার্সের]] মতো অনেক ইউনিয়ন নেতা, যিনি আমেরিকান ফেডারেশন অফ লেবার-এর সভাপতি ছিলেন, তিনি নারী শ্রমিকদের সংগঠিত হওয়ার যোগ্য বা নির্ভরযোগ্য বলে মনে করতেন না। "তারা কেবল হাতখরচের জন্য কাজ করে" এটিই ছিল সাধারণ অভিযোগ। নারী শ্রমিকরা নিজেরাও বাইরের কাজকে একটি সাময়িক ও প্রয়োজনীয় আপদ হিসেবে দেখতেন যা কেবল বাবার বাড়ি থেকে স্বামীর বাড়িতে যাওয়ার মাঝখানের একটি সময় কাটানোর পথ ছিল। বাবা এবং স্বামীরা নারীদের মজুরি সংগ্রহ করতেন এবং কখনও কখনও সরাসরি কোম্পানির অফিস থেকেই তা নিয়ে নিতেন। নারীদের নিজেদের উপার্জনের ওপর কোনো আইনি অধিকার ছিল না। কর্মজীবী মায়েদের বিশেষ প্রয়োজন এবং সমস্যাগুলো সংখ্যায় অনেক এবং জরুরি হওয়া সত্ত্বেও সেগুলো নিয়ে কোনো বিবেচনা করা হতো না। এমনকি নারীদের পোশাকও তাদের কাজে বাধা সৃষ্টি করত। মাটির সাথে লেগে থাকা লম্বা স্কার্ট, বড় ঢিলেঢালা হাতা এবং বিশাল সব টুপি তাদের জন্য ছিল অসুবিধাজনক। আপনার স্কার্ট যদি জুতোর ওপর পর্যন্ত থাকত, তবে তখনও আপনাকে কেবল "একটি মেয়ে" হিসেবেই গণ্য করা হতো।
*নারীদের ভোটাধিকারের সংগ্রাম দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছিল এবং শক্তিশালী হচ্ছিল। এটি ১৮৪৮ সালে নিউ ইয়র্কের সেনেকা ফলসে প্রথম সমানাধিকার সম্মেলনের মাধ্যমে শুরু হয়েছিল, যার নেতৃত্বে ছিলেন এলিজাবেথ ক্যাডি স্ট্যান্টন এবং সুসান বি অ্যান্থনি এবং যেখানে মহান নিগ্রো নেতা ফ্রেডরিক ডগলাস ভাষণ দিয়েছিলেন। ভোটাধিকার কর্মীদের বিদ্রূপ করা হয়েছিল, ভিড়ের দ্বারা আক্রান্ত হতে হয়েছিল, হলরুম দিতে অস্বীকার করা হয়েছিল, ভোট দেওয়ার চেষ্টার জন্য গ্রেপ্তার করা হয়েছিল এবং পরিবার থেকে ত্যাজ্য করা হয়েছিল। ১৯০৪ সালের মধ্যে কর্মজীবী নারীদের বিভিন্ন দল, বিশেষ করে সমাজতন্ত্রী নারীরা ভোটের দাবিতে একত্রিত হতে শুরু করে। দুই বছর পর নিউ ইয়র্কের ইস্ট সাইডে এই নারীদের ভোটাধিকার আন্দোলনের উদ্যোগেই আন্তর্জাতিক নারী দিবসের জন্ম হয়। এটি সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে এবং আজ সর্বজনীনভাবে পালিত হয়, যদিও এখানে একে "একটি বিদেশি উৎসব" হিসেবে অবজ্ঞা করা হয়।
*ভোটাধিকার আন্দোলন আরও লড়াকু হয়ে উঠছিল এবং মড ম্যালনের মতো ব্যক্তিত্বরা আবির্ভূত হয়েছিলেন। তিনি ১৯০৫ সালে হারলেম ইকুয়াল রাইটস লিগ গঠন করেন। তিনি ৩,০০০ মানুষের এক সভায় থিওডোর রুজভেল্টকে থামিয়ে দিয়ে দাবি করেছিলেন যে নারী ভোটাধিকারের বিষয়ে তার অবস্থান কী। আমরা যখন ব্রডওয়েতে রাস্তার পাশে সভা করতাম, তখন তিনি সেখানে স্যান্ডউইচ ম্যানের মতো সামনে-পেছনে "নারীদের জন্য ভোট" লেখা সাইনবোর্ড নিয়ে পায়চারি করতেন এবং এর ফলে তাকে লাইব্রেরিয়ানের পদ হারাতে হয়েছিল।
*রাস্তার মোড়ে ভোটাধিকার কর্মীদের ভাষণের সময় সবসময় বলা হতো: "বাড়ি যাও এবং থালা-বাসন মাজো," অথবা তাদের বয়স নির্বিশেষে বলা হতো: "তোমার বাচ্চাদের দেখাশোনা কে করছে?" অন্যরা বলত: "কল্পনা করো একজন অন্তঃসত্ত্বা নারী অফিসের পদের জন্য লড়ছেন," অথবা "নারীরা কীভাবে জুরির দায়িত্ব পালন করবে এবং পুরুষ জুরিদের সাথে একই ঘরে বন্দি থাকবে?"
*একটি প্রচলিত ধারণা ছিল যে "নারীর কাজ" কেবল গৃহস্থালির মধ্যেই সীমাবদ্ধ। "নারীর স্থান ঘরে" এটাই ছিল সাধারণ রব। পুরুষদের চাকরি কেড়ে নেওয়ার জন্য নারীদের সবসময় অভিযুক্ত করা হতো।
*আমি তখনও বলেছিলাম এবং আজও বিশ্বাস করি যে, পুঁজিবাদী ব্যবস্থার অধীনে নারীদের পূর্ণ সুযোগ পাওয়া এবং মানুষের সমস্ত প্রচেষ্টার ক্ষেত্রে স্বাধীন ও সমান নাগরিক হওয়া সম্ভব নয়, যদিও সুসংগঠিত সংগ্রামের মাধ্যমে অনেক দাবিই আদায় করা হয়েছে।
*"বিগ" [[বিল হেউড]] যখন জেল থেকে বেরিয়ে এলেন তখন তিনি একজন বীর এবং শ্রমিক সংহতির এক সার্থক প্রতীকে পরিণত হয়েছিলেন। একজন সাংবাদিক তাকে বিশাল দেহ এবং তীক্ষ্ণ বুদ্ধি ও অসীম সাহসের মানুষ হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন। তিনি সোশ্যালিস্ট পার্টি এবং তাকে রক্ষাকারী শ্রম সংগঠনগুলোর অধীনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় এক বর্ণাঢ্য সফর করেছিলেন। তিনি অত্যন্ত বাস্তবধর্মী ও নাটকীয় বক্তা ছিলেন। আমার মনে পড়ে তাকে বলতে শুনেছিলাম যে আমি পশ্চিমের সেই দুই পিস্তলধারী মানুষ এবং যখন দর্শকরা দম বন্ধ করে অপেক্ষা করছিল তখন তিনি এক পকেট থেকে তার ইউনিয়ন কার্ড এবং অন্য পকেট থেকে সোশ্যালিস্ট কার্ড বের করেছিলেন।
*১৯০৭ সালে ময়ার, হেউড এবং পেটিবোনকে মুক্ত করার অভিযানের সময় নিউ জার্সি অঙ্গরাজ্যের নেওয়ার্কে সোশ্যালিস্ট লেবার পার্টির আয়োজিত একটি সভায় আমাকে বক্তা হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল... এই সভাটি আমার জীবনের একটি অবিস্মরণীয় ঘটনা কারণ এখানেই আমি প্রথম জেমস কনেলির সাথে পরিচিত হই। তিনি ছিলেন আইরিশ সমাজতন্ত্রী বক্তা, লেখক এবং শ্রমিক সংগঠক, যিনি এর নয় বছর পর ১৯১৬ সালে ডাবলিনের ইস্টার উইক অভ্যুত্থানে আয়ারল্যান্ডের স্বাধীনতার জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন... তিনি ছিলেন খাটো, কিছুটা স্থূলকায়, বড় কালো গোঁফওয়ালা একজন সাধারণ চেহারার মানুষ। তার কপাল ছিল বেশ উঁচু এবং কালো বিষণ্ণ চোখ। তিনি খুব কম হাসতেন। একজন পণ্ডিত এবং চমৎকার লেখক হওয়া সত্ত্বেও, গ্লাসগোতে দীর্ঘকাল বসবাসের কারণে তার কণ্ঠস্বরে উত্তর আয়ারল্যান্ডের টান এবং স্কচ উচ্চারণের মিশ্রণ ছিল, যা আমেরিকান দর্শকদের জন্য বোঝা কিছুটা কঠিন ছিল... কনেলি আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর জন্য কাজ করতেন এবং কুপার স্কয়ারে তার একটি অফিস ছিল। তিনি ছিলেন একজন চমৎকার সংগঠক, যা জেমস লার্কিনের সাথে আইরিশ ট্রান্সপোর্ট ওয়ার্কার্সদের জন্য তার পরবর্তী কাজগুলো প্রমাণ করেছিল... তিনি গভীরভাবে অনুভব করতেন যে আয়ারল্যান্ডের জাতীয় মুক্তির সংগ্রামের প্রতি আমেরিকান সমাজতন্ত্রীরা যথেষ্ট সহানুভূতি বা বোঝাপড়া দেখায়নি। এখানকার আইরিশ শ্রমিকদের সমাজতন্ত্রীরা খুব সহজেই "প্রতিক্রিয়াশীল" হিসেবে বর্জন করত এবং আইরিশ-আমেরিকান শ্রমিকদের কাছে সমাজতন্ত্রের বার্তা পৌঁছে দেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত প্রচেষ্টা ছিল না... তিনি 'দ্য হার্প' নামে একটি মাসিক পত্রিকা প্রকাশ করতেন। সেখানে তার নিজের লেখা অনেক কবিতা প্রকাশিত হতো। কুপার ইউনিয়ন বা ইস্ট সাইডের অন্য কোনো হলের দরজায় তাকে জরাজীর্ণ পোশাকে দাঁড়িয়ে নিজের ছোট কাগজটি বিক্রি করতে দেখা যেত, যা ছিল এক করুণ দৃশ্য। যেসব সম্পদশালী আইরিশরা তার মৃত্যুর পর তার প্রতি গভীর প্রশংসা প্রকাশ করেছিল, তাদের কেউই সেই সময় তার দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়নি। জিম কনেলি তাদের কাছে অভিশপ্ত ছিলেন কারণ তিনি ছিলেন একজন "সমাজতন্ত্রী"। তার কোনো মিথ্যে অহংকার ছিল না এবং তিনি নিজে উদাহরণ সৃষ্টি করে অন্যদের ছোটখাটো কাজ করতে উৎসাহিত করতেন। রাস্তার সভাগুলোতে তিনি তাদেরই "সভার সভাপতিত্ব" করতে রাজি করাতেন যাদের কথা বলার কোনো অভিজ্ঞতা ছিল না, যাতে তারা প্রশিক্ষণ পেতে পারে। আইরিশ শ্রমিকদের কাছে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে কনেলির এক বিরল দক্ষতা ছিল, যা তার বিশাল জ্ঞান থেকে জন্ম নিয়েছিল। প্রয়োজনে তিনি সত্যকে অত্যন্ত তীক্ষ্ণ এবং জোরালোভাবে বলতেন।
*আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর আগমন ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা এবং ১৯০৫ থেকে ১৯২০-এর দশকের শুরু পর্যন্ত এটি আমেরিকান শ্রম অঙ্গনে একটি বিশাল ধূমকেতুর মতো পথ দেখিয়েছিল। এটি শ্রমিক ইতিহাসের নতুন অধ্যায় তৈরি করেছিল এবং শ্রমিক আন্দোলনে এক অমোঘ ছাপ রেখে গিয়েছিল। আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. ছিল একটি লড়াকু এবং সংগ্রামী শ্রমিক শ্রেণির ইউনিয়ন। মালিক শ্রেণি দ্রুত এটি বুঝতে পেরেছিল এবং এর জন্মের পর থেকেই লড়াই শুরু করেছিল। আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. নিজেকে দরিদ্রতম, সবচেয়ে শোষিত এবং সবচেয়ে নিপীড়িত শ্রমিকদের সমস্ত তাৎক্ষণিক প্রয়োজনের সাথে যুক্ত করেছিল। এটি তাদের অসন্তোষের "আগুনে হাওয়া" দিয়েছিল। এটি তাদের বীরত্বপূর্ণ সংগ্রামের নেতৃত্ব দিয়েছিল, যার কিছু তারা নিজেরাই সংগঠিত করেছিল। অন্য অনেক ক্ষেত্রে ধর্মঘট শুরু হওয়ার পর তারা এর নেতৃত্বে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। যিশুর বিরুদ্ধে করা সেই স্মরণীয় অভিযোগ, "সে মানুষকে উত্তেজিত করছে!" আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য ছিল। এটি পূর্বের গণ-উৎপাদন শিল্পগুলোতে অসংগঠিত ও অদক্ষ বিদেশি বংশোদ্ভূত শ্রমিকদের এবং পশ্চিমের অসংগঠিত যাযাবর শ্রমিকদের সংগঠিত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিল, যারা মূলত আমেরিকান বংশোদ্ভূত ছিল এবং নৌপরিবহন, কাঠ, কৃষি, খনি ও নির্মাণ কাজে নিয়োজিত ছিল। পূর্ব এবং দক্ষিণে এটি টেক্সটাইল, রাবার, কয়লা এবং কাঠ শিল্পের পাশাপাশি বিভিন্ন ছোট শিল্পে শ্রমিকদের কাছে পৌঁছে গিয়েছিল। যেমন, নিউ ইয়র্ক সিটিতে পোশাক, টেক্সটাইল, জুতো, চুরুট, বেত, পিয়ানো, পিতল এবং হোটেল শিল্পে আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর শাখা ছিল। পশ্চিমে কাউবয়দের জন্য আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর একটি শাখা ছিল। নেভাদার গোল্ডফিল্ড শহরের সমগ্র শ্রমিক শ্রেণিকে ১৯০৬ সালে ভিনসেন্ট সেন্ট জন আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-তে সংগঠিত করেছিলেন। এমনকি মার্কিন সেনাবাহিনীর ওয়েস্ট পয়েন্টে কর্মরত ইতালীয় শ্রমিকরাও একসময় আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-তে সংগঠিত ছিল। আমার মনে পড়ে ১৯১১ সালের দিকে আমি সেখানে তাদের সামনে ভাষণ দিয়েছিলাম। আমি ১৯০৬ সালে এতে যোগ দেই...
*আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর এই সম্মেলনে লুসি পারসন্সের সাথে দেখা করে আমি রোমাঞ্চিত হয়েছিলাম। তিনি ছিলেন আলবার্ট পারসন্সের বিধবা স্ত্রী, যাকে ২০ বছর আগে শিকাগোর কুক কাউন্টি জেলের প্রাঙ্গণে ফাঁসিতে ঝোলানো হয়েছিল। যখন তার স্বামীকে ফাঁসি দেওয়া হচ্ছিল, তখন তাকে ক্লার্ক স্ট্রিট স্টেশন হাউসে বন্দি করে রাখা হয়েছিল, যা আমাদের সেই সভার জায়গা থেকে খুব বেশি দূরে নয়... আমার মনে পড়ে মিসেস পারসন্স তরুণদের উদ্দেশ্যে আবেগপূর্ণভাবে কথা বলছিলেন এবং আমাদের সামনের দিনগুলোর সংগ্রামের গুরুত্ব সম্পর্কে সতর্ক করছিলেন, যা বিজয় আসার আগে জেল এবং মৃত্যুর দিকে নিয়ে যেতে পারে। বছরের পর বছর ধরে তিনি এক শহর থেকে অন্য শহরে ঘুরে বেড়িয়েছেন, স্থানীয় ইউনিয়নগুলোর দরজায় কড়া নেড়েছেন এবং শিকাগো বিচারের কাহিনী শুনিয়েছেন। তার স্বামী বলেছিলেন: "আমাদের নাম কলঙ্কমুক্ত করো!" এবং তিনি এটিকে তার জীবনের লক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন।
* আমি ভিনসেন্ট সেন্ট জনের চেয়ে বেশি কোনো মানুষকে শ্রদ্ধা করিনি... তাকে ডিনামাইট বহনকারী এবং বন্দুকধারী ও এক বিপজ্জনক আন্দোলনকারী হিসেবে অভিযুক্ত করা হয়েছিল। মাথার ওপর হুলিয়া নিয়ে তিনি বিভিন্ন ক্যাম্পে প্রবেশ করতেন এবং নিজের মায়ের নাম মেজি ব্যবহার করে প্রায়ই একাই শত শত মানুষকে সংগঠিত করতেন। তিনি এ দেশের জন্ম দেওয়া শ্রেষ্ঠ শ্রমিক সংগঠকদের একজন ছিলেন... তিনি শারীরিক গঠনে খাটো এবং রোগা হলেও চওড়া কাঁধের অধিকারী ছিলেন এবং তার চলাফেরা ছিল ক্ষিপ্র ও ছন্দময়। তিনি শান্ত, আত্মসংযমী এবং বিনয়ী ছিলেন কিন্তু তার বুদ্ধির তীক্ষ্ণতা ও রসবোধ যেকোনো প্রতিপক্ষকে হারিয়ে দিত... প্রকৃত লড়াইয়ের সময় সেন্টের মৃদু নীল চোখগুলো ইস্পাতের মতো কঠোর ও শীতল হয়ে উঠত। তিনি কেবল আদর্শের জন্য লড়াই করতেন এবং তখন তিনি শ্রমিকদের শত্রুদের মতোই নির্দয় হয়ে উঠতেন। শ্রমজীবী মানুষের প্রতি তার আনুগত্য ছিল সীমাহীন। ১৯০৭ থেকে ১৯১৫ সাল পর্যন্ত টানা আট বছর তিনি অর্থের অভাব এবং আইডব্লিউডব্লিউ এর অসম অগ্রগতির সাথে লড়াই করেছিলেন যার শক্তি সম্পর্কে তিনি কখনো বাড়িয়ে বলতেন না।
*আমাদের সময়ের শ্রেষ্ঠ নারী আন্দোলনকারী ছিলেন মাদার জোন্স। গ্রেপ্তার, নির্বাসন, মিলিশিয়াদের হাতে বন্দি হওয়া এবং পুলিশ ও বন্দুকধারীদের দ্বারা তাড়া ও হুমকির শিকার হওয়া সত্ত্বেও তিনি দীর্ঘ ৬০ বছর নির্ভীকভাবে কাজ করে গেছেন। ১৯০৮ সালের গ্রীষ্মে ব্রঙ্কসের একটি উন্মুক্ত সভায় আমি তাকে প্রথম দেখি। তিনি শহরের মানুষদের কঠোর সমালোচনা করছিলেন। আমরা কেন পশ্চিমের খনি শ্রমিকদের সাহায্য করছি না? আমরা কেন ডিয়াজের বিরুদ্ধে মেক্সিকোর জনগণকে সমর্থন দিচ্ছি না? তিনি বলেছিলেন, আমরা হলাম "সাদা কলিজার খরগোশ যারা কখনও মাটির ওপর পা রাখিনি।" পশ্চিমের খনি শ্রমিকদের ধর্মঘটের সময় ফেডারেল সৈন্যরা তাদের যেভাবে পশুর মতো খাঁচায় আটকে রেখেছিল এবং সেখানে যে রক্তপাত ও কষ্ট হয়েছিল, তার বর্ণনা তিনি এত জীবন্তভাবে দিয়েছিলেন যে, অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকায় মাথা ঝিমঝিম করে আমি মূর্ছা গিয়েছিলাম। তিনি তার অগ্নিঝরা ভাষণের মাঝপথে থেমে গিয়ে বলেছিলেন, "গরিব বাচ্চাটাকে একটু জল দাও!" এরপর তিনি আবার তার ভাষণ চালিয়ে যান। আমি খুব লজ্জিত হয়েছিলাম।
*পরের শীতকালে শিকাগোর হুল হাউসে রুডেউইটজ কমিটির একটি সভায় আমি মাদার জোন্সকে আবার দেখি, যেখানে আমি আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর ৮৫ নম্বর শাখা থেকে প্রতিনিধি হিসেবে গিয়েছিলাম। "ধর্মীয় হত্যা"-র জঘন্য অজুহাতে একজন তরুণ ইহুদি শ্রমিককে দেশান্তরের বিরুদ্ধে তার উত্তপ্ত, রাগান্বিত ও অবজ্ঞাপূর্ণ কথাগুলো আমি শুনেছিলাম। (জেন অ্যাডামস এবং অন্যরা সাহসিকতাপূর্ণ পক্ষ সমর্থনের মাধ্যমে তাকে নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচিয়েছিলেন)। মাদার জোন্স একটি পুরনো ধাঁচের কালো রেশমি পোশাক পরেছিলেন, যার গলায় লেস লাগানো ছিল এবং সাথে ছিল একটি লম্বা ঝুলের স্কার্ট ও ফুলে সাজানো ছোট একটি টুপি। তিনি সারা জীবনে তার পোশাকের ধরন পরিবর্তন করেননি। তাকে দেখতে হুইসলারের আঁকা মায়ের ছবির মতো মনে হতে পারে, কিন্তু এই বৃদ্ধা নারীটি মোটেও শান্ত বা স্থির ছিলেন না; যেখানেই যেতেন সেখানেই নির্ভীক আন্দোলনের বার্তা ছড়াতেন... তাকে হোটেল থেকে বের করে দেওয়া হতো। কোম্পানি শাসিত শহরগুলোতে যেসব পরিবার তাকে আশ্রয় দিত, তাদের উচ্ছেদ করা হতো। হলরুম বন্ধ করে দিলে তিনি খোলা মাঠে ভাষণ দিতেন। পশ্চিম ভার্জিনিয়ায় নদীর ওপারে খনি শ্রমিকদের সংগঠিত করার জন্য তিনি কেলি ক্রিক নদীর জল ভেঙে হেঁটে গিয়েছিলেন। একটি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করার দায়ে অভিযুক্ত হয়ে তিনি বিচারককে "দালাল" বলে ডাকেন এবং সেটি তাকে প্রমাণ করে দেখান। তিনি দালালদের তাড়ানোর জন্য ঝাড়ু, লাঠি আর থালাবাসন নিয়ে "নারীবাহিনী" গঠন করেছিলেন। "ঈশ্বর! ওই বুড়ি মা তার পাগলাটে নারীদের নিয়ে আসছে!" বলে মালিকরা যন্ত্রণায় ককিয়ে উঠত। পেনসিলভানিয়ার গ্রিনসবার্গে যখন একদল পিকেটিং করা নারীকে তাদের শিশুদেরসহ গ্রেপ্তার করে ৩০ দিনের সাজা দেওয়া হয়, তখন তিনি তাদের পরামর্শ দেন: "সারা রাত বাচ্চাদের গান শোনাও!" মাত্র কয়েক দিনের মাথায় সেই গান শুনে অতিষ্ঠ হয়ে অনিদ্রায় ভোগা শহরবাসীকে স্বস্তি দিতে পুলিশ তাদের জেল থেকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়। এক সংসদীয় শুনানিতে তাকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল: "আপনার বাড়ি কোথায়?" তিনি উত্তর দিয়েছিলেন: "কখনও আমি ওয়াশিংটনে, কখনও পেনসিলভানিয়া, অ্যারিজোনা, টেক্সাস, অ্যালাবামা, কলোরাডো বা মিনেসোটায়। আমার ঠিকানা আমার জুতোর মতো। এটি আমার সাথেই ঘোরে। যেখানে অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই হয়, সেখানেই আমি থাকি।" ১৯০৩ সালে তিনি পেনসিলভানিয়ার কেনসিংটন এলাকার টেক্সটাইল মিলের একদল শিশু শ্রমিককে নিয়ে নিউ ইয়র্কের লং আইল্যান্ডের অয়েস্টার বে-তে গিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট থিওডোর রুজভেল্টকে শিশু শ্রমের প্রমাণ দিয়ে মোকাবিলা করতে। কলোরাডোতে ১৯১৪ সালের লাডলো হত্যাকাণ্ডের পর তিনি গভর্নরের অফিস পর্যন্ত একটি প্রতিবাদ মিছিলের নেতৃত্ব দেন। পশ্চিম ভার্জিনিয়ায় তিনি বারবার বিভিন্ন গভর্নরের সাথে দেখা করতে প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং তার ভাষায় তাদের "উচিত শিক্ষা" দিয়েছেন... যখন তিনি খুব বৃদ্ধা হয়েছিলেন, তখন তিনি সাধারণ কর্মীদের সেইসব নেতাদের সম্পর্কে সতর্ক করেছিলেন যারা শ্রমিকের স্বার্থের চেয়ে নিজেদের স্বার্থকে বড় করে দেখে। মৃত্যু পর্যন্ত তিনি তার একটি মহান বিশ্বাস অটলভাবে ধরে রেখেছিলেন: "ভবিষ্যৎ শ্রমিকের শক্তিশালী ও অমসৃণ হাতের মুঠোয়!"... শুরুর দিনগুলোতে নিউ ইয়র্ক এবং শিকাগোতে প্রথম যখন তাকে দেখি, তিনি আমাকে অনেক অনুপ্রাণিত করেছিলেন, যদিও সত্যি বলতে আমি তার তিক্ষ্ণ কথাকে ভয় পেতাম। কিন্তু যখন আমি তাকে ব্রঙ্কসের সেই সভার কথা মনে করিয়ে দিয়ে বললাম যে আমি আমার সন্তানকে হারিয়েছি, তখন তিনি অত্যন্ত সহানুভূতিশীল ও দয়ালু আচরণ করেছিলেন। তার কঠোরতা কেবল মালিক, দালাল এবং অসৎ শ্রমিক নেতাদের জন্য বরাদ্দ ছিল।
* যুদ্ধ ঘোষণার পর দেশজুড়ে উন্মাদনা এবং গণসহিংসতার এক প্রবল জোয়ার বয়ে গিয়েছিল। এটি আমেরিকান জনগণের বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশের কাজ ছিল না বরং তারা ক্রমেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিল। প্রকাশ্য স্থানগুলোতে ছাপানো নোটিশ লাগিয়ে দেওয়া হয়েছিল যে আইন মানুন এবং মুখ বন্ধ রাখুন যা অ্যাটর্নি জেনারেল গ্রেগরি কর্তৃক স্বাক্ষরিত ছিল। গণসহিংসতার শিকার ব্যক্তিরা ছিলেন বৈচিত্র্যময় যেমন খ্রিস্টান ধর্মযাজক এবং কৃষ্ণাঙ্গ ও শ্বেতাঙ্গ মানুষ ও ধর্মীয় বা নৈতিক অথবা রাজনৈতিক কারণে শান্তির প্রবক্তারা। তালিকায় আরও ছিলেন সোশ্যালিস্ট এবং আইডব্লিউডব্লিউ ও নন-পার্টিসান লীগের সদস্যরা যা মধ্য-পশ্চিমের কৃষকদের মধ্যে বেশ শক্তিশালী ছিল এবং আয়ারল্যান্ডের স্বাধীনতার বন্ধু ও অন্যান্যরা। কিছু পুরুষ ও নারী যারা যুদ্ধ বা বাধ্যতামূলক সামরিক সেবা অথবা বন্ড বিক্রি নিয়ে আকস্মিক মন্তব্য করেছিলেন তাদের শরীরে আলকাতরা ও পালক মাখিয়ে অপমান করা হয়েছিল এবং কখনো অজ্ঞান হওয়া পর্যন্ত মারধর করা হয়েছিল। তাদের জাতীয় পতাকায় চুমু খেতে বাধ্য করা হয়েছিল এবং শহর থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল ও বন্ড কিনতে বাধ্য করা হয়েছিল এমনকি তাদের পিটিয়ে মারার হুমকিও দেওয়া হয়েছিল।
*গণ-সহিংসতার এই মনোভাব আমাদের দেশের অন্যতম বিপজ্জনক এবং লজ্জাজনক বহিঃপ্রকাশ ছিল, যার সবকিছুই করা হয়েছিল বিশ্বকে "গণতন্ত্রের জন্য নিরাপদ" করার নামে।
*কেট রিচার্ডস ও’হারে, যাকে আমি বর্ণনা করেছি, তিনি ছিলেন একজন বিশিষ্ট এবং অত্যন্ত কার্যকর সমাজতন্ত্রী বক্তা।
*পরবর্তীতে তার রাজনৈতিক ত্রুটি যা-ই থাকুক না কেন, প্রগতিশীল নারীরা সেই সময়ে তার জন্য খুব গর্ববোধ করতেন।
** ১৯১৭ সালের দিকে জিনেট র্যাঙ্কিন সম্পর্কে
*আমি একজন নিবেদিতপ্রাণ আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. কর্মী ছিলাম, কিন্তু ওয়ার্কার্স ডিফেন্স ইউনিয়নে আমার কর্মকাণ্ড আমাকে সমাজতন্ত্রী, নৈরাজ্যবাদী, ট্রেড ইউনিয়নবাদী, কমিউনিস্ট, ভোটাধিকার কর্মী, শান্তিবাদী, উদারপন্থী, ইন্ডিয়ান, আইরিশ জাতীয়তাবাদী এবং সোভিয়েত ও আইরিশ প্রজাতন্ত্রের সরকারি প্রতিনিধিদের সংস্পর্শে নিয়ে এসেছিল।
* ইতালীয় আন্দোলনে কার্যত কোনো নারী ছিল না তারা নৈরাজ্যবাদী কিংবা সমাজতন্ত্রী যাই হোক না কেন। কার্লোর সাথে আমি যে বাড়িতেই গিয়েছি সেখানে নারীদের সবসময় পর্দার আড়ালে বা রান্নাঘরে রান্না করতে দেখেছি এবং তারা খুব কমই পুরুষদের সাথে খেতে বসত।
* উড্রো উইলসন একজন উদারপন্থী হিসেবে সব বিষয়ে সাবলীল ও মুক্তভাবে কথা বলতেন। তবে তার দুঃখজনক কাজগুলো তার কথার বিপরীত ছিল। আত্মনিয়ন্ত্রণ এবং বিশ্বকে গণতন্ত্রের জন্য নিরাপদ করার মতো বিষয়গুলো ছিল সবচেয়ে দুর্বল। শান্তি কামনাকারী এবং রাশিয়া থেকে হাত সরাও ও আয়ারল্যান্ডের স্বাধীনতা ও রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তি এবং সবশেষে নারী ভোটাধিকারের দাবিতে আন্দোলনকারীরা তাকে প্রতিটি মোড়ে মোকাবিলা করেছিল। তার প্রশাসন ১৯১৯ থেকে ২০ সালের সেই বিশাল ইস্পাত ধর্মঘটের সম্মুখীন হয়েছিল। লিগ অফ নেশনসে যোগদানের জন্য তার পরিকল্পনাগুলো সেনেট দ্বারা পরাজিত হয়েছিল। তার প্রশাসনের সদস্যরা বিভিন্ন ইস্যুতে প্রতিবাদ জানিয়ে পদত্যাগ করেছিলেন যেমন যুদ্ধের কারণে একজন স্টেট সেক্রেটারি এবং ভোটাধিকারের প্রশ্নে নিউ ইয়র্ক বন্দরের একজন সংগ্রাহক যিনি সম্ভবত তাকে সবচেয়ে বেশি অতিষ্ঠ করেছিলেন।
* প্রথম বিশ্বযুদ্ধ আমেরিকান নারীদের জীবনে অনেক আমূল পরিবর্তন এনেছিল। এটি অভিজাত নারী ঘরানার অবসান ঘটিয়েছিল। শ্রমের অভাব ছিল প্রকট এবং প্রশিক্ষিত কর্মীর প্রয়োজন ছিল তীব্র। ১৯১৮ সালের শেষে প্রায় ত্রিশ লক্ষ নারী খাদ্য ও বস্ত্র এবং যুদ্ধ শিল্পে নিযুক্ত ছিলেন। এতদিন পর্যন্ত পুরুষের কাজ হিসেবে গণ্য হওয়া পেশাগুলো নারীদের জন্য উন্মুক্ত হয়ে গিয়েছিল। তারা রাস্তার গাড়িতে কন্ডাক্টর হিসেবে কাজ করতেন। প্রথমবারের মতো তাদের রেডিও অপারেটর হিসেবে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছিল। নারীরা সেনাবাহিনীর মোটর কর্পসে স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে কাজ করেছিলেন এবং প্রথমবারের মতো ইউনিফর্ম পরেছিলেন। ব্লুমার পরা নারী চাষিরা শহর থেকে খামারে গিয়েছিলেন। নারীরা ত্রাণ কাজ করেছিলেন এবং যুদ্ধের বন্ড বিক্রি ও সশস্ত্র বাহিনীর জন্য ক্যান্টিন পরিচালনা এবং নার্সিং ইউনিটে যোগ দিয়েছিলেন। হাজার হাজার নারী তাদের ঘর থেকে বেরিয়ে জনজীবনে প্রবেশ করেছিলেন। যুদ্ধ শেষ হলে তাদের অনেকে প্রয়োজন বা পছন্দের কারণে শিল্পক্ষেত্রেই থেকে গিয়েছিলেন।
* এলিজাবেথ ক্যাডি স্ট্যান্টন এবং সুসান বি. অ্যান্টনির মতো সাহসী নারীরা ছিলেন শুরুর দিকের অগ্রপথিক যারা গালিগালাজ ও বিদ্রূপ এবং সহিংসতা এমনকি ভোট দেওয়ার চেষ্টার জন্য গ্রেপ্তারের সম্মুখীন হয়েছিলেন। পরবর্তীতে ডক্টর [[আন্না হাওয়ার্ড শ]] এবং [[ক্যারি চ্যাপম্যান ক্যাট|ক্যারি চ্যাপম্যান ক্যাটের]] মতো নারীরা ন্যাশনাল আমেরিকান উইমেনস সাফ্রেজ অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, যা নারীদের জড়তা এবং পুরুষদের বিরোধিতার বিরুদ্ধে লড়াই করেছিল। তবে ১৯১৬ সালের মধ্যে একটি তরুণ ও সাহসী এবং আরও সংগ্রামী দল আবির্ভূত হয়েছিল যারা রাজ্য ধরে ধরে ভোটাধিকার জেতার ধীর প্রক্রিয়ায় অসন্তুষ্ট ছিল এবং একটি সাংবিধানিক সংশোধনীর জন্য লড়াই করেছিল। তারা ১৯১৬ সালে উইমেনস পার্টি গঠন করেছিল যা কেবল সেই দল ও প্রার্থীদের জন্য সমস্ত ভোটাধিকার প্রাপ্ত রাজ্যে নারীদের ভোট একত্রিত করার পরিকল্পনা করেছিল যারা জাতীয় ভোটাধিকার সমর্থন করবে। সেই বছর একদল ধনী ভোটাধিকার আন্দোলনকারী অর্থায়ন করে একটি সাফ্রেজ স্পেশাল ট্রেনে সফর করেছিলেন। তারা রিপাবলিকান প্রার্থী চার্লস ইভান্স হিউজেসের পক্ষে সরাসরি প্রচার করেননি। তবে তাদের স্লোগান ছিল উইলসন বিরোধী, যেমন উইলসনের বিরুদ্ধে ভোট দিন কারণ তিনি আমাদের ভোটাধিকার থেকে দূরে রেখেছেন। অনেকে তখন কারাগারে থাকা [[ইউজিন ভি. ডেবস|ইউজিন ভি. ডেবসের]] পক্ষে ভোট দিয়েছিলেন।
* উইমেনস পার্টি ১৯১৭ সালের জানুয়ারি থেকে ১৯১৯ সালের ১৯ মার্চ পর্যন্ত প্রায় অবিরাম পিকেটিং করেছিল। তারা হোয়াইট হাউস এবং ক্যাপিটলে পিকেটিং করেছিল এবং সামরিক প্যারেড ও উইলসনের ইউরোপ সফরের পর সংবর্ধনা এবং তার প্রস্থানের সময় অভ্যর্থনার আয়োজন করেছিল। তারা ওয়াশিংটন ও বোস্টন এবং নিউ ইয়র্কে তাকে পিকেটিং করেছিল। কেবল আইরিশরাই এমন কৌশল অবলম্বন করেছিল। পরবর্তীতে রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তির জন্য একটি চিলড্রেনস ক্রুসেড প্রেসিডেন্ট হার্ডিংকে পিকেটিং করেছিল। ভোটাধিকারের ব্যানারগুলো বিদেশি দর্শনার্থীদের উদ্দেশ্যে রাখা হয়েছিল এবং দেশে ও বিদেশে স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র নিয়ে প্রেসিডেন্ট উইলসনের দেওয়া ভাষণগুলো ভোটাধিকার আন্দোলনকারীরা স্বাধীনতার প্রহরী আগুনের পাত্রে পুড়িয়ে দিয়েছিল।
* একবার ভোটাধিকার অর্জিত হওয়ার পর নারীরা কেবল নারী হিসেবে ঐক্যবদ্ধ থাকেনি, বরং তাদের দৃষ্টিভঙ্গি এবং স্বার্থ অনুযায়ী বিদ্যমান রাজনৈতিক দল ও অন্যান্য সংগঠনে বিভক্ত হয়ে গিয়েছিল। আমি বিশ্বাস করি যে শান্তির সাধারণ লক্ষ্যটি আবারও নারীদের ঐক্যবদ্ধ করতে পারে তবে এর কিছু ব্যতিক্রম থাকতে পারে।
* ১৯২০-এর দশকে যুক্তফ্রন্ট শব্দটি ব্যবহারের কথা আমার মনে পড়ে না। এটি অনেক পরে প্রচলিত হয়েছিল। তবে সেই সময়ে আমূল সংস্কারবাদী এবং প্রগতিশীল আন্দোলনগুলো যে এই নীতির ভিত্তিতে পরিচালিত হতো তা অত্যন্ত স্পষ্ট। যারা ভোটাধিকারের পক্ষে কথা বলতেন তারা আইডব্লিউডব্লিউ-এর আর্থিক সাহায্যের আবেদনেও স্বাক্ষর করতেন এবং আইরিশ ও বন্দিদের মুক্তি সংক্রান্ত প্রতিনিধি দলে থাকতেন ও শান্তি আন্দোলনে যুক্ত হতেন। স্বাধীনতার একটি ভালো আদর্শ এবং অন্যটির মধ্যে কোনো কঠোর সীমারেখা টানা ছিল না এবং আজকের মতো প্রতিশোধের কোনো ভয় ছিল না। মানুষ ভয় পেত না যে তারা অন্য কিছুর সাথে নিজেদের যুক্ত করলে একটি আদর্শের ক্ষতি হবে। আমি আজ অবাক হই যে সেই দিনগুলোতে আমার যোগাযোগ এবং বন্ধুত্ব কতটা বিস্তৃত ও ছড়িয়ে ছিল।
* আমি তখনও আমার বিশ্বাসে একজন আইডব্লিউডব্লিউ ছিলাম এবং কোনো রাজনৈতিক দলে যোগ দিতে দ্বিধা করছিলাম যদিও রুশ বিপ্লব এবং ভোটাধিকার আন্দোলনকারী ও কমিউনিস্টদের সাথে মেলামেশা আমার দৃষ্টিভঙ্গিকে অনেকটা পরিবর্তন করছিল।
* ১৯১৭ সালের নভেম্বরে যখন রুশ বলশেভিক বিপ্লবের খবর সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ল তখন আমেরিকান শ্রমিকরা মানব ইতিহাসের এই মহান ঘটনার মাধ্যমে প্রথমবার [[ভ্লাদিমির লেনিন]] নামের এক ব্যক্তির কথা এবং সমাজতন্ত্রের সূচনা সম্পর্কে জানতে পারল। আমরা কিছু নতুন শব্দও শিখেছিলাম যা অল্প সময়ের মধ্যেই ভাষার অংশ হয়ে গিয়েছিল, যেমন “বলশেভিক” এবং “সোভিয়েত”। এমনকি আমাদের মধ্যে যারা বাম ঘরানার সমাজতন্ত্রী এবং আইডব্লিউডব্লিউ সদস্য ছিলাম তারাও রুশ সমাজতান্ত্রিক আন্দোলন সম্পর্কে কার্যত কিছুই জানতাম না। কেবল জারের নিষ্ঠুর ও রক্তক্ষয়ী শাসন উৎখাত করার দীর্ঘ ও যন্ত্রণাদায়ক লড়াইয়ের প্রতি আমাদের গভীর সহানুভূতি ছিল। রাতারাতি বলশেভিক একটি পরিচিত শব্দে পরিণত হয়েছিল, এমনকি তাদের কাছেও যারা জানত না যে এর অর্থ কেবল সংখ্যাগরিষ্ঠ এবং এটি রুশ সোশ্যাল-ডেমোক্রেটিক লেবার পার্টির একটি রাজনৈতিক বিভাজনকে বোঝায়। ডেবস বলেছিলেন যে আমি মাথার তালু থেকে পায়ের আঙুল পর্যন্ত একজন বলশেভিক। মালিকরা সংগ্রামী শ্রমিক এবং ইউনিয়ন সংগঠকদের দিকে তাকিয়ে অভিশপ্ত বলশেভিক বলে চিৎকার করত। সব ধর্মঘটকারীই স্বাভাবিকভাবেই “বলশেভিক” ছিল।
===[http://www.sojust.net/speeches/elizabeth_flynn_memories.html "মেমোরিজ অফ দ্য ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়ার্কার্স অফ দ্য ওয়ার্ল্ড"] (৮ নভেম্বর, ১৯৬২)===
* আইডব্লিউডব্লিউ... এটি হলো ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়ার্কার্স অফ দ্য ওয়ার্ল্ড এর সংক্ষিপ্ত রূপ যাকে একসময় "আই ওন্ট ওয়ার্ক" বলে ডাকা হতো। এটি ছিল অত্যন্ত বেমানান, কারণ মূলত যারা এই সংগঠনের সদস্য ছিলেন তারা এ দেশের মৌলিক এবং সবচেয়ে কঠিন পরিশ্রমের শিল্পগুলোতে কাজ করতেন। একে বিশ্বের শ্রমিক বলাটা ছিল বেশ উচ্চাভিলাষী একটি নাম। কারণ প্রকৃতপক্ষে এটি কখনোই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সীমানা ছাড়িয়ে যায়নি এবং পুরনো নাইটস অফ লেবার এর ঐতিহ্য ও সাংগঠনিক কাঠামো ধরে রাখার জন্য আমেরিকান শ্রমিকদের যে ইচ্ছা ছিল, সেখান থেকেই এর উৎপত্তি হয়েছিল।
* আইডব্লিউডব্লিউ কেবল ১৮৮০-এর দশকের অনেক ঐতিহ্যের উত্তরাধিকারীই ছিল না বরং সেই সময়ের অনেক পরিচিত ব্যক্তিত্ব এই সংগঠনের শুরুর দিকের সম্মেলনগুলোতে উপস্থিত ছিলেন। আপনি যদি শ্রমিক ইতিহাসের ছাত্র না হন তবে এই নামগুলো আপনার কাছে পরিচিত না-ও হতে পারে। তবে তাদের মধ্যে [[ইউজিন ডেবস]], [[ড্যানিয়েল ডিলিয়ন]] এবং মিসেস [[লুসি পারসনস|লুসি পারসনসের]] মতো ব্যক্তিত্বরা অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।
* সেখানে অনেক বাক-স্বাধীনতা রক্ষার লড়াই হয়েছিল... তাদের কৌশলগুলো ছিল অনেকটা আজকের দিনের ফ্রিডম রাইডারদের মতো। তারা টেলিগ্রাম পাঠাত এবং আমি কেবল ব্যাখ্যা করছি। কারণ আপনি তো বুঝতেই পারছেন যে আমি কোনো উসকানি দিচ্ছি না। তারা অনেকটা এমন ধরনের টেলিগ্রাম পাঠাত যেখানে লেখা থাকত যে ভবঘুরে ওবলিরা এখনই চলে এসো এবং বিল অফ রাইটস রক্ষা করো। তারা ট্রেনের ছাদে কিংবা ট্রেনের নিচে ও পাশে এমনকি মালবাহী বগিতে করে এমন সব উপায়ে আসত যেখানে ভাড়া দিতে হতো না। আক্ষরিক অর্থেই শত শত মানুষ সেই জনপদগুলোতে এসে হাজির হতো যা কর্তৃপক্ষকে আতঙ্কিত ও স্তম্ভিত করে দিত। তারা তখন প্ল্যাটফর্ম বা সাবানের বাক্সের ওপর দাঁড়িয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের অংশবিশেষ কিংবা বিল অফ রাইটস পাঠ করত... এগুলোই ছিল সেই বিখ্যাত বাক-স্বাধীনতা রক্ষার লড়াই যা দেশের পশ্চিমাঞ্চলে আইডব্লিউডব্লিউ এর একটি অত্যন্ত পরিচিত বৈশিষ্ট্য ছিল।
* এএফএল ছিল দক্ষ শ্রমিকদের সংগঠন এবং এর রূপ ও পদ্ধতি ও আদর্শ আইডব্লিউডব্লিউ এর মতো ছিল না। আইডব্লিউডব্লিউ শ্রেণি সংগ্রামে বিশ্বাস করত। তারা পুঁজি এবং শ্রমের ভ্রাতৃত্বে বিশ্বাস করত না এবং তারা মনে করত যে এই অসংগঠিত ও বিদেশে জন্মগ্রহণ করা গণউৎপাদনকারী শ্রমিকদের একটি শিল্প ইউনিয়নে সংগঠিত করা উচিত। তারা মনে করত যে সবাইকে একটি ইউনিয়নের অধীনে থাকতে হবে এবং এক ডজন বা তার বেশি সংগঠনে বিভক্ত হওয়া চলবে না।
* ১৯১২ সালের সেই বড় ধর্মঘট [যা রুটি ও গোলাপ ধর্মঘট নামে পরিচিত], যা আমাদের দেশের অন্যতম মহান ঐতিহাসিক সংগ্রাম, সেটি শুরু হয়েছিল রাষ্ট্রের একটি রাজনৈতিক পদক্ষেপের কারণে।
* বিল হেউড সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন যে আমাদের ইংরেজিতে কথা বলতে হবে যাতে এই মানুষগুলো তা বুঝতে পারে। তিনি আমাদের যে শিক্ষা দিয়েছিলেন তা আমি কখনও ভুলব না। তখন আমি খুব তরুণ ছিলাম, আমার বয়স ছিল ২২। তিনি বললেন, শোনো, তোমরা এই শ্রমিকদের সাথে, এই খনি শ্রমিকদের সাথে এমন ইংরেজিতে কথা বলবে যা প্রাথমিক স্কুলে পড়া তাদের সন্তানরা তাদের সাথে বলে, তবেই তারা তা বুঝতে পারবে। প্রাথমিক স্কুলের ইংরেজিতে কথা বলাটা মোটেও সহজ নয়। যাই হোক, আমরা তা শিখেছিলাম। আমার সমস্যা হলো এটি আমার অভ্যাসে গেঁথে গিয়েছিল এবং এখন যখন আমি কলেজের দর্শকদের সামনে কথা বলতে যাই, তখন নিজেকে কিছুটা অসুবিধায় মনে হয় কারণ আমি বড় বড় সব শব্দ জানি না। উইলিয়াম হেউড আমাকে ছোট ছোট এবং সহজ শব্দগুলোতেই দক্ষ করে তুলেছিলেন।
* তিনি কীভাবে কথা বলতেন তার একটি উদাহরণ দিই। আমাদের তাদের বোঝাতে হতো কেন আমরা চাই তারা এএফএল-এ না গিয়ে আইডব্লিউডব্লিউ-তে যোগ দিক। তিনি হাত উঁচিয়ে আঙুলগুলো ছড়িয়ে বলতেন, আমেরিকান ফেডারেশন অফ লেবার বা এএফএল হলো ঠিক এইরকম, প্রতিটি আলাদা আলাদা। কিন্তু আইডব্লিউডব্লিউ হলো এইরকম, [তিনি হাতের মুঠো পাকাতেন] এবং তারা সবাই চিৎকার করে উঠত আইডব্লিউডব্লিউ-এর জয় হোক। এভাবেই তিনি তার বক্তব্য বুঝিয়ে দিতেন।
* যখন লরেন্সের এই ধর্মঘট চলছিল, তখন লুইজিয়ানায় কাঠ শ্রমিকদের একটি বড় ধর্মঘট চলছিল, সেটিও আইডব্লিউডব্লিউ-এর অধীনে। যদিও আমাদের সব জায়গায় ধর্মঘট ছিল এবং আমরা এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় ছুটে বেড়াচ্ছিলাম, তবুও আমি বিশেষ করে এই ঘটনাটি উল্লেখ করছি কারণ সেখানে প্রথমবারের মতো বৈষম্য ও বর্ণবাদের নিয়মগুলো ভেঙে ফেলা হয়েছিল। উইলিয়াম ডি. হেউড সেখানে ভাষণ দিতে গিয়েছিলেন এবং তিনি বলেছিলেন প্রতিটি ধর্মঘটী যেখানে খুশি বসতে পারে। আইডব্লিউডব্লিউ-এর এই হলে কোনো বিভাজন নেই। নিগ্রো এবং শ্বেতাঙ্গ শ্রমিকরা, আমার মনে হয় আমেরিকান শ্রমিক ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সেই সামাজিক বিধিনিষেধ ভেঙে একসাথে মিলিত হয়েছিল।
* আমার দীর্ঘ শ্রম ইতিহাসে যদি সত্যিই এমন কোনো বিষয় থাকে যা নিয়ে আমি গর্বিত তবে তা হলো জো হিল কারাগারে থাকাকালীন এবং তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার আগে আমার জন্য একটি গান লিখেছিলেন যা আমাকে উৎসর্গ করা হয়েছিল। গানটির নাম ছিল "রেবেল গার্ল" এবং আমি আশা করি আপনারা এখানে কোনো এক সময় গানটি গাইবেন। এটি হয়তো কথার দিক থেকে সেরা নয় কিংবা সুরের দিক থেকেও সেরা না-ও হতে পারে কিন্তু এটি হৃদয় থেকে এসেছিল এবং এটি অবশ্যই অত্যন্ত মূল্যবান।
* প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় আইডব্লিউডব্লিউ, সমাজতন্ত্রী এবং আমাদের দেশের সমস্ত প্রগতিশীলদের ওপর প্রচণ্ড আক্রমণ চালানো হয়েছিল। সেই সময় একটি শক্তিশালী শান্তি আন্দোলন ছিল। এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মতো ছিল না, যা ছিল একটি ফ্যাসিবাদ-বিরোধী যুদ্ধ।
* অন্যান্য সংগঠনের সাথে আইডব্লিউডব্লিউ-এর অবস্থান আসলে কোথায় ছিল সে সম্পর্কে আমার সত্যিই আপনাদের কিছু বলা উচিত কারণ বিষয়টি সম্ভবত এখনও খুব একটা পরিষ্কার নয়। এটি কোনো পেশাভিত্তিক ইউনিয়ন ছিল না বরং এটি ছিল একটি শিল্প ইউনিয়ন এবং এটি এএফএল-এর প্রবল বিরোধী ছিল। এএফএল যেসব আদর্শে বিশ্বাস করত যেমন ন্যায্য কাজের জন্য ন্যায্য মজুরি কিংবা পুঁজি ও শ্রমের ভ্রাতৃত্ব এগুলোর কোনোটিই আইডব্লিউডব্লিউ সমর্থন করত না। সুযোগ পেলেই মালিকপক্ষের বিরুদ্ধে লড়াই করার ব্যাপারে তারা অত্যন্ত কঠোর ছিল এবং তাই কিছু বিষয় শুনতে খুব অদ্ভুত মনে হলেও সেটিই ছিল সত্য। তারা কোনো চুক্তিতে বিশ্বাস করত না। তারা মনে করত যে যতক্ষণ আপনারা সংগঠিত আছেন ততক্ষণ আপনারা কর্তৃপক্ষকে তাদের প্রতিশ্রুতি পালনে বাধ্য করতে পারবেন। কিন্তু একটি চুক্তি বা এক টুকরো কাগজ আপনাদের আটকে রাখে আর তাই তারা কোনো চুক্তি করত না। তবে যাদের আমরা হোয়াইট কলার বা বুদ্ধিবৃত্তিক পেশার কর্মী বলি তাদের প্রতি আইডব্লিউডব্লিউ-এর মনোভাব ভালো ছিল না। মোটেও ভালো ছিল না কারণ তারা মনে করত যে এই কর্মীরা শ্রমিক শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত নয়। আইডব্লিউডব্লিউ-এর মতে আপনাকে ওভারঅল পোশাক পরতে হবে এবং পেশিবহুল হতে হবে ও কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। আপনি যদি কেবল কলম পিষতেন তবে তাদের কাছে আপনি শ্রমিক ছিলেন না। এই একই ধারণা শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য ছিল। অন্যভাবে বলতে গেলে আজ যাকে একটি অত্যন্ত সংকীর্ণমনা সংগঠন বলা হতো। তবে সেই সময়ের শিক্ষার্থীরাও কিছুটা দায়ী ছিল কারণ শ্রমিক আন্দোলনের প্রতি তাদের কোনো সহানুভূতি ছিল না। প্রকৃতপক্ষে যখন ধর্মঘট হতো তখন সবসময়ই শিক্ষার্থীদের পাওয়া সম্ভব ছিল যারা শ্রমিকদের জায়গায় গিয়ে কাজ করত যেমনটি আমি নিউ ইয়র্ক সিটির একটি হোটেলের ধর্মঘটে দেখেছিলাম। আমি অত্যন্ত আনন্দের সাথে বলছি যে এখন সময়ের পরিবর্তন হয়েছে।
*আইডব্লিউডব্লিউ এএফএল.-এর চেয়ে আরও একটি বিষয়ে আলাদা ছিল যে তারা সমাজতন্ত্রে বিশ্বাস করত। যদিও তারা রাজনৈতিক দল এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড বর্জন করার কারণে সোশ্যালিস্ট পার্টির থেকে ভিন্ন ছিল। তাদের এই অদ্ভুত ধারণা ছিল যে আসল লড়াই হলো শিল্পকারখানায়, অর্থাৎ উৎপাদনের জায়গায়।
*আমি যখন আপনাদের বলি যে তখন কী কী ছিল না, তখন মনে হয় আমরা যেন এক অরণ্যে বাস করতাম। তখন কোনো রেডিও ছিল না, টিভি ছিল না, সিনেমা ছিল না, আজকের মতো বিজ্ঞাপন ছিল না, কোনো প্লাস্টিক বা কৃত্রিম কাপড় ছিল না এবং কোনো বিমানও ছিল না।
*আমি ১৯১৯-২০ সালের কথা বলছি যখন জে. এডগার হুভার প্রথম আত্মপ্রকাশ করেন। তাকে এই ধরপাকড় অভিযানের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল এবং সারা দেশের সমস্ত রিপোর্ট তাকে জমা দিতে হতো। তাদের বলা হতো "জি ম্যান"। এফবিআই আরও পরে ১৯২৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। সুতরাং কোনো সরকারের পরোয়া না করেই তিনি দীর্ঘ ৩৮ বছর ধরে এই সাম্রাজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন এবং এটি আসলে কোনো সিভিল সার্ভিস বা বিচার বিভাগের নিয়ন্ত্রণে নেই।
*আইডব্লিউডব্লিউ-এর বিরুদ্ধে ঘৃণা এতটাই তীব্র ছিল যে সংবাদপত্রের সম্পাদকীয়তে লেখা হতো, "তাদের ভোরবেলা গ্রেপ্তার করা উচিত এবং নাস্তা করার আগেই বিচার ছাড়াই গুলি করে মারা উচিত।"
*আজকের দিনে ইউনিয়নের সাথে রাজনৈতিক সহযোগী থাকা অনেক বেশি কার্যকর একটি পদ্ধতি। কিন্তু আমরা তখন সবকিছু এক পাত্রে রাখার চেষ্টা করেছিলাম এবং সেটি মোটেও কাজ করেনি। আমরা বেশ অহংকারী ছিলাম। আমরা তরুণ ছিলাম এবং মনে করতাম সবকিছুর সঠিক উত্তর কেবল আমাদের কাছেই আছে। আমরা এএফএল-এর সাথে কাজ করতে চাইনি, সোশ্যালিস্ট পার্টির সাথে কাজ করতে চাইনি, এমনকি অন্য কারও সাথেই কাজ করতে চাইনি। স্বাভাবিকভাবেই যখন কমিউনিস্ট পার্টি এল, তারা সেটাকে একটি সত্যিকারের দল হিসেবে বিবেচনা করল কারণ সেটি পুরনো সোশ্যালিস্ট পার্টির চেয়ে অনেক বেশি বিপ্লবী ছিল। আইডব্লিউডব্লিউ রুশ বিপ্লবের ধারণার সাথে পুরোপুরি একমত ছিল না, যদিও তারা খুশি ছিল যে এটি এমন একটি বিপ্লব যা জারকে উৎখাত করেছে। তারা কেরেনস্কির পক্ষে ছিল না কিন্তু বিপ্লব সম্পর্কে তাদের কিছু আদিম ধারণা ছিল। আইডব্লিউডব্লিউ-এর কাছে বিপ্লব মানে ছিল কারখানা, দোকান, কলকারখানা, খনি আর ফসলের মাঠ দখল করে নেওয়া এবং মালিকদের স্রেফ তাড়িয়ে দেওয়া। মালিকদের তাড়িয়ে দেওয়া মানেই ছিল বিপ্লবের শেষ।
* আইডব্লিউডব্লিউ-এর ইতিবাচক দিকটি হলো এটি অবশ্যই আপসহীন এবং অত্যন্ত সাহসী ছিল। এটি সেই সময়ের জন্য উপযুক্ত ছিল এবং সেই অগ্রযাত্রার দিনগুলোতে এটি সবচেয়ে গরিব ও নিঃসঙ্গ এবং সবচেয়ে অবহেলিত মানুষদের স্বার্থের জন্য লড়াই করেছিল। এটি সেই মানুষদের সংগঠিত করেছিল যাদের এএফএল করতে পারেনি যেমন বিদেশে জন্মগ্রহণ করা মানুষ ও নারী এবং পরবর্তীতে যখন কৃষ্ণাঙ্গরা শিল্পক্ষেত্রে আসতে শুরু করল তখন সেই কৃষ্ণাঙ্গ জনগোষ্ঠী।
* আমরা অবশ্যই এই ধরনের কোনো বিষয়ের কথা কখনো শুনিনি এবং আমরা কখনো ভাবিনি যে সামাজিক নিরাপত্তা বা বেকারত্ব বীমা থাকা সম্ভব হতে পারে। এগুলো ছিল ৩০-এর দশকের ফলাফল যা আইডব্লিউডব্লিউ-এর পতনের পর বড় ধরনের সংগ্রামের মাধ্যমে এসেছিল। এছাড়াও আমরা কখনো বেতনসহ ছুটির কথা শুনিনি। আমরা ছুটির কথাই কখনো শুনিনি সেখানে বেতনসহ ছুটির তো প্রশ্নই আসে না। আমরা বর্তমান সময়ের মতো জ্যেষ্ঠতা কী তাও কখনো শুনিনি। শ্রমিকদের অবসরের জন্য কোনো পেনশনের ব্যবস্থা ছিল না। ইউনিয়নগুলোর কোনো কল্যাণ তহবিল ছিল না। ইউনিয়নগুলোর কোনো স্বাস্থ্যকেন্দ্র ছিল না এবং আজকের মতো কোনো ট্রেড ইউনিয়ন স্কুলও ছিল না। এই সমস্ত বিষয় সেই ইউনিয়নগুলোর সাথে এসেছে যেগুলো আইডব্লিউডব্লিউ-এর পরবর্তী সময়ে অস্তিত্ব লাভ করেছে।
*আজকের দিনে শ্রমিকের বিরুদ্ধে সরাসরি সহিংসতা কম কিন্তু আইনি বিধিনিষেধ অনেক বেশি। দমনমূলক আইন এবং সব ধরনের বিধিনিষেধের মাধ্যমে শ্রমিকের অধিকার হরণ করার চেষ্টা এখন অনেক বেশি হচ্ছে।
*আমরা কি উন্নতি করেছি? ওহ, আমরা অবশ্যই উন্নতি করেছি! সমস্ত অসুবিধা এবং সমস্যা সত্ত্বেও শ্রমিক আন্দোলন বিশাল উন্নতি করেছে। আজকের যুবকদের জন্য একটি নতুন ভূমিকা এবং নতুন দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে। বহু বছর আগে আমি পিটার ক্রোপোটকিনের 'তরুণদের প্রতি আবেদন' নামক একটি পুস্তিকা পড়েছিলাম। এটি ছিল যুবকদের প্রতি এই বিশ্বকে বসবাসের উপযোগী একটি সুন্দর জায়গা হিসেবে গড়ে তোলার দায়িত্ব নেওয়ার এক চমৎকার আহ্বান। এখন আমি অনুভব করি যে আমরা আমাদের সাধ্যমতো সেরা চেষ্টা করেছি। কিন্তু সময় এমন আসে যখন আপনি জানেন যে বাধ্য হয়েই আপনাকে থামতে হয়; যদিও বলা হয় বার্ধক্য কোনো রোগ নয় কিন্তু আমি মনে করি এটি একটি রোগ। এমন এক সময় আসে যখন আপনাকে গতি কমিয়ে দিতে হয় এবং কাজ থেকে বিদায় নিতে হয়, আর যদি নতুন প্রজন্ম চায় তবে আপনার অভিজ্ঞতার সুফল তাদের কাছে পৌঁছে দিতে হয়।
== এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন সম্পর্কে উক্তি ==
* হেটেরোডক্সির সদস্য এবং ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়ার্কার্স অফ দ্য ওয়ার্ল্ড-এর প্রখ্যাত সংগঠক এবং পরবর্তীতে ইউ.এস. কমিউনিস্ট পার্টির শীর্ষস্থানীয় সদস্য এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন এই সংগঠনে তার সদস্যপদকে "এক অবিচ্ছিন্ন আনন্দের অভিজ্ঞতা" হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি আরও যোগ করেছেন, "এটি ভবিষ্যতের নারীদের এক ঝলক দেখার মতো ছিল যারা বিশাল হৃদয়ের অধিকারী, বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে সজাগ এবং পুরনো সেই 'নারীত্ব' বর্জিত যার স্থলাভিষিক্ত হয়েছে নারীদের এক চমৎকার ভ্রাতৃত্ব।"
** [[বেটিনা আপথেকার]], ''ট্যাপেস্ট্রিস অফ লাইফ: উইমেনস ওয়ার্ক, উইমেনস কনশাসনেস, অ্যান্ড দ্য মিনিং অফ ডেইলি এক্সপেরিয়েন্স'' (১৯৮৯)
* আমার নির্জন কারাবাসের দিনগুলোতে, মার্গারেট যখন জেল সুপারকে আমাকে পড়ার সুযোগ দেওয়ার জন্য রাজি করালেন, তখন আমি গ্রন্থাগারে একা কয়েকটি সেশন কাটিয়েছিলাম। অল্প সময়ের মধ্যেই আমি পুরো জায়গাটি তন্নতন্ন করে খুঁজি এবং সামান্য আগ্রহ জাগানিয়া মাত্র কয়েকটি বই খুঁজে পাই: এডগার স্নোর লেখা চীনা বিপ্লবের ওপর একটি বই, ডব্লিউ. ই. বি. ডু বোইসের আত্মজীবনী এবং একজন আশ্চর্যজনকভাবে নিরপেক্ষ ও স্বল্প পরিচিত লেখকের লেখা সাম্যবাদের ওপর একটি বই। এই বইগুলো আবিষ্কার করার পর আমার চিন্তাভাবনা বারবার সেগুলোর রহস্যময় উপস্থিতির দিকে ফিরে যাচ্ছিল। হঠাৎ আমার মনে হলো: এগুলো সম্ভবত এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন, ক্লডিয়া জোন্স অথবা অন্য কোনো কমিউনিস্ট নেতাদের দ্বারা পড়া হয়েছিল যারা ম্যাকার্থি যুগে স্মিথ অ্যাক্টের অধীনে নিপীড়িত হয়েছিলেন। আমাকে জানানো হয়েছিল যে সেখানে থাকাকালীন আমি যদি কোনো বই পাই, তবে তা গ্রন্থাগারে দান করতে হবে—যা ছিল এক আনন্দের বিষয়, কারণ তথাকথিত সেই শিক্ষা কেন্দ্রের অবস্থা ছিল করুণ। আমি যখন সেই বইগুলোর পাতা উল্টাচ্ছিলাম, তখন আমি এই দেশের কিছু অসামান্য বীরাঙ্গনাদের ঐতিহ্য অনুসরণ করতে পেরে সম্মানিত বোধ করছিলাম: কমিউনিস্ট নারী নেতৃবৃন্দ, বিশেষ করে কৃষ্ণাঙ্গ কমিউনিস্ট ক্লডিয়া জোন্স।
** ''[[অ্যাঞ্জেলা ডেভিস]]ের আত্মজীবনী'' (১৯৭৪)
* জোসেফ ইটর এবং আর্তুরো জিওভানিত্তির গ্রেপ্তারের ফলে তৈরি হওয়া শূন্যতা তাৎক্ষণিকভাবে বিল হেউড এবং এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন পূরণ করেছিলেন। শ্রমিক সংগ্রামে হেউডের বছরের পর বছর অভিজ্ঞতা, তার দৃঢ় সংকল্প এবং বিচক্ষণতা তাকে লরেন্সের পরিস্থিতিতে এক অনন্য শক্তিতে পরিণত করেছিল। অন্যদিকে, এলিজাবেথের তারুণ্য, চার্ম এবং বাগ্মিতা খুব সহজেই সবার মন জয় করে নিয়েছিল। এই দুজনের নাম এবং খ্যাতি ধর্মঘটের জন্য দেশব্যাপী প্রচার ও সমর্থন জোগাড় করতে সাহায্য করেছিল। বছরের পর বছর আগে একটি উন্মুক্ত সভায় প্রথমবার শোনার পর থেকেই আমি এলিজাবেথকে জানতাম এবং শ্রদ্ধা করতাম। সেই সময় তার বয়স চৌদ্দ বছরের বেশি ছিল না, তার ছিল এক সুন্দর মুখাবয়ব এবং আন্তরিকতায় ভরপুর এক কণ্ঠস্বর। তিনি আমার ওপর গভীর প্রভাব ফেলেছিলেন। পরবর্তীতে আমার বক্তৃতায় তার বাবার সাথে তাকে প্রায়ই আসতে দেখতাম। কালো চুল, বড় বড় নীল চোখ এবং চমৎকার গায়ের রঙে তিনি ছিলেন এক মোহনীয় প্রতিচ্ছবি... স্পোকেনে আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ.-এর অন্যান্য সদস্যদের সাথে তিনি যে চমৎকার বাক-স্বাধীনতার লড়াই করেছিলেন এবং যে নিপীড়ন সহ্য করেছিলেন, তা এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিনকে আমার খুব কাছে নিয়ে এসেছিল। আর যখন শুনলাম যে সন্তান জন্ম দেওয়ার পর তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েছেন, তখন এই তরুণ বিদ্রোহীর জন্য আমি গভীর সহানুভূতি অনুভব করেছিলাম, যিনি সর্বহারা পটভূমি থেকে আসা প্রথম আমেরিকান নারী বিপ্লবীদের একজন। তার প্রতি আমার আগ্রহ কেবল স্পোকেন লড়াইয়ের জন্যই নয়, বরং মা হওয়ার প্রথম মাসগুলোতে এলিজাবেথের ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য তহবিল সংগ্রহে আমার প্রচেষ্টাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছিল। তিনি নিউ ইয়র্কে ফিরে আসার পর থেকে আমরা প্রায়ই সভায় এবং আরও ব্যক্তিগতভাবে একসাথে সময় কাটিয়েছি। এলিজাবেথ নৈরাজ্যবাদী ছিলেন না, তবে তিনি সোশ্যালিস্ট লেবার পার্টি থেকে আসা তার কিছু কমরেডদের মতো গোঁড়া বা বিদ্বেষীও ছিলেন না। আমাদের সার্কেলে তিনি আমাদেরই একজন হিসেবে স্বীকৃত ছিলেন এবং আমি তাকে বন্ধু হিসেবে ভালোবাসতাম।
** [[এমা গোল্ডম্যান]], ''লিভিং মাই লাইফ'' (১৯৩১)
* ফ্লিন পার্টির চেয়ারম্যান হিসেবে জিনের স্থলাভিষিক্ত হন। তিনি ছিলেন সেই পদে নির্বাচিত প্রথম নারী। তিনি ছিলেন একজন সমঝোতামূলক প্রার্থী; বেন ডেভিসও এই পদের জন্য প্রচারণা চালাচ্ছিলেন এবং কৃষ্ণাঙ্গ নেতৃত্বের একটি বড় অংশসহ পার্টির অনেক মানুষ সেই সম্ভাবনায় ভীত ছিল। লিজকে তখন সেরা বিকল্প মনে হয়েছিল। পার্টিতে এলিজাবেথের খুব ইতিবাচক খ্যাতি ছিল। ১৯৩০-এর দশকে যখন তিনি পুনরায় যোগ দেন (তিনি ১৯২০-এর দশকে সংক্ষিপ্তভাবে এবং গোপনে সদস্য ছিলেন), তখন তিনি সরাসরি শীর্ষ নেতৃত্বে চলে আসেন। পদমর্যাদায় উপরে ওঠার লড়াইয়ে অন্যান্য নারীদের যে কঠোর আচরণের প্রয়োজন হতো, তার সেটি করার প্রয়োজন পড়েনি। তিনি মানুষের প্রতি এমনভাবে আন্তরিক ছিলেন যা অধিকাংশ পার্টি নেতার মধ্যে ছিল না। আমি যখনই নিউ ইয়র্কে যেতাম, চেলসি হোটেলে তার সাথে দেখা করার চেষ্টা করতাম যেখানে তিনি থাকতেন। তার রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং জাতীয় অফিসে তার সহকর্মীদের সম্পর্কে তার তীক্ষ্ণ ও নির্ভীক মতামতের কারণে তিনি শোনার মতো একজন ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তিনি জিন ডেনিসকে পছন্দ করতেন কিন্তু ফস্টারের প্রতি সবসময় সমালোচনামূলক ছিলেন। স্পষ্টতই এই বিরোধ অনেক অনেক বছর আগের। ইউনিয়ন সংগঠক হিসেবে তার বীরত্বপূর্ণ অতীতের গ্ল্যামার তাকে মোহিত করতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত তার নিজেরও এমন সব পরিচয় ছিল যা ফস্টারের চেয়ে কোনো অংশে কম প্রভাবশালী ছিল না। তিনি পার্টির জনসম্মুখের মুখ হিসেবে এবং ওবলিদের ঐতিহাসিক অতীত, লরেন্সের "ব্রেড অ্যান্ড রোজেস" ধর্মঘট এবং স্পোকেনের বাক-স্বাধীনতা লড়াইয়ের যোগসূত্র হিসেবে খুব কার্যকর ছিলেন। বিশাল শ্রোতাদের সামনে সহজ ভাষায় কথা বলার এবং তাৎক্ষণিক সম্পর্ক তৈরি করার এক অসাধারণ ক্ষমতা তার ছিল। এটি ছিল পার্টির পুরনো দিনের আন্দোলনকারীদের একটি গুণ যা ফ্লিন, ফস্টার এবং ক্ল্যারেন্স হ্যাথওয়ের মতো মানুষের মধ্যে এটি আমার প্রজন্মের চেয়ে অনেক বেশি ছিল। তবে সময়ের সাথে সাথে লিজের প্রতি আমার মিশ্র অনুভূতি তৈরি হয়েছিল। পার্টির সভাগুলোতে তিনি সবসময় গুস বা সোভিয়েত ইউনিয়নের কাছে অগ্রহণযোগ্য কিছু না বলার বিষয়ে খুব সতর্ক থাকতেন। তিনি আমাকে নিয়ে এবং আমার রাজনীতি আমাকে যে খারাপ পরিণতির দিকে নিয়ে যাবে তা নিয়ে চিন্তিত ছিলেন।
** [[ডরোথি রে হিলি]], ''ক্যালিফোর্নিয়া রেড: আ লাইফ ইন দ্য আমেরিকান কমিউনিস্ট পার্টি'' (১৯৯০)
* আমি এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন এবং পেটিস পেরি ও আমার সকল সহ-অভিযুক্তদের সেই বিশ্বাসে বিশ্বাসী যে আমেরিকার শ্বেতাঙ্গ ও কৃষ্ণাঙ্গ শ্রমজীবী মানুষ নিশ্চয়ই জেগে উঠবে। তারা ভেড়ার পালের মতো নয় বরং তাদের স্বাধীনতার প্রতি সজাগ দৃষ্টি রেখে জেগে উঠবে যাতে এটি নিশ্চিত করা যায় যে শান্তি জয়ী হবে এবং এই ক্ষয়িষ্ণু স্মিথ অ্যাক্ট যা বিল অফ রাইটস বা অধিকারের বিলকে লঙ্ঘন করে তা ইতিহাসের পাতা থেকে মুছে যাবে।
** [[ক্লডিয়া জোন্স]], [https://speakingwhilefemale.co/radicals-jones/ বিবৃতি] (জানুয়ারি ১৯৫৩)
*আমি তোমাকে দেখব সেইসব কচি অঙ্কুরিত চারার মাঝে/যারা আগাছাকে অবজ্ঞা করে—সন্দেহে কুঁকড়ে যাওয়া বার্ধক্যকে/সেইসব ব্যবহারকারীদের যারা গালিগালাজে কলুষিত করে,/সংগ্রামের মধ্য দিয়ে গড়ে তোলা সেবায় নিবেদিত এক সার্থক জীবনকে... আমি তোমাকে চিরদিন মনে রাখব/এবং কীভাবে তোমার আত্মা প্রতিধ্বনিত হয়/কারণ তোমার বিশ্বাস আগুনের শিখার মতো লাফিয়ে ওঠে/যা সবকিছুর জন্য এক মধুর লালন।
** ''ক্লডিয়া জোন্স: বিয়ন্ড কন্টেইনমেন্ট: অটোবায়োগ্রাফিক্যাল রিফ্লেকশনস, এসেস, অ্যান্ড পোয়েমস'' গ্রন্থে "টু এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন" কবিতা।
*ডরোথি ডে এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিনকে (যিনি ১৯৩৭ সালে ইউ.এস. কমিউনিস্ট পার্টিতে যোগ দিয়েছিলেন) "শব্দের গভীরতম অর্থে আমার বোন" হিসেবে গণ্য করতেন। ডে লিখেছিলেন, ফ্লিন "সর্বদাই তা-ই করেছেন যা আজকাল সাধারণ মানুষদের করার জন্য তাগিদ দেওয়া হয়। তিনি দরিদ্রদের রক্ষায়, তাদের অন্যায় ও অভাব থেকে বাঁচাতে নিজের ক্ষমতার সবটুকু করার দায়িত্ব অনুভব করতেন" (লং লোনলিনেস, ১৪৫-১৪৬)।
** [[মার্গারেট সি. জোন্স]], ''হেরিটিকস অ্যান্ড হেলরাইজার্স: উইমেন কন্ট্রিবিউটরস টু দ্য মাসেস, ১৯১১-১৯১৭'' (১৯৯৩)
*শ্রম আন্দোলনের ইতিহাসের আমার অন্যতম প্রিয় ব্যক্তিত্ব এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন—সেই বিখ্যাত 'রেবেল গার্ল' যাকে নিয়ে জো হিল গান গেয়েছিলেন এবং যিনি নিজের যোগ্যতায় একজন অসাধারণ ইউনিয়ন সংগঠক ছিলেন—ঊনবিংশ শতাব্দীতেই একটি অত্যন্ত সঠিক কথা বলেছিলেন। তথাকথিত রুটি-রুজির অর্থনৈতিক ইস্যুগুলোর সমান গুরুত্ব দিয়ে রাজনৈতিক ও সামাজিক ন্যায়বিচারের দাবিগুলো ধরে রাখার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে তিনি বলেছিলেন: "শ্রমিকের বিজয় আসলে কী? আমি মনে করি এটি একটি দ্বিমুখী বিষয়। পূর্ণাঙ্গ বিজয় অর্জনের জন্য শ্রমিকদের কেবল অর্থনৈতিক সুবিধাই অর্জন করলে চলবে না, তাদের মধ্যে বিপ্লবী চেতনাও থাকতে হবে। শ্রমিকদের দিনে কয়েক সেন্ট বেশি পাওয়া বা কয়েক মিনিট কম কাজ করে সেই একই মানসিকতা এবং সমাজের প্রতি একই দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কাজে ফিরে যাওয়া মানে একটি সাময়িক লাভ অর্জন করা, কোনো স্থায়ী বিজয় নয়।"
** কিম কেলি (সাংবাদিক), ''ফাইট লাইক হেল: দ্য আনটোল্ড হিস্ট্রি অফ আমেরিকান লেবার'' (২০২২)
* ফ্লিনের ভাষায়, এটি ছিল "আমেরিকান শ্রম ইতিহাসের এক অতুলনীয় দিন... লরেন্সে তখন ত্রাসের রাজত্ব চলছিল যা আক্ষরিক অর্থেই আমেরিকাকে কাঁপিয়ে দিয়েছিল।"
** কিম কেলি (সাংবাদিক), ''ফাইট লাইক হেল: দ্য আনটোল্ড হিস্ট্রি অফ আমেরিকান লেবার'' (২০২২)
* ঐতিহ্যবাহী মার্কসবাদী তত্ত্ব অনুযায়ী গৃহিণীদের শ্রেণি সচেতনতা ছিল প্রশ্নবিদ্ধ কারণ তারা প্রায়ই আমূল সংস্কারবাদী পুরুষদের জন্য নির্ভরযোগ্য সহযোগী ছিলেন না। প্রলেতারিয়েত বা সর্বহারা পুরুষদের সম্মুখযাত্রায় গৃহিণীদের সাধারণত কৃষক এবং বুদ্ধিজীবীদের সাথে সম্ভাব্য রক্ষণশীল ও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী হিসেবে গণ্য করা হতো। নারী সমতা প্রতিটি মার্কসবাদী আন্দোলনের ঘোষিত লক্ষ্য ছিল কিন্তু নারী ইস্যুগুলোকে যেভাবে দেখা হতো তাতে একটি পরিষ্কার বার্তা পাওয়া যেত যে নারীদের কাজ সংগ্রামের ক্ষেত্রে গৌণ ছিল যদি না তারা পুরুষদের পদ্ধতিতে কাজ করার ক্ষেত্রে পারদর্শিতা দেখাত। মহান এবং বিখ্যাত নারী নেত্রী যেমন [[ডলোরেস ইবারুরি|লা পাসিওনারিয়া]], [[মাদার ব্লুর]], [[এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন]] এবং [[ক্লারা লেমলিচ]] গৃহিণীদের সংগঠিত করেননি বরং তারা নারী কলকারখানা শ্রমিক এবং নারী সহায়ক দল অথবা পুরুষদের সংগঠিত করেছিলেন।
** [[গের্ডা লার্নার]], ''ফায়ারউইড: আ পলিটিক্যাল অটোবায়োগ্রাফি'' (২০০২)
*যুদ্ধবন্দিদের জন্য আমার সফরের সময় আমি পর্যায়ক্রমে নিউ ইয়র্কে ফিরে আসতাম সংগঠনকে রিপোর্ট দিতে এবং এই কাজে এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন ও অন্যদের সাথে পরামর্শ করতে। এভাবেই আইরিশ লড়াকু পূর্বপুরুষদের সেই লড়াকু কন্যার সাথে আমার দীর্ঘ বছরের মেলামেশা শুরু হয়। ষোলো বছর বয়সেই তিনি আইডব্লিউডব্লিউ.-তে সক্রিয় ছিলেন এবং জো হিল তাকে নিয়ে একটি ওবলি গান লিখেছিলেন, "দ্য রেবেল গার্ল"। যদিও কমিউনিস্ট পার্টির শুরুর দিনগুলোতে তিনি আমাদের সাথে যোগ দেননি, কিন্তু তিনি আমাদের সাথে খুব ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতেন। পরিশেষে, ওরেগনের পোর্টল্যান্ডে দশ বছর অসুস্থ থাকার পর তিনি নিউ ইয়র্কে ফিরে আসেন এবং পার্টিতে যোগ দেন। আজ তিনি আমাদের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বক্তা এবং আমাদের জাতীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সম্মানিত ও প্রিয় সদস্য। এলিজাবেথের জীবনের গল্প এই দেশের অনেক মহান শ্রমিক সংগ্রামের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে। সর্বত্র শ্রমিকরা তার সুন্দর সুমধুর কণ্ঠস্বর, উজ্জ্বল উদ্দীপনা এবং বিশাল লড়াকু হৃদয়ের কথা জানে। ক্যালুমেট, পাসাইক, প্যাটারসন, লরেন্সের মতো জায়গার পিকেট লাইন এবং মঞ্চ তাকে চেনে। আজ তার একমাত্র ছেলে ফ্রেডের আকস্মিক মৃত্যুর শোকের ভার বহন করেও তিনি এমন এক বিশ্বের জন্য লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন যেখানে মায়েদের তাদের প্রভুদের স্বার্থ রক্ষার যুদ্ধে অকারণে সন্তান হারাতে হবে না।
** [[এলা রিভ ব্লুর]], ''উই আর মেনি: অ্যান অটোবায়োগ্রাফি'' (১৯৪০)
*যে নারীর প্রতি আমার গভীরতম শ্রদ্ধা ছিল, তিনি অবশ্যই এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন।
** [[এমা তেনাইউকা]], [https://awpc.cattcenter.iastate.edu/2017/03/09/1930s-san-antonio-union-movement-feb-21-1987/ সাক্ষাৎকার] (১৯৮৭)
*তিনি তার এই বিস্ময়কর রেকর্ডের সূচনা করেছিলেন পনেরো বছর বয়সে রাস্তার মোড়ে গ্রেপ্তার হওয়ার মাধ্যমে। তার বাবাও তার সাথে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। এরপর থেকে তার বাবা আর কখনও গ্রেপ্তার হননি। এটি ছিল তার জন্য কেবল শুরু। বিচারক কৌতূহলী হয়ে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, "তুমি কি ব্রডওয়েতে কথা বলে মানুষকে সমাজতন্ত্রে দীক্ষিত করার আশা করো?" তিনি বিচারকের দিকে তাকালেন এবং গম্ভীরভাবে উত্তর দিলেন, "অবশ্যই করি।" বিচারক করুণায় দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন, "মামলা খারিজ।"
** [[মেরি হিটন ভোর্স]] (১৯২৬), গের্ডা লার্নার সম্পাদিত ''দ্য ফিমেল এক্সপেরিয়েন্স: অ্যান আমেরিকান ডকুমেন্টারি'' গ্রন্থে সংকলিত।
* তিনি আইডব্লিউডব্লিউ-তে যোগ দিয়েছিলেন যা তখন তার স্বর্ণযুগে ছিল। আদর্শবাদে পরিপূর্ণ এই সংগঠন উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছিল। তারা সব জায়গায় বাক-স্বাধীনতা রক্ষার লড়াই করেছিল। কর্তৃপক্ষ তাদের গ্রেপ্তার করত কিন্তু আরও বেশি মানুষ এগিয়ে আসত। তারা জেলখানাগুলোকে কানায় কানায় পূর্ণ করে ফেলেছিল। এলিজাবেথ বলেছিলেন যে একটি শহরে জেলে এত বেশি মানুষ ছিল যে তারা দিনের বেলা তাদের বাইরে ছেড়ে দিত। আমাদের বাইরে থেকে তাদের খাওয়াতে হতো। প্রতি রাতে তারা আবার জেলে ফিরে যেত। অবশেষে ওবলিরা সিদ্ধান্ত নিল যে যখন জেলের দরজা খোলা হবে তখন তারা আর বের হবে না। দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ সেই ওবলিদের দেখতে আসত যারা জেলখানা ছেড়ে যেতে চাইত না। পশ্চিমের যাযাবর শ্রমিকদের সংগঠিত করা এবং তাদের অধিকারের লড়াই করার এই সময়টুকুই তার জীবনের সেই অংশ যা তিনি সবচেয়ে বেশি পছন্দ করেন।
** মেরি হিটন ভোর্স (১৯২৬), গের্ডা লার্নার সম্পাদিত ''দ্য ফিমেল এক্সপেরিয়েন্স: অ্যান আমেরিকান ডকুমেন্টারি'' গ্রন্থে সংকলিত।
*প্রতিরক্ষার কাজ তার কাছে নতুন কিছু ছিল না এবং ১৯১৮ সাল থেকে ইদানীংকাল পর্যন্ত তার প্রধান কাজ ছিল রাজনৈতিক বন্দিদের জেল থেকে মুক্ত করা। আর ১৯২১ সাল থেকে তিনি স্যাকো-ভানজেত্তি মামলার ওপর মনোযোগ নিবদ্ধ করেছেন। সেখানে ছিল নিরন্তর কাজ, ছিল গ্রেপ্তার এবং তার আদর্শের জন্য বন্দি হওয়া কমরেডদের নিয়ে তার নিরন্তর ব্যস্ততা। শ্রমিক আন্দোলনে তার প্রথম বিশ বছর পার করার পরও তিনি অম্লান এবং নিরুৎসাহহীন।
** মেরি হিটন ভোর্স (১৯২৬), গের্ডা লার্নার সম্পাদিত ''দ্য ফিমেল এক্সপেরিয়েন্স: অ্যান আমেরিকান ডকুমেন্টারি'' গ্রন্থে সংকলিত।
*প্রগতিশীল বা আমূল সংস্কারবাদী আন্দোলনে সক্রিয় যেসব সুন্দরী নারীর সাথে আমার দেখা হয়েছে, তাদের সুন্দর স্মৃতি ছাড়া যদি মনে রাখার মতো আর কিছু না-ও থাকত, তবুও জীবন সার্থক হতো। আমি এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিনের প্রেমে পড়েছিলাম যখন একজন তরুণী হিসেবে তিনি তার স্পষ্ট ও সুমধুর কণ্ঠে হাজার হাজার মানুষকে সামাজিক বিদ্রোহের আদর্শে উদ্বুদ্ধ করেছিলেন।
** [[আর্ট ইয়াং]], ''হিজ লাইফ অ্যান্ড টাইমস'' (১৯৩৯)
*বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকের সেইসব বিপ্লবীদের শক্তি ও উদ্দীপনার আঁচ পাওয়া যায় কেবল এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিনের পুলিশের রেকর্ড বা অপরাধের তালিকার দিকে তাকালে।
** [[হাওয়ার্ড জিন]], ''আ পিপলস হিস্ট্রি অফ দ্য ইউনাইটেড স্টেটস''
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:শ্রমিক নেতা]]
[[বিষয়শ্রেণী:শ্রমিক আন্দোলনকর্মী]]
[[বিষয়শ্রেণী:নারী অধিকার কর্মী]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নারী সক্রিয়কর্মী]]
[[বিষয়শ্রেণী:কমিউনিস্ট পার্টি ইউএসএ-এর সদস্য]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নারীবাদী]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আত্মজীবনীকার]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক লেখক]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লেখিকা]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমাজতন্ত্রী]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাক-স্বাধীনতা আন্দোলনকর্মী]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাম্যবাদী]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৮৯০-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৬৪-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯শ শতাব্দীতে জন্মগ্রহণকারী নারী]]
[[বিষয়শ্রেণী:নিউ হ্যাম্পশায়ারের ব্যক্তি]]
k2ulseuqjargfftz5zjeucn4ovgtytl
83279
83278
2026-05-02T19:20:47Z
Tuhin
172
83279
wikitext
text/x-wiki
[[File:Elizabeth Gurley Flynn point (cropped).jpg|thumb|এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন]]
'''[[w:bn:এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন|এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন]]''' (৭ আগস্ট ১৮৯০ – ৫ সেপ্টেম্বর ১৯৬৪) ছিলেন একজন [[w:bn:শ্রমিক নেতা|শ্রমিক নেতা]], সক্রিয়কর্মী এবং [[w:bn:নারীবাদী|নারীবাদী]] যিনি [[w:bn:ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়ার্কার্স অফ দ্য ওয়ার্ল্ড|ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়ার্কার্স অফ দ্য ওয়ার্ল্ডে]] অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন। ফ্লিন [[w:bn:আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়ন|আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়নের]] একজন প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং [[নারীর অধিকার]], [[জন্ম নিয়ন্ত্রণ]] এবং [[w:bn:নারী ভোটাধিকার|নারী ভোটাধিকারের]] একজন বিশিষ্ট প্রবক্তা ছিলেন। তিনি ১৯৩৬ সালে [[w:bn:কমিউনিস্ট পার্টি ইউএসএ|কমিউনিস্ট পার্টি ইউএসএ]]-তে যোগ দেন এবং জীবনের শেষভাগে, ১৯৬১ সালে এর সভানেত্রী হন।
== উক্তি ==
===[https://speakingwhilefemale.co/jobs-flynn2/ "দ্য ওয়ার্কিং ক্লাস"] (২৯ জুন, ১৯০৯)===
* ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়ার্কার্স অফ দ্য ওয়ার্ল্ড হলো শ্রমিক সংগঠনের একটি নতুন রূপ, যা কেবল শিল্প শ্রমিক শ্রেণি এবং শুধুমাত্র সেই শ্রেণির জন্যই কাজ করে।
* এই দেশের শ্রমিক শ্রেণি এমন এক পরিস্থিতির দিকে তাকিয়ে আছে যেখানে সারা বিশ্বের চাহিদা মেটানোর মতো প্রাকৃতিক সম্পদ বিদ্যমান। তারা এমন এক শিল্প পরিস্থিতির দিকে তাকিয়ে আছে যা এমন সব যন্ত্রপাতি উদ্ভাবন করেছে যা খুব সামান্য শ্রম ব্যয়ে এই প্রাকৃতিক সম্পদগুলোকে প্রয়োজনীয় পণ্য বা বিলাসদ্রব্যে রূপান্তর করতে সক্ষম। তবুও তা সত্ত্বেও এবং যারা পরিশ্রম করে তাদের দ্বারা সম্ভব হওয়া উৎপাদনশীলতা এবং পৃথিবীর প্রাকৃতিক প্রাচুর্য সত্ত্বেও, আমাদের এই দেশে মানুষ না খেয়ে মরছে এবং পঞ্চাশ লক্ষ মানুষ বেকার। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে দশ লক্ষেরও বেশি শিশু শ্রমিক, নিউ ইয়র্ক সিটিতে সত্তর হাজার এবং শিকাগোতে পঞ্চাশ হাজার শিশু সকালে নাস্তা না খেয়ে স্কুলে যায়। আমাদের এমন এক অবস্থা যেখানে অধিকাংশ মানুষ সম্পদহীন শ্রেণি, যারা কোনো জমির মালিক নয়, যারা সেই উৎপাদনশীল যন্ত্রপাতির কোনোটিই নিয়ন্ত্রণ করে না, যারা এই স্বাধীন দেশে এবং সাহসীদের আবাসভূমিতে নিজের শ্রমশক্তি অর্থাৎ নিজের কাজ করার ক্ষমতা ছাড়া আর কিছুই নিয়ন্ত্রণ করে না।
* আজ শ্রমিক শ্রেণির কাছে কেবল এমন কিছু পরিস্থিতি রয়েছে যা তারা নিজেরা প্রতিকার করার অবস্থানে আছে। তাদের কাছে কেবল কিছু মিথ্যা পরিস্থিতি রয়েছে, যা প্রকৃতির সৃষ্টি নয় বরং মানুষের তৈরি, যা তারা নিজেরা উৎখাত করতে পারে।
* আমাদের যা কিছু আছে তা হলো কাজ করার ক্ষমতা এবং পুঁজিবাদী শ্রেণির কাছে সেই একটি পণ্যই নেই। তাদের কারখানা আছে, জমি আছে, রেলপথ আছে কিন্তু তাদের কাছে শ্রমশক্তি নেই, যা সম্পদ তৈরির আসল ক্ষমতা।
* স্যামুয়েল গম্পার্স হলো মালিকদের বন্ধু।
* আমাদের আছে শুধু আমাদের সংগঠন, সহকর্মীবৃন্দ। তাদের আছে পুঁজি, তাদের আছে সরকারের ক্ষমতা, পুঁজিবাদী শ্রেণীর সংগ্রামী গোষ্ঠী; তাদের আছে রাষ্ট্রের ক্ষমতা; তাদের আছে আন্তর্জাতিক পুঁজির ক্ষমতা — আর আমাদের আছে শুধু আমাদের সাংগঠনিক শক্তি।
==="দ্য ট্রুথ অ্যাবাউট দ্য প্যাটারসন স্ট্রাইক" (১৯১৪)===
''আউটস্পোকেন উইমেন'' (১৯৮৪) সংকলন থেকে। ক্যাপশন: "নিচের ভাষণটি ১৯১৪ সালের ৩১শে জানুয়ারি নিউ ইয়র্ক সিটির নিউ ইয়র্ক সিভিক ক্লাব ফোরামে প্রদান করা হয়েছিল। এর টাইপস্ক্রিপ্টটি মিশিগানের অ্যান আর্বারে অবস্থিত ইউনিভার্সিটি অফ মিশিগান লাইব্রেরির লাবাদি কালেকশনে সংরক্ষিত রয়েছে।"
* আমি মনে করি আমাদের অনেক সমালোচকই সেইসব মানুষ যারা ঘরে বসে বিছানায় বিশ্রাম নিচ্ছিলেন যখন আমরা ধর্মঘটের কঠিন কাজগুলো করছিলাম।
* শ্রমিকদের বিজয় আসলে কী? আমি মনে করি এটি একটি দ্বিমুখী বিষয়। একটি পূর্ণাঙ্গ বিজয় অর্জনের জন্য শ্রমিকদের অবশ্যই অর্থনৈতিক সুবিধা অর্জন করতে হবে। একই সাথে তাদের মধ্যে বৈপ্লবিক চেতনাও জাগ্রত হতে হবে। শ্রমিকরা দিনে কয়েক সেন্ট মজুরি বেশি পেল বা কয়েক মিনিট কম কাজ করল, কিন্তু সেই একই মানসিকতা নিয়ে কাজে ফিরল। সমাজের প্রতি তাদের দৃষ্টিভঙ্গি যদি একই থাকে, তবে সেটি কেবল একটি সাময়িক লাভ। এটি কোনো স্থায়ী বিজয় নয়। শ্রমিকরা যদি শ্রেণি-সচেতন চেতনা এবং একটি সংগঠিত ও দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ মনোভাব নিয়ে কাজে ফেরে, তবেই সেটি প্রকৃত জয়। এর ফলে তাৎক্ষণিক কোনো অর্থনৈতিক লাভ না হলেও ভবিষ্যতে তা অর্জনের সম্ভাবনা তৈরি হয়। অন্য কথায়, শ্রমিকের বিজয়কে অবশ্যই অর্থনৈতিক এবং বৈপ্লবিক হতে হবে। তা না হলে সেটি পূর্ণাঙ্গ হয় না।
* একটি শ্রমিক বিজয় অবশ্যই দ্বিমুখী হতে হবে, তবে যদি কেবল একটি পাওয়া সম্ভব হয় তবে অর্থনৈতিক সুবিধার চেয়ে চেতনা অর্জন করা অনেক বেশি ভালো।
* আমাদের কাজ ছিল শিক্ষিত করা এবং অনুপ্রাণিত করা। শিক্ষা কোনো তাৎক্ষণিক পরিবর্তন নয়, বরং এটি একটি প্রক্রিয়া। শ্রমিকদের সামনে দেওয়া একটি মাত্র ভাষণ তাদের সারা জীবনের সংস্কারগুলো দূর করে দেয় না। আমাদের জাতীয় বিষয়গুলো নিয়ে কুসংস্কার ছিল। বিভিন্ন পেশার মধ্যে এবং নারী-পুরুষের প্রতিযোগিতার মধ্যেও সংস্কার ছিল। আমাদের এই সবকিছুই কাটিয়ে উঠতে হয়েছিল।
* ধর্মঘটের ক্ষেত্রে উদ্দীপনা মানে হলো সেই ধর্মঘট এবং তার মাধ্যমে হওয়া শ্রেণী সংগ্রামকে তাদের ধর্মে পরিণত করা। তারা যে সামান্য কয়েক সেন্ট মজুরি বা কয়েক ঘণ্টা সময়ের জন্য লড়ছে, সেই কথাটি তাদের ভুলিয়ে দিতে হবে। তাদের মনে এই অনুভূতি জাগিয়ে তুলতে হবে যে এই ধর্মঘটে জয়ী হওয়া তাদের একটি "ধর্মীয় দায়িত্ব"। আমাদের কাজের মূলে ছিল এই দুটি বিষয়। তাদের মধ্যে সংহতি এবং শ্রেণী-সচেতনতার বোধ তৈরি করা।
* আমি বলছি না যে সহিংসতা ব্যবহার করা উচিত নয়। তবে যেখানে এর কোনো প্রয়োজন নেই, সেখানে আমাদের এটি অবলম্বন করারও কোনো কারণ নেই।
* শারীরিক সহিংসতা নাটকীয় মনে হয়। বিশেষ করে যখন আপনি এটি নিয়ে কেবল কথা বলেন কিন্তু বাস্তবে প্রয়োগ করেন না, তখন এটি বেশি নাটকীয় লাগে। তবে ধর্মঘট পরিচালনার ক্ষেত্রে প্রকৃত সহিংসতা এখন একটি সেকেলে পদ্ধতি। সমস্ত শিল্প-কারখানাকে অচল করে দেওয়ার মতো গণ-আন্দোলন অনেক বেশি আধুনিক এবং ভীতিকর পদ্ধতি। এর মানে এই নয় যে আত্মরক্ষার জন্য সহিংসতা ব্যবহার করা যাবে না। আত্মরক্ষার জন্য সহিংসতার প্রয়োজনীয়তা সবাই বিশ্বাস করে। ধর্মঘটীদের এটি আলাদা করে বলে দেওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে মূল বিষয়টি হলো ধর্মঘটে জেতার উপায় হলো নিজের হাত পকেটে রেখে কাজ করতে অস্বীকার করা।
* যদি রবিবারে আপনি সেই মানুষগুলোকে বাড়িতে থাকতে দেন, তবে তারা আগুনহীন চুলার পাশে বসে থাকবে। তারা এমন টেবিলে খেতে বসবে যেখানে খুব বেশি খাবার নেই। তারা দেখবে সন্তানদের জুতো ছিঁড়ে পাতলা হয়ে গেছে এবং তাদের পোশাকগুলোও জীর্ণ হয়ে যাচ্ছে। তখন তারা কেবল "নিজের" কথা ভাবতে শুরু করবে। এতে তাদের মধ্যে থাকা গণ-চেতনা হারিয়ে যাবে এবং সবাই যে তাদের মতোই কষ্ট পাচ্ছে সেই উপলব্ধি তারা হারাবে। সপ্তাহের প্রতিদিন এবং বিশেষ করে রবিবারে তাদের কাজে ব্যস্ত রাখতে হবে। এটি করা প্রয়োজন যাতে তাদের মনোবল শূন্যে নেমে না যায়। আমি মনে করি পাদ্রিরা রবিবারে এই কারণেই ধর্মোপদেশ দেন যাতে মানুষ সপ্তাহের বাকি দিনগুলো তাদের অবস্থা কতটা খারাপ ছিল তা ভাবার সুযোগ না পায়। যাই হোক, ধর্মঘটের সময় এটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি বিষয়।
* প্রকৃতপক্ষে প্রতিটি ধর্মঘটের এটি একটি জরুরি প্রক্রিয়া। মানুষকে সবসময় ব্যস্ত রাখা এবং তাদের সক্রিয় রাখা প্রয়োজন যাতে তারা সারিবদ্ধ লড়াইয়ের যোদ্ধা হিসেবে কাজ করতে পারে। আন্দোলনকারীর কাজ হলো বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রমের পরিকল্পনা করা এবং পরামর্শ দেওয়া যা পুরোপুরি ধর্মঘটের ওপর নিবদ্ধ থাকবে। এই কারণেই আই.ডব্লিউ.ডব্লিউ. বড় বড় জনসভা, নারী সমাবেশ এবং শিশুদের সমাবেশের আয়োজন করে। আমরা কেন বড় আকারে পিকেটিং এবং গণ-অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার আয়োজন করি তার কারণও এটিই। এই নিরবচ্ছিন্ন গণ-কার্যক্রমের মাধ্যমেই আমরা শ্রমিকদের মনে "একজনের জন্য সবাই এবং সবার জন্য একজন" এই অনুভূতি তৈরি করতে পারি। আমরা তাদের বোঝাতে সক্ষম হই যে একজনের ক্ষতি মানেই সবার ক্ষতি। আমরা তাদের এমন এক পর্যায়ে নিয়ে আসতে পারি যেখানে তারা ধর্মঘটের ভাতার চেয়ে পারস্পরিক সহায়তার ওপর বেশি ভরসা করবে। তারা জরিমানা দিতে অস্বীকার করে একসাথে শত শত মানুষ জেলে যাবে।
* এই অনবরত সক্রিয়তাই হলো একজন আন্দোলনকারীর কাজ। তাদের নতুন কী কাজ দেওয়া যায় তা ভাবতে গিয়ে আমরা অনেক রাত জেগে কাটিয়েছি। লরেন্সের কথা মনে পড়ে যখন আমাদের কেউ এক রাত ঘুমাতে পারিনি। কাজের অভাবে ধর্মঘটের উদ্দীপনা তখন কমে যাওয়ার ঝুঁকিতে ছিল। আমার মনে আছে [[বিল হেউড]] শেষ পর্যন্ত বলেছিলেন, "চলো এসেক্স স্ট্রিটে পিকেট লাইন তৈরি করি। প্রতিটি ধর্মঘটী একটি করে ছোট লাল ফিতা পরবে এবং রাস্তায় পায়চারি করে বুঝিয়ে দেবে যে ধর্মঘট ভেঙে যায়নি।" কয়েক দিন পর সেই পরামর্শ কার্যকর করা হয়। যখন তারা বাড়ি থেকে বেরিয়ে নিজেদের বিশাল সংখ্যাটি দেখল, তখন তারা নতুন শক্তি ও উদ্যম ফিরে পেল। এটি তাদের ধর্মঘটকে আরও অনেক সপ্তাহ এগিয়ে নিতে সাহায্য করেছিল।
* মানুষ কাজের মাধ্যমেই কাজ শেখে। ধর্মঘটে আমাদের কোনো সামরিক বাহিনী নেই যাকে "এটি করো" বা "ওটি করো" বললেই তারা নিখুঁতভাবে মেনে চলবে। গণতন্ত্রের মানে হলো ভুল করা এবং অনেক ভুল করা। তবে এর মানে অভিজ্ঞতা অর্জন করাও যাতে সেই ভুলগুলোর পুনরাবৃত্তি না হয়।
* নিয়োগকর্তারা আপনার বাহিনীর সবটুকু দেখতে পান। কিন্তু আপনি তাদের বাহিনীর কিছুই দেখতে পান না এবং কেবল তাদের অবস্থা অনুমান করতে পারেন।
===[https://www.marxists.org/subject/women/authors/flynn/1916/patriotism.htm "ডু ইউ বিলিভ ইন প্যাট্রিওটিজম?"] (মার্চ, ১৯১৬)===
''দ্য মাসেস'' পত্রিকায় প্রকাশিত।
* প্রশ্নটি কি এমন হওয়া উচিত 'আমেরিকা আগে' নাকি 'দুনিয়ার মজদুর, এক হও!'
* যাদের এই দেশ আছে, যারা যুদ্ধের প্রস্তুতির জন্য চিৎকার করছে এবং তা থেকে মুনাফা লুটছে, তাদের নিজেদের সম্পদ রক্ষার জন্য তাদেরকেই লড়তে দাও।
* আমি রাজা বা কাইজারের শাসনের মতো [[রকফেলার]] এবং [[মরগান|মরগানের]] শাসনকেও ঘৃণা করি। বেলজিয়ামের ঘটনায় আমি যতটা ক্ষুব্ধ, লুডলো এবং ক্যালুমেটের ঘটনায় আমি ততটাই লজ্জিত ও ক্ষুব্ধ।
* আমাদের শ্রমিকদের অধিকাংশ হলো বিদেশি, যারা এক বা দুই প্রজন্ম আগে এখানে এসেছে। তাদের ইউরোপীয় পারিবারিক টান এবং আমেরিকান পরিবেশের কারণে এই বৈচিত্র্যময় জনগোষ্ঠীর জন্য আন্তর্জাতিকতাবাদই যৌক্তিক দেশপ্রেম হয়ে ওঠে।
* যে ট্রেনে বসে আমি এই লেখাটি লিখছি, সেটি এমন সব কারখানার পাশ দিয়ে দ্রুত বেগে ছুটে চলেছে যেখানে সোনার বিনিময়ে হত্যার সরঞ্জাম তৈরি করা হয়।
===[https://www.marxists.org/subject/women/authors/flynn/1941/mayday.htm "মে ফার্স্ট: দ্য সান অফ টুমরো"] (৬ মে, ১৯৪১)===
* এটি জাতি, ধর্ম, বর্ণ এবং জাতীয়তার সমস্ত পার্থক্যকে মুছে দেয়। এটি সর্বত্র সকল শ্রমিকের ভ্রাতৃত্বকে উদযাপন করে। এটি সমস্ত জাতীয় সীমানা অতিক্রম করে, সমস্ত ভাষার বাধা পেরিয়ে যায়, সমস্ত ধর্মীয় বিভেদকে উপেক্ষা করে। এটি সারা বিশ্বে সমস্ত শ্রমিক এবং সমস্ত শোষণকারীদের মধ্যে অলঙ্ঘনীয় ফাটলকে স্পষ্ট করে তোলে। এটি সেই দিন যখন শ্রেণি সংগ্রামের লড়াকু তাৎপর্য প্রতিটি সচেতন শ্রমিকের মাধ্যমে পুনরায় নিশ্চিত হয়।
* জ্ঞানদীপ্ত শ্রমিকের কাছে এই দিনটি একটি নতুন বিশ্ব, একটি শ্রেণিহীন বিশ্ব, একটি শান্তিপূর্ণ বিশ্ব, দারিদ্র্য বা দুঃখহীন বিশ্বের পূর্বাভাস। এটি সমাজতন্ত্রের এক উজ্জ্বল প্রতিশ্রুতি, মানবজাতির প্রকৃত ভ্রাতৃত্ব। ১৯৪১ সালের এই দিনে লেনিনের সেই বিজ্ঞ বাণী “জীবন নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করবেই। কমিউনিস্টদের অবশ্যই জানতে হবে যে ভবিষ্যৎ তাদেরই,” ব্রাউডার এবং থেলম্যান ও আরও অসংখ্য মানুষের একাকী জেলখানাকে আলোকিত করবে। কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পগুলোতে বিপ্লবী গানের মৃদু সুর শোনা যাবে। সমুদ্রে, সামরিক ব্যারাকে, কারখানা বা কলের জবরদস্তিমূলক শ্রমে নিযুক্ত শ্রমিকদের হৃদস্পন্দন তাদের সাথে মিলে যাবে যারা বহুদূরে মস্কোর রেড স্কয়ারে উত্তাল সংগীতের তালে লাল পতাকার পেছনে আনন্দভরে প্যারেড করছে। ইউরোপের পরিখায় থাকা সৈনিকরা, ফ্রাঙ্কোর অন্ধকূপের বন্দিরা, হিটলারের নরককুণ্ডের এবং মুসোলিনির কারাগারের বন্দিরা দাঁতে দাঁত চেপে বিড়বিড় করে বলবে, “তোমাদের দিন ফুরিয়ে আসছে। তোমরা জনগণের চূড়ান্ত বিজয় রুখতে পারবে না!”
* মে দিবস আমেরিকান শ্রমিকদের রক্তে দীক্ষিত হয়েছিল।
* ফাঁসির দড়ি গলায় শক্ত হওয়ার সময় [[আলবার্ট পারসন্স|পারসন্স]] চিৎকার করে বলেছিলেন, "জনগণের কণ্ঠস্বর শুনতে দাও!" গতকালের বীর শহিদ, মে দিবসে এই কণ্ঠস্বর শোনা গেছে এবং সবসময় শোনা যাবে! এই বছর শিকাগোর ইন্টারন্যাশনাল হারভেস্টার ওয়ার্কসের নবসংগঠিত বিজয়ী ধর্মঘটীরা মে মাসের এক তারিখে তোমাদের নামকে পবিত্র করবে।
* জার্মানির সাহসী সমাজতন্ত্রী নারী [[রোজা লুক্সেমবার্গ]], যাকে পরে সামরিকবাদীরা নির্মমভাবে হত্যা করেছিল, ১৯১৩ সালে বিশ্বযুদ্ধের বিরুদ্ধে সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন। তিনি মে দিবসকে শান্তি ও সমাজতন্ত্রের জন্য এক শক্তিশালী গণবিক্ষোভে পরিণত করার আহ্বান জানিয়েছিলেন। “দুনিয়ার মজদুর, এক হও!” মে দিবসে এটিই ছিল জোরালো দাবি। প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে চাপ দেওয়া হয়েছিল এবং প্রতিটি দেশে ও আন্তর্জাতিকভাবে আরও বেশি লড়াকু স্লোগান তোলা হয়েছিল।
* কেবল শ্রমিকদের জন্যই আন্তর্জাতিকতাবাদী হওয়া নিষেধ। অথচ [[জে. পি. মরগান]] এবং [[হেনরি ফোর্ড]]ের মতো ব্যক্তিদের জন্য এটি একদম স্বাভাবিক বিষয়। ব্যাংকার, অস্ত্র ব্যবসায়ী এবং রাসায়নিক কোম্পানিগুলোর জন্য এটি মানানসই। বিজ্ঞানী, ডাকটিকিট সংগ্রাহক, ক্রীড়া সংস্থা, সঙ্গীতশিল্পী এমনকি যারা মৌমাছি পালন করেন তাদের জন্য আন্তর্জাতিকতাবাদী হওয়া ঠিক আছে। কিন্তু শ্রমিকদের জন্য নয়। যখনই শ্রমিকরা সীমান্ত পেরিয়ে একে অপরের হাত ধরে, তখনই সব দেশে তাদের ওপর আঘাত হানা হয়। নৃতত্ত্ববিদরা যখন দুর্বোধ্য ভাষায় বলেন যে "পৃথিবীতে কেবল একটিই জাতি আছে আর তা হলো মানবজাতি", তখন সবাই তা মেনে নেয়। কিন্তু একজন শ্রমিক যখন অন্যকে "ভাই" বা "কমরেড" বলে সম্বোধন করে, তখনই বিপদ নেমে আসে। তাকে যেখান থেকে এসেছে সেখানে ফেরত পাঠানোর দাবি ওঠে। তার নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া হয়। তাকে চাকরি হারাতে হয় এবং কারাবরণ করতে হয়। যদি যিশুর মতো কোনো কণ্ঠ তাদের চ্যালেঞ্জ করে জিজ্ঞেস করে যে "নিজের মতো করে প্রতিবেশীকে ভালোবাসার কী হবে?", তখন টেক্সাসের সেই বন্য লোকটি গর্জে উঠবে। সে বলবে যে "কে এ কথা বলেছে? সে নিশ্চয়ই একজন লালপন্থী এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী!" আমাদের এই উন্মাদনায় মোটেও বিচলিত হওয়া উচিত নয়। আমাদের লেনিনের সেই শান্ত কথাগুলো মনে রাখা উচিত। তিনি বলেছিলেন যে বুর্জোয়ারা ঠিক সেভাবেই আচরণ করছে যেমনটি ইতিহাসে মৃত্যু দণ্ডপ্রাপ্ত প্রতিটি শ্রেণী করে থাকে। সংহতি ও আশার প্রতিটি সুন্দর মে দিবস আমাদের দীর্ঘমেয়াদী দৃষ্টিভঙ্গি লালন করার কথা মনে করিয়ে দেয়। সামনের রাস্তা হয়তো অনেক বেশি বন্ধুর হতে পারে, কিন্তু এটি পেছনের রাস্তার চেয়ে অনেক ছোট।
* মে দিবসে আমরা সোভিয়েত ইউনিয়নকে অভিবাদন জানাই। এটি সমাজতন্ত্রের দেশ এবং শান্তি ও প্রাচুর্যের দেশ। অনাদিকাল থেকে এটি শ্রমজীবী মানুষের এক মহান আদর্শ। এটি সকল মেহনতি মানুষের এক সহযোগিতামূলক সাধারণতন্ত্র।
* যুদ্ধবাজরা চিৎকার করুক এবং মুনাফালোভীরা আস্ফালন করুক। মে দিবসে আমেরিকার লক্ষ লক্ষ শ্রমিক জবাব দিচ্ছে যে "আমরা বিচলিত হব না"। যতক্ষণ আমরা সংগঠিত হচ্ছি এবং লড়াই করছি, ততক্ষণ হতাশ হওয়ার বা ক্লান্ত হওয়ার কিছু নেই। আমরা যা জয় করেছি তা যতক্ষণ শক্ত হাতে ধরে রাখছি এবং আরও অর্জনের জন্য এগিয়ে যাচ্ছি, ততক্ষণ ভয়ের কিছু নেই। আমেরিকার ছিয়াশি শতাংশ মানুষের মধ্যে যুদ্ধবাজ রুজভেল্ট-উইলকি গোষ্ঠীর প্রতি যতক্ষণ অটল প্রতিরোধ আছে, ততক্ষণ বিজয় আমাদেরই। সংগঠিত হও। লড়াই করো। সামনের দিকে এগিয়ে যাও। এটাই ১৯৪১ সালে আমেরিকার মে দিবসের চেতনা।
* যুদ্ধে অংশ না নেওয়ার জন্য সংগঠিত হোন এবং লড়াই করুন! আমেরিকানসহ সকল সাম্রাজ্যবাদ ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে!
* ১৯৪১ সালের পহেলা মে বিশ্বজুড়ে লক্ষ লক্ষ মানুষের হৃদয়ে, মনে এবং মুখে শান্তি ও সমাজতন্ত্রের কথা ধ্বনিত হচ্ছে। “আগামীকালের সূর্য” আমাদের ওপর আলোকিত হচ্ছে। ভবিষ্যৎ আমাদের।
=== আদালতে ভাষণ, স্মিথ অ্যাক্টের অধীনে অভিযুক্ত (১৯৫২) ===
এস. মিশেল নিক্স সম্পাদিত ''উইমেন অ্যাট দ্য পডিয়াম: মেমোরবল স্পিচেস ইন হিস্ট্রি'' গ্রন্থ থেকে।
* আমি বা আমার কমরেডদের কেউই বলপ্রয়োগ ও সহিংসতার মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকারকে উৎখাত করার কোনো ষড়যন্ত্রে দোষী নই। মৌনতাকে পরাজয়বাদ হিসেবে গণ্য করা হতে পারে, কিন্তু সত্য হলো আমি আমাদের নির্দোষিতার বিষয়ে এতটাই শান্ত ও সচেতন যে, আমাকে কারারুদ্ধ করা যেতে পারে কিন্তু আমাকে সংশোধন করা, সংস্কার করা বা পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। আমার শরীরকে বন্দি করা যেতে পারে কিন্তু আমার চিন্তাভাবনা স্বাধীন ও অপ্রভাবিত থাকবে। সমগ্র মানব ইতিহাস প্রমাণ করেছে যে ধারণা বা চিন্তাকে কারাগারে বন্দি করা যায় না। সেগুলোর মোকাবিলা কেবল জনসমক্ষে আলোচনার মাধ্যমেই সম্ভব।
* পুঁজিবাদী ব্যবস্থার অধীনে যে রাজনৈতিক, শিল্পগত ও সামাজিক পরিস্থিতি আমাদের চিন্তাধারা তৈরি করেছিল, তা এখনও বিদ্যমান। এগুলো অসংখ্য মানুষের মনে একই ধরনের চিন্তা তৈরি করবে এবং আমাদের বিশ্বাসকে আরও শক্তিশালী করবে। কারাগার কখনোই সেইসব দৃঢ়প্রতিজ্ঞ মানুষকে প্রভাবিত করতে পারে না যারা নিজেদের আদর্শের জন্য বাঁচে, কাজ করে এবং প্রয়োজনে মৃত্যুবরণ করে। আমরা কমিউনিস্টরা তেমনই মানুষ। মিথ্যা, হিস্টিরিয়া, কুসংস্কার এবং বিশেষ করে ভয়ের কুয়াশা একবার কেটে গেলে আমি আমেরিকার মানুষের চূড়ান্ত ন্যায়বিচারের ওপর আস্থা রাখি। নিজের দেশকে ভয়ের কবলে দেখা এক ভয়াবহ বিষয়। এই ভয় অপ্রয়োজনীয়, নির্বোধ এবং মূর্খতাপূর্ণ। এটি কাল্পনিক শত্রুর ভয়, আমাদের মিত্র ও বন্ধুদের ভয়। এটি গুপ্তচরদের আঙুল তোলার ভয় এবং নিজের চাকরি, নাগরিকত্ব বা সমাজে নিজের অবস্থান হারানোর ভয়। বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার অপচয়কারী এবং দম্ভোক্তি ও দমন-পীড়নকারী এই পুরো সরকারি আমলাতন্ত্র আসলে ভয়ের অন্ধকারে দাঁড়িয়ে শিস দিচ্ছে এবং পুরো পৃথিবীকে আমাদের ভয়ে আতঙ্কিত করার চেষ্টা করছে।
* মুষ্টিমেয় কিছু আতঙ্কিত ধনীর মাধ্যমেই এই সংক্রমণ ছড়িয়েছে। এরা সেইসব ট্রাস্টের লোক যারা নিজেদের দেশের চেয়ে শেয়ার আর বন্ডকে বেশি ভালোবাসে। তাদের দেশপ্রেম সবসময় মুনাফার হারের ওপর নির্ভরশীল। তারা কেবল নিজের দেশের মানুষ নয়, বরং পুরো মানবজাতিকে শাসন ও শোষণ করতে এবং তাদের বিরুদ্ধে সহিংসতা চালাতে চায়। নিজেদের নীচ ও স্বার্থপর শাসনব্যবস্থা এবং জীবনধারা বজায় রাখার জন্য তারা পারমাণবিক যুদ্ধের মাধ্যমে পুরো পৃথিবীকে রক্তগঙ্গায় ভাসিয়ে দিতেও দ্বিধা করবে না। এই পদ্ধতি তারা এমন সব মানুষের ওপর চাপিয়ে দিতে চায় যারা এটি চায় না। বিপদ যত বড়ই হোক না কেন, আমার বিশ্বাস যে আমাদের দেশে ফ্যাসিবাদের জয় কখনোই হবে না। ১৯৩৫ সাল থেকে সেই বিপদের সংকেত দেওয়ার ক্ষেত্রে আমাদের দল যে ভূমিকা রেখেছে, তা নিয়ে আমি গর্বিত।
* খুব শীঘ্রই ১৮০০ সালের এলিয়েন অ্যান্ড সেডিশন ল, ষাটের দশকের ফিউজিটিভ স্লেভ ল এবং ১৯২০-এর দশকের ক্রিমিনাল সিন্ডিকালিস্ট আইনের মতো স্মিথ অ্যাক্টও বাতিলের খাতায় চলে যাবে।
* আদালত কক্ষ, মধ্যবিত্ত জুরি এবং সংবাদমাধ্যমকে ঘিরে থাকা এই কুয়াশা সাধারণ মানুষের মাঝ থেকে অচিরেই কেটে যাবে। এই সাধারণ মানুষরা কখনোই ফেডারেল জুরিতে জায়গা পায় না। কারণ তাদের চেহারা আর চালচলন সেইসব কট্টর রাজনৈতিক ব্যক্তিদের সন্তুষ্ট করতে পারে না যারা নিজেরা ভাষাগত ভুলে ভরা এবং বিত্তবানদের তোষামোদ করে চলে।
* দমনমূলক আইন, আনুগত্যের শপথ, সংসদীয় তদন্ত, রাজনৈতিক বিচার এবং এই জাতীয় অন্যায়ের বিরুদ্ধে আমাদের দেশে একটি গণ-আন্দোলন জেগে উঠছে। এটি যেন প্রেইরি অঞ্চলের এক শক্তিশালী ও সতেজ বাতাসের মতো।
* ধর্মাবতার, আমি গত শুক্রবার আপনাকে একটি প্রশ্ন করেছিলাম যা আমি আবারও করছি। যদি কমিউনিস্ট পার্টি অবৈধ না হয়, এর সদস্যপদ এবং পদাধিকারী হওয়া অবৈধ না হয়, যদি সমাজতন্ত্রের কথা বলা অবৈধ না হয় কিংবা প্রতিদিনের জনকল্যাণমূলক কাজের প্রচার করা অবৈধ না হয়, তবে বিবেক অনুযায়ী এখানে অবৈধ কোনটি? আমরা কিসের জন্য দোষী?
* আমার এই দীর্ঘ জীবনে আমি কখনো ভাবিনি যে আমাকে বইয়ের জন্য জেলে যেতে হবে। এমনকি পুরো বই নয়, বরং কিছু ছেঁড়া অংশ আর উদ্ধৃতির জন্য। আমি যদি গত সাতচল্লিশ বছরের মতো আমার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যাই এবং ইউনিয়নবাদ, গণতান্ত্রিক অধিকার, কৃষ্ণাঙ্গ ও নারীদের অধিকার এবং শান্তি ও সমাজতন্ত্র নিয়ে কথা বলি, তবে তখন কী ঘটবে, ইয়োর অনার?
* ধর্মাবতার, জরিমানার কথা যদি বলি তবে আমার মালিকানায় থাকা সমস্ত বৈষয়িক সম্পদ হলো সেই বইগুলো যা আমি ষোলো বছর বয়সে টম পেইনের 'কমন সেন্স'-এর একটি পেপারব্যাক কপি কেনার পর থেকে সংগ্রহ করেছি। এগুলো খুব ভালো বই। এর মধ্যে কবিতা, নাটক, ইতিহাস, রাজনীতি, অর্থনীতি, দর্শন, শিল্প, সঙ্গীত এবং সাহিত্য রয়েছে। শেক্সপিয়র, শ এবং এমারসনের পাশে সেখানে মার্ক্স আর এঙ্গেলস আছেন। থরো, জেফারসন এবং হুগোর পাশে সেখানে লেনিন আর স্টালিন আছেন। আমার ওই বইয়ের তাকে শক্তি এবং সহিংসতাও আছে, তবে সরকার যেখানে খুঁজছে সেখানে নয়। এটি রয়েছে আইরিশ ইতিহাসে যেখানে ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে দীর্ঘ ও রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের কথা বলা হয়েছে। এটি আছে আমেরিকার শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাসে এবং আমেরিকার বিপ্লব ও গৃহযুদ্ধের ইতিহাসে। এটি কৃষ্ণাঙ্গ মানুষের সংগ্রামের মাঝেও আছে। ইয়োর অনার, আমার তাকে বাইবেলও আছে। সেখানেও ইহুদি গোষ্ঠী, যিশু ও তার শিষ্যদের বিরুদ্ধে এবং আদি খ্রিস্টান শহীদদের ওপর চলা সহিংসতার কথা বলা হয়েছে।
* শক্তি প্রয়োগ এবং সহিংসতা সবসময় শাসক শ্রেণীর কাছ থেকে আসে, সাধারণ মানুষের কাছ থেকে নয়।
===''দ্য রেবেল গার্ল: অ্যান অটোবায়োগ্রাফি, মাই ফার্স্ট লাইফ'' (১৯৫৫)===
*আমাদের শৈশবের একটি অবিস্মরণীয় ট্র্যাজেডি ছিল ১৯০৪ সালে জেনারেল স্লোকাম নামক প্রমোদ তরণীটি পুড়ে যাওয়া।
* এই বইটি ([[এডওয়ার্ড বেলামি|এডওয়ার্ড বেলামির]] 'লুকিং ব্যাকওয়ার্ড') প্রথম এ দেশে সমাজতন্ত্রের ধারণাটিকে জনপ্রিয় করেছিল। এটি ছিল পুঁজিবাদের একটি তীব্র সমালোচনা যা অনেক আমেরিকানকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছিল এবং তারা ক্রমবর্ধমান [[একচেটিয়া|একচেটিয়াগুলোর]] উত্থানের সেই দিনগুলোতে এর সাথে একমত হয়েছিল।
* দরিদ্র যুবসমাজের প্রতি তার ([[পিটার ক্রোপটকিন|পিটার ক্রোপটকিনের]]) সেই আবেদন আমাকে ব্যক্তিগতভাবে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছিল। আমার মনে হয়েছিল তিনি যেন ব্রঙ্কসে আমাদের সেই জীর্ণ ও দারিদ্র্যপীড়িত ফ্ল্যাটে বসে আমাদের উদ্দেশ্যেই কথা বলছেন। তিনি বলেছিলেন, "তোমাকেও কি তোমার বাবা-মায়ের মতো ত্রিশ বা চল্লিশ বছর ধরে একই ক্লান্তিকর অস্তিত্ব টেনে নিয়ে যেতে হবে? অন্যদের জন্য সুস্বাস্থ্য, জ্ঞান আর শিল্পের সমস্ত আনন্দ জোগাড় করতে গিয়ে কি তোমাকেও সারাজীবন হাড়ভাঙা খাটুনি খাটতে হবে এবং নিজের জন্য কেবল এক টুকরো রুটি জুটবে কি না সেই চিরস্থায়ী উদ্বেগটুকু রেখে দিতে হবে?"
* আমার মনে পড়ে এমন আরেকটি বই যা আমার জীবনে তাৎক্ষণিক পরিবর্তন এনেছিল, সেটি হলো [[আপটন সিনক্লেয়ার|আপটন সিনক্লেয়ারের]] 'দ্য জঙ্গল'। এটি পড়ার পর আমি তৎক্ষণাৎ নিরামিষাশী হয়ে গিয়েছিলাম!
*সেই সময়ে (১৯০৬ সালের দিকে) আমি আরও দুটি বই পড়েছিলাম, যা আমাকে সমাজতান্ত্রিক কর্মকাণ্ডে ঝাঁপিয়ে পড়তে সাহায্য করেছিল। একটি ছিল মেরি উলস্টোনক্র্যাফট রচিত 'ভিন্ডিকেশন অফ দ্য রাইটস অফ উইমেন' এবং অন্যটি ছিল আগস্ট বেবেলের 'উইমেন অ্যান্ড সোশ্যালিজম'।
* নারীদের ইউনিয়নভুক্ত করার কাজ তখনও খুব একটা শুরু হয়নি, এমনকি সুঁই-সুতার কাজের মতো পেশাতেও যেখানে তাদের প্রাধান্য ছিল বেশি। সমান সুযোগ, সমান মজুরি এবং সংগঠিত হওয়ার অধিকার ছিল সেই সময়ের নারী শ্রমিকদের প্রধান দাবি এবং দুর্ভাগ্যবশত এই দাবিগুলো আজও আমাদের মাঝে রয়ে গেছে। [[স্যামুয়েল গোম্পার্স|স্যামুয়েল গোম্পার্সের]] মতো অনেক ইউনিয়ন নেতা, যিনি আমেরিকান ফেডারেশন অফ লেবার-এর সভাপতি ছিলেন, তিনি নারী শ্রমিকদের সংগঠিত হওয়ার যোগ্য বা নির্ভরযোগ্য বলে মনে করতেন না। "তারা কেবল হাতখরচের জন্য কাজ করে" এটিই ছিল সাধারণ অভিযোগ। নারী শ্রমিকরা নিজেরাও বাইরের কাজকে একটি সাময়িক ও প্রয়োজনীয় আপদ হিসেবে দেখতেন যা কেবল বাবার বাড়ি থেকে স্বামীর বাড়িতে যাওয়ার মাঝখানের একটি সময় কাটানোর পথ ছিল। বাবা এবং স্বামীরা নারীদের মজুরি সংগ্রহ করতেন এবং কখনও কখনও সরাসরি কোম্পানির অফিস থেকেই তা নিয়ে নিতেন। নারীদের নিজেদের উপার্জনের ওপর কোনো আইনি অধিকার ছিল না। কর্মজীবী মায়েদের বিশেষ প্রয়োজন এবং সমস্যাগুলো সংখ্যায় অনেক এবং জরুরি হওয়া সত্ত্বেও সেগুলো নিয়ে কোনো বিবেচনা করা হতো না। এমনকি নারীদের পোশাকও তাদের কাজে বাধা সৃষ্টি করত। মাটির সাথে লেগে থাকা লম্বা স্কার্ট, বড় ঢিলেঢালা হাতা এবং বিশাল সব টুপি তাদের জন্য ছিল অসুবিধাজনক। আপনার স্কার্ট যদি জুতোর ওপর পর্যন্ত থাকত, তবে তখনও আপনাকে কেবল "একটি মেয়ে" হিসেবেই গণ্য করা হতো।
*নারীদের ভোটাধিকারের সংগ্রাম দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছিল এবং শক্তিশালী হচ্ছিল। এটি ১৮৪৮ সালে নিউ ইয়র্কের সেনেকা ফলসে প্রথম সমানাধিকার সম্মেলনের মাধ্যমে শুরু হয়েছিল, যার নেতৃত্বে ছিলেন এলিজাবেথ ক্যাডি স্ট্যান্টন এবং সুসান বি অ্যান্থনি এবং যেখানে মহান নিগ্রো নেতা ফ্রেডরিক ডগলাস ভাষণ দিয়েছিলেন। ভোটাধিকার কর্মীদের বিদ্রূপ করা হয়েছিল, ভিড়ের দ্বারা আক্রান্ত হতে হয়েছিল, হলরুম দিতে অস্বীকার করা হয়েছিল, ভোট দেওয়ার চেষ্টার জন্য গ্রেপ্তার করা হয়েছিল এবং পরিবার থেকে ত্যাজ্য করা হয়েছিল। ১৯০৪ সালের মধ্যে কর্মজীবী নারীদের বিভিন্ন দল, বিশেষ করে সমাজতন্ত্রী নারীরা ভোটের দাবিতে একত্রিত হতে শুরু করে। দুই বছর পর নিউ ইয়র্কের ইস্ট সাইডে এই নারীদের ভোটাধিকার আন্দোলনের উদ্যোগেই আন্তর্জাতিক নারী দিবসের জন্ম হয়। এটি সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে এবং আজ সর্বজনীনভাবে পালিত হয়, যদিও এখানে একে "একটি বিদেশি উৎসব" হিসেবে অবজ্ঞা করা হয়।
*ভোটাধিকার আন্দোলন আরও লড়াকু হয়ে উঠছিল এবং মড ম্যালনের মতো ব্যক্তিত্বরা আবির্ভূত হয়েছিলেন। তিনি ১৯০৫ সালে হারলেম ইকুয়াল রাইটস লিগ গঠন করেন। তিনি ৩,০০০ মানুষের এক সভায় থিওডোর রুজভেল্টকে থামিয়ে দিয়ে দাবি করেছিলেন যে নারী ভোটাধিকারের বিষয়ে তার অবস্থান কী। আমরা যখন ব্রডওয়েতে রাস্তার পাশে সভা করতাম, তখন তিনি সেখানে স্যান্ডউইচ ম্যানের মতো সামনে-পেছনে "নারীদের জন্য ভোট" লেখা সাইনবোর্ড নিয়ে পায়চারি করতেন এবং এর ফলে তাকে লাইব্রেরিয়ানের পদ হারাতে হয়েছিল।
*রাস্তার মোড়ে ভোটাধিকার কর্মীদের ভাষণের সময় সবসময় বলা হতো: "বাড়ি যাও এবং থালা-বাসন মাজো," অথবা তাদের বয়স নির্বিশেষে বলা হতো: "তোমার বাচ্চাদের দেখাশোনা কে করছে?" অন্যরা বলত: "কল্পনা করো একজন অন্তঃসত্ত্বা নারী অফিসের পদের জন্য লড়ছেন," অথবা "নারীরা কীভাবে জুরির দায়িত্ব পালন করবে এবং পুরুষ জুরিদের সাথে একই ঘরে বন্দি থাকবে?"
*একটি প্রচলিত ধারণা ছিল যে "নারীর কাজ" কেবল গৃহস্থালির মধ্যেই সীমাবদ্ধ। "নারীর স্থান ঘরে" এটাই ছিল সাধারণ রব। পুরুষদের চাকরি কেড়ে নেওয়ার জন্য নারীদের সবসময় অভিযুক্ত করা হতো।
*আমি তখনও বলেছিলাম এবং আজও বিশ্বাস করি যে, পুঁজিবাদী ব্যবস্থার অধীনে নারীদের পূর্ণ সুযোগ পাওয়া এবং মানুষের সমস্ত প্রচেষ্টার ক্ষেত্রে স্বাধীন ও সমান নাগরিক হওয়া সম্ভব নয়, যদিও সুসংগঠিত সংগ্রামের মাধ্যমে অনেক দাবিই আদায় করা হয়েছে।
*"বিগ" [[বিল হেউড]] যখন জেল থেকে বেরিয়ে এলেন তখন তিনি একজন বীর এবং শ্রমিক সংহতির এক সার্থক প্রতীকে পরিণত হয়েছিলেন। একজন সাংবাদিক তাকে বিশাল দেহ এবং তীক্ষ্ণ বুদ্ধি ও অসীম সাহসের মানুষ হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন। তিনি সোশ্যালিস্ট পার্টি এবং তাকে রক্ষাকারী শ্রম সংগঠনগুলোর অধীনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় এক বর্ণাঢ্য সফর করেছিলেন। তিনি অত্যন্ত বাস্তবধর্মী ও নাটকীয় বক্তা ছিলেন। আমার মনে পড়ে তাকে বলতে শুনেছিলাম যে আমি পশ্চিমের সেই দুই পিস্তলধারী মানুষ এবং যখন দর্শকরা দম বন্ধ করে অপেক্ষা করছিল তখন তিনি এক পকেট থেকে তার ইউনিয়ন কার্ড এবং অন্য পকেট থেকে সোশ্যালিস্ট কার্ড বের করেছিলেন।
*১৯০৭ সালে ময়ার, হেউড এবং পেটিবোনকে মুক্ত করার অভিযানের সময় নিউ জার্সি অঙ্গরাজ্যের নেওয়ার্কে সোশ্যালিস্ট লেবার পার্টির আয়োজিত একটি সভায় আমাকে বক্তা হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল... এই সভাটি আমার জীবনের একটি অবিস্মরণীয় ঘটনা কারণ এখানেই আমি প্রথম জেমস কনেলির সাথে পরিচিত হই। তিনি ছিলেন আইরিশ সমাজতন্ত্রী বক্তা, লেখক এবং শ্রমিক সংগঠক, যিনি এর নয় বছর পর ১৯১৬ সালে ডাবলিনের ইস্টার উইক অভ্যুত্থানে আয়ারল্যান্ডের স্বাধীনতার জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন... তিনি ছিলেন খাটো, কিছুটা স্থূলকায়, বড় কালো গোঁফওয়ালা একজন সাধারণ চেহারার মানুষ। তার কপাল ছিল বেশ উঁচু এবং কালো বিষণ্ণ চোখ। তিনি খুব কম হাসতেন। একজন পণ্ডিত এবং চমৎকার লেখক হওয়া সত্ত্বেও, গ্লাসগোতে দীর্ঘকাল বসবাসের কারণে তার কণ্ঠস্বরে উত্তর আয়ারল্যান্ডের টান এবং স্কচ উচ্চারণের মিশ্রণ ছিল, যা আমেরিকান দর্শকদের জন্য বোঝা কিছুটা কঠিন ছিল... কনেলি আইডব্লিউডব্লিউ-এর জন্য কাজ করতেন এবং কুপার স্কয়ারে তার একটি অফিস ছিল। তিনি ছিলেন একজন চমৎকার সংগঠক, যা জেমস লার্কিনের সাথে আইরিশ ট্রান্সপোর্ট ওয়ার্কার্সদের জন্য তার পরবর্তী কাজগুলো প্রমাণ করেছিল... তিনি গভীরভাবে অনুভব করতেন যে আয়ারল্যান্ডের জাতীয় মুক্তির সংগ্রামের প্রতি আমেরিকান সমাজতন্ত্রীরা যথেষ্ট সহানুভূতি বা বোঝাপড়া দেখায়নি। এখানকার আইরিশ শ্রমিকদের সমাজতন্ত্রীরা খুব সহজেই "প্রতিক্রিয়াশীল" হিসেবে বর্জন করত এবং আইরিশ-আমেরিকান শ্রমিকদের কাছে সমাজতন্ত্রের বার্তা পৌঁছে দেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত প্রচেষ্টা ছিল না... তিনি 'দ্য হার্প' নামে একটি মাসিক পত্রিকা প্রকাশ করতেন। সেখানে তার নিজের লেখা অনেক কবিতা প্রকাশিত হতো। কুপার ইউনিয়ন বা ইস্ট সাইডের অন্য কোনো হলের দরজায় তাকে জরাজীর্ণ পোশাকে দাঁড়িয়ে নিজের ছোট কাগজটি বিক্রি করতে দেখা যেত, যা ছিল এক করুণ দৃশ্য। যেসব সম্পদশালী আইরিশরা তার মৃত্যুর পর তার প্রতি গভীর প্রশংসা প্রকাশ করেছিল, তাদের কেউই সেই সময় তার দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়নি। জিম কনেলি তাদের কাছে অভিশপ্ত ছিলেন কারণ তিনি ছিলেন একজন "সমাজতন্ত্রী"। তার কোনো মিথ্যে অহংকার ছিল না এবং তিনি নিজে উদাহরণ সৃষ্টি করে অন্যদের ছোটখাটো কাজ করতে উৎসাহিত করতেন। রাস্তার সভাগুলোতে তিনি তাদেরই "সভার সভাপতিত্ব" করতে রাজি করাতেন যাদের কথা বলার কোনো অভিজ্ঞতা ছিল না, যাতে তারা প্রশিক্ষণ পেতে পারে। আইরিশ শ্রমিকদের কাছে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে কনেলির এক বিরল দক্ষতা ছিল, যা তার বিশাল জ্ঞান থেকে জন্ম নিয়েছিল। প্রয়োজনে তিনি সত্যকে অত্যন্ত তীক্ষ্ণ এবং জোরালোভাবে বলতেন।
*আইডব্লিউডব্লিউ-এর আগমন ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা এবং ১৯০৫ থেকে ১৯২০-এর দশকের শুরু পর্যন্ত এটি আমেরিকান শ্রম অঙ্গনে একটি বিশাল ধূমকেতুর মতো পথ দেখিয়েছিল। এটি শ্রমিক ইতিহাসের নতুন অধ্যায় তৈরি করেছিল এবং শ্রমিক আন্দোলনে এক অমোঘ ছাপ রেখে গিয়েছিল। আইডব্লিউডব্লিউ ছিল একটি লড়াকু এবং সংগ্রামী শ্রমিক শ্রেণির ইউনিয়ন। মালিক শ্রেণি দ্রুত এটি বুঝতে পেরেছিল এবং এর জন্মের পর থেকেই লড়াই শুরু করেছিল। আইডব্লিউডব্লিউ নিজেকে দরিদ্রতম, সবচেয়ে শোষিত এবং সবচেয়ে নিপীড়িত শ্রমিকদের সমস্ত তাৎক্ষণিক প্রয়োজনের সাথে যুক্ত করেছিল। এটি তাদের অসন্তোষের "আগুনে হাওয়া" দিয়েছিল। এটি তাদের বীরত্বপূর্ণ সংগ্রামের নেতৃত্ব দিয়েছিল, যার কিছু তারা নিজেরাই সংগঠিত করেছিল। অন্য অনেক ক্ষেত্রে ধর্মঘট শুরু হওয়ার পর তারা এর নেতৃত্বে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। যিশুর বিরুদ্ধে করা সেই স্মরণীয় অভিযোগ, "সে মানুষকে উত্তেজিত করছে!" আইডব্লিউডব্লিউ-এর ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য ছিল। এটি পূর্বের গণ-উৎপাদন শিল্পগুলোতে অসংগঠিত ও অদক্ষ বিদেশি বংশোদ্ভূত শ্রমিকদের এবং পশ্চিমের অসংগঠিত যাযাবর শ্রমিকদের সংগঠিত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিল, যারা মূলত আমেরিকান বংশোদ্ভূত ছিল এবং নৌপরিবহন, কাঠ, কৃষি, খনি ও নির্মাণ কাজে নিয়োজিত ছিল। পূর্ব এবং দক্ষিণে এটি টেক্সটাইল, রাবার, কয়লা এবং কাঠ শিল্পের পাশাপাশি বিভিন্ন ছোট শিল্পে শ্রমিকদের কাছে পৌঁছে গিয়েছিল। যেমন, নিউ ইয়র্ক সিটিতে পোশাক, টেক্সটাইল, জুতো, চুরুট, বেত, পিয়ানো, পিতল এবং হোটেল শিল্পে আইডব্লিউডব্লিউ-এর শাখা ছিল। পশ্চিমে কাউবয়দের জন্য আইডব্লিউডব্লিউ-এর একটি শাখা ছিল। নেভাদার গোল্ডফিল্ড শহরের সমগ্র শ্রমিক শ্রেণিকে ১৯০৬ সালে ভিনসেন্ট সেন্ট জন আইডব্লিউডব্লিউ-তে সংগঠিত করেছিলেন। এমনকি মার্কিন সেনাবাহিনীর ওয়েস্ট পয়েন্টে কর্মরত ইতালীয় শ্রমিকরাও একসময় আইডব্লিউডব্লিউআইডব্লিউডব্লিউ-তে সংগঠিত ছিল। আমার মনে পড়ে ১৯১১ সালের দিকে আমি সেখানে তাদের সামনে ভাষণ দিয়েছিলাম। আমি ১৯০৬ সালে এতে যোগ দেই...
*আইডব্লিউডব্লিউ-এর এই সম্মেলনে লুসি পারসন্সের সাথে দেখা করে আমি রোমাঞ্চিত হয়েছিলাম। তিনি ছিলেন আলবার্ট পারসন্সের বিধবা স্ত্রী, যাকে ২০ বছর আগে শিকাগোর কুক কাউন্টি জেলের প্রাঙ্গণে ফাঁসিতে ঝোলানো হয়েছিল। যখন তার স্বামীকে ফাঁসি দেওয়া হচ্ছিল, তখন তাকে ক্লার্ক স্ট্রিট স্টেশন হাউসে বন্দি করে রাখা হয়েছিল, যা আমাদের সেই সভার জায়গা থেকে খুব বেশি দূরে নয়... আমার মনে পড়ে মিসেস পারসন্স তরুণদের উদ্দেশ্যে আবেগপূর্ণভাবে কথা বলছিলেন এবং আমাদের সামনের দিনগুলোর সংগ্রামের গুরুত্ব সম্পর্কে সতর্ক করছিলেন, যা বিজয় আসার আগে জেল এবং মৃত্যুর দিকে নিয়ে যেতে পারে। বছরের পর বছর ধরে তিনি এক শহর থেকে অন্য শহরে ঘুরে বেড়িয়েছেন, স্থানীয় ইউনিয়নগুলোর দরজায় কড়া নেড়েছেন এবং শিকাগো বিচারের কাহিনী শুনিয়েছেন। তার স্বামী বলেছিলেন: "আমাদের নাম কলঙ্কমুক্ত করো!" এবং তিনি এটিকে তার জীবনের লক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন।
* আমি ভিনসেন্ট সেন্ট জনের চেয়ে বেশি কোনো মানুষকে শ্রদ্ধা করিনি... তাকে ডিনামাইট বহনকারী এবং বন্দুকধারী ও এক বিপজ্জনক আন্দোলনকারী হিসেবে অভিযুক্ত করা হয়েছিল। মাথার ওপর হুলিয়া নিয়ে তিনি বিভিন্ন ক্যাম্পে প্রবেশ করতেন এবং নিজের মায়ের নাম মেজি ব্যবহার করে প্রায়ই একাই শত শত মানুষকে সংগঠিত করতেন। তিনি এ দেশের জন্ম দেওয়া শ্রেষ্ঠ শ্রমিক সংগঠকদের একজন ছিলেন... তিনি শারীরিক গঠনে খাটো এবং রোগা হলেও চওড়া কাঁধের অধিকারী ছিলেন এবং তার চলাফেরা ছিল ক্ষিপ্র ও ছন্দময়। তিনি শান্ত, আত্মসংযমী এবং বিনয়ী ছিলেন কিন্তু তার বুদ্ধির তীক্ষ্ণতা ও রসবোধ যেকোনো প্রতিপক্ষকে হারিয়ে দিত... প্রকৃত লড়াইয়ের সময় সেন্টের মৃদু নীল চোখগুলো ইস্পাতের মতো কঠোর ও শীতল হয়ে উঠত। তিনি কেবল আদর্শের জন্য লড়াই করতেন এবং তখন তিনি শ্রমিকদের শত্রুদের মতোই নির্দয় হয়ে উঠতেন। শ্রমজীবী মানুষের প্রতি তার আনুগত্য ছিল সীমাহীন। ১৯০৭ থেকে ১৯১৫ সাল পর্যন্ত টানা আট বছর তিনি অর্থের অভাব এবং আইডব্লিউডব্লিউ এর অসম অগ্রগতির সাথে লড়াই করেছিলেন যার শক্তি সম্পর্কে তিনি কখনো বাড়িয়ে বলতেন না।
*আমাদের সময়ের শ্রেষ্ঠ নারী আন্দোলনকারী ছিলেন মাদার জোন্স। গ্রেপ্তার, নির্বাসন, মিলিশিয়াদের হাতে বন্দি হওয়া এবং পুলিশ ও বন্দুকধারীদের দ্বারা তাড়া ও হুমকির শিকার হওয়া সত্ত্বেও তিনি দীর্ঘ ৬০ বছর নির্ভীকভাবে কাজ করে গেছেন। ১৯০৮ সালের গ্রীষ্মে ব্রঙ্কসের একটি উন্মুক্ত সভায় আমি তাকে প্রথম দেখি। তিনি শহরের মানুষদের কঠোর সমালোচনা করছিলেন। আমরা কেন পশ্চিমের খনি শ্রমিকদের সাহায্য করছি না? আমরা কেন ডিয়াজের বিরুদ্ধে মেক্সিকোর জনগণকে সমর্থন দিচ্ছি না? তিনি বলেছিলেন, আমরা হলাম "সাদা কলিজার খরগোশ যারা কখনও মাটির ওপর পা রাখিনি।" পশ্চিমের খনি শ্রমিকদের ধর্মঘটের সময় ফেডারেল সৈন্যরা তাদের যেভাবে পশুর মতো খাঁচায় আটকে রেখেছিল এবং সেখানে যে রক্তপাত ও কষ্ট হয়েছিল, তার বর্ণনা তিনি এত জীবন্তভাবে দিয়েছিলেন যে, অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকায় মাথা ঝিমঝিম করে আমি মূর্ছা গিয়েছিলাম। তিনি তার অগ্নিঝরা ভাষণের মাঝপথে থেমে গিয়ে বলেছিলেন, "গরিব বাচ্চাটাকে একটু জল দাও!" এরপর তিনি আবার তার ভাষণ চালিয়ে যান। আমি খুব লজ্জিত হয়েছিলাম।
*পরের শীতকালে শিকাগোর হুল হাউসে রুডেউইটজ কমিটির একটি সভায় আমি মাদার জোন্সকে আবার দেখি, যেখানে আমি আইডব্লিউডব্লিউ-এর ৮৫ নম্বর শাখা থেকে প্রতিনিধি হিসেবে গিয়েছিলাম। "ধর্মীয় হত্যা"-র জঘন্য অজুহাতে একজন তরুণ ইহুদি শ্রমিককে দেশান্তরের বিরুদ্ধে তার উত্তপ্ত, রাগান্বিত ও অবজ্ঞাপূর্ণ কথাগুলো আমি শুনেছিলাম। (জেন অ্যাডামস এবং অন্যরা সাহসিকতাপূর্ণ পক্ষ সমর্থনের মাধ্যমে তাকে নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচিয়েছিলেন)। মাদার জোন্স একটি পুরনো ধাঁচের কালো রেশমি পোশাক পরেছিলেন, যার গলায় লেস লাগানো ছিল এবং সাথে ছিল একটি লম্বা ঝুলের স্কার্ট ও ফুলে সাজানো ছোট একটি টুপি। তিনি সারা জীবনে তার পোশাকের ধরন পরিবর্তন করেননি। তাকে দেখতে হুইসলারের আঁকা মায়ের ছবির মতো মনে হতে পারে, কিন্তু এই বৃদ্ধা নারীটি মোটেও শান্ত বা স্থির ছিলেন না; যেখানেই যেতেন সেখানেই নির্ভীক আন্দোলনের বার্তা ছড়াতেন... তাকে হোটেল থেকে বের করে দেওয়া হতো। কোম্পানি শাসিত শহরগুলোতে যেসব পরিবার তাকে আশ্রয় দিত, তাদের উচ্ছেদ করা হতো। হলরুম বন্ধ করে দিলে তিনি খোলা মাঠে ভাষণ দিতেন। পশ্চিম ভার্জিনিয়ায় নদীর ওপারে খনি শ্রমিকদের সংগঠিত করার জন্য তিনি কেলি ক্রিক নদীর জল ভেঙে হেঁটে গিয়েছিলেন। একটি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করার দায়ে অভিযুক্ত হয়ে তিনি বিচারককে "দালাল" বলে ডাকেন এবং সেটি তাকে প্রমাণ করে দেখান। তিনি দালালদের তাড়ানোর জন্য ঝাড়ু, লাঠি আর থালাবাসন নিয়ে "নারীবাহিনী" গঠন করেছিলেন। "ঈশ্বর! ওই বুড়ি মা তার পাগলাটে নারীদের নিয়ে আসছে!" বলে মালিকরা যন্ত্রণায় ককিয়ে উঠত। পেনসিলভানিয়ার গ্রিনসবার্গে যখন একদল পিকেটিং করা নারীকে তাদের শিশুদেরসহ গ্রেপ্তার করে ৩০ দিনের সাজা দেওয়া হয়, তখন তিনি তাদের পরামর্শ দেন: "সারা রাত বাচ্চাদের গান শোনাও!" মাত্র কয়েক দিনের মাথায় সেই গান শুনে অতিষ্ঠ হয়ে অনিদ্রায় ভোগা শহরবাসীকে স্বস্তি দিতে পুলিশ তাদের জেল থেকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়। এক সংসদীয় শুনানিতে তাকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল: "আপনার বাড়ি কোথায়?" তিনি উত্তর দিয়েছিলেন: "কখনও আমি ওয়াশিংটনে, কখনও পেনসিলভানিয়া, অ্যারিজোনা, টেক্সাস, অ্যালাবামা, কলোরাডো বা মিনেসোটায়। আমার ঠিকানা আমার জুতোর মতো। এটি আমার সাথেই ঘোরে। যেখানে অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই হয়, সেখানেই আমি থাকি।" ১৯০৩ সালে তিনি পেনসিলভানিয়ার কেনসিংটন এলাকার টেক্সটাইল মিলের একদল শিশু শ্রমিককে নিয়ে নিউ ইয়র্কের লং আইল্যান্ডের অয়েস্টার বে-তে গিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট থিওডোর রুজভেল্টকে শিশু শ্রমের প্রমাণ দিয়ে মোকাবিলা করতে। কলোরাডোতে ১৯১৪ সালের লাডলো হত্যাকাণ্ডের পর তিনি গভর্নরের অফিস পর্যন্ত একটি প্রতিবাদ মিছিলের নেতৃত্ব দেন। পশ্চিম ভার্জিনিয়ায় তিনি বারবার বিভিন্ন গভর্নরের সাথে দেখা করতে প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং তার ভাষায় তাদের "উচিত শিক্ষা" দিয়েছেন... যখন তিনি খুব বৃদ্ধা হয়েছিলেন, তখন তিনি সাধারণ কর্মীদের সেইসব নেতাদের সম্পর্কে সতর্ক করেছিলেন যারা শ্রমিকের স্বার্থের চেয়ে নিজেদের স্বার্থকে বড় করে দেখে। মৃত্যু পর্যন্ত তিনি তার একটি মহান বিশ্বাস অটলভাবে ধরে রেখেছিলেন: "ভবিষ্যৎ শ্রমিকের শক্তিশালী ও অমসৃণ হাতের মুঠোয়!"... শুরুর দিনগুলোতে নিউ ইয়র্ক এবং শিকাগোতে প্রথম যখন তাকে দেখি, তিনি আমাকে অনেক অনুপ্রাণিত করেছিলেন, যদিও সত্যি বলতে আমি তার তিক্ষ্ণ কথাকে ভয় পেতাম। কিন্তু যখন আমি তাকে ব্রঙ্কসের সেই সভার কথা মনে করিয়ে দিয়ে বললাম যে আমি আমার সন্তানকে হারিয়েছি, তখন তিনি অত্যন্ত সহানুভূতিশীল ও দয়ালু আচরণ করেছিলেন। তার কঠোরতা কেবল মালিক, দালাল এবং অসৎ শ্রমিক নেতাদের জন্য বরাদ্দ ছিল।
* যুদ্ধ ঘোষণার পর দেশজুড়ে উন্মাদনা এবং গণসহিংসতার এক প্রবল জোয়ার বয়ে গিয়েছিল। এটি আমেরিকান জনগণের বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশের কাজ ছিল না বরং তারা ক্রমেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিল। প্রকাশ্য স্থানগুলোতে ছাপানো নোটিশ লাগিয়ে দেওয়া হয়েছিল যে আইন মানুন এবং মুখ বন্ধ রাখুন যা অ্যাটর্নি জেনারেল গ্রেগরি কর্তৃক স্বাক্ষরিত ছিল। গণসহিংসতার শিকার ব্যক্তিরা ছিলেন বৈচিত্র্যময় যেমন খ্রিস্টান ধর্মযাজক এবং কৃষ্ণাঙ্গ ও শ্বেতাঙ্গ মানুষ ও ধর্মীয় বা নৈতিক অথবা রাজনৈতিক কারণে শান্তির প্রবক্তারা। তালিকায় আরও ছিলেন সোশ্যালিস্ট এবং আইডব্লিউডব্লিউ ও নন-পার্টিসান লীগের সদস্যরা যা মধ্য-পশ্চিমের কৃষকদের মধ্যে বেশ শক্তিশালী ছিল এবং আয়ারল্যান্ডের স্বাধীনতার বন্ধু ও অন্যান্যরা। কিছু পুরুষ ও নারী যারা যুদ্ধ বা বাধ্যতামূলক সামরিক সেবা অথবা বন্ড বিক্রি নিয়ে আকস্মিক মন্তব্য করেছিলেন তাদের শরীরে আলকাতরা ও পালক মাখিয়ে অপমান করা হয়েছিল এবং কখনো অজ্ঞান হওয়া পর্যন্ত মারধর করা হয়েছিল। তাদের জাতীয় পতাকায় চুমু খেতে বাধ্য করা হয়েছিল এবং শহর থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল ও বন্ড কিনতে বাধ্য করা হয়েছিল এমনকি তাদের পিটিয়ে মারার হুমকিও দেওয়া হয়েছিল।
*গণ-সহিংসতার এই মনোভাব আমাদের দেশের অন্যতম বিপজ্জনক এবং লজ্জাজনক বহিঃপ্রকাশ ছিল, যার সবকিছুই করা হয়েছিল বিশ্বকে "গণতন্ত্রের জন্য নিরাপদ" করার নামে।
*কেট রিচার্ডস ও’হারে, যাকে আমি বর্ণনা করেছি, তিনি ছিলেন একজন বিশিষ্ট এবং অত্যন্ত কার্যকর সমাজতন্ত্রী বক্তা।
*পরবর্তীতে তার রাজনৈতিক ত্রুটি যা-ই থাকুক না কেন, প্রগতিশীল নারীরা সেই সময়ে তার জন্য খুব গর্ববোধ করতেন।
** ১৯১৭ সালের দিকে জিনেট র্যাঙ্কিন সম্পর্কে
*আমি একজন নিবেদিতপ্রাণ আইডব্লিউডব্লিউ কর্মী ছিলাম, কিন্তু ওয়ার্কার্স ডিফেন্স ইউনিয়নে আমার কর্মকাণ্ড আমাকে সমাজতন্ত্রী, নৈরাজ্যবাদী, ট্রেড ইউনিয়নবাদী, কমিউনিস্ট, ভোটাধিকার কর্মী, শান্তিবাদী, উদারপন্থী, ইন্ডিয়ান, আইরিশ জাতীয়তাবাদী এবং সোভিয়েত ও আইরিশ প্রজাতন্ত্রের সরকারি প্রতিনিধিদের সংস্পর্শে নিয়ে এসেছিল।
* ইতালীয় আন্দোলনে কার্যত কোনো নারী ছিল না তারা নৈরাজ্যবাদী কিংবা সমাজতন্ত্রী যাই হোক না কেন। কার্লোর সাথে আমি যে বাড়িতেই গিয়েছি সেখানে নারীদের সবসময় পর্দার আড়ালে বা রান্নাঘরে রান্না করতে দেখেছি এবং তারা খুব কমই পুরুষদের সাথে খেতে বসত।
* উড্রো উইলসন একজন উদারপন্থী হিসেবে সব বিষয়ে সাবলীল ও মুক্তভাবে কথা বলতেন। তবে তার দুঃখজনক কাজগুলো তার কথার বিপরীত ছিল। আত্মনিয়ন্ত্রণ এবং বিশ্বকে গণতন্ত্রের জন্য নিরাপদ করার মতো বিষয়গুলো ছিল সবচেয়ে দুর্বল। শান্তি কামনাকারী এবং রাশিয়া থেকে হাত সরাও ও আয়ারল্যান্ডের স্বাধীনতা ও রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তি এবং সবশেষে নারী ভোটাধিকারের দাবিতে আন্দোলনকারীরা তাকে প্রতিটি মোড়ে মোকাবিলা করেছিল। তার প্রশাসন ১৯১৯ থেকে ২০ সালের সেই বিশাল ইস্পাত ধর্মঘটের সম্মুখীন হয়েছিল। লিগ অফ নেশনসে যোগদানের জন্য তার পরিকল্পনাগুলো সেনেট দ্বারা পরাজিত হয়েছিল। তার প্রশাসনের সদস্যরা বিভিন্ন ইস্যুতে প্রতিবাদ জানিয়ে পদত্যাগ করেছিলেন যেমন যুদ্ধের কারণে একজন স্টেট সেক্রেটারি এবং ভোটাধিকারের প্রশ্নে নিউ ইয়র্ক বন্দরের একজন সংগ্রাহক যিনি সম্ভবত তাকে সবচেয়ে বেশি অতিষ্ঠ করেছিলেন।
* প্রথম বিশ্বযুদ্ধ আমেরিকান নারীদের জীবনে অনেক আমূল পরিবর্তন এনেছিল। এটি অভিজাত নারী ঘরানার অবসান ঘটিয়েছিল। শ্রমের অভাব ছিল প্রকট এবং প্রশিক্ষিত কর্মীর প্রয়োজন ছিল তীব্র। ১৯১৮ সালের শেষে প্রায় ত্রিশ লক্ষ নারী খাদ্য ও বস্ত্র এবং যুদ্ধ শিল্পে নিযুক্ত ছিলেন। এতদিন পর্যন্ত পুরুষের কাজ হিসেবে গণ্য হওয়া পেশাগুলো নারীদের জন্য উন্মুক্ত হয়ে গিয়েছিল। তারা রাস্তার গাড়িতে কন্ডাক্টর হিসেবে কাজ করতেন। প্রথমবারের মতো তাদের রেডিও অপারেটর হিসেবে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছিল। নারীরা সেনাবাহিনীর মোটর কর্পসে স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে কাজ করেছিলেন এবং প্রথমবারের মতো ইউনিফর্ম পরেছিলেন। ব্লুমার পরা নারী চাষিরা শহর থেকে খামারে গিয়েছিলেন। নারীরা ত্রাণ কাজ করেছিলেন এবং যুদ্ধের বন্ড বিক্রি ও সশস্ত্র বাহিনীর জন্য ক্যান্টিন পরিচালনা এবং নার্সিং ইউনিটে যোগ দিয়েছিলেন। হাজার হাজার নারী তাদের ঘর থেকে বেরিয়ে জনজীবনে প্রবেশ করেছিলেন। যুদ্ধ শেষ হলে তাদের অনেকে প্রয়োজন বা পছন্দের কারণে শিল্পক্ষেত্রেই থেকে গিয়েছিলেন।
* এলিজাবেথ ক্যাডি স্ট্যান্টন এবং সুসান বি. অ্যান্টনির মতো সাহসী নারীরা ছিলেন শুরুর দিকের অগ্রপথিক যারা গালিগালাজ ও বিদ্রূপ এবং সহিংসতা এমনকি ভোট দেওয়ার চেষ্টার জন্য গ্রেপ্তারের সম্মুখীন হয়েছিলেন। পরবর্তীতে ডক্টর [[আন্না হাওয়ার্ড শ]] এবং [[ক্যারি চ্যাপম্যান ক্যাট|ক্যারি চ্যাপম্যান ক্যাটের]] মতো নারীরা ন্যাশনাল আমেরিকান উইমেনস সাফ্রেজ অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, যা নারীদের জড়তা এবং পুরুষদের বিরোধিতার বিরুদ্ধে লড়াই করেছিল। তবে ১৯১৬ সালের মধ্যে একটি তরুণ ও সাহসী এবং আরও সংগ্রামী দল আবির্ভূত হয়েছিল যারা রাজ্য ধরে ধরে ভোটাধিকার জেতার ধীর প্রক্রিয়ায় অসন্তুষ্ট ছিল এবং একটি সাংবিধানিক সংশোধনীর জন্য লড়াই করেছিল। তারা ১৯১৬ সালে উইমেনস পার্টি গঠন করেছিল যা কেবল সেই দল ও প্রার্থীদের জন্য সমস্ত ভোটাধিকার প্রাপ্ত রাজ্যে নারীদের ভোট একত্রিত করার পরিকল্পনা করেছিল যারা জাতীয় ভোটাধিকার সমর্থন করবে। সেই বছর একদল ধনী ভোটাধিকার আন্দোলনকারী অর্থায়ন করে একটি সাফ্রেজ স্পেশাল ট্রেনে সফর করেছিলেন। তারা রিপাবলিকান প্রার্থী চার্লস ইভান্স হিউজেসের পক্ষে সরাসরি প্রচার করেননি। তবে তাদের স্লোগান ছিল উইলসন বিরোধী, যেমন উইলসনের বিরুদ্ধে ভোট দিন কারণ তিনি আমাদের ভোটাধিকার থেকে দূরে রেখেছেন। অনেকে তখন কারাগারে থাকা [[ইউজিন ভি. ডেবস|ইউজিন ভি. ডেবসের]] পক্ষে ভোট দিয়েছিলেন।
* উইমেনস পার্টি ১৯১৭ সালের জানুয়ারি থেকে ১৯১৯ সালের ১৯ মার্চ পর্যন্ত প্রায় অবিরাম পিকেটিং করেছিল। তারা হোয়াইট হাউস এবং ক্যাপিটলে পিকেটিং করেছিল এবং সামরিক প্যারেড ও উইলসনের ইউরোপ সফরের পর সংবর্ধনা এবং তার প্রস্থানের সময় অভ্যর্থনার আয়োজন করেছিল। তারা ওয়াশিংটন ও বোস্টন এবং নিউ ইয়র্কে তাকে পিকেটিং করেছিল। কেবল আইরিশরাই এমন কৌশল অবলম্বন করেছিল। পরবর্তীতে রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তির জন্য একটি চিলড্রেনস ক্রুসেড প্রেসিডেন্ট হার্ডিংকে পিকেটিং করেছিল। ভোটাধিকারের ব্যানারগুলো বিদেশি দর্শনার্থীদের উদ্দেশ্যে রাখা হয়েছিল এবং দেশে ও বিদেশে স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র নিয়ে প্রেসিডেন্ট উইলসনের দেওয়া ভাষণগুলো ভোটাধিকার আন্দোলনকারীরা স্বাধীনতার প্রহরী আগুনের পাত্রে পুড়িয়ে দিয়েছিল।
* একবার ভোটাধিকার অর্জিত হওয়ার পর নারীরা কেবল নারী হিসেবে ঐক্যবদ্ধ থাকেনি, বরং তাদের দৃষ্টিভঙ্গি এবং স্বার্থ অনুযায়ী বিদ্যমান রাজনৈতিক দল ও অন্যান্য সংগঠনে বিভক্ত হয়ে গিয়েছিল। আমি বিশ্বাস করি যে শান্তির সাধারণ লক্ষ্যটি আবারও নারীদের ঐক্যবদ্ধ করতে পারে তবে এর কিছু ব্যতিক্রম থাকতে পারে।
* ১৯২০-এর দশকে যুক্তফ্রন্ট শব্দটি ব্যবহারের কথা আমার মনে পড়ে না। এটি অনেক পরে প্রচলিত হয়েছিল। তবে সেই সময়ে আমূল সংস্কারবাদী এবং প্রগতিশীল আন্দোলনগুলো যে এই নীতির ভিত্তিতে পরিচালিত হতো তা অত্যন্ত স্পষ্ট। যারা ভোটাধিকারের পক্ষে কথা বলতেন তারা আইডব্লিউডব্লিউ-এর আর্থিক সাহায্যের আবেদনেও স্বাক্ষর করতেন এবং আইরিশ ও বন্দিদের মুক্তি সংক্রান্ত প্রতিনিধি দলে থাকতেন ও শান্তি আন্দোলনে যুক্ত হতেন। স্বাধীনতার একটি ভালো আদর্শ এবং অন্যটির মধ্যে কোনো কঠোর সীমারেখা টানা ছিল না এবং আজকের মতো প্রতিশোধের কোনো ভয় ছিল না। মানুষ ভয় পেত না যে তারা অন্য কিছুর সাথে নিজেদের যুক্ত করলে একটি আদর্শের ক্ষতি হবে। আমি আজ অবাক হই যে সেই দিনগুলোতে আমার যোগাযোগ এবং বন্ধুত্ব কতটা বিস্তৃত ও ছড়িয়ে ছিল।
* আমি তখনও আমার বিশ্বাসে একজন আইডব্লিউডব্লিউ ছিলাম এবং কোনো রাজনৈতিক দলে যোগ দিতে দ্বিধা করছিলাম যদিও রুশ বিপ্লব এবং ভোটাধিকার আন্দোলনকারী ও কমিউনিস্টদের সাথে মেলামেশা আমার দৃষ্টিভঙ্গিকে অনেকটা পরিবর্তন করছিল।
* ১৯১৭ সালের নভেম্বরে যখন রুশ বলশেভিক বিপ্লবের খবর সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ল তখন আমেরিকান শ্রমিকরা মানব ইতিহাসের এই মহান ঘটনার মাধ্যমে প্রথমবার [[ভ্লাদিমির লেনিন]] নামের এক ব্যক্তির কথা এবং সমাজতন্ত্রের সূচনা সম্পর্কে জানতে পারল। আমরা কিছু নতুন শব্দও শিখেছিলাম যা অল্প সময়ের মধ্যেই ভাষার অংশ হয়ে গিয়েছিল, যেমন “বলশেভিক” এবং “সোভিয়েত”। এমনকি আমাদের মধ্যে যারা বাম ঘরানার সমাজতন্ত্রী এবং আইডব্লিউডব্লিউ সদস্য ছিলাম তারাও রুশ সমাজতান্ত্রিক আন্দোলন সম্পর্কে কার্যত কিছুই জানতাম না। কেবল জারের নিষ্ঠুর ও রক্তক্ষয়ী শাসন উৎখাত করার দীর্ঘ ও যন্ত্রণাদায়ক লড়াইয়ের প্রতি আমাদের গভীর সহানুভূতি ছিল। রাতারাতি বলশেভিক একটি পরিচিত শব্দে পরিণত হয়েছিল, এমনকি তাদের কাছেও যারা জানত না যে এর অর্থ কেবল সংখ্যাগরিষ্ঠ এবং এটি রুশ সোশ্যাল-ডেমোক্রেটিক লেবার পার্টির একটি রাজনৈতিক বিভাজনকে বোঝায়। ডেবস বলেছিলেন যে আমি মাথার তালু থেকে পায়ের আঙুল পর্যন্ত একজন বলশেভিক। মালিকরা সংগ্রামী শ্রমিক এবং ইউনিয়ন সংগঠকদের দিকে তাকিয়ে অভিশপ্ত বলশেভিক বলে চিৎকার করত। সব ধর্মঘটকারীই স্বাভাবিকভাবেই “বলশেভিক” ছিল।
===[http://www.sojust.net/speeches/elizabeth_flynn_memories.html "মেমোরিজ অফ দ্য ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়ার্কার্স অফ দ্য ওয়ার্ল্ড"] (৮ নভেম্বর, ১৯৬২)===
* আইডব্লিউডব্লিউ... এটি হলো ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়ার্কার্স অফ দ্য ওয়ার্ল্ড এর সংক্ষিপ্ত রূপ যাকে একসময় "আই ওন্ট ওয়ার্ক" বলে ডাকা হতো। এটি ছিল অত্যন্ত বেমানান, কারণ মূলত যারা এই সংগঠনের সদস্য ছিলেন তারা এ দেশের মৌলিক এবং সবচেয়ে কঠিন পরিশ্রমের শিল্পগুলোতে কাজ করতেন। একে বিশ্বের শ্রমিক বলাটা ছিল বেশ উচ্চাভিলাষী একটি নাম। কারণ প্রকৃতপক্ষে এটি কখনোই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সীমানা ছাড়িয়ে যায়নি এবং পুরনো নাইটস অফ লেবার এর ঐতিহ্য ও সাংগঠনিক কাঠামো ধরে রাখার জন্য আমেরিকান শ্রমিকদের যে ইচ্ছা ছিল, সেখান থেকেই এর উৎপত্তি হয়েছিল।
* আইডব্লিউডব্লিউ কেবল ১৮৮০-এর দশকের অনেক ঐতিহ্যের উত্তরাধিকারীই ছিল না বরং সেই সময়ের অনেক পরিচিত ব্যক্তিত্ব এই সংগঠনের শুরুর দিকের সম্মেলনগুলোতে উপস্থিত ছিলেন। আপনি যদি শ্রমিক ইতিহাসের ছাত্র না হন তবে এই নামগুলো আপনার কাছে পরিচিত না-ও হতে পারে। তবে তাদের মধ্যে [[ইউজিন ডেবস]], [[ড্যানিয়েল ডিলিয়ন]] এবং মিসেস [[লুসি পারসনস|লুসি পারসনসের]] মতো ব্যক্তিত্বরা অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।
* সেখানে অনেক বাক-স্বাধীনতা রক্ষার লড়াই হয়েছিল... তাদের কৌশলগুলো ছিল অনেকটা আজকের দিনের ফ্রিডম রাইডারদের মতো। তারা টেলিগ্রাম পাঠাত এবং আমি কেবল ব্যাখ্যা করছি। কারণ আপনি তো বুঝতেই পারছেন যে আমি কোনো উসকানি দিচ্ছি না। তারা অনেকটা এমন ধরনের টেলিগ্রাম পাঠাত যেখানে লেখা থাকত যে ভবঘুরে ওবলিরা এখনই চলে এসো এবং বিল অফ রাইটস রক্ষা করো। তারা ট্রেনের ছাদে কিংবা ট্রেনের নিচে ও পাশে এমনকি মালবাহী বগিতে করে এমন সব উপায়ে আসত যেখানে ভাড়া দিতে হতো না। আক্ষরিক অর্থেই শত শত মানুষ সেই জনপদগুলোতে এসে হাজির হতো যা কর্তৃপক্ষকে আতঙ্কিত ও স্তম্ভিত করে দিত। তারা তখন প্ল্যাটফর্ম বা সাবানের বাক্সের ওপর দাঁড়িয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের অংশবিশেষ কিংবা বিল অফ রাইটস পাঠ করত... এগুলোই ছিল সেই বিখ্যাত বাক-স্বাধীনতা রক্ষার লড়াই যা দেশের পশ্চিমাঞ্চলে আইডব্লিউডব্লিউ এর একটি অত্যন্ত পরিচিত বৈশিষ্ট্য ছিল।
* এএফএল ছিল দক্ষ শ্রমিকদের সংগঠন এবং এর রূপ ও পদ্ধতি ও আদর্শ আইডব্লিউডব্লিউ এর মতো ছিল না। আইডব্লিউডব্লিউ শ্রেণি সংগ্রামে বিশ্বাস করত। তারা পুঁজি এবং শ্রমের ভ্রাতৃত্বে বিশ্বাস করত না এবং তারা মনে করত যে এই অসংগঠিত ও বিদেশে জন্মগ্রহণ করা গণউৎপাদনকারী শ্রমিকদের একটি শিল্প ইউনিয়নে সংগঠিত করা উচিত। তারা মনে করত যে সবাইকে একটি ইউনিয়নের অধীনে থাকতে হবে এবং এক ডজন বা তার বেশি সংগঠনে বিভক্ত হওয়া চলবে না।
* ১৯১২ সালের সেই বড় ধর্মঘট [যা রুটি ও গোলাপ ধর্মঘট নামে পরিচিত], যা আমাদের দেশের অন্যতম মহান ঐতিহাসিক সংগ্রাম, সেটি শুরু হয়েছিল রাষ্ট্রের একটি রাজনৈতিক পদক্ষেপের কারণে।
* বিল হেউড সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন যে আমাদের ইংরেজিতে কথা বলতে হবে যাতে এই মানুষগুলো তা বুঝতে পারে। তিনি আমাদের যে শিক্ষা দিয়েছিলেন তা আমি কখনও ভুলব না। তখন আমি খুব তরুণ ছিলাম, আমার বয়স ছিল ২২। তিনি বললেন, শোনো, তোমরা এই শ্রমিকদের সাথে, এই খনি শ্রমিকদের সাথে এমন ইংরেজিতে কথা বলবে যা প্রাথমিক স্কুলে পড়া তাদের সন্তানরা তাদের সাথে বলে, তবেই তারা তা বুঝতে পারবে। প্রাথমিক স্কুলের ইংরেজিতে কথা বলাটা মোটেও সহজ নয়। যাই হোক, আমরা তা শিখেছিলাম। আমার সমস্যা হলো এটি আমার অভ্যাসে গেঁথে গিয়েছিল এবং এখন যখন আমি কলেজের দর্শকদের সামনে কথা বলতে যাই, তখন নিজেকে কিছুটা অসুবিধায় মনে হয় কারণ আমি বড় বড় সব শব্দ জানি না। উইলিয়াম হেউড আমাকে ছোট ছোট এবং সহজ শব্দগুলোতেই দক্ষ করে তুলেছিলেন।
* তিনি কীভাবে কথা বলতেন তার একটি উদাহরণ দিই। আমাদের তাদের বোঝাতে হতো কেন আমরা চাই তারা এএফএল-এ না গিয়ে আইডব্লিউডব্লিউ-তে যোগ দিক। তিনি হাত উঁচিয়ে আঙুলগুলো ছড়িয়ে বলতেন, আমেরিকান ফেডারেশন অফ লেবার বা এএফএল হলো ঠিক এইরকম, প্রতিটি আলাদা আলাদা। কিন্তু আইডব্লিউডব্লিউ হলো এইরকম, [তিনি হাতের মুঠো পাকাতেন] এবং তারা সবাই চিৎকার করে উঠত আইডব্লিউডব্লিউ-এর জয় হোক। এভাবেই তিনি তার বক্তব্য বুঝিয়ে দিতেন।
* যখন লরেন্সের এই ধর্মঘট চলছিল, তখন লুইজিয়ানায় কাঠ শ্রমিকদের একটি বড় ধর্মঘট চলছিল, সেটিও আইডব্লিউডব্লিউ-এর অধীনে। যদিও আমাদের সব জায়গায় ধর্মঘট ছিল এবং আমরা এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় ছুটে বেড়াচ্ছিলাম, তবুও আমি বিশেষ করে এই ঘটনাটি উল্লেখ করছি কারণ সেখানে প্রথমবারের মতো বৈষম্য ও বর্ণবাদের নিয়মগুলো ভেঙে ফেলা হয়েছিল। উইলিয়াম ডি. হেউড সেখানে ভাষণ দিতে গিয়েছিলেন এবং তিনি বলেছিলেন প্রতিটি ধর্মঘটী যেখানে খুশি বসতে পারে। আইডব্লিউডব্লিউ-এর এই হলে কোনো বিভাজন নেই। নিগ্রো এবং শ্বেতাঙ্গ শ্রমিকরা, আমার মনে হয় আমেরিকান শ্রমিক ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সেই সামাজিক বিধিনিষেধ ভেঙে একসাথে মিলিত হয়েছিল।
* আমার দীর্ঘ শ্রম ইতিহাসে যদি সত্যিই এমন কোনো বিষয় থাকে যা নিয়ে আমি গর্বিত তবে তা হলো জো হিল কারাগারে থাকাকালীন এবং তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার আগে আমার জন্য একটি গান লিখেছিলেন যা আমাকে উৎসর্গ করা হয়েছিল। গানটির নাম ছিল "রেবেল গার্ল" এবং আমি আশা করি আপনারা এখানে কোনো এক সময় গানটি গাইবেন। এটি হয়তো কথার দিক থেকে সেরা নয় কিংবা সুরের দিক থেকেও সেরা না-ও হতে পারে কিন্তু এটি হৃদয় থেকে এসেছিল এবং এটি অবশ্যই অত্যন্ত মূল্যবান।
* প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় আইডব্লিউডব্লিউ, সমাজতন্ত্রী এবং আমাদের দেশের সমস্ত প্রগতিশীলদের ওপর প্রচণ্ড আক্রমণ চালানো হয়েছিল। সেই সময় একটি শক্তিশালী শান্তি আন্দোলন ছিল। এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মতো ছিল না, যা ছিল একটি ফ্যাসিবাদ-বিরোধী যুদ্ধ।
* অন্যান্য সংগঠনের সাথে আইডব্লিউডব্লিউ-এর অবস্থান আসলে কোথায় ছিল সে সম্পর্কে আমার সত্যিই আপনাদের কিছু বলা উচিত কারণ বিষয়টি সম্ভবত এখনও খুব একটা পরিষ্কার নয়। এটি কোনো পেশাভিত্তিক ইউনিয়ন ছিল না বরং এটি ছিল একটি শিল্প ইউনিয়ন এবং এটি এএফএল-এর প্রবল বিরোধী ছিল। এএফএল যেসব আদর্শে বিশ্বাস করত যেমন ন্যায্য কাজের জন্য ন্যায্য মজুরি কিংবা পুঁজি ও শ্রমের ভ্রাতৃত্ব এগুলোর কোনোটিই আইডব্লিউডব্লিউ সমর্থন করত না। সুযোগ পেলেই মালিকপক্ষের বিরুদ্ধে লড়াই করার ব্যাপারে তারা অত্যন্ত কঠোর ছিল এবং তাই কিছু বিষয় শুনতে খুব অদ্ভুত মনে হলেও সেটিই ছিল সত্য। তারা কোনো চুক্তিতে বিশ্বাস করত না। তারা মনে করত যে যতক্ষণ আপনারা সংগঠিত আছেন ততক্ষণ আপনারা কর্তৃপক্ষকে তাদের প্রতিশ্রুতি পালনে বাধ্য করতে পারবেন। কিন্তু একটি চুক্তি বা এক টুকরো কাগজ আপনাদের আটকে রাখে আর তাই তারা কোনো চুক্তি করত না। তবে যাদের আমরা হোয়াইট কলার বা বুদ্ধিবৃত্তিক পেশার কর্মী বলি তাদের প্রতি আইডব্লিউডব্লিউ-এর মনোভাব ভালো ছিল না। মোটেও ভালো ছিল না কারণ তারা মনে করত যে এই কর্মীরা শ্রমিক শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত নয়। আইডব্লিউডব্লিউ-এর মতে আপনাকে ওভারঅল পোশাক পরতে হবে এবং পেশিবহুল হতে হবে ও কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। আপনি যদি কেবল কলম পিষতেন তবে তাদের কাছে আপনি শ্রমিক ছিলেন না। এই একই ধারণা শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য ছিল। অন্যভাবে বলতে গেলে আজ যাকে একটি অত্যন্ত সংকীর্ণমনা সংগঠন বলা হতো। তবে সেই সময়ের শিক্ষার্থীরাও কিছুটা দায়ী ছিল কারণ শ্রমিক আন্দোলনের প্রতি তাদের কোনো সহানুভূতি ছিল না। প্রকৃতপক্ষে যখন ধর্মঘট হতো তখন সবসময়ই শিক্ষার্থীদের পাওয়া সম্ভব ছিল যারা শ্রমিকদের জায়গায় গিয়ে কাজ করত যেমনটি আমি নিউ ইয়র্ক সিটির একটি হোটেলের ধর্মঘটে দেখেছিলাম। আমি অত্যন্ত আনন্দের সাথে বলছি যে এখন সময়ের পরিবর্তন হয়েছে।
*আইডব্লিউডব্লিউ এএফএল.-এর চেয়ে আরও একটি বিষয়ে আলাদা ছিল যে তারা সমাজতন্ত্রে বিশ্বাস করত। যদিও তারা রাজনৈতিক দল এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড বর্জন করার কারণে সোশ্যালিস্ট পার্টির থেকে ভিন্ন ছিল। তাদের এই অদ্ভুত ধারণা ছিল যে আসল লড়াই হলো শিল্পকারখানায়, অর্থাৎ উৎপাদনের জায়গায়।
*আমি যখন আপনাদের বলি যে তখন কী কী ছিল না, তখন মনে হয় আমরা যেন এক অরণ্যে বাস করতাম। তখন কোনো রেডিও ছিল না, টিভি ছিল না, সিনেমা ছিল না, আজকের মতো বিজ্ঞাপন ছিল না, কোনো প্লাস্টিক বা কৃত্রিম কাপড় ছিল না এবং কোনো বিমানও ছিল না।
*আমি ১৯১৯-২০ সালের কথা বলছি যখন জে. এডগার হুভার প্রথম আত্মপ্রকাশ করেন। তাকে এই ধরপাকড় অভিযানের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল এবং সারা দেশের সমস্ত রিপোর্ট তাকে জমা দিতে হতো। তাদের বলা হতো "জি ম্যান"। এফবিআই আরও পরে ১৯২৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। সুতরাং কোনো সরকারের পরোয়া না করেই তিনি দীর্ঘ ৩৮ বছর ধরে এই সাম্রাজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন এবং এটি আসলে কোনো সিভিল সার্ভিস বা বিচার বিভাগের নিয়ন্ত্রণে নেই।
*আইডব্লিউডব্লিউ-এর বিরুদ্ধে ঘৃণা এতটাই তীব্র ছিল যে সংবাদপত্রের সম্পাদকীয়তে লেখা হতো, "তাদের ভোরবেলা গ্রেপ্তার করা উচিত এবং নাস্তা করার আগেই বিচার ছাড়াই গুলি করে মারা উচিত।"
*আজকের দিনে ইউনিয়নের সাথে রাজনৈতিক সহযোগী থাকা অনেক বেশি কার্যকর একটি পদ্ধতি। কিন্তু আমরা তখন সবকিছু এক পাত্রে রাখার চেষ্টা করেছিলাম এবং সেটি মোটেও কাজ করেনি। আমরা বেশ অহংকারী ছিলাম। আমরা তরুণ ছিলাম এবং মনে করতাম সবকিছুর সঠিক উত্তর কেবল আমাদের কাছেই আছে। আমরা এএফএল-এর সাথে কাজ করতে চাইনি, সোশ্যালিস্ট পার্টির সাথে কাজ করতে চাইনি, এমনকি অন্য কারও সাথেই কাজ করতে চাইনি। স্বাভাবিকভাবেই যখন কমিউনিস্ট পার্টি এল, তারা সেটাকে একটি সত্যিকারের দল হিসেবে বিবেচনা করল কারণ সেটি পুরনো সোশ্যালিস্ট পার্টির চেয়ে অনেক বেশি বিপ্লবী ছিল। আইডব্লিউডব্লিউ রুশ বিপ্লবের ধারণার সাথে পুরোপুরি একমত ছিল না, যদিও তারা খুশি ছিল যে এটি এমন একটি বিপ্লব যা জারকে উৎখাত করেছে। তারা কেরেনস্কির পক্ষে ছিল না কিন্তু বিপ্লব সম্পর্কে তাদের কিছু আদিম ধারণা ছিল। আইডব্লিউডব্লিউ-এর কাছে বিপ্লব মানে ছিল কারখানা, দোকান, কলকারখানা, খনি আর ফসলের মাঠ দখল করে নেওয়া এবং মালিকদের স্রেফ তাড়িয়ে দেওয়া। মালিকদের তাড়িয়ে দেওয়া মানেই ছিল বিপ্লবের শেষ।
* আইডব্লিউডব্লিউ-এর ইতিবাচক দিকটি হলো এটি অবশ্যই আপসহীন এবং অত্যন্ত সাহসী ছিল। এটি সেই সময়ের জন্য উপযুক্ত ছিল এবং সেই অগ্রযাত্রার দিনগুলোতে এটি সবচেয়ে গরিব ও নিঃসঙ্গ এবং সবচেয়ে অবহেলিত মানুষদের স্বার্থের জন্য লড়াই করেছিল। এটি সেই মানুষদের সংগঠিত করেছিল যাদের এএফএল করতে পারেনি যেমন বিদেশে জন্মগ্রহণ করা মানুষ ও নারী এবং পরবর্তীতে যখন কৃষ্ণাঙ্গরা শিল্পক্ষেত্রে আসতে শুরু করল তখন সেই কৃষ্ণাঙ্গ জনগোষ্ঠী।
* আমরা অবশ্যই এই ধরনের কোনো বিষয়ের কথা কখনো শুনিনি এবং আমরা কখনো ভাবিনি যে সামাজিক নিরাপত্তা বা বেকারত্ব বীমা থাকা সম্ভব হতে পারে। এগুলো ছিল ৩০-এর দশকের ফলাফল যা আইডব্লিউডব্লিউ-এর পতনের পর বড় ধরনের সংগ্রামের মাধ্যমে এসেছিল। এছাড়াও আমরা কখনো বেতনসহ ছুটির কথা শুনিনি। আমরা ছুটির কথাই কখনো শুনিনি সেখানে বেতনসহ ছুটির তো প্রশ্নই আসে না। আমরা বর্তমান সময়ের মতো জ্যেষ্ঠতা কী তাও কখনো শুনিনি। শ্রমিকদের অবসরের জন্য কোনো পেনশনের ব্যবস্থা ছিল না। ইউনিয়নগুলোর কোনো কল্যাণ তহবিল ছিল না। ইউনিয়নগুলোর কোনো স্বাস্থ্যকেন্দ্র ছিল না এবং আজকের মতো কোনো ট্রেড ইউনিয়ন স্কুলও ছিল না। এই সমস্ত বিষয় সেই ইউনিয়নগুলোর সাথে এসেছে যেগুলো আইডব্লিউডব্লিউ-এর পরবর্তী সময়ে অস্তিত্ব লাভ করেছে।
*আজকের দিনে শ্রমিকের বিরুদ্ধে সরাসরি সহিংসতা কম কিন্তু আইনি বিধিনিষেধ অনেক বেশি। দমনমূলক আইন এবং সব ধরনের বিধিনিষেধের মাধ্যমে শ্রমিকের অধিকার হরণ করার চেষ্টা এখন অনেক বেশি হচ্ছে।
*আমরা কি উন্নতি করেছি? ওহ, আমরা অবশ্যই উন্নতি করেছি! সমস্ত অসুবিধা এবং সমস্যা সত্ত্বেও শ্রমিক আন্দোলন বিশাল উন্নতি করেছে। আজকের যুবকদের জন্য একটি নতুন ভূমিকা এবং নতুন দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে। বহু বছর আগে আমি পিটার ক্রোপোটকিনের 'তরুণদের প্রতি আবেদন' নামক একটি পুস্তিকা পড়েছিলাম। এটি ছিল যুবকদের প্রতি এই বিশ্বকে বসবাসের উপযোগী একটি সুন্দর জায়গা হিসেবে গড়ে তোলার দায়িত্ব নেওয়ার এক চমৎকার আহ্বান। এখন আমি অনুভব করি যে আমরা আমাদের সাধ্যমতো সেরা চেষ্টা করেছি। কিন্তু সময় এমন আসে যখন আপনি জানেন যে বাধ্য হয়েই আপনাকে থামতে হয়; যদিও বলা হয় বার্ধক্য কোনো রোগ নয় কিন্তু আমি মনে করি এটি একটি রোগ। এমন এক সময় আসে যখন আপনাকে গতি কমিয়ে দিতে হয় এবং কাজ থেকে বিদায় নিতে হয়, আর যদি নতুন প্রজন্ম চায় তবে আপনার অভিজ্ঞতার সুফল তাদের কাছে পৌঁছে দিতে হয়।
== এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন সম্পর্কে উক্তি ==
* হেটেরোডক্সির সদস্য এবং ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়ার্কার্স অফ দ্য ওয়ার্ল্ড-এর প্রখ্যাত সংগঠক এবং পরবর্তীতে ইউ.এস. কমিউনিস্ট পার্টির শীর্ষস্থানীয় সদস্য এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন এই সংগঠনে তার সদস্যপদকে "এক অবিচ্ছিন্ন আনন্দের অভিজ্ঞতা" হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি আরও যোগ করেছেন, "এটি ভবিষ্যতের নারীদের এক ঝলক দেখার মতো ছিল যারা বিশাল হৃদয়ের অধিকারী, বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে সজাগ এবং পুরনো সেই 'নারীত্ব' বর্জিত যার স্থলাভিষিক্ত হয়েছে নারীদের এক চমৎকার ভ্রাতৃত্ব।"
** [[বেটিনা আপথেকার]], ''ট্যাপেস্ট্রিস অফ লাইফ: উইমেনস ওয়ার্ক, উইমেনস কনশাসনেস, অ্যান্ড দ্য মিনিং অফ ডেইলি এক্সপেরিয়েন্স'' (১৯৮৯)
* আমার নির্জন কারাবাসের দিনগুলোতে, মার্গারেট যখন জেল সুপারকে আমাকে পড়ার সুযোগ দেওয়ার জন্য রাজি করালেন, তখন আমি গ্রন্থাগারে একা কয়েকটি সেশন কাটিয়েছিলাম। অল্প সময়ের মধ্যেই আমি পুরো জায়গাটি তন্নতন্ন করে খুঁজি এবং সামান্য আগ্রহ জাগানিয়া মাত্র কয়েকটি বই খুঁজে পাই: এডগার স্নোর লেখা চীনা বিপ্লবের ওপর একটি বই, ডব্লিউ. ই. বি. ডু বোইসের আত্মজীবনী এবং একজন আশ্চর্যজনকভাবে নিরপেক্ষ ও স্বল্প পরিচিত লেখকের লেখা সাম্যবাদের ওপর একটি বই। এই বইগুলো আবিষ্কার করার পর আমার চিন্তাভাবনা বারবার সেগুলোর রহস্যময় উপস্থিতির দিকে ফিরে যাচ্ছিল। হঠাৎ আমার মনে হলো: এগুলো সম্ভবত এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন, ক্লডিয়া জোন্স অথবা অন্য কোনো কমিউনিস্ট নেতাদের দ্বারা পড়া হয়েছিল যারা ম্যাকার্থি যুগে স্মিথ অ্যাক্টের অধীনে নিপীড়িত হয়েছিলেন। আমাকে জানানো হয়েছিল যে সেখানে থাকাকালীন আমি যদি কোনো বই পাই, তবে তা গ্রন্থাগারে দান করতে হবে—যা ছিল এক আনন্দের বিষয়, কারণ তথাকথিত সেই শিক্ষা কেন্দ্রের অবস্থা ছিল করুণ। আমি যখন সেই বইগুলোর পাতা উল্টাচ্ছিলাম, তখন আমি এই দেশের কিছু অসামান্য বীরাঙ্গনাদের ঐতিহ্য অনুসরণ করতে পেরে সম্মানিত বোধ করছিলাম: কমিউনিস্ট নারী নেতৃবৃন্দ, বিশেষ করে কৃষ্ণাঙ্গ কমিউনিস্ট ক্লডিয়া জোন্স।
** ''[[অ্যাঞ্জেলা ডেভিস]]ের আত্মজীবনী'' (১৯৭৪)
* জোসেফ ইটর এবং আর্তুরো জিওভানিত্তির গ্রেপ্তারের ফলে তৈরি হওয়া শূন্যতা তাৎক্ষণিকভাবে বিল হেউড এবং এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন পূরণ করেছিলেন। শ্রমিক সংগ্রামে হেউডের বছরের পর বছর অভিজ্ঞতা, তার দৃঢ় সংকল্প এবং বিচক্ষণতা তাকে লরেন্সের পরিস্থিতিতে এক অনন্য শক্তিতে পরিণত করেছিল। অন্যদিকে, এলিজাবেথের তারুণ্য, চার্ম এবং বাগ্মিতা খুব সহজেই সবার মন জয় করে নিয়েছিল। এই দুজনের নাম এবং খ্যাতি ধর্মঘটের জন্য দেশব্যাপী প্রচার ও সমর্থন জোগাড় করতে সাহায্য করেছিল। বছরের পর বছর আগে একটি উন্মুক্ত সভায় প্রথমবার শোনার পর থেকেই আমি এলিজাবেথকে জানতাম এবং শ্রদ্ধা করতাম। সেই সময় তার বয়স চৌদ্দ বছরের বেশি ছিল না, তার ছিল এক সুন্দর মুখাবয়ব এবং আন্তরিকতায় ভরপুর এক কণ্ঠস্বর। তিনি আমার ওপর গভীর প্রভাব ফেলেছিলেন। পরবর্তীতে আমার বক্তৃতায় তার বাবার সাথে তাকে প্রায়ই আসতে দেখতাম। কালো চুল, বড় বড় নীল চোখ এবং চমৎকার গায়ের রঙে তিনি ছিলেন এক মোহনীয় প্রতিচ্ছবি... স্পোকেনে আইডব্লিউডব্লিউ-এর অন্যান্য সদস্যদের সাথে তিনি যে চমৎকার বাক-স্বাধীনতার লড়াই করেছিলেন এবং যে নিপীড়ন সহ্য করেছিলেন, তা এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিনকে আমার খুব কাছে নিয়ে এসেছিল। আর যখন শুনলাম যে সন্তান জন্ম দেওয়ার পর তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েছেন, তখন এই তরুণ বিদ্রোহীর জন্য আমি গভীর সহানুভূতি অনুভব করেছিলাম, যিনি সর্বহারা পটভূমি থেকে আসা প্রথম আমেরিকান নারী বিপ্লবীদের একজন। তার প্রতি আমার আগ্রহ কেবল স্পোকেন লড়াইয়ের জন্যই নয়, বরং মা হওয়ার প্রথম মাসগুলোতে এলিজাবেথের ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য তহবিল সংগ্রহে আমার প্রচেষ্টাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছিল। তিনি নিউ ইয়র্কে ফিরে আসার পর থেকে আমরা প্রায়ই সভায় এবং আরও ব্যক্তিগতভাবে একসাথে সময় কাটিয়েছি। এলিজাবেথ নৈরাজ্যবাদী ছিলেন না, তবে তিনি সোশ্যালিস্ট লেবার পার্টি থেকে আসা তার কিছু কমরেডদের মতো গোঁড়া বা বিদ্বেষীও ছিলেন না। আমাদের সার্কেলে তিনি আমাদেরই একজন হিসেবে স্বীকৃত ছিলেন এবং আমি তাকে বন্ধু হিসেবে ভালোবাসতাম।
** [[এমা গোল্ডম্যান]], ''লিভিং মাই লাইফ'' (১৯৩১)
* ফ্লিন পার্টির চেয়ারম্যান হিসেবে জিনের স্থলাভিষিক্ত হন। তিনি ছিলেন সেই পদে নির্বাচিত প্রথম নারী। তিনি ছিলেন একজন সমঝোতামূলক প্রার্থী; বেন ডেভিসও এই পদের জন্য প্রচারণা চালাচ্ছিলেন এবং কৃষ্ণাঙ্গ নেতৃত্বের একটি বড় অংশসহ পার্টির অনেক মানুষ সেই সম্ভাবনায় ভীত ছিল। লিজকে তখন সেরা বিকল্প মনে হয়েছিল। পার্টিতে এলিজাবেথের খুব ইতিবাচক খ্যাতি ছিল। ১৯৩০-এর দশকে যখন তিনি পুনরায় যোগ দেন (তিনি ১৯২০-এর দশকে সংক্ষিপ্তভাবে এবং গোপনে সদস্য ছিলেন), তখন তিনি সরাসরি শীর্ষ নেতৃত্বে চলে আসেন। পদমর্যাদায় উপরে ওঠার লড়াইয়ে অন্যান্য নারীদের যে কঠোর আচরণের প্রয়োজন হতো, তার সেটি করার প্রয়োজন পড়েনি। তিনি মানুষের প্রতি এমনভাবে আন্তরিক ছিলেন যা অধিকাংশ পার্টি নেতার মধ্যে ছিল না। আমি যখনই নিউ ইয়র্কে যেতাম, চেলসি হোটেলে তার সাথে দেখা করার চেষ্টা করতাম যেখানে তিনি থাকতেন। তার রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং জাতীয় অফিসে তার সহকর্মীদের সম্পর্কে তার তীক্ষ্ণ ও নির্ভীক মতামতের কারণে তিনি শোনার মতো একজন ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তিনি জিন ডেনিসকে পছন্দ করতেন কিন্তু ফস্টারের প্রতি সবসময় সমালোচনামূলক ছিলেন। স্পষ্টতই এই বিরোধ অনেক অনেক বছর আগের। ইউনিয়ন সংগঠক হিসেবে তার বীরত্বপূর্ণ অতীতের গ্ল্যামার তাকে মোহিত করতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত তার নিজেরও এমন সব পরিচয় ছিল যা ফস্টারের চেয়ে কোনো অংশে কম প্রভাবশালী ছিল না। তিনি পার্টির জনসম্মুখের মুখ হিসেবে এবং ওবলিদের ঐতিহাসিক অতীত, লরেন্সের "ব্রেড অ্যান্ড রোজেস" ধর্মঘট এবং স্পোকেনের বাক-স্বাধীনতা লড়াইয়ের যোগসূত্র হিসেবে খুব কার্যকর ছিলেন। বিশাল শ্রোতাদের সামনে সহজ ভাষায় কথা বলার এবং তাৎক্ষণিক সম্পর্ক তৈরি করার এক অসাধারণ ক্ষমতা তার ছিল। এটি ছিল পার্টির পুরনো দিনের আন্দোলনকারীদের একটি গুণ যা ফ্লিন, ফস্টার এবং ক্ল্যারেন্স হ্যাথওয়ের মতো মানুষের মধ্যে এটি আমার প্রজন্মের চেয়ে অনেক বেশি ছিল। তবে সময়ের সাথে সাথে লিজের প্রতি আমার মিশ্র অনুভূতি তৈরি হয়েছিল। পার্টির সভাগুলোতে তিনি সবসময় গুস বা সোভিয়েত ইউনিয়নের কাছে অগ্রহণযোগ্য কিছু না বলার বিষয়ে খুব সতর্ক থাকতেন। তিনি আমাকে নিয়ে এবং আমার রাজনীতি আমাকে যে খারাপ পরিণতির দিকে নিয়ে যাবে তা নিয়ে চিন্তিত ছিলেন।
** [[ডরোথি রে হিলি]], ''ক্যালিফোর্নিয়া রেড: আ লাইফ ইন দ্য আমেরিকান কমিউনিস্ট পার্টি'' (১৯৯০)
* আমি এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন এবং পেটিস পেরি ও আমার সকল সহ-অভিযুক্তদের সেই বিশ্বাসে বিশ্বাসী যে আমেরিকার শ্বেতাঙ্গ ও কৃষ্ণাঙ্গ শ্রমজীবী মানুষ নিশ্চয়ই জেগে উঠবে। তারা ভেড়ার পালের মতো নয় বরং তাদের স্বাধীনতার প্রতি সজাগ দৃষ্টি রেখে জেগে উঠবে যাতে এটি নিশ্চিত করা যায় যে শান্তি জয়ী হবে এবং এই ক্ষয়িষ্ণু স্মিথ অ্যাক্ট যা বিল অফ রাইটস বা অধিকারের বিলকে লঙ্ঘন করে তা ইতিহাসের পাতা থেকে মুছে যাবে।
** [[ক্লডিয়া জোন্স]], [https://speakingwhilefemale.co/radicals-jones/ বিবৃতি] (জানুয়ারি ১৯৫৩)
*আমি তোমাকে দেখব সেইসব কচি অঙ্কুরিত চারার মাঝে/যারা আগাছাকে অবজ্ঞা করে—সন্দেহে কুঁকড়ে যাওয়া বার্ধক্যকে/সেইসব ব্যবহারকারীদের যারা গালিগালাজে কলুষিত করে,/সংগ্রামের মধ্য দিয়ে গড়ে তোলা সেবায় নিবেদিত এক সার্থক জীবনকে... আমি তোমাকে চিরদিন মনে রাখব/এবং কীভাবে তোমার আত্মা প্রতিধ্বনিত হয়/কারণ তোমার বিশ্বাস আগুনের শিখার মতো লাফিয়ে ওঠে/যা সবকিছুর জন্য এক মধুর লালন।
** ''ক্লডিয়া জোন্স: বিয়ন্ড কন্টেইনমেন্ট: অটোবায়োগ্রাফিক্যাল রিফ্লেকশনস, এসেস, অ্যান্ড পোয়েমস'' গ্রন্থে "টু এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন" কবিতা।
*ডরোথি ডে এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিনকে (যিনি ১৯৩৭ সালে ইউ.এস. কমিউনিস্ট পার্টিতে যোগ দিয়েছিলেন) "শব্দের গভীরতম অর্থে আমার বোন" হিসেবে গণ্য করতেন। ডে লিখেছিলেন, ফ্লিন "সর্বদাই তা-ই করেছেন যা আজকাল সাধারণ মানুষদের করার জন্য তাগিদ দেওয়া হয়। তিনি দরিদ্রদের রক্ষায়, তাদের অন্যায় ও অভাব থেকে বাঁচাতে নিজের ক্ষমতার সবটুকু করার দায়িত্ব অনুভব করতেন" (লং লোনলিনেস, ১৪৫-১৪৬)।
** [[মার্গারেট সি. জোন্স]], ''হেরিটিকস অ্যান্ড হেলরাইজার্স: উইমেন কন্ট্রিবিউটরস টু দ্য মাসেস, ১৯১১-১৯১৭'' (১৯৯৩)
*শ্রম আন্দোলনের ইতিহাসের আমার অন্যতম প্রিয় ব্যক্তিত্ব এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন—সেই বিখ্যাত 'রেবেল গার্ল' যাকে নিয়ে জো হিল গান গেয়েছিলেন এবং যিনি নিজের যোগ্যতায় একজন অসাধারণ ইউনিয়ন সংগঠক ছিলেন—ঊনবিংশ শতাব্দীতেই একটি অত্যন্ত সঠিক কথা বলেছিলেন। তথাকথিত রুটি-রুজির অর্থনৈতিক ইস্যুগুলোর সমান গুরুত্ব দিয়ে রাজনৈতিক ও সামাজিক ন্যায়বিচারের দাবিগুলো ধরে রাখার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে তিনি বলেছিলেন: "শ্রমিকের বিজয় আসলে কী? আমি মনে করি এটি একটি দ্বিমুখী বিষয়। পূর্ণাঙ্গ বিজয় অর্জনের জন্য শ্রমিকদের কেবল অর্থনৈতিক সুবিধাই অর্জন করলে চলবে না, তাদের মধ্যে বিপ্লবী চেতনাও থাকতে হবে। শ্রমিকদের দিনে কয়েক সেন্ট বেশি পাওয়া বা কয়েক মিনিট কম কাজ করে সেই একই মানসিকতা এবং সমাজের প্রতি একই দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কাজে ফিরে যাওয়া মানে একটি সাময়িক লাভ অর্জন করা, কোনো স্থায়ী বিজয় নয়।"
** কিম কেলি (সাংবাদিক), ''ফাইট লাইক হেল: দ্য আনটোল্ড হিস্ট্রি অফ আমেরিকান লেবার'' (২০২২)
* ফ্লিনের ভাষায়, এটি ছিল "আমেরিকান শ্রম ইতিহাসের এক অতুলনীয় দিন... লরেন্সে তখন ত্রাসের রাজত্ব চলছিল যা আক্ষরিক অর্থেই আমেরিকাকে কাঁপিয়ে দিয়েছিল।"
** কিম কেলি (সাংবাদিক), ''ফাইট লাইক হেল: দ্য আনটোল্ড হিস্ট্রি অফ আমেরিকান লেবার'' (২০২২)
* ঐতিহ্যবাহী মার্কসবাদী তত্ত্ব অনুযায়ী গৃহিণীদের শ্রেণি সচেতনতা ছিল প্রশ্নবিদ্ধ কারণ তারা প্রায়ই আমূল সংস্কারবাদী পুরুষদের জন্য নির্ভরযোগ্য সহযোগী ছিলেন না। প্রলেতারিয়েত বা সর্বহারা পুরুষদের সম্মুখযাত্রায় গৃহিণীদের সাধারণত কৃষক এবং বুদ্ধিজীবীদের সাথে সম্ভাব্য রক্ষণশীল ও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী হিসেবে গণ্য করা হতো। নারী সমতা প্রতিটি মার্কসবাদী আন্দোলনের ঘোষিত লক্ষ্য ছিল কিন্তু নারী ইস্যুগুলোকে যেভাবে দেখা হতো তাতে একটি পরিষ্কার বার্তা পাওয়া যেত যে নারীদের কাজ সংগ্রামের ক্ষেত্রে গৌণ ছিল যদি না তারা পুরুষদের পদ্ধতিতে কাজ করার ক্ষেত্রে পারদর্শিতা দেখাত। মহান এবং বিখ্যাত নারী নেত্রী যেমন [[ডলোরেস ইবারুরি|লা পাসিওনারিয়া]], [[মাদার ব্লুর]], [[এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন]] এবং [[ক্লারা লেমলিচ]] গৃহিণীদের সংগঠিত করেননি বরং তারা নারী কলকারখানা শ্রমিক এবং নারী সহায়ক দল অথবা পুরুষদের সংগঠিত করেছিলেন।
** [[গের্ডা লার্নার]], ''ফায়ারউইড: আ পলিটিক্যাল অটোবায়োগ্রাফি'' (২০০২)
*যুদ্ধবন্দিদের জন্য আমার সফরের সময় আমি পর্যায়ক্রমে নিউ ইয়র্কে ফিরে আসতাম সংগঠনকে রিপোর্ট দিতে এবং এই কাজে এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন ও অন্যদের সাথে পরামর্শ করতে। এভাবেই আইরিশ লড়াকু পূর্বপুরুষদের সেই লড়াকু কন্যার সাথে আমার দীর্ঘ বছরের মেলামেশা শুরু হয়। ষোলো বছর বয়সেই তিনি আইডব্লিউডব্লিউ.-তে সক্রিয় ছিলেন এবং জো হিল তাকে নিয়ে একটি ওবলি গান লিখেছিলেন, "দ্য রেবেল গার্ল"। যদিও কমিউনিস্ট পার্টির শুরুর দিনগুলোতে তিনি আমাদের সাথে যোগ দেননি, কিন্তু তিনি আমাদের সাথে খুব ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতেন। পরিশেষে, ওরেগনের পোর্টল্যান্ডে দশ বছর অসুস্থ থাকার পর তিনি নিউ ইয়র্কে ফিরে আসেন এবং পার্টিতে যোগ দেন। আজ তিনি আমাদের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বক্তা এবং আমাদের জাতীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সম্মানিত ও প্রিয় সদস্য। এলিজাবেথের জীবনের গল্প এই দেশের অনেক মহান শ্রমিক সংগ্রামের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে। সর্বত্র শ্রমিকরা তার সুন্দর সুমধুর কণ্ঠস্বর, উজ্জ্বল উদ্দীপনা এবং বিশাল লড়াকু হৃদয়ের কথা জানে। ক্যালুমেট, পাসাইক, প্যাটারসন, লরেন্সের মতো জায়গার পিকেট লাইন এবং মঞ্চ তাকে চেনে। আজ তার একমাত্র ছেলে ফ্রেডের আকস্মিক মৃত্যুর শোকের ভার বহন করেও তিনি এমন এক বিশ্বের জন্য লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন যেখানে মায়েদের তাদের প্রভুদের স্বার্থ রক্ষার যুদ্ধে অকারণে সন্তান হারাতে হবে না।
** [[এলা রিভ ব্লুর]], ''উই আর মেনি: অ্যান অটোবায়োগ্রাফি'' (১৯৪০)
*যে নারীর প্রতি আমার গভীরতম শ্রদ্ধা ছিল, তিনি অবশ্যই এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিন।
** [[এমা তেনাইউকা]], [https://awpc.cattcenter.iastate.edu/2017/03/09/1930s-san-antonio-union-movement-feb-21-1987/ সাক্ষাৎকার] (১৯৮৭)
*তিনি তার এই বিস্ময়কর রেকর্ডের সূচনা করেছিলেন পনেরো বছর বয়সে রাস্তার মোড়ে গ্রেপ্তার হওয়ার মাধ্যমে। তার বাবাও তার সাথে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। এরপর থেকে তার বাবা আর কখনও গ্রেপ্তার হননি। এটি ছিল তার জন্য কেবল শুরু। বিচারক কৌতূহলী হয়ে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, "তুমি কি ব্রডওয়েতে কথা বলে মানুষকে সমাজতন্ত্রে দীক্ষিত করার আশা করো?" তিনি বিচারকের দিকে তাকালেন এবং গম্ভীরভাবে উত্তর দিলেন, "অবশ্যই করি।" বিচারক করুণায় দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন, "মামলা খারিজ।"
** [[মেরি হিটন ভোর্স]] (১৯২৬), গের্ডা লার্নার সম্পাদিত ''দ্য ফিমেল এক্সপেরিয়েন্স: অ্যান আমেরিকান ডকুমেন্টারি'' গ্রন্থে সংকলিত।
* তিনি আইডব্লিউডব্লিউ-তে যোগ দিয়েছিলেন যা তখন তার স্বর্ণযুগে ছিল। আদর্শবাদে পরিপূর্ণ এই সংগঠন উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছিল। তারা সব জায়গায় বাক-স্বাধীনতা রক্ষার লড়াই করেছিল। কর্তৃপক্ষ তাদের গ্রেপ্তার করত কিন্তু আরও বেশি মানুষ এগিয়ে আসত। তারা জেলখানাগুলোকে কানায় কানায় পূর্ণ করে ফেলেছিল। এলিজাবেথ বলেছিলেন যে একটি শহরে জেলে এত বেশি মানুষ ছিল যে তারা দিনের বেলা তাদের বাইরে ছেড়ে দিত। আমাদের বাইরে থেকে তাদের খাওয়াতে হতো। প্রতি রাতে তারা আবার জেলে ফিরে যেত। অবশেষে ওবলিরা সিদ্ধান্ত নিল যে যখন জেলের দরজা খোলা হবে তখন তারা আর বের হবে না। দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ সেই ওবলিদের দেখতে আসত যারা জেলখানা ছেড়ে যেতে চাইত না। পশ্চিমের যাযাবর শ্রমিকদের সংগঠিত করা এবং তাদের অধিকারের লড়াই করার এই সময়টুকুই তার জীবনের সেই অংশ যা তিনি সবচেয়ে বেশি পছন্দ করেন।
** মেরি হিটন ভোর্স (১৯২৬), গের্ডা লার্নার সম্পাদিত ''দ্য ফিমেল এক্সপেরিয়েন্স: অ্যান আমেরিকান ডকুমেন্টারি'' গ্রন্থে সংকলিত।
*প্রতিরক্ষার কাজ তার কাছে নতুন কিছু ছিল না এবং ১৯১৮ সাল থেকে ইদানীংকাল পর্যন্ত তার প্রধান কাজ ছিল রাজনৈতিক বন্দিদের জেল থেকে মুক্ত করা। আর ১৯২১ সাল থেকে তিনি স্যাকো-ভানজেত্তি মামলার ওপর মনোযোগ নিবদ্ধ করেছেন। সেখানে ছিল নিরন্তর কাজ, ছিল গ্রেপ্তার এবং তার আদর্শের জন্য বন্দি হওয়া কমরেডদের নিয়ে তার নিরন্তর ব্যস্ততা। শ্রমিক আন্দোলনে তার প্রথম বিশ বছর পার করার পরও তিনি অম্লান এবং নিরুৎসাহহীন।
** মেরি হিটন ভোর্স (১৯২৬), গের্ডা লার্নার সম্পাদিত ''দ্য ফিমেল এক্সপেরিয়েন্স: অ্যান আমেরিকান ডকুমেন্টারি'' গ্রন্থে সংকলিত।
*প্রগতিশীল বা আমূল সংস্কারবাদী আন্দোলনে সক্রিয় যেসব সুন্দরী নারীর সাথে আমার দেখা হয়েছে, তাদের সুন্দর স্মৃতি ছাড়া যদি মনে রাখার মতো আর কিছু না-ও থাকত, তবুও জীবন সার্থক হতো। আমি এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিনের প্রেমে পড়েছিলাম যখন একজন তরুণী হিসেবে তিনি তার স্পষ্ট ও সুমধুর কণ্ঠে হাজার হাজার মানুষকে সামাজিক বিদ্রোহের আদর্শে উদ্বুদ্ধ করেছিলেন।
** [[আর্ট ইয়াং]], ''হিজ লাইফ অ্যান্ড টাইমস'' (১৯৩৯)
*বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকের সেইসব বিপ্লবীদের শক্তি ও উদ্দীপনার আঁচ পাওয়া যায় কেবল এলিজাবেথ গার্লি ফ্লিনের পুলিশের রেকর্ড বা অপরাধের তালিকার দিকে তাকালে।
** [[হাওয়ার্ড জিন]], ''আ পিপলস হিস্ট্রি অফ দ্য ইউনাইটেড স্টেটস''
== বহিঃসংযোগ ==
{{উইকিপিডিয়া}}
[[বিষয়শ্রেণী:শ্রমিক নেতা]]
[[বিষয়শ্রেণী:শ্রমিক আন্দোলনকর্মী]]
[[বিষয়শ্রেণী:নারী অধিকার কর্মী]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নারী সক্রিয়কর্মী]]
[[বিষয়শ্রেণী:কমিউনিস্ট পার্টি ইউএসএ-এর সদস্য]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নারীবাদী]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আত্মজীবনীকার]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক লেখক]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লেখিকা]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমাজতন্ত্রী]]
[[বিষয়শ্রেণী:বাক-স্বাধীনতা আন্দোলনকর্মী]]
[[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাম্যবাদী]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৮৯০-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯৬৪-এ মৃত্যু]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯শ শতাব্দীতে জন্মগ্রহণকারী নারী]]
[[বিষয়শ্রেণী:নিউ হ্যাম্পশায়ারের ব্যক্তি]]
c35onv5nekujmw5bcj7ct04fftrxoxi